উইকিউক্তি
bnwikiquote
https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE
MediaWiki 1.46.0-wmf.26
first-letter
মিডিয়া
বিশেষ
আলাপ
ব্যবহারকারী
ব্যবহারকারী আলাপ
উইকিউক্তি
উইকিউক্তি আলোচনা
চিত্র
চিত্র আলোচনা
মিডিয়াউইকি
মিডিয়াউইকি আলোচনা
টেমপ্লেট
টেমপ্লেট আলোচনা
সাহায্য
সাহায্য আলোচনা
বিষয়শ্রেণী
বিষয়শ্রেণী আলোচনা
TimedText
TimedText talk
মডিউল
মডিউল আলাপ
ইভেন্ট
ইভেন্ট আলোচনা
ব্যবহারকারী আলাপ:MS Sakib
3
765
83357
82558
2026-05-03T19:59:05Z
Tuhin
172
/* দৌলতাবাদ, মহারাষ্ট্র */ নতুন অনুচ্ছেদ
83357
wikitext
text/x-wiki
== আন্তঃভাষা সংযোগ ==
টেমপ্লেট/মডিউল তৈরি করলে সেগুলোতে উইকিউপাত্ত সংযোগ দিয়ে দিয়ো। [[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ২১:৩৪, ১১ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি)
== ঠিক করেছি! ==
[[সাওম]] এবং [[আগুন]] নিবন্ধ ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:Rifat008|Rifat008]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Rifat008|আলাপ]]) ১২:৪৫, ১ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Rifat008|Rifat008]] গৃহীত হয়েছে। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib </b>]][[User talk:MS Sakib| «আলাপ»]]</b> ১৫:০৯, ১ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি)
== আবুবকর সিদ্দিক ==
[[আবুবকর সিদ্দিক]] উক্তি আরো যুক্ত করা হয়ছে এখম সম্ভব ১৫০ শব্দ হবে। যদি আবার একটু দেখতেন। [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:মোহাম্মদ জনি হোসেন|আলাপ]]) ১৪:২৮, ১ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]], গৃহীত হয়েছে। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib </b>]][[User talk:MS Sakib| «আলাপ»]]</b> ১৫:০৯, ১ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি)
== ১৫০ শব্দের অধিক করেছি ==
' শকুনি ' পেজে উক্তি আরো যোগ করা হয়েছে এবং ১৫০ চেয়ে বেশি শব্দ হয়েছে। প্লিজ চেক করে পয়েন্ট এড করে দিয়েন। ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Devshekhar97|Devshekhar97]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Devshekhar97|আলাপ]]) ১০:৩০, ৫ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Devshekhar97|Devshekhar97]] "শকুনি সম্পর্কে উক্তি"টা <s>লার</s>কার উক্তি? উৎস প্রয়োজন। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib </b>]][[User talk:MS Sakib| «আলাপ»]]</b> ২১:১৯, ৫ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি)
::আপনি কি বুঝাতে চেয়েছেন উক্ত সেকশানে লেখাটা কার বা কথা থেকে উল্লেখ করেছি?
::এমন হলে এটা আমি লিখেছি। নাকি উক্ত অংশ টি বাদ দিয়ে দিব? [[ব্যবহারকারী:Devshekhar97|Devshekhar97]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Devshekhar97|আলাপ]]) ১১:৫০, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Devshekhar97|Devshekhar97]] কারো সম্পর্কে নিজের উক্তি যোগ করা যাবে না। বিখ্যাত ব্যক্তিদের উক্তি যোগ করতে হবে। এটা বাদ দিন। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib </b>]][[User talk:MS Sakib| «আলাপ»]]</b> ১১:৫২, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি)
::::ও জানতাম না ।বাদ দিয়েছি। চেক করেন।।ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Devshekhar97|Devshekhar97]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Devshekhar97|আলাপ]]) ১৩:১৪, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি)
:::::@[[ব্যবহারকারী:Devshekhar97|Devshekhar97]] ১৫০ শব্দ হয়নি। তাছাড়া উক্তির চেয়ে ভূমিকার আকার বেশি। আরও কয়েকটা উক্তি যোগ করুন। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib </b>]][[User talk:MS Sakib| «আলাপ»]]</b> ১৪:৫৩, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে ==
সুপ্রিয় MS Sakib, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ ও ৩০ এপ্রিল শেষ দিন পর্যন্ত অংশ নেওয়া অব্যাহত রাখুন।
আপনার অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে: প্রতিযোগিতায় এখন থেকে '''নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে না''' অর্থাৎ <u>নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র ছাড়া অন্য উল্লেখযোগ্য যেকোনও কিছু নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে</u>।
;কেন নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র বাদ দেওয়া হয়েছে?
:প্রতিযোগিতা শুরুর পর অনেকেই নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা বানিয়েছেন। তবে লক্ষ্য করা গেছে যে, অনেকে শব্দ সংখ্যা বাড়াতে পুরো নাটক, উপন্যাস তুলে দিচ্ছেন। যা কোন ক্রমে কাম্য নয়। এটি অন্য প্রতিযোগীদের প্রতিও সুবিচার করা হয় না।
; আমি যে নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র জমা দিয়েছি তার কী হবে?
: যারা এই ঘোষণার পূর্বে অর্থাৎ ৬ এপ্রিল বা তার আগে এই জাতীয় উক্তির পাতা জমা দিয়েছেন সেগুলি গৃহীত হবে (অবশ্যই সংশোধনপূর্বক)।
আরেকটি বিষয়ের প্রতি আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। এটাও লক্ষ্য করা গেছে যে অনেকে উক্তির উৎস দিচ্ছেন না। দয়া করে উক্তির উৎস দিতে ভুলবেন না। দয়া করে উদাহরণ হিসেবে [[চঞ্চল চৌধুরী]], [[নোম চম্স্কি]] পাতায় কীভাবে উক্তি ও উক্তির উৎস দেওয়া হয়েছে তা দেখুন।
আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৯:৪৭, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি)
<!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:%E0%A6%86%E0%A6%AB%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE&oldid=31634-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন -->
== জুলুম ==
[[জুলুম]] ভুক্তি আরও ৩ উক্তি যুক্ত করা হয়ছে, [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:মোহাম্মদ জনি হোসেন|আলাপ]]) ১৪:১৩, ১৮ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি)
== MS Sakib ভাইয়া আপনার কথা মতো কবিতা টেমপ্লেট যোগ করেছি ==
MS Sakib ভাইয়া আপনার কথা মতো খান আতাউর রহমান পৃষ্ঠায় কবিতা টেমপ্লেট যোগ করেছি। অনুগ্রহ করে একবার দেখে নেবেন। ধন্যবাদ! [[ব্যবহারকারী:HridoyKundu|HridoyKundu]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:HridoyKundu|আলাপ]]) ১৩:৪৯, ৩০ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:HridoyKundu|HridoyKundu]] হ্যাঁ, ঠিকমতোই করেছেন। সংশোধনের জন্যে ধন্যবাদ। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib </b>]][[User talk:MS Sakib| «আলাপ»]]</b> ১৬:২৫, ৩০ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি)
::আপনাকেও ধন্যবাদ😁 [[ব্যবহারকারী:HridoyKundu|HridoyKundu]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:HridoyKundu|আলাপ]]) ০৬:০৪, ১ মে ২০২৪ (ইউটিসি)
== পাতা তৈরি প্রসংঙ্গে ==
অনিতা আগ্নেহোত্রী পাতায় তো যোগ করা উক্তি ঠিক ছিলো। তবে কেনো আমাকে পয়েন্ট দেওয়া হলো না? [[ব্যবহারকারী:অজয় অধিকারী|অজয় অধিকারী]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:অজয় অধিকারী|আলাপ]]) ০৬:৪২, ৪ মে ২০২৪ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:অজয় অধিকারী|অজয় অধিকারী]] আপনি কেবল একটি উক্তি যোগ করেছেন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪|প্রতিযোগিতার নিয়ম]] অনুসারে কমপক্ষে তিনটি উক্তি এবং কমপক্ষে ১৫০ শব্দ থাকতে হবে প্রতিটি ভুক্তিতে। তাই গৃহীত হয়নি। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib </b>]][[User talk:MS Sakib| «আলাপ»]]</b> ১৪:৪৯, ৪ মে ২০২৪ (ইউটিসি)
ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:অজয় অধিকারী|অজয় অধিকারী]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:অজয় অধিকারী|আলাপ]]) ০৯:৪০, ৫ মে ২০২৪ (ইউটিসি)
== ৩-৪ টি উক্তি একই উৎস থেকে হওয়ায় আমি বারবার একই উৎস দিই নাই ==
সুধী,
আশা করি ভালো আছেন। রফিকুল ইসলাম (অধ্যাপক) পাতায় সংশোধনী আনা বলার জন্য ধন্যবাদ।
আপনি যা উল্লেখ করেছিলেন "যেসব উক্তির উৎস নেই, সেগুলো যোগ করুন।"
আমি মূলত ৩-৪ টি উক্তি একই উৎস থেকে হওয়ায় আমি বারবার একই উৎস দিই নাই। তাই একই উৎস থেকে পর পর উক্তিগুলো দেওয়ার পর আমি প্রত্যেকটা শেষের উক্তিতে উৎস যোগ করেছিলাম।
ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:HridoyKundu|HridoyKundu]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:HridoyKundu|আলাপ]]) ০৩:৫৭, ৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি)
:bhai compition er rerult kobe diben [[ব্যবহারকারী:Md Rafiqul Islam Siyam334|Md Rafiqul Islam Siyam334]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Rafiqul Islam Siyam334|আলাপ]]) ০৯:৩৭, ৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:HridoyKundu|HridoyKundu]] ধন্যবাদ। বুঝতে পেরেছি।
::@[[ব্যবহারকারী:Md Rafiqul Islam Siyam334|Md Rafiqul Islam Siyam334]]: [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪/পরিসংখ্যান|এই পাতায়]] শব্দগণনার কাজ শুরু হয়েছে। শব্দগণনা শেষ হলেই ফলাফল পেয়ে যাবেন। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib </b>]][[User talk:MS Sakib| «আলাপ»]]</b> ১০:৫৮, ৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪: ফরম পূরণ করুন ==
সুপ্রিয় MS Sakib, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪/পরিসংখ্যান#ফলাফল|শীর্ষ ২০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLScZptwVHdLgFGVAjzk79Ew7MjAcCUyL1PigcfsNwxBn5VeC6w/viewform?usp=sf_link এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৪:২৭, ১৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি)
== নারীবাণী ২০২৪ পদক ==
{| style="background-color: #fee5e5; border: 2px solid #754796;"
|rowspan="2" style="vertical-align: middle; padding: 5px;" | [[File:Shesaid project Barnstar.png|100px|link=]]
|style="font-size: x-large; padding: 3px 3px 0 3px; height: 1.5em; color:#642882;" | '''#নারীবাণী পদক
|-
|style="vertical-align: middle; padding: 3px;" | '''সুপ্রিয় MS Sakib!,<br>'''
'''[[উইকিউক্তি:নারীবাণী|<nowiki>#</nowiki>নারীবাণী ২০২৪]]''' প্রকল্পে অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ! এই প্রকল্পে আপনি ৩টি
নতুন ভুক্তি তৈরি করেছেন। প্রকল্পে অংশ নিয়ে নতুন ভুক্তি তৈরির জন্য আপনাকে এই পদক প্রদান করা হয়েছে। আশা করি, আপনার আগামীর যাত্রা শুভ হোক, আরো সাফল্যমণ্ডিত হোক।'''</br></br>শুভেচ্ছান্তে,
</br>
নারীবাণী আয়োজকবৃন্দ'''
|}
== উক্তি জমা দিয়েছি দেখেন ==
ভাই আমি উক্তি পেজ জমা দিয়েছি , আমার পরে যারা জমা দিয়েছে সেগুলো এপ্রুভ হচ্ছে কিন্তু আমারটা এখনো পেন্ডিং পরে আছে। একটু দেখবেন প্লিজ। [[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Shuvo Sheikh|আলাপ]]) ০৫:৫৯, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:অপেক্ষা করুন, আপনার ভুক্তি পর্যালোচনা করা হবে। [[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Mobashir Hossain|আলাপ]]) ০৬:৫৬, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::ঠিক আছে ভাই, ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Shuvo Sheikh|আলাপ]]) ১৪:৩৭, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] আরেকটা ব্যাপার সেটা হলো ফলাফল ৭ই মের পরে দিবে আর প্রতিযোগিতা ৭ই মে পর্যন্ত থাকবে। তাই তাড়াহুড়ার কিছুই নাই। [[User:Md Mobashir Hossain|মোবাশশির]] <small>[[User Talk:Md Mobashir Hossain|বার্তা দিন]]</small> ১৪:৩৯, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::::আপনি কি পর্যালোচনা কমিটিতে আছেন?
::::আপনি নিজেও তো মনে হয় উক্তি জমা দিচ্ছেন। [[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Shuvo Sheikh|আলাপ]]) ১৬:৩৫, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:::::@[[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]], শেষ প্রশ্নটা কি মোবাশশিরকে করেছেন? ওনি পর্যালোচক দলে নেই, প্রতিযোগী হিসেবে অংশগ্রহণ করেছে।
:::::দ্বিতীয়ত, ওনার উত্তরটা সঠিক। সব নিবন্ধই পর্যালোচনা করা হবে; অনেক সময় আছে, তাই তাড়াহুড়োর কিছু নেই। আপনি বেশি বেশি মানসম্মত পাতা তৈরি করে প্রতিযোগিতা চালিয়ে যান। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ২১:৪০, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::::::জ্বী মোবাশশিরকে করেছিলাম।
::::::ঠিক আছে ধন্যবাদ ভাই, অপেক্ষায় রইলাম। পর্যালোচনা করলে কাজের আগ্রহ বাড়ে, এই জন্য আপনাকে নক দিয়েছিলাম আর কি। [[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Shuvo Sheikh|আলাপ]]) ০৭:১৮, ১৬ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:2000 [[বিশেষ:অবদান/~2026-22362-67|~2026-22362-67]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-22362-67|আলাপ]]) ২২:২৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== ২ টা নিবন্ধ একই ==
[[নিউজিল্যান্ড]] ও [[নেদারল্যান্ডস]] একই নিবন্ধ হয়ে গেলো মনে হয় একটু দেখা অনুরোধ। [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:মোহাম্মদ জনি হোসেন|আলাপ]]) ১৪:৫৩, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী: Malihamoni| Malihamoni]], আপনি [[নেদারল্যান্ডস]] নিবন্ধে [[নিউজিল্যান্ড]]-এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট উক্তি লিখেছেন। অনুগ্রহপূর্বক [[নেদারল্যান্ডস]] পাতাটি পুরোপুরি খালি করে এখানে [[:en:Netherlands]] থেকে লেখা অনুবাদ করুন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৫:৩৭, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== পুনরায় পর্যবেক্ষণের আবেদন ==
প্রিয় প্রশাসক, চিহ্নিত করা সমস্যাগুলো সংশোধন করা হয়েছে ।
*[[শিমন পেরেজ]]
*[[শার্লমাইন]]
*[[সিঙ্গাপুর]]
[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৩:২৪, ৭ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] শিমন পেরেজে সব লিংক যোগ করা হয়নি! একবার পুনঃপর্যালোচনার পর ত্রুটি থাকলে গ্রহণ করার সুযোগ নেই। তবুও আপনাকে এগুলো সব বাকি সব দ্রুত সংশোধনের সুযোগ দিচ্ছি। আপনার বিভিন্ন পাতায় অপরিশোধিত AI অনুবাদ, লিংক ঘাটতি সহ নানান ত্রুটি আছে। সবগুলো দ্রুত ঠিক করুন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৫:৩০, ৮ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] সিঙ্গাপুরেও লিংক যুক্ত কতা হয়নি। উক্তিগুলো যাচাইযোগ্য নয়। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৫:৩২, ৮ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== লিন্ডন বি. জনসন ==
[[লিন্ডন বি. জনসন]] পাতাটিতে যেসব সংখ্যা রয়েছে তার অনেকগুলো ইংরেজিতে রয়েছে, বাংলা করা প্রয়োজন। –– [[ব্যবহারকারী:Tahmid|তাহমিদ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tahmid|আলাপ]]) ১৩:০৬, ৮ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Tahmid|Tahmid]] অনেক ধন্যবাদ। ঠিক করা হয়েছে। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৫:৪৮, ৮ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== অপসারণ কেনো? যুক্তি প্রয়োজন ==
ভাই, আপনি [[ফ্রেডরিক ডগলাস]] পাতাটিতে অপসারণের ট্যাগ লাগিয়েছেন। কিন্তু কারণ দেখতে পাচ্ছিনা। ― <span style="color:white; background-color:red;"> ☪ </span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৪:৫৩, ১২ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]]: ও হ্যাঁ। [[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker]] অর্থাৎ, প্রণেতাই বলেছিল অপসারণ করতে। তার ভাষ্যমতে সে এই পাতায় কোনো সংশোধনই করতে পারেনি। [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন]] পাতাটিকেও সে ডিলেট করে দিতে বলেছে। এগুলোতে সে যান্ত্রিকতা সংশোধনের সময় বা সুযোগ পায়নি। বিষয়টি পর্যালোচনা করে দেখুন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ২০:৪৪, ১২ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] আমার মনে হয়, আন্তঃউইকি সংযোগ দিয়ে রাখা যেতে পারে; ভবিষ্যতে যদি কেউ সম্পাদনা করতে চায়; করতে পারবে। এগুলি তো ইংরেজি থেকেই অনুবাদ করা হয়েছে। প্রতিযোগিতার বিষয় তো ভিন্ন। ― <span style="color:white; background-color:red;"> ☪ </span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০৫:০১, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] রাখা যেতে পারে। তবে [[ফ্রেডরিক ডগলাস]] পুরোপুরি অপরিশোধিত পাতা। এটা অপসারণ করলেই ভালো হবে আমার মতে। বিশেষত প্রণেতাই যখন রাখতে চাচ্ছে না। db-author বিবেচনা করতে পারেন।
:::@[[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]]। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৬:০১, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== পুনরায় পর্যালোচনার আবেদন ==
[[মারিয়া রেসা]] এবং [[শিমন পেরেজ]] পাতা গুলোতে চিহ্নিত ভূল গুলো সংশোধন করা হয়েছে।
এবার গ্রহণ করতে পারেন।
[[আপনার মেসেজ ছিল "তথ্যসূত্রগুলোতে লিংক যোগ করা হয়নি। দ্রুত ইংরেজি পাতা থেকে লিংকগুলো কপি করে বসিয়ে আমাকে জানান। তারপর গ্রহণ করে নিব।"]]
[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১১:২৯, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] দুঃখিত। যান্ত্রিক হওয়ায় একটাও গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৭:৫৩, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
::ঠিক আছে। আচ্ছা [[জন হার্ভে কেলোগ]] এই পাতাটিতে এত বড় অনুবাদ কিভাবে করেছে এবং কি কি উপায়ে আমি অনুবাদ করতে পারি। [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৭:৫৭, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== পুনঃপর্যালোচনা ==
[[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain]] -এর [[সুইডেন]] এবং [[ব্যবহারকারী: MD Sahib]] -এর [[প্রবীণ তোগাড়িয়া]] গৃহীত হয়েছে। ফলাফলে যোগ করে দিবেন। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ১৭:৩৭, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতা সম্পর্কে ==
ছাকিব ভাই, শুভেচ্ছা নিবেন। আশা করি ভালো আছেন। আপনি দেখলাম, উক্তি প্রতিযোগিতা নিয়ে কাজ করছেন। দেখে ভালো লাগলো। ব্যস্ততার কারণে আমি এবারও আপনার সাথ দিতে পারছিনা সেজন্য দুঃখ প্রকাশ করছি। আমি একটা বিশেষ দিকে নজর দেয়ার জন্য অনুরোধ করবো, যেটা আপনি ইতোমধ্যে নীতিমালায় যুক্ত করেছেন। কিন্তু গত বছরের প্রতিযোগিতায় অনেক বেশি হ্যালুসিনিটেড সূত্র দিয়ে পাতা তৈরি করা হয়েছিল ও গৃহীত হয়েছিল, যেগুলি আমি সময়ে সময়ে অপসারণ করছি ও করে যাচ্ছি। এমনকি, কিছুদিন আগে এর চেয়েও মারাত্মক বিষয় নজরে এসেছে, একজন অবদানকারীর সবগুলি অবদানই এআইয়ের ছিল, যেটা আলোচনাসভায় একজন ভিন্নভাষী দৃষ্টি আকর্ষণ করলে আমি ১০টার মতো পাতা অপসারণ করি। বিষয়টা কীভাবে সুরাহা করা যায়, সেটার দিকে বিশেষ নজর দেয়ার অনুরোধ থাকবে।
(এআইকে পুরোপুরি বাদ দেয়া যায় কিনা যে, এআই যুক্ত হলে পাতা অপসারিত হবে; বা এই ধরনের। কারণ, এআই অনেক বেশি হ্যালুসিনিটেড তথ্য যুক্ত করে। এমনকি আমি কয়েক দিন আগেও জেমিনাইয়ের লেটেস্ট প্রো সংস্করণ দিয়ে চেষ্টা করে দেখেছি। প্রথমে ঠিক থাকলেও হঠাৎ মিথ্যা তথ্য দেয়া শুরু করে, সেটাও খুবই পাণ্ডিত্যের সাথে। বিষয়টা নিয়ে কী করবো, আমি সময় করে ভাবতে পারিনি, কিন্তু আজকে আপনার কাজ দেখে মনে এলো। সেজন্য উল্লেখ করলাম।)
আপনাকে আবারও ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা। ― <span style="color:white; background-color:red;"> ☪ </span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ২২:০৩, ২২ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] অসংখ্য ধন্যবাদ। প্রতিযোগিতায় আপনাকে পেলে ভালো লাগতো, তবে ব্যক্তিগত ব্যস্ততার বিষয়টি বুঝতে পেরেছি।
:আমি আপাতত আগের প্রতিযোগিতার পাতাগুলো কপি-পেস্ট করেছি। তবে সেগুলো ধাপে ধাপে সংশোধন ও হালনাগাদ করা হবে। গতবারের অভিজ্ঞতা থেকে আপনার উদ্বেগ আমারও নজর এড়ায়নি। এআই ব্যবহারের নীতিমালা আরও কিছুটা কঠোর করার পরিকল্পনা আছে। তবে সহ-প্রকল্পে অনুবাদ সরঞ্জাম না থাকায় অনুবাদের ক্ষেত্রে এআই সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করার সময় হয়তো এখনও আসেনি।
:প্রাথমিকভাবে আমি যা ভাবছি:
:* সম্পূর্ণ এআই-জেনারেটেড উক্তি সরাসরি বাতিল করা হবে, সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হবে না।
:* অনুবাদের ক্ষেত্রে যদি এআই-জনিত সাধারণ ভুল (যেমন ইংরেজি উইকিলিংক, -এর/-এ/-তে ত্রুটি ইত্যাদি) পাওয়া যায়, সেক্ষেত্রেও সরাসরি বাতিল করা হবে
:* তবে যদি পাতার কাঠামো ঠিকঠাক থাকে এবং কেবল যান্ত্রিকতা বা ছোটখাটো সমস্যা থাকে, তাহলে সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হবে।
:শাস্তিমূলক দিক:
:* ৩টি সম্পূর্ণ এআই-জেনারেটেড পাতা হলে প্রতিযোগী সরাসরি অযোগ্য
:* ৫টি ত্রুটিপূর্ণ/অপরিশোধিত এআই অনুবাদ হলে প্রতিযোগিকে একটি সতর্কতা সাপেক্ষে অযোগ্য ঘোষণা
:* কাঠামো সঠিক, কিন্তু এআই-নির্ভর যান্ত্রিকতা থাকলে ৩ থেকে ৫টা সতর্কতার পর অযোগ্য ঘোষণা।
:এটি আপাতত একটি খসড়া পরিকল্পনা। এ বিষয়ে আপনার কোনো পরামর্শ থাকলে জানানোর অনুরোধ রইল। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১১:৫৫, ২৩ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] ধন্যবাদ! আপনার চিন্তা ঠিক আছে, পুরোপুরি বাদ দেয়া সম্ভব না। আসলে আমিও এটাই ভাবছিলাম, কিন্তু কী করা যায়, সেটা নিয়ে বেশি সময় দেয়া হয়নি। আপনার এই চিন্তায় আমার সমর্থন থাকবে। আবারও ধন্যবাদ ভাই। ― <span style="color:white; background-color:red;"> ☪ </span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৪:০৮, ২৩ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি)
== Khokon ==
[[বিশেষ:অবদান/~2026-20837-51|~2026-20837-51]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20837-51|আলাপ]]) ১৩:২৩, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পুনঃ পর্যালোচনা ==
আপনার নির্দেশনা অনুযায়ী নিম্নোক্ত নিবন্ধসমূহ সংশোধন করা হয়েছে,
* [[প্রণব মুখোপাধ্যায়]]
* [[উভকামিতা]]
* [[সমকামী যৌন চর্চা]]
[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ০৪:৫৭, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] গৃহীত হয়েছে। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ২১:৩২, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পুনঃ পর্যালোচনা ==
@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] [[ডেনিস রিচি]] পাতাটি সংশোধন করা হয়েছে পুনরায় পর্যালোচনার জন্য অনুরোধ রইল।
ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০৫:০১, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== হুগো দ্য ভ্রিস পর্যালোচনা প্রসঙ্গে ==
@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬ এর নীতিমালা অনুসারে অন্তত ৩টি উক্তি থাকতে হবে। আপনি টুলফোর্জেও [[হুগো দ্য ভ্রিস]] এজন্যই গ্রহণ করেননি। তবে এখানে তো তাঁর সম্পর্কে ১টি উক্তি আছে। মোট ৩টি উক্তিই তো হয়। আর ইংরেজি উইকিউক্তিতেও এই মোট ৩টিই ছিল। তাই অনুগ্রহ করে এটিকে গ্রহণ করে নিন অথবা দ্বিমত/অসুবিধা থাকলে জানান। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৬:৫৪, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] আপনি কি এটি পুনঃপর্যালোচনা করেছেন? করে একটু জানালে ভালো হয়। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১১:৩১, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] এভাবে কাউকে বার বার মেনশন দেয়া হতে বিরত থাকুন। আপনি এত পূর্বেও একাধিক ব্যবহারকারীর আলাপ পাতায় ব্যবহারকারীকে একাধিক বার মেনসন করেছেন। [[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:R1F4T|আলাপ]]) ১২:১৮, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] আপনি বার বার আমাকে বিরক্ত করা থেকে বিরত থাকুন। আপনি আমাকে একবার সতর্ক করেছেন, আমি আর কাউকে বার বার মেনশন করিনি। তবে আপনি আগের আলোচনাগুলোতে বার বার গিয়ে মেনশন করে সতর্ক বার্তা দিচ্ছেন। দেওয়ার আগে লক্ষ করুন মেনশন আমি কবে করেছিলাম এবং আপনার সতর্কতার পর আমি কাউকে মেনশন করছি কি-না। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১০:৫৯, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] পাতাতে দুটো উক্তিই আছে। শুরুর ভূমিকাংশটা ব্যক্তির পরিচিত। এটা কোনও উক্তি না। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১১:২০, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::::@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] তবে ইংরেজি উইকিপিডিয়াতে যতগুলো ছিল আমি ততগুলোই অনুবাদ করেছি। আমি আর কোথায় পাবো? — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১১:৩২, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] এক্ষেত্রে কিছুই করার নেই। নির্দেশনায় স্পষ্টভাবে বলা আছে ৩টা উক্তি থাকা বাধ্যতামূলক। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৪:২৯, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::::::@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] আমি ইন্টারনেট থেকে সূত্রসহ আরো একটি উক্তি যুক্ত করেছি। অনুগ্রহ করে পুনঃপর্যালোচনা করুন। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:৩২, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] ইন্টারনেট ঘেঁটে একটি উক্তি খুঁজে বের করুন ও সুত্রসহ যোগ করুন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ০০:০৩, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ধন্যবাদ। যোগ করেছি — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:৩২, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] গৃহীত হয়েছে। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ২১:২৭, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[ই. ও. উইলসন]] ==
@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] পাতাটি সংশোধন করেছি অনুগ্রহ করে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০২:৩০, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] এখনও যান্ত্রিক ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ২১:২৬, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] পুনরায় সংশোধন করেছি অনুগ্রহ করে আরেকবার পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০৩:৫৯, ২৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[মোপলা বিদ্রোহ]] ==
@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] পাতাটি সংশোধন করা হয়েছে, পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ রইল। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ১৬:১৪, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ধন্যবাদ। গৃহীত হয়েছে। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ২১:২৭, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[শামছুল হুদা]] পৃষ্ঠার বিষয়ে ==
আসসালামু আলাইকুম ছাকিব ভাই, আশা করি ভালো আছেন। শামছুল হুদা পাঁচবাগী প্রসিদ্ধ ব্যক্তিত্ব। তবে উইকিপিডিয়ায় তার নামে নিবন্ধ [[W:শামছুল হুদা পাঁচবাগী|শামছুল হুদা পাঁচবাগী]] নামে, শুধু শামছুল হুদা নামে নয়। আমি সেজন্য অপসারণ ট্যাগ সরিয়ে দিচ্ছি। এখানে কী করা যেতে পারে, যেহেতু প্রতিযোগিতা সংশ্লিষ্ট বিষয়; আপনি ভেবে দেখবেন। ― <span style="color:white; background-color:red;"> ☪ </span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০৫:০৭, ২৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য অনেক ধন্যবাদ। পাতাটিকে পুনর্দির্দেশ ছাড়াই [[শামছুল হুদা পাঁচবাগী]] নামে স্থানান্তর করা প্রয়োজন। আমার এই অধিকার না থাকায় আপনাকে করে দেওয়ার অনুরোধ করছি। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৯:২৫, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] {{করা হয়েছে}}। ধন্যবাদ! ― <span style="color:white; background-color:red;"> ☪ </span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০১:১৮, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[স্নায়ুযুদ্ধ]] ==
আসসালামু আলাইকুম @[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] ভাই,
আমি [[স্নায়ুযুদ্ধ]] পাতাটি যথা সাধ্য সংশোধন করেছি, পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ রইলো। দীর্ঘ নিবন্ধ হওয়ায় ভ্রান্তি থেকে যেত পারে। কোনো সংশোধনে র প্রয়োজন হলে অনুগ্রহ করে আমাকে জানাবেন।
[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ২৩:৪৩, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[স্নায়ুযুদ্ধ]] ==
@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]], আসসালামু আলাইকুম সাদমান সাকিব ভাই,<br>
দ্বিতীয়বার মেন্শন করার জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি। আসলে ২ দিন আগে আপনাকে [[স্নায়ুযুদ্ধ]] নিবন্ধটি সম্পর্কে এখানে প্রথমবার মেন্শন করেছিলাম। পাতাটি পুনরায় পর্যালোচনা করার জন্য বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি। কোনো সংশোধনের প্রয়োজন হলে অনুগ্রহপূর্বক মেন্শন করবেন।
ধন্যবাদ,<br>
[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১১:১২, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] লক্ষ্য করুন, আমার পক্ষে প্রতিদিন সক্রিয় থাকা সম্ভব নয়। আমার ব্যক্তিগত ব্যস্ততা আছে। আপনি আমাকে পুনঃপর্যালোচনা করার অনুরোধ জানিয়েছেন, আমি অবশ্যই আমার সুবিধামতো সময়ে পুনঃপর্যালোচনা করব। বারবার মেনশন করার প্রয়োজন নেই। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৩:২১, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::জী ভাই। প্রতিযোগীতা শেষের দিকে হওয়ায় কিঞ্ছিত চিন্তিত হয়েছিলাম। ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৩:৩৩, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] প্রতিযোগিতা শেষের পরেও পর্যালোচনা করা হবে। এবং নিবন্ধ সংশোধনের জন্যও সাময়িক সুযোগ দেওয়া হবে, তাই ধৈর্য্য রাখুন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ১৫:৩৭, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::ওহ, জানানোর জন্য ধন্যবাদ। তবে প্রতিযোগীতা কী আজই শেষ হচ্ছে?
::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৫:৪০, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[দৌলতাবাদ, মহারাষ্ট্র]] ==
নিবন্ধটি সংশোধিত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৯:৫৯, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
3udomh5srs68j0gc3k4cscua276m24q
ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS
3
2704
83323
83320
2026-05-03T13:10:28Z
NusJaS
273
/* নরউইচের জুলিয়ান পাতা */ উত্তর
83323
wikitext
text/x-wiki
{{স্বাগত}}≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান </b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud| «আলাপ»]]</b> ০৮:০৭, ৩১ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে ==
সুপ্রিয় NusJaS, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ ও ৩০ এপ্রিল শেষ দিন পর্যন্ত অংশ নেওয়া অব্যাহত রাখুন।
আপনার অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে: প্রতিযোগিতায় এখন থেকে '''নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে না''' অর্থাৎ <u>নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র ছাড়া অন্য উল্লেখযোগ্য যেকোনও কিছু নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে</u>।
;কেন নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র বাদ দেওয়া হয়েছে?
:প্রতিযোগিতা শুরুর পর অনেকেই নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা বানিয়েছেন। তবে লক্ষ্য করা গেছে যে, অনেকে শব্দ সংখ্যা বাড়াতে পুরো নাটক, উপন্যাস তুলে দিচ্ছেন। যা কোন ক্রমে কাম্য নয়। এটি অন্য প্রতিযোগীদের প্রতিও সুবিচার করা হয় না।
; আমি যে নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র জমা দিয়েছি তার কী হবে?
: যারা এই ঘোষণার পূর্বে অর্থাৎ ৬ এপ্রিল বা তার আগে এই জাতীয় উক্তির পাতা জমা দিয়েছেন সেগুলি গৃহীত হবে (অবশ্যই সংশোধনপূর্বক)।
আরেকটি বিষয়ের প্রতি আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। এটাও লক্ষ্য করা গেছে যে অনেকে উক্তির উৎস দিচ্ছেন না। দয়া করে উক্তির উৎস দিতে ভুলবেন না। দয়া করে উদাহরণ হিসেবে [[চঞ্চল চৌধুরী]], [[নোম চম্স্কি]] পাতায় কীভাবে উক্তি ও উক্তির উৎস দেওয়া হয়েছে তা দেখুন।
আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৯:৪৭, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি)
<!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:%E0%A6%86%E0%A6%AB%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE&oldid=31634-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন -->
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪: আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ==
সুপ্রিয় NusJaS, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ([https://fountain.toolforge.org/editathons/qc2024 এখানে দেখুন]):
* যদি আপনার জমা দেওয়া কোনও নিবন্ধ গৃহীত না হয়, তবে আপনি আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে নিবন্ধের সমস্যাগুলি ঠিক করে পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ জানাতে পারেন।
* যদি আপনি কোনও গৃহীত নিবন্ধ সম্পর্কে কোনও মন্তব্য করতে চান, কোনও অসঙ্গতি আমাদের দৃষ্টিতে আনতে চান, দয়া করে আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে করুন।
প্রতিযোগিতার ফলাফল ঘোষণার পর, ফলাফলে কোনোরূপ পরিবর্তন আনা হবে না। সুতরাং যা করার আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে করুন। আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ২১:৫৪, ৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪: ফরম পূরণ করুন ==
সুপ্রিয় NusJaS, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪/পরিসংখ্যান#ফলাফল|শীর্ষ ২০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLScZptwVHdLgFGVAjzk79Ew7MjAcCUyL1PigcfsNwxBn5VeC6w/viewform?usp=sf_link এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৪:২৭, ১৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি)
==উইকিউক্তি পুনরায় সম্পাদন করা হয়েছে ==
[[উইলিয়াম ম্যাকিনলি]] পাতাটি পুনরায় সম্পাদন করা হয়েছে এখন গ্রহণ করতে পারেন আপনাকে মেনশন করলাম।
[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৫:১১, ২৩ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] সংশোধন করায় ধন্যবাদ। গৃহীত হয়েছে। আপনার জমাদানকৃত বাকি পাতাগুলোতেও এরকম সংশোধন করার পরামর্শ রইল। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৯:৪৩, ২৪ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::ঠিক আছে তাহলে আমি পুনরায় পর্যালোচনা করছি [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৫:৫২, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== সাহায্য প্রয়োজন ==
আমি যখন আর্টিকেল গুলো বাংলা অনুবাদ করার পরে পাবলিশ করার পরে আমি এটি উইকি ডাটার সাথে কানেক্ট করতে চাচ্ছি যেন একটি ইংরেজি অনুবাদটাও যে কেউ দেখতে পারে। কিন্তু আমাকে এটা দেখাচ্ছে এগুলো সেমি প্রটেক্টেড পেজ । [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৫:৫৭, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] যেগুলো লিংক করতে পারবেন না, যেকোনো পর্যালোচকের আলাপ পাতায় সেগুলোর তালিকা দিবেন। তারা লিংক করে দিবে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৯:৫৫, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::[[অং সান সু চি]] এটি লিংক করে দিন।
::এবং আমি কিভাবে এই রাইট পেতে পারি! [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৬:৫৫, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন]] ==
সুধী, উইকিমিডিয়ার অন্যান্য প্রকল্পগুলোর মতো উইকিউক্তিতে কপিরাইট আইন মান্য করা হয়। তবে উইকিউক্তিতে হুবুহু উক্তি কপি করে ব্যবহারের ক্ষেত্রে যেমন শিথিলতা রয়েছে তেমন সীমাবদ্ধতা রয়েছে। যেমন উইকিউক্তিতে "একই সূত্র থেকে খুব বেশি উক্তি পাতায় দেওয়া যায়না"। মোটামুটি সীমা বজায় রাখতে হয় যাতে কপিরাইট সমস্যায় পড়তে না হয়। [https://copyvios.toolforge.org/?lang=bn&project=wikiquote&title=মোহাম্মদ+নাজিম+উদ্দিন&oldid=&action=search&use_engine=0&use_links=1&turnitin=0&nocache=1 এটা দেখুন], এই রেজাল্ট অনুযায়ী তিনটি সূত্র থেকে ৪০% এর অধিক লেখা সরাসরি উদ্ধৃত করা হয়েছে। তাই উক্তির সংখ্যা কমিয়ে আনা প্রয়োজন৷ সবগুলো সূত্র থেকেই যে একদম ৩০% হতে হবে তা নয়, তবে উক্তির সংখ্যা মোটামুটি কমিয়ে এনে কপিরাইট সমস্যার সমাধান করে নিতে হবে। তারপর আমাকে জানালে আমি পাতাটি গ্রহণ করে নিবো। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৭:১৯, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অগ্রগতি কতদূর? [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ০৩:৫৬, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] এখন অনেক লেখা বাদ দিয়েছি। এবার দেখুন। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:১৬, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ভাই, আমি একটা জিনিস বুঝতে পারছি না। উক্তি তো হুবুহু হবে। এখানে কপিরাইট লঙ্ঘন হচ্ছে এমন জটিলতা কেন? ইংরেজি থেকে অনেক পাতা অনুবাদ করতে গিয়ে বিশাল বিশাল উক্তি হুবুহু কপি পেয়েছি। এক উক্তিতেই ৫-৬০০ শব্দ, এমন। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:৩৬, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] যেটা এখনও ৪৫% দেখাচ্ছে, ওটায় একই বাক্য বারবার এসেছে। তাই বেশি পার্সেন্টেজ। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:৩৮, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] নন-ফ্রি লাইসেন্স নীতি অনুযায়ী আমরা উইকিপিডিয়ায় যেকোন লেখা বা উক্তি হুবুহু তুলে ধরতে পারবো, কিন্তু সেটা সীমা রেখে। অর্থাৎ একটি সূত্রের লেখার বড় অংশ তুলে ধরা যাবেনা। উইকিপিডিয়ায় এটা মান্য করা হয় কপিরাইট আইন মেনে চলার জন্য। সেজন্য আপনি দেখবেন যে অনেক সময় একটি উইকিপিডিয়া নিবন্ধে বেশি উক্তি থাকেনা। উইকিউক্তি একই নীতিতে চলে। যদিও উইকিউক্তির একটি পাতায় উক্তিগুলোকে হুবুহু তুলে ধরতে হবে, কিন্তু সেটা নন-ফ্রি নীতিকে এড়িয়ে উদ্ধৃত করা যাবেনা অর্থাৎ কপিরাইট আইন বজায় রেখেই করতে হবে। তাই আমাদের এখানেও এটা মেনে চলতে হয়। মূল সমস্যা হচ্ছে, সবাই এই ব্যাপারটা জানেনা। মূল কথা হচ্ছে, উক্তি হুবুহু উদ্ধৃত করায় কোন সমস্যা নেই। এখানে সমস্যা হচ্ছে উক্তি উদ্ধৃত করার সময় প্রতিটি সূত্র থেকে কত শতাংশ লেখা কপি করা হয়েছে, যা পরিস্থিতিভেদে সর্বোচ্চ হয়তো ৪০-৪৫% ব্যবহার করা যেতে পারে (সবক্ষেত্রে নয়)। তবে সর্বোচ্চ ৩০% ব্যবহার করাই নিরাপদ। তবে, ব্যতিক্রম হতে পারে অনূদিত উক্তির ক্ষেত্রে। কেননা পড়ার উপযোগী করে উক্তি অনুবাদ করতে গিয়ে অনেক সময় উক্তিগুলোর মূল কাঠামো ও অনূদিত প্রতিশব্দ পালটে যেতে পারে আর তখন কপিরাইট সমস্যার প্রশ্ন আসবেনা। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১২:৫৪, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ওকে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। আশা করি বুঝতে পেরেছ। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১২:৫৫, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]]: জি, এবার বুঝতে পেরেছি। ঠিক করা হয়েছে। আবার পর্যালোচনা করার অনুরোধ করছি।। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:৫৩, ১ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
:::::::আমি এখনো ব্যাপারটি বুঝলাম না। আমি ইংরেজিতে থাকা উক্তিগুলো এবং প্রতিটি উক্তির তথ্যসূত্র সম্পূর্ণ অনুবাদ করি ।
:::::::এখানে সূত্র বলতে কি বুঝাচ্ছে ওই তথ্যসূত্র টাই [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৬:৫৯, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
::::::::@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] হ্যাঁ, সেটাই সূত্র মানেই তথ্যসূত্র [[User:Md Mobashir Hossain|মোবাশশির]] <small>[[User Talk:Md Mobashir Hossain|বার্তা দিন]]</small> ০৭:৫৩, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
::::::::: [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৮:০৭, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== রো বনাম ওয়েড/সম্পর্কে উক্তি ==
পাতাটির অনুবাদ বেশ রুক্ষ। অনুগ্রহ করে অপসারণ এড়াতে নিবন্ধটি সংশোধন করুন। ১৫:৫০, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]])
: {{ping|Yahya}} পর্যালোচনা করার জন্য ধন্যবাদ। আমি ২ দিন সময় চাচ্ছি। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]])
== রো বনাম ওয়েড ==
পাতাটির অনুবাদ রুক্ষ ও যান্ত্রিক। অনুগ্রহ করে অপসারণ এড়াতে পাতাটি সংশোধন করুন।[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ১৭:৫২, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ভাই, সংশোধন করেছি। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৪২, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
::দুঃখিত। গ্রহণ করা যাচ্ছে না। অনুবাদ এখনও যান্ত্রিক। [[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ১০:৪১, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[রো বনাম ওয়েড/সম্পর্কে উক্তি]] পাতা সম্পর্কে ==
এভাবে উপপাতায় নেয়ার কারণ? এমনকি আপনি [[রো বনাম ওয়েড/সম্পর্কে উক্তি/২]] নামেও পাতা তৈরি করেছেন। ― <span style="color:white; background-color:red;"> ☪ </span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০৭:৫৪, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] একটা পাতায় পুরো লেখা জায়গা হয় না। বাইট লিমিট দেখিয়েছিল। আমি "সম্পর্কে উক্তি"কে একটাই উপপাতায় রাখতে চেয়েছিলাম। সেটাও সম্ভব হয়নি। তাই দুটো পাতা করতে হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:২৪, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
::যান্ত্রিক ও ত্রুটিপূর্ণ অনুবাদ হওয়ায় পাতাটি উক্তি প্রতিযোগিতায় গৃহীত হয়নি। –– [[ব্যবহারকারী:Tahmid|তাহমিদ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tahmid|আলাপ]]) ১৪:০৮, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== সংশোধনের পর জানাতে বলা হয়েছে ==
[[প্রবীণ তোগাড়িয়া]] পাতাটিতে একই তথ্যসূত্র বেশ কয়েকটি উক্তিতে ছিল। তা সংশোধন করা হয়েছে। এখন গ্রহণ করতে পারবেন [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৩:১৫, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন ==
সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|শীর্ষ ১০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSeDWCveBqp7ID0VVW0ipXM-WXeCqE7u-xHQCU_d7FRYo-9vAA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। - ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৮:৩১, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
<!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67623-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন -->
== বাবুলমিয়া ==
মাধবদী পৌরসভা জেলা নরসিংদী ০১৭১২ ৬২০ ৯৯২ আমার এই ওষুধটা লাগবে [[বিশেষ:অবদান/~2026-20015-50|~2026-20015-50]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20015-50|আলাপ]]) ১৮:৪৩, ৩১ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি)
01924087544 [[বিশেষ:অবদান/~2026-20544-24|~2026-20544-24]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20544-24|আলাপ]]) ০৬:৩৭, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পর্যালোচনা ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] আমি [আলফ্রেড নোবেল] পাতাটি সংশোধন করেছি, অনুগ্রহ করে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন।
ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০৩:৪৯, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পাতা গ্রহণ সম্বন্ধে ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]]
[[আল খোয়ারিজমি]] - পাতাটি গৃহীত হয়নি। কিন্তু এর ''সুনির্দিষ্ট'' এবং যথার্থ কারন উল্লেখ প্রয়োজন। উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
ধন্যবাদান্তে,
''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:২৯, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)-Mahmud''
::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] '[[আল খোয়ারিজমি]]' পাতাটির সংশোধনের ক্ষেত্রগুলো উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
:'''''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১১:১০, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'''''
== জেরার দ্যব্রু ==
নিবন্ধটি আমি সংশোধন করেছি এবং যান্ত্রিকতা দূর করেছি। অনুগ্রহ করে এখন পুনরায় পর্যালোচনা করুন। ''([[জেরার দ্যব্রু]])'' — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:২১, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অনুগ্রহ করে সবার আগে এটিকে পর্যালোচনা করুন। এটি অত্যন্ত ছোট পাতা। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:৫৮, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] এটিতে কি কোন অসুবিধা বিদ্যমান? আপনি এখনও গ্রহণ করেননি। সমস্যা থাকলে জানান। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:৫২, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৫২, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৭:৪৮, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[আলেক্সান্দ্র্ সলজেনিৎসিন]] ==
সংশোধন করেছি, পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ রইলো। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ০৫:৩৩, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৫৩, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[আলফ্রেড নোবেল]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] পতাটি সংশোধন করা হয়েছে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০০:০২, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[এর্নস্ট মাখ]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০০:৪৮, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[অরবিন্দ আদিগা]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছে পুনরায় পর্যালোচনা করুন। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:০৮, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[সি. এ. আর. হোর]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:১২, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[ডায়ান ফসি]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:১৪, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[অরেল স্টেইন]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:২০, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] আপনার সবগুলো পাতাতেই কিছু বাক্য আরেকটু সাবলীলভাবে লেখা যায়। আরেকদফা সংশোধন করে জানালে আমি গ্রহণ করে নিব। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৫৪, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]]ঠিক আছে আমি সব পাতা সংশোধন করে একসাথে পরে জানাবো। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৬:০৯, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[ড্যানিয়েল কানেমান]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] উল্লেখিত পাতাটি সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন।
ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৬:৩০, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[এর্নস্ট মাখ]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] পাতাটি আরও একবার সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০২:০৬, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] আরও সংশোধন করতে হবে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:০৫, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[অরবিন্দ আদিগা]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] পাতাটি পুনরায় সংশোধন করেছি অনুগ্রহ করে আরেকবার পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০৩:৪৯, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
r [[বিশেষ:অবদান/~2026-24691-92|~2026-24691-92]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-24691-92|আলাপ]]) ১১:৩৭, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৫৪, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[শিং-শেন চের্ন]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অনুগ্রহ করে [[শিং-শেন চের্ন]] নিবন্ধটি পুনঃপর্যালোচনা করুন। আমি এটিকে সংশোধন করেছি এবং জার্নাল, সংস্থা, প্রকাশক এসব বাংলায় লিপ্যন্তর করেছি। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১২:০০, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অনুগ্রহ করে এটি পর্যালোচনা করুন — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">আনাফ</span> <span style="color:#388E3C">ইবনে</span> <span style="color:#66BB6A">সাহেবুল</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৫:৩৬, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] গৃহীত হয়েছে। অনুগ্রহপূর্বক ধৈর্য ধারণ করুন। সংশোধন করলে অবশ্যই পুনঃপর্যালোচনা করা হবে। বারবার মেনশন করার প্রয়োজন নেই। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৪০, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] দুঃখিত। অনুবাদে যান্ত্রিকতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। {{গৃহীত হয়নি}}। আবার সংশোধন করুন। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৬:১৭, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ঠিক আছে। আমি আবারও মেনশন করছিলাম, কারণ মনে হচ্ছিল কেনো ত্রুটির ফলে আপনার নিকট বিজ্ঞপ্তি যায় নি। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">আনাফ</span> <span style="color:#388E3C">ইবনে</span> <span style="color:#66BB6A">সাহেবুল</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৭:৫৫, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] মনে হচ্ছে, আপনি আমার কথা বুঝতে পারেননি। আমি ২৫ তারিখে পুনঃপর্যালোচনা করেছি। পাতাটা তখনও যান্ত্রিক ছিল। এর পর আপনি আর কোনও সম্পাদনা করেননি। আপনার লাস্ট সম্পাদনা ২৩ তারিখে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:০৪, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[ভারতে সুফিবাদ]] ==
[[ভারতে সুফিবাদ]]ে কি সমস্যা?? [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ১৩:২৩, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[পেত্র ক্রাপোতকিন]] ==
পাতাটি ঠিক করেছি। পাশাপাশি [[টনি বেন]]
পাতাটাও ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১৪:১৭, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
=== [[স্ট্যানলি বল্ডউইন]] ===
এটা সংশোধন করেছি আমি। পুনঃপর্যালোচনা করার অনুরোধ করছি। [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker|আলাপ]]) ১৪:১৯, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[নরউইচের জুলিয়ান]] পাতা ==
পাতাটি ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১৪:৪৫, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] গ্রহণ করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:১০, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন]] ==
নিবন্ধটি পুনর্লিখন করেছি। আশাকরি গ্রহণ করবেন। – [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৯:২২, ২ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:এর সাথে [[আতঙ্ক]] পাতাটিও। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৯:৫৭, ২ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
::[[রবার্ট অ্যাটকিনস (বিচারক)]] পাতাটি সংশোধন করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১০:০০, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন]] ==
*অন্য ভাষার লিপি বিদ্যমান
*"মি. গ্ল্যাডস্টোন ছিলেন সবচেয়ে বড় আলোচনার পরিষদের সর্বশ্রেষ্ঠ সদস্য যা বিশ্ব আজ পর্যন্ত দেখেছে।" উক্তির সূত্র ঠিক করুন
*"আর্মেনিয়ার সেবা করা মানে সভ্যতার সেবা করা।" উক্তির সূত্র ঠিক করুন [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ০১:২৫, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
0ebmyrqvptgegem07fdh8gce3zinfco
83324
83323
2026-05-03T13:10:38Z
NusJaS
273
/* স্ট্যানলি বল্ডউইন */ উত্তর
83324
wikitext
text/x-wiki
{{স্বাগত}}≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান </b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud| «আলাপ»]]</b> ০৮:০৭, ৩১ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে ==
সুপ্রিয় NusJaS, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ ও ৩০ এপ্রিল শেষ দিন পর্যন্ত অংশ নেওয়া অব্যাহত রাখুন।
আপনার অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে: প্রতিযোগিতায় এখন থেকে '''নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে না''' অর্থাৎ <u>নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র ছাড়া অন্য উল্লেখযোগ্য যেকোনও কিছু নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে</u>।
;কেন নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র বাদ দেওয়া হয়েছে?
:প্রতিযোগিতা শুরুর পর অনেকেই নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা বানিয়েছেন। তবে লক্ষ্য করা গেছে যে, অনেকে শব্দ সংখ্যা বাড়াতে পুরো নাটক, উপন্যাস তুলে দিচ্ছেন। যা কোন ক্রমে কাম্য নয়। এটি অন্য প্রতিযোগীদের প্রতিও সুবিচার করা হয় না।
; আমি যে নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র জমা দিয়েছি তার কী হবে?
: যারা এই ঘোষণার পূর্বে অর্থাৎ ৬ এপ্রিল বা তার আগে এই জাতীয় উক্তির পাতা জমা দিয়েছেন সেগুলি গৃহীত হবে (অবশ্যই সংশোধনপূর্বক)।
আরেকটি বিষয়ের প্রতি আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। এটাও লক্ষ্য করা গেছে যে অনেকে উক্তির উৎস দিচ্ছেন না। দয়া করে উক্তির উৎস দিতে ভুলবেন না। দয়া করে উদাহরণ হিসেবে [[চঞ্চল চৌধুরী]], [[নোম চম্স্কি]] পাতায় কীভাবে উক্তি ও উক্তির উৎস দেওয়া হয়েছে তা দেখুন।
আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৯:৪৭, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি)
<!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:%E0%A6%86%E0%A6%AB%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE&oldid=31634-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন -->
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪: আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ==
সুপ্রিয় NusJaS, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ([https://fountain.toolforge.org/editathons/qc2024 এখানে দেখুন]):
* যদি আপনার জমা দেওয়া কোনও নিবন্ধ গৃহীত না হয়, তবে আপনি আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে নিবন্ধের সমস্যাগুলি ঠিক করে পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ জানাতে পারেন।
* যদি আপনি কোনও গৃহীত নিবন্ধ সম্পর্কে কোনও মন্তব্য করতে চান, কোনও অসঙ্গতি আমাদের দৃষ্টিতে আনতে চান, দয়া করে আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে করুন।
প্রতিযোগিতার ফলাফল ঘোষণার পর, ফলাফলে কোনোরূপ পরিবর্তন আনা হবে না। সুতরাং যা করার আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে করুন। আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ২১:৫৪, ৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪: ফরম পূরণ করুন ==
সুপ্রিয় NusJaS, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪/পরিসংখ্যান#ফলাফল|শীর্ষ ২০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLScZptwVHdLgFGVAjzk79Ew7MjAcCUyL1PigcfsNwxBn5VeC6w/viewform?usp=sf_link এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৪:২৭, ১৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি)
==উইকিউক্তি পুনরায় সম্পাদন করা হয়েছে ==
[[উইলিয়াম ম্যাকিনলি]] পাতাটি পুনরায় সম্পাদন করা হয়েছে এখন গ্রহণ করতে পারেন আপনাকে মেনশন করলাম।
[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৫:১১, ২৩ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] সংশোধন করায় ধন্যবাদ। গৃহীত হয়েছে। আপনার জমাদানকৃত বাকি পাতাগুলোতেও এরকম সংশোধন করার পরামর্শ রইল। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৯:৪৩, ২৪ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::ঠিক আছে তাহলে আমি পুনরায় পর্যালোচনা করছি [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৫:৫২, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== সাহায্য প্রয়োজন ==
আমি যখন আর্টিকেল গুলো বাংলা অনুবাদ করার পরে পাবলিশ করার পরে আমি এটি উইকি ডাটার সাথে কানেক্ট করতে চাচ্ছি যেন একটি ইংরেজি অনুবাদটাও যে কেউ দেখতে পারে। কিন্তু আমাকে এটা দেখাচ্ছে এগুলো সেমি প্রটেক্টেড পেজ । [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৫:৫৭, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] যেগুলো লিংক করতে পারবেন না, যেকোনো পর্যালোচকের আলাপ পাতায় সেগুলোর তালিকা দিবেন। তারা লিংক করে দিবে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৯:৫৫, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::[[অং সান সু চি]] এটি লিংক করে দিন।
::এবং আমি কিভাবে এই রাইট পেতে পারি! [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৬:৫৫, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন]] ==
সুধী, উইকিমিডিয়ার অন্যান্য প্রকল্পগুলোর মতো উইকিউক্তিতে কপিরাইট আইন মান্য করা হয়। তবে উইকিউক্তিতে হুবুহু উক্তি কপি করে ব্যবহারের ক্ষেত্রে যেমন শিথিলতা রয়েছে তেমন সীমাবদ্ধতা রয়েছে। যেমন উইকিউক্তিতে "একই সূত্র থেকে খুব বেশি উক্তি পাতায় দেওয়া যায়না"। মোটামুটি সীমা বজায় রাখতে হয় যাতে কপিরাইট সমস্যায় পড়তে না হয়। [https://copyvios.toolforge.org/?lang=bn&project=wikiquote&title=মোহাম্মদ+নাজিম+উদ্দিন&oldid=&action=search&use_engine=0&use_links=1&turnitin=0&nocache=1 এটা দেখুন], এই রেজাল্ট অনুযায়ী তিনটি সূত্র থেকে ৪০% এর অধিক লেখা সরাসরি উদ্ধৃত করা হয়েছে। তাই উক্তির সংখ্যা কমিয়ে আনা প্রয়োজন৷ সবগুলো সূত্র থেকেই যে একদম ৩০% হতে হবে তা নয়, তবে উক্তির সংখ্যা মোটামুটি কমিয়ে এনে কপিরাইট সমস্যার সমাধান করে নিতে হবে। তারপর আমাকে জানালে আমি পাতাটি গ্রহণ করে নিবো। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৭:১৯, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অগ্রগতি কতদূর? [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ০৩:৫৬, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] এখন অনেক লেখা বাদ দিয়েছি। এবার দেখুন। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:১৬, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ভাই, আমি একটা জিনিস বুঝতে পারছি না। উক্তি তো হুবুহু হবে। এখানে কপিরাইট লঙ্ঘন হচ্ছে এমন জটিলতা কেন? ইংরেজি থেকে অনেক পাতা অনুবাদ করতে গিয়ে বিশাল বিশাল উক্তি হুবুহু কপি পেয়েছি। এক উক্তিতেই ৫-৬০০ শব্দ, এমন। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:৩৬, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] যেটা এখনও ৪৫% দেখাচ্ছে, ওটায় একই বাক্য বারবার এসেছে। তাই বেশি পার্সেন্টেজ। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:৩৮, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] নন-ফ্রি লাইসেন্স নীতি অনুযায়ী আমরা উইকিপিডিয়ায় যেকোন লেখা বা উক্তি হুবুহু তুলে ধরতে পারবো, কিন্তু সেটা সীমা রেখে। অর্থাৎ একটি সূত্রের লেখার বড় অংশ তুলে ধরা যাবেনা। উইকিপিডিয়ায় এটা মান্য করা হয় কপিরাইট আইন মেনে চলার জন্য। সেজন্য আপনি দেখবেন যে অনেক সময় একটি উইকিপিডিয়া নিবন্ধে বেশি উক্তি থাকেনা। উইকিউক্তি একই নীতিতে চলে। যদিও উইকিউক্তির একটি পাতায় উক্তিগুলোকে হুবুহু তুলে ধরতে হবে, কিন্তু সেটা নন-ফ্রি নীতিকে এড়িয়ে উদ্ধৃত করা যাবেনা অর্থাৎ কপিরাইট আইন বজায় রেখেই করতে হবে। তাই আমাদের এখানেও এটা মেনে চলতে হয়। মূল সমস্যা হচ্ছে, সবাই এই ব্যাপারটা জানেনা। মূল কথা হচ্ছে, উক্তি হুবুহু উদ্ধৃত করায় কোন সমস্যা নেই। এখানে সমস্যা হচ্ছে উক্তি উদ্ধৃত করার সময় প্রতিটি সূত্র থেকে কত শতাংশ লেখা কপি করা হয়েছে, যা পরিস্থিতিভেদে সর্বোচ্চ হয়তো ৪০-৪৫% ব্যবহার করা যেতে পারে (সবক্ষেত্রে নয়)। তবে সর্বোচ্চ ৩০% ব্যবহার করাই নিরাপদ। তবে, ব্যতিক্রম হতে পারে অনূদিত উক্তির ক্ষেত্রে। কেননা পড়ার উপযোগী করে উক্তি অনুবাদ করতে গিয়ে অনেক সময় উক্তিগুলোর মূল কাঠামো ও অনূদিত প্রতিশব্দ পালটে যেতে পারে আর তখন কপিরাইট সমস্যার প্রশ্ন আসবেনা। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১২:৫৪, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ওকে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। আশা করি বুঝতে পেরেছ। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১২:৫৫, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]]: জি, এবার বুঝতে পেরেছি। ঠিক করা হয়েছে। আবার পর্যালোচনা করার অনুরোধ করছি।। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:৫৩, ১ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
:::::::আমি এখনো ব্যাপারটি বুঝলাম না। আমি ইংরেজিতে থাকা উক্তিগুলো এবং প্রতিটি উক্তির তথ্যসূত্র সম্পূর্ণ অনুবাদ করি ।
:::::::এখানে সূত্র বলতে কি বুঝাচ্ছে ওই তথ্যসূত্র টাই [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৬:৫৯, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
::::::::@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] হ্যাঁ, সেটাই সূত্র মানেই তথ্যসূত্র [[User:Md Mobashir Hossain|মোবাশশির]] <small>[[User Talk:Md Mobashir Hossain|বার্তা দিন]]</small> ০৭:৫৩, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
::::::::: [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৮:০৭, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== রো বনাম ওয়েড/সম্পর্কে উক্তি ==
পাতাটির অনুবাদ বেশ রুক্ষ। অনুগ্রহ করে অপসারণ এড়াতে নিবন্ধটি সংশোধন করুন। ১৫:৫০, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]])
: {{ping|Yahya}} পর্যালোচনা করার জন্য ধন্যবাদ। আমি ২ দিন সময় চাচ্ছি। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]])
== রো বনাম ওয়েড ==
পাতাটির অনুবাদ রুক্ষ ও যান্ত্রিক। অনুগ্রহ করে অপসারণ এড়াতে পাতাটি সংশোধন করুন।[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ১৭:৫২, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ভাই, সংশোধন করেছি। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৪২, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
::দুঃখিত। গ্রহণ করা যাচ্ছে না। অনুবাদ এখনও যান্ত্রিক। [[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ১০:৪১, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[রো বনাম ওয়েড/সম্পর্কে উক্তি]] পাতা সম্পর্কে ==
এভাবে উপপাতায় নেয়ার কারণ? এমনকি আপনি [[রো বনাম ওয়েড/সম্পর্কে উক্তি/২]] নামেও পাতা তৈরি করেছেন। ― <span style="color:white; background-color:red;"> ☪ </span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০৭:৫৪, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] একটা পাতায় পুরো লেখা জায়গা হয় না। বাইট লিমিট দেখিয়েছিল। আমি "সম্পর্কে উক্তি"কে একটাই উপপাতায় রাখতে চেয়েছিলাম। সেটাও সম্ভব হয়নি। তাই দুটো পাতা করতে হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:২৪, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
::যান্ত্রিক ও ত্রুটিপূর্ণ অনুবাদ হওয়ায় পাতাটি উক্তি প্রতিযোগিতায় গৃহীত হয়নি। –– [[ব্যবহারকারী:Tahmid|তাহমিদ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tahmid|আলাপ]]) ১৪:০৮, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== সংশোধনের পর জানাতে বলা হয়েছে ==
[[প্রবীণ তোগাড়িয়া]] পাতাটিতে একই তথ্যসূত্র বেশ কয়েকটি উক্তিতে ছিল। তা সংশোধন করা হয়েছে। এখন গ্রহণ করতে পারবেন [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৩:১৫, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন ==
সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|শীর্ষ ১০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSeDWCveBqp7ID0VVW0ipXM-WXeCqE7u-xHQCU_d7FRYo-9vAA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। - ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৮:৩১, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
<!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67623-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন -->
== বাবুলমিয়া ==
মাধবদী পৌরসভা জেলা নরসিংদী ০১৭১২ ৬২০ ৯৯২ আমার এই ওষুধটা লাগবে [[বিশেষ:অবদান/~2026-20015-50|~2026-20015-50]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20015-50|আলাপ]]) ১৮:৪৩, ৩১ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি)
01924087544 [[বিশেষ:অবদান/~2026-20544-24|~2026-20544-24]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20544-24|আলাপ]]) ০৬:৩৭, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পর্যালোচনা ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] আমি [আলফ্রেড নোবেল] পাতাটি সংশোধন করেছি, অনুগ্রহ করে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন।
ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০৩:৪৯, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পাতা গ্রহণ সম্বন্ধে ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]]
[[আল খোয়ারিজমি]] - পাতাটি গৃহীত হয়নি। কিন্তু এর ''সুনির্দিষ্ট'' এবং যথার্থ কারন উল্লেখ প্রয়োজন। উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
ধন্যবাদান্তে,
''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:২৯, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)-Mahmud''
::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] '[[আল খোয়ারিজমি]]' পাতাটির সংশোধনের ক্ষেত্রগুলো উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
:'''''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১১:১০, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'''''
== জেরার দ্যব্রু ==
নিবন্ধটি আমি সংশোধন করেছি এবং যান্ত্রিকতা দূর করেছি। অনুগ্রহ করে এখন পুনরায় পর্যালোচনা করুন। ''([[জেরার দ্যব্রু]])'' — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:২১, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অনুগ্রহ করে সবার আগে এটিকে পর্যালোচনা করুন। এটি অত্যন্ত ছোট পাতা। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:৫৮, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] এটিতে কি কোন অসুবিধা বিদ্যমান? আপনি এখনও গ্রহণ করেননি। সমস্যা থাকলে জানান। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:৫২, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৫২, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৭:৪৮, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[আলেক্সান্দ্র্ সলজেনিৎসিন]] ==
সংশোধন করেছি, পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ রইলো। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ০৫:৩৩, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৫৩, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[আলফ্রেড নোবেল]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] পতাটি সংশোধন করা হয়েছে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০০:০২, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[এর্নস্ট মাখ]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০০:৪৮, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[অরবিন্দ আদিগা]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছে পুনরায় পর্যালোচনা করুন। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:০৮, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[সি. এ. আর. হোর]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:১২, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[ডায়ান ফসি]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:১৪, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[অরেল স্টেইন]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:২০, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] আপনার সবগুলো পাতাতেই কিছু বাক্য আরেকটু সাবলীলভাবে লেখা যায়। আরেকদফা সংশোধন করে জানালে আমি গ্রহণ করে নিব। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৫৪, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]]ঠিক আছে আমি সব পাতা সংশোধন করে একসাথে পরে জানাবো। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৬:০৯, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[ড্যানিয়েল কানেমান]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] উল্লেখিত পাতাটি সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন।
ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৬:৩০, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[এর্নস্ট মাখ]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] পাতাটি আরও একবার সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০২:০৬, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] আরও সংশোধন করতে হবে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:০৫, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[অরবিন্দ আদিগা]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] পাতাটি পুনরায় সংশোধন করেছি অনুগ্রহ করে আরেকবার পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০৩:৪৯, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
r [[বিশেষ:অবদান/~2026-24691-92|~2026-24691-92]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-24691-92|আলাপ]]) ১১:৩৭, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৫৪, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[শিং-শেন চের্ন]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অনুগ্রহ করে [[শিং-শেন চের্ন]] নিবন্ধটি পুনঃপর্যালোচনা করুন। আমি এটিকে সংশোধন করেছি এবং জার্নাল, সংস্থা, প্রকাশক এসব বাংলায় লিপ্যন্তর করেছি। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১২:০০, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অনুগ্রহ করে এটি পর্যালোচনা করুন — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">আনাফ</span> <span style="color:#388E3C">ইবনে</span> <span style="color:#66BB6A">সাহেবুল</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৫:৩৬, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] গৃহীত হয়েছে। অনুগ্রহপূর্বক ধৈর্য ধারণ করুন। সংশোধন করলে অবশ্যই পুনঃপর্যালোচনা করা হবে। বারবার মেনশন করার প্রয়োজন নেই। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৪০, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] দুঃখিত। অনুবাদে যান্ত্রিকতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। {{গৃহীত হয়নি}}। আবার সংশোধন করুন। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৬:১৭, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ঠিক আছে। আমি আবারও মেনশন করছিলাম, কারণ মনে হচ্ছিল কেনো ত্রুটির ফলে আপনার নিকট বিজ্ঞপ্তি যায় নি। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">আনাফ</span> <span style="color:#388E3C">ইবনে</span> <span style="color:#66BB6A">সাহেবুল</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৭:৫৫, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] মনে হচ্ছে, আপনি আমার কথা বুঝতে পারেননি। আমি ২৫ তারিখে পুনঃপর্যালোচনা করেছি। পাতাটা তখনও যান্ত্রিক ছিল। এর পর আপনি আর কোনও সম্পাদনা করেননি। আপনার লাস্ট সম্পাদনা ২৩ তারিখে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:০৪, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[ভারতে সুফিবাদ]] ==
[[ভারতে সুফিবাদ]]ে কি সমস্যা?? [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ১৩:২৩, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[পেত্র ক্রাপোতকিন]] ==
পাতাটি ঠিক করেছি। পাশাপাশি [[টনি বেন]]
পাতাটাও ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১৪:১৭, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
=== [[স্ট্যানলি বল্ডউইন]] ===
এটা সংশোধন করেছি আমি। পুনঃপর্যালোচনা করার অনুরোধ করছি। [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker|আলাপ]]) ১৪:১৯, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] গ্রহণ করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:১০, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[নরউইচের জুলিয়ান]] পাতা ==
পাতাটি ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১৪:৪৫, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] গ্রহণ করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:১০, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন]] ==
নিবন্ধটি পুনর্লিখন করেছি। আশাকরি গ্রহণ করবেন। – [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৯:২২, ২ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:এর সাথে [[আতঙ্ক]] পাতাটিও। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৯:৫৭, ২ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
::[[রবার্ট অ্যাটকিনস (বিচারক)]] পাতাটি সংশোধন করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১০:০০, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন]] ==
*অন্য ভাষার লিপি বিদ্যমান
*"মি. গ্ল্যাডস্টোন ছিলেন সবচেয়ে বড় আলোচনার পরিষদের সর্বশ্রেষ্ঠ সদস্য যা বিশ্ব আজ পর্যন্ত দেখেছে।" উক্তির সূত্র ঠিক করুন
*"আর্মেনিয়ার সেবা করা মানে সভ্যতার সেবা করা।" উক্তির সূত্র ঠিক করুন [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ০১:২৫, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
031ya1fef3aq5tp0fr4b3pmvkt0f6ds
83325
83324
2026-05-03T13:10:54Z
NusJaS
273
/* পেত্র ক্রাপোতকিন */ উত্তর
83325
wikitext
text/x-wiki
{{স্বাগত}}≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান </b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud| «আলাপ»]]</b> ০৮:০৭, ৩১ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে ==
সুপ্রিয় NusJaS, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ ও ৩০ এপ্রিল শেষ দিন পর্যন্ত অংশ নেওয়া অব্যাহত রাখুন।
আপনার অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে: প্রতিযোগিতায় এখন থেকে '''নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে না''' অর্থাৎ <u>নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র ছাড়া অন্য উল্লেখযোগ্য যেকোনও কিছু নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে</u>।
;কেন নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র বাদ দেওয়া হয়েছে?
:প্রতিযোগিতা শুরুর পর অনেকেই নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা বানিয়েছেন। তবে লক্ষ্য করা গেছে যে, অনেকে শব্দ সংখ্যা বাড়াতে পুরো নাটক, উপন্যাস তুলে দিচ্ছেন। যা কোন ক্রমে কাম্য নয়। এটি অন্য প্রতিযোগীদের প্রতিও সুবিচার করা হয় না।
; আমি যে নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র জমা দিয়েছি তার কী হবে?
: যারা এই ঘোষণার পূর্বে অর্থাৎ ৬ এপ্রিল বা তার আগে এই জাতীয় উক্তির পাতা জমা দিয়েছেন সেগুলি গৃহীত হবে (অবশ্যই সংশোধনপূর্বক)।
আরেকটি বিষয়ের প্রতি আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। এটাও লক্ষ্য করা গেছে যে অনেকে উক্তির উৎস দিচ্ছেন না। দয়া করে উক্তির উৎস দিতে ভুলবেন না। দয়া করে উদাহরণ হিসেবে [[চঞ্চল চৌধুরী]], [[নোম চম্স্কি]] পাতায় কীভাবে উক্তি ও উক্তির উৎস দেওয়া হয়েছে তা দেখুন।
আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৯:৪৭, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি)
<!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:%E0%A6%86%E0%A6%AB%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE&oldid=31634-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন -->
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪: আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ==
সুপ্রিয় NusJaS, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ([https://fountain.toolforge.org/editathons/qc2024 এখানে দেখুন]):
* যদি আপনার জমা দেওয়া কোনও নিবন্ধ গৃহীত না হয়, তবে আপনি আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে নিবন্ধের সমস্যাগুলি ঠিক করে পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ জানাতে পারেন।
* যদি আপনি কোনও গৃহীত নিবন্ধ সম্পর্কে কোনও মন্তব্য করতে চান, কোনও অসঙ্গতি আমাদের দৃষ্টিতে আনতে চান, দয়া করে আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে করুন।
প্রতিযোগিতার ফলাফল ঘোষণার পর, ফলাফলে কোনোরূপ পরিবর্তন আনা হবে না। সুতরাং যা করার আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে করুন। আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ২১:৫৪, ৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪: ফরম পূরণ করুন ==
সুপ্রিয় NusJaS, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪/পরিসংখ্যান#ফলাফল|শীর্ষ ২০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLScZptwVHdLgFGVAjzk79Ew7MjAcCUyL1PigcfsNwxBn5VeC6w/viewform?usp=sf_link এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৪:২৭, ১৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি)
==উইকিউক্তি পুনরায় সম্পাদন করা হয়েছে ==
[[উইলিয়াম ম্যাকিনলি]] পাতাটি পুনরায় সম্পাদন করা হয়েছে এখন গ্রহণ করতে পারেন আপনাকে মেনশন করলাম।
[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৫:১১, ২৩ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] সংশোধন করায় ধন্যবাদ। গৃহীত হয়েছে। আপনার জমাদানকৃত বাকি পাতাগুলোতেও এরকম সংশোধন করার পরামর্শ রইল। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৯:৪৩, ২৪ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::ঠিক আছে তাহলে আমি পুনরায় পর্যালোচনা করছি [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৫:৫২, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== সাহায্য প্রয়োজন ==
আমি যখন আর্টিকেল গুলো বাংলা অনুবাদ করার পরে পাবলিশ করার পরে আমি এটি উইকি ডাটার সাথে কানেক্ট করতে চাচ্ছি যেন একটি ইংরেজি অনুবাদটাও যে কেউ দেখতে পারে। কিন্তু আমাকে এটা দেখাচ্ছে এগুলো সেমি প্রটেক্টেড পেজ । [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৫:৫৭, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] যেগুলো লিংক করতে পারবেন না, যেকোনো পর্যালোচকের আলাপ পাতায় সেগুলোর তালিকা দিবেন। তারা লিংক করে দিবে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৯:৫৫, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::[[অং সান সু চি]] এটি লিংক করে দিন।
::এবং আমি কিভাবে এই রাইট পেতে পারি! [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৬:৫৫, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন]] ==
সুধী, উইকিমিডিয়ার অন্যান্য প্রকল্পগুলোর মতো উইকিউক্তিতে কপিরাইট আইন মান্য করা হয়। তবে উইকিউক্তিতে হুবুহু উক্তি কপি করে ব্যবহারের ক্ষেত্রে যেমন শিথিলতা রয়েছে তেমন সীমাবদ্ধতা রয়েছে। যেমন উইকিউক্তিতে "একই সূত্র থেকে খুব বেশি উক্তি পাতায় দেওয়া যায়না"। মোটামুটি সীমা বজায় রাখতে হয় যাতে কপিরাইট সমস্যায় পড়তে না হয়। [https://copyvios.toolforge.org/?lang=bn&project=wikiquote&title=মোহাম্মদ+নাজিম+উদ্দিন&oldid=&action=search&use_engine=0&use_links=1&turnitin=0&nocache=1 এটা দেখুন], এই রেজাল্ট অনুযায়ী তিনটি সূত্র থেকে ৪০% এর অধিক লেখা সরাসরি উদ্ধৃত করা হয়েছে। তাই উক্তির সংখ্যা কমিয়ে আনা প্রয়োজন৷ সবগুলো সূত্র থেকেই যে একদম ৩০% হতে হবে তা নয়, তবে উক্তির সংখ্যা মোটামুটি কমিয়ে এনে কপিরাইট সমস্যার সমাধান করে নিতে হবে। তারপর আমাকে জানালে আমি পাতাটি গ্রহণ করে নিবো। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৭:১৯, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অগ্রগতি কতদূর? [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ০৩:৫৬, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] এখন অনেক লেখা বাদ দিয়েছি। এবার দেখুন। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:১৬, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ভাই, আমি একটা জিনিস বুঝতে পারছি না। উক্তি তো হুবুহু হবে। এখানে কপিরাইট লঙ্ঘন হচ্ছে এমন জটিলতা কেন? ইংরেজি থেকে অনেক পাতা অনুবাদ করতে গিয়ে বিশাল বিশাল উক্তি হুবুহু কপি পেয়েছি। এক উক্তিতেই ৫-৬০০ শব্দ, এমন। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:৩৬, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] যেটা এখনও ৪৫% দেখাচ্ছে, ওটায় একই বাক্য বারবার এসেছে। তাই বেশি পার্সেন্টেজ। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:৩৮, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] নন-ফ্রি লাইসেন্স নীতি অনুযায়ী আমরা উইকিপিডিয়ায় যেকোন লেখা বা উক্তি হুবুহু তুলে ধরতে পারবো, কিন্তু সেটা সীমা রেখে। অর্থাৎ একটি সূত্রের লেখার বড় অংশ তুলে ধরা যাবেনা। উইকিপিডিয়ায় এটা মান্য করা হয় কপিরাইট আইন মেনে চলার জন্য। সেজন্য আপনি দেখবেন যে অনেক সময় একটি উইকিপিডিয়া নিবন্ধে বেশি উক্তি থাকেনা। উইকিউক্তি একই নীতিতে চলে। যদিও উইকিউক্তির একটি পাতায় উক্তিগুলোকে হুবুহু তুলে ধরতে হবে, কিন্তু সেটা নন-ফ্রি নীতিকে এড়িয়ে উদ্ধৃত করা যাবেনা অর্থাৎ কপিরাইট আইন বজায় রেখেই করতে হবে। তাই আমাদের এখানেও এটা মেনে চলতে হয়। মূল সমস্যা হচ্ছে, সবাই এই ব্যাপারটা জানেনা। মূল কথা হচ্ছে, উক্তি হুবুহু উদ্ধৃত করায় কোন সমস্যা নেই। এখানে সমস্যা হচ্ছে উক্তি উদ্ধৃত করার সময় প্রতিটি সূত্র থেকে কত শতাংশ লেখা কপি করা হয়েছে, যা পরিস্থিতিভেদে সর্বোচ্চ হয়তো ৪০-৪৫% ব্যবহার করা যেতে পারে (সবক্ষেত্রে নয়)। তবে সর্বোচ্চ ৩০% ব্যবহার করাই নিরাপদ। তবে, ব্যতিক্রম হতে পারে অনূদিত উক্তির ক্ষেত্রে। কেননা পড়ার উপযোগী করে উক্তি অনুবাদ করতে গিয়ে অনেক সময় উক্তিগুলোর মূল কাঠামো ও অনূদিত প্রতিশব্দ পালটে যেতে পারে আর তখন কপিরাইট সমস্যার প্রশ্ন আসবেনা। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১২:৫৪, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ওকে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। আশা করি বুঝতে পেরেছ। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১২:৫৫, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]]: জি, এবার বুঝতে পেরেছি। ঠিক করা হয়েছে। আবার পর্যালোচনা করার অনুরোধ করছি।। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:৫৩, ১ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
:::::::আমি এখনো ব্যাপারটি বুঝলাম না। আমি ইংরেজিতে থাকা উক্তিগুলো এবং প্রতিটি উক্তির তথ্যসূত্র সম্পূর্ণ অনুবাদ করি ।
:::::::এখানে সূত্র বলতে কি বুঝাচ্ছে ওই তথ্যসূত্র টাই [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৬:৫৯, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
::::::::@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] হ্যাঁ, সেটাই সূত্র মানেই তথ্যসূত্র [[User:Md Mobashir Hossain|মোবাশশির]] <small>[[User Talk:Md Mobashir Hossain|বার্তা দিন]]</small> ০৭:৫৩, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
::::::::: [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৮:০৭, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== রো বনাম ওয়েড/সম্পর্কে উক্তি ==
পাতাটির অনুবাদ বেশ রুক্ষ। অনুগ্রহ করে অপসারণ এড়াতে নিবন্ধটি সংশোধন করুন। ১৫:৫০, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]])
: {{ping|Yahya}} পর্যালোচনা করার জন্য ধন্যবাদ। আমি ২ দিন সময় চাচ্ছি। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]])
== রো বনাম ওয়েড ==
পাতাটির অনুবাদ রুক্ষ ও যান্ত্রিক। অনুগ্রহ করে অপসারণ এড়াতে পাতাটি সংশোধন করুন।[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ১৭:৫২, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ভাই, সংশোধন করেছি। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৪২, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
::দুঃখিত। গ্রহণ করা যাচ্ছে না। অনুবাদ এখনও যান্ত্রিক। [[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ১০:৪১, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[রো বনাম ওয়েড/সম্পর্কে উক্তি]] পাতা সম্পর্কে ==
এভাবে উপপাতায় নেয়ার কারণ? এমনকি আপনি [[রো বনাম ওয়েড/সম্পর্কে উক্তি/২]] নামেও পাতা তৈরি করেছেন। ― <span style="color:white; background-color:red;"> ☪ </span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০৭:৫৪, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] একটা পাতায় পুরো লেখা জায়গা হয় না। বাইট লিমিট দেখিয়েছিল। আমি "সম্পর্কে উক্তি"কে একটাই উপপাতায় রাখতে চেয়েছিলাম। সেটাও সম্ভব হয়নি। তাই দুটো পাতা করতে হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:২৪, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
::যান্ত্রিক ও ত্রুটিপূর্ণ অনুবাদ হওয়ায় পাতাটি উক্তি প্রতিযোগিতায় গৃহীত হয়নি। –– [[ব্যবহারকারী:Tahmid|তাহমিদ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tahmid|আলাপ]]) ১৪:০৮, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== সংশোধনের পর জানাতে বলা হয়েছে ==
[[প্রবীণ তোগাড়িয়া]] পাতাটিতে একই তথ্যসূত্র বেশ কয়েকটি উক্তিতে ছিল। তা সংশোধন করা হয়েছে। এখন গ্রহণ করতে পারবেন [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৩:১৫, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন ==
সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|শীর্ষ ১০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSeDWCveBqp7ID0VVW0ipXM-WXeCqE7u-xHQCU_d7FRYo-9vAA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। - ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৮:৩১, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
<!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67623-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন -->
== বাবুলমিয়া ==
মাধবদী পৌরসভা জেলা নরসিংদী ০১৭১২ ৬২০ ৯৯২ আমার এই ওষুধটা লাগবে [[বিশেষ:অবদান/~2026-20015-50|~2026-20015-50]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20015-50|আলাপ]]) ১৮:৪৩, ৩১ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি)
01924087544 [[বিশেষ:অবদান/~2026-20544-24|~2026-20544-24]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20544-24|আলাপ]]) ০৬:৩৭, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পর্যালোচনা ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] আমি [আলফ্রেড নোবেল] পাতাটি সংশোধন করেছি, অনুগ্রহ করে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন।
ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০৩:৪৯, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পাতা গ্রহণ সম্বন্ধে ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]]
[[আল খোয়ারিজমি]] - পাতাটি গৃহীত হয়নি। কিন্তু এর ''সুনির্দিষ্ট'' এবং যথার্থ কারন উল্লেখ প্রয়োজন। উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
ধন্যবাদান্তে,
''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:২৯, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)-Mahmud''
::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] '[[আল খোয়ারিজমি]]' পাতাটির সংশোধনের ক্ষেত্রগুলো উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
:'''''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১১:১০, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'''''
== জেরার দ্যব্রু ==
নিবন্ধটি আমি সংশোধন করেছি এবং যান্ত্রিকতা দূর করেছি। অনুগ্রহ করে এখন পুনরায় পর্যালোচনা করুন। ''([[জেরার দ্যব্রু]])'' — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:২১, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অনুগ্রহ করে সবার আগে এটিকে পর্যালোচনা করুন। এটি অত্যন্ত ছোট পাতা। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:৫৮, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] এটিতে কি কোন অসুবিধা বিদ্যমান? আপনি এখনও গ্রহণ করেননি। সমস্যা থাকলে জানান। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:৫২, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৫২, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৭:৪৮, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[আলেক্সান্দ্র্ সলজেনিৎসিন]] ==
সংশোধন করেছি, পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ রইলো। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ০৫:৩৩, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৫৩, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[আলফ্রেড নোবেল]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] পতাটি সংশোধন করা হয়েছে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০০:০২, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[এর্নস্ট মাখ]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০০:৪৮, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[অরবিন্দ আদিগা]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছে পুনরায় পর্যালোচনা করুন। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:০৮, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[সি. এ. আর. হোর]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:১২, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[ডায়ান ফসি]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:১৪, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[অরেল স্টেইন]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:২০, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] আপনার সবগুলো পাতাতেই কিছু বাক্য আরেকটু সাবলীলভাবে লেখা যায়। আরেকদফা সংশোধন করে জানালে আমি গ্রহণ করে নিব। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৫৪, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]]ঠিক আছে আমি সব পাতা সংশোধন করে একসাথে পরে জানাবো। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৬:০৯, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[ড্যানিয়েল কানেমান]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] উল্লেখিত পাতাটি সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন।
ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৬:৩০, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[এর্নস্ট মাখ]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] পাতাটি আরও একবার সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০২:০৬, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] আরও সংশোধন করতে হবে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:০৫, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[অরবিন্দ আদিগা]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] পাতাটি পুনরায় সংশোধন করেছি অনুগ্রহ করে আরেকবার পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০৩:৪৯, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
r [[বিশেষ:অবদান/~2026-24691-92|~2026-24691-92]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-24691-92|আলাপ]]) ১১:৩৭, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৫৪, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[শিং-শেন চের্ন]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অনুগ্রহ করে [[শিং-শেন চের্ন]] নিবন্ধটি পুনঃপর্যালোচনা করুন। আমি এটিকে সংশোধন করেছি এবং জার্নাল, সংস্থা, প্রকাশক এসব বাংলায় লিপ্যন্তর করেছি। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১২:০০, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অনুগ্রহ করে এটি পর্যালোচনা করুন — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">আনাফ</span> <span style="color:#388E3C">ইবনে</span> <span style="color:#66BB6A">সাহেবুল</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৫:৩৬, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] গৃহীত হয়েছে। অনুগ্রহপূর্বক ধৈর্য ধারণ করুন। সংশোধন করলে অবশ্যই পুনঃপর্যালোচনা করা হবে। বারবার মেনশন করার প্রয়োজন নেই। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৪০, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] দুঃখিত। অনুবাদে যান্ত্রিকতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। {{গৃহীত হয়নি}}। আবার সংশোধন করুন। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৬:১৭, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ঠিক আছে। আমি আবারও মেনশন করছিলাম, কারণ মনে হচ্ছিল কেনো ত্রুটির ফলে আপনার নিকট বিজ্ঞপ্তি যায় নি। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">আনাফ</span> <span style="color:#388E3C">ইবনে</span> <span style="color:#66BB6A">সাহেবুল</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৭:৫৫, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] মনে হচ্ছে, আপনি আমার কথা বুঝতে পারেননি। আমি ২৫ তারিখে পুনঃপর্যালোচনা করেছি। পাতাটা তখনও যান্ত্রিক ছিল। এর পর আপনি আর কোনও সম্পাদনা করেননি। আপনার লাস্ট সম্পাদনা ২৩ তারিখে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:০৪, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[ভারতে সুফিবাদ]] ==
[[ভারতে সুফিবাদ]]ে কি সমস্যা?? [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ১৩:২৩, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[পেত্র ক্রাপোতকিন]] ==
পাতাটি ঠিক করেছি। পাশাপাশি [[টনি বেন]]
পাতাটাও ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১৪:১৭, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] গ্রহণ করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:১০, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
=== [[স্ট্যানলি বল্ডউইন]] ===
এটা সংশোধন করেছি আমি। পুনঃপর্যালোচনা করার অনুরোধ করছি। [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker|আলাপ]]) ১৪:১৯, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] গ্রহণ করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:১০, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[নরউইচের জুলিয়ান]] পাতা ==
পাতাটি ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১৪:৪৫, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] গ্রহণ করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:১০, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন]] ==
নিবন্ধটি পুনর্লিখন করেছি। আশাকরি গ্রহণ করবেন। – [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৯:২২, ২ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:এর সাথে [[আতঙ্ক]] পাতাটিও। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৯:৫৭, ২ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
::[[রবার্ট অ্যাটকিনস (বিচারক)]] পাতাটি সংশোধন করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১০:০০, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন]] ==
*অন্য ভাষার লিপি বিদ্যমান
*"মি. গ্ল্যাডস্টোন ছিলেন সবচেয়ে বড় আলোচনার পরিষদের সর্বশ্রেষ্ঠ সদস্য যা বিশ্ব আজ পর্যন্ত দেখেছে।" উক্তির সূত্র ঠিক করুন
*"আর্মেনিয়ার সেবা করা মানে সভ্যতার সেবা করা।" উক্তির সূত্র ঠিক করুন [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ০১:২৫, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
rzxuljspaj1r1y3d50blkilhxy63x8r
83326
83325
2026-05-03T13:11:46Z
NusJaS
273
/* ভারতে সুফিবাদ */ উত্তর
83326
wikitext
text/x-wiki
{{স্বাগত}}≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান </b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud| «আলাপ»]]</b> ০৮:০৭, ৩১ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে ==
সুপ্রিয় NusJaS, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ ও ৩০ এপ্রিল শেষ দিন পর্যন্ত অংশ নেওয়া অব্যাহত রাখুন।
আপনার অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে: প্রতিযোগিতায় এখন থেকে '''নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে না''' অর্থাৎ <u>নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র ছাড়া অন্য উল্লেখযোগ্য যেকোনও কিছু নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে</u>।
;কেন নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র বাদ দেওয়া হয়েছে?
:প্রতিযোগিতা শুরুর পর অনেকেই নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা বানিয়েছেন। তবে লক্ষ্য করা গেছে যে, অনেকে শব্দ সংখ্যা বাড়াতে পুরো নাটক, উপন্যাস তুলে দিচ্ছেন। যা কোন ক্রমে কাম্য নয়। এটি অন্য প্রতিযোগীদের প্রতিও সুবিচার করা হয় না।
; আমি যে নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র জমা দিয়েছি তার কী হবে?
: যারা এই ঘোষণার পূর্বে অর্থাৎ ৬ এপ্রিল বা তার আগে এই জাতীয় উক্তির পাতা জমা দিয়েছেন সেগুলি গৃহীত হবে (অবশ্যই সংশোধনপূর্বক)।
আরেকটি বিষয়ের প্রতি আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। এটাও লক্ষ্য করা গেছে যে অনেকে উক্তির উৎস দিচ্ছেন না। দয়া করে উক্তির উৎস দিতে ভুলবেন না। দয়া করে উদাহরণ হিসেবে [[চঞ্চল চৌধুরী]], [[নোম চম্স্কি]] পাতায় কীভাবে উক্তি ও উক্তির উৎস দেওয়া হয়েছে তা দেখুন।
আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৯:৪৭, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি)
<!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:%E0%A6%86%E0%A6%AB%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE&oldid=31634-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন -->
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪: আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ==
সুপ্রিয় NusJaS, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ([https://fountain.toolforge.org/editathons/qc2024 এখানে দেখুন]):
* যদি আপনার জমা দেওয়া কোনও নিবন্ধ গৃহীত না হয়, তবে আপনি আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে নিবন্ধের সমস্যাগুলি ঠিক করে পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ জানাতে পারেন।
* যদি আপনি কোনও গৃহীত নিবন্ধ সম্পর্কে কোনও মন্তব্য করতে চান, কোনও অসঙ্গতি আমাদের দৃষ্টিতে আনতে চান, দয়া করে আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে করুন।
প্রতিযোগিতার ফলাফল ঘোষণার পর, ফলাফলে কোনোরূপ পরিবর্তন আনা হবে না। সুতরাং যা করার আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে করুন। আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ২১:৫৪, ৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪: ফরম পূরণ করুন ==
সুপ্রিয় NusJaS, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪/পরিসংখ্যান#ফলাফল|শীর্ষ ২০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLScZptwVHdLgFGVAjzk79Ew7MjAcCUyL1PigcfsNwxBn5VeC6w/viewform?usp=sf_link এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৪:২৭, ১৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি)
==উইকিউক্তি পুনরায় সম্পাদন করা হয়েছে ==
[[উইলিয়াম ম্যাকিনলি]] পাতাটি পুনরায় সম্পাদন করা হয়েছে এখন গ্রহণ করতে পারেন আপনাকে মেনশন করলাম।
[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৫:১১, ২৩ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] সংশোধন করায় ধন্যবাদ। গৃহীত হয়েছে। আপনার জমাদানকৃত বাকি পাতাগুলোতেও এরকম সংশোধন করার পরামর্শ রইল। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৯:৪৩, ২৪ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::ঠিক আছে তাহলে আমি পুনরায় পর্যালোচনা করছি [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৫:৫২, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== সাহায্য প্রয়োজন ==
আমি যখন আর্টিকেল গুলো বাংলা অনুবাদ করার পরে পাবলিশ করার পরে আমি এটি উইকি ডাটার সাথে কানেক্ট করতে চাচ্ছি যেন একটি ইংরেজি অনুবাদটাও যে কেউ দেখতে পারে। কিন্তু আমাকে এটা দেখাচ্ছে এগুলো সেমি প্রটেক্টেড পেজ । [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৫:৫৭, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] যেগুলো লিংক করতে পারবেন না, যেকোনো পর্যালোচকের আলাপ পাতায় সেগুলোর তালিকা দিবেন। তারা লিংক করে দিবে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৯:৫৫, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::[[অং সান সু চি]] এটি লিংক করে দিন।
::এবং আমি কিভাবে এই রাইট পেতে পারি! [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৬:৫৫, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন]] ==
সুধী, উইকিমিডিয়ার অন্যান্য প্রকল্পগুলোর মতো উইকিউক্তিতে কপিরাইট আইন মান্য করা হয়। তবে উইকিউক্তিতে হুবুহু উক্তি কপি করে ব্যবহারের ক্ষেত্রে যেমন শিথিলতা রয়েছে তেমন সীমাবদ্ধতা রয়েছে। যেমন উইকিউক্তিতে "একই সূত্র থেকে খুব বেশি উক্তি পাতায় দেওয়া যায়না"। মোটামুটি সীমা বজায় রাখতে হয় যাতে কপিরাইট সমস্যায় পড়তে না হয়। [https://copyvios.toolforge.org/?lang=bn&project=wikiquote&title=মোহাম্মদ+নাজিম+উদ্দিন&oldid=&action=search&use_engine=0&use_links=1&turnitin=0&nocache=1 এটা দেখুন], এই রেজাল্ট অনুযায়ী তিনটি সূত্র থেকে ৪০% এর অধিক লেখা সরাসরি উদ্ধৃত করা হয়েছে। তাই উক্তির সংখ্যা কমিয়ে আনা প্রয়োজন৷ সবগুলো সূত্র থেকেই যে একদম ৩০% হতে হবে তা নয়, তবে উক্তির সংখ্যা মোটামুটি কমিয়ে এনে কপিরাইট সমস্যার সমাধান করে নিতে হবে। তারপর আমাকে জানালে আমি পাতাটি গ্রহণ করে নিবো। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৭:১৯, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অগ্রগতি কতদূর? [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ০৩:৫৬, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] এখন অনেক লেখা বাদ দিয়েছি। এবার দেখুন। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:১৬, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ভাই, আমি একটা জিনিস বুঝতে পারছি না। উক্তি তো হুবুহু হবে। এখানে কপিরাইট লঙ্ঘন হচ্ছে এমন জটিলতা কেন? ইংরেজি থেকে অনেক পাতা অনুবাদ করতে গিয়ে বিশাল বিশাল উক্তি হুবুহু কপি পেয়েছি। এক উক্তিতেই ৫-৬০০ শব্দ, এমন। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:৩৬, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] যেটা এখনও ৪৫% দেখাচ্ছে, ওটায় একই বাক্য বারবার এসেছে। তাই বেশি পার্সেন্টেজ। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:৩৮, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] নন-ফ্রি লাইসেন্স নীতি অনুযায়ী আমরা উইকিপিডিয়ায় যেকোন লেখা বা উক্তি হুবুহু তুলে ধরতে পারবো, কিন্তু সেটা সীমা রেখে। অর্থাৎ একটি সূত্রের লেখার বড় অংশ তুলে ধরা যাবেনা। উইকিপিডিয়ায় এটা মান্য করা হয় কপিরাইট আইন মেনে চলার জন্য। সেজন্য আপনি দেখবেন যে অনেক সময় একটি উইকিপিডিয়া নিবন্ধে বেশি উক্তি থাকেনা। উইকিউক্তি একই নীতিতে চলে। যদিও উইকিউক্তির একটি পাতায় উক্তিগুলোকে হুবুহু তুলে ধরতে হবে, কিন্তু সেটা নন-ফ্রি নীতিকে এড়িয়ে উদ্ধৃত করা যাবেনা অর্থাৎ কপিরাইট আইন বজায় রেখেই করতে হবে। তাই আমাদের এখানেও এটা মেনে চলতে হয়। মূল সমস্যা হচ্ছে, সবাই এই ব্যাপারটা জানেনা। মূল কথা হচ্ছে, উক্তি হুবুহু উদ্ধৃত করায় কোন সমস্যা নেই। এখানে সমস্যা হচ্ছে উক্তি উদ্ধৃত করার সময় প্রতিটি সূত্র থেকে কত শতাংশ লেখা কপি করা হয়েছে, যা পরিস্থিতিভেদে সর্বোচ্চ হয়তো ৪০-৪৫% ব্যবহার করা যেতে পারে (সবক্ষেত্রে নয়)। তবে সর্বোচ্চ ৩০% ব্যবহার করাই নিরাপদ। তবে, ব্যতিক্রম হতে পারে অনূদিত উক্তির ক্ষেত্রে। কেননা পড়ার উপযোগী করে উক্তি অনুবাদ করতে গিয়ে অনেক সময় উক্তিগুলোর মূল কাঠামো ও অনূদিত প্রতিশব্দ পালটে যেতে পারে আর তখন কপিরাইট সমস্যার প্রশ্ন আসবেনা। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১২:৫৪, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ওকে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। আশা করি বুঝতে পেরেছ। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১২:৫৫, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]]: জি, এবার বুঝতে পেরেছি। ঠিক করা হয়েছে। আবার পর্যালোচনা করার অনুরোধ করছি।। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:৫৩, ১ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
:::::::আমি এখনো ব্যাপারটি বুঝলাম না। আমি ইংরেজিতে থাকা উক্তিগুলো এবং প্রতিটি উক্তির তথ্যসূত্র সম্পূর্ণ অনুবাদ করি ।
:::::::এখানে সূত্র বলতে কি বুঝাচ্ছে ওই তথ্যসূত্র টাই [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৬:৫৯, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
::::::::@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] হ্যাঁ, সেটাই সূত্র মানেই তথ্যসূত্র [[User:Md Mobashir Hossain|মোবাশশির]] <small>[[User Talk:Md Mobashir Hossain|বার্তা দিন]]</small> ০৭:৫৩, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
::::::::: [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৮:০৭, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== রো বনাম ওয়েড/সম্পর্কে উক্তি ==
পাতাটির অনুবাদ বেশ রুক্ষ। অনুগ্রহ করে অপসারণ এড়াতে নিবন্ধটি সংশোধন করুন। ১৫:৫০, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]])
: {{ping|Yahya}} পর্যালোচনা করার জন্য ধন্যবাদ। আমি ২ দিন সময় চাচ্ছি। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]])
== রো বনাম ওয়েড ==
পাতাটির অনুবাদ রুক্ষ ও যান্ত্রিক। অনুগ্রহ করে অপসারণ এড়াতে পাতাটি সংশোধন করুন।[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ১৭:৫২, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ভাই, সংশোধন করেছি। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৪২, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
::দুঃখিত। গ্রহণ করা যাচ্ছে না। অনুবাদ এখনও যান্ত্রিক। [[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ১০:৪১, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[রো বনাম ওয়েড/সম্পর্কে উক্তি]] পাতা সম্পর্কে ==
এভাবে উপপাতায় নেয়ার কারণ? এমনকি আপনি [[রো বনাম ওয়েড/সম্পর্কে উক্তি/২]] নামেও পাতা তৈরি করেছেন। ― <span style="color:white; background-color:red;"> ☪ </span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০৭:৫৪, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] একটা পাতায় পুরো লেখা জায়গা হয় না। বাইট লিমিট দেখিয়েছিল। আমি "সম্পর্কে উক্তি"কে একটাই উপপাতায় রাখতে চেয়েছিলাম। সেটাও সম্ভব হয়নি। তাই দুটো পাতা করতে হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:২৪, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
::যান্ত্রিক ও ত্রুটিপূর্ণ অনুবাদ হওয়ায় পাতাটি উক্তি প্রতিযোগিতায় গৃহীত হয়নি। –– [[ব্যবহারকারী:Tahmid|তাহমিদ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tahmid|আলাপ]]) ১৪:০৮, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== সংশোধনের পর জানাতে বলা হয়েছে ==
[[প্রবীণ তোগাড়িয়া]] পাতাটিতে একই তথ্যসূত্র বেশ কয়েকটি উক্তিতে ছিল। তা সংশোধন করা হয়েছে। এখন গ্রহণ করতে পারবেন [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৩:১৫, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন ==
সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|শীর্ষ ১০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSeDWCveBqp7ID0VVW0ipXM-WXeCqE7u-xHQCU_d7FRYo-9vAA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। - ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৮:৩১, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
<!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67623-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন -->
== বাবুলমিয়া ==
মাধবদী পৌরসভা জেলা নরসিংদী ০১৭১২ ৬২০ ৯৯২ আমার এই ওষুধটা লাগবে [[বিশেষ:অবদান/~2026-20015-50|~2026-20015-50]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20015-50|আলাপ]]) ১৮:৪৩, ৩১ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি)
01924087544 [[বিশেষ:অবদান/~2026-20544-24|~2026-20544-24]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20544-24|আলাপ]]) ০৬:৩৭, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পর্যালোচনা ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] আমি [আলফ্রেড নোবেল] পাতাটি সংশোধন করেছি, অনুগ্রহ করে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন।
ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০৩:৪৯, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পাতা গ্রহণ সম্বন্ধে ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]]
[[আল খোয়ারিজমি]] - পাতাটি গৃহীত হয়নি। কিন্তু এর ''সুনির্দিষ্ট'' এবং যথার্থ কারন উল্লেখ প্রয়োজন। উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
ধন্যবাদান্তে,
''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:২৯, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)-Mahmud''
::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] '[[আল খোয়ারিজমি]]' পাতাটির সংশোধনের ক্ষেত্রগুলো উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
:'''''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১১:১০, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'''''
== জেরার দ্যব্রু ==
নিবন্ধটি আমি সংশোধন করেছি এবং যান্ত্রিকতা দূর করেছি। অনুগ্রহ করে এখন পুনরায় পর্যালোচনা করুন। ''([[জেরার দ্যব্রু]])'' — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:২১, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অনুগ্রহ করে সবার আগে এটিকে পর্যালোচনা করুন। এটি অত্যন্ত ছোট পাতা। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:৫৮, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] এটিতে কি কোন অসুবিধা বিদ্যমান? আপনি এখনও গ্রহণ করেননি। সমস্যা থাকলে জানান। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:৫২, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৫২, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৭:৪৮, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[আলেক্সান্দ্র্ সলজেনিৎসিন]] ==
সংশোধন করেছি, পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ রইলো। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ০৫:৩৩, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৫৩, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[আলফ্রেড নোবেল]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] পতাটি সংশোধন করা হয়েছে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০০:০২, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[এর্নস্ট মাখ]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০০:৪৮, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[অরবিন্দ আদিগা]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছে পুনরায় পর্যালোচনা করুন। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:০৮, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[সি. এ. আর. হোর]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:১২, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[ডায়ান ফসি]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:১৪, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[অরেল স্টেইন]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:২০, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] আপনার সবগুলো পাতাতেই কিছু বাক্য আরেকটু সাবলীলভাবে লেখা যায়। আরেকদফা সংশোধন করে জানালে আমি গ্রহণ করে নিব। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৫৪, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]]ঠিক আছে আমি সব পাতা সংশোধন করে একসাথে পরে জানাবো। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৬:০৯, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[ড্যানিয়েল কানেমান]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] উল্লেখিত পাতাটি সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন।
ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৬:৩০, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[এর্নস্ট মাখ]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] পাতাটি আরও একবার সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০২:০৬, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] আরও সংশোধন করতে হবে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:০৫, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[অরবিন্দ আদিগা]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] পাতাটি পুনরায় সংশোধন করেছি অনুগ্রহ করে আরেকবার পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০৩:৪৯, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
r [[বিশেষ:অবদান/~2026-24691-92|~2026-24691-92]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-24691-92|আলাপ]]) ১১:৩৭, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৫৪, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[শিং-শেন চের্ন]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অনুগ্রহ করে [[শিং-শেন চের্ন]] নিবন্ধটি পুনঃপর্যালোচনা করুন। আমি এটিকে সংশোধন করেছি এবং জার্নাল, সংস্থা, প্রকাশক এসব বাংলায় লিপ্যন্তর করেছি। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১২:০০, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অনুগ্রহ করে এটি পর্যালোচনা করুন — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">আনাফ</span> <span style="color:#388E3C">ইবনে</span> <span style="color:#66BB6A">সাহেবুল</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৫:৩৬, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] গৃহীত হয়েছে। অনুগ্রহপূর্বক ধৈর্য ধারণ করুন। সংশোধন করলে অবশ্যই পুনঃপর্যালোচনা করা হবে। বারবার মেনশন করার প্রয়োজন নেই। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৪০, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] দুঃখিত। অনুবাদে যান্ত্রিকতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। {{গৃহীত হয়নি}}। আবার সংশোধন করুন। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৬:১৭, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ঠিক আছে। আমি আবারও মেনশন করছিলাম, কারণ মনে হচ্ছিল কেনো ত্রুটির ফলে আপনার নিকট বিজ্ঞপ্তি যায় নি। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">আনাফ</span> <span style="color:#388E3C">ইবনে</span> <span style="color:#66BB6A">সাহেবুল</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৭:৫৫, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] মনে হচ্ছে, আপনি আমার কথা বুঝতে পারেননি। আমি ২৫ তারিখে পুনঃপর্যালোচনা করেছি। পাতাটা তখনও যান্ত্রিক ছিল। এর পর আপনি আর কোনও সম্পাদনা করেননি। আপনার লাস্ট সম্পাদনা ২৩ তারিখে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:০৪, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[ভারতে সুফিবাদ]] ==
[[ভারতে সুফিবাদ]]ে কি সমস্যা?? [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ১৩:২৩, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] দুঃখিত। ভুলক্রমে "'''না'''" তে ক্লিক পড়েছিল, খেয়াল করিনি। গ্রহণ করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:১১, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[পেত্র ক্রাপোতকিন]] ==
পাতাটি ঠিক করেছি। পাশাপাশি [[টনি বেন]]
পাতাটাও ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১৪:১৭, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] গ্রহণ করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:১০, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
=== [[স্ট্যানলি বল্ডউইন]] ===
এটা সংশোধন করেছি আমি। পুনঃপর্যালোচনা করার অনুরোধ করছি। [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker|আলাপ]]) ১৪:১৯, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] গ্রহণ করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:১০, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[নরউইচের জুলিয়ান]] পাতা ==
পাতাটি ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১৪:৪৫, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] গ্রহণ করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:১০, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন]] ==
নিবন্ধটি পুনর্লিখন করেছি। আশাকরি গ্রহণ করবেন। – [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৯:২২, ২ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:এর সাথে [[আতঙ্ক]] পাতাটিও। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৯:৫৭, ২ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
::[[রবার্ট অ্যাটকিনস (বিচারক)]] পাতাটি সংশোধন করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১০:০০, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন]] ==
*অন্য ভাষার লিপি বিদ্যমান
*"মি. গ্ল্যাডস্টোন ছিলেন সবচেয়ে বড় আলোচনার পরিষদের সর্বশ্রেষ্ঠ সদস্য যা বিশ্ব আজ পর্যন্ত দেখেছে।" উক্তির সূত্র ঠিক করুন
*"আর্মেনিয়ার সেবা করা মানে সভ্যতার সেবা করা।" উক্তির সূত্র ঠিক করুন [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ০১:২৫, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
itfkd78k4t6yq11oj0mdr0dxzxd55at
83331
83326
2026-05-03T13:26:48Z
SMontaha32
3112
/* মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনী */ নতুন অনুচ্ছেদ
83331
wikitext
text/x-wiki
{{স্বাগত}}≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান </b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud| «আলাপ»]]</b> ০৮:০৭, ৩১ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে ==
সুপ্রিয় NusJaS, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ ও ৩০ এপ্রিল শেষ দিন পর্যন্ত অংশ নেওয়া অব্যাহত রাখুন।
আপনার অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে: প্রতিযোগিতায় এখন থেকে '''নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে না''' অর্থাৎ <u>নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র ছাড়া অন্য উল্লেখযোগ্য যেকোনও কিছু নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে</u>।
;কেন নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র বাদ দেওয়া হয়েছে?
:প্রতিযোগিতা শুরুর পর অনেকেই নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা বানিয়েছেন। তবে লক্ষ্য করা গেছে যে, অনেকে শব্দ সংখ্যা বাড়াতে পুরো নাটক, উপন্যাস তুলে দিচ্ছেন। যা কোন ক্রমে কাম্য নয়। এটি অন্য প্রতিযোগীদের প্রতিও সুবিচার করা হয় না।
; আমি যে নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র জমা দিয়েছি তার কী হবে?
: যারা এই ঘোষণার পূর্বে অর্থাৎ ৬ এপ্রিল বা তার আগে এই জাতীয় উক্তির পাতা জমা দিয়েছেন সেগুলি গৃহীত হবে (অবশ্যই সংশোধনপূর্বক)।
আরেকটি বিষয়ের প্রতি আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। এটাও লক্ষ্য করা গেছে যে অনেকে উক্তির উৎস দিচ্ছেন না। দয়া করে উক্তির উৎস দিতে ভুলবেন না। দয়া করে উদাহরণ হিসেবে [[চঞ্চল চৌধুরী]], [[নোম চম্স্কি]] পাতায় কীভাবে উক্তি ও উক্তির উৎস দেওয়া হয়েছে তা দেখুন।
আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৯:৪৭, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি)
<!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:%E0%A6%86%E0%A6%AB%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE&oldid=31634-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন -->
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪: আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ==
সুপ্রিয় NusJaS, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ([https://fountain.toolforge.org/editathons/qc2024 এখানে দেখুন]):
* যদি আপনার জমা দেওয়া কোনও নিবন্ধ গৃহীত না হয়, তবে আপনি আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে নিবন্ধের সমস্যাগুলি ঠিক করে পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ জানাতে পারেন।
* যদি আপনি কোনও গৃহীত নিবন্ধ সম্পর্কে কোনও মন্তব্য করতে চান, কোনও অসঙ্গতি আমাদের দৃষ্টিতে আনতে চান, দয়া করে আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে করুন।
প্রতিযোগিতার ফলাফল ঘোষণার পর, ফলাফলে কোনোরূপ পরিবর্তন আনা হবে না। সুতরাং যা করার আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে করুন। আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ২১:৫৪, ৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪: ফরম পূরণ করুন ==
সুপ্রিয় NusJaS, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪/পরিসংখ্যান#ফলাফল|শীর্ষ ২০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLScZptwVHdLgFGVAjzk79Ew7MjAcCUyL1PigcfsNwxBn5VeC6w/viewform?usp=sf_link এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৪:২৭, ১৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি)
==উইকিউক্তি পুনরায় সম্পাদন করা হয়েছে ==
[[উইলিয়াম ম্যাকিনলি]] পাতাটি পুনরায় সম্পাদন করা হয়েছে এখন গ্রহণ করতে পারেন আপনাকে মেনশন করলাম।
[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৫:১১, ২৩ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] সংশোধন করায় ধন্যবাদ। গৃহীত হয়েছে। আপনার জমাদানকৃত বাকি পাতাগুলোতেও এরকম সংশোধন করার পরামর্শ রইল। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৯:৪৩, ২৪ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::ঠিক আছে তাহলে আমি পুনরায় পর্যালোচনা করছি [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৫:৫২, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== সাহায্য প্রয়োজন ==
আমি যখন আর্টিকেল গুলো বাংলা অনুবাদ করার পরে পাবলিশ করার পরে আমি এটি উইকি ডাটার সাথে কানেক্ট করতে চাচ্ছি যেন একটি ইংরেজি অনুবাদটাও যে কেউ দেখতে পারে। কিন্তু আমাকে এটা দেখাচ্ছে এগুলো সেমি প্রটেক্টেড পেজ । [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৫:৫৭, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] যেগুলো লিংক করতে পারবেন না, যেকোনো পর্যালোচকের আলাপ পাতায় সেগুলোর তালিকা দিবেন। তারা লিংক করে দিবে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৯:৫৫, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::[[অং সান সু চি]] এটি লিংক করে দিন।
::এবং আমি কিভাবে এই রাইট পেতে পারি! [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৬:৫৫, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন]] ==
সুধী, উইকিমিডিয়ার অন্যান্য প্রকল্পগুলোর মতো উইকিউক্তিতে কপিরাইট আইন মান্য করা হয়। তবে উইকিউক্তিতে হুবুহু উক্তি কপি করে ব্যবহারের ক্ষেত্রে যেমন শিথিলতা রয়েছে তেমন সীমাবদ্ধতা রয়েছে। যেমন উইকিউক্তিতে "একই সূত্র থেকে খুব বেশি উক্তি পাতায় দেওয়া যায়না"। মোটামুটি সীমা বজায় রাখতে হয় যাতে কপিরাইট সমস্যায় পড়তে না হয়। [https://copyvios.toolforge.org/?lang=bn&project=wikiquote&title=মোহাম্মদ+নাজিম+উদ্দিন&oldid=&action=search&use_engine=0&use_links=1&turnitin=0&nocache=1 এটা দেখুন], এই রেজাল্ট অনুযায়ী তিনটি সূত্র থেকে ৪০% এর অধিক লেখা সরাসরি উদ্ধৃত করা হয়েছে। তাই উক্তির সংখ্যা কমিয়ে আনা প্রয়োজন৷ সবগুলো সূত্র থেকেই যে একদম ৩০% হতে হবে তা নয়, তবে উক্তির সংখ্যা মোটামুটি কমিয়ে এনে কপিরাইট সমস্যার সমাধান করে নিতে হবে। তারপর আমাকে জানালে আমি পাতাটি গ্রহণ করে নিবো। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৭:১৯, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অগ্রগতি কতদূর? [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ০৩:৫৬, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] এখন অনেক লেখা বাদ দিয়েছি। এবার দেখুন। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:১৬, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ভাই, আমি একটা জিনিস বুঝতে পারছি না। উক্তি তো হুবুহু হবে। এখানে কপিরাইট লঙ্ঘন হচ্ছে এমন জটিলতা কেন? ইংরেজি থেকে অনেক পাতা অনুবাদ করতে গিয়ে বিশাল বিশাল উক্তি হুবুহু কপি পেয়েছি। এক উক্তিতেই ৫-৬০০ শব্দ, এমন। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:৩৬, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] যেটা এখনও ৪৫% দেখাচ্ছে, ওটায় একই বাক্য বারবার এসেছে। তাই বেশি পার্সেন্টেজ। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:৩৮, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] নন-ফ্রি লাইসেন্স নীতি অনুযায়ী আমরা উইকিপিডিয়ায় যেকোন লেখা বা উক্তি হুবুহু তুলে ধরতে পারবো, কিন্তু সেটা সীমা রেখে। অর্থাৎ একটি সূত্রের লেখার বড় অংশ তুলে ধরা যাবেনা। উইকিপিডিয়ায় এটা মান্য করা হয় কপিরাইট আইন মেনে চলার জন্য। সেজন্য আপনি দেখবেন যে অনেক সময় একটি উইকিপিডিয়া নিবন্ধে বেশি উক্তি থাকেনা। উইকিউক্তি একই নীতিতে চলে। যদিও উইকিউক্তির একটি পাতায় উক্তিগুলোকে হুবুহু তুলে ধরতে হবে, কিন্তু সেটা নন-ফ্রি নীতিকে এড়িয়ে উদ্ধৃত করা যাবেনা অর্থাৎ কপিরাইট আইন বজায় রেখেই করতে হবে। তাই আমাদের এখানেও এটা মেনে চলতে হয়। মূল সমস্যা হচ্ছে, সবাই এই ব্যাপারটা জানেনা। মূল কথা হচ্ছে, উক্তি হুবুহু উদ্ধৃত করায় কোন সমস্যা নেই। এখানে সমস্যা হচ্ছে উক্তি উদ্ধৃত করার সময় প্রতিটি সূত্র থেকে কত শতাংশ লেখা কপি করা হয়েছে, যা পরিস্থিতিভেদে সর্বোচ্চ হয়তো ৪০-৪৫% ব্যবহার করা যেতে পারে (সবক্ষেত্রে নয়)। তবে সর্বোচ্চ ৩০% ব্যবহার করাই নিরাপদ। তবে, ব্যতিক্রম হতে পারে অনূদিত উক্তির ক্ষেত্রে। কেননা পড়ার উপযোগী করে উক্তি অনুবাদ করতে গিয়ে অনেক সময় উক্তিগুলোর মূল কাঠামো ও অনূদিত প্রতিশব্দ পালটে যেতে পারে আর তখন কপিরাইট সমস্যার প্রশ্ন আসবেনা। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১২:৫৪, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ওকে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। আশা করি বুঝতে পেরেছ। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১২:৫৫, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]]: জি, এবার বুঝতে পেরেছি। ঠিক করা হয়েছে। আবার পর্যালোচনা করার অনুরোধ করছি।। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:৫৩, ১ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
:::::::আমি এখনো ব্যাপারটি বুঝলাম না। আমি ইংরেজিতে থাকা উক্তিগুলো এবং প্রতিটি উক্তির তথ্যসূত্র সম্পূর্ণ অনুবাদ করি ।
:::::::এখানে সূত্র বলতে কি বুঝাচ্ছে ওই তথ্যসূত্র টাই [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৬:৫৯, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
::::::::@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] হ্যাঁ, সেটাই সূত্র মানেই তথ্যসূত্র [[User:Md Mobashir Hossain|মোবাশশির]] <small>[[User Talk:Md Mobashir Hossain|বার্তা দিন]]</small> ০৭:৫৩, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
::::::::: [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৮:০৭, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== রো বনাম ওয়েড/সম্পর্কে উক্তি ==
পাতাটির অনুবাদ বেশ রুক্ষ। অনুগ্রহ করে অপসারণ এড়াতে নিবন্ধটি সংশোধন করুন। ১৫:৫০, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]])
: {{ping|Yahya}} পর্যালোচনা করার জন্য ধন্যবাদ। আমি ২ দিন সময় চাচ্ছি। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]])
== রো বনাম ওয়েড ==
পাতাটির অনুবাদ রুক্ষ ও যান্ত্রিক। অনুগ্রহ করে অপসারণ এড়াতে পাতাটি সংশোধন করুন।[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ১৭:৫২, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ভাই, সংশোধন করেছি। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৪২, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
::দুঃখিত। গ্রহণ করা যাচ্ছে না। অনুবাদ এখনও যান্ত্রিক। [[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ১০:৪১, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[রো বনাম ওয়েড/সম্পর্কে উক্তি]] পাতা সম্পর্কে ==
এভাবে উপপাতায় নেয়ার কারণ? এমনকি আপনি [[রো বনাম ওয়েড/সম্পর্কে উক্তি/২]] নামেও পাতা তৈরি করেছেন। ― <span style="color:white; background-color:red;"> ☪ </span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০৭:৫৪, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] একটা পাতায় পুরো লেখা জায়গা হয় না। বাইট লিমিট দেখিয়েছিল। আমি "সম্পর্কে উক্তি"কে একটাই উপপাতায় রাখতে চেয়েছিলাম। সেটাও সম্ভব হয়নি। তাই দুটো পাতা করতে হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:২৪, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
::যান্ত্রিক ও ত্রুটিপূর্ণ অনুবাদ হওয়ায় পাতাটি উক্তি প্রতিযোগিতায় গৃহীত হয়নি। –– [[ব্যবহারকারী:Tahmid|তাহমিদ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tahmid|আলাপ]]) ১৪:০৮, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== সংশোধনের পর জানাতে বলা হয়েছে ==
[[প্রবীণ তোগাড়িয়া]] পাতাটিতে একই তথ্যসূত্র বেশ কয়েকটি উক্তিতে ছিল। তা সংশোধন করা হয়েছে। এখন গ্রহণ করতে পারবেন [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৩:১৫, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন ==
সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|শীর্ষ ১০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSeDWCveBqp7ID0VVW0ipXM-WXeCqE7u-xHQCU_d7FRYo-9vAA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। - ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৮:৩১, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
<!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67623-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন -->
== বাবুলমিয়া ==
মাধবদী পৌরসভা জেলা নরসিংদী ০১৭১২ ৬২০ ৯৯২ আমার এই ওষুধটা লাগবে [[বিশেষ:অবদান/~2026-20015-50|~2026-20015-50]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20015-50|আলাপ]]) ১৮:৪৩, ৩১ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি)
01924087544 [[বিশেষ:অবদান/~2026-20544-24|~2026-20544-24]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20544-24|আলাপ]]) ০৬:৩৭, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পর্যালোচনা ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] আমি [আলফ্রেড নোবেল] পাতাটি সংশোধন করেছি, অনুগ্রহ করে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন।
ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০৩:৪৯, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পাতা গ্রহণ সম্বন্ধে ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]]
[[আল খোয়ারিজমি]] - পাতাটি গৃহীত হয়নি। কিন্তু এর ''সুনির্দিষ্ট'' এবং যথার্থ কারন উল্লেখ প্রয়োজন। উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
ধন্যবাদান্তে,
''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:২৯, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)-Mahmud''
::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] '[[আল খোয়ারিজমি]]' পাতাটির সংশোধনের ক্ষেত্রগুলো উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
:'''''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১১:১০, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'''''
== জেরার দ্যব্রু ==
নিবন্ধটি আমি সংশোধন করেছি এবং যান্ত্রিকতা দূর করেছি। অনুগ্রহ করে এখন পুনরায় পর্যালোচনা করুন। ''([[জেরার দ্যব্রু]])'' — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:২১, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অনুগ্রহ করে সবার আগে এটিকে পর্যালোচনা করুন। এটি অত্যন্ত ছোট পাতা। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:৫৮, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] এটিতে কি কোন অসুবিধা বিদ্যমান? আপনি এখনও গ্রহণ করেননি। সমস্যা থাকলে জানান। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:৫২, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৫২, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৭:৪৮, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[আলেক্সান্দ্র্ সলজেনিৎসিন]] ==
সংশোধন করেছি, পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ রইলো। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ০৫:৩৩, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৫৩, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[আলফ্রেড নোবেল]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] পতাটি সংশোধন করা হয়েছে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০০:০২, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[এর্নস্ট মাখ]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০০:৪৮, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[অরবিন্দ আদিগা]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছে পুনরায় পর্যালোচনা করুন। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:০৮, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[সি. এ. আর. হোর]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:১২, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[ডায়ান ফসি]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:১৪, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[অরেল স্টেইন]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:২০, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] আপনার সবগুলো পাতাতেই কিছু বাক্য আরেকটু সাবলীলভাবে লেখা যায়। আরেকদফা সংশোধন করে জানালে আমি গ্রহণ করে নিব। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৫৪, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]]ঠিক আছে আমি সব পাতা সংশোধন করে একসাথে পরে জানাবো। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৬:০৯, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[ড্যানিয়েল কানেমান]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] উল্লেখিত পাতাটি সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন।
ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৬:৩০, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[এর্নস্ট মাখ]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] পাতাটি আরও একবার সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০২:০৬, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] আরও সংশোধন করতে হবে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:০৫, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[অরবিন্দ আদিগা]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] পাতাটি পুনরায় সংশোধন করেছি অনুগ্রহ করে আরেকবার পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০৩:৪৯, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
r [[বিশেষ:অবদান/~2026-24691-92|~2026-24691-92]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-24691-92|আলাপ]]) ১১:৩৭, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৫৪, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[শিং-শেন চের্ন]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অনুগ্রহ করে [[শিং-শেন চের্ন]] নিবন্ধটি পুনঃপর্যালোচনা করুন। আমি এটিকে সংশোধন করেছি এবং জার্নাল, সংস্থা, প্রকাশক এসব বাংলায় লিপ্যন্তর করেছি। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১২:০০, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অনুগ্রহ করে এটি পর্যালোচনা করুন — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">আনাফ</span> <span style="color:#388E3C">ইবনে</span> <span style="color:#66BB6A">সাহেবুল</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৫:৩৬, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] গৃহীত হয়েছে। অনুগ্রহপূর্বক ধৈর্য ধারণ করুন। সংশোধন করলে অবশ্যই পুনঃপর্যালোচনা করা হবে। বারবার মেনশন করার প্রয়োজন নেই। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৪০, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] দুঃখিত। অনুবাদে যান্ত্রিকতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। {{গৃহীত হয়নি}}। আবার সংশোধন করুন। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৬:১৭, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ঠিক আছে। আমি আবারও মেনশন করছিলাম, কারণ মনে হচ্ছিল কেনো ত্রুটির ফলে আপনার নিকট বিজ্ঞপ্তি যায় নি। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">আনাফ</span> <span style="color:#388E3C">ইবনে</span> <span style="color:#66BB6A">সাহেবুল</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৭:৫৫, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] মনে হচ্ছে, আপনি আমার কথা বুঝতে পারেননি। আমি ২৫ তারিখে পুনঃপর্যালোচনা করেছি। পাতাটা তখনও যান্ত্রিক ছিল। এর পর আপনি আর কোনও সম্পাদনা করেননি। আপনার লাস্ট সম্পাদনা ২৩ তারিখে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:০৪, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[ভারতে সুফিবাদ]] ==
[[ভারতে সুফিবাদ]]ে কি সমস্যা?? [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ১৩:২৩, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] দুঃখিত। ভুলক্রমে "'''না'''" তে ক্লিক পড়েছিল, খেয়াল করিনি। গ্রহণ করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:১১, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[পেত্র ক্রাপোতকিন]] ==
পাতাটি ঠিক করেছি। পাশাপাশি [[টনি বেন]]
পাতাটাও ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১৪:১৭, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] গ্রহণ করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:১০, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
=== [[স্ট্যানলি বল্ডউইন]] ===
এটা সংশোধন করেছি আমি। পুনঃপর্যালোচনা করার অনুরোধ করছি। [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker|আলাপ]]) ১৪:১৯, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] গ্রহণ করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:১০, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[নরউইচের জুলিয়ান]] পাতা ==
পাতাটি ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১৪:৪৫, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] গ্রহণ করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:১০, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন]] ==
নিবন্ধটি পুনর্লিখন করেছি। আশাকরি গ্রহণ করবেন। – [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৯:২২, ২ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:এর সাথে [[আতঙ্ক]] পাতাটিও। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৯:৫৭, ২ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
::[[রবার্ট অ্যাটকিনস (বিচারক)]] পাতাটি সংশোধন করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১০:০০, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন]] ==
*অন্য ভাষার লিপি বিদ্যমান
*"মি. গ্ল্যাডস্টোন ছিলেন সবচেয়ে বড় আলোচনার পরিষদের সর্বশ্রেষ্ঠ সদস্য যা বিশ্ব আজ পর্যন্ত দেখেছে।" উক্তির সূত্র ঠিক করুন
*"আর্মেনিয়ার সেবা করা মানে সভ্যতার সেবা করা।" উক্তির সূত্র ঠিক করুন [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ০১:২৫, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনী]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]]পাতাটি সংশোধন করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১৩:২৬, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
hlbflz4he1ba39kno96rpog62hbs1ym
83335
83331
2026-05-03T13:40:03Z
NusJaS
273
/* উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন */ উত্তর
83335
wikitext
text/x-wiki
{{স্বাগত}}≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান </b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud| «আলাপ»]]</b> ০৮:০৭, ৩১ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে ==
সুপ্রিয় NusJaS, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ ও ৩০ এপ্রিল শেষ দিন পর্যন্ত অংশ নেওয়া অব্যাহত রাখুন।
আপনার অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে: প্রতিযোগিতায় এখন থেকে '''নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে না''' অর্থাৎ <u>নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র ছাড়া অন্য উল্লেখযোগ্য যেকোনও কিছু নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে</u>।
;কেন নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র বাদ দেওয়া হয়েছে?
:প্রতিযোগিতা শুরুর পর অনেকেই নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা বানিয়েছেন। তবে লক্ষ্য করা গেছে যে, অনেকে শব্দ সংখ্যা বাড়াতে পুরো নাটক, উপন্যাস তুলে দিচ্ছেন। যা কোন ক্রমে কাম্য নয়। এটি অন্য প্রতিযোগীদের প্রতিও সুবিচার করা হয় না।
; আমি যে নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র জমা দিয়েছি তার কী হবে?
: যারা এই ঘোষণার পূর্বে অর্থাৎ ৬ এপ্রিল বা তার আগে এই জাতীয় উক্তির পাতা জমা দিয়েছেন সেগুলি গৃহীত হবে (অবশ্যই সংশোধনপূর্বক)।
আরেকটি বিষয়ের প্রতি আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। এটাও লক্ষ্য করা গেছে যে অনেকে উক্তির উৎস দিচ্ছেন না। দয়া করে উক্তির উৎস দিতে ভুলবেন না। দয়া করে উদাহরণ হিসেবে [[চঞ্চল চৌধুরী]], [[নোম চম্স্কি]] পাতায় কীভাবে উক্তি ও উক্তির উৎস দেওয়া হয়েছে তা দেখুন।
আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৯:৪৭, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি)
<!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:%E0%A6%86%E0%A6%AB%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE&oldid=31634-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন -->
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪: আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ==
সুপ্রিয় NusJaS, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ([https://fountain.toolforge.org/editathons/qc2024 এখানে দেখুন]):
* যদি আপনার জমা দেওয়া কোনও নিবন্ধ গৃহীত না হয়, তবে আপনি আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে নিবন্ধের সমস্যাগুলি ঠিক করে পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ জানাতে পারেন।
* যদি আপনি কোনও গৃহীত নিবন্ধ সম্পর্কে কোনও মন্তব্য করতে চান, কোনও অসঙ্গতি আমাদের দৃষ্টিতে আনতে চান, দয়া করে আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে করুন।
প্রতিযোগিতার ফলাফল ঘোষণার পর, ফলাফলে কোনোরূপ পরিবর্তন আনা হবে না। সুতরাং যা করার আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে করুন। আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ২১:৫৪, ৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪: ফরম পূরণ করুন ==
সুপ্রিয় NusJaS, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪/পরিসংখ্যান#ফলাফল|শীর্ষ ২০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLScZptwVHdLgFGVAjzk79Ew7MjAcCUyL1PigcfsNwxBn5VeC6w/viewform?usp=sf_link এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৪:২৭, ১৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি)
==উইকিউক্তি পুনরায় সম্পাদন করা হয়েছে ==
[[উইলিয়াম ম্যাকিনলি]] পাতাটি পুনরায় সম্পাদন করা হয়েছে এখন গ্রহণ করতে পারেন আপনাকে মেনশন করলাম।
[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৫:১১, ২৩ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] সংশোধন করায় ধন্যবাদ। গৃহীত হয়েছে। আপনার জমাদানকৃত বাকি পাতাগুলোতেও এরকম সংশোধন করার পরামর্শ রইল। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৯:৪৩, ২৪ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::ঠিক আছে তাহলে আমি পুনরায় পর্যালোচনা করছি [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৫:৫২, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== সাহায্য প্রয়োজন ==
আমি যখন আর্টিকেল গুলো বাংলা অনুবাদ করার পরে পাবলিশ করার পরে আমি এটি উইকি ডাটার সাথে কানেক্ট করতে চাচ্ছি যেন একটি ইংরেজি অনুবাদটাও যে কেউ দেখতে পারে। কিন্তু আমাকে এটা দেখাচ্ছে এগুলো সেমি প্রটেক্টেড পেজ । [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৫:৫৭, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] যেগুলো লিংক করতে পারবেন না, যেকোনো পর্যালোচকের আলাপ পাতায় সেগুলোর তালিকা দিবেন। তারা লিংক করে দিবে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৯:৫৫, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::[[অং সান সু চি]] এটি লিংক করে দিন।
::এবং আমি কিভাবে এই রাইট পেতে পারি! [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৬:৫৫, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন]] ==
সুধী, উইকিমিডিয়ার অন্যান্য প্রকল্পগুলোর মতো উইকিউক্তিতে কপিরাইট আইন মান্য করা হয়। তবে উইকিউক্তিতে হুবুহু উক্তি কপি করে ব্যবহারের ক্ষেত্রে যেমন শিথিলতা রয়েছে তেমন সীমাবদ্ধতা রয়েছে। যেমন উইকিউক্তিতে "একই সূত্র থেকে খুব বেশি উক্তি পাতায় দেওয়া যায়না"। মোটামুটি সীমা বজায় রাখতে হয় যাতে কপিরাইট সমস্যায় পড়তে না হয়। [https://copyvios.toolforge.org/?lang=bn&project=wikiquote&title=মোহাম্মদ+নাজিম+উদ্দিন&oldid=&action=search&use_engine=0&use_links=1&turnitin=0&nocache=1 এটা দেখুন], এই রেজাল্ট অনুযায়ী তিনটি সূত্র থেকে ৪০% এর অধিক লেখা সরাসরি উদ্ধৃত করা হয়েছে। তাই উক্তির সংখ্যা কমিয়ে আনা প্রয়োজন৷ সবগুলো সূত্র থেকেই যে একদম ৩০% হতে হবে তা নয়, তবে উক্তির সংখ্যা মোটামুটি কমিয়ে এনে কপিরাইট সমস্যার সমাধান করে নিতে হবে। তারপর আমাকে জানালে আমি পাতাটি গ্রহণ করে নিবো। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৭:১৯, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অগ্রগতি কতদূর? [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ০৩:৫৬, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] এখন অনেক লেখা বাদ দিয়েছি। এবার দেখুন। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:১৬, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ভাই, আমি একটা জিনিস বুঝতে পারছি না। উক্তি তো হুবুহু হবে। এখানে কপিরাইট লঙ্ঘন হচ্ছে এমন জটিলতা কেন? ইংরেজি থেকে অনেক পাতা অনুবাদ করতে গিয়ে বিশাল বিশাল উক্তি হুবুহু কপি পেয়েছি। এক উক্তিতেই ৫-৬০০ শব্দ, এমন। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:৩৬, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] যেটা এখনও ৪৫% দেখাচ্ছে, ওটায় একই বাক্য বারবার এসেছে। তাই বেশি পার্সেন্টেজ। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:৩৮, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] নন-ফ্রি লাইসেন্স নীতি অনুযায়ী আমরা উইকিপিডিয়ায় যেকোন লেখা বা উক্তি হুবুহু তুলে ধরতে পারবো, কিন্তু সেটা সীমা রেখে। অর্থাৎ একটি সূত্রের লেখার বড় অংশ তুলে ধরা যাবেনা। উইকিপিডিয়ায় এটা মান্য করা হয় কপিরাইট আইন মেনে চলার জন্য। সেজন্য আপনি দেখবেন যে অনেক সময় একটি উইকিপিডিয়া নিবন্ধে বেশি উক্তি থাকেনা। উইকিউক্তি একই নীতিতে চলে। যদিও উইকিউক্তির একটি পাতায় উক্তিগুলোকে হুবুহু তুলে ধরতে হবে, কিন্তু সেটা নন-ফ্রি নীতিকে এড়িয়ে উদ্ধৃত করা যাবেনা অর্থাৎ কপিরাইট আইন বজায় রেখেই করতে হবে। তাই আমাদের এখানেও এটা মেনে চলতে হয়। মূল সমস্যা হচ্ছে, সবাই এই ব্যাপারটা জানেনা। মূল কথা হচ্ছে, উক্তি হুবুহু উদ্ধৃত করায় কোন সমস্যা নেই। এখানে সমস্যা হচ্ছে উক্তি উদ্ধৃত করার সময় প্রতিটি সূত্র থেকে কত শতাংশ লেখা কপি করা হয়েছে, যা পরিস্থিতিভেদে সর্বোচ্চ হয়তো ৪০-৪৫% ব্যবহার করা যেতে পারে (সবক্ষেত্রে নয়)। তবে সর্বোচ্চ ৩০% ব্যবহার করাই নিরাপদ। তবে, ব্যতিক্রম হতে পারে অনূদিত উক্তির ক্ষেত্রে। কেননা পড়ার উপযোগী করে উক্তি অনুবাদ করতে গিয়ে অনেক সময় উক্তিগুলোর মূল কাঠামো ও অনূদিত প্রতিশব্দ পালটে যেতে পারে আর তখন কপিরাইট সমস্যার প্রশ্ন আসবেনা। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১২:৫৪, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ওকে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। আশা করি বুঝতে পেরেছ। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১২:৫৫, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]]: জি, এবার বুঝতে পেরেছি। ঠিক করা হয়েছে। আবার পর্যালোচনা করার অনুরোধ করছি।। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:৫৩, ১ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
:::::::আমি এখনো ব্যাপারটি বুঝলাম না। আমি ইংরেজিতে থাকা উক্তিগুলো এবং প্রতিটি উক্তির তথ্যসূত্র সম্পূর্ণ অনুবাদ করি ।
:::::::এখানে সূত্র বলতে কি বুঝাচ্ছে ওই তথ্যসূত্র টাই [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৬:৫৯, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
::::::::@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] হ্যাঁ, সেটাই সূত্র মানেই তথ্যসূত্র [[User:Md Mobashir Hossain|মোবাশশির]] <small>[[User Talk:Md Mobashir Hossain|বার্তা দিন]]</small> ০৭:৫৩, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
::::::::: [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৮:০৭, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== রো বনাম ওয়েড/সম্পর্কে উক্তি ==
পাতাটির অনুবাদ বেশ রুক্ষ। অনুগ্রহ করে অপসারণ এড়াতে নিবন্ধটি সংশোধন করুন। ১৫:৫০, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]])
: {{ping|Yahya}} পর্যালোচনা করার জন্য ধন্যবাদ। আমি ২ দিন সময় চাচ্ছি। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]])
== রো বনাম ওয়েড ==
পাতাটির অনুবাদ রুক্ষ ও যান্ত্রিক। অনুগ্রহ করে অপসারণ এড়াতে পাতাটি সংশোধন করুন।[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ১৭:৫২, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ভাই, সংশোধন করেছি। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৪২, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
::দুঃখিত। গ্রহণ করা যাচ্ছে না। অনুবাদ এখনও যান্ত্রিক। [[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ১০:৪১, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[রো বনাম ওয়েড/সম্পর্কে উক্তি]] পাতা সম্পর্কে ==
এভাবে উপপাতায় নেয়ার কারণ? এমনকি আপনি [[রো বনাম ওয়েড/সম্পর্কে উক্তি/২]] নামেও পাতা তৈরি করেছেন। ― <span style="color:white; background-color:red;"> ☪ </span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০৭:৫৪, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] একটা পাতায় পুরো লেখা জায়গা হয় না। বাইট লিমিট দেখিয়েছিল। আমি "সম্পর্কে উক্তি"কে একটাই উপপাতায় রাখতে চেয়েছিলাম। সেটাও সম্ভব হয়নি। তাই দুটো পাতা করতে হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:২৪, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
::যান্ত্রিক ও ত্রুটিপূর্ণ অনুবাদ হওয়ায় পাতাটি উক্তি প্রতিযোগিতায় গৃহীত হয়নি। –– [[ব্যবহারকারী:Tahmid|তাহমিদ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tahmid|আলাপ]]) ১৪:০৮, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== সংশোধনের পর জানাতে বলা হয়েছে ==
[[প্রবীণ তোগাড়িয়া]] পাতাটিতে একই তথ্যসূত্র বেশ কয়েকটি উক্তিতে ছিল। তা সংশোধন করা হয়েছে। এখন গ্রহণ করতে পারবেন [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৩:১৫, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন ==
সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|শীর্ষ ১০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSeDWCveBqp7ID0VVW0ipXM-WXeCqE7u-xHQCU_d7FRYo-9vAA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। - ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৮:৩১, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
<!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67623-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন -->
== বাবুলমিয়া ==
মাধবদী পৌরসভা জেলা নরসিংদী ০১৭১২ ৬২০ ৯৯২ আমার এই ওষুধটা লাগবে [[বিশেষ:অবদান/~2026-20015-50|~2026-20015-50]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20015-50|আলাপ]]) ১৮:৪৩, ৩১ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি)
01924087544 [[বিশেষ:অবদান/~2026-20544-24|~2026-20544-24]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20544-24|আলাপ]]) ০৬:৩৭, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পর্যালোচনা ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] আমি [আলফ্রেড নোবেল] পাতাটি সংশোধন করেছি, অনুগ্রহ করে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন।
ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০৩:৪৯, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পাতা গ্রহণ সম্বন্ধে ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]]
[[আল খোয়ারিজমি]] - পাতাটি গৃহীত হয়নি। কিন্তু এর ''সুনির্দিষ্ট'' এবং যথার্থ কারন উল্লেখ প্রয়োজন। উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
ধন্যবাদান্তে,
''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:২৯, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)-Mahmud''
::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] '[[আল খোয়ারিজমি]]' পাতাটির সংশোধনের ক্ষেত্রগুলো উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
:'''''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১১:১০, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'''''
== জেরার দ্যব্রু ==
নিবন্ধটি আমি সংশোধন করেছি এবং যান্ত্রিকতা দূর করেছি। অনুগ্রহ করে এখন পুনরায় পর্যালোচনা করুন। ''([[জেরার দ্যব্রু]])'' — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:২১, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অনুগ্রহ করে সবার আগে এটিকে পর্যালোচনা করুন। এটি অত্যন্ত ছোট পাতা। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:৫৮, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] এটিতে কি কোন অসুবিধা বিদ্যমান? আপনি এখনও গ্রহণ করেননি। সমস্যা থাকলে জানান। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:৫২, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৫২, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৭:৪৮, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[আলেক্সান্দ্র্ সলজেনিৎসিন]] ==
সংশোধন করেছি, পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ রইলো। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ০৫:৩৩, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৫৩, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[আলফ্রেড নোবেল]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] পতাটি সংশোধন করা হয়েছে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০০:০২, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[এর্নস্ট মাখ]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০০:৪৮, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[অরবিন্দ আদিগা]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছে পুনরায় পর্যালোচনা করুন। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:০৮, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[সি. এ. আর. হোর]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:১২, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[ডায়ান ফসি]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:১৪, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[অরেল স্টেইন]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:২০, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] আপনার সবগুলো পাতাতেই কিছু বাক্য আরেকটু সাবলীলভাবে লেখা যায়। আরেকদফা সংশোধন করে জানালে আমি গ্রহণ করে নিব। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৫৪, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]]ঠিক আছে আমি সব পাতা সংশোধন করে একসাথে পরে জানাবো। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৬:০৯, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[ড্যানিয়েল কানেমান]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] উল্লেখিত পাতাটি সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন।
ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৬:৩০, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[এর্নস্ট মাখ]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] পাতাটি আরও একবার সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০২:০৬, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] আরও সংশোধন করতে হবে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:০৫, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[অরবিন্দ আদিগা]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] পাতাটি পুনরায় সংশোধন করেছি অনুগ্রহ করে আরেকবার পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০৩:৪৯, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
r [[বিশেষ:অবদান/~2026-24691-92|~2026-24691-92]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-24691-92|আলাপ]]) ১১:৩৭, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৫৪, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[শিং-শেন চের্ন]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অনুগ্রহ করে [[শিং-শেন চের্ন]] নিবন্ধটি পুনঃপর্যালোচনা করুন। আমি এটিকে সংশোধন করেছি এবং জার্নাল, সংস্থা, প্রকাশক এসব বাংলায় লিপ্যন্তর করেছি। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১২:০০, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অনুগ্রহ করে এটি পর্যালোচনা করুন — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">আনাফ</span> <span style="color:#388E3C">ইবনে</span> <span style="color:#66BB6A">সাহেবুল</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৫:৩৬, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] গৃহীত হয়েছে। অনুগ্রহপূর্বক ধৈর্য ধারণ করুন। সংশোধন করলে অবশ্যই পুনঃপর্যালোচনা করা হবে। বারবার মেনশন করার প্রয়োজন নেই। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৪০, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] দুঃখিত। অনুবাদে যান্ত্রিকতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। {{গৃহীত হয়নি}}। আবার সংশোধন করুন। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৬:১৭, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ঠিক আছে। আমি আবারও মেনশন করছিলাম, কারণ মনে হচ্ছিল কেনো ত্রুটির ফলে আপনার নিকট বিজ্ঞপ্তি যায় নি। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">আনাফ</span> <span style="color:#388E3C">ইবনে</span> <span style="color:#66BB6A">সাহেবুল</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৭:৫৫, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] মনে হচ্ছে, আপনি আমার কথা বুঝতে পারেননি। আমি ২৫ তারিখে পুনঃপর্যালোচনা করেছি। পাতাটা তখনও যান্ত্রিক ছিল। এর পর আপনি আর কোনও সম্পাদনা করেননি। আপনার লাস্ট সম্পাদনা ২৩ তারিখে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:০৪, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[ভারতে সুফিবাদ]] ==
[[ভারতে সুফিবাদ]]ে কি সমস্যা?? [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ১৩:২৩, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] দুঃখিত। ভুলক্রমে "'''না'''" তে ক্লিক পড়েছিল, খেয়াল করিনি। গ্রহণ করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:১১, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[পেত্র ক্রাপোতকিন]] ==
পাতাটি ঠিক করেছি। পাশাপাশি [[টনি বেন]]
পাতাটাও ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১৪:১৭, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] গ্রহণ করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:১০, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
=== [[স্ট্যানলি বল্ডউইন]] ===
এটা সংশোধন করেছি আমি। পুনঃপর্যালোচনা করার অনুরোধ করছি। [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker|আলাপ]]) ১৪:১৯, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] গ্রহণ করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:১০, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[নরউইচের জুলিয়ান]] পাতা ==
পাতাটি ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১৪:৪৫, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] গ্রহণ করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:১০, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন]] ==
নিবন্ধটি পুনর্লিখন করেছি। আশাকরি গ্রহণ করবেন। – [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৯:২২, ২ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:এর সাথে [[আতঙ্ক]] পাতাটিও। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৯:৫৭, ২ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
::[[রবার্ট অ্যাটকিনস (বিচারক)]] পাতাটি সংশোধন করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১০:০০, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন]] ==
*অন্য ভাষার লিপি বিদ্যমান
*"মি. গ্ল্যাডস্টোন ছিলেন সবচেয়ে বড় আলোচনার পরিষদের সর্বশ্রেষ্ঠ সদস্য যা বিশ্ব আজ পর্যন্ত দেখেছে।" উক্তির সূত্র ঠিক করুন
*"আর্মেনিয়ার সেবা করা মানে সভ্যতার সেবা করা।" উক্তির সূত্র ঠিক করুন [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ০১:২৫, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
*:@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] অনেক ধন্যবাদ। ত্রুটিগুলো সংশোধন করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:৪০, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনী]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]]পাতাটি সংশোধন করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১৩:২৬, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
a9n9o48sedaly83p38zkkik3co4odrg
83336
83335
2026-05-03T13:41:42Z
NusJaS
273
/* মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনী */ উত্তর
83336
wikitext
text/x-wiki
{{স্বাগত}}≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান </b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud| «আলাপ»]]</b> ০৮:০৭, ৩১ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে ==
সুপ্রিয় NusJaS, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ ও ৩০ এপ্রিল শেষ দিন পর্যন্ত অংশ নেওয়া অব্যাহত রাখুন।
আপনার অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে: প্রতিযোগিতায় এখন থেকে '''নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে না''' অর্থাৎ <u>নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র ছাড়া অন্য উল্লেখযোগ্য যেকোনও কিছু নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে</u>।
;কেন নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র বাদ দেওয়া হয়েছে?
:প্রতিযোগিতা শুরুর পর অনেকেই নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা বানিয়েছেন। তবে লক্ষ্য করা গেছে যে, অনেকে শব্দ সংখ্যা বাড়াতে পুরো নাটক, উপন্যাস তুলে দিচ্ছেন। যা কোন ক্রমে কাম্য নয়। এটি অন্য প্রতিযোগীদের প্রতিও সুবিচার করা হয় না।
; আমি যে নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র জমা দিয়েছি তার কী হবে?
: যারা এই ঘোষণার পূর্বে অর্থাৎ ৬ এপ্রিল বা তার আগে এই জাতীয় উক্তির পাতা জমা দিয়েছেন সেগুলি গৃহীত হবে (অবশ্যই সংশোধনপূর্বক)।
আরেকটি বিষয়ের প্রতি আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। এটাও লক্ষ্য করা গেছে যে অনেকে উক্তির উৎস দিচ্ছেন না। দয়া করে উক্তির উৎস দিতে ভুলবেন না। দয়া করে উদাহরণ হিসেবে [[চঞ্চল চৌধুরী]], [[নোম চম্স্কি]] পাতায় কীভাবে উক্তি ও উক্তির উৎস দেওয়া হয়েছে তা দেখুন।
আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৯:৪৭, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি)
<!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:%E0%A6%86%E0%A6%AB%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE&oldid=31634-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন -->
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪: আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ==
সুপ্রিয় NusJaS, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ([https://fountain.toolforge.org/editathons/qc2024 এখানে দেখুন]):
* যদি আপনার জমা দেওয়া কোনও নিবন্ধ গৃহীত না হয়, তবে আপনি আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে নিবন্ধের সমস্যাগুলি ঠিক করে পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ জানাতে পারেন।
* যদি আপনি কোনও গৃহীত নিবন্ধ সম্পর্কে কোনও মন্তব্য করতে চান, কোনও অসঙ্গতি আমাদের দৃষ্টিতে আনতে চান, দয়া করে আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে করুন।
প্রতিযোগিতার ফলাফল ঘোষণার পর, ফলাফলে কোনোরূপ পরিবর্তন আনা হবে না। সুতরাং যা করার আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে করুন। আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ২১:৫৪, ৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪: ফরম পূরণ করুন ==
সুপ্রিয় NusJaS, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪/পরিসংখ্যান#ফলাফল|শীর্ষ ২০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLScZptwVHdLgFGVAjzk79Ew7MjAcCUyL1PigcfsNwxBn5VeC6w/viewform?usp=sf_link এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৪:২৭, ১৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি)
==উইকিউক্তি পুনরায় সম্পাদন করা হয়েছে ==
[[উইলিয়াম ম্যাকিনলি]] পাতাটি পুনরায় সম্পাদন করা হয়েছে এখন গ্রহণ করতে পারেন আপনাকে মেনশন করলাম।
[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৫:১১, ২৩ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] সংশোধন করায় ধন্যবাদ। গৃহীত হয়েছে। আপনার জমাদানকৃত বাকি পাতাগুলোতেও এরকম সংশোধন করার পরামর্শ রইল। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৯:৪৩, ২৪ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::ঠিক আছে তাহলে আমি পুনরায় পর্যালোচনা করছি [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৫:৫২, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== সাহায্য প্রয়োজন ==
আমি যখন আর্টিকেল গুলো বাংলা অনুবাদ করার পরে পাবলিশ করার পরে আমি এটি উইকি ডাটার সাথে কানেক্ট করতে চাচ্ছি যেন একটি ইংরেজি অনুবাদটাও যে কেউ দেখতে পারে। কিন্তু আমাকে এটা দেখাচ্ছে এগুলো সেমি প্রটেক্টেড পেজ । [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৫:৫৭, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] যেগুলো লিংক করতে পারবেন না, যেকোনো পর্যালোচকের আলাপ পাতায় সেগুলোর তালিকা দিবেন। তারা লিংক করে দিবে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৯:৫৫, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::[[অং সান সু চি]] এটি লিংক করে দিন।
::এবং আমি কিভাবে এই রাইট পেতে পারি! [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৬:৫৫, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন]] ==
সুধী, উইকিমিডিয়ার অন্যান্য প্রকল্পগুলোর মতো উইকিউক্তিতে কপিরাইট আইন মান্য করা হয়। তবে উইকিউক্তিতে হুবুহু উক্তি কপি করে ব্যবহারের ক্ষেত্রে যেমন শিথিলতা রয়েছে তেমন সীমাবদ্ধতা রয়েছে। যেমন উইকিউক্তিতে "একই সূত্র থেকে খুব বেশি উক্তি পাতায় দেওয়া যায়না"। মোটামুটি সীমা বজায় রাখতে হয় যাতে কপিরাইট সমস্যায় পড়তে না হয়। [https://copyvios.toolforge.org/?lang=bn&project=wikiquote&title=মোহাম্মদ+নাজিম+উদ্দিন&oldid=&action=search&use_engine=0&use_links=1&turnitin=0&nocache=1 এটা দেখুন], এই রেজাল্ট অনুযায়ী তিনটি সূত্র থেকে ৪০% এর অধিক লেখা সরাসরি উদ্ধৃত করা হয়েছে। তাই উক্তির সংখ্যা কমিয়ে আনা প্রয়োজন৷ সবগুলো সূত্র থেকেই যে একদম ৩০% হতে হবে তা নয়, তবে উক্তির সংখ্যা মোটামুটি কমিয়ে এনে কপিরাইট সমস্যার সমাধান করে নিতে হবে। তারপর আমাকে জানালে আমি পাতাটি গ্রহণ করে নিবো। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৭:১৯, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অগ্রগতি কতদূর? [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ০৩:৫৬, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] এখন অনেক লেখা বাদ দিয়েছি। এবার দেখুন। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:১৬, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ভাই, আমি একটা জিনিস বুঝতে পারছি না। উক্তি তো হুবুহু হবে। এখানে কপিরাইট লঙ্ঘন হচ্ছে এমন জটিলতা কেন? ইংরেজি থেকে অনেক পাতা অনুবাদ করতে গিয়ে বিশাল বিশাল উক্তি হুবুহু কপি পেয়েছি। এক উক্তিতেই ৫-৬০০ শব্দ, এমন। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:৩৬, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] যেটা এখনও ৪৫% দেখাচ্ছে, ওটায় একই বাক্য বারবার এসেছে। তাই বেশি পার্সেন্টেজ। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:৩৮, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] নন-ফ্রি লাইসেন্স নীতি অনুযায়ী আমরা উইকিপিডিয়ায় যেকোন লেখা বা উক্তি হুবুহু তুলে ধরতে পারবো, কিন্তু সেটা সীমা রেখে। অর্থাৎ একটি সূত্রের লেখার বড় অংশ তুলে ধরা যাবেনা। উইকিপিডিয়ায় এটা মান্য করা হয় কপিরাইট আইন মেনে চলার জন্য। সেজন্য আপনি দেখবেন যে অনেক সময় একটি উইকিপিডিয়া নিবন্ধে বেশি উক্তি থাকেনা। উইকিউক্তি একই নীতিতে চলে। যদিও উইকিউক্তির একটি পাতায় উক্তিগুলোকে হুবুহু তুলে ধরতে হবে, কিন্তু সেটা নন-ফ্রি নীতিকে এড়িয়ে উদ্ধৃত করা যাবেনা অর্থাৎ কপিরাইট আইন বজায় রেখেই করতে হবে। তাই আমাদের এখানেও এটা মেনে চলতে হয়। মূল সমস্যা হচ্ছে, সবাই এই ব্যাপারটা জানেনা। মূল কথা হচ্ছে, উক্তি হুবুহু উদ্ধৃত করায় কোন সমস্যা নেই। এখানে সমস্যা হচ্ছে উক্তি উদ্ধৃত করার সময় প্রতিটি সূত্র থেকে কত শতাংশ লেখা কপি করা হয়েছে, যা পরিস্থিতিভেদে সর্বোচ্চ হয়তো ৪০-৪৫% ব্যবহার করা যেতে পারে (সবক্ষেত্রে নয়)। তবে সর্বোচ্চ ৩০% ব্যবহার করাই নিরাপদ। তবে, ব্যতিক্রম হতে পারে অনূদিত উক্তির ক্ষেত্রে। কেননা পড়ার উপযোগী করে উক্তি অনুবাদ করতে গিয়ে অনেক সময় উক্তিগুলোর মূল কাঠামো ও অনূদিত প্রতিশব্দ পালটে যেতে পারে আর তখন কপিরাইট সমস্যার প্রশ্ন আসবেনা। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১২:৫৪, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ওকে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। আশা করি বুঝতে পেরেছ। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১২:৫৫, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]]: জি, এবার বুঝতে পেরেছি। ঠিক করা হয়েছে। আবার পর্যালোচনা করার অনুরোধ করছি।। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:৫৩, ১ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
:::::::আমি এখনো ব্যাপারটি বুঝলাম না। আমি ইংরেজিতে থাকা উক্তিগুলো এবং প্রতিটি উক্তির তথ্যসূত্র সম্পূর্ণ অনুবাদ করি ।
:::::::এখানে সূত্র বলতে কি বুঝাচ্ছে ওই তথ্যসূত্র টাই [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৬:৫৯, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
::::::::@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] হ্যাঁ, সেটাই সূত্র মানেই তথ্যসূত্র [[User:Md Mobashir Hossain|মোবাশশির]] <small>[[User Talk:Md Mobashir Hossain|বার্তা দিন]]</small> ০৭:৫৩, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
::::::::: [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৮:০৭, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== রো বনাম ওয়েড/সম্পর্কে উক্তি ==
পাতাটির অনুবাদ বেশ রুক্ষ। অনুগ্রহ করে অপসারণ এড়াতে নিবন্ধটি সংশোধন করুন। ১৫:৫০, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]])
: {{ping|Yahya}} পর্যালোচনা করার জন্য ধন্যবাদ। আমি ২ দিন সময় চাচ্ছি। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]])
== রো বনাম ওয়েড ==
পাতাটির অনুবাদ রুক্ষ ও যান্ত্রিক। অনুগ্রহ করে অপসারণ এড়াতে পাতাটি সংশোধন করুন।[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ১৭:৫২, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ভাই, সংশোধন করেছি। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৪২, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
::দুঃখিত। গ্রহণ করা যাচ্ছে না। অনুবাদ এখনও যান্ত্রিক। [[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ১০:৪১, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[রো বনাম ওয়েড/সম্পর্কে উক্তি]] পাতা সম্পর্কে ==
এভাবে উপপাতায় নেয়ার কারণ? এমনকি আপনি [[রো বনাম ওয়েড/সম্পর্কে উক্তি/২]] নামেও পাতা তৈরি করেছেন। ― <span style="color:white; background-color:red;"> ☪ </span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০৭:৫৪, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] একটা পাতায় পুরো লেখা জায়গা হয় না। বাইট লিমিট দেখিয়েছিল। আমি "সম্পর্কে উক্তি"কে একটাই উপপাতায় রাখতে চেয়েছিলাম। সেটাও সম্ভব হয়নি। তাই দুটো পাতা করতে হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:২৪, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
::যান্ত্রিক ও ত্রুটিপূর্ণ অনুবাদ হওয়ায় পাতাটি উক্তি প্রতিযোগিতায় গৃহীত হয়নি। –– [[ব্যবহারকারী:Tahmid|তাহমিদ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tahmid|আলাপ]]) ১৪:০৮, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== সংশোধনের পর জানাতে বলা হয়েছে ==
[[প্রবীণ তোগাড়িয়া]] পাতাটিতে একই তথ্যসূত্র বেশ কয়েকটি উক্তিতে ছিল। তা সংশোধন করা হয়েছে। এখন গ্রহণ করতে পারবেন [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৩:১৫, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন ==
সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|শীর্ষ ১০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSeDWCveBqp7ID0VVW0ipXM-WXeCqE7u-xHQCU_d7FRYo-9vAA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। - ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৮:৩১, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
<!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67623-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন -->
== বাবুলমিয়া ==
মাধবদী পৌরসভা জেলা নরসিংদী ০১৭১২ ৬২০ ৯৯২ আমার এই ওষুধটা লাগবে [[বিশেষ:অবদান/~2026-20015-50|~2026-20015-50]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20015-50|আলাপ]]) ১৮:৪৩, ৩১ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি)
01924087544 [[বিশেষ:অবদান/~2026-20544-24|~2026-20544-24]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20544-24|আলাপ]]) ০৬:৩৭, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পর্যালোচনা ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] আমি [আলফ্রেড নোবেল] পাতাটি সংশোধন করেছি, অনুগ্রহ করে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন।
ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০৩:৪৯, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পাতা গ্রহণ সম্বন্ধে ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]]
[[আল খোয়ারিজমি]] - পাতাটি গৃহীত হয়নি। কিন্তু এর ''সুনির্দিষ্ট'' এবং যথার্থ কারন উল্লেখ প্রয়োজন। উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
ধন্যবাদান্তে,
''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:২৯, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)-Mahmud''
::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] '[[আল খোয়ারিজমি]]' পাতাটির সংশোধনের ক্ষেত্রগুলো উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
:'''''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১১:১০, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'''''
== জেরার দ্যব্রু ==
নিবন্ধটি আমি সংশোধন করেছি এবং যান্ত্রিকতা দূর করেছি। অনুগ্রহ করে এখন পুনরায় পর্যালোচনা করুন। ''([[জেরার দ্যব্রু]])'' — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:২১, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অনুগ্রহ করে সবার আগে এটিকে পর্যালোচনা করুন। এটি অত্যন্ত ছোট পাতা। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:৫৮, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] এটিতে কি কোন অসুবিধা বিদ্যমান? আপনি এখনও গ্রহণ করেননি। সমস্যা থাকলে জানান। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:৫২, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৫২, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৭:৪৮, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[আলেক্সান্দ্র্ সলজেনিৎসিন]] ==
সংশোধন করেছি, পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ রইলো। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ০৫:৩৩, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৫৩, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[আলফ্রেড নোবেল]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] পতাটি সংশোধন করা হয়েছে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০০:০২, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[এর্নস্ট মাখ]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০০:৪৮, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[অরবিন্দ আদিগা]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছে পুনরায় পর্যালোচনা করুন। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:০৮, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[সি. এ. আর. হোর]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:১২, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[ডায়ান ফসি]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:১৪, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[অরেল স্টেইন]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:২০, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] আপনার সবগুলো পাতাতেই কিছু বাক্য আরেকটু সাবলীলভাবে লেখা যায়। আরেকদফা সংশোধন করে জানালে আমি গ্রহণ করে নিব। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৫৪, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]]ঠিক আছে আমি সব পাতা সংশোধন করে একসাথে পরে জানাবো। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৬:০৯, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[ড্যানিয়েল কানেমান]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] উল্লেখিত পাতাটি সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন।
ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৬:৩০, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[এর্নস্ট মাখ]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] পাতাটি আরও একবার সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০২:০৬, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] আরও সংশোধন করতে হবে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:০৫, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[অরবিন্দ আদিগা]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] পাতাটি পুনরায় সংশোধন করেছি অনুগ্রহ করে আরেকবার পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০৩:৪৯, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
r [[বিশেষ:অবদান/~2026-24691-92|~2026-24691-92]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-24691-92|আলাপ]]) ১১:৩৭, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৫৪, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[শিং-শেন চের্ন]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অনুগ্রহ করে [[শিং-শেন চের্ন]] নিবন্ধটি পুনঃপর্যালোচনা করুন। আমি এটিকে সংশোধন করেছি এবং জার্নাল, সংস্থা, প্রকাশক এসব বাংলায় লিপ্যন্তর করেছি। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১২:০০, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অনুগ্রহ করে এটি পর্যালোচনা করুন — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">আনাফ</span> <span style="color:#388E3C">ইবনে</span> <span style="color:#66BB6A">সাহেবুল</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৫:৩৬, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] গৃহীত হয়েছে। অনুগ্রহপূর্বক ধৈর্য ধারণ করুন। সংশোধন করলে অবশ্যই পুনঃপর্যালোচনা করা হবে। বারবার মেনশন করার প্রয়োজন নেই। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৪০, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] দুঃখিত। অনুবাদে যান্ত্রিকতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। {{গৃহীত হয়নি}}। আবার সংশোধন করুন। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৬:১৭, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ঠিক আছে। আমি আবারও মেনশন করছিলাম, কারণ মনে হচ্ছিল কেনো ত্রুটির ফলে আপনার নিকট বিজ্ঞপ্তি যায় নি। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">আনাফ</span> <span style="color:#388E3C">ইবনে</span> <span style="color:#66BB6A">সাহেবুল</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৭:৫৫, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] মনে হচ্ছে, আপনি আমার কথা বুঝতে পারেননি। আমি ২৫ তারিখে পুনঃপর্যালোচনা করেছি। পাতাটা তখনও যান্ত্রিক ছিল। এর পর আপনি আর কোনও সম্পাদনা করেননি। আপনার লাস্ট সম্পাদনা ২৩ তারিখে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:০৪, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[ভারতে সুফিবাদ]] ==
[[ভারতে সুফিবাদ]]ে কি সমস্যা?? [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ১৩:২৩, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] দুঃখিত। ভুলক্রমে "'''না'''" তে ক্লিক পড়েছিল, খেয়াল করিনি। গ্রহণ করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:১১, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[পেত্র ক্রাপোতকিন]] ==
পাতাটি ঠিক করেছি। পাশাপাশি [[টনি বেন]]
পাতাটাও ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১৪:১৭, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] গ্রহণ করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:১০, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
=== [[স্ট্যানলি বল্ডউইন]] ===
এটা সংশোধন করেছি আমি। পুনঃপর্যালোচনা করার অনুরোধ করছি। [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker|আলাপ]]) ১৪:১৯, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] গ্রহণ করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:১০, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[নরউইচের জুলিয়ান]] পাতা ==
পাতাটি ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১৪:৪৫, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] গ্রহণ করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:১০, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন]] ==
নিবন্ধটি পুনর্লিখন করেছি। আশাকরি গ্রহণ করবেন। – [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৯:২২, ২ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:এর সাথে [[আতঙ্ক]] পাতাটিও। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৯:৫৭, ২ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
::[[রবার্ট অ্যাটকিনস (বিচারক)]] পাতাটি সংশোধন করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১০:০০, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন]] ==
*অন্য ভাষার লিপি বিদ্যমান
*"মি. গ্ল্যাডস্টোন ছিলেন সবচেয়ে বড় আলোচনার পরিষদের সর্বশ্রেষ্ঠ সদস্য যা বিশ্ব আজ পর্যন্ত দেখেছে।" উক্তির সূত্র ঠিক করুন
*"আর্মেনিয়ার সেবা করা মানে সভ্যতার সেবা করা।" উক্তির সূত্র ঠিক করুন [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ০১:২৫, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
*:@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] অনেক ধন্যবাদ। ত্রুটিগুলো সংশোধন করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:৪০, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনী]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]]পাতাটি সংশোধন করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১৩:২৬, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] আপনি শুধুমাত্র লিংক সরিয়েছেন। ভাষাগত যান্ত্রিকতা সংশোধন করেননি। সংশোধন না করলে গ্রহণ করা হবে না। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:৪১, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
1u6lcyi00h3cton78822iw3buikm0zc
83340
83336
2026-05-03T13:50:16Z
NusJaS
273
/* উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন */ উত্তর
83340
wikitext
text/x-wiki
{{স্বাগত}}≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান </b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud| «আলাপ»]]</b> ০৮:০৭, ৩১ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে ==
সুপ্রিয় NusJaS, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ ও ৩০ এপ্রিল শেষ দিন পর্যন্ত অংশ নেওয়া অব্যাহত রাখুন।
আপনার অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে: প্রতিযোগিতায় এখন থেকে '''নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে না''' অর্থাৎ <u>নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র ছাড়া অন্য উল্লেখযোগ্য যেকোনও কিছু নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে</u>।
;কেন নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র বাদ দেওয়া হয়েছে?
:প্রতিযোগিতা শুরুর পর অনেকেই নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা বানিয়েছেন। তবে লক্ষ্য করা গেছে যে, অনেকে শব্দ সংখ্যা বাড়াতে পুরো নাটক, উপন্যাস তুলে দিচ্ছেন। যা কোন ক্রমে কাম্য নয়। এটি অন্য প্রতিযোগীদের প্রতিও সুবিচার করা হয় না।
; আমি যে নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র জমা দিয়েছি তার কী হবে?
: যারা এই ঘোষণার পূর্বে অর্থাৎ ৬ এপ্রিল বা তার আগে এই জাতীয় উক্তির পাতা জমা দিয়েছেন সেগুলি গৃহীত হবে (অবশ্যই সংশোধনপূর্বক)।
আরেকটি বিষয়ের প্রতি আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। এটাও লক্ষ্য করা গেছে যে অনেকে উক্তির উৎস দিচ্ছেন না। দয়া করে উক্তির উৎস দিতে ভুলবেন না। দয়া করে উদাহরণ হিসেবে [[চঞ্চল চৌধুরী]], [[নোম চম্স্কি]] পাতায় কীভাবে উক্তি ও উক্তির উৎস দেওয়া হয়েছে তা দেখুন।
আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৯:৪৭, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি)
<!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:%E0%A6%86%E0%A6%AB%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE&oldid=31634-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন -->
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪: আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ==
সুপ্রিয় NusJaS, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ([https://fountain.toolforge.org/editathons/qc2024 এখানে দেখুন]):
* যদি আপনার জমা দেওয়া কোনও নিবন্ধ গৃহীত না হয়, তবে আপনি আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে নিবন্ধের সমস্যাগুলি ঠিক করে পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ জানাতে পারেন।
* যদি আপনি কোনও গৃহীত নিবন্ধ সম্পর্কে কোনও মন্তব্য করতে চান, কোনও অসঙ্গতি আমাদের দৃষ্টিতে আনতে চান, দয়া করে আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে করুন।
প্রতিযোগিতার ফলাফল ঘোষণার পর, ফলাফলে কোনোরূপ পরিবর্তন আনা হবে না। সুতরাং যা করার আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে করুন। আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ২১:৫৪, ৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪: ফরম পূরণ করুন ==
সুপ্রিয় NusJaS, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪/পরিসংখ্যান#ফলাফল|শীর্ষ ২০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLScZptwVHdLgFGVAjzk79Ew7MjAcCUyL1PigcfsNwxBn5VeC6w/viewform?usp=sf_link এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৪:২৭, ১৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি)
==উইকিউক্তি পুনরায় সম্পাদন করা হয়েছে ==
[[উইলিয়াম ম্যাকিনলি]] পাতাটি পুনরায় সম্পাদন করা হয়েছে এখন গ্রহণ করতে পারেন আপনাকে মেনশন করলাম।
[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৫:১১, ২৩ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] সংশোধন করায় ধন্যবাদ। গৃহীত হয়েছে। আপনার জমাদানকৃত বাকি পাতাগুলোতেও এরকম সংশোধন করার পরামর্শ রইল। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৯:৪৩, ২৪ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::ঠিক আছে তাহলে আমি পুনরায় পর্যালোচনা করছি [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৫:৫২, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== সাহায্য প্রয়োজন ==
আমি যখন আর্টিকেল গুলো বাংলা অনুবাদ করার পরে পাবলিশ করার পরে আমি এটি উইকি ডাটার সাথে কানেক্ট করতে চাচ্ছি যেন একটি ইংরেজি অনুবাদটাও যে কেউ দেখতে পারে। কিন্তু আমাকে এটা দেখাচ্ছে এগুলো সেমি প্রটেক্টেড পেজ । [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৫:৫৭, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] যেগুলো লিংক করতে পারবেন না, যেকোনো পর্যালোচকের আলাপ পাতায় সেগুলোর তালিকা দিবেন। তারা লিংক করে দিবে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৯:৫৫, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::[[অং সান সু চি]] এটি লিংক করে দিন।
::এবং আমি কিভাবে এই রাইট পেতে পারি! [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৬:৫৫, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন]] ==
সুধী, উইকিমিডিয়ার অন্যান্য প্রকল্পগুলোর মতো উইকিউক্তিতে কপিরাইট আইন মান্য করা হয়। তবে উইকিউক্তিতে হুবুহু উক্তি কপি করে ব্যবহারের ক্ষেত্রে যেমন শিথিলতা রয়েছে তেমন সীমাবদ্ধতা রয়েছে। যেমন উইকিউক্তিতে "একই সূত্র থেকে খুব বেশি উক্তি পাতায় দেওয়া যায়না"। মোটামুটি সীমা বজায় রাখতে হয় যাতে কপিরাইট সমস্যায় পড়তে না হয়। [https://copyvios.toolforge.org/?lang=bn&project=wikiquote&title=মোহাম্মদ+নাজিম+উদ্দিন&oldid=&action=search&use_engine=0&use_links=1&turnitin=0&nocache=1 এটা দেখুন], এই রেজাল্ট অনুযায়ী তিনটি সূত্র থেকে ৪০% এর অধিক লেখা সরাসরি উদ্ধৃত করা হয়েছে। তাই উক্তির সংখ্যা কমিয়ে আনা প্রয়োজন৷ সবগুলো সূত্র থেকেই যে একদম ৩০% হতে হবে তা নয়, তবে উক্তির সংখ্যা মোটামুটি কমিয়ে এনে কপিরাইট সমস্যার সমাধান করে নিতে হবে। তারপর আমাকে জানালে আমি পাতাটি গ্রহণ করে নিবো। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৭:১৯, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অগ্রগতি কতদূর? [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ০৩:৫৬, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] এখন অনেক লেখা বাদ দিয়েছি। এবার দেখুন। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:১৬, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ভাই, আমি একটা জিনিস বুঝতে পারছি না। উক্তি তো হুবুহু হবে। এখানে কপিরাইট লঙ্ঘন হচ্ছে এমন জটিলতা কেন? ইংরেজি থেকে অনেক পাতা অনুবাদ করতে গিয়ে বিশাল বিশাল উক্তি হুবুহু কপি পেয়েছি। এক উক্তিতেই ৫-৬০০ শব্দ, এমন। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:৩৬, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] যেটা এখনও ৪৫% দেখাচ্ছে, ওটায় একই বাক্য বারবার এসেছে। তাই বেশি পার্সেন্টেজ। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:৩৮, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] নন-ফ্রি লাইসেন্স নীতি অনুযায়ী আমরা উইকিপিডিয়ায় যেকোন লেখা বা উক্তি হুবুহু তুলে ধরতে পারবো, কিন্তু সেটা সীমা রেখে। অর্থাৎ একটি সূত্রের লেখার বড় অংশ তুলে ধরা যাবেনা। উইকিপিডিয়ায় এটা মান্য করা হয় কপিরাইট আইন মেনে চলার জন্য। সেজন্য আপনি দেখবেন যে অনেক সময় একটি উইকিপিডিয়া নিবন্ধে বেশি উক্তি থাকেনা। উইকিউক্তি একই নীতিতে চলে। যদিও উইকিউক্তির একটি পাতায় উক্তিগুলোকে হুবুহু তুলে ধরতে হবে, কিন্তু সেটা নন-ফ্রি নীতিকে এড়িয়ে উদ্ধৃত করা যাবেনা অর্থাৎ কপিরাইট আইন বজায় রেখেই করতে হবে। তাই আমাদের এখানেও এটা মেনে চলতে হয়। মূল সমস্যা হচ্ছে, সবাই এই ব্যাপারটা জানেনা। মূল কথা হচ্ছে, উক্তি হুবুহু উদ্ধৃত করায় কোন সমস্যা নেই। এখানে সমস্যা হচ্ছে উক্তি উদ্ধৃত করার সময় প্রতিটি সূত্র থেকে কত শতাংশ লেখা কপি করা হয়েছে, যা পরিস্থিতিভেদে সর্বোচ্চ হয়তো ৪০-৪৫% ব্যবহার করা যেতে পারে (সবক্ষেত্রে নয়)। তবে সর্বোচ্চ ৩০% ব্যবহার করাই নিরাপদ। তবে, ব্যতিক্রম হতে পারে অনূদিত উক্তির ক্ষেত্রে। কেননা পড়ার উপযোগী করে উক্তি অনুবাদ করতে গিয়ে অনেক সময় উক্তিগুলোর মূল কাঠামো ও অনূদিত প্রতিশব্দ পালটে যেতে পারে আর তখন কপিরাইট সমস্যার প্রশ্ন আসবেনা। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১২:৫৪, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ওকে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। আশা করি বুঝতে পেরেছ। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১২:৫৫, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]]: জি, এবার বুঝতে পেরেছি। ঠিক করা হয়েছে। আবার পর্যালোচনা করার অনুরোধ করছি।। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:৫৩, ১ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
:::::::আমি এখনো ব্যাপারটি বুঝলাম না। আমি ইংরেজিতে থাকা উক্তিগুলো এবং প্রতিটি উক্তির তথ্যসূত্র সম্পূর্ণ অনুবাদ করি ।
:::::::এখানে সূত্র বলতে কি বুঝাচ্ছে ওই তথ্যসূত্র টাই [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৬:৫৯, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
::::::::@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] হ্যাঁ, সেটাই সূত্র মানেই তথ্যসূত্র [[User:Md Mobashir Hossain|মোবাশশির]] <small>[[User Talk:Md Mobashir Hossain|বার্তা দিন]]</small> ০৭:৫৩, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
::::::::: [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৮:০৭, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== রো বনাম ওয়েড/সম্পর্কে উক্তি ==
পাতাটির অনুবাদ বেশ রুক্ষ। অনুগ্রহ করে অপসারণ এড়াতে নিবন্ধটি সংশোধন করুন। ১৫:৫০, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]])
: {{ping|Yahya}} পর্যালোচনা করার জন্য ধন্যবাদ। আমি ২ দিন সময় চাচ্ছি। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]])
== রো বনাম ওয়েড ==
পাতাটির অনুবাদ রুক্ষ ও যান্ত্রিক। অনুগ্রহ করে অপসারণ এড়াতে পাতাটি সংশোধন করুন।[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ১৭:৫২, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ভাই, সংশোধন করেছি। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৪২, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
::দুঃখিত। গ্রহণ করা যাচ্ছে না। অনুবাদ এখনও যান্ত্রিক। [[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ১০:৪১, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[রো বনাম ওয়েড/সম্পর্কে উক্তি]] পাতা সম্পর্কে ==
এভাবে উপপাতায় নেয়ার কারণ? এমনকি আপনি [[রো বনাম ওয়েড/সম্পর্কে উক্তি/২]] নামেও পাতা তৈরি করেছেন। ― <span style="color:white; background-color:red;"> ☪ </span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০৭:৫৪, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] একটা পাতায় পুরো লেখা জায়গা হয় না। বাইট লিমিট দেখিয়েছিল। আমি "সম্পর্কে উক্তি"কে একটাই উপপাতায় রাখতে চেয়েছিলাম। সেটাও সম্ভব হয়নি। তাই দুটো পাতা করতে হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:২৪, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
::যান্ত্রিক ও ত্রুটিপূর্ণ অনুবাদ হওয়ায় পাতাটি উক্তি প্রতিযোগিতায় গৃহীত হয়নি। –– [[ব্যবহারকারী:Tahmid|তাহমিদ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tahmid|আলাপ]]) ১৪:০৮, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== সংশোধনের পর জানাতে বলা হয়েছে ==
[[প্রবীণ তোগাড়িয়া]] পাতাটিতে একই তথ্যসূত্র বেশ কয়েকটি উক্তিতে ছিল। তা সংশোধন করা হয়েছে। এখন গ্রহণ করতে পারবেন [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৩:১৫, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন ==
সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|শীর্ষ ১০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSeDWCveBqp7ID0VVW0ipXM-WXeCqE7u-xHQCU_d7FRYo-9vAA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। - ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৮:৩১, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
<!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67623-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন -->
== বাবুলমিয়া ==
মাধবদী পৌরসভা জেলা নরসিংদী ০১৭১২ ৬২০ ৯৯২ আমার এই ওষুধটা লাগবে [[বিশেষ:অবদান/~2026-20015-50|~2026-20015-50]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20015-50|আলাপ]]) ১৮:৪৩, ৩১ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি)
01924087544 [[বিশেষ:অবদান/~2026-20544-24|~2026-20544-24]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20544-24|আলাপ]]) ০৬:৩৭, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পর্যালোচনা ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] আমি [আলফ্রেড নোবেল] পাতাটি সংশোধন করেছি, অনুগ্রহ করে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন।
ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০৩:৪৯, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পাতা গ্রহণ সম্বন্ধে ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]]
[[আল খোয়ারিজমি]] - পাতাটি গৃহীত হয়নি। কিন্তু এর ''সুনির্দিষ্ট'' এবং যথার্থ কারন উল্লেখ প্রয়োজন। উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
ধন্যবাদান্তে,
''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:২৯, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)-Mahmud''
::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] '[[আল খোয়ারিজমি]]' পাতাটির সংশোধনের ক্ষেত্রগুলো উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
:'''''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১১:১০, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'''''
== জেরার দ্যব্রু ==
নিবন্ধটি আমি সংশোধন করেছি এবং যান্ত্রিকতা দূর করেছি। অনুগ্রহ করে এখন পুনরায় পর্যালোচনা করুন। ''([[জেরার দ্যব্রু]])'' — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:২১, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অনুগ্রহ করে সবার আগে এটিকে পর্যালোচনা করুন। এটি অত্যন্ত ছোট পাতা। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:৫৮, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] এটিতে কি কোন অসুবিধা বিদ্যমান? আপনি এখনও গ্রহণ করেননি। সমস্যা থাকলে জানান। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:৫২, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৫২, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৭:৪৮, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[আলেক্সান্দ্র্ সলজেনিৎসিন]] ==
সংশোধন করেছি, পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ রইলো। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ০৫:৩৩, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৫৩, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[আলফ্রেড নোবেল]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] পতাটি সংশোধন করা হয়েছে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০০:০২, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[এর্নস্ট মাখ]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০০:৪৮, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[অরবিন্দ আদিগা]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছে পুনরায় পর্যালোচনা করুন। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:০৮, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[সি. এ. আর. হোর]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:১২, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[ডায়ান ফসি]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:১৪, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[অরেল স্টেইন]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:২০, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] আপনার সবগুলো পাতাতেই কিছু বাক্য আরেকটু সাবলীলভাবে লেখা যায়। আরেকদফা সংশোধন করে জানালে আমি গ্রহণ করে নিব। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৫৪, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]]ঠিক আছে আমি সব পাতা সংশোধন করে একসাথে পরে জানাবো। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৬:০৯, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[ড্যানিয়েল কানেমান]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] উল্লেখিত পাতাটি সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন।
ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৬:৩০, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[এর্নস্ট মাখ]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] পাতাটি আরও একবার সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০২:০৬, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] আরও সংশোধন করতে হবে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:০৫, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[অরবিন্দ আদিগা]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] পাতাটি পুনরায় সংশোধন করেছি অনুগ্রহ করে আরেকবার পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০৩:৪৯, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
r [[বিশেষ:অবদান/~2026-24691-92|~2026-24691-92]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-24691-92|আলাপ]]) ১১:৩৭, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৫৪, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[শিং-শেন চের্ন]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অনুগ্রহ করে [[শিং-শেন চের্ন]] নিবন্ধটি পুনঃপর্যালোচনা করুন। আমি এটিকে সংশোধন করেছি এবং জার্নাল, সংস্থা, প্রকাশক এসব বাংলায় লিপ্যন্তর করেছি। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১২:০০, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অনুগ্রহ করে এটি পর্যালোচনা করুন — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">আনাফ</span> <span style="color:#388E3C">ইবনে</span> <span style="color:#66BB6A">সাহেবুল</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৫:৩৬, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] গৃহীত হয়েছে। অনুগ্রহপূর্বক ধৈর্য ধারণ করুন। সংশোধন করলে অবশ্যই পুনঃপর্যালোচনা করা হবে। বারবার মেনশন করার প্রয়োজন নেই। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৪০, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] দুঃখিত। অনুবাদে যান্ত্রিকতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। {{গৃহীত হয়নি}}। আবার সংশোধন করুন। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৬:১৭, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ঠিক আছে। আমি আবারও মেনশন করছিলাম, কারণ মনে হচ্ছিল কেনো ত্রুটির ফলে আপনার নিকট বিজ্ঞপ্তি যায় নি। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">আনাফ</span> <span style="color:#388E3C">ইবনে</span> <span style="color:#66BB6A">সাহেবুল</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৭:৫৫, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] মনে হচ্ছে, আপনি আমার কথা বুঝতে পারেননি। আমি ২৫ তারিখে পুনঃপর্যালোচনা করেছি। পাতাটা তখনও যান্ত্রিক ছিল। এর পর আপনি আর কোনও সম্পাদনা করেননি। আপনার লাস্ট সম্পাদনা ২৩ তারিখে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:০৪, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[ভারতে সুফিবাদ]] ==
[[ভারতে সুফিবাদ]]ে কি সমস্যা?? [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ১৩:২৩, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] দুঃখিত। ভুলক্রমে "'''না'''" তে ক্লিক পড়েছিল, খেয়াল করিনি। গ্রহণ করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:১১, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[পেত্র ক্রাপোতকিন]] ==
পাতাটি ঠিক করেছি। পাশাপাশি [[টনি বেন]]
পাতাটাও ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১৪:১৭, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] গ্রহণ করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:১০, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
=== [[স্ট্যানলি বল্ডউইন]] ===
এটা সংশোধন করেছি আমি। পুনঃপর্যালোচনা করার অনুরোধ করছি। [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker|আলাপ]]) ১৪:১৯, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] গ্রহণ করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:১০, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[নরউইচের জুলিয়ান]] পাতা ==
পাতাটি ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১৪:৪৫, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] গ্রহণ করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:১০, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন]] ==
নিবন্ধটি পুনর্লিখন করেছি। আশাকরি গ্রহণ করবেন। – [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৯:২২, ২ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:এর সাথে [[আতঙ্ক]] পাতাটিও। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৯:৫৭, ২ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
::[[রবার্ট অ্যাটকিনস (বিচারক)]] পাতাটি সংশোধন করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১০:০০, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন]] ==
*অন্য ভাষার লিপি বিদ্যমান
*"মি. গ্ল্যাডস্টোন ছিলেন সবচেয়ে বড় আলোচনার পরিষদের সর্বশ্রেষ্ঠ সদস্য যা বিশ্ব আজ পর্যন্ত দেখেছে।" উক্তির সূত্র ঠিক করুন
*"আর্মেনিয়ার সেবা করা মানে সভ্যতার সেবা করা।" উক্তির সূত্র ঠিক করুন [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ০১:২৫, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
*:@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] অনেক ধন্যবাদ। ত্রুটিগুলো সংশোধন করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:৪০, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
*::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]]: পুনশ্চ, [[লিটিশা এলিজাবেথ ল্যান্ডন]] পাতাটির শেষাংশ আমি অনুবাদ করে রেখেছিলাম। ভুলক্রমে যোগ করা হয়নি। এখন যোগ করেছি। অন্য কোনও ত্রুটি না থাকলে পাতাটি গ্রহণ করার অনুরোধ রইল। তবে যদি মনে হয়, এখন যোগকৃত অংশ প্রতিযোগিতার সময়ের বাইরে যোগ করা বলে গণনা করা উচিত নয়, তাহলে চাইলে শেষাংশটা গণনা-বহির্ভূত রাখতে পারেন। পর্যালোচনা করার জন্য ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:৫০, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনী]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]]পাতাটি সংশোধন করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১৩:২৬, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] আপনি শুধুমাত্র লিংক সরিয়েছেন। ভাষাগত যান্ত্রিকতা সংশোধন করেননি। সংশোধন না করলে গ্রহণ করা হবে না। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:৪১, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
o44aba25h7k2g2dtx9uae2d2w2o157u
83342
83340
2026-05-03T13:53:09Z
NusJaS
273
/* এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন */ উত্তর
83342
wikitext
text/x-wiki
{{স্বাগত}}≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান </b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud| «আলাপ»]]</b> ০৮:০৭, ৩১ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে ==
সুপ্রিয় NusJaS, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ ও ৩০ এপ্রিল শেষ দিন পর্যন্ত অংশ নেওয়া অব্যাহত রাখুন।
আপনার অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে: প্রতিযোগিতায় এখন থেকে '''নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে না''' অর্থাৎ <u>নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র ছাড়া অন্য উল্লেখযোগ্য যেকোনও কিছু নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে</u>।
;কেন নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র বাদ দেওয়া হয়েছে?
:প্রতিযোগিতা শুরুর পর অনেকেই নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা বানিয়েছেন। তবে লক্ষ্য করা গেছে যে, অনেকে শব্দ সংখ্যা বাড়াতে পুরো নাটক, উপন্যাস তুলে দিচ্ছেন। যা কোন ক্রমে কাম্য নয়। এটি অন্য প্রতিযোগীদের প্রতিও সুবিচার করা হয় না।
; আমি যে নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র জমা দিয়েছি তার কী হবে?
: যারা এই ঘোষণার পূর্বে অর্থাৎ ৬ এপ্রিল বা তার আগে এই জাতীয় উক্তির পাতা জমা দিয়েছেন সেগুলি গৃহীত হবে (অবশ্যই সংশোধনপূর্বক)।
আরেকটি বিষয়ের প্রতি আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। এটাও লক্ষ্য করা গেছে যে অনেকে উক্তির উৎস দিচ্ছেন না। দয়া করে উক্তির উৎস দিতে ভুলবেন না। দয়া করে উদাহরণ হিসেবে [[চঞ্চল চৌধুরী]], [[নোম চম্স্কি]] পাতায় কীভাবে উক্তি ও উক্তির উৎস দেওয়া হয়েছে তা দেখুন।
আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৯:৪৭, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি)
<!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:%E0%A6%86%E0%A6%AB%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE&oldid=31634-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন -->
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪: আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ==
সুপ্রিয় NusJaS, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ([https://fountain.toolforge.org/editathons/qc2024 এখানে দেখুন]):
* যদি আপনার জমা দেওয়া কোনও নিবন্ধ গৃহীত না হয়, তবে আপনি আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে নিবন্ধের সমস্যাগুলি ঠিক করে পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ জানাতে পারেন।
* যদি আপনি কোনও গৃহীত নিবন্ধ সম্পর্কে কোনও মন্তব্য করতে চান, কোনও অসঙ্গতি আমাদের দৃষ্টিতে আনতে চান, দয়া করে আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে করুন।
প্রতিযোগিতার ফলাফল ঘোষণার পর, ফলাফলে কোনোরূপ পরিবর্তন আনা হবে না। সুতরাং যা করার আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে করুন। আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ২১:৫৪, ৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪: ফরম পূরণ করুন ==
সুপ্রিয় NusJaS, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪/পরিসংখ্যান#ফলাফল|শীর্ষ ২০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLScZptwVHdLgFGVAjzk79Ew7MjAcCUyL1PigcfsNwxBn5VeC6w/viewform?usp=sf_link এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৪:২৭, ১৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি)
==উইকিউক্তি পুনরায় সম্পাদন করা হয়েছে ==
[[উইলিয়াম ম্যাকিনলি]] পাতাটি পুনরায় সম্পাদন করা হয়েছে এখন গ্রহণ করতে পারেন আপনাকে মেনশন করলাম।
[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৫:১১, ২৩ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] সংশোধন করায় ধন্যবাদ। গৃহীত হয়েছে। আপনার জমাদানকৃত বাকি পাতাগুলোতেও এরকম সংশোধন করার পরামর্শ রইল। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৯:৪৩, ২৪ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::ঠিক আছে তাহলে আমি পুনরায় পর্যালোচনা করছি [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৫:৫২, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== সাহায্য প্রয়োজন ==
আমি যখন আর্টিকেল গুলো বাংলা অনুবাদ করার পরে পাবলিশ করার পরে আমি এটি উইকি ডাটার সাথে কানেক্ট করতে চাচ্ছি যেন একটি ইংরেজি অনুবাদটাও যে কেউ দেখতে পারে। কিন্তু আমাকে এটা দেখাচ্ছে এগুলো সেমি প্রটেক্টেড পেজ । [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৫:৫৭, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] যেগুলো লিংক করতে পারবেন না, যেকোনো পর্যালোচকের আলাপ পাতায় সেগুলোর তালিকা দিবেন। তারা লিংক করে দিবে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৯:৫৫, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::[[অং সান সু চি]] এটি লিংক করে দিন।
::এবং আমি কিভাবে এই রাইট পেতে পারি! [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৬:৫৫, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন]] ==
সুধী, উইকিমিডিয়ার অন্যান্য প্রকল্পগুলোর মতো উইকিউক্তিতে কপিরাইট আইন মান্য করা হয়। তবে উইকিউক্তিতে হুবুহু উক্তি কপি করে ব্যবহারের ক্ষেত্রে যেমন শিথিলতা রয়েছে তেমন সীমাবদ্ধতা রয়েছে। যেমন উইকিউক্তিতে "একই সূত্র থেকে খুব বেশি উক্তি পাতায় দেওয়া যায়না"। মোটামুটি সীমা বজায় রাখতে হয় যাতে কপিরাইট সমস্যায় পড়তে না হয়। [https://copyvios.toolforge.org/?lang=bn&project=wikiquote&title=মোহাম্মদ+নাজিম+উদ্দিন&oldid=&action=search&use_engine=0&use_links=1&turnitin=0&nocache=1 এটা দেখুন], এই রেজাল্ট অনুযায়ী তিনটি সূত্র থেকে ৪০% এর অধিক লেখা সরাসরি উদ্ধৃত করা হয়েছে। তাই উক্তির সংখ্যা কমিয়ে আনা প্রয়োজন৷ সবগুলো সূত্র থেকেই যে একদম ৩০% হতে হবে তা নয়, তবে উক্তির সংখ্যা মোটামুটি কমিয়ে এনে কপিরাইট সমস্যার সমাধান করে নিতে হবে। তারপর আমাকে জানালে আমি পাতাটি গ্রহণ করে নিবো। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৭:১৯, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অগ্রগতি কতদূর? [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ০৩:৫৬, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] এখন অনেক লেখা বাদ দিয়েছি। এবার দেখুন। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:১৬, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ভাই, আমি একটা জিনিস বুঝতে পারছি না। উক্তি তো হুবুহু হবে। এখানে কপিরাইট লঙ্ঘন হচ্ছে এমন জটিলতা কেন? ইংরেজি থেকে অনেক পাতা অনুবাদ করতে গিয়ে বিশাল বিশাল উক্তি হুবুহু কপি পেয়েছি। এক উক্তিতেই ৫-৬০০ শব্দ, এমন। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:৩৬, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] যেটা এখনও ৪৫% দেখাচ্ছে, ওটায় একই বাক্য বারবার এসেছে। তাই বেশি পার্সেন্টেজ। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:৩৮, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] নন-ফ্রি লাইসেন্স নীতি অনুযায়ী আমরা উইকিপিডিয়ায় যেকোন লেখা বা উক্তি হুবুহু তুলে ধরতে পারবো, কিন্তু সেটা সীমা রেখে। অর্থাৎ একটি সূত্রের লেখার বড় অংশ তুলে ধরা যাবেনা। উইকিপিডিয়ায় এটা মান্য করা হয় কপিরাইট আইন মেনে চলার জন্য। সেজন্য আপনি দেখবেন যে অনেক সময় একটি উইকিপিডিয়া নিবন্ধে বেশি উক্তি থাকেনা। উইকিউক্তি একই নীতিতে চলে। যদিও উইকিউক্তির একটি পাতায় উক্তিগুলোকে হুবুহু তুলে ধরতে হবে, কিন্তু সেটা নন-ফ্রি নীতিকে এড়িয়ে উদ্ধৃত করা যাবেনা অর্থাৎ কপিরাইট আইন বজায় রেখেই করতে হবে। তাই আমাদের এখানেও এটা মেনে চলতে হয়। মূল সমস্যা হচ্ছে, সবাই এই ব্যাপারটা জানেনা। মূল কথা হচ্ছে, উক্তি হুবুহু উদ্ধৃত করায় কোন সমস্যা নেই। এখানে সমস্যা হচ্ছে উক্তি উদ্ধৃত করার সময় প্রতিটি সূত্র থেকে কত শতাংশ লেখা কপি করা হয়েছে, যা পরিস্থিতিভেদে সর্বোচ্চ হয়তো ৪০-৪৫% ব্যবহার করা যেতে পারে (সবক্ষেত্রে নয়)। তবে সর্বোচ্চ ৩০% ব্যবহার করাই নিরাপদ। তবে, ব্যতিক্রম হতে পারে অনূদিত উক্তির ক্ষেত্রে। কেননা পড়ার উপযোগী করে উক্তি অনুবাদ করতে গিয়ে অনেক সময় উক্তিগুলোর মূল কাঠামো ও অনূদিত প্রতিশব্দ পালটে যেতে পারে আর তখন কপিরাইট সমস্যার প্রশ্ন আসবেনা। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১২:৫৪, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ওকে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। আশা করি বুঝতে পেরেছ। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১২:৫৫, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]]: জি, এবার বুঝতে পেরেছি। ঠিক করা হয়েছে। আবার পর্যালোচনা করার অনুরোধ করছি।। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:৫৩, ১ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
:::::::আমি এখনো ব্যাপারটি বুঝলাম না। আমি ইংরেজিতে থাকা উক্তিগুলো এবং প্রতিটি উক্তির তথ্যসূত্র সম্পূর্ণ অনুবাদ করি ।
:::::::এখানে সূত্র বলতে কি বুঝাচ্ছে ওই তথ্যসূত্র টাই [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৬:৫৯, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
::::::::@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] হ্যাঁ, সেটাই সূত্র মানেই তথ্যসূত্র [[User:Md Mobashir Hossain|মোবাশশির]] <small>[[User Talk:Md Mobashir Hossain|বার্তা দিন]]</small> ০৭:৫৩, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
::::::::: [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৮:০৭, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== রো বনাম ওয়েড/সম্পর্কে উক্তি ==
পাতাটির অনুবাদ বেশ রুক্ষ। অনুগ্রহ করে অপসারণ এড়াতে নিবন্ধটি সংশোধন করুন। ১৫:৫০, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]])
: {{ping|Yahya}} পর্যালোচনা করার জন্য ধন্যবাদ। আমি ২ দিন সময় চাচ্ছি। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]])
== রো বনাম ওয়েড ==
পাতাটির অনুবাদ রুক্ষ ও যান্ত্রিক। অনুগ্রহ করে অপসারণ এড়াতে পাতাটি সংশোধন করুন।[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ১৭:৫২, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ভাই, সংশোধন করেছি। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৪২, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
::দুঃখিত। গ্রহণ করা যাচ্ছে না। অনুবাদ এখনও যান্ত্রিক। [[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ১০:৪১, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[রো বনাম ওয়েড/সম্পর্কে উক্তি]] পাতা সম্পর্কে ==
এভাবে উপপাতায় নেয়ার কারণ? এমনকি আপনি [[রো বনাম ওয়েড/সম্পর্কে উক্তি/২]] নামেও পাতা তৈরি করেছেন। ― <span style="color:white; background-color:red;"> ☪ </span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০৭:৫৪, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] একটা পাতায় পুরো লেখা জায়গা হয় না। বাইট লিমিট দেখিয়েছিল। আমি "সম্পর্কে উক্তি"কে একটাই উপপাতায় রাখতে চেয়েছিলাম। সেটাও সম্ভব হয়নি। তাই দুটো পাতা করতে হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:২৪, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
::যান্ত্রিক ও ত্রুটিপূর্ণ অনুবাদ হওয়ায় পাতাটি উক্তি প্রতিযোগিতায় গৃহীত হয়নি। –– [[ব্যবহারকারী:Tahmid|তাহমিদ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tahmid|আলাপ]]) ১৪:০৮, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== সংশোধনের পর জানাতে বলা হয়েছে ==
[[প্রবীণ তোগাড়িয়া]] পাতাটিতে একই তথ্যসূত্র বেশ কয়েকটি উক্তিতে ছিল। তা সংশোধন করা হয়েছে। এখন গ্রহণ করতে পারবেন [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৩:১৫, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন ==
সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|শীর্ষ ১০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSeDWCveBqp7ID0VVW0ipXM-WXeCqE7u-xHQCU_d7FRYo-9vAA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। - ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৮:৩১, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
<!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67623-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন -->
== বাবুলমিয়া ==
মাধবদী পৌরসভা জেলা নরসিংদী ০১৭১২ ৬২০ ৯৯২ আমার এই ওষুধটা লাগবে [[বিশেষ:অবদান/~2026-20015-50|~2026-20015-50]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20015-50|আলাপ]]) ১৮:৪৩, ৩১ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি)
01924087544 [[বিশেষ:অবদান/~2026-20544-24|~2026-20544-24]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20544-24|আলাপ]]) ০৬:৩৭, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পর্যালোচনা ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] আমি [আলফ্রেড নোবেল] পাতাটি সংশোধন করেছি, অনুগ্রহ করে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন।
ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০৩:৪৯, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পাতা গ্রহণ সম্বন্ধে ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]]
[[আল খোয়ারিজমি]] - পাতাটি গৃহীত হয়নি। কিন্তু এর ''সুনির্দিষ্ট'' এবং যথার্থ কারন উল্লেখ প্রয়োজন। উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
ধন্যবাদান্তে,
''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:২৯, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)-Mahmud''
::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] '[[আল খোয়ারিজমি]]' পাতাটির সংশোধনের ক্ষেত্রগুলো উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
:'''''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১১:১০, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'''''
== জেরার দ্যব্রু ==
নিবন্ধটি আমি সংশোধন করেছি এবং যান্ত্রিকতা দূর করেছি। অনুগ্রহ করে এখন পুনরায় পর্যালোচনা করুন। ''([[জেরার দ্যব্রু]])'' — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:২১, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অনুগ্রহ করে সবার আগে এটিকে পর্যালোচনা করুন। এটি অত্যন্ত ছোট পাতা। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:৫৮, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] এটিতে কি কোন অসুবিধা বিদ্যমান? আপনি এখনও গ্রহণ করেননি। সমস্যা থাকলে জানান। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:৫২, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৫২, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৭:৪৮, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[আলেক্সান্দ্র্ সলজেনিৎসিন]] ==
সংশোধন করেছি, পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ রইলো। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ০৫:৩৩, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৫৩, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[আলফ্রেড নোবেল]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] পতাটি সংশোধন করা হয়েছে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০০:০২, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[এর্নস্ট মাখ]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০০:৪৮, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[অরবিন্দ আদিগা]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছে পুনরায় পর্যালোচনা করুন। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:০৮, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[সি. এ. আর. হোর]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:১২, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[ডায়ান ফসি]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:১৪, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[অরেল স্টেইন]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:২০, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] আপনার সবগুলো পাতাতেই কিছু বাক্য আরেকটু সাবলীলভাবে লেখা যায়। আরেকদফা সংশোধন করে জানালে আমি গ্রহণ করে নিব। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৫৪, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]]ঠিক আছে আমি সব পাতা সংশোধন করে একসাথে পরে জানাবো। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৬:০৯, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[ড্যানিয়েল কানেমান]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] উল্লেখিত পাতাটি সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন।
ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৬:৩০, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[এর্নস্ট মাখ]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] পাতাটি আরও একবার সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০২:০৬, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] আরও সংশোধন করতে হবে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:০৫, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[অরবিন্দ আদিগা]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] পাতাটি পুনরায় সংশোধন করেছি অনুগ্রহ করে আরেকবার পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০৩:৪৯, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
r [[বিশেষ:অবদান/~2026-24691-92|~2026-24691-92]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-24691-92|আলাপ]]) ১১:৩৭, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৫৪, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[শিং-শেন চের্ন]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অনুগ্রহ করে [[শিং-শেন চের্ন]] নিবন্ধটি পুনঃপর্যালোচনা করুন। আমি এটিকে সংশোধন করেছি এবং জার্নাল, সংস্থা, প্রকাশক এসব বাংলায় লিপ্যন্তর করেছি। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১২:০০, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অনুগ্রহ করে এটি পর্যালোচনা করুন — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">আনাফ</span> <span style="color:#388E3C">ইবনে</span> <span style="color:#66BB6A">সাহেবুল</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৫:৩৬, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] গৃহীত হয়েছে। অনুগ্রহপূর্বক ধৈর্য ধারণ করুন। সংশোধন করলে অবশ্যই পুনঃপর্যালোচনা করা হবে। বারবার মেনশন করার প্রয়োজন নেই। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৪০, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] দুঃখিত। অনুবাদে যান্ত্রিকতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। {{গৃহীত হয়নি}}। আবার সংশোধন করুন। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৬:১৭, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ঠিক আছে। আমি আবারও মেনশন করছিলাম, কারণ মনে হচ্ছিল কেনো ত্রুটির ফলে আপনার নিকট বিজ্ঞপ্তি যায় নি। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">আনাফ</span> <span style="color:#388E3C">ইবনে</span> <span style="color:#66BB6A">সাহেবুল</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৭:৫৫, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] মনে হচ্ছে, আপনি আমার কথা বুঝতে পারেননি। আমি ২৫ তারিখে পুনঃপর্যালোচনা করেছি। পাতাটা তখনও যান্ত্রিক ছিল। এর পর আপনি আর কোনও সম্পাদনা করেননি। আপনার লাস্ট সম্পাদনা ২৩ তারিখে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:০৪, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[ভারতে সুফিবাদ]] ==
[[ভারতে সুফিবাদ]]ে কি সমস্যা?? [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ১৩:২৩, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] দুঃখিত। ভুলক্রমে "'''না'''" তে ক্লিক পড়েছিল, খেয়াল করিনি। গ্রহণ করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:১১, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[পেত্র ক্রাপোতকিন]] ==
পাতাটি ঠিক করেছি। পাশাপাশি [[টনি বেন]]
পাতাটাও ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১৪:১৭, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] গ্রহণ করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:১০, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
=== [[স্ট্যানলি বল্ডউইন]] ===
এটা সংশোধন করেছি আমি। পুনঃপর্যালোচনা করার অনুরোধ করছি। [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker|আলাপ]]) ১৪:১৯, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] গ্রহণ করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:১০, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[নরউইচের জুলিয়ান]] পাতা ==
পাতাটি ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১৪:৪৫, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] গ্রহণ করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:১০, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন]] ==
নিবন্ধটি পুনর্লিখন করেছি। আশাকরি গ্রহণ করবেন। – [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৯:২২, ২ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:এর সাথে [[আতঙ্ক]] পাতাটিও। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৯:৫৭, ২ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
::[[রবার্ট অ্যাটকিনস (বিচারক)]] পাতাটি সংশোধন করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১০:০০, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] আতঙ্ক ও রবার্ট অ্যাটকিনস (বিচারক) গ্রহণ করা হয়েছে। কিন্তু এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন এখনও ত্রুটিপূর্ণ। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:৫৩, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন]] ==
*অন্য ভাষার লিপি বিদ্যমান
*"মি. গ্ল্যাডস্টোন ছিলেন সবচেয়ে বড় আলোচনার পরিষদের সর্বশ্রেষ্ঠ সদস্য যা বিশ্ব আজ পর্যন্ত দেখেছে।" উক্তির সূত্র ঠিক করুন
*"আর্মেনিয়ার সেবা করা মানে সভ্যতার সেবা করা।" উক্তির সূত্র ঠিক করুন [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ০১:২৫, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
*:@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] অনেক ধন্যবাদ। ত্রুটিগুলো সংশোধন করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:৪০, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
*::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]]: পুনশ্চ, [[লিটিশা এলিজাবেথ ল্যান্ডন]] পাতাটির শেষাংশ আমি অনুবাদ করে রেখেছিলাম। ভুলক্রমে যোগ করা হয়নি। এখন যোগ করেছি। অন্য কোনও ত্রুটি না থাকলে পাতাটি গ্রহণ করার অনুরোধ রইল। তবে যদি মনে হয়, এখন যোগকৃত অংশ প্রতিযোগিতার সময়ের বাইরে যোগ করা বলে গণনা করা উচিত নয়, তাহলে চাইলে শেষাংশটা গণনা-বহির্ভূত রাখতে পারেন। পর্যালোচনা করার জন্য ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:৫০, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনী]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]]পাতাটি সংশোধন করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১৩:২৬, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] আপনি শুধুমাত্র লিংক সরিয়েছেন। ভাষাগত যান্ত্রিকতা সংশোধন করেননি। সংশোধন না করলে গ্রহণ করা হবে না। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:৪১, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
1q8expo3s0m5evokkayua5lpsom0zwn
83351
83342
2026-05-03T15:58:26Z
Tuhin
172
/* এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন */ উত্তর
83351
wikitext
text/x-wiki
{{স্বাগত}}≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান </b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud| «আলাপ»]]</b> ০৮:০৭, ৩১ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে ==
সুপ্রিয় NusJaS, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ ও ৩০ এপ্রিল শেষ দিন পর্যন্ত অংশ নেওয়া অব্যাহত রাখুন।
আপনার অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে: প্রতিযোগিতায় এখন থেকে '''নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে না''' অর্থাৎ <u>নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র ছাড়া অন্য উল্লেখযোগ্য যেকোনও কিছু নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে</u>।
;কেন নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র বাদ দেওয়া হয়েছে?
:প্রতিযোগিতা শুরুর পর অনেকেই নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা বানিয়েছেন। তবে লক্ষ্য করা গেছে যে, অনেকে শব্দ সংখ্যা বাড়াতে পুরো নাটক, উপন্যাস তুলে দিচ্ছেন। যা কোন ক্রমে কাম্য নয়। এটি অন্য প্রতিযোগীদের প্রতিও সুবিচার করা হয় না।
; আমি যে নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র জমা দিয়েছি তার কী হবে?
: যারা এই ঘোষণার পূর্বে অর্থাৎ ৬ এপ্রিল বা তার আগে এই জাতীয় উক্তির পাতা জমা দিয়েছেন সেগুলি গৃহীত হবে (অবশ্যই সংশোধনপূর্বক)।
আরেকটি বিষয়ের প্রতি আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। এটাও লক্ষ্য করা গেছে যে অনেকে উক্তির উৎস দিচ্ছেন না। দয়া করে উক্তির উৎস দিতে ভুলবেন না। দয়া করে উদাহরণ হিসেবে [[চঞ্চল চৌধুরী]], [[নোম চম্স্কি]] পাতায় কীভাবে উক্তি ও উক্তির উৎস দেওয়া হয়েছে তা দেখুন।
আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৯:৪৭, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি)
<!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:%E0%A6%86%E0%A6%AB%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE&oldid=31634-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন -->
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪: আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ==
সুপ্রিয় NusJaS, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ([https://fountain.toolforge.org/editathons/qc2024 এখানে দেখুন]):
* যদি আপনার জমা দেওয়া কোনও নিবন্ধ গৃহীত না হয়, তবে আপনি আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে নিবন্ধের সমস্যাগুলি ঠিক করে পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ জানাতে পারেন।
* যদি আপনি কোনও গৃহীত নিবন্ধ সম্পর্কে কোনও মন্তব্য করতে চান, কোনও অসঙ্গতি আমাদের দৃষ্টিতে আনতে চান, দয়া করে আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে করুন।
প্রতিযোগিতার ফলাফল ঘোষণার পর, ফলাফলে কোনোরূপ পরিবর্তন আনা হবে না। সুতরাং যা করার আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে করুন। আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ২১:৫৪, ৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪: ফরম পূরণ করুন ==
সুপ্রিয় NusJaS, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪/পরিসংখ্যান#ফলাফল|শীর্ষ ২০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLScZptwVHdLgFGVAjzk79Ew7MjAcCUyL1PigcfsNwxBn5VeC6w/viewform?usp=sf_link এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৪:২৭, ১৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি)
==উইকিউক্তি পুনরায় সম্পাদন করা হয়েছে ==
[[উইলিয়াম ম্যাকিনলি]] পাতাটি পুনরায় সম্পাদন করা হয়েছে এখন গ্রহণ করতে পারেন আপনাকে মেনশন করলাম।
[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৫:১১, ২৩ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] সংশোধন করায় ধন্যবাদ। গৃহীত হয়েছে। আপনার জমাদানকৃত বাকি পাতাগুলোতেও এরকম সংশোধন করার পরামর্শ রইল। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৯:৪৩, ২৪ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::ঠিক আছে তাহলে আমি পুনরায় পর্যালোচনা করছি [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৫:৫২, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== সাহায্য প্রয়োজন ==
আমি যখন আর্টিকেল গুলো বাংলা অনুবাদ করার পরে পাবলিশ করার পরে আমি এটি উইকি ডাটার সাথে কানেক্ট করতে চাচ্ছি যেন একটি ইংরেজি অনুবাদটাও যে কেউ দেখতে পারে। কিন্তু আমাকে এটা দেখাচ্ছে এগুলো সেমি প্রটেক্টেড পেজ । [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৫:৫৭, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] যেগুলো লিংক করতে পারবেন না, যেকোনো পর্যালোচকের আলাপ পাতায় সেগুলোর তালিকা দিবেন। তারা লিংক করে দিবে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৯:৫৫, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::[[অং সান সু চি]] এটি লিংক করে দিন।
::এবং আমি কিভাবে এই রাইট পেতে পারি! [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৬:৫৫, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন]] ==
সুধী, উইকিমিডিয়ার অন্যান্য প্রকল্পগুলোর মতো উইকিউক্তিতে কপিরাইট আইন মান্য করা হয়। তবে উইকিউক্তিতে হুবুহু উক্তি কপি করে ব্যবহারের ক্ষেত্রে যেমন শিথিলতা রয়েছে তেমন সীমাবদ্ধতা রয়েছে। যেমন উইকিউক্তিতে "একই সূত্র থেকে খুব বেশি উক্তি পাতায় দেওয়া যায়না"। মোটামুটি সীমা বজায় রাখতে হয় যাতে কপিরাইট সমস্যায় পড়তে না হয়। [https://copyvios.toolforge.org/?lang=bn&project=wikiquote&title=মোহাম্মদ+নাজিম+উদ্দিন&oldid=&action=search&use_engine=0&use_links=1&turnitin=0&nocache=1 এটা দেখুন], এই রেজাল্ট অনুযায়ী তিনটি সূত্র থেকে ৪০% এর অধিক লেখা সরাসরি উদ্ধৃত করা হয়েছে। তাই উক্তির সংখ্যা কমিয়ে আনা প্রয়োজন৷ সবগুলো সূত্র থেকেই যে একদম ৩০% হতে হবে তা নয়, তবে উক্তির সংখ্যা মোটামুটি কমিয়ে এনে কপিরাইট সমস্যার সমাধান করে নিতে হবে। তারপর আমাকে জানালে আমি পাতাটি গ্রহণ করে নিবো। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৭:১৯, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অগ্রগতি কতদূর? [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ০৩:৫৬, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] এখন অনেক লেখা বাদ দিয়েছি। এবার দেখুন। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:১৬, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ভাই, আমি একটা জিনিস বুঝতে পারছি না। উক্তি তো হুবুহু হবে। এখানে কপিরাইট লঙ্ঘন হচ্ছে এমন জটিলতা কেন? ইংরেজি থেকে অনেক পাতা অনুবাদ করতে গিয়ে বিশাল বিশাল উক্তি হুবুহু কপি পেয়েছি। এক উক্তিতেই ৫-৬০০ শব্দ, এমন। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:৩৬, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] যেটা এখনও ৪৫% দেখাচ্ছে, ওটায় একই বাক্য বারবার এসেছে। তাই বেশি পার্সেন্টেজ। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:৩৮, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] নন-ফ্রি লাইসেন্স নীতি অনুযায়ী আমরা উইকিপিডিয়ায় যেকোন লেখা বা উক্তি হুবুহু তুলে ধরতে পারবো, কিন্তু সেটা সীমা রেখে। অর্থাৎ একটি সূত্রের লেখার বড় অংশ তুলে ধরা যাবেনা। উইকিপিডিয়ায় এটা মান্য করা হয় কপিরাইট আইন মেনে চলার জন্য। সেজন্য আপনি দেখবেন যে অনেক সময় একটি উইকিপিডিয়া নিবন্ধে বেশি উক্তি থাকেনা। উইকিউক্তি একই নীতিতে চলে। যদিও উইকিউক্তির একটি পাতায় উক্তিগুলোকে হুবুহু তুলে ধরতে হবে, কিন্তু সেটা নন-ফ্রি নীতিকে এড়িয়ে উদ্ধৃত করা যাবেনা অর্থাৎ কপিরাইট আইন বজায় রেখেই করতে হবে। তাই আমাদের এখানেও এটা মেনে চলতে হয়। মূল সমস্যা হচ্ছে, সবাই এই ব্যাপারটা জানেনা। মূল কথা হচ্ছে, উক্তি হুবুহু উদ্ধৃত করায় কোন সমস্যা নেই। এখানে সমস্যা হচ্ছে উক্তি উদ্ধৃত করার সময় প্রতিটি সূত্র থেকে কত শতাংশ লেখা কপি করা হয়েছে, যা পরিস্থিতিভেদে সর্বোচ্চ হয়তো ৪০-৪৫% ব্যবহার করা যেতে পারে (সবক্ষেত্রে নয়)। তবে সর্বোচ্চ ৩০% ব্যবহার করাই নিরাপদ। তবে, ব্যতিক্রম হতে পারে অনূদিত উক্তির ক্ষেত্রে। কেননা পড়ার উপযোগী করে উক্তি অনুবাদ করতে গিয়ে অনেক সময় উক্তিগুলোর মূল কাঠামো ও অনূদিত প্রতিশব্দ পালটে যেতে পারে আর তখন কপিরাইট সমস্যার প্রশ্ন আসবেনা। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১২:৫৪, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ওকে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। আশা করি বুঝতে পেরেছ। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১২:৫৫, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]]: জি, এবার বুঝতে পেরেছি। ঠিক করা হয়েছে। আবার পর্যালোচনা করার অনুরোধ করছি।। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:৫৩, ১ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
:::::::আমি এখনো ব্যাপারটি বুঝলাম না। আমি ইংরেজিতে থাকা উক্তিগুলো এবং প্রতিটি উক্তির তথ্যসূত্র সম্পূর্ণ অনুবাদ করি ।
:::::::এখানে সূত্র বলতে কি বুঝাচ্ছে ওই তথ্যসূত্র টাই [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৬:৫৯, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
::::::::@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] হ্যাঁ, সেটাই সূত্র মানেই তথ্যসূত্র [[User:Md Mobashir Hossain|মোবাশশির]] <small>[[User Talk:Md Mobashir Hossain|বার্তা দিন]]</small> ০৭:৫৩, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
::::::::: [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৮:০৭, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== রো বনাম ওয়েড/সম্পর্কে উক্তি ==
পাতাটির অনুবাদ বেশ রুক্ষ। অনুগ্রহ করে অপসারণ এড়াতে নিবন্ধটি সংশোধন করুন। ১৫:৫০, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]])
: {{ping|Yahya}} পর্যালোচনা করার জন্য ধন্যবাদ। আমি ২ দিন সময় চাচ্ছি। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]])
== রো বনাম ওয়েড ==
পাতাটির অনুবাদ রুক্ষ ও যান্ত্রিক। অনুগ্রহ করে অপসারণ এড়াতে পাতাটি সংশোধন করুন।[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ১৭:৫২, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ভাই, সংশোধন করেছি। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৪২, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
::দুঃখিত। গ্রহণ করা যাচ্ছে না। অনুবাদ এখনও যান্ত্রিক। [[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ১০:৪১, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[রো বনাম ওয়েড/সম্পর্কে উক্তি]] পাতা সম্পর্কে ==
এভাবে উপপাতায় নেয়ার কারণ? এমনকি আপনি [[রো বনাম ওয়েড/সম্পর্কে উক্তি/২]] নামেও পাতা তৈরি করেছেন। ― <span style="color:white; background-color:red;"> ☪ </span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০৭:৫৪, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] একটা পাতায় পুরো লেখা জায়গা হয় না। বাইট লিমিট দেখিয়েছিল। আমি "সম্পর্কে উক্তি"কে একটাই উপপাতায় রাখতে চেয়েছিলাম। সেটাও সম্ভব হয়নি। তাই দুটো পাতা করতে হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:২৪, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
::যান্ত্রিক ও ত্রুটিপূর্ণ অনুবাদ হওয়ায় পাতাটি উক্তি প্রতিযোগিতায় গৃহীত হয়নি। –– [[ব্যবহারকারী:Tahmid|তাহমিদ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tahmid|আলাপ]]) ১৪:০৮, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== সংশোধনের পর জানাতে বলা হয়েছে ==
[[প্রবীণ তোগাড়িয়া]] পাতাটিতে একই তথ্যসূত্র বেশ কয়েকটি উক্তিতে ছিল। তা সংশোধন করা হয়েছে। এখন গ্রহণ করতে পারবেন [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৩:১৫, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন ==
সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|শীর্ষ ১০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSeDWCveBqp7ID0VVW0ipXM-WXeCqE7u-xHQCU_d7FRYo-9vAA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। - ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৮:৩১, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
<!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67623-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন -->
== বাবুলমিয়া ==
মাধবদী পৌরসভা জেলা নরসিংদী ০১৭১২ ৬২০ ৯৯২ আমার এই ওষুধটা লাগবে [[বিশেষ:অবদান/~2026-20015-50|~2026-20015-50]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20015-50|আলাপ]]) ১৮:৪৩, ৩১ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি)
01924087544 [[বিশেষ:অবদান/~2026-20544-24|~2026-20544-24]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20544-24|আলাপ]]) ০৬:৩৭, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পর্যালোচনা ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] আমি [আলফ্রেড নোবেল] পাতাটি সংশোধন করেছি, অনুগ্রহ করে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন।
ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০৩:৪৯, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পাতা গ্রহণ সম্বন্ধে ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]]
[[আল খোয়ারিজমি]] - পাতাটি গৃহীত হয়নি। কিন্তু এর ''সুনির্দিষ্ট'' এবং যথার্থ কারন উল্লেখ প্রয়োজন। উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
ধন্যবাদান্তে,
''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:২৯, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)-Mahmud''
::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] '[[আল খোয়ারিজমি]]' পাতাটির সংশোধনের ক্ষেত্রগুলো উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
:'''''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১১:১০, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'''''
== জেরার দ্যব্রু ==
নিবন্ধটি আমি সংশোধন করেছি এবং যান্ত্রিকতা দূর করেছি। অনুগ্রহ করে এখন পুনরায় পর্যালোচনা করুন। ''([[জেরার দ্যব্রু]])'' — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:২১, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অনুগ্রহ করে সবার আগে এটিকে পর্যালোচনা করুন। এটি অত্যন্ত ছোট পাতা। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:৫৮, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] এটিতে কি কোন অসুবিধা বিদ্যমান? আপনি এখনও গ্রহণ করেননি। সমস্যা থাকলে জানান। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:৫২, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৫২, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৭:৪৮, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[আলেক্সান্দ্র্ সলজেনিৎসিন]] ==
সংশোধন করেছি, পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ রইলো। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ০৫:৩৩, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৫৩, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[আলফ্রেড নোবেল]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] পতাটি সংশোধন করা হয়েছে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০০:০২, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[এর্নস্ট মাখ]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০০:৪৮, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[অরবিন্দ আদিগা]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছে পুনরায় পর্যালোচনা করুন। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:০৮, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[সি. এ. আর. হোর]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:১২, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[ডায়ান ফসি]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:১৪, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[অরেল স্টেইন]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:২০, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] আপনার সবগুলো পাতাতেই কিছু বাক্য আরেকটু সাবলীলভাবে লেখা যায়। আরেকদফা সংশোধন করে জানালে আমি গ্রহণ করে নিব। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৫৪, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]]ঠিক আছে আমি সব পাতা সংশোধন করে একসাথে পরে জানাবো। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৬:০৯, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[ড্যানিয়েল কানেমান]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] উল্লেখিত পাতাটি সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন।
ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৬:৩০, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[এর্নস্ট মাখ]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] পাতাটি আরও একবার সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০২:০৬, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] আরও সংশোধন করতে হবে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:০৫, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[অরবিন্দ আদিগা]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] পাতাটি পুনরায় সংশোধন করেছি অনুগ্রহ করে আরেকবার পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০৩:৪৯, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
r [[বিশেষ:অবদান/~2026-24691-92|~2026-24691-92]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-24691-92|আলাপ]]) ১১:৩৭, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৫৪, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[শিং-শেন চের্ন]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অনুগ্রহ করে [[শিং-শেন চের্ন]] নিবন্ধটি পুনঃপর্যালোচনা করুন। আমি এটিকে সংশোধন করেছি এবং জার্নাল, সংস্থা, প্রকাশক এসব বাংলায় লিপ্যন্তর করেছি। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১২:০০, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অনুগ্রহ করে এটি পর্যালোচনা করুন — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">আনাফ</span> <span style="color:#388E3C">ইবনে</span> <span style="color:#66BB6A">সাহেবুল</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৫:৩৬, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] গৃহীত হয়েছে। অনুগ্রহপূর্বক ধৈর্য ধারণ করুন। সংশোধন করলে অবশ্যই পুনঃপর্যালোচনা করা হবে। বারবার মেনশন করার প্রয়োজন নেই। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৪০, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] দুঃখিত। অনুবাদে যান্ত্রিকতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। {{গৃহীত হয়নি}}। আবার সংশোধন করুন। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৬:১৭, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ঠিক আছে। আমি আবারও মেনশন করছিলাম, কারণ মনে হচ্ছিল কেনো ত্রুটির ফলে আপনার নিকট বিজ্ঞপ্তি যায় নি। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">আনাফ</span> <span style="color:#388E3C">ইবনে</span> <span style="color:#66BB6A">সাহেবুল</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৭:৫৫, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] মনে হচ্ছে, আপনি আমার কথা বুঝতে পারেননি। আমি ২৫ তারিখে পুনঃপর্যালোচনা করেছি। পাতাটা তখনও যান্ত্রিক ছিল। এর পর আপনি আর কোনও সম্পাদনা করেননি। আপনার লাস্ট সম্পাদনা ২৩ তারিখে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:০৪, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[ভারতে সুফিবাদ]] ==
[[ভারতে সুফিবাদ]]ে কি সমস্যা?? [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ১৩:২৩, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] দুঃখিত। ভুলক্রমে "'''না'''" তে ক্লিক পড়েছিল, খেয়াল করিনি। গ্রহণ করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:১১, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[পেত্র ক্রাপোতকিন]] ==
পাতাটি ঠিক করেছি। পাশাপাশি [[টনি বেন]]
পাতাটাও ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১৪:১৭, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] গ্রহণ করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:১০, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
=== [[স্ট্যানলি বল্ডউইন]] ===
এটা সংশোধন করেছি আমি। পুনঃপর্যালোচনা করার অনুরোধ করছি। [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker|আলাপ]]) ১৪:১৯, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] গ্রহণ করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:১০, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[নরউইচের জুলিয়ান]] পাতা ==
পাতাটি ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১৪:৪৫, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] গ্রহণ করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:১০, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন]] ==
নিবন্ধটি পুনর্লিখন করেছি। আশাকরি গ্রহণ করবেন। – [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৯:২২, ২ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:এর সাথে [[আতঙ্ক]] পাতাটিও। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৯:৫৭, ২ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
::[[রবার্ট অ্যাটকিনস (বিচারক)]] পাতাটি সংশোধন করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১০:০০, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] আতঙ্ক ও রবার্ট অ্যাটকিনস (বিচারক) গ্রহণ করা হয়েছে। কিন্তু এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন এখনও ত্রুটিপূর্ণ। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:৫৩, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] আমি প্রতিটা উক্তি ধরে ধরে নতুন করে অনুবাদ করেছি। কীভাবে ত্রুটি রয়ে গেছে বুঝতে পারছি না। উল্লেখ করার অনুরোধ করছি। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৫:৫৮, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন]] ==
*অন্য ভাষার লিপি বিদ্যমান
*"মি. গ্ল্যাডস্টোন ছিলেন সবচেয়ে বড় আলোচনার পরিষদের সর্বশ্রেষ্ঠ সদস্য যা বিশ্ব আজ পর্যন্ত দেখেছে।" উক্তির সূত্র ঠিক করুন
*"আর্মেনিয়ার সেবা করা মানে সভ্যতার সেবা করা।" উক্তির সূত্র ঠিক করুন [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ০১:২৫, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
*:@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] অনেক ধন্যবাদ। ত্রুটিগুলো সংশোধন করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:৪০, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
*::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]]: পুনশ্চ, [[লিটিশা এলিজাবেথ ল্যান্ডন]] পাতাটির শেষাংশ আমি অনুবাদ করে রেখেছিলাম। ভুলক্রমে যোগ করা হয়নি। এখন যোগ করেছি। অন্য কোনও ত্রুটি না থাকলে পাতাটি গ্রহণ করার অনুরোধ রইল। তবে যদি মনে হয়, এখন যোগকৃত অংশ প্রতিযোগিতার সময়ের বাইরে যোগ করা বলে গণনা করা উচিত নয়, তাহলে চাইলে শেষাংশটা গণনা-বহির্ভূত রাখতে পারেন। পর্যালোচনা করার জন্য ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:৫০, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনী]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]]পাতাটি সংশোধন করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১৩:২৬, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] আপনি শুধুমাত্র লিংক সরিয়েছেন। ভাষাগত যান্ত্রিকতা সংশোধন করেননি। সংশোধন না করলে গ্রহণ করা হবে না। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:৪১, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
nevddym1talcuaref5akcp1tonea4uz
83365
83351
2026-05-03T22:40:23Z
ARI
356
/* উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন */ উত্তর
83365
wikitext
text/x-wiki
{{স্বাগত}}≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান </b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud| «আলাপ»]]</b> ০৮:০৭, ৩১ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে ==
সুপ্রিয় NusJaS, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ ও ৩০ এপ্রিল শেষ দিন পর্যন্ত অংশ নেওয়া অব্যাহত রাখুন।
আপনার অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে: প্রতিযোগিতায় এখন থেকে '''নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে না''' অর্থাৎ <u>নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র ছাড়া অন্য উল্লেখযোগ্য যেকোনও কিছু নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে</u>।
;কেন নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র বাদ দেওয়া হয়েছে?
:প্রতিযোগিতা শুরুর পর অনেকেই নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা বানিয়েছেন। তবে লক্ষ্য করা গেছে যে, অনেকে শব্দ সংখ্যা বাড়াতে পুরো নাটক, উপন্যাস তুলে দিচ্ছেন। যা কোন ক্রমে কাম্য নয়। এটি অন্য প্রতিযোগীদের প্রতিও সুবিচার করা হয় না।
; আমি যে নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র জমা দিয়েছি তার কী হবে?
: যারা এই ঘোষণার পূর্বে অর্থাৎ ৬ এপ্রিল বা তার আগে এই জাতীয় উক্তির পাতা জমা দিয়েছেন সেগুলি গৃহীত হবে (অবশ্যই সংশোধনপূর্বক)।
আরেকটি বিষয়ের প্রতি আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। এটাও লক্ষ্য করা গেছে যে অনেকে উক্তির উৎস দিচ্ছেন না। দয়া করে উক্তির উৎস দিতে ভুলবেন না। দয়া করে উদাহরণ হিসেবে [[চঞ্চল চৌধুরী]], [[নোম চম্স্কি]] পাতায় কীভাবে উক্তি ও উক্তির উৎস দেওয়া হয়েছে তা দেখুন।
আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৯:৪৭, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি)
<!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:%E0%A6%86%E0%A6%AB%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE&oldid=31634-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন -->
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪: আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ==
সুপ্রিয় NusJaS, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ([https://fountain.toolforge.org/editathons/qc2024 এখানে দেখুন]):
* যদি আপনার জমা দেওয়া কোনও নিবন্ধ গৃহীত না হয়, তবে আপনি আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে নিবন্ধের সমস্যাগুলি ঠিক করে পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ জানাতে পারেন।
* যদি আপনি কোনও গৃহীত নিবন্ধ সম্পর্কে কোনও মন্তব্য করতে চান, কোনও অসঙ্গতি আমাদের দৃষ্টিতে আনতে চান, দয়া করে আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে করুন।
প্রতিযোগিতার ফলাফল ঘোষণার পর, ফলাফলে কোনোরূপ পরিবর্তন আনা হবে না। সুতরাং যা করার আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে করুন। আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ২১:৫৪, ৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪: ফরম পূরণ করুন ==
সুপ্রিয় NusJaS, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪/পরিসংখ্যান#ফলাফল|শীর্ষ ২০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLScZptwVHdLgFGVAjzk79Ew7MjAcCUyL1PigcfsNwxBn5VeC6w/viewform?usp=sf_link এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৪:২৭, ১৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি)
==উইকিউক্তি পুনরায় সম্পাদন করা হয়েছে ==
[[উইলিয়াম ম্যাকিনলি]] পাতাটি পুনরায় সম্পাদন করা হয়েছে এখন গ্রহণ করতে পারেন আপনাকে মেনশন করলাম।
[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৫:১১, ২৩ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] সংশোধন করায় ধন্যবাদ। গৃহীত হয়েছে। আপনার জমাদানকৃত বাকি পাতাগুলোতেও এরকম সংশোধন করার পরামর্শ রইল। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৯:৪৩, ২৪ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::ঠিক আছে তাহলে আমি পুনরায় পর্যালোচনা করছি [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৫:৫২, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== সাহায্য প্রয়োজন ==
আমি যখন আর্টিকেল গুলো বাংলা অনুবাদ করার পরে পাবলিশ করার পরে আমি এটি উইকি ডাটার সাথে কানেক্ট করতে চাচ্ছি যেন একটি ইংরেজি অনুবাদটাও যে কেউ দেখতে পারে। কিন্তু আমাকে এটা দেখাচ্ছে এগুলো সেমি প্রটেক্টেড পেজ । [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৫:৫৭, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] যেগুলো লিংক করতে পারবেন না, যেকোনো পর্যালোচকের আলাপ পাতায় সেগুলোর তালিকা দিবেন। তারা লিংক করে দিবে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৯:৫৫, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::[[অং সান সু চি]] এটি লিংক করে দিন।
::এবং আমি কিভাবে এই রাইট পেতে পারি! [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৬:৫৫, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন]] ==
সুধী, উইকিমিডিয়ার অন্যান্য প্রকল্পগুলোর মতো উইকিউক্তিতে কপিরাইট আইন মান্য করা হয়। তবে উইকিউক্তিতে হুবুহু উক্তি কপি করে ব্যবহারের ক্ষেত্রে যেমন শিথিলতা রয়েছে তেমন সীমাবদ্ধতা রয়েছে। যেমন উইকিউক্তিতে "একই সূত্র থেকে খুব বেশি উক্তি পাতায় দেওয়া যায়না"। মোটামুটি সীমা বজায় রাখতে হয় যাতে কপিরাইট সমস্যায় পড়তে না হয়। [https://copyvios.toolforge.org/?lang=bn&project=wikiquote&title=মোহাম্মদ+নাজিম+উদ্দিন&oldid=&action=search&use_engine=0&use_links=1&turnitin=0&nocache=1 এটা দেখুন], এই রেজাল্ট অনুযায়ী তিনটি সূত্র থেকে ৪০% এর অধিক লেখা সরাসরি উদ্ধৃত করা হয়েছে। তাই উক্তির সংখ্যা কমিয়ে আনা প্রয়োজন৷ সবগুলো সূত্র থেকেই যে একদম ৩০% হতে হবে তা নয়, তবে উক্তির সংখ্যা মোটামুটি কমিয়ে এনে কপিরাইট সমস্যার সমাধান করে নিতে হবে। তারপর আমাকে জানালে আমি পাতাটি গ্রহণ করে নিবো। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৭:১৯, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অগ্রগতি কতদূর? [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ০৩:৫৬, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] এখন অনেক লেখা বাদ দিয়েছি। এবার দেখুন। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:১৬, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ভাই, আমি একটা জিনিস বুঝতে পারছি না। উক্তি তো হুবুহু হবে। এখানে কপিরাইট লঙ্ঘন হচ্ছে এমন জটিলতা কেন? ইংরেজি থেকে অনেক পাতা অনুবাদ করতে গিয়ে বিশাল বিশাল উক্তি হুবুহু কপি পেয়েছি। এক উক্তিতেই ৫-৬০০ শব্দ, এমন। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:৩৬, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] যেটা এখনও ৪৫% দেখাচ্ছে, ওটায় একই বাক্য বারবার এসেছে। তাই বেশি পার্সেন্টেজ। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:৩৮, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] নন-ফ্রি লাইসেন্স নীতি অনুযায়ী আমরা উইকিপিডিয়ায় যেকোন লেখা বা উক্তি হুবুহু তুলে ধরতে পারবো, কিন্তু সেটা সীমা রেখে। অর্থাৎ একটি সূত্রের লেখার বড় অংশ তুলে ধরা যাবেনা। উইকিপিডিয়ায় এটা মান্য করা হয় কপিরাইট আইন মেনে চলার জন্য। সেজন্য আপনি দেখবেন যে অনেক সময় একটি উইকিপিডিয়া নিবন্ধে বেশি উক্তি থাকেনা। উইকিউক্তি একই নীতিতে চলে। যদিও উইকিউক্তির একটি পাতায় উক্তিগুলোকে হুবুহু তুলে ধরতে হবে, কিন্তু সেটা নন-ফ্রি নীতিকে এড়িয়ে উদ্ধৃত করা যাবেনা অর্থাৎ কপিরাইট আইন বজায় রেখেই করতে হবে। তাই আমাদের এখানেও এটা মেনে চলতে হয়। মূল সমস্যা হচ্ছে, সবাই এই ব্যাপারটা জানেনা। মূল কথা হচ্ছে, উক্তি হুবুহু উদ্ধৃত করায় কোন সমস্যা নেই। এখানে সমস্যা হচ্ছে উক্তি উদ্ধৃত করার সময় প্রতিটি সূত্র থেকে কত শতাংশ লেখা কপি করা হয়েছে, যা পরিস্থিতিভেদে সর্বোচ্চ হয়তো ৪০-৪৫% ব্যবহার করা যেতে পারে (সবক্ষেত্রে নয়)। তবে সর্বোচ্চ ৩০% ব্যবহার করাই নিরাপদ। তবে, ব্যতিক্রম হতে পারে অনূদিত উক্তির ক্ষেত্রে। কেননা পড়ার উপযোগী করে উক্তি অনুবাদ করতে গিয়ে অনেক সময় উক্তিগুলোর মূল কাঠামো ও অনূদিত প্রতিশব্দ পালটে যেতে পারে আর তখন কপিরাইট সমস্যার প্রশ্ন আসবেনা। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১২:৫৪, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ওকে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। আশা করি বুঝতে পেরেছ। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১২:৫৫, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]]: জি, এবার বুঝতে পেরেছি। ঠিক করা হয়েছে। আবার পর্যালোচনা করার অনুরোধ করছি।। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:৫৩, ১ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
:::::::আমি এখনো ব্যাপারটি বুঝলাম না। আমি ইংরেজিতে থাকা উক্তিগুলো এবং প্রতিটি উক্তির তথ্যসূত্র সম্পূর্ণ অনুবাদ করি ।
:::::::এখানে সূত্র বলতে কি বুঝাচ্ছে ওই তথ্যসূত্র টাই [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৬:৫৯, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
::::::::@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] হ্যাঁ, সেটাই সূত্র মানেই তথ্যসূত্র [[User:Md Mobashir Hossain|মোবাশশির]] <small>[[User Talk:Md Mobashir Hossain|বার্তা দিন]]</small> ০৭:৫৩, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
::::::::: [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৮:০৭, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== রো বনাম ওয়েড/সম্পর্কে উক্তি ==
পাতাটির অনুবাদ বেশ রুক্ষ। অনুগ্রহ করে অপসারণ এড়াতে নিবন্ধটি সংশোধন করুন। ১৫:৫০, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]])
: {{ping|Yahya}} পর্যালোচনা করার জন্য ধন্যবাদ। আমি ২ দিন সময় চাচ্ছি। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]])
== রো বনাম ওয়েড ==
পাতাটির অনুবাদ রুক্ষ ও যান্ত্রিক। অনুগ্রহ করে অপসারণ এড়াতে পাতাটি সংশোধন করুন।[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ১৭:৫২, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ভাই, সংশোধন করেছি। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৪২, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
::দুঃখিত। গ্রহণ করা যাচ্ছে না। অনুবাদ এখনও যান্ত্রিক। [[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ১০:৪১, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[রো বনাম ওয়েড/সম্পর্কে উক্তি]] পাতা সম্পর্কে ==
এভাবে উপপাতায় নেয়ার কারণ? এমনকি আপনি [[রো বনাম ওয়েড/সম্পর্কে উক্তি/২]] নামেও পাতা তৈরি করেছেন। ― <span style="color:white; background-color:red;"> ☪ </span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০৭:৫৪, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] একটা পাতায় পুরো লেখা জায়গা হয় না। বাইট লিমিট দেখিয়েছিল। আমি "সম্পর্কে উক্তি"কে একটাই উপপাতায় রাখতে চেয়েছিলাম। সেটাও সম্ভব হয়নি। তাই দুটো পাতা করতে হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:২৪, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
::যান্ত্রিক ও ত্রুটিপূর্ণ অনুবাদ হওয়ায় পাতাটি উক্তি প্রতিযোগিতায় গৃহীত হয়নি। –– [[ব্যবহারকারী:Tahmid|তাহমিদ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tahmid|আলাপ]]) ১৪:০৮, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== সংশোধনের পর জানাতে বলা হয়েছে ==
[[প্রবীণ তোগাড়িয়া]] পাতাটিতে একই তথ্যসূত্র বেশ কয়েকটি উক্তিতে ছিল। তা সংশোধন করা হয়েছে। এখন গ্রহণ করতে পারবেন [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৩:১৫, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন ==
সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|শীর্ষ ১০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSeDWCveBqp7ID0VVW0ipXM-WXeCqE7u-xHQCU_d7FRYo-9vAA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। - ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৮:৩১, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
<!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67623-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন -->
== বাবুলমিয়া ==
মাধবদী পৌরসভা জেলা নরসিংদী ০১৭১২ ৬২০ ৯৯২ আমার এই ওষুধটা লাগবে [[বিশেষ:অবদান/~2026-20015-50|~2026-20015-50]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20015-50|আলাপ]]) ১৮:৪৩, ৩১ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি)
01924087544 [[বিশেষ:অবদান/~2026-20544-24|~2026-20544-24]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20544-24|আলাপ]]) ০৬:৩৭, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পর্যালোচনা ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] আমি [আলফ্রেড নোবেল] পাতাটি সংশোধন করেছি, অনুগ্রহ করে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন।
ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০৩:৪৯, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পাতা গ্রহণ সম্বন্ধে ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]]
[[আল খোয়ারিজমি]] - পাতাটি গৃহীত হয়নি। কিন্তু এর ''সুনির্দিষ্ট'' এবং যথার্থ কারন উল্লেখ প্রয়োজন। উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
ধন্যবাদান্তে,
''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:২৯, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)-Mahmud''
::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] '[[আল খোয়ারিজমি]]' পাতাটির সংশোধনের ক্ষেত্রগুলো উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
:'''''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১১:১০, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'''''
== জেরার দ্যব্রু ==
নিবন্ধটি আমি সংশোধন করেছি এবং যান্ত্রিকতা দূর করেছি। অনুগ্রহ করে এখন পুনরায় পর্যালোচনা করুন। ''([[জেরার দ্যব্রু]])'' — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:২১, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অনুগ্রহ করে সবার আগে এটিকে পর্যালোচনা করুন। এটি অত্যন্ত ছোট পাতা। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:৫৮, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] এটিতে কি কোন অসুবিধা বিদ্যমান? আপনি এখনও গ্রহণ করেননি। সমস্যা থাকলে জানান। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:৫২, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৫২, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৭:৪৮, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[আলেক্সান্দ্র্ সলজেনিৎসিন]] ==
সংশোধন করেছি, পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ রইলো। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ০৫:৩৩, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৫৩, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[আলফ্রেড নোবেল]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] পতাটি সংশোধন করা হয়েছে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০০:০২, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[এর্নস্ট মাখ]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০০:৪৮, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[অরবিন্দ আদিগা]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছে পুনরায় পর্যালোচনা করুন। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:০৮, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[সি. এ. আর. হোর]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:১২, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[ডায়ান ফসি]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:১৪, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[অরেল স্টেইন]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:২০, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] আপনার সবগুলো পাতাতেই কিছু বাক্য আরেকটু সাবলীলভাবে লেখা যায়। আরেকদফা সংশোধন করে জানালে আমি গ্রহণ করে নিব। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৫৪, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]]ঠিক আছে আমি সব পাতা সংশোধন করে একসাথে পরে জানাবো। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৬:০৯, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[ড্যানিয়েল কানেমান]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] উল্লেখিত পাতাটি সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন।
ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৬:৩০, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[এর্নস্ট মাখ]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] পাতাটি আরও একবার সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০২:০৬, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] আরও সংশোধন করতে হবে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:০৫, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[অরবিন্দ আদিগা]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] পাতাটি পুনরায় সংশোধন করেছি অনুগ্রহ করে আরেকবার পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০৩:৪৯, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
r [[বিশেষ:অবদান/~2026-24691-92|~2026-24691-92]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-24691-92|আলাপ]]) ১১:৩৭, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৫৪, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[শিং-শেন চের্ন]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অনুগ্রহ করে [[শিং-শেন চের্ন]] নিবন্ধটি পুনঃপর্যালোচনা করুন। আমি এটিকে সংশোধন করেছি এবং জার্নাল, সংস্থা, প্রকাশক এসব বাংলায় লিপ্যন্তর করেছি। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১২:০০, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অনুগ্রহ করে এটি পর্যালোচনা করুন — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">আনাফ</span> <span style="color:#388E3C">ইবনে</span> <span style="color:#66BB6A">সাহেবুল</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৫:৩৬, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] গৃহীত হয়েছে। অনুগ্রহপূর্বক ধৈর্য ধারণ করুন। সংশোধন করলে অবশ্যই পুনঃপর্যালোচনা করা হবে। বারবার মেনশন করার প্রয়োজন নেই। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৪০, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] দুঃখিত। অনুবাদে যান্ত্রিকতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। {{গৃহীত হয়নি}}। আবার সংশোধন করুন। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৬:১৭, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ঠিক আছে। আমি আবারও মেনশন করছিলাম, কারণ মনে হচ্ছিল কেনো ত্রুটির ফলে আপনার নিকট বিজ্ঞপ্তি যায় নি। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">আনাফ</span> <span style="color:#388E3C">ইবনে</span> <span style="color:#66BB6A">সাহেবুল</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৭:৫৫, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] মনে হচ্ছে, আপনি আমার কথা বুঝতে পারেননি। আমি ২৫ তারিখে পুনঃপর্যালোচনা করেছি। পাতাটা তখনও যান্ত্রিক ছিল। এর পর আপনি আর কোনও সম্পাদনা করেননি। আপনার লাস্ট সম্পাদনা ২৩ তারিখে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:০৪, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[ভারতে সুফিবাদ]] ==
[[ভারতে সুফিবাদ]]ে কি সমস্যা?? [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ১৩:২৩, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] দুঃখিত। ভুলক্রমে "'''না'''" তে ক্লিক পড়েছিল, খেয়াল করিনি। গ্রহণ করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:১১, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[পেত্র ক্রাপোতকিন]] ==
পাতাটি ঠিক করেছি। পাশাপাশি [[টনি বেন]]
পাতাটাও ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১৪:১৭, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] গ্রহণ করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:১০, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
=== [[স্ট্যানলি বল্ডউইন]] ===
এটা সংশোধন করেছি আমি। পুনঃপর্যালোচনা করার অনুরোধ করছি। [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker|আলাপ]]) ১৪:১৯, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] গ্রহণ করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:১০, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[নরউইচের জুলিয়ান]] পাতা ==
পাতাটি ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১৪:৪৫, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] গ্রহণ করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:১০, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন]] ==
নিবন্ধটি পুনর্লিখন করেছি। আশাকরি গ্রহণ করবেন। – [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৯:২২, ২ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:এর সাথে [[আতঙ্ক]] পাতাটিও। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৯:৫৭, ২ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
::[[রবার্ট অ্যাটকিনস (বিচারক)]] পাতাটি সংশোধন করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১০:০০, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] আতঙ্ক ও রবার্ট অ্যাটকিনস (বিচারক) গ্রহণ করা হয়েছে। কিন্তু এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন এখনও ত্রুটিপূর্ণ। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:৫৩, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] আমি প্রতিটা উক্তি ধরে ধরে নতুন করে অনুবাদ করেছি। কীভাবে ত্রুটি রয়ে গেছে বুঝতে পারছি না। উল্লেখ করার অনুরোধ করছি। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৫:৫৮, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন]] ==
*অন্য ভাষার লিপি বিদ্যমান
*"মি. গ্ল্যাডস্টোন ছিলেন সবচেয়ে বড় আলোচনার পরিষদের সর্বশ্রেষ্ঠ সদস্য যা বিশ্ব আজ পর্যন্ত দেখেছে।" উক্তির সূত্র ঠিক করুন
*"আর্মেনিয়ার সেবা করা মানে সভ্যতার সেবা করা।" উক্তির সূত্র ঠিক করুন [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ০১:২৫, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
*:@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] অনেক ধন্যবাদ। ত্রুটিগুলো সংশোধন করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:৪০, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
*::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]]: পুনশ্চ, [[লিটিশা এলিজাবেথ ল্যান্ডন]] পাতাটির শেষাংশ আমি অনুবাদ করে রেখেছিলাম। ভুলক্রমে যোগ করা হয়নি। এখন যোগ করেছি। অন্য কোনও ত্রুটি না থাকলে পাতাটি গ্রহণ করার অনুরোধ রইল। তবে যদি মনে হয়, এখন যোগকৃত অংশ প্রতিযোগিতার সময়ের বাইরে যোগ করা বলে গণনা করা উচিত নয়, তাহলে চাইলে শেষাংশটা গণনা-বহির্ভূত রাখতে পারেন। পর্যালোচনা করার জন্য ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:৫০, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
*:::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] দুটো নিবন্ধই গ্রহণ করা হয়েছে। [[লিটিশা এলিজাবেথ ল্যান্ডন]] পাতায় প্রথমের শব্দসংখ্যা (অসম্পূর্ণ অবস্থার) গণনায় রাখা হবে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ২২:৪০, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনী]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]]পাতাটি সংশোধন করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১৩:২৬, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] আপনি শুধুমাত্র লিংক সরিয়েছেন। ভাষাগত যান্ত্রিকতা সংশোধন করেননি। সংশোধন না করলে গ্রহণ করা হবে না। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:৪১, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
31keee3zhh0lsdkpjn28va99re9eijq
ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin
3
4386
83361
83322
2026-05-03T20:28:52Z
Mehedi Abedin
50
/* নিখিল ভারত মুসলিম লীগ */ উত্তর
83361
wikitext
text/x-wiki
== উইকিউক্তিতে স্বাগত ==
<div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;">
সুপ্রিয় Arabi Abrar,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন!
* উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন।
** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন।
* উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন।
* পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন।
* পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন।
* [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন!
কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম!
— [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটির পক্ষে]],<br />≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান </b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud| «আলাপ»]]</b> ০৪:০০, ১৪ নভেম্বর ২০২২ (ইউটিসি)
</div>
== যশবন্ত সিং ==
সূত্রের শিরোনাম সরাসরি অনুবাদ হবেনা। প্রয়োজন মূল ভাষার শিরোনামকে বাংলা হরফে লেখা যেতে পারে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৫:১১, ১৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]], সূত্রের শিরোনাম ইংরেজিতে প্রতিস্থাপন করে দিয়েছি। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin#top|আলাপ]]) ১৫:২২, ১৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== মুম্বই ==
ফিনিশিং দেওয়া প্রয়োজন [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৭:২৪, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== আদালত ==
[[আদালত]] নিবন্ধে অনেক শব্দের ক্ষেত্রে অধিকতর উপযুক্ত বাংলা প্রতিশব্দ ব্যবহার করা প্রয়োজন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২৩:৪৬, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== জমিদার ==
[[জমিদার]] অনুবাদ আরো প্রাঞ্জল করতে হবে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২৩:০৩, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]], এটি সংশোধন করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin#top|আলাপ]]) ১০:০৫, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== নিখিল ভারত মুসলিম লীগ ==
[[নিখিল ভারত মুসলিম লীগ]] পাতায় আরো সংশোধন প্রয়োজন [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২৩:১১, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]], এটি সম্প্রসারণ এবং সংশোধন করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin#top|আলাপ]]) ১০:০৪, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২০:২৮, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== মানব গুপ্ত ==
[[মানব গুপ্ত]] নিয়ে আরো কাজ করতে হবে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২৩:৪৫, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== অ্যামব্রোজ বিয়ার্স ==
[[অ্যামব্রোজ বিয়ার্স]] পাতাটিতে এআইয়ের স্পষ্ট ছাপ দেখা যাচ্ছে। প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ে আবার সংশোধন করে নিন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২২:১৩, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== ডরোথি রে হিলি ==
[[ডরোথি রে হিলি]] পাতাটিতে সম্পাদনা প্রয়োজন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:৩২, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== আনজিয়া ইয়েজিয়ারস্কা ==
[[আনজিয়া ইয়েজিয়ারস্কা]] পাতায় সংশোধন প্রয়োজন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২৩:৪৪, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== হেনরি হোম, লর্ড কেইমস ==
[[হেনরি হোম, লর্ড কেইমস]] পাতায় দেখা যাচ্ছে অকারণে শুধু অনুবাদের বদলে ইংরেজি শব্দের সাথে বা যুক্ত করে অর্থ দেখানো হয়েছে। আশাকরি এগুলো ঠিক করবেন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২৩:৫১, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] [[হেনরি হোম, লর্ড কেইমস]] পাতাটি সংশোধন করেছি। এখন দেখুন।– [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin#top|আলাপ]]) ১৮:০৭, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২১:৫৫, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
0docz5pslr8pxf6wg2w6tzwzand9wbk
83362
83361
2026-05-03T20:30:34Z
Mehedi Abedin
50
/* জমিদার */ উত্তর
83362
wikitext
text/x-wiki
== উইকিউক্তিতে স্বাগত ==
<div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;">
সুপ্রিয় Arabi Abrar,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন!
* উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন।
** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন।
* উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন।
* পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন।
* পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন।
* [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন!
কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম!
— [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটির পক্ষে]],<br />≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান </b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud| «আলাপ»]]</b> ০৪:০০, ১৪ নভেম্বর ২০২২ (ইউটিসি)
</div>
== যশবন্ত সিং ==
সূত্রের শিরোনাম সরাসরি অনুবাদ হবেনা। প্রয়োজন মূল ভাষার শিরোনামকে বাংলা হরফে লেখা যেতে পারে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৫:১১, ১৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]], সূত্রের শিরোনাম ইংরেজিতে প্রতিস্থাপন করে দিয়েছি। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin#top|আলাপ]]) ১৫:২২, ১৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== মুম্বই ==
ফিনিশিং দেওয়া প্রয়োজন [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৭:২৪, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== আদালত ==
[[আদালত]] নিবন্ধে অনেক শব্দের ক্ষেত্রে অধিকতর উপযুক্ত বাংলা প্রতিশব্দ ব্যবহার করা প্রয়োজন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২৩:৪৬, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== জমিদার ==
[[জমিদার]] অনুবাদ আরো প্রাঞ্জল করতে হবে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২৩:০৩, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]], এটি সংশোধন করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin#top|আলাপ]]) ১০:০৫, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২০:৩০, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== নিখিল ভারত মুসলিম লীগ ==
[[নিখিল ভারত মুসলিম লীগ]] পাতায় আরো সংশোধন প্রয়োজন [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২৩:১১, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]], এটি সম্প্রসারণ এবং সংশোধন করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin#top|আলাপ]]) ১০:০৪, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২০:২৮, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== মানব গুপ্ত ==
[[মানব গুপ্ত]] নিয়ে আরো কাজ করতে হবে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২৩:৪৫, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== অ্যামব্রোজ বিয়ার্স ==
[[অ্যামব্রোজ বিয়ার্স]] পাতাটিতে এআইয়ের স্পষ্ট ছাপ দেখা যাচ্ছে। প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ে আবার সংশোধন করে নিন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২২:১৩, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== ডরোথি রে হিলি ==
[[ডরোথি রে হিলি]] পাতাটিতে সম্পাদনা প্রয়োজন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:৩২, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== আনজিয়া ইয়েজিয়ারস্কা ==
[[আনজিয়া ইয়েজিয়ারস্কা]] পাতায় সংশোধন প্রয়োজন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২৩:৪৪, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== হেনরি হোম, লর্ড কেইমস ==
[[হেনরি হোম, লর্ড কেইমস]] পাতায় দেখা যাচ্ছে অকারণে শুধু অনুবাদের বদলে ইংরেজি শব্দের সাথে বা যুক্ত করে অর্থ দেখানো হয়েছে। আশাকরি এগুলো ঠিক করবেন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২৩:৫১, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] [[হেনরি হোম, লর্ড কেইমস]] পাতাটি সংশোধন করেছি। এখন দেখুন।– [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin#top|আলাপ]]) ১৮:০৭, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২১:৫৫, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
iqrvjmnoqwjv0pms46mmdm8sfz1j682
ব্যবহারকারী আলাপ:ARI
3
4407
83354
83299
2026-05-03T19:34:39Z
Tuhin
172
/* পর্যালোচনা */ উত্তর
83354
wikitext
text/x-wiki
== উইকিউক্তিতে স্বাগত ==
<div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;">
সুপ্রিয় Arijit Kisku,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন!
* উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন।
** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন।
* উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন।
* পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন।
* পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন।
* [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন!
কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম!
— [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটির পক্ষে]],<br />≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান </b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud| «আলাপ»]]</b> ০৪:১১, ১৪ নভেম্বর ২০২২ (ইউটিসি)
</div>
"বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শ্রী মিলিন্দ পরাণ্ডে আজ বলেন," এরকম একটি অপ্রয়োজনীয় অংশ আছে। এছাড়া কিছু কিছু উক্তি গুরুত্বপূর্ণ কিছু মনে হচ্ছে না। গ্রহণ করে নিচ্ছি। কিন্তু সংশোধনের অনুরোধ রইল।[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ১৩:৩৫, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ইংরেজি থেকে ডিরেক্ট অনুবাদ। অনুবাদের ক্ষেত্রে কি যাচাই-বাছাই করতে হবে? [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ১৫:৫০, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] হ্যাঁ, ইংরেজিতে থাকা সবকিছুই তো ১০০% সঠিক না। আমরা যদি সঠিকটা বুঝতে পারি, তাহলে সেটাই করা উচিত। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ০৭:০৭, ৮ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
==[[চরক]]==
নিবন্ধটিতে সম্পাদনা প্রয়োজন। সব ঠিক করে আমাকে মেনশন করে জানান।[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১২:০৬, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আমার যে জিনিসগুলো চোখে পড়েছে, সেগুলি আমি সম্পাদনা করেছি। অন্য নির্দিষ্ট কিছু সম্পাদনা করার প্রয়োজন হলে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ২২:৫৬, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[ভারতে বর্ণপ্রথা]] ==
কিছুটা যান্ত্রিকতা আছে। উক্তির কাঠামো ঠিক রেখে যান্ত্রিকতা সংশোধন করে জানান, আমি গ্রহণ করে নিব। আর হ্যাঁ, "এলস্ট, কনরাড" ব্যক্তির যেসব উক্তি আছে, সেগুলোকে [[কোনরাড এলস্ট]] পাতার সঙ্গে লিংক করুন।≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৯:৪১, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] যেগুলি আমি খেয়াল করেছি সেগুলি সংশোধন করেছি। অন্যান্য যে কোনও সম্পাদনার প্রয়োজন থাকলে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ০৩:১৮, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ধন্যবাদ। গৃহীত হয়েছে। ব্যক্তির নাম প্রচলিত বাংলা ফরম্যাটে লেখার চেষ্টা করবেন। কোনরাড এলস্টের মতোই। আরেকটা উদাহরণ দেখলাম, [[মালহোত্রা, আর.]]। এভাবে লিংক করলে তো সঠিক লক্ষ্যে পৌঁছানো যাবে না; [[রাজিব মালহোত্রা]] এভাবে লিখবেন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১০:২২, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:::আচ্ছা, পরবর্তীতে খেয়াল রাখবো। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ১১:০৪, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন ==
সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|শীর্ষ ১০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSeDWCveBqp7ID0VVW0ipXM-WXeCqE7u-xHQCU_d7FRYo-9vAA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। - ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৮:৩১, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
<!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67623-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন -->
:দুঃখিত, ভুল ফর্মের লিংক দেওয়া হয়েছিল। এখন ঠিক করা হয়েছে। পুনরায় পুরণ করার অনুরোধ করছি। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৯:০২, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[নির্বাচন]] ==
পাতাটি অসম্পূর্ণ। অনুগ্রহ করে সম্পূর্ণ করুন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৯:৫৯, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৬:২৯, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ধন্যবাদ। পর্যালোচনা করা হবে। যেহেতু পাতা খুব বড় তাই কয়েকদিন সময় লাগতে পারে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:৪৭, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পাতা ঠিক করেছি ==
আলেকজান্ডার ফ্লেমিং নামক পাতাটা ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১১:৫১, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:২০, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পুনঃপর্যালোচনা ==
[[আবি আহমেদ]] এবং [[পিটার আগ্রি]] পাতা দুটি সংশোধন করা হয়েছে। পুনরায় পর্যালোচনার অনুরোধ। [[ব্যবহারকারী:Borhan|Borhan]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Borhan|আলাপ]]) ০৪:৪৪, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Borhan|Borhan]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:২৩, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পুনঃপর্যালোচনা ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] [[আহমেদ জেওয়াইল]] পুনরায় দেখার অনুরোধ রইল।[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০২:২৭, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০২:২৯, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== যান্ত্রিক অনুবাদ প্রসঙ্গে ==
আমি ডেভিড হিউম নামক উক্তির পাতাটি তৈরী করেছিলাম। কিছু জায়গায় যান্ত্রিকতার কথা বলা হয়েছে।যদি নির্দিষ্ট জায়গাগুলো চিহ্নিত করে দেন, তবে সে ক্ষেত্রে উক্তির পাতাটি সংশোধন করা সহজ হবে।<br>
ধন্যবাদ।<br>[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:৪৫, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] প্রথমত, লেখার ফর্ম্যাটিংয়ে ভুল, আপনি '''বোল্ড''', ''ইটালিক'' ঠিকঠাক অনুসরণ করেননি; দ্বিতীয়ত সুত্রগুলো আসল ইংরেজির মতো করে বাংলাতে বসানোর চেষ্টা করুন; তৃতীয়ত বিভিন্ন জায়গায় বাক্যগুলো পড়তে অস্বাভাবিক লাগছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০১:৫০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::পয়েন্টগুলো ধরিয়ে দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। '''তবে ২য় পয়েন্টটি বুঝতে কিছুটা সমস্যা হয়েছে - '''আপনি কি সূত্রগুলোর ক্ষেত্রে ইংরেজি হরফ ও সংখ্যাগুলো (যেমন- Book 1, Section 3, Page 45) বাংলায় (১ম খণ্ড, ৩য় অনুচ্ছেদ, পৃষ্ঠা ৪৫) রূপান্তর করতে বলছেন? নাকি বইয়ের নামের বাংলা অনুবাদের কথা বুঝিয়েছেন?<br>বিষয়টি নিশ্চিত করলে আমার জন্য পাতাটি নিখুঁতভাবে সংশোধন করা সহজ হবে।
::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০৬:৩৫, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] <code><span style="color:red;"><nowiki>** [[Amos Bronson Alcott|Amos Alcott]], ''[https://books.google.it/books?id=fzRaAAAAMAAJ Journals]'', Port Washington, NY: Kennikat Press, 1938, Volume 1, p. 115.</nowiki></code> → <code><span style="color:green;"><nowiki>** আমোস অলকট, ''[https://books.google.it/books?id=fzRaAAAAMAAJ জার্নালস]'', পোর্ট ওয়াশিংটন, এনওয়াই: কেনিকাট প্রেস, ১৯৩৮, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ১১৫।</nowiki></code> <p> আমার মনে হয় আপনার লাইন অনেক বাদ আছে, ইংরেজির থেকে বাংলাতে অনেক লাইন কমে গেছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৯:২০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::এক দুটি লিঙ্ক বাদ পড়তে পারে তবে একটি উক্তিও বাদ পড়েনি। কয়েকবার রিভিশন দিয়েছি। লিঙ্কগুলো চেক করে জানাব।
::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১০:৩৫, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::ইংলিশ পাতার সাথে মিলাতে গেলেই দেখা যায় বাংলা পাতায় অনেক অপ্রয়োজনীয় '''বোল্ড''' ''ইটালিক ''দেখা যাওয়ার কারনে দেখতে বেখাপ্পা লাগছে। আবার দেখেছি এটি নিয়মেও রয়েছে যে অপ্রয়োজনীয় বোল্ড ইটালিক করা যাবেনা। সেজন্যই লেখার ফর্ম্যাটিংয়ে কিছু জায়গায় ইচ্ছে করেই '''বোল্ড''' ''ইটালিক'' বাদ দিয়েছি (শুধু সুত্রগুলো ছাড়া)। আশা করি এটি মার্জনা করে নিবেন।
::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৩:০৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'''
:::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] পাতার অনুচ্ছেদগুলো আবার ইংরেজির সাথে মিলিয়ে দেখুন, অসঙ্গতি আছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৪:৪০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::ইংলিশ পাতার সঙ্গে মিলিয়ে পুনরায় কিছু উক্তি ও সুত্র সংশোধন করেছি। কিছু সুত্রে থাকা অতিরিক্ত তথ্য ইংলিশ উইকিলিঙ্ক থেকে মিলিয়ে দেওয়া হয়েছে, যেহেতু ইংলিশ উইকিলিঙ্ক দেওয়া নিষেধ। গত সাত দিনের ধারাবাহিক একটানা সম্পাদনার পর আশা করছি পাতাটি যথার্থ সংশোধিত হয়েছে। গ্রহণ করার বিনীত অনুরোধ রইলো।
::::ধন্যবাদ।
::::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৫:১৯, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'''
:::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] আর একটি সংশোধন প্রয়োজন, সম্পূর্ণ নিবন্ধে অতিরিক্ত — (em dash) ব্যবহার করেছেন, যেগুলো খুবই দৃষ্টিকটূ এবং যান্ত্রিক অনুবাদের লক্ষণ। এগুলো সংশোধন করে জানান, গ্রহণ করে নেব। ধন্যবাদ! [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:৩৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::::অবশ্যই। সংশোধন করে জানাচ্ছি। [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ২৩:৪৩, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]]
::::::অপ্রাসঙ্গিক এম-ড্যাশ (—) অপসারণ করে সংশোধিত করা হয়েছে ~!
::::::'''''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:২৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'''''
:::::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০১:২৪, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]]
::::::::আমার তৈরী করা [[ফজলে রাব্বী]] পাতাটি একটু পর্যালোচনা করে দেখবেন। @[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ভাই বলেছিলেন অল্প সংশোধনের পর [[ফজলে রাব্বী]] নিবন্ধটি গ্রহন করে নিবেন। কিন্তু তিনি বোধহয় গত ৩দিন অফলাইনে থাকায় তা পর্যালোচিত হয়নি।
::::::::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১২:৩৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)';'
:::::::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ধৈর্য ধরুন। পর্যালোচকরা মানুষ। তাদের ব্যক্তিগত জীবন আছে। আবার টেকনিক্যাল ত্রুটির কারণে অনেক সময় নোটিফিকেশন ঠিকমতো আসেনা। আপনি যেদিন সংশোধন করে জানিয়েছেন সেদিন আমাকে মেনশন না করায় নোটিফিকেশন পাইনি। পরের দিন মেনশন করায় নোটিফিকেশন পাওয়ার পর আজ পর্যালোচনা করবো বলে ঠিক করেছি। প্রতিযোগিতায় সব পাতাই পর্যালোচনা হবে, তাই তাড়াহুড়ার কিছু নেই। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৪:০৪, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::::::::অবশ্যই।
::::::::::গ্রহণ করে নেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
::::::::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৭:৪৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== যান্ত্রিক অনুবাদ সংশোধন ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি আপনার নির্দেশনা অনুযায়ী [[জন চার্লস পোলানি]],[[লেয়োঁ ফুকো]] এবং [[এ. সি. বেনসন]] নিবন্ধগুলো সংশোধন করেছি। এখন আর যান্ত্রিকতা নেই। তাই পুনঃপর্যালোচনা করে গ্রহণ করার অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৩:২৫, ১২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[আন্তর্জাতিক আইন]] ==
নিবন্ধটি ভুলবসত বেখেয়ালে অসম্পূর্ণ ছিল, পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ রইল। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ০৬:২৪, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১১:১৯, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] [[পরকাল সম্পর্কে কুরআন]] নিবন্ধে অতিরিক্ত এম ড্যাশ খুব দৃষ্টিকটূ লাগছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৫:৩৯, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::সংশোধন করেছি। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ১৬:২৮, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৬:৫৭, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পুনঃ পর্যালোচনা ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], [[শাহ বানু মামলা]] পাতার সর্বশেষ সূত্র ঠিক করা হয়েছে। [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] আর [[বিহার]] দুই পাতার সূত্রে সমস্যা কোথায় আমি বুঝতে পারছি না। অনুগ্রহ করে বুঝিয়ে বললে ভালো হয়। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ০৯:৫৪, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] নিবন্ধের একটি তথ্যসূত্রও কাজ করছেনা। খুব সম্ভবত এটাই জেনারেটেড<br>[[বিহার]] নিবন্ধের সূত্রে লিংক যোগ করুন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৩:৩৯, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] আর [[বিহার]] দুটি পাতায়ই তথ্যসূত্র ঠিক করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৭:০৭, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::এবং [[স্মৃতি ইরানি]] পাতায়ও। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৭:০৮, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ৩টি নিবন্ধই {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:৩৫, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== দ্রৌপদী ==
[[দ্রৌপদী]] নিবন্ধের লেখাগুলো লিংক করা হয়নি। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৫:৪০, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] বেশিরভাগ লিংক-ই উইকিপিডিয়া লিংক। যেগুলো উইকিউক্তি লিংক সেগুলো সব যোগ করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:৩০, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পুনঃ পর্যালোচনা ==
[[জন টিন্ডাল]] পাতাটি সংশোধন করেছি। অনুগ্রহ করে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন।
ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৫:০৮, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৩:২১, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== উইলিয়াম শকলি পুনঃপর্যালোচনা ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি [[উইলিয়াম শকলি]] নিবন্ধটিকে সংশোধন করেছি এবং পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:২২, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি দেখলাম আপনি নতুন কিছু পাতা পর্যালোচনা করেছেন। এই নিবন্ধটি অনুগ্রহ করে পুনঃপর্যালোচনা করুন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:১৭, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::{{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৮:০৪, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:২৪, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== সীতা রাম গোয়েল ==
পাতা অসম্পূর্ণ [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:৪১, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[কেমব্রিজ গান]] ==
এই নিবন্ধটি গ্রহণযোগ্য নয় কেন তা জানালে ভালো হয়। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৫:৪৭, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] প্রতিযোগিতার নির্দেশনা অনুসারে <code><b>নাটক, চলচ্চিত্র, গান, বই, গল্প, কবিতা, উপন্যাস</b></code> গ্রহণযোগ্য নয়। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৮:০০, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::ঠিক আছে — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:২৫, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[মুহাম্মদ মাহদি আল-জাওয়াহিরি]] ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] সূত্রের লিংক যুক্ত করেছি। এবার অনুগ্রহ করে এটিকে গ্রহণ করে নিন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:১৬, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:{{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৮:০২, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:২৪, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], ইতিমধ্যে [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] পাতাটি বেশ কয়েকবার ম্যানুয়ালি পলিশিং করা হয়েছে। যেখানে আমার কাছে এখনো যান্ত্রিক অনুবাদ পরিলক্ষিত হয়নি।<br>'''তবে 'যান্ত্রিক অনুবাদ/ক্রটি' ঠিক কোথায়, একটু দেখিয়ে দিবেন আশা করছি'''।<br>ধন্যবাদ<br>'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০৩:২৪, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'''
== [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] পাতাটি ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], ইতিমধ্যে [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] পাতাটি বেশ কয়েকবার ম্যানুয়ালি পলিশিং করা হয়েছে। যেখানে আমার কাছে এখনো যান্ত্রিক অনুবাদ পরিলক্ষিত হয়নি।<br>'''তবে 'যান্ত্রিক অনুবাদ/ক্রটি' ঠিক কোথায়, একটু দেখিয়ে দিবেন আশা করছি'''।<br>ধন্যবাদ<br>'''''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১০:০১, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'''''
:@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] প্রথমত বার বার মেনশন করবেন না, একবার মেনশন হবে, অধৈর্য হবেন না, আমি ঠিক দেখব।<br><br> সম্পূর্ণ পাতা না দেখেও বলা যায় এটি অপরিশোধিত যান্ত্রিক অনুবাদ।
:*<code>'''গণহত্যা '''(যার মধ্যে '''হলোকাস্ট '''অন্তর্ভুক্ত),</code> লাইনে দুটি শব্দেই উইকিপিডিয়া লিংক করেছেন/করা আছে। বাংলা উইকিপিডিয়ায় ''হলোকাস্ট '' কোনোও শব্দ নেই, আর এখানে যে ''গণহত্যা'' শব্দে উইকিপিডিয়া লিংক করেছেন তার অর্থ ভিন্ন।
:* <code>More and more we felt that only a resolution of the European situation could save Spain, if Spain was to be saved</code> → <code>আমরা আমাদের অস্তিত্বের প্রতিটি স্পন্দনে... মর্মে মর্মে উপলব্ধি করছিলাম</code> এতটা নাটকীয় অনুবাদ?
:* <code>they had given thousands of their best sons</code> → <code>হাজার হাজার শ্রেষ্ঠ সন্তানকে মুক্তির লড়াইয়ে যুদ্ধের অগ্নিকুণ্ডে উৎসর্গ করেছিল"।</code> মূল লেখায় '''মুক্তির লড়াই''' বা '''অগ্নিকুণ্ডে উৎসর্গ''' এরকম কোনো কথা নেই।
:* সূত্রগুলো তে লিংক নেই, সূত্রের শুরুতেই অপ্রয়োজনীয় — (em dash) চিহ্ন।
:* বিভিন্ন জায়গায় টেক্সট ফর্ম্যাটিংয়ের সমস্যা, যেখানে বোল্ড/ইটালিক প্রয়োজন সেখানে বোল্ড/ইটালিক নেই, যেখানে প্রয়োজন নয়, সেখানে আছে।
:এগুলো দেখলেই বোঝা যায়। আমি শুধুমাত্র প্রথমের কিছু উক্তির ভুলগুলো তুলে ধরলাম। আপনার সম্পূর্ণ পাতাতেই এই ভুলগুলো রয়েছে।
:এই সমস্যাগুলো ঠিক করে জানান, বিশেষ করে শব্দসংখ্যা বাড়ানোর জন্য অতিরঞ্জন করবেন না। খেয়াল রাখবেন [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পর্যালোচনা নীতিমালা|পর্যালোচনা নীতিমালা]] অনুসারে '''প্রতিটি নিবন্ধ সর্বোচ্চ দুই (২) বার পর্যালোচনা করা যাবে।''' [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১১:২৩, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], প্রথমত বারবার মেনশন করলাম না। তবে অতিরিক্ত দেরি না করার পরামর্শ দিচ্ছি।
::দ্বিতীয়ত, কিছু জায়গায় ভাবানুবাদ না করলে একদমই '''আক্ষরিক''' হয়ে যায় যা পরিহারযোগ্য। তবুও, উপরোক্ত উদাহরণের মতো অতিরিক্ত ভাবানুবাদ অপসারণের চেষ্টা করা হবে। এবং সূত্র থেকে লিঙ্ক তেমন বাদ না পড়লেও লিঙ্কগুলো খুঁজে দেখা হবে। এছাড়া '''বোল্ড''', ''ইটালিক'' পরিমার্জন করা হবে, '''কিন্তু''' ভিন্ন ভাষা এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রয়োজনমতো ইটালিক রাখা হবে যেগুলো ইংরেজি নিবন্ধে বাদ পড়েছিল। পূর্ণ নিশ্চিত হওয়ার জন্য এ ব্যাপারে মন্তব্য রাখবেন। ~'''আল-মাহমুদ'''
::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৪:৪৬, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] এও মন্তব্যটাও পড়ে মনে হচ্ছে এআই জেনারেটেড।
:::যাই হোক, ভাবানুবাদ আর অতিরঞ্জন দুটো আলাদা জিনিস। আরও একটি কথা, যখন একই প্যাটর্নে কিছু জিনিস পাল্টাতে থাকে তখন সেটা স্পষ্ট যান্ত্রিক অনুবাদ।
:::"বিষয়ে প্রয়োজনমতো ইটালিক রাখা হবে যেগুলো ইংরেজি নিবন্ধে বাদ পড়েছিল"- এই কথার অর্থ কি ? [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৫:০২, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], খুবই অনুমানযোগ্য উত্তর। এআই জেনেরাটেড উত্তর আপনাকে কেন দিতে যাব? নিজের Key-Board চেপে দিচ্ছি। ভাষা একটু গোছানো হলেই তাকে 'এ-আই জেনেরেটেড' ভাববেন না। যেহেতু আমিই সম্পাদনাটি করছি তাই অতিরিক্ত সন্দিহান হবেন না।। উইকিপিডিয়াতে আমি একদম নবাগত ('''৪৩ দিন''', উইকিউক্তিতে '''২৫ দিন''') হলেও আমার দীর্ঘদিন সাহিত্যিক-কাব্যিক ঘরানার লেখালেখি করার অভ্যাস রয়েছে।
::::যাইহোক সেসব বাদ (''ব্যক্তিগত হিসেবে নেওয়ার দরকার নেই। \ আলোচনায় কেউ এসব বললে সেটা পছন্দ করিনা''), এটা আগেই বলা হয়েছে যে অতিরিক্ত ভাবানুবাদ অপসারণ করা হবে।
::::
::::"বুঝাতে চেয়েছি যে ''''ভিন্ন ভাষা এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রয়োজনমতো ইটালিক রাখা হবে''''। যেমনঃ এক জায়গায় ''ফরাসি অথবা জার্মান ভাষা রয়েছে, সেক্ষেত্রে ওই ভাষাটিকে উপস্থাপনের ক্ষেত্রে বোল্ড করা হবে। এই বিষয়েই মন্তব্য করবেন।"
::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৫:৪৫, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] দীর্ঘদিনের পর্যালোচনা অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, ৭ লাইনের ইংরেজি থেকে বাংলা ভাবানুবাদ করলেও তা কখনোই ১৮ লাইন হতে পারে না।
:::::[[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পর্যালোচনা নীতিমালা|প্রতিযোগিতার নিয়মে]] স্পষ্ট উল্লেখ আছে '''অনুবাদের ক্ষেত্রে যদি এআই-জনিত সাধারণ ভুল (যেমন ইংরেজি উইকিলিংক, -এর/-এ/-তে ত্রুটি, অপ্রয়োজনীয় বোল্ড, অপ্রয়োজনীয় বুলেট পয়েন্ট, বাংলার পাশে বারবার ব্র্যাকেটে ইংরেজি টার্ম, তথ্যসূত্র অনুপস্থিত ইত্যাদি) পাওয়া যায়, সেক্ষেত্রেও সরাসরি বাতিল করা হবে।'''
:::::আপনার যদি আমার পর্যালোচনা নিয়ে অন্য কোনও রকম আপত্তি থেকে থাকে তা আপনি প্রতিযোগিতার আলাপ পাতায় তুলে ধরতে পারেন। আর যদি না তা না থাকে তাহলে উল্লিখিত বিয়ষয়গুলো সংশোধন করে আমাকে এখানে মেনশন করুন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৬:১৩, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== উইলিয়াম শার্প: পুনঃপর্যালোচনা ==
[[উইলিয়াম শার্প]] নিবন্ধটিকে সংশোধন করেছি এবং পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ করছি। ~ [[ব্যবহারকারী:Md. Muqtadir Fuad|Md. Muqtadir Fuad]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md. Muqtadir Fuad|আলাপ]]) ১৫:৪০, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Md. Muqtadir Fuad|Md. Muqtadir Fuad]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১১:২৯, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[বমি]] নিবন্ধ পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|Arijit Kisku]] আমি [[বমি]] নিবন্ধটি সংশোধন করে [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|মেহেদী আবেদীন]]কে জানিয়েছিলাম। সে গ্রহণ করে নিলেও আপনি দেখলাম গ্রহণ করেননি। তাই ফাউন্টেইন টুলফোর্জে না দেখাচ্ছে 0 না দেখাচ্ছে 1। তাই অনুগ্রহ করে নিবন্ধটি গ্রহণ করে নেওয়ার অনুরোধ রইল। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">আনাফ</span> <span style="color:#388E3C">ইবনে</span> <span style="color:#66BB6A">সাহেবুল</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১০:৫৪, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১১:২৯, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:ARI|Arijit Kisku]] ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">আনাফ</span> <span style="color:#388E3C">ইবনে</span> <span style="color:#66BB6A">সাহেবুল</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১১:০২, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]],আদাব<br>[[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] পাতাটি সংশোধন করেছি।<br>(পাতা থেকে যথাসাধ্য অতিরঞ্জিত ভাবানুবাদ ছেটে, সূত্র-ও যুক্ত করেছি। তবে দীর্ঘ পাতা হওয়া, কিছু ভ্রান্তি থেকে যেতে পারে, তাই কোনো প্র য়োজন হলে অনুগ্রহপূর্বক মেন্শন করবেন)
ধন্যবাদ,,
[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ২৩:৩৩, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] গতকাল ইতিমধ্যেই একবার মেনশন করেছেন, বারবার মেনশন করবেন না। পর্যালোচকদেরও বাস্তব জীবনে ব্যস্ততা থাকতে পারে। আমি দেখে পর জানাব। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:৩৭, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ভাবলাম বোধহয় টেকনিক্যাল সমস্যা হয়েছে। তাই দ্বিতীয়বার করেছি। আপনার ব্যক্তিগত ইমেইল এড্রেস হলে এক্ষেত্রে ভালো হত। [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ২৩:৩৯, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] অপাতত গ্রহণ করেছি। ইটালিক/বোল্ড ঠিক করেননি। আর এখনও অতিরঞ্জনে পরিপূর্ণ। আমি আপনাকে এখানে আবার মেনশন করে কি ঠিক করতে হবে বলে দেব। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৪:১০, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ততক্ষণে আপনি ইংরেজির সাথে ইটালিক/বোল্ড সামঞ্জস্য করুন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৪:১১, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ধন্যবাদ দা। আমি উক্তির মাঝে বোল্ড/ইটালিক সামঞ্জস্য করেছি, তবু চেক করছি। তবে আপনি কি উক্তিকারীর নামের মধ্যে দেওয়া এক্স্ট্রা বোল্ড+ইটালিক বাদ দেওয়ার কথা বলছেন?> যেমনঃ '''''মুসা গালিব''''' থেকে মুসা গালিব? যদিও এটার জন্য এর আগে কখনো নিবন্ধ ক্যান্সাল হয়নি।।[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৪:৩৭, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ইংরেজিতে যেগুলো বোল্ড/ইটালিক আছে সেগুলো অন্তত বাংলায় করুন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০০:৩১, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[অ্যানোনিমাস]] ==
সংশোধন করেছি, পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ০৪:৪৯, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৮:৪১, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== স্বাধীনতা দিবস (ভারত) ==
[[স্বাধীনতা দিবস (ভারত)]] পাতাটির ২টি উক্তি অপ্রাসঙ্গিক। প্রাসঙ্গিক উক্তি ব্যবহার করতে হবে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ০১:৩৫, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] সংশোধন করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০২:২৪, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ০২:৩১, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== অনিল ভৌমিক ==
আপনি [[অনিল ভৌমিক]] এ লিখেছেন "যান্ত্রিক; উৎস ঠিক করুন"। কিন্তু উক্তি গুলোর একটাও অনুবাদ নয়, তাই যান্ত্রিকতার বিষয়টা বুঝলাম না।
উৎস হিসেবে যে ওয়েবপেজে উক্তি রয়েছে তার লিংক যোগ করাই আছে, আর কী যোগ করব? [[ব্যবহারকারী আলাপ:Nil Nandy|নীল নন্দী]] ১৬:০৫, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Nil Nandy|Nil Nandy]] অনুবাদের জন্য "যান্ত্রিক" শব্দটা ব্যবহার করিনি। আপনি যে সুত্র যোগ করেছেন তা খুললে "Not found, error 404" দেখাচ্ছে।
:এআই সাধারণত এমন ভুল করে, যেমন random ইউআরএল যোগ করে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০২:০৯, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
::শায়িত দেবতাদের মন্দির পাতাটার লিংক বদলে দিয়েছি। পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ করছি। [[ব্যবহারকারী আলাপ:Nil Nandy|নীল নন্দী]] ০২:৫৫, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
::{{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৩:০২, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== পর্যালোচনা ==
[[আসাদউদ্দিন ওয়াইসি]] এবং [[শাহ বানু মামলা]] পাতার সূত্র সংশোধন করা হয়েছে। [[বৃন্দাবন]] পাতায় কী সমস্যা আছে বুঝতে পারছি না। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ২০:০১, ২ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:[[মণিপুর]], [[মৈতৈ জাতি]] এবং [[মাইকেল বিশপ]] এই পাতাগুলো সংশোধন করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ২০:১১, ২ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] অন্যান্য নিবন্ধগুলো {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০০:৪৯, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] [[বৃন্দাবন]] পাতায় ৫নং উক্তিতে
:*মূল ইংরেজি অংশে “neither by their master's orders nor from the severe handling they received in yesterday's fight” বাক্যটি আছে, কিন্তু অনুবাদে এটি সম্পূর্ণ বাদ পড়েছে।
:*“all of them non-combatants and many of them priests” অংশটিও অনুবাদে নেই।
:*“plundering everywhere as directed”–এর ক্ষেত্রে “as directed” (নির্দেশ অনুযায়ী) অংশটি অনুবাদে অনুপস্থিত
:*“general massacre”–এর অনুবাদ “সাধারণ গণহত্যা” হয়েছে। এর বদলে “ব্যাপক গণহত্যা” বা “সর্বত্র গণহত্যা” ব্যবহার করা আরও উপযুক্ত হবে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০০:৪৯, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] [[আব্রাহাম কাহান]] নিবন্ধে যাঁর, তাঁর থেকে চন্দ্রবিন্দু সরান। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০০:৫৯, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], [[বৃন্দাবন]] এবং [[আব্রাহাম কাহান]] উভয় পাতা সংশোধন করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৯:৩৪, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
nh0w68vzhenm513zhukw83e9xqt6s5v
83364
83354
2026-05-03T22:36:16Z
ARI
356
/* পর্যালোচনা */ উত্তর
83364
wikitext
text/x-wiki
== উইকিউক্তিতে স্বাগত ==
<div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;">
সুপ্রিয় Arijit Kisku,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন!
* উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন।
** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন।
* উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন।
* পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন।
* পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন।
* [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন!
কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম!
— [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটির পক্ষে]],<br />≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান </b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud| «আলাপ»]]</b> ০৪:১১, ১৪ নভেম্বর ২০২২ (ইউটিসি)
</div>
"বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শ্রী মিলিন্দ পরাণ্ডে আজ বলেন," এরকম একটি অপ্রয়োজনীয় অংশ আছে। এছাড়া কিছু কিছু উক্তি গুরুত্বপূর্ণ কিছু মনে হচ্ছে না। গ্রহণ করে নিচ্ছি। কিন্তু সংশোধনের অনুরোধ রইল।[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ১৩:৩৫, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ইংরেজি থেকে ডিরেক্ট অনুবাদ। অনুবাদের ক্ষেত্রে কি যাচাই-বাছাই করতে হবে? [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ১৫:৫০, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] হ্যাঁ, ইংরেজিতে থাকা সবকিছুই তো ১০০% সঠিক না। আমরা যদি সঠিকটা বুঝতে পারি, তাহলে সেটাই করা উচিত। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ০৭:০৭, ৮ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
==[[চরক]]==
নিবন্ধটিতে সম্পাদনা প্রয়োজন। সব ঠিক করে আমাকে মেনশন করে জানান।[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১২:০৬, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আমার যে জিনিসগুলো চোখে পড়েছে, সেগুলি আমি সম্পাদনা করেছি। অন্য নির্দিষ্ট কিছু সম্পাদনা করার প্রয়োজন হলে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ২২:৫৬, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[ভারতে বর্ণপ্রথা]] ==
কিছুটা যান্ত্রিকতা আছে। উক্তির কাঠামো ঠিক রেখে যান্ত্রিকতা সংশোধন করে জানান, আমি গ্রহণ করে নিব। আর হ্যাঁ, "এলস্ট, কনরাড" ব্যক্তির যেসব উক্তি আছে, সেগুলোকে [[কোনরাড এলস্ট]] পাতার সঙ্গে লিংক করুন।≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৯:৪১, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] যেগুলি আমি খেয়াল করেছি সেগুলি সংশোধন করেছি। অন্যান্য যে কোনও সম্পাদনার প্রয়োজন থাকলে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ০৩:১৮, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ধন্যবাদ। গৃহীত হয়েছে। ব্যক্তির নাম প্রচলিত বাংলা ফরম্যাটে লেখার চেষ্টা করবেন। কোনরাড এলস্টের মতোই। আরেকটা উদাহরণ দেখলাম, [[মালহোত্রা, আর.]]। এভাবে লিংক করলে তো সঠিক লক্ষ্যে পৌঁছানো যাবে না; [[রাজিব মালহোত্রা]] এভাবে লিখবেন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১০:২২, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:::আচ্ছা, পরবর্তীতে খেয়াল রাখবো। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ১১:০৪, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন ==
সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|শীর্ষ ১০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSeDWCveBqp7ID0VVW0ipXM-WXeCqE7u-xHQCU_d7FRYo-9vAA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। - ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৮:৩১, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
<!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67623-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন -->
:দুঃখিত, ভুল ফর্মের লিংক দেওয়া হয়েছিল। এখন ঠিক করা হয়েছে। পুনরায় পুরণ করার অনুরোধ করছি। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৯:০২, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[নির্বাচন]] ==
পাতাটি অসম্পূর্ণ। অনুগ্রহ করে সম্পূর্ণ করুন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৯:৫৯, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৬:২৯, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ধন্যবাদ। পর্যালোচনা করা হবে। যেহেতু পাতা খুব বড় তাই কয়েকদিন সময় লাগতে পারে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:৪৭, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পাতা ঠিক করেছি ==
আলেকজান্ডার ফ্লেমিং নামক পাতাটা ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১১:৫১, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:২০, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পুনঃপর্যালোচনা ==
[[আবি আহমেদ]] এবং [[পিটার আগ্রি]] পাতা দুটি সংশোধন করা হয়েছে। পুনরায় পর্যালোচনার অনুরোধ। [[ব্যবহারকারী:Borhan|Borhan]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Borhan|আলাপ]]) ০৪:৪৪, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Borhan|Borhan]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:২৩, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পুনঃপর্যালোচনা ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] [[আহমেদ জেওয়াইল]] পুনরায় দেখার অনুরোধ রইল।[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০২:২৭, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০২:২৯, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== যান্ত্রিক অনুবাদ প্রসঙ্গে ==
আমি ডেভিড হিউম নামক উক্তির পাতাটি তৈরী করেছিলাম। কিছু জায়গায় যান্ত্রিকতার কথা বলা হয়েছে।যদি নির্দিষ্ট জায়গাগুলো চিহ্নিত করে দেন, তবে সে ক্ষেত্রে উক্তির পাতাটি সংশোধন করা সহজ হবে।<br>
ধন্যবাদ।<br>[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:৪৫, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] প্রথমত, লেখার ফর্ম্যাটিংয়ে ভুল, আপনি '''বোল্ড''', ''ইটালিক'' ঠিকঠাক অনুসরণ করেননি; দ্বিতীয়ত সুত্রগুলো আসল ইংরেজির মতো করে বাংলাতে বসানোর চেষ্টা করুন; তৃতীয়ত বিভিন্ন জায়গায় বাক্যগুলো পড়তে অস্বাভাবিক লাগছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০১:৫০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::পয়েন্টগুলো ধরিয়ে দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। '''তবে ২য় পয়েন্টটি বুঝতে কিছুটা সমস্যা হয়েছে - '''আপনি কি সূত্রগুলোর ক্ষেত্রে ইংরেজি হরফ ও সংখ্যাগুলো (যেমন- Book 1, Section 3, Page 45) বাংলায় (১ম খণ্ড, ৩য় অনুচ্ছেদ, পৃষ্ঠা ৪৫) রূপান্তর করতে বলছেন? নাকি বইয়ের নামের বাংলা অনুবাদের কথা বুঝিয়েছেন?<br>বিষয়টি নিশ্চিত করলে আমার জন্য পাতাটি নিখুঁতভাবে সংশোধন করা সহজ হবে।
::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০৬:৩৫, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] <code><span style="color:red;"><nowiki>** [[Amos Bronson Alcott|Amos Alcott]], ''[https://books.google.it/books?id=fzRaAAAAMAAJ Journals]'', Port Washington, NY: Kennikat Press, 1938, Volume 1, p. 115.</nowiki></code> → <code><span style="color:green;"><nowiki>** আমোস অলকট, ''[https://books.google.it/books?id=fzRaAAAAMAAJ জার্নালস]'', পোর্ট ওয়াশিংটন, এনওয়াই: কেনিকাট প্রেস, ১৯৩৮, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ১১৫।</nowiki></code> <p> আমার মনে হয় আপনার লাইন অনেক বাদ আছে, ইংরেজির থেকে বাংলাতে অনেক লাইন কমে গেছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৯:২০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::এক দুটি লিঙ্ক বাদ পড়তে পারে তবে একটি উক্তিও বাদ পড়েনি। কয়েকবার রিভিশন দিয়েছি। লিঙ্কগুলো চেক করে জানাব।
::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১০:৩৫, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::ইংলিশ পাতার সাথে মিলাতে গেলেই দেখা যায় বাংলা পাতায় অনেক অপ্রয়োজনীয় '''বোল্ড''' ''ইটালিক ''দেখা যাওয়ার কারনে দেখতে বেখাপ্পা লাগছে। আবার দেখেছি এটি নিয়মেও রয়েছে যে অপ্রয়োজনীয় বোল্ড ইটালিক করা যাবেনা। সেজন্যই লেখার ফর্ম্যাটিংয়ে কিছু জায়গায় ইচ্ছে করেই '''বোল্ড''' ''ইটালিক'' বাদ দিয়েছি (শুধু সুত্রগুলো ছাড়া)। আশা করি এটি মার্জনা করে নিবেন।
::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৩:০৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'''
:::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] পাতার অনুচ্ছেদগুলো আবার ইংরেজির সাথে মিলিয়ে দেখুন, অসঙ্গতি আছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৪:৪০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::ইংলিশ পাতার সঙ্গে মিলিয়ে পুনরায় কিছু উক্তি ও সুত্র সংশোধন করেছি। কিছু সুত্রে থাকা অতিরিক্ত তথ্য ইংলিশ উইকিলিঙ্ক থেকে মিলিয়ে দেওয়া হয়েছে, যেহেতু ইংলিশ উইকিলিঙ্ক দেওয়া নিষেধ। গত সাত দিনের ধারাবাহিক একটানা সম্পাদনার পর আশা করছি পাতাটি যথার্থ সংশোধিত হয়েছে। গ্রহণ করার বিনীত অনুরোধ রইলো।
::::ধন্যবাদ।
::::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৫:১৯, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'''
:::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] আর একটি সংশোধন প্রয়োজন, সম্পূর্ণ নিবন্ধে অতিরিক্ত — (em dash) ব্যবহার করেছেন, যেগুলো খুবই দৃষ্টিকটূ এবং যান্ত্রিক অনুবাদের লক্ষণ। এগুলো সংশোধন করে জানান, গ্রহণ করে নেব। ধন্যবাদ! [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:৩৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::::অবশ্যই। সংশোধন করে জানাচ্ছি। [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ২৩:৪৩, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]]
::::::অপ্রাসঙ্গিক এম-ড্যাশ (—) অপসারণ করে সংশোধিত করা হয়েছে ~!
::::::'''''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:২৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'''''
:::::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০১:২৪, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]]
::::::::আমার তৈরী করা [[ফজলে রাব্বী]] পাতাটি একটু পর্যালোচনা করে দেখবেন। @[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ভাই বলেছিলেন অল্প সংশোধনের পর [[ফজলে রাব্বী]] নিবন্ধটি গ্রহন করে নিবেন। কিন্তু তিনি বোধহয় গত ৩দিন অফলাইনে থাকায় তা পর্যালোচিত হয়নি।
::::::::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১২:৩৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)';'
:::::::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ধৈর্য ধরুন। পর্যালোচকরা মানুষ। তাদের ব্যক্তিগত জীবন আছে। আবার টেকনিক্যাল ত্রুটির কারণে অনেক সময় নোটিফিকেশন ঠিকমতো আসেনা। আপনি যেদিন সংশোধন করে জানিয়েছেন সেদিন আমাকে মেনশন না করায় নোটিফিকেশন পাইনি। পরের দিন মেনশন করায় নোটিফিকেশন পাওয়ার পর আজ পর্যালোচনা করবো বলে ঠিক করেছি। প্রতিযোগিতায় সব পাতাই পর্যালোচনা হবে, তাই তাড়াহুড়ার কিছু নেই। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৪:০৪, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::::::::অবশ্যই।
::::::::::গ্রহণ করে নেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
::::::::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৭:৪৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== যান্ত্রিক অনুবাদ সংশোধন ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি আপনার নির্দেশনা অনুযায়ী [[জন চার্লস পোলানি]],[[লেয়োঁ ফুকো]] এবং [[এ. সি. বেনসন]] নিবন্ধগুলো সংশোধন করেছি। এখন আর যান্ত্রিকতা নেই। তাই পুনঃপর্যালোচনা করে গ্রহণ করার অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৩:২৫, ১২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[আন্তর্জাতিক আইন]] ==
নিবন্ধটি ভুলবসত বেখেয়ালে অসম্পূর্ণ ছিল, পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ রইল। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ০৬:২৪, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১১:১৯, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] [[পরকাল সম্পর্কে কুরআন]] নিবন্ধে অতিরিক্ত এম ড্যাশ খুব দৃষ্টিকটূ লাগছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৫:৩৯, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::সংশোধন করেছি। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ১৬:২৮, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৬:৫৭, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পুনঃ পর্যালোচনা ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], [[শাহ বানু মামলা]] পাতার সর্বশেষ সূত্র ঠিক করা হয়েছে। [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] আর [[বিহার]] দুই পাতার সূত্রে সমস্যা কোথায় আমি বুঝতে পারছি না। অনুগ্রহ করে বুঝিয়ে বললে ভালো হয়। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ০৯:৫৪, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] নিবন্ধের একটি তথ্যসূত্রও কাজ করছেনা। খুব সম্ভবত এটাই জেনারেটেড<br>[[বিহার]] নিবন্ধের সূত্রে লিংক যোগ করুন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৩:৩৯, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] আর [[বিহার]] দুটি পাতায়ই তথ্যসূত্র ঠিক করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৭:০৭, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::এবং [[স্মৃতি ইরানি]] পাতায়ও। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৭:০৮, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ৩টি নিবন্ধই {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:৩৫, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== দ্রৌপদী ==
[[দ্রৌপদী]] নিবন্ধের লেখাগুলো লিংক করা হয়নি। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৫:৪০, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] বেশিরভাগ লিংক-ই উইকিপিডিয়া লিংক। যেগুলো উইকিউক্তি লিংক সেগুলো সব যোগ করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:৩০, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পুনঃ পর্যালোচনা ==
[[জন টিন্ডাল]] পাতাটি সংশোধন করেছি। অনুগ্রহ করে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন।
ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৫:০৮, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৩:২১, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== উইলিয়াম শকলি পুনঃপর্যালোচনা ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি [[উইলিয়াম শকলি]] নিবন্ধটিকে সংশোধন করেছি এবং পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:২২, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি দেখলাম আপনি নতুন কিছু পাতা পর্যালোচনা করেছেন। এই নিবন্ধটি অনুগ্রহ করে পুনঃপর্যালোচনা করুন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:১৭, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::{{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৮:০৪, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:২৪, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== সীতা রাম গোয়েল ==
পাতা অসম্পূর্ণ [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:৪১, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[কেমব্রিজ গান]] ==
এই নিবন্ধটি গ্রহণযোগ্য নয় কেন তা জানালে ভালো হয়। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৫:৪৭, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] প্রতিযোগিতার নির্দেশনা অনুসারে <code><b>নাটক, চলচ্চিত্র, গান, বই, গল্প, কবিতা, উপন্যাস</b></code> গ্রহণযোগ্য নয়। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৮:০০, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::ঠিক আছে — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:২৫, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[মুহাম্মদ মাহদি আল-জাওয়াহিরি]] ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] সূত্রের লিংক যুক্ত করেছি। এবার অনুগ্রহ করে এটিকে গ্রহণ করে নিন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:১৬, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:{{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৮:০২, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:২৪, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], ইতিমধ্যে [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] পাতাটি বেশ কয়েকবার ম্যানুয়ালি পলিশিং করা হয়েছে। যেখানে আমার কাছে এখনো যান্ত্রিক অনুবাদ পরিলক্ষিত হয়নি।<br>'''তবে 'যান্ত্রিক অনুবাদ/ক্রটি' ঠিক কোথায়, একটু দেখিয়ে দিবেন আশা করছি'''।<br>ধন্যবাদ<br>'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০৩:২৪, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'''
== [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] পাতাটি ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], ইতিমধ্যে [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] পাতাটি বেশ কয়েকবার ম্যানুয়ালি পলিশিং করা হয়েছে। যেখানে আমার কাছে এখনো যান্ত্রিক অনুবাদ পরিলক্ষিত হয়নি।<br>'''তবে 'যান্ত্রিক অনুবাদ/ক্রটি' ঠিক কোথায়, একটু দেখিয়ে দিবেন আশা করছি'''।<br>ধন্যবাদ<br>'''''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১০:০১, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'''''
:@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] প্রথমত বার বার মেনশন করবেন না, একবার মেনশন হবে, অধৈর্য হবেন না, আমি ঠিক দেখব।<br><br> সম্পূর্ণ পাতা না দেখেও বলা যায় এটি অপরিশোধিত যান্ত্রিক অনুবাদ।
:*<code>'''গণহত্যা '''(যার মধ্যে '''হলোকাস্ট '''অন্তর্ভুক্ত),</code> লাইনে দুটি শব্দেই উইকিপিডিয়া লিংক করেছেন/করা আছে। বাংলা উইকিপিডিয়ায় ''হলোকাস্ট '' কোনোও শব্দ নেই, আর এখানে যে ''গণহত্যা'' শব্দে উইকিপিডিয়া লিংক করেছেন তার অর্থ ভিন্ন।
:* <code>More and more we felt that only a resolution of the European situation could save Spain, if Spain was to be saved</code> → <code>আমরা আমাদের অস্তিত্বের প্রতিটি স্পন্দনে... মর্মে মর্মে উপলব্ধি করছিলাম</code> এতটা নাটকীয় অনুবাদ?
:* <code>they had given thousands of their best sons</code> → <code>হাজার হাজার শ্রেষ্ঠ সন্তানকে মুক্তির লড়াইয়ে যুদ্ধের অগ্নিকুণ্ডে উৎসর্গ করেছিল"।</code> মূল লেখায় '''মুক্তির লড়াই''' বা '''অগ্নিকুণ্ডে উৎসর্গ''' এরকম কোনো কথা নেই।
:* সূত্রগুলো তে লিংক নেই, সূত্রের শুরুতেই অপ্রয়োজনীয় — (em dash) চিহ্ন।
:* বিভিন্ন জায়গায় টেক্সট ফর্ম্যাটিংয়ের সমস্যা, যেখানে বোল্ড/ইটালিক প্রয়োজন সেখানে বোল্ড/ইটালিক নেই, যেখানে প্রয়োজন নয়, সেখানে আছে।
:এগুলো দেখলেই বোঝা যায়। আমি শুধুমাত্র প্রথমের কিছু উক্তির ভুলগুলো তুলে ধরলাম। আপনার সম্পূর্ণ পাতাতেই এই ভুলগুলো রয়েছে।
:এই সমস্যাগুলো ঠিক করে জানান, বিশেষ করে শব্দসংখ্যা বাড়ানোর জন্য অতিরঞ্জন করবেন না। খেয়াল রাখবেন [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পর্যালোচনা নীতিমালা|পর্যালোচনা নীতিমালা]] অনুসারে '''প্রতিটি নিবন্ধ সর্বোচ্চ দুই (২) বার পর্যালোচনা করা যাবে।''' [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১১:২৩, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], প্রথমত বারবার মেনশন করলাম না। তবে অতিরিক্ত দেরি না করার পরামর্শ দিচ্ছি।
::দ্বিতীয়ত, কিছু জায়গায় ভাবানুবাদ না করলে একদমই '''আক্ষরিক''' হয়ে যায় যা পরিহারযোগ্য। তবুও, উপরোক্ত উদাহরণের মতো অতিরিক্ত ভাবানুবাদ অপসারণের চেষ্টা করা হবে। এবং সূত্র থেকে লিঙ্ক তেমন বাদ না পড়লেও লিঙ্কগুলো খুঁজে দেখা হবে। এছাড়া '''বোল্ড''', ''ইটালিক'' পরিমার্জন করা হবে, '''কিন্তু''' ভিন্ন ভাষা এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রয়োজনমতো ইটালিক রাখা হবে যেগুলো ইংরেজি নিবন্ধে বাদ পড়েছিল। পূর্ণ নিশ্চিত হওয়ার জন্য এ ব্যাপারে মন্তব্য রাখবেন। ~'''আল-মাহমুদ'''
::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৪:৪৬, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] এও মন্তব্যটাও পড়ে মনে হচ্ছে এআই জেনারেটেড।
:::যাই হোক, ভাবানুবাদ আর অতিরঞ্জন দুটো আলাদা জিনিস। আরও একটি কথা, যখন একই প্যাটর্নে কিছু জিনিস পাল্টাতে থাকে তখন সেটা স্পষ্ট যান্ত্রিক অনুবাদ।
:::"বিষয়ে প্রয়োজনমতো ইটালিক রাখা হবে যেগুলো ইংরেজি নিবন্ধে বাদ পড়েছিল"- এই কথার অর্থ কি ? [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৫:০২, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], খুবই অনুমানযোগ্য উত্তর। এআই জেনেরাটেড উত্তর আপনাকে কেন দিতে যাব? নিজের Key-Board চেপে দিচ্ছি। ভাষা একটু গোছানো হলেই তাকে 'এ-আই জেনেরেটেড' ভাববেন না। যেহেতু আমিই সম্পাদনাটি করছি তাই অতিরিক্ত সন্দিহান হবেন না।। উইকিপিডিয়াতে আমি একদম নবাগত ('''৪৩ দিন''', উইকিউক্তিতে '''২৫ দিন''') হলেও আমার দীর্ঘদিন সাহিত্যিক-কাব্যিক ঘরানার লেখালেখি করার অভ্যাস রয়েছে।
::::যাইহোক সেসব বাদ (''ব্যক্তিগত হিসেবে নেওয়ার দরকার নেই। \ আলোচনায় কেউ এসব বললে সেটা পছন্দ করিনা''), এটা আগেই বলা হয়েছে যে অতিরিক্ত ভাবানুবাদ অপসারণ করা হবে।
::::
::::"বুঝাতে চেয়েছি যে ''''ভিন্ন ভাষা এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রয়োজনমতো ইটালিক রাখা হবে''''। যেমনঃ এক জায়গায় ''ফরাসি অথবা জার্মান ভাষা রয়েছে, সেক্ষেত্রে ওই ভাষাটিকে উপস্থাপনের ক্ষেত্রে বোল্ড করা হবে। এই বিষয়েই মন্তব্য করবেন।"
::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৫:৪৫, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] দীর্ঘদিনের পর্যালোচনা অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, ৭ লাইনের ইংরেজি থেকে বাংলা ভাবানুবাদ করলেও তা কখনোই ১৮ লাইন হতে পারে না।
:::::[[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পর্যালোচনা নীতিমালা|প্রতিযোগিতার নিয়মে]] স্পষ্ট উল্লেখ আছে '''অনুবাদের ক্ষেত্রে যদি এআই-জনিত সাধারণ ভুল (যেমন ইংরেজি উইকিলিংক, -এর/-এ/-তে ত্রুটি, অপ্রয়োজনীয় বোল্ড, অপ্রয়োজনীয় বুলেট পয়েন্ট, বাংলার পাশে বারবার ব্র্যাকেটে ইংরেজি টার্ম, তথ্যসূত্র অনুপস্থিত ইত্যাদি) পাওয়া যায়, সেক্ষেত্রেও সরাসরি বাতিল করা হবে।'''
:::::আপনার যদি আমার পর্যালোচনা নিয়ে অন্য কোনও রকম আপত্তি থেকে থাকে তা আপনি প্রতিযোগিতার আলাপ পাতায় তুলে ধরতে পারেন। আর যদি না তা না থাকে তাহলে উল্লিখিত বিয়ষয়গুলো সংশোধন করে আমাকে এখানে মেনশন করুন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৬:১৩, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== উইলিয়াম শার্প: পুনঃপর্যালোচনা ==
[[উইলিয়াম শার্প]] নিবন্ধটিকে সংশোধন করেছি এবং পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ করছি। ~ [[ব্যবহারকারী:Md. Muqtadir Fuad|Md. Muqtadir Fuad]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md. Muqtadir Fuad|আলাপ]]) ১৫:৪০, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Md. Muqtadir Fuad|Md. Muqtadir Fuad]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১১:২৯, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[বমি]] নিবন্ধ পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|Arijit Kisku]] আমি [[বমি]] নিবন্ধটি সংশোধন করে [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|মেহেদী আবেদীন]]কে জানিয়েছিলাম। সে গ্রহণ করে নিলেও আপনি দেখলাম গ্রহণ করেননি। তাই ফাউন্টেইন টুলফোর্জে না দেখাচ্ছে 0 না দেখাচ্ছে 1। তাই অনুগ্রহ করে নিবন্ধটি গ্রহণ করে নেওয়ার অনুরোধ রইল। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">আনাফ</span> <span style="color:#388E3C">ইবনে</span> <span style="color:#66BB6A">সাহেবুল</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১০:৫৪, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১১:২৯, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:ARI|Arijit Kisku]] ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">আনাফ</span> <span style="color:#388E3C">ইবনে</span> <span style="color:#66BB6A">সাহেবুল</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১১:০২, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]],আদাব<br>[[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] পাতাটি সংশোধন করেছি।<br>(পাতা থেকে যথাসাধ্য অতিরঞ্জিত ভাবানুবাদ ছেটে, সূত্র-ও যুক্ত করেছি। তবে দীর্ঘ পাতা হওয়া, কিছু ভ্রান্তি থেকে যেতে পারে, তাই কোনো প্র য়োজন হলে অনুগ্রহপূর্বক মেন্শন করবেন)
ধন্যবাদ,,
[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ২৩:৩৩, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] গতকাল ইতিমধ্যেই একবার মেনশন করেছেন, বারবার মেনশন করবেন না। পর্যালোচকদেরও বাস্তব জীবনে ব্যস্ততা থাকতে পারে। আমি দেখে পর জানাব। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:৩৭, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ভাবলাম বোধহয় টেকনিক্যাল সমস্যা হয়েছে। তাই দ্বিতীয়বার করেছি। আপনার ব্যক্তিগত ইমেইল এড্রেস হলে এক্ষেত্রে ভালো হত। [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ২৩:৩৯, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] অপাতত গ্রহণ করেছি। ইটালিক/বোল্ড ঠিক করেননি। আর এখনও অতিরঞ্জনে পরিপূর্ণ। আমি আপনাকে এখানে আবার মেনশন করে কি ঠিক করতে হবে বলে দেব। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৪:১০, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ততক্ষণে আপনি ইংরেজির সাথে ইটালিক/বোল্ড সামঞ্জস্য করুন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৪:১১, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ধন্যবাদ দা। আমি উক্তির মাঝে বোল্ড/ইটালিক সামঞ্জস্য করেছি, তবু চেক করছি। তবে আপনি কি উক্তিকারীর নামের মধ্যে দেওয়া এক্স্ট্রা বোল্ড+ইটালিক বাদ দেওয়ার কথা বলছেন?> যেমনঃ '''''মুসা গালিব''''' থেকে মুসা গালিব? যদিও এটার জন্য এর আগে কখনো নিবন্ধ ক্যান্সাল হয়নি।।[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৪:৩৭, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ইংরেজিতে যেগুলো বোল্ড/ইটালিক আছে সেগুলো অন্তত বাংলায় করুন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০০:৩১, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[অ্যানোনিমাস]] ==
সংশোধন করেছি, পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ০৪:৪৯, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৮:৪১, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== স্বাধীনতা দিবস (ভারত) ==
[[স্বাধীনতা দিবস (ভারত)]] পাতাটির ২টি উক্তি অপ্রাসঙ্গিক। প্রাসঙ্গিক উক্তি ব্যবহার করতে হবে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ০১:৩৫, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] সংশোধন করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০২:২৪, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ০২:৩১, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== অনিল ভৌমিক ==
আপনি [[অনিল ভৌমিক]] এ লিখেছেন "যান্ত্রিক; উৎস ঠিক করুন"। কিন্তু উক্তি গুলোর একটাও অনুবাদ নয়, তাই যান্ত্রিকতার বিষয়টা বুঝলাম না।
উৎস হিসেবে যে ওয়েবপেজে উক্তি রয়েছে তার লিংক যোগ করাই আছে, আর কী যোগ করব? [[ব্যবহারকারী আলাপ:Nil Nandy|নীল নন্দী]] ১৬:০৫, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Nil Nandy|Nil Nandy]] অনুবাদের জন্য "যান্ত্রিক" শব্দটা ব্যবহার করিনি। আপনি যে সুত্র যোগ করেছেন তা খুললে "Not found, error 404" দেখাচ্ছে।
:এআই সাধারণত এমন ভুল করে, যেমন random ইউআরএল যোগ করে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০২:০৯, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
::শায়িত দেবতাদের মন্দির পাতাটার লিংক বদলে দিয়েছি। পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ করছি। [[ব্যবহারকারী আলাপ:Nil Nandy|নীল নন্দী]] ০২:৫৫, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
::{{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৩:০২, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== পর্যালোচনা ==
[[আসাদউদ্দিন ওয়াইসি]] এবং [[শাহ বানু মামলা]] পাতার সূত্র সংশোধন করা হয়েছে। [[বৃন্দাবন]] পাতায় কী সমস্যা আছে বুঝতে পারছি না। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ২০:০১, ২ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:[[মণিপুর]], [[মৈতৈ জাতি]] এবং [[মাইকেল বিশপ]] এই পাতাগুলো সংশোধন করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ২০:১১, ২ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] অন্যান্য নিবন্ধগুলো {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০০:৪৯, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] [[বৃন্দাবন]] পাতায় ৫নং উক্তিতে
:*মূল ইংরেজি অংশে “neither by their master's orders nor from the severe handling they received in yesterday's fight” বাক্যটি আছে, কিন্তু অনুবাদে এটি সম্পূর্ণ বাদ পড়েছে।
:*“all of them non-combatants and many of them priests” অংশটিও অনুবাদে নেই।
:*“plundering everywhere as directed”–এর ক্ষেত্রে “as directed” (নির্দেশ অনুযায়ী) অংশটি অনুবাদে অনুপস্থিত
:*“general massacre”–এর অনুবাদ “সাধারণ গণহত্যা” হয়েছে। এর বদলে “ব্যাপক গণহত্যা” বা “সর্বত্র গণহত্যা” ব্যবহার করা আরও উপযুক্ত হবে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০০:৪৯, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] [[আব্রাহাম কাহান]] নিবন্ধে যাঁর, তাঁর থেকে চন্দ্রবিন্দু সরান। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০০:৫৯, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], [[বৃন্দাবন]] এবং [[আব্রাহাম কাহান]] উভয় পাতা সংশোধন করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৯:৩৪, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:৩৬, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
81sx41d04djk9skbqbspqohaldiqkdg
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
0
8935
83392
69778
2026-05-04T10:55:02Z
ফারদিন
52
লিঙ্ক যোগ
83392
wikitext
text/x-wiki
'''[[:W:মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়|মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়]]''' (জন্ম ৫ জানুয়ারি, ১৯৫৫) পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী এবং সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাতা-সভানেত্রী। বর্তমানে তিনি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্বরাষ্ট্র, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা, ভূমি ও ভূমিসংস্কার, তথ্য ও সংস্কৃতি, পর্বতাঞ্চল বিষয়ক, কৃষি, বিদ্যুৎ, কর্মী ও প্রশাসনিক সংস্কার, সংখ্যালঘু কল্যাণ ও মাদ্রাসা শিক্ষা ও মুসলিম জনগোষ্ঠী পালন বিভাগেরও ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী। তিনি পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মহিলা মুখ্যমন্ত্রী।
== উক্তি ==
* [[ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলন|ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে]] যদি কোনও রাজ্য সবচেয়ে বেশি অংশ নেয়, তা হল [[বঙ্গ|বাংলা]]। এখানেই স্বাধীনতা সংগ্রামীর সংখ্যা সর্বাধিক।
** ২০২৫ সালের ১৪ আগস্ট সন্ধ্যায় বেহালায় প্রাক স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে। [https://www.thewall.in/west-bengal/kolkata/if-any-state-participated-the-most-in-indias-freedom-movement-it-was-bengal-mamata-banerjee/tid/169745]
* হিন্দু ধর্ম কারও জন্যে দরজা বন্ধ করে রাখে না। হিন্দু ধর্মের বিশেষত্ব তা সর্বজনীন।
** ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের প্রতিষ্ঠাতা প্রণবানন্দের ১২৫ তম জন্মবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে [https://www.anandabazar.com/west-bengal/hindu-religion-is-universal-said-mamata-banerjee-1.1112108]
* কেউ কেউ বলে, আমি [[মুসলমান|মুসলমানদের]] তোষণ করি। কিন্তু আমি [[মানবতা|মানবতার]] তোষণ করি। মানবতা হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সকলকে নিয়ে।
** ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের প্রতিষ্ঠাতা প্রণবানন্দের ১২৫ তম জন্মবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে [https://www.anandabazar.com/west-bengal/hindu-religion-is-universal-said-mamata-banerjee-1.1112108]
== মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পর্কে উক্তি ==
* মমতা ব্যানার্জির অবশ্যই দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার যোগ্যতা আছে, তবে ওই পদে যেতে হলে তাঁকে দেশের বিজেপি-বিরোধী শক্তিগুলোকে একজোট করে দেখাতে হবে।
** [[অমর্ত্য সেন]] [https://www.bbc.com/bengali/articles/c2l185ee2eno]
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৫৫-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী]]
[[বিষয়শ্রেণী:নারী রাজনীতিবিদ]]
glqjq91lwckkg3bb114j0xmjvxwmyqj
ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker
3
9527
83372
83247
2026-05-03T23:32:05Z
MS Sakib
35
83372
wikitext
text/x-wiki
== উইকিউক্তিতে স্বাগত ==
<div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;">
সুপ্রিয় Dr. Mosaddek Khondoker,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন!
* উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন।
** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন।
* উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন।
* পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন।
* পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন।
* [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন!
কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম!
— [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটি]]
</div>
১৯:১৩, ৯ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[জাইর বলসোনারু]] ==
বেশ কিছু উক্তিতে লিংক করা বাকি। এগুলো সংশোধন এবং বহিঃসংযোগ যোগ করে আমাকে মেনশন করে জানালে গ্রহণ করে নিব।≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০০:৩৪, ৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== অনুবাদ ==
আপনি অনুবাদগুলো কিভাবে করেন ।
আমি নতুন তাই কিছু পরামর্শ চাচ্ছি।[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৩:০৫, ৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন]] ==
বেশিরভাগ তথ্যসূত্রে লিংক যোগ করা হয়নি। এছাড়া উক্তিতে যান্ত্রিকতা আছে। দ্রুত লিংক যোগ না করলে গ্রহণ করা হবে না।≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৩:২০, ১১ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[ফ্রেডরিক ডগলাস]] ==
এই পাতাতেও কোনো উক্তির উৎসে লিংক যোগ করা হয়নি। একই কথা প্রযোজ্য।≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৩:২৩, ১১ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] ভাই দুঃখিত। আমি অপ্রত্যাশিত ভাবে হঠাৎ একটি সমস্যায় পড়ে যাওয়ায় কাজ করার সময় পাচ্ছি না। আমি এই ২ টা উক্তির লেখা ভালো করে ঠিক করতে পারি নাই। <nowiki>[[ফ্রেডরিক ডগলাস]]</nowiki> এ কিছু করতে পারি নাই। গ্রহণ করা না হলে এই দুইটা উক্তি ডিলেট করে দিতে পারেন। আমি সময় পেলে করতাম। কিন্তু এখন প্রতিযোগিতা শেষ। আমি এখন ফ্রি সময় এবং মেন্টাল এবিলিটি কিছুই পাচ্ছি না। [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker#top|আলাপ]]) ২২:৪১, ১১ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== জন হার্ভে কেলোগ ==
পাতাটির অনুবাদ রুক্ষ ও যান্ত্রিক। অনুগ্রহ করে অপসারণ এড়াতে পাতাটি সংশোধন করুন।[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ১৭:৫৩, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ভাই আমি করেছি। এখন ঠিক আছে? আর সংশোধন করতে হবে? [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker#top|আলাপ]]) ১০:৩৮, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ভাই আমি ঠিক করেছিলাম। [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker#top|আলাপ]]) ০৮:৫২, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] দুঃখিত, গ্রহণ করা গেলো না। অনুবাদ এখনো যান্ত্রিক। [[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ১০:৩৭, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] তাহলে এটা ডিলেট করে দিয়েন। [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker#top|আলাপ]]) ১২:১৪, ১৭ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন ==
সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|শীর্ষ ১০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSeDWCveBqp7ID0VVW0ipXM-WXeCqE7u-xHQCU_d7FRYo-9vAA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। - ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৮:৩১, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
<!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67623-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন -->
:@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] আমি নিবন্ধটি সংশোধন করেছি। [[মারে গেল-মান]] [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker#top|আলাপ]]) ১৪:৫৯, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] গৃহীত হয়েছে। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ২২:৪৮, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] [[নবায়নযোগ্য শক্তি]] সংশোধন করেছি আমি। [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker#top|আলাপ]]) ২৩:২৩, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::গৃহীত হয়েছে। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৮:৪৯, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::::@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] ধন্যবাদ। এবার [[স্টিফেন জে গুল্ড]] সংশোধন করেছি। [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker#top|আলাপ]]) ১৭:৫১, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== নার্গিস মোহাম্মাদি ==
[[নার্গিস মোহাম্মাদি]] পাতাটি পর্যাপ্ত সম্পাদনা না করে জমা দেওয়া হয়েছে। ভালোভাবে সংশোধন করতে হবে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২৩:০৮, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ধন্যবাদ। আমি আবার পড়ে সংশোধন করেছি। কোনও ভুল পেলে জানাবেন। [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker#top|আলাপ]]) ১৪:৫৫, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] আরো করতে হবে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২৩:১৪, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আমি আবার পুরোটা পড়েছি। আমি আসলে বুঝতে পারছি না আর কী করা যাবে এখানে। অনুগ্রহ করে আমাকে পয়েন্ট আউট করে দিলে সুবিধাজনক হতো। [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker#top|আলাপ]]) ১৯:৪২, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] আমি ঠিক করে পাতাটি গ্রহণ করে নিয়েছি। অনুবাদের সময় খেয়াল করবেন যেন কে কাকে কি করছে সেটা স্পষ্ট বোঝা যায়। আর সংশোধনের জন্য লেখার লিংক সরিয়ে ফেলার প্রয়োজন নেই। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২২:০৭, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] স্বাধীনতার বদলে মুক্তি লেখতে হবে বুঝতে পারিনি। আপনি সংশোধন করে দিয়ে গ্রহণ করার জন্য ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker#top|আলাপ]]) ২৩:২২, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পাতা সংশোধন ==
আপনার অনুবাদ করা সব পাতা গৃহীত হলেও আমি বেশ কিছু পাতায় কিছু ত্রুটি দেখতে পাচ্ছি। অনুগ্রহ করে সেগুলো সংশোধন করুন। সংশোধন করা না হলে পাতা "অ-গৃহীত" হতে পারে।
* [[খ্রিস্টের অনৈতিহাসিকতা তত্ত্ব]] - পৃষ্ঠা নাম্বার বাংলা করুন। শেষ দিকে সূত্রে অনেক ব্যক্তি-প্রকাশকের নাম ইংরেজিতে রয়ে গেছে, সেগুলোকে লিপ্যন্তর করুন। অনুচ্ছেদগুলোর শিরোনামের বর্ণক্রম ঠিক হয়নি। ইংরেজি বর্ণের নাম বাংলা লিপিতে লিখে করতে পারেন। আপনারই [[ক্যালকুলাসের ইতিহাস]] পাতার মতো
* [[বেঞ্জামিন ডিসরাইলি]] - মেজর সমস্যা না পাওয়া গেলেও ৩টা ক্ষেত্রে '''এর'''-এর ভুল ব্যবহার হয়েছে। সম্ভবত আধা-স্বয়ংক্রিয় প্রক্রিয়ায় হাইফেন সরাতে গিয়ে এই মিস্টেক করেছেন। যেমন: {{লাল|<nowiki>[[ফ্রঁসোয়া দ্য লা রোশফুকো|লা রোশফুকো]]এর</nowiki>}}
* [[স্ট্যানলি বল্ডউইন]] - গুরুতর AI ত্রুটি। একটা অযৌক্তিক লিপির লেখা পেলাম। এটা সরাসরি বাতিলযোগ্য।
* [[রবার্ট জি. ইঙ্গারসোল]] - উদ্ধৃতি? AI এর ফল?
* [[রন পল]] - উদ্ধৃতি।
* [[আউরেলিয়ুস আউগুস্তিনুস]] - আরও একটা অযৌক্তিক লিপির শব্দ পেলাম।
* সার্বিক: বাংলায় {{tl|DEFAULTSORT}} ব্যবহার করবেন না। এটা সরিয়ে দিবেন। "বহিঃসংযোগ" অংশে বাংলায় নেই এমন টেমপ্লেট থাকলে সেটা বাংলা নামে তৈরির চেষ্টা করবেন, নয়তো সরিয়ে দিবেন।
আজকের মধ্যে সংশোধন করে আমাকে অবগত করুন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ২৩:৩২, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
lounidnmj1qrwqbm7lu6pxpcq8ethju
83390
83372
2026-05-04T10:03:17Z
Dr. Mosaddek Khondoker
2987
/* পাতা সংশোধন */ উত্তর
83390
wikitext
text/x-wiki
== উইকিউক্তিতে স্বাগত ==
<div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;">
সুপ্রিয় Dr. Mosaddek Khondoker,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন!
* উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন।
** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন।
* উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন।
* পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন।
* পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন।
* [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন!
কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম!
— [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটি]]
</div>
১৯:১৩, ৯ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[জাইর বলসোনারু]] ==
বেশ কিছু উক্তিতে লিংক করা বাকি। এগুলো সংশোধন এবং বহিঃসংযোগ যোগ করে আমাকে মেনশন করে জানালে গ্রহণ করে নিব।≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০০:৩৪, ৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== অনুবাদ ==
আপনি অনুবাদগুলো কিভাবে করেন ।
আমি নতুন তাই কিছু পরামর্শ চাচ্ছি।[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৩:০৫, ৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন]] ==
বেশিরভাগ তথ্যসূত্রে লিংক যোগ করা হয়নি। এছাড়া উক্তিতে যান্ত্রিকতা আছে। দ্রুত লিংক যোগ না করলে গ্রহণ করা হবে না।≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৩:২০, ১১ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[ফ্রেডরিক ডগলাস]] ==
এই পাতাতেও কোনো উক্তির উৎসে লিংক যোগ করা হয়নি। একই কথা প্রযোজ্য।≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৩:২৩, ১১ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] ভাই দুঃখিত। আমি অপ্রত্যাশিত ভাবে হঠাৎ একটি সমস্যায় পড়ে যাওয়ায় কাজ করার সময় পাচ্ছি না। আমি এই ২ টা উক্তির লেখা ভালো করে ঠিক করতে পারি নাই। <nowiki>[[ফ্রেডরিক ডগলাস]]</nowiki> এ কিছু করতে পারি নাই। গ্রহণ করা না হলে এই দুইটা উক্তি ডিলেট করে দিতে পারেন। আমি সময় পেলে করতাম। কিন্তু এখন প্রতিযোগিতা শেষ। আমি এখন ফ্রি সময় এবং মেন্টাল এবিলিটি কিছুই পাচ্ছি না। [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker#top|আলাপ]]) ২২:৪১, ১১ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== জন হার্ভে কেলোগ ==
পাতাটির অনুবাদ রুক্ষ ও যান্ত্রিক। অনুগ্রহ করে অপসারণ এড়াতে পাতাটি সংশোধন করুন।[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ১৭:৫৩, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ভাই আমি করেছি। এখন ঠিক আছে? আর সংশোধন করতে হবে? [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker#top|আলাপ]]) ১০:৩৮, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ভাই আমি ঠিক করেছিলাম। [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker#top|আলাপ]]) ০৮:৫২, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] দুঃখিত, গ্রহণ করা গেলো না। অনুবাদ এখনো যান্ত্রিক। [[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ১০:৩৭, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] তাহলে এটা ডিলেট করে দিয়েন। [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker#top|আলাপ]]) ১২:১৪, ১৭ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন ==
সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|শীর্ষ ১০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSeDWCveBqp7ID0VVW0ipXM-WXeCqE7u-xHQCU_d7FRYo-9vAA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। - ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৮:৩১, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
<!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67623-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন -->
:@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] আমি নিবন্ধটি সংশোধন করেছি। [[মারে গেল-মান]] [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker#top|আলাপ]]) ১৪:৫৯, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] গৃহীত হয়েছে। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ২২:৪৮, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] [[নবায়নযোগ্য শক্তি]] সংশোধন করেছি আমি। [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker#top|আলাপ]]) ২৩:২৩, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::গৃহীত হয়েছে। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৮:৪৯, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::::@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] ধন্যবাদ। এবার [[স্টিফেন জে গুল্ড]] সংশোধন করেছি। [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker#top|আলাপ]]) ১৭:৫১, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== নার্গিস মোহাম্মাদি ==
[[নার্গিস মোহাম্মাদি]] পাতাটি পর্যাপ্ত সম্পাদনা না করে জমা দেওয়া হয়েছে। ভালোভাবে সংশোধন করতে হবে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২৩:০৮, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ধন্যবাদ। আমি আবার পড়ে সংশোধন করেছি। কোনও ভুল পেলে জানাবেন। [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker#top|আলাপ]]) ১৪:৫৫, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] আরো করতে হবে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২৩:১৪, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আমি আবার পুরোটা পড়েছি। আমি আসলে বুঝতে পারছি না আর কী করা যাবে এখানে। অনুগ্রহ করে আমাকে পয়েন্ট আউট করে দিলে সুবিধাজনক হতো। [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker#top|আলাপ]]) ১৯:৪২, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] আমি ঠিক করে পাতাটি গ্রহণ করে নিয়েছি। অনুবাদের সময় খেয়াল করবেন যেন কে কাকে কি করছে সেটা স্পষ্ট বোঝা যায়। আর সংশোধনের জন্য লেখার লিংক সরিয়ে ফেলার প্রয়োজন নেই। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২২:০৭, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] স্বাধীনতার বদলে মুক্তি লেখতে হবে বুঝতে পারিনি। আপনি সংশোধন করে দিয়ে গ্রহণ করার জন্য ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker#top|আলাপ]]) ২৩:২২, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পাতা সংশোধন ==
আপনার অনুবাদ করা সব পাতা গৃহীত হলেও আমি বেশ কিছু পাতায় কিছু ত্রুটি দেখতে পাচ্ছি। অনুগ্রহ করে সেগুলো সংশোধন করুন। সংশোধন করা না হলে পাতা "অ-গৃহীত" হতে পারে।
* [[খ্রিস্টের অনৈতিহাসিকতা তত্ত্ব]] - পৃষ্ঠা নাম্বার বাংলা করুন। শেষ দিকে সূত্রে অনেক ব্যক্তি-প্রকাশকের নাম ইংরেজিতে রয়ে গেছে, সেগুলোকে লিপ্যন্তর করুন। অনুচ্ছেদগুলোর শিরোনামের বর্ণক্রম ঠিক হয়নি। ইংরেজি বর্ণের নাম বাংলা লিপিতে লিখে করতে পারেন। আপনারই [[ক্যালকুলাসের ইতিহাস]] পাতার মতো
* [[বেঞ্জামিন ডিসরাইলি]] - মেজর সমস্যা না পাওয়া গেলেও ৩টা ক্ষেত্রে '''এর'''-এর ভুল ব্যবহার হয়েছে। সম্ভবত আধা-স্বয়ংক্রিয় প্রক্রিয়ায় হাইফেন সরাতে গিয়ে এই মিস্টেক করেছেন। যেমন: {{লাল|<nowiki>[[ফ্রঁসোয়া দ্য লা রোশফুকো|লা রোশফুকো]]এর</nowiki>}}
* [[স্ট্যানলি বল্ডউইন]] - গুরুতর AI ত্রুটি। একটা অযৌক্তিক লিপির লেখা পেলাম। এটা সরাসরি বাতিলযোগ্য।
* [[রবার্ট জি. ইঙ্গারসোল]] - উদ্ধৃতি? AI এর ফল?
* [[রন পল]] - উদ্ধৃতি।
* [[আউরেলিয়ুস আউগুস্তিনুস]] - আরও একটা অযৌক্তিক লিপির শব্দ পেলাম।
* সার্বিক: বাংলায় {{tl|DEFAULTSORT}} ব্যবহার করবেন না। এটা সরিয়ে দিবেন। "বহিঃসংযোগ" অংশে বাংলায় নেই এমন টেমপ্লেট থাকলে সেটা বাংলা নামে তৈরির চেষ্টা করবেন, নয়তো সরিয়ে দিবেন।
আজকের মধ্যে সংশোধন করে আমাকে অবগত করুন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ২৩:৩২, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] অনেক ধন্যবাদ। আমি এগুলি ঠিক করে দিয়েছি আজই। কাইন্ডলি আবার দেখুন। [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker#top|আলাপ]]) ১০:০৩, ৪ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
ojbfdazt28oh0ofboy8q6511uzrimje
ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32
3
10010
83341
83106
2026-05-03T13:51:15Z
SMontaha32
3112
/* অঁতোয়ান লাভোয়াজিয়ে */ উত্তর
83341
wikitext
text/x-wiki
== উইকিউক্তিতে স্বাগত ==
<div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;">
সুপ্রিয় SMontaha32,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন!
* উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন।
** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন।
* উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন।
* পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন।
* পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন।
* [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন!
কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম!
— [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটি]]
</div>
০৭:১৩, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[:অস্ট্রোলিয়া]] পাতার [[উইকিউক্তি:দ্রুত অপসারণ নীতিমালা|দ্রুত অপসারণ]] প্রস্তাবনা ==
[[চিত্র:Ambox warning pn.svg|48px|left|alt=|link=]] আপনি ১৭ এপ্রিল, ২০২৫ তারিখে '''অস্ট্রোলিয়া''' নিবন্ধটি তৈরি করেছেন। নিবন্ধটি উইকিউক্তির দ্রুত অপসারণের বিচারধারা অনুসারে দ্রুত অপসারণ যোগ্য। কারণ:
<center>'''পাতাটিতে কোনো উক্তি নেই'''</center>
আপনি যদি মনে করেন যে এই কারণে পাতাটি অপসারণ করা উচিত নয়, তবে এই অপসারণে আপত্তি জানাতে [[:অস্ট্রোলিয়া|নিবন্ধটিতে গিয়ে]] '''অপসারণে আপত্তি জানান''' লেখার উপর ক্লিক করুন ও সেখানে কারণ ব্যাখ্যা করুন কেন নিবন্ধটি অপসারণ করা উচিত নয়। মনে রাখবেন, কোন নিবন্ধে অপসারণ ট্যাগ করা হলে এবং যদি নিবন্ধটি অপসারণের বিচারাধারার সাথে মিলে যায় তবে কোনও দেরি না করে নিবন্ধটি অপসারণ করা হয়। অনুগ্রহপূর্বক আপনার নিজের তৈরি করা নিবন্ধ থেকে এই বিজ্ঞপ্তিটি সরিয়ে ফেলবেন না, তবে আমরা আপনাকে নিবন্ধটি সম্প্রসারণ করতে উৎসাহিত করছি। আরও মনে রাখবেন যে, নিবন্ধের বিষয় অবশ্যই [[উইকিউক্তি:উল্লেখযোগ্যতা|উল্লেখযোগ্য]] হতে হবে এবং [[উইকিউক্তি:নির্ভরযোগ্য উৎস|নির্ভরযোগ্য উৎস]] থেকে তথ্যসূত্রগুলো [[উইকিউক্তি:যাচাইযোগ্যতা|যাচাইযোগ্য]] হওয়া উচিত। যদি ইতিমধ্যে নিবন্ধটি অপসারিত হয়ে থাকে এবং আপনি ভবিষ্যতে এটির উন্নতি করতে এর বিষয়বস্তু ফেরত পেতে চান, তবে দয়া করে যে প্রশাসক এটি অপসারণ করেছেন তার সাথে যোগাযোগ করুন বা [[উইকিউক্তি:প্রশাসকদের আলোচনাসভা|প্রশাসকদের আলোচনাসভায়]] আবেদন করুন। [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:মোহাম্মদ জনি হোসেন|আলাপ]]) ০৬:১৩, ১৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[স্লোভেনিয়া]] ==
পাতার কাঠামো এবং বিষয়বস্তু ঠিক নেই। তাই গৃহীত হয়নি।[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ২০:২৭, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন ==
সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধ পর্যালোচনা শেষে গৃহীত হয়েছে। বিস্তারিত ফলাফল [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|এখানে দেখুন]]। আপনাকে ডিজিটাল সনদ পাঠাতে কিছু তথ্য প্রয়োজন। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSfa6lC5bYLAwTSpiacX75DM3-MsRqv9RmIPPNBtar6q3JGOSA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৬:৫৬, ১৮ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
<!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67749-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন -->
== ক্যারোলিন বার্তোজি ==
[[ক্যারোলিন বার্তোজি]] পাতাটি প্রতিযোগিতার জন্য জমা দেওয়ার জন্য অভিনন্দন। প্রায় সব ঠিক আছে, শুধু বিষয়শ্রেণী অনুবাদ এবং পাতার সংযোগ ও বিন্যাস ঠিক করে দিলেই পাতাটি গ্রহণ করবো। সব ঠিক করে আমাকে মেনশন করে জানান। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৯:১১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32#top|আলাপ]]) ১০:৫৭, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৭:৪৭, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== আলফ্রেড মার্শাল ==
বইয়ের নাম ইংরেজি রাখলে ঠিক আছে। তবে অন্যান্য ক্ষেত্রে ইংরেজি শব্দ দেখতে পাচ্ছি। এছাড়া অপ্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে শব্দের সাথে "-এর" দেখা যাচ্ছে। অনেক জায়গায় এআইয়ের প্রভাব স্পষ্ট। পাতা ঠিকভাবে ফিনিশিং না দিয়ে জমা দিয়েছেন। এগুলো ঠিক করে আমাকে জানান। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৪:৫৭, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] এই পাতাটি ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32#top|আলাপ]]) ১৪:২২, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৪:২৭, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== আনাক্সাগোরাস ==
[[আনাক্সাগোরাস]] পাতাটিতে এআইয়ের সুস্পষ্ট ছাপ বিদ্যমান। এমনটা আমরা একজন প্রতিযোগীর নিকট আশা করিনা। আশাকরি পর্যাপ্ত সম্পাদনা করে সংশোধন করে আমাকে জানাবেন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৩:৪৬, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] পাতাটি ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32#top|আলাপ]]) ১৪:১৫, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] বাধ্য হয়ে আবার ফিরিয়ে দিতে হচ্ছে। সূত্রগুলো যে কিছু কিছু ক্ষেত্রে অসম্পূর্ণ তখন খেয়াল করা হয়নি। সবগুলো উক্তির জন্য উদ্ধৃত সূত্র ইংরেজি পাতার সাথে মিলিয়ে ঠিক করে নিন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৪:২৫, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] দুঃখিত, ভুলক্রমে বাদ পড়ে গিয়েছিল। ঠিক করেছি। এখন দেখুন। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32#top|আলাপ]]) ২১:১০, ২৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২১:১৬, ২৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আপনাকে ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32#top|আলাপ]]) ২১:১৭, ২৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== অনিতা ব্রুকনার ==
[[অনিতা ব্রুকনার]] পাতাটি সম্পাদনা করে উক্তিগুলো আরো প্রাঞ্জল করতে হবে। তবে বাক্যগঠনে যেন বড় রকমের পরিবর্তন না আসে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৩:২৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[অঁতোয়ান লাভোয়াজিয়ে]] ==
[[অঁতোয়ান লাভোয়াজিয়ে]] নিবন্ধের [[অঁতোয়ান লাভোয়াজিয়ে#লাভোয়াজিয়ে সম্পর্কে|লাভোয়াজিয়ে সম্পর্কে]] একটি উক্তি অনুপস্থিত। এবং সূত্রের ফরম্যাটগুলোও ঠিক করে ইংরেজির মতো করে করবেন। অনুগ্রহ করে এই সম্পাদনগুলো করে জানান। ধন্যবাদ! [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ২৩:৪৯, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] পাতাটি ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32#top|আলাপ]]) ০২:২৯, ১২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]]
::*<code><span style="color:red;"><nowiki>** Antoine Lavoisier and [[Benjamin Franklin]], ''Rapport des commissaires chargés par le roi de l'examen du magnétisme animal'' (Imprimerie royale, 1784), trans. [[Stephen Jay Gould]], "The Chain of Reason versus the Chain of Thumbs", ''Bully for Brontosaurus'' (W.W. Norton, 1991), p. 195</nowiki></code> → <code><span style="color:green;"><nowiki>** অঁতোয়ান লাভোয়াজিয়ে এবং বেনজামিন ফ্র্যাঙ্কলিন, ''রাপোর দে কমিজের শার্জে পার ল্য রোয়া দ্য লেকজামেন দ্যু মানিয়েটিজম আনিমাল'' (ইম্প্রিমারি রয়্যাল, ১৭৮৪), অনুবাদ: স্টিফেন জে গুল্ড, "দ্য চেইন অফ রিজন ভার্সাস দ্য চেইন অফ থাম্বস", ''বুলি ফর ব্রন্টোসরাস'' (ডব্লিউ. ডব্লিউ. নর্টন, ১৯৯১), পৃষ্ঠা ১৯৫</nowiki></code>
::*<code><span style="color:red;"><nowiki>** [[w:Madison Smartt Bell|Madison Smartt Bell]], [http://books.google.com/books?id=XPyFm5vePfoC ''Lavoisier in the Year One: The Birth of a New Science in an Age of Revolution''] 2005</nowiki></code> → <code><span style="color:green;"><nowiki>** ম্যাডিসন স্মার্ট বেল, [http://books.google.com/books?id=XPyFm5vePfoC ''লাভোয়াজিয়ে ইন দ্য ইয়ার ওয়ান: দ্য বার্থ অফ এ নিউ সায়েন্স ইন অ্যান এজ অফ রেভোলিউশন''] ২০০৫</nowiki></code>
::এভাবে করুন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ০৮:০২, ১২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32#top|আলাপ]]) ১৪:৩৬, ২৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] প্রথম সূত্র ঠিক করুন, পৃষ্ঠা নং পর্যন্ত উল্লেখ করেননি; কিছু সুত্রে লিংক আছে সেগুলো যোগ করুন।[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ০০:৩৬, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] পাতাটি সংশোধন করেছি।পুনরায় পর্যালোচনা করার অনুরোধ করছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32#top|আলাপ]]) ১৩:৫১, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== ফেদেরিকো ফাগিন ==
[[ফেদেরিকো ফাগিন]] পাতায় উক্তির জন্য উদ্ধৃত সূত্রের শিরোনাম অনুবাদ করার প্রয়োজন নেই, এগুলো যে ভাষায় আছে সেটা রাখুন। উদাহরণ ➤ "কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কি মানুষকে প্রতিস্থাপন করবে? মাইক্রোচিপের জনক ফেদেরিকো ফাজিনের উত্তর" না লিখে "L' intelligenza artificiale sostituirà l'uomo? La risposta di Federico Faggin, padre del microchip" রাখুন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:০৫, ১৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] পাতাটি ঠিক করেছি। আর কোন ভাষাগুলো বা কোন বিষয়গুলো অনুবাদ করতে নাহ? [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32#top|আলাপ]]) ১৩:২০, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] একটা সূত্রের শিরোনাম ঠিক করা বাদ পড়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৭:২৭, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] এখন আবার ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32#top|আলাপ]]) ১৭:৩০, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] গ্রহণ করেছি। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৭:৩৪, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
MD shahidul Islam [[বিশেষ:অবদান/~2026-23710-26|~2026-23710-26]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-23710-26|আলাপ]]) ১৮:৪০, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== ভাকলাভ হাভেল ==
[[ভাকলাভ হাভেল]] পাতায় ফিনিশিং প্রয়োজন। আর কিছু সম্পাদনাও প্রয়োজন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:১৬, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ধন্যবাদ। আমি সংশোধন করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32#top|আলাপ]]) ২২:২৭, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২৩:২৭, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
dve3jdzxeglpduz9on5evmrskx65qgl
83348
83341
2026-05-03T14:01:58Z
SMontaha32
3112
/* অনিতা ব্রুকনার */ উত্তর
83348
wikitext
text/x-wiki
== উইকিউক্তিতে স্বাগত ==
<div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;">
সুপ্রিয় SMontaha32,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন!
* উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন।
** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন।
* উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন।
* পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন।
* পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন।
* [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন!
কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম!
— [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটি]]
</div>
০৭:১৩, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[:অস্ট্রোলিয়া]] পাতার [[উইকিউক্তি:দ্রুত অপসারণ নীতিমালা|দ্রুত অপসারণ]] প্রস্তাবনা ==
[[চিত্র:Ambox warning pn.svg|48px|left|alt=|link=]] আপনি ১৭ এপ্রিল, ২০২৫ তারিখে '''অস্ট্রোলিয়া''' নিবন্ধটি তৈরি করেছেন। নিবন্ধটি উইকিউক্তির দ্রুত অপসারণের বিচারধারা অনুসারে দ্রুত অপসারণ যোগ্য। কারণ:
<center>'''পাতাটিতে কোনো উক্তি নেই'''</center>
আপনি যদি মনে করেন যে এই কারণে পাতাটি অপসারণ করা উচিত নয়, তবে এই অপসারণে আপত্তি জানাতে [[:অস্ট্রোলিয়া|নিবন্ধটিতে গিয়ে]] '''অপসারণে আপত্তি জানান''' লেখার উপর ক্লিক করুন ও সেখানে কারণ ব্যাখ্যা করুন কেন নিবন্ধটি অপসারণ করা উচিত নয়। মনে রাখবেন, কোন নিবন্ধে অপসারণ ট্যাগ করা হলে এবং যদি নিবন্ধটি অপসারণের বিচারাধারার সাথে মিলে যায় তবে কোনও দেরি না করে নিবন্ধটি অপসারণ করা হয়। অনুগ্রহপূর্বক আপনার নিজের তৈরি করা নিবন্ধ থেকে এই বিজ্ঞপ্তিটি সরিয়ে ফেলবেন না, তবে আমরা আপনাকে নিবন্ধটি সম্প্রসারণ করতে উৎসাহিত করছি। আরও মনে রাখবেন যে, নিবন্ধের বিষয় অবশ্যই [[উইকিউক্তি:উল্লেখযোগ্যতা|উল্লেখযোগ্য]] হতে হবে এবং [[উইকিউক্তি:নির্ভরযোগ্য উৎস|নির্ভরযোগ্য উৎস]] থেকে তথ্যসূত্রগুলো [[উইকিউক্তি:যাচাইযোগ্যতা|যাচাইযোগ্য]] হওয়া উচিত। যদি ইতিমধ্যে নিবন্ধটি অপসারিত হয়ে থাকে এবং আপনি ভবিষ্যতে এটির উন্নতি করতে এর বিষয়বস্তু ফেরত পেতে চান, তবে দয়া করে যে প্রশাসক এটি অপসারণ করেছেন তার সাথে যোগাযোগ করুন বা [[উইকিউক্তি:প্রশাসকদের আলোচনাসভা|প্রশাসকদের আলোচনাসভায়]] আবেদন করুন। [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:মোহাম্মদ জনি হোসেন|আলাপ]]) ০৬:১৩, ১৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[স্লোভেনিয়া]] ==
পাতার কাঠামো এবং বিষয়বস্তু ঠিক নেই। তাই গৃহীত হয়নি।[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ২০:২৭, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন ==
সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধ পর্যালোচনা শেষে গৃহীত হয়েছে। বিস্তারিত ফলাফল [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|এখানে দেখুন]]। আপনাকে ডিজিটাল সনদ পাঠাতে কিছু তথ্য প্রয়োজন। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSfa6lC5bYLAwTSpiacX75DM3-MsRqv9RmIPPNBtar6q3JGOSA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৬:৫৬, ১৮ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
<!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67749-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন -->
== ক্যারোলিন বার্তোজি ==
[[ক্যারোলিন বার্তোজি]] পাতাটি প্রতিযোগিতার জন্য জমা দেওয়ার জন্য অভিনন্দন। প্রায় সব ঠিক আছে, শুধু বিষয়শ্রেণী অনুবাদ এবং পাতার সংযোগ ও বিন্যাস ঠিক করে দিলেই পাতাটি গ্রহণ করবো। সব ঠিক করে আমাকে মেনশন করে জানান। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৯:১১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32#top|আলাপ]]) ১০:৫৭, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৭:৪৭, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== আলফ্রেড মার্শাল ==
বইয়ের নাম ইংরেজি রাখলে ঠিক আছে। তবে অন্যান্য ক্ষেত্রে ইংরেজি শব্দ দেখতে পাচ্ছি। এছাড়া অপ্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে শব্দের সাথে "-এর" দেখা যাচ্ছে। অনেক জায়গায় এআইয়ের প্রভাব স্পষ্ট। পাতা ঠিকভাবে ফিনিশিং না দিয়ে জমা দিয়েছেন। এগুলো ঠিক করে আমাকে জানান। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৪:৫৭, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] এই পাতাটি ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32#top|আলাপ]]) ১৪:২২, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৪:২৭, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== আনাক্সাগোরাস ==
[[আনাক্সাগোরাস]] পাতাটিতে এআইয়ের সুস্পষ্ট ছাপ বিদ্যমান। এমনটা আমরা একজন প্রতিযোগীর নিকট আশা করিনা। আশাকরি পর্যাপ্ত সম্পাদনা করে সংশোধন করে আমাকে জানাবেন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৩:৪৬, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] পাতাটি ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32#top|আলাপ]]) ১৪:১৫, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] বাধ্য হয়ে আবার ফিরিয়ে দিতে হচ্ছে। সূত্রগুলো যে কিছু কিছু ক্ষেত্রে অসম্পূর্ণ তখন খেয়াল করা হয়নি। সবগুলো উক্তির জন্য উদ্ধৃত সূত্র ইংরেজি পাতার সাথে মিলিয়ে ঠিক করে নিন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৪:২৫, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] দুঃখিত, ভুলক্রমে বাদ পড়ে গিয়েছিল। ঠিক করেছি। এখন দেখুন। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32#top|আলাপ]]) ২১:১০, ২৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২১:১৬, ২৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আপনাকে ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32#top|আলাপ]]) ২১:১৭, ২৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== অনিতা ব্রুকনার ==
[[অনিতা ব্রুকনার]] পাতাটি সম্পাদনা করে উক্তিগুলো আরো প্রাঞ্জল করতে হবে। তবে বাক্যগঠনে যেন বড় রকমের পরিবর্তন না আসে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৩:২৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] পাতাটি সংশোধন করেছি। পুনরায় পর্যালোচনা করার অনুরোধ করছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32#top|আলাপ]]) ১৪:০১, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[অঁতোয়ান লাভোয়াজিয়ে]] ==
[[অঁতোয়ান লাভোয়াজিয়ে]] নিবন্ধের [[অঁতোয়ান লাভোয়াজিয়ে#লাভোয়াজিয়ে সম্পর্কে|লাভোয়াজিয়ে সম্পর্কে]] একটি উক্তি অনুপস্থিত। এবং সূত্রের ফরম্যাটগুলোও ঠিক করে ইংরেজির মতো করে করবেন। অনুগ্রহ করে এই সম্পাদনগুলো করে জানান। ধন্যবাদ! [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ২৩:৪৯, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] পাতাটি ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32#top|আলাপ]]) ০২:২৯, ১২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]]
::*<code><span style="color:red;"><nowiki>** Antoine Lavoisier and [[Benjamin Franklin]], ''Rapport des commissaires chargés par le roi de l'examen du magnétisme animal'' (Imprimerie royale, 1784), trans. [[Stephen Jay Gould]], "The Chain of Reason versus the Chain of Thumbs", ''Bully for Brontosaurus'' (W.W. Norton, 1991), p. 195</nowiki></code> → <code><span style="color:green;"><nowiki>** অঁতোয়ান লাভোয়াজিয়ে এবং বেনজামিন ফ্র্যাঙ্কলিন, ''রাপোর দে কমিজের শার্জে পার ল্য রোয়া দ্য লেকজামেন দ্যু মানিয়েটিজম আনিমাল'' (ইম্প্রিমারি রয়্যাল, ১৭৮৪), অনুবাদ: স্টিফেন জে গুল্ড, "দ্য চেইন অফ রিজন ভার্সাস দ্য চেইন অফ থাম্বস", ''বুলি ফর ব্রন্টোসরাস'' (ডব্লিউ. ডব্লিউ. নর্টন, ১৯৯১), পৃষ্ঠা ১৯৫</nowiki></code>
::*<code><span style="color:red;"><nowiki>** [[w:Madison Smartt Bell|Madison Smartt Bell]], [http://books.google.com/books?id=XPyFm5vePfoC ''Lavoisier in the Year One: The Birth of a New Science in an Age of Revolution''] 2005</nowiki></code> → <code><span style="color:green;"><nowiki>** ম্যাডিসন স্মার্ট বেল, [http://books.google.com/books?id=XPyFm5vePfoC ''লাভোয়াজিয়ে ইন দ্য ইয়ার ওয়ান: দ্য বার্থ অফ এ নিউ সায়েন্স ইন অ্যান এজ অফ রেভোলিউশন''] ২০০৫</nowiki></code>
::এভাবে করুন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ০৮:০২, ১২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32#top|আলাপ]]) ১৪:৩৬, ২৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] প্রথম সূত্র ঠিক করুন, পৃষ্ঠা নং পর্যন্ত উল্লেখ করেননি; কিছু সুত্রে লিংক আছে সেগুলো যোগ করুন।[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ০০:৩৬, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] পাতাটি সংশোধন করেছি।পুনরায় পর্যালোচনা করার অনুরোধ করছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32#top|আলাপ]]) ১৩:৫১, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== ফেদেরিকো ফাগিন ==
[[ফেদেরিকো ফাগিন]] পাতায় উক্তির জন্য উদ্ধৃত সূত্রের শিরোনাম অনুবাদ করার প্রয়োজন নেই, এগুলো যে ভাষায় আছে সেটা রাখুন। উদাহরণ ➤ "কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কি মানুষকে প্রতিস্থাপন করবে? মাইক্রোচিপের জনক ফেদেরিকো ফাজিনের উত্তর" না লিখে "L' intelligenza artificiale sostituirà l'uomo? La risposta di Federico Faggin, padre del microchip" রাখুন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:০৫, ১৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] পাতাটি ঠিক করেছি। আর কোন ভাষাগুলো বা কোন বিষয়গুলো অনুবাদ করতে নাহ? [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32#top|আলাপ]]) ১৩:২০, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] একটা সূত্রের শিরোনাম ঠিক করা বাদ পড়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৭:২৭, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] এখন আবার ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32#top|আলাপ]]) ১৭:৩০, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] গ্রহণ করেছি। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৭:৩৪, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
MD shahidul Islam [[বিশেষ:অবদান/~2026-23710-26|~2026-23710-26]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-23710-26|আলাপ]]) ১৮:৪০, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== ভাকলাভ হাভেল ==
[[ভাকলাভ হাভেল]] পাতায় ফিনিশিং প্রয়োজন। আর কিছু সম্পাদনাও প্রয়োজন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:১৬, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ধন্যবাদ। আমি সংশোধন করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32#top|আলাপ]]) ২২:২৭, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২৩:২৭, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
8qghp49jmatfbpxhdqjkpyv0cjqkgpd
83363
83348
2026-05-03T20:32:33Z
Mehedi Abedin
50
/* অনিতা ব্রুকনার */ উত্তর
83363
wikitext
text/x-wiki
== উইকিউক্তিতে স্বাগত ==
<div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;">
সুপ্রিয় SMontaha32,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন!
* উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন।
** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন।
* উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন।
* পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন।
* পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন।
* [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন!
কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম!
— [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটি]]
</div>
০৭:১৩, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[:অস্ট্রোলিয়া]] পাতার [[উইকিউক্তি:দ্রুত অপসারণ নীতিমালা|দ্রুত অপসারণ]] প্রস্তাবনা ==
[[চিত্র:Ambox warning pn.svg|48px|left|alt=|link=]] আপনি ১৭ এপ্রিল, ২০২৫ তারিখে '''অস্ট্রোলিয়া''' নিবন্ধটি তৈরি করেছেন। নিবন্ধটি উইকিউক্তির দ্রুত অপসারণের বিচারধারা অনুসারে দ্রুত অপসারণ যোগ্য। কারণ:
<center>'''পাতাটিতে কোনো উক্তি নেই'''</center>
আপনি যদি মনে করেন যে এই কারণে পাতাটি অপসারণ করা উচিত নয়, তবে এই অপসারণে আপত্তি জানাতে [[:অস্ট্রোলিয়া|নিবন্ধটিতে গিয়ে]] '''অপসারণে আপত্তি জানান''' লেখার উপর ক্লিক করুন ও সেখানে কারণ ব্যাখ্যা করুন কেন নিবন্ধটি অপসারণ করা উচিত নয়। মনে রাখবেন, কোন নিবন্ধে অপসারণ ট্যাগ করা হলে এবং যদি নিবন্ধটি অপসারণের বিচারাধারার সাথে মিলে যায় তবে কোনও দেরি না করে নিবন্ধটি অপসারণ করা হয়। অনুগ্রহপূর্বক আপনার নিজের তৈরি করা নিবন্ধ থেকে এই বিজ্ঞপ্তিটি সরিয়ে ফেলবেন না, তবে আমরা আপনাকে নিবন্ধটি সম্প্রসারণ করতে উৎসাহিত করছি। আরও মনে রাখবেন যে, নিবন্ধের বিষয় অবশ্যই [[উইকিউক্তি:উল্লেখযোগ্যতা|উল্লেখযোগ্য]] হতে হবে এবং [[উইকিউক্তি:নির্ভরযোগ্য উৎস|নির্ভরযোগ্য উৎস]] থেকে তথ্যসূত্রগুলো [[উইকিউক্তি:যাচাইযোগ্যতা|যাচাইযোগ্য]] হওয়া উচিত। যদি ইতিমধ্যে নিবন্ধটি অপসারিত হয়ে থাকে এবং আপনি ভবিষ্যতে এটির উন্নতি করতে এর বিষয়বস্তু ফেরত পেতে চান, তবে দয়া করে যে প্রশাসক এটি অপসারণ করেছেন তার সাথে যোগাযোগ করুন বা [[উইকিউক্তি:প্রশাসকদের আলোচনাসভা|প্রশাসকদের আলোচনাসভায়]] আবেদন করুন। [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:মোহাম্মদ জনি হোসেন|আলাপ]]) ০৬:১৩, ১৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[স্লোভেনিয়া]] ==
পাতার কাঠামো এবং বিষয়বস্তু ঠিক নেই। তাই গৃহীত হয়নি।[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ২০:২৭, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন ==
সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধ পর্যালোচনা শেষে গৃহীত হয়েছে। বিস্তারিত ফলাফল [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|এখানে দেখুন]]। আপনাকে ডিজিটাল সনদ পাঠাতে কিছু তথ্য প্রয়োজন। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSfa6lC5bYLAwTSpiacX75DM3-MsRqv9RmIPPNBtar6q3JGOSA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৬:৫৬, ১৮ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
<!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67749-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন -->
== ক্যারোলিন বার্তোজি ==
[[ক্যারোলিন বার্তোজি]] পাতাটি প্রতিযোগিতার জন্য জমা দেওয়ার জন্য অভিনন্দন। প্রায় সব ঠিক আছে, শুধু বিষয়শ্রেণী অনুবাদ এবং পাতার সংযোগ ও বিন্যাস ঠিক করে দিলেই পাতাটি গ্রহণ করবো। সব ঠিক করে আমাকে মেনশন করে জানান। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৯:১১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32#top|আলাপ]]) ১০:৫৭, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৭:৪৭, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== আলফ্রেড মার্শাল ==
বইয়ের নাম ইংরেজি রাখলে ঠিক আছে। তবে অন্যান্য ক্ষেত্রে ইংরেজি শব্দ দেখতে পাচ্ছি। এছাড়া অপ্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে শব্দের সাথে "-এর" দেখা যাচ্ছে। অনেক জায়গায় এআইয়ের প্রভাব স্পষ্ট। পাতা ঠিকভাবে ফিনিশিং না দিয়ে জমা দিয়েছেন। এগুলো ঠিক করে আমাকে জানান। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৪:৫৭, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] এই পাতাটি ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32#top|আলাপ]]) ১৪:২২, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৪:২৭, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== আনাক্সাগোরাস ==
[[আনাক্সাগোরাস]] পাতাটিতে এআইয়ের সুস্পষ্ট ছাপ বিদ্যমান। এমনটা আমরা একজন প্রতিযোগীর নিকট আশা করিনা। আশাকরি পর্যাপ্ত সম্পাদনা করে সংশোধন করে আমাকে জানাবেন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৩:৪৬, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] পাতাটি ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32#top|আলাপ]]) ১৪:১৫, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] বাধ্য হয়ে আবার ফিরিয়ে দিতে হচ্ছে। সূত্রগুলো যে কিছু কিছু ক্ষেত্রে অসম্পূর্ণ তখন খেয়াল করা হয়নি। সবগুলো উক্তির জন্য উদ্ধৃত সূত্র ইংরেজি পাতার সাথে মিলিয়ে ঠিক করে নিন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৪:২৫, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] দুঃখিত, ভুলক্রমে বাদ পড়ে গিয়েছিল। ঠিক করেছি। এখন দেখুন। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32#top|আলাপ]]) ২১:১০, ২৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২১:১৬, ২৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আপনাকে ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32#top|আলাপ]]) ২১:১৭, ২৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== অনিতা ব্রুকনার ==
[[অনিতা ব্রুকনার]] পাতাটি সম্পাদনা করে উক্তিগুলো আরো প্রাঞ্জল করতে হবে। তবে বাক্যগঠনে যেন বড় রকমের পরিবর্তন না আসে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৩:২৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] পাতাটি সংশোধন করেছি। পুনরায় পর্যালোচনা করার অনুরোধ করছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32#top|আলাপ]]) ১৪:০১, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২০:৩২, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[অঁতোয়ান লাভোয়াজিয়ে]] ==
[[অঁতোয়ান লাভোয়াজিয়ে]] নিবন্ধের [[অঁতোয়ান লাভোয়াজিয়ে#লাভোয়াজিয়ে সম্পর্কে|লাভোয়াজিয়ে সম্পর্কে]] একটি উক্তি অনুপস্থিত। এবং সূত্রের ফরম্যাটগুলোও ঠিক করে ইংরেজির মতো করে করবেন। অনুগ্রহ করে এই সম্পাদনগুলো করে জানান। ধন্যবাদ! [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ২৩:৪৯, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] পাতাটি ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32#top|আলাপ]]) ০২:২৯, ১২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]]
::*<code><span style="color:red;"><nowiki>** Antoine Lavoisier and [[Benjamin Franklin]], ''Rapport des commissaires chargés par le roi de l'examen du magnétisme animal'' (Imprimerie royale, 1784), trans. [[Stephen Jay Gould]], "The Chain of Reason versus the Chain of Thumbs", ''Bully for Brontosaurus'' (W.W. Norton, 1991), p. 195</nowiki></code> → <code><span style="color:green;"><nowiki>** অঁতোয়ান লাভোয়াজিয়ে এবং বেনজামিন ফ্র্যাঙ্কলিন, ''রাপোর দে কমিজের শার্জে পার ল্য রোয়া দ্য লেকজামেন দ্যু মানিয়েটিজম আনিমাল'' (ইম্প্রিমারি রয়্যাল, ১৭৮৪), অনুবাদ: স্টিফেন জে গুল্ড, "দ্য চেইন অফ রিজন ভার্সাস দ্য চেইন অফ থাম্বস", ''বুলি ফর ব্রন্টোসরাস'' (ডব্লিউ. ডব্লিউ. নর্টন, ১৯৯১), পৃষ্ঠা ১৯৫</nowiki></code>
::*<code><span style="color:red;"><nowiki>** [[w:Madison Smartt Bell|Madison Smartt Bell]], [http://books.google.com/books?id=XPyFm5vePfoC ''Lavoisier in the Year One: The Birth of a New Science in an Age of Revolution''] 2005</nowiki></code> → <code><span style="color:green;"><nowiki>** ম্যাডিসন স্মার্ট বেল, [http://books.google.com/books?id=XPyFm5vePfoC ''লাভোয়াজিয়ে ইন দ্য ইয়ার ওয়ান: দ্য বার্থ অফ এ নিউ সায়েন্স ইন অ্যান এজ অফ রেভোলিউশন''] ২০০৫</nowiki></code>
::এভাবে করুন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ০৮:০২, ১২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32#top|আলাপ]]) ১৪:৩৬, ২৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] প্রথম সূত্র ঠিক করুন, পৃষ্ঠা নং পর্যন্ত উল্লেখ করেননি; কিছু সুত্রে লিংক আছে সেগুলো যোগ করুন।[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ০০:৩৬, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] পাতাটি সংশোধন করেছি।পুনরায় পর্যালোচনা করার অনুরোধ করছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32#top|আলাপ]]) ১৩:৫১, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== ফেদেরিকো ফাগিন ==
[[ফেদেরিকো ফাগিন]] পাতায় উক্তির জন্য উদ্ধৃত সূত্রের শিরোনাম অনুবাদ করার প্রয়োজন নেই, এগুলো যে ভাষায় আছে সেটা রাখুন। উদাহরণ ➤ "কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কি মানুষকে প্রতিস্থাপন করবে? মাইক্রোচিপের জনক ফেদেরিকো ফাজিনের উত্তর" না লিখে "L' intelligenza artificiale sostituirà l'uomo? La risposta di Federico Faggin, padre del microchip" রাখুন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:০৫, ১৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] পাতাটি ঠিক করেছি। আর কোন ভাষাগুলো বা কোন বিষয়গুলো অনুবাদ করতে নাহ? [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32#top|আলাপ]]) ১৩:২০, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] একটা সূত্রের শিরোনাম ঠিক করা বাদ পড়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৭:২৭, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] এখন আবার ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32#top|আলাপ]]) ১৭:৩০, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] গ্রহণ করেছি। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৭:৩৪, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
MD shahidul Islam [[বিশেষ:অবদান/~2026-23710-26|~2026-23710-26]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-23710-26|আলাপ]]) ১৮:৪০, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== ভাকলাভ হাভেল ==
[[ভাকলাভ হাভেল]] পাতায় ফিনিশিং প্রয়োজন। আর কিছু সম্পাদনাও প্রয়োজন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:১৬, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ধন্যবাদ। আমি সংশোধন করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32#top|আলাপ]]) ২২:২৭, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২৩:২৭, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
kvaxus4uu0x8gciuq097ysr9134b855
জোসেফা ইলোইলো
0
10520
83349
60085
2026-05-03T15:14:18Z
Anaf Ibn Shahibul
4193
/* ১৫ মে ২০০৫, সুভাতে জাতীয় প্রার্থনা দিবসের উদ্বোধনী ভাষণ (উদ্ধৃত অংশ) */
83349
wikitext
text/x-wiki
‘’’[[w:জোসেফা ইলোইলো|জোসেফা ইলোইলোভাতু উলুইভুদা]]’’’, [[w:ফিজির অর্ডার|সিএফ (CF)]], [[w:ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অর্ডার|এমবিই (MBE)]], [[w:ফিজির অর্ডার|এমএসডি (MSD)]], [[w:সেন্ট জনের ভেনারেবল অর্ডার|কেএসটিজে (KStJ)]] (২৯ ডিসেম্বর ১৯২০ – ৬ ফেব্রুয়ারি ২০১১) ছিলেন [[w:ফিজি|ফিজি]]র ২য় [[w:ফিজির রাষ্ট্রপতি|রাষ্ট্রপতি]], যিনি ২০০০ সাল থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন (যদিও ৫ ডিসেম্বর ২০০৬ থেকে ৪ জানুয়ারি ২০০৭ পর্যন্ত এক সংক্ষিপ্ত সময় বাদে)। তিনি ঐতিহ্যবাহী ‘’[[w:তুই ভুদা|তুই ভুদা (Tui Vuda)]]’’ উপাধিধারী ছিলেন, যা [[w:বা প্রদেশ|বা প্রদেশের]] [[w:ভুদা|ভুদা]] জেলার প্রধান বংশীয় নেতার উপাধি; এই অঞ্চল ফিজির উত্তর-পশ্চিম উপকূলে অবস্থিত।
== [http://www.fiji.gov.fj/publish/page_4607.shtml|১৫ মে ২০০৫, সুভাতে জাতীয় প্রার্থনা দিবসের উদ্বোধনী ভাষণ (উদ্ধৃত অংশ)] ==
• “জাতীয় প্রার্থনা দিবস আমাদের জাতি হিসেবে গভীর তাৎপর্য বহন করে। এটি আমাদের পূর্বপুরুষদের সেই পথ স্মরণ করিয়ে দেয় এবং শিক্ষা দেয়, যখন তাঁরা সংকটপূর্ণ সিদ্ধান্তের মুখে ঈশ্বরের প্রজ্ঞার সন্ধান করতেন। এটি আমাদের প্রতি আহ্বান হিসেবে দাঁড়ায়—ঈশ্বরের সামনে নম্রভাবে উপস্থিত হয়ে, আমাদের নেতৃবৃন্দের জন্য তাঁর দিকনির্দেশনা এবং আমাদের জাতির জন্য তাঁর কৃপা প্রার্থনা করা।”
• “আমি … সচেতন যে কিছু মানুষ মনে করেন জাতীয় ঐক্য ত্বরান্বিত করা যায় যেন বোতাম চেপে ফলাফল বের করে আনা যায়, (তবে) আমি আবারও আপনাদের মনে করিয়ে দিতে চাই—সত্যিকারের পুনর্মিলন ও ঐক্য অর্জন একটি দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়া।”
• “আজ সকালের আলোচনায় আমরা বপনের নীতির কথা স্মরণ করি। অর্থাৎ, আপনি যা বপন করবেন তাই ঘরে তুলবেন। যদি আপনি ঐক্য, শান্তি এবং সদিচ্ছার বীজ বপন করেন, তবে আপনি তারই ফলাফল লাভ করবেন। কিন্তু যদি আপনি বিভেদ, ঘৃণা ও অবিচারের বীজ বপন করেন, তবে ভালো ফলাফলের আশা করা যায় না। একটি সুস্থ বৃক্ষ ভালো ফল দেয়, আর অসুস্থ বৃক্ষ থেকে তার বিপরীতই আশা করা যায়।”
• “ঈশ্বরের সংকেত সব সময় আমাদের প্রত্যাশিত রূপে আসে না, তবুও মানুষের গোপন প্রার্থনা—সে তা ঘরে হোক বা এই স্থানে—ঈশ্বর জানেন, শোনেন এবং বোঝেন। কিছু প্রার্থনা আমাদের সারাদিন টিকে থাকতে সাহায্য করে, কিছু প্রার্থনা আমাদের রাত পার করতে সহায়তা করে। বন্ধু এবং অচেনা মানুষের কিছু প্রার্থনা আমাদের যাত্রার জন্য শক্তি যোগায়। আবার কিছু প্রার্থনা আমাদের ইচ্ছাকে এক বৃহত্তর ইচ্ছার কাছে সঁপে দেয়।”
• “ঈশ্বর এই জগতকে নৈতিক নকশা নিয়ে সৃষ্টি করেছেন। শোক, ট্র্যাজেডি ও ঘৃণা কেবল সাময়িক; কিন্তু মঙ্গল, স্মৃতি ও ভালোবাসা চিরন্তন।”
• “বলা হয়, [[দুর্দশা|দুর্দশা]] আমাদের নিজেদের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়। এটি একটি জাতির ক্ষেত্রেও সত্য। আমরা আমাদের জাতীয় চরিত্র দেখতে পাই—যখন আমরা কষ্টের সময়, উৎসবে, এবং ত্যাগের বাগ্মী কর্মকাণ্ডে একত্রিত হই।”
== [[w:গ্রেট কাউন্সিল অব চিফস (ফিজি)|গ্রেট কাউন্সিল অব চিফস]] সভায় উদ্বোধনী ভাষণ, ২৭ জুলাই ২০০৫ (উদ্ধৃত অংশ) ==
• “জাতি আমাদের দিকে চায় শুধুমাত্র ফিজিয়ানদের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি হিসেবে নয়, বরং সমগ্র ফিজির পক্ষে, যাতে আমরা বিভক্ত সমাজকে ঐক্যবদ্ধ করতে এবং স্থিতিশীলতা ও সদিচ্ছা প্রচারে সহায়তা করতে পারি।”
• “আমাদের এখানে ডাকা হয়েছে আমাদের দেশের এক সংকটময় মুহূর্তে।”
• “সম্ভবত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—আমরা অবশ্যই দেখিয়ে যেতে থাকব যে, আমরা যে ব্যবস্থার প্রতিনিধিত্ব করছি তা এই ব্যাপক পরিবর্তনের যুগে এখনও প্রাসঙ্গিক। আমাদের আদিবাসী ঐতিহ্যের মাধ্যমে পাওয়া উপাধি ফিজিয়ান পরিচয়, সংস্কৃতি এবং ভানুয়ার (ভূমি ও জনগণের ঐক্য) সার্বভৌমত্বকে তুলে ধরে। প্রধান, জমি ও জনগণ—এই তিনটি একটি ঐক্যবদ্ধ সত্তা। এটাই ফিজিয়ান সম্প্রদায়কে একত্রে ধরে রাখে। এবং এখন, আগের যেকোনও সময়ের চেয়ে বেশি, আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যে এই ধারণাটি সংরক্ষিত থাকবে এবং ২১শ শতকের জন্য উপযোগীভাবে রূপান্তরিত হবে।”
• “আমরা কখনোই ভুলে যাব না রাতু সুকুনার সেই সতর্কবাণী, যেখানে তিনি বলেছিলেন—যদি প্রধানেরা শুধুই অলংকারে পরিণত হন, তবে তাঁদের আর কোনো ভবিষ্যৎ নেই।”
• “আমাদের নিজেদের জনগণকে সঠিক পথে পরিচালনার পরামর্শ দেওয়ার আগে আমাদের নিজেদের যথাযথ জ্ঞান ও সচেতনতা অর্জন করতে হবে, যাতে আমরা এই দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে পারি। যদি আমাদের কাছে এই জ্ঞান না থাকে, তবে আমরা নেতৃত্ব দিতে পারব না।”
• “যখন ঐতিহ্যগত পদমর্যাদার পাশাপাশি নেতৃত্বদানের দক্ষতা আমাদের মধ্যে থাকে, তখনই আমরা প্রয়োজনীয় অনুপ্রেরণা, উৎসাহ এবং দিকনির্দেশনা দিতে প্রস্তুত থাকি, যেটা জাতি আমাদের কাছ থেকে প্রত্যাশা করে। তখন ‘ভাকাতুরাগা’ (প্রথাগত প্রধানের পথ) ফিজিয়ান সংস্কৃতিতে তার প্রকৃত অবস্থান ধরে রাখতে পারবে এই নতুন সহস্রাব্দেও।”
• “ফিজিয়ান জাতিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে যা কিছু করতে হবে, তার প্রতি আমাদের দৃষ্টি ও মনোযোগ আকর্ষণকারী অনেক কিছুই আছে।”
== [[w:ফিজি পার্লামেন্ট|পার্লামেন্ট]] উদ্বোধনী ভাষণ, ১ আগস্ট ২০০৫ (উদ্ধৃতাংশ) ==
• “আমি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে স্বাগত জানাই, যা সমাজের সকল স্তরের মানুষকে [[w:ফিজির পুনর্মিলন ও ঐক্য কমিশন|প্রস্তাবিত আইন]] সম্পর্কে তাঁদের মত প্রকাশের সুযোগ করে দিয়েছে। এই বিতর্কই জাতিকে বোঝাতে সাহায্য করছে যে পুনর্মিলন একটি কঠিন কিন্তু অপরিহার্য প্রক্রিয়া।” ‘’(২০০০ সালের [[w:ফিজি অভ্যুত্থান|রাজনৈতিক অস্থিরতা]]-র শিকার ও দোষীদের জন্য ক্ষতিপূরণ এবং ক্ষমার ব্যবস্থা করতে সরকারের বিতর্কিত কমিশন গঠনের পরিকল্পনা প্রসঙ্গে)।’’
• “সংসদ সদস্য হিসেবে আপনাদের উচিত সংবেদনশীল বিষয়ে মতামত প্রদানকালে বিবেককে অনুসরণ করা এবং বিভাজনমূলক জাতিগত মন্তব্যে প্রভাবিত না হওয়া, যা আমাদের সংসদের বিতর্কে এক সাধারণ ও দুর্ভাগ্যজনক বৈশিষ্ট্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।”
• “আমরা আশা করি এবং প্রার্থনা করি, আজ ও ভবিষ্যতে আমাদের প্রচেষ্টার মাধ্যমে এই মর্যাদাপূর্ণ সংসদে বিতর্কের মান আরও উন্নত হবে, যাতে দেশ শান্তি, সম্প্রীতি এবং সকল জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে পুনর্মিলনের পথে এগিয়ে যেতে পারে।”
• “আমরা, এই দেশের নাগরিকরা, পূর্বে সংসদকে ঈশ্বরের উদ্দেশ্যে উৎসর্গ না করার যে অবহেলা করেছি, তা সংশোধন করা প্রয়োজন। আমাদের উচিত সংসদ এবং যাঁরা এর মাধ্যমে সেবা দিচ্ছেন তাঁদেরকে আমাদের স্বর্গীয় পিতার উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করা, যিনি আমাদের দৈনন্দিন সিদ্ধান্ত ও কর্মকাণ্ডে পরিচালনা ও দিকনির্দেশনা দেন।”
== [[w:ফিজি সপ্তাহ, ২০০৫|ফিজি দিবস]] ভাষণ, ১০ অক্টোবর ২০০৫ (উদ্ধৃতাংশ) ==
• “আমাদের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অগ্রগতি আরও সুদৃঢ় করাটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা কেবল তখনই তা অর্জন করতে পারব, যদি আমরা অতীতের মুখোমুখি হওয়ার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করি—যাতে যাঁরা নিপীড়নের শিকার হয়েছেন তাঁদের জন্য স্বস্তি ও মর্যাদা নিশ্চিত করা যায় এবং সেই যন্ত্রণা স্বীকৃত হয়। আমাদের অভিজ্ঞতার মূল কারণকেও কার্যকরভাবে মোকাবিলা করতে হবে, এবং এ কাজে সমাজের সকল স্তরের মানুষের অংশগ্রহণ জরুরি।”
• “এটি কেবল নির্দিষ্ট ঘটনাগুলির শিকারদের চিহ্নিত করার বিষয়ে নয়, বরং এটি স্বীকার করাও জরুরি যে আরও অনেকে আছেন যাঁরা নিজেদেরও ভুক্তভোগী বলে মনে করেন। আমাদের জরুরি ভিত্তিতে এমন ব্যবস্থা প্রয়োজন, যাতে মতপার্থক্য তৈরি হওয়ার সাথে সাথেই তা মোকাবিলা করা যায়—কারণ আমরা একসাথে এগিয়ে যেতে চাই।”
• “আমাদের থেমে গিয়ে গণতান্ত্রিক সমাজের এই আদর্শগুলোর প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ হওয়া প্রয়োজন। আজকের দিনটি আমাদের স্বাধীনতার সেই অসাধারণ অনুভূতিগুলো উদযাপন করার দিন। এই স্বাধীনতাগুলোর প্রতি আমাদের অঙ্গীকার থাকতে হবে—তেমনি এই স্বাধীনতার সাথে যে দায়িত্বও জড়িত, তাও আমাদের স্বীকার করতে হবে।”
• “অসামঞ্জস্যতা ও দ্বন্দ্ব সবার জন্যই কেবল ক্ষতির এবং দুঃখের কারণ। আজ আমরা আবারও ঐক্যবদ্ধভাবে একটি আরও শক্তিশালী জাতির দিকে এগিয়ে যাওয়ার সংকল্প করছি।”
• “আমাদের জরুরি ভিত্তিতে এমন ব্যবস্থার প্রয়োজন যা উদ্ভূত মতপার্থক্যগুলো মোকাবিলা করতে পারে, কারণ আমরা একসাথে এগিয়ে যেতে চাই। আজ থেকেই আমাদের এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে যে আমরা ব্যক্তি হিসেবে, পরিবার হিসেবে এবং সমাজ হিসেবে পরিবর্তন আনার চেষ্টা করব। এবং আমরা একা একা এটি করতে পারি না—আমাদের অন্যদের সাহায্য দরকার এবং তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো আমাদের কর্মকাণ্ডে প্রজ্ঞা ও ঈশ্বরীয় হস্তক্ষেপের প্রয়োজন।”
{{wikipedia|Josefa Iloilo}}
{{DEFAULTSORT:Iloilo, Josefa}}
[[বিষয়শ্রেণী:ফিজির রাষ্ট্রপতিরা]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯২০ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:২০১১ মৃত্যু]]
4uv9t5f0zp4tz7dclh6r50tda5qcsei
83350
83349
2026-05-03T15:14:57Z
Anaf Ibn Shahibul
4193
[[Special:Contributions/Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] ([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|আলাপ]])-এর সম্পাদিত [[Special:Diff/83349|83349]] নম্বর সংশোধনটি বাতিল করা হয়েছে
83350
wikitext
text/x-wiki
‘’’[[w:জোসেফা ইলোইলো|জোসেফা ইলোইলোভাতু উলুইভুদা]]’’’, [[w:ফিজির অর্ডার|সিএফ (CF)]], [[w:ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অর্ডার|এমবিই (MBE)]], [[w:ফিজির অর্ডার|এমএসডি (MSD)]], [[w:সেন্ট জনের ভেনারেবল অর্ডার|কেএসটিজে (KStJ)]] (২৯ ডিসেম্বর ১৯২০ – ৬ ফেব্রুয়ারি ২০১১) ছিলেন [[w:ফিজি|ফিজি]]র ২য় [[w:ফিজির রাষ্ট্রপতি|রাষ্ট্রপতি]], যিনি ২০০০ সাল থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন (যদিও ৫ ডিসেম্বর ২০০৬ থেকে ৪ জানুয়ারি ২০০৭ পর্যন্ত এক সংক্ষিপ্ত সময় বাদে)। তিনি ঐতিহ্যবাহী ‘’[[w:তুই ভুদা|তুই ভুদা (Tui Vuda)]]’’ উপাধিধারী ছিলেন, যা [[w:বা প্রদেশ|বা প্রদেশের]] [[w:ভুদা|ভুদা]] জেলার প্রধান বংশীয় নেতার উপাধি; এই অঞ্চল ফিজির উত্তর-পশ্চিম উপকূলে অবস্থিত।
== [http://www.fiji.gov.fj/publish/page_4607.shtml ১৫ মে ২০০৫, সুভাতে জাতীয় প্রার্থনা দিবসের উদ্বোধনী ভাষণ (উদ্ধৃত অংশ)] ==
• “জাতীয় প্রার্থনা দিবস আমাদের জাতি হিসেবে গভীর তাৎপর্য বহন করে। এটি আমাদের পূর্বপুরুষদের সেই পথ স্মরণ করিয়ে দেয় এবং শিক্ষা দেয়, যখন তাঁরা সংকটপূর্ণ সিদ্ধান্তের মুখে ঈশ্বরের প্রজ্ঞার সন্ধান করতেন। এটি আমাদের প্রতি আহ্বান হিসেবে দাঁড়ায়—ঈশ্বরের সামনে নম্রভাবে উপস্থিত হয়ে, আমাদের নেতৃবৃন্দের জন্য তাঁর দিকনির্দেশনা এবং আমাদের জাতির জন্য তাঁর কৃপা প্রার্থনা করা।”
• “আমি … সচেতন যে কিছু মানুষ মনে করেন জাতীয় ঐক্য ত্বরান্বিত করা যায় যেন বোতাম চেপে ফলাফল বের করে আনা যায়, (তবে) আমি আবারও আপনাদের মনে করিয়ে দিতে চাই—সত্যিকারের পুনর্মিলন ও ঐক্য অর্জন একটি দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়া।”
• “আজ সকালের আলোচনায় আমরা বপনের নীতির কথা স্মরণ করি। অর্থাৎ, আপনি যা বপন করবেন তাই ঘরে তুলবেন। যদি আপনি ঐক্য, শান্তি এবং সদিচ্ছার বীজ বপন করেন, তবে আপনি তারই ফলাফল লাভ করবেন। কিন্তু যদি আপনি বিভেদ, ঘৃণা ও অবিচারের বীজ বপন করেন, তবে ভালো ফলাফলের আশা করা যায় না। একটি সুস্থ বৃক্ষ ভালো ফল দেয়, আর অসুস্থ বৃক্ষ থেকে তার বিপরীতই আশা করা যায়।”
• “ঈশ্বরের সংকেত সব সময় আমাদের প্রত্যাশিত রূপে আসে না, তবুও মানুষের গোপন প্রার্থনা—সে তা ঘরে হোক বা এই স্থানে—ঈশ্বর জানেন, শোনেন এবং বোঝেন। কিছু প্রার্থনা আমাদের সারাদিন টিকে থাকতে সাহায্য করে, কিছু প্রার্থনা আমাদের রাত পার করতে সহায়তা করে। বন্ধু এবং অচেনা মানুষের কিছু প্রার্থনা আমাদের যাত্রার জন্য শক্তি যোগায়। আবার কিছু প্রার্থনা আমাদের ইচ্ছাকে এক বৃহত্তর ইচ্ছার কাছে সঁপে দেয়।”
• “ঈশ্বর এই জগতকে নৈতিক নকশা নিয়ে সৃষ্টি করেছেন। শোক, ট্র্যাজেডি ও ঘৃণা কেবল সাময়িক; কিন্তু মঙ্গল, স্মৃতি ও ভালোবাসা চিরন্তন।”
• “বলা হয়, [[দুর্দশা|দুর্দশা]] আমাদের নিজেদের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়। এটি একটি জাতির ক্ষেত্রেও সত্য। আমরা আমাদের জাতীয় চরিত্র দেখতে পাই—যখন আমরা কষ্টের সময়, উৎসবে, এবং ত্যাগের বাগ্মী কর্মকাণ্ডে একত্রিত হই।”
== [[w:গ্রেট কাউন্সিল অব চিফস (ফিজি)|গ্রেট কাউন্সিল অব চিফস]] সভায় উদ্বোধনী ভাষণ, ২৭ জুলাই ২০০৫ (উদ্ধৃত অংশ) ==
• “জাতি আমাদের দিকে চায় শুধুমাত্র ফিজিয়ানদের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি হিসেবে নয়, বরং সমগ্র ফিজির পক্ষে, যাতে আমরা বিভক্ত সমাজকে ঐক্যবদ্ধ করতে এবং স্থিতিশীলতা ও সদিচ্ছা প্রচারে সহায়তা করতে পারি।”
• “আমাদের এখানে ডাকা হয়েছে আমাদের দেশের এক সংকটময় মুহূর্তে।”
• “সম্ভবত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—আমরা অবশ্যই দেখিয়ে যেতে থাকব যে, আমরা যে ব্যবস্থার প্রতিনিধিত্ব করছি তা এই ব্যাপক পরিবর্তনের যুগে এখনও প্রাসঙ্গিক। আমাদের আদিবাসী ঐতিহ্যের মাধ্যমে পাওয়া উপাধি ফিজিয়ান পরিচয়, সংস্কৃতি এবং ভানুয়ার (ভূমি ও জনগণের ঐক্য) সার্বভৌমত্বকে তুলে ধরে। প্রধান, জমি ও জনগণ—এই তিনটি একটি ঐক্যবদ্ধ সত্তা। এটাই ফিজিয়ান সম্প্রদায়কে একত্রে ধরে রাখে। এবং এখন, আগের যেকোনও সময়ের চেয়ে বেশি, আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যে এই ধারণাটি সংরক্ষিত থাকবে এবং ২১শ শতকের জন্য উপযোগীভাবে রূপান্তরিত হবে।”
• “আমরা কখনোই ভুলে যাব না রাতু সুকুনার সেই সতর্কবাণী, যেখানে তিনি বলেছিলেন—যদি প্রধানেরা শুধুই অলংকারে পরিণত হন, তবে তাঁদের আর কোনো ভবিষ্যৎ নেই।”
• “আমাদের নিজেদের জনগণকে সঠিক পথে পরিচালনার পরামর্শ দেওয়ার আগে আমাদের নিজেদের যথাযথ জ্ঞান ও সচেতনতা অর্জন করতে হবে, যাতে আমরা এই দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে পারি। যদি আমাদের কাছে এই জ্ঞান না থাকে, তবে আমরা নেতৃত্ব দিতে পারব না।”
• “যখন ঐতিহ্যগত পদমর্যাদার পাশাপাশি নেতৃত্বদানের দক্ষতা আমাদের মধ্যে থাকে, তখনই আমরা প্রয়োজনীয় অনুপ্রেরণা, উৎসাহ এবং দিকনির্দেশনা দিতে প্রস্তুত থাকি, যেটা জাতি আমাদের কাছ থেকে প্রত্যাশা করে। তখন ‘ভাকাতুরাগা’ (প্রথাগত প্রধানের পথ) ফিজিয়ান সংস্কৃতিতে তার প্রকৃত অবস্থান ধরে রাখতে পারবে এই নতুন সহস্রাব্দেও।”
• “ফিজিয়ান জাতিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে যা কিছু করতে হবে, তার প্রতি আমাদের দৃষ্টি ও মনোযোগ আকর্ষণকারী অনেক কিছুই আছে।”
== [[w:ফিজি পার্লামেন্ট|পার্লামেন্ট]] উদ্বোধনী ভাষণ, ১ আগস্ট ২০০৫ (উদ্ধৃতাংশ) ==
• “আমি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে স্বাগত জানাই, যা সমাজের সকল স্তরের মানুষকে [[w:ফিজির পুনর্মিলন ও ঐক্য কমিশন|প্রস্তাবিত আইন]] সম্পর্কে তাঁদের মত প্রকাশের সুযোগ করে দিয়েছে। এই বিতর্কই জাতিকে বোঝাতে সাহায্য করছে যে পুনর্মিলন একটি কঠিন কিন্তু অপরিহার্য প্রক্রিয়া।” ‘’(২০০০ সালের [[w:ফিজি অভ্যুত্থান|রাজনৈতিক অস্থিরতা]]-র শিকার ও দোষীদের জন্য ক্ষতিপূরণ এবং ক্ষমার ব্যবস্থা করতে সরকারের বিতর্কিত কমিশন গঠনের পরিকল্পনা প্রসঙ্গে)।’’
• “সংসদ সদস্য হিসেবে আপনাদের উচিত সংবেদনশীল বিষয়ে মতামত প্রদানকালে বিবেককে অনুসরণ করা এবং বিভাজনমূলক জাতিগত মন্তব্যে প্রভাবিত না হওয়া, যা আমাদের সংসদের বিতর্কে এক সাধারণ ও দুর্ভাগ্যজনক বৈশিষ্ট্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।”
• “আমরা আশা করি এবং প্রার্থনা করি, আজ ও ভবিষ্যতে আমাদের প্রচেষ্টার মাধ্যমে এই মর্যাদাপূর্ণ সংসদে বিতর্কের মান আরও উন্নত হবে, যাতে দেশ শান্তি, সম্প্রীতি এবং সকল জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে পুনর্মিলনের পথে এগিয়ে যেতে পারে।”
• “আমরা, এই দেশের নাগরিকরা, পূর্বে সংসদকে ঈশ্বরের উদ্দেশ্যে উৎসর্গ না করার যে অবহেলা করেছি, তা সংশোধন করা প্রয়োজন। আমাদের উচিত সংসদ এবং যাঁরা এর মাধ্যমে সেবা দিচ্ছেন তাঁদেরকে আমাদের স্বর্গীয় পিতার উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করা, যিনি আমাদের দৈনন্দিন সিদ্ধান্ত ও কর্মকাণ্ডে পরিচালনা ও দিকনির্দেশনা দেন।”
== [[w:ফিজি সপ্তাহ, ২০০৫|ফিজি দিবস]] ভাষণ, ১০ অক্টোবর ২০০৫ (উদ্ধৃতাংশ) ==
• “আমাদের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অগ্রগতি আরও সুদৃঢ় করাটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা কেবল তখনই তা অর্জন করতে পারব, যদি আমরা অতীতের মুখোমুখি হওয়ার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করি—যাতে যাঁরা নিপীড়নের শিকার হয়েছেন তাঁদের জন্য স্বস্তি ও মর্যাদা নিশ্চিত করা যায় এবং সেই যন্ত্রণা স্বীকৃত হয়। আমাদের অভিজ্ঞতার মূল কারণকেও কার্যকরভাবে মোকাবিলা করতে হবে, এবং এ কাজে সমাজের সকল স্তরের মানুষের অংশগ্রহণ জরুরি।”
• “এটি কেবল নির্দিষ্ট ঘটনাগুলির শিকারদের চিহ্নিত করার বিষয়ে নয়, বরং এটি স্বীকার করাও জরুরি যে আরও অনেকে আছেন যাঁরা নিজেদেরও ভুক্তভোগী বলে মনে করেন। আমাদের জরুরি ভিত্তিতে এমন ব্যবস্থা প্রয়োজন, যাতে মতপার্থক্য তৈরি হওয়ার সাথে সাথেই তা মোকাবিলা করা যায়—কারণ আমরা একসাথে এগিয়ে যেতে চাই।”
• “আমাদের থেমে গিয়ে গণতান্ত্রিক সমাজের এই আদর্শগুলোর প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ হওয়া প্রয়োজন। আজকের দিনটি আমাদের স্বাধীনতার সেই অসাধারণ অনুভূতিগুলো উদযাপন করার দিন। এই স্বাধীনতাগুলোর প্রতি আমাদের অঙ্গীকার থাকতে হবে—তেমনি এই স্বাধীনতার সাথে যে দায়িত্বও জড়িত, তাও আমাদের স্বীকার করতে হবে।”
• “অসামঞ্জস্যতা ও দ্বন্দ্ব সবার জন্যই কেবল ক্ষতির এবং দুঃখের কারণ। আজ আমরা আবারও ঐক্যবদ্ধভাবে একটি আরও শক্তিশালী জাতির দিকে এগিয়ে যাওয়ার সংকল্প করছি।”
• “আমাদের জরুরি ভিত্তিতে এমন ব্যবস্থার প্রয়োজন যা উদ্ভূত মতপার্থক্যগুলো মোকাবিলা করতে পারে, কারণ আমরা একসাথে এগিয়ে যেতে চাই। আজ থেকেই আমাদের এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে যে আমরা ব্যক্তি হিসেবে, পরিবার হিসেবে এবং সমাজ হিসেবে পরিবর্তন আনার চেষ্টা করব। এবং আমরা একা একা এটি করতে পারি না—আমাদের অন্যদের সাহায্য দরকার এবং তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো আমাদের কর্মকাণ্ডে প্রজ্ঞা ও ঈশ্বরীয় হস্তক্ষেপের প্রয়োজন।”
{{wikipedia|Josefa Iloilo}}
{{DEFAULTSORT:Iloilo, Josefa}}
[[বিষয়শ্রেণী:ফিজির রাষ্ট্রপতিরা]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯২০ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:২০১১ মৃত্যু]]
9bpx7rmhc2g2n7eb5dd2ntmrq7iud7b
উইকিউক্তি আলোচনা:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬
5
11851
83375
82778
2026-05-04T04:44:55Z
Kh. Fahim
4705
/* পুনর্বিবেচনা */ নতুন অনুচ্ছেদ
83375
wikitext
text/x-wiki
{{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=500x}}
{{আলাপ পাতা}}
== "Misattributed" শিরোনাম ==
"Misattributed" শিরোনামের অংশগুলোও কি অনুবাদ করতে হবে? উদাহরণস্বরূপ: [[:en:Ibrahim Traoré]], এইখানে "Misattributed" শিরোনামের একটা সেকশন আছে, অর্থাৎ সেখানের উক্তিগুলো সম্পূর্ণরূপে সঠিক নাও হতে পারে। এক্ষেত্রে কি এই সেকশনও অনুবাদ করবো? নাকি উপেক্ষা করবো?? ধন্যবাদ ~ [[ব্যবহারকারী:Raihanur|Raihanur]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Raihanur|আলাপ]]) ২১:২১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:এইখানে উক্তিগুলো মিথ্যাও হতে পারে। সঠিক প্রমাণ নেই এখনো। আপনি আপনার নজরতালিকায় ঐ পাতাটি রেখে দিতে পারেন এবং পরবর্তীতে অনুবাদ করে দিতে পারেন যদি সত্যতা যাচাই হয়। [[ব্যবহারকারী:JIBON|মানিক]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:JIBON|আলাপ]]) ১৫:৫২, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Raihanur|Raihanur]] যুক্ত করা যেতে পারে। বিস্তারিত দেখুন: [[উইকিউক্তি:উদ্ধৃতিযুক্ত ও উদ্ধৃতিবিহীন অনুচ্ছেদ#ভুলভাবে আরোপিত]]। ― <span style="color:white; background-color:red;"> ☪ </span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৪:২৪, ২৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== বাংলা উক্তিতে ইংরেজি শব্দ ==
বাংলা উক্তির মধ্যে ইংরেজি হরফে ইংরেজি শব্দ থাকলে কী করব? অনুবাদ করব, নাকি প্রতিবর্ণীকরণ করব, নাকি ঐ রকমই রেখে দেব? [[ব্যবহারকারী আলাপ:Nil Nandy|নীল নন্দী]] ১২:৫৯, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Nil Nandy|Nil Nandy]] প্রতিবর্ণীকরণ করুন। যদি একটি সম্পূর্ণ বাক্য থাকে, যেমন আছে তেমন রেখে দিন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ২২:২৮, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পুনর্বিবেচনা ==
আমার তৈরিকৃত "মিসির আলি" পাতার কাঠামো ঠিক ছিল না বিধায় গৃহীত হয়েছিল না। পরবর্তীতে সম্পাদনা করে কাঠামো ঠিক করেছি। এই লিঙ্কে https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%B0_%E0%A6%86%E0%A6%B2%E0%A6%BF সম্পাদনার পরবর্তী অবস্থা দেখতে পাচ্ছি। অনুগ্রহ করে পুনর্বিবেচনা করবেন।
[[ব্যবহারকারী:Kh. Fahim|Kh. Fahim]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Kh. Fahim|আলাপ]]) ০৪:৪৪, ৪ মে ২০২৬ (ইউটিসি)খঃ ফাহিম, ১০:৪৫ p.m.
81p528y7y1r336a512kefojk3b5b7ft
ব্যবহারকারী:ARI/খেলাঘর
2
11860
83366
83308
2026-05-03T22:42:00Z
ARI
356
/* উইকিউক্তি ফলাফল ২০২৬ */ ; হালনাগাদ
83366
wikitext
text/x-wiki
----
সর্বশেষ হালনাগাদ - ০৩:০৩, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
----
==উইকিউক্তি ফলাফল ২০২৬==
{| class="wikitable sortable"
|-
! ক্রম
! ব্যবহারকারী
! নিবন্ধ
! মোট শব্দ
! বিস্তারিত
|-
| '''১'''
| '''Dr. Mosaddek Khondoker'''
| '''১৯'''
| '''৪,০৪,৫৭৫'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৪,০৪,৫৭৫<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| '''২'''
| '''ARI'''
| '''২৮'''
| '''৩,১৪,৮৯৭'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৩,১২,২১২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২,৬৮৫
</div>
|-
| '''৩'''
| '''NusJaS'''
| '''১০'''
| '''২,৫৯,৯৪২'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,৫৯,৯৪২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| '''৪'''
| '''Tuhin'''
| '''২৮০'''
| '''৩,০১,৮৭২'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,৫৮,০৩৩<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪৩,৮৩৯
</div>
|-
| '''৫'''
| '''SMontaha32'''
| '''৩৭'''
| '''২,৩৯,৫৫৫'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,১৮,৯৯২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২০,৫৬৩
</div>
|-
| '''৬'''
| '''Oindrojalik Watch'''
| '''২৯'''
| '''১,৯৯,৯৪২'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১,৯০,০৭১<br>
অপর্যালোচিত: ৯,৮৭১<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| '''৭'''
| '''Sumanta3023'''
| '''১১০'''
| '''১,২২,৫০০'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৯৭,৪২১<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২৫,০৭৯
</div>
|-
| '''৮'''
| '''Anik Kanti Dey'''
| '''৩৪'''
| '''১,০৪,৬৪১'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৯৩,৮৬৪<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১০,৭৭৭
</div>
|-
| '''৯'''
| '''Tanbiruzzaman'''
| '''২১'''
| '''৮০,৭২৪'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৮০,৭২৪<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| '''১০'''
| '''Nil Nandy'''
| '''২৭'''
| '''৭৪,২৬৭'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৭৪,২৬৭<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ১১
| R1F4T
| ২২
| ২,৮৫,২৭৫
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৬৩,৯৫১<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২,২১,৩২৪
</div>
|-
| ১২
| Salil Kumar Mukherjee
| ২৭
| ৪২,২০৬
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৩০,৯১৫<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১১,২৯১
</div>
|-
| ১৩
| Anaf Ibn Shahibul
| ৪৭
| ৫৬,৫৮১
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১৯,৩৪৬<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৩৭,২৩৫
</div>
|-
| ১৪
| মোহাম্মদ জনি হোসেন
| ২৫
| ৮,১২৩
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৫,৪৭২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২,৬৫১
</div>
|-
| ১৫
| JIBON
| ৫
| ৫,৫৫৪
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৪,৭৩২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৮২২
</div>
|-
| ১৬
| Md. Muqtadir Fuad
| ১১
| ৪,০২৯
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৪,০২৯<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ১৭
| Humaira.thithi
| ৮
| ৩,৭১০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,৭৮৭<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৯২৩
</div>
|-
| ১৮
| Amirhusenjihed
| ৩
| ৩,০৬৪
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,৫৬৯<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪৯৫
</div>
|-
| ১৯
| Asikur Rahman
| ৬
| ২,২২৯
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,২২৯<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২০
| Rasel Mehedi
| ১০
| ২,৪৬৮
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,২২২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২৪৬
</div>
|-
| ২১
| Mahiya50
| ৬
| ২,১৯০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,১৯০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২২
| Borhan
| ৬
| ১,৬৬২
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১,৬৬২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২৩
| Raihanur
| ৪
| ৫,৬৭৪
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১,৫৪২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪,১৩২
</div>
|-
| ২৪
| Muhammad Fahim Faisal
| ৬
| ১,৪৯৮
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১,৪৯৮<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২৫
| Firuz Ahmmed
| ৪
| ২,১৯৭
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১,১১৭<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১,০৮০
</div>
|-
| ২৬
| নিয়াজ ইসলাম
| ২
| ৭৫৬
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৭৫৬<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২৭
| Asad.fr
| ৩
| ৩,২৯৯
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৩৬৪<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২,৯৩৫
</div>
|-
| ২৮
| Mehedi Abedin
| ১
| ৩৫২
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৩৫২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২৯
| Md. Rayan Alam Rifat
| ১
| ১৮০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১৮০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ৩০
| Siyan BD
| ১২
| ১,৫৩৬
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১৬১<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১,৩৭৫
</div>
|-
| ৩১
| Dewan mahbubr Rahman
| ১
| ৩৫০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৩৫০
</div>
|-
| ৩২
| ExceptionistSagar
| ১
| ১৭৯
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১৭৯
</div>
|-
| ৩৩
| Kh. Fahim
| ১
| ৪০৬
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪০৬
</div>
|-
| ৩৪
| Trisha Mazumder
| ১
| ০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ৩৫
| MdMarufHossen71
| ২
| ৪৯৮
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪৯৮
</div>
|-
| ৩৬
| Usarker
| ৩
| ১,৪৩৮
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১,৪৩৮
</div>
|-
| ৩৭
| রাকিবুল হাসান রাসেল
| ১
| ০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ৩৮
| MD RADWAN ISLAM
| ৬
| ২৭৪
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২৭৪
</div>
|-
| ৩৯
| AKM Mahinur Rahman
| ২
| ৪১৯
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪১৯
</div>
|-
| ৪০
| MD RADWAN ISLAM ROHAN
| ৫
| ৬১৫
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৬১৫
</div>
|-
| ৪১
| ShahinurWrites
| ১
| ০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ৪২
| Abdullah Al Shishir
| ১
| ০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ৪৩
| চ্যাম্পিয়ন স্টার ১
| ১
| ৩১২
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৩১২
</div>
|}
== পর্যালোচক পরিসংখ্যান ==
; পর্যালোচক
{| class="wikitable"
|-
! ক্রম !! নাম !! মোট !! গৃহীত !! বাতিল
|-
| '''১''' || '''Mehedi Abedin''' || '''২৭৫''' || ২৩৮ || ৩৭
|-
| '''২''' || '''NusJaS''' || '''১৯৩''' || ১৬০ || ৩৩
|-
| '''৩''' || '''MS Sakib''' || '''১৮১''' || ১৪৮ || ৩৩
|-
| '''৪''' || '''ARI''' || '''১৬২''' || ১৩৩ || ২৯
|-
| '''৫''' || '''MdsShakil''' || '''৪০''' || ৩৮ || ২
|-
| '''৬''' || '''Tahmid''' || '''১৪''' || ১০ || ৪
|-
| '''৭''' || '''Yahya''' || '''৫''' || ৪ || ১
|-
! মোট || || ৮৭০ || ৭৩১ || ১৩৯
|}
== ব্যবহারকারী ভিত্তিক পরিসংখ্যান ==
=== [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker| Dr. Mosaddek Khondoker]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্পর্কে উক্তি]] || ৩৯,৩০৩ || ✓
|-
| 2 || [[স্ট্যানলি বল্ডউইন]] || ৩৪,১৩১ || ✓
|-
| 3 || [[খ্রিস্টের অনৈতিহাসিকতা তত্ত্ব]] || ২৮,৭০৭ || ✓
|-
| 4 || [[বেঞ্জামিন ডিসরাইলি]] || ২৯,৪৭৯ || ✓
|-
| 5 || [[রবার্ট জি. ইঙ্গারসোল]] || ৩০,০৯০ || ✓
|-
| 6 || [[রন পল]] || ২৪,৯২৮ || ✓
|-
| 7 || [[ক্যালকুলাসের ইতিহাস]] || ১৯,১৯৫ || ✓
|-
| 8 || [[অ্যানোরেক্সিয়া নার্ভোসা]] || ২৩,১০০ || ✓
|-
| 9 || [[ডোয়াইট ডি আইজেনহাওয়ার]] || ২১,০২৬ || ✓
|-
| 10 || [[স্টিফেন জে গুল্ড]] || ২২,১৫০ || ✓
|-
| 11 || [[এআর-১৫ স্টাইল রাইফেল]] || ১৮,৯০১ || ✓
|-
| 12 || [[শেরি এস. টেপার]] || ২৪,৯৯৯ || ✓
|-
| 13 || [[আউরেলিয়ুস আউগুস্তিনুস]] || ১৯,৩৪৬ || ✓
|-
| 14 || [[ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতিত্ব]] || ৪৬,৮৯৯ || ✓
|-
| 15 || [[নবায়নযোগ্য শক্তি]] || ১২,৬১০ || ✓
|-
| 16 || [[নাডিন গর্ডিমার]] || ১,৩৭২ || ✓
|-
| 17 || [[মারে গেল-মান]] || ১,৩২৮ || ✓
|-
| 18 || [[নার্গিস মোহাম্মাদি]] || ১,৭৫৫ || ✓
|-
| 19 || [[সাদি কার্নো]] || ৫,২৫৬ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১৯
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৪,০৪,৫৭৫
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪,০৪,৫৭৫
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:ARI| ARI]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[জে. হাওয়ার্ড মুর]] || ২৪,১৯৫ || ✓
|-
| 2 || [[ভারতে পোশাক]] || ২,২৮৯ || ✓
|-
| 3 || [[ভারতের ভাষা]] || ৬৯৫ || ✓
|-
| 4 || [[মধ্যযুগীয় ভারত]] || ১,৭১৭ || ✓
|-
| 5 || [[ভারতে ইহুদিদের ইতিহাস]] || ২,০৪৬ || ✓
|-
| 6 || [[ভারতে সুফিবাদ]] || ৩,২০৭ || ✓
|-
| 7 || [[পর্তুগিজ ভারত]] || ১,৬৪৩ || ✓
|-
| 8 || [[ভারতের প্রাণী]] || ৩০৫ || ✓
|-
| 9 || [[স্বাধীনতা দিবস]] || ৩৭৫ || ✓
|-
| 10 || [[ভারতে দুর্ভিক্ষ]] || ৩,৭৮১ || ✓
|-
| 11 || [[ভারতে ধর্মহীনতা]] || ২,৩৮৯ || ✓
|-
| 12 || [[ওয়ারেন ফ্যারেল]] || ২১,০৭৮ || ✓
|-
| 13 || [[আর্নেস্ট বেকার]] || ১৩,৫৯৭ || ✓
|-
| 14 || [[অতিপ্রজতা]] || ২৯,৫০১ || ✓
|-
| 15 || [[মোপলা বিদ্রোহ]] || ১৪,৫১২ || ✓
|-
| 16 || [[সীতা রাম গোয়েল]] || ১,৫৯৬ || ✓
|-
| 17 || [[অরুণ শৌরি]] || ১৫,৪৫০ || ✓
|-
| 18 || [[ভারতের ইতিহাস লিখন]] || ১৭,৯১৮ || ✓
|-
| 19 || [[দ্রৌপদী]] || ৬,১৬৪ || ✓
|-
| 20 || [[দ্য হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়া, অ্যাজ টোল্ড বাই ইটস ওন হিস্টোরিয়ানস]] || ২,৬৮৫ || ✕
|-
| 21 || [[রামায়ণ]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 22 || [[ভারতে শিক্ষা]] || ১০,৫৮০ || ✓
|-
| 23 || [[ভারতে নারী]] || ৬,১৫০ || ✓
|-
| 24 || [[বন্যপ্রাণীর কষ্ট]] || ৩৩,৭৪১ || ✓
|-
| 25 || [[নিরামিষবাদ]] || ৩০,৬২৭ || ✓
|-
| 26 || [[ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম রাষ্ট্রপতিত্ব]] || ৩৭,৫৭২ || ✓
|-
| 27 || [[নির্বাচন]] || ৭,০২৫ || ✓
|-
| 28 || [[সরকার]] || ২২,৭৫৯ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৮
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৩,১২,২১২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩,১৪,৮৯৭
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২,৬৮৫
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Tuhin| Tuhin]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মহুয়া মৈত্র]] || ৬৫০ || ✓
|-
| 2 || [[হেনরি হোম, লর্ড কেইমস]] || ১,২৯৬ || ✓
|-
| 3 || [[লেটি কটিন পোগ্রেবিন]] || ৩৭০ || ✓
|-
| 4 || [[মার্জ পিয়ার্সি]] || ৬,৭৯০ || ✓
|-
| 5 || [[এলেন ডুইবস]] || ৮০৪ || ✓
|-
| 6 || [[মেরেডিথ ট্যাক্স]] || ৪৯১ || ✓
|-
| 7 || [[মুলক রাজ আনন্দ]] || ২৩৫ || ✓
|-
| 8 || [[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ধর্ষণ]] || ১,৯২০ || ✓
|-
| 9 || [[সুসান ব্রাউনমিলার]] || ৯৯১ || ✓
|-
| 10 || [[রবিন মরগান]] || ১,২২১ || ✓
|-
| 11 || [[ভিভিয়ান গোর্নিক]] || ২,৬৯০ || ✓
|-
| 12 || [[ডরোথি রে হিলি]] || ২,৬৩৮ || ✕
|-
| 13 || [[ক্লডিয়া জোন্স]] || ১,২৯৯ || ✓
|-
| 14 || [[গের্ডা লার্নার]] || ৩,৪২৮ || ✓
|-
| 15 || [[এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন]] || ৯,৮০৪ || ✕
|-
| 16 || [[এলা রিভ ব্লুর]] || ১,৯১৭ || ✓
|-
| 17 || [[টমাস হিউজ]] || ৯৯৬ || ✓
|-
| 18 || [[মার্গারিট দুরাস]] || ৩৪৯ || ✓
|-
| 19 || [[বেন অ্যারোনোভিচ]] || ৮,৭৯৭ || ✓
|-
| 20 || [[গ্লেন কুক]] || ৯,৯৮৫ || ✓
|-
| 21 || [[আব্রাহাম কাহান]] || ২,১৩৩ || ✓
|-
| 22 || [[গ্রেস পেলি]] || ৮,১৬৪ || ✕
|-
| 23 || [[স্টিফেন ক্রেন]] || ১,৯৬৩ || ✕
|-
| 24 || [[জোসেফাইন হার্বস্ট]] || ৪২৭ || ✓
|-
| 25 || [[জর্জ গিসিং]] || ২,০০৫ || ✓
|-
| 26 || [[আনজিয়া ইয়েজিয়ারস্কা]] || ৩,২৬২ || ✕
|-
| 27 || [[মেরি অ্যান্টিন]] || ৪৯০ || ✓
|-
| 28 || [[জয়েস অ্যান্টলার]] || ৪২৯ || ✓
|-
| 29 || [[ক্যাথরিন ম্যাককিনন]] || ২,১৭৮ || ✓
|-
| 30 || [[বেটিনা আপথেকার]] || ১,০২০ || ✓
|-
| 31 || [[ক্যারি চ্যাপম্যান ক্যাট]] || ১,৬০৩ || ✓
|-
| 32 || [[জ্যানেট র্যাঙ্কিন]] || ৭২১ || ✓
|-
| 33 || [[ফ্রান্সেস উইলার্ড]] || ৯৪১ || ✕
|-
| 34 || [[অ্যালিস স্টোন ব্ল্যাকওয়েল]] || ৫৪০ || ✕
|-
| 35 || [[অ্যানা এলিজাবেথ ডিকিনসন]] || ৭৫১ || ✕
|-
| 36 || [[মেরি লিভারমোর]] || ২,৩০৭ || ✕
|-
| 37 || [[দাড়ি]] || ২৯৭ || ✓
|-
| 38 || [[স্যার হেনরি হোবার্ট, ১ম ব্যারোনেট]] || ৭৩৮ || ✓
|-
| 39 || [[হার্ডিঞ্জ স্ট্যানলি গিফার্ড, হালসবুরির ১ম আর্ল]] || ৪১৯ || ✓
|-
| 40 || [[এ. ভি. ডাইসি]] || ১,৩৮১ || ✕
|-
| 41 || [[আলফ্রেড ডেনিং, ব্যারন ডেনিং]] || ৩,৮৩২ || ✓
|-
| 42 || [[টমাস ডেনিসন]] || ৪০০ || ✓
|-
| 43 || [[স্যার ফ্রান্সিস বুলার, ১ম ব্যারোনেট]] || ৯৬২ || ✓
|-
| 44 || [[নিকোলাস ব্রাতজা]] || ২৬৪ || ✓
|-
| 45 || [[রবার্ট অ্যাটকিনস]] || ৩৩৩ || ✕
|-
| 46 || [[রিচার্ড পেপার আর্ডেন, ১ম ব্যারন অ্যালভানলি]] || ৩৫১ || ✓
|-
| 47 || [[এডওয়ার্ড হল অল্ডারসন]] || ৪৪৬ || ✓
|-
| 48 || [[অ্যামব্রোজ বিয়ার্স]] || ৫,৫৪১ || ✕
|-
| 49 || [[মেওয়াত]] || ৭১৮ || ✓
|-
| 50 || [[নানাবতী-মেহতা কমিশন]] || ২,৪৪৪ || ✓
|-
| 51 || [[ভারতে ঔষধ শিল্প]] || ১,৯২১ || ✓
|-
| 52 || [[পাঞ্জাব]] || ১,৪০৬ || ✓
|-
| 53 || [[রামনবমী]] || ৮৬২ || ✓
|-
| 54 || [[ভারতের শহরসমূহের নাম পরিবর্তন]] || ৪৪১ || ✓
|-
| 55 || [[নুপুর শর্মা]] || ৬০১ || ✓
|-
| 56 || [[রিপাবলিক টিভি]] || ৪৫৫ || ✓
|-
| 57 || [[রোহিলখণ্ড]] || ৪৪০ || ✓
|-
| 58 || [[রোহিলা]] || ৩৪০ || ✓
|-
| 59 || [[সৌরাষ্ট্র]] || ৬৫৪ || ✓
|-
| 60 || [[ভারতে তিন তালাক]] || ১,১৩৪ || ✓
|-
| 61 || [[ভারতের পবিত্র উপবন]] || ৫৭৫ || ✓
|-
| 62 || [[অভিন্ন দেওয়ানি বিধি]] || ৩,৭৩৭ || ✓
|-
| 63 || [[নবনীত আদিত্য ওয়াইবা]] || ১৯২ || ✓
|-
| 64 || [[ভারতে জল সরবরাহ ও স্যানিটেশন]] || ৭৪০ || ✓
|-
| 65 || [[জমিদার]] || ৩৮১ || ✕
|-
| 66 || [[নিখিল ভারত মুসলিম লীগ]] || ১,৭৩৭ || ✕
|-
| 67 || [[ফতোয়া]] || ৪৮৪ || ✓
|-
| 68 || [[দারা শিকোহ]] || ১,৪৩৫ || ✓
|-
| 69 || [[আমেরিকা নিপাত যাক]] || ৬৩৯ || ✓
|-
| 70 || [[মহা শয়তান]] || ৪১৪ || ✓
|-
| 71 || [[উলামা]] || ৩৪৫ || ✓
|-
| 72 || [[দক্ষিণ এশিয়ায় মুসলিম জাতীয়তাবাদ]] || ১,৫১৬ || ✓
|-
| 73 || [[পার্সি-মুসলিম দাঙ্গা]] || ৬৫৬ || ✓
|-
| 74 || [[ভারতে দাঙ্গা]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 75 || [[ভারতে পেগাসাস প্রকল্পের উদঘাটন]] || ৩৯০ || ✓
|-
| 76 || [[নেহরুবাদ]] || ৯৫২ || ✓
|-
| 77 || [[২জি স্পেকট্রাম মামলা]] || ৯৩৭ || ✓
|-
| 78 || [[রাহুল গান্ধী]] || ৪,০০৪ || ✓
|-
| 79 || [[আকবরউদ্দিন ওয়াইসি]] || ২৯৮ || ✓
|-
| 80 || [[ভারতের সাধারণ নির্বাচন, ২০২৪]] || ২,৫৭৭ || ✓
|-
| 81 || [[ভারতে ধর্মনিরপেক্ষতা]] || ২৩৪ || ✓
|-
| 82 || [[নাইলা আলি খান]] || ২০৪ || ✓
|-
| 83 || [[অরুণ জেটলি]] || ৪৮১ || ✓
|-
| 84 || [[সুকেতু মেহতা]] || ৩৮২ || ✓
|-
| 85 || [[রুক্মিণী মৈত্র]] || ৩৫৪ || ✓
|-
| 86 || [[মানব গুপ্ত]] || ৬৩৪ || ✕
|-
| 87 || [[মোহিনী মোহন ধর]] || ৫৮৫ || ✓
|-
| 88 || [[দিলীপ কুমার চক্রবর্তী]] || ২,৫৯৭ || ✓
|-
| 89 || [[রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ৩৮৩ || ✓
|-
| 90 || [[পিটার অ্যাক্রয়েড]] || ২৯৭ || ✓
|-
| 91 || [[হ্যারল্ড ব্লুম]] || ৫৯৩ || ✓
|-
| 92 || [[জেমস বসওয়েল]] || ১,১৪৯ || ✓
|-
| 93 || [[অলিভার গোল্ডস্মিথ]] || ৩,১৭৮ || ✓
|-
| 94 || [[হেনরি জাইলস]] || ৭৯২ || ✓
|-
| 95 || [[এডউইন হাবেল চ্যাপিন]] || ৭৭০ || ✓
|-
| 96 || [[অবমাননা]] || ৭৮৮ || ✓
|-
| 97 || [[আদালত অবমাননা]] || ৮২৯ || ✓
|-
| 98 || [[আইনপ্রণেতা]] || ৭৪৩ || ✓
|-
| 99 || [[লেই বারডুগো]] || ১২২ || ✓
|-
| 100 || [[উইলিয়াম ব্রেট, ১ম ভিসকাউন্ট এশার]] || ১,০২০ || ✓
|-
| 101 || [[হেনরি হকিন্স, ১ম ব্যারন ব্র্যাম্পটন]] || ৩০৩ || ✓
|-
| 102 || [[জুনিয়াস]] || ১,৪১২ || ✓
|-
| 103 || [[উইলিয়াম মারে, ম্যানসফিল্ডের ১ম আর্ল]] || ৬৪৩ || ✓
|-
| 104 || [[জোসেফ ইয়েটস]] || ৬৬৬ || ✓
|-
| 105 || [[স্যার জন বেইলি, ১ম ব্যারোনেট]] || ৯১৮ || ✓
|-
| 106 || [[হেনরি বিকারস্টথ, ১ম ব্যারন ল্যাংডেল]] || ৪১৫ || ✓
|-
| 107 || [[এডওয়ার্ড ল, ১ম ব্যারন এলেনবরো]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 108 || [[লয়েড কেনিয়ন, ১ম ব্যারন কেনিয়ন]] || ৪,৪০৮ || ✓
|-
| 109 || [[জন হোল্ট]] || ১,১৮৯ || ✓
|-
| 110 || [[চার্লস বোয়েন, ব্যারন বোয়েন]] || ১,০৩৭ || ✓
|-
| 111 || [[চার্লস অ্যাবট, ১ম ব্যারন টেন্টারডেন]] || ৩৪১ || ✓
|-
| 112 || [[ন্যায়বিচার প্রশাসন]] || ২,৮৯৯ || ✓
|-
| 113 || [[আদালত]] || ১,৮১৮ || ✕
|-
| 114 || [[রোজান এ. ব্রাউন]] || ৩৪১ || ✓
|-
| 115 || [[মারিয়ন জিমার ব্র্যাডলি]] || ১,১০৪ || ✓
|-
| 116 || [[টেরি ব্রুকস]] || ৪৮৫ || ✓
|-
| 117 || [[লেই ব্র্যাকেট]] || ১,১১২ || ✓
|-
| 118 || [[জ্যাক ক্যাডি]] || ১,৫৬৮ || ✓
|-
| 119 || [[মেল ব্রুকস]] || ২,০১৬ || ✕
|-
| 120 || [[মাইকেল বিশপ]] || ৯৯০ || ✓
|-
| 121 || [[এলিজাবেথ বেয়ার]] || ৭০৫ || ✓
|-
| 122 || [[মার্গারেট বল]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 123 || [[পাওলো বাসিগালুপি]] || ৬৪৭ || ✓
|-
| 124 || [[কেলি আর্মস্ট্রং]] || ৫৮৫ || ✓
|-
| 125 || [[ক্যাথরিন আসরো]] || ৩৬১ || ✓
|-
| 126 || [[পিয়ার্স অ্যান্থনি]] || ২২৯ || ✓
|-
| 127 || [[রবার্ট আইকম্যান]] || ২৬৮ || ✓
|-
| 128 || [[আইনজীবী]] || ২,৩২৯ || ✓
|-
| 129 || [[আইনসভা]] || ২,৩৪৩ || ✓
|-
| 130 || [[জর্জ বুশনার]] || ৬৬২ || ✓
|-
| 131 || [[জোসেফ গার্নি ক্যানন]] || ৭০৯ || ✓
|-
| 132 || [[সংখ্যাগরিষ্ঠ]] || ১,৩৫৬ || ✓
|-
| 133 || [[সংখ্যালঘু গোষ্ঠী]] || ১,৮৮১ || ✓
|-
| 134 || [[প্রাতিষ্ঠানিক আচরণ]] || ৬৫৬ || ✓
|-
| 135 || [[মানব আচরণ]] || ৮৫২ || ✓
|-
| 136 || [[হার্ভে ম্যানসফিল্ড]] || ৯৭৯ || ✓
|-
| 137 || [[রাষ্ট্রবিজ্ঞান]] || ১,১৩৯ || ✓
|-
| 138 || [[রাজনৈতিক দর্শন]] || ১,২৮৫ || ✓
|-
| 139 || [[দ্বিজেন্দ্র নারায়ণ ঝা]] || ১,০৮৭ || ✓
|-
| 140 || [[আগ্রাসন]] || ৯২০ || ✓
|-
| 141 || [[হিন্দুত্ব]] || ২,৭০০ || ✓
|-
| 142 || [[ফ্লাভিয়া অ্যাগনেস]] || ৬৮২ || ✓
|-
| 143 || [[লাভ জিহাদ ষড়যন্ত্র তত্ত্ব]] || ৩,১৫০ || ✓
|-
| 144 || [[মহাত্মা গান্ধীর হত্যাকাণ্ড]] || ১,৭৭৮ || ✓
|-
| 145 || [[যোগিন্দর সিকান্দ]] || ৮১৪ || ✓
|-
| 146 || [[ভারতে মুসলিমদের বিরুদ্ধে সহিংসতা]] || ৮৫১ || ✓
|-
| 147 || [[জয় শ্রীরাম]] || ৭০৮ || ✓
|-
| 148 || [[লালকৃষ্ণ আডবাণী]] || ১,৫৫৫ || ✓
|-
| 149 || [[রাম রথযাত্রা]] || ১,৫৭৯ || ✓
|-
| 150 || [[হিন্দু আমেরিকান ফাউন্ডেশন]] || ১,৪৫৫ || ✓
|-
| 151 || [[হর্ষ মান্দার]] || ৬৬০ || ✓
|-
| 152 || [[স্বপন দাশগুপ্ত]] || ১,১৬৭ || ✓
|-
| 153 || [[জরাথুস্ট্রবাদ]] || ৩৭৭ || ✓
|-
| 154 || [[পার্সি]] || ৩৯০ || ✓
|-
| 155 || [[নাগরিকত্ব]] || ১,৮৭৯ || ✓
|-
| 156 || [[ভারতের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৭০]] || ৬৭৯ || ✓
|-
| 157 || [[মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯]] || ৭৬৯ || ✓
|-
| 158 || [[অবৈতনিক বাধ্যতামূলক শিশু শিক্ষার অধিকার আইন, ২০০৯]] || ৩৭৯ || ✓
|-
| 159 || [[বোম্বাই দাঙ্গা]] || ৭৭৬ || ✓
|-
| 160 || [[বজরং দল]] || ৩৩১ || ✓
|-
| 161 || [[সংসদীয় ব্যবস্থা]] || ৪০৫ || ✓
|-
| 162 || [[বিচার বিভাগীয় ব্যাখ্যা]] || ১,২৩২ || ✓
|-
| 163 || [[বর্ণবাদ পরবর্তী আমেরিকা]] || ১,০৬৯ || ✓
|-
| 164 || [[শ্বেতাঙ্গ বিশেষাধিকার]] || ৬২৮ || ✓
|-
| 165 || [[বিশেষাধিকার]] || ৭১২ || ✓
|-
| 166 || [[মানবহিতৈষণা]] || ২২৮ || ✓
|-
| 167 || [[ভারত সরকার]] || ১,২২০ || ✓
|-
| 168 || [[শিলং]] || ৯৭৩ || ✓
|-
| 169 || [[মাঝৌলি রাজ]] || ৫৬০ || ✓
|-
| 170 || [[কালিকট]] || ৪৫৪ || ✓
|-
| 171 || [[যাজপুর]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 172 || [[কালিবাঙ্গান]] || ৭৩৮ || ✓
|-
| 173 || [[কাডাপা]] || ৪১৩ || ✓
|-
| 174 || [[ইদার]] || ৫৮৬ || ✓
|-
| 175 || [[গোধরা]] || ১,০১০ || ✓
|-
| 176 || [[ভুবনেশ্বর]] || ১,১৬৫ || ✓
|-
| 177 || [[অমৃতসর]] || ৮৬৮ || ✓
|-
| 178 || [[আম্বালা]] || ৪৬১ || ✓
|-
| 179 || [[হায়দ্রাবাদ]] || ৩,২৪৮ || ✓
|-
| 180 || [[২০১৯ হায়দ্রাবাদ গণধর্ষণ]] || ১৭৭ || ✓
|-
| 181 || [[মুহাম্মাদ বখতিয়ার খলজি]] || ৪২৩ || ✕
|-
| 182 || [[হায়দ্রাবাদ অধিগ্রহণ]] || ৪৫৬ || ✓
|-
| 183 || [[১৮৯৯-১৯০০ সালের ভারতীয় দুর্ভিক্ষ]] || ৫৪১ || ✓
|-
| 184 || [[১৯৯০ হায়দ্রাবাদ দাঙ্গা]] || ৪০৬ || ✓
|-
| 185 || [[গুয়াহাটি]] || ১,৭৯৬ || ✓
|-
| 186 || [[গৌড়]] || ১,৯৩৬ || ✓
|-
| 187 || [[বিজাপুর]] || ৬৬২ || ✓
|-
| 188 || [[মাণ্ডু]] || ৩৯৪ || ✓
|-
| 189 || [[খাজুরাহো]] || ৩৭১ || ✓
|-
| 190 || [[চান্দেরী]] || ৫০৭ || ✓
|-
| 191 || [[জুনাগড়]] || ৭১৯ || ✓
|-
| 192 || [[বৃহৎ কচ্ছের রাণ]] || ৫৮৪ || ✓
|-
| 193 || [[আহমেদাবাদ]] || ১,৮১২ || ✓
|-
| 194 || [[কচ্ছ জেলা]] || ৩২৬ || ✓
|-
| 195 || [[দৃশদ্বতী নদী]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 196 || [[চেনাব নদী]] || ৩২১ || ✓
|-
| 197 || [[পশ্চিমবঙ্গে ধর্ম]] || ১,২৩২ || ✓
|-
| 198 || [[মুর্শিদাবাদ সহিংসতা]] || ২৫৭ || ✓
|-
| 199 || [[২০২৪ সন্দেশখালী সহিংসতা]] || ১,০৬১ || ✓
|-
| 200 || [[২০২২ বীরভূম সহিংসতা]] || ৫১৪ || ✓
|-
| 201 || [[মৈতৈ জাতি]] || ৬৪০ || ✓
|-
| 202 || [[মৈতৈ সভ্যতা]] || ৩৫০ || ✓
|-
| 203 || [[মণিপুর]] || ৩০৬ || ✓
|-
| 204 || [[লাক্ষাদ্বীপ]] || ৩২৯ || ✓
|-
| 205 || [[বৃন্দাবন]] || ৬৮২ || ✕
|-
| 206 || [[সম্ভল]] || ২৪৩ || ✓
|-
| 207 || [[এলাহাবাদ]] || ৩৫৭ || ✓
|-
| 208 || [[আলিগড়]] || ৪০৯ || ✓
|-
| 209 || [[স্ট্যাচু অব ইউনিটি]] || ২৪১ || ✓
|-
| 210 || [[ভারতের দুর্গ]] || ৩১৪ || ✓
|-
| 211 || [[দ্য দুন স্কুল]] || ৬৬৪ || ✓
|-
| 212 || [[কাশী হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়]] || ৩৪৫ || ✓
|-
| 213 || [[আগ্রা]] || ৭১৮ || ✓
|-
| 214 || [[২০২০ দিল্লি দাঙ্গা]] || ১,১৭৮ || ✓
|-
| 215 || [[তিরুচিরাপল্লী]] || ৬২৬ || ✓
|-
| 216 || [[সেন্ট থমাস ক্যাথেড্রাল ব্যাসিলিকা, চেন্নাই]] || ৩৮০ || ✕
|-
| 217 || [[আতঙ্ক]] || ৪৭৮ || ✕
|-
| 218 || [[ভারতে দুর্নীতি]] || ১,০০৭ || ✓
|-
| 219 || [[তামিলনাড়ুর মন্দির]] || ৯১৮ || ✓
|-
| 220 || [[এম. কে. স্ট্যালিন]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 221 || [[তামিলনাড়ু]] || ৫৪৩ || ✓
|-
| 222 || [[তামিলনাড়ুর হিন্দি বিরোধী আন্দোলন]] || ৪৬৫ || ✓
|-
| 223 || [[যোধপুর]] || ৬২৮ || ✓
|-
| 224 || [[রাজস্থান]] || ২৯৪ || ✓
|-
| 225 || [[ওড়িশা]] || ৭৪৫ || ✓
|-
| 226 || [[১৯৯৮ কোয়েম্বাটুর বোমা হামলা]] || ৫৩৭ || ✓
|-
| 227 || [[উত্তর-পূর্ব ভারতে বিদ্রোহ]] || ৩৯৮ || ✓
|-
| 228 || [[মারাদ হত্যাকাণ্ড]] || ৩৫২ || ✓
|-
| 229 || [[মক্কা মসজিদ বিস্ফোরণ]] || ৫৮৪ || ✓
|-
| 230 || [[স্টুডেন্টস ইসলামিক মুভমেন্ট অব ইন্ডিয়া]] || ৩৫৭ || ✓
|-
| 231 || [[বিষ্ণু]] || ৬১৭ || ✓
|-
| 232 || [[২০২৪ রিয়াসি হামলা]] || ৩০২ || ✓
|-
| 233 || [[২০০৬ মালেগাঁও বোমা হামলা]] || ৩৯১ || ✓
|-
| 234 || [[২০০৬ মুম্বই রেলে বোমা হামলা]] || ১৯০ || ✓
|-
| 235 || [[মুম্বই]] || ১,২২৪ || ✓
|-
| 236 || [[দৌলতাবাদ, মহারাষ্ট্র]] || ৮৮৯ || ✕
|-
| 237 || [[মহারাষ্ট্র]] || ৪৯৯ || ✓
|-
| 238 || [[পিনারাই বিজয়ন]] || ৫২৩ || ✓
|-
| 239 || [[আরব দেশ]] || ৯১৪ || ✓
|-
| 240 || [[দক্ষিণ এশিয়া]] || ৫৯৩ || ✓
|-
| 241 || [[শহুরে অবক্ষয়]] || ৩০৮ || ✓
|-
| 242 || [[নগরায়ন]] || ১,০৯৭ || ✓
|-
| 243 || [[কেরল]] || ৩৬৫ || ✓
|-
| 244 || [[জম্মু ও কাশ্মীরে বিদ্রোহ]] || ৪১৮ || ✓
|-
| 245 || [[জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহার]] || ৯৬৪ || ✓
|-
| 246 || [[শ্রীনগর]] || ১,৭২৯ || ✓
|-
| 247 || [[কাশ্মীর উপত্যকা]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 248 || [[লাদাখ]] || ৬৯৪ || ✓
|-
| 249 || [[কাশ্মীরি জাতি]] || ৮১৩ || ✓
|-
| 250 || [[তারিখ-ই-কাশ্মীর]] || ৫১৪ || ✓
|-
| 251 || [[কর্ণাটক]] || ৬৮২ || ✓
|-
| 252 || [[কর্ণাটকের রাজনীতি]] || ৪৩৯ || ✓
|-
| 253 || [[বেঙ্গালুরু]] || ৬১৪ || ✓
|-
| 254 || [[আসামে ইসলাম]] || ৬৯০ || ✓
|-
| 255 || [[আসামের ইতিহাস]] || ৭২৬ || ✓
|-
| 256 || [[আসামে হিন্দুধর্ম]] || ৩২৫ || ✓
|-
| 257 || [[ভারতের জনমিতি]] || ৩,৩৭৩ || ✓
|-
| 258 || [[বাংলাদেশের জনমিতি]] || ১,১৯৫ || ✓
|-
| 259 || [[পাকিস্তানের জনমিতি]] || ৮৫০ || ✓
|-
| 260 || [[আসামের জনমিতি]] || ১৮২ || ✓
|-
| 261 || [[বিহার]] || ৪৫৮ || ✓
|-
| 262 || [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] || ১৮১ || ✓
|-
| 263 || [[শাহ বানু মামলা]] || ৮০০ || ✓
|-
| 264 || [[ইসরায়েল–ভারত সম্পর্ক]] || ৮৯৭ || ✓
|-
| 265 || [[প্রণব মুখোপাধ্যায়]] || ৫৯৫ || ✓
|-
| 266 || [[দ্রৌপদী মুর্মু]] || ২৪৯ || ✓
|-
| 267 || [[ফখরুদ্দিন আলি আহমেদ]] || ১,৬৪৭ || ✓
|-
| 268 || [[এলজিবিটিকিউ অধিকার বিরোধিতা]] || ২,০৪৯ || ✓
|-
| 269 || [[গেফোবিয়া]] || ২৭৮ || ✓
|-
| 270 || [[সমকামী যৌন চর্চা]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 271 || [[উভকামিতা]] || ১,৫৬০ || ✓
|-
| 272 || [[কামিং আউট]] || ৮০৫ || ✓
|-
| 273 || [[স্মৃতি ইরানি]] || ৯৯১ || ✓
|-
| 274 || [[মেনকা গান্ধী]] || ১,২৩০ || ✓
|-
| 275 || [[যশবন্ত সিং]] || ২০৬ || ✓
|-
| 276 || [[সৈয়দ শাহাবুদ্দিন]] || ৫৭৯ || ✓
|-
| 277 || [[শাকিল আহমদ]] || ১২৪ || ✓
|-
| 278 || [[তথাগত রায়]] || ২৭৫ || ✓
|-
| 279 || [[লালুপ্রসাদ যাদব]] || ১,১০৯ || ✓
|-
| 280 || [[আসাদউদ্দিন ওয়াইসি]] || ৫০২ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৮০
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,৫৩,৯৫৯
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩,০১,০২২
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪৭,০৬৩
|}
=== [[ব্যবহারকারী:SMontaha32| SMontaha32]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনী]] || ১৯,১০০ || ✕
|-
| 2 || [[ভাকলাভ হাভেল]] || ৯,৩৫৭ || ✓
|-
| 3 || [[নরউইচের জুলিয়ান]] || ৩১,৬৩৩ || ✓
|-
| 4 || [[রামসে ম্যাকডোনাল্ড]] || ৯,৬২২ || ✓
|-
| 5 || [[জন মুয়ির]] || ৮,০৬১ || ✓
|-
| 6 || [[মার্গারেট অ্যাটউড]] || ৬,৩২৮ || ✓
|-
| 7 || [[পেত্র ক্রাপোতকিন]] || ১০,৮১৬ || ✓
|-
| 8 || [[টমাস হেনরি হাক্সলি]] || ৮,৫০৩ || ✓
|-
| 9 || [[উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস]] || ৭,২১০ || ✓
|-
| 10 || [[উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস]] || ৪,২৬০ || ✓
|-
| 11 || [[তাওয়াক্কোল কারমান]] || ৪,০৯৭ || ✓
|-
| 12 || [[র্যাচেল কারসন]] || ৪,৭৬৭ || ✓
|-
| 13 || [[আর্নেস্ট হেমিংওয়ে]] || ১৪,৯০৭ || ✓
|-
| 14 || [[আর্থার এডিংটন]] || ৫,৬৩৭ || ✓
|-
| 15 || [[এরিক হবসবাউম]] || ৫,৮৭৩ || ✓
|-
| 16 || [[টনি মরিসন]] || ১০,৩৮৩ || ✓
|-
| 17 || [[টনি বেন]] || ১০,৩৯৯ || ✓
|-
| 18 || [[নরম্যান মেইলার]] || ৬,৬০৬ || ✓
|-
| 19 || [[পল স্যামুয়েলসন]] || ৬,৮৫১ || ✓
|-
| 20 || [[এইচ. পি. লাভক্র্যাফট]] || ২৫,৪৭২ || ✓
|-
| 21 || [[ব্লেজ পাসকাল]] || ৩,০৫১ || ✓
|-
| 22 || [[চিনুয়া আচেবে]] || ৬,০৪২ || ✓
|-
| 23 || [[ডরিস লেসিং]] || ৪,৬২১ || ✓
|-
| 24 || [[ফেদেরিকো ফাগিন]] || ৬০০ || ✓
|-
| 25 || [[আলেকজান্ডার গ্রোথেনডিক]] || ১,২১১ || ✓
|-
| 26 || [[আঙ্গেলা ম্যার্কেল]] || ২,০২৯ || ✓
|-
| 27 || [[আনাক্সাগোরাস]] || ৩,৬৭১ || ✓
|-
| 28 || [[আমোস তভারস্কি]] || ৪৬১ || ✓
|-
| 29 || [[আলফ্রেড মার্শাল]] || ১,৩০৯ || ✓
|-
| 30 || [[আলবার্টাস ম্যাগনাস]] || ৩৮২ || ✓
|-
| 31 || [[অনিতা ব্রুকনার]] || ৪৭৪ || ✕
|-
| 32 || [[আলফ্রেড কিনসে]] || ১,০৩৩ || ✓
|-
| 33 || [[অ্যালান কে]] || ৯২৪ || ✓
|-
| 34 || [[আলেকজান্ডার ফ্লেমিং]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 35 || [[ক্যারোলিন বার্তোজি]] || ৪১১ || ✓
|-
| 36 || [[আলফ্রেড রাসেল ওয়ালেস]] || ১,৬৫৯ || ✓
|-
| 37 || [[অঁতোয়ান লাভোয়াজিয়ে]] || ১,৪৩৬ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৩৭
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,১৮,৫১৮
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,৩৯,৫২৮
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২১,০১০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:NusJaS| NusJaS]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[লিটিশা এলিজাবেথ ল্যান্ডন]] || ২৫,৯৭৯ || ✕
|-
| 2 || [[প্রজননবিরোধবাদ]] || ৩০,৯৪৮ || ✓
|-
| 3 || [[উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন]] || ২৮,৬১৯ || ✕
|-
| 4 || [[ক্রিস্টোফার হিচেন্স]] || ২৫,৯২২ || ✓
|-
| 5 || [[বলপূর্বক খাওয়ানো]] || ২২,৬২২ || ✓
|-
| 6 || [[জন স্টুয়ার্ট মিল]] || ২২,৭৮৩ || ✓
|-
| 7 || [[রবার্ট গ্যাসকয়েন-সিসিল, স্যালিসবারির ৩য় মার্কুইস]] || ২০,৮৯৮ || ✓
|-
| 8 || [[অ্যারন রা]] || ২১,৯৫৫ || ✓
|-
| 9 || [[ফায়ারপ্লেস]] || ২১,৪১৭ || ✓
|-
| 10 || [[জন হার্ভে কেলোগ]] || ৩০,৭৪৮ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১০
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১,৯৭,২৯৩
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,৫১,৮৯১
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৫৪,৫৯৮
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch| Oindrojalik Watch]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ভ্রান্ত উদ্ধৃতি]] || ৯,৮৭১ || ✓
|-
| 2 || [[২০১১ ফিফা মহিলা বিশ্বকাপ]] || ৯৬৩ || ✓
|-
| 3 || [[তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] || ৩,১৭৯ || ✓
|-
| 4 || [[আফগান যুদ্ধ]] || ৪,৬২০ || ✓
|-
| 5 || [[ইউক্রেনে রুশ আক্রমণ]] || ১২,৩৮২ || ✓
|-
| 6 || [[ইরাক যুদ্ধ]] || ১২,৩৪৪ || ✓
|-
| 7 || [[যুক্তরাজ্যের তৃতীয় জর্জ]] || ১২,০৪২ || ✓
|-
| 8 || [[২০১০ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৮৮৩ || ✓
|-
| 9 || [[২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৩,৫১৪ || ✓
|-
| 10 || [[২০০২ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৬১১ || ✓
|-
| 11 || [[ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ]] || ১,৫৪২ || ✓
|-
| 12 || [[স্নায়ুযুদ্ধ]] || ১৫,৬১০ || ✓
|-
| 13 || [[দ্বিতীয় স্নায়ুযুদ্ধ]] || ৪,৬৬৮ || ✓
|-
| 14 || [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] || ২৪,১৭৭ || ✓
|-
| 15 || [[মহত্ত্ব]] || ৭,৮১৪ || ✓
|-
| 16 || [[সাংবাদিকতা]] || ১৩,৪৭৭ || ✓
|-
| 17 || [[প্যানডিজম]] || ১০,৩০০ || ✓
|-
| 18 || [[গাজা যুদ্ধ]] || ১৬,৯৮২ || ✓
|-
| 19 || [[২০২৬ ইরান যুদ্ধ]] || ৬,৯৫৯ || ✓
|-
| 20 || [[পারমাণবিক অস্ত্র]] || ৩,২৩৩ || ✓
|-
| 21 || [[২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৬৪৩ || ✓
|-
| 22 || [[ক্রুসেড]] || ৯৯৬ || ✓
|-
| 23 || [[অ্যানিমেশন]] || ৯,৪৫৭ || ✓
|-
| 24 || [[দক্ষিণ কোরিয়ার রাজনীতি]] || ৭৫৫ || ✓
|-
| 25 || [[ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ]] || ৩,৭৬২ || ✓
|-
| 26 || [[পারমাণবিক যুদ্ধ]] || ৫,৫২০ || ✓
|-
| 27 || [[আল খোয়ারিজমি]] || ১,২৩০ || ✓
|-
| 28 || [[ফজলে রাব্বী]] || ৬৩৫ || ✓
|-
| 29 || [[ডেভিড হিউম]] || ১১,৭৮০ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৯
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১,৯০,০৭৮
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,৯৯,৯৪৯
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023| Sumanta3023]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[লিওনিদ ক্যান্টোরোভিচ]] || ১,৪২২ || ✓
|-
| 2 || [[থিওডোসিয়াস ডবঝানস্কি]] || ৭৬০ || ✕
|-
| 3 || [[টেরেন্স টাও]] || ৭২০ || ✓
|-
| 4 || [[ফিলিপ]] || ৪২৬ || ✓
|-
| 5 || [[জুলিয়ান শুইঙার]] || ১,৩২২ || ✕
|-
| 6 || [[পিয়ের-জিল দ্য জেন]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 7 || [[ব্রায়ান কক্স]] || ৭৫৬ || ✓
|-
| 8 || [[জন ম্যাককার্থি]] || ১,০৪৫ || ✓
|-
| 9 || [[লুই দ্য ব্রোয়ি]] || ৪৬০ || ✓
|-
| 10 || [[ফ্রঁসোয়া মিতেরঁ]] || ১,১৯৪ || ✕
|-
| 11 || [[ফ্লিন্ডার্স পেট্রি]] || ১,২০৪ || ✕
|-
| 12 || [[পল আর. এহর্লিচ]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 13 || [[মাইকেল আতিয়াহ]] || ৪২৩ || ✓
|-
| 14 || [[মার্টন মিলার]] || ৪৮২ || ✓
|-
| 15 || [[মেরি বিয়ার্ড]] || ৯১১ || ✓
|-
| 16 || [[মার্গারেট চ্যান]] || ৭০৪ || ✓
|-
| 17 || [[গেরহার্ড শ্রোডার]] || ২৬৯ || ✓
|-
| 18 || [[ফিলিপ ওয়ারেন অ্যান্ডারসন]] || ৭৯৯ || ✓
|-
| 19 || [[পিটার হিগস]] || ৪৭৪ || ✕
|-
| 20 || [[লিওনার্ড সাসকিন্ড]] || ৮২৫ || ✓
|-
| 21 || [[জন মেইনার্ড স্মিথ]] || ৬৪০ || ✓
|-
| 22 || [[জন জেমস অডুবন]] || ৮৩৭ || ✓
|-
| 23 || [[শেলডন লি গ্ল্যাশো]] || ৭৫১ || ✓
|-
| 24 || [[ভিক্টর উইসকফ]] || ৫১৯ || ✓
|-
| 25 || [[মার্টিন রিস]] || ৫৫১ || ✓
|-
| 26 || [[মার্ক ওলিফ্যান্ট]] || ৫৫৩ || ✓
|-
| 27 || [[ভিতালি গিঞ্জবার্গ]] || ৩০৮ || ✓
|-
| 28 || [[স্যালি রাইড]] || ৪২৫ || ✓
|-
| 29 || [[রবার্ট ফোগেল]] || ৪২৮ || ✓
|-
| 30 || [[রিঙ্গো স্টার]] || ৮৭০ || ✓
|-
| 31 || [[মাক্স ডেলব্রুক]] || ৫৭৫ || ✓
|-
| 32 || [[তৃতীয় লেওপোল্ড]] || ৮৩৭ || ✓
|-
| 33 || [[নরম্যান বোরল্যাগ]] || ৭০০ || ✓
|-
| 34 || [[নিকলাউস ভির্ট]] || ৪৭৯ || ✓
|-
| 35 || [[নিকোলাস স্টেনো]] || ২৯২ || ✓
|-
| 36 || [[নেভিল ফ্রান্সিস মট]] || ৫১১ || ✓
|-
| 37 || [[লুডউইক ফ্লেক]] || ৫১২ || ✓
|-
| 38 || [[কারেন উলেনবেক]] || ৩৯২ || ✓
|-
| 39 || [[ইয়োসেফ মেংগেলে]] || ৫৪৪ || ✓
|-
| 40 || [[কিরণ দেশাই]] || ২৬১ || ✓
|-
| 41 || [[কাতালিন কারিকো]] || ৩০৯ || ✓
|-
| 42 || [[ইয়োন্স ইয়াকব বের্সেলিয়ুস]] || ৫১৬ || ✓
|-
| 43 || [[হুয়ান মালদাসেনা]] || ৭৩২ || ✓
|-
| 44 || [[হাইনরিখ বোল]] || ৩০০ || ✓
|-
| 45 || [[ইনগ্রিড ডোবিচি]] || ৬৭১ || ✓
|-
| 46 || [[ইয়ান উইলমুট]] || ৪২৭ || ✓
|-
| 47 || [[হিউ এভারেট]] || ৬০০ || ✓
|-
| 48 || [[ফ্রঁসোয়া অংল্যার]] || ৫৩৩ || ✓
|-
| 49 || [[এমানুয়েল সোয়েডেনবার্গ]] || ১,৫২২ || ✓
|-
| 50 || [[এলিজাবেথ বিশপ]] || ৬৫২ || ✓
|-
| 51 || [[শেখ আন্তা দিওপ]] || ৩৩৫ || ✓
|-
| 52 || [[জর্জ গ্যামো]] || ১,৫২১ || ✓
|-
| 53 || [[হাইনরিখ হের্ত্স]] || ১,৭৪৪ || ✓
|-
| 54 || [[গ্রো হারলেম ব্রুন্ডটল্যান্ড]] || ৩১১ || ✓
|-
| 55 || [[জন সি. মাদার]] || ৪২৫ || ✓
|-
| 56 || [[জন ব্যাকাস]] || ৫৯৭ || ✓
|-
| 57 || [[এর্নস্ট মায়ার]] || ৭৫৪ || ✓
|-
| 58 || [[লিন মার্গুলিস]] || ১,৭১৮ || ✓
|-
| 59 || [[হ্যান্স বেটে]] || ৩৯৬ || ✓
|-
| 60 || [[লুই আগাসিজ]] || ৯৩৭ || ✓
|-
| 61 || [[জর্জ ক্যুভিয়ে]] || ৭৬৮ || ✓
|-
| 62 || [[ব্রাসেলস]] || ৯৬৭ || ✓
|-
| 63 || [[ড্যানিয়েল কানেমান]] || ২,৯৫৭ || ✕
|-
| 64 || [[ডোনাল্ড কানুথ]] || ১,৫৮২ || ✓
|-
| 65 || [[লেমাহ গবোউই]] || ১,১৫০ || ✓
|-
| 66 || [[গারট্রুড বি. এলিয়ন]] || ২৩৪ || ✓
|-
| 67 || [[ডোনা স্ট্রিকল্যান্ড]] || ৩৫৯ || ✓
|-
| 68 || [[এর্নস্ট মাখ]] || ২,০২৮ || ✕
|-
| 69 || [[ডোনাল্ড টাস্ক]] || ১,৭৭১ || ✓
|-
| 70 || [[অরবিন্দ আদিগা]] || ৮৬৬ || ✓
|-
| 71 || [[সি. এ. আর. হোর]] || ১,০৬১ || ✕
|-
| 72 || [[পল ডিরাক]] || ৪,৭০৯ || ✕
|-
| 73 || [[ই. ও. উইলসন]] || ৪,৪৫৮ || ✕
|-
| 74 || [[ডেসমন্ড মরিস]] || ৩,৯৮৬ || ✓
|-
| 75 || [[মাইকেল গোভ]] || ৩,৭৩৬ || ✓
|-
| 76 || [[হার্পার লি]] || ২,৪৯১ || ✓
|-
| 77 || [[কেন টম্পসন]] || ১,৮১৬ || ✓
|-
| 78 || [[জন টিন্ডাল]] || ২,৫২৮ || ✓
|-
| 79 || [[মেরি রবিনসন]] || ১,৩৭৬ || ✓
|-
| 80 || [[হেনরি ক্যাভেন্ডিশ]] || ২,২৪৪ || ✓
|-
| 81 || [[আইরিস মারডক]] || ১,২৬৮ || ✓
|-
| 82 || [[আর্নেস্ট রাদারফোর্ড]] || ২,৪৫৩ || ✓
|-
| 83 || [[ফ্রেড ব্রুকস]] || ১,১৯১ || ✓
|-
| 84 || [[ক্রিস্টিয়ান হাইগেনস]] || ১,৯০৭ || ✓
|-
| 85 || [[ডায়ান ফসি]] || ১,৬৪৬ || ✕
|-
| 86 || [[ইডিথ হোয়ার্টন]] || ১,৪২৫ || ✓
|-
| 87 || [[অরেল স্টেইন]] || ১,৪৭৮ || ✕
|-
| 88 || [[গাব্রিয়েলা মিস্ত্রাল]] || ১,৬৫০ || ✓
|-
| 89 || [[আলেকজান্ডার ফন হুমবোল্ট]] || ১,১২০ || ✓
|-
| 90 || [[ফ্রান্সিস্কো ভারেলা]] || ১,৮৯৩ || ✓
|-
| 91 || [[ডেনিস রিচি]] || ১,১০৮ || ✓
|-
| 92 || [[অড্রে হেপবার্ন]] || ১,৪৩৫ || ✓
|-
| 93 || [[জি. এইচ. হার্ডি]] || ২,৩৩০ || ✓
|-
| 94 || [[হ্যারল্ড পিন্টার]] || ২,০৭২ || ✓
|-
| 95 || [[অ্যানাক্সিম্যান্ডার]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 96 || [[ডেভিড ব্রুস্টার]] || ২,৪০৪ || ✓
|-
| 97 || [[ব্রায়ান গ্রিন]] || ১,২৭৯ || ✕
|-
| 98 || [[অমিত গোস্বামী]] || ৯১৫ || ✓
|-
| 99 || [[এডমন্ড হ্যালি]] || ২,৬১৯ || ✓
|-
| 100 || [[ডেভিড সুজুকি]] || ১,৫১৭ || ✓
|-
| 101 || [[ডেভিড জোনাথন গ্রোস]] || ৮০৯ || ✓
|-
| 102 || [[ডেভিড ম্যামেট]] || ১,২৫২ || ✓
|-
| 103 || [[আহমেদ জেওয়াইল]] || ১৯২ || ✓
|-
| 104 || [[ইউরোপীয় পার্লামেন্ট]] || ৬১৫ || ✓
|-
| 105 || [[ডেভিড গ্রসম্যান]] || ৩৩৬ || ✓
|-
| 106 || [[হরিশ-চন্দ্র]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 107 || [[অনিতা দেসাই]] || ১,৪৩৯ || ✓
|-
| 108 || [[অ্যাশ কার্টার]] || ৪৬৩ || ✓
|-
| 109 || [[আলফ্রেড নোবেল]] || ৫০৯ || ✕
|-
| 110 || [[ক্রিস্টিয়ান বার্নার্ড]] || ৬৩৯ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১১০
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৯৭,৪২১
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,২২,৫০০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২৫,০৭৯
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Anik Kanti Dey| Anik Kanti Dey]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[রেজা পাহলভি]] || ৯,৯১০ || ✓
|-
| 2 || [[রজার ইবার্ট]] || ২১,৩২৫ || ✓
|-
| 3 || [[পুনর্জন্ম]] || ২০,২৪৮ || ✓
|-
| 4 || [[জ্যারেড ডায়মন্ড]] || ১,১৬৮ || ✕
|-
| 5 || [[জেন গুডাল]] || ১,৩৫৭ || ✓
|-
| 6 || [[জেমস টোবিন]] || ১,০৫৯ || ✓
|-
| 7 || [[জেমস ক্যালাহান]] || ১,৬১৫ || ✓
|-
| 8 || [[উইলিয়াম স্ট্যানলি জেভন্স]] || ১,৭০১ || ✓
|-
| 9 || [[উইলিয়াম থমসন]] || ১,০৫১ || ✓
|-
| 10 || [[ওলে সোয়িংকা]] || ৩,১৬১ || ✕
|-
| 11 || [[জোসেফ স্টিগলিটজ]] || ১,৫০৪ || ✕
|-
| 12 || [[গ্রেগর মেন্ডেল]] || ৮৭৪ || ✓
|-
| 13 || [[গটফ্রিড ভিলহেল্ম লাইবনিৎস]] || ১,২৩৬ || ✓
|-
| 14 || [[গ্লেন থিওডোর সিবর্গ]] || ৯৮৪ || ✓
|-
| 15 || [[হেরমান ভাইল]] || ১,৫৪১ || ✓
|-
| 16 || [[হেরমান হেস]] || ৪,৫৬৫ || ✓
|-
| 17 || [[হার্বার্ট স্পেন্সার]] || ২,৩৬৮ || ✓
|-
| 18 || [[হার্বার্ট এ. সাইমন]] || ১,৩৩৭ || ✓
|-
| 19 || [[হেরাক্লিটাস]] || ১,৫৭০ || ✓
|-
| 20 || [[হেনরিক শিয়েনকিয়েভিচ]] || ১,৯১১ || ✕
|-
| 21 || [[উইলা ক্যাথার]] || ৩,০৩৩ || ✕
|-
| 22 || [[উইল ডুরান্ট]] || ২,৮১৫ || ✓
|-
| 23 || [[ডব্লিউ. এইচ. অডেন]] || ২,৮১৯ || ✓
|-
| 24 || [[ভোলফগাং পাউলি]] || ১,৬৩৯ || ✓
|-
| 25 || [[ইয়াসুনারি কাওয়াবাতা]] || ২,২৫৮ || ✓
|-
| 26 || [[জন আর্চিবল্ড হুইলার]] || ১,১৩৯ || ✓
|-
| 27 || [[সেমুর হার্শ]] || ১,৭৬১ || ✓
|-
| 28 || [[সের্গেই কোরোলিয়ভ]] || ৫৬৫ || ✓
|-
| 29 || [[জেন অ্যাডামস]] || ১,৯০৬ || ✓
|-
| 30 || [[জাক-ইভ কুস্তো]] || ৬৬৩ || ✓
|-
| 31 || [[হিদেকি ইউকাওয়া]] || ৪০৩ || ✓
|-
| 32 || [[প্রিমো লেভি]] || ৪,২৩৮ || ✓
|-
| 33 || [[ঝুম্পা লাহিড়ী]] || ৪৩০ || ✓
|-
| 34 || [[জেমস প্রেসকট জুল]] || ৪৮৭ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৩৪
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৯৩,৮৬৪
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,০৪,৬৪১
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১০,৭৭৭
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman| Tanbiruzzaman]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা]] || ৪,৮৫১ || ✓
|-
| 2 || [[সংবাদ মাধ্যম]] || ১,১৫৫ || ✓
|-
| 3 || [[গণমাধ্যম]] || ৩,৩৫৭ || ✓
|-
| 4 || [[মূলধারার গণমাধ্যম]] || ১,০৫২ || ✓
|-
| 5 || [[হলুদ সাংবাদিকতা]] || ২,২৯৬ || ✓
|-
| 6 || [[ভুয়া সংবাদ]] || ১,৪০৮ || ✓
|-
| 7 || [[বিকল্প প্রচারমাধ্যম]] || ১,২০৫ || ✓
|-
| 8 || [[জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ]] || ১১,২৬৬ || ✓
|-
| 9 || [[অ্যানোনিমাস]] || ৪,০৪৩ || ✓
|-
| 10 || [[টুপাক শাকুর]] || ৬,২৮৭ || ✓
|-
| 11 || [[জেনডেয়া]] || ২,০১৪ || ✓
|-
| 12 || [[টিমথি শালামে]] || ১,১২৭ || ✓
|-
| 13 || [[হিপোক্রেটিস]] || ২,৯২৩ || ✓
|-
| 14 || [[ষষ্ঠ মুহাম্মদ]] || ৮৭৮ || ✓
|-
| 15 || [[জন লেনক্স]] || ৭০২ || ✓
|-
| 16 || [[আলেক্সান্দ্র্ সলজেনিৎসিন]] || ৮,০৫৬ || ✓
|-
| 17 || [[আবদুল হান্নান মাসউদ]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 18 || [[পরকাল সম্পর্কে কুরআন]] || ১৮,৭৯৪ || ✓
|-
| 19 || [[মানবতাবিরোধী অপরাধ]] || ১,৯১২ || ✓
|-
| 20 || [[আন্তর্জাতিক আইন]] || ৫,৫৩৯ || ✓
|-
| 21 || [[মোহাম্মদ জাওয়াদ জারিফ]] || ১,৪৫২ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৮০,৭২৪
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৮০,৭২৪
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Nil Nandy| Nil Nandy]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[অনিল ভৌমিক]] || ২১৬ || ✓
|-
| 2 || [[মনোজ মিত্র]] || ৫,৫৬৭ || ✓
|-
| 3 || [[নারায়ণ সান্যাল]] || ৩৬৬ || ✓
|-
| 4 || [[মতি নন্দী]] || ৫,০১৮ || ✓
|-
| 5 || [[দেবেশ রায়]] || ৯,২৪৪ || ✓
|-
| 6 || [[শিশিরকুমার বসু]] || ৪,৮০৭ || ✓
|-
| 7 || [[বিমল কর]] || ১,৩৬৯ || ✓
|-
| 8 || [[সুবোধ সরকার]] || ১,৮৪৮ || ✓
|-
| 9 || [[স্মরণজিৎ চক্রবর্তী]] || ৭৯২ || ✓
|-
| 10 || [[স্বামী সারদানন্দ]] || ৮,৬৯৫ || ✓
|-
| 11 || [[শক্তিপদ রাজগুরু]] || ৯৯৩ || ✓
|-
| 12 || [[কমলকুমার মজুমদার]] || ১,৫৭৩ || ✓
|-
| 13 || [[গৌতম ভদ্র]] || ৬৮৫ || ✓
|-
| 14 || [[পরিমল গোস্বামী]] || ৬,৫৫০ || ✓
|-
| 15 || [[প্রেমাঙ্কুর আতর্থী]] || ৫,৬৯৮ || ✓
|-
| 16 || [[কালীপ্রসন্ন সিংহ]] || ৫,৪০৪ || ✓
|-
| 17 || [[অখিল নিয়োগী]] || ৬৩৬ || ✓
|-
| 18 || [[হরপ্রসাদ শাস্ত্রী]] || ৫১৩ || ✓
|-
| 19 || [[গায়ত্রী চক্রবর্তী স্পিভাক]] || ৫৯২ || ✓
|-
| 20 || [[অজিত দত্ত]] || ৮৭০ || ✓
|-
| 21 || [[অজিতকৃষ্ণ বসু]] || ২,৩৮৬ || ✓
|-
| 22 || [[এম এস স্বামীনাথন]] || ৮৭২ || ✓
|-
| 23 || [[চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন]] || ২,১৭১ || ✓
|-
| 24 || [[চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও]] || ২,১৬৭ || ✓
|-
| 25 || [[কণাদ]] || ৯১৯ || ✓
|-
| 26 || [[জয়ন্ত বিষ্ণু নারলিকর]] || ৩,১৮৭ || ✓
|-
| 27 || [[বিক্রম সারাভাই]] || ১,১২৯ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৭
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৭৪,২৬৭
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৭৪,২৬৭
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:R1F4T| R1F4T]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আর্নেস্ট কিং]] || ১৫,৭৬৯ || ✕
|-
| 2 || [[ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট]] || ২৬,২১৫ || ✓
|-
| 3 || [[আনোয়ার ইব্রাহিম]] || ৬,৯৯৩ || ✓
|-
| 4 || [[ইসলাম ও যুদ্ধ]] || ৫,৬৮১ || ✓
|-
| 5 || [[আহমদ সিরহিন্দি]] || ৪,০৭০ || ✓
|-
| 6 || [[মুসা সেরান্তোনিও]] || ৪২৩ || ✓
|-
| 7 || [[ইয়াকুব]] || ১,৯৫৬ || ✓
|-
| 8 || [[আদ্রিয়ান গোল্ডসওয়ার্দি]] || ১,৯৭৯ || ✕
|-
| 9 || [[অ্যালিস পল]] || ১,৮৬২ || ✕
|-
| 10 || [[অ্যামি ট্যান]] || ২,০০৭ || ✕
|-
| 11 || [[অ্যান্ড্রু সেগা]] || ১,৯৬৯ || ✓
|-
| 12 || [[আল্যাঁ বাদিউ]] || ১,৯৬৬ || ✕
|-
| 13 || [[আফ্রিকান স্পির]] || ১,৭২২ || ✕
|-
| 14 || [[ফ্রেডরিক ডগলাস]] || ৮৬২ || ✕
|-
| 15 || [[নবী]] || ২,০৬২ || ✕
|-
| 16 || [[এমা গোল্ডম্যান]] || ১২,৮০০ || ✕
|-
| 17 || [[প্রেম সম্পর্কে ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি]] || ১৫,০৪০ || ✓
|-
| 18 || [[মিস্ট্রি সায়েন্স থিয়েটার ৩০০০]] || ৯৪,৯৬৮ || ✕
|-
| 19 || [[দ্য থিক অফ ইট]] || ৬৯,২৮৩ || ✕
|-
| 20 || [[অ্যালেক্স হেইলি]] || ১,৬০৪ || ✓
|-
| 21 || [[দাসত্ব সম্পর্কে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি]] || ৫,৭৮৫ || ✕
|-
| 22 || [[দাসত্ব]] || ১০,২৫৯ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২২
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৬৩,৯৫১
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,৮৫,২৭৫
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২,২১,৩২৪
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Salil Kumar Mukherjee| Salil Kumar Mukherjee]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[যন্ত্র]] || ৭১৩ || ✓
|-
| 2 || [[বিচারক]] || ৯৫২ || ✓
|-
| 3 || [[রুটি]] || ১,০৯৭ || ✓
|-
| 4 || [[খড়]] || ৯৩২ || ✓
|-
| 5 || [[মন্মথমোহন বসু]] || ৯৬৩ || ✕
|-
| 6 || [[কালীপ্রসন্ন বিদ্যারত্ন]] || ৮২৫ || ✓
|-
| 7 || [[কলসী]] || ১,০৮৬ || ✓
|-
| 8 || [[চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ১,১৫৭ || ✓
|-
| 9 || [[শহর]] || ১,৪৫৮ || ✕
|-
| 10 || [[ঘাস]] || ২,১১২ || ✓
|-
| 11 || [[জলধর সেন]] || ১,৭৬৪ || ✓
|-
| 12 || [[ঠিকানা]] || ১,১৮৭ || ✓
|-
| 13 || [[গন্ধ]] || ১,৮০৭ || ✓
|-
| 14 || [[চা]] || ২,৪২৪ || ✓
|-
| 15 || [[রবীন্দ্রনাথ মৈত্র]] || ১,২৮১ || ✓
|-
| 16 || [[দিগন্ত]] || ১,২২৮ || ✓
|-
| 17 || [[ময়ূর]] || ১,৩৪৫ || ✓
|-
| 18 || [[করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ৯১১ || ✓
|-
| 19 || [[ঢেউ]] || ১,৫৩৯ || ✓
|-
| 20 || [[ছাতা]] || ১,১৮৯ || ✓
|-
| 21 || [[উমাকান্ত হাজারী]] || ৯৪২ || ✓
|-
| 22 || [[ঘৃণা]] || ২,৩৩৯ || ✓
|-
| 23 || [[বাঁশ]] || ২,৪৫৯ || ✕
|-
| 24 || [[কলেরা]] || ১,৬৩৮ || ✓
|-
| 25 || [[মাঠ]] || ২,৪৪৭ || ✓
|-
| 26 || [[টিন]] || ১,৯৩২ || ✕
|-
| 27 || [[সংবাদ]] || ৪,৪৭৯ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৭
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৩০,৯১৫
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪২,২০৬
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১১,২৯১
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul| Anaf Ibn Shahibul]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[জন বারবার]] || ৫৭৪ || ✕
|-
| 2 || [[স্কটিশ জাতি]] || ৩৭৫ || ✓
|-
| 3 || [[ওয়েন্ডি বোম্যান]] || ১৫১ || ✕
|-
| 4 || [[যুদ্ধাপরাধ]] || ৪,৬৭৯ || ✕
|-
| 5 || [[রুবি]] || ৩৬৩ || ✓
|-
| 6 || [[রিতা এনজেলু]] || ১৫৯ || ✓
|-
| 7 || [[বমি]] || ২০৪ || ✓
|-
| 8 || [[পার্ল]] || ৬৯০ || ✕
|-
| 9 || [[পাইথন]] || ১৩৯ || ✓
|-
| 10 || [[উইকিলিকস]] || ১,৬৩১ || ✕
|-
| 11 || [[জনস্টন ম্যাককালি]] || ৩১১ || ✕
|-
| 12 || [[যুগোস্লাভিয়া]] || ৪,১৩৬ || ✓
|-
| 13 || [[অংশুমান কর]] || ২০৯ || ✓
|-
| 14 || [[কেমব্রিজ গান]] || ৩০৫ || ✕
|-
| 15 || [[হেলেনীয় শিক্ষা]] || ৫০২ || ✓
|-
| 16 || [[টমাস হলি চিভার্স]] || ২৩৫ || ✓
|-
| 17 || [[মুহাম্মদ মাহদি আল-জাওয়াহিরি]] || ৬৩৮ || ✓
|-
| 18 || [[জেডি স্মিথ]] || ১,০৮০ || ✓
|-
| 19 || [[ব্রায়ান পি. শ্মিট]] || ৪৬০ || ✓
|-
| 20 || [[কার্ল বার্নস্টিন]] || ৩৬৮ || ✓
|-
| 21 || [[চার্লস ফেফারম্যান]] || ৩৩৯ || ✓
|-
| 22 || [[ইয়ুস্টুস ফন লিবিগ]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 23 || [[টমাস শেলিংস]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 24 || [[উইলিয়াম শকলি]] || ৩৯১ || ✓
|-
| 25 || [[শিং-শেন চের্ন]] || ৭৬৫ || ✕
|-
| 26 || [[হুগো দ্য ভ্রিস]] || ৩৪৪ || ✓
|-
| 27 || [[রবার্ট অ্যান্ড্রুজ মিলিকান]] || ৪৩৬ || ✓
|-
| 28 || [[জেমস ভ্যান অ্যালেন]] || ৫৯৬ || ✓
|-
| 29 || [[জাক শিরাক]] || ৭১১ || ✓
|-
| 30 || [[ডরোথি হজকিন]] || ২৯৪ || ✓
|-
| 31 || [[গোরান পারসন]] || ৩২৬ || ✓
|-
| 32 || [[জেরার দ্যব্রু]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 33 || [[কোরীয় যুদ্ধ]] || ৯,৯৬৫ || ✕
|-
| 34 || [[রবার্ট জে. শিলার]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 35 || [[ফ্রঁসোয়া আরাগন]] || ৪৩৫ || ✓
|-
| 36 || [[অখিলচন্দ্র দত্ত]] || ৩৭৩ || ✕
|-
| 37 || [[ফ্রান্সিস কলিন্স]] || ৫৮৮ || ✓
|-
| 38 || [[হেলেন ক্লার্ক]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 39 || [[লেয়োঁ ফুকো]] || ৫৩২ || ✓
|-
| 40 || [[জন চার্লস পোলানি]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 41 || [[জন মেইনার্ড কেইনস]] || ১৭,৭৯১ || ✕
|-
| 42 || [[দিমিত্রি মুরাতভ]] || ৬৩৬ || ✓
|-
| 43 || [[আবদুস সালাম]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 44 || [[আবদুলরাজাক গুরনাহ]] || ৭৪৯ || ✓
|-
| 45 || [[এ. সি. বেনসন]] || ৩৮৩ || ✓
|-
| 46 || [[প্রথম আলবার্ট]] || ৮৬৪ || ✓
|-
| 47 || [[অম্লান দত্ত]] || ১৪৬ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৪৭
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১৯,৩৪৬
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৫৬,৫৮১
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৩৭,২৩৫
|}
=== [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন| মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ইয়ান মার্টেল]] || ১,১৩৩ || ✕
|-
| 2 || [[ইয়োইচিরো নাম্বু]] || ৪৩১ || ✕
|-
| 3 || [[সৈয়দ জামিল আহমেদ]] || ২০৩ || ✓
|-
| 4 || [[পূর্ণিমা]] || ১৯২ || ✓
|-
| 5 || [[শরিফুল রাজ]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 6 || [[কাজী হায়াৎ]] || ২৭৪ || ✓
|-
| 7 || [[আরেফিন রুমি]] || ১৬২ || ✓
|-
| 8 || [[ইমাম নাসাই]] || ৬৯৭ || ✕
|-
| 9 || [[কবরী]] || ২৭১ || ✓
|-
| 10 || [[হাফিজ উদ্দিন আহমদ]] || ২৩৬ || ✓
|-
| 11 || [[আ ন ম এহসানুল হক মিলন]] || ৩৪০ || ✓
|-
| 12 || [[আন্দালিব রহমান পার্থ]] || ২৯৭ || ✓
|-
| 13 || [[ববি হাজ্জাজ]] || ২৫৩ || ✓
|-
| 14 || [[ইবনে মাজাহ]] || ৩৩৬ || ✓
|-
| 15 || [[হাবিব ওয়াহিদ]] || ২৬৪ || ✓
|-
| 16 || [[জাইমা রহমান]] || ২১২ || ✓
|-
| 17 || [[কনকচাঁপা]] || ২২৮ || ✓
|-
| 18 || [[আহসান হাবীব]] || ২১৯ || ✓
|-
| 19 || [[বেলাল খান]] || ২১৯ || ✓
|-
| 20 || [[নচিকেতা চক্রবর্তী]] || ২৮৯ || ✓
|-
| 21 || [[আ ফ ম খালিদ হোসেন]] || ২৪৮ || ✓
|-
| 22 || [[আলমগীর]] || ৪০৬ || ✓
|-
| 23 || [[সালাহউদ্দিন আহমেদ]] || ৪৫৯ || ✓
|-
| 24 || [[চোং নানশান]] || ১৭৮ || ✓
|-
| 25 || [[এ. সি. ব্র্যাডলি]] || ৩৯০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৫
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৫,৪৭২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৮,১২৩
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২,৬৫১
|}
=== [[ব্যবহারকারী:JIBON| JIBON]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আলবার্ট হফমান]] || ৩,৪৪৪ || ✓
|-
| 2 || [[অ্যালান পারলিস]] || ৯২৮ || ✓
|-
| 3 || [[হেইনরিখ রোরার]] || ৩৬০ || ✓
|-
| 4 || [[আলফ্রেড আহো]] || ১৪৪ || ✕
|-
| 5 || [[উ থান্ট]] || ৬৭৮ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৫
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৪,৭৩২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৫,৫৫৪
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৮২২
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Md. Muqtadir Fuad| Md. Muqtadir Fuad]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[লোরঁ শোয়ার্তজ]] || ৬১০ || ✓
|-
| 2 || [[উইলিয়াম শার্প]] || ৩৯৯ || ✓
|-
| 3 || [[পাউল এরেনফেস্ট]] || ৪৩৩ || ✓
|-
| 4 || [[রবার্ট মান্ডেল]] || ৩২২ || ✓
|-
| 5 || [[হান কাং]] || ৬৬৬ || ✓
|-
| 6 || [[ক্রিপটিক ফেইট]] || ১৭৬ || ✓
|-
| 7 || [[কাকাবাবু]] || ২৫৮ || ✓
|-
| 8 || [[ক্যারি মুলিস]] || ৪০৩ || ✓
|-
| 9 || [[টোমাস ট্রান্সট্রোমার]] || ২৯৯ || ✓
|-
| 10 || [[ইরিনা বোকোভা]] || ২৬৮ || ✓
|-
| 11 || [[মার্টিনুস ভেল্টম্যান]] || ১৯৫ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৪,০২৯
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪,০২৯
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Humaira.thithi| Humaira.thithi]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ড্যামন গ্যালগুট]] || ৪৮২ || ✓
|-
| 2 || [[আর্থার কর্নবার্গ]] || ১৭৭ || ✕
|-
| 3 || [[বেন ওক্রি]] || ৮৫৮ || ✓
|-
| 4 || [[সল বেলো]] || ১,০০৩ || ✓
|-
| 5 || [[সল পার্লমাটার]] || ৩১১ || ✕
|-
| 6 || [[সিমেওঁ দ্যনি পোয়াসোঁ]] || ১৬০ || ✓
|-
| 7 || [[স্টিভ আরউইন]] || ৪৩৫ || ✕
|-
| 8 || [[আনি এরনো]] || ২৮৪ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৮
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,৭৮৭
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩,৭১০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৯২৩
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Amirhusenjihed| Amirhusenjihed]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ফজল শাহাবুদ্দীন]] || ৪৯৫ || ✕
|-
| 2 || [[আল-জাহিজ]] || ৭৩৩ || ✓
|-
| 3 || [[আল-বিরুনি]] || ১,৮৩৬ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৩
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,৫৬৯
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩,০৬৪
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪৯৫
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Asikur Rahman| Asikur Rahman]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[থমাস হ্যারিয়ট]] || ৪৩২ || ✓
|-
| 2 || [[স্টিভেন চু]] || ২২০ || ✓
|-
| 3 || [[ইভাঞ্জেলিস্টা টরিসেলি]] || ৩৭২ || ✓
|-
| 4 || [[লেসলি ল্যামপোর্ট]] || ৫৫০ || ✓
|-
| 5 || [[মার্টিন লুইস পার্ল]] || ৩৮৮ || ✓
|-
| 6 || [[ভ্লাদিমির মার্কভনিকভ]] || ২৬৭ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৬
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,২২৯
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,২২৯
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Rasel Mehedi| Rasel Mehedi]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[বাপ্পী লাহিড়ী]] || ২৫২ || ✓
|-
| 2 || [[নুহাশ হুমায়ূন]] || ২০৫ || ✓
|-
| 3 || [[আনিসুল হক]] || ২৪৬ || ✕
|-
| 4 || [[বাবর আলী]] || ৩০৯ || ✓
|-
| 5 || [[মেহের আফরোজ শাওন]] || ৩১৯ || ✓
|-
| 6 || [[ফেলুদা]] || ২৪৬ || ✓
|-
| 7 || [[ব্যোমকেশ বক্সী]] || ১৭৮ || ✓
|-
| 8 || [[প্রোফেসর শঙ্কু]] || ২৬৯ || ✓
|-
| 9 || [[বারী সিদ্দিকী]] || ২৪২ || ✓
|-
| 10 || [[সমরেশ বসু]] || ২০২ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১০
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,২২২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,৪৬৮
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২৪৬
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Mahiya50| Mahiya50]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[লিয়ন কুপার]] || ৩২৩ || ✓
|-
| 2 || [[কামিলা শামসি]] || ২০৪ || ✓
|-
| 3 || [[ক্রিস্টোফার রেন]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 4 || [[জিওফ্রে হিন্টন]] || ৩২২ || ✓
|-
| 5 || [[ফ্রিডতিয়ফ নানসেন]] || ১৯১ || ✓
|-
| 6 || [[আলাঁ আস্পে]] || ৭৭৬ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৬
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,১৯০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,১৯০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Borhan| Borhan]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ক্যারিল ফিলিপস]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 2 || [[জেমস কুক]] || ৩৯৭ || ✓
|-
| 3 || [[ক্লাউদিয়া শেইনবাউম]] || ৩২১ || ✓
|-
| 4 || [[আবি আহমেদ]] || ২৫৫ || ✓
|-
| 5 || [[পিটার আগ্রি]] || ১৯০ || ✓
|-
| 6 || [[ফখরুদ্দীন আল-রাযী]] || ২১৫ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৬
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১,৬৬২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,৬৬২
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Raihanur| Raihanur]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[শি চিনফিং]] || ৪,১৩২ || ✕
|-
| 2 || [[ইব্রাহিম ত্রাওরে]] || ৭৫৪ || ✓
|-
| 3 || [[পেদ্রো সানচেজ]] || ২৯৯ || ✓
|-
| 4 || [[অ্যাডাম রিস]] || ৪৮৯ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৪
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১,৫৪২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৫,৬৭৪
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪,১৩২
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Muhammad Fahim Faisal| Muhammad Fahim Faisal]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আব্দুল হান্নান আবকারী]] || ০ || ✕
|-
| 2 || [[ইবরাহীম আলী তশনা]] || ২৪৭ || ✓
|-
| 3 || [[রুহুল আমিন বসিরহাটি]] || ৩৬৩ || ✓
|-
| 4 || [[মুহাম্মদুল্লাহ হাফেজ্জী]] || ৩৪২ || ✓
|-
| 5 || [[শামছুল হুদা]] || ০ || ✕
|-
| 6 || [[শামছুল হক ফরিদপুরী]] || ৫৪৬ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৬
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১,৪৯৮
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,৪৯৮
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Firuz Ahmmed| Firuz Ahmmed]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[গর্ডন মুর]] || ৫৮৭ || ✓
|-
| 2 || [[শিরিন এবাদি]] || ৫৪৩ || ✕
|-
| 3 || [[নাগিব মাহফুজ]] || ৫৩০ || ✓
|-
| 4 || [[আল-ফারাবি]] || ৫৩৭ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৪
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১,১১৭
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,১৯৭
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১,০৮০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:নিয়াজ ইসলাম| নিয়াজ ইসলাম]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[চাষী নজরুল ইসলাম]] || ৪৪৬ || ✓
|-
| 2 || [[বাপ্পা মজুমদার]] || ৩১০ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৭৫৬
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৭৫৬
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Asad.fr| Asad.fr]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[রবার্ট ক্লাইভ]] || ২,০০২ || ✕
|-
| 2 || [[পার্ল এস. বাক]] || ৯৩৩ || ✕
|-
| 3 || [[জন বারডিন]] || ৩৬৪ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৩
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৩৬৪
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩,২৯৯
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২,৯৩৫
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin| Mehedi Abedin]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[তাসমিয়া প্রধান]] || ৩৫২ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৩৫২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩৫২
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Md. Rayan Alam Rifat| Md. Rayan Alam Rifat]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আজিজুল হক]] || ১৮০ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১৮০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১৮০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Siyan BD| Siyan BD]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আবদুস সালাম]] || ১০০ || ✕
|-
| 2 || [[আবদুল গফুর]] || ১০১ || ✕
|-
| 3 || [[আবদুল জব্বার]] || ১৬১ || ✓
|-
| 4 || [[আবদুল জব্বার]] || ৯২ || ✕
|-
| 5 || [[আবদুল জব্বার]] || ১৩৩ || ✕
|-
| 6 || [[অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ১৩৪ || ✕
|-
| 7 || [[অনিমেষ রায়]] || ১২৬ || ✕
|-
| 8 || [[অনির্বাণ বসু]] || ১২০ || ✕
|-
| 9 || [[অজয় ঘটক]] || ১১৪ || ✕
|-
| 10 || [[অচলা মল্লিক]] || ১৫৪ || ✕
|-
| 11 || [[অজয় হোম]] || ১৫৯ || ✕
|-
| 12 || [[অমিতা বসু]] || ১৪২ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১২
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১৬১
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,৫৩৬
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১,৩৭৫
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Dewan mahbubr Rahman| Dewan mahbubr Rahman]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ভেরা রুবিন]] || ৩৫০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩৫০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৩৫০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:ExceptionistSagar| ExceptionistSagar]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মেরি কুরি]] || ১৭৯ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১৭৯
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১৭৯
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Kh. Fahim| Kh. Fahim]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মিসির আলি]] || ৪০৬ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪০৬
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪০৬
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Trisha Mazumder| Trisha Mazumder]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আস্ট্রোনমি]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:MdMarufHossen71| MdMarufHossen71]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মমতাজ বেগম]] || ৩৫৫ || ✕
|-
| 2 || [[আবুল বরকত]] || ১৪৩ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪৯৮
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪৯৮
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Usarker| Usarker]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মেরি স্টোপস]] || ৫০৫ || ✕
|-
| 2 || [[ইয়োন ফসে]] || ৩৯৩ || ✕
|-
| 3 || [[জুনো দিয়াজ]] || ৫৪০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৩
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,৪৩৮
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১,৪৩৮
|}
=== [[ব্যবহারকারী:রাকিবুল হাসান রাসেল| রাকিবুল হাসান রাসেল]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[পারভীন এতেসামি]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:MD RADWAN ISLAM| MD RADWAN ISLAM]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[চুয়াং জি]] || ২৭৪ || ✕
|-
| 2 || [[ফকির শাহাবুদ্দীন]] || ০ || ✕
|-
| 3 || [[আবু বকর সিদ্দিকী]] || ০ || ✕
|-
| 4 || [[বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট]] || ০ || ✕
|-
| 5 || [[বাংলাদেশের কৃষি প্রযুক্তি]] || ০ || ✕
|-
| 6 || [[হাসিবুন নাহের]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৬
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২৭৪
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২৭৪
|}
=== [[ব্যবহারকারী:AKM Mahinur Rahman| AKM Mahinur Rahman]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মেরি উলস্টোনক্রাফ্ট]] || ২১৩ || ✕
|-
| 2 || [[বালতাসার গ্রাসিয়ান]] || ২০৬ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪১৯
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪১৯
|}
=== [[ব্যবহারকারী:MD RADWAN ISLAM ROHAN| MD RADWAN ISLAM ROHAN]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[জুলাই আন্দোলন]] || ৬১৫ || ✕
|-
| 2 || [[বিকাশ]] || ০ || ✕
|-
| 3 || [[নতুন প্রযুক্তি]] || ০ || ✕
|-
| 4 || [[বাংলাদেশের রিয়েল এস্টেট শিল্প: বর্তমান প্রেক্ষাপট ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা]] || ০ || ✕
|-
| 5 || [[জলবায়ু পরিবর্তন ও বাংলাদেশের পরিবেশ]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৫
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৬১৫
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৬১৫
|}
=== [[ব্যবহারকারী:ShahinurWrites| ShahinurWrites]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মোহাম্মদ শেখ শাহিনুর রহমান]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Abdullah Al Shishir| Abdullah Al Shishir]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[অপ্রত্যাশিত জীবনযাত্রা]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:চ্যাম্পিয়ন স্টার ১| চ্যাম্পিয়ন স্টার ১]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[অপর্ণা সেন]] || ৩১২ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩১২
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৩১২
|}
==শব্দসংখ্যা অনুযায়ী নিবন্ধ তালিকা==
{| class="wikitable sortable mw-collapsible mw-collapsed"
|+ class="nowrap" | শব্দসংখ্যা অনুযায়ী নিবন্ধ তালিকা
! ক্রমিক !! নিবন্ধ !! শব্দ সংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্পর্কে উক্তি]] || ৩৯,৩০৩ || ✓
|-
| 2 || [[স্ট্যানলি বল্ডউইন]] || ৩৪,১৩১ || ✓
|-
| 3 || [[খ্রিস্টের অনৈতিহাসিকতা তত্ত্ব]] || ২৮,৭০৭ || ✓
|-
| 4 || [[বেঞ্জামিন ডিসরাইলি]] || ২৯,৪৭৯ || ✓
|-
| 5 || [[রবার্ট জি. ইঙ্গারসোল]] || ৩০,০৯০ || ✓
|-
| 6 || [[রন পল]] || ২৪,৯২৮ || ✓
|-
| 7 || [[ক্যালকুলাসের ইতিহাস]] || ১৯,১৯৫ || ✓
|-
| 8 || [[অ্যানোরেক্সিয়া নার্ভোসা]] || ২৩,১০০ || ✓
|-
| 9 || [[ডোয়াইট ডি আইজেনহাওয়ার]] || ২১,০২৬ || ✓
|-
| 10 || [[স্টিফেন জে গুল্ড]] || ২২,১৫০ || ✓
|-
| 11 || [[এআর-১৫ স্টাইল রাইফেল]] || ১৮,৯০১ || ✓
|-
| 12 || [[শেরি এস. টেপার]] || ২৪,৯৯৯ || ✓
|-
| 13 || [[আউরেলিয়ুস আউগুস্তিনুস]] || ১৯,৩৪৬ || ✓
|-
| 14 || [[ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতিত্ব]] || ৪৬,৮৯৯ || ✓
|-
| 15 || [[নবায়নযোগ্য শক্তি]] || ১২,৬১০ || ✓
|-
| 16 || [[নাডিন গর্ডিমার]] || ১,৩৭২ || ✓
|-
| 17 || [[মারে গেল-মান]] || ১,৩২৮ || ✓
|-
| 18 || [[নার্গিস মোহাম্মাদি]] || ১,৭৫৫ || ✓
|-
| 19 || [[সাদি কার্নো]] || ৫,২৫৬ || ✓
|-
| 20 || [[জে. হাওয়ার্ড মুর]] || ২৪,১৯৫ || ✓
|-
| 21 || [[ভারতে পোশাক]] || ২,২৮৯ || ✓
|-
| 22 || [[ভারতের ভাষা]] || ৬৯৫ || ✓
|-
| 23 || [[মধ্যযুগীয় ভারত]] || ১,৭১৭ || ✓
|-
| 24 || [[ভারতে ইহুদিদের ইতিহাস]] || ২,০৪৬ || ✓
|-
| 25 || [[ভারতে সুফিবাদ]] || ৩,২০৭ || ✓
|-
| 26 || [[পর্তুগিজ ভারত]] || ১,৬৪৩ || ✓
|-
| 27 || [[ভারতের প্রাণী]] || ৩০৫ || ✓
|-
| 28 || [[স্বাধীনতা দিবস]] || ৩৭৫ || ✓
|-
| 29 || [[ভারতে দুর্ভিক্ষ]] || ৩,৭৮১ || ✓
|-
| 30 || [[ভারতে ধর্মহীনতা]] || ২,৩৮৯ || ✓
|-
| 31 || [[ওয়ারেন ফ্যারেল]] || ২১,০৭৮ || ✓
|-
| 32 || [[আর্নেস্ট বেকার]] || ১৩,৫৯৭ || ✓
|-
| 33 || [[অতিপ্রজতা]] || ২৯,৫০১ || ✓
|-
| 34 || [[মোপলা বিদ্রোহ]] || ১৪,৫১২ || ✓
|-
| 35 || [[সীতা রাম গোয়েল]] || ১,৫৯৬ || ✓
|-
| 36 || [[অরুণ শৌরি]] || ১৫,৪৫০ || ✓
|-
| 37 || [[ভারতের ইতিহাস লিখন]] || ১৭,৯১৮ || ✓
|-
| 38 || [[দ্রৌপদী]] || ৬,১৬৪ || ✓
|-
| 39 || [[দ্য হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়া, অ্যাজ টোল্ড বাই ইটস ওন হিস্টোরিয়ানস]] || ২,৬৮৫ || ✕
|-
| 40 || [[রামায়ণ]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 41 || [[ভারতে শিক্ষা]] || ১০,৫৮০ || ✓
|-
| 42 || [[ভারতে নারী]] || ৬,১৫০ || ✓
|-
| 43 || [[বন্যপ্রাণীর কষ্ট]] || ৩৩,৭৪১ || ✓
|-
| 44 || [[নিরামিষবাদ]] || ৩০,৬২৭ || ✓
|-
| 45 || [[ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম রাষ্ট্রপতিত্ব]] || ৩৭,৫৭২ || ✓
|-
| 46 || [[নির্বাচন]] || ৭,০২৫ || ✓
|-
| 47 || [[সরকার]] || ২২,৭৫৯ || ✓
|-
| 48 || [[মহুয়া মৈত্র]] || ৬৫০ || ✓
|-
| 49 || [[হেনরি হোম, লর্ড কেইমস]] || ১,২৯৬ || ✓
|-
| 50 || [[লেটি কটিন পোগ্রেবিন]] || ৩৭০ || ✓
|-
| 51 || [[মার্জ পিয়ার্সি]] || ৬,৭৯০ || ✓
|-
| 52 || [[এলেন ডুইবস]] || ৮০৪ || ✓
|-
| 53 || [[মেরেডিথ ট্যাক্স]] || ৪৯১ || ✓
|-
| 54 || [[মুলক রাজ আনন্দ]] || ২৩৫ || ✓
|-
| 55 || [[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ধর্ষণ]] || ১,৯২০ || ✓
|-
| 56 || [[সুসান ব্রাউনমিলার]] || ৯৯১ || ✓
|-
| 57 || [[রবিন মরগান]] || ১,২২১ || ✓
|-
| 58 || [[ভিভিয়ান গোর্নিক]] || ২,৬৯০ || ✓
|-
| 59 || [[ডরোথি রে হিলি]] || ২,৬৩৮ || ✕
|-
| 60 || [[ক্লডিয়া জোন্স]] || ১,২৯৯ || ✓
|-
| 61 || [[গের্ডা লার্নার]] || ৩,৪২৮ || ✓
|-
| 62 || [[এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন]] || ৯,৮০৪ || ✕
|-
| 63 || [[এলা রিভ ব্লুর]] || ১,৯১৭ || ✓
|-
| 64 || [[টমাস হিউজ]] || ৯৯৬ || ✓
|-
| 65 || [[মার্গারিট দুরাস]] || ৩৪৯ || ✓
|-
| 66 || [[বেন অ্যারোনোভিচ]] || ৮,৭৯৭ || ✓
|-
| 67 || [[গ্লেন কুক]] || ৯,৯৮৫ || ✓
|-
| 68 || [[আব্রাহাম কাহান]] || ২,১৩৩ || ✓
|-
| 69 || [[গ্রেস পেলি]] || ৮,১৬৪ || ✕
|-
| 70 || [[স্টিফেন ক্রেন]] || ১,৯৬৩ || ✕
|-
| 71 || [[জোসেফাইন হার্বস্ট]] || ৪২৭ || ✓
|-
| 72 || [[জর্জ গিসিং]] || ২,০০৫ || ✓
|-
| 73 || [[আনজিয়া ইয়েজিয়ারস্কা]] || ৩,২৬২ || ✕
|-
| 74 || [[মেরি অ্যান্টিন]] || ৪৯০ || ✓
|-
| 75 || [[জয়েস অ্যান্টলার]] || ৪২৯ || ✓
|-
| 76 || [[ক্যাথরিন ম্যাককিনন]] || ২,১৭৮ || ✓
|-
| 77 || [[বেটিনা আপথেকার]] || ১,০২০ || ✓
|-
| 78 || [[ক্যারি চ্যাপম্যান ক্যাট]] || ১,৬০৩ || ✓
|-
| 79 || [[জ্যানেট র্যাঙ্কিন]] || ৭২১ || ✓
|-
| 80 || [[ফ্রান্সেস উইলার্ড]] || ৯৪১ || ✕
|-
| 81 || [[অ্যালিস স্টোন ব্ল্যাকওয়েল]] || ৫৪০ || ✕
|-
| 82 || [[অ্যানা এলিজাবেথ ডিকিনসন]] || ৭৫১ || ✕
|-
| 83 || [[মেরি লিভারমোর]] || ২,৩০৭ || ✕
|-
| 84 || [[দাড়ি]] || ২৯৭ || ✓
|-
| 85 || [[স্যার হেনরি হোবার্ট, ১ম ব্যারোনেট]] || ৭৩৮ || ✓
|-
| 86 || [[হার্ডিঞ্জ স্ট্যানলি গিফার্ড, হালসবুরির ১ম আর্ল]] || ৪১৯ || ✓
|-
| 87 || [[এ. ভি. ডাইসি]] || ১,৩৮১ || ✕
|-
| 88 || [[আলফ্রেড ডেনিং, ব্যারন ডেনিং]] || ৩,৮৩২ || ✓
|-
| 89 || [[টমাস ডেনিসন]] || ৪০০ || ✓
|-
| 90 || [[স্যার ফ্রান্সিস বুলার, ১ম ব্যারোনেট]] || ৯৬২ || ✓
|-
| 91 || [[নিকোলাস ব্রাতজা]] || ২৬৪ || ✓
|-
| 92 || [[রবার্ট অ্যাটকিনস]] || ৩৩৩ || ✕
|-
| 93 || [[রিচার্ড পেপার আর্ডেন, ১ম ব্যারন অ্যালভানলি]] || ৩৫১ || ✓
|-
| 94 || [[এডওয়ার্ড হল অল্ডারসন]] || ৪৪৬ || ✓
|-
| 95 || [[অ্যামব্রোজ বিয়ার্স]] || ৫,৫৪১ || ✕
|-
| 96 || [[মেওয়াত]] || ৭১৮ || ✓
|-
| 97 || [[নানাবতী-মেহতা কমিশন]] || ২,৪৪৪ || ✓
|-
| 98 || [[ভারতে ঔষধ শিল্প]] || ১,৯২১ || ✓
|-
| 99 || [[পাঞ্জাব]] || ১,৪০৬ || ✓
|-
| 100 || [[রামনবমী]] || ৮৬২ || ✓
|-
| 101 || [[ভারতের শহরসমূহের নাম পরিবর্তন]] || ৪৪১ || ✓
|-
| 102 || [[নুপুর শর্মা]] || ৬০১ || ✓
|-
| 103 || [[রিপাবলিক টিভি]] || ৪৫৫ || ✓
|-
| 104 || [[রোহিলখণ্ড]] || ৪৪০ || ✓
|-
| 105 || [[রোহিলা]] || ৩৪০ || ✓
|-
| 106 || [[সৌরাষ্ট্র]] || ৬৫৪ || ✓
|-
| 107 || [[ভারতে তিন তালাক]] || ১,১৩৪ || ✓
|-
| 108 || [[ভারতের পবিত্র উপবন]] || ৫৭৫ || ✓
|-
| 109 || [[অভিন্ন দেওয়ানি বিধি]] || ৩,৭৩৭ || ✓
|-
| 110 || [[নবনীত আদিত্য ওয়াইবা]] || ১৯২ || ✓
|-
| 111 || [[ভারতে জল সরবরাহ ও স্যানিটেশন]] || ৭৪০ || ✓
|-
| 112 || [[জমিদার]] || ৩৮১ || ✕
|-
| 113 || [[নিখিল ভারত মুসলিম লীগ]] || ১,৭৩৭ || ✕
|-
| 114 || [[ফতোয়া]] || ৪৮৪ || ✓
|-
| 115 || [[দারা শিকোহ]] || ১,৪৩৫ || ✓
|-
| 116 || [[আমেরিকা নিপাত যাক]] || ৬৩৯ || ✓
|-
| 117 || [[মহা শয়তান]] || ৪১৪ || ✓
|-
| 118 || [[উলামা]] || ৩৪৫ || ✓
|-
| 119 || [[দক্ষিণ এশিয়ায় মুসলিম জাতীয়তাবাদ]] || ১,৫১৬ || ✓
|-
| 120 || [[পার্সি-মুসলিম দাঙ্গা]] || ৬৫৬ || ✓
|-
| 121 || [[ভারতে দাঙ্গা]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 122 || [[ভারতে পেগাসাস প্রকল্পের উদঘাটন]] || ৩৯০ || ✓
|-
| 123 || [[নেহরুবাদ]] || ৯৫২ || ✓
|-
| 124 || [[২জি স্পেকট্রাম মামলা]] || ৯৩৭ || ✓
|-
| 125 || [[রাহুল গান্ধী]] || ৪,০০৪ || ✓
|-
| 126 || [[আকবরউদ্দিন ওয়াইসি]] || ২৯৮ || ✓
|-
| 127 || [[ভারতের সাধারণ নির্বাচন, ২০২৪]] || ২,৫৭৭ || ✓
|-
| 128 || [[ভারতে ধর্মনিরপেক্ষতা]] || ২৩৪ || ✓
|-
| 129 || [[নাইলা আলি খান]] || ২০৪ || ✓
|-
| 130 || [[অরুণ জেটলি]] || ৪৮১ || ✓
|-
| 131 || [[সুকেতু মেহতা]] || ৩৮২ || ✓
|-
| 132 || [[রুক্মিণী মৈত্র]] || ৩৫৪ || ✓
|-
| 133 || [[মানব গুপ্ত]] || ৬৩৪ || ✕
|-
| 134 || [[মোহিনী মোহন ধর]] || ৫৮৫ || ✓
|-
| 135 || [[দিলীপ কুমার চক্রবর্তী]] || ২,৫৯৭ || ✓
|-
| 136 || [[রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ৩৮৩ || ✓
|-
| 137 || [[পিটার অ্যাক্রয়েড]] || ২৯৭ || ✓
|-
| 138 || [[হ্যারল্ড ব্লুম]] || ৫৯৩ || ✓
|-
| 139 || [[জেমস বসওয়েল]] || ১,১৪৯ || ✓
|-
| 140 || [[অলিভার গোল্ডস্মিথ]] || ৩,১৭৮ || ✓
|-
| 141 || [[হেনরি জাইলস]] || ৭৯২ || ✓
|-
| 142 || [[এডউইন হাবেল চ্যাপিন]] || ৭৭০ || ✓
|-
| 143 || [[অবমাননা]] || ৭৮৮ || ✓
|-
| 144 || [[আদালত অবমাননা]] || ৮২৯ || ✓
|-
| 145 || [[আইনপ্রণেতা]] || ৭৪৩ || ✓
|-
| 146 || [[লেই বারডুগো]] || ১২২ || ✓
|-
| 147 || [[উইলিয়াম ব্রেট, ১ম ভিসকাউন্ট এশার]] || ১,০২০ || ✓
|-
| 148 || [[হেনরি হকিন্স, ১ম ব্যারন ব্র্যাম্পটন]] || ৩০৩ || ✓
|-
| 149 || [[জুনিয়াস]] || ১,৪১২ || ✓
|-
| 150 || [[উইলিয়াম মারে, ম্যানসফিল্ডের ১ম আর্ল]] || ৬৪৩ || ✓
|-
| 151 || [[জোসেফ ইয়েটস]] || ৬৬৬ || ✓
|-
| 152 || [[স্যার জন বেইলি, ১ম ব্যারোনেট]] || ৯১৮ || ✓
|-
| 153 || [[হেনরি বিকারস্টথ, ১ম ব্যারন ল্যাংডেল]] || ৪১৫ || ✓
|-
| 154 || [[এডওয়ার্ড ল, ১ম ব্যারন এলেনবরো]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 155 || [[লয়েড কেনিয়ন, ১ম ব্যারন কেনিয়ন]] || ৪,৪০৮ || ✓
|-
| 156 || [[জন হোল্ট]] || ১,১৮৯ || ✓
|-
| 157 || [[চার্লস বোয়েন, ব্যারন বোয়েন]] || ১,০৩৭ || ✓
|-
| 158 || [[চার্লস অ্যাবট, ১ম ব্যারন টেন্টারডেন]] || ৩৪১ || ✓
|-
| 159 || [[ন্যায়বিচার প্রশাসন]] || ২,৮৯৯ || ✓
|-
| 160 || [[আদালত]] || ১,৮১৮ || ✕
|-
| 161 || [[রোজান এ. ব্রাউন]] || ৩৪১ || ✓
|-
| 162 || [[মারিয়ন জিমার ব্র্যাডলি]] || ১,১০৪ || ✓
|-
| 163 || [[টেরি ব্রুকস]] || ৪৮৫ || ✓
|-
| 164 || [[লেই ব্র্যাকেট]] || ১,১১২ || ✓
|-
| 165 || [[জ্যাক ক্যাডি]] || ১,৫৬৮ || ✓
|-
| 166 || [[মেল ব্রুকস]] || ২,০১৬ || ✕
|-
| 167 || [[মাইকেল বিশপ]] || ৯৯০ || ✓
|-
| 168 || [[এলিজাবেথ বেয়ার]] || ৭০৫ || ✓
|-
| 169 || [[মার্গারেট বল]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 170 || [[পাওলো বাসিগালুপি]] || ৬৪৭ || ✓
|-
| 171 || [[কেলি আর্মস্ট্রং]] || ৫৮৫ || ✓
|-
| 172 || [[ক্যাথরিন আসরো]] || ৩৬১ || ✓
|-
| 173 || [[পিয়ার্স অ্যান্থনি]] || ২২৯ || ✓
|-
| 174 || [[রবার্ট আইকম্যান]] || ২৬৮ || ✓
|-
| 175 || [[আইনজীবী]] || ২,৩২৯ || ✓
|-
| 176 || [[আইনসভা]] || ২,৩৪৩ || ✓
|-
| 177 || [[জর্জ বুশনার]] || ৬৬২ || ✓
|-
| 178 || [[জোসেফ গার্নি ক্যানন]] || ৭০৯ || ✓
|-
| 179 || [[সংখ্যাগরিষ্ঠ]] || ১,৩৫৬ || ✓
|-
| 180 || [[সংখ্যালঘু গোষ্ঠী]] || ১,৮৮১ || ✓
|-
| 181 || [[প্রাতিষ্ঠানিক আচরণ]] || ৬৫৬ || ✓
|-
| 182 || [[মানব আচরণ]] || ৮৫২ || ✓
|-
| 183 || [[হার্ভে ম্যানসফিল্ড]] || ৯৭৯ || ✓
|-
| 184 || [[রাষ্ট্রবিজ্ঞান]] || ১,১৩৯ || ✓
|-
| 185 || [[রাজনৈতিক দর্শন]] || ১,২৮৫ || ✓
|-
| 186 || [[দ্বিজেন্দ্র নারায়ণ ঝা]] || ১,০৮৭ || ✓
|-
| 187 || [[আগ্রাসন]] || ৯২০ || ✓
|-
| 188 || [[হিন্দুত্ব]] || ২,৭০০ || ✓
|-
| 189 || [[ফ্লাভিয়া অ্যাগনেস]] || ৬৮২ || ✓
|-
| 190 || [[লাভ জিহাদ ষড়যন্ত্র তত্ত্ব]] || ৩,১৫০ || ✓
|-
| 191 || [[মহাত্মা গান্ধীর হত্যাকাণ্ড]] || ১,৭৭৮ || ✓
|-
| 192 || [[যোগিন্দর সিকান্দ]] || ৮১৪ || ✓
|-
| 193 || [[ভারতে মুসলিমদের বিরুদ্ধে সহিংসতা]] || ৮৫১ || ✓
|-
| 194 || [[জয় শ্রীরাম]] || ৭০৮ || ✓
|-
| 195 || [[লালকৃষ্ণ আডবাণী]] || ১,৫৫৫ || ✓
|-
| 196 || [[রাম রথযাত্রা]] || ১,৫৭৯ || ✓
|-
| 197 || [[হিন্দু আমেরিকান ফাউন্ডেশন]] || ১,৪৫৫ || ✓
|-
| 198 || [[হর্ষ মান্দার]] || ৬৬০ || ✓
|-
| 199 || [[স্বপন দাশগুপ্ত]] || ১,১৬৭ || ✓
|-
| 200 || [[জরাথুস্ট্রবাদ]] || ৩৭৭ || ✓
|-
| 201 || [[পার্সি]] || ৩৯০ || ✓
|-
| 202 || [[নাগরিকত্ব]] || ১,৮৭৯ || ✓
|-
| 203 || [[ভারতের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৭০]] || ৬৭৯ || ✓
|-
| 204 || [[মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯]] || ৭৬৯ || ✓
|-
| 205 || [[অবৈতনিক বাধ্যতামূলক শিশু শিক্ষার অধিকার আইন, ২০০৯]] || ৩৭৯ || ✓
|-
| 206 || [[বোম্বাই দাঙ্গা]] || ৭৭৬ || ✓
|-
| 207 || [[বজরং দল]] || ৩৩১ || ✓
|-
| 208 || [[সংসদীয় ব্যবস্থা]] || ৪০৫ || ✓
|-
| 209 || [[বিচার বিভাগীয় ব্যাখ্যা]] || ১,২৩২ || ✓
|-
| 210 || [[বর্ণবাদ পরবর্তী আমেরিকা]] || ১,০৬৯ || ✓
|-
| 211 || [[শ্বেতাঙ্গ বিশেষাধিকার]] || ৬২৮ || ✓
|-
| 212 || [[বিশেষাধিকার]] || ৭১২ || ✓
|-
| 213 || [[মানবহিতৈষণা]] || ২২৮ || ✓
|-
| 214 || [[ভারত সরকার]] || ১,২২০ || ✓
|-
| 215 || [[শিলং]] || ৯৭৩ || ✓
|-
| 216 || [[মাঝৌলি রাজ]] || ৫৬০ || ✓
|-
| 217 || [[কালিকট]] || ৪৫৪ || ✓
|-
| 218 || [[যাজপুর]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 219 || [[কালিবাঙ্গান]] || ৭৩৮ || ✓
|-
| 220 || [[কাডাপা]] || ৪১৩ || ✓
|-
| 221 || [[ইদার]] || ৫৮৬ || ✓
|-
| 222 || [[গোধরা]] || ১,০১০ || ✓
|-
| 223 || [[ভুবনেশ্বর]] || ১,১৬৫ || ✓
|-
| 224 || [[অমৃতসর]] || ৮৬৮ || ✓
|-
| 225 || [[আম্বালা]] || ৪৬১ || ✓
|-
| 226 || [[হায়দ্রাবাদ]] || ৩,২৪৮ || ✓
|-
| 227 || [[২০১৯ হায়দ্রাবাদ গণধর্ষণ]] || ১৭৭ || ✓
|-
| 228 || [[মুহাম্মাদ বখতিয়ার খলজি]] || ৪২৩ || ✕
|-
| 229 || [[হায়দ্রাবাদ অধিগ্রহণ]] || ৪৫৬ || ✓
|-
| 230 || [[১৮৯৯-১৯০০ সালের ভারতীয় দুর্ভিক্ষ]] || ৫৪১ || ✓
|-
| 231 || [[১৯৯০ হায়দ্রাবাদ দাঙ্গা]] || ৪০৬ || ✓
|-
| 232 || [[গুয়াহাটি]] || ১,৭৯৬ || ✓
|-
| 233 || [[গৌড়]] || ১,৯৩৬ || ✓
|-
| 234 || [[বিজাপুর]] || ৬৬২ || ✓
|-
| 235 || [[মাণ্ডু]] || ৩৯৪ || ✓
|-
| 236 || [[খাজুরাহো]] || ৩৭১ || ✓
|-
| 237 || [[চান্দেরী]] || ৫০৭ || ✓
|-
| 238 || [[জুনাগড়]] || ৭১৯ || ✓
|-
| 239 || [[বৃহৎ কচ্ছের রাণ]] || ৫৮৪ || ✓
|-
| 240 || [[আহমেদাবাদ]] || ১,৮১২ || ✓
|-
| 241 || [[কচ্ছ জেলা]] || ৩২৬ || ✓
|-
| 242 || [[দৃশদ্বতী নদী]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 243 || [[চেনাব নদী]] || ৩২১ || ✓
|-
| 244 || [[পশ্চিমবঙ্গে ধর্ম]] || ১,২৩২ || ✓
|-
| 245 || [[মুর্শিদাবাদ সহিংসতা]] || ২৫৭ || ✓
|-
| 246 || [[২০২৪ সন্দেশখালী সহিংসতা]] || ১,০৬১ || ✓
|-
| 247 || [[২০২২ বীরভূম সহিংসতা]] || ৫১৪ || ✓
|-
| 248 || [[মৈতৈ জাতি]] || ৬৪০ || ✓
|-
| 249 || [[মৈতৈ সভ্যতা]] || ৩৫০ || ✓
|-
| 250 || [[মণিপুর]] || ৩০৬ || ✓
|-
| 251 || [[লাক্ষাদ্বীপ]] || ৩২৯ || ✓
|-
| 252 || [[বৃন্দাবন]] || ৬৮২ || ✕
|-
| 253 || [[সম্ভল]] || ২৪৩ || ✓
|-
| 254 || [[এলাহাবাদ]] || ৩৫৭ || ✓
|-
| 255 || [[আলিগড়]] || ৪০৯ || ✓
|-
| 256 || [[স্ট্যাচু অব ইউনিটি]] || ২৪১ || ✓
|-
| 257 || [[ভারতের দুর্গ]] || ৩১৪ || ✓
|-
| 258 || [[দ্য দুন স্কুল]] || ৬৬৪ || ✓
|-
| 259 || [[কাশী হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়]] || ৩৪৫ || ✓
|-
| 260 || [[আগ্রা]] || ৭১৮ || ✓
|-
| 261 || [[২০২০ দিল্লি দাঙ্গা]] || ১,১৭৮ || ✓
|-
| 262 || [[তিরুচিরাপল্লী]] || ৬২৬ || ✓
|-
| 263 || [[সেন্ট থমাস ক্যাথেড্রাল ব্যাসিলিকা, চেন্নাই]] || ৩৮০ || ✕
|-
| 264 || [[আতঙ্ক]] || ৪৭৮ || ✕
|-
| 265 || [[ভারতে দুর্নীতি]] || ১,০০৭ || ✓
|-
| 266 || [[তামিলনাড়ুর মন্দির]] || ৯১৮ || ✓
|-
| 267 || [[এম. কে. স্ট্যালিন]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 268 || [[তামিলনাড়ু]] || ৫৪৩ || ✓
|-
| 269 || [[তামিলনাড়ুর হিন্দি বিরোধী আন্দোলন]] || ৪৬৫ || ✓
|-
| 270 || [[যোধপুর]] || ৬২৮ || ✓
|-
| 271 || [[রাজস্থান]] || ২৯৪ || ✓
|-
| 272 || [[ওড়িশা]] || ৭৪৫ || ✓
|-
| 273 || [[১৯৯৮ কোয়েম্বাটুর বোমা হামলা]] || ৫৩৭ || ✓
|-
| 274 || [[উত্তর-পূর্ব ভারতে বিদ্রোহ]] || ৩৯৮ || ✓
|-
| 275 || [[মারাদ হত্যাকাণ্ড]] || ৩৫২ || ✓
|-
| 276 || [[মক্কা মসজিদ বিস্ফোরণ]] || ৫৮৪ || ✓
|-
| 277 || [[স্টুডেন্টস ইসলামিক মুভমেন্ট অব ইন্ডিয়া]] || ৩৫৭ || ✓
|-
| 278 || [[বিষ্ণু]] || ৬১৭ || ✓
|-
| 279 || [[২০২৪ রিয়াসি হামলা]] || ৩০২ || ✓
|-
| 280 || [[২০০৬ মালেগাঁও বোমা হামলা]] || ৩৯১ || ✓
|-
| 281 || [[২০০৬ মুম্বই রেলে বোমা হামলা]] || ১৯০ || ✓
|-
| 282 || [[মুম্বই]] || ১,২২৪ || ✓
|-
| 283 || [[দৌলতাবাদ, মহারাষ্ট্র]] || ৮৮৯ || ✕
|-
| 284 || [[মহারাষ্ট্র]] || ৪৯৯ || ✓
|-
| 285 || [[পিনারাই বিজয়ন]] || ৫২৩ || ✓
|-
| 286 || [[আরব দেশ]] || ৯১৪ || ✓
|-
| 287 || [[দক্ষিণ এশিয়া]] || ৫৯৩ || ✓
|-
| 288 || [[শহুরে অবক্ষয়]] || ৩০৮ || ✓
|-
| 289 || [[নগরায়ন]] || ১,০৯৭ || ✓
|-
| 290 || [[কেরল]] || ৩৬৫ || ✓
|-
| 291 || [[জম্মু ও কাশ্মীরে বিদ্রোহ]] || ৪১৮ || ✓
|-
| 292 || [[জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহার]] || ৯৬৪ || ✓
|-
| 293 || [[শ্রীনগর]] || ১,৭২৯ || ✓
|-
| 294 || [[কাশ্মীর উপত্যকা]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 295 || [[লাদাখ]] || ৬৯৪ || ✓
|-
| 296 || [[কাশ্মীরি জাতি]] || ৮১৩ || ✓
|-
| 297 || [[তারিখ-ই-কাশ্মীর]] || ৫১৪ || ✓
|-
| 298 || [[কর্ণাটক]] || ৬৮২ || ✓
|-
| 299 || [[কর্ণাটকের রাজনীতি]] || ৪৩৯ || ✓
|-
| 300 || [[বেঙ্গালুরু]] || ৬১৪ || ✓
|-
| 301 || [[আসামে ইসলাম]] || ৬৯০ || ✓
|-
| 302 || [[আসামের ইতিহাস]] || ৭২৬ || ✓
|-
| 303 || [[আসামে হিন্দুধর্ম]] || ৩২৫ || ✓
|-
| 304 || [[ভারতের জনমিতি]] || ৩,৩৭৩ || ✓
|-
| 305 || [[বাংলাদেশের জনমিতি]] || ১,১৯৫ || ✓
|-
| 306 || [[পাকিস্তানের জনমিতি]] || ৮৫০ || ✓
|-
| 307 || [[আসামের জনমিতি]] || ১৮২ || ✓
|-
| 308 || [[বিহার]] || ৪৫৮ || ✓
|-
| 309 || [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] || ১৮১ || ✓
|-
| 310 || [[শাহ বানু মামলা]] || ৮০০ || ✓
|-
| 311 || [[ইসরায়েল–ভারত সম্পর্ক]] || ৮৯৭ || ✓
|-
| 312 || [[প্রণব মুখোপাধ্যায়]] || ৫৯৫ || ✓
|-
| 313 || [[দ্রৌপদী মুর্মু]] || ২৪৯ || ✓
|-
| 314 || [[ফখরুদ্দিন আলি আহমেদ]] || ১,৬৪৭ || ✓
|-
| 315 || [[এলজিবিটিকিউ অধিকার বিরোধিতা]] || ২,০৪৯ || ✓
|-
| 316 || [[গেফোবিয়া]] || ২৭৮ || ✓
|-
| 317 || [[সমকামী যৌন চর্চা]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 318 || [[উভকামিতা]] || ১,৫৬০ || ✓
|-
| 319 || [[কামিং আউট]] || ৮০৫ || ✓
|-
| 320 || [[স্মৃতি ইরানি]] || ৯৯১ || ✓
|-
| 321 || [[মেনকা গান্ধী]] || ১,২৩০ || ✓
|-
| 322 || [[যশবন্ত সিং]] || ২০৬ || ✓
|-
| 323 || [[সৈয়দ শাহাবুদ্দিন]] || ৫৭৯ || ✓
|-
| 324 || [[শাকিল আহমদ]] || ১২৪ || ✓
|-
| 325 || [[তথাগত রায়]] || ২৭৫ || ✓
|-
| 326 || [[লালুপ্রসাদ যাদব]] || ১,১০৯ || ✓
|-
| 327 || [[আসাদউদ্দিন ওয়াইসি]] || ৫০২ || ✓
|-
| 328 || [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনী]] || ১৯,১০০ || ✕
|-
| 329 || [[ভাকলাভ হাভেল]] || ৯,৩৫৭ || ✓
|-
| 330 || [[নরউইচের জুলিয়ান]] || ৩১,৬৩৩ || ✓
|-
| 331 || [[রামসে ম্যাকডোনাল্ড]] || ৯,৬২২ || ✓
|-
| 332 || [[জন মুয়ির]] || ৮,০৬১ || ✓
|-
| 333 || [[মার্গারেট অ্যাটউড]] || ৬,৩২৮ || ✓
|-
| 334 || [[পেত্র ক্রাপোতকিন]] || ১০,৮১৬ || ✓
|-
| 335 || [[টমাস হেনরি হাক্সলি]] || ৮,৫০৩ || ✓
|-
| 336 || [[উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস]] || ৭,২১০ || ✓
|-
| 337 || [[উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস]] || ৪,২৬০ || ✓
|-
| 338 || [[তাওয়াক্কোল কারমান]] || ৪,০৯৭ || ✓
|-
| 339 || [[র্যাচেল কারসন]] || ৪,৭৬৭ || ✓
|-
| 340 || [[আর্নেস্ট হেমিংওয়ে]] || ১৪,৯০৭ || ✓
|-
| 341 || [[আর্থার এডিংটন]] || ৫,৬৩৭ || ✓
|-
| 342 || [[এরিক হবসবাউম]] || ৫,৮৭৩ || ✓
|-
| 343 || [[টনি মরিসন]] || ১০,৩৮৩ || ✓
|-
| 344 || [[টনি বেন]] || ১০,৩৯৯ || ✓
|-
| 345 || [[নরম্যান মেইলার]] || ৬,৬০৬ || ✓
|-
| 346 || [[পল স্যামুয়েলসন]] || ৬,৮৫১ || ✓
|-
| 347 || [[এইচ. পি. লাভক্র্যাফট]] || ২৫,৪৭২ || ✓
|-
| 348 || [[ব্লেজ পাসকাল]] || ৩,০৫১ || ✓
|-
| 349 || [[চিনুয়া আচেবে]] || ৬,০৪২ || ✓
|-
| 350 || [[ডরিস লেসিং]] || ৪,৬২১ || ✓
|-
| 351 || [[ফেদেরিকো ফাগিন]] || ৬০০ || ✓
|-
| 352 || [[আলেকজান্ডার গ্রোথেনডিক]] || ১,২১১ || ✓
|-
| 353 || [[আঙ্গেলা ম্যার্কেল]] || ২,০২৯ || ✓
|-
| 354 || [[আনাক্সাগোরাস]] || ৩,৬৭১ || ✓
|-
| 355 || [[আমোস তভারস্কি]] || ৪৬১ || ✓
|-
| 356 || [[আলফ্রেড মার্শাল]] || ১,৩০৯ || ✓
|-
| 357 || [[আলবার্টাস ম্যাগনাস]] || ৩৮২ || ✓
|-
| 358 || [[অনিতা ব্রুকনার]] || ৪৭৪ || ✕
|-
| 359 || [[আলফ্রেড কিনসে]] || ১,০৩৩ || ✓
|-
| 360 || [[অ্যালান কে]] || ৯২৪ || ✓
|-
| 361 || [[আলেকজান্ডার ফ্লেমিং]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 362 || [[ক্যারোলিন বার্তোজি]] || ৪১১ || ✓
|-
| 363 || [[আলফ্রেড রাসেল ওয়ালেস]] || ১,৬৫৯ || ✓
|-
| 364 || [[অঁতোয়ান লাভোয়াজিয়ে]] || ১,৪৩৬ || ✕
|-
| 365 || [[লিটিশা এলিজাবেথ ল্যান্ডন]] || ২৫,৯৭৯ || ✕
|-
| 366 || [[প্রজননবিরোধবাদ]] || ৩০,৯৪৮ || ✓
|-
| 367 || [[উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন]] || ২৮,৬১৯ || ✕
|-
| 368 || [[ক্রিস্টোফার হিচেন্স]] || ২৫,৯২২ || ✓
|-
| 369 || [[বলপূর্বক খাওয়ানো]] || ২২,৬২২ || ✓
|-
| 370 || [[জন স্টুয়ার্ট মিল]] || ২২,৭৮৩ || ✓
|-
| 371 || [[রবার্ট গ্যাসকয়েন-সিসিল, স্যালিসবারির ৩য় মার্কুইস]] || ২০,৮৯৮ || ✓
|-
| 372 || [[অ্যারন রা]] || ২১,৯৫৫ || ✓
|-
| 373 || [[ফায়ারপ্লেস]] || ২১,৪১৭ || ✓
|-
| 374 || [[জন হার্ভে কেলোগ]] || ৩০,৭৪৮ || ✓
|-
| 375 || [[ভ্রান্ত উদ্ধৃতি]] || ৯,৮৭১ || ✓
|-
| 376 || [[২০১১ ফিফা মহিলা বিশ্বকাপ]] || ৯৬৩ || ✓
|-
| 377 || [[তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] || ৩,১৭৯ || ✓
|-
| 378 || [[আফগান যুদ্ধ]] || ৪,৬২০ || ✓
|-
| 379 || [[ইউক্রেনে রুশ আক্রমণ]] || ১২,৩৮২ || ✓
|-
| 380 || [[ইরাক যুদ্ধ]] || ১২,৩৪৪ || ✓
|-
| 381 || [[যুক্তরাজ্যের তৃতীয় জর্জ]] || ১২,০৪২ || ✓
|-
| 382 || [[২০১০ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৮৮৩ || ✓
|-
| 383 || [[২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৩,৫১৪ || ✓
|-
| 384 || [[২০০২ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৬১১ || ✓
|-
| 385 || [[ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ]] || ১,৫৪২ || ✓
|-
| 386 || [[স্নায়ুযুদ্ধ]] || ১৫,৬১০ || ✓
|-
| 387 || [[দ্বিতীয় স্নায়ুযুদ্ধ]] || ৪,৬৬৮ || ✓
|-
| 388 || [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] || ২৪,১৭৭ || ✓
|-
| 389 || [[মহত্ত্ব]] || ৭,৮১৪ || ✓
|-
| 390 || [[সাংবাদিকতা]] || ১৩,৪৭৭ || ✓
|-
| 391 || [[প্যানডিজম]] || ১০,৩০০ || ✓
|-
| 392 || [[গাজা যুদ্ধ]] || ১৬,৯৮২ || ✓
|-
| 393 || [[২০২৬ ইরান যুদ্ধ]] || ৬,৯৫৯ || ✓
|-
| 394 || [[পারমাণবিক অস্ত্র]] || ৩,২৩৩ || ✓
|-
| 395 || [[২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৬৪৩ || ✓
|-
| 396 || [[ক্রুসেড]] || ৯৯৬ || ✓
|-
| 397 || [[অ্যানিমেশন]] || ৯,৪৫৭ || ✓
|-
| 398 || [[দক্ষিণ কোরিয়ার রাজনীতি]] || ৭৫৫ || ✓
|-
| 399 || [[ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ]] || ৩,৭৬২ || ✓
|-
| 400 || [[পারমাণবিক যুদ্ধ]] || ৫,৫২০ || ✓
|-
| 401 || [[আল খোয়ারিজমি]] || ১,২৩০ || ✓
|-
| 402 || [[ফজলে রাব্বী]] || ৬৩৫ || ✓
|-
| 403 || [[ডেভিড হিউম]] || ১১,৭৮০ || ✓
|-
| 404 || [[লিওনিদ ক্যান্টোরোভিচ]] || ১,৪২২ || ✓
|-
| 405 || [[থিওডোসিয়াস ডবঝানস্কি]] || ৭৬০ || ✕
|-
| 406 || [[টেরেন্স টাও]] || ৭২০ || ✓
|-
| 407 || [[ফিলিপ]] || ৪২৬ || ✓
|-
| 408 || [[জুলিয়ান শুইঙার]] || ১,৩২২ || ✕
|-
| 409 || [[পিয়ের-জিল দ্য জেন]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 410 || [[ব্রায়ান কক্স]] || ৭৫৬ || ✓
|-
| 411 || [[জন ম্যাককার্থি]] || ১,০৪৫ || ✓
|-
| 412 || [[লুই দ্য ব্রোয়ি]] || ৪৬০ || ✓
|-
| 413 || [[ফ্রঁসোয়া মিতেরঁ]] || ১,১৯৪ || ✕
|-
| 414 || [[ফ্লিন্ডার্স পেট্রি]] || ১,২০৪ || ✕
|-
| 415 || [[পল আর. এহর্লিচ]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 416 || [[মাইকেল আতিয়াহ]] || ৪২৩ || ✓
|-
| 417 || [[মার্টন মিলার]] || ৪৮২ || ✓
|-
| 418 || [[মেরি বিয়ার্ড]] || ৯১১ || ✓
|-
| 419 || [[মার্গারেট চ্যান]] || ৭০৪ || ✓
|-
| 420 || [[গেরহার্ড শ্রোডার]] || ২৬৯ || ✓
|-
| 421 || [[ফিলিপ ওয়ারেন অ্যান্ডারসন]] || ৭৯৯ || ✓
|-
| 422 || [[পিটার হিগস]] || ৪৭৪ || ✕
|-
| 423 || [[লিওনার্ড সাসকিন্ড]] || ৮২৫ || ✓
|-
| 424 || [[জন মেইনার্ড স্মিথ]] || ৬৪০ || ✓
|-
| 425 || [[জন জেমস অডুবন]] || ৮৩৭ || ✓
|-
| 426 || [[শেলডন লি গ্ল্যাশো]] || ৭৫১ || ✓
|-
| 427 || [[ভিক্টর উইসকফ]] || ৫১৯ || ✓
|-
| 428 || [[মার্টিন রিস]] || ৫৫১ || ✓
|-
| 429 || [[মার্ক ওলিফ্যান্ট]] || ৫৫৩ || ✓
|-
| 430 || [[ভিতালি গিঞ্জবার্গ]] || ৩০৮ || ✓
|-
| 431 || [[স্যালি রাইড]] || ৪২৫ || ✓
|-
| 432 || [[রবার্ট ফোগেল]] || ৪২৮ || ✓
|-
| 433 || [[রিঙ্গো স্টার]] || ৮৭০ || ✓
|-
| 434 || [[মাক্স ডেলব্রুক]] || ৫৭৫ || ✓
|-
| 435 || [[তৃতীয় লেওপোল্ড]] || ৮৩৭ || ✓
|-
| 436 || [[নরম্যান বোরল্যাগ]] || ৭০০ || ✓
|-
| 437 || [[নিকলাউস ভির্ট]] || ৪৭৯ || ✓
|-
| 438 || [[নিকোলাস স্টেনো]] || ২৯২ || ✓
|-
| 439 || [[নেভিল ফ্রান্সিস মট]] || ৫১১ || ✓
|-
| 440 || [[লুডউইক ফ্লেক]] || ৫১২ || ✓
|-
| 441 || [[কারেন উলেনবেক]] || ৩৯২ || ✓
|-
| 442 || [[ইয়োসেফ মেংগেলে]] || ৫৪৪ || ✓
|-
| 443 || [[কিরণ দেশাই]] || ২৬১ || ✓
|-
| 444 || [[কাতালিন কারিকো]] || ৩০৯ || ✓
|-
| 445 || [[ইয়োন্স ইয়াকব বের্সেলিয়ুস]] || ৫১৬ || ✓
|-
| 446 || [[হুয়ান মালদাসেনা]] || ৭৩২ || ✓
|-
| 447 || [[হাইনরিখ বোল]] || ৩০০ || ✓
|-
| 448 || [[ইনগ্রিড ডোবিচি]] || ৬৭১ || ✓
|-
| 449 || [[ইয়ান উইলমুট]] || ৪২৭ || ✓
|-
| 450 || [[হিউ এভারেট]] || ৬০০ || ✓
|-
| 451 || [[ফ্রঁসোয়া অংল্যার]] || ৫৩৩ || ✓
|-
| 452 || [[এমানুয়েল সোয়েডেনবার্গ]] || ১,৫২২ || ✓
|-
| 453 || [[এলিজাবেথ বিশপ]] || ৬৫২ || ✓
|-
| 454 || [[শেখ আন্তা দিওপ]] || ৩৩৫ || ✓
|-
| 455 || [[জর্জ গ্যামো]] || ১,৫২১ || ✓
|-
| 456 || [[হাইনরিখ হের্ত্স]] || ১,৭৪৪ || ✓
|-
| 457 || [[গ্রো হারলেম ব্রুন্ডটল্যান্ড]] || ৩১১ || ✓
|-
| 458 || [[জন সি. মাদার]] || ৪২৫ || ✓
|-
| 459 || [[জন ব্যাকাস]] || ৫৯৭ || ✓
|-
| 460 || [[এর্নস্ট মায়ার]] || ৭৫৪ || ✓
|-
| 461 || [[লিন মার্গুলিস]] || ১,৭১৮ || ✓
|-
| 462 || [[হ্যান্স বেটে]] || ৩৯৬ || ✓
|-
| 463 || [[লুই আগাসিজ]] || ৯৩৭ || ✓
|-
| 464 || [[জর্জ ক্যুভিয়ে]] || ৭৬৮ || ✓
|-
| 465 || [[ব্রাসেলস]] || ৯৬৭ || ✓
|-
| 466 || [[ড্যানিয়েল কানেমান]] || ২,৯৫৭ || ✕
|-
| 467 || [[ডোনাল্ড কানুথ]] || ১,৫৮২ || ✓
|-
| 468 || [[লেমাহ গবোউই]] || ১,১৫০ || ✓
|-
| 469 || [[গারট্রুড বি. এলিয়ন]] || ২৩৪ || ✓
|-
| 470 || [[ডোনা স্ট্রিকল্যান্ড]] || ৩৫৯ || ✓
|-
| 471 || [[এর্নস্ট মাখ]] || ২,০২৮ || ✕
|-
| 472 || [[ডোনাল্ড টাস্ক]] || ১,৭৭১ || ✓
|-
| 473 || [[অরবিন্দ আদিগা]] || ৮৬৬ || ✓
|-
| 474 || [[সি. এ. আর. হোর]] || ১,০৬১ || ✕
|-
| 475 || [[পল ডিরাক]] || ৪,৭০৯ || ✕
|-
| 476 || [[ই. ও. উইলসন]] || ৪,৪৫৮ || ✕
|-
| 477 || [[ডেসমন্ড মরিস]] || ৩,৯৮৬ || ✓
|-
| 478 || [[মাইকেল গোভ]] || ৩,৭৩৬ || ✓
|-
| 479 || [[হার্পার লি]] || ২,৪৯১ || ✓
|-
| 480 || [[কেন টম্পসন]] || ১,৮১৬ || ✓
|-
| 481 || [[জন টিন্ডাল]] || ২,৫২৮ || ✓
|-
| 482 || [[মেরি রবিনসন]] || ১,৩৭৬ || ✓
|-
| 483 || [[হেনরি ক্যাভেন্ডিশ]] || ২,২৪৪ || ✓
|-
| 484 || [[আইরিস মারডক]] || ১,২৬৮ || ✓
|-
| 485 || [[আর্নেস্ট রাদারফোর্ড]] || ২,৪৫৩ || ✓
|-
| 486 || [[ফ্রেড ব্রুকস]] || ১,১৯১ || ✓
|-
| 487 || [[ক্রিস্টিয়ান হাইগেনস]] || ১,৯০৭ || ✓
|-
| 488 || [[ডায়ান ফসি]] || ১,৬৪৬ || ✕
|-
| 489 || [[ইডিথ হোয়ার্টন]] || ১,৪২৫ || ✓
|-
| 490 || [[অরেল স্টেইন]] || ১,৪৭৮ || ✕
|-
| 491 || [[গাব্রিয়েলা মিস্ত্রাল]] || ১,৬৫০ || ✓
|-
| 492 || [[আলেকজান্ডার ফন হুমবোল্ট]] || ১,১২০ || ✓
|-
| 493 || [[ফ্রান্সিস্কো ভারেলা]] || ১,৮৯৩ || ✓
|-
| 494 || [[ডেনিস রিচি]] || ১,১০৮ || ✓
|-
| 495 || [[অড্রে হেপবার্ন]] || ১,৪৩৫ || ✓
|-
| 496 || [[জি. এইচ. হার্ডি]] || ২,৩৩০ || ✓
|-
| 497 || [[হ্যারল্ড পিন্টার]] || ২,০৭২ || ✓
|-
| 498 || [[অ্যানাক্সিম্যান্ডার]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 499 || [[ডেভিড ব্রুস্টার]] || ২,৪০৪ || ✓
|-
| 500 || [[ব্রায়ান গ্রিন]] || ১,২৭৯ || ✕
|-
| 501 || [[অমিত গোস্বামী]] || ৯১৫ || ✓
|-
| 502 || [[এডমন্ড হ্যালি]] || ২,৬১৯ || ✓
|-
| 503 || [[ডেভিড সুজুকি]] || ১,৫১৭ || ✓
|-
| 504 || [[ডেভিড জোনাথন গ্রোস]] || ৮০৯ || ✓
|-
| 505 || [[ডেভিড ম্যামেট]] || ১,২৫২ || ✓
|-
| 506 || [[আহমেদ জেওয়াইল]] || ১৯২ || ✓
|-
| 507 || [[ইউরোপীয় পার্লামেন্ট]] || ৬১৫ || ✓
|-
| 508 || [[ডেভিড গ্রসম্যান]] || ৩৩৬ || ✓
|-
| 509 || [[হরিশ-চন্দ্র]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 510 || [[অনিতা দেসাই]] || ১,৪৩৯ || ✓
|-
| 511 || [[অ্যাশ কার্টার]] || ৪৬৩ || ✓
|-
| 512 || [[আলফ্রেড নোবেল]] || ৫০৯ || ✕
|-
| 513 || [[ক্রিস্টিয়ান বার্নার্ড]] || ৬৩৯ || ✓
|-
| 514 || [[রেজা পাহলভি]] || ৯,৯১০ || ✓
|-
| 515 || [[রজার ইবার্ট]] || ২১,৩২৫ || ✓
|-
| 516 || [[পুনর্জন্ম]] || ২০,২৪৮ || ✓
|-
| 517 || [[জ্যারেড ডায়মন্ড]] || ১,১৬৮ || ✕
|-
| 518 || [[জেন গুডাল]] || ১,৩৫৭ || ✓
|-
| 519 || [[জেমস টোবিন]] || ১,০৫৯ || ✓
|-
| 520 || [[জেমস ক্যালাহান]] || ১,৬১৫ || ✓
|-
| 521 || [[উইলিয়াম স্ট্যানলি জেভন্স]] || ১,৭০১ || ✓
|-
| 522 || [[উইলিয়াম থমসন]] || ১,০৫১ || ✓
|-
| 523 || [[ওলে সোয়িংকা]] || ৩,১৬১ || ✕
|-
| 524 || [[জোসেফ স্টিগলিটজ]] || ১,৫০৪ || ✕
|-
| 525 || [[গ্রেগর মেন্ডেল]] || ৮৭৪ || ✓
|-
| 526 || [[গটফ্রিড ভিলহেল্ম লাইবনিৎস]] || ১,২৩৬ || ✓
|-
| 527 || [[গ্লেন থিওডোর সিবর্গ]] || ৯৮৪ || ✓
|-
| 528 || [[হেরমান ভাইল]] || ১,৫৪১ || ✓
|-
| 529 || [[হেরমান হেস]] || ৪,৫৬৫ || ✓
|-
| 530 || [[হার্বার্ট স্পেন্সার]] || ২,৩৬৮ || ✓
|-
| 531 || [[হার্বার্ট এ. সাইমন]] || ১,৩৩৭ || ✓
|-
| 532 || [[হেরাক্লিটাস]] || ১,৫৭০ || ✓
|-
| 533 || [[হেনরিক শিয়েনকিয়েভিচ]] || ১,৯১১ || ✕
|-
| 534 || [[উইলা ক্যাথার]] || ৩,০৩৩ || ✕
|-
| 535 || [[উইল ডুরান্ট]] || ২,৮১৫ || ✓
|-
| 536 || [[ডব্লিউ. এইচ. অডেন]] || ২,৮১৯ || ✓
|-
| 537 || [[ভোলফগাং পাউলি]] || ১,৬৩৯ || ✓
|-
| 538 || [[ইয়াসুনারি কাওয়াবাতা]] || ২,২৫৮ || ✓
|-
| 539 || [[জন আর্চিবল্ড হুইলার]] || ১,১৩৯ || ✓
|-
| 540 || [[সেমুর হার্শ]] || ১,৭৬১ || ✓
|-
| 541 || [[সের্গেই কোরোলিয়ভ]] || ৫৬৫ || ✓
|-
| 542 || [[জেন অ্যাডামস]] || ১,৯০৬ || ✓
|-
| 543 || [[জাক-ইভ কুস্তো]] || ৬৬৩ || ✓
|-
| 544 || [[হিদেকি ইউকাওয়া]] || ৪০৩ || ✓
|-
| 545 || [[প্রিমো লেভি]] || ৪,২৩৮ || ✓
|-
| 546 || [[ঝুম্পা লাহিড়ী]] || ৪৩০ || ✓
|-
| 547 || [[জেমস প্রেসকট জুল]] || ৪৮৭ || ✓
|-
| 548 || [[উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা]] || ৪,৮৫১ || ✓
|-
| 549 || [[সংবাদ মাধ্যম]] || ১,১৫৫ || ✓
|-
| 550 || [[গণমাধ্যম]] || ৩,৩৫৭ || ✓
|-
| 551 || [[মূলধারার গণমাধ্যম]] || ১,০৫২ || ✓
|-
| 552 || [[হলুদ সাংবাদিকতা]] || ২,২৯৬ || ✓
|-
| 553 || [[ভুয়া সংবাদ]] || ১,৪০৮ || ✓
|-
| 554 || [[বিকল্প প্রচারমাধ্যম]] || ১,২০৫ || ✓
|-
| 555 || [[জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ]] || ১১,২৬৬ || ✓
|-
| 556 || [[অ্যানোনিমাস]] || ৪,০৪৩ || ✓
|-
| 557 || [[টুপাক শাকুর]] || ৬,২৮৭ || ✓
|-
| 558 || [[জেনডেয়া]] || ২,০১৪ || ✓
|-
| 559 || [[টিমথি শালামে]] || ১,১২৭ || ✓
|-
| 560 || [[হিপোক্রেটিস]] || ২,৯২৩ || ✓
|-
| 561 || [[ষষ্ঠ মুহাম্মদ]] || ৮৭৮ || ✓
|-
| 562 || [[জন লেনক্স]] || ৭০২ || ✓
|-
| 563 || [[আলেক্সান্দ্র্ সলজেনিৎসিন]] || ৮,০৫৬ || ✓
|-
| 564 || [[আবদুল হান্নান মাসউদ]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 565 || [[পরকাল সম্পর্কে কুরআন]] || ১৮,৭৯৪ || ✓
|-
| 566 || [[মানবতাবিরোধী অপরাধ]] || ১,৯১২ || ✓
|-
| 567 || [[আন্তর্জাতিক আইন]] || ৫,৫৩৯ || ✓
|-
| 568 || [[মোহাম্মদ জাওয়াদ জারিফ]] || ১,৪৫২ || ✓
|-
| 569 || [[অনিল ভৌমিক]] || ২১৬ || ✓
|-
| 570 || [[মনোজ মিত্র]] || ৫,৫৬৭ || ✓
|-
| 571 || [[নারায়ণ সান্যাল]] || ৩৬৬ || ✓
|-
| 572 || [[মতি নন্দী]] || ৫,০১৮ || ✓
|-
| 573 || [[দেবেশ রায়]] || ৯,২৪৪ || ✓
|-
| 574 || [[শিশিরকুমার বসু]] || ৪,৮০৭ || ✓
|-
| 575 || [[বিমল কর]] || ১,৩৬৯ || ✓
|-
| 576 || [[সুবোধ সরকার]] || ১,৮৪৮ || ✓
|-
| 577 || [[স্মরণজিৎ চক্রবর্তী]] || ৭৯২ || ✓
|-
| 578 || [[স্বামী সারদানন্দ]] || ৮,৬৯৫ || ✓
|-
| 579 || [[শক্তিপদ রাজগুরু]] || ৯৯৩ || ✓
|-
| 580 || [[কমলকুমার মজুমদার]] || ১,৫৭৩ || ✓
|-
| 581 || [[গৌতম ভদ্র]] || ৬৮৫ || ✓
|-
| 582 || [[পরিমল গোস্বামী]] || ৬,৫৫০ || ✓
|-
| 583 || [[প্রেমাঙ্কুর আতর্থী]] || ৫,৬৯৮ || ✓
|-
| 584 || [[কালীপ্রসন্ন সিংহ]] || ৫,৪০৪ || ✓
|-
| 585 || [[অখিল নিয়োগী]] || ৬৩৬ || ✓
|-
| 586 || [[হরপ্রসাদ শাস্ত্রী]] || ৫১৩ || ✓
|-
| 587 || [[গায়ত্রী চক্রবর্তী স্পিভাক]] || ৫৯২ || ✓
|-
| 588 || [[অজিত দত্ত]] || ৮৭০ || ✓
|-
| 589 || [[অজিতকৃষ্ণ বসু]] || ২,৩৮৬ || ✓
|-
| 590 || [[এম এস স্বামীনাথন]] || ৮৭২ || ✓
|-
| 591 || [[চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন]] || ২,১৭১ || ✓
|-
| 592 || [[চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও]] || ২,১৬৭ || ✓
|-
| 593 || [[কণাদ]] || ৯১৯ || ✓
|-
| 594 || [[জয়ন্ত বিষ্ণু নারলিকর]] || ৩,১৮৭ || ✓
|-
| 595 || [[বিক্রম সারাভাই]] || ১,১২৯ || ✓
|-
| 596 || [[আর্নেস্ট কিং]] || ১৫,৭৬৯ || ✕
|-
| 597 || [[ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট]] || ২৬,২১৫ || ✓
|-
| 598 || [[আনোয়ার ইব্রাহিম]] || ৬,৯৯৩ || ✓
|-
| 599 || [[ইসলাম ও যুদ্ধ]] || ৫,৬৮১ || ✓
|-
| 600 || [[আহমদ সিরহিন্দি]] || ৪,০৭০ || ✓
|-
| 601 || [[মুসা সেরান্তোনিও]] || ৪২৩ || ✓
|-
| 602 || [[ইয়াকুব]] || ১,৯৫৬ || ✓
|-
| 603 || [[আদ্রিয়ান গোল্ডসওয়ার্দি]] || ১,৯৭৯ || ✕
|-
| 604 || [[অ্যালিস পল]] || ১,৮৬২ || ✕
|-
| 605 || [[অ্যামি ট্যান]] || ২,০০৭ || ✕
|-
| 606 || [[অ্যান্ড্রু সেগা]] || ১,৯৬৯ || ✓
|-
| 607 || [[আল্যাঁ বাদিউ]] || ১,৯৬৬ || ✕
|-
| 608 || [[আফ্রিকান স্পির]] || ১,৭২২ || ✕
|-
| 609 || [[ফ্রেডরিক ডগলাস]] || ৮৬২ || ✕
|-
| 610 || [[নবী]] || ২,০৬২ || ✕
|-
| 611 || [[এমা গোল্ডম্যান]] || ১২,৮০০ || ✕
|-
| 612 || [[প্রেম সম্পর্কে ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি]] || ১৫,০৪০ || ✓
|-
| 613 || [[মিস্ট্রি সায়েন্স থিয়েটার ৩০০০]] || ৯৪,৯৬৮ || ✕
|-
| 614 || [[দ্য থিক অফ ইট]] || ৬৯,২৮৩ || ✕
|-
| 615 || [[অ্যালেক্স হেইলি]] || ১,৬০৪ || ✓
|-
| 616 || [[দাসত্ব সম্পর্কে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি]] || ৫,৭৮৫ || ✕
|-
| 617 || [[দাসত্ব]] || ১০,২৫৯ || ✕
|-
| 618 || [[যন্ত্র]] || ৭১৩ || ✓
|-
| 619 || [[বিচারক]] || ৯৫২ || ✓
|-
| 620 || [[রুটি]] || ১,০৯৭ || ✓
|-
| 621 || [[খড়]] || ৯৩২ || ✓
|-
| 622 || [[মন্মথমোহন বসু]] || ৯৬৩ || ✕
|-
| 623 || [[কালীপ্রসন্ন বিদ্যারত্ন]] || ৮২৫ || ✓
|-
| 624 || [[কলসী]] || ১,০৮৬ || ✓
|-
| 625 || [[চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ১,১৫৭ || ✓
|-
| 626 || [[শহর]] || ১,৪৫৮ || ✕
|-
| 627 || [[ঘাস]] || ২,১১২ || ✓
|-
| 628 || [[জলধর সেন]] || ১,৭৬৪ || ✓
|-
| 629 || [[ঠিকানা]] || ১,১৮৭ || ✓
|-
| 630 || [[গন্ধ]] || ১,৮০৭ || ✓
|-
| 631 || [[চা]] || ২,৪২৪ || ✓
|-
| 632 || [[রবীন্দ্রনাথ মৈত্র]] || ১,২৮১ || ✓
|-
| 633 || [[দিগন্ত]] || ১,২২৮ || ✓
|-
| 634 || [[ময়ূর]] || ১,৩৪৫ || ✓
|-
| 635 || [[করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ৯১১ || ✓
|-
| 636 || [[ঢেউ]] || ১,৫৩৯ || ✓
|-
| 637 || [[ছাতা]] || ১,১৮৯ || ✓
|-
| 638 || [[উমাকান্ত হাজারী]] || ৯৪২ || ✓
|-
| 639 || [[ঘৃণা]] || ২,৩৩৯ || ✓
|-
| 640 || [[বাঁশ]] || ২,৪৫৯ || ✕
|-
| 641 || [[কলেরা]] || ১,৬৩৮ || ✓
|-
| 642 || [[মাঠ]] || ২,৪৪৭ || ✓
|-
| 643 || [[টিন]] || ১,৯৩২ || ✕
|-
| 644 || [[সংবাদ]] || ৪,৪৭৯ || ✕
|-
| 645 || [[জন বারবার]] || ৫৭৪ || ✕
|-
| 646 || [[স্কটিশ জাতি]] || ৩৭৫ || ✓
|-
| 647 || [[ওয়েন্ডি বোম্যান]] || ১৫১ || ✕
|-
| 648 || [[যুদ্ধাপরাধ]] || ৪,৬৭৯ || ✕
|-
| 649 || [[রুবি]] || ৩৬৩ || ✓
|-
| 650 || [[রিতা এনজেলু]] || ১৫৯ || ✓
|-
| 651 || [[বমি]] || ২০৪ || ✓
|-
| 652 || [[পার্ল]] || ৬৯০ || ✕
|-
| 653 || [[পাইথন]] || ১৩৯ || ✓
|-
| 654 || [[উইকিলিকস]] || ১,৬৩১ || ✕
|-
| 655 || [[জনস্টন ম্যাককালি]] || ৩১১ || ✕
|-
| 656 || [[যুগোস্লাভিয়া]] || ৪,১৩৬ || ✓
|-
| 657 || [[অংশুমান কর]] || ২০৯ || ✓
|-
| 658 || [[কেমব্রিজ গান]] || ৩০৫ || ✕
|-
| 659 || [[হেলেনীয় শিক্ষা]] || ৫০২ || ✓
|-
| 660 || [[টমাস হলি চিভার্স]] || ২৩৫ || ✓
|-
| 661 || [[মুহাম্মদ মাহদি আল-জাওয়াহিরি]] || ৬৩৮ || ✓
|-
| 662 || [[জেডি স্মিথ]] || ১,০৮০ || ✓
|-
| 663 || [[ব্রায়ান পি. শ্মিট]] || ৪৬০ || ✓
|-
| 664 || [[কার্ল বার্নস্টিন]] || ৩৬৮ || ✓
|-
| 665 || [[চার্লস ফেফারম্যান]] || ৩৩৯ || ✓
|-
| 666 || [[ইয়ুস্টুস ফন লিবিগ]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 667 || [[টমাস শেলিংস]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 668 || [[উইলিয়াম শকলি]] || ৩৯১ || ✓
|-
| 669 || [[শিং-শেন চের্ন]] || ৭৬৫ || ✕
|-
| 670 || [[হুগো দ্য ভ্রিস]] || ৩৪৪ || ✓
|-
| 671 || [[রবার্ট অ্যান্ড্রুজ মিলিকান]] || ৪৩৬ || ✓
|-
| 672 || [[জেমস ভ্যান অ্যালেন]] || ৫৯৬ || ✓
|-
| 673 || [[জাক শিরাক]] || ৭১১ || ✓
|-
| 674 || [[ডরোথি হজকিন]] || ২৯৪ || ✓
|-
| 675 || [[গোরান পারসন]] || ৩২৬ || ✓
|-
| 676 || [[জেরার দ্যব্রু]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 677 || [[কোরীয় যুদ্ধ]] || ৯,৯৬৫ || ✕
|-
| 678 || [[রবার্ট জে. শিলার]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 679 || [[ফ্রঁসোয়া আরাগন]] || ৪৩৫ || ✓
|-
| 680 || [[অখিলচন্দ্র দত্ত]] || ৩৭৩ || ✕
|-
| 681 || [[ফ্রান্সিস কলিন্স]] || ৫৮৮ || ✓
|-
| 682 || [[হেলেন ক্লার্ক]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 683 || [[লেয়োঁ ফুকো]] || ৫৩২ || ✓
|-
| 684 || [[জন চার্লস পোলানি]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 685 || [[জন মেইনার্ড কেইনস]] || ১৭,৭৯১ || ✕
|-
| 686 || [[দিমিত্রি মুরাতভ]] || ৬৩৬ || ✓
|-
| 687 || [[আবদুস সালাম]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 688 || [[আবদুলরাজাক গুরনাহ]] || ৭৪৯ || ✓
|-
| 689 || [[এ. সি. বেনসন]] || ৩৮৩ || ✓
|-
| 690 || [[প্রথম আলবার্ট]] || ৮৬৪ || ✓
|-
| 691 || [[অম্লান দত্ত]] || ১৪৬ || ✓
|-
| 692 || [[ইয়ান মার্টেল]] || ১,১৩৩ || ✕
|-
| 693 || [[ইয়োইচিরো নাম্বু]] || ৪৩১ || ✕
|-
| 694 || [[সৈয়দ জামিল আহমেদ]] || ২০৩ || ✓
|-
| 695 || [[পূর্ণিমা]] || ১৯২ || ✓
|-
| 696 || [[শরিফুল রাজ]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 697 || [[কাজী হায়াৎ]] || ২৭৪ || ✓
|-
| 698 || [[আরেফিন রুমি]] || ১৬২ || ✓
|-
| 699 || [[ইমাম নাসাই]] || ৬৯৭ || ✕
|-
| 700 || [[কবরী]] || ২৭১ || ✓
|-
| 701 || [[হাফিজ উদ্দিন আহমদ]] || ২৩৬ || ✓
|-
| 702 || [[আ ন ম এহসানুল হক মিলন]] || ৩৪০ || ✓
|-
| 703 || [[আন্দালিব রহমান পার্থ]] || ২৯৭ || ✓
|-
| 704 || [[ববি হাজ্জাজ]] || ২৫৩ || ✓
|-
| 705 || [[ইবনে মাজাহ]] || ৩৩৬ || ✓
|-
| 706 || [[হাবিব ওয়াহিদ]] || ২৬৪ || ✓
|-
| 707 || [[জাইমা রহমান]] || ২১২ || ✓
|-
| 708 || [[কনকচাঁপা]] || ২২৮ || ✓
|-
| 709 || [[আহসান হাবীব]] || ২১৯ || ✓
|-
| 710 || [[বেলাল খান]] || ২১৯ || ✓
|-
| 711 || [[নচিকেতা চক্রবর্তী]] || ২৮৯ || ✓
|-
| 712 || [[আ ফ ম খালিদ হোসেন]] || ২৪৮ || ✓
|-
| 713 || [[আলমগীর]] || ৪০৬ || ✓
|-
| 714 || [[সালাহউদ্দিন আহমেদ]] || ৪৫৯ || ✓
|-
| 715 || [[চোং নানশান]] || ১৭৮ || ✓
|-
| 716 || [[এ. সি. ব্র্যাডলি]] || ৩৯০ || ✕
|-
| 717 || [[আলবার্ট হফমান]] || ৩,৪৪৪ || ✓
|-
| 718 || [[অ্যালান পারলিস]] || ৯২৮ || ✓
|-
| 719 || [[হেইনরিখ রোরার]] || ৩৬০ || ✓
|-
| 720 || [[আলফ্রেড আহো]] || ১৪৪ || ✕
|-
| 721 || [[উ থান্ট]] || ৬৭৮ || ✕
|-
| 722 || [[লোরঁ শোয়ার্তজ]] || ৬১০ || ✓
|-
| 723 || [[উইলিয়াম শার্প]] || ৩৯৯ || ✓
|-
| 724 || [[পাউল এরেনফেস্ট]] || ৪৩৩ || ✓
|-
| 725 || [[রবার্ট মান্ডেল]] || ৩২২ || ✓
|-
| 726 || [[হান কাং]] || ৬৬৬ || ✓
|-
| 727 || [[ক্রিপটিক ফেইট]] || ১৭৬ || ✓
|-
| 728 || [[কাকাবাবু]] || ২৫৮ || ✓
|-
| 729 || [[ক্যারি মুলিস]] || ৪০৩ || ✓
|-
| 730 || [[টোমাস ট্রান্সট্রোমার]] || ২৯৯ || ✓
|-
| 731 || [[ইরিনা বোকোভা]] || ২৬৮ || ✓
|-
| 732 || [[মার্টিনুস ভেল্টম্যান]] || ১৯৫ || ✓
|-
| 733 || [[ড্যামন গ্যালগুট]] || ৪৮২ || ✓
|-
| 734 || [[আর্থার কর্নবার্গ]] || ১৭৭ || ✕
|-
| 735 || [[বেন ওক্রি]] || ৮৫৮ || ✓
|-
| 736 || [[সল বেলো]] || ১,০০৩ || ✓
|-
| 737 || [[সল পার্লমাটার]] || ৩১১ || ✕
|-
| 738 || [[সিমেওঁ দ্যনি পোয়াসোঁ]] || ১৬০ || ✓
|-
| 739 || [[স্টিভ আরউইন]] || ৪৩৫ || ✕
|-
| 740 || [[আনি এরনো]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 741 || [[ফজল শাহাবুদ্দীন]] || ৪৯৫ || ✕
|-
| 742 || [[আল-জাহিজ]] || ৭৩৩ || ✓
|-
| 743 || [[আল-বিরুনি]] || ১,৮৩৬ || ✓
|-
| 744 || [[থমাস হ্যারিয়ট]] || ৪৩২ || ✓
|-
| 745 || [[স্টিভেন চু]] || ২২০ || ✓
|-
| 746 || [[ইভাঞ্জেলিস্টা টরিসেলি]] || ৩৭২ || ✓
|-
| 747 || [[লেসলি ল্যামপোর্ট]] || ৫৫০ || ✓
|-
| 748 || [[মার্টিন লুইস পার্ল]] || ৩৮৮ || ✓
|-
| 749 || [[ভ্লাদিমির মার্কভনিকভ]] || ২৬৭ || ✓
|-
| 750 || [[বাপ্পী লাহিড়ী]] || ২৫২ || ✓
|-
| 751 || [[নুহাশ হুমায়ূন]] || ২০৫ || ✓
|-
| 752 || [[আনিসুল হক]] || ২৪৬ || ✕
|-
| 753 || [[বাবর আলী]] || ৩০৯ || ✓
|-
| 754 || [[মেহের আফরোজ শাওন]] || ৩১৯ || ✓
|-
| 755 || [[ফেলুদা]] || ২৪৬ || ✓
|-
| 756 || [[ব্যোমকেশ বক্সী]] || ১৭৮ || ✓
|-
| 757 || [[প্রোফেসর শঙ্কু]] || ২৬৯ || ✓
|-
| 758 || [[বারী সিদ্দিকী]] || ২৪২ || ✓
|-
| 759 || [[সমরেশ বসু]] || ২০২ || ✓
|-
| 760 || [[লিয়ন কুপার]] || ৩২৩ || ✓
|-
| 761 || [[কামিলা শামসি]] || ২০৪ || ✓
|-
| 762 || [[ক্রিস্টোফার রেন]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 763 || [[জিওফ্রে হিন্টন]] || ৩২২ || ✓
|-
| 764 || [[ফ্রিডতিয়ফ নানসেন]] || ১৯১ || ✓
|-
| 765 || [[আলাঁ আস্পে]] || ৭৭৬ || ✓
|-
| 766 || [[ক্যারিল ফিলিপস]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 767 || [[জেমস কুক]] || ৩৯৭ || ✓
|-
| 768 || [[ক্লাউদিয়া শেইনবাউম]] || ৩২১ || ✓
|-
| 769 || [[আবি আহমেদ]] || ২৫৫ || ✓
|-
| 770 || [[পিটার আগ্রি]] || ১৯০ || ✓
|-
| 771 || [[ফখরুদ্দীন আল-রাযী]] || ২১৫ || ✓
|-
| 772 || [[শি চিনফিং]] || ৪,১৩২ || ✕
|-
| 773 || [[ইব্রাহিম ত্রাওরে]] || ৭৫৪ || ✓
|-
| 774 || [[পেদ্রো সানচেজ]] || ২৯৯ || ✓
|-
| 775 || [[অ্যাডাম রিস]] || ৪৮৯ || ✓
|-
| 776 || [[আব্দুল হান্নান আবকারী]] || ০ || ✕
|-
| 777 || [[ইবরাহীম আলী তশনা]] || ২৪৭ || ✓
|-
| 778 || [[রুহুল আমিন বসিরহাটি]] || ৩৬৩ || ✓
|-
| 779 || [[মুহাম্মদুল্লাহ হাফেজ্জী]] || ৩৪২ || ✓
|-
| 780 || [[শামছুল হুদা]] || ০ || ✕
|-
| 781 || [[শামছুল হক ফরিদপুরী]] || ৫৪৬ || ✓
|-
| 782 || [[গর্ডন মুর]] || ৫৮৭ || ✓
|-
| 783 || [[শিরিন এবাদি]] || ৫৪৩ || ✕
|-
| 784 || [[নাগিব মাহফুজ]] || ৫৩০ || ✓
|-
| 785 || [[আল-ফারাবি]] || ৫৩৭ || ✕
|-
| 786 || [[চাষী নজরুল ইসলাম]] || ৪৪৬ || ✓
|-
| 787 || [[বাপ্পা মজুমদার]] || ৩১০ || ✓
|-
| 788 || [[রবার্ট ক্লাইভ]] || ২,০০২ || ✕
|-
| 789 || [[পার্ল এস. বাক]] || ৯৩৩ || ✕
|-
| 790 || [[জন বারডিন]] || ৩৬৪ || ✓
|-
| 791 || [[তাসমিয়া প্রধান]] || ৩৫২ || ✓
|-
| 792 || [[আজিজুল হক]] || ১৮০ || ✓
|-
| 793 || [[আবদুস সালাম]] || ১০০ || ✕
|-
| 794 || [[আবদুল গফুর]] || ১০১ || ✕
|-
| 795 || [[আবদুল জব্বার]] || ১৬১ || ✓
|-
| 796 || [[আবদুল জব্বার]] || ৯২ || ✕
|-
| 797 || [[আবদুল জব্বার]] || ১৩৩ || ✕
|-
| 798 || [[অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ১৩৪ || ✕
|-
| 799 || [[অনিমেষ রায়]] || ১২৬ || ✕
|-
| 800 || [[অনির্বাণ বসু]] || ১২০ || ✕
|-
| 801 || [[অজয় ঘটক]] || ১১৪ || ✕
|-
| 802 || [[অচলা মল্লিক]] || ১৫৪ || ✕
|-
| 803 || [[অজয় হোম]] || ১৫৯ || ✕
|-
| 804 || [[অমিতা বসু]] || ১৪২ || ✕
|-
| 805 || [[ভেরা রুবিন]] || ৩৫০ || ✕
|-
| 806 || [[মেরি কুরি]] || ১৭৯ || ✕
|-
| 807 || [[মিসির আলি]] || ৪০৬ || ✕
|-
| 808 || [[আস্ট্রোনমি]] || ০ || ✕
|-
| 809 || [[মমতাজ বেগম]] || ৩৫৫ || ✕
|-
| 810 || [[আবুল বরকত]] || ১৪৩ || ✕
|-
| 811 || [[মেরি স্টোপস]] || ৫০৫ || ✕
|-
| 812 || [[ইয়োন ফসে]] || ৩৯৩ || ✕
|-
| 813 || [[জুনো দিয়াজ]] || ৫৪০ || ✕
|-
| 814 || [[পারভীন এতেসামি]] || ০ || ✕
|-
| 815 || [[চুয়াং জি]] || ২৭৪ || ✕
|-
| 816 || [[ফকির শাহাবুদ্দীন]] || ০ || ✕
|-
| 817 || [[আবু বকর সিদ্দিকী]] || ০ || ✕
|-
| 818 || [[বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট]] || ০ || ✕
|-
| 819 || [[বাংলাদেশের কৃষি প্রযুক্তি]] || ০ || ✕
|-
| 820 || [[হাসিবুন নাহের]] || ০ || ✕
|-
| 821 || [[মেরি উলস্টোনক্রাফ্ট]] || ২১৩ || ✕
|-
| 822 || [[বালতাসার গ্রাসিয়ান]] || ২০৬ || ✕
|-
| 823 || [[জুলাই আন্দোলন]] || ৬১৫ || ✕
|-
| 824 || [[বিকাশ]] || ০ || ✕
|-
| 825 || [[নতুন প্রযুক্তি]] || ০ || ✕
|-
| 826 || [[বাংলাদেশের রিয়েল এস্টেট শিল্প: বর্তমান প্রেক্ষাপট ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা]] || ০ || ✕
|-
| 827 || [[জলবায়ু পরিবর্তন ও বাংলাদেশের পরিবেশ]] || ০ || ✕
|-
| 828 || [[মোহাম্মদ শেখ শাহিনুর রহমান]] || ০ || ✕
|-
| 829 || [[অপ্রত্যাশিত জীবনযাত্রা]] || ০ || ✕
|-
| 830 || [[অপর্ণা সেন]] || ৩১২ || ✕
|}
sgxsv489fgtc84fissuodrwg4b1jlld
83367
83366
2026-05-03T22:43:07Z
ARI
356
/* ব্যবহারকারী ভিত্তিক পরিসংখ্যান */
83367
wikitext
text/x-wiki
----
সর্বশেষ হালনাগাদ - ০৩:০৩, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
----
==উইকিউক্তি ফলাফল ২০২৬==
{| class="wikitable sortable"
|-
! ক্রম
! ব্যবহারকারী
! নিবন্ধ
! মোট শব্দ
! বিস্তারিত
|-
| '''১'''
| '''Dr. Mosaddek Khondoker'''
| '''১৯'''
| '''৪,০৪,৫৭৫'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৪,০৪,৫৭৫<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| '''২'''
| '''ARI'''
| '''২৮'''
| '''৩,১৪,৮৯৭'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৩,১২,২১২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২,৬৮৫
</div>
|-
| '''৩'''
| '''NusJaS'''
| '''১০'''
| '''২,৫৯,৯৪২'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,৫৯,৯৪২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| '''৪'''
| '''Tuhin'''
| '''২৮০'''
| '''৩,০১,৮৭২'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,৫৮,০৩৩<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪৩,৮৩৯
</div>
|-
| '''৫'''
| '''SMontaha32'''
| '''৩৭'''
| '''২,৩৯,৫৫৫'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,১৮,৯৯২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২০,৫৬৩
</div>
|-
| '''৬'''
| '''Oindrojalik Watch'''
| '''২৯'''
| '''১,৯৯,৯৪২'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১,৯০,০৭১<br>
অপর্যালোচিত: ৯,৮৭১<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| '''৭'''
| '''Sumanta3023'''
| '''১১০'''
| '''১,২২,৫০০'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৯৭,৪২১<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২৫,০৭৯
</div>
|-
| '''৮'''
| '''Anik Kanti Dey'''
| '''৩৪'''
| '''১,০৪,৬৪১'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৯৩,৮৬৪<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১০,৭৭৭
</div>
|-
| '''৯'''
| '''Tanbiruzzaman'''
| '''২১'''
| '''৮০,৭২৪'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৮০,৭২৪<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| '''১০'''
| '''Nil Nandy'''
| '''২৭'''
| '''৭৪,২৬৭'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৭৪,২৬৭<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ১১
| R1F4T
| ২২
| ২,৮৫,২৭৫
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৬৩,৯৫১<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২,২১,৩২৪
</div>
|-
| ১২
| Salil Kumar Mukherjee
| ২৭
| ৪২,২০৬
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৩০,৯১৫<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১১,২৯১
</div>
|-
| ১৩
| Anaf Ibn Shahibul
| ৪৭
| ৫৬,৫৮১
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১৯,৩৪৬<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৩৭,২৩৫
</div>
|-
| ১৪
| মোহাম্মদ জনি হোসেন
| ২৫
| ৮,১২৩
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৫,৪৭২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২,৬৫১
</div>
|-
| ১৫
| JIBON
| ৫
| ৫,৫৫৪
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৪,৭৩২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৮২২
</div>
|-
| ১৬
| Md. Muqtadir Fuad
| ১১
| ৪,০২৯
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৪,০২৯<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ১৭
| Humaira.thithi
| ৮
| ৩,৭১০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,৭৮৭<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৯২৩
</div>
|-
| ১৮
| Amirhusenjihed
| ৩
| ৩,০৬৪
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,৫৬৯<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪৯৫
</div>
|-
| ১৯
| Asikur Rahman
| ৬
| ২,২২৯
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,২২৯<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২০
| Rasel Mehedi
| ১০
| ২,৪৬৮
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,২২২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২৪৬
</div>
|-
| ২১
| Mahiya50
| ৬
| ২,১৯০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,১৯০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২২
| Borhan
| ৬
| ১,৬৬২
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১,৬৬২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২৩
| Raihanur
| ৪
| ৫,৬৭৪
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১,৫৪২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪,১৩২
</div>
|-
| ২৪
| Muhammad Fahim Faisal
| ৬
| ১,৪৯৮
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১,৪৯৮<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২৫
| Firuz Ahmmed
| ৪
| ২,১৯৭
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১,১১৭<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১,০৮০
</div>
|-
| ২৬
| নিয়াজ ইসলাম
| ২
| ৭৫৬
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৭৫৬<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২৭
| Asad.fr
| ৩
| ৩,২৯৯
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৩৬৪<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২,৯৩৫
</div>
|-
| ২৮
| Mehedi Abedin
| ১
| ৩৫২
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৩৫২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২৯
| Md. Rayan Alam Rifat
| ১
| ১৮০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১৮০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ৩০
| Siyan BD
| ১২
| ১,৫৩৬
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১৬১<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১,৩৭৫
</div>
|-
| ৩১
| Dewan mahbubr Rahman
| ১
| ৩৫০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৩৫০
</div>
|-
| ৩২
| ExceptionistSagar
| ১
| ১৭৯
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১৭৯
</div>
|-
| ৩৩
| Kh. Fahim
| ১
| ৪০৬
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪০৬
</div>
|-
| ৩৪
| Trisha Mazumder
| ১
| ০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ৩৫
| MdMarufHossen71
| ২
| ৪৯৮
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪৯৮
</div>
|-
| ৩৬
| Usarker
| ৩
| ১,৪৩৮
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১,৪৩৮
</div>
|-
| ৩৭
| রাকিবুল হাসান রাসেল
| ১
| ০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ৩৮
| MD RADWAN ISLAM
| ৬
| ২৭৪
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২৭৪
</div>
|-
| ৩৯
| AKM Mahinur Rahman
| ২
| ৪১৯
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪১৯
</div>
|-
| ৪০
| MD RADWAN ISLAM ROHAN
| ৫
| ৬১৫
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৬১৫
</div>
|-
| ৪১
| ShahinurWrites
| ১
| ০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ৪২
| Abdullah Al Shishir
| ১
| ০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ৪৩
| চ্যাম্পিয়ন স্টার ১
| ১
| ৩১২
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৩১২
</div>
|}
== পর্যালোচক পরিসংখ্যান ==
; পর্যালোচক
{| class="wikitable"
|-
! ক্রম !! নাম !! মোট !! গৃহীত !! বাতিল
|-
| '''১''' || '''Mehedi Abedin''' || '''২৭৫''' || ২৩৮ || ৩৭
|-
| '''২''' || '''NusJaS''' || '''১৯৩''' || ১৬০ || ৩৩
|-
| '''৩''' || '''MS Sakib''' || '''১৮১''' || ১৪৮ || ৩৩
|-
| '''৪''' || '''ARI''' || '''১৬২''' || ১৩৩ || ২৯
|-
| '''৫''' || '''MdsShakil''' || '''৪০''' || ৩৮ || ২
|-
| '''৬''' || '''Tahmid''' || '''১৪''' || ১০ || ৪
|-
| '''৭''' || '''Yahya''' || '''৫''' || ৪ || ১
|-
! মোট || || ৮৭০ || ৭৩১ || ১৩৯
|}
== ব্যবহারকারী ভিত্তিক পরিসংখ্যান ==
=== [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker| Dr. Mosaddek Khondoker]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্পর্কে উক্তি]] || ৩৯,৩০৩ || ✓
|-
| 2 || [[স্ট্যানলি বল্ডউইন]] || ৩৪,১৩১ || ✓
|-
| 3 || [[খ্রিস্টের অনৈতিহাসিকতা তত্ত্ব]] || ২৮,৭০৭ || ✓
|-
| 4 || [[বেঞ্জামিন ডিসরাইলি]] || ২৯,৪৭৯ || ✓
|-
| 5 || [[রবার্ট জি. ইঙ্গারসোল]] || ৩০,০৯০ || ✓
|-
| 6 || [[রন পল]] || ২৪,৯২৮ || ✓
|-
| 7 || [[ক্যালকুলাসের ইতিহাস]] || ১৯,১৯৫ || ✓
|-
| 8 || [[অ্যানোরেক্সিয়া নার্ভোসা]] || ২৩,১০০ || ✓
|-
| 9 || [[ডোয়াইট ডি আইজেনহাওয়ার]] || ২১,০২৬ || ✓
|-
| 10 || [[স্টিফেন জে গুল্ড]] || ২২,১৫০ || ✓
|-
| 11 || [[এআর-১৫ স্টাইল রাইফেল]] || ১৮,৯০১ || ✓
|-
| 12 || [[শেরি এস. টেপার]] || ২৪,৯৯৯ || ✓
|-
| 13 || [[আউরেলিয়ুস আউগুস্তিনুস]] || ১৯,৩৪৬ || ✓
|-
| 14 || [[ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতিত্ব]] || ৪৬,৮৯৯ || ✓
|-
| 15 || [[নবায়নযোগ্য শক্তি]] || ১২,৬১০ || ✓
|-
| 16 || [[নাডিন গর্ডিমার]] || ১,৩৭২ || ✓
|-
| 17 || [[মারে গেল-মান]] || ১,৩২৮ || ✓
|-
| 18 || [[নার্গিস মোহাম্মাদি]] || ১,৭৫৫ || ✓
|-
| 19 || [[সাদি কার্নো]] || ৫,২৫৬ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১৯
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৪,০৪,৫৭৫
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪,০৪,৫৭৫
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:ARI| ARI]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[জে. হাওয়ার্ড মুর]] || ২৪,১৯৫ || ✓
|-
| 2 || [[ভারতে পোশাক]] || ২,২৮৯ || ✓
|-
| 3 || [[ভারতের ভাষা]] || ৬৯৫ || ✓
|-
| 4 || [[মধ্যযুগীয় ভারত]] || ১,৭১৭ || ✓
|-
| 5 || [[ভারতে ইহুদিদের ইতিহাস]] || ২,০৪৬ || ✓
|-
| 6 || [[ভারতে সুফিবাদ]] || ৩,২০৭ || ✓
|-
| 7 || [[পর্তুগিজ ভারত]] || ১,৬৪৩ || ✓
|-
| 8 || [[ভারতের প্রাণী]] || ৩০৫ || ✓
|-
| 9 || [[স্বাধীনতা দিবস]] || ৩৭৫ || ✓
|-
| 10 || [[ভারতে দুর্ভিক্ষ]] || ৩,৭৮১ || ✓
|-
| 11 || [[ভারতে ধর্মহীনতা]] || ২,৩৮৯ || ✓
|-
| 12 || [[ওয়ারেন ফ্যারেল]] || ২১,০৭৮ || ✓
|-
| 13 || [[আর্নেস্ট বেকার]] || ১৩,৫৯৭ || ✓
|-
| 14 || [[অতিপ্রজতা]] || ২৯,৫০১ || ✓
|-
| 15 || [[মোপলা বিদ্রোহ]] || ১৪,৫১২ || ✓
|-
| 16 || [[সীতা রাম গোয়েল]] || ১,৫৯৬ || ✓
|-
| 17 || [[অরুণ শৌরি]] || ১৫,৪৫০ || ✓
|-
| 18 || [[ভারতের ইতিহাস লিখন]] || ১৭,৯১৮ || ✓
|-
| 19 || [[দ্রৌপদী]] || ৬,১৬৪ || ✓
|-
| 20 || [[দ্য হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়া, অ্যাজ টোল্ড বাই ইটস ওন হিস্টোরিয়ানস]] || ২,৬৮৫ || ✕
|-
| 21 || [[রামায়ণ]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 22 || [[ভারতে শিক্ষা]] || ১০,৫৮০ || ✓
|-
| 23 || [[ভারতে নারী]] || ৬,১৫০ || ✓
|-
| 24 || [[বন্যপ্রাণীর কষ্ট]] || ৩৩,৭৪১ || ✓
|-
| 25 || [[নিরামিষবাদ]] || ৩০,৬২৭ || ✓
|-
| 26 || [[ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম রাষ্ট্রপতিত্ব]] || ৩৭,৫৭২ || ✓
|-
| 27 || [[নির্বাচন]] || ৭,০২৫ || ✓
|-
| 28 || [[সরকার]] || ২২,৭৫৯ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৮
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৩,১২,২১২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩,১৪,৮৯৭
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২,৬৮৫
|}
=== [[ব্যবহারকারী:NusJaS| NusJaS]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[লিটিশা এলিজাবেথ ল্যান্ডন]] || ৩৪,০৩৩ || ✓
|-
| 2 || [[প্রজননবিরোধবাদ]] || ৩০,৯৪৮ || ✓
|-
| 3 || [[উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন]] || ২৮,৬১৬ || ✓
|-
| 4 || [[ক্রিস্টোফার হিচেন্স]] || ২৫,৯২২ || ✓
|-
| 5 || [[বলপূর্বক খাওয়ানো]] || ২২,৬২২ || ✓
|-
| 6 || [[জন স্টুয়ার্ট মিল]] || ২২,৭৮৩ || ✓
|-
| 7 || [[রবার্ট গ্যাসকয়েন-সিসিল, স্যালিসবারির ৩য় মার্কুইস]] || ২০,৮৯৮ || ✓
|-
| 8 || [[অ্যারন রা]] || ২১,৯৫৫ || ✓
|-
| 9 || [[ফায়ারপ্লেস]] || ২১,৪১৭ || ✓
|-
| 10 || [[জন হার্ভে কেলোগ]] || ৩০,৭৪৮ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১০
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,৫৯,৯৪২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,৫৯,৯৪২
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Tuhin| Tuhin]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মহুয়া মৈত্র]] || ৬৫০ || ✓
|-
| 2 || [[হেনরি হোম, লর্ড কেইমস]] || ১,২৯৬ || ✓
|-
| 3 || [[লেটি কটিন পোগ্রেবিন]] || ৩৭০ || ✓
|-
| 4 || [[মার্জ পিয়ার্সি]] || ৬,৭৯০ || ✓
|-
| 5 || [[এলেন ডুইবস]] || ৮০৪ || ✓
|-
| 6 || [[মেরেডিথ ট্যাক্স]] || ৪৯১ || ✓
|-
| 7 || [[মুলক রাজ আনন্দ]] || ২৩৫ || ✓
|-
| 8 || [[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ধর্ষণ]] || ১,৯২০ || ✓
|-
| 9 || [[সুসান ব্রাউনমিলার]] || ৯৯১ || ✓
|-
| 10 || [[রবিন মরগান]] || ১,২২১ || ✓
|-
| 11 || [[ভিভিয়ান গোর্নিক]] || ২,৬৯০ || ✓
|-
| 12 || [[ডরোথি রে হিলি]] || ২,৬৩৮ || ✕
|-
| 13 || [[ক্লডিয়া জোন্স]] || ১,২৯৯ || ✓
|-
| 14 || [[গের্ডা লার্নার]] || ৩,৪২৮ || ✓
|-
| 15 || [[এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন]] || ৯,৮০৪ || ✕
|-
| 16 || [[এলা রিভ ব্লুর]] || ১,৯১৭ || ✓
|-
| 17 || [[টমাস হিউজ]] || ৯৯৬ || ✓
|-
| 18 || [[মার্গারিট দুরাস]] || ৩৪৯ || ✓
|-
| 19 || [[বেন অ্যারোনোভিচ]] || ৮,৭৯৭ || ✓
|-
| 20 || [[গ্লেন কুক]] || ৯,৯৮৫ || ✓
|-
| 21 || [[আব্রাহাম কাহান]] || ২,১৩৩ || ✓
|-
| 22 || [[গ্রেস পেলি]] || ৮,১৬৪ || ✕
|-
| 23 || [[স্টিফেন ক্রেন]] || ১,৯৬৩ || ✕
|-
| 24 || [[জোসেফাইন হার্বস্ট]] || ৪২৭ || ✓
|-
| 25 || [[জর্জ গিসিং]] || ২,০০৫ || ✓
|-
| 26 || [[আনজিয়া ইয়েজিয়ারস্কা]] || ৩,২৬২ || ✕
|-
| 27 || [[মেরি অ্যান্টিন]] || ৪৯০ || ✓
|-
| 28 || [[জয়েস অ্যান্টলার]] || ৪২৯ || ✓
|-
| 29 || [[ক্যাথরিন ম্যাককিনন]] || ২,১৭৮ || ✓
|-
| 30 || [[বেটিনা আপথেকার]] || ১,০২০ || ✓
|-
| 31 || [[ক্যারি চ্যাপম্যান ক্যাট]] || ১,৬০৩ || ✓
|-
| 32 || [[জ্যানেট র্যাঙ্কিন]] || ৭২১ || ✓
|-
| 33 || [[ফ্রান্সেস উইলার্ড]] || ৯৪১ || ✕
|-
| 34 || [[অ্যালিস স্টোন ব্ল্যাকওয়েল]] || ৫৪০ || ✕
|-
| 35 || [[অ্যানা এলিজাবেথ ডিকিনসন]] || ৭৫১ || ✕
|-
| 36 || [[মেরি লিভারমোর]] || ২,৩০৭ || ✕
|-
| 37 || [[দাড়ি]] || ২৯৭ || ✓
|-
| 38 || [[স্যার হেনরি হোবার্ট, ১ম ব্যারোনেট]] || ৭৩৮ || ✓
|-
| 39 || [[হার্ডিঞ্জ স্ট্যানলি গিফার্ড, হালসবুরির ১ম আর্ল]] || ৪১৯ || ✓
|-
| 40 || [[এ. ভি. ডাইসি]] || ১,৩৮১ || ✕
|-
| 41 || [[আলফ্রেড ডেনিং, ব্যারন ডেনিং]] || ৩,৮৩২ || ✓
|-
| 42 || [[টমাস ডেনিসন]] || ৪০০ || ✓
|-
| 43 || [[স্যার ফ্রান্সিস বুলার, ১ম ব্যারোনেট]] || ৯৬২ || ✓
|-
| 44 || [[নিকোলাস ব্রাতজা]] || ২৬৪ || ✓
|-
| 45 || [[রবার্ট অ্যাটকিনস]] || ৩২৫ || ✓
|-
| 46 || [[রিচার্ড পেপার আর্ডেন, ১ম ব্যারন অ্যালভানলি]] || ৩৫১ || ✓
|-
| 47 || [[এডওয়ার্ড হল অল্ডারসন]] || ৪৪৬ || ✓
|-
| 48 || [[অ্যামব্রোজ বিয়ার্স]] || ৫,৫৪১ || ✕
|-
| 49 || [[মেওয়াত]] || ৭১৮ || ✓
|-
| 50 || [[নানাবতী-মেহতা কমিশন]] || ২,৪৪৪ || ✓
|-
| 51 || [[ভারতে ঔষধ শিল্প]] || ১,৯২১ || ✓
|-
| 52 || [[পাঞ্জাব]] || ১,৪০৬ || ✓
|-
| 53 || [[রামনবমী]] || ৮৬২ || ✓
|-
| 54 || [[ভারতের শহরসমূহের নাম পরিবর্তন]] || ৪৪১ || ✓
|-
| 55 || [[নুপুর শর্মা]] || ৬০১ || ✓
|-
| 56 || [[রিপাবলিক টিভি]] || ৪৫৫ || ✓
|-
| 57 || [[রোহিলখণ্ড]] || ৪৪০ || ✓
|-
| 58 || [[রোহিলা]] || ৩৪০ || ✓
|-
| 59 || [[সৌরাষ্ট্র]] || ৬৫৪ || ✓
|-
| 60 || [[ভারতে তিন তালাক]] || ১,১৩৪ || ✓
|-
| 61 || [[ভারতের পবিত্র উপবন]] || ৫৭৫ || ✓
|-
| 62 || [[অভিন্ন দেওয়ানি বিধি]] || ৩,৭৩৭ || ✓
|-
| 63 || [[নবনীত আদিত্য ওয়াইবা]] || ১৯২ || ✓
|-
| 64 || [[ভারতে জল সরবরাহ ও স্যানিটেশন]] || ৭৪০ || ✓
|-
| 65 || [[জমিদার]] || ৩৮১ || ✕
|-
| 66 || [[নিখিল ভারত মুসলিম লীগ]] || ২,৫৩৮ || ✓
|-
| 67 || [[ফতোয়া]] || ৪৮৪ || ✓
|-
| 68 || [[দারা শিকোহ]] || ১,৪৩৫ || ✓
|-
| 69 || [[আমেরিকা নিপাত যাক]] || ৬৩৯ || ✓
|-
| 70 || [[মহা শয়তান]] || ৪১৪ || ✓
|-
| 71 || [[উলামা]] || ৩৪৫ || ✓
|-
| 72 || [[দক্ষিণ এশিয়ায় মুসলিম জাতীয়তাবাদ]] || ১,৫১৬ || ✓
|-
| 73 || [[পার্সি-মুসলিম দাঙ্গা]] || ৬৫৬ || ✓
|-
| 74 || [[ভারতে দাঙ্গা]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 75 || [[ভারতে পেগাসাস প্রকল্পের উদঘাটন]] || ৩৯০ || ✓
|-
| 76 || [[নেহরুবাদ]] || ৯৫২ || ✓
|-
| 77 || [[২জি স্পেকট্রাম মামলা]] || ৯৩৭ || ✓
|-
| 78 || [[রাহুল গান্ধী]] || ৪,০০৪ || ✓
|-
| 79 || [[আকবরউদ্দিন ওয়াইসি]] || ২৯৮ || ✓
|-
| 80 || [[ভারতের সাধারণ নির্বাচন, ২০২৪]] || ২,৫৭৭ || ✓
|-
| 81 || [[ভারতে ধর্মনিরপেক্ষতা]] || ২৩৪ || ✓
|-
| 82 || [[নাইলা আলি খান]] || ২০৪ || ✓
|-
| 83 || [[অরুণ জেটলি]] || ৪৮১ || ✓
|-
| 84 || [[সুকেতু মেহতা]] || ৩৮২ || ✓
|-
| 85 || [[রুক্মিণী মৈত্র]] || ৩৫৪ || ✓
|-
| 86 || [[মানব গুপ্ত]] || ৬৩৪ || ✕
|-
| 87 || [[মোহিনী মোহন ধর]] || ৫৮৫ || ✓
|-
| 88 || [[দিলীপ কুমার চক্রবর্তী]] || ২,৫৯৭ || ✓
|-
| 89 || [[রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ৩৮৩ || ✓
|-
| 90 || [[পিটার অ্যাক্রয়েড]] || ২৯৭ || ✓
|-
| 91 || [[হ্যারল্ড ব্লুম]] || ৫৯৩ || ✓
|-
| 92 || [[জেমস বসওয়েল]] || ১,১৪৯ || ✓
|-
| 93 || [[অলিভার গোল্ডস্মিথ]] || ৩,১৭৮ || ✓
|-
| 94 || [[হেনরি জাইলস]] || ৭৯২ || ✓
|-
| 95 || [[এডউইন হাবেল চ্যাপিন]] || ৭৭০ || ✓
|-
| 96 || [[অবমাননা]] || ৭৮৮ || ✓
|-
| 97 || [[আদালত অবমাননা]] || ৮২৯ || ✓
|-
| 98 || [[আইনপ্রণেতা]] || ৭৪৩ || ✓
|-
| 99 || [[লেই বারডুগো]] || ১২২ || ✓
|-
| 100 || [[উইলিয়াম ব্রেট, ১ম ভিসকাউন্ট এশার]] || ১,০২০ || ✓
|-
| 101 || [[হেনরি হকিন্স, ১ম ব্যারন ব্র্যাম্পটন]] || ৩০৩ || ✓
|-
| 102 || [[জুনিয়াস]] || ১,৪১২ || ✓
|-
| 103 || [[উইলিয়াম মারে, ম্যানসফিল্ডের ১ম আর্ল]] || ৬৪৩ || ✓
|-
| 104 || [[জোসেফ ইয়েটস]] || ৬৬৬ || ✓
|-
| 105 || [[স্যার জন বেইলি, ১ম ব্যারোনেট]] || ৯১৮ || ✓
|-
| 106 || [[হেনরি বিকারস্টথ, ১ম ব্যারন ল্যাংডেল]] || ৪১৫ || ✓
|-
| 107 || [[এডওয়ার্ড ল, ১ম ব্যারন এলেনবরো]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 108 || [[লয়েড কেনিয়ন, ১ম ব্যারন কেনিয়ন]] || ৪,৪০৮ || ✓
|-
| 109 || [[জন হোল্ট]] || ১,১৮৯ || ✓
|-
| 110 || [[চার্লস বোয়েন, ব্যারন বোয়েন]] || ১,০৩৭ || ✓
|-
| 111 || [[চার্লস অ্যাবট, ১ম ব্যারন টেন্টারডেন]] || ৩৪১ || ✓
|-
| 112 || [[ন্যায়বিচার প্রশাসন]] || ২,৮৯৯ || ✓
|-
| 113 || [[আদালত]] || ১,৮১৮ || ✕
|-
| 114 || [[রোজান এ. ব্রাউন]] || ৩৪১ || ✓
|-
| 115 || [[মারিয়ন জিমার ব্র্যাডলি]] || ১,১০৪ || ✓
|-
| 116 || [[টেরি ব্রুকস]] || ৪৮৫ || ✓
|-
| 117 || [[লেই ব্র্যাকেট]] || ১,১১২ || ✓
|-
| 118 || [[জ্যাক ক্যাডি]] || ১,৫৬৮ || ✓
|-
| 119 || [[মেল ব্রুকস]] || ২,০১৬ || ✕
|-
| 120 || [[মাইকেল বিশপ]] || ৯৯০ || ✓
|-
| 121 || [[এলিজাবেথ বেয়ার]] || ৭০৫ || ✓
|-
| 122 || [[মার্গারেট বল]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 123 || [[পাওলো বাসিগালুপি]] || ৬৪৭ || ✓
|-
| 124 || [[কেলি আর্মস্ট্রং]] || ৫৮৫ || ✓
|-
| 125 || [[ক্যাথরিন আসরো]] || ৩৬১ || ✓
|-
| 126 || [[পিয়ার্স অ্যান্থনি]] || ২২৯ || ✓
|-
| 127 || [[রবার্ট আইকম্যান]] || ২৬৮ || ✓
|-
| 128 || [[আইনজীবী]] || ২,৩২৯ || ✓
|-
| 129 || [[আইনসভা]] || ২,৩৪৩ || ✓
|-
| 130 || [[জর্জ বুশনার]] || ৬৬২ || ✓
|-
| 131 || [[জোসেফ গার্নি ক্যানন]] || ৭০৯ || ✓
|-
| 132 || [[সংখ্যাগরিষ্ঠ]] || ১,৩৫৬ || ✓
|-
| 133 || [[সংখ্যালঘু গোষ্ঠী]] || ১,৮৮১ || ✓
|-
| 134 || [[প্রাতিষ্ঠানিক আচরণ]] || ৬৫৬ || ✓
|-
| 135 || [[মানব আচরণ]] || ৮৫২ || ✓
|-
| 136 || [[হার্ভে ম্যানসফিল্ড]] || ৯৭৯ || ✓
|-
| 137 || [[রাষ্ট্রবিজ্ঞান]] || ১,১৩৯ || ✓
|-
| 138 || [[রাজনৈতিক দর্শন]] || ১,২৮৫ || ✓
|-
| 139 || [[দ্বিজেন্দ্র নারায়ণ ঝা]] || ১,০৮৭ || ✓
|-
| 140 || [[আগ্রাসন]] || ৯২০ || ✓
|-
| 141 || [[হিন্দুত্ব]] || ২,৭০০ || ✓
|-
| 142 || [[ফ্লাভিয়া অ্যাগনেস]] || ৬৮২ || ✓
|-
| 143 || [[লাভ জিহাদ ষড়যন্ত্র তত্ত্ব]] || ৩,১৫০ || ✓
|-
| 144 || [[মহাত্মা গান্ধীর হত্যাকাণ্ড]] || ১,৭৭৮ || ✓
|-
| 145 || [[যোগিন্দর সিকান্দ]] || ৮১৪ || ✓
|-
| 146 || [[ভারতে মুসলিমদের বিরুদ্ধে সহিংসতা]] || ৮৫১ || ✓
|-
| 147 || [[জয় শ্রীরাম]] || ৭০৮ || ✓
|-
| 148 || [[লালকৃষ্ণ আডবাণী]] || ১,৫৫৫ || ✓
|-
| 149 || [[রাম রথযাত্রা]] || ১,৫৭৯ || ✓
|-
| 150 || [[হিন্দু আমেরিকান ফাউন্ডেশন]] || ১,৪৫৫ || ✓
|-
| 151 || [[হর্ষ মান্দার]] || ৬৬০ || ✓
|-
| 152 || [[স্বপন দাশগুপ্ত]] || ১,১৬৭ || ✓
|-
| 153 || [[জরাথুস্ট্রবাদ]] || ৩৭৭ || ✓
|-
| 154 || [[পার্সি]] || ৩৯০ || ✓
|-
| 155 || [[নাগরিকত্ব]] || ১,৮৭৯ || ✓
|-
| 156 || [[ভারতের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৭০]] || ৬৭৯ || ✓
|-
| 157 || [[মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯]] || ৭৬৯ || ✓
|-
| 158 || [[অবৈতনিক বাধ্যতামূলক শিশু শিক্ষার অধিকার আইন, ২০০৯]] || ৩৭৯ || ✓
|-
| 159 || [[বোম্বাই দাঙ্গা]] || ৭৭৬ || ✓
|-
| 160 || [[বজরং দল]] || ৩৩১ || ✓
|-
| 161 || [[সংসদীয় ব্যবস্থা]] || ৪০৫ || ✓
|-
| 162 || [[বিচার বিভাগীয় ব্যাখ্যা]] || ১,২৩২ || ✓
|-
| 163 || [[বর্ণবাদ পরবর্তী আমেরিকা]] || ১,০৬৯ || ✓
|-
| 164 || [[শ্বেতাঙ্গ বিশেষাধিকার]] || ৬২৮ || ✓
|-
| 165 || [[বিশেষাধিকার]] || ৭১২ || ✓
|-
| 166 || [[মানবহিতৈষণা]] || ২২৮ || ✓
|-
| 167 || [[ভারত সরকার]] || ১,২২০ || ✓
|-
| 168 || [[শিলং]] || ৯৭৩ || ✓
|-
| 169 || [[মাঝৌলি রাজ]] || ৫৬০ || ✓
|-
| 170 || [[কালিকট]] || ৪৫৪ || ✓
|-
| 171 || [[যাজপুর]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 172 || [[কালিবাঙ্গান]] || ৭৩৮ || ✓
|-
| 173 || [[কাডাপা]] || ৪১৩ || ✓
|-
| 174 || [[ইদার]] || ৫৮৬ || ✓
|-
| 175 || [[গোধরা]] || ১,০১০ || ✓
|-
| 176 || [[ভুবনেশ্বর]] || ১,১৬৫ || ✓
|-
| 177 || [[অমৃতসর]] || ৮৬৮ || ✓
|-
| 178 || [[আম্বালা]] || ৪৬১ || ✓
|-
| 179 || [[হায়দ্রাবাদ]] || ৩,২৪৮ || ✓
|-
| 180 || [[২০১৯ হায়দ্রাবাদ গণধর্ষণ]] || ১৭৭ || ✓
|-
| 181 || [[মুহাম্মাদ বখতিয়ার খলজি]] || ৪২৩ || ✕
|-
| 182 || [[হায়দ্রাবাদ অধিগ্রহণ]] || ৪৫৬ || ✓
|-
| 183 || [[১৮৯৯-১৯০০ সালের ভারতীয় দুর্ভিক্ষ]] || ৫৪১ || ✓
|-
| 184 || [[১৯৯০ হায়দ্রাবাদ দাঙ্গা]] || ৪০৬ || ✓
|-
| 185 || [[গুয়াহাটি]] || ১,৭৯৬ || ✓
|-
| 186 || [[গৌড়]] || ১,৯৩৬ || ✓
|-
| 187 || [[বিজাপুর]] || ৬৬২ || ✓
|-
| 188 || [[মাণ্ডু]] || ৩৯৪ || ✓
|-
| 189 || [[খাজুরাহো]] || ৩৭১ || ✓
|-
| 190 || [[চান্দেরী]] || ৫০৭ || ✓
|-
| 191 || [[জুনাগড়]] || ৭১৯ || ✓
|-
| 192 || [[বৃহৎ কচ্ছের রাণ]] || ৫৮৪ || ✓
|-
| 193 || [[আহমেদাবাদ]] || ১,৮১২ || ✓
|-
| 194 || [[কচ্ছ জেলা]] || ৩২৬ || ✓
|-
| 195 || [[দৃশদ্বতী নদী]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 196 || [[চেনাব নদী]] || ৩২১ || ✓
|-
| 197 || [[পশ্চিমবঙ্গে ধর্ম]] || ১,২৩২ || ✓
|-
| 198 || [[মুর্শিদাবাদ সহিংসতা]] || ২৫৭ || ✓
|-
| 199 || [[২০২৪ সন্দেশখালী সহিংসতা]] || ১,০৬১ || ✓
|-
| 200 || [[২০২২ বীরভূম সহিংসতা]] || ৫১৪ || ✓
|-
| 201 || [[মৈতৈ জাতি]] || ৬৪০ || ✓
|-
| 202 || [[মৈতৈ সভ্যতা]] || ৩৫০ || ✓
|-
| 203 || [[মণিপুর]] || ৩০৬ || ✓
|-
| 204 || [[লাক্ষাদ্বীপ]] || ৩২৯ || ✓
|-
| 205 || [[বৃন্দাবন]] || ৭৩৩ || ✓
|-
| 206 || [[সম্ভল]] || ২৪৩ || ✓
|-
| 207 || [[এলাহাবাদ]] || ৩৫৭ || ✓
|-
| 208 || [[আলিগড়]] || ৪০৯ || ✓
|-
| 209 || [[স্ট্যাচু অব ইউনিটি]] || ২৪১ || ✓
|-
| 210 || [[ভারতের দুর্গ]] || ৩১৪ || ✓
|-
| 211 || [[দ্য দুন স্কুল]] || ৬৬৪ || ✓
|-
| 212 || [[কাশী হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়]] || ৩৪৫ || ✓
|-
| 213 || [[আগ্রা]] || ৭১৮ || ✓
|-
| 214 || [[২০২০ দিল্লি দাঙ্গা]] || ১,১৭৮ || ✓
|-
| 215 || [[তিরুচিরাপল্লী]] || ৬২৬ || ✓
|-
| 216 || [[সেন্ট থমাস ক্যাথেড্রাল ব্যাসিলিকা, চেন্নাই]] || ৩৮০ || ✕
|-
| 217 || [[আতঙ্ক]] || ৪৭৮ || ✓
|-
| 218 || [[ভারতে দুর্নীতি]] || ১,০০৭ || ✓
|-
| 219 || [[তামিলনাড়ুর মন্দির]] || ৯১৮ || ✓
|-
| 220 || [[এম. কে. স্ট্যালিন]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 221 || [[তামিলনাড়ু]] || ৫৪৩ || ✓
|-
| 222 || [[তামিলনাড়ুর হিন্দি বিরোধী আন্দোলন]] || ৪৬৫ || ✓
|-
| 223 || [[যোধপুর]] || ৬২৮ || ✓
|-
| 224 || [[রাজস্থান]] || ২৯৪ || ✓
|-
| 225 || [[ওড়িশা]] || ৭৪৫ || ✓
|-
| 226 || [[১৯৯৮ কোয়েম্বাটুর বোমা হামলা]] || ৫৩৭ || ✓
|-
| 227 || [[উত্তর-পূর্ব ভারতে বিদ্রোহ]] || ৩৯৮ || ✓
|-
| 228 || [[মারাদ হত্যাকাণ্ড]] || ৩৫২ || ✓
|-
| 229 || [[মক্কা মসজিদ বিস্ফোরণ]] || ৫৮৪ || ✓
|-
| 230 || [[স্টুডেন্টস ইসলামিক মুভমেন্ট অব ইন্ডিয়া]] || ৩৫৭ || ✓
|-
| 231 || [[বিষ্ণু]] || ৬১৭ || ✓
|-
| 232 || [[২০২৪ রিয়াসি হামলা]] || ৩০২ || ✓
|-
| 233 || [[২০০৬ মালেগাঁও বোমা হামলা]] || ৩৯১ || ✓
|-
| 234 || [[২০০৬ মুম্বই রেলে বোমা হামলা]] || ১৯০ || ✓
|-
| 235 || [[মুম্বই]] || ১,২২৪ || ✓
|-
| 236 || [[দৌলতাবাদ, মহারাষ্ট্র]] || ৮৯৫ || ✕
|-
| 237 || [[মহারাষ্ট্র]] || ৪৯৯ || ✓
|-
| 238 || [[পিনারাই বিজয়ন]] || ৫২৩ || ✓
|-
| 239 || [[আরব দেশ]] || ৯১৪ || ✓
|-
| 240 || [[দক্ষিণ এশিয়া]] || ৫৯৩ || ✓
|-
| 241 || [[শহুরে অবক্ষয়]] || ৩০৮ || ✓
|-
| 242 || [[নগরায়ন]] || ১,০৯৭ || ✓
|-
| 243 || [[কেরল]] || ৩৬৫ || ✓
|-
| 244 || [[জম্মু ও কাশ্মীরে বিদ্রোহ]] || ৪১৮ || ✓
|-
| 245 || [[জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহার]] || ৯৬৪ || ✓
|-
| 246 || [[শ্রীনগর]] || ১,৭২৯ || ✓
|-
| 247 || [[কাশ্মীর উপত্যকা]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 248 || [[লাদাখ]] || ৬৯৪ || ✓
|-
| 249 || [[কাশ্মীরি জাতি]] || ৮১৩ || ✓
|-
| 250 || [[তারিখ-ই-কাশ্মীর]] || ৫১৪ || ✓
|-
| 251 || [[কর্ণাটক]] || ৬৮২ || ✓
|-
| 252 || [[কর্ণাটকের রাজনীতি]] || ৪৩৯ || ✓
|-
| 253 || [[বেঙ্গালুরু]] || ৬১৪ || ✓
|-
| 254 || [[আসামে ইসলাম]] || ৬৯০ || ✓
|-
| 255 || [[আসামের ইতিহাস]] || ৭২৬ || ✓
|-
| 256 || [[আসামে হিন্দুধর্ম]] || ৩২৫ || ✓
|-
| 257 || [[ভারতের জনমিতি]] || ৩,৩৭৩ || ✓
|-
| 258 || [[বাংলাদেশের জনমিতি]] || ১,১৯৫ || ✓
|-
| 259 || [[পাকিস্তানের জনমিতি]] || ৮৫০ || ✓
|-
| 260 || [[আসামের জনমিতি]] || ১৮২ || ✓
|-
| 261 || [[বিহার]] || ৪৫৮ || ✓
|-
| 262 || [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] || ১৮১ || ✓
|-
| 263 || [[শাহ বানু মামলা]] || ৮০০ || ✓
|-
| 264 || [[ইসরায়েল–ভারত সম্পর্ক]] || ৮৯৭ || ✓
|-
| 265 || [[প্রণব মুখোপাধ্যায়]] || ৫৯৫ || ✓
|-
| 266 || [[দ্রৌপদী মুর্মু]] || ২৪৯ || ✓
|-
| 267 || [[ফখরুদ্দিন আলি আহমেদ]] || ১,৬৪৭ || ✓
|-
| 268 || [[এলজিবিটিকিউ অধিকার বিরোধিতা]] || ২,০৪৯ || ✓
|-
| 269 || [[গেফোবিয়া]] || ২৭৮ || ✓
|-
| 270 || [[সমকামী যৌন চর্চা]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 271 || [[উভকামিতা]] || ১,৫৬০ || ✓
|-
| 272 || [[কামিং আউট]] || ৮০৫ || ✓
|-
| 273 || [[স্মৃতি ইরানি]] || ৯৯১ || ✓
|-
| 274 || [[মেনকা গান্ধী]] || ১,২৩০ || ✓
|-
| 275 || [[যশবন্ত সিং]] || ২০৬ || ✓
|-
| 276 || [[সৈয়দ শাহাবুদ্দিন]] || ৫৭৯ || ✓
|-
| 277 || [[শাকিল আহমদ]] || ১২৪ || ✓
|-
| 278 || [[তথাগত রায়]] || ২৭৫ || ✓
|-
| 279 || [[লালুপ্রসাদ যাদব]] || ১,১০৯ || ✓
|-
| 280 || [[আসাদউদ্দিন ওয়াইসি]] || ৫০২ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৮০
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,৫৮,০৩৩
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩,০১,৮৭২
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪৩,৮৩৯
|}
=== [[ব্যবহারকারী:SMontaha32| SMontaha32]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনী]] || ১৯,১০০ || ✕
|-
| 2 || [[ভাকলাভ হাভেল]] || ৯,৩৫৭ || ✓
|-
| 3 || [[নরউইচের জুলিয়ান]] || ৩১,৬৩৩ || ✓
|-
| 4 || [[রামসে ম্যাকডোনাল্ড]] || ৯,৬২২ || ✓
|-
| 5 || [[জন মুয়ির]] || ৮,০৬১ || ✓
|-
| 6 || [[মার্গারেট অ্যাটউড]] || ৬,৩২৮ || ✓
|-
| 7 || [[পেত্র ক্রাপোতকিন]] || ১০,৮১৬ || ✓
|-
| 8 || [[টমাস হেনরি হাক্সলি]] || ৮,৫০৩ || ✓
|-
| 9 || [[উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস]] || ৭,২১০ || ✓
|-
| 10 || [[উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস]] || ৪,২৬০ || ✓
|-
| 11 || [[তাওয়াক্কোল কারমান]] || ৪,০৯৭ || ✓
|-
| 12 || [[র্যাচেল কারসন]] || ৪,৭৬৭ || ✓
|-
| 13 || [[আর্নেস্ট হেমিংওয়ে]] || ১৪,৯০৭ || ✓
|-
| 14 || [[আর্থার এডিংটন]] || ৫,৬৩৭ || ✓
|-
| 15 || [[এরিক হবসবাউম]] || ৫,৮৭৩ || ✓
|-
| 16 || [[টনি মরিসন]] || ১০,৩৮৩ || ✓
|-
| 17 || [[টনি বেন]] || ১০,৩৯৯ || ✓
|-
| 18 || [[নরম্যান মেইলার]] || ৬,৬০৬ || ✓
|-
| 19 || [[পল স্যামুয়েলসন]] || ৬,৮৫১ || ✓
|-
| 20 || [[এইচ. পি. লাভক্র্যাফট]] || ২৫,৪৭২ || ✓
|-
| 21 || [[ব্লেজ পাসকাল]] || ৩,০৫১ || ✓
|-
| 22 || [[চিনুয়া আচেবে]] || ৬,০৪২ || ✓
|-
| 23 || [[ডরিস লেসিং]] || ৪,৬২১ || ✓
|-
| 24 || [[ফেদেরিকো ফাগিন]] || ৬০০ || ✓
|-
| 25 || [[আলেকজান্ডার গ্রোথেনডিক]] || ১,২১১ || ✓
|-
| 26 || [[আঙ্গেলা ম্যার্কেল]] || ২,০২৯ || ✓
|-
| 27 || [[আনাক্সাগোরাস]] || ৩,৬৭১ || ✓
|-
| 28 || [[আমোস তভারস্কি]] || ৪৬১ || ✓
|-
| 29 || [[আলফ্রেড মার্শাল]] || ১,৩০৯ || ✓
|-
| 30 || [[আলবার্টাস ম্যাগনাস]] || ৩৮২ || ✓
|-
| 31 || [[অনিতা ব্রুকনার]] || ৪৭৪ || ✓
|-
| 32 || [[আলফ্রেড কিনসে]] || ১,০৩৩ || ✓
|-
| 33 || [[অ্যালান কে]] || ৯২৪ || ✓
|-
| 34 || [[আলেকজান্ডার ফ্লেমিং]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 35 || [[ক্যারোলিন বার্তোজি]] || ৪১১ || ✓
|-
| 36 || [[আলফ্রেড রাসেল ওয়ালেস]] || ১,৬৫৯ || ✓
|-
| 37 || [[অঁতোয়ান লাভোয়াজিয়ে]] || ১,৪৬৩ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৩৭
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,১৮,৯৯২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,৩৯,৫৫৫
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২০,৫৬৩
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch| Oindrojalik Watch]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ভ্রান্ত উদ্ধৃতি]] || ৯,৮৭১ || ✓
|-
| 2 || [[২০১১ ফিফা মহিলা বিশ্বকাপ]] || ৯৬৩ || ✓
|-
| 3 || [[তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] || ৩,১৭৯ || ✓
|-
| 4 || [[আফগান যুদ্ধ]] || ৪,৬২০ || ✓
|-
| 5 || [[ইউক্রেনে রুশ আক্রমণ]] || ১২,৩৮২ || ✓
|-
| 6 || [[ইরাক যুদ্ধ]] || ১২,৩৪৪ || ✓
|-
| 7 || [[যুক্তরাজ্যের তৃতীয় জর্জ]] || ১২,০৪২ || ✓
|-
| 8 || [[২০১০ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৮৮৩ || ✓
|-
| 9 || [[২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৩,৫১৪ || ✓
|-
| 10 || [[২০০২ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৬১১ || ✓
|-
| 11 || [[ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ]] || ১,৫৪২ || ✓
|-
| 12 || [[স্নায়ুযুদ্ধ]] || ১৫,৬১০ || ✓
|-
| 13 || [[দ্বিতীয় স্নায়ুযুদ্ধ]] || ৪,৬৬৮ || ✓
|-
| 14 || [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] || ২৪,১৭৭ || ✓
|-
| 15 || [[মহত্ত্ব]] || ৭,৮১৪ || ✓
|-
| 16 || [[সাংবাদিকতা]] || ১৩,৪৭০ || ✓
|-
| 17 || [[প্যানডিজম]] || ১০,৩০০ || ✓
|-
| 18 || [[গাজা যুদ্ধ]] || ১৬,৯৮২ || ✓
|-
| 19 || [[২০২৬ ইরান যুদ্ধ]] || ৬,৯৫৯ || ✓
|-
| 20 || [[পারমাণবিক অস্ত্র]] || ৩,২৩৩ || ✓
|-
| 21 || [[২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৬৪৩ || ✓
|-
| 22 || [[ক্রুসেড]] || ৯৯৬ || ✓
|-
| 23 || [[অ্যানিমেশন]] || ৯,৪৫৭ || ✓
|-
| 24 || [[দক্ষিণ কোরিয়ার রাজনীতি]] || ৭৫৫ || ✓
|-
| 25 || [[ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ]] || ৩,৭৬২ || ✓
|-
| 26 || [[পারমাণবিক যুদ্ধ]] || ৫,৫২০ || ✓
|-
| 27 || [[আল খোয়ারিজমি]] || ১,২৩০ || ✓
|-
| 28 || [[ফজলে রাব্বী]] || ৬৩৫ || ✓
|-
| 29 || [[ডেভিড হিউম]] || ১১,৭৮০ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৯
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১,৯০,০৭১
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,৯৯,৯৪২
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023| Sumanta3023]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[লিওনিদ ক্যান্টোরোভিচ]] || ১,৪২২ || ✓
|-
| 2 || [[থিওডোসিয়াস ডবঝানস্কি]] || ৭৬০ || ✕
|-
| 3 || [[টেরেন্স টাও]] || ৭২০ || ✓
|-
| 4 || [[ফিলিপ]] || ৪২৬ || ✓
|-
| 5 || [[জুলিয়ান শুইঙার]] || ১,৩২২ || ✕
|-
| 6 || [[পিয়ের-জিল দ্য জেন]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 7 || [[ব্রায়ান কক্স]] || ৭৫৬ || ✓
|-
| 8 || [[জন ম্যাককার্থি]] || ১,০৪৫ || ✓
|-
| 9 || [[লুই দ্য ব্রোয়ি]] || ৪৬০ || ✓
|-
| 10 || [[ফ্রঁসোয়া মিতেরঁ]] || ১,১৯৪ || ✕
|-
| 11 || [[ফ্লিন্ডার্স পেট্রি]] || ১,২০৪ || ✕
|-
| 12 || [[পল আর. এহর্লিচ]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 13 || [[মাইকেল আতিয়াহ]] || ৪২৩ || ✓
|-
| 14 || [[মার্টন মিলার]] || ৪৮২ || ✓
|-
| 15 || [[মেরি বিয়ার্ড]] || ৯১১ || ✓
|-
| 16 || [[মার্গারেট চ্যান]] || ৭০৪ || ✓
|-
| 17 || [[গেরহার্ড শ্রোডার]] || ২৬৯ || ✓
|-
| 18 || [[ফিলিপ ওয়ারেন অ্যান্ডারসন]] || ৭৯৯ || ✓
|-
| 19 || [[পিটার হিগস]] || ৪৭৪ || ✕
|-
| 20 || [[লিওনার্ড সাসকিন্ড]] || ৮২৫ || ✓
|-
| 21 || [[জন মেইনার্ড স্মিথ]] || ৬৪০ || ✓
|-
| 22 || [[জন জেমস অডুবন]] || ৮৩৭ || ✓
|-
| 23 || [[শেলডন লি গ্ল্যাশো]] || ৭৫১ || ✓
|-
| 24 || [[ভিক্টর উইসকফ]] || ৫১৯ || ✓
|-
| 25 || [[মার্টিন রিস]] || ৫৫১ || ✓
|-
| 26 || [[মার্ক ওলিফ্যান্ট]] || ৫৫৩ || ✓
|-
| 27 || [[ভিতালি গিঞ্জবার্গ]] || ৩০৮ || ✓
|-
| 28 || [[স্যালি রাইড]] || ৪২৫ || ✓
|-
| 29 || [[রবার্ট ফোগেল]] || ৪২৮ || ✓
|-
| 30 || [[রিঙ্গো স্টার]] || ৮৭০ || ✓
|-
| 31 || [[মাক্স ডেলব্রুক]] || ৫৭৫ || ✓
|-
| 32 || [[তৃতীয় লেওপোল্ড]] || ৮৩৭ || ✓
|-
| 33 || [[নরম্যান বোরল্যাগ]] || ৭০০ || ✓
|-
| 34 || [[নিকলাউস ভির্ট]] || ৪৭৯ || ✓
|-
| 35 || [[নিকোলাস স্টেনো]] || ২৯২ || ✓
|-
| 36 || [[নেভিল ফ্রান্সিস মট]] || ৫১১ || ✓
|-
| 37 || [[লুডউইক ফ্লেক]] || ৫১২ || ✓
|-
| 38 || [[কারেন উলেনবেক]] || ৩৯২ || ✓
|-
| 39 || [[ইয়োসেফ মেংগেলে]] || ৫৪৪ || ✓
|-
| 40 || [[কিরণ দেশাই]] || ২৬১ || ✓
|-
| 41 || [[কাতালিন কারিকো]] || ৩০৯ || ✓
|-
| 42 || [[ইয়োন্স ইয়াকব বের্সেলিয়ুস]] || ৫১৬ || ✓
|-
| 43 || [[হুয়ান মালদাসেনা]] || ৭৩২ || ✓
|-
| 44 || [[হাইনরিখ বোল]] || ৩০০ || ✓
|-
| 45 || [[ইনগ্রিড ডোবিচি]] || ৬৭১ || ✓
|-
| 46 || [[ইয়ান উইলমুট]] || ৪২৭ || ✓
|-
| 47 || [[হিউ এভারেট]] || ৬০০ || ✓
|-
| 48 || [[ফ্রঁসোয়া অংল্যার]] || ৫৩৩ || ✓
|-
| 49 || [[এমানুয়েল সোয়েডেনবার্গ]] || ১,৫২২ || ✓
|-
| 50 || [[এলিজাবেথ বিশপ]] || ৬৫২ || ✓
|-
| 51 || [[শেখ আন্তা দিওপ]] || ৩৩৫ || ✓
|-
| 52 || [[জর্জ গ্যামো]] || ১,৫২১ || ✓
|-
| 53 || [[হাইনরিখ হের্ত্স]] || ১,৭৪৪ || ✓
|-
| 54 || [[গ্রো হারলেম ব্রুন্ডটল্যান্ড]] || ৩১১ || ✓
|-
| 55 || [[জন সি. মাদার]] || ৪২৫ || ✓
|-
| 56 || [[জন ব্যাকাস]] || ৫৯৭ || ✓
|-
| 57 || [[এর্নস্ট মায়ার]] || ৭৫৪ || ✓
|-
| 58 || [[লিন মার্গুলিস]] || ১,৭১৮ || ✓
|-
| 59 || [[হ্যান্স বেটে]] || ৩৯৬ || ✓
|-
| 60 || [[লুই আগাসিজ]] || ৯৩৭ || ✓
|-
| 61 || [[জর্জ ক্যুভিয়ে]] || ৭৬৮ || ✓
|-
| 62 || [[ব্রাসেলস]] || ৯৬৭ || ✓
|-
| 63 || [[ড্যানিয়েল কানেমান]] || ২,৯৫৭ || ✕
|-
| 64 || [[ডোনাল্ড কানুথ]] || ১,৫৮২ || ✓
|-
| 65 || [[লেমাহ গবোউই]] || ১,১৫০ || ✓
|-
| 66 || [[গারট্রুড বি. এলিয়ন]] || ২৩৪ || ✓
|-
| 67 || [[ডোনা স্ট্রিকল্যান্ড]] || ৩৫৯ || ✓
|-
| 68 || [[এর্নস্ট মাখ]] || ২,০২৮ || ✕
|-
| 69 || [[ডোনাল্ড টাস্ক]] || ১,৭৭১ || ✓
|-
| 70 || [[অরবিন্দ আদিগা]] || ৮৬৬ || ✓
|-
| 71 || [[সি. এ. আর. হোর]] || ১,০৬১ || ✕
|-
| 72 || [[পল ডিরাক]] || ৪,৭০৯ || ✕
|-
| 73 || [[ই. ও. উইলসন]] || ৪,৪৫৮ || ✕
|-
| 74 || [[ডেসমন্ড মরিস]] || ৩,৯৮৬ || ✓
|-
| 75 || [[মাইকেল গোভ]] || ৩,৭৩৬ || ✓
|-
| 76 || [[হার্পার লি]] || ২,৪৯১ || ✓
|-
| 77 || [[কেন টম্পসন]] || ১,৮১৬ || ✓
|-
| 78 || [[জন টিন্ডাল]] || ২,৫২৮ || ✓
|-
| 79 || [[মেরি রবিনসন]] || ১,৩৭৬ || ✓
|-
| 80 || [[হেনরি ক্যাভেন্ডিশ]] || ২,২৪৪ || ✓
|-
| 81 || [[আইরিস মারডক]] || ১,২৬৮ || ✓
|-
| 82 || [[আর্নেস্ট রাদারফোর্ড]] || ২,৪৫৩ || ✓
|-
| 83 || [[ফ্রেড ব্রুকস]] || ১,১৯১ || ✓
|-
| 84 || [[ক্রিস্টিয়ান হাইগেনস]] || ১,৯০৭ || ✓
|-
| 85 || [[ডায়ান ফসি]] || ১,৬৪৬ || ✕
|-
| 86 || [[ইডিথ হোয়ার্টন]] || ১,৪২৫ || ✓
|-
| 87 || [[অরেল স্টেইন]] || ১,৪৭৮ || ✕
|-
| 88 || [[গাব্রিয়েলা মিস্ত্রাল]] || ১,৬৫০ || ✓
|-
| 89 || [[আলেকজান্ডার ফন হুমবোল্ট]] || ১,১২০ || ✓
|-
| 90 || [[ফ্রান্সিস্কো ভারেলা]] || ১,৮৯৩ || ✓
|-
| 91 || [[ডেনিস রিচি]] || ১,১০৮ || ✓
|-
| 92 || [[অড্রে হেপবার্ন]] || ১,৪৩৫ || ✓
|-
| 93 || [[জি. এইচ. হার্ডি]] || ২,৩৩০ || ✓
|-
| 94 || [[হ্যারল্ড পিন্টার]] || ২,০৭২ || ✓
|-
| 95 || [[অ্যানাক্সিম্যান্ডার]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 96 || [[ডেভিড ব্রুস্টার]] || ২,৪০৪ || ✓
|-
| 97 || [[ব্রায়ান গ্রিন]] || ১,২৭৯ || ✕
|-
| 98 || [[অমিত গোস্বামী]] || ৯১৫ || ✓
|-
| 99 || [[এডমন্ড হ্যালি]] || ২,৬১৯ || ✓
|-
| 100 || [[ডেভিড সুজুকি]] || ১,৫১৭ || ✓
|-
| 101 || [[ডেভিড জোনাথন গ্রোস]] || ৮০৯ || ✓
|-
| 102 || [[ডেভিড ম্যামেট]] || ১,২৫২ || ✓
|-
| 103 || [[আহমেদ জেওয়াইল]] || ১৯২ || ✓
|-
| 104 || [[ইউরোপীয় পার্লামেন্ট]] || ৬১৫ || ✓
|-
| 105 || [[ডেভিড গ্রসম্যান]] || ৩৩৬ || ✓
|-
| 106 || [[হরিশ-চন্দ্র]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 107 || [[অনিতা দেসাই]] || ১,৪৩৯ || ✓
|-
| 108 || [[অ্যাশ কার্টার]] || ৪৬৩ || ✓
|-
| 109 || [[আলফ্রেড নোবেল]] || ৫০৯ || ✕
|-
| 110 || [[ক্রিস্টিয়ান বার্নার্ড]] || ৬৩৯ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১১০
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৯৭,৪২১
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,২২,৫০০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২৫,০৭৯
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Anik Kanti Dey| Anik Kanti Dey]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[রেজা পাহলভি]] || ৯,৯১০ || ✓
|-
| 2 || [[রজার ইবার্ট]] || ২১,৩২৫ || ✓
|-
| 3 || [[পুনর্জন্ম]] || ২০,২৪৮ || ✓
|-
| 4 || [[জ্যারেড ডায়মন্ড]] || ১,১৬৮ || ✕
|-
| 5 || [[জেন গুডাল]] || ১,৩৫৭ || ✓
|-
| 6 || [[জেমস টোবিন]] || ১,০৫৯ || ✓
|-
| 7 || [[জেমস ক্যালাহান]] || ১,৬১৫ || ✓
|-
| 8 || [[উইলিয়াম স্ট্যানলি জেভন্স]] || ১,৭০১ || ✓
|-
| 9 || [[উইলিয়াম থমসন]] || ১,০৫১ || ✓
|-
| 10 || [[ওলে সোয়িংকা]] || ৩,১৬১ || ✕
|-
| 11 || [[জোসেফ স্টিগলিটজ]] || ১,৫০৪ || ✕
|-
| 12 || [[গ্রেগর মেন্ডেল]] || ৮৭৪ || ✓
|-
| 13 || [[গটফ্রিড ভিলহেল্ম লাইবনিৎস]] || ১,২৩৬ || ✓
|-
| 14 || [[গ্লেন থিওডোর সিবর্গ]] || ৯৮৪ || ✓
|-
| 15 || [[হেরমান ভাইল]] || ১,৫৪১ || ✓
|-
| 16 || [[হেরমান হেস]] || ৪,৫৬৫ || ✓
|-
| 17 || [[হার্বার্ট স্পেন্সার]] || ২,৩৬৮ || ✓
|-
| 18 || [[হার্বার্ট এ. সাইমন]] || ১,৩৩৭ || ✓
|-
| 19 || [[হেরাক্লিটাস]] || ১,৫৭০ || ✓
|-
| 20 || [[হেনরিক শিয়েনকিয়েভিচ]] || ১,৯১১ || ✕
|-
| 21 || [[উইলা ক্যাথার]] || ৩,০৩৩ || ✕
|-
| 22 || [[উইল ডুরান্ট]] || ২,৮১৫ || ✓
|-
| 23 || [[ডব্লিউ. এইচ. অডেন]] || ২,৮১৯ || ✓
|-
| 24 || [[ভোলফগাং পাউলি]] || ১,৬৩৯ || ✓
|-
| 25 || [[ইয়াসুনারি কাওয়াবাতা]] || ২,২৫৮ || ✓
|-
| 26 || [[জন আর্চিবল্ড হুইলার]] || ১,১৩৯ || ✓
|-
| 27 || [[সেমুর হার্শ]] || ১,৭৬১ || ✓
|-
| 28 || [[সের্গেই কোরোলিয়ভ]] || ৫৬৫ || ✓
|-
| 29 || [[জেন অ্যাডামস]] || ১,৯০৬ || ✓
|-
| 30 || [[জাক-ইভ কুস্তো]] || ৬৬৩ || ✓
|-
| 31 || [[হিদেকি ইউকাওয়া]] || ৪০৩ || ✓
|-
| 32 || [[প্রিমো লেভি]] || ৪,২৩৮ || ✓
|-
| 33 || [[ঝুম্পা লাহিড়ী]] || ৪৩০ || ✓
|-
| 34 || [[জেমস প্রেসকট জুল]] || ৪৮৭ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৩৪
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৯৩,৮৬৪
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,০৪,৬৪১
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১০,৭৭৭
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman| Tanbiruzzaman]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা]] || ৪,৮৫১ || ✓
|-
| 2 || [[সংবাদ মাধ্যম]] || ১,১৫৫ || ✓
|-
| 3 || [[গণমাধ্যম]] || ৩,৩৫৭ || ✓
|-
| 4 || [[মূলধারার গণমাধ্যম]] || ১,০৫২ || ✓
|-
| 5 || [[হলুদ সাংবাদিকতা]] || ২,২৯৬ || ✓
|-
| 6 || [[ভুয়া সংবাদ]] || ১,৪০৮ || ✓
|-
| 7 || [[বিকল্প প্রচারমাধ্যম]] || ১,২০৫ || ✓
|-
| 8 || [[জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ]] || ১১,২৬৬ || ✓
|-
| 9 || [[অ্যানোনিমাস]] || ৪,০৪৩ || ✓
|-
| 10 || [[টুপাক শাকুর]] || ৬,২৮৭ || ✓
|-
| 11 || [[জেনডেয়া]] || ২,০১৪ || ✓
|-
| 12 || [[টিমথি শালামে]] || ১,১২৭ || ✓
|-
| 13 || [[হিপোক্রেটিস]] || ২,৯২৩ || ✓
|-
| 14 || [[ষষ্ঠ মুহাম্মদ]] || ৮৭৮ || ✓
|-
| 15 || [[জন লেনক্স]] || ৭০২ || ✓
|-
| 16 || [[আলেক্সান্দ্র্ সলজেনিৎসিন]] || ৮,০৫৬ || ✓
|-
| 17 || [[আবদুল হান্নান মাসউদ]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 18 || [[পরকাল সম্পর্কে কুরআন]] || ১৮,৭৯৪ || ✓
|-
| 19 || [[মানবতাবিরোধী অপরাধ]] || ১,৯১২ || ✓
|-
| 20 || [[আন্তর্জাতিক আইন]] || ৫,৫৩৯ || ✓
|-
| 21 || [[মোহাম্মদ জাওয়াদ জারিফ]] || ১,৪৫২ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৮০,৭২৪
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৮০,৭২৪
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Nil Nandy| Nil Nandy]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[অনিল ভৌমিক]] || ২১৬ || ✓
|-
| 2 || [[মনোজ মিত্র]] || ৫,৫৬৭ || ✓
|-
| 3 || [[নারায়ণ সান্যাল]] || ৩৬৬ || ✓
|-
| 4 || [[মতি নন্দী]] || ৫,০১৮ || ✓
|-
| 5 || [[দেবেশ রায়]] || ৯,২৪৪ || ✓
|-
| 6 || [[শিশিরকুমার বসু]] || ৪,৮০৭ || ✓
|-
| 7 || [[বিমল কর]] || ১,৩৬৯ || ✓
|-
| 8 || [[সুবোধ সরকার]] || ১,৮৪৮ || ✓
|-
| 9 || [[স্মরণজিৎ চক্রবর্তী]] || ৭৯২ || ✓
|-
| 10 || [[স্বামী সারদানন্দ]] || ৮,৬৯৫ || ✓
|-
| 11 || [[শক্তিপদ রাজগুরু]] || ৯৯৩ || ✓
|-
| 12 || [[কমলকুমার মজুমদার]] || ১,৫৭৩ || ✓
|-
| 13 || [[গৌতম ভদ্র]] || ৬৮৫ || ✓
|-
| 14 || [[পরিমল গোস্বামী]] || ৬,৫৫০ || ✓
|-
| 15 || [[প্রেমাঙ্কুর আতর্থী]] || ৫,৬৯৮ || ✓
|-
| 16 || [[কালীপ্রসন্ন সিংহ]] || ৫,৪০৪ || ✓
|-
| 17 || [[অখিল নিয়োগী]] || ৬৩৬ || ✓
|-
| 18 || [[হরপ্রসাদ শাস্ত্রী]] || ৫১৩ || ✓
|-
| 19 || [[গায়ত্রী চক্রবর্তী স্পিভাক]] || ৫৯২ || ✓
|-
| 20 || [[অজিত দত্ত]] || ৮৭০ || ✓
|-
| 21 || [[অজিতকৃষ্ণ বসু]] || ২,৩৮৬ || ✓
|-
| 22 || [[এম এস স্বামীনাথন]] || ৮৭২ || ✓
|-
| 23 || [[চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন]] || ২,১৭১ || ✓
|-
| 24 || [[চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও]] || ২,১৬৭ || ✓
|-
| 25 || [[কণাদ]] || ৯১৯ || ✓
|-
| 26 || [[জয়ন্ত বিষ্ণু নারলিকর]] || ৩,১৮৭ || ✓
|-
| 27 || [[বিক্রম সারাভাই]] || ১,১২৯ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৭
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৭৪,২৬৭
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৭৪,২৬৭
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:R1F4T| R1F4T]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আর্নেস্ট কিং]] || ১৫,৭৬৯ || ✕
|-
| 2 || [[ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট]] || ২৬,২১৫ || ✓
|-
| 3 || [[আনোয়ার ইব্রাহিম]] || ৬,৯৯৩ || ✓
|-
| 4 || [[ইসলাম ও যুদ্ধ]] || ৫,৬৮১ || ✓
|-
| 5 || [[আহমদ সিরহিন্দি]] || ৪,০৭০ || ✓
|-
| 6 || [[মুসা সেরান্তোনিও]] || ৪২৩ || ✓
|-
| 7 || [[ইয়াকুব]] || ১,৯৫৬ || ✓
|-
| 8 || [[আদ্রিয়ান গোল্ডসওয়ার্দি]] || ১,৯৭৯ || ✕
|-
| 9 || [[অ্যালিস পল]] || ১,৮৬২ || ✕
|-
| 10 || [[অ্যামি ট্যান]] || ২,০০৭ || ✕
|-
| 11 || [[অ্যান্ড্রু সেগা]] || ১,৯৬৯ || ✓
|-
| 12 || [[আল্যাঁ বাদিউ]] || ১,৯৬৬ || ✕
|-
| 13 || [[আফ্রিকান স্পির]] || ১,৭২২ || ✕
|-
| 14 || [[ফ্রেডরিক ডগলাস]] || ৮৬২ || ✕
|-
| 15 || [[নবী]] || ২,০৬২ || ✕
|-
| 16 || [[এমা গোল্ডম্যান]] || ১২,৮০০ || ✕
|-
| 17 || [[প্রেম সম্পর্কে ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি]] || ১৫,০৪০ || ✓
|-
| 18 || [[মিস্ট্রি সায়েন্স থিয়েটার ৩০০০]] || ৯৪,৯৬৮ || ✕
|-
| 19 || [[দ্য থিক অফ ইট]] || ৬৯,২৮৩ || ✕
|-
| 20 || [[অ্যালেক্স হেইলি]] || ১,৬০৪ || ✓
|-
| 21 || [[দাসত্ব সম্পর্কে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি]] || ৫,৭৮৫ || ✕
|-
| 22 || [[দাসত্ব]] || ১০,২৫৯ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২২
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৬৩,৯৫১
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,৮৫,২৭৫
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২,২১,৩২৪
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Salil Kumar Mukherjee| Salil Kumar Mukherjee]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[যন্ত্র]] || ৭১৩ || ✓
|-
| 2 || [[বিচারক]] || ৯৫২ || ✓
|-
| 3 || [[রুটি]] || ১,০৯৭ || ✓
|-
| 4 || [[খড়]] || ৯৩২ || ✓
|-
| 5 || [[মন্মথমোহন বসু]] || ৯৬৩ || ✕
|-
| 6 || [[কালীপ্রসন্ন বিদ্যারত্ন]] || ৮২৫ || ✓
|-
| 7 || [[কলসী]] || ১,০৮৬ || ✓
|-
| 8 || [[চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ১,১৫৭ || ✓
|-
| 9 || [[শহর]] || ১,৪৫৮ || ✕
|-
| 10 || [[ঘাস]] || ২,১১২ || ✓
|-
| 11 || [[জলধর সেন]] || ১,৭৬৪ || ✓
|-
| 12 || [[ঠিকানা]] || ১,১৮৭ || ✓
|-
| 13 || [[গন্ধ]] || ১,৮০৭ || ✓
|-
| 14 || [[চা]] || ২,৪২৪ || ✓
|-
| 15 || [[রবীন্দ্রনাথ মৈত্র]] || ১,২৮১ || ✓
|-
| 16 || [[দিগন্ত]] || ১,২২৮ || ✓
|-
| 17 || [[ময়ূর]] || ১,৩৪৫ || ✓
|-
| 18 || [[করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ৯১১ || ✓
|-
| 19 || [[ঢেউ]] || ১,৫৩৯ || ✓
|-
| 20 || [[ছাতা]] || ১,১৮৯ || ✓
|-
| 21 || [[উমাকান্ত হাজারী]] || ৯৪২ || ✓
|-
| 22 || [[ঘৃণা]] || ২,৩৩৯ || ✓
|-
| 23 || [[বাঁশ]] || ২,৪৫৯ || ✕
|-
| 24 || [[কলেরা]] || ১,৬৩৮ || ✓
|-
| 25 || [[মাঠ]] || ২,৪৪৭ || ✓
|-
| 26 || [[টিন]] || ১,৯৩২ || ✕
|-
| 27 || [[সংবাদ]] || ৪,৪৭৯ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৭
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৩০,৯১৫
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪২,২০৬
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১১,২৯১
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul| Anaf Ibn Shahibul]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[জন বারবার]] || ৫৭৪ || ✕
|-
| 2 || [[স্কটিশ জাতি]] || ৩৭৫ || ✓
|-
| 3 || [[ওয়েন্ডি বোম্যান]] || ১৫১ || ✕
|-
| 4 || [[যুদ্ধাপরাধ]] || ৪,৬৭৯ || ✕
|-
| 5 || [[রুবি]] || ৩৬৩ || ✓
|-
| 6 || [[রিতা এনজেলু]] || ১৫৯ || ✓
|-
| 7 || [[বমি]] || ২০৪ || ✓
|-
| 8 || [[পার্ল]] || ৬৯০ || ✕
|-
| 9 || [[পাইথন]] || ১৩৯ || ✓
|-
| 10 || [[উইকিলিকস]] || ১,৬৩১ || ✕
|-
| 11 || [[জনস্টন ম্যাককালি]] || ৩১১ || ✕
|-
| 12 || [[যুগোস্লাভিয়া]] || ৪,১৩৬ || ✓
|-
| 13 || [[অংশুমান কর]] || ২০৯ || ✓
|-
| 14 || [[কেমব্রিজ গান]] || ৩০৫ || ✕
|-
| 15 || [[হেলেনীয় শিক্ষা]] || ৫০২ || ✓
|-
| 16 || [[টমাস হলি চিভার্স]] || ২৩৫ || ✓
|-
| 17 || [[মুহাম্মদ মাহদি আল-জাওয়াহিরি]] || ৬৩৮ || ✓
|-
| 18 || [[জেডি স্মিথ]] || ১,০৮০ || ✓
|-
| 19 || [[ব্রায়ান পি. শ্মিট]] || ৪৬০ || ✓
|-
| 20 || [[কার্ল বার্নস্টিন]] || ৩৬৮ || ✓
|-
| 21 || [[চার্লস ফেফারম্যান]] || ৩৩৯ || ✓
|-
| 22 || [[ইয়ুস্টুস ফন লিবিগ]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 23 || [[টমাস শেলিংস]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 24 || [[উইলিয়াম শকলি]] || ৩৯১ || ✓
|-
| 25 || [[শিং-শেন চের্ন]] || ৭৬৫ || ✕
|-
| 26 || [[হুগো দ্য ভ্রিস]] || ৩৪৪ || ✓
|-
| 27 || [[রবার্ট অ্যান্ড্রুজ মিলিকান]] || ৪৩৬ || ✓
|-
| 28 || [[জেমস ভ্যান অ্যালেন]] || ৫৯৬ || ✓
|-
| 29 || [[জাক শিরাক]] || ৭১১ || ✓
|-
| 30 || [[ডরোথি হজকিন]] || ২৯৪ || ✓
|-
| 31 || [[গোরান পারসন]] || ৩২৬ || ✓
|-
| 32 || [[জেরার দ্যব্রু]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 33 || [[কোরীয় যুদ্ধ]] || ৯,৯৬৫ || ✕
|-
| 34 || [[রবার্ট জে. শিলার]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 35 || [[ফ্রঁসোয়া আরাগন]] || ৪৩৫ || ✓
|-
| 36 || [[অখিলচন্দ্র দত্ত]] || ৩৭৩ || ✕
|-
| 37 || [[ফ্রান্সিস কলিন্স]] || ৫৮৮ || ✓
|-
| 38 || [[হেলেন ক্লার্ক]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 39 || [[লেয়োঁ ফুকো]] || ৫৩২ || ✓
|-
| 40 || [[জন চার্লস পোলানি]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 41 || [[জন মেইনার্ড কেইনস]] || ১৭,৭৯১ || ✕
|-
| 42 || [[দিমিত্রি মুরাতভ]] || ৬৩৬ || ✓
|-
| 43 || [[আবদুস সালাম]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 44 || [[আবদুলরাজাক গুরনাহ]] || ৭৪৯ || ✓
|-
| 45 || [[এ. সি. বেনসন]] || ৩৮৩ || ✓
|-
| 46 || [[প্রথম আলবার্ট]] || ৮৬৪ || ✓
|-
| 47 || [[অম্লান দত্ত]] || ১৪৬ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৪৭
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১৯,৩৪৬
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৫৬,৫৮১
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৩৭,২৩৫
|}
=== [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন| মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ইয়ান মার্টেল]] || ১,১৩৩ || ✕
|-
| 2 || [[ইয়োইচিরো নাম্বু]] || ৪৩১ || ✕
|-
| 3 || [[সৈয়দ জামিল আহমেদ]] || ২০৩ || ✓
|-
| 4 || [[পূর্ণিমা]] || ১৯২ || ✓
|-
| 5 || [[শরিফুল রাজ]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 6 || [[কাজী হায়াৎ]] || ২৭৪ || ✓
|-
| 7 || [[আরেফিন রুমি]] || ১৬২ || ✓
|-
| 8 || [[ইমাম নাসাই]] || ৬৯৭ || ✕
|-
| 9 || [[কবরী]] || ২৭১ || ✓
|-
| 10 || [[হাফিজ উদ্দিন আহমদ]] || ২৩৬ || ✓
|-
| 11 || [[আ ন ম এহসানুল হক মিলন]] || ৩৪০ || ✓
|-
| 12 || [[আন্দালিব রহমান পার্থ]] || ২৯৭ || ✓
|-
| 13 || [[ববি হাজ্জাজ]] || ২৫৩ || ✓
|-
| 14 || [[ইবনে মাজাহ]] || ৩৩৬ || ✓
|-
| 15 || [[হাবিব ওয়াহিদ]] || ২৬৪ || ✓
|-
| 16 || [[জাইমা রহমান]] || ২১২ || ✓
|-
| 17 || [[কনকচাঁপা]] || ২২৮ || ✓
|-
| 18 || [[আহসান হাবীব]] || ২১৯ || ✓
|-
| 19 || [[বেলাল খান]] || ২১৯ || ✓
|-
| 20 || [[নচিকেতা চক্রবর্তী]] || ২৮৯ || ✓
|-
| 21 || [[আ ফ ম খালিদ হোসেন]] || ২৪৮ || ✓
|-
| 22 || [[আলমগীর]] || ৪০৬ || ✓
|-
| 23 || [[সালাহউদ্দিন আহমেদ]] || ৪৫৯ || ✓
|-
| 24 || [[চোং নানশান]] || ১৭৮ || ✓
|-
| 25 || [[এ. সি. ব্র্যাডলি]] || ৩৯০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৫
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৫,৪৭২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৮,১২৩
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২,৬৫১
|}
=== [[ব্যবহারকারী:JIBON| JIBON]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আলবার্ট হফমান]] || ৩,৪৪৪ || ✓
|-
| 2 || [[অ্যালান পারলিস]] || ৯২৮ || ✓
|-
| 3 || [[হেইনরিখ রোরার]] || ৩৬০ || ✓
|-
| 4 || [[আলফ্রেড আহো]] || ১৪৪ || ✕
|-
| 5 || [[উ থান্ট]] || ৬৭৮ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৫
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৪,৭৩২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৫,৫৫৪
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৮২২
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Md. Muqtadir Fuad| Md. Muqtadir Fuad]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[লোরঁ শোয়ার্তজ]] || ৬১০ || ✓
|-
| 2 || [[উইলিয়াম শার্প]] || ৩৯৯ || ✓
|-
| 3 || [[পাউল এরেনফেস্ট]] || ৪৩৩ || ✓
|-
| 4 || [[রবার্ট মান্ডেল]] || ৩২২ || ✓
|-
| 5 || [[হান কাং]] || ৬৬৬ || ✓
|-
| 6 || [[ক্রিপটিক ফেইট]] || ১৭৬ || ✓
|-
| 7 || [[কাকাবাবু]] || ২৫৮ || ✓
|-
| 8 || [[ক্যারি মুলিস]] || ৪০৩ || ✓
|-
| 9 || [[টোমাস ট্রান্সট্রোমার]] || ২৯৯ || ✓
|-
| 10 || [[ইরিনা বোকোভা]] || ২৬৮ || ✓
|-
| 11 || [[মার্টিনুস ভেল্টম্যান]] || ১৯৫ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৪,০২৯
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪,০২৯
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Humaira.thithi| Humaira.thithi]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ড্যামন গ্যালগুট]] || ৪৮২ || ✓
|-
| 2 || [[আর্থার কর্নবার্গ]] || ১৭৭ || ✕
|-
| 3 || [[বেন ওক্রি]] || ৮৫৮ || ✓
|-
| 4 || [[সল বেলো]] || ১,০০৩ || ✓
|-
| 5 || [[সল পার্লমাটার]] || ৩১১ || ✕
|-
| 6 || [[সিমেওঁ দ্যনি পোয়াসোঁ]] || ১৬০ || ✓
|-
| 7 || [[স্টিভ আরউইন]] || ৪৩৫ || ✕
|-
| 8 || [[আনি এরনো]] || ২৮৪ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৮
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,৭৮৭
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩,৭১০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৯২৩
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Amirhusenjihed| Amirhusenjihed]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ফজল শাহাবুদ্দীন]] || ৪৯৫ || ✕
|-
| 2 || [[আল-জাহিজ]] || ৭৩৩ || ✓
|-
| 3 || [[আল-বিরুনি]] || ১,৮৩৬ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৩
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,৫৬৯
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩,০৬৪
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪৯৫
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Asikur Rahman| Asikur Rahman]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[থমাস হ্যারিয়ট]] || ৪৩২ || ✓
|-
| 2 || [[স্টিভেন চু]] || ২২০ || ✓
|-
| 3 || [[ইভাঞ্জেলিস্টা টরিসেলি]] || ৩৭২ || ✓
|-
| 4 || [[লেসলি ল্যামপোর্ট]] || ৫৫০ || ✓
|-
| 5 || [[মার্টিন লুইস পার্ল]] || ৩৮৮ || ✓
|-
| 6 || [[ভ্লাদিমির মার্কভনিকভ]] || ২৬৭ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৬
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,২২৯
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,২২৯
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Rasel Mehedi| Rasel Mehedi]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[বাপ্পী লাহিড়ী]] || ২৫২ || ✓
|-
| 2 || [[নুহাশ হুমায়ূন]] || ২০৫ || ✓
|-
| 3 || [[আনিসুল হক]] || ২৪৬ || ✕
|-
| 4 || [[বাবর আলী]] || ৩০৯ || ✓
|-
| 5 || [[মেহের আফরোজ শাওন]] || ৩১৯ || ✓
|-
| 6 || [[ফেলুদা]] || ২৪৬ || ✓
|-
| 7 || [[ব্যোমকেশ বক্সী]] || ১৭৮ || ✓
|-
| 8 || [[প্রোফেসর শঙ্কু]] || ২৬৯ || ✓
|-
| 9 || [[বারী সিদ্দিকী]] || ২৪২ || ✓
|-
| 10 || [[সমরেশ বসু]] || ২০২ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১০
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,২২২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,৪৬৮
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২৪৬
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Mahiya50| Mahiya50]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[লিয়ন কুপার]] || ৩২৩ || ✓
|-
| 2 || [[কামিলা শামসি]] || ২০৪ || ✓
|-
| 3 || [[ক্রিস্টোফার রেন]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 4 || [[জিওফ্রে হিন্টন]] || ৩২২ || ✓
|-
| 5 || [[ফ্রিডতিয়ফ নানসেন]] || ১৯১ || ✓
|-
| 6 || [[আলাঁ আস্পে]] || ৭৭৬ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৬
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,১৯০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,১৯০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Borhan| Borhan]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ক্যারিল ফিলিপস]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 2 || [[জেমস কুক]] || ৩৯৭ || ✓
|-
| 3 || [[ক্লাউদিয়া শেইনবাউম]] || ৩২১ || ✓
|-
| 4 || [[আবি আহমেদ]] || ২৫৫ || ✓
|-
| 5 || [[পিটার আগ্রি]] || ১৯০ || ✓
|-
| 6 || [[ফখরুদ্দীন আল-রাযী]] || ২১৫ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৬
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১,৬৬২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,৬৬২
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Raihanur| Raihanur]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[শি চিনফিং]] || ৪,১৩২ || ✕
|-
| 2 || [[ইব্রাহিম ত্রাওরে]] || ৭৫৪ || ✓
|-
| 3 || [[পেদ্রো সানচেজ]] || ২৯৯ || ✓
|-
| 4 || [[অ্যাডাম রিস]] || ৪৮৯ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৪
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১,৫৪২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৫,৬৭৪
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪,১৩২
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Muhammad Fahim Faisal| Muhammad Fahim Faisal]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আব্দুল হান্নান আবকারী]] || ০ || ✕
|-
| 2 || [[ইবরাহীম আলী তশনা]] || ২৪৭ || ✓
|-
| 3 || [[রুহুল আমিন বসিরহাটি]] || ৩৬৩ || ✓
|-
| 4 || [[মুহাম্মদুল্লাহ হাফেজ্জী]] || ৩৪২ || ✓
|-
| 5 || [[শামছুল হুদা]] || ০ || ✕
|-
| 6 || [[শামছুল হক ফরিদপুরী]] || ৫৪৬ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৬
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১,৪৯৮
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,৪৯৮
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Firuz Ahmmed| Firuz Ahmmed]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[গর্ডন মুর]] || ৫৮৭ || ✓
|-
| 2 || [[শিরিন এবাদি]] || ৫৪৩ || ✕
|-
| 3 || [[নাগিব মাহফুজ]] || ৫৩০ || ✓
|-
| 4 || [[আল-ফারাবি]] || ৫৩৭ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৪
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১,১১৭
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,১৯৭
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১,০৮০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:নিয়াজ ইসলাম| নিয়াজ ইসলাম]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[চাষী নজরুল ইসলাম]] || ৪৪৬ || ✓
|-
| 2 || [[বাপ্পা মজুমদার]] || ৩১০ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৭৫৬
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৭৫৬
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Asad.fr| Asad.fr]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[রবার্ট ক্লাইভ]] || ২,০০২ || ✕
|-
| 2 || [[পার্ল এস. বাক]] || ৯৩৩ || ✕
|-
| 3 || [[জন বারডিন]] || ৩৬৪ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৩
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৩৬৪
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩,২৯৯
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২,৯৩৫
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin| Mehedi Abedin]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[তাসমিয়া প্রধান]] || ৩৫২ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৩৫২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩৫২
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Md. Rayan Alam Rifat| Md. Rayan Alam Rifat]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আজিজুল হক]] || ১৮০ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১৮০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১৮০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Siyan BD| Siyan BD]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আবদুস সালাম]] || ১০০ || ✕
|-
| 2 || [[আবদুল গফুর]] || ১০১ || ✕
|-
| 3 || [[আবদুল জব্বার]] || ১৬১ || ✓
|-
| 4 || [[আবদুল জব্বার]] || ৯২ || ✕
|-
| 5 || [[আবদুল জব্বার]] || ১৩৩ || ✕
|-
| 6 || [[অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ১৩৪ || ✕
|-
| 7 || [[অনিমেষ রায়]] || ১২৬ || ✕
|-
| 8 || [[অনির্বাণ বসু]] || ১২০ || ✕
|-
| 9 || [[অজয় ঘটক]] || ১১৪ || ✕
|-
| 10 || [[অচলা মল্লিক]] || ১৫৪ || ✕
|-
| 11 || [[অজয় হোম]] || ১৫৯ || ✕
|-
| 12 || [[অমিতা বসু]] || ১৪২ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১২
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১৬১
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,৫৩৬
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১,৩৭৫
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Dewan mahbubr Rahman| Dewan mahbubr Rahman]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ভেরা রুবিন]] || ৩৫০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩৫০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৩৫০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:ExceptionistSagar| ExceptionistSagar]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মেরি কুরি]] || ১৭৯ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১৭৯
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১৭৯
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Kh. Fahim| Kh. Fahim]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মিসির আলি]] || ৪০৬ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪০৬
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪০৬
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Trisha Mazumder| Trisha Mazumder]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আস্ট্রোনমি]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:MdMarufHossen71| MdMarufHossen71]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মমতাজ বেগম]] || ৩৫৫ || ✕
|-
| 2 || [[আবুল বরকত]] || ১৪৩ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪৯৮
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪৯৮
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Usarker| Usarker]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মেরি স্টোপস]] || ৫০৫ || ✕
|-
| 2 || [[ইয়োন ফসে]] || ৩৯৩ || ✕
|-
| 3 || [[জুনো দিয়াজ]] || ৫৪০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৩
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,৪৩৮
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১,৪৩৮
|}
=== [[ব্যবহারকারী:রাকিবুল হাসান রাসেল| রাকিবুল হাসান রাসেল]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[পারভীন এতেসামি]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:MD RADWAN ISLAM| MD RADWAN ISLAM]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[চুয়াং জি]] || ২৭৪ || ✕
|-
| 2 || [[ফকির শাহাবুদ্দীন]] || ০ || ✕
|-
| 3 || [[আবু বকর সিদ্দিকী]] || ০ || ✕
|-
| 4 || [[বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট]] || ০ || ✕
|-
| 5 || [[বাংলাদেশের কৃষি প্রযুক্তি]] || ০ || ✕
|-
| 6 || [[হাসিবুন নাহের]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৬
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২৭৪
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২৭৪
|}
=== [[ব্যবহারকারী:AKM Mahinur Rahman| AKM Mahinur Rahman]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মেরি উলস্টোনক্রাফ্ট]] || ২১৩ || ✕
|-
| 2 || [[বালতাসার গ্রাসিয়ান]] || ২০৬ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪১৯
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪১৯
|}
=== [[ব্যবহারকারী:MD RADWAN ISLAM ROHAN| MD RADWAN ISLAM ROHAN]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[জুলাই আন্দোলন]] || ৬১৫ || ✕
|-
| 2 || [[বিকাশ]] || ০ || ✕
|-
| 3 || [[নতুন প্রযুক্তি]] || ০ || ✕
|-
| 4 || [[বাংলাদেশের রিয়েল এস্টেট শিল্প: বর্তমান প্রেক্ষাপট ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা]] || ০ || ✕
|-
| 5 || [[জলবায়ু পরিবর্তন ও বাংলাদেশের পরিবেশ]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৫
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৬১৫
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৬১৫
|}
=== [[ব্যবহারকারী:ShahinurWrites| ShahinurWrites]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মোহাম্মদ শেখ শাহিনুর রহমান]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Abdullah Al Shishir| Abdullah Al Shishir]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[অপ্রত্যাশিত জীবনযাত্রা]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:চ্যাম্পিয়ন স্টার ১| চ্যাম্পিয়ন স্টার ১]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[অপর্ণা সেন]] || ৩১২ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩১২
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৩১২
|}
==শব্দসংখ্যা অনুযায়ী নিবন্ধ তালিকা==
{| class="wikitable sortable mw-collapsible mw-collapsed"
|+ class="nowrap" | শব্দসংখ্যা অনুযায়ী নিবন্ধ তালিকা
! ক্রমিক !! নিবন্ধ !! শব্দ সংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্পর্কে উক্তি]] || ৩৯,৩০৩ || ✓
|-
| 2 || [[স্ট্যানলি বল্ডউইন]] || ৩৪,১৩১ || ✓
|-
| 3 || [[খ্রিস্টের অনৈতিহাসিকতা তত্ত্ব]] || ২৮,৭০৭ || ✓
|-
| 4 || [[বেঞ্জামিন ডিসরাইলি]] || ২৯,৪৭৯ || ✓
|-
| 5 || [[রবার্ট জি. ইঙ্গারসোল]] || ৩০,০৯০ || ✓
|-
| 6 || [[রন পল]] || ২৪,৯২৮ || ✓
|-
| 7 || [[ক্যালকুলাসের ইতিহাস]] || ১৯,১৯৫ || ✓
|-
| 8 || [[অ্যানোরেক্সিয়া নার্ভোসা]] || ২৩,১০০ || ✓
|-
| 9 || [[ডোয়াইট ডি আইজেনহাওয়ার]] || ২১,০২৬ || ✓
|-
| 10 || [[স্টিফেন জে গুল্ড]] || ২২,১৫০ || ✓
|-
| 11 || [[এআর-১৫ স্টাইল রাইফেল]] || ১৮,৯০১ || ✓
|-
| 12 || [[শেরি এস. টেপার]] || ২৪,৯৯৯ || ✓
|-
| 13 || [[আউরেলিয়ুস আউগুস্তিনুস]] || ১৯,৩৪৬ || ✓
|-
| 14 || [[ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতিত্ব]] || ৪৬,৮৯৯ || ✓
|-
| 15 || [[নবায়নযোগ্য শক্তি]] || ১২,৬১০ || ✓
|-
| 16 || [[নাডিন গর্ডিমার]] || ১,৩৭২ || ✓
|-
| 17 || [[মারে গেল-মান]] || ১,৩২৮ || ✓
|-
| 18 || [[নার্গিস মোহাম্মাদি]] || ১,৭৫৫ || ✓
|-
| 19 || [[সাদি কার্নো]] || ৫,২৫৬ || ✓
|-
| 20 || [[জে. হাওয়ার্ড মুর]] || ২৪,১৯৫ || ✓
|-
| 21 || [[ভারতে পোশাক]] || ২,২৮৯ || ✓
|-
| 22 || [[ভারতের ভাষা]] || ৬৯৫ || ✓
|-
| 23 || [[মধ্যযুগীয় ভারত]] || ১,৭১৭ || ✓
|-
| 24 || [[ভারতে ইহুদিদের ইতিহাস]] || ২,০৪৬ || ✓
|-
| 25 || [[ভারতে সুফিবাদ]] || ৩,২০৭ || ✓
|-
| 26 || [[পর্তুগিজ ভারত]] || ১,৬৪৩ || ✓
|-
| 27 || [[ভারতের প্রাণী]] || ৩০৫ || ✓
|-
| 28 || [[স্বাধীনতা দিবস]] || ৩৭৫ || ✓
|-
| 29 || [[ভারতে দুর্ভিক্ষ]] || ৩,৭৮১ || ✓
|-
| 30 || [[ভারতে ধর্মহীনতা]] || ২,৩৮৯ || ✓
|-
| 31 || [[ওয়ারেন ফ্যারেল]] || ২১,০৭৮ || ✓
|-
| 32 || [[আর্নেস্ট বেকার]] || ১৩,৫৯৭ || ✓
|-
| 33 || [[অতিপ্রজতা]] || ২৯,৫০১ || ✓
|-
| 34 || [[মোপলা বিদ্রোহ]] || ১৪,৫১২ || ✓
|-
| 35 || [[সীতা রাম গোয়েল]] || ১,৫৯৬ || ✓
|-
| 36 || [[অরুণ শৌরি]] || ১৫,৪৫০ || ✓
|-
| 37 || [[ভারতের ইতিহাস লিখন]] || ১৭,৯১৮ || ✓
|-
| 38 || [[দ্রৌপদী]] || ৬,১৬৪ || ✓
|-
| 39 || [[দ্য হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়া, অ্যাজ টোল্ড বাই ইটস ওন হিস্টোরিয়ানস]] || ২,৬৮৫ || ✕
|-
| 40 || [[রামায়ণ]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 41 || [[ভারতে শিক্ষা]] || ১০,৫৮০ || ✓
|-
| 42 || [[ভারতে নারী]] || ৬,১৫০ || ✓
|-
| 43 || [[বন্যপ্রাণীর কষ্ট]] || ৩৩,৭৪১ || ✓
|-
| 44 || [[নিরামিষবাদ]] || ৩০,৬২৭ || ✓
|-
| 45 || [[ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম রাষ্ট্রপতিত্ব]] || ৩৭,৫৭২ || ✓
|-
| 46 || [[নির্বাচন]] || ৭,০২৫ || ✓
|-
| 47 || [[সরকার]] || ২২,৭৫৯ || ✓
|-
| 48 || [[মহুয়া মৈত্র]] || ৬৫০ || ✓
|-
| 49 || [[হেনরি হোম, লর্ড কেইমস]] || ১,২৯৬ || ✓
|-
| 50 || [[লেটি কটিন পোগ্রেবিন]] || ৩৭০ || ✓
|-
| 51 || [[মার্জ পিয়ার্সি]] || ৬,৭৯০ || ✓
|-
| 52 || [[এলেন ডুইবস]] || ৮০৪ || ✓
|-
| 53 || [[মেরেডিথ ট্যাক্স]] || ৪৯১ || ✓
|-
| 54 || [[মুলক রাজ আনন্দ]] || ২৩৫ || ✓
|-
| 55 || [[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ধর্ষণ]] || ১,৯২০ || ✓
|-
| 56 || [[সুসান ব্রাউনমিলার]] || ৯৯১ || ✓
|-
| 57 || [[রবিন মরগান]] || ১,২২১ || ✓
|-
| 58 || [[ভিভিয়ান গোর্নিক]] || ২,৬৯০ || ✓
|-
| 59 || [[ডরোথি রে হিলি]] || ২,৬৩৮ || ✕
|-
| 60 || [[ক্লডিয়া জোন্স]] || ১,২৯৯ || ✓
|-
| 61 || [[গের্ডা লার্নার]] || ৩,৪২৮ || ✓
|-
| 62 || [[এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন]] || ৯,৮০৪ || ✕
|-
| 63 || [[এলা রিভ ব্লুর]] || ১,৯১৭ || ✓
|-
| 64 || [[টমাস হিউজ]] || ৯৯৬ || ✓
|-
| 65 || [[মার্গারিট দুরাস]] || ৩৪৯ || ✓
|-
| 66 || [[বেন অ্যারোনোভিচ]] || ৮,৭৯৭ || ✓
|-
| 67 || [[গ্লেন কুক]] || ৯,৯৮৫ || ✓
|-
| 68 || [[আব্রাহাম কাহান]] || ২,১৩৩ || ✓
|-
| 69 || [[গ্রেস পেলি]] || ৮,১৬৪ || ✕
|-
| 70 || [[স্টিফেন ক্রেন]] || ১,৯৬৩ || ✕
|-
| 71 || [[জোসেফাইন হার্বস্ট]] || ৪২৭ || ✓
|-
| 72 || [[জর্জ গিসিং]] || ২,০০৫ || ✓
|-
| 73 || [[আনজিয়া ইয়েজিয়ারস্কা]] || ৩,২৬২ || ✕
|-
| 74 || [[মেরি অ্যান্টিন]] || ৪৯০ || ✓
|-
| 75 || [[জয়েস অ্যান্টলার]] || ৪২৯ || ✓
|-
| 76 || [[ক্যাথরিন ম্যাককিনন]] || ২,১৭৮ || ✓
|-
| 77 || [[বেটিনা আপথেকার]] || ১,০২০ || ✓
|-
| 78 || [[ক্যারি চ্যাপম্যান ক্যাট]] || ১,৬০৩ || ✓
|-
| 79 || [[জ্যানেট র্যাঙ্কিন]] || ৭২১ || ✓
|-
| 80 || [[ফ্রান্সেস উইলার্ড]] || ৯৪১ || ✕
|-
| 81 || [[অ্যালিস স্টোন ব্ল্যাকওয়েল]] || ৫৪০ || ✕
|-
| 82 || [[অ্যানা এলিজাবেথ ডিকিনসন]] || ৭৫১ || ✕
|-
| 83 || [[মেরি লিভারমোর]] || ২,৩০৭ || ✕
|-
| 84 || [[দাড়ি]] || ২৯৭ || ✓
|-
| 85 || [[স্যার হেনরি হোবার্ট, ১ম ব্যারোনেট]] || ৭৩৮ || ✓
|-
| 86 || [[হার্ডিঞ্জ স্ট্যানলি গিফার্ড, হালসবুরির ১ম আর্ল]] || ৪১৯ || ✓
|-
| 87 || [[এ. ভি. ডাইসি]] || ১,৩৮১ || ✕
|-
| 88 || [[আলফ্রেড ডেনিং, ব্যারন ডেনিং]] || ৩,৮৩২ || ✓
|-
| 89 || [[টমাস ডেনিসন]] || ৪০০ || ✓
|-
| 90 || [[স্যার ফ্রান্সিস বুলার, ১ম ব্যারোনেট]] || ৯৬২ || ✓
|-
| 91 || [[নিকোলাস ব্রাতজা]] || ২৬৪ || ✓
|-
| 92 || [[রবার্ট অ্যাটকিনস]] || ৩৩৩ || ✕
|-
| 93 || [[রিচার্ড পেপার আর্ডেন, ১ম ব্যারন অ্যালভানলি]] || ৩৫১ || ✓
|-
| 94 || [[এডওয়ার্ড হল অল্ডারসন]] || ৪৪৬ || ✓
|-
| 95 || [[অ্যামব্রোজ বিয়ার্স]] || ৫,৫৪১ || ✕
|-
| 96 || [[মেওয়াত]] || ৭১৮ || ✓
|-
| 97 || [[নানাবতী-মেহতা কমিশন]] || ২,৪৪৪ || ✓
|-
| 98 || [[ভারতে ঔষধ শিল্প]] || ১,৯২১ || ✓
|-
| 99 || [[পাঞ্জাব]] || ১,৪০৬ || ✓
|-
| 100 || [[রামনবমী]] || ৮৬২ || ✓
|-
| 101 || [[ভারতের শহরসমূহের নাম পরিবর্তন]] || ৪৪১ || ✓
|-
| 102 || [[নুপুর শর্মা]] || ৬০১ || ✓
|-
| 103 || [[রিপাবলিক টিভি]] || ৪৫৫ || ✓
|-
| 104 || [[রোহিলখণ্ড]] || ৪৪০ || ✓
|-
| 105 || [[রোহিলা]] || ৩৪০ || ✓
|-
| 106 || [[সৌরাষ্ট্র]] || ৬৫৪ || ✓
|-
| 107 || [[ভারতে তিন তালাক]] || ১,১৩৪ || ✓
|-
| 108 || [[ভারতের পবিত্র উপবন]] || ৫৭৫ || ✓
|-
| 109 || [[অভিন্ন দেওয়ানি বিধি]] || ৩,৭৩৭ || ✓
|-
| 110 || [[নবনীত আদিত্য ওয়াইবা]] || ১৯২ || ✓
|-
| 111 || [[ভারতে জল সরবরাহ ও স্যানিটেশন]] || ৭৪০ || ✓
|-
| 112 || [[জমিদার]] || ৩৮১ || ✕
|-
| 113 || [[নিখিল ভারত মুসলিম লীগ]] || ১,৭৩৭ || ✕
|-
| 114 || [[ফতোয়া]] || ৪৮৪ || ✓
|-
| 115 || [[দারা শিকোহ]] || ১,৪৩৫ || ✓
|-
| 116 || [[আমেরিকা নিপাত যাক]] || ৬৩৯ || ✓
|-
| 117 || [[মহা শয়তান]] || ৪১৪ || ✓
|-
| 118 || [[উলামা]] || ৩৪৫ || ✓
|-
| 119 || [[দক্ষিণ এশিয়ায় মুসলিম জাতীয়তাবাদ]] || ১,৫১৬ || ✓
|-
| 120 || [[পার্সি-মুসলিম দাঙ্গা]] || ৬৫৬ || ✓
|-
| 121 || [[ভারতে দাঙ্গা]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 122 || [[ভারতে পেগাসাস প্রকল্পের উদঘাটন]] || ৩৯০ || ✓
|-
| 123 || [[নেহরুবাদ]] || ৯৫২ || ✓
|-
| 124 || [[২জি স্পেকট্রাম মামলা]] || ৯৩৭ || ✓
|-
| 125 || [[রাহুল গান্ধী]] || ৪,০০৪ || ✓
|-
| 126 || [[আকবরউদ্দিন ওয়াইসি]] || ২৯৮ || ✓
|-
| 127 || [[ভারতের সাধারণ নির্বাচন, ২০২৪]] || ২,৫৭৭ || ✓
|-
| 128 || [[ভারতে ধর্মনিরপেক্ষতা]] || ২৩৪ || ✓
|-
| 129 || [[নাইলা আলি খান]] || ২০৪ || ✓
|-
| 130 || [[অরুণ জেটলি]] || ৪৮১ || ✓
|-
| 131 || [[সুকেতু মেহতা]] || ৩৮২ || ✓
|-
| 132 || [[রুক্মিণী মৈত্র]] || ৩৫৪ || ✓
|-
| 133 || [[মানব গুপ্ত]] || ৬৩৪ || ✕
|-
| 134 || [[মোহিনী মোহন ধর]] || ৫৮৫ || ✓
|-
| 135 || [[দিলীপ কুমার চক্রবর্তী]] || ২,৫৯৭ || ✓
|-
| 136 || [[রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ৩৮৩ || ✓
|-
| 137 || [[পিটার অ্যাক্রয়েড]] || ২৯৭ || ✓
|-
| 138 || [[হ্যারল্ড ব্লুম]] || ৫৯৩ || ✓
|-
| 139 || [[জেমস বসওয়েল]] || ১,১৪৯ || ✓
|-
| 140 || [[অলিভার গোল্ডস্মিথ]] || ৩,১৭৮ || ✓
|-
| 141 || [[হেনরি জাইলস]] || ৭৯২ || ✓
|-
| 142 || [[এডউইন হাবেল চ্যাপিন]] || ৭৭০ || ✓
|-
| 143 || [[অবমাননা]] || ৭৮৮ || ✓
|-
| 144 || [[আদালত অবমাননা]] || ৮২৯ || ✓
|-
| 145 || [[আইনপ্রণেতা]] || ৭৪৩ || ✓
|-
| 146 || [[লেই বারডুগো]] || ১২২ || ✓
|-
| 147 || [[উইলিয়াম ব্রেট, ১ম ভিসকাউন্ট এশার]] || ১,০২০ || ✓
|-
| 148 || [[হেনরি হকিন্স, ১ম ব্যারন ব্র্যাম্পটন]] || ৩০৩ || ✓
|-
| 149 || [[জুনিয়াস]] || ১,৪১২ || ✓
|-
| 150 || [[উইলিয়াম মারে, ম্যানসফিল্ডের ১ম আর্ল]] || ৬৪৩ || ✓
|-
| 151 || [[জোসেফ ইয়েটস]] || ৬৬৬ || ✓
|-
| 152 || [[স্যার জন বেইলি, ১ম ব্যারোনেট]] || ৯১৮ || ✓
|-
| 153 || [[হেনরি বিকারস্টথ, ১ম ব্যারন ল্যাংডেল]] || ৪১৫ || ✓
|-
| 154 || [[এডওয়ার্ড ল, ১ম ব্যারন এলেনবরো]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 155 || [[লয়েড কেনিয়ন, ১ম ব্যারন কেনিয়ন]] || ৪,৪০৮ || ✓
|-
| 156 || [[জন হোল্ট]] || ১,১৮৯ || ✓
|-
| 157 || [[চার্লস বোয়েন, ব্যারন বোয়েন]] || ১,০৩৭ || ✓
|-
| 158 || [[চার্লস অ্যাবট, ১ম ব্যারন টেন্টারডেন]] || ৩৪১ || ✓
|-
| 159 || [[ন্যায়বিচার প্রশাসন]] || ২,৮৯৯ || ✓
|-
| 160 || [[আদালত]] || ১,৮১৮ || ✕
|-
| 161 || [[রোজান এ. ব্রাউন]] || ৩৪১ || ✓
|-
| 162 || [[মারিয়ন জিমার ব্র্যাডলি]] || ১,১০৪ || ✓
|-
| 163 || [[টেরি ব্রুকস]] || ৪৮৫ || ✓
|-
| 164 || [[লেই ব্র্যাকেট]] || ১,১১২ || ✓
|-
| 165 || [[জ্যাক ক্যাডি]] || ১,৫৬৮ || ✓
|-
| 166 || [[মেল ব্রুকস]] || ২,০১৬ || ✕
|-
| 167 || [[মাইকেল বিশপ]] || ৯৯০ || ✓
|-
| 168 || [[এলিজাবেথ বেয়ার]] || ৭০৫ || ✓
|-
| 169 || [[মার্গারেট বল]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 170 || [[পাওলো বাসিগালুপি]] || ৬৪৭ || ✓
|-
| 171 || [[কেলি আর্মস্ট্রং]] || ৫৮৫ || ✓
|-
| 172 || [[ক্যাথরিন আসরো]] || ৩৬১ || ✓
|-
| 173 || [[পিয়ার্স অ্যান্থনি]] || ২২৯ || ✓
|-
| 174 || [[রবার্ট আইকম্যান]] || ২৬৮ || ✓
|-
| 175 || [[আইনজীবী]] || ২,৩২৯ || ✓
|-
| 176 || [[আইনসভা]] || ২,৩৪৩ || ✓
|-
| 177 || [[জর্জ বুশনার]] || ৬৬২ || ✓
|-
| 178 || [[জোসেফ গার্নি ক্যানন]] || ৭০৯ || ✓
|-
| 179 || [[সংখ্যাগরিষ্ঠ]] || ১,৩৫৬ || ✓
|-
| 180 || [[সংখ্যালঘু গোষ্ঠী]] || ১,৮৮১ || ✓
|-
| 181 || [[প্রাতিষ্ঠানিক আচরণ]] || ৬৫৬ || ✓
|-
| 182 || [[মানব আচরণ]] || ৮৫২ || ✓
|-
| 183 || [[হার্ভে ম্যানসফিল্ড]] || ৯৭৯ || ✓
|-
| 184 || [[রাষ্ট্রবিজ্ঞান]] || ১,১৩৯ || ✓
|-
| 185 || [[রাজনৈতিক দর্শন]] || ১,২৮৫ || ✓
|-
| 186 || [[দ্বিজেন্দ্র নারায়ণ ঝা]] || ১,০৮৭ || ✓
|-
| 187 || [[আগ্রাসন]] || ৯২০ || ✓
|-
| 188 || [[হিন্দুত্ব]] || ২,৭০০ || ✓
|-
| 189 || [[ফ্লাভিয়া অ্যাগনেস]] || ৬৮২ || ✓
|-
| 190 || [[লাভ জিহাদ ষড়যন্ত্র তত্ত্ব]] || ৩,১৫০ || ✓
|-
| 191 || [[মহাত্মা গান্ধীর হত্যাকাণ্ড]] || ১,৭৭৮ || ✓
|-
| 192 || [[যোগিন্দর সিকান্দ]] || ৮১৪ || ✓
|-
| 193 || [[ভারতে মুসলিমদের বিরুদ্ধে সহিংসতা]] || ৮৫১ || ✓
|-
| 194 || [[জয় শ্রীরাম]] || ৭০৮ || ✓
|-
| 195 || [[লালকৃষ্ণ আডবাণী]] || ১,৫৫৫ || ✓
|-
| 196 || [[রাম রথযাত্রা]] || ১,৫৭৯ || ✓
|-
| 197 || [[হিন্দু আমেরিকান ফাউন্ডেশন]] || ১,৪৫৫ || ✓
|-
| 198 || [[হর্ষ মান্দার]] || ৬৬০ || ✓
|-
| 199 || [[স্বপন দাশগুপ্ত]] || ১,১৬৭ || ✓
|-
| 200 || [[জরাথুস্ট্রবাদ]] || ৩৭৭ || ✓
|-
| 201 || [[পার্সি]] || ৩৯০ || ✓
|-
| 202 || [[নাগরিকত্ব]] || ১,৮৭৯ || ✓
|-
| 203 || [[ভারতের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৭০]] || ৬৭৯ || ✓
|-
| 204 || [[মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯]] || ৭৬৯ || ✓
|-
| 205 || [[অবৈতনিক বাধ্যতামূলক শিশু শিক্ষার অধিকার আইন, ২০০৯]] || ৩৭৯ || ✓
|-
| 206 || [[বোম্বাই দাঙ্গা]] || ৭৭৬ || ✓
|-
| 207 || [[বজরং দল]] || ৩৩১ || ✓
|-
| 208 || [[সংসদীয় ব্যবস্থা]] || ৪০৫ || ✓
|-
| 209 || [[বিচার বিভাগীয় ব্যাখ্যা]] || ১,২৩২ || ✓
|-
| 210 || [[বর্ণবাদ পরবর্তী আমেরিকা]] || ১,০৬৯ || ✓
|-
| 211 || [[শ্বেতাঙ্গ বিশেষাধিকার]] || ৬২৮ || ✓
|-
| 212 || [[বিশেষাধিকার]] || ৭১২ || ✓
|-
| 213 || [[মানবহিতৈষণা]] || ২২৮ || ✓
|-
| 214 || [[ভারত সরকার]] || ১,২২০ || ✓
|-
| 215 || [[শিলং]] || ৯৭৩ || ✓
|-
| 216 || [[মাঝৌলি রাজ]] || ৫৬০ || ✓
|-
| 217 || [[কালিকট]] || ৪৫৪ || ✓
|-
| 218 || [[যাজপুর]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 219 || [[কালিবাঙ্গান]] || ৭৩৮ || ✓
|-
| 220 || [[কাডাপা]] || ৪১৩ || ✓
|-
| 221 || [[ইদার]] || ৫৮৬ || ✓
|-
| 222 || [[গোধরা]] || ১,০১০ || ✓
|-
| 223 || [[ভুবনেশ্বর]] || ১,১৬৫ || ✓
|-
| 224 || [[অমৃতসর]] || ৮৬৮ || ✓
|-
| 225 || [[আম্বালা]] || ৪৬১ || ✓
|-
| 226 || [[হায়দ্রাবাদ]] || ৩,২৪৮ || ✓
|-
| 227 || [[২০১৯ হায়দ্রাবাদ গণধর্ষণ]] || ১৭৭ || ✓
|-
| 228 || [[মুহাম্মাদ বখতিয়ার খলজি]] || ৪২৩ || ✕
|-
| 229 || [[হায়দ্রাবাদ অধিগ্রহণ]] || ৪৫৬ || ✓
|-
| 230 || [[১৮৯৯-১৯০০ সালের ভারতীয় দুর্ভিক্ষ]] || ৫৪১ || ✓
|-
| 231 || [[১৯৯০ হায়দ্রাবাদ দাঙ্গা]] || ৪০৬ || ✓
|-
| 232 || [[গুয়াহাটি]] || ১,৭৯৬ || ✓
|-
| 233 || [[গৌড়]] || ১,৯৩৬ || ✓
|-
| 234 || [[বিজাপুর]] || ৬৬২ || ✓
|-
| 235 || [[মাণ্ডু]] || ৩৯৪ || ✓
|-
| 236 || [[খাজুরাহো]] || ৩৭১ || ✓
|-
| 237 || [[চান্দেরী]] || ৫০৭ || ✓
|-
| 238 || [[জুনাগড়]] || ৭১৯ || ✓
|-
| 239 || [[বৃহৎ কচ্ছের রাণ]] || ৫৮৪ || ✓
|-
| 240 || [[আহমেদাবাদ]] || ১,৮১২ || ✓
|-
| 241 || [[কচ্ছ জেলা]] || ৩২৬ || ✓
|-
| 242 || [[দৃশদ্বতী নদী]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 243 || [[চেনাব নদী]] || ৩২১ || ✓
|-
| 244 || [[পশ্চিমবঙ্গে ধর্ম]] || ১,২৩২ || ✓
|-
| 245 || [[মুর্শিদাবাদ সহিংসতা]] || ২৫৭ || ✓
|-
| 246 || [[২০২৪ সন্দেশখালী সহিংসতা]] || ১,০৬১ || ✓
|-
| 247 || [[২০২২ বীরভূম সহিংসতা]] || ৫১৪ || ✓
|-
| 248 || [[মৈতৈ জাতি]] || ৬৪০ || ✓
|-
| 249 || [[মৈতৈ সভ্যতা]] || ৩৫০ || ✓
|-
| 250 || [[মণিপুর]] || ৩০৬ || ✓
|-
| 251 || [[লাক্ষাদ্বীপ]] || ৩২৯ || ✓
|-
| 252 || [[বৃন্দাবন]] || ৬৮২ || ✕
|-
| 253 || [[সম্ভল]] || ২৪৩ || ✓
|-
| 254 || [[এলাহাবাদ]] || ৩৫৭ || ✓
|-
| 255 || [[আলিগড়]] || ৪০৯ || ✓
|-
| 256 || [[স্ট্যাচু অব ইউনিটি]] || ২৪১ || ✓
|-
| 257 || [[ভারতের দুর্গ]] || ৩১৪ || ✓
|-
| 258 || [[দ্য দুন স্কুল]] || ৬৬৪ || ✓
|-
| 259 || [[কাশী হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়]] || ৩৪৫ || ✓
|-
| 260 || [[আগ্রা]] || ৭১৮ || ✓
|-
| 261 || [[২০২০ দিল্লি দাঙ্গা]] || ১,১৭৮ || ✓
|-
| 262 || [[তিরুচিরাপল্লী]] || ৬২৬ || ✓
|-
| 263 || [[সেন্ট থমাস ক্যাথেড্রাল ব্যাসিলিকা, চেন্নাই]] || ৩৮০ || ✕
|-
| 264 || [[আতঙ্ক]] || ৪৭৮ || ✕
|-
| 265 || [[ভারতে দুর্নীতি]] || ১,০০৭ || ✓
|-
| 266 || [[তামিলনাড়ুর মন্দির]] || ৯১৮ || ✓
|-
| 267 || [[এম. কে. স্ট্যালিন]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 268 || [[তামিলনাড়ু]] || ৫৪৩ || ✓
|-
| 269 || [[তামিলনাড়ুর হিন্দি বিরোধী আন্দোলন]] || ৪৬৫ || ✓
|-
| 270 || [[যোধপুর]] || ৬২৮ || ✓
|-
| 271 || [[রাজস্থান]] || ২৯৪ || ✓
|-
| 272 || [[ওড়িশা]] || ৭৪৫ || ✓
|-
| 273 || [[১৯৯৮ কোয়েম্বাটুর বোমা হামলা]] || ৫৩৭ || ✓
|-
| 274 || [[উত্তর-পূর্ব ভারতে বিদ্রোহ]] || ৩৯৮ || ✓
|-
| 275 || [[মারাদ হত্যাকাণ্ড]] || ৩৫২ || ✓
|-
| 276 || [[মক্কা মসজিদ বিস্ফোরণ]] || ৫৮৪ || ✓
|-
| 277 || [[স্টুডেন্টস ইসলামিক মুভমেন্ট অব ইন্ডিয়া]] || ৩৫৭ || ✓
|-
| 278 || [[বিষ্ণু]] || ৬১৭ || ✓
|-
| 279 || [[২০২৪ রিয়াসি হামলা]] || ৩০২ || ✓
|-
| 280 || [[২০০৬ মালেগাঁও বোমা হামলা]] || ৩৯১ || ✓
|-
| 281 || [[২০০৬ মুম্বই রেলে বোমা হামলা]] || ১৯০ || ✓
|-
| 282 || [[মুম্বই]] || ১,২২৪ || ✓
|-
| 283 || [[দৌলতাবাদ, মহারাষ্ট্র]] || ৮৮৯ || ✕
|-
| 284 || [[মহারাষ্ট্র]] || ৪৯৯ || ✓
|-
| 285 || [[পিনারাই বিজয়ন]] || ৫২৩ || ✓
|-
| 286 || [[আরব দেশ]] || ৯১৪ || ✓
|-
| 287 || [[দক্ষিণ এশিয়া]] || ৫৯৩ || ✓
|-
| 288 || [[শহুরে অবক্ষয়]] || ৩০৮ || ✓
|-
| 289 || [[নগরায়ন]] || ১,০৯৭ || ✓
|-
| 290 || [[কেরল]] || ৩৬৫ || ✓
|-
| 291 || [[জম্মু ও কাশ্মীরে বিদ্রোহ]] || ৪১৮ || ✓
|-
| 292 || [[জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহার]] || ৯৬৪ || ✓
|-
| 293 || [[শ্রীনগর]] || ১,৭২৯ || ✓
|-
| 294 || [[কাশ্মীর উপত্যকা]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 295 || [[লাদাখ]] || ৬৯৪ || ✓
|-
| 296 || [[কাশ্মীরি জাতি]] || ৮১৩ || ✓
|-
| 297 || [[তারিখ-ই-কাশ্মীর]] || ৫১৪ || ✓
|-
| 298 || [[কর্ণাটক]] || ৬৮২ || ✓
|-
| 299 || [[কর্ণাটকের রাজনীতি]] || ৪৩৯ || ✓
|-
| 300 || [[বেঙ্গালুরু]] || ৬১৪ || ✓
|-
| 301 || [[আসামে ইসলাম]] || ৬৯০ || ✓
|-
| 302 || [[আসামের ইতিহাস]] || ৭২৬ || ✓
|-
| 303 || [[আসামে হিন্দুধর্ম]] || ৩২৫ || ✓
|-
| 304 || [[ভারতের জনমিতি]] || ৩,৩৭৩ || ✓
|-
| 305 || [[বাংলাদেশের জনমিতি]] || ১,১৯৫ || ✓
|-
| 306 || [[পাকিস্তানের জনমিতি]] || ৮৫০ || ✓
|-
| 307 || [[আসামের জনমিতি]] || ১৮২ || ✓
|-
| 308 || [[বিহার]] || ৪৫৮ || ✓
|-
| 309 || [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] || ১৮১ || ✓
|-
| 310 || [[শাহ বানু মামলা]] || ৮০০ || ✓
|-
| 311 || [[ইসরায়েল–ভারত সম্পর্ক]] || ৮৯৭ || ✓
|-
| 312 || [[প্রণব মুখোপাধ্যায়]] || ৫৯৫ || ✓
|-
| 313 || [[দ্রৌপদী মুর্মু]] || ২৪৯ || ✓
|-
| 314 || [[ফখরুদ্দিন আলি আহমেদ]] || ১,৬৪৭ || ✓
|-
| 315 || [[এলজিবিটিকিউ অধিকার বিরোধিতা]] || ২,০৪৯ || ✓
|-
| 316 || [[গেফোবিয়া]] || ২৭৮ || ✓
|-
| 317 || [[সমকামী যৌন চর্চা]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 318 || [[উভকামিতা]] || ১,৫৬০ || ✓
|-
| 319 || [[কামিং আউট]] || ৮০৫ || ✓
|-
| 320 || [[স্মৃতি ইরানি]] || ৯৯১ || ✓
|-
| 321 || [[মেনকা গান্ধী]] || ১,২৩০ || ✓
|-
| 322 || [[যশবন্ত সিং]] || ২০৬ || ✓
|-
| 323 || [[সৈয়দ শাহাবুদ্দিন]] || ৫৭৯ || ✓
|-
| 324 || [[শাকিল আহমদ]] || ১২৪ || ✓
|-
| 325 || [[তথাগত রায়]] || ২৭৫ || ✓
|-
| 326 || [[লালুপ্রসাদ যাদব]] || ১,১০৯ || ✓
|-
| 327 || [[আসাদউদ্দিন ওয়াইসি]] || ৫০২ || ✓
|-
| 328 || [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনী]] || ১৯,১০০ || ✕
|-
| 329 || [[ভাকলাভ হাভেল]] || ৯,৩৫৭ || ✓
|-
| 330 || [[নরউইচের জুলিয়ান]] || ৩১,৬৩৩ || ✓
|-
| 331 || [[রামসে ম্যাকডোনাল্ড]] || ৯,৬২২ || ✓
|-
| 332 || [[জন মুয়ির]] || ৮,০৬১ || ✓
|-
| 333 || [[মার্গারেট অ্যাটউড]] || ৬,৩২৮ || ✓
|-
| 334 || [[পেত্র ক্রাপোতকিন]] || ১০,৮১৬ || ✓
|-
| 335 || [[টমাস হেনরি হাক্সলি]] || ৮,৫০৩ || ✓
|-
| 336 || [[উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস]] || ৭,২১০ || ✓
|-
| 337 || [[উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস]] || ৪,২৬০ || ✓
|-
| 338 || [[তাওয়াক্কোল কারমান]] || ৪,০৯৭ || ✓
|-
| 339 || [[র্যাচেল কারসন]] || ৪,৭৬৭ || ✓
|-
| 340 || [[আর্নেস্ট হেমিংওয়ে]] || ১৪,৯০৭ || ✓
|-
| 341 || [[আর্থার এডিংটন]] || ৫,৬৩৭ || ✓
|-
| 342 || [[এরিক হবসবাউম]] || ৫,৮৭৩ || ✓
|-
| 343 || [[টনি মরিসন]] || ১০,৩৮৩ || ✓
|-
| 344 || [[টনি বেন]] || ১০,৩৯৯ || ✓
|-
| 345 || [[নরম্যান মেইলার]] || ৬,৬০৬ || ✓
|-
| 346 || [[পল স্যামুয়েলসন]] || ৬,৮৫১ || ✓
|-
| 347 || [[এইচ. পি. লাভক্র্যাফট]] || ২৫,৪৭২ || ✓
|-
| 348 || [[ব্লেজ পাসকাল]] || ৩,০৫১ || ✓
|-
| 349 || [[চিনুয়া আচেবে]] || ৬,০৪২ || ✓
|-
| 350 || [[ডরিস লেসিং]] || ৪,৬২১ || ✓
|-
| 351 || [[ফেদেরিকো ফাগিন]] || ৬০০ || ✓
|-
| 352 || [[আলেকজান্ডার গ্রোথেনডিক]] || ১,২১১ || ✓
|-
| 353 || [[আঙ্গেলা ম্যার্কেল]] || ২,০২৯ || ✓
|-
| 354 || [[আনাক্সাগোরাস]] || ৩,৬৭১ || ✓
|-
| 355 || [[আমোস তভারস্কি]] || ৪৬১ || ✓
|-
| 356 || [[আলফ্রেড মার্শাল]] || ১,৩০৯ || ✓
|-
| 357 || [[আলবার্টাস ম্যাগনাস]] || ৩৮২ || ✓
|-
| 358 || [[অনিতা ব্রুকনার]] || ৪৭৪ || ✕
|-
| 359 || [[আলফ্রেড কিনসে]] || ১,০৩৩ || ✓
|-
| 360 || [[অ্যালান কে]] || ৯২৪ || ✓
|-
| 361 || [[আলেকজান্ডার ফ্লেমিং]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 362 || [[ক্যারোলিন বার্তোজি]] || ৪১১ || ✓
|-
| 363 || [[আলফ্রেড রাসেল ওয়ালেস]] || ১,৬৫৯ || ✓
|-
| 364 || [[অঁতোয়ান লাভোয়াজিয়ে]] || ১,৪৩৬ || ✕
|-
| 365 || [[লিটিশা এলিজাবেথ ল্যান্ডন]] || ২৫,৯৭৯ || ✕
|-
| 366 || [[প্রজননবিরোধবাদ]] || ৩০,৯৪৮ || ✓
|-
| 367 || [[উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন]] || ২৮,৬১৯ || ✕
|-
| 368 || [[ক্রিস্টোফার হিচেন্স]] || ২৫,৯২২ || ✓
|-
| 369 || [[বলপূর্বক খাওয়ানো]] || ২২,৬২২ || ✓
|-
| 370 || [[জন স্টুয়ার্ট মিল]] || ২২,৭৮৩ || ✓
|-
| 371 || [[রবার্ট গ্যাসকয়েন-সিসিল, স্যালিসবারির ৩য় মার্কুইস]] || ২০,৮৯৮ || ✓
|-
| 372 || [[অ্যারন রা]] || ২১,৯৫৫ || ✓
|-
| 373 || [[ফায়ারপ্লেস]] || ২১,৪১৭ || ✓
|-
| 374 || [[জন হার্ভে কেলোগ]] || ৩০,৭৪৮ || ✓
|-
| 375 || [[ভ্রান্ত উদ্ধৃতি]] || ৯,৮৭১ || ✓
|-
| 376 || [[২০১১ ফিফা মহিলা বিশ্বকাপ]] || ৯৬৩ || ✓
|-
| 377 || [[তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] || ৩,১৭৯ || ✓
|-
| 378 || [[আফগান যুদ্ধ]] || ৪,৬২০ || ✓
|-
| 379 || [[ইউক্রেনে রুশ আক্রমণ]] || ১২,৩৮২ || ✓
|-
| 380 || [[ইরাক যুদ্ধ]] || ১২,৩৪৪ || ✓
|-
| 381 || [[যুক্তরাজ্যের তৃতীয় জর্জ]] || ১২,০৪২ || ✓
|-
| 382 || [[২০১০ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৮৮৩ || ✓
|-
| 383 || [[২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৩,৫১৪ || ✓
|-
| 384 || [[২০০২ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৬১১ || ✓
|-
| 385 || [[ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ]] || ১,৫৪২ || ✓
|-
| 386 || [[স্নায়ুযুদ্ধ]] || ১৫,৬১০ || ✓
|-
| 387 || [[দ্বিতীয় স্নায়ুযুদ্ধ]] || ৪,৬৬৮ || ✓
|-
| 388 || [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] || ২৪,১৭৭ || ✓
|-
| 389 || [[মহত্ত্ব]] || ৭,৮১৪ || ✓
|-
| 390 || [[সাংবাদিকতা]] || ১৩,৪৭৭ || ✓
|-
| 391 || [[প্যানডিজম]] || ১০,৩০০ || ✓
|-
| 392 || [[গাজা যুদ্ধ]] || ১৬,৯৮২ || ✓
|-
| 393 || [[২০২৬ ইরান যুদ্ধ]] || ৬,৯৫৯ || ✓
|-
| 394 || [[পারমাণবিক অস্ত্র]] || ৩,২৩৩ || ✓
|-
| 395 || [[২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৬৪৩ || ✓
|-
| 396 || [[ক্রুসেড]] || ৯৯৬ || ✓
|-
| 397 || [[অ্যানিমেশন]] || ৯,৪৫৭ || ✓
|-
| 398 || [[দক্ষিণ কোরিয়ার রাজনীতি]] || ৭৫৫ || ✓
|-
| 399 || [[ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ]] || ৩,৭৬২ || ✓
|-
| 400 || [[পারমাণবিক যুদ্ধ]] || ৫,৫২০ || ✓
|-
| 401 || [[আল খোয়ারিজমি]] || ১,২৩০ || ✓
|-
| 402 || [[ফজলে রাব্বী]] || ৬৩৫ || ✓
|-
| 403 || [[ডেভিড হিউম]] || ১১,৭৮০ || ✓
|-
| 404 || [[লিওনিদ ক্যান্টোরোভিচ]] || ১,৪২২ || ✓
|-
| 405 || [[থিওডোসিয়াস ডবঝানস্কি]] || ৭৬০ || ✕
|-
| 406 || [[টেরেন্স টাও]] || ৭২০ || ✓
|-
| 407 || [[ফিলিপ]] || ৪২৬ || ✓
|-
| 408 || [[জুলিয়ান শুইঙার]] || ১,৩২২ || ✕
|-
| 409 || [[পিয়ের-জিল দ্য জেন]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 410 || [[ব্রায়ান কক্স]] || ৭৫৬ || ✓
|-
| 411 || [[জন ম্যাককার্থি]] || ১,০৪৫ || ✓
|-
| 412 || [[লুই দ্য ব্রোয়ি]] || ৪৬০ || ✓
|-
| 413 || [[ফ্রঁসোয়া মিতেরঁ]] || ১,১৯৪ || ✕
|-
| 414 || [[ফ্লিন্ডার্স পেট্রি]] || ১,২০৪ || ✕
|-
| 415 || [[পল আর. এহর্লিচ]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 416 || [[মাইকেল আতিয়াহ]] || ৪২৩ || ✓
|-
| 417 || [[মার্টন মিলার]] || ৪৮২ || ✓
|-
| 418 || [[মেরি বিয়ার্ড]] || ৯১১ || ✓
|-
| 419 || [[মার্গারেট চ্যান]] || ৭০৪ || ✓
|-
| 420 || [[গেরহার্ড শ্রোডার]] || ২৬৯ || ✓
|-
| 421 || [[ফিলিপ ওয়ারেন অ্যান্ডারসন]] || ৭৯৯ || ✓
|-
| 422 || [[পিটার হিগস]] || ৪৭৪ || ✕
|-
| 423 || [[লিওনার্ড সাসকিন্ড]] || ৮২৫ || ✓
|-
| 424 || [[জন মেইনার্ড স্মিথ]] || ৬৪০ || ✓
|-
| 425 || [[জন জেমস অডুবন]] || ৮৩৭ || ✓
|-
| 426 || [[শেলডন লি গ্ল্যাশো]] || ৭৫১ || ✓
|-
| 427 || [[ভিক্টর উইসকফ]] || ৫১৯ || ✓
|-
| 428 || [[মার্টিন রিস]] || ৫৫১ || ✓
|-
| 429 || [[মার্ক ওলিফ্যান্ট]] || ৫৫৩ || ✓
|-
| 430 || [[ভিতালি গিঞ্জবার্গ]] || ৩০৮ || ✓
|-
| 431 || [[স্যালি রাইড]] || ৪২৫ || ✓
|-
| 432 || [[রবার্ট ফোগেল]] || ৪২৮ || ✓
|-
| 433 || [[রিঙ্গো স্টার]] || ৮৭০ || ✓
|-
| 434 || [[মাক্স ডেলব্রুক]] || ৫৭৫ || ✓
|-
| 435 || [[তৃতীয় লেওপোল্ড]] || ৮৩৭ || ✓
|-
| 436 || [[নরম্যান বোরল্যাগ]] || ৭০০ || ✓
|-
| 437 || [[নিকলাউস ভির্ট]] || ৪৭৯ || ✓
|-
| 438 || [[নিকোলাস স্টেনো]] || ২৯২ || ✓
|-
| 439 || [[নেভিল ফ্রান্সিস মট]] || ৫১১ || ✓
|-
| 440 || [[লুডউইক ফ্লেক]] || ৫১২ || ✓
|-
| 441 || [[কারেন উলেনবেক]] || ৩৯২ || ✓
|-
| 442 || [[ইয়োসেফ মেংগেলে]] || ৫৪৪ || ✓
|-
| 443 || [[কিরণ দেশাই]] || ২৬১ || ✓
|-
| 444 || [[কাতালিন কারিকো]] || ৩০৯ || ✓
|-
| 445 || [[ইয়োন্স ইয়াকব বের্সেলিয়ুস]] || ৫১৬ || ✓
|-
| 446 || [[হুয়ান মালদাসেনা]] || ৭৩২ || ✓
|-
| 447 || [[হাইনরিখ বোল]] || ৩০০ || ✓
|-
| 448 || [[ইনগ্রিড ডোবিচি]] || ৬৭১ || ✓
|-
| 449 || [[ইয়ান উইলমুট]] || ৪২৭ || ✓
|-
| 450 || [[হিউ এভারেট]] || ৬০০ || ✓
|-
| 451 || [[ফ্রঁসোয়া অংল্যার]] || ৫৩৩ || ✓
|-
| 452 || [[এমানুয়েল সোয়েডেনবার্গ]] || ১,৫২২ || ✓
|-
| 453 || [[এলিজাবেথ বিশপ]] || ৬৫২ || ✓
|-
| 454 || [[শেখ আন্তা দিওপ]] || ৩৩৫ || ✓
|-
| 455 || [[জর্জ গ্যামো]] || ১,৫২১ || ✓
|-
| 456 || [[হাইনরিখ হের্ত্স]] || ১,৭৪৪ || ✓
|-
| 457 || [[গ্রো হারলেম ব্রুন্ডটল্যান্ড]] || ৩১১ || ✓
|-
| 458 || [[জন সি. মাদার]] || ৪২৫ || ✓
|-
| 459 || [[জন ব্যাকাস]] || ৫৯৭ || ✓
|-
| 460 || [[এর্নস্ট মায়ার]] || ৭৫৪ || ✓
|-
| 461 || [[লিন মার্গুলিস]] || ১,৭১৮ || ✓
|-
| 462 || [[হ্যান্স বেটে]] || ৩৯৬ || ✓
|-
| 463 || [[লুই আগাসিজ]] || ৯৩৭ || ✓
|-
| 464 || [[জর্জ ক্যুভিয়ে]] || ৭৬৮ || ✓
|-
| 465 || [[ব্রাসেলস]] || ৯৬৭ || ✓
|-
| 466 || [[ড্যানিয়েল কানেমান]] || ২,৯৫৭ || ✕
|-
| 467 || [[ডোনাল্ড কানুথ]] || ১,৫৮২ || ✓
|-
| 468 || [[লেমাহ গবোউই]] || ১,১৫০ || ✓
|-
| 469 || [[গারট্রুড বি. এলিয়ন]] || ২৩৪ || ✓
|-
| 470 || [[ডোনা স্ট্রিকল্যান্ড]] || ৩৫৯ || ✓
|-
| 471 || [[এর্নস্ট মাখ]] || ২,০২৮ || ✕
|-
| 472 || [[ডোনাল্ড টাস্ক]] || ১,৭৭১ || ✓
|-
| 473 || [[অরবিন্দ আদিগা]] || ৮৬৬ || ✓
|-
| 474 || [[সি. এ. আর. হোর]] || ১,০৬১ || ✕
|-
| 475 || [[পল ডিরাক]] || ৪,৭০৯ || ✕
|-
| 476 || [[ই. ও. উইলসন]] || ৪,৪৫৮ || ✕
|-
| 477 || [[ডেসমন্ড মরিস]] || ৩,৯৮৬ || ✓
|-
| 478 || [[মাইকেল গোভ]] || ৩,৭৩৬ || ✓
|-
| 479 || [[হার্পার লি]] || ২,৪৯১ || ✓
|-
| 480 || [[কেন টম্পসন]] || ১,৮১৬ || ✓
|-
| 481 || [[জন টিন্ডাল]] || ২,৫২৮ || ✓
|-
| 482 || [[মেরি রবিনসন]] || ১,৩৭৬ || ✓
|-
| 483 || [[হেনরি ক্যাভেন্ডিশ]] || ২,২৪৪ || ✓
|-
| 484 || [[আইরিস মারডক]] || ১,২৬৮ || ✓
|-
| 485 || [[আর্নেস্ট রাদারফোর্ড]] || ২,৪৫৩ || ✓
|-
| 486 || [[ফ্রেড ব্রুকস]] || ১,১৯১ || ✓
|-
| 487 || [[ক্রিস্টিয়ান হাইগেনস]] || ১,৯০৭ || ✓
|-
| 488 || [[ডায়ান ফসি]] || ১,৬৪৬ || ✕
|-
| 489 || [[ইডিথ হোয়ার্টন]] || ১,৪২৫ || ✓
|-
| 490 || [[অরেল স্টেইন]] || ১,৪৭৮ || ✕
|-
| 491 || [[গাব্রিয়েলা মিস্ত্রাল]] || ১,৬৫০ || ✓
|-
| 492 || [[আলেকজান্ডার ফন হুমবোল্ট]] || ১,১২০ || ✓
|-
| 493 || [[ফ্রান্সিস্কো ভারেলা]] || ১,৮৯৩ || ✓
|-
| 494 || [[ডেনিস রিচি]] || ১,১০৮ || ✓
|-
| 495 || [[অড্রে হেপবার্ন]] || ১,৪৩৫ || ✓
|-
| 496 || [[জি. এইচ. হার্ডি]] || ২,৩৩০ || ✓
|-
| 497 || [[হ্যারল্ড পিন্টার]] || ২,০৭২ || ✓
|-
| 498 || [[অ্যানাক্সিম্যান্ডার]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 499 || [[ডেভিড ব্রুস্টার]] || ২,৪০৪ || ✓
|-
| 500 || [[ব্রায়ান গ্রিন]] || ১,২৭৯ || ✕
|-
| 501 || [[অমিত গোস্বামী]] || ৯১৫ || ✓
|-
| 502 || [[এডমন্ড হ্যালি]] || ২,৬১৯ || ✓
|-
| 503 || [[ডেভিড সুজুকি]] || ১,৫১৭ || ✓
|-
| 504 || [[ডেভিড জোনাথন গ্রোস]] || ৮০৯ || ✓
|-
| 505 || [[ডেভিড ম্যামেট]] || ১,২৫২ || ✓
|-
| 506 || [[আহমেদ জেওয়াইল]] || ১৯২ || ✓
|-
| 507 || [[ইউরোপীয় পার্লামেন্ট]] || ৬১৫ || ✓
|-
| 508 || [[ডেভিড গ্রসম্যান]] || ৩৩৬ || ✓
|-
| 509 || [[হরিশ-চন্দ্র]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 510 || [[অনিতা দেসাই]] || ১,৪৩৯ || ✓
|-
| 511 || [[অ্যাশ কার্টার]] || ৪৬৩ || ✓
|-
| 512 || [[আলফ্রেড নোবেল]] || ৫০৯ || ✕
|-
| 513 || [[ক্রিস্টিয়ান বার্নার্ড]] || ৬৩৯ || ✓
|-
| 514 || [[রেজা পাহলভি]] || ৯,৯১০ || ✓
|-
| 515 || [[রজার ইবার্ট]] || ২১,৩২৫ || ✓
|-
| 516 || [[পুনর্জন্ম]] || ২০,২৪৮ || ✓
|-
| 517 || [[জ্যারেড ডায়মন্ড]] || ১,১৬৮ || ✕
|-
| 518 || [[জেন গুডাল]] || ১,৩৫৭ || ✓
|-
| 519 || [[জেমস টোবিন]] || ১,০৫৯ || ✓
|-
| 520 || [[জেমস ক্যালাহান]] || ১,৬১৫ || ✓
|-
| 521 || [[উইলিয়াম স্ট্যানলি জেভন্স]] || ১,৭০১ || ✓
|-
| 522 || [[উইলিয়াম থমসন]] || ১,০৫১ || ✓
|-
| 523 || [[ওলে সোয়িংকা]] || ৩,১৬১ || ✕
|-
| 524 || [[জোসেফ স্টিগলিটজ]] || ১,৫০৪ || ✕
|-
| 525 || [[গ্রেগর মেন্ডেল]] || ৮৭৪ || ✓
|-
| 526 || [[গটফ্রিড ভিলহেল্ম লাইবনিৎস]] || ১,২৩৬ || ✓
|-
| 527 || [[গ্লেন থিওডোর সিবর্গ]] || ৯৮৪ || ✓
|-
| 528 || [[হেরমান ভাইল]] || ১,৫৪১ || ✓
|-
| 529 || [[হেরমান হেস]] || ৪,৫৬৫ || ✓
|-
| 530 || [[হার্বার্ট স্পেন্সার]] || ২,৩৬৮ || ✓
|-
| 531 || [[হার্বার্ট এ. সাইমন]] || ১,৩৩৭ || ✓
|-
| 532 || [[হেরাক্লিটাস]] || ১,৫৭০ || ✓
|-
| 533 || [[হেনরিক শিয়েনকিয়েভিচ]] || ১,৯১১ || ✕
|-
| 534 || [[উইলা ক্যাথার]] || ৩,০৩৩ || ✕
|-
| 535 || [[উইল ডুরান্ট]] || ২,৮১৫ || ✓
|-
| 536 || [[ডব্লিউ. এইচ. অডেন]] || ২,৮১৯ || ✓
|-
| 537 || [[ভোলফগাং পাউলি]] || ১,৬৩৯ || ✓
|-
| 538 || [[ইয়াসুনারি কাওয়াবাতা]] || ২,২৫৮ || ✓
|-
| 539 || [[জন আর্চিবল্ড হুইলার]] || ১,১৩৯ || ✓
|-
| 540 || [[সেমুর হার্শ]] || ১,৭৬১ || ✓
|-
| 541 || [[সের্গেই কোরোলিয়ভ]] || ৫৬৫ || ✓
|-
| 542 || [[জেন অ্যাডামস]] || ১,৯০৬ || ✓
|-
| 543 || [[জাক-ইভ কুস্তো]] || ৬৬৩ || ✓
|-
| 544 || [[হিদেকি ইউকাওয়া]] || ৪০৩ || ✓
|-
| 545 || [[প্রিমো লেভি]] || ৪,২৩৮ || ✓
|-
| 546 || [[ঝুম্পা লাহিড়ী]] || ৪৩০ || ✓
|-
| 547 || [[জেমস প্রেসকট জুল]] || ৪৮৭ || ✓
|-
| 548 || [[উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা]] || ৪,৮৫১ || ✓
|-
| 549 || [[সংবাদ মাধ্যম]] || ১,১৫৫ || ✓
|-
| 550 || [[গণমাধ্যম]] || ৩,৩৫৭ || ✓
|-
| 551 || [[মূলধারার গণমাধ্যম]] || ১,০৫২ || ✓
|-
| 552 || [[হলুদ সাংবাদিকতা]] || ২,২৯৬ || ✓
|-
| 553 || [[ভুয়া সংবাদ]] || ১,৪০৮ || ✓
|-
| 554 || [[বিকল্প প্রচারমাধ্যম]] || ১,২০৫ || ✓
|-
| 555 || [[জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ]] || ১১,২৬৬ || ✓
|-
| 556 || [[অ্যানোনিমাস]] || ৪,০৪৩ || ✓
|-
| 557 || [[টুপাক শাকুর]] || ৬,২৮৭ || ✓
|-
| 558 || [[জেনডেয়া]] || ২,০১৪ || ✓
|-
| 559 || [[টিমথি শালামে]] || ১,১২৭ || ✓
|-
| 560 || [[হিপোক্রেটিস]] || ২,৯২৩ || ✓
|-
| 561 || [[ষষ্ঠ মুহাম্মদ]] || ৮৭৮ || ✓
|-
| 562 || [[জন লেনক্স]] || ৭০২ || ✓
|-
| 563 || [[আলেক্সান্দ্র্ সলজেনিৎসিন]] || ৮,০৫৬ || ✓
|-
| 564 || [[আবদুল হান্নান মাসউদ]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 565 || [[পরকাল সম্পর্কে কুরআন]] || ১৮,৭৯৪ || ✓
|-
| 566 || [[মানবতাবিরোধী অপরাধ]] || ১,৯১২ || ✓
|-
| 567 || [[আন্তর্জাতিক আইন]] || ৫,৫৩৯ || ✓
|-
| 568 || [[মোহাম্মদ জাওয়াদ জারিফ]] || ১,৪৫২ || ✓
|-
| 569 || [[অনিল ভৌমিক]] || ২১৬ || ✓
|-
| 570 || [[মনোজ মিত্র]] || ৫,৫৬৭ || ✓
|-
| 571 || [[নারায়ণ সান্যাল]] || ৩৬৬ || ✓
|-
| 572 || [[মতি নন্দী]] || ৫,০১৮ || ✓
|-
| 573 || [[দেবেশ রায়]] || ৯,২৪৪ || ✓
|-
| 574 || [[শিশিরকুমার বসু]] || ৪,৮০৭ || ✓
|-
| 575 || [[বিমল কর]] || ১,৩৬৯ || ✓
|-
| 576 || [[সুবোধ সরকার]] || ১,৮৪৮ || ✓
|-
| 577 || [[স্মরণজিৎ চক্রবর্তী]] || ৭৯২ || ✓
|-
| 578 || [[স্বামী সারদানন্দ]] || ৮,৬৯৫ || ✓
|-
| 579 || [[শক্তিপদ রাজগুরু]] || ৯৯৩ || ✓
|-
| 580 || [[কমলকুমার মজুমদার]] || ১,৫৭৩ || ✓
|-
| 581 || [[গৌতম ভদ্র]] || ৬৮৫ || ✓
|-
| 582 || [[পরিমল গোস্বামী]] || ৬,৫৫০ || ✓
|-
| 583 || [[প্রেমাঙ্কুর আতর্থী]] || ৫,৬৯৮ || ✓
|-
| 584 || [[কালীপ্রসন্ন সিংহ]] || ৫,৪০৪ || ✓
|-
| 585 || [[অখিল নিয়োগী]] || ৬৩৬ || ✓
|-
| 586 || [[হরপ্রসাদ শাস্ত্রী]] || ৫১৩ || ✓
|-
| 587 || [[গায়ত্রী চক্রবর্তী স্পিভাক]] || ৫৯২ || ✓
|-
| 588 || [[অজিত দত্ত]] || ৮৭০ || ✓
|-
| 589 || [[অজিতকৃষ্ণ বসু]] || ২,৩৮৬ || ✓
|-
| 590 || [[এম এস স্বামীনাথন]] || ৮৭২ || ✓
|-
| 591 || [[চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন]] || ২,১৭১ || ✓
|-
| 592 || [[চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও]] || ২,১৬৭ || ✓
|-
| 593 || [[কণাদ]] || ৯১৯ || ✓
|-
| 594 || [[জয়ন্ত বিষ্ণু নারলিকর]] || ৩,১৮৭ || ✓
|-
| 595 || [[বিক্রম সারাভাই]] || ১,১২৯ || ✓
|-
| 596 || [[আর্নেস্ট কিং]] || ১৫,৭৬৯ || ✕
|-
| 597 || [[ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট]] || ২৬,২১৫ || ✓
|-
| 598 || [[আনোয়ার ইব্রাহিম]] || ৬,৯৯৩ || ✓
|-
| 599 || [[ইসলাম ও যুদ্ধ]] || ৫,৬৮১ || ✓
|-
| 600 || [[আহমদ সিরহিন্দি]] || ৪,০৭০ || ✓
|-
| 601 || [[মুসা সেরান্তোনিও]] || ৪২৩ || ✓
|-
| 602 || [[ইয়াকুব]] || ১,৯৫৬ || ✓
|-
| 603 || [[আদ্রিয়ান গোল্ডসওয়ার্দি]] || ১,৯৭৯ || ✕
|-
| 604 || [[অ্যালিস পল]] || ১,৮৬২ || ✕
|-
| 605 || [[অ্যামি ট্যান]] || ২,০০৭ || ✕
|-
| 606 || [[অ্যান্ড্রু সেগা]] || ১,৯৬৯ || ✓
|-
| 607 || [[আল্যাঁ বাদিউ]] || ১,৯৬৬ || ✕
|-
| 608 || [[আফ্রিকান স্পির]] || ১,৭২২ || ✕
|-
| 609 || [[ফ্রেডরিক ডগলাস]] || ৮৬২ || ✕
|-
| 610 || [[নবী]] || ২,০৬২ || ✕
|-
| 611 || [[এমা গোল্ডম্যান]] || ১২,৮০০ || ✕
|-
| 612 || [[প্রেম সম্পর্কে ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি]] || ১৫,০৪০ || ✓
|-
| 613 || [[মিস্ট্রি সায়েন্স থিয়েটার ৩০০০]] || ৯৪,৯৬৮ || ✕
|-
| 614 || [[দ্য থিক অফ ইট]] || ৬৯,২৮৩ || ✕
|-
| 615 || [[অ্যালেক্স হেইলি]] || ১,৬০৪ || ✓
|-
| 616 || [[দাসত্ব সম্পর্কে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি]] || ৫,৭৮৫ || ✕
|-
| 617 || [[দাসত্ব]] || ১০,২৫৯ || ✕
|-
| 618 || [[যন্ত্র]] || ৭১৩ || ✓
|-
| 619 || [[বিচারক]] || ৯৫২ || ✓
|-
| 620 || [[রুটি]] || ১,০৯৭ || ✓
|-
| 621 || [[খড়]] || ৯৩২ || ✓
|-
| 622 || [[মন্মথমোহন বসু]] || ৯৬৩ || ✕
|-
| 623 || [[কালীপ্রসন্ন বিদ্যারত্ন]] || ৮২৫ || ✓
|-
| 624 || [[কলসী]] || ১,০৮৬ || ✓
|-
| 625 || [[চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ১,১৫৭ || ✓
|-
| 626 || [[শহর]] || ১,৪৫৮ || ✕
|-
| 627 || [[ঘাস]] || ২,১১২ || ✓
|-
| 628 || [[জলধর সেন]] || ১,৭৬৪ || ✓
|-
| 629 || [[ঠিকানা]] || ১,১৮৭ || ✓
|-
| 630 || [[গন্ধ]] || ১,৮০৭ || ✓
|-
| 631 || [[চা]] || ২,৪২৪ || ✓
|-
| 632 || [[রবীন্দ্রনাথ মৈত্র]] || ১,২৮১ || ✓
|-
| 633 || [[দিগন্ত]] || ১,২২৮ || ✓
|-
| 634 || [[ময়ূর]] || ১,৩৪৫ || ✓
|-
| 635 || [[করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ৯১১ || ✓
|-
| 636 || [[ঢেউ]] || ১,৫৩৯ || ✓
|-
| 637 || [[ছাতা]] || ১,১৮৯ || ✓
|-
| 638 || [[উমাকান্ত হাজারী]] || ৯৪২ || ✓
|-
| 639 || [[ঘৃণা]] || ২,৩৩৯ || ✓
|-
| 640 || [[বাঁশ]] || ২,৪৫৯ || ✕
|-
| 641 || [[কলেরা]] || ১,৬৩৮ || ✓
|-
| 642 || [[মাঠ]] || ২,৪৪৭ || ✓
|-
| 643 || [[টিন]] || ১,৯৩২ || ✕
|-
| 644 || [[সংবাদ]] || ৪,৪৭৯ || ✕
|-
| 645 || [[জন বারবার]] || ৫৭৪ || ✕
|-
| 646 || [[স্কটিশ জাতি]] || ৩৭৫ || ✓
|-
| 647 || [[ওয়েন্ডি বোম্যান]] || ১৫১ || ✕
|-
| 648 || [[যুদ্ধাপরাধ]] || ৪,৬৭৯ || ✕
|-
| 649 || [[রুবি]] || ৩৬৩ || ✓
|-
| 650 || [[রিতা এনজেলু]] || ১৫৯ || ✓
|-
| 651 || [[বমি]] || ২০৪ || ✓
|-
| 652 || [[পার্ল]] || ৬৯০ || ✕
|-
| 653 || [[পাইথন]] || ১৩৯ || ✓
|-
| 654 || [[উইকিলিকস]] || ১,৬৩১ || ✕
|-
| 655 || [[জনস্টন ম্যাককালি]] || ৩১১ || ✕
|-
| 656 || [[যুগোস্লাভিয়া]] || ৪,১৩৬ || ✓
|-
| 657 || [[অংশুমান কর]] || ২০৯ || ✓
|-
| 658 || [[কেমব্রিজ গান]] || ৩০৫ || ✕
|-
| 659 || [[হেলেনীয় শিক্ষা]] || ৫০২ || ✓
|-
| 660 || [[টমাস হলি চিভার্স]] || ২৩৫ || ✓
|-
| 661 || [[মুহাম্মদ মাহদি আল-জাওয়াহিরি]] || ৬৩৮ || ✓
|-
| 662 || [[জেডি স্মিথ]] || ১,০৮০ || ✓
|-
| 663 || [[ব্রায়ান পি. শ্মিট]] || ৪৬০ || ✓
|-
| 664 || [[কার্ল বার্নস্টিন]] || ৩৬৮ || ✓
|-
| 665 || [[চার্লস ফেফারম্যান]] || ৩৩৯ || ✓
|-
| 666 || [[ইয়ুস্টুস ফন লিবিগ]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 667 || [[টমাস শেলিংস]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 668 || [[উইলিয়াম শকলি]] || ৩৯১ || ✓
|-
| 669 || [[শিং-শেন চের্ন]] || ৭৬৫ || ✕
|-
| 670 || [[হুগো দ্য ভ্রিস]] || ৩৪৪ || ✓
|-
| 671 || [[রবার্ট অ্যান্ড্রুজ মিলিকান]] || ৪৩৬ || ✓
|-
| 672 || [[জেমস ভ্যান অ্যালেন]] || ৫৯৬ || ✓
|-
| 673 || [[জাক শিরাক]] || ৭১১ || ✓
|-
| 674 || [[ডরোথি হজকিন]] || ২৯৪ || ✓
|-
| 675 || [[গোরান পারসন]] || ৩২৬ || ✓
|-
| 676 || [[জেরার দ্যব্রু]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 677 || [[কোরীয় যুদ্ধ]] || ৯,৯৬৫ || ✕
|-
| 678 || [[রবার্ট জে. শিলার]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 679 || [[ফ্রঁসোয়া আরাগন]] || ৪৩৫ || ✓
|-
| 680 || [[অখিলচন্দ্র দত্ত]] || ৩৭৩ || ✕
|-
| 681 || [[ফ্রান্সিস কলিন্স]] || ৫৮৮ || ✓
|-
| 682 || [[হেলেন ক্লার্ক]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 683 || [[লেয়োঁ ফুকো]] || ৫৩২ || ✓
|-
| 684 || [[জন চার্লস পোলানি]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 685 || [[জন মেইনার্ড কেইনস]] || ১৭,৭৯১ || ✕
|-
| 686 || [[দিমিত্রি মুরাতভ]] || ৬৩৬ || ✓
|-
| 687 || [[আবদুস সালাম]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 688 || [[আবদুলরাজাক গুরনাহ]] || ৭৪৯ || ✓
|-
| 689 || [[এ. সি. বেনসন]] || ৩৮৩ || ✓
|-
| 690 || [[প্রথম আলবার্ট]] || ৮৬৪ || ✓
|-
| 691 || [[অম্লান দত্ত]] || ১৪৬ || ✓
|-
| 692 || [[ইয়ান মার্টেল]] || ১,১৩৩ || ✕
|-
| 693 || [[ইয়োইচিরো নাম্বু]] || ৪৩১ || ✕
|-
| 694 || [[সৈয়দ জামিল আহমেদ]] || ২০৩ || ✓
|-
| 695 || [[পূর্ণিমা]] || ১৯২ || ✓
|-
| 696 || [[শরিফুল রাজ]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 697 || [[কাজী হায়াৎ]] || ২৭৪ || ✓
|-
| 698 || [[আরেফিন রুমি]] || ১৬২ || ✓
|-
| 699 || [[ইমাম নাসাই]] || ৬৯৭ || ✕
|-
| 700 || [[কবরী]] || ২৭১ || ✓
|-
| 701 || [[হাফিজ উদ্দিন আহমদ]] || ২৩৬ || ✓
|-
| 702 || [[আ ন ম এহসানুল হক মিলন]] || ৩৪০ || ✓
|-
| 703 || [[আন্দালিব রহমান পার্থ]] || ২৯৭ || ✓
|-
| 704 || [[ববি হাজ্জাজ]] || ২৫৩ || ✓
|-
| 705 || [[ইবনে মাজাহ]] || ৩৩৬ || ✓
|-
| 706 || [[হাবিব ওয়াহিদ]] || ২৬৪ || ✓
|-
| 707 || [[জাইমা রহমান]] || ২১২ || ✓
|-
| 708 || [[কনকচাঁপা]] || ২২৮ || ✓
|-
| 709 || [[আহসান হাবীব]] || ২১৯ || ✓
|-
| 710 || [[বেলাল খান]] || ২১৯ || ✓
|-
| 711 || [[নচিকেতা চক্রবর্তী]] || ২৮৯ || ✓
|-
| 712 || [[আ ফ ম খালিদ হোসেন]] || ২৪৮ || ✓
|-
| 713 || [[আলমগীর]] || ৪০৬ || ✓
|-
| 714 || [[সালাহউদ্দিন আহমেদ]] || ৪৫৯ || ✓
|-
| 715 || [[চোং নানশান]] || ১৭৮ || ✓
|-
| 716 || [[এ. সি. ব্র্যাডলি]] || ৩৯০ || ✕
|-
| 717 || [[আলবার্ট হফমান]] || ৩,৪৪৪ || ✓
|-
| 718 || [[অ্যালান পারলিস]] || ৯২৮ || ✓
|-
| 719 || [[হেইনরিখ রোরার]] || ৩৬০ || ✓
|-
| 720 || [[আলফ্রেড আহো]] || ১৪৪ || ✕
|-
| 721 || [[উ থান্ট]] || ৬৭৮ || ✕
|-
| 722 || [[লোরঁ শোয়ার্তজ]] || ৬১০ || ✓
|-
| 723 || [[উইলিয়াম শার্প]] || ৩৯৯ || ✓
|-
| 724 || [[পাউল এরেনফেস্ট]] || ৪৩৩ || ✓
|-
| 725 || [[রবার্ট মান্ডেল]] || ৩২২ || ✓
|-
| 726 || [[হান কাং]] || ৬৬৬ || ✓
|-
| 727 || [[ক্রিপটিক ফেইট]] || ১৭৬ || ✓
|-
| 728 || [[কাকাবাবু]] || ২৫৮ || ✓
|-
| 729 || [[ক্যারি মুলিস]] || ৪০৩ || ✓
|-
| 730 || [[টোমাস ট্রান্সট্রোমার]] || ২৯৯ || ✓
|-
| 731 || [[ইরিনা বোকোভা]] || ২৬৮ || ✓
|-
| 732 || [[মার্টিনুস ভেল্টম্যান]] || ১৯৫ || ✓
|-
| 733 || [[ড্যামন গ্যালগুট]] || ৪৮২ || ✓
|-
| 734 || [[আর্থার কর্নবার্গ]] || ১৭৭ || ✕
|-
| 735 || [[বেন ওক্রি]] || ৮৫৮ || ✓
|-
| 736 || [[সল বেলো]] || ১,০০৩ || ✓
|-
| 737 || [[সল পার্লমাটার]] || ৩১১ || ✕
|-
| 738 || [[সিমেওঁ দ্যনি পোয়াসোঁ]] || ১৬০ || ✓
|-
| 739 || [[স্টিভ আরউইন]] || ৪৩৫ || ✕
|-
| 740 || [[আনি এরনো]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 741 || [[ফজল শাহাবুদ্দীন]] || ৪৯৫ || ✕
|-
| 742 || [[আল-জাহিজ]] || ৭৩৩ || ✓
|-
| 743 || [[আল-বিরুনি]] || ১,৮৩৬ || ✓
|-
| 744 || [[থমাস হ্যারিয়ট]] || ৪৩২ || ✓
|-
| 745 || [[স্টিভেন চু]] || ২২০ || ✓
|-
| 746 || [[ইভাঞ্জেলিস্টা টরিসেলি]] || ৩৭২ || ✓
|-
| 747 || [[লেসলি ল্যামপোর্ট]] || ৫৫০ || ✓
|-
| 748 || [[মার্টিন লুইস পার্ল]] || ৩৮৮ || ✓
|-
| 749 || [[ভ্লাদিমির মার্কভনিকভ]] || ২৬৭ || ✓
|-
| 750 || [[বাপ্পী লাহিড়ী]] || ২৫২ || ✓
|-
| 751 || [[নুহাশ হুমায়ূন]] || ২০৫ || ✓
|-
| 752 || [[আনিসুল হক]] || ২৪৬ || ✕
|-
| 753 || [[বাবর আলী]] || ৩০৯ || ✓
|-
| 754 || [[মেহের আফরোজ শাওন]] || ৩১৯ || ✓
|-
| 755 || [[ফেলুদা]] || ২৪৬ || ✓
|-
| 756 || [[ব্যোমকেশ বক্সী]] || ১৭৮ || ✓
|-
| 757 || [[প্রোফেসর শঙ্কু]] || ২৬৯ || ✓
|-
| 758 || [[বারী সিদ্দিকী]] || ২৪২ || ✓
|-
| 759 || [[সমরেশ বসু]] || ২০২ || ✓
|-
| 760 || [[লিয়ন কুপার]] || ৩২৩ || ✓
|-
| 761 || [[কামিলা শামসি]] || ২০৪ || ✓
|-
| 762 || [[ক্রিস্টোফার রেন]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 763 || [[জিওফ্রে হিন্টন]] || ৩২২ || ✓
|-
| 764 || [[ফ্রিডতিয়ফ নানসেন]] || ১৯১ || ✓
|-
| 765 || [[আলাঁ আস্পে]] || ৭৭৬ || ✓
|-
| 766 || [[ক্যারিল ফিলিপস]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 767 || [[জেমস কুক]] || ৩৯৭ || ✓
|-
| 768 || [[ক্লাউদিয়া শেইনবাউম]] || ৩২১ || ✓
|-
| 769 || [[আবি আহমেদ]] || ২৫৫ || ✓
|-
| 770 || [[পিটার আগ্রি]] || ১৯০ || ✓
|-
| 771 || [[ফখরুদ্দীন আল-রাযী]] || ২১৫ || ✓
|-
| 772 || [[শি চিনফিং]] || ৪,১৩২ || ✕
|-
| 773 || [[ইব্রাহিম ত্রাওরে]] || ৭৫৪ || ✓
|-
| 774 || [[পেদ্রো সানচেজ]] || ২৯৯ || ✓
|-
| 775 || [[অ্যাডাম রিস]] || ৪৮৯ || ✓
|-
| 776 || [[আব্দুল হান্নান আবকারী]] || ০ || ✕
|-
| 777 || [[ইবরাহীম আলী তশনা]] || ২৪৭ || ✓
|-
| 778 || [[রুহুল আমিন বসিরহাটি]] || ৩৬৩ || ✓
|-
| 779 || [[মুহাম্মদুল্লাহ হাফেজ্জী]] || ৩৪২ || ✓
|-
| 780 || [[শামছুল হুদা]] || ০ || ✕
|-
| 781 || [[শামছুল হক ফরিদপুরী]] || ৫৪৬ || ✓
|-
| 782 || [[গর্ডন মুর]] || ৫৮৭ || ✓
|-
| 783 || [[শিরিন এবাদি]] || ৫৪৩ || ✕
|-
| 784 || [[নাগিব মাহফুজ]] || ৫৩০ || ✓
|-
| 785 || [[আল-ফারাবি]] || ৫৩৭ || ✕
|-
| 786 || [[চাষী নজরুল ইসলাম]] || ৪৪৬ || ✓
|-
| 787 || [[বাপ্পা মজুমদার]] || ৩১০ || ✓
|-
| 788 || [[রবার্ট ক্লাইভ]] || ২,০০২ || ✕
|-
| 789 || [[পার্ল এস. বাক]] || ৯৩৩ || ✕
|-
| 790 || [[জন বারডিন]] || ৩৬৪ || ✓
|-
| 791 || [[তাসমিয়া প্রধান]] || ৩৫২ || ✓
|-
| 792 || [[আজিজুল হক]] || ১৮০ || ✓
|-
| 793 || [[আবদুস সালাম]] || ১০০ || ✕
|-
| 794 || [[আবদুল গফুর]] || ১০১ || ✕
|-
| 795 || [[আবদুল জব্বার]] || ১৬১ || ✓
|-
| 796 || [[আবদুল জব্বার]] || ৯২ || ✕
|-
| 797 || [[আবদুল জব্বার]] || ১৩৩ || ✕
|-
| 798 || [[অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ১৩৪ || ✕
|-
| 799 || [[অনিমেষ রায়]] || ১২৬ || ✕
|-
| 800 || [[অনির্বাণ বসু]] || ১২০ || ✕
|-
| 801 || [[অজয় ঘটক]] || ১১৪ || ✕
|-
| 802 || [[অচলা মল্লিক]] || ১৫৪ || ✕
|-
| 803 || [[অজয় হোম]] || ১৫৯ || ✕
|-
| 804 || [[অমিতা বসু]] || ১৪২ || ✕
|-
| 805 || [[ভেরা রুবিন]] || ৩৫০ || ✕
|-
| 806 || [[মেরি কুরি]] || ১৭৯ || ✕
|-
| 807 || [[মিসির আলি]] || ৪০৬ || ✕
|-
| 808 || [[আস্ট্রোনমি]] || ০ || ✕
|-
| 809 || [[মমতাজ বেগম]] || ৩৫৫ || ✕
|-
| 810 || [[আবুল বরকত]] || ১৪৩ || ✕
|-
| 811 || [[মেরি স্টোপস]] || ৫০৫ || ✕
|-
| 812 || [[ইয়োন ফসে]] || ৩৯৩ || ✕
|-
| 813 || [[জুনো দিয়াজ]] || ৫৪০ || ✕
|-
| 814 || [[পারভীন এতেসামি]] || ০ || ✕
|-
| 815 || [[চুয়াং জি]] || ২৭৪ || ✕
|-
| 816 || [[ফকির শাহাবুদ্দীন]] || ০ || ✕
|-
| 817 || [[আবু বকর সিদ্দিকী]] || ০ || ✕
|-
| 818 || [[বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট]] || ০ || ✕
|-
| 819 || [[বাংলাদেশের কৃষি প্রযুক্তি]] || ০ || ✕
|-
| 820 || [[হাসিবুন নাহের]] || ০ || ✕
|-
| 821 || [[মেরি উলস্টোনক্রাফ্ট]] || ২১৩ || ✕
|-
| 822 || [[বালতাসার গ্রাসিয়ান]] || ২০৬ || ✕
|-
| 823 || [[জুলাই আন্দোলন]] || ৬১৫ || ✕
|-
| 824 || [[বিকাশ]] || ০ || ✕
|-
| 825 || [[নতুন প্রযুক্তি]] || ০ || ✕
|-
| 826 || [[বাংলাদেশের রিয়েল এস্টেট শিল্প: বর্তমান প্রেক্ষাপট ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা]] || ০ || ✕
|-
| 827 || [[জলবায়ু পরিবর্তন ও বাংলাদেশের পরিবেশ]] || ০ || ✕
|-
| 828 || [[মোহাম্মদ শেখ শাহিনুর রহমান]] || ০ || ✕
|-
| 829 || [[অপ্রত্যাশিত জীবনযাত্রা]] || ০ || ✕
|-
| 830 || [[অপর্ণা সেন]] || ৩১২ || ✕
|}
baszy7woap8av3aeioe4luxqto7m874
83368
83367
2026-05-03T22:44:25Z
ARI
356
/* শব্দসংখ্যা অনুযায়ী নিবন্ধ তালিকা */ ; হালনাগাদ
83368
wikitext
text/x-wiki
----
সর্বশেষ হালনাগাদ - ০৩:০৩, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
----
==উইকিউক্তি ফলাফল ২০২৬==
{| class="wikitable sortable"
|-
! ক্রম
! ব্যবহারকারী
! নিবন্ধ
! মোট শব্দ
! বিস্তারিত
|-
| '''১'''
| '''Dr. Mosaddek Khondoker'''
| '''১৯'''
| '''৪,০৪,৫৭৫'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৪,০৪,৫৭৫<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| '''২'''
| '''ARI'''
| '''২৮'''
| '''৩,১৪,৮৯৭'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৩,১২,২১২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২,৬৮৫
</div>
|-
| '''৩'''
| '''NusJaS'''
| '''১০'''
| '''২,৫৯,৯৪২'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,৫৯,৯৪২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| '''৪'''
| '''Tuhin'''
| '''২৮০'''
| '''৩,০১,৮৭২'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,৫৮,০৩৩<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪৩,৮৩৯
</div>
|-
| '''৫'''
| '''SMontaha32'''
| '''৩৭'''
| '''২,৩৯,৫৫৫'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,১৮,৯৯২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২০,৫৬৩
</div>
|-
| '''৬'''
| '''Oindrojalik Watch'''
| '''২৯'''
| '''১,৯৯,৯৪২'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১,৯০,০৭১<br>
অপর্যালোচিত: ৯,৮৭১<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| '''৭'''
| '''Sumanta3023'''
| '''১১০'''
| '''১,২২,৫০০'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৯৭,৪২১<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২৫,০৭৯
</div>
|-
| '''৮'''
| '''Anik Kanti Dey'''
| '''৩৪'''
| '''১,০৪,৬৪১'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৯৩,৮৬৪<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১০,৭৭৭
</div>
|-
| '''৯'''
| '''Tanbiruzzaman'''
| '''২১'''
| '''৮০,৭২৪'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৮০,৭২৪<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| '''১০'''
| '''Nil Nandy'''
| '''২৭'''
| '''৭৪,২৬৭'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৭৪,২৬৭<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ১১
| R1F4T
| ২২
| ২,৮৫,২৭৫
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৬৩,৯৫১<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২,২১,৩২৪
</div>
|-
| ১২
| Salil Kumar Mukherjee
| ২৭
| ৪২,২০৬
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৩০,৯১৫<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১১,২৯১
</div>
|-
| ১৩
| Anaf Ibn Shahibul
| ৪৭
| ৫৬,৫৮১
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১৯,৩৪৬<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৩৭,২৩৫
</div>
|-
| ১৪
| মোহাম্মদ জনি হোসেন
| ২৫
| ৮,১২৩
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৫,৪৭২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২,৬৫১
</div>
|-
| ১৫
| JIBON
| ৫
| ৫,৫৫৪
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৪,৭৩২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৮২২
</div>
|-
| ১৬
| Md. Muqtadir Fuad
| ১১
| ৪,০২৯
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৪,০২৯<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ১৭
| Humaira.thithi
| ৮
| ৩,৭১০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,৭৮৭<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৯২৩
</div>
|-
| ১৮
| Amirhusenjihed
| ৩
| ৩,০৬৪
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,৫৬৯<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪৯৫
</div>
|-
| ১৯
| Asikur Rahman
| ৬
| ২,২২৯
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,২২৯<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২০
| Rasel Mehedi
| ১০
| ২,৪৬৮
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,২২২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২৪৬
</div>
|-
| ২১
| Mahiya50
| ৬
| ২,১৯০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,১৯০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২২
| Borhan
| ৬
| ১,৬৬২
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১,৬৬২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২৩
| Raihanur
| ৪
| ৫,৬৭৪
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১,৫৪২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪,১৩২
</div>
|-
| ২৪
| Muhammad Fahim Faisal
| ৬
| ১,৪৯৮
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১,৪৯৮<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২৫
| Firuz Ahmmed
| ৪
| ২,১৯৭
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১,১১৭<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১,০৮০
</div>
|-
| ২৬
| নিয়াজ ইসলাম
| ২
| ৭৫৬
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৭৫৬<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২৭
| Asad.fr
| ৩
| ৩,২৯৯
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৩৬৪<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২,৯৩৫
</div>
|-
| ২৮
| Mehedi Abedin
| ১
| ৩৫২
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৩৫২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২৯
| Md. Rayan Alam Rifat
| ১
| ১৮০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১৮০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ৩০
| Siyan BD
| ১২
| ১,৫৩৬
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১৬১<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১,৩৭৫
</div>
|-
| ৩১
| Dewan mahbubr Rahman
| ১
| ৩৫০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৩৫০
</div>
|-
| ৩২
| ExceptionistSagar
| ১
| ১৭৯
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১৭৯
</div>
|-
| ৩৩
| Kh. Fahim
| ১
| ৪০৬
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪০৬
</div>
|-
| ৩৪
| Trisha Mazumder
| ১
| ০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ৩৫
| MdMarufHossen71
| ২
| ৪৯৮
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪৯৮
</div>
|-
| ৩৬
| Usarker
| ৩
| ১,৪৩৮
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১,৪৩৮
</div>
|-
| ৩৭
| রাকিবুল হাসান রাসেল
| ১
| ০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ৩৮
| MD RADWAN ISLAM
| ৬
| ২৭৪
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২৭৪
</div>
|-
| ৩৯
| AKM Mahinur Rahman
| ২
| ৪১৯
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪১৯
</div>
|-
| ৪০
| MD RADWAN ISLAM ROHAN
| ৫
| ৬১৫
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৬১৫
</div>
|-
| ৪১
| ShahinurWrites
| ১
| ০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ৪২
| Abdullah Al Shishir
| ১
| ০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ৪৩
| চ্যাম্পিয়ন স্টার ১
| ১
| ৩১২
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৩১২
</div>
|}
== পর্যালোচক পরিসংখ্যান ==
; পর্যালোচক
{| class="wikitable"
|-
! ক্রম !! নাম !! মোট !! গৃহীত !! বাতিল
|-
| '''১''' || '''Mehedi Abedin''' || '''২৭৫''' || ২৩৮ || ৩৭
|-
| '''২''' || '''NusJaS''' || '''১৯৩''' || ১৬০ || ৩৩
|-
| '''৩''' || '''MS Sakib''' || '''১৮১''' || ১৪৮ || ৩৩
|-
| '''৪''' || '''ARI''' || '''১৬২''' || ১৩৩ || ২৯
|-
| '''৫''' || '''MdsShakil''' || '''৪০''' || ৩৮ || ২
|-
| '''৬''' || '''Tahmid''' || '''১৪''' || ১০ || ৪
|-
| '''৭''' || '''Yahya''' || '''৫''' || ৪ || ১
|-
! মোট || || ৮৭০ || ৭৩১ || ১৩৯
|}
== ব্যবহারকারী ভিত্তিক পরিসংখ্যান ==
=== [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker| Dr. Mosaddek Khondoker]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্পর্কে উক্তি]] || ৩৯,৩০৩ || ✓
|-
| 2 || [[স্ট্যানলি বল্ডউইন]] || ৩৪,১৩১ || ✓
|-
| 3 || [[খ্রিস্টের অনৈতিহাসিকতা তত্ত্ব]] || ২৮,৭০৭ || ✓
|-
| 4 || [[বেঞ্জামিন ডিসরাইলি]] || ২৯,৪৭৯ || ✓
|-
| 5 || [[রবার্ট জি. ইঙ্গারসোল]] || ৩০,০৯০ || ✓
|-
| 6 || [[রন পল]] || ২৪,৯২৮ || ✓
|-
| 7 || [[ক্যালকুলাসের ইতিহাস]] || ১৯,১৯৫ || ✓
|-
| 8 || [[অ্যানোরেক্সিয়া নার্ভোসা]] || ২৩,১০০ || ✓
|-
| 9 || [[ডোয়াইট ডি আইজেনহাওয়ার]] || ২১,০২৬ || ✓
|-
| 10 || [[স্টিফেন জে গুল্ড]] || ২২,১৫০ || ✓
|-
| 11 || [[এআর-১৫ স্টাইল রাইফেল]] || ১৮,৯০১ || ✓
|-
| 12 || [[শেরি এস. টেপার]] || ২৪,৯৯৯ || ✓
|-
| 13 || [[আউরেলিয়ুস আউগুস্তিনুস]] || ১৯,৩৪৬ || ✓
|-
| 14 || [[ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতিত্ব]] || ৪৬,৮৯৯ || ✓
|-
| 15 || [[নবায়নযোগ্য শক্তি]] || ১২,৬১০ || ✓
|-
| 16 || [[নাডিন গর্ডিমার]] || ১,৩৭২ || ✓
|-
| 17 || [[মারে গেল-মান]] || ১,৩২৮ || ✓
|-
| 18 || [[নার্গিস মোহাম্মাদি]] || ১,৭৫৫ || ✓
|-
| 19 || [[সাদি কার্নো]] || ৫,২৫৬ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১৯
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৪,০৪,৫৭৫
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪,০৪,৫৭৫
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:ARI| ARI]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[জে. হাওয়ার্ড মুর]] || ২৪,১৯৫ || ✓
|-
| 2 || [[ভারতে পোশাক]] || ২,২৮৯ || ✓
|-
| 3 || [[ভারতের ভাষা]] || ৬৯৫ || ✓
|-
| 4 || [[মধ্যযুগীয় ভারত]] || ১,৭১৭ || ✓
|-
| 5 || [[ভারতে ইহুদিদের ইতিহাস]] || ২,০৪৬ || ✓
|-
| 6 || [[ভারতে সুফিবাদ]] || ৩,২০৭ || ✓
|-
| 7 || [[পর্তুগিজ ভারত]] || ১,৬৪৩ || ✓
|-
| 8 || [[ভারতের প্রাণী]] || ৩০৫ || ✓
|-
| 9 || [[স্বাধীনতা দিবস]] || ৩৭৫ || ✓
|-
| 10 || [[ভারতে দুর্ভিক্ষ]] || ৩,৭৮১ || ✓
|-
| 11 || [[ভারতে ধর্মহীনতা]] || ২,৩৮৯ || ✓
|-
| 12 || [[ওয়ারেন ফ্যারেল]] || ২১,০৭৮ || ✓
|-
| 13 || [[আর্নেস্ট বেকার]] || ১৩,৫৯৭ || ✓
|-
| 14 || [[অতিপ্রজতা]] || ২৯,৫০১ || ✓
|-
| 15 || [[মোপলা বিদ্রোহ]] || ১৪,৫১২ || ✓
|-
| 16 || [[সীতা রাম গোয়েল]] || ১,৫৯৬ || ✓
|-
| 17 || [[অরুণ শৌরি]] || ১৫,৪৫০ || ✓
|-
| 18 || [[ভারতের ইতিহাস লিখন]] || ১৭,৯১৮ || ✓
|-
| 19 || [[দ্রৌপদী]] || ৬,১৬৪ || ✓
|-
| 20 || [[দ্য হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়া, অ্যাজ টোল্ড বাই ইটস ওন হিস্টোরিয়ানস]] || ২,৬৮৫ || ✕
|-
| 21 || [[রামায়ণ]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 22 || [[ভারতে শিক্ষা]] || ১০,৫৮০ || ✓
|-
| 23 || [[ভারতে নারী]] || ৬,১৫০ || ✓
|-
| 24 || [[বন্যপ্রাণীর কষ্ট]] || ৩৩,৭৪১ || ✓
|-
| 25 || [[নিরামিষবাদ]] || ৩০,৬২৭ || ✓
|-
| 26 || [[ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম রাষ্ট্রপতিত্ব]] || ৩৭,৫৭২ || ✓
|-
| 27 || [[নির্বাচন]] || ৭,০২৫ || ✓
|-
| 28 || [[সরকার]] || ২২,৭৫৯ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৮
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৩,১২,২১২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩,১৪,৮৯৭
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২,৬৮৫
|}
=== [[ব্যবহারকারী:NusJaS| NusJaS]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[লিটিশা এলিজাবেথ ল্যান্ডন]] || ৩৪,০৩৩ || ✓
|-
| 2 || [[প্রজননবিরোধবাদ]] || ৩০,৯৪৮ || ✓
|-
| 3 || [[উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন]] || ২৮,৬১৬ || ✓
|-
| 4 || [[ক্রিস্টোফার হিচেন্স]] || ২৫,৯২২ || ✓
|-
| 5 || [[বলপূর্বক খাওয়ানো]] || ২২,৬২২ || ✓
|-
| 6 || [[জন স্টুয়ার্ট মিল]] || ২২,৭৮৩ || ✓
|-
| 7 || [[রবার্ট গ্যাসকয়েন-সিসিল, স্যালিসবারির ৩য় মার্কুইস]] || ২০,৮৯৮ || ✓
|-
| 8 || [[অ্যারন রা]] || ২১,৯৫৫ || ✓
|-
| 9 || [[ফায়ারপ্লেস]] || ২১,৪১৭ || ✓
|-
| 10 || [[জন হার্ভে কেলোগ]] || ৩০,৭৪৮ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১০
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,৫৯,৯৪২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,৫৯,৯৪২
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Tuhin| Tuhin]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মহুয়া মৈত্র]] || ৬৫০ || ✓
|-
| 2 || [[হেনরি হোম, লর্ড কেইমস]] || ১,২৯৬ || ✓
|-
| 3 || [[লেটি কটিন পোগ্রেবিন]] || ৩৭০ || ✓
|-
| 4 || [[মার্জ পিয়ার্সি]] || ৬,৭৯০ || ✓
|-
| 5 || [[এলেন ডুইবস]] || ৮০৪ || ✓
|-
| 6 || [[মেরেডিথ ট্যাক্স]] || ৪৯১ || ✓
|-
| 7 || [[মুলক রাজ আনন্দ]] || ২৩৫ || ✓
|-
| 8 || [[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ধর্ষণ]] || ১,৯২০ || ✓
|-
| 9 || [[সুসান ব্রাউনমিলার]] || ৯৯১ || ✓
|-
| 10 || [[রবিন মরগান]] || ১,২২১ || ✓
|-
| 11 || [[ভিভিয়ান গোর্নিক]] || ২,৬৯০ || ✓
|-
| 12 || [[ডরোথি রে হিলি]] || ২,৬৩৮ || ✕
|-
| 13 || [[ক্লডিয়া জোন্স]] || ১,২৯৯ || ✓
|-
| 14 || [[গের্ডা লার্নার]] || ৩,৪২৮ || ✓
|-
| 15 || [[এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন]] || ৯,৮০৪ || ✕
|-
| 16 || [[এলা রিভ ব্লুর]] || ১,৯১৭ || ✓
|-
| 17 || [[টমাস হিউজ]] || ৯৯৬ || ✓
|-
| 18 || [[মার্গারিট দুরাস]] || ৩৪৯ || ✓
|-
| 19 || [[বেন অ্যারোনোভিচ]] || ৮,৭৯৭ || ✓
|-
| 20 || [[গ্লেন কুক]] || ৯,৯৮৫ || ✓
|-
| 21 || [[আব্রাহাম কাহান]] || ২,১৩৩ || ✓
|-
| 22 || [[গ্রেস পেলি]] || ৮,১৬৪ || ✕
|-
| 23 || [[স্টিফেন ক্রেন]] || ১,৯৬৩ || ✕
|-
| 24 || [[জোসেফাইন হার্বস্ট]] || ৪২৭ || ✓
|-
| 25 || [[জর্জ গিসিং]] || ২,০০৫ || ✓
|-
| 26 || [[আনজিয়া ইয়েজিয়ারস্কা]] || ৩,২৬২ || ✕
|-
| 27 || [[মেরি অ্যান্টিন]] || ৪৯০ || ✓
|-
| 28 || [[জয়েস অ্যান্টলার]] || ৪২৯ || ✓
|-
| 29 || [[ক্যাথরিন ম্যাককিনন]] || ২,১৭৮ || ✓
|-
| 30 || [[বেটিনা আপথেকার]] || ১,০২০ || ✓
|-
| 31 || [[ক্যারি চ্যাপম্যান ক্যাট]] || ১,৬০৩ || ✓
|-
| 32 || [[জ্যানেট র্যাঙ্কিন]] || ৭২১ || ✓
|-
| 33 || [[ফ্রান্সেস উইলার্ড]] || ৯৪১ || ✕
|-
| 34 || [[অ্যালিস স্টোন ব্ল্যাকওয়েল]] || ৫৪০ || ✕
|-
| 35 || [[অ্যানা এলিজাবেথ ডিকিনসন]] || ৭৫১ || ✕
|-
| 36 || [[মেরি লিভারমোর]] || ২,৩০৭ || ✕
|-
| 37 || [[দাড়ি]] || ২৯৭ || ✓
|-
| 38 || [[স্যার হেনরি হোবার্ট, ১ম ব্যারোনেট]] || ৭৩৮ || ✓
|-
| 39 || [[হার্ডিঞ্জ স্ট্যানলি গিফার্ড, হালসবুরির ১ম আর্ল]] || ৪১৯ || ✓
|-
| 40 || [[এ. ভি. ডাইসি]] || ১,৩৮১ || ✕
|-
| 41 || [[আলফ্রেড ডেনিং, ব্যারন ডেনিং]] || ৩,৮৩২ || ✓
|-
| 42 || [[টমাস ডেনিসন]] || ৪০০ || ✓
|-
| 43 || [[স্যার ফ্রান্সিস বুলার, ১ম ব্যারোনেট]] || ৯৬২ || ✓
|-
| 44 || [[নিকোলাস ব্রাতজা]] || ২৬৪ || ✓
|-
| 45 || [[রবার্ট অ্যাটকিনস]] || ৩২৫ || ✓
|-
| 46 || [[রিচার্ড পেপার আর্ডেন, ১ম ব্যারন অ্যালভানলি]] || ৩৫১ || ✓
|-
| 47 || [[এডওয়ার্ড হল অল্ডারসন]] || ৪৪৬ || ✓
|-
| 48 || [[অ্যামব্রোজ বিয়ার্স]] || ৫,৫৪১ || ✕
|-
| 49 || [[মেওয়াত]] || ৭১৮ || ✓
|-
| 50 || [[নানাবতী-মেহতা কমিশন]] || ২,৪৪৪ || ✓
|-
| 51 || [[ভারতে ঔষধ শিল্প]] || ১,৯২১ || ✓
|-
| 52 || [[পাঞ্জাব]] || ১,৪০৬ || ✓
|-
| 53 || [[রামনবমী]] || ৮৬২ || ✓
|-
| 54 || [[ভারতের শহরসমূহের নাম পরিবর্তন]] || ৪৪১ || ✓
|-
| 55 || [[নুপুর শর্মা]] || ৬০১ || ✓
|-
| 56 || [[রিপাবলিক টিভি]] || ৪৫৫ || ✓
|-
| 57 || [[রোহিলখণ্ড]] || ৪৪০ || ✓
|-
| 58 || [[রোহিলা]] || ৩৪০ || ✓
|-
| 59 || [[সৌরাষ্ট্র]] || ৬৫৪ || ✓
|-
| 60 || [[ভারতে তিন তালাক]] || ১,১৩৪ || ✓
|-
| 61 || [[ভারতের পবিত্র উপবন]] || ৫৭৫ || ✓
|-
| 62 || [[অভিন্ন দেওয়ানি বিধি]] || ৩,৭৩৭ || ✓
|-
| 63 || [[নবনীত আদিত্য ওয়াইবা]] || ১৯২ || ✓
|-
| 64 || [[ভারতে জল সরবরাহ ও স্যানিটেশন]] || ৭৪০ || ✓
|-
| 65 || [[জমিদার]] || ৩৮১ || ✕
|-
| 66 || [[নিখিল ভারত মুসলিম লীগ]] || ২,৫৩৮ || ✓
|-
| 67 || [[ফতোয়া]] || ৪৮৪ || ✓
|-
| 68 || [[দারা শিকোহ]] || ১,৪৩৫ || ✓
|-
| 69 || [[আমেরিকা নিপাত যাক]] || ৬৩৯ || ✓
|-
| 70 || [[মহা শয়তান]] || ৪১৪ || ✓
|-
| 71 || [[উলামা]] || ৩৪৫ || ✓
|-
| 72 || [[দক্ষিণ এশিয়ায় মুসলিম জাতীয়তাবাদ]] || ১,৫১৬ || ✓
|-
| 73 || [[পার্সি-মুসলিম দাঙ্গা]] || ৬৫৬ || ✓
|-
| 74 || [[ভারতে দাঙ্গা]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 75 || [[ভারতে পেগাসাস প্রকল্পের উদঘাটন]] || ৩৯০ || ✓
|-
| 76 || [[নেহরুবাদ]] || ৯৫২ || ✓
|-
| 77 || [[২জি স্পেকট্রাম মামলা]] || ৯৩৭ || ✓
|-
| 78 || [[রাহুল গান্ধী]] || ৪,০০৪ || ✓
|-
| 79 || [[আকবরউদ্দিন ওয়াইসি]] || ২৯৮ || ✓
|-
| 80 || [[ভারতের সাধারণ নির্বাচন, ২০২৪]] || ২,৫৭৭ || ✓
|-
| 81 || [[ভারতে ধর্মনিরপেক্ষতা]] || ২৩৪ || ✓
|-
| 82 || [[নাইলা আলি খান]] || ২০৪ || ✓
|-
| 83 || [[অরুণ জেটলি]] || ৪৮১ || ✓
|-
| 84 || [[সুকেতু মেহতা]] || ৩৮২ || ✓
|-
| 85 || [[রুক্মিণী মৈত্র]] || ৩৫৪ || ✓
|-
| 86 || [[মানব গুপ্ত]] || ৬৩৪ || ✕
|-
| 87 || [[মোহিনী মোহন ধর]] || ৫৮৫ || ✓
|-
| 88 || [[দিলীপ কুমার চক্রবর্তী]] || ২,৫৯৭ || ✓
|-
| 89 || [[রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ৩৮৩ || ✓
|-
| 90 || [[পিটার অ্যাক্রয়েড]] || ২৯৭ || ✓
|-
| 91 || [[হ্যারল্ড ব্লুম]] || ৫৯৩ || ✓
|-
| 92 || [[জেমস বসওয়েল]] || ১,১৪৯ || ✓
|-
| 93 || [[অলিভার গোল্ডস্মিথ]] || ৩,১৭৮ || ✓
|-
| 94 || [[হেনরি জাইলস]] || ৭৯২ || ✓
|-
| 95 || [[এডউইন হাবেল চ্যাপিন]] || ৭৭০ || ✓
|-
| 96 || [[অবমাননা]] || ৭৮৮ || ✓
|-
| 97 || [[আদালত অবমাননা]] || ৮২৯ || ✓
|-
| 98 || [[আইনপ্রণেতা]] || ৭৪৩ || ✓
|-
| 99 || [[লেই বারডুগো]] || ১২২ || ✓
|-
| 100 || [[উইলিয়াম ব্রেট, ১ম ভিসকাউন্ট এশার]] || ১,০২০ || ✓
|-
| 101 || [[হেনরি হকিন্স, ১ম ব্যারন ব্র্যাম্পটন]] || ৩০৩ || ✓
|-
| 102 || [[জুনিয়াস]] || ১,৪১২ || ✓
|-
| 103 || [[উইলিয়াম মারে, ম্যানসফিল্ডের ১ম আর্ল]] || ৬৪৩ || ✓
|-
| 104 || [[জোসেফ ইয়েটস]] || ৬৬৬ || ✓
|-
| 105 || [[স্যার জন বেইলি, ১ম ব্যারোনেট]] || ৯১৮ || ✓
|-
| 106 || [[হেনরি বিকারস্টথ, ১ম ব্যারন ল্যাংডেল]] || ৪১৫ || ✓
|-
| 107 || [[এডওয়ার্ড ল, ১ম ব্যারন এলেনবরো]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 108 || [[লয়েড কেনিয়ন, ১ম ব্যারন কেনিয়ন]] || ৪,৪০৮ || ✓
|-
| 109 || [[জন হোল্ট]] || ১,১৮৯ || ✓
|-
| 110 || [[চার্লস বোয়েন, ব্যারন বোয়েন]] || ১,০৩৭ || ✓
|-
| 111 || [[চার্লস অ্যাবট, ১ম ব্যারন টেন্টারডেন]] || ৩৪১ || ✓
|-
| 112 || [[ন্যায়বিচার প্রশাসন]] || ২,৮৯৯ || ✓
|-
| 113 || [[আদালত]] || ১,৮১৮ || ✕
|-
| 114 || [[রোজান এ. ব্রাউন]] || ৩৪১ || ✓
|-
| 115 || [[মারিয়ন জিমার ব্র্যাডলি]] || ১,১০৪ || ✓
|-
| 116 || [[টেরি ব্রুকস]] || ৪৮৫ || ✓
|-
| 117 || [[লেই ব্র্যাকেট]] || ১,১১২ || ✓
|-
| 118 || [[জ্যাক ক্যাডি]] || ১,৫৬৮ || ✓
|-
| 119 || [[মেল ব্রুকস]] || ২,০১৬ || ✕
|-
| 120 || [[মাইকেল বিশপ]] || ৯৯০ || ✓
|-
| 121 || [[এলিজাবেথ বেয়ার]] || ৭০৫ || ✓
|-
| 122 || [[মার্গারেট বল]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 123 || [[পাওলো বাসিগালুপি]] || ৬৪৭ || ✓
|-
| 124 || [[কেলি আর্মস্ট্রং]] || ৫৮৫ || ✓
|-
| 125 || [[ক্যাথরিন আসরো]] || ৩৬১ || ✓
|-
| 126 || [[পিয়ার্স অ্যান্থনি]] || ২২৯ || ✓
|-
| 127 || [[রবার্ট আইকম্যান]] || ২৬৮ || ✓
|-
| 128 || [[আইনজীবী]] || ২,৩২৯ || ✓
|-
| 129 || [[আইনসভা]] || ২,৩৪৩ || ✓
|-
| 130 || [[জর্জ বুশনার]] || ৬৬২ || ✓
|-
| 131 || [[জোসেফ গার্নি ক্যানন]] || ৭০৯ || ✓
|-
| 132 || [[সংখ্যাগরিষ্ঠ]] || ১,৩৫৬ || ✓
|-
| 133 || [[সংখ্যালঘু গোষ্ঠী]] || ১,৮৮১ || ✓
|-
| 134 || [[প্রাতিষ্ঠানিক আচরণ]] || ৬৫৬ || ✓
|-
| 135 || [[মানব আচরণ]] || ৮৫২ || ✓
|-
| 136 || [[হার্ভে ম্যানসফিল্ড]] || ৯৭৯ || ✓
|-
| 137 || [[রাষ্ট্রবিজ্ঞান]] || ১,১৩৯ || ✓
|-
| 138 || [[রাজনৈতিক দর্শন]] || ১,২৮৫ || ✓
|-
| 139 || [[দ্বিজেন্দ্র নারায়ণ ঝা]] || ১,০৮৭ || ✓
|-
| 140 || [[আগ্রাসন]] || ৯২০ || ✓
|-
| 141 || [[হিন্দুত্ব]] || ২,৭০০ || ✓
|-
| 142 || [[ফ্লাভিয়া অ্যাগনেস]] || ৬৮২ || ✓
|-
| 143 || [[লাভ জিহাদ ষড়যন্ত্র তত্ত্ব]] || ৩,১৫০ || ✓
|-
| 144 || [[মহাত্মা গান্ধীর হত্যাকাণ্ড]] || ১,৭৭৮ || ✓
|-
| 145 || [[যোগিন্দর সিকান্দ]] || ৮১৪ || ✓
|-
| 146 || [[ভারতে মুসলিমদের বিরুদ্ধে সহিংসতা]] || ৮৫১ || ✓
|-
| 147 || [[জয় শ্রীরাম]] || ৭০৮ || ✓
|-
| 148 || [[লালকৃষ্ণ আডবাণী]] || ১,৫৫৫ || ✓
|-
| 149 || [[রাম রথযাত্রা]] || ১,৫৭৯ || ✓
|-
| 150 || [[হিন্দু আমেরিকান ফাউন্ডেশন]] || ১,৪৫৫ || ✓
|-
| 151 || [[হর্ষ মান্দার]] || ৬৬০ || ✓
|-
| 152 || [[স্বপন দাশগুপ্ত]] || ১,১৬৭ || ✓
|-
| 153 || [[জরাথুস্ট্রবাদ]] || ৩৭৭ || ✓
|-
| 154 || [[পার্সি]] || ৩৯০ || ✓
|-
| 155 || [[নাগরিকত্ব]] || ১,৮৭৯ || ✓
|-
| 156 || [[ভারতের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৭০]] || ৬৭৯ || ✓
|-
| 157 || [[মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯]] || ৭৬৯ || ✓
|-
| 158 || [[অবৈতনিক বাধ্যতামূলক শিশু শিক্ষার অধিকার আইন, ২০০৯]] || ৩৭৯ || ✓
|-
| 159 || [[বোম্বাই দাঙ্গা]] || ৭৭৬ || ✓
|-
| 160 || [[বজরং দল]] || ৩৩১ || ✓
|-
| 161 || [[সংসদীয় ব্যবস্থা]] || ৪০৫ || ✓
|-
| 162 || [[বিচার বিভাগীয় ব্যাখ্যা]] || ১,২৩২ || ✓
|-
| 163 || [[বর্ণবাদ পরবর্তী আমেরিকা]] || ১,০৬৯ || ✓
|-
| 164 || [[শ্বেতাঙ্গ বিশেষাধিকার]] || ৬২৮ || ✓
|-
| 165 || [[বিশেষাধিকার]] || ৭১২ || ✓
|-
| 166 || [[মানবহিতৈষণা]] || ২২৮ || ✓
|-
| 167 || [[ভারত সরকার]] || ১,২২০ || ✓
|-
| 168 || [[শিলং]] || ৯৭৩ || ✓
|-
| 169 || [[মাঝৌলি রাজ]] || ৫৬০ || ✓
|-
| 170 || [[কালিকট]] || ৪৫৪ || ✓
|-
| 171 || [[যাজপুর]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 172 || [[কালিবাঙ্গান]] || ৭৩৮ || ✓
|-
| 173 || [[কাডাপা]] || ৪১৩ || ✓
|-
| 174 || [[ইদার]] || ৫৮৬ || ✓
|-
| 175 || [[গোধরা]] || ১,০১০ || ✓
|-
| 176 || [[ভুবনেশ্বর]] || ১,১৬৫ || ✓
|-
| 177 || [[অমৃতসর]] || ৮৬৮ || ✓
|-
| 178 || [[আম্বালা]] || ৪৬১ || ✓
|-
| 179 || [[হায়দ্রাবাদ]] || ৩,২৪৮ || ✓
|-
| 180 || [[২০১৯ হায়দ্রাবাদ গণধর্ষণ]] || ১৭৭ || ✓
|-
| 181 || [[মুহাম্মাদ বখতিয়ার খলজি]] || ৪২৩ || ✕
|-
| 182 || [[হায়দ্রাবাদ অধিগ্রহণ]] || ৪৫৬ || ✓
|-
| 183 || [[১৮৯৯-১৯০০ সালের ভারতীয় দুর্ভিক্ষ]] || ৫৪১ || ✓
|-
| 184 || [[১৯৯০ হায়দ্রাবাদ দাঙ্গা]] || ৪০৬ || ✓
|-
| 185 || [[গুয়াহাটি]] || ১,৭৯৬ || ✓
|-
| 186 || [[গৌড়]] || ১,৯৩৬ || ✓
|-
| 187 || [[বিজাপুর]] || ৬৬২ || ✓
|-
| 188 || [[মাণ্ডু]] || ৩৯৪ || ✓
|-
| 189 || [[খাজুরাহো]] || ৩৭১ || ✓
|-
| 190 || [[চান্দেরী]] || ৫০৭ || ✓
|-
| 191 || [[জুনাগড়]] || ৭১৯ || ✓
|-
| 192 || [[বৃহৎ কচ্ছের রাণ]] || ৫৮৪ || ✓
|-
| 193 || [[আহমেদাবাদ]] || ১,৮১২ || ✓
|-
| 194 || [[কচ্ছ জেলা]] || ৩২৬ || ✓
|-
| 195 || [[দৃশদ্বতী নদী]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 196 || [[চেনাব নদী]] || ৩২১ || ✓
|-
| 197 || [[পশ্চিমবঙ্গে ধর্ম]] || ১,২৩২ || ✓
|-
| 198 || [[মুর্শিদাবাদ সহিংসতা]] || ২৫৭ || ✓
|-
| 199 || [[২০২৪ সন্দেশখালী সহিংসতা]] || ১,০৬১ || ✓
|-
| 200 || [[২০২২ বীরভূম সহিংসতা]] || ৫১৪ || ✓
|-
| 201 || [[মৈতৈ জাতি]] || ৬৪০ || ✓
|-
| 202 || [[মৈতৈ সভ্যতা]] || ৩৫০ || ✓
|-
| 203 || [[মণিপুর]] || ৩০৬ || ✓
|-
| 204 || [[লাক্ষাদ্বীপ]] || ৩২৯ || ✓
|-
| 205 || [[বৃন্দাবন]] || ৭৩৩ || ✓
|-
| 206 || [[সম্ভল]] || ২৪৩ || ✓
|-
| 207 || [[এলাহাবাদ]] || ৩৫৭ || ✓
|-
| 208 || [[আলিগড়]] || ৪০৯ || ✓
|-
| 209 || [[স্ট্যাচু অব ইউনিটি]] || ২৪১ || ✓
|-
| 210 || [[ভারতের দুর্গ]] || ৩১৪ || ✓
|-
| 211 || [[দ্য দুন স্কুল]] || ৬৬৪ || ✓
|-
| 212 || [[কাশী হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়]] || ৩৪৫ || ✓
|-
| 213 || [[আগ্রা]] || ৭১৮ || ✓
|-
| 214 || [[২০২০ দিল্লি দাঙ্গা]] || ১,১৭৮ || ✓
|-
| 215 || [[তিরুচিরাপল্লী]] || ৬২৬ || ✓
|-
| 216 || [[সেন্ট থমাস ক্যাথেড্রাল ব্যাসিলিকা, চেন্নাই]] || ৩৮০ || ✕
|-
| 217 || [[আতঙ্ক]] || ৪৭৮ || ✓
|-
| 218 || [[ভারতে দুর্নীতি]] || ১,০০৭ || ✓
|-
| 219 || [[তামিলনাড়ুর মন্দির]] || ৯১৮ || ✓
|-
| 220 || [[এম. কে. স্ট্যালিন]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 221 || [[তামিলনাড়ু]] || ৫৪৩ || ✓
|-
| 222 || [[তামিলনাড়ুর হিন্দি বিরোধী আন্দোলন]] || ৪৬৫ || ✓
|-
| 223 || [[যোধপুর]] || ৬২৮ || ✓
|-
| 224 || [[রাজস্থান]] || ২৯৪ || ✓
|-
| 225 || [[ওড়িশা]] || ৭৪৫ || ✓
|-
| 226 || [[১৯৯৮ কোয়েম্বাটুর বোমা হামলা]] || ৫৩৭ || ✓
|-
| 227 || [[উত্তর-পূর্ব ভারতে বিদ্রোহ]] || ৩৯৮ || ✓
|-
| 228 || [[মারাদ হত্যাকাণ্ড]] || ৩৫২ || ✓
|-
| 229 || [[মক্কা মসজিদ বিস্ফোরণ]] || ৫৮৪ || ✓
|-
| 230 || [[স্টুডেন্টস ইসলামিক মুভমেন্ট অব ইন্ডিয়া]] || ৩৫৭ || ✓
|-
| 231 || [[বিষ্ণু]] || ৬১৭ || ✓
|-
| 232 || [[২০২৪ রিয়াসি হামলা]] || ৩০২ || ✓
|-
| 233 || [[২০০৬ মালেগাঁও বোমা হামলা]] || ৩৯১ || ✓
|-
| 234 || [[২০০৬ মুম্বই রেলে বোমা হামলা]] || ১৯০ || ✓
|-
| 235 || [[মুম্বই]] || ১,২২৪ || ✓
|-
| 236 || [[দৌলতাবাদ, মহারাষ্ট্র]] || ৮৯৫ || ✕
|-
| 237 || [[মহারাষ্ট্র]] || ৪৯৯ || ✓
|-
| 238 || [[পিনারাই বিজয়ন]] || ৫২৩ || ✓
|-
| 239 || [[আরব দেশ]] || ৯১৪ || ✓
|-
| 240 || [[দক্ষিণ এশিয়া]] || ৫৯৩ || ✓
|-
| 241 || [[শহুরে অবক্ষয়]] || ৩০৮ || ✓
|-
| 242 || [[নগরায়ন]] || ১,০৯৭ || ✓
|-
| 243 || [[কেরল]] || ৩৬৫ || ✓
|-
| 244 || [[জম্মু ও কাশ্মীরে বিদ্রোহ]] || ৪১৮ || ✓
|-
| 245 || [[জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহার]] || ৯৬৪ || ✓
|-
| 246 || [[শ্রীনগর]] || ১,৭২৯ || ✓
|-
| 247 || [[কাশ্মীর উপত্যকা]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 248 || [[লাদাখ]] || ৬৯৪ || ✓
|-
| 249 || [[কাশ্মীরি জাতি]] || ৮১৩ || ✓
|-
| 250 || [[তারিখ-ই-কাশ্মীর]] || ৫১৪ || ✓
|-
| 251 || [[কর্ণাটক]] || ৬৮২ || ✓
|-
| 252 || [[কর্ণাটকের রাজনীতি]] || ৪৩৯ || ✓
|-
| 253 || [[বেঙ্গালুরু]] || ৬১৪ || ✓
|-
| 254 || [[আসামে ইসলাম]] || ৬৯০ || ✓
|-
| 255 || [[আসামের ইতিহাস]] || ৭২৬ || ✓
|-
| 256 || [[আসামে হিন্দুধর্ম]] || ৩২৫ || ✓
|-
| 257 || [[ভারতের জনমিতি]] || ৩,৩৭৩ || ✓
|-
| 258 || [[বাংলাদেশের জনমিতি]] || ১,১৯৫ || ✓
|-
| 259 || [[পাকিস্তানের জনমিতি]] || ৮৫০ || ✓
|-
| 260 || [[আসামের জনমিতি]] || ১৮২ || ✓
|-
| 261 || [[বিহার]] || ৪৫৮ || ✓
|-
| 262 || [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] || ১৮১ || ✓
|-
| 263 || [[শাহ বানু মামলা]] || ৮০০ || ✓
|-
| 264 || [[ইসরায়েল–ভারত সম্পর্ক]] || ৮৯৭ || ✓
|-
| 265 || [[প্রণব মুখোপাধ্যায়]] || ৫৯৫ || ✓
|-
| 266 || [[দ্রৌপদী মুর্মু]] || ২৪৯ || ✓
|-
| 267 || [[ফখরুদ্দিন আলি আহমেদ]] || ১,৬৪৭ || ✓
|-
| 268 || [[এলজিবিটিকিউ অধিকার বিরোধিতা]] || ২,০৪৯ || ✓
|-
| 269 || [[গেফোবিয়া]] || ২৭৮ || ✓
|-
| 270 || [[সমকামী যৌন চর্চা]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 271 || [[উভকামিতা]] || ১,৫৬০ || ✓
|-
| 272 || [[কামিং আউট]] || ৮০৫ || ✓
|-
| 273 || [[স্মৃতি ইরানি]] || ৯৯১ || ✓
|-
| 274 || [[মেনকা গান্ধী]] || ১,২৩০ || ✓
|-
| 275 || [[যশবন্ত সিং]] || ২০৬ || ✓
|-
| 276 || [[সৈয়দ শাহাবুদ্দিন]] || ৫৭৯ || ✓
|-
| 277 || [[শাকিল আহমদ]] || ১২৪ || ✓
|-
| 278 || [[তথাগত রায়]] || ২৭৫ || ✓
|-
| 279 || [[লালুপ্রসাদ যাদব]] || ১,১০৯ || ✓
|-
| 280 || [[আসাদউদ্দিন ওয়াইসি]] || ৫০২ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৮০
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,৫৮,০৩৩
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩,০১,৮৭২
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪৩,৮৩৯
|}
=== [[ব্যবহারকারী:SMontaha32| SMontaha32]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনী]] || ১৯,১০০ || ✕
|-
| 2 || [[ভাকলাভ হাভেল]] || ৯,৩৫৭ || ✓
|-
| 3 || [[নরউইচের জুলিয়ান]] || ৩১,৬৩৩ || ✓
|-
| 4 || [[রামসে ম্যাকডোনাল্ড]] || ৯,৬২২ || ✓
|-
| 5 || [[জন মুয়ির]] || ৮,০৬১ || ✓
|-
| 6 || [[মার্গারেট অ্যাটউড]] || ৬,৩২৮ || ✓
|-
| 7 || [[পেত্র ক্রাপোতকিন]] || ১০,৮১৬ || ✓
|-
| 8 || [[টমাস হেনরি হাক্সলি]] || ৮,৫০৩ || ✓
|-
| 9 || [[উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস]] || ৭,২১০ || ✓
|-
| 10 || [[উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস]] || ৪,২৬০ || ✓
|-
| 11 || [[তাওয়াক্কোল কারমান]] || ৪,০৯৭ || ✓
|-
| 12 || [[র্যাচেল কারসন]] || ৪,৭৬৭ || ✓
|-
| 13 || [[আর্নেস্ট হেমিংওয়ে]] || ১৪,৯০৭ || ✓
|-
| 14 || [[আর্থার এডিংটন]] || ৫,৬৩৭ || ✓
|-
| 15 || [[এরিক হবসবাউম]] || ৫,৮৭৩ || ✓
|-
| 16 || [[টনি মরিসন]] || ১০,৩৮৩ || ✓
|-
| 17 || [[টনি বেন]] || ১০,৩৯৯ || ✓
|-
| 18 || [[নরম্যান মেইলার]] || ৬,৬০৬ || ✓
|-
| 19 || [[পল স্যামুয়েলসন]] || ৬,৮৫১ || ✓
|-
| 20 || [[এইচ. পি. লাভক্র্যাফট]] || ২৫,৪৭২ || ✓
|-
| 21 || [[ব্লেজ পাসকাল]] || ৩,০৫১ || ✓
|-
| 22 || [[চিনুয়া আচেবে]] || ৬,০৪২ || ✓
|-
| 23 || [[ডরিস লেসিং]] || ৪,৬২১ || ✓
|-
| 24 || [[ফেদেরিকো ফাগিন]] || ৬০০ || ✓
|-
| 25 || [[আলেকজান্ডার গ্রোথেনডিক]] || ১,২১১ || ✓
|-
| 26 || [[আঙ্গেলা ম্যার্কেল]] || ২,০২৯ || ✓
|-
| 27 || [[আনাক্সাগোরাস]] || ৩,৬৭১ || ✓
|-
| 28 || [[আমোস তভারস্কি]] || ৪৬১ || ✓
|-
| 29 || [[আলফ্রেড মার্শাল]] || ১,৩০৯ || ✓
|-
| 30 || [[আলবার্টাস ম্যাগনাস]] || ৩৮২ || ✓
|-
| 31 || [[অনিতা ব্রুকনার]] || ৪৭৪ || ✓
|-
| 32 || [[আলফ্রেড কিনসে]] || ১,০৩৩ || ✓
|-
| 33 || [[অ্যালান কে]] || ৯২৪ || ✓
|-
| 34 || [[আলেকজান্ডার ফ্লেমিং]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 35 || [[ক্যারোলিন বার্তোজি]] || ৪১১ || ✓
|-
| 36 || [[আলফ্রেড রাসেল ওয়ালেস]] || ১,৬৫৯ || ✓
|-
| 37 || [[অঁতোয়ান লাভোয়াজিয়ে]] || ১,৪৬৩ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৩৭
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,১৮,৯৯২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,৩৯,৫৫৫
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২০,৫৬৩
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch| Oindrojalik Watch]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ভ্রান্ত উদ্ধৃতি]] || ৯,৮৭১ || ✓
|-
| 2 || [[২০১১ ফিফা মহিলা বিশ্বকাপ]] || ৯৬৩ || ✓
|-
| 3 || [[তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] || ৩,১৭৯ || ✓
|-
| 4 || [[আফগান যুদ্ধ]] || ৪,৬২০ || ✓
|-
| 5 || [[ইউক্রেনে রুশ আক্রমণ]] || ১২,৩৮২ || ✓
|-
| 6 || [[ইরাক যুদ্ধ]] || ১২,৩৪৪ || ✓
|-
| 7 || [[যুক্তরাজ্যের তৃতীয় জর্জ]] || ১২,০৪২ || ✓
|-
| 8 || [[২০১০ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৮৮৩ || ✓
|-
| 9 || [[২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৩,৫১৪ || ✓
|-
| 10 || [[২০০২ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৬১১ || ✓
|-
| 11 || [[ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ]] || ১,৫৪২ || ✓
|-
| 12 || [[স্নায়ুযুদ্ধ]] || ১৫,৬১০ || ✓
|-
| 13 || [[দ্বিতীয় স্নায়ুযুদ্ধ]] || ৪,৬৬৮ || ✓
|-
| 14 || [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] || ২৪,১৭৭ || ✓
|-
| 15 || [[মহত্ত্ব]] || ৭,৮১৪ || ✓
|-
| 16 || [[সাংবাদিকতা]] || ১৩,৪৭০ || ✓
|-
| 17 || [[প্যানডিজম]] || ১০,৩০০ || ✓
|-
| 18 || [[গাজা যুদ্ধ]] || ১৬,৯৮২ || ✓
|-
| 19 || [[২০২৬ ইরান যুদ্ধ]] || ৬,৯৫৯ || ✓
|-
| 20 || [[পারমাণবিক অস্ত্র]] || ৩,২৩৩ || ✓
|-
| 21 || [[২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৬৪৩ || ✓
|-
| 22 || [[ক্রুসেড]] || ৯৯৬ || ✓
|-
| 23 || [[অ্যানিমেশন]] || ৯,৪৫৭ || ✓
|-
| 24 || [[দক্ষিণ কোরিয়ার রাজনীতি]] || ৭৫৫ || ✓
|-
| 25 || [[ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ]] || ৩,৭৬২ || ✓
|-
| 26 || [[পারমাণবিক যুদ্ধ]] || ৫,৫২০ || ✓
|-
| 27 || [[আল খোয়ারিজমি]] || ১,২৩০ || ✓
|-
| 28 || [[ফজলে রাব্বী]] || ৬৩৫ || ✓
|-
| 29 || [[ডেভিড হিউম]] || ১১,৭৮০ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৯
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১,৯০,০৭১
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,৯৯,৯৪২
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023| Sumanta3023]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[লিওনিদ ক্যান্টোরোভিচ]] || ১,৪২২ || ✓
|-
| 2 || [[থিওডোসিয়াস ডবঝানস্কি]] || ৭৬০ || ✕
|-
| 3 || [[টেরেন্স টাও]] || ৭২০ || ✓
|-
| 4 || [[ফিলিপ]] || ৪২৬ || ✓
|-
| 5 || [[জুলিয়ান শুইঙার]] || ১,৩২২ || ✕
|-
| 6 || [[পিয়ের-জিল দ্য জেন]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 7 || [[ব্রায়ান কক্স]] || ৭৫৬ || ✓
|-
| 8 || [[জন ম্যাককার্থি]] || ১,০৪৫ || ✓
|-
| 9 || [[লুই দ্য ব্রোয়ি]] || ৪৬০ || ✓
|-
| 10 || [[ফ্রঁসোয়া মিতেরঁ]] || ১,১৯৪ || ✕
|-
| 11 || [[ফ্লিন্ডার্স পেট্রি]] || ১,২০৪ || ✕
|-
| 12 || [[পল আর. এহর্লিচ]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 13 || [[মাইকেল আতিয়াহ]] || ৪২৩ || ✓
|-
| 14 || [[মার্টন মিলার]] || ৪৮২ || ✓
|-
| 15 || [[মেরি বিয়ার্ড]] || ৯১১ || ✓
|-
| 16 || [[মার্গারেট চ্যান]] || ৭০৪ || ✓
|-
| 17 || [[গেরহার্ড শ্রোডার]] || ২৬৯ || ✓
|-
| 18 || [[ফিলিপ ওয়ারেন অ্যান্ডারসন]] || ৭৯৯ || ✓
|-
| 19 || [[পিটার হিগস]] || ৪৭৪ || ✕
|-
| 20 || [[লিওনার্ড সাসকিন্ড]] || ৮২৫ || ✓
|-
| 21 || [[জন মেইনার্ড স্মিথ]] || ৬৪০ || ✓
|-
| 22 || [[জন জেমস অডুবন]] || ৮৩৭ || ✓
|-
| 23 || [[শেলডন লি গ্ল্যাশো]] || ৭৫১ || ✓
|-
| 24 || [[ভিক্টর উইসকফ]] || ৫১৯ || ✓
|-
| 25 || [[মার্টিন রিস]] || ৫৫১ || ✓
|-
| 26 || [[মার্ক ওলিফ্যান্ট]] || ৫৫৩ || ✓
|-
| 27 || [[ভিতালি গিঞ্জবার্গ]] || ৩০৮ || ✓
|-
| 28 || [[স্যালি রাইড]] || ৪২৫ || ✓
|-
| 29 || [[রবার্ট ফোগেল]] || ৪২৮ || ✓
|-
| 30 || [[রিঙ্গো স্টার]] || ৮৭০ || ✓
|-
| 31 || [[মাক্স ডেলব্রুক]] || ৫৭৫ || ✓
|-
| 32 || [[তৃতীয় লেওপোল্ড]] || ৮৩৭ || ✓
|-
| 33 || [[নরম্যান বোরল্যাগ]] || ৭০০ || ✓
|-
| 34 || [[নিকলাউস ভির্ট]] || ৪৭৯ || ✓
|-
| 35 || [[নিকোলাস স্টেনো]] || ২৯২ || ✓
|-
| 36 || [[নেভিল ফ্রান্সিস মট]] || ৫১১ || ✓
|-
| 37 || [[লুডউইক ফ্লেক]] || ৫১২ || ✓
|-
| 38 || [[কারেন উলেনবেক]] || ৩৯২ || ✓
|-
| 39 || [[ইয়োসেফ মেংগেলে]] || ৫৪৪ || ✓
|-
| 40 || [[কিরণ দেশাই]] || ২৬১ || ✓
|-
| 41 || [[কাতালিন কারিকো]] || ৩০৯ || ✓
|-
| 42 || [[ইয়োন্স ইয়াকব বের্সেলিয়ুস]] || ৫১৬ || ✓
|-
| 43 || [[হুয়ান মালদাসেনা]] || ৭৩২ || ✓
|-
| 44 || [[হাইনরিখ বোল]] || ৩০০ || ✓
|-
| 45 || [[ইনগ্রিড ডোবিচি]] || ৬৭১ || ✓
|-
| 46 || [[ইয়ান উইলমুট]] || ৪২৭ || ✓
|-
| 47 || [[হিউ এভারেট]] || ৬০০ || ✓
|-
| 48 || [[ফ্রঁসোয়া অংল্যার]] || ৫৩৩ || ✓
|-
| 49 || [[এমানুয়েল সোয়েডেনবার্গ]] || ১,৫২২ || ✓
|-
| 50 || [[এলিজাবেথ বিশপ]] || ৬৫২ || ✓
|-
| 51 || [[শেখ আন্তা দিওপ]] || ৩৩৫ || ✓
|-
| 52 || [[জর্জ গ্যামো]] || ১,৫২১ || ✓
|-
| 53 || [[হাইনরিখ হের্ত্স]] || ১,৭৪৪ || ✓
|-
| 54 || [[গ্রো হারলেম ব্রুন্ডটল্যান্ড]] || ৩১১ || ✓
|-
| 55 || [[জন সি. মাদার]] || ৪২৫ || ✓
|-
| 56 || [[জন ব্যাকাস]] || ৫৯৭ || ✓
|-
| 57 || [[এর্নস্ট মায়ার]] || ৭৫৪ || ✓
|-
| 58 || [[লিন মার্গুলিস]] || ১,৭১৮ || ✓
|-
| 59 || [[হ্যান্স বেটে]] || ৩৯৬ || ✓
|-
| 60 || [[লুই আগাসিজ]] || ৯৩৭ || ✓
|-
| 61 || [[জর্জ ক্যুভিয়ে]] || ৭৬৮ || ✓
|-
| 62 || [[ব্রাসেলস]] || ৯৬৭ || ✓
|-
| 63 || [[ড্যানিয়েল কানেমান]] || ২,৯৫৭ || ✕
|-
| 64 || [[ডোনাল্ড কানুথ]] || ১,৫৮২ || ✓
|-
| 65 || [[লেমাহ গবোউই]] || ১,১৫০ || ✓
|-
| 66 || [[গারট্রুড বি. এলিয়ন]] || ২৩৪ || ✓
|-
| 67 || [[ডোনা স্ট্রিকল্যান্ড]] || ৩৫৯ || ✓
|-
| 68 || [[এর্নস্ট মাখ]] || ২,০২৮ || ✕
|-
| 69 || [[ডোনাল্ড টাস্ক]] || ১,৭৭১ || ✓
|-
| 70 || [[অরবিন্দ আদিগা]] || ৮৬৬ || ✓
|-
| 71 || [[সি. এ. আর. হোর]] || ১,০৬১ || ✕
|-
| 72 || [[পল ডিরাক]] || ৪,৭০৯ || ✕
|-
| 73 || [[ই. ও. উইলসন]] || ৪,৪৫৮ || ✕
|-
| 74 || [[ডেসমন্ড মরিস]] || ৩,৯৮৬ || ✓
|-
| 75 || [[মাইকেল গোভ]] || ৩,৭৩৬ || ✓
|-
| 76 || [[হার্পার লি]] || ২,৪৯১ || ✓
|-
| 77 || [[কেন টম্পসন]] || ১,৮১৬ || ✓
|-
| 78 || [[জন টিন্ডাল]] || ২,৫২৮ || ✓
|-
| 79 || [[মেরি রবিনসন]] || ১,৩৭৬ || ✓
|-
| 80 || [[হেনরি ক্যাভেন্ডিশ]] || ২,২৪৪ || ✓
|-
| 81 || [[আইরিস মারডক]] || ১,২৬৮ || ✓
|-
| 82 || [[আর্নেস্ট রাদারফোর্ড]] || ২,৪৫৩ || ✓
|-
| 83 || [[ফ্রেড ব্রুকস]] || ১,১৯১ || ✓
|-
| 84 || [[ক্রিস্টিয়ান হাইগেনস]] || ১,৯০৭ || ✓
|-
| 85 || [[ডায়ান ফসি]] || ১,৬৪৬ || ✕
|-
| 86 || [[ইডিথ হোয়ার্টন]] || ১,৪২৫ || ✓
|-
| 87 || [[অরেল স্টেইন]] || ১,৪৭৮ || ✕
|-
| 88 || [[গাব্রিয়েলা মিস্ত্রাল]] || ১,৬৫০ || ✓
|-
| 89 || [[আলেকজান্ডার ফন হুমবোল্ট]] || ১,১২০ || ✓
|-
| 90 || [[ফ্রান্সিস্কো ভারেলা]] || ১,৮৯৩ || ✓
|-
| 91 || [[ডেনিস রিচি]] || ১,১০৮ || ✓
|-
| 92 || [[অড্রে হেপবার্ন]] || ১,৪৩৫ || ✓
|-
| 93 || [[জি. এইচ. হার্ডি]] || ২,৩৩০ || ✓
|-
| 94 || [[হ্যারল্ড পিন্টার]] || ২,০৭২ || ✓
|-
| 95 || [[অ্যানাক্সিম্যান্ডার]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 96 || [[ডেভিড ব্রুস্টার]] || ২,৪০৪ || ✓
|-
| 97 || [[ব্রায়ান গ্রিন]] || ১,২৭৯ || ✕
|-
| 98 || [[অমিত গোস্বামী]] || ৯১৫ || ✓
|-
| 99 || [[এডমন্ড হ্যালি]] || ২,৬১৯ || ✓
|-
| 100 || [[ডেভিড সুজুকি]] || ১,৫১৭ || ✓
|-
| 101 || [[ডেভিড জোনাথন গ্রোস]] || ৮০৯ || ✓
|-
| 102 || [[ডেভিড ম্যামেট]] || ১,২৫২ || ✓
|-
| 103 || [[আহমেদ জেওয়াইল]] || ১৯২ || ✓
|-
| 104 || [[ইউরোপীয় পার্লামেন্ট]] || ৬১৫ || ✓
|-
| 105 || [[ডেভিড গ্রসম্যান]] || ৩৩৬ || ✓
|-
| 106 || [[হরিশ-চন্দ্র]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 107 || [[অনিতা দেসাই]] || ১,৪৩৯ || ✓
|-
| 108 || [[অ্যাশ কার্টার]] || ৪৬৩ || ✓
|-
| 109 || [[আলফ্রেড নোবেল]] || ৫০৯ || ✕
|-
| 110 || [[ক্রিস্টিয়ান বার্নার্ড]] || ৬৩৯ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১১০
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৯৭,৪২১
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,২২,৫০০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২৫,০৭৯
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Anik Kanti Dey| Anik Kanti Dey]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[রেজা পাহলভি]] || ৯,৯১০ || ✓
|-
| 2 || [[রজার ইবার্ট]] || ২১,৩২৫ || ✓
|-
| 3 || [[পুনর্জন্ম]] || ২০,২৪৮ || ✓
|-
| 4 || [[জ্যারেড ডায়মন্ড]] || ১,১৬৮ || ✕
|-
| 5 || [[জেন গুডাল]] || ১,৩৫৭ || ✓
|-
| 6 || [[জেমস টোবিন]] || ১,০৫৯ || ✓
|-
| 7 || [[জেমস ক্যালাহান]] || ১,৬১৫ || ✓
|-
| 8 || [[উইলিয়াম স্ট্যানলি জেভন্স]] || ১,৭০১ || ✓
|-
| 9 || [[উইলিয়াম থমসন]] || ১,০৫১ || ✓
|-
| 10 || [[ওলে সোয়িংকা]] || ৩,১৬১ || ✕
|-
| 11 || [[জোসেফ স্টিগলিটজ]] || ১,৫০৪ || ✕
|-
| 12 || [[গ্রেগর মেন্ডেল]] || ৮৭৪ || ✓
|-
| 13 || [[গটফ্রিড ভিলহেল্ম লাইবনিৎস]] || ১,২৩৬ || ✓
|-
| 14 || [[গ্লেন থিওডোর সিবর্গ]] || ৯৮৪ || ✓
|-
| 15 || [[হেরমান ভাইল]] || ১,৫৪১ || ✓
|-
| 16 || [[হেরমান হেস]] || ৪,৫৬৫ || ✓
|-
| 17 || [[হার্বার্ট স্পেন্সার]] || ২,৩৬৮ || ✓
|-
| 18 || [[হার্বার্ট এ. সাইমন]] || ১,৩৩৭ || ✓
|-
| 19 || [[হেরাক্লিটাস]] || ১,৫৭০ || ✓
|-
| 20 || [[হেনরিক শিয়েনকিয়েভিচ]] || ১,৯১১ || ✕
|-
| 21 || [[উইলা ক্যাথার]] || ৩,০৩৩ || ✕
|-
| 22 || [[উইল ডুরান্ট]] || ২,৮১৫ || ✓
|-
| 23 || [[ডব্লিউ. এইচ. অডেন]] || ২,৮১৯ || ✓
|-
| 24 || [[ভোলফগাং পাউলি]] || ১,৬৩৯ || ✓
|-
| 25 || [[ইয়াসুনারি কাওয়াবাতা]] || ২,২৫৮ || ✓
|-
| 26 || [[জন আর্চিবল্ড হুইলার]] || ১,১৩৯ || ✓
|-
| 27 || [[সেমুর হার্শ]] || ১,৭৬১ || ✓
|-
| 28 || [[সের্গেই কোরোলিয়ভ]] || ৫৬৫ || ✓
|-
| 29 || [[জেন অ্যাডামস]] || ১,৯০৬ || ✓
|-
| 30 || [[জাক-ইভ কুস্তো]] || ৬৬৩ || ✓
|-
| 31 || [[হিদেকি ইউকাওয়া]] || ৪০৩ || ✓
|-
| 32 || [[প্রিমো লেভি]] || ৪,২৩৮ || ✓
|-
| 33 || [[ঝুম্পা লাহিড়ী]] || ৪৩০ || ✓
|-
| 34 || [[জেমস প্রেসকট জুল]] || ৪৮৭ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৩৪
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৯৩,৮৬৪
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,০৪,৬৪১
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১০,৭৭৭
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman| Tanbiruzzaman]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা]] || ৪,৮৫১ || ✓
|-
| 2 || [[সংবাদ মাধ্যম]] || ১,১৫৫ || ✓
|-
| 3 || [[গণমাধ্যম]] || ৩,৩৫৭ || ✓
|-
| 4 || [[মূলধারার গণমাধ্যম]] || ১,০৫২ || ✓
|-
| 5 || [[হলুদ সাংবাদিকতা]] || ২,২৯৬ || ✓
|-
| 6 || [[ভুয়া সংবাদ]] || ১,৪০৮ || ✓
|-
| 7 || [[বিকল্প প্রচারমাধ্যম]] || ১,২০৫ || ✓
|-
| 8 || [[জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ]] || ১১,২৬৬ || ✓
|-
| 9 || [[অ্যানোনিমাস]] || ৪,০৪৩ || ✓
|-
| 10 || [[টুপাক শাকুর]] || ৬,২৮৭ || ✓
|-
| 11 || [[জেনডেয়া]] || ২,০১৪ || ✓
|-
| 12 || [[টিমথি শালামে]] || ১,১২৭ || ✓
|-
| 13 || [[হিপোক্রেটিস]] || ২,৯২৩ || ✓
|-
| 14 || [[ষষ্ঠ মুহাম্মদ]] || ৮৭৮ || ✓
|-
| 15 || [[জন লেনক্স]] || ৭০২ || ✓
|-
| 16 || [[আলেক্সান্দ্র্ সলজেনিৎসিন]] || ৮,০৫৬ || ✓
|-
| 17 || [[আবদুল হান্নান মাসউদ]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 18 || [[পরকাল সম্পর্কে কুরআন]] || ১৮,৭৯৪ || ✓
|-
| 19 || [[মানবতাবিরোধী অপরাধ]] || ১,৯১২ || ✓
|-
| 20 || [[আন্তর্জাতিক আইন]] || ৫,৫৩৯ || ✓
|-
| 21 || [[মোহাম্মদ জাওয়াদ জারিফ]] || ১,৪৫২ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৮০,৭২৪
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৮০,৭২৪
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Nil Nandy| Nil Nandy]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[অনিল ভৌমিক]] || ২১৬ || ✓
|-
| 2 || [[মনোজ মিত্র]] || ৫,৫৬৭ || ✓
|-
| 3 || [[নারায়ণ সান্যাল]] || ৩৬৬ || ✓
|-
| 4 || [[মতি নন্দী]] || ৫,০১৮ || ✓
|-
| 5 || [[দেবেশ রায়]] || ৯,২৪৪ || ✓
|-
| 6 || [[শিশিরকুমার বসু]] || ৪,৮০৭ || ✓
|-
| 7 || [[বিমল কর]] || ১,৩৬৯ || ✓
|-
| 8 || [[সুবোধ সরকার]] || ১,৮৪৮ || ✓
|-
| 9 || [[স্মরণজিৎ চক্রবর্তী]] || ৭৯২ || ✓
|-
| 10 || [[স্বামী সারদানন্দ]] || ৮,৬৯৫ || ✓
|-
| 11 || [[শক্তিপদ রাজগুরু]] || ৯৯৩ || ✓
|-
| 12 || [[কমলকুমার মজুমদার]] || ১,৫৭৩ || ✓
|-
| 13 || [[গৌতম ভদ্র]] || ৬৮৫ || ✓
|-
| 14 || [[পরিমল গোস্বামী]] || ৬,৫৫০ || ✓
|-
| 15 || [[প্রেমাঙ্কুর আতর্থী]] || ৫,৬৯৮ || ✓
|-
| 16 || [[কালীপ্রসন্ন সিংহ]] || ৫,৪০৪ || ✓
|-
| 17 || [[অখিল নিয়োগী]] || ৬৩৬ || ✓
|-
| 18 || [[হরপ্রসাদ শাস্ত্রী]] || ৫১৩ || ✓
|-
| 19 || [[গায়ত্রী চক্রবর্তী স্পিভাক]] || ৫৯২ || ✓
|-
| 20 || [[অজিত দত্ত]] || ৮৭০ || ✓
|-
| 21 || [[অজিতকৃষ্ণ বসু]] || ২,৩৮৬ || ✓
|-
| 22 || [[এম এস স্বামীনাথন]] || ৮৭২ || ✓
|-
| 23 || [[চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন]] || ২,১৭১ || ✓
|-
| 24 || [[চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও]] || ২,১৬৭ || ✓
|-
| 25 || [[কণাদ]] || ৯১৯ || ✓
|-
| 26 || [[জয়ন্ত বিষ্ণু নারলিকর]] || ৩,১৮৭ || ✓
|-
| 27 || [[বিক্রম সারাভাই]] || ১,১২৯ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৭
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৭৪,২৬৭
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৭৪,২৬৭
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:R1F4T| R1F4T]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আর্নেস্ট কিং]] || ১৫,৭৬৯ || ✕
|-
| 2 || [[ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট]] || ২৬,২১৫ || ✓
|-
| 3 || [[আনোয়ার ইব্রাহিম]] || ৬,৯৯৩ || ✓
|-
| 4 || [[ইসলাম ও যুদ্ধ]] || ৫,৬৮১ || ✓
|-
| 5 || [[আহমদ সিরহিন্দি]] || ৪,০৭০ || ✓
|-
| 6 || [[মুসা সেরান্তোনিও]] || ৪২৩ || ✓
|-
| 7 || [[ইয়াকুব]] || ১,৯৫৬ || ✓
|-
| 8 || [[আদ্রিয়ান গোল্ডসওয়ার্দি]] || ১,৯৭৯ || ✕
|-
| 9 || [[অ্যালিস পল]] || ১,৮৬২ || ✕
|-
| 10 || [[অ্যামি ট্যান]] || ২,০০৭ || ✕
|-
| 11 || [[অ্যান্ড্রু সেগা]] || ১,৯৬৯ || ✓
|-
| 12 || [[আল্যাঁ বাদিউ]] || ১,৯৬৬ || ✕
|-
| 13 || [[আফ্রিকান স্পির]] || ১,৭২২ || ✕
|-
| 14 || [[ফ্রেডরিক ডগলাস]] || ৮৬২ || ✕
|-
| 15 || [[নবী]] || ২,০৬২ || ✕
|-
| 16 || [[এমা গোল্ডম্যান]] || ১২,৮০০ || ✕
|-
| 17 || [[প্রেম সম্পর্কে ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি]] || ১৫,০৪০ || ✓
|-
| 18 || [[মিস্ট্রি সায়েন্স থিয়েটার ৩০০০]] || ৯৪,৯৬৮ || ✕
|-
| 19 || [[দ্য থিক অফ ইট]] || ৬৯,২৮৩ || ✕
|-
| 20 || [[অ্যালেক্স হেইলি]] || ১,৬০৪ || ✓
|-
| 21 || [[দাসত্ব সম্পর্কে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি]] || ৫,৭৮৫ || ✕
|-
| 22 || [[দাসত্ব]] || ১০,২৫৯ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২২
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৬৩,৯৫১
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,৮৫,২৭৫
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২,২১,৩২৪
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Salil Kumar Mukherjee| Salil Kumar Mukherjee]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[যন্ত্র]] || ৭১৩ || ✓
|-
| 2 || [[বিচারক]] || ৯৫২ || ✓
|-
| 3 || [[রুটি]] || ১,০৯৭ || ✓
|-
| 4 || [[খড়]] || ৯৩২ || ✓
|-
| 5 || [[মন্মথমোহন বসু]] || ৯৬৩ || ✕
|-
| 6 || [[কালীপ্রসন্ন বিদ্যারত্ন]] || ৮২৫ || ✓
|-
| 7 || [[কলসী]] || ১,০৮৬ || ✓
|-
| 8 || [[চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ১,১৫৭ || ✓
|-
| 9 || [[শহর]] || ১,৪৫৮ || ✕
|-
| 10 || [[ঘাস]] || ২,১১২ || ✓
|-
| 11 || [[জলধর সেন]] || ১,৭৬৪ || ✓
|-
| 12 || [[ঠিকানা]] || ১,১৮৭ || ✓
|-
| 13 || [[গন্ধ]] || ১,৮০৭ || ✓
|-
| 14 || [[চা]] || ২,৪২৪ || ✓
|-
| 15 || [[রবীন্দ্রনাথ মৈত্র]] || ১,২৮১ || ✓
|-
| 16 || [[দিগন্ত]] || ১,২২৮ || ✓
|-
| 17 || [[ময়ূর]] || ১,৩৪৫ || ✓
|-
| 18 || [[করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ৯১১ || ✓
|-
| 19 || [[ঢেউ]] || ১,৫৩৯ || ✓
|-
| 20 || [[ছাতা]] || ১,১৮৯ || ✓
|-
| 21 || [[উমাকান্ত হাজারী]] || ৯৪২ || ✓
|-
| 22 || [[ঘৃণা]] || ২,৩৩৯ || ✓
|-
| 23 || [[বাঁশ]] || ২,৪৫৯ || ✕
|-
| 24 || [[কলেরা]] || ১,৬৩৮ || ✓
|-
| 25 || [[মাঠ]] || ২,৪৪৭ || ✓
|-
| 26 || [[টিন]] || ১,৯৩২ || ✕
|-
| 27 || [[সংবাদ]] || ৪,৪৭৯ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৭
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৩০,৯১৫
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪২,২০৬
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১১,২৯১
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul| Anaf Ibn Shahibul]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[জন বারবার]] || ৫৭৪ || ✕
|-
| 2 || [[স্কটিশ জাতি]] || ৩৭৫ || ✓
|-
| 3 || [[ওয়েন্ডি বোম্যান]] || ১৫১ || ✕
|-
| 4 || [[যুদ্ধাপরাধ]] || ৪,৬৭৯ || ✕
|-
| 5 || [[রুবি]] || ৩৬৩ || ✓
|-
| 6 || [[রিতা এনজেলু]] || ১৫৯ || ✓
|-
| 7 || [[বমি]] || ২০৪ || ✓
|-
| 8 || [[পার্ল]] || ৬৯০ || ✕
|-
| 9 || [[পাইথন]] || ১৩৯ || ✓
|-
| 10 || [[উইকিলিকস]] || ১,৬৩১ || ✕
|-
| 11 || [[জনস্টন ম্যাককালি]] || ৩১১ || ✕
|-
| 12 || [[যুগোস্লাভিয়া]] || ৪,১৩৬ || ✓
|-
| 13 || [[অংশুমান কর]] || ২০৯ || ✓
|-
| 14 || [[কেমব্রিজ গান]] || ৩০৫ || ✕
|-
| 15 || [[হেলেনীয় শিক্ষা]] || ৫০২ || ✓
|-
| 16 || [[টমাস হলি চিভার্স]] || ২৩৫ || ✓
|-
| 17 || [[মুহাম্মদ মাহদি আল-জাওয়াহিরি]] || ৬৩৮ || ✓
|-
| 18 || [[জেডি স্মিথ]] || ১,০৮০ || ✓
|-
| 19 || [[ব্রায়ান পি. শ্মিট]] || ৪৬০ || ✓
|-
| 20 || [[কার্ল বার্নস্টিন]] || ৩৬৮ || ✓
|-
| 21 || [[চার্লস ফেফারম্যান]] || ৩৩৯ || ✓
|-
| 22 || [[ইয়ুস্টুস ফন লিবিগ]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 23 || [[টমাস শেলিংস]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 24 || [[উইলিয়াম শকলি]] || ৩৯১ || ✓
|-
| 25 || [[শিং-শেন চের্ন]] || ৭৬৫ || ✕
|-
| 26 || [[হুগো দ্য ভ্রিস]] || ৩৪৪ || ✓
|-
| 27 || [[রবার্ট অ্যান্ড্রুজ মিলিকান]] || ৪৩৬ || ✓
|-
| 28 || [[জেমস ভ্যান অ্যালেন]] || ৫৯৬ || ✓
|-
| 29 || [[জাক শিরাক]] || ৭১১ || ✓
|-
| 30 || [[ডরোথি হজকিন]] || ২৯৪ || ✓
|-
| 31 || [[গোরান পারসন]] || ৩২৬ || ✓
|-
| 32 || [[জেরার দ্যব্রু]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 33 || [[কোরীয় যুদ্ধ]] || ৯,৯৬৫ || ✕
|-
| 34 || [[রবার্ট জে. শিলার]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 35 || [[ফ্রঁসোয়া আরাগন]] || ৪৩৫ || ✓
|-
| 36 || [[অখিলচন্দ্র দত্ত]] || ৩৭৩ || ✕
|-
| 37 || [[ফ্রান্সিস কলিন্স]] || ৫৮৮ || ✓
|-
| 38 || [[হেলেন ক্লার্ক]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 39 || [[লেয়োঁ ফুকো]] || ৫৩২ || ✓
|-
| 40 || [[জন চার্লস পোলানি]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 41 || [[জন মেইনার্ড কেইনস]] || ১৭,৭৯১ || ✕
|-
| 42 || [[দিমিত্রি মুরাতভ]] || ৬৩৬ || ✓
|-
| 43 || [[আবদুস সালাম]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 44 || [[আবদুলরাজাক গুরনাহ]] || ৭৪৯ || ✓
|-
| 45 || [[এ. সি. বেনসন]] || ৩৮৩ || ✓
|-
| 46 || [[প্রথম আলবার্ট]] || ৮৬৪ || ✓
|-
| 47 || [[অম্লান দত্ত]] || ১৪৬ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৪৭
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১৯,৩৪৬
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৫৬,৫৮১
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৩৭,২৩৫
|}
=== [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন| মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ইয়ান মার্টেল]] || ১,১৩৩ || ✕
|-
| 2 || [[ইয়োইচিরো নাম্বু]] || ৪৩১ || ✕
|-
| 3 || [[সৈয়দ জামিল আহমেদ]] || ২০৩ || ✓
|-
| 4 || [[পূর্ণিমা]] || ১৯২ || ✓
|-
| 5 || [[শরিফুল রাজ]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 6 || [[কাজী হায়াৎ]] || ২৭৪ || ✓
|-
| 7 || [[আরেফিন রুমি]] || ১৬২ || ✓
|-
| 8 || [[ইমাম নাসাই]] || ৬৯৭ || ✕
|-
| 9 || [[কবরী]] || ২৭১ || ✓
|-
| 10 || [[হাফিজ উদ্দিন আহমদ]] || ২৩৬ || ✓
|-
| 11 || [[আ ন ম এহসানুল হক মিলন]] || ৩৪০ || ✓
|-
| 12 || [[আন্দালিব রহমান পার্থ]] || ২৯৭ || ✓
|-
| 13 || [[ববি হাজ্জাজ]] || ২৫৩ || ✓
|-
| 14 || [[ইবনে মাজাহ]] || ৩৩৬ || ✓
|-
| 15 || [[হাবিব ওয়াহিদ]] || ২৬৪ || ✓
|-
| 16 || [[জাইমা রহমান]] || ২১২ || ✓
|-
| 17 || [[কনকচাঁপা]] || ২২৮ || ✓
|-
| 18 || [[আহসান হাবীব]] || ২১৯ || ✓
|-
| 19 || [[বেলাল খান]] || ২১৯ || ✓
|-
| 20 || [[নচিকেতা চক্রবর্তী]] || ২৮৯ || ✓
|-
| 21 || [[আ ফ ম খালিদ হোসেন]] || ২৪৮ || ✓
|-
| 22 || [[আলমগীর]] || ৪০৬ || ✓
|-
| 23 || [[সালাহউদ্দিন আহমেদ]] || ৪৫৯ || ✓
|-
| 24 || [[চোং নানশান]] || ১৭৮ || ✓
|-
| 25 || [[এ. সি. ব্র্যাডলি]] || ৩৯০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৫
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৫,৪৭২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৮,১২৩
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২,৬৫১
|}
=== [[ব্যবহারকারী:JIBON| JIBON]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আলবার্ট হফমান]] || ৩,৪৪৪ || ✓
|-
| 2 || [[অ্যালান পারলিস]] || ৯২৮ || ✓
|-
| 3 || [[হেইনরিখ রোরার]] || ৩৬০ || ✓
|-
| 4 || [[আলফ্রেড আহো]] || ১৪৪ || ✕
|-
| 5 || [[উ থান্ট]] || ৬৭৮ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৫
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৪,৭৩২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৫,৫৫৪
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৮২২
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Md. Muqtadir Fuad| Md. Muqtadir Fuad]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[লোরঁ শোয়ার্তজ]] || ৬১০ || ✓
|-
| 2 || [[উইলিয়াম শার্প]] || ৩৯৯ || ✓
|-
| 3 || [[পাউল এরেনফেস্ট]] || ৪৩৩ || ✓
|-
| 4 || [[রবার্ট মান্ডেল]] || ৩২২ || ✓
|-
| 5 || [[হান কাং]] || ৬৬৬ || ✓
|-
| 6 || [[ক্রিপটিক ফেইট]] || ১৭৬ || ✓
|-
| 7 || [[কাকাবাবু]] || ২৫৮ || ✓
|-
| 8 || [[ক্যারি মুলিস]] || ৪০৩ || ✓
|-
| 9 || [[টোমাস ট্রান্সট্রোমার]] || ২৯৯ || ✓
|-
| 10 || [[ইরিনা বোকোভা]] || ২৬৮ || ✓
|-
| 11 || [[মার্টিনুস ভেল্টম্যান]] || ১৯৫ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৪,০২৯
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪,০২৯
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Humaira.thithi| Humaira.thithi]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ড্যামন গ্যালগুট]] || ৪৮২ || ✓
|-
| 2 || [[আর্থার কর্নবার্গ]] || ১৭৭ || ✕
|-
| 3 || [[বেন ওক্রি]] || ৮৫৮ || ✓
|-
| 4 || [[সল বেলো]] || ১,০০৩ || ✓
|-
| 5 || [[সল পার্লমাটার]] || ৩১১ || ✕
|-
| 6 || [[সিমেওঁ দ্যনি পোয়াসোঁ]] || ১৬০ || ✓
|-
| 7 || [[স্টিভ আরউইন]] || ৪৩৫ || ✕
|-
| 8 || [[আনি এরনো]] || ২৮৪ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৮
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,৭৮৭
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩,৭১০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৯২৩
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Amirhusenjihed| Amirhusenjihed]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ফজল শাহাবুদ্দীন]] || ৪৯৫ || ✕
|-
| 2 || [[আল-জাহিজ]] || ৭৩৩ || ✓
|-
| 3 || [[আল-বিরুনি]] || ১,৮৩৬ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৩
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,৫৬৯
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩,০৬৪
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪৯৫
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Asikur Rahman| Asikur Rahman]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[থমাস হ্যারিয়ট]] || ৪৩২ || ✓
|-
| 2 || [[স্টিভেন চু]] || ২২০ || ✓
|-
| 3 || [[ইভাঞ্জেলিস্টা টরিসেলি]] || ৩৭২ || ✓
|-
| 4 || [[লেসলি ল্যামপোর্ট]] || ৫৫০ || ✓
|-
| 5 || [[মার্টিন লুইস পার্ল]] || ৩৮৮ || ✓
|-
| 6 || [[ভ্লাদিমির মার্কভনিকভ]] || ২৬৭ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৬
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,২২৯
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,২২৯
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Rasel Mehedi| Rasel Mehedi]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[বাপ্পী লাহিড়ী]] || ২৫২ || ✓
|-
| 2 || [[নুহাশ হুমায়ূন]] || ২০৫ || ✓
|-
| 3 || [[আনিসুল হক]] || ২৪৬ || ✕
|-
| 4 || [[বাবর আলী]] || ৩০৯ || ✓
|-
| 5 || [[মেহের আফরোজ শাওন]] || ৩১৯ || ✓
|-
| 6 || [[ফেলুদা]] || ২৪৬ || ✓
|-
| 7 || [[ব্যোমকেশ বক্সী]] || ১৭৮ || ✓
|-
| 8 || [[প্রোফেসর শঙ্কু]] || ২৬৯ || ✓
|-
| 9 || [[বারী সিদ্দিকী]] || ২৪২ || ✓
|-
| 10 || [[সমরেশ বসু]] || ২০২ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১০
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,২২২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,৪৬৮
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২৪৬
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Mahiya50| Mahiya50]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[লিয়ন কুপার]] || ৩২৩ || ✓
|-
| 2 || [[কামিলা শামসি]] || ২০৪ || ✓
|-
| 3 || [[ক্রিস্টোফার রেন]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 4 || [[জিওফ্রে হিন্টন]] || ৩২২ || ✓
|-
| 5 || [[ফ্রিডতিয়ফ নানসেন]] || ১৯১ || ✓
|-
| 6 || [[আলাঁ আস্পে]] || ৭৭৬ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৬
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,১৯০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,১৯০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Borhan| Borhan]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ক্যারিল ফিলিপস]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 2 || [[জেমস কুক]] || ৩৯৭ || ✓
|-
| 3 || [[ক্লাউদিয়া শেইনবাউম]] || ৩২১ || ✓
|-
| 4 || [[আবি আহমেদ]] || ২৫৫ || ✓
|-
| 5 || [[পিটার আগ্রি]] || ১৯০ || ✓
|-
| 6 || [[ফখরুদ্দীন আল-রাযী]] || ২১৫ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৬
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১,৬৬২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,৬৬২
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Raihanur| Raihanur]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[শি চিনফিং]] || ৪,১৩২ || ✕
|-
| 2 || [[ইব্রাহিম ত্রাওরে]] || ৭৫৪ || ✓
|-
| 3 || [[পেদ্রো সানচেজ]] || ২৯৯ || ✓
|-
| 4 || [[অ্যাডাম রিস]] || ৪৮৯ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৪
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১,৫৪২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৫,৬৭৪
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪,১৩২
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Muhammad Fahim Faisal| Muhammad Fahim Faisal]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আব্দুল হান্নান আবকারী]] || ০ || ✕
|-
| 2 || [[ইবরাহীম আলী তশনা]] || ২৪৭ || ✓
|-
| 3 || [[রুহুল আমিন বসিরহাটি]] || ৩৬৩ || ✓
|-
| 4 || [[মুহাম্মদুল্লাহ হাফেজ্জী]] || ৩৪২ || ✓
|-
| 5 || [[শামছুল হুদা]] || ০ || ✕
|-
| 6 || [[শামছুল হক ফরিদপুরী]] || ৫৪৬ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৬
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১,৪৯৮
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,৪৯৮
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Firuz Ahmmed| Firuz Ahmmed]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[গর্ডন মুর]] || ৫৮৭ || ✓
|-
| 2 || [[শিরিন এবাদি]] || ৫৪৩ || ✕
|-
| 3 || [[নাগিব মাহফুজ]] || ৫৩০ || ✓
|-
| 4 || [[আল-ফারাবি]] || ৫৩৭ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৪
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১,১১৭
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,১৯৭
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১,০৮০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:নিয়াজ ইসলাম| নিয়াজ ইসলাম]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[চাষী নজরুল ইসলাম]] || ৪৪৬ || ✓
|-
| 2 || [[বাপ্পা মজুমদার]] || ৩১০ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৭৫৬
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৭৫৬
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Asad.fr| Asad.fr]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[রবার্ট ক্লাইভ]] || ২,০০২ || ✕
|-
| 2 || [[পার্ল এস. বাক]] || ৯৩৩ || ✕
|-
| 3 || [[জন বারডিন]] || ৩৬৪ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৩
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৩৬৪
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩,২৯৯
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২,৯৩৫
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin| Mehedi Abedin]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[তাসমিয়া প্রধান]] || ৩৫২ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৩৫২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩৫২
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Md. Rayan Alam Rifat| Md. Rayan Alam Rifat]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আজিজুল হক]] || ১৮০ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১৮০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১৮০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Siyan BD| Siyan BD]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আবদুস সালাম]] || ১০০ || ✕
|-
| 2 || [[আবদুল গফুর]] || ১০১ || ✕
|-
| 3 || [[আবদুল জব্বার]] || ১৬১ || ✓
|-
| 4 || [[আবদুল জব্বার]] || ৯২ || ✕
|-
| 5 || [[আবদুল জব্বার]] || ১৩৩ || ✕
|-
| 6 || [[অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ১৩৪ || ✕
|-
| 7 || [[অনিমেষ রায়]] || ১২৬ || ✕
|-
| 8 || [[অনির্বাণ বসু]] || ১২০ || ✕
|-
| 9 || [[অজয় ঘটক]] || ১১৪ || ✕
|-
| 10 || [[অচলা মল্লিক]] || ১৫৪ || ✕
|-
| 11 || [[অজয় হোম]] || ১৫৯ || ✕
|-
| 12 || [[অমিতা বসু]] || ১৪২ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১২
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১৬১
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,৫৩৬
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১,৩৭৫
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Dewan mahbubr Rahman| Dewan mahbubr Rahman]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ভেরা রুবিন]] || ৩৫০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩৫০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৩৫০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:ExceptionistSagar| ExceptionistSagar]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মেরি কুরি]] || ১৭৯ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১৭৯
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১৭৯
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Kh. Fahim| Kh. Fahim]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মিসির আলি]] || ৪০৬ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪০৬
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪০৬
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Trisha Mazumder| Trisha Mazumder]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আস্ট্রোনমি]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:MdMarufHossen71| MdMarufHossen71]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মমতাজ বেগম]] || ৩৫৫ || ✕
|-
| 2 || [[আবুল বরকত]] || ১৪৩ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪৯৮
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪৯৮
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Usarker| Usarker]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মেরি স্টোপস]] || ৫০৫ || ✕
|-
| 2 || [[ইয়োন ফসে]] || ৩৯৩ || ✕
|-
| 3 || [[জুনো দিয়াজ]] || ৫৪০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৩
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,৪৩৮
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১,৪৩৮
|}
=== [[ব্যবহারকারী:রাকিবুল হাসান রাসেল| রাকিবুল হাসান রাসেল]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[পারভীন এতেসামি]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:MD RADWAN ISLAM| MD RADWAN ISLAM]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[চুয়াং জি]] || ২৭৪ || ✕
|-
| 2 || [[ফকির শাহাবুদ্দীন]] || ০ || ✕
|-
| 3 || [[আবু বকর সিদ্দিকী]] || ০ || ✕
|-
| 4 || [[বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট]] || ০ || ✕
|-
| 5 || [[বাংলাদেশের কৃষি প্রযুক্তি]] || ০ || ✕
|-
| 6 || [[হাসিবুন নাহের]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৬
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২৭৪
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২৭৪
|}
=== [[ব্যবহারকারী:AKM Mahinur Rahman| AKM Mahinur Rahman]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মেরি উলস্টোনক্রাফ্ট]] || ২১৩ || ✕
|-
| 2 || [[বালতাসার গ্রাসিয়ান]] || ২০৬ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪১৯
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪১৯
|}
=== [[ব্যবহারকারী:MD RADWAN ISLAM ROHAN| MD RADWAN ISLAM ROHAN]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[জুলাই আন্দোলন]] || ৬১৫ || ✕
|-
| 2 || [[বিকাশ]] || ০ || ✕
|-
| 3 || [[নতুন প্রযুক্তি]] || ০ || ✕
|-
| 4 || [[বাংলাদেশের রিয়েল এস্টেট শিল্প: বর্তমান প্রেক্ষাপট ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা]] || ০ || ✕
|-
| 5 || [[জলবায়ু পরিবর্তন ও বাংলাদেশের পরিবেশ]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৫
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৬১৫
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৬১৫
|}
=== [[ব্যবহারকারী:ShahinurWrites| ShahinurWrites]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মোহাম্মদ শেখ শাহিনুর রহমান]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Abdullah Al Shishir| Abdullah Al Shishir]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[অপ্রত্যাশিত জীবনযাত্রা]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:চ্যাম্পিয়ন স্টার ১| চ্যাম্পিয়ন স্টার ১]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[অপর্ণা সেন]] || ৩১২ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩১২
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৩১২
|}
==শব্দসংখ্যা অনুযায়ী নিবন্ধ তালিকা==
{| class="wikitable sortable mw-collapsible mw-collapsed"
|+ class="nowrap" | শব্দসংখ্যা অনুযায়ী নিবন্ধ তালিকা
! ক্রমিক !! নিবন্ধ !! শব্দ সংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্পর্কে উক্তি]] || ৩৯,৩০৩ || ✓
|-
| 2 || [[স্ট্যানলি বল্ডউইন]] || ৩৪,১৩১ || ✓
|-
| 3 || [[খ্রিস্টের অনৈতিহাসিকতা তত্ত্ব]] || ২৮,৭০৭ || ✓
|-
| 4 || [[বেঞ্জামিন ডিসরাইলি]] || ২৯,৪৭৯ || ✓
|-
| 5 || [[রবার্ট জি. ইঙ্গারসোল]] || ৩০,০৯০ || ✓
|-
| 6 || [[রন পল]] || ২৪,৯২৮ || ✓
|-
| 7 || [[ক্যালকুলাসের ইতিহাস]] || ১৯,১৯৫ || ✓
|-
| 8 || [[অ্যানোরেক্সিয়া নার্ভোসা]] || ২৩,১০০ || ✓
|-
| 9 || [[ডোয়াইট ডি আইজেনহাওয়ার]] || ২১,০২৬ || ✓
|-
| 10 || [[স্টিফেন জে গুল্ড]] || ২২,১৫০ || ✓
|-
| 11 || [[এআর-১৫ স্টাইল রাইফেল]] || ১৮,৯০১ || ✓
|-
| 12 || [[শেরি এস. টেপার]] || ২৪,৯৯৯ || ✓
|-
| 13 || [[আউরেলিয়ুস আউগুস্তিনুস]] || ১৯,৩৪৬ || ✓
|-
| 14 || [[ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতিত্ব]] || ৪৬,৮৯৯ || ✓
|-
| 15 || [[নবায়নযোগ্য শক্তি]] || ১২,৬১০ || ✓
|-
| 16 || [[নাডিন গর্ডিমার]] || ১,৩৭২ || ✓
|-
| 17 || [[মারে গেল-মান]] || ১,৩২৮ || ✓
|-
| 18 || [[নার্গিস মোহাম্মাদি]] || ১,৭৫৫ || ✓
|-
| 19 || [[সাদি কার্নো]] || ৫,২৫৬ || ✓
|-
| 20 || [[জে. হাওয়ার্ড মুর]] || ২৪,১৯৫ || ✓
|-
| 21 || [[ভারতে পোশাক]] || ২,২৮৯ || ✓
|-
| 22 || [[ভারতের ভাষা]] || ৬৯৫ || ✓
|-
| 23 || [[মধ্যযুগীয় ভারত]] || ১,৭১৭ || ✓
|-
| 24 || [[ভারতে ইহুদিদের ইতিহাস]] || ২,০৪৬ || ✓
|-
| 25 || [[ভারতে সুফিবাদ]] || ৩,২০৭ || ✓
|-
| 26 || [[পর্তুগিজ ভারত]] || ১,৬৪৩ || ✓
|-
| 27 || [[ভারতের প্রাণী]] || ৩০৫ || ✓
|-
| 28 || [[স্বাধীনতা দিবস]] || ৩৭৫ || ✓
|-
| 29 || [[ভারতে দুর্ভিক্ষ]] || ৩,৭৮১ || ✓
|-
| 30 || [[ভারতে ধর্মহীনতা]] || ২,৩৮৯ || ✓
|-
| 31 || [[ওয়ারেন ফ্যারেল]] || ২১,০৭৮ || ✓
|-
| 32 || [[আর্নেস্ট বেকার]] || ১৩,৫৯৭ || ✓
|-
| 33 || [[অতিপ্রজতা]] || ২৯,৫০১ || ✓
|-
| 34 || [[মোপলা বিদ্রোহ]] || ১৪,৫১২ || ✓
|-
| 35 || [[সীতা রাম গোয়েল]] || ১,৫৯৬ || ✓
|-
| 36 || [[অরুণ শৌরি]] || ১৫,৪৫০ || ✓
|-
| 37 || [[ভারতের ইতিহাস লিখন]] || ১৭,৯১৮ || ✓
|-
| 38 || [[দ্রৌপদী]] || ৬,১৬৪ || ✓
|-
| 39 || [[দ্য হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়া, অ্যাজ টোল্ড বাই ইটস ওন হিস্টোরিয়ানস]] || ২,৬৮৫ || ✕
|-
| 40 || [[রামায়ণ]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 41 || [[ভারতে শিক্ষা]] || ১০,৫৮০ || ✓
|-
| 42 || [[ভারতে নারী]] || ৬,১৫০ || ✓
|-
| 43 || [[বন্যপ্রাণীর কষ্ট]] || ৩৩,৭৪১ || ✓
|-
| 44 || [[নিরামিষবাদ]] || ৩০,৬২৭ || ✓
|-
| 45 || [[ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম রাষ্ট্রপতিত্ব]] || ৩৭,৫৭২ || ✓
|-
| 46 || [[নির্বাচন]] || ৭,০২৫ || ✓
|-
| 47 || [[সরকার]] || ২২,৭৫৯ || ✓
|-
| 48 || [[লিটিশা এলিজাবেথ ল্যান্ডন]] || ৩৪,০৩৩ || ✓
|-
| 49 || [[প্রজননবিরোধবাদ]] || ৩০,৯৪৮ || ✓
|-
| 50 || [[উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন]] || ২৮,৬১৬ || ✓
|-
| 51 || [[ক্রিস্টোফার হিচেন্স]] || ২৫,৯২২ || ✓
|-
| 52 || [[বলপূর্বক খাওয়ানো]] || ২২,৬২২ || ✓
|-
| 53 || [[জন স্টুয়ার্ট মিল]] || ২২,৭৮৩ || ✓
|-
| 54 || [[রবার্ট গ্যাসকয়েন-সিসিল, স্যালিসবারির ৩য় মার্কুইস]] || ২০,৮৯৮ || ✓
|-
| 55 || [[অ্যারন রা]] || ২১,৯৫৫ || ✓
|-
| 56 || [[ফায়ারপ্লেস]] || ২১,৪১৭ || ✓
|-
| 57 || [[জন হার্ভে কেলোগ]] || ৩০,৭৪৮ || ✓
|-
| 58 || [[মহুয়া মৈত্র]] || ৬৫০ || ✓
|-
| 59 || [[হেনরি হোম, লর্ড কেইমস]] || ১,২৯৬ || ✓
|-
| 60 || [[লেটি কটিন পোগ্রেবিন]] || ৩৭০ || ✓
|-
| 61 || [[মার্জ পিয়ার্সি]] || ৬,৭৯০ || ✓
|-
| 62 || [[এলেন ডুইবস]] || ৮০৪ || ✓
|-
| 63 || [[মেরেডিথ ট্যাক্স]] || ৪৯১ || ✓
|-
| 64 || [[মুলক রাজ আনন্দ]] || ২৩৫ || ✓
|-
| 65 || [[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ধর্ষণ]] || ১,৯২০ || ✓
|-
| 66 || [[সুসান ব্রাউনমিলার]] || ৯৯১ || ✓
|-
| 67 || [[রবিন মরগান]] || ১,২২১ || ✓
|-
| 68 || [[ভিভিয়ান গোর্নিক]] || ২,৬৯০ || ✓
|-
| 69 || [[ডরোথি রে হিলি]] || ২,৬৩৮ || ✕
|-
| 70 || [[ক্লডিয়া জোন্স]] || ১,২৯৯ || ✓
|-
| 71 || [[গের্ডা লার্নার]] || ৩,৪২৮ || ✓
|-
| 72 || [[এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন]] || ৯,৮০৪ || ✕
|-
| 73 || [[এলা রিভ ব্লুর]] || ১,৯১৭ || ✓
|-
| 74 || [[টমাস হিউজ]] || ৯৯৬ || ✓
|-
| 75 || [[মার্গারিট দুরাস]] || ৩৪৯ || ✓
|-
| 76 || [[বেন অ্যারোনোভিচ]] || ৮,৭৯৭ || ✓
|-
| 77 || [[গ্লেন কুক]] || ৯,৯৮৫ || ✓
|-
| 78 || [[আব্রাহাম কাহান]] || ২,১৩৩ || ✓
|-
| 79 || [[গ্রেস পেলি]] || ৮,১৬৪ || ✕
|-
| 80 || [[স্টিফেন ক্রেন]] || ১,৯৬৩ || ✕
|-
| 81 || [[জোসেফাইন হার্বস্ট]] || ৪২৭ || ✓
|-
| 82 || [[জর্জ গিসিং]] || ২,০০৫ || ✓
|-
| 83 || [[আনজিয়া ইয়েজিয়ারস্কা]] || ৩,২৬২ || ✕
|-
| 84 || [[মেরি অ্যান্টিন]] || ৪৯০ || ✓
|-
| 85 || [[জয়েস অ্যান্টলার]] || ৪২৯ || ✓
|-
| 86 || [[ক্যাথরিন ম্যাককিনন]] || ২,১৭৮ || ✓
|-
| 87 || [[বেটিনা আপথেকার]] || ১,০২০ || ✓
|-
| 88 || [[ক্যারি চ্যাপম্যান ক্যাট]] || ১,৬০৩ || ✓
|-
| 89 || [[জ্যানেট র্যাঙ্কিন]] || ৭২১ || ✓
|-
| 90 || [[ফ্রান্সেস উইলার্ড]] || ৯৪১ || ✕
|-
| 91 || [[অ্যালিস স্টোন ব্ল্যাকওয়েল]] || ৫৪০ || ✕
|-
| 92 || [[অ্যানা এলিজাবেথ ডিকিনসন]] || ৭৫১ || ✕
|-
| 93 || [[মেরি লিভারমোর]] || ২,৩০৭ || ✕
|-
| 94 || [[দাড়ি]] || ২৯৭ || ✓
|-
| 95 || [[স্যার হেনরি হোবার্ট, ১ম ব্যারোনেট]] || ৭৩৮ || ✓
|-
| 96 || [[হার্ডিঞ্জ স্ট্যানলি গিফার্ড, হালসবুরির ১ম আর্ল]] || ৪১৯ || ✓
|-
| 97 || [[এ. ভি. ডাইসি]] || ১,৩৮১ || ✕
|-
| 98 || [[আলফ্রেড ডেনিং, ব্যারন ডেনিং]] || ৩,৮৩২ || ✓
|-
| 99 || [[টমাস ডেনিসন]] || ৪০০ || ✓
|-
| 100 || [[স্যার ফ্রান্সিস বুলার, ১ম ব্যারোনেট]] || ৯৬২ || ✓
|-
| 101 || [[নিকোলাস ব্রাতজা]] || ২৬৪ || ✓
|-
| 102 || [[রবার্ট অ্যাটকিনস]] || ৩২৫ || ✓
|-
| 103 || [[রিচার্ড পেপার আর্ডেন, ১ম ব্যারন অ্যালভানলি]] || ৩৫১ || ✓
|-
| 104 || [[এডওয়ার্ড হল অল্ডারসন]] || ৪৪৬ || ✓
|-
| 105 || [[অ্যামব্রোজ বিয়ার্স]] || ৫,৫৪১ || ✕
|-
| 106 || [[মেওয়াত]] || ৭১৮ || ✓
|-
| 107 || [[নানাবতী-মেহতা কমিশন]] || ২,৪৪৪ || ✓
|-
| 108 || [[ভারতে ঔষধ শিল্প]] || ১,৯২১ || ✓
|-
| 109 || [[পাঞ্জাব]] || ১,৪০৬ || ✓
|-
| 110 || [[রামনবমী]] || ৮৬২ || ✓
|-
| 111 || [[ভারতের শহরসমূহের নাম পরিবর্তন]] || ৪৪১ || ✓
|-
| 112 || [[নুপুর শর্মা]] || ৬০১ || ✓
|-
| 113 || [[রিপাবলিক টিভি]] || ৪৫৫ || ✓
|-
| 114 || [[রোহিলখণ্ড]] || ৪৪০ || ✓
|-
| 115 || [[রোহিলা]] || ৩৪০ || ✓
|-
| 116 || [[সৌরাষ্ট্র]] || ৬৫৪ || ✓
|-
| 117 || [[ভারতে তিন তালাক]] || ১,১৩৪ || ✓
|-
| 118 || [[ভারতের পবিত্র উপবন]] || ৫৭৫ || ✓
|-
| 119 || [[অভিন্ন দেওয়ানি বিধি]] || ৩,৭৩৭ || ✓
|-
| 120 || [[নবনীত আদিত্য ওয়াইবা]] || ১৯২ || ✓
|-
| 121 || [[ভারতে জল সরবরাহ ও স্যানিটেশন]] || ৭৪০ || ✓
|-
| 122 || [[জমিদার]] || ৩৮১ || ✕
|-
| 123 || [[নিখিল ভারত মুসলিম লীগ]] || ২,৫৩৮ || ✓
|-
| 124 || [[ফতোয়া]] || ৪৮৪ || ✓
|-
| 125 || [[দারা শিকোহ]] || ১,৪৩৫ || ✓
|-
| 126 || [[আমেরিকা নিপাত যাক]] || ৬৩৯ || ✓
|-
| 127 || [[মহা শয়তান]] || ৪১৪ || ✓
|-
| 128 || [[উলামা]] || ৩৪৫ || ✓
|-
| 129 || [[দক্ষিণ এশিয়ায় মুসলিম জাতীয়তাবাদ]] || ১,৫১৬ || ✓
|-
| 130 || [[পার্সি-মুসলিম দাঙ্গা]] || ৬৫৬ || ✓
|-
| 131 || [[ভারতে দাঙ্গা]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 132 || [[ভারতে পেগাসাস প্রকল্পের উদঘাটন]] || ৩৯০ || ✓
|-
| 133 || [[নেহরুবাদ]] || ৯৫২ || ✓
|-
| 134 || [[২জি স্পেকট্রাম মামলা]] || ৯৩৭ || ✓
|-
| 135 || [[রাহুল গান্ধী]] || ৪,০০৪ || ✓
|-
| 136 || [[আকবরউদ্দিন ওয়াইসি]] || ২৯৮ || ✓
|-
| 137 || [[ভারতের সাধারণ নির্বাচন, ২০২৪]] || ২,৫৭৭ || ✓
|-
| 138 || [[ভারতে ধর্মনিরপেক্ষতা]] || ২৩৪ || ✓
|-
| 139 || [[নাইলা আলি খান]] || ২০৪ || ✓
|-
| 140 || [[অরুণ জেটলি]] || ৪৮১ || ✓
|-
| 141 || [[সুকেতু মেহতা]] || ৩৮২ || ✓
|-
| 142 || [[রুক্মিণী মৈত্র]] || ৩৫৪ || ✓
|-
| 143 || [[মানব গুপ্ত]] || ৬৩৪ || ✕
|-
| 144 || [[মোহিনী মোহন ধর]] || ৫৮৫ || ✓
|-
| 145 || [[দিলীপ কুমার চক্রবর্তী]] || ২,৫৯৭ || ✓
|-
| 146 || [[রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ৩৮৩ || ✓
|-
| 147 || [[পিটার অ্যাক্রয়েড]] || ২৯৭ || ✓
|-
| 148 || [[হ্যারল্ড ব্লুম]] || ৫৯৩ || ✓
|-
| 149 || [[জেমস বসওয়েল]] || ১,১৪৯ || ✓
|-
| 150 || [[অলিভার গোল্ডস্মিথ]] || ৩,১৭৮ || ✓
|-
| 151 || [[হেনরি জাইলস]] || ৭৯২ || ✓
|-
| 152 || [[এডউইন হাবেল চ্যাপিন]] || ৭৭০ || ✓
|-
| 153 || [[অবমাননা]] || ৭৮৮ || ✓
|-
| 154 || [[আদালত অবমাননা]] || ৮২৯ || ✓
|-
| 155 || [[আইনপ্রণেতা]] || ৭৪৩ || ✓
|-
| 156 || [[লেই বারডুগো]] || ১২২ || ✓
|-
| 157 || [[উইলিয়াম ব্রেট, ১ম ভিসকাউন্ট এশার]] || ১,০২০ || ✓
|-
| 158 || [[হেনরি হকিন্স, ১ম ব্যারন ব্র্যাম্পটন]] || ৩০৩ || ✓
|-
| 159 || [[জুনিয়াস]] || ১,৪১২ || ✓
|-
| 160 || [[উইলিয়াম মারে, ম্যানসফিল্ডের ১ম আর্ল]] || ৬৪৩ || ✓
|-
| 161 || [[জোসেফ ইয়েটস]] || ৬৬৬ || ✓
|-
| 162 || [[স্যার জন বেইলি, ১ম ব্যারোনেট]] || ৯১৮ || ✓
|-
| 163 || [[হেনরি বিকারস্টথ, ১ম ব্যারন ল্যাংডেল]] || ৪১৫ || ✓
|-
| 164 || [[এডওয়ার্ড ল, ১ম ব্যারন এলেনবরো]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 165 || [[লয়েড কেনিয়ন, ১ম ব্যারন কেনিয়ন]] || ৪,৪০৮ || ✓
|-
| 166 || [[জন হোল্ট]] || ১,১৮৯ || ✓
|-
| 167 || [[চার্লস বোয়েন, ব্যারন বোয়েন]] || ১,০৩৭ || ✓
|-
| 168 || [[চার্লস অ্যাবট, ১ম ব্যারন টেন্টারডেন]] || ৩৪১ || ✓
|-
| 169 || [[ন্যায়বিচার প্রশাসন]] || ২,৮৯৯ || ✓
|-
| 170 || [[আদালত]] || ১,৮১৮ || ✕
|-
| 171 || [[রোজান এ. ব্রাউন]] || ৩৪১ || ✓
|-
| 172 || [[মারিয়ন জিমার ব্র্যাডলি]] || ১,১০৪ || ✓
|-
| 173 || [[টেরি ব্রুকস]] || ৪৮৫ || ✓
|-
| 174 || [[লেই ব্র্যাকেট]] || ১,১১২ || ✓
|-
| 175 || [[জ্যাক ক্যাডি]] || ১,৫৬৮ || ✓
|-
| 176 || [[মেল ব্রুকস]] || ২,০১৬ || ✕
|-
| 177 || [[মাইকেল বিশপ]] || ৯৯০ || ✓
|-
| 178 || [[এলিজাবেথ বেয়ার]] || ৭০৫ || ✓
|-
| 179 || [[মার্গারেট বল]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 180 || [[পাওলো বাসিগালুপি]] || ৬৪৭ || ✓
|-
| 181 || [[কেলি আর্মস্ট্রং]] || ৫৮৫ || ✓
|-
| 182 || [[ক্যাথরিন আসরো]] || ৩৬১ || ✓
|-
| 183 || [[পিয়ার্স অ্যান্থনি]] || ২২৯ || ✓
|-
| 184 || [[রবার্ট আইকম্যান]] || ২৬৮ || ✓
|-
| 185 || [[আইনজীবী]] || ২,৩২৯ || ✓
|-
| 186 || [[আইনসভা]] || ২,৩৪৩ || ✓
|-
| 187 || [[জর্জ বুশনার]] || ৬৬২ || ✓
|-
| 188 || [[জোসেফ গার্নি ক্যানন]] || ৭০৯ || ✓
|-
| 189 || [[সংখ্যাগরিষ্ঠ]] || ১,৩৫৬ || ✓
|-
| 190 || [[সংখ্যালঘু গোষ্ঠী]] || ১,৮৮১ || ✓
|-
| 191 || [[প্রাতিষ্ঠানিক আচরণ]] || ৬৫৬ || ✓
|-
| 192 || [[মানব আচরণ]] || ৮৫২ || ✓
|-
| 193 || [[হার্ভে ম্যানসফিল্ড]] || ৯৭৯ || ✓
|-
| 194 || [[রাষ্ট্রবিজ্ঞান]] || ১,১৩৯ || ✓
|-
| 195 || [[রাজনৈতিক দর্শন]] || ১,২৮৫ || ✓
|-
| 196 || [[দ্বিজেন্দ্র নারায়ণ ঝা]] || ১,০৮৭ || ✓
|-
| 197 || [[আগ্রাসন]] || ৯২০ || ✓
|-
| 198 || [[হিন্দুত্ব]] || ২,৭০০ || ✓
|-
| 199 || [[ফ্লাভিয়া অ্যাগনেস]] || ৬৮২ || ✓
|-
| 200 || [[লাভ জিহাদ ষড়যন্ত্র তত্ত্ব]] || ৩,১৫০ || ✓
|-
| 201 || [[মহাত্মা গান্ধীর হত্যাকাণ্ড]] || ১,৭৭৮ || ✓
|-
| 202 || [[যোগিন্দর সিকান্দ]] || ৮১৪ || ✓
|-
| 203 || [[ভারতে মুসলিমদের বিরুদ্ধে সহিংসতা]] || ৮৫১ || ✓
|-
| 204 || [[জয় শ্রীরাম]] || ৭০৮ || ✓
|-
| 205 || [[লালকৃষ্ণ আডবাণী]] || ১,৫৫৫ || ✓
|-
| 206 || [[রাম রথযাত্রা]] || ১,৫৭৯ || ✓
|-
| 207 || [[হিন্দু আমেরিকান ফাউন্ডেশন]] || ১,৪৫৫ || ✓
|-
| 208 || [[হর্ষ মান্দার]] || ৬৬০ || ✓
|-
| 209 || [[স্বপন দাশগুপ্ত]] || ১,১৬৭ || ✓
|-
| 210 || [[জরাথুস্ট্রবাদ]] || ৩৭৭ || ✓
|-
| 211 || [[পার্সি]] || ৩৯০ || ✓
|-
| 212 || [[নাগরিকত্ব]] || ১,৮৭৯ || ✓
|-
| 213 || [[ভারতের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৭০]] || ৬৭৯ || ✓
|-
| 214 || [[মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯]] || ৭৬৯ || ✓
|-
| 215 || [[অবৈতনিক বাধ্যতামূলক শিশু শিক্ষার অধিকার আইন, ২০০৯]] || ৩৭৯ || ✓
|-
| 216 || [[বোম্বাই দাঙ্গা]] || ৭৭৬ || ✓
|-
| 217 || [[বজরং দল]] || ৩৩১ || ✓
|-
| 218 || [[সংসদীয় ব্যবস্থা]] || ৪০৫ || ✓
|-
| 219 || [[বিচার বিভাগীয় ব্যাখ্যা]] || ১,২৩২ || ✓
|-
| 220 || [[বর্ণবাদ পরবর্তী আমেরিকা]] || ১,০৬৯ || ✓
|-
| 221 || [[শ্বেতাঙ্গ বিশেষাধিকার]] || ৬২৮ || ✓
|-
| 222 || [[বিশেষাধিকার]] || ৭১২ || ✓
|-
| 223 || [[মানবহিতৈষণা]] || ২২৮ || ✓
|-
| 224 || [[ভারত সরকার]] || ১,২২০ || ✓
|-
| 225 || [[শিলং]] || ৯৭৩ || ✓
|-
| 226 || [[মাঝৌলি রাজ]] || ৫৬০ || ✓
|-
| 227 || [[কালিকট]] || ৪৫৪ || ✓
|-
| 228 || [[যাজপুর]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 229 || [[কালিবাঙ্গান]] || ৭৩৮ || ✓
|-
| 230 || [[কাডাপা]] || ৪১৩ || ✓
|-
| 231 || [[ইদার]] || ৫৮৬ || ✓
|-
| 232 || [[গোধরা]] || ১,০১০ || ✓
|-
| 233 || [[ভুবনেশ্বর]] || ১,১৬৫ || ✓
|-
| 234 || [[অমৃতসর]] || ৮৬৮ || ✓
|-
| 235 || [[আম্বালা]] || ৪৬১ || ✓
|-
| 236 || [[হায়দ্রাবাদ]] || ৩,২৪৮ || ✓
|-
| 237 || [[২০১৯ হায়দ্রাবাদ গণধর্ষণ]] || ১৭৭ || ✓
|-
| 238 || [[মুহাম্মাদ বখতিয়ার খলজি]] || ৪২৩ || ✕
|-
| 239 || [[হায়দ্রাবাদ অধিগ্রহণ]] || ৪৫৬ || ✓
|-
| 240 || [[১৮৯৯-১৯০০ সালের ভারতীয় দুর্ভিক্ষ]] || ৫৪১ || ✓
|-
| 241 || [[১৯৯০ হায়দ্রাবাদ দাঙ্গা]] || ৪০৬ || ✓
|-
| 242 || [[গুয়াহাটি]] || ১,৭৯৬ || ✓
|-
| 243 || [[গৌড়]] || ১,৯৩৬ || ✓
|-
| 244 || [[বিজাপুর]] || ৬৬২ || ✓
|-
| 245 || [[মাণ্ডু]] || ৩৯৪ || ✓
|-
| 246 || [[খাজুরাহো]] || ৩৭১ || ✓
|-
| 247 || [[চান্দেরী]] || ৫০৭ || ✓
|-
| 248 || [[জুনাগড়]] || ৭১৯ || ✓
|-
| 249 || [[বৃহৎ কচ্ছের রাণ]] || ৫৮৪ || ✓
|-
| 250 || [[আহমেদাবাদ]] || ১,৮১২ || ✓
|-
| 251 || [[কচ্ছ জেলা]] || ৩২৬ || ✓
|-
| 252 || [[দৃশদ্বতী নদী]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 253 || [[চেনাব নদী]] || ৩২১ || ✓
|-
| 254 || [[পশ্চিমবঙ্গে ধর্ম]] || ১,২৩২ || ✓
|-
| 255 || [[মুর্শিদাবাদ সহিংসতা]] || ২৫৭ || ✓
|-
| 256 || [[২০২৪ সন্দেশখালী সহিংসতা]] || ১,০৬১ || ✓
|-
| 257 || [[২০২২ বীরভূম সহিংসতা]] || ৫১৪ || ✓
|-
| 258 || [[মৈতৈ জাতি]] || ৬৪০ || ✓
|-
| 259 || [[মৈতৈ সভ্যতা]] || ৩৫০ || ✓
|-
| 260 || [[মণিপুর]] || ৩০৬ || ✓
|-
| 261 || [[লাক্ষাদ্বীপ]] || ৩২৯ || ✓
|-
| 262 || [[বৃন্দাবন]] || ৭৩৩ || ✓
|-
| 263 || [[সম্ভল]] || ২৪৩ || ✓
|-
| 264 || [[এলাহাবাদ]] || ৩৫৭ || ✓
|-
| 265 || [[আলিগড়]] || ৪০৯ || ✓
|-
| 266 || [[স্ট্যাচু অব ইউনিটি]] || ২৪১ || ✓
|-
| 267 || [[ভারতের দুর্গ]] || ৩১৪ || ✓
|-
| 268 || [[দ্য দুন স্কুল]] || ৬৬৪ || ✓
|-
| 269 || [[কাশী হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়]] || ৩৪৫ || ✓
|-
| 270 || [[আগ্রা]] || ৭১৮ || ✓
|-
| 271 || [[২০২০ দিল্লি দাঙ্গা]] || ১,১৭৮ || ✓
|-
| 272 || [[তিরুচিরাপল্লী]] || ৬২৬ || ✓
|-
| 273 || [[সেন্ট থমাস ক্যাথেড্রাল ব্যাসিলিকা, চেন্নাই]] || ৩৮০ || ✕
|-
| 274 || [[আতঙ্ক]] || ৪৭৮ || ✓
|-
| 275 || [[ভারতে দুর্নীতি]] || ১,০০৭ || ✓
|-
| 276 || [[তামিলনাড়ুর মন্দির]] || ৯১৮ || ✓
|-
| 277 || [[এম. কে. স্ট্যালিন]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 278 || [[তামিলনাড়ু]] || ৫৪৩ || ✓
|-
| 279 || [[তামিলনাড়ুর হিন্দি বিরোধী আন্দোলন]] || ৪৬৫ || ✓
|-
| 280 || [[যোধপুর]] || ৬২৮ || ✓
|-
| 281 || [[রাজস্থান]] || ২৯৪ || ✓
|-
| 282 || [[ওড়িশা]] || ৭৪৫ || ✓
|-
| 283 || [[১৯৯৮ কোয়েম্বাটুর বোমা হামলা]] || ৫৩৭ || ✓
|-
| 284 || [[উত্তর-পূর্ব ভারতে বিদ্রোহ]] || ৩৯৮ || ✓
|-
| 285 || [[মারাদ হত্যাকাণ্ড]] || ৩৫২ || ✓
|-
| 286 || [[মক্কা মসজিদ বিস্ফোরণ]] || ৫৮৪ || ✓
|-
| 287 || [[স্টুডেন্টস ইসলামিক মুভমেন্ট অব ইন্ডিয়া]] || ৩৫৭ || ✓
|-
| 288 || [[বিষ্ণু]] || ৬১৭ || ✓
|-
| 289 || [[২০২৪ রিয়াসি হামলা]] || ৩০২ || ✓
|-
| 290 || [[২০০৬ মালেগাঁও বোমা হামলা]] || ৩৯১ || ✓
|-
| 291 || [[২০০৬ মুম্বই রেলে বোমা হামলা]] || ১৯০ || ✓
|-
| 292 || [[মুম্বই]] || ১,২২৪ || ✓
|-
| 293 || [[দৌলতাবাদ, মহারাষ্ট্র]] || ৮৯৫ || ✕
|-
| 294 || [[মহারাষ্ট্র]] || ৪৯৯ || ✓
|-
| 295 || [[পিনারাই বিজয়ন]] || ৫২৩ || ✓
|-
| 296 || [[আরব দেশ]] || ৯১৪ || ✓
|-
| 297 || [[দক্ষিণ এশিয়া]] || ৫৯৩ || ✓
|-
| 298 || [[শহুরে অবক্ষয়]] || ৩০৮ || ✓
|-
| 299 || [[নগরায়ন]] || ১,০৯৭ || ✓
|-
| 300 || [[কেরল]] || ৩৬৫ || ✓
|-
| 301 || [[জম্মু ও কাশ্মীরে বিদ্রোহ]] || ৪১৮ || ✓
|-
| 302 || [[জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহার]] || ৯৬৪ || ✓
|-
| 303 || [[শ্রীনগর]] || ১,৭২৯ || ✓
|-
| 304 || [[কাশ্মীর উপত্যকা]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 305 || [[লাদাখ]] || ৬৯৪ || ✓
|-
| 306 || [[কাশ্মীরি জাতি]] || ৮১৩ || ✓
|-
| 307 || [[তারিখ-ই-কাশ্মীর]] || ৫১৪ || ✓
|-
| 308 || [[কর্ণাটক]] || ৬৮২ || ✓
|-
| 309 || [[কর্ণাটকের রাজনীতি]] || ৪৩৯ || ✓
|-
| 310 || [[বেঙ্গালুরু]] || ৬১৪ || ✓
|-
| 311 || [[আসামে ইসলাম]] || ৬৯০ || ✓
|-
| 312 || [[আসামের ইতিহাস]] || ৭২৬ || ✓
|-
| 313 || [[আসামে হিন্দুধর্ম]] || ৩২৫ || ✓
|-
| 314 || [[ভারতের জনমিতি]] || ৩,৩৭৩ || ✓
|-
| 315 || [[বাংলাদেশের জনমিতি]] || ১,১৯৫ || ✓
|-
| 316 || [[পাকিস্তানের জনমিতি]] || ৮৫০ || ✓
|-
| 317 || [[আসামের জনমিতি]] || ১৮২ || ✓
|-
| 318 || [[বিহার]] || ৪৫৮ || ✓
|-
| 319 || [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] || ১৮১ || ✓
|-
| 320 || [[শাহ বানু মামলা]] || ৮০০ || ✓
|-
| 321 || [[ইসরায়েল–ভারত সম্পর্ক]] || ৮৯৭ || ✓
|-
| 322 || [[প্রণব মুখোপাধ্যায়]] || ৫৯৫ || ✓
|-
| 323 || [[দ্রৌপদী মুর্মু]] || ২৪৯ || ✓
|-
| 324 || [[ফখরুদ্দিন আলি আহমেদ]] || ১,৬৪৭ || ✓
|-
| 325 || [[এলজিবিটিকিউ অধিকার বিরোধিতা]] || ২,০৪৯ || ✓
|-
| 326 || [[গেফোবিয়া]] || ২৭৮ || ✓
|-
| 327 || [[সমকামী যৌন চর্চা]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 328 || [[উভকামিতা]] || ১,৫৬০ || ✓
|-
| 329 || [[কামিং আউট]] || ৮০৫ || ✓
|-
| 330 || [[স্মৃতি ইরানি]] || ৯৯১ || ✓
|-
| 331 || [[মেনকা গান্ধী]] || ১,২৩০ || ✓
|-
| 332 || [[যশবন্ত সিং]] || ২০৬ || ✓
|-
| 333 || [[সৈয়দ শাহাবুদ্দিন]] || ৫৭৯ || ✓
|-
| 334 || [[শাকিল আহমদ]] || ১২৪ || ✓
|-
| 335 || [[তথাগত রায়]] || ২৭৫ || ✓
|-
| 336 || [[লালুপ্রসাদ যাদব]] || ১,১০৯ || ✓
|-
| 337 || [[আসাদউদ্দিন ওয়াইসি]] || ৫০২ || ✓
|-
| 338 || [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনী]] || ১৯,১০০ || ✕
|-
| 339 || [[ভাকলাভ হাভেল]] || ৯,৩৫৭ || ✓
|-
| 340 || [[নরউইচের জুলিয়ান]] || ৩১,৬৩৩ || ✓
|-
| 341 || [[রামসে ম্যাকডোনাল্ড]] || ৯,৬২২ || ✓
|-
| 342 || [[জন মুয়ির]] || ৮,০৬১ || ✓
|-
| 343 || [[মার্গারেট অ্যাটউড]] || ৬,৩২৮ || ✓
|-
| 344 || [[পেত্র ক্রাপোতকিন]] || ১০,৮১৬ || ✓
|-
| 345 || [[টমাস হেনরি হাক্সলি]] || ৮,৫০৩ || ✓
|-
| 346 || [[উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস]] || ৭,২১০ || ✓
|-
| 347 || [[উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস]] || ৪,২৬০ || ✓
|-
| 348 || [[তাওয়াক্কোল কারমান]] || ৪,০৯৭ || ✓
|-
| 349 || [[র্যাচেল কারসন]] || ৪,৭৬৭ || ✓
|-
| 350 || [[আর্নেস্ট হেমিংওয়ে]] || ১৪,৯০৭ || ✓
|-
| 351 || [[আর্থার এডিংটন]] || ৫,৬৩৭ || ✓
|-
| 352 || [[এরিক হবসবাউম]] || ৫,৮৭৩ || ✓
|-
| 353 || [[টনি মরিসন]] || ১০,৩৮৩ || ✓
|-
| 354 || [[টনি বেন]] || ১০,৩৯৯ || ✓
|-
| 355 || [[নরম্যান মেইলার]] || ৬,৬০৬ || ✓
|-
| 356 || [[পল স্যামুয়েলসন]] || ৬,৮৫১ || ✓
|-
| 357 || [[এইচ. পি. লাভক্র্যাফট]] || ২৫,৪৭২ || ✓
|-
| 358 || [[ব্লেজ পাসকাল]] || ৩,০৫১ || ✓
|-
| 359 || [[চিনুয়া আচেবে]] || ৬,০৪২ || ✓
|-
| 360 || [[ডরিস লেসিং]] || ৪,৬২১ || ✓
|-
| 361 || [[ফেদেরিকো ফাগিন]] || ৬০০ || ✓
|-
| 362 || [[আলেকজান্ডার গ্রোথেনডিক]] || ১,২১১ || ✓
|-
| 363 || [[আঙ্গেলা ম্যার্কেল]] || ২,০২৯ || ✓
|-
| 364 || [[আনাক্সাগোরাস]] || ৩,৬৭১ || ✓
|-
| 365 || [[আমোস তভারস্কি]] || ৪৬১ || ✓
|-
| 366 || [[আলফ্রেড মার্শাল]] || ১,৩০৯ || ✓
|-
| 367 || [[আলবার্টাস ম্যাগনাস]] || ৩৮২ || ✓
|-
| 368 || [[অনিতা ব্রুকনার]] || ৪৭৪ || ✓
|-
| 369 || [[আলফ্রেড কিনসে]] || ১,০৩৩ || ✓
|-
| 370 || [[অ্যালান কে]] || ৯২৪ || ✓
|-
| 371 || [[আলেকজান্ডার ফ্লেমিং]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 372 || [[ক্যারোলিন বার্তোজি]] || ৪১১ || ✓
|-
| 373 || [[আলফ্রেড রাসেল ওয়ালেস]] || ১,৬৫৯ || ✓
|-
| 374 || [[অঁতোয়ান লাভোয়াজিয়ে]] || ১,৪৬৩ || ✕
|-
| 375 || [[ভ্রান্ত উদ্ধৃতি]] || ৯,৮৭১ || ✓
|-
| 376 || [[২০১১ ফিফা মহিলা বিশ্বকাপ]] || ৯৬৩ || ✓
|-
| 377 || [[তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] || ৩,১৭৯ || ✓
|-
| 378 || [[আফগান যুদ্ধ]] || ৪,৬২০ || ✓
|-
| 379 || [[ইউক্রেনে রুশ আক্রমণ]] || ১২,৩৮২ || ✓
|-
| 380 || [[ইরাক যুদ্ধ]] || ১২,৩৪৪ || ✓
|-
| 381 || [[যুক্তরাজ্যের তৃতীয় জর্জ]] || ১২,০৪২ || ✓
|-
| 382 || [[২০১০ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৮৮৩ || ✓
|-
| 383 || [[২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৩,৫১৪ || ✓
|-
| 384 || [[২০০২ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৬১১ || ✓
|-
| 385 || [[ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ]] || ১,৫৪২ || ✓
|-
| 386 || [[স্নায়ুযুদ্ধ]] || ১৫,৬১০ || ✓
|-
| 387 || [[দ্বিতীয় স্নায়ুযুদ্ধ]] || ৪,৬৬৮ || ✓
|-
| 388 || [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] || ২৪,১৭৭ || ✓
|-
| 389 || [[মহত্ত্ব]] || ৭,৮১৪ || ✓
|-
| 390 || [[সাংবাদিকতা]] || ১৩,৪৭০ || ✓
|-
| 391 || [[প্যানডিজম]] || ১০,৩০০ || ✓
|-
| 392 || [[গাজা যুদ্ধ]] || ১৬,৯৮২ || ✓
|-
| 393 || [[২০২৬ ইরান যুদ্ধ]] || ৬,৯৫৯ || ✓
|-
| 394 || [[পারমাণবিক অস্ত্র]] || ৩,২৩৩ || ✓
|-
| 395 || [[২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৬৪৩ || ✓
|-
| 396 || [[ক্রুসেড]] || ৯৯৬ || ✓
|-
| 397 || [[অ্যানিমেশন]] || ৯,৪৫৭ || ✓
|-
| 398 || [[দক্ষিণ কোরিয়ার রাজনীতি]] || ৭৫৫ || ✓
|-
| 399 || [[ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ]] || ৩,৭৬২ || ✓
|-
| 400 || [[পারমাণবিক যুদ্ধ]] || ৫,৫২০ || ✓
|-
| 401 || [[আল খোয়ারিজমি]] || ১,২৩০ || ✓
|-
| 402 || [[ফজলে রাব্বী]] || ৬৩৫ || ✓
|-
| 403 || [[ডেভিড হিউম]] || ১১,৭৮০ || ✓
|-
| 404 || [[লিওনিদ ক্যান্টোরোভিচ]] || ১,৪২২ || ✓
|-
| 405 || [[থিওডোসিয়াস ডবঝানস্কি]] || ৭৬০ || ✕
|-
| 406 || [[টেরেন্স টাও]] || ৭২০ || ✓
|-
| 407 || [[ফিলিপ]] || ৪২৬ || ✓
|-
| 408 || [[জুলিয়ান শুইঙার]] || ১,৩২২ || ✕
|-
| 409 || [[পিয়ের-জিল দ্য জেন]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 410 || [[ব্রায়ান কক্স]] || ৭৫৬ || ✓
|-
| 411 || [[জন ম্যাককার্থি]] || ১,০৪৫ || ✓
|-
| 412 || [[লুই দ্য ব্রোয়ি]] || ৪৬০ || ✓
|-
| 413 || [[ফ্রঁসোয়া মিতেরঁ]] || ১,১৯৪ || ✕
|-
| 414 || [[ফ্লিন্ডার্স পেট্রি]] || ১,২০৪ || ✕
|-
| 415 || [[পল আর. এহর্লিচ]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 416 || [[মাইকেল আতিয়াহ]] || ৪২৩ || ✓
|-
| 417 || [[মার্টন মিলার]] || ৪৮২ || ✓
|-
| 418 || [[মেরি বিয়ার্ড]] || ৯১১ || ✓
|-
| 419 || [[মার্গারেট চ্যান]] || ৭০৪ || ✓
|-
| 420 || [[গেরহার্ড শ্রোডার]] || ২৬৯ || ✓
|-
| 421 || [[ফিলিপ ওয়ারেন অ্যান্ডারসন]] || ৭৯৯ || ✓
|-
| 422 || [[পিটার হিগস]] || ৪৭৪ || ✕
|-
| 423 || [[লিওনার্ড সাসকিন্ড]] || ৮২৫ || ✓
|-
| 424 || [[জন মেইনার্ড স্মিথ]] || ৬৪০ || ✓
|-
| 425 || [[জন জেমস অডুবন]] || ৮৩৭ || ✓
|-
| 426 || [[শেলডন লি গ্ল্যাশো]] || ৭৫১ || ✓
|-
| 427 || [[ভিক্টর উইসকফ]] || ৫১৯ || ✓
|-
| 428 || [[মার্টিন রিস]] || ৫৫১ || ✓
|-
| 429 || [[মার্ক ওলিফ্যান্ট]] || ৫৫৩ || ✓
|-
| 430 || [[ভিতালি গিঞ্জবার্গ]] || ৩০৮ || ✓
|-
| 431 || [[স্যালি রাইড]] || ৪২৫ || ✓
|-
| 432 || [[রবার্ট ফোগেল]] || ৪২৮ || ✓
|-
| 433 || [[রিঙ্গো স্টার]] || ৮৭০ || ✓
|-
| 434 || [[মাক্স ডেলব্রুক]] || ৫৭৫ || ✓
|-
| 435 || [[তৃতীয় লেওপোল্ড]] || ৮৩৭ || ✓
|-
| 436 || [[নরম্যান বোরল্যাগ]] || ৭০০ || ✓
|-
| 437 || [[নিকলাউস ভির্ট]] || ৪৭৯ || ✓
|-
| 438 || [[নিকোলাস স্টেনো]] || ২৯২ || ✓
|-
| 439 || [[নেভিল ফ্রান্সিস মট]] || ৫১১ || ✓
|-
| 440 || [[লুডউইক ফ্লেক]] || ৫১২ || ✓
|-
| 441 || [[কারেন উলেনবেক]] || ৩৯২ || ✓
|-
| 442 || [[ইয়োসেফ মেংগেলে]] || ৫৪৪ || ✓
|-
| 443 || [[কিরণ দেশাই]] || ২৬১ || ✓
|-
| 444 || [[কাতালিন কারিকো]] || ৩০৯ || ✓
|-
| 445 || [[ইয়োন্স ইয়াকব বের্সেলিয়ুস]] || ৫১৬ || ✓
|-
| 446 || [[হুয়ান মালদাসেনা]] || ৭৩২ || ✓
|-
| 447 || [[হাইনরিখ বোল]] || ৩০০ || ✓
|-
| 448 || [[ইনগ্রিড ডোবিচি]] || ৬৭১ || ✓
|-
| 449 || [[ইয়ান উইলমুট]] || ৪২৭ || ✓
|-
| 450 || [[হিউ এভারেট]] || ৬০০ || ✓
|-
| 451 || [[ফ্রঁসোয়া অংল্যার]] || ৫৩৩ || ✓
|-
| 452 || [[এমানুয়েল সোয়েডেনবার্গ]] || ১,৫২২ || ✓
|-
| 453 || [[এলিজাবেথ বিশপ]] || ৬৫২ || ✓
|-
| 454 || [[শেখ আন্তা দিওপ]] || ৩৩৫ || ✓
|-
| 455 || [[জর্জ গ্যামো]] || ১,৫২১ || ✓
|-
| 456 || [[হাইনরিখ হের্ত্স]] || ১,৭৪৪ || ✓
|-
| 457 || [[গ্রো হারলেম ব্রুন্ডটল্যান্ড]] || ৩১১ || ✓
|-
| 458 || [[জন সি. মাদার]] || ৪২৫ || ✓
|-
| 459 || [[জন ব্যাকাস]] || ৫৯৭ || ✓
|-
| 460 || [[এর্নস্ট মায়ার]] || ৭৫৪ || ✓
|-
| 461 || [[লিন মার্গুলিস]] || ১,৭১৮ || ✓
|-
| 462 || [[হ্যান্স বেটে]] || ৩৯৬ || ✓
|-
| 463 || [[লুই আগাসিজ]] || ৯৩৭ || ✓
|-
| 464 || [[জর্জ ক্যুভিয়ে]] || ৭৬৮ || ✓
|-
| 465 || [[ব্রাসেলস]] || ৯৬৭ || ✓
|-
| 466 || [[ড্যানিয়েল কানেমান]] || ২,৯৫৭ || ✕
|-
| 467 || [[ডোনাল্ড কানুথ]] || ১,৫৮২ || ✓
|-
| 468 || [[লেমাহ গবোউই]] || ১,১৫০ || ✓
|-
| 469 || [[গারট্রুড বি. এলিয়ন]] || ২৩৪ || ✓
|-
| 470 || [[ডোনা স্ট্রিকল্যান্ড]] || ৩৫৯ || ✓
|-
| 471 || [[এর্নস্ট মাখ]] || ২,০২৮ || ✕
|-
| 472 || [[ডোনাল্ড টাস্ক]] || ১,৭৭১ || ✓
|-
| 473 || [[অরবিন্দ আদিগা]] || ৮৬৬ || ✓
|-
| 474 || [[সি. এ. আর. হোর]] || ১,০৬১ || ✕
|-
| 475 || [[পল ডিরাক]] || ৪,৭০৯ || ✕
|-
| 476 || [[ই. ও. উইলসন]] || ৪,৪৫৮ || ✕
|-
| 477 || [[ডেসমন্ড মরিস]] || ৩,৯৮৬ || ✓
|-
| 478 || [[মাইকেল গোভ]] || ৩,৭৩৬ || ✓
|-
| 479 || [[হার্পার লি]] || ২,৪৯১ || ✓
|-
| 480 || [[কেন টম্পসন]] || ১,৮১৬ || ✓
|-
| 481 || [[জন টিন্ডাল]] || ২,৫২৮ || ✓
|-
| 482 || [[মেরি রবিনসন]] || ১,৩৭৬ || ✓
|-
| 483 || [[হেনরি ক্যাভেন্ডিশ]] || ২,২৪৪ || ✓
|-
| 484 || [[আইরিস মারডক]] || ১,২৬৮ || ✓
|-
| 485 || [[আর্নেস্ট রাদারফোর্ড]] || ২,৪৫৩ || ✓
|-
| 486 || [[ফ্রেড ব্রুকস]] || ১,১৯১ || ✓
|-
| 487 || [[ক্রিস্টিয়ান হাইগেনস]] || ১,৯০৭ || ✓
|-
| 488 || [[ডায়ান ফসি]] || ১,৬৪৬ || ✕
|-
| 489 || [[ইডিথ হোয়ার্টন]] || ১,৪২৫ || ✓
|-
| 490 || [[অরেল স্টেইন]] || ১,৪৭৮ || ✕
|-
| 491 || [[গাব্রিয়েলা মিস্ত্রাল]] || ১,৬৫০ || ✓
|-
| 492 || [[আলেকজান্ডার ফন হুমবোল্ট]] || ১,১২০ || ✓
|-
| 493 || [[ফ্রান্সিস্কো ভারেলা]] || ১,৮৯৩ || ✓
|-
| 494 || [[ডেনিস রিচি]] || ১,১০৮ || ✓
|-
| 495 || [[অড্রে হেপবার্ন]] || ১,৪৩৫ || ✓
|-
| 496 || [[জি. এইচ. হার্ডি]] || ২,৩৩০ || ✓
|-
| 497 || [[হ্যারল্ড পিন্টার]] || ২,০৭২ || ✓
|-
| 498 || [[অ্যানাক্সিম্যান্ডার]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 499 || [[ডেভিড ব্রুস্টার]] || ২,৪০৪ || ✓
|-
| 500 || [[ব্রায়ান গ্রিন]] || ১,২৭৯ || ✕
|-
| 501 || [[অমিত গোস্বামী]] || ৯১৫ || ✓
|-
| 502 || [[এডমন্ড হ্যালি]] || ২,৬১৯ || ✓
|-
| 503 || [[ডেভিড সুজুকি]] || ১,৫১৭ || ✓
|-
| 504 || [[ডেভিড জোনাথন গ্রোস]] || ৮০৯ || ✓
|-
| 505 || [[ডেভিড ম্যামেট]] || ১,২৫২ || ✓
|-
| 506 || [[আহমেদ জেওয়াইল]] || ১৯২ || ✓
|-
| 507 || [[ইউরোপীয় পার্লামেন্ট]] || ৬১৫ || ✓
|-
| 508 || [[ডেভিড গ্রসম্যান]] || ৩৩৬ || ✓
|-
| 509 || [[হরিশ-চন্দ্র]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 510 || [[অনিতা দেসাই]] || ১,৪৩৯ || ✓
|-
| 511 || [[অ্যাশ কার্টার]] || ৪৬৩ || ✓
|-
| 512 || [[আলফ্রেড নোবেল]] || ৫০৯ || ✕
|-
| 513 || [[ক্রিস্টিয়ান বার্নার্ড]] || ৬৩৯ || ✓
|-
| 514 || [[রেজা পাহলভি]] || ৯,৯১০ || ✓
|-
| 515 || [[রজার ইবার্ট]] || ২১,৩২৫ || ✓
|-
| 516 || [[পুনর্জন্ম]] || ২০,২৪৮ || ✓
|-
| 517 || [[জ্যারেড ডায়মন্ড]] || ১,১৬৮ || ✕
|-
| 518 || [[জেন গুডাল]] || ১,৩৫৭ || ✓
|-
| 519 || [[জেমস টোবিন]] || ১,০৫৯ || ✓
|-
| 520 || [[জেমস ক্যালাহান]] || ১,৬১৫ || ✓
|-
| 521 || [[উইলিয়াম স্ট্যানলি জেভন্স]] || ১,৭০১ || ✓
|-
| 522 || [[উইলিয়াম থমসন]] || ১,০৫১ || ✓
|-
| 523 || [[ওলে সোয়িংকা]] || ৩,১৬১ || ✕
|-
| 524 || [[জোসেফ স্টিগলিটজ]] || ১,৫০৪ || ✕
|-
| 525 || [[গ্রেগর মেন্ডেল]] || ৮৭৪ || ✓
|-
| 526 || [[গটফ্রিড ভিলহেল্ম লাইবনিৎস]] || ১,২৩৬ || ✓
|-
| 527 || [[গ্লেন থিওডোর সিবর্গ]] || ৯৮৪ || ✓
|-
| 528 || [[হেরমান ভাইল]] || ১,৫৪১ || ✓
|-
| 529 || [[হেরমান হেস]] || ৪,৫৬৫ || ✓
|-
| 530 || [[হার্বার্ট স্পেন্সার]] || ২,৩৬৮ || ✓
|-
| 531 || [[হার্বার্ট এ. সাইমন]] || ১,৩৩৭ || ✓
|-
| 532 || [[হেরাক্লিটাস]] || ১,৫৭০ || ✓
|-
| 533 || [[হেনরিক শিয়েনকিয়েভিচ]] || ১,৯১১ || ✕
|-
| 534 || [[উইলা ক্যাথার]] || ৩,০৩৩ || ✕
|-
| 535 || [[উইল ডুরান্ট]] || ২,৮১৫ || ✓
|-
| 536 || [[ডব্লিউ. এইচ. অডেন]] || ২,৮১৯ || ✓
|-
| 537 || [[ভোলফগাং পাউলি]] || ১,৬৩৯ || ✓
|-
| 538 || [[ইয়াসুনারি কাওয়াবাতা]] || ২,২৫৮ || ✓
|-
| 539 || [[জন আর্চিবল্ড হুইলার]] || ১,১৩৯ || ✓
|-
| 540 || [[সেমুর হার্শ]] || ১,৭৬১ || ✓
|-
| 541 || [[সের্গেই কোরোলিয়ভ]] || ৫৬৫ || ✓
|-
| 542 || [[জেন অ্যাডামস]] || ১,৯০৬ || ✓
|-
| 543 || [[জাক-ইভ কুস্তো]] || ৬৬৩ || ✓
|-
| 544 || [[হিদেকি ইউকাওয়া]] || ৪০৩ || ✓
|-
| 545 || [[প্রিমো লেভি]] || ৪,২৩৮ || ✓
|-
| 546 || [[ঝুম্পা লাহিড়ী]] || ৪৩০ || ✓
|-
| 547 || [[জেমস প্রেসকট জুল]] || ৪৮৭ || ✓
|-
| 548 || [[উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা]] || ৪,৮৫১ || ✓
|-
| 549 || [[সংবাদ মাধ্যম]] || ১,১৫৫ || ✓
|-
| 550 || [[গণমাধ্যম]] || ৩,৩৫৭ || ✓
|-
| 551 || [[মূলধারার গণমাধ্যম]] || ১,০৫২ || ✓
|-
| 552 || [[হলুদ সাংবাদিকতা]] || ২,২৯৬ || ✓
|-
| 553 || [[ভুয়া সংবাদ]] || ১,৪০৮ || ✓
|-
| 554 || [[বিকল্প প্রচারমাধ্যম]] || ১,২০৫ || ✓
|-
| 555 || [[জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ]] || ১১,২৬৬ || ✓
|-
| 556 || [[অ্যানোনিমাস]] || ৪,০৪৩ || ✓
|-
| 557 || [[টুপাক শাকুর]] || ৬,২৮৭ || ✓
|-
| 558 || [[জেনডেয়া]] || ২,০১৪ || ✓
|-
| 559 || [[টিমথি শালামে]] || ১,১২৭ || ✓
|-
| 560 || [[হিপোক্রেটিস]] || ২,৯২৩ || ✓
|-
| 561 || [[ষষ্ঠ মুহাম্মদ]] || ৮৭৮ || ✓
|-
| 562 || [[জন লেনক্স]] || ৭০২ || ✓
|-
| 563 || [[আলেক্সান্দ্র্ সলজেনিৎসিন]] || ৮,০৫৬ || ✓
|-
| 564 || [[আবদুল হান্নান মাসউদ]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 565 || [[পরকাল সম্পর্কে কুরআন]] || ১৮,৭৯৪ || ✓
|-
| 566 || [[মানবতাবিরোধী অপরাধ]] || ১,৯১২ || ✓
|-
| 567 || [[আন্তর্জাতিক আইন]] || ৫,৫৩৯ || ✓
|-
| 568 || [[মোহাম্মদ জাওয়াদ জারিফ]] || ১,৪৫২ || ✓
|-
| 569 || [[অনিল ভৌমিক]] || ২১৬ || ✓
|-
| 570 || [[মনোজ মিত্র]] || ৫,৫৬৭ || ✓
|-
| 571 || [[নারায়ণ সান্যাল]] || ৩৬৬ || ✓
|-
| 572 || [[মতি নন্দী]] || ৫,০১৮ || ✓
|-
| 573 || [[দেবেশ রায়]] || ৯,২৪৪ || ✓
|-
| 574 || [[শিশিরকুমার বসু]] || ৪,৮০৭ || ✓
|-
| 575 || [[বিমল কর]] || ১,৩৬৯ || ✓
|-
| 576 || [[সুবোধ সরকার]] || ১,৮৪৮ || ✓
|-
| 577 || [[স্মরণজিৎ চক্রবর্তী]] || ৭৯২ || ✓
|-
| 578 || [[স্বামী সারদানন্দ]] || ৮,৬৯৫ || ✓
|-
| 579 || [[শক্তিপদ রাজগুরু]] || ৯৯৩ || ✓
|-
| 580 || [[কমলকুমার মজুমদার]] || ১,৫৭৩ || ✓
|-
| 581 || [[গৌতম ভদ্র]] || ৬৮৫ || ✓
|-
| 582 || [[পরিমল গোস্বামী]] || ৬,৫৫০ || ✓
|-
| 583 || [[প্রেমাঙ্কুর আতর্থী]] || ৫,৬৯৮ || ✓
|-
| 584 || [[কালীপ্রসন্ন সিংহ]] || ৫,৪০৪ || ✓
|-
| 585 || [[অখিল নিয়োগী]] || ৬৩৬ || ✓
|-
| 586 || [[হরপ্রসাদ শাস্ত্রী]] || ৫১৩ || ✓
|-
| 587 || [[গায়ত্রী চক্রবর্তী স্পিভাক]] || ৫৯২ || ✓
|-
| 588 || [[অজিত দত্ত]] || ৮৭০ || ✓
|-
| 589 || [[অজিতকৃষ্ণ বসু]] || ২,৩৮৬ || ✓
|-
| 590 || [[এম এস স্বামীনাথন]] || ৮৭২ || ✓
|-
| 591 || [[চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন]] || ২,১৭১ || ✓
|-
| 592 || [[চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও]] || ২,১৬৭ || ✓
|-
| 593 || [[কণাদ]] || ৯১৯ || ✓
|-
| 594 || [[জয়ন্ত বিষ্ণু নারলিকর]] || ৩,১৮৭ || ✓
|-
| 595 || [[বিক্রম সারাভাই]] || ১,১২৯ || ✓
|-
| 596 || [[আর্নেস্ট কিং]] || ১৫,৭৬৯ || ✕
|-
| 597 || [[ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট]] || ২৬,২১৫ || ✓
|-
| 598 || [[আনোয়ার ইব্রাহিম]] || ৬,৯৯৩ || ✓
|-
| 599 || [[ইসলাম ও যুদ্ধ]] || ৫,৬৮১ || ✓
|-
| 600 || [[আহমদ সিরহিন্দি]] || ৪,০৭০ || ✓
|-
| 601 || [[মুসা সেরান্তোনিও]] || ৪২৩ || ✓
|-
| 602 || [[ইয়াকুব]] || ১,৯৫৬ || ✓
|-
| 603 || [[আদ্রিয়ান গোল্ডসওয়ার্দি]] || ১,৯৭৯ || ✕
|-
| 604 || [[অ্যালিস পল]] || ১,৮৬২ || ✕
|-
| 605 || [[অ্যামি ট্যান]] || ২,০০৭ || ✕
|-
| 606 || [[অ্যান্ড্রু সেগা]] || ১,৯৬৯ || ✓
|-
| 607 || [[আল্যাঁ বাদিউ]] || ১,৯৬৬ || ✕
|-
| 608 || [[আফ্রিকান স্পির]] || ১,৭২২ || ✕
|-
| 609 || [[ফ্রেডরিক ডগলাস]] || ৮৬২ || ✕
|-
| 610 || [[নবী]] || ২,০৬২ || ✕
|-
| 611 || [[এমা গোল্ডম্যান]] || ১২,৮০০ || ✕
|-
| 612 || [[প্রেম সম্পর্কে ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি]] || ১৫,০৪০ || ✓
|-
| 613 || [[মিস্ট্রি সায়েন্স থিয়েটার ৩০০০]] || ৯৪,৯৬৮ || ✕
|-
| 614 || [[দ্য থিক অফ ইট]] || ৬৯,২৮৩ || ✕
|-
| 615 || [[অ্যালেক্স হেইলি]] || ১,৬০৪ || ✓
|-
| 616 || [[দাসত্ব সম্পর্কে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি]] || ৫,৭৮৫ || ✕
|-
| 617 || [[দাসত্ব]] || ১০,২৫৯ || ✕
|-
| 618 || [[যন্ত্র]] || ৭১৩ || ✓
|-
| 619 || [[বিচারক]] || ৯৫২ || ✓
|-
| 620 || [[রুটি]] || ১,০৯৭ || ✓
|-
| 621 || [[খড়]] || ৯৩২ || ✓
|-
| 622 || [[মন্মথমোহন বসু]] || ৯৬৩ || ✕
|-
| 623 || [[কালীপ্রসন্ন বিদ্যারত্ন]] || ৮২৫ || ✓
|-
| 624 || [[কলসী]] || ১,০৮৬ || ✓
|-
| 625 || [[চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ১,১৫৭ || ✓
|-
| 626 || [[শহর]] || ১,৪৫৮ || ✕
|-
| 627 || [[ঘাস]] || ২,১১২ || ✓
|-
| 628 || [[জলধর সেন]] || ১,৭৬৪ || ✓
|-
| 629 || [[ঠিকানা]] || ১,১৮৭ || ✓
|-
| 630 || [[গন্ধ]] || ১,৮০৭ || ✓
|-
| 631 || [[চা]] || ২,৪২৪ || ✓
|-
| 632 || [[রবীন্দ্রনাথ মৈত্র]] || ১,২৮১ || ✓
|-
| 633 || [[দিগন্ত]] || ১,২২৮ || ✓
|-
| 634 || [[ময়ূর]] || ১,৩৪৫ || ✓
|-
| 635 || [[করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ৯১১ || ✓
|-
| 636 || [[ঢেউ]] || ১,৫৩৯ || ✓
|-
| 637 || [[ছাতা]] || ১,১৮৯ || ✓
|-
| 638 || [[উমাকান্ত হাজারী]] || ৯৪২ || ✓
|-
| 639 || [[ঘৃণা]] || ২,৩৩৯ || ✓
|-
| 640 || [[বাঁশ]] || ২,৪৫৯ || ✕
|-
| 641 || [[কলেরা]] || ১,৬৩৮ || ✓
|-
| 642 || [[মাঠ]] || ২,৪৪৭ || ✓
|-
| 643 || [[টিন]] || ১,৯৩২ || ✕
|-
| 644 || [[সংবাদ]] || ৪,৪৭৯ || ✕
|-
| 645 || [[জন বারবার]] || ৫৭৪ || ✕
|-
| 646 || [[স্কটিশ জাতি]] || ৩৭৫ || ✓
|-
| 647 || [[ওয়েন্ডি বোম্যান]] || ১৫১ || ✕
|-
| 648 || [[যুদ্ধাপরাধ]] || ৪,৬৭৯ || ✕
|-
| 649 || [[রুবি]] || ৩৬৩ || ✓
|-
| 650 || [[রিতা এনজেলু]] || ১৫৯ || ✓
|-
| 651 || [[বমি]] || ২০৪ || ✓
|-
| 652 || [[পার্ল]] || ৬৯০ || ✕
|-
| 653 || [[পাইথন]] || ১৩৯ || ✓
|-
| 654 || [[উইকিলিকস]] || ১,৬৩১ || ✕
|-
| 655 || [[জনস্টন ম্যাককালি]] || ৩১১ || ✕
|-
| 656 || [[যুগোস্লাভিয়া]] || ৪,১৩৬ || ✓
|-
| 657 || [[অংশুমান কর]] || ২০৯ || ✓
|-
| 658 || [[কেমব্রিজ গান]] || ৩০৫ || ✕
|-
| 659 || [[হেলেনীয় শিক্ষা]] || ৫০২ || ✓
|-
| 660 || [[টমাস হলি চিভার্স]] || ২৩৫ || ✓
|-
| 661 || [[মুহাম্মদ মাহদি আল-জাওয়াহিরি]] || ৬৩৮ || ✓
|-
| 662 || [[জেডি স্মিথ]] || ১,০৮০ || ✓
|-
| 663 || [[ব্রায়ান পি. শ্মিট]] || ৪৬০ || ✓
|-
| 664 || [[কার্ল বার্নস্টিন]] || ৩৬৮ || ✓
|-
| 665 || [[চার্লস ফেফারম্যান]] || ৩৩৯ || ✓
|-
| 666 || [[ইয়ুস্টুস ফন লিবিগ]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 667 || [[টমাস শেলিংস]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 668 || [[উইলিয়াম শকলি]] || ৩৯১ || ✓
|-
| 669 || [[শিং-শেন চের্ন]] || ৭৬৫ || ✕
|-
| 670 || [[হুগো দ্য ভ্রিস]] || ৩৪৪ || ✓
|-
| 671 || [[রবার্ট অ্যান্ড্রুজ মিলিকান]] || ৪৩৬ || ✓
|-
| 672 || [[জেমস ভ্যান অ্যালেন]] || ৫৯৬ || ✓
|-
| 673 || [[জাক শিরাক]] || ৭১১ || ✓
|-
| 674 || [[ডরোথি হজকিন]] || ২৯৪ || ✓
|-
| 675 || [[গোরান পারসন]] || ৩২৬ || ✓
|-
| 676 || [[জেরার দ্যব্রু]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 677 || [[কোরীয় যুদ্ধ]] || ৯,৯৬৫ || ✕
|-
| 678 || [[রবার্ট জে. শিলার]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 679 || [[ফ্রঁসোয়া আরাগন]] || ৪৩৫ || ✓
|-
| 680 || [[অখিলচন্দ্র দত্ত]] || ৩৭৩ || ✕
|-
| 681 || [[ফ্রান্সিস কলিন্স]] || ৫৮৮ || ✓
|-
| 682 || [[হেলেন ক্লার্ক]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 683 || [[লেয়োঁ ফুকো]] || ৫৩২ || ✓
|-
| 684 || [[জন চার্লস পোলানি]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 685 || [[জন মেইনার্ড কেইনস]] || ১৭,৭৯১ || ✕
|-
| 686 || [[দিমিত্রি মুরাতভ]] || ৬৩৬ || ✓
|-
| 687 || [[আবদুস সালাম]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 688 || [[আবদুলরাজাক গুরনাহ]] || ৭৪৯ || ✓
|-
| 689 || [[এ. সি. বেনসন]] || ৩৮৩ || ✓
|-
| 690 || [[প্রথম আলবার্ট]] || ৮৬৪ || ✓
|-
| 691 || [[অম্লান দত্ত]] || ১৪৬ || ✓
|-
| 692 || [[ইয়ান মার্টেল]] || ১,১৩৩ || ✕
|-
| 693 || [[ইয়োইচিরো নাম্বু]] || ৪৩১ || ✕
|-
| 694 || [[সৈয়দ জামিল আহমেদ]] || ২০৩ || ✓
|-
| 695 || [[পূর্ণিমা]] || ১৯২ || ✓
|-
| 696 || [[শরিফুল রাজ]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 697 || [[কাজী হায়াৎ]] || ২৭৪ || ✓
|-
| 698 || [[আরেফিন রুমি]] || ১৬২ || ✓
|-
| 699 || [[ইমাম নাসাই]] || ৬৯৭ || ✕
|-
| 700 || [[কবরী]] || ২৭১ || ✓
|-
| 701 || [[হাফিজ উদ্দিন আহমদ]] || ২৩৬ || ✓
|-
| 702 || [[আ ন ম এহসানুল হক মিলন]] || ৩৪০ || ✓
|-
| 703 || [[আন্দালিব রহমান পার্থ]] || ২৯৭ || ✓
|-
| 704 || [[ববি হাজ্জাজ]] || ২৫৩ || ✓
|-
| 705 || [[ইবনে মাজাহ]] || ৩৩৬ || ✓
|-
| 706 || [[হাবিব ওয়াহিদ]] || ২৬৪ || ✓
|-
| 707 || [[জাইমা রহমান]] || ২১২ || ✓
|-
| 708 || [[কনকচাঁপা]] || ২২৮ || ✓
|-
| 709 || [[আহসান হাবীব]] || ২১৯ || ✓
|-
| 710 || [[বেলাল খান]] || ২১৯ || ✓
|-
| 711 || [[নচিকেতা চক্রবর্তী]] || ২৮৯ || ✓
|-
| 712 || [[আ ফ ম খালিদ হোসেন]] || ২৪৮ || ✓
|-
| 713 || [[আলমগীর]] || ৪০৬ || ✓
|-
| 714 || [[সালাহউদ্দিন আহমেদ]] || ৪৫৯ || ✓
|-
| 715 || [[চোং নানশান]] || ১৭৮ || ✓
|-
| 716 || [[এ. সি. ব্র্যাডলি]] || ৩৯০ || ✕
|-
| 717 || [[আলবার্ট হফমান]] || ৩,৪৪৪ || ✓
|-
| 718 || [[অ্যালান পারলিস]] || ৯২৮ || ✓
|-
| 719 || [[হেইনরিখ রোরার]] || ৩৬০ || ✓
|-
| 720 || [[আলফ্রেড আহো]] || ১৪৪ || ✕
|-
| 721 || [[উ থান্ট]] || ৬৭৮ || ✕
|-
| 722 || [[লোরঁ শোয়ার্তজ]] || ৬১০ || ✓
|-
| 723 || [[উইলিয়াম শার্প]] || ৩৯৯ || ✓
|-
| 724 || [[পাউল এরেনফেস্ট]] || ৪৩৩ || ✓
|-
| 725 || [[রবার্ট মান্ডেল]] || ৩২২ || ✓
|-
| 726 || [[হান কাং]] || ৬৬৬ || ✓
|-
| 727 || [[ক্রিপটিক ফেইট]] || ১৭৬ || ✓
|-
| 728 || [[কাকাবাবু]] || ২৫৮ || ✓
|-
| 729 || [[ক্যারি মুলিস]] || ৪০৩ || ✓
|-
| 730 || [[টোমাস ট্রান্সট্রোমার]] || ২৯৯ || ✓
|-
| 731 || [[ইরিনা বোকোভা]] || ২৬৮ || ✓
|-
| 732 || [[মার্টিনুস ভেল্টম্যান]] || ১৯৫ || ✓
|-
| 733 || [[ড্যামন গ্যালগুট]] || ৪৮২ || ✓
|-
| 734 || [[আর্থার কর্নবার্গ]] || ১৭৭ || ✕
|-
| 735 || [[বেন ওক্রি]] || ৮৫৮ || ✓
|-
| 736 || [[সল বেলো]] || ১,০০৩ || ✓
|-
| 737 || [[সল পার্লমাটার]] || ৩১১ || ✕
|-
| 738 || [[সিমেওঁ দ্যনি পোয়াসোঁ]] || ১৬০ || ✓
|-
| 739 || [[স্টিভ আরউইন]] || ৪৩৫ || ✕
|-
| 740 || [[আনি এরনো]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 741 || [[ফজল শাহাবুদ্দীন]] || ৪৯৫ || ✕
|-
| 742 || [[আল-জাহিজ]] || ৭৩৩ || ✓
|-
| 743 || [[আল-বিরুনি]] || ১,৮৩৬ || ✓
|-
| 744 || [[থমাস হ্যারিয়ট]] || ৪৩২ || ✓
|-
| 745 || [[স্টিভেন চু]] || ২২০ || ✓
|-
| 746 || [[ইভাঞ্জেলিস্টা টরিসেলি]] || ৩৭২ || ✓
|-
| 747 || [[লেসলি ল্যামপোর্ট]] || ৫৫০ || ✓
|-
| 748 || [[মার্টিন লুইস পার্ল]] || ৩৮৮ || ✓
|-
| 749 || [[ভ্লাদিমির মার্কভনিকভ]] || ২৬৭ || ✓
|-
| 750 || [[বাপ্পী লাহিড়ী]] || ২৫২ || ✓
|-
| 751 || [[নুহাশ হুমায়ূন]] || ২০৫ || ✓
|-
| 752 || [[আনিসুল হক]] || ২৪৬ || ✕
|-
| 753 || [[বাবর আলী]] || ৩০৯ || ✓
|-
| 754 || [[মেহের আফরোজ শাওন]] || ৩১৯ || ✓
|-
| 755 || [[ফেলুদা]] || ২৪৬ || ✓
|-
| 756 || [[ব্যোমকেশ বক্সী]] || ১৭৮ || ✓
|-
| 757 || [[প্রোফেসর শঙ্কু]] || ২৬৯ || ✓
|-
| 758 || [[বারী সিদ্দিকী]] || ২৪২ || ✓
|-
| 759 || [[সমরেশ বসু]] || ২০২ || ✓
|-
| 760 || [[লিয়ন কুপার]] || ৩২৩ || ✓
|-
| 761 || [[কামিলা শামসি]] || ২০৪ || ✓
|-
| 762 || [[ক্রিস্টোফার রেন]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 763 || [[জিওফ্রে হিন্টন]] || ৩২২ || ✓
|-
| 764 || [[ফ্রিডতিয়ফ নানসেন]] || ১৯১ || ✓
|-
| 765 || [[আলাঁ আস্পে]] || ৭৭৬ || ✓
|-
| 766 || [[ক্যারিল ফিলিপস]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 767 || [[জেমস কুক]] || ৩৯৭ || ✓
|-
| 768 || [[ক্লাউদিয়া শেইনবাউম]] || ৩২১ || ✓
|-
| 769 || [[আবি আহমেদ]] || ২৫৫ || ✓
|-
| 770 || [[পিটার আগ্রি]] || ১৯০ || ✓
|-
| 771 || [[ফখরুদ্দীন আল-রাযী]] || ২১৫ || ✓
|-
| 772 || [[শি চিনফিং]] || ৪,১৩২ || ✕
|-
| 773 || [[ইব্রাহিম ত্রাওরে]] || ৭৫৪ || ✓
|-
| 774 || [[পেদ্রো সানচেজ]] || ২৯৯ || ✓
|-
| 775 || [[অ্যাডাম রিস]] || ৪৮৯ || ✓
|-
| 776 || [[আব্দুল হান্নান আবকারী]] || ০ || ✕
|-
| 777 || [[ইবরাহীম আলী তশনা]] || ২৪৭ || ✓
|-
| 778 || [[রুহুল আমিন বসিরহাটি]] || ৩৬৩ || ✓
|-
| 779 || [[মুহাম্মদুল্লাহ হাফেজ্জী]] || ৩৪২ || ✓
|-
| 780 || [[শামছুল হুদা]] || ০ || ✕
|-
| 781 || [[শামছুল হক ফরিদপুরী]] || ৫৪৬ || ✓
|-
| 782 || [[গর্ডন মুর]] || ৫৮৭ || ✓
|-
| 783 || [[শিরিন এবাদি]] || ৫৪৩ || ✕
|-
| 784 || [[নাগিব মাহফুজ]] || ৫৩০ || ✓
|-
| 785 || [[আল-ফারাবি]] || ৫৩৭ || ✕
|-
| 786 || [[চাষী নজরুল ইসলাম]] || ৪৪৬ || ✓
|-
| 787 || [[বাপ্পা মজুমদার]] || ৩১০ || ✓
|-
| 788 || [[রবার্ট ক্লাইভ]] || ২,০০২ || ✕
|-
| 789 || [[পার্ল এস. বাক]] || ৯৩৩ || ✕
|-
| 790 || [[জন বারডিন]] || ৩৬৪ || ✓
|-
| 791 || [[তাসমিয়া প্রধান]] || ৩৫২ || ✓
|-
| 792 || [[আজিজুল হক]] || ১৮০ || ✓
|-
| 793 || [[আবদুস সালাম]] || ১০০ || ✕
|-
| 794 || [[আবদুল গফুর]] || ১০১ || ✕
|-
| 795 || [[আবদুল জব্বার]] || ১৬১ || ✓
|-
| 796 || [[আবদুল জব্বার]] || ৯২ || ✕
|-
| 797 || [[আবদুল জব্বার]] || ১৩৩ || ✕
|-
| 798 || [[অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ১৩৪ || ✕
|-
| 799 || [[অনিমেষ রায়]] || ১২৬ || ✕
|-
| 800 || [[অনির্বাণ বসু]] || ১২০ || ✕
|-
| 801 || [[অজয় ঘটক]] || ১১৪ || ✕
|-
| 802 || [[অচলা মল্লিক]] || ১৫৪ || ✕
|-
| 803 || [[অজয় হোম]] || ১৫৯ || ✕
|-
| 804 || [[অমিতা বসু]] || ১৪২ || ✕
|-
| 805 || [[ভেরা রুবিন]] || ৩৫০ || ✕
|-
| 806 || [[মেরি কুরি]] || ১৭৯ || ✕
|-
| 807 || [[মিসির আলি]] || ৪০৬ || ✕
|-
| 808 || [[আস্ট্রোনমি]] || ০ || ✕
|-
| 809 || [[মমতাজ বেগম]] || ৩৫৫ || ✕
|-
| 810 || [[আবুল বরকত]] || ১৪৩ || ✕
|-
| 811 || [[মেরি স্টোপস]] || ৫০৫ || ✕
|-
| 812 || [[ইয়োন ফসে]] || ৩৯৩ || ✕
|-
| 813 || [[জুনো দিয়াজ]] || ৫৪০ || ✕
|-
| 814 || [[পারভীন এতেসামি]] || ০ || ✕
|-
| 815 || [[চুয়াং জি]] || ২৭৪ || ✕
|-
| 816 || [[ফকির শাহাবুদ্দীন]] || ০ || ✕
|-
| 817 || [[আবু বকর সিদ্দিকী]] || ০ || ✕
|-
| 818 || [[বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট]] || ০ || ✕
|-
| 819 || [[বাংলাদেশের কৃষি প্রযুক্তি]] || ০ || ✕
|-
| 820 || [[হাসিবুন নাহের]] || ০ || ✕
|-
| 821 || [[মেরি উলস্টোনক্রাফ্ট]] || ২১৩ || ✕
|-
| 822 || [[বালতাসার গ্রাসিয়ান]] || ২০৬ || ✕
|-
| 823 || [[জুলাই আন্দোলন]] || ৬১৫ || ✕
|-
| 824 || [[বিকাশ]] || ০ || ✕
|-
| 825 || [[নতুন প্রযুক্তি]] || ০ || ✕
|-
| 826 || [[বাংলাদেশের রিয়েল এস্টেট শিল্প: বর্তমান প্রেক্ষাপট ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা]] || ০ || ✕
|-
| 827 || [[জলবায়ু পরিবর্তন ও বাংলাদেশের পরিবেশ]] || ০ || ✕
|-
| 828 || [[মোহাম্মদ শেখ শাহিনুর রহমান]] || ০ || ✕
|-
| 829 || [[অপ্রত্যাশিত জীবনযাত্রা]] || ০ || ✕
|-
| 830 || [[অপর্ণা সেন]] || ৩১২ || ✕
|}
b3a40tj00irqerkiceduqjo5nnhqg7f
83369
83368
2026-05-03T22:45:05Z
ARI
356
/* পর্যালোচক পরিসংখ্যান */
83369
wikitext
text/x-wiki
----
সর্বশেষ হালনাগাদ - ০৩:০৩, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
----
==উইকিউক্তি ফলাফল ২০২৬==
{| class="wikitable sortable"
|-
! ক্রম
! ব্যবহারকারী
! নিবন্ধ
! মোট শব্দ
! বিস্তারিত
|-
| '''১'''
| '''Dr. Mosaddek Khondoker'''
| '''১৯'''
| '''৪,০৪,৫৭৫'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৪,০৪,৫৭৫<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| '''২'''
| '''ARI'''
| '''২৮'''
| '''৩,১৪,৮৯৭'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৩,১২,২১২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২,৬৮৫
</div>
|-
| '''৩'''
| '''NusJaS'''
| '''১০'''
| '''২,৫৯,৯৪২'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,৫৯,৯৪২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| '''৪'''
| '''Tuhin'''
| '''২৮০'''
| '''৩,০১,৮৭২'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,৫৮,০৩৩<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪৩,৮৩৯
</div>
|-
| '''৫'''
| '''SMontaha32'''
| '''৩৭'''
| '''২,৩৯,৫৫৫'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,১৮,৯৯২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২০,৫৬৩
</div>
|-
| '''৬'''
| '''Oindrojalik Watch'''
| '''২৯'''
| '''১,৯৯,৯৪২'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১,৯০,০৭১<br>
অপর্যালোচিত: ৯,৮৭১<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| '''৭'''
| '''Sumanta3023'''
| '''১১০'''
| '''১,২২,৫০০'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৯৭,৪২১<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২৫,০৭৯
</div>
|-
| '''৮'''
| '''Anik Kanti Dey'''
| '''৩৪'''
| '''১,০৪,৬৪১'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৯৩,৮৬৪<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১০,৭৭৭
</div>
|-
| '''৯'''
| '''Tanbiruzzaman'''
| '''২১'''
| '''৮০,৭২৪'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৮০,৭২৪<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| '''১০'''
| '''Nil Nandy'''
| '''২৭'''
| '''৭৪,২৬৭'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৭৪,২৬৭<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ১১
| R1F4T
| ২২
| ২,৮৫,২৭৫
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৬৩,৯৫১<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২,২১,৩২৪
</div>
|-
| ১২
| Salil Kumar Mukherjee
| ২৭
| ৪২,২০৬
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৩০,৯১৫<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১১,২৯১
</div>
|-
| ১৩
| Anaf Ibn Shahibul
| ৪৭
| ৫৬,৫৮১
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১৯,৩৪৬<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৩৭,২৩৫
</div>
|-
| ১৪
| মোহাম্মদ জনি হোসেন
| ২৫
| ৮,১২৩
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৫,৪৭২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২,৬৫১
</div>
|-
| ১৫
| JIBON
| ৫
| ৫,৫৫৪
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৪,৭৩২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৮২২
</div>
|-
| ১৬
| Md. Muqtadir Fuad
| ১১
| ৪,০২৯
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৪,০২৯<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ১৭
| Humaira.thithi
| ৮
| ৩,৭১০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,৭৮৭<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৯২৩
</div>
|-
| ১৮
| Amirhusenjihed
| ৩
| ৩,০৬৪
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,৫৬৯<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪৯৫
</div>
|-
| ১৯
| Asikur Rahman
| ৬
| ২,২২৯
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,২২৯<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২০
| Rasel Mehedi
| ১০
| ২,৪৬৮
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,২২২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২৪৬
</div>
|-
| ২১
| Mahiya50
| ৬
| ২,১৯০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,১৯০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২২
| Borhan
| ৬
| ১,৬৬২
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১,৬৬২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২৩
| Raihanur
| ৪
| ৫,৬৭৪
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১,৫৪২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪,১৩২
</div>
|-
| ২৪
| Muhammad Fahim Faisal
| ৬
| ১,৪৯৮
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১,৪৯৮<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২৫
| Firuz Ahmmed
| ৪
| ২,১৯৭
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১,১১৭<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১,০৮০
</div>
|-
| ২৬
| নিয়াজ ইসলাম
| ২
| ৭৫৬
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৭৫৬<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২৭
| Asad.fr
| ৩
| ৩,২৯৯
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৩৬৪<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২,৯৩৫
</div>
|-
| ২৮
| Mehedi Abedin
| ১
| ৩৫২
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৩৫২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২৯
| Md. Rayan Alam Rifat
| ১
| ১৮০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১৮০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ৩০
| Siyan BD
| ১২
| ১,৫৩৬
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১৬১<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১,৩৭৫
</div>
|-
| ৩১
| Dewan mahbubr Rahman
| ১
| ৩৫০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৩৫০
</div>
|-
| ৩২
| ExceptionistSagar
| ১
| ১৭৯
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১৭৯
</div>
|-
| ৩৩
| Kh. Fahim
| ১
| ৪০৬
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪০৬
</div>
|-
| ৩৪
| Trisha Mazumder
| ১
| ০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ৩৫
| MdMarufHossen71
| ২
| ৪৯৮
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪৯৮
</div>
|-
| ৩৬
| Usarker
| ৩
| ১,৪৩৮
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১,৪৩৮
</div>
|-
| ৩৭
| রাকিবুল হাসান রাসেল
| ১
| ০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ৩৮
| MD RADWAN ISLAM
| ৬
| ২৭৪
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২৭৪
</div>
|-
| ৩৯
| AKM Mahinur Rahman
| ২
| ৪১৯
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪১৯
</div>
|-
| ৪০
| MD RADWAN ISLAM ROHAN
| ৫
| ৬১৫
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৬১৫
</div>
|-
| ৪১
| ShahinurWrites
| ১
| ০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ৪২
| Abdullah Al Shishir
| ১
| ০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ৪৩
| চ্যাম্পিয়ন স্টার ১
| ১
| ৩১২
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৩১২
</div>
|}
== পর্যালোচক পরিসংখ্যান ==
; পর্যালোচক
{| class="wikitable"
|-
! ক্রম !! নাম !! মোট !! গৃহীত !! বাতিল
|-
| '''১''' || '''Mehedi Abedin''' || '''২৭৫''' || ২৪১ || ৩৪
|-
| '''২''' || '''NusJaS''' || '''১৯৩''' || ১৬২ || ৩১
|-
| '''৩''' || '''MS Sakib''' || '''১৮১''' || ১৪৮ || ৩৩
|-
| '''৪''' || '''ARI''' || '''১৬২''' || ১৩৬ || ২৬
|-
| '''৫''' || '''MdsShakil''' || '''৪০''' || ৩৮ || ২
|-
| '''৬''' || '''Tahmid''' || '''১৪''' || ১০ || ৪
|-
| '''৭''' || '''Yahya''' || '''৫''' || ৪ || ১
|-
! মোট || || ৮৭০ || ৭৩৯ || ১৩১
|}
== ব্যবহারকারী ভিত্তিক পরিসংখ্যান ==
=== [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker| Dr. Mosaddek Khondoker]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্পর্কে উক্তি]] || ৩৯,৩০৩ || ✓
|-
| 2 || [[স্ট্যানলি বল্ডউইন]] || ৩৪,১৩১ || ✓
|-
| 3 || [[খ্রিস্টের অনৈতিহাসিকতা তত্ত্ব]] || ২৮,৭০৭ || ✓
|-
| 4 || [[বেঞ্জামিন ডিসরাইলি]] || ২৯,৪৭৯ || ✓
|-
| 5 || [[রবার্ট জি. ইঙ্গারসোল]] || ৩০,০৯০ || ✓
|-
| 6 || [[রন পল]] || ২৪,৯২৮ || ✓
|-
| 7 || [[ক্যালকুলাসের ইতিহাস]] || ১৯,১৯৫ || ✓
|-
| 8 || [[অ্যানোরেক্সিয়া নার্ভোসা]] || ২৩,১০০ || ✓
|-
| 9 || [[ডোয়াইট ডি আইজেনহাওয়ার]] || ২১,০২৬ || ✓
|-
| 10 || [[স্টিফেন জে গুল্ড]] || ২২,১৫০ || ✓
|-
| 11 || [[এআর-১৫ স্টাইল রাইফেল]] || ১৮,৯০১ || ✓
|-
| 12 || [[শেরি এস. টেপার]] || ২৪,৯৯৯ || ✓
|-
| 13 || [[আউরেলিয়ুস আউগুস্তিনুস]] || ১৯,৩৪৬ || ✓
|-
| 14 || [[ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতিত্ব]] || ৪৬,৮৯৯ || ✓
|-
| 15 || [[নবায়নযোগ্য শক্তি]] || ১২,৬১০ || ✓
|-
| 16 || [[নাডিন গর্ডিমার]] || ১,৩৭২ || ✓
|-
| 17 || [[মারে গেল-মান]] || ১,৩২৮ || ✓
|-
| 18 || [[নার্গিস মোহাম্মাদি]] || ১,৭৫৫ || ✓
|-
| 19 || [[সাদি কার্নো]] || ৫,২৫৬ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১৯
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৪,০৪,৫৭৫
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪,০৪,৫৭৫
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:ARI| ARI]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[জে. হাওয়ার্ড মুর]] || ২৪,১৯৫ || ✓
|-
| 2 || [[ভারতে পোশাক]] || ২,২৮৯ || ✓
|-
| 3 || [[ভারতের ভাষা]] || ৬৯৫ || ✓
|-
| 4 || [[মধ্যযুগীয় ভারত]] || ১,৭১৭ || ✓
|-
| 5 || [[ভারতে ইহুদিদের ইতিহাস]] || ২,০৪৬ || ✓
|-
| 6 || [[ভারতে সুফিবাদ]] || ৩,২০৭ || ✓
|-
| 7 || [[পর্তুগিজ ভারত]] || ১,৬৪৩ || ✓
|-
| 8 || [[ভারতের প্রাণী]] || ৩০৫ || ✓
|-
| 9 || [[স্বাধীনতা দিবস]] || ৩৭৫ || ✓
|-
| 10 || [[ভারতে দুর্ভিক্ষ]] || ৩,৭৮১ || ✓
|-
| 11 || [[ভারতে ধর্মহীনতা]] || ২,৩৮৯ || ✓
|-
| 12 || [[ওয়ারেন ফ্যারেল]] || ২১,০৭৮ || ✓
|-
| 13 || [[আর্নেস্ট বেকার]] || ১৩,৫৯৭ || ✓
|-
| 14 || [[অতিপ্রজতা]] || ২৯,৫০১ || ✓
|-
| 15 || [[মোপলা বিদ্রোহ]] || ১৪,৫১২ || ✓
|-
| 16 || [[সীতা রাম গোয়েল]] || ১,৫৯৬ || ✓
|-
| 17 || [[অরুণ শৌরি]] || ১৫,৪৫০ || ✓
|-
| 18 || [[ভারতের ইতিহাস লিখন]] || ১৭,৯১৮ || ✓
|-
| 19 || [[দ্রৌপদী]] || ৬,১৬৪ || ✓
|-
| 20 || [[দ্য হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়া, অ্যাজ টোল্ড বাই ইটস ওন হিস্টোরিয়ানস]] || ২,৬৮৫ || ✕
|-
| 21 || [[রামায়ণ]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 22 || [[ভারতে শিক্ষা]] || ১০,৫৮০ || ✓
|-
| 23 || [[ভারতে নারী]] || ৬,১৫০ || ✓
|-
| 24 || [[বন্যপ্রাণীর কষ্ট]] || ৩৩,৭৪১ || ✓
|-
| 25 || [[নিরামিষবাদ]] || ৩০,৬২৭ || ✓
|-
| 26 || [[ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম রাষ্ট্রপতিত্ব]] || ৩৭,৫৭২ || ✓
|-
| 27 || [[নির্বাচন]] || ৭,০২৫ || ✓
|-
| 28 || [[সরকার]] || ২২,৭৫৯ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৮
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৩,১২,২১২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩,১৪,৮৯৭
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২,৬৮৫
|}
=== [[ব্যবহারকারী:NusJaS| NusJaS]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[লিটিশা এলিজাবেথ ল্যান্ডন]] || ৩৪,০৩৩ || ✓
|-
| 2 || [[প্রজননবিরোধবাদ]] || ৩০,৯৪৮ || ✓
|-
| 3 || [[উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন]] || ২৮,৬১৬ || ✓
|-
| 4 || [[ক্রিস্টোফার হিচেন্স]] || ২৫,৯২২ || ✓
|-
| 5 || [[বলপূর্বক খাওয়ানো]] || ২২,৬২২ || ✓
|-
| 6 || [[জন স্টুয়ার্ট মিল]] || ২২,৭৮৩ || ✓
|-
| 7 || [[রবার্ট গ্যাসকয়েন-সিসিল, স্যালিসবারির ৩য় মার্কুইস]] || ২০,৮৯৮ || ✓
|-
| 8 || [[অ্যারন রা]] || ২১,৯৫৫ || ✓
|-
| 9 || [[ফায়ারপ্লেস]] || ২১,৪১৭ || ✓
|-
| 10 || [[জন হার্ভে কেলোগ]] || ৩০,৭৪৮ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১০
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,৫৯,৯৪২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,৫৯,৯৪২
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Tuhin| Tuhin]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মহুয়া মৈত্র]] || ৬৫০ || ✓
|-
| 2 || [[হেনরি হোম, লর্ড কেইমস]] || ১,২৯৬ || ✓
|-
| 3 || [[লেটি কটিন পোগ্রেবিন]] || ৩৭০ || ✓
|-
| 4 || [[মার্জ পিয়ার্সি]] || ৬,৭৯০ || ✓
|-
| 5 || [[এলেন ডুইবস]] || ৮০৪ || ✓
|-
| 6 || [[মেরেডিথ ট্যাক্স]] || ৪৯১ || ✓
|-
| 7 || [[মুলক রাজ আনন্দ]] || ২৩৫ || ✓
|-
| 8 || [[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ধর্ষণ]] || ১,৯২০ || ✓
|-
| 9 || [[সুসান ব্রাউনমিলার]] || ৯৯১ || ✓
|-
| 10 || [[রবিন মরগান]] || ১,২২১ || ✓
|-
| 11 || [[ভিভিয়ান গোর্নিক]] || ২,৬৯০ || ✓
|-
| 12 || [[ডরোথি রে হিলি]] || ২,৬৩৮ || ✕
|-
| 13 || [[ক্লডিয়া জোন্স]] || ১,২৯৯ || ✓
|-
| 14 || [[গের্ডা লার্নার]] || ৩,৪২৮ || ✓
|-
| 15 || [[এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন]] || ৯,৮০৪ || ✕
|-
| 16 || [[এলা রিভ ব্লুর]] || ১,৯১৭ || ✓
|-
| 17 || [[টমাস হিউজ]] || ৯৯৬ || ✓
|-
| 18 || [[মার্গারিট দুরাস]] || ৩৪৯ || ✓
|-
| 19 || [[বেন অ্যারোনোভিচ]] || ৮,৭৯৭ || ✓
|-
| 20 || [[গ্লেন কুক]] || ৯,৯৮৫ || ✓
|-
| 21 || [[আব্রাহাম কাহান]] || ২,১৩৩ || ✓
|-
| 22 || [[গ্রেস পেলি]] || ৮,১৬৪ || ✕
|-
| 23 || [[স্টিফেন ক্রেন]] || ১,৯৬৩ || ✕
|-
| 24 || [[জোসেফাইন হার্বস্ট]] || ৪২৭ || ✓
|-
| 25 || [[জর্জ গিসিং]] || ২,০০৫ || ✓
|-
| 26 || [[আনজিয়া ইয়েজিয়ারস্কা]] || ৩,২৬২ || ✕
|-
| 27 || [[মেরি অ্যান্টিন]] || ৪৯০ || ✓
|-
| 28 || [[জয়েস অ্যান্টলার]] || ৪২৯ || ✓
|-
| 29 || [[ক্যাথরিন ম্যাককিনন]] || ২,১৭৮ || ✓
|-
| 30 || [[বেটিনা আপথেকার]] || ১,০২০ || ✓
|-
| 31 || [[ক্যারি চ্যাপম্যান ক্যাট]] || ১,৬০৩ || ✓
|-
| 32 || [[জ্যানেট র্যাঙ্কিন]] || ৭২১ || ✓
|-
| 33 || [[ফ্রান্সেস উইলার্ড]] || ৯৪১ || ✕
|-
| 34 || [[অ্যালিস স্টোন ব্ল্যাকওয়েল]] || ৫৪০ || ✕
|-
| 35 || [[অ্যানা এলিজাবেথ ডিকিনসন]] || ৭৫১ || ✕
|-
| 36 || [[মেরি লিভারমোর]] || ২,৩০৭ || ✕
|-
| 37 || [[দাড়ি]] || ২৯৭ || ✓
|-
| 38 || [[স্যার হেনরি হোবার্ট, ১ম ব্যারোনেট]] || ৭৩৮ || ✓
|-
| 39 || [[হার্ডিঞ্জ স্ট্যানলি গিফার্ড, হালসবুরির ১ম আর্ল]] || ৪১৯ || ✓
|-
| 40 || [[এ. ভি. ডাইসি]] || ১,৩৮১ || ✕
|-
| 41 || [[আলফ্রেড ডেনিং, ব্যারন ডেনিং]] || ৩,৮৩২ || ✓
|-
| 42 || [[টমাস ডেনিসন]] || ৪০০ || ✓
|-
| 43 || [[স্যার ফ্রান্সিস বুলার, ১ম ব্যারোনেট]] || ৯৬২ || ✓
|-
| 44 || [[নিকোলাস ব্রাতজা]] || ২৬৪ || ✓
|-
| 45 || [[রবার্ট অ্যাটকিনস]] || ৩২৫ || ✓
|-
| 46 || [[রিচার্ড পেপার আর্ডেন, ১ম ব্যারন অ্যালভানলি]] || ৩৫১ || ✓
|-
| 47 || [[এডওয়ার্ড হল অল্ডারসন]] || ৪৪৬ || ✓
|-
| 48 || [[অ্যামব্রোজ বিয়ার্স]] || ৫,৫৪১ || ✕
|-
| 49 || [[মেওয়াত]] || ৭১৮ || ✓
|-
| 50 || [[নানাবতী-মেহতা কমিশন]] || ২,৪৪৪ || ✓
|-
| 51 || [[ভারতে ঔষধ শিল্প]] || ১,৯২১ || ✓
|-
| 52 || [[পাঞ্জাব]] || ১,৪০৬ || ✓
|-
| 53 || [[রামনবমী]] || ৮৬২ || ✓
|-
| 54 || [[ভারতের শহরসমূহের নাম পরিবর্তন]] || ৪৪১ || ✓
|-
| 55 || [[নুপুর শর্মা]] || ৬০১ || ✓
|-
| 56 || [[রিপাবলিক টিভি]] || ৪৫৫ || ✓
|-
| 57 || [[রোহিলখণ্ড]] || ৪৪০ || ✓
|-
| 58 || [[রোহিলা]] || ৩৪০ || ✓
|-
| 59 || [[সৌরাষ্ট্র]] || ৬৫৪ || ✓
|-
| 60 || [[ভারতে তিন তালাক]] || ১,১৩৪ || ✓
|-
| 61 || [[ভারতের পবিত্র উপবন]] || ৫৭৫ || ✓
|-
| 62 || [[অভিন্ন দেওয়ানি বিধি]] || ৩,৭৩৭ || ✓
|-
| 63 || [[নবনীত আদিত্য ওয়াইবা]] || ১৯২ || ✓
|-
| 64 || [[ভারতে জল সরবরাহ ও স্যানিটেশন]] || ৭৪০ || ✓
|-
| 65 || [[জমিদার]] || ৩৮১ || ✕
|-
| 66 || [[নিখিল ভারত মুসলিম লীগ]] || ২,৫৩৮ || ✓
|-
| 67 || [[ফতোয়া]] || ৪৮৪ || ✓
|-
| 68 || [[দারা শিকোহ]] || ১,৪৩৫ || ✓
|-
| 69 || [[আমেরিকা নিপাত যাক]] || ৬৩৯ || ✓
|-
| 70 || [[মহা শয়তান]] || ৪১৪ || ✓
|-
| 71 || [[উলামা]] || ৩৪৫ || ✓
|-
| 72 || [[দক্ষিণ এশিয়ায় মুসলিম জাতীয়তাবাদ]] || ১,৫১৬ || ✓
|-
| 73 || [[পার্সি-মুসলিম দাঙ্গা]] || ৬৫৬ || ✓
|-
| 74 || [[ভারতে দাঙ্গা]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 75 || [[ভারতে পেগাসাস প্রকল্পের উদঘাটন]] || ৩৯০ || ✓
|-
| 76 || [[নেহরুবাদ]] || ৯৫২ || ✓
|-
| 77 || [[২জি স্পেকট্রাম মামলা]] || ৯৩৭ || ✓
|-
| 78 || [[রাহুল গান্ধী]] || ৪,০০৪ || ✓
|-
| 79 || [[আকবরউদ্দিন ওয়াইসি]] || ২৯৮ || ✓
|-
| 80 || [[ভারতের সাধারণ নির্বাচন, ২০২৪]] || ২,৫৭৭ || ✓
|-
| 81 || [[ভারতে ধর্মনিরপেক্ষতা]] || ২৩৪ || ✓
|-
| 82 || [[নাইলা আলি খান]] || ২০৪ || ✓
|-
| 83 || [[অরুণ জেটলি]] || ৪৮১ || ✓
|-
| 84 || [[সুকেতু মেহতা]] || ৩৮২ || ✓
|-
| 85 || [[রুক্মিণী মৈত্র]] || ৩৫৪ || ✓
|-
| 86 || [[মানব গুপ্ত]] || ৬৩৪ || ✕
|-
| 87 || [[মোহিনী মোহন ধর]] || ৫৮৫ || ✓
|-
| 88 || [[দিলীপ কুমার চক্রবর্তী]] || ২,৫৯৭ || ✓
|-
| 89 || [[রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ৩৮৩ || ✓
|-
| 90 || [[পিটার অ্যাক্রয়েড]] || ২৯৭ || ✓
|-
| 91 || [[হ্যারল্ড ব্লুম]] || ৫৯৩ || ✓
|-
| 92 || [[জেমস বসওয়েল]] || ১,১৪৯ || ✓
|-
| 93 || [[অলিভার গোল্ডস্মিথ]] || ৩,১৭৮ || ✓
|-
| 94 || [[হেনরি জাইলস]] || ৭৯২ || ✓
|-
| 95 || [[এডউইন হাবেল চ্যাপিন]] || ৭৭০ || ✓
|-
| 96 || [[অবমাননা]] || ৭৮৮ || ✓
|-
| 97 || [[আদালত অবমাননা]] || ৮২৯ || ✓
|-
| 98 || [[আইনপ্রণেতা]] || ৭৪৩ || ✓
|-
| 99 || [[লেই বারডুগো]] || ১২২ || ✓
|-
| 100 || [[উইলিয়াম ব্রেট, ১ম ভিসকাউন্ট এশার]] || ১,০২০ || ✓
|-
| 101 || [[হেনরি হকিন্স, ১ম ব্যারন ব্র্যাম্পটন]] || ৩০৩ || ✓
|-
| 102 || [[জুনিয়াস]] || ১,৪১২ || ✓
|-
| 103 || [[উইলিয়াম মারে, ম্যানসফিল্ডের ১ম আর্ল]] || ৬৪৩ || ✓
|-
| 104 || [[জোসেফ ইয়েটস]] || ৬৬৬ || ✓
|-
| 105 || [[স্যার জন বেইলি, ১ম ব্যারোনেট]] || ৯১৮ || ✓
|-
| 106 || [[হেনরি বিকারস্টথ, ১ম ব্যারন ল্যাংডেল]] || ৪১৫ || ✓
|-
| 107 || [[এডওয়ার্ড ল, ১ম ব্যারন এলেনবরো]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 108 || [[লয়েড কেনিয়ন, ১ম ব্যারন কেনিয়ন]] || ৪,৪০৮ || ✓
|-
| 109 || [[জন হোল্ট]] || ১,১৮৯ || ✓
|-
| 110 || [[চার্লস বোয়েন, ব্যারন বোয়েন]] || ১,০৩৭ || ✓
|-
| 111 || [[চার্লস অ্যাবট, ১ম ব্যারন টেন্টারডেন]] || ৩৪১ || ✓
|-
| 112 || [[ন্যায়বিচার প্রশাসন]] || ২,৮৯৯ || ✓
|-
| 113 || [[আদালত]] || ১,৮১৮ || ✕
|-
| 114 || [[রোজান এ. ব্রাউন]] || ৩৪১ || ✓
|-
| 115 || [[মারিয়ন জিমার ব্র্যাডলি]] || ১,১০৪ || ✓
|-
| 116 || [[টেরি ব্রুকস]] || ৪৮৫ || ✓
|-
| 117 || [[লেই ব্র্যাকেট]] || ১,১১২ || ✓
|-
| 118 || [[জ্যাক ক্যাডি]] || ১,৫৬৮ || ✓
|-
| 119 || [[মেল ব্রুকস]] || ২,০১৬ || ✕
|-
| 120 || [[মাইকেল বিশপ]] || ৯৯০ || ✓
|-
| 121 || [[এলিজাবেথ বেয়ার]] || ৭০৫ || ✓
|-
| 122 || [[মার্গারেট বল]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 123 || [[পাওলো বাসিগালুপি]] || ৬৪৭ || ✓
|-
| 124 || [[কেলি আর্মস্ট্রং]] || ৫৮৫ || ✓
|-
| 125 || [[ক্যাথরিন আসরো]] || ৩৬১ || ✓
|-
| 126 || [[পিয়ার্স অ্যান্থনি]] || ২২৯ || ✓
|-
| 127 || [[রবার্ট আইকম্যান]] || ২৬৮ || ✓
|-
| 128 || [[আইনজীবী]] || ২,৩২৯ || ✓
|-
| 129 || [[আইনসভা]] || ২,৩৪৩ || ✓
|-
| 130 || [[জর্জ বুশনার]] || ৬৬২ || ✓
|-
| 131 || [[জোসেফ গার্নি ক্যানন]] || ৭০৯ || ✓
|-
| 132 || [[সংখ্যাগরিষ্ঠ]] || ১,৩৫৬ || ✓
|-
| 133 || [[সংখ্যালঘু গোষ্ঠী]] || ১,৮৮১ || ✓
|-
| 134 || [[প্রাতিষ্ঠানিক আচরণ]] || ৬৫৬ || ✓
|-
| 135 || [[মানব আচরণ]] || ৮৫২ || ✓
|-
| 136 || [[হার্ভে ম্যানসফিল্ড]] || ৯৭৯ || ✓
|-
| 137 || [[রাষ্ট্রবিজ্ঞান]] || ১,১৩৯ || ✓
|-
| 138 || [[রাজনৈতিক দর্শন]] || ১,২৮৫ || ✓
|-
| 139 || [[দ্বিজেন্দ্র নারায়ণ ঝা]] || ১,০৮৭ || ✓
|-
| 140 || [[আগ্রাসন]] || ৯২০ || ✓
|-
| 141 || [[হিন্দুত্ব]] || ২,৭০০ || ✓
|-
| 142 || [[ফ্লাভিয়া অ্যাগনেস]] || ৬৮২ || ✓
|-
| 143 || [[লাভ জিহাদ ষড়যন্ত্র তত্ত্ব]] || ৩,১৫০ || ✓
|-
| 144 || [[মহাত্মা গান্ধীর হত্যাকাণ্ড]] || ১,৭৭৮ || ✓
|-
| 145 || [[যোগিন্দর সিকান্দ]] || ৮১৪ || ✓
|-
| 146 || [[ভারতে মুসলিমদের বিরুদ্ধে সহিংসতা]] || ৮৫১ || ✓
|-
| 147 || [[জয় শ্রীরাম]] || ৭০৮ || ✓
|-
| 148 || [[লালকৃষ্ণ আডবাণী]] || ১,৫৫৫ || ✓
|-
| 149 || [[রাম রথযাত্রা]] || ১,৫৭৯ || ✓
|-
| 150 || [[হিন্দু আমেরিকান ফাউন্ডেশন]] || ১,৪৫৫ || ✓
|-
| 151 || [[হর্ষ মান্দার]] || ৬৬০ || ✓
|-
| 152 || [[স্বপন দাশগুপ্ত]] || ১,১৬৭ || ✓
|-
| 153 || [[জরাথুস্ট্রবাদ]] || ৩৭৭ || ✓
|-
| 154 || [[পার্সি]] || ৩৯০ || ✓
|-
| 155 || [[নাগরিকত্ব]] || ১,৮৭৯ || ✓
|-
| 156 || [[ভারতের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৭০]] || ৬৭৯ || ✓
|-
| 157 || [[মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯]] || ৭৬৯ || ✓
|-
| 158 || [[অবৈতনিক বাধ্যতামূলক শিশু শিক্ষার অধিকার আইন, ২০০৯]] || ৩৭৯ || ✓
|-
| 159 || [[বোম্বাই দাঙ্গা]] || ৭৭৬ || ✓
|-
| 160 || [[বজরং দল]] || ৩৩১ || ✓
|-
| 161 || [[সংসদীয় ব্যবস্থা]] || ৪০৫ || ✓
|-
| 162 || [[বিচার বিভাগীয় ব্যাখ্যা]] || ১,২৩২ || ✓
|-
| 163 || [[বর্ণবাদ পরবর্তী আমেরিকা]] || ১,০৬৯ || ✓
|-
| 164 || [[শ্বেতাঙ্গ বিশেষাধিকার]] || ৬২৮ || ✓
|-
| 165 || [[বিশেষাধিকার]] || ৭১২ || ✓
|-
| 166 || [[মানবহিতৈষণা]] || ২২৮ || ✓
|-
| 167 || [[ভারত সরকার]] || ১,২২০ || ✓
|-
| 168 || [[শিলং]] || ৯৭৩ || ✓
|-
| 169 || [[মাঝৌলি রাজ]] || ৫৬০ || ✓
|-
| 170 || [[কালিকট]] || ৪৫৪ || ✓
|-
| 171 || [[যাজপুর]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 172 || [[কালিবাঙ্গান]] || ৭৩৮ || ✓
|-
| 173 || [[কাডাপা]] || ৪১৩ || ✓
|-
| 174 || [[ইদার]] || ৫৮৬ || ✓
|-
| 175 || [[গোধরা]] || ১,০১০ || ✓
|-
| 176 || [[ভুবনেশ্বর]] || ১,১৬৫ || ✓
|-
| 177 || [[অমৃতসর]] || ৮৬৮ || ✓
|-
| 178 || [[আম্বালা]] || ৪৬১ || ✓
|-
| 179 || [[হায়দ্রাবাদ]] || ৩,২৪৮ || ✓
|-
| 180 || [[২০১৯ হায়দ্রাবাদ গণধর্ষণ]] || ১৭৭ || ✓
|-
| 181 || [[মুহাম্মাদ বখতিয়ার খলজি]] || ৪২৩ || ✕
|-
| 182 || [[হায়দ্রাবাদ অধিগ্রহণ]] || ৪৫৬ || ✓
|-
| 183 || [[১৮৯৯-১৯০০ সালের ভারতীয় দুর্ভিক্ষ]] || ৫৪১ || ✓
|-
| 184 || [[১৯৯০ হায়দ্রাবাদ দাঙ্গা]] || ৪০৬ || ✓
|-
| 185 || [[গুয়াহাটি]] || ১,৭৯৬ || ✓
|-
| 186 || [[গৌড়]] || ১,৯৩৬ || ✓
|-
| 187 || [[বিজাপুর]] || ৬৬২ || ✓
|-
| 188 || [[মাণ্ডু]] || ৩৯৪ || ✓
|-
| 189 || [[খাজুরাহো]] || ৩৭১ || ✓
|-
| 190 || [[চান্দেরী]] || ৫০৭ || ✓
|-
| 191 || [[জুনাগড়]] || ৭১৯ || ✓
|-
| 192 || [[বৃহৎ কচ্ছের রাণ]] || ৫৮৪ || ✓
|-
| 193 || [[আহমেদাবাদ]] || ১,৮১২ || ✓
|-
| 194 || [[কচ্ছ জেলা]] || ৩২৬ || ✓
|-
| 195 || [[দৃশদ্বতী নদী]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 196 || [[চেনাব নদী]] || ৩২১ || ✓
|-
| 197 || [[পশ্চিমবঙ্গে ধর্ম]] || ১,২৩২ || ✓
|-
| 198 || [[মুর্শিদাবাদ সহিংসতা]] || ২৫৭ || ✓
|-
| 199 || [[২০২৪ সন্দেশখালী সহিংসতা]] || ১,০৬১ || ✓
|-
| 200 || [[২০২২ বীরভূম সহিংসতা]] || ৫১৪ || ✓
|-
| 201 || [[মৈতৈ জাতি]] || ৬৪০ || ✓
|-
| 202 || [[মৈতৈ সভ্যতা]] || ৩৫০ || ✓
|-
| 203 || [[মণিপুর]] || ৩০৬ || ✓
|-
| 204 || [[লাক্ষাদ্বীপ]] || ৩২৯ || ✓
|-
| 205 || [[বৃন্দাবন]] || ৭৩৩ || ✓
|-
| 206 || [[সম্ভল]] || ২৪৩ || ✓
|-
| 207 || [[এলাহাবাদ]] || ৩৫৭ || ✓
|-
| 208 || [[আলিগড়]] || ৪০৯ || ✓
|-
| 209 || [[স্ট্যাচু অব ইউনিটি]] || ২৪১ || ✓
|-
| 210 || [[ভারতের দুর্গ]] || ৩১৪ || ✓
|-
| 211 || [[দ্য দুন স্কুল]] || ৬৬৪ || ✓
|-
| 212 || [[কাশী হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়]] || ৩৪৫ || ✓
|-
| 213 || [[আগ্রা]] || ৭১৮ || ✓
|-
| 214 || [[২০২০ দিল্লি দাঙ্গা]] || ১,১৭৮ || ✓
|-
| 215 || [[তিরুচিরাপল্লী]] || ৬২৬ || ✓
|-
| 216 || [[সেন্ট থমাস ক্যাথেড্রাল ব্যাসিলিকা, চেন্নাই]] || ৩৮০ || ✕
|-
| 217 || [[আতঙ্ক]] || ৪৭৮ || ✓
|-
| 218 || [[ভারতে দুর্নীতি]] || ১,০০৭ || ✓
|-
| 219 || [[তামিলনাড়ুর মন্দির]] || ৯১৮ || ✓
|-
| 220 || [[এম. কে. স্ট্যালিন]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 221 || [[তামিলনাড়ু]] || ৫৪৩ || ✓
|-
| 222 || [[তামিলনাড়ুর হিন্দি বিরোধী আন্দোলন]] || ৪৬৫ || ✓
|-
| 223 || [[যোধপুর]] || ৬২৮ || ✓
|-
| 224 || [[রাজস্থান]] || ২৯৪ || ✓
|-
| 225 || [[ওড়িশা]] || ৭৪৫ || ✓
|-
| 226 || [[১৯৯৮ কোয়েম্বাটুর বোমা হামলা]] || ৫৩৭ || ✓
|-
| 227 || [[উত্তর-পূর্ব ভারতে বিদ্রোহ]] || ৩৯৮ || ✓
|-
| 228 || [[মারাদ হত্যাকাণ্ড]] || ৩৫২ || ✓
|-
| 229 || [[মক্কা মসজিদ বিস্ফোরণ]] || ৫৮৪ || ✓
|-
| 230 || [[স্টুডেন্টস ইসলামিক মুভমেন্ট অব ইন্ডিয়া]] || ৩৫৭ || ✓
|-
| 231 || [[বিষ্ণু]] || ৬১৭ || ✓
|-
| 232 || [[২০২৪ রিয়াসি হামলা]] || ৩০২ || ✓
|-
| 233 || [[২০০৬ মালেগাঁও বোমা হামলা]] || ৩৯১ || ✓
|-
| 234 || [[২০০৬ মুম্বই রেলে বোমা হামলা]] || ১৯০ || ✓
|-
| 235 || [[মুম্বই]] || ১,২২৪ || ✓
|-
| 236 || [[দৌলতাবাদ, মহারাষ্ট্র]] || ৮৯৫ || ✕
|-
| 237 || [[মহারাষ্ট্র]] || ৪৯৯ || ✓
|-
| 238 || [[পিনারাই বিজয়ন]] || ৫২৩ || ✓
|-
| 239 || [[আরব দেশ]] || ৯১৪ || ✓
|-
| 240 || [[দক্ষিণ এশিয়া]] || ৫৯৩ || ✓
|-
| 241 || [[শহুরে অবক্ষয়]] || ৩০৮ || ✓
|-
| 242 || [[নগরায়ন]] || ১,০৯৭ || ✓
|-
| 243 || [[কেরল]] || ৩৬৫ || ✓
|-
| 244 || [[জম্মু ও কাশ্মীরে বিদ্রোহ]] || ৪১৮ || ✓
|-
| 245 || [[জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহার]] || ৯৬৪ || ✓
|-
| 246 || [[শ্রীনগর]] || ১,৭২৯ || ✓
|-
| 247 || [[কাশ্মীর উপত্যকা]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 248 || [[লাদাখ]] || ৬৯৪ || ✓
|-
| 249 || [[কাশ্মীরি জাতি]] || ৮১৩ || ✓
|-
| 250 || [[তারিখ-ই-কাশ্মীর]] || ৫১৪ || ✓
|-
| 251 || [[কর্ণাটক]] || ৬৮২ || ✓
|-
| 252 || [[কর্ণাটকের রাজনীতি]] || ৪৩৯ || ✓
|-
| 253 || [[বেঙ্গালুরু]] || ৬১৪ || ✓
|-
| 254 || [[আসামে ইসলাম]] || ৬৯০ || ✓
|-
| 255 || [[আসামের ইতিহাস]] || ৭২৬ || ✓
|-
| 256 || [[আসামে হিন্দুধর্ম]] || ৩২৫ || ✓
|-
| 257 || [[ভারতের জনমিতি]] || ৩,৩৭৩ || ✓
|-
| 258 || [[বাংলাদেশের জনমিতি]] || ১,১৯৫ || ✓
|-
| 259 || [[পাকিস্তানের জনমিতি]] || ৮৫০ || ✓
|-
| 260 || [[আসামের জনমিতি]] || ১৮২ || ✓
|-
| 261 || [[বিহার]] || ৪৫৮ || ✓
|-
| 262 || [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] || ১৮১ || ✓
|-
| 263 || [[শাহ বানু মামলা]] || ৮০০ || ✓
|-
| 264 || [[ইসরায়েল–ভারত সম্পর্ক]] || ৮৯৭ || ✓
|-
| 265 || [[প্রণব মুখোপাধ্যায়]] || ৫৯৫ || ✓
|-
| 266 || [[দ্রৌপদী মুর্মু]] || ২৪৯ || ✓
|-
| 267 || [[ফখরুদ্দিন আলি আহমেদ]] || ১,৬৪৭ || ✓
|-
| 268 || [[এলজিবিটিকিউ অধিকার বিরোধিতা]] || ২,০৪৯ || ✓
|-
| 269 || [[গেফোবিয়া]] || ২৭৮ || ✓
|-
| 270 || [[সমকামী যৌন চর্চা]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 271 || [[উভকামিতা]] || ১,৫৬০ || ✓
|-
| 272 || [[কামিং আউট]] || ৮০৫ || ✓
|-
| 273 || [[স্মৃতি ইরানি]] || ৯৯১ || ✓
|-
| 274 || [[মেনকা গান্ধী]] || ১,২৩০ || ✓
|-
| 275 || [[যশবন্ত সিং]] || ২০৬ || ✓
|-
| 276 || [[সৈয়দ শাহাবুদ্দিন]] || ৫৭৯ || ✓
|-
| 277 || [[শাকিল আহমদ]] || ১২৪ || ✓
|-
| 278 || [[তথাগত রায়]] || ২৭৫ || ✓
|-
| 279 || [[লালুপ্রসাদ যাদব]] || ১,১০৯ || ✓
|-
| 280 || [[আসাদউদ্দিন ওয়াইসি]] || ৫০২ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৮০
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,৫৮,০৩৩
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩,০১,৮৭২
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪৩,৮৩৯
|}
=== [[ব্যবহারকারী:SMontaha32| SMontaha32]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনী]] || ১৯,১০০ || ✕
|-
| 2 || [[ভাকলাভ হাভেল]] || ৯,৩৫৭ || ✓
|-
| 3 || [[নরউইচের জুলিয়ান]] || ৩১,৬৩৩ || ✓
|-
| 4 || [[রামসে ম্যাকডোনাল্ড]] || ৯,৬২২ || ✓
|-
| 5 || [[জন মুয়ির]] || ৮,০৬১ || ✓
|-
| 6 || [[মার্গারেট অ্যাটউড]] || ৬,৩২৮ || ✓
|-
| 7 || [[পেত্র ক্রাপোতকিন]] || ১০,৮১৬ || ✓
|-
| 8 || [[টমাস হেনরি হাক্সলি]] || ৮,৫০৩ || ✓
|-
| 9 || [[উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস]] || ৭,২১০ || ✓
|-
| 10 || [[উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস]] || ৪,২৬০ || ✓
|-
| 11 || [[তাওয়াক্কোল কারমান]] || ৪,০৯৭ || ✓
|-
| 12 || [[র্যাচেল কারসন]] || ৪,৭৬৭ || ✓
|-
| 13 || [[আর্নেস্ট হেমিংওয়ে]] || ১৪,৯০৭ || ✓
|-
| 14 || [[আর্থার এডিংটন]] || ৫,৬৩৭ || ✓
|-
| 15 || [[এরিক হবসবাউম]] || ৫,৮৭৩ || ✓
|-
| 16 || [[টনি মরিসন]] || ১০,৩৮৩ || ✓
|-
| 17 || [[টনি বেন]] || ১০,৩৯৯ || ✓
|-
| 18 || [[নরম্যান মেইলার]] || ৬,৬০৬ || ✓
|-
| 19 || [[পল স্যামুয়েলসন]] || ৬,৮৫১ || ✓
|-
| 20 || [[এইচ. পি. লাভক্র্যাফট]] || ২৫,৪৭২ || ✓
|-
| 21 || [[ব্লেজ পাসকাল]] || ৩,০৫১ || ✓
|-
| 22 || [[চিনুয়া আচেবে]] || ৬,০৪২ || ✓
|-
| 23 || [[ডরিস লেসিং]] || ৪,৬২১ || ✓
|-
| 24 || [[ফেদেরিকো ফাগিন]] || ৬০০ || ✓
|-
| 25 || [[আলেকজান্ডার গ্রোথেনডিক]] || ১,২১১ || ✓
|-
| 26 || [[আঙ্গেলা ম্যার্কেল]] || ২,০২৯ || ✓
|-
| 27 || [[আনাক্সাগোরাস]] || ৩,৬৭১ || ✓
|-
| 28 || [[আমোস তভারস্কি]] || ৪৬১ || ✓
|-
| 29 || [[আলফ্রেড মার্শাল]] || ১,৩০৯ || ✓
|-
| 30 || [[আলবার্টাস ম্যাগনাস]] || ৩৮২ || ✓
|-
| 31 || [[অনিতা ব্রুকনার]] || ৪৭৪ || ✓
|-
| 32 || [[আলফ্রেড কিনসে]] || ১,০৩৩ || ✓
|-
| 33 || [[অ্যালান কে]] || ৯২৪ || ✓
|-
| 34 || [[আলেকজান্ডার ফ্লেমিং]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 35 || [[ক্যারোলিন বার্তোজি]] || ৪১১ || ✓
|-
| 36 || [[আলফ্রেড রাসেল ওয়ালেস]] || ১,৬৫৯ || ✓
|-
| 37 || [[অঁতোয়ান লাভোয়াজিয়ে]] || ১,৪৬৩ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৩৭
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,১৮,৯৯২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,৩৯,৫৫৫
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২০,৫৬৩
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch| Oindrojalik Watch]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ভ্রান্ত উদ্ধৃতি]] || ৯,৮৭১ || ✓
|-
| 2 || [[২০১১ ফিফা মহিলা বিশ্বকাপ]] || ৯৬৩ || ✓
|-
| 3 || [[তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] || ৩,১৭৯ || ✓
|-
| 4 || [[আফগান যুদ্ধ]] || ৪,৬২০ || ✓
|-
| 5 || [[ইউক্রেনে রুশ আক্রমণ]] || ১২,৩৮২ || ✓
|-
| 6 || [[ইরাক যুদ্ধ]] || ১২,৩৪৪ || ✓
|-
| 7 || [[যুক্তরাজ্যের তৃতীয় জর্জ]] || ১২,০৪২ || ✓
|-
| 8 || [[২০১০ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৮৮৩ || ✓
|-
| 9 || [[২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৩,৫১৪ || ✓
|-
| 10 || [[২০০২ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৬১১ || ✓
|-
| 11 || [[ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ]] || ১,৫৪২ || ✓
|-
| 12 || [[স্নায়ুযুদ্ধ]] || ১৫,৬১০ || ✓
|-
| 13 || [[দ্বিতীয় স্নায়ুযুদ্ধ]] || ৪,৬৬৮ || ✓
|-
| 14 || [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] || ২৪,১৭৭ || ✓
|-
| 15 || [[মহত্ত্ব]] || ৭,৮১৪ || ✓
|-
| 16 || [[সাংবাদিকতা]] || ১৩,৪৭০ || ✓
|-
| 17 || [[প্যানডিজম]] || ১০,৩০০ || ✓
|-
| 18 || [[গাজা যুদ্ধ]] || ১৬,৯৮২ || ✓
|-
| 19 || [[২০২৬ ইরান যুদ্ধ]] || ৬,৯৫৯ || ✓
|-
| 20 || [[পারমাণবিক অস্ত্র]] || ৩,২৩৩ || ✓
|-
| 21 || [[২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৬৪৩ || ✓
|-
| 22 || [[ক্রুসেড]] || ৯৯৬ || ✓
|-
| 23 || [[অ্যানিমেশন]] || ৯,৪৫৭ || ✓
|-
| 24 || [[দক্ষিণ কোরিয়ার রাজনীতি]] || ৭৫৫ || ✓
|-
| 25 || [[ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ]] || ৩,৭৬২ || ✓
|-
| 26 || [[পারমাণবিক যুদ্ধ]] || ৫,৫২০ || ✓
|-
| 27 || [[আল খোয়ারিজমি]] || ১,২৩০ || ✓
|-
| 28 || [[ফজলে রাব্বী]] || ৬৩৫ || ✓
|-
| 29 || [[ডেভিড হিউম]] || ১১,৭৮০ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৯
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১,৯০,০৭১
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,৯৯,৯৪২
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023| Sumanta3023]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[লিওনিদ ক্যান্টোরোভিচ]] || ১,৪২২ || ✓
|-
| 2 || [[থিওডোসিয়াস ডবঝানস্কি]] || ৭৬০ || ✕
|-
| 3 || [[টেরেন্স টাও]] || ৭২০ || ✓
|-
| 4 || [[ফিলিপ]] || ৪২৬ || ✓
|-
| 5 || [[জুলিয়ান শুইঙার]] || ১,৩২২ || ✕
|-
| 6 || [[পিয়ের-জিল দ্য জেন]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 7 || [[ব্রায়ান কক্স]] || ৭৫৬ || ✓
|-
| 8 || [[জন ম্যাককার্থি]] || ১,০৪৫ || ✓
|-
| 9 || [[লুই দ্য ব্রোয়ি]] || ৪৬০ || ✓
|-
| 10 || [[ফ্রঁসোয়া মিতেরঁ]] || ১,১৯৪ || ✕
|-
| 11 || [[ফ্লিন্ডার্স পেট্রি]] || ১,২০৪ || ✕
|-
| 12 || [[পল আর. এহর্লিচ]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 13 || [[মাইকেল আতিয়াহ]] || ৪২৩ || ✓
|-
| 14 || [[মার্টন মিলার]] || ৪৮২ || ✓
|-
| 15 || [[মেরি বিয়ার্ড]] || ৯১১ || ✓
|-
| 16 || [[মার্গারেট চ্যান]] || ৭০৪ || ✓
|-
| 17 || [[গেরহার্ড শ্রোডার]] || ২৬৯ || ✓
|-
| 18 || [[ফিলিপ ওয়ারেন অ্যান্ডারসন]] || ৭৯৯ || ✓
|-
| 19 || [[পিটার হিগস]] || ৪৭৪ || ✕
|-
| 20 || [[লিওনার্ড সাসকিন্ড]] || ৮২৫ || ✓
|-
| 21 || [[জন মেইনার্ড স্মিথ]] || ৬৪০ || ✓
|-
| 22 || [[জন জেমস অডুবন]] || ৮৩৭ || ✓
|-
| 23 || [[শেলডন লি গ্ল্যাশো]] || ৭৫১ || ✓
|-
| 24 || [[ভিক্টর উইসকফ]] || ৫১৯ || ✓
|-
| 25 || [[মার্টিন রিস]] || ৫৫১ || ✓
|-
| 26 || [[মার্ক ওলিফ্যান্ট]] || ৫৫৩ || ✓
|-
| 27 || [[ভিতালি গিঞ্জবার্গ]] || ৩০৮ || ✓
|-
| 28 || [[স্যালি রাইড]] || ৪২৫ || ✓
|-
| 29 || [[রবার্ট ফোগেল]] || ৪২৮ || ✓
|-
| 30 || [[রিঙ্গো স্টার]] || ৮৭০ || ✓
|-
| 31 || [[মাক্স ডেলব্রুক]] || ৫৭৫ || ✓
|-
| 32 || [[তৃতীয় লেওপোল্ড]] || ৮৩৭ || ✓
|-
| 33 || [[নরম্যান বোরল্যাগ]] || ৭০০ || ✓
|-
| 34 || [[নিকলাউস ভির্ট]] || ৪৭৯ || ✓
|-
| 35 || [[নিকোলাস স্টেনো]] || ২৯২ || ✓
|-
| 36 || [[নেভিল ফ্রান্সিস মট]] || ৫১১ || ✓
|-
| 37 || [[লুডউইক ফ্লেক]] || ৫১২ || ✓
|-
| 38 || [[কারেন উলেনবেক]] || ৩৯২ || ✓
|-
| 39 || [[ইয়োসেফ মেংগেলে]] || ৫৪৪ || ✓
|-
| 40 || [[কিরণ দেশাই]] || ২৬১ || ✓
|-
| 41 || [[কাতালিন কারিকো]] || ৩০৯ || ✓
|-
| 42 || [[ইয়োন্স ইয়াকব বের্সেলিয়ুস]] || ৫১৬ || ✓
|-
| 43 || [[হুয়ান মালদাসেনা]] || ৭৩২ || ✓
|-
| 44 || [[হাইনরিখ বোল]] || ৩০০ || ✓
|-
| 45 || [[ইনগ্রিড ডোবিচি]] || ৬৭১ || ✓
|-
| 46 || [[ইয়ান উইলমুট]] || ৪২৭ || ✓
|-
| 47 || [[হিউ এভারেট]] || ৬০০ || ✓
|-
| 48 || [[ফ্রঁসোয়া অংল্যার]] || ৫৩৩ || ✓
|-
| 49 || [[এমানুয়েল সোয়েডেনবার্গ]] || ১,৫২২ || ✓
|-
| 50 || [[এলিজাবেথ বিশপ]] || ৬৫২ || ✓
|-
| 51 || [[শেখ আন্তা দিওপ]] || ৩৩৫ || ✓
|-
| 52 || [[জর্জ গ্যামো]] || ১,৫২১ || ✓
|-
| 53 || [[হাইনরিখ হের্ত্স]] || ১,৭৪৪ || ✓
|-
| 54 || [[গ্রো হারলেম ব্রুন্ডটল্যান্ড]] || ৩১১ || ✓
|-
| 55 || [[জন সি. মাদার]] || ৪২৫ || ✓
|-
| 56 || [[জন ব্যাকাস]] || ৫৯৭ || ✓
|-
| 57 || [[এর্নস্ট মায়ার]] || ৭৫৪ || ✓
|-
| 58 || [[লিন মার্গুলিস]] || ১,৭১৮ || ✓
|-
| 59 || [[হ্যান্স বেটে]] || ৩৯৬ || ✓
|-
| 60 || [[লুই আগাসিজ]] || ৯৩৭ || ✓
|-
| 61 || [[জর্জ ক্যুভিয়ে]] || ৭৬৮ || ✓
|-
| 62 || [[ব্রাসেলস]] || ৯৬৭ || ✓
|-
| 63 || [[ড্যানিয়েল কানেমান]] || ২,৯৫৭ || ✕
|-
| 64 || [[ডোনাল্ড কানুথ]] || ১,৫৮২ || ✓
|-
| 65 || [[লেমাহ গবোউই]] || ১,১৫০ || ✓
|-
| 66 || [[গারট্রুড বি. এলিয়ন]] || ২৩৪ || ✓
|-
| 67 || [[ডোনা স্ট্রিকল্যান্ড]] || ৩৫৯ || ✓
|-
| 68 || [[এর্নস্ট মাখ]] || ২,০২৮ || ✕
|-
| 69 || [[ডোনাল্ড টাস্ক]] || ১,৭৭১ || ✓
|-
| 70 || [[অরবিন্দ আদিগা]] || ৮৬৬ || ✓
|-
| 71 || [[সি. এ. আর. হোর]] || ১,০৬১ || ✕
|-
| 72 || [[পল ডিরাক]] || ৪,৭০৯ || ✕
|-
| 73 || [[ই. ও. উইলসন]] || ৪,৪৫৮ || ✕
|-
| 74 || [[ডেসমন্ড মরিস]] || ৩,৯৮৬ || ✓
|-
| 75 || [[মাইকেল গোভ]] || ৩,৭৩৬ || ✓
|-
| 76 || [[হার্পার লি]] || ২,৪৯১ || ✓
|-
| 77 || [[কেন টম্পসন]] || ১,৮১৬ || ✓
|-
| 78 || [[জন টিন্ডাল]] || ২,৫২৮ || ✓
|-
| 79 || [[মেরি রবিনসন]] || ১,৩৭৬ || ✓
|-
| 80 || [[হেনরি ক্যাভেন্ডিশ]] || ২,২৪৪ || ✓
|-
| 81 || [[আইরিস মারডক]] || ১,২৬৮ || ✓
|-
| 82 || [[আর্নেস্ট রাদারফোর্ড]] || ২,৪৫৩ || ✓
|-
| 83 || [[ফ্রেড ব্রুকস]] || ১,১৯১ || ✓
|-
| 84 || [[ক্রিস্টিয়ান হাইগেনস]] || ১,৯০৭ || ✓
|-
| 85 || [[ডায়ান ফসি]] || ১,৬৪৬ || ✕
|-
| 86 || [[ইডিথ হোয়ার্টন]] || ১,৪২৫ || ✓
|-
| 87 || [[অরেল স্টেইন]] || ১,৪৭৮ || ✕
|-
| 88 || [[গাব্রিয়েলা মিস্ত্রাল]] || ১,৬৫০ || ✓
|-
| 89 || [[আলেকজান্ডার ফন হুমবোল্ট]] || ১,১২০ || ✓
|-
| 90 || [[ফ্রান্সিস্কো ভারেলা]] || ১,৮৯৩ || ✓
|-
| 91 || [[ডেনিস রিচি]] || ১,১০৮ || ✓
|-
| 92 || [[অড্রে হেপবার্ন]] || ১,৪৩৫ || ✓
|-
| 93 || [[জি. এইচ. হার্ডি]] || ২,৩৩০ || ✓
|-
| 94 || [[হ্যারল্ড পিন্টার]] || ২,০৭২ || ✓
|-
| 95 || [[অ্যানাক্সিম্যান্ডার]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 96 || [[ডেভিড ব্রুস্টার]] || ২,৪০৪ || ✓
|-
| 97 || [[ব্রায়ান গ্রিন]] || ১,২৭৯ || ✕
|-
| 98 || [[অমিত গোস্বামী]] || ৯১৫ || ✓
|-
| 99 || [[এডমন্ড হ্যালি]] || ২,৬১৯ || ✓
|-
| 100 || [[ডেভিড সুজুকি]] || ১,৫১৭ || ✓
|-
| 101 || [[ডেভিড জোনাথন গ্রোস]] || ৮০৯ || ✓
|-
| 102 || [[ডেভিড ম্যামেট]] || ১,২৫২ || ✓
|-
| 103 || [[আহমেদ জেওয়াইল]] || ১৯২ || ✓
|-
| 104 || [[ইউরোপীয় পার্লামেন্ট]] || ৬১৫ || ✓
|-
| 105 || [[ডেভিড গ্রসম্যান]] || ৩৩৬ || ✓
|-
| 106 || [[হরিশ-চন্দ্র]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 107 || [[অনিতা দেসাই]] || ১,৪৩৯ || ✓
|-
| 108 || [[অ্যাশ কার্টার]] || ৪৬৩ || ✓
|-
| 109 || [[আলফ্রেড নোবেল]] || ৫০৯ || ✕
|-
| 110 || [[ক্রিস্টিয়ান বার্নার্ড]] || ৬৩৯ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১১০
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৯৭,৪২১
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,২২,৫০০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২৫,০৭৯
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Anik Kanti Dey| Anik Kanti Dey]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[রেজা পাহলভি]] || ৯,৯১০ || ✓
|-
| 2 || [[রজার ইবার্ট]] || ২১,৩২৫ || ✓
|-
| 3 || [[পুনর্জন্ম]] || ২০,২৪৮ || ✓
|-
| 4 || [[জ্যারেড ডায়মন্ড]] || ১,১৬৮ || ✕
|-
| 5 || [[জেন গুডাল]] || ১,৩৫৭ || ✓
|-
| 6 || [[জেমস টোবিন]] || ১,০৫৯ || ✓
|-
| 7 || [[জেমস ক্যালাহান]] || ১,৬১৫ || ✓
|-
| 8 || [[উইলিয়াম স্ট্যানলি জেভন্স]] || ১,৭০১ || ✓
|-
| 9 || [[উইলিয়াম থমসন]] || ১,০৫১ || ✓
|-
| 10 || [[ওলে সোয়িংকা]] || ৩,১৬১ || ✕
|-
| 11 || [[জোসেফ স্টিগলিটজ]] || ১,৫০৪ || ✕
|-
| 12 || [[গ্রেগর মেন্ডেল]] || ৮৭৪ || ✓
|-
| 13 || [[গটফ্রিড ভিলহেল্ম লাইবনিৎস]] || ১,২৩৬ || ✓
|-
| 14 || [[গ্লেন থিওডোর সিবর্গ]] || ৯৮৪ || ✓
|-
| 15 || [[হেরমান ভাইল]] || ১,৫৪১ || ✓
|-
| 16 || [[হেরমান হেস]] || ৪,৫৬৫ || ✓
|-
| 17 || [[হার্বার্ট স্পেন্সার]] || ২,৩৬৮ || ✓
|-
| 18 || [[হার্বার্ট এ. সাইমন]] || ১,৩৩৭ || ✓
|-
| 19 || [[হেরাক্লিটাস]] || ১,৫৭০ || ✓
|-
| 20 || [[হেনরিক শিয়েনকিয়েভিচ]] || ১,৯১১ || ✕
|-
| 21 || [[উইলা ক্যাথার]] || ৩,০৩৩ || ✕
|-
| 22 || [[উইল ডুরান্ট]] || ২,৮১৫ || ✓
|-
| 23 || [[ডব্লিউ. এইচ. অডেন]] || ২,৮১৯ || ✓
|-
| 24 || [[ভোলফগাং পাউলি]] || ১,৬৩৯ || ✓
|-
| 25 || [[ইয়াসুনারি কাওয়াবাতা]] || ২,২৫৮ || ✓
|-
| 26 || [[জন আর্চিবল্ড হুইলার]] || ১,১৩৯ || ✓
|-
| 27 || [[সেমুর হার্শ]] || ১,৭৬১ || ✓
|-
| 28 || [[সের্গেই কোরোলিয়ভ]] || ৫৬৫ || ✓
|-
| 29 || [[জেন অ্যাডামস]] || ১,৯০৬ || ✓
|-
| 30 || [[জাক-ইভ কুস্তো]] || ৬৬৩ || ✓
|-
| 31 || [[হিদেকি ইউকাওয়া]] || ৪০৩ || ✓
|-
| 32 || [[প্রিমো লেভি]] || ৪,২৩৮ || ✓
|-
| 33 || [[ঝুম্পা লাহিড়ী]] || ৪৩০ || ✓
|-
| 34 || [[জেমস প্রেসকট জুল]] || ৪৮৭ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৩৪
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৯৩,৮৬৪
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,০৪,৬৪১
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১০,৭৭৭
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman| Tanbiruzzaman]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা]] || ৪,৮৫১ || ✓
|-
| 2 || [[সংবাদ মাধ্যম]] || ১,১৫৫ || ✓
|-
| 3 || [[গণমাধ্যম]] || ৩,৩৫৭ || ✓
|-
| 4 || [[মূলধারার গণমাধ্যম]] || ১,০৫২ || ✓
|-
| 5 || [[হলুদ সাংবাদিকতা]] || ২,২৯৬ || ✓
|-
| 6 || [[ভুয়া সংবাদ]] || ১,৪০৮ || ✓
|-
| 7 || [[বিকল্প প্রচারমাধ্যম]] || ১,২০৫ || ✓
|-
| 8 || [[জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ]] || ১১,২৬৬ || ✓
|-
| 9 || [[অ্যানোনিমাস]] || ৪,০৪৩ || ✓
|-
| 10 || [[টুপাক শাকুর]] || ৬,২৮৭ || ✓
|-
| 11 || [[জেনডেয়া]] || ২,০১৪ || ✓
|-
| 12 || [[টিমথি শালামে]] || ১,১২৭ || ✓
|-
| 13 || [[হিপোক্রেটিস]] || ২,৯২৩ || ✓
|-
| 14 || [[ষষ্ঠ মুহাম্মদ]] || ৮৭৮ || ✓
|-
| 15 || [[জন লেনক্স]] || ৭০২ || ✓
|-
| 16 || [[আলেক্সান্দ্র্ সলজেনিৎসিন]] || ৮,০৫৬ || ✓
|-
| 17 || [[আবদুল হান্নান মাসউদ]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 18 || [[পরকাল সম্পর্কে কুরআন]] || ১৮,৭৯৪ || ✓
|-
| 19 || [[মানবতাবিরোধী অপরাধ]] || ১,৯১২ || ✓
|-
| 20 || [[আন্তর্জাতিক আইন]] || ৫,৫৩৯ || ✓
|-
| 21 || [[মোহাম্মদ জাওয়াদ জারিফ]] || ১,৪৫২ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৮০,৭২৪
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৮০,৭২৪
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Nil Nandy| Nil Nandy]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[অনিল ভৌমিক]] || ২১৬ || ✓
|-
| 2 || [[মনোজ মিত্র]] || ৫,৫৬৭ || ✓
|-
| 3 || [[নারায়ণ সান্যাল]] || ৩৬৬ || ✓
|-
| 4 || [[মতি নন্দী]] || ৫,০১৮ || ✓
|-
| 5 || [[দেবেশ রায়]] || ৯,২৪৪ || ✓
|-
| 6 || [[শিশিরকুমার বসু]] || ৪,৮০৭ || ✓
|-
| 7 || [[বিমল কর]] || ১,৩৬৯ || ✓
|-
| 8 || [[সুবোধ সরকার]] || ১,৮৪৮ || ✓
|-
| 9 || [[স্মরণজিৎ চক্রবর্তী]] || ৭৯২ || ✓
|-
| 10 || [[স্বামী সারদানন্দ]] || ৮,৬৯৫ || ✓
|-
| 11 || [[শক্তিপদ রাজগুরু]] || ৯৯৩ || ✓
|-
| 12 || [[কমলকুমার মজুমদার]] || ১,৫৭৩ || ✓
|-
| 13 || [[গৌতম ভদ্র]] || ৬৮৫ || ✓
|-
| 14 || [[পরিমল গোস্বামী]] || ৬,৫৫০ || ✓
|-
| 15 || [[প্রেমাঙ্কুর আতর্থী]] || ৫,৬৯৮ || ✓
|-
| 16 || [[কালীপ্রসন্ন সিংহ]] || ৫,৪০৪ || ✓
|-
| 17 || [[অখিল নিয়োগী]] || ৬৩৬ || ✓
|-
| 18 || [[হরপ্রসাদ শাস্ত্রী]] || ৫১৩ || ✓
|-
| 19 || [[গায়ত্রী চক্রবর্তী স্পিভাক]] || ৫৯২ || ✓
|-
| 20 || [[অজিত দত্ত]] || ৮৭০ || ✓
|-
| 21 || [[অজিতকৃষ্ণ বসু]] || ২,৩৮৬ || ✓
|-
| 22 || [[এম এস স্বামীনাথন]] || ৮৭২ || ✓
|-
| 23 || [[চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন]] || ২,১৭১ || ✓
|-
| 24 || [[চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও]] || ২,১৬৭ || ✓
|-
| 25 || [[কণাদ]] || ৯১৯ || ✓
|-
| 26 || [[জয়ন্ত বিষ্ণু নারলিকর]] || ৩,১৮৭ || ✓
|-
| 27 || [[বিক্রম সারাভাই]] || ১,১২৯ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৭
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৭৪,২৬৭
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৭৪,২৬৭
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:R1F4T| R1F4T]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আর্নেস্ট কিং]] || ১৫,৭৬৯ || ✕
|-
| 2 || [[ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট]] || ২৬,২১৫ || ✓
|-
| 3 || [[আনোয়ার ইব্রাহিম]] || ৬,৯৯৩ || ✓
|-
| 4 || [[ইসলাম ও যুদ্ধ]] || ৫,৬৮১ || ✓
|-
| 5 || [[আহমদ সিরহিন্দি]] || ৪,০৭০ || ✓
|-
| 6 || [[মুসা সেরান্তোনিও]] || ৪২৩ || ✓
|-
| 7 || [[ইয়াকুব]] || ১,৯৫৬ || ✓
|-
| 8 || [[আদ্রিয়ান গোল্ডসওয়ার্দি]] || ১,৯৭৯ || ✕
|-
| 9 || [[অ্যালিস পল]] || ১,৮৬২ || ✕
|-
| 10 || [[অ্যামি ট্যান]] || ২,০০৭ || ✕
|-
| 11 || [[অ্যান্ড্রু সেগা]] || ১,৯৬৯ || ✓
|-
| 12 || [[আল্যাঁ বাদিউ]] || ১,৯৬৬ || ✕
|-
| 13 || [[আফ্রিকান স্পির]] || ১,৭২২ || ✕
|-
| 14 || [[ফ্রেডরিক ডগলাস]] || ৮৬২ || ✕
|-
| 15 || [[নবী]] || ২,০৬২ || ✕
|-
| 16 || [[এমা গোল্ডম্যান]] || ১২,৮০০ || ✕
|-
| 17 || [[প্রেম সম্পর্কে ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি]] || ১৫,০৪০ || ✓
|-
| 18 || [[মিস্ট্রি সায়েন্স থিয়েটার ৩০০০]] || ৯৪,৯৬৮ || ✕
|-
| 19 || [[দ্য থিক অফ ইট]] || ৬৯,২৮৩ || ✕
|-
| 20 || [[অ্যালেক্স হেইলি]] || ১,৬০৪ || ✓
|-
| 21 || [[দাসত্ব সম্পর্কে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি]] || ৫,৭৮৫ || ✕
|-
| 22 || [[দাসত্ব]] || ১০,২৫৯ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২২
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৬৩,৯৫১
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,৮৫,২৭৫
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২,২১,৩২৪
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Salil Kumar Mukherjee| Salil Kumar Mukherjee]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[যন্ত্র]] || ৭১৩ || ✓
|-
| 2 || [[বিচারক]] || ৯৫২ || ✓
|-
| 3 || [[রুটি]] || ১,০৯৭ || ✓
|-
| 4 || [[খড়]] || ৯৩২ || ✓
|-
| 5 || [[মন্মথমোহন বসু]] || ৯৬৩ || ✕
|-
| 6 || [[কালীপ্রসন্ন বিদ্যারত্ন]] || ৮২৫ || ✓
|-
| 7 || [[কলসী]] || ১,০৮৬ || ✓
|-
| 8 || [[চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ১,১৫৭ || ✓
|-
| 9 || [[শহর]] || ১,৪৫৮ || ✕
|-
| 10 || [[ঘাস]] || ২,১১২ || ✓
|-
| 11 || [[জলধর সেন]] || ১,৭৬৪ || ✓
|-
| 12 || [[ঠিকানা]] || ১,১৮৭ || ✓
|-
| 13 || [[গন্ধ]] || ১,৮০৭ || ✓
|-
| 14 || [[চা]] || ২,৪২৪ || ✓
|-
| 15 || [[রবীন্দ্রনাথ মৈত্র]] || ১,২৮১ || ✓
|-
| 16 || [[দিগন্ত]] || ১,২২৮ || ✓
|-
| 17 || [[ময়ূর]] || ১,৩৪৫ || ✓
|-
| 18 || [[করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ৯১১ || ✓
|-
| 19 || [[ঢেউ]] || ১,৫৩৯ || ✓
|-
| 20 || [[ছাতা]] || ১,১৮৯ || ✓
|-
| 21 || [[উমাকান্ত হাজারী]] || ৯৪২ || ✓
|-
| 22 || [[ঘৃণা]] || ২,৩৩৯ || ✓
|-
| 23 || [[বাঁশ]] || ২,৪৫৯ || ✕
|-
| 24 || [[কলেরা]] || ১,৬৩৮ || ✓
|-
| 25 || [[মাঠ]] || ২,৪৪৭ || ✓
|-
| 26 || [[টিন]] || ১,৯৩২ || ✕
|-
| 27 || [[সংবাদ]] || ৪,৪৭৯ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৭
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৩০,৯১৫
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪২,২০৬
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১১,২৯১
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul| Anaf Ibn Shahibul]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[জন বারবার]] || ৫৭৪ || ✕
|-
| 2 || [[স্কটিশ জাতি]] || ৩৭৫ || ✓
|-
| 3 || [[ওয়েন্ডি বোম্যান]] || ১৫১ || ✕
|-
| 4 || [[যুদ্ধাপরাধ]] || ৪,৬৭৯ || ✕
|-
| 5 || [[রুবি]] || ৩৬৩ || ✓
|-
| 6 || [[রিতা এনজেলু]] || ১৫৯ || ✓
|-
| 7 || [[বমি]] || ২০৪ || ✓
|-
| 8 || [[পার্ল]] || ৬৯০ || ✕
|-
| 9 || [[পাইথন]] || ১৩৯ || ✓
|-
| 10 || [[উইকিলিকস]] || ১,৬৩১ || ✕
|-
| 11 || [[জনস্টন ম্যাককালি]] || ৩১১ || ✕
|-
| 12 || [[যুগোস্লাভিয়া]] || ৪,১৩৬ || ✓
|-
| 13 || [[অংশুমান কর]] || ২০৯ || ✓
|-
| 14 || [[কেমব্রিজ গান]] || ৩০৫ || ✕
|-
| 15 || [[হেলেনীয় শিক্ষা]] || ৫০২ || ✓
|-
| 16 || [[টমাস হলি চিভার্স]] || ২৩৫ || ✓
|-
| 17 || [[মুহাম্মদ মাহদি আল-জাওয়াহিরি]] || ৬৩৮ || ✓
|-
| 18 || [[জেডি স্মিথ]] || ১,০৮০ || ✓
|-
| 19 || [[ব্রায়ান পি. শ্মিট]] || ৪৬০ || ✓
|-
| 20 || [[কার্ল বার্নস্টিন]] || ৩৬৮ || ✓
|-
| 21 || [[চার্লস ফেফারম্যান]] || ৩৩৯ || ✓
|-
| 22 || [[ইয়ুস্টুস ফন লিবিগ]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 23 || [[টমাস শেলিংস]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 24 || [[উইলিয়াম শকলি]] || ৩৯১ || ✓
|-
| 25 || [[শিং-শেন চের্ন]] || ৭৬৫ || ✕
|-
| 26 || [[হুগো দ্য ভ্রিস]] || ৩৪৪ || ✓
|-
| 27 || [[রবার্ট অ্যান্ড্রুজ মিলিকান]] || ৪৩৬ || ✓
|-
| 28 || [[জেমস ভ্যান অ্যালেন]] || ৫৯৬ || ✓
|-
| 29 || [[জাক শিরাক]] || ৭১১ || ✓
|-
| 30 || [[ডরোথি হজকিন]] || ২৯৪ || ✓
|-
| 31 || [[গোরান পারসন]] || ৩২৬ || ✓
|-
| 32 || [[জেরার দ্যব্রু]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 33 || [[কোরীয় যুদ্ধ]] || ৯,৯৬৫ || ✕
|-
| 34 || [[রবার্ট জে. শিলার]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 35 || [[ফ্রঁসোয়া আরাগন]] || ৪৩৫ || ✓
|-
| 36 || [[অখিলচন্দ্র দত্ত]] || ৩৭৩ || ✕
|-
| 37 || [[ফ্রান্সিস কলিন্স]] || ৫৮৮ || ✓
|-
| 38 || [[হেলেন ক্লার্ক]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 39 || [[লেয়োঁ ফুকো]] || ৫৩২ || ✓
|-
| 40 || [[জন চার্লস পোলানি]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 41 || [[জন মেইনার্ড কেইনস]] || ১৭,৭৯১ || ✕
|-
| 42 || [[দিমিত্রি মুরাতভ]] || ৬৩৬ || ✓
|-
| 43 || [[আবদুস সালাম]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 44 || [[আবদুলরাজাক গুরনাহ]] || ৭৪৯ || ✓
|-
| 45 || [[এ. সি. বেনসন]] || ৩৮৩ || ✓
|-
| 46 || [[প্রথম আলবার্ট]] || ৮৬৪ || ✓
|-
| 47 || [[অম্লান দত্ত]] || ১৪৬ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৪৭
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১৯,৩৪৬
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৫৬,৫৮১
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৩৭,২৩৫
|}
=== [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন| মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ইয়ান মার্টেল]] || ১,১৩৩ || ✕
|-
| 2 || [[ইয়োইচিরো নাম্বু]] || ৪৩১ || ✕
|-
| 3 || [[সৈয়দ জামিল আহমেদ]] || ২০৩ || ✓
|-
| 4 || [[পূর্ণিমা]] || ১৯২ || ✓
|-
| 5 || [[শরিফুল রাজ]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 6 || [[কাজী হায়াৎ]] || ২৭৪ || ✓
|-
| 7 || [[আরেফিন রুমি]] || ১৬২ || ✓
|-
| 8 || [[ইমাম নাসাই]] || ৬৯৭ || ✕
|-
| 9 || [[কবরী]] || ২৭১ || ✓
|-
| 10 || [[হাফিজ উদ্দিন আহমদ]] || ২৩৬ || ✓
|-
| 11 || [[আ ন ম এহসানুল হক মিলন]] || ৩৪০ || ✓
|-
| 12 || [[আন্দালিব রহমান পার্থ]] || ২৯৭ || ✓
|-
| 13 || [[ববি হাজ্জাজ]] || ২৫৩ || ✓
|-
| 14 || [[ইবনে মাজাহ]] || ৩৩৬ || ✓
|-
| 15 || [[হাবিব ওয়াহিদ]] || ২৬৪ || ✓
|-
| 16 || [[জাইমা রহমান]] || ২১২ || ✓
|-
| 17 || [[কনকচাঁপা]] || ২২৮ || ✓
|-
| 18 || [[আহসান হাবীব]] || ২১৯ || ✓
|-
| 19 || [[বেলাল খান]] || ২১৯ || ✓
|-
| 20 || [[নচিকেতা চক্রবর্তী]] || ২৮৯ || ✓
|-
| 21 || [[আ ফ ম খালিদ হোসেন]] || ২৪৮ || ✓
|-
| 22 || [[আলমগীর]] || ৪০৬ || ✓
|-
| 23 || [[সালাহউদ্দিন আহমেদ]] || ৪৫৯ || ✓
|-
| 24 || [[চোং নানশান]] || ১৭৮ || ✓
|-
| 25 || [[এ. সি. ব্র্যাডলি]] || ৩৯০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৫
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৫,৪৭২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৮,১২৩
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২,৬৫১
|}
=== [[ব্যবহারকারী:JIBON| JIBON]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আলবার্ট হফমান]] || ৩,৪৪৪ || ✓
|-
| 2 || [[অ্যালান পারলিস]] || ৯২৮ || ✓
|-
| 3 || [[হেইনরিখ রোরার]] || ৩৬০ || ✓
|-
| 4 || [[আলফ্রেড আহো]] || ১৪৪ || ✕
|-
| 5 || [[উ থান্ট]] || ৬৭৮ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৫
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৪,৭৩২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৫,৫৫৪
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৮২২
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Md. Muqtadir Fuad| Md. Muqtadir Fuad]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[লোরঁ শোয়ার্তজ]] || ৬১০ || ✓
|-
| 2 || [[উইলিয়াম শার্প]] || ৩৯৯ || ✓
|-
| 3 || [[পাউল এরেনফেস্ট]] || ৪৩৩ || ✓
|-
| 4 || [[রবার্ট মান্ডেল]] || ৩২২ || ✓
|-
| 5 || [[হান কাং]] || ৬৬৬ || ✓
|-
| 6 || [[ক্রিপটিক ফেইট]] || ১৭৬ || ✓
|-
| 7 || [[কাকাবাবু]] || ২৫৮ || ✓
|-
| 8 || [[ক্যারি মুলিস]] || ৪০৩ || ✓
|-
| 9 || [[টোমাস ট্রান্সট্রোমার]] || ২৯৯ || ✓
|-
| 10 || [[ইরিনা বোকোভা]] || ২৬৮ || ✓
|-
| 11 || [[মার্টিনুস ভেল্টম্যান]] || ১৯৫ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৪,০২৯
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪,০২৯
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Humaira.thithi| Humaira.thithi]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ড্যামন গ্যালগুট]] || ৪৮২ || ✓
|-
| 2 || [[আর্থার কর্নবার্গ]] || ১৭৭ || ✕
|-
| 3 || [[বেন ওক্রি]] || ৮৫৮ || ✓
|-
| 4 || [[সল বেলো]] || ১,০০৩ || ✓
|-
| 5 || [[সল পার্লমাটার]] || ৩১১ || ✕
|-
| 6 || [[সিমেওঁ দ্যনি পোয়াসোঁ]] || ১৬০ || ✓
|-
| 7 || [[স্টিভ আরউইন]] || ৪৩৫ || ✕
|-
| 8 || [[আনি এরনো]] || ২৮৪ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৮
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,৭৮৭
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩,৭১০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৯২৩
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Amirhusenjihed| Amirhusenjihed]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ফজল শাহাবুদ্দীন]] || ৪৯৫ || ✕
|-
| 2 || [[আল-জাহিজ]] || ৭৩৩ || ✓
|-
| 3 || [[আল-বিরুনি]] || ১,৮৩৬ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৩
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,৫৬৯
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩,০৬৪
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪৯৫
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Asikur Rahman| Asikur Rahman]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[থমাস হ্যারিয়ট]] || ৪৩২ || ✓
|-
| 2 || [[স্টিভেন চু]] || ২২০ || ✓
|-
| 3 || [[ইভাঞ্জেলিস্টা টরিসেলি]] || ৩৭২ || ✓
|-
| 4 || [[লেসলি ল্যামপোর্ট]] || ৫৫০ || ✓
|-
| 5 || [[মার্টিন লুইস পার্ল]] || ৩৮৮ || ✓
|-
| 6 || [[ভ্লাদিমির মার্কভনিকভ]] || ২৬৭ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৬
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,২২৯
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,২২৯
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Rasel Mehedi| Rasel Mehedi]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[বাপ্পী লাহিড়ী]] || ২৫২ || ✓
|-
| 2 || [[নুহাশ হুমায়ূন]] || ২০৫ || ✓
|-
| 3 || [[আনিসুল হক]] || ২৪৬ || ✕
|-
| 4 || [[বাবর আলী]] || ৩০৯ || ✓
|-
| 5 || [[মেহের আফরোজ শাওন]] || ৩১৯ || ✓
|-
| 6 || [[ফেলুদা]] || ২৪৬ || ✓
|-
| 7 || [[ব্যোমকেশ বক্সী]] || ১৭৮ || ✓
|-
| 8 || [[প্রোফেসর শঙ্কু]] || ২৬৯ || ✓
|-
| 9 || [[বারী সিদ্দিকী]] || ২৪২ || ✓
|-
| 10 || [[সমরেশ বসু]] || ২০২ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১০
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,২২২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,৪৬৮
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২৪৬
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Mahiya50| Mahiya50]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[লিয়ন কুপার]] || ৩২৩ || ✓
|-
| 2 || [[কামিলা শামসি]] || ২০৪ || ✓
|-
| 3 || [[ক্রিস্টোফার রেন]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 4 || [[জিওফ্রে হিন্টন]] || ৩২২ || ✓
|-
| 5 || [[ফ্রিডতিয়ফ নানসেন]] || ১৯১ || ✓
|-
| 6 || [[আলাঁ আস্পে]] || ৭৭৬ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৬
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,১৯০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,১৯০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Borhan| Borhan]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ক্যারিল ফিলিপস]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 2 || [[জেমস কুক]] || ৩৯৭ || ✓
|-
| 3 || [[ক্লাউদিয়া শেইনবাউম]] || ৩২১ || ✓
|-
| 4 || [[আবি আহমেদ]] || ২৫৫ || ✓
|-
| 5 || [[পিটার আগ্রি]] || ১৯০ || ✓
|-
| 6 || [[ফখরুদ্দীন আল-রাযী]] || ২১৫ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৬
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১,৬৬২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,৬৬২
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Raihanur| Raihanur]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[শি চিনফিং]] || ৪,১৩২ || ✕
|-
| 2 || [[ইব্রাহিম ত্রাওরে]] || ৭৫৪ || ✓
|-
| 3 || [[পেদ্রো সানচেজ]] || ২৯৯ || ✓
|-
| 4 || [[অ্যাডাম রিস]] || ৪৮৯ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৪
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১,৫৪২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৫,৬৭৪
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪,১৩২
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Muhammad Fahim Faisal| Muhammad Fahim Faisal]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আব্দুল হান্নান আবকারী]] || ০ || ✕
|-
| 2 || [[ইবরাহীম আলী তশনা]] || ২৪৭ || ✓
|-
| 3 || [[রুহুল আমিন বসিরহাটি]] || ৩৬৩ || ✓
|-
| 4 || [[মুহাম্মদুল্লাহ হাফেজ্জী]] || ৩৪২ || ✓
|-
| 5 || [[শামছুল হুদা]] || ০ || ✕
|-
| 6 || [[শামছুল হক ফরিদপুরী]] || ৫৪৬ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৬
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১,৪৯৮
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,৪৯৮
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Firuz Ahmmed| Firuz Ahmmed]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[গর্ডন মুর]] || ৫৮৭ || ✓
|-
| 2 || [[শিরিন এবাদি]] || ৫৪৩ || ✕
|-
| 3 || [[নাগিব মাহফুজ]] || ৫৩০ || ✓
|-
| 4 || [[আল-ফারাবি]] || ৫৩৭ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৪
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১,১১৭
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,১৯৭
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১,০৮০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:নিয়াজ ইসলাম| নিয়াজ ইসলাম]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[চাষী নজরুল ইসলাম]] || ৪৪৬ || ✓
|-
| 2 || [[বাপ্পা মজুমদার]] || ৩১০ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৭৫৬
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৭৫৬
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Asad.fr| Asad.fr]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[রবার্ট ক্লাইভ]] || ২,০০২ || ✕
|-
| 2 || [[পার্ল এস. বাক]] || ৯৩৩ || ✕
|-
| 3 || [[জন বারডিন]] || ৩৬৪ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৩
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৩৬৪
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩,২৯৯
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২,৯৩৫
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin| Mehedi Abedin]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[তাসমিয়া প্রধান]] || ৩৫২ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৩৫২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩৫২
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Md. Rayan Alam Rifat| Md. Rayan Alam Rifat]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আজিজুল হক]] || ১৮০ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১৮০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১৮০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Siyan BD| Siyan BD]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আবদুস সালাম]] || ১০০ || ✕
|-
| 2 || [[আবদুল গফুর]] || ১০১ || ✕
|-
| 3 || [[আবদুল জব্বার]] || ১৬১ || ✓
|-
| 4 || [[আবদুল জব্বার]] || ৯২ || ✕
|-
| 5 || [[আবদুল জব্বার]] || ১৩৩ || ✕
|-
| 6 || [[অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ১৩৪ || ✕
|-
| 7 || [[অনিমেষ রায়]] || ১২৬ || ✕
|-
| 8 || [[অনির্বাণ বসু]] || ১২০ || ✕
|-
| 9 || [[অজয় ঘটক]] || ১১৪ || ✕
|-
| 10 || [[অচলা মল্লিক]] || ১৫৪ || ✕
|-
| 11 || [[অজয় হোম]] || ১৫৯ || ✕
|-
| 12 || [[অমিতা বসু]] || ১৪২ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১২
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১৬১
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,৫৩৬
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১,৩৭৫
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Dewan mahbubr Rahman| Dewan mahbubr Rahman]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ভেরা রুবিন]] || ৩৫০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩৫০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৩৫০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:ExceptionistSagar| ExceptionistSagar]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মেরি কুরি]] || ১৭৯ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১৭৯
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১৭৯
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Kh. Fahim| Kh. Fahim]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মিসির আলি]] || ৪০৬ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪০৬
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪০৬
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Trisha Mazumder| Trisha Mazumder]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আস্ট্রোনমি]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:MdMarufHossen71| MdMarufHossen71]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মমতাজ বেগম]] || ৩৫৫ || ✕
|-
| 2 || [[আবুল বরকত]] || ১৪৩ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪৯৮
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪৯৮
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Usarker| Usarker]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মেরি স্টোপস]] || ৫০৫ || ✕
|-
| 2 || [[ইয়োন ফসে]] || ৩৯৩ || ✕
|-
| 3 || [[জুনো দিয়াজ]] || ৫৪০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৩
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,৪৩৮
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১,৪৩৮
|}
=== [[ব্যবহারকারী:রাকিবুল হাসান রাসেল| রাকিবুল হাসান রাসেল]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[পারভীন এতেসামি]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:MD RADWAN ISLAM| MD RADWAN ISLAM]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[চুয়াং জি]] || ২৭৪ || ✕
|-
| 2 || [[ফকির শাহাবুদ্দীন]] || ০ || ✕
|-
| 3 || [[আবু বকর সিদ্দিকী]] || ০ || ✕
|-
| 4 || [[বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট]] || ০ || ✕
|-
| 5 || [[বাংলাদেশের কৃষি প্রযুক্তি]] || ০ || ✕
|-
| 6 || [[হাসিবুন নাহের]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৬
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২৭৪
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২৭৪
|}
=== [[ব্যবহারকারী:AKM Mahinur Rahman| AKM Mahinur Rahman]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মেরি উলস্টোনক্রাফ্ট]] || ২১৩ || ✕
|-
| 2 || [[বালতাসার গ্রাসিয়ান]] || ২০৬ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪১৯
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪১৯
|}
=== [[ব্যবহারকারী:MD RADWAN ISLAM ROHAN| MD RADWAN ISLAM ROHAN]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[জুলাই আন্দোলন]] || ৬১৫ || ✕
|-
| 2 || [[বিকাশ]] || ০ || ✕
|-
| 3 || [[নতুন প্রযুক্তি]] || ০ || ✕
|-
| 4 || [[বাংলাদেশের রিয়েল এস্টেট শিল্প: বর্তমান প্রেক্ষাপট ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা]] || ০ || ✕
|-
| 5 || [[জলবায়ু পরিবর্তন ও বাংলাদেশের পরিবেশ]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৫
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৬১৫
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৬১৫
|}
=== [[ব্যবহারকারী:ShahinurWrites| ShahinurWrites]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মোহাম্মদ শেখ শাহিনুর রহমান]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Abdullah Al Shishir| Abdullah Al Shishir]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[অপ্রত্যাশিত জীবনযাত্রা]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:চ্যাম্পিয়ন স্টার ১| চ্যাম্পিয়ন স্টার ১]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[অপর্ণা সেন]] || ৩১২ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩১২
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৩১২
|}
==শব্দসংখ্যা অনুযায়ী নিবন্ধ তালিকা==
{| class="wikitable sortable mw-collapsible mw-collapsed"
|+ class="nowrap" | শব্দসংখ্যা অনুযায়ী নিবন্ধ তালিকা
! ক্রমিক !! নিবন্ধ !! শব্দ সংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্পর্কে উক্তি]] || ৩৯,৩০৩ || ✓
|-
| 2 || [[স্ট্যানলি বল্ডউইন]] || ৩৪,১৩১ || ✓
|-
| 3 || [[খ্রিস্টের অনৈতিহাসিকতা তত্ত্ব]] || ২৮,৭০৭ || ✓
|-
| 4 || [[বেঞ্জামিন ডিসরাইলি]] || ২৯,৪৭৯ || ✓
|-
| 5 || [[রবার্ট জি. ইঙ্গারসোল]] || ৩০,০৯০ || ✓
|-
| 6 || [[রন পল]] || ২৪,৯২৮ || ✓
|-
| 7 || [[ক্যালকুলাসের ইতিহাস]] || ১৯,১৯৫ || ✓
|-
| 8 || [[অ্যানোরেক্সিয়া নার্ভোসা]] || ২৩,১০০ || ✓
|-
| 9 || [[ডোয়াইট ডি আইজেনহাওয়ার]] || ২১,০২৬ || ✓
|-
| 10 || [[স্টিফেন জে গুল্ড]] || ২২,১৫০ || ✓
|-
| 11 || [[এআর-১৫ স্টাইল রাইফেল]] || ১৮,৯০১ || ✓
|-
| 12 || [[শেরি এস. টেপার]] || ২৪,৯৯৯ || ✓
|-
| 13 || [[আউরেলিয়ুস আউগুস্তিনুস]] || ১৯,৩৪৬ || ✓
|-
| 14 || [[ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতিত্ব]] || ৪৬,৮৯৯ || ✓
|-
| 15 || [[নবায়নযোগ্য শক্তি]] || ১২,৬১০ || ✓
|-
| 16 || [[নাডিন গর্ডিমার]] || ১,৩৭২ || ✓
|-
| 17 || [[মারে গেল-মান]] || ১,৩২৮ || ✓
|-
| 18 || [[নার্গিস মোহাম্মাদি]] || ১,৭৫৫ || ✓
|-
| 19 || [[সাদি কার্নো]] || ৫,২৫৬ || ✓
|-
| 20 || [[জে. হাওয়ার্ড মুর]] || ২৪,১৯৫ || ✓
|-
| 21 || [[ভারতে পোশাক]] || ২,২৮৯ || ✓
|-
| 22 || [[ভারতের ভাষা]] || ৬৯৫ || ✓
|-
| 23 || [[মধ্যযুগীয় ভারত]] || ১,৭১৭ || ✓
|-
| 24 || [[ভারতে ইহুদিদের ইতিহাস]] || ২,০৪৬ || ✓
|-
| 25 || [[ভারতে সুফিবাদ]] || ৩,২০৭ || ✓
|-
| 26 || [[পর্তুগিজ ভারত]] || ১,৬৪৩ || ✓
|-
| 27 || [[ভারতের প্রাণী]] || ৩০৫ || ✓
|-
| 28 || [[স্বাধীনতা দিবস]] || ৩৭৫ || ✓
|-
| 29 || [[ভারতে দুর্ভিক্ষ]] || ৩,৭৮১ || ✓
|-
| 30 || [[ভারতে ধর্মহীনতা]] || ২,৩৮৯ || ✓
|-
| 31 || [[ওয়ারেন ফ্যারেল]] || ২১,০৭৮ || ✓
|-
| 32 || [[আর্নেস্ট বেকার]] || ১৩,৫৯৭ || ✓
|-
| 33 || [[অতিপ্রজতা]] || ২৯,৫০১ || ✓
|-
| 34 || [[মোপলা বিদ্রোহ]] || ১৪,৫১২ || ✓
|-
| 35 || [[সীতা রাম গোয়েল]] || ১,৫৯৬ || ✓
|-
| 36 || [[অরুণ শৌরি]] || ১৫,৪৫০ || ✓
|-
| 37 || [[ভারতের ইতিহাস লিখন]] || ১৭,৯১৮ || ✓
|-
| 38 || [[দ্রৌপদী]] || ৬,১৬৪ || ✓
|-
| 39 || [[দ্য হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়া, অ্যাজ টোল্ড বাই ইটস ওন হিস্টোরিয়ানস]] || ২,৬৮৫ || ✕
|-
| 40 || [[রামায়ণ]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 41 || [[ভারতে শিক্ষা]] || ১০,৫৮০ || ✓
|-
| 42 || [[ভারতে নারী]] || ৬,১৫০ || ✓
|-
| 43 || [[বন্যপ্রাণীর কষ্ট]] || ৩৩,৭৪১ || ✓
|-
| 44 || [[নিরামিষবাদ]] || ৩০,৬২৭ || ✓
|-
| 45 || [[ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম রাষ্ট্রপতিত্ব]] || ৩৭,৫৭২ || ✓
|-
| 46 || [[নির্বাচন]] || ৭,০২৫ || ✓
|-
| 47 || [[সরকার]] || ২২,৭৫৯ || ✓
|-
| 48 || [[লিটিশা এলিজাবেথ ল্যান্ডন]] || ৩৪,০৩৩ || ✓
|-
| 49 || [[প্রজননবিরোধবাদ]] || ৩০,৯৪৮ || ✓
|-
| 50 || [[উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন]] || ২৮,৬১৬ || ✓
|-
| 51 || [[ক্রিস্টোফার হিচেন্স]] || ২৫,৯২২ || ✓
|-
| 52 || [[বলপূর্বক খাওয়ানো]] || ২২,৬২২ || ✓
|-
| 53 || [[জন স্টুয়ার্ট মিল]] || ২২,৭৮৩ || ✓
|-
| 54 || [[রবার্ট গ্যাসকয়েন-সিসিল, স্যালিসবারির ৩য় মার্কুইস]] || ২০,৮৯৮ || ✓
|-
| 55 || [[অ্যারন রা]] || ২১,৯৫৫ || ✓
|-
| 56 || [[ফায়ারপ্লেস]] || ২১,৪১৭ || ✓
|-
| 57 || [[জন হার্ভে কেলোগ]] || ৩০,৭৪৮ || ✓
|-
| 58 || [[মহুয়া মৈত্র]] || ৬৫০ || ✓
|-
| 59 || [[হেনরি হোম, লর্ড কেইমস]] || ১,২৯৬ || ✓
|-
| 60 || [[লেটি কটিন পোগ্রেবিন]] || ৩৭০ || ✓
|-
| 61 || [[মার্জ পিয়ার্সি]] || ৬,৭৯০ || ✓
|-
| 62 || [[এলেন ডুইবস]] || ৮০৪ || ✓
|-
| 63 || [[মেরেডিথ ট্যাক্স]] || ৪৯১ || ✓
|-
| 64 || [[মুলক রাজ আনন্দ]] || ২৩৫ || ✓
|-
| 65 || [[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ধর্ষণ]] || ১,৯২০ || ✓
|-
| 66 || [[সুসান ব্রাউনমিলার]] || ৯৯১ || ✓
|-
| 67 || [[রবিন মরগান]] || ১,২২১ || ✓
|-
| 68 || [[ভিভিয়ান গোর্নিক]] || ২,৬৯০ || ✓
|-
| 69 || [[ডরোথি রে হিলি]] || ২,৬৩৮ || ✕
|-
| 70 || [[ক্লডিয়া জোন্স]] || ১,২৯৯ || ✓
|-
| 71 || [[গের্ডা লার্নার]] || ৩,৪২৮ || ✓
|-
| 72 || [[এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন]] || ৯,৮০৪ || ✕
|-
| 73 || [[এলা রিভ ব্লুর]] || ১,৯১৭ || ✓
|-
| 74 || [[টমাস হিউজ]] || ৯৯৬ || ✓
|-
| 75 || [[মার্গারিট দুরাস]] || ৩৪৯ || ✓
|-
| 76 || [[বেন অ্যারোনোভিচ]] || ৮,৭৯৭ || ✓
|-
| 77 || [[গ্লেন কুক]] || ৯,৯৮৫ || ✓
|-
| 78 || [[আব্রাহাম কাহান]] || ২,১৩৩ || ✓
|-
| 79 || [[গ্রেস পেলি]] || ৮,১৬৪ || ✕
|-
| 80 || [[স্টিফেন ক্রেন]] || ১,৯৬৩ || ✕
|-
| 81 || [[জোসেফাইন হার্বস্ট]] || ৪২৭ || ✓
|-
| 82 || [[জর্জ গিসিং]] || ২,০০৫ || ✓
|-
| 83 || [[আনজিয়া ইয়েজিয়ারস্কা]] || ৩,২৬২ || ✕
|-
| 84 || [[মেরি অ্যান্টিন]] || ৪৯০ || ✓
|-
| 85 || [[জয়েস অ্যান্টলার]] || ৪২৯ || ✓
|-
| 86 || [[ক্যাথরিন ম্যাককিনন]] || ২,১৭৮ || ✓
|-
| 87 || [[বেটিনা আপথেকার]] || ১,০২০ || ✓
|-
| 88 || [[ক্যারি চ্যাপম্যান ক্যাট]] || ১,৬০৩ || ✓
|-
| 89 || [[জ্যানেট র্যাঙ্কিন]] || ৭২১ || ✓
|-
| 90 || [[ফ্রান্সেস উইলার্ড]] || ৯৪১ || ✕
|-
| 91 || [[অ্যালিস স্টোন ব্ল্যাকওয়েল]] || ৫৪০ || ✕
|-
| 92 || [[অ্যানা এলিজাবেথ ডিকিনসন]] || ৭৫১ || ✕
|-
| 93 || [[মেরি লিভারমোর]] || ২,৩০৭ || ✕
|-
| 94 || [[দাড়ি]] || ২৯৭ || ✓
|-
| 95 || [[স্যার হেনরি হোবার্ট, ১ম ব্যারোনেট]] || ৭৩৮ || ✓
|-
| 96 || [[হার্ডিঞ্জ স্ট্যানলি গিফার্ড, হালসবুরির ১ম আর্ল]] || ৪১৯ || ✓
|-
| 97 || [[এ. ভি. ডাইসি]] || ১,৩৮১ || ✕
|-
| 98 || [[আলফ্রেড ডেনিং, ব্যারন ডেনিং]] || ৩,৮৩২ || ✓
|-
| 99 || [[টমাস ডেনিসন]] || ৪০০ || ✓
|-
| 100 || [[স্যার ফ্রান্সিস বুলার, ১ম ব্যারোনেট]] || ৯৬২ || ✓
|-
| 101 || [[নিকোলাস ব্রাতজা]] || ২৬৪ || ✓
|-
| 102 || [[রবার্ট অ্যাটকিনস]] || ৩২৫ || ✓
|-
| 103 || [[রিচার্ড পেপার আর্ডেন, ১ম ব্যারন অ্যালভানলি]] || ৩৫১ || ✓
|-
| 104 || [[এডওয়ার্ড হল অল্ডারসন]] || ৪৪৬ || ✓
|-
| 105 || [[অ্যামব্রোজ বিয়ার্স]] || ৫,৫৪১ || ✕
|-
| 106 || [[মেওয়াত]] || ৭১৮ || ✓
|-
| 107 || [[নানাবতী-মেহতা কমিশন]] || ২,৪৪৪ || ✓
|-
| 108 || [[ভারতে ঔষধ শিল্প]] || ১,৯২১ || ✓
|-
| 109 || [[পাঞ্জাব]] || ১,৪০৬ || ✓
|-
| 110 || [[রামনবমী]] || ৮৬২ || ✓
|-
| 111 || [[ভারতের শহরসমূহের নাম পরিবর্তন]] || ৪৪১ || ✓
|-
| 112 || [[নুপুর শর্মা]] || ৬০১ || ✓
|-
| 113 || [[রিপাবলিক টিভি]] || ৪৫৫ || ✓
|-
| 114 || [[রোহিলখণ্ড]] || ৪৪০ || ✓
|-
| 115 || [[রোহিলা]] || ৩৪০ || ✓
|-
| 116 || [[সৌরাষ্ট্র]] || ৬৫৪ || ✓
|-
| 117 || [[ভারতে তিন তালাক]] || ১,১৩৪ || ✓
|-
| 118 || [[ভারতের পবিত্র উপবন]] || ৫৭৫ || ✓
|-
| 119 || [[অভিন্ন দেওয়ানি বিধি]] || ৩,৭৩৭ || ✓
|-
| 120 || [[নবনীত আদিত্য ওয়াইবা]] || ১৯২ || ✓
|-
| 121 || [[ভারতে জল সরবরাহ ও স্যানিটেশন]] || ৭৪০ || ✓
|-
| 122 || [[জমিদার]] || ৩৮১ || ✕
|-
| 123 || [[নিখিল ভারত মুসলিম লীগ]] || ২,৫৩৮ || ✓
|-
| 124 || [[ফতোয়া]] || ৪৮৪ || ✓
|-
| 125 || [[দারা শিকোহ]] || ১,৪৩৫ || ✓
|-
| 126 || [[আমেরিকা নিপাত যাক]] || ৬৩৯ || ✓
|-
| 127 || [[মহা শয়তান]] || ৪১৪ || ✓
|-
| 128 || [[উলামা]] || ৩৪৫ || ✓
|-
| 129 || [[দক্ষিণ এশিয়ায় মুসলিম জাতীয়তাবাদ]] || ১,৫১৬ || ✓
|-
| 130 || [[পার্সি-মুসলিম দাঙ্গা]] || ৬৫৬ || ✓
|-
| 131 || [[ভারতে দাঙ্গা]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 132 || [[ভারতে পেগাসাস প্রকল্পের উদঘাটন]] || ৩৯০ || ✓
|-
| 133 || [[নেহরুবাদ]] || ৯৫২ || ✓
|-
| 134 || [[২জি স্পেকট্রাম মামলা]] || ৯৩৭ || ✓
|-
| 135 || [[রাহুল গান্ধী]] || ৪,০০৪ || ✓
|-
| 136 || [[আকবরউদ্দিন ওয়াইসি]] || ২৯৮ || ✓
|-
| 137 || [[ভারতের সাধারণ নির্বাচন, ২০২৪]] || ২,৫৭৭ || ✓
|-
| 138 || [[ভারতে ধর্মনিরপেক্ষতা]] || ২৩৪ || ✓
|-
| 139 || [[নাইলা আলি খান]] || ২০৪ || ✓
|-
| 140 || [[অরুণ জেটলি]] || ৪৮১ || ✓
|-
| 141 || [[সুকেতু মেহতা]] || ৩৮২ || ✓
|-
| 142 || [[রুক্মিণী মৈত্র]] || ৩৫৪ || ✓
|-
| 143 || [[মানব গুপ্ত]] || ৬৩৪ || ✕
|-
| 144 || [[মোহিনী মোহন ধর]] || ৫৮৫ || ✓
|-
| 145 || [[দিলীপ কুমার চক্রবর্তী]] || ২,৫৯৭ || ✓
|-
| 146 || [[রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ৩৮৩ || ✓
|-
| 147 || [[পিটার অ্যাক্রয়েড]] || ২৯৭ || ✓
|-
| 148 || [[হ্যারল্ড ব্লুম]] || ৫৯৩ || ✓
|-
| 149 || [[জেমস বসওয়েল]] || ১,১৪৯ || ✓
|-
| 150 || [[অলিভার গোল্ডস্মিথ]] || ৩,১৭৮ || ✓
|-
| 151 || [[হেনরি জাইলস]] || ৭৯২ || ✓
|-
| 152 || [[এডউইন হাবেল চ্যাপিন]] || ৭৭০ || ✓
|-
| 153 || [[অবমাননা]] || ৭৮৮ || ✓
|-
| 154 || [[আদালত অবমাননা]] || ৮২৯ || ✓
|-
| 155 || [[আইনপ্রণেতা]] || ৭৪৩ || ✓
|-
| 156 || [[লেই বারডুগো]] || ১২২ || ✓
|-
| 157 || [[উইলিয়াম ব্রেট, ১ম ভিসকাউন্ট এশার]] || ১,০২০ || ✓
|-
| 158 || [[হেনরি হকিন্স, ১ম ব্যারন ব্র্যাম্পটন]] || ৩০৩ || ✓
|-
| 159 || [[জুনিয়াস]] || ১,৪১২ || ✓
|-
| 160 || [[উইলিয়াম মারে, ম্যানসফিল্ডের ১ম আর্ল]] || ৬৪৩ || ✓
|-
| 161 || [[জোসেফ ইয়েটস]] || ৬৬৬ || ✓
|-
| 162 || [[স্যার জন বেইলি, ১ম ব্যারোনেট]] || ৯১৮ || ✓
|-
| 163 || [[হেনরি বিকারস্টথ, ১ম ব্যারন ল্যাংডেল]] || ৪১৫ || ✓
|-
| 164 || [[এডওয়ার্ড ল, ১ম ব্যারন এলেনবরো]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 165 || [[লয়েড কেনিয়ন, ১ম ব্যারন কেনিয়ন]] || ৪,৪০৮ || ✓
|-
| 166 || [[জন হোল্ট]] || ১,১৮৯ || ✓
|-
| 167 || [[চার্লস বোয়েন, ব্যারন বোয়েন]] || ১,০৩৭ || ✓
|-
| 168 || [[চার্লস অ্যাবট, ১ম ব্যারন টেন্টারডেন]] || ৩৪১ || ✓
|-
| 169 || [[ন্যায়বিচার প্রশাসন]] || ২,৮৯৯ || ✓
|-
| 170 || [[আদালত]] || ১,৮১৮ || ✕
|-
| 171 || [[রোজান এ. ব্রাউন]] || ৩৪১ || ✓
|-
| 172 || [[মারিয়ন জিমার ব্র্যাডলি]] || ১,১০৪ || ✓
|-
| 173 || [[টেরি ব্রুকস]] || ৪৮৫ || ✓
|-
| 174 || [[লেই ব্র্যাকেট]] || ১,১১২ || ✓
|-
| 175 || [[জ্যাক ক্যাডি]] || ১,৫৬৮ || ✓
|-
| 176 || [[মেল ব্রুকস]] || ২,০১৬ || ✕
|-
| 177 || [[মাইকেল বিশপ]] || ৯৯০ || ✓
|-
| 178 || [[এলিজাবেথ বেয়ার]] || ৭০৫ || ✓
|-
| 179 || [[মার্গারেট বল]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 180 || [[পাওলো বাসিগালুপি]] || ৬৪৭ || ✓
|-
| 181 || [[কেলি আর্মস্ট্রং]] || ৫৮৫ || ✓
|-
| 182 || [[ক্যাথরিন আসরো]] || ৩৬১ || ✓
|-
| 183 || [[পিয়ার্স অ্যান্থনি]] || ২২৯ || ✓
|-
| 184 || [[রবার্ট আইকম্যান]] || ২৬৮ || ✓
|-
| 185 || [[আইনজীবী]] || ২,৩২৯ || ✓
|-
| 186 || [[আইনসভা]] || ২,৩৪৩ || ✓
|-
| 187 || [[জর্জ বুশনার]] || ৬৬২ || ✓
|-
| 188 || [[জোসেফ গার্নি ক্যানন]] || ৭০৯ || ✓
|-
| 189 || [[সংখ্যাগরিষ্ঠ]] || ১,৩৫৬ || ✓
|-
| 190 || [[সংখ্যালঘু গোষ্ঠী]] || ১,৮৮১ || ✓
|-
| 191 || [[প্রাতিষ্ঠানিক আচরণ]] || ৬৫৬ || ✓
|-
| 192 || [[মানব আচরণ]] || ৮৫২ || ✓
|-
| 193 || [[হার্ভে ম্যানসফিল্ড]] || ৯৭৯ || ✓
|-
| 194 || [[রাষ্ট্রবিজ্ঞান]] || ১,১৩৯ || ✓
|-
| 195 || [[রাজনৈতিক দর্শন]] || ১,২৮৫ || ✓
|-
| 196 || [[দ্বিজেন্দ্র নারায়ণ ঝা]] || ১,০৮৭ || ✓
|-
| 197 || [[আগ্রাসন]] || ৯২০ || ✓
|-
| 198 || [[হিন্দুত্ব]] || ২,৭০০ || ✓
|-
| 199 || [[ফ্লাভিয়া অ্যাগনেস]] || ৬৮২ || ✓
|-
| 200 || [[লাভ জিহাদ ষড়যন্ত্র তত্ত্ব]] || ৩,১৫০ || ✓
|-
| 201 || [[মহাত্মা গান্ধীর হত্যাকাণ্ড]] || ১,৭৭৮ || ✓
|-
| 202 || [[যোগিন্দর সিকান্দ]] || ৮১৪ || ✓
|-
| 203 || [[ভারতে মুসলিমদের বিরুদ্ধে সহিংসতা]] || ৮৫১ || ✓
|-
| 204 || [[জয় শ্রীরাম]] || ৭০৮ || ✓
|-
| 205 || [[লালকৃষ্ণ আডবাণী]] || ১,৫৫৫ || ✓
|-
| 206 || [[রাম রথযাত্রা]] || ১,৫৭৯ || ✓
|-
| 207 || [[হিন্দু আমেরিকান ফাউন্ডেশন]] || ১,৪৫৫ || ✓
|-
| 208 || [[হর্ষ মান্দার]] || ৬৬০ || ✓
|-
| 209 || [[স্বপন দাশগুপ্ত]] || ১,১৬৭ || ✓
|-
| 210 || [[জরাথুস্ট্রবাদ]] || ৩৭৭ || ✓
|-
| 211 || [[পার্সি]] || ৩৯০ || ✓
|-
| 212 || [[নাগরিকত্ব]] || ১,৮৭৯ || ✓
|-
| 213 || [[ভারতের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৭০]] || ৬৭৯ || ✓
|-
| 214 || [[মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯]] || ৭৬৯ || ✓
|-
| 215 || [[অবৈতনিক বাধ্যতামূলক শিশু শিক্ষার অধিকার আইন, ২০০৯]] || ৩৭৯ || ✓
|-
| 216 || [[বোম্বাই দাঙ্গা]] || ৭৭৬ || ✓
|-
| 217 || [[বজরং দল]] || ৩৩১ || ✓
|-
| 218 || [[সংসদীয় ব্যবস্থা]] || ৪০৫ || ✓
|-
| 219 || [[বিচার বিভাগীয় ব্যাখ্যা]] || ১,২৩২ || ✓
|-
| 220 || [[বর্ণবাদ পরবর্তী আমেরিকা]] || ১,০৬৯ || ✓
|-
| 221 || [[শ্বেতাঙ্গ বিশেষাধিকার]] || ৬২৮ || ✓
|-
| 222 || [[বিশেষাধিকার]] || ৭১২ || ✓
|-
| 223 || [[মানবহিতৈষণা]] || ২২৮ || ✓
|-
| 224 || [[ভারত সরকার]] || ১,২২০ || ✓
|-
| 225 || [[শিলং]] || ৯৭৩ || ✓
|-
| 226 || [[মাঝৌলি রাজ]] || ৫৬০ || ✓
|-
| 227 || [[কালিকট]] || ৪৫৪ || ✓
|-
| 228 || [[যাজপুর]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 229 || [[কালিবাঙ্গান]] || ৭৩৮ || ✓
|-
| 230 || [[কাডাপা]] || ৪১৩ || ✓
|-
| 231 || [[ইদার]] || ৫৮৬ || ✓
|-
| 232 || [[গোধরা]] || ১,০১০ || ✓
|-
| 233 || [[ভুবনেশ্বর]] || ১,১৬৫ || ✓
|-
| 234 || [[অমৃতসর]] || ৮৬৮ || ✓
|-
| 235 || [[আম্বালা]] || ৪৬১ || ✓
|-
| 236 || [[হায়দ্রাবাদ]] || ৩,২৪৮ || ✓
|-
| 237 || [[২০১৯ হায়দ্রাবাদ গণধর্ষণ]] || ১৭৭ || ✓
|-
| 238 || [[মুহাম্মাদ বখতিয়ার খলজি]] || ৪২৩ || ✕
|-
| 239 || [[হায়দ্রাবাদ অধিগ্রহণ]] || ৪৫৬ || ✓
|-
| 240 || [[১৮৯৯-১৯০০ সালের ভারতীয় দুর্ভিক্ষ]] || ৫৪১ || ✓
|-
| 241 || [[১৯৯০ হায়দ্রাবাদ দাঙ্গা]] || ৪০৬ || ✓
|-
| 242 || [[গুয়াহাটি]] || ১,৭৯৬ || ✓
|-
| 243 || [[গৌড়]] || ১,৯৩৬ || ✓
|-
| 244 || [[বিজাপুর]] || ৬৬২ || ✓
|-
| 245 || [[মাণ্ডু]] || ৩৯৪ || ✓
|-
| 246 || [[খাজুরাহো]] || ৩৭১ || ✓
|-
| 247 || [[চান্দেরী]] || ৫০৭ || ✓
|-
| 248 || [[জুনাগড়]] || ৭১৯ || ✓
|-
| 249 || [[বৃহৎ কচ্ছের রাণ]] || ৫৮৪ || ✓
|-
| 250 || [[আহমেদাবাদ]] || ১,৮১২ || ✓
|-
| 251 || [[কচ্ছ জেলা]] || ৩২৬ || ✓
|-
| 252 || [[দৃশদ্বতী নদী]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 253 || [[চেনাব নদী]] || ৩২১ || ✓
|-
| 254 || [[পশ্চিমবঙ্গে ধর্ম]] || ১,২৩২ || ✓
|-
| 255 || [[মুর্শিদাবাদ সহিংসতা]] || ২৫৭ || ✓
|-
| 256 || [[২০২৪ সন্দেশখালী সহিংসতা]] || ১,০৬১ || ✓
|-
| 257 || [[২০২২ বীরভূম সহিংসতা]] || ৫১৪ || ✓
|-
| 258 || [[মৈতৈ জাতি]] || ৬৪০ || ✓
|-
| 259 || [[মৈতৈ সভ্যতা]] || ৩৫০ || ✓
|-
| 260 || [[মণিপুর]] || ৩০৬ || ✓
|-
| 261 || [[লাক্ষাদ্বীপ]] || ৩২৯ || ✓
|-
| 262 || [[বৃন্দাবন]] || ৭৩৩ || ✓
|-
| 263 || [[সম্ভল]] || ২৪৩ || ✓
|-
| 264 || [[এলাহাবাদ]] || ৩৫৭ || ✓
|-
| 265 || [[আলিগড়]] || ৪০৯ || ✓
|-
| 266 || [[স্ট্যাচু অব ইউনিটি]] || ২৪১ || ✓
|-
| 267 || [[ভারতের দুর্গ]] || ৩১৪ || ✓
|-
| 268 || [[দ্য দুন স্কুল]] || ৬৬৪ || ✓
|-
| 269 || [[কাশী হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়]] || ৩৪৫ || ✓
|-
| 270 || [[আগ্রা]] || ৭১৮ || ✓
|-
| 271 || [[২০২০ দিল্লি দাঙ্গা]] || ১,১৭৮ || ✓
|-
| 272 || [[তিরুচিরাপল্লী]] || ৬২৬ || ✓
|-
| 273 || [[সেন্ট থমাস ক্যাথেড্রাল ব্যাসিলিকা, চেন্নাই]] || ৩৮০ || ✕
|-
| 274 || [[আতঙ্ক]] || ৪৭৮ || ✓
|-
| 275 || [[ভারতে দুর্নীতি]] || ১,০০৭ || ✓
|-
| 276 || [[তামিলনাড়ুর মন্দির]] || ৯১৮ || ✓
|-
| 277 || [[এম. কে. স্ট্যালিন]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 278 || [[তামিলনাড়ু]] || ৫৪৩ || ✓
|-
| 279 || [[তামিলনাড়ুর হিন্দি বিরোধী আন্দোলন]] || ৪৬৫ || ✓
|-
| 280 || [[যোধপুর]] || ৬২৮ || ✓
|-
| 281 || [[রাজস্থান]] || ২৯৪ || ✓
|-
| 282 || [[ওড়িশা]] || ৭৪৫ || ✓
|-
| 283 || [[১৯৯৮ কোয়েম্বাটুর বোমা হামলা]] || ৫৩৭ || ✓
|-
| 284 || [[উত্তর-পূর্ব ভারতে বিদ্রোহ]] || ৩৯৮ || ✓
|-
| 285 || [[মারাদ হত্যাকাণ্ড]] || ৩৫২ || ✓
|-
| 286 || [[মক্কা মসজিদ বিস্ফোরণ]] || ৫৮৪ || ✓
|-
| 287 || [[স্টুডেন্টস ইসলামিক মুভমেন্ট অব ইন্ডিয়া]] || ৩৫৭ || ✓
|-
| 288 || [[বিষ্ণু]] || ৬১৭ || ✓
|-
| 289 || [[২০২৪ রিয়াসি হামলা]] || ৩০২ || ✓
|-
| 290 || [[২০০৬ মালেগাঁও বোমা হামলা]] || ৩৯১ || ✓
|-
| 291 || [[২০০৬ মুম্বই রেলে বোমা হামলা]] || ১৯০ || ✓
|-
| 292 || [[মুম্বই]] || ১,২২৪ || ✓
|-
| 293 || [[দৌলতাবাদ, মহারাষ্ট্র]] || ৮৯৫ || ✕
|-
| 294 || [[মহারাষ্ট্র]] || ৪৯৯ || ✓
|-
| 295 || [[পিনারাই বিজয়ন]] || ৫২৩ || ✓
|-
| 296 || [[আরব দেশ]] || ৯১৪ || ✓
|-
| 297 || [[দক্ষিণ এশিয়া]] || ৫৯৩ || ✓
|-
| 298 || [[শহুরে অবক্ষয়]] || ৩০৮ || ✓
|-
| 299 || [[নগরায়ন]] || ১,০৯৭ || ✓
|-
| 300 || [[কেরল]] || ৩৬৫ || ✓
|-
| 301 || [[জম্মু ও কাশ্মীরে বিদ্রোহ]] || ৪১৮ || ✓
|-
| 302 || [[জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহার]] || ৯৬৪ || ✓
|-
| 303 || [[শ্রীনগর]] || ১,৭২৯ || ✓
|-
| 304 || [[কাশ্মীর উপত্যকা]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 305 || [[লাদাখ]] || ৬৯৪ || ✓
|-
| 306 || [[কাশ্মীরি জাতি]] || ৮১৩ || ✓
|-
| 307 || [[তারিখ-ই-কাশ্মীর]] || ৫১৪ || ✓
|-
| 308 || [[কর্ণাটক]] || ৬৮২ || ✓
|-
| 309 || [[কর্ণাটকের রাজনীতি]] || ৪৩৯ || ✓
|-
| 310 || [[বেঙ্গালুরু]] || ৬১৪ || ✓
|-
| 311 || [[আসামে ইসলাম]] || ৬৯০ || ✓
|-
| 312 || [[আসামের ইতিহাস]] || ৭২৬ || ✓
|-
| 313 || [[আসামে হিন্দুধর্ম]] || ৩২৫ || ✓
|-
| 314 || [[ভারতের জনমিতি]] || ৩,৩৭৩ || ✓
|-
| 315 || [[বাংলাদেশের জনমিতি]] || ১,১৯৫ || ✓
|-
| 316 || [[পাকিস্তানের জনমিতি]] || ৮৫০ || ✓
|-
| 317 || [[আসামের জনমিতি]] || ১৮২ || ✓
|-
| 318 || [[বিহার]] || ৪৫৮ || ✓
|-
| 319 || [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] || ১৮১ || ✓
|-
| 320 || [[শাহ বানু মামলা]] || ৮০০ || ✓
|-
| 321 || [[ইসরায়েল–ভারত সম্পর্ক]] || ৮৯৭ || ✓
|-
| 322 || [[প্রণব মুখোপাধ্যায়]] || ৫৯৫ || ✓
|-
| 323 || [[দ্রৌপদী মুর্মু]] || ২৪৯ || ✓
|-
| 324 || [[ফখরুদ্দিন আলি আহমেদ]] || ১,৬৪৭ || ✓
|-
| 325 || [[এলজিবিটিকিউ অধিকার বিরোধিতা]] || ২,০৪৯ || ✓
|-
| 326 || [[গেফোবিয়া]] || ২৭৮ || ✓
|-
| 327 || [[সমকামী যৌন চর্চা]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 328 || [[উভকামিতা]] || ১,৫৬০ || ✓
|-
| 329 || [[কামিং আউট]] || ৮০৫ || ✓
|-
| 330 || [[স্মৃতি ইরানি]] || ৯৯১ || ✓
|-
| 331 || [[মেনকা গান্ধী]] || ১,২৩০ || ✓
|-
| 332 || [[যশবন্ত সিং]] || ২০৬ || ✓
|-
| 333 || [[সৈয়দ শাহাবুদ্দিন]] || ৫৭৯ || ✓
|-
| 334 || [[শাকিল আহমদ]] || ১২৪ || ✓
|-
| 335 || [[তথাগত রায়]] || ২৭৫ || ✓
|-
| 336 || [[লালুপ্রসাদ যাদব]] || ১,১০৯ || ✓
|-
| 337 || [[আসাদউদ্দিন ওয়াইসি]] || ৫০২ || ✓
|-
| 338 || [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনী]] || ১৯,১০০ || ✕
|-
| 339 || [[ভাকলাভ হাভেল]] || ৯,৩৫৭ || ✓
|-
| 340 || [[নরউইচের জুলিয়ান]] || ৩১,৬৩৩ || ✓
|-
| 341 || [[রামসে ম্যাকডোনাল্ড]] || ৯,৬২২ || ✓
|-
| 342 || [[জন মুয়ির]] || ৮,০৬১ || ✓
|-
| 343 || [[মার্গারেট অ্যাটউড]] || ৬,৩২৮ || ✓
|-
| 344 || [[পেত্র ক্রাপোতকিন]] || ১০,৮১৬ || ✓
|-
| 345 || [[টমাস হেনরি হাক্সলি]] || ৮,৫০৩ || ✓
|-
| 346 || [[উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস]] || ৭,২১০ || ✓
|-
| 347 || [[উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস]] || ৪,২৬০ || ✓
|-
| 348 || [[তাওয়াক্কোল কারমান]] || ৪,০৯৭ || ✓
|-
| 349 || [[র্যাচেল কারসন]] || ৪,৭৬৭ || ✓
|-
| 350 || [[আর্নেস্ট হেমিংওয়ে]] || ১৪,৯০৭ || ✓
|-
| 351 || [[আর্থার এডিংটন]] || ৫,৬৩৭ || ✓
|-
| 352 || [[এরিক হবসবাউম]] || ৫,৮৭৩ || ✓
|-
| 353 || [[টনি মরিসন]] || ১০,৩৮৩ || ✓
|-
| 354 || [[টনি বেন]] || ১০,৩৯৯ || ✓
|-
| 355 || [[নরম্যান মেইলার]] || ৬,৬০৬ || ✓
|-
| 356 || [[পল স্যামুয়েলসন]] || ৬,৮৫১ || ✓
|-
| 357 || [[এইচ. পি. লাভক্র্যাফট]] || ২৫,৪৭২ || ✓
|-
| 358 || [[ব্লেজ পাসকাল]] || ৩,০৫১ || ✓
|-
| 359 || [[চিনুয়া আচেবে]] || ৬,০৪২ || ✓
|-
| 360 || [[ডরিস লেসিং]] || ৪,৬২১ || ✓
|-
| 361 || [[ফেদেরিকো ফাগিন]] || ৬০০ || ✓
|-
| 362 || [[আলেকজান্ডার গ্রোথেনডিক]] || ১,২১১ || ✓
|-
| 363 || [[আঙ্গেলা ম্যার্কেল]] || ২,০২৯ || ✓
|-
| 364 || [[আনাক্সাগোরাস]] || ৩,৬৭১ || ✓
|-
| 365 || [[আমোস তভারস্কি]] || ৪৬১ || ✓
|-
| 366 || [[আলফ্রেড মার্শাল]] || ১,৩০৯ || ✓
|-
| 367 || [[আলবার্টাস ম্যাগনাস]] || ৩৮২ || ✓
|-
| 368 || [[অনিতা ব্রুকনার]] || ৪৭৪ || ✓
|-
| 369 || [[আলফ্রেড কিনসে]] || ১,০৩৩ || ✓
|-
| 370 || [[অ্যালান কে]] || ৯২৪ || ✓
|-
| 371 || [[আলেকজান্ডার ফ্লেমিং]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 372 || [[ক্যারোলিন বার্তোজি]] || ৪১১ || ✓
|-
| 373 || [[আলফ্রেড রাসেল ওয়ালেস]] || ১,৬৫৯ || ✓
|-
| 374 || [[অঁতোয়ান লাভোয়াজিয়ে]] || ১,৪৬৩ || ✕
|-
| 375 || [[ভ্রান্ত উদ্ধৃতি]] || ৯,৮৭১ || ✓
|-
| 376 || [[২০১১ ফিফা মহিলা বিশ্বকাপ]] || ৯৬৩ || ✓
|-
| 377 || [[তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] || ৩,১৭৯ || ✓
|-
| 378 || [[আফগান যুদ্ধ]] || ৪,৬২০ || ✓
|-
| 379 || [[ইউক্রেনে রুশ আক্রমণ]] || ১২,৩৮২ || ✓
|-
| 380 || [[ইরাক যুদ্ধ]] || ১২,৩৪৪ || ✓
|-
| 381 || [[যুক্তরাজ্যের তৃতীয় জর্জ]] || ১২,০৪২ || ✓
|-
| 382 || [[২০১০ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৮৮৩ || ✓
|-
| 383 || [[২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৩,৫১৪ || ✓
|-
| 384 || [[২০০২ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৬১১ || ✓
|-
| 385 || [[ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ]] || ১,৫৪২ || ✓
|-
| 386 || [[স্নায়ুযুদ্ধ]] || ১৫,৬১০ || ✓
|-
| 387 || [[দ্বিতীয় স্নায়ুযুদ্ধ]] || ৪,৬৬৮ || ✓
|-
| 388 || [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] || ২৪,১৭৭ || ✓
|-
| 389 || [[মহত্ত্ব]] || ৭,৮১৪ || ✓
|-
| 390 || [[সাংবাদিকতা]] || ১৩,৪৭০ || ✓
|-
| 391 || [[প্যানডিজম]] || ১০,৩০০ || ✓
|-
| 392 || [[গাজা যুদ্ধ]] || ১৬,৯৮২ || ✓
|-
| 393 || [[২০২৬ ইরান যুদ্ধ]] || ৬,৯৫৯ || ✓
|-
| 394 || [[পারমাণবিক অস্ত্র]] || ৩,২৩৩ || ✓
|-
| 395 || [[২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৬৪৩ || ✓
|-
| 396 || [[ক্রুসেড]] || ৯৯৬ || ✓
|-
| 397 || [[অ্যানিমেশন]] || ৯,৪৫৭ || ✓
|-
| 398 || [[দক্ষিণ কোরিয়ার রাজনীতি]] || ৭৫৫ || ✓
|-
| 399 || [[ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ]] || ৩,৭৬২ || ✓
|-
| 400 || [[পারমাণবিক যুদ্ধ]] || ৫,৫২০ || ✓
|-
| 401 || [[আল খোয়ারিজমি]] || ১,২৩০ || ✓
|-
| 402 || [[ফজলে রাব্বী]] || ৬৩৫ || ✓
|-
| 403 || [[ডেভিড হিউম]] || ১১,৭৮০ || ✓
|-
| 404 || [[লিওনিদ ক্যান্টোরোভিচ]] || ১,৪২২ || ✓
|-
| 405 || [[থিওডোসিয়াস ডবঝানস্কি]] || ৭৬০ || ✕
|-
| 406 || [[টেরেন্স টাও]] || ৭২০ || ✓
|-
| 407 || [[ফিলিপ]] || ৪২৬ || ✓
|-
| 408 || [[জুলিয়ান শুইঙার]] || ১,৩২২ || ✕
|-
| 409 || [[পিয়ের-জিল দ্য জেন]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 410 || [[ব্রায়ান কক্স]] || ৭৫৬ || ✓
|-
| 411 || [[জন ম্যাককার্থি]] || ১,০৪৫ || ✓
|-
| 412 || [[লুই দ্য ব্রোয়ি]] || ৪৬০ || ✓
|-
| 413 || [[ফ্রঁসোয়া মিতেরঁ]] || ১,১৯৪ || ✕
|-
| 414 || [[ফ্লিন্ডার্স পেট্রি]] || ১,২০৪ || ✕
|-
| 415 || [[পল আর. এহর্লিচ]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 416 || [[মাইকেল আতিয়াহ]] || ৪২৩ || ✓
|-
| 417 || [[মার্টন মিলার]] || ৪৮২ || ✓
|-
| 418 || [[মেরি বিয়ার্ড]] || ৯১১ || ✓
|-
| 419 || [[মার্গারেট চ্যান]] || ৭০৪ || ✓
|-
| 420 || [[গেরহার্ড শ্রোডার]] || ২৬৯ || ✓
|-
| 421 || [[ফিলিপ ওয়ারেন অ্যান্ডারসন]] || ৭৯৯ || ✓
|-
| 422 || [[পিটার হিগস]] || ৪৭৪ || ✕
|-
| 423 || [[লিওনার্ড সাসকিন্ড]] || ৮২৫ || ✓
|-
| 424 || [[জন মেইনার্ড স্মিথ]] || ৬৪০ || ✓
|-
| 425 || [[জন জেমস অডুবন]] || ৮৩৭ || ✓
|-
| 426 || [[শেলডন লি গ্ল্যাশো]] || ৭৫১ || ✓
|-
| 427 || [[ভিক্টর উইসকফ]] || ৫১৯ || ✓
|-
| 428 || [[মার্টিন রিস]] || ৫৫১ || ✓
|-
| 429 || [[মার্ক ওলিফ্যান্ট]] || ৫৫৩ || ✓
|-
| 430 || [[ভিতালি গিঞ্জবার্গ]] || ৩০৮ || ✓
|-
| 431 || [[স্যালি রাইড]] || ৪২৫ || ✓
|-
| 432 || [[রবার্ট ফোগেল]] || ৪২৮ || ✓
|-
| 433 || [[রিঙ্গো স্টার]] || ৮৭০ || ✓
|-
| 434 || [[মাক্স ডেলব্রুক]] || ৫৭৫ || ✓
|-
| 435 || [[তৃতীয় লেওপোল্ড]] || ৮৩৭ || ✓
|-
| 436 || [[নরম্যান বোরল্যাগ]] || ৭০০ || ✓
|-
| 437 || [[নিকলাউস ভির্ট]] || ৪৭৯ || ✓
|-
| 438 || [[নিকোলাস স্টেনো]] || ২৯২ || ✓
|-
| 439 || [[নেভিল ফ্রান্সিস মট]] || ৫১১ || ✓
|-
| 440 || [[লুডউইক ফ্লেক]] || ৫১২ || ✓
|-
| 441 || [[কারেন উলেনবেক]] || ৩৯২ || ✓
|-
| 442 || [[ইয়োসেফ মেংগেলে]] || ৫৪৪ || ✓
|-
| 443 || [[কিরণ দেশাই]] || ২৬১ || ✓
|-
| 444 || [[কাতালিন কারিকো]] || ৩০৯ || ✓
|-
| 445 || [[ইয়োন্স ইয়াকব বের্সেলিয়ুস]] || ৫১৬ || ✓
|-
| 446 || [[হুয়ান মালদাসেনা]] || ৭৩২ || ✓
|-
| 447 || [[হাইনরিখ বোল]] || ৩০০ || ✓
|-
| 448 || [[ইনগ্রিড ডোবিচি]] || ৬৭১ || ✓
|-
| 449 || [[ইয়ান উইলমুট]] || ৪২৭ || ✓
|-
| 450 || [[হিউ এভারেট]] || ৬০০ || ✓
|-
| 451 || [[ফ্রঁসোয়া অংল্যার]] || ৫৩৩ || ✓
|-
| 452 || [[এমানুয়েল সোয়েডেনবার্গ]] || ১,৫২২ || ✓
|-
| 453 || [[এলিজাবেথ বিশপ]] || ৬৫২ || ✓
|-
| 454 || [[শেখ আন্তা দিওপ]] || ৩৩৫ || ✓
|-
| 455 || [[জর্জ গ্যামো]] || ১,৫২১ || ✓
|-
| 456 || [[হাইনরিখ হের্ত্স]] || ১,৭৪৪ || ✓
|-
| 457 || [[গ্রো হারলেম ব্রুন্ডটল্যান্ড]] || ৩১১ || ✓
|-
| 458 || [[জন সি. মাদার]] || ৪২৫ || ✓
|-
| 459 || [[জন ব্যাকাস]] || ৫৯৭ || ✓
|-
| 460 || [[এর্নস্ট মায়ার]] || ৭৫৪ || ✓
|-
| 461 || [[লিন মার্গুলিস]] || ১,৭১৮ || ✓
|-
| 462 || [[হ্যান্স বেটে]] || ৩৯৬ || ✓
|-
| 463 || [[লুই আগাসিজ]] || ৯৩৭ || ✓
|-
| 464 || [[জর্জ ক্যুভিয়ে]] || ৭৬৮ || ✓
|-
| 465 || [[ব্রাসেলস]] || ৯৬৭ || ✓
|-
| 466 || [[ড্যানিয়েল কানেমান]] || ২,৯৫৭ || ✕
|-
| 467 || [[ডোনাল্ড কানুথ]] || ১,৫৮২ || ✓
|-
| 468 || [[লেমাহ গবোউই]] || ১,১৫০ || ✓
|-
| 469 || [[গারট্রুড বি. এলিয়ন]] || ২৩৪ || ✓
|-
| 470 || [[ডোনা স্ট্রিকল্যান্ড]] || ৩৫৯ || ✓
|-
| 471 || [[এর্নস্ট মাখ]] || ২,০২৮ || ✕
|-
| 472 || [[ডোনাল্ড টাস্ক]] || ১,৭৭১ || ✓
|-
| 473 || [[অরবিন্দ আদিগা]] || ৮৬৬ || ✓
|-
| 474 || [[সি. এ. আর. হোর]] || ১,০৬১ || ✕
|-
| 475 || [[পল ডিরাক]] || ৪,৭০৯ || ✕
|-
| 476 || [[ই. ও. উইলসন]] || ৪,৪৫৮ || ✕
|-
| 477 || [[ডেসমন্ড মরিস]] || ৩,৯৮৬ || ✓
|-
| 478 || [[মাইকেল গোভ]] || ৩,৭৩৬ || ✓
|-
| 479 || [[হার্পার লি]] || ২,৪৯১ || ✓
|-
| 480 || [[কেন টম্পসন]] || ১,৮১৬ || ✓
|-
| 481 || [[জন টিন্ডাল]] || ২,৫২৮ || ✓
|-
| 482 || [[মেরি রবিনসন]] || ১,৩৭৬ || ✓
|-
| 483 || [[হেনরি ক্যাভেন্ডিশ]] || ২,২৪৪ || ✓
|-
| 484 || [[আইরিস মারডক]] || ১,২৬৮ || ✓
|-
| 485 || [[আর্নেস্ট রাদারফোর্ড]] || ২,৪৫৩ || ✓
|-
| 486 || [[ফ্রেড ব্রুকস]] || ১,১৯১ || ✓
|-
| 487 || [[ক্রিস্টিয়ান হাইগেনস]] || ১,৯০৭ || ✓
|-
| 488 || [[ডায়ান ফসি]] || ১,৬৪৬ || ✕
|-
| 489 || [[ইডিথ হোয়ার্টন]] || ১,৪২৫ || ✓
|-
| 490 || [[অরেল স্টেইন]] || ১,৪৭৮ || ✕
|-
| 491 || [[গাব্রিয়েলা মিস্ত্রাল]] || ১,৬৫০ || ✓
|-
| 492 || [[আলেকজান্ডার ফন হুমবোল্ট]] || ১,১২০ || ✓
|-
| 493 || [[ফ্রান্সিস্কো ভারেলা]] || ১,৮৯৩ || ✓
|-
| 494 || [[ডেনিস রিচি]] || ১,১০৮ || ✓
|-
| 495 || [[অড্রে হেপবার্ন]] || ১,৪৩৫ || ✓
|-
| 496 || [[জি. এইচ. হার্ডি]] || ২,৩৩০ || ✓
|-
| 497 || [[হ্যারল্ড পিন্টার]] || ২,০৭২ || ✓
|-
| 498 || [[অ্যানাক্সিম্যান্ডার]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 499 || [[ডেভিড ব্রুস্টার]] || ২,৪০৪ || ✓
|-
| 500 || [[ব্রায়ান গ্রিন]] || ১,২৭৯ || ✕
|-
| 501 || [[অমিত গোস্বামী]] || ৯১৫ || ✓
|-
| 502 || [[এডমন্ড হ্যালি]] || ২,৬১৯ || ✓
|-
| 503 || [[ডেভিড সুজুকি]] || ১,৫১৭ || ✓
|-
| 504 || [[ডেভিড জোনাথন গ্রোস]] || ৮০৯ || ✓
|-
| 505 || [[ডেভিড ম্যামেট]] || ১,২৫২ || ✓
|-
| 506 || [[আহমেদ জেওয়াইল]] || ১৯২ || ✓
|-
| 507 || [[ইউরোপীয় পার্লামেন্ট]] || ৬১৫ || ✓
|-
| 508 || [[ডেভিড গ্রসম্যান]] || ৩৩৬ || ✓
|-
| 509 || [[হরিশ-চন্দ্র]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 510 || [[অনিতা দেসাই]] || ১,৪৩৯ || ✓
|-
| 511 || [[অ্যাশ কার্টার]] || ৪৬৩ || ✓
|-
| 512 || [[আলফ্রেড নোবেল]] || ৫০৯ || ✕
|-
| 513 || [[ক্রিস্টিয়ান বার্নার্ড]] || ৬৩৯ || ✓
|-
| 514 || [[রেজা পাহলভি]] || ৯,৯১০ || ✓
|-
| 515 || [[রজার ইবার্ট]] || ২১,৩২৫ || ✓
|-
| 516 || [[পুনর্জন্ম]] || ২০,২৪৮ || ✓
|-
| 517 || [[জ্যারেড ডায়মন্ড]] || ১,১৬৮ || ✕
|-
| 518 || [[জেন গুডাল]] || ১,৩৫৭ || ✓
|-
| 519 || [[জেমস টোবিন]] || ১,০৫৯ || ✓
|-
| 520 || [[জেমস ক্যালাহান]] || ১,৬১৫ || ✓
|-
| 521 || [[উইলিয়াম স্ট্যানলি জেভন্স]] || ১,৭০১ || ✓
|-
| 522 || [[উইলিয়াম থমসন]] || ১,০৫১ || ✓
|-
| 523 || [[ওলে সোয়িংকা]] || ৩,১৬১ || ✕
|-
| 524 || [[জোসেফ স্টিগলিটজ]] || ১,৫০৪ || ✕
|-
| 525 || [[গ্রেগর মেন্ডেল]] || ৮৭৪ || ✓
|-
| 526 || [[গটফ্রিড ভিলহেল্ম লাইবনিৎস]] || ১,২৩৬ || ✓
|-
| 527 || [[গ্লেন থিওডোর সিবর্গ]] || ৯৮৪ || ✓
|-
| 528 || [[হেরমান ভাইল]] || ১,৫৪১ || ✓
|-
| 529 || [[হেরমান হেস]] || ৪,৫৬৫ || ✓
|-
| 530 || [[হার্বার্ট স্পেন্সার]] || ২,৩৬৮ || ✓
|-
| 531 || [[হার্বার্ট এ. সাইমন]] || ১,৩৩৭ || ✓
|-
| 532 || [[হেরাক্লিটাস]] || ১,৫৭০ || ✓
|-
| 533 || [[হেনরিক শিয়েনকিয়েভিচ]] || ১,৯১১ || ✕
|-
| 534 || [[উইলা ক্যাথার]] || ৩,০৩৩ || ✕
|-
| 535 || [[উইল ডুরান্ট]] || ২,৮১৫ || ✓
|-
| 536 || [[ডব্লিউ. এইচ. অডেন]] || ২,৮১৯ || ✓
|-
| 537 || [[ভোলফগাং পাউলি]] || ১,৬৩৯ || ✓
|-
| 538 || [[ইয়াসুনারি কাওয়াবাতা]] || ২,২৫৮ || ✓
|-
| 539 || [[জন আর্চিবল্ড হুইলার]] || ১,১৩৯ || ✓
|-
| 540 || [[সেমুর হার্শ]] || ১,৭৬১ || ✓
|-
| 541 || [[সের্গেই কোরোলিয়ভ]] || ৫৬৫ || ✓
|-
| 542 || [[জেন অ্যাডামস]] || ১,৯০৬ || ✓
|-
| 543 || [[জাক-ইভ কুস্তো]] || ৬৬৩ || ✓
|-
| 544 || [[হিদেকি ইউকাওয়া]] || ৪০৩ || ✓
|-
| 545 || [[প্রিমো লেভি]] || ৪,২৩৮ || ✓
|-
| 546 || [[ঝুম্পা লাহিড়ী]] || ৪৩০ || ✓
|-
| 547 || [[জেমস প্রেসকট জুল]] || ৪৮৭ || ✓
|-
| 548 || [[উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা]] || ৪,৮৫১ || ✓
|-
| 549 || [[সংবাদ মাধ্যম]] || ১,১৫৫ || ✓
|-
| 550 || [[গণমাধ্যম]] || ৩,৩৫৭ || ✓
|-
| 551 || [[মূলধারার গণমাধ্যম]] || ১,০৫২ || ✓
|-
| 552 || [[হলুদ সাংবাদিকতা]] || ২,২৯৬ || ✓
|-
| 553 || [[ভুয়া সংবাদ]] || ১,৪০৮ || ✓
|-
| 554 || [[বিকল্প প্রচারমাধ্যম]] || ১,২০৫ || ✓
|-
| 555 || [[জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ]] || ১১,২৬৬ || ✓
|-
| 556 || [[অ্যানোনিমাস]] || ৪,০৪৩ || ✓
|-
| 557 || [[টুপাক শাকুর]] || ৬,২৮৭ || ✓
|-
| 558 || [[জেনডেয়া]] || ২,০১৪ || ✓
|-
| 559 || [[টিমথি শালামে]] || ১,১২৭ || ✓
|-
| 560 || [[হিপোক্রেটিস]] || ২,৯২৩ || ✓
|-
| 561 || [[ষষ্ঠ মুহাম্মদ]] || ৮৭৮ || ✓
|-
| 562 || [[জন লেনক্স]] || ৭০২ || ✓
|-
| 563 || [[আলেক্সান্দ্র্ সলজেনিৎসিন]] || ৮,০৫৬ || ✓
|-
| 564 || [[আবদুল হান্নান মাসউদ]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 565 || [[পরকাল সম্পর্কে কুরআন]] || ১৮,৭৯৪ || ✓
|-
| 566 || [[মানবতাবিরোধী অপরাধ]] || ১,৯১২ || ✓
|-
| 567 || [[আন্তর্জাতিক আইন]] || ৫,৫৩৯ || ✓
|-
| 568 || [[মোহাম্মদ জাওয়াদ জারিফ]] || ১,৪৫২ || ✓
|-
| 569 || [[অনিল ভৌমিক]] || ২১৬ || ✓
|-
| 570 || [[মনোজ মিত্র]] || ৫,৫৬৭ || ✓
|-
| 571 || [[নারায়ণ সান্যাল]] || ৩৬৬ || ✓
|-
| 572 || [[মতি নন্দী]] || ৫,০১৮ || ✓
|-
| 573 || [[দেবেশ রায়]] || ৯,২৪৪ || ✓
|-
| 574 || [[শিশিরকুমার বসু]] || ৪,৮০৭ || ✓
|-
| 575 || [[বিমল কর]] || ১,৩৬৯ || ✓
|-
| 576 || [[সুবোধ সরকার]] || ১,৮৪৮ || ✓
|-
| 577 || [[স্মরণজিৎ চক্রবর্তী]] || ৭৯২ || ✓
|-
| 578 || [[স্বামী সারদানন্দ]] || ৮,৬৯৫ || ✓
|-
| 579 || [[শক্তিপদ রাজগুরু]] || ৯৯৩ || ✓
|-
| 580 || [[কমলকুমার মজুমদার]] || ১,৫৭৩ || ✓
|-
| 581 || [[গৌতম ভদ্র]] || ৬৮৫ || ✓
|-
| 582 || [[পরিমল গোস্বামী]] || ৬,৫৫০ || ✓
|-
| 583 || [[প্রেমাঙ্কুর আতর্থী]] || ৫,৬৯৮ || ✓
|-
| 584 || [[কালীপ্রসন্ন সিংহ]] || ৫,৪০৪ || ✓
|-
| 585 || [[অখিল নিয়োগী]] || ৬৩৬ || ✓
|-
| 586 || [[হরপ্রসাদ শাস্ত্রী]] || ৫১৩ || ✓
|-
| 587 || [[গায়ত্রী চক্রবর্তী স্পিভাক]] || ৫৯২ || ✓
|-
| 588 || [[অজিত দত্ত]] || ৮৭০ || ✓
|-
| 589 || [[অজিতকৃষ্ণ বসু]] || ২,৩৮৬ || ✓
|-
| 590 || [[এম এস স্বামীনাথন]] || ৮৭২ || ✓
|-
| 591 || [[চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন]] || ২,১৭১ || ✓
|-
| 592 || [[চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও]] || ২,১৬৭ || ✓
|-
| 593 || [[কণাদ]] || ৯১৯ || ✓
|-
| 594 || [[জয়ন্ত বিষ্ণু নারলিকর]] || ৩,১৮৭ || ✓
|-
| 595 || [[বিক্রম সারাভাই]] || ১,১২৯ || ✓
|-
| 596 || [[আর্নেস্ট কিং]] || ১৫,৭৬৯ || ✕
|-
| 597 || [[ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট]] || ২৬,২১৫ || ✓
|-
| 598 || [[আনোয়ার ইব্রাহিম]] || ৬,৯৯৩ || ✓
|-
| 599 || [[ইসলাম ও যুদ্ধ]] || ৫,৬৮১ || ✓
|-
| 600 || [[আহমদ সিরহিন্দি]] || ৪,০৭০ || ✓
|-
| 601 || [[মুসা সেরান্তোনিও]] || ৪২৩ || ✓
|-
| 602 || [[ইয়াকুব]] || ১,৯৫৬ || ✓
|-
| 603 || [[আদ্রিয়ান গোল্ডসওয়ার্দি]] || ১,৯৭৯ || ✕
|-
| 604 || [[অ্যালিস পল]] || ১,৮৬২ || ✕
|-
| 605 || [[অ্যামি ট্যান]] || ২,০০৭ || ✕
|-
| 606 || [[অ্যান্ড্রু সেগা]] || ১,৯৬৯ || ✓
|-
| 607 || [[আল্যাঁ বাদিউ]] || ১,৯৬৬ || ✕
|-
| 608 || [[আফ্রিকান স্পির]] || ১,৭২২ || ✕
|-
| 609 || [[ফ্রেডরিক ডগলাস]] || ৮৬২ || ✕
|-
| 610 || [[নবী]] || ২,০৬২ || ✕
|-
| 611 || [[এমা গোল্ডম্যান]] || ১২,৮০০ || ✕
|-
| 612 || [[প্রেম সম্পর্কে ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি]] || ১৫,০৪০ || ✓
|-
| 613 || [[মিস্ট্রি সায়েন্স থিয়েটার ৩০০০]] || ৯৪,৯৬৮ || ✕
|-
| 614 || [[দ্য থিক অফ ইট]] || ৬৯,২৮৩ || ✕
|-
| 615 || [[অ্যালেক্স হেইলি]] || ১,৬০৪ || ✓
|-
| 616 || [[দাসত্ব সম্পর্কে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি]] || ৫,৭৮৫ || ✕
|-
| 617 || [[দাসত্ব]] || ১০,২৫৯ || ✕
|-
| 618 || [[যন্ত্র]] || ৭১৩ || ✓
|-
| 619 || [[বিচারক]] || ৯৫২ || ✓
|-
| 620 || [[রুটি]] || ১,০৯৭ || ✓
|-
| 621 || [[খড়]] || ৯৩২ || ✓
|-
| 622 || [[মন্মথমোহন বসু]] || ৯৬৩ || ✕
|-
| 623 || [[কালীপ্রসন্ন বিদ্যারত্ন]] || ৮২৫ || ✓
|-
| 624 || [[কলসী]] || ১,০৮৬ || ✓
|-
| 625 || [[চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ১,১৫৭ || ✓
|-
| 626 || [[শহর]] || ১,৪৫৮ || ✕
|-
| 627 || [[ঘাস]] || ২,১১২ || ✓
|-
| 628 || [[জলধর সেন]] || ১,৭৬৪ || ✓
|-
| 629 || [[ঠিকানা]] || ১,১৮৭ || ✓
|-
| 630 || [[গন্ধ]] || ১,৮০৭ || ✓
|-
| 631 || [[চা]] || ২,৪২৪ || ✓
|-
| 632 || [[রবীন্দ্রনাথ মৈত্র]] || ১,২৮১ || ✓
|-
| 633 || [[দিগন্ত]] || ১,২২৮ || ✓
|-
| 634 || [[ময়ূর]] || ১,৩৪৫ || ✓
|-
| 635 || [[করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ৯১১ || ✓
|-
| 636 || [[ঢেউ]] || ১,৫৩৯ || ✓
|-
| 637 || [[ছাতা]] || ১,১৮৯ || ✓
|-
| 638 || [[উমাকান্ত হাজারী]] || ৯৪২ || ✓
|-
| 639 || [[ঘৃণা]] || ২,৩৩৯ || ✓
|-
| 640 || [[বাঁশ]] || ২,৪৫৯ || ✕
|-
| 641 || [[কলেরা]] || ১,৬৩৮ || ✓
|-
| 642 || [[মাঠ]] || ২,৪৪৭ || ✓
|-
| 643 || [[টিন]] || ১,৯৩২ || ✕
|-
| 644 || [[সংবাদ]] || ৪,৪৭৯ || ✕
|-
| 645 || [[জন বারবার]] || ৫৭৪ || ✕
|-
| 646 || [[স্কটিশ জাতি]] || ৩৭৫ || ✓
|-
| 647 || [[ওয়েন্ডি বোম্যান]] || ১৫১ || ✕
|-
| 648 || [[যুদ্ধাপরাধ]] || ৪,৬৭৯ || ✕
|-
| 649 || [[রুবি]] || ৩৬৩ || ✓
|-
| 650 || [[রিতা এনজেলু]] || ১৫৯ || ✓
|-
| 651 || [[বমি]] || ২০৪ || ✓
|-
| 652 || [[পার্ল]] || ৬৯০ || ✕
|-
| 653 || [[পাইথন]] || ১৩৯ || ✓
|-
| 654 || [[উইকিলিকস]] || ১,৬৩১ || ✕
|-
| 655 || [[জনস্টন ম্যাককালি]] || ৩১১ || ✕
|-
| 656 || [[যুগোস্লাভিয়া]] || ৪,১৩৬ || ✓
|-
| 657 || [[অংশুমান কর]] || ২০৯ || ✓
|-
| 658 || [[কেমব্রিজ গান]] || ৩০৫ || ✕
|-
| 659 || [[হেলেনীয় শিক্ষা]] || ৫০২ || ✓
|-
| 660 || [[টমাস হলি চিভার্স]] || ২৩৫ || ✓
|-
| 661 || [[মুহাম্মদ মাহদি আল-জাওয়াহিরি]] || ৬৩৮ || ✓
|-
| 662 || [[জেডি স্মিথ]] || ১,০৮০ || ✓
|-
| 663 || [[ব্রায়ান পি. শ্মিট]] || ৪৬০ || ✓
|-
| 664 || [[কার্ল বার্নস্টিন]] || ৩৬৮ || ✓
|-
| 665 || [[চার্লস ফেফারম্যান]] || ৩৩৯ || ✓
|-
| 666 || [[ইয়ুস্টুস ফন লিবিগ]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 667 || [[টমাস শেলিংস]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 668 || [[উইলিয়াম শকলি]] || ৩৯১ || ✓
|-
| 669 || [[শিং-শেন চের্ন]] || ৭৬৫ || ✕
|-
| 670 || [[হুগো দ্য ভ্রিস]] || ৩৪৪ || ✓
|-
| 671 || [[রবার্ট অ্যান্ড্রুজ মিলিকান]] || ৪৩৬ || ✓
|-
| 672 || [[জেমস ভ্যান অ্যালেন]] || ৫৯৬ || ✓
|-
| 673 || [[জাক শিরাক]] || ৭১১ || ✓
|-
| 674 || [[ডরোথি হজকিন]] || ২৯৪ || ✓
|-
| 675 || [[গোরান পারসন]] || ৩২৬ || ✓
|-
| 676 || [[জেরার দ্যব্রু]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 677 || [[কোরীয় যুদ্ধ]] || ৯,৯৬৫ || ✕
|-
| 678 || [[রবার্ট জে. শিলার]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 679 || [[ফ্রঁসোয়া আরাগন]] || ৪৩৫ || ✓
|-
| 680 || [[অখিলচন্দ্র দত্ত]] || ৩৭৩ || ✕
|-
| 681 || [[ফ্রান্সিস কলিন্স]] || ৫৮৮ || ✓
|-
| 682 || [[হেলেন ক্লার্ক]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 683 || [[লেয়োঁ ফুকো]] || ৫৩২ || ✓
|-
| 684 || [[জন চার্লস পোলানি]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 685 || [[জন মেইনার্ড কেইনস]] || ১৭,৭৯১ || ✕
|-
| 686 || [[দিমিত্রি মুরাতভ]] || ৬৩৬ || ✓
|-
| 687 || [[আবদুস সালাম]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 688 || [[আবদুলরাজাক গুরনাহ]] || ৭৪৯ || ✓
|-
| 689 || [[এ. সি. বেনসন]] || ৩৮৩ || ✓
|-
| 690 || [[প্রথম আলবার্ট]] || ৮৬৪ || ✓
|-
| 691 || [[অম্লান দত্ত]] || ১৪৬ || ✓
|-
| 692 || [[ইয়ান মার্টেল]] || ১,১৩৩ || ✕
|-
| 693 || [[ইয়োইচিরো নাম্বু]] || ৪৩১ || ✕
|-
| 694 || [[সৈয়দ জামিল আহমেদ]] || ২০৩ || ✓
|-
| 695 || [[পূর্ণিমা]] || ১৯২ || ✓
|-
| 696 || [[শরিফুল রাজ]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 697 || [[কাজী হায়াৎ]] || ২৭৪ || ✓
|-
| 698 || [[আরেফিন রুমি]] || ১৬২ || ✓
|-
| 699 || [[ইমাম নাসাই]] || ৬৯৭ || ✕
|-
| 700 || [[কবরী]] || ২৭১ || ✓
|-
| 701 || [[হাফিজ উদ্দিন আহমদ]] || ২৩৬ || ✓
|-
| 702 || [[আ ন ম এহসানুল হক মিলন]] || ৩৪০ || ✓
|-
| 703 || [[আন্দালিব রহমান পার্থ]] || ২৯৭ || ✓
|-
| 704 || [[ববি হাজ্জাজ]] || ২৫৩ || ✓
|-
| 705 || [[ইবনে মাজাহ]] || ৩৩৬ || ✓
|-
| 706 || [[হাবিব ওয়াহিদ]] || ২৬৪ || ✓
|-
| 707 || [[জাইমা রহমান]] || ২১২ || ✓
|-
| 708 || [[কনকচাঁপা]] || ২২৮ || ✓
|-
| 709 || [[আহসান হাবীব]] || ২১৯ || ✓
|-
| 710 || [[বেলাল খান]] || ২১৯ || ✓
|-
| 711 || [[নচিকেতা চক্রবর্তী]] || ২৮৯ || ✓
|-
| 712 || [[আ ফ ম খালিদ হোসেন]] || ২৪৮ || ✓
|-
| 713 || [[আলমগীর]] || ৪০৬ || ✓
|-
| 714 || [[সালাহউদ্দিন আহমেদ]] || ৪৫৯ || ✓
|-
| 715 || [[চোং নানশান]] || ১৭৮ || ✓
|-
| 716 || [[এ. সি. ব্র্যাডলি]] || ৩৯০ || ✕
|-
| 717 || [[আলবার্ট হফমান]] || ৩,৪৪৪ || ✓
|-
| 718 || [[অ্যালান পারলিস]] || ৯২৮ || ✓
|-
| 719 || [[হেইনরিখ রোরার]] || ৩৬০ || ✓
|-
| 720 || [[আলফ্রেড আহো]] || ১৪৪ || ✕
|-
| 721 || [[উ থান্ট]] || ৬৭৮ || ✕
|-
| 722 || [[লোরঁ শোয়ার্তজ]] || ৬১০ || ✓
|-
| 723 || [[উইলিয়াম শার্প]] || ৩৯৯ || ✓
|-
| 724 || [[পাউল এরেনফেস্ট]] || ৪৩৩ || ✓
|-
| 725 || [[রবার্ট মান্ডেল]] || ৩২২ || ✓
|-
| 726 || [[হান কাং]] || ৬৬৬ || ✓
|-
| 727 || [[ক্রিপটিক ফেইট]] || ১৭৬ || ✓
|-
| 728 || [[কাকাবাবু]] || ২৫৮ || ✓
|-
| 729 || [[ক্যারি মুলিস]] || ৪০৩ || ✓
|-
| 730 || [[টোমাস ট্রান্সট্রোমার]] || ২৯৯ || ✓
|-
| 731 || [[ইরিনা বোকোভা]] || ২৬৮ || ✓
|-
| 732 || [[মার্টিনুস ভেল্টম্যান]] || ১৯৫ || ✓
|-
| 733 || [[ড্যামন গ্যালগুট]] || ৪৮২ || ✓
|-
| 734 || [[আর্থার কর্নবার্গ]] || ১৭৭ || ✕
|-
| 735 || [[বেন ওক্রি]] || ৮৫৮ || ✓
|-
| 736 || [[সল বেলো]] || ১,০০৩ || ✓
|-
| 737 || [[সল পার্লমাটার]] || ৩১১ || ✕
|-
| 738 || [[সিমেওঁ দ্যনি পোয়াসোঁ]] || ১৬০ || ✓
|-
| 739 || [[স্টিভ আরউইন]] || ৪৩৫ || ✕
|-
| 740 || [[আনি এরনো]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 741 || [[ফজল শাহাবুদ্দীন]] || ৪৯৫ || ✕
|-
| 742 || [[আল-জাহিজ]] || ৭৩৩ || ✓
|-
| 743 || [[আল-বিরুনি]] || ১,৮৩৬ || ✓
|-
| 744 || [[থমাস হ্যারিয়ট]] || ৪৩২ || ✓
|-
| 745 || [[স্টিভেন চু]] || ২২০ || ✓
|-
| 746 || [[ইভাঞ্জেলিস্টা টরিসেলি]] || ৩৭২ || ✓
|-
| 747 || [[লেসলি ল্যামপোর্ট]] || ৫৫০ || ✓
|-
| 748 || [[মার্টিন লুইস পার্ল]] || ৩৮৮ || ✓
|-
| 749 || [[ভ্লাদিমির মার্কভনিকভ]] || ২৬৭ || ✓
|-
| 750 || [[বাপ্পী লাহিড়ী]] || ২৫২ || ✓
|-
| 751 || [[নুহাশ হুমায়ূন]] || ২০৫ || ✓
|-
| 752 || [[আনিসুল হক]] || ২৪৬ || ✕
|-
| 753 || [[বাবর আলী]] || ৩০৯ || ✓
|-
| 754 || [[মেহের আফরোজ শাওন]] || ৩১৯ || ✓
|-
| 755 || [[ফেলুদা]] || ২৪৬ || ✓
|-
| 756 || [[ব্যোমকেশ বক্সী]] || ১৭৮ || ✓
|-
| 757 || [[প্রোফেসর শঙ্কু]] || ২৬৯ || ✓
|-
| 758 || [[বারী সিদ্দিকী]] || ২৪২ || ✓
|-
| 759 || [[সমরেশ বসু]] || ২০২ || ✓
|-
| 760 || [[লিয়ন কুপার]] || ৩২৩ || ✓
|-
| 761 || [[কামিলা শামসি]] || ২০৪ || ✓
|-
| 762 || [[ক্রিস্টোফার রেন]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 763 || [[জিওফ্রে হিন্টন]] || ৩২২ || ✓
|-
| 764 || [[ফ্রিডতিয়ফ নানসেন]] || ১৯১ || ✓
|-
| 765 || [[আলাঁ আস্পে]] || ৭৭৬ || ✓
|-
| 766 || [[ক্যারিল ফিলিপস]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 767 || [[জেমস কুক]] || ৩৯৭ || ✓
|-
| 768 || [[ক্লাউদিয়া শেইনবাউম]] || ৩২১ || ✓
|-
| 769 || [[আবি আহমেদ]] || ২৫৫ || ✓
|-
| 770 || [[পিটার আগ্রি]] || ১৯০ || ✓
|-
| 771 || [[ফখরুদ্দীন আল-রাযী]] || ২১৫ || ✓
|-
| 772 || [[শি চিনফিং]] || ৪,১৩২ || ✕
|-
| 773 || [[ইব্রাহিম ত্রাওরে]] || ৭৫৪ || ✓
|-
| 774 || [[পেদ্রো সানচেজ]] || ২৯৯ || ✓
|-
| 775 || [[অ্যাডাম রিস]] || ৪৮৯ || ✓
|-
| 776 || [[আব্দুল হান্নান আবকারী]] || ০ || ✕
|-
| 777 || [[ইবরাহীম আলী তশনা]] || ২৪৭ || ✓
|-
| 778 || [[রুহুল আমিন বসিরহাটি]] || ৩৬৩ || ✓
|-
| 779 || [[মুহাম্মদুল্লাহ হাফেজ্জী]] || ৩৪২ || ✓
|-
| 780 || [[শামছুল হুদা]] || ০ || ✕
|-
| 781 || [[শামছুল হক ফরিদপুরী]] || ৫৪৬ || ✓
|-
| 782 || [[গর্ডন মুর]] || ৫৮৭ || ✓
|-
| 783 || [[শিরিন এবাদি]] || ৫৪৩ || ✕
|-
| 784 || [[নাগিব মাহফুজ]] || ৫৩০ || ✓
|-
| 785 || [[আল-ফারাবি]] || ৫৩৭ || ✕
|-
| 786 || [[চাষী নজরুল ইসলাম]] || ৪৪৬ || ✓
|-
| 787 || [[বাপ্পা মজুমদার]] || ৩১০ || ✓
|-
| 788 || [[রবার্ট ক্লাইভ]] || ২,০০২ || ✕
|-
| 789 || [[পার্ল এস. বাক]] || ৯৩৩ || ✕
|-
| 790 || [[জন বারডিন]] || ৩৬৪ || ✓
|-
| 791 || [[তাসমিয়া প্রধান]] || ৩৫২ || ✓
|-
| 792 || [[আজিজুল হক]] || ১৮০ || ✓
|-
| 793 || [[আবদুস সালাম]] || ১০০ || ✕
|-
| 794 || [[আবদুল গফুর]] || ১০১ || ✕
|-
| 795 || [[আবদুল জব্বার]] || ১৬১ || ✓
|-
| 796 || [[আবদুল জব্বার]] || ৯২ || ✕
|-
| 797 || [[আবদুল জব্বার]] || ১৩৩ || ✕
|-
| 798 || [[অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ১৩৪ || ✕
|-
| 799 || [[অনিমেষ রায়]] || ১২৬ || ✕
|-
| 800 || [[অনির্বাণ বসু]] || ১২০ || ✕
|-
| 801 || [[অজয় ঘটক]] || ১১৪ || ✕
|-
| 802 || [[অচলা মল্লিক]] || ১৫৪ || ✕
|-
| 803 || [[অজয় হোম]] || ১৫৯ || ✕
|-
| 804 || [[অমিতা বসু]] || ১৪২ || ✕
|-
| 805 || [[ভেরা রুবিন]] || ৩৫০ || ✕
|-
| 806 || [[মেরি কুরি]] || ১৭৯ || ✕
|-
| 807 || [[মিসির আলি]] || ৪০৬ || ✕
|-
| 808 || [[আস্ট্রোনমি]] || ০ || ✕
|-
| 809 || [[মমতাজ বেগম]] || ৩৫৫ || ✕
|-
| 810 || [[আবুল বরকত]] || ১৪৩ || ✕
|-
| 811 || [[মেরি স্টোপস]] || ৫০৫ || ✕
|-
| 812 || [[ইয়োন ফসে]] || ৩৯৩ || ✕
|-
| 813 || [[জুনো দিয়াজ]] || ৫৪০ || ✕
|-
| 814 || [[পারভীন এতেসামি]] || ০ || ✕
|-
| 815 || [[চুয়াং জি]] || ২৭৪ || ✕
|-
| 816 || [[ফকির শাহাবুদ্দীন]] || ০ || ✕
|-
| 817 || [[আবু বকর সিদ্দিকী]] || ০ || ✕
|-
| 818 || [[বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট]] || ০ || ✕
|-
| 819 || [[বাংলাদেশের কৃষি প্রযুক্তি]] || ০ || ✕
|-
| 820 || [[হাসিবুন নাহের]] || ০ || ✕
|-
| 821 || [[মেরি উলস্টোনক্রাফ্ট]] || ২১৩ || ✕
|-
| 822 || [[বালতাসার গ্রাসিয়ান]] || ২০৬ || ✕
|-
| 823 || [[জুলাই আন্দোলন]] || ৬১৫ || ✕
|-
| 824 || [[বিকাশ]] || ০ || ✕
|-
| 825 || [[নতুন প্রযুক্তি]] || ০ || ✕
|-
| 826 || [[বাংলাদেশের রিয়েল এস্টেট শিল্প: বর্তমান প্রেক্ষাপট ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা]] || ০ || ✕
|-
| 827 || [[জলবায়ু পরিবর্তন ও বাংলাদেশের পরিবেশ]] || ০ || ✕
|-
| 828 || [[মোহাম্মদ শেখ শাহিনুর রহমান]] || ০ || ✕
|-
| 829 || [[অপ্রত্যাশিত জীবনযাত্রা]] || ০ || ✕
|-
| 830 || [[অপর্ণা সেন]] || ৩১২ || ✕
|}
lojiqzoqlorv31cgwoygdev7wiz85pl
83370
83369
2026-05-03T22:45:50Z
ARI
356
83370
wikitext
text/x-wiki
----
সর্বশেষ হালনাগাদ - ২২:৪৫, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
----
==উইকিউক্তি ফলাফল ২০২৬==
{| class="wikitable sortable"
|-
! ক্রম
! ব্যবহারকারী
! নিবন্ধ
! মোট শব্দ
! বিস্তারিত
|-
| '''১'''
| '''Dr. Mosaddek Khondoker'''
| '''১৯'''
| '''৪,০৪,৫৭৫'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৪,০৪,৫৭৫<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| '''২'''
| '''ARI'''
| '''২৮'''
| '''৩,১৪,৮৯৭'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৩,১২,২১২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২,৬৮৫
</div>
|-
| '''৩'''
| '''NusJaS'''
| '''১০'''
| '''২,৫৯,৯৪২'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,৫৯,৯৪২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| '''৪'''
| '''Tuhin'''
| '''২৮০'''
| '''৩,০১,৮৭২'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,৫৮,০৩৩<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪৩,৮৩৯
</div>
|-
| '''৫'''
| '''SMontaha32'''
| '''৩৭'''
| '''২,৩৯,৫৫৫'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,১৮,৯৯২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২০,৫৬৩
</div>
|-
| '''৬'''
| '''Oindrojalik Watch'''
| '''২৯'''
| '''১,৯৯,৯৪২'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১,৯০,০৭১<br>
অপর্যালোচিত: ৯,৮৭১<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| '''৭'''
| '''Sumanta3023'''
| '''১১০'''
| '''১,২২,৫০০'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৯৭,৪২১<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২৫,০৭৯
</div>
|-
| '''৮'''
| '''Anik Kanti Dey'''
| '''৩৪'''
| '''১,০৪,৬৪১'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৯৩,৮৬৪<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১০,৭৭৭
</div>
|-
| '''৯'''
| '''Tanbiruzzaman'''
| '''২১'''
| '''৮০,৭২৪'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৮০,৭২৪<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| '''১০'''
| '''Nil Nandy'''
| '''২৭'''
| '''৭৪,২৬৭'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৭৪,২৬৭<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ১১
| R1F4T
| ২২
| ২,৮৫,২৭৫
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৬৩,৯৫১<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২,২১,৩২৪
</div>
|-
| ১২
| Salil Kumar Mukherjee
| ২৭
| ৪২,২০৬
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৩০,৯১৫<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১১,২৯১
</div>
|-
| ১৩
| Anaf Ibn Shahibul
| ৪৭
| ৫৬,৫৮১
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১৯,৩৪৬<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৩৭,২৩৫
</div>
|-
| ১৪
| মোহাম্মদ জনি হোসেন
| ২৫
| ৮,১২৩
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৫,৪৭২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২,৬৫১
</div>
|-
| ১৫
| JIBON
| ৫
| ৫,৫৫৪
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৪,৭৩২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৮২২
</div>
|-
| ১৬
| Md. Muqtadir Fuad
| ১১
| ৪,০২৯
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৪,০২৯<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ১৭
| Humaira.thithi
| ৮
| ৩,৭১০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,৭৮৭<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৯২৩
</div>
|-
| ১৮
| Amirhusenjihed
| ৩
| ৩,০৬৪
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,৫৬৯<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪৯৫
</div>
|-
| ১৯
| Asikur Rahman
| ৬
| ২,২২৯
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,২২৯<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২০
| Rasel Mehedi
| ১০
| ২,৪৬৮
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,২২২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২৪৬
</div>
|-
| ২১
| Mahiya50
| ৬
| ২,১৯০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,১৯০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২২
| Borhan
| ৬
| ১,৬৬২
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১,৬৬২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২৩
| Raihanur
| ৪
| ৫,৬৭৪
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১,৫৪২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪,১৩২
</div>
|-
| ২৪
| Muhammad Fahim Faisal
| ৬
| ১,৪৯৮
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১,৪৯৮<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২৫
| Firuz Ahmmed
| ৪
| ২,১৯৭
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১,১১৭<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১,০৮০
</div>
|-
| ২৬
| নিয়াজ ইসলাম
| ২
| ৭৫৬
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৭৫৬<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২৭
| Asad.fr
| ৩
| ৩,২৯৯
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৩৬৪<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২,৯৩৫
</div>
|-
| ২৮
| Mehedi Abedin
| ১
| ৩৫২
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৩৫২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২৯
| Md. Rayan Alam Rifat
| ১
| ১৮০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১৮০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ৩০
| Siyan BD
| ১২
| ১,৫৩৬
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১৬১<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১,৩৭৫
</div>
|-
| ৩১
| Dewan mahbubr Rahman
| ১
| ৩৫০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৩৫০
</div>
|-
| ৩২
| ExceptionistSagar
| ১
| ১৭৯
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১৭৯
</div>
|-
| ৩৩
| Kh. Fahim
| ১
| ৪০৬
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪০৬
</div>
|-
| ৩৪
| Trisha Mazumder
| ১
| ০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ৩৫
| MdMarufHossen71
| ২
| ৪৯৮
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪৯৮
</div>
|-
| ৩৬
| Usarker
| ৩
| ১,৪৩৮
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১,৪৩৮
</div>
|-
| ৩৭
| রাকিবুল হাসান রাসেল
| ১
| ০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ৩৮
| MD RADWAN ISLAM
| ৬
| ২৭৪
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২৭৪
</div>
|-
| ৩৯
| AKM Mahinur Rahman
| ২
| ৪১৯
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪১৯
</div>
|-
| ৪০
| MD RADWAN ISLAM ROHAN
| ৫
| ৬১৫
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৬১৫
</div>
|-
| ৪১
| ShahinurWrites
| ১
| ০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ৪২
| Abdullah Al Shishir
| ১
| ০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ৪৩
| চ্যাম্পিয়ন স্টার ১
| ১
| ৩১২
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৩১২
</div>
|}
== পর্যালোচক পরিসংখ্যান ==
; পর্যালোচক
{| class="wikitable"
|-
! ক্রম !! নাম !! মোট !! গৃহীত !! বাতিল
|-
| '''১''' || '''Mehedi Abedin''' || '''২৭৫''' || ২৪১ || ৩৪
|-
| '''২''' || '''NusJaS''' || '''১৯৩''' || ১৬২ || ৩১
|-
| '''৩''' || '''MS Sakib''' || '''১৮১''' || ১৪৮ || ৩৩
|-
| '''৪''' || '''ARI''' || '''১৬২''' || ১৩৬ || ২৬
|-
| '''৫''' || '''MdsShakil''' || '''৪০''' || ৩৮ || ২
|-
| '''৬''' || '''Tahmid''' || '''১৪''' || ১০ || ৪
|-
| '''৭''' || '''Yahya''' || '''৫''' || ৪ || ১
|-
! মোট || || ৮৭০ || ৭৩৯ || ১৩১
|}
== ব্যবহারকারী ভিত্তিক পরিসংখ্যান ==
=== [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker| Dr. Mosaddek Khondoker]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্পর্কে উক্তি]] || ৩৯,৩০৩ || ✓
|-
| 2 || [[স্ট্যানলি বল্ডউইন]] || ৩৪,১৩১ || ✓
|-
| 3 || [[খ্রিস্টের অনৈতিহাসিকতা তত্ত্ব]] || ২৮,৭০৭ || ✓
|-
| 4 || [[বেঞ্জামিন ডিসরাইলি]] || ২৯,৪৭৯ || ✓
|-
| 5 || [[রবার্ট জি. ইঙ্গারসোল]] || ৩০,০৯০ || ✓
|-
| 6 || [[রন পল]] || ২৪,৯২৮ || ✓
|-
| 7 || [[ক্যালকুলাসের ইতিহাস]] || ১৯,১৯৫ || ✓
|-
| 8 || [[অ্যানোরেক্সিয়া নার্ভোসা]] || ২৩,১০০ || ✓
|-
| 9 || [[ডোয়াইট ডি আইজেনহাওয়ার]] || ২১,০২৬ || ✓
|-
| 10 || [[স্টিফেন জে গুল্ড]] || ২২,১৫০ || ✓
|-
| 11 || [[এআর-১৫ স্টাইল রাইফেল]] || ১৮,৯০১ || ✓
|-
| 12 || [[শেরি এস. টেপার]] || ২৪,৯৯৯ || ✓
|-
| 13 || [[আউরেলিয়ুস আউগুস্তিনুস]] || ১৯,৩৪৬ || ✓
|-
| 14 || [[ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতিত্ব]] || ৪৬,৮৯৯ || ✓
|-
| 15 || [[নবায়নযোগ্য শক্তি]] || ১২,৬১০ || ✓
|-
| 16 || [[নাডিন গর্ডিমার]] || ১,৩৭২ || ✓
|-
| 17 || [[মারে গেল-মান]] || ১,৩২৮ || ✓
|-
| 18 || [[নার্গিস মোহাম্মাদি]] || ১,৭৫৫ || ✓
|-
| 19 || [[সাদি কার্নো]] || ৫,২৫৬ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১৯
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৪,০৪,৫৭৫
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪,০৪,৫৭৫
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:ARI| ARI]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[জে. হাওয়ার্ড মুর]] || ২৪,১৯৫ || ✓
|-
| 2 || [[ভারতে পোশাক]] || ২,২৮৯ || ✓
|-
| 3 || [[ভারতের ভাষা]] || ৬৯৫ || ✓
|-
| 4 || [[মধ্যযুগীয় ভারত]] || ১,৭১৭ || ✓
|-
| 5 || [[ভারতে ইহুদিদের ইতিহাস]] || ২,০৪৬ || ✓
|-
| 6 || [[ভারতে সুফিবাদ]] || ৩,২০৭ || ✓
|-
| 7 || [[পর্তুগিজ ভারত]] || ১,৬৪৩ || ✓
|-
| 8 || [[ভারতের প্রাণী]] || ৩০৫ || ✓
|-
| 9 || [[স্বাধীনতা দিবস]] || ৩৭৫ || ✓
|-
| 10 || [[ভারতে দুর্ভিক্ষ]] || ৩,৭৮১ || ✓
|-
| 11 || [[ভারতে ধর্মহীনতা]] || ২,৩৮৯ || ✓
|-
| 12 || [[ওয়ারেন ফ্যারেল]] || ২১,০৭৮ || ✓
|-
| 13 || [[আর্নেস্ট বেকার]] || ১৩,৫৯৭ || ✓
|-
| 14 || [[অতিপ্রজতা]] || ২৯,৫০১ || ✓
|-
| 15 || [[মোপলা বিদ্রোহ]] || ১৪,৫১২ || ✓
|-
| 16 || [[সীতা রাম গোয়েল]] || ১,৫৯৬ || ✓
|-
| 17 || [[অরুণ শৌরি]] || ১৫,৪৫০ || ✓
|-
| 18 || [[ভারতের ইতিহাস লিখন]] || ১৭,৯১৮ || ✓
|-
| 19 || [[দ্রৌপদী]] || ৬,১৬৪ || ✓
|-
| 20 || [[দ্য হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়া, অ্যাজ টোল্ড বাই ইটস ওন হিস্টোরিয়ানস]] || ২,৬৮৫ || ✕
|-
| 21 || [[রামায়ণ]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 22 || [[ভারতে শিক্ষা]] || ১০,৫৮০ || ✓
|-
| 23 || [[ভারতে নারী]] || ৬,১৫০ || ✓
|-
| 24 || [[বন্যপ্রাণীর কষ্ট]] || ৩৩,৭৪১ || ✓
|-
| 25 || [[নিরামিষবাদ]] || ৩০,৬২৭ || ✓
|-
| 26 || [[ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম রাষ্ট্রপতিত্ব]] || ৩৭,৫৭২ || ✓
|-
| 27 || [[নির্বাচন]] || ৭,০২৫ || ✓
|-
| 28 || [[সরকার]] || ২২,৭৫৯ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৮
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৩,১২,২১২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩,১৪,৮৯৭
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২,৬৮৫
|}
=== [[ব্যবহারকারী:NusJaS| NusJaS]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[লিটিশা এলিজাবেথ ল্যান্ডন]] || ৩৪,০৩৩ || ✓
|-
| 2 || [[প্রজননবিরোধবাদ]] || ৩০,৯৪৮ || ✓
|-
| 3 || [[উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন]] || ২৮,৬১৬ || ✓
|-
| 4 || [[ক্রিস্টোফার হিচেন্স]] || ২৫,৯২২ || ✓
|-
| 5 || [[বলপূর্বক খাওয়ানো]] || ২২,৬২২ || ✓
|-
| 6 || [[জন স্টুয়ার্ট মিল]] || ২২,৭৮৩ || ✓
|-
| 7 || [[রবার্ট গ্যাসকয়েন-সিসিল, স্যালিসবারির ৩য় মার্কুইস]] || ২০,৮৯৮ || ✓
|-
| 8 || [[অ্যারন রা]] || ২১,৯৫৫ || ✓
|-
| 9 || [[ফায়ারপ্লেস]] || ২১,৪১৭ || ✓
|-
| 10 || [[জন হার্ভে কেলোগ]] || ৩০,৭৪৮ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১০
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,৫৯,৯৪২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,৫৯,৯৪২
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Tuhin| Tuhin]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মহুয়া মৈত্র]] || ৬৫০ || ✓
|-
| 2 || [[হেনরি হোম, লর্ড কেইমস]] || ১,২৯৬ || ✓
|-
| 3 || [[লেটি কটিন পোগ্রেবিন]] || ৩৭০ || ✓
|-
| 4 || [[মার্জ পিয়ার্সি]] || ৬,৭৯০ || ✓
|-
| 5 || [[এলেন ডুইবস]] || ৮০৪ || ✓
|-
| 6 || [[মেরেডিথ ট্যাক্স]] || ৪৯১ || ✓
|-
| 7 || [[মুলক রাজ আনন্দ]] || ২৩৫ || ✓
|-
| 8 || [[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ধর্ষণ]] || ১,৯২০ || ✓
|-
| 9 || [[সুসান ব্রাউনমিলার]] || ৯৯১ || ✓
|-
| 10 || [[রবিন মরগান]] || ১,২২১ || ✓
|-
| 11 || [[ভিভিয়ান গোর্নিক]] || ২,৬৯০ || ✓
|-
| 12 || [[ডরোথি রে হিলি]] || ২,৬৩৮ || ✕
|-
| 13 || [[ক্লডিয়া জোন্স]] || ১,২৯৯ || ✓
|-
| 14 || [[গের্ডা লার্নার]] || ৩,৪২৮ || ✓
|-
| 15 || [[এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন]] || ৯,৮০৪ || ✕
|-
| 16 || [[এলা রিভ ব্লুর]] || ১,৯১৭ || ✓
|-
| 17 || [[টমাস হিউজ]] || ৯৯৬ || ✓
|-
| 18 || [[মার্গারিট দুরাস]] || ৩৪৯ || ✓
|-
| 19 || [[বেন অ্যারোনোভিচ]] || ৮,৭৯৭ || ✓
|-
| 20 || [[গ্লেন কুক]] || ৯,৯৮৫ || ✓
|-
| 21 || [[আব্রাহাম কাহান]] || ২,১৩৩ || ✓
|-
| 22 || [[গ্রেস পেলি]] || ৮,১৬৪ || ✕
|-
| 23 || [[স্টিফেন ক্রেন]] || ১,৯৬৩ || ✕
|-
| 24 || [[জোসেফাইন হার্বস্ট]] || ৪২৭ || ✓
|-
| 25 || [[জর্জ গিসিং]] || ২,০০৫ || ✓
|-
| 26 || [[আনজিয়া ইয়েজিয়ারস্কা]] || ৩,২৬২ || ✕
|-
| 27 || [[মেরি অ্যান্টিন]] || ৪৯০ || ✓
|-
| 28 || [[জয়েস অ্যান্টলার]] || ৪২৯ || ✓
|-
| 29 || [[ক্যাথরিন ম্যাককিনন]] || ২,১৭৮ || ✓
|-
| 30 || [[বেটিনা আপথেকার]] || ১,০২০ || ✓
|-
| 31 || [[ক্যারি চ্যাপম্যান ক্যাট]] || ১,৬০৩ || ✓
|-
| 32 || [[জ্যানেট র্যাঙ্কিন]] || ৭২১ || ✓
|-
| 33 || [[ফ্রান্সেস উইলার্ড]] || ৯৪১ || ✕
|-
| 34 || [[অ্যালিস স্টোন ব্ল্যাকওয়েল]] || ৫৪০ || ✕
|-
| 35 || [[অ্যানা এলিজাবেথ ডিকিনসন]] || ৭৫১ || ✕
|-
| 36 || [[মেরি লিভারমোর]] || ২,৩০৭ || ✕
|-
| 37 || [[দাড়ি]] || ২৯৭ || ✓
|-
| 38 || [[স্যার হেনরি হোবার্ট, ১ম ব্যারোনেট]] || ৭৩৮ || ✓
|-
| 39 || [[হার্ডিঞ্জ স্ট্যানলি গিফার্ড, হালসবুরির ১ম আর্ল]] || ৪১৯ || ✓
|-
| 40 || [[এ. ভি. ডাইসি]] || ১,৩৮১ || ✕
|-
| 41 || [[আলফ্রেড ডেনিং, ব্যারন ডেনিং]] || ৩,৮৩২ || ✓
|-
| 42 || [[টমাস ডেনিসন]] || ৪০০ || ✓
|-
| 43 || [[স্যার ফ্রান্সিস বুলার, ১ম ব্যারোনেট]] || ৯৬২ || ✓
|-
| 44 || [[নিকোলাস ব্রাতজা]] || ২৬৪ || ✓
|-
| 45 || [[রবার্ট অ্যাটকিনস]] || ৩২৫ || ✓
|-
| 46 || [[রিচার্ড পেপার আর্ডেন, ১ম ব্যারন অ্যালভানলি]] || ৩৫১ || ✓
|-
| 47 || [[এডওয়ার্ড হল অল্ডারসন]] || ৪৪৬ || ✓
|-
| 48 || [[অ্যামব্রোজ বিয়ার্স]] || ৫,৫৪১ || ✕
|-
| 49 || [[মেওয়াত]] || ৭১৮ || ✓
|-
| 50 || [[নানাবতী-মেহতা কমিশন]] || ২,৪৪৪ || ✓
|-
| 51 || [[ভারতে ঔষধ শিল্প]] || ১,৯২১ || ✓
|-
| 52 || [[পাঞ্জাব]] || ১,৪০৬ || ✓
|-
| 53 || [[রামনবমী]] || ৮৬২ || ✓
|-
| 54 || [[ভারতের শহরসমূহের নাম পরিবর্তন]] || ৪৪১ || ✓
|-
| 55 || [[নুপুর শর্মা]] || ৬০১ || ✓
|-
| 56 || [[রিপাবলিক টিভি]] || ৪৫৫ || ✓
|-
| 57 || [[রোহিলখণ্ড]] || ৪৪০ || ✓
|-
| 58 || [[রোহিলা]] || ৩৪০ || ✓
|-
| 59 || [[সৌরাষ্ট্র]] || ৬৫৪ || ✓
|-
| 60 || [[ভারতে তিন তালাক]] || ১,১৩৪ || ✓
|-
| 61 || [[ভারতের পবিত্র উপবন]] || ৫৭৫ || ✓
|-
| 62 || [[অভিন্ন দেওয়ানি বিধি]] || ৩,৭৩৭ || ✓
|-
| 63 || [[নবনীত আদিত্য ওয়াইবা]] || ১৯২ || ✓
|-
| 64 || [[ভারতে জল সরবরাহ ও স্যানিটেশন]] || ৭৪০ || ✓
|-
| 65 || [[জমিদার]] || ৩৮১ || ✕
|-
| 66 || [[নিখিল ভারত মুসলিম লীগ]] || ২,৫৩৮ || ✓
|-
| 67 || [[ফতোয়া]] || ৪৮৪ || ✓
|-
| 68 || [[দারা শিকোহ]] || ১,৪৩৫ || ✓
|-
| 69 || [[আমেরিকা নিপাত যাক]] || ৬৩৯ || ✓
|-
| 70 || [[মহা শয়তান]] || ৪১৪ || ✓
|-
| 71 || [[উলামা]] || ৩৪৫ || ✓
|-
| 72 || [[দক্ষিণ এশিয়ায় মুসলিম জাতীয়তাবাদ]] || ১,৫১৬ || ✓
|-
| 73 || [[পার্সি-মুসলিম দাঙ্গা]] || ৬৫৬ || ✓
|-
| 74 || [[ভারতে দাঙ্গা]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 75 || [[ভারতে পেগাসাস প্রকল্পের উদঘাটন]] || ৩৯০ || ✓
|-
| 76 || [[নেহরুবাদ]] || ৯৫২ || ✓
|-
| 77 || [[২জি স্পেকট্রাম মামলা]] || ৯৩৭ || ✓
|-
| 78 || [[রাহুল গান্ধী]] || ৪,০০৪ || ✓
|-
| 79 || [[আকবরউদ্দিন ওয়াইসি]] || ২৯৮ || ✓
|-
| 80 || [[ভারতের সাধারণ নির্বাচন, ২০২৪]] || ২,৫৭৭ || ✓
|-
| 81 || [[ভারতে ধর্মনিরপেক্ষতা]] || ২৩৪ || ✓
|-
| 82 || [[নাইলা আলি খান]] || ২০৪ || ✓
|-
| 83 || [[অরুণ জেটলি]] || ৪৮১ || ✓
|-
| 84 || [[সুকেতু মেহতা]] || ৩৮২ || ✓
|-
| 85 || [[রুক্মিণী মৈত্র]] || ৩৫৪ || ✓
|-
| 86 || [[মানব গুপ্ত]] || ৬৩৪ || ✕
|-
| 87 || [[মোহিনী মোহন ধর]] || ৫৮৫ || ✓
|-
| 88 || [[দিলীপ কুমার চক্রবর্তী]] || ২,৫৯৭ || ✓
|-
| 89 || [[রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ৩৮৩ || ✓
|-
| 90 || [[পিটার অ্যাক্রয়েড]] || ২৯৭ || ✓
|-
| 91 || [[হ্যারল্ড ব্লুম]] || ৫৯৩ || ✓
|-
| 92 || [[জেমস বসওয়েল]] || ১,১৪৯ || ✓
|-
| 93 || [[অলিভার গোল্ডস্মিথ]] || ৩,১৭৮ || ✓
|-
| 94 || [[হেনরি জাইলস]] || ৭৯২ || ✓
|-
| 95 || [[এডউইন হাবেল চ্যাপিন]] || ৭৭০ || ✓
|-
| 96 || [[অবমাননা]] || ৭৮৮ || ✓
|-
| 97 || [[আদালত অবমাননা]] || ৮২৯ || ✓
|-
| 98 || [[আইনপ্রণেতা]] || ৭৪৩ || ✓
|-
| 99 || [[লেই বারডুগো]] || ১২২ || ✓
|-
| 100 || [[উইলিয়াম ব্রেট, ১ম ভিসকাউন্ট এশার]] || ১,০২০ || ✓
|-
| 101 || [[হেনরি হকিন্স, ১ম ব্যারন ব্র্যাম্পটন]] || ৩০৩ || ✓
|-
| 102 || [[জুনিয়াস]] || ১,৪১২ || ✓
|-
| 103 || [[উইলিয়াম মারে, ম্যানসফিল্ডের ১ম আর্ল]] || ৬৪৩ || ✓
|-
| 104 || [[জোসেফ ইয়েটস]] || ৬৬৬ || ✓
|-
| 105 || [[স্যার জন বেইলি, ১ম ব্যারোনেট]] || ৯১৮ || ✓
|-
| 106 || [[হেনরি বিকারস্টথ, ১ম ব্যারন ল্যাংডেল]] || ৪১৫ || ✓
|-
| 107 || [[এডওয়ার্ড ল, ১ম ব্যারন এলেনবরো]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 108 || [[লয়েড কেনিয়ন, ১ম ব্যারন কেনিয়ন]] || ৪,৪০৮ || ✓
|-
| 109 || [[জন হোল্ট]] || ১,১৮৯ || ✓
|-
| 110 || [[চার্লস বোয়েন, ব্যারন বোয়েন]] || ১,০৩৭ || ✓
|-
| 111 || [[চার্লস অ্যাবট, ১ম ব্যারন টেন্টারডেন]] || ৩৪১ || ✓
|-
| 112 || [[ন্যায়বিচার প্রশাসন]] || ২,৮৯৯ || ✓
|-
| 113 || [[আদালত]] || ১,৮১৮ || ✕
|-
| 114 || [[রোজান এ. ব্রাউন]] || ৩৪১ || ✓
|-
| 115 || [[মারিয়ন জিমার ব্র্যাডলি]] || ১,১০৪ || ✓
|-
| 116 || [[টেরি ব্রুকস]] || ৪৮৫ || ✓
|-
| 117 || [[লেই ব্র্যাকেট]] || ১,১১২ || ✓
|-
| 118 || [[জ্যাক ক্যাডি]] || ১,৫৬৮ || ✓
|-
| 119 || [[মেল ব্রুকস]] || ২,০১৬ || ✕
|-
| 120 || [[মাইকেল বিশপ]] || ৯৯০ || ✓
|-
| 121 || [[এলিজাবেথ বেয়ার]] || ৭০৫ || ✓
|-
| 122 || [[মার্গারেট বল]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 123 || [[পাওলো বাসিগালুপি]] || ৬৪৭ || ✓
|-
| 124 || [[কেলি আর্মস্ট্রং]] || ৫৮৫ || ✓
|-
| 125 || [[ক্যাথরিন আসরো]] || ৩৬১ || ✓
|-
| 126 || [[পিয়ার্স অ্যান্থনি]] || ২২৯ || ✓
|-
| 127 || [[রবার্ট আইকম্যান]] || ২৬৮ || ✓
|-
| 128 || [[আইনজীবী]] || ২,৩২৯ || ✓
|-
| 129 || [[আইনসভা]] || ২,৩৪৩ || ✓
|-
| 130 || [[জর্জ বুশনার]] || ৬৬২ || ✓
|-
| 131 || [[জোসেফ গার্নি ক্যানন]] || ৭০৯ || ✓
|-
| 132 || [[সংখ্যাগরিষ্ঠ]] || ১,৩৫৬ || ✓
|-
| 133 || [[সংখ্যালঘু গোষ্ঠী]] || ১,৮৮১ || ✓
|-
| 134 || [[প্রাতিষ্ঠানিক আচরণ]] || ৬৫৬ || ✓
|-
| 135 || [[মানব আচরণ]] || ৮৫২ || ✓
|-
| 136 || [[হার্ভে ম্যানসফিল্ড]] || ৯৭৯ || ✓
|-
| 137 || [[রাষ্ট্রবিজ্ঞান]] || ১,১৩৯ || ✓
|-
| 138 || [[রাজনৈতিক দর্শন]] || ১,২৮৫ || ✓
|-
| 139 || [[দ্বিজেন্দ্র নারায়ণ ঝা]] || ১,০৮৭ || ✓
|-
| 140 || [[আগ্রাসন]] || ৯২০ || ✓
|-
| 141 || [[হিন্দুত্ব]] || ২,৭০০ || ✓
|-
| 142 || [[ফ্লাভিয়া অ্যাগনেস]] || ৬৮২ || ✓
|-
| 143 || [[লাভ জিহাদ ষড়যন্ত্র তত্ত্ব]] || ৩,১৫০ || ✓
|-
| 144 || [[মহাত্মা গান্ধীর হত্যাকাণ্ড]] || ১,৭৭৮ || ✓
|-
| 145 || [[যোগিন্দর সিকান্দ]] || ৮১৪ || ✓
|-
| 146 || [[ভারতে মুসলিমদের বিরুদ্ধে সহিংসতা]] || ৮৫১ || ✓
|-
| 147 || [[জয় শ্রীরাম]] || ৭০৮ || ✓
|-
| 148 || [[লালকৃষ্ণ আডবাণী]] || ১,৫৫৫ || ✓
|-
| 149 || [[রাম রথযাত্রা]] || ১,৫৭৯ || ✓
|-
| 150 || [[হিন্দু আমেরিকান ফাউন্ডেশন]] || ১,৪৫৫ || ✓
|-
| 151 || [[হর্ষ মান্দার]] || ৬৬০ || ✓
|-
| 152 || [[স্বপন দাশগুপ্ত]] || ১,১৬৭ || ✓
|-
| 153 || [[জরাথুস্ট্রবাদ]] || ৩৭৭ || ✓
|-
| 154 || [[পার্সি]] || ৩৯০ || ✓
|-
| 155 || [[নাগরিকত্ব]] || ১,৮৭৯ || ✓
|-
| 156 || [[ভারতের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৭০]] || ৬৭৯ || ✓
|-
| 157 || [[মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯]] || ৭৬৯ || ✓
|-
| 158 || [[অবৈতনিক বাধ্যতামূলক শিশু শিক্ষার অধিকার আইন, ২০০৯]] || ৩৭৯ || ✓
|-
| 159 || [[বোম্বাই দাঙ্গা]] || ৭৭৬ || ✓
|-
| 160 || [[বজরং দল]] || ৩৩১ || ✓
|-
| 161 || [[সংসদীয় ব্যবস্থা]] || ৪০৫ || ✓
|-
| 162 || [[বিচার বিভাগীয় ব্যাখ্যা]] || ১,২৩২ || ✓
|-
| 163 || [[বর্ণবাদ পরবর্তী আমেরিকা]] || ১,০৬৯ || ✓
|-
| 164 || [[শ্বেতাঙ্গ বিশেষাধিকার]] || ৬২৮ || ✓
|-
| 165 || [[বিশেষাধিকার]] || ৭১২ || ✓
|-
| 166 || [[মানবহিতৈষণা]] || ২২৮ || ✓
|-
| 167 || [[ভারত সরকার]] || ১,২২০ || ✓
|-
| 168 || [[শিলং]] || ৯৭৩ || ✓
|-
| 169 || [[মাঝৌলি রাজ]] || ৫৬০ || ✓
|-
| 170 || [[কালিকট]] || ৪৫৪ || ✓
|-
| 171 || [[যাজপুর]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 172 || [[কালিবাঙ্গান]] || ৭৩৮ || ✓
|-
| 173 || [[কাডাপা]] || ৪১৩ || ✓
|-
| 174 || [[ইদার]] || ৫৮৬ || ✓
|-
| 175 || [[গোধরা]] || ১,০১০ || ✓
|-
| 176 || [[ভুবনেশ্বর]] || ১,১৬৫ || ✓
|-
| 177 || [[অমৃতসর]] || ৮৬৮ || ✓
|-
| 178 || [[আম্বালা]] || ৪৬১ || ✓
|-
| 179 || [[হায়দ্রাবাদ]] || ৩,২৪৮ || ✓
|-
| 180 || [[২০১৯ হায়দ্রাবাদ গণধর্ষণ]] || ১৭৭ || ✓
|-
| 181 || [[মুহাম্মাদ বখতিয়ার খলজি]] || ৪২৩ || ✕
|-
| 182 || [[হায়দ্রাবাদ অধিগ্রহণ]] || ৪৫৬ || ✓
|-
| 183 || [[১৮৯৯-১৯০০ সালের ভারতীয় দুর্ভিক্ষ]] || ৫৪১ || ✓
|-
| 184 || [[১৯৯০ হায়দ্রাবাদ দাঙ্গা]] || ৪০৬ || ✓
|-
| 185 || [[গুয়াহাটি]] || ১,৭৯৬ || ✓
|-
| 186 || [[গৌড়]] || ১,৯৩৬ || ✓
|-
| 187 || [[বিজাপুর]] || ৬৬২ || ✓
|-
| 188 || [[মাণ্ডু]] || ৩৯৪ || ✓
|-
| 189 || [[খাজুরাহো]] || ৩৭১ || ✓
|-
| 190 || [[চান্দেরী]] || ৫০৭ || ✓
|-
| 191 || [[জুনাগড়]] || ৭১৯ || ✓
|-
| 192 || [[বৃহৎ কচ্ছের রাণ]] || ৫৮৪ || ✓
|-
| 193 || [[আহমেদাবাদ]] || ১,৮১২ || ✓
|-
| 194 || [[কচ্ছ জেলা]] || ৩২৬ || ✓
|-
| 195 || [[দৃশদ্বতী নদী]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 196 || [[চেনাব নদী]] || ৩২১ || ✓
|-
| 197 || [[পশ্চিমবঙ্গে ধর্ম]] || ১,২৩২ || ✓
|-
| 198 || [[মুর্শিদাবাদ সহিংসতা]] || ২৫৭ || ✓
|-
| 199 || [[২০২৪ সন্দেশখালী সহিংসতা]] || ১,০৬১ || ✓
|-
| 200 || [[২০২২ বীরভূম সহিংসতা]] || ৫১৪ || ✓
|-
| 201 || [[মৈতৈ জাতি]] || ৬৪০ || ✓
|-
| 202 || [[মৈতৈ সভ্যতা]] || ৩৫০ || ✓
|-
| 203 || [[মণিপুর]] || ৩০৬ || ✓
|-
| 204 || [[লাক্ষাদ্বীপ]] || ৩২৯ || ✓
|-
| 205 || [[বৃন্দাবন]] || ৭৩৩ || ✓
|-
| 206 || [[সম্ভল]] || ২৪৩ || ✓
|-
| 207 || [[এলাহাবাদ]] || ৩৫৭ || ✓
|-
| 208 || [[আলিগড়]] || ৪০৯ || ✓
|-
| 209 || [[স্ট্যাচু অব ইউনিটি]] || ২৪১ || ✓
|-
| 210 || [[ভারতের দুর্গ]] || ৩১৪ || ✓
|-
| 211 || [[দ্য দুন স্কুল]] || ৬৬৪ || ✓
|-
| 212 || [[কাশী হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়]] || ৩৪৫ || ✓
|-
| 213 || [[আগ্রা]] || ৭১৮ || ✓
|-
| 214 || [[২০২০ দিল্লি দাঙ্গা]] || ১,১৭৮ || ✓
|-
| 215 || [[তিরুচিরাপল্লী]] || ৬২৬ || ✓
|-
| 216 || [[সেন্ট থমাস ক্যাথেড্রাল ব্যাসিলিকা, চেন্নাই]] || ৩৮০ || ✕
|-
| 217 || [[আতঙ্ক]] || ৪৭৮ || ✓
|-
| 218 || [[ভারতে দুর্নীতি]] || ১,০০৭ || ✓
|-
| 219 || [[তামিলনাড়ুর মন্দির]] || ৯১৮ || ✓
|-
| 220 || [[এম. কে. স্ট্যালিন]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 221 || [[তামিলনাড়ু]] || ৫৪৩ || ✓
|-
| 222 || [[তামিলনাড়ুর হিন্দি বিরোধী আন্দোলন]] || ৪৬৫ || ✓
|-
| 223 || [[যোধপুর]] || ৬২৮ || ✓
|-
| 224 || [[রাজস্থান]] || ২৯৪ || ✓
|-
| 225 || [[ওড়িশা]] || ৭৪৫ || ✓
|-
| 226 || [[১৯৯৮ কোয়েম্বাটুর বোমা হামলা]] || ৫৩৭ || ✓
|-
| 227 || [[উত্তর-পূর্ব ভারতে বিদ্রোহ]] || ৩৯৮ || ✓
|-
| 228 || [[মারাদ হত্যাকাণ্ড]] || ৩৫২ || ✓
|-
| 229 || [[মক্কা মসজিদ বিস্ফোরণ]] || ৫৮৪ || ✓
|-
| 230 || [[স্টুডেন্টস ইসলামিক মুভমেন্ট অব ইন্ডিয়া]] || ৩৫৭ || ✓
|-
| 231 || [[বিষ্ণু]] || ৬১৭ || ✓
|-
| 232 || [[২০২৪ রিয়াসি হামলা]] || ৩০২ || ✓
|-
| 233 || [[২০০৬ মালেগাঁও বোমা হামলা]] || ৩৯১ || ✓
|-
| 234 || [[২০০৬ মুম্বই রেলে বোমা হামলা]] || ১৯০ || ✓
|-
| 235 || [[মুম্বই]] || ১,২২৪ || ✓
|-
| 236 || [[দৌলতাবাদ, মহারাষ্ট্র]] || ৮৯৫ || ✕
|-
| 237 || [[মহারাষ্ট্র]] || ৪৯৯ || ✓
|-
| 238 || [[পিনারাই বিজয়ন]] || ৫২৩ || ✓
|-
| 239 || [[আরব দেশ]] || ৯১৪ || ✓
|-
| 240 || [[দক্ষিণ এশিয়া]] || ৫৯৩ || ✓
|-
| 241 || [[শহুরে অবক্ষয়]] || ৩০৮ || ✓
|-
| 242 || [[নগরায়ন]] || ১,০৯৭ || ✓
|-
| 243 || [[কেরল]] || ৩৬৫ || ✓
|-
| 244 || [[জম্মু ও কাশ্মীরে বিদ্রোহ]] || ৪১৮ || ✓
|-
| 245 || [[জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহার]] || ৯৬৪ || ✓
|-
| 246 || [[শ্রীনগর]] || ১,৭২৯ || ✓
|-
| 247 || [[কাশ্মীর উপত্যকা]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 248 || [[লাদাখ]] || ৬৯৪ || ✓
|-
| 249 || [[কাশ্মীরি জাতি]] || ৮১৩ || ✓
|-
| 250 || [[তারিখ-ই-কাশ্মীর]] || ৫১৪ || ✓
|-
| 251 || [[কর্ণাটক]] || ৬৮২ || ✓
|-
| 252 || [[কর্ণাটকের রাজনীতি]] || ৪৩৯ || ✓
|-
| 253 || [[বেঙ্গালুরু]] || ৬১৪ || ✓
|-
| 254 || [[আসামে ইসলাম]] || ৬৯০ || ✓
|-
| 255 || [[আসামের ইতিহাস]] || ৭২৬ || ✓
|-
| 256 || [[আসামে হিন্দুধর্ম]] || ৩২৫ || ✓
|-
| 257 || [[ভারতের জনমিতি]] || ৩,৩৭৩ || ✓
|-
| 258 || [[বাংলাদেশের জনমিতি]] || ১,১৯৫ || ✓
|-
| 259 || [[পাকিস্তানের জনমিতি]] || ৮৫০ || ✓
|-
| 260 || [[আসামের জনমিতি]] || ১৮২ || ✓
|-
| 261 || [[বিহার]] || ৪৫৮ || ✓
|-
| 262 || [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] || ১৮১ || ✓
|-
| 263 || [[শাহ বানু মামলা]] || ৮০০ || ✓
|-
| 264 || [[ইসরায়েল–ভারত সম্পর্ক]] || ৮৯৭ || ✓
|-
| 265 || [[প্রণব মুখোপাধ্যায়]] || ৫৯৫ || ✓
|-
| 266 || [[দ্রৌপদী মুর্মু]] || ২৪৯ || ✓
|-
| 267 || [[ফখরুদ্দিন আলি আহমেদ]] || ১,৬৪৭ || ✓
|-
| 268 || [[এলজিবিটিকিউ অধিকার বিরোধিতা]] || ২,০৪৯ || ✓
|-
| 269 || [[গেফোবিয়া]] || ২৭৮ || ✓
|-
| 270 || [[সমকামী যৌন চর্চা]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 271 || [[উভকামিতা]] || ১,৫৬০ || ✓
|-
| 272 || [[কামিং আউট]] || ৮০৫ || ✓
|-
| 273 || [[স্মৃতি ইরানি]] || ৯৯১ || ✓
|-
| 274 || [[মেনকা গান্ধী]] || ১,২৩০ || ✓
|-
| 275 || [[যশবন্ত সিং]] || ২০৬ || ✓
|-
| 276 || [[সৈয়দ শাহাবুদ্দিন]] || ৫৭৯ || ✓
|-
| 277 || [[শাকিল আহমদ]] || ১২৪ || ✓
|-
| 278 || [[তথাগত রায়]] || ২৭৫ || ✓
|-
| 279 || [[লালুপ্রসাদ যাদব]] || ১,১০৯ || ✓
|-
| 280 || [[আসাদউদ্দিন ওয়াইসি]] || ৫০২ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৮০
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,৫৮,০৩৩
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩,০১,৮৭২
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪৩,৮৩৯
|}
=== [[ব্যবহারকারী:SMontaha32| SMontaha32]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনী]] || ১৯,১০০ || ✕
|-
| 2 || [[ভাকলাভ হাভেল]] || ৯,৩৫৭ || ✓
|-
| 3 || [[নরউইচের জুলিয়ান]] || ৩১,৬৩৩ || ✓
|-
| 4 || [[রামসে ম্যাকডোনাল্ড]] || ৯,৬২২ || ✓
|-
| 5 || [[জন মুয়ির]] || ৮,০৬১ || ✓
|-
| 6 || [[মার্গারেট অ্যাটউড]] || ৬,৩২৮ || ✓
|-
| 7 || [[পেত্র ক্রাপোতকিন]] || ১০,৮১৬ || ✓
|-
| 8 || [[টমাস হেনরি হাক্সলি]] || ৮,৫০৩ || ✓
|-
| 9 || [[উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস]] || ৭,২১০ || ✓
|-
| 10 || [[উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস]] || ৪,২৬০ || ✓
|-
| 11 || [[তাওয়াক্কোল কারমান]] || ৪,০৯৭ || ✓
|-
| 12 || [[র্যাচেল কারসন]] || ৪,৭৬৭ || ✓
|-
| 13 || [[আর্নেস্ট হেমিংওয়ে]] || ১৪,৯০৭ || ✓
|-
| 14 || [[আর্থার এডিংটন]] || ৫,৬৩৭ || ✓
|-
| 15 || [[এরিক হবসবাউম]] || ৫,৮৭৩ || ✓
|-
| 16 || [[টনি মরিসন]] || ১০,৩৮৩ || ✓
|-
| 17 || [[টনি বেন]] || ১০,৩৯৯ || ✓
|-
| 18 || [[নরম্যান মেইলার]] || ৬,৬০৬ || ✓
|-
| 19 || [[পল স্যামুয়েলসন]] || ৬,৮৫১ || ✓
|-
| 20 || [[এইচ. পি. লাভক্র্যাফট]] || ২৫,৪৭২ || ✓
|-
| 21 || [[ব্লেজ পাসকাল]] || ৩,০৫১ || ✓
|-
| 22 || [[চিনুয়া আচেবে]] || ৬,০৪২ || ✓
|-
| 23 || [[ডরিস লেসিং]] || ৪,৬২১ || ✓
|-
| 24 || [[ফেদেরিকো ফাগিন]] || ৬০০ || ✓
|-
| 25 || [[আলেকজান্ডার গ্রোথেনডিক]] || ১,২১১ || ✓
|-
| 26 || [[আঙ্গেলা ম্যার্কেল]] || ২,০২৯ || ✓
|-
| 27 || [[আনাক্সাগোরাস]] || ৩,৬৭১ || ✓
|-
| 28 || [[আমোস তভারস্কি]] || ৪৬১ || ✓
|-
| 29 || [[আলফ্রেড মার্শাল]] || ১,৩০৯ || ✓
|-
| 30 || [[আলবার্টাস ম্যাগনাস]] || ৩৮২ || ✓
|-
| 31 || [[অনিতা ব্রুকনার]] || ৪৭৪ || ✓
|-
| 32 || [[আলফ্রেড কিনসে]] || ১,০৩৩ || ✓
|-
| 33 || [[অ্যালান কে]] || ৯২৪ || ✓
|-
| 34 || [[আলেকজান্ডার ফ্লেমিং]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 35 || [[ক্যারোলিন বার্তোজি]] || ৪১১ || ✓
|-
| 36 || [[আলফ্রেড রাসেল ওয়ালেস]] || ১,৬৫৯ || ✓
|-
| 37 || [[অঁতোয়ান লাভোয়াজিয়ে]] || ১,৪৬৩ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৩৭
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,১৮,৯৯২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,৩৯,৫৫৫
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২০,৫৬৩
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch| Oindrojalik Watch]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ভ্রান্ত উদ্ধৃতি]] || ৯,৮৭১ || ✓
|-
| 2 || [[২০১১ ফিফা মহিলা বিশ্বকাপ]] || ৯৬৩ || ✓
|-
| 3 || [[তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] || ৩,১৭৯ || ✓
|-
| 4 || [[আফগান যুদ্ধ]] || ৪,৬২০ || ✓
|-
| 5 || [[ইউক্রেনে রুশ আক্রমণ]] || ১২,৩৮২ || ✓
|-
| 6 || [[ইরাক যুদ্ধ]] || ১২,৩৪৪ || ✓
|-
| 7 || [[যুক্তরাজ্যের তৃতীয় জর্জ]] || ১২,০৪২ || ✓
|-
| 8 || [[২০১০ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৮৮৩ || ✓
|-
| 9 || [[২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৩,৫১৪ || ✓
|-
| 10 || [[২০০২ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৬১১ || ✓
|-
| 11 || [[ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ]] || ১,৫৪২ || ✓
|-
| 12 || [[স্নায়ুযুদ্ধ]] || ১৫,৬১০ || ✓
|-
| 13 || [[দ্বিতীয় স্নায়ুযুদ্ধ]] || ৪,৬৬৮ || ✓
|-
| 14 || [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] || ২৪,১৭৭ || ✓
|-
| 15 || [[মহত্ত্ব]] || ৭,৮১৪ || ✓
|-
| 16 || [[সাংবাদিকতা]] || ১৩,৪৭০ || ✓
|-
| 17 || [[প্যানডিজম]] || ১০,৩০০ || ✓
|-
| 18 || [[গাজা যুদ্ধ]] || ১৬,৯৮২ || ✓
|-
| 19 || [[২০২৬ ইরান যুদ্ধ]] || ৬,৯৫৯ || ✓
|-
| 20 || [[পারমাণবিক অস্ত্র]] || ৩,২৩৩ || ✓
|-
| 21 || [[২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৬৪৩ || ✓
|-
| 22 || [[ক্রুসেড]] || ৯৯৬ || ✓
|-
| 23 || [[অ্যানিমেশন]] || ৯,৪৫৭ || ✓
|-
| 24 || [[দক্ষিণ কোরিয়ার রাজনীতি]] || ৭৫৫ || ✓
|-
| 25 || [[ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ]] || ৩,৭৬২ || ✓
|-
| 26 || [[পারমাণবিক যুদ্ধ]] || ৫,৫২০ || ✓
|-
| 27 || [[আল খোয়ারিজমি]] || ১,২৩০ || ✓
|-
| 28 || [[ফজলে রাব্বী]] || ৬৩৫ || ✓
|-
| 29 || [[ডেভিড হিউম]] || ১১,৭৮০ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৯
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১,৯০,০৭১
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,৯৯,৯৪২
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023| Sumanta3023]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[লিওনিদ ক্যান্টোরোভিচ]] || ১,৪২২ || ✓
|-
| 2 || [[থিওডোসিয়াস ডবঝানস্কি]] || ৭৬০ || ✕
|-
| 3 || [[টেরেন্স টাও]] || ৭২০ || ✓
|-
| 4 || [[ফিলিপ]] || ৪২৬ || ✓
|-
| 5 || [[জুলিয়ান শুইঙার]] || ১,৩২২ || ✕
|-
| 6 || [[পিয়ের-জিল দ্য জেন]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 7 || [[ব্রায়ান কক্স]] || ৭৫৬ || ✓
|-
| 8 || [[জন ম্যাককার্থি]] || ১,০৪৫ || ✓
|-
| 9 || [[লুই দ্য ব্রোয়ি]] || ৪৬০ || ✓
|-
| 10 || [[ফ্রঁসোয়া মিতেরঁ]] || ১,১৯৪ || ✕
|-
| 11 || [[ফ্লিন্ডার্স পেট্রি]] || ১,২০৪ || ✕
|-
| 12 || [[পল আর. এহর্লিচ]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 13 || [[মাইকেল আতিয়াহ]] || ৪২৩ || ✓
|-
| 14 || [[মার্টন মিলার]] || ৪৮২ || ✓
|-
| 15 || [[মেরি বিয়ার্ড]] || ৯১১ || ✓
|-
| 16 || [[মার্গারেট চ্যান]] || ৭০৪ || ✓
|-
| 17 || [[গেরহার্ড শ্রোডার]] || ২৬৯ || ✓
|-
| 18 || [[ফিলিপ ওয়ারেন অ্যান্ডারসন]] || ৭৯৯ || ✓
|-
| 19 || [[পিটার হিগস]] || ৪৭৪ || ✕
|-
| 20 || [[লিওনার্ড সাসকিন্ড]] || ৮২৫ || ✓
|-
| 21 || [[জন মেইনার্ড স্মিথ]] || ৬৪০ || ✓
|-
| 22 || [[জন জেমস অডুবন]] || ৮৩৭ || ✓
|-
| 23 || [[শেলডন লি গ্ল্যাশো]] || ৭৫১ || ✓
|-
| 24 || [[ভিক্টর উইসকফ]] || ৫১৯ || ✓
|-
| 25 || [[মার্টিন রিস]] || ৫৫১ || ✓
|-
| 26 || [[মার্ক ওলিফ্যান্ট]] || ৫৫৩ || ✓
|-
| 27 || [[ভিতালি গিঞ্জবার্গ]] || ৩০৮ || ✓
|-
| 28 || [[স্যালি রাইড]] || ৪২৫ || ✓
|-
| 29 || [[রবার্ট ফোগেল]] || ৪২৮ || ✓
|-
| 30 || [[রিঙ্গো স্টার]] || ৮৭০ || ✓
|-
| 31 || [[মাক্স ডেলব্রুক]] || ৫৭৫ || ✓
|-
| 32 || [[তৃতীয় লেওপোল্ড]] || ৮৩৭ || ✓
|-
| 33 || [[নরম্যান বোরল্যাগ]] || ৭০০ || ✓
|-
| 34 || [[নিকলাউস ভির্ট]] || ৪৭৯ || ✓
|-
| 35 || [[নিকোলাস স্টেনো]] || ২৯২ || ✓
|-
| 36 || [[নেভিল ফ্রান্সিস মট]] || ৫১১ || ✓
|-
| 37 || [[লুডউইক ফ্লেক]] || ৫১২ || ✓
|-
| 38 || [[কারেন উলেনবেক]] || ৩৯২ || ✓
|-
| 39 || [[ইয়োসেফ মেংগেলে]] || ৫৪৪ || ✓
|-
| 40 || [[কিরণ দেশাই]] || ২৬১ || ✓
|-
| 41 || [[কাতালিন কারিকো]] || ৩০৯ || ✓
|-
| 42 || [[ইয়োন্স ইয়াকব বের্সেলিয়ুস]] || ৫১৬ || ✓
|-
| 43 || [[হুয়ান মালদাসেনা]] || ৭৩২ || ✓
|-
| 44 || [[হাইনরিখ বোল]] || ৩০০ || ✓
|-
| 45 || [[ইনগ্রিড ডোবিচি]] || ৬৭১ || ✓
|-
| 46 || [[ইয়ান উইলমুট]] || ৪২৭ || ✓
|-
| 47 || [[হিউ এভারেট]] || ৬০০ || ✓
|-
| 48 || [[ফ্রঁসোয়া অংল্যার]] || ৫৩৩ || ✓
|-
| 49 || [[এমানুয়েল সোয়েডেনবার্গ]] || ১,৫২২ || ✓
|-
| 50 || [[এলিজাবেথ বিশপ]] || ৬৫২ || ✓
|-
| 51 || [[শেখ আন্তা দিওপ]] || ৩৩৫ || ✓
|-
| 52 || [[জর্জ গ্যামো]] || ১,৫২১ || ✓
|-
| 53 || [[হাইনরিখ হের্ত্স]] || ১,৭৪৪ || ✓
|-
| 54 || [[গ্রো হারলেম ব্রুন্ডটল্যান্ড]] || ৩১১ || ✓
|-
| 55 || [[জন সি. মাদার]] || ৪২৫ || ✓
|-
| 56 || [[জন ব্যাকাস]] || ৫৯৭ || ✓
|-
| 57 || [[এর্নস্ট মায়ার]] || ৭৫৪ || ✓
|-
| 58 || [[লিন মার্গুলিস]] || ১,৭১৮ || ✓
|-
| 59 || [[হ্যান্স বেটে]] || ৩৯৬ || ✓
|-
| 60 || [[লুই আগাসিজ]] || ৯৩৭ || ✓
|-
| 61 || [[জর্জ ক্যুভিয়ে]] || ৭৬৮ || ✓
|-
| 62 || [[ব্রাসেলস]] || ৯৬৭ || ✓
|-
| 63 || [[ড্যানিয়েল কানেমান]] || ২,৯৫৭ || ✕
|-
| 64 || [[ডোনাল্ড কানুথ]] || ১,৫৮২ || ✓
|-
| 65 || [[লেমাহ গবোউই]] || ১,১৫০ || ✓
|-
| 66 || [[গারট্রুড বি. এলিয়ন]] || ২৩৪ || ✓
|-
| 67 || [[ডোনা স্ট্রিকল্যান্ড]] || ৩৫৯ || ✓
|-
| 68 || [[এর্নস্ট মাখ]] || ২,০২৮ || ✕
|-
| 69 || [[ডোনাল্ড টাস্ক]] || ১,৭৭১ || ✓
|-
| 70 || [[অরবিন্দ আদিগা]] || ৮৬৬ || ✓
|-
| 71 || [[সি. এ. আর. হোর]] || ১,০৬১ || ✕
|-
| 72 || [[পল ডিরাক]] || ৪,৭০৯ || ✕
|-
| 73 || [[ই. ও. উইলসন]] || ৪,৪৫৮ || ✕
|-
| 74 || [[ডেসমন্ড মরিস]] || ৩,৯৮৬ || ✓
|-
| 75 || [[মাইকেল গোভ]] || ৩,৭৩৬ || ✓
|-
| 76 || [[হার্পার লি]] || ২,৪৯১ || ✓
|-
| 77 || [[কেন টম্পসন]] || ১,৮১৬ || ✓
|-
| 78 || [[জন টিন্ডাল]] || ২,৫২৮ || ✓
|-
| 79 || [[মেরি রবিনসন]] || ১,৩৭৬ || ✓
|-
| 80 || [[হেনরি ক্যাভেন্ডিশ]] || ২,২৪৪ || ✓
|-
| 81 || [[আইরিস মারডক]] || ১,২৬৮ || ✓
|-
| 82 || [[আর্নেস্ট রাদারফোর্ড]] || ২,৪৫৩ || ✓
|-
| 83 || [[ফ্রেড ব্রুকস]] || ১,১৯১ || ✓
|-
| 84 || [[ক্রিস্টিয়ান হাইগেনস]] || ১,৯০৭ || ✓
|-
| 85 || [[ডায়ান ফসি]] || ১,৬৪৬ || ✕
|-
| 86 || [[ইডিথ হোয়ার্টন]] || ১,৪২৫ || ✓
|-
| 87 || [[অরেল স্টেইন]] || ১,৪৭৮ || ✕
|-
| 88 || [[গাব্রিয়েলা মিস্ত্রাল]] || ১,৬৫০ || ✓
|-
| 89 || [[আলেকজান্ডার ফন হুমবোল্ট]] || ১,১২০ || ✓
|-
| 90 || [[ফ্রান্সিস্কো ভারেলা]] || ১,৮৯৩ || ✓
|-
| 91 || [[ডেনিস রিচি]] || ১,১০৮ || ✓
|-
| 92 || [[অড্রে হেপবার্ন]] || ১,৪৩৫ || ✓
|-
| 93 || [[জি. এইচ. হার্ডি]] || ২,৩৩০ || ✓
|-
| 94 || [[হ্যারল্ড পিন্টার]] || ২,০৭২ || ✓
|-
| 95 || [[অ্যানাক্সিম্যান্ডার]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 96 || [[ডেভিড ব্রুস্টার]] || ২,৪০৪ || ✓
|-
| 97 || [[ব্রায়ান গ্রিন]] || ১,২৭৯ || ✕
|-
| 98 || [[অমিত গোস্বামী]] || ৯১৫ || ✓
|-
| 99 || [[এডমন্ড হ্যালি]] || ২,৬১৯ || ✓
|-
| 100 || [[ডেভিড সুজুকি]] || ১,৫১৭ || ✓
|-
| 101 || [[ডেভিড জোনাথন গ্রোস]] || ৮০৯ || ✓
|-
| 102 || [[ডেভিড ম্যামেট]] || ১,২৫২ || ✓
|-
| 103 || [[আহমেদ জেওয়াইল]] || ১৯২ || ✓
|-
| 104 || [[ইউরোপীয় পার্লামেন্ট]] || ৬১৫ || ✓
|-
| 105 || [[ডেভিড গ্রসম্যান]] || ৩৩৬ || ✓
|-
| 106 || [[হরিশ-চন্দ্র]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 107 || [[অনিতা দেসাই]] || ১,৪৩৯ || ✓
|-
| 108 || [[অ্যাশ কার্টার]] || ৪৬৩ || ✓
|-
| 109 || [[আলফ্রেড নোবেল]] || ৫০৯ || ✕
|-
| 110 || [[ক্রিস্টিয়ান বার্নার্ড]] || ৬৩৯ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১১০
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৯৭,৪২১
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,২২,৫০০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২৫,০৭৯
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Anik Kanti Dey| Anik Kanti Dey]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[রেজা পাহলভি]] || ৯,৯১০ || ✓
|-
| 2 || [[রজার ইবার্ট]] || ২১,৩২৫ || ✓
|-
| 3 || [[পুনর্জন্ম]] || ২০,২৪৮ || ✓
|-
| 4 || [[জ্যারেড ডায়মন্ড]] || ১,১৬৮ || ✕
|-
| 5 || [[জেন গুডাল]] || ১,৩৫৭ || ✓
|-
| 6 || [[জেমস টোবিন]] || ১,০৫৯ || ✓
|-
| 7 || [[জেমস ক্যালাহান]] || ১,৬১৫ || ✓
|-
| 8 || [[উইলিয়াম স্ট্যানলি জেভন্স]] || ১,৭০১ || ✓
|-
| 9 || [[উইলিয়াম থমসন]] || ১,০৫১ || ✓
|-
| 10 || [[ওলে সোয়িংকা]] || ৩,১৬১ || ✕
|-
| 11 || [[জোসেফ স্টিগলিটজ]] || ১,৫০৪ || ✕
|-
| 12 || [[গ্রেগর মেন্ডেল]] || ৮৭৪ || ✓
|-
| 13 || [[গটফ্রিড ভিলহেল্ম লাইবনিৎস]] || ১,২৩৬ || ✓
|-
| 14 || [[গ্লেন থিওডোর সিবর্গ]] || ৯৮৪ || ✓
|-
| 15 || [[হেরমান ভাইল]] || ১,৫৪১ || ✓
|-
| 16 || [[হেরমান হেস]] || ৪,৫৬৫ || ✓
|-
| 17 || [[হার্বার্ট স্পেন্সার]] || ২,৩৬৮ || ✓
|-
| 18 || [[হার্বার্ট এ. সাইমন]] || ১,৩৩৭ || ✓
|-
| 19 || [[হেরাক্লিটাস]] || ১,৫৭০ || ✓
|-
| 20 || [[হেনরিক শিয়েনকিয়েভিচ]] || ১,৯১১ || ✕
|-
| 21 || [[উইলা ক্যাথার]] || ৩,০৩৩ || ✕
|-
| 22 || [[উইল ডুরান্ট]] || ২,৮১৫ || ✓
|-
| 23 || [[ডব্লিউ. এইচ. অডেন]] || ২,৮১৯ || ✓
|-
| 24 || [[ভোলফগাং পাউলি]] || ১,৬৩৯ || ✓
|-
| 25 || [[ইয়াসুনারি কাওয়াবাতা]] || ২,২৫৮ || ✓
|-
| 26 || [[জন আর্চিবল্ড হুইলার]] || ১,১৩৯ || ✓
|-
| 27 || [[সেমুর হার্শ]] || ১,৭৬১ || ✓
|-
| 28 || [[সের্গেই কোরোলিয়ভ]] || ৫৬৫ || ✓
|-
| 29 || [[জেন অ্যাডামস]] || ১,৯০৬ || ✓
|-
| 30 || [[জাক-ইভ কুস্তো]] || ৬৬৩ || ✓
|-
| 31 || [[হিদেকি ইউকাওয়া]] || ৪০৩ || ✓
|-
| 32 || [[প্রিমো লেভি]] || ৪,২৩৮ || ✓
|-
| 33 || [[ঝুম্পা লাহিড়ী]] || ৪৩০ || ✓
|-
| 34 || [[জেমস প্রেসকট জুল]] || ৪৮৭ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৩৪
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৯৩,৮৬৪
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,০৪,৬৪১
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১০,৭৭৭
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman| Tanbiruzzaman]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা]] || ৪,৮৫১ || ✓
|-
| 2 || [[সংবাদ মাধ্যম]] || ১,১৫৫ || ✓
|-
| 3 || [[গণমাধ্যম]] || ৩,৩৫৭ || ✓
|-
| 4 || [[মূলধারার গণমাধ্যম]] || ১,০৫২ || ✓
|-
| 5 || [[হলুদ সাংবাদিকতা]] || ২,২৯৬ || ✓
|-
| 6 || [[ভুয়া সংবাদ]] || ১,৪০৮ || ✓
|-
| 7 || [[বিকল্প প্রচারমাধ্যম]] || ১,২০৫ || ✓
|-
| 8 || [[জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ]] || ১১,২৬৬ || ✓
|-
| 9 || [[অ্যানোনিমাস]] || ৪,০৪৩ || ✓
|-
| 10 || [[টুপাক শাকুর]] || ৬,২৮৭ || ✓
|-
| 11 || [[জেনডেয়া]] || ২,০১৪ || ✓
|-
| 12 || [[টিমথি শালামে]] || ১,১২৭ || ✓
|-
| 13 || [[হিপোক্রেটিস]] || ২,৯২৩ || ✓
|-
| 14 || [[ষষ্ঠ মুহাম্মদ]] || ৮৭৮ || ✓
|-
| 15 || [[জন লেনক্স]] || ৭০২ || ✓
|-
| 16 || [[আলেক্সান্দ্র্ সলজেনিৎসিন]] || ৮,০৫৬ || ✓
|-
| 17 || [[আবদুল হান্নান মাসউদ]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 18 || [[পরকাল সম্পর্কে কুরআন]] || ১৮,৭৯৪ || ✓
|-
| 19 || [[মানবতাবিরোধী অপরাধ]] || ১,৯১২ || ✓
|-
| 20 || [[আন্তর্জাতিক আইন]] || ৫,৫৩৯ || ✓
|-
| 21 || [[মোহাম্মদ জাওয়াদ জারিফ]] || ১,৪৫২ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৮০,৭২৪
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৮০,৭২৪
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Nil Nandy| Nil Nandy]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[অনিল ভৌমিক]] || ২১৬ || ✓
|-
| 2 || [[মনোজ মিত্র]] || ৫,৫৬৭ || ✓
|-
| 3 || [[নারায়ণ সান্যাল]] || ৩৬৬ || ✓
|-
| 4 || [[মতি নন্দী]] || ৫,০১৮ || ✓
|-
| 5 || [[দেবেশ রায়]] || ৯,২৪৪ || ✓
|-
| 6 || [[শিশিরকুমার বসু]] || ৪,৮০৭ || ✓
|-
| 7 || [[বিমল কর]] || ১,৩৬৯ || ✓
|-
| 8 || [[সুবোধ সরকার]] || ১,৮৪৮ || ✓
|-
| 9 || [[স্মরণজিৎ চক্রবর্তী]] || ৭৯২ || ✓
|-
| 10 || [[স্বামী সারদানন্দ]] || ৮,৬৯৫ || ✓
|-
| 11 || [[শক্তিপদ রাজগুরু]] || ৯৯৩ || ✓
|-
| 12 || [[কমলকুমার মজুমদার]] || ১,৫৭৩ || ✓
|-
| 13 || [[গৌতম ভদ্র]] || ৬৮৫ || ✓
|-
| 14 || [[পরিমল গোস্বামী]] || ৬,৫৫০ || ✓
|-
| 15 || [[প্রেমাঙ্কুর আতর্থী]] || ৫,৬৯৮ || ✓
|-
| 16 || [[কালীপ্রসন্ন সিংহ]] || ৫,৪০৪ || ✓
|-
| 17 || [[অখিল নিয়োগী]] || ৬৩৬ || ✓
|-
| 18 || [[হরপ্রসাদ শাস্ত্রী]] || ৫১৩ || ✓
|-
| 19 || [[গায়ত্রী চক্রবর্তী স্পিভাক]] || ৫৯২ || ✓
|-
| 20 || [[অজিত দত্ত]] || ৮৭০ || ✓
|-
| 21 || [[অজিতকৃষ্ণ বসু]] || ২,৩৮৬ || ✓
|-
| 22 || [[এম এস স্বামীনাথন]] || ৮৭২ || ✓
|-
| 23 || [[চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন]] || ২,১৭১ || ✓
|-
| 24 || [[চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও]] || ২,১৬৭ || ✓
|-
| 25 || [[কণাদ]] || ৯১৯ || ✓
|-
| 26 || [[জয়ন্ত বিষ্ণু নারলিকর]] || ৩,১৮৭ || ✓
|-
| 27 || [[বিক্রম সারাভাই]] || ১,১২৯ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৭
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৭৪,২৬৭
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৭৪,২৬৭
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:R1F4T| R1F4T]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আর্নেস্ট কিং]] || ১৫,৭৬৯ || ✕
|-
| 2 || [[ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট]] || ২৬,২১৫ || ✓
|-
| 3 || [[আনোয়ার ইব্রাহিম]] || ৬,৯৯৩ || ✓
|-
| 4 || [[ইসলাম ও যুদ্ধ]] || ৫,৬৮১ || ✓
|-
| 5 || [[আহমদ সিরহিন্দি]] || ৪,০৭০ || ✓
|-
| 6 || [[মুসা সেরান্তোনিও]] || ৪২৩ || ✓
|-
| 7 || [[ইয়াকুব]] || ১,৯৫৬ || ✓
|-
| 8 || [[আদ্রিয়ান গোল্ডসওয়ার্দি]] || ১,৯৭৯ || ✕
|-
| 9 || [[অ্যালিস পল]] || ১,৮৬২ || ✕
|-
| 10 || [[অ্যামি ট্যান]] || ২,০০৭ || ✕
|-
| 11 || [[অ্যান্ড্রু সেগা]] || ১,৯৬৯ || ✓
|-
| 12 || [[আল্যাঁ বাদিউ]] || ১,৯৬৬ || ✕
|-
| 13 || [[আফ্রিকান স্পির]] || ১,৭২২ || ✕
|-
| 14 || [[ফ্রেডরিক ডগলাস]] || ৮৬২ || ✕
|-
| 15 || [[নবী]] || ২,০৬২ || ✕
|-
| 16 || [[এমা গোল্ডম্যান]] || ১২,৮০০ || ✕
|-
| 17 || [[প্রেম সম্পর্কে ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি]] || ১৫,০৪০ || ✓
|-
| 18 || [[মিস্ট্রি সায়েন্স থিয়েটার ৩০০০]] || ৯৪,৯৬৮ || ✕
|-
| 19 || [[দ্য থিক অফ ইট]] || ৬৯,২৮৩ || ✕
|-
| 20 || [[অ্যালেক্স হেইলি]] || ১,৬০৪ || ✓
|-
| 21 || [[দাসত্ব সম্পর্কে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি]] || ৫,৭৮৫ || ✕
|-
| 22 || [[দাসত্ব]] || ১০,২৫৯ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২২
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৬৩,৯৫১
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,৮৫,২৭৫
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২,২১,৩২৪
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Salil Kumar Mukherjee| Salil Kumar Mukherjee]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[যন্ত্র]] || ৭১৩ || ✓
|-
| 2 || [[বিচারক]] || ৯৫২ || ✓
|-
| 3 || [[রুটি]] || ১,০৯৭ || ✓
|-
| 4 || [[খড়]] || ৯৩২ || ✓
|-
| 5 || [[মন্মথমোহন বসু]] || ৯৬৩ || ✕
|-
| 6 || [[কালীপ্রসন্ন বিদ্যারত্ন]] || ৮২৫ || ✓
|-
| 7 || [[কলসী]] || ১,০৮৬ || ✓
|-
| 8 || [[চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ১,১৫৭ || ✓
|-
| 9 || [[শহর]] || ১,৪৫৮ || ✕
|-
| 10 || [[ঘাস]] || ২,১১২ || ✓
|-
| 11 || [[জলধর সেন]] || ১,৭৬৪ || ✓
|-
| 12 || [[ঠিকানা]] || ১,১৮৭ || ✓
|-
| 13 || [[গন্ধ]] || ১,৮০৭ || ✓
|-
| 14 || [[চা]] || ২,৪২৪ || ✓
|-
| 15 || [[রবীন্দ্রনাথ মৈত্র]] || ১,২৮১ || ✓
|-
| 16 || [[দিগন্ত]] || ১,২২৮ || ✓
|-
| 17 || [[ময়ূর]] || ১,৩৪৫ || ✓
|-
| 18 || [[করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ৯১১ || ✓
|-
| 19 || [[ঢেউ]] || ১,৫৩৯ || ✓
|-
| 20 || [[ছাতা]] || ১,১৮৯ || ✓
|-
| 21 || [[উমাকান্ত হাজারী]] || ৯৪২ || ✓
|-
| 22 || [[ঘৃণা]] || ২,৩৩৯ || ✓
|-
| 23 || [[বাঁশ]] || ২,৪৫৯ || ✕
|-
| 24 || [[কলেরা]] || ১,৬৩৮ || ✓
|-
| 25 || [[মাঠ]] || ২,৪৪৭ || ✓
|-
| 26 || [[টিন]] || ১,৯৩২ || ✕
|-
| 27 || [[সংবাদ]] || ৪,৪৭৯ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৭
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৩০,৯১৫
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪২,২০৬
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১১,২৯১
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul| Anaf Ibn Shahibul]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[জন বারবার]] || ৫৭৪ || ✕
|-
| 2 || [[স্কটিশ জাতি]] || ৩৭৫ || ✓
|-
| 3 || [[ওয়েন্ডি বোম্যান]] || ১৫১ || ✕
|-
| 4 || [[যুদ্ধাপরাধ]] || ৪,৬৭৯ || ✕
|-
| 5 || [[রুবি]] || ৩৬৩ || ✓
|-
| 6 || [[রিতা এনজেলু]] || ১৫৯ || ✓
|-
| 7 || [[বমি]] || ২০৪ || ✓
|-
| 8 || [[পার্ল]] || ৬৯০ || ✕
|-
| 9 || [[পাইথন]] || ১৩৯ || ✓
|-
| 10 || [[উইকিলিকস]] || ১,৬৩১ || ✕
|-
| 11 || [[জনস্টন ম্যাককালি]] || ৩১১ || ✕
|-
| 12 || [[যুগোস্লাভিয়া]] || ৪,১৩৬ || ✓
|-
| 13 || [[অংশুমান কর]] || ২০৯ || ✓
|-
| 14 || [[কেমব্রিজ গান]] || ৩০৫ || ✕
|-
| 15 || [[হেলেনীয় শিক্ষা]] || ৫০২ || ✓
|-
| 16 || [[টমাস হলি চিভার্স]] || ২৩৫ || ✓
|-
| 17 || [[মুহাম্মদ মাহদি আল-জাওয়াহিরি]] || ৬৩৮ || ✓
|-
| 18 || [[জেডি স্মিথ]] || ১,০৮০ || ✓
|-
| 19 || [[ব্রায়ান পি. শ্মিট]] || ৪৬০ || ✓
|-
| 20 || [[কার্ল বার্নস্টিন]] || ৩৬৮ || ✓
|-
| 21 || [[চার্লস ফেফারম্যান]] || ৩৩৯ || ✓
|-
| 22 || [[ইয়ুস্টুস ফন লিবিগ]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 23 || [[টমাস শেলিংস]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 24 || [[উইলিয়াম শকলি]] || ৩৯১ || ✓
|-
| 25 || [[শিং-শেন চের্ন]] || ৭৬৫ || ✕
|-
| 26 || [[হুগো দ্য ভ্রিস]] || ৩৪৪ || ✓
|-
| 27 || [[রবার্ট অ্যান্ড্রুজ মিলিকান]] || ৪৩৬ || ✓
|-
| 28 || [[জেমস ভ্যান অ্যালেন]] || ৫৯৬ || ✓
|-
| 29 || [[জাক শিরাক]] || ৭১১ || ✓
|-
| 30 || [[ডরোথি হজকিন]] || ২৯৪ || ✓
|-
| 31 || [[গোরান পারসন]] || ৩২৬ || ✓
|-
| 32 || [[জেরার দ্যব্রু]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 33 || [[কোরীয় যুদ্ধ]] || ৯,৯৬৫ || ✕
|-
| 34 || [[রবার্ট জে. শিলার]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 35 || [[ফ্রঁসোয়া আরাগন]] || ৪৩৫ || ✓
|-
| 36 || [[অখিলচন্দ্র দত্ত]] || ৩৭৩ || ✕
|-
| 37 || [[ফ্রান্সিস কলিন্স]] || ৫৮৮ || ✓
|-
| 38 || [[হেলেন ক্লার্ক]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 39 || [[লেয়োঁ ফুকো]] || ৫৩২ || ✓
|-
| 40 || [[জন চার্লস পোলানি]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 41 || [[জন মেইনার্ড কেইনস]] || ১৭,৭৯১ || ✕
|-
| 42 || [[দিমিত্রি মুরাতভ]] || ৬৩৬ || ✓
|-
| 43 || [[আবদুস সালাম]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 44 || [[আবদুলরাজাক গুরনাহ]] || ৭৪৯ || ✓
|-
| 45 || [[এ. সি. বেনসন]] || ৩৮৩ || ✓
|-
| 46 || [[প্রথম আলবার্ট]] || ৮৬৪ || ✓
|-
| 47 || [[অম্লান দত্ত]] || ১৪৬ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৪৭
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১৯,৩৪৬
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৫৬,৫৮১
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৩৭,২৩৫
|}
=== [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন| মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ইয়ান মার্টেল]] || ১,১৩৩ || ✕
|-
| 2 || [[ইয়োইচিরো নাম্বু]] || ৪৩১ || ✕
|-
| 3 || [[সৈয়দ জামিল আহমেদ]] || ২০৩ || ✓
|-
| 4 || [[পূর্ণিমা]] || ১৯২ || ✓
|-
| 5 || [[শরিফুল রাজ]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 6 || [[কাজী হায়াৎ]] || ২৭৪ || ✓
|-
| 7 || [[আরেফিন রুমি]] || ১৬২ || ✓
|-
| 8 || [[ইমাম নাসাই]] || ৬৯৭ || ✕
|-
| 9 || [[কবরী]] || ২৭১ || ✓
|-
| 10 || [[হাফিজ উদ্দিন আহমদ]] || ২৩৬ || ✓
|-
| 11 || [[আ ন ম এহসানুল হক মিলন]] || ৩৪০ || ✓
|-
| 12 || [[আন্দালিব রহমান পার্থ]] || ২৯৭ || ✓
|-
| 13 || [[ববি হাজ্জাজ]] || ২৫৩ || ✓
|-
| 14 || [[ইবনে মাজাহ]] || ৩৩৬ || ✓
|-
| 15 || [[হাবিব ওয়াহিদ]] || ২৬৪ || ✓
|-
| 16 || [[জাইমা রহমান]] || ২১২ || ✓
|-
| 17 || [[কনকচাঁপা]] || ২২৮ || ✓
|-
| 18 || [[আহসান হাবীব]] || ২১৯ || ✓
|-
| 19 || [[বেলাল খান]] || ২১৯ || ✓
|-
| 20 || [[নচিকেতা চক্রবর্তী]] || ২৮৯ || ✓
|-
| 21 || [[আ ফ ম খালিদ হোসেন]] || ২৪৮ || ✓
|-
| 22 || [[আলমগীর]] || ৪০৬ || ✓
|-
| 23 || [[সালাহউদ্দিন আহমেদ]] || ৪৫৯ || ✓
|-
| 24 || [[চোং নানশান]] || ১৭৮ || ✓
|-
| 25 || [[এ. সি. ব্র্যাডলি]] || ৩৯০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৫
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৫,৪৭২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৮,১২৩
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২,৬৫১
|}
=== [[ব্যবহারকারী:JIBON| JIBON]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আলবার্ট হফমান]] || ৩,৪৪৪ || ✓
|-
| 2 || [[অ্যালান পারলিস]] || ৯২৮ || ✓
|-
| 3 || [[হেইনরিখ রোরার]] || ৩৬০ || ✓
|-
| 4 || [[আলফ্রেড আহো]] || ১৪৪ || ✕
|-
| 5 || [[উ থান্ট]] || ৬৭৮ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৫
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৪,৭৩২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৫,৫৫৪
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৮২২
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Md. Muqtadir Fuad| Md. Muqtadir Fuad]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[লোরঁ শোয়ার্তজ]] || ৬১০ || ✓
|-
| 2 || [[উইলিয়াম শার্প]] || ৩৯৯ || ✓
|-
| 3 || [[পাউল এরেনফেস্ট]] || ৪৩৩ || ✓
|-
| 4 || [[রবার্ট মান্ডেল]] || ৩২২ || ✓
|-
| 5 || [[হান কাং]] || ৬৬৬ || ✓
|-
| 6 || [[ক্রিপটিক ফেইট]] || ১৭৬ || ✓
|-
| 7 || [[কাকাবাবু]] || ২৫৮ || ✓
|-
| 8 || [[ক্যারি মুলিস]] || ৪০৩ || ✓
|-
| 9 || [[টোমাস ট্রান্সট্রোমার]] || ২৯৯ || ✓
|-
| 10 || [[ইরিনা বোকোভা]] || ২৬৮ || ✓
|-
| 11 || [[মার্টিনুস ভেল্টম্যান]] || ১৯৫ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৪,০২৯
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪,০২৯
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Humaira.thithi| Humaira.thithi]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ড্যামন গ্যালগুট]] || ৪৮২ || ✓
|-
| 2 || [[আর্থার কর্নবার্গ]] || ১৭৭ || ✕
|-
| 3 || [[বেন ওক্রি]] || ৮৫৮ || ✓
|-
| 4 || [[সল বেলো]] || ১,০০৩ || ✓
|-
| 5 || [[সল পার্লমাটার]] || ৩১১ || ✕
|-
| 6 || [[সিমেওঁ দ্যনি পোয়াসোঁ]] || ১৬০ || ✓
|-
| 7 || [[স্টিভ আরউইন]] || ৪৩৫ || ✕
|-
| 8 || [[আনি এরনো]] || ২৮৪ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৮
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,৭৮৭
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩,৭১০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৯২৩
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Amirhusenjihed| Amirhusenjihed]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ফজল শাহাবুদ্দীন]] || ৪৯৫ || ✕
|-
| 2 || [[আল-জাহিজ]] || ৭৩৩ || ✓
|-
| 3 || [[আল-বিরুনি]] || ১,৮৩৬ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৩
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,৫৬৯
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩,০৬৪
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪৯৫
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Asikur Rahman| Asikur Rahman]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[থমাস হ্যারিয়ট]] || ৪৩২ || ✓
|-
| 2 || [[স্টিভেন চু]] || ২২০ || ✓
|-
| 3 || [[ইভাঞ্জেলিস্টা টরিসেলি]] || ৩৭২ || ✓
|-
| 4 || [[লেসলি ল্যামপোর্ট]] || ৫৫০ || ✓
|-
| 5 || [[মার্টিন লুইস পার্ল]] || ৩৮৮ || ✓
|-
| 6 || [[ভ্লাদিমির মার্কভনিকভ]] || ২৬৭ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৬
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,২২৯
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,২২৯
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Rasel Mehedi| Rasel Mehedi]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[বাপ্পী লাহিড়ী]] || ২৫২ || ✓
|-
| 2 || [[নুহাশ হুমায়ূন]] || ২০৫ || ✓
|-
| 3 || [[আনিসুল হক]] || ২৪৬ || ✕
|-
| 4 || [[বাবর আলী]] || ৩০৯ || ✓
|-
| 5 || [[মেহের আফরোজ শাওন]] || ৩১৯ || ✓
|-
| 6 || [[ফেলুদা]] || ২৪৬ || ✓
|-
| 7 || [[ব্যোমকেশ বক্সী]] || ১৭৮ || ✓
|-
| 8 || [[প্রোফেসর শঙ্কু]] || ২৬৯ || ✓
|-
| 9 || [[বারী সিদ্দিকী]] || ২৪২ || ✓
|-
| 10 || [[সমরেশ বসু]] || ২০২ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১০
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,২২২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,৪৬৮
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২৪৬
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Mahiya50| Mahiya50]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[লিয়ন কুপার]] || ৩২৩ || ✓
|-
| 2 || [[কামিলা শামসি]] || ২০৪ || ✓
|-
| 3 || [[ক্রিস্টোফার রেন]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 4 || [[জিওফ্রে হিন্টন]] || ৩২২ || ✓
|-
| 5 || [[ফ্রিডতিয়ফ নানসেন]] || ১৯১ || ✓
|-
| 6 || [[আলাঁ আস্পে]] || ৭৭৬ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৬
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,১৯০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,১৯০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Borhan| Borhan]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ক্যারিল ফিলিপস]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 2 || [[জেমস কুক]] || ৩৯৭ || ✓
|-
| 3 || [[ক্লাউদিয়া শেইনবাউম]] || ৩২১ || ✓
|-
| 4 || [[আবি আহমেদ]] || ২৫৫ || ✓
|-
| 5 || [[পিটার আগ্রি]] || ১৯০ || ✓
|-
| 6 || [[ফখরুদ্দীন আল-রাযী]] || ২১৫ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৬
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১,৬৬২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,৬৬২
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Raihanur| Raihanur]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[শি চিনফিং]] || ৪,১৩২ || ✕
|-
| 2 || [[ইব্রাহিম ত্রাওরে]] || ৭৫৪ || ✓
|-
| 3 || [[পেদ্রো সানচেজ]] || ২৯৯ || ✓
|-
| 4 || [[অ্যাডাম রিস]] || ৪৮৯ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৪
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১,৫৪২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৫,৬৭৪
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪,১৩২
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Muhammad Fahim Faisal| Muhammad Fahim Faisal]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আব্দুল হান্নান আবকারী]] || ০ || ✕
|-
| 2 || [[ইবরাহীম আলী তশনা]] || ২৪৭ || ✓
|-
| 3 || [[রুহুল আমিন বসিরহাটি]] || ৩৬৩ || ✓
|-
| 4 || [[মুহাম্মদুল্লাহ হাফেজ্জী]] || ৩৪২ || ✓
|-
| 5 || [[শামছুল হুদা]] || ০ || ✕
|-
| 6 || [[শামছুল হক ফরিদপুরী]] || ৫৪৬ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৬
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১,৪৯৮
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,৪৯৮
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Firuz Ahmmed| Firuz Ahmmed]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[গর্ডন মুর]] || ৫৮৭ || ✓
|-
| 2 || [[শিরিন এবাদি]] || ৫৪৩ || ✕
|-
| 3 || [[নাগিব মাহফুজ]] || ৫৩০ || ✓
|-
| 4 || [[আল-ফারাবি]] || ৫৩৭ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৪
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১,১১৭
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,১৯৭
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১,০৮০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:নিয়াজ ইসলাম| নিয়াজ ইসলাম]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[চাষী নজরুল ইসলাম]] || ৪৪৬ || ✓
|-
| 2 || [[বাপ্পা মজুমদার]] || ৩১০ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৭৫৬
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৭৫৬
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Asad.fr| Asad.fr]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[রবার্ট ক্লাইভ]] || ২,০০২ || ✕
|-
| 2 || [[পার্ল এস. বাক]] || ৯৩৩ || ✕
|-
| 3 || [[জন বারডিন]] || ৩৬৪ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৩
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৩৬৪
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩,২৯৯
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২,৯৩৫
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin| Mehedi Abedin]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[তাসমিয়া প্রধান]] || ৩৫২ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৩৫২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩৫২
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Md. Rayan Alam Rifat| Md. Rayan Alam Rifat]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আজিজুল হক]] || ১৮০ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১৮০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১৮০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Siyan BD| Siyan BD]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আবদুস সালাম]] || ১০০ || ✕
|-
| 2 || [[আবদুল গফুর]] || ১০১ || ✕
|-
| 3 || [[আবদুল জব্বার]] || ১৬১ || ✓
|-
| 4 || [[আবদুল জব্বার]] || ৯২ || ✕
|-
| 5 || [[আবদুল জব্বার]] || ১৩৩ || ✕
|-
| 6 || [[অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ১৩৪ || ✕
|-
| 7 || [[অনিমেষ রায়]] || ১২৬ || ✕
|-
| 8 || [[অনির্বাণ বসু]] || ১২০ || ✕
|-
| 9 || [[অজয় ঘটক]] || ১১৪ || ✕
|-
| 10 || [[অচলা মল্লিক]] || ১৫৪ || ✕
|-
| 11 || [[অজয় হোম]] || ১৫৯ || ✕
|-
| 12 || [[অমিতা বসু]] || ১৪২ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১২
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১৬১
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,৫৩৬
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১,৩৭৫
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Dewan mahbubr Rahman| Dewan mahbubr Rahman]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ভেরা রুবিন]] || ৩৫০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩৫০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৩৫০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:ExceptionistSagar| ExceptionistSagar]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মেরি কুরি]] || ১৭৯ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১৭৯
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১৭৯
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Kh. Fahim| Kh. Fahim]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মিসির আলি]] || ৪০৬ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪০৬
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪০৬
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Trisha Mazumder| Trisha Mazumder]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আস্ট্রোনমি]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:MdMarufHossen71| MdMarufHossen71]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মমতাজ বেগম]] || ৩৫৫ || ✕
|-
| 2 || [[আবুল বরকত]] || ১৪৩ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪৯৮
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪৯৮
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Usarker| Usarker]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মেরি স্টোপস]] || ৫০৫ || ✕
|-
| 2 || [[ইয়োন ফসে]] || ৩৯৩ || ✕
|-
| 3 || [[জুনো দিয়াজ]] || ৫৪০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৩
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,৪৩৮
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১,৪৩৮
|}
=== [[ব্যবহারকারী:রাকিবুল হাসান রাসেল| রাকিবুল হাসান রাসেল]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[পারভীন এতেসামি]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:MD RADWAN ISLAM| MD RADWAN ISLAM]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[চুয়াং জি]] || ২৭৪ || ✕
|-
| 2 || [[ফকির শাহাবুদ্দীন]] || ০ || ✕
|-
| 3 || [[আবু বকর সিদ্দিকী]] || ০ || ✕
|-
| 4 || [[বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট]] || ০ || ✕
|-
| 5 || [[বাংলাদেশের কৃষি প্রযুক্তি]] || ০ || ✕
|-
| 6 || [[হাসিবুন নাহের]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৬
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২৭৪
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২৭৪
|}
=== [[ব্যবহারকারী:AKM Mahinur Rahman| AKM Mahinur Rahman]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মেরি উলস্টোনক্রাফ্ট]] || ২১৩ || ✕
|-
| 2 || [[বালতাসার গ্রাসিয়ান]] || ২০৬ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪১৯
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪১৯
|}
=== [[ব্যবহারকারী:MD RADWAN ISLAM ROHAN| MD RADWAN ISLAM ROHAN]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[জুলাই আন্দোলন]] || ৬১৫ || ✕
|-
| 2 || [[বিকাশ]] || ০ || ✕
|-
| 3 || [[নতুন প্রযুক্তি]] || ০ || ✕
|-
| 4 || [[বাংলাদেশের রিয়েল এস্টেট শিল্প: বর্তমান প্রেক্ষাপট ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা]] || ০ || ✕
|-
| 5 || [[জলবায়ু পরিবর্তন ও বাংলাদেশের পরিবেশ]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৫
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৬১৫
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৬১৫
|}
=== [[ব্যবহারকারী:ShahinurWrites| ShahinurWrites]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মোহাম্মদ শেখ শাহিনুর রহমান]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Abdullah Al Shishir| Abdullah Al Shishir]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[অপ্রত্যাশিত জীবনযাত্রা]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:চ্যাম্পিয়ন স্টার ১| চ্যাম্পিয়ন স্টার ১]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[অপর্ণা সেন]] || ৩১২ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩১২
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৩১২
|}
==শব্দসংখ্যা অনুযায়ী নিবন্ধ তালিকা==
{| class="wikitable sortable mw-collapsible mw-collapsed"
|+ class="nowrap" | শব্দসংখ্যা অনুযায়ী নিবন্ধ তালিকা
! ক্রমিক !! নিবন্ধ !! শব্দ সংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্পর্কে উক্তি]] || ৩৯,৩০৩ || ✓
|-
| 2 || [[স্ট্যানলি বল্ডউইন]] || ৩৪,১৩১ || ✓
|-
| 3 || [[খ্রিস্টের অনৈতিহাসিকতা তত্ত্ব]] || ২৮,৭০৭ || ✓
|-
| 4 || [[বেঞ্জামিন ডিসরাইলি]] || ২৯,৪৭৯ || ✓
|-
| 5 || [[রবার্ট জি. ইঙ্গারসোল]] || ৩০,০৯০ || ✓
|-
| 6 || [[রন পল]] || ২৪,৯২৮ || ✓
|-
| 7 || [[ক্যালকুলাসের ইতিহাস]] || ১৯,১৯৫ || ✓
|-
| 8 || [[অ্যানোরেক্সিয়া নার্ভোসা]] || ২৩,১০০ || ✓
|-
| 9 || [[ডোয়াইট ডি আইজেনহাওয়ার]] || ২১,০২৬ || ✓
|-
| 10 || [[স্টিফেন জে গুল্ড]] || ২২,১৫০ || ✓
|-
| 11 || [[এআর-১৫ স্টাইল রাইফেল]] || ১৮,৯০১ || ✓
|-
| 12 || [[শেরি এস. টেপার]] || ২৪,৯৯৯ || ✓
|-
| 13 || [[আউরেলিয়ুস আউগুস্তিনুস]] || ১৯,৩৪৬ || ✓
|-
| 14 || [[ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতিত্ব]] || ৪৬,৮৯৯ || ✓
|-
| 15 || [[নবায়নযোগ্য শক্তি]] || ১২,৬১০ || ✓
|-
| 16 || [[নাডিন গর্ডিমার]] || ১,৩৭২ || ✓
|-
| 17 || [[মারে গেল-মান]] || ১,৩২৮ || ✓
|-
| 18 || [[নার্গিস মোহাম্মাদি]] || ১,৭৫৫ || ✓
|-
| 19 || [[সাদি কার্নো]] || ৫,২৫৬ || ✓
|-
| 20 || [[জে. হাওয়ার্ড মুর]] || ২৪,১৯৫ || ✓
|-
| 21 || [[ভারতে পোশাক]] || ২,২৮৯ || ✓
|-
| 22 || [[ভারতের ভাষা]] || ৬৯৫ || ✓
|-
| 23 || [[মধ্যযুগীয় ভারত]] || ১,৭১৭ || ✓
|-
| 24 || [[ভারতে ইহুদিদের ইতিহাস]] || ২,০৪৬ || ✓
|-
| 25 || [[ভারতে সুফিবাদ]] || ৩,২০৭ || ✓
|-
| 26 || [[পর্তুগিজ ভারত]] || ১,৬৪৩ || ✓
|-
| 27 || [[ভারতের প্রাণী]] || ৩০৫ || ✓
|-
| 28 || [[স্বাধীনতা দিবস]] || ৩৭৫ || ✓
|-
| 29 || [[ভারতে দুর্ভিক্ষ]] || ৩,৭৮১ || ✓
|-
| 30 || [[ভারতে ধর্মহীনতা]] || ২,৩৮৯ || ✓
|-
| 31 || [[ওয়ারেন ফ্যারেল]] || ২১,০৭৮ || ✓
|-
| 32 || [[আর্নেস্ট বেকার]] || ১৩,৫৯৭ || ✓
|-
| 33 || [[অতিপ্রজতা]] || ২৯,৫০১ || ✓
|-
| 34 || [[মোপলা বিদ্রোহ]] || ১৪,৫১২ || ✓
|-
| 35 || [[সীতা রাম গোয়েল]] || ১,৫৯৬ || ✓
|-
| 36 || [[অরুণ শৌরি]] || ১৫,৪৫০ || ✓
|-
| 37 || [[ভারতের ইতিহাস লিখন]] || ১৭,৯১৮ || ✓
|-
| 38 || [[দ্রৌপদী]] || ৬,১৬৪ || ✓
|-
| 39 || [[দ্য হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়া, অ্যাজ টোল্ড বাই ইটস ওন হিস্টোরিয়ানস]] || ২,৬৮৫ || ✕
|-
| 40 || [[রামায়ণ]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 41 || [[ভারতে শিক্ষা]] || ১০,৫৮০ || ✓
|-
| 42 || [[ভারতে নারী]] || ৬,১৫০ || ✓
|-
| 43 || [[বন্যপ্রাণীর কষ্ট]] || ৩৩,৭৪১ || ✓
|-
| 44 || [[নিরামিষবাদ]] || ৩০,৬২৭ || ✓
|-
| 45 || [[ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম রাষ্ট্রপতিত্ব]] || ৩৭,৫৭২ || ✓
|-
| 46 || [[নির্বাচন]] || ৭,০২৫ || ✓
|-
| 47 || [[সরকার]] || ২২,৭৫৯ || ✓
|-
| 48 || [[লিটিশা এলিজাবেথ ল্যান্ডন]] || ৩৪,০৩৩ || ✓
|-
| 49 || [[প্রজননবিরোধবাদ]] || ৩০,৯৪৮ || ✓
|-
| 50 || [[উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন]] || ২৮,৬১৬ || ✓
|-
| 51 || [[ক্রিস্টোফার হিচেন্স]] || ২৫,৯২২ || ✓
|-
| 52 || [[বলপূর্বক খাওয়ানো]] || ২২,৬২২ || ✓
|-
| 53 || [[জন স্টুয়ার্ট মিল]] || ২২,৭৮৩ || ✓
|-
| 54 || [[রবার্ট গ্যাসকয়েন-সিসিল, স্যালিসবারির ৩য় মার্কুইস]] || ২০,৮৯৮ || ✓
|-
| 55 || [[অ্যারন রা]] || ২১,৯৫৫ || ✓
|-
| 56 || [[ফায়ারপ্লেস]] || ২১,৪১৭ || ✓
|-
| 57 || [[জন হার্ভে কেলোগ]] || ৩০,৭৪৮ || ✓
|-
| 58 || [[মহুয়া মৈত্র]] || ৬৫০ || ✓
|-
| 59 || [[হেনরি হোম, লর্ড কেইমস]] || ১,২৯৬ || ✓
|-
| 60 || [[লেটি কটিন পোগ্রেবিন]] || ৩৭০ || ✓
|-
| 61 || [[মার্জ পিয়ার্সি]] || ৬,৭৯০ || ✓
|-
| 62 || [[এলেন ডুইবস]] || ৮০৪ || ✓
|-
| 63 || [[মেরেডিথ ট্যাক্স]] || ৪৯১ || ✓
|-
| 64 || [[মুলক রাজ আনন্দ]] || ২৩৫ || ✓
|-
| 65 || [[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ধর্ষণ]] || ১,৯২০ || ✓
|-
| 66 || [[সুসান ব্রাউনমিলার]] || ৯৯১ || ✓
|-
| 67 || [[রবিন মরগান]] || ১,২২১ || ✓
|-
| 68 || [[ভিভিয়ান গোর্নিক]] || ২,৬৯০ || ✓
|-
| 69 || [[ডরোথি রে হিলি]] || ২,৬৩৮ || ✕
|-
| 70 || [[ক্লডিয়া জোন্স]] || ১,২৯৯ || ✓
|-
| 71 || [[গের্ডা লার্নার]] || ৩,৪২৮ || ✓
|-
| 72 || [[এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন]] || ৯,৮০৪ || ✕
|-
| 73 || [[এলা রিভ ব্লুর]] || ১,৯১৭ || ✓
|-
| 74 || [[টমাস হিউজ]] || ৯৯৬ || ✓
|-
| 75 || [[মার্গারিট দুরাস]] || ৩৪৯ || ✓
|-
| 76 || [[বেন অ্যারোনোভিচ]] || ৮,৭৯৭ || ✓
|-
| 77 || [[গ্লেন কুক]] || ৯,৯৮৫ || ✓
|-
| 78 || [[আব্রাহাম কাহান]] || ২,১৩৩ || ✓
|-
| 79 || [[গ্রেস পেলি]] || ৮,১৬৪ || ✕
|-
| 80 || [[স্টিফেন ক্রেন]] || ১,৯৬৩ || ✕
|-
| 81 || [[জোসেফাইন হার্বস্ট]] || ৪২৭ || ✓
|-
| 82 || [[জর্জ গিসিং]] || ২,০০৫ || ✓
|-
| 83 || [[আনজিয়া ইয়েজিয়ারস্কা]] || ৩,২৬২ || ✕
|-
| 84 || [[মেরি অ্যান্টিন]] || ৪৯০ || ✓
|-
| 85 || [[জয়েস অ্যান্টলার]] || ৪২৯ || ✓
|-
| 86 || [[ক্যাথরিন ম্যাককিনন]] || ২,১৭৮ || ✓
|-
| 87 || [[বেটিনা আপথেকার]] || ১,০২০ || ✓
|-
| 88 || [[ক্যারি চ্যাপম্যান ক্যাট]] || ১,৬০৩ || ✓
|-
| 89 || [[জ্যানেট র্যাঙ্কিন]] || ৭২১ || ✓
|-
| 90 || [[ফ্রান্সেস উইলার্ড]] || ৯৪১ || ✕
|-
| 91 || [[অ্যালিস স্টোন ব্ল্যাকওয়েল]] || ৫৪০ || ✕
|-
| 92 || [[অ্যানা এলিজাবেথ ডিকিনসন]] || ৭৫১ || ✕
|-
| 93 || [[মেরি লিভারমোর]] || ২,৩০৭ || ✕
|-
| 94 || [[দাড়ি]] || ২৯৭ || ✓
|-
| 95 || [[স্যার হেনরি হোবার্ট, ১ম ব্যারোনেট]] || ৭৩৮ || ✓
|-
| 96 || [[হার্ডিঞ্জ স্ট্যানলি গিফার্ড, হালসবুরির ১ম আর্ল]] || ৪১৯ || ✓
|-
| 97 || [[এ. ভি. ডাইসি]] || ১,৩৮১ || ✕
|-
| 98 || [[আলফ্রেড ডেনিং, ব্যারন ডেনিং]] || ৩,৮৩২ || ✓
|-
| 99 || [[টমাস ডেনিসন]] || ৪০০ || ✓
|-
| 100 || [[স্যার ফ্রান্সিস বুলার, ১ম ব্যারোনেট]] || ৯৬২ || ✓
|-
| 101 || [[নিকোলাস ব্রাতজা]] || ২৬৪ || ✓
|-
| 102 || [[রবার্ট অ্যাটকিনস]] || ৩২৫ || ✓
|-
| 103 || [[রিচার্ড পেপার আর্ডেন, ১ম ব্যারন অ্যালভানলি]] || ৩৫১ || ✓
|-
| 104 || [[এডওয়ার্ড হল অল্ডারসন]] || ৪৪৬ || ✓
|-
| 105 || [[অ্যামব্রোজ বিয়ার্স]] || ৫,৫৪১ || ✕
|-
| 106 || [[মেওয়াত]] || ৭১৮ || ✓
|-
| 107 || [[নানাবতী-মেহতা কমিশন]] || ২,৪৪৪ || ✓
|-
| 108 || [[ভারতে ঔষধ শিল্প]] || ১,৯২১ || ✓
|-
| 109 || [[পাঞ্জাব]] || ১,৪০৬ || ✓
|-
| 110 || [[রামনবমী]] || ৮৬২ || ✓
|-
| 111 || [[ভারতের শহরসমূহের নাম পরিবর্তন]] || ৪৪১ || ✓
|-
| 112 || [[নুপুর শর্মা]] || ৬০১ || ✓
|-
| 113 || [[রিপাবলিক টিভি]] || ৪৫৫ || ✓
|-
| 114 || [[রোহিলখণ্ড]] || ৪৪০ || ✓
|-
| 115 || [[রোহিলা]] || ৩৪০ || ✓
|-
| 116 || [[সৌরাষ্ট্র]] || ৬৫৪ || ✓
|-
| 117 || [[ভারতে তিন তালাক]] || ১,১৩৪ || ✓
|-
| 118 || [[ভারতের পবিত্র উপবন]] || ৫৭৫ || ✓
|-
| 119 || [[অভিন্ন দেওয়ানি বিধি]] || ৩,৭৩৭ || ✓
|-
| 120 || [[নবনীত আদিত্য ওয়াইবা]] || ১৯২ || ✓
|-
| 121 || [[ভারতে জল সরবরাহ ও স্যানিটেশন]] || ৭৪০ || ✓
|-
| 122 || [[জমিদার]] || ৩৮১ || ✕
|-
| 123 || [[নিখিল ভারত মুসলিম লীগ]] || ২,৫৩৮ || ✓
|-
| 124 || [[ফতোয়া]] || ৪৮৪ || ✓
|-
| 125 || [[দারা শিকোহ]] || ১,৪৩৫ || ✓
|-
| 126 || [[আমেরিকা নিপাত যাক]] || ৬৩৯ || ✓
|-
| 127 || [[মহা শয়তান]] || ৪১৪ || ✓
|-
| 128 || [[উলামা]] || ৩৪৫ || ✓
|-
| 129 || [[দক্ষিণ এশিয়ায় মুসলিম জাতীয়তাবাদ]] || ১,৫১৬ || ✓
|-
| 130 || [[পার্সি-মুসলিম দাঙ্গা]] || ৬৫৬ || ✓
|-
| 131 || [[ভারতে দাঙ্গা]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 132 || [[ভারতে পেগাসাস প্রকল্পের উদঘাটন]] || ৩৯০ || ✓
|-
| 133 || [[নেহরুবাদ]] || ৯৫২ || ✓
|-
| 134 || [[২জি স্পেকট্রাম মামলা]] || ৯৩৭ || ✓
|-
| 135 || [[রাহুল গান্ধী]] || ৪,০০৪ || ✓
|-
| 136 || [[আকবরউদ্দিন ওয়াইসি]] || ২৯৮ || ✓
|-
| 137 || [[ভারতের সাধারণ নির্বাচন, ২০২৪]] || ২,৫৭৭ || ✓
|-
| 138 || [[ভারতে ধর্মনিরপেক্ষতা]] || ২৩৪ || ✓
|-
| 139 || [[নাইলা আলি খান]] || ২০৪ || ✓
|-
| 140 || [[অরুণ জেটলি]] || ৪৮১ || ✓
|-
| 141 || [[সুকেতু মেহতা]] || ৩৮২ || ✓
|-
| 142 || [[রুক্মিণী মৈত্র]] || ৩৫৪ || ✓
|-
| 143 || [[মানব গুপ্ত]] || ৬৩৪ || ✕
|-
| 144 || [[মোহিনী মোহন ধর]] || ৫৮৫ || ✓
|-
| 145 || [[দিলীপ কুমার চক্রবর্তী]] || ২,৫৯৭ || ✓
|-
| 146 || [[রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ৩৮৩ || ✓
|-
| 147 || [[পিটার অ্যাক্রয়েড]] || ২৯৭ || ✓
|-
| 148 || [[হ্যারল্ড ব্লুম]] || ৫৯৩ || ✓
|-
| 149 || [[জেমস বসওয়েল]] || ১,১৪৯ || ✓
|-
| 150 || [[অলিভার গোল্ডস্মিথ]] || ৩,১৭৮ || ✓
|-
| 151 || [[হেনরি জাইলস]] || ৭৯২ || ✓
|-
| 152 || [[এডউইন হাবেল চ্যাপিন]] || ৭৭০ || ✓
|-
| 153 || [[অবমাননা]] || ৭৮৮ || ✓
|-
| 154 || [[আদালত অবমাননা]] || ৮২৯ || ✓
|-
| 155 || [[আইনপ্রণেতা]] || ৭৪৩ || ✓
|-
| 156 || [[লেই বারডুগো]] || ১২২ || ✓
|-
| 157 || [[উইলিয়াম ব্রেট, ১ম ভিসকাউন্ট এশার]] || ১,০২০ || ✓
|-
| 158 || [[হেনরি হকিন্স, ১ম ব্যারন ব্র্যাম্পটন]] || ৩০৩ || ✓
|-
| 159 || [[জুনিয়াস]] || ১,৪১২ || ✓
|-
| 160 || [[উইলিয়াম মারে, ম্যানসফিল্ডের ১ম আর্ল]] || ৬৪৩ || ✓
|-
| 161 || [[জোসেফ ইয়েটস]] || ৬৬৬ || ✓
|-
| 162 || [[স্যার জন বেইলি, ১ম ব্যারোনেট]] || ৯১৮ || ✓
|-
| 163 || [[হেনরি বিকারস্টথ, ১ম ব্যারন ল্যাংডেল]] || ৪১৫ || ✓
|-
| 164 || [[এডওয়ার্ড ল, ১ম ব্যারন এলেনবরো]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 165 || [[লয়েড কেনিয়ন, ১ম ব্যারন কেনিয়ন]] || ৪,৪০৮ || ✓
|-
| 166 || [[জন হোল্ট]] || ১,১৮৯ || ✓
|-
| 167 || [[চার্লস বোয়েন, ব্যারন বোয়েন]] || ১,০৩৭ || ✓
|-
| 168 || [[চার্লস অ্যাবট, ১ম ব্যারন টেন্টারডেন]] || ৩৪১ || ✓
|-
| 169 || [[ন্যায়বিচার প্রশাসন]] || ২,৮৯৯ || ✓
|-
| 170 || [[আদালত]] || ১,৮১৮ || ✕
|-
| 171 || [[রোজান এ. ব্রাউন]] || ৩৪১ || ✓
|-
| 172 || [[মারিয়ন জিমার ব্র্যাডলি]] || ১,১০৪ || ✓
|-
| 173 || [[টেরি ব্রুকস]] || ৪৮৫ || ✓
|-
| 174 || [[লেই ব্র্যাকেট]] || ১,১১২ || ✓
|-
| 175 || [[জ্যাক ক্যাডি]] || ১,৫৬৮ || ✓
|-
| 176 || [[মেল ব্রুকস]] || ২,০১৬ || ✕
|-
| 177 || [[মাইকেল বিশপ]] || ৯৯০ || ✓
|-
| 178 || [[এলিজাবেথ বেয়ার]] || ৭০৫ || ✓
|-
| 179 || [[মার্গারেট বল]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 180 || [[পাওলো বাসিগালুপি]] || ৬৪৭ || ✓
|-
| 181 || [[কেলি আর্মস্ট্রং]] || ৫৮৫ || ✓
|-
| 182 || [[ক্যাথরিন আসরো]] || ৩৬১ || ✓
|-
| 183 || [[পিয়ার্স অ্যান্থনি]] || ২২৯ || ✓
|-
| 184 || [[রবার্ট আইকম্যান]] || ২৬৮ || ✓
|-
| 185 || [[আইনজীবী]] || ২,৩২৯ || ✓
|-
| 186 || [[আইনসভা]] || ২,৩৪৩ || ✓
|-
| 187 || [[জর্জ বুশনার]] || ৬৬২ || ✓
|-
| 188 || [[জোসেফ গার্নি ক্যানন]] || ৭০৯ || ✓
|-
| 189 || [[সংখ্যাগরিষ্ঠ]] || ১,৩৫৬ || ✓
|-
| 190 || [[সংখ্যালঘু গোষ্ঠী]] || ১,৮৮১ || ✓
|-
| 191 || [[প্রাতিষ্ঠানিক আচরণ]] || ৬৫৬ || ✓
|-
| 192 || [[মানব আচরণ]] || ৮৫২ || ✓
|-
| 193 || [[হার্ভে ম্যানসফিল্ড]] || ৯৭৯ || ✓
|-
| 194 || [[রাষ্ট্রবিজ্ঞান]] || ১,১৩৯ || ✓
|-
| 195 || [[রাজনৈতিক দর্শন]] || ১,২৮৫ || ✓
|-
| 196 || [[দ্বিজেন্দ্র নারায়ণ ঝা]] || ১,০৮৭ || ✓
|-
| 197 || [[আগ্রাসন]] || ৯২০ || ✓
|-
| 198 || [[হিন্দুত্ব]] || ২,৭০০ || ✓
|-
| 199 || [[ফ্লাভিয়া অ্যাগনেস]] || ৬৮২ || ✓
|-
| 200 || [[লাভ জিহাদ ষড়যন্ত্র তত্ত্ব]] || ৩,১৫০ || ✓
|-
| 201 || [[মহাত্মা গান্ধীর হত্যাকাণ্ড]] || ১,৭৭৮ || ✓
|-
| 202 || [[যোগিন্দর সিকান্দ]] || ৮১৪ || ✓
|-
| 203 || [[ভারতে মুসলিমদের বিরুদ্ধে সহিংসতা]] || ৮৫১ || ✓
|-
| 204 || [[জয় শ্রীরাম]] || ৭০৮ || ✓
|-
| 205 || [[লালকৃষ্ণ আডবাণী]] || ১,৫৫৫ || ✓
|-
| 206 || [[রাম রথযাত্রা]] || ১,৫৭৯ || ✓
|-
| 207 || [[হিন্দু আমেরিকান ফাউন্ডেশন]] || ১,৪৫৫ || ✓
|-
| 208 || [[হর্ষ মান্দার]] || ৬৬০ || ✓
|-
| 209 || [[স্বপন দাশগুপ্ত]] || ১,১৬৭ || ✓
|-
| 210 || [[জরাথুস্ট্রবাদ]] || ৩৭৭ || ✓
|-
| 211 || [[পার্সি]] || ৩৯০ || ✓
|-
| 212 || [[নাগরিকত্ব]] || ১,৮৭৯ || ✓
|-
| 213 || [[ভারতের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৭০]] || ৬৭৯ || ✓
|-
| 214 || [[মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯]] || ৭৬৯ || ✓
|-
| 215 || [[অবৈতনিক বাধ্যতামূলক শিশু শিক্ষার অধিকার আইন, ২০০৯]] || ৩৭৯ || ✓
|-
| 216 || [[বোম্বাই দাঙ্গা]] || ৭৭৬ || ✓
|-
| 217 || [[বজরং দল]] || ৩৩১ || ✓
|-
| 218 || [[সংসদীয় ব্যবস্থা]] || ৪০৫ || ✓
|-
| 219 || [[বিচার বিভাগীয় ব্যাখ্যা]] || ১,২৩২ || ✓
|-
| 220 || [[বর্ণবাদ পরবর্তী আমেরিকা]] || ১,০৬৯ || ✓
|-
| 221 || [[শ্বেতাঙ্গ বিশেষাধিকার]] || ৬২৮ || ✓
|-
| 222 || [[বিশেষাধিকার]] || ৭১২ || ✓
|-
| 223 || [[মানবহিতৈষণা]] || ২২৮ || ✓
|-
| 224 || [[ভারত সরকার]] || ১,২২০ || ✓
|-
| 225 || [[শিলং]] || ৯৭৩ || ✓
|-
| 226 || [[মাঝৌলি রাজ]] || ৫৬০ || ✓
|-
| 227 || [[কালিকট]] || ৪৫৪ || ✓
|-
| 228 || [[যাজপুর]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 229 || [[কালিবাঙ্গান]] || ৭৩৮ || ✓
|-
| 230 || [[কাডাপা]] || ৪১৩ || ✓
|-
| 231 || [[ইদার]] || ৫৮৬ || ✓
|-
| 232 || [[গোধরা]] || ১,০১০ || ✓
|-
| 233 || [[ভুবনেশ্বর]] || ১,১৬৫ || ✓
|-
| 234 || [[অমৃতসর]] || ৮৬৮ || ✓
|-
| 235 || [[আম্বালা]] || ৪৬১ || ✓
|-
| 236 || [[হায়দ্রাবাদ]] || ৩,২৪৮ || ✓
|-
| 237 || [[২০১৯ হায়দ্রাবাদ গণধর্ষণ]] || ১৭৭ || ✓
|-
| 238 || [[মুহাম্মাদ বখতিয়ার খলজি]] || ৪২৩ || ✕
|-
| 239 || [[হায়দ্রাবাদ অধিগ্রহণ]] || ৪৫৬ || ✓
|-
| 240 || [[১৮৯৯-১৯০০ সালের ভারতীয় দুর্ভিক্ষ]] || ৫৪১ || ✓
|-
| 241 || [[১৯৯০ হায়দ্রাবাদ দাঙ্গা]] || ৪০৬ || ✓
|-
| 242 || [[গুয়াহাটি]] || ১,৭৯৬ || ✓
|-
| 243 || [[গৌড়]] || ১,৯৩৬ || ✓
|-
| 244 || [[বিজাপুর]] || ৬৬২ || ✓
|-
| 245 || [[মাণ্ডু]] || ৩৯৪ || ✓
|-
| 246 || [[খাজুরাহো]] || ৩৭১ || ✓
|-
| 247 || [[চান্দেরী]] || ৫০৭ || ✓
|-
| 248 || [[জুনাগড়]] || ৭১৯ || ✓
|-
| 249 || [[বৃহৎ কচ্ছের রাণ]] || ৫৮৪ || ✓
|-
| 250 || [[আহমেদাবাদ]] || ১,৮১২ || ✓
|-
| 251 || [[কচ্ছ জেলা]] || ৩২৬ || ✓
|-
| 252 || [[দৃশদ্বতী নদী]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 253 || [[চেনাব নদী]] || ৩২১ || ✓
|-
| 254 || [[পশ্চিমবঙ্গে ধর্ম]] || ১,২৩২ || ✓
|-
| 255 || [[মুর্শিদাবাদ সহিংসতা]] || ২৫৭ || ✓
|-
| 256 || [[২০২৪ সন্দেশখালী সহিংসতা]] || ১,০৬১ || ✓
|-
| 257 || [[২০২২ বীরভূম সহিংসতা]] || ৫১৪ || ✓
|-
| 258 || [[মৈতৈ জাতি]] || ৬৪০ || ✓
|-
| 259 || [[মৈতৈ সভ্যতা]] || ৩৫০ || ✓
|-
| 260 || [[মণিপুর]] || ৩০৬ || ✓
|-
| 261 || [[লাক্ষাদ্বীপ]] || ৩২৯ || ✓
|-
| 262 || [[বৃন্দাবন]] || ৭৩৩ || ✓
|-
| 263 || [[সম্ভল]] || ২৪৩ || ✓
|-
| 264 || [[এলাহাবাদ]] || ৩৫৭ || ✓
|-
| 265 || [[আলিগড়]] || ৪০৯ || ✓
|-
| 266 || [[স্ট্যাচু অব ইউনিটি]] || ২৪১ || ✓
|-
| 267 || [[ভারতের দুর্গ]] || ৩১৪ || ✓
|-
| 268 || [[দ্য দুন স্কুল]] || ৬৬৪ || ✓
|-
| 269 || [[কাশী হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়]] || ৩৪৫ || ✓
|-
| 270 || [[আগ্রা]] || ৭১৮ || ✓
|-
| 271 || [[২০২০ দিল্লি দাঙ্গা]] || ১,১৭৮ || ✓
|-
| 272 || [[তিরুচিরাপল্লী]] || ৬২৬ || ✓
|-
| 273 || [[সেন্ট থমাস ক্যাথেড্রাল ব্যাসিলিকা, চেন্নাই]] || ৩৮০ || ✕
|-
| 274 || [[আতঙ্ক]] || ৪৭৮ || ✓
|-
| 275 || [[ভারতে দুর্নীতি]] || ১,০০৭ || ✓
|-
| 276 || [[তামিলনাড়ুর মন্দির]] || ৯১৮ || ✓
|-
| 277 || [[এম. কে. স্ট্যালিন]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 278 || [[তামিলনাড়ু]] || ৫৪৩ || ✓
|-
| 279 || [[তামিলনাড়ুর হিন্দি বিরোধী আন্দোলন]] || ৪৬৫ || ✓
|-
| 280 || [[যোধপুর]] || ৬২৮ || ✓
|-
| 281 || [[রাজস্থান]] || ২৯৪ || ✓
|-
| 282 || [[ওড়িশা]] || ৭৪৫ || ✓
|-
| 283 || [[১৯৯৮ কোয়েম্বাটুর বোমা হামলা]] || ৫৩৭ || ✓
|-
| 284 || [[উত্তর-পূর্ব ভারতে বিদ্রোহ]] || ৩৯৮ || ✓
|-
| 285 || [[মারাদ হত্যাকাণ্ড]] || ৩৫২ || ✓
|-
| 286 || [[মক্কা মসজিদ বিস্ফোরণ]] || ৫৮৪ || ✓
|-
| 287 || [[স্টুডেন্টস ইসলামিক মুভমেন্ট অব ইন্ডিয়া]] || ৩৫৭ || ✓
|-
| 288 || [[বিষ্ণু]] || ৬১৭ || ✓
|-
| 289 || [[২০২৪ রিয়াসি হামলা]] || ৩০২ || ✓
|-
| 290 || [[২০০৬ মালেগাঁও বোমা হামলা]] || ৩৯১ || ✓
|-
| 291 || [[২০০৬ মুম্বই রেলে বোমা হামলা]] || ১৯০ || ✓
|-
| 292 || [[মুম্বই]] || ১,২২৪ || ✓
|-
| 293 || [[দৌলতাবাদ, মহারাষ্ট্র]] || ৮৯৫ || ✕
|-
| 294 || [[মহারাষ্ট্র]] || ৪৯৯ || ✓
|-
| 295 || [[পিনারাই বিজয়ন]] || ৫২৩ || ✓
|-
| 296 || [[আরব দেশ]] || ৯১৪ || ✓
|-
| 297 || [[দক্ষিণ এশিয়া]] || ৫৯৩ || ✓
|-
| 298 || [[শহুরে অবক্ষয়]] || ৩০৮ || ✓
|-
| 299 || [[নগরায়ন]] || ১,০৯৭ || ✓
|-
| 300 || [[কেরল]] || ৩৬৫ || ✓
|-
| 301 || [[জম্মু ও কাশ্মীরে বিদ্রোহ]] || ৪১৮ || ✓
|-
| 302 || [[জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহার]] || ৯৬৪ || ✓
|-
| 303 || [[শ্রীনগর]] || ১,৭২৯ || ✓
|-
| 304 || [[কাশ্মীর উপত্যকা]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 305 || [[লাদাখ]] || ৬৯৪ || ✓
|-
| 306 || [[কাশ্মীরি জাতি]] || ৮১৩ || ✓
|-
| 307 || [[তারিখ-ই-কাশ্মীর]] || ৫১৪ || ✓
|-
| 308 || [[কর্ণাটক]] || ৬৮২ || ✓
|-
| 309 || [[কর্ণাটকের রাজনীতি]] || ৪৩৯ || ✓
|-
| 310 || [[বেঙ্গালুরু]] || ৬১৪ || ✓
|-
| 311 || [[আসামে ইসলাম]] || ৬৯০ || ✓
|-
| 312 || [[আসামের ইতিহাস]] || ৭২৬ || ✓
|-
| 313 || [[আসামে হিন্দুধর্ম]] || ৩২৫ || ✓
|-
| 314 || [[ভারতের জনমিতি]] || ৩,৩৭৩ || ✓
|-
| 315 || [[বাংলাদেশের জনমিতি]] || ১,১৯৫ || ✓
|-
| 316 || [[পাকিস্তানের জনমিতি]] || ৮৫০ || ✓
|-
| 317 || [[আসামের জনমিতি]] || ১৮২ || ✓
|-
| 318 || [[বিহার]] || ৪৫৮ || ✓
|-
| 319 || [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] || ১৮১ || ✓
|-
| 320 || [[শাহ বানু মামলা]] || ৮০০ || ✓
|-
| 321 || [[ইসরায়েল–ভারত সম্পর্ক]] || ৮৯৭ || ✓
|-
| 322 || [[প্রণব মুখোপাধ্যায়]] || ৫৯৫ || ✓
|-
| 323 || [[দ্রৌপদী মুর্মু]] || ২৪৯ || ✓
|-
| 324 || [[ফখরুদ্দিন আলি আহমেদ]] || ১,৬৪৭ || ✓
|-
| 325 || [[এলজিবিটিকিউ অধিকার বিরোধিতা]] || ২,০৪৯ || ✓
|-
| 326 || [[গেফোবিয়া]] || ২৭৮ || ✓
|-
| 327 || [[সমকামী যৌন চর্চা]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 328 || [[উভকামিতা]] || ১,৫৬০ || ✓
|-
| 329 || [[কামিং আউট]] || ৮০৫ || ✓
|-
| 330 || [[স্মৃতি ইরানি]] || ৯৯১ || ✓
|-
| 331 || [[মেনকা গান্ধী]] || ১,২৩০ || ✓
|-
| 332 || [[যশবন্ত সিং]] || ২০৬ || ✓
|-
| 333 || [[সৈয়দ শাহাবুদ্দিন]] || ৫৭৯ || ✓
|-
| 334 || [[শাকিল আহমদ]] || ১২৪ || ✓
|-
| 335 || [[তথাগত রায়]] || ২৭৫ || ✓
|-
| 336 || [[লালুপ্রসাদ যাদব]] || ১,১০৯ || ✓
|-
| 337 || [[আসাদউদ্দিন ওয়াইসি]] || ৫০২ || ✓
|-
| 338 || [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনী]] || ১৯,১০০ || ✕
|-
| 339 || [[ভাকলাভ হাভেল]] || ৯,৩৫৭ || ✓
|-
| 340 || [[নরউইচের জুলিয়ান]] || ৩১,৬৩৩ || ✓
|-
| 341 || [[রামসে ম্যাকডোনাল্ড]] || ৯,৬২২ || ✓
|-
| 342 || [[জন মুয়ির]] || ৮,০৬১ || ✓
|-
| 343 || [[মার্গারেট অ্যাটউড]] || ৬,৩২৮ || ✓
|-
| 344 || [[পেত্র ক্রাপোতকিন]] || ১০,৮১৬ || ✓
|-
| 345 || [[টমাস হেনরি হাক্সলি]] || ৮,৫০৩ || ✓
|-
| 346 || [[উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস]] || ৭,২১০ || ✓
|-
| 347 || [[উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস]] || ৪,২৬০ || ✓
|-
| 348 || [[তাওয়াক্কোল কারমান]] || ৪,০৯৭ || ✓
|-
| 349 || [[র্যাচেল কারসন]] || ৪,৭৬৭ || ✓
|-
| 350 || [[আর্নেস্ট হেমিংওয়ে]] || ১৪,৯০৭ || ✓
|-
| 351 || [[আর্থার এডিংটন]] || ৫,৬৩৭ || ✓
|-
| 352 || [[এরিক হবসবাউম]] || ৫,৮৭৩ || ✓
|-
| 353 || [[টনি মরিসন]] || ১০,৩৮৩ || ✓
|-
| 354 || [[টনি বেন]] || ১০,৩৯৯ || ✓
|-
| 355 || [[নরম্যান মেইলার]] || ৬,৬০৬ || ✓
|-
| 356 || [[পল স্যামুয়েলসন]] || ৬,৮৫১ || ✓
|-
| 357 || [[এইচ. পি. লাভক্র্যাফট]] || ২৫,৪৭২ || ✓
|-
| 358 || [[ব্লেজ পাসকাল]] || ৩,০৫১ || ✓
|-
| 359 || [[চিনুয়া আচেবে]] || ৬,০৪২ || ✓
|-
| 360 || [[ডরিস লেসিং]] || ৪,৬২১ || ✓
|-
| 361 || [[ফেদেরিকো ফাগিন]] || ৬০০ || ✓
|-
| 362 || [[আলেকজান্ডার গ্রোথেনডিক]] || ১,২১১ || ✓
|-
| 363 || [[আঙ্গেলা ম্যার্কেল]] || ২,০২৯ || ✓
|-
| 364 || [[আনাক্সাগোরাস]] || ৩,৬৭১ || ✓
|-
| 365 || [[আমোস তভারস্কি]] || ৪৬১ || ✓
|-
| 366 || [[আলফ্রেড মার্শাল]] || ১,৩০৯ || ✓
|-
| 367 || [[আলবার্টাস ম্যাগনাস]] || ৩৮২ || ✓
|-
| 368 || [[অনিতা ব্রুকনার]] || ৪৭৪ || ✓
|-
| 369 || [[আলফ্রেড কিনসে]] || ১,০৩৩ || ✓
|-
| 370 || [[অ্যালান কে]] || ৯২৪ || ✓
|-
| 371 || [[আলেকজান্ডার ফ্লেমিং]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 372 || [[ক্যারোলিন বার্তোজি]] || ৪১১ || ✓
|-
| 373 || [[আলফ্রেড রাসেল ওয়ালেস]] || ১,৬৫৯ || ✓
|-
| 374 || [[অঁতোয়ান লাভোয়াজিয়ে]] || ১,৪৬৩ || ✕
|-
| 375 || [[ভ্রান্ত উদ্ধৃতি]] || ৯,৮৭১ || ✓
|-
| 376 || [[২০১১ ফিফা মহিলা বিশ্বকাপ]] || ৯৬৩ || ✓
|-
| 377 || [[তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] || ৩,১৭৯ || ✓
|-
| 378 || [[আফগান যুদ্ধ]] || ৪,৬২০ || ✓
|-
| 379 || [[ইউক্রেনে রুশ আক্রমণ]] || ১২,৩৮২ || ✓
|-
| 380 || [[ইরাক যুদ্ধ]] || ১২,৩৪৪ || ✓
|-
| 381 || [[যুক্তরাজ্যের তৃতীয় জর্জ]] || ১২,০৪২ || ✓
|-
| 382 || [[২০১০ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৮৮৩ || ✓
|-
| 383 || [[২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৩,৫১৪ || ✓
|-
| 384 || [[২০০২ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৬১১ || ✓
|-
| 385 || [[ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ]] || ১,৫৪২ || ✓
|-
| 386 || [[স্নায়ুযুদ্ধ]] || ১৫,৬১০ || ✓
|-
| 387 || [[দ্বিতীয় স্নায়ুযুদ্ধ]] || ৪,৬৬৮ || ✓
|-
| 388 || [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] || ২৪,১৭৭ || ✓
|-
| 389 || [[মহত্ত্ব]] || ৭,৮১৪ || ✓
|-
| 390 || [[সাংবাদিকতা]] || ১৩,৪৭০ || ✓
|-
| 391 || [[প্যানডিজম]] || ১০,৩০০ || ✓
|-
| 392 || [[গাজা যুদ্ধ]] || ১৬,৯৮২ || ✓
|-
| 393 || [[২০২৬ ইরান যুদ্ধ]] || ৬,৯৫৯ || ✓
|-
| 394 || [[পারমাণবিক অস্ত্র]] || ৩,২৩৩ || ✓
|-
| 395 || [[২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৬৪৩ || ✓
|-
| 396 || [[ক্রুসেড]] || ৯৯৬ || ✓
|-
| 397 || [[অ্যানিমেশন]] || ৯,৪৫৭ || ✓
|-
| 398 || [[দক্ষিণ কোরিয়ার রাজনীতি]] || ৭৫৫ || ✓
|-
| 399 || [[ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ]] || ৩,৭৬২ || ✓
|-
| 400 || [[পারমাণবিক যুদ্ধ]] || ৫,৫২০ || ✓
|-
| 401 || [[আল খোয়ারিজমি]] || ১,২৩০ || ✓
|-
| 402 || [[ফজলে রাব্বী]] || ৬৩৫ || ✓
|-
| 403 || [[ডেভিড হিউম]] || ১১,৭৮০ || ✓
|-
| 404 || [[লিওনিদ ক্যান্টোরোভিচ]] || ১,৪২২ || ✓
|-
| 405 || [[থিওডোসিয়াস ডবঝানস্কি]] || ৭৬০ || ✕
|-
| 406 || [[টেরেন্স টাও]] || ৭২০ || ✓
|-
| 407 || [[ফিলিপ]] || ৪২৬ || ✓
|-
| 408 || [[জুলিয়ান শুইঙার]] || ১,৩২২ || ✕
|-
| 409 || [[পিয়ের-জিল দ্য জেন]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 410 || [[ব্রায়ান কক্স]] || ৭৫৬ || ✓
|-
| 411 || [[জন ম্যাককার্থি]] || ১,০৪৫ || ✓
|-
| 412 || [[লুই দ্য ব্রোয়ি]] || ৪৬০ || ✓
|-
| 413 || [[ফ্রঁসোয়া মিতেরঁ]] || ১,১৯৪ || ✕
|-
| 414 || [[ফ্লিন্ডার্স পেট্রি]] || ১,২০৪ || ✕
|-
| 415 || [[পল আর. এহর্লিচ]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 416 || [[মাইকেল আতিয়াহ]] || ৪২৩ || ✓
|-
| 417 || [[মার্টন মিলার]] || ৪৮২ || ✓
|-
| 418 || [[মেরি বিয়ার্ড]] || ৯১১ || ✓
|-
| 419 || [[মার্গারেট চ্যান]] || ৭০৪ || ✓
|-
| 420 || [[গেরহার্ড শ্রোডার]] || ২৬৯ || ✓
|-
| 421 || [[ফিলিপ ওয়ারেন অ্যান্ডারসন]] || ৭৯৯ || ✓
|-
| 422 || [[পিটার হিগস]] || ৪৭৪ || ✕
|-
| 423 || [[লিওনার্ড সাসকিন্ড]] || ৮২৫ || ✓
|-
| 424 || [[জন মেইনার্ড স্মিথ]] || ৬৪০ || ✓
|-
| 425 || [[জন জেমস অডুবন]] || ৮৩৭ || ✓
|-
| 426 || [[শেলডন লি গ্ল্যাশো]] || ৭৫১ || ✓
|-
| 427 || [[ভিক্টর উইসকফ]] || ৫১৯ || ✓
|-
| 428 || [[মার্টিন রিস]] || ৫৫১ || ✓
|-
| 429 || [[মার্ক ওলিফ্যান্ট]] || ৫৫৩ || ✓
|-
| 430 || [[ভিতালি গিঞ্জবার্গ]] || ৩০৮ || ✓
|-
| 431 || [[স্যালি রাইড]] || ৪২৫ || ✓
|-
| 432 || [[রবার্ট ফোগেল]] || ৪২৮ || ✓
|-
| 433 || [[রিঙ্গো স্টার]] || ৮৭০ || ✓
|-
| 434 || [[মাক্স ডেলব্রুক]] || ৫৭৫ || ✓
|-
| 435 || [[তৃতীয় লেওপোল্ড]] || ৮৩৭ || ✓
|-
| 436 || [[নরম্যান বোরল্যাগ]] || ৭০০ || ✓
|-
| 437 || [[নিকলাউস ভির্ট]] || ৪৭৯ || ✓
|-
| 438 || [[নিকোলাস স্টেনো]] || ২৯২ || ✓
|-
| 439 || [[নেভিল ফ্রান্সিস মট]] || ৫১১ || ✓
|-
| 440 || [[লুডউইক ফ্লেক]] || ৫১২ || ✓
|-
| 441 || [[কারেন উলেনবেক]] || ৩৯২ || ✓
|-
| 442 || [[ইয়োসেফ মেংগেলে]] || ৫৪৪ || ✓
|-
| 443 || [[কিরণ দেশাই]] || ২৬১ || ✓
|-
| 444 || [[কাতালিন কারিকো]] || ৩০৯ || ✓
|-
| 445 || [[ইয়োন্স ইয়াকব বের্সেলিয়ুস]] || ৫১৬ || ✓
|-
| 446 || [[হুয়ান মালদাসেনা]] || ৭৩২ || ✓
|-
| 447 || [[হাইনরিখ বোল]] || ৩০০ || ✓
|-
| 448 || [[ইনগ্রিড ডোবিচি]] || ৬৭১ || ✓
|-
| 449 || [[ইয়ান উইলমুট]] || ৪২৭ || ✓
|-
| 450 || [[হিউ এভারেট]] || ৬০০ || ✓
|-
| 451 || [[ফ্রঁসোয়া অংল্যার]] || ৫৩৩ || ✓
|-
| 452 || [[এমানুয়েল সোয়েডেনবার্গ]] || ১,৫২২ || ✓
|-
| 453 || [[এলিজাবেথ বিশপ]] || ৬৫২ || ✓
|-
| 454 || [[শেখ আন্তা দিওপ]] || ৩৩৫ || ✓
|-
| 455 || [[জর্জ গ্যামো]] || ১,৫২১ || ✓
|-
| 456 || [[হাইনরিখ হের্ত্স]] || ১,৭৪৪ || ✓
|-
| 457 || [[গ্রো হারলেম ব্রুন্ডটল্যান্ড]] || ৩১১ || ✓
|-
| 458 || [[জন সি. মাদার]] || ৪২৫ || ✓
|-
| 459 || [[জন ব্যাকাস]] || ৫৯৭ || ✓
|-
| 460 || [[এর্নস্ট মায়ার]] || ৭৫৪ || ✓
|-
| 461 || [[লিন মার্গুলিস]] || ১,৭১৮ || ✓
|-
| 462 || [[হ্যান্স বেটে]] || ৩৯৬ || ✓
|-
| 463 || [[লুই আগাসিজ]] || ৯৩৭ || ✓
|-
| 464 || [[জর্জ ক্যুভিয়ে]] || ৭৬৮ || ✓
|-
| 465 || [[ব্রাসেলস]] || ৯৬৭ || ✓
|-
| 466 || [[ড্যানিয়েল কানেমান]] || ২,৯৫৭ || ✕
|-
| 467 || [[ডোনাল্ড কানুথ]] || ১,৫৮২ || ✓
|-
| 468 || [[লেমাহ গবোউই]] || ১,১৫০ || ✓
|-
| 469 || [[গারট্রুড বি. এলিয়ন]] || ২৩৪ || ✓
|-
| 470 || [[ডোনা স্ট্রিকল্যান্ড]] || ৩৫৯ || ✓
|-
| 471 || [[এর্নস্ট মাখ]] || ২,০২৮ || ✕
|-
| 472 || [[ডোনাল্ড টাস্ক]] || ১,৭৭১ || ✓
|-
| 473 || [[অরবিন্দ আদিগা]] || ৮৬৬ || ✓
|-
| 474 || [[সি. এ. আর. হোর]] || ১,০৬১ || ✕
|-
| 475 || [[পল ডিরাক]] || ৪,৭০৯ || ✕
|-
| 476 || [[ই. ও. উইলসন]] || ৪,৪৫৮ || ✕
|-
| 477 || [[ডেসমন্ড মরিস]] || ৩,৯৮৬ || ✓
|-
| 478 || [[মাইকেল গোভ]] || ৩,৭৩৬ || ✓
|-
| 479 || [[হার্পার লি]] || ২,৪৯১ || ✓
|-
| 480 || [[কেন টম্পসন]] || ১,৮১৬ || ✓
|-
| 481 || [[জন টিন্ডাল]] || ২,৫২৮ || ✓
|-
| 482 || [[মেরি রবিনসন]] || ১,৩৭৬ || ✓
|-
| 483 || [[হেনরি ক্যাভেন্ডিশ]] || ২,২৪৪ || ✓
|-
| 484 || [[আইরিস মারডক]] || ১,২৬৮ || ✓
|-
| 485 || [[আর্নেস্ট রাদারফোর্ড]] || ২,৪৫৩ || ✓
|-
| 486 || [[ফ্রেড ব্রুকস]] || ১,১৯১ || ✓
|-
| 487 || [[ক্রিস্টিয়ান হাইগেনস]] || ১,৯০৭ || ✓
|-
| 488 || [[ডায়ান ফসি]] || ১,৬৪৬ || ✕
|-
| 489 || [[ইডিথ হোয়ার্টন]] || ১,৪২৫ || ✓
|-
| 490 || [[অরেল স্টেইন]] || ১,৪৭৮ || ✕
|-
| 491 || [[গাব্রিয়েলা মিস্ত্রাল]] || ১,৬৫০ || ✓
|-
| 492 || [[আলেকজান্ডার ফন হুমবোল্ট]] || ১,১২০ || ✓
|-
| 493 || [[ফ্রান্সিস্কো ভারেলা]] || ১,৮৯৩ || ✓
|-
| 494 || [[ডেনিস রিচি]] || ১,১০৮ || ✓
|-
| 495 || [[অড্রে হেপবার্ন]] || ১,৪৩৫ || ✓
|-
| 496 || [[জি. এইচ. হার্ডি]] || ২,৩৩০ || ✓
|-
| 497 || [[হ্যারল্ড পিন্টার]] || ২,০৭২ || ✓
|-
| 498 || [[অ্যানাক্সিম্যান্ডার]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 499 || [[ডেভিড ব্রুস্টার]] || ২,৪০৪ || ✓
|-
| 500 || [[ব্রায়ান গ্রিন]] || ১,২৭৯ || ✕
|-
| 501 || [[অমিত গোস্বামী]] || ৯১৫ || ✓
|-
| 502 || [[এডমন্ড হ্যালি]] || ২,৬১৯ || ✓
|-
| 503 || [[ডেভিড সুজুকি]] || ১,৫১৭ || ✓
|-
| 504 || [[ডেভিড জোনাথন গ্রোস]] || ৮০৯ || ✓
|-
| 505 || [[ডেভিড ম্যামেট]] || ১,২৫২ || ✓
|-
| 506 || [[আহমেদ জেওয়াইল]] || ১৯২ || ✓
|-
| 507 || [[ইউরোপীয় পার্লামেন্ট]] || ৬১৫ || ✓
|-
| 508 || [[ডেভিড গ্রসম্যান]] || ৩৩৬ || ✓
|-
| 509 || [[হরিশ-চন্দ্র]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 510 || [[অনিতা দেসাই]] || ১,৪৩৯ || ✓
|-
| 511 || [[অ্যাশ কার্টার]] || ৪৬৩ || ✓
|-
| 512 || [[আলফ্রেড নোবেল]] || ৫০৯ || ✕
|-
| 513 || [[ক্রিস্টিয়ান বার্নার্ড]] || ৬৩৯ || ✓
|-
| 514 || [[রেজা পাহলভি]] || ৯,৯১০ || ✓
|-
| 515 || [[রজার ইবার্ট]] || ২১,৩২৫ || ✓
|-
| 516 || [[পুনর্জন্ম]] || ২০,২৪৮ || ✓
|-
| 517 || [[জ্যারেড ডায়মন্ড]] || ১,১৬৮ || ✕
|-
| 518 || [[জেন গুডাল]] || ১,৩৫৭ || ✓
|-
| 519 || [[জেমস টোবিন]] || ১,০৫৯ || ✓
|-
| 520 || [[জেমস ক্যালাহান]] || ১,৬১৫ || ✓
|-
| 521 || [[উইলিয়াম স্ট্যানলি জেভন্স]] || ১,৭০১ || ✓
|-
| 522 || [[উইলিয়াম থমসন]] || ১,০৫১ || ✓
|-
| 523 || [[ওলে সোয়িংকা]] || ৩,১৬১ || ✕
|-
| 524 || [[জোসেফ স্টিগলিটজ]] || ১,৫০৪ || ✕
|-
| 525 || [[গ্রেগর মেন্ডেল]] || ৮৭৪ || ✓
|-
| 526 || [[গটফ্রিড ভিলহেল্ম লাইবনিৎস]] || ১,২৩৬ || ✓
|-
| 527 || [[গ্লেন থিওডোর সিবর্গ]] || ৯৮৪ || ✓
|-
| 528 || [[হেরমান ভাইল]] || ১,৫৪১ || ✓
|-
| 529 || [[হেরমান হেস]] || ৪,৫৬৫ || ✓
|-
| 530 || [[হার্বার্ট স্পেন্সার]] || ২,৩৬৮ || ✓
|-
| 531 || [[হার্বার্ট এ. সাইমন]] || ১,৩৩৭ || ✓
|-
| 532 || [[হেরাক্লিটাস]] || ১,৫৭০ || ✓
|-
| 533 || [[হেনরিক শিয়েনকিয়েভিচ]] || ১,৯১১ || ✕
|-
| 534 || [[উইলা ক্যাথার]] || ৩,০৩৩ || ✕
|-
| 535 || [[উইল ডুরান্ট]] || ২,৮১৫ || ✓
|-
| 536 || [[ডব্লিউ. এইচ. অডেন]] || ২,৮১৯ || ✓
|-
| 537 || [[ভোলফগাং পাউলি]] || ১,৬৩৯ || ✓
|-
| 538 || [[ইয়াসুনারি কাওয়াবাতা]] || ২,২৫৮ || ✓
|-
| 539 || [[জন আর্চিবল্ড হুইলার]] || ১,১৩৯ || ✓
|-
| 540 || [[সেমুর হার্শ]] || ১,৭৬১ || ✓
|-
| 541 || [[সের্গেই কোরোলিয়ভ]] || ৫৬৫ || ✓
|-
| 542 || [[জেন অ্যাডামস]] || ১,৯০৬ || ✓
|-
| 543 || [[জাক-ইভ কুস্তো]] || ৬৬৩ || ✓
|-
| 544 || [[হিদেকি ইউকাওয়া]] || ৪০৩ || ✓
|-
| 545 || [[প্রিমো লেভি]] || ৪,২৩৮ || ✓
|-
| 546 || [[ঝুম্পা লাহিড়ী]] || ৪৩০ || ✓
|-
| 547 || [[জেমস প্রেসকট জুল]] || ৪৮৭ || ✓
|-
| 548 || [[উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা]] || ৪,৮৫১ || ✓
|-
| 549 || [[সংবাদ মাধ্যম]] || ১,১৫৫ || ✓
|-
| 550 || [[গণমাধ্যম]] || ৩,৩৫৭ || ✓
|-
| 551 || [[মূলধারার গণমাধ্যম]] || ১,০৫২ || ✓
|-
| 552 || [[হলুদ সাংবাদিকতা]] || ২,২৯৬ || ✓
|-
| 553 || [[ভুয়া সংবাদ]] || ১,৪০৮ || ✓
|-
| 554 || [[বিকল্প প্রচারমাধ্যম]] || ১,২০৫ || ✓
|-
| 555 || [[জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ]] || ১১,২৬৬ || ✓
|-
| 556 || [[অ্যানোনিমাস]] || ৪,০৪৩ || ✓
|-
| 557 || [[টুপাক শাকুর]] || ৬,২৮৭ || ✓
|-
| 558 || [[জেনডেয়া]] || ২,০১৪ || ✓
|-
| 559 || [[টিমথি শালামে]] || ১,১২৭ || ✓
|-
| 560 || [[হিপোক্রেটিস]] || ২,৯২৩ || ✓
|-
| 561 || [[ষষ্ঠ মুহাম্মদ]] || ৮৭৮ || ✓
|-
| 562 || [[জন লেনক্স]] || ৭০২ || ✓
|-
| 563 || [[আলেক্সান্দ্র্ সলজেনিৎসিন]] || ৮,০৫৬ || ✓
|-
| 564 || [[আবদুল হান্নান মাসউদ]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 565 || [[পরকাল সম্পর্কে কুরআন]] || ১৮,৭৯৪ || ✓
|-
| 566 || [[মানবতাবিরোধী অপরাধ]] || ১,৯১২ || ✓
|-
| 567 || [[আন্তর্জাতিক আইন]] || ৫,৫৩৯ || ✓
|-
| 568 || [[মোহাম্মদ জাওয়াদ জারিফ]] || ১,৪৫২ || ✓
|-
| 569 || [[অনিল ভৌমিক]] || ২১৬ || ✓
|-
| 570 || [[মনোজ মিত্র]] || ৫,৫৬৭ || ✓
|-
| 571 || [[নারায়ণ সান্যাল]] || ৩৬৬ || ✓
|-
| 572 || [[মতি নন্দী]] || ৫,০১৮ || ✓
|-
| 573 || [[দেবেশ রায়]] || ৯,২৪৪ || ✓
|-
| 574 || [[শিশিরকুমার বসু]] || ৪,৮০৭ || ✓
|-
| 575 || [[বিমল কর]] || ১,৩৬৯ || ✓
|-
| 576 || [[সুবোধ সরকার]] || ১,৮৪৮ || ✓
|-
| 577 || [[স্মরণজিৎ চক্রবর্তী]] || ৭৯২ || ✓
|-
| 578 || [[স্বামী সারদানন্দ]] || ৮,৬৯৫ || ✓
|-
| 579 || [[শক্তিপদ রাজগুরু]] || ৯৯৩ || ✓
|-
| 580 || [[কমলকুমার মজুমদার]] || ১,৫৭৩ || ✓
|-
| 581 || [[গৌতম ভদ্র]] || ৬৮৫ || ✓
|-
| 582 || [[পরিমল গোস্বামী]] || ৬,৫৫০ || ✓
|-
| 583 || [[প্রেমাঙ্কুর আতর্থী]] || ৫,৬৯৮ || ✓
|-
| 584 || [[কালীপ্রসন্ন সিংহ]] || ৫,৪০৪ || ✓
|-
| 585 || [[অখিল নিয়োগী]] || ৬৩৬ || ✓
|-
| 586 || [[হরপ্রসাদ শাস্ত্রী]] || ৫১৩ || ✓
|-
| 587 || [[গায়ত্রী চক্রবর্তী স্পিভাক]] || ৫৯২ || ✓
|-
| 588 || [[অজিত দত্ত]] || ৮৭০ || ✓
|-
| 589 || [[অজিতকৃষ্ণ বসু]] || ২,৩৮৬ || ✓
|-
| 590 || [[এম এস স্বামীনাথন]] || ৮৭২ || ✓
|-
| 591 || [[চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন]] || ২,১৭১ || ✓
|-
| 592 || [[চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও]] || ২,১৬৭ || ✓
|-
| 593 || [[কণাদ]] || ৯১৯ || ✓
|-
| 594 || [[জয়ন্ত বিষ্ণু নারলিকর]] || ৩,১৮৭ || ✓
|-
| 595 || [[বিক্রম সারাভাই]] || ১,১২৯ || ✓
|-
| 596 || [[আর্নেস্ট কিং]] || ১৫,৭৬৯ || ✕
|-
| 597 || [[ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট]] || ২৬,২১৫ || ✓
|-
| 598 || [[আনোয়ার ইব্রাহিম]] || ৬,৯৯৩ || ✓
|-
| 599 || [[ইসলাম ও যুদ্ধ]] || ৫,৬৮১ || ✓
|-
| 600 || [[আহমদ সিরহিন্দি]] || ৪,০৭০ || ✓
|-
| 601 || [[মুসা সেরান্তোনিও]] || ৪২৩ || ✓
|-
| 602 || [[ইয়াকুব]] || ১,৯৫৬ || ✓
|-
| 603 || [[আদ্রিয়ান গোল্ডসওয়ার্দি]] || ১,৯৭৯ || ✕
|-
| 604 || [[অ্যালিস পল]] || ১,৮৬২ || ✕
|-
| 605 || [[অ্যামি ট্যান]] || ২,০০৭ || ✕
|-
| 606 || [[অ্যান্ড্রু সেগা]] || ১,৯৬৯ || ✓
|-
| 607 || [[আল্যাঁ বাদিউ]] || ১,৯৬৬ || ✕
|-
| 608 || [[আফ্রিকান স্পির]] || ১,৭২২ || ✕
|-
| 609 || [[ফ্রেডরিক ডগলাস]] || ৮৬২ || ✕
|-
| 610 || [[নবী]] || ২,০৬২ || ✕
|-
| 611 || [[এমা গোল্ডম্যান]] || ১২,৮০০ || ✕
|-
| 612 || [[প্রেম সম্পর্কে ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি]] || ১৫,০৪০ || ✓
|-
| 613 || [[মিস্ট্রি সায়েন্স থিয়েটার ৩০০০]] || ৯৪,৯৬৮ || ✕
|-
| 614 || [[দ্য থিক অফ ইট]] || ৬৯,২৮৩ || ✕
|-
| 615 || [[অ্যালেক্স হেইলি]] || ১,৬০৪ || ✓
|-
| 616 || [[দাসত্ব সম্পর্কে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি]] || ৫,৭৮৫ || ✕
|-
| 617 || [[দাসত্ব]] || ১০,২৫৯ || ✕
|-
| 618 || [[যন্ত্র]] || ৭১৩ || ✓
|-
| 619 || [[বিচারক]] || ৯৫২ || ✓
|-
| 620 || [[রুটি]] || ১,০৯৭ || ✓
|-
| 621 || [[খড়]] || ৯৩২ || ✓
|-
| 622 || [[মন্মথমোহন বসু]] || ৯৬৩ || ✕
|-
| 623 || [[কালীপ্রসন্ন বিদ্যারত্ন]] || ৮২৫ || ✓
|-
| 624 || [[কলসী]] || ১,০৮৬ || ✓
|-
| 625 || [[চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ১,১৫৭ || ✓
|-
| 626 || [[শহর]] || ১,৪৫৮ || ✕
|-
| 627 || [[ঘাস]] || ২,১১২ || ✓
|-
| 628 || [[জলধর সেন]] || ১,৭৬৪ || ✓
|-
| 629 || [[ঠিকানা]] || ১,১৮৭ || ✓
|-
| 630 || [[গন্ধ]] || ১,৮০৭ || ✓
|-
| 631 || [[চা]] || ২,৪২৪ || ✓
|-
| 632 || [[রবীন্দ্রনাথ মৈত্র]] || ১,২৮১ || ✓
|-
| 633 || [[দিগন্ত]] || ১,২২৮ || ✓
|-
| 634 || [[ময়ূর]] || ১,৩৪৫ || ✓
|-
| 635 || [[করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ৯১১ || ✓
|-
| 636 || [[ঢেউ]] || ১,৫৩৯ || ✓
|-
| 637 || [[ছাতা]] || ১,১৮৯ || ✓
|-
| 638 || [[উমাকান্ত হাজারী]] || ৯৪২ || ✓
|-
| 639 || [[ঘৃণা]] || ২,৩৩৯ || ✓
|-
| 640 || [[বাঁশ]] || ২,৪৫৯ || ✕
|-
| 641 || [[কলেরা]] || ১,৬৩৮ || ✓
|-
| 642 || [[মাঠ]] || ২,৪৪৭ || ✓
|-
| 643 || [[টিন]] || ১,৯৩২ || ✕
|-
| 644 || [[সংবাদ]] || ৪,৪৭৯ || ✕
|-
| 645 || [[জন বারবার]] || ৫৭৪ || ✕
|-
| 646 || [[স্কটিশ জাতি]] || ৩৭৫ || ✓
|-
| 647 || [[ওয়েন্ডি বোম্যান]] || ১৫১ || ✕
|-
| 648 || [[যুদ্ধাপরাধ]] || ৪,৬৭৯ || ✕
|-
| 649 || [[রুবি]] || ৩৬৩ || ✓
|-
| 650 || [[রিতা এনজেলু]] || ১৫৯ || ✓
|-
| 651 || [[বমি]] || ২০৪ || ✓
|-
| 652 || [[পার্ল]] || ৬৯০ || ✕
|-
| 653 || [[পাইথন]] || ১৩৯ || ✓
|-
| 654 || [[উইকিলিকস]] || ১,৬৩১ || ✕
|-
| 655 || [[জনস্টন ম্যাককালি]] || ৩১১ || ✕
|-
| 656 || [[যুগোস্লাভিয়া]] || ৪,১৩৬ || ✓
|-
| 657 || [[অংশুমান কর]] || ২০৯ || ✓
|-
| 658 || [[কেমব্রিজ গান]] || ৩০৫ || ✕
|-
| 659 || [[হেলেনীয় শিক্ষা]] || ৫০২ || ✓
|-
| 660 || [[টমাস হলি চিভার্স]] || ২৩৫ || ✓
|-
| 661 || [[মুহাম্মদ মাহদি আল-জাওয়াহিরি]] || ৬৩৮ || ✓
|-
| 662 || [[জেডি স্মিথ]] || ১,০৮০ || ✓
|-
| 663 || [[ব্রায়ান পি. শ্মিট]] || ৪৬০ || ✓
|-
| 664 || [[কার্ল বার্নস্টিন]] || ৩৬৮ || ✓
|-
| 665 || [[চার্লস ফেফারম্যান]] || ৩৩৯ || ✓
|-
| 666 || [[ইয়ুস্টুস ফন লিবিগ]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 667 || [[টমাস শেলিংস]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 668 || [[উইলিয়াম শকলি]] || ৩৯১ || ✓
|-
| 669 || [[শিং-শেন চের্ন]] || ৭৬৫ || ✕
|-
| 670 || [[হুগো দ্য ভ্রিস]] || ৩৪৪ || ✓
|-
| 671 || [[রবার্ট অ্যান্ড্রুজ মিলিকান]] || ৪৩৬ || ✓
|-
| 672 || [[জেমস ভ্যান অ্যালেন]] || ৫৯৬ || ✓
|-
| 673 || [[জাক শিরাক]] || ৭১১ || ✓
|-
| 674 || [[ডরোথি হজকিন]] || ২৯৪ || ✓
|-
| 675 || [[গোরান পারসন]] || ৩২৬ || ✓
|-
| 676 || [[জেরার দ্যব্রু]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 677 || [[কোরীয় যুদ্ধ]] || ৯,৯৬৫ || ✕
|-
| 678 || [[রবার্ট জে. শিলার]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 679 || [[ফ্রঁসোয়া আরাগন]] || ৪৩৫ || ✓
|-
| 680 || [[অখিলচন্দ্র দত্ত]] || ৩৭৩ || ✕
|-
| 681 || [[ফ্রান্সিস কলিন্স]] || ৫৮৮ || ✓
|-
| 682 || [[হেলেন ক্লার্ক]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 683 || [[লেয়োঁ ফুকো]] || ৫৩২ || ✓
|-
| 684 || [[জন চার্লস পোলানি]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 685 || [[জন মেইনার্ড কেইনস]] || ১৭,৭৯১ || ✕
|-
| 686 || [[দিমিত্রি মুরাতভ]] || ৬৩৬ || ✓
|-
| 687 || [[আবদুস সালাম]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 688 || [[আবদুলরাজাক গুরনাহ]] || ৭৪৯ || ✓
|-
| 689 || [[এ. সি. বেনসন]] || ৩৮৩ || ✓
|-
| 690 || [[প্রথম আলবার্ট]] || ৮৬৪ || ✓
|-
| 691 || [[অম্লান দত্ত]] || ১৪৬ || ✓
|-
| 692 || [[ইয়ান মার্টেল]] || ১,১৩৩ || ✕
|-
| 693 || [[ইয়োইচিরো নাম্বু]] || ৪৩১ || ✕
|-
| 694 || [[সৈয়দ জামিল আহমেদ]] || ২০৩ || ✓
|-
| 695 || [[পূর্ণিমা]] || ১৯২ || ✓
|-
| 696 || [[শরিফুল রাজ]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 697 || [[কাজী হায়াৎ]] || ২৭৪ || ✓
|-
| 698 || [[আরেফিন রুমি]] || ১৬২ || ✓
|-
| 699 || [[ইমাম নাসাই]] || ৬৯৭ || ✕
|-
| 700 || [[কবরী]] || ২৭১ || ✓
|-
| 701 || [[হাফিজ উদ্দিন আহমদ]] || ২৩৬ || ✓
|-
| 702 || [[আ ন ম এহসানুল হক মিলন]] || ৩৪০ || ✓
|-
| 703 || [[আন্দালিব রহমান পার্থ]] || ২৯৭ || ✓
|-
| 704 || [[ববি হাজ্জাজ]] || ২৫৩ || ✓
|-
| 705 || [[ইবনে মাজাহ]] || ৩৩৬ || ✓
|-
| 706 || [[হাবিব ওয়াহিদ]] || ২৬৪ || ✓
|-
| 707 || [[জাইমা রহমান]] || ২১২ || ✓
|-
| 708 || [[কনকচাঁপা]] || ২২৮ || ✓
|-
| 709 || [[আহসান হাবীব]] || ২১৯ || ✓
|-
| 710 || [[বেলাল খান]] || ২১৯ || ✓
|-
| 711 || [[নচিকেতা চক্রবর্তী]] || ২৮৯ || ✓
|-
| 712 || [[আ ফ ম খালিদ হোসেন]] || ২৪৮ || ✓
|-
| 713 || [[আলমগীর]] || ৪০৬ || ✓
|-
| 714 || [[সালাহউদ্দিন আহমেদ]] || ৪৫৯ || ✓
|-
| 715 || [[চোং নানশান]] || ১৭৮ || ✓
|-
| 716 || [[এ. সি. ব্র্যাডলি]] || ৩৯০ || ✕
|-
| 717 || [[আলবার্ট হফমান]] || ৩,৪৪৪ || ✓
|-
| 718 || [[অ্যালান পারলিস]] || ৯২৮ || ✓
|-
| 719 || [[হেইনরিখ রোরার]] || ৩৬০ || ✓
|-
| 720 || [[আলফ্রেড আহো]] || ১৪৪ || ✕
|-
| 721 || [[উ থান্ট]] || ৬৭৮ || ✕
|-
| 722 || [[লোরঁ শোয়ার্তজ]] || ৬১০ || ✓
|-
| 723 || [[উইলিয়াম শার্প]] || ৩৯৯ || ✓
|-
| 724 || [[পাউল এরেনফেস্ট]] || ৪৩৩ || ✓
|-
| 725 || [[রবার্ট মান্ডেল]] || ৩২২ || ✓
|-
| 726 || [[হান কাং]] || ৬৬৬ || ✓
|-
| 727 || [[ক্রিপটিক ফেইট]] || ১৭৬ || ✓
|-
| 728 || [[কাকাবাবু]] || ২৫৮ || ✓
|-
| 729 || [[ক্যারি মুলিস]] || ৪০৩ || ✓
|-
| 730 || [[টোমাস ট্রান্সট্রোমার]] || ২৯৯ || ✓
|-
| 731 || [[ইরিনা বোকোভা]] || ২৬৮ || ✓
|-
| 732 || [[মার্টিনুস ভেল্টম্যান]] || ১৯৫ || ✓
|-
| 733 || [[ড্যামন গ্যালগুট]] || ৪৮২ || ✓
|-
| 734 || [[আর্থার কর্নবার্গ]] || ১৭৭ || ✕
|-
| 735 || [[বেন ওক্রি]] || ৮৫৮ || ✓
|-
| 736 || [[সল বেলো]] || ১,০০৩ || ✓
|-
| 737 || [[সল পার্লমাটার]] || ৩১১ || ✕
|-
| 738 || [[সিমেওঁ দ্যনি পোয়াসোঁ]] || ১৬০ || ✓
|-
| 739 || [[স্টিভ আরউইন]] || ৪৩৫ || ✕
|-
| 740 || [[আনি এরনো]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 741 || [[ফজল শাহাবুদ্দীন]] || ৪৯৫ || ✕
|-
| 742 || [[আল-জাহিজ]] || ৭৩৩ || ✓
|-
| 743 || [[আল-বিরুনি]] || ১,৮৩৬ || ✓
|-
| 744 || [[থমাস হ্যারিয়ট]] || ৪৩২ || ✓
|-
| 745 || [[স্টিভেন চু]] || ২২০ || ✓
|-
| 746 || [[ইভাঞ্জেলিস্টা টরিসেলি]] || ৩৭২ || ✓
|-
| 747 || [[লেসলি ল্যামপোর্ট]] || ৫৫০ || ✓
|-
| 748 || [[মার্টিন লুইস পার্ল]] || ৩৮৮ || ✓
|-
| 749 || [[ভ্লাদিমির মার্কভনিকভ]] || ২৬৭ || ✓
|-
| 750 || [[বাপ্পী লাহিড়ী]] || ২৫২ || ✓
|-
| 751 || [[নুহাশ হুমায়ূন]] || ২০৫ || ✓
|-
| 752 || [[আনিসুল হক]] || ২৪৬ || ✕
|-
| 753 || [[বাবর আলী]] || ৩০৯ || ✓
|-
| 754 || [[মেহের আফরোজ শাওন]] || ৩১৯ || ✓
|-
| 755 || [[ফেলুদা]] || ২৪৬ || ✓
|-
| 756 || [[ব্যোমকেশ বক্সী]] || ১৭৮ || ✓
|-
| 757 || [[প্রোফেসর শঙ্কু]] || ২৬৯ || ✓
|-
| 758 || [[বারী সিদ্দিকী]] || ২৪২ || ✓
|-
| 759 || [[সমরেশ বসু]] || ২০২ || ✓
|-
| 760 || [[লিয়ন কুপার]] || ৩২৩ || ✓
|-
| 761 || [[কামিলা শামসি]] || ২০৪ || ✓
|-
| 762 || [[ক্রিস্টোফার রেন]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 763 || [[জিওফ্রে হিন্টন]] || ৩২২ || ✓
|-
| 764 || [[ফ্রিডতিয়ফ নানসেন]] || ১৯১ || ✓
|-
| 765 || [[আলাঁ আস্পে]] || ৭৭৬ || ✓
|-
| 766 || [[ক্যারিল ফিলিপস]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 767 || [[জেমস কুক]] || ৩৯৭ || ✓
|-
| 768 || [[ক্লাউদিয়া শেইনবাউম]] || ৩২১ || ✓
|-
| 769 || [[আবি আহমেদ]] || ২৫৫ || ✓
|-
| 770 || [[পিটার আগ্রি]] || ১৯০ || ✓
|-
| 771 || [[ফখরুদ্দীন আল-রাযী]] || ২১৫ || ✓
|-
| 772 || [[শি চিনফিং]] || ৪,১৩২ || ✕
|-
| 773 || [[ইব্রাহিম ত্রাওরে]] || ৭৫৪ || ✓
|-
| 774 || [[পেদ্রো সানচেজ]] || ২৯৯ || ✓
|-
| 775 || [[অ্যাডাম রিস]] || ৪৮৯ || ✓
|-
| 776 || [[আব্দুল হান্নান আবকারী]] || ০ || ✕
|-
| 777 || [[ইবরাহীম আলী তশনা]] || ২৪৭ || ✓
|-
| 778 || [[রুহুল আমিন বসিরহাটি]] || ৩৬৩ || ✓
|-
| 779 || [[মুহাম্মদুল্লাহ হাফেজ্জী]] || ৩৪২ || ✓
|-
| 780 || [[শামছুল হুদা]] || ০ || ✕
|-
| 781 || [[শামছুল হক ফরিদপুরী]] || ৫৪৬ || ✓
|-
| 782 || [[গর্ডন মুর]] || ৫৮৭ || ✓
|-
| 783 || [[শিরিন এবাদি]] || ৫৪৩ || ✕
|-
| 784 || [[নাগিব মাহফুজ]] || ৫৩০ || ✓
|-
| 785 || [[আল-ফারাবি]] || ৫৩৭ || ✕
|-
| 786 || [[চাষী নজরুল ইসলাম]] || ৪৪৬ || ✓
|-
| 787 || [[বাপ্পা মজুমদার]] || ৩১০ || ✓
|-
| 788 || [[রবার্ট ক্লাইভ]] || ২,০০২ || ✕
|-
| 789 || [[পার্ল এস. বাক]] || ৯৩৩ || ✕
|-
| 790 || [[জন বারডিন]] || ৩৬৪ || ✓
|-
| 791 || [[তাসমিয়া প্রধান]] || ৩৫২ || ✓
|-
| 792 || [[আজিজুল হক]] || ১৮০ || ✓
|-
| 793 || [[আবদুস সালাম]] || ১০০ || ✕
|-
| 794 || [[আবদুল গফুর]] || ১০১ || ✕
|-
| 795 || [[আবদুল জব্বার]] || ১৬১ || ✓
|-
| 796 || [[আবদুল জব্বার]] || ৯২ || ✕
|-
| 797 || [[আবদুল জব্বার]] || ১৩৩ || ✕
|-
| 798 || [[অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ১৩৪ || ✕
|-
| 799 || [[অনিমেষ রায়]] || ১২৬ || ✕
|-
| 800 || [[অনির্বাণ বসু]] || ১২০ || ✕
|-
| 801 || [[অজয় ঘটক]] || ১১৪ || ✕
|-
| 802 || [[অচলা মল্লিক]] || ১৫৪ || ✕
|-
| 803 || [[অজয় হোম]] || ১৫৯ || ✕
|-
| 804 || [[অমিতা বসু]] || ১৪২ || ✕
|-
| 805 || [[ভেরা রুবিন]] || ৩৫০ || ✕
|-
| 806 || [[মেরি কুরি]] || ১৭৯ || ✕
|-
| 807 || [[মিসির আলি]] || ৪০৬ || ✕
|-
| 808 || [[আস্ট্রোনমি]] || ০ || ✕
|-
| 809 || [[মমতাজ বেগম]] || ৩৫৫ || ✕
|-
| 810 || [[আবুল বরকত]] || ১৪৩ || ✕
|-
| 811 || [[মেরি স্টোপস]] || ৫০৫ || ✕
|-
| 812 || [[ইয়োন ফসে]] || ৩৯৩ || ✕
|-
| 813 || [[জুনো দিয়াজ]] || ৫৪০ || ✕
|-
| 814 || [[পারভীন এতেসামি]] || ০ || ✕
|-
| 815 || [[চুয়াং জি]] || ২৭৪ || ✕
|-
| 816 || [[ফকির শাহাবুদ্দীন]] || ০ || ✕
|-
| 817 || [[আবু বকর সিদ্দিকী]] || ০ || ✕
|-
| 818 || [[বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট]] || ০ || ✕
|-
| 819 || [[বাংলাদেশের কৃষি প্রযুক্তি]] || ০ || ✕
|-
| 820 || [[হাসিবুন নাহের]] || ০ || ✕
|-
| 821 || [[মেরি উলস্টোনক্রাফ্ট]] || ২১৩ || ✕
|-
| 822 || [[বালতাসার গ্রাসিয়ান]] || ২০৬ || ✕
|-
| 823 || [[জুলাই আন্দোলন]] || ৬১৫ || ✕
|-
| 824 || [[বিকাশ]] || ০ || ✕
|-
| 825 || [[নতুন প্রযুক্তি]] || ০ || ✕
|-
| 826 || [[বাংলাদেশের রিয়েল এস্টেট শিল্প: বর্তমান প্রেক্ষাপট ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা]] || ০ || ✕
|-
| 827 || [[জলবায়ু পরিবর্তন ও বাংলাদেশের পরিবেশ]] || ০ || ✕
|-
| 828 || [[মোহাম্মদ শেখ শাহিনুর রহমান]] || ০ || ✕
|-
| 829 || [[অপ্রত্যাশিত জীবনযাত্রা]] || ০ || ✕
|-
| 830 || [[অপর্ণা সেন]] || ৩১২ || ✕
|}
5k5xdu0z2bqc39l155clsfrvc12ygag
83376
83370
2026-05-04T07:22:42Z
Oindrojalik Watch
4169
/* Oindrojalik Watch */
83376
wikitext
text/x-wiki
----
সর্বশেষ হালনাগাদ - ২২:৪৫, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
----
==উইকিউক্তি ফলাফল ২০২৬==
{| class="wikitable sortable"
|-
! ক্রম
! ব্যবহারকারী
! নিবন্ধ
! মোট শব্দ
! বিস্তারিত
|-
| '''১'''
| '''Dr. Mosaddek Khondoker'''
| '''১৯'''
| '''৪,০৪,৫৭৫'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৪,০৪,৫৭৫<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| '''২'''
| '''ARI'''
| '''২৮'''
| '''৩,১৪,৮৯৭'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৩,১২,২১২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২,৬৮৫
</div>
|-
| '''৩'''
| '''NusJaS'''
| '''১০'''
| '''২,৫৯,৯৪২'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,৫৯,৯৪২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| '''৪'''
| '''Tuhin'''
| '''২৮০'''
| '''৩,০১,৮৭২'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,৫৮,০৩৩<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪৩,৮৩৯
</div>
|-
| '''৫'''
| '''SMontaha32'''
| '''৩৭'''
| '''২,৩৯,৫৫৫'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,১৮,৯৯২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২০,৫৬৩
</div>
|-
| '''৬'''
| '''Oindrojalik Watch'''
| '''২৯'''
| '''১,৯৯,৯৪২'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১,৯০,০৭১<br>
অপর্যালোচিত: ৯,৮৭১<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| '''৭'''
| '''Sumanta3023'''
| '''১১০'''
| '''১,২২,৫০০'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৯৭,৪২১<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২৫,০৭৯
</div>
|-
| '''৮'''
| '''Anik Kanti Dey'''
| '''৩৪'''
| '''১,০৪,৬৪১'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৯৩,৮৬৪<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১০,৭৭৭
</div>
|-
| '''৯'''
| '''Tanbiruzzaman'''
| '''২১'''
| '''৮০,৭২৪'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৮০,৭২৪<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| '''১০'''
| '''Nil Nandy'''
| '''২৭'''
| '''৭৪,২৬৭'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৭৪,২৬৭<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ১১
| R1F4T
| ২২
| ২,৮৫,২৭৫
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৬৩,৯৫১<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২,২১,৩২৪
</div>
|-
| ১২
| Salil Kumar Mukherjee
| ২৭
| ৪২,২০৬
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৩০,৯১৫<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১১,২৯১
</div>
|-
| ১৩
| Anaf Ibn Shahibul
| ৪৭
| ৫৬,৫৮১
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১৯,৩৪৬<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৩৭,২৩৫
</div>
|-
| ১৪
| মোহাম্মদ জনি হোসেন
| ২৫
| ৮,১২৩
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৫,৪৭২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২,৬৫১
</div>
|-
| ১৫
| JIBON
| ৫
| ৫,৫৫৪
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৪,৭৩২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৮২২
</div>
|-
| ১৬
| Md. Muqtadir Fuad
| ১১
| ৪,০২৯
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৪,০২৯<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ১৭
| Humaira.thithi
| ৮
| ৩,৭১০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,৭৮৭<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৯২৩
</div>
|-
| ১৮
| Amirhusenjihed
| ৩
| ৩,০৬৪
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,৫৬৯<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪৯৫
</div>
|-
| ১৯
| Asikur Rahman
| ৬
| ২,২২৯
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,২২৯<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২০
| Rasel Mehedi
| ১০
| ২,৪৬৮
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,২২২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২৪৬
</div>
|-
| ২১
| Mahiya50
| ৬
| ২,১৯০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,১৯০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২২
| Borhan
| ৬
| ১,৬৬২
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১,৬৬২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২৩
| Raihanur
| ৪
| ৫,৬৭৪
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১,৫৪২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪,১৩২
</div>
|-
| ২৪
| Muhammad Fahim Faisal
| ৬
| ১,৪৯৮
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১,৪৯৮<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২৫
| Firuz Ahmmed
| ৪
| ২,১৯৭
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১,১১৭<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১,০৮০
</div>
|-
| ২৬
| নিয়াজ ইসলাম
| ২
| ৭৫৬
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৭৫৬<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২৭
| Asad.fr
| ৩
| ৩,২৯৯
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৩৬৪<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২,৯৩৫
</div>
|-
| ২৮
| Mehedi Abedin
| ১
| ৩৫২
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৩৫২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২৯
| Md. Rayan Alam Rifat
| ১
| ১৮০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১৮০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ৩০
| Siyan BD
| ১২
| ১,৫৩৬
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১৬১<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১,৩৭৫
</div>
|-
| ৩১
| Dewan mahbubr Rahman
| ১
| ৩৫০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৩৫০
</div>
|-
| ৩২
| ExceptionistSagar
| ১
| ১৭৯
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১৭৯
</div>
|-
| ৩৩
| Kh. Fahim
| ১
| ৪০৬
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪০৬
</div>
|-
| ৩৪
| Trisha Mazumder
| ১
| ০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ৩৫
| MdMarufHossen71
| ২
| ৪৯৮
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪৯৮
</div>
|-
| ৩৬
| Usarker
| ৩
| ১,৪৩৮
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১,৪৩৮
</div>
|-
| ৩৭
| রাকিবুল হাসান রাসেল
| ১
| ০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ৩৮
| MD RADWAN ISLAM
| ৬
| ২৭৪
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২৭৪
</div>
|-
| ৩৯
| AKM Mahinur Rahman
| ২
| ৪১৯
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪১৯
</div>
|-
| ৪০
| MD RADWAN ISLAM ROHAN
| ৫
| ৬১৫
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৬১৫
</div>
|-
| ৪১
| ShahinurWrites
| ১
| ০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ৪২
| Abdullah Al Shishir
| ১
| ০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ৪৩
| চ্যাম্পিয়ন স্টার ১
| ১
| ৩১২
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৩১২
</div>
|}
== পর্যালোচক পরিসংখ্যান ==
; পর্যালোচক
{| class="wikitable"
|-
! ক্রম !! নাম !! মোট !! গৃহীত !! বাতিল
|-
| '''১''' || '''Mehedi Abedin''' || '''২৭৫''' || ২৪১ || ৩৪
|-
| '''২''' || '''NusJaS''' || '''১৯৩''' || ১৬২ || ৩১
|-
| '''৩''' || '''MS Sakib''' || '''১৮১''' || ১৪৮ || ৩৩
|-
| '''৪''' || '''ARI''' || '''১৬২''' || ১৩৬ || ২৬
|-
| '''৫''' || '''MdsShakil''' || '''৪০''' || ৩৮ || ২
|-
| '''৬''' || '''Tahmid''' || '''১৪''' || ১০ || ৪
|-
| '''৭''' || '''Yahya''' || '''৫''' || ৪ || ১
|-
! মোট || || ৮৭০ || ৭৩৯ || ১৩১
|}
== ব্যবহারকারী ভিত্তিক পরিসংখ্যান ==
=== [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker| Dr. Mosaddek Khondoker]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্পর্কে উক্তি]] || ৩৯,৩০৩ || ✓
|-
| 2 || [[স্ট্যানলি বল্ডউইন]] || ৩৪,১৩১ || ✓
|-
| 3 || [[খ্রিস্টের অনৈতিহাসিকতা তত্ত্ব]] || ২৮,৭০৭ || ✓
|-
| 4 || [[বেঞ্জামিন ডিসরাইলি]] || ২৯,৪৭৯ || ✓
|-
| 5 || [[রবার্ট জি. ইঙ্গারসোল]] || ৩০,০৯০ || ✓
|-
| 6 || [[রন পল]] || ২৪,৯২৮ || ✓
|-
| 7 || [[ক্যালকুলাসের ইতিহাস]] || ১৯,১৯৫ || ✓
|-
| 8 || [[অ্যানোরেক্সিয়া নার্ভোসা]] || ২৩,১০০ || ✓
|-
| 9 || [[ডোয়াইট ডি আইজেনহাওয়ার]] || ২১,০২৬ || ✓
|-
| 10 || [[স্টিফেন জে গুল্ড]] || ২২,১৫০ || ✓
|-
| 11 || [[এআর-১৫ স্টাইল রাইফেল]] || ১৮,৯০১ || ✓
|-
| 12 || [[শেরি এস. টেপার]] || ২৪,৯৯৯ || ✓
|-
| 13 || [[আউরেলিয়ুস আউগুস্তিনুস]] || ১৯,৩৪৬ || ✓
|-
| 14 || [[ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতিত্ব]] || ৪৬,৮৯৯ || ✓
|-
| 15 || [[নবায়নযোগ্য শক্তি]] || ১২,৬১০ || ✓
|-
| 16 || [[নাডিন গর্ডিমার]] || ১,৩৭২ || ✓
|-
| 17 || [[মারে গেল-মান]] || ১,৩২৮ || ✓
|-
| 18 || [[নার্গিস মোহাম্মাদি]] || ১,৭৫৫ || ✓
|-
| 19 || [[সাদি কার্নো]] || ৫,২৫৬ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১৯
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৪,০৪,৫৭৫
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪,০৪,৫৭৫
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:ARI| ARI]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[জে. হাওয়ার্ড মুর]] || ২৪,১৯৫ || ✓
|-
| 2 || [[ভারতে পোশাক]] || ২,২৮৯ || ✓
|-
| 3 || [[ভারতের ভাষা]] || ৬৯৫ || ✓
|-
| 4 || [[মধ্যযুগীয় ভারত]] || ১,৭১৭ || ✓
|-
| 5 || [[ভারতে ইহুদিদের ইতিহাস]] || ২,০৪৬ || ✓
|-
| 6 || [[ভারতে সুফিবাদ]] || ৩,২০৭ || ✓
|-
| 7 || [[পর্তুগিজ ভারত]] || ১,৬৪৩ || ✓
|-
| 8 || [[ভারতের প্রাণী]] || ৩০৫ || ✓
|-
| 9 || [[স্বাধীনতা দিবস]] || ৩৭৫ || ✓
|-
| 10 || [[ভারতে দুর্ভিক্ষ]] || ৩,৭৮১ || ✓
|-
| 11 || [[ভারতে ধর্মহীনতা]] || ২,৩৮৯ || ✓
|-
| 12 || [[ওয়ারেন ফ্যারেল]] || ২১,০৭৮ || ✓
|-
| 13 || [[আর্নেস্ট বেকার]] || ১৩,৫৯৭ || ✓
|-
| 14 || [[অতিপ্রজতা]] || ২৯,৫০১ || ✓
|-
| 15 || [[মোপলা বিদ্রোহ]] || ১৪,৫১২ || ✓
|-
| 16 || [[সীতা রাম গোয়েল]] || ১,৫৯৬ || ✓
|-
| 17 || [[অরুণ শৌরি]] || ১৫,৪৫০ || ✓
|-
| 18 || [[ভারতের ইতিহাস লিখন]] || ১৭,৯১৮ || ✓
|-
| 19 || [[দ্রৌপদী]] || ৬,১৬৪ || ✓
|-
| 20 || [[দ্য হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়া, অ্যাজ টোল্ড বাই ইটস ওন হিস্টোরিয়ানস]] || ২,৬৮৫ || ✕
|-
| 21 || [[রামায়ণ]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 22 || [[ভারতে শিক্ষা]] || ১০,৫৮০ || ✓
|-
| 23 || [[ভারতে নারী]] || ৬,১৫০ || ✓
|-
| 24 || [[বন্যপ্রাণীর কষ্ট]] || ৩৩,৭৪১ || ✓
|-
| 25 || [[নিরামিষবাদ]] || ৩০,৬২৭ || ✓
|-
| 26 || [[ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম রাষ্ট্রপতিত্ব]] || ৩৭,৫৭২ || ✓
|-
| 27 || [[নির্বাচন]] || ৭,০২৫ || ✓
|-
| 28 || [[সরকার]] || ২২,৭৫৯ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৮
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৩,১২,২১২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩,১৪,৮৯৭
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২,৬৮৫
|}
=== [[ব্যবহারকারী:NusJaS| NusJaS]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[লিটিশা এলিজাবেথ ল্যান্ডন]] || ৩৪,০৩৩ || ✓
|-
| 2 || [[প্রজননবিরোধবাদ]] || ৩০,৯৪৮ || ✓
|-
| 3 || [[উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন]] || ২৮,৬১৬ || ✓
|-
| 4 || [[ক্রিস্টোফার হিচেন্স]] || ২৫,৯২২ || ✓
|-
| 5 || [[বলপূর্বক খাওয়ানো]] || ২২,৬২২ || ✓
|-
| 6 || [[জন স্টুয়ার্ট মিল]] || ২২,৭৮৩ || ✓
|-
| 7 || [[রবার্ট গ্যাসকয়েন-সিসিল, স্যালিসবারির ৩য় মার্কুইস]] || ২০,৮৯৮ || ✓
|-
| 8 || [[অ্যারন রা]] || ২১,৯৫৫ || ✓
|-
| 9 || [[ফায়ারপ্লেস]] || ২১,৪১৭ || ✓
|-
| 10 || [[জন হার্ভে কেলোগ]] || ৩০,৭৪৮ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১০
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,৫৯,৯৪২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,৫৯,৯৪২
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Tuhin| Tuhin]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মহুয়া মৈত্র]] || ৬৫০ || ✓
|-
| 2 || [[হেনরি হোম, লর্ড কেইমস]] || ১,২৯৬ || ✓
|-
| 3 || [[লেটি কটিন পোগ্রেবিন]] || ৩৭০ || ✓
|-
| 4 || [[মার্জ পিয়ার্সি]] || ৬,৭৯০ || ✓
|-
| 5 || [[এলেন ডুইবস]] || ৮০৪ || ✓
|-
| 6 || [[মেরেডিথ ট্যাক্স]] || ৪৯১ || ✓
|-
| 7 || [[মুলক রাজ আনন্দ]] || ২৩৫ || ✓
|-
| 8 || [[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ধর্ষণ]] || ১,৯২০ || ✓
|-
| 9 || [[সুসান ব্রাউনমিলার]] || ৯৯১ || ✓
|-
| 10 || [[রবিন মরগান]] || ১,২২১ || ✓
|-
| 11 || [[ভিভিয়ান গোর্নিক]] || ২,৬৯০ || ✓
|-
| 12 || [[ডরোথি রে হিলি]] || ২,৬৩৮ || ✕
|-
| 13 || [[ক্লডিয়া জোন্স]] || ১,২৯৯ || ✓
|-
| 14 || [[গের্ডা লার্নার]] || ৩,৪২৮ || ✓
|-
| 15 || [[এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন]] || ৯,৮০৪ || ✕
|-
| 16 || [[এলা রিভ ব্লুর]] || ১,৯১৭ || ✓
|-
| 17 || [[টমাস হিউজ]] || ৯৯৬ || ✓
|-
| 18 || [[মার্গারিট দুরাস]] || ৩৪৯ || ✓
|-
| 19 || [[বেন অ্যারোনোভিচ]] || ৮,৭৯৭ || ✓
|-
| 20 || [[গ্লেন কুক]] || ৯,৯৮৫ || ✓
|-
| 21 || [[আব্রাহাম কাহান]] || ২,১৩৩ || ✓
|-
| 22 || [[গ্রেস পেলি]] || ৮,১৬৪ || ✕
|-
| 23 || [[স্টিফেন ক্রেন]] || ১,৯৬৩ || ✕
|-
| 24 || [[জোসেফাইন হার্বস্ট]] || ৪২৭ || ✓
|-
| 25 || [[জর্জ গিসিং]] || ২,০০৫ || ✓
|-
| 26 || [[আনজিয়া ইয়েজিয়ারস্কা]] || ৩,২৬২ || ✕
|-
| 27 || [[মেরি অ্যান্টিন]] || ৪৯০ || ✓
|-
| 28 || [[জয়েস অ্যান্টলার]] || ৪২৯ || ✓
|-
| 29 || [[ক্যাথরিন ম্যাককিনন]] || ২,১৭৮ || ✓
|-
| 30 || [[বেটিনা আপথেকার]] || ১,০২০ || ✓
|-
| 31 || [[ক্যারি চ্যাপম্যান ক্যাট]] || ১,৬০৩ || ✓
|-
| 32 || [[জ্যানেট র্যাঙ্কিন]] || ৭২১ || ✓
|-
| 33 || [[ফ্রান্সেস উইলার্ড]] || ৯৪১ || ✕
|-
| 34 || [[অ্যালিস স্টোন ব্ল্যাকওয়েল]] || ৫৪০ || ✕
|-
| 35 || [[অ্যানা এলিজাবেথ ডিকিনসন]] || ৭৫১ || ✕
|-
| 36 || [[মেরি লিভারমোর]] || ২,৩০৭ || ✕
|-
| 37 || [[দাড়ি]] || ২৯৭ || ✓
|-
| 38 || [[স্যার হেনরি হোবার্ট, ১ম ব্যারোনেট]] || ৭৩৮ || ✓
|-
| 39 || [[হার্ডিঞ্জ স্ট্যানলি গিফার্ড, হালসবুরির ১ম আর্ল]] || ৪১৯ || ✓
|-
| 40 || [[এ. ভি. ডাইসি]] || ১,৩৮১ || ✕
|-
| 41 || [[আলফ্রেড ডেনিং, ব্যারন ডেনিং]] || ৩,৮৩২ || ✓
|-
| 42 || [[টমাস ডেনিসন]] || ৪০০ || ✓
|-
| 43 || [[স্যার ফ্রান্সিস বুলার, ১ম ব্যারোনেট]] || ৯৬২ || ✓
|-
| 44 || [[নিকোলাস ব্রাতজা]] || ২৬৪ || ✓
|-
| 45 || [[রবার্ট অ্যাটকিনস]] || ৩২৫ || ✓
|-
| 46 || [[রিচার্ড পেপার আর্ডেন, ১ম ব্যারন অ্যালভানলি]] || ৩৫১ || ✓
|-
| 47 || [[এডওয়ার্ড হল অল্ডারসন]] || ৪৪৬ || ✓
|-
| 48 || [[অ্যামব্রোজ বিয়ার্স]] || ৫,৫৪১ || ✕
|-
| 49 || [[মেওয়াত]] || ৭১৮ || ✓
|-
| 50 || [[নানাবতী-মেহতা কমিশন]] || ২,৪৪৪ || ✓
|-
| 51 || [[ভারতে ঔষধ শিল্প]] || ১,৯২১ || ✓
|-
| 52 || [[পাঞ্জাব]] || ১,৪০৬ || ✓
|-
| 53 || [[রামনবমী]] || ৮৬২ || ✓
|-
| 54 || [[ভারতের শহরসমূহের নাম পরিবর্তন]] || ৪৪১ || ✓
|-
| 55 || [[নুপুর শর্মা]] || ৬০১ || ✓
|-
| 56 || [[রিপাবলিক টিভি]] || ৪৫৫ || ✓
|-
| 57 || [[রোহিলখণ্ড]] || ৪৪০ || ✓
|-
| 58 || [[রোহিলা]] || ৩৪০ || ✓
|-
| 59 || [[সৌরাষ্ট্র]] || ৬৫৪ || ✓
|-
| 60 || [[ভারতে তিন তালাক]] || ১,১৩৪ || ✓
|-
| 61 || [[ভারতের পবিত্র উপবন]] || ৫৭৫ || ✓
|-
| 62 || [[অভিন্ন দেওয়ানি বিধি]] || ৩,৭৩৭ || ✓
|-
| 63 || [[নবনীত আদিত্য ওয়াইবা]] || ১৯২ || ✓
|-
| 64 || [[ভারতে জল সরবরাহ ও স্যানিটেশন]] || ৭৪০ || ✓
|-
| 65 || [[জমিদার]] || ৩৮১ || ✕
|-
| 66 || [[নিখিল ভারত মুসলিম লীগ]] || ২,৫৩৮ || ✓
|-
| 67 || [[ফতোয়া]] || ৪৮৪ || ✓
|-
| 68 || [[দারা শিকোহ]] || ১,৪৩৫ || ✓
|-
| 69 || [[আমেরিকা নিপাত যাক]] || ৬৩৯ || ✓
|-
| 70 || [[মহা শয়তান]] || ৪১৪ || ✓
|-
| 71 || [[উলামা]] || ৩৪৫ || ✓
|-
| 72 || [[দক্ষিণ এশিয়ায় মুসলিম জাতীয়তাবাদ]] || ১,৫১৬ || ✓
|-
| 73 || [[পার্সি-মুসলিম দাঙ্গা]] || ৬৫৬ || ✓
|-
| 74 || [[ভারতে দাঙ্গা]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 75 || [[ভারতে পেগাসাস প্রকল্পের উদঘাটন]] || ৩৯০ || ✓
|-
| 76 || [[নেহরুবাদ]] || ৯৫২ || ✓
|-
| 77 || [[২জি স্পেকট্রাম মামলা]] || ৯৩৭ || ✓
|-
| 78 || [[রাহুল গান্ধী]] || ৪,০০৪ || ✓
|-
| 79 || [[আকবরউদ্দিন ওয়াইসি]] || ২৯৮ || ✓
|-
| 80 || [[ভারতের সাধারণ নির্বাচন, ২০২৪]] || ২,৫৭৭ || ✓
|-
| 81 || [[ভারতে ধর্মনিরপেক্ষতা]] || ২৩৪ || ✓
|-
| 82 || [[নাইলা আলি খান]] || ২০৪ || ✓
|-
| 83 || [[অরুণ জেটলি]] || ৪৮১ || ✓
|-
| 84 || [[সুকেতু মেহতা]] || ৩৮২ || ✓
|-
| 85 || [[রুক্মিণী মৈত্র]] || ৩৫৪ || ✓
|-
| 86 || [[মানব গুপ্ত]] || ৬৩৪ || ✕
|-
| 87 || [[মোহিনী মোহন ধর]] || ৫৮৫ || ✓
|-
| 88 || [[দিলীপ কুমার চক্রবর্তী]] || ২,৫৯৭ || ✓
|-
| 89 || [[রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ৩৮৩ || ✓
|-
| 90 || [[পিটার অ্যাক্রয়েড]] || ২৯৭ || ✓
|-
| 91 || [[হ্যারল্ড ব্লুম]] || ৫৯৩ || ✓
|-
| 92 || [[জেমস বসওয়েল]] || ১,১৪৯ || ✓
|-
| 93 || [[অলিভার গোল্ডস্মিথ]] || ৩,১৭৮ || ✓
|-
| 94 || [[হেনরি জাইলস]] || ৭৯২ || ✓
|-
| 95 || [[এডউইন হাবেল চ্যাপিন]] || ৭৭০ || ✓
|-
| 96 || [[অবমাননা]] || ৭৮৮ || ✓
|-
| 97 || [[আদালত অবমাননা]] || ৮২৯ || ✓
|-
| 98 || [[আইনপ্রণেতা]] || ৭৪৩ || ✓
|-
| 99 || [[লেই বারডুগো]] || ১২২ || ✓
|-
| 100 || [[উইলিয়াম ব্রেট, ১ম ভিসকাউন্ট এশার]] || ১,০২০ || ✓
|-
| 101 || [[হেনরি হকিন্স, ১ম ব্যারন ব্র্যাম্পটন]] || ৩০৩ || ✓
|-
| 102 || [[জুনিয়াস]] || ১,৪১২ || ✓
|-
| 103 || [[উইলিয়াম মারে, ম্যানসফিল্ডের ১ম আর্ল]] || ৬৪৩ || ✓
|-
| 104 || [[জোসেফ ইয়েটস]] || ৬৬৬ || ✓
|-
| 105 || [[স্যার জন বেইলি, ১ম ব্যারোনেট]] || ৯১৮ || ✓
|-
| 106 || [[হেনরি বিকারস্টথ, ১ম ব্যারন ল্যাংডেল]] || ৪১৫ || ✓
|-
| 107 || [[এডওয়ার্ড ল, ১ম ব্যারন এলেনবরো]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 108 || [[লয়েড কেনিয়ন, ১ম ব্যারন কেনিয়ন]] || ৪,৪০৮ || ✓
|-
| 109 || [[জন হোল্ট]] || ১,১৮৯ || ✓
|-
| 110 || [[চার্লস বোয়েন, ব্যারন বোয়েন]] || ১,০৩৭ || ✓
|-
| 111 || [[চার্লস অ্যাবট, ১ম ব্যারন টেন্টারডেন]] || ৩৪১ || ✓
|-
| 112 || [[ন্যায়বিচার প্রশাসন]] || ২,৮৯৯ || ✓
|-
| 113 || [[আদালত]] || ১,৮১৮ || ✕
|-
| 114 || [[রোজান এ. ব্রাউন]] || ৩৪১ || ✓
|-
| 115 || [[মারিয়ন জিমার ব্র্যাডলি]] || ১,১০৪ || ✓
|-
| 116 || [[টেরি ব্রুকস]] || ৪৮৫ || ✓
|-
| 117 || [[লেই ব্র্যাকেট]] || ১,১১২ || ✓
|-
| 118 || [[জ্যাক ক্যাডি]] || ১,৫৬৮ || ✓
|-
| 119 || [[মেল ব্রুকস]] || ২,০১৬ || ✕
|-
| 120 || [[মাইকেল বিশপ]] || ৯৯০ || ✓
|-
| 121 || [[এলিজাবেথ বেয়ার]] || ৭০৫ || ✓
|-
| 122 || [[মার্গারেট বল]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 123 || [[পাওলো বাসিগালুপি]] || ৬৪৭ || ✓
|-
| 124 || [[কেলি আর্মস্ট্রং]] || ৫৮৫ || ✓
|-
| 125 || [[ক্যাথরিন আসরো]] || ৩৬১ || ✓
|-
| 126 || [[পিয়ার্স অ্যান্থনি]] || ২২৯ || ✓
|-
| 127 || [[রবার্ট আইকম্যান]] || ২৬৮ || ✓
|-
| 128 || [[আইনজীবী]] || ২,৩২৯ || ✓
|-
| 129 || [[আইনসভা]] || ২,৩৪৩ || ✓
|-
| 130 || [[জর্জ বুশনার]] || ৬৬২ || ✓
|-
| 131 || [[জোসেফ গার্নি ক্যানন]] || ৭০৯ || ✓
|-
| 132 || [[সংখ্যাগরিষ্ঠ]] || ১,৩৫৬ || ✓
|-
| 133 || [[সংখ্যালঘু গোষ্ঠী]] || ১,৮৮১ || ✓
|-
| 134 || [[প্রাতিষ্ঠানিক আচরণ]] || ৬৫৬ || ✓
|-
| 135 || [[মানব আচরণ]] || ৮৫২ || ✓
|-
| 136 || [[হার্ভে ম্যানসফিল্ড]] || ৯৭৯ || ✓
|-
| 137 || [[রাষ্ট্রবিজ্ঞান]] || ১,১৩৯ || ✓
|-
| 138 || [[রাজনৈতিক দর্শন]] || ১,২৮৫ || ✓
|-
| 139 || [[দ্বিজেন্দ্র নারায়ণ ঝা]] || ১,০৮৭ || ✓
|-
| 140 || [[আগ্রাসন]] || ৯২০ || ✓
|-
| 141 || [[হিন্দুত্ব]] || ২,৭০০ || ✓
|-
| 142 || [[ফ্লাভিয়া অ্যাগনেস]] || ৬৮২ || ✓
|-
| 143 || [[লাভ জিহাদ ষড়যন্ত্র তত্ত্ব]] || ৩,১৫০ || ✓
|-
| 144 || [[মহাত্মা গান্ধীর হত্যাকাণ্ড]] || ১,৭৭৮ || ✓
|-
| 145 || [[যোগিন্দর সিকান্দ]] || ৮১৪ || ✓
|-
| 146 || [[ভারতে মুসলিমদের বিরুদ্ধে সহিংসতা]] || ৮৫১ || ✓
|-
| 147 || [[জয় শ্রীরাম]] || ৭০৮ || ✓
|-
| 148 || [[লালকৃষ্ণ আডবাণী]] || ১,৫৫৫ || ✓
|-
| 149 || [[রাম রথযাত্রা]] || ১,৫৭৯ || ✓
|-
| 150 || [[হিন্দু আমেরিকান ফাউন্ডেশন]] || ১,৪৫৫ || ✓
|-
| 151 || [[হর্ষ মান্দার]] || ৬৬০ || ✓
|-
| 152 || [[স্বপন দাশগুপ্ত]] || ১,১৬৭ || ✓
|-
| 153 || [[জরাথুস্ট্রবাদ]] || ৩৭৭ || ✓
|-
| 154 || [[পার্সি]] || ৩৯০ || ✓
|-
| 155 || [[নাগরিকত্ব]] || ১,৮৭৯ || ✓
|-
| 156 || [[ভারতের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৭০]] || ৬৭৯ || ✓
|-
| 157 || [[মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯]] || ৭৬৯ || ✓
|-
| 158 || [[অবৈতনিক বাধ্যতামূলক শিশু শিক্ষার অধিকার আইন, ২০০৯]] || ৩৭৯ || ✓
|-
| 159 || [[বোম্বাই দাঙ্গা]] || ৭৭৬ || ✓
|-
| 160 || [[বজরং দল]] || ৩৩১ || ✓
|-
| 161 || [[সংসদীয় ব্যবস্থা]] || ৪০৫ || ✓
|-
| 162 || [[বিচার বিভাগীয় ব্যাখ্যা]] || ১,২৩২ || ✓
|-
| 163 || [[বর্ণবাদ পরবর্তী আমেরিকা]] || ১,০৬৯ || ✓
|-
| 164 || [[শ্বেতাঙ্গ বিশেষাধিকার]] || ৬২৮ || ✓
|-
| 165 || [[বিশেষাধিকার]] || ৭১২ || ✓
|-
| 166 || [[মানবহিতৈষণা]] || ২২৮ || ✓
|-
| 167 || [[ভারত সরকার]] || ১,২২০ || ✓
|-
| 168 || [[শিলং]] || ৯৭৩ || ✓
|-
| 169 || [[মাঝৌলি রাজ]] || ৫৬০ || ✓
|-
| 170 || [[কালিকট]] || ৪৫৪ || ✓
|-
| 171 || [[যাজপুর]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 172 || [[কালিবাঙ্গান]] || ৭৩৮ || ✓
|-
| 173 || [[কাডাপা]] || ৪১৩ || ✓
|-
| 174 || [[ইদার]] || ৫৮৬ || ✓
|-
| 175 || [[গোধরা]] || ১,০১০ || ✓
|-
| 176 || [[ভুবনেশ্বর]] || ১,১৬৫ || ✓
|-
| 177 || [[অমৃতসর]] || ৮৬৮ || ✓
|-
| 178 || [[আম্বালা]] || ৪৬১ || ✓
|-
| 179 || [[হায়দ্রাবাদ]] || ৩,২৪৮ || ✓
|-
| 180 || [[২০১৯ হায়দ্রাবাদ গণধর্ষণ]] || ১৭৭ || ✓
|-
| 181 || [[মুহাম্মাদ বখতিয়ার খলজি]] || ৪২৩ || ✕
|-
| 182 || [[হায়দ্রাবাদ অধিগ্রহণ]] || ৪৫৬ || ✓
|-
| 183 || [[১৮৯৯-১৯০০ সালের ভারতীয় দুর্ভিক্ষ]] || ৫৪১ || ✓
|-
| 184 || [[১৯৯০ হায়দ্রাবাদ দাঙ্গা]] || ৪০৬ || ✓
|-
| 185 || [[গুয়াহাটি]] || ১,৭৯৬ || ✓
|-
| 186 || [[গৌড়]] || ১,৯৩৬ || ✓
|-
| 187 || [[বিজাপুর]] || ৬৬২ || ✓
|-
| 188 || [[মাণ্ডু]] || ৩৯৪ || ✓
|-
| 189 || [[খাজুরাহো]] || ৩৭১ || ✓
|-
| 190 || [[চান্দেরী]] || ৫০৭ || ✓
|-
| 191 || [[জুনাগড়]] || ৭১৯ || ✓
|-
| 192 || [[বৃহৎ কচ্ছের রাণ]] || ৫৮৪ || ✓
|-
| 193 || [[আহমেদাবাদ]] || ১,৮১২ || ✓
|-
| 194 || [[কচ্ছ জেলা]] || ৩২৬ || ✓
|-
| 195 || [[দৃশদ্বতী নদী]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 196 || [[চেনাব নদী]] || ৩২১ || ✓
|-
| 197 || [[পশ্চিমবঙ্গে ধর্ম]] || ১,২৩২ || ✓
|-
| 198 || [[মুর্শিদাবাদ সহিংসতা]] || ২৫৭ || ✓
|-
| 199 || [[২০২৪ সন্দেশখালী সহিংসতা]] || ১,০৬১ || ✓
|-
| 200 || [[২০২২ বীরভূম সহিংসতা]] || ৫১৪ || ✓
|-
| 201 || [[মৈতৈ জাতি]] || ৬৪০ || ✓
|-
| 202 || [[মৈতৈ সভ্যতা]] || ৩৫০ || ✓
|-
| 203 || [[মণিপুর]] || ৩০৬ || ✓
|-
| 204 || [[লাক্ষাদ্বীপ]] || ৩২৯ || ✓
|-
| 205 || [[বৃন্দাবন]] || ৭৩৩ || ✓
|-
| 206 || [[সম্ভল]] || ২৪৩ || ✓
|-
| 207 || [[এলাহাবাদ]] || ৩৫৭ || ✓
|-
| 208 || [[আলিগড়]] || ৪০৯ || ✓
|-
| 209 || [[স্ট্যাচু অব ইউনিটি]] || ২৪১ || ✓
|-
| 210 || [[ভারতের দুর্গ]] || ৩১৪ || ✓
|-
| 211 || [[দ্য দুন স্কুল]] || ৬৬৪ || ✓
|-
| 212 || [[কাশী হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়]] || ৩৪৫ || ✓
|-
| 213 || [[আগ্রা]] || ৭১৮ || ✓
|-
| 214 || [[২০২০ দিল্লি দাঙ্গা]] || ১,১৭৮ || ✓
|-
| 215 || [[তিরুচিরাপল্লী]] || ৬২৬ || ✓
|-
| 216 || [[সেন্ট থমাস ক্যাথেড্রাল ব্যাসিলিকা, চেন্নাই]] || ৩৮০ || ✕
|-
| 217 || [[আতঙ্ক]] || ৪৭৮ || ✓
|-
| 218 || [[ভারতে দুর্নীতি]] || ১,০০৭ || ✓
|-
| 219 || [[তামিলনাড়ুর মন্দির]] || ৯১৮ || ✓
|-
| 220 || [[এম. কে. স্ট্যালিন]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 221 || [[তামিলনাড়ু]] || ৫৪৩ || ✓
|-
| 222 || [[তামিলনাড়ুর হিন্দি বিরোধী আন্দোলন]] || ৪৬৫ || ✓
|-
| 223 || [[যোধপুর]] || ৬২৮ || ✓
|-
| 224 || [[রাজস্থান]] || ২৯৪ || ✓
|-
| 225 || [[ওড়িশা]] || ৭৪৫ || ✓
|-
| 226 || [[১৯৯৮ কোয়েম্বাটুর বোমা হামলা]] || ৫৩৭ || ✓
|-
| 227 || [[উত্তর-পূর্ব ভারতে বিদ্রোহ]] || ৩৯৮ || ✓
|-
| 228 || [[মারাদ হত্যাকাণ্ড]] || ৩৫২ || ✓
|-
| 229 || [[মক্কা মসজিদ বিস্ফোরণ]] || ৫৮৪ || ✓
|-
| 230 || [[স্টুডেন্টস ইসলামিক মুভমেন্ট অব ইন্ডিয়া]] || ৩৫৭ || ✓
|-
| 231 || [[বিষ্ণু]] || ৬১৭ || ✓
|-
| 232 || [[২০২৪ রিয়াসি হামলা]] || ৩০২ || ✓
|-
| 233 || [[২০০৬ মালেগাঁও বোমা হামলা]] || ৩৯১ || ✓
|-
| 234 || [[২০০৬ মুম্বই রেলে বোমা হামলা]] || ১৯০ || ✓
|-
| 235 || [[মুম্বই]] || ১,২২৪ || ✓
|-
| 236 || [[দৌলতাবাদ, মহারাষ্ট্র]] || ৮৯৫ || ✕
|-
| 237 || [[মহারাষ্ট্র]] || ৪৯৯ || ✓
|-
| 238 || [[পিনারাই বিজয়ন]] || ৫২৩ || ✓
|-
| 239 || [[আরব দেশ]] || ৯১৪ || ✓
|-
| 240 || [[দক্ষিণ এশিয়া]] || ৫৯৩ || ✓
|-
| 241 || [[শহুরে অবক্ষয়]] || ৩০৮ || ✓
|-
| 242 || [[নগরায়ন]] || ১,০৯৭ || ✓
|-
| 243 || [[কেরল]] || ৩৬৫ || ✓
|-
| 244 || [[জম্মু ও কাশ্মীরে বিদ্রোহ]] || ৪১৮ || ✓
|-
| 245 || [[জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহার]] || ৯৬৪ || ✓
|-
| 246 || [[শ্রীনগর]] || ১,৭২৯ || ✓
|-
| 247 || [[কাশ্মীর উপত্যকা]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 248 || [[লাদাখ]] || ৬৯৪ || ✓
|-
| 249 || [[কাশ্মীরি জাতি]] || ৮১৩ || ✓
|-
| 250 || [[তারিখ-ই-কাশ্মীর]] || ৫১৪ || ✓
|-
| 251 || [[কর্ণাটক]] || ৬৮২ || ✓
|-
| 252 || [[কর্ণাটকের রাজনীতি]] || ৪৩৯ || ✓
|-
| 253 || [[বেঙ্গালুরু]] || ৬১৪ || ✓
|-
| 254 || [[আসামে ইসলাম]] || ৬৯০ || ✓
|-
| 255 || [[আসামের ইতিহাস]] || ৭২৬ || ✓
|-
| 256 || [[আসামে হিন্দুধর্ম]] || ৩২৫ || ✓
|-
| 257 || [[ভারতের জনমিতি]] || ৩,৩৭৩ || ✓
|-
| 258 || [[বাংলাদেশের জনমিতি]] || ১,১৯৫ || ✓
|-
| 259 || [[পাকিস্তানের জনমিতি]] || ৮৫০ || ✓
|-
| 260 || [[আসামের জনমিতি]] || ১৮২ || ✓
|-
| 261 || [[বিহার]] || ৪৫৮ || ✓
|-
| 262 || [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] || ১৮১ || ✓
|-
| 263 || [[শাহ বানু মামলা]] || ৮০০ || ✓
|-
| 264 || [[ইসরায়েল–ভারত সম্পর্ক]] || ৮৯৭ || ✓
|-
| 265 || [[প্রণব মুখোপাধ্যায়]] || ৫৯৫ || ✓
|-
| 266 || [[দ্রৌপদী মুর্মু]] || ২৪৯ || ✓
|-
| 267 || [[ফখরুদ্দিন আলি আহমেদ]] || ১,৬৪৭ || ✓
|-
| 268 || [[এলজিবিটিকিউ অধিকার বিরোধিতা]] || ২,০৪৯ || ✓
|-
| 269 || [[গেফোবিয়া]] || ২৭৮ || ✓
|-
| 270 || [[সমকামী যৌন চর্চা]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 271 || [[উভকামিতা]] || ১,৫৬০ || ✓
|-
| 272 || [[কামিং আউট]] || ৮০৫ || ✓
|-
| 273 || [[স্মৃতি ইরানি]] || ৯৯১ || ✓
|-
| 274 || [[মেনকা গান্ধী]] || ১,২৩০ || ✓
|-
| 275 || [[যশবন্ত সিং]] || ২০৬ || ✓
|-
| 276 || [[সৈয়দ শাহাবুদ্দিন]] || ৫৭৯ || ✓
|-
| 277 || [[শাকিল আহমদ]] || ১২৪ || ✓
|-
| 278 || [[তথাগত রায়]] || ২৭৫ || ✓
|-
| 279 || [[লালুপ্রসাদ যাদব]] || ১,১০৯ || ✓
|-
| 280 || [[আসাদউদ্দিন ওয়াইসি]] || ৫০২ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৮০
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,৫৮,০৩৩
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩,০১,৮৭২
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪৩,৮৩৯
|}
=== [[ব্যবহারকারী:SMontaha32| SMontaha32]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনী]] || ১৯,১০০ || ✕
|-
| 2 || [[ভাকলাভ হাভেল]] || ৯,৩৫৭ || ✓
|-
| 3 || [[নরউইচের জুলিয়ান]] || ৩১,৬৩৩ || ✓
|-
| 4 || [[রামসে ম্যাকডোনাল্ড]] || ৯,৬২২ || ✓
|-
| 5 || [[জন মুয়ির]] || ৮,০৬১ || ✓
|-
| 6 || [[মার্গারেট অ্যাটউড]] || ৬,৩২৮ || ✓
|-
| 7 || [[পেত্র ক্রাপোতকিন]] || ১০,৮১৬ || ✓
|-
| 8 || [[টমাস হেনরি হাক্সলি]] || ৮,৫০৩ || ✓
|-
| 9 || [[উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস]] || ৭,২১০ || ✓
|-
| 10 || [[উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস]] || ৪,২৬০ || ✓
|-
| 11 || [[তাওয়াক্কোল কারমান]] || ৪,০৯৭ || ✓
|-
| 12 || [[র্যাচেল কারসন]] || ৪,৭৬৭ || ✓
|-
| 13 || [[আর্নেস্ট হেমিংওয়ে]] || ১৪,৯০৭ || ✓
|-
| 14 || [[আর্থার এডিংটন]] || ৫,৬৩৭ || ✓
|-
| 15 || [[এরিক হবসবাউম]] || ৫,৮৭৩ || ✓
|-
| 16 || [[টনি মরিসন]] || ১০,৩৮৩ || ✓
|-
| 17 || [[টনি বেন]] || ১০,৩৯৯ || ✓
|-
| 18 || [[নরম্যান মেইলার]] || ৬,৬০৬ || ✓
|-
| 19 || [[পল স্যামুয়েলসন]] || ৬,৮৫১ || ✓
|-
| 20 || [[এইচ. পি. লাভক্র্যাফট]] || ২৫,৪৭২ || ✓
|-
| 21 || [[ব্লেজ পাসকাল]] || ৩,০৫১ || ✓
|-
| 22 || [[চিনুয়া আচেবে]] || ৬,০৪২ || ✓
|-
| 23 || [[ডরিস লেসিং]] || ৪,৬২১ || ✓
|-
| 24 || [[ফেদেরিকো ফাগিন]] || ৬০০ || ✓
|-
| 25 || [[আলেকজান্ডার গ্রোথেনডিক]] || ১,২১১ || ✓
|-
| 26 || [[আঙ্গেলা ম্যার্কেল]] || ২,০২৯ || ✓
|-
| 27 || [[আনাক্সাগোরাস]] || ৩,৬৭১ || ✓
|-
| 28 || [[আমোস তভারস্কি]] || ৪৬১ || ✓
|-
| 29 || [[আলফ্রেড মার্শাল]] || ১,৩০৯ || ✓
|-
| 30 || [[আলবার্টাস ম্যাগনাস]] || ৩৮২ || ✓
|-
| 31 || [[অনিতা ব্রুকনার]] || ৪৭৪ || ✓
|-
| 32 || [[আলফ্রেড কিনসে]] || ১,০৩৩ || ✓
|-
| 33 || [[অ্যালান কে]] || ৯২৪ || ✓
|-
| 34 || [[আলেকজান্ডার ফ্লেমিং]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 35 || [[ক্যারোলিন বার্তোজি]] || ৪১১ || ✓
|-
| 36 || [[আলফ্রেড রাসেল ওয়ালেস]] || ১,৬৫৯ || ✓
|-
| 37 || [[অঁতোয়ান লাভোয়াজিয়ে]] || ১,৪৬৩ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৩৭
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,১৮,৯৯২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,৩৯,৫৫৫
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২০,৫৬৩
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch| Oindrojalik Watch]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ভ্রান্ত উদ্ধৃতি]] || ৯,৮৭১ || ✓
|-
| 2 || [[২০১১ ফিফা মহিলা বিশ্বকাপ]] || ৯৬৩ || ✓
|-
| 3 || [[তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] || ৩,১৭৯ || ✓
|-
| 4 || [[আফগান যুদ্ধ (২০০১-২০২১)]] || ৪,৬২০ || ✓
|-
| 5 || [[ইউক্রেনে রুশ আক্রমণ (২০২২-বর্তমান)]] || ১২,৩৮২ || ✓
|-
| 6 || [[ইরাক যুদ্ধ]] || ১২,৩৪৪ || ✓
|-
| 7 || [[যুক্তরাজ্যের তৃতীয় জর্জ]] || ১২,০৪২ || ✓
|-
| 8 || [[২০১০ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৮৮৩ || ✓
|-
| 9 || [[২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৩,৫১৪ || ✓
|-
| 10 || [[২০০২ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৬১১ || ✓
|-
| 11 || [[ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ (১৯৬৫ সাল)]] || ১,৫৪২ || ✓
|-
| 12 || [[স্নায়ুযুদ্ধ]] || ১৫,৬১০ || ✓
|-
| 13 || [[দ্বিতীয় স্নায়ুযুদ্ধ]] || ৪,৬৬৮ || ✓
|-
| 14 || [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] || ২৪,১৭৭ || ✓
|-
| 15 || [[মহত্ত্ব]] || ৭,৮১৪ || ✓
|-
| 16 || [[সাংবাদিকতা]] || ১৩,৪৭০ || ✓
|-
| 17 || [[প্যানডিজম]] || ১০,৩০০ || ✓
|-
| 18 || [[গাজা যুদ্ধ (২০২৩-বর্তমান)]] || ১৬,৯৮২ || ✓
|-
| 19 || [[২০২৬ ইরান যুদ্ধ]] || ৬,৯৫৯ || ✓
|-
| 20 || [[পারমাণবিক অস্ত্র]] || ৩,২৩৩ || ✓
|-
| 21 || [[২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৬৪৩ || ✓
|-
| 22 || [[ক্রুসেড]] || ৯৯৬ || ✓
|-
| 23 || [[অ্যানিমেশন]] || ৯,৪৫৭ || ✓
|-
| 24 || [[দক্ষিণ কোরিয়ার রাজনীতি]] || ৭৫৫ || ✓
|-
| 25 || [[ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ]] || ৩,৭৬২ || ✓
|-
| 26 || [[পারমাণবিক যুদ্ধ]] || ৫,৫২০ || ✓
|-
| 27 || [[আল খোয়ারিজমি]] || ১,২৩০ || ✓
|-
| 28 || [[ফজলে রাব্বী]] || ৬৩৫ || ✓
|-
| 29 || [[ডেভিড হিউম]] || ১১,৭৮০ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৯
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১,৯০,০৭১
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,৯৯,৯৪২
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023| Sumanta3023]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[লিওনিদ ক্যান্টোরোভিচ]] || ১,৪২২ || ✓
|-
| 2 || [[থিওডোসিয়াস ডবঝানস্কি]] || ৭৬০ || ✕
|-
| 3 || [[টেরেন্স টাও]] || ৭২০ || ✓
|-
| 4 || [[ফিলিপ]] || ৪২৬ || ✓
|-
| 5 || [[জুলিয়ান শুইঙার]] || ১,৩২২ || ✕
|-
| 6 || [[পিয়ের-জিল দ্য জেন]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 7 || [[ব্রায়ান কক্স]] || ৭৫৬ || ✓
|-
| 8 || [[জন ম্যাককার্থি]] || ১,০৪৫ || ✓
|-
| 9 || [[লুই দ্য ব্রোয়ি]] || ৪৬০ || ✓
|-
| 10 || [[ফ্রঁসোয়া মিতেরঁ]] || ১,১৯৪ || ✕
|-
| 11 || [[ফ্লিন্ডার্স পেট্রি]] || ১,২০৪ || ✕
|-
| 12 || [[পল আর. এহর্লিচ]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 13 || [[মাইকেল আতিয়াহ]] || ৪২৩ || ✓
|-
| 14 || [[মার্টন মিলার]] || ৪৮২ || ✓
|-
| 15 || [[মেরি বিয়ার্ড]] || ৯১১ || ✓
|-
| 16 || [[মার্গারেট চ্যান]] || ৭০৪ || ✓
|-
| 17 || [[গেরহার্ড শ্রোডার]] || ২৬৯ || ✓
|-
| 18 || [[ফিলিপ ওয়ারেন অ্যান্ডারসন]] || ৭৯৯ || ✓
|-
| 19 || [[পিটার হিগস]] || ৪৭৪ || ✕
|-
| 20 || [[লিওনার্ড সাসকিন্ড]] || ৮২৫ || ✓
|-
| 21 || [[জন মেইনার্ড স্মিথ]] || ৬৪০ || ✓
|-
| 22 || [[জন জেমস অডুবন]] || ৮৩৭ || ✓
|-
| 23 || [[শেলডন লি গ্ল্যাশো]] || ৭৫১ || ✓
|-
| 24 || [[ভিক্টর উইসকফ]] || ৫১৯ || ✓
|-
| 25 || [[মার্টিন রিস]] || ৫৫১ || ✓
|-
| 26 || [[মার্ক ওলিফ্যান্ট]] || ৫৫৩ || ✓
|-
| 27 || [[ভিতালি গিঞ্জবার্গ]] || ৩০৮ || ✓
|-
| 28 || [[স্যালি রাইড]] || ৪২৫ || ✓
|-
| 29 || [[রবার্ট ফোগেল]] || ৪২৮ || ✓
|-
| 30 || [[রিঙ্গো স্টার]] || ৮৭০ || ✓
|-
| 31 || [[মাক্স ডেলব্রুক]] || ৫৭৫ || ✓
|-
| 32 || [[তৃতীয় লেওপোল্ড]] || ৮৩৭ || ✓
|-
| 33 || [[নরম্যান বোরল্যাগ]] || ৭০০ || ✓
|-
| 34 || [[নিকলাউস ভির্ট]] || ৪৭৯ || ✓
|-
| 35 || [[নিকোলাস স্টেনো]] || ২৯২ || ✓
|-
| 36 || [[নেভিল ফ্রান্সিস মট]] || ৫১১ || ✓
|-
| 37 || [[লুডউইক ফ্লেক]] || ৫১২ || ✓
|-
| 38 || [[কারেন উলেনবেক]] || ৩৯২ || ✓
|-
| 39 || [[ইয়োসেফ মেংগেলে]] || ৫৪৪ || ✓
|-
| 40 || [[কিরণ দেশাই]] || ২৬১ || ✓
|-
| 41 || [[কাতালিন কারিকো]] || ৩০৯ || ✓
|-
| 42 || [[ইয়োন্স ইয়াকব বের্সেলিয়ুস]] || ৫১৬ || ✓
|-
| 43 || [[হুয়ান মালদাসেনা]] || ৭৩২ || ✓
|-
| 44 || [[হাইনরিখ বোল]] || ৩০০ || ✓
|-
| 45 || [[ইনগ্রিড ডোবিচি]] || ৬৭১ || ✓
|-
| 46 || [[ইয়ান উইলমুট]] || ৪২৭ || ✓
|-
| 47 || [[হিউ এভারেট]] || ৬০০ || ✓
|-
| 48 || [[ফ্রঁসোয়া অংল্যার]] || ৫৩৩ || ✓
|-
| 49 || [[এমানুয়েল সোয়েডেনবার্গ]] || ১,৫২২ || ✓
|-
| 50 || [[এলিজাবেথ বিশপ]] || ৬৫২ || ✓
|-
| 51 || [[শেখ আন্তা দিওপ]] || ৩৩৫ || ✓
|-
| 52 || [[জর্জ গ্যামো]] || ১,৫২১ || ✓
|-
| 53 || [[হাইনরিখ হের্ত্স]] || ১,৭৪৪ || ✓
|-
| 54 || [[গ্রো হারলেম ব্রুন্ডটল্যান্ড]] || ৩১১ || ✓
|-
| 55 || [[জন সি. মাদার]] || ৪২৫ || ✓
|-
| 56 || [[জন ব্যাকাস]] || ৫৯৭ || ✓
|-
| 57 || [[এর্নস্ট মায়ার]] || ৭৫৪ || ✓
|-
| 58 || [[লিন মার্গুলিস]] || ১,৭১৮ || ✓
|-
| 59 || [[হ্যান্স বেটে]] || ৩৯৬ || ✓
|-
| 60 || [[লুই আগাসিজ]] || ৯৩৭ || ✓
|-
| 61 || [[জর্জ ক্যুভিয়ে]] || ৭৬৮ || ✓
|-
| 62 || [[ব্রাসেলস]] || ৯৬৭ || ✓
|-
| 63 || [[ড্যানিয়েল কানেমান]] || ২,৯৫৭ || ✕
|-
| 64 || [[ডোনাল্ড কানুথ]] || ১,৫৮২ || ✓
|-
| 65 || [[লেমাহ গবোউই]] || ১,১৫০ || ✓
|-
| 66 || [[গারট্রুড বি. এলিয়ন]] || ২৩৪ || ✓
|-
| 67 || [[ডোনা স্ট্রিকল্যান্ড]] || ৩৫৯ || ✓
|-
| 68 || [[এর্নস্ট মাখ]] || ২,০২৮ || ✕
|-
| 69 || [[ডোনাল্ড টাস্ক]] || ১,৭৭১ || ✓
|-
| 70 || [[অরবিন্দ আদিগা]] || ৮৬৬ || ✓
|-
| 71 || [[সি. এ. আর. হোর]] || ১,০৬১ || ✕
|-
| 72 || [[পল ডিরাক]] || ৪,৭০৯ || ✕
|-
| 73 || [[ই. ও. উইলসন]] || ৪,৪৫৮ || ✕
|-
| 74 || [[ডেসমন্ড মরিস]] || ৩,৯৮৬ || ✓
|-
| 75 || [[মাইকেল গোভ]] || ৩,৭৩৬ || ✓
|-
| 76 || [[হার্পার লি]] || ২,৪৯১ || ✓
|-
| 77 || [[কেন টম্পসন]] || ১,৮১৬ || ✓
|-
| 78 || [[জন টিন্ডাল]] || ২,৫২৮ || ✓
|-
| 79 || [[মেরি রবিনসন]] || ১,৩৭৬ || ✓
|-
| 80 || [[হেনরি ক্যাভেন্ডিশ]] || ২,২৪৪ || ✓
|-
| 81 || [[আইরিস মারডক]] || ১,২৬৮ || ✓
|-
| 82 || [[আর্নেস্ট রাদারফোর্ড]] || ২,৪৫৩ || ✓
|-
| 83 || [[ফ্রেড ব্রুকস]] || ১,১৯১ || ✓
|-
| 84 || [[ক্রিস্টিয়ান হাইগেনস]] || ১,৯০৭ || ✓
|-
| 85 || [[ডায়ান ফসি]] || ১,৬৪৬ || ✕
|-
| 86 || [[ইডিথ হোয়ার্টন]] || ১,৪২৫ || ✓
|-
| 87 || [[অরেল স্টেইন]] || ১,৪৭৮ || ✕
|-
| 88 || [[গাব্রিয়েলা মিস্ত্রাল]] || ১,৬৫০ || ✓
|-
| 89 || [[আলেকজান্ডার ফন হুমবোল্ট]] || ১,১২০ || ✓
|-
| 90 || [[ফ্রান্সিস্কো ভারেলা]] || ১,৮৯৩ || ✓
|-
| 91 || [[ডেনিস রিচি]] || ১,১০৮ || ✓
|-
| 92 || [[অড্রে হেপবার্ন]] || ১,৪৩৫ || ✓
|-
| 93 || [[জি. এইচ. হার্ডি]] || ২,৩৩০ || ✓
|-
| 94 || [[হ্যারল্ড পিন্টার]] || ২,০৭২ || ✓
|-
| 95 || [[অ্যানাক্সিম্যান্ডার]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 96 || [[ডেভিড ব্রুস্টার]] || ২,৪০৪ || ✓
|-
| 97 || [[ব্রায়ান গ্রিন]] || ১,২৭৯ || ✕
|-
| 98 || [[অমিত গোস্বামী]] || ৯১৫ || ✓
|-
| 99 || [[এডমন্ড হ্যালি]] || ২,৬১৯ || ✓
|-
| 100 || [[ডেভিড সুজুকি]] || ১,৫১৭ || ✓
|-
| 101 || [[ডেভিড জোনাথন গ্রোস]] || ৮০৯ || ✓
|-
| 102 || [[ডেভিড ম্যামেট]] || ১,২৫২ || ✓
|-
| 103 || [[আহমেদ জেওয়াইল]] || ১৯২ || ✓
|-
| 104 || [[ইউরোপীয় পার্লামেন্ট]] || ৬১৫ || ✓
|-
| 105 || [[ডেভিড গ্রসম্যান]] || ৩৩৬ || ✓
|-
| 106 || [[হরিশ-চন্দ্র]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 107 || [[অনিতা দেসাই]] || ১,৪৩৯ || ✓
|-
| 108 || [[অ্যাশ কার্টার]] || ৪৬৩ || ✓
|-
| 109 || [[আলফ্রেড নোবেল]] || ৫০৯ || ✕
|-
| 110 || [[ক্রিস্টিয়ান বার্নার্ড]] || ৬৩৯ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১১০
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৯৭,৪২১
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,২২,৫০০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২৫,০৭৯
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Anik Kanti Dey| Anik Kanti Dey]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[রেজা পাহলভি]] || ৯,৯১০ || ✓
|-
| 2 || [[রজার ইবার্ট]] || ২১,৩২৫ || ✓
|-
| 3 || [[পুনর্জন্ম]] || ২০,২৪৮ || ✓
|-
| 4 || [[জ্যারেড ডায়মন্ড]] || ১,১৬৮ || ✕
|-
| 5 || [[জেন গুডাল]] || ১,৩৫৭ || ✓
|-
| 6 || [[জেমস টোবিন]] || ১,০৫৯ || ✓
|-
| 7 || [[জেমস ক্যালাহান]] || ১,৬১৫ || ✓
|-
| 8 || [[উইলিয়াম স্ট্যানলি জেভন্স]] || ১,৭০১ || ✓
|-
| 9 || [[উইলিয়াম থমসন]] || ১,০৫১ || ✓
|-
| 10 || [[ওলে সোয়িংকা]] || ৩,১৬১ || ✕
|-
| 11 || [[জোসেফ স্টিগলিটজ]] || ১,৫০৪ || ✕
|-
| 12 || [[গ্রেগর মেন্ডেল]] || ৮৭৪ || ✓
|-
| 13 || [[গটফ্রিড ভিলহেল্ম লাইবনিৎস]] || ১,২৩৬ || ✓
|-
| 14 || [[গ্লেন থিওডোর সিবর্গ]] || ৯৮৪ || ✓
|-
| 15 || [[হেরমান ভাইল]] || ১,৫৪১ || ✓
|-
| 16 || [[হেরমান হেস]] || ৪,৫৬৫ || ✓
|-
| 17 || [[হার্বার্ট স্পেন্সার]] || ২,৩৬৮ || ✓
|-
| 18 || [[হার্বার্ট এ. সাইমন]] || ১,৩৩৭ || ✓
|-
| 19 || [[হেরাক্লিটাস]] || ১,৫৭০ || ✓
|-
| 20 || [[হেনরিক শিয়েনকিয়েভিচ]] || ১,৯১১ || ✕
|-
| 21 || [[উইলা ক্যাথার]] || ৩,০৩৩ || ✕
|-
| 22 || [[উইল ডুরান্ট]] || ২,৮১৫ || ✓
|-
| 23 || [[ডব্লিউ. এইচ. অডেন]] || ২,৮১৯ || ✓
|-
| 24 || [[ভোলফগাং পাউলি]] || ১,৬৩৯ || ✓
|-
| 25 || [[ইয়াসুনারি কাওয়াবাতা]] || ২,২৫৮ || ✓
|-
| 26 || [[জন আর্চিবল্ড হুইলার]] || ১,১৩৯ || ✓
|-
| 27 || [[সেমুর হার্শ]] || ১,৭৬১ || ✓
|-
| 28 || [[সের্গেই কোরোলিয়ভ]] || ৫৬৫ || ✓
|-
| 29 || [[জেন অ্যাডামস]] || ১,৯০৬ || ✓
|-
| 30 || [[জাক-ইভ কুস্তো]] || ৬৬৩ || ✓
|-
| 31 || [[হিদেকি ইউকাওয়া]] || ৪০৩ || ✓
|-
| 32 || [[প্রিমো লেভি]] || ৪,২৩৮ || ✓
|-
| 33 || [[ঝুম্পা লাহিড়ী]] || ৪৩০ || ✓
|-
| 34 || [[জেমস প্রেসকট জুল]] || ৪৮৭ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৩৪
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৯৩,৮৬৪
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,০৪,৬৪১
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১০,৭৭৭
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman| Tanbiruzzaman]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা]] || ৪,৮৫১ || ✓
|-
| 2 || [[সংবাদ মাধ্যম]] || ১,১৫৫ || ✓
|-
| 3 || [[গণমাধ্যম]] || ৩,৩৫৭ || ✓
|-
| 4 || [[মূলধারার গণমাধ্যম]] || ১,০৫২ || ✓
|-
| 5 || [[হলুদ সাংবাদিকতা]] || ২,২৯৬ || ✓
|-
| 6 || [[ভুয়া সংবাদ]] || ১,৪০৮ || ✓
|-
| 7 || [[বিকল্প প্রচারমাধ্যম]] || ১,২০৫ || ✓
|-
| 8 || [[জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ]] || ১১,২৬৬ || ✓
|-
| 9 || [[অ্যানোনিমাস]] || ৪,০৪৩ || ✓
|-
| 10 || [[টুপাক শাকুর]] || ৬,২৮৭ || ✓
|-
| 11 || [[জেনডেয়া]] || ২,০১৪ || ✓
|-
| 12 || [[টিমথি শালামে]] || ১,১২৭ || ✓
|-
| 13 || [[হিপোক্রেটিস]] || ২,৯২৩ || ✓
|-
| 14 || [[ষষ্ঠ মুহাম্মদ]] || ৮৭৮ || ✓
|-
| 15 || [[জন লেনক্স]] || ৭০২ || ✓
|-
| 16 || [[আলেক্সান্দ্র্ সলজেনিৎসিন]] || ৮,০৫৬ || ✓
|-
| 17 || [[আবদুল হান্নান মাসউদ]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 18 || [[পরকাল সম্পর্কে কুরআন]] || ১৮,৭৯৪ || ✓
|-
| 19 || [[মানবতাবিরোধী অপরাধ]] || ১,৯১২ || ✓
|-
| 20 || [[আন্তর্জাতিক আইন]] || ৫,৫৩৯ || ✓
|-
| 21 || [[মোহাম্মদ জাওয়াদ জারিফ]] || ১,৪৫২ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৮০,৭২৪
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৮০,৭২৪
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Nil Nandy| Nil Nandy]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[অনিল ভৌমিক]] || ২১৬ || ✓
|-
| 2 || [[মনোজ মিত্র]] || ৫,৫৬৭ || ✓
|-
| 3 || [[নারায়ণ সান্যাল]] || ৩৬৬ || ✓
|-
| 4 || [[মতি নন্দী]] || ৫,০১৮ || ✓
|-
| 5 || [[দেবেশ রায়]] || ৯,২৪৪ || ✓
|-
| 6 || [[শিশিরকুমার বসু]] || ৪,৮০৭ || ✓
|-
| 7 || [[বিমল কর]] || ১,৩৬৯ || ✓
|-
| 8 || [[সুবোধ সরকার]] || ১,৮৪৮ || ✓
|-
| 9 || [[স্মরণজিৎ চক্রবর্তী]] || ৭৯২ || ✓
|-
| 10 || [[স্বামী সারদানন্দ]] || ৮,৬৯৫ || ✓
|-
| 11 || [[শক্তিপদ রাজগুরু]] || ৯৯৩ || ✓
|-
| 12 || [[কমলকুমার মজুমদার]] || ১,৫৭৩ || ✓
|-
| 13 || [[গৌতম ভদ্র]] || ৬৮৫ || ✓
|-
| 14 || [[পরিমল গোস্বামী]] || ৬,৫৫০ || ✓
|-
| 15 || [[প্রেমাঙ্কুর আতর্থী]] || ৫,৬৯৮ || ✓
|-
| 16 || [[কালীপ্রসন্ন সিংহ]] || ৫,৪০৪ || ✓
|-
| 17 || [[অখিল নিয়োগী]] || ৬৩৬ || ✓
|-
| 18 || [[হরপ্রসাদ শাস্ত্রী]] || ৫১৩ || ✓
|-
| 19 || [[গায়ত্রী চক্রবর্তী স্পিভাক]] || ৫৯২ || ✓
|-
| 20 || [[অজিত দত্ত]] || ৮৭০ || ✓
|-
| 21 || [[অজিতকৃষ্ণ বসু]] || ২,৩৮৬ || ✓
|-
| 22 || [[এম এস স্বামীনাথন]] || ৮৭২ || ✓
|-
| 23 || [[চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন]] || ২,১৭১ || ✓
|-
| 24 || [[চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও]] || ২,১৬৭ || ✓
|-
| 25 || [[কণাদ]] || ৯১৯ || ✓
|-
| 26 || [[জয়ন্ত বিষ্ণু নারলিকর]] || ৩,১৮৭ || ✓
|-
| 27 || [[বিক্রম সারাভাই]] || ১,১২৯ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৭
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৭৪,২৬৭
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৭৪,২৬৭
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:R1F4T| R1F4T]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আর্নেস্ট কিং]] || ১৫,৭৬৯ || ✕
|-
| 2 || [[ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট]] || ২৬,২১৫ || ✓
|-
| 3 || [[আনোয়ার ইব্রাহিম]] || ৬,৯৯৩ || ✓
|-
| 4 || [[ইসলাম ও যুদ্ধ]] || ৫,৬৮১ || ✓
|-
| 5 || [[আহমদ সিরহিন্দি]] || ৪,০৭০ || ✓
|-
| 6 || [[মুসা সেরান্তোনিও]] || ৪২৩ || ✓
|-
| 7 || [[ইয়াকুব]] || ১,৯৫৬ || ✓
|-
| 8 || [[আদ্রিয়ান গোল্ডসওয়ার্দি]] || ১,৯৭৯ || ✕
|-
| 9 || [[অ্যালিস পল]] || ১,৮৬২ || ✕
|-
| 10 || [[অ্যামি ট্যান]] || ২,০০৭ || ✕
|-
| 11 || [[অ্যান্ড্রু সেগা]] || ১,৯৬৯ || ✓
|-
| 12 || [[আল্যাঁ বাদিউ]] || ১,৯৬৬ || ✕
|-
| 13 || [[আফ্রিকান স্পির]] || ১,৭২২ || ✕
|-
| 14 || [[ফ্রেডরিক ডগলাস]] || ৮৬২ || ✕
|-
| 15 || [[নবী]] || ২,০৬২ || ✕
|-
| 16 || [[এমা গোল্ডম্যান]] || ১২,৮০০ || ✕
|-
| 17 || [[প্রেম সম্পর্কে ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি]] || ১৫,০৪০ || ✓
|-
| 18 || [[মিস্ট্রি সায়েন্স থিয়েটার ৩০০০]] || ৯৪,৯৬৮ || ✕
|-
| 19 || [[দ্য থিক অফ ইট]] || ৬৯,২৮৩ || ✕
|-
| 20 || [[অ্যালেক্স হেইলি]] || ১,৬০৪ || ✓
|-
| 21 || [[দাসত্ব সম্পর্কে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি]] || ৫,৭৮৫ || ✕
|-
| 22 || [[দাসত্ব]] || ১০,২৫৯ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২২
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৬৩,৯৫১
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,৮৫,২৭৫
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২,২১,৩২৪
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Salil Kumar Mukherjee| Salil Kumar Mukherjee]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[যন্ত্র]] || ৭১৩ || ✓
|-
| 2 || [[বিচারক]] || ৯৫২ || ✓
|-
| 3 || [[রুটি]] || ১,০৯৭ || ✓
|-
| 4 || [[খড়]] || ৯৩২ || ✓
|-
| 5 || [[মন্মথমোহন বসু]] || ৯৬৩ || ✕
|-
| 6 || [[কালীপ্রসন্ন বিদ্যারত্ন]] || ৮২৫ || ✓
|-
| 7 || [[কলসী]] || ১,০৮৬ || ✓
|-
| 8 || [[চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ১,১৫৭ || ✓
|-
| 9 || [[শহর]] || ১,৪৫৮ || ✕
|-
| 10 || [[ঘাস]] || ২,১১২ || ✓
|-
| 11 || [[জলধর সেন]] || ১,৭৬৪ || ✓
|-
| 12 || [[ঠিকানা]] || ১,১৮৭ || ✓
|-
| 13 || [[গন্ধ]] || ১,৮০৭ || ✓
|-
| 14 || [[চা]] || ২,৪২৪ || ✓
|-
| 15 || [[রবীন্দ্রনাথ মৈত্র]] || ১,২৮১ || ✓
|-
| 16 || [[দিগন্ত]] || ১,২২৮ || ✓
|-
| 17 || [[ময়ূর]] || ১,৩৪৫ || ✓
|-
| 18 || [[করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ৯১১ || ✓
|-
| 19 || [[ঢেউ]] || ১,৫৩৯ || ✓
|-
| 20 || [[ছাতা]] || ১,১৮৯ || ✓
|-
| 21 || [[উমাকান্ত হাজারী]] || ৯৪২ || ✓
|-
| 22 || [[ঘৃণা]] || ২,৩৩৯ || ✓
|-
| 23 || [[বাঁশ]] || ২,৪৫৯ || ✕
|-
| 24 || [[কলেরা]] || ১,৬৩৮ || ✓
|-
| 25 || [[মাঠ]] || ২,৪৪৭ || ✓
|-
| 26 || [[টিন]] || ১,৯৩২ || ✕
|-
| 27 || [[সংবাদ]] || ৪,৪৭৯ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৭
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৩০,৯১৫
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪২,২০৬
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১১,২৯১
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul| Anaf Ibn Shahibul]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[জন বারবার]] || ৫৭৪ || ✕
|-
| 2 || [[স্কটিশ জাতি]] || ৩৭৫ || ✓
|-
| 3 || [[ওয়েন্ডি বোম্যান]] || ১৫১ || ✕
|-
| 4 || [[যুদ্ধাপরাধ]] || ৪,৬৭৯ || ✕
|-
| 5 || [[রুবি]] || ৩৬৩ || ✓
|-
| 6 || [[রিতা এনজেলু]] || ১৫৯ || ✓
|-
| 7 || [[বমি]] || ২০৪ || ✓
|-
| 8 || [[পার্ল]] || ৬৯০ || ✕
|-
| 9 || [[পাইথন]] || ১৩৯ || ✓
|-
| 10 || [[উইকিলিকস]] || ১,৬৩১ || ✕
|-
| 11 || [[জনস্টন ম্যাককালি]] || ৩১১ || ✕
|-
| 12 || [[যুগোস্লাভিয়া]] || ৪,১৩৬ || ✓
|-
| 13 || [[অংশুমান কর]] || ২০৯ || ✓
|-
| 14 || [[কেমব্রিজ গান]] || ৩০৫ || ✕
|-
| 15 || [[হেলেনীয় শিক্ষা]] || ৫০২ || ✓
|-
| 16 || [[টমাস হলি চিভার্স]] || ২৩৫ || ✓
|-
| 17 || [[মুহাম্মদ মাহদি আল-জাওয়াহিরি]] || ৬৩৮ || ✓
|-
| 18 || [[জেডি স্মিথ]] || ১,০৮০ || ✓
|-
| 19 || [[ব্রায়ান পি. শ্মিট]] || ৪৬০ || ✓
|-
| 20 || [[কার্ল বার্নস্টিন]] || ৩৬৮ || ✓
|-
| 21 || [[চার্লস ফেফারম্যান]] || ৩৩৯ || ✓
|-
| 22 || [[ইয়ুস্টুস ফন লিবিগ]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 23 || [[টমাস শেলিংস]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 24 || [[উইলিয়াম শকলি]] || ৩৯১ || ✓
|-
| 25 || [[শিং-শেন চের্ন]] || ৭৬৫ || ✕
|-
| 26 || [[হুগো দ্য ভ্রিস]] || ৩৪৪ || ✓
|-
| 27 || [[রবার্ট অ্যান্ড্রুজ মিলিকান]] || ৪৩৬ || ✓
|-
| 28 || [[জেমস ভ্যান অ্যালেন]] || ৫৯৬ || ✓
|-
| 29 || [[জাক শিরাক]] || ৭১১ || ✓
|-
| 30 || [[ডরোথি হজকিন]] || ২৯৪ || ✓
|-
| 31 || [[গোরান পারসন]] || ৩২৬ || ✓
|-
| 32 || [[জেরার দ্যব্রু]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 33 || [[কোরীয় যুদ্ধ]] || ৯,৯৬৫ || ✕
|-
| 34 || [[রবার্ট জে. শিলার]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 35 || [[ফ্রঁসোয়া আরাগন]] || ৪৩৫ || ✓
|-
| 36 || [[অখিলচন্দ্র দত্ত]] || ৩৭৩ || ✕
|-
| 37 || [[ফ্রান্সিস কলিন্স]] || ৫৮৮ || ✓
|-
| 38 || [[হেলেন ক্লার্ক]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 39 || [[লেয়োঁ ফুকো]] || ৫৩২ || ✓
|-
| 40 || [[জন চার্লস পোলানি]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 41 || [[জন মেইনার্ড কেইনস]] || ১৭,৭৯১ || ✕
|-
| 42 || [[দিমিত্রি মুরাতভ]] || ৬৩৬ || ✓
|-
| 43 || [[আবদুস সালাম]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 44 || [[আবদুলরাজাক গুরনাহ]] || ৭৪৯ || ✓
|-
| 45 || [[এ. সি. বেনসন]] || ৩৮৩ || ✓
|-
| 46 || [[প্রথম আলবার্ট]] || ৮৬৪ || ✓
|-
| 47 || [[অম্লান দত্ত]] || ১৪৬ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৪৭
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১৯,৩৪৬
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৫৬,৫৮১
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৩৭,২৩৫
|}
=== [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন| মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ইয়ান মার্টেল]] || ১,১৩৩ || ✕
|-
| 2 || [[ইয়োইচিরো নাম্বু]] || ৪৩১ || ✕
|-
| 3 || [[সৈয়দ জামিল আহমেদ]] || ২০৩ || ✓
|-
| 4 || [[পূর্ণিমা]] || ১৯২ || ✓
|-
| 5 || [[শরিফুল রাজ]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 6 || [[কাজী হায়াৎ]] || ২৭৪ || ✓
|-
| 7 || [[আরেফিন রুমি]] || ১৬২ || ✓
|-
| 8 || [[ইমাম নাসাই]] || ৬৯৭ || ✕
|-
| 9 || [[কবরী]] || ২৭১ || ✓
|-
| 10 || [[হাফিজ উদ্দিন আহমদ]] || ২৩৬ || ✓
|-
| 11 || [[আ ন ম এহসানুল হক মিলন]] || ৩৪০ || ✓
|-
| 12 || [[আন্দালিব রহমান পার্থ]] || ২৯৭ || ✓
|-
| 13 || [[ববি হাজ্জাজ]] || ২৫৩ || ✓
|-
| 14 || [[ইবনে মাজাহ]] || ৩৩৬ || ✓
|-
| 15 || [[হাবিব ওয়াহিদ]] || ২৬৪ || ✓
|-
| 16 || [[জাইমা রহমান]] || ২১২ || ✓
|-
| 17 || [[কনকচাঁপা]] || ২২৮ || ✓
|-
| 18 || [[আহসান হাবীব]] || ২১৯ || ✓
|-
| 19 || [[বেলাল খান]] || ২১৯ || ✓
|-
| 20 || [[নচিকেতা চক্রবর্তী]] || ২৮৯ || ✓
|-
| 21 || [[আ ফ ম খালিদ হোসেন]] || ২৪৮ || ✓
|-
| 22 || [[আলমগীর]] || ৪০৬ || ✓
|-
| 23 || [[সালাহউদ্দিন আহমেদ]] || ৪৫৯ || ✓
|-
| 24 || [[চোং নানশান]] || ১৭৮ || ✓
|-
| 25 || [[এ. সি. ব্র্যাডলি]] || ৩৯০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৫
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৫,৪৭২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৮,১২৩
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২,৬৫১
|}
=== [[ব্যবহারকারী:JIBON| JIBON]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আলবার্ট হফমান]] || ৩,৪৪৪ || ✓
|-
| 2 || [[অ্যালান পারলিস]] || ৯২৮ || ✓
|-
| 3 || [[হেইনরিখ রোরার]] || ৩৬০ || ✓
|-
| 4 || [[আলফ্রেড আহো]] || ১৪৪ || ✕
|-
| 5 || [[উ থান্ট]] || ৬৭৮ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৫
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৪,৭৩২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৫,৫৫৪
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৮২২
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Md. Muqtadir Fuad| Md. Muqtadir Fuad]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[লোরঁ শোয়ার্তজ]] || ৬১০ || ✓
|-
| 2 || [[উইলিয়াম শার্প]] || ৩৯৯ || ✓
|-
| 3 || [[পাউল এরেনফেস্ট]] || ৪৩৩ || ✓
|-
| 4 || [[রবার্ট মান্ডেল]] || ৩২২ || ✓
|-
| 5 || [[হান কাং]] || ৬৬৬ || ✓
|-
| 6 || [[ক্রিপটিক ফেইট]] || ১৭৬ || ✓
|-
| 7 || [[কাকাবাবু]] || ২৫৮ || ✓
|-
| 8 || [[ক্যারি মুলিস]] || ৪০৩ || ✓
|-
| 9 || [[টোমাস ট্রান্সট্রোমার]] || ২৯৯ || ✓
|-
| 10 || [[ইরিনা বোকোভা]] || ২৬৮ || ✓
|-
| 11 || [[মার্টিনুস ভেল্টম্যান]] || ১৯৫ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৪,০২৯
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪,০২৯
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Humaira.thithi| Humaira.thithi]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ড্যামন গ্যালগুট]] || ৪৮২ || ✓
|-
| 2 || [[আর্থার কর্নবার্গ]] || ১৭৭ || ✕
|-
| 3 || [[বেন ওক্রি]] || ৮৫৮ || ✓
|-
| 4 || [[সল বেলো]] || ১,০০৩ || ✓
|-
| 5 || [[সল পার্লমাটার]] || ৩১১ || ✕
|-
| 6 || [[সিমেওঁ দ্যনি পোয়াসোঁ]] || ১৬০ || ✓
|-
| 7 || [[স্টিভ আরউইন]] || ৪৩৫ || ✕
|-
| 8 || [[আনি এরনো]] || ২৮৪ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৮
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,৭৮৭
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩,৭১০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৯২৩
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Amirhusenjihed| Amirhusenjihed]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ফজল শাহাবুদ্দীন]] || ৪৯৫ || ✕
|-
| 2 || [[আল-জাহিজ]] || ৭৩৩ || ✓
|-
| 3 || [[আল-বিরুনি]] || ১,৮৩৬ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৩
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,৫৬৯
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩,০৬৪
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪৯৫
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Asikur Rahman| Asikur Rahman]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[থমাস হ্যারিয়ট]] || ৪৩২ || ✓
|-
| 2 || [[স্টিভেন চু]] || ২২০ || ✓
|-
| 3 || [[ইভাঞ্জেলিস্টা টরিসেলি]] || ৩৭২ || ✓
|-
| 4 || [[লেসলি ল্যামপোর্ট]] || ৫৫০ || ✓
|-
| 5 || [[মার্টিন লুইস পার্ল]] || ৩৮৮ || ✓
|-
| 6 || [[ভ্লাদিমির মার্কভনিকভ]] || ২৬৭ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৬
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,২২৯
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,২২৯
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Rasel Mehedi| Rasel Mehedi]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[বাপ্পী লাহিড়ী]] || ২৫২ || ✓
|-
| 2 || [[নুহাশ হুমায়ূন]] || ২০৫ || ✓
|-
| 3 || [[আনিসুল হক]] || ২৪৬ || ✕
|-
| 4 || [[বাবর আলী]] || ৩০৯ || ✓
|-
| 5 || [[মেহের আফরোজ শাওন]] || ৩১৯ || ✓
|-
| 6 || [[ফেলুদা]] || ২৪৬ || ✓
|-
| 7 || [[ব্যোমকেশ বক্সী]] || ১৭৮ || ✓
|-
| 8 || [[প্রোফেসর শঙ্কু]] || ২৬৯ || ✓
|-
| 9 || [[বারী সিদ্দিকী]] || ২৪২ || ✓
|-
| 10 || [[সমরেশ বসু]] || ২০২ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১০
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,২২২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,৪৬৮
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২৪৬
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Mahiya50| Mahiya50]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[লিয়ন কুপার]] || ৩২৩ || ✓
|-
| 2 || [[কামিলা শামসি]] || ২০৪ || ✓
|-
| 3 || [[ক্রিস্টোফার রেন]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 4 || [[জিওফ্রে হিন্টন]] || ৩২২ || ✓
|-
| 5 || [[ফ্রিডতিয়ফ নানসেন]] || ১৯১ || ✓
|-
| 6 || [[আলাঁ আস্পে]] || ৭৭৬ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৬
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,১৯০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,১৯০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Borhan| Borhan]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ক্যারিল ফিলিপস]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 2 || [[জেমস কুক]] || ৩৯৭ || ✓
|-
| 3 || [[ক্লাউদিয়া শেইনবাউম]] || ৩২১ || ✓
|-
| 4 || [[আবি আহমেদ]] || ২৫৫ || ✓
|-
| 5 || [[পিটার আগ্রি]] || ১৯০ || ✓
|-
| 6 || [[ফখরুদ্দীন আল-রাযী]] || ২১৫ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৬
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১,৬৬২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,৬৬২
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Raihanur| Raihanur]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[শি চিনফিং]] || ৪,১৩২ || ✕
|-
| 2 || [[ইব্রাহিম ত্রাওরে]] || ৭৫৪ || ✓
|-
| 3 || [[পেদ্রো সানচেজ]] || ২৯৯ || ✓
|-
| 4 || [[অ্যাডাম রিস]] || ৪৮৯ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৪
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১,৫৪২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৫,৬৭৪
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪,১৩২
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Muhammad Fahim Faisal| Muhammad Fahim Faisal]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আব্দুল হান্নান আবকারী]] || ০ || ✕
|-
| 2 || [[ইবরাহীম আলী তশনা]] || ২৪৭ || ✓
|-
| 3 || [[রুহুল আমিন বসিরহাটি]] || ৩৬৩ || ✓
|-
| 4 || [[মুহাম্মদুল্লাহ হাফেজ্জী]] || ৩৪২ || ✓
|-
| 5 || [[শামছুল হুদা]] || ০ || ✕
|-
| 6 || [[শামছুল হক ফরিদপুরী]] || ৫৪৬ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৬
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১,৪৯৮
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,৪৯৮
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Firuz Ahmmed| Firuz Ahmmed]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[গর্ডন মুর]] || ৫৮৭ || ✓
|-
| 2 || [[শিরিন এবাদি]] || ৫৪৩ || ✕
|-
| 3 || [[নাগিব মাহফুজ]] || ৫৩০ || ✓
|-
| 4 || [[আল-ফারাবি]] || ৫৩৭ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৪
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১,১১৭
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,১৯৭
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১,০৮০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:নিয়াজ ইসলাম| নিয়াজ ইসলাম]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[চাষী নজরুল ইসলাম]] || ৪৪৬ || ✓
|-
| 2 || [[বাপ্পা মজুমদার]] || ৩১০ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৭৫৬
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৭৫৬
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Asad.fr| Asad.fr]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[রবার্ট ক্লাইভ]] || ২,০০২ || ✕
|-
| 2 || [[পার্ল এস. বাক]] || ৯৩৩ || ✕
|-
| 3 || [[জন বারডিন]] || ৩৬৪ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৩
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৩৬৪
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩,২৯৯
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২,৯৩৫
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin| Mehedi Abedin]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[তাসমিয়া প্রধান]] || ৩৫২ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৩৫২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩৫২
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Md. Rayan Alam Rifat| Md. Rayan Alam Rifat]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আজিজুল হক]] || ১৮০ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১৮০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১৮০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Siyan BD| Siyan BD]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আবদুস সালাম]] || ১০০ || ✕
|-
| 2 || [[আবদুল গফুর]] || ১০১ || ✕
|-
| 3 || [[আবদুল জব্বার]] || ১৬১ || ✓
|-
| 4 || [[আবদুল জব্বার]] || ৯২ || ✕
|-
| 5 || [[আবদুল জব্বার]] || ১৩৩ || ✕
|-
| 6 || [[অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ১৩৪ || ✕
|-
| 7 || [[অনিমেষ রায়]] || ১২৬ || ✕
|-
| 8 || [[অনির্বাণ বসু]] || ১২০ || ✕
|-
| 9 || [[অজয় ঘটক]] || ১১৪ || ✕
|-
| 10 || [[অচলা মল্লিক]] || ১৫৪ || ✕
|-
| 11 || [[অজয় হোম]] || ১৫৯ || ✕
|-
| 12 || [[অমিতা বসু]] || ১৪২ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১২
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১৬১
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,৫৩৬
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১,৩৭৫
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Dewan mahbubr Rahman| Dewan mahbubr Rahman]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ভেরা রুবিন]] || ৩৫০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩৫০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৩৫০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:ExceptionistSagar| ExceptionistSagar]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মেরি কুরি]] || ১৭৯ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১৭৯
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১৭৯
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Kh. Fahim| Kh. Fahim]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মিসির আলি]] || ৪০৬ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪০৬
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪০৬
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Trisha Mazumder| Trisha Mazumder]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আস্ট্রোনমি]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:MdMarufHossen71| MdMarufHossen71]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মমতাজ বেগম]] || ৩৫৫ || ✕
|-
| 2 || [[আবুল বরকত]] || ১৪৩ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪৯৮
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪৯৮
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Usarker| Usarker]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মেরি স্টোপস]] || ৫০৫ || ✕
|-
| 2 || [[ইয়োন ফসে]] || ৩৯৩ || ✕
|-
| 3 || [[জুনো দিয়াজ]] || ৫৪০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৩
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,৪৩৮
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১,৪৩৮
|}
=== [[ব্যবহারকারী:রাকিবুল হাসান রাসেল| রাকিবুল হাসান রাসেল]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[পারভীন এতেসামি]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:MD RADWAN ISLAM| MD RADWAN ISLAM]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[চুয়াং জি]] || ২৭৪ || ✕
|-
| 2 || [[ফকির শাহাবুদ্দীন]] || ০ || ✕
|-
| 3 || [[আবু বকর সিদ্দিকী]] || ০ || ✕
|-
| 4 || [[বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট]] || ০ || ✕
|-
| 5 || [[বাংলাদেশের কৃষি প্রযুক্তি]] || ০ || ✕
|-
| 6 || [[হাসিবুন নাহের]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৬
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২৭৪
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২৭৪
|}
=== [[ব্যবহারকারী:AKM Mahinur Rahman| AKM Mahinur Rahman]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মেরি উলস্টোনক্রাফ্ট]] || ২১৩ || ✕
|-
| 2 || [[বালতাসার গ্রাসিয়ান]] || ২০৬ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪১৯
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪১৯
|}
=== [[ব্যবহারকারী:MD RADWAN ISLAM ROHAN| MD RADWAN ISLAM ROHAN]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[জুলাই আন্দোলন]] || ৬১৫ || ✕
|-
| 2 || [[বিকাশ]] || ০ || ✕
|-
| 3 || [[নতুন প্রযুক্তি]] || ০ || ✕
|-
| 4 || [[বাংলাদেশের রিয়েল এস্টেট শিল্প: বর্তমান প্রেক্ষাপট ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা]] || ০ || ✕
|-
| 5 || [[জলবায়ু পরিবর্তন ও বাংলাদেশের পরিবেশ]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৫
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৬১৫
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৬১৫
|}
=== [[ব্যবহারকারী:ShahinurWrites| ShahinurWrites]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মোহাম্মদ শেখ শাহিনুর রহমান]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Abdullah Al Shishir| Abdullah Al Shishir]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[অপ্রত্যাশিত জীবনযাত্রা]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:চ্যাম্পিয়ন স্টার ১| চ্যাম্পিয়ন স্টার ১]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[অপর্ণা সেন]] || ৩১২ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩১২
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৩১২
|}
==শব্দসংখ্যা অনুযায়ী নিবন্ধ তালিকা==
{| class="wikitable sortable mw-collapsible mw-collapsed"
|+ class="nowrap" | শব্দসংখ্যা অনুযায়ী নিবন্ধ তালিকা
! ক্রমিক !! নিবন্ধ !! শব্দ সংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্পর্কে উক্তি]] || ৩৯,৩০৩ || ✓
|-
| 2 || [[স্ট্যানলি বল্ডউইন]] || ৩৪,১৩১ || ✓
|-
| 3 || [[খ্রিস্টের অনৈতিহাসিকতা তত্ত্ব]] || ২৮,৭০৭ || ✓
|-
| 4 || [[বেঞ্জামিন ডিসরাইলি]] || ২৯,৪৭৯ || ✓
|-
| 5 || [[রবার্ট জি. ইঙ্গারসোল]] || ৩০,০৯০ || ✓
|-
| 6 || [[রন পল]] || ২৪,৯২৮ || ✓
|-
| 7 || [[ক্যালকুলাসের ইতিহাস]] || ১৯,১৯৫ || ✓
|-
| 8 || [[অ্যানোরেক্সিয়া নার্ভোসা]] || ২৩,১০০ || ✓
|-
| 9 || [[ডোয়াইট ডি আইজেনহাওয়ার]] || ২১,০২৬ || ✓
|-
| 10 || [[স্টিফেন জে গুল্ড]] || ২২,১৫০ || ✓
|-
| 11 || [[এআর-১৫ স্টাইল রাইফেল]] || ১৮,৯০১ || ✓
|-
| 12 || [[শেরি এস. টেপার]] || ২৪,৯৯৯ || ✓
|-
| 13 || [[আউরেলিয়ুস আউগুস্তিনুস]] || ১৯,৩৪৬ || ✓
|-
| 14 || [[ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতিত্ব]] || ৪৬,৮৯৯ || ✓
|-
| 15 || [[নবায়নযোগ্য শক্তি]] || ১২,৬১০ || ✓
|-
| 16 || [[নাডিন গর্ডিমার]] || ১,৩৭২ || ✓
|-
| 17 || [[মারে গেল-মান]] || ১,৩২৮ || ✓
|-
| 18 || [[নার্গিস মোহাম্মাদি]] || ১,৭৫৫ || ✓
|-
| 19 || [[সাদি কার্নো]] || ৫,২৫৬ || ✓
|-
| 20 || [[জে. হাওয়ার্ড মুর]] || ২৪,১৯৫ || ✓
|-
| 21 || [[ভারতে পোশাক]] || ২,২৮৯ || ✓
|-
| 22 || [[ভারতের ভাষা]] || ৬৯৫ || ✓
|-
| 23 || [[মধ্যযুগীয় ভারত]] || ১,৭১৭ || ✓
|-
| 24 || [[ভারতে ইহুদিদের ইতিহাস]] || ২,০৪৬ || ✓
|-
| 25 || [[ভারতে সুফিবাদ]] || ৩,২০৭ || ✓
|-
| 26 || [[পর্তুগিজ ভারত]] || ১,৬৪৩ || ✓
|-
| 27 || [[ভারতের প্রাণী]] || ৩০৫ || ✓
|-
| 28 || [[স্বাধীনতা দিবস]] || ৩৭৫ || ✓
|-
| 29 || [[ভারতে দুর্ভিক্ষ]] || ৩,৭৮১ || ✓
|-
| 30 || [[ভারতে ধর্মহীনতা]] || ২,৩৮৯ || ✓
|-
| 31 || [[ওয়ারেন ফ্যারেল]] || ২১,০৭৮ || ✓
|-
| 32 || [[আর্নেস্ট বেকার]] || ১৩,৫৯৭ || ✓
|-
| 33 || [[অতিপ্রজতা]] || ২৯,৫০১ || ✓
|-
| 34 || [[মোপলা বিদ্রোহ]] || ১৪,৫১২ || ✓
|-
| 35 || [[সীতা রাম গোয়েল]] || ১,৫৯৬ || ✓
|-
| 36 || [[অরুণ শৌরি]] || ১৫,৪৫০ || ✓
|-
| 37 || [[ভারতের ইতিহাস লিখন]] || ১৭,৯১৮ || ✓
|-
| 38 || [[দ্রৌপদী]] || ৬,১৬৪ || ✓
|-
| 39 || [[দ্য হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়া, অ্যাজ টোল্ড বাই ইটস ওন হিস্টোরিয়ানস]] || ২,৬৮৫ || ✕
|-
| 40 || [[রামায়ণ]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 41 || [[ভারতে শিক্ষা]] || ১০,৫৮০ || ✓
|-
| 42 || [[ভারতে নারী]] || ৬,১৫০ || ✓
|-
| 43 || [[বন্যপ্রাণীর কষ্ট]] || ৩৩,৭৪১ || ✓
|-
| 44 || [[নিরামিষবাদ]] || ৩০,৬২৭ || ✓
|-
| 45 || [[ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম রাষ্ট্রপতিত্ব]] || ৩৭,৫৭২ || ✓
|-
| 46 || [[নির্বাচন]] || ৭,০২৫ || ✓
|-
| 47 || [[সরকার]] || ২২,৭৫৯ || ✓
|-
| 48 || [[লিটিশা এলিজাবেথ ল্যান্ডন]] || ৩৪,০৩৩ || ✓
|-
| 49 || [[প্রজননবিরোধবাদ]] || ৩০,৯৪৮ || ✓
|-
| 50 || [[উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন]] || ২৮,৬১৬ || ✓
|-
| 51 || [[ক্রিস্টোফার হিচেন্স]] || ২৫,৯২২ || ✓
|-
| 52 || [[বলপূর্বক খাওয়ানো]] || ২২,৬২২ || ✓
|-
| 53 || [[জন স্টুয়ার্ট মিল]] || ২২,৭৮৩ || ✓
|-
| 54 || [[রবার্ট গ্যাসকয়েন-সিসিল, স্যালিসবারির ৩য় মার্কুইস]] || ২০,৮৯৮ || ✓
|-
| 55 || [[অ্যারন রা]] || ২১,৯৫৫ || ✓
|-
| 56 || [[ফায়ারপ্লেস]] || ২১,৪১৭ || ✓
|-
| 57 || [[জন হার্ভে কেলোগ]] || ৩০,৭৪৮ || ✓
|-
| 58 || [[মহুয়া মৈত্র]] || ৬৫০ || ✓
|-
| 59 || [[হেনরি হোম, লর্ড কেইমস]] || ১,২৯৬ || ✓
|-
| 60 || [[লেটি কটিন পোগ্রেবিন]] || ৩৭০ || ✓
|-
| 61 || [[মার্জ পিয়ার্সি]] || ৬,৭৯০ || ✓
|-
| 62 || [[এলেন ডুইবস]] || ৮০৪ || ✓
|-
| 63 || [[মেরেডিথ ট্যাক্স]] || ৪৯১ || ✓
|-
| 64 || [[মুলক রাজ আনন্দ]] || ২৩৫ || ✓
|-
| 65 || [[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ধর্ষণ]] || ১,৯২০ || ✓
|-
| 66 || [[সুসান ব্রাউনমিলার]] || ৯৯১ || ✓
|-
| 67 || [[রবিন মরগান]] || ১,২২১ || ✓
|-
| 68 || [[ভিভিয়ান গোর্নিক]] || ২,৬৯০ || ✓
|-
| 69 || [[ডরোথি রে হিলি]] || ২,৬৩৮ || ✕
|-
| 70 || [[ক্লডিয়া জোন্স]] || ১,২৯৯ || ✓
|-
| 71 || [[গের্ডা লার্নার]] || ৩,৪২৮ || ✓
|-
| 72 || [[এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন]] || ৯,৮০৪ || ✕
|-
| 73 || [[এলা রিভ ব্লুর]] || ১,৯১৭ || ✓
|-
| 74 || [[টমাস হিউজ]] || ৯৯৬ || ✓
|-
| 75 || [[মার্গারিট দুরাস]] || ৩৪৯ || ✓
|-
| 76 || [[বেন অ্যারোনোভিচ]] || ৮,৭৯৭ || ✓
|-
| 77 || [[গ্লেন কুক]] || ৯,৯৮৫ || ✓
|-
| 78 || [[আব্রাহাম কাহান]] || ২,১৩৩ || ✓
|-
| 79 || [[গ্রেস পেলি]] || ৮,১৬৪ || ✕
|-
| 80 || [[স্টিফেন ক্রেন]] || ১,৯৬৩ || ✕
|-
| 81 || [[জোসেফাইন হার্বস্ট]] || ৪২৭ || ✓
|-
| 82 || [[জর্জ গিসিং]] || ২,০০৫ || ✓
|-
| 83 || [[আনজিয়া ইয়েজিয়ারস্কা]] || ৩,২৬২ || ✕
|-
| 84 || [[মেরি অ্যান্টিন]] || ৪৯০ || ✓
|-
| 85 || [[জয়েস অ্যান্টলার]] || ৪২৯ || ✓
|-
| 86 || [[ক্যাথরিন ম্যাককিনন]] || ২,১৭৮ || ✓
|-
| 87 || [[বেটিনা আপথেকার]] || ১,০২০ || ✓
|-
| 88 || [[ক্যারি চ্যাপম্যান ক্যাট]] || ১,৬০৩ || ✓
|-
| 89 || [[জ্যানেট র্যাঙ্কিন]] || ৭২১ || ✓
|-
| 90 || [[ফ্রান্সেস উইলার্ড]] || ৯৪১ || ✕
|-
| 91 || [[অ্যালিস স্টোন ব্ল্যাকওয়েল]] || ৫৪০ || ✕
|-
| 92 || [[অ্যানা এলিজাবেথ ডিকিনসন]] || ৭৫১ || ✕
|-
| 93 || [[মেরি লিভারমোর]] || ২,৩০৭ || ✕
|-
| 94 || [[দাড়ি]] || ২৯৭ || ✓
|-
| 95 || [[স্যার হেনরি হোবার্ট, ১ম ব্যারোনেট]] || ৭৩৮ || ✓
|-
| 96 || [[হার্ডিঞ্জ স্ট্যানলি গিফার্ড, হালসবুরির ১ম আর্ল]] || ৪১৯ || ✓
|-
| 97 || [[এ. ভি. ডাইসি]] || ১,৩৮১ || ✕
|-
| 98 || [[আলফ্রেড ডেনিং, ব্যারন ডেনিং]] || ৩,৮৩২ || ✓
|-
| 99 || [[টমাস ডেনিসন]] || ৪০০ || ✓
|-
| 100 || [[স্যার ফ্রান্সিস বুলার, ১ম ব্যারোনেট]] || ৯৬২ || ✓
|-
| 101 || [[নিকোলাস ব্রাতজা]] || ২৬৪ || ✓
|-
| 102 || [[রবার্ট অ্যাটকিনস]] || ৩২৫ || ✓
|-
| 103 || [[রিচার্ড পেপার আর্ডেন, ১ম ব্যারন অ্যালভানলি]] || ৩৫১ || ✓
|-
| 104 || [[এডওয়ার্ড হল অল্ডারসন]] || ৪৪৬ || ✓
|-
| 105 || [[অ্যামব্রোজ বিয়ার্স]] || ৫,৫৪১ || ✕
|-
| 106 || [[মেওয়াত]] || ৭১৮ || ✓
|-
| 107 || [[নানাবতী-মেহতা কমিশন]] || ২,৪৪৪ || ✓
|-
| 108 || [[ভারতে ঔষধ শিল্প]] || ১,৯২১ || ✓
|-
| 109 || [[পাঞ্জাব]] || ১,৪০৬ || ✓
|-
| 110 || [[রামনবমী]] || ৮৬২ || ✓
|-
| 111 || [[ভারতের শহরসমূহের নাম পরিবর্তন]] || ৪৪১ || ✓
|-
| 112 || [[নুপুর শর্মা]] || ৬০১ || ✓
|-
| 113 || [[রিপাবলিক টিভি]] || ৪৫৫ || ✓
|-
| 114 || [[রোহিলখণ্ড]] || ৪৪০ || ✓
|-
| 115 || [[রোহিলা]] || ৩৪০ || ✓
|-
| 116 || [[সৌরাষ্ট্র]] || ৬৫৪ || ✓
|-
| 117 || [[ভারতে তিন তালাক]] || ১,১৩৪ || ✓
|-
| 118 || [[ভারতের পবিত্র উপবন]] || ৫৭৫ || ✓
|-
| 119 || [[অভিন্ন দেওয়ানি বিধি]] || ৩,৭৩৭ || ✓
|-
| 120 || [[নবনীত আদিত্য ওয়াইবা]] || ১৯২ || ✓
|-
| 121 || [[ভারতে জল সরবরাহ ও স্যানিটেশন]] || ৭৪০ || ✓
|-
| 122 || [[জমিদার]] || ৩৮১ || ✕
|-
| 123 || [[নিখিল ভারত মুসলিম লীগ]] || ২,৫৩৮ || ✓
|-
| 124 || [[ফতোয়া]] || ৪৮৪ || ✓
|-
| 125 || [[দারা শিকোহ]] || ১,৪৩৫ || ✓
|-
| 126 || [[আমেরিকা নিপাত যাক]] || ৬৩৯ || ✓
|-
| 127 || [[মহা শয়তান]] || ৪১৪ || ✓
|-
| 128 || [[উলামা]] || ৩৪৫ || ✓
|-
| 129 || [[দক্ষিণ এশিয়ায় মুসলিম জাতীয়তাবাদ]] || ১,৫১৬ || ✓
|-
| 130 || [[পার্সি-মুসলিম দাঙ্গা]] || ৬৫৬ || ✓
|-
| 131 || [[ভারতে দাঙ্গা]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 132 || [[ভারতে পেগাসাস প্রকল্পের উদঘাটন]] || ৩৯০ || ✓
|-
| 133 || [[নেহরুবাদ]] || ৯৫২ || ✓
|-
| 134 || [[২জি স্পেকট্রাম মামলা]] || ৯৩৭ || ✓
|-
| 135 || [[রাহুল গান্ধী]] || ৪,০০৪ || ✓
|-
| 136 || [[আকবরউদ্দিন ওয়াইসি]] || ২৯৮ || ✓
|-
| 137 || [[ভারতের সাধারণ নির্বাচন, ২০২৪]] || ২,৫৭৭ || ✓
|-
| 138 || [[ভারতে ধর্মনিরপেক্ষতা]] || ২৩৪ || ✓
|-
| 139 || [[নাইলা আলি খান]] || ২০৪ || ✓
|-
| 140 || [[অরুণ জেটলি]] || ৪৮১ || ✓
|-
| 141 || [[সুকেতু মেহতা]] || ৩৮২ || ✓
|-
| 142 || [[রুক্মিণী মৈত্র]] || ৩৫৪ || ✓
|-
| 143 || [[মানব গুপ্ত]] || ৬৩৪ || ✕
|-
| 144 || [[মোহিনী মোহন ধর]] || ৫৮৫ || ✓
|-
| 145 || [[দিলীপ কুমার চক্রবর্তী]] || ২,৫৯৭ || ✓
|-
| 146 || [[রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ৩৮৩ || ✓
|-
| 147 || [[পিটার অ্যাক্রয়েড]] || ২৯৭ || ✓
|-
| 148 || [[হ্যারল্ড ব্লুম]] || ৫৯৩ || ✓
|-
| 149 || [[জেমস বসওয়েল]] || ১,১৪৯ || ✓
|-
| 150 || [[অলিভার গোল্ডস্মিথ]] || ৩,১৭৮ || ✓
|-
| 151 || [[হেনরি জাইলস]] || ৭৯২ || ✓
|-
| 152 || [[এডউইন হাবেল চ্যাপিন]] || ৭৭০ || ✓
|-
| 153 || [[অবমাননা]] || ৭৮৮ || ✓
|-
| 154 || [[আদালত অবমাননা]] || ৮২৯ || ✓
|-
| 155 || [[আইনপ্রণেতা]] || ৭৪৩ || ✓
|-
| 156 || [[লেই বারডুগো]] || ১২২ || ✓
|-
| 157 || [[উইলিয়াম ব্রেট, ১ম ভিসকাউন্ট এশার]] || ১,০২০ || ✓
|-
| 158 || [[হেনরি হকিন্স, ১ম ব্যারন ব্র্যাম্পটন]] || ৩০৩ || ✓
|-
| 159 || [[জুনিয়াস]] || ১,৪১২ || ✓
|-
| 160 || [[উইলিয়াম মারে, ম্যানসফিল্ডের ১ম আর্ল]] || ৬৪৩ || ✓
|-
| 161 || [[জোসেফ ইয়েটস]] || ৬৬৬ || ✓
|-
| 162 || [[স্যার জন বেইলি, ১ম ব্যারোনেট]] || ৯১৮ || ✓
|-
| 163 || [[হেনরি বিকারস্টথ, ১ম ব্যারন ল্যাংডেল]] || ৪১৫ || ✓
|-
| 164 || [[এডওয়ার্ড ল, ১ম ব্যারন এলেনবরো]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 165 || [[লয়েড কেনিয়ন, ১ম ব্যারন কেনিয়ন]] || ৪,৪০৮ || ✓
|-
| 166 || [[জন হোল্ট]] || ১,১৮৯ || ✓
|-
| 167 || [[চার্লস বোয়েন, ব্যারন বোয়েন]] || ১,০৩৭ || ✓
|-
| 168 || [[চার্লস অ্যাবট, ১ম ব্যারন টেন্টারডেন]] || ৩৪১ || ✓
|-
| 169 || [[ন্যায়বিচার প্রশাসন]] || ২,৮৯৯ || ✓
|-
| 170 || [[আদালত]] || ১,৮১৮ || ✕
|-
| 171 || [[রোজান এ. ব্রাউন]] || ৩৪১ || ✓
|-
| 172 || [[মারিয়ন জিমার ব্র্যাডলি]] || ১,১০৪ || ✓
|-
| 173 || [[টেরি ব্রুকস]] || ৪৮৫ || ✓
|-
| 174 || [[লেই ব্র্যাকেট]] || ১,১১২ || ✓
|-
| 175 || [[জ্যাক ক্যাডি]] || ১,৫৬৮ || ✓
|-
| 176 || [[মেল ব্রুকস]] || ২,০১৬ || ✕
|-
| 177 || [[মাইকেল বিশপ]] || ৯৯০ || ✓
|-
| 178 || [[এলিজাবেথ বেয়ার]] || ৭০৫ || ✓
|-
| 179 || [[মার্গারেট বল]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 180 || [[পাওলো বাসিগালুপি]] || ৬৪৭ || ✓
|-
| 181 || [[কেলি আর্মস্ট্রং]] || ৫৮৫ || ✓
|-
| 182 || [[ক্যাথরিন আসরো]] || ৩৬১ || ✓
|-
| 183 || [[পিয়ার্স অ্যান্থনি]] || ২২৯ || ✓
|-
| 184 || [[রবার্ট আইকম্যান]] || ২৬৮ || ✓
|-
| 185 || [[আইনজীবী]] || ২,৩২৯ || ✓
|-
| 186 || [[আইনসভা]] || ২,৩৪৩ || ✓
|-
| 187 || [[জর্জ বুশনার]] || ৬৬২ || ✓
|-
| 188 || [[জোসেফ গার্নি ক্যানন]] || ৭০৯ || ✓
|-
| 189 || [[সংখ্যাগরিষ্ঠ]] || ১,৩৫৬ || ✓
|-
| 190 || [[সংখ্যালঘু গোষ্ঠী]] || ১,৮৮১ || ✓
|-
| 191 || [[প্রাতিষ্ঠানিক আচরণ]] || ৬৫৬ || ✓
|-
| 192 || [[মানব আচরণ]] || ৮৫২ || ✓
|-
| 193 || [[হার্ভে ম্যানসফিল্ড]] || ৯৭৯ || ✓
|-
| 194 || [[রাষ্ট্রবিজ্ঞান]] || ১,১৩৯ || ✓
|-
| 195 || [[রাজনৈতিক দর্শন]] || ১,২৮৫ || ✓
|-
| 196 || [[দ্বিজেন্দ্র নারায়ণ ঝা]] || ১,০৮৭ || ✓
|-
| 197 || [[আগ্রাসন]] || ৯২০ || ✓
|-
| 198 || [[হিন্দুত্ব]] || ২,৭০০ || ✓
|-
| 199 || [[ফ্লাভিয়া অ্যাগনেস]] || ৬৮২ || ✓
|-
| 200 || [[লাভ জিহাদ ষড়যন্ত্র তত্ত্ব]] || ৩,১৫০ || ✓
|-
| 201 || [[মহাত্মা গান্ধীর হত্যাকাণ্ড]] || ১,৭৭৮ || ✓
|-
| 202 || [[যোগিন্দর সিকান্দ]] || ৮১৪ || ✓
|-
| 203 || [[ভারতে মুসলিমদের বিরুদ্ধে সহিংসতা]] || ৮৫১ || ✓
|-
| 204 || [[জয় শ্রীরাম]] || ৭০৮ || ✓
|-
| 205 || [[লালকৃষ্ণ আডবাণী]] || ১,৫৫৫ || ✓
|-
| 206 || [[রাম রথযাত্রা]] || ১,৫৭৯ || ✓
|-
| 207 || [[হিন্দু আমেরিকান ফাউন্ডেশন]] || ১,৪৫৫ || ✓
|-
| 208 || [[হর্ষ মান্দার]] || ৬৬০ || ✓
|-
| 209 || [[স্বপন দাশগুপ্ত]] || ১,১৬৭ || ✓
|-
| 210 || [[জরাথুস্ট্রবাদ]] || ৩৭৭ || ✓
|-
| 211 || [[পার্সি]] || ৩৯০ || ✓
|-
| 212 || [[নাগরিকত্ব]] || ১,৮৭৯ || ✓
|-
| 213 || [[ভারতের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৭০]] || ৬৭৯ || ✓
|-
| 214 || [[মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯]] || ৭৬৯ || ✓
|-
| 215 || [[অবৈতনিক বাধ্যতামূলক শিশু শিক্ষার অধিকার আইন, ২০০৯]] || ৩৭৯ || ✓
|-
| 216 || [[বোম্বাই দাঙ্গা]] || ৭৭৬ || ✓
|-
| 217 || [[বজরং দল]] || ৩৩১ || ✓
|-
| 218 || [[সংসদীয় ব্যবস্থা]] || ৪০৫ || ✓
|-
| 219 || [[বিচার বিভাগীয় ব্যাখ্যা]] || ১,২৩২ || ✓
|-
| 220 || [[বর্ণবাদ পরবর্তী আমেরিকা]] || ১,০৬৯ || ✓
|-
| 221 || [[শ্বেতাঙ্গ বিশেষাধিকার]] || ৬২৮ || ✓
|-
| 222 || [[বিশেষাধিকার]] || ৭১২ || ✓
|-
| 223 || [[মানবহিতৈষণা]] || ২২৮ || ✓
|-
| 224 || [[ভারত সরকার]] || ১,২২০ || ✓
|-
| 225 || [[শিলং]] || ৯৭৩ || ✓
|-
| 226 || [[মাঝৌলি রাজ]] || ৫৬০ || ✓
|-
| 227 || [[কালিকট]] || ৪৫৪ || ✓
|-
| 228 || [[যাজপুর]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 229 || [[কালিবাঙ্গান]] || ৭৩৮ || ✓
|-
| 230 || [[কাডাপা]] || ৪১৩ || ✓
|-
| 231 || [[ইদার]] || ৫৮৬ || ✓
|-
| 232 || [[গোধরা]] || ১,০১০ || ✓
|-
| 233 || [[ভুবনেশ্বর]] || ১,১৬৫ || ✓
|-
| 234 || [[অমৃতসর]] || ৮৬৮ || ✓
|-
| 235 || [[আম্বালা]] || ৪৬১ || ✓
|-
| 236 || [[হায়দ্রাবাদ]] || ৩,২৪৮ || ✓
|-
| 237 || [[২০১৯ হায়দ্রাবাদ গণধর্ষণ]] || ১৭৭ || ✓
|-
| 238 || [[মুহাম্মাদ বখতিয়ার খলজি]] || ৪২৩ || ✕
|-
| 239 || [[হায়দ্রাবাদ অধিগ্রহণ]] || ৪৫৬ || ✓
|-
| 240 || [[১৮৯৯-১৯০০ সালের ভারতীয় দুর্ভিক্ষ]] || ৫৪১ || ✓
|-
| 241 || [[১৯৯০ হায়দ্রাবাদ দাঙ্গা]] || ৪০৬ || ✓
|-
| 242 || [[গুয়াহাটি]] || ১,৭৯৬ || ✓
|-
| 243 || [[গৌড়]] || ১,৯৩৬ || ✓
|-
| 244 || [[বিজাপুর]] || ৬৬২ || ✓
|-
| 245 || [[মাণ্ডু]] || ৩৯৪ || ✓
|-
| 246 || [[খাজুরাহো]] || ৩৭১ || ✓
|-
| 247 || [[চান্দেরী]] || ৫০৭ || ✓
|-
| 248 || [[জুনাগড়]] || ৭১৯ || ✓
|-
| 249 || [[বৃহৎ কচ্ছের রাণ]] || ৫৮৪ || ✓
|-
| 250 || [[আহমেদাবাদ]] || ১,৮১২ || ✓
|-
| 251 || [[কচ্ছ জেলা]] || ৩২৬ || ✓
|-
| 252 || [[দৃশদ্বতী নদী]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 253 || [[চেনাব নদী]] || ৩২১ || ✓
|-
| 254 || [[পশ্চিমবঙ্গে ধর্ম]] || ১,২৩২ || ✓
|-
| 255 || [[মুর্শিদাবাদ সহিংসতা]] || ২৫৭ || ✓
|-
| 256 || [[২০২৪ সন্দেশখালী সহিংসতা]] || ১,০৬১ || ✓
|-
| 257 || [[২০২২ বীরভূম সহিংসতা]] || ৫১৪ || ✓
|-
| 258 || [[মৈতৈ জাতি]] || ৬৪০ || ✓
|-
| 259 || [[মৈতৈ সভ্যতা]] || ৩৫০ || ✓
|-
| 260 || [[মণিপুর]] || ৩০৬ || ✓
|-
| 261 || [[লাক্ষাদ্বীপ]] || ৩২৯ || ✓
|-
| 262 || [[বৃন্দাবন]] || ৭৩৩ || ✓
|-
| 263 || [[সম্ভল]] || ২৪৩ || ✓
|-
| 264 || [[এলাহাবাদ]] || ৩৫৭ || ✓
|-
| 265 || [[আলিগড়]] || ৪০৯ || ✓
|-
| 266 || [[স্ট্যাচু অব ইউনিটি]] || ২৪১ || ✓
|-
| 267 || [[ভারতের দুর্গ]] || ৩১৪ || ✓
|-
| 268 || [[দ্য দুন স্কুল]] || ৬৬৪ || ✓
|-
| 269 || [[কাশী হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়]] || ৩৪৫ || ✓
|-
| 270 || [[আগ্রা]] || ৭১৮ || ✓
|-
| 271 || [[২০২০ দিল্লি দাঙ্গা]] || ১,১৭৮ || ✓
|-
| 272 || [[তিরুচিরাপল্লী]] || ৬২৬ || ✓
|-
| 273 || [[সেন্ট থমাস ক্যাথেড্রাল ব্যাসিলিকা, চেন্নাই]] || ৩৮০ || ✕
|-
| 274 || [[আতঙ্ক]] || ৪৭৮ || ✓
|-
| 275 || [[ভারতে দুর্নীতি]] || ১,০০৭ || ✓
|-
| 276 || [[তামিলনাড়ুর মন্দির]] || ৯১৮ || ✓
|-
| 277 || [[এম. কে. স্ট্যালিন]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 278 || [[তামিলনাড়ু]] || ৫৪৩ || ✓
|-
| 279 || [[তামিলনাড়ুর হিন্দি বিরোধী আন্দোলন]] || ৪৬৫ || ✓
|-
| 280 || [[যোধপুর]] || ৬২৮ || ✓
|-
| 281 || [[রাজস্থান]] || ২৯৪ || ✓
|-
| 282 || [[ওড়িশা]] || ৭৪৫ || ✓
|-
| 283 || [[১৯৯৮ কোয়েম্বাটুর বোমা হামলা]] || ৫৩৭ || ✓
|-
| 284 || [[উত্তর-পূর্ব ভারতে বিদ্রোহ]] || ৩৯৮ || ✓
|-
| 285 || [[মারাদ হত্যাকাণ্ড]] || ৩৫২ || ✓
|-
| 286 || [[মক্কা মসজিদ বিস্ফোরণ]] || ৫৮৪ || ✓
|-
| 287 || [[স্টুডেন্টস ইসলামিক মুভমেন্ট অব ইন্ডিয়া]] || ৩৫৭ || ✓
|-
| 288 || [[বিষ্ণু]] || ৬১৭ || ✓
|-
| 289 || [[২০২৪ রিয়াসি হামলা]] || ৩০২ || ✓
|-
| 290 || [[২০০৬ মালেগাঁও বোমা হামলা]] || ৩৯১ || ✓
|-
| 291 || [[২০০৬ মুম্বই রেলে বোমা হামলা]] || ১৯০ || ✓
|-
| 292 || [[মুম্বই]] || ১,২২৪ || ✓
|-
| 293 || [[দৌলতাবাদ, মহারাষ্ট্র]] || ৮৯৫ || ✕
|-
| 294 || [[মহারাষ্ট্র]] || ৪৯৯ || ✓
|-
| 295 || [[পিনারাই বিজয়ন]] || ৫২৩ || ✓
|-
| 296 || [[আরব দেশ]] || ৯১৪ || ✓
|-
| 297 || [[দক্ষিণ এশিয়া]] || ৫৯৩ || ✓
|-
| 298 || [[শহুরে অবক্ষয়]] || ৩০৮ || ✓
|-
| 299 || [[নগরায়ন]] || ১,০৯৭ || ✓
|-
| 300 || [[কেরল]] || ৩৬৫ || ✓
|-
| 301 || [[জম্মু ও কাশ্মীরে বিদ্রোহ]] || ৪১৮ || ✓
|-
| 302 || [[জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহার]] || ৯৬৪ || ✓
|-
| 303 || [[শ্রীনগর]] || ১,৭২৯ || ✓
|-
| 304 || [[কাশ্মীর উপত্যকা]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 305 || [[লাদাখ]] || ৬৯৪ || ✓
|-
| 306 || [[কাশ্মীরি জাতি]] || ৮১৩ || ✓
|-
| 307 || [[তারিখ-ই-কাশ্মীর]] || ৫১৪ || ✓
|-
| 308 || [[কর্ণাটক]] || ৬৮২ || ✓
|-
| 309 || [[কর্ণাটকের রাজনীতি]] || ৪৩৯ || ✓
|-
| 310 || [[বেঙ্গালুরু]] || ৬১৪ || ✓
|-
| 311 || [[আসামে ইসলাম]] || ৬৯০ || ✓
|-
| 312 || [[আসামের ইতিহাস]] || ৭২৬ || ✓
|-
| 313 || [[আসামে হিন্দুধর্ম]] || ৩২৫ || ✓
|-
| 314 || [[ভারতের জনমিতি]] || ৩,৩৭৩ || ✓
|-
| 315 || [[বাংলাদেশের জনমিতি]] || ১,১৯৫ || ✓
|-
| 316 || [[পাকিস্তানের জনমিতি]] || ৮৫০ || ✓
|-
| 317 || [[আসামের জনমিতি]] || ১৮২ || ✓
|-
| 318 || [[বিহার]] || ৪৫৮ || ✓
|-
| 319 || [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] || ১৮১ || ✓
|-
| 320 || [[শাহ বানু মামলা]] || ৮০০ || ✓
|-
| 321 || [[ইসরায়েল–ভারত সম্পর্ক]] || ৮৯৭ || ✓
|-
| 322 || [[প্রণব মুখোপাধ্যায়]] || ৫৯৫ || ✓
|-
| 323 || [[দ্রৌপদী মুর্মু]] || ২৪৯ || ✓
|-
| 324 || [[ফখরুদ্দিন আলি আহমেদ]] || ১,৬৪৭ || ✓
|-
| 325 || [[এলজিবিটিকিউ অধিকার বিরোধিতা]] || ২,০৪৯ || ✓
|-
| 326 || [[গেফোবিয়া]] || ২৭৮ || ✓
|-
| 327 || [[সমকামী যৌন চর্চা]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 328 || [[উভকামিতা]] || ১,৫৬০ || ✓
|-
| 329 || [[কামিং আউট]] || ৮০৫ || ✓
|-
| 330 || [[স্মৃতি ইরানি]] || ৯৯১ || ✓
|-
| 331 || [[মেনকা গান্ধী]] || ১,২৩০ || ✓
|-
| 332 || [[যশবন্ত সিং]] || ২০৬ || ✓
|-
| 333 || [[সৈয়দ শাহাবুদ্দিন]] || ৫৭৯ || ✓
|-
| 334 || [[শাকিল আহমদ]] || ১২৪ || ✓
|-
| 335 || [[তথাগত রায়]] || ২৭৫ || ✓
|-
| 336 || [[লালুপ্রসাদ যাদব]] || ১,১০৯ || ✓
|-
| 337 || [[আসাদউদ্দিন ওয়াইসি]] || ৫০২ || ✓
|-
| 338 || [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনী]] || ১৯,১০০ || ✕
|-
| 339 || [[ভাকলাভ হাভেল]] || ৯,৩৫৭ || ✓
|-
| 340 || [[নরউইচের জুলিয়ান]] || ৩১,৬৩৩ || ✓
|-
| 341 || [[রামসে ম্যাকডোনাল্ড]] || ৯,৬২২ || ✓
|-
| 342 || [[জন মুয়ির]] || ৮,০৬১ || ✓
|-
| 343 || [[মার্গারেট অ্যাটউড]] || ৬,৩২৮ || ✓
|-
| 344 || [[পেত্র ক্রাপোতকিন]] || ১০,৮১৬ || ✓
|-
| 345 || [[টমাস হেনরি হাক্সলি]] || ৮,৫০৩ || ✓
|-
| 346 || [[উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস]] || ৭,২১০ || ✓
|-
| 347 || [[উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস]] || ৪,২৬০ || ✓
|-
| 348 || [[তাওয়াক্কোল কারমান]] || ৪,০৯৭ || ✓
|-
| 349 || [[র্যাচেল কারসন]] || ৪,৭৬৭ || ✓
|-
| 350 || [[আর্নেস্ট হেমিংওয়ে]] || ১৪,৯০৭ || ✓
|-
| 351 || [[আর্থার এডিংটন]] || ৫,৬৩৭ || ✓
|-
| 352 || [[এরিক হবসবাউম]] || ৫,৮৭৩ || ✓
|-
| 353 || [[টনি মরিসন]] || ১০,৩৮৩ || ✓
|-
| 354 || [[টনি বেন]] || ১০,৩৯৯ || ✓
|-
| 355 || [[নরম্যান মেইলার]] || ৬,৬০৬ || ✓
|-
| 356 || [[পল স্যামুয়েলসন]] || ৬,৮৫১ || ✓
|-
| 357 || [[এইচ. পি. লাভক্র্যাফট]] || ২৫,৪৭২ || ✓
|-
| 358 || [[ব্লেজ পাসকাল]] || ৩,০৫১ || ✓
|-
| 359 || [[চিনুয়া আচেবে]] || ৬,০৪২ || ✓
|-
| 360 || [[ডরিস লেসিং]] || ৪,৬২১ || ✓
|-
| 361 || [[ফেদেরিকো ফাগিন]] || ৬০০ || ✓
|-
| 362 || [[আলেকজান্ডার গ্রোথেনডিক]] || ১,২১১ || ✓
|-
| 363 || [[আঙ্গেলা ম্যার্কেল]] || ২,০২৯ || ✓
|-
| 364 || [[আনাক্সাগোরাস]] || ৩,৬৭১ || ✓
|-
| 365 || [[আমোস তভারস্কি]] || ৪৬১ || ✓
|-
| 366 || [[আলফ্রেড মার্শাল]] || ১,৩০৯ || ✓
|-
| 367 || [[আলবার্টাস ম্যাগনাস]] || ৩৮২ || ✓
|-
| 368 || [[অনিতা ব্রুকনার]] || ৪৭৪ || ✓
|-
| 369 || [[আলফ্রেড কিনসে]] || ১,০৩৩ || ✓
|-
| 370 || [[অ্যালান কে]] || ৯২৪ || ✓
|-
| 371 || [[আলেকজান্ডার ফ্লেমিং]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 372 || [[ক্যারোলিন বার্তোজি]] || ৪১১ || ✓
|-
| 373 || [[আলফ্রেড রাসেল ওয়ালেস]] || ১,৬৫৯ || ✓
|-
| 374 || [[অঁতোয়ান লাভোয়াজিয়ে]] || ১,৪৬৩ || ✕
|-
| 375 || [[ভ্রান্ত উদ্ধৃতি]] || ৯,৮৭১ || ✓
|-
| 376 || [[২০১১ ফিফা মহিলা বিশ্বকাপ]] || ৯৬৩ || ✓
|-
| 377 || [[তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] || ৩,১৭৯ || ✓
|-
| 378 || [[আফগান যুদ্ধ]] || ৪,৬২০ || ✓
|-
| 379 || [[ইউক্রেনে রুশ আক্রমণ]] || ১২,৩৮২ || ✓
|-
| 380 || [[ইরাক যুদ্ধ]] || ১২,৩৪৪ || ✓
|-
| 381 || [[যুক্তরাজ্যের তৃতীয় জর্জ]] || ১২,০৪২ || ✓
|-
| 382 || [[২০১০ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৮৮৩ || ✓
|-
| 383 || [[২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৩,৫১৪ || ✓
|-
| 384 || [[২০০২ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৬১১ || ✓
|-
| 385 || [[ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ]] || ১,৫৪২ || ✓
|-
| 386 || [[স্নায়ুযুদ্ধ]] || ১৫,৬১০ || ✓
|-
| 387 || [[দ্বিতীয় স্নায়ুযুদ্ধ]] || ৪,৬৬৮ || ✓
|-
| 388 || [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] || ২৪,১৭৭ || ✓
|-
| 389 || [[মহত্ত্ব]] || ৭,৮১৪ || ✓
|-
| 390 || [[সাংবাদিকতা]] || ১৩,৪৭০ || ✓
|-
| 391 || [[প্যানডিজম]] || ১০,৩০০ || ✓
|-
| 392 || [[গাজা যুদ্ধ]] || ১৬,৯৮২ || ✓
|-
| 393 || [[২০২৬ ইরান যুদ্ধ]] || ৬,৯৫৯ || ✓
|-
| 394 || [[পারমাণবিক অস্ত্র]] || ৩,২৩৩ || ✓
|-
| 395 || [[২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৬৪৩ || ✓
|-
| 396 || [[ক্রুসেড]] || ৯৯৬ || ✓
|-
| 397 || [[অ্যানিমেশন]] || ৯,৪৫৭ || ✓
|-
| 398 || [[দক্ষিণ কোরিয়ার রাজনীতি]] || ৭৫৫ || ✓
|-
| 399 || [[ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ]] || ৩,৭৬২ || ✓
|-
| 400 || [[পারমাণবিক যুদ্ধ]] || ৫,৫২০ || ✓
|-
| 401 || [[আল খোয়ারিজমি]] || ১,২৩০ || ✓
|-
| 402 || [[ফজলে রাব্বী]] || ৬৩৫ || ✓
|-
| 403 || [[ডেভিড হিউম]] || ১১,৭৮০ || ✓
|-
| 404 || [[লিওনিদ ক্যান্টোরোভিচ]] || ১,৪২২ || ✓
|-
| 405 || [[থিওডোসিয়াস ডবঝানস্কি]] || ৭৬০ || ✕
|-
| 406 || [[টেরেন্স টাও]] || ৭২০ || ✓
|-
| 407 || [[ফিলিপ]] || ৪২৬ || ✓
|-
| 408 || [[জুলিয়ান শুইঙার]] || ১,৩২২ || ✕
|-
| 409 || [[পিয়ের-জিল দ্য জেন]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 410 || [[ব্রায়ান কক্স]] || ৭৫৬ || ✓
|-
| 411 || [[জন ম্যাককার্থি]] || ১,০৪৫ || ✓
|-
| 412 || [[লুই দ্য ব্রোয়ি]] || ৪৬০ || ✓
|-
| 413 || [[ফ্রঁসোয়া মিতেরঁ]] || ১,১৯৪ || ✕
|-
| 414 || [[ফ্লিন্ডার্স পেট্রি]] || ১,২০৪ || ✕
|-
| 415 || [[পল আর. এহর্লিচ]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 416 || [[মাইকেল আতিয়াহ]] || ৪২৩ || ✓
|-
| 417 || [[মার্টন মিলার]] || ৪৮২ || ✓
|-
| 418 || [[মেরি বিয়ার্ড]] || ৯১১ || ✓
|-
| 419 || [[মার্গারেট চ্যান]] || ৭০৪ || ✓
|-
| 420 || [[গেরহার্ড শ্রোডার]] || ২৬৯ || ✓
|-
| 421 || [[ফিলিপ ওয়ারেন অ্যান্ডারসন]] || ৭৯৯ || ✓
|-
| 422 || [[পিটার হিগস]] || ৪৭৪ || ✕
|-
| 423 || [[লিওনার্ড সাসকিন্ড]] || ৮২৫ || ✓
|-
| 424 || [[জন মেইনার্ড স্মিথ]] || ৬৪০ || ✓
|-
| 425 || [[জন জেমস অডুবন]] || ৮৩৭ || ✓
|-
| 426 || [[শেলডন লি গ্ল্যাশো]] || ৭৫১ || ✓
|-
| 427 || [[ভিক্টর উইসকফ]] || ৫১৯ || ✓
|-
| 428 || [[মার্টিন রিস]] || ৫৫১ || ✓
|-
| 429 || [[মার্ক ওলিফ্যান্ট]] || ৫৫৩ || ✓
|-
| 430 || [[ভিতালি গিঞ্জবার্গ]] || ৩০৮ || ✓
|-
| 431 || [[স্যালি রাইড]] || ৪২৫ || ✓
|-
| 432 || [[রবার্ট ফোগেল]] || ৪২৮ || ✓
|-
| 433 || [[রিঙ্গো স্টার]] || ৮৭০ || ✓
|-
| 434 || [[মাক্স ডেলব্রুক]] || ৫৭৫ || ✓
|-
| 435 || [[তৃতীয় লেওপোল্ড]] || ৮৩৭ || ✓
|-
| 436 || [[নরম্যান বোরল্যাগ]] || ৭০০ || ✓
|-
| 437 || [[নিকলাউস ভির্ট]] || ৪৭৯ || ✓
|-
| 438 || [[নিকোলাস স্টেনো]] || ২৯২ || ✓
|-
| 439 || [[নেভিল ফ্রান্সিস মট]] || ৫১১ || ✓
|-
| 440 || [[লুডউইক ফ্লেক]] || ৫১২ || ✓
|-
| 441 || [[কারেন উলেনবেক]] || ৩৯২ || ✓
|-
| 442 || [[ইয়োসেফ মেংগেলে]] || ৫৪৪ || ✓
|-
| 443 || [[কিরণ দেশাই]] || ২৬১ || ✓
|-
| 444 || [[কাতালিন কারিকো]] || ৩০৯ || ✓
|-
| 445 || [[ইয়োন্স ইয়াকব বের্সেলিয়ুস]] || ৫১৬ || ✓
|-
| 446 || [[হুয়ান মালদাসেনা]] || ৭৩২ || ✓
|-
| 447 || [[হাইনরিখ বোল]] || ৩০০ || ✓
|-
| 448 || [[ইনগ্রিড ডোবিচি]] || ৬৭১ || ✓
|-
| 449 || [[ইয়ান উইলমুট]] || ৪২৭ || ✓
|-
| 450 || [[হিউ এভারেট]] || ৬০০ || ✓
|-
| 451 || [[ফ্রঁসোয়া অংল্যার]] || ৫৩৩ || ✓
|-
| 452 || [[এমানুয়েল সোয়েডেনবার্গ]] || ১,৫২২ || ✓
|-
| 453 || [[এলিজাবেথ বিশপ]] || ৬৫২ || ✓
|-
| 454 || [[শেখ আন্তা দিওপ]] || ৩৩৫ || ✓
|-
| 455 || [[জর্জ গ্যামো]] || ১,৫২১ || ✓
|-
| 456 || [[হাইনরিখ হের্ত্স]] || ১,৭৪৪ || ✓
|-
| 457 || [[গ্রো হারলেম ব্রুন্ডটল্যান্ড]] || ৩১১ || ✓
|-
| 458 || [[জন সি. মাদার]] || ৪২৫ || ✓
|-
| 459 || [[জন ব্যাকাস]] || ৫৯৭ || ✓
|-
| 460 || [[এর্নস্ট মায়ার]] || ৭৫৪ || ✓
|-
| 461 || [[লিন মার্গুলিস]] || ১,৭১৮ || ✓
|-
| 462 || [[হ্যান্স বেটে]] || ৩৯৬ || ✓
|-
| 463 || [[লুই আগাসিজ]] || ৯৩৭ || ✓
|-
| 464 || [[জর্জ ক্যুভিয়ে]] || ৭৬৮ || ✓
|-
| 465 || [[ব্রাসেলস]] || ৯৬৭ || ✓
|-
| 466 || [[ড্যানিয়েল কানেমান]] || ২,৯৫৭ || ✕
|-
| 467 || [[ডোনাল্ড কানুথ]] || ১,৫৮২ || ✓
|-
| 468 || [[লেমাহ গবোউই]] || ১,১৫০ || ✓
|-
| 469 || [[গারট্রুড বি. এলিয়ন]] || ২৩৪ || ✓
|-
| 470 || [[ডোনা স্ট্রিকল্যান্ড]] || ৩৫৯ || ✓
|-
| 471 || [[এর্নস্ট মাখ]] || ২,০২৮ || ✕
|-
| 472 || [[ডোনাল্ড টাস্ক]] || ১,৭৭১ || ✓
|-
| 473 || [[অরবিন্দ আদিগা]] || ৮৬৬ || ✓
|-
| 474 || [[সি. এ. আর. হোর]] || ১,০৬১ || ✕
|-
| 475 || [[পল ডিরাক]] || ৪,৭০৯ || ✕
|-
| 476 || [[ই. ও. উইলসন]] || ৪,৪৫৮ || ✕
|-
| 477 || [[ডেসমন্ড মরিস]] || ৩,৯৮৬ || ✓
|-
| 478 || [[মাইকেল গোভ]] || ৩,৭৩৬ || ✓
|-
| 479 || [[হার্পার লি]] || ২,৪৯১ || ✓
|-
| 480 || [[কেন টম্পসন]] || ১,৮১৬ || ✓
|-
| 481 || [[জন টিন্ডাল]] || ২,৫২৮ || ✓
|-
| 482 || [[মেরি রবিনসন]] || ১,৩৭৬ || ✓
|-
| 483 || [[হেনরি ক্যাভেন্ডিশ]] || ২,২৪৪ || ✓
|-
| 484 || [[আইরিস মারডক]] || ১,২৬৮ || ✓
|-
| 485 || [[আর্নেস্ট রাদারফোর্ড]] || ২,৪৫৩ || ✓
|-
| 486 || [[ফ্রেড ব্রুকস]] || ১,১৯১ || ✓
|-
| 487 || [[ক্রিস্টিয়ান হাইগেনস]] || ১,৯০৭ || ✓
|-
| 488 || [[ডায়ান ফসি]] || ১,৬৪৬ || ✕
|-
| 489 || [[ইডিথ হোয়ার্টন]] || ১,৪২৫ || ✓
|-
| 490 || [[অরেল স্টেইন]] || ১,৪৭৮ || ✕
|-
| 491 || [[গাব্রিয়েলা মিস্ত্রাল]] || ১,৬৫০ || ✓
|-
| 492 || [[আলেকজান্ডার ফন হুমবোল্ট]] || ১,১২০ || ✓
|-
| 493 || [[ফ্রান্সিস্কো ভারেলা]] || ১,৮৯৩ || ✓
|-
| 494 || [[ডেনিস রিচি]] || ১,১০৮ || ✓
|-
| 495 || [[অড্রে হেপবার্ন]] || ১,৪৩৫ || ✓
|-
| 496 || [[জি. এইচ. হার্ডি]] || ২,৩৩০ || ✓
|-
| 497 || [[হ্যারল্ড পিন্টার]] || ২,০৭২ || ✓
|-
| 498 || [[অ্যানাক্সিম্যান্ডার]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 499 || [[ডেভিড ব্রুস্টার]] || ২,৪০৪ || ✓
|-
| 500 || [[ব্রায়ান গ্রিন]] || ১,২৭৯ || ✕
|-
| 501 || [[অমিত গোস্বামী]] || ৯১৫ || ✓
|-
| 502 || [[এডমন্ড হ্যালি]] || ২,৬১৯ || ✓
|-
| 503 || [[ডেভিড সুজুকি]] || ১,৫১৭ || ✓
|-
| 504 || [[ডেভিড জোনাথন গ্রোস]] || ৮০৯ || ✓
|-
| 505 || [[ডেভিড ম্যামেট]] || ১,২৫২ || ✓
|-
| 506 || [[আহমেদ জেওয়াইল]] || ১৯২ || ✓
|-
| 507 || [[ইউরোপীয় পার্লামেন্ট]] || ৬১৫ || ✓
|-
| 508 || [[ডেভিড গ্রসম্যান]] || ৩৩৬ || ✓
|-
| 509 || [[হরিশ-চন্দ্র]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 510 || [[অনিতা দেসাই]] || ১,৪৩৯ || ✓
|-
| 511 || [[অ্যাশ কার্টার]] || ৪৬৩ || ✓
|-
| 512 || [[আলফ্রেড নোবেল]] || ৫০৯ || ✕
|-
| 513 || [[ক্রিস্টিয়ান বার্নার্ড]] || ৬৩৯ || ✓
|-
| 514 || [[রেজা পাহলভি]] || ৯,৯১০ || ✓
|-
| 515 || [[রজার ইবার্ট]] || ২১,৩২৫ || ✓
|-
| 516 || [[পুনর্জন্ম]] || ২০,২৪৮ || ✓
|-
| 517 || [[জ্যারেড ডায়মন্ড]] || ১,১৬৮ || ✕
|-
| 518 || [[জেন গুডাল]] || ১,৩৫৭ || ✓
|-
| 519 || [[জেমস টোবিন]] || ১,০৫৯ || ✓
|-
| 520 || [[জেমস ক্যালাহান]] || ১,৬১৫ || ✓
|-
| 521 || [[উইলিয়াম স্ট্যানলি জেভন্স]] || ১,৭০১ || ✓
|-
| 522 || [[উইলিয়াম থমসন]] || ১,০৫১ || ✓
|-
| 523 || [[ওলে সোয়িংকা]] || ৩,১৬১ || ✕
|-
| 524 || [[জোসেফ স্টিগলিটজ]] || ১,৫০৪ || ✕
|-
| 525 || [[গ্রেগর মেন্ডেল]] || ৮৭৪ || ✓
|-
| 526 || [[গটফ্রিড ভিলহেল্ম লাইবনিৎস]] || ১,২৩৬ || ✓
|-
| 527 || [[গ্লেন থিওডোর সিবর্গ]] || ৯৮৪ || ✓
|-
| 528 || [[হেরমান ভাইল]] || ১,৫৪১ || ✓
|-
| 529 || [[হেরমান হেস]] || ৪,৫৬৫ || ✓
|-
| 530 || [[হার্বার্ট স্পেন্সার]] || ২,৩৬৮ || ✓
|-
| 531 || [[হার্বার্ট এ. সাইমন]] || ১,৩৩৭ || ✓
|-
| 532 || [[হেরাক্লিটাস]] || ১,৫৭০ || ✓
|-
| 533 || [[হেনরিক শিয়েনকিয়েভিচ]] || ১,৯১১ || ✕
|-
| 534 || [[উইলা ক্যাথার]] || ৩,০৩৩ || ✕
|-
| 535 || [[উইল ডুরান্ট]] || ২,৮১৫ || ✓
|-
| 536 || [[ডব্লিউ. এইচ. অডেন]] || ২,৮১৯ || ✓
|-
| 537 || [[ভোলফগাং পাউলি]] || ১,৬৩৯ || ✓
|-
| 538 || [[ইয়াসুনারি কাওয়াবাতা]] || ২,২৫৮ || ✓
|-
| 539 || [[জন আর্চিবল্ড হুইলার]] || ১,১৩৯ || ✓
|-
| 540 || [[সেমুর হার্শ]] || ১,৭৬১ || ✓
|-
| 541 || [[সের্গেই কোরোলিয়ভ]] || ৫৬৫ || ✓
|-
| 542 || [[জেন অ্যাডামস]] || ১,৯০৬ || ✓
|-
| 543 || [[জাক-ইভ কুস্তো]] || ৬৬৩ || ✓
|-
| 544 || [[হিদেকি ইউকাওয়া]] || ৪০৩ || ✓
|-
| 545 || [[প্রিমো লেভি]] || ৪,২৩৮ || ✓
|-
| 546 || [[ঝুম্পা লাহিড়ী]] || ৪৩০ || ✓
|-
| 547 || [[জেমস প্রেসকট জুল]] || ৪৮৭ || ✓
|-
| 548 || [[উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা]] || ৪,৮৫১ || ✓
|-
| 549 || [[সংবাদ মাধ্যম]] || ১,১৫৫ || ✓
|-
| 550 || [[গণমাধ্যম]] || ৩,৩৫৭ || ✓
|-
| 551 || [[মূলধারার গণমাধ্যম]] || ১,০৫২ || ✓
|-
| 552 || [[হলুদ সাংবাদিকতা]] || ২,২৯৬ || ✓
|-
| 553 || [[ভুয়া সংবাদ]] || ১,৪০৮ || ✓
|-
| 554 || [[বিকল্প প্রচারমাধ্যম]] || ১,২০৫ || ✓
|-
| 555 || [[জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ]] || ১১,২৬৬ || ✓
|-
| 556 || [[অ্যানোনিমাস]] || ৪,০৪৩ || ✓
|-
| 557 || [[টুপাক শাকুর]] || ৬,২৮৭ || ✓
|-
| 558 || [[জেনডেয়া]] || ২,০১৪ || ✓
|-
| 559 || [[টিমথি শালামে]] || ১,১২৭ || ✓
|-
| 560 || [[হিপোক্রেটিস]] || ২,৯২৩ || ✓
|-
| 561 || [[ষষ্ঠ মুহাম্মদ]] || ৮৭৮ || ✓
|-
| 562 || [[জন লেনক্স]] || ৭০২ || ✓
|-
| 563 || [[আলেক্সান্দ্র্ সলজেনিৎসিন]] || ৮,০৫৬ || ✓
|-
| 564 || [[আবদুল হান্নান মাসউদ]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 565 || [[পরকাল সম্পর্কে কুরআন]] || ১৮,৭৯৪ || ✓
|-
| 566 || [[মানবতাবিরোধী অপরাধ]] || ১,৯১২ || ✓
|-
| 567 || [[আন্তর্জাতিক আইন]] || ৫,৫৩৯ || ✓
|-
| 568 || [[মোহাম্মদ জাওয়াদ জারিফ]] || ১,৪৫২ || ✓
|-
| 569 || [[অনিল ভৌমিক]] || ২১৬ || ✓
|-
| 570 || [[মনোজ মিত্র]] || ৫,৫৬৭ || ✓
|-
| 571 || [[নারায়ণ সান্যাল]] || ৩৬৬ || ✓
|-
| 572 || [[মতি নন্দী]] || ৫,০১৮ || ✓
|-
| 573 || [[দেবেশ রায়]] || ৯,২৪৪ || ✓
|-
| 574 || [[শিশিরকুমার বসু]] || ৪,৮০৭ || ✓
|-
| 575 || [[বিমল কর]] || ১,৩৬৯ || ✓
|-
| 576 || [[সুবোধ সরকার]] || ১,৮৪৮ || ✓
|-
| 577 || [[স্মরণজিৎ চক্রবর্তী]] || ৭৯২ || ✓
|-
| 578 || [[স্বামী সারদানন্দ]] || ৮,৬৯৫ || ✓
|-
| 579 || [[শক্তিপদ রাজগুরু]] || ৯৯৩ || ✓
|-
| 580 || [[কমলকুমার মজুমদার]] || ১,৫৭৩ || ✓
|-
| 581 || [[গৌতম ভদ্র]] || ৬৮৫ || ✓
|-
| 582 || [[পরিমল গোস্বামী]] || ৬,৫৫০ || ✓
|-
| 583 || [[প্রেমাঙ্কুর আতর্থী]] || ৫,৬৯৮ || ✓
|-
| 584 || [[কালীপ্রসন্ন সিংহ]] || ৫,৪০৪ || ✓
|-
| 585 || [[অখিল নিয়োগী]] || ৬৩৬ || ✓
|-
| 586 || [[হরপ্রসাদ শাস্ত্রী]] || ৫১৩ || ✓
|-
| 587 || [[গায়ত্রী চক্রবর্তী স্পিভাক]] || ৫৯২ || ✓
|-
| 588 || [[অজিত দত্ত]] || ৮৭০ || ✓
|-
| 589 || [[অজিতকৃষ্ণ বসু]] || ২,৩৮৬ || ✓
|-
| 590 || [[এম এস স্বামীনাথন]] || ৮৭২ || ✓
|-
| 591 || [[চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন]] || ২,১৭১ || ✓
|-
| 592 || [[চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও]] || ২,১৬৭ || ✓
|-
| 593 || [[কণাদ]] || ৯১৯ || ✓
|-
| 594 || [[জয়ন্ত বিষ্ণু নারলিকর]] || ৩,১৮৭ || ✓
|-
| 595 || [[বিক্রম সারাভাই]] || ১,১২৯ || ✓
|-
| 596 || [[আর্নেস্ট কিং]] || ১৫,৭৬৯ || ✕
|-
| 597 || [[ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট]] || ২৬,২১৫ || ✓
|-
| 598 || [[আনোয়ার ইব্রাহিম]] || ৬,৯৯৩ || ✓
|-
| 599 || [[ইসলাম ও যুদ্ধ]] || ৫,৬৮১ || ✓
|-
| 600 || [[আহমদ সিরহিন্দি]] || ৪,০৭০ || ✓
|-
| 601 || [[মুসা সেরান্তোনিও]] || ৪২৩ || ✓
|-
| 602 || [[ইয়াকুব]] || ১,৯৫৬ || ✓
|-
| 603 || [[আদ্রিয়ান গোল্ডসওয়ার্দি]] || ১,৯৭৯ || ✕
|-
| 604 || [[অ্যালিস পল]] || ১,৮৬২ || ✕
|-
| 605 || [[অ্যামি ট্যান]] || ২,০০৭ || ✕
|-
| 606 || [[অ্যান্ড্রু সেগা]] || ১,৯৬৯ || ✓
|-
| 607 || [[আল্যাঁ বাদিউ]] || ১,৯৬৬ || ✕
|-
| 608 || [[আফ্রিকান স্পির]] || ১,৭২২ || ✕
|-
| 609 || [[ফ্রেডরিক ডগলাস]] || ৮৬২ || ✕
|-
| 610 || [[নবী]] || ২,০৬২ || ✕
|-
| 611 || [[এমা গোল্ডম্যান]] || ১২,৮০০ || ✕
|-
| 612 || [[প্রেম সম্পর্কে ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি]] || ১৫,০৪০ || ✓
|-
| 613 || [[মিস্ট্রি সায়েন্স থিয়েটার ৩০০০]] || ৯৪,৯৬৮ || ✕
|-
| 614 || [[দ্য থিক অফ ইট]] || ৬৯,২৮৩ || ✕
|-
| 615 || [[অ্যালেক্স হেইলি]] || ১,৬০৪ || ✓
|-
| 616 || [[দাসত্ব সম্পর্কে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি]] || ৫,৭৮৫ || ✕
|-
| 617 || [[দাসত্ব]] || ১০,২৫৯ || ✕
|-
| 618 || [[যন্ত্র]] || ৭১৩ || ✓
|-
| 619 || [[বিচারক]] || ৯৫২ || ✓
|-
| 620 || [[রুটি]] || ১,০৯৭ || ✓
|-
| 621 || [[খড়]] || ৯৩২ || ✓
|-
| 622 || [[মন্মথমোহন বসু]] || ৯৬৩ || ✕
|-
| 623 || [[কালীপ্রসন্ন বিদ্যারত্ন]] || ৮২৫ || ✓
|-
| 624 || [[কলসী]] || ১,০৮৬ || ✓
|-
| 625 || [[চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ১,১৫৭ || ✓
|-
| 626 || [[শহর]] || ১,৪৫৮ || ✕
|-
| 627 || [[ঘাস]] || ২,১১২ || ✓
|-
| 628 || [[জলধর সেন]] || ১,৭৬৪ || ✓
|-
| 629 || [[ঠিকানা]] || ১,১৮৭ || ✓
|-
| 630 || [[গন্ধ]] || ১,৮০৭ || ✓
|-
| 631 || [[চা]] || ২,৪২৪ || ✓
|-
| 632 || [[রবীন্দ্রনাথ মৈত্র]] || ১,২৮১ || ✓
|-
| 633 || [[দিগন্ত]] || ১,২২৮ || ✓
|-
| 634 || [[ময়ূর]] || ১,৩৪৫ || ✓
|-
| 635 || [[করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ৯১১ || ✓
|-
| 636 || [[ঢেউ]] || ১,৫৩৯ || ✓
|-
| 637 || [[ছাতা]] || ১,১৮৯ || ✓
|-
| 638 || [[উমাকান্ত হাজারী]] || ৯৪২ || ✓
|-
| 639 || [[ঘৃণা]] || ২,৩৩৯ || ✓
|-
| 640 || [[বাঁশ]] || ২,৪৫৯ || ✕
|-
| 641 || [[কলেরা]] || ১,৬৩৮ || ✓
|-
| 642 || [[মাঠ]] || ২,৪৪৭ || ✓
|-
| 643 || [[টিন]] || ১,৯৩২ || ✕
|-
| 644 || [[সংবাদ]] || ৪,৪৭৯ || ✕
|-
| 645 || [[জন বারবার]] || ৫৭৪ || ✕
|-
| 646 || [[স্কটিশ জাতি]] || ৩৭৫ || ✓
|-
| 647 || [[ওয়েন্ডি বোম্যান]] || ১৫১ || ✕
|-
| 648 || [[যুদ্ধাপরাধ]] || ৪,৬৭৯ || ✕
|-
| 649 || [[রুবি]] || ৩৬৩ || ✓
|-
| 650 || [[রিতা এনজেলু]] || ১৫৯ || ✓
|-
| 651 || [[বমি]] || ২০৪ || ✓
|-
| 652 || [[পার্ল]] || ৬৯০ || ✕
|-
| 653 || [[পাইথন]] || ১৩৯ || ✓
|-
| 654 || [[উইকিলিকস]] || ১,৬৩১ || ✕
|-
| 655 || [[জনস্টন ম্যাককালি]] || ৩১১ || ✕
|-
| 656 || [[যুগোস্লাভিয়া]] || ৪,১৩৬ || ✓
|-
| 657 || [[অংশুমান কর]] || ২০৯ || ✓
|-
| 658 || [[কেমব্রিজ গান]] || ৩০৫ || ✕
|-
| 659 || [[হেলেনীয় শিক্ষা]] || ৫০২ || ✓
|-
| 660 || [[টমাস হলি চিভার্স]] || ২৩৫ || ✓
|-
| 661 || [[মুহাম্মদ মাহদি আল-জাওয়াহিরি]] || ৬৩৮ || ✓
|-
| 662 || [[জেডি স্মিথ]] || ১,০৮০ || ✓
|-
| 663 || [[ব্রায়ান পি. শ্মিট]] || ৪৬০ || ✓
|-
| 664 || [[কার্ল বার্নস্টিন]] || ৩৬৮ || ✓
|-
| 665 || [[চার্লস ফেফারম্যান]] || ৩৩৯ || ✓
|-
| 666 || [[ইয়ুস্টুস ফন লিবিগ]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 667 || [[টমাস শেলিংস]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 668 || [[উইলিয়াম শকলি]] || ৩৯১ || ✓
|-
| 669 || [[শিং-শেন চের্ন]] || ৭৬৫ || ✕
|-
| 670 || [[হুগো দ্য ভ্রিস]] || ৩৪৪ || ✓
|-
| 671 || [[রবার্ট অ্যান্ড্রুজ মিলিকান]] || ৪৩৬ || ✓
|-
| 672 || [[জেমস ভ্যান অ্যালেন]] || ৫৯৬ || ✓
|-
| 673 || [[জাক শিরাক]] || ৭১১ || ✓
|-
| 674 || [[ডরোথি হজকিন]] || ২৯৪ || ✓
|-
| 675 || [[গোরান পারসন]] || ৩২৬ || ✓
|-
| 676 || [[জেরার দ্যব্রু]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 677 || [[কোরীয় যুদ্ধ]] || ৯,৯৬৫ || ✕
|-
| 678 || [[রবার্ট জে. শিলার]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 679 || [[ফ্রঁসোয়া আরাগন]] || ৪৩৫ || ✓
|-
| 680 || [[অখিলচন্দ্র দত্ত]] || ৩৭৩ || ✕
|-
| 681 || [[ফ্রান্সিস কলিন্স]] || ৫৮৮ || ✓
|-
| 682 || [[হেলেন ক্লার্ক]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 683 || [[লেয়োঁ ফুকো]] || ৫৩২ || ✓
|-
| 684 || [[জন চার্লস পোলানি]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 685 || [[জন মেইনার্ড কেইনস]] || ১৭,৭৯১ || ✕
|-
| 686 || [[দিমিত্রি মুরাতভ]] || ৬৩৬ || ✓
|-
| 687 || [[আবদুস সালাম]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 688 || [[আবদুলরাজাক গুরনাহ]] || ৭৪৯ || ✓
|-
| 689 || [[এ. সি. বেনসন]] || ৩৮৩ || ✓
|-
| 690 || [[প্রথম আলবার্ট]] || ৮৬৪ || ✓
|-
| 691 || [[অম্লান দত্ত]] || ১৪৬ || ✓
|-
| 692 || [[ইয়ান মার্টেল]] || ১,১৩৩ || ✕
|-
| 693 || [[ইয়োইচিরো নাম্বু]] || ৪৩১ || ✕
|-
| 694 || [[সৈয়দ জামিল আহমেদ]] || ২০৩ || ✓
|-
| 695 || [[পূর্ণিমা]] || ১৯২ || ✓
|-
| 696 || [[শরিফুল রাজ]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 697 || [[কাজী হায়াৎ]] || ২৭৪ || ✓
|-
| 698 || [[আরেফিন রুমি]] || ১৬২ || ✓
|-
| 699 || [[ইমাম নাসাই]] || ৬৯৭ || ✕
|-
| 700 || [[কবরী]] || ২৭১ || ✓
|-
| 701 || [[হাফিজ উদ্দিন আহমদ]] || ২৩৬ || ✓
|-
| 702 || [[আ ন ম এহসানুল হক মিলন]] || ৩৪০ || ✓
|-
| 703 || [[আন্দালিব রহমান পার্থ]] || ২৯৭ || ✓
|-
| 704 || [[ববি হাজ্জাজ]] || ২৫৩ || ✓
|-
| 705 || [[ইবনে মাজাহ]] || ৩৩৬ || ✓
|-
| 706 || [[হাবিব ওয়াহিদ]] || ২৬৪ || ✓
|-
| 707 || [[জাইমা রহমান]] || ২১২ || ✓
|-
| 708 || [[কনকচাঁপা]] || ২২৮ || ✓
|-
| 709 || [[আহসান হাবীব]] || ২১৯ || ✓
|-
| 710 || [[বেলাল খান]] || ২১৯ || ✓
|-
| 711 || [[নচিকেতা চক্রবর্তী]] || ২৮৯ || ✓
|-
| 712 || [[আ ফ ম খালিদ হোসেন]] || ২৪৮ || ✓
|-
| 713 || [[আলমগীর]] || ৪০৬ || ✓
|-
| 714 || [[সালাহউদ্দিন আহমেদ]] || ৪৫৯ || ✓
|-
| 715 || [[চোং নানশান]] || ১৭৮ || ✓
|-
| 716 || [[এ. সি. ব্র্যাডলি]] || ৩৯০ || ✕
|-
| 717 || [[আলবার্ট হফমান]] || ৩,৪৪৪ || ✓
|-
| 718 || [[অ্যালান পারলিস]] || ৯২৮ || ✓
|-
| 719 || [[হেইনরিখ রোরার]] || ৩৬০ || ✓
|-
| 720 || [[আলফ্রেড আহো]] || ১৪৪ || ✕
|-
| 721 || [[উ থান্ট]] || ৬৭৮ || ✕
|-
| 722 || [[লোরঁ শোয়ার্তজ]] || ৬১০ || ✓
|-
| 723 || [[উইলিয়াম শার্প]] || ৩৯৯ || ✓
|-
| 724 || [[পাউল এরেনফেস্ট]] || ৪৩৩ || ✓
|-
| 725 || [[রবার্ট মান্ডেল]] || ৩২২ || ✓
|-
| 726 || [[হান কাং]] || ৬৬৬ || ✓
|-
| 727 || [[ক্রিপটিক ফেইট]] || ১৭৬ || ✓
|-
| 728 || [[কাকাবাবু]] || ২৫৮ || ✓
|-
| 729 || [[ক্যারি মুলিস]] || ৪০৩ || ✓
|-
| 730 || [[টোমাস ট্রান্সট্রোমার]] || ২৯৯ || ✓
|-
| 731 || [[ইরিনা বোকোভা]] || ২৬৮ || ✓
|-
| 732 || [[মার্টিনুস ভেল্টম্যান]] || ১৯৫ || ✓
|-
| 733 || [[ড্যামন গ্যালগুট]] || ৪৮২ || ✓
|-
| 734 || [[আর্থার কর্নবার্গ]] || ১৭৭ || ✕
|-
| 735 || [[বেন ওক্রি]] || ৮৫৮ || ✓
|-
| 736 || [[সল বেলো]] || ১,০০৩ || ✓
|-
| 737 || [[সল পার্লমাটার]] || ৩১১ || ✕
|-
| 738 || [[সিমেওঁ দ্যনি পোয়াসোঁ]] || ১৬০ || ✓
|-
| 739 || [[স্টিভ আরউইন]] || ৪৩৫ || ✕
|-
| 740 || [[আনি এরনো]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 741 || [[ফজল শাহাবুদ্দীন]] || ৪৯৫ || ✕
|-
| 742 || [[আল-জাহিজ]] || ৭৩৩ || ✓
|-
| 743 || [[আল-বিরুনি]] || ১,৮৩৬ || ✓
|-
| 744 || [[থমাস হ্যারিয়ট]] || ৪৩২ || ✓
|-
| 745 || [[স্টিভেন চু]] || ২২০ || ✓
|-
| 746 || [[ইভাঞ্জেলিস্টা টরিসেলি]] || ৩৭২ || ✓
|-
| 747 || [[লেসলি ল্যামপোর্ট]] || ৫৫০ || ✓
|-
| 748 || [[মার্টিন লুইস পার্ল]] || ৩৮৮ || ✓
|-
| 749 || [[ভ্লাদিমির মার্কভনিকভ]] || ২৬৭ || ✓
|-
| 750 || [[বাপ্পী লাহিড়ী]] || ২৫২ || ✓
|-
| 751 || [[নুহাশ হুমায়ূন]] || ২০৫ || ✓
|-
| 752 || [[আনিসুল হক]] || ২৪৬ || ✕
|-
| 753 || [[বাবর আলী]] || ৩০৯ || ✓
|-
| 754 || [[মেহের আফরোজ শাওন]] || ৩১৯ || ✓
|-
| 755 || [[ফেলুদা]] || ২৪৬ || ✓
|-
| 756 || [[ব্যোমকেশ বক্সী]] || ১৭৮ || ✓
|-
| 757 || [[প্রোফেসর শঙ্কু]] || ২৬৯ || ✓
|-
| 758 || [[বারী সিদ্দিকী]] || ২৪২ || ✓
|-
| 759 || [[সমরেশ বসু]] || ২০২ || ✓
|-
| 760 || [[লিয়ন কুপার]] || ৩২৩ || ✓
|-
| 761 || [[কামিলা শামসি]] || ২০৪ || ✓
|-
| 762 || [[ক্রিস্টোফার রেন]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 763 || [[জিওফ্রে হিন্টন]] || ৩২২ || ✓
|-
| 764 || [[ফ্রিডতিয়ফ নানসেন]] || ১৯১ || ✓
|-
| 765 || [[আলাঁ আস্পে]] || ৭৭৬ || ✓
|-
| 766 || [[ক্যারিল ফিলিপস]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 767 || [[জেমস কুক]] || ৩৯৭ || ✓
|-
| 768 || [[ক্লাউদিয়া শেইনবাউম]] || ৩২১ || ✓
|-
| 769 || [[আবি আহমেদ]] || ২৫৫ || ✓
|-
| 770 || [[পিটার আগ্রি]] || ১৯০ || ✓
|-
| 771 || [[ফখরুদ্দীন আল-রাযী]] || ২১৫ || ✓
|-
| 772 || [[শি চিনফিং]] || ৪,১৩২ || ✕
|-
| 773 || [[ইব্রাহিম ত্রাওরে]] || ৭৫৪ || ✓
|-
| 774 || [[পেদ্রো সানচেজ]] || ২৯৯ || ✓
|-
| 775 || [[অ্যাডাম রিস]] || ৪৮৯ || ✓
|-
| 776 || [[আব্দুল হান্নান আবকারী]] || ০ || ✕
|-
| 777 || [[ইবরাহীম আলী তশনা]] || ২৪৭ || ✓
|-
| 778 || [[রুহুল আমিন বসিরহাটি]] || ৩৬৩ || ✓
|-
| 779 || [[মুহাম্মদুল্লাহ হাফেজ্জী]] || ৩৪২ || ✓
|-
| 780 || [[শামছুল হুদা]] || ০ || ✕
|-
| 781 || [[শামছুল হক ফরিদপুরী]] || ৫৪৬ || ✓
|-
| 782 || [[গর্ডন মুর]] || ৫৮৭ || ✓
|-
| 783 || [[শিরিন এবাদি]] || ৫৪৩ || ✕
|-
| 784 || [[নাগিব মাহফুজ]] || ৫৩০ || ✓
|-
| 785 || [[আল-ফারাবি]] || ৫৩৭ || ✕
|-
| 786 || [[চাষী নজরুল ইসলাম]] || ৪৪৬ || ✓
|-
| 787 || [[বাপ্পা মজুমদার]] || ৩১০ || ✓
|-
| 788 || [[রবার্ট ক্লাইভ]] || ২,০০২ || ✕
|-
| 789 || [[পার্ল এস. বাক]] || ৯৩৩ || ✕
|-
| 790 || [[জন বারডিন]] || ৩৬৪ || ✓
|-
| 791 || [[তাসমিয়া প্রধান]] || ৩৫২ || ✓
|-
| 792 || [[আজিজুল হক]] || ১৮০ || ✓
|-
| 793 || [[আবদুস সালাম]] || ১০০ || ✕
|-
| 794 || [[আবদুল গফুর]] || ১০১ || ✕
|-
| 795 || [[আবদুল জব্বার]] || ১৬১ || ✓
|-
| 796 || [[আবদুল জব্বার]] || ৯২ || ✕
|-
| 797 || [[আবদুল জব্বার]] || ১৩৩ || ✕
|-
| 798 || [[অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ১৩৪ || ✕
|-
| 799 || [[অনিমেষ রায়]] || ১২৬ || ✕
|-
| 800 || [[অনির্বাণ বসু]] || ১২০ || ✕
|-
| 801 || [[অজয় ঘটক]] || ১১৪ || ✕
|-
| 802 || [[অচলা মল্লিক]] || ১৫৪ || ✕
|-
| 803 || [[অজয় হোম]] || ১৫৯ || ✕
|-
| 804 || [[অমিতা বসু]] || ১৪২ || ✕
|-
| 805 || [[ভেরা রুবিন]] || ৩৫০ || ✕
|-
| 806 || [[মেরি কুরি]] || ১৭৯ || ✕
|-
| 807 || [[মিসির আলি]] || ৪০৬ || ✕
|-
| 808 || [[আস্ট্রোনমি]] || ০ || ✕
|-
| 809 || [[মমতাজ বেগম]] || ৩৫৫ || ✕
|-
| 810 || [[আবুল বরকত]] || ১৪৩ || ✕
|-
| 811 || [[মেরি স্টোপস]] || ৫০৫ || ✕
|-
| 812 || [[ইয়োন ফসে]] || ৩৯৩ || ✕
|-
| 813 || [[জুনো দিয়াজ]] || ৫৪০ || ✕
|-
| 814 || [[পারভীন এতেসামি]] || ০ || ✕
|-
| 815 || [[চুয়াং জি]] || ২৭৪ || ✕
|-
| 816 || [[ফকির শাহাবুদ্দীন]] || ০ || ✕
|-
| 817 || [[আবু বকর সিদ্দিকী]] || ০ || ✕
|-
| 818 || [[বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট]] || ০ || ✕
|-
| 819 || [[বাংলাদেশের কৃষি প্রযুক্তি]] || ০ || ✕
|-
| 820 || [[হাসিবুন নাহের]] || ০ || ✕
|-
| 821 || [[মেরি উলস্টোনক্রাফ্ট]] || ২১৩ || ✕
|-
| 822 || [[বালতাসার গ্রাসিয়ান]] || ২০৬ || ✕
|-
| 823 || [[জুলাই আন্দোলন]] || ৬১৫ || ✕
|-
| 824 || [[বিকাশ]] || ০ || ✕
|-
| 825 || [[নতুন প্রযুক্তি]] || ০ || ✕
|-
| 826 || [[বাংলাদেশের রিয়েল এস্টেট শিল্প: বর্তমান প্রেক্ষাপট ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা]] || ০ || ✕
|-
| 827 || [[জলবায়ু পরিবর্তন ও বাংলাদেশের পরিবেশ]] || ০ || ✕
|-
| 828 || [[মোহাম্মদ শেখ শাহিনুর রহমান]] || ০ || ✕
|-
| 829 || [[অপ্রত্যাশিত জীবনযাত্রা]] || ০ || ✕
|-
| 830 || [[অপর্ণা সেন]] || ৩১২ || ✕
|}
dol0e2bf2xij9btvo4l55gvbcitqa10
অঁতোয়ান লাভোয়াজিয়ে
0
12006
83333
75884
2026-05-03T13:38:24Z
SMontaha32
3112
/* উদ্ধৃতিসমূহ */
83333
wikitext
text/x-wiki
[[File:David - Portrait of Monsieur Lavoisier (cropped).jpg|thumb|right| আমাদের কেবল তথ্যের ওপরই আস্থা রাখতে হবে...]]
'''অঁতোয়ান-লোঁরা দ্য লাভোয়াজিয়ে''' (২৬ আগস্ট ১৭৪৩ – ৮ মে ১৭৯৪) ছিলেন একজন ফরাসি বুদ্ধিজীবী ও সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি, যাকে আধুনিক [[রসায়ন]] বিজ্ঞানের জনক হিসেবে গণ্য করা হয়।
== উদ্ধৃতিসমূহ ==
* অভিজ্ঞতা ও পর্যবেক্ষণ থেকে সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর শিল্পের মূল ভিত্তি হলো সম্ভাব্যতা যাচাই করা। অর্থাৎ কোনো ঘটনা প্রমাণের পর্যায়ে পড়ে কিনা তা নিরূপণ করা। এই ধরনের হিসাব-নিকাশ যতটা সহজ মনে হয়, বাস্তবে তার চেয়ে অনেক বেশি জটিল ও কঠিন। এর জন্য এমন প্রজ্ঞা বা তীক্ষ্ণ বুদ্ধির প্রয়োজন, যা সাধারণত সাধারণ মানুষের ক্ষমতার ঊর্ধ্বে। হাতুড়ে চিকিৎসক, জাদুকর, আলকেমিস্ট এবং যারা জনগণের সরল বিশ্বাসকে পুঁজি করে প্রতারণা করে, তাদের সাফল্যের মূল কারণ হলো মানুষের এই হিসাব-নিকাশে ভুল করা।
** অঁতোয়ান লাভোয়াজিয়ে এবং [[বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন]], *Rapport des commissaires chargés par le roi de l'examen du magnétisme animal* (ইম্প্রিমিউরি রয়্যাল, ১৭৮৪), অনুবাদক স্টিফেন জে গোল্ড, "দ্য চেইন অব রিজন ভার্সাস দ্য চেইন অব থাম্বস", "বুলি ফর ব্রন্টোসরাস" (ডব্লিউ. ডব্লিউ. নর্টন, ১৯৯১), পৃ. ১৯৫
* দেখুন, আপনার ইউরোপ ত্যাগের পর থেকে মানব জ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশে (বিজ্ঞান ও রসায়নের ক্ষেত্রে) বিপ্লব ঘটে গেছে। আপনি যদি আমাদের দলে যোগ দেন, তবে আমি এই বিপ্লবকে অগ্রসর এবং সম্পূর্ণ সফল বলে গণ্য করব। রসায়নে কী ঘটছে তা আপনাকে জানানোর পর এবার আমাদের রাজনৈতিক বিপ্লব নিয়ে কথা বলা ভালো। আমরা মনে করি এটি সম্পন্ন হয়েছে এবং পুরনো ব্যবস্থায় ফিরে যাওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।
** [[বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন]]ের কাছে লেখা চিঠি (২ ফেব্রুয়ারি, ১৭৯০), উদ্ধৃত: আই বার্নার্ড কোহেন, "রেভোলিউশন ইন সায়েন্স" (১৯৮৫)
=== এলিমেন্টস অব কেমিস্ট্রি (১৭৯০) ===
* আমি যখন এই কাজটি শুরু করি, আমার একমাত্র উদ্দেশ্য ছিল ১৭৮৭ সালের এপ্রিল মাসে একাডেমি অব সায়েন্সেসের সাধারণ সভায় রসায়নের নামকরণ পদ্ধতির সংস্কার ও পরিপূরণ নিয়ে পড়া আমার স্মারকপত্রটি বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করা। এই কাজে ব্যস্ত থাকার সময় আমি আবের দে কোঁদিয়াকের 'সিস্টেম অব লজিক' এবং তার অন্যান্য কাজের কিছু মূলনীতির যথার্থতা আগে যেকোনো সময়ের চেয়ে ভালোভাবে উপলব্ধি করেছি। "আমরা কেবল শব্দের মাধ্যমেই চিন্তা করি। ভাষা হলো প্রকৃত বিশ্লেষণমূলক পদ্ধতি। বীজগণিত প্রতিটি অভিব্যক্তির জন্য সবচেয়ে সহজ, সঠিক এবং উত্তম উপায়ে কাজ করে। এটি একই সাথে একটি ভাষা এবং একটি বিশ্লেষণমূলক পদ্ধতি। যুক্তির শিল্প হলো সুবিন্যস্ত ভাষার চেয়ে বেশি কিছু নয়।"
** পৃ. xiii
* আমি ভেবেছিলাম কেবল একটি নামকরণ পদ্ধতি তৈরি করছি এবং রসায়নের ভাষাকে উন্নত করা ছাড়া অন্য কোনো লক্ষ্য আমার ছিল না। কিন্তু আমার অজান্তেই কাজটি ধীরে ধীরে রসায়নের মৌলিক বিষয়বস্তুর ওপর একটি গ্রন্থে রূপান্তরিত হয়ে গেল।
** পৃ. xiv
* জ্যামিতি এবং জ্ঞানের প্রতিটি শাখায় এটি সর্বজনস্বীকৃত নীতি যে, অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে আমাদের জানা ঘটনা থেকে অজানার দিকে অগ্রসর হওয়া উচিত। এভাবেই সংবেদন, পর্যবেক্ষণ এবং বিশ্লেষণের ধারায় ধারণার এক ধারাবাহিক শিকল তৈরি হয়। এগুলো একে অপরের সাথে এমনভাবে যুক্ত যে, একজন মনোযোগী পর্যবেক্ষক মানব জ্ঞানের সমগ্র শৃঙ্খলার ক্রম এবং সংযোগ খুঁজে বের করতে পারেন।
** পৃ. xv-xvi
* আমাদের শুধুমাত্র তথ্যের ওপরই নির্ভর করতে হবে। প্রকৃতি আমাদের সামনে এগুলো উপস্থাপন করে এবং এগুলো আমাদের বিভ্রান্ত করতে পারে না। আমাদের উচিত প্রতিটি ক্ষেত্রে যুক্তিকে পরীক্ষার মাধ্যমে যাচাই করা এবং পরীক্ষা ও পর্যবেক্ষণের প্রাকৃতিক পথ ছাড়া সত্যের অনুসন্ধান না করা।
** পৃ. xviii
* আমরা একটি অকাট্য নীতি হিসেবে ধরে নিতে পারি যে, শিল্প ও প্রকৃতির সকল ক্রিয়াকলাপে নতুন করে কিছুই সৃষ্টি হয় না। পরীক্ষার আগে এবং পরে পদার্থের পরিমাণ সমান থাকে। মৌলগুলোর গুণগত এবং পরিমাণগত মান অপরিবর্তিত থাকে এবং এই মৌলগুলোর বিন্যাসের পরিবর্তন ছাড়া আর কিছুই ঘটে না। এই নীতির ওপর ভিত্তি করেই রাসায়নিক পরীক্ষার পুরো পদ্ধতি নির্ভর করে। পরীক্ষিত বস্তুর মৌল এবং বিশ্লেষণের ফলে প্রাপ্ত উপাদানের মধ্যে আমাদের সর্বদা একটি সঠিক সমতা ধরে নিতে হবে।
** পৃ. ২২৬
== লাভোয়াজিয়ের সম্পর্কে ==
* জন মেও, রবার্ট বয়েলের মতোই মনে করতেন যে বাতাস ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণা দিয়ে গঠিত। তিনি এটিকে দুই ভাগে ভাগ করেছিলেন। একটি হলো 'স্পিরিটাস ইগনো-এরিয়াস', যা জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় এবং অন্যটি হলো এমন যা শ্বাসপ্রশ্বাস বা দহনে সহায়তা করতে অক্ষম। যেহেতু পটাসিয়াম নাইট্রেট এবং সালফারের মিশ্রণ জলের নিচেও জ্বলতে থাকে, তিনি ধরে নিয়েছিলেন যে তাঁর এই 'ইগনো-এরিয়াল' কণাগুলো লবণের মধ্যেও বিদ্যমান। এমনকি অ্যাসিডের মধ্যেও এই নতুন নীতিটি ছিল। ...১৬৭৯ সালে মাত্র চৌত্রিশ বছর বয়সে মেও মারা যান। যদি তিনি আর কিছুদিন বেঁচে থাকতেন, তবে নিঃসন্দেহে তিনি লাভোয়াজিয়েরের বৈপ্লবিক কাজের পথ প্রশস্ত করতেন এবং ফ্লোজিস্টন তত্ত্বকে তার জন্মের সময়ই নস্যাৎ করে দিতেন। তবুও তাঁর কাজ যদিও তৎকালীন সময়ের অন্যতম উজ্জ্বল এবং বিশ্বাসযোগ্য বৈজ্ঞানিক প্রকাশনা হিসেবে স্বীকৃত ছিল। তা দ্রুত বিস্মৃতির অতলে তলিয়ে যায় এবং আমাদের আধুনিক রাসায়নিক ব্যবস্থার বিবর্তনে তেমন কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি।
** ফ্রান্সিস পল আর্মিটেজ, ''আ হিস্ট্রি অফ কেমিস্ট্রি'' (১৯০৬) পৃষ্ঠা ২৩
* যদিও লাভোয়াজিয়ের সাধারণত এই নীতিটির ভরের নিত্যতা সূত্র প্রবক্তা হিসেবে কৃতিত্ব পান। তবুও তাঁর আগেই অনেকে এটি কল্পনা করেছিলেন। সপ্তদশ শতাব্দীর রসায়নবিদরা বিশেষত হেলমন্ট, স্টার্কি এবং বয়েল, কোনো পরীক্ষামূলক প্রক্রিয়ার আগে ও পরে পদার্থ ওজন এবং পরিমাপ করার গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতন হতে শুরু করেছিলেন। যদিও তাঁদের পরিমাপের পদ্ধতি এবং যন্ত্রগুলো ততটা নির্ভুল ছিল না। ১৬২৩ সালে ফ্রান্সিস বেকন বলেছিলেন, "..যখন তারা দেখে যে কোনো বস্তু, যা আগে ইন্দ্রিয়গোচর ছিল, তা অদৃশ্য হয়ে গেছে। তখন তারা সেই হিসাব নিষ্পত্তি করবে না যতক্ষণ না তাদের দেখানো হয় যে বস্তুটি কোথায় গেছে এবং কীসে রূপান্তরিত হয়েছে।" এমনকি ৪৫০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দেও অ্যানাক্সাগোরাস যুক্তি দিয়েছিলেন, "গ্রিকরা ভুল করে মনে করে যে কোনো কিছু সৃষ্টি হয় বা ধ্বংস হয়। কারণ কিছুই নতুন করে তৈরি হয় না বা বিলুপ্ত হয় না। বরং সবকিছুই পূর্বের বিদ্যমান বস্তুগুলোর একত্রীকরণ বা বিয়োজন মাত্র।"
** ম্যাডিসন স্মার্ট বেল, ''লাভোয়াজিয়ের ইন দ্য ইয়ার ওয়ান: দ্য বার্থ অফ আ নিউ সায়েন্স ইন অ্যান এজ অফ রেভল্যুশন'' (২০০৫)
* লাভোয়াজিয়েরের রসায়নের অন্যতম মৌলিক নীতি ছিল সংখ্যার ব্যবহার। বিশেষত যা আমরা আজ ভরের নিত্যতা সূত্র বলে থাকি... এই নীতিটি নির্দেশ করে যে পরীক্ষককে কেবল বিক্রিয়াকারী কঠিন এবং তরল পদার্থের হিসাব রাখলেই চলবে না বরং সমস্ত গ্যাসীয় পণ্য অর্থাৎ সমস্ত উৎপাদের হিসাবও রাখতে হবে। ...এই নিয়মটিই পরিমাণগত পরীক্ষার দিকে চালিত করে। লাভোয়াজিয়েরই প্রথম ব্যক্তি নন যিনি রসায়নে সংখ্যার ব্যবহার করেছিলেন। কিন্তু তিনি রসায়নের ভিত্তি হিসেবে এই গাণিতিক পরিমাপ ব্যবহারের ক্ষেত্রে পথিকৃৎ ছিলেন। ...লাভোয়াজিয়ের যখন প্রথম এই সূত্রটি ঘোষণা করেন, তখন রসায়নবিদরা সাধারণত 'ফ্লোজিস্টন' তত্ত্বে বিশ্বাসী ছিলেন। যা রাসায়নিক বিক্রিয়ায় (যেমন দহন) অংশ নেয় কিন্তু যার কোনো ওজন নেই। সুতরাং, ওজনের ভারসাম্যের ওপর ভিত্তি করে রসায়নের একটি ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং এটি দাবি করা যে রসায়নের ওজনহীন কোনো 'পদার্থ' নিয়ে কারবার নেই, তা ছিল এক আমূল পদক্ষেপ... এটি সত্যিই এক রাসায়নিক বিপ্লব ছিল।
** আই. বার্নার্ড কোহেন, ''দ্য ট্রায়াম্ফ অফ নাম্বারস: হাউ কাউন্টিং শেপড মডার্ন লাইফ'' (২০০৫)
* ১৭৭৪ সালে তিনি জোসেফ প্রিস্টলি মনে করেছিলেন যে তিনি নাইট্রাস অক্সাইড পেয়েছেন... ১৭৭৫ সালে তিনি গ্যাসটিকে ডি-ফ্লোজিস্টোনেটেড বাতাস হিসেবে দেখেন... যদি আমরা প্রিস্টলিকে সেই কৃতিত্ব না দেই, তবে আমরা লাভোয়াজিয়েরকেও ১৭৭৫ সালের কাজের জন্য তা দিতে পারি না... লাভোয়াজিয়ের জোর দিয়ে বলেছিলেন যে অক্সিজেন হলো অম্লত্বের এক পারমাণবিক 'মূলনীতি'... যা কেবল তখনই গঠিত হয় যখন সেই 'মূলনীতি' ক্যালরিকের সাথে যুক্ত হয়... কার্ল উইলহেম শেলেকে উপেক্ষা করলে, আমরা নিরাপদে বলতে পারি যে ১৭৭৪ সালের আগে অক্সিজেন আবিষ্কৃত হয়নি এবং আমরা সম্ভবত বলব যে এটি ১৭৭৭ সালের মধ্যে বা তারপরে আবিষ্কৃত হয়েছিল। কিন্তু... আবিষ্কারের তারিখ নির্ধারণের যেকোনো চেষ্টাই অনিচ্ছাকৃতভাবে স্বেচ্ছাচারী হতে বাধ্য। কারণ নতুন ধরনের কোনো ঘটনা আবিষ্কার করা অপরিহার্যভাবে একটি জটিল বিষয়, যার মধ্যে এটি স্বীকার করা অন্তর্ভুক্ত যে কিছু একটা আছে এবং সেটি কী।
** থমাস স্যামুয়েল কুন, ''দ্য স্ট্রাকচার অফ সায়েন্টিফিক রেভল্যুশনস'' (১৯৬২)
* আমরা লাভোয়াজিয়েরের প্রাথমিক পদক্ষেপটিকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিতে বাধ্য। যাঁকে জোহানেস কেপলারকে আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞানের জনক বলার চেয়েও বেশি যথার্থভাবে আধুনিক রসায়নের জনক বলা হয়। রসায়নের ইতিহাসে এই গুরুত্বপূর্ণ স্থানে লাভোয়াজিয়েরের দাবি বিভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে: ...তাঁর সময় থেকে এবং তাঁর কঠোর পরিশ্রমের কারণে, পরিমাণগত পদ্ধতিটি রাসায়নিক তথ্যের চূড়ান্ত পরীক্ষা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এই পদ্ধতির নীতি হলো সমস্ত পরিবর্তন ও বিক্রিয়ায়, বিভিন্ন উপাদানের মোট ওজন তা মৌলিক পদার্থ হোক বা যৌগিক অপরিবর্তিত থাকে। রসায়ন বিজ্ঞান এভাবে একটি সঠিক গাণিতিক ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এই পদ্ধতির মাধ্যমে লাভোয়াজিয়ের, তাঁর নিজের এবং পূর্বসূরিদের বিশেষত প্রিস্টলি, ক্যাভেন্ডিশ এবং ব্ল্যাকের ফলাফলগুলো ব্যবহার ও বিশ্লেষণ করে দহনের পুরনো তত্ত্ব, তথাকথিত 'ফ্লোজিস্টন' তত্ত্ব ধ্বংস করতে সফল হয়েছিলেন।
** জন থিওডোর মার্জ, ''আ হিস্ট্রি অফ ইউরোপিয়ান থট ইন দ্য নাইনটিনথ সেঞ্চুরি'' (১৯০৩)
* পদার্থবিজ্ঞানী লাভোয়াজিয়ের কর্তৃক ব্ল্যাকের পদ্ধতির সম্প্রসারণ ফ্লোজিস্টনের বিশুদ্ধ গুণগত তত্ত্বের পতন ঘটায় এবং রসায়নকে অনুসন্ধানের প্রকৃত পদ্ধতি ও তার প্রথম মহান পরিমাণগত আইন ভরের নিত্যতা সূত্র প্রদান করে।
** জে. আর. পার্টিংটন, ''হায়ার ম্যাথমেটিক্স ফর কেমিক্যাল স্টুডেন্টস'' (১৯১১)
* ভরের নিত্যতা সূত্রটি অষ্টাদশ শতাব্দীর আশির দশকে লাভোয়াজিয়ের কর্তৃক প্রথম নির্দিষ্ট আকারে প্রকাশ পায়। ফলের রসের গাঁজন প্রক্রিয়ার কথা বিবেচনা করে, যেখানে কার্বনিক অ্যাসিড গ্যাস এবং অ্যালকোহল উৎপন্ন হয়। লাভোয়াজিয়ের বলেছিলেন: "আমাদের অবশ্যই গাঁজনযোগ্য পদার্থগুলোর বিশ্লেষণ এবং প্রকৃতি সম্পর্কে সম্পূর্ণ জ্ঞান থাকতে হবে। কারণ শিল্পের কাজে বা প্রকৃতির কাজে কিছুই সৃষ্টি হয় না এবং এটি একটি নীতি হিসেবে নির্ধারণ করা যেতে পারে যে প্রতিটি অপারেশনে অপারেশনের আগে ও পরে পদার্থের পরিমাণ সমান থাকে। ...কিছু পরিবর্তন এবং রূপান্তর ছাড়া কিছুই নেই। রসায়নে পরীক্ষা করার পুরো শিল্প এই নীতির ওপর দাঁড়িয়ে আছে। সব পরীক্ষায় পরীক্ষককে পরীক্ষিত পদার্থের উপাদান এবং এই পদার্থগুলোর বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রাপ্ত উপাদানগুলোর মধ্যে একটি বাস্তব সমতা ধরে নিতে হয়। সুতরাং, যেহেতু আঙুরের রস থেকে কার্বনিক অ্যাসিড গ্যাস এবং অ্যালকোহল পাওয়া যায়, আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি যে আঙুরের রস = কার্বনিক অ্যাসিড গ্যাস + অ্যালকোহল।"
** ম্যাথু মনক্রিফ প্যাটিসন মুইর, ''দ্য এলিমেন্টস অফ কেমিস্ট্রি'' (১৯০৪)
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[http://www.chemheritage.org/classroom/chemach/forerunners/lavoisier.html কেমিক্যাল অ্যাচিভার্স-এ জীবনবৃত্তান্ত]
* [http://moro.imss.fi.it/lavoisier/ আঁতোয়ান লাভোয়াজিয়ের একটি ভার্চুয়াল জাদুঘর]
* [http://www.philiplarson.com/e1.shtml আঁতোয়ান লরেন্ট লাভোয়াজিয়ে]
* [http://antoine.frostburg.edu/chem/senese/101/matter/faq/who-defined-compounds.shtml উপাদানসমূহকে প্রথম কে "যৌগ" হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করেছিলেন?] - ফ্রেড সেনেস
* [http://histsciences.univ-paris1.fr/i-corpus/lavoisier/index.php লাভোয়াজিয়ের রচনাসমগ্র (ফরাসি ভাষায়)]
* [http://www.bbc.co.uk/radio4/history/inourtime/inourtime_20071115.shtml অক্সিজেন আবিষ্কারের ওপর বিবিসি রেডিও ৪-এর অনুষ্ঠান]
{{বিজ্ঞানী-স্টাব}}
[[বিষয়শ্রেণী:প্যারিসের ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফ্রান্সের শিক্ষাবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফ্রান্সের রসায়নবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফ্রান্সের জীববিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৭৪৩-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৭৯৪-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী: মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফ্রান্সের ক্যাথলিক]]
e5qx7nshporb61g1a9vp5z8ktbfmh4l
83337
83333
2026-05-03T13:43:51Z
SMontaha32
3112
/* উদ্ধৃতিসমূহ */
83337
wikitext
text/x-wiki
[[File:David - Portrait of Monsieur Lavoisier (cropped).jpg|thumb|right| আমাদের কেবল তথ্যের ওপরই আস্থা রাখতে হবে...]]
'''অঁতোয়ান-লোঁরা দ্য লাভোয়াজিয়ে''' (২৬ আগস্ট ১৭৪৩ – ৮ মে ১৭৯৪) ছিলেন একজন ফরাসি বুদ্ধিজীবী ও সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি, যাকে আধুনিক [[রসায়ন]] বিজ্ঞানের জনক হিসেবে গণ্য করা হয়।
== উদ্ধৃতিসমূহ ==
* অভিজ্ঞতা ও পর্যবেক্ষণ থেকে সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর শিল্পের মূল ভিত্তি হলো সম্ভাব্যতা যাচাই করা। অর্থাৎ কোনো ঘটনা প্রমাণের পর্যায়ে পড়ে কিনা তা নিরূপণ করা। এই ধরনের হিসাব-নিকাশ যতটা সহজ মনে হয়, বাস্তবে তার চেয়ে অনেক বেশি জটিল ও কঠিন। এর জন্য এমন প্রজ্ঞা বা তীক্ষ্ণ বুদ্ধির প্রয়োজন, যা সাধারণত সাধারণ মানুষের ক্ষমতার ঊর্ধ্বে। হাতুড়ে চিকিৎসক, জাদুকর, আলকেমিস্ট এবং যারা জনগণের সরল বিশ্বাসকে পুঁজি করে প্রতারণা করে, তাদের সাফল্যের মূল কারণ হলো মানুষের এই হিসাব-নিকাশে ভুল করা।
** অঁতোয়ান লাভোয়াজিয়ে এবং বেনজামিন ফ্র্যাঙ্কলিন, ''রাপোর দে কমিজের শার্জে পার ল্য রোয়া দ্য লেকজামেন দ্যু মানিয়েটিজম আনিমাল'' (ইম্প্রিমারি রয়্যাল, ১৭৮৪), অনুবাদ: স্টিফেন জে গুল্ড, "দ্য চেইন অফ রিজন ভার্সাস দ্য চেইন অফ থাম্বস", ''বুলি ফর ব্রন্টোসরাস'' (ডব্লিউ. ডব্লিউ. নর্টন, ১৯৯১), পৃষ্ঠা ১৯৫
* দেখুন, আপনার ইউরোপ ত্যাগের পর থেকে মানব জ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশে (বিজ্ঞান ও রসায়নের ক্ষেত্রে) বিপ্লব ঘটে গেছে। আপনি যদি আমাদের দলে যোগ দেন, তবে আমি এই বিপ্লবকে অগ্রসর এবং সম্পূর্ণ সফল বলে গণ্য করব। রসায়নে কী ঘটছে তা আপনাকে জানানোর পর এবার আমাদের রাজনৈতিক বিপ্লব নিয়ে কথা বলা ভালো। আমরা মনে করি এটি সম্পন্ন হয়েছে এবং পুরনো ব্যবস্থায় ফিরে যাওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।
** বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিনের কাছে লেখা চিঠি (২ ফেব্রুয়ারি, ১৭৯০), উদ্ধৃত: আই বার্নার্ড কোহেন, "রেভোলিউশন ইন সায়েন্স" (১৯৮৫)
=== এলিমেন্টস অব কেমিস্ট্রি (১৭৯০) ===
* আমি যখন এই কাজটি শুরু করি, আমার একমাত্র উদ্দেশ্য ছিল ১৭৮৭ সালের এপ্রিল মাসে একাডেমি অব সায়েন্সেসের সাধারণ সভায় রসায়নের নামকরণ পদ্ধতির সংস্কার ও পরিপূরণ নিয়ে পড়া আমার স্মারকপত্রটি বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করা। এই কাজে ব্যস্ত থাকার সময় আমি আবের দে কোঁদিয়াকের 'সিস্টেম অব লজিক' এবং তার অন্যান্য কাজের কিছু মূলনীতির যথার্থতা আগে যেকোনো সময়ের চেয়ে ভালোভাবে উপলব্ধি করেছি। "আমরা কেবল শব্দের মাধ্যমেই চিন্তা করি। ভাষা হলো প্রকৃত বিশ্লেষণমূলক পদ্ধতি। বীজগণিত প্রতিটি অভিব্যক্তির জন্য সবচেয়ে সহজ, সঠিক এবং উত্তম উপায়ে কাজ করে। এটি একই সাথে একটি ভাষা এবং একটি বিশ্লেষণমূলক পদ্ধতি। যুক্তির শিল্প হলো সুবিন্যস্ত ভাষার চেয়ে বেশি কিছু নয়।"
** পৃ. xiii
* আমি ভেবেছিলাম কেবল একটি নামকরণ পদ্ধতি তৈরি করছি এবং রসায়নের ভাষাকে উন্নত করা ছাড়া অন্য কোনো লক্ষ্য আমার ছিল না। কিন্তু আমার অজান্তেই কাজটি ধীরে ধীরে রসায়নের মৌলিক বিষয়বস্তুর ওপর একটি গ্রন্থে রূপান্তরিত হয়ে গেল।
** পৃ. xiv
* জ্যামিতি এবং জ্ঞানের প্রতিটি শাখায় এটি সর্বজনস্বীকৃত নীতি যে, অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে আমাদের জানা ঘটনা থেকে অজানার দিকে অগ্রসর হওয়া উচিত। এভাবেই সংবেদন, পর্যবেক্ষণ এবং বিশ্লেষণের ধারায় ধারণার এক ধারাবাহিক শিকল তৈরি হয়। এগুলো একে অপরের সাথে এমনভাবে যুক্ত যে, একজন মনোযোগী পর্যবেক্ষক মানব জ্ঞানের সমগ্র শৃঙ্খলার ক্রম এবং সংযোগ খুঁজে বের করতে পারেন।
** পৃ. xv-xvi
* আমাদের শুধুমাত্র তথ্যের ওপরই নির্ভর করতে হবে। প্রকৃতি আমাদের সামনে এগুলো উপস্থাপন করে এবং এগুলো আমাদের বিভ্রান্ত করতে পারে না। আমাদের উচিত প্রতিটি ক্ষেত্রে যুক্তিকে পরীক্ষার মাধ্যমে যাচাই করা এবং পরীক্ষা ও পর্যবেক্ষণের প্রাকৃতিক পথ ছাড়া সত্যের অনুসন্ধান না করা।
** পৃ. xviii
* আমরা একটি অকাট্য নীতি হিসেবে ধরে নিতে পারি যে, শিল্প ও প্রকৃতির সকল ক্রিয়াকলাপে নতুন করে কিছুই সৃষ্টি হয় না। পরীক্ষার আগে এবং পরে পদার্থের পরিমাণ সমান থাকে। মৌলগুলোর গুণগত এবং পরিমাণগত মান অপরিবর্তিত থাকে এবং এই মৌলগুলোর বিন্যাসের পরিবর্তন ছাড়া আর কিছুই ঘটে না। এই নীতির ওপর ভিত্তি করেই রাসায়নিক পরীক্ষার পুরো পদ্ধতি নির্ভর করে। পরীক্ষিত বস্তুর মৌল এবং বিশ্লেষণের ফলে প্রাপ্ত উপাদানের মধ্যে আমাদের সর্বদা একটি সঠিক সমতা ধরে নিতে হবে।
** পৃ. ২২৬
== লাভোয়াজিয়ের সম্পর্কে ==
* জন মেও, রবার্ট বয়েলের মতোই মনে করতেন যে বাতাস ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণা দিয়ে গঠিত। তিনি এটিকে দুই ভাগে ভাগ করেছিলেন। একটি হলো 'স্পিরিটাস ইগনো-এরিয়াস', যা জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় এবং অন্যটি হলো এমন যা শ্বাসপ্রশ্বাস বা দহনে সহায়তা করতে অক্ষম। যেহেতু পটাসিয়াম নাইট্রেট এবং সালফারের মিশ্রণ জলের নিচেও জ্বলতে থাকে, তিনি ধরে নিয়েছিলেন যে তাঁর এই 'ইগনো-এরিয়াল' কণাগুলো লবণের মধ্যেও বিদ্যমান। এমনকি অ্যাসিডের মধ্যেও এই নতুন নীতিটি ছিল। ...১৬৭৯ সালে মাত্র চৌত্রিশ বছর বয়সে মেও মারা যান। যদি তিনি আর কিছুদিন বেঁচে থাকতেন, তবে নিঃসন্দেহে তিনি লাভোয়াজিয়েরের বৈপ্লবিক কাজের পথ প্রশস্ত করতেন এবং ফ্লোজিস্টন তত্ত্বকে তার জন্মের সময়ই নস্যাৎ করে দিতেন। তবুও তাঁর কাজ যদিও তৎকালীন সময়ের অন্যতম উজ্জ্বল এবং বিশ্বাসযোগ্য বৈজ্ঞানিক প্রকাশনা হিসেবে স্বীকৃত ছিল। তা দ্রুত বিস্মৃতির অতলে তলিয়ে যায় এবং আমাদের আধুনিক রাসায়নিক ব্যবস্থার বিবর্তনে তেমন কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি।
** ফ্রান্সিস পল আর্মিটেজ, ''আ হিস্ট্রি অফ কেমিস্ট্রি'' (১৯০৬) পৃষ্ঠা ২৩
* যদিও লাভোয়াজিয়ের সাধারণত এই নীতিটির ভরের নিত্যতা সূত্র প্রবক্তা হিসেবে কৃতিত্ব পান। তবুও তাঁর আগেই অনেকে এটি কল্পনা করেছিলেন। সপ্তদশ শতাব্দীর রসায়নবিদরা বিশেষত হেলমন্ট, স্টার্কি এবং বয়েল, কোনো পরীক্ষামূলক প্রক্রিয়ার আগে ও পরে পদার্থ ওজন এবং পরিমাপ করার গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতন হতে শুরু করেছিলেন। যদিও তাঁদের পরিমাপের পদ্ধতি এবং যন্ত্রগুলো ততটা নির্ভুল ছিল না। ১৬২৩ সালে ফ্রান্সিস বেকন বলেছিলেন, "..যখন তারা দেখে যে কোনো বস্তু, যা আগে ইন্দ্রিয়গোচর ছিল, তা অদৃশ্য হয়ে গেছে। তখন তারা সেই হিসাব নিষ্পত্তি করবে না যতক্ষণ না তাদের দেখানো হয় যে বস্তুটি কোথায় গেছে এবং কীসে রূপান্তরিত হয়েছে।" এমনকি ৪৫০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দেও অ্যানাক্সাগোরাস যুক্তি দিয়েছিলেন, "গ্রিকরা ভুল করে মনে করে যে কোনো কিছু সৃষ্টি হয় বা ধ্বংস হয়। কারণ কিছুই নতুন করে তৈরি হয় না বা বিলুপ্ত হয় না। বরং সবকিছুই পূর্বের বিদ্যমান বস্তুগুলোর একত্রীকরণ বা বিয়োজন মাত্র।"
** ম্যাডিসন স্মার্ট বেল, ''লাভোয়াজিয়ের ইন দ্য ইয়ার ওয়ান: দ্য বার্থ অফ আ নিউ সায়েন্স ইন অ্যান এজ অফ রেভল্যুশন'' (২০০৫)
* লাভোয়াজিয়েরের রসায়নের অন্যতম মৌলিক নীতি ছিল সংখ্যার ব্যবহার। বিশেষত যা আমরা আজ ভরের নিত্যতা সূত্র বলে থাকি... এই নীতিটি নির্দেশ করে যে পরীক্ষককে কেবল বিক্রিয়াকারী কঠিন এবং তরল পদার্থের হিসাব রাখলেই চলবে না বরং সমস্ত গ্যাসীয় পণ্য অর্থাৎ সমস্ত উৎপাদের হিসাবও রাখতে হবে। ...এই নিয়মটিই পরিমাণগত পরীক্ষার দিকে চালিত করে। লাভোয়াজিয়েরই প্রথম ব্যক্তি নন যিনি রসায়নে সংখ্যার ব্যবহার করেছিলেন। কিন্তু তিনি রসায়নের ভিত্তি হিসেবে এই গাণিতিক পরিমাপ ব্যবহারের ক্ষেত্রে পথিকৃৎ ছিলেন। ...লাভোয়াজিয়ের যখন প্রথম এই সূত্রটি ঘোষণা করেন, তখন রসায়নবিদরা সাধারণত 'ফ্লোজিস্টন' তত্ত্বে বিশ্বাসী ছিলেন। যা রাসায়নিক বিক্রিয়ায় (যেমন দহন) অংশ নেয় কিন্তু যার কোনো ওজন নেই। সুতরাং, ওজনের ভারসাম্যের ওপর ভিত্তি করে রসায়নের একটি ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং এটি দাবি করা যে রসায়নের ওজনহীন কোনো 'পদার্থ' নিয়ে কারবার নেই, তা ছিল এক আমূল পদক্ষেপ... এটি সত্যিই এক রাসায়নিক বিপ্লব ছিল।
** আই. বার্নার্ড কোহেন, ''দ্য ট্রায়াম্ফ অফ নাম্বারস: হাউ কাউন্টিং শেপড মডার্ন লাইফ'' (২০০৫)
* ১৭৭৪ সালে তিনি জোসেফ প্রিস্টলি মনে করেছিলেন যে তিনি নাইট্রাস অক্সাইড পেয়েছেন... ১৭৭৫ সালে তিনি গ্যাসটিকে ডি-ফ্লোজিস্টোনেটেড বাতাস হিসেবে দেখেন... যদি আমরা প্রিস্টলিকে সেই কৃতিত্ব না দেই, তবে আমরা লাভোয়াজিয়েরকেও ১৭৭৫ সালের কাজের জন্য তা দিতে পারি না... লাভোয়াজিয়ের জোর দিয়ে বলেছিলেন যে অক্সিজেন হলো অম্লত্বের এক পারমাণবিক 'মূলনীতি'... যা কেবল তখনই গঠিত হয় যখন সেই 'মূলনীতি' ক্যালরিকের সাথে যুক্ত হয়... কার্ল উইলহেম শেলেকে উপেক্ষা করলে, আমরা নিরাপদে বলতে পারি যে ১৭৭৪ সালের আগে অক্সিজেন আবিষ্কৃত হয়নি এবং আমরা সম্ভবত বলব যে এটি ১৭৭৭ সালের মধ্যে বা তারপরে আবিষ্কৃত হয়েছিল। কিন্তু... আবিষ্কারের তারিখ নির্ধারণের যেকোনো চেষ্টাই অনিচ্ছাকৃতভাবে স্বেচ্ছাচারী হতে বাধ্য। কারণ নতুন ধরনের কোনো ঘটনা আবিষ্কার করা অপরিহার্যভাবে একটি জটিল বিষয়, যার মধ্যে এটি স্বীকার করা অন্তর্ভুক্ত যে কিছু একটা আছে এবং সেটি কী।
** থমাস স্যামুয়েল কুন, ''দ্য স্ট্রাকচার অফ সায়েন্টিফিক রেভল্যুশনস'' (১৯৬২)
* আমরা লাভোয়াজিয়েরের প্রাথমিক পদক্ষেপটিকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিতে বাধ্য। যাঁকে জোহানেস কেপলারকে আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞানের জনক বলার চেয়েও বেশি যথার্থভাবে আধুনিক রসায়নের জনক বলা হয়। রসায়নের ইতিহাসে এই গুরুত্বপূর্ণ স্থানে লাভোয়াজিয়েরের দাবি বিভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে: ...তাঁর সময় থেকে এবং তাঁর কঠোর পরিশ্রমের কারণে, পরিমাণগত পদ্ধতিটি রাসায়নিক তথ্যের চূড়ান্ত পরীক্ষা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এই পদ্ধতির নীতি হলো সমস্ত পরিবর্তন ও বিক্রিয়ায়, বিভিন্ন উপাদানের মোট ওজন তা মৌলিক পদার্থ হোক বা যৌগিক অপরিবর্তিত থাকে। রসায়ন বিজ্ঞান এভাবে একটি সঠিক গাণিতিক ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এই পদ্ধতির মাধ্যমে লাভোয়াজিয়ের, তাঁর নিজের এবং পূর্বসূরিদের বিশেষত প্রিস্টলি, ক্যাভেন্ডিশ এবং ব্ল্যাকের ফলাফলগুলো ব্যবহার ও বিশ্লেষণ করে দহনের পুরনো তত্ত্ব, তথাকথিত 'ফ্লোজিস্টন' তত্ত্ব ধ্বংস করতে সফল হয়েছিলেন।
** জন থিওডোর মার্জ, ''আ হিস্ট্রি অফ ইউরোপিয়ান থট ইন দ্য নাইনটিনথ সেঞ্চুরি'' (১৯০৩)
* পদার্থবিজ্ঞানী লাভোয়াজিয়ের কর্তৃক ব্ল্যাকের পদ্ধতির সম্প্রসারণ ফ্লোজিস্টনের বিশুদ্ধ গুণগত তত্ত্বের পতন ঘটায় এবং রসায়নকে অনুসন্ধানের প্রকৃত পদ্ধতি ও তার প্রথম মহান পরিমাণগত আইন ভরের নিত্যতা সূত্র প্রদান করে।
** জে. আর. পার্টিংটন, ''হায়ার ম্যাথমেটিক্স ফর কেমিক্যাল স্টুডেন্টস'' (১৯১১)
* ভরের নিত্যতা সূত্রটি অষ্টাদশ শতাব্দীর আশির দশকে লাভোয়াজিয়ের কর্তৃক প্রথম নির্দিষ্ট আকারে প্রকাশ পায়। ফলের রসের গাঁজন প্রক্রিয়ার কথা বিবেচনা করে, যেখানে কার্বনিক অ্যাসিড গ্যাস এবং অ্যালকোহল উৎপন্ন হয়। লাভোয়াজিয়ের বলেছিলেন: "আমাদের অবশ্যই গাঁজনযোগ্য পদার্থগুলোর বিশ্লেষণ এবং প্রকৃতি সম্পর্কে সম্পূর্ণ জ্ঞান থাকতে হবে। কারণ শিল্পের কাজে বা প্রকৃতির কাজে কিছুই সৃষ্টি হয় না এবং এটি একটি নীতি হিসেবে নির্ধারণ করা যেতে পারে যে প্রতিটি অপারেশনে অপারেশনের আগে ও পরে পদার্থের পরিমাণ সমান থাকে। ...কিছু পরিবর্তন এবং রূপান্তর ছাড়া কিছুই নেই। রসায়নে পরীক্ষা করার পুরো শিল্প এই নীতির ওপর দাঁড়িয়ে আছে। সব পরীক্ষায় পরীক্ষককে পরীক্ষিত পদার্থের উপাদান এবং এই পদার্থগুলোর বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রাপ্ত উপাদানগুলোর মধ্যে একটি বাস্তব সমতা ধরে নিতে হয়। সুতরাং, যেহেতু আঙুরের রস থেকে কার্বনিক অ্যাসিড গ্যাস এবং অ্যালকোহল পাওয়া যায়, আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি যে আঙুরের রস = কার্বনিক অ্যাসিড গ্যাস + অ্যালকোহল।"
** ম্যাথু মনক্রিফ প্যাটিসন মুইর, ''দ্য এলিমেন্টস অফ কেমিস্ট্রি'' (১৯০৪)
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[http://www.chemheritage.org/classroom/chemach/forerunners/lavoisier.html কেমিক্যাল অ্যাচিভার্স-এ জীবনবৃত্তান্ত]
* [http://moro.imss.fi.it/lavoisier/ আঁতোয়ান লাভোয়াজিয়ের একটি ভার্চুয়াল জাদুঘর]
* [http://www.philiplarson.com/e1.shtml আঁতোয়ান লরেন্ট লাভোয়াজিয়ে]
* [http://antoine.frostburg.edu/chem/senese/101/matter/faq/who-defined-compounds.shtml উপাদানসমূহকে প্রথম কে "যৌগ" হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করেছিলেন?] - ফ্রেড সেনেস
* [http://histsciences.univ-paris1.fr/i-corpus/lavoisier/index.php লাভোয়াজিয়ের রচনাসমগ্র (ফরাসি ভাষায়)]
* [http://www.bbc.co.uk/radio4/history/inourtime/inourtime_20071115.shtml অক্সিজেন আবিষ্কারের ওপর বিবিসি রেডিও ৪-এর অনুষ্ঠান]
{{বিজ্ঞানী-স্টাব}}
[[বিষয়শ্রেণী:প্যারিসের ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফ্রান্সের শিক্ষাবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফ্রান্সের রসায়নবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফ্রান্সের জীববিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৭৪৩-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৭৯৪-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী: মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফ্রান্সের ক্যাথলিক]]
dfqgs5iwmu3cwvtp9o2m2bokzt7b7d8
83339
83337
2026-05-03T13:49:56Z
SMontaha32
3112
/* লাভোয়াজিয়ের সম্পর্কে */
83339
wikitext
text/x-wiki
[[File:David - Portrait of Monsieur Lavoisier (cropped).jpg|thumb|right| আমাদের কেবল তথ্যের ওপরই আস্থা রাখতে হবে...]]
'''অঁতোয়ান-লোঁরা দ্য লাভোয়াজিয়ে''' (২৬ আগস্ট ১৭৪৩ – ৮ মে ১৭৯৪) ছিলেন একজন ফরাসি বুদ্ধিজীবী ও সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি, যাকে আধুনিক [[রসায়ন]] বিজ্ঞানের জনক হিসেবে গণ্য করা হয়।
== উদ্ধৃতিসমূহ ==
* অভিজ্ঞতা ও পর্যবেক্ষণ থেকে সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর শিল্পের মূল ভিত্তি হলো সম্ভাব্যতা যাচাই করা। অর্থাৎ কোনো ঘটনা প্রমাণের পর্যায়ে পড়ে কিনা তা নিরূপণ করা। এই ধরনের হিসাব-নিকাশ যতটা সহজ মনে হয়, বাস্তবে তার চেয়ে অনেক বেশি জটিল ও কঠিন। এর জন্য এমন প্রজ্ঞা বা তীক্ষ্ণ বুদ্ধির প্রয়োজন, যা সাধারণত সাধারণ মানুষের ক্ষমতার ঊর্ধ্বে। হাতুড়ে চিকিৎসক, জাদুকর, আলকেমিস্ট এবং যারা জনগণের সরল বিশ্বাসকে পুঁজি করে প্রতারণা করে, তাদের সাফল্যের মূল কারণ হলো মানুষের এই হিসাব-নিকাশে ভুল করা।
** অঁতোয়ান লাভোয়াজিয়ে এবং বেনজামিন ফ্র্যাঙ্কলিন, ''রাপোর দে কমিজের শার্জে পার ল্য রোয়া দ্য লেকজামেন দ্যু মানিয়েটিজম আনিমাল'' (ইম্প্রিমারি রয়্যাল, ১৭৮৪), অনুবাদ: স্টিফেন জে গুল্ড, "দ্য চেইন অফ রিজন ভার্সাস দ্য চেইন অফ থাম্বস", ''বুলি ফর ব্রন্টোসরাস'' (ডব্লিউ. ডব্লিউ. নর্টন, ১৯৯১), পৃষ্ঠা ১৯৫
* দেখুন, আপনার ইউরোপ ত্যাগের পর থেকে মানব জ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশে (বিজ্ঞান ও রসায়নের ক্ষেত্রে) বিপ্লব ঘটে গেছে। আপনি যদি আমাদের দলে যোগ দেন, তবে আমি এই বিপ্লবকে অগ্রসর এবং সম্পূর্ণ সফল বলে গণ্য করব। রসায়নে কী ঘটছে তা আপনাকে জানানোর পর এবার আমাদের রাজনৈতিক বিপ্লব নিয়ে কথা বলা ভালো। আমরা মনে করি এটি সম্পন্ন হয়েছে এবং পুরনো ব্যবস্থায় ফিরে যাওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।
** বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিনের কাছে লেখা চিঠি (২ ফেব্রুয়ারি, ১৭৯০), উদ্ধৃত: আই বার্নার্ড কোহেন, "রেভোলিউশন ইন সায়েন্স" (১৯৮৫)
=== এলিমেন্টস অব কেমিস্ট্রি (১৭৯০) ===
* আমি যখন এই কাজটি শুরু করি, আমার একমাত্র উদ্দেশ্য ছিল ১৭৮৭ সালের এপ্রিল মাসে একাডেমি অব সায়েন্সেসের সাধারণ সভায় রসায়নের নামকরণ পদ্ধতির সংস্কার ও পরিপূরণ নিয়ে পড়া আমার স্মারকপত্রটি বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করা। এই কাজে ব্যস্ত থাকার সময় আমি আবের দে কোঁদিয়াকের 'সিস্টেম অব লজিক' এবং তার অন্যান্য কাজের কিছু মূলনীতির যথার্থতা আগে যেকোনো সময়ের চেয়ে ভালোভাবে উপলব্ধি করেছি। "আমরা কেবল শব্দের মাধ্যমেই চিন্তা করি। ভাষা হলো প্রকৃত বিশ্লেষণমূলক পদ্ধতি। বীজগণিত প্রতিটি অভিব্যক্তির জন্য সবচেয়ে সহজ, সঠিক এবং উত্তম উপায়ে কাজ করে। এটি একই সাথে একটি ভাষা এবং একটি বিশ্লেষণমূলক পদ্ধতি। যুক্তির শিল্প হলো সুবিন্যস্ত ভাষার চেয়ে বেশি কিছু নয়।"
** পৃ. xiii
* আমি ভেবেছিলাম কেবল একটি নামকরণ পদ্ধতি তৈরি করছি এবং রসায়নের ভাষাকে উন্নত করা ছাড়া অন্য কোনো লক্ষ্য আমার ছিল না। কিন্তু আমার অজান্তেই কাজটি ধীরে ধীরে রসায়নের মৌলিক বিষয়বস্তুর ওপর একটি গ্রন্থে রূপান্তরিত হয়ে গেল।
** পৃ. xiv
* জ্যামিতি এবং জ্ঞানের প্রতিটি শাখায় এটি সর্বজনস্বীকৃত নীতি যে, অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে আমাদের জানা ঘটনা থেকে অজানার দিকে অগ্রসর হওয়া উচিত। এভাবেই সংবেদন, পর্যবেক্ষণ এবং বিশ্লেষণের ধারায় ধারণার এক ধারাবাহিক শিকল তৈরি হয়। এগুলো একে অপরের সাথে এমনভাবে যুক্ত যে, একজন মনোযোগী পর্যবেক্ষক মানব জ্ঞানের সমগ্র শৃঙ্খলার ক্রম এবং সংযোগ খুঁজে বের করতে পারেন।
** পৃ. xv-xvi
* আমাদের শুধুমাত্র তথ্যের ওপরই নির্ভর করতে হবে। প্রকৃতি আমাদের সামনে এগুলো উপস্থাপন করে এবং এগুলো আমাদের বিভ্রান্ত করতে পারে না। আমাদের উচিত প্রতিটি ক্ষেত্রে যুক্তিকে পরীক্ষার মাধ্যমে যাচাই করা এবং পরীক্ষা ও পর্যবেক্ষণের প্রাকৃতিক পথ ছাড়া সত্যের অনুসন্ধান না করা।
** পৃ. xviii
* আমরা একটি অকাট্য নীতি হিসেবে ধরে নিতে পারি যে, শিল্প ও প্রকৃতির সকল ক্রিয়াকলাপে নতুন করে কিছুই সৃষ্টি হয় না। পরীক্ষার আগে এবং পরে পদার্থের পরিমাণ সমান থাকে। মৌলগুলোর গুণগত এবং পরিমাণগত মান অপরিবর্তিত থাকে এবং এই মৌলগুলোর বিন্যাসের পরিবর্তন ছাড়া আর কিছুই ঘটে না। এই নীতির ওপর ভিত্তি করেই রাসায়নিক পরীক্ষার পুরো পদ্ধতি নির্ভর করে। পরীক্ষিত বস্তুর মৌল এবং বিশ্লেষণের ফলে প্রাপ্ত উপাদানের মধ্যে আমাদের সর্বদা একটি সঠিক সমতা ধরে নিতে হবে।
** পৃ. ২২৬
== লাভোয়াজিয়ের সম্পর্কে ==
* জন মেও, রবার্ট বয়েলের মতোই মনে করতেন যে বাতাস ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণা দিয়ে গঠিত। তিনি এটিকে দুই ভাগে ভাগ করেছিলেন। একটি হলো 'স্পিরিটাস ইগনো-এরিয়াস', যা জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় এবং অন্যটি হলো এমন যা শ্বাসপ্রশ্বাস বা দহনে সহায়তা করতে অক্ষম। যেহেতু পটাসিয়াম নাইট্রেট এবং সালফারের মিশ্রণ জলের নিচেও জ্বলতে থাকে, তিনি ধরে নিয়েছিলেন যে তাঁর এই 'ইগনো-এরিয়াল' কণাগুলো লবণের মধ্যেও বিদ্যমান। এমনকি অ্যাসিডের মধ্যেও এই নতুন নীতিটি ছিল। ...১৬৭৯ সালে মাত্র চৌত্রিশ বছর বয়সে মেও মারা যান। যদি তিনি আর কিছুদিন বেঁচে থাকতেন, তবে নিঃসন্দেহে তিনি লাভোয়াজিয়েরের বৈপ্লবিক কাজের পথ প্রশস্ত করতেন এবং ফ্লোজিস্টন তত্ত্বকে তার জন্মের সময়ই নস্যাৎ করে দিতেন। তবুও তাঁর কাজ যদিও তৎকালীন সময়ের অন্যতম উজ্জ্বল এবং বিশ্বাসযোগ্য বৈজ্ঞানিক প্রকাশনা হিসেবে স্বীকৃত ছিল। তা দ্রুত বিস্মৃতির অতলে তলিয়ে যায় এবং আমাদের আধুনিক রাসায়নিক ব্যবস্থার বিবর্তনে তেমন কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি।
** ফ্রান্সিস পল আর্মিটেজ, ''আ হিস্ট্রি অফ কেমিস্ট্রি'' (১৯০৬) পৃষ্ঠা ২৩
* যদিও লাভোয়াজিয়ের সাধারণত এই নীতিটির ভরের নিত্যতা সূত্র প্রবক্তা হিসেবে কৃতিত্ব পান। তবুও তাঁর আগেই অনেকে এটি কল্পনা করেছিলেন। সপ্তদশ শতাব্দীর রসায়নবিদরা বিশেষত হেলমন্ট, স্টার্কি এবং বয়েল, কোনো পরীক্ষামূলক প্রক্রিয়ার আগে ও পরে পদার্থ ওজন এবং পরিমাপ করার গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতন হতে শুরু করেছিলেন। যদিও তাঁদের পরিমাপের পদ্ধতি এবং যন্ত্রগুলো ততটা নির্ভুল ছিল না। ১৬২৩ সালে ফ্রান্সিস বেকন বলেছিলেন, "..যখন তারা দেখে যে কোনো বস্তু, যা আগে ইন্দ্রিয়গোচর ছিল, তা অদৃশ্য হয়ে গেছে। তখন তারা সেই হিসাব নিষ্পত্তি করবে না যতক্ষণ না তাদের দেখানো হয় যে বস্তুটি কোথায় গেছে এবং কীসে রূপান্তরিত হয়েছে।" এমনকি ৪৫০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দেও অ্যানাক্সাগোরাস যুক্তি দিয়েছিলেন, "গ্রিকরা ভুল করে মনে করে যে কোনো কিছু সৃষ্টি হয় বা ধ্বংস হয়। কারণ কিছুই নতুন করে তৈরি হয় না বা বিলুপ্ত হয় না। বরং সবকিছুই পূর্বের বিদ্যমান বস্তুগুলোর একত্রীকরণ বা বিয়োজন মাত্র।"
** ম্যাডিসন স্মার্ট বেল,[http://books.google.com/books?id=XPyFm5vePfoC]''লাভোয়াজিয়ের ইন দ্য ইয়ার ওয়ান: দ্য বার্থ অফ আ নিউ সায়েন্স ইন অ্যান এজ অফ রেভল্যুশন'' (২০০৫)
* লাভোয়াজিয়েরের রসায়নের অন্যতম মৌলিক নীতি ছিল সংখ্যার ব্যবহার। বিশেষত যা আমরা আজ ভরের নিত্যতা সূত্র বলে থাকি... এই নীতিটি নির্দেশ করে যে পরীক্ষককে কেবল বিক্রিয়াকারী কঠিন এবং তরল পদার্থের হিসাব রাখলেই চলবে না বরং সমস্ত গ্যাসীয় পণ্য অর্থাৎ সমস্ত উৎপাদের হিসাবও রাখতে হবে। ...এই নিয়মটিই পরিমাণগত পরীক্ষার দিকে চালিত করে। লাভোয়াজিয়েরই প্রথম ব্যক্তি নন যিনি রসায়নে সংখ্যার ব্যবহার করেছিলেন। কিন্তু তিনি রসায়নের ভিত্তি হিসেবে এই গাণিতিক পরিমাপ ব্যবহারের ক্ষেত্রে পথিকৃৎ ছিলেন। ...লাভোয়াজিয়ের যখন প্রথম এই সূত্রটি ঘোষণা করেন, তখন রসায়নবিদরা সাধারণত 'ফ্লোজিস্টন' তত্ত্বে বিশ্বাসী ছিলেন। যা রাসায়নিক বিক্রিয়ায় (যেমন দহন) অংশ নেয় কিন্তু যার কোনো ওজন নেই। সুতরাং, ওজনের ভারসাম্যের ওপর ভিত্তি করে রসায়নের একটি ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং এটি দাবি করা যে রসায়নের ওজনহীন কোনো 'পদার্থ' নিয়ে কারবার নেই, তা ছিল এক আমূল পদক্ষেপ... এটি সত্যিই এক রাসায়নিক বিপ্লব ছিল।
** আই. বার্নার্ড কোহেন, ''দ্য ট্রায়াম্ফ অফ নাম্বারস: হাউ কাউন্টিং শেপড মডার্ন লাইফ'' (২০০৫)
* ১৭৭৪ সালে তিনি জোসেফ প্রিস্টলি মনে করেছিলেন যে তিনি নাইট্রাস অক্সাইড পেয়েছেন... ১৭৭৫ সালে তিনি গ্যাসটিকে ডি-ফ্লোজিস্টোনেটেড বাতাস হিসেবে দেখেন... যদি আমরা প্রিস্টলিকে সেই কৃতিত্ব না দেই, তবে আমরা লাভোয়াজিয়েরকেও ১৭৭৫ সালের কাজের জন্য তা দিতে পারি না... লাভোয়াজিয়ের জোর দিয়ে বলেছিলেন যে অক্সিজেন হলো অম্লত্বের এক পারমাণবিক 'মূলনীতি'... যা কেবল তখনই গঠিত হয় যখন সেই 'মূলনীতি' ক্যালরিকের সাথে যুক্ত হয়... কার্ল উইলহেম শেলেকে উপেক্ষা করলে, আমরা নিরাপদে বলতে পারি যে ১৭৭৪ সালের আগে অক্সিজেন আবিষ্কৃত হয়নি এবং আমরা সম্ভবত বলব যে এটি ১৭৭৭ সালের মধ্যে বা তারপরে আবিষ্কৃত হয়েছিল। কিন্তু... আবিষ্কারের তারিখ নির্ধারণের যেকোনো চেষ্টাই অনিচ্ছাকৃতভাবে স্বেচ্ছাচারী হতে বাধ্য। কারণ নতুন ধরনের কোনো ঘটনা আবিষ্কার করা অপরিহার্যভাবে একটি জটিল বিষয়, যার মধ্যে এটি স্বীকার করা অন্তর্ভুক্ত যে কিছু একটা আছে এবং সেটি কী।
** থমাস স্যামুয়েল কুন, ''দ্য স্ট্রাকচার অফ সায়েন্টিফিক রেভল্যুশনস'' (১৯৬২)
* আমরা লাভোয়াজিয়েরের প্রাথমিক পদক্ষেপটিকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিতে বাধ্য। যাঁকে জোহানেস কেপলারকে আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞানের জনক বলার চেয়েও বেশি যথার্থভাবে আধুনিক রসায়নের জনক বলা হয়। রসায়নের ইতিহাসে এই গুরুত্বপূর্ণ স্থানে লাভোয়াজিয়েরের দাবি বিভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে: ...তাঁর সময় থেকে এবং তাঁর কঠোর পরিশ্রমের কারণে, পরিমাণগত পদ্ধতিটি রাসায়নিক তথ্যের চূড়ান্ত পরীক্ষা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এই পদ্ধতির নীতি হলো সমস্ত পরিবর্তন ও বিক্রিয়ায়, বিভিন্ন উপাদানের মোট ওজন তা মৌলিক পদার্থ হোক বা যৌগিক অপরিবর্তিত থাকে। রসায়ন বিজ্ঞান এভাবে একটি সঠিক গাণিতিক ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এই পদ্ধতির মাধ্যমে লাভোয়াজিয়ের, তাঁর নিজের এবং পূর্বসূরিদের বিশেষত প্রিস্টলি, ক্যাভেন্ডিশ এবং ব্ল্যাকের ফলাফলগুলো ব্যবহার ও বিশ্লেষণ করে দহনের পুরনো তত্ত্ব, তথাকথিত 'ফ্লোজিস্টন' তত্ত্ব ধ্বংস করতে সফল হয়েছিলেন।
** জন থিওডোর মার্জ, ''আ হিস্ট্রি অফ ইউরোপিয়ান থট ইন দ্য নাইনটিনথ সেঞ্চুরি'' [http://books.google.com/books?id=xqwQAAAAYAAJ Vol.1](১৯০৩)
* পদার্থবিজ্ঞানী লাভোয়াজিয়ের কর্তৃক ব্ল্যাকের পদ্ধতির সম্প্রসারণ ফ্লোজিস্টনের বিশুদ্ধ গুণগত তত্ত্বের পতন ঘটায় এবং রসায়নকে অনুসন্ধানের প্রকৃত পদ্ধতি ও তার প্রথম মহান পরিমাণগত আইন ভরের নিত্যতা সূত্র প্রদান করে।
** জে. আর. পার্টিংটন, ''হায়ার ম্যাথমেটিক্স ফর কেমিক্যাল স্টুডেন্টস'' (১৯১১)
* ভরের নিত্যতা সূত্রটি অষ্টাদশ শতাব্দীর আশির দশকে লাভোয়াজিয়ের কর্তৃক প্রথম নির্দিষ্ট আকারে প্রকাশ পায়। ফলের রসের গাঁজন প্রক্রিয়ার কথা বিবেচনা করে, যেখানে কার্বনিক অ্যাসিড গ্যাস এবং অ্যালকোহল উৎপন্ন হয়। লাভোয়াজিয়ের বলেছিলেন: "আমাদের অবশ্যই গাঁজনযোগ্য পদার্থগুলোর বিশ্লেষণ এবং প্রকৃতি সম্পর্কে সম্পূর্ণ জ্ঞান থাকতে হবে। কারণ শিল্পের কাজে বা প্রকৃতির কাজে কিছুই সৃষ্টি হয় না এবং এটি একটি নীতি হিসেবে নির্ধারণ করা যেতে পারে যে প্রতিটি অপারেশনে অপারেশনের আগে ও পরে পদার্থের পরিমাণ সমান থাকে। ...কিছু পরিবর্তন এবং রূপান্তর ছাড়া কিছুই নেই। রসায়নে পরীক্ষা করার পুরো শিল্প এই নীতির ওপর দাঁড়িয়ে আছে। সব পরীক্ষায় পরীক্ষককে পরীক্ষিত পদার্থের উপাদান এবং এই পদার্থগুলোর বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রাপ্ত উপাদানগুলোর মধ্যে একটি বাস্তব সমতা ধরে নিতে হয়। সুতরাং, যেহেতু আঙুরের রস থেকে কার্বনিক অ্যাসিড গ্যাস এবং অ্যালকোহল পাওয়া যায়, আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি যে আঙুরের রস = কার্বনিক অ্যাসিড গ্যাস + অ্যালকোহল।"
** ম্যাথু মনক্রিফ প্যাটিসন মুইর, ''দ্য এলিমেন্টস অফ কেমিস্ট্রি'' (১৯০৪)
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[http://www.chemheritage.org/classroom/chemach/forerunners/lavoisier.html কেমিক্যাল অ্যাচিভার্স-এ জীবনবৃত্তান্ত]
* [http://moro.imss.fi.it/lavoisier/ আঁতোয়ান লাভোয়াজিয়ের একটি ভার্চুয়াল জাদুঘর]
* [http://www.philiplarson.com/e1.shtml আঁতোয়ান লরেন্ট লাভোয়াজিয়ে]
* [http://antoine.frostburg.edu/chem/senese/101/matter/faq/who-defined-compounds.shtml উপাদানসমূহকে প্রথম কে "যৌগ" হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করেছিলেন?] - ফ্রেড সেনেস
* [http://histsciences.univ-paris1.fr/i-corpus/lavoisier/index.php লাভোয়াজিয়ের রচনাসমগ্র (ফরাসি ভাষায়)]
* [http://www.bbc.co.uk/radio4/history/inourtime/inourtime_20071115.shtml অক্সিজেন আবিষ্কারের ওপর বিবিসি রেডিও ৪-এর অনুষ্ঠান]
{{বিজ্ঞানী-স্টাব}}
[[বিষয়শ্রেণী:প্যারিসের ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফ্রান্সের শিক্ষাবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফ্রান্সের রসায়নবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফ্রান্সের জীববিজ্ঞানী]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৭৪৩-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৭৯৪-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী: মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফ্রান্সের ক্যাথলিক]]
l0g1swqjqcj9ugppv9css4dk7z9m6bh
অনিতা ব্রুকনার
0
12083
83343
75848
2026-05-03T13:54:49Z
SMontaha32
3112
83343
wikitext
text/x-wiki
'''অ্যানিতা ব্রুকনার''' (১৬ জুলাই ১৯২৮ – ১০ মার্চ ২০১৬) ছিলেন একজন ইংরেজ ঔপন্যাসিক এবং শিল্প ইতিহাসবিদ। তিনি কিংস কলেজ লন্ডন থেকে ইতিহাসে বিএ এবং ১৯৫৩ সালে কর্টল্ড ইনস্টিটিউট অফ আর্ট থেকে শিল্প ইতিহাসে ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৬৭ সালে তিনি কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে 'স্লেড প্রফেসর অফ ফাইন আর্ট' পদধারী প্রথম নারী হন। ব্রুকনার ৫৩ বছর বয়সে তার প্রথম উপন্যাস ''[[এ স্টার্ট ইন লাইফ]]'' (১৯৮১) প্রকাশ করেন এবং পরবর্তী ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে প্রতি বছর একটি করে উপন্যাস প্রকাশ করেছেন। তার চতুর্থ উপন্যাস ''হোটেল দু লাক'' (১৯৮৪) সম্মানজনক '''বুকার পুরস্কার''' জয় করে।
== উক্তি ==
=== ''এ স্টার্ট ইন লাইফ'' (১৯৮১) ===
* সম্পূর্ণ স্বার্থপর কারণেই বিয়ে করা সবচেয়ে ভালো।
=== ''লুক অ্যাট মি'' (১৯৮৩) ===
* আমি লেখালেখির জগতটাকে ঠিক তেমনভাবেই দেখেছি যেমনটা এটা আমার কাছে। এটি আপনার ভাগ্যবান না হওয়ার জন্য এক ধরণের অনুতাপ। এটি অন্যদের কাছে পৌঁছানোর এবং তাদের ভালোবাসা পাওয়ার একটি প্রচেষ্টা। এটি আপনার সহজাত প্রতিবাদ, যখন আপনি দেখেন যে বিশ্বের বিচারালয়ে আপনার কোনো কণ্ঠস্বর নেই এবং আপনার হয়ে কথা বলার কেউ নেই। আমি আমার অতীত, বর্তমান এবং ভবিষ্যতের সমস্ত শব্দের আউটপুট বিনিময় করতে রাজি হতাম যদি বিশ্বের কাছে সহজ প্রবেশাধিকার পেতাম, যদি "আমার কষ্ট হচ্ছে" বা "আমি ঘৃণা করি" বা "আমি চাই" বলার অনুমতি পেতাম। অথবা, বাস্তবে, "আমার দিকে তাকাও" বলতে পারতাম। এবং আমি এটি থেকে পিছপা হই না। কারণ একবার কিছু জানা হয়ে গেলে তা আর অজানা হতে পারে না। তা কেবল বিস্মৃত হতে পারে। আর লেখালেখি হলো বিস্মৃতি এবং চিন্তাহীনতার শত্রু। লেখকের জন্য কোনো বিস্মৃতি নেই, আছে কেবল অন্তহীন স্মৃতি।
=== ''এ ফ্রেন্ড ফ্রম ইংল্যান্ড'' (১৯৮৭) ===
* "আমি দেখলাম, এটি থাকার চেয়ে বরং বেরিয়ে যাওয়ার মতো একটি ফ্ল্যাট ছিল। এটি ছিল খাওয়া এবং ঘুমানোর একটি যন্ত্র, একজন কর্মজীবী নারীর জন্য উপযুক্ত বাসস্থান যার প্রধান আগ্রহ তার কাজে। আমি নিজের এই সংস্করণটিকে অপছন্দ করতাম যা আমার অন্যান্য কর্মকাণ্ডকে অস্বীকার করত... এই নির্বাক সাদা দেয়ালগুলো অনেক ঘটনার নীরব সাক্ষী ছিল; তবুও তারা কোনো মন্তব্য করত না, আর তাদের এই নীরবতাই আমার কাছে অবন্ধুত্বসুলভ মনে হতো।"
* "নারীরা অবশ্যই অনেক দূর এগিয়েছে: আমরা এখন রাতে একা থাকতে পারি। কিন্তু মাঝেমধ্যে মনে হয় এর জন্য অনেক বড় মূল্য দিতে হচ্ছে। আমরা যেকোনো সময় অপরিচিতদের জন্য হাসিমুখে দরজা খুলে দিতে পারি, আপত্তিকর টেলিফোন কল সামলাতে পারি এবং ফিউজ মেরামত করতে পারি।"
=== ''এ ক্লোজড আই'' (১৯৯১) ===
* তবুও সে নিজেকে কখনো এতটা রিক্ত অনুভব করেনি, যেন অন্য মানুষের জীবনে তার উপস্থিতি ছিল পুরোপুরি কাল্পনিক, যেন সে নিজেই এক ধরণের প্রতিচ্ছবি—মনোরম কিন্তু কৃত্রিম। খুব বেশি বৃদ্ধ হওয়ার আগেই তাকে তার জীবনের কিছু অংশ নিজের জন্য কেড়ে নিতে হবে, নয়তো কেউ তার নিখোঁজ হওয়া খেয়াল করার আগেই সে ম্লান হয়ে হারিয়ে যাবে।
=== ''মেকিং থিংস বেটার'' (২০০২) ===
* রাস্তায় বৃষ্টি ছিল একটি সূক্ষ্ম কুয়াশার মতো যা বাড়িগুলোর সীমারেখাকে নরম করে দিয়েছিল এবং এমনকি এমন একটি এলাকাতেও কবিতার ছোঁয়া দিয়েছিল যা কোমল আবেগ জাগিয়ে তোলার মতো নয়। সে তার চোখ আকাশের দিকে তুলল যেখানে টেলিভিশনের এরিয়ালগুলো ছাদে ভিড় করে আছে, এরপর আবার জানালার দিকে চোখ নামাল যা সন্ধ্যার আলো জ্বলার আগে তখনও শূন্য ছিল।
== বহিঃসংযোগ ==
[https://www.theguardian.com/books/2016/mar/14/anita-brookner-obituary দ্য গার্ডিয়ান-এ অ্যানিতা ব্রুকনারের শোকসংবাদ]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯২৮-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:২০১৬-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:বুকার পুরস্কার বিজয়ী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইংরেজ ঔপন্যাসিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:শিল্প ইতিহাসবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক]]
1w4l1pev395lni7on8crfl7zegjmwjc
83344
83343
2026-05-03T13:56:23Z
SMontaha32
3112
83344
wikitext
text/x-wiki
'''অ্যানিতা ব্রুকনার''' (১৬ জুলাই ১৯২৮ – ১০ মার্চ ২০১৬) ছিলেন একজন ইংরেজ ঔপন্যাসিক এবং শিল্প ইতিহাসবিদ। তিনি কিংস কলেজ লন্ডন থেকে ইতিহাসে বিএ এবং ১৯৫৩ সালে কর্টল্ড ইনস্টিটিউট অফ আর্ট থেকে শিল্প ইতিহাসে ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৬৭ সালে তিনি কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে 'স্লেড প্রফেসর অফ ফাইন আর্ট' পদধারী প্রথম নারী হন। ব্রুকনার ৫৩ বছর বয়সে তার প্রথম উপন্যাস ''[[এ স্টার্ট ইন লাইফ]]'' (১৯৮১) প্রকাশ করেন এবং পরবর্তী ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে প্রতি বছর একটি করে উপন্যাস প্রকাশ করেছেন। তার চতুর্থ উপন্যাস ''হোটেল দু লাক'' (১৯৮৪) সম্মানজনক '''বুকার পুরস্কার''' জয় করে।
== উক্তি ==
=== ''এ স্টার্ট ইন লাইফ'' (১৯৮১) ===
* সম্পূর্ণ স্বার্থপর কারণেই বিয়ে করা সবচেয়ে ভালো।
=== ''লুক অ্যাট মি'' (১৯৮৩) ===
* আমি লেখালেখির জগতটাকে ঠিক তেমনভাবেই দেখেছি যেমনটা এটা আমার কাছে। এটি ভাগ্য সহায় না হওয়ার কারণে এটি ধরণের অনুতাপ। এটি অন্যদের কাছে পৌঁছানোর এবং তাদের ভালোবাসা পাওয়ার একটি প্রচেষ্টা। এটি আপনার সহজাত প্রতিবাদ, যখন আপনি দেখেন যে বিশ্বের বিচারালয়ে আপনার কোনো কণ্ঠস্বর নেই এবং আপনার হয়ে কথা বলার কেউ নেই। আমি আমার অতীত, বর্তমান এবং ভবিষ্যতের সমস্ত শব্দের আউটপুট বিনিময় করতে রাজি হতাম যদি বিশ্বের কাছে সহজ প্রবেশাধিকার পেতাম, যদি "আমার কষ্ট হচ্ছে" বা "আমি ঘৃণা করি" বা "আমি চাই" বলার অনুমতি পেতাম। অথবা, বাস্তবে, "আমার দিকে তাকাও" বলতে পারতাম। এবং আমি এটি থেকে পিছপা হই না। কারণ একবার কিছু জানা হয়ে গেলে তা আর অজানা হতে পারে না। তা কেবল বিস্মৃত হতে পারে। আর লেখালেখি হলো বিস্মৃতি এবং চিন্তাহীনতার শত্রু। লেখকের জন্য কোনো বিস্মৃতি নেই, আছে কেবল অন্তহীন স্মৃতি।
=== ''এ ফ্রেন্ড ফ্রম ইংল্যান্ড'' (১৯৮৭) ===
* "আমি দেখলাম, এটি থাকার চেয়ে বরং বেরিয়ে যাওয়ার মতো একটি ফ্ল্যাট ছিল। এটি ছিল খাওয়া এবং ঘুমানোর একটি যন্ত্র, একজন কর্মজীবী নারীর জন্য উপযুক্ত বাসস্থান যার প্রধান আগ্রহ তার কাজে। আমি নিজের এই সংস্করণটিকে অপছন্দ করতাম যা আমার অন্যান্য কর্মকাণ্ডকে অস্বীকার করত... এই নির্বাক সাদা দেয়ালগুলো অনেক ঘটনার নীরব সাক্ষী ছিল; তবুও তারা কোনো মন্তব্য করত না, আর তাদের এই নীরবতাই আমার কাছে অবন্ধুত্বসুলভ মনে হতো।"
* "নারীরা অবশ্যই অনেক দূর এগিয়েছে: আমরা এখন রাতে একা থাকতে পারি। কিন্তু মাঝেমধ্যে মনে হয় এর জন্য অনেক বড় মূল্য দিতে হচ্ছে। আমরা যেকোনো সময় অপরিচিতদের জন্য হাসিমুখে দরজা খুলে দিতে পারি, আপত্তিকর টেলিফোন কল সামলাতে পারি এবং ফিউজ মেরামত করতে পারি।"
=== ''এ ক্লোজড আই'' (১৯৯১) ===
* তবুও সে নিজেকে কখনো এতটা রিক্ত অনুভব করেনি, যেন অন্য মানুষের জীবনে তার উপস্থিতি ছিল পুরোপুরি কাল্পনিক, যেন সে নিজেই এক ধরণের প্রতিচ্ছবি—মনোরম কিন্তু কৃত্রিম। খুব বেশি বৃদ্ধ হওয়ার আগেই তাকে তার জীবনের কিছু অংশ নিজের জন্য কেড়ে নিতে হবে, নয়তো কেউ তার নিখোঁজ হওয়া খেয়াল করার আগেই সে ম্লান হয়ে হারিয়ে যাবে।
=== ''মেকিং থিংস বেটার'' (২০০২) ===
* রাস্তায় বৃষ্টি ছিল একটি সূক্ষ্ম কুয়াশার মতো যা বাড়িগুলোর সীমারেখাকে নরম করে দিয়েছিল এবং এমনকি এমন একটি এলাকাতেও কবিতার ছোঁয়া দিয়েছিল যা কোমল আবেগ জাগিয়ে তোলার মতো নয়। সে তার চোখ আকাশের দিকে তুলল যেখানে টেলিভিশনের এরিয়ালগুলো ছাদে ভিড় করে আছে, এরপর আবার জানালার দিকে চোখ নামাল যা সন্ধ্যার আলো জ্বলার আগে তখনও শূন্য ছিল।
== বহিঃসংযোগ ==
[https://www.theguardian.com/books/2016/mar/14/anita-brookner-obituary দ্য গার্ডিয়ান-এ অ্যানিতা ব্রুকনারের শোকসংবাদ]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯২৮-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:২০১৬-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:বুকার পুরস্কার বিজয়ী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইংরেজ ঔপন্যাসিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:শিল্প ইতিহাসবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক]]
f89m8rw7x0bk7yom7139a2oa2az8bpy
83346
83344
2026-05-03T13:59:11Z
SMontaha32
3112
83346
wikitext
text/x-wiki
'''অ্যানিতা ব্রুকনার''' (১৬ জুলাই ১৯২৮ – ১০ মার্চ ২০১৬) ছিলেন একজন ইংরেজ ঔপন্যাসিক এবং শিল্প ইতিহাসবিদ। তিনি কিংস কলেজ লন্ডন থেকে ইতিহাসে বিএ এবং ১৯৫৩ সালে কর্টল্ড ইনস্টিটিউট অফ আর্ট থেকে শিল্প ইতিহাসে ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৬৭ সালে তিনি কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে 'স্লেড প্রফেসর অফ ফাইন আর্ট' পদধারী প্রথম নারী হন। ব্রুকনার ৫৩ বছর বয়সে তার প্রথম উপন্যাস ''[[এ স্টার্ট ইন লাইফ]]'' (১৯৮১) প্রকাশ করেন এবং পরবর্তী ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে প্রতি বছর একটি করে উপন্যাস প্রকাশ করেছেন। তার চতুর্থ উপন্যাস ''হোটেল দু লাক'' (১৯৮৪) সম্মানজনক '''বুকার পুরস্কার''' জয় করে।
== উক্তি ==
=== ''এ স্টার্ট ইন লাইফ'' (১৯৮১) ===
* সম্পূর্ণ স্বার্থপর কারণেই বিয়ে করা সবচেয়ে ভালো।
=== ''লুক অ্যাট মি'' (১৯৮৩) ===
* আমি লেখালেখির জগতটাকে ঠিক তেমনভাবেই দেখেছি যেমনটা এটা আমার কাছে। এটি ভাগ্য সহায় না হওয়ার কারণে এটি আপনার প্রায়শ্চিত্ত। এটি অন্যদের কাছে পৌঁছানোর এবং তাদের ভালোবাসা পাওয়ার একটি প্রচেষ্টা। এটি আপনার সহজাত প্রতিবাদ, যখন আপনি দেখেন যে বিশ্বের পৃথিবীতে আপনার কোনো কণ্ঠস্বর নেই এবং আপনার হয়ে কথা বলার কেউ নেই। আমি আমার অতীত, বর্তমান এবং ভবিষ্যতের সমস্ত শব্দভান্ডার বিলিয়ে দিতে রাজি হতাম যদি বিশ্বের কাছে সহজ প্রবেশাধিকার পেতাম। যদি "আমার কষ্ট হচ্ছে" বা "আমি ঘৃণা করি" বা "আমি চাই" বলার অনুমতি পেতাম। অথবা বাস্তবে, "আমার দিকে তাকাও" বলতে পারতাম। এবং আমি এটি থেকে পিছপা হই না। কারণ একবার কিছু জানা হয়ে গেলে তা আর অজানা হতে পারে না। তা কেবল বিস্মৃত হতে পারে। আর লেখালেখি হলো বিস্মৃতি এবং চিন্তাহীনতার শত্রু। লেখকের জন্য কোনো বিস্মৃতি নেই, আছে কেবল অন্তহীন স্মৃতি।
=== ''এ ফ্রেন্ড ফ্রম ইংল্যান্ড'' (১৯৮৭) ===
* "আমি দেখলাম, এটি থাকার চেয়ে বরং বেরিয়ে যাওয়ার মতো একটি ফ্ল্যাট ছিল। এটি ছিল খাওয়া এবং ঘুমানোর একটি যন্ত্র, একজন কর্মজীবী নারীর জন্য উপযুক্ত বাসস্থান যার প্রধান আগ্রহ তার কাজে। আমি নিজের এই সংস্করণটিকে অপছন্দ করতাম যা আমার অন্যান্য কর্মকাণ্ডকে অস্বীকার করত... এই নির্বাক সাদা দেয়ালগুলো অনেক ঘটনার নীরব সাক্ষী ছিল; তবুও তারা কোনো মন্তব্য করত না, আর তাদের এই নীরবতাই আমার কাছে অবন্ধুত্বসুলভ মনে হতো।"
* "নারীরা অবশ্যই অনেক দূর এগিয়েছে: আমরা এখন রাতে একা থাকতে পারি। কিন্তু মাঝেমধ্যে মনে হয় এর জন্য অনেক বড় মূল্য দিতে হচ্ছে। আমরা যেকোনো সময় অপরিচিতদের জন্য হাসিমুখে দরজা খুলে দিতে পারি, আপত্তিকর টেলিফোন কল সামলাতে পারি এবং ফিউজ মেরামত করতে পারি।"
=== ''এ ক্লোজড আই'' (১৯৯১) ===
* তবুও সে নিজেকে কখনো এতটা রিক্ত অনুভব করেনি, যেন অন্য মানুষের জীবনে তার উপস্থিতি ছিল পুরোপুরি কাল্পনিক, যেন সে নিজেই এক ধরণের প্রতিচ্ছবি—মনোরম কিন্তু কৃত্রিম। খুব বেশি বৃদ্ধ হওয়ার আগেই তাকে তার জীবনের কিছু অংশ নিজের জন্য কেড়ে নিতে হবে, নয়তো কেউ তার নিখোঁজ হওয়া খেয়াল করার আগেই সে ম্লান হয়ে হারিয়ে যাবে।
=== ''মেকিং থিংস বেটার'' (২০০২) ===
* রাস্তায় বৃষ্টি ছিল একটি সূক্ষ্ম কুয়াশার মতো যা বাড়িগুলোর সীমারেখাকে নরম করে দিয়েছিল এবং এমনকি এমন একটি এলাকাতেও কবিতার ছোঁয়া দিয়েছিল যা কোমল আবেগ জাগিয়ে তোলার মতো নয়। সে তার চোখ আকাশের দিকে তুলল যেখানে টেলিভিশনের এরিয়ালগুলো ছাদে ভিড় করে আছে, এরপর আবার জানালার দিকে চোখ নামাল যা সন্ধ্যার আলো জ্বলার আগে তখনও শূন্য ছিল।
== বহিঃসংযোগ ==
[https://www.theguardian.com/books/2016/mar/14/anita-brookner-obituary দ্য গার্ডিয়ান-এ অ্যানিতা ব্রুকনারের শোকসংবাদ]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯২৮-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:২০১৬-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:বুকার পুরস্কার বিজয়ী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইংরেজ ঔপন্যাসিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:শিল্প ইতিহাসবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক]]
oz7nfaqly9ufgzh3w5x7wfcqtbxdov9
83347
83346
2026-05-03T14:00:38Z
SMontaha32
3112
83347
wikitext
text/x-wiki
'''অ্যানিতা ব্রুকনার''' (১৬ জুলাই ১৯২৮ – ১০ মার্চ ২০১৬) ছিলেন একজন ইংরেজ ঔপন্যাসিক এবং শিল্প ইতিহাসবিদ। তিনি কিংস কলেজ লন্ডন থেকে ইতিহাসে বিএ এবং ১৯৫৩ সালে কর্টল্ড ইনস্টিটিউট অফ আর্ট থেকে শিল্প ইতিহাসে ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৬৭ সালে তিনি কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে 'স্লেড প্রফেসর অফ ফাইন আর্ট' পদধারী প্রথম নারী হন। ব্রুকনার ৫৩ বছর বয়সে তার প্রথম উপন্যাস ''[[এ স্টার্ট ইন লাইফ]]'' (১৯৮১) প্রকাশ করেন এবং পরবর্তী ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে প্রতি বছর একটি করে উপন্যাস প্রকাশ করেছেন। তার চতুর্থ উপন্যাস ''হোটেল দু লাক'' (১৯৮৪) সম্মানজনক '''বুকার পুরস্কার''' জয় করে।
== উক্তি ==
=== ''এ স্টার্ট ইন লাইফ'' (১৯৮১) ===
* সম্পূর্ণ স্বার্থপর কারণেই বিয়ে করা সবচেয়ে ভালো।
=== ''লুক অ্যাট মি'' (১৯৮৩) ===
* আমি লেখালেখির জগতটাকে ঠিক তেমনভাবেই দেখেছি যেমনটা এটা আমার কাছে। এটি ভাগ্য সহায় না হওয়ার কারণে এটি আপনার প্রায়শ্চিত্ত। এটি অন্যদের কাছে পৌঁছানোর এবং তাদের ভালোবাসা পাওয়ার একটি প্রচেষ্টা। এটি আপনার সহজাত প্রতিবাদ, যখন আপনি দেখেন যে বিশ্বের পৃথিবীতে আপনার কোনো কণ্ঠস্বর নেই এবং আপনার হয়ে কথা বলার কেউ নেই। আমি আমার অতীত, বর্তমান এবং ভবিষ্যতের সমস্ত শব্দভান্ডার বিলিয়ে দিতে রাজি হতাম যদি বিশ্বের কাছে সহজ প্রবেশাধিকার পেতাম। যদি "আমার কষ্ট হচ্ছে" বা "আমি ঘৃণা করি" বা "আমি চাই" বলার অনুমতি পেতাম। অথবা বাস্তবে, "আমার দিকে তাকাও" বলতে পারতাম। এবং আমি এটি থেকে পিছপা হই না। কারণ একবার কিছু জানা হয়ে গেলে তা আর অজানা হতে পারে না। তা কেবল বিস্মৃত হতে পারে। আর লেখালেখি হলো বিস্মৃতি এবং চিন্তাহীনতার শত্রু। লেখকের জন্য কোনো বিস্মৃতি নেই, আছে কেবল অন্তহীন স্মৃতি।
=== ''এ ফ্রেন্ড ফ্রম ইংল্যান্ড'' (১৯৮৭) ===
* "আমি দেখলাম, এটি থাকার চেয়ে বরং বেরিয়ে যাওয়ার মতো একটি ফ্ল্যাট ছিল। এটি ছিল খাওয়া এবং ঘুমানোর একটি যন্ত্র, একজন কর্মজীবী নারীর জন্য উপযুক্ত বাসস্থান যার প্রধান আগ্রহ তার কাজে। আমি নিজের এই সংস্করণটিকে অপছন্দ করতাম যা আমার অন্যান্য কর্মকাণ্ডকে অস্বীকার করত... এই নির্বাক সাদা দেয়ালগুলো অনেক ঘটনার নীরব সাক্ষী ছিল। তবুও তারা কোনো মন্তব্য করত না, আর তাদের এই নীরবতাই আমার কাছে বন্ধুত্বসুলভ মনে হতো নাহ।"
* "নারীরা অবশ্যই অনেক দূর এগিয়েছে: আমরা এখন রাতে একা থাকতে পারি। কিন্তু মাঝেমধ্যে মনে হয় এর জন্য অনেক বড় মূল্য দিতে হচ্ছে। আমরা যেকোনো সময় অপরিচিতদের জন্য হাসিমুখে দরজা খুলে দিতে পারি, আপত্তিকর টেলিফোন কল সামলাতে পারি এবং ফিউজ মেরামত করতে পারি।"
=== ''এ ক্লোজড আই'' (১৯৯১) ===
* তবুও সে নিজেকে কখনো এতটা রিক্ত অনুভব করেনি, যেন অন্য মানুষের জীবনে তার উপস্থিতি ছিল পুরোপুরি কাল্পনিক, যেন সে নিজেই এক ধরণের প্রতিচ্ছবি—মনোরম কিন্তু কৃত্রিম। খুব বেশি বৃদ্ধ হওয়ার আগেই তাকে তার জীবনের কিছু অংশ নিজের জন্য কেড়ে নিতে হবে, নয়তো কেউ তার নিখোঁজ হওয়া খেয়াল করার আগেই সে ম্লান হয়ে হারিয়ে যাবে।
=== ''মেকিং থিংস বেটার'' (২০০২) ===
* রাস্তায় বৃষ্টি ছিল একটি সূক্ষ্ম কুয়াশার মতো যা বাড়িগুলোর সীমারেখাকে নরম করে দিয়েছিল এবং এমনকি এমন একটি এলাকাতেও কবিতার ছোঁয়া দিয়েছিল যা কোমল আবেগ জাগিয়ে তোলার মতো নয়। সে তার চোখ আকাশের দিকে তুলল যেখানে টেলিভিশনের এরিয়ালগুলো ছাদে ভিড় করে আছে, এরপর আবার জানালার দিকে চোখ নামাল যা সন্ধ্যার আলো জ্বলার আগে তখনও শূন্য ছিল।
== বহিঃসংযোগ ==
[https://www.theguardian.com/books/2016/mar/14/anita-brookner-obituary দ্য গার্ডিয়ান-এ অ্যানিতা ব্রুকনারের শোকসংবাদ]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯২৮-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:২০১৬-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:বুকার পুরস্কার বিজয়ী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইংরেজ ঔপন্যাসিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:শিল্প ইতিহাসবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক]]
c56ifrtbb4hakhijhevn79e4chkiyqt
ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতিত্ব
0
12096
83387
75158
2026-05-04T09:49:53Z
Dr. Mosaddek Khondoker
2987
83387
wikitext
text/x-wiki
'''{{w|ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় প্রেসিডেন্সি}}''' ২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারি [[w:ইস্টার্ন টাইম জোন|ইএসটি]] সময় অনুযায়ী [[w:ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় অভিষেক|তার অভিষেকের]] মাধ্যমে শুরু হয়। সেদিন [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] [[জো বাইডেন|জো বাইডেনের]] স্থলাভিষিক্ত হয়ে [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের]] [[w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতিদের তালিকা|৪৭তম]] রাষ্ট্রপতি হিসেবে [[w:ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় অভিষেক|শপথ গ্রহণ করেন]]।
:আরও দেখুন:
::'''''[[২০২৬ ইরান যুদ্ধ]]'''''
::'''''[[সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ডোনাল্ড ট্রাম্প]]'''''
::'''''[[ট্রাম্পবাদ]]'''''
==উক্তি==
[[File:CA Guard and protestors, June 2025.jpg|thumb|ক্যালিফোর্নিয়া হয়তো প্রথম, তবে এটি স্পষ্টতই এখানে শেষ হবে না। অন্যান্য অঙ্গরাজ্যগুলোর পালা সামনে। গণতন্ত্রের পালা সামনে। আমাদের চোখের সামনেই গণতন্ত্র আক্রান্ত হচ্ছে। ~ [[গ্যাভিন নিউসম]]]]
[[File:Noah R. Feldman at Harvard University (cropped).jpg|thumb|আমাদের স্বাধীন বিশ্ববিদ্যালয় প্রয়োজন। আমাদের একটি স্বাধীন সংবাদমাধ্যম প্রয়োজন। আর অবশ্যই, আমাদের স্বাধীন আদালত প্রয়োজন। ট্রাম্প স্বাধীনতা পছন্দ করেন না কারণ স্বাধীন প্রতিষ্ঠানগুলো তাকে না বলতে পারে। আর তিনি এসব প্রতিষ্ঠানের স্বাধীনতা যত দুর্বল করতে পারবেন, নিজের এজেন্ডাকে তত বেশি প্রভাবশালী করতে পারবেন। শেষ পর্যন্ত, এর মানে হলো ট্রাম্প নিজের দৃষ্টিভঙ্গি সবার ওপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন। ~ [[নোয়া ফেল্ডম্যান]]]]
[[File:Transphobia (alt).png|thumb|পুরুষ ও নারী—এই দুটি লিঙ্গকে স্বীকৃতি দেওয়াই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নীতি। [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ট্রান্সফোবিয়া|এই লিঙ্গগুলো পরিবর্তনযোগ্য নয় এবং এরা মৌলিক ও অকাট্য বাস্তবতার ওপর প্রতিষ্ঠিত।]] ~ [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]]]
[[File:Second cabinet of Donald Trump in August 2025.jpg|thumb|প্রশাসন দক্ষ ও সময়নিষ্ঠ এবং এর নেতা কোনো ভুল করতে পারেন না। আমেরিকান প্রজাতন্ত্র গণতন্ত্রের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষের দিকে এগোচ্ছে। ঘটনাক্রমে এটি বাকি মুক্ত বিশ্বের কাছে হাসির পাত্র না হলেও একটি প্রহেলিকায় পরিণত হচ্ছে। এটি থামাতে হবে। ~ রিলিজিয়ন নিউজ সার্ভিস]]
[[File:Flag map of Canada.svg|thumb|মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রতিনিয়ত কানাডা দখলের হুমকি দিচ্ছেন। এ সপ্তাহে মার্কিন সামরিক কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে দেওয়া এক ভাষণে তিনি ফের এই হুমকির কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। এর ফলে মার্কিন আগ্রাসন একদিন বাস্তবে রূপ নিতে পারে ভেবে কিছু কানাডিয়ান চিন্তিত। এই দৃশ্যপট কীভাবে এগোবে? মার্কিন সামরিক বাহিনীর বিশাল আকারের দিকে তাকালে অনেকেই ভাবতে পারেন ট্রাম্প খুব সহজেই জয়লাভ করবেন।<br>ওই বিশ্লেষণটি ভুল। ~ আয়েশা আহমাদ]]
=== ২০২৫ ===
==== জানুয়ারি ২০২৫ ====
* মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্বের সুযোগ একটি অমূল্য ও গভীর উপহার। চতুর্দশ সংশোধনীতে বলা হয়েছে: "মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণকারী বা নাগরিকত্ব লাভকারী এবং এর এখতিয়ারের অধীনস্থ সকল ব্যক্তি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এবং তারা যে অঙ্গরাজ্যে বসবাস করেন সেখানকার নাগরিক।" এই বিধানটি ড্রেড স্কট বনাম স্যান্ডফোর্ড, ৬০ ইউ.এস. (১৯ হাও.) ৩৯৩ (১৮৫৭) মামলায় মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের লজ্জাজনক রায়কে যথার্থভাবেই প্রত্যাখ্যান করেছে। ওই রায়ে আফ্রিকান বংশোদ্ভূতদের শুধুমাত্র তাদের বর্ণের কারণে স্থায়ীভাবে মার্কিন নাগরিকত্বের অযোগ্য ঘোষণা করে সংবিধানের অপব্যাখ্যা করা হয়েছিল।<br>তবে চতুর্দশ সংশোধনীকে কখনোই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণকারী সবার জন্য সর্বজনীনভাবে নাগরিকত্ব প্রদানের অর্থে ব্যাখ্যা করা হয়নি। চতুর্দশ সংশোধনী জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব থেকে সবসময় এমন ব্যক্তিদের বাদ দিয়েছে যারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণ করেছে কিন্তু এর "এখতিয়ারের অধীনস্থ" নয়। এই উপলব্ধির সাথে সামঞ্জস্য রেখে, কংগ্রেস আইনের মাধ্যমে আরও নির্দিষ্ট করেছে যে "মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণকারী এবং এর এখতিয়ারের অধীনস্থ ব্যক্তি" জন্মগতভাবেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক বা জাতীয়তা লাভ করবেন (৮ ইউ.এস.সি. ১৪০১)। এটি মূলত চতুর্দশ সংশোধনীর পাঠ্যকেই প্রতিফলিত করে।<br>মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণকারী এবং এর এখতিয়ারের অধীনস্থ নয় এমন ব্যক্তিদের ক্যাটাগরির মধ্যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্বের অধিকার স্বয়ংক্রিয়ভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণকারী নিচের ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না: (১) যখন ওই ব্যক্তির জন্মের সময় তার মা বেআইনিভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে উপস্থিত ছিলেন এবং বাবা মার্কিন নাগরিক বা বৈধ স্থায়ী বাসিন্দা ছিলেন না, অথবা (২) যখন ওই ব্যক্তির জন্মের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তার মায়ের উপস্থিতি বৈধ হলেও অস্থায়ী ছিল (যেমন, ভিসা ওয়েভার প্রোগ্রামের আওতায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আসা বা শিক্ষার্থী, কর্ম বা ট্যুরিস্ট ভিসায় ভ্রমণ ইত্যাদি) এবং ওই ব্যক্তির জন্মের সময় তার বাবা মার্কিন নাগরিক বা বৈধ স্থায়ী বাসিন্দা ছিলেন না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.whitehouse.gov/presidential-actions/2025/01/protecting-the-meaning-and-value-of-american-citizenship/ নির্বাহী আদেশ ১৪১৬০: আমেরিকান নাগরিকত্বের অর্থ ও মূল্য রক্ষা], ২০ জানুয়ারি ২০২৫
* মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নীতি হলো, সরকারের কোনো বিভাগ বা সংস্থা মার্কিন নাগরিকত্ব স্বীকার করে এমন কোনো নথি ইস্যু করবে না। এছাড়া রাজ্য, স্থানীয় বা অন্যান্য সরকার বা কর্তৃপক্ষের ইস্যু করা মার্কিন নাগরিকত্ব স্বীকারকারী কোনো নথিও নিচের ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে গ্রহণ করবে না: (১) যখন ওই ব্যক্তির জন্মের সময় তার মা বেআইনিভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে উপস্থিত ছিলেন এবং তার বাবা মার্কিন নাগরিক বা বৈধ স্থায়ী বাসিন্দা ছিলেন না, অথবা (২) যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তার মায়ের উপস্থিতি বৈধ হলেও অস্থায়ী ছিল এবং ওই ব্যক্তির জন্মের সময় তার বাবা মার্কিন নাগরিক বা বৈধ স্থায়ী বাসিন্দা ছিলেন না।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.whitehouse.gov/presidential-actions/2025/01/protecting-the-meaning-and-value-of-american-citizenship/ নির্বাহী আদেশ ১৪১৬০: আমেরিকান নাগরিকত্বের অর্থ ও মূল্য রক্ষা], ২০ জানুয়ারি ২০২৫
* আমাদের বলা হয়েছে, ডিইআই ছাড়া নিয়োগ ও পদোন্নতি মেধাভিত্তিক হবে। তবে ভুল করবেন না, ঐতিহ্যগতভাবেই স্বজনপ্রীতি ও স্বজনপোষণ (good-ol’-boy-ism) অবাধে মেধার জায়গা দখল করেছে। এখন এর সাথে সংবিধানের পরিবর্তে ট্রাম্প প্রশাসনের প্রতি আনুগত্য যুক্ত হয়েছে।<br>বাস্তবতা হলো, ফ্যাগানকে বরখাস্ত করার সাথে জাতীয় নিরাপত্তা জোরদার করার কোনো সম্পর্ক নেই। বরং ঠিক এর উল্টোটা। নারীদের আবার তাদের আগের জায়গায় ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য এটি একটি পশ্চাৎপদ সামাজিক এজেন্ডার অংশ। আমেরিকায় ছড়িয়ে পড়া অনেক বর্ণবাদী, অভিবাসনবিরোধী, এলজিবিটিকিউ+ (LGBTQ+) বিরোধী এবং অন্যান্য ঘৃণ্য গোষ্ঠীগুলোকে একসাথে বেঁধে রাখার মূল উপকরণ হলো নারীবিদ্বেষ।
** জোন জনসন-ফ্রিস, [https://alabamareflector.com/2025/01/28/firing-of-coast-guard-commandant-serves-a-regressive-social-agenda/ "কোস্ট গার্ড কমান্ড্যান্টের বরখাস্ত একটি পশ্চাৎপদ সামাজিক এজেন্ডাকেই তুলে ধরে"], ''আলাবামা রিফ্লেক্টর'', ২৮ জানুয়ারি ২০২৫
* এখানে উল্লেখ্য যে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পই ২০১৭ সালে নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা (ডব্লিউপিএস) আইনে স্বাক্ষর করেন। এর মাধ্যমে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ১৩২৫ (২০০০) নম্বর প্রস্তাব বাস্তবায়ন বাধ্যতামূলক করা হয়েছিল। এই প্রস্তাবটি লিঙ্গ ও নিরাপত্তার মধ্যকার সম্পর্ককে স্বীকৃতি দেয় এবং নিরাপত্তা বিষয়ক কার্যক্রমে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর চেষ্টা করে। ইউএনএসসিআর ১৩২৫ ডব্লিউপিএটিএইচ চারটি স্তম্ভের ওপর প্রতিষ্ঠিত: অংশগ্রহণ, প্রতিরোধ, সুরক্ষা এবং ত্রাণ ও পুনরুদ্ধার প্রচেষ্টা। অন্তর্ভুক্তিমূলক বৈচিত্র্যের প্রয়োজনীয়তার ওপর ডব্লিউপিএস জোর দেয় (সিদ্ধান্ত গ্রহণের টেবিলে নারীদের শুধু আসন নয়, বরং তাদের মতামত তুলে ধরার সুযোগ থাকা)। পাশাপাশি বিভিন্ন নীতি ও কর্মসূচি কীভাবে পুরুষ, নারী, ছেলে ও মেয়েদের ভিন্নভাবে প্রভাবিত করে তা বিবেচনা করার ওপরও এটি গুরুত্ব আরোপ করে।
** জোন জনসন-ফ্রিস, [https://alabamareflector.com/2025/01/28/firing-of-coast-guard-commandant-serves-a-regressive-social-agenda/ "কোস্ট গার্ড কমান্ড্যান্টের বরখাস্ত একটি পশ্চাৎপদ সামাজিক এজেন্ডাকেই তুলে ধরে"], ''আলাবামা রিফ্লেক্টর'', ২৮ জানুয়ারি ২০২৫
* তাকে বরখাস্ত করাটা ফ্যাগানের কর্মজীবন ও উত্তরাধিকারের প্রতি এক অপমান ছিল। জাতীয় নিরাপত্তার ওপর এর উল্লেখযোগ্য নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।<br>"উগ্র এবং অপচয়মূলক" সরকারি ডিইআই কর্মসূচিগুলো বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। ডিইআই সমালোচকেরা বলতে পছন্দ করেন, "একটি ওক সামরিক বাহিনী হলো একটি দুর্বল সামরিক বাহিনী।" তবে প্রকৃতপক্ষে, একটি ভালোভাবে পরিচালিত ডিইআই কর্মসূচি সামরিক বাহিনীর সামনের চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলা করতে পারে। এই চ্যালেঞ্জগুলোকে অনেক সময় "৫টি আর" বা 5R বলা হয়: রিক্রুটমেন্ট (নিয়োগ), রিটেনশন (ধরে রাখা), রেডিনেস (প্রস্তুতি), রিসোর্সেস (সম্পদ) এবং রিস্ক টু ফোর্স/রিস্ক টু মিশন (বাহিনীর ঝুঁকি/মিশনের ঝুঁকি)।
** জোন জনসন-ফ্রিস, [https://alabamareflector.com/2025/01/28/firing-of-coast-guard-commandant-serves-a-regressive-social-agenda/ "কোস্ট গার্ড কমান্ড্যান্টের বরখাস্ত একটি পশ্চাৎপদ সামাজিক এজেন্ডাকেই তুলে ধরে"], ''আলাবামা রিফ্লেক্টর'', ২৮ জানুয়ারি ২০২৫
* পেন্টাগন এবং সামগ্রিকভাবে সরকার থেকে বৈচিত্র্য সমর্থনকারী ব্যক্তিদের দূর করার প্রক্রিয়ায় ফ্যাগানকে বরখাস্ত করাটা সম্ভবত কেবল প্রথম আঘাত ছিল। পরবর্তী অধ্যায় কী? সামনের পথটি এখন আর দৃশ্যমান নয়। এটি ঠিক কোস্ট গার্ডের সেই ওয়েব পেজটির মতোই অদৃশ্য, যেখানে আগে ফ্যাগানের ছবি এবং জীবনী প্রদর্শিত হতো।
** জোন জনসন-ফ্রিস, [https://alabamareflector.com/2025/01/28/firing-of-coast-guard-commandant-serves-a-regressive-social-agenda/ "কোস্ট গার্ড কমান্ড্যান্টের বরখাস্ত একটি পশ্চাৎপদ সামাজিক এজেন্ডাকেই তুলে ধরে"], ''আলাবামা রিফ্লেক্টর'', ২৮ জানুয়ারি ২০২৫
* সারা দেশে লিঙ্গের জৈবিক বাস্তবতাকে অস্বীকারকারী মতাদর্শীরা আইনি এবং অন্যান্য সামাজিক বলপ্রয়োগের মাধ্যম ব্যবহার বাড়িয়ে তুলেছে। তারা পুরুষদের নিজেদেরকে নারী হিসেবে পরিচয় দেওয়ার এবং নারীদের জন্য তৈরি করা একক লিঙ্গের ব্যক্তিগত স্থান ও কার্যক্রমে প্রবেশের সুযোগ করে দিচ্ছে। এর মধ্যে নারীদের পারিবারিক নির্যাতনের আশ্রয়কেন্দ্র থেকে শুরু করে নারীদের কর্মস্থলের গোসলখানা পর্যন্ত অন্তর্ভুক্ত। এটি ভুল। লিঙ্গের জৈবিক বাস্তবতাকে মুছে ফেলার চেষ্টা মূলত নারীদের মর্যাদা, নিরাপত্তা ও কল্যাণ থেকে বঞ্চিত করে তাদের ওপর আক্রমণ করে। ভাষা ও নীতিতে লিঙ্গ মুছে ফেলার ক্ষতিকর প্রভাব শুধু নারীদের ওপরই নয়, বরং পুরো মার্কিন ব্যবস্থার বৈধতার ওপরও পড়ে। ফেডারেল নীতিকে সত্যের ওপর প্রতিষ্ঠিত করা বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান, জননিরাপত্তা, মনোবল এবং সরকারের প্রতি আস্থার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।<br>জৈবিক এবং বৈজ্ঞানিক পদগুলোর সাধারণ ও দীর্ঘদিনের ব্যবহার এবং বোঝাপড়ার বিরুদ্ধে চলমান ও উদ্দেশ্যমূলক আক্রমণের মাধ্যমে এই অস্বাস্থ্যকর পথটি তৈরি হয়েছে। এটি লিঙ্গের অপরিবর্তনীয় জৈবিক বাস্তবতার বদলে জৈবিক তথ্য থেকে বিচ্ছিন্ন একটি অভ্যন্তরীণ, পরিবর্তনশীল এবং বিষয়ভিত্তিক আত্মপরিচয় প্রতিষ্ঠা করে। "নারীে"র প্রকৃত ও জৈবিক ক্যাটাগরিকে বাতিল করে লিঙ্গভিত্তিক সুযোগগুলো রক্ষার জন্য তৈরি আইন ও নীতিগুলোকে অনুচিতভাবে এমন আইন ও নীতিতে রূপান্তরিত করা হয় যা সেগুলোকে দুর্বল করে দেয়। এর মাধ্যমে দীর্ঘদিনের লালিত আইনি অধিকার ও মূল্যবোধগুলোর জায়গায় পরিচয়ভিত্তিক, অসম্পূর্ণ একটি সামাজিক ধারণা প্রতিষ্ঠা করা হয়।<br>সেই অনুযায়ী, আমার প্রশাসন নারীদের অধিকার রক্ষা করবে এবং বিবেকের স্বাধীনতা নিশ্চিত করবে। এর জন্য স্পষ্ট ও নির্ভুল ভাষা এবং নীতি ব্যবহার করা হবে; এটি স্বীকৃতি দেয় যে নারীরা জৈবিকভাবে স্ত্রীলিঙ্গ এবং পুরুষরা জৈবিকভাবে পুংলিঙ্গ।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.whitehouse.gov/presidential-actions/2025/01/defending-women-from-gender-ideology-extremism-and-restoring-biological-truth-to-the-federal-government/ নির্বাহী আদেশ ১৪১৬৮: "জেন্ডার আইডিওলজি চরমপন্থা থেকে নারীদের রক্ষা এবং ফেডারেল সরকারে জৈবিক সত্য পুনরুদ্ধার"], ২০ জানুয়ারি ২০২৫
* '''পুরুষ ও নারী—এই দুটি লিঙ্গকে স্বীকৃতি দেওয়াই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নীতি। এই লিঙ্গগুলো পরিবর্তনযোগ্য নয় এবং এরা মৌলিক ও অকাট্য বাস্তবতার ওপর প্রতিষ্ঠিত।'''
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.whitehouse.gov/presidential-actions/2025/01/defending-women-from-gender-ideology-extremism-and-restoring-biological-truth-to-the-federal-government/ নির্বাহী আদেশ ১৪১৬৮: "জেন্ডার আইডিওলজি চরমপন্থা থেকে নারীদের রক্ষা এবং ফেডারেল সরকারে জৈবিক সত্য পুনরুদ্ধার"], ২০ জানুয়ারি ২০২৫
* "জেন্ডার আইডিওলজি" লিঙ্গের জৈবিক ক্যাটাগরির বদলে স্ব-মূল্যায়িত জেন্ডার পরিচয়ের একটি প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল ধারণাকে প্রতিস্থাপন করে। এটি এমন মিথ্যা দাবিকে অনুমতি দেয় যে পুরুষরা নিজেদের নারী হিসেবে পরিচয় দিতে পারে এবং এর মাধ্যমে নারীতে পরিণত হতে পারে এবং এর উল্টোটাও সম্ভব। এটি সমাজের সমস্ত প্রতিষ্ঠানকে এই মিথ্যা দাবিটিকে সত্য হিসেবে মেনে নেওয়ার দাবি জানায়। জেন্ডার আইডিওলজির মধ্যে এই ধারণাও অন্তর্ভুক্ত যে জেন্ডারের একটি বিশাল বর্ণালি রয়েছে; এটি ব্যক্তির লিঙ্গের সাথে সম্পর্কযুক্ত নয়। জেন্ডার আইডিওলজি অভ্যন্তরীণভাবে অসামঞ্জস্যপূর্ণ। কারণ এটি লিঙ্গকে একটি শনাক্তযোগ্য বা দরকারী ক্যাটাগরি হিসেবে অবমূল্যায়ন করে, তবে এর পাশাপাশি আবার এটিও দাবি করে যে কোনো ব্যক্তির পক্ষে ভুল লিঙ্গের শরীরে জন্মগ্রহণ করা সম্ভব।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.whitehouse.gov/presidential-actions/2025/01/defending-women-from-gender-ideology-extremism-and-restoring-biological-truth-to-the-federal-government/ নির্বাহী আদেশ ১৪১৬৮: "জেন্ডার আইডিওলজি চরমপন্থা থেকে নারীদের রক্ষা এবং ফেডারেল সরকারে জৈবিক সত্য পুনরুদ্ধার"], ২০ জানুয়ারি ২০২৫
* সংস্থাগুলোকে জেন্ডার আইডিওলজি প্রচার করে বা মননশীল করে এমন সমস্ত বিবৃতি, নীতি, প্রবিধান, ফর্ম, যোগাযোগ বা অন্যান্য অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক বার্তা মুছে ফেলতে হবে। এই ধরনের বিবৃতি, নীতি, প্রবিধান, ফর্ম, যোগাযোগ বা অন্যান্য বার্তা জারি করা বন্ধ করতে হবে। কোনো ব্যক্তির লিঙ্গের তথ্য প্রয়োজন হয় এমন সংস্থার ফর্মগুলোতে পুরুষ বা নারী তালিকাভুক্ত থাকবে। জেন্ডার পরিচয় জানতে চাওয়া যাবে না। আইন দ্বারা অনুমোদিত উপায় অনুযায়ী সংস্থাগুলোকে জেন্ডার আইডিওলজির ফেডারেল অর্থায়ন বন্ধ করতে প্রয়োজনীয় সমস্ত পদক্ষেপ নিতে হবে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.whitehouse.gov/presidential-actions/2025/01/defending-women-from-gender-ideology-extremism-and-restoring-biological-truth-to-the-federal-government/ নির্বাহী আদেশ ১৪১৬৮: "জেন্ডার আইডিওলজি চরমপন্থা থেকে নারীদের রক্ষা এবং ফেডারেল সরকারে জৈবিক সত্য পুনরুদ্ধার"], ২০ জানুয়ারি ২০২৫
* মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান ও আইন দ্বারা প্রেসিডেন্ট হিসেবে আমার ওপর অর্পিত ক্ষমতা অনুযায়ী, এতদ্বারা নির্দেশ দেওয়া যাচ্ছে যে:<br>ধারা ১. নীতি ও উদ্দেশ্য। বর্তমানে সারা দেশে চিকিৎসা পেশাদাররা একটি উগ্র ও মিথ্যা দাবির ভিত্তিতে ক্রমবর্ধমান সংখ্যক প্রভাবিত হওয়ার যোগ্য শিশুদের বিকলাঙ্গ ও বন্ধ্যাকরণ করছেন। দাবিটি হলো প্রাপ্তবয়স্করা ধারাবাহিকভাবে কিছু অপরিবর্তনীয় চিকিৎসা হস্তক্ষেপে মাধ্যমে একটি শিশুর লিঙ্গ পরিবর্তন করতে পারে। এই বিপজ্জনক প্রবণতাটি আমাদের জাতির ইতিহাসে একটি কলঙ্ক হয়ে থাকবে এবং এর অবসান ঘটাতেই হবে।<br>অগণিত শিশু খুব দ্রুতই তাদের অঙ্গহানির বিষয়ে অনুতপ্ত হয়। তারা এই ভয়াবহ ট্র্যাজেডি বুঝতে শুরু করে যে তারা কখনই নিজেরা সন্তান গর্ভধারণ করতে সক্ষম হবে না বা বুকের দুধ খাওয়ানোর মাধ্যমে তাদের সন্তানদের লালনপালন করতে পারবে পণ্ডিত। তাছাড়া, এই দুর্বল তরুণদের চিকিৎসার খরচ সারাজীবন ধরেই বাড়তে পারে। কারণ তারা প্রায়শই আজীবন চিকিৎসা সংক্রান্ত জটিলতা, নিজের শরীরের সাথে হেরে যাওয়া যুদ্ধ এবং দুঃখজনকভাবে বন্ধ্যাকরণের ফাঁদে আটকা পড়ে।<br>সেই অনুযায়ী, এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নীতি যে তারা এক লিঙ্গ থেকে অন্য লিঙ্গে শিশুর তথাকথিত "রূপান্তরে" অর্থায়ন, পৃষ্ঠপোষকতা, প্রচার, সহায়তা বা সমর্থন করবে না। এই ধ্বংসাত্মক এবং জীবন বদলে দেওয়া পদ্ধতিগুলোকে নিষিদ্ধ বা সীমিত করে এমন সমস্ত আইন যুক্তরাষ্ট্র কঠোরভাবে প্রয়োগ করবে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.whitehouse.gov/presidential-actions/2025/01/protecting-children-from-chemical-and-surgical-mutilation/ নির্বাহী আদেশ ১৪১৮৭: "রাসায়নিক এবং অস্ত্রোপচারের বিকলাঙ্গতা থেকে শিশুদের রক্ষা"], ২৮ জানুয়ারি ২০২৫
* "রাসায়নিক এবং অস্ত্রোপচারের বিকলাঙ্গতা" বলতে বয়ঃসন্ধি ব্লকার (GnRH অ্যাগোনিস্ট এবং অন্যান্য হস্তক্ষেপসহ) ব্যবহার করে এমন কোনো ব্যক্তির স্বাভাবিক বয়ঃসন্ধির শুরু বা অগ্রগতি বিলম্বিত করাকে বোঝায়, যিনি নিজের লিঙ্গ পরিচয় দেন না। এতে কোনো ব্যক্তির লিঙ্গের চেয়ে ভিন্ন কোনো পরিচয়ের সাথে তার শারীরিক চেহারার মিল করতে এন্ড্রোজেন ব্লকার, ইস্ট্রোজেন, প্রজেস্টেরন বা টেস্টোস্টেরনের মতো সেক্স হরমোনের ব্যবহার অন্তর্ভুক্ত। এছাড়াও এতে এমন সব অস্ত্রোপচার পদ্ধতি অন্তর্ভুক্ত; এটি কোনো ব্যক্তির লিঙ্গের চেয়ে ভিন্ন কোনো পরিচয়ের সাথে তার শারীরিক চেহারার মিল করতে রূপান্তরের চেষ্টা করে বা ব্যক্তির যৌনাঙ্গ পরিবর্তন বা অপসারণ করে তাদের স্বাভাবিক জৈবিক কার্যাবলি হ্রাস বা ধ্বংস করার চেষ্টা করে। এই কথাটিকে অনেক সময় "জেন্ডার অ্যাফার্মিং কেয়ার" বলা হয়।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.whitehouse.gov/presidential-actions/2025/01/protecting-children-from-chemical-and-surgical-mutilation/ নির্বাহী আদেশ ১৪১৮৭: "রাসায়নিক এবং অস্ত্রোপচারের বিকলাঙ্গতা থেকে শিশুদের রক্ষা"], ২৮ জানুয়ারি ২০২৫
* ধারা ৩। বাজে বিজ্ঞানের ওপর নির্ভরশীলতা শেষ করা। (ক) রাসায়নিক এবং অস্ত্রোপচারের বিকলাঙ্গতার মাধ্যমে শিশুদের যে প্রকাশ্য ক্ষতি করা হয়, তা চিকিৎসা প্রয়োজনীয়তার আবরণে নিজেকে ঢেকে রাখে। ওয়ার্ল্ড প্রফেশনাল অ্যাসোসিয়েশন ফর ট্রান্সজেন্ডার হেলথের (ডব্লিউপিএটিএইচ) নির্দেশনার মাধ্যমে এটি অনুপ্রাণিত হয়, যার বৈজ্ঞানিক অখণ্ডতার অভাব রয়েছে। ডব্লিউপিএটিএইচ নির্দেশনার বৈজ্ঞানিক উদ্বেগের আলোকে:<br>(১) সংস্থাগুলো ডব্লিউপিএটিএইচ নির্দেশনার ওপর নির্ভরশীল সমস্ত নীতি বাতিল বা সংশোধন করবে, যার মধ্যে ডব্লিউপিএটিএইচের "স্ট্যান্ডার্ডস অফ কেয়ার ভার্সন ৮" অন্তর্ভুক্ত রয়েছে; এবং<br>(২) এই আদেশের তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে স্বাস্থ্য ও মানব সেবা (এইচএইচএস) সচিব জেন্ডার ডিসফোরিয়া, দ্রুত-আবির্ভূত জেন্ডার ডিসফোরিয়া বা অন্যান্য পরিচয়ভিত্তিক বিভ্রান্তির দাবি করা শিশুদের স্বাস্থ্যের উন্নতির সর্বোত্তম অনুশীলনের বিষয়ে বিদ্যমান সাহিত্যের একটি পর্যালোচনা প্রকাশ করবেন।<br>(খ) এইচএইচএস সচিব উপযুক্ত এবং প্রযোজ্য আইনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে প্রাপ্ত সমস্ত পদ্ধতি ব্যবহার করে জেন্ডার ডিসফোরিয়া, দ্রুত-আবির্ভূত জেন্ডার ডিসফোরিয়া বা অন্যান্য পরিচয়ভিত্তিক বিভ্রান্তির শিকার অথবা রাসায়নিক বা অস্ত্রোপচারজনিত বিকলাঙ্গতা খুঁজছেন এমন অপ্রাপ্তবয়স্কদের স্বাস্থ্যের উন্নতি করার অনুশীলনের জন্য তথ্যের গুণমান বাড়াবেন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.whitehouse.gov/presidential-actions/2025/01/protecting-children-from-chemical-and-surgical-mutilation/ নির্বাহী আদেশ ১৪১৮৭: "রাসায়নিক এবং অস্ত্রোপচারের বিকলাঙ্গতা থেকে শিশুদের রক্ষা"], ২৮ জানুয়ারি ২০২৫
* ধারা ৪। রাসায়নিক এবং অস্ত্রোপচারের বিকলাঙ্গতা অর্থায়ন বন্ধ করা। মেডিকেল স্কুল এবং হাসপাতালসহ চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে গবেষণা বা শিক্ষা অনুদান প্রদানকারী প্রতিটি নির্বাহী বিভাগ বা সংস্থার (সংস্থা) প্রধান প্রযোজ্য আইনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে এবং অফিস অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বাজেটের পরিচালকের সাথে সমন্বয় করে অবিলম্বে উপযুক্ত পদক্ষেপ নেবেন। ফেডারেল গবেষণা বা শিক্ষা অনুদান গ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো যেন শিশুদের রাসায়নিক এবং অস্ত্রোপচারজনিত বিকলাঙ্গতা বন্ধ করে, তা নিশ্চিত করতে এই পদক্ষেপ নিতে হবে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.whitehouse.gov/presidential-actions/2025/01/protecting-children-from-chemical-and-surgical-mutilation/ নির্বাহী আদেশ ১৪১৮৭: "রাসায়নিক এবং অস্ত্রোপচারের বিকলাঙ্গতা থেকে শিশুদের রক্ষা"], ২৮ জানুয়ারি ২০২৫
* ধারা ৬। ট্রাইকেয়ার। প্রতিরক্ষা দপ্তর ট্রাইকেয়ারের মাধ্যমে ১৮ বছরের কম বয়সী প্রায় ২০ লাখ ব্যক্তিকে স্বাস্থ্য বিমা প্রদান করে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রযোজ্য আইনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে ট্রাইকেয়ার কভারেজ থেকে শিশুদের রাসায়নিক এবং অস্ত্রোপচারজনিত বিকলাঙ্গতা বাদ দিতে একটি নিয়ম প্রণয়ন বা উপ-নিয়ন্ত্রক পদক্ষেপ শুরু করবেন। একইসঙ্গে তিনি শিশুদের রাসায়নিক এবং অস্ত্রোপচারজনিত বিকলাঙ্গতা বাদ দিতে ট্রাইকেয়ার প্রোভাইডার হ্যান্ডবুক সংশোধন করবেন।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.whitehouse.gov/presidential-actions/2025/01/protecting-children-from-chemical-and-surgical-mutilation/ নির্বাহী আদেশ ১৪১৮৭: "রাসায়নিক এবং অস্ত্রোপচারের বিকলাঙ্গতা থেকে শিশুদের রক্ষা"], ২৮ জানুয়ারি ২০২৫
* আমাদের জাতির শিশুদের মনে আমেরিকা-বিরোধী, ধ্বংসাত্মক, ক্ষতিকর এবং ভ্রান্ত মতাদর্শ গেঁথে দেওয়া অনেক ক্ষেত্রেই কেবল দীর্ঘদিনের বৈষম্যবিরোধী নাগরিক অধিকার আইনই লঙ্ঘন করে না, বরং এটি পিতামাতার মৌলিক অধিকারও হরণ করে। উদাহরণস্বরূপ, পিতামাতার সম্মতি বা সম্পৃক্ততা ছাড়াই শিক্ষার্থীদের অস্ত্রোপচার এবং রাসায়নিক বিকলাঙ্গতার দিকে পরিচালিত করা বা নারীদের জন্য নির্ধারিত ব্যক্তিগত স্থানগুলোতে পুরুষদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া পিতামাতার অধিকার রক্ষাকারী ফেডারেল আইনগুলোর পরিপন্থী হতে পারে। এর মধ্যে ফ্যামিলি এডুকেশনাল রাইটস অ্যান্ড প্রাইভেসি অ্যাক্ট (এফইআরপিএ) এবং প্রোটেকশন অফ পিউপিল রাইটস অ্যামেন্ডমেন্ট (পিপিআরএ) অন্তর্ভুক্ত। এছাড়া এটি ১৯৭২ সালের শিক্ষা সংশোধনীর টাইটেল নাইনসহ লিঙ্গভিত্তিক সমতা এবং সুযোগেরও পরিপন্থী হতে পারে। একইভাবে, "শ্বেতাঙ্গদের বিশেষাধিকার" বা "অবচেতন পক্ষপাত" মেনে নেওয়ার দাবি আসলে জাতিগত বৈষম্যকে উসকে দেয় এবং জাতীয় ঐক্যকে দুর্বল করে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.whitehouse.gov/presidential-actions/2025/01/ending-radical-indoctrination-in-k-12-schooling/ নির্বাহী আদেশ ১৪১৯০: "কে-১২ শিক্ষায় উগ্র মতাদর্শিক মগজধোলাই বন্ধ করা"], ২৯ জানুয়ারি ২০২৫
* ভবিষ্যতের নীতি প্রণয়নে প্রেসিডেন্টকে পরামর্শ দেওয়ার জন্য এই আদেশের তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে শিক্ষামন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী এবং স্বাস্থ্য ও মানব সেবা মন্ত্রী অ্যাটর্নি জেনারেলের সাথে পরামর্শ করে ডোমেস্টিক পলিসি বিষয়ক সহকারী প্রেসিডেন্টের মাধ্যমে প্রেসিডেন্টের কাছে একটি 'মগজধোলাই বন্ধের কৌশল' প্রদান করবেন। এতে নিচের বিষয়গুলোর জন্য সুপারিশ এবং পরিকল্পনা থাকবে:<br>(১) জেন্ডার আইডিওলজি এবং বৈষম্যমূলক ইক্যুইটি আইডিওলজির ভিত্তিসহ কে-১২ স্কুলগুলোতে অবৈধ এবং বৈষম্যমূলক আচরণ ও মগজধোলাইয়ের জন্য ফেডারেল অর্থায়ন বা সমর্থন বাতিল করা।<br>(২) এই আদেশের উদ্দেশ্য ও নীতির সাথে সম্পর্কিত যেকোনো কে-১২ নীতি বা আচরণের ক্ষেত্রে এফইআরপিএ (২০ ইউ.এস.সি. ১২৩২জি) এবং পিপিআরএ (২০ ইউ.এস.সি. ১২৩২এইচ) অনুসারে পিতামাতার অধিকার রক্ষা করা।<br>(খ) এই ধারার (ক) উপধারার অধীনে জমা দেওয়া মগজধোলাই বন্ধের কৌশলে নিচের বিষয়গুলোর একটি সারসংক্ষেপ এবং বিশ্লেষণ থাকবে:<br>(১) জেন্ডার আইডিওলজি বা বৈষম্যমূলক ইক্যুইটি আইডিওলজির শিক্ষা, অগ্রগতি বা প্রসারকে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সমর্থন বা ভর্তুকি দেয় এমন সমস্ত ফেডারেল অর্থায়নের উৎস ও ধারা (অনুদান বা চুক্তিসহ):<br>(ক) কে-১২ পাঠ্যক্রম, শিক্ষা, কর্মসূচি বা কার্যক্রমে; অথবা<br>(খ) কে-১২ শিক্ষক শিক্ষা, সার্টিফিকেশন, লাইসেন্সিং, কর্মসংস্থান বা প্রশিক্ষণে;<br>(২) প্রযোজ্য আইনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে সর্বোচ্চ পর্যায় পর্যন্ত ফেডারেল তহবিল প্রতিরোধ বা বাতিলের জন্য প্রতিটি সংস্থার প্রক্রিয়া। এটি নিশ্চিত করবে যাতে কোনো ইএসএ, এসইএ, এলইএ, প্রাথমিক বিদ্যালয় বা মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে নিচের ক্ষেত্রে জেন্ডার আইডিওলজি বা বৈষম্যমূলক ইক্যুইটি আইডিওলজির শিক্ষা, অগ্রগতি বা প্রসারকে সমর্থন বা ভর্তুকি দিতে এই তহবিল ব্যবহার করতে না পারে:<br>(ক) কে-১২ পাঠ্যক্রম, শিক্ষা, কর্মসূচি বা কার্যক্রমে; অথবা<br>(খ) কে-১২ শিক্ষক সার্টিফিকেশন, লাইসেন্সিং, কর্মসংস্থান বা প্রশিক্ষণে;<br>(৩) প্রযোজ্য আইনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে সর্বোচ্চ পর্যায় পর্যন্ত ফেডারেল তহবিল প্রতিরোধ বা বাতিলের জন্য প্রতিটি সংস্থার প্রক্রিয়া। এর লক্ষ্য হলো কোনো ইএসএ, এসইএ, এলইএ, প্রাথমিক বিদ্যালয় বা মাধ্যমিক বিদ্যালয় যেন প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কোনো অপ্রাপ্তবয়স্ক শিক্ষার্থীর সামাজিক রূপান্তরকে সমর্থন বা ভর্তুকি দিতে এই তহবিল ব্যবহার করতে না পারে। এর মধ্যে স্কুলের কর্মী বা শিক্ষকদের মাধ্যমে অথবা অপ্রাপ্তবয়স্ক শিক্ষার্থীর সামাজিক রূপান্তরের বিষয়টি তার পিতামাতার কাছ থেকে ইচ্ছাকৃতভাবে গোপন করার বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.whitehouse.gov/presidential-actions/2025/01/ending-radical-indoctrination-in-k-12-schooling/ নির্বাহী আদেশ ১৪১৯০: "কে-১২ শিক্ষায় উগ্র মতাদর্শিক মগজধোলাই বন্ধ করা"], ২৯ জানুয়ারি ২০২৫
===== উদ্বোধনী ভাষণ (২০ জানুয়ারি ২০২৫) =====
* আজ থেকে আমাদের দেশ সমৃদ্ধ হবে এবং সারা বিশ্বে আবারও সমাদৃত হবে। আমরা প্রতিটি জাতির ঈর্ষার পাত্র হব। আমরা আর কাউকে আমাদের সুযোগ নিতে দেব না। ট্রাম্প প্রশাসনের প্রতিটি দিন আমি খুব সহজভাবে আমেরিকাকেই সবার আগে রাখব।
* আমার সাম্প্রতিক নির্বাচন হলো একটি ভয়ানক বিশ্বাসঘাতকতা এবং ঘটে যাওয়া এই অসংখ্য বিশ্বাসঘাতকতাগুলোকে পুরোপুরি উল্টে দেওয়ার একটি ম্যান্ডেট। এর উদ্দেশ্য হলো জনগণকে তাদের বিশ্বাস, সম্পদ, গণতন্ত্র এবং প্রকৃতপক্ষে তাদের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দেওয়া। এই মুহূর্ত থেকে আমেরিকার পতনের অবসান হলো।
* মাত্র কয়েক মাস আগে পেনসিলভানিয়ার একটি সুন্দর মাঠে একজন গুপ্তঘাতকের বুলেট আমার কান ভেদ করে গিয়েছিল। তবে আমি তখন অনুভব করেছিলাম এবং এখন আরও বেশি বিশ্বাস করি যে একটি বিশেষ কারণেই আমার জীবন রক্ষা পেয়েছিল। '''আমেরিকাকে আবারও মহান করার জন্যই ঈশ্বর আমাকে রক্ষা করেছেন।'''
* আজ আমি বেশ কয়েকটি ঐতিহাসিক নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করব। এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে আমরা আমেরিকার সম্পূর্ণ পুনরুদ্ধার এবং সাধারণ জ্ঞানের বিপ্লব শুরু করব। এটি পুরোপুরিই সাধারণ জ্ঞানের বিষয়।
* আমরা কেবল আমাদের জয় করা যুদ্ধগুলো দিয়েই আমাদের সাফল্য পরিমাপ করব না। বরং যেসব যুদ্ধ আমরা শেষ করব এবং সম্ভবত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণভাবে, যেসব যুদ্ধে আমরা কখনোই জড়াব না, সেগুলো দিয়েও সাফল্য পরিমাপ করব। আমার সবচেয়ে গর্বের উত্তরাধিকার হবে একজন শান্তিস্থাপক এবং ঐক্যবদ্ধকারীর ভূমিকা। আমি ঠিক এটাই হতে চাই। একজন শান্তিস্থাপক এবং একজন ঐক্যবদ্ধকারী।
* কোনো কিছু করা অসম্ভব—এমনটা যে কখনোই বিশ্বাস করা উচিত নয়, তার প্রমাণ হিসেবে আমি এখন আপনাদের সামনে দাঁড়িয়ে আছি। আমেরিকায় আমরা অসম্ভব কাজগুলোই সবচেয়ে ভালোভাবে করি।
* আমরা সাহসিকতার সাথে দাঁড়াব, আমরা গর্বের সাথে বাঁচব, আমরা সাহসের সাথে স্বপ্ন দেখব। কোনো কিছুই আমাদের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াবে না কারণ আমরা আমেরিকান। ভবিষ্যৎ আমাদের, এবং আমাদের সোনালি যুগ সবেমাত্র শুরু হয়েছে।
**[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://en.wikisource.org/wiki/Donald_Trump%27s_Inaugural_Address_(2025) দ্বিতীয় উদ্বোধনী ভাষণ], ২০ জানুয়ারি ২০২৫
==== ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ====
* মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান ও আইন দ্বারা প্রেসিডেন্ট হিসেবে আমার ওপর অর্পিত ক্ষমতা বলে এবং নারী ও মেয়েদের নিরাপদ ও সুষ্ঠু খেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ রক্ষার্থে এতদ্বারা নির্দেশ দেওয়া যাচ্ছে যে: ধারা ১। নীতি এবং উদ্দেশ্য। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং অ্যাথলেটিক অ্যাসোসিয়েশন পুরুষদের নারীদের খেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার অনুমতি দিয়েছে। এটি নারী ও মেয়েদের জন্য অবমাননাকর, অন্যায্য এবং বিপজ্জনক। এটি নারী ও মেয়েদের প্রতিযোগিতামূলক খেলাধুলায় অংশগ্রহণ ও শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের সমান সুযোগ থেকে বঞ্চিত করে।<br>তাই নারী ও মেয়েদের ন্যায্য অ্যাথলেটিক সুযোগ থেকে বঞ্চিত করে এমন শিক্ষামূলক কর্মসূচিগুলো থেকে সমস্ত তহবিল প্রত্যাহার করা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নীতি। কারণ এটি নারী ও মেয়েদের বিপন্ন, অপমানিত ও স্তব্ধ করে দেয় এবং তাদের গোপনীয়তা থেকে বঞ্চিত করে। নিরাপত্তা, ন্যায্যতা, মর্যাদা এবং সত্যের খাতিরে নারীদের খেলায় পুরুষদের প্রতিযোগিতামূলক অংশগ্রহণের ব্যাপকভাবে বিরোধিতা করাও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নীতি হবে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.whitehouse.gov/presidential-actions/2025/02/keeping-men-out-of-womens-sports/ নির্বাহী আদেশ ১৪২০১: "পুরুষদের নারীদের খেলাধুলা থেকে দূরে রাখা"], ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
* ব্যুরো অফ এডুকেশনাল অ্যান্ড কালচারাল অ্যাফেয়ার্সের স্পোর্টস ডিপ্লোম্যাসি ডিভিশন এবং জাতিসংঘে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধির মাধ্যমসহ পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিচের পদক্ষেপগুলো নেবেন:<br>(১) মানুষের সাথে মানুষের ক্রীড়া বিনিময় বা অন্যান্য ক্রীড়া কর্মসূচিতে সমর্থন ও অংশগ্রহণ প্রত্যাহার করা, যেখানে প্রাসঙ্গিক নারী ক্রীড়া ক্যাটাগরিটি জন্মগত লিঙ্গের বদলে পরিচয়ের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.whitehouse.gov/presidential-actions/2025/02/keeping-men-out-of-womens-sports/ নির্বাহী আদেশ ১৪২০১: "পুরুষদের নারীদের খেলাধুলা থেকে দূরে রাখা"], ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
*তারা সেটি [ট্রাম্পকে হত্যার চেষ্টা] করেনি এবং এমনটি করা তাদের জন্য একটি ভয়ানক ব্যাপার হবে। আমার কারণে নয়, তারা যদি এটি করে, তবে তারা নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে। সেটাই হবে শেষ। আমি নির্দেশ দিয়ে রেখেছি, যদি তারা এটি করে, তবে তারা নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে, কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না।
**ইরানের ওপর 'সর্বোচ্চ চাপ' প্রয়োগের নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষরের পর ইরান এবং তাদের প্রক্সিদের দ্বারা তাকে হত্যার হুমকির বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই মন্তব্য করেন। উদ্ধৃতি: ''দ্য হিল''; [https://thehill.com/homenews/administration/5126429-trump-iran-assassinate/ ট্রাম্প সতর্ক করেছেন যে তিনি গুপ্তহত্যার শিকার হলে ইরানকে 'নিশ্চিহ্ন' করার নির্দেশ দিয়ে গেছেন] (৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫)।
*ফিলিস্তিনিরা গাজায় ফিরে যেতে চাওয়ার একমাত্র কারণ হলো তাদের কোনো বিকল্প নেই। এটি এখন শুধুই একটি ধ্বংসস্তূপ। এটি কেবলই একটি ধ্বংসস্তূপ। কার্যত প্রতিটি ভবনই ধসে পড়েছে। তারা পড়ে থাকা কংক্রিটের নিচে বসবাস করছে; এটি অত্যন্ত বিপজ্জনক এবং অনিরাপদ। এর বদলে তারা ঘরবাড়ি ও নিরাপত্তাসহ একটি সুন্দর এলাকা দখল করতে পারে। সেখানে ফিরে গিয়ে আবার একই কাজ করার বদলে তারা শান্তি ও সম্প্রীতির মধ্যে জীবন কাটাতে পারে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গাজা উপত্যকার নিয়ন্ত্রণ নেবে এবং আমরা সেখানে কাজও করব। আমরা এর মালিকানা নেব এবং সাইটটিতে থাকা সমস্ত বিপজ্জনক অবিস্ফোরিত বোমা ও অন্যান্য অস্ত্র নিষ্ক্রিয় করার দায়িত্ব নেব। আমরা সাইটটি সমতল করব এবং ধ্বংসপ্রাপ্ত ভবনগুলো সরিয়ে ফেলব, পুরো জায়গাটি সমান করব। আমরা এমন একটি অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটাব যা ওই এলাকার মানুষের জন্য অসীম সংখ্যক কর্মসংস্থান এবং বাসস্থানের ব্যবস্থা করবে। একটি সত্যিকারের কাজ করব, ভিন্ন কিছু করব।<br>... তাই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার স্থিতিশীলতা ও শক্তি দিয়ে এর মালিকানা নিলে, বিশেষ করে গত বেশ অল্প সময়ে, আমি বলব নির্বাচনের পর থেকে আমরা যে শক্তি গড়ে তুলছি এবং তৈরি করেছি, তার মাধ্যমে আমরা খুব শক্তিশালী, ক্ষমতাধর এবং এলাকার জন্য খুব ভালো কিছুর দারুণ রক্ষক হতে পারব বলে আমি মনে করি। এটি শুধু ইসরায়েলের জন্যই নয়, পুরো মধ্যপ্রাচ্যের জন্যই ভালো হবে।<br>... আমি দীর্ঘমেয়াদে একটি মালিকানার অবস্থান দেখতে পাচ্ছি এবং আমি দেখছি এটি মধ্যপ্রাচ্যের ওই অংশে, এবং হয়তো পুরো মধ্যপ্রাচ্যেই দারুণ স্থিতিশীলতা বয়ে আনবে। আমি যাদের সাথেই কথা বলেছি—এই সিদ্ধান্তটি হালকাভাবে নেওয়া হয়নি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ওই জমির মালিকানা নেবে, হাজার হাজার কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে এবং এমন একটি চমৎকার এলাকায় অসাধারণ কিছু তৈরি করবে যা কেউ কল্পনাও করতে পারেনি—এই ধারণাটি আমি যাদের সাথে কথা বলেছি, তাদের সবারই খুব পছন্দ হয়েছে।
**[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ''মিডল ইস্ট আই''; [https://www.middleeasteye.net/news/full-text-trump-and-netanyahus-explosive-news-conference ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর বিস্ফোরক সংবাদ সম্মেলনের সম্পূর্ণ প্রতিলিপি] থেকে উদ্ধৃত (৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫)
*যে বিচারকরা এমন রায় দেবেন, তাদের প্রতি আমরা খুবই হতাশ। তবে আমাদের বহুদূর যেতে হবে। আমাদের দেখতে হবে, বর্তমানে চলমান সমস্ত জালিয়াতি খুঁজে বের করতে হবে। আমাদের ব্যাপক জালিয়াতি, বিপুল অপচয়, এবং প্রচুর অপব্যবহার ও চুরি রয়েছে। আর যেদিন আপনাকে চুরি এবং জালিয়াতি ইত্যাদি খুঁজতে দেওয়া হবে না, সেদিন আমাদের দেশের আর বেশি কিছু অবশিষ্ট থাকবে না। তাই, সত্যি বলতে কোনো বিচারককে এই ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার অনুমতি দেওয়া উচিত নয়। এটি একটি লজ্জাজনক বিষয়।
**ট্রেজারি বিভাগের তদন্তে ডিওজিইকে বাধা দিয়ে আদালতের আদেশের বিষয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] এই কথা বলেন। উদ্ধৃতি: ''নিউজব্রেক''; [https://www.newsbreak.com/the-new-republic-1991457/3799841114310-trump-s-reaction-to-court-order-blocking-doge-is-as-ominous-as-it-gets ডিওজিইকে বাধা দেওয়া আদালতের আদেশে ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়া যতটা সম্ভব অশুভ] (১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৫)।
*আপনারা কি উৎপীড়কদের চেনেন? উৎপীড়ক কী, তা তো জানেন, তাই না? আমি সবসময় দেখেছি, আর সারাজীবন জুড়েই দেখেছি, একজন উৎপীড়ক হলো সবচেয়ে দুর্বল ব্যক্তি। আর তারা উৎপীড়ক। হামাস হলো উৎপীড়ক। সবচেয়ে দুর্বল মানুষরাই উৎপীড়ক হয়। এটা তো আপনারা জানেন, তাই না?
**[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ''হাফপোস্ট''; [https://www.msn.com/en-us/news/politics/stunning-freudian-slip-trump-s-hot-take-on-bullies-leads-to-epic-self-own/ar-AA1ySPe3 'আশ্চর্যজনক ফ্রয়েডিয়ান স্লিপ': বুলি নিয়ে ট্রাম্পের কড়া মন্তব্যে চরম 'সেলফ ওন'] (১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫)
*আমার মনে হয় এই যুদ্ধ শেষ করার ক্ষমতা আমার আছে, এবং আমি মনে করি এটি খুব ভালোভাবে এগোচ্ছে। কিন্তু আজ আমি শুনলাম, 'ওহ, আচ্ছা, আমাদের তো আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।' দেখুন, আপনারা তিন বছর ধরে সেখানে আছেন। আপনাদের কখনোই এটি শুরু করা উচিত হয়নি। আপনারা একটি চুক্তি করতে পারতেন...</br>আমি ইউক্রেনের জন্য এমন একটি চুক্তি করতে পারতাম যা তাদের প্রায় সমস্ত জমি, সবকিছু, প্রায় সমস্ত জমি দিয়ে দিত। কোনো মানুষকে হত্যা করা হতো না, কোনো শহর ধ্বংস হতো না এবং একটি গম্বুজও ভেঙে পড়ত না। কিন্তু তারা সেভাবে না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।
**[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ''এনবিসি নিউজ''; [https://www.nbcnews.com/politics/donald-trump/trump-says-ukraine-should-never-have-started-it-remarks-war-russia-rcna192710 ট্রাম্প বলেছেন ইউক্রেনের কখনোই যুদ্ধ 'শুরু করা উচিত হয়নি'] (১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫)
* [[w:নিউ ইয়র্ক সিটিতে কনজেশন প্রাইসিং|কনজেশন প্রাইসিং]] শেষ। ম্যানহাটন এবং পুরো নিউ ইয়র্ক রক্ষা পেয়েছে। রাজা দীর্ঘজীবী হোন!
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://x.com/WhiteHouse/status/1892295984928993698 হোয়াইট হাউসের অফিসিয়াল এক্স অ্যাকাউন্টে বার্তা (১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৫)]
*মেইন কি এখানে আছেন, মেইনের গভর্নর?<br>''গভর্নর জ্যানেট মিলস: আমি এখানে আছি।''<br>আপনি কি [ট্রান্সজেন্ডার অ্যাথলেটদের বিষয়ে স্বাক্ষরিত নির্বাহী আদেশ] মেনে চলবেন না?<br>''মিলস: আমি অঙ্গরাজ্য এবং ফেডারেল আইন মেনে চলছি।''<br>আমরাই ফেডারেল আইন। আপনার এটা মানাই ভালো হবে, আপনার এটা মানাই ভালো, কারণ আপনি যদি এটি না মানেন তবে আপনি কোনো ফেডারেল অর্থায়ন পাবেন না।<br>''মিলস: আমরা আইন মেনে চলব।''<br>আপনার মেনে চলাই ভালো। অন্যথায়, আপনি কোনো ফেডারেল অর্থায়ন পাচ্ছেন না।<br>''মিলস: আপনার সাথে আদালতে দেখা হবে।''<br>ভালো, আপনার সাথে আদালতেই দেখা হবে। আমি সেটির অপেক্ষায় আছি। ওটা খুব সহজ একটা ব্যাপার হবে। আর গভর্নর পদ ছাড়ার পরের জীবন উপভোগ করুন, কারণ আমার মনে হয় না আপনি আর নির্বাচিত রাজনীতিতে থাকবেন।
**[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], ''এনবিসি নিউজ''; [https://www.nbcnews.com/nbc-out/out-politics-and-policy/trump-spars-maines-governor-white-house-transgender-athletes-rcna193244 ট্রান্সজেন্ডার অ্যাথলেটদের নিয়ে হোয়াইট হাউসে মেইনের গভর্নরের সাথে ট্রাম্পের বাগবিতণ্ডা] (২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫)
==== মার্চ ২০২৫ ====
===== কংগ্রেসে যৌথ অধিবেশনের ভাষণ (৪ মার্চ ২০২৫) =====
[[File:President Trump speech to joint session of Congress, 2025.jpg|thumb|আমি এই ক্যাপিটলের গম্বুজের নিচে দাঁড়িয়ে আমেরিকার সোনালি যুগের সূচনার ঘোষণা দিয়েছিলাম। সেই মুহূর্ত থেকে আমাদের দেশের ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ এবং সবচেয়ে সফল যুগের সূচনা করতে দ্রুত এবং নিরলস পদক্ষেপ ছাড়া আর কিছুই নেওয়া হয়নি।]]
:<small>[https://www.cnn.com/interactive/2025/03/politics/transcript-speech-trump-congress-annotated-dg/ "ট্রাম্পের ২০২৫ সালের যৌথ অধিবেশনের ভাষণ, ফ্যাক্ট চেক ও টীকাযুক্ত", ''সিএনএন'' (৫ মার্চ ২০২৫)]</small>
[[File:President Donald Trump delivers his Joint address to Congress, Tuesday, March 4, 2025, in the House Chamber of the U.S. Capitol in Washington, D.C..jpg|thumb|আমরা সমগ্র ফেডারেল সরকার, বেসরকারি খাত এবং আমাদের সামরিক বাহিনী জুড়ে তথাকথিত [[বৈচিত্র্য]], [[সমতা]] এবং [[w:অন্তর্ভুক্তি (শিক্ষা)|অন্তর্ভুক্তিমূলক]] নীতির [[স্বৈরতন্ত্র|স্বৈরতন্ত্রের]] অবসান ঘটিয়েছি। আমাদের দেশ আর [[w:ওক|ওক]] থাকবে না।]]
[[File:The White House - 54366787332.jpg|thumb|জাতীয় নিরাপত্তা এবং এমনকি আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্যও আমাদের [[w:গ্রিনল্যান্ড|গ্রিনল্যান্ডকে]] প্রয়োজন। এটি পাওয়ার চেষ্টা করার জন্য আমরা সংশ্লিষ্ট সকলের সাথে কাজ করছি। <br /> তবে আন্তর্জাতিক বিশ্ব নিরাপত্তার জন্য এটি আমাদের সত্যিই প্রয়োজন। আমার মনে হয় আমরা এটি পেতে যাচ্ছি। যেকোনোভাবেই হোক, আমরা এটি পেতে চলেছি।]]
* আমেরিকা ফিরে এসেছে।<br /> ছয় সপ্তাহ আগে, আমি এই ক্যাপিটলের গম্বুজের নিচে দাঁড়িয়ে আমেরিকার সোনালি যুগের সূচনার ঘোষণা দিয়েছিলাম। সেই মুহূর্ত থেকে আমাদের দেশের ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ এবং সবচেয়ে সফল যুগের সূচনা করতে দ্রুত এবং নিরলস পদক্ষেপ ছাড়া আর কিছুই নেওয়া হয়নি। <br /> চার বা আট বছরে বেশিরভাগ প্রশাসন যা অর্জন করেছে, আমরা মাত্র ৪৩ দিনে তার চেয়ে বেশি অর্জন করেছি এবং আমরা সবেমাত্র শুরু করছি।
* আমেরিকান স্বপ্ন অদম্য। আমাদের দেশ এমন এক প্রত্যাবর্তনের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে যা বিশ্ব আগে কখনো দেখেনি এবং হয়তো আর কখনো দেখবেও না। এর আগে এমন কিছু কখনো ঘটেনি। <br /> ৫ নভেম্বরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ছিল এমন এক ম্যান্ডেট যা গত কয়েক দশকেও দেখা যায়নি। আমরা সাতটি সুইং স্টেটের সবকটিতেই জিতেছি; এটি আমাদের ৩১২ ভোটের একটি বিশাল ইলেক্টোরাল কলেজ বিজয় এনে দিয়েছে।
* গত ছয় সপ্তাহে আমাদের এই চমৎকার দেশজুড়ে সাধারণ জ্ঞান, নিরাপত্তা, আশাবাদ এবং সম্পদ পুনরুদ্ধার করতে আমি প্রায় ১০০টি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছি এবং ৪০০টিরও বেশি নির্বাহী পদক্ষেপ নিয়েছি; এটি একটি রেকর্ড। জনগণ আমাকে এই কাজটি করার জন্যই নির্বাচিত করেছে এবং আমি সেটাই করছি।
* বস্তুত, অনেকেই বলেছেন যে আমাদের প্রেসিডেন্সির প্রথম মাসটি—এটি আমাদের প্রেসিডেন্সি—আমাদের জাতির ইতিহাসে সবচেয়ে সফল মাস। আর এটিকে আরও বেশি চিত্তাকর্ষক করে তোলে যে, আপনারা কি জানেন ২ নম্বরে কে আছেন? [[জর্জ ওয়াশিংটন]]। কেমন ব্যাপারটি? আমি ওই তালিকার বিষয়ে জানি না। তবে আমরা এটি মেনে নেব।
* শপথ নেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আমি আমাদের দক্ষিণ সীমান্তে জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করি। আমাদের দেশে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে আমি মার্কিন সামরিক বাহিনী এবং বর্ডার প্যাট্রল মোতায়েন করি। তারা দারুণ কাজ করেছে। এর ফলে গত মাসে অবৈধ সীমান্ত পারাপারের সংখ্যা ছিল রেকর্ড করা ইতিহাসের সবচেয়ে কম। সর্বকালের সর্বনিম্ন।<br /> তারা আমার কথা শুনেছে এবং না আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে; এটি সবার জন্যই অনেক সহজ। এর তুলনায় আমেরিকার ইতিহাসের সবচেয়ে খারাপ প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের অধীনে মাসে লাখ লাখ অবৈধ পারাপার হতো। খুনি, মাদক ব্যবসায়ী, গ্যাংয়ের সদস্য এবং মানসিক হাসপাতাল ও পাগলাগারদের লোকসহ তাদের প্রায় সকলকেই আমাদের দেশে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। কে এমনটা করতে চাইবে?
* আমেরিকার যে পরিবর্তন প্রয়োজন তা প্রদান করতে এবং আমেরিকা যে ভবিষ্যতের দাবিদার তা নিয়ে আসতে আমার প্রশাসন প্রতিদিন লড়াই করছে। আমরা সেটি করছি। এটি বড় স্বপ্ন দেখার এবং সাহসী পদক্ষেপ নেওয়ার সময়। দায়িত্ব নেওয়ার পর পরই আমি সমস্ত ফেডারেল নিয়োগ, সমস্ত নতুন ফেডারেল প্রবিধান এবং সমস্ত বৈদেশিক সহায়তার ওপর তাৎক্ষণিক স্থগিতাদেশ আরোপ করেছি। <br /> আমি হাস্যকর 'গ্রিন নিউ স্ক্যাম' বাতিল করেছি। আমি অন্যায্য প্যারিস জলবায়ু চুক্তি থেকে বেরিয়ে এসেছি, যার জন্য আমাদের ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডলার খরচ হচ্ছিল যা অন্যান্য দেশগুলো দিচ্ছিল না। আমি দুর্নীতিগ্রস্ত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করেছি। এছাড়া আমি আমেরিকা-বিরোধী জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিল থেকেও নিজেকে সরিয়ে নিয়েছি।
* আমরা সমস্ত ফেডারেল কর্মীকে অফিসে ফেরার নির্দেশ দিয়েছি। তারা হয় সশরীরে কাজে উপস্থিত হবে, অথবা তাদের চাকরিচ্যুত করা হবে। <br /> আমরা সরকারের অস্ত্রীকরণের অবসান ঘটিয়েছি। উদাহরণস্বরূপ, যেখানে একজন ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্টকে আমার মতো তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে নিষ্ঠুরভাবে বিচার করার অনুমতি দেওয়া হয়। সেটা কতটা কাজে দিয়েছে? খুব একটা ভালো না। মোটেই ভালো না।
* আমি সমস্ত [[সরকার|সরকারি]] [[সেন্সরশিপ]] বন্ধ করেছি এবং আমেরিকায় [[বাকস্বাধীনতা]] ফিরিয়ে এনেছি। এটি ফিরে এসেছে। <br /> আর দুদিন আগে আমি [[ইংরেজি ভাষা|ইংরেজিকে]] [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের]] সরকারি [[ভাষা]] করার একটি আদেশে স্বাক্ষর করেছি। <br /> আমি [[w:মেক্সিকো উপসাগর|মেক্সিকো উপসাগরের]] নাম পরিবর্তন করে 'আমেরিকা উপসাগর' রেখেছি। একইভাবে একজন মহান প্রেসিডেন্ট [[উইলিয়াম ম্যাককিনলি|উইলিয়াম ম্যাককিনলির]] সম্মানে আমি আবারও [[w:দেনালি|মাউন্ট ম্যাককিনলি]] নামকরণ করেছি। সুন্দর [[আলাস্কা]], আমরা আলাস্কাকে ভালোবাসি। <br /> আমরা সমগ্র ফেডারেল সরকার, বেসরকারি খাত এবং আমাদের সামরিক বাহিনী জুড়ে তথাকথিত [[বৈচিত্র্য]], [[সমতা]] এবং [[w:অন্তর্ভুক্তি (শিক্ষা)|অন্তর্ভুক্তিমূলক]] নীতির [[স্বৈরতন্ত্র|স্বৈরতন্ত্রের]] অবসান ঘটিয়েছি। আমাদের দেশ আর [[w:ওক|ওক]] থাকবে না।
* মূল্যস্ফীতি আরও মোকাবিলা করার জন্য আমরা কেবল জ্বালানির ব্যয়ই কমাব না, বরং করদাতাদের ডলারের চরম অপচয়েরও অবসান ঘটাব। <br /> সেই লক্ষ্যে, আমি সম্পূর্ণ নতুন ডিপার্টমেন্ট অফ গভর্নমেন্ট এফিশিয়েন্সি (ডিওজিই) তৈরি করেছি। হয়তো আপনারা এর নাম শুনেছেন। হয়তো। <br /> এর নেতৃত্বে রয়েছেন [[ইলোন মাস্ক]], যিনি আজ রাতে গ্যালারিতে উপস্থিত আছেন। ধন্যবাদ ইলোন, তুমি অনেক পরিশ্রম করছ। তার এটার প্রয়োজন ছিল না। তার এটার দরকার ছিল না। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আমরা এর মূল্যায়ন করি। <br /> এখানে উপস্থিত সবাই, এমনকি এই দিকের লোকেরাও এর প্রশংসা করে বলে আমি বিশ্বাস করি। শুধু তারা সেটা স্বীকার করতে চায় না।
* আমি এমন কিছু করতে চাই যা গত ২৪ বছরেও করা হয়নি: ফেডারেল বাজেটের ভারসাম্য আনা। আমরা এর ভারসাম্য আনতে যাচ্ছি। <br /> সেই লক্ষ্যের কথা মাথায় রেখে, আমরা অত্যন্ত বিস্তারিতভাবে এমন একটি জিনিস তৈরি করেছি যাকে আমরা 'গোল্ড কার্ড' বলছি। এটি খুব শিগগিরই বিক্রি শুরু হবে। ৫ মিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে আমরা সারা বিশ্ব থেকে সবচেয়ে সফল, কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী ব্যক্তিদের মার্কিন নাগরিকত্ব পাওয়ার পথ কেনার সুযোগ দেব। এটি গ্রিন কার্ডের মতোই, তবে আরও ভালো এবং আরও অত্যাধুনিক।
* আমরা আমাদের স্কুল এবং সামরিক বাহিনী থেকে 'ওকনেস' দূর করছি। এটি ইতোমধ্যেই দূর হয়ে গেছে এবং আমাদের সমাজ থেকেও বিদায় নিয়েছে। আমরা এটি চাই না। ওকনেস সমস্যাযুক্ত। ওকনেস খারাপ। এটি চলে গেছে। এটি চলে গেছে। এর ফলে আমরা অনেক ভালো বোধ করছি, তাই না? আমরা কি ভালো বোধ করছি না?
* আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা আরও বাড়াতে আমার প্রশাসন পানামা খাল পুনরুদ্ধার করবে এবং আমরা ইতোমধ্যেই সেটি শুরু করেছি। <br /> ঠিক আজই একটি বড় আমেরিকান কোম্পানি পানামা খালের আশেপাশের দুটি বন্দর, পানামা খাল সংক্রান্ত আরও অনেক কিছু এবং অন্য কয়েকটি খাল কেনার ঘোষণা দিয়েছে।
* আজ রাতে [[w:গ্রিনল্যান্ড|গ্রিনল্যান্ডের]] অবিশ্বাস্য মানুষদের জন্যও আমার একটি বার্তা রয়েছে। আমরা আপনাদের নিজস্ব ভবিষ্যৎ নির্ধারণের অধিকারকে দৃঢ়ভাবে সমর্থন করি। আপনারা চাইলে আমরা আপনাদের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে স্বাগত জানাব। জাতীয় নিরাপত্তা এবং এমনকি আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্যও আমাদের গ্রিনল্যান্ডকে প্রয়োজন। এটি পাওয়ার চেষ্টা করার জন্য আমরা সংশ্লিষ্ট সকলের সাথে কাজ করছি। <br /> তবে আন্তর্জাতিক বিশ্ব নিরাপত্তার জন্য এটি আমাদের সত্যিই প্রয়োজন। আমার মনে হয় আমরা এটি পেতে যাচ্ছি। যেকোনোভাবেই হোক, আমরা এটি পেতে চলেছি। আমরা আপনাদের নিরাপদ রাখব। আমরা আপনাদের ধনী করব এবং একসাথে আমরা গ্রিনল্যান্ডকে এমন এক উচ্চতায় নিয়ে যাব যা আপনারা আগে কখনো ভাবতেও পারেননি। এখানকার জনসংখ্যা খুব কম হলেও এটি অনেক বিশাল একটি ভূখণ্ড এবং সামরিক নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
* আজ সকালে আমি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির কাছ থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ চিঠি পেয়েছি। চিঠিতে লেখা আছে, "স্থায়ী শান্তি আরও কাছে নিয়ে আসতে ইউক্রেন যত দ্রুত সম্ভব আলোচনার টেবিলে বসতে প্রস্তুত।" তিনি বলেছেন, "ইউক্রেনীয়দের চেয়ে বেশি শান্তি আর কেউ চায় না।" তিনি আরও বলেন, "আমার দল এবং আমি একটি স্থায়ী শান্তি অর্জনে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের শক্তিশালী নেতৃত্বের অধীনে কাজ করতে প্রস্তুত। ইউক্রেনকে তার সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতা বজায় রাখতে সাহায্য করার জন্য আমেরিকা যা করেছে আমরা তার সত্যিকারের মূল্যায়ন করি। খনিজ এবং নিরাপত্তা বিষয়ক চুক্তির বিষয়ে, আপনার সুবিধামতো যেকোনো সময় ইউক্রেন এটি স্বাক্ষর করতে প্রস্তুত।" <br /> আমি তার এই চিঠি পাঠানোর প্রশংসা করছি, একটু আগেই এটি পেয়েছি। একই সময়ে রাশিয়ার সাথেও আমাদের গুরুতর আলোচনা হয়েছে। তারা যে শান্তির জন্য প্রস্তুত, এমন জোরালো ইঙ্গিতও আমরা পেয়েছি। সেটা কি চমৎকার হবে না? সেটা কি চমৎকার হবে না?
* এখন আমেরিকান স্বাধীনতার ন্যায়সঙ্গত কারণটি তুলে ধরার সময় এসেছে। আমেরিকার ভাগ্য নিজেদের হাতে তুলে নেওয়ার এবং আমাদের দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে রোমাঞ্চকর দিনগুলো শুরু করার পালা এখন আমাদের। <br /> এটি হবে আমাদের সর্বশ্রেষ্ঠ যুগ। ঈশ্বরের সাহায্যে আগামী চার বছরে আমরা এই জাতিকে আরও উচ্চতায় নিয়ে যেতে চলেছি। <br /> আমরা এই পৃথিবীর বুকে বিদ্যমান সবচেয়ে স্বাধীন, সবচেয়ে উন্নত, সবচেয়ে গতিশীল এবং সবচেয়ে প্রভাবশালী সভ্যতা গড়ে তুলতে যাচ্ছি। <br /> আমরা সর্বোচ্চ মানের জীবনযাপন তৈরি করতে যাচ্ছি। বিশ্বের যেকোনো জায়গার চেয়ে সবচেয়ে নিরাপদ, সবচেয়ে ধনী, সবচেয়ে স্বাস্থ্যবান এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সম্প্রদায়গুলো গড়ে তুলব। <br /> আমরা বিজ্ঞানের সুবিশাল সীমানা জয় করতে যাচ্ছি। মানবজাতিকে মহাকাশে নেতৃত্ব দিয়ে মঙ্গল গ্রহে এবং তারও অনেক দূরে আমরা আমেরিকার পতাকা উড়াব। <br /> আর এই সবকিছুর মধ্য দিয়ে আমরা আমেরিকান চেতনার অদম্য শক্তিকে নতুন করে আবিষ্কার করতে যাচ্ছি। আমরা আমেরিকান স্বপ্নের সীমাহীন প্রতিশ্রুতি নবায়ন করতে যাচ্ছি। প্রতিদিন আমরা রুখে দাঁড়াব এবং আমাদের নাগরিকদের বিশ্বাস করা দেশের জন্য, আমাদের জনগণের প্রাপ্য দেশের জন্য আমরা লড়ে যাব, লড়ে যাব, লড়ে যাব। <br /> আমার সহকর্মী আমেরিকানরা, এক অবিশ্বাস্য ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত হোন। কারণ আমেরিকার সোনালি যুগ সবেমাত্র শুরু হয়েছে। <br /> এটি এমন কিছু হবে যা আগে কখনো দেখা যায়নি।
==== এপ্রিল ২০২৫ ====
* ট্রাম্পের অভিষেকের পর থেকে আমেরিকানদের মনস্তত্ত্বে কোথাও একটা ফাটল ধরেছে। গণতন্ত্রের স্থায়িত্ব, অগ্রগতির অনিবার্যতা, ন্যায়বিচারের দিকে বাধ্য হয়ে ঝুঁকে থাকা নৈতিকতার বাঁক—যেসব সান্ত্বনাদায়ক কল্পকাহিনির ওপর ভিত্তি করে আমরা বড় হয়েছি, সেগুলো এখন প্রকাশ্যে ক্ষয় হতে শুরু করেছে। এই বিভ্রম ভেঙে পড়ার সাথে সাথে অনেকেই এক তিক্ত বাস্তবতার মুখোমুখি হচ্ছেন। তারা বুঝতে পারছেন যে যেকোনো জীবন্ত প্রাণীর মতোই গণতন্ত্রেরও পরিচর্যা করা প্রয়োজন। অথচ আমরা বিভ্রান্ত, নিশ্চল এবং বিনোদনের মোহে আচ্ছন্ন হয়ে সেই বাগানের পরিচর্যা করতে অবহেলা করেছি।<br>তবে আমাদের কারো কারো কাছে এটি কোনো নতুন উপলব্ধি নয়। এটি কেবল একটি নিশ্চিতকরণ। যারা সস্তায় আওয়াজ তোলাকে মূল বিষয় বলে ভুল করতে নারাজ, তাদের কাছে কর্তৃত্ববাদের ধীরগতির পচন অনেক আগে থেকেই দৃশ্যমান। স্কুল বোর্ডের সভাগুলোতে, "নিরাপত্তা"র মোড়কে ঢাকা ভোটার দমন বিলগুলোতে কিংবা স্লোগানে কথা বলা এবং বিদ্বেষ থেকে আইন প্রণয়নকারী পণ্ডিতদের মধ্যে আমরা এর বিস্তার দেখেছি। এটি ব্যবস্থার কোনো ত্রুটি নয়, বরং এটিই হলো আসল ব্যবস্থা; এটি শেষ পর্যন্ত নিজের রূপ প্রকাশ করছে।<br>আমেরিকান ফ্যাসিবাদ মার্চিং বুট বা আর্মব্যান্ড পরে আসে না। এটি পতাকার পিন পরে এবং মিথ্যার মধ্য দিয়ে হাসতে হাসতে আসে। এটি স্বাধীনতার অর্থকে ধ্বংস করার সময়ও স্বাধীনতার ভাষায় কথা বলে। ঐক্যের কথা প্রচার করলেও এটি দেওয়াল তোলে। আইন ও শৃঙ্খলার দাবি করার সাথে সাথে এটি উভয়কেই অপবিত্র করে। এর আসল চাতুর্য রয়েছে এর সাধারণত্বের মধ্যে। এটি চমকে দেয় না, বরং এটি অনুভূতিহীন করে তোলে। এটি একসাথে সব ক্ষমতা দখল করে না। যতক্ষণ না পর্যন্ত কেবল আপনার সম্মতির প্রতিধ্বনিটুকু অবশিষ্ট থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত এটি আপনাকে একটু একটু করে ক্ষমতা ছেড়ে দিতে রাজি করায়।
** অলিভার কর্নেটজকে, [https://mountainindivisible.org/news/2025/04/23/we-have-failed-to-tend-the-garden/ "আমরা বাগানের যত্ন নিতে ব্যর্থ হয়েছি"], ফেসবুকে প্রথম প্রকাশিত (এবং পরে মুছে ফেলা হয়েছে), ''মাউন্টেইন ইনডিভিজিবল'' কর্তৃক পুনঃপ্রকাশিত, ২৩ এপ্রিল ২০২৫
* আর তবুও, এমনকি এখনও, কিছু একটা প্রতিরোধ করছে। বিভ্রম কাটতে শুরু করেছে। যন্ত্রটা হাঁপাচ্ছে। এই লোকদেখানো আড়ম্বরে যারা একসময় মোহাচ্ছন্ন ছিল, তাদের অনেকেই এখন সচেতনতায় ফিরে আসছে। স্লোগানগুলো এখন ফাঁকা মনে হচ্ছে। ক্ষোভটাকে কৃত্রিম মনে হচ্ছে। প্রতি সপ্তাহের নতুন কোনো 'শত্রু' খোঁজার বিষয়টি এখন মতাদর্শের চেয়ে প্রতারণা বলেই বেশি মনে হচ্ছে।<br>যারা অনুশোচনা, অবিশ্বাস বা লজ্জার সাথেই হোক না কেন, এটি দেখতে শুরু করেছেন—তাদের কাছে অনুনয়-বিনয় করার কোনো প্রয়োজন নেই। নিজেকে কষ্ট দেওয়ার মধ্যে কোনো নৈতিক উপযোগিতা নেই। শুধু এগিয়ে আসুন। নিজেদের ভবিষ্যতের বিরুদ্ধে আর অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হতে অস্বীকৃতি জানানো মানুষদের কাতারে যোগ দিন। এই ক্ষেত্রে মুক্তি কোনো আধ্যাত্মিক বিষয় নয়, এটি নাগরিক দায়িত্ব।<br>তবে এটি বুঝতে হবে: মাঝামাঝি কোনো জায়গা আর নেই। এমন নয় যে সূক্ষ্মতার মৃত্যু হয়েছে, বরং বিষয়গুলোর গুরুত্ব এখন দ্ব্যর্থকতার পর্যায় পার হয়ে গেছে। এটি কোনো দলের প্রতি সমর্থনের বিষয় নয়। এটি এমন একটি বিষয় যেখানে আমরা যে সমাজকে রেখে যাচ্ছি, তা সত্য নাকি সুবিধাকে মূল্য দেয়, সংহতি নাকি বশ্যতাকে মূল্য দেয়—সেটিই আসল প্রশ্ন।<br>হতাশা যতই প্রলুব্ধকর হোক না কেন, এটিকে অন্য যেকোনো প্রোপাগান্ডার মতোই সন্দেহের চোখে দেখা উচিত। এটি ইচ্ছাশক্তিকে পঙ্গু করে দেওয়ার পাশাপাশি অহংকারকে সন্তুষ্ট করে। এটি আপনাকে বোঝায় যে পরোয়া করা অর্থহীন, প্রতিরোধ কেবলই প্রতীকী এবং উদাসীনতাই হলো আসল পরিশীলিত রূপ। কিন্তু হতাশা কোনো প্রজ্ঞা নয়—এটি বুদ্ধিমত্তার মোড়কে আত্মসমর্পণেরই নামান্তর।
** অলিভার কর্নেটজকে, [https://mountainindivisible.org/news/2025/04/23/we-have-failed-to-tend-the-garden/ "আমরা বাগানের যত্ন নিতে ব্যর্থ হয়েছি"], ফেসবুকে প্রথম প্রকাশিত (এবং পরে মুছে ফেলা হয়েছে), ''মাউন্টেইন ইনডিভিজিবল'' কর্তৃক পুনঃপ্রকাশিত, ২৩ এপ্রিল ২০২৫
* তাই হ্যাঁ—ক্ষোভ অনুভব করুন। একে প্রস্ফুটিত হতে দিন। তবে একে পরিশীলিত করুন। একে কাজে লাগান। এই মুহূর্তের উত্তর পিছু হঠা নয়। আর পরিপক্কতার ছদ্মবেশে থাকা পরিমিতিবোধ তো একেবারেই নয়। এর উত্তর হলো সম্পৃক্ততা—প্রকৃত, টেকসই এবং অপূর্ণ সম্পৃক্ততা। এমন সম্পৃক্ততা যা রক্ষা করার মতো কিছু তৈরি করে।<br>কারণ কেউ আমাদের বাঁচাতে আসছে না। কোনো অভিভাবক, কোনো দল, নিখুঁতভাবে বলা কোনো নীতি একাই এই পতন ঠেকাতে পারবে না। শুধু আমরাই আছি—ত্রুটিপূর্ণ, ক্লান্ত, ক্ষুব্ধ, কিন্তু এখনও একটি উন্নত ভবিষ্যতের দর্শনের সাথে আবদ্ধ। এখনও আমরা অবাধ্য হতে সক্ষম। আমরা কে, তা এখনও মনে করতে পারি।<br>আর এই বিষয়টি মনে রাখতে হবে: এই পতন পূর্বনির্ধারিত নয়। এটি মাধ্যাকর্ষণ নয়। এটি প্রকৃতির এমন কোনো অপরিবর্তনীয় নিয়ম নয় যা আমাদের অন্ধকারের দিকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে। এটি আমাদের সম্মতিক্রমেই হচ্ছে—আমরা যা সহ্য করি তার দ্বারা এটি সক্ষম হয়, আমরা যা এড়িয়ে যাই তার দ্বারা এটি ইন্ধন পায়, এবং আমরা যা হতে দিই, পুরোপুরি তার দ্বারাই এটি রূপ লাভ করে। ইতিহাস পাথরে খোদাই করা থাকে না। মানুষের হাতে প্রতি মুহূর্তে এটি রচিত হয়। যে হাত ধ্বংস করতে পারে, সে হাত ঠিক তত সহজেই গড়তেও পারে।<br>আমরা মাঝে মাঝে ভুলে যাই যে আমাদের ছাড়া তাদের কোনো অস্তিত্ব নেই। স্বৈরাচারের মদদদাতাদেরও প্রতিবেশী আছে। পরিবার আছে। পুরোনো বন্ধু আছে। কেউ তাদের সাইকেল চালানো শিখিয়েছে, পড়তে শিখিয়েছে, প্রার্থনা করতে শিখিয়েছে। কেউ তাদের ভালোবেসেছে। এবং কেউ না কেউ এখনও তাদের কাছে পৌঁছাতে পারে।
** অলিভার কর্নেটজকে, [https://mountainindivisible.org/news/2025/04/23/we-have-failed-to-tend-the-garden/ "আমরা বাগানের যত্ন নিতে ব্যর্থ হয়েছি"], ফেসবুকে প্রথম প্রকাশিত (এবং পরে মুছে ফেলা হয়েছে), ''মাউন্টেইন ইনডিভিজিবল'' কর্তৃক পুনঃপ্রকাশিত, ২৩ এপ্রিল ২০২৫
* এভাবেই আমরা গতিপথ পরিবর্তন করতে পারি। কোনো পাশবিক শক্তি দিয়ে নয়, বরং সাহসী আলোচনার মাধ্যমে। অস্ত্র দিয়ে পরাস্ত করে নয়, বরং টিকে থাকার মাধ্যমে। যেখানে একসময় আনুগত্যের বাস ছিল, সেখানে সন্দেহের বীজ বপন করে। মুষ্টিবদ্ধ হাতের বদলে বাড়িয়ে দেওয়া হাতের মাধ্যমে। একে অপরকে হারানো উদ্দেশ্য হিসেবে দেখতে অস্বীকৃতি জানিয়ে।<br>সহিংসতাই প্রতিরোধের একমাত্র ভাষা নয়। আমাদের অস্বীকৃতি—যা সুস্পষ্ট, শান্ত, অটল এবং অহিংস—এটি নিজেই এক ধরনের বিদ্রোহ। প্রতিবার যখন আমরা শাস্তির বদলে কাউকে রাজি করাই, প্রতিবার যখন আমরা পথভ্রষ্ট হওয়া সত্ত্বেও কাউকে অমানুষ হিসেবে দেখতে অস্বীকৃতি জানাই, তখন আমরা যে পৃথিবীতে বাস করতে চাই তার একটি অংশ পুনরুদ্ধার করি।<br>কারণ দিনশেষে, আমরা একে অপরের সাথে আবদ্ধ—চাই বা না চাই। মানুষের এই অভিন্ন অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসার কোনো পথ নেই। কেউ না কেউ সবসময় কাউকে চেনে। কারো না কারো কাছে সবসময় একটি পছন্দ থাকে। আর মাঝে মাঝে পুরো যন্ত্রটাকে থামিয়ে দেওয়ার জন্য সঠিক জায়গায় কেবল একজন দলত্যাগী, সঠিক মুহূর্তে একটি প্রত্যাখ্যান, এমন একজনকে প্রয়োজন যে "না" বলতে এবং সেটা বোঝাতে প্রস্তুত।<br>তাই মনে রাখবেন: আমরা যদি না বানাই, তবে এটি আশাহীন নয়। আমরা যদি ভাগ্য হিসেবে না মেনে নিই, তবে এটি ভাগ্য নয়। এটি আমাদের। এটি এখনও আমাদেরই।<br>আর যখন তারা জিজ্ঞেস করবে আগুন বাড়ার সময় আমরা কী করেছি, আমরা বলব: আমরা আমাদের মানবিকতাকে স্মরণ করেছি।<br>আমরা একে অপরকে স্মরণ করেছি।<br>এবং আমরা দাঁড়িয়েছি—একসাথে।
** অলিভার কর্নেটজকে, [https://mountainindivisible.org/news/2025/04/23/we-have-failed-to-tend-the-garden/ "আমরা বাগানের যত্ন নিতে ব্যর্থ হয়েছি"], ফেসবুকে প্রথম প্রকাশিত (এবং পরে মুছে ফেলা হয়েছে), ''মাউন্টেইন ইনডিভিজিবল'' কর্তৃক পুনঃপ্রকাশিত, ২৩ এপ্রিল ২০২৫
==== জুন ২০২৫ ====
* '''টেরি গ্রস''': "হার্ভার্ডের আইনি কৌশল বা সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে আপনি কি কোনো আনুষ্ঠানিক বা অনানুষ্ঠানিক ভূমিকা পালন করছেন?"<br>'''নোয়া ফেল্ডম্যান''': "না। বিশ্ববিদ্যালয়টি একটি চমৎকার নীতি মেনে চলে। এর প্রতিনিধিত্বকারী আইনজীবী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিত্ব কেমন হওয়া উচিত তা নিয়ে বিস্তর ধারণা রাখা আইন অনুষদের মধ্যে একটি দেয়াল তৈরি করে রাখে। তাই একজন সংবিধান বিশেষজ্ঞ হিসেবে আমার প্রধান ভূমিকা হলো বিষয়গুলো বিশ্লেষণ করা, সেগুলো নিয়ে লেখালেখি করা এবং কথা বলা। আর এই মুহূর্তে এটিই আমার জন্য সঠিক কাজ।"
** [[নোয়া ফেল্ডম্যান]], ৩ জুন ২০২৫-এ টেরি গ্রসের সাথে এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ''এনপিআর''; [https://www.npr.org/2025/06/04/nx-s1-5422325/trumps-billion-dollar-war-on-harvard-explained/ "হার্ভার্ডের ওপর ট্রাম্পের বিলিয়ন ডলারের যুদ্ধ, ব্যাখ্যাসহ"] (৪ জুন ২০২৫)
* এক বছর আগে, হার্ভার্ডের সমাবর্তন বা আমাদের স্নাতক অনুষ্ঠান প্রতিবাদী শিক্ষার্থীদের কারণে উল্লেখযোগ্যভাবে ব্যাহত হয়েছিল। কিছু অনুষদ সদস্যও এতে প্রতিবাদ করেন। তারা গ্র্যাজুয়েশন থেকে বেরিয়ে যান এবং বক্তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট ও হার্ভার্ডের কর্পোরেশনের (যাকে আমরা আমাদের পরিচালনা পর্ষদ বলি) নিন্দা করেন। এই বছর সমাবর্তনটি ছিল ঠিক তার বিপরীত। আমাদের প্রেসিডেন্ট অ্যালান গার্বার যখন শুধু পোডিয়ামে এসে দাঁড়িয়েছিলেন, তখন সবাই আক্ষরিক অর্থেই দাঁড়িয়ে তাকে সম্মান জানেন। বক্তার পর বক্তা বিশ্ববিদ্যালয়কে সমর্থন করার গুরুত্বের ইঙ্গিত দেন। এর মানে হলো, বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর ডোনাল্ড ট্রাম্পের আক্রমণের ফলে ক্যাম্পাস গভীরভাবে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। এক বছর আগের তুলনায় এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন। আমি বলব এটি একটি মৌলিক পরিবর্তন।
** [[নোয়া ফেল্ডম্যান]], হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির ফেলিক্স ফ্রাঙ্কফুর্টার আইনের অধ্যাপক এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের জুলিস-রবিনোভিটস প্রোগ্রাম অন জিউইশ অ্যান্ড ইসরায়েলি ল'র প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক, ৩ জুন ২০২৫-এ টেরি গ্রসের সাথে এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ''এনপিআর''; [https://www.npr.org/2025/06/04/nx-s1-5422325/trumps-billion-dollar-war-on-harvard-explained/ "হার্ভার্ডের ওপর ট্রাম্পের বিলিয়ন ডলারের যুদ্ধ, ব্যাখ্যাসহ"] (৪ জুন ২০২৫)
* '''টেরি গ্রস''': "ক্যাম্পাসে ইহুদিবিদ্বেষ মোকাবেলায় ট্রাম্পের নিয়োগ করা টাস্কফোর্স দিয়ে হার্ভার্ডের ওপর আক্রমণ শুরু হয়েছিল। আর আপনি তো জানেনই, এর ফলে হার্ভার্ডের বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের অনুদান এবং চুক্তি বাতিল হয়ে গেছে। কিন্তু ইহুদিবিদ্বেষ নিয়ে হার্ভার্ড কি ট্রাম্পের সাথে কোনো সমঝোতায় পৌঁছায়নি?"<br>'''নোয়া ফেল্ডম্যান''': "না। আমাকে গল্পটা একটু ভিন্নভাবে বলতে দিন। আমি মনে করি, আমরা এখন যে পরিস্থিতির মুখোমুখি হচ্ছি, তা শুরু হয়েছিল কংগ্রেসে হার্ভার্ডের প্রেসিডেন্ট এবং অন্য কয়েকজন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্টের সাক্ষ্য দেওয়ার মাধ্যমে। সেখানে প্রতিবাদের প্রেক্ষাপটে ক্যাম্পাস কীভাবে বাকস্বাধীনতা পরিচালনা করে, সে সম্পর্কে তাদের কয়েকটি কাল্পনিক প্রশ্ন করে বেশ চাপে ফেলা হয়েছিল। এটি হার্ভার্ডকে একটি নিশানায় পরিণত করে। আর ট্রাম্প প্রশাসন দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই একটি ধারণাকে কাজে লাগাতে খুব জোরালোভাবে চাপ দিয়ে আসছে। আমার মতে এটি একটি ভুল ধারণা যে হার্ভার্ড হলো একধরনের পক্ষপাতিত্ব, ইহুদিবিদ্বেষ এবং ইসলামোফোবিয়ার আস্তানা। উচ্চশিক্ষার ওপর একটি মৌলিক আক্রমণ চালানোর জন্যই তারা এমনটা করছে। তাদের ঘোষিত লক্ষ্য হলো—এটি তাদেরই ঘোষিত লক্ষ্য—বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রশাসনের বিশ্বাস এবং অগ্রাধিকারগুলোর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে বাধ্য করা; এটি স্পষ্টতই প্রথম সংশোধনীর লঙ্ঘন।<br>তাছাড়া, হার্ভার্ড ট্রাম্প প্রশাসনের সাথে কোনো ধরনের সমঝোতায় যায়নি। অল্প কয়েকজন শিক্ষার্থী অভিযোগ করে একটি মামলা করেছিল যে, ইহুদিবিদ্বেষের বিরুদ্ধে হার্ভার্ড পরিবেশকে পর্যাপ্তভাবে সুরক্ষিত রাখেনি। আর ট্রাম্প প্রশাসন ক্ষমতায় আসার আগেই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সেই বিষয়টি মীমাংসা করে ফেলেছিল।"
** [[নোয়া ফেল্ডম্যান]], ৩ জুন ২০২৫-এ টেরি গ্রসের সাথে এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ''এনপিআর''; [https://www.npr.org/2025/06/04/nx-s1-5422325/trumps-billion-dollar-war-on-harvard-explained/ "হার্ভার্ডের ওপর ট্রাম্পের বিলিয়ন ডলারের যুদ্ধ, ব্যাখ্যাসহ"] (৪ জুন ২০২৫)
* '''টেরি গ্রস''': "সরকারি চুক্তি বাতিলের বিষয়ে ট্রাম্পের একটি যুক্তি হলো তিনি হার্ভার্ডকে একটি প্রজনন ক্ষেত্র হিসেবে অভিযুক্ত করেছেন। আমি এখান থেকে উদ্ধৃত করছি—'এটি গুণের প্রদর্শনী এবং বৈষম্যের প্রজনন ক্ষেত্র।' আপনি এটিকে কীভাবে ব্যাখ্যা করবেন?"<br>'''[[নোয়া ফেল্ডম্যান]]''': "আচ্ছা, আমি প্রথমেই বলব যে এটি ভুল। যখন আপনাকে অপবাদ দেওয়া হয় তখন ঠিক কী বোঝানো হয়েছে তা বোঝা সবসময়ই কঠিন। কিন্তু সেই অনুভূতিটা তো আপনি জানেনই। আপনি কি সেই ধারণাটি জানেন যে এমনকি একটি কুকুরও হোঁচট খাওয়া আর লাথি খাওয়ার পার্থক্য বোঝে? ঠিক তেমনি কেউ আমাদের লাথি মারছে। এখানে একটি প্রাসঙ্গিক প্রেক্ষাপট হলো সুপ্রিম কোর্টের একটি মামলায় (এসএফএফএ মামলায়) হার্ভার্ড অন্যতম পক্ষ ছিল। প্রায় ৫০ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো সুপ্রিম কোর্ট এই মামলায় এমন ধারণা বাতিল করে দেয় যে কলেজ ভর্তির ক্ষেত্রে জাতিগত বৈচিত্র্য ব্যবহার করার একটি গ্রহণযোগ্য যৌক্তিকতা রয়েছে। আর ট্রাম্প প্রশাসন তাদের সমস্ত বাগাড়ম্বরের মধ্য দিয়ে ১৯৭৮ সাল থেকে শুরু করে প্রায় এক বছর আগে পর্যন্ত সম্পূর্ণরূপে আইনসম্মতভাবে ব্যবহৃত বৈচিত্র্যকে, তথাকথিত 'বৈষম্য' বলে উল্লেখ করে আসছে। আমার মনে হয় এটাই তাদের বাগাড়ম্বরপূর্ণ চাল।<br>দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনায় হার্ভার্ড এই দৃষ্টিভঙ্গির জন্য খুব একটা বড় প্রজনন ক্ষেত্র নয়। মূলত সব বিশ্ববিদ্যালয়ই ঠিক একই ভর্তি প্রক্রিয়া ব্যবহার করত। কেবল হার্ভার্ডকে আক্রমণ করে শিরোনাম তৈরি করা ট্রাম্পের জন্য সহজ।"<br>'''টেরি গ্রস''': "সম্ভবত এই কারণেই এখন অন্যান্য অনেক বিশ্ববিদ্যালয় চিন্তিত।"<br>'''[[নোয়া ফেল্ডম্যান]]''': "বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উদ্বিগ্ন হওয়ার অনেক কারণ রয়েছে। ট্রাম্প যদি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয়ের পেছনে লাগতে পারেন; এটি এর তহবিল, একাডেমিক উত্তরাধিকার এবং মর্যাদার দিক থেকে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য, তবে তিনি যেকোনো সমতুল্য বিশ্ববিদ্যালয়ের পেছনেও লাগতে পারেন। তাই আমি মনে করি, সব বিশ্ববিদ্যালয়েরই উদ্বিগ্ন হওয়ার খুব ভালো কারণ রয়েছে। কারণ বিশ্ববিদ্যালয়ের পেছনে লাগাটা হলো সেই ব্যক্তির খেলার কৌশলের একটি অংশ, যে কিনা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধগুলোকে ক্ষয় করার চেষ্টা করে এবং যে অন্তত স্বৈরশাসক না হলেও একনায়কতান্ত্রিক হতে চায়।<br>বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হলো স্বাধীন মতপ্রকাশ, স্বাধীন চিন্তাভাবনা এবং স্বাধীন বিশ্বাস সংরক্ষণের জায়গা। তারা সবসময়ই তা-ই ছিল। আর তাই যেকোনো দেশে কেউ যদি স্বাধীনতার সেই নিয়ম ভাঙার চেষ্টা করে, তবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোই একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়। আর ঐতিহাসিকভাবেও এটি সত্য।"
** [[নোয়া ফেল্ডম্যান]], ৩ জুন ২০২৫-এ টেরি গ্রসের সাথে এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ''এনপিআর''; [https://www.npr.org/2025/06/04/nx-s1-5422325/trumps-billion-dollar-war-on-harvard-explained/ "হার্ভার্ডের ওপর ট্রাম্পের বিলিয়ন ডলারের যুদ্ধ, ব্যাখ্যাসহ"] (৪ জুন ২০২৫)
* '''টেরি গ্রস''': "তাহলে হার্ভার্ডের ওপর ট্রাম্পের আক্রমণের আসল উদ্দেশ্য কী বলে আপনার মনে হয়?"<br>'''[[নোয়া ফেল্ডম্যান]]''': "ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাধারণত স্বল্পমেয়াদী স্বার্থের একটি লক্ষ্য থাকে এবং এর পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদী ক্ষমতার বিস্তারেরও একটি লক্ষ্য থাকে। স্বল্পমেয়াদে তার স্বার্থ হলো একটি শিরোনাম তৈরি করা। এমন একটি লোকরঞ্জক শিরোনাম তৈরি করা যা বলবে, 'ডোনাল্ড ট্রাম্প হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির সেই উদারপন্থীদের পেছনে লেগেছেন।' এটি হয়তো তার কিছু সমর্থককে খুশি করতে পারে। আর ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে সম্ভবত আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে সবার মধ্যে ভয় ছড়িয়ে দেওয়া বা ভয় জাগিয়ে তোলা। বৃহত্তর অর্থে যারা তার নীতির সাথে একমত নয়, তাদের সবার মধ্যে ভয় ঢুকিয়ে দেওয়া। আপনি তো জানেনই, এটি এমন একটি ধারণার অংশ যে প্রতিদিন আমাদের ঘুম থেকে উঠে রেডিও শুনতে হবে বা খবরের কাগজ দেখতে হবে। আর সেখানে আবিষ্কার করতে হবে যে, ট্রাম্প প্রশাসন কোনো না কোনোভাবে কোনো বিরোধীর পেছনে লেগেছে। এর ফলে ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো সত্যিই কঠিন হয়ে যায়। তাই আমার মনে হয় এটি স্বল্পমেয়াদী লক্ষ্য।<br>তবে দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্যটি হলো আমাদের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর ট্রাম্পের সামগ্রিক আক্রমণের অংশ। আপনি দেখতে পাবেন যে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়, সংবাদমাধ্যম এবং আদালতের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোর পেছনে লাগতে বেশি পছন্দ করেন। এই প্রতিষ্ঠানগুলো মূলত স্বাধীন বিচার ও স্বাধীন চিন্তার প্রতি নিবেদিত। '''আমাদের স্বাধীন বিশ্ববিদ্যালয় প্রয়োজন। আমাদের একটি স্বাধীন সংবাদমাধ্যম প্রয়োজন। আর অবশ্যই, আমাদের স্বাধীন আদালত প্রয়োজন। ট্রাম্প স্বাধীনতা পছন্দ করেন না কারণ স্বাধীন প্রতিষ্ঠানগুলো তাকে না বলতে পারে। আর তিনি এসব প্রতিষ্ঠানের স্বাধীনতা যত দুর্বল করতে পারবেন, নিজের এজেন্ডাকে তত বেশি প্রভাবশালী করতে পারবেন। শেষ পর্যন্ত, এর মানে হলো ট্রাম্প নিজের দৃষ্টিভঙ্গি সবার ওপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন।'''"
** [[নোয়া ফেল্ডম্যান]], ৩ জুন ২০২৫-এ টেরি গ্রসের সাথে এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ''এনপিআর''; [https://www.npr.org/2025/06/04/nx-s1-5422325/trumps-billion-dollar-war-on-harvard-explained/ "হার্ভার্ডের ওপর ট্রাম্পের বিলিয়ন ডলারের যুদ্ধ, ব্যাখ্যাসহ"] (৪ জুন ২০২৫)
* ওয়াশিংটন । প্রগতিশীল নেতা এবং সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স বলেছেন, লস অ্যাঞ্জেলেসে অভিবাসন সংক্রান্ত বিক্ষোভ দমনের জন্য ট্রাম্প ২,০০০ ন্যাশনাল গার্ড সেনা মোতায়েন করার পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প "এই দেশকে দ্রুত স্বৈরতন্ত্রের দিকে নিয়ে যাচ্ছেন" বলে তিনি বিশ্বাস করেন। "এই লোকটি সমস্ত ক্ষমতা চায়। সে সংবিধানে বিশ্বাস করে না। সে আইনের শাসনেও বিশ্বাস করে না। আমি যতটুকু জানি, ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর এবং লস অ্যাঞ্জেলেস শহরের মেয়র কেউই ন্যাশনাল গার্ড চাননি। কিন্তু সে মনে করে যে সে যা খুশি তাই করার অধিকার রাখে," ভারমন্টের এই স্বতন্ত্র সিনেটর সিএনএনের "স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন"-এ ডানা ব্যাশকে এই কথাগুলো বলেছিলেন।
** সুদীক্ষা কোচি, ''ইউএসএ টুডে''; [https://www.usatoday.com/story/news/politics/2025/06/08/bernie-sanders-trump-authoritarianism-la-protests/84102772007/ "বার্নি স্যান্ডার্স: লস অ্যাঞ্জেলেসে সেনা মোতায়েনের পর ট্রাম্প মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে 'স্বৈরতন্ত্রের দিকে' নিয়ে যাচ্ছেন"] (৮ জুন ২০২৫)
* ট্রাম্প প্রশাসন যখন নথিবিহীন অভিবাসীদের গ্রেপ্তার ও নির্বাসনে পাঠানোর জন্য কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে, তখনই এই বিক্ষোভগুলো শুরু হয়েছে। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, প্রশাসনের অভিবাসন প্রয়োগ নাগরিক ও মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে। প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট ৭ জুন এক বিবৃতিতে জানান যে ট্রাম্প একটি স্মারকে স্বাক্ষর করেছেন। এর মাধ্যমে "যে অনাচারগুলো ছড়িয়ে পড়তে দেওয়া হয়েছে, সেগুলো মোকাবেলা করার জন্য" গার্ড সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। তবে ক্যালিফোর্নিয়ার ডেমোক্র্যাটিক গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং লস অ্যাঞ্জেলেসের মেয়র কারেন বাস উভয়েই এই পদক্ষেপের সমালোচনা করেছেন। তারা বলেছেন এটি কেবল ওই অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়াবে। স্যান্ডার্স বলেছেন, "আমি বলব যে অনেকাংশে এই দেশের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে হাউস ও সিনেটের অল্প কয়েকজন রিপাবলিকানদের ওপর। যারা ভালো বোঝেন, যারা জানেন সংবিধান আসলে কী। আর এখন তাদের সময় এসেছে আমাদের সংবিধান এবং আইনের শাসনের পক্ষে দাঁড়ানোর।"
** সুদীক্ষা কোচি, ''ইউএসএ টুডে''; [https://www.usatoday.com/story/news/politics/2025/06/08/bernie-sanders-trump-authoritarianism-la-protests/84102772007/ "বার্নি স্যান্ডার্স: লস অ্যাঞ্জেলেসে সেনা মোতায়েনের পর ট্রাম্প মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে 'স্বৈরতন্ত্রের দিকে' নিয়ে যাচ্ছেন"] (৮ জুন ২০২৫)
* '''এটি স্বৈরতান্ত্রিক প্রবণতা নিয়ে। এটি নির্দেশ এবং নিয়ন্ত্রণ নিয়ে। এটি ক্ষমতা নিয়ে। এটি অহংকার নিয়ে। এটি একটি ধারাবাহিক ধরন।'''
** ৮ জুন ২০২৫-এ এমএসএনবিসিকে দেওয়া ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর [[গ্যাভিন নিউসম|গ্যাভিন নিউসমের]] মন্তব্য। কাইল চেনি ও জোশ গার্সটেইনের লেখা ''পলিটিকো''; [https://www.politico.com/news/2025/06/09/trump-national-guard-deployment-legal-00394387/ "ট্রাম্পের সেনা মোতায়েন হলো পরবর্তীতে কী আসতে চলেছে তার একটি সতর্ক সংকেত, আইনি পণ্ডিতদের আশঙ্কা"] থেকে উদ্ধৃত (৯ জুন ২০২৫)
* সাংবিধানিক আইন বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২,০০০ ন্যাশনাল গার্ড সেনা লস অ্যাঞ্জেলেসে মোতায়েন করার মাধ্যমে আমেরিকান রাস্তাগুলোতে ঘরোয়া আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে সামরিক বাহিনীর ব্যবহারের আইনি সীমানাকে প্রসারিত করা হচ্ছে। ট্রাম্প আপাতত সেনাদের একটি সীমিত মিশন দিয়েছেন: প্রশাসনের ব্যাপক নির্বাসন নীতির বিরুদ্ধে রাস্তার বিক্ষোভের ঢেউয়ের মধ্যে ফেডারেল অভিবাসন এজেন্ট এবং ভবনগুলোকে রক্ষা করা। এই মোতায়েনকে সঠিক প্রমাণ করতে ট্রাম্প ফেডারেল আইনের একটি বিধানের কথা উল্লেখ করেছেন। এই বিধানটি প্রেসিডেন্টকে অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা দমনে ন্যাশনাল গার্ড ব্যবহার করার অনুমতি দেয়।<br>কিন্তু আইনি পণ্ডিতদের মতে, ট্রাম্পের এই যৌক্তিকতা এমন একটি বিরল এবং নাটকীয় পদক্ষেপের জন্য একটি দুর্বল এবং এমনকি কাল্পনিক ভিত্তি বলে মনে হচ্ছে। তারা আশঙ্কা করছেন, এর আসল উদ্দেশ্য হতে পারে সেই নীল অঙ্গরাজ্যগুলোর ওপর আরও বেশি ক্ষমতা কুক্ষিগত করা, যারা ট্রাম্পের নির্বাসনের এজেন্ডাকে প্রতিরোধ করে আসছে। আর উদ্দেশ্যমূলক হোক বা না হোক, এর প্রভাব লস অ্যাঞ্জেলেসে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে। সম্ভাব্যভাবে এটি একটি দুষ্টচক্রের দিকে নিয়ে যেতে পারে যেখানে ট্রাম্প আরও বেশি সেনা ডাকবেন বা তাদের মিশনের পরিধি আরও প্রসারিত করবেন। ইউনিভার্সিটি অফ হিউস্টনের জাতীয় নিরাপত্তা আইনের অধ্যাপক ক্রিস মিরাসোলো বলেছেন, "এটি মূলত একটি ছুতো বলে মনে হচ্ছে, বা অন্ততপক্ষে মাঠপর্যায়ের প্রয়োজনের চেয়েও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মনে হচ্ছে।"
** কাইল চেনি ও জোশ গার্সটেইন, ''পলিটিকো''; [https://www.politico.com/news/2025/06/09/trump-national-guard-deployment-legal-00394387/ "ট্রাম্পের সেনা মোতায়েন হলো পরবর্তীতে কী আসতে চলেছে তার একটি সতর্ক সংকেত, আইনি পণ্ডিতদের আশঙ্কা"] (৯ জুন ২০২৫)
* এর মূল বিষয়টি হলো ঘরোয়া উদ্দেশ্যে সামরিক বাহিনী মোতায়েনের ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা। একটি ফেডারেল আইন, ১৮৭৮ সালের পসে কমিটেটাস অ্যাক্ট সাধারণত প্রেসিডেন্টকে ঘরোয়া আইন প্রয়োগ করতে ফেডারেল সেনা (সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, মেরিনস, বিমান বাহিনী বা স্পেস ফোর্স) ব্যবহার করা থেকে বাধা দেয়। তবে কিছু ব্যতিক্রমী পরিস্থিতিতে প্রেসিডেন্ট ঘরোয়াভাবে সেনা ব্যবহার করতে পারেন। এর সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ব্যতিক্রম হলো ইনসারেকশন অ্যাক্ট । এটি প্রেসিডেন্টকে বিদ্রোহ, "গার্হস্থ্য সহিংসতা" বা সাংবিধানিক অধিকার বা ফেডারেল আইনগুলোকে ক্ষুণ্ণ করে এমন ষড়যন্ত্র দমনের জন্য সামরিক বাহিনী মোতায়েন করার অধিকার দেয়। ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদের শেষের দিকে, তার কয়েকজন চরম সমর্থক তাকে এই ইনসারেকশন অ্যাক্ট প্রয়োগ করার আহ্বান জানেন এবং আশা করেন যে তিনি এর মাধ্যমে অঙ্গরাজ্যগুলোর নির্বাচন কর্তৃপক্ষকে সরিয়ে দিয়ে মূলত ২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফলাফল বাতিল করবেন। যদিও তিনি তা করেননি। ২০২৪ সালের প্রচারণার সময় তিনি বলেছিলেন, পুনর্নির্বাচিত হলে তিনি অস্থিরতা দমনের জন্য এই আইনটি প্রয়োগ করবেন।<br>তবে ট্রাম্প এখনও পর্যন্ত ইনসারেকশন অ্যাক্ট প্রয়োগ করেননি। এর বদলে শনিবারের একটি আদেশে তিনি মার্কিন কোডের একটি ভিন্ন এবং সংক্ষিপ্ত অংশের কথা উল্লেখ করেছেন। এই অংশটি প্রেসিডেন্টকে "বিদ্রোহের বিপদ" দমন করতে বা "নিয়মিত বাহিনী" যখন ব্যর্থ হয় তখন ফেডারেল আইন "কার্যকর" করার জন্য ন্যাশনাল গার্ড ব্যবহার করার অনুমতি দেয়—তবে অন্য কোনো সামরিক বাহিনী নয়। লক্ষণীয়ভাবে, তার আদেশে লস অ্যাঞ্জেলেসের অস্থিরতাকে সরাসরি "বিদ্রোহ" হিসেবে ঘোষণা করা হয়নি, তবে বলা হয়েছে যে এটি সেদিকেই এগোচ্ছে।<br>আদেশে বলা হয়েছে, "প্রতিবাদ বা সহিংসতার কাজগুলো যে মাত্রায় আইনের প্রয়োগে সরাসরি বাধা সৃষ্টি করে, সে মাত্রায় সেগুলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরকারের কর্তৃত্বে বিরুদ্ধে এক ধরনের বিদ্রোহ গঠন করে।"
** কাইল চেনি ও জোশ গার্সটেইন, ''পলিটিকো''; [https://www.politico.com/news/2025/06/09/trump-national-guard-deployment-legal-00394387/ "ট্রাম্পের সেনা মোতায়েন হলো পরবর্তীতে কী আসতে চলেছে তার একটি সতর্ক সংকেত, আইনি পণ্ডিতদের আশঙ্কা"] (৯ জুন ২০২৫)
* ক্যালিফোর্নিয়ার কর্তৃপক্ষ এবং ট্রাম্পের সমালোচকেরা বলছেন যে স্থানীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থা লস অ্যাঞ্জেলেসের বিক্ষোভগুলো বেশ ভালোভাবে পরিচালনা করছিল। আর ফেডারেল সম্পত্তি এবং কর্মীদের রক্ষা করার মতো ন্যাশনাল গার্ডের তথাকথিত প্রতিরক্ষামূলক ভূমিকা থাকা সত্ত্বেও, কিছু বিশেষজ্ঞ এই মোতায়েনকে যেন একটি বারুদের স্তূপে জ্বলন্ত দেশলাই ফেলার মতো মনে করছেন। যদি সেনারা সহিংস সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে, তবে ট্রাম্প ওই সংঘর্ষগুলো ব্যবহার করে ইনসারেকশন অ্যাক্ট (বিদ্রোহ আইন) প্রয়োগের যৌক্তিকতা প্রমাণ করতে পারেন। এটি সক্রিয় দায়িত্বে থাকা সামরিক বাহিনীগুলোর জন্য বিক্ষোভকারীদের দমন করতে আরও আক্রমণাত্মক পদক্ষেপ নেওয়া এবং আইন প্রয়োগে জড়িত হওয়ার পথ প্রশস্ত করবে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ শনিবার বলেছেন যে অস্থিরতা চলতে থাকলে মেরিনদের লস অ্যাঞ্জেলেসে পাঠানো হতে পারে। তিনি এক্সে (X) এক পোস্টে লিখেছেন, সেনারা "উচ্চ সতর্কতায় রয়েছে।"<br>প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার অধীনে নীতি বিষয়ক আন্ডারসেক্রেটারির পরামর্শক হিসেবে কাজ করা জর্জটাউন ইউনিভার্সিটির আইনের অধ্যাপক রোজা ব্রুকস বলেছেন, "এই এলাকার আইনগুলো কিছুটা অমীমাংসিত এবং পরীক্ষিত নয়।" তিনি আরও বলেন, "এই পরিস্থিতিতে গার্ডদের ফেডারেল বাহিনী হিসেবে মোতায়েন করা এবং সেই সাথে সক্রিয় সামরিক বাহিনী পাঠানোর হুমকি দেওয়া একটি রাজনৈতিক স্টান্ট এবং এটি বেশ বিপজ্জনক।"<br>বিশেষজ্ঞরা এটাও নজর রাখছেন, গার্ডের সদস্যরা ফেডারেল ভবন ছেড়ে বের হওয়ার সময় অভিবাসন কর্তৃপক্ষের সাথে যাচ্ছে কি না। এই পদক্ষেপটি কেবল বিক্ষোভকারীদের থেকে এজেন্টদের রক্ষা করার বদলে অভিবাসন প্রয়োগে সক্রিয়ভাবে সাহায্য করার জন্য সেনা ব্যবহারের ইচ্ছাকে ইঙ্গিত করতে পারে।
** কাইল চেনি ও জোশ গার্সটেইন, ''পলিটিকো''; [https://www.politico.com/news/2025/06/09/trump-national-guard-deployment-legal-00394387/ "ট্রাম্পের সেনা মোতায়েন হলো পরবর্তীতে কী আসতে চলেছে তার একটি সতর্ক সংকেত, আইনি পণ্ডিতদের আশঙ্কা"] (৯ জুন ২০২৫)
* ট্রাম্পই প্রথম প্রেসিডেন্ট নন যিনি একজন গভর্নরের আপত্তি সত্ত্বেও সামরিক বাহিনী মোতায়েন করেছেন। কিন্তু ১৯৬৫ সালে প্রেসিডেন্ট লিন্ডন জনসন আলাবামায় নাগরিক অধিকারের পক্ষের বিক্ষোভকারীদের রক্ষার জন্য সেনা মোতায়েনের পর এটাই প্রথম এমন ঘটনা। প্রেসিডেন্ট ডোয়াইট আইজেনহাওয়ারও একইভাবে আরকানসাসের গভর্নরের আপত্তি উপেক্ষা করে পাবলিক স্কুলগুলোতে অ-পৃথকীকরণ বাস্তবায়নে সাহায্য করার জন্য সেনা মোতায়েন করেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রেসিডেন্টরা যখন মনে করেন যে অঙ্গরাজ্য এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষ অকার্যকর বা বিদ্রোহী আচরণ করছে, তখন এমন পদক্ষেপ নেওয়াটা যৌক্তিক হতে পারে। প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ. বুশের আইনি পরামর্শক জন ইউ বলেছেন, "সাধারণত প্রেসিডেন্ট গভর্নরের সহযোগিতায় সেনা ডেকে আনেন; এটি রডনি কিং দাঙ্গার সময় লস অ্যাঞ্জেলেসেই ঘটেছিল।" তিনি আরও বলেন, "তবে এমন সময়ও এসেছে যখন গভর্নররা খুব ধীরে কাজ করেছেন, যেমন হারিকেন ক্যাটরিনার সময়, বা ফেডারেল নীতির বিরোধিতা করেছেন, যেমন অ-পৃথকীকরণের সময়, অথবা তর্কসাপেক্ষে, এই ক্ষেত্রেও।" রোববার সংবাদদাতাদের সাথে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে কথা বলার সময় ট্রাম্প জানান, তিনি কিছুদিন আগে নিউসমকে এই সম্ভাবনার কথা জানিয়ে সতর্ক করেন। ট্রাম্প বলেন, "আমি তাকে আগের রাতে ফোন করেছিলাম।" তিনি আরও বলেন, "আমি বলেছিলাম আপনাকে এর সমাধান করতে হবে, নয়তো আমি সেনা পাঠাচ্ছি।"<br>নিউসম ট্রাম্পের এই একতরফা পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, এটি রাস্তায় উত্তেজনা কমানোর বদলে বরং আরও উসকে দেবে এবং অঙ্গরাজ্য ও স্থানীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো ফেডারেল ভবনের বাইরের অস্থিরতা মোকাবেলায় যথাযথভাবেই কাজ করছিল। সারাদেশের ডেমোক্র্যাটিক গভর্নররা নিউসমের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তারা একটি চিঠিতে স্বাক্ষর করে ট্রাম্পের এই ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েনকে "ক্ষমতার ভীতিকর অপব্যবহার" বলে অভিহিত করেছেন।<br>নিউইয়র্ক ইউনিভার্সিটির ব্রেনান সেন্টারের জাতীয় নিরাপত্তা আইন বিশেষজ্ঞ এলিজাবেথ গোয়েটিন বলেছেন, "আমাদের দেশের রাস্তায় মনে হচ্ছে সামরিক বাহিনী বিক্ষোভকারীদের সাথে সংঘর্ষে জড়াচ্ছে। এমনটা তো হওয়ার কথা নয়।" তিনি আরও বলেন, "এটি খুবই বিপজ্জনক পরিস্থিতি। এটি স্বাধীনতার জন্য বিপজ্জনক। এটি গণতন্ত্রের জন্য বিপজ্জনক।"
** কাইল চেনি ও জোশ গার্সটেইন, ''পলিটিকো''; [https://www.politico.com/news/2025/06/09/trump-national-guard-deployment-legal-00394387/ "ট্রাম্পের সেনা মোতায়েন হলো পরবর্তীতে কী আসতে চলেছে তার একটি সতর্ক সংকেত, আইনি পণ্ডিতদের আশঙ্কা"] (৯ জুন ২০২৫)
* ডালাসে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্টের (আইসিই) বিরুদ্ধে বিক্ষোভে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর একজন কথিত সদস্য প্রকাশ্যে যোগ দিয়েছেন। তিনি সামরিক বাহিনীর অন্যদের "অন্যায়ের প্রতিরোধ" করার আহ্বান জানিয়েছেন। ''নিউজউইক'' ইমেইলের মাধ্যমে মন্তব্যের জন্য পেন্টাগনের সাথে যোগাযোগ করেছে। লস অ্যাঞ্জেলেসে অভিবাসন প্রয়োগের অভিযানের কারণে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পরই এই ঘটনা ঘটল। এর আগে ওই অভিযানের কারণেই প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ন্যাশনাল গার্ডের সেনা এবং মেরিনদের সেখানে মোতায়েন করেন। লস অ্যাঞ্জেলেসের এই বিক্ষোভগুলো এখন ডালাস, শিকাগো এবং নিউইয়র্কসহ সারাদেশের অন্যান্য শহরেও ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছে। এর মধ্যে অনেক বিক্ষোভই শান্তিপূর্ণ ছিল, তবে কিছু ক্ষেত্রে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সাথে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ হয়েছে। পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার করেছে এবং অনেককে গ্রেপ্তার করেছে। ট্রাম্প প্রশাসন জানিয়েছে যে, বিক্ষোভ সত্ত্বেও তারা তাদের এই অভিযান এবং নির্বাসন কর্মসূচি চালিয়ে যাবে।
** শেন ক্রাউচার, ''নিউজউইক''; [https://www.msn.com/en-us/news/us/military-member-joins-anti-ice-protest-tells-trump-we-are-not-pawns/ "আইসিই-বিরোধী বিক্ষোভে সামরিক সদস্যের যোগদান, ট্রাম্পকে বলেছেন: 'আমরা দাবার ঘুঁটি নই'"] (১১ জুন ২০২৫)
* বামপন্থী কর্মী চ্যানেল 'ব্রেকথ্রু নিউজের' পোস্ট করা একটি যাচাই না করা ভিডিওতে দেখা যায়, ইউনিফর্ম পরা এক নারী বলছেন, "আমরা ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য কোনো দাবার ঘুঁটি নই।" ''নিউজউইক'' স্বাধীনভাবে ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করতে পারেনি এবং স্পষ্টীকরণের জন্য ব্রেকথ্রু নিউজের সাথে যোগাযোগ করেছে। নারীটিকে পুরোপুরি শনাক্ত করা যায়নি, তবে তার বুকে "Colado" লেখা একটি ব্যাজ ছিল, ঠিক যে জায়গায় সেনারা সাধারণত তাদের নামের শেষের অংশ পরেন। তিনি বলেন, ট্রাম্প লস অ্যাঞ্জেলেসে মেরিনদের মোতায়েন করার পর তিনি বিক্ষোভে যোগ দেন। তিনি বলেন, "এখন কেন? কারণ বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে সামরিক বাহিনীকে ডাকা হয়েছে। আমরা, আমাদের শপথ অনুযায়ী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জনগণ এবং সংবিধানের সেবা করি।" তিনি আরও বলেন, "এই সাংবিধানিক অধিকারগুলো কেড়ে নেওয়া হচ্ছে এবং কেবল অস্বীকার করা হচ্ছে। আর সামরিক বাহিনী এর কোনো দাবার ঘুঁটি হবে না।" সাক্ষাৎকারে ওই নারী "যারা আগে সামরিক বাহিনীতে কাজ করেছেন এবং এখন করছেন, তাদের সবার বিবেকের" কাছেও আহ্বান জানিয়েছেন।<br>তিনি বলেন: "আমাদের একটি বিবেক আছে, একটি মন আছে এবং না বলা ও অন্যায়ের প্রতিরোধ করার জন্য আমাদের একটি কর্তব্য এবং নৈতিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।" শহরের এবং অঙ্গরাজ্যের নেতাদের আপত্তি সত্ত্বেও ট্রাম্প লস অ্যাঞ্জেলেসে ৪,০০০-এর বেশি ন্যাশনাল গার্ড সদস্য এবং ৭০০ মেরিন মোতায়েন করেছেন। তবে ''দি অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস''-এর মতে, মেরিনদের এখনও শহরে দেখা যায়নি এবং গার্ড সেনারা বিক্ষোভকারীদের সাথে সীমিতভাবেই জড়িয়েছেন।
** শেন ক্রাউচার, ''নিউজউইক''; [https://www.msn.com/en-us/news/us/military-member-joins-anti-ice-protest-tells-trump-we-are-not-pawns/ "আইসিই-বিরোধী বিক্ষোভে সামরিক সদস্যের যোগদান, ট্রাম্পকে বলেছেন: 'আমরা দাবার ঘুঁটি নই'"] (১১ জুন ২০২৫)
* মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সিএনএন-এ ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম বলেছেন: '''"ক্যালিফোর্নিয়া হয়তো প্রথম, তবে এটি স্পষ্টতই এখানে শেষ হবে না। অন্যান্য অঙ্গরাজ্যগুলোর পালা সামনে। গণতন্ত্রের পালা সামনে। আমাদের চোখের সামনেই গণতন্ত্র আক্রান্ত হচ্ছে।"'''
** শেন ক্রাউচার, ''নিউজউইক''; [https://www.msn.com/en-us/news/us/military-member-joins-anti-ice-protest-tells-trump-we-are-not-pawns/ "আইসিই-বিরোধী বিক্ষোভে সামরিক সদস্যের যোগদান, ট্রাম্পকে বলেছেন: 'আমরা দাবার ঘুঁটি নই'"] (১১ জুন ২০২৫)
* গাড়ি চালিয়ে ফিরে আসার সময় আমি আমার রিয়ারভিউ আয়নায় কালো ধোঁয়া দেখতে পেলাম, আর ভাবলাম, ''এটা তো ভালো কিছু নয়''। আমি বাড়িতে ফিরে স্থানীয় খবর চালু না করা পর্যন্ত জানতে পারিনি যে ওয়েমোর চালকবিহীন গাড়ি পোড়ানো হচ্ছিল। পাঁচটি গাড়ি। অন্ধকার হওয়ার পর যখন আমি জাতীয় খবর চালু করলাম, তখন মূলত কেবল এটাই দেখতে পেলাম: গুগল বা এমন কোনো প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন পাঁচটি খালি গাড়ির জ্বলন্ত কাঠামো ও কালো ধোঁয়া। আমি এমন কোনো উদ্বিগ্ন নাগরিকদের দেখতে পেলাম না যারা তাদের প্রতিবেশীদের পাশে দাঁড়ানোর কারণে কেবল ফ্ল্যাশ গ্রেনেড এবং রাবার বুলেটের মুখোমুখি হয়েছিল। আপনি যদি কেবল ক্যাবল নিউজ থেকে আপনার সমস্ত তথ্য সংগ্রহ করেন, তবে আপনি ভাববেন যে কেবল গাড়ি পোড়ানোই হয়েছে।<br>পরের দিন সকালে ডোনাল্ড ট্রাম্প [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মেরিন কর্পস|মেরিনদের]] ডাকলেন এবং তারা টোয়েন্টি-নাইন পামস থেকে গাড়ি চালিয়ে সেখানে পৌঁছাল। ঠিক তখনই স্থানীয় সংবাদে বাবা দিবসের উপহারের ধারণা নিয়ে একটি সেগমেন্ট চলছিল। প্রেসিডেন্টের মনে হয়েছিল পরিস্থিতি এতটাই বিপজ্জনক যে সামরিক বাহিনীর প্রয়োজন, কিন্তু কেটিএলএ ভেবেছিল যে এমএলবি গেমের ব্যাট থেকে তৈরি ব্যাকগ্যামন সেট এবং কফি মগের ওপর একটি রিপোর্টের চেয়ে এটি অতটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। আমার ধারণা, এখন তারা ৭০০ জনের একটি শক্তিশালী দল নিয়ে এখানে আছে। কিন্তু কেউ জানে বলে মনে হয় না যে তারা কী করতে যাচ্ছে, এমনকি তারা কোথায় থাকবে বা কী খাবে। কারণ এখন আমরা জানি যে ২,০০০ জন ন্যাশনাল গার্ড সদস্যকে এখানে পাঠানো হয়েছে তাদের থাকা বা খাওয়ার জন্য কোনো বাজেট রাখা হয়নি, যারা আজ সকালে কোনো এক ফেডারেল ভবনের ঠান্ডা পাথরের মেঝেতে ঘুম থেকে উঠেছে।
** ডেভিড হোমস, ''এসকোয়ার''; [https://www.msn.com/en-us/news/us/i-was-at-the-l-a-protests-they-re-nothing-like-what-you-re-seeing-on-tv/ "আমি লস অ্যাঞ্জেলেসের বিক্ষোভে ছিলাম। আপনি টিভিতে যা দেখছেন, এগুলো তার মতো কিছুই নয়।"] (১১ জুন ২০২৫)
* আমরা আইসিই'র যে কার্যকলাপের প্রতিবাদ করছি, তা কথিতমতে হোয়াইট হাউসের ডেপুটি চিফ অব স্টাফ স্টিফেন মিলারের নির্দেশে পরিচালিত হচ্ছে। সোমবার, দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে যে মিলার গত মাসে আইসিই কর্মকর্তাদের একটি সভা ডাকেন এবং তাদের "কেবল বাইরে গিয়ে অবৈধ বিদেশিদের গ্রেপ্তার করার" নির্দেশ দেন। প্রেসিডেন্ট যেমন ইঙ্গিত দেন, "সবচেয়ে খারাপদের" লক্ষ্য করে নয়। এমনকি অপরাধী বা গ্যাং সদস্যদেরও লক্ষ্য করে নয়। বরং হোম ডিপোর মতো জায়গায় যাওয়া, যেখানে দিনমজুররা জড়ো হয়। এমন কোনো পাড়ার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানের বাইরে অবস্থান নেওয়া, যেখানে প্রচুর পরিমাণে নথিবিহীন বাসিন্দা বাস করে। শুধু গিয়ে তাদের ধরো এবং তাদের বাড়ি, তাদের বাচ্চা ও তাদের জীবন থেকে টেনে হিঁচড়ে নিয়ে আসো। শুধু তাদের বন্দী করে রাখো। এখন তারা ঠিক এটাই করছে। আমরা তারই প্রতিবাদ করছি। আর যদি দেখা যায় যে তাদের কাগজপত্র আসলে ঠিকঠাক আছে; এটি একাধিকবার হয়েছেও, তবে তাদের প্রতি সহানুভূতি জানানো ছাড়া আর কিছুই করার নেই।
** ডেভিড হোমস, ''এসকোয়ার''; [https://www.msn.com/en-us/news/us/i-was-at-the-l-a-protests-they-re-nothing-like-what-you-re-seeing-on-tv/ "আমি লস অ্যাঞ্জেলেসের বিক্ষোভে ছিলাম। আপনি টিভিতে যা দেখছেন, এগুলো তার মতো কিছুই নয়।"] (১১ জুন ২০২৫)
* লস অ্যাঞ্জেলেস বিশাল এক জায়গা। আমি যেখানে বসে লিখছি, সান্তা মনিকা হাই স্কুল সেখান থেকে ১২ মাইল দূরে। আমি যদি এখনই রওনা দিই, এক ঘণ্টার মধ্যে আমি সেখানে পৌঁছে যাব। কিন্তু আপনি কি জানেন সান্তা মনিকা হাই স্কুল থেকে আধ মাইল দূরে, মাত্র দশ মিনিটের হাঁটা দূরত্বে কী আছে? সমুদ্রসৈকত। সত্যি বলতে একটি খুব সুন্দর, পরিষ্কার এবং খুব ভালোভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করা সমুদ্রসৈকত। মিলার চাইলে সেখানে একটি সার্ফিং লেসন নিতে পারতেন, কিছু ডিপিন' ডটস খেতে পারতেন, অথবা প্রশান্ত মহাসাগরের ওপর চমৎকার একটি সূর্যাস্ত দেখতে পারতেন। কিন্তু তার বদলে তিনি একটি জনস্রোতের সামনে দাঁড়িয়ে এক শ্বেতাঙ্গ হিসেবে তার অধিকার নিয়ে কটাক্ষ করছেন। তিনি বলছেন, তার তৈরি করা জঞ্জাল একজন বাদামি মানুষের পরিষ্কার করা উচিত।<br>এই আচরণটি জঘন্য। এই জঘন্য আচরণটি একটি জঘন্য বিশ্বদর্শন দ্বারা অনুপ্রাণিত; এটি এমন ধরনের জঘন্যতা যেখান থেকে আপনি সত্যিই বেরিয়ে আসতে পারবেন না। এটি জঘন্য, আর এখন মার্কিন সরকার এটিকে সমর্থন করছে। আর এখন মার্কিন সরকার তার নিজের নাগরিকদের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক বাহিনীকে দাঁড় করিয়েছে। এই অভিযানগুলো হলো ওই অধিকারবোধ, ধর্মান্ধতা এবং একেবারে জঘন্য বিশ্বদর্শনের প্রকাশ। আমরা তারই প্রতিবাদ করছি। আর সামগ্রিকভাবে, স্ট্যানলি কাপ জেতা বা হারার পর রাস্তায় নেমে আসা বেশিরভাগ মানুষের চেয়ে আমরা এটি অনেক বেশি শান্তিপূর্ণভাবেই করছি।<br>আমাদের আপনার সাহায্যের প্রয়োজন নেই।
** ডেভিড হোমস, ''এসকোয়ার''; [https://www.msn.com/en-us/news/us/i-was-at-the-l-a-protests-they-re-nothing-like-what-you-re-seeing-on-tv/ "আমি লস অ্যাঞ্জেলেসের বিক্ষোভে ছিলাম। আপনি টিভিতে যা দেখছেন, এগুলো তার মতো কিছুই নয়।"] (১১ জুন ২০২৫)
* যাই হোক, মেরিনরা এখানে চলে এসেছে, আর আমরা সবাই একরকম অপেক্ষা করছি। কোণার কাছে এবং এক অন্য জগতে। আর আমি বারবার বারবারা ক্রুগারের প্রশ্নগুলোর কথা ভাবছি; এটি রোববার আমার অংশগ্রহণ করা প্রতিবাদের ওপর ঝুলছিল। কে আদেশ মানে? কে সবচেয়ে বেশি সময় স্যালুট করে? কে আগে মরে? কে শেষে হাসে?
** ডেভিড হোমস, ''এসকোয়ার''; [https://www.msn.com/en-us/news/us/i-was-at-the-l-a-protests-they-re-nothing-like-what-you-re-seeing-on-tv/ "আমি লস অ্যাঞ্জেলেসের বিক্ষোভে ছিলাম। আপনি টিভিতে যা দেখছেন, এগুলো তার মতো কিছুই নয়।"] (১১ জুন ২০২৫)
* লস অ্যাঞ্জেলেসে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ৭০০ মেরিন মোতায়েন করার পর সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স ইন্টারনেটে গিয়ে নিজের মতামত জানিয়েছেন। তার এক্স (X) অ্যাকাউন্টে পোস্ট করা একটি ভিডিওতে স্যান্ডার্স বলেছেন, তিনি যে বার্তাটি দিতে চান তা বিক্ষোভ বা ক্যালিফোর্নিয়ার শহরটিতে মার্কিন ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্টের অভিযান নিয়ে নয়, বরং এমন কিছু নিয়ে যা সব জায়গার আমেরিকানদের প্রভাবিত করে। "যা হচ্ছে তা সবই হলো ট্রাম্পের ক্ষমতা আরও আরও বাড়ানোর অন্তহীন আকাঙ্ক্ষা," স্যান্ডার্স বলেছেন। ভারমন্টের এই সিনেটর বলেছেন যে ৪৫তম এবং ৪৭তম প্রেসিডেন্ট ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নরের ক্ষমতাকে পাশ কাটিয়ে যাচ্ছেন। মার্কিন সামরিক বাহিনীর মাধ্যমে আরও ক্ষমতা কুক্ষিগত করার জন্যই তিনি এমনটা করছেন। স্যান্ডার্স আরও বলেছেন যে ট্রাম্প সরকারের বিচারিক ও আইন প্রণয়ন শাখা থেকে নিয়ন্ত্রণ ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন, সেই সাথে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর স্বাধীনতা এবং বেসরকারি আইনি অফিসগুলোকে ধ্বংস করার চেষ্টা করছেন। স্যান্ডার্স বলেছেন, "আমাদের এখন একত্রিত হয়ে স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে এবং গণতন্ত্রের পক্ষে দাঁড়ানোর সময় এসেছে।"
** রিন ভেলাস্কো, ''বার্লিংটন ফ্রি প্রেস''; [https://www.burlingtonfreepress.com/story/news/2025/06/11/president-donald-trump-bernie-sanders-los-angeles-protests/84146227007/ "'স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে দাঁড়ান' লস অ্যাঞ্জেলেসে ট্রাম্পের সামরিক বাহিনী মোতায়েন করার নিন্দা জানিয়েছেন বার্নি স্যান্ডার্স"] (১১ জুন ২০২৫)
* আগামী শনিবার ওয়াশিংটন ডিসিতে একটি ব্যয়বহুল সামরিক কুচকাওয়াজের আয়োজন করা হয়েছে। এটি ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্মদিন এবং মার্কিন সেনাবাহিনীর ২৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হবে। এর প্রতিবাদে আগামী সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোতে সারা দেশে পরিকল্পিত বিক্ষোভের বিষয়ে বৃহস্পতিবার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন যে তিনি "নিজেকে রাজা মনে করেন না"। ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের বলেন, "আমি নিজেকে রাজা মনে করি না। আমাকে কোনো কিছু অনুমোদন করানোর জন্য নরকের মধ্য দিয়ে যেতে হয়।" ২০৩৫ সাল থেকে নতুন গ্যাসচালিত গাড়ি বিক্রিতে ক্যালিফোর্নিয়ার নিষেধাজ্ঞা আটকে দেওয়ার জন্য কংগ্রেসের পাস করা একটি প্রস্তাবে স্বাক্ষর করার আগে তাকে জিওপি নেতা হাউস স্পিকার মাইক জনসন (এলএ) এবং সিনেট মেজরিটি লিডার জন থুনের (এসডি) সাথে কথা বলতে হয়েছিল। ট্রাম্প সেই উদাহরণ টেনে বলেন, “না, না। আমরা কোনো রাজা নই। আমরা মোটেই কোনো রাজা নই।”
** ম্যারিতা ভ্লাচু, ''হাফপোস্ট''; [https://www.msn.com/en-us/news/politics/trump-reacts-to-no-kings-protests-with-a-hell-ish-whine/ "'নো কিংস' বিক্ষোভে 'নরক' তুল্য ঘ্যানঘ্যানানির মাধ্যমে ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়া"] (১৩ জুন ২০২৫)
* "নো কিংস" বিক্ষোভের আয়োজকরা বলেছেন যে শনিবার "দেশব্যাপী একটি অবাধ্যতার দিন" হিসেবে চিহ্নিত হবে। তারা স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে একটি জোরালো বার্তা দেওয়ার পরিকল্পনা করেছেন। ইভেন্টের ওয়েবসাইটে লেখা হয়েছে, "আমরা তার অহংকার বাড়ানোর জন্য জড়ো হচ্ছি না। আমরা এমন একটি আন্দোলন তৈরি করছি যা তাকে পেছনে ফেলে এগিয়ে যাবে। এই পতাকাটি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নয়। এটি আমাদের।" সেখানে আরও বলা হয়েছে, "আমরা তাকে বোঝাতে সর্বত্র হাজির হচ্ছি যে, কোনো সিংহাসন নয়, কোনো মুকুট নয়, কোনো রাজা নয়।" দেশজুড়ে ৫০টি অঙ্গরাজ্যের ১,৫০০টি শহরে "নো কিংস" বিক্ষোভের পরিকল্পনা করা হয়েছে, তবে ওয়াশিংটনে নয়। আয়োজকরা জানিয়েছেন, তারা ফিলাডেলফিয়ায় একটি প্রধান পদযাত্রা ও সমাবেশের আয়োজন করবেন। ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন ক্র্যাকডাউন লস অ্যাঞ্জেলেস এবং অন্যান্য শহরে ক্ষোভের সৃষ্টি করার পরই এই বিক্ষোভগুলো শুরু হয়েছে, যেখানে ইউএস ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট এজেন্টদের চালানো অভিযানের প্রতিবাদে বিক্ষোভকারীরা রাস্তায় নেমে আসেন। এর প্রতিক্রিয়ায়, ট্রাম্প গভর্নর গ্যাভিন নিউসমের (ডি) ইচ্ছার বিরুদ্ধে ক্যালিফোর্নিয়ায় ন্যাশনাল গার্ড এবং ইউএস মেরিন মোতায়েনের অনুমোদন দেন—যেটিকে নিউসম আগুনে ঘি ঢালার মতো পদক্ষেপ বলে সতর্ক করেন।
** ম্যারিতা ভ্লাচু, ''হাফপোস্ট''; [https://www.msn.com/en-us/news/politics/trump-reacts-to-no-kings-protests-with-a-hell-ish-whine/ "'নো কিংস' বিক্ষোভে 'নরক' তুল্য ঘ্যানঘ্যানানির মাধ্যমে ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়া"] (১৩ জুন ২০২৫)
* ট্রাম্পের শনিবারের কুচকাওয়াজে সাঁজোয়া যান, হাজার হাজার সৈন্য এবং সামরিক বিমান প্রদর্শন করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর পেছনে করদাতাদের প্রায় ৪৫ মিলিয়ন ডলার খরচ হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে—এমন একটি পরিমাণ যা সমর্থন করা রিপাবলিকানদের জন্য বেশ কঠিন হয়ে পড়েছে। এই সপ্তাহের শুরুতে ট্রাম্প এই সাপ্তাহিক ছুটিতে ওয়াশিংটনে রাস্তায় নামার পরিকল্পনা করা বিক্ষোভকারীদের জন্য একটি সতর্কতা দিয়েছেন। "যাই হোক না কেন, যদি কোনো প্রতিবাদকারী রাস্তায় নামতে চায়, তবে তাদের খুব বড় শক্তির মুখোমুখি হতে হবে," তিনি বলেছিলেন। "আর যারা প্রতিবাদ করতে চায়, তাদের খুব বড় শক্তির মুখোমুখি হতে হবে।"
** ম্যারিতা ভ্লাচু, ''হাফপোস্ট''; [https://www.msn.com/en-us/news/politics/trump-reacts-to-no-kings-protests-with-a-hell-ish-whine/ "'নো কিংস' বিক্ষোভে 'নরক' তুল্য ঘ্যানঘ্যানানির মাধ্যমে ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়া"] (১৩ জুন ২০২৫)
* এলজিবিটিকিউ তরুণদের সহায়তা প্রদানকারী মার্কিন জাতীয় আত্মহত্যা প্রতিরোধ হটলাইনের একটি অংশ জানিয়েছে যে ট্রাম্প প্রশাসন তাদের অর্থায়ন বন্ধ করার পর এটি খুব শিগগিরই বন্ধ হয়ে যাবে। প্রশাসন এই সেবাকে "উগ্র জেন্ডার আইডিওলজি" হিসেবে অভিযুক্ত করেছে। তারা বলছে যে তারা বৃহত্তর ৯৮৮ সুইসাইড অ্যান্ড ক্রাইসিস লাইফলাইনে (যেখানে এলজিবিটিকিউ তরুণদের অপশনটি একটি অংশ) অর্থায়ন অব্যাহত রাখবে এবং সমস্ত কলকারীই "সহানুভূতি এবং সাহায্য" পাবেন। ট্রেভর প্রজেক্ট হলো এমন একটি সংস্থা যা এলজিবিটিকিউ অপশনটি চালাতে সাহায্য করেছিল। তারা বলেছে যে এই সিদ্ধান্তটি দুর্বল তরুণদের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলবে। সংস্থার সিইও জেমস ব্ল্যাক বলেছেন, "আত্মহত্যা প্রতিরোধ হলো মানুষের বিষয়, রাজনীতির নয়।" তিনি জানিয়েছেন যে তার সেবাকে ৩০ দিনের মধ্যে বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।<br>জনাব ব্ল্যাক আরও বলেন, "প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তটি বোধগম্য নয়। এটি একটি দ্বিদলীয়, প্রমাণভিত্তিক সেবা বাতিল করেছে; এটি উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ একদল তরুণকে তাদের সবচেয়ে অন্ধকার সময়ে কার্যকরভাবে সমর্থন জুগিয়েছিল।"<br>এলজিবিটিকিউ সংস্কৃতি এবং ইতিহাস উদযাপনের আন্তর্জাতিক প্রাইড মান্থের সময়েই এই সিদ্ধান্তটি এল।
** কায়লা এপস্টেইন, ''বিবিসি নিউজ''; [https://www.bbc.com/news/articles/cwyqlv7y31go/ "জাতীয় আত্মহত্যা হটলাইনে এলজিবিটিকিউ তরুণদের অপশনের অর্থায়ন বন্ধ করলেন ট্রাম্প"] (১৯ জুন ২০২৫)
* মঙ্গলবার মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের একটি সিদ্ধান্তের ঠিক আগেই এই খবরটি এল। ওই সিদ্ধান্তে টেনেসির অঙ্গরাজ্যের ট্রান্সজেন্ডার হিসেবে পরিচয় দেওয়া অপ্রাপ্তবয়স্কদের লিঙ্গ রূপান্তর সম্পর্কিত স্বাস্থ্যসেবার ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখা হয়েছিল। সাধারণ ৯৮৮ লাইফলাইন কল, টেক্সট বা চ্যাটের মাধ্যমে বিনামূল্যে মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তা প্রদান করে। এটি সাবস্ট্যান্স অ্যাবিউজ অ্যান্ড মেন্টাল হেলথ সার্ভিসেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন দ্বারা অর্থায়ন করা হয়; এটি ইউএস হেলথ অ্যান্ড হিউম্যান সার্ভিসেস এজেন্সির একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান। বর্তমানে এলজিবিটিকিউ তরুণেরা পরামর্শদাতাদের সাথে কথা বলার জন্য কল মেনু থেকে ৩ নম্বর অপশনটি বেছে নিতে পারেন। স্যানহসা জানিয়েছে, এই পরিবর্তনের পর অবশিষ্ট ৯৮৮ লাইফলাইন সেবাগুলো "সব ধরনের সাহায্যপ্রার্থীদের সেবা প্রদানের ওপর মনোযোগ দেবে," যার মধ্যে ওই ব্যক্তিরাও অন্তর্ভুক্ত যারা আগে এলজিবিটিকিউ তরুণ সেবা ব্যবহার করতেন। তবে স্যানহসা এক বিবৃতিতে লিখেছে, হটলাইনটি "আর এলজিবি+ (LGB+) তরুণদের সেবা আলাদা করে রাখবে না।" এখানে তারা এলজিবিটিকিউ সংক্ষিপ্তরূপ থেকে "টি" (T) এবং "কিউ" (Q) বাদ দিয়েছে; এটি ট্রান্সজেন্ডার এবং কুইয়ার ব্যক্তিদের বোঝায়।
** কায়লা এপস্টেইন, ''বিবিসি নিউজ''; [https://www.bbc.com/news/articles/cwyqlv7y31go/ "জাতীয় আত্মহত্যা হটলাইনে এলজিবিটিকিউ তরুণদের অপশনের অর্থায়ন বন্ধ করলেন ট্রাম্প"] (১৯ জুন ২০২৫)
* এইচএইচএস-এর কর্মকর্তারা গত সপ্তাহে ৯৮৮ লাইফলাইনের এলজিবিটিকিউ তরুণ সেবাগুলো বাতিল করার প্রস্তাব দেন। সে সময় এনবিসি নিউজকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এইচএইচএসের এক মুখপাত্র এই অপশনটিকে এমন একটি "চ্যাট সেবা বলে বর্ণনা করেছেন যেখানে পিতামাতার সম্মতি বা জ্ঞান ছাড়াই 'পরামর্শদাতারা' শিশুদের উগ্র জেন্ডার আইডিওলজি গ্রহণ করতে উৎসাহিত করে।" ২০২০ সালে মার্কিন কংগ্রেস কর্তৃক পাস হওয়া আইনে বলা হয়েছিল যে, ৯৮৮ লাইফলাইনকে গ্রামীণ ও নেটিভ আমেরিকানদের মতো অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ গোষ্ঠীগুলোর পাশাপাশি এলজিবিটিকিউ ব্যক্তিদের জন্যও বিশেষভাবে সেবা এবং কর্মী প্রদান করতে হবে।<br>ওই আইনে উল্লেখ করা হয়েছিল যে এলজিবিটিকিউ তরুণরা তাদের সমবয়সীদের তুলনায় "আত্মহত্যার কথা ভাবার সম্ভাবনা চার গুণেরও বেশি, যেখানে ৫ জনের মধ্যে ১ জন এলজিবিটিকিউ তরুণ এবং ৩ জনের মধ্যে ১ জনেরও বেশি ট্রান্সজেন্ডার তরুণ আত্মহত্যার চেষ্টা করার কথা জানিয়েছেন।"<br>আইনটি দ্বিদলীয় সমর্থন পেয়েছিল। ডোনাল্ড ট্রাম্প, যিনি তখন তার প্রথম মেয়াদের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন, তিনিও এই বিলটিতে স্বাক্ষর করে আইনে পরিণত করেন।<br>৯৮৮ লাইফলাইন ওয়েবসাইট অনুযায়ী, "ঐতিহাসিক এবং চলমান কাঠামোগত সহিংসতার কারণে এলজিবিটিকিউ সম্প্রদায়গুলো অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে আত্মহত্যা এবং অন্যান্য মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার ঝুঁকিতে রয়েছে।"<br>ট্রেভর প্রজেক্ট ২০২২ সালে ৯৮৮ লাইফলাইনের মাধ্যমে এর সেবা প্রদান শুরু করে। সংস্থাটি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ২০২৪ সালে তারা ২,৩১,০০০টিরও বেশি সংকটাপন্ন যোগাযোগের ক্ষেত্রে সেবা প্রদান করেছে। সংস্থাটি আরও জানিয়েছে যে তারা তাদের নিজস্ব স্বাধীন সেবা প্রদান অব্যাহত রাখবে।
** কায়লা এপস্টেইন, ''বিবিসি নিউজ''; [https://www.bbc.com/news/articles/cwyqlv7y31go/ "জাতীয় আত্মহত্যা হটলাইনে এলজিবিটিকিউ তরুণদের অপশনের অর্থায়ন বন্ধ করলেন ট্রাম্প"] (১৯ জুন ২০২৫)
* ৯৮৮ লাইফলাইনের নির্ধারিত এলজিবিটিকিউ তরুণ অপশনটি বাতিল করার সিদ্ধান্তটি এমন এক সময়ে এল, যখন ট্রাম্প ফেডারেল সরকার জুড়ে ট্রান্সজেন্ডার ব্যক্তিদের জন্য সেবা, সমর্থন এবং সুযোগ-সুবিধা কমানোর চেষ্টা করছেন। তিনি ফেডারেল সরকারের মধ্যে বৈচিত্র্য, সমতা এবং অন্তর্ভুক্তি নীতি বাতিল করার জন্য চাপ দিয়েছেন, এই যুক্তি দিয়ে যে এই ধরনের কর্মসূচিগুলো নিজেই বৈষম্যমূলক। প্রেসিডেন্ট মার্কিন সামরিক বাহিনী থেকে ট্রান্সজেন্ডার সদস্যদের অপসারণ করার নির্দেশ দিয়েছেন এবং একটি নির্বাহী আদেশ জারি করে বলেছেন যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কেবল দুটি লিঙ্গকে স্বীকৃতি দেবে—পুরুষ এবং নারী। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরও ঘোষণা করেছে যে তারা মার্কিন পাসপোর্টগুলোতে আবেদনকারীদের জেন্ডার হিসেবে "এক্স" (X) বেছে নিতে আর অনুমতি দেবে না। এর পরিবর্তে, ট্রান্সজেন্ডার ব্যক্তিদের অবশ্যই জন্মের সময় নির্ধারিত তাদের লিঙ্গ অনুযায়ী "পুরুষ" বা "নারী" বেছে নিতে হবে।
** কায়লা এপস্টেইন, ''বিবিসি নিউজ''; [https://www.bbc.com/news/articles/cwyqlv7y31go/ "জাতীয় আত্মহত্যা হটলাইনে এলজিবিটিকিউ তরুণদের অপশনের অর্থায়ন বন্ধ করলেন ট্রাম্প"] (১৯ জুন ২০২৫)
* গত সপ্তাহে, "সাউথ লুপ" আইসিই সুবিধা (শিকাগোর ২২৪৫ সাউথ মিশিগান অ্যাভিনিউতে অবস্থিত ইনটেনসিভ সুপারভিশন অ্যাপিয়ারেন্স প্রোগ্রাম অফিস) পরিদর্শনের সময় আমাদের কংগ্রেসীয় তদারকি করতে দেওয়া হয়নি; এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য হিসেবে আমাদের দায়িত্ব। এই সুবিধাটি পরিদর্শনের সময় যে আইসিই কর্মকর্তা নিজের পরিচয় দিতে অস্বীকার করেন, তিনি আমাদের "অনধিকার প্রবেশের" জন্য বের করে দিতে শিকাগো পুলিশ বিভাগকে ফোন করেন। আমরা আজ লিখছি এই সুবিধাগুলো এবং এর ক্রিয়াকলাপের তদারকির অভাব নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করতে এবং এই কার্যকলাপগুলো আরও তদন্তের উদ্দেশ্যে আইসিই সুবিধাগুলোতে অবিলম্বে এবং সম্পূর্ণ অ্যাক্সেস চাইতে। এই নির্দিষ্ট সুবিধাটি এমন কিছু অত্যন্ত বিরক্তিকর ঘটনার জায়গা হয়েছে যা আমাদের সম্প্রদায়কে নাড়িয়ে দিয়েছে। গত ৪ জুন ২০২৫-এ, একটি নিয়মিত সাক্ষাতের জন্য আসার দাবি জানিয়ে বার্তা পাঠানোর পর আইসিই কর্মকর্তারা অন্তত ১০ জন ব্যক্তিকে আটক করেন। ঠিক কতজনকে নেওয়া হয়েছিল, তাদের কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল এবং তাদের কোনো আইনি পরামর্শের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল কি না, তা স্পষ্ট নয়। আমরা আমাদের তদারকির দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে এই বিষয়গুলোই জানতে চেয়েছিলাম। কিন্তু আমাদের সেই প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হয়নি। আমরা আজ আপনাকে লিখছি এই সুবিধায় আমাদের প্রবেশের দাবি জানাতে।
** [[রাজা কৃষ্ণমূর্তি]], ইলিনয়ের ৮ম কংগ্রেসনাল জেলার মার্কিন প্রতিনিধি এবং জোনাথন জ্যাকসন, ইলিনয়ের ১ম কংগ্রেসনাল জেলার মার্কিন প্রতিনিধি, [https://krishnamoorthi.house.gov/sites/evo-subsites/krishnamoorthi.house.gov/files/evo-media-document/2025.06.23-dhs-letter-final%29.pdf/ ক্রিস্টি নোয়েমের কাছে চিঠি] (২৩ জুন ২০২৫)
* আমাদের এই অনুরোধটি এমন সময়ে এসেছে যখন প্রেসিডেন্ট "ইতিহাসের সবচেয়ে বড় গণ-নির্বাসন কর্মসূচি" চালানোর তার ইচ্ছার কথা ঘোষণা করেছেন। তিনি অন্যান্য ডেমোক্র্যাট-পরিচালিত শহরের পাশাপাশি শিকাগো শহরকেও লক্ষ্যবস্তু হিসেবে নির্দিষ্ট করে নাম উল্লেখ করেছেন। প্রেসিডেন্টের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত পদক্ষেপগুলো গভীরভাবে উদ্বেগজনক। বিশেষ করে ইলিনয়ে আমাদের মতো সম্প্রদায়গুলোর জন্য, যারা সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইতোমধ্যেই জোরদার আইন প্রয়োগকারী কার্যকলাপ দেখেছে। প্রশাসনকে অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে যে অভিবাসনের মর্যাদা নির্বিশেষে সকল ব্যক্তির সাথে মর্যাদাপূর্ণ আচরণ করা হয় এবং তাদের যথাযথ প্রক্রিয়া প্রদান করা হয়, কারণ এটিই আইন। তবে মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা ভিন্ন কথা বলে। প্রেসিডেন্ট বারবার শিকাগোকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছেন এবং আমরা এখন অত্যন্ত উদ্বেগজনকভাবে এর পরিণতি দেখতে পাচ্ছি।<br>শিকাগোতে এই সুবিধাগুলোতে তড়িঘড়ি করে নির্বাসন, অপর্যাপ্ত চিকিৎসা সেবা, সীমিত আইনি প্রবেশাধিকার এবং দুর্বল অবস্থার অভিযোগ রয়েছে। এগুলো কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং এগুলো আইন প্রয়োগ এবং সুবিধা তদারকির ক্ষেত্রে বিস্তৃত পদ্ধতিগত ব্যর্থতার দিকে ইঙ্গিত করে।
** [[রাজা কৃষ্ণমূর্তি]], ইলিনয়ের ৮ম কংগ্রেসনাল জেলার মার্কিন প্রতিনিধি এবং জোনাথন জ্যাকসন, ইলিনয়ের ১ম কংগ্রেসনাল জেলার মার্কিন প্রতিনিধি, [https://krishnamoorthi.house.gov/sites/evo-subsites/krishnamoorthi.house.gov/files/evo-media-document/2025.06.23-dhs-letter-final%29.pdf/ ক্রিস্টি নোয়েমের কাছে চিঠি] (২৩ জুন ২০২৫)
* শিকাগোর আইসিই সুবিধাগুলোতে নিয়ে আসা কিছু ব্যক্তিকে অমানবিক পরিস্থিতিতে বেশ কয়েক দিন ধরে আটকে রাখা হয়েছিল বলে জানা গেছে। আটক ব্যক্তিদের একজন, মিসেস গ্লাডিস ইয়োলান্ডা শ্যাভেজ পিনেডা, যিনি দীর্ঘদিনের শিকাগোর বাসিন্দা এবং একজন সম্মানিত কমিউনিটি লিডার, তিনি তার এক ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন। এক সাক্ষাৎকারে তার স্বামী বলেছেন, "সে গোসল করার সুযোগ পায়নি। সে মেয়েদের জন্য প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধি পণ্য পায়নি। সে নিজের পোশাক পাল্টানোর সুযোগ পায়নি... সেখানে কী হচ্ছে সে বিষয়ে তাদের কাছে কোনো তথ্য নেই। এমনকি তাদের কাছে কোনো ঘড়িও নেই।" কেনটাকির একটি জেলে স্থানান্তরিত হওয়ার পর পিনেডা জানিয়েছেন, "মানুষ কংক্রিটের মেঝেতে ঘুমাচ্ছে। গত রোববার ২০ জন মায়ের একটি দলকে শেয়ার করার জন্য মাত্র একটি ম্যাট্রেস দেওয়া হয়েছিল। একটি সুবিধায় ২০ বা তার বেশি মানুষের জন্য মাত্র একটি বাথরুম দেওয়া হয়, যেখানে কোনো পার্টিশন বা গোপনীয়তা নেই।" এই প্রতিবেদনগুলো কেবল ইলিনয় নয়, বরং সারা দেশে আইসিই'র আইন প্রয়োগ কৌশল এবং সুবিধা পরিচালনার পদ্ধতিগত সমস্যাগুলোকেই প্রতিফলিত করে।
** [[রাজা কৃষ্ণমূর্তি]], ইলিনয়ের ৮ম কংগ্রেসনাল জেলার মার্কিন প্রতিনিধি এবং জোনাথন জ্যাকসন, ইলিনয়ের ১ম কংগ্রেসনাল জেলার মার্কিন প্রতিনিধি, [https://krishnamoorthi.house.gov/sites/evo-subsites/krishnamoorthi.house.gov/files/evo-media-document/2025.06.23-dhs-letter-final%29.pdf/ ক্রিস্টি নোয়েমের কাছে চিঠি] (২৩ জুন ২০২৫)
* ট্রাম্প প্রশাসন জনসাধারণ থেকে তাদের ভাষায় যাকে তারা "ওক" মতাদর্শ বলে থাকে, তা মুছে ফেলার জন্য বৃহত্তর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই মধ্যে পেন্টাগন একটি মার্কিন নৌবাহিনীর জাহাজ থেকে প্রয়াত সমকামী নাগরিক অধিকার নেতা হার্ভে মিল্কের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে সরিয়ে নিয়েছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ শুক্রবার অনলাইনে পোস্ট করা এক ভিডিওতে ঘোষণা করেছেন, সাবেক ইউএসএনএস হার্ভে মিল্কের নতুন নাম ইউএসএনএস অস্কার ভি. পিটারসন রাখা হয়েছে। হেগসেথ বলেছেন, "আমরা জাহাজের নাম থেকে রাজনীতি সরিয়ে দিচ্ছি।" তিনি আরও বলেন, "আমরা কোনো রাজনৈতিক নামে জাহাজের নাম রাখছি না। আগের প্রশাসনের মতো এটি রাজনৈতিক কর্মীদের নিয়ে নয়।"<br>এই জাহাজটি জন লুইস-শ্রেণির অয়েলারের একটি অংশ, যার নামকরণ করা হয়েছে বিখ্যাত নাগরিক অধিকার কর্মী এবং দীর্ঘদিনের কংগ্রেসম্যানের নামে।<br>২০১৬ সালে তৎকালীন নৌবাহিনীর সচিব রে মাবাস বলেছিলেন, এই শ্রেণির জাহাজগুলোর নামকরণ নাগরিক অধিকার আন্দোলনের নেতাদের নামে করা হবে। এর মধ্যে হার্ভে মিল্কের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোও অন্তর্ভুক্ত ছিল। মিল্ক ছিলেন নৌবাহিনীর একজন অভিজ্ঞ সৈনিক, যিনি পরে সান ফ্রান্সিসকো বোর্ড অফ সুপারভাইজার্সে নির্বাচিত হয়ে ক্যালিফোর্নিয়ার রাজনীতিতে কাজ করা প্রথম প্রকাশ্যে সমকামী ব্যক্তি হয়ে ওঠেন। ১৯৭৮ সালে মিল্ককে বোর্ডের এক প্রাক্তন সহকর্মী হত্যা করেন। তবে তিনি সমকামী অধিকারের পক্ষে এক বিশাল উত্তরাধিকার রেখে যান। জাহাজের নতুন নাম যার নামে রাখা হয়েছে, সেই অস্কার ভি. পিটারসন ছিলেন মার্কিন নৌবাহিনীর একজন চিফ পেটি অফিসার, যিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নিহত হয়েছিলেন। যুদ্ধের সময় সাহসিকতার জন্য কংগ্রেস তাকে মরণোত্তর মেডেল অফ অনার প্রদান করে।
** আলানা ওয়াইজ, ''এনপিআর''; [https://www.npr.org/2025/06/27/nx-s1-5449053/harvey-milk-navy-ship-renamed-oscar-peterson/ "ডিইআই কমানোর ট্রাম্প প্রশাসনের প্রচেষ্টার মাঝে ইউএসএনএস হার্ভে মিল্কের নাম পরিবর্তন"] (২৭ জুন ২০২৫)
* হেগসেথের নির্দেশনায় নৌবাহিনী নারী, কৃষ্ণাঙ্গ এবং হিস্পানিকদের নামে থাকা আরও বেশ কয়েকটি জাহাজের নাম পর্যালোচনা করছে। থারগুড মার্শাল, রুথ বেডার গিন্সবার্গ, হ্যারিয়েট টাবম্যান, ডলোরেস হুয়ের্তা, সিজার শ্যাভেজ, লুসি স্টোন এবং মেডগার এভারসের নামে নামকরণ করা জাহাজগুলোও এই পর্যালোচনার আওতায় রয়েছে।
** আলানা ওয়াইজ, ''এনপিআর''; [https://www.npr.org/2025/06/27/nx-s1-5449053/harvey-milk-navy-ship-renamed-oscar-peterson/ "ডিইআই কমানোর ট্রাম্প প্রশাসনের প্রচেষ্টার মাঝে ইউএসএনএস হার্ভে মিল্কের নাম পরিবর্তন"] (২৭ জুন ২০২৫)
==== জুলাই ২০২৫ ====
* ২০১৭ সালের ১২ জানুয়ারির প্রেসিডেন্ট মেমোরেন্ডাম (আমাদের জাতীয় উদ্যান, জাতীয় বন এবং অন্যান্য সরকারি জমি ও জলাশয়গুলোতে বৈচিত্র্য এবং অন্তর্ভুক্তি প্রচার)[https://obamawhitehouse.archives.gov/the-press-office/2017/01/12/presidential-memorandum-promoting-diversity-and-inclusion-our-national] এতদ্বারা বাতিল করা হলো।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.whitehouse.gov/presidential-actions/2025/07/making-america-beautiful-again-by-improving-our-national-parks/ নির্বাহী আদেশ: আমাদের জাতীয় উদ্যানগুলোর উন্নয়নের মাধ্যমে আমেরিকাকে আবার সুন্দর করে তোলা], ৩ জুলাই ২০২৫
* ট্রাম্প প্রশাসন পেডোফাইল [[জেফ্রি এপস্টিন|জেফ্রি এপস্টিনের]] কার্যকলাপের তদন্তের সময় সংগ্রহ করা ফাইল ও ভিডিওগুলো প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। এটি ট্রাম্প সমর্থকদের এবং বিশ্বাসপ্রবণ উদারপন্থীদের সেই হাস্যকর ধারণাকে মিথ্যা প্রমাণ করেছে যে ট্রাম্প 'ডিপ স্টেট' ভেঙে দেবেন। ট্রাম্প নিজেও রাজনীতিবিদ (ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান), বিলিয়নিয়ার এবং সেলিব্রিটিদের সেই ঘৃণ্য চক্রের একটি অংশ, এবং দীর্ঘকাল ধরেই অংশ ছিলেন। এরা আমাদের, এবং প্রায়শই কমবয়সী মেয়ে ও ছেলেদের, লাভ বা আনন্দের জন্য শোষণের পণ্য হিসেবে দেখে।
** [[ক্রিস হেজেস]], ''শিয়ারপোস্ট''; [https://scheerpost.com/2025/07/13/chris-hedges-trump-epstein-and-the-deep-state/ ট্রাম্প, এপস্টিন এবং ডিপ স্টেট] (১৩ জুলাই ২০২৫)
==== আগস্ট ২০২৫ ====
* দেখুন, আমেরিকান পচনের দুর্গন্ধযুক্ত এই মৃতদেহটি একটি বেমানান স্যুটে ঢোকানো হয়েছে: একজন প্রতারকের নোংরামি, একজন ড্রাফট ডজারের (যুদ্ধে যোগ দেওয়া এড়ানো ব্যক্তি) কাপুরুষতা, একজন পরজীবীর পেটুক স্বভাব, একজন ক্ল্যানসম্যানের বর্ণবাদ, পেছনের গলির একজন বিকৃতমনা ব্যক্তির লিঙ্গবৈষম্য, বার-স্টুলে বসা একজন মাতালের মূর্খতা এবং হেজ-ফান্ডের একজন লোভী ব্যক্তির লোভ। এই সব কিছুকেই কমলা রঙ করে কাউন্টি ফেয়ারের এক পুরস্কার জেতা শূকরের মতো করে প্রদর্শন করা হচ্ছে।<br>কোনো প্রেসিডেন্ট নয়। এমনকি একজন মানুষও নয়। বরং এটি হলো এই দেশটি যা নয় বলে দাবি করে কিন্তু সবসময় যা হয়েই এসেছে তার একটি অসুস্থ নির্যাস—অহংকারকে ব্যতিক্রমবাদ হিসেবে, মূর্খতাকে সাধারণ জ্ঞান হিসেবে, নিষ্ঠুরতাকে কঠোরতা হিসেবে, লোভকে উচ্চাকাঙ্ক্ষা হিসেবে বিক্রি করা হয়। আর দুর্নীতিকে উপাসনা করা হয়।<br>এটি হলো আমেরিকার ছায়ার বাস্তব রূপ। একটি পচা কুমড়ার প্রতিমা; এটি প্রমাণ করে যে যখন কোনো জাতি অর্থ, ক্ষমতা এবং বিদ্বেষের সামনে হাঁটু গাড়ে, তখন সে শুধু নিজের আত্মাই হারায় না, বরং সে এমন এক স্থূল এবং অশ্লীল রূপের জন্ম দেয়, আর তাকেই নেতা বলে ডাকে।
** অলিভার কর্নেটজকে, ''দ্য পোক''; [https://www.thepoke.com/2025/09/27/this-vividly-insulting-description-of-donald-trump-is-the-most-brutal-summary-of-the-us-president-youll-ever-read/?callback=in&code=NJDJM2E2MZYTMGJKNS0ZZMUXLWFIMJITZMRLNGFHMTFMYTY0&state=8ee969016a444a30b9ef4685545bba10/ "ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই স্পষ্টভাবে অপমানজনক বর্ণনাটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের সবচেয়ে নির্দয় সারসংক্ষেপ যা আপনি কখনো পড়বেন"]। এটি প্রথম ফেসবুকে ১৮ আগস্ট ২০২৫-এ পোস্ট করা হয়েছিল এবং মাইকেল হোয়াইট এটি ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫-এ পুনঃপ্রকাশ করেন।
* এই সপ্তাহে আমরা গণমাধ্যমের মাধ্যমে জানতে পেরেছি যে ডোনাল্ড ট্রাম্প বেশ কিছুদিন ধরেই শিকাগোর রাস্তায় সশস্ত্র সামরিক বাহিনী মোতায়েন করার পরিকল্পনা করছেন। এটি ঠিক সেই ধরনের অতি-হস্তক্ষেপ, যার বিরুদ্ধে আমাদের দেশের প্রতিষ্ঠাতারা সতর্ক করেন।
** ২৫ আগস্ট ২০২৫-এ এক বিবৃতিতে ইলিনয়ের গভর্নর [[জেবি প্রিৎজকার|জেবি প্রিৎজকার]]। মাইকেল লুসিয়ানোর লেখা ''মিডিয়াাইট''; [https://www.msn.com/en-us/news/politics/trump-declares-i-have-the-right-to-do-anything-i-want-because-i-m-the-president/ "ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, 'আমি যা খুশি তাই করার অধিকার রাখি' কারণ 'আমি প্রেসিডেন্ট'"] থেকে উদ্ধৃত (২৬ আগস্ট ২০২৫)
* আমি যা খুশি তাই করার অধিকার রাখি। আমি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট। যদি আমার মনে হয় আমাদের দেশ বিপদে আছে—আর এই শহরগুলোতে সত্যিই বিপদে আছে—তবে আমি এটা করতে পারি, সেখানে গিয়ে তার সমস্যাগুলোর সমাধান করতে কোনো অসুবিধা নেই। কিন্তু তারা যদি ফোন করে বলত, "আপনি কি এটা করবেন?" তবে খুব ভালো হতো। তাহলে আমরা একসাথে এটা করতাম। এখন, আমরা পুলিশের সাথে খুব ভালোভাবে কাজ করি, কারণ স্বাভাবিকভাবেই আমরা পুলিশের সাথে মানিয়ে নিই। তাই পুলিশ এবং আমরা একসাথে খুব ভালোভাবে কাজ করি, মেয়র এর বিরোধিতা করুক বা না করুক। আসলে আপনাদের ওখানেও একজন জঘন্য মেয়র আছেন। শিকাগোতে তার অনুমোদনের হার মাত্র ছয় শতাংশ।<br>আর গত রাতে আমি টিভিতে কৃষ্ণাঙ্গ নারীদের লাল ম্যাগা টুপি পরতে দেখেছি। "দয়া করে প্রেসিডেন্টকে আসতে দিন। আমার ছেলে আক্রান্ত হয়েছে। আমার এই..." আপনাদের এখানে কৃষ্ণাঙ্গ নারীদের একটি বাহিনী রয়েছে। তারা বলছে, "কেবল ট্রাম্প।" তারা চায় ট্রাম্প সেখানে যান।
** ডোনাল্ড ট্রাম্প, ২৬ আগস্ট ২০২৫-এর এক বিবৃতিতে। তিনি স্থানীয়/অঙ্গরাজ্যের কর্মকর্তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে ক্যালিফোর্নিয়া, ওয়াশিংটন ডিসি এবং ইলিনয়ে মার্কিন সেনা ন্যাশনাল গার্ড বাহিনী সক্রিয় করার সিদ্ধান্তের পক্ষে যুক্তি দেন। মাইকেল লুসিয়ানোর লেখা ''মিডিয়াাইট''; [https://www.msn.com/en-us/news/politics/trump-declares-i-have-the-right-to-do-anything-i-want-because-i-m-the-president/ "ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, 'আমি যা খুশি তাই করার অধিকার রাখি' কারণ 'আমি প্রেসিডেন্ট'"] থেকে উদ্ধৃত (২৬ আগস্ট ২০২৫)
* ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ক্ষমতায় ফেরার পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এমন কিছু পদক্ষেপ নিয়েছেন যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার পর্যবেক্ষকদের শঙ্কিত করেছে। যেমন: যথাযথ প্রক্রিয়া ছাড়াই অভিবাসীদের নির্বাসন দেওয়া, আটকদের অমানবিক ও ভিড়ে ঠাসা অবস্থায় রাখা এবং মূলত শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ দমনের জন্য লস অ্যাঞ্জেলেসে ন্যাশনাল গার্ড এবং ফেডারেল সামরিক বাহিনী উভয়ই মোতায়েন করা। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে, আপাতদৃষ্টিতে গৃহহীন নাগরিকদের রাস্তা থেকে সরিয়ে দিতে এবং অপরাধ দমন করতে ন্যাশনাল গার্ডের সেনারা ওয়াশিংটনে মোতায়েন হয়েছে। এখন, ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন যে তিনি রক্ষণশীল অঙ্গরাজ্যগুলো থেকে ন্যাশনাল গার্ডকে শিকাগো এবং নিউইয়র্কের মতো বামপন্থী শহরগুলোতে পাঠাবেন। এর ফলে রাজনৈতিক সহিংসতা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে।
** চার্লি কার্পেন্টার, ম্যাসাচুসেটস-অ্যামহার্স্ট ইউনিভার্সিটির রাষ্ট্রবিজ্ঞান এবং আইন অধ্যয়নের অধ্যাপক, ''ওয়ার্ল্ড পলিটিক্স রিভিউ''; [https://www.msn.com/en-us/news/opinion/u-s-troops-are-obligated-to-disobey-unlawful-orders-would-they/ "মার্কিন সেনারা বেআইনি আদেশ অমান্য করতে বাধ্য। তারা কি তা করবে?"] (২৬ আগস্ট ২০২৫)
* এমনকি সেনারাই নিজেদের জিজ্ঞাসা করছে যে, যদি তাদের নিজেদের আমেরিকান ভাইবোনদের বিরুদ্ধেই দাঁড়াতে বলা হয়, তবে তারা কী করবে। ইউম্যাস অ্যামহার্স্টের হিউম্যান সিকিউরিটি ল্যাবের (যেটি আমি পরিচালনা করি) নতুন জরিপের তথ্য অনুযায়ী, তাদের সিংহভাগই একটি বেআইনি আদেশ অমান্য করার কর্তব্যের কথা স্বীকার করেন এবং এমন পরিস্থিতির কথা কল্পনা করতে পারেন। তবে, সত্যি সত্যি যখন সময় আসবে তখন তারা কি আসলেই কোনো আদেশ অমান্য করবেন কি না, সেটি একটি অস্পষ্ট প্রশ্ন।<br>আজকে মার্কিন সেনারা একটি নৈতিক সংকটের মুখোমুখি: তাদের কমান্ডার-ইন-চিফের আদেশ মানতে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়, কিন্তু তাদের শপথ হলো মার্কিন সংবিধানের প্রতি। আর ট্রাম্পকে যখন জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে তাকে "সংবিধান রক্ষা করতে" হবে কি না, তখন তিনি উত্তর দেন, "আমি জানি না।" তাছাড়া, ইউনিফর্ম কোড অব মিলিটারি জাস্টিসের অধীনে পরিষেবা সদস্যদের বৈধ আদেশ মেনে চলার বাধ্যবাধকতা রয়েছে, কিন্তু ইউএস কোর্টস মার্শাল ম্যানুয়ালের অধীনে, তাদের বেআইনি আদেশ অমান্য করারও বাধ্যবাধকতা রয়েছে। বেআইনি আদেশ বলতে সেগুলোকে বোঝায় যা পরিষ্কারভাবে মার্কিন সংবিধান, মার্কিন ফেডারেল আইন বা জেনেভা কনভেনশনের মতো আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে। এই ধরনের ক্ষেত্রে আদেশ পালন করা কোনো অজুহাত হতে পারে না: পরিষেবা সদস্যদের ব্যক্তিগতভাবে এই ধরনের অপরাধের জন্য দায়ী করা যেতে পারে এবং ব্যক্তিগত দায়বদ্ধতার নিয়মের অধীনে তাদের বিচার করা যেতে পারে।
** চার্লি কার্পেন্টার, ম্যাসাচুসেটস-অ্যামহার্স্ট ইউনিভার্সিটির রাষ্ট্রবিজ্ঞান এবং আইন অধ্যয়নের অধ্যাপক, ''ওয়ার্ল্ড পলিটিক্স রিভিউ''; [https://www.msn.com/en-us/news/opinion/u-s-troops-are-obligated-to-disobey-unlawful-orders-would-they/ "মার্কিন সেনারা বেআইনি আদেশ অমান্য করতে বাধ্য। তারা কি তা করবে?"] (২৬ আগস্ট ২০২৫)
* ট্রাম্পের অনেক আদেশকে ইতোমধ্যেই অসাংবিধানিক বলে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে। অসংখ্য আন্তর্জাতিক সংস্থা জানিয়েছে যে তার অনেক পদক্ষেপ গত সাত দশক ধরে প্রতিষ্ঠিত আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ড লঙ্ঘন করে। এর মধ্যে কিছু মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধও হতে পারে। এমনকি সক্রিয় দায়িত্বে থাকা সেনা মোতায়েন করাও পসে কমিটেটাস অ্যাক্ট লঙ্ঘন করার ঝুঁকি তৈরি করে; এটি ঘরোয়া আইন প্রয়োগের জন্য ফেডারেল সেনা ব্যবহার করতে বাধা দেয়। তাই, মার্কিন সেনারা এখন এক ধর্মসংকটে রয়েছেন এবং এটি ইতোমধ্যেই সেনাদের মনোবলের ওপর প্রভাব ফেলছে। যেসব পরিষেবা সদস্য বেআইনি আদেশ মানতে অস্বীকৃতি জানান, কিছু সেনা কংগ্রেসের কাছে তাদের সুরক্ষা দেওয়ার জন্য সক্রিয়ভাবে আহ্বান জানাচ্ছেন।
** চার্লি কার্পেন্টার, ম্যাসাচুসেটস-অ্যামহার্স্ট ইউনিভার্সিটির রাষ্ট্রবিজ্ঞান এবং আইন অধ্যয়নের অধ্যাপক, ''ওয়ার্ল্ড পলিটিক্স রিভিউ''; [https://www.msn.com/en-us/news/opinion/u-s-troops-are-obligated-to-disobey-unlawful-orders-would-they/ "মার্কিন সেনারা বেআইনি আদেশ অমান্য করতে বাধ্য। তারা কি তা করবে?"] (২৬ আগস্ট ২০২৫)
* ট্রাম্পের দেওয়া আদেশগুলো প্রতিহত করতে সামরিক বাহিনী ঠিক কত দূর যেতে পারে? এর উত্তর অনেকটাই নির্ভর করে ওই পরিষেবা সদস্য এবং পরিস্থিতির ওপর। উদাহরণস্বরূপ, সেনাদের তাদের দায়িত্ব পালনের সময় যুদ্ধাপরাধ করার আদেশ অমান্য করার শিক্ষা দেওয়া হয়। তবে আইনি ইতিহাসবিদ টম ডানেনবাউম যেমনটা উল্লেখ করেছেন, সাধারণত তাদের মোতায়েনের শর্তগুলো নিয়ে প্রশ্ন তোলার অধিকার তাদের দেওয়া হয় না, এমনকি যখন সেই শর্তগুলো নিজেরাই (যেমন ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়ার আগ্রাসী যুদ্ধ) আন্তর্জাতিক আইন পরিষ্কারভাবে লঙ্ঘন করে। তাই, বিদ্যমান প্রথাগত আইনের অধীনে, সেনাদের পসে কমিটেটাস অ্যাক্ট লঙ্ঘন করে মোতায়েন করার আদেশের চেয়ে, নৃশংসতা চালানোর আদেশগুলো বিবেকের তাড়নায় প্রতিহত করার সম্ভাবনাই বেশি।<br>দ্বিতীয়ত, সেনাদের প্রতিটি প্রশ্নবিদ্ধ আদেশ অমান্য করার প্রয়োজন নেই; এটি একটি অস্পষ্ট ধূসর এলাকা তৈরি করে। আর এ কারণে এটা ভাবা ঠিক হবে না যে সবাই এই নিয়ম ১০০ ভাগ মেনে চলবে। আইনি পরিভাষায়, সামরিক ইতিহাসবিদ মার্ক ওসিয়েলের মতে, "স্পষ্টতই বেআইনি" আদেশের মাপকাঠি হলো আদেশটি "দেখতেই বেআইনি" কি না, অর্থাৎ একজন সাধারণ মানুষ এটি ভুল কি না, তা বুঝতে পারে কি না। কোর্ট মার্শালের পদ্ধতিগত নিয়মগুলোতেও এটি প্রতিফলিত হয়েছে। কিন্তু সমাজবিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন, ইউনিফর্ম পরা নারী ও পুরুষদের "স্পষ্টতই বেআইনি" হওয়ার সীমানা বোঝার ক্ষমতা আলাদা। কারণ তারা সহজেই পরিস্থিতিগত কারণগুলোর ওপর ভিত্তি করে কাজগুলোর জন্য নিজেদের অজুহাত তৈরি করে নিতে পারে।
** চার্লি কার্পেন্টার, ম্যাসাচুসেটস-অ্যামহার্স্ট ইউনিভার্সিটির রাষ্ট্রবিজ্ঞান এবং আইন অধ্যয়নের অধ্যাপক, ''ওয়ার্ল্ড পলিটিক্স রিভিউ''; [https://www.msn.com/en-us/news/opinion/u-s-troops-are-obligated-to-disobey-unlawful-orders-would-they/ "মার্কিন সেনারা বেআইনি আদেশ অমান্য করতে বাধ্য। তারা কি তা করবে?"] (২৬ আগস্ট ২০২৫)
* এই প্রেক্ষাপটে এটি লক্ষণীয় যে, এত মার্কিন সেনা এটা বলতে রাজি আছেন যে তারা অমানবিক আচরণ, বেসামরিক নাগরিকদের অনাহারে রাখা বা তাদের গুলি করার মতো আদেশগুলো প্রকাশ্যে অমান্য করবেন। আর গবেষণা দেখায় যে, যদি অল্প কিছু মানুষও রুখে দাঁড়াতে প্রস্তুত থাকে, তবে তা-ও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। অপরাধবিজ্ঞানী ইভা হোয়াইটহেড ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময় এবং স্নায়ুযুদ্ধের সময় পূর্ব জার্মানি সীমান্তে বিবেকের তাড়নায় অবাধ্যতা নিয়ে গবেষণা করেন। তার গবেষণায় দেখা গেছে যে, যখন কিছু সেনা আদেশ অমান্য করেছিল, তখন অন্যদের জন্য তাদের অনুসরণ করা সহজ হয়েছিল।<br>মার্কিন সেনাদের মধ্যে বেআইনি আদেশ মানার বিরুদ্ধে একটা প্রতিরোধ আছে। এখন প্রশ্ন হলো, যখন সত্যিকার অর্থে সময় আসবে, তখন এটি কোনো পার্থক্য তৈরি করবে কি না। ইউনিফর্ম পরা কর্মীরা স্পষ্টতই বেআইনি আদেশের ধারণাটি বোঝেন এবং এমন আদেশ অমান্য করা যে তাদের দায়িত্ব, সেটিও তারা জানেন। এটি পুরোপুরি ক্ষতি ঠেকাতে পারবে না, কারণ কিছু সেনা এখনও অত্যধিক চাপের পরিস্থিতিতে সামরিক শ্রেণিবিন্যাসের ওজনের নিচে ভেঙে পড়তে পারে। তবে এত পরিষেবা সদস্যের বেআইনি আদেশ চেনার ইচ্ছা এবং সেগুলো অমান্য করার দায়িত্ব, এই কঠিন ও নজিরবিহীন সময়েও ব্যক্তিদের নৈতিক স্বাধীনতা এবং আন্তর্জাতিক আইনি মানদণ্ডগুলোর স্থায়ী শক্তিকেই তুলে ধরে।
** চার্লি কার্পেন্টার, ম্যাসাচুসেটস-অ্যামহার্স্ট ইউনিভার্সিটির রাষ্ট্রবিজ্ঞান এবং আইন অধ্যয়নের অধ্যাপক, ''ওয়ার্ল্ড পলিটিক্স রিভিউ''; [https://www.msn.com/en-us/news/opinion/u-s-troops-are-obligated-to-disobey-unlawful-orders-would-they/ "মার্কিন সেনারা বেআইনি আদেশ অমান্য করতে বাধ্য। তারা কি তা করবে?"] (২৬ আগস্ট ২০২৫)
* মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এক নতুন-পুরোনো জগতে বাস করছে। প্রায় ২৫০ বছরের গণতন্ত্রের পর, এটি যেন স্বৈরতন্ত্র, জাতিগত শ্রেষ্ঠত্ব, কমিউনিজম-বিরোধিতা এবং আরেকটি লোকরঞ্জক রাজনীতিবিদ অ্যাডলফ হিটলারের তুলে ধরা সমস্ত জঘন্য তত্ত্বে সংক্রমিত হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন যে তিনি প্রথম দিনেই একজন স্বৈরশাসক হবেন। ইতিহাসই এর বিচার করবে, তবে বর্তমানে গণতন্ত্রের সমীকরণের দিকটি বেশ হতাশাজনক দেখাচ্ছে।
** অজ্ঞাতনামা, ''রিলিজিয়ন নিউজ সার্ভিস''; [https://www.msn.com/en-us/channel/source/RNS/ "খ্রিস্টান জাতীয়তাবাদের অবক্ষয় এবং সংস্কৃতির ধ্বংসসাধন"] (২৯ আগস্ট ২০২৫)
* শিল্প ও সংস্কৃতির কথাই ধরুন। হিটলার ১২ বছর ধরে তার আইনশৃঙ্খলার ধারণাগুলো নষ্ট করার পাশাপাশি, বর্তমান সময়ে যাদের আমরা "সৃজনশীল ব্যক্তি" এবং সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান বলি, তাদের ওপরও আক্রমণ করেন। জার্মানিতে ভাইমার যুগে শৈল্পিক আধুনিকতাবাদের বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছিল, তবে ফুয়েরার (হিটলার) শিল্পের বিষয়ে তার নিজস্ব ধারণাগুলো পুরোপুরি চাপিয়ে দেন। তিনি "অধঃপতিত শিল্প" নিষিদ্ধ করেন: এর মধ্যে ছিল বাউহাউস, কিউবিজম, দাদাইজম, এক্সপ্রেশনিজম, ফভিজম, ইমপ্রেশনিজম এবং সুরিয়ালিজম। আর তার সরকার কেবল সরকারি পেইন্টার, ভাস্কর, স্থপতি, লেখক এবং এমনকি অভিনেতাদেরও সমর্থন করত।<br>২১ শতকের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও পরিস্থিতি একই দিকে এগোচ্ছে। ট্রাম্প জন এফ. কেনেডি সেন্টার ফর দ্য পারফর্মিং আর্টসের চেয়ারপারসন নির্বাচিত হওয়ার পর, ওয়াশিংটনের এই প্রধান শিল্পকেন্দ্রে "ওক রাজনৈতিক অনুষ্ঠান" বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এর মানে কী, তার একটি উদাহরণ হলো, কেনেডি সেন্টার এই সপ্তাহে "দ্য রিভাইভাল জেনারেশন" নামে একটি ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করেছে; এটি আমেরিকান জেনারেশন জি-কে আকৃষ্ট করার জন্য "দেশব্যাপী ক্যাম্পাসের পুনর্জাগরণ আন্দোলন" সম্পর্কে। এটি "বিশ্বাসের আহ্বান এবং আশার বার্তা" হিসেবে প্রচার করা হয়েছিল; এটি "আজকের তরুণদের মধ্যে আধ্যাত্মিক জাগরণ তুলে ধরে।" অনুষ্ঠানটিতে "একটি স্থানীয় উপাসনা দলের" সাথে এক ঘণ্টার উপাসনা অনুষ্ঠানও অন্তর্ভুক্ত ছিল।
** অজ্ঞাতনামা, ''রিলিজিয়ন নিউজ সার্ভিস''; [https://www.msn.com/en-us/channel/source/RNS/ "খ্রিস্টান জাতীয়তাবাদের অবক্ষয় এবং সংস্কৃতির ধ্বংসসাধন"] (২৯ আগস্ট ২০২৫)
* এরপর ট্রাম্প স্মিথসোনিয়ান মিউজিয়ামের প্রদর্শনীগুলো পর্যালোচনার নির্দেশ দেন। এর ফলে মিউজিয়ামের কিউরেটররা ট্রাম্পের কাছে যেসব প্রদর্শনী অতিরিক্ত "ওক" বলে মনে হয়, সেগুলো "সংশোধন" করার জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। ন্যাশনাল মিউজিয়াম অব আফ্রিকান আমেরিকান হিস্ট্রি অ্যান্ড কালচার, ন্যাশনাল পোর্ট্রেট গ্যালারি এবং ন্যাশনাল মিউজিয়াম অব দ্য আমেরিকান ল্যাটিনোতে সংশোধনের তালিকায় জাতি, দাসত্ব, অভিবাসন এবং যৌনতার উল্লেখ রয়েছে। প্রধান কিউরেটরকে বিরক্ত করে এমন শিল্পকর্মগুলো কিউবিজম, দাদাইজম বা ইমপ্রেশনিজমের কোনো অংশ নয়। হিটলারের বিপরীতে ট্রাম্প পিকাসো, ডাচ্যাম্প এবং মোনের মতো শিল্পীদের নিষিদ্ধ তালিকায় রাখেননি। বরং, এটি রিগোবার্তো গঞ্জালেজের অসাধারণ শিল্পকর্ম "রেফিউজিস ক্রসিং দ্য বর্ডার ওয়াল ইনটু সাউথ টেক্সাস" । এই তালিকা দীর্ঘ হতে থাকে। এর কিছু কিছু বেশ আধুনিক ও চ্যালেঞ্জিং। কিন্তু এটি আন্দ্রেস সেরানোর ১৯৮৭ সালের ফটোগ্রাফ "ইমারসন (পিস ক্রাইস্ট)ে"র মতো নয়, যেখানে একটি ক্রুশবিদ্ধ যিশুর মূর্তি তার নিজের প্রস্রাবে ডোবানো ছিল। এর স্পনসরদের তহবিল বন্ধ করার চেষ্টায় রাজনীতিবিদদের শোরগোল সত্ত্বেও, এই শিল্পকর্মটি একটি প্রতিযোগিতায় পুরস্কার জিতেছিল; এটি আংশিকভাবে ন্যাশনাল এনডাউমেন্ট ফর দ্য আর্টস দ্বারা স্পনসর করা হয়েছিল। তখন রোনাল্ড রেগান প্রেসিডেন্ট ছিলেন।
** অজ্ঞাতনামা, ''রিলিজিয়ন নিউজ সার্ভিস''; [https://www.msn.com/en-us/channel/source/RNS/ "খ্রিস্টান জাতীয়তাবাদের অবক্ষয় এবং সংস্কৃতির ধ্বংসসাধন"] (২৯ আগস্ট ২০২৫)
* ট্রাম্প যদি তার নতুন বিধিনিষেধগুলো কেবল শিল্প এবং সংস্কৃতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখতেন, তবে তার পপুলিজম কেবল সৌন্দর্য সন্ধানের প্রতি একটি অপমান হতো। কিন্তু তারা অনেক সীমা অতিক্রম করে সত্যের ওপরও আক্রমণ করছে। অনেক প্রধান ধর্মীয় নেতা এবং মার্কিন ক্যাথলিক বিশপ যেমন উল্লেখ করেছেন, বর্তমান প্রশাসনের সদস্যদের দ্বারা দরিদ্র অভিবাসীদের অবজ্ঞাপূর্ণ নির্যাতন সত্যিই বিরক্তিকর। এই প্রশাসনের কিছু কর্মকর্তা যে এখনও প্রকাশ্যে খ্রিস্টান নৈতিকতা প্রচার করে চলেছেন, তা হতবাক করার মতো। সরকারি মুখপাত্ররা সত্যকে বাঁকিয়ে উপস্থাপন করে একটি ভিন্ন বাস্তবতার কথা বলেন। তারপর, আছেন সেই সমস্ত হাস্যরসবিহীন আমলা, যারা প্রভুর ইচ্ছা অনুযায়ী তথ্য পরিবর্তন করতে পারেন। '''প্রশাসন দক্ষ ও সময়নিষ্ঠ এবং এর নেতা কোনো ভুল করতে পারেন না। আমেরিকান প্রজাতন্ত্র গণতন্ত্রের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষের দিকে এগোচ্ছে। ঘটনাক্রমে এটি বাকি মুক্ত বিশ্বের কাছে হাসির পাত্র না হলেও একটি প্রহেলিকায় পরিণত হচ্ছে। এটি থামাতে হবে।'''
** অজ্ঞাতনামা, ''রিলিজিয়ন নিউজ সার্ভিস''; [https://www.msn.com/en-us/channel/source/RNS/ "খ্রিস্টান জাতীয়তাবাদের অবক্ষয় এবং সংস্কৃতির ধ্বংসসাধন"] (২৯ আগস্ট ২০২৫)
* হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সেক্রেটারি ক্রিস্টি নোয়েম রোববার নিশ্চিত করেছেন, ট্রাম্প প্রশাসন শিকাগোসহ প্রধান শহরগুলোতে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) কার্যক্রম সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করছে। বিশেষ করে শিকাগোতে আইসিই কার্যক্রম সম্প্রসারণের পরিকল্পনা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে, নোয়েম সিবিএস নিউজের "ফেইস দ্য নেশন"-এ বলেছেন, "আমরা ইতিমধ্যেই শিকাগো, সমগ্র ইলিনয় এবং অন্যান্য অঙ্গরাজ্যে আইসিই-র সাথে চলমান কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। আমরা আমাদের আইনগুলো মেনে চলার বিষয়টি নিশ্চিত করছি, তবে আমরা এই কার্যক্রমে আরও লোকবল যুক্ত করার পরিকল্পনা করছি।" শিকাগোতে আইসিই কার্যক্রমের সম্প্রসারণ কেমন হবে এবং অভিবাসন সংক্রান্ত অভিযান ও গ্রেপ্তারে সহায়তা করার জন্য ন্যাশনাল গার্ড সেনা মোতায়েন করা হবে কি না, তা জিজ্ঞাসা করা হলে নোয়েম সরাসরি উত্তর এড়িয়ে গিয়ে বলেন, "এটি সব সময়ই প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ অধিকার এবং তারই সিদ্ধান্ত। অন্যান্য শহরে পরিকল্পিত কার্যক্রমের নির্দিষ্ট বিষয়ে আমি কথা বলব না।"<br>শিকাগোর মেয়র ব্র্যান্ডন জনসন তার শহরের আইনি বিভাগকে ইলিনয়ে ফেডারেল আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং ন্যাশনাল গার্ডের সেনা বৃদ্ধির সম্ভাব্য পদক্ষেপ মোকাবেলার উপায় খুঁজতে নির্দেশ দিয়ে একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করার একদিন পরই তিনি এই মন্তব্যগুলো করেন।<br>শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে জনসন সতর্ক করে বলেছিলেন, শিকাগো কর্মকর্তারা "বিশ্বাসযোগ্য প্রতিবেদন পেয়েছেন যে ফেডারেল সরকারের তরফ থেকে আমাদের শহরগুলোতে কোনো ধরনের সামরিক কার্যকলাপ দেখার আগে আমাদের হাতে কয়েক দিন বাকি আছে, কয়েক সপ্তাহ নয়।"
** আলেকজান্দ্রা মার্কেজ, ''এনবিসি নিউজ''; [https://www.msn.com/en-us/news/us/kristi-noem-confirms-plan-to-expand-ice-operations-in-major-cities/ "ক্রিস্টি নোয়েম প্রধান শহরগুলোতে আইসিই অপারেশন সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নিশ্চিত করেছেন"] (৩১ আগস্ট ২০২৫)
* এই মাসের শুরুতে ট্রাম্প প্রশাসন ওয়াশিংটন ডিসিতে অপরাধ দমনের অভিযানে পুলিশকে সাহায্য করার জন্য আইসিই-র কর্মকর্তাসহ ফেডারেল আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছিল। অপরাধের হার কমানোর ঘোষিত লক্ষ্য নিয়ে দেশের রাজধানীতে মোতায়েন করা হাজার হাজার ন্যাশনাল গার্ড সেনা ওই বিশাল লোকবলের অংশ ছিল। সেনা এবং আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তাদের ওয়াশিংটনে পাঠানোর পর ট্রাম্প বাল্টিমোরসহ আমেরিকার অন্যান্য প্রধান শহরগুলোতে ফেডারেল কর্মকর্তা এবং সেনা পাঠানোর হুমকি দেন। রোববারের ওই সাক্ষাৎকারে নোয়েমকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে, বোস্টনও কি এমন একটি শহর হবে যেখানে ফেডারেল সরকার অভিবাসন প্রয়োগকারী এজেন্টদের বাড়াবে।<br>তিনি বলেছিলেন, "অনেক শহর বর্তমানে অপরাধ এবং সহিংসতার মোকাবিলা করছে, তাই আমরা কোনো কিছুই বাতিল করে দিইনি।" তিনি আরও যোগ করেন: "আমি প্রতিটি বড় শহরকে উৎসাহিত করব—সান ফ্রান্সিসকো, বোস্টন, শিকাগো, বা যাই হোক না কেন—যদি তারা তাদের শহরকে আরও নিরাপদ এবং সমৃদ্ধ করতে সাহায্য করতে চায়, এবং ওয়াশিংটন ডিসির মানুষের মতো সাধারণ মানুষকে স্বাধীনভাবে হাঁটার সুযোগ দিতে চায়... তাদের আমাদের সাথে যোগাযোগ করা উচিত।"
** আলেকজান্দ্রা মার্কেজ, ''এনবিসি নিউজ''; [https://www.msn.com/en-us/news/us/kristi-noem-confirms-plan-to-expand-ice-operations-in-major-cities/ "ক্রিস্টি নোয়েম প্রধান শহরগুলোতে আইসিই অপারেশন সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নিশ্চিত করেছেন"] (৩১ আগস্ট ২০২৫)
* এক ডজনেরও বেশি গভর্নরসহ অন্যান্য ডেমোক্র্যাটিক কর্মকর্তারা তাদের অঙ্গরাজ্যে সেনা মোতায়েনের পরিকল্পনার নিন্দা জানিয়েছেন। গত সপ্তাহে এক বিবৃতিতে তারা বলেন, "সেটি আগামীকাল ইলিনয়, মেরিল্যান্ড এবং নিউইয়র্ক হোক বা অন্য কোনো অঙ্গরাজ্য হোক, ওই অঙ্গরাজ্যের গভর্নরের অনুরোধ এবং সম্মতি ছাড়াই কোনো অঙ্গরাজ্যের ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েনের জন্য প্রেসিডেন্টের হুমকি এবং প্রচেষ্টা হলো ক্ষমতার এক ভয়ংকর অপব্যবহার। এটি অকার্যকর এবং আমাদের পরিষেবা সদস্যদের লক্ষ্যকে দুর্বল করে।"
** আলেকজান্দ্রা মার্কেজ, ''এনবিসি নিউজ''; [https://www.msn.com/en-us/news/us/kristi-noem-confirms-plan-to-expand-ice-operations-in-major-cities/ "ক্রিস্টি নোয়েম প্রধান শহরগুলোতে আইসিই অপারেশন সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নিশ্চিত করেছেন"] (৩১ আগস্ট ২০২৫)
* আর রোববার "ফেইস দ্য নেশন"-এ সম্প্রচারিত এক সাক্ষাৎকারে ইলিনয়ের গভর্নর এবং ডেমোক্র্যাট জেবি প্রিৎজকার বলেছেন, "আমরা আমেরিকান শহরগুলোর রাস্তায় সেনা চাই না। এটি অ-আমেরিকান। সত্যি বলতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের বিষয়টি আরও ভালোভাবে বোঝা উচিত।"<br>প্রিৎজকার রিপাবলিকানদের পরিচালিত অঙ্গরাজ্যগুলোর বদলে ডেমোক্র্যাটদের পরিচালিত অঙ্গরাজ্যগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করার জন্যও ট্রাম্প প্রশাসনকে অভিযুক্ত করেছেন। তিনি সিবিএসকে বলেছেন, "খেয়াল করবেন, তিনি কখনো ওইসব জায়গার কথা বলেন না যেখানে সবচেয়ে বেশি সহিংস অপরাধ ঘটছে; এটি লাল অঙ্গরাজ্যগুলোতে ঘটে। ... অন্যান্য জায়গায় তাদের সহিংস অপরাধের হার অনেক বেশি খারাপ এবং আমরা যে কাজ করেছি তার জন্য আমরা খুব গর্বিত।"<br>রিপাবলিকানদের পরিচালিত অঙ্গরাজ্য এবং শহরগুলোতে সেনা এবং ফেডারেল আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তাদের মোতায়েন করার কোনো পরিকল্পনা আছে কি না জানতে চাইলে নোয়েম বলেন, "অবশ্যই।"<br>তিনি আরও বলেন, "প্রতিটি শহরকে নিরাপদ করার জন্য আমাদের সেখানে কী করতে হবে তার মূল্যায়ন করা হয়। তাই আমাদের এমন কিছু কার্যক্রম রয়েছে, যার বিস্তারিত আমি আবারও বলছি না। তবে আমরা আমাদের কোনো কাজেই রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে বিচার করছি না।"
** আলেকজান্দ্রা মার্কেজ, ''এনবিসি নিউজ''; [https://www.msn.com/en-us/news/us/kristi-noem-confirms-plan-to-expand-ice-operations-in-major-cities/ "ক্রিস্টি নোয়েম প্রধান শহরগুলোতে আইসিই অপারেশন সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নিশ্চিত করেছেন"] (৩১ আগস্ট ২০২৫)
* তাদের প্রাথমিক সন্দেহের ক্ষেত্রে কিছু গার্ড সেনা মূলত একটি অস্তিত্বগত প্রশ্নই জিজ্ঞাসা করছিলেন: আমরা কি অন্য কিছুতে পরিণত হচ্ছি? সর্বোপরি, ন্যাশনাল গার্ডের একটি নতুন ধরনের লক্ষ্য রয়েছে বলে মনে হচ্ছে। এটি লস অ্যাঞ্জেলেসে শুরু হয়েছিল যখন ট্রাম্প অভিবাসন উদ্বেগের কারণে গার্ডকে ফেডারেল আইনের আওতায় আনেন। এরপর এটি "ব্যাপক সহিংসতা এবং বিশৃঙ্খলা" মোকাবিলার অজুহাতে ডিসিতে স্থানান্তরিত হয় এবং ট্রাম্পের মতে, এটি খুব শিগগিরই শিকাগো এবং বাল্টিমোর পর্যন্ত প্রসারিত হতে পারে।<br>এই অস্পষ্টতা কেবল বিভ্রান্তিই তৈরি করে না বরং সেনাদের পুলিশের মতো আরও কাজ করার ভয় জাগিয়ে তোলে। এটি ন্যাশনাল গার্ডকে রাজনৈতিক বিবাদের মাঝখানে ঠেলে দেয়। দুর্যোগপূর্ণ এলাকায় অরাজনৈতিক কাজে যাওয়ার বদলে রাজনৈতিকভাবে বিভক্ত মিশনে যত বেশি ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েন করা হবে, আমেরিকার জনসাধারণের কাছে গার্ডের অবস্থান তত বেশি বিপন্ন হবে।
** অ্যাশলে পার্কার, ''দ্য আটলান্টিক''; [https://www.msn.com/en-us/news/us/why-is-the-national-guard-in-d-c-even-they-don-t-know/ "ন্যাশনাল গার্ড কেন ডিসিতে? এমনকি তারাও জানে না"] (২৯ আগস্ট ২০২৫)
* শহরের বিভিন্ন দিক ঘুরে কয়েক ঘণ্টা কাটানোর পর যখন আমরা বাড়ির দিকে রওনা হলাম, তখন এটা স্পষ্ট ছিল যে এই ব্যবস্থা নিয়ে প্রায় কেউই খুব একটা ভালো বোধ করছিলেন না। ন্যাশনাল গার্ডের অনেকেও ছিলেন, যারা স্পষ্টতই মালচ ছড়াতে এবং আবর্জনা পরিষ্কার করতে নিজেদের পরিবার এবং চাকরি ছেড়ে সেখানে থাকতে চাননি। আর ওই বাসিন্দারাও খুশি ছিলেন না, যাদের অনেকেই তাদের শহর দখলের কারণে ক্ষুব্ধ ছিলেন বা আরও খারাপ বিষয় হলো, সামরিক উপস্থিতি তাদের এবং তাদের প্রিয়জনদের জন্য কী বিপদ ডেকে আনছে তা নিয়ে আতঙ্কিত ছিলেন। এমনকি যে বাসিন্দারা সেনাদের স্বাগত জানেন, তারাও সেটা হতাশা থেকেই করেন। অপরাধ এবং জীবনের মানের সমস্যা নিয়ে তারা এতটাই বিরক্ত ছিলেন, কেউ শেষ পর্যন্ত সাহায্য করার জন্য কিছু একটা করছে দেখে স্বস্তি পান।
** অ্যাশলে পার্কার, ''দ্য আটলান্টিক''; [https://www.msn.com/en-us/news/us/why-is-the-national-guard-in-d-c-even-they-don-t-know/ "ন্যাশনাল গার্ড কেন ডিসিতে? এমনকি তারাও জানে না"] (২৯ আগস্ট ২০২৫)
* এই মাসের শুরুতে লিবারটেরিয়ান ক্যাটো ইনস্টিটিউটের প্রকাশিত গবেষণা অনুযায়ী, আইসিই দ্বারা গ্রেপ্তার হওয়া প্রতি পাঁচজনের মধ্যে একজন ছিলেন ল্যাটিনো, যাদের কোনো অপরাধমূলক অতীত নেই বা সরকারের তরফ থেকে তাদের বিরুদ্ধে কোনো অপসারণ আদেশও ছিল না। তারা এটিকে "অবৈধ প্রোফাইলিংয়ের স্পষ্ট লক্ষণ" বলে অভিহিত করেছেন। কার্কাতসানিস সতর্ক করেছেন, ট্রাম্প তার সর্বশেষ আদেশের মাধ্যমে একটি "ভিজিলান্তে পোর্টাল" তৈরি করেছেন, যেখানে যে কেউ "দরিদ্র মানুষ, অভিবাসী, কৃষ্ণাঙ্গ ব্যক্তি এবং এমন যে কারো ওপর নির্যাতন চালাতে একজন ব্রাউনশার্ট হিসেবে নাম লেখাতে পারে, যারা হয়তো কোনো প্রতিবাদে যাওয়ার সাহস দেখাতে পারে।" তিনি বলেছেন যে এটি "একটি একটানা জরুরি সংবাদ সতর্কতা হওয়া উচিত," কিন্তু এর বদলে "মূলধারার সংবাদ এবং ডেমোক্র্যাটরা খুব কমই এর উল্লেখ করছে।"
** স্টিফেন প্রাগার, ''অল্টারনেট''; [bgtgvvv "ব্রাউন শার্ট হতে নাম লেখান': বিশেষজ্ঞ স্বৈরশাসক হতে চাওয়া ট্রাম্পের নতুন নির্বাহী আদেশের কড়া সমালোচনা করেছেন"] (৩১ আগস্ট ২০২৫)
==== সেপ্টেম্বর ২০২৫ ====
* আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি ২০২৮ সালে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আবারও নির্বাচনে অংশ নেবেন এবং জয়ী হবেন। তাই আমি ইতোমধ্যে তাঁকে সমর্থন জানিয়েছি। আমরা সৌভাগ্যবান হলে এমন একজন মানুষ শতাব্দীতে একবারই আসেন। আমরা এখন তাঁকে পেয়েছি।
** [[স্টিভ ব্যানন]], ২০২৮ সালে অসাংবিধানিক তৃতীয় মেয়াদের জন্য ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সমর্থন জানিয়ে। অ্যাডিওলা অ্যাডিওসান কর্তৃক উদ্ধৃত, [https://www.msn.com/en-us/news/politics/justice-barrett-weighs-in-on-trump-third-term-talk/ar-AA1M9jYl?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=68c015781ccf4696a35a5ef8dd24a801&ei=11/"জাস্টিস ব্যারেট ওয়েইজ ইন অন ট্রাম্প থার্ড-টার্ম টক"], ''নিউজউইক'', ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫।
* ১৯ ৫১ সালে অনুসমর্থিত ২২তম সংশোধনীতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, "কোনো ব্যক্তি দুইবারের বেশি রাষ্ট্রপতির পদে নির্বাচিত হতে পারবেন না।" ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্টের নজিরবিহীন চার মেয়াদের পর এই সংশোধনীটি গৃহীত হয়। আমেরিকার প্রথম রাষ্ট্রপতি জর্জ ওয়াশিংটনের সময় থেকে চলে আসা রাষ্ট্রপতির মেয়াদের ঐতিহ্যগত সীমাকে এর মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্ধারণ করা হয়।<br>গত মার্চে তৃতীয় মেয়াদের বিষয়ে ট্রাম্প এনবিসি নিউজকে বলেছিলেন, "অনেকেই চান আমি এই কাজটি করি।" তিনি আরও যোগ করেন, "আপনারা জানেন, এটি করার অনেক পদ্ধতি রয়েছে।" পরবর্তী বিভিন্ন সাক্ষাৎকারেও তিনি এই অনুভূতির পুনরাবৃত্তি করেছেন। তবে মাঝেমধ্যে তিনি এমন পথে চলার আগ্রহ অস্বীকারও করেছেন।<br>ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদের উপদেষ্টা ও পডকাস্ট উপস্থাপক স্টিভ ব্যাননের মতো কিছু মিত্র এর জন্য অপ্রচলিত বিকল্প পথের পরামর্শ দিয়েছেন। একটি তত্ত্বে বলা হয়েছে, ট্রাম্প উপরাষ্ট্রপতি প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে লড়বেন। নির্বাচনে জয়ের পর রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী পদত্যাগ করবেন এবং ট্রাম্প রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। তবে আইন বিশেষজ্ঞরা ব্যাপকভাবে একমত হয়েছেন, এটি সংবিধানের আক্ষরিক ও অন্তর্নিহিত উভয় অর্থেরই লঙ্ঘন।
** অ্যাডিওলা অ্যাডিওসান, [https://www.msn.com/en-us/news/politics/justice-barrett-weighs-in-on-trump-third-term-talk/ar-AA1M9jYl?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=68c015781ccf4696a35a5ef8dd24a801&ei=11/"জাস্টিস ব্যারেট ওয়েইজ ইন অন ট্রাম্প থার্ড-টার্ম টক"], ''নিউজউইক'', ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫।
* ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সম্প্রতি সরকারি অচলাবস্থা এড়াতে ডেমোক্র্যাটদের সাথে আলোচনার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল। রাষ্ট্রপতি বলেছিলেন, "তাদের সাথে আলোচনার কোনো দরকার নেই। আপনি তাদের প্রতিটি স্বপ্ন পূরণ করলেও তারা ভোট দেবে না।" মাননীয় রাষ্ট্রপতি, আমি ডেমোক্র্যাটদের কথা জানি না। তবে একজন স্বতন্ত্র হিসেবে আমি আপনাকে ভোট দিতে প্রস্তুত। শুধু আমেরিকার জনগণ যা চায় আপনাকে তা করতে হবে। আমাদের ৬০% মানুষ যখন দিন এনে দিন খায়, তখন আপনার কাছে নিচের দাবিগুলো চাওয়া কোনো "স্বপ্ন" বলে আমার মনে হয় না:<br>মেডিকেইড ছাঁটাই করে দেড় কোটি মানুষকে স্বাস্থ্যবিমা থেকে বঞ্চিত করবেন না। এর ফলে বছরে ৫০ হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হবে।<br>অ্যাফোর্ডেবল কেয়ার অ্যাক্ট ছাঁটাইয়ের কারণে দুই কোটির বেশি আমেরিকানের জন্য স্বাস্থ্যসেবা প্রিমিয়াম গড়ে ৭৫% বাড়াবেন না।<br>আয় ও সম্পদের নজিরবিহীন বৈষম্যের এই সময়ে আমেরিকার সবচেয়ে ধনী ব্যক্তিদের এক ট্রিলিয়ন ডলারের কর ছাড় দেবেন না।<br>ক্ষুধার্ত শিশুদের পুষ্টি কর্মসূচি বন্ধ করবেন না।<br>তরুণদের জন্য উচ্চশিক্ষা লাভকে আরও কঠিন করে তুলবেন না।<br>মাননীয় রাষ্ট্রপতি, আপনার দল হাউজ, সিনেট ও হোয়াইট হাউজ নিয়ন্ত্রণ করে। সরকার অচল করবেন না।<br>আপনি এসব বিষয়ে একমত হলে আমার ভোট পাবেন।
** [[বার্নি স্যান্ডার্স]], ভার্মন্ট থেকে নির্বাচিত মার্কিন সিনেটর, [https://www.sanders.senate.gov/press-releases/news-sanders-mr-president-do-not-shut-down-the-government/"মিস্টার. প্রেসিডেন্ট: ডু নট শাট ডাউন দ্য গভর্নমেন্ট"], ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫।
* আমার জীবনের অন্যতম সেরা সম্মান।
** রাজা [[তৃতীয় চার্লস|তৃতীয় চার্লসের]] সাথে রাষ্ট্রীয় নৈশভোজ সম্পর্কে ডোনাল্ড ট্রাম্প, ''[https://www.ndtv.com/world-news/donald-trump-calls-uk-state-dinner-with-king-charles-one-of-highest-honors-of-my-life-9297573 ট্রাম্প কলস ইউকে স্টেট ডিনার "ওয়ান অব হাইয়েস্ট অনারস অব মাই লাইফ"]'', ''এনডিটিভি.কম'', ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫।
* এটি একটি অসাধারণ সপ্তাহ ছিল। আমেরিকার ঘুমন্ত দৈত্য জেগে উঠছে। আমেরিকানরা ডিজনিকে বাধ্য করেছে [[জিমি কিমেল|জিমি কিমেলকে]] আবার সম্প্রচারে ফিরিয়ে আনতে। ট্রাম্পের সেন্সর করার চেষ্টার সমালোচনা করে কিমেলের মঙ্গলবারের মনোলগটি ৬০ লাখেরও বেশি মানুষ দেখেছে। ইউটিউবসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আরও ২ কোটি ৬০ লাখ মানুষ এটি দেখেছে। (কিমেলের সাধারণ টেলিভিশন দর্শক প্রায় ১৪ লাখ ২০ হাজার)। ট্রাম্পের স্বৈরতান্ত্রিক আত্মরতি এর চেয়েও নাটকীয়ভাবে প্রকাশ পেয়েছে। তিনি এমন একজন মার্কিন অ্যাটর্নিকে বরখাস্ত করেন যিনি তাঁকে (ট্রাম্পকে) অভিযুক্ত করতে অস্বীকৃতি জানেন। এর পরপরই সাবেক এফবিআই পরিচালক [[জেমস কোমি|জেমস কোমিকে]] ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।<br>একইভাবে ট্রাম্প সমাজসেবক [[জর্জ সোরস]], সিনেটর [[অ্যাডাম শিফ]], নিউইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল লেটিশিয়া জেমসসহ অন্যান্য তথাকথিত শত্রুদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রসিকিউটরদের নির্দেশ দিয়েছেন।<br>ট্রাম্প গতকাল "যুদ্ধবিধ্বস্ত পোর্টল্যান্ড" (অরেগন) এবং "অ্যান্টিফা ও অন্যান্য দেশীয় সন্ত্রাসীদের অবরুদ্ধ আইসিই সুবিধাগুলো" রক্ষা করতে "প্রয়োজনবোধে পূর্ণ শক্তি" ব্যবহারের জন্য "যুদ্ধ সচিব, পিট হেগসেথকে" নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি আমেরিকানদের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক বাহিনীর ব্যবহার বাড়িয়ে চলেছেন।<br>জাতিসংঘে দেওয়া তাঁর উদ্ভট ভাষণে তিনি প্রতিনিধিদের বলেছিলেন, তাদের দেশগুলো "রসাতলে যাচ্ছে।" ডাক্তাররা পরিমিত মাত্রায় গর্ভবতী মহিলাদের জন্য টাইলিনল নিরাপদ বললেও ট্রাম্প একে অটিজমের কারণ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। ওষুধ এবং রান্নাঘরের ক্যাবিনেট আমদানির ওপর তিনি একতরফাভাবে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করেছেন।<br>বন্ধুরা, তাঁর নয়া-ফ্যাসিবাদ ও স্মৃতিভ্রংশ দুটোই এখন সবার চোখের সামনে স্পষ্ট।
** [[রবার্ট রাইখ]], [https://www.msn.com/en-us/news/politics/trump-awakened-an-angry-sleeping-giant-this-week-and-he-s-about-to-roar-opinion/ar-AA1Ns9Yn?ocid=winp2fptaskbarhover&cvid=68d8c4df4dbf481aa997d9100e2b384a&ei=7/"ওপিনিয়ন: ট্রাম্প অ্যাওয়েকেন্ড অ্যান অ্যাংরি স্লিপিং জায়ান্ট দিস উইক — অ্যান্ড হি'স অ্যাবাউট টু রোর"], ''অল্টারনেট'', ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫।
* জনমত জরিপে তাঁর জনপ্রিয়তা ক্রমাগত কমছে। ভোটাররা তাঁর এবং তাঁর রিপাবলিকান দলের বিরুদ্ধে অবস্থান নিচ্ছে। মঙ্গলবার ডেমোক্র্যাট দলের অ্যাডেলিতা গ্রিজালভা একটি বিশেষ নির্বাচনে অ্যারিজোনার ৭ম কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্টে জয়লাভ করেন। এর ফলে হাউজে রিপাবলিকানদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা মাত্র পাঁচে নেমে এসেছে। ভার্জিনিয়ায় জেমস ওয়াকিনশয়ের ডেমোক্রেটিক জয়ের পরপরই গ্রিজালভার এই জয় এলো। টেক্সাস ও টেনেসিতে আরও দুটি বিশেষ নির্বাচন ঘনিয়ে আসছে। কলঙ্কিত ধনকুবের জেফরি এপস্টিন সম্পর্কিত ফাইল প্রকাশের মতো বিষয়গুলোতে বিদ্রোহের মুখে পড়ে স্পিকার মাইক জনসন হাউজে রিপাবলিকানদের একতাবদ্ধ রাখতে হিমশিম খাচ্ছেন।<br>রিপাবলিকানরা অ্যাফোর্ডেবল কেয়ার অ্যাক্টের ভর্তুকির মেয়াদ বাড়াতে রাজি না হওয়া পর্যন্ত ডেমোক্র্যাটরা মঙ্গলবারের পর সরকারকে অর্থায়ন করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। এই ভর্তুকির মেয়াদ বছরের শেষে শেষ হওয়ার কথা। এর ফলে ২ কোটি ৪০ লাখ মানুষ বিমা সুবিধা হারাবে অথবা তাদের আকাশচুম্বী প্রিমিয়াম গুনতে হবে।
** [[রবার্ট রাইখ]], [https://www.msn.com/en-us/news/politics/trump-awakened-an-angry-sleeping-giant-this-week-and-he-s-about-to-roar-opinion/ar-AA1Ns9Yn?ocid=winp2fptaskbarhover&cvid=68d8c4df4dbf481aa997d9100e2b384a&ei=7/"ওপিনিয়ন: ট্রাম্প অ্যাওয়েকেন্ড অ্যান অ্যাংরি স্লিপিং জায়ান্ট দিস উইক — অ্যান্ড হি'স অ্যাবাউট টু রোর"], ''অল্টারনেট'', ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫।
* বন্ধুরা, আমি ঠিক বলতে পারছি না চূড়ান্ত মুহূর্তটি কখন আসবে। কখন নির্বাচিত রিপাবলিকানরা তাঁর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করবে, অথবা তাঁর স্মৃতিভ্রংশ এতটাই প্রকট হবে যে তিনি পদত্যাগ করতে বাধ্য হবেন, অথবা তাঁর স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে এত মানুষ রুখে দাঁড়াবে যে তাঁকে অভিশংসন করে গুরুতর অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করা হবে। তবে আমরা সেই পরিণতির দিকেই এগিয়ে যাচ্ছি। কয়েক দিন আগে যেমনটা বলেছিলাম, আমি ৬০ বছর ধরে রাজনীতির সাথে যুক্ত আছি। আমেরিকার ঘুমন্ত দৈত্য সম্পর্কে আমার একটি ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় তৈরি হয়েছে। সেই দৈত্যটি এখন নড়াচড়া করছে। সে উঠে দাঁড়াতে যাচ্ছে। সে ক্ষুব্ধ। খুব শিগগিরই সে গর্জন করে উঠবে।<br>'''আপনাদের সক্রিয়তা কাজ করছে। শক্ত থাকুন। নিরাপদে থাকুন। প্রিয়জনদের আগলে রাখুন। আমরা এই পরিস্থিতি পার করে আসবই।'''
** [[রবার্ট রাইখ]], [https://www.msn.com/en-us/news/politics/trump-awakened-an-angry-sleeping-giant-this-week-and-he-s-about-to-roar-opinion/ar-AA1Ns9Yn?ocid=winp2fptaskbarhover&cvid=68d8c4df4dbf481aa997d9100e2b384a&ei=7/"ওপিনিয়ন: ট্রাম্প অ্যাওয়েকেন্ড অ্যান অ্যাংরি স্লিপিং জায়ান্ট দিস উইক — অ্যান্ড হি'স অ্যাবাউট টু রোর"], ''অল্টারনেট'', ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫।
* শীর্ষস্থানীয় জেনারেলদের উদ্দেশে দেওয়া প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের ভাষণটিকে সামরিক শ্রেষ্ঠত্বের জন্য একটি উদ্দীপক ডাক হিসেবে ভাবা হয়েছিল। তবে যাদের উদ্দেশ্যে এটি দেওয়া হয়েছিল, তাদের কাছে এটি সেভাবে পৌঁছায়নি। শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তারা তড়িঘড়ি করে ওয়াশিংটনে ছুটে আসেন। তাঁরা রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি পক্ষপাতদুষ্ট ভাষণ শোনেন। এরপর হেগসেথ পুরনো ধাঁচের সামরিক মানদণ্ডে ফিরে যাওয়ার কথা বলেন। এই পুরো আয়োজনটি কেন করা হয়েছিল, তা নিয়ে অনেক প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা বিভ্রান্তিতে ছিলেন। প্রতিশোধের ভয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা বলেন, "জেনারেলদের ব্রিফ করার চেয়ে এটি সংবাদ সম্মেলনের মতোই বেশি মনে হয়েছে। এটি একটি ইমেইলের মাধ্যমেই করা যেত।"
** জ্যাক ডেটস ও লিও শেন তৃতীয়, [https://www.msn.com/en-us/news/politics/could-have-been-an-email-officials-balk-at-hegseth-s-generals-meeting/ar-AA1NCljG?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=68d985793737465b924fecec9b34bbb8&ei=8/"‘কুড হ্যাভ বিন অ্যান ইমেইল’: অফিশিয়ালস বক অ্যাট হেগসেথ'স জেনারেলস মিটিং"], ''পলিটিকো'', ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫।
* ভার্জিনিয়ার কোয়ান্টিকো ঘাঁটিতে শেষ মুহূর্তের এই সমাবেশের অর্থ বুঝতে পেন্টাগন এবং বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন ঘাঁটির প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা মঙ্গলবার অনেকটা সময় ব্যয় করেছেন। হেগসেথ "মোটা জেনারেলদের" সমালোচনা করেছেন। এছাড়া তিনি এমন ফিটনেস মানদণ্ড চালুর কথা বলেছেন; এটি যুদ্ধক্ষেত্রে নারীদের ভূমিকা সীমিত করতে পারে। অন্যদিকে ট্রাম্প আমেরিকার শহরগুলোতে সামরিক বাহিনী পাঠানোর পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। ৯০ মিনিটের এই অনুষ্ঠানে সংবিধান রক্ষার শপথ নেওয়া সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এটি অনেকটা নির্বাচনী সমাবেশের মতো মনে হয়েছে। ট্রাম্প এমনকি কর্মকর্তাদের "শুধু ভালো সময় কাটাতে" নির্দেশ দিয়েছেন।<br>সম্ভাব্য সরকারি অচলাবস্থার কয়েক ঘণ্টা আগে এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। কিছু কর্মকর্তা এটিকে একটি বিভ্রান্তি হিসেবে দেখেছেন। কারণ এটি বিদেশি হুমকির বদলে সামরিক বাহিনীর মনোযোগ একটি নজিরবিহীন অভ্যন্তরীণ ভূমিকার দিকে সরিয়ে নেওয়ার হুমকি তৈরি করে। দ্বিতীয় একজন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা বলেন, "এটি পুরোপুরি আনুগত্যের পরীক্ষা ছিল না, তবে... আদর্শের প্রতি আনুগত্যের কাছাকাছি কিছু ছিল। এটি অর্থের সম্পূর্ণ অপচয়।"
** জ্যাক ডেটস ও লিও শেন তৃতীয়, [https://www.msn.com/en-us/news/politics/could-have-been-an-email-officials-balk-at-hegseth-s-generals-meeting/ar-AA1NCljG?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=68d985793737465b924fecec9b34bbb8&ei=8/"‘কুড হ্যাভ বিন অ্যান ইমেইল’: অফিশিয়ালস বক অ্যাট হেগসেথ'স জেনারেলস মিটিং"], ''পলিটিকো'', ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫।
* চীনের সাথে সম্ভাব্য যুদ্ধের প্রস্তুতির জন্য মার্কিন সামরিক বাহিনী নিজেদের নতুন করে সাজাচ্ছে বলে পেন্টাগন জোর দিয়ে জানিয়েছে। তবে চতুর্থ একজন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা বলেছেন, নিজেদের শহরে টহল দিতে আমেরিকান সেনা মোতায়েন করা হলে বেইজিংয়ের বিরুদ্ধে "লড়াই ও জয়ের প্রশিক্ষণ থেকে যোদ্ধাদের মনোযোগ সরে যাবে"।<br>সেনেটর টমি টিউবারভিলসহ ট্রাম্পের বেশ কয়েকজন মিত্র বলেছেন, হেগসেথের মতো সামনাসামনি বৈঠক প্রশাসনের দৃষ্টিভঙ্গিকে আরও শক্তিশালী করতে সাহায্য করেছে। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, "যোদ্ধাদের আরও প্রশিক্ষণের প্রয়োজন। আমরা পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ দিই না। আমরা পর্যাপ্ত উড্ডয়ন প্রশিক্ষণও দিই না। আমার এই পদ্ধতি পছন্দ হয়েছে... আমার মনে হয়েছে এটি একটি জোরালো ভাষণ।" অন্যদিকে ডেমোক্র্যাটরা এই আয়োজনকে নিছক অহংকারপ্রসূত বলে আক্রমণ করেছেন। সেনেটর ম্যাজি হিরোনো এই বৈঠকের জন্য ব্যবহৃত সম্পদকে "সম্পূর্ণ অযৌক্তিক" এবং শক্তি প্রদর্শনের একটি মহড়া বলে আখ্যা দিয়েছেন। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, "প্রকৃত জাতীয় নিরাপত্তার বিনিময়ে এটি করা হচ্ছে। তবে স্পষ্টতই তারা এর কোনো তোয়াক্কা করে না।"
** জ্যাক ডেটস ও লিও শেন তৃতীয়, [https://www.msn.com/en-us/news/politics/could-have-been-an-email-officials-balk-at-hegseth-s-generals-meeting/ar-AA1NCljG?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=68d985793737465b924fecec9b34bbb8&ei=8/"‘কুড হ্যাভ বিন অ্যান ইমেইল’: অফিশিয়ালস বক অ্যাট হেগসেথ'স জেনারেলস মিটিং"], ''পলিটিকো'', ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫।
* মার্কিন সৈন্যদের মধ্যে "সর্বোচ্চ পুরুষালি মানদণ্ড" পূরণের চেষ্টায় মার্কিন সামরিক বাহিনীতে নারীদের অবদানকে ম্লান করার চেষ্টার জন্য মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের কড়া সমালোচনা করেছেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল অ্যামি ম্যাকগ্রা। মঙ্গলবার ভার্জিনিয়ার কোয়ান্টিকোতে মেরিন কর্পস ঘাঁটিতে নেতাদের উদ্দেশে হেগসেথ বলেন, "প্রতিটি যুদ্ধবিভাগ নিশ্চিত করবে যেন প্রতিটি কমব্যাট [মিলিটারি অকুপেশনাল স্পেশালিটি] এবং প্রতিটি নির্ধারিত কমব্যাট আর্মস পদের জন্য প্রয়োজনীয় মানদণ্ড সর্বোচ্চ পুরুষালি মানদণ্ডে ফিরে আসে।" তিনি আরও বলেন, "এটি জীবন-মরণের প্রশ্ন বলেই মানদণ্ড পূরণ করতে হবে, কেবল নামমাত্র পূরণ করলে চলবে না। আমাদের উচিত মানদণ্ড ছাড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা, যাতে আমরা প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকতে পারি।"
** অ্যাডাম লিঞ্চ, [https://www.msn.com/en-us/news/us/that-was-bonkers-former-marine-fighter-pilot-blasts-trump-s-rambling-military-speech/ar-AA1NBSpZ?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=68dd07966b0146f9a069e63bd183e9e1&ei=10/"'দ্যাট ওয়াজ বংকারস': ফরমার মেরিন ফাইটার পাইলট ব্লাস্টস ট্রাম্প'স 'র্যাম্বলিং' মিলিটারি স্পিচ"], ''অল্টারনেট'', ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫।
* "দুর্ভাগ্যবশত, হেগসেথের এখনও অনেক কিছু শেখার আছে," উলফ ব্লিটজারের সাথে "সিচুয়েশন রুম"-এ কথা বলার সময় ম্যাকগ্রা একথা বলেন। "আমি যখন আমার যুদ্ধ মিশনে উড়েছিলাম, তখন একটি বিমানবাহী জাহাজের পেছনে বিমান ওড়ানোর জন্য পুরুষ ও নারীদের জন্য আলাদা কোনো নির্দিষ্ট মানদণ্ড ছিল না। আপনি হয় এটি করতে পারেন, নয়তো পারেন না। দীর্ঘকাল ধরে যুদ্ধের কাজগুলোর জন্য একটি মাত্র মানদণ্ডই প্রচলিত আছে। আমরা যখন নারীদের জন্য যুদ্ধের কাজগুলো উন্মুক্ত করেছিলাম, তখন আমাদের মধ্যে যারা এই কাজগুলোতে যুক্ত ছিলেন, তারা চেয়েছিলেন একটি অভিন্ন মানদণ্ড থাকুক। আর সেটাই ছিল—তাই আমার কাছে এটি বেশ হাস্যকর মনে হয়।"<br>ম্যাকগ্রা আরও বলেন, "কিন্তু সত্যি বলতে, গত এক ঘণ্টায় আমরা যা শুনেছি তার তুলনায় এটি খুবই নগণ্য। রাষ্ট্রপতির ওই ভাষণটি একেবারেই উদ্ভট ছিল। ওই কক্ষে বসা প্রত্যেকেই জানেন যে আমাদের কোনো সুসংহত পররাষ্ট্র বা প্রতিরক্ষা নীতি নেই। আর আমার মনে হয়, এটাই আসলে অনেক বড় একটি সমস্যা।"
** অ্যাডাম লিঞ্চ, [https://www.msn.com/en-us/news/us/that-was-bonkers-former-marine-fighter-pilot-blasts-trump-s-rambling-military-speech/ar-AA1NBSpZ?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=68dd07966b0146f9a069e63bd183e9e1&ei=10/"'দ্যাট ওয়াজ বংকারস': ফরমার মেরিন ফাইটার পাইলট ব্লাস্টস ট্রাম্প'স 'র্যাম্বলিং' মিলিটারি স্পিচ"], ''অল্টারনেট'', ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫।
* শহুরে যুদ্ধের জন্য শিকাগো শহরকে একধরনের "প্রশিক্ষণ মাঠ" হিসেবে ব্যবহার করার বিষয়ে রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবের ওপর ম্যাকগ্রা বিশেষভাবে ক্ষুব্ধ ছিলেন।<br>ম্যাকগ্রা বলেন, "সেখানে অনেক এলোমেলো কথা ছিল। অজস্র মিথ্যা ছিল। এই ভাষণে অনেক রাজনৈতিক মেরুকরণ... এবং পাগলামি শোনা গেছে। তবে সবচেয়ে ভীতিকর অংশটি ছিল যখন রাষ্ট্রপতি মার্কিন সামরিক বাহিনীর জন্য আমাদের শহরগুলোকে প্রশিক্ষণ মাঠ হিসেবে ব্যবহার করার কথা বলেন।" তিনি আরও বলেন, "সামরিক বাহিনী আগেও শহরগুলোতে প্রশিক্ষণ নিয়েছে। তবে আমার মনে হয় না তিনি সেই বিষয়ে কথা বলছেন। তিনি সামরিক বাহিনীকে এমনভাবে ব্যবহার করার কথা বলছেন; এটি আমাদের আমেরিকায় দেখা উচিত নয়। এই বিষয়টি নিয়ে আমি খুবই উদ্বিগ্ন।"<br>"আমার মনে হয়, এই জেনারেল এবং অ্যাডমিরালদের এখানে ফিরিয়ে আনার পুরো উদ্দেশ্যই ছিল এই ধরনের বিষয় নিয়ে আলোচনা করা। এটি আমাদের সবাইকে আতঙ্কিত করবে," ম্যাকগ্রা বলেন। "আমেরিকায় আমরা এমনটা কখনোই করি না। অপরাধ দমনের জন্য আমাদের পুলিশ আছে। যুদ্ধের জন্য প্রশিক্ষিত আমেরিকান সৈন্যদের আমেরিকান শহরগুলোতে পাঠানোর বদলে আমাদের উচিত পুলিশ বাহিনীতে অর্থ বিনিয়োগ করা।"
** অ্যাডাম লিঞ্চ, [https://www.msn.com/en-us/news/us/that-was-bonkers-former-marine-fighter-pilot-blasts-trump-s-rambling-military-speech/ar-AA1NBSpZ?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=68dd07966b0146f9a069e63bd183e9e1&ei=10/"'দ্যাট ওয়াজ বংকারস': ফরমার মেরিন ফাইটার পাইলট ব্লাস্টস ট্রাম্প'স 'র্যাম্বলিং' মিলিটারি স্পিচ"], ''অল্টারনেট'', ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫।
==== অক্টোবর ২০২৫ ====
* গত সপ্তাহে ক্যাথলিক ইউনিভার্সিটিতে এক সাক্ষাৎকারে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি [[ক্ল্যারেন্স টমাস]] গত ৩০ বছর ধরে তিনি যা ভাবছিলেন তা স্পষ্টভাবেই বলেছেন: সুপ্রিম কোর্টের নজিরগুলো কোনো ব্যাপার নয়। তিনি নিজের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য মনগড়া কাজ করে চলেছেন। অবশ্যই, তিনি সরাসরি এ কথা বলেননি। বললে মানুষ বুঝে ফেলত। এর পরিবর্তে তিনি সাংবাদিকসহ বেশিরভাগ মানুষের নজর এড়িয়ে আইনি পরিভাষার আড়ালে নিজের স্বার্থান্বেষী দর্শনকে তুলে ধরেছেন। তিনি যা বলেছেন তা হলো: "কোনো এক পর্যায়ে আমাদের ভেবে দেখতে হবে যে আমরা স্টের ডেসিসিস নিয়ে কী করছি।... এটি এমন কোনো জাদুকরী ব্যাপার নয় যে আপনি শুধু 'স্টের ডেসিসিস' বলবেন আর চিন্তাভাবনা বন্ধ করে দেবেন, তাই না?"<br>এর অর্থ হলো: এই দেশ এবং "কমন ল" বা সাধারণ আইন ব্যবস্থা অনুসরণকারী সব দেশে "স্টের ডেসিসিস" একটি মৌলিক আইনি নীতি। সহজ কথায় এর অর্থ হলো, পূর্ববর্তী বিচারিক রায়গুলো ভবিষ্যতের বিচারিক রায়গুলোকে নিয়ন্ত্রণ করবে। উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো আদালত রায় দেয় যে "অন্যান্য মানুষের মতো সমকামী মানুষেরও এই দেশে মৌলিক অধিকার রয়েছে, যার মধ্যে অন্যকে বিয়ে করার অধিকারও অন্তর্ভুক্ত," তাহলে এই রায়টি সমকামী মানুষের অধিকার সংক্রান্ত ভবিষ্যতের সব মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে বলে ধরা হয়।<br>টমাস স্পষ্টতই এর সাথে একমত নন। স্টের ডেসিসিস এবং নজিরকে সম্মান করার পরিবর্তে তিনি বলছেন, পুরোনো মামলাগুলোর নতুন মামলা নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা থাকা উচিত নয়। টমাসের মতে, আদালত অতীতে এলজিবিটিকিউ মানুষদের বিয়ের অধিকারসহ অন্যান্য অধিকার দিয়েছে বলেই তাঁকে ভবিষ্যতেও তাদের অধিকার বজায় রাখার পক্ষে রায় দিতে বাধ্য থাকতে হবে—এমনটা তিনি মনে করেন না।
** এলি মিস্টাল, [https://www.msn.com/en-us/news/opinion/clarence-thomas-admits-that-he-s-coming-for-our-rights/ar-AA1NKA43?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=68debf3c3daa4765898f5ee85f8975a7&ei=10/"ক্ল্যারেন্স টমাস অ্যাডমিটস দ্যাট হি'স কামিং ফর আওয়ার রাইটস"], ''দ্য নেশন'', ২ অক্টোবর ২০২৫।
* সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আমরা টমাসের মতামতগুলোতে এটি দেখেছি। ২০২২ সালে ''ডবস'' মামলায় একটি পৃথক কিন্তু সমর্থনকারী মতামতে তিনি ঘোষণা করেন, ''রো বনাম ওয়েড'' আমাদের আইনি ঐতিহ্যের প্রতি সম্মানজনক ছিল না। কিন্তু ''লাভিং বনাম ভার্জিনিয়া'' সম্মানজনক। কেন? কারণ ''রো'' নারীদের অধিকার দিয়েছিল। আর ''লাভিং'' টমাসকে তাঁর শ্বেতাঙ্গ স্ত্রীকে বিয়ে করার অধিকার দিয়েছিল। টমাসের নিজস্ব ব্যক্তিগত পছন্দ ছাড়া এই মামলাগুলোর মধ্যে যদি আপনার কাছে আরও ভালো কোনো আইনি পার্থক্য থাকে, তবে আমি আপনার ব্যাখ্যা শুনতে আগ্রহী। টমাস আরও সিদ্ধান্ত নিয়েছেন (এই ক্ষেত্রে, সংখ্যাগরিষ্ঠের জন্য লিখে) যে, সাধারণ বন্দুক নিবন্ধন আইনগুলো এই দেশে আমাদের ঐতিহ্যের প্রতি সম্মানজনক নয়। কিন্তু আমরা যে রাজার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছিলাম, সেই রাজার ক্ষমতাই রাষ্ট্রপতিকে দেওয়ার একটি মতামতে তিনি স্বাক্ষর করেছেন। তাঁর পছন্দের নীতিগত ফলাফলগুলো না বুঝে টমাসের মাথার ভেতরের যুক্তিগুলো দিয়ে আপনি কোনোভাবেই উপসংহারে পৌঁছাতে পারবেন না।<br>টমাস একাই যদি এভাবে ভাবতেন, তবে এই সমস্যাটি নিয়ন্ত্রণ করা যেত। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের পুরো রিপাবলিকান চক্রটি ঠিক সেইভাবেই রায় দিচ্ছে, যে বিষয়ে টমাস কথা বলছেন। নজির বা স্টের ডেসিসিসের প্রতি তাদের কোনো সম্মান নেই। আগামী মেয়াদে আদালতের রিপাবলিকানরা ভোটাধিকারের একটি নজির উল্টে দিতে পারে; এটি তারা মাত্র কয়েক বছর আগে নিজেরাই স্থাপন করেছিল। রিপাবলিকানরা আক্ষরিক অর্থেই ''তাদের নিজস্ব রায়গুলো'' সম্মান করবে—এমন বিশ্বাস করা যায় না।
** এলি মিস্টাল, [https://www.msn.com/en-us/news/opinion/clarence-thomas-admits-that-he-s-coming-for-our-rights/ar-AA1NKA43?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=68debf3c3daa4765898f5ee85f8975a7&ei=10/"ক্ল্যারেন্স টমাস অ্যাডমিটস দ্যাট হি'স কামিং ফর আওয়ার রাইটস"], ''দ্য নেশন'', ২ অক্টোবর ২০২৫।
* '''সুপ্রিম কোর্টের রক্ষণশীলদের জন্য পুরো ট্রাম্প প্রশাসন একটি "মুখোশ উন্মোচনের" মুহূর্ত ছিল। দেখা যাচ্ছে, তারা আসলে নজিরের তোয়াক্কা করে না (সিনেটের শুনানির সময় তারা নজিরের প্রতি শ্রদ্ধাশীল বলে যতই মিথ্যা দাবি করুক না কেন)। তারা আসলে আইনের পাঠ্যের পরোয়া করে না। তারা বিচারিক সংযমেরও তোয়াক্কা করে না। তারা তাদের কাঙ্ক্ষিত রাজনৈতিক ফলাফল চায় এবং এটি বাস্তবায়নের জন্য তাদের কাছে পর্যাপ্ত ভোটও আছে।'''<br>টমাসের এই ভাষণটি আসলে একটি ঘোষণা। এর অর্থ হলো, আদালতের বর্তমান রিপাবলিকানদের হাত থেকে কোনো বিচারিক নজিরই নিরাপদ নয়। তাদের উদ্দেশ্য পূরণের পথে স্টের ডেসিসিস কোনো বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারবে না। আপনি পুরো ভাষণটিকে ''ওবেরগেফেল বনাম হোজেস'' মামলার বিরুদ্ধে একটি পরোক্ষ হুঁশিয়ারি হিসেবে ধরে নিতে পারেন। এটি এমনই একটি বিরল মুহূর্ত যেখানে টমাস সত্যি কথাটি বলে দিয়েছেন যে তিনি ও তাঁর বন্ধুরা আসলে কী করছেন। '''তারা ঐতিহ্য, রীতিনীতি বা সাধারণ আইন ব্যবস্থায় বিচারিক সিদ্ধান্তের মূল ভিত্তির কোনো তোয়াক্কা করে না। তারা কেবল জিততে চায়।'''
** এলি মিস্টাল, [https://www.msn.com/en-us/news/opinion/clarence-thomas-admits-that-he-s-coming-for-our-rights/ar-AA1NKA43?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=68debf3c3daa4765898f5ee85f8975a7&ei=10/"ক্ল্যারেন্স টমাস অ্যাডমিটস দ্যাট হি'স কামিং ফর আওয়ার রাইটস"], ''দ্য নেশন'', ২ অক্টোবর ২০২৫।
* আমাদের মধ্যে যারা শ্বেতাঙ্গ সিস-হেটেরো পুরুষ নন, অদূর ভবিষ্যতে তাদের জন্য এটি খুবই খারাপ একটি ব্যাপার হতে যাচ্ছে। তবে এর মধ্যে আশার আলোও রয়েছে। ক্যাথলিক ইউনিভার্সিটিতে দেওয়া টমাসের ভাষণটি আক্ষরিক অর্থেই তাকে এবং বিচারকের আসনে থাকাকালীন তার তৈরি করা সমস্ত অশুভ ও নিষ্ঠুরতাকে পরাস্ত করার রূপরেখা তুলে ধরে। টমাসের মতে, ভবিষ্যৎ সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের টমাস এবং রবার্টস-কোর্টের বিচারকদের তৈরি করা নজিরগুলো নিয়ে মাথা ঘামাতে হবে না। বর্তমানে যেসব মামলার রায় হচ্ছে, ভবিষ্যৎ মামলাগুলোকে সেগুলো থেকে আলাদা করারও দরকার নেই। কংগ্রেসের নতুন আইন পাস করার বা সংবিধান সংশোধনের জন্য তাদের অপেক্ষা করতে হবে না। ক্ল্যারেন্স টমাসের চালানো ট্রেনে তাদের বসে থাকারও কোনো কারণ নেই।<br>আর আমি ঠিক এই ব্যাপারটিই চাই। টমাসের নিজের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, যেদিন বিচারকের আসনে রিপাবলিকানদের চেয়ে লিবারেলদের সংখ্যা বেশি হবে, সেদিনই রবার্টস কোর্টের ক্ষমতার অবসান ঘটবে। ডেমোক্র্যাটরা সুপ্রিম কোর্টের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার জন্য জোটবদ্ধ হলে আগামী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনেই এমনটা ঘটতে পারে। স্টের ডেসিসিস যদি মৃতই হয়, তবে তা চিরতরে মৃত। কিন্তু ভবিষ্যৎ ডেমোক্রেটিক বিচারপতিরা যারা এটি ধ্বংস করেছে, তাদের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে এটিকে পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা করতে পারেন না। ক্ল্যারেন্স টমাস খুব শিগগিরই আমেরিকার ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় ধরে দায়িত্ব পালন করা বিচারপতি হতে চলেছেন। এটা জেনে ভালো লাগছে যে তিনি মনে করেন তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর মতামত আর কোনো গুরুত্ব রাখবে না। এই একটি বিষয়ে তিনি এবং আমি একমত।
** এলি মিস্টাল, [https://www.msn.com/en-us/news/opinion/clarence-thomas-admits-that-he-s-coming-for-our-rights/ar-AA1NKA43?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=68debf3c3daa4765898f5ee85f8975a7&ei=10/"ক্ল্যারেন্স টমাস অ্যাডমিটস দ্যাট হি'স কামিং ফর আওয়ার রাইটস"], ''দ্য নেশন'', ২ অক্টোবর ২০২৫।
* ছয় মাস আগে, আমি মার্কিন সামরিক বাহিনী থেকে সৈন্যদের পদত্যাগের আহ্বান জানিয়ে একটি লেখা লিখেছিলাম। তখন মার্কিন নাগরিকদের অন্যায়ভাবে নির্যাতনের হাতিয়ার হিসেবে সামরিক বাহিনীকে রাষ্ট্রপতির ব্যবহার করার আশঙ্কাটা অনেকটা তাত্ত্বিক ছিল। পুনরাবৃত্তি হবে জেনেও, বিশ্বের বিভিন্ন ঘটনা আমাকে আবারও লিখতে বাধ্য করছে: এখনই সামরিক বাহিনী ত্যাগ করুন। 'কী হতে পারে তা বুঝতে পারিনি'—এ কথা বলার সময় ফুরিয়ে আসছে।<br>গতকাল, প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও কমান্ডার ইন চিফ আমাদের জাতির সব জেনারেলদের উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন। তাঁদের ওয়াশিংটনে জড়ো হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। আমি বুঝতে পারি, এই সব দক্ষ ক্যারিয়ার অফিসারদের জন্য তাঁদের ঊর্ধ্বতন হিসেবে নিয়োগ পাওয়া শিশুতোষ টেলিভিশন উপস্থাপক পিট হেগসেথের লোকদেখানো আক্রমণাত্মক কথাবার্তা শোনা কতটা বিরক্তিকর। তিনি নিজেকে বেশি পুরুষালি প্রমাণ করতে গিয়ে নিজের অযোগ্যতাগুলো ঢাকার হাস্যকর চেষ্টা করছিলেন। হেগসেথের ভাষণ যদি অপ্রয়োজনীয়, ধর্মান্ধ এবং কার্টুনের মতো হয়ে থাকে, তবে কমান্ডার ইন চিফের পরিবেশনা ছিল তার চেয়েও অনেক বেশি বিপজ্জনক।
** হ্যামিল্টন নোলান, [https://www.msn.com/en-us/news/opinion/leave-the-military-now/ar-AA1NKs8f?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=68deb4e64a7c44f1baa45bef2565d099&ei=11/"লিভ দ্য মিলিটারি নাউ"], জেডনেটওয়ার্ক, ২ অক্টোবর ২০২৫।
* প্রথমত, সেখানে জড়ো হওয়া সব জেনারেলের কাছে এটা পরিষ্কার হয়ে যাওয়ার কথা যে, ডোনাল্ড ট্রাম্প মানসিকভাবে অন্তত অসুস্থ। তাঁর হাতে সামরিক বাহিনী এবং এর প্রবল ক্ষমতার সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। সবসময়ের মতোই তাঁর ভাষণটি ছিল আত্মরতি, কাল্পনিক কথা আর ব্যক্তিগত ক্ষোভের এক অসংলগ্ন ধারা। যে মানুষটি এই সব অফিসারদের নির্দেশ দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন, তাঁর মনটাই বিকল। তিনি সত্য ও যুক্তি বোঝেন না। এই মানুষটিই আপনাদের বলে দিতে পারেন কখন, কীভাবে এবং কাকে হত্যা করতে হবে।<br>"তারা আমাদের শহরগুলোতে বেশ সাহসী। এটি নিয়ে আমরা কথা বলব, কারণ এটি এখন যুদ্ধের একটি বড় অংশ," অগ্নিনির্বাপকদের নিয়ে কথা বলতে গিয়ে ট্রাম্প এ কথা বলেন। "কিন্তু ফায়ারম্যানরা যখন মই বেয়ে উপরে ওঠে, তখন তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। আমি জানি না কেউ এ কথা শুনেছে কি না। কেউ এ নিয়ে খুব একটা কথাও বলে না, তবে আমার মনে হয় বলা উচিত। আমাদের ফায়ারম্যানরা অসাধারণ। তারা মানুষদের উদ্ধার করতে অনেক উঁচুতে মই বেয়ে ওঠে, আর কিছু পশু নিচ থেকে তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে—মৃত্যুপুরীর এত উঁচুতে থাকা ফায়ারম্যানদের দিকে তারা গুলি ছোড়ে।" ইনিই আপনাদের বস।
** হ্যামিল্টন নোলান, [https://www.msn.com/en-us/news/opinion/leave-the-military-now/ar-AA1NKs8f?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=68deb4e64a7c44f1baa45bef2565d099&ei=11/"লিভ দ্য মিলিটারি নাউ"], জেডনেটওয়ার্ক, ২ অক্টোবর ২০২৫।
* সবচেয়ে খারাপ ব্যাপার হলো, সামরিক বাহিনী নিয়ে রাষ্ট্রপতি তাঁর উদ্দেশ্য পরিষ্কার করেছেন। তিনি বলেন, "আপনারা জানেন, খারাপ অবস্থায় থাকা বেশিরভাগ শহরই ডেমোক্র্যাটরা চালায়। তবে আমাদের অনেক ভালো শহরও আছে। আমি চাই আপনারা সেটা জানুন। কিন্তু কট্টর বামপন্থী ডেমোক্র্যাটরা যেসব শহর চালায়, যেমন সান ফ্রান্সিসকো, শিকাগো, নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেসের যা অবস্থা করেছে, সেগুলো খুবই অনিরাপদ জায়গা। আমরা সেগুলো একে একে ঠিক করব।" তিনি আরও বলেন, "এবং এটি এই কক্ষের কিছু মানুষের জন্য একটি বড় দায়িত্ব হতে যাচ্ছে। ওটাও একটা যুদ্ধ। এটা ভেতরের যুদ্ধ।"<br>শিকাগো, পোর্টল্যান্ড এবং সিয়াটলের যুদ্ধক্ষেত্র হওয়ার অদ্ভুত, কাল্পনিক গল্পগুলো পুনরাবৃত্তি করে তিনি বলেন, "আমাদের সামরিক ন্যাশনাল গার্ডের জন্য, মানে সামরিক বাহিনীর জন্য এই বিপজ্জনক শহরগুলোর কয়েকটিকে প্রশিক্ষণ মাঠ হিসেবে ব্যবহার করা উচিত।"
** হ্যামিল্টন নোলান, [https://www.msn.com/en-us/news/opinion/leave-the-military-now/ar-AA1NKs8f?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=68deb4e64a7c44f1baa45bef2565d099&ei=11/"লিভ দ্য মিলিটারি নাউ"], জেডনেটওয়ার্ক, ২ অক্টোবর ২০২৫।
* আমি মার্কিন সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেলদের আমার ব্যক্তিগত নৈতিক বিশ্বাস গ্রহণ করতে প্ররোচিত করব না। বরং, আমি তাদের সবাইকে নিজেদের নৈতিক বিশ্বাসের কথা ভাবতে অনুরোধ করব। সম্মান ও সাহসকে প্রায়শই সর্বোচ্চ সামরিক মূল্যবোধ হিসেবে প্রচার করা হয়। ইতিহাসের এই মুহূর্তে সেই মূল্যবোধগুলো এই জেনারেলদের কাছে কী দাবি করে? তাদের উন্মাদ ঊর্ধ্বতনদের স্যালুট করা, এবং তারপর, আড়ালে সেই কমান্ডাররা কতটা অযোগ্য ও জঘন্য তা নিয়ে ফিসফিস করা? এই শত শত জেনারেলদের জন্য এমন একজন রাষ্ট্রপতির ইচ্ছা পূরণে নিজেদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করা কি সম্মানজনক, যিনি প্রকাশ্যেই তাঁর দেশীয় রাজনৈতিক শত্রুদের দমন করতে সামরিক বাহিনীকে ব্যবহার করার শপথ নিয়েছেন, এবং যিনি ইতোমধ্যে বড় শহরগুলোতে তা করেছেন? এই অফিসারদের জন্য—নিজেদের ক্যারিয়ারের খাতিরে—এমন একজন মানুষের সেবা চালিয়ে যাওয়া কি সাহসিকতার পরিচয়, যিনি স্পষ্টতই মিথ্যা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন, যিনি সর্বোপরি প্রতিশোধ নিতে মরিয়া, এবং যিনি আমেরিকানদের জোরপূর্বক দমন করতে সামরিক বাহিনীকে ব্যবহার করার উদ্দেশ্য সম্পর্কে বেশ খোলামেলা? আমাদের সামরিক বাহিনীর সর্বোচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাদের কাছে সম্মান ও সাহসের দাবি কি এটাই? এর বাইরে আর কিছুই নয়?<br>সামরিক বাহিনীর মানুষদের প্রায়শই এটা বলতে শোনা যায় যে, তারা "মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান সমর্থন ও রক্ষা করার" শপথ নিয়েছেন। তারা এমনটাও বোঝাতে চান যে, শপথের প্রতি তাদের আনুগত্য তাদের সত্যিকারের অন্যায় আদেশ পালন করা থেকে বিরত রাখবে। আমি লক্ষ্য না করে পারলাম না যে, আদেশ অমান্য করার এই নৈতিক দায়িত্বের বিষয়টি কেবলই সুদূর ভবিষ্যতের ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমাদের, নাগরিকদের এই বলে আশ্বস্ত করা হয় যে, সামরিক বাহিনীর সৈন্য ও কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত নৈতিকতা এমন এক পর্যায়ে পৌঁছে যাবে, যখন তারা একজন বেপরোয়া কমান্ডার ইন চিফকে স্বৈরাচারের উদ্দেশ্যে সামরিক বাহিনীকে ব্যবহার করা থেকে বিরত রাখবে।<br>তাহলে? স্বৈরাচার তো এসে গেছে। মুখের কথার তো কোনো দাম নেই। আমাদের গণতন্ত্রের এই তাত্ত্বিক সুরক্ষাবলয়টি কেবল তখনই অনেক বেশি স্বস্তিদায়ক হতো, যখন এর বাস্তবে কোনো প্রয়োগ দেখা যেত।
** হ্যামিল্টন নোলান, [https://www.msn.com/en-us/news/opinion/leave-the-military-now/ar-AA1NKs8f?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=68deb4e64a7c44f1baa45bef2565d099&ei=11/"লিভ দ্য মিলিটারি নাউ"], জেডনেটওয়ার্ক, ২ অক্টোবর ২০২৫।
* আমেরিকার ভবিষ্যৎ বদলানোর সময় এখনো পেরিয়ে যায়নি। আমরা ঠিক এখন সম্ভাবনার একটি মুহূর্তে দাঁড়িয়ে আছি। আমেরিকান নাগরিকদের বিরুদ্ধে সামরিক বাহিনীকে ব্যবহার করার বিষয়ে রাষ্ট্রপতির উদ্দেশ্য খুবই পরিষ্কার। তবে এই নিপীড়নের সবচেয়ে খারাপ রূপটি এখনো আসা বাকি। কী আসতে চলেছে, তা তিনি আমাদের জানিয়ে দিয়েছেন, তবে এর সবই এখনো ঘটেনি। এর অর্থ হলো, সম্মান ও সাহসের মানুষদের জন্য সামরিক বাহিনী ছাড়ার এর চেয়ে ভালো সময় আর আসবে না। জেনারেলদের জন্য নিজেদের নৈতিক মূল্যবোধগুলো যে কেবল ফাঁকা বুলি নয়, তা প্রমাণ করার এর চেয়ে ভালো সুযোগ আর নেই। একজন ক্ষমতাশালী স্বৈরশাসকের সেনাবাহিনীর অংশ হতে অস্বীকৃতি জানিয়ে তাঁর ক্ষমতাকে দুর্বল করার এর চেয়ে ভালো সময় আর আসবে না। আমেরিকার আদর্শের বিরুদ্ধে এক মহান, ঐতিহাসিক অবিচারে অংশ নেওয়ার কলঙ্ক থেকে নিজেকে মুক্ত করার এর চেয়ে ভালো সুযোগ আর পাওয়া যাবে না। '''কে দায়িত্বে আছেন, তা সবাই দেখতে পাচ্ছে। পরিকল্পনা কী, তাও সবার কাছে পরিষ্কার। কেউ বলতে পারবে না যে তারা ভবিষ্যৎ দেখতে পায়নি। কেউ বলতে পারবে না যে তারা না বুঝেই এতে জড়িয়েছে।''' সামরিক বাহিনীর সদস্যদের জন্য—এবং সর্বোপরি এর সর্বোচ্চ স্তরের কর্মকর্তাদের জন্য—সাহসী হওয়ার সময় এসে গেছে।<br>যেকোনো বড় প্রতিষ্ঠানের মতোই সামরিক বাহিনীতেও নানা ধরনের মানুষ নানা কারণে যোগ দিয়েছে। রাজনীতিবিদরা সামরিক বাহিনীকে দিয়ে যা করান, তার প্রতি আমার নিজস্ব আপত্তি থাকলেও আমি বিশ্বাস করি সামরিক বাহিনীতে এমন অনেক মানুষ আছেন, যারা আন্তরিকভাবেই দেশপ্রেম, আত্মত্যাগ ও জনসেবাকে মূল্যায়ন করেন। এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই যে, সামরিক বাহিনীতে এমন অনেক মানুষ আছেন যারা অগাধ ব্যক্তিগত সাহসিকতা ও অধ্যবসায় দেখিয়েছেন। যে কাজটিকে তারা সম্মানজনক ও প্রয়োজনীয় বলে মনে করেন, তা করতে গিয়ে তারা ভয়ংকর সব বাধা অতিক্রম করতেও প্রস্তুত। '''২০২৫ সালে এই সব প্রশংসনীয় গুণাবলি একটি নির্দিষ্ট কাজেরই দাবি করে: সামরিক বাহিনী ত্যাগ করা। আপনার ধারণ করা মূল্যবোধের সাথে সাংঘর্ষিক এমন কোনো কাজ করে ফেলার আগেই সামরিক বাহিনী ছাড়ুন। নিজেকে খারাপ মানুষ হিসেবে আবিষ্কার করার আগেই বেরিয়ে আসুন। আপনি যদি বন্দুকযুদ্ধে নামতে পারেন, তবে চাকরি ছাড়ার সাহসও আপনার থাকা উচিত। আজ দেশপ্রেমের অর্থ এটাই।'''
** হ্যামিল্টন নোলান, [https://www.msn.com/en-us/news/opinion/leave-the-military-now/ar-AA1NKs8f?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=68deb4e64a7c44f1baa45bef2565d099&ei=11/"লিভ দ্য মিলিটারি নাউ"], জেডনেটওয়ার্ক, ২ অক্টোবর ২০২৫।
* রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প সরকারি অচলাবস্থার নিন্দা জানিয়েছেন এবং এর জন্য সরাসরি "কট্টর বামপন্থী ডেমোক্র্যাটদের" দায়ী করেছেন। তবে এরই মধ্যে, তিনি এই পরিস্থিতির সর্বোচ্চ ফায়দা লুটছেন বলেই মনে হচ্ছে। ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প মজা করে বলেছেন, ডেমোক্র্যাটদের তিনি যেমনটা সতর্ক করেন, সে অনুযায়ী বিভিন্ন সরকারি সংস্থার প্রয়োজনীয়তা পুনর্মূল্যায়নের জন্য তিনি অফিস অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বাজেটের পরিচালক রাস ভটের সাথে দেখা করবেন। ট্রাম্প লিখেছেন, "প্রজেক্ট ২০২৫ খ্যাত রাস ভটের সাথে আজ আমার একটি বৈঠক আছে। বেশিরভাগ ডেমোক্র্যাট সংস্থাই রাজনৈতিক প্রতারণা। তিনি এর মধ্যে কোন সংস্থাগুলো বন্ধ করার সুপারিশ করেন এবং এই ছাঁটাইগুলো অস্থায়ী হবে নাকি স্থায়ী হবে, তা নির্ধারণ করতেই এই বৈঠক।"<br>সম্ভাব্য অচলাবস্থা ঘনিয়ে আসার মুখে প্রশাসন ডেমোক্র্যাটদের সতর্ক করে দিয়েছিল। প্রশাসন জানিয়েছিল, তারা যদি রিপাবলিকানদের স্বল্পমেয়াদি অর্থায়ন বিলে স্বাক্ষর না করে এবং অচলাবস্থা রোধ না করে, তবে আরও অনেক ফেডারেল কর্মী তাদের চাকরি হারাবেন। কোথায় কোথায় আরও কর্মী ছাঁটাই করা যেতে পারে, তা গভীরভাবে খতিয়ে দেখতে ওএমবি গত সপ্তাহে ফেডারেল সংস্থাগুলোকে একটি চিঠি পাঠিয়েছে।<br>চিঠিতে বলা হয়েছে, "যেসব ফেডারেল কর্মসূচির অর্থায়নের মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে এবং যেগুলো অন্যথায় অর্থায়নহীন, আইনগতভাবে সেগুলো চালিয়ে যাওয়ার আর কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।" চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, "কর্মসূচি, প্রকল্প বা কার্যক্রমে কর্মরত যেসব কর্মী নিচের তিনটি শর্ত পূরণ করেন, তাদের রিডাকশন ইন ফোর্স নোটিশ দেওয়ার কথা বিবেচনা করতে সংস্থাগুলোকে এই সুযোগটি কাজে লাগানোর নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে: (১) ১ অক্টোবর ২০২৫-এ ঐচ্ছিক অর্থায়নের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়া; (২) এইচ.আর. ১ (পাবলিক ল ১১৯-২১)-এর মতো অর্থায়নের অন্য কোনো উৎস বর্তমানে উপলব্ধ না থাকা; এবং (৩) কার্যক্রমটি রাষ্ট্রপতির অগ্রাধিকারের সাথে সংগতিপূর্ণ না হওয়া।"
** মরগান সুইনি, [https://justthenews.com/nation/states/center-square/trimming-fat-trump-boasts-shuttering-government-agencies-amidst/"ট্রিমিং দ্য ফ্যাট: ট্রাম্প বোস্টস অব শাটারিং গভর্নমেন্ট এজেন্সিজ অ্যামিডস্ট শাটডাউন"], ''জাস্ট দ্য নিউজ'', ২ অক্টোবর ২০২৫।
* আগস্ট মাসে ''নিউইয়র্ক টাইমস'' জানিয়েছিল, বছরের শেষ নাগাদ ফেডারেল কর্মী বাহিনীতে প্রায় তিন লাখ মানুষ কমে যেতে পারে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, বেশিরভাগ ছাঁটাই বা পদত্যাগের কারণ ছিল ডিপার্টমেন্ট অব গভর্নমেন্ট এফিশিয়েন্সি। ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের শুরুতে একটি নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে এটি তৈরি করা হয়েছিল। <br>মঙ্গলবারে কোন কোন "ডেমোক্র্যাট সংস্থা" ছাঁটাইয়ের মুখে পড়ছে তা অস্পষ্ট। পুরো সংস্থাগুলোকে মুছে ফেলা হবে, নাকি তারা কেবল আরও কর্মী হারাবে, তাও নিশ্চিত নয়। এর আগে প্রশাসন কংগ্রেশনাল বাজেট অফিস এবং ব্যুরো অব লেবার স্ট্যাটিস্টিকসকে অবিশ্বস্ত, "ডেমোক্র্যাট-নিয়ন্ত্রিত", রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং "দীর্ঘস্থায়ী ব্যর্থতায়" জর্জরিত বলে বর্ণনা করেছে।
** মরগান সুইনি, [https://justthenews.com/nation/states/center-square/trimming-fat-trump-boasts-shuttering-government-agencies-amidst/"ট্রিমিং দ্য ফ্যাট: ট্রাম্প বোস্টস অব শাটারিং গভর্নমেন্ট এজেন্সিজ অ্যামিডস্ট শাটডাউন"], ''জাস্ট দ্য নিউজ'', ২ অক্টোবর ২০২৫।
* ট্রাম্প তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে যে "প্রজেক্ট ২০২৫ে"র কথা বলেছেন, তা হলো ফেডারেল সরকারকে পুনর্গঠন করার একটি কৌশল। এটি রক্ষণশীলদের তৈরি এবং হেরিটেজ ফাউন্ডেশন এটি প্রকাশ করেছে। বিবিসির সারসংক্ষেপ অনুযায়ী, এই প্রকল্পের লক্ষ্যগুলো হলো "আমেরিকান জীবনের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে পরিবারকে ফিরিয়ে আনা; প্রশাসনিক রাষ্ট্রকে ভেঙে দেওয়া; জাতির সার্বভৌমত্ব ও সীমানা রক্ষা করা; এবং স্বাধীনভাবে বাঁচার জন্য ঈশ্বরপ্রদত্ত ব্যক্তিগত অধিকার নিশ্চিত করা।"<br>ভট এই প্রকল্পের একজন সহ-লেখক ছিলেন। রাষ্ট্রপতি এই সরকারি অচলাবস্থাকে এই উদ্যোগকে আরও এগিয়ে নেওয়ার একটি সুযোগ হিসেবে দাঁড় করিয়েছেন।<br>ট্রাম্প তাঁর পোস্টের উপসংহারে লেখেন, "আমি বিশ্বাসই করতে পারছি না কট্টর বামপন্থী ডেমোক্র্যাটরা আমাকে এমন অভূতপূর্ব সুযোগ করে দিয়েছে। তারা তো বোকা নয়। তাই হয়তো নিরবে ও দ্রুততার সাথে আমেরিকাকে আবার মহান করার (MAKE AMERICA GREAT AGAIN!) এটাই তাদের উপায়! প্রেসিডেন্ট ডিজেটি।"
* '''মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প কানাডা দখলের ক্রমাগত হুমকি দিয়ে আসছেন। এই সপ্তাহে মার্কিন সামরিক কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে দেওয়া এক ভাষণে তিনি আবারও এই হুমকির পুনরাবৃত্তি করেছেন। এর ফলে অনেক কানাডিয়ান আশঙ্কা করছেন, মার্কিন আগ্রাসন একদিন হয়তো সত্যি হয়ে উঠতে পারে। সেই পরিস্থিতি আসলে কেমন হবে? মার্কিন সামরিক বাহিনীর বিশাল আকারের দিকে তাকিলে অনেকেই ভাবতে পারেন ট্রাম্প খুব সহজেই জয়লাভ করবেন।'''<br>'''এই বিশ্লেষণটি ভুল।''' ট্রাম্প যদি কখনও কানাডা দখলে সামরিক বাহিনী ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেন, তবে কানাডিয়ান ও মার্কিন সেনাবাহিনীর মধ্যে প্রচলিত সামরিক সংঘাতের মাধ্যমে এর ফলাফল নির্ধারিত হবে না। বরং কানাডায় সামরিক আগ্রাসন কয়েক দশক দীর্ঘ এক সহিংস প্রতিরোধের জন্ম দেবে। এটি শেষ পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ধ্বংস করে দেবে।<br>কিন্তু এই দুঃস্বপ্নের মতো পরিস্থিতিতে কানাডিয়ানরা কি সফলভাবে মার্কিন আগ্রাসন প্রতিহত করতে পারবে? অবশ্যই পারবে। আমি এটি জানি কারণ আমি দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন বিদ্রোহ নিয়ে পড়াশোনা করেছি। শক্তিশালী আগ্রাসী বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করা সাধারণ মানুষের সাথে আমি সময় কাটিয়েছি।
** আয়েশা আহমাদ, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক, টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়, [https://www.msn.com/en-us/news/world/why-annexing-canada-would-destroy-the-united-states-opinion/ar-AA1NQUAk?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=68e15ddcc73a4c3c9a13e3e91b8a16e7&ei=18/"হোয়াই অ্যানেক্সিং কানাডা উড ডেস্ট্রয় দ্য ইউনাইটেড স্টেটস"], ''অল্টারনেট'', ৪ অক্টোবর ২০২৫।
* গেরিলারা সাধারণত অতর্কিত হামলা, ঝটিকা আক্রমণ এবং আকস্মিক হামলার মাধ্যমে আগ্রাসী বাহিনীকে ধীরে ধীরে দুর্বল করে দেয়। নিরাপদ আশ্রয় এবং দরকারি রসদ জুগিয়ে স্থানীয় সম্প্রদায় এই যোদ্ধাদের সমর্থন করে। সমর্থনকারী এই নাগরিকরা "নিত্যনৈমিত্তিক প্রতিরোধের" বিভিন্ন রূপেও অংশ নিতে পারে। শত্রুকে হতাশ ও বিপর্যস্ত করতে তারা লাখ লাখ নিষ্ক্রিয়-আক্রমণাত্মক নাশকতার আশ্রয় নিতে পারে। ট্রাম্প যদি ভেবে থাকেন চার কোটি কানাডিয়ান বিনা প্রতিরোধে এই দখলদারিত্ব মেনে নেবে, তবে তিনি আসলে ভ্রান্তির মধ্যে বাস করছেন। "অর্থনৈতিক জবরদস্তির" মুখে কানাডার সার্বভৌমত্ব ছেড়ে দিতে রাজি, এমন কোনো রাজনৈতিক দল বা নেতা নেই। তাই যুক্তরাষ্ট্র যদি কানাডা দখল করতে চায়, তবে তাদের আগ্রাসন চালাতেই হবে।<br>এই সিদ্ধান্তটি অবিরাম এক সহিংসতার জন্ম দেবে। আমরা যদি ধরেও নিই যে কানাডা সরকার নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করবে, তবুও রাস্তায় রাস্তায় লড়াই চলতে থাকবে। একজন কিশোর হয়তো আক্রমণকারী সৈন্যদের দিকে পাথর ছুড়বে। সেই ছেলেটিকে গুলি করা হবে, আর এরপর আরও পাথর ও আরও গুলির বর্ষণ চলতে থাকবে। একটি বিদ্রোহ তখন অবধারিত হয়ে উঠবে।
** আয়েশা আহমাদ, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক, টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়, [https://www.msn.com/en-us/news/world/why-annexing-canada-would-destroy-the-united-states-opinion/ar-AA1NQUAk?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=68e15ddcc73a4c3c9a13e3e91b8a16e7&ei=18/"হোয়াই অ্যানেক্সিং কানাডা উড ডেস্ট্রয় দ্য ইউনাইটেড স্টেটস"], ''অল্টারনেট'', ৪ অক্টোবর ২০২৫।
* এই ধারণাটি আজ কানাডিয়ানদের অবাক করতে পারে, কারণ তারা নিজেদের বন্ধুত্বপূর্ণ এবং অমায়িক মানুষ হিসেবেই ভাবে। তবে কানাডার বর্তমান "ভদ্রতার" এই আত্মমগ্নতা কেবল তারা শান্তিতে আছে বলেই টিকে আছে। যুদ্ধ মানুষকে খুব দ্রুত বদলে দেয়। কানাডিয়ানরাও অন্য যেকোনো মানুষের চেয়ে জন্মগতভাবে খুব বেশি শান্তিকামী নয়। আপনার সন্তান যখন আপনার কোলেই মারা যাচ্ছে, তখন আপনিও সহিংস হয়ে উঠতে পারেন। একবার ভালোবাসার জিনিস হারিয়ে ফেললে, প্রতিরোধ করাটা শ্বাস নেওয়ার মতোই স্বাভাবিক হয়ে যায়। আমার গবেষণা বলছে, অল্প কয়েকজন দালাল ও বিশ্বাসঘাতক বাদে অনেক কানাডিয়ানই আগ্রাসী বাহিনীর বিরুদ্ধে নানা ধরনের দৈনন্দিন প্রতিরোধে অংশ নেবে। এর মধ্যে চুরি, মিথ্যা বলা, তার কাটা এবং তহবিল সরিয়ে ফেলার মতো কাজগুলো থাকতে পারে।<br>এরই মধ্যে বিদ্রোহীরা আমেরিকান লক্ষ্যবস্তুগুলোতে ধ্বংসযজ্ঞ চালাবে। প্রতিরোধকারী কানাডিয়ানদের মাত্র এক শতাংশও যদি সশস্ত্র বিদ্রোহে যোগ দেয়, তবে সেটি চার লাখ মানুষের এক বিশাল বিদ্রোহে পরিণত হবে। আফগান যুদ্ধের শুরুতে তালিবানের আকার যা ছিল, এটি তার প্রায় ১০ গুণ। এই সংখ্যার সামান্য একটি অংশও যদি সহিংস হামলায় জড়িয়ে পড়ে, তবে পুরো মহাদেশেই আগুন জ্বলে উঠবে।
** আয়েশা আহমাদ, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক, টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়, [https://www.msn.com/en-us/news/world/why-annexing-canada-would-destroy-the-united-states-opinion/ar-AA1NQUAk?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=68e15ddcc73a4c3c9a13e3e91b8a16e7&ei=18/"হোয়াই অ্যানেক্সিং কানাডা উড ডেস্ট্রয় দ্য ইউনাইটেড স্টেটস"], ''অল্টারনেট'', ৪ অক্টোবর ২০২৫।
* এই পরিস্থিতি কানাডা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র উভয়েরই ধ্বংস ডেকে আনবে। একজন বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতিবেশীর সাথে একটি শান্তিপূর্ণ এবং পারস্পরিক লাভজনক জোটের বদলে সুস্থ মস্তিষ্কের কেউই এই ভয়ঙ্কর ভবিষ্যৎ বেছে নেবে না। তা সত্ত্বেও, ট্রাম্প যদি এতটাই বেপরোয়া হন যে তিনি মনে করেন কানাডার সহিংস অন্তর্ভুক্তি একটি অর্জনযোগ্য লক্ষ্য, তবে এটা যেন জেনে রাখা হয় যে এই সব ভয়ঙ্কর পরিণতি অনেক আগেই আঁচ করা গিয়েছিল এবং তাঁকে আগেই সতর্ক করা হয়েছিল।
** আয়েশা আহমাদ, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক, টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়, [https://www.msn.com/en-us/news/world/why-annexing-canada-would-destroy-the-united-states-opinion/ar-AA1NQUAk?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=68e15ddcc73a4c3c9a13e3e91b8a16e7&ei=18/"হোয়াই অ্যানেক্সিং কানাডা উড ডেস্ট্রয় দ্য ইউনাইটেড স্টেটস"], ''অল্টারনেট'', ৪ অক্টোবর ২০২৫।
* সম্প্রতি অনেকেই আমাকে জিজ্ঞেস করেছেন, কোমির পর কে হতে পারে বলে আমার মনে হয় এবং বিচার চলাকালে তাঁর সাথে কী ঘটবে। আমি জানি না। কিন্তু এই প্রশ্নটিই করতে হচ্ছে—এই ব্যাপারটিই প্রমাণ করে আমেরিকান গণতন্ত্র কত দ্রুত ভেঙে পড়ছে। কোমির বিরুদ্ধে অভিযোগ এবং তাঁর সম্ভাব্য শাস্তি নিশ্চিতভাবেই অন্যান্যদের ক্ষেত্রেও ঘটবে। এমনটা আরও অনেকের সাথেই হবে। ট্রাম্প এটা দাবি করবেন এবং অনেক আমেরিকানও এটা চাইবে।<br>বিচার বিভাগ ইতোমধ্যেই সাবেক জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টন, ক্যালিফোর্নিয়ার ডেমোক্রেটিক সিনেটর অ্যাডাম শিফ এবং নিউইয়র্কের ডেমোক্রেটিক অ্যাটর্নি জেনারেল লেটিশিয়া জেমসের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে। সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু হিসেবে জর্জিয়ার ফুলটন কাউন্টির জেলা অ্যাটর্নি ফানি উইলিস এবং এফবিআইয়ের সাবেক পরিচালক ক্রিস্টোফার ওয়ের নামও শোনা গেছে। ২০২৩ সালে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে নির্বাচনে হস্তক্ষেপের মামলা দায়ের করেন উইলিস। এই নামগুলোই প্রমাণ করে অকল্পনীয় ব্যাপারগুলোও এখন রুটিনে পরিণত হয়েছে। ক্ষতিকর এই স্বাভাবিকতাই এখন নতুন স্বাভাবিক।
** চনসি ডিভেগা, [https://www.msn.com/en-us/news/opinion/a-new-red-scare-this-could-be-much-worse/ar-AA1NT7bS?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=68e2b63903484da6a92bd0303bf45f34&ei=13/"এ নিউ রেড স্কেয়ার? দিস কুড বি মাচ ওর্স"], ''স্যালন'', ৫ অক্টোবর ২০২৫।
* ২০১৬ সালে ট্রাম্প প্রথমবারের মতো নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে, আমেরিকার দায়িত্বশীল রাজনৈতিক এবং মিডিয়া শ্রেণি আমেরিকান রাজনীতি ও সমাজের এমন একটি মডেল তৈরি করেছে যার অস্তিত্ব দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর দীর্ঘদিনের লালিত আদর্শ, আমেরিকানদের অনন্যতা এবং আমেরিকান জনগণের চরিত্র—সবকিছুই জানলা দিয়ে বাইরে ছুড়ে ফেলা হয়েছে। অনেক দিক থেকেই এই ফ্যান্টাসিগুলো কখনোই বাস্তবের সাথে মেলেনি। আর এখন এই ব্যবধানটি তো অস্বীকার করার কোনো উপায়ই নেই। অনেকের কাছেই এই সত্যের মুখোমুখি হওয়াটা বড্ড ভীতিকর।<br>আমেরিকার গণতন্ত্র যখন দ্রুত ভেঙে পড়ছে, তখন সংবাদমাধ্যম ও রাজনৈতিক মহলের কিছু পরিচিত মুখ নতুন করে 'রেড স্কেয়ার' বা লাল আতঙ্কের ভয়াবহতা সম্পর্কে সতর্ক করছেন। কিন্তু বাস্তবে ট্রাম্প প্রশাসন এবং তার বাহিনী যা শুরু করতে যাচ্ছে তা হয়তো এর চেয়েও অনেক বেশি ভয়ংকর হবে।
** চনসি ডিভেগা, [https://www.msn.com/en-us/news/opinion/a-new-red-scare-this-could-be-much-worse/ar-AA1NT7bS?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=68e2b63903484da6a92bd0303bf45f34&ei=13/"এ নিউ রেড স্কেয়ার? দিস কুড বি মাচ ওর্স"], ''স্যালন'', ৫ অক্টোবর ২০২৫।
* "অ্যামেরিকান মিডনাইট: দ্য গ্রেট ওয়ার, আ ভায়োলেন্ট পিস, অ্যান্ড ডেমোক্রেসিস ফরগটেন ক্রাইসিস" সহ বিভিন্ন বইয়ের পুরস্কার বিজয়ী লেখক ও বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ অ্যাডাম হচশাইল্ড এক সাক্ষাৎকারে আমেরিকার বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে স্পষ্টভাবে বলেছেন: "এটি গভীরভাবে ভীতিকর। গণতন্ত্রকে কীভাবে একনায়কতন্ত্রে পরিণত করা হয়, এটি ঠিক তারই একটি উদাহরণ।" এক শতাব্দী আগে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ এবং রুশ বিপ্লবের পরে যা ঘটছিল, তিনি আমাদের বর্তমান সময়কে তার সাথে তুলনা করেছেন। একটি ইমেইল সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, দেশটি "সামরিক উন্মাদনায়... এবং তারপর অমূলক ভয়ে আচ্ছন্ন হয়ে পড়েছিল"; এটি "গণতন্ত্রের মারাত্মক ক্ষতি করেছিল।"<br>"সরকার প্রায় ৭৫টি সংবাদপত্র ও ম্যাগাজিন বন্ধ করে দিয়েছিল এবং কেবল তাদের লেখা বা কথার কারণে সমাজতান্ত্রিক নেতা ইউজিন ভি. ডেবসসহ শত শত মানুষকে কারারুদ্ধ করেছিল," হচশাইল্ড বলেন। "ডোনাল্ড ট্রাম্পও ঠিক এমনটাই করতে চাইবেন। সমালোচনামূলক মিডিয়ার ওপর তাঁর আক্রমণ এবং জেমস কোমির মতো মানুষের বিরুদ্ধে মামলা তার প্রমাণ। কিন্তু ১৯১৭-১৯২১ সালের রেড স্কেয়ারের উন্মাদনার সময় এই দেশ যতদূর গিয়েছিল, ট্রাম্প নির্বাচনী ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে তার চেয়েও এক ধাপ এগিয়ে যাচ্ছেন। আমার কাছে এটি ইতোমধ্যেই বিপজ্জনক একটি রাষ্ট্রপতির মেয়াদের সবচেয়ে ভীতিকর দিক।"<br>তিনি ব্যাখ্যা করেন, ভাষ্যকাররা উইসকনসিনের রিপাবলিকান সিনেটর জোসেফ ম্যাকার্থির সাথে ট্রাম্পের তুলনা করতে ভালোবাসেন। ম্যাকার্থি "সবজায়গায় ধ্বংসাত্মক উপাদান" দেখতে পেতেন। ট্রাম্পের সাথে তার মিল থাকলেও হচশাইল্ড যুক্তি দেন যে এর চেয়ে ভালো তুলনা হতে পারে ডেমোক্রেটিক রাষ্ট্রপতি উড্রো উইলসন। তিনি তাঁর দ্বিতীয় মেয়াদে "এমন সব কাজ করেন যা ট্রাম্প করতে চাইবেন। যেমন গুপ্তচরবৃত্তি আইনের অধীনে শত শত সমালোচককে কারাগারে নিক্ষেপ করা এবং তাঁকে নিয়ে সমালোচনা করা মিডিয়া বন্ধ করে দেওয়া।"<br>কিন্তু এটুকুই শেষ ছিল না। আমেরিকার ২৮তম রাষ্ট্রপতির আমলে বিচার বিভাগ আমেরিকান প্রোটেক্টিভ লিগ তৈরি করেছিল। হচশাইল্ড এটিকে "একটি জাতীয় পাহারাদার বাহিনী হিসেবে বর্ণনা করেছেন, যারা সন্দেহভাজন খসড়া-প্রতারকদের খুঁজতে শহরগুলোতে চিরুনি অভিযান চালিয়েছিল।"<br>তিনি বলেন, "আমরা আমেরিকান জীবনের সেই অশুভ সময়ের দিকে খুব কমই মনোযোগ দিই। সবসময় অন্ধকার দিকের বদলে উজ্জ্বল দিকটাই দেখতে বেশি পছন্দ করি।"
** চনসি ডিভেগা, [https://www.msn.com/en-us/news/opinion/a-new-red-scare-this-could-be-much-worse/ar-AA1NT7bS?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=68e2b63903484da6a92bd0303bf45f34&ei=13/"এ নিউ রেড স্কেয়ার? দিস কুড বি মাচ ওর্স"], ''স্যালন'', ৫ অক্টোবর ২০২৫।
* শেকসপিয়রের একটি পর্যবেক্ষণ হলো অতীতই আসলে ভবিষ্যতের পটভূমি। ট্রাম্পবাদ হলো এরই বাস্তব রূপ। এটাই এখন আমাদের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ। তবে এটি হতাশায় ডুবে যাওয়ার, বা শিখে নেওয়া অসহায়ত্বের আরামে গা ভাসানোর, অথবা মিথ্যা আশার বিষ পান করার কোনো ডাক নয়। বরং এটি ঠিক তার উল্টো। অর্জনহীন আশা আসলে হতাশার দিকেই নিয়ে যায়। সামনে এগিয়ে যাওয়ার পথ হলো, প্রথমে এই ভয়াবহ বাস্তবতাকে মেনে নেওয়া এবং তারপর শান্তিপূর্ণ যৌথ পদক্ষেপে যুক্ত হওয়া। এর মাধ্যমে নৈতিক অবস্থানকে সুদৃঢ় করা সম্ভব এবং কোনো অবস্থাতেই আত্মসমর্পণ বা আপস করা যাবে না। কৃষ্ণাঙ্গদের স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং দীর্ঘ নাগরিক অধিকার আন্দোলনগুলো এর একটি উদাহরণ। হেমিংওয়ের কথার সুর ধরে বলা যায়: "একা একজন মানুষের সফল হওয়ার কোনো সুযোগই নেই।"
** চনসি ডিভেগা, [https://www.msn.com/en-us/news/opinion/a-new-red-scare-this-could-be-much-worse/ar-AA1NT7bS?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=68e2b63903484da6a92bd0303bf45f34&ei=13/"এ নিউ রেড স্কেয়ার? দিস কুড বি মাচ ওর্স"], ''স্যালন'', ৫ অক্টোবর ২০২৫।
* একটি গণতান্ত্রিক জাতিকে কব্জা করতে স্বৈরাচারীদের অবশ্যই তিনটি শক্তির উৎস নিয়ন্ত্রণ করতে হবে: গোয়েন্দা সংস্থা, বিচার ব্যবস্থা এবং সামরিক বাহিনী। রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার স্বৈরাচারী চক্র এই প্রতিষ্ঠানগুলো দখল করতে এবং সংবিধান ও আইনের শাসন থেকে এদের বিচ্ছিন্ন করতে দ্রুত এগিয়ে গেছেন। গোয়েন্দা সম্প্রদায়কে কার্যকরভাবে মুখ বন্ধ করানো হয়েছে এবং দেশের শীর্ষ আইনজীবী ও পুলিশ কর্মকর্তাদের সরিয়ে সেখানে অনুগত মোসাহেবদের বসানো হচ্ছে। <br>কেবল সামরিক বাহিনীই এখনো ট্রাম্পের গ্রাসের বাইরে। বেশ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা সত্ত্বেও—এবং আরও অনেককে বরখাস্ত করার ট্রাম্পের হুমকির মুখেও—মার্কিন সশস্ত্র বাহিনী এখনো এমন জেনারেল ও অ্যাডমিরালদের দ্বারা পরিচালিত, যাদের শপথ সংবিধানের প্রতি, কমান্ডার ইন চিফের প্রতি নয়। তবে আর কতদিন?<br>প্রতিরক্ষা দপ্তরে ট্রাম্পের অনুগত শারীরিক প্রশিক্ষণ সচিব পিট হেগসেথ এখন সশস্ত্র বাহিনীর নারী-পুরুষদের ট্রাম্পের ব্যক্তিগত ও পক্ষপাতদুষ্ট বাহিনীতে পরিণত করার জন্য একনিষ্ঠভাবে চেষ্টা চালাচ্ছেন। তাঁর প্রথম মেয়াদে ট্রাম্প নিয়মিতভাবে সামরিক বাহিনীর রাজনৈতিক নিরপেক্ষতার পবিত্র আমেরিকান ঐতিহ্য লঙ্ঘন করেন। তবে তাঁর চারপাশের লোকজন—যার মধ্যে জেমস ম্যাটিস, জন কেলি এবং মার্ক মিলির মতো অবসরপ্রাপ্ত ও কর্মরত জেনারেলরা ছিলেন—তাঁর কিছু নিকৃষ্টতম কাজ প্রতিহত করেন। কিন্তু এখন তাঁকে থামানোর মতো কেউ অবশিষ্ট নেই। রাষ্ট্রপতি তাঁর প্রথম মেয়াদের সংগ্রাম থেকে শিখেছেন এবং এবার তিনি উপদেষ্টাদের পরিবর্তে, বিশেষ করে পেন্টাগনে, চাটুকার ও মতান্ধদের নিয়ে একটি মন্ত্রিসভা গঠন করেছেন। তিনি শিকাগোর বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন। অরেগনের পোর্টল্যান্ডকে একটি "যুদ্ধাঞ্চল" বলে অভিহিত করেছেন এবং তাঁর রাজনৈতিক বিরোধীদের "ভেতরের শত্রু" হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। ট্রাম্প স্পষ্টতই আমেরিকান জনগণের ওপর আরও নিয়ন্ত্রণ প্রয়োগ করতে সামরিক শক্তি ব্যবহার করতে চান। খুব শিগগিরই শীর্ষ মার্কিন সামরিক কমান্ডারদের সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে তারা কমান্ডার ইন চিফের এমন নির্দেশ প্রত্যাখ্যান করবেন কি না। আধুনিক ইতিহাসে আমেরিকার বেসামরিক-সামরিক সম্পর্কের সবচেয়ে বড় সংকটটি এখন চলমান।
** টম নিকোলস, [https://www.msn.com/en-us/news/opinion/the-civil-military-crisis-is-here/ar-AA1O32Cq?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=68e63a4e95384da9b65b7c8e076ea0ca&ei=9/"দ্য সিভিল-মিলিটারি ক্রাইসিস ইজ হিয়ার"], ''দ্য আটলান্টিক'', ৭ অক্টোবর ২০২৫।
* আমি অত্যন্ত উদ্বেগের সাথে এই কথাগুলো লিখছি। ন্যাভাল ওয়ার কলেজে শিক্ষকতার সময় আমি আমেরিকান সামরিক কর্মকর্তাদের আমেরিকার বেসামরিক-সামরিক সম্পর্কের দৃঢ়তা নিয়ে ক্লাস নিতাম। এটি একটি অসাধারণ ঐতিহাসিক অর্জন; এটি বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক বাহিনীকে গণতন্ত্রের জন্য হুমকি না হয়ে এর সেবা করতে সহায়তা করেছে। আমি এই ব্যবস্থাকে এতটাই শ্রদ্ধা করতাম যে, সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের ঠিক আগে আমি মস্কোতে গিয়েছিলাম। সেখানে সোভিয়েত সামরিক কর্মকর্তাদের একটি দর্শকসারিকে আমি বলেছিলাম, কমিউনিস্ট পার্টি এবং ক্রেমলিনের রাজনীতি থেকে নিজেদের কীভাবে বিচ্ছিন্ন করা যায়, তার একটি মডেল হিসেবে তাদের আমেরিকান সামরিক বাহিনীর দিকে তাকানো উচিত। আমি নিয়মিতভাবে আমার সামরিক বাহিনীর ছাত্র এবং বেসামরিক শ্রোতাদের মনে করিয়ে দিতাম, আমেরিকান প্রতিষ্ঠান এবং মার্কিন বেসামরিক ও সামরিক নেতাদের সাংবিধানিক আনুগত্যের প্রতি বিশ্বাস রাখার মতো যথেষ্ট কারণ তাদের আছে। <br>তরুণ সৈন্য এবং নাবিকদের সামনে ট্রাম্পের কার্যকলাপের কারণেও এই নতুন ও বিপজ্জনক মুহূর্তটি এসেছে। এর মাধ্যমে তিনি সফলভাবে তাদের অনেককেই পক্ষপাতমূলক আচরণের দিকে টেনে নিয়ে গেছেন। এটি কেবল আমেরিকার বেসামরিক-সামরিক ঐতিহ্যের প্রতিই অপমান নয়, বরং সামরিক বিধিবিধানেরও লঙ্ঘন। ফোর্ট ব্র্যাগ এবং নেভাল স্টেশন নরফোকের ভাষণগুলোকে রাজনৈতিক সমাবেশে পরিণত করা থেকে ট্রাম্পকে বিরত রাখতে শীর্ষ সামরিক নেতাদের হস্তক্ষেপ করা উচিত ছিল। সেনা ও নৌবাহিনীর সচিব, জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফ এবং শীর্ষ পর্যায়ের কিছু জেনারেল ও অ্যাডমিরালের এমন নীরবতা সত্যিই ভয়াবহ। তবে তাদের একটি প্রশংসনীয় দিক হলো, গত সপ্তাহে কোয়ান্টিকোতে একটি বৈঠকে সেই একই কর্মকর্তারা নির্বিকারভাবে ট্রাম্প এবং হেগসেথের রাজনৈতিক বক্তৃতা শুনেছিলেন। কিন্তু তরুণ তালিকাভুক্ত কর্মীরা এবং তাদের সরাসরি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা শীর্ষ পর্যায় থেকে সংকেত গ্রহণ করে। তাই উচ্চপদস্থ কমান্ডের একদিনের এই শোভন আচরণ সাধারণ কর্মীদের ওপর ট্রাম্পের প্রভাবকে মুছে ফেলতে পারবে না।
** টম নিকোলস, [https://www.msn.com/en-us/news/opinion/the-civil-military-crisis-is-here/ar-AA1O32Cq?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=68e63a4e95384da9b65b7c8e076ea0ca&ei=9/"দ্য সিভিল-মিলিটারি ক্রাইসিস ইজ হিয়ার"], ''দ্য আটলান্টিক'', ৭ অক্টোবর ২০২৫।
* সামরিক বাহিনীর উদ্দেশ্যে দেওয়া তাঁর ভাষণে ট্রাম্পের বাগাড়ম্বর খুবই ভয়াবহ ছিল। তিনি সাবেক কমান্ডার ইন চিফদের উপহাস করেছেন, বর্তমান নির্বাচিত কর্মকর্তাদের সমালোচনা করেছেন এবং আমেরিকার সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের বলেছেন, অন্যান্য আমেরিকানরাই তাদের শত্রু। তবে তাঁর কার্যকলাপ এর চেয়েও খারাপ। আমেরিকান শহরগুলোতে সেনা মোতায়েন করে তিনি এমন একটি সংঘাতের পরিস্থিতি তৈরি করেছেন যেখানে সামরিক কমান্ডারদের খুব শিগগিরই রাষ্ট্রপতি অথবা আইন মানার মধ্যে যেকোনো একটিকে বেছে নিতে হতে পারে। গত সপ্তাহে পোর্টল্যান্ডে ট্রাম্পের সেনা পাঠানোর চেষ্টা আটকে দেওয়ার সময় বিচারক কারিন ইমারগুট—যিনি একজন রক্ষণশীল এবং ট্রাম্পের নিয়োগপ্রাপ্ত—লিখেছিলেন, "এটি সাংবিধানিক আইনের দেশ, সামরিক আইনের নয়।"<br>হোয়াইট হাউজের সহযোগী [[স্টিভেন মিলার]] ইমারগুটের সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করে সম্ভবত ট্রাম্পের পরবর্তী পদক্ষেপগুলোরই ইঙ্গিত দিয়েছেন, যার মধ্যে এমন রায়গুলো উপেক্ষা করার সম্ভাবনাও থাকতে পারে। মিলার—যিনি নিজেকে ফ্যাসিস্ট বলাটা একদমই পছন্দ করেন না—তিনিই এই ফ্যাসিবাদী অভিযোগ তুলেছেন যে "এই দেশে বামপন্থী সন্ত্রাসবাদের একটি বিশাল ও ক্রমবর্ধমান আন্দোলন" "কট্টর-বামপন্থী ডেমোক্র্যাট বিচারক, প্রসিকিউটর এবং অ্যাটর্নি জেনারেলদের দ্বারা আশ্রয় পাচ্ছে।"
** টম নিকোলস, [https://www.msn.com/en-us/news/opinion/the-civil-military-crisis-is-here/ar-AA1O32Cq?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=68e63a4e95384da9b65b7c8e076ea0ca&ei=9/"দ্য সিভিল-মিলিটারি ক্রাইসিস ইজ হিয়ার"], ''দ্য আটলান্টিক'', ৭ অক্টোবর ২০২৫।
* ট্রাম্প অবশ্যই ভেনেজুয়েলার স্পিডবোট বা পোর্টল্যান্ডে ছদ্মবেশী প্র্যাঙ্কস্টারদের নিয়ে খুব একটা মাথা ঘামান না। তিনি ক্ষমতার পরোয়া করেন। আর এ কারণেই তিনি আমেরিকান শহরের রাস্তায় সামরিক শক্তি প্রদর্শনে বদ্ধপরিকর। বিরোধিতা বাড়ার এবং জনপ্রিয়তা কমার সাথে সাথে ট্রাম্প সামরিক বাহিনীকে এমন নির্দেশ দিতে প্রলুব্ধ হতে পারেন যার লক্ষ্য হবে ভিন্নমত দমন করা, নির্বাচন ব্যাহত করা বা রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের আটক করা। তিনি ইতোমধ্যেই ইনসারেকশন অ্যাক্ট বা বিদ্রোহ আইন কার্যকর করার ধারণাটি তুলে ধরেছেন; এটি এ ধরনের কাজকে বৈধতা দিতে পারে। এমনকি তিনি একটি বিদেশি যুদ্ধ শুরু করার জন্য যথেষ্ট মরিয়া হয়ে উঠতে পারেন—যেমনটা তিনি এই মুহূর্তে ভেনেজুয়েলার সাথে করার চেষ্টা করছেন বলে মনে হচ্ছে। যদি এমন আরও নির্দেশ আসে, তবে আমেরিকার সশস্ত্র বাহিনীর নেতাদের কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানানো উচিত?
** টম নিকোলস, [https://www.msn.com/en-us/news/opinion/the-civil-military-crisis-is-here/ar-AA1O32Cq?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=68e63a4e95384da9b65b7c8e076ea0ca&ei=9/"দ্য সিভিল-মিলিটারি ক্রাইসিস ইজ হিয়ার"], ''দ্য আটলান্টিক'', ৭ অক্টোবর ২০২৫।
* ট্রাম্পকে সংযত করার ক্ষেত্রে কংগ্রেস এখন পর্যন্ত ব্যর্থ। ডেমোক্র্যাটরা খুবই ভীতু, আর রিপাবলিকানরা বড্ড আপসকামী। কেবল একসঙ্গে রুখে দাঁড়িয়েই শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তারা ট্রাম্পকে আমেরিকাকে একটি পূর্ণাঙ্গ বেসামরিক-সামরিক সংঘাতের দিকে টেনে নিয়ে যাওয়া থেকে সতর্ক করতে পারেন। <br>সামরিক কর্মকর্তারা মানুষ, কোনো ভলকান বা রোবট নয়। এমনকি সবচেয়ে সৎ তরুণ কর্মকর্তাও সরাসরি একটি নির্দেশ—বিশেষ করে মার্কিন রাষ্ট্রপতির নির্দেশ—অমান্য করার কথা ভেবে কেঁপে উঠতে পারেন। অন্যরা আদর্শের দোহাই দিয়ে বা ভুল আনুগত্যের বশবর্তী হয়ে নিজেদের শপথ ভুলে যেতে প্রলুব্ধ হতে পারেন। তাদের ২০১৭ সালে দেওয়া হাইটেনের সেই সতর্কবাণীটি মনে রাখা উচিত: "আপনি যদি একটি বেআইনি আদেশ পালন করেন, তবে আপনাকে জেলে যেতে হবে। আপনি সারাজীবনের জন্য জেলে যেতে পারেন।"<br>তবে বেশিরভাগ আমেরিকান সামরিক কর্মীর তাদের সাংবিধানিক দায়িত্ব মনে করিয়ে দেওয়ার প্রয়োজন নেই। কিন্তু তাদের কিছু আশ্বাস প্রয়োজন যে বেআইনি আদেশ প্রতিহত করতে চেইন অব কমান্ড থেকে তাদের প্রতি সমর্থন আছে। আর আমাদের বাকিদের, তা আমরা নির্বাচিত কর্মকর্তাই হই বা সাধারণ নাগরিক—সংবিধান রক্ষায় ঝুঁকি নেওয়া, এমনকী নিজেদের ক্যারিয়ার এবং স্বাধীনতাকে বাজি রাখা সামরিক বাহিনীর সদস্যদের এটা বোঝাতে যা যা করা সম্ভব, তা করা উচিত যে আমরা তাদের পাশে আছি।
** টম নিকোলস, [https://www.msn.com/en-us/news/opinion/the-civil-military-crisis-is-here/ar-AA1O32Cq?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=68e63a4e95384da9b65b7c8e076ea0ca&ei=9/"দ্য সিভিল-মিলিটারি ক্রাইসিস ইজ হিয়ার"], ''দ্য আটলান্টিক'', ৭ অক্টোবর ২০২৫।
* ট্রাম্প প্রশাসন শুক্রবার জানিয়েছে, ফেডারেল অচলাবস্থার সময় সরকারব্যাপী কর্মী ছাঁটাইয়ের প্রভাব এমনিতে রুগ্ণ মার্কিন শিক্ষা বিভাগেও পড়বে। বিভাগের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসকে সম্ভবত সবচেয়ে বড় ছাঁটাইয়ের মুখে পড়তে হবে। শুক্রবার শিক্ষা বিভাগের একজন মুখপাত্র নিশ্চিত করেছেন, সংস্থাটিও কর্মী ছাঁটাইয়ের আওতায় পড়বে। তবে কতগুলো পদ এবং কোন কোন বিভাগ ছাঁটাইয়ের অংশ হবে, সে বিষয়ে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে কোনো উত্তর দেননি। অফিস অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বাজেটের—যার পরিচালক রাসেল ভট এক্সে শুক্রবারের একটি পোস্টে ছাঁটাইয়ের কথা ঘোষণা করেছেন—একজন মুখপাত্র সরকারব্যাপী এই ছাঁটাইকে "উল্লেখযোগ্য" বলে অভিহিত করেছেন। <br>বিভাগের কর্মীদের প্রতিনিধিত্বকারী ইউনিয়নের মতে, ছাঁটাইয়ের আওতায় শিক্ষা বিভাগের যোগাযোগ ও প্রচার অফিসের রাজ্য এবং স্থানীয় সম্পৃক্ততা দল কর্মী হারাবে। অন্যদিকে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস—যা টাইটেল ১ এবং এভরি স্টুডেন্ট সাকসিডস অ্যাক্ট বাস্তবায়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিগুলো তদারকি করে—তাদের সবগুলো দলই কর্মী হারাবে বলে ইউনিয়ন জানিয়েছে। <br>আমেরিকান ফেডারেশন অব গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজের একটি শাখা, এই ইউনিয়ন বলেছে যে আরও অনেকেই প্রভাবিত হতে পারে। <br>"ট্রাম্প প্রশাসন আবারও এমনভাবে আচরণ করছে যেন একটি রুগ্ণ ও দক্ষ সংস্থা থেকে কর্মী ছাঁটাই করার তাদের পুরো অধিকার রয়েছে," ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট রাচেল গিটলম্যান একটি প্রস্তুতকৃত বিবৃতিতে বলেন। "গণছাঁটাইয়ের মাধ্যমে সরকারকে ভেঙে ফেলা, বিশেষ করে শিক্ষা বিভাগে, আমাদের দেশের সমস্যাগুলোর কোনো সমাধান নয়।"<br>ফেডারেল সরকারের অচলাবস্থার দশম দিনে এই ছাঁটাইয়ের কথা ঘোষণা করা হয়। ৩০ সেপ্টেম্বরে অর্থবছর শেষ হওয়ার পরও তহবিল বাড়ানোর বিষয়ে কংগ্রেসের আইনপ্রণেতারা কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হন। এর ফলে শিক্ষা বিভাগ ইতোমধ্যেই তাদের প্রায় ৮৭% কর্মীকে অবৈতনিক ছুটিতে পাঠিয়েছে।
** ব্রুক শুল্টজ, [https://www.edweek.org/policy-politics/a-new-wave-of-federal-layoffs-will-hit-the-education-department/2025/10/"আ নিউ ওয়েভ অব ফেডারেল লেঅফস উইল হিট দ্য এডুকেশন ডিপার্টমেন্ট"], ''এডুকেশন উইক'', ১০ অক্টোবর ২০২৫।
* অবৈতনিক ছুটি ছাঁটাইয়ের চেয়ে আলাদা, কারণ এটি অস্থায়ী। সাধারণত ছাঁটাই কার্যকর হওয়ার আগে ফেডারেল কর্মীদের ৬০ দিনের নোটিশ দিতে হয়। এই ছাঁটাই শিক্ষা বিভাগকে আরও পঙ্গু করে দেবে। দ্বিতীয় ট্রাম্প প্রশাসনের শুরু থেকেই বিভাগটি বেশ রুগ্ণ হয়ে পড়েছে। গত শীতকাল থেকে সংস্থাটি তাদের প্রায় অর্ধেক কর্মী হারিয়েছে। মার্চে ছাঁটাই ঘোষণার পর এর কর্মী সংখ্যা ৪,০০০ থেকে কমে প্রায় ২,৪০০ জনে এসে দাঁড়ায়। <br>আগের ছাঁটাইগুলো বিভাগের প্রায় প্রতিটি অফিসকেই প্রভাবিত করেছিল—যদিও কিছু জায়গায় অন্যান্য জায়গার চেয়ে বেশি কর্মী ছাঁটাই হয়েছিল। উদাহরণস্বরূপ, নাগরিক অধিকার অফিস তাদের ৫৬২টি পদের প্রায় অর্ধেক এবং তাদের ১২টি আঞ্চলিক অফিসের মধ্যে সাতটি হারিয়েছে। ২০২৩ সালে ২৮২ জন কর্মী থাকা প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস মার্চ মাসের ছাঁটাইয়ে কমপক্ষে ৪৯টি পদ হারিয়েছে। <br>(এদিকে, অফিসের নতুন প্রধান কার্স্টেন বেসলারকে মঙ্গলবার মার্কিন সিনেট অনুমোদন দিয়েছে, তবে অচলাবস্থা শেষ না হওয়া পর্যন্ত তিনি শপথ নিতে পারবেন না।)
** ব্রুক শুল্টজ, [https://www.edweek.org/policy-politics/a-new-wave-of-federal-layoffs-will-hit-the-education-department/2025/10/"আ নিউ ওয়েভ অব ফেডারেল লেঅফস উইল হিট দ্য এডুকেশন ডিপার্টমেন্ট"], ''এডুকেশন উইক'', ১০ অক্টোবর ২০২৫।
* রাজ্যগুলো এবং শিক্ষা নেতারা আগের ছাঁটাইগুলোকে আদালতে চ্যালেঞ্জ করেছেন। তাদের দাবি, কম কর্মী নিয়ে বিভাগটি তাদের কংগ্রেসের বাধ্যতামূলক কাজগুলো ঠিকমতো করতে পারবে না। আদালতের আদেশে ছাঁটাইগুলো দেরি হলেও উচ্চ আদালত এরপর থেকে সেগুলোকে কার্যকর হওয়ার অনুমতি দিয়েছে। <br>পলিটিকোর মতে, শিক্ষা বিভাগ হলো অন্তত নয়টি ফেডারেল সংস্থার মধ্যে একটি, যারা এই অচলাবস্থায় ছাঁটাইয়ের শিকার হচ্ছে। আমেরিকান ফেডারেশন অব গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজ গত মাসে ওএমবির বিরুদ্ধে মামলা করেছে। কারণ ওএমবি সংস্থাগুলোকে অচলাবস্থার আগেই ছাঁটাই পরিকল্পনা প্রস্তুত করতে বলেছিল। সাধারণত অচলাবস্থার সময় সংস্থাগুলো কেবল কর্মীদের ছুটিতে পাঠানোর প্রস্তুতি নেয় এবং সরকার আবার চালু হলে তাদের কাজে ফিরিয়ে আনে। <br>ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট এভারেট কেলি শুক্রবার একটি প্রস্তুতকৃত বিবৃতিতে বলেন, "এটা খুবই লজ্জাজনক যে ট্রাম্প প্রশাসন দেশজুড়ে সম্প্রদায়গুলোতে গুরুত্বপূর্ণ সেবা প্রদানকারী হাজার হাজার কর্মীকে অবৈধভাবে চাকরিচ্যুত করার অজুহাত হিসেবে সরকারি অচলাবস্থাকে ব্যবহার করেছে।" তিনি আরও বলেন, "কংগ্রেসের এখন উচিত তাদের কাজ করা এবং অবিলম্বে এই অচলাবস্থার অবসান ঘটাতে আলোচনা করা।"
** ব্রুক শুল্টজ, [https://www.edweek.org/policy-politics/a-new-wave-of-federal-layoffs-will-hit-the-education-department/2025/10/"আ নিউ ওয়েভ অব ফেডারেল লেঅফস উইল হিট দ্য এডুকেশন ডিপার্টমেন্ট"], ''এডুকেশন উইক'', ১০ অক্টোবর ২০২৫।
* "অন্যের" প্রতি ভয়ের ওপর ভিত্তি করে ট্রাম্প তাঁর মাগা জোট তৈরি করেছেন; এটি ঐতিহাসিকভাবে একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক চাল। (যেমন রিচার্ড নিক্সনের সাউদার্ন স্ট্র্যাটেজির নিখুঁত প্রয়োগ এবং আরও অনেক পরোক্ষ প্ররোচনার মধ্যে রোনাল্ড রিগ্যানের তাঁর কাল্পনিক শিকাগো ওয়েলফেয়ার কুইন নিয়ে আক্রমণাত্মক বর্ণবাদী উসকানি)।<br>আমেরিকা যখন বারাক ওবামাকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত এবং পুনর্নির্বাচিত করে—যিনি কেবল একজন কৃষ্ণাঙ্গ মানুষই নন, বরং একজন সংবিধান বিশেষজ্ঞ এবং বুদ্ধিজীবীও—তখন কংগ্রেসের রিপাবলিকানরা পুরোপুরি খেপে যান। তাঁরা তাঁকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে ব্যর্থ করার শপথ নেন। তাঁরা সরকারকে অচল করে দিতে এবং ডেমোক্র্যাটদের তীব্র সমালোচনা করতে নিজেদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে শুরু করেন। এর জন্য তাঁরা সাবেক হাউজ স্পিকার নিউট গিংরিচের চুরি করা অপমানজনক শব্দগুলো ব্যবহার করতেন; এটি রক্ষণশীল চরমপন্থী উপস্থাপক রাশ লিম্বোর কাছ থেকে নেওয়া। কংগ্রেসে সহমর্মিতা ও আপস থেকে সরে এসে এক কঠিন মেরুকরণ শুরু হয়ে গিয়েছিল।
** কার্ক সোয়েরিনজেন, [https://www.msn.com/en-us/news/opinion/who-are-the-real-americans-we-are/ar-AA1Oh5s7?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=68ea6d343f7c426b9fac059d9fde67be&ei=15/"হু আর দ্য রিয়েল আমেরিকানস? উই আর"], ''স্যালন'', ১১ অক্টোবর ২০২৫।
* আমরা ট্রাম্পপন্থী অধ্যাদেশগুলোর অনেক, অনেক অমানবিক দিক নিয়ে তর্ক করতে পারতাম, যদি আমরা সত্যিই নীতি নিয়ে বা, বলা যায়, একজন প্রেসবিটেরিয়ান হিসেবে আমি একসময় যে মূলধারার খ্রিস্টধর্ম জানতাম তা নিয়ে আলোচনা করতে আগ্রহী হতাম। কিন্তু রিপাবলিকান পার্টি অনেকগুলো নির্বাচন আগেই নীতি নিয়ে কাজ করা বন্ধ করে দিয়েছে এবং খ্রিস্টধর্মকে বিকৃত করতে শুরু করেছে। কেন? কারণ মূলত আমেরিকান জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে এমন কোনো ধারণাই আর জিওপি'র কাছে ছিল না। ("ট্রিকল-ডাউন" বা চুইয়ে পড়া অর্থনীতি? বাদ দিন ভাই!) তাই তারা ইভাঞ্জেলিক্যাল এবং ক্যাথলিক ধর্মীয় ডানপন্থীদের একটি ভোট ব্যাংক হিসেবে কাছে টানতে মরিয়া হয়ে উঠেছিল। এদিকে যিশুর "অপরিচিতকে স্বাগত জানাও" এবং "সুইয়ের ছিদ্র" বার্তাগুলো অভিজাত রিপাবলিকানদের জন্য পুরোপুরি বেমানান হয়ে পড়েছিল। ট্রাম্পের সময় সাউদার্ন স্ট্র্যাটেজি "নাৎসিদের অনুপ্রাণিত করা জিম ক্রো আইনগুলো ফিরিয়ে আনো" কৌশলের মতো কিছু একটাতে পরিণত হয়েছে। <br>কর ছাড়ের মাধ্যমে ধনীদের ও কর্পোরেশনগুলোকে আরও সহায়তা দেওয়ার বাসনা থেকে মনোযোগ সরাতে, তারা অন্যান্য গোষ্ঠীগুলোকে "বিচ্ছিন্ন" করার দিকে মনোযোগ দিয়েছে: যেমন অশ্বেতাঙ্গ, অভিবাসী, ডেমোক্র্যাট, নারী এবং এলজিবিটিকিউ জনগোষ্ঠী। <br>অবশ্যই, আপনি যদি মাগা ব্যক্তিত্বের পূজারি হন, তবে আপনি এসবের কিছুই শুনতে চাইবেন না। কিন্তু আমরা—প্রগতিশীল, লিবারেল, ডেমোক্র্যাট, মধ্যমপন্থি রিপাবলিকান (সেই ভয়ঙ্কর "রাইনোস"), বিশ্বাসী ও অবিশ্বাসী মানুষেরা—খোলাখুলিভাবে বলতে গেলে যুক্তিবাদী মানুষ। এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। ট্রাম্পের অনুকরণে বলা যায়, সবাই এটা জানে। আপনিও জানেন।
** কার্ক সোয়েরিনজেন, [https://www.msn.com/en-us/news/opinion/who-are-the-real-americans-we-are/ar-AA1Oh5s7?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=68ea6d343f7c426b9fac059d9fde67be&ei=15/"হু আর দ্য রিয়েল আমেরিকানস? উই আর"], ''স্যালন'', ১১ অক্টোবর ২০২৫।
* বিশ্বজুড়ে সরকার ব্যবস্থা বেশ ভালোভাবেই কাজ করে, যতক্ষণ না পর্যন্ত দৃঢ় ও প্রাসঙ্গিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন সৎ উদ্দেশ্যে কাজ করা মানুষদের নেতৃত্বের অবস্থানে রাখা হয়। ট্রাম্পের এই শোচনীয় "প্রশাসনের" দিকে তাকান। মোসাহেব, প্রতারক, উন্মাদ মতান্ধ আর ষড়যন্ত্র-তত্ত্বের পাগলে এটি কানায় কানায় পূর্ণ। প্রত্যেকেই—এমনকি রেজোলিউট ডেস্কে বসে অভিনয় করা ব্যক্তিটিও—আশ্চর্যজনকভাবে অযোগ্য। দায়িত্বে থাকা এই ধরনের গোষ্ঠীর জন্য সঠিক শব্দটি হলো ক্যাকিস্টোক্রেসি । শুনতে অস্বস্তিকর মনে হলেও এটি একটি ভয়াবহ অসুখী পরিস্থিতিকে বর্ণনা করে: সবচেয়ে খারাপ মানুষদের দ্বারা পরিচালিত সরকার। এটি শুনলে আপনার বমি আসতে পারে। <br>একটি শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদী ধর্মতন্ত্র; এটি এই দুর্নীতিগ্রস্ত, নীচমনা এবং চরম অযোগ্য ট্রাম্পীয় রাজত্ব প্রতিষ্ঠা করছে? শিকারি পুঁজিবাদের কারণে অনেক আমেরিকান গৃহহীন এবং অনেকেই স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হওয়ায় আমরা আপনার মতোই হতাশ এবং ক্ষুব্ধ। আর আমরা আমাদের গণতন্ত্রের ব্যর্থতা নিয়েও সমানভাবে ক্ষুব্ধ। যেমনটি রবার্ট রাইখ সম্প্রতি বলেছেন, রাজনীতিতে লবিংয়ের অর্থের কারণেই এটি প্রায় পুরোপুরিভাবে দায়ী। আমাদের রাজনৈতিক শ্রেণির অনেকেই আইনি ঘুষ নেয় এবং যাদের বেশি টাকা আছে তাদের স্বার্থই রক্ষা করে।
** কার্ক সোয়েরিনজেন, [https://www.msn.com/en-us/news/opinion/who-are-the-real-americans-we-are/ar-AA1Oh5s7?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=68ea6d343f7c426b9fac059d9fde67be&ei=15/"হু আর দ্য রিয়েল আমেরিকানস? উই আর"], ''স্যালন'', ১১ অক্টোবর ২০২৫।
* কিন্তু আমরা ভুল কোনো দেশে বাস করছি না। আমাদের আমেরিকা বহুকৃষ্টিসম্পন্ন। সামাজিকভাবে এবং আর্থিকভাবে আমরা সবাই—হ্যাঁ, এমনকি আপনিও—এই সত্যটি থেকে লাভবান হই। আমাদের আমেরিকার কোনো জাতীয় ধর্ম নেই বলে এটি সব ধরনের ধর্মীয় বিশ্বাসের স্বাধীনতাকে সমর্থন করে, এমনকি কোনো ধর্মীয় বিশ্বাস না রাখাকেও। আমাদের আমেরিকা সব নাগরিকের ভোটদানের অধিকার প্রয়োগ করাকে সহজ করতে চেষ্টা করে। আমাদের আমেরিকা সত্য এবং বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের প্রক্রিয়ায় বিশ্বাস করে। আমাদের আমেরিকা নিজের ইতিহাসকে আড়াল করে না, বরং তা থেকে শিক্ষা নেয়। <br>যারা অন্যদের ওপর নিজেদের ধর্মীয় বিশ্বাস চাপিয়ে দেয়, অথবা নারী বা নিজেদের চেয়ে ভিন্ন অন্য কোনো নাগরিককে হেয় করে, আমাদের আমেরিকা তাদের প্রত্যাখ্যান করে। কঠোর পরিশ্রম ও সমাজসেবার মাধ্যমে নিজেদের জীবন উন্নত করার স্বপ্ন নিয়ে যারা এই দেশে আসে, আমাদের আমেরিকা সেই অপরিচিতদের স্বাগত জানায়। আমাদের আমেরিকা জনশিক্ষাকে সমর্থন করে এবং এটিকে দুর্বল না করে আরও শক্তিশালী করতে চায়। আমাদের আমেরিকা বিশ্বাস করে, কোনো দেশকে বিচার করা উচিত তারা তাদের সবচেয়ে সুবিধাবঞ্চিত নাগরিকদের সাথে কেমন আচরণ করে তার ওপর ভিত্তি করে। আমাদের আমেরিকা এমন কোনো হীন, প্রতিশোধপরায়ণ স্বৈরাচারী শাসক দ্বারা পরিচালিত নয়, যার অপরাধমূলক ও সামাজিকভাবে ঘৃণ্য আচরণের এক জঘন্য ইতিহাস রয়েছে এবং যিনি নিজেকে রাজা বলে মনে করেন। <br>না, হোয়াইট হাউসে বসে থাকা আশ্চর্যজনকভাবে দুর্নীতিগ্রস্ত, নিজেকে রোমান সম্রাট ভাবা ব্যক্তিটি আপনাকে যা-ই বলুক না কেন, আমরা শত্রু নই: আমরা আমেরিকান। আমরা আমেরিকার সেরা ও সবচেয়ে আদর্শ মূল্যবোধগুলোর প্রতি সত্য থাকার চেষ্টা করেছি। এর মধ্যে—বস্তুগত ও আধ্যাত্মিক উভয় দিক থেকেই এই নিষ্ঠুর সময়ে—আমরা সংবিধান, আইনের শাসন এবং অরাজনৈতিক সরকারি চাকরির পক্ষে দাঁড়িয়ে জনকল্যাণে কাজ করব। আর আমরা কীভাবে আরও ভালো একটি ইউনিয়ন গড়তে পারি, তা নিয়ে নিজেদের ধারণাগুলো তুলে ধরব।
** কার্ক সোয়েরিনজেন, [https://www.msn.com/en-us/news/opinion/who-are-the-real-americans-we-are/ar-AA1Oh5s7?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=68ea6d343f7c426b9fac059d9fde67be&ei=15/"হু আর দ্য রিয়েল আমেরিকানস? উই আর"], ''স্যালন'', ১১ অক্টোবর ২০২৫।
==== নভেম্বর ২০২৫ ====
* ট্রাম্পের স্বৈরতন্ত্র থেকে নিজেদের রক্ষার একমাত্র আশা হলো গণআন্দোলন। আমাদের দুটি শাসক দল যাদের ক্ষমতাহীন করেছে, বিশেষ করে [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমিক শ্রেণি|শ্রমিক শ্রেণি]] এবং শ্রমজীবী [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দারিদ্র্য|দরিদ্রদের]] কণ্ঠস্বর ও অধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে। এর জন্য রাজনৈতিক দল, গণমাধ্যম, [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শ্রম ইতিহাস|শ্রমিক ইউনিয়ন]] এবং বিশ্ববিদ্যালয়সহ ক্ষমতার বিকল্প কেন্দ্র গড়ে তুলতে হবে। উদীয়মান [[পুলিশি রাষ্ট্র|পুলিশি রাষ্ট্রের]] চালানো নির্যাতন পঙ্গু ও প্রতিহত করতে আমাদের অবশ্যই ধর্মঘট পালন করতে হবে। আমাদের অবশ্যই একটি চরমপন্থী [[সমাজতন্ত্র|সমাজতন্ত্রের]] পক্ষে দাঁড়াতে হবে। এর আওতায় যুদ্ধশিল্পে ব্যয় হওয়া এক ট্রিলিয়ন ডলার ছাঁটাই করা এবং জীবাশ্ম জ্বালানির প্রতি আমাদের আত্মঘাতী আসক্তি দূর করার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এছাড়া শিল্পায়নের ধ্বংসাবশেষ, কমতে থাকা মজুরি, ক্ষয়িষ্ণু অবকাঠামো এবং পঙ্গু করে দেওয়া [[কৃচ্ছ্রতা]] কর্মসূচির কারণে ছিটকে পড়া আমেরিকানদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে হবে।
** [[ক্রিস হেজেস]], [https://scheerpost.com/2025/11/04/chris-hedges-trumps-greatest-ally-is-the-democratic-party/ ট্রাম্প’স গ্রেটেস্ট অ্যালাই ইজ দ্য ডেমোক্রেটিক পার্টি]। শিয়ারপোস্ট, ৪ নভেম্বর ২০২৫।
* '''ল্যাটিন আমেরিকার সেই সব স্বৈরাচারী শাসকদের ছাঁচেই এল প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তৈরি হয়েছেন, যারা নিজেদের জনগণকে আতঙ্কিত করে রাখে এবং চাটুকার, গুন্ডা ও বদমাশদের দিয়ে নিজেদের ঘিরে রাখে। তারা নিজেদের নামে জমকালো সব স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের পাশাপাশি নিজেদের সম্পদও বাড়িয়ে চলে। রাষ্ট্রপতির পদকে কাজে লাগিয়ে ট্রাম্প এবং তাঁর পরিবার ইতোমধ্যেই নগদ অর্থ ও উপহার হিসেবে ১.৮ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি সম্পদ জমিয়েছেন।'''
** [[ক্রিস হেজেস]], [https://scheerpost.com/2025/11/11/chris-hedges-america-is-a-banana-republic/ আমেরিকা ইজ আ ব্যানানা রিপাবলিক]। শিয়ারপোস্ট, ১১ নভেম্বর ২০২৫।
==== ডিসেম্বর ২০২৫ ====
[[File:Seal of the United States Environmental Protection Agency.svg|thumb|এনভায়রনমেন্টাল প্রোটেকশন এজেন্সি তাদের জনপ্রিয় অনলাইন পাতা থেকে জীবাশ্ম জ্বালানির সব ধরনের উল্লেখ মুছে ফেলেছে। বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রধান এই কারণটি জলবায়ু পরিবর্তনের কারণ ব্যাখ্যাকারী পাতাটিতে ছিল। এখন এতে কেবল প্রাকৃতিক ঘটনাগুলোর কথা উল্লেখ করা হয়েছে। অথচ বিজ্ঞানীরা হিসাব করে দেখেছেন, প্রায় পুরো উষ্ণায়নের জন্যই মানুষের কার্যকলাপ দায়ী।<br>গত কয়েক দিন বা সপ্তাহের কোনো এক সময়ে ইপিএ তাদের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক কিছু ওয়েবপেজ পরিবর্তন করেছে। কয়লা, তেল এবং প্রাকৃতিক গ্যাস পোড়ানোর উল্লেখগুলো তারা কমিয়ে দিয়েছে এবং এমনকি মুছেও ফেলেছে। অথচ বিজ্ঞানীদের মতে, এটিই জলবায়ু পরিবর্তনের প্রধান কারণ। ~ সেথ বোরেনস্টেইন]]
[[File:Transgender flag with prohibition sign.jpg|thumb|ট্রাম্প প্রশাসনের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন, ফেডারেল সরকার শিশুদের রূপান্তরকামী সেবা প্রদানকারী হাসপাতাল ও ডাক্তারদের লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে এই সেবা বন্ধ করে দেবে। প্রস্তাবিত নতুন নিয়মে রূপান্তরকামী নাবালকদের বয়ঃসন্ধি প্রতিরোধক এবং অস্ত্রোপচারের মতো সেবা প্রদানকারী হাসপাতালগুলোকে মেডিকেয়ার ও মেডিকেইডে অংশগ্রহণ করতে দেওয়া হবে না। পাশাপাশি এসব চিকিৎসার ক্ষেত্রে ফেডারেল কভারেজও আটকে দেওয়া হবে। ~ জেমি গামব্রেখট ও সারাহ ওভারমোল]]
* ট্রাম্পের বিদেশি-বিদ্বেষী বক্তব্য এবং নীতির সংমিশ্রণ এমন একটি বিষাক্ত জাতীয় পরিবেশ তৈরি করেছে; এটি সহজেই ঠিক হওয়ার নয়। সমস্যা হলো, তাঁর কাজগুলো যতটা ঘৃণ্য এবং ভয়ংকর, তিনি এগুলো করার প্রতিশ্রুতি দিয়েই প্রচারণা চালান। তিনি মূলত ধর্মান্ধতার ওপর ভিত্তি করেই নির্বাচন করেছেন এবং জয়ী হয়েছেন। ডেমোক্রেটিক প্রার্থী কমলা হ্যারিসের সাথে বিতর্কের সময় ওহাইওতে থাকা হাইতিয়ান অভিবাসীদের সম্পর্কে ট্রাম্প বলেছিলেন, "যারা এসেছে, তারা কুকুর খাচ্ছে, তারা বিড়াল খাচ্ছে। তারা সেখানকার মানুষদের পোষা প্রাণীগুলো খেয়ে ফেলছে।" তিনি যে মিথ্যাশ্রয়ী ভয় ছড়ানোর চেষ্টা করছিলেন, সে বিষয়ে আমরা জানতাম। এছাড়া মার্কিন ইতিহাসের সবচেয়ে বড় দেশান্তর কর্মসূচি চালানোর পরিকল্পনার কথাও ট্রাম্প সরাসরি জানেন। তাঁর উদ্দেশ্য কী ছিল তা আমরা জানতাম। তারপরও আমরা যথেষ্ট মনোযোগ দিইনি। ট্রাম্প ঠিক কতদূর যেতে পারেন, সম্ভবত কেউই তা পুরোপুরি আশা করেনি। তবে যা-ই হোক না কেন, আমেরিকাকে এর পরিণতি ভোগ করতে হচ্ছে। ২০২৪ সালের নির্বাচনের পর এই কলামের একটি সংস্করণে আমি লিখেছিলাম, "আমেরিকা ঘৃণাকে বেছে নিয়েছে।" বর্তমান মুহূর্তে দাঁড়িয়ে আমার ভীষণভাবে মনে হচ্ছে, আমি যদি ভুল হতাম!<br>আমাদের সরকার বর্ণবাদ এবং বিদেশি-বিদ্বেষের মাধ্যমে ঘৃণা ছড়াচ্ছে। তাই আমাদের অবশ্যই আরও বেশি মনোযোগ দিতে হবে। দিনের বেলা নানা ধরনের চিন্তার পাশাপাশি অভিবাসীদের অমানবিকীকরণের দিকেও খেয়াল রাখুন। হঠাৎ করে গ্রেপ্তার ও দেশান্তরের কারণে ছিন্নভিন্ন হয়ে যাওয়া পরিবারগুলোর দিকে মনোযোগ দিন। যেসব নতুন নীতি পরিশ্রমী মানুষদের অভিবাসন এবং একসময় বৈচিত্র্যের জন্য আমাদের গর্বের আমেরিকায় জীবিকা নির্বাহ করা কঠিন করে তোলে, সেগুলোর দিকেও খেয়াল রাখুন। মনোযোগ দিন, কারণ তেতো ধর্মান্ধতার পুনরাবৃত্তির ফাঁদে যারা পা দেয়, ইতিহাস তাদের জন্য অনেক উদাহরণ রেখে গেছে।
** প্যাট্রিক মিনারলি, [https://dailycampus.com/2025/12/04/patricks-politics-pay-attention-to-trumps-anti-immigrant-hatred/"প্যাট্রিকস পলিটিকস: পে অ্যাটেনশন টু ট্রাম্প'স অ্যান্টি-ইমিগ্র্যান্ট হেট্রেড"], ''দ্য ডেইলি ক্যাম্পাস'', ৪ ডিসেম্বর ২০২৫।
* '''এনভায়রনমেন্টাল প্রোটেকশন এজেন্সি তাদের জনপ্রিয় অনলাইন পাতা থেকে জীবাশ্ম জ্বালানির সব ধরনের উল্লেখ মুছে ফেলেছে। বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রধান এই কারণটি জলবায়ু পরিবর্তনের কারণ ব্যাখ্যাকারী পাতাটিতে ছিল। এখন এতে কেবল প্রাকৃতিক ঘটনাগুলোর কথা উল্লেখ করা হয়েছে। অথচ বিজ্ঞানীরা হিসাব করে দেখেছেন, প্রায় পুরো উষ্ণায়নের জন্যই মানুষের কার্যকলাপ দায়ী।'''<br>গত কয়েক দিন বা সপ্তাহের কোনো এক সময়ে ইপিএ তাদের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক কিছু ওয়েবপেজ পরিবর্তন করেছে। কয়লা, তেল এবং প্রাকৃতিক গ্যাস পোড়ানোর উল্লেখগুলো তারা কমিয়ে দিয়েছে এবং এমনকি মুছেও ফেলেছে। অথচ বিজ্ঞানীদের মতে, এটিই জলবায়ু পরিবর্তনের প্রধান কারণ। ওয়েবসাইটের জলবায়ু পরিবর্তনের কারণ ব্যাখ্যাকারী পাতাটিতে পৃথিবীর কক্ষপথের পরিবর্তন, সৌর কার্যকলাপ, পৃথিবীর প্রতিফলনশীলতা, আগ্নেয়গিরি এবং প্রাকৃতিক কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিবর্তনের কথা উল্লেখ আছে। তবে জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানোর কথা সেখানে নেই। সাতজন বিজ্ঞানী এবং তিনজন সাবেক ইপিএ কর্মকর্তা ''দ্য অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে'' জানিয়েছেন, এটি বিভ্রান্তিকর এবং ক্ষতিকর।
** সেথ বোরেনস্টেইন, [https://www.msn.com/en-us/weather/topstories/epa-eliminates-mention-of-fossil-fuels-in-website-on-warming-s-causes-scientists-call-it-misleading/ar-AA1S26ru?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=69395c9f68664a409d3383c70b753dc2&ei=8/"ইপিএ এলিমিনেটস মেনশন অব ফসিল ফুয়েলস ইন ওয়েবসাইট অন ওয়ার্মিংস কজেস। সায়েন্টিস্টস কল ইট মিসলিডিং"], ''অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস'', ৯ ডিসেম্বর ২০২৫।
* '''ট্রাম্প প্রশাসনের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন, ফেডারেল সরকার শিশুদের রূপান্তরকামী সেবা প্রদানকারী হাসপাতাল ও ডাক্তারদের লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে এই সেবা বন্ধ করে দেবে। প্রস্তাবিত নতুন নিয়মে রূপান্তরকামী নাবালকদের বয়ঃসন্ধি প্রতিরোধক এবং অস্ত্রোপচারের মতো সেবা প্রদানকারী হাসপাতালগুলোকে মেডিকেয়ার ও মেডিকেইডে অংশগ্রহণ করতে দেওয়া হবে না। পাশাপাশি এসব চিকিৎসার ক্ষেত্রে ফেডারেল কভারেজও আটকে দেওয়া হবে।'''<br>মার্কিন স্বাস্থ্য ও মানবসেবা সচিব [[রবার্ট ফ্রান্সিস কেনেডি, জুনিয়র|রবার্ট এফ. কেনেডি জুনিয়র]] বিভিন্ন ধরনের রূপান্তরকামী সেবাকে "অপচিকিৎসা" বলে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, "এই পদ্ধতিগুলো পেশাগতভাবে স্বীকৃত চিকিৎসার মানদণ্ড পূরণে ব্যর্থ হয়েছে।" তিনি আরও বলেন, "যেসব চিকিৎসা পেশাজীবী বা সংস্থা শিশুদের লিঙ্গ-প্রত্যাখ্যান পদ্ধতিগুলো প্রদান করছে, তারা স্বাস্থ্যসেবার এই মানদণ্ডগুলো লঙ্ঘন করছে।"<br>মেডিকেল গ্রুপগুলো এই ঘোষণার নিন্দা জানিয়েছে। তাদের মতে, এটি চিকিৎসক-রোগীর সম্পর্কের মধ্যে হস্তক্ষেপ করে এবং সবার চিকিৎসা সেবাকেই ঝুঁকিতে ফেলে।<br>আমেরিকান একাডেমি অব পেডিয়াট্রিক্সের সভাপতি ডা. সুসান ক্রেসলি বলেন, "কোন রোগী গোষ্ঠীর চিকিৎসা পাওয়া উচিত তা সরকারকে নির্ধারণ করতে দিলে একটি বিপজ্জনক নজির তৈরি হবে। শিশু এবং পরিবারগুলোকে এর পরিণতি ভোগ করতে হবে।"
** জেমি গামব্রেখট ও সারাহ ওভারমোল, [https://www.msn.com/en-us/health/other/trump-moves-to-ban-transgender-care-for-minors-by-targeting-hospitals/ar-AA1SCfuh?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=6944676570c24510a02669dd7ef64394&ei=11/"ট্রাম্প মুভস টু ব্যান ট্রান্সজেন্ডার কেয়ার ফর মাইনরস বাই টার্গেটিং হসপিটালস"], সিএনএন, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫।
* "কোন চিকিৎসাটি তাদের জন্য সবচেয়ে ভালো, সে বিষয়ে রোগী, তাদের পরিবার এবং চিকিৎসকদেরই একসাথে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত—রাজনীতিবিদ বা সরকারি কর্মকর্তাদের নয়। সরকারের আজকের পদক্ষেপগুলো লিঙ্গ-বৈচিত্র্যময় এবং রূপান্তরকামী তরুণদের পরিবারগুলোর জন্য সেই কাজটি আরও কঠিন, এমনকি অসম্ভব করে তুলেছে।"<br>এটি রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের রূপান্তরকামী মানুষদের লক্ষ্য করে নেওয়া ধারাবাহিক পদক্ষেপগুলোর মধ্যে সর্বশেষ সংযোজন। এর আগে ফেডারেল ওয়েবসাইটগুলোতে ট্রান্সজেন্ডার মানুষদের উল্লেখ মুছে ফেলা, স্বাস্থ্য বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ বন্ধ করা এবং সামরিক বাহিনী থেকে তাদের সরিয়ে দেওয়ার মতো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া যেসব রাজ্য ট্রান্সজেন্ডার অ্যাথলিটদের হাইস্কুলের ক্রীড়া দলে খেলার অনুমতি দেয়, তাদের বিরুদ্ধেও মামলা করা হয়েছে।<br>এছাড়া বৃহস্পতিবার মার্কিন খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসনের কমিশনার ডা. মার্টি মাকারি একটি সতর্কতামূলক পদক্ষেপের কথা জানিয়েছেন। শিশুদের লিঙ্গ পরিচয়জনিত অস্বস্তির চিকিৎসায় ব্রেস্ট বাইন্ডার বাজারজাত বা বিক্রি করা ১২টি প্রতিষ্ঠানকে সংস্থাটি সতর্কতামূলক চিঠি পাঠাচ্ছে। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথের পরিচালক ডা. জে ভট্টাচার্যও জানিয়েছেন, তাঁর গবেষণা সংস্থাটি লিঙ্গ রূপান্তর সংক্রান্ত গবেষণায় আর কোনো সহায়তা দেবে না। তিনি বলেন, "এটি শুরু থেকেই একটি অপবিজ্ঞান ছিল।"
** জেমি গামব্রেখট ও সারাহ ওভারমোল, [https://www.msn.com/en-us/health/other/trump-moves-to-ban-transgender-care-for-minors-by-targeting-hospitals/ar-AA1SCfuh?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=6944676570c24510a02669dd7ef64394&ei=11/"ট্রাম্প মুভস টু ব্যান ট্রান্সজেন্ডার কেয়ার ফর মাইনরস বাই টার্গেটিং হসপিটালস"], সিএনএন, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫।
* এইচএইচএস নেতারা বৃহস্পতিবার অন্যান্য দেশ থেকে পাওয়া প্রমাণ ও প্রতিবেদনের নিজস্ব পর্যালোচনার কথা উল্লেখ করেছেন। এর মধ্যে অনেক দেশই সামান্য বা দুর্বল প্রমাণের ওপর ভিত্তি করে ঢালাও সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর জন্য তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে।<br>স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রূপান্তরকামী তরুণদের জন্য তাঁরা মনোসামাজিক মূল্যায়ন এবং সহায়তার ওপর জোর দেওয়ার আশা করছেন। এর মধ্যে "সহানুভূতিশীল ও বিকাশগতভাবে উপযুক্ত কাউন্সেলিং" অন্তর্ভুক্ত থাকবে। তবে তাঁরা স্বীকার করেছেন, মানসিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীর সংখ্যা বেশ সীমিত।<br>জেন্ডার আইডেন্টিটি কেয়ার বা লিঙ্গ পরিচয় সেবাকে অনেক সময় জেন্ডার-অ্যাফার্মিং কেয়ারও বলা হয়। এটি একটি বহুমুখী চিকিৎসা পদ্ধতি। শারীরিক গঠনের ওপর ভিত্তি করে জন্মের সময় চিকিৎসকরা একজন মানুষের যে লিঙ্গ নির্ধারণ করেন, তা থেকে নিজের পরিচয় দেওয়া লিঙ্গে রূপান্তরিত হতে এটি সাহায্য করে। এর মধ্যে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা বা বয়সোপযোগী চিকিৎসা সেবা অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। যেমন: হরমোন চিকিৎসা, বয়ঃসন্ধি প্রতিরোধক, স্ত্রীরোগ ও মূত্ররোগ সংক্রান্ত সেবা এবং প্রজনন চিকিৎসা।<br>আমেরিকান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন, আমেরিকান সাইকিয়াট্রিক অ্যাসোসিয়েশন, এন্ডোক্রাইন সোসাইটি, আমেরিকান সাইকোলজিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন, আমেরিকান একাডেমি অব পেডিয়াট্রিক্স এবং আমেরিকান একাডেমি অব চাইল্ড অ্যান্ড অ্যাডোলেসেন্ট সাইকিয়াট্রির মতো বড় ও মূলধারার চিকিৎসা সংগঠনগুলো এই ধরনের চিকিৎসাকে সমর্থন করেছে। তারা একমত যে, এটি ক্লিনিক্যালি উপযুক্ত চিকিৎসার একটি আদর্শ মানদণ্ড। এটি শিশু এবং প্রাপ্তবয়স্কদের জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা দিতে পারে। তবে পেশাদার চিকিৎসা সংস্থাগুলো শিশুদের চিকিৎসার অংশ হিসেবে অস্ত্রোপচারের সুপারিশ করে না। গবেষণায়ও দেখা গেছে, রূপান্তরকামী বা লিঙ্গ-বৈচিত্র্যময় কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে এটি বিরল।
** জেমি গামব্রেখট ও সারাহ ওভারমোল, [https://www.msn.com/en-us/health/other/trump-moves-to-ban-transgender-care-for-minors-by-targeting-hospitals/ar-AA1SCfuh?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=6944676570c24510a02669dd7ef64394&ei=11/"ট্রাম্প মুভস টু ব্যান ট্রান্সজেন্ডার কেয়ার ফর মাইনরস বাই টার্গেটিং হসপিটালস"], সিএনএন, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫।
* আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন (এসিএলইউ) বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, তারা প্রশাসনের এই নিয়মগুলোকে আদালতে চ্যালেঞ্জ করবে। এসিএলইউ'র এলজিবিটিকিউ এবং এইচআইভি অধিকার প্রকল্পের সহ-পরিচালক চেজ স্ট্রানজিও এক বিবৃতিতে বলেন, "এই অযৌক্তিক প্রস্তাবগুলো রূপান্তরকামী তরুণ এবং তাদের পরিবারগুলোর অধিকারের ওপর নিষ্ঠুর ও অসাংবিধানিক আক্রমণ।" অন্যদিকে বৃহস্পতিবার কেনেডি বলেন, প্রশাসন আত্মবিশ্বাসী যে তাদের এই পদ্ধতি আইনি চ্যালেঞ্জগুলো পার হয়ে যাবে। তিনি বলেন, "মানুষ যদি আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করতে চায়, তবে তাদের স্বাগত জানাই।"<br>হাউজে একটি বিল পাস হওয়ার পরপরই এইচএইচএস-এর এই ঘোষণা আসে। বিলটিতে নাবালকদের রূপান্তরকামী সেবা দেওয়ার জন্য স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীদের কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। জর্জিয়ার রিপাবলিকান প্রতিনিধি মার্শরি টেইলর গ্রিন এই বিলটি প্রস্তাব করেন। অস্ত্রোপচার বা বয়ঃসন্ধি প্রতিরোধকের মতো সেবা প্রদানকারী চিকিৎসকদের এই বিলের আওতায় ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। রিপাবলিকান-নিয়ন্ত্রিত সিনেট এই পদক্ষেপটি গ্রহণ করবে কি না, তা এখনো অস্পষ্ট। তবে ওই কক্ষ থেকে পাস হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ডেমোক্রেটিক সমর্থন পাওয়ার সম্ভাবনা বেশ কম।
** জেমি গামব্রেখট ও সারাহ ওভারমোল, [https://www.msn.com/en-us/health/other/trump-moves-to-ban-transgender-care-for-minors-by-targeting-hospitals/ar-AA1SCfuh?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=6944676570c24510a02669dd7ef64394&ei=11/"ট্রাম্প মুভস টু ব্যান ট্রান্সজেন্ডার কেয়ার ফর মাইনরস বাই টার্গেটিং হসপিটালস"], সিএনএন, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫।
* আমাদের দেশ ধ্বংস করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়েও চরমভাবে ব্যর্থ হওয়া কট্টর বামপন্থী আবর্জনাসহ সবাইকে মেরি ক্রিসমাস। আমাদের এখন আর উন্মুক্ত সীমান্ত, [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ট্রান্সফোবিয়া|নারীদের খেলাধুলায় পুরুষদের অংশগ্রহণ, সবার জন্য ট্রান্সজেন্ডার হওয়ার সুযোগ]] বা দুর্বল আইনশৃঙ্খলা নেই। আমাদের এখন যা আছে তা হলো রেকর্ডে থাকা শেয়ার বাজার ও ৪০১কে, গত কয়েক দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন অপরাধের হার, মূল্যস্ফীতিহীন অর্থনীতি। আর গতকাল ৪.৩ জিডিপি এসেছে; এটি প্রত্যাশার চেয়ে দুই পয়েন্ট বেশি। শুল্ক আরোপ আমাদের ট্রিলিয়ন ডলারের প্রবৃদ্ধি ও সমৃদ্ধি এনে দিয়েছে এবং আমাদের জাতীয় নিরাপত্তাকে ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে গেছে। আমরা আবারও সম্মান ফিরে পেয়েছি, সম্ভবত এমনটা আগে কখনোই হয়নি। ঈশ্বর আমেরিকার মঙ্গল করুন!!! প্রেসিডেন্ট ডিজেটি।
** ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে টুইটার ও ট্রুথ সোশ্যালে ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া দ্বৈত পোস্ট [https://x.com/realDonaldTrump/status/2004012442427277591?s=20]
* এই বছর ধন্যবাদ দেওয়ার মতো খুব সামান্যই কিছু আমাদের দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। ২০২৫ সাল যখন শেষের পথে, তখন ইতিহাস এই বছরটিকে হোয়াইট হাউসের অরাজকতায় ক্ষতবিক্ষত একটি বছর হিসেবেই মনে রাখবে। মনে হচ্ছে তারা আমাদের গণতন্ত্রের মেরুদণ্ড চিরতরে ভেঙে দেওয়ার জন্য বদ্ধপরিকর। নিম্নমুখী চাকরির বাজার এবং ক্রমবর্ধমান ভোগ্যপণ্যের দামের সাথে লড়াই করা লাখ লাখ মানুষের জন্য এটি মানসিকভাবে একটি ক্লান্তিকর সময়।<br>মিডিয়াইটের একটি বর্ষপরিক্রমায় ট্রাম্পের ডজন ডজন কেলেঙ্কারি, সংকট এবং অপব্যবহারের তালিকা করা হয়েছে। তারপরও এই প্রশাসনকে সংজ্ঞায়িত করা অযোগ্যতা এবং বিদ্বেষের পুরো চিত্রটি তারা তুলে ধরতে ব্যর্থ হয়েছে। অকার্যকর ও ক্রমবর্ধমানভাবে অপ্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠা কংগ্রেস, আইসিই-কে ট্রাম্পের কট্টরপন্থী বানানোর চেষ্টায় জড়িত সুপ্রিম কোর্ট এবং শুল্কের কারণে ছোট ব্যবসার দেউলিয়া হওয়ার একটি ঐতিহাসিক ঢেউ—এসবের কারণে সৃষ্টি হওয়া রাজনৈতিক ভূমিকম্পের সাথে লড়াই করেই সর্বস্তরের লাখ লাখ মানুষ এই বছরটি পার করেছে। ক্ষয়ক্ষতির তালিকা করতে গিয়ে মিডিয়াইট আবিষ্কার করেছে, এর পরের ধাক্কাগুলো এতই বেশি যে তা গুনে শেষ করা যাবে না।<br>আমেরিকার ২৫০তম জন্মদিনের প্রাক্কালে; এটি হওয়ার কথা ছিল একটি চিরস্থায়ী স্বাধীনতার উদযাপন, তা এখন অনেক দিক থেকেই একটি ঘনিয়ে আসা অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার মতো মনে হচ্ছে। ২০২৫ সালে আমেরিকার সামাজিক বুনন এতটাই ছিন্নভিন্ন হতে দেখা গেছে যে, ডেমোক্র্যাট এবং রিপাবলিকানরা এখন যেন দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন বাস্তবতায় বাস করছে। 'ঈশ্বরের অধীনে এক জাতি' কথাটি খুব দ্রুতই 'ক্ষোভের অধীনে বহু জাতিতে' পরিণত হয়েছে।
** ম্যাক্স বার্নস, [https://www.msn.com/en-us/news/opinion/opinion-trump-presides-over-america-s-coming-apart/ar-AA1TlLqt?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=6955463381fb4a7a9ffdbbc451ded704&ei=12/"ওপিনিয়ন: ট্রাম্প প্রিসাইডস ওভার আমেরিকাস কামিং-অ্যাপার্ট"], ''দ্য হিল'', ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫।
* এই মাসে প্রকাশিত পিউ রিসার্চ সেন্টারের একটি জরিপ দেখায়, একুশ শতকের প্রথম কয়েক দশকে পরিস্থিতি কতটা খারাপ হয়েছে। ২০০১ সালে ৫৪ শতাংশ আমেরিকান ফেডারেল সরকারের ওপর আস্থা রাখার কথা জানেন। ১৯৮0-এর দশকে এই হার ছিল ৪৭ শতাংশ; এটি থেকে এটি সামান্য বেড়েছিল। এখন প্রতিটি মাপকাঠিতেই সরকারের ওপর জনগণের আস্থা ঐতিহাসিক তলানিতে ঠেকেছে। ২০২৫ সাল পর্যন্ত মাত্র ১৭ শতাংশ আমেরিকান বিশ্বাস করেন যে তাদের সরকার যা বলছে তা সত্য।<br>এই সন্দেহ শুধু ট্রাম্পের মতো তথ্যগতভাবে বিকৃত রাজনীতিবিদদেরও ছাড়িয়ে গেছে। অক্টোবরে পিবিএস নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সরকারের মূল্যস্ফীতির পরিসংখ্যান বা চাকরির প্রতিবেদনের ওপর মানুষের আস্থা ক্রমাগত কমছে। এর পেছনে বড় কারণ হলো, ট্রাম্প বারবার দাবি করেছেন যেন শ্রম ও অর্থনীতির পরিসংখ্যান বস্তুনিষ্ঠ বাস্তবতার বদলে তাঁর রাজনৈতিক স্বার্থ রক্ষা করে। যেসব সরকারি কর্মকর্তা ট্রাম্পকে ভালো দেখানোর জন্য পরিসংখ্যান জাল করতে রাজি হননি, তারা দ্রুতই চাকরি হারিয়েছেন। আগস্টে ব্যুরো অব লেবার স্ট্যাটিস্টিকসের পদচ্যুত কমিশনার এরিকা ম্যাকএন্টারফার ঠিক এটাই টের পান।<br>সেপ্টেম্বরের পিউ'র তথ্য থেকে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর জনগণের আস্থার এই পতন কতটা ব্যাপক। বেশিরভাগ আমেরিকান এখন মনে করেন সুপ্রিম কোর্ট অনেক বেশি ক্ষমতাবান এবং চরম জবাবদিহিহীন হয়ে উঠেছে। ২০২০ সালের পর থেকে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের প্রতি জনগণের সমর্থন প্রায় ২৫ শতাংশ কমেছে। এখন সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষই আদালতের বিচারপতিদের নেতিবাচক চোখে দেখছেন।
** ম্যাক্স বার্নস, [https://www.msn.com/en-us/news/opinion/opinion-trump-presides-over-america-s-coming-apart/ar-AA1TlLqt?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=6955463381fb4a7a9ffdbbc451ded704&ei=12/"ওপিনিয়ন: ট্রাম্প প্রিসাইডস ওভার আমেরিকাস কামিং-অ্যাপার্ট"], ''দ্য হিল'', ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫।
* আমেরিকানদের নজিরবিহীন এই অবিশ্বাস কেবল সরকারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। একটি গ্যালাপ জরিপে দেখা গেছে, বছরের দ্বিতীয়ার্ধে মিডিয়ার ওপর আস্থা কমে ২৮ শতাংশে নেমে এসেছে। অংশগ্রহণকারীদের এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি বলেছেন, তারা খবরকে "একেবারেই" বিশ্বাস করেন না। ভোট দেওয়ার বয়সী আমেরিকানরা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি উৎস থেকে খবর পান। এর মধ্যে টিকটক ও এক্সের মতো সোশ্যাল মিডিয়া, ইউটিউব ইনফ্লুয়েন্সার এবং মাঝেমধ্যে ''নিউইয়র্ক টাইমসের'' মতো ঐতিহ্যবাহী সংবাদমাধ্যমও রয়েছে। তবে একের পর এক জরিপ বলছে, আগে থেকে থাকা নিজেদের রাজনৈতিক বিশ্বাসকে সমর্থন করে, এমন খবর ছাড়া তারা অন্য কোনো খবর বিশ্বাস করতে রাজি নন। এটি আপস করাকে—এমনকি যুক্তিপূর্ণ রাজনৈতিক আলোচনাকেও—প্রায় অসম্ভব করে তোলে।<br>অধিকাংশ আমেরিকান এখন নিজেদের প্রতিবেশী বা পরিবারের সদস্যদেরও বিশ্বাস করেন না। প্রায় অর্ধেক আমেরিকান এখন বিরোধী রাজনৈতিক দলের সদস্যদের "শয়তান" বলে মনে করেন। রাজনৈতিক মেরুকরণ এত নাটকীয়ভাবে বেড়েছে যে, উভয় পক্ষই এখন নিয়মিত নিজেদের প্রতিপক্ষকে স্বয়ং গণতন্ত্রের জন্য হুমকি হিসেবে আখ্যা দেয়। পরিস্থিতি এতটা উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে যে, প্রতি পাঁচটি আমেরিকান পরিবারের মধ্যে একটি রাজনৈতিক মতবিরোধের কারণে পারিবারিক দূরত্বের কথা জানায়। আমাদের সর্বগ্রাসী রাজনৈতিক ও সামাজিক ঘৃণার ভারে আক্ষরিক অর্থেই আমাদের পরিবারগুলো ভেঙে পড়ছে।
** ম্যাক্স বার্নস, [https://www.msn.com/en-us/news/opinion/opinion-trump-presides-over-america-s-coming-apart/ar-AA1TlLqt?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=6955463381fb4a7a9ffdbbc451ded704&ei=12/"ওপিনিয়ন: ট্রাম্প প্রিসাইডস ওভার আমেরিকাস কামিং-অ্যাপার্ট"], ''দ্য হিল'', ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫।
* '''আমেরিকায় যদি মনে হয় সবকিছু ভেঙে পড়ছে, তবে বাস্তবে আসলেই তা-ই ঘটছে। আমাদের প্রতিষ্ঠান, আমাদের মিডিয়া, এমনকি আমাদের পরিবারগুলোও এমন এক সংস্কৃতির বিষাক্ততার শিকার হচ্ছে যেখানে রাজনীতি এখন আমাদের জীবনের প্রতিটি দিক গ্রাস করেছে। আর একজন শিল্পী যেভাবে তুলি ব্যবহার করেন, ঠিক সেভাবেই বিভাজনকে হাতিয়ার বানানো এক রাষ্ট্রপতির কারণে এই বিষাক্ততা আরও বেড়ে গেছে।'''<br>'''আমাদের জাতি যখন ২০২৬ সালের একটি নিশ্চিত ও নিষ্ঠুর মধ্যবর্তী নির্বাচনী প্রচারণার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন এই পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে। আমেরিকা হয়তো এখনও টিকে আছে, কিন্তু আমরা এর ২৫০তম জন্মদিনে কোনোভাবেই ঐক্যবদ্ধ নই।'''
** ম্যাক্স বার্নস, [https://www.msn.com/en-us/news/opinion/opinion-trump-presides-over-america-s-coming-apart/ar-AA1TlLqt?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=6955463381fb4a7a9ffdbbc451ded704&ei=12/"ওপিনিয়ন: ট্রাম্প প্রিসাইডস ওভার আমেরিকাস কামিং-অ্যাপার্ট"], ''দ্য হিল'', ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫।
* প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বুধবার শিকাগো, লস অ্যাঞ্জেলেস এবং পোর্টল্যান্ড থেকে ন্যাশনাল গার্ড প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছেন। তবে তিনি "সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং শক্তিশালী রূপে" ফেডারেল বাহিনী পাঠানোর পথ খোলা রেখেছেন। প্রশাসনের চলমান অভিবাসন দমনের অংশ হিসেবে আইসিই এজেন্টদের রক্ষায় শিকাগোতে গার্ড মোতায়েনের অনুমতি চেয়েছিলেন তিনি। গত সপ্তাহে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট তাঁর সেই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করার পর এই ঘোষণা এলো।<br>ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছেন, "এই মহান দেশপ্রেমিকরা ঐ শহরগুলোতে থাকায় অপরাধ উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। শুধু এই কারণেই আমরা শিকাগো, লস অ্যাঞ্জেলেস এবং পোর্টল্যান্ড থেকে ন্যাশনাল গার্ড সরিয়ে নিচ্ছি।" তাঁর দাবি, "ফেডারেল সরকার হস্তক্ষেপ না করলে ঐ শহরগুলো শেষ হয়ে যেত।" তিনি ভবিষ্যতে আবারও সেনা মোতায়েনের ইঙ্গিত দিয়ে লিখেছেন, "অপরাধ আবার বাড়তে শুরু করলে আমরা হয়তো সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং শক্তিশালী রূপে ফিরে আসব—এটা কেবল সময়ের ব্যাপার!"
** ডোনাল্ড জাড, [https://www.msn.com/en-us/news/us/trump-says-he-s-withdrawing-national-guard-from-chicago-los-angeles-and-portland/ar-AA1TmR7k?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=695654fa6e0e464a93c434629581b80f&ei=11/"ট্রাম্প সেইস হি'স উইথড্রয়িং ন্যাশনাল গার্ড ফ্রম শিকাগো, লস অ্যাঞ্জেলেস অ্যান্ড পোর্টল্যান্ড"], সিএনএন, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫।
* শিকাগোতে গার্ড মোতায়েন আটকে দিয়ে সুপ্রিম কোর্ট একটি ইঙ্গিত দিয়েছে। কোর্ট জানিয়েছে, অভিবাসন আইন প্রয়োগকারী এজেন্টদের রক্ষা করতে ন্যাশনাল গার্ডকে ফেডারেল বাহিনীতে পরিণত করার রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা প্রযোজ্য হবে না। ফেডারেল আইন কেবল তখনই এই ক্ষমতা দেয়, যখন তিনি "নিয়মিত বাহিনী" দিয়ে আর যুক্তরাষ্ট্রের আইন কার্যকর করতে পারেন না।<br>এই রায় অবৈধ অভিবাসন দমনে তাঁর প্রশাসনের চেষ্টার জন্য একটি বড় ধাক্কা ছিল। তবে শিকাগোসহ অন্যান্য শহরে নিয়মিত বাহিনী মোতায়েন করতে ট্রাম্প এখনো ইনসারেকশন অ্যাক্ট বা বিদ্রোহ আইন প্রয়োগ করতে পারেন বলে মনে হচ্ছে। উনবিংশ শতাব্দীর এই আইনটি প্রয়োগ করলে দেশের ভেতরে সামরিক বাহিনী ব্যবহারের বিধিনিষেধ এড়াতে তিনি ব্যাপক ক্ষমতা পাবেন। এটি একটি বিতর্কিত পদক্ষেপ। ২০২৪ সালের প্রচারণার সময় এবং দ্বিতীয় মেয়াদের শুরুতে ট্রাম্প ও তাঁর সহযোগীরা বারবার এই আইন প্রয়োগের আভাস দেন।<br>ট্রাম্পের অনুমোদিত একটি পৃথক ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েন মঙ্গলবার থেকে নিউ অরলিন্সে শুরু হয়েছে। নববর্ষ উদযাপনের জন্য কঠোর নিরাপত্তার অংশ হিসেবে এটি করা হয়েছে। ঠিক এক বছর আগে বোরবন স্ট্রিটে উৎসবমুখর জনতার ওপর হামলায় ১৪ জন নিহত হয়েছিল। অন্যদিকে ওয়াশিংটন ডিসিতে ন্যাশনাল গার্ড ব্যবহার থেকে পিছিয়ে আসার কোনো ইঙ্গিত ট্রাম্প দেননি। সেখানে গার্ড অন্য একটি ফেডারেল আইনের অধীনে কাজ করছে; এটি সুপ্রিম কোর্টের সামনে বিবেচ্য বিষয় ছিল না।
** ডোনাল্ড জাড, [https://www.msn.com/en-us/news/us/trump-says-he-s-withdrawing-national-guard-from-chicago-los-angeles-and-portland/ar-AA1TmR7k?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=695654fa6e0e464a93c434629581b80f&ei=11/"ট্রাম্প সেইস হি'স উইথড্রয়িং ন্যাশনাল গার্ড ফ্রম শিকাগো, লস অ্যাঞ্জেলেস অ্যান্ড পোর্টল্যান্ড"], সিএনএন, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫।
* ট্রাম্পের এই প্রত্যাহারের ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছেন ক্যালিফোর্নিয়ার ডেমোক্রেটিক অ্যাটর্নি জেনারেল রব বোন্টা। এক বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, প্রশাসন গার্ডকে "রাজনৈতিক দাবার ঘুঁটি" হিসেবে ব্যবহার করছে। ট্রাম্পকে তিনি "রাজা হতে মরিয়া একজন প্রেসিডেন্ট" বলে কড়া সমালোচনা করেছেন।<br>বোন্টা লিখেছেন, "আমাদের আইনের শাসন হুমকির মুখে থাকলেও আমাদের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো টিকে আছে।" তিনি আরও বলেন, "আমার অফিস পিছিয়ে যাচ্ছে না—এবং সামনে যে লড়াই-ই আসুক, আমরা তার জন্য প্রস্তুত।"
** ডোনাল্ড জাড, [https://www.msn.com/en-us/news/us/trump-says-he-s-withdrawing-national-guard-from-chicago-los-angeles-and-portland/ar-AA1TmR7k?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=695654fa6e0e464a93c434629581b80f&ei=11/"ট্রাম্প সেইস হি'স উইথড্রয়িং ন্যাশনাল গার্ড ফ্রম শিকাগো, লস অ্যাঞ্জেলেস অ্যান্ড পোর্টল্যান্ড"], সিএনএন, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫।
* একজন ফেডারেল বিচারক এর আগে ডেমোক্রেটিক গভর্নর গ্যাভিন নিউসিমের কাছে ক্যালিফোর্নিয়া ন্যাশনাল গার্ডের নিয়ন্ত্রণ ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন। কিন্তু প্রশাসন আপিল করায় সেই রায় স্থগিত ছিল। ট্রাম্প প্রশাসন মঙ্গলবার আদালতের কাগজপত্রে জানিয়েছে, তারা আদেশের ঐ অংশের ওপর আর স্থগিতাদেশ চাইছে না। বুধবার নবম সার্কিটের জন্য মার্কিন আপিল আদালত নিম্ন আদালতের আদেশ বহাল রাখে এবং ট্রাম্প প্রশাসনকে নিউসিমের কাছে সৈন্যদের নিয়ন্ত্রণ ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেয়।<br>এক্সে দেওয়া এক পোস্টে নিউসিম বলেন, "অবশেষে @realDonaldTrump হার মেনে নিলেন।" তিনি আরও বলেন, "আমরা প্রথম দিন থেকেই বলে আসছি: ক্যালিফোর্নিয়ার ন্যাশনাল গার্ডের ফেডারেল দখলদারি অবৈধ।"<br>ইলিনয়ের ডেমোক্রেটিক গভর্নর জেবি প্রিৎজকার ট্রাম্পের ঘোষণার প্রতিক্রিয়ায় একই ধরনের অনুভূতি ব্যক্ত করেছেন।<br>সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রিৎজকার বলেন, "ন্যাশনাল গার্ড দিয়ে আমেরিকার শহরগুলোকে সামরিকীকরণের চেষ্টার বিরুদ্ধে ইলিনয় রুখে দাঁড়ালে তিনি আদালতে হেরে যান।" তিনি আরও বলেন, "এখন ট্রাম্প পিছিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন।"
** ডোনাল্ড জাড, [https://www.msn.com/en-us/news/us/trump-says-he-s-withdrawing-national-guard-from-chicago-los-angeles-and-portland/ar-AA1TmR7k?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=695654fa6e0e464a93c434629581b80f&ei=11/"ট্রাম্প সেইস হি'স উইথড্রয়িং ন্যাশনাল গার্ড ফ্রম শিকাগো, লস অ্যাঞ্জেলেস অ্যান্ড পোর্টল্যান্ড"], সিএনএন, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫।
=== ২০২৬ ===
==== জানুয়ারি ২০২৬ ====
[[File:President Nicolas Maduro on board the USS Iwo Jima (cropped).png|thumb|বিশ্বকে চমকে দেওয়া এক পদক্ষেপে, যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলায় বোমা হামলা চালিয়েছে এবং প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণ করেছে। এই ঘটনাটি একইসাথে নিন্দা ও প্রশংসার জন্ম দিয়েছে। ১০০ জনেরও বেশি মানুষের প্রাণ কেড়ে নেওয়া এই হামলার বৈধতা নিয়ে জাতিসংঘ এবং আইন বিশেষজ্ঞরা গভীরভাবে প্রশ্ন তুলেছেন। ~ হুলিও ব্লাঙ্কা]]
[[File:Flag of Greenland.svg|thumb|গ্রিনল্যান্ড এর জনগণের। ডেনমার্ক এবং গ্রিনল্যান্ড সংক্রান্ত বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার কেবল ডেনমার্ক এবং গ্রিনল্যান্ডের।]]
[[File:Coat of arms of Greenland.svg|thumb|হ্যাঁ, প্রযুক্তিগতভাবে এটি ডেনমার্কের। কিন্তু আফগানিস্তান ও ইরাকে মার্কিন সৈন্যদের পাশাপাশি ডজন ডজন ড্যানিশ সৈন্যের মৃত্যুর কথা বাদ দিলে, ডেনিশরা ইদানীং আমাদের জন্য আসলেই কী করেছে? ~ ''ডাফেল ব্লগ'']]
[[File:Denmark-Greenland .svg|thumb| ব্যাপারটি এর চেয়ে বেশি জটিল কিছু নয় যে, ট্রাম্প নিজের নামে একটি বিশাল দ্বীপ চান। এতে নিজেকে বড় এবং শক্তিশালী মনে হলে তিনি আমাদের সৈন্যদের বিপদে ফেলতে দুবার ভাববেন না। মার্কিন সামরিক বাহিনী কোনো খেলনা নয়। ~ [[রুবেন গ্যালেগো]]]]
[[File:ICE Agents in Minneapolis After Shooting.jpg|thumb|এই আতঙ্কটি যুক্তিযুক্ত ছিল। ডোনাল্ড ট্রাম্পের গণ-দেশান্তর প্রকল্পের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সীমা অতিক্রম করার সাক্ষী ছিলেন ঘটনাস্থলে থাকা সবাই: আইসিই ঠিক এইমাত্র আমেরিকার মাটিতে একজন আমেরিকান নাগরিককে হত্যা করেছে।<br>এরপর থেকে প্রশাসন ঘোষণা করেছে যে, এজেন্ট "নিরঙ্কুশ দায়মুক্তি দ্বারা সুরক্ষিত"—এর অর্থ যা-ই হোক না কেন। এটি হাজার হাজার নতুন, ভারী অস্ত্রে সজ্জিত এবং যৎসামান্য প্রশিক্ষণ পাওয়া কর্মী নিয়ে ফুলেফেঁপে ওঠা একটি সংস্থার প্রতি নিঃশর্ত সমর্থনের সংকেত। বছরে ১০ লাখ অভিবাসীকে দেশান্তরের ট্রাম্পের লক্ষ্য পূরণে সাহায্য করতে এদের সারা দেশে মোতায়েন করা হয়েছে। গুডের মৃত্যুর মতো ঘটনাগুলো আরও মারাত্মক সংঘাতের মঞ্চ তৈরি করছে। প্রশাসন একই ধরনের মিথ্যা অজুহাতে সেসবের পক্ষে সাফাই গাইবে বলে ধরে নেওয়াই যায়। বুধবার সকালে যা বোঝা যায়নি, তা এখন বেশ স্পষ্ট: এই এজেন্টরা জনগণের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নেমেছে এবং বেশ কিছুদিন ধরেই তারা এই যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে। ~ এলিজাবেথ ব্রুনিগ]]
[[File:Arrest This Murderer, Minneapolis (55028772697).jpg|thumb|এরপর থেকে মিনিয়াপলিসে হাজার হাজার বিক্ষোভকারী রাস্তায় নেমে এসেছে। এর জবাবে আইসিই এজেন্টরা কাউকে গ্রেপ্তার করেছে, কাউকে মাটিতে ধাক্কা দিয়ে ফেলেছে এবং তাদের মুখে রাসায়নিক স্প্রে করেছে। এসব ঘটনা দেশব্যাপী গণবিক্ষোভের আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছে। বিক্ষোভকারীরা "লজ্জা" এবং "খুনি" বলে স্লোগান দিয়েছে, ড্রাম বাজিয়েছে, ধাতব বাঁশি বাজিয়ে চিৎকার করেছে এবং এমন সব প্ল্যাকার্ড উঁচু করে ধরেছে যা আর অস্বীকার করার উপায় নেই: আইসিই খুন করে। ~ এলিজাবেথ ব্রুনিগ]]
* '''বিশ্বকে চমকে দেওয়া এক পদক্ষেপে, যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলায় বোমা হামলা চালিয়েছে এবং প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণ করেছে। এই ঘটনাটি একইসাথে নিন্দা ও প্রশংসার জন্ম দিয়েছে।'''<br>শনিবার ফ্লোরিডার মার-এ-লাগো রিসোর্টে এক সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মাদুরোকে আটকের এই অভিযানের প্রশংসা করেছেন। তিনি এটিকে "আমেরিকার ইতিহাসে মার্কিন সামরিক শক্তি ও দক্ষতার অন্যতম বিস্ময়কর, কার্যকর ও শক্তিশালী প্রদর্শনী" বলে আখ্যা দিয়েছেন। ২০১১ সালে পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদে একটি নিরাপদ আস্তানায় মার্কিন নৌবাহিনীর সিল টিমের হাতে আল-কায়েদা নেতা ওসামা বিন লাদেন নিহত হওয়ার পর থেকে এটিই ছিল ওয়াশিংটনের অনুমোদিত সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ও হাই-প্রোফাইল সামরিক অভিযান।<br>৬৩ বছর বয়সী মাদুরোকে অপহরণের খবর বৈশ্বিক সংবাদমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রে চলে আসে। যুক্তরাষ্ট্রে মাদক পাচারে মাদুরোর কথিত সম্পৃক্ততা নিয়ে কয়েক মাস ধরে উত্তেজনা ও হুমকির পর ট্রাম্প প্রশাসন ক্যারিবীয় অঞ্চলে সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করেছিল। এর মাধ্যমে কারাকাসের ওপর চাপ বাড়ানো হয়। একইসাথে কথিত মাদক চোরাচালানের নৌকায় ধারাবাহিক ও মারাত্মক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়। '''১০০ জনেরও বেশি মানুষের প্রাণ কেড়ে নেওয়া এই হামলার বৈধতা নিয়ে জাতিসংঘ এবং আইন বিশেষজ্ঞরা গভীরভাবে প্রশ্ন তুলেছেন।''' মাদুরোকে গ্রেপ্তারে সহায়ক তথ্যের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ৫ কোটি ডলার পুরস্কারও ঘোষণা করেছিল।<br>তবে সামরিক বাহিনী যখন ক্যারিবীয় অঞ্চলে অভিযান চালাচ্ছিল, তখন মার্কিন গোয়েন্দারা মাদুরো সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করছিল। এদিকে বিশেষ বাহিনী গোপনে তাকে জোরপূর্বক ক্ষমতা থেকে সরানোর একটি পরিকল্পনার মহড়া দিচ্ছিল।
** হুলিও ব্লাঙ্কা, [https://www.aljazeera.com/news/2026/1/4/how-the-us-attack-on-venezuela-abduction-of-maduro-unfolded/"হাউ দ্য ইউএস অ্যাটাক অন ভেনেজুয়েলা, অ্যাবডাকশন অব মাদুরো আনফোল্ডেড"], ''আলজাজিরা'', ৪ জানুয়ারি ২০২৬।
* শনিবার সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প ঘোষণা করেন, নতুন নেতা নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলা "পরিচালনা" করবে। তিনি বলেন, "দেশটি যাতে সঠিকভাবে পরিচালিত হয়, আমরা তা নিশ্চিত করব। আমরা এসব বৃথা করছি না।" তিনি আরও বলেন, "এটি খুবই বিপজ্জনক একটি হামলা। এই হামলাটি অনেক অনেক খারাপ দিকে মোড় নিতে পারত।" প্রেসিডেন্ট দেশটিতে মার্কিন সেনা মোতায়েনের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেননি। তিনি বলেন, "প্রয়োজন হলে সেনা মোতায়েন করতে আমি ভয় পাই না।" ট্রাম্প কিছুটা অবাক করার মতোই বিরোধী নেতা ও নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী মারিয়া কোরিনা মাচাদোর সাথে কাজ করার সম্ভাবনাও নাকচ করে দিয়েছেন। মাচাদো তাঁর পুরস্কারটি মার্কিন প্রেসিডেন্টকে উৎসর্গ করেন; এটি ট্রাম্প নিজেই জিততে চেয়েছিলেন। ট্রাম্প বলেন, "দেশের ভেতরে তার প্রতি মানুষের সমর্থন বা সম্মান নেই।"<br>যুক্তরাষ্ট্র মাদুরোকে অপহরণ করার পর ভেনেজুয়েলার সুপ্রিম কোর্টের সাংবিধানিক চেম্বার ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজকে ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেয়। আদালত রায় দেয় যে, "প্রশাসনিক ধারাবাহিকতা এবং জাতির সার্বিক প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করতে রদ্রিগেজ ভেনেজুয়েলার বলিভারিয়ান প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।" আদালত আরও জানায়, "প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপতির জোরপূর্বক অনুপস্থিতির মুখে রাষ্ট্রের ধারাবাহিকতা, সরকারি প্রশাসন এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষা নিশ্চিত করতে প্রযোজ্য আইনি কাঠামো নির্ধারণে" তারা কাজ করবে।<br>শনিবার এর আগে ট্রাম্প বলেছিলেন, রদ্রিগেজ "আমরা যা চাই তা করলে" যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলা দখল করবে না।
** হুলিও ব্লাঙ্কা, [https://www.aljazeera.com/news/2026/1/4/how-the-us-attack-on-venezuela-abduction-of-maduro-unfolded/"হাউ দ্য ইউএস অ্যাটাক অন ভেনেজুয়েলা, অ্যাবডাকশন অব মাদুরো আনফোল্ডেড"], ''আলজাজিরা'', ৪ জানুয়ারি ২০২৬।
* ডেনমার্কের নেতা দ্বীপটি নিয়ে "হুমকি বন্ধ করার" আহ্বান জানানোর পর ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও গ্রিনল্যান্ড দখলের প্রস্তাব দিয়েছেন। সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, "জাতীয় নিরাপত্তার দৃষ্টিকোণ থেকে আমাদের গ্রিনল্যান্ড প্রয়োজন।" প্রতিরক্ষার জন্য এর কৌশলগত অবস্থান এবং খনিজ সম্পদের কথা উল্লেখ করে ট্রাম্প বারবার আধা-স্বায়ত্বশাসিত এই ড্যানিশ অঞ্চলটিকে যুক্তরাষ্ট্রের একটি অধিভুক্ত অংশে পরিণত করার সম্ভাবনা তুলে ধরেছেন। গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেন্স ফ্রেডরিক নিলসেন এর প্রতিক্রিয়ায় বলেন, "এবার থামুন।" দ্বীপের ওপর মার্কিন নিয়ন্ত্রণের ধারণাকে তিনি একটি "ফ্যান্টাসি" হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: "আর কোনো চাপ নয়। আর কোনো ইশারা-ইঙ্গিত নয়। দখলদারিত্বের আর কোনো ফ্যান্টাসি নয়। আমরা সংলাপের জন্য প্রস্তুত। আমরা আলোচনার জন্য প্রস্তুত। তবে এটি অবশ্যই যথাযথ চ্যানেলের মাধ্যমে এবং আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে হতে হবে।"<br>এর আগে ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন বলেছিলেন, "ড্যানিশ সাম্রাজ্যের তিনটি দেশের কোনোটিই দখল করার অধিকার যুক্তরাষ্ট্রের নেই।" ফ্রেডেরিকসেন আরও বলেন, ডেনমার্ক "এবং সেই সূত্র ধরে গ্রিনল্যান্ড" ন্যাটোর সদস্য এবং জোটের নিরাপত্তা গ্যারান্টির আওতাভুক্ত। তিনি বলেন, দ্বীপটিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রবেশাধিকার দেওয়ার একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি ইতোমধ্যেই কার্যকর আছে।
** টমাস ম্যাকিনটশ ও নিক বেক, [https://www.bbc.com/news/articles/c4g0zg974v1o/"'উই নিড গ্রিনল্যান্ড': ট্রাম্প রিপিটস থ্রেট টু অ্যানেক্স ড্যানিশ টেরিটরি"], বিবিসি, ৫ জানুয়ারি ২০২৬।
* '''আমরা এমন এক বিশ্বে বাস করি যেখানে আপনি আন্তর্জাতিক শিষ্টাচার এবং অন্যান্য সবকিছু নিয়ে যত খুশি কথা বলতে পারেন। কিন্তু জেক, আমরা এমন এক বাস্তব জগতে বাস করি, যা শক্তি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত; এটি জোর-জবরদস্তি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত এবং ক্ষমতা দ্বারা পরিচালিত।''' এগুলোই হলো পৃথিবীর অলঙ্ঘনীয় আইন; এটি সৃষ্টির শুরু থেকেই টিকে আছে। যুক্তরাষ্ট্র... আমরাই দায়িত্বে আছি, কারণ দেশের বাইরে আমাদের মার্কিন সামরিক বাহিনী মোতায়েন আছে। আমরাই শর্ত নির্ধারণ করি। তাদের সব তেল এবং বাণিজ্য করার ক্ষমতার ওপর আমাদের সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প|ডোনাল্ড ট্রাম্পের]] গ্রিনল্যান্ড আক্রমণের বারবার দেওয়া হুমকি ও [[w:ভেনেজুয়েলায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, ২০২৬|ভেনেজুয়েলায় মার্কিন হামলা]] বিষয়ে [[স্টিভেন মিলার]], [https://transcripts.cnn.com/show/cg/date/2026-01-05/segment/01 ''দ্য লিড উইথ জেক ট্যাপার''-এ সাক্ষাৎকার (৫ জানুয়ারি ২০২৬)], ৫ জানুয়ারি ২০২৬।
* '''[[ডোনাল্ড ট্রাম্প|প্রেসিডেন্ট]] কয়েক মাস ধরেই এ বিষয়ে স্পষ্ট যে, আমাদের সার্বিক নিরাপত্তা কাঠামোর অংশ হিসেবে [[গ্রিনল্যান্ড]]কে [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের]] একটি অংশ হওয়া উচিত। সত্য বলতে, এই প্রশাসনের শুরু থেকেই মার্কিন [[সরকার|সরকারের]] আনুষ্ঠানিক অবস্থান এটাই। এমনকি [[w:Foreign policy of the first Trump administration|পূর্ববর্তী ট্রাম্প প্রশাসনের]] সময়েও একই কথা বলা হয়েছিল যে, [[গ্রিনল্যান্ড]] মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হওয়া উচিত।''' <br /> '''প্রেসিডেন্ট এই বিষয়ে খুবই পরিষ্কার। এটাই মার্কিন সরকারের আনুষ্ঠানিক অবস্থান।'''
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প|ডোনাল্ড ট্রাম্পের]] গ্রিনল্যান্ড আক্রমণের বারবার দেওয়া হুমকি ও [[w:ভেনেজুয়েলায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, ২০২৬|ভেনেজুয়েলায় মার্কিন হামলা]] বিষয়ে [[স্টিভেন মিলার]], [https://transcripts.cnn.com/show/cg/date/2026-01-05/segment/01 ''দ্য লিড উইথ জেক ট্যাপার''-এ সাক্ষাৎকার (৫ জানুয়ারি ২০২৬)], ৫ জানুয়ারি ২০২৬।
* ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী তাঁর বিবৃতি প্রকাশ করেন কেটি মিলারের একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের পর। ট্রাম্পের অন্যতম জ্যেষ্ঠ সহযোগী স্টিফেন মিলারের স্ত্রী কেটি মিলার আমেরিকান পতাকার রঙে গ্রিনল্যান্ডের একটি মানচিত্র পোস্ট করে সাথে "শীঘ্রই" শব্দটি লিখেছিলেন।<br>যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত মিলারের পোস্টের জবাবে একটি "বন্ধুত্বপূর্ণ রিমাইন্ডার" দিয়ে বলেছেন, দুই দেশ মিত্র। তিনি আরও বলেন, ডেনমার্ক তার ভৌগোলিক অখণ্ডতার প্রতি সম্মান প্রত্যাশা করে। মিলার একজন ডানপন্থী পডকাস্টার এবং ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদের সাবেক সহযোগী।<br>শনিবার ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে একটি বড় ধরনের সামরিক অভিযানের পরপরই ভবিষ্যৎ গ্রিনল্যান্ড নিয়ে এই বাদানুবাদ শুরু হয়। ঐ অভিযানে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো এবং তাঁর স্ত্রীকে আটক করে নিউইয়র্কে সরিয়ে নেওয়া হয়। ট্রাম্প পরে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলা "পরিচালনা" করবে এবং মার্কিন তেল কোম্পানিগুলো "দেশের জন্য অর্থ উপার্জন শুরু করবে।"<br>এই পরিস্থিতি নতুন করে এমন আশঙ্কা উসকে দিয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্র আর্কটিকের বিশাল দ্বীপ গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নিতে বলপ্রয়োগের কথা ভাবতে পারে—যা মার্কিন প্রেসিডেন্ট এর আগে নাকচ করে দেননি। ট্রাম্প দাবি করেছেন, এর কৌশলগত অবস্থান এবং হাই-টেক খাতের জন্য প্রয়োজনীয় খনিজের প্রাচুর্যের কারণে এটিকে যুক্তরাষ্ট্রের অংশে পরিণত করা আমেরিকান নিরাপত্তার স্বার্থই রক্ষা করবে।
** টমাস ম্যাকিনটশ ও নিক বেক, [https://www.bbc.com/news/articles/c4g0zg974v1o/"'উই নিড গ্রিনল্যান্ড': ট্রাম্প রিপিটস থ্রেট টু অ্যানেক্স ড্যানিশ টেরিটরি"], বিবিসি, ৫ জানুয়ারি ২০২৬।
* ট্রাম্প প্রশাসনের সম্প্রতি গ্রিনল্যান্ডে বিশেষ দূত নিয়োগের পদক্ষেপ ডেনমার্কে ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। ৫৭ হাজার জনসংখ্যার গ্রিনল্যান্ড ১৯৭৯ সাল থেকে ব্যাপক স্বায়ত্তশাসন ভোগ করে আসছে। তবে এর প্রতিরক্ষা এবং পররাষ্ট্র নীতি ডেনমার্কের হাতেই রয়েছে। বেশিরভাগ গ্রিনল্যান্ডবাসী শেষ পর্যন্ত ডেনমার্ক থেকে স্বাধীনতা চাইলেও জনমত জরিপে যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হওয়ার চরম বিরোধিতা দেখা যায়।<br>বিবিসির কাছে দেওয়া এক মন্তব্যে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমার বলেন, কেবল ডেনমার্ক এবং গ্রিনল্যান্ডই এই ভূখণ্ডের ভাগ্য নির্ধারণ করতে পারে। তিনি বলেন, "গ্রিনল্যান্ড এবং ডেনমার্ক সাম্রাজ্যকেই গ্রিনল্যান্ডের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে হবে। এটি কেবল গ্রিনল্যান্ড এবং ডেনমার্ক সাম্রাজ্যেরই কাজ।"<br>অন্যদিকে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের একজন প্রতিনিধি ট্রাম্পের একটি দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন। ট্রাম্প দাবি করেন, ইইউ "চায়" যুক্তরাষ্ট্র ঐ অঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করুক। সাপ্তাহিক ছুটির দিনে এয়ার ফোর্স ওয়ানে বসে ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেছিলেন, "ইইউ চায় আমাদের কাছে [গ্রিনল্যান্ড] থাকুক এবং তারা সেটা জানে।" ইউরোপীয় কমিশনের প্রধান মুখপাত্র পলা পিনহো বিবিসিকে বলেছেন, এটি "নিশ্চিতভাবেই" ইইউ'র অবস্থান নয়। তিনি আরও বলেন, এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে কোনো আলোচনার কথা তাঁর জানা নেই।
** টমাস ম্যাকিনটশ ও নিক বেক, [https://www.bbc.com/news/articles/c4g0zg974v1o/"'উই নিড গ্রিনল্যান্ড': ট্রাম্প রিপিটস থ্রেট টু অ্যানেক্স ড্যানিশ টেরিটরি"], বিবিসি, ৫ জানুয়ারি ২০২৬।
* নরওয়ের নেতারা এটা পরিষ্কার করে দিয়েছেন যে ডেনমার্ক সাম্রাজ্য রক্ষার চেষ্টায় তারা ড্যানিশ নেতাদের জোরালো সমর্থন জানিয়ে যাবেন। ডেনমার্ক সাম্রাজ্যের অধীনে ডেনমার্ক, গ্রিনল্যান্ড এবং ফারো দ্বীপপুঞ্জের সার্বভৌমত্ব রয়েছে। তাঁরা বলছেন, গ্রিনল্যান্ড দখলের জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকি কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনের শাসনের আরেকটি লঙ্ঘনই হবে না, বরং এটি ন্যাটো চুক্তিরও লঙ্ঘন।
** নিনা বার্গলুন্ড, [https://www.newsinenglish.no/2026/01/06/norway-stands-firm-with-denmark-warns-us-will-violate-nato-pact/"নরওয়ে স্ট্যান্ডস ফার্ম উইথ ডেনমার্ক, ওয়ার্নস ট্রাম্প উইল ভায়োলেট ন্যাটো প্যাক্ট"], ''নিউজ ইন ইংলিশ'', ৬ জানুয়ারি ২০২৬।
* ট্রাম্প আবারও "আমাদের গ্রিনল্যান্ড প্রয়োজন" বলে দাবি করার পর নরওয়ের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস্পেন বার্থ ইডে আফটেনপোস্টেন পত্রিকাকে বলেন, "আমার প্রাথমিক কথা হলো, এমনটা ঘটবে না।" সাংবাদিকদের কাছে ট্রাম্পের এই সর্বশেষ মন্তব্য এমন এক সময়ে এসেছে, যার ঠিক আগেই তিনি ভেনেজুয়েলায় সামরিক হস্তক্ষেপের নির্দেশ দেন। নরওয়ে এটিকে আইনের শাসনের লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছে। ট্রাম্পের মন্তব্যের পরপরই ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, "আমাদের সাম্রাজ্যের তিনটি দেশের একটিকে দখল করার কোনো অধিকার যুক্তরাষ্ট্রের নেই।" এর ফলে নরওয়ের নিজস্ব প্রধানমন্ত্রী জোনাস গহর স্টোরও সোমবার সকালে জাতীয় রেডিওতে ফ্রেডেরিকসেনের প্রতি তাঁর সমর্থন নিশ্চিত করেন।<br>রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম এনআরকে'র জনপ্রিয় মর্নিং টকশো পলিটিস্ক কোয়ার্টারে স্টোর বলেন, "আমাদের অবশ্যই বলতে হবে গ্রিনল্যান্ড কীভাবে ডেনমার্ক সাম্রাজ্যের অংশ এবং এর (ভবিষ্যৎ) ড্যানিশ এবং গ্রিনল্যান্ডারদের ওপর নির্ভর করে।" অনুষ্ঠানটিতে স্টোর এবং নরওয়েজিয়ান পার্লামেন্টের বিরোধীদলীয় নেতা ডানপন্থী প্রগ্রেস পার্টির সিলভি লিসথাউগ—দুজনকেই নববর্ষের বিতর্কের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। আগের রাতে ট্রাম্পের মন্তব্যের পর বিতর্কটি নতুন মোড় নেয়।<br>লিসথাউগ এবং স্টোর সাধারণত বেশিরভাগ বিষয়ে দ্বিমত পোষণ করেন। কিন্তু এই ক্ষেত্রে, তিনি স্টোর এবং ডেনমার্ক উভয়কেই দৃঢ়ভাবে সমর্থন করেছেন। ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড দখলের ইচ্ছাকে "সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য" বলে লিসথাউগ জোর দিয়ে বলেন যে এখানে অবশ্যই "আন্তর্জাতিক নিয়ম" প্রয়োগ করতে হবে।
** নিনা বার্গলুন্ড, [https://www.newsinenglish.no/2026/01/06/norway-stands-firm-with-denmark-warns-us-will-violate-nato-pact/"নরওয়ে স্ট্যান্ডস ফার্ম উইথ ডেনমার্ক, ওয়ার্নস ট্রাম্প উইল ভায়োলেট ন্যাটো প্যাক্ট"], ''নিউজ ইন ইংলিশ'', ৬ জানুয়ারি ২০২৬।
* ডেনিশরা তাদের জাতীয় সার্বভৌমত্ব আইনের মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের ওপর নিজেদের অধিকারের কথা তুলে ধরতে পারে। তারা আরও বলতে পারে যে গ্রিনল্যান্ডের জনসংখ্যা মিলারের দাবির প্রায় দ্বিগুণ: ৫৭ হাজার। ডেনমার্কের সামরিক বিশেষজ্ঞ এবং গবেষকরা ট্রাম্পের সেই দাবিও অস্বীকার করেছেন যে গ্রিনল্যান্ডের চারপাশে চীনা এবং রাশিয়ান জাহাজগুলো ওঁত পেতে আছে। তাঁরা একে ট্রাম্পের দখলের চেষ্টাকে বৈধতা দেওয়ার একটি প্রচেষ্টা বলে অভিহিত করেছেন। ডেনিশ পার্লামেন্টের পররাষ্ট্র বিষয়ক কমিটি মঙ্গলবার রাতে একটি জরুরি বৈঠকের জন্য সদস্যদের ডাকছিল।
** নিনা বার্গলুন্ড, [https://www.newsinenglish.no/2026/01/06/norway-stands-firm-with-denmark-warns-us-will-violate-nato-pact/"নরওয়ে স্ট্যান্ডস ফার্ম উইথ ডেনমার্ক, ওয়ার্নস ট্রাম্প উইল ভায়োলেট ন্যাটো প্যাক্ট"], ''নিউজ ইন ইংলিশ'', ৬ জানুয়ারি ২০২৬।
* এনপিআর জানিয়েছে, "কৃষ্ণাঙ্গ," "প্রতিবন্ধকতা," "নারী," "সংখ্যালঘু," "ট্রমা," "উপজাতি" এবং "মহিলা" এর মতো শব্দগুলো তহবিলের আবেদন থেকে সরিয়ে ফেলতে বলায় হেড স্টার্ট প্রারম্ভিক শৈশব কর্মসূচি ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা করে লড়ছে। শব্দগুলো না সরালে তাদের আবেদন প্রত্যাখ্যান করার হুমকি দেওয়া হয়েছে। পেনসিলভেনিয়া, ওয়াশিংটন, উইসকনসিন এবং ইলিনয়সহ বিভিন্ন রাজ্যের কর্মসূচিগুলোর করা এই মামলায় ৫ ডিসেম্বর জমা দেওয়া ২০০টি শব্দের একটি তালিকা রয়েছে। তালিকায় "অ্যাক্সেসযোগ্য" এবং "অন্তর্ভুক্ত" এর মতো শব্দগুলোও রয়েছে। স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগ এবং সচিব রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়রের বিরুদ্ধে তারা এই মামলা করেছে। ফেডারেল কর্মসূচিগুলোতে ট্রাম্প প্রশাসনের বৈচিত্র্য, সাম্য এবং অন্তর্ভুক্তি (ডিইআই) নিষেধাজ্ঞাকে গোষ্ঠীটি হেড স্টার্টের সংবিধিবদ্ধ বাধ্যবাধকতার সাথে সাংঘর্ষিক বলে যুক্তি দিয়েছে। হেড স্টার্টের বাধ্যবাধকতার মধ্যে প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য প্রারম্ভিক হস্তক্ষেপ সেবার পাশাপাশি "ভাষাগত ও সাংস্কৃতিকভাবে উপযুক্ত" সেবা প্রদান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।<br>উইসকনসিন-ভিত্তিক হেড স্টার্ট কর্মসূচির নির্বাহী পরিচালকের জমা দেওয়া ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ সালের তহবিলের আবেদনটি ৫০ বছর পর প্রত্যাখ্যান করা হলে এই তালিকার বিষয়টি সামনে আসে। পরিচালক মেরি রো বলেন, দুই মাস পর তিনি এইচএইচএস থেকে দুটি ইমেইল পান। ইমেইলগুলোতে তাঁকে "আবেদন থেকে নিচের শব্দগুলো মুছে ফেলতে" নির্দেশ দেওয়া হয়। সেখানে "বর্ণবাদ," "বর্ণ" এবং "জাতিগত" সহ মোট ১৯টি শব্দের তালিকা দেওয়া ছিল।<br>তাঁর আবেদনটি ফেরত পাঠানো হয়েছিল। তবে এর কিছুক্ষণ পরই রো তাঁর নিযুক্ত এইচএইচএস কর্মসূচি বিশেষজ্ঞের কাছ থেকে আরেকটি ইমেইল পান। সেখানে বলা ছিল, "আমি আপনার আবেদনটি নিয়ে খোঁজখবর নিতে চেয়েছিলাম।" বিশেষজ্ঞ আরও বুঝিয়ে বলেন, "আমি নির্দিষ্ট শব্দগুলো সরানোর জন্য এটি ফেরত পাঠিয়েছিলাম। আমি আপনাকে শব্দের পুরো তালিকাটি দিতে চাই, যাতে এই শব্দগুলো আপনার আবেদনে না থাকে তা নিশ্চিত করা যায়।"
** শারেল বি. ম্যাকনায়ার, [https://www.msn.com/en-us/news/us/say-what-words-like-black-women-disability-and-tribal-are-now-banned-from-head-start-grant-applications/ar-AA1THu1w?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=695e43d499394a849d658617dc70e7a5&ei=14/"সে হোয়াট? ওয়ার্ডস লাইক 'ব্ল্যাক', 'উইমেন', 'ডিজঅ্যাবিলিটি', অ্যান্ড 'ট্রাইবাল' আর নাউ ব্যান্ড ফ্রম হেড স্টার্ট গ্রান্ট অ্যাপ্লিকেশনস"], ''ব্ল্যাক এন্টারপ্রাইজ'', ৬ জানুয়ারি ২০২৬।
* রো এই সমস্যাটিকে একটি "অসম্ভব পরিস্থিতি" বলে আখ্যা দিয়েছেন। কারণ ফেডারেল হেড স্টার্ট অ্যাক্টে এমন অনেক শব্দ রয়েছে যেগুলো এড়িয়ে যেতে কর্মসূচিগুলোকে এখন বাধ্য করা হচ্ছে। হেড স্টার্টের দীর্ঘদিনের দায়িত্বগুলোর একটি হলো "প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং অ্যাক্সেসযোগ্য শ্রেণিকক্ষ তৈরি করা।" অথচ এখন এইচএইচএস তহবিলের আবেদনে "প্রতিবন্ধকতা," "প্রতিবন্ধিতা" এবং "অন্তর্ভুক্তি" শব্দগুলোর ব্যবহার বন্ধ করতে জোর দিচ্ছে।<br>তালিকাটি এখন জনসমক্ষে আসায় হেড স্টার্ট কেন্দ্রগুলো ডিইআই'র সংজ্ঞা মুছে ফেলতে বাধ্য হতে পারে। অফিস অব চাইল্ড কেয়ারের সাবেক প্রধান রুথ ফ্রিডম্যান এটিকে ভয় বলে অভিহিত করেছেন। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের মতে, সাবেক রাষ্ট্রপতি জো বাইডেনের অধীনে দায়িত্ব পালন করা ফ্রিডম্যান বলেন, "ভয় এবং অফিস অব হেড স্টার্টের নির্দেশনার কারণে অনুদান গ্রহীতারা আগেভাগেই এই ধরনের কার্যক্রম থেকে নিজেদের সরিয়ে নিচ্ছে। অথচ শিশুদের শেখার জন্য প্রয়োজনীয় এবং আইনত বাধ্যতামূলক এই গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা-ভিত্তিক কাজগুলো তারা আর করতে পারবে না বলে তাদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।"<br>এই পদক্ষেপটি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ডিইআই'র ওপর আরেকটি আক্রমণ। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে তিনি একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন। সেখানে বলা হয়েছিল, "অবৈধ ডিইআই এবং ডিইআইএ নীতিগুলো কেবল আমাদের দীর্ঘদিনের ফেডারেল নাগরিক অধিকার আইনের পাঠ্য এবং চেতনাই লঙ্ঘন করে না, বরং এগুলো আমাদের জাতীয় ঐক্যকেও ক্ষুণ্ণ করে। কারণ এগুলো একটি বেআইনি, ক্ষতিকর এবং ধ্বংসাত্মক পরিচয়-ভিত্তিক লুণ্ঠন ব্যবস্থার পক্ষে কঠোর পরিশ্রম, উৎকর্ষতা এবং ব্যক্তিগত অর্জনের ঐতিহ্যবাহী আমেরিকান মূল্যবোধগুলোকে অস্বীকার ও হেয় করে।" এরপর থেকে এর ধারাবাহিক প্রভাব কলেজ ক্যাম্পাস, খুচরা বিক্রেতা, অলাভজনক প্রতিষ্ঠান, অনুদানসহ আরও অনেক ক্ষেত্রে লক্ষ্য করা গেছে।
** শারেল বি. ম্যাকনায়ার, [https://www.msn.com/en-us/news/us/say-what-words-like-black-women-disability-and-tribal-are-now-banned-from-head-start-grant-applications/ar-AA1THu1w?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=695e43d499394a849d658617dc70e7a5&ei=14/"সে হোয়াট? ওয়ার্ডস লাইক 'ব্ল্যাক', 'উইমেন', 'ডিজঅ্যাবিলিটি', অ্যান্ড 'ট্রাইবাল' আর নাউ ব্যান্ড ফ্রম হেড স্টার্ট গ্রান্ট অ্যাপ্লিকেশনস"], ''ব্ল্যাক এন্টারপ্রাইজ'', ৬ জানুয়ারি ২০২৬।
* '''ব্যাপারটি এর চেয়ে বেশি জটিল কিছু নয় যে, ট্রাম্প নিজের নামে একটি বিশাল দ্বীপ চান। এতে নিজেকে বড় এবং শক্তিশালী মনে হলে তিনি আমাদের সৈন্যদের বিপদে ফেলতে দুবার ভাববেন না। মার্কিন সামরিক বাহিনী কোনো খেলনা নয়।'''
** ৬ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে এক্সে দেওয়া এক পোস্টে অ্যারিজোনা থেকে নির্বাচিত মার্কিন সিনেটর [[রুবেন গ্যালেগো]]। আন্না কমান্ডার রচিত [https://www.msn.com/en-us/news/world/republican-breaks-with-trump-over-greenland-remarks-not-an-asset/ar-AA1TItt5?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=695e0a740c324cb38d7cfeea4c12dbb0&ei=22/"রিপাবলিকান ব্রেকস উইথ ট্রাম্প ওভার গ্রিনল্যান্ড রিমার্কস: "নট অ্যান অ্যাসেট""] থেকে উদ্ধৃত, ''নিউজউইক'', ৬ জানুয়ারি ২০২৬।
* আমাদের অবশ্যই এটিকে একটি সম্পদ হিসেবে না দেখে মিত্র হিসেবে দেখা উচিত এবং দখলের বদলে অবিরত অংশীদারিত্বের ওপর মনোযোগ দেওয়া উচিত।
** ট্রাম্পের বারবার গ্রিনল্যান্ড আক্রমণের হুমকির বিষয়ে আলাস্কা থেকে নির্বাচিত মার্কিন সিনেটর [[লিসা মুরকোস্কি]]। আন্না কমান্ডার রচিত [https://www.msn.com/en-us/news/world/republican-breaks-with-trump-over-greenland-remarks-not-an-asset/ar-AA1TItt5?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=695e0a740c324cb38d7cfeea4c12dbb0&ei=22/"রিপাবলিকান ব্রেকস উইথ ট্রাম্প ওভার গ্রিনল্যান্ড রিমার্কস: "নট অ্যান অ্যাসেট""] থেকে উদ্ধৃত, ''নিউজউইক'', ৬ জানুয়ারি ২০২৬।
* আর্কটিক অঞ্চলের নিরাপত্তা ইউরোপের জন্য অন্যতম অগ্রাধিকার এবং আন্তর্জাতিক ও ট্রান্সআটলান্টিক নিরাপত্তার জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ন্যাটো স্পষ্ট করেছে যে আর্কটিক অঞ্চল একটি অগ্রাধিকার এবং ইউরোপীয় মিত্ররা এগিয়ে আসছে। আর্কটিককে নিরাপদ রাখতে এবং প্রতিপক্ষকে নিরুৎসাহিত করতে আমরা ও অন্যান্য অনেক মিত্র আমাদের উপস্থিতি, কার্যক্রম ও বিনিয়োগ বাড়িয়েছি। গ্রিনল্যান্ডসহ ডেনমার্ক সাম্রাজ্য ন্যাটোর অংশ। তাই সার্বভৌমিকতা, ভৌগোলিক অখণ্ডতা এবং সীমানার অলঙ্ঘনীয়তাসহ জাতিসংঘের সনদের নীতিগুলো সমুন্নত রেখে যুক্তরাষ্ট্রসহ ন্যাটো মিত্রদের সাথে যৌথভাবে আর্কটিক অঞ্চলের নিরাপত্তা অর্জন করতে হবে। এগুলো সার্বজনীন নীতি এবং আমরা এগুলো রক্ষা করা বন্ধ করব না।<br>ন্যাটো মিত্র হিসেবে এবং ১৯৫১ সালে ডেনমার্ক সাম্রাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে হওয়া প্রতিরক্ষা চুক্তির মাধ্যমে এই প্রচেষ্টায় যুক্তরাষ্ট্র একজন অপরিহার্য অংশীদার। '''গ্রিনল্যান্ড এর জনগণের। ডেনমার্ক এবং গ্রিনল্যান্ড সংক্রান্ত বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার কেবল ডেনমার্ক এবং গ্রিনল্যান্ডের।'''
** গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট [[ইমানুয়েল মাক্রোঁ|মাক্রোঁ]], জার্মানির চ্যান্সেলর মেরৎস, ইতালির প্রধানমন্ত্রী মেলোনি, পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী টাস্ক, স্পেনের প্রধানমন্ত্রী সানচেজ, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী স্টারমার এবং ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী ফ্রেডেরিকসেনের দেওয়া যৌথ বিবৃতি, [https://stm.dk/statsministeriet/publikationer/faellesudtalelse-om-groenland/"জয়েন্ট স্টেটমেন্ট অন গ্রিনল্যান্ড"], ৬ জানুয়ারি ২০২৬।
* ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন সোমবার জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিনল্যান্ড দখলের অর্থ হবে ন্যাটো সামরিক জোটের অবসান। "আর্কটিককে নিরাপদ রাখতে এবং প্রতিপক্ষকে নিরুৎসাহিত করতে" ইউরোপীয় মিত্ররা যে এগিয়ে আসছে, তা পুনর্ব্যক্ত করে মঙ্গলবার ফ্রেডেরিকসেন জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি, পোল্যান্ড, স্পেন এবং যুক্তরাজ্যের নেতাদের সাথে একটি যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করেছেন। ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল এবং আর্কটিকের এই বিশাল দ্বীপটিকে ওয়াশিংটনের নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন করে আহ্বানের পর এই বিবৃতিটি এলো। ফ্রেডেরিকসেন বলেন, যুক্তরাষ্ট্র অন্য কোনো ন্যাটো সদস্যের ওপর আক্রমণ চালালে ওয়াশিংটনের সাথে সহযোগিতার ক্ষেত্রে "সবকিছু বন্ধ হয়ে যাবে।" ফ্রেডেরিকসেন বলেন, "যুক্তরাষ্ট্র যদি অন্য কোনো ন্যাটো দেশে আক্রমণ করার সিদ্ধান্ত নেয়, তবে সবকিছুই বন্ধ হয়ে যাবে—এর মধ্যে ন্যাটোও রয়েছে এবং সেই কারণে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী নিরাপত্তাও শেষ হয়ে যাবে।"<br>অন্যদিকে গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেন্স-ফ্রেডরিক নিলসেন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে "ভালো সহযোগিতা" পুনরুদ্ধারের আহ্বান জানিয়েছেন এবং গ্রিনল্যান্ডারদের "আতঙ্কিত" না হওয়ার অনুরোধ করেছেন। গ্রিনল্যান্ডের রাজধানী নুকে দেওয়া এক বক্তব্যে নিলসেন বলেন, "পরিস্থিতি এমন নয় যে যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ড জয় করতে পারে। বিষয়টি তা নয়। তাই আমাদের আতঙ্কিত হওয়া উচিত নয়। আমাদের একসময়ের ভালো সহযোগিতা পুনরুদ্ধার করতে হবে।" সোমবার একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে তিনি গ্রিনল্যান্ড দখলের "ফ্যান্টাসি" ছেড়ে দিতে ট্রাম্পের প্রতি আহ্বান জানান। "এবার থামুন। আর কোনো চাপ নয়। আর কোনো ইশারা-ইঙ্গিত নয়। দখলদারিত্বের আর কোনো ফ্যান্টাসি নয়।" তিনি বলেন, "আমরা সংলাপের জন্য প্রস্তুত। তবে এটি অবশ্যই যথাযথ চ্যানেলের মাধ্যমে এবং আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে হতে হবে।"
** ফারাহ বাহগাত ও সায়েম দুশান ইনায়েতুল্লাহ, [https://www.dw.com/en/nato-could-end-if-us-takes-over-greenland-danish-pm/a-75401270/"ন্যাটো কুড এন্ড ইফ ইউএস টেকস ওভার গ্রিনল্যান্ড — ড্যানিশ পিএম"], ''ডয়চে ভেলে'', ৬ জানুয়ারি ২০২৬।
* ফ্রেডেরিকসেনের সাথে এক যৌথ বিবৃতিতে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রোঁ, জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মেরৎস, ইতালির প্রধানমন্ত্রী মেলোনি, পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ডোনাল্ড টাস্ক, স্প্যানিশ প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ এবং ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করেছেন। যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, "আর্কটিক অঞ্চলের নিরাপত্তা ইউরোপের জন্য অন্যতম অগ্রাধিকার এবং আন্তর্জাতিক ও ট্রান্সআটলান্টিক নিরাপত্তার জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।" এতে আরও বলা হয়, "আর্কটিককে নিরাপদ রাখতে এবং প্রতিপক্ষকে নিরুৎসাহিত করতে আমরা ও অন্যান্য অনেক মিত্র আমাদের উপস্থিতি, কার্যক্রম ও বিনিয়োগ বাড়িয়েছি।" এই সাত নেতা জোর দিয়ে বলেন যে ওয়াশিংটন "এই প্রচেষ্টায় একজন অপরিহার্য অংশীদার।"
** ফারাহ বাহগাত ও সায়েম দুশান ইনায়েতুল্লাহ, [https://www.dw.com/en/nato-could-end-if-us-takes-over-greenland-danish-pm/a-75401270/"ন্যাটো কুড এন্ড ইফ ইউএস টেকস ওভার গ্রিনল্যান্ড — ড্যানিশ পিএম"], ''ডয়চে ভেলে'', ৬ জানুয়ারি ২০২৬।
* মার্কিন হামলায় ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটকের পর বিচারের জন্য নিউইয়র্কে নিয়ে যাওয়ার একদিন পর রবিবার ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে আনার বিষয়ে তাঁর মত পুনর্ব্যক্ত করেছেন। ওয়াশিংটনের "জাতীয় নিরাপত্তার" জন্য এটি প্রয়োজনীয় বলে জোর দিয়ে রবিবার সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, "আমাদের গ্রিনল্যান্ড প্রয়োজন।" তিনি দাবি করেন দ্বীপটি "চীনা এবং রাশিয়ান জাহাজ দ্বারা" অবরুদ্ধ। ট্রাম্প এর আগেও অঞ্চলটি কেনার প্রস্তাব দেন, এমনকি এটি দখলের জন্য সামরিক শক্তি ব্যবহারের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি।<br>গ্রিনল্যান্ডে প্রচুর পরিমাণে তেল, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ পদার্থ এবং অন্যান্য সম্পদ রয়েছে। মেরু অঞ্চলের বরফ গলার কারণে নতুন আর্কটিক শিপিং রুট খুলে যাওয়ায় আগামী দশকগুলোতে অঞ্চলটি অর্থনৈতিক গুরুত্বও পেতে পারে। গ্রিনল্যান্ডে ইতোমধ্যেই একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে এবং কোপেনহেগেন অতিরিক্ত মার্কিন সৈন্য মোতায়েনের অনুমতি দেওয়ার ইচ্ছাও প্রকাশ করেছে। সোমবার ট্রাম্পের শীর্ষ উপদেষ্টা স্টিফেন মিলার গ্রিনল্যান্ডকে "ডেনমার্কের একটি উপনিবেশ" বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি আরও বলেন, "গ্রিনল্যান্ডের ভবিষ্যৎ নিয়ে কেউ সামরিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে লড়তে আসবে না।"
** ফারাহ বাহগাত ও সায়েম দুশান ইনায়েতুল্লাহ, [https://www.dw.com/en/nato-could-end-if-us-takes-over-greenland-danish-pm/a-75401270/"ন্যাটো কুড এন্ড ইফ ইউএস টেকস ওভার গ্রিনল্যান্ড — ড্যানিশ পিএম"], ''ডয়চে ভেলে'', ৬ জানুয়ারি ২০২৬।
* গ্রিনল্যান্ডের ওপর নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন চাপের পর ডেনমার্ককে সমর্থন জানাতে ইউরোপের ছয়টি মিত্র দেশ একজোট হয়েছে। যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, পোল্যান্ড, স্পেন এবং ডেনমার্কের নেতারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেছেন, "গ্রিনল্যান্ড এর জনগণের। তাদের সম্পর্ক সংক্রান্ত বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার কেবল ডেনমার্ক এবং গ্রিনল্যান্ডের।" রবিবার ডোনাল্ড ট্রাম্প নিরাপত্তা কারণে ন্যাটো সদস্য ডেনমার্কের আধা-স্বায়ত্বশাসিত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ডের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের "প্রয়োজন" বলে জানিয়েছেন। ভূখণ্ডটির নিয়ন্ত্রণ নিতে বলপ্রয়োগের সম্ভাবনা তিনি উড়িয়ে দেননি। অন্যদিকে ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন সোমবার সতর্ক করে বলেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এমন আক্রমণ ন্যাটোর পতন ডেকে আনবে।
** পলিন কোলা, [https://www.bbc.com/news/articles/c07xkeee2k3o/"ইউরোপিয়ান অ্যালাইস ব্যাক ডেনমার্ক ওভার ট্রাম্পস থ্রেট টু অ্যানেক্স গ্রিনল্যান্ড"], বিবিসি, ৬ জানুয়ারি ২০২৬।
* গ্রিনল্যান্ডে ট্রাম্প প্রশাসনের সাম্প্রতিক বিশেষ দূত নিয়োগের পদক্ষেপ ডেনমার্কে ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। ৫৭ হাজার জনসংখ্যার গ্রিনল্যান্ড ১৯৭৯ সাল থেকে ব্যাপক স্বায়ত্তশাসন ভোগ করে আসছে। তবে এর প্রতিরক্ষা এবং পররাষ্ট্র নীতি ডেনমার্কের হাতেই রয়েছে। বেশিরভাগ গ্রিনল্যান্ডবাসী শেষ পর্যন্ত ডেনমার্ক থেকে স্বাধীনতা চাইলেও জনমত জরিপে যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হওয়ার চরম বিরোধিতা দেখা যায়।<br>দেশের পশ্চিমে ইলুলিস্যাটে বসবাসকারী ২৭ বছর বয়সী ইনুইট মরগান আংগাজু বিবিসি নিউসবিটকে বলেন, "মুক্ত বিশ্বের নেতা ডেনমার্ক এবং গ্রিনল্যান্ডকে নিয়ে হাসাহাসি করছেন। তিনি আমাদের নিয়ে এমনভাবে কথা বলছেন যেন আমরা দাবি করার মতো কোনো জিনিস। এটি শোনা খুবই ভীতিকর।" মরগান বলেন, "গ্রিনল্যান্ডের জনগণ ইতোমধ্যেই আমাদের ওপর দাবি জানিয়েছে। কালাল্লিত নুনাত অর্থ হলো গ্রিনল্যান্ডের জনগণের দেশ।" তিনি আরও বলেন, এরপর কী ঘটবে তা নিয়ে তিনি চিন্তিত। গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীরও মাদুরোর মতো পরিণতি হতে পারে কি না, বা এমনকি যুক্তরাষ্ট্র "তাদের দেশে আক্রমণ করতে পারে কি না"—তা ভেবে তিনি শঙ্কিত।
** পলিন কোলা, [https://www.bbc.com/news/articles/c07xkeee2k3o/"ইউরোপিয়ান অ্যালাইস ব্যাক ডেনমার্ক ওভার ট্রাম্পস থ্রেট টু অ্যানেক্স গ্রিনল্যান্ড"], বিবিসি, ৬ জানুয়ারি ২০২৬।
* বৈশ্বিক সহযোগিতা থেকে যুক্তরাষ্ট্রের আরও পিছু হঠার অংশ হিসেবে ট্রাম্প প্রশাসন জাতিসংঘের জনসংখ্যা সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক জলবায়ু আলোচনার জাতিসংঘ চুক্তিসহ ডজনখানেক আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নেবে। হোয়াইট হাউসের এক বিবৃতি অনুযায়ী, বুধবার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ৬৬টি সংস্থা, এজেন্সি এবং কমিশনের প্রতি মার্কিন সহায়তা স্থগিত করার একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন। জাতিসংঘ অধিভুক্ত সংস্থাসহ সব আন্তর্জাতিক সংস্থায় মার্কিন অংশগ্রহণ ও অর্থায়ন নিয়ে প্রশাসনের পর্যালোচনার পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হলো।<br>লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হওয়া অনেকগুলোই জলবায়ু, শ্রম, অভিবাসন এবং অন্যান্য বিষয়ে ফোকাস করা জাতিসংঘ সম্পর্কিত সংস্থা, কমিশন এবং উপদেষ্টা প্যানেল। ট্রাম্প প্রশাসন এগুলোকে বৈচিত্র্য এবং "ওক" উদ্যোগের প্রশ্রয়দাতা হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। তালিকার নন-ইউএন সংস্থাগুলোর মধ্যে রয়েছে পার্টনারশিপ ফর আটলান্টিক কোঅপারেশন, দ্য ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর ডেমোক্রেসি অ্যান্ড ইলেক্টোরাল অ্যাসিস্ট্যান্স এবং গ্লোবাল কাউন্টার টেরোরিজম ফোরাম।<br>এক বিবৃতিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, "ট্রাম্প প্রশাসন দেখেছে যে এই প্রতিষ্ঠানগুলোর কাজের পরিসর অপ্রয়োজনীয়। এগুলো অব্যবস্থাপনায় ভরা, দরকারহীন, অপব্যয়ী এবং বাজেভাবে পরিচালিত। আমাদের স্বার্থের পরিপন্থী নিজস্ব এজেন্ডা বাস্তবায়নের কাজে যুক্ত থাকা ব্যক্তিদের স্বার্থ দ্বারা এগুলো নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে। এগুলো আমাদের জাতির সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা এবং সার্বিক সমৃদ্ধির জন্যও হুমকি।"<br>বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর কাজ করা সংস্থাগুলো থেকে ট্রাম্পের প্রত্যাহারের এই সিদ্ধান্ত এমন এক সময়ে এলো, যখন তাঁর প্রশাসন এমন কিছু সামরিক উদ্যোগ নিয়েছে বা হুমকি দিয়েছে যা মিত্র ও প্রতিপক্ষ সবাইকে কাঁপিয়ে দিয়েছে। এর মধ্যে ভেনেজুয়েলার স্বৈরাচারী নেতা নিকোলাস মাদুরোকে আটক করা এবং গ্রিনল্যান্ড দখলের ইচ্ছা প্রকাশ করার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
** ম্যাথিউ লি ও ফারনউশ আমিরি, [https://www.msn.com/en-us/news/world/us-will-exit-dozens-of-international-organizations-as-it-further-retreats-from-global-cooperation/ar-AA1TLJmD?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=695edaf7649a4392b697af0184b92510&ei=48?/"ইউএস উইল এক্সিট ৬৬ ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশনস অ্যাজ ইট ফারদার রিট্রিটস ফ্রম গ্লোবাল কোঅপারেশন"], ''দ্য অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস'', ৭ জানুয়ারি ২০২৬।
* প্রশাসন এর আগে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ফিলিস্তিনি উদ্বাস্তুদের জন্য জাতিসংঘের সংস্থা (যা UNRWA নামে পরিচিত), জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিল এবং জাতিসংঘের সাংস্কৃতিক সংস্থা ইউনেস্কোর মতো সংস্থাগুলোর সহায়তা স্থগিত করেছিল। বিশ্ব সংস্থাকে বকেয়া পরিশোধের ক্ষেত্রে তারা নিজেদের পছন্দমতো সংস্থা বেছে নেওয়ার একটি বড় পদ্ধতি গ্রহণ করেছে। এর আওতায় ট্রাম্পের এজেন্ডার সাথে সংগতিপূর্ণ এবং মার্কিন স্বার্থ রক্ষা করে না, এমন সংস্থা ও কার্যক্রমগুলো তারা বেছে নিয়েছে।<br>ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের জাতিসংঘ বিষয়ক প্রধান ড্যানিয়েল ফোর্টি বলেন, "আমার মনে হয় বহুপাক্ষিকতার প্রতি মার্কিন দৃষ্টিভঙ্গির বাস্তব রূপ আমরা দেখতে পাচ্ছি; এটি অনেকটা 'আমার কথা মানো, নয়তো রাস্তা মাপো' ধরনের।" তিনি আরও বলেন, "এটি সম্পূর্ণ নিজস্ব শর্তে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাওয়ার ওয়াশিংটনের একটি পরিষ্কার রূপকল্প।"<br>রিপাবলিকান এবং ডেমোক্র্যাটিক—পূর্ববর্তী প্রশাসনগুলো যেভাবে জাতিসংঘের সাথে আচরণ করেছে, এটি তা থেকে একটি বড় পরিবর্তন এনেছে। এর ফলে বিশ্ব সংস্থাটি; এটি ইতোমধ্যেই নিজেদের অভ্যন্তরীণ হিসাব-নিকাশের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, কর্মী এবং কর্মসূচি ছাঁটাইয়ের মতো প্রতিক্রিয়া দেখাতে বাধ্য হয়েছে। ইউএসএআইডির মাধ্যমে গত বছর বিদেশি সহায়তা কমানোর বিষয়ে মার্কিন প্রশাসনের সিদ্ধান্তের কারণে অনেক স্বাধীন বেসরকারি সংস্থা—যাদের মধ্যে কিছু জাতিসংঘের সাথে কাজ করে—তাদের অনেক প্রকল্প বন্ধ করে দিয়েছে।<br>এই বিশাল পরিবর্তন সত্ত্বেও, ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা বলছেন যে তাঁরা জাতিসংঘের সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছেন। এর পরিবর্তে তাঁরা আমেরিকান করদাতাদের অর্থ এমন অনেক মান নির্ধারণকারী জাতিসংঘ উদ্যোগে আমেরিকান প্রভাব বিস্তারের কাজে লাগাতে চান, যেখানে চীনের সাথে প্রতিযোগিতা রয়েছে। যেমন: আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়ন, আন্তর্জাতিক মেরিটাইম অর্গানাইজেশন এবং আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা।
** ম্যাথিউ লি ও ফারনউশ আমিরি, [https://www.msn.com/en-us/news/world/us-will-exit-dozens-of-international-organizations-as-it-further-retreats-from-global-cooperation/ar-AA1TLJmD?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=695edaf7649a4392b697af0184b92510&ei=48?/"ইউএস উইল এক্সিট ৬৬ ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশনস অ্যাজ ইট ফারদার রিট্রিটস ফ্রম গ্লোবাল কোঅপারেশন"], ''দ্য অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস'', ৭ জানুয়ারি ২০২৬।
* জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন বা ইউএনএফসিসিসি থেকে প্রত্যাহার হলো ট্রাম্প ও তাঁর মিত্রদের সর্বশেষ পদক্ষেপ। এটি জলবায়ু এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় ফোকাস করা আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে দূরে সরিয়ে রাখার একটি প্রচেষ্টা। ১৯৯২ সালে ১৯৮টি দেশের মধ্যে হওয়া ইউএনএফসিসিসি চুক্তিটি উন্নয়নশীল দেশগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের কার্যক্রমে আর্থিকভাবে সহায়তা করে। এটি ঐতিহাসিক প্যারিস জলবায়ু চুক্তির মূল ভিত্তি। ট্রাম্প, যিনি জলবায়ু পরিবর্তনকে একটি ধোঁকাবাজি বলে অভিহিত করেন, তিনি হোয়াইট হাউসে ফেরার পরপরই সেই চুক্তি থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নেন।<br>হোয়াইট হাউসের সাবেক জাতীয় জলবায়ু উপদেষ্টা জিনা ম্যাকার্থি বলেন, বিশ্বের একমাত্র দেশ হিসেবে এই চুক্তির অংশ না হওয়াটা একটি "অদূরদর্শী, লজ্জাজনক এবং বোকা সিদ্ধান্ত।" জলবায়ু নিয়ে উদ্বিগ্ন মার্কিন রাজ্য ও শহরগুলোর একটি জোট "আমেরিকা ইজ অল ইনে"র কো-চেয়ারম্যান ম্যাকার্থি এক বিবৃতিতে বলেন, "আমাদের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে এবং দেশের ওপর ধ্বংসলীলা চালানো ব্যয়বহুল বিপর্যয়গুলো থেকে আমাদের রক্ষা করতে পারত এমন ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ, নীতি এবং সিদ্ধান্তগুলোকে প্রভাবিত করার ক্ষমতা আমাদের দেশ এই প্রশাসনের কারণে হারাচ্ছে।"<br>মূলধারার বিজ্ঞানীরা বলছেন, বন্যা, খরা, দাবানল, তীব্র বৃষ্টিপাত এবং বিপজ্জনক তাপপ্রবাহসহ মারাত্মক ও ব্যয়বহুল চরম আবহাওয়ার ঘটনাগুলো বৃদ্ধির পেছনে এই জলবায়ু পরিবর্তনই দায়ী।
** ম্যাথিউ লি ও ফারনউশ আমিরি, [https://www.msn.com/en-us/news/world/us-will-exit-dozens-of-international-organizations-as-it-further-retreats-from-global-cooperation/ar-AA1TLJmD?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=695edaf7649a4392b697af0184b92510&ei=48?/"ইউএস উইল এক্সিট ৬৬ ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশনস অ্যাজ ইট ফারদার রিট্রিটস ফ্রম গ্লোবাল কোঅপারেশন"], ''দ্য অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস'', ৭ জানুয়ারি ২০২৬।
* স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের জলবায়ু বিজ্ঞানী রব জ্যাকসন বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই প্রত্যাহার গ্রিনহাউস গ্যাস কমানোর বৈশ্বিক প্রচেষ্টাকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে। কারণ এটি "অন্যান্য দেশগুলোকে তাদের নিজস্ব পদক্ষেপ এবং প্রতিশ্রুতি বিলম্বিত করার অজুহাত এনে দেয়।" জ্যাকসন গ্লোবাল কার্বন প্রজেক্টের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বিজ্ঞানীদের এই গ্রুপটি দেশগুলোর কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণ ট্র্যাক করে। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম নিঃসরণকারী এবং অর্থনীতির দেশ যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা ছাড়া জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়ে অর্থবহ অগ্রগতি অর্জন করাও কঠিন হবে।<br>বিশ্বব্যাপী যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য সেবা প্রদানকারী সংস্থা জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল দীর্ঘকাল ধরেই রিপাবলিকানদের বিরোধিতার লক্ষ্যবস্তু হয়ে আছে। ট্রাম্প তাঁর প্রথম মেয়াদে এর তহবিল ছাঁটাই করেন। তিনি এবং জিওপির অন্যান্য কর্মকর্তারা চীনের মতো দেশগুলোতে সংস্থাটির বিরুদ্ধে "জোরপূর্বক গর্ভপাত চর্চায়" অংশগ্রহণের অভিযোগ এনেছেন। ২০২১ সালের জানুয়ারিতে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি সংস্থাটির জন্য তহবিল পুনরুদ্ধার করেন। পরের বছর মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের পরিচালিত একটি পর্যালোচনায় জিওপির দাবিগুলোকে সমর্থন করার মতো কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।<br>কার্বন ফ্রি এনার্জি কমপ্যাক্ট, ইউনাইটেড নেশনস ইউনিভার্সিটি, দ্য ইন্টারন্যাশনাল কটন অ্যাডভাইজরি কমিটি, দ্য ইন্টারন্যাশনাল ট্রপিক্যাল টিম্বার অর্গানাইজেশন, পার্টনারশিপ ফর আটলান্টিক কোঅপারেশন, প্যান-আমেরিকান ইনস্টিটিউট ফর জিওগ্রাফি অ্যান্ড হিস্ট্রি, দ্য ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অফ আর্টস কাউন্সিলস অ্যান্ড কালচার এজেন্সিস এবং ইন্টারন্যাশনাল লিড অ্যান্ড জিঙ্ক স্টাডি গ্রুপসহ অন্যান্য সংগঠন ও সংস্থাগুলো থেকেও যুক্তরাষ্ট্র সরে আসবে।
** ম্যাথিউ লি ও ফারনউশ আমিরি, [https://www.msn.com/en-us/news/world/us-will-exit-dozens-of-international-organizations-as-it-further-retreats-from-global-cooperation/ar-AA1TLJmD?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=695edaf7649a4392b697af0184b92510&ei=48?/"ইউএস উইল এক্সিট ৬৬ ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশনস অ্যাজ ইট ফারদার রিট্রিটস ফ্রম গ্লোবাল কোঅপারেশন"], ''দ্য অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস'', ৭ জানুয়ারি ২০২৬।
* ট্রাম্প প্রশাসন গোলাগুলির ঘটনা তদন্তে রাষ্ট্রীয় ও স্থানীয় কর্মকর্তাদের যেকোনো ধরনের প্রবেশাধিকার অস্বীকার করছে। এতে কী ঘটেছিল তা নিয়ে একটি নিরপেক্ষ তদন্তের খুব সামান্য আশাই বেঁচে আছে। বৃহস্পতিবার নোয়েম বলেন, "এই তদন্তে তাদের কোনো এখতিয়ার নেই।" আইসিই-কে সহায়তা করার জন্য যথেষ্ট কাজ না করায় এরপর তিনি মিনিয়াপলিস এবং মিনেসোটা কর্মকর্তাদের কড়া সমালোচনা করেন। মিনেসোটা ব্যুরো অফ ক্রিমিনাল অ্যাপ্রিহেনশন (বিসিএ) সুপারিনটেনডেন্ট ড্রিউ ইভান্স একটি বিবৃতি প্রকাশের পর নোয়েম এই মন্তব্যগুলো করেন। ইভান্স তাঁর বিবৃতিতে জানেন, মার্কিন অ্যাটর্নি অফিস তাদের ফেডারেল তদন্তে অংশ নিতে বাধা দিয়েছে।<br>ইভান্স লিখেছেন, "সংগৃহীত প্রমাণ, প্রত্যক্ষদর্শী এবং তথ্যে সম্পূর্ণ প্রবেশাধিকার ছাড়া আমরা মিনেসোটার আইন এবং জনগণের দাবিকৃত তদন্তের মানদণ্ড পূরণ করতে পারব না।" তিনি আরও লেখেন, "ফলে বিসিএ বাধ্য হয়ে তদন্ত থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নিয়েছে।" বৃহস্পতিবার রাজ্যের জননিরাপত্তা দপ্তরের কমিশনার বব জ্যাকবসন বুঝিয়ে বলেন, ফেডারেল সরকারের সহযোগিতা ছাড়া মিনেসোটার পক্ষে নিজস্ব তদন্ত করা অসম্ভব।<br>তিনি বলেন, "প্রাথমিক তদন্ত নোট এবং প্রতিবেদনে তাদের কাছে সমস্ত প্রমাণ রয়েছে। আমাদের কাছে তার কিছুই নেই। তারা এর কোনোটিই আমাদের সাথে শেয়ার করেনি।" তিনি আরও বলেন, "জনগণ যে উত্তরের দাবিদার, তা খুঁজে বের করতে... আমরা তদন্তে ফিরে আসার সুযোগকে স্বাগত জানাব। এফবিআই বা ফেডারেল সরকারের কোনো তথ্য বা সহায়তা ছাড়া একটি পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত শুরু করা এবং পরিচালনা করা আমাদের জন্য অসম্ভব হবে।" বৃহস্পতিবার নোয়েম বলেন, তিনি ইতোমধ্যেই আত্মবিশ্বাসী যে তদন্তে আইসিই এজেন্ট নির্দোষ প্রমাণিত হবেন।<br>তাঁর সম্পর্কে আরও তথ্য শেয়ার করতে বলা হলে বৃহস্পতিবার নোয়েম বলেন, "পর্যালোচনার সমস্ত নীতি এবং পদ্ধতিগুলো থেকে ঠিক এটাই বেরিয়ে আসবে বলে আমরা আশা করছি যে, নিজের ও সহকর্মীদের জীবন বাঁচাতে তিনি যথাযথভাবেই কাজ করেছেন।"<br>নোয়েমের মন্তব্যের পর মিনেসোটার ডেমোক্রেটিক গভর্নর টিম ওয়ালজ বলেছেন, এখন গোলাগুলির তদন্ত থেকে একটি ন্যায্য ফলাফল পাওয়া "খুব, খুব কঠিন মনে হচ্ছে।" এক সংবাদ সম্মেলনে হতাশাগ্রস্ত ওয়ালজ বলেন, "আমি এ কথা শুধু এই জন্যই বলছি কারণ প্রেসিডেন্ট থেকে শুরু করে ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ক্রিস্টি নোয়েম—ক্ষমতায় থাকা ব্যক্তিরা ইতোমধ্যেই রায় দিয়ে ফেলেছেন। তারা আপনাদের সামনে এমন সব কথা বলেছেন যা যাচাইযোগ্যভাবেই মিথ্যা ও বেঠিক।" তিনি আরও বলেন, "এমন একজন ৩৭ বছর বয়সী মায়ের চরিত্র তারা নির্ধারণ করে দিয়েছেন, যাকে তারা চিনতেনই না।"
** লিডিয়া ও'কনর, [https://www.msn.com/en-us/news/politics/it-sure-looks-like-the-trump-administration-is-trying-to-cover-up-a-killing/ar-AA1TQDlO?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=6960df977dcb47ad84d9e8003f6d54ee&ei=15/"ইট শিওর লুকস লাইক দ্য ট্রাম্প অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ইজ ট্রাইং টু কাভার আপ অ্যা কিলিং"], ''হাফপোস্ট'', ৮ জানুয়ারি ২০২৬।
* রাজ্যটিতে ব্যাপক জালিয়াতির অভিযোগের মধ্যে ট্রাম্প প্রশাসন ঘোষণা করেছে যে তারা মিনেসোটাকে দেওয়া ১২ কোটি ৯০ লাখ ডলারের ফেডারেল সুবিধা প্রদান স্থগিত করছে। মার্কিন কৃষি দপ্তরের সচিব ব্রুক রলিন্স শুক্রবার সোশ্যাল মিডিয়ায় মিনেসোটার গভর্নর টিম ওয়ালজ এবং মিনিয়াপলিসের মেয়র জ্যাকব ফ্রে'র উদ্দেশে লেখা একটি চিঠি শেয়ার করেছেন। স্থানীয় অলাভজনক প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসাগুলোর দ্বারা পরিচালিত কথিত জালিয়াতির তদন্তের কথা উল্লেখ করে তিনি প্রশাসনকে তাদের সিদ্ধান্তের কথা জানান। রলিন্স লিখেছেন, "একটি বিস্ময়কর এবং ব্যাপক জালিয়াতি কেলেঙ্কারি থাকা সত্ত্বেও, আপনাদের প্রশাসনগুলো জালিয়াতি বন্ধ করতে প্রাথমিক তথ্য প্রদান করতে বা সাধারণ জ্ঞান অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে অস্বীকার করছে। ট্রাম্প প্রশাসন এ ধরনের জালিয়াতি চলতে দিতে রাজি নয়।"<br>রলিন্স ওয়ালজ এবং ফ্রেকে ৩০ দিনের মধ্যে ২০ জানুয়ারি ২০২৫ থেকে বর্তমান পর্যন্ত সমস্ত ফেডারেল ব্যয়ের যৌক্তিকতা ইউএসডিএকে জানাতে বলেছেন। তিনি এও দাবি করছেন যে সামনের দিনগুলোতে রাজ্যে সমস্ত ফেডারেল অর্থ প্রদানের জন্য একই রকম যৌক্তিকতা দেখাতে হবে। রলিন্সের চিঠির জবাবে মিনিয়াপলিস শহরের একজন মুখপাত্র ব্রায়ান ফেইনটেক একটি লিখিত বিবৃতিতে বলেন, "সবচেয়ে বেশি অভাবী বাসিন্দাদের জন্য নির্দিষ্ট করা তহবিলের এ ধরনের ঢালাও কাটের প্রভাব বুঝতে আমরা রাজ্যের অংশীদারদের সাথে যোগাযোগ করছি।"<br>তিনি আরও বলেন, "যে বিষয়টি একেবারেই পরিষ্কার তা হলো মিনিয়াপলিস ট্রাম্প প্রশাসনের সর্বশেষ লক্ষ্যবস্তু। নিজেদের অনুভূত রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের জন্য তারা আমেরিকানদের ক্ষতি করতেও প্রস্তুত।"<br>মিনেসোটার অ্যাটর্নি জেনারেল কিথ এলিসন এক্সে লিখে রলিন্সের পোস্টের প্রকাশ্যে জবাব দিয়েছেন। তিনি লেখেন: "আমি অভাবী মিনেসোটানদের কাছ থেকে আপনাকে কিছু কেড়ে নিতে দেব না। আপনার সাথে আদালতে দেখা হবে।"
** সারা ব্রাউন, [https://www.msn.com/en-us/news/politics/trump-administration-suspends-129m-in-benefit-payments-to-minnesota/ar-AA1TXw8T?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=696288fd8dbf4b68a5639be7125a980c&ei=19/"ট্রাম্প অ্যাডমিনিস্ট্রেশন সাসপেন্ডস ১২৯ মিলিয়ন ডলার ইন বেনিফিট পেমেন্টস টু মিনেসোটা"], ''দ্য গার্ডিয়ান'', ১০ জানুয়ারি ২০২৬।
* ইউএসডিএ-র এই ঘোষণা একটি ফেডারেল রায়ের সাথে মিলে যায়। সেই রায়ে বলা হয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসন মিনেসোটাসহ ডেমোক্র্যাট-নিয়ন্ত্রিত পাঁচটি রাজ্যে পৌঁছানো শিশুযত্ন ভর্তুকি এবং শিশুদের নিয়ে থাকা স্বল্প আয়ের পরিবারগুলোকে সহায়তাকারী অন্যান্য কর্মসূচির ফেডারেল অর্থ আটকাতে পারবে না। জালিয়াতির অভিযোগে ট্রাম্প প্রশাসন গত এক বছরে মিনেসোটাকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। বিশেষ করে রাজ্যের সোমালি জনগোষ্ঠীকে তারা নিশানা বানিয়েছে। ফেডারেল প্রসিকিউটরদের অনুমান, রাজ্যের সোমালি জনসংখ্যার সাথে জড়িত কথিত বিভিন্ন স্কিমের মাধ্যমে প্রায় ৯ বিলিয়ন ডলার চুরি হয়েছে। ট্রাম্প ২০২৫ সালের নভেম্বরে রাজ্যে থাকা সোমালি অভিবাসীদের আইনি সুরক্ষা বাতিল করেন। তাঁর দাবি ছিল, "সোমালি গ্যাংগুলো সেই মহান রাজ্যের মানুষকে আতঙ্কিত করে তুলছে এবং বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার নিখোঁজ। তারা যেখান থেকে এসেছে তাদের সেখানে ফেরত পাঠান।"<br>এর কিছু সময় পরই একটি মন্ত্রিসভা বৈঠকে ট্রাম্প সোমালি এবং ইলহান ওমরের ওপর ক্ষোভ ঝেড়ে বিদেশি-বিদ্বেষী মন্তব্য করেন। ইলহান ওমর সোমালিয়া থেকে আসা মিনেসোটার কংগ্রেস প্রতিনিধি এবং মার্কিন নাগরিক। প্রেসিডেন্ট বলেন, "তারা কোনো অবদান রাখে না। আমি তাদের আমাদের দেশে চাই না, আমি আপনাদের কাছে সৎ থাকব।" তিনি ওমরকে "আবর্জনা" বলে ডাকেন এবং বলেন "আমরা যদি আমাদের দেশে আবর্জনা নিতেই থাকি, তবে আমরা ভুল পথে যাব।"
** সারা ব্রাউন, [https://www.msn.com/en-us/news/politics/trump-administration-suspends-129m-in-benefit-payments-to-minnesota/ar-AA1TXw8T?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=696288fd8dbf4b68a5639be7125a980c&ei=19/"ট্রাম্প অ্যাডমিনিস্ট্রেশন সাসপেন্ডস ১২৯ মিলিয়ন ডলার ইন বেনিফিট পেমেন্টস টু মিনেসোটা"], ''দ্য গার্ডিয়ান'', ১০ জানুয়ারি ২০২৬।
* এর এক মাস পর, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, এফবিআই রাজ্যে "ফেডারেল কর্মসূচিগুলোকে কাজে লাগানো বড় পরিসরের জালিয়াতি চক্র ধ্বংস করতে" অতিরিক্ত তদন্তকারী ও কর্মী মোতায়েনের ঘোষণা দেয় বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির পরিচালক কাশ প্যাটেল। প্যাটেল বলেন, সংস্থাটি ইতোমধ্যেই ২৫ কোটি ডলারের একটি জালিয়াতি চক্র ধ্বংস করেছে। এই চক্রটি কোভিড মহামারির সময় দুর্বল শিশুদের জন্য থাকা ফেডারেল খাদ্য সহায়তা চুরি করেছিল। এই ঘটনায় ৭৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছিল এবং ৫৭ জনকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল।<br>গত সপ্তাহে ওয়ালজ ঘোষণা করেন যে তিনি তৃতীয় মেয়াদের জন্য মিনেসোটার গভর্নর হিসেবে নির্বাচন করবেন না। জালিয়াতি মোকাবিলার ধরন নিয়ে ট্রাম্প ও রিপাবলিকানদের তীব্র নজরদারিতে পড়ার কারণেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁর ঘোষণায় ওয়ালজ স্বীকার করেন যে প্রেসিডেন্ট এবং তাঁর রাজনৈতিক মিত্ররা রাজ্যে আরও বিভাজন ছড়াতে এই সংকটের সুযোগ নিয়েছে।<br>ওয়ালজ বলেন, "আমি এখানে ঘুরিয়ে কথা বলব না। ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ওয়াশিংটন, সেন্ট পল ও অনলাইনে থাকা তাঁর মিত্ররা আমাদের রাজ্যটিকে আরও শীতল ও রুক্ষ জায়গা বানাতে চায়।"
** সারা ব্রাউন, [https://www.msn.com/en-us/news/politics/trump-administration-suspends-129m-in-benefit-payments-to-minnesota/ar-AA1TXw8T?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=696288fd8dbf4b68a5639be7125a980c&ei=19/"ট্রাম্প অ্যাডমিনিস্ট্রেশন সাসপেন্ডস ১২৯ মিলিয়ন ডলার ইন বেনিফিট পেমেন্টস টু মিনেসোটা"], ''দ্য গার্ডিয়ান'', ১০ জানুয়ারি ২০২৬।
* একজন মার্কিন অভিবাসন এজেন্টের হাতে মিনেসোটায় একজন কর্মীর মারাত্মক গুলিবিদ্ধ হওয়ার প্রতিবাদে শনিবার দেশব্যাপী সমাবেশের ডাক দিয়েছে নাগরিক অধিকার এবং অভিবাসী অধিকার গোষ্ঠীগুলো। এরই মধ্যে রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষ এই হত্যাকাণ্ডের নিজস্ব তদন্ত শুরু করেছে। প্রতিবাদ আয়োজকরা জানিয়েছেন, উইকএন্ডে সারা দেশে এক হাজারেরও বেশি অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা করা হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে ইউএস ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট এজেন্টদের বড় পরিসরে মোতায়েন বন্ধের দাবিতে এসব অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। মূলত ডেমোক্রেটিক রাজনীতিবিদদের দ্বারা পরিচালিত শহরগুলোতেই এই মোতায়েন বেশি হয়েছে।<br>রিপাবলিকান প্রেসিডেন্টের সামরিকীকৃত দেশান্তর অভিযানের একটি বড় কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে মিনিয়াপলিস। গত বুধবার আইসিই কর্মকর্তা একটি আবাসিক রাস্তায় গাড়ির স্টিয়ারিং হুইলের পেছনে বসা তিন সন্তানের মা, ৩৭ বছর বয়সী রেনি গুডকে গুলি করে হত্যা করার পর এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। মিনিয়াপলিসে প্রায় ২ হাজার ফেডারেল কর্মকর্তা পাঠানোর পরপরই এই সহিংসতার ঘটনা ঘটে। আইসিই'র মূল সংস্থা হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্ট (ডিএইচএস) একে তাদের "ইতিহাসের সবচেয়ে বড় অভিযান" বলে অভিহিত করেছে। মিনেসোটার ডেমোক্রেটিক গভর্নর টিম ওয়ালজ এই মোতায়েনকে "রিয়েলিটি টিভির মাধ্যমে শাসন পরিচালনার" একটি "বেপরোয়া" উদাহরণ বলে নিন্দা জানিয়েছেন।
** রেনি হিকম্যান, স্টিভ গোরম্যান ও নাথান লেইন, [https://www.msn.com/en-us/news/us/fatal-ice-shooting-of-minneapolis-activist-sets-stage-for-national-protests/ar-AA1TWJeC?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=696250ef11b64ca2991c35ae7ad81e96&ei=17/"ফ্যাটাল আইসিই শুটিং অব মিনিয়াপলিস অ্যাক্টিভিস্ট সেটস স্টেজ ফর ন্যাশনাল প্রটেস্টস"], ''রয়টার্স'', ১০ জানুয়ারি ২০২৬।
* শুক্রবার রাতে অসংখ্য বিক্ষোভকারী মিনিয়াপলিসের একটি হোটেলের বাইরে "শব্দ প্রতিবাদ" করেছে। ধারণা করা হচ্ছে আইসিই এজেন্টদের একটি পরিদর্শনকারী দল ঐ হোটেলে অবস্থান করছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় কর্মীদের পোস্ট করা ভিডিওতে দেখা গেছে, উজ্জ্বল রঙের ফুলে ওঠা পোশাক পরা কিছু বিক্ষোভকারী ড্রাম, হাঁড়ি-পাতিল পিটিয়ে, লাউডস্পিকারে চিৎকার করে এবং পিতলের বাদ্যযন্ত্র ও বাঁশি বাজিয়ে প্রচণ্ড কোলাহল তৈরি করছে। অন্যরা হোটেলের জানালার দিকে হাই-পাওয়ার ফ্ল্যাশলাইটের আলো ফেলছিল। সিএনএনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দাঙ্গা প্রতিরোধক গিয়ার পরা হলুদ জ্যাকেটধারী রাজ্য পুলিশ এসে একে বেআইনি সমাবেশ ঘোষণা করার পর ভিড় কমতে শুরু করে।<br>এক্সে দেওয়া এক পোস্টে মিনেসোটা জননিরাপত্তা দপ্তর জানিয়েছে, "বিক্ষোভকারীরা আর শান্ত নেই এবং সম্পত্তির ক্ষতির প্রতিবেদন পাওয়া গেছে, এমন তথ্যের" ভিত্তিতেই পুলিশ কাজ করছিল। "গ্রেপ্তারের আগেই ছত্রভঙ্গ হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।" পরিবার এবং স্থানীয় কর্মীদের মতে, নিহত হওয়ার সময় গুড অসংখ্য "প্রতিবেশী টহলে"র একটিতে অংশগ্রহণ করছিলেন। এই টহল দলগুলো আইসিই'র কার্যক্রম ট্র্যাক, পর্যবেক্ষণ এবং রেকর্ড করে।<br>হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সেক্রেটারি ক্রিস্টি নোয়েম এবং ট্রাম্প প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারা বলেছেন যে গুড সারা দিন ধরে আইসিই এজেন্টদের "বাধা দিচ্ছিলেন" এবং "উত্ত্যক্ত করছিলেন।" তাঁরা আরও দাবি করেন, গুড "দেশীয় সন্ত্রাসবাদের একটি কাজ" হিসেবে তাঁর গাড়িটি ওই কর্মকর্তার দিকে তুলে দেওয়ার চেষ্টা করলে তিনি আত্মরক্ষার্থে গুলি চালান।
** রেনি হিকম্যান, স্টিভ গোরম্যান ও নাথান লেইন, [https://www.msn.com/en-us/news/us/fatal-ice-shooting-of-minneapolis-activist-sets-stage-for-national-protests/ar-AA1TWJeC?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=696250ef11b64ca2991c35ae7ad81e96&ei=17/"ফ্যাটাল আইসিই শুটিং অব মিনিয়াপলিস অ্যাক্টিভিস্ট সেটস স্টেজ ফর ন্যাশনাল প্রটেস্টস"], ''রয়টার্স'', ১০ জানুয়ারি ২০২৬।
* মিনিয়াপলিসের ডেমোক্রেটিক মেয়র জ্যাকব ফ্রে প্রত্যক্ষদর্শীদের ভিডিওর দিকে নির্দেশ করেছেন। তাঁর মতে এই ভিডিও ফেডারেল সরকারের "আবর্জনা ন্যারেটিভের" সরাসরি বিরোধিতা করে। নাগরিক অধিকার কর্মীরা জানিয়েছেন, ভিডিওটি থেকে স্পষ্ট যে ফেডারেল এজেন্টদের প্রাণঘাতী শক্তি ব্যবহারের কোনো যুক্তিই ছিল না।<br>গোলাগুলির ঘটনার তীব্র ভিন্ন ভিন্ন বর্ণনার মাঝে মিনেসোটা এবং হেনেপিন কাউন্টির আইন প্রয়োগকারী কর্তৃপক্ষ শুক্রবার জানিয়েছে যে, তারা এফবিআই'র নেতৃত্বাধীন ফেডারেল তদন্তের বাইরে ঘটনাটির নিজস্ব ফৌজদারি তদন্ত শুরু করছে। ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সসহ ট্রাম্প প্রশাসনের কিছু কর্মকর্তা দাবি করেছেন, একজন ফেডারেল কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অপরাধের অভিযোগ আনার এখতিয়ার রাষ্ট্রীয় প্রসিকিউটরদের নেই। তবে আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ধরনের ক্ষেত্রে ফেডারেল দায়মুক্তি স্বয়ংক্রিয়ভাবে পাওয়া যায় না।<br>গত বছর ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সময় ট্রাম্প ও তাঁর রিপাবলিকান মিত্রদের "অদ্ভুত" বলে আখ্যা দেন ওয়ালজ। তিনি ট্রাম্পের একজন কট্টর সমালোচক হিসেবে পরিচিত। এই সংকটময় পরিস্থিতিতে ওয়ালজ রাজ্যের ন্যাশনাল গার্ডকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন।<br>ওরেগনের পোর্টল্যান্ডে একটি গাড়ি থামানোর চেষ্টার পর ইউএস বর্ডার পেট্রল এজেন্ট গাড়িতে থাকা এক পুরুষ ও নারীকে গুলি করে আহত করলে বৃহস্পতিবার ফেডারেল-রাজ্য উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়। মিনিয়াপলিসের ঘটনার মতোই ডিএইচএস জানিয়েছে, গাড়িচালক তাঁর গাড়িটিকে "অস্ত্র" হিসেবে ব্যবহার করে এজেন্টদের ওপর তুলে দেওয়ার চেষ্টা করেন। শুক্রবার ডিএইচএস আহত চালক এবং যাত্রীকে ভেনেজুয়েলার সন্দেহভাজন গ্যাং সদস্য হিসেবে চিহ্নিত করেছে, যারা বেআইনিভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ছিল। সংস্থাটি জানায়, ওই নারী এর আগে পোর্টল্যান্ডে একটি গোলাগুলির ঘটনায় জড়িত ছিলেন। তবে সংস্থাটি তাদের এই অভিযোগের সপক্ষে কোনো প্রমাণ দেয়নি।
** রেনি হিকম্যান, স্টিভ গোরম্যান ও নাথান লেইন, [https://www.msn.com/en-us/news/us/fatal-ice-shooting-of-minneapolis-activist-sets-stage-for-national-protests/ar-AA1TWJeC?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=696250ef11b64ca2991c35ae7ad81e96&ei=17/"ফ্যাটাল আইসিই শুটিং অব মিনিয়াপলিস অ্যাক্টিভিস্ট সেটস স্টেজ ফর ন্যাশনাল প্রটেস্টস"], ''রয়টার্স'', ১০ জানুয়ারি ২০২৬।
* ফ্রে'র সাথে সুর মিলিয়ে পোর্টল্যান্ডের মেয়র কিথ উইলসন বলেন, কোনো স্বাধীন তদন্ত ছাড়া সরকারের বর্ণনা কতটা বাস্তবতার ওপর প্রতিষ্ঠিত সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত হতে পারছেন না। ২০২০ সালে শিশুযত্ন ও অন্যান্য সমাজসেবামূলক কর্মসূচি পরিচালনাকারী কিছু অলাভজনক গোষ্ঠীর জালিয়াতির অভিযোগের জেরে ট্রাম্প সম্প্রতি ওয়ালজ এবং তাঁর রাজ্যের বিপুল সোমালি অভিবাসীর তীব্র সমালোচনা করেন। এরপরই মিনিয়াপলিসে এজেন্ট মোতায়েন করা হয়। ২০২০ সালের মে মাসে মিনিয়াপলিসের একজন পুলিশ কর্মকর্তা হাঁটু দিয়ে গলা চেপে জর্জ ফ্লয়েডকে যেখানে হত্যা করেন, তার মাত্র কয়েক ব্লক দূরে গুডকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। ফ্লয়েডকে হত্যার ভিডিও ধারণ করা হয়েছিল। তাঁর মৃত্যু ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে কয়েক মাস ধরে দেশব্যাপী বর্ণবাদী-বিচারের দাবিতে বিক্ষোভের আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছিল।<br>মিনিয়াপলিসের ঘটনার একজন প্রত্যক্ষদর্শীর ভিডিওতে দেখা যায়, গুডের হোন্ডা এসইউভি গাড়িটি রাস্তার সাথে আড়াআড়িভাবে থেমে থেকে আংশিকভাবে রাস্তা আটকে রেখেছে। আর মুখোশ পরা কর্মকর্তারা সেটির দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন। একজন এজেন্টকে তাঁকে গাড়ি থেকে বের হওয়ার নির্দেশ দিতে এবং চালকের দিকের সামনের দরজার হাতল ধরতে দেখা যায়। এ সময় গাড়িটি সামনের দিকে এগিয়ে গিয়ে কর্মকর্তাদের কাছ থেকে দূরে সরে যায়। ঠিক সে সময় একজন এজেন্ট লাফ দিয়ে পেছনে সরে যান এবং চলন্ত গাড়িটির সামনের দিকে তিনটি গুলি ছোড়েন।
** রেনি হিকম্যান, স্টিভ গোরম্যান ও নাথান লেইন, [https://www.msn.com/en-us/news/us/fatal-ice-shooting-of-minneapolis-activist-sets-stage-for-national-protests/ar-AA1TWJeC?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=696250ef11b64ca2991c35ae7ad81e96&ei=17/"ফ্যাটাল আইসিই শুটিং অব মিনিয়াপলিস অ্যাক্টিভিস্ট সেটস স্টেজ ফর ন্যাশনাল প্রটেস্টস"], ''রয়টার্স'', ১০ জানুয়ারি ২০২৬।
* যে কর্মকর্তা গুলি ছুড়েছিলেন, তার ধারণ করা ভিডিওতে গুডকে শান্ত দেখাচ্ছিল। সরকারি মন্তব্য এবং সরকারি রেকর্ডের মাধ্যমে ওই কর্মকর্তাকে জোনাথন রস হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। ভিডিওতে গুডকে বলতে শোনা যায়, "ঠিক আছে, বন্ধু, আমি তোমার ওপর রাগ করিনি"—এর কিছুক্ষণ পরই গুড গাড়ি নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে গেলে ওই কর্মকর্তা গুলি ছোড়েন। নোয়েম জানিয়েছেন, ওই কর্মকর্তাকে অজ্ঞাত জখমের জন্য স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীর ভিডিওতে মনে হয়েছে, তিনি গুডকে গুলি করার আগেই গাড়ির সামনের বাম্পারটি রসকে অতিক্রম করে যায়। গাড়িটি তার সাথে ধাক্কা খেয়েছিল কি না, তা কোনো ফুটেজ থেকেই পরিষ্কার নয়। যা-ই হোক না কেন, ঘটনার পর রসকে নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে থাকতে এবং হাঁটতে দেখা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রাম্পের সেই দাবির সাথে সাংঘর্ষিক যেখানে তিনি বলেছিলেন যে ওই নারী "আইসিই কর্মকর্তার ওপর গাড়ি তুলে দেন।"<br>এই সপ্তাহে ডিএইচএস সংক্রান্ত দুটি গোলাগুলির ঘটনা মিনিয়াপলিস, পোর্টল্যান্ড এবং অন্যান্য মার্কিন শহরের রাস্তায় হাজার হাজার বিক্ষোভকারীকে টেনে এনেছে। শনি ও রবিবার "আইস আউট ফর গুড" ব্যানারে আরও অনেক বিক্ষোভের পরিকল্পনা করা হয়েছে।<br>আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন, মুভঅন সিভিক অ্যাকশন, ভোটো ল্যাটিনো এবং ইনডিভিজিবলসহ বিভিন্ন গোষ্ঠীর একটি জোট এই সমাবেশগুলোর আয়োজন করছিল। এগুলোর মধ্যে কয়েকটি গ্রুপ গত বছর ট্রাম্পের বিরুদ্ধে "নো কিংস" বিক্ষোভের অগ্রভাগে ছিল।
** রেনি হিকম্যান, স্টিভ গোরম্যান ও নাথান লেইন, [https://www.msn.com/en-us/news/us/fatal-ice-shooting-of-minneapolis-activist-sets-stage-for-national-protests/ar-AA1TWJeC?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=696250ef11b64ca2991c35ae7ad81e96&ei=17/"ফ্যাটাল আইসিই শুটিং অব মিনিয়াপলিস অ্যাক্টিভিস্ট সেটস স্টেজ ফর ন্যাশনাল প্রটেস্টস"], ''রয়টার্স'', ১০ জানুয়ারি ২০২৬।
* মিনিয়াপলিসে অসময়ের উষ্ণ এক বুধবারে, একজন ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট এজেন্ট এক নারীর মুখে গুলি করেছে। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে নজরদারির নানা চোখ বিভিন্ন কোণ থেকে এই ঘটনাটি রেকর্ড করেছে। তিন সন্তানের মা, ৩৭ বছর বয়সী রেনি নিকোল গুড বরফে ঢাকা একটি রাস্তায় তাঁর মেরুন রঙের এসইউভি গাড়িটি থামিয়েছিলেন, যেখানে অনেক আইসিই কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, মুখোশ পরা কয়েকজন পুরুষ তাঁকে পরস্পরবিরোধী নির্দেশ দিয়ে চিৎকার করছিলেন: অন্তত একজন তাঁকে গাড়ি থেকে বের হতে নির্দেশ দেন এবং তাঁর গাড়ির দরজা খোলার চেষ্টা করেন; অন্যজন তাঁকে গাড়ি চালিয়ে চলে যেতে বলেন। মনে হচ্ছে গুড তাঁর গাড়িটি ঘিরে থাকা এজেন্টদের পাশ কাটিয়ে ধীরে ধীরে এগোতে চেষ্টা করছিলেন। মনে হলো তিনি প্রথমে কাউকে সরে যেতে হাত নেড়ে ইশারা করলেন, এরপর একটু পেছনে গিয়ে এজেন্টদের থেকে মুখ ঘুরিয়ে রাস্তা ধরে এগোতে চাইলেন। মনে হলো গাড়ির সামনের বাম্পারের ধাক্কায় ছিটকে পড়া একজন আইসিই এজেন্ট তাঁর গাড়িতে গুলি ছুড়ে এর জবাব দেন। হঠাৎ চালকবিহীন হয়ে পড়া গাড়িটি সামনের একটি পার্ক করা গাড়িতে ধাক্কা খেলে তিনি আবার গুলি ছোড়েন।<br>চারপাশে এক বিশৃঙ্খলা ছড়িয়ে পড়ে। নিজেকে একজন চিকিৎসক দাবি করে এক ব্যক্তি প্রাথমিক চিকিৎসা দিতে ঘটনাস্থলের দিকে ছুটে যান। কিন্তু একজন আইসিই এজেন্ট তাকে পিছিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন। ১৫ মিনিট পর পায়ে হেঁটে জরুরি চিকিৎসা কর্মীরা এসে পৌঁছালে তারা গুডের রক্তাক্ত দেহটি গাড়ির চালকের আসন থেকে কোনোরকমে টেনে বের করেন। সেখানে তখন কেবল রক্তমাখা একটি এয়ারব্যাগ পড়ে থাকে। উপস্থিত জনতা সাথে সাথে ক্ষোভ ও রাগে ফেটে পড়ে। তারা এজেন্টদের দিকে চিৎকার করে এবং গালাগালি করতে শুরু করে। এক লোক বারবার "খুনি! খুনি!" বলে চিৎকার করছিল। এসইউভির কাছাকাছি থাকা গুডের সঙ্গীকে কাঁদতে কাঁদতে বলতে শোনা যায় যে, গুড ছিলেন তার স্ত্রী, তাদের ৬ বছরের বাচ্চাটা তখন স্কুলে, এবং তারা শহরে নতুন, কাউকেই চেনে না, সাহায্য চাওয়ার মতো তাদের কেউ নেই।<br>'''এই আতঙ্কটি যুক্তিযুক্ত ছিল। ডোনাল্ড ট্রাম্পের গণ-দেশান্তর প্রকল্পের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সীমা অতিক্রম করার সাক্ষী ছিলেন ঘটনাস্থলে থাকা সবাই: আইসিই ঠিক এইমাত্র আমেরিকার মাটিতে একজন আমেরিকান নাগরিককে হত্যা করেছে।'''<br>'''এরপর থেকে প্রশাসন ঘোষণা করেছে যে, এজেন্ট "নিরঙ্কুশ দায়মুক্তি দ্বারা সুরক্ষিত"—এর অর্থ যা-ই হোক না কেন। এটি হাজার হাজার নতুন, ভারী অস্ত্রে সজ্জিত এবং যৎসামান্য প্রশিক্ষণ পাওয়া কর্মী নিয়ে ফুলেফেঁপে ওঠা একটি সংস্থার প্রতি নিঃশর্ত সমর্থনের সংকেত। বছরে ১০ লাখ অভিবাসীকে দেশান্তরের ট্রাম্পের লক্ষ্য পূরণে সাহায্য করতে এদের সারা দেশে মোতায়েন করা হয়েছে। গুডের মৃত্যুর মতো ঘটনাগুলো আরও মারাত্মক সংঘাতের মঞ্চ তৈরি করছে। প্রশাসন একই ধরনের মিথ্যা অজুহাতে সেসবের পক্ষে সাফাই গাইবে বলে ধরে নেওয়াই যায়। বুধবার সকালে যা বোঝা যায়নি, তা এখন বেশ স্পষ্ট: এই এজেন্টরা জনগণের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নেমেছে এবং বেশ কিছুদিন ধরেই তারা এই যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে।'''
** এলিজাবেথ ব্রুনিগ, [https://www.msn.com/en-us/news/us/this-will-happen-again/ar-AA1TWUxS?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=6962531da0a7499c8687f2c9df9f4110&ei=12?/"দিস উইল হ্যাপেন এগেইন"], ''দ্য আটলান্টিক'', ১০ জানুয়ারি ২০২৬।
* হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্ট এবং যে সম্প্রদায়গুলোতে তারা মানুষকে সরাসরি দেশান্তরের উদ্দেশ্যে আটক করতে প্রতিনিয়ত অভিযান চালায়—তাদের মধ্যে কয়েক মাস ধরে চলতে থাকা উত্তেজনারই চূড়ান্ত রূপ ছিল গুডের এই হত্যাকাণ্ড। কয়েক মাসের মধ্যে আইসিই'র কর্মী সংখ্যা দ্বিগুণেরও বেশি করার পর, ডিএইচএস লোকদেখানো উদ্বেগ প্রকাশ করে বলছিল যে এই এজেন্টরা কীভাবে "সবচেয়ে নিকৃষ্টদের তাড়িয়ে দিতে নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিচ্ছে।" পেছনের দিকে তাকালে এখন সেই উদ্বেগগুলোকে হুমকির মতোই মনে হয়—যেন সর্বোচ্চ সহিংসতা চালানোর জন্য একটি আগাম অজুহাত।<br>ট্রাম্প প্রশাসন তাৎক্ষণিকভাবে গুডের হত্যাকাণ্ডকে আইসিই এজেন্টের আত্মরক্ষার একটি পদক্ষেপ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। মিনেসোটা স্টার ট্রিবিউন ওই এজেন্টকে জোনাথন রস হিসেবে শনাক্ত করেছে, যিনি এই সংস্থার একজন ১০ বছরের অভিজ্ঞ কর্মী এবং স্পেশাল রেসপন্স টিমের সদস্য। বুধবার রাতে ঘটনার ফুটেজ প্রকাশের পর ট্রাম্প মাগার ঢঙে তার ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন: "সে তার ওপর গাড়ি তুলে দিয়েছিল।" বাস্তবে ভিডিওতে দেখা যায় রস সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন।<br>এক সংবাদ সম্মেলনে ডিএইচএস সেক্রেটারি ক্রিস্টি নোয়েম দাবি করেন যে গুড সারা দিন ধরে আইসিই এজেন্টদের "বাধা ও উত্ত্যক্ত" করার কারণেই তাকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন গুড "দেশীয় সন্ত্রাসবাদের" একটি অংশ হিসেবে "তার গাড়িটিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করার" চেষ্টা করেন। বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ক্যারোলিন লেভিট যখন প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক অবস্থান তুলে ধরেন, তখন গল্পটি আরও জটিল আকার ধারণ করেছিল। লেভিট দাবি করেন যে গুড "সারা দেশে ছড়িয়ে পড়া বৃহত্তর ও অশুভ বামপন্থী আন্দোলনের অংশ ছিলেন, যেখানে ফেডারেল আইন প্রয়োগকারী সংস্থার আমাদের সাহসী নারী ও পুরুষরা সংঘবদ্ধ হামলার শিকার হচ্ছেন।" আর তাই একটি বিপজ্জনক ষড়যন্ত্রের লক্ষ্যবস্তু হওয়ায় রস কেবল আত্মরক্ষার্থেই কাজ করেন।
** এলিজাবেথ ব্রুনিগ, [https://www.msn.com/en-us/news/us/this-will-happen-again/ar-AA1TWUxS?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=6962531da0a7499c8687f2c9df9f4110&ei=12?/"দিস উইল হ্যাপেন এগেইন"], ''দ্য আটলান্টিক'', ১০ জানুয়ারি ২০২৬।
* ভুল স্বীকারের সবচেয়ে কাছাকাছি এসে বৃহস্পতিবার জে. ডি. ভ্যান্স সাংবাদিকদের জানান, রস কয়েক মাস আগে একটি গাড়ির সাথে হওয়া এক ঘটনায় জড়িয়েছিলেন। সেসময় তাকে ১০০ গজ পর্যন্ত টেনে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল এবং পরে তার শরীরে অসংখ্য সেলাই দিতে হয়েছিল: "তাহলে আপনারা কি মনে করেন কেউ গাড়ি নিয়ে তাকে ধাক্কা দিলে তিনি কিছুটা সংবেদনশীল হয়ে পড়তে পারেন?" এই মন্তব্যগুলোকে খুব স্বাভাবিকভাবেই এমন ইঙ্গিত হিসেবে নেওয়া যেতে পারে যে গুডকে গুলি করার রসের সিদ্ধান্তটি ছিল অতীত ট্রমাজনিত একটি আবেগপ্রবণ ও অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়া। কিন্তু এরপর ভ্যান্স কথা ঘুরিয়ে বলেন: রস "কৃতজ্ঞতা পাওয়ার যোগ্য।" অন্য কথায়, রস যদি ভুলও করে থাকেন, তবুও গুডের মৃত্যু প্রশাসনের সমর্থনের সিলমোহর বহন করে।
** এলিজাবেথ ব্রুনিগ, [https://www.msn.com/en-us/news/us/this-will-happen-again/ar-AA1TWUxS?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=6962531da0a7499c8687f2c9df9f4110&ei=12?/"দিস উইল হ্যাপেন এগেইন"], ''দ্য আটলান্টিক'', ১০ জানুয়ারি ২০২৬।
* '''এরপর থেকে মিনিয়াপলিসে হাজার হাজার বিক্ষোভকারী রাস্তায় নেমে এসেছে। এর জবাবে আইসিই এজেন্টরা কাউকে গ্রেপ্তার করেছে, কাউকে মাটিতে ধাক্কা দিয়ে ফেলেছে এবং তাদের মুখে রাসায়নিক স্প্রে করেছে। এসব ঘটনা দেশব্যাপী গণবিক্ষোভের আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছে। বিক্ষোভকারীরা "লজ্জা" এবং "খুনি" বলে স্লোগান দিয়েছে, ড্রাম বাজিয়েছে, ধাতব বাঁশি বাজিয়ে চিৎকার করেছে এবং এমন সব প্ল্যাকার্ড উঁচু করে ধরেছে যা আর অস্বীকার করার উপায় নেই: আইসিই খুন করে।'''<br>'''তাই বৃহস্পতিবার রাতে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্ট যখন ওরেগনের পোর্টল্যান্ডে একটি নির্দিষ্ট ট্রাফিক স্টপে বর্ডার প্যাট্রোল অফিসারদের দুজনের ওপর গুলি চালানোর বিষয়টি নিশ্চিত করে একটি বিবৃতি দেয়, তখন একে বেশ ভয়ানকভাবেই অবধারিত বলে মনে হয়েছিল। এক্সে দেওয়া পোস্টে বলা হয়, "এজেন্টরা যখন গাড়ির যাত্রীদের কাছে নিজেদের পরিচয় দেন, তখন চালক তার গাড়িটিকে অস্ত্র বানিয়ে আইন প্রয়োগকারী এজেন্টদের ওপর তুলে দেওয়ার চেষ্টা করেন।" এই যুক্তির প্রতিধ্বনি থামানোর মতো কোনো উপায় নেই, এবং বারবার এই একই কথা শোনার জন্য আমাদের প্রস্তুত থাকা উচিত। এমন সময়ও হয়তো আসতে পারে যখন প্রশাসন কোনো ধরনের ব্যাখ্যা দেওয়ারই প্রয়োজন বোধ করবে না।'''
** এলিজাবেথ ব্রুনিগ, [https://www.msn.com/en-us/news/us/this-will-happen-again/ar-AA1TWUxS?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=6962531da0a7499c8687f2c9df9f4110&ei=12?/"দিস উইল হ্যাপেন এগেইন"], ''দ্য আটলান্টিক'', ১০ জানুয়ারি ২০২৬।
* শুক্রবার ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ডের প্রতি তাঁর হুমকি অব্যাহত রাখেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে রাশিয়া বা চীন এটি দখল করতে পারে। ট্রাম্প বলেন, "সহজ পথে" তিনি যদি ভূখণ্ডটি অধিগ্রহণের চুক্তি করতে না পারেন, তবে তাঁকে "কঠিন পথেই" তা করতে হবে। হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, "তারা পছন্দ করুক বা না করুক, আমরা গ্রিনল্যান্ডে কিছু একটা করতে যাচ্ছি। কারণ আমরা তা না করলে, রাশিয়া বা চীন গ্রিনল্যান্ড দখল করে নেবে। আর আমরা রাশিয়া বা চীনকে প্রতিবেশী হিসেবে পেতে চাই না।" বিরোধী দলসহ গ্রিনল্যান্ডের দলীয় নেতারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেছেন: "আমরা আমেরিকান হতে চাই না, আমরা ড্যানিশও হতে চাই না, আমরা গ্রিনল্যান্ডার হতে চাই। গ্রিনল্যান্ডের ভবিষ্যৎ গ্রিনল্যান্ডের জনগণকেই নির্ধারণ করতে হবে।"<br>কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ডেনিশ-নিয়ন্ত্রিত এই অঞ্চলটি নিয়ে নতুন করে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। একে মার্কিন নিয়ন্ত্রণে আনার বিভিন্ন উপায় নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট এবং তাঁর হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারা আলোচনা করছেন। সামরিক হস্তক্ষেপের বিষয়টিও তাঁরা উড়িয়ে দিচ্ছেন না। গ্রিনল্যান্ড ও ডেনমার্ক সরকার প্রকাশ্যে এবং ব্যক্তিগতভাবে জোর দিয়ে বলে আসছে যে এটি বিক্রির জন্য নয়। যুক্তরাষ্ট্র বলপ্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখলের সিদ্ধান্ত নিলে অন্যান্য ন্যাটো সদস্য কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানাবে, তা এখনও অস্পষ্ট। ইউরোপীয় নেতারা সতর্ক করেছেন যে এ ধরনের পদক্ষেপে সামরিক জোটের ওপর মারাত্মক পরিণতি নেমে আসবে। ফ্রান্স, জার্মানি, যুক্তরাজ্য, ইতালি, পোল্যান্ড ও স্পেনের নেতারা এক যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছেন, গ্রিনল্যান্ড কেবল এর নিজস্ব জনগণের।
** সোফি ট্যানো ও সামান্থা ওয়ালডেনবার্গ, [https://www.msn.com/en-us/news/world/us-will-take-greenland-the-hard-way-if-it-can-t-do-it-the-easy-way-trump-says/ar-AA1TWGOT?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=69625c4896054da3ba7ee0f19ca4ee4c&ei=39/"ইউএস উইল টেক গ্রিনল্যান্ড দ্য 'হার্ড ওয়ে' ইফ ইট কান্ট ডু ইট দ্য 'ইজি ওয়ে,' ট্রাম্প সেইস"], সিএনএন, ১০ জানুয়ারি ২০২৬।
* ট্রাম্প বলেন, "আমি সহজ পথে চুক্তি করতে চাই। কিন্তু আমরা সহজ পথে করতে না পারলে কঠিন পথেই তা করব। আর সত্যি বলতে, আমি ডেনমার্কেরও ভক্ত। আপনাদের বলতে চাই, তারা আমার সাথে খুব ভালো আচরণ করেছে। আমি তাদের অনেক বড় ভক্ত।" ভবিষ্যতে রাশিয়া বা চীনের গ্রিনল্যান্ড দখল ঠেকাতে এই পদক্ষেপ জরুরি বলে তিনি দাবি করেন। গ্রিনল্যান্ডবাসীদের যুক্তরাষ্ট্রে যোগ দিতে রাজি করাতে যুক্তরাষ্ট্র অর্থ প্রদানের কথা ভাবছে কি না, এমন একটি সাম্প্রতিক প্রতিবেদনের বিষয়ে জানতে চাইলে ট্রাম্প বলেন, "আমি এখনও গ্রিনল্যান্ডের জন্য অর্থের কথা বলছি না।"<br>অনেক গ্রিনল্যান্ডবাসী অর্থের বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হওয়ার ধারণাটি ইতোমধ্যেই প্রত্যাখ্যান করেছেন। রাজধানী নুকের এক বাসিন্দা সাইমন চেলস্কভ রয়টার্সকে বলেন, "না, ধন্যবাদ। এটা একেবারে নিশ্চিত যে আমরা এমনটা চাই না।" জুনো মাইকেলসেন নামের আরেক বাসিন্দা বলেন, "দুনিয়ার যত অর্থই দেওয়া হোক না কেন, আমরা না বলব। এটি আমাদের এবং কেবল আমাদেরই।"<br>বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তাদের সাথে গ্রিনল্যান্ড ও ডেনমার্কের ওয়াশিংটন-ভিত্তিক শীর্ষ কূটনীতিকরা বৈঠক করেছেন। এ বিষয়ে অবগত কূটনীতিকরা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত জেসপার মোলার সোরেনসেন এবং যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত গ্রিনল্যান্ডের প্রধান প্রতিনিধি জ্যাকব ইসবোসেথসেন ট্রাম্পের উপদেষ্টাদের সাথে দেখা করেছেন। রয়টার্সের দেখা শুক্রবার রাতে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেন্স-ফ্রেডরিক নিলসেন অন্য চার দলীয় নেতার সাথে মিলে আধা-স্বায়ত্তশাসিত এই ভূখণ্ডটি অধিগ্রহণের ব্যাপারে ট্রাম্পের আহ্বান আবারও প্রত্যাখ্যান করেছেন। নেতারা জানান, ট্রাম্প প্রশাসনের হুমকির জবাব নিয়ে আলোচনা করতে গ্রিনল্যান্ডের পার্লামেন্ট 'ইনাতসিসারতুত'-এর একটি পরিকল্পিত বৈঠক এগিয়ে আনা হবে। বৈঠকের তারিখ এখনও নির্ধারণ করা হয়নি। গ্রিনল্যান্ডের পার্লামেন্ট সর্বশেষ নভেম্বরে বসেছিল এবং আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি আবার বসার কথা ছিল।
** সোফি ট্যানো ও সামান্থা ওয়ালডেনবার্গ, [https://www.msn.com/en-us/news/world/us-will-take-greenland-the-hard-way-if-it-can-t-do-it-the-easy-way-trump-says/ar-AA1TWGOT?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=69625c4896054da3ba7ee0f19ca4ee4c&ei=39/"ইউএস উইল টেক গ্রিনল্যান্ড দ্য 'হার্ড ওয়ে' ইফ ইট কান্ট ডু ইট দ্য 'ইজি ওয়ে,' ট্রাম্প সেইস"], সিএনএন, ১০ জানুয়ারি ২০২৬।
* শনিবার বিকেলে মিনিয়াপলিসের দক্ষিণ দিকের তাজা বরফে ঢাকা একটি পার্কে কয়েক হাজার বিক্ষোভকারী জড়ো হন। রেনি গুড এই জায়গার কাছাকাছি থাকতেন এবং এখানেই তিনি মারাত্মকভাবে গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন। তারা স্লোগান দিচ্ছিলেন, "তার নাম বলুন: রেনি গুড!" এবং "আমরা আইসিই-কে মেনে নেব না!" সেখানে শিশুদের নিয়ে মায়েরা ছিলেন, ক্যারিয়ারে বাচ্চাদের নিয়ে পরিবারের সদস্যরা ছিলেন। প্রবীণরাও নিজেদের হাতে তৈরি প্ল্যাকার্ড ধরে ছিলেন। সেগুলোতে লেখা ছিল "আইসিই রেনি গুডকে খুন করেছে" এবং "এজেন্ট জোনাথন রসকে অভিযুক্ত করো"। আদালতের নথিপত্র থেকে জানা গেছে জোনাথন রসই সেই মার্কিন ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট কর্মকর্তা, যিনি গুডকে হত্যা করেছেন। বস্টন, নিউইয়র্ক সিটি, অস্টিন এবং ফিলাডেলফিয়াসহ দেশের বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভকারীরা রাস্তায় নেমেছিলেন। এর অনেকগুলোই "আইস আউট ফর গুড" নামে প্রগতিশীল গোষ্ঠী 'ইনডিভিজিবল' আয়োজন করেছিল।<br>শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ প্রধান ব্রায়ান ও'হারা বলেন, মিনিয়াপলিসে সাম্প্রতিক দিনগুলোর বিক্ষোভ "গত রাত পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ ছিল।" ও'হারা জানান, শুক্রবার রাতে আইসিই এজেন্টরা অবস্থান করছেন বলে ধারণা করা একটি হোটেলের বাইরে বিক্ষোভ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। কিছু ব্যক্তি সম্পত্তির ক্ষতি করে এবং রাতভর তারা কর্মকর্তাদের দিকে বরফ ও পাথর ছুড়ে মারে।<br>পুলিশ ২৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে এবং বরফের চাঁইয়ের আঘাতে অন্তত একজন কর্মকর্তা আহত হয়েছেন বলে ও'হারা জানিয়েছেন। মিনিয়াপলিসের মেয়র জ্যাকব ফ্রে বিক্ষোভকারীদের শান্তিপূর্ণ থাকার এবং সহিংসতা বাড়ানোর "ফাঁদে পা না দেওয়ার" আহ্বান জানান। শনিবার ফ্রে বলেন, "আমরা অনেক আশার আলো দিয়ে এক বিশাল হতাশার মোকাবিলা করছি।" তিনি আরও বলেন, "আমরা সঠিক কাজ করছি। আমরা কৌশলগতভাবে এগোচ্ছি। আর হ্যাঁ, যারা কৌশলগতভাবে এগোচ্ছে না... তাদের জন্য এর পরিণতি অপেক্ষা করছে।"
** মলি হেনেসি-ফিস্ক, অ্যাঞ্জি ওরেলানা হার্নান্দেজ ও উইল ওরেমাস, [https://www.msn.com/en-us/news/us/thousands-protest-ice-presence-in-minneapolis-and-cities-nationwide/ar-AA1TXW6R?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=6963661c28904bd98d50319d0aeeb238&ei=16/"থাউজেন্ডস প্রোটেস্ট আইসিই প্রেজেন্স ইন মিনিয়াপলিস অ্যান্ড সিটিস নেশনওয়াইড"], ''দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট'', ১০ জানুয়ারি ২০২৬।
* গুডকে গুলির ঘটনায় মিনেসোটা ব্যুরো অফ ক্রিমিনাল অ্যাপ্রিহেনশন জানায় যে, এফবিআই তাদের মামলার ফাইল, ঘটনাস্থলের প্রমাণ এবং সাক্ষীদের সাক্ষাৎকারে প্রবেশাধিকার বাতিল করছে। এরপরে কীভাবে এর জবাব দেওয়া যায় তা নিয়ে রাজ্য প্রশাসনও হিমশিম খাচ্ছে। ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা এই ঘটনাটিকে একটি ফেডারেল বিষয় বলে আখ্যা দিয়েছেন। তবে রাষ্ট্রীয় প্রসিকিউটররা বলছেন এটি তাদের এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে। এফবিআই যেসব প্রমাণ তাদের সাথে শেয়ার করবে না, সেগুলো সংগ্রহ করার চেষ্টায় তারা শুক্রবার ঘোষণা করেছেন যে তারা নিজেরাই এই গোলাগুলির ঘটনার পর্যালোচনা করবেন। আইসিই কর্মকর্তা গুডকে গুলি করে হত্যা করার সময় সেলফোনে যে ফুটেজ ধারণ করেন, তা-সহ তীব্র বিতর্কের জন্ম দেওয়া এই গোলাগুলির ঘটনার ভিডিও ধীরে ধীরে সামনে এসেছে।<br>৪৭ সেকেন্ডের এই রেকর্ডিংয়ে প্রথমবারের মতো দেখা যায় যে রেনি গুড গুলি করার আগে রসের সাথে কথা বলেছিলেন। এতে আরও প্রকাশ পায় যে, গুলি চালানোর ঠিক এক মুহূর্ত আগে গুডের স্ত্রী তাঁকে ঘটনাস্থল থেকে গাড়ি চালিয়ে চলে যাওয়ার অনুরোধ করেন। প্রশাসনের দাবি অনুযায়ী গুডের এসইউভি রসের সাথে ধাক্কা খেয়েছিল কি না, তা এতে দেখা যায়নি। শুক্রবার ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেন, এই ভিডিও রসকে নির্দোষ প্রমাণ করে। এক্সে দেওয়া পোস্টে ভ্যান্স লেখেন, "বাস্তবতা হলো তাঁর জীবন বিপন্ন ছিল এবং তিনি আত্মরক্ষার্থে গুলি চালান।"<br>শুক্রবার মিনেসোটার অ্যাটর্নি জেনারেল কিথ এলিসন বলেছেন, "সৎ উদ্দেশ্যে" এই গোলাগুলির ঘটনা নিয়ে এখনই কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো খুব তাড়াহুড়ো হয়ে যাবে। কারণ এখনও অনেক প্রমাণ মূল্যায়ন করা বাকি। শনিবার বিক্ষোভকারীদের মাথায় ছিল তদন্ত কীভাবে এগোবে সেই চিন্তা। ২৮ বছর বয়সী নোরা সোনবর্ন, যিনি কাছাকাছিই থাকেন এবং প্রশাসনে কাজ করেন, তিনি "মেল্ট দ্য আইস (বরফ গলাও/আইসিই-কে দূর করো)" লেখা একটি হাতে আঁকা প্ল্যাকার্ড ধরে রেখেছিলেন। তিনি বলেন, "আমাদের সম্প্রদায়ের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। আমি এখানে এসেছি কারণ মাঝে মাঝে মনে হয় এমন কিছু করার নেই যা আপনি করতে পারেন।" রাজ্য কর্তৃপক্ষকে গোলাগুলির ঘটনার তদন্ত থেকে বাদ দেওয়ার এফবিআইয়ের পদক্ষেপকে তিনি "হাস্যকর" বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, "আমাদের বাড়িতে একটি অপরাধ সংঘটিত হয়েছে এবং এর তদন্ত করার পুরো অধিকার আমাদের রয়েছে।"
** মলি হেনেসি-ফিস্ক, অ্যাঞ্জি ওরেলানা হার্নান্দেজ ও উইল ওরেমাস, [https://www.msn.com/en-us/news/us/thousands-protest-ice-presence-in-minneapolis-and-cities-nationwide/ar-AA1TXW6R?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=6963661c28904bd98d50319d0aeeb238&ei=16/"থাউজেন্ডস প্রোটেস্ট আইসিই প্রেজেন্স ইন মিনিয়াপলিস অ্যান্ড সিটিস নেশনওয়াইড"], ''দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট'', ১০ জানুয়ারি ২০২৬।
* শনিবার সকালে বিক্ষোভস্থল থেকে প্রায় পাঁচ মাইল দূরে মিনিয়াপলিস এলাকার একটি ফেডারেল ভবনের বাইরে মার্কিন আইনপ্রণেতা এবং সশস্ত্র ফেডারেল কর্মকর্তাদের মধ্যে সংক্ষিপ্ত সময় ধরে একটি উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। পরে সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্ট এবং মিডিয়ার সাক্ষাৎকারে মিনেসোটার তিনজন ডেমোক্রেটিক নারী কংগ্রেস সদস্য বলেন, তাঁরা একটি আঞ্চলিক আইসিই ফিল্ড অফিসের পরিস্থিতি তদারকি করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু কর্মকর্তারা তাঁদের বেরিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়ার আগে সামান্য সময়ের জন্যই তাঁদের ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হয়েছিল।<br>ঘটনাস্থলে সাংবাদিকদের পোস্ট করা ভিডিওতে দেখা গেছে, প্রতিনিধি ইলহান ওমর, অ্যাঞ্জি ক্রেগ এবং কেলি মরিসন কেন্দ্রটির গেটের বাইরে দাঁড়িয়ে আছেন। অন্যদিকে কৌশলগত গিয়ার এবং ছদ্মবেশী পোশাক পরা একদল ফেডারেল এজেন্ট শুরুতেই তাঁদের ভেতরে ঢুকতে বাধা দিচ্ছেন। একজন নারীর কণ্ঠস্বর শোনা যায়: "আমি মার্কিন কংগ্রেসের একজন বর্তমান সদস্য," এবং তিনি জিজ্ঞেস করেন, "আপনি কি আপনার সুপারভাইজারের সাথে যোগাযোগ করেছেন?"<br>শনিবার এক বিবৃতিতে ওমর বলেন, "কংগ্রেস সদস্যদের তদারকি করার ক্ষমতা প্রয়োগে বাধা দিয়ে আইসিই কী লুকাচ্ছে, তা ভাবলে গভীরভাবে বিচলিত হতে হয়।" তিনি আরও বলেন, "মানুষ যখন অন্ধকারে হারিয়ে যায়, তখন আমেরিকার গণতন্ত্র মরে যায়।"<br>গত মাসে একজন ফেডারেল বিচারক সাময়িকভাবে ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন নীতিগুলো আটকে দেন। এই নীতিতে কংগ্রেস সদস্যদের পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই কংগ্রেশনাল তহবিলের মাধ্যমে পরিচালিত আইসিই কেন্দ্রগুলোতে পরিদর্শনে বাধা দেওয়া হয়েছিল। তবে শনিবার বিকেলে এক বিবৃতিতে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি দপ্তরের মুখপাত্র ট্রিসিয়া ম্যাকলাফলিন বলেন, ঐ রায়টি এখানে প্রযোজ্য নয়। কারণ গত বছরের ওয়ান বিগ বিউটিফুল বিল অ্যাক্টের অর্থায়নে পরিচালিত আইসিই কার্যক্রমগুলোকে আদালত এই রায়ের আওতামুক্ত রেখেছে। তিনি বলেন, হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সেক্রেটারি ক্রিস্টি এল. নোয়েম ৮ জানুয়ারি নতুন আদেশ জারি করেছেন। সেখানে তিনি পুনর্ব্যক্ত করেছেন যে আইসিই ডিটেনশন কেন্দ্র পরিদর্শনের আগে কংগ্রেস সদস্যদের অবশ্যই সাত দিনের নোটিশ দিতে হবে। ম্যাকলাফলিন বলেন, "এই নির্দেশ না মানার কারণেই প্রতিনিধি ওমর এবং তাঁর সহকর্মীদের কেন্দ্রটিতে ঢুকতে দেওয়া হয়নি।"
** মলি হেনেসি-ফিস্ক, অ্যাঞ্জি ওরেলানা হার্নান্দেজ ও উইল ওরেমাস, [https://www.msn.com/en-us/news/us/thousands-protest-ice-presence-in-minneapolis-and-cities-nationwide/ar-AA1TXW6R?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=6963661c28904bd98d50319d0aeeb238&ei=16/"থাউজেন্ডস প্রোটেস্ট আইসিই প্রেজেন্স ইন মিনিয়াপলিস অ্যান্ড সিটিস নেশনওয়াইড"], ''দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট'', ১০ জানুয়ারি ২০২৬।
* মিনেসোটার রচেস্টার থেকে গাড়ি চালিয়ে মিনিয়াপলিসের দক্ষিণ দিকের পার্কে বিক্ষোভে যোগ দিতে আসা ৬৬ বছর বয়সী অবসরপ্রাপ্ত নার্স রবার্টা স্লোন বলেন, আইসিই কেন্দ্রে প্রবেশে ওমরের বাধাপ্রাপ্ত হওয়ার ঘটনায় তিনি হতাশ। তবে কংগ্রেস সদস্যরা যে চেষ্টা করেছেন, তাতে তিনি খুশি। তিনি বলেন, "এই আটক কেন্দ্রগুলো দেখার এবং সেখানে মানুষের সাথে কেমন আচরণ করা হচ্ছে, তা দেখার পূর্ণ অধিকার তাঁদের রয়েছে।" আইসিই'র অভিযান ও গোলাগুলির বিরুদ্ধে গভর্নর টিম ওয়ালজ এবং মিনিয়াপলিসের মেয়র যেভাবে কথা বলেছেন, তাতেও স্লোন খুশি। তিনি বলেন, "মিনেসোটা যে মূল্যবোধ ধারণ করে, তাঁরা তারই পক্ষে দাঁড়িয়েছেন।" আর এ কারণেই তিনি প্রতিবাদ করতে বাধ্য হয়েছেন: "যাদের কোনো কণ্ঠস্বর নেই, তাদের পক্ষে দাঁড়ানোর জন্য।"<br>তিল ধারণের ঠাঁই না থাকা ভিড়ের মধ্যে বরফে ঢাকা ফুটপাতে দাঁড়িয়ে সেন্ট পলের ৩৩ বছর বয়সী স্বাস্থ্যসেবা কর্মী পিটার প্রু বলেন, তিনি এই গোলাগুলির ঘটনায় ক্ষুব্ধ এবং ন্যায়বিচারের জন্য লড়তে এসেছেন। আইসিই সম্পর্কে তিনি বলেন, "তারা আমাদের সমস্ত অধিকার ও স্বাধীনতা কেড়ে নিচ্ছে। তারা জানে যে এটি একটি খুন এবং তারা এটিকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে।" তবে তিনি আরও যোগ করেন, "একতার মধ্যেই শক্তি আছে। তাদের চেয়ে আমাদের সংখ্যা অনেক বেশি।"
** মলি হেনেসি-ফিস্ক, অ্যাঞ্জি ওরেলানা হার্নান্দেজ ও উইল ওরেমাস, [https://www.msn.com/en-us/news/us/thousands-protest-ice-presence-in-minneapolis-and-cities-nationwide/ar-AA1TXW6R?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=6963661c28904bd98d50319d0aeeb238&ei=16/"থাউজেন্ডস প্রোটেস্ট আইসিই প্রেজেন্স ইন মিনিয়াপলিস অ্যান্ড সিটিস নেশনওয়াইড"], ''দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট'', ১০ জানুয়ারি ২০২৬।
* আমাদের দেশ নিখুঁত নয়, তবে এটি নিজের ভুল নিজে শুধরে নিয়েছে। সকল জাতি ও লিঙ্গের মানুষের অবিচ্ছেদ্য অধিকারের স্বীকৃতি দিতে আমাদের সময় লেগেছে। আমরা হোঁচট খেয়েছি, নিজেদের মধ্যে লড়াই করেছি এবং কখনো কখনো আমাদের সামরিক শক্তির অপব্যবহারও করেছি। কিন্তু আমরা যখনই সহিংসতার আশ্রয় নিয়েছি, তা সাধারণত দেশে এবং বিদেশে স্বাধীনতা রক্ষার জন্যই করেছি। আমরা এখন আবারও হোঁচট খেয়েছি। আমরা এমন নেতাদের বসিয়েছি যারা দেশের প্রতিষ্ঠাকালীন আদর্শেই বিশ্বাস করে না। স্বাধীনতা তাদের কাছে হুমকির মতো। তাই তারা ভয় দেখিয়ে শাসন করে। এখন পর্যন্ত এই ভুল শোধরাতে আমাদের প্রতিষ্ঠান বা আমাদের জনগণ কেউই জোটবদ্ধ হয়নি। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং তাঁর লোকেরা এতটাই বেপরোয়া হয়ে গেছেন যে তাঁরা তাঁদের অসৎ উদ্দেশ্যগুলো লুকানোরও প্রয়োজন বোধ করেন না। তাঁরা জানেন যে তাঁর হয়ে অপরাধ করলে তিনি তাঁদের ক্ষমা করে দেবেন।
** উইলিয়াম এস. বেকার, [https://thehill.com/opinion/white-house/5682167-trump-abuses-power-freedom/"আমেরিকা ওয়াজ সাপোজড টু বি ডিফারেন্ট —নাউ ট্রাম্প রুলস ইট উইথ ফিয়ার "], ''দ্য হিল'', ১২ জানুয়ারি ২০২৬।
* ট্রাম্প সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর আক্রমণ করেন। গত এক বছরে তাঁর প্রশাসন পাবলিক ব্রডকাস্টিং বা সরকারি সম্প্রচার খাত থেকে ১০০ কোটি ডলারেরও বেশি অর্থ সরিয়ে নিয়েছে। এনপিআর, পিবিএস, এবিসি, এনবিসি এবং সিবিএস-এর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে। গণমাধ্যমগুলোর বিরুদ্ধে করা তাঁর মামলা মেটাতে তিনি তাদেরকে ৩ কোটি ২০ লাখ ডলার দিতে বাধ্য করেছেন। সাংবাদিকদের পরিচয়পত্র সীমিত, বাতিল এবং তাদের শাস্তি দিতে তিনি ৭৬টি ফেডারেল পদক্ষেপ নিয়েছেন। তবে সুশীল সমাজকে ভয় দেখাতে ও আতঙ্কিত করতে ফেডারেল শক্তির সবচেয়ে বড় ব্যবহার হলো ডেমোক্র্যাট-নিয়ন্ত্রিত মার্কিন শহরগুলোতে অভিবাসন এজেন্ট এবং সামরিক সৈন্য মোতায়েন করা। গত এক বছরে ফেডারেল সংস্থাগুলো ৬ লাখ ৫ হাজারেরও বেশি মানুষকে দেশান্তর করেছে। ট্রাম্প কেবল অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত অভিবাসীদের ওপর নজর দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। তবে তাঁর এজেন্টরা এমন সব আমেরিকান বাসিন্দাদেরও গ্রেপ্তার করেছে যারা উৎপাদনশীল এবং দীর্ঘদিন ধরে সেখানে বসবাস করে আসছে। ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত আটককৃতদের প্রায় ৭৪ শতাংশেরই কোনো অপরাধের রেকর্ড ছিল না। ২০২৫ সালে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্টের হেফাজতে থাকা অবস্থায় শিশুসহ ৩২ জন মারা গেছে। অনেককেই অন্যান্য দেশে বা কিছু ক্ষেত্রে কারাগারে পাঠিয়ে "গুম" করা হয়েছে। যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া পাওয়ার সাংবিধানিক অধিকার থেকেও তাদের বঞ্চিত করা হয়েছে। ২০২৫ সালে প্রশাসন ১৬ লাখ অভিবাসীর আইনি বৈধতা কেড়ে নিয়েছে। প্রায় ২০ লাখ অভিবাসী "স্বেচ্ছায় দেশান্তরী" হয়েছে।
** উইলিয়াম এস. বেকার, [https://thehill.com/opinion/white-house/5682167-trump-abuses-power-freedom/"আমেরিকা ওয়াজ সাপোজড টু বি ডিফারেন্ট —নাউ ট্রাম্প রুলস ইট উইথ ফিয়ার "], ''দ্য হিল'', ১২ জানুয়ারি ২০২৬।
* '''মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অন্যদের চেয়ে আলাদা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ট্রাম্প বিশ্বকে কেবল নিজের একটি সম্প্রসারিত রূপ হিসেবেই দেখেন—এমন একটি জায়গা যেখানে নির্যাতনকারীরা অন্যদের সাথে দুর্ব্যবহার করে এবং ভয় দেখিয়ে তাদের নিয়ন্ত্রণ করে ধন-সম্পদ ও ক্ষমতা লাভ করে।'''
** উইলিয়াম এস. বেকার, [https://thehill.com/opinion/white-house/5682167-trump-abuses-power-freedom/"আমেরিকা ওয়াজ সাপোজড টু বি ডিফারেন্ট —নাউ ট্রাম্প রুলস ইট উইথ ফিয়ার "], ''দ্য হিল'', ১২ জানুয়ারি ২০২৬।
* গত সপ্তাহে আমেরিকানরা টেলিভিশনে দেখেছে কীভাবে মিনিয়াপলিসে একজন সশস্ত্র অভিবাসন কর্মকর্তা তিন সন্তানের এক ভীতসন্ত্রস্ত মা ও আমেরিকান নাগরিককে গুলি করে হত্যা করেছে। কোনো তদন্ত ছাড়াই ট্রাম্প, হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সেক্রেটারি ক্রিস্টি নোয়েম এবং অন্যান্য ফেডারেল কর্মকর্তারা দ্রুতই জনসমক্ষে এসে ঐ নারীকে দাঙ্গাবাজ এবং "সন্ত্রাসী" হিসেবে বর্ণনা করেন। তাঁরা দাবি করেন, নারীটি তাঁর গাড়িকে ঐ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে "অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেন," যা তাঁকে আত্মরক্ষার্থে গুলি চালাতে বাধ্য করেছিল। <br>আমেরিকান জনগণ আরও দেখেছে কীভাবে মার্কিন সামরিক বাহিনী ক্যারিবিয়ান সাগরে ৩৫টি নৌকা উড়িয়ে দিয়ে বিদেশি নাগরিকদের হত্যা করেছে, যাতে অন্তত ১১৫ জন যাত্রী নিহত হয়। ট্রাম্প প্রশাসন দাবি করেছে ঐ নৌকাগুলোতে করে আমেরিকায় মাদক পাচার করা হচ্ছিল, কিন্তু তারা এর কোনো প্রমাণ দেয়নি। <br>এরপর ভেনেজুয়েলার নেতাকে গ্রেপ্তার করে বিচারের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে আনতে দেশটিতে আগ্রাসন চালানো হয়। ট্রাম্প প্রকাশ্যেই স্বীকার করেছেন যে তিনি দেশটির তেলের মজুত দখল করতে চান; এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় (এবং কিছু ক্ষেত্রে সবচেয়ে দূষিত) মজুতগুলোর একটি। রাশিয়ার ভ্লাদিমির পুতিনের কায়দায় তিনি আমেরিকার তেল বিলিয়নিয়ারদের অলিগার্কে পরিণত করতে চান। ভেনেজুয়েলায় থাকা কায়েমী স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীগুলো কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানায় এবং এই আগ্রাসন আমেরিকার সর্বশেষ তেল-যুদ্ধে রূপ নেয় কি না—তা সময়ই বলে দেবে।
** উইলিয়াম এস. বেকার, [https://thehill.com/opinion/white-house/5682167-trump-abuses-power-freedom/"আমেরিকা ওয়াজ সাপোজড টু বি ডিফারেন্ট —নাউ ট্রাম্প রুলস ইট উইথ ফিয়ার "], ''দ্য হিল'', ১২ জানুয়ারি ২০২৬।
* আইসিই'র যে বড়সড় ও দাম্ভিক লোকগুলো ভিসিগোথদের মতো আমেরিকার শহরগুলোতে তাণ্ডব চালিয়ে বেড়াচ্ছে, তারা আসলে একদল কাপুরুষ। <br>তারা নিজেদের এমনভাবে অস্ত্রে সজ্জিত করে যেন ইরাকে আইএসআইএস সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে লড়ছে। অথচ তাদের সামনে একমাত্র হুমকি হলো কেবল বাঁশি ও প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে থাকা সাধারণ আমেরিকান নাগরিকরা। তারা ওয়ারেন্ট ছাড়াই ব্যক্তিগত বাড়িতে ঢুকে পড়ে, স্কুলের বাচ্চাদের ওপর গ্যাস ছোড়ে, রাস্তায় নারীদের ওপর চড়াও হয় এবং আমেরিকান নাগরিকদের গাড়িতে ধাক্কা মারে। আর তাদেরই একজন তিন সন্তানের এক মাকে স্রেফ গুলি করে মেরে ফেলেছে, কারণ-- কারণ তার সেই ক্ষমতা ছিল। <br>তারা নিজেদের কঠোর মনে করে। কিন্তু তারা আসলে মুখোশের আড়ালে লুকিয়ে থাকা কিছু বখাটে। তারা প্রকৃত সৈনিকের পোশাক পরা অশিক্ষিত গুন্ডা। তারা ভাবে যে তারা কোনো ভিডিও গেমের জগতে বাস করছে, যেখানে পথে আসা যেকোনো কাউকে আঘাত করলে পয়েন্ট পাওয়া যায়। সংযম, শৃঙ্খলা এবং আইনের জ্ঞান নিয়ে সম্প্রদায়গুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আসল পুলিশদের চেয়ে এরা সম্পূর্ণ আলাদা। এই ভাড়াটে সৈন্যরা দেশের সেবা করে না। তারা এমন এক শাসকগোষ্ঠীর সেবা করে যারা তাদের অন্যায় সহিংসতার পক্ষে সাফাই গায় এবং তাদের বেআইনি কার্যকলাপ নিয়ে মিথ্যা বলে। আইসিই এজেন্টের গুলিতে মিনিয়াপলিসে নিহত তিন সন্তানের মা রেনি গুডকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মিথ্যাভাবে একজন "পেশাদার উসকানিদাতা" হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন, যিনি আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রতি "অসম্মান" দেখিয়েছিলেন। তাঁর মোসাহেব প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট, যিনি তাঁর বসকে খুশি করতে যেকোনো জঘন্য কথা বলতে পারেন, তিনি গুডকে "পাগল" বলে অভিযুক্ত করেছেন। হোমল্যান্ড সিকিউরিটির প্রধান ক্রিস্টি নোয়েম গুডকে "দেশীয় সন্ত্রাসী" তকমা দিয়েছেন। <br>ট্রাম্প প্রশাসনের এই কুৎসা রটানোর বিন্দুমাত্র প্রমাণও নেই। রেনি গুড সত্যিই আইসিই'র কার্যকলাপ পর্যবেক্ষণ করতে রাস্তায় নেমেছিলেন। তবে তাকে হত্যার কয়েক সেকেন্ড আগে ধারণ করা ভিডিওতে যে কেউ দেখতে পাবে, তিনি আইসিই এজেন্টদের দিকে তাকিয়ে হাসছিলেন এবং বলছিলেন যে তিনি তাদের ওপর রেগে নেই। গুড আসলে তাকে যা করতে বলা হয়েছিল সেটাই করছিলেন, তিনি তার গাড়িটি সরিয়ে নিচ্ছিলেন। <br>অভিবাসীদের আতঙ্কিত করতে এবং ডেমোক্র্যাটিক শহরগুলোকে শাস্তি দিতে ট্রাম্প ও তাঁর দল যেসব ছদ্মবেশী পুলিশ পাঠিয়েছে, ট্রাম্প ও তাঁর দল তাদের চেয়েও বড় কাপুরুষ। নিজেদের ভুল স্বীকার করতে এবং জবাবদিহিতা মেনে নিতে পরিণত ও সাহসী নেতার প্রয়োজন। হোয়াইট হাউসের এই নিষ্ঠুর ভাঁড়দের কখনোই তা করার মতো সাহস হবে না।
** ডেভিড হরসে, [https://horseytoons.substack.com/p/trump-and-his-cosplay-cops-are-cowards/"ট্রাম্প অ্যান্ড হিজ কসপ্লে কপস আর কাওয়ার্ডস"], ডেভিড হরসের সাবস্ট্যাক, ১৩ জানুয়ারি ২০২৬।
* কংগ্রেসের উভয় কক্ষ ও দলের আইনপ্রণেতারা ভয়েস অব আমেরিকার (ভিওএ) মূল সংস্থাকে প্রায় ৬৫ কোটি ৩০ লাখ ডলারের তহবিল দিতে সম্মত হয়েছেন। আন্তর্জাতিক এই সম্প্রচার মাধ্যমের তহবিল বন্ধ করে এটি বন্ধ করে দেওয়ার জন্য প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবিকে তাঁরা প্রত্যাখ্যান করেছেন। রবিবার প্রকাশিত একটি দ্বিদলীয় ব্যয় বিলে ভিওএ-র তত্ত্বাবধানকারী সংস্থা ইউএস এজেন্সি ফর গ্লোবাল মিডিয়ার (ইউএসএজিএম) সম্প্রচারের জন্য ৬৪ কোটি ৩০ লাখ ডলার এবং মূলধন উন্নয়নের জন্য আরও প্রায় ১ কোটি ডলার বরাদ্দ করা হয়েছে। গত দুই বছর ধরে সংস্থাটির জন্য বরাদ্দ করা ৮৬ কোটি ৭০ লাখ ডলারের তুলনায় এই অঙ্কটি কম। তবে এটি ট্রাম্পের চাওয়া ১৫ কোটি ৩০ লাখ ডলারের চার গুণেরও বেশি। ইউএসএজিএম-এর কার্যক্রম "সুশৃঙ্খলভাবে বন্ধ করতে সহায়তা করার" জন্য ট্রাম্প কংগ্রেসের কাছে ঐ অর্থ চেয়েছিলেন। হাউস এবং সিনেটের ব্যয় নির্ধারকদের আলোচনার মাধ্যমে তৈরি করা একটি বৃহত্তর দ্বিদলীয় ব্যয় চুক্তিতে এই বরাদ্দটি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ট্রাম্পের ডেস্কে যাওয়ার আগে এই প্যাকেজটি হাউস এবং সিনেটের অনুমোদন পেতে হবে।<br>সংস্থাটি বন্ধ করতে ট্রাম্পের নিয়োগ দেওয়া ডেপুটি সিইও ক্যারি লেক সোমবার এক বিবৃতিতে লিখেছেন, "আমরা বরাদ্দ প্রক্রিয়ার বাস্তবতা বুঝি, তবে কংগ্রেস আমাদের চাওয়া অর্থের চেয়ে আধা বিলিয়ন ডলার বেশি প্রস্তাব করায় আমি হতাশ।" তিনি আরও বলেন, "বিগত বছরগুলোর তুলনায় তহবিল কমানো সঠিক দিকের একটি পদক্ষেপ হলেও, করদাতাদের এত অর্থ অপচয় না করেও ইউএসএজিএম বিশ্বব্যাপী প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বার্তা ও আমেরিকার গল্প তুলে ধরতে পারে।"
** স্কট নোভার, [https://www.msn.com/en-us/news/politics/congress-agrees-to-fund-voice-of-america-bucking-trump-shutdown-order/ar-AA1U7exQ?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=6967438758b641c59ca45addfe0ffc6f&ei=10/"কংগ্রেস অ্যাগ্রিস টু ফান্ড ভয়েস অব আমেরিকা, বাকিং ট্রাম্প শাটডাউন অর্ডার"], ''দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট'', ১৩ জানুয়ারি ২০২৬।
* ইউএসএজিএম-কে তহবিল দেওয়ার এই দ্বিদলীয় প্রতিশ্রুতিটি বিদেশে সংবাদ ও তথ্যের অবাধ প্রবাহকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে আমেরিকার ভূমিকার প্রতি কংগ্রেসের অব্যাহত সমর্থনকে প্রতিফলিত করে। এটি বিশ্বজুড়ে আমেরিকার সফট পাওয়ার বা কোমল ক্ষমতার দীর্ঘদিনের ভিত্তি। ইউএসএজিএম-এর জন্য একটি ভয়াবহ বছর পার হওয়ার পর কংগ্রেসের এই তহবিলের প্রস্তাবটি এসেছে। মার্চ মাসে ট্রাম্প এই সরকারি সংস্থাটি ভেঙে দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন। এই সংস্থাটি ভয়েস অব আমেরিকার তত্ত্বাবধান করে এবং রেডিও ফ্রি ইউরোপ/রেডিও লিবার্টি ও রেডিও ফ্রি এশিয়াসহ বিভিন্ন অলাভজনক গোষ্ঠীকে অর্থায়ন করে। আদেশ বাস্তবায়নের জন্য লেক ১৩০০ জনেরও বেশি ভয়েস অব আমেরিকা কর্মীকে বেতনের বিনিময়ে প্রশাসনিক ছুটিতে পাঠান। এদের অনেকেই এখনও কাজে ফেরেননি। একই মাসে তিনি সম্প্রচার কার্যক্রমও বন্ধ করে দেন। নাৎসি প্রোপাগান্ডা মোকাবিলায় ১৯৪২ সালে প্রথমবারের মতো প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর এই প্রথম ভিওএ সম্প্রচার বন্ধ করতে বাধ্য হয়। এর জবাবে ভিওএ'র পরিচালক মাইকেল আব্রামোভিটস এবং ইউএসএজিএম-এর কর্মীদের আরেকটি আলাদা দল ট্রাম্প প্রশাসনের পদক্ষেপকে অবৈধ দাবি করে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করে। <br>সাম্প্রতিক বছরগুলোতে গভর্নর ও মার্কিন সিনেটের হাই-প্রোফাইল নির্বাচনে হেরে যাওয়া অ্যারিজোনার সাবেক এই টেলিভিশন উপস্থাপক, ক্যারি লেক, এই তহবিল কাটের পক্ষে সাফাই গেয়েছেন এবং শেষ পর্যন্ত সংস্থাটি পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। জুনের এক শুনানিতে তিনি কংগ্রেসকে বলেছিলেন যে ইউএসএজিএম "অযোগ্য, দুর্নীতিগ্রস্ত, পক্ষপাতদুষ্ট এবং আমেরিকার জাতীয় নিরাপত্তা ও বিশ্বে তার অবস্থানের জন্য হুমকিস্বরূপ।" তিনি এও বলেছিলেন যে ইউএসএজিএম "উদ্ধারযোগ্য নয়।"<br>হোয়াইট হাউস মন্তব্যের অনুরোধে সাড়া দেয়নি।
** স্কট নোভার, [https://www.msn.com/en-us/news/politics/congress-agrees-to-fund-voice-of-america-bucking-trump-shutdown-order/ar-AA1U7exQ?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=6967438758b641c59ca45addfe0ffc6f&ei=10/"কংগ্রেস অ্যাগ্রিস টু ফান্ড ভয়েস অব আমেরিকা, বাকিং ট্রাম্প শাটডাউন অর্ডার"], ''দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট'', ১৩ জানুয়ারি ২০২৬।
* নতুন বিলে ভিওএ-র জন্য মোট বরাদ্দের ১৯ কোটি ৯৫ লাখ ডলার এবং ইউএসএজিএম-এর কার্যক্রমের জন্য ১৩ কোটি ৮০ লাখ ডলার বরাদ্দ করা হয়েছে। এছাড়াও, এই বিলের মাধ্যমে অলাভজনক অনুদানপ্রাপ্তদেরও অর্থায়ন করা হবে। রেডিও ফ্রি ইউরোপ/রেডিও লিবার্টির জন্য ১১ কোটি ২৫ লাখ ডলার, মিডল ইস্ট ব্রডকাস্টিং নেটওয়ার্কের জন্য ৬ কোটি ৯০ লাখ ডলার, রেডিও ফ্রি এশিয়ার জন্য ৫ কোটি ৩৫ লাখ ডলার এবং ওপেন টেকনোলজি ফান্ডের জন্য ৪ কোটি ৫ লাখ ডলার বরাদ্দ রাখা হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন অলাভজনক সংবাদমাধ্যমগুলোর তহবিল বন্ধ করার জন্য চাপ দিয়েছিল। কিন্তু তারা সবাই মামলা করার পর ল্যাম্বার্থ আদালতে তাদের বেশিরভাগ তহবিল পুনরুদ্ধার করে দেন। রেডিও ফ্রি এশিয়া এর আগে তাদের কার্যক্রম স্থগিত করার কথা জানিয়েছিল। তবে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে তারা কিছু প্রকাশনা কার্যক্রম পুনরায় শুরু করেছে। এক বিবৃতিতে আরএফএ মুখপাত্র রোহিত মহাজন বলেন, "নতুন তহবিল পাস হলে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে স্থগিত থাকা অতিরিক্ত সংবাদ কার্যক্রম জোরদার করার আশা করছে আরএফএ।" রাষ্ট্র ও বৈদেশিক কার্যক্রম সংক্রান্ত উপকমিটির শীর্ষ ডেমোক্র্যাট, হাওয়াইয়ের সিনেটর [[ব্রায়ান শ্যাটজ|ব্রায়ান শ্যাটজ]] এই বিলের দিকে নিয়ে যাওয়া দ্বিদলীয় আলোচনার প্রশংসা করেছেন। তবে এটি যে সরকারি সম্প্রচারকদের জন্য একটি ছাঁটাই, তা নিয়েও তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। এক বিবৃতিতে তিনি লিখেছেন, "বিলটি আমাদের আন্তর্জাতিক সম্প্রচার মাধ্যমের অনুদানপ্রাপ্তদের জন্য অব্যাহত অর্থায়ন নিশ্চিত করলেও এটি এমন এক সময়ে ছাঁটাই করতে বাধ্য করছে, যখন তারা ইউক্রেন, মধ্যপ্রাচ্য এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলজুড়ে গুরুত্বপূর্ণ সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছে।"<br>শ্যাটজ এবং হাউসে তাঁর সমকক্ষ প্রতিনিধি লোইস ফ্র্যাঙ্কেল (ডি-ফ্লোরিডা) এর আগে ট্রাম্প প্রশাসন কর্তৃক সংস্থাটিকে "অবৈধভাবে ধ্বংস" করার সমালোচনা করেন। সিনেট এবং হাউসের ব্যয় নির্ধারক উপকমিটির চেয়ারম্যান সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম (আর-সাউথ ক্যারোলিনা) এবং প্রতিনিধি মারিও দিয়াজ-বালার্ট (আর-ফ্লোরিডা) মন্তব্যের অনুরোধে সাড়া দেননি।
** স্কট নোভার, [https://www.msn.com/en-us/news/politics/congress-agrees-to-fund-voice-of-america-bucking-trump-shutdown-order/ar-AA1U7exQ?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=6967438758b641c59ca45addfe0ffc6f&ei=10/"কংগ্রেস অ্যাগ্রিস টু ফান্ড ভয়েস অব আমেরিকা, বাকিং ট্রাম্প শাটডাউন অর্ডার"], ''দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট'', ১৩ জানুয়ারি ২০২৬।
* ব্রুকিংস ইনস্টিটিউশনের মঙ্গলবার প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন অনুসারে, ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন অভিযানের কারণে অন্তত অর্ধশতাব্দীর মধ্যে প্রথমবারের মতো ২০২৫ সালে আমেরিকায় নেতিবাচক নিট অভিবাসন দেখা গেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রশাসন অভিবাসী তাড়াতে আক্রমণাত্মক পদক্ষেপ নিলেও এই নেতিবাচক সংখ্যার মূল কারণ যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশকারীদের উল্লেখযোগ্য হারে কমে যাওয়া। ব্রুকিংসের গবেষণায় বলা হয়েছে, "আমরা এই বছরের জন্য -২,৯৫,০০০ থেকে -১০,০০০ নিট প্রবাহ অনুমান করছি।" গবেষণাটি আরও বলছে, "যদিও নীতির অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে, তবে ২০২৬ সালেও নেতিবাচক নিট অভিবাসন অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।" এই পরিবর্তনের কারণ হিসেবে দেশটিতে প্রবেশে বড় ধরনের পতন এবং আইন প্রয়োগকারী কার্যক্রম বৃদ্ধির ফলে দেশান্তর ও স্বেচ্ছায় দেশত্যাগের সংমিশ্রণকে দায়ী করেছে এই প্রতিবেদন। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ট্রাম্প প্রশাসন কর্তৃক শ্বেতাঙ্গ দক্ষিণ আফ্রিকানদের বাদ দিয়ে অন্য সব শরণার্থী কর্মসূচিসহ অনেক মানবিক কর্মসূচি স্থগিত করা এবং অস্থায়ী ভিসা হ্রাসের কারণেও এই নেতিবাচক নিট অভিবাসন দেখা গেছে।<br>প্রতিবেদনের লেখকরা অনুমান করছেন যে ২০২৫ সালে ৩ লাখ ১০ হাজার থেকে ৩ লাখ ১৫ হাজার মানুষকে দেশান্তর করা হয়েছে। এই সংখ্যা প্রশাসনের দাবির চেয়ে কম। হোমল্যান্ড সিকিউরিটি দপ্তরের কর্মকর্তাদের দাবি, এই অভিযানের সময় এ পর্যন্ত ৬ লাখেরও বেশি মানুষকে দেশান্তর করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, "৩ লাখ ১০ হাজার থেকে ৩ লাখ ১৫ হাজার দেশান্তর ২০২৪ সালের প্রায় ২ লাখ ৮৫ হাজার দেশান্তরের চেয়ে খুব একটা বেশি নয়।"
** লরা রোমেরো, [https://www.msn.com/en-us/news/us/us-for-1st-time-in-50-years-experienced-negative-net-migration-in-2025-report/ar-AA1U9D98?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=6967494810e94f57852b9e1e680b4105&ei=21/"ইউএস, ফর ফার্স্ট টাইম ইন ফিফটি ইয়ার্স, এক্সপেরিয়েন্সড নেগেটিভ নেট মাইগ্রেশন ইন ২০২৫: রিপোর্ট"], এবিসি নিউজ, ১৩ জানুয়ারি ২০২৬।
* প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৪ সালের বিপরীতে ২০২৫ সালের বেশিরভাগ দেশান্তরের কাজ দেশের ভেতর থেকে ইউএস কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশন (সিবিপি) শুরু করেছিল, ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) নয়। যদিও কিছু আইসিই কর্মকর্তার কার্যকলাপ অনেক সংবাদের শিরোনাম হয়েছে। সিবিপি এবং আইসিই'র তদারকিকারী হোমল্যান্ড সিকিউরিটি দপ্তরের একজন মুখপাত্র এবিসি নিউজের মন্তব্যের অনুরোধে তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া দেননি। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওয়ান বিগ বিউটিফুল বিল অ্যাক্ট থেকে পাওয়া তহবিলের কারণে ২০২৬ সালে দেশান্তর আরও বাড়বে বলেও প্রতিবেদনের লেখকরা ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে এটি "সম্ভবত উচ্চ স্তরের আইন প্রয়োগ অর্জনের জন্য অবকাঠামো এবং কর্মী বৃদ্ধি করতে সহায়তা করবে।"<br>প্রতিবেদন অনুযায়ী, কর্তৃপক্ষ এও ভবিষ্যদ্বাণী করেছে যে নিট অভিবাসনে এই ক্ষতির ফলে অর্থনীতির নির্দিষ্ট খাতগুলোতে "অপ্রত্যাশিতভাবে দুর্বল অর্থনৈতিক কার্যকলাপ" দেখা যাবে। বিশেষ করে প্রভাবিত অভিবাসী জনগোষ্ঠীকে সেবাপ্রদানকারী ব্যবসাগুলো এর শিকার হবে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, "এই শ্লথগতি কর্মসংস্থান, জিডিপি এবং ভোক্তাদের ব্যয়ের দুর্বল প্রবৃদ্ধিকে নির্দেশ করে।" এতে আরও বলা হয়, ২০২৫ এবং ২০২৬ সালে ভোক্তাদের ব্যয় ৬০ বিলিয়ন থেকে ১১০ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে কমে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
** লরা রোমেরো, [https://www.msn.com/en-us/news/us/us-for-1st-time-in-50-years-experienced-negative-net-migration-in-2025-report/ar-AA1U9D98?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=6967494810e94f57852b9e1e680b4105&ei=21/"ইউএস, ফর ফার্স্ট টাইম ইন ফিফটি ইয়ার্স, এক্সপেরিয়েন্সড নেগেটিভ নেট মাইগ্রেশন ইন ২০২৫: রিপোর্ট"], এবিসি নিউজ, ১৩ জানুয়ারি ২০২৬।
* [[পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়|পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের]] ইহুদি অধ্যাপক, কর্মী এবং শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত ইমেইল, ফোন নম্বর এবং বাড়ির ঠিকানাসহ বিভিন্ন তথ্য পাওয়ার জন্য ট্রাম্প প্রশাসনের চেষ্টার নিন্দা জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সংগঠনগুলো। তারা এই ঘটনাটিকে সরকারের ক্ষমতার অপব্যবহার হিসেবে বর্ণনা করে বলেছে, এর মধ্যে "অশুভ ঐতিহাসিক ইঙ্গিত" রয়েছে।<br>ক্যাম্পাসে ইহুদিবিদ্বেষ মোকাবিলার লক্ষ্যে প্রশাসনের ঘোষিত লক্ষ্যের অংশ হিসেবে ইউএস ইক্যুয়াল এমপ্লয়মেন্ট অপরচুনিটি কমিশন (ইইওসি) বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে পেন সম্প্রদায়ের ইহুদি সদস্যদের নাম এবং ব্যক্তিগত তথ্য হস্তান্তর করার দাবি করছে। তবে সংগঠনগুলোর আইনজীবীদের প্রকাশিত এক প্রেস রিলিজ অনুযায়ী, কিছু ইহুদি শিক্ষক ও কর্মী সরকারের এই দাবিকে "যাদের শনাক্ত করা হবে তাদের নিরাপত্তার জন্য একটি গভীর হুমকি" হিসেবে আখ্যায়িত করে এর নিন্দা জানিয়েছেন। তারা বলেন, "ইহুদিদের তালিকা তৈরি করে সরকারের কাছে হস্তান্তর করাটা এক ভয়ংকর ইতিহাসের স্মৃতিই ফিরিয়ে আনে।"<br>নিজেদের দাবি পুরোপুরি মেনে নিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্বীকৃতির কারণে নভেম্বর মাসে পেনের বিরুদ্ধে মামলা করে ইইওসি। মঙ্গলবার, আমেরিকান অ্যাসোসিয়েশন অফ ইউনিভার্সিটি প্রফেসরসের জাতীয় ও পেন শাখা, বিশ্ববিদ্যালয়ের ইহুদি আইন ছাত্র সমিতি এবং এর অ্যাসোসিয়েশন অফ সিনিয়র অ্যান্ড ইমেরিটাস ফ্যাকাল্টি এবং আমেরিকান অ্যাকাডেমি অফ জিউইশ রিসার্চ এই মামলায় হস্তক্ষেপ করতে ফেডারেল আদালতে একটি আবেদন জমা দেয়।<br>সংগঠনগুলো যুক্তি দিয়ে বলেছে, "এই অনুরোধগুলোর জন্য পেনকে ইহুদি শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং কর্মীদের একটি কেন্দ্রীভূত তালিকা তৈরি করে তা হস্তান্তর করতে হবে। এটি একটি অত্যন্ত আক্রমণাত্মক এবং বিপজ্জনক দাবি; এটি প্রথম সংশোধনীতে থাকা সংঘবদ্ধ হওয়া, ধর্ম পালন, বাকস্বাধীনতা এবং গোপনীয়তার অধিকারের ওপর গভীরভাবে আঘাত করে।" ডেমোক্রেসি ডিফেন্ডারস ফান্ডের সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং নির্বাহী চেয়ার নরম্যান আইজেন এক প্রেস কলে বলেন, "আমরা এমন একটি অঞ্চলে প্রবেশ করছি যা আমাদের প্রত্যেককে হতবাক করবে।" এই ফান্ড পেনসিলভানিয়ার আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন এবং হ্যাংলি অ্যারনচিক সেগাল পুডলিন অ্যান্ড শিলার ফার্মের সাথে যৌথভাবে শিক্ষক গোষ্ঠীগুলোর প্রতিনিধিত্ব করছে। তিনি আরও বলেন, "এ ধরনের তথ্য সংগ্রহের পেছনে যতো ভালো অজুহাতই দেওয়া হোক না কেন, একে সবচেয়ে বিপজ্জনক উপায়ে অপব্যবহার করা যেতে পারে। এটি সরকারি ক্ষমতার চরম অপব্যবহার যা আমাদের ইতিহাসের কিছু অন্ধকারতম অধ্যায়ের দিকে টেনে নিয়ে যায়।"<br>ইইওসি মন্তব্যের অনুরোধে তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া দেয়নি।
** অ্যালিস স্পেরি, [https://www.msn.com/en-us/news/us/upenn-faculty-condemn-trump-administration-s-demand-for-lists-of-jews/ar-AA1U9l5D?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=6967494810e94f57852b9e1e680b4105&ei=17/"ইউপিইএনএন ফ্যাকাল্টি কনডেম ট্রাম্প অ্যাডমিনিস্ট্রেশনস ডিমান্ড ফর 'লিস্টস অফ জিউস'"], ''দ্য গার্ডিয়ান'', ১৩ জানুয়ারি ২০২৬।
* ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলা এবং এরপর গাজায় ইসরায়েলের যুদ্ধের পর ইহুদিবিদ্বেষের অভিযোগে ফেডারেল তদন্তের মুখে পড়া যুক্তরাষ্ট্রের কয়েক ডজন বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ও ছিল। এর জবাবে, বিশ্ববিদ্যালয় ইহুদিবিদ্বেষ নিয়ে গবেষণার জন্য একটি টাস্কফোর্স গঠন করে। তারা বেশ কিছু পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করে এবং সরকারি দাবি মেটাতে শত শত পৃষ্ঠার নথিপত্র শেয়ার করে।<br>তবে ইইওসি'র জুলাই মাসের সাবপিনা বা আইনি নোটিশটি মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানায় বিশ্ববিদ্যালয়টি। ঐ নোটিশে সম্মতি না দেওয়া ইহুদি শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং কর্মী অথবা ইহুদি সংগঠনগুলোর সাথে যুক্ত ব্যক্তিদের ব্যক্তিগত তথ্য চাওয়া হয়েছিল। এর পাশাপাশি গোপন আলোচনায় অংশ নেওয়া বা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইহুদিবিদ্বেষ বিষয়ক টাস্কফোর্সের কাছ থেকে জরিপ গ্রহণকারী ব্যক্তিদের নামও চাওয়া হয়েছিল। নভেম্বরে বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন মুখপাত্র বলেন, "তাদের গোপনীয়তা এবং বিশ্বাস ভঙ্গ করাটা পেনের ইহুদি সম্প্রদায়কে সুরক্ষিত ও নিরাপদ বোধ করানোর ধারণার একেবারে বিপরীত।" এর বদলে বিশ্ববিদ্যালয় তার সকল কর্মীকে ইইওসি তদন্ত সম্পর্কে অবহিত করার প্রস্তাব দেয় এবং আগ্রহীদের সরাসরি সংস্থাটির সাথে যোগাযোগ করার আহ্বান জানায়।<br>কিন্তু এটি কমিশনের কাছে যথেষ্ট মনে হয়নি। তাই তারা আইনি নোটিশটি কার্যকর করতে বিশ্ববিদ্যালয়কে আদালতে নিয়ে যায়।<br>সে সময় এক বিবৃতিতে ইইওসি'র চেয়ারপারসন আন্দ্রেয়া লুকাস বলেন, "ইইওসি কর্মক্ষেত্রে ইহুদিবিদ্বেষ মোকাবিলার প্রতিশ্রুতিতে অবিচল রয়েছে এবং ইহুদিবিদ্বেষী হয়রানির শিকার হতে পারেন এমন কর্মীদের শনাক্ত করতে চায়। দুর্ভাগ্যবশত, এই অবৈধ আচরণের শিকার হতে পারেন এমন কর্মীদের পরিচয় জানাতে নিয়োগকর্তা ক্রমাগত অস্বীকৃতি জানাচ্ছেন।" তিনি আরও বলেন, "সাক্ষী ও ভুক্তভোগীদের শনাক্ত করার প্রচেষ্টায় নিয়োগকর্তার বাধা হয়রানি তদন্তে ইইওসি'র সক্ষমতাকে দুর্বল করে দেয়।"
** অ্যালিস স্পেরি, [https://www.msn.com/en-us/news/us/upenn-faculty-condemn-trump-administration-s-demand-for-lists-of-jews/ar-AA1U9l5D?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=6967494810e94f57852b9e1e680b4105&ei=17/"ইউপিইএনএন ফ্যাকাল্টি কনডেম ট্রাম্প অ্যাডমিনিস্ট্রেশনস ডিমান্ড ফর 'লিস্টস অফ জিউস'"], ''দ্য গার্ডিয়ান'', ১৩ জানুয়ারি ২০২৬।
* ইইওসি'র এই অনুরোধ ইহুদি শিক্ষকদের মধ্যে ব্যাপক শঙ্কা ও নিন্দার জন্ম দেয় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের হিলেল ও অন্যান্য ইহুদি সংগঠনগুলোর কড়া সমালোচনার মুখে পড়ে। পেনের ধর্মতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ইহুদিবিদ্বেষ বিষয়ক টাস্কফোর্সের সদস্য স্টিভেন ওয়েটজম্যান বলেন, এই ধরনের তালিকার অনুরোধই "ইহুদিদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতার অনুভূতি তৈরি করে।" তিনি আরও বলেন, সংগৃহীত তথ্য "ভুল হাতে পড়বে না বা এর কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিণতি হবে না," সরকার এমন কোনো নিশ্চয়তা দিতে পারে না। "আমার মতো মানুষের জন্য বিপৎসংকেত বাজার অন্যতম কারণ হলো, ইহুদিদের তালিকা তাদের বিরুদ্ধেই ব্যবহারের ইতিহাস।" তিনি আরও বলেন, "ইহুদিদের বিরুদ্ধে নাৎসি অভিযান নির্ভর করত বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর, যারা তাদের ইহুদি সদস্যদের তথ্য কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দিত।" পেন-এ ইহুদি ইতিহাস পড়ানো বেথ ওয়েঙ্গার বলেন, "ইহুদি বিদ্যাবিশারদ হিসেবে আমরা এ ধরনের তথ্য সংগ্রহের বিপদ সম্পর্কে খুব ভালোভাবেই অবগত।" ইহুদিবিদ্বেষের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ইইওসি'র প্রচেষ্টা ইহুদি শিক্ষকদের মধ্যে শঙ্কার সৃষ্টি করেছে—এমন ঘটনা এবারই প্রথম নয়। গত বসন্তে, কমিশন কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত মহিলাদের স্কুল বার্নার্ড কলেজের কর্মীদের ব্যক্তিগত ফোনে একটি জরিপের লিংক মেসেজ করে পাঠিয়েছিল। ঐ জরিপে উত্তরদাতাদের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল তারা নিজেদের ইহুদি নাকি ইসরায়েলি হিসেবে পরিচয় দেন।
** অ্যালিস স্পেরি, [https://www.msn.com/en-us/news/us/upenn-faculty-condemn-trump-administration-s-demand-for-lists-of-jews/ar-AA1U9l5D?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=6967494810e94f57852b9e1e680b4105&ei=17/"ইউপিইএনএন ফ্যাকাল্টি কনডেম ট্রাম্প অ্যাডমিনিস্ট্রেশনস ডিমান্ড ফর 'লিস্টস অফ জিউস'"], ''দ্য গার্ডিয়ান'', ১৩ জানুয়ারি ২০২৬।
* আইন অনুযায়ী ট্রাম্প প্রশাসন এখনও এপস্টিন ফাইলের সব তথ্য প্রকাশ করেনি। এর বদলে তারা এই অস্বস্তিকর সত্য থেকে জনগণের মনোযোগ সরানোর জন্য আরও বেশি আগ্রাসী উপায় খুঁজছে বলে আজ সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে। হোয়াইট হাউসের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, "আর আমরা সবাই জানি, অভ্যন্তরীণ সমস্যা থেকে মনোযোগ সরানোর সবচেয়ে ভালো উপায় হলো বিদেশে থাকা অদ্ভুত নামের মানুষদের ওপর বোমা মারা।" তিনি আরও বলেন, "তাই আমরা দুর্বল সামরিক বাহিনী, অদ্ভুত নাম—বা উভয় বৈশিষ্ট্যের অধিকারি দেশগুলোর একটি লক্ষ্যবস্তুর তালিকা তৈরি করেছি। আমাদের কাছে থাকা অবশিষ্ট কয়েকটি টমাহক দিয়ে সেগুলোতে আঘাত করা হবে। যাতে এপস্টিন নথিতে আপত্তিকর অবস্থায় বড় কর্তার নাম চলে না আসে তা নিশ্চিত করা যায়।"<br>'অপারেশন পেডো প্যালাডিন' নামের একটি জরুরি পরিকল্পনার লক্ষ্যবস্তুর তালিকা হাতে পেয়েছে ''ডাফেল ব্লগ''। কর্মকর্তাদের মতে, এই পরিকল্পনাটি 'জবাবদিহিতার মুখোমুখি হলে কাচ ভাঙুন' লেখা একটি ডেস্কের ড্রয়ারে পড়ে ছিল। সূত্র জানায়, কোন দেশ প্রথমে আক্রান্ত হলো তা নিয়ে প্রেসিডেন্টের তেমন কোনো মাথাব্যথা নেই, মূলত কারণ তিনি এমনিতেই মানচিত্রে এগুলোর কোনোটি খুঁজে পান না।
** ''ডাফেল ব্লগ'', [https://www.duffelblog.com/top-10-countries-trump-will-send-you-to-attack-rather-than-release-the-epstein-files/"টপ ১০ কান্ট্রিজ ট্রাম্প উইল সেন্ড ইউ টু অ্যাটাক র্যাদার দ্যান রিলিজ দ্য এপস্টিন ফাইলস"], ১৪ জানুয়ারি ২০২৬।
* '''হ্যাঁ, প্রযুক্তিগতভাবে এটি ডেনমার্কের। কিন্তু আফগানিস্তান ও ইরাকে মার্কিন সৈন্যদের পাশাপাশি ডজন ডজন ড্যানিশ সৈন্যের মৃত্যুর কথা বাদ দিলে, ডেনিশরা ইদানীং আমাদের জন্য আসলেই কী করেছে?'''<br>স্টিফেন মিলার (সামরিক বাহিনীর উপযুক্ত বয়সী আমেরিকান পুরুষদের সেই বিশেষ গোষ্ঠীর একজন, যারা কোনো না কোনোভাবে চিরকাল জিডব্লিউওটি এড়িয়ে গেছেন, বা পেগ), মার্কো রুবিও (পেগ), ডন জুনিয়র (পেগ), এবং এরিক ট্রাম্প (তিনিও পেগ)—তারা সবাই একমত যে গ্রিনল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর এর জন্য যদি আপনাকে মরতেও হয়, তবে সেই আত্মত্যাগের সুযোগ দিতে তারা পুরোপুরি প্রস্তুত। মনে রাখবেন: ডেনমার্কের অংশ হিসেবে গ্রিনল্যান্ডের কাছে মানবজাতির জানা সবচেয়ে দুর্ধর্ষ সব স্থির এবং ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বাধা রয়েছে। এপস্টিনের কাছ থেকে ট্রাম্পের কাছে আসা একটি সংশোধিত মেমো অনুসারে, এগুলো চমৎকার অস্থায়ী বাট প্লাগ হিসেবেও কাজ করে।
** ''ডাফেল ব্লগ'', [https://www.duffelblog.com/top-10-countries-trump-will-send-you-to-attack-rather-than-release-the-epstein-files/"টপ ১০ কান্ট্রিজ ট্রাম্প উইল সেন্ড ইউ টু অ্যাটাক র্যাদার দ্যান রিলিজ দ্য এপস্টিন ফাইলস"], ১৪ জানুয়ারি ২০২৬।
* ট্রাম্প প্রশাসন মাদকাসক্তি এবং মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য প্রায় ২ বিলিয়ন ডলারের তহবিল বন্ধ করে দেওয়ায় বিশেষজ্ঞরা চরম সতর্কতা জারি করেছেন। এতে হাজার হাজার সেবাপ্রদানকারী দিশেহারা এবং রোগীরা চরম বিপাকে পড়েছেন। বুধবার দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, সাবস্ট্যান্স অ্যাবিউজ অ্যান্ড মেন্টাল হেলথ সার্ভিসেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের মাধ্যমে ২৮০০ জন অনুদানপ্রাপ্ত ব্যক্তি তাৎক্ষণিকভাবে বাতিলের চিঠি পেয়েছেন। কোনো পূর্বসতর্কতা ছাড়াই সংস্থাটির পুরো বাজেটের প্রায় ২৬% মুছে ফেলা হয়েছে। মাদকাসক্তদের পুনর্বাসনে কাজ করা একটি জাতীয় সংগঠন 'মোবিলাইজ রিকভারি'র প্রতিষ্ঠাতা রায়ান হ্যাম্পটন আউটলেটটিকে বলেন, "আসক্তি এবং মানসিক স্বাস্থ্য খাতের একেবারে সামনের সারিতে থাকা সবার কাছে এটি একটি ধ্বংসযজ্ঞের মতো মনে হচ্ছে।" তিনি আরও বলেন, "এই অনুদানগুলো বাতিল হওয়ায় যে পরিমাণ চিকিৎসা ব্যাহত হবে, তা এক কথায় বিপর্যয়কর। লাখ লাখ না হলেও হাজার হাজার মানুষ মারা যাবে।"
** ড্যানিয়েল হ্যাম্পটন, [https://www.msn.com/en-us/health/wellness/experts-warn-trump-just-sentenced-thousands-to-death-with-2b-cut/ar-AA1UeoyZ?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=696895f1a2c442409efcf6f48ecb963e&ei=15/"এক্সপার্টস ওয়ার্ন ট্রাম্প জাস্ট সেন্টেন্সড থাউজেন্ডস টু ডেথ উইথ ২ বিলিয়ন কাট"], ''র স্টোরি'', ১৪ জানুয়ারি ২০২৬।
* কর্মী ছাঁটাই করতে হবে, কর্মসূচি বন্ধ হয়ে যাবে এবং তাৎক্ষণিকভাবে পরিষেবা স্থগিত করতে হবে—এমন এক ভয়াবহ বাস্তবতা নিয়ে সেবাপ্রদানকারীদের ঘুম ভাঙে। এই কাটছাঁট ওভারডোজ প্রতিরোধ, নালোক্সোন বিতরণ, স্কুলে মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তা এবং মাদকাসক্তিতে ভোগা গর্ভবতী মহিলাদের সহায়তা বন্ধ করে দেবে। হ্যাম্পটন বলেন, "রাতারাতি, এই দেশে আসক্তি এবং মানসিক স্বাস্থ্যের আমাদের পুরো মেরুদণ্ড ও অবকাঠামো উল্টে গেছে।" তিনি আরও বলেন, "এই অনুদানগুলো জীবন রক্ষাকারী হাতিয়ার; এটি সত্যি বলতে এই দেশে ড্রাগ ওভারডোজের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা উল্টে যাওয়ার একটি ভালো কারণ।" ওভারডোজের কারণে মৃত্যু দুই দশক ধরে বাড়ার পর ২০২৪ সালে অবশেষে ২৭% কমার পর এই পদক্ষেপটি এলো। হ্যাম্পটন বলেন, "প্রশাসন এমন বেপরোয়া ব্যবস্থা নেবে তা দেখে আমরা সবাই সম্পূর্ণ এবং চূড়ান্তভাবে হতবাক।" আইনি চ্যালেঞ্জ সামনেই রয়েছে, তবে হ্যাম্পটন সতর্ক করেছেন যে ক্ষতি এখনই হতে শুরু করেছে। "মানুষ মারা যাবে। মানুষ মারা যাবে।"
** ড্যানিয়েল হ্যাম্পটন, [https://www.msn.com/en-us/health/wellness/experts-warn-trump-just-sentenced-thousands-to-death-with-2b-cut/ar-AA1UeoyZ?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=696895f1a2c442409efcf6f48ecb963e&ei=15/"এক্সপার্টস ওয়ার্ন ট্রাম্প জাস্ট সেন্টেন্সড থাউজেন্ডস টু ডেথ উইথ ২ বিলিয়ন কাট"], ''র স্টোরি'', ১৪ জানুয়ারি ২০২৬।
* এনভায়রনমেন্টাল প্রোটেকশন এজেন্সি (ইপিএ) সাধারণ মানুষের বদলে দূষণকারীদের পক্ষে কাজ করতে তাদের হিসাব-নিকাশ পরিবর্তনের একটি বড় পদক্ষেপ নিচ্ছে: তারা বায়ু দূষণ আইনের মাধ্যমে বাঁচানো জীবন এবং এড়ানো হাসপাতালে যাওয়ার খরচ ডলারে হিসাব করা বন্ধ করতে যাচ্ছে। এর বদলে, মানবজীবনের কোনো মূল্য নির্ধারণ না করেই সংস্থাটি আইনের প্রভাবগুলো বিবেচনা করবে। বিশেষ করে দুটি প্রধান দূষক—২.৫ মাইক্রনের চেয়ে ছোট সূক্ষ্ম কণা (যা সাধারণত পিএম২.৫ নামে পরিচিত) এবং ওজোন-এর ক্ষেত্রে আইনের সুবিধা-ব্যয় বিশ্লেষণ করার পদ্ধতি পরিবর্তন করছে ইপিএ। বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর জন্য চূড়ান্ত দূষণ বিধিমালার অর্থনৈতিক প্রভাব বিশ্লেষণ করে এই মাসে প্রকাশিত একটি নথির আড়ালে এই পরিবর্তনের বিষয়টি লুকিয়ে ছিল। সেখানে যুক্তি দেওয়া হয়েছিল যে, ঐতিহাসিকভাবে ইপিএ যেভাবে বিধিমালার অর্থনৈতিক সুবিধা হিসাব করে, তাতে অনেক বেশি অনিশ্চয়তা থাকে এবং এটি মানুষকে "নিখুঁত হিসাবের একটি ভ্রান্ত ধারণা" দেয়। এর সমাধানে, "এই প্রভাবগুলোর যথাযথ আর্থিক মূল্য নির্ধারণের মডেলে সংস্থাটি পর্যাপ্ত আস্থা অর্জন না করা পর্যন্ত" ইপিএ এই সুবিধাগুলোর হিসাব রাখা পুরোপুরি বন্ধ করে দেবে। নিউইয়র্ক টাইমস প্রথম এই খবরটি প্রকাশ করে। এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ইপিএ প্রশাসক লি জেলডিন এই রিপোর্টের বিরোধিতা করেন। এটিকে "আরেকটি অসৎ, ভুয়া খবর" বলে আখ্যা দিয়ে তিনি দাবি করেন যে দূষণের সীমা নির্ধারণের সময় সংস্থাটি এখনও বাঁচানো জীবনকে বিবেচনায় রাখছে।
** উমায়ের ইরফান, [https://www.msn.com/en-us/money/markets/trump-s-epa-is-setting-the-value-of-human-health-to-0/ar-AA1UcWiK?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=6968c4deab0b425b93dfafe8d228d2c2&ei=10/"ট্রাম্প'স ইপিএ ইজ সেটিং দ্য ভ্যালু অফ হিউম্যান হেলথ টু $০"], ''ভক্স'', ১৪ জানুয়ারি ২০২৬।
* আমি সাবেক ইপিএ কর্মকর্তাসহ বেশ কয়েকজন বিশেষজ্ঞের সাথে কথা বলেছি। তাঁরা বলেছেন, এই পরিবর্তনের ফলে বায়ুর মান আরও খারাপ হতে পারে এবং জনস্বাস্থ্যের ক্ষতি হতে পারে। মানুষের ক্ষতি করে এমন দূষণ নিয়ন্ত্রণ করার জন্যই ইপিএ'র অস্তিত্ব। ওজোন এবং সূক্ষ্ম কণার মতো দূষকগুলো যে ক্ষতি করতে পারে, তার শক্ত প্রমাণ রয়েছে। এগুলো হার্ট অ্যাটাক এবং হাঁপানি আক্রমণের ঝুঁকি বাড়ায়। জনসংখ্যার ওপর পরিমাপ করলে দেখা যায়, বায়ু দূষণ মানুষের আয়ু কয়েক বছর কমিয়ে দেয়। কেবল যুক্তরাষ্ট্রেই বায়ু দূষণের কারণে প্রতি বছর ১ লাখ ৩৫ হাজার মানুষের অকাল মৃত্যু হয়। প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের অধীনে ইপিএ'র ডেপুটি অ্যাডমিনিস্ট্রেটর হিসেবে কাজ করা জ্যানেট ম্যাককাবে বলেন, "অনেক বৈজ্ঞানিক গবেষণায় স্পষ্ট দেখা গেছে, ক্রমবর্ধমান পিএম২.৫-এর সংস্পর্শে এলে স্বাস্থ্যের ওপর তার মারাত্মক প্রভাব পড়ে।"
** উমায়ের ইরফান, [https://www.msn.com/en-us/money/markets/trump-s-epa-is-setting-the-value-of-human-health-to-0/ar-AA1UcWiK?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=6968c4deab0b425b93dfafe8d228d2c2&ei=10/"ট্রাম্প'স ইপিএ ইজ সেটিং দ্য ভ্যালু অফ হিউম্যান হেলথ টু $০"], ''ভক্স'', ১৪ জানুয়ারি ২০২৬।
* যখনই ইপিএ কোনো নতুন আইন জারি করতে চায়—যেমন, কোনো বিদ্যুৎকেন্দ্র কতটুকু পারদ নির্গত করতে পারবে তার সীমা সংশোধন করা—তখন তারা চূড়ান্ত করার আগে এর ব্যয় এবং সুবিধা উভয় দিকই বিবেচনা করে। কোম্পানিগুলোকে চিমনির জন্য আপগ্রেড করা স্ক্রাবার ইনস্টল করার মতো কাজে কত খরচ করতে হতে পারে, ইপিএ সেই হিসাব যোগ করে। এরপর সংস্থাটি এই আইন আরোপের অর্থনৈতিক সুবিধার অনুমান করে, যেমন পরিষ্কার বাতাসের কারণে বেশি দিন সুস্থ থাকা বা কম কর্মীর অসুস্থতাজনিত ছুটি নেওয়া। সবচেয়ে বড় সুবিধাগুলো সাধারণত স্বাস্থ্য উন্নয়নের মাধ্যমে আসে, যেমন হাসপাতালে যাওয়া এড়ানো এবং অকাল মৃত্যু কমানো। তবে হিসাবের দুই দিকেই কিছু অস্পষ্টতা থাকে। অনেকগুলো কোম্পানি যদি দূষণ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রপাতির জন্য গুটিকয়েক সরবরাহকারীর দ্বারস্থ হয়, তাহলে এই নিয়ম মানার খরচ বেড়ে যেতে পারে। তাছাড়া, হাসপাতালে জরুরি বিভাগে যে সম্ভাব্য ট্রিপটি ঘটেইনি, তার মূল্য কীভাবে নির্ধারণ করা সম্ভব? ম্যাককাবে বলেন, "ইপিএ-তে আমার অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, খরচ বা সুবিধার নিখুঁত অনুমান কখনোই পাওয়া যায় না।" তবে এই অপূর্ণ হিসাব দিয়েও নতুন কোনো দূষণ বিধিমালার ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রকরা বুঝতে পারতেন, এই পদক্ষেপটি আদৌ কার্যকর হবে কিনা। আর জনগণও দেখতে পেত যে কীভাবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। <br>বাইডেন প্রশাসনের অধীনে ইপিএ দেখেছিল যে ২০২৪ সালে তাদের জারি করা পিএম২.৫-এর আরও কঠোর আইন প্রয়োগ করলে ২০৩২ সালের মধ্যে ৪,৬০০ কোটি ডলার মূল্যের স্বাস্থ্যগত সুবিধা পাওয়া যাবে। এটি নিয়ম মেনে চলার খরচের চেয়ে অনেক বেশি। ইপিএ এখন মূলত এই সুবিধার দিককার প্রাপ্তির রশিদগুলো কুচি কুচি করে ছিঁড়ে ফেলতে চায়।
** উমায়ের ইরফান, [https://www.msn.com/en-us/money/markets/trump-s-epa-is-setting-the-value-of-human-health-to-0/ar-AA1UcWiK?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=6968c4deab0b425b93dfafe8d228d2c2&ei=10/"ট্রাম্প'স ইপিএ ইজ সেটিং দ্য ভ্যালু অফ হিউম্যান হেলথ টু $০"], ''ভক্স'', ১৪ জানুয়ারি ২০২৬।
* দ্বিতীয় ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনে ইপিএ এবং পুরো ফেডারেল সরকার জুড়ে কম জিনিস পরিমাপ ও হিসাব করার যে বৃহত্তর প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, হিসাবের এই পরিবর্তন তারই একটি অংশ। ইপিএ ইতোমধ্যেই তাদের অফিস অফ রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট বন্ধ করে দিয়েছে। মানবদেহে বিষাক্ত রাসায়নিকের প্রভাব ট্র্যাক করার মতো পরিবেশগত আইনগুলোর বৈজ্ঞানিক ভিত্তি প্রদান করাই ছিল এই অফিসটির কাজ। বিজ্ঞান এবং অর্থনীতি সম্পর্কিত তথ্য কম থাকায়, ইপিএ'র মতো সংস্থাগুলোর জবাবদিহিতাও কমে গেছে। অন্যদিকে রাজনৈতিকভাবে পছন্দের শিল্পগুলোকে সুবিধা দিতে আইন বাতিল এবং নীতি প্রণয়নে হোয়াইট হাউসের চাপও বাড়ছে। এটি ক্লিন এয়ার অ্যাক্টের মতো অন্যান্য আইনের ধার কমানোরও সুযোগ করে দেয়। জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার আইনি ভিত্তি ইতোমধ্যেই ভেঙে দিয়েছে ইপিএ। <br>বাইডেনের অধীনে ইপিএ'র এয়ার অ্যান্ড রেডিয়েশন অফিসের সহকারী প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা জোসেফ গফম্যান বলেন, ইপিএ কীভাবে স্বাস্থ্য সুবিধার হিসাব করে তার এই পরিবর্তনটি বায়ু দূষণ আইনের বিরুদ্ধে একটি বৃহত্তর প্রচারণার অংশ। গফম্যান বলেন, "এর পেছনে আসলে কী উদ্দেশ্য আছে তা পরিষ্কার। আর তা হলো [সূক্ষ্ম কণার] সংস্পর্শে আসার প্রকৃত প্রভাব এবং এটি কমালে যে বিশাল সুবিধাগুলো পাওয়া যায়, সেগুলোকে লুকিয়ে রাখা বা চেপে যাওয়া।" তিনি আরও বলেন, "হঠাৎ করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া যে পিএম কমানোর কোনো আর্থিক মূল্য আপনি নির্ধারণ করতে পারবেন না—এটি খুবই সুবিধাজনক। এমনকি এটি পিএম মানদণ্ডগুলোকে দুর্বল করার জন্য জেলডিনের প্রচেষ্টার জন্য বেশ সহায়ক।"<br>ইপিএ যদি আইনের মাধ্যমে পাওয়া স্বাস্থ্য সুবিধাগুলোর আর্থিক মূল্য নির্ধারণের নতুন কোনো উপায় না খুঁজে বের করে, তবে বায়ুর মানের উন্নতি থমকে যাওয়ার এবং বায়ু দূষণ আরও খারাপ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। হাসেনকপফ বলেন, "যে কেউ অনুমান করতে পারে যে আমরা সারা দেশে পিএম২.৫-এর মাত্রা বাড়তে দেখতে পাব।"
** উমায়ের ইরফান, [https://www.msn.com/en-us/money/markets/trump-s-epa-is-setting-the-value-of-human-health-to-0/ar-AA1UcWiK?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=6968c4deab0b425b93dfafe8d228d2c2&ei=10/"ট্রাম্প'স ইপিএ ইজ সেটিং দ্য ভ্যালু অফ হিউম্যান হেলথ টু $০"], ''ভক্স'', ১৪ জানুয়ারি ২০২৬।
* গণমাধ্যমটির ন্যায়পাল জ্যাকলিন স্মিথ বলেন, স্টারস অ্যান্ড স্ট্রাইপস কেবল অস্ত্র ব্যবস্থা বা যুদ্ধ কৌশল নিয়েই রিপোর্ট করে না, বরং এটি সামরিক কর্মী এবং তাদের পরিবারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়েও রিপোর্ট করে। তিনি এর রিপোর্টিংয়ে কোনো "ওক" উপাদান দেখতে পাননি। স্মিথ বলেন, "আমি মনে করি স্টারস অ্যান্ড স্ট্রাইপসের সম্পাদকীয় স্বাধীনতা বজায় রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ; এটি এর গ্রহণযোগ্যতার মূল ভিত্তি।" কানেকটিকাটের একটি সংবাদপত্রের দীর্ঘদিনের সম্পাদক স্মিথের এই পদটি তিন দশক আগে কংগ্রেস তৈরি করেছিল এবং তিনি হাউস আর্মড সার্ভিসেস কমিটির কাছে রিপোর্ট করেন। সাংবাদিকদের ওপর বিধিনিষেধ আরোপে এটি ট্রাম্প প্রশাসনের সর্বশেষ পদক্ষেপ। হেগসেথের চাপিয়ে দেওয়া নতুন নিয়মে রাজি হওয়ার চেয়ে ঐতিহ্যবাহী সংবাদমাধ্যমগুলোর বেশিরভাগ সাংবাদিকই পেন্টাগন ছেড়ে গেছেন। তাদের মনে হয়েছিল, এই নিয়মগুলো হেগসেথকে তাদের রিপোর্টিং এবং লেখার ওপর অনেক বেশি নিয়ন্ত্রণ দিয়ে দেবে। এই নিয়মগুলো বাতিল করার জন্য ''দ্য নিউইয়র্ক টাইমস'' মামলা করেছে।
** ডেভিড বাউডার, [https://www.msn.com/en-us/news/politics/defense-department-says-military-newspaper-stars-and-stripes-must-eliminate-woke-distractions/ar-AA1UiEZG?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=69696be6758e4eb0ab19b9d3100aacec&ei=13/"ডিফেন্স ডিপার্টমেন্ট সেইস মিলিটারি নিউজপেপার স্টারস অ্যান্ড স্ট্রাইপস মাস্ট এলিমিনেট 'ওক ডিস্ট্রাকশনস'"], ''দ্য অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস'', ১৫ জানুয়ারি ২০২৬।
* ট্রাম্প বিদেশে থাকা দেশগুলোতে বিশ্বের স্বাধীন খবর প্রচার করা সরকারি অর্থায়নে চলা ভয়েস অব আমেরিকা এবং রেডিও ফ্রি ইউরোপ/রেডিও লিবার্টি'র মতো মিডিয়াগুলোও বন্ধ করার চেষ্টা করেছেন। সরকারি গোপন তথ্য চুরির অভিযোগে অভিযুক্ত একজন ঠিকাদারের তদন্তের অংশ হিসেবে এই সপ্তাহে প্রশাসন ''দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট''-এর একজন সাংবাদিকের বাড়িতেও অভিযান চালিয়েছে। অনেক সাংবাদিকই এই পদক্ষেপটিকে এক ধরনের ভীতি প্রদর্শন হিসেবে দেখেছেন। ''দ্য পোস্ট'' জানিয়েছে, ''স্টারস অ্যান্ড স্ট্রাইপস''-এ চাকরিপ্রার্থীদের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল যে তারা এই পদে থেকে কীভাবে ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশ এবং নীতির অগ্রাধিকারগুলোকে এগিয়ে নেবেন। তাদের কাছে তাৎপর্যপূর্ণ এমন এক বা দুটি আদেশ বা উদ্যোগের কথা জানতে চাওয়া হয়েছিল। এতে প্রশ্ন উঠেছে যে, একজন সাংবাদিককে মূলত আনুগত্যের পরীক্ষা দেওয়াটা কতটা যুক্তিযুক্ত। স্মিথ বলেন, চাকরির আবেদনে এই প্রশ্নের জন্য সংবাদপত্রটি নয়, বরং সরকারের অফিস অফ পার্সোনেল ম্যানেজমেন্ট দায়ী। অন্যান্য সরকারি চাকরির আবেদনকারীদের যা জিজ্ঞাসা করা হচ্ছিল, এটি তার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল। তবে তিনি বলেন, সাংবাদিকদের কাছে এটি জিজ্ঞাসা করা উচিত নয়। তিনি বলেন, "আনুগত্য হবে সত্যের প্রতি, প্রশাসনের প্রতি নয়।"
** ডেভিড বাউডার, [https://www.msn.com/en-us/news/politics/defense-department-says-military-newspaper-stars-and-stripes-must-eliminate-woke-distractions/ar-AA1UiEZG?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=69696be6758e4eb0ab19b9d3100aacec&ei=13/"ডিফেন্স ডিপার্টমেন্ট সেইস মিলিটারি নিউজপেপার স্টারস অ্যান্ড স্ট্রাইপস মাস্ট এলিমিনেট 'ওক ডিস্ট্রাকশনস'"], ''দ্য অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস'', ১৫ জানুয়ারি ২০২৬।
* ঐতিহ্যবাহী রক্ষণশীলরা যেকোনো লিবারেলদের মতোই ফ্যাসিবাদবিরোধী। তাদের রাজনৈতিক দর্শন এসেছে বিগত শতাব্দীর জন লক এবং এডমন্ড বার্কের মতো উদারপন্থী চিন্তাবিদদের থেকে। উইলিয়াম এফ. বাকলি এবং জর্জ উইলের মতো পণ্ডিত ভাষ্যকাররা তাদের আধুনিক দর্শন তুলে ধরেছিলেন। রোনাল্ড রিগ্যান এবং জন ম্যাককেইনের মতো ব্যক্তিরা তাদের রাজনৈতিক আদর্শ। বর্তমানে ডানপন্থীদের মধ্যে এমন অনেকেই আছেন যারা নিজেদের রক্ষণশীল বলে দাবি করেন—তারা সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে আছেন, ফক্স নিউজের প্রতিটি স্লটে তারা থাকেন এবং রিপাবলিকান পার্টিতে তাদেরই আধিপত্য। তবুও, সীমিত সরকার, আইনের শাসন এবং স্বাধীনতার প্রসারের মতো এক দীর্ঘ ঐতিহ্যের দাবিদার এই মানুষেরা এমন একজন প্রেসিডেন্টের অন্ধ সমর্থক, যার কর্মকাণ্ডগুলো একজন বেপরোয়া ও ক্ষমতা লোভী স্বৈরশাসকের মতোই।<br>'''নিজেদের রক্ষণশীল দাবি করা এই মানুষেরা, যারা প্রতিদিন ঐতিহ্যবাহী রক্ষণশীলতার মূল নীতিগুলো লঙ্ঘন করা একজন মানুষের জন্য উৎসাহের সাথে গলা ফাটায়, তাদের উচিত নিজেদের যা নয় তা দাবি করা বন্ধ করা এবং তারা আসলে কী হয়ে উঠেছে তার সঠিক বর্ণনাটি মেনে নেওয়া। এটি এমন একটি শব্দ; এটি 'ফ' দিয়ে শুরু হয়।'''
** ডেভিড হরসে, [https://horseytoons.substack.com/p/if-it-talks-like-a-fascist-and-acts/"ইফ ইট টকস লাইক অ্যা ফ্যাসিস্ট অ্যান্ড অ্যাক্টস লাইক অ্যা ফ্যাসিস্ট, ইট'স অ্যা ফ্যাসিস্ট"], ডেভিড হরসের সাবস্ট্যাক, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬।
* ডেনমার্কের আধা-স্বায়ত্বশাসিত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ডের ওপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর দাবি অব্যাহত রাখায়, তথাকথিত নজরদারি মিশনের অংশ হিসেবে বেশ কয়েকটি ইউরোপীয় রাষ্ট্র সেখানে সেনা পাঠাচ্ছে। এর মধ্যে ফরাসি সামরিক বাহিনীর ১৫ সদস্যের একটি দল গ্রিনল্যান্ডের রাজধানী নুকে এসে পৌঁছেছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। এই মোতায়েনে জার্মানি, সুইডেন, নরওয়ে এবং যুক্তরাজ্যের কর্মীরাও থাকবেন। ফরাসি বিশেষ দূত অলিভিয়ের পয়ভ্রে ডি'আরভরের মতে, নুকে ডেনমার্কের ইউরোপীয় ন্যাটো মিত্রদের এই মোতায়েন একটি নজিরবিহীন ঘটনা এবং এটি একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক বার্তা দিচ্ছে। তিনি বলেন, "এটি প্রথম একটি মহড়া... আমরা যুক্তরাষ্ট্রকে দেখাব যে ন্যাটো এখানে উপস্থিত আছে।"<br>ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের "জাতীয় নিরাপত্তার জন্য আমাদের গ্রিনল্যান্ড প্রয়োজন" বলার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডকে মার্কিন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টায় ট্রাম্প আরও মরিয়া হয়ে উঠেছেন। তিনি বলপ্রয়োগের বিষয়টি নাকচ না করলেও বুধবার দেরিতে তিনি বলেন, ডেনমার্কের সাথে কোনো একটি সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব বলে তিনি মনে করেন। তিনি বলেন, "সমস্যা হলো, রাশিয়া বা চীন যদি গ্রিনল্যান্ড দখল করতে চায়, তবে ডেনমার্কের করার মতো কিছুই নেই। কিন্তু আমাদের অনেক কিছুই করার আছে। গত সপ্তাহে ভেনেজুয়েলার ঘটনা দিয়ে আপনারা তা বুঝতে পেরেছেন।"
** পল কারবি, [https://www.msn.com/en-us/news/world/europe-allies-begin-greenland-military-mission-as-trump-says-us-needs-island/ar-AA1UgTRI?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=6968d79738504d33839bb80beefc085f&ei=18/"ইউরোপ অ্যালাইস বিগিন গ্রিনল্যান্ড মিলিটারি মিশন অ্যাজ ট্রাম্প সেইস ইউএস নিডস আইল্যান্ড"], বিবিসি, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬।
* পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ডোনাল্ড টাস্ক বলেন, গ্রিনল্যান্ডে ইউরোপীয় সামরিক মোতায়েনে যোগ দেওয়ার কোনো পরিকল্পনা পোল্যান্ডের নেই। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন যে সেখানে মার্কিন সামরিক হস্তক্ষেপ "একটি রাজনৈতিক বিপর্যয় ডেকে আনবে।" এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, "ন্যাটোর এক সদস্যের দ্বারা অন্য সদস্যের ভূখণ্ডে সংঘাত বা দখলের চেষ্টার অর্থ হবে আমাদের চেনা এই পৃথিবীর অবসান; এটি বহু বছর ধরে আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে।" অন্যদিকে বেলজিয়ামে অবস্থিত রাশিয়ার দূতাবাস আর্কটিক অঞ্চলে যা ঘটছে তা নিয়ে "গভীর উদ্বেগ" প্রকাশ করে। তারা ন্যাটোর বিরুদ্ধে "মস্কো এবং বেইজিংয়ের ক্রমবর্ধমান হুমকির মিথ্যা অজুহাতে" সেখানে সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর অভিযোগ তোলে। তবে, অপারেশন আর্কটিক এন্ডুরেন্স নামের ডেনমার্কের নেতৃত্বাধীন যৌথ মহড়ার অংশ হিসেবে ইউরোপীয় ন্যাটো মোতায়েনে কেবল কয়েক ডজন কর্মী রয়েছে। এটি প্রতীকীভাবে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ হলেও তারা ঠিক কতদিন সেখানে থাকবে তা তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট নয়।<br>জার্মানি বৃহস্পতিবার ১৩ জন সৈন্যের একটি দল নিয়ে নুকে একটি এ৪০০এম পরিবহন বিমান পাঠাচ্ছিল। তবে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তারা কেবল শনিবার পর্যন্ত গ্রিনল্যান্ডে থাকবেন। ড্যানিশ প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তারা গ্রিনল্যান্ড সরকারের সাথে মিলে আগামী দিনে গ্রিনল্যান্ডের আশেপাশে সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। "ইউরোপীয় এবং ট্রান্সঅ্যাটলান্টিক উভয়ের নিরাপত্তার স্বার্থে আর্কটিক অঞ্চলে ন্যাটোর উপস্থিতি" আরও জোরদার করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
** পল কারবি, [https://www.msn.com/en-us/news/world/europe-allies-begin-greenland-military-mission-as-trump-says-us-needs-island/ar-AA1UgTRI?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=6968d79738504d33839bb80beefc085f&ei=18/"ইউরোপ অ্যালাইস বিগিন গ্রিনল্যান্ড মিলিটারি মিশন অ্যাজ ট্রাম্প সেইস ইউএস নিডস আইল্যান্ড"], বিবিসি, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬।
* গ্রিনল্যান্ডে ইতোমধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের একটি সামরিক ঘাঁটি রয়েছে, যেখানে বর্তমানে ১৫০ জনের মতো কর্মী কাজ করছেন। কোপেনহেগেনের সাথে বিদ্যমান চুক্তির অধীনে সেখানে আরও অনেক বেশি কর্মী আনার বিকল্পও তাদের হাতে রয়েছে। তবে ডেনমার্কের নেতৃত্বাধীন এই উদ্যোগটিকে ট্রাম্প প্রশাসনের প্রতি একটি সংকেত হিসেবে দেখা হচ্ছে; এটি প্রমাণ করে যে আর্কটিক এবং উত্তর আটলান্টিকের নিরাপত্তায় তার ইউরোপীয় মিত্রদেরও স্বার্থ রয়েছে। সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বুধবার নুকে সুইডিশ সেনা কর্মকর্তাদের পাঠানো হয়েছে। দুজন নরওয়েজিয়ান এবং একজন ব্রিটিশ সামরিক কর্মকর্তাকেও সেখানে পাঠানো হচ্ছিল। ডাউনিং স্ট্রিট জানিয়েছে, যুক্তরাজ্য "হাই নর্থের নিরাপত্তা" নিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের উদ্বেগের সাথে একমত। তারা আরও জানিয়েছে যে এই মোতায়েনের লক্ষ্য হলো "রাশিয়ান আগ্রাসন এবং চীনা কার্যকলাপ প্রতিহত করতে আরও শক্তিশালী মহড়ার মাধ্যমে নিজেদের অবস্থান জোরালো করা।" ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন বৃহস্পতিবার বলেন, গ্রিনল্যান্ডের প্রতিরক্ষা এবং সুরক্ষা সমগ্র ন্যাটো জোটের জন্য একটি অভিন্ন উদ্বেগের বিষয়।
** পল কারবি, [https://www.msn.com/en-us/news/world/europe-allies-begin-greenland-military-mission-as-trump-says-us-needs-island/ar-AA1UgTRI?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=6968d79738504d33839bb80beefc085f&ei=18/"ইউরোপ অ্যালাইস বিগিন গ্রিনল্যান্ড মিলিটারি মিশন অ্যাজ ট্রাম্প সেইস ইউএস নিডস আইল্যান্ড"], বিবিসি, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬।
* ডেনমার্কের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ট্রোয়েলস লুন্ড পোলসেন বলেন, "পর্যায়ক্রমে" একটি সামরিক উপস্থিতি রাখার উদ্দেশ্য হলো দ্বীপটিতে বিদেশি মিত্রদের সাথে মহড়া এবং প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার মাধ্যমে একটি স্থায়ী সামরিক উপস্থিতির সুযোগ তৈরি করা। কোপেনহেগেন গ্রিনল্যান্ড নিয়ন্ত্রণ করার ব্যাপারে ট্রাম্পের যুক্তির বিরোধিতা করেছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী লার্স লোকে রাসমুসেন বুধবার বলেন, ডেনমার্ক এবং গ্রিনল্যান্ড মোকাবিলা করতে পারবে না, চীন বা রাশিয়ার দিক থেকে এমন কোনো "তাৎক্ষণিক হুমকি" নেই। তবে তিনি আমেরিকান নিরাপত্তা উদ্বেগের সাথে কিছুটা একমত পোষণ করেন। ড্যানিশ এমপিদের সাথে আলোচনার জন্য শুক্রবার ডেমোক্র্যাট-নেতৃত্বাধীন একটি মার্কিন প্রতিনিধিদলের ডেনমার্ক সফরের কথা রয়েছে। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সাথে আলোচনার পর গ্রিনল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে কথা বলেন রাসমুসেন। ড্যানিশ এই কূটনীতিক বলেন, আলোচনা "খোলামেলা কিন্তু গঠনমূলক" ছিল। তিনি উভয় পক্ষের মধ্যে একটি "মৌলিক মতবিরোধ" রয়েছে বলে জানান এবং পরে ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড কেনার চেষ্টার সমালোচনা করেন।<br>ড্যানিশ এই কূটনীতিক ফক্স নিউজকে বলেন, "প্রেসিডেন্টের উচ্চাকাঙ্ক্ষা টেবিলের ওপরেই রয়েছে।" "অবশ্যই আমাদের নির্দিষ্ট সীমা রয়েছে। এটি ২০২৬ সাল, আপনি মানুষের সাথে বাণিজ্য করতে পারেন কিন্তু মানুষ নিয়ে বাণিজ্য করতে পারেন না।" গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেন্স-ফ্রেডরিক নিলসেন এই সপ্তাহে বলেন, ভূখণ্ডটি একটি ভূ-রাজনৈতিক সংকটের মধ্যে রয়েছে। তিনি বলেন, তার জনগণকে বেছে নিতে বলা হলে তারা যুক্তরাষ্ট্রের বদলে ডেনমার্ককেই বেছে নেবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, "গ্রিনল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের মালিকানায় থাকতে চায় না। গ্রিনল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের দ্বারা শাসিত হতে চায় না। গ্রিনল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হতে চায় না।"
** পল কারবি, [https://www.msn.com/en-us/news/world/europe-allies-begin-greenland-military-mission-as-trump-says-us-needs-island/ar-AA1UgTRI?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=6968d79738504d33839bb80beefc085f&ei=18/"ইউরোপ অ্যালাইস বিগিন গ্রিনল্যান্ড মিলিটারি মিশন অ্যাজ ট্রাম্প সেইস ইউএস নিডস আইল্যান্ড"], বিবিসি, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬।
* '''ট্রাম্প এবং তাঁর অনুসারীরা পরম স্বৈরতন্ত্র প্রতিরোধের জন্য সিস্টেমে থাকা শেষ পথটিও অতি উৎসাহের সাথে বন্ধ করে দিচ্ছেন।''' সব স্বৈরতন্ত্রের পরিচিত সেই প্রহসনের নির্বাচনগুলোর আয়োজন করতে অথবা সেগুলো পুরোপুরি বাতিল করতে তাঁরা চাইছেন। তাঁরা কোনো রসিকতা করছেন না। এটি আমেরিকান এক্সপেরিমেন্ট বা পরীক্ষণের জন্য মৃত্যুঘণ্টা হবে। এরপর আর পেছনে ফেরার কোনো সুযোগ থাকবে না। আমরা একটি পুলিশি রাষ্ট্রে পরিণত হব। ইতোমধ্যেই চরম হুমকির মুখে থাকা আমাদের স্বাধীনতা পুরোপুরি বিলীন হয়ে যাবে। সেই সময় কেবল গণআন্দোলন এবং ধর্মঘটই এই স্বৈরতন্ত্রের শেকড় মজবুত হওয়াকে রুখে দিতে পারবে। তবে মিনিয়াপলিসে আমরা যেমনটা দেখছি, এমন পদক্ষেপগুলোকে মারাত্মক রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের মাধ্যমে দমন করা হবে।
** [[ক্রিস হেজেস]], [https://scheerpost.com/2026/01/20/chris-hedges-the-last-election/ "দ্য লাস্ট ইলেকশন"], শিয়ারপোস্ট, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬।
* ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন অভিযানের প্রতিবাদে শুক্রবার বিকেলে শূন্যের নিচে তাপমাত্রার মধ্যেই হাজার হাজার মানুষ মিনেসোটার রাস্তায় নেমে আসে। বিক্ষোভকারীরা স্নোবুট এবং স্কি গগলস পরেছিলেন। তারা নিজেদের মধ্যে হাত গরম রাখার যন্ত্র চালাচালি করছিলেন এবং হকি স্টিকের সাথে লাগানো প্ল্যাকার্ড বহন করছিলেন। ডাউনটাউন মিনিয়াপলিসের মধ্য দিয়ে দুই ঘণ্টার পদযাত্রায় "আইসিই আউট" এবং "মিনেসোটা নাইস, বাট এফ— আইসিই" বলে স্লোগান দেওয়ার সময় বিক্ষোভকারীদের চোখের পাপড়ি এবং দাড়ি জমে বরফ হয়ে গিয়েছিল। টুইন সিটিতে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্টের হঠাৎ বৃদ্ধির প্রতিবাদে স্কুল, কাজ এবং কেনাকাটা বর্জনে মিনেসোটানদের উৎসাহিত করার দিনব্যাপী ইভেন্টের অংশ ছিল এই পদযাত্রা। হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্টের মতে তাদের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় অভিযানের অংশ হিসেবে মিনেসোটায় ব্যাপকভাবে আইসিই এজেন্ট মোতায়েন করা হয়েছে। একটি জনকল্যাণমূলক জালিয়াতির কেলেঙ্কারি রাজ্যের সোমালি সম্প্রদায়কে জাতীয় লাইমলাইটে নিয়ে আসার পরই আইন প্রয়োগের এই চেষ্টাগুলো চালানো হয়।
** মারিয়া টিমস ও জ্যাক মরফেট, [https://www.msn.com/en-us/news/us/thousands-of-minnesotans-protest-ice-in-subzero-temperatures/ar-AA1UQEbY?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=69748550bd2d43a586595be2a40c3645&ei=17/"থাউজেন্ডস অফ মিনেসোটানস প্রোটেস্ট আইসিই ইন সাবজিরো টেম্পারেচার্স"], ''ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল'', ২৩ জানুয়ারি ২০২৬।
* তাঁর ভাষায় "বিশৃঙ্খল" পরিস্থিতি শান্ত করতে বৃহস্পতিবার ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স মিনিয়াপলিস সফর করেন। তিনি এই বামপন্থী শহরের স্থানীয় কর্মকর্তাদের ফেডারেল কর্তৃপক্ষের সাথে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান। এই উত্তেজনার জন্য প্রশাসন রাজ্য এবং স্থানীয় কর্মকর্তাদেরও দায়ী করেছে। হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারা রাজ্যের বিদ্যমান নীতি ও আইনগুলোর কড়া সমালোচনা করেছেন। কারণ এসব আইন সিভিল ইমিগ্রেশন এনফোর্সমেন্টের সাথে সহযোগিতাকে সীমিত করে। এর মধ্যে অনেক ক্ষেত্রে স্থানীয় কারাগারে আইসিই বন্দীদের রাখতে অস্বীকৃতি জানানোর বিষয়টিও রয়েছে। <br>শুক্রবার মিনিয়াপলিসে বিক্ষোভের সময় মিনিয়াপলিস-সেন্ট পল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রায় ১০০ জন ধর্মযাজককে গ্রেপ্তার করা হয়। মিনিয়াপলিসের একজন লুথেরান যাজক জাস্টিন লিন্ড-আয়ার্সের মতে, মূলত খ্রিস্টান ধর্মযাজক এবং ধর্মীয় নেতারা বিমানবন্দরে জড়ো হয়েছিলেন। তাঁরা দাবি করেন যে আইসিই'র "অপারেশন মেট্রো সার্জে"র অংশ হিসেবে আটককৃত অভিবাসীদের বিমানগুলো রাজ্যের বাইরে নিয়ে যাচ্ছে। এমএসপি এয়ারপোর্ট পুলিশ ডিপার্টমেন্ট কর্মকর্তাদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে, তবে তাৎক্ষণিকভাবে কতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তা নিশ্চিত করেনি। ভিডিওতে দেখা যায়, কাঁধে ধর্মীয় স্কার্ফ জড়ানো কয়েকজন বিক্ষোভকারী শুক্রবার মাইনাস-২০ ডিগ্রি ফারেনহাইটের কনকনে ঠান্ডায় হাঁটু গেড়ে বসে স্তোত্র গাইছিলেন এবং ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করছিলেন। এরপর তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।
** মারিয়া টিমস ও জ্যাক মরফেট, [https://www.msn.com/en-us/news/us/thousands-of-minnesotans-protest-ice-in-subzero-temperatures/ar-AA1UQEbY?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=69748550bd2d43a586595be2a40c3645&ei=17/"থাউজেন্ডস অফ মিনেসোটানস প্রোটেস্ট আইসিই ইন সাবজিরো টেম্পারেচার্স"], ''ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল'', ২৩ জানুয়ারি ২০২৬।
* ডাউনটাউন পদযাত্রায় অংশ নেওয়া বিক্ষোভকারীরা বলেছেন, এই বৈরী আবহাওয়ায় বিপুল জনসমাগম এটাই প্রমাণ করে যে মিনেসোটাবাসী আইসিই'র বর্তমান অভিযান এবং কর্মকর্তাদের বলপ্রয়োগের কৌশল বন্ধের দাবিতে কতটা আন্তরিক। মিনিয়াপলিসের ২৬ বছর বয়সী বাসিন্দা ব্রায়ানা ভারবাউট বলেন, "আমরা আইসিই-কে ভয় পাই না, আমরা পিছিয়ে যাব না। আমরা শক্তিশালী, আমরা আমাদের প্রতিবেশীদের জন্য, আমাদের সম্প্রদায়ের জন্য এখানে আছি।" তিনি আরও বলেন, "ভাবুন তো, মাইনাস ২০ ডিগ্রি না হলে এখানে আরও কত মানুষ থাকত।" গত ৫০ বছর ধরে মিনেসোটায় বসবাস করা গির্জার একজন অবসরপ্রাপ্ত কর্মী সিন্ডি বগস বলেন, "আপনি ঠান্ডায় জমে যাচ্ছেন কি না তাতে কার কী আসে যায়? আমরা ঠান্ডায় অভ্যস্ত হয়ে গেছি।" তিনি আরও বলেন, "আমাদের শুধু রুখে দাঁড়াতে হবে এবং এটা চালিয়ে যেতে হবে। মানুষের প্রতি যে নিষ্ঠুরতা করা হচ্ছে তা আমি মেনে নিতে পারছি না।"<br>হোমল্যান্ড সিকিউরিটি তাদের কৌশলের পক্ষে সাফাই গেয়েছে। তারা জোর দিয়ে বলেছে যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বেআইনিভাবে বসবাসকারী অভিবাসীদের আটক করা তাদের জন্য প্রয়োজনীয়। গণ-অভিবাসন প্রয়োগ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের প্রচারণার একটি মূল প্রতিশ্রুতি ছিল। এই কাজে সহায়তা করার জন্য কর্মকর্তারা ইউএস কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশনের মতো সংস্থাগুলোর ভূমিকা দেশের অভ্যন্তরেও প্রসারিত করেছেন।
** মারিয়া টিমস ও জ্যাক মরফেট, [https://www.msn.com/en-us/news/us/thousands-of-minnesotans-protest-ice-in-subzero-temperatures/ar-AA1UQEbY?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=69748550bd2d43a586595be2a40c3645&ei=17/"থাউজেন্ডস অফ মিনেসোটানস প্রোটেস্ট আইসিই ইন সাবজিরো টেম্পারেচার্স"], ''ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল'', ২৩ জানুয়ারি ২০২৬।
* প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাঁর প্রশাসনের গ্রিনল্যান্ড দখলের হুমকি থেকে বুধবার সরে আসায় মুক্ত বিশ্ব স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে। তবে, এই স্বস্তির আড়ালে এই সপ্তাহে আমেরিকার যে ক্ষতি ট্রাম্প করেছেন তা লুকিয়ে আছে। ট্রাম্পের সাফাই গাওয়া ব্যক্তিরা একসময় গ্রিনল্যান্ডকে নিয়ে তাঁর এই ধমকানোকে স্রেফ রসিকতা বলে উড়িয়ে দেন। কিন্তু বাস্তবে এটি আরও অনেক বেশি ভয়ংকর কিছু ছিল। একটি অনুগত ন্যাটো মিত্রের বিরুদ্ধে তাঁর এই অনৈতিক হুমকি যুক্তরাষ্ট্র-ইউরোপীয় সম্পর্কের সংকটকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে, ইতিহাসের অন্যতম সফল একটি জোটকে দুর্বল করেছে এবং দৃশ্যমানভাবেই আমেরিকান স্বার্থকে ক্ষুণ্ন করেছে।
** ''দ্য নিউইয়র্ক টাইমস'' সম্পাদকীয় পর্ষদ, [https://www.nytimes.com/2026/01/24/opinion/trump-nato-greenland.html?smtyp=cur&smid=fb-nytimes&utm_sf_cserv_ref=5281959998&utm_sf_post_ref=658798072&fbclid=IwY2xjawPiHMJleHRuA2FlbQIxMQBzcnRjBmFwcF9pZBAyMjIwMzkxNzg4MjAwODkyAAEevT9BCKQZMttc_GRA1X4zf15Ra11H3jgLeH1aesrftQ9y94DxRHmQyIhInbY_aem_zdyugozf18OqwWvsopsO1w/"দ্য ওয়ার্ল্ড উইল রিমেম্বার ট্রাম্প'স গ্রিনল্যান্ড আউটবার্স্ট"], ২৪ জানুয়ারি ২০২৬।
* দ্বিতীয় ট্রাম্প প্রশাসনে অভিবাসন নীতি তৈরি হয় বড় বড় রাউন্ড নম্বরে। এর একটি সূত্র আছে: হোয়াইট হাউস প্রথমে একটি উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য নির্ধারণ করে—বছরে ১০ লাখ দেশান্তর, দিনে ৩,০০০ অভিবাসন গ্রেপ্তার। এরপর এই লক্ষ্য পূরণে তারা ফেডারেল কর্মীদের ওপর চাপ প্রয়োগ করে। গত বছর, ট্রাম্পের কর্মকর্তারা ২০২৬ সালের জানুয়ারির মধ্যে ১০,০০০ নতুন দেশান্তর কর্মকর্তা যুক্ত করে আইসিই-তে কর্মীর সংখ্যা দ্বিগুণ করার প্রতিশ্রুতি দেন। স্টিফেন মিলার দেশান্তর অভিযানের মতোই এই নিয়োগ প্রক্রিয়াটিকেও সমান গুরুত্ব দেন। তিনি নিয়োগের গতি সম্পর্কে দৈনিক আপডেট চাইতেন। ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট একাধিক শহরে চাকরির মেলার আয়োজন করে এবং চাকরিপ্রার্থীদের সামনে ৫০,০০০ ডলার বোনাস, স্টুডেন্ট-লোন মওকুফ এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার লোভ ঝুলিয়ে দেয়। <br>নববর্ষের ঠিক পরপরই হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্ট বিজয় ঘোষণা করে। তারা "প্রত্যাশা ছাড়িয়ে যাওয়া" এবং "১২২% জনবল বৃদ্ধি" অর্জন করা আইসিই'র এই বিপুল নিয়োগ উদযাপন করে। ডিএইচএস জানায়, তারা ২ লাখ ২০ হাজারের বেশি আবেদন পেয়েছে (অনেক প্রার্থী তিনটি বা চারটি ভিন্ন পদের জন্য আবেদন করেন)। প্রায় চার মাসের মধ্যে তারা ১২,০০০ নতুন কর্মকর্তা, এজেন্ট এবং আইনি কর্মী নিয়োগ করেছে। কোনো ফেডারেল আইন-প্রয়োগকারী সংস্থা এর আগে এত দ্রুত সম্প্রসারিত হয়নি।
** নিক মিরফ, [https://www.msn.com/en-us/news/us/the-truth-about-ice-s-recruiting-push/ar-AA1UTSMs?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=69755f9d891f4014aabdf6bf772c6a7e&ei=9/"দ্য ট্রুথ অ্যাবাউট আইসিই'স রিক্রুটিং পুশ"], ''দ্য আটলান্টিক'', ২৪ জানুয়ারি ২০২৬।
* আমার সাথে কথা বলা আইসিই'র অভিজ্ঞ কর্মীরা তাঁদের নতুন সহকর্মীদের যোগ্যতা এবং দক্ষতা নিয়ে উদ্বিগ্ন। বিশেষ করে যাদের আইন-প্রয়োগের পূর্ব-অভিজ্ঞতা একেবারেই নেই বা খুব সামান্য, তাদের নিয়ে এই শঙ্কা আরও বেশি। শারীরিক ফিটনেসের শর্ত পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় অ্যাকাডেমির কিছু ক্লাসে ড্রপআউট বা ঝরে পড়ার হার প্রায় ৫০ শতাংশের কাছাকাছি ছিল। ট্রাম্প প্রশাসন গত গ্রীষ্মে প্রশিক্ষণ কোর্সের মেয়াদ প্রায় পাঁচ মাস থেকে কমিয়ে ৪৭ দিনে নামিয়ে এনেছিল। সে সময় তিনজন কর্মকর্তা আমাকে বলেছিলেন যে ট্রাম্প ৪৭তম প্রেসিডেন্ট বলেই এমনটা করা হয়েছিল। এরপর এটিকে আরও কমানো হয়। এখন এটি ৪২ দিনের।
** নিক মিরফ, [https://www.msn.com/en-us/news/us/the-truth-about-ice-s-recruiting-push/ar-AA1UTSMs?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=69755f9d891f4014aabdf6bf772c6a7e&ei=9/"দ্য ট্রুথ অ্যাবাউট আইসিই'স রিক্রুটিং পুশ"], ''দ্য আটলান্টিক'', ২৪ জানুয়ারি ২০২৬।
* প্রশাসন রাস্তায় আরও আইসিই কর্মকর্তা মোতায়েন করতে চায়। ট্রাম্পের কর্মকর্তারা লস অ্যাঞ্জেলেস, শিকাগো এবং এখন মিনিয়াপলিসের মতো শহরগুলোতে অতিরিক্ত শক্তি হিসেবে বর্ডার পেট্রোল এজেন্টদের নিয়ে এসেছেন। ট্রাম্পের চলমান অভিযান সাধারণত একবারে একটি জায়গাকেই লক্ষ্য করে। তবে নতুন এই নিয়োগ বৃদ্ধির ফলে প্রশাসন একসাথে একাধিক শহরকে লক্ষ্যবস্তু করার মতো যথেষ্ট কর্মী পাবে। ট্রাম্পের কর্মকর্তারা বলেছেন, তাঁরা অন্যান্য ফেডারেল সংস্থা বা রাজ্য এবং স্থানীয় পুলিশ বিভাগ থেকে অভিজ্ঞ আইন-প্রয়োগকারী কর্মকর্তাদের নিয়োগের মাধ্যমে এই পদগুলো পূরণ করছেন। আইসিই এবং ডিএইচএস-এর কর্মকর্তারা আমাকে জানিয়েছেন, একবার এককালীন তহবিলের এই জোয়ার শেষ হয়ে গেলে আইসিই-তে তাদের ক্যারিয়ারের সম্ভাবনা নিয়ে নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত অনেকেই চিন্তিত। বিশেষ করে ডেমোক্র্যাটরা যদি কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নেয়, তবে এই শঙ্কা আরও বাড়বে। <br>আমার সাথে কথা বলা একজন আইসিই কর্মকর্তা জানান, নতুন নিয়োগপ্রাপ্তদের মধ্যে কেউ কেউ, বিশেষ করে নতুন করে নিয়োগ পাওয়া অবসরপ্রাপ্তরা, এই চাকরিতে আসা নিয়ে এখন আবার ভাবছেন। দুজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ফিরে আসা শত শত কর্মকর্তাকে মিনেসোটায় যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেখানে প্রশাসন ডিএইচএস-এর ইতিহাসের সবচেয়ে বড় অভিযান চালাচ্ছে। কিছু কর্মকর্তা এতটাই ঠান্ডা এবং কষ্টে ছিলেন যে তাঁরা ইতোমধ্যেই চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন। এই হঠাৎ পদত্যাগের ঘটনাগুলো কীভাবে সামলানো যায় তা ঠিক করতে আইসিই কর্মকর্তারা বৈঠক করেছেন। <br>অবসর ভেঙে ফিরে আসা কর্মকর্তারা নিজেদের অচেনা সব ভূমিকায় আবিষ্কার করছেন। তাঁরা নিজেদের ক্যারিয়ারের বেশিরভাগ সময়ই লোকচক্ষুর আড়ালে থেকে "সুনির্দিষ্ট এনফোর্সমেন্ট" অভিযান চালানোর চেষ্টা করেছেন। এই অভিযানগুলোতে তাঁরা আগে থেকেই গ্রেপ্তারের পরিকল্পনা করতেন এবং সম্ভাব্য সবচেয়ে নিরাপদ ও নিভৃত উপায়ে সন্দেহভাজনদের হেফাজতে নেওয়ার চেষ্টা করতেন। অথচ এখন তাঁরা মুখোশ পরে রাস্তায় নেমেছেন, বিক্ষোভকারীরা তাঁদের দিকে চিৎকার করছে এবং ভিডিও ক্যামেরা সব রেকর্ড করছে। আইসিই বদলে গেছে, এবং কাজটিও আর আগের মতো নেই।
** নিক মিরফ, [https://www.msn.com/en-us/news/us/the-truth-about-ice-s-recruiting-push/ar-AA1UTSMs?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=69755f9d891f4014aabdf6bf772c6a7e&ei=9/"দ্য ট্রুথ অ্যাবাউট আইসিই'স রিক্রুটিং পুশ"], ''দ্য আটলান্টিক'', ২৪ জানুয়ারি ২০২৬।
* সপ্তাহের শেষে ফেডারেল সরকারের বেশিরভাগ অংশই বন্ধ হয়ে যেতে পারে। তবে এর ফলে মিনিয়াপলিস এবং দেশের অন্যান্য অংশে আইসিই এবং বর্ডার পেট্রোলের আগ্রাসী অভিযানগুলো সম্ভবত থামবে না। উইকএন্ডে মিনিয়াপলিসে বর্ডার পেট্রোল এজেন্টরা আইসিইউ নার্স এবং মার্কিন নাগরিক অ্যালেক্স প্রেটিকে গুলি করে হত্যার পর ডেমোক্র্যাটরা ক্ষোভে ফেটে পড়েছে। এর আগে চলতি মাসের শুরুতে আইসিই'র এক কর্মকর্তা রেনি গুড নামের মিনিয়াপলিসের আরেক বাসিন্দা এবং নাগরিককে তাঁর গাড়িতে গুলি করে হত্যা করে। <br>তৃণমূল পর্যায়ের প্রচণ্ড চাপের মুখে, ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন প্রয়োগ কার্যক্রমের ওপর উল্লেখযোগ্য বিধিনিষেধ আরোপ করা না হলে একটি বিস্তৃত সরকারি তহবিল বিল আটকে দেওয়ার শপথ নিয়েছেন সিনেট ডেমোক্র্যাটরা। <br>রিপাবলিকানরা এই সপ্তাহের শেষের দিকে হাউস-পাস করা ১.২ ট্রিলিয়ন ডলারের ফান্ডিং প্যাকেজে ভোট দেওয়ার জন্য জোরেশোরে এগিয়ে যাওয়ায়, শনিবার থেকে শুরু হওয়া একটি আংশিক অচলাবস্থা এখন ক্রমশ অবধারিত মনে হচ্ছে। শুক্রবার গভীর রাতে আইসিই'র তদারকি করা হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্ট (ডিএইচএস) এবং অন্যান্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার তহবিল শেষ হয়ে যাওয়ার কথা রয়েছে।
** স্কট ওং, [https://www.msn.com/en-us/news/politics/most-of-the-government-could-shut-down-this-weekend-ice-operations-would-carry-on/ar-AA1V1rWv?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=6978cb48d3bb4d05a60d6795f9688d96&ei=16/"মোস্ট অফ দ্য গভর্নমেন্ট কুড শাট ডাউন দিস উইকেন্ড। আইসিই অপারেশনস উড ক্যারি অন"], এনবিসি নিউজ, ২৬ জানুয়ারি ২০২৬।
* তারপরও, ডেমোক্র্যাটরা সরকারকে অচল করে দিলেও আইসিই'র কার্যক্রমে বড় কোনো বাধা আসার সম্ভাবনা নেই। একটি জিওপি নেতৃত্বের সূত্র জানিয়েছে, ডিএইচএস-এর শাটডাউন পরিকল্পনার অধীনে আইসিই কর্মীদের "অব্যাহতিপ্রাপ্ত" কর্মী হিসেবে বিবেচনা করা হবে। তাদের অন্যান্য কর্মীদের মতো বেতন না পেলেও, কাজ চালিয়ে যেতে হবে। এর পাশাপাশি জিওপি সূত্রটি উল্লেখ করেছে, একটি অচলাবস্থার মধ্যেও আইসিই'র কাছে পর্যাপ্ত তহবিল থাকবে। কারণ গত বছর ট্রাম্পের "বিগ, বিউটিফুল বিল" থেকে সংস্থাটি আটক ও আইন প্রয়োগের জন্য ৭৫ বিলিয়ন ডলার অতিরিক্ত তহবিল পেয়েছে।
** স্কট ওং, [https://www.msn.com/en-us/news/politics/most-of-the-government-could-shut-down-this-weekend-ice-operations-would-carry-on/ar-AA1V1rWv?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=6978cb48d3bb4d05a60d6795f9688d96&ei=16/"মোস্ট অফ দ্য গভর্নমেন্ট কুড শাট ডাউন দিস উইকেন্ড। আইসিই অপারেশনস উড ক্যারি অন"], এনবিসি নিউজ, ২৬ জানুয়ারি ২০২৬।
* সপ্তাহের শেষে যদি সরকারি তহবিলের মেয়াদ শেষ হয়ে যায়, তবে এটি ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের চার মাসের মধ্যে দ্বিতীয় ফেডারেল অচলাবস্থা হবে। গত শরতে মেয়াদ শেষ হতে যাওয়া ওবামাকেয়ার ট্যাক্স ক্রেডিটের মেয়াদ বাড়ানোর দাবিতে সিনেট ডেমোক্র্যাটরা একটি ফান্ডিং বিল আটকে দেয়। এটি সরকারকে ৪৩ দিনের জন্য অচল করে দেয়—যা মার্কিন ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ অচলাবস্থা। স্বাস্থ্যসেবা ভর্তুকি নিয়ে কোনো চুক্তি ছাড়াই সরকার পুনরায় চালু করতে আটজন ডেমোক্র্যাট শেষ পর্যন্ত পিছু হটে রিপাবলিকানদের সাথে ভোট দেন। জরিপে দেখা গেছে, এই অচলাবস্থার জন্য ডেমোক্র্যাটদের চেয়ে রিপাবলিকানদেরই বেশি দায়ী করা হয়েছে।
** স্কট ওং, [https://www.msn.com/en-us/news/politics/most-of-the-government-could-shut-down-this-weekend-ice-operations-would-carry-on/ar-AA1V1rWv?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=6978cb48d3bb4d05a60d6795f9688d96&ei=16/"মোস্ট অফ দ্য গভর্নমেন্ট কুড শাট ডাউন দিস উইকেন্ড। আইসিই অপারেশনস উড ক্যারি অন"], এনবিসি নিউজ, ২৬ জানুয়ারি ২০২৬।
* প্রায় এক বছর আগে, শিক্ষা দপ্তরের একটি বিস্তৃত অথচ অস্পষ্ট নির্দেশনা বিশ্ববিদ্যালয় এবং কে-১২ স্কুল ডিস্ট্রিক্টগুলোকে চরম বিপাকে ফেলেছিল। ঐ "ডিয়ার কলিগ" চিঠিতে বলা হয়েছিল, নিয়োগ, শৃঙ্খলা নীতি, বৃত্তি এবং প্রোগ্রামিং—যেকোনো ক্ষেত্রে স্কুলগুলো বর্ণ বিবেচনা করলে তা ফেডারেল আইনের লঙ্ঘন হতে পারে। তবে একটি মামলা এবং আদালতে হারের পর ট্রাম্প প্রশাসন বলছে যে তারা এই বিষয়টি পুরোপুরি বাদ দিচ্ছে। এর অর্থ হলো, "ডিয়ার কলিগ" চিঠিটিকে আটকে দেওয়া আগস্টের একটি ফেডারেল আদালতের আদেশ বহাল থাকবে। ট্রাম্প প্রশাসন এও দাবি করেছিল যে স্কুলগুলোকে এই চিঠি মেনে চলার প্রমাণপত্র দিতে হবে, কিন্তু সেই দাবিও এখন বাতিল হয়ে গেছে। <br>তবুও, এর প্রভাব কতটা তাৎপর্যপূর্ণ হবে তা অস্পষ্ট। প্রথম বছরে শিক্ষায় ব্যাপক পরিবর্তন আনা ট্রাম্প প্রশাসন এখনও প্রয়োগকারী ব্যবস্থা এবং অন্যান্য চাপের মাধ্যমে স্কুলগুলোর ওপর আইনের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি চাপিয়ে দেওয়ার কাজ করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, জুলাই মাসে বিচার বিভাগ একটি মেমো প্রকাশ করে যেখানে শিক্ষা দপ্তরের চিঠির অনেক ধারণাই অন্তর্ভুক্ত ছিল। এর পাশাপাশি প্রশাসনের ডিইআই-বিরোধী অবস্থানের সাথে সাংঘর্ষিক হওয়ার আশঙ্কায় অনেক স্কুল ইতোমধ্যেই তাদের বৈচিত্র্য, সাম্য এবং অন্তর্ভুক্তি নীতি পরিবর্তন করেছে।
** লরা মেকলার, [https://www.msn.com/en-us/news/us/trump-letter-banning-dei-in-schools-is-dead-after-legal-appeal-is-dropped/ar-AA1USkjb?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=69756d3d22a84125b0b92c399dc88f28&ei=11/"ট্রাম্প লেটার ব্যানিং ডিইআই ইন স্কুলস ইজ ডেড আফটার লিগ্যাল আপিল ইজ ড্রপড"], ''দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট'', ২৯ জানুয়ারি ২০২৬।
* রক্ষণশীল থিংক ট্যাংক আমেরিকান এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউটের শিক্ষা নীতি বিষয়ক গবেষণার পরিচালক ফ্রেডেরিক হেস বলেন, প্রশাসনের নজরদারি এড়াতে অনেক স্কুল এই ডিইআই-বিরোধী নির্দেশনাটি মেনে চলা অব্যাহত রাখতে পারে। তিনি বলেন, "আমরা একটি জিনিস দেখেছি তা হলো, এটি আইনের সাথে স্পষ্টভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ হোক বা না হোক, প্রাতিষ্ঠানিক নেতারা ফেডারেল সরকারের সাথে ঝামেলায় জড়াতে কতটা নারাজ।"<br>যেভাবেই হোক, হেস জানিয়েছেন যে ফেব্রুয়ারির চিঠিটি আর কার্যকর নেই বলে তিনি খুশি। কারণ তিনি মনে করেন না যে এই ধরনের নির্দেশনামূলক নথি নীতি নির্ধারণের কাজে ব্যবহার করা উচিত—যা অতীতে ডেমোক্র্যাটিক এবং রিপাবলিকান উভয় প্রশাসনই করেছে। তিনি বলেন, "হাজার হাজার পোস্ট-সেকেন্ডারি প্রতিষ্ঠান বা ১০,০০০-এর বেশি স্কুল ডিস্ট্রিক্টকে কোনো এক দিকে চালিত করার জন্য ডিয়ার কলিগ চিঠিগুলো একটি ভোঁতা অস্ত্রে পরিণত হয়েছে। আমার মনে হয় না এটি এগুলোর সঠিক ব্যবহার।" তিনি আরও বলেন, "আমি মনে করি না এটা কারো জন্যই ভালো।"
** লরা মেকলার, [https://www.msn.com/en-us/news/us/trump-letter-banning-dei-in-schools-is-dead-after-legal-appeal-is-dropped/ar-AA1USkjb?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=69756d3d22a84125b0b92c399dc88f28&ei=11/"ট্রাম্প লেটার ব্যানিং ডিইআই ইন স্কুলস ইজ ডেড আফটার লিগ্যাল আপিল ইজ ড্রপড"], ''দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট'', ২৯ জানুয়ারি ২০২৬।
==== ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ====
* নতুন একটি পডকাস্ট সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] [[রিপাবলিকান পার্টি|রিপাবলিকানদের]] নির্বাচন "জাতীয়করণ" করার আহ্বান জানিয়েছেন। এর পাশাপাশি তিনি ২০২০ সালের নির্বাচনে জালিয়াতির বিষয়ে তাঁর মিথ্যা দাবিগুলোরও পুনরাবৃত্তি করেছেন।<br>আমেরিকান নির্বাচনগুলো মূলত রাষ্ট্রীয় আইনের মাধ্যমে পরিচালিত হয় এবং দীর্ঘদিন ধরে সারা দেশের স্থানীয় কর্মকর্তারাই ভোটগ্রহণের ব্যবস্থা করে আসছেন।<br>রিপাবলিকানদের বলা উচিত: "আমরা নিয়ন্ত্রণ নিতে চাই। অন্তত ১৫টি স্থানে আমাদের ভোটগ্রহণের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া উচিত"। রিপাবলিকানদের ভোটগ্রহণকে জাতীয়করণ করা উচিত।
** [https://www.bbc.co.uk/news/articles/c0mke841zj0o"ট্রাম্প সেইস রিপাবলিকানস 'শুড টেক ওভার দ্য ভোটিং' অ্যান্ড 'ন্যাশনালাইজ' ইউএস ইলেকশনস"], ''বিবিসি'' (৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬)।
* ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সির যদি কোনো থিম থেকে থাকে (আত্মপ্রচার বাদে), তবে তা হলো তাঁর "[[আমেরিকা ফার্স্ট|আমেরিকা ফার্স্ট]]" বা "আমেরিকাই প্রথম" এজেন্ডা আমেরিকাকে আবার মহান করবে ([[মেইক আমেরিকা গ্রেট এগেইন]])। আমেরিকানদের জন্য দুর্ভাগ্যজনক ব্যাপার হলো, ট্রাম্পের এই কূটচাল ও ষড়যন্ত্র যদি কোনো জাতিকে মহান করে থাকে, তবে তা [[চীন]], [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র]] নয়।
** স্টিভেন গ্রিনহাউস, ''দ্য গার্ডিয়ান''; [https://www.theguardian.com/commentisfree/2026/feb/05/donald-trump-making-china-great-again "ডোনাল্ড ট্রাম্প ইজ মেকিং চায়না গ্রেট এগেইন"]-এ লিখেছেন (৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬)।
* কোনো কিছুর ফলাফল কি আপনার কখনো অপছন্দ হয়েছে? আপনি কি কখনো ভেবেছেন ইশ যদি তা বদলে দেওয়া যেত! অবশ্যই, আপনি তা পারবেন না। ছোটবেলা থেকেই এই শিক্ষা আমাদের মগজে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে: আপনি যা পান, তাই নিয়েই আপনাকে সন্তুষ্ট থাকতে হবে এবং আপনি তাতে মন খারাপ করতে পারবেন না। দুর্ভাগ্যবশত, ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং রিপাবলিকান পার্টি সম্ভবত কখনোই এই দরকারি শিক্ষাটি পায়নি। ২০২০ সালের নির্বাচন বেশ সুষ্ঠু হওয়া সত্ত্বেও, ট্রাম্প আজও "চুরি হওয়া" সেই নির্বাচন নিয়ে ক্রমাগত অভিযোগ করেন। মেজাজ দেখানো একটি শিশুর মতো, তিনি বিষয়টি না টেনে এনে পারেন না। তবে ট্রাম্পের এই খামখেয়ালিপনা শিশুদের খেলার চেয়ে অনেক বেশি বিপজ্জনক। কারণ তিনি ঘ্যানঘ্যান করার সময় হয়তো গণতান্ত্রিক পরীক্ষণটিকেই ধ্বংস করার চেষ্টা করতে পারেন—আর রিপাবলিকানদেরও তাঁর সাথে টেনে আনতে পারেন।<br>গত সপ্তাহে ডানপন্থী ব্যক্তিত্ব ড্যান বনগিনোর সাথে এক পডকাস্টে ট্রাম্প বেশ কয়েকটি ডেমোক্রেটিক ঘাঁটিতে নির্বাচনকে "জাতীয়করণ" করার জন্য ফেডারেল সরকারের প্রতি আহ্বান জানেন। তিনি পরে দাবি করেন, "কিছু জায়গার দিকে তাকান – নির্বাচনে কী ভয়ানক দুর্নীতি – এবং ফেডারেল সরকারের এটা হতে দেওয়া উচিত নয়।" কারচুপির নির্বাচন নিয়ে ট্রাম্পের ফ্যান্টাসি যা-ই হোক না কেন, সংবিধান স্পষ্ট: নির্বাচন পরিচালনা করার ক্ষমতা অঙ্গরাজ্যগুলোকে দেওয়া হয়েছে এবং ফেডারেল সরকার ভোটগ্রহণের নিয়ন্ত্রণ নিতে পারে না।
** প্যাট্রিক মিনারলি, [https://dailycampus.com/2026/02/12/patricks-politics-why-voter-suppression-is-all-the-rage-on-the-right/"হোয়াই ভোটার সাপ্রেশন ইজ অল দ্য রেজ অন দ্য রাইট "], ''দ্য ডেইলি ক্যাম্পাস'', ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
* রিপাবলিকান পার্টিকে সবসময়ের মতোই তাদের শাসকের ইশারায় নাচতে প্রস্তুত বলে মনে হচ্ছে। নির্বাচন পরিচালনার ধরন বদলানোর ট্রাম্পের আকাঙ্ক্ষা মেটাতে কংগ্রেসে রিপাবলিকানরা ব্যস্ত। আমি যখন এই কলামটি লিখছি, তখন সেভ আমেরিকা অ্যাক্ট ইউ.এস. হাউসে ভোটের জন্য উঠছে। এই আইনটি ভোট দেওয়াকে উল্লেখযোগ্যভাবে কঠিন করে তুলবে। ভোট দেওয়ার আগে সম্ভাব্য ভোটারদের স্পষ্টভাবে তাদের নাগরিকত্ব প্রমাণ করতে এটি বাধ্য করবে। বাহ্যিকভাবে, এটিকে খারাপ কোনো ধারণা মনে নাও হতে পারে। আমরা কেন আমাদের নির্বাচনকে নিরাপদ ও সুরক্ষিত করব না? তবে, এই বিলটি এই বিষয়টি এড়িয়ে যায় যে অনেক আমেরিকান তাদের সাথে পাসপোর্ট বা জন্ম সনদের মতো নাগরিকত্বের প্রমাণ বহন করেন না। এটি এমন একটি সমস্যার সমাধান করে, যার কোনো অস্তিত্বই নেই; ব্যাপকভাবে অবৈধ ভোটদানের মিথ্যা দাবি সত্ত্বেও, অনাগরিকদের ভোট দেওয়া অত্যন্ত বিরল ঘটনা। <br>তাহলে কেন এই বিলটি পাস করার চেষ্টা করা হচ্ছে? উত্তর হলো, রিপাবলিকানরা আসলে ভোটার জালিয়াতি ঠেকাতে চায় না। তারা মানুষকে ভোট দেওয়া থেকে বিরত রাখতে চায়। তারা ভোটার দমন চায়।
** প্যাট্রিক মিনারলি, [https://dailycampus.com/2026/02/12/patricks-politics-why-voter-suppression-is-all-the-rage-on-the-right/"হোয়াই ভোটার সাপ্রেশন ইজ অল দ্য রেজ অন দ্য রাইট "], ''দ্য ডেইলি ক্যাম্পাস'', ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
* ভোটার দমনের এই সমস্ত চেষ্টা স্পষ্টভাবে মধ্যবর্তী নির্বাচন এবং এর পরের নির্বাচনগুলোতে রিপাবলিকানদের পরাজয় ঠেকানোর লক্ষ্যেই করা হয়েছে। ২০২০ সালের নির্বাচনী ফলাফলের ক্রমাগত প্রতিবাদ করার মাধ্যমে ট্রাম্প ইতোমধ্যেই এর ভিত্তি তৈরি করে রেখেছেন। তিনি তথাকথিত "নির্বাচনী সততা" নিয়ে তাঁর সমর্থকদের উদ্বিগ্ন হতে উসকে দিয়েছেন। সেভ আমেরিকা অ্যাক্টের মতো বিলগুলো শেষ পর্যন্ত পাস হোক বা না হোক, কীভাবে আমাদের অধিকার সীমিত করা হতে পারে, সে বিষয়ে আমাদের অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে। ভোটকেন্দ্রগুলোতে আইসিই মোতায়েন করা হোক বা না হোক, আমাদের অবশ্যই মনে রাখতে হবে যে এই হুমকি দেওয়া হয়েছিল। আর ট্রাম্প নির্বাচনকে জাতীয়করণ করার চেষ্টা করুন বা না করুন, আমরা জানি যে ভোট দমনের এই প্রচেষ্টা গণতন্ত্রকে ধ্বংস করতে এবং সিস্টেমের সাথে প্রতারণা করার বাসনা থেকেই জন্ম নিয়েছে।
** প্যাট্রিক মিনারলি, [https://dailycampus.com/2026/02/12/patricks-politics-why-voter-suppression-is-all-the-rage-on-the-right/"হোয়াই ভোটার সাপ্রেশন ইজ অল দ্য রেজ অন দ্য রাইট "], ''দ্য ডেইলি ক্যাম্পাস'', ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
* ডোনাল্ড ট্রাম্প কখনোই বিজ্ঞানের পক্ষে ছিলেন না, বিশেষ করে জলবায়ু বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে। তিনি প্রায়শই জলবায়ু পরিবর্তনকে এক ধরনের "ধোঁকাবাজি" বা "প্রতারণা" হিসেবে উল্লেখ করে মিথ্যা দাবি ছড়িয়েছেন। তাহলে বুঝতেই পারছেন, এনভায়রনমেন্টাল প্রোটেকশন এজেন্সি (ইপিএ) সম্পর্কে তিনি কেমন অনুভব করেন। অথচ এই সংস্থাটির জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় সাহায্য করার এবং—নাম থেকেই বোঝা যায়—পরিবেশকে সুস্থ রাখার কথা। ট্রাম্পের আগে ইপিএ'র প্রচেষ্টার একটি প্রধান স্তম্ভ ছিল ২০০৯ সালের "বিপন্নতা অনুসন্ধান"। এটি সরকারের এই অবস্থান প্রতিষ্ঠা করেছিল যে গ্রিনহাউস গ্যাস মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। তবে, ট্রাম্প প্রশাসন গত সপ্তাহে ঘোষণা করেছে যে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে ইপিএ'র এই বিপন্নতা অনুসন্ধান বাতিল করছে। এর মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে "সবচেয়ে বড় নিয়ন্ত্রণমুক্তকরণ পদক্ষেপ" শুরু হলো। বড় ব্যবসা এবং জলবায়ু পরিবর্তন অস্বীকার করার প্রতি মাগা আন্দোলনের মোহ মেটাতেই এই বাতিলকরণ প্রতিষ্ঠিত সত্যের বিরুদ্ধে যায়। এটি ইপিএ-কে দিশেহারা এবং ক্ষমতাহীন করে ফেলে; এটি বৈশ্বিক উষ্ণায়নের চলমান স্রোত মোকাবিলায় অক্ষম হয়ে পড়ে।
** প্যাট্রিক মিনারলি, [https://dailycampus.com/2026/02/19/patricks-politics-without-climate-regulations-the-epa-protects-nothing/"উইদাউট ক্লাইমেট রেগুলেশনস, দ্য ইপিএ প্রটেক্টস নাথিং "], ''দ্য ডেইলি ক্যাম্পাস'', ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
* ২০০৭ সালের সুপ্রিম কোর্টের মামলা ''ম্যাসাচুসেটস বনাম ইপিএ''<nowiki>'</nowiki>র ওপর ভিত্তি করে বিপন্নতা অনুসন্ধানটি তৈরি হয়েছিল। ঐ মামলায় নির্ধারণ করা হয়েছিল যে জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকির কারণে ১৯৭০ সালের ক্লিন এয়ার অ্যাক্টের অধীনে গ্রিনহাউস গ্যাসগুলো নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা ইপিএ'র আছে। এই সিদ্ধান্তটি ইপিএ-কে ক্ষতিকারক এই গ্যাসগুলোর নির্গমন সীমিত করতে নিয়ন্ত্রকমূলক নীতিগুলো বাস্তবায়নের অনুমতি দেয়। <br>পরিবহনের জন্য আইনগুলো বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ; এটি প্রতি বছর যুক্তরাষ্ট্রের দ্বারা নির্গত গ্রিনহাউস গ্যাসের সবচেয়ে বড় অংশ (২৮%) দখল করে আছে। ইপিএ'র নিজস্ব ওয়েবসাইটও একই কথা বলে; এটি খুবই হাস্যকর। কারণ ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন নীতি ২০১২ সালের পর থেকে যানবাহন এবং ইঞ্জিনগুলোর গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের ওপর সমস্ত ফেডারেল আইন বাতিল করে দেয়। এই আইনগুলো কোম্পানিগুলোকে ইচ্ছেমতো জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহার করতে বাধা দিতে সাহায্য করে। আইনগুলো বাতিল করার অর্থ হলো, আমেরিকা এখন অন্যান্য শিল্পোন্নত দেশগুলোর চেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে পিছিয়ে পড়েছে, যারা নিজেদের পরিবেশগত সুরক্ষা এবং নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস বাড়াতে ব্যস্ত। ট্রাম্পের এই নিয়ন্ত্রণমুক্তকরণ মিশন একটি বড় পিছিয়ে পড়াকে তুলে ধরে। আমেরিকা ইতোমধ্যেই পরিবেশ রক্ষায় ব্যর্থ হচ্ছে। এমন একটি ক্ষেত্রেই এই মিশন আইনগুলোকে ছুঁড়ে ফেলতে যাচ্ছে।<br>মূলত, বিপন্নতা অনুসন্ধান বাতিলের পক্ষে ট্রাম্প প্রশাসনের প্রধান যুক্তি হলো, নিয়ন্ত্রণমুক্তকরণের কারণে আমেরিকান করদাতাদের ১.৩ ট্রিলিয়ন ডলার বাঁচবে। ট্রাম্পের কাছে যেহেতু খরচের বিষয়টি এতই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে হচ্ছে, তাই ২০২৩ সালের একটি ফেডারেল প্রতিবেদন থেকে জানানো যাক যে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বছর ১৫০ বিলিয়ন ডলার খরচ হচ্ছে। এটি একটি রক্ষণশীল অনুমান যা কেবল প্রত্যক্ষ ক্ষতির হিসাব করে। তাপমাত্রা এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে এই সংখ্যাটি কেবল বাড়তেই থাকবে; এটি আরও ঘন ঘন এবং আরও ধ্বংসাত্মক চরম আবহাওয়ার ঘটনা তৈরি করবে।
** প্যাট্রিক মিনারলি, [https://dailycampus.com/2026/02/19/patricks-politics-without-climate-regulations-the-epa-protects-nothing/"উইদাউট ক্লাইমেট রেগুলেশনস, দ্য ইপিএ প্রটেক্টস নাথিং "], ''দ্য ডেইলি ক্যাম্পাস'', ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
* তবুও ট্রাম্প প্রশাসন এই সত্যটি এড়িয়ে যায় যে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব পরিমাপের ক্ষেত্রে খরচ একটি অত্যন্ত সন্দেহজনক উপায়। বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ক্ষতি পরিমাপ করা কঠিন, তবে আমরা জানি এর প্রভাবগুলো মানবজীবনকে উল্লেখযোগ্যভাবে আরও খারাপ করে তুলবে। পৃথিবী যখন আরও উত্তপ্ত এবং বসবাসের অযোগ্য হয়ে উঠছে, তখন আমরা এমন একটি শেষ সীমানার দিকে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছি যখন জলবায়ুর ওপর আমাদের প্রভাব আর থামানো যাবে না। আর সেই ভবিষ্যৎকে কোনো সংখ্যা দিয়ে পরিমাপ করা সম্ভব নয়। এটি কেবল এর ফলে সৃষ্ট দুর্ভোগ দিয়েই পরিমাপ করা যাবে। মানুষকে বারবার ঘটে চলা বিপর্যয় এবং বিশ্ব উষ্ণায়নের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবের সাথে মানিয়ে নিতে তাদের পুরো জীবন ব্যবস্থাকে উপড়ে ফেলতে হবে। বিশেষ করে উপকূলীয় অঞ্চলে, যেখানে সমুদ্রের স্তর বৃদ্ধি পাবে। প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্র টুভালু ইতোমধ্যেই ক্রমবর্ধমান সমুদ্রের গহ্বরে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় নিজেদের একটি ডিজিটাল কপি আপলোড করার চেষ্টা করছে। আস্ত একটি জাতির সম্ভাব্য ক্ষতিকে পরিমাপ করা যায় না, আর জলবায়ু পরিবর্তনের অনেক বিরূপ প্রভাবকেও একইভাবে পরিমাপ করা অসম্ভব।
** প্যাট্রিক মিনারলি, [https://dailycampus.com/2026/02/19/patricks-politics-without-climate-regulations-the-epa-protects-nothing/"উইদাউট ক্লাইমেট রেগুলেশনস, দ্য ইপিএ প্রটেক্টস নাথিং "], ''দ্য ডেইলি ক্যাম্পাস'', ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
* ট্রাম্প প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তের মূলে রয়েছে মাগা ভিত্তির মন জুগিয়ে চলা। বছরের পর বছর ধরে, ট্রাম্প এবং ডানপন্থী মিডিয়া যন্ত্রগুলো রিপাবলিকানদের জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে অত্যন্ত সন্দিহান হতে, অথবা অন্তত এটিকে একটি জরুরি সমস্যা হিসেবে অস্বীকার করতে প্ররোচিত করেছে। পিউ রিসার্চ সেন্টারের জরিপ অনুসারে, মাত্র ১২% রিপাবলিকান মনে করেন যে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা করা একটি শীর্ষ অগ্রাধিকার হওয়া উচিত। নিয়ন্ত্রণমুক্তকরণও দীর্ঘদিন ধরে রিপাবলিকান এজেন্ডার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ট্রিকল-ডাউন অর্থনীতির রিগ্যানাইট নীতি আংশিকভাবে ব্যবসার নিয়ন্ত্রণমুক্তকরণের ওপরই নির্ভর করে। এছাড়া, বর্তমান ইপিএ প্রশাসক লি জেলডিন আগে একজন রিপাবলিকান ইউএস হাউস সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং এর আগে একজন ট্রাম্পের চাটুকার হিসেবেই সবচেয়ে বেশি পরিচিত ছিলেন। তাঁকে বিশেষভাবে একজন সম্পূর্ণ রাজনৈতিক, ডানপন্থী নিয়োগপ্রাপ্ত হিসেবেই বেছে নেওয়া হয়েছিল।
** প্যাট্রিক মিনারলি, [https://dailycampus.com/2026/02/19/patricks-politics-without-climate-regulations-the-epa-protects-nothing/"উইদাউট ক্লাইমেট রেগুলেশনস, দ্য ইপিএ প্রটেক্টস নাথিং "], ''দ্য ডেইলি ক্যাম্পাস'', ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
* জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে ষড়যন্ত্র তত্ত্ব এবং মিথ্যা ছড়ানোর ট্রাম্পের ইতিহাস তাঁর অনুসারীদের মধ্যে এই জলবায়ু সংকট সত্যিই বাস্তব কি না তা নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে সাহায্য করেছে। বিশ্ব উষ্ণায়ন বছরের পর বছর ধরে একটি প্রতিষ্ঠিত বিজ্ঞান। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে রিপাবলিকানরা এটি মোকাবিলার প্রতি আরও উদাসীন হয়ে উঠেছে। ২০১৬ সালের নির্বাচনে জয়ের পর ট্রাম্প প্রথম ক্ষমতা নেওয়ার পর থেকে জলবায়ু পরিবর্তনকে উপেক্ষা করাটা একটি রাজনৈতিক হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে; এটি "ওকনেসের" ধারণার বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হয়। এসবের অর্থ হলো, ইপিএ'র ক্ষমতা কেড়ে নেওয়াটা রিপাবলিকানদের কাছে খুব বেশি অর্থবহ নয়, তবে এর অর্থ থাকা উচিত। জলবায়ু সংকট ডেমোক্র্যাট এবং রিপাবলিকান, স্বাধীন এবং কট্টরপন্থী—সবার ওপরই প্রভাব ফেলে। এটি স্বয়ং মানবতার জন্যই একটি সংকট। <br>তবে মানবতা নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের কোনো মাথাব্যথা নেই। পরিবেশ এবং জনস্বাস্থ্য রক্ষার পরিবর্তে ইপিএ এখন জীবাশ্ম জ্বালানি কর্পোরেশনের স্বার্থ এবং সম্পূর্ণরূপে রাজনৈতিক বিবেচনার কাছে দায়বদ্ধ। আইন ছাড়া ইপিএ বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউস গ্যাসের পরিমাণ বাড়াতেই কাজ করবে, কমাতে নয়। সংস্থাটি তার উদ্দেশ্যকে কলুষিত করেছে, কারণ বিপন্নতা অনুসন্ধান ছাড়া এটি অকেজো। আর ট্রাম্প একে ঠিক এভাবেই অকেজো রাখতে চান।
** প্যাট্রিক মিনারলি, [https://dailycampus.com/2026/02/19/patricks-politics-without-climate-regulations-the-epa-protects-nothing/"উইদাউট ক্লাইমেট রেগুলেশনস, দ্য ইপিএ প্রটেক্টস নাথিং "], ''দ্য ডেইলি ক্যাম্পাস'', ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
* [[প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প]] কার্টেলগুলোকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করেছেন। [[মেক্সিকো]] ইতোমধ্যেই কয়েক ডজন কার্টেল সদস্যকে তাদের হাতে তুলে দিয়েছে। যা ঘটছে তাতে ট্রাম্পের প্রভাব খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
** [https://www.bbc.co.uk/sport/football/articles/cpd81d7y901o "ইনফ্যান্টিনো শিওর অব 'স্পেকট্যাকুলার' ওয়ার্ল্ড কাপ ইন মেক্সিকো ডেসপাইট ভায়োলেন্স"], ''বিবিসি'' (২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬)।
* সাহসী আমেরিকান বীরদের জীবন হারাতে হতে পারে, এবং আমাদের ক্ষয়ক্ষতিও হতে পারে। যুদ্ধে এমনটা প্রায়ই ঘটে। আমরা এখনকার জন্য এটি করছি না। আমরা ভবিষ্যতের জন্য এটি করছি এবং এটি একটি মহৎ অভিযান।
** [https://economictimes.indiatimes.com/us/news/trump-confirms-american-casualties-as-us-and-israel-launch-aerial-strikes-on-iran-justifies-the-noble-mission/articleshow/128879539.cms?from=mdr ট্রাম্প কনফার্মস আমেরিকান ক্যাজুয়ালটিস অ্যাজ ইউএস অ্যান্ড ইসরায়েল লঞ্চ অ্যারিয়েল স্ট্রাইকস অন ইরান, জাস্টিফাইস দ্য 'নোবেল মিশন'] ''দ্য ইকোনমিক টাইমস'' (২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬)।
===== স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন ভাষণ =====
* আজ আমাদের সীমান্ত নিরাপদ। আমাদের উদ্দীপনা ফিরে এসেছে। মূল্যস্ফীতি দ্রুত কমছে এবং আয় বাড়ছে। শক্তিশালী অর্থনীতি আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গর্জন করছে। আমাদের শত্রুরা ভীত। আমাদের সামরিক ও পুলিশ বাহিনী পূর্ণাঙ্গভাবে সজ্জিত। আমেরিকা আবারও সম্মান ফিরে পেয়েছে, সম্ভবত এমনটা আগে কখনোই হয়নি....<br />আজ রাতে আমি কংগ্রেস সদস্যদের বলছি, আমাদের ইউনিয়নের অবস্থা শক্তিশালী। আমাদের দেশ আবারও জিতছে। সত্যি বলতে, আমরা এত বেশি জিতছি যে আমরা আসলে বুঝতে পারছি না এটি নিয়ে কী করব।
** কংগ্রেসের সামনে দেওয়া স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন ভাষণ, [https://www.nytimes.com/2026/02/25/us/politics/state-of-the-union-transcript-trump.html ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬]।
* আজ রাতে আমি প্রতিটি আইনপ্রণেতাকে আমার প্রশাসনের সাথে মিলে একটি মৌলিক নীতি পুনর্ব্যক্ত করার আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। আপনারা যদি এই কথার সাথে একমত হন, তবে উঠে দাঁড়ান এবং সমর্থন জানান। আমেরিকান সরকারের প্রথম কর্তব্য হলো আমেরিকান নাগরিকদের রক্ষা করা। অবৈধ বহিরাগতদের নয়।<br />এটি কি লজ্জার বিষয় নয়? উঠে না দাঁড়ানোর জন্য আপনাদের নিজেদের লজ্জিত হওয়া উচিত। আপনাদের নিজেদের লজ্জিত হওয়া উচিত।
** কংগ্রেসের সামনে দেওয়া স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন ভাষণ, [https://www.nytimes.com/2026/02/25/us/politics/state-of-the-union-transcript-trump.html ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬]।
* তারা সবচেয়ে বড় অধিকারটির জন্য পরিচয়পত্র চায় না: আমেরিকায় ভোট দেওয়া। আমরা মাত্র যে নীতির কথা বললাম, রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট উভয় দলই তাতে ব্যাপকভাবে একমত। কংগ্রেসের উচিত ঐক্যবদ্ধ হয়ে এখনই এই সাধারণ জ্ঞানের, দেশ রক্ষাকারী আইন প্রণয়ন করা। আর অন্য কিছু ঘটার আগেই এটি করা উচিত। তারা কেন এটি করতে চায় না? কেউ কেন ভোটার আইডি চাইবে না? একটিই কারণ! কারণ তারা প্রতারণা করতে চায়। এর একটাই কারণ আছে।<br>তারা প্রতারণা করতে চায়। তারা প্রতারণা করেছে। তাদের নীতি এতটাই খারাপ যে নির্বাচিত হওয়ার একমাত্র উপায় হলো প্রতারণা করা। আমরা এটি বন্ধ করব। আমাদের এটি বন্ধ করতেই হবে।
** [https://www.mediaite.com/media/news/trump-flat-out-says-democrats-cant-be-legitimately-elected-only-way-they-can-get-elected-is-to-cheat/ ট্রাম্প ফ্ল্যাট-আউট সেইস ডেমোক্র্যাটস কান্ট বি লেজিটিমেটলি ইলেক্টেড: 'ওনলি ওয়ে দে ক্যান গেট ইলেক্টেড ইজ টু চিট'] থেকে উদ্ধৃত, ''মিডিয়াইট'' (২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬)।
* মিসেস জারুতস্কা, আজ রাতে আমি আপনাকে কথা দিচ্ছি, আমরা আপনার চমৎকার মেয়ে ইরিনার জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করব।<br />আপনারা কীভাবে উঠে দাঁড়াচ্ছেন না? আপনারা কীভাবে উঠে দাঁড়াচ্ছেন না?
** যেসব কংগ্রেস সদস্য উঠে দাঁড়াননি তাদের উদ্দেশে
==== মার্চ ২০২৬ ====
[[File:Tehran - The Fourth Day of War 9 Avash.webp|thumb|আমেরিকা আবারও ইসরায়েলের জন্য যুদ্ধে যাচ্ছে। ইহুদিবাদী রাষ্ট্রের জন্য আমেরিকান সামরিক বাহিনীর সদস্যসহ আরও অনেকেই মারা যাবে। আমরা আবারও অন্ধের মতো একটি সামরিক ব্যর্থতার দিকে হোঁচট খাব। আমরা আবারও এমন একটি বিদেশি শক্তির নির্দেশ পালন করব, যাদের স্বার্থ আমাদের স্বার্থ নয়। অথচ তাদের লবিস্টরা ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ আমাদের পুরো রাজনৈতিক শ্রেণিকে কিনে নিয়েছে। আমরা আবারও এমন একটি দেশে আক্রমণ করে জাতিসংঘের সনদ লঙ্ঘন করব, যারা কোনো তাৎক্ষণিক হুমকি তৈরি করছে না। ~ [[ক্রিস হেজেস]]]]
[[File:Naval Ensign of Germany.svg|thumb|এটি আমাদের যুদ্ধ নয়। আমরা এটি শুরু করিনি। শক্তিশালী মার্কিন নৌবাহিনী হরমুজ প্রণালীতে যা করতে পারে না, এক বা দুই মুঠো ইউরোপীয় ফ্রিগেট সেখানে কী করবে বলে ট্রাম্প প্রত্যাশা করেন? ~ বরিস পিস্টোরিয়াস]]
{{Main|২০২৬ ইরান যুদ্ধ}}
* '''আমেরিকা আবারও ইসরায়েলের জন্য যুদ্ধে যাচ্ছে। ইহুদিবাদী রাষ্ট্রের জন্য আমেরিকান সামরিক বাহিনীর সদস্যসহ আরও অনেকেই মারা যাবে। আমরা আবারও অন্ধের মতো একটি সামরিক ব্যর্থতার দিকে হোঁচট খাব। আমরা আবারও এমন একটি বিদেশি শক্তির নির্দেশ পালন করব, যাদের স্বার্থ আমাদের স্বার্থ নয়। অথচ তাদের লবিস্টরা ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ আমাদের পুরো রাজনৈতিক শ্রেণিকে কিনে নিয়েছে। আমরা আবারও এমন একটি দেশে আক্রমণ করে জাতিসংঘের সনদ লঙ্ঘন করব, যারা কোনো তাৎক্ষণিক হুমকি তৈরি করছে না।'''
** [[ক্রিস হেজেস]], [https://scheerpost.com/2026/03/01/going-to-war-again-for-israel/ গোয়িং টু ওয়ার, এগেইন, ফর ইসরায়েল]। শিয়ারপোস্ট। (১ মার্চ ২০২৬)।
* সে আমাকে ধরার আগেই আমি তাকে ধরেছি। আমি তাকে আগে ধরেছি।
** সাবেক ইরানি রাজনীতিবিদ এবং শিয়া ধর্মগুরু [[আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি|আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির]] কথা উল্লেখ করে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]; [https://www.washingtonpost.com/politics/2026/03/03/trump-assassination-attempts-iran-attack/ হাউ ট্রাম্প অ্যাসাসিনেশন অ্যাটেম্পটস প্লেইড ইনটু হিজ ডিসিশন টু অ্যাটাক ইরান] ''দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট'' (৩ মার্চ ২০২৬)।
* নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ ছাড়া ইরানের সাথে কোনো চুক্তি হবে না! এরপর একজন মহান ও গ্রহণযোগ্য নেতা (বা নেতারা) নির্বাচন করা হবে। তারপর ধ্বংসের দ্বারপ্রান্ত থেকে ইরানকে ফিরিয়ে আনতে আমরা এবং আমাদের চমৎকার ও সাহসী মিত্র ও অংশীদাররা অক্লান্ত পরিশ্রম করব। ইরানকে অর্থনৈতিকভাবে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বড়, ভালো এবং শক্তিশালী করে তোলা হবে।
** [[w:২০২৬ ইরান যুদ্ধ|ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের]] পাঁচ দিনের মাথায় ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]; [https://www.reuters.com/world/middle-east/trump-urges-iranian-kurds-attack-iran-war-widens-2026-03-06/ ট্রাম্প ডিমান্ডস ইরানস 'আনকন্ডিশনাল সারেন্ডার,' কমপ্লিকেটিং ডিপ্লোম্যাটিক পাথস] ''রয়টার্স'' (৫ মার্চ ২০২৬)।
* আমাদের একসময়ের মহান মিত্র যুক্তরাজ্য, সম্ভবত তাদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ, অবশেষে মধ্যপ্রাচ্যে দুটি বিমানবাহী রণতরি পাঠানোর কথা গভীরভাবে ভাবছে। ঠিক আছে প্রধানমন্ত্রী স্টারমার, আমাদের আর সেগুলোর প্রয়োজন নেই — তবে আমরা এটি মনে রাখব। আমরা ইতোমধ্যেই জেতার পর যারা যুদ্ধে যোগ দেয়, আমাদের এমন মানুষের প্রয়োজন নেই!
** ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী [[কিয়ার স্টারমার|কিয়ার স্টারমারকে]] [[w:২০২৬ ইরান যুদ্ধ|ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে]] তাঁর সাহায্যের প্রয়োজন নেই জানিয়ে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]; [https://www.mediaite.com/politics/trump-tells-uks-starmer-thanks-but-no-thanks-on-last-minute-iran-help-war-is-already-won/ ট্রাম্প টেলস ইউকে'স স্টারমার থ্যাংকস বাট নো থ্যাংকস অন লাস্ট-মিনিট ইরান হেল্প: ওয়ার ইজ 'অ্যালরেডি ওন!'] ''মিডিয়াইট'' (৭ মার্চ ২০২৬)।
* কিছু শয়তানকে দূর করার জন্য আমাদের মনে হয়েছিল এটি করা দরকার। তাই আমরা ছোট একটি অভিযানে গিয়েছিলাম। আর আমার মনে হয় এটি স্বল্পমেয়াদি একটি অভিযান হতে চলেছে।
** রিপাবলিকান আইনপ্রণেতা ও দাতাদের উদ্দেশে [[w:২০২৬ ইরান যুদ্ধ|ইরান যুদ্ধের]] কথা উল্লেখ করে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]; [https://www.usatoday.com/story/news/politics/2026/03/09/trump-house-gop-retreat-iran-war/89006813007/ ট্রাম্প কলস ইরান ওয়ার আ 'লিটল এক্সকার্শন'] ''ইউএসএ টুডে'' (১০ মার্চ ২০২৬)।
* আমাদের চেয়ে যেসব দেশের অর্থনীতি এই প্রণালীর ওপর অনেক বেশি নির্ভরশীল, আমরা তাদের জোরালোভাবে উৎসাহিত করি। আমরা আমাদের তেলের ১ শতাংশেরও কম এই প্রণালী থেকে পাই এবং কিছু দেশ আরও অনেক বেশি পায়।<br>জাপান ৯৫ শতাংশ পায়। চীন পায় ৯০ শতাংশ। ইউরোপীয়দের অনেকেই বেশ বড় অংশ পায়। কোরিয়া পায় ৩৫ শতাংশ। তাই আমরা চাই তারা এসে প্রণালীর ব্যাপারে আমাদের সাহায্য করুক।
** [[w:২০২৬ ইরান যুদ্ধ|ইরানের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের ফলে]] হরমুজ প্রণালী]] খুলে দিতে সহায়তা করার জন্য অন্যান্য দেশের প্রতি আহ্বান জানিয়ে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]; [https://koreajoongangdaily.joins.com/news/2026-03-17/national/defense/Trump-renews-calls-on-Korea-China-Japan-others-to-help-keep-Strait-of-Hormuz-open/2546310 ট্রাম্প রিনিউস কলস অন কোরিয়া, চায়না, জাপান, আদারস টু হেল্প কিপ স্ট্রেইট অব হরমুজ ওপেন] ''কোরিয়া জুংঅ্যাং ডেইলি'' (১৭ মার্চ ২০২৬)।
* '''এটি আমাদের যুদ্ধ নয়। আমরা এটি শুরু করিনি। শক্তিশালী মার্কিন নৌবাহিনী হরমুজ প্রণালীতে যা করতে পারে না, এক বা দুই মুঠো ইউরোপীয় ফ্রিগেট সেখানে কী করবে বলে ট্রাম্প প্রত্যাশা করেন?'''
** [[w:২০২৬ ইরান যুদ্ধ|ইরানের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের ফলে]] হরমুজ প্রণালী খুলে দিতে সহায়তা করার জন্য অন্যান্য দেশের প্রতি [[ডোনাল্ড ট্রাম্প|ডোনাল্ড ট্রাম্পের]] আহ্বানের জবাবে জার্মান প্রতিরক্ষামন্ত্রী বরিস পিস্টোরিয়াস; [https://koreajoongangdaily.joins.com/news/2026-03-17/national/defense/Trump-renews-calls-on-Korea-China-Japan-others-to-help-keep-Strait-of-Hormuz-open/2546310 ট্রাম্প রিনিউস কলস অন কোরিয়া, চায়না, জাপান, আদারস টু হেল্প কিপ স্ট্রেইট অব হরমুজ ওপেন] ''কোরিয়া জুংঅ্যাং ডেইলি'' (১৭ মার্চ ২০২৬)।
* আমি বিশ্বাস করি কিউবা দখলের সম্মান আমি পাব। সেটা ভালো হবে। এটি একটি বড় সম্মান....
* কিউবা দখল? কোনো না কোনোভাবে, হ্যাঁ। মানে, আমি এটিকে মুক্ত করি বা দখল করি... সত্যি বলতে আমার মনে হয় আমি এটি নিয়ে যা খুশি তাই করতে পারি।
** [[কিউবা]] নিয়ে তাঁর পরিকল্পনা সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]। [https://www.independent.co.uk/news/world/americas/us-politics/trump-cuba-military-invasion-b2939753.html "ট্রাম্প সেইস হি'ল হ্যাভ দ্য 'অনার অব টেকিং কিউবা' অ্যান্ড ক্যান ডু 'এনিথিং আই ওয়ান্ট উইথ ইট'"] থেকে উদ্ধৃত, ''দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট'' (১৭ মার্চ ২০২৬)।
* আমেরিকানদের সাথে কাজ করার ক্ষেত্রে আপনাকে বেছে নিতে হবে আপনি কার সাথে এবং কোন পর্যায়ে কাজ করবেন। সৌভাগ্যবশত, প্রশাসনের কিছু মানুষের সাথে কাজ করা অন্যদের চেয়ে সহজ। সমস্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মতোই [[মার্কো রুবিও|রুবিও]] বেশ যুক্তিবাদী। [মার্কিন উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্টোফার] [[w:Christopher Landau|ল্যান্ডাউও]] বেশ কার্যকর ও যুক্তিবাদী। চিফ অফ স্টাফ [[সুসি ওয়াইলস|সুসি ওয়াইলসও]] ঠিক তেমনই। দ্বিতীয় মেয়াদে ট্রাম্পকে সামলানোর জন্য তাকে ফিরিয়ে আনা হয়েছিল। এই মানুষেরা হয়তো [[মেইক আমেরিকা গ্রেট এগেইন|মাগা]], কিন্তু তারা একটি খেলা খেলছে এবং যুক্তিবাদী আচরণ করে। বাকিদের সাথে কাজ করা, বলা যায়, বেশ কঠিন।
** ব্রিটিশ মন্ত্রীর উদ্ধৃতি। [https://inews.co.uk/news/politics/trump-obsessing-mortality-heres-why-uk-worried-4302241 "ট্রাম্প ইজ অবসেসিং ওভার হিজ ওন মর্টালিটি. ইনসাইডারস ফিয়ার ইট উইল ড্যামেজ দ্য ইউকে"] থেকে নেওয়া, ''আইনিউজ'' (১৯ মার্চ ২০২৬)।
* '''রবার্ট মুলার মাত্রই মারা গেছেন। ভালো হয়েছে, সে মরেছে বলে আমি খুশি। সে আর নিরীহ মানুষদের ক্ষতি করতে পারবে না!'''
** [[রবার্ট মুলার|রবার্ট মুলারের]] মৃত্যুর খবর জানিয়ে ট্রুথ সোশ্যালে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]; [https://www.mediaite.com/media/news/disgusting-and-despicable-critics-aghast-at-trump-celebrating-robert-muellers-death/ 'ডিসগাস্টিং অ্যান্ড ডেসপিকেবল' ক্রিটিকস আঘাস্ট অ্যাট ট্রাম্প সেলিব্রেটিং রবার্ট মুলারস ডেথ] ''মিডিয়াইট'' (২১ মার্চ ২০২৬)।
* ইরান যদি এই মুহূর্ত থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কোনো রকম হুমকি ছাড়াই হরমুজ প্রণালী পুরোপুরি খুলে না দেয়, তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাদের বিভিন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্রে আঘাত হানবে এবং সেগুলো নিশ্চিহ্ন করে দেবে। আর এর শুরুটা হবে সবচেয়ে বড় কেন্দ্রটি থেকে!
** ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে [[w:২০২৬ ইরান যুদ্ধ|ইরানের সাথে যুদ্ধ]] আরও তীব্র করার হুমকি দিয়ে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]; [https://www.axios.com/2026/03/22/trump-iran-48-hour-ultimatum-strait-of-hormuz ট্রাম্প টু ইরান: ওপেন হরমুজ ইন ফোরটি-এইট আওয়ারস অর ইউ.এস. বোম্বস পাওয়ার প্ল্যান্টস] ''অ্যাক্সিওস'' (২২ মার্চ ২০২৬)।
* আমাদের দেশে বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং অবকাঠামোগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করার পরপরই, পুরো অঞ্চল জুড়ে থাকা গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো এবং জ্বালানি ও তেল স্থাপনাগুলোকে বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচনা করা হবে। সেগুলো চিরতরে ধ্বংস করে দেওয়া হবে এবং দীর্ঘ সময়ের জন্য তেলের দাম বেড়ে যাবে।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প|ডোনাল্ড ট্রাম্পের]] হুমকির জবাবে নিজের পাল্টা হুমকি দিয়ে ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ; [https://www.axios.com/2026/03/22/trump-iran-48-hour-ultimatum-strait-of-hormuz ট্রাম্প টু ইরান: ওপেন হরমুজ ইন ফোরটি-এইট আওয়ারস অর ইউ.এস. বোম্বস পাওয়ার প্ল্যান্টস] ''অ্যাক্সিওস'' (২২ মার্চ ২০২৬)।
* এসব গভীর, বিস্তারিত এবং গঠনমূলক আলোচনার ধরন ও সুরের ওপর ভিত্তি করে; এটি সারা সপ্তাহ জুড়েই চলবে, আমি যুদ্ধ দপ্তরকে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং জ্বালানি অবকাঠামোর বিরুদ্ধে যে কোনো ধরনের সামরিক হামলা পাঁচ দিনের জন্য স্থগিত করার নির্দেশ দিয়েছি। চলমান এই বৈঠক ও আলোচনার সাফল্যের ওপর এটি নির্ভর করবে।
** ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কোনো আলোচনা হয়নি বলে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য সত্ত্বেও, ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে সামরিক হুমকি থেকে পিছু হটে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]; [https://www.axios.com/2026/03/23/trump-suspends-iran-strikes-hormuz-negotiations ট্রাম্প সেইস হি'স পজিং ইরান এনার্জি স্ট্রাইকস ফর ফাইভ ডেইজ অ্যামিড টকস] ''অ্যাক্সিওস'' (২৩ মার্চ ২০২৬)।
* প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প রবিবার গভীর রাতে বলেছেন, সেভগার্দ আমেরিকান ভোটার এলিজিবিলিটি (সেভ আমেরিকা) আইন পাস করতে ডেমোক্র্যাটরা রিপাবলিকানদের সাথে যোগ না দেওয়া পর্যন্ত আংশিক সরকারি অচলাবস্থা শেষ করার কোনো চুক্তি হবে না।<br>ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে একটি পোস্টে লিখেছেন, "পাগল, দেশ ধ্বংসকারী এবং কট্টর বামপন্থী ডেমোক্র্যাটদের সাথে আমাদের কোনো চুক্তি করা উচিত বলে আমি মনে করি না। যতক্ষণ না তারা 'সেভ আমেরিকা অ্যাক্ট' পাস করতে রিপাবলিকানদের সাথে ভোট দেয়।" তিনি আরও যোগ করেন, "সিনেটে আমরা আর যা কিছুই করছি, তার চেয়ে এটি অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এর মধ্যে ঐসব ভয়ংকর মানুষদের, মানে ডেমোক্র্যাটদের (যারা এই ঝামেলার জন্য দায়ী!) আইসিই তহবিলে ৫ বিলিয়ন ডলার কাটছাঁটের সুযোগ দেওয়ার ব্যাপারটিও আছে। এই চুক্তি অন্য কোনো নামে ছদ্মবেশে থাকলেও আমার ও আমেরিকান জনগণের কাছে অগ্রহণযোগ্য—যতক্ষণ না তারা ছবিসহ ভোটার আইডি, ভোট দেওয়ার জন্য নাগরিকত্ব, ডাকযোগে ভোট বাতিল (কিছু ব্যতিক্রম বাদে), সমস্ত কাগজের ব্যালট, নারীদের খেলায় পুরুষদের অংশগ্রহণ বাতিল এবং আমাদের আদরের সন্তানদের ট্রান্সজেন্ডার অঙ্গহানি বাতিলের বিষয়টি অনুমোদন করে।"<br>ট্রাম্প আইনটি পাসের জন্য চাপ দিচ্ছেন। এই আইন ভোট দেওয়ার জন্য নাগরিকত্বের প্রমাণ বাধ্যতামূলক করবে এবং ডাকযোগে ব্যালট ব্যবস্থা প্রায় পুরোপুরি বাতিল করবে। সিনেটের মেজরিটি লিডার জন থুন (আর-এসডি) বারবার বলেছেন যে শিগগিরই বিলটি পাস করার মতো যথেষ্ট ভোট তাদের কাছে নেই।
** অ্যাশলেই ফিল্ডস, [https://www.msn.com/en-us/news/politics/trump-no-shutdown-deal-until-democrats-support-save-america-act/ar-AA1ZdPmh?ocid=msedgntp&pc=NMTS&cvid=69c15fde70bd459b9153427f1ae13714&ei=17/"ট্রাম্প: নো শাটডাউন ডিল আনটিল ডেমোক্র্যাটস সাপোর্ট সেভ আমেরিকা অ্যাক্ট"], ''দ্য হিল'', ২৩ মার্চ ২০২৬।
* তো, আমরা অনুমান করেছিলাম যে [ইরানে] আমাদের মিশন অর্জন করতে প্রায় চার থেকে ছয় সপ্তাহ সময় লাগবে। ২৬ দিনের মাথায়, আমরা নির্ধারিত সময়ের চেয়ে অনেক—সত্যিই অনেকখানি এগিয়ে আছি। ইরানি শাসকগোষ্ঠী এখন নিজেদের কাছেই স্বীকার করছে যে তারা চূড়ান্তভাবে পরাজিত হয়েছে।<br>তারা মানুষকে বলছে, এটি একটি বিপর্যয়। তারা এটা জানে, আর এ কারণেই তারা আমাদের সাথে কথা বলছে। অন্যথায় তারা কথা বলত না। কিন্তু তারা আমাদের সাথে কথা বলছে কারণ তারা একটি বিপর্যয়ের মধ্যে পড়েছে। তারা পরাজিত। তারা আর ঘুরে দাঁড়াতে পারবে না। আমরা তাদের শহর ও নগরগুলোতে স্বাধীনভাবে ঘুরে বেড়াতে এবং তাদের তৈরি করা সব পাগলপ্রায় পারমাণবিক অস্ত্র, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ধ্বংস করতে মুক্ত। আর আমরা সেটাই করছি।<br>এখন একটি চুক্তি করার সুযোগ তাদের সামনে আছে। তবে এটি তাদের ওপরই নির্ভর করে। তারা আপনাদের বলবে, 'আমরা কোনো আলোচনা করছি না। আমরা আলোচনা করব না।' অবশ্যই তারা আলোচনা করছে, কারণ তারা নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। কে আলোচনা করবে না? তারা একটি চুক্তি করার জন্য ভিক্ষা চাইছে। আমরা সঠিক চুক্তিটি করতে পারি কি না, তা দেখব। আর তারা সঠিক চুক্তিটি করলে প্রণালীটি খুলে যাবে, হরমুজ প্রণালী খুলে যাবে।
** হোয়াইট হাউসে মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে [[w:২০২৬ ইরান যুদ্ধ|ইরানের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ]] নিয়ে মন্তব্য করে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]; [https://rollcall.com/factbase/trump/transcript/donald-trump-remarks-cabinet-meeting-march-26-2026/ রিমার্কস: ডোনাল্ড ট্রাম্প হোল্ডস আ ক্যাবিনেট মিটিং অ্যাট দ্য হোয়াইট হাউস - মার্চ ২৬, ২০২৬] ''রোল কল'' (২৬ মার্চ ২০২৬)।
* প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ফাঁকা আওয়াজ দেন না। তিনি নরক নামিয়ে আনতে প্রস্তুত।<br>আর কোনো মৃত্যু ও ধ্বংসের প্রয়োজন নেই। কিন্তু ইরান যদি বর্তমান মুহূর্তের বাস্তবতা মেনে নিতে ব্যর্থ হয়, যদি তারা এটি বুঝতে ব্যর্থ হয় যে সামরিকভাবে তারা পরাজিত হয়েছে এবং হতেই থাকবে, তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিশ্চিত করবেন যে তাদের ওপর আগের চেয়েও আরও কঠোর আঘাত হানা হবে।<br>ইরানের আর কোনো ভুল হিসাব করা উচিত নয়। তাদের সর্বশেষ ভুল হিসাবের ফলে তারা তাদের শীর্ষ নেতৃত্ব, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হারিয়েছে।<br>এরপরে যেকোনো সহিংসতার কারণ হবে ইরানি শাসকগোষ্ঠীর এই বিষয়টি বুঝতে অস্বীকার করা যে তারা ইতোমধ্যেই পরাজিত হয়েছে। একইসাথে কোনো চুক্তিতে আসতে তাদের অস্বীকৃতিও এর কারণ হবে।
** হোয়াইট হাউসের বিবৃতি; [https://www.express.co.uk/news/world/2188080/trump-vows-hit-iran-harder ট্রাম্প ভাওস টু হিট ইরান 'হার্ডার দ্যান এভার বিফোর' অ্যান্ড 'আনলিশ হেল' ইন হরর ডব্লিউডব্লিউ৩ ওয়ার্নিং] ''এক্সপ্রেস'' (২৯ মার্চ ২০২৬)।
* ইরানে আমাদের সামরিক অভিযানের অবসান ঘটাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একটি নতুন এবং আরও যুক্তিবাদী শাসকগোষ্ঠীর সাথে গুরুতর আলোচনা করছে। অনেক অগ্রগতি হয়েছে। তবে যদি কোনো কারণে দ্রুত কোনো চুক্তি না হয় (যদিও সম্ভবত চুক্তিটি হয়ে যাবে) এবং যদি হরমুজ প্রণালী অবিলম্বে "বাণিজ্যের জন্য খুলে" দেওয়া না হয়, তবে আমরা তাদের সমস্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র, তেলের কূপ এবং খার্গ দ্বীপ (এবং সম্ভবত সমস্ত লবণাক্ততা দূরীকরণ কেন্দ্র!) উড়িয়ে দিয়ে এবং সম্পূর্ণভাবে নিশ্চিহ্ন করে দিয়ে ইরানে আমাদের এই সুন্দর "অবস্থানের" সমাপ্তি টানব। এই জায়গাগুলোকে আমরা ইচ্ছাকৃতভাবেই এখনও "স্পর্শ" করিনি। গত ৪৭ বছরের "সন্ত্রাসের রাজত্বে" পুরোনো শাসকগোষ্ঠী আমাদের যেসব সেনা ও অন্যান্যদের জবাই করে হত্যা করেছে, এটি হবে তার প্রতিশোধ। এই বিষয়ে মনোযোগ দেওয়ার জন্য আপনাদের ধন্যবাদ। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প।
** [[ডোনাল্ড ট্রাম্প|ডোনাল্ড ট্রাম্পের]] ট্রুথ সোশ্যাল পোস্ট; [https://www.dailymail.co.uk/news/article-15691265/Trump-threatens-strike-Irans-water-supply-Tehran-tears-NUKE-treaty.html ট্রাম্প থ্রেটেনস ইরানস ওয়াটার সাপ্লাই ইন 'ওয়ার ক্রাইম' আল্টিমেটাম অ্যাজ ডেফিয়ান্ট তেহরান টিয়ারস আপ নিউক্লিয়ার ট্রিটি] ''ডেইলি মেইল'' (৩০ মার্চ ২০২৬)।
* অনেকেই একে যুদ্ধাপরাধ বলবে। কারণ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো সম্ভবত বেসামরিক জনগণের জন্যই রয়েছে। জনগণের ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে আপনি বেসামরিক সম্পদ ধ্বংস করতে পারেন না।
** [[w:২০২৬ ইরান যুদ্ধ|ইরানের সাথে যুদ্ধে]] দেশটির অবকাঠামো ধ্বংস করার [[ডোনাল্ড ট্রাম্প|ডোনাল্ড ট্রাম্পের]] হুমকির কথা উল্লেখ করে নিউজনেশনের এক সাক্ষাৎকারে অবসরপ্রাপ্ত মার্কিন সেনা জেনারেল [[ওয়েসলি ক্লার্ক]]; [https://www.dailymail.co.uk/news/article-15691265/Trump-threatens-strike-Irans-water-supply-Tehran-tears-NUKE-treaty.html ট্রাম্প থ্রেটেনস ইরানস ওয়াটার সাপ্লাই ইন 'ওয়ার ক্রাইম' আল্টিমেটাম অ্যাজ ডেফিয়ান্ট তেহরান টিয়ারস আপ নিউক্লিয়ার ট্রিটি] ''ডেইলি মেইল'' (৩০ মার্চ ২০২৬)।
* আমাকে কেবল ইরান ছাড়তে হবে, আর খুব শিগগিরই আমরা তা করতে যাচ্ছি। এরপরই তারা ধসে পড়বে।
** [[w:২০২৬ ইরান যুদ্ধ|ইসলামি প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধের]] মাঝে গ্যাসের দাম আকাশচুম্বী হওয়া কমানোর পরিকল্পনা সম্পর্কে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]; [https://www.msn.com/en-us/news/world/trump-says-us-will-be-leaving-iran-very-soon/ar-AA1ZRvrp?gemSnapshotKey=GM4CC59522-snapshot-5&uxmode=ruby ট্রাম্প সেইস ইউএস উইল বি লিভিং ইরান 'ভেরি সুন'] ''ইয়োনহাপ নিউজ'' (৩১ মার্চ ২০২৬)।
==== এপ্রিল ২০২৬ ====
* ইরানকে প্রায় ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। কঠিন কাজটি হয়ে গেছে, তাই এখন এটি সহজ হওয়া উচিত। আর যা-ই হোক না কেন, এই সংঘাত শেষ হলে প্রণালীটি স্বাভাবিকভাবেই খুলে যাবে; এটি এমনিতেই খুলে যাবে।<br>তারা তেল বিক্রি করার সুযোগ চাইবে কারণ আবার ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টার জন্য তাদের কাছে ঐ একটি জিনিসই আছে। তেলের প্রবাহ আবার শুরু হবে এবং গ্যাসের দাম দ্রুত কমে আসবে। শেয়ারের দামও দ্রুত বেড়ে যাবে।
** [[w:২০২৬ ইরান যুদ্ধ|ইরান যুদ্ধ]] নিয়ে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]; [https://www.tribuneindia.com/news/usa-news/when-this-conflict-is-over-strait-will-open-up-naturally-trump-strikes-optimistic-note-for-future-of-oil-as-prices-continue-to-rise/ "হোয়েন দিস কনফ্লিক্ট ইজ ওভার, স্ট্রেইট উইল ওপেন আপ ন্যাচারালি": ট্রাম্প স্ট্রাইকস অপটিমিস্টিক নোট ফর ফিউচার অব অয়েল অ্যাজ প্রাইসেস কন্টিনিউ টু রাইজ] ''দ্য ট্রিবিউন - ইন্ডিয়া'' (২ এপ্রিল ২০২৬)।
* যিশু তাঁর মৃত্যু, কবর ও পুনরুত্থানের মাধ্যমে অনেক শিক্ষা দিয়েছেন। তিনি আমাদের দেখিয়েছেন, মহান নেতৃত্ব এবং বড় পরিবর্তনের জন্য বড় আত্মত্যাগের প্রয়োজন হয়।<br>এবং মাননীয় প্রেসিডেন্ট, আপনি যে মূল্য চুকিয়েছেন, তা আর কেউ দেয়নি। এতে প্রায় আপনার জীবনই চলে যাচ্ছিল।<br>আপনার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করা হয়েছিল, আপনাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল এবং মিথ্যা অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছিল। এটি একটি পরিচিত ধরন যা আমাদের প্রভু ও ত্রাণকর্তা আমাদের দেখিয়েছিলেন।<br>কিন্তু তাঁর ক্ষেত্রেও এটা সেখানেই শেষ হয়নি, আর আপনার ক্ষেত্রেও হয়নি।<br>ঈশ্বরের সবসময়ই একটি পরিকল্পনা ছিল: তৃতীয় দিনে তিনি জেগে উঠেছিলেন। তিনি অশুভকে পরাজিত করেন, তিনি মৃত্যু, নরক এবং কবরকে জয় করেন। আর তিনি জেগে উঠেছিলেন বলেই আমরা সবাই জানি যে আমরাও জেগে উঠতে পারি। আর স্যার, তাঁর পুনরুত্থানের কারণেই আপনি জেগে উঠেছেন।<br>তিনি বিজয়ী হয়েছিলেন বলে আপনিও বিজয়ী হয়েছেন। আর আমি বিশ্বাস করি যে প্রভু আপনাকে এই কথাটি বলতে বলেছেন: তাঁর বিজয়ের কারণেই, আপনি যে কাজেই হাত দেবেন তাতেই আপনি বিজয়ী হবেন।
** হোয়াইট হাউসে ইস্টার লাঞ্চ ইভেন্টে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প|ডোনাল্ড ট্রাম্পের]] ব্যক্তিগত আধ্যাত্মিক উপদেষ্টা, টেলিভ্যাঞ্জেলিস্ট পলা হোয়াইট-কেইন; [https://www.independent.co.uk/news/world/americas/us-politics/paula-white-cain-spiritual-advisor-trump-jesus-christ-b2950689.html ট্রাম্পস স্পিরিচুয়াল অ্যাডভাইজর স্পার্কস ব্যাকল্যাশ ফর কম্পেয়ারিং প্রেসিডেন্টস লাইফ টু জেসাস ক্রাইস্ট] ''ইন্ডিপেন্ডেন্ট'' (২ এপ্রিল ২০২৬)।
* মনে আছে, আমি ইরানকে চুক্তি করার বা [[w:হরমুজ প্রণালী|হরমুজ প্রণালী]] খুলে দেওয়ার জন্য দশ দিন সময় দিয়েছিলাম। সময় ফুরিয়ে আসছে - তাদের ওপর নরক নেমে আসার আগে আর মাত্র ৪৮ ঘণ্টা বাকি। ঈশ্বরের মহিমা হোক! প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প।
** ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]; [https://www.mirror.co.uk/news/politics/breaking-trump-holy-war-iran-36969424 ডোনাল্ড ট্রাম্প ইনভোকস হোলি ওয়ার অ্যাজ হি গিভস ফাইনাল ইস্টার মানডে আল্টিমেটাম টু ইরান] ''মিরর'' (৪ এপ্রিল ২০২৬)।
* মঙ্গলবার ইরানে একইসাথে পাওয়ার প্ল্যান্ট ডে এবং ব্রিজ ডে হবে। এর মতো আর কিছুই হবে না!!! ফাকিং প্রণালীটা খুলে দে!, তোরা সব পাগলা বাস্টার্ড, নাহলে তোদের নরকে বাস করতে হবে - শুধু দেখতে থাক! আল্লাহু আকবার। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প।
** ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]; [https://www.mirror.co.uk/news/world-news/donald-trump-iran-power-plants-36971443 ডোনাল্ড ট্রাম্প ভাওস টু বোম্ব ইরানস পাওয়ার প্ল্যান্টস ইন ফাউল-মাউথড র্যান্ট – 'ওপেন দ্য স্ট্রেইট'] ''মিরর'' (৫ এপ্রিল ২০২৬)।
* অসংলগ্ন। বাক্য শেষ করতে পারেন না। প্রায়ই বিভ্রান্ত থাকেন। চিন্তাভাবনাগুলো যুক্তিহীন। শব্দ খুঁজে পেতে সমস্যা হয়। সময়ের সাথে সাথে এগুলো আরও প্রকট এবং খারাপ হচ্ছে। প্রেসিডেন্ট স্মৃতিভ্রংশের সমস্ত লক্ষণ দেখাচ্ছেন।
** ৫ এপ্রিল [[ডোনাল্ড ট্রাম্প|ডোনাল্ড ট্রাম্পের]] ট্রুথ সোশ্যাল পোস্টের পর এক্সে |ডা. ভিন গুপ্তার পোস্ট; [https://www.thedailybeast.com/top-doctor-sounds-alarm-on-trump-79-over-dementia-signs/ টপ ডক্টর সাউন্ডস অ্যালার্ম অন ট্রাম্প, ৭৯, ওভার 'ডিমেনশিয়া সাইনস'] ''দ্য ডেইলি বিস্ট'' (৬ এপ্রিল ২০২৬)।
== আরও দেখুন ==
* [[ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম প্রেসিডেন্সি]]
* [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি]]
* [[জে.ডি. ভ্যান্স]]
* [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন]]
== বহিঃসংযোগ ==
{{Wikipedia}}
{{Commons category}}
[[বিষয়শ্রেণী:ডোনাল্ড ট্রাম্প]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতি]]
[[বিষয়শ্রেণী:ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সি]]
a3wsjnqvo85sgv17zxe9s47ts27j4yj
ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্পর্কে উক্তি
0
12097
83385
83083
2026-05-04T09:46:23Z
Dr. Mosaddek Khondoker
2987
83385
wikitext
text/x-wiki
'''[[w:ডোনাল্ড ট্রাম্প|ডোনাল্ড জন ট্রাম্প]]''' (জন্ম ১৪ জুন, ১৯৪৬) একজন মার্কিন [[w:ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাজনৈতিক কর্মজীবন|রাজনীতিবিদ]], [[w:ডোনাল্ড ট্রাম্পের গণমাধ্যম কর্মজীবন|গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব]] এবং [[w:ডোনাল্ড ট্রাম্পের ব্যবসায়িক কর্মজীবন|ব্যবসায়ী]]। তিনি ২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারি থেকে [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের]] [[w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতিদের তালিকা|৪৭তম]] [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি|রাষ্ট্রপতি]] হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি ২০১৭ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ৪৫তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
:আরও দেখুন:
::'''''[[সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ডোনাল্ড ট্রাম্প]]'''''
::'''''[[ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম রাষ্ট্রপতিত্ব]]'''''
::'''''[[ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতিত্ব]]'''''
::'''''[[ডোনাল্ড ট্রাম্পের জাতিগত দৃষ্টিভঙ্গি]]'''''
::'''''[[ট্রাম্পবাদ]]'''''
:<small>পদবির বর্ণনানুক্রমে সাজানো।</small>
:<small>[[#এ|এ]] · [[#বি|বি]] · [[#সি|সি]] · [[#ডি|ডি]] · [[#ই|ই]] · [[#এফ|এফ]] · [[#জি|জি]] · [[#এইচ|এইচ]] · [[#আই|আই]] · [[#জে|জে]] · [[#কে|কে]] · [[#এল|এল]] · [[#এম|এম]] · [[#এন|এন]] · [[#ও|ও]] · [[#পি|পি]] · [[#কিউ|কিউ]] · [[#আর|আর]] · [[#এস|এস]] · [[#টি|টি]] · [[#ইউ|ইউ]] · [[#ভি|ভি]] · [[#ডব্লিউ|ডব্লিউ]] · [[#এক্স|এক্স]] · [[#ওয়াই|ওয়াই]] · [[#জেড|জেড]] · [[#আরও দেখুন|আরও দেখুন]] · [[#বহিঃসংযোগ|বহিঃসংযোগ]]</small>
[[File:Lou Barletta.jpg|thumb|সাধারণ মার্কিনীদের কাছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের কথা প্রতিধ্বনিত হচ্ছে। তারা মনে করে তাদের দল তাদের কথা শোনা বন্ধ করে দিয়েছে। আমার বিশ্বাস এটি একটি নতুন রিপাবলিকান দলে পরিণত হবে। আমাদের এই দলটিকে গ্রহণ করা উচিত। আমাদের কর্মজীবী নারী-পুরুষের দল হওয়া উচিত। আমেরিকাকে অগ্রাধিকার দেওয়া দল হওয়া উচিত। ~ [[w:লু বারলেটা|লু বারলেটা]]]]
[[File:Glenn Beck by Gage Skidmore 3.jpg|thumb|আমি সত্যিই [[বিশ্বাস|বিশ্বাস করি]] ডোনাল্ড ট্রাম্প একজন অত্যন্ত বিপজ্জনক মানুষ। আপনি তার কথাগুলো শুনলে বুঝবেন... তিনি সাংবাদিকদের হত্যা করা নিয়েও মজা করেছেন। ~ গ্লেন বেক ]]
=== এ ===
*আমাদের এমন একজন সর্বাধিনায়ক আছেন। তিনি তার বিদেশিভীতি, বর্ণবাদ, ধর্মান্ধতা এবং ঘৃণা প্রকাশ করতে কখনো ব্যর্থ হননি। আর এটি নিশ্চিতভাবেই আমাদের সম্প্রদায়ের সবচেয়ে কম বয়সী এবং সহজে প্রভাবিত হওয়া সদস্যদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়বে।
**[[স্টেসি আব্রামস]], ডেমোক্রেসি নাউ-এর সাথে [https://www.democracynow.org/2019/1/31/stacey_abrams_we_have_to_work সাক্ষাৎকার] (জানুয়ারি ২০১৯)
* রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের নিয়মিত "অসম্ভবকে" সম্ভব করার একটি বড় প্রভাব রয়েছে। এর ফলে আমাদের বিশ্বকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি বদলে যায়। ট্রাম্প যদি বারবার অসম্ভবকে সম্ভব করতে পারেন, তবে আমরা কেন পারব না? [...] ২০১৮ সাল এমন একটি বছর হলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না, যখন সারা বিশ্বের মানুষ তাদের মানসিক সীমাবদ্ধতা থেকে বেরিয়ে আসবে। তারা এমনভাবে "অসম্ভবকে" চ্যালেঞ্জ করবে যা আমরা আগে কখনো দেখিনি। রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের কল্যাণে সব জায়গার মানুষ প্রকৃত অসম্ভব এবং কল্পনার সাধারণ ব্যর্থতার মধ্যে পার্থক্য বুঝতে শুরু করেছে।
** স্কট অ্যাডামস, [http://blog.dilbert.com/2018/01/02/president-trump-changed-imagination/ "কীভাবে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প আপনার কল্পনা বদলে দিয়েছেন"] (২ জানুয়ারি ২০১৮)
*সিরিয়া থেকে সেনা প্রত্যাহারের জন্য ট্রাম্প প্রায় চার মাস সময় দিয়েছেন: নিউইয়র্ক টাইমস
**আলজাজিরা, [https://www.aljazeera.com/news/2019/01/trump-months-syria-troop-pull-nyt-190101143234181.html ১ জানুয়ারি ২০১৯]। এরিক শ্মিট এবং ম্যাগি হ্যাবারম্যানের লেখা নিউইয়র্ক টাইমসের [https://www.nytimes.com/2018/12/31/us/politics/trump-troop-withdrawal-syria-months.html?action=click&login=smartlock&auth=login-smartlock ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯] তারিখের নিবন্ধের প্রতিক্রিয়ায় এটি প্রকাশিত হয়। নিবন্ধটির শিরোনাম ছিল "কর্মকর্তারা বলছেন, সিরিয়া থেকে সেনা প্রত্যাহারের জন্য ট্রাম্প কয়েক মাস সময় দেবেন"। এতে বলা হয়, "প্রশাসনের কর্মকর্তারা সোমবার জানিয়েছেন, সিরিয়ায় থাকা ২,০০০ মার্কিন সেনাকে প্রত্যাহারের জন্য ট্রাম্প সামরিক বাহিনীকে প্রায় চার মাস সময় দিতে রাজি হয়েছেন।"
* আমার কাছে এটি বেশ মজার মনে হয়। ডোনাল্ড ট্রাম্প কিছুটা প্রাচীন গ্রিক স্বৈরশাসকদের চেতনায় বিশ্বাসী। সেসময় এমন একজনকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করা হতো যার কোনো দায়বদ্ধতা ছিল না। তার সম্পর্কে সবচেয়ে বুদ্ধিদীপ্ত এবং সম্ভবত সবচেয়ে উপেক্ষিত বিষয় হলো, তিনি কারও কাছে ঋণী নন। তিনি শুধু সেতু, রাস্তা এবং অবকাঠামো মেরামতের কাজে লেগে থাকলে ভালো করবেন। কারণ তিনি এটাই ভালো জানেন... তাকে শুধু এই কাজই করতে দিন।
** টিম অ্যালেন, ব্ল্যাঞ্চ জনসনের লেখা ফক্সনিউজ ডটকমের [http://www.foxnews.com/entertainment/2016/01/13/tim-allen-says-leans-left-leans-right-and-ends-up-center-right.html "টিম অ্যালেন বলেছেন তিনি বামে ঝোঁকেন, ডানে ঝোঁকেন এবং শেষমেশ 'কেন্দ্র-ডানে' গিয়ে পৌঁছান"] শীর্ষক নিবন্ধে উদ্ধৃত (১৩ জানুয়ারি ২০১৬)
* আমি মনে করি ট্রাম্প তার অভ্যুত্থান ঘটাতে ব্যর্থ হয়েছেন। এর পেছনে তার চরিত্রের তিনটি স্থায়ী দুর্বলতা দায়ী। প্রথমত, মার্কিন সরকার কীভাবে কাজ করে সে সম্পর্কে অনেক উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তার চেয়ে বেশি জানে। দশকের পর দশক ধরে নির্বাহী ক্ষমতা বাড়লেও সংবিধানের ক্ষমতা বিভাজন কীভাবে একজন ক্ষমতাশালী রাষ্ট্রপতিকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, তা তিনি বিশেষ করে বোঝেন না। তাই তিনি হয়তো ধরে নিয়েছিলেন যে রিপাবলিকান বিচারকরা কেবল রিপাবলিকান হওয়ার কারণেই নির্বাচন কারচুপির বিষয়ে একমত হবেন। অথচ তারা মূলত একটি স্বাধীন বিচারব্যবস্থার বিচারক। তারা নজির, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং প্রমাণের দাবির কাছে দায়বদ্ধ। একইভাবে, কংগ্রেসের সাথে এফবিআই এবং প্রতিরক্ষা বিভাগের মতো নির্বাহী সংস্থাগুলোর অনেক সম্পর্ক রয়েছে। বিশেষ করে অর্থায়নের মাধ্যমে তৈরি হওয়া সম্পর্কগুলো কংগ্রেসকে এসব সংস্থায় যথেষ্ট প্রভাব বিস্তারের সুযোগ দেয়। <br>দ্বিতীয়ত, অভ্যুত্থানের মতো জটিল কিছু সংগঠিত করার জন্য গভীর চিন্তাভাবনার প্রয়োজন। কিন্তু ২০২০ সালের মধ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্পের এক মিনিটের জন্যও "মূল বিষয়ে মনোযোগ ধরে রাখতে" সমস্যা হতো। ক্ষমতা দখলের সময় ইউএস মার্শালদের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্রকারীর সাথে আলোচনা করার সময় তিনি হয়তো দ্রুতই উইন্ডমিল কীভাবে ঈগল মারে বা বিমানবাহী জাহাজে বাষ্পীয় ক্যাটাপল্ট নিয়ে কথা বলা শুরু করতেন। অভ্যুত্থান পরিচালনা করার জন্য তার চিন্তার প্রক্রিয়া খুব বিশৃঙ্খল ছিল। <br>তৃতীয়ত, ডোনাল্ড ট্রাম্প লাখ লাখ মানুষকে বিশ্বাস করিয়েছিলেন যে তিনি একজন আত্মবিশ্বাসী এবং দায়িত্বশীল ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদী মানুষ। কিন্তু তার দীর্ঘকাল ধরেই দৃঢ় সংকল্পের অভাব রয়েছে। তিনি সবসময় তার বিশ্বাসের প্রতি সাহসিকতা দেখাতেন, যার মানে তার আসলে কোনো বিশ্বাসই ছিল না। তিনি প্রায়শই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে নিজের অবস্থান পরিবর্তন করতেন। যে তার সাথে সবশেষে কথা বলত, তিনি তার দ্বারাই প্রভাবিত হতেন। তার সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রক্রিয়াকে "আবেগের বশে এগিয়ে যাওয়া, তারপর দ্রুত পিছিয়ে আসা" হিসেবে চিহ্নিত করা যেতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, নেটওয়ার্কগুলো জো বাইডেনকে নির্বাচনে বিজয়ী ঘোষণা করার দুই দিন পর, ট্রাম্প একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন। এতে উদ্বোধনের দিনেই আফগানিস্তান এবং অন্যান্য জায়গা থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এটি পেন্টাগনের সবাইকে অবাক করেছিল। এর কর্মকর্তারা তাৎক্ষণিকভাবে দ্রুত প্রত্যাহারের বিপদগুলো তুলে ধরেন। যারা তার বিরোধিতা করতেন, ট্রাম্প প্রায় কখনোই তাদের সাথে মুখোমুখি তর্কে জড়াতেন না। এর বদলে তিনি শুধু গোমড়া মুখে থাকতেন এবং "অনেক বেশি আইনজীবী" নিয়ে অভিযোগ করতেন। দক্ষিণ কোরিয়ায় সামরিক সহায়তা কমানোর আদেশে ট্রাম্প স্বাক্ষর করার পর একজন সহযোগী তা তার ডেস্ক থেকে সরিয়ে লুকিয়ে রাখেন। আফগানিস্তান বিষয়ক আদেশটিও একইভাবে উপেক্ষা করা হয়েছিল। <br>'''[[হ্যারি এস. ট্রুম্যান|হ্যারি ট্রুম্যান]] বিখ্যাতভাবে বলেছিলেন, "যদি আপনি উত্তাপ সহ্য করতে না পারেন, তবে রান্নাঘর থেকে বেরিয়ে যান।" তার ডেস্কে একটি সাইনবোর্ড ছিল যাতে লেখা ছিল, "দায়িত্ব এখানেই শেষ।" ট্রাম্প উত্তাপ সহ্য করতে পারেন না। তাই তিনি সবসময় নিশ্চিত করেন যে দায়িত্ব অন্য কোথাও গিয়ে শেষ হোক। বেশিরভাগ উত্ত্যক্তকারীদের মতো তিনিও সাধারণত অন্য কাউকে দিয়ে নিজের নোংরা কাজ করান এবং সব বিপদের মুখোমুখি করান। ৬ জানুয়ারি ক্যাপিটলে হামলাকারী জনতা ছিল তার পুরনো দিনের জাঙ্ক বন্ড কেনা দর্শকদের নতুন সংস্করণ। তারা তার সুবিধার জন্য সব ঝুঁকি নিয়েছিল, আর তিনি শুধু দেখছিলেন।'''
** বব আল্টেমায়ার, [https://theauthoritarians.org/lessons-of-the-2020-american-election-january-6th-and-beyond/ "২০২০ সালের মার্কিন নির্বাচনের শিক্ষা, ৬ জানুয়ারি এবং পরবর্তী ঘটনা"], ২০ অক্টোবর, ২০২১।
* এর চেয়েও বেশি ভয়ঙ্কর হলো, সম্পদ হস্তান্তরের পর পিছিয়ে পড়া বিপুল সংখ্যক মানুষ নতুন ধনিক শ্রেণির কাছে মাথা নত করেছিল। তারা সবচেয়ে নিষ্ঠুর শীর্ষ সিইওদের উদযাপন করছিল। এই ভীরু সিইও-পূজা আজও চলছে। মধ্যবিত্ত আমেরিকানরা কাজ শেষে ক্লান্ত হয়ে বাড়ি ফেরে শুধু ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতো বিলিয়নিয়ারদের "তোমাকে বরখাস্ত করা হলো!" ডায়ালগ শোনার জন্য। তারা টেলিভিশনের সামনে জড়ো হয়ে দেখে কীভাবে তিনি কোনো মরিয়া, হতাশ [[w:ওয়েলন স্মিদার্স|স্মিদার্স]]-এর মতো ব্যক্তিকে এই কথা বলছেন।
** মার্ক অ্যামস, ''গোয়িং পোস্টাল: রেজ, মার্ডার অ্যান্ড রিবেলিয়ন: ফ্রম রিগ্যানস ওয়ার্কপ্লেসেস টু ক্লিনটনস কলাম্বাইন অ্যান্ড বিয়ন্ড'' (২০০৫), পৃষ্ঠা ৮৭-৮৮
* তিনি সত্যিই মূল নার্সিসাসের কথা মনে করিয়ে দেন। গ্রিক পুরাণের সেই শীতল সুন্দর ছেলেটি নিজের প্রতিবিম্ব দেখে মুগ্ধ হয়ে মারা গিয়েছিল। নার্সিসাস আত্মরতিশীল; সে নিজেই নিজেকে উত্তেজিত করে।
** মার্টিন এমিস হার্পার্স ম্যাগাজিনে [https://harpers.org/archive/2016/08/don-the-realtor/ "ডন দ্য রিয়েল্টর"] (আগস্ট ২০১৬)
*[[w:নব্য-নাৎসি|আমরা]] ট্রাম্পকে সমর্থন করি। কারণ তিনি শ্বেতাঙ্গ জাতির ত্রাণকর্তা। ইহুদিদের দখলের শৃঙ্খল থেকে আমাদের মুক্ত করে ১০০০ রাইখ প্রতিষ্ঠা করতে ঈশ্বর তাকে পাঠিয়েছেন।
** জেসিকা শুলবার্গের লেখা দ্য হাফিংটন পোস্টের [http://www.huffingtonpost.com/entry/trump-neo-nazis-jews_us_5747397be4b0dacf7ad4480e "ট্রাম্পের নিও-নাৎসি এবং ইহুদি সমর্থকরা দুজনেই নিশ্চিত যে তিনি গোপনে তাদের পক্ষে আছেন"] শীর্ষক নিবন্ধে (২৬ মে ২০১৬) অ্যান্ড্রিউ অ্যাংলিনের উদ্ধৃতি
* আমরা এখানে ধীরে ধীরে আসা ফ্যাসিবাদের কথা বলছি না। এটি হলো গ্যাংস্টার রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের সম্পূর্ণ পুলিশি রাষ্ট্রের স্বৈরতন্ত্র।
* আমি কানাডিয়ানদের কাছ থেকে উদ্বেগ এবং ক্ষোভের শত শত বার্তা পেয়েছি। একজন সাজাপ্রাপ্ত অপরাধী, যৌন নিপীড়ক এবং আমাদের দেশের সার্বভৌমত্বকে হুমকি দেওয়া একজন মানুষকে আমাদের দেশে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।
* ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন গণতন্ত্র, কানাডিয়ান সার্বভৌমত্ব এবং আন্তর্জাতিক আইনের শাসনের জন্য একটি স্পষ্ট হুমকি।
* কানাডা আর যুক্তরাষ্ট্রকে মিত্র হিসেবে দেখতে পারে না। আমরা জানি ডোনাল্ড ট্রাম্প উদার গণতন্ত্রে বিশ্বাস করেন না।
* আমাদের জাতি এবং আইনের শাসনের জন্য এই স্পষ্ট এবং বর্তমান বিপদকে নিয়ন্ত্রণ করার দিকে কানাডাকে মনোযোগ দিতে হবে।
** চার্লি অ্যাঙ্গাস, দ্য হিলের [https://thehill.com/policy/international/5347308-canada-trump-gangster-g7-visit/ "জি৭ সফরের আগে কানাডিয়ান রাজনীতিক ট্রাম্পকে 'গ্যাংস্টার প্রেসিডেন্ট' বলে কটাক্ষ করেছেন"] শীর্ষক নিবন্ধে উদ্ধৃত (১২ জুন, ২০২৫)
* হ্যাঁ, ট্রাম্প অপূর্ণতার চেয়েও খারাপ। তাতে কী? আমাদের সময়ের মৌলিক সমস্যাগুলো বা সেগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপনের জন্য একজন মহান রাষ্ট্রনায়কের অভাব নিয়ে আমরা দম বন্ধ হওয়া পর্যন্ত আক্ষেপ করতে পারি। প্যাট বুকাননের তিনটি ব্যর্থতার পর, মাঝে মাঝে এমন কোনো প্রার্থী এসেছেন যিনি এর একটি অংশ দেখেছেন: বাণিজ্যে ডিক জেফার্ট, যুদ্ধে রন পল, অভিবাসনে টম ট্যানক্রিডো। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের মধ্যে মহান রাষ্ট্রনায়ক, বিপজ্জনক জননেতা বা তুচ্ছ ব্যক্তিবর্গ একমাত্র ট্রাম্পই; অনেকেই তাকে ভাঁড় মনে করে। তারা তাকে কেবল এই তিনটি বিষয় এবং এগুলোর অপরিহার্য সংযোগই দেখেননি, ''বরং তিনি এগুলোর ওপর ভিত্তি করে জয়ী হতেও সক্ষম হয়েছেন''। তাই এই কথিত ভাঁড় আমাদের সেসব জ্ঞানী ও গুণী ব্যক্তিদের চেয়ে অনেক বেশি বিচক্ষণ এবং বাস্তবসম্মত, যারা তার এত তীব্র বিরোধিতা করেন। এতে তাদের লজ্জিত হওয়া উচিত। তাদের ব্যর্থতাগুলো তাদের আরও সাহসী করে তোলে, যা কেবল তাদের বোকামি এবং অহংকারেরই প্রমাণ দেয়।
**মাইকেল অ্যান্টন ("পাব্লিয়াস ডেসিয়াস মাস" ছদ্মনামে), দ্য ক্লেরমন্ট ইনস্টিটিউটের [http://www.claremont.org/crb/basicpage/the-flight-93-election/ "দ্য ফ্লাইট ৯৩ ইলেকশন"] (৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৬)
* আধুনিক যুগে ট্রাম্পই একমাত্র রাষ্ট্রপতি নন যিনি পক্ষ পরিবর্তন করেছেন। [[রোনাল্ড রিগ্যান|রোনাল্ড রেগ্যান]] বিখ্যাতভাবে [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ডেমোক্রেটিক পার্টি|ডেমোক্রেটিক পার্টি]] থেকে [[রিপাবলিকান পার্টি (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)|রিপাবলিকান পার্টিতে]] যোগ দিয়েছিলেন। কিন্তু সেই পরিবর্তন নীতির দ্বারা পরিচালিত হয়েছিল এবং তা স্থায়ী হয়েছিল। তিনি বারবার এদিক-ওদিক দোলেননি। রেগ্যানের মতো "নীতির" কারণে ডোনাল্ড ট্রাম্প দল পরিবর্তন করেছেন বলে দাবি করা যে কারও জন্যই কঠিন হবে। কেউ কেউ ট্রাম্পের আদর্শগত বিবর্তন খোঁজার চেষ্টা করেছেন। তারা বোঝার চেষ্টা করেছেন কী কারণে বা কার অনুপ্রেরণায় তিনি রিপাবলিকান হয়েছেন। আমি তাদের এই অহেতুক প্রচেষ্টার হাত থেকে রেহাই দেব। ডোনাল্ড ট্রাম্প তখন রক্ষণশীল হয়েছিলেন যখন তা তার জন্য রাজনৈতিকভাবে সুবিধাজনক ছিল। ওভাল অফিসে যাওয়ার রাস্তা যদি ডেমোক্রেটিক পার্টির মধ্য দিয়ে সহজ মনে হতো, তবে তিনি নিঃসন্দেহে সেই দলেরও একজন উদীয়মান তারকা হয়ে উঠতেন। যেকোনো ট্রাম্প পণ্যের ক্ষেত্রে তিনি যা করেন, নিজের বিশ্বাস ব্যবস্থার ক্ষেত্রেও তিনি তা-ই করেছেন। তিনি এটি কম খরচে তৈরি করার জন্য অন্য কাউকে দায়িত্ব দিয়েছিলেন এবং তারপর নিজের নাম লাগিয়ে দিয়েছিলেন। কয়েকজন ভাড়াটে কর্মচারী তাকে একটি "রক্ষণশীল" প্ল্যাটফর্মের ন্যূনতম প্রয়োজনীয়তাগুলো দিয়েছিল। আর তিনি এটিকে নিজের করে নিতে এর ওপর চকচকে সোনার প্রলেপ দিয়েছিলেন।
** বেনামী, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ৯৭
* ডোনাল্ড ট্রাম্প আমেরিকাকে আবারও দেউলিয়া হওয়ার পথে নিয়ে গেছেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একজন রাষ্ট্রপতি হিসেবে এই ক্ষেত্রে তার অসামান্য দক্ষতা রয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনে থাকা অল্প কয়েকজন আর্থিক রক্ষণশীল ব্যক্তি তার লাগামহীন ব্যয়ের আসক্তির চূড়ান্ত বিপদ সম্পর্কে তাকে সতর্ক করেছিলেন। এমনই একটি বৈঠকে ট্রাম্প বলেছিলেন, "হ্যাঁ, তবে আমি তো তখন থাকব না।" আমি কখনো তাকে এই কথাগুলো বলতে শুনিনি, তবে এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। তিনি এভাবেই চিন্তা করেন। ফেডারেল সরকার দেউলিয়া হয়ে গেলে তার কী আসে যায়? তখন এটি আর তার সমস্যা থাকবে না।
** বেনামী, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১০১
* মস্কোর পদক্ষেপের প্রতি রাষ্ট্রপতির অস্বীকৃতি এবং পরে উদাসীনতার কারণেই আমেরিকা আমাদের গণতন্ত্রের প্রতি অন্যতম বড় বিদেশি অপমানের জবাবে প্রায় নীরব ছিল। ট্রাম্পের পররাষ্ট্রনীতির সমস্ত ব্যর্থতার মধ্যে রাশিয়াকে ছাড় দেওয়া সম্ভবত সবচেয়ে হতাশাজনক। বিদায়ী ওবামা প্রশাসন [[মস্কো|মস্কোর]] ওপর কিছু সাধারণ [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা|নিষেধাজ্ঞা]] আরোপ করেছিল। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র থেকে কয়েক ডজন সন্দেহভাজন রুশ এজেন্টকে বহিষ্কার করাও অন্তর্ভুক্ত ছিল। তবে বাকি কাজ তারা আগত হোয়াইট হাউসের জন্য রেখে গিয়েছিল। ট্রাম্প পুতিনকে অসন্তুষ্ট করতে পারে এমন কোনো পদক্ষেপ নিতে নারাজ ছিলেন। তিনি পুতিনের সাথে ঘনিষ্ঠ কাজের সম্পর্ক গড়ে তোলার আশা করেছিলেন। তিনি এমনকি রুশ নেতার সাথে কথোপকথনে বিষয়টি তুলতেও ইতস্তত করতেন, যা ভেতরের লোকদের অবাক করত। আমার মনে আছে ২০১৭ সালের গ্রীষ্মে [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস|কংগ্রেস]] যখন রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল। রাশিয়াকে জবাবদিহি করার জন্য প্রশাসন কতটা কম কাজ করেছে তা নিয়ে প্রতিনিধিরা তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। তাই তারা নিজেরাই দায়িত্ব নিয়ে দেশটিকে শাস্তি দেওয়ার জন্য আইন পাস করেছিলেন। পরে তিনি এই নিষেধাজ্ঞার কৃতিত্ব নিলেও এবং মস্কোর প্রতি তার প্রশাসন কঠোর ছিল বলে দাবি করলেও, ট্রাম্প আসলে খুব ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন। তিনি মনে করেছিলেন ক্রেমলিনের সাথে উষ্ণ বন্ধুত্বের লক্ষ্যের পথে কংগ্রেস বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। এই নিষেধাজ্ঞার জবাবে রাশিয়া তাদের দেশ থেকে শত শত মার্কিন দূতাবাস কর্মীকে বের করে দেয় এবং মার্কিন কূটনৈতিক প্রাঙ্গণগুলো বাজেয়াপ্ত করে। রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়া ছিল চমকপ্রদ। পুতিনের পদক্ষেপের বিষয়ে ট্রাম্প কোনো দ্বিধা ছাড়াই সাংবাদিকদের বলেছিলেন, "আমি তাকে ধন্যবাদ জানাতে চাই কারণ আমরা বেতন কমানোর চেষ্টা করছি।" তিনি আরও বলেন, "আমার মতে, আমি খুব কৃতজ্ঞ যে তিনি বিপুল সংখ্যক লোককে ছেড়ে দিয়েছেন, কারণ এখন আমাদের বেতন দিতে হবে কম। তাদের ফিরে যাওয়ার কোনো বাস্তব কারণ নেই। তাই আমরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বেতন কমাতে পেরেছি বলে আমি খুব খুশি। আমরা অনেক টাকা বাঁচাব।"
** বেনামী, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১৬৪-১৬৫
* রাশিয়ার নিরাপত্তার হুমকির প্রতি ট্রাম্পের উদাসীন মনোভাব একটি প্রত্যাশিত অথচ ধ্বংসাত্মক পরিণতি ডেকে এনেছে। মস্কো মার্কিন স্বার্থে আক্রমণ করা থেকে পিছপা হয়নি। বরং তারা আরও সাহসী হয়েছে। তারা বিশ্বজুড়ে এবং আমাদের নিজেদের মাটিতেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সুবিধা নেওয়া অব্যাহত রেখেছে। ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্সের সাবেক পরিচালক ড্যান কোটস ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে সাক্ষ্য দিয়েছিলেন যে, রাশিয়া তখনও প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সামাজিক, জাতিগত এবং রাজনৈতিক বিভেদ সৃষ্টি করছিল। কয়েক মাস পর [[রবার্ট মুলারও]] একই কথা বলেছিলেন। তিনি কংগ্রেসকে সাক্ষ্য দিয়েছিলেন, "এটি কোনো একক প্রচেষ্টা ছিল না।" তিনি আরও বলেন, "আমরা যখন এখানে বসে আছি, তারা তখনও এটি করছে। এবং তারা পরবর্তী প্রচারণার সময়ও এটি করার আশা রাখে।" এটি একটি জাতীয় কেলেঙ্কারি হওয়া উচিত, রুশ সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ ও পদক্ষেপ নেওয়ার কারণ হওয়া উচিত। এর পরিবর্তে, ওভাল অফিসে এটি উপেক্ষা করা হচ্ছে, যেখানে এটি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাওয়া উচিত। কয়েক দিন পর সাংবাদিকরা ট্রাম্পকে মুলারের মূল্যায়ন সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন এবং এই বিষয়ে তিনি পুতিনকে চাপ দিয়েছিলেন কি না তাও জানতে চেয়েছিলেন। তিনি জবাব দিয়েছিলেন, "আপনারা আসলে এসব বিশ্বাস করেন না।" তিনি আরও বলেন, "আপনারা কি এসব বিশ্বাস করেন? ঠিক আছে, আমরা এ নিয়ে কথা বলিনি।" এরপর তিনি মেরিন ওয়ানে উঠে যান।
** বেনামী, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১৬৭
* যখন আমরা ডোনাল্ড ট্রাম্পের অবস্থানগুলো বোঝার চেষ্টা করছিলাম বা আমাদের মধ্যে কেউ সেগুলোর বিরুদ্ধে যুক্তি দেওয়ার চেষ্টা করছিল, তখন আমাদের প্রথমেই প্রশ্ন করতে হয়েছিল: রাষ্ট্রপতি স্বৈরশাসকদের প্রতি এত আকৃষ্ট কেন? একজন বিদেশি একনায়কের সাথে রাষ্ট্রপতির বৈঠক নিয়ে একটি বিতর্কিত সভার পর, একজন শীর্ষ জাতীয় নিরাপত্তা সহযোগী তার মতামত দেন। তিনি বলেন, "রাষ্ট্রপতি এসব লোকদের মধ্যে সেটাই দেখেন যা তিনি নিজের জন্য চান: নিরঙ্কুশ ক্ষমতা, কোনো মেয়াদের সীমা না থাকা, জোরপূর্বক জনপ্রিয়তা এবং সমালোচকদের চিরতরে স্তব্ধ করার ক্ষমতা।" তার কথা একেবারে সঠিক ছিল। এটিই ছিল সবচেয়ে সহজ ব্যাখ্যা।
** বেনামী, ''এ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১৭১
* মিস্টার ট্রাম্প একজন অপ্রত্যাশিত ব্যক্তি। তবে তিনি হয়তো জীবন-রক্ষাকারী পদক্ষেপে স্বাক্ষর করবেন। বিচারপতি স্কালিয়ার একজন যোগ্য উত্তরসূরি নিয়োগের জন্য তিনি এখন সঠিক লোকদের কাছ থেকে পরামর্শ নিচ্ছেন। এই বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতিতে আমরা হয়তো কিছুটা ধৈর্য ধরে নিশ্চিত বিপদের চেয়ে এই অপ্রত্যাশিত ব্যক্তিকেই বেছে নেওয়ার কারণ খুঁজে পেতে পারি।
** হ্যাডলি আর্কেস, দ্য ক্যাথলিক থিং; [https://www.thecatholicthing.org/2016/05/04/a-guide-for-the-perplexed/ "এ গাইড ফর দ্য পারপ্লেক্সড"] (৪ মে ২০১৬)
* '''আমি তাকে চিনি না। আমি যখন তার সাথে সামনাসামনি বসব, তখন তাকে বিচার করতে পারব। কিন্তু আমি টিভিতে যে মানুষটিকে দেখি, শুধু তাকেই দেখি।''' আপনি জানেন, টিভিতে আপনি সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন, আপনি... মহড়া দিতে পারেন, নিজেকে প্রস্তুত করতে পারেন...
** [[বাশার আল-আসাদ]], [https://www.nbcnews.com/news/world/syria-s-president-bashar-al-assad-speaks-nbc-news-n608746 "এনবিসি: বাশার আল-আসাদের সাথে বিশেষ সাক্ষাৎকার"] অনুষ্ঠানে [https://www.youtube.com/watch?v=45odEv_1DAY বিল নিলির সাথে সাক্ষাৎকার] (জুলাই ২০১৬)
* আমার বিশ্লেষণ হলো ট্রাম্পকে জিততে দেওয়া হবে না। আমি কেন এই কথা বলছি? কারণ সব প্রতিষ্ঠানই তার বিরুদ্ধে। ইভানজেলিকালদের প্রতিষ্ঠান বলা গেলে শুধু তারাই তার পক্ষে থাকতে পারে। এছাড়া আর কোনো প্রতিষ্ঠান ট্রাম্পের পক্ষে নেই। ব্যাংক, গোয়েন্দা সংস্থা, অস্ত্র কোম্পানি, বিদেশি অর্থ ইত্যাদি সবাই [[হিলারি ক্লিনটন|হিলারি ক্লিনটনের]] পেছনে ঐক্যবদ্ধ। গণমাধ্যমও এর ব্যতিক্রম নয়। গণমাধ্যমের মালিকরা এবং সাংবাদিকরাও এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত।
** [[জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ]], জন পিলগারের সাথে সাক্ষাৎকার; আরটি ডটকমের [https://www.rt.com/news/365299-assange-pilger-saudi-clinton/ "অ্যাসাঞ্জ: ক্লিনটন ও আইএসআইএস একই অর্থে পরিচালিত, ট্রাম্পকে জিততে দেওয়া হবে না"] (৪ নভেম্বর ২০১৬)
* [ট্রাম্প] একজন ধারাবাহিক মানুষ। পর্দার আড়ালে আপনি তাকে যেমন দেখেন, জনসমক্ষে বা গণমাধ্যমেও তিনি একই রকম।
** [[জাসিন্ডা আরডার্ন]] [https://thespinoff.co.nz/politics/20-08-2020/the-complete-history-of-donald-trump-v-jacinda-ardern/ এ ব্রিফ হিস্ট্রি অব ডোনাল্ড ট্রাম্প ভার্সেস জাসিন্ডা আরডার্ন]-এ উদ্ধৃত
* নিজের দেশের জন্য জীবন দেওয়ার চেয়ে বড় কোনো আত্মত্যাগ হতে পারে না। ক্যাপ্টেন হুমায়ুন খান আমাদের স্বাধীনতা এবং সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা করতে গিয়ে সেই আত্মত্যাগই করেছেন। তিনি একজন প্রকৃত মার্কিন বীর ছিলেন। খান পরিবার আমাদের গভীর সমর্থন, সম্মান এবং কৃতজ্ঞতা পাওয়ার যোগ্য। যেকোনো উপায়ে নিজেদের মত প্রকাশের অধিকার তাদের রয়েছে। আমি হতবাক যে ডোনাল্ড ট্রাম্প তাদের অপমান করবেন। গোল্ড স্টার পরিবারের আত্মত্যাগের সাথে নিজের আত্মত্যাগের তুলনা করার স্পর্ধা তার রয়েছে।
** কেলি আয়োট, খিজর এবং গাজালা খান সম্পর্কে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্যের বিষয়ে বিবৃতি [https://www.washingtonpost.com/news/post-politics/wp/2016/07/31/khizr-khan-calls-trump-a-black-soul-says-mcconnell-ryan-have-moral-obligation-to-repudiate-him/] (৩১ জুলাই ২০১৬)
=== বি ===
* এর সাথে মিস্টার ট্রাম্পের জন্ম নিবন্ধনের একটি অনুলিপি সংযুক্ত করা হলো। এটি প্রমাণ করে যে তিনি ফ্রেড ট্রাম্পের ছেলে, কোনো ওরাংওটাং নন।
** কৌতুক অভিনেতা বিল মেহেরকে ডোনাল্ড ট্রাম্পের আইনজীবী স্কট বালবারের লেখা চিঠি (২০১৩)। মেহের মজা করে বলেছিলেন যে ট্রাম্প কোনো ওরাংওটাংয়ের সন্তান নন তা প্রমাণ করতে জন্ম নিবন্ধন প্রকাশ করলে তিনি তাকে ৫ মিলিয়ন ডলার দেবেন। [http://www.theglobeandmail.com/life/celebrity-news/my-dad-was-not-an-orangutan-donald-trump-says-in-lawsuit/article8467052/] [http://www.mediaite.com/tv/bill-maher-nukes-trump-over-lawsuit-the-law-is-not-a-toy-for-rich-idiots-to-play-with/]
* মিস্টার খান, আপনার এবং #ক্রুকডহিলারি (হিলারি ক্লিনটন)-এর লজ্জিত হওয়া উচিত। আপনারা @রিয়েলডোনাল্ডট্রাম্প (ডোনাল্ড ট্রাম্প)-এর ওপর হামলায় সবার কাছে সত্যনিষ্ঠ ছিলেন না।
** আল বালদাসারো, [https://twitter.com/Al_Baldasaro/status/760122082323795968 টুইটার, ১ আগস্ট, ২০১৬]
* চলুন। আপনি জানেন যে কেবল শ্রমজীবী শ্রেণিকে সাহায্য করলেই তা সমাজতন্ত্র হয়। ফার্ম বেইলআউট মূলত বড় কৃষি প্রতিষ্ঠানগুলোকে সাহায্য করবে। (লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমসের [https://www.latimes.com/business/hiltzik/la-fi-hiltzik-trump-farm-bailout-20190528-story.html?outputType=amp "ধনী কৃষকরাই ট্রাম্পের ট্যারিফ বেইলআউটের বেশিরভাগ অংশ পাবে, ছোট কৃষকরা নয়"] (৩১ মে ২০১৯) নিবন্ধের প্রসঙ্গে)
** [https://twitter.com/krystalball/status/1144018130357882880 ''টুইটার পোস্টে''] ক্রিস্টাল বল (২৬ জুন ২০১৯)
*এখানে একটি আকর্ষণীয় তথ্যও রয়েছে। পেন্টাগনের সাথে যোগাযোগ রাখা হিলের এক কর্মী @tparsi-কে জানিয়েছিলেন যে সামরিক হামলা আসন্ন। দৃশ্যত সবাই একেবারে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত ভেবেছিল যে এই হামলা সত্যিই হতে যাচ্ছে। @esaagar... @tparsi আরও সতর্ক করেছেন যে যেকোনো সামরিক হামলা সহজেই পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে রূপ নিতে পারে। "ইরানের ওপর সীমিত হামলার ধারণাটি সম্পূর্ণ অযৌক্তিক।" ... ন্যাশনাল ইরানি আমেরিকান কাউন্সিলের প্রধান @tparsi-এর সাথে সাক্ষাৎকার। তিনি আমাদের বলেছেন যে বোল্টন/পম্পেও যতদিন আছেন, ততদিন ট্রাম্পের সাথে দেখা করা যেকোনো ইরানি রাজনীতিকের জন্য "রাজনৈতিক আত্মহত্যা" হবে। @esaagar ... #rising #sanctions #Iran #iranwar
** [https://twitter.com/krystalball ''টুইটার পোস্টে''] ক্রিস্টাল বল (২৪ জুন ২০১৯)
*দাঁড়ান... হামলার ঠিক ১০ মিনিট আগে আপনার মনে হলো কত মানুষ মারা যাবে তা নিয়ে জিজ্ঞেস করার কথা??? এই এত গুরুত্বপূর্ণ তথ্যটি আপনি প্রায় এড়িয়েই যাচ্ছিলেন।
** [https://twitter.com/krystalball ''টুইটার পোস্টে''] ক্রিস্টাল বল (২১ জুন ২০১৯)
* ডেমোক্র্যাটরা যখন উপহাস করে বলে যে ট্রাম্প কেবল রিপাবলিকান পার্টির আসল রূপ উন্মোচন করেছেন, তখন কিছু রিপাবলিকান চরম হতাশার সাথে ভাবেন যে তারা (ডেমোক্র্যাটরা) হয়তো ঠিকই বলছেন।
** মলি বল, দ্য আটলান্টিকের ''[http://www.theatlantic.com/politics/archive/2015/08/can-the-republican-party-survive-trumo/402074/ ক্যান দ্য রিপাবলিকান পার্টি সারভাইভ ট্রাম্প?]'' (২৪ আগস্ট ২০১৫)
* যেকোনো প্রচলিত দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে, নবনির্বাচিত [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি|রাষ্ট্রপতি]] ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রার্থিতা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অসম্ভাব্য ছিল। আজ দুটি বিষয় আরও স্পষ্টভাবে বোঝা যাচ্ছে: প্রথমত, ট্রাম্পের বিজয়কে দেশের প্রথম স্বতন্ত্র রাষ্ট্রপতির সাফল্য হিসেবে সবচেয়ে ভালোভাবে বোঝা যেতে পারে। দ্বিতীয়ত, ট্রাম্পের জোট সম্ভবত রাষ্ট্রপতি [[বারাক ওবামা|ওবামার]] জোটের চেয়েও বেশি তার নিজস্ব।<br>ট্রাম্পের এই সাফল্যের আংশিক কারণ হলো, তিনি এমন একটি পরিবেশে রাষ্ট্রপতির জন্য লড়েছিলেন যা স্থিতাবস্থার চেয়ে পরিবর্তনের পক্ষে ছিল। তবে তার [[ভাগ্য]] বা প্রতিভা এর চেয়েও বড়। দীর্ঘদিন ধরে বলা হচ্ছে যে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থীর রাষ্ট্রপতির জন্য গুরুতর প্রচার চালানোর মতো পরিস্থিতি বিদ্যমান রয়েছে।<br>ট্রাম্প একটি স্বতন্ত্র প্রার্থিতার উপাদান, তথা সুস্পষ্ট আদর্শের অভাব, জাতীয় তারকা হিসেবে পরিচিতি এবং রাষ্ট্রপতির প্রচারণার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যক্তিগত সম্পদ নিয়েছিলেন। এরপর তিনি এমন কিছু করেছিলেন যা আগে কেউ ভাবেনি। তিনি একটি বিদ্যমান প্রধান দলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেন। তার কাছে দুই জগতেরই সেরা সুবিধা ছিল। তিনি আদর্শগত আবেদন থাকা একজন বহিরাগত প্রার্থী ছিলেন। সেই সাথে সাধারণ নির্বাচনে লড়াই করার জন্য একটি প্রধান দলের প্ল্যাটফর্মও তার ছিল। কাজ শেষ করার আগেই তিনি দুটি রাজনৈতিক রাজবংশকে পরাজিত করেন: প্রাইমারিতে [[w:বুশ পরিবার|বুশ রাজবংশ]] এবং সাধারণ নির্বাচনে [[w:ক্লিনটন পরিবার|ক্লিনটন রাজবংশ]]।
** ড্যান বালজ, ''[https://www.washingtonpost.com/politics/donald-trump-americas-first-independent-president/2016/11/19/b09e1cc6-ade2-11e6-8b45-f8e493f06fcd_story.html ডোনাল্ড ট্রাম্প, আমেরিকার প্রথম স্বতন্ত্র রাষ্ট্রপতি]'' (১৯ নভেম্বর ২০১৬)
* '''সাধারণ মার্কিনীদের কাছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের কথা প্রতিধ্বনিত হচ্ছে। তারা মনে করে তাদের দল তাদের কথা শোনা বন্ধ করে দিয়েছে। আমার বিশ্বাস এটি একটি নতুন রিপাবলিকান দলে পরিণত হবে। আমাদের এই দলটিকে গ্রহণ করা উচিত। আমাদের কর্মজীবী নারী-পুরুষের দল হওয়া উচিত। আমেরিকাকে অগ্রাধিকার দেওয়া দল হওয়া উচিত।'''
** রবার্ট কস্টার লেখা দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের [https://www.washingtonpost.com/news/post-politics/wp/2016/03/22/lou-barletta-an-immigration-hard-liner-in-congress-endorses-trump/ "কংগ্রেসে অভিবাসনের কট্টর সমর্থক লু বারলেটা ট্রাম্পকে সমর্থন করেছেন"] শীর্ষক নিবন্ধে লু বারলেটার উদ্ধৃতি (২২ মার্চ ২০১৬)
* [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস|কংগ্রেসকে]] চাপ দেওয়ার জন্য জনতাকে সংগঠিত করা অমার্জনীয়।
** সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল উইলিয়াম বার, এনবিসি নিউজের [https://www.nbcnews.com/politics/congress/barr-says-trump-s-conduct-betrayal-presidency-n1253281 "বার বলেছেন ট্রাম্পের আচরণ রাষ্ট্রপতির পদের সাথে 'বিশ্বাসঘাতকতা'"] শীর্ষক নিবন্ধে উদ্ধৃত (৭ জানুয়ারি ২০২১)
* আপনি তাকে বিশ্বাস করতে পারেন না।
* তার কোনো নীতি নেই। একটুও না। একটুও না।
* তার ওই জঘন্য টুইট আর মিথ্যা বলা, ওহ, ঈশ্বর।
* বারবার গল্প পাল্টানো। প্রস্তুতির অভাব। মিথ্যা বলা। জঘন্য।
** ডোনাল্ড ট্রাম্পের বোন [[w:মেরিয়ান ট্রাম্প ব্যারি|মেরিয়ান ট্রাম্প ব্যারি]], ড্যানিয়েল পোলিটির লেখা স্লেটের [https://www.washingtonpost.com/news/post-politics/wp/2016/03/22/lou-barletta-an-immigration-hard-liner-in-congress-endorses-trump/ গোপন রেকর্ডিংয়ে ট্রাম্পের বোন তাকে "নীতিহীন" মিথ্যুক বলেছেন: "আপনি তাকে বিশ্বাস করতে পারেন না"] শীর্ষক নিবন্ধে উদ্ধৃত (২২ আগস্ট ২০২০)
*ইরানের কাজগুলো কোনোভাবেই শূন্যস্থানে ঘটেছে বলে বলা যায় না... তেহরানের ওপর ট্রাম্প প্রশাসনের অসংলগ্ন পররাষ্ট্রনীতির অধীনে "সর্বোচ্চ চাপের" সাম্প্রতিক নীতিই বর্তমান উত্তেজনা বাড়িয়ে তুলেছে...ট্রাম্প প্রশাসন ২০১৫ সালের আন্তর্জাতিকভাবে সম্মত এবং সফল জয়েন্ট কম্প্রিহেনসিভ প্ল্যান অব অ্যাকশন (জেসিপিওএ) থেকে একতরফাভাবে সরে এসেছে... তেহরানে এই পদক্ষেপগুলোকে কীভাবে দেখা হতে পারে তা বোঝা কঠিন নয়: সরকারের পতন ঘটাতে পরিকল্পিত অর্থনৈতিক যুদ্ধের প্রচারাভিযানের অংশ হিসেবে একাধিক উৎস থেকে নিজেদের দেশের ফ্রন্টকে হুমকির মুখে ফেলা একটি ক্রমবর্ধমান আক্রমণ... বোল্টনের ষড়যন্ত্র এবং ট্রাম্পের বারবার মত পরিবর্তনের স্বাভাবিক বিভ্রান্তির কারণে ক্রমবর্ধমান এই বিপজ্জনক খেলায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের গভীরতা বিচার করা আরও কঠিন... এই সবকিছু আমাদের একটি জটিল সংকটের সবচেয়ে ভীতিকর উপাদানটি নিয়ে ভাবতে বাধ্য করে: হোয়াইট হাউসের বর্তমান বাসিন্দার এটি সফলভাবে সামলানোর জন্য প্রয়োজনীয় কোনো দক্ষতাই নেই।
**পিটার বিমন্ট, দ্য গার্ডিয়ানের [https://www.theguardian.com/commentisfree/2019/jun/14/trump-iran-oil-tanker-attacks "ট্রাম্প ইরানে আগুন উসকে দিয়েছেন, এখন সেই আগুন নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে"] শীর্ষক নিবন্ধে (১৪ জুন ২০১৯)
*বড় সরকারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে যখন রক্ষণশীলদের মরিয়া হয়ে মিত্রের প্রয়োজন ছিল, তখন ডোনাল্ড ট্রাম্প দূরে দাঁড়িয়ে থাকেননি। তিনি ধারাবাহিকভাবে সমর্থন করেছেন যে আপনার টাকা খরচ করা হোক, আপনার সরকার বড় হোক এবং আপনার সংবিধানকে উপেক্ষা করা হোক... প্রাইমারিতে ট্রাম্পের সম্ভাব্য বিজয় হিলারি ক্লিনটনকে হোয়াইট হাউসে যাওয়ার সবচেয়ে সহজ পথ তৈরি করে দেবে। কিন্তু এটি তার চেয়েও অনেক খারাপ। ডোনাল্ড ট্রাম্প রিপাবলিকান মনোনয়ন জিতলে প্রতিনিয়ত বড় হতে থাকা সরকারের আর কোনো বিরোধিতা থাকবে না। এটি [[রক্ষণশীলতাবাদ|রক্ষণশীলতার]] জন্য একটি সংকট। এবং, আবারও, এই সংকট বৃথা যাবে না।
**গ্লেন বেক, ন্যাশনাল রিভিউর [http://www.nationalreview.com/article/430126/donald-trump-conservatives-oppose-nomination "রক্ষণশীলরা ট্রাম্পের বিপক্ষে"] (২১ জানুয়ারি ২০১৬)
*'''আমি সত্যিই বিশ্বাস করি ডোনাল্ড ট্রাম্প একজন অত্যন্ত বিপজ্জনক মানুষ। আপনি যদি তার কথাগুলো শোনেন''' এই সপ্তাহান্তে... 'আমি ফিফথ অ্যাভিনিউতে গিয়ে মানুষ গুলি করতে পারি এবং আমার একটি ভোটও কমবে না'। '''তিনি সাংবাদিকদের হত্যা করা নিয়েও মজা করেছেন''' এবং [[ভ্লাদিমির পুতিন|পুতিনের]] মতো সাংবাদিকদের 'হত্যা না করা' নিয়েও... দেশের মেজাজের সাথে আমরা পরিবর্তন হই না। বর্তমানে এটাই আমাদের দেশের সমস্যা। সংবিধান আমাদের এমন নীতিগুলোর সাথে যুক্ত রাখে যা দেশের মেজাজকে নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে... দেশের মেজাজ এখন খুব রাগান্বিত। কিন্তু রেগে থাকলে আপনি কখনোই ভালো সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন না... এখন আমরা সবচেয়ে খারাপ যে কাজটি করতে পারি তা হলো, কে প্রতিশোধ নেবে তা খোঁজা শুরু করা। ডোনাল্ড ট্রাম্প যে কাজগুলো করেন তার মধ্যে একটি হলো, যখন কোনো ব্যক্তি রেগে থাকে এবং তার একটি শত্রুর তালিকা থাকে, তখন সে বারবার মানুষকে ধ্বংস করতে শুরু করে। যদি আপনি তার সাথে দ্বিমত পোষণ করেন, সে আপনাকে ধ্বংস করে দেবে। যদি এটাই দেশের মেজাজ হয়, তবে আমরা আমার ধারণার চেয়েও বেশি বিপদে আছি।
**গ্লেন বেক, সিএনএন-এর ''নিউ ডে''তে [http://www.cnn.com/2016/01/25/politics/glenn-beck-donald-trump-dangerous/index.html সাক্ষাৎকার] (জানুয়ারি ২০১৬)
* '''ট্রাম্প হয়তো অমার্জিত, ট্রাম্প হয়তো কঠোর হতে পারেন। কিন্তু বর্ণবাদ, দুর্নীতি এবং ধ্বংসের দিক থেকে তিনি মিস্টার [[রোনাল্ড রিগ্যান|রেগানের]] প্রকৃত উত্তরসূরি। ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টি ১৯৮0-এর দশক থেকে যেমন ছিল, এখনও তেমনই আছে, শুধু এর মাত্রা বেড়েছে।'''
** ল্যারি বেইনহার্ট আল জাজিরা ইংলিশের ''[https://www.aljazeera.com/indepth/opinion/donald-ronald-190811202546763.html ডোনাল্ড অ্যান্ড রোনাল্ড]''-এ (১২ আগস্ট ২০১৯)
* "তার মুখের কথাগুলো বোকামি দিয়ে শুরু হয় এবং তার কথাগুলো দুষ্ট উন্মাদনা দিয়ে শেষ হয়। তারপরও ট্রাম্প কথা বলতেই থাকেন।"
** [[w:রোইম ওলাম|রোইম ওলাম]], শ্লোমো বেন-ডেভিড, মে ১২, ২০১৮।
* তিনি মনে হয় সত্য এবং কল্পনার মধ্যে পার্থক্য করতে পারেন না।
** ম্যানহাটন ইনস্টিটিউটের [https://www.manhattan-institute.org/html/donald-trump-art-tease-3007.html ডোনাল্ড ট্রাম্প: দ্য আর্ট অব দ্য টিজ] নিবন্ধে (৬ এপ্রিল ২০১১) স্টিভেন ম্যালাঙ্গার দ্বারা উদ্ধৃত মিডআটলান্টিক ব্যাংকের বেন বারজিন জুনিয়র
* প্রমাণ দেখায়: ডোনাল্ড ট্রাম্প কোনো মিত্র ধরে রাখতে পারেন না, প্রতিশ্রুতি রাখতে পারেন না, নীতি বজায় রাখতে পারেন না, গল্প ঠিক রাখতে পারেন না, মন বদলাতে পারেন না বা হৃদয় দেখাতে পারেন না।
** [https://twitter.com/preetbharara/status/917198254923710464?lang=de টুইটারে] প্রীত ভরারা (৮ অক্টোবর ২০১৭)
*কোভিড-১৯ এর ক্ষেত্রে ট্রাম্প শুধু হাল ছেড়ে দিয়েছেন। কয়েক মাস ধরে তিনি কোনো কাজ করেননি। তিনি কেবল পূর্বাভাস দিয়েছিলেন যে ভাইরাসটি অদৃশ্য হয়ে যাবে বা ব্লিচ পান করলে হয়তো আপনি সুস্থ হয়ে যাবেন।
**[https://abcnews.go.com/Politics/biden-unveils-1st-portion-build-back-economic-plan/story?id=71681986 ৯ জুলাই ২০২০] তারিখে [[জো বাইডেন]] ট্রাম্পের ২০২০ সালের এপ্রিলের জীবাণুনাশক সম্পর্কিত উইলিয়াম ব্রায়ানের গবেষণার উদ্ধৃতির বিষয়ে এই কথা বলেন। ট্রাম্প ব্লিচ ব্যবহার বা খাওয়ার কথা নির্দিষ্ট করে বলেননি।
* ভীরু রাজনৈতিক শুদ্ধতার এই যুগে, যারা ছাঁকনি ছাড়া কথা বলেন তাদের আপনাকে সম্মান করতে হবে।
** জেসি বাইর্ন্সের লেখা দ্য হিলের [http://thehill.com/blogs/blog-briefing-room/news/263480-instagram-star-praises-unfiltered-trump "'ইনস্টাগ্রামের রাজা' 'ছাঁকনি ছাড়া' ট্রাম্পের প্রশংসা করেছেন"] শীর্ষক নিবন্ধে ড্যান বিলজেরিয়ানের উদ্ধৃতি (১৬ ডিসেম্বর ২০১৫)
*ডোনাল্ড [কোহনের [[এইচআইভি/এইডস|এইচআইভি]] সংক্রমণের কথা] জানতে পেরেছিলেন এবং তাকে দ্রুত এড়িয়ে চলতে শুরু করেন। এটি ছিল দিন এবং রাতের মতো পার্থক্য।
** দ্য উইকের [http://theweek.com/speedreads/617343/donald-trump-turned-back-closest-friend-when-heard-aids ডোনাল্ড ট্রাম্প তার সবচেয়ে কাছের বন্ধুর এইডস হওয়ার কথা শুনে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিলেন] শীর্ষক নিবন্ধে ট্রাম্পের আইনজীবী রয় কোহনের দীর্ঘদিনের সেক্রেটারি সুসান বেলের উদ্ধৃতি (৮ এপ্রিল ২০১৬)
* ডোনাল্ড ট্রাম্প মনোনীত হওয়ার আগ পর্যন্ত একটি কৌতুক ছিলেন, নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত অযোগ্য ছিলেন, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সফল হওয়ার আগ পর্যন্ত অযোগ্য ছিলেন এবং যোগসাজশের বাজে কথা খণ্ডন করার আগ পর্যন্ত অভিশংসিত হতে যাচ্ছিলেন; তার একটি চমৎকার সফল বছর কেটেছে। তার শত্রুদের ওজন করা হয়েছে এবং তাদের ঘাটতি পাওয়া গেছে। তারা তাদের পুরস্কার পাবে।
** কনরাড ব্ল্যাক, ন্যাশনাল রিভিউর "[http://www.nationalreview.com/article/454754/donald-trump-2017-successful ট্রাম্পস ঘুর্ণিঝড় বছর]" (১৯ ডিসেম্বর ২০১৭)
* ...কর্মীদের চেয়ে নিয়োগকর্তাদের (মাইকেল জর্ডান এবং জেরি রেইন্সডর্ফকে এটি বলুন) বা ভাড়াটিয়াদের চেয়ে বাড়ির মালিকদের (বিল গেটস বা ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাড়ির মালিককে এটি বলুন) বেশি ক্ষমতা রয়েছে বলে মনে করা কেবল মার্কসবাদী প্রলাপ।
** ওয়াল্টার ই. ব্লক, ''দ্য কেস ফর ডিসক্রিমিনেশন'' (২০১০, লুডউইগ ফন মিসেস ইনস্টিটিউট) পৃষ্ঠা ৪০৪
*আমেরিকানরা মনে করে রাজনীতিবিদের চেয়ে একজন ব্যবসায়ীকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে পাওয়া ভালো হবে। আমি তাদের সাথে একমত। হায়, রাষ্ট্রপতির পদে লড়ার মতো পাগল একমাত্র ব্যবসায়ীরাই মনে হয়। অন্তত রস পেরট তার পাগলামি মূলত ব্যক্তিগত বিষয়েই সীমাবদ্ধ রেখেছিলেন, যেমন তার মেয়ের বিয়েতে সম্ভাব্য ঝামেলা। ডোনাল্ড ট্রাম্প এটিকে সামনে নিয়ে এসেছেন। একজন স্বাধীনতাবাদীর দৃষ্টিকোণ থেকে, এবং আমি মনে করি সিরিয়াস রক্ষণশীল এবং উদারপন্থীরাও এই মত শেয়ার করবেন, আমেরিকান ঐতিহ্য এবং আমাদের প্রতিষ্ঠার নীতিগুলোর বিরুদ্ধে ট্রাম্পের সবচেয়ে বড় অপরাধ হলো তার স্বজাত্যবোধ এবং একব্যক্তির শাসনের প্রতিশ্রুতি। জর্জ ওয়ালেসের পর থেকে কোনো রাষ্ট্রপতি প্রার্থী জাতিগত এবং ধর্মীয় বিভেদকে তার প্রচারণার এত কেন্দ্রে রাখেননি। ট্রাম্প মেক্সিকান ধর্ষকদের কথা বলে তার প্রচারণা শুরু করেছিলেন এবং ব্যাপক নির্বাসন, মুসলিম অভিবাসনে নিষেধাজ্ঞা, মসজিদ বন্ধ করা এবং আমেরিকার চারপাশে প্রাচীর নির্মাণের কথা বলে চলেছেন। আমেরিকা একটি ব্যতিক্রমী জাতি। এর বড় কারণ হলো আমরা এই ধরনের কুসংস্কার থেকে ঊর্ধ্বে ওঠার আকাঙ্ক্ষা করেছি এবং সবার জীবন, স্বাধীনতা এবং সুখের সাধনার নিশ্চয়তা দিয়েছি।
** ডেভিড বোয়াজ, ন্যাশনাল রিভিউর [http://www.nationalreview.com/article/430126/donald-trump-conservatives-oppose-nomination "রক্ষণশীলরা ট্রাম্পের বিপক্ষে"] (২১ জানুয়ারি ২০১৬)
* যেখানে ওয়াশিংটন এবং নিউইয়র্ক-ভিত্তিক জিওপি নেতারা অভিবাসী, মধ্যপন্থী মুসলিম এবং অন্যান্য সংখ্যালঘুদের কাছে পৌঁছানোর প্রতিশ্রুতি দেন, সেখানে রিয়েলিটি টিভি তারকা ট্রাম্প জাতীয় প্রার্থী জর্জ ওয়ালেসের পর থেকে সবচেয়ে প্রকাশ্য জাতিগত রাজনীতি করছেন। ট্রাম্পের স্বজাত্যবাদী, জাতীয়তাবাদী বিচ্ছিন্নতাবাদ বিজয়ের পথ তৈরি করেছে।
** ইগর ববিচ এবং রায়ান গ্রিম, দ্য হাফিংটন পোস্টের [http://www.huffingtonpost.com/entry/donald-trump-south-carolina_us_56c87f72e4b041136f1725b8 "দক্ষিণ ক্যারোলিনায় ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিজয় রিপাবলিকান পার্টি সম্পর্কে কী বলে"] (২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৬)
* ১৮ জুন ট্রাম্প [[শি জিনপিং|শি জিনপিংয়ের]] সাথে ফোনে কথা বলেছিলেন। এটি ছিল ২০১৯ সালের ওসাকা জি২০ শীর্ষ সম্মেলনের আগে, যখন তাদের পরবর্তী দেখা হওয়ার কথা ছিল। ট্রাম্প শি-কে বলে শুরু করেছিলেন যে তিনি তাকে মিস করছেন। এরপর তিনি বলেন যে, চীনের সাথে বাণিজ্য চুক্তি করাই তার জীবনের সবচেয়ে জনপ্রিয় কাজ। এটি রাজনৈতিকভাবে একটি বড় সুবিধা হবে। তারা একমত হন যে তাদের অর্থনৈতিক দলগুলো বৈঠক চালিয়ে যেতে পারে। জি২০ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শুরু হয়। শুরুর দিকের সাধারণ মিডিয়া হট্টগোলের মধ্যে ট্রাম্প বলেন, "আমরা বন্ধু হয়ে গেছি। আমার পরিবারের সাথে আমার বেইজিং সফর আমার জীবনের অন্যতম সেরা ঘটনা।" সাংবাদিকরা চলে যাওয়ার পর শি বলেন, এটি বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের কিছু (নাম প্রকাশ না করা) রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবার চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন স্নায়ুযুদ্ধের ডাক দিয়ে ভুল বিচার করছেন। শি [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ডেমোক্রেটিক পার্টি|ডেমোক্র্যাটদের]] দিকে আঙুল তুলেছিলেন নাকি মার্কিন পক্ষে বসে থাকা আমাদের কাউকে বুঝিয়েছিলেন, তা আমি জানি না। তবে ট্রাম্প তাৎক্ষণিকভাবে ধরে নেন যে শি ডেমোক্র্যাটদের বুঝিয়েছেন। ট্রাম্প সম্মতি জানিয়ে বলেন, ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে তীব্র শত্রুতা রয়েছে। এরপর তিনি বিস্ময়করভাবে আসন্ন মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দিকে আলোচনার মোড় ঘুরিয়ে দেন। চলমান প্রচারাভিযানে প্রভাব ফেলার মতো চীনের অর্থনৈতিক সক্ষমতার কথা উল্লেখ করেন। তিনি তাকে জিতিয়ে দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করতে শি-কে অনুরোধ করেন। তিনি নির্বাচনী ফলাফলে কৃষকদের গুরুত্ব এবং চীনের সয়াবিন ও গম কেনা বাড়ানোর ওপর জোর দেন। আমি ট্রাম্পের সঠিক কথাগুলোই প্রকাশ করতাম, কিন্তু সরকারের প্রাক-প্রকাশনা পর্যালোচনা প্রক্রিয়া অন্যরকম সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
** জন বোল্টন, সাইমন অ্যান্ড শুস্টারের দ্য রুম হোয়্যার ইট হ্যাপেন্ড, ২০২০, [https://books.google.com/books?id=QjTMDwAAQBAJ&pg=PT202 পৃষ্ঠা ২০২]
*সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে প্রতিক্রিয়াশীল মার্কিন সরকারের প্রতিনিধিত্ব করলেও, ট্রাম্প বৈপরীত্যভাবে মার্কিন ক্ষমতাকে চ্যালেঞ্জ করার সুযোগও তৈরি করেছেন। এর প্রথম কারণ হলো, তিনি এবং তার প্রশাসন কল্যাণকর উদ্দেশ্যের মিথ্যা ঘোষণার আড়ালে নিজেদের আসল উদ্দেশ্য লুকানোর ক্ষেত্রে অনেক কম সুশৃঙ্খল। "গণবিধ্বংসী অস্ত্র" নিয়ে মিথ্যা দাবি করে মার্কিন জনগণের একটি বড় অংশের সম্মতি আদায় করে [[জর্জ ডব্লিউ. বুশ]] প্রশাসন ইরাক যুদ্ধের আগে সফলভাবে জনমত তৈরি করেছিল। কিন্তু ট্রাম্প প্রশাসন মার্কিন অর্থনৈতিক স্বার্থ হাসিলের জন্যই তাদের পররাষ্ট্রনীতি পরিচালিত হওয়ার সত্যটিও লুকায় না।
**কাউন্টারপাঞ্চের পিটার বোল্টন, [https://www.counterpunch.org/2019/06/27/the-failed-venezuelan-coup-and-the-decline-of-us-hegemony/ ''ভেনেজুয়েলার ব্যর্থ অভ্যুত্থান এবং মার্কিন আধিপত্যের পতন''] (২৭ জুন ২০১৯)
* ট্রাম্প একজন [[ফ্যাসিবাদ|ফ্যাসিবাদী]]। আমি এই শব্দটি সহজে বা প্রায়ই ব্যবহার করি না। কিন্তু তিনি এটি অর্জন করেছেন।
** ম্যাক্স বুট, [https://www.washingtonpost.com/opinions/donald-trump-isnt-todays-wendell-willkie-hes-todays-benito-mussolini/2015/12/08/77c81b0c-9ddc-11e5-a3c5-c77f2cc5a43c_story.html ''টুইটার''] (২০১৫)
* রিপাবলিকান পার্টি শেষ। ... ডোনাল্ড ট্রাম্প একে ধ্বংস করেছেন।
* ট্রাম্প একজন অজ্ঞ জননেতা। তিনি [[বর্ণবাদ|বর্ণবাদী]] ও [[নারীবিদ্বেষ|নারীবিদ্বেষী]] গালি এবং পাগলাটে [[ষড়যন্ত্র তত্ত্ব|ষড়যন্ত্র তত্ত্বের]] ব্যবসা করেন। তিনি সংরক্ষণবাদ এবং বিচ্ছিন্নতাবাদের পক্ষে কথা বলেন। এই নীতিগুলোই আমাদের মহামন্দা এবং [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের]] দিকে ঠেলে দিয়েছিল। তিনি অবৈধ অভিবাসীদের পুলিশি রাষ্ট্রে আটকাতে চান। তিনি এদেশে [[মুসলমান|মুসলমানদের]] প্রবেশে বাধা দিতে চান। তিনি তার অনুসারীদের প্রতিবাদকারীদের ওপর হামলা করতে উৎসাহিত করেন এবং সমালোচকদের মামলা বা কুৎসা রটানোর হুমকি দেন। তিনি [[জাপান]] এবং [[দক্ষিণ কোরিয়া|দক্ষিণ কোরিয়াকে]] পরিত্যাগ করবেন। তিনি ন্যাটোর মতো ইতিহাসের সবচেয়ে সফল জোট ভেঙে দেবেন। তবে [[ভ্লাদিমির পুতিন|পুতিনের]] মতো [[স্বৈরশাসক|স্বৈরশাসকদের]] জন্য তার প্রশংসার কথা রয়েছে। মার্কিন ইতিহাসে প্রেসিডেন্ট পদের জন্য এর আগে এত অযোগ্য কোনো প্রধান দলের প্রার্থী আসেনি। ট্রাম্পের জয়ের ঝুঁকি খুব কম হলেও, তা আজ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সবচেয়ে বড় জাতীয় নিরাপত্তা হুমকির প্রতিনিধিত্ব করে।
* আমি শুধু একটি বিষয় নিশ্চিতভাবে জানি: আমি ট্রাম্পকে ভোট দেব না। আমার আশা তিনি বিপুল ব্যবধানে হারবেন। রিপাবলিকান পার্টিও নিজেদের ভুল বুঝতে পারবে। তারা ট্রাম্পের কুৎসিত, স্বজাত্যবাদী জনপ্রিয়তাবাদ এবং টেড ক্রুজের প্রতিনিধিত্ব করা চরম, অতি-পবিত্র রক্ষণশীলতা উভয়কেই প্রত্যাখ্যান করবে।
** ম্যাক্স বুট {{cite web|url=http://www.latimes.com/opinion/op-ed/la-oe-boot-republicans-in-exile-20160508-story.html|title=রিপাবলিকান পার্টি শেষ|trans-title=দ্য রিপাবলিকান পার্টি ইজ ডেড|date=৮ মে ২০১৬|website=latimes.com|publisher=লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস}}
* একজন ক্ষমাহীন অজ্ঞ ব্যক্তি প্রেসিডেন্ট হিসেবে জয়ী হলে, এর পরিণতি কোনো হাসির বিষয় হবে না।
* ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প একজন প্রেসিডেন্ট প্রার্থী, যিনি সত্যিই তার আগের রিপাবলিকানদের মতো শুধু ভান করেন না। তিনি সত্যিই অজ্ঞ। এটা সত্যিই ভীতিকর যে এমন আপত্তিজনক এবং হাস্যকর প্রস্তাব দেওয়া কেউ এমন একটি দলের মনোনয়ন পেতে পারে যার নেতৃত্ব একসময় [[টেডি রুজভেল্ট|টেডি রুজভেল্ট]] দিয়েছিলেন। ট্রাম্প সম্ভবত তার চেয়ে কম বই পড়েছেন। গড়পড়তা মানুষ হওয়ার ভান করে ভোটারদের আকৃষ্ট করা এক জিনিস। কিন্তু গড়পড়তা মানুষ হয়ে শাসন বা সরকারি নীতির কিছুই না জানা আরেক জিনিস। ট্রাম্পের অনুসারীরা দাবি করেন এতে কিছু যায় আসে না; তিনি পরামর্শ দেওয়ার জন্য বিশেষজ্ঞদের নিয়োগ করতে পারেন। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা সবসময় একে অপরের সাথে দ্বিমত পোষণ করেন এবং প্রেসিডেন্টকেই বিশ্বের সবচেয়ে কঠিন সিদ্ধান্তগুলো নিতে হয়। এটি তিনি করতে পারবেন না কারণ বিষয়গুলোতে তার প্রাথমিক ধারণাও নেই এবং তিনি মৌলিক ভুল ধারণার শিকার।
** ম্যাক্স বুট {{cite web|url=http://www.nytimes.com/2016/08/01/opinion/how-the-stupid-party-created-donald-trump.html|title=কীভাবে ‘স্টুপিড পার্টি’ ট্রাম্পকে তৈরি করেছে|trans-title=হাউ দ্য ‘স্টুপিড পার্টি' ক্রিয়েটেড ট্রাম্প|date=২ আগস্ট ২০১৬|website=nytimes.com|publisher=দ্য নিউইয়র্ক টাইমস}}
* গণমাধ্যম যখন ট্রাম্পের অভিবাসন নিয়ে পরিবর্তনশীল অবস্থান বোঝার চেষ্টা করছে, তখন মনে রাখবেন যে তিনি *কেবল* নিজের অহংকার তুষ্ট করতেই যত্নবান। নীতি এখানে অপ্রাসঙ্গিক।
** ম্যাক্স বুট, [https://twitter.com/MaxBoot/status/767160352262029312 টুইটার, ২০ আগস্ট ২০১৬]
* জিওপি'র ভিত্তিটি স্পষ্টভাবে বিরক্ত এবং নতুন নেতৃত্বের সন্ধান করছে। এরপর ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রবেশ ঘটে। তিনি কেবল নীতিগত নির্দেশনা নিয়েই আসেননি যা নিন্দুক জিওপি নেতৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করে, বরং সেই নেতৃত্বের প্রতি অবজ্ঞার মনোভাব নিয়েও এসেছেন, যা ঘাঁটির অনুভূতির সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। অনেক রক্ষণশীল এটি উপভোগ করছেন, কিন্তু এখানে একটি সমস্যা রয়েছে। ট্রাম্প হয়তো এদের সবার মধ্যে সবচেয়ে বড় ভণ্ড।
** এল. ব্রেন্ট বোজেল থ্রি, ন্যাশনাল রিভিউর [http://www.nationalreview.com/article/430126/donald-trump-conservatives-oppose-nomination "রক্ষণশীলরা ট্রাম্পের বিপক্ষে"] (২১ জানুয়ারি ২০১৬)
* সময়টা ছিল চার বছর আগের বসন্তকাল। ডোনাল্ড এবং ইভানা ট্রাম্প মিসেস মার্জোরি মেরিউইদার পোস্টের সাবেক ডাইনিং রুমে তাদের লম্বা শেরেটন টেবিলের দুই প্রান্তে বসেছিলেন। তারা সম্রাট এবং সম্রাজ্ঞীর মতো রাজকীয় ভঙ্গিতে বসেছিলেন। তারা সফলতার শীর্ষে ছিলেন। ট্রাম্পকে সংবাদ শোগুলোতে রাশিয়ানদের সাথে আলোচনা করার জন্য নিজের পরিষেবার প্রস্তাব দিতে দেখা যেত। তিনি হয়তো প্রেসিডেন্ট পদের জন্য লড়বেন, এমন কথাও শোনা যাচ্ছিল। ইভানা এত বেশি প্রচার পেয়েছিলেন যে তিনি এখন সাক্ষাৎকারীদের প্রশংসাসূচক ক্লিপগুলোর একটি প্রেস কিট দিতেন। ট্রাম্পরা নিউইয়র্কের সোনালি শহরে এমন উচ্চতায় পৌঁছেছিলেন যে যেকোনো কিছুই সম্ভব বলে মনে হচ্ছিল।
** মেরি ব্রেনার, ভ্যানিটি ফেয়ারের [https://www.vanityfair.com/magazine/2015/07/donald-ivana-trump-divorce-prenup-marie-brenner/amp "আফটার দ্য গোল্ড রাশ"] (১ সেপ্টেম্বর ১৯৯০)
*ধর্মীয় ডানপন্থিরা মার্কিন রাজনীতির একটি পুরোনো মডেলের সর্বশেষ সংস্করণ। এটি বিভিন্নভাবে পিউরিটান, অ্যাবলিশনিস্ট এবং উইলিয়াম জেনিংস ব্রায়ান দ্বারা রূপায়িত হয়েছিল। আগেরগুলোর মতোই এটি দাবি করেছে যে, সফল হওয়ার জন্য আমেরিকা এবং মার্কিনীদের ঈশ্বরভীরু বা অন্তত নৈতিক চরিত্রের হতে হবে। এখন ধর্মীয় ডানপন্থিরা [[w:Donald Trump|এমন একজনকে ভালোবাসে যে তিনবার বিয়ে করেছে এবং মিথ্যাবাদী]]। কিন্তু তারা একা নয়। সামরিক গুণাবলির ঐতিহাসিক ও মনোবিজ্ঞানীরা এমন একজনকে স্যালুট করেন, যে পায়ের হাড়ের সমস্যার কথা বলে সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়া এড়িয়ে গিয়েছিল। তার জন্য খে সানহ যুদ্ধে অংশ নেওয়া সিফিলিস রোগের শিকার না হওয়ার মতোই ছিল। যেসব সাংস্কৃতিক সমালোচক শিক্ষায়াতনিক ফ্যাড এবং দুর্বল নন্দনতত্ত্বের সমালোচনা করেছিলেন, তারা এমন একজন মানুষকে ব্যাখ্যা করেন যিনি কোনো বই পড়েননি, এমনকি তার স্বাক্ষর করা বইগুলোও নয়। গত ৬০ বছরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ [[আব্রাহাম লিংকন|লিংকন]] গবেষক হ্যারি জাফার অনুসারীরা এমন একজন রিপাবলিকানের চারপাশে জড়ো হন, যিনি জানেন না কেন [[আমেরিকার গৃহযুদ্ধ|গৃহযুদ্ধ]] হয়েছিল। স্ট্রাউসিয়ানরা গুহা থেকে বেরিয়ে আসার পর নিজেদের মার-এ-লাগোতে আবিষ্কার করে। ইকোনোকনরা দেউলিয়া হয়ে যাওয়া একজনের ওপর তাদের অর্থ বিনিয়োগ করে।
**রিচার্ড ব্রুকহাইসার, ন্যাশনাল রিভিউর [https://www.nationalreview.com/magazine/2018/02/17/william-f-buckley-trump-conservatism-needs-rebuilding/ "ডব্লিউএফবি টুডে"] (১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮)
* ডোনাল্ড ট্রাম্প বিশ্বাসঘাতকতা করেন। এটি ট্রাম্প বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু হতে পারে। সেখানে ট্রাম্প স্কুলশিক্ষক এবং অন্য যারা নিজেদের জন্য একটি ভালো জীবন গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন, তাদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছিলেন।
** ডেভিড ব্রুকস, দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের [http://www.nytimes.com/2016/03/04/opinion/donald-trump-the-great-betrayer.html?rref=opinion "ডোনাল্ড ট্রাম্প, বড় বিশ্বাসঘাতক"] (৪ মার্চ ২০১৬)
* ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুধু সাহস বেশি। আপনি তাকে নিয়ে যা-ই ভাবুন না কেন, আমি তার সম্পর্কে বেশি কিছু ভাবি না। তবে তার বিরোধীদের চেয়ে তার সাহস বেশি... তিনি একজন বিপণন প্রতিভা, যার কোনো সারবত্তা নেই। মানুষ ট্রাম্প মর্টগেজের মাধ্যমে সাবপ্রাইম লোন নিতে বাধ্য হয়েছিল, অথবা ট্রাম্প বিশ্ববিদ্যালয়ের কোর্স কেনার জন্য বিশাল ক্রেডিট কার্ডের ঋণ নেওয়ার ফাঁদে পড়েছিল। যখন এগুলো দেউলিয়া হয়ে যায়, তখন তারা অসহায় হয়ে পড়েছিল। এই গল্পটি বলা যেতে পারে বলে আমি মনে করি। যে দেশ প্রতারণার শিকার হয়েছে, সেখানে তিনি একজন ব্যাপক এবং ধারাবাহিক বিশ্বাসঘাতক... এখনকার পরিসংখ্যান দেখলে, তার জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা দেখা খুব কঠিন। বিপুল সংখ্যক আমেরিকান, বেশিরভাগ আমেরিকান বলে যে তারা এই লোকটিকে সমর্থন করতে পারবে না। আমার কাছে এখনও এটি বিশ্বাস করা কঠিন যে নীতি ও জ্ঞানহীন এমন কেউ আমাদের নির্বাচকদের কাছে এতটা গ্রহণযোগ্য হতে পারে।
** পিবিএস নিউজআওয়ারের [http://www.pbs.org/newshour/bb/shields-and-brooks-on-the-gop-push-to-stop-trump/ "শিল্ডস এবং ব্রুকস ট্রাম্পকে থামানোর জিওপি উদ্যোগ সম্পর্কে কথা বলছেন"] অনুষ্ঠানে ডেভিড ব্রুকসের উদ্ধৃতি (৪ মার্চ ২০১৬)
* আমরা কি সত্যিই এখানে আছি? এটি কি সত্যিই ঘটছে? এটি কি আমেরিকা? আমরা কি সত্যিই একটি মহান দেশ, যারা বিশ্ব জয় করা এবং দেশে সুযোগ সৃষ্টির কথা বলছে? এটি ভাবলেই অবাক লাগে। এই প্রচারণামূলক কাজ এতটাই কুৎসিত হয়েছে যে আমরা এর সাথে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি। আমরা নোংরামি এবং অসুখী জীবনের সাথে এমনভাবে মানিয়ে নিয়েছি যে প্রতি ১৫ মিনিট পর পর আপনার গোসল করতে ইচ্ছা করবে। স্ত্রীদের চেহারা নিয়ে ট্রাম্পের তুলনা থেকে বোঝা যায় যে, সারাজীবন তিনি নারীদের প্রতি ধারাবাহিক নারীবিদ্বেষী দৃষ্টিভঙ্গি লালন করেছেন। তিনি তাদের কেবল সৌন্দর্যবর্ধক বা মাংসের টুকরো মনে করেন। নারীদের প্রতি তার এই ধারাবাহিক মনোভাব কোনো অসুস্থ কিশোরের মতো। আমরা এর কিছু অংশ আবার দেখতে পেয়েছি। কিন্তু আপনি যদি তার অতীতে ফিরে যান, রেডিও শোতে ফোন করে নিজের সম্পর্কের কথা বড়াই করতে শোনেন, জনসমক্ষে নিজের যৌনজীবন নিয়ে কথা বলতে শোনেন, তবে বুঝবেন তিনি শিশুর মতো অপরিণত। তার নারীবিদ্বেষও শিশুর মতোই। আর এ কারণেই আমি মনে করি না যে সাধারণ রিপাবলিকানরা বলতে পারে, হ্যাঁ, আমি এই লোকটিকে ভোট দেব কারণ সে আমাদের মনোনীত প্রার্থী। তিনি আপনার সাধারণ প্রার্থীর চেয়ে আলাদা। এই পুরো সপ্তাহটি তারই আরেকটি অনুস্মারক... তার পুরো কর্মজীবন, তার ভাষা, বিশ্ব সম্পর্কে তার দৃষ্টিভঙ্গির অদ্ভুত ব্যাপারটি হলো এতে ভালোবাসার কোনো জায়গা নেই। আপনি এমন একজন মানুষকে দেখতে পাবেন যিনি কখনো ভালোবাসা পাননি, কাউকে ভালোবাসতে পারেন না। তাই নারীদের সাথে তার সম্পর্কে কোনো ভালোবাসা নেই। এটি একটি ট্রফি। আর বিশ্বের প্রতি তার সম্পর্ক হলো প্রতিযোগিতা এবং হারানোর। যেন তিনি প্রতিযোগিতার মাধ্যমে জয়ী হবেন, যা অন্য মানুষ ভালোবাসার মাধ্যমে পায়। তাই আপনি সত্যিই এমন একজনকে দেখছেন যার একটি অদ্ভুত মানসিকতা রয়েছে, যা দয়া এবং মহানুভবতা দ্বারা প্রভাবিত নয়। এটি শুধু বিজয়ী এবং পরাজিত হওয়া, হারানো এবং হেরে যাওয়ার বিষয়। এটি স্বৈরতান্ত্রিক ব্যক্তিত্বের অংশ, কিন্তু এটি নারীদের প্রতি তার মনোভাবে ফুটে ওঠে।
** পিবিএস নিউজআওয়ারের [http://www.pbs.org/newshour/bb/shields-and-brooks-on-trump-cruz-wife-feud-isis-terror-in-brussels/ "ট্রাম্প-ক্রুজ স্ত্রী বিবাদ, ব্রাসেলসে আইএসআইএস সন্ত্রাস নিয়ে শিল্ডস এবং ব্রুকস"] অনুষ্ঠানে ডেভিড ব্রুকসের উদ্ধৃতি (২৫ মার্চ ২০১৬)
* পরিবর্তনের দূত হতে হলে আপনাকে একজন বহিরাগত হতে হবে। কেবল একজন ব্যক্তিই এটি করতে পারে। আর তিনি হলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
** এলিয়ট স্মিলোউইটজের লেখা দ্য হিলের [http://thehill.com/blogs/ballot-box/gop-primaries/267988-brown-trump-is-the-agent-of-change-to-fix-washington "ব্রাউন: ওয়াশিংটন ঠিক করতে ট্রাম্পই পরিবর্তনের দূত"] শীর্ষক নিবন্ধে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সমর্থন করে স্কট ব্রাউনের উদ্ধৃতি (২ ফেব্রুয়ারি ২০১৬)
*যেকোনো বিদেশি দেশের বদলে ব্লু স্টেটগুলো শত্রুতে পরিণত হয়েছে। তিনি এমন একজন যুদ্ধকালীন প্রেসিডেন্ট।
**অ্যাডাম সারওয়ারের দ্য ক্রুয়েলটি ইজ দ্য পয়েন্টে (২০২১) রন ব্রাউনস্টেইনকে দায়ী করা হয়েছে, পৃষ্ঠা ২২৮
* ট্রাম্প স্বতন্ত্র, সাম্প্রতিক সময়ের অন্য কোনো প্রার্থীর মতো নন। তার সাফল্য শুধু বিভিন্ন ইস্যুতে তার অবস্থানের জন্যই আসেনি। তার ব্যক্তিত্ব, রাজনৈতিক শুদ্ধতাকে অবজ্ঞা করা, সবার সাথে রাজনৈতিক লড়াই উপভোগ করা এবং অন্যরা যেখানে যেতে ভয় পায় সেখানে সাহসের সাথে এগিয়ে যাওয়ার মনোভাবও এর পেছনে ভূমিকা রেখেছে...
** প্যাট বুকানন, দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের [https://www.washingtonpost.com/news/the-fix/wp/2016/01/12/pat-buchanan-believes-donald-trump-is-the-future-of-the-republican-party/ "প্যাট বুকানন বলেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প রিপাবলিকান পার্টির ভবিষ্যৎ"] (১২ জানুয়ারি ২০১৬)
*তিনি কোনো গ্লাসের দিকে তাকালে নিজের প্রতিবিম্ব দেখে মুগ্ধ হয়ে যান। ডোনাল্ড ট্রাম্পের আকৃতি একটু অন্যরকম হলে তিনি মিস আমেরিকার জন্য প্রতিযোগিতা করতেন।
**রিচার্ড ব্রুকহাইসারের ন্যাশনাল রিভিউর [https://www.nationalreview.com/magazine/2018/02/17/william-f-buckley-trump-conservatism-needs-rebuilding/ "ডব্লিউএফবি টুডে"] শীর্ষক নিবন্ধে [[উইলিয়াম এফ. বাকলির]] উদ্ধৃতি (১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮)
* আমি ট্রাম্পকে সমর্থন করি না। আমি বিশ্বাস করি তিনি একজন বিপর্যয়কর প্রেসিডেন্ট এবং সর্বাধিনায়ক হবেন।<br>ট্রাম্পের কোনো সুসংহত অর্থনৈতিক দর্শন নেই। তিনি কয়েক দশক ধরে ঐতিহ্যবাহী উদারপন্থী [[ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)|ডেমোক্র্যাটদের]] মতো আচরণ করেছেন এবং তাদের সমর্থন দিয়েছেন। তিনি প্রধান বিষয়গুলোতে বারবার তার অবস্থান পরিবর্তন করেছেন। সাধারণ ভোটারদের মধ্যে অর্থনীতিবিদদের চেয়ে তার ওপর খুব বেশি আস্থা নেই।<br>ট্রাম্প হলেন সেই ব্যক্তি, যাকে ক্রনি ক্যাপিটালিস্ট বলা যায়। তিনি এখন বলছেন যে তিনি এত দিন ধরে অনুদানের মাধ্যমে ক্লিনটন এবং অন্যান্য উদারপন্থিদের সমর্থন করেছিলেন। কারণ তিনি ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় তাদের সাথে প্রভাব অর্জন করতে চেয়েছিলেন। তিনি বেশ কয়েকটি ব্যবসাকে দেউলিয়াত্বের দিকে নিয়ে গেছেন। তিনি নিজেকে "ঋণের রাজা" বলেছেন। গ্যারি জনসন বা রন পল এবং অন্যান্য শীর্ষস্থানীয় স্বাধীনতাবাদীরা নিজেদের বর্ণনা করতে কখনো এই কথা ব্যবহার করতেন না। ... গ্রীষ্ম শেষে পাতা যেমন রং বদলায়, ট্রাম্পের দেওয়া দৃষ্টিভঙ্গিগুলোও তেমন বদলায় বলে মনে হয়। ... আগামীকাল বা পরশু ট্রাম্প কী বিশ্বাস করবেন তা আমরা জানি, কেউ কি এ কথা বলতে পারে?
** ব্রেন্ট বুডভস্কি, দ্য হিলের ''[http://thehill.com/blogs/pundits-blog/presidential-campaign/291092-why-libertarian-gary-johnson-must-be-included-in হোয়াই লিবার্টারিয়ান গ্যারি জনসন মাস্ট বি ইনক্লুডেড ইন ডিবেটস]'' (১১ আগস্ট ২০১৬)
* তিনি নিজেই তার শিল্পকর্ম। তিনি নিজেই নিজের পরিবেশনা। সেই ৫ বছর বয়সী ছেলেটি কে ছিল এবং তার বাবা তাকে কী বলতেন, তা ভেবে অবাক হওয়া ছাড়া আমার আর কিছু বলার নেই।
** ২০১৯ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি পোস্ট করা [https://www.youtube.com/watch?v=qbPxMsOKQ5o ভিডিওতে (৪:৩০)] (রাইটার্স রাউন্ডটেবিল: জন ক্রাসিনস্কি, বো বার্নহ্যাম, তামারা জেনকিন্স, পিটার ফ্যারেলি, এরিক রথ | ক্লোজ আপ) বো বার্নহ্যাম
* আজকের ঘটনাগুলোর কারণ হয়ে দাঁড়ানো ভিত্তিহীন ষড়যন্ত্র তত্ত্বগুলোর প্রচারের জন্য প্রেসিডেন্ট দায়ী। মার্কিন ভোটারদের ইচ্ছাকে মেনে নিয়ে আমাদের জাতিকে এগিয়ে যেতে দেওয়ার সময় পার হয়ে গেছে।
** রিচার্ড বার, দ্য হিলের [https://thehill.com/homenews/senate/533034-richard-burr-says-trump-bears-responsibility-for-riot "ক্যাপিটলে দাঙ্গার জন্য ট্রাম্প দায়ী বলে মন্তব্য করেছেন জিওপি সিনেটর"] শীর্ষক নিবন্ধে উদ্ধৃত (৭ জানুয়ারি ২০২১)
* সমৃদ্ধি গসপেল নিজেই ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিষেকের দিকে পরিচালিত করেছে, এটি বলা কঠিন। আবারও বলছি, আমেরিকান খ্রিষ্টানদের মাত্র ১৭ শতাংশ স্পষ্টভাবে এর সাথে একাত্মতা প্রকাশ করেন। তবে এটি বলা আরও বেশি সত্য হবে যে, একই সাংস্কৃতিক শক্তিগুলো আমেরিকায় সমৃদ্ধি গসপেলের বিস্তারের দিকে পরিচালিত করেছে। [সেগুলো হলো] ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদ, জাঁকজমকপূর্ণ এবং ক্যারিশম্যাটিক নেতাদের প্রতি আকর্ষণ, প্রোটেস্ট্যান্ট কাজের নীতি এবং "ইতিবাচক চিন্তার" শক্তির প্রতি সাংস্কৃতিক আবেশ, এগুলো আমরা একটি জাতি হিসেবে রাজনীতির সাথে কীভাবে যোগাযোগ করি তা রূপায়িত করে।
** তারা ইসাবেলা বার্টন, ভক্সের [https://www.vox.com/identities/2017/9/1/15951874/prosperity-gospel-explained-why-joel-osteen-believes-prayer-can-make-you-rich-trump "সমৃদ্ধি গসপেল, ব্যাখ্যা করা হয়েছে: জোয়েল অস্টিন কেন বিশ্বাস করেন যে প্রার্থনা আপনাকে ধনী করতে পারে"] (১ সেপ্টেম্বর ২০১৭)
*ট্রাম্প প্রশাসনের দুই বছর পর মানুষের কাছে এটা পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল যে কেন আমাদের প্রতিনিধি পরিষদে এমন প্রগতিশীলদের দরকার যারা কোনো কিছুর জন্য ক্ষমা চাইবেন না। জঘন্য, শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদী, লিঙ্গবৈষম্যমূলক, ধর্মান্ধ ট্রাম্প প্রশাসন মিথ্যা ছড়িয়েছে, কৃষ্ণাঙ্গ ও বাদামি নারী নির্বাচিত কর্মকর্তাদের লক্ষ্যবস্তু করেছে, আমাদের গণতন্ত্রকে উপহাস করেছে এবং ফ্যাসিবাদীদের উৎসাহিত করেছে।
**কোরি বুশ দ্য ফোররানার: এ স্টোরি অব পেইন অ্যান্ড পারসিভিয়ারেন্স ইন আমেরিকা (২০২২), পৃষ্ঠা ২২৭
* '''সে একটা গাধা।'''
** ২০১১ সালে দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের মরিন ডাউডকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে [[জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ|জর্জ এইচ. ডব্লিউ. বুশ]] ({{cite news |first=মাউরিন |last=ডউড |authorlink= |date=December 2, 2018 |accessdate=December 10, 2018 |title=The Patrician President and the Reporterette: A Screwball Story |url=https://www.nytimes.com/2018/12/02/opinion/george-hw-bush-maureen-dowd.html |newspaper=দ্য নিউইয়র্ক টাইমস}}; '''আমরা দেখেছি জাতীয়তাবাদ স্বজাত্যবোধে বিকৃত হয়েছে। [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন|অভিবাসন]] সবসময় আমেরিকায় যে গতিশীলতা নিয়ে এসেছে তা ভুলে গেছি। আমরা মুক্ত বাজার এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের মূল্যের প্রতি আত্মবিশ্বাস ম্লান হতে দেখেছি। সংরক্ষণবাদের ফলে যে সংঘাত, অস্থিতিশীলতা এবং দারিদ্র্য আসে তা ভুলে গেছি।'''
** [[জর্জ ডব্লিউ বুশ]], ট্রাম্পকে পরোক্ষভাবে উল্লেখ করে, এনপিআর-এর [https://www.npr.org/2017/10/19/558788556/george-w-bush-slams-bigotry-politics-of-populism-that-led-to-trump-sanders "ট্রাম্প, স্যান্ডার্সের দিকে পরিচালিত করা লোকরঞ্জনের রাজনীতি, 'ধর্মান্ধতার' সমালোচনা করেছেন জর্জ ডব্লিউ বুশ"] (১৯ অক্টোবর ২০১৭)
* আজ সকালে তার দৃষ্টিভঙ্গি যা-ই হোক না কেন, আজ বিকেলে তা বদলে যেতে পারে। আর গত রাতে তার দৃষ্টিভঙ্গি ভিন্ন ছিল এবং আগামীকালও ভিন্ন হবে। ... তিনি কার সামনে আছেন তার ওপর ভিত্তি করে এগুলো প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল বলে মনে হয়। একজন সাধারণ রাজনীতিবিদের মতোই শোনাচ্ছে। একজন সাধারণ রাজনীতিবিদ এক দলের সামনে গিয়ে এক কথা বলেন এবং অন্য দলের সামনে গিয়ে এমন কিছু বলেন যা তারা শুনতে চায়। ডোনাল্ড ট্রাম্প যেসব জিনিসের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন, তিনি নিজেই তাতে পরিণত হচ্ছেন বলে মনে হয়, এটি কিছুটা বিরক্তিকর। ... তিনি কোনো কিছুতে বিশ্বাস করেন না, এসবই একটি খেলা।
** জেব বুশ, ট্রাম্পের দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কে— বাজফিডের ''[https://www.buzzfeed.com/andrewkaczynski/jeb-bush-says-hes-not-buying-the-trump-immigration-shift?utm_term=.xtWW3bwaw#.iaPobDJKJ জেব বুশ বলেছেন তিনি ট্রাম্পের অভিবাসন পরিবর্তন মানছেন না]'' (২৫ আগস্ট ২০১৬)
* নিউইয়র্ক টাইমসের মাধ্যমে বলা যায় ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরায়েলের জন্য খারাপ। আশা করি আমাদের প্রেসিডেন্ট [[সিরিয়া|সিরিয়া]] ত্যাগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসবেন।
** [https://twitter.com/jebbush/status/1078111467558313984 ২৬ ডিসেম্বর ২০১৮] তারিখে জেব বুশ
* [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] ২০১৬ সালে রেগ্যান রিপাবলিকান দৃষ্টান্ত ধ্বংস করেছিলেন। কিন্তু তিনি ঠিক নতুন কোনো ধারণা, নীতি এবং জোটের রূপরেখা দেননি। পুরোনো ব্যবস্থার ট্রাম্পের ধ্বংসযজ্ঞ ট্রাম্পিয়ান লোকরঞ্জক লাইনে একটি নতুন ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য ডানদিকে একটি বড় সংগ্রাম তৈরি করেছিল। <br>ন্যাটকনরা ভুল ভাবেন যে "বাম" নামে এমন একটি ঐক্যবদ্ধ গোষ্ঠী রয়েছে যারা আমেরিকাকে ঘৃণা করে। ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ভোট দেওয়ার সিদ্ধান্তকে ন্যায্যতা দেওয়ার জন্য তাদের এটি আবিষ্কার করতে হয়েছিল। এটি শুধু এক ধরনের সর্বনাশা হুমকি। <br>তারা এটাও ভুল ভাবেন যে আমেরিকান জীবনের সব প্রতিষ্ঠানকে একটি ওকিস্ট আনশলুস দখল করে নিচ্ছে। যারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কুফল নিয়ে এতটা সমালোচনা করেন, তারা তাদের জীবনের অনেক সময় [[টুইটার|টুইটারেই]] কাটান বলে মনে হয়। তাদের আলোচনার ৯০ শতাংশই থাকে ওই আলোচনা নিয়ে। সম্মেলনেও কিছু মানুষের বাতিল হয়ে যাওয়ার তিনটি উপাখ্যান থেকে সাধারণীকরণ করে বলা হয়েছে যে, আমেরিকান জীবন একটি ওক নরকে পরিণত হয়েছে। তাদের আরও বেশি বাইরে যাওয়া উচিত।
** ডেভিড ব্রুকস, দ্য আটলান্টিকের [https://www.theatlantic.com/ideas/archive/2021/11/scary-future-american-right-national-conservatism-conference/620746/ দ্য টেরিফাইং ফিউচার অব দ্য আমেরিকান রাইট (১৮ নভেম্বর ২০২১)]-এ উদ্ধৃত
* ১৯৯৫ সালে, যখন তিনি এই কোম্পানিটি প্রস্তাব করেছিলেন, যদি একটি বানর স্টকের পৃষ্ঠায় একটি ডার্ট ছুঁড়ত, তবে বানরটি গড়ে ১৫০ শতাংশ আয় করত। কিন্তু যারা তাকে বিশ্বাস করেছিল, যারা তার সাইরেনের গান শুনেছিল, তারা শেষ পর্যন্ত ডলারে ৯০ সেন্টেরও বেশি হারিয়েছিল। তারা দশ সেন্টেরও কম ফেরত পেয়েছিল।
** [https://www.reuters.com/article/usa-election-buffett-idCNW1N1A004G ওয়ারেন বাফেট]
=== সি ===
[[File:Donald Trump supporters (25218962886).jpg|thumb|তারা তার সম্পর্কে শোনা সবকিছু সত্ত্বেও তাকে ভালোবাসে। তারা প্রায়ই তাকে তার সত্ত্বেও ভালোবাসে। তারা বিভ্রান্ত নয়। ট্রাম্প ঠিক কী, তা তারা জানে। তারপরও তারা তাকে ভালোবাসে। তারা ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ভালোবাসে কারণ আর কেউ তাদের ভালোবাসে না। ~ টাকার কার্লসন]]
* হিলারি আমেরিকা চুরি করছেন, অন্যদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প আমাদের সমাজকে বাঁচানোর চেষ্টা করছেন।
** হারম্যান কেইন, "হ্যানিটি"তে (২৯ জুলাই ২০১৬) [http://www.foxnews.com/transcript/2016/07/29/reince-priebus-reality-will-catch-up-with-hillary-clinton-gorka-dnc-has-been/ প্রতিলিপি]
*এই লোকটি যদি ভান করে যে বাণিজ্য বা মানুষের জন্য সীমান্ত বন্ধ করে দিলে তা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সমৃদ্ধি বয়ে আনবে, তবে সে পুরোপুরি পাগল... সে খুব একটা ভালোভাবে অবহিত নয়।
** ফেলিপ ক্যালডেরন, [http://www.cnbc.com/2016/02/08/mexico-wont-pay-single-cent-for-trumps-stupid-wall.html সিএনবিসি'র সাথে সাক্ষাৎকার] (৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬)।
* তিনি যদি [[যুক্তরাজ্য|আমাদের দেশে]] আসতেন, তবে আমি মনে করি তিনি আমাদের সবাইকে তার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ করতেন।
** [[ডেভিড ক্যামেরন]], ম্যাক্স ফস্টারের লেখা সিএনএন-এর [http://www.edition.cnn.com/2016/01/18/politics/donald-trump-uk-united-kingdom-ban/index.html "ডোনাল্ড ট্রাম্প বিতর্ক: যুক্তরাজ্য কি সত্যিই তাকে নিষিদ্ধ করতে পারে?"] শীর্ষক নিবন্ধে উদ্ধৃত (১৮ জানুয়ারি ২০১৬)
* সে একজন কথা বলা, বড়াই করা, উৎসাহ দেওয়া এবং বাধ্যতামূলকভাবে নিজেকে প্রচার করা মানুষ। মাঝে মাঝে, সে পুরোপুরি একজন মিথ্যাবাদী।
** টাকার কার্লসন, কনরাড ডানকানের লেখা দ্য ইন্ডিপেনডেন্টের ''[https://www.independent.co.uk/news/world/americas/us-politics/trump-tucker-carlson-fox-news-liar-inauguration-election-a9222061.html ফক্স নিউজ উপস্থাপক টাকার কার্লসন স্বীকার করেছেন যে ট্রাম্পের মিথ্যাচার সম্পর্কে মিডিয়া সঠিক: 'তিনি পুরোপুরি একজন মিথ্যাবাদী']'' শীর্ষক নিবন্ধে উদ্ধৃত (২৮ নভেম্বর ২০১৯)
* আপনি নিয়মিত [[টেলিভিশন|টেলিভিশনে]] বিব্রতকর কথা বলতে পারেন, হোয়াইট হাউসে কাজ করার জন্য আপনি [[ওমারোসা মানিগল্ট নিউম্যান|ওমারোসাকে]] নিয়োগ করতে পারেন। আপনি আপনার লোকজনকে রক্ষা করলে এর সবই ক্ষমা করা হবে। কিন্তু আপনি যদি তাদের রক্ষা না করেন... তবে আপনার সময় শেষ।
** টাকার কার্লসন, জাস্টিন বারাগোনার লেখা ডেইলি বিস্টের ''[https://www.thedailybeast.com/tucker-carlson-blames-jared-kushner-for-trumps-protest-catastrophe টাকার কার্লসন ট্রাম্পের প্রতিবাদের বিপর্যয়ের জন্য জ্যারেড কুশনারকে দায়ী করেছেন]'' শীর্ষক নিবন্ধে উদ্ধৃত (১ জুন ২০২০)
* লাখ লাখ আমেরিকান আন্তরিকভাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ভালোবাসে। '''তারা তার সম্পর্কে শোনা সবকিছু সত্ত্বেও তাকে ভালোবাসে। তারা প্রায়ই তাকে তার সত্ত্বেও ভালোবাসে। তারা বিভ্রান্ত নয়। ট্রাম্প ঠিক কী, তা তারা জানে। তারপরও তারা তাকে ভালোবাসে। তারা ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ভালোবাসে কারণ আর কেউ তাদের ভালোবাসে না।''' যে দেশটি তারা গড়ে তুলেছিল, যে দেশটির জন্য তাদের পূর্বপুরুষরা শত শত বছর ধরে লড়াই করেছিল, সেই দেশটি তাদের অখ্যাত ছোট শহরগুলোতে মরার জন্য রেখে গেছে। অর্থায়নে ডিগ্রিধারী, কিন্তু প্রকৃত কোনো দক্ষতা নেই এমন অর্ধেক বোকা লোকেরা তাদের উপহাস এবং ঘৃণা করে, যারা হঠাৎ করে সবকিছু চালাচ্ছে বলে মনে হয়। ডোনাল্ড ট্রাম্পের দোষ যা-ই থাক না কেন, দায়িত্বে থাকা অন্য লোকদের চেয়ে তিনি ভালো। অন্তত তিনি তাদের দুর্বলতার জন্য তাদের ঘৃণা করেন না। অন্য কথায়, ডোনাল্ড ট্রাম্প সব সময়ই যারা এই দেশটি চালায় তাদের একটি জীবন্ত অভিযোগ। এটি চার বছর আগে সত্য ছিল যখন তিনি হঠাৎ করে এসে প্রেসিডেন্সি জিতেছিলেন। আর এখন এটি আগের যেকোনো সময়ের চেয়েও সমান সত্য। ডোনাল্ড ট্রাম্প পুনরায় নির্বাচিত হন বা না হন তা নির্বিশেষে এটি সত্য থাকবে।
**টাকার কার্লসন, ফক্স নিউজের {{cite web|date=November 2, 2020|first=Tucker|last=Carlson|url=https://www.foxnews.com/opinion/tucker-carlson-2020-election-trump-supporters-love-him|title=Tucker Carlson: Why Donald Trump's supporters love him so much|trans-title=টাকার কার্লসন: ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থকরা কেন তাকে এত ভালোবাসে}}-এ উদ্ধৃত; নিউজউইকের {{cite web|date=November 2, 2020|first=Christina|last=Zhao|url=https://www.newsweek.com/tucker-carlson-says-millions-americans-love-donald-trump-because-no-one-else-loves-them-1544219|title=Tucker Carlson Says Millions of Americans Love Donald Trump 'Because No One Else Loves Them'|trans-title=টাকার কার্লসন বলেছেন লক্ষ লক্ষ আমেরিকান ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ভালোবাসে 'কারণ আর কেউ তাদের ভালোবাসে না'}}
* আমি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে চিনতে পেরেছি, তিনি আসলে একজন অত্যন্ত বুদ্ধিমান মানুষ যিনি আমেরিকার প্রতি গভীরভাবে যত্নশীল।
** ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সমর্থন করে বেন কারসন, অ্যালেইন টলহার্স্টের লেখা দ্য সানের [http://www.thesun.co.uk/sol/homepage/news/politics/6994118/He-is-actually-a-very-intelligent-man-Former-candidate-Ben-Carson-endorses-Donald-Trump.html "'তিনি আসলে একজন অত্যন্ত বুদ্ধিমান মানুষ'; সাবেক প্রার্থী বেন কারসন ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সমর্থন করেছেন"] শীর্ষক নিবন্ধে উদ্ধৃত (১১ মার্চ ২০১৬)
* পুরানো প্রশাসন পছন্দ না হলে নতুন প্রশাসন বেছে নেওয়ার মতো বুদ্ধি আমেরিকান জনগণের রয়েছে। এবং তারা ঠিক সেটাই করেছে।
* তাকে ভোটাররা সরিয়ে দিয়েছে।
** ট্রাম্পের আইনজীবী ব্রুস ক্যাস্টর ২০২০ সালের নির্বাচনে ট্রাম্প হারার পর বলেছেন, পিবিএস নিউজ আওয়ারের {{cite web
| date = 2021-02-09
| title = WATCH: Lawyer for Trump concedes he lost election during impeachment trial
| trans-title = দেখুন: ট্রাম্পের আইনজীবী স্বীকার করেছেন যে তিনি অভিশংসনের বিচারের সময় নির্বাচনে হেরেছেন
| url = https://www.pbs.org/newshour/politics/watch-lawyer-for-trump-concedes-he-lost-election-during-impeachment-trial
}}-এ উদ্ধৃত
*ট্রাম্প একটি ধ্বংসাত্মক ঢেউয়ের মতো আমেরিকান রাজনীতির প্রতিষ্ঠিত জগতে আঘাত করেছিলেন এবং প্রায় সব রাজনৈতিক নজির ধ্বংস করে দিয়েছিলেন। বেশিরভাগ নথিপত্রবিহীন মেক্সিকান অভিবাসী ধর্ষক এবং খুনি বলে তিনি তার প্রচারণা শুরু করেছিলেন। পরে তিনি ট্রাম্প বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে জালিয়াতির দাবি পরিচালনাকারী একজন আমেরিকায় জন্ম নেওয়া ফেডারেল বিচারককে মেক্সিকান ঐতিহ্যের কারণে তার কাজ করতে অক্ষম বলে অভিযুক্ত করেছিলেন।
**জুলিয়ান কাস্ত্রো অ্যান আনলাইকলি জার্নি: ওয়েকিং আপ ফ্রম মাই আমেরিকান ড্রিম (২০১৮)
*আমি মনে করি মানুষ, বিশেষ করে ল্যাটিনক্স সম্প্রদায়ের মানুষের এটা বুঝতে পারা গুরুত্বপূর্ণ যে, [[জো বাইডেন]] এবং [[ডোনাল্ড ট্রাম্প|ডোনাল্ড ট্রাম্পের]] মধ্যে আকাশ-পাতাল পার্থক্য। ডোনাল্ড ট্রাম্প শুধু অভিবাসী বা পরিযায়ী নয়, বরং বৃহত্তর ল্যাটিন সম্প্রদায়ের প্রতি সবচেয়ে নিষ্ঠুর ও বদমেজাজি প্রেসিডেন্ট ছিলেন। তিনি এই সম্প্রদায়কে বলির পাঁঠা বানিয়েছেন, তাদের আলাদা করে দেখেছেন এবং রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করেছেন। অন্যদিকে, জো বাইডেন এমন একজন মানুষ যিনি সহানুভূতিশীল, যিনি মানুষকে বোঝেন এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, বারাক ওবামার সাথে তার সুযোগ সম্প্রসারণের রেকর্ড রয়েছে। কারণ রাজনীতিবিদদের বিচার করার মূল মাপকাঠি হলো তারা কী করবেন এবং তাদের পূর্বের রেকর্ড কী। সাশ্রয়ী মূল্যের স্বাস্থ্যসেবা আইন এই দেশে ৪০ লাখেরও বেশি ল্যাটিনক্স মানুষের জন্য স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারিত করেছে। শিক্ষার সুযোগ, নারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতা রোধ বা বাসস্থানের সুযোগ, সব ক্ষেত্রেই এটি কার্যকর। আমার মনে আছে ২০১৬ সালের ভেটেরানস ডেতে তার সাথে ডেলাওয়্যারে গিয়ে উইসকনসিনে ভেটেরানদের গৃহহীনতা কার্যকরভাবে শেষ করতে দেখেছিলাম। এটি তার কাছে কতটা অর্থবহ ছিল তা আমি দেখেছি। সুতরাং, তিনি এমন একজন মানুষ যিনি এই দেশের সবার জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে কাজ করবেন। মিশেল ওবামা যেমনটি বলেছেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প এই কাজের যোগ্য নন এবং তিনি এটি করতেও চান না।
**ডেমোক্রেসি নাউয়ের সাথে [https://www.democracynow.org/2020/8/18/julian_castro_dnc_latinx_representation সাক্ষাৎকারে] জুলিয়ান কাস্ত্রো (আগস্ট ২০২০)
* আচ্ছা, দেখুন, এটা অদ্ভুত। কারণ উভয় পক্ষের অনেক মানুষই বলছে ট্রাম্প করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া নিয়ে মজার কিছু নেই। আর তারা পরিষ্কারভাবেই ভুল বলছে। এখানে অনেক মজার বিষয় আছে। হয়তো নৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে নয়। কিন্তু গাণিতিকভাবে, আপনি যদি একটি কৌতুক তৈরি করতে চান, তবে আপনার প্রয়োজনীয় সমস্ত উপাদান এতে রয়েছে। সমস্যা হলো, এটি প্রায় অনেক বেশি মজার। এটি এতটা নিখুঁত যে, আমি বেল্ট পরা কাউকে নিয়ে মজা করছি আর আমার প্যান্ট সাথে সাথে খুলে পড়ে গেল, বিষয়টা অনেকটা সেরকম।
** ৩ অক্টোবর ২০২০ তারিখে ''স্যাটারডে নাইট লাইভ''; মাইকেল চে, দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের [https://www.washingtonpost.com/arts-entertainment/2020/10/04/snl-premiere-trump-covid-jim-carrey-joe-biden/ "এসএনএল প্রিমিয়ার ট্রাম্পের করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়া নিয়ে কৌতুক করা থেকে পিছপা হয়নি: 'এটি প্রায় অনেক বেশি মজার'"] শীর্ষক নিবন্ধে উদ্ধৃত।
* [[ডোনাল্ড ট্রাম্প|ট্রাম্প]] সম্ভবত রবিবার হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পাওয়ার শর্ত পূরণ করেছেন
** ৫ অক্টোবর ২০২০ তারিখে [https://www.cnbc.com/video/2020/10/05/dr-conley-trump-probably-met-discharge-requirements-sunday.html সিএনবিসি ভিডিওর] মাধ্যমে ডা. শন কনলি (প্রেসিডেন্টের চিকিৎসক)
*ডোনাল্ড ট্রাম্পের অসংখ্য অমার্জিত আচরণের উদাহরণ আজকাল প্রতিদিন ওয়েবসাইট এবং প্রথম পাতায় পাওয়া যায়, সেগুলো আমাদের কাছে নতুন কিছু নয়, যারা যেকোনো সময়ের জন্য তার আশপাশে বাস করছি। আমি প্রথম ট্রাম্পের মুখোমুখি হই ৩০ বছরেরও বেশি আগে। তখন তিনি ছিলেন এক ঝলমলে উদ্যমী যুবক। তিনি [[ম্যানহাটন]] রিয়েল এস্টেটে নিজের নাম কামাতে আগ্রহী ছিলেন। তিনি যে কাজটি করতে জানতেন তা হলো: যেকোনো জিনিসের সাথে যুক্ত হলে সেখানে নিজের নাম বড় করে ছাপানো। ভবন, হ্যাঁ, কিন্তু এছাড়াও [[ভদকা]], গলফ কোর্স, কলার থাকা টাই এবং এমনকি একটি প্রতারণামূলক রিয়েল এস্টেট স্কুল... তাকে একটু পাগল করে তোলার জন্যই আমি স্পাই ম্যাগাজিনের পাতায় তাকে "শর্ট-ফিঙ্গার্ড ভালগারিয়ান" (ছোট আঙুলযুক্ত অমার্জিত মানুষ) বলে উল্লেখ করতে শুরু করি। এটি পঁচিশ বছরেরও বেশি আগের কথা। আজ পর্যন্ত আমি মাঝে মাঝে ট্রাম্পের কাছ থেকে খাম পাই। সেখানে সবসময় তার একটি ছবি থাকে—সাধারণত কোনো ম্যাগাজিনের ছিঁড়ে ফেলা পাতা। এগুলোর সবটিতেই তিনি তার আঙুলের দৈর্ঘ্য তুলে ধরার জন্য সোনার শার্পি দিয়ে তার হাতে বৃত্ত এঁকে দেন।
** গ্রেডন কার্টার, ভ্যানিটি ফেয়ারের [http://www.vanityfair.com/culture/2015/10/graydon-carter-donald-trump "কেন ডোনাল্ড ট্রাম্প সব সময় একজন "ছোট আঙুলযুক্ত অমার্জিত মানুষ" হয়েই থাকবেন"] (নভেম্বর ২০১৫)
* আমি মনে হয় ট্রাম্পকে বেছে নেব, যা হয়তো আপনাদের কাউকে অবাক করতে পারে। তবে কারণ হলো ট্রাম্প ইতিমধ্যে প্রমাণ করেছেন যে তিনি সম্পূর্ণ নমনীয়। আমি মনে করি না তার এমন কোনো নির্দিষ্ট মতামত আছে যার জন্য তিনি সত্যিই হোয়াইট হাউসে গিয়ে লড়াই করবেন। টেড ক্রুজ নমনীয় নন। আমার মতে তার চরম ডানপন্থি নীতি রয়েছে, যা তিনি প্রেসিডেন্ট হলে আক্রমণাত্মকভাবে অনুসরণ করবেন।
** ২০১৬ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন সম্পর্কে হাউস অব লর্ডসে জিজ্ঞাসা করা হলে [[জিমি কার্টার]] এই মন্তব্য করেন। স্টেফানি কন্ডন-এর সিবিএস নিউজের ''[https://www.cbsnews.com/news/jimmy-carter-i-would-choose-donald-trump-over-ted-cruz/ জিমি কার্টার: আমি টেড ক্রুজের চেয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বেছে নেব]'' শীর্ষক নিবন্ধে উদ্ধৃত (৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৬)
* আমি মনে করি গণমাধ্যম ট্রাম্পের প্রতি অন্য যেকোনো প্রেসিডেন্টের চেয়ে বেশি কঠোর হয়েছে। আমার মনে হয় তারা ট্রাম্পকে মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন এবং অন্য যেকোনো কিছু বলতে দ্বিধা করে না।
** ডেভিড জ্যাকসনের লেখা ইউএসএ টুডে; [https://www.usatoday.com/story/news/politics/onpolitics/2017/10/22/jimmy-carter-media-has-been-harder-trump-than-predecessors/788558001/ "জিমি কার্টার: মিডিয়া পূর্বসূরিদের তুলনায় ট্রাম্পের প্রতি কঠিন হয়েছে"] শীর্ষক নিবন্ধে [[জিমি কার্টার|জিমি কার্টারের]] উদ্ধৃতি (২২ অক্টোবর ২০১৭)
*মাঝে মাঝে তিনি অত্যন্ত রূঢ়। আমি জানি এটি তার প্রচারণার ধরন। তবে আমি মনে করি সময়ই বলে দেবে। তিনি ইতিমধ্যে কিছু বিতর্কিত ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েছেন। ওভাল অফিসে বসা কোনো ব্যক্তি বিতর্কে জড়ালে তা নিশ্চিতভাবেই আমেরিকার জন্য গর্বের বিষয় নয়। তাই এটি কখনোই ভালো কিছু নয়। তবে সময়ই সব বলে দেবে। সময়ই একজন মানুষের উত্তরাধিকার নির্ধারণ করে।
** অ্যালেক্স মাইকেলের লেখা ডেইলি মেইলের [https://www.dailymail.co.uk/tvshowbiz/article-4642784/If-John-Cena-got-ring-Donald-Trump.html "জন সিনা যদি ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে 'রিংয়ে নামতেন'"] শীর্ষক নিবন্ধে [[জন সিনা|জন সিনার]] উদ্ধৃতি (২৭ জুন ২০১৭)
*আমি আর সৎ বিবেকে এই ব্যক্তিকে প্রেসিডেন্ট পদের জন্য সমর্থন করতে পারি না। ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং বিলি বুশের রেকর্ডিংয়ে বলা কথাগুলো আপনার কল্পনার সবচেয়ে জঘন্য এবং আপত্তিকর মন্তব্য। আমার স্ত্রী এবং আমি, আমাদের একটি ১৫ বছর বয়সী মেয়ে আছে। আমি যদি তার চোখের দিকে তাকিয়ে এসব কথা বলতে না পারি, তবে আমি এই ব্যক্তিকে সমর্থন করতে পারব না।
** জেসন চ্যাফেটস, [http://www.slate.com/blogs/the_slatest/2016/10/08/jason_chaffetz_pulls_trump_endorsement_because_he_has_a_15_year_old_daughter.html ১৫ বছরের মেয়ে থাকায় জেসন চ্যাফেটস ট্রাম্পের সমর্থন প্রত্যাহার করেছেন] (অক্টোবর ২০১৬)
*মেক্সিকানদের নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প কী বলেছেন তা নিয়ে আমরা সবাই দ্বিধাদ্বন্দ্বে রয়েছি... ডাইলান রুফ যেমন [[শ্বেতাঙ্গ|শ্বেতাঙ্গদের]] প্রতিনিধিত্ব করে না, মেক্সিকান ধর্ষকরাও নিজেদের ছাড়া অন্য কারও প্রতিনিধিত্ব করে না... আমি অন্য সবার মতোই ভালো লড়াই পছন্দ করি। কিন্তু মনে হচ্ছে ট্রাম্পই একমাত্র উত্তর যদি প্রশ্ন হয়: কেন আমরা রাজনীতিতে আরও বেশি অমার্জিত অহংকারী লোক আনতে পারি না? রিপাবলিকান পার্টির যখন অভিবাসন নিয়ে আলোচনা করার সময় সূক্ষ্মতা এবং সংবেদনশীলতা প্রয়োজন; যখন হিস্পানিক এবং এশিয়ান ভোটারসহ ভোটারদের সব অংশকে একত্রিত করে এমন বিষয়গুলোতে মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন; তখন এটি একটি গ্রেনেডের মতো সূক্ষ্মতার সাথে একটি ব্লোহার্ড পায়... মেক্সিকান অভিবাসীদের নিয়ে ট্রাম্পের কুৎসা রোনাল্ড রেগ্যানের কাছ থেকে যতটা সম্ভব দূরে ছিল... তিনি বেশিরভাগ মেক্সিকান অভিবাসীকে মাদক ব্যবসায়ী, অপরাধী এবং ধর্ষক হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। পরে তিনি কেবল বলেছেন যে কেউ কেউ ভালো মানুষ হতে পারে। তিনি সীমান্তরক্ষীদের সাথে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছেন বলে দাবি করেছেন। সেই কর্মকর্তারা কি দয়া করে এগিয়ে আসবেন? যাই হোক না কেন, অমার্জিত এবং অসভ্য লোকেরা সব সময় সাহসী সত্যবাদী হিসেবে নিজেদের জাহির করে।
** মোনা চ্যারেন, ন্যাশনাল রিভিউর [http://www.nationalreview.com/article/420974/donald-trump-immigration-controversy-helps-democrats "ট্রাম্পের সাইডশো ডেমোক্র্যাটদের হাতে খেলা করে"] (১০ জুলাই ২০১৫)
*প্রতিরক্ষা, জাতিগত কোটা, গর্ভপাত, কর, একক-প্রদানকারী স্বাস্থ্যসেবা এবং অভিবাসনের বিষয়ে রক্ষণশীল নীতি থেকে ট্রাম্পের অসংখ্য অতীত বিচ্যুতির কথা কিছুক্ষণের জন্য সরিয়ে রাখুন। এটা ঠিক। ২০১২ সালে তিনি মিট রমনিকে এই প্রশ্নে খুব আক্রমণাত্মক হওয়ার জন্য উপহাস করেছিলেন। আর তিনি তার দেউলিয়া হওয়া ব্যবসাগুলোতে অবৈধ অভিবাসী শ্রমিকের ব্যাপক ব্যবহার করেছেন। এই ব্যক্তিটি ব্যক্তিত্বের ব্যাধির কাছাকাছি মানসিক অপরিণততা দেখিয়েছেন। এটি তাকে মেয়র হওয়ার অযোগ্য করে তোলা উচিত, সর্বাধিনায়ক হওয়ার কথা তো বাদই দিলাম। ট্রাম্প অহংকারকে ক্যারিয়ারে পরিণত করেছেন, অন্যদিকে রক্ষণশীলতা সরকার সম্পর্কে একটি নির্দিষ্ট শালীনতা বোঝায়। এ দুটি একসাথে চলতে পারে না... কোনো প্রতারক আপনার সাথে প্রতারণা করলে আপনি মামলা করতে পারেন—অনেক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন ট্রাম্প সহযোগী যারা মনে করতেন যে তাদের খারাপ ব্যবহার করা হয়েছে, তারা এটি করেছেন। কিন্তু আপনি কোনো প্রতারককে নির্বাচিত করলে আর কোনো উপায় থাকে না।
** মোনা চ্যারেন, ন্যাশনাল রিভিউর [http://www.nationalreview.com/article/430126/donald-trump-conservatives-oppose-nomination "রক্ষণশীলরা ট্রাম্পের বিপক্ষে"] (২১ জানুয়ারি ২০১৬)
*মাঝে মাঝে মনে হয় যে ঐতিহ্যবাহী রিপাবলিকান পররাষ্ট্রনীতির চেয়ে ওবামার পররাষ্ট্রনীতির সাথেই আপনার প্রশাসনের দৃষ্টিভঙ্গির বেশি মিল রয়েছে।
** পলিটিকো; [https://www.politico.com/story/2019/03/11/cheney-mike-pence-foreign-policy-1216663 "ট্রাম্পের পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে পেন্সকে জেরা করেছেন চেনি"] শীর্ষক নিবন্ধে [[মাইক পেন্স|মাইক পেন্সের]] সাথে কথা বলার সময় ডিক চেনি (১১ মার্চ ২০১৯)
* আমাদের জাতির ২৪৮ বছরের ইতিহাসে ডোনাল্ড ট্রাম্পের চেয়ে আমাদের প্রজাতন্ত্রের জন্য বড় হুমকি হয়ে আর কেউ আসেননি। ভোটাররা তাকে প্রত্যাখ্যান করার পর ক্ষমতা ধরে রাখতে তিনি মিথ্যা ও সহিংসতার আশ্রয় নিয়ে গত নির্বাচন চুরি করার চেষ্টা করেছিলেন। তাকে আর কখনোই ক্ষমতা দিয়ে বিশ্বাস করা যায় না।<br>নাগরিক হিসেবে আমাদের সংবিধান রক্ষায় দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে দেশকে স্থান দেওয়া আমাদের প্রত্যেকের কর্তব্য। এই কারণেই আমি ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসকে ভোট দেব।
** ডিক চেনি, ''হাফিংটন পোস্টের'' [https://www.huffpost.com/entry/dick-cheney-voting-kamala-harris_n_66db4cf4e4b07b62af62c35a "কমলা হ্যারিসকে ভোট দিচ্ছেন ডিক চেনি"] প্রতিবেদনে উদ্ধৃত (৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪)
* আমি মনে করি না দল বা দেশের ভবিষ্যতে তার কোনো ভূমিকা পালন করা উচিত।
** লিজ চেনি, হাউস জিওপি কনফারেন্স চেয়ার, আর-ওয়াইয়ো, তৃতীয়-র্যাঙ্কিং হাউস রিপাবলিকান, বেঞ্জামিন সিগেল রচিত এবিসি নিউজের [https://abcnews.go.com/Politics/awkward-moment-house-republican-leaders-clash-trump-speaking/story?id=76090236 "সিপিএসিতে ট্রাম্পের বক্তব্য নিয়ে হাউস রিপাবলিকান নেতাদের সংঘর্ষের অস্বস্তিকর মুহূর্ত"] প্রতিবেদনে উদ্ধৃত (২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১)
* প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প রাজনৈতিক ইতিহাসে সবচেয়ে শক্তিশালী ও পেশাদার দল গঠন করেছেন। তার নেতৃত্বে তিনি পথের প্রতিটি বাধা অতিক্রম করেছেন। অবৈধ অপপ্রচার, বিচার ব্যবস্থার অপব্যবহার, হত্যাচেষ্টা থেকে শুরু করে বাইডেনকে সরিয়ে দেওয়ার রাজনৈতিক অভ্যুত্থান পর্যন্ত সবকিছুই এর প্রমাণ। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে হোয়াইট হাউসে ফেরা ঠেকাতে আমেরিকার শত্রুরা যেকোনো কিছু করতে প্রস্তুত।
** স্টিভেন চিউং, ট্রাম্প প্রচারণার মুখপাত্র, ''দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের'' [https://www.msn.com/en-us/news/politics/trump-and-his-campaign-enter-turbulent-phase-in-final-weeks/ar-AA1qXkYW ট্রাম্প ও তার প্রচারণা শেষ সপ্তাহগুলোতে অশান্ত পর্যায়ে প্রবেশ করেছে] প্রতিবেদনে উদ্ধৃত (২১ সেপ্টেম্বর ২০২৪)
* ডোনাল্ড ট্রাম্পের কোনো ছবি এআই দিয়ে তৈরি কি না তা বোঝা বেশ সহজ। কৌশলটি হলো: ছবিতে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে যদি পুরোপুরি পাগল মনে হয়, তবে সেটি আসল ছবি।
** রনি চিয়েং, ''দ্য ডেইলি শো'' (৫ মার্চ ২০২৪)
* '''[[রাশিয়া|রাশিয়ার]] সাথে আমাদের সম্পর্ক ভালো হওয়া উচিত বলে [প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প] সম্পূর্ণ সঠিক কথা বলেছেন'''। এর জন্য তাকে অপদস্ত করাটা চরম অযৌক্তিক...
** [[নোম চম্স্কি|নোয়াম চমস্কি]], ''[[w:ডেমোক্রেসি নাও!|ডেমোক্রেসি নাও!]]ের'' [https://www.democracynow.org/2018/7/27/noam_chomsky_on_mass_media_obsession ''রাশিয়া নিয়ে গণমাধ্যমের আবেশ এবং ট্রাম্প যুগে বাদ পড়া গল্প নিয়ে নোয়াম চমস্কি'']তে (২৭ জুলাই ২০১৮)
* এই মহামারীর মাত্রা আশ্চর্যজনক ও মর্মান্তিক হলেও এর আবির্ভাব অপ্রত্যাশিত ছিল না। ক্ষমতায় থাকাকালীন ট্রাম্প আমাদের কাছে পরিচিত একটি আচরণই করেছেন। তিনি সরকারের প্রতিটি প্রাসঙ্গিক অংশের অর্থায়ন বন্ধ করে তা ভেঙে দিয়েছেন। জীবন বাঁচানোর পাশাপাশি মুনাফায় বাধা দেয় এমন নিয়মকানুনগুলো বাতিল করতে তিনি তার কর্পোরেট প্রভুদের নির্দেশ অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে বাস্তবায়ন করেছেন। তিনি আমাদের {{w|পরিবেশগত বিপর্যয়|পরিবেশগত বিপর্যয়ের}} অতল গহ্বরের দিকে নিয়ে যাচ্ছেন। এটি তার সবচেয়ে বড় অপরাধ। এর পরিণতি বিবেচনা করলে এটি ইতিহাসেরই সবচেয়ে বড় অপরাধ।
** [[নোম চম্স্কি|নোয়াম চমস্কি]], সি.জে. পলিক্রোনিউয়ের সাথে সাক্ষাৎকারে, ''{{w|ট্রুথআউট|ট্রুথআউটের}}'' ''[https://truthout.org/articles/chomsky-ventilator-shortage-exposes-the-cruelty-of-neoliberal-capitalism/ চমস্কি: ভেন্টিলেটর সংকট নিওলিবারেল পুঁজিবাদের নিষ্ঠুরতা উন্মোচন করে]'' (১ এপ্রিল ২০২০)
* তবে ট্রাম্প চুপ ছিলেন না। তিনি আত্মবিশ্বাসের সাথে একের পর এক ঘোষণা দিয়ে জনগণকে জানান, এটি কেবল একটি সাধারণ কাশি। তার দাবি ছিল, সবকিছু তার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং সংকট মোকাবেলায় তিনি দশে দশ পাবেন। এটি অত্যন্ত গুরুতর হলেও অন্য সবার আগে তিনি এটি যে একটি মহামারী তা জানতেন। বাকিটা তার বাজে অভিনয়ের অংশ। খুব দ্রুত মিথ্যা বলার মাধ্যমে সত্যের ধারণাকে মুছে ফেলার জন্যই এই কৌশলটি সাজানো হয়েছে। যা-ই ঘটুক না কেন, ট্রাম্প তার অনুগত সমর্থকদের কাছে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করবেনই।
** [[নোম চম্স্কি|নোয়াম চমস্কি]], সি.জে. পলিক্রোনিউয়ের সাথে সাক্ষাৎকারে, ''{{w|ট্রুথআউট|ট্রুথআউটের}}'' ''[https://truthout.org/articles/chomsky-ventilator-shortage-exposes-the-cruelty-of-neoliberal-capitalism/ চমস্কি: ভেন্টিলেটর সংকট নিওলিবারেল পুঁজিবাদের নিষ্ঠুরতা উন্মোচন করে]'' (১ এপ্রিল ২০২০)
* ডোনাল্ড একজন নেতা। তিনি একজন সফল মানুষ। আমার মতোই তিনি স্পষ্ট কথা বলতে ভয় পান না। আমাদের ব্যবস্থাটি ভেঙে পড়েছে এবং ভেতর থেকে এটি ঠিক করা সম্ভব নয়। প্রেসিডেন্ট হিসেবে তার প্রার্থিতাকে সমর্থন করতে পেরে আমি গর্বিত।
** ক্রিস ক্রিস্টি, ফোর্ট ওয়ার্থ, টেক্সাসের একটি নির্বাচনী সমাবেশে প্রেসিডেন্ট পদে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সমর্থন জানিয়ে (২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬)
* ট্রাম্পকে ভোট দেওয়া বন্ধ করুন। এটি কিছুদিন মজার ছিল। কিন্তু লোকটি হলো [[অ্যাডলফ হিটলার|হিটলার]]। এর মাধ্যমে আমি বোঝাতে চাইছি, আমরা ৩০-এর দশকের জার্মানির মতো হয়ে যাচ্ছি। আপনি কি মনে করেন তারা এমন ভয়াবহ কিছু আঁচ করতে পেরেছিল? হিটলার তখন অদ্ভুত হেয়ারস্টাইলের একজন মজার ও সতেজ মানুষ ছিলেন।
* ট্রাম্প আমাদের সেরা নন। তিনি আমাদের সবার মধ্যে সবচেয়ে নিকৃষ্ট। তিনি একটি বাস্তব সমস্যার উপসর্গ মাত্র। নিজের ক্যান্সারের পক্ষে ভোট দেবেন না। আপনারা এর চেয়ে ভালো কিছু পাওয়ার যোগ্য।
** লুই সি.কে., ভক্তদের কাছে পাঠানো ইমেইলে, ''ভ্যারাইটিের'' [http://variety.com/2016/tv/news/louis-c-k-donald-trump-insane-bigot-dangerous-1201723679/ "লুই সি.কে. ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হিটলারের সাথে তুলনা করেছেন: 'তিনি একজন উন্মাদ ধর্মান্ধ'"] প্রতিবেদনে উদ্ধৃত (২০১৬)
* রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এইডেনকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা যেকোনো মানদণ্ডেই নিন্দনীয়। তারা এমনভাবে বিষয়টি উপস্থাপন করছে যেন আমাদের প্রিয় এইডেন তাদের ঘৃণাকে সমর্থন করত এবং আমাদেরও সেই ঘৃণা অনুসরণ করা উচিত। বার্নি মোরেনো, চিপ রয়, জে.ডি. ভ্যান্স ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতো নৈতিকভাবে দেউলিয়া রাজনীতিকরা আমার ছেলের নাম উচ্চারণ করে তার মৃত্যুকে রাজনৈতিক ফায়দা লোটার কাজে ব্যবহার করেছেন।<br>অবৈধ অভিবাসী, সীমান্ত সংকট বা স্থানীয়দের পোষা প্রাণী খেয়ে ফেলার মতো মিথ্যা দাবি নিয়ে তারা যত খুশি ঘৃণা ছড়াতে পারেন। তবে ওহাইওর স্প্রিংফিল্ডের এইডেন ক্লার্কের নাম উল্লেখ করার অধিকার তাদের নেই এবং কখনোই ছিল না।<br>দয়া করে এই ঘৃণা ছড়ানো বন্ধ করুন।
** নাথান ক্লার্ক, ওহাইওর স্প্রিংফিল্ডে হাইতিয়ান চালকের গাড়ির ধাক্কায় নিহত এইডেন ক্লার্কের বাবা, কমলা হ্যারিস ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম বিতর্কের রাতে দেওয়া বক্তব্য, ''দ্য হাইতিয়ান টাইমসের'' [https://haitiantimes.com/2024/09/11/haitian-immigrants-in-ohio-under-racist-attacks/ ওহাইওতে হাইতিয়ান পরিবারগুলো বর্ণবাদী হামলার শিকার] প্রতিবেদনে উদ্ধৃত (১০ সেপ্টেম্বর ২০২৪)
* একজন মধ্যবয়সী নারী ট্রাম্প সমর্থককে প্রশ্ন করা হয়েছিল, তারকা হলে নারীদের গোপন অঙ্গে হাত দেওয়ার অধিকার থাকে বলে ট্রাম্প যে মন্তব্য করেছেন তা নিয়ে তার মতামত কী। নারীটি উত্তর দেন, রেকর্ড করা হচ্ছে জানলে ট্রাম্প কখনোই এমন কথা বলতেন না। এই কথা শুনে আমি হেসে ফেলেছিলাম।
** জন ক্লিজ, নিক হোল্ডসওয়ার্থ রচিত ''[[w:দ্য হলিউড রিপোর্টার|দ্য হলিউড রিপোর্টার]]ের'' [https://www.hollywoodreporter.com/news/john-cleese-how-donald-trump-is-stealing-comedians-best-lines-1030458 "কীভাবে ডোনাল্ড ট্রাম্প কমেডিয়ানদের সেরা লাইনগুলো চুরি করছেন তা নিয়ে জন ক্লিজ"] প্রতিবেদনে উদ্ধৃত (১৭ আগস্ট ২০১৭)
* ডোনাল্ড ট্রাম্প [[হিলারি ক্লিনটন|হিলারি]] এবং আমার প্রতি বরাবরই খুব সদয়। আমরা সবাই [[নিউইয়র্ক শহর|নিউ ইয়র্কের]] বাসিন্দা। আমি তাকে পছন্দ করি। তার সাথে গলফ খেলাও আমি খুব উপভোগ করি।
** [[বিল ক্লিনটন]], ''স্যালনের'' [http://www.salon.com/2012/06/04/bill_clinton_said_what/singleton/ "বিল ক্লিনটন কী বলেছেন?"] প্রতিবেদনে উদ্ধৃত (৪ জুন ২০১২)
* তিনি মূলত নিজেকে নিয়েই কথা বলেন। তাই পরেরবার তার কথা শোনার সময় মিথ্যাগুলো না গুনে তিনি কতবার "আমি" বলেছেন তা গুনুন।
** [[বিল ক্লিনটন]], ''দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের'' [https://www.washingtonpost.com/politics/2024/08/22/dnc-day-3-takeaways-walz-bill-clinton-pelosi-speech/ "ডেমোক্রেটিক কনভেনশনের তৃতীয় দিন এবং টিম ওয়ালজের বক্তব্য থেকে ৫টি শিক্ষণীয় বিষয়"] প্রতিবেদনে উদ্ধৃত (২২ আগস্ট ২০২৪)
* '''তিনি একজন দক্ষ ব্র্যান্ড প্রবর্তক এবং বর্তমান সময়ের সবচেয়ে আকর্ষণীয় চরিত্র। তিনি এমন কিছু বলেন যা আদর্শগত পার্থক্যকে ছাপিয়ে যায়। "কিছুই না হওয়ার ওপর আমি বিরক্ত। আমি সব ঠিক করব—আমাকে ভোট দিন" এমন কথার একটি পুরুষালি আবেদন রয়েছে।'''
** সিবিএস '[[w:দ্য লেট শো উইথ স্টিভেন কোলবার্ট|লেট শো]]'তে [[বিল ক্লিনটন]]: {{cite web
| date = ৬ অক্টোবর ২০১৫
| title = Bill Clinton to Stephen Colbert: Donald Trump Has a "Macho Appeal"
| trans-title = স্টিভেন কোলবার্টকে বিল ক্লিনটন: ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি "পুরুষালি আবেদন" রয়েছে
| author = রায়ান গাজিউস্কি
| work = দ্য হলিউড রিপোর্টার
| url = http://www.hollywoodreporter.com/live-feed/bill-clinton-donald-trump-has-830195
}}
* আপনারা যা-ই শুনুন না কেন, আমাদের আমেরিকাকে নতুন করে মহান করার কোনো প্রয়োজন নেই। আমেরিকা কখনোই মহান হওয়া থামায়নি। তবে আমাদের আমেরিকাকে আবার স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে হবে। দেয়াল নির্মাণের বদলে আমাদের বাধাগুলো ভেঙে ফেলতে হবে।
**[[হিলারি ক্লিনটন]], [http://www.politico.com/blogs/2016-dem-primary-live-updates-and-results/2016/02/hillary-clinton-donald-trump-slogan-219908 বক্তব্য] (ফেব্রুয়ারি ২০১৬)
* তার হাতে আমেরিকার ভাগ্য ছেড়ে দিয়ে আমরা জুয়া খেলতে পারি না।
**[[হিলারি ক্লিনটন]], এক নির্বাচনী বক্তব্যে, বস্টন.কমে [https://www.boston.com/news/politics/2016/06/02/hillary-clinton-trump-cannot-let-roll-dice-america উদ্ধৃত], ২ জুন ২০১৬
* ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিষয়ে একটি সুস্পষ্ট সত্য উল্লেখ করাই যথেষ্ট নয়: তিনি একজন শ্বেতাঙ্গ পুরুষ এবং এই পরিচয়টি না থাকলে তিনি কখনোই প্রেসিডেন্ট হতে পারতেন না। একটি তাৎক্ষণিক ব্যতিক্রম বাদে ট্রাম্পের পূর্বসূরিরা শ্বেতাঙ্গ পরিচয়ের নিষ্ক্রিয় ক্ষমতার জোরেই উচ্চ পদে পৌঁছেছেন। এই রক্তক্ষয়ী উত্তরাধিকার সব ঘটনার ওপর নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করতে না পারলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে পারে। ভূমি দখল ও মানব লুণ্ঠনের মাধ্যমে ট্রাম্পের পূর্বপুরুষদের জন্য পথ পরিষ্কার করা হয়েছিল এবং অন্যদের সেই পথ থেকে দূরে রাখা হয়েছিল। একবার মাঠে নামার পর এই ব্যক্তিরা সৈনিক, রাষ্ট্রনায়ক ও পণ্ডিত হয়েছিলেন। তারা প্যারিসে দরবার করেছেন, প্রিন্সটনে সভাপতিত্ব করেছেন, প্রান্তরের গভীরে এবং পরে হোয়াইট হাউসে প্রবেশ করেছেন। তাদের ব্যক্তিগত সাফল্য এই একচেটিয়া দলকে আমেরিকার প্রতিষ্ঠাকালীন পাপের ঊর্ধ্বে বলে মনে করিয়েছিল। মানুষ ভুলেই গিয়েছিল যে প্রথমটি আসলে দ্বিতীয়টির সাথে আবদ্ধ এবং তাদের সব বিজয় ওই পরিষ্কার করা মাঠেই অর্জিত হয়েছিল। ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্ষেত্রে এমন কোনো মার্জিত বিচ্ছিন্নতা আরোপ করা যায় না। অন্য যেকোনো প্রেসিডেন্টের চেয়ে তিনি এই ভয়ানক উত্তরাধিকারকে অনেক বেশি স্পষ্ট করেছেন।
* শ্বেতাঙ্গ শ্রমিক শ্রেণি ও ট্রাম্পের সম্পর্কের কোনো পরীক্ষামূলক মূল্যায়ন প্রমাণ করবে যে এই বাক্যাংশের একটি বিশেষণ অন্যটির চেয়ে বেশি কাজ করছে। ২০১৬ সালে ট্রাম্প শ্বেতাঙ্গদের প্রতিটি অর্থনৈতিক স্তরে সংখ্যাগরিষ্ঠ বা বহুত্ববাদী সমর্থন পেয়েছিলেন। এটি সত্য যে শ্বেতাঙ্গদের মধ্যে তার সবচেয়ে শক্তিশালী সমর্থন এসেছিল ৫০,০০০ থেকে ৯৯,৯৯৯ ডলার আয়কারীদের কাছ থেকে। অ-শ্বেতাঙ্গ অনেক এলাকায় এটি শ্রমিক শ্রেণির চেয়েও বেশি কিছু। তবে এই স্তরটিকে শ্রমিক শ্রেণি হিসেবে ধরে নিলেও বিভিন্ন গোষ্ঠীর ভোট দেওয়ার পার্থক্য অনেক কিছু উন্মোচন করে। এই "শ্রমিক শ্রেণির" ৬১ শতাংশ শ্বেতাঙ্গ ট্রাম্পকে সমর্থন করেছিলেন। যেখানে হিস্পানিকদের মাত্র ২৪ শতাংশ এবং কৃষ্ণাঙ্গদের ১১ শতাংশ তাকে ভোট দিয়েছিলেন। প্রকৃতপক্ষে, ১,০০,০০০ ডলারের নিচে আয় করা বেশিরভাগ ভোটার এবং ৫০,০০০ ডলারের নিচে আয় করা সংখ্যাগরিষ্ঠরা ডেমোক্র্যাটিক প্রার্থীকেই ভোট দিয়েছিলেন। তাই যখন [জর্জ] প্যাকার [''নিউ ইয়র্কারে''] আক্ষেপ করে বলেন যে "ডেমোক্র্যাটরা আর সত্যিকার অর্থে কর্মজীবী মানুষের মধ্যে অন্তত শ্বেতাঙ্গ কর্মজীবীদের দল হিসেবে দাবি করতে পারে না," তখন তিনি এক ধরনের শ্রেণিগত ভুল করেন। আসল সমস্যা হলো ডেমোক্র্যাটরা শ্বেতাঙ্গদের তথা কর্মজীবী বা অন্য কোনো শ্রেণির দল নয়। শ্রমের কারণে শ্বেতাঙ্গ শ্রমিকরা অন্যান্য শ্বেতাঙ্গ জনমিতি থেকে বিচ্ছিন্ন নন। বরং শ্বেতাঙ্গ পরিচয়ের কারণেই তারা অন্য সব শ্রমিক থেকে আলাদা।
* ট্রাম্পকে অবমূল্যায়ন করে এবং সেই সাথে শ্বেতাঙ্গ পরিচয়ের ক্ষমতাকে খাটো করে ওবামা নিজেই বিশ্বাস করতেন যে রিপাবলিকান প্রার্থী খুব বেশি আপত্তিকর হওয়ায় তিনি কখনোই জিততে পারবেন না। এক্ষেত্রে ওবামা দুঃখজনকভাবে ভুল ছিলেন। আর এভাবেই বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী দেশ তাদের সমস্ত কাজ—পুরো অর্থনীতির সমৃদ্ধি, ৩০ কোটি নাগরিকের নিরাপত্তা, বিশুদ্ধ পানি, নির্মল বায়ু, নিরাপদ খাবার, বিশাল শিক্ষাব্যবস্থার ভবিষ্যৎ, জাতীয় সড়ক, আকাশপথ ও রেলপথের ভিত্তি এবং পারমাণবিক অস্ত্রের ধ্বংসাত্মক ক্ষমতা এমন একজন মেলা উপস্থাপকের হাতে তুলে দিয়েছে, যিনি জাতীয় অভিধানে "তাদের যোনি ধরে টানো" (grab 'em by the pussy) বাক্যাংশটি যুক্ত করেছেন। এটি যেন শ্বেতাঙ্গ গোত্রের একতাবদ্ধ হয়ে এটা প্রমাণের চেষ্টা: "যদি একজন কৃষ্ণাঙ্গ ব্যক্তি প্রেসিডেন্ট হতে পারে, তবে যেকোনো শ্বেতাঙ্গ ব্যক্তি যতই অধঃপতিত হোক না কেন, রাষ্ট্রপতি হতে পারবে।"
**টা-নেহিসি কোটস, [https://www.theatlantic.com/magazine/archive/2017/10/the-first-white-president-ta-nehisi-coates/537909/ "দ্য ফার্স্ট হোয়াইট প্রেসিডেন্ট,"] দ্য আটলান্টিক, অক্টোবর ২০১৭ সংখ্যা।
* আইন মেনে চলার ক্ষেত্রে আমি তাকে কখনোই বিশ্বাস করব না। আমরা একজন বিপজ্জনক অহংকারী মানুষের মুখোমুখি হয়েছি। তার নিজের ওপর কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই, তিনি কোনো সীমানা মানেন না এবং আইন বা অন্য কোনো কিছুর বাধ্যবাধকতাও স্বীকার করেন না।
** {{w|এলিয়ট এ. কোহেন}}, এনবিসি নিউজের [http://www.nbcnews.com/politics/2016-election/analysis-vengeful-world-donald-trump-why-it-matters-n671721 বিশ্লেষণ: ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতিহিংসাপরায়ণ বিশ্ব এবং এটি কেন গুরুত্বপূর্ণ]-এ; প্রকাশিত ৩১ অক্টোবর ২০১৬
* [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]] কখনোই ভাবেননি তিনি এই নির্বাচনে জিততে পারবেন। তিনি আসলে এই নির্বাচনে জিততেও চাননি। এটি রাজনৈতিক ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপনী প্রচারণা হওয়ার কথা ছিল। আপনি যদি এর সাথে মস্কো প্রজেক্টের বিষয়টি যোগ করেন, তবে বুঝতে পারবেন যে এটি কেবল একটি ব্র্যান্ডিং চুক্তি ছিল। প্রেসিডেন্সিয়াল ক্যাম্পেইন এভাবেই শুরু হয়েছিল। তবে সেখানে একটাই সমস্যা ছিল; তিনি জিতে গিয়েছিলেন।
** মাইকেল কোহেন, [[র্যাচেল ম্যাডো|রেচেল ম্যাডো]] শোতে, [https://www.msnbc.com/rachel-maddow/watch/cohen-trump-2016-campaign-was-just-a-branding-opportunity-91291717556 ৮ সেপ্টেম্বর ২০২০]
* স্ত্রী ও সন্তানদের বাদ দিলে আমি ট্রাম্পকে অন্য সবার চেয়ে ভালো চিনতাম। কিছু ক্ষেত্রে আমি তার পরিবারের চেয়েও তাকে ভালো চিনতাম। কারণ আমি স্ট্রিপ ক্লাব, সন্দেহজনক ব্যবসায়িক মিটিং এবং অসতর্ক মুহূর্তগুলোতে তার আসল রূপ দেখেছি। তিনি একজন প্রতারক, মিথ্যাবাদী, জালিয়াত, উৎপীড়ক, বর্ণবাদী, শিকারি ও ঠকবাজ। তার এমন কেউ নেই যাকে তিনি গোপনীয়তা রক্ষার জন্য বিশ্বাস করেন। দশ বছর ধরে তিনি আমাকে পেয়েছিলেন। আমি সবসময় তার পাশে ছিলাম। কিন্তু দেখুন আমার কী হয়েছে। ট্রাম্পের কোনো সত্যিকারের বন্ধু নেই। তিনি সারাজীবন নিজের কাজের দায় এড়িয়ে গেছেন। পথে বাধা হয়ে দাঁড়ানো সবাইকে তিনি পিষে মেরেছেন বা প্রতারণা করেছেন। আমি জানি কোথায় তার সব কঙ্কাল পোঁতা আছে, কারণ আমিই সেগুলো পুঁতেছিলাম।
** [[মাইকেল কোহেন (আইনজীবী)|মাইকেল কোহেন]], {{cite news
| date = ১৩ আগস্ট ২০২০
| title = Michael Cohen offers preview of tell-all Trump book: 'I know where the skeletons are buried'
| trans-title = মাইকেল কোহেন ট্রাম্পকে নিয়ে লেখা বইয়ের প্রাকদর্শন দিয়েছেন: 'আমি জানি কোথায় কঙ্কালগুলো পোঁতা আছে'
| author = জোসেফ এ উলফসন
| work = ফক্স নিউজ
| url = https://www.foxnews.com/politics/michael-cohen-trump-disloyal-skeletons
}} দ্বারা উদ্ধৃত
* ট্রাম্পের কপালে একটি সতর্কীকরণ লেবেল লাগিয়ে দেওয়া উচিত।
** রিচার্ড কোহেন, ''দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের'' [https://www.washingtonpost.com/opinions/reince-priebus-fool/2016/05/16/decae58a-1b88-11e6-9c81-4be1c14fb8c8_story.html "রেইন্স প্রিবাস, নির্বোধ"] (১৬ মে ২০১৬), ওয়াশিংটন, ডিসি
* আমি বিশ্বাস করতে পারছি না তিনি আমার সাথে এমনটা করছেন। ডোনাল্ড বরফ শীতল জলের মতো নিষ্ঠুর।
** এইচআইভি আক্রান্ত হওয়ায় ট্রাম্পের কাছ থেকে বিতাড়িত হওয়ার পর {{w|রয় কোহন}}। ({{w|ওয়েন ব্যারেটের}} ১৯৯২ সালের ''ট্রাম্প: দ্য ডিলস অ্যান্ড দ্য ডাউনফল'' থেকে, ফোর্বস.কম-এর [https://www.forbes.com/sites/ralphbenko/2016/03/27/donald-trump-is-the-red-sanders-candidate-winning-isnt-everything-its-the-only-thing/#7c70fd80358c ডোনাল্ড ট্রাম্প হলেন 'রেড' স্যান্ডার্স প্রার্থী: 'জেতাই সবকিছু নয়; এটিই একমাত্র জিনিস'] প্রতিবেদনে উদ্ধৃত)
* প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, [[বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু|ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু]] এবং ট্রাম্পের উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে (আইসিসি) যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। [[w:ওয়েস্ট ব্যাংক|ওয়েস্ট ব্যাংকে]] বসবাসকারী চারজন [[ফিলিস্তিনি|ফিলিস্তিনির]] পক্ষে [[w:মিডলসেক্স বিশ্ববিদ্যালয়|মিডলসেক্স বিশ্ববিদ্যালয়ের]] আইনের অধ্যাপক [[w:উইলিয়াম শাবাস|উইলিয়াম শাবাস]] ৩০ জুন এই অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, "দখলকৃত ভূখণ্ডে জনসংখ্যা স্থানান্তর এবং ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের সার্বভৌম ভূখণ্ড দখলের সাথে সম্পর্কিত যুদ্ধাপরাধের ক্ষেত্রে ট্রাম্প, নেতানিয়াহু ও কুশনার জড়িত থাকতে পারেন বলে বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ রয়েছে।" আইসিসির [[w:রোম সংবিধি|রোম সংবিধির]] ১৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, যেকোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা সংস্থা প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে অভিযোগ আনতে পারে। যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের জন্য আইসিসির জবাবদিহিতা থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের রক্ষা করতে ট্রাম্প প্রশাসন গত মাসে "জাতীয় জরুরি অবস্থা" ঘোষণা করার পরই শাবাসের এই অভিযোগ সামনে এলো।
** মারজোরি কোহন, ট্রুথআউট-এর [https://truthout.org/articles/trump-is-trying-to-hide-us-and-israeli-war-crimes-by-attacking-the-icc/ ''আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে আক্রমণ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি যুদ্ধাপরাধ লুকানোর চেষ্টা করছেন ট্রাম্প'']-এ (৮ জুলাই ২০২০)
* ট্রাম্পের মধ্যে একটি জনতুষ্টিবাদ রয়েছে, যা আমার কাছে খুব আকর্ষণীয় মনে হয়েছে। দলের প্রবীণরা চান তিনি চলে যান। কিন্তু জনগণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে তিনি কোথাও যাচ্ছেন না। সত্যি কথা হলো, ৩৬ শতাংশ সম্ভাব্য ভোটার তাকে জয়ী দেখতে চান। তাই ব্যবস্থার ভেতরের মানুষগুলোর ভিন্ন কিছু বলার সুযোগ নেই। এটি সত্যিই খুব আশাব্যঞ্জক।
** [[স্টিভেন কোলবার্ট]], ব্র্যাডফোর্ড রিচার্ডসন রচিত ''দ্য হিলের'' [http://thehill.com/blogs/ballot-box/presidential-races/stephen-colbert-donald-trump-very-appealing "কোলবার্ট: ট্রাম্পের জনতুষ্টিবাদ 'খুবই আকর্ষণীয়'"] প্রতিবেদনে উদ্ধৃত (২৩ ডিসেম্বর ২০১৫)
* '''ন্যানটুকেটে এক লোক ছিল<br>যার জনমত জরিপ সত্যিই খুব খারাপ ছিল;<br>অন্তত সে<br>সেই কমলা পোল পট নয়<br>যে বালতি থেকে তার সব খাবার খেত।'''
** স্টিভেন কোলবার্ট; থ্যাঙ্কসগিভিংয়ে [[জো বাইডেন|প্রেসিডেন্ট বাইডেনের]] ন্যানটুকেটে ছুটি কাটানোর পারিবারিক ঐতিহ্য পুনরুজ্জীবিত করার খবর পড়ার পর ২৫ নভেম্বর ২০২১-এ ''{{w|দ্য লেট শো উইথ স্টিভেন কোলবার্ট|দ্য লেট শো উইথ স্টিভেন কোলবার্টের}}'' [https://www.youtube.com/watch?v=S8qFuh-qNaE প্রারম্ভিক মনোলোগ] থেকে লিমেরিক।
* বরখাস্ত হওয়ার সময় বরখাস্ত হওয়ার জন্য আপনাকে ঠিক কতটা খারাপ কাজ করতে হবে তা কি আপনার জানা আছে?
** স্টিভ কোলবার্ট, {{cite news
| date = ১৪ জানুয়ারি ২০২১
| title = Late night hosts mock Trump's second impeachment: 'I wonder if he's tired of all the winning yet?'
| trans-title = ট্রাম্পের দ্বিতীয় অভিশংসন নিয়ে লেট নাইট হোস্টদের উপহাস: 'আমি ভাবছি তিনি এখনও সব জয়ে ক্লান্ত কি না?'
| author = ফ্র্যাঙ্ক প্যাল্লোটা
| work = সিএনএন বিজনেস
| url = https://edition.cnn.com/2021/01/14/media/late-night-trump-impeachment/index.html
}} দ্বারা উদ্ধৃত
* প্রেসিডেন্ট অভিশংসিত হয়েছেন। এটি একটি বেশ বড় শিক্ষা। আমি তাকে খালাস দেওয়ার পক্ষে ভোট দিচ্ছি।
** সুসান কলিন্স, ''সিবিএস ইভনিং নিউজ'', {{cite news
| date = ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০
| title = Susan Collins explains her vote to acquit Trump
| trans-title = সুসান কলিন্স ট্রাম্পকে খালাস দেওয়ার পক্ষে তার ভোটের ব্যাখ্যা দিয়েছেন
| author = গ্রেস সেগার্স
| work = সিবিএস ইভনিং নিউজ
| url = https://www.cbsnews.com/news/susan-collins-explains-her-vote-to-acquit-trump/
}} দ্বারা উদ্ধৃত
* অভিবাসন নীতি পরিবর্তন করা ছাড়া ট্রাম্পের এমন কোনো কাজ নেই যা ক্ষমা করা যাবে না।
** ''ইন ট্রাম্প উই ট্রাস্ট'' [http://theslot.jezebel.com/ann-coulter-donald-trump-wasnt-mocking-reporters-disab-1785766218][http://www.nbcnews.com/card/real-quote-ann-coulters-new-book-n637676] (২০১৬)
* ডোনাল্ড ট্রাম্প একজন সিরিয়াল মিথ্যুক।
** নিল গ্যাবলার, ''স্যালনের'' [http://www.salon.com/2016/05/15/donald_trump_is_a_serial_liar_more_upsetting_is_that_no_one_seems_to_care_partner/ "ডোনাল্ড ট্রাম্প একজন সিরিয়াল মিথ্যুক। আরও বেশি হতাশার বিষয় হলো কেউ এ নিয়ে পরোয়া করে না"] (১৫ মে ২০১৬)
* ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং জেফরি এপস্টিন দুজনেই ছিলেন কামুক ধনী ব্যক্তি, তরুণী মডেলদের ওপর যাদের বিশেষ নজর ছিল।
** মাইকেল গ্রস, ১৯৯৫ সালের “মডেল: দ্য আগলি বিজনেস অব বিউটিফুল উইমেন” বইয়ের লেখক, ''ইউএসএ টুডেের'' [https://www.usatoday.com/story/news/politics/2025/07/25/trump-jeffrey-epstein-friendship-conspiracy/85307396007/ কীভাবে ট্রাম্প এবং 'চমৎকার ব্যক্তি' জেফরি এপস্টিনের পার্টি বয় বন্ধুত্বের মর্মান্তিক অবসান হয়েছিল] (২৫ জুলাই ২০২৫)
*কু ক্লাক্স গোত্রপতি [[ডেভিড ডিউক]] একটি রেডিও অনুষ্ঠানের শ্রোতাদের বলেন, {{'}}ইহুদিদের গোত্রীয় স্বভাব{{'}} ট্রাম্পের প্রতি গণমাধ্যমের কঠোর আচরণের জন্য দায়ী এবং তিনি ইহুদিদের {{'}}একদল বন্য কুকুরের সাথে{{'}} তুলনা করেন। এই শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্ববাদী ট্রাম্পের একজন সরব সমর্থক।
**Shanika Gunaratna, [http://www.cbsnews.com/news/neo-nazis-tag-jews-on-twitter-harassment-hate-speech-politics/ "Neo-Nazis Tag Jews on Twitter: Harassment, Hate Speech, Politics"] (টুইটারে নিও-নাৎসিরা ইহুদিদের ট্যাগ করছে: হয়রানি, বিদ্বেষমূলক বক্তব্য, রাজনীতি) (১০ জুন ২০১৬), ''CBS News'', CBS Interactive, Inc.
[[চিত্র:Richard Nixon presidential portrait.jpg|thumb|আপনি বুঝতেই পারছেন, [প্যাট] রাজনীতিতে একজন বিশেষজ্ঞ। তার ভবিষ্যদ্বাণী হলো আপনি যখনই নির্বাচনে লড়ার সিদ্ধান্ত নেবেন, আপনি বিজয়ী হবেন! ~ [[রিচার্ড নিক্সন]]]]
[[চিত্র:Jimmy Carter (cropped).jpg|thumb|আমি মনে করি গণমাধ্যম অন্য যেকোনো প্রেসিডেন্টের তুলনায় ট্রাম্পের প্রতি বেশি কঠোর হয়েছে। তারা বিনা দ্বিধায় ট্রাম্পকে মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন বা অন্য যেকোনো কিছু বলার স্বাধীনতা ভোগ করে বলে আমার ধারণা। ~ [[জিমি কার্টার]]]]
[[চিত্র:George H. W. Bush presidential portrait (cropped).jpg|thumb|সে একটা গর্দভ। ~ [[জর্জ এইচ. ডব্লিউ. বুশ]]]]
[[চিত্র:Bill Clinton.jpg|thumb|তিনি একজন দক্ষ ব্র্যান্ড প্রবর্তক এবং বর্তমান সময়ের সবচেয়ে আকর্ষণীয় চরিত্র। তিনি এমন কিছু বলেন যা আদর্শগত পার্থক্যকে ছাপিয়ে যায়। "কিছুই না হওয়ার ওপর আমি বিরক্ত। আমি সব ঠিক করব—আমাকে ভোট দিন" এমন কথার একটি পুরুষালি আবেদন রয়েছে। ~ [[বিল ক্লিনটন]]]]
[[চিত্র:George-W-Bush.jpeg|thumb|আমরা জাতীয়তাবাদকে স্থানীয়তাবাদে বিকৃত হতে দেখেছি। অভিবাসন আমেরিকায় যে গতিশীলতা নিয়ে এসেছে তা আমরা ভুলে গেছি। মুক্তবাজার এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের মূল্যের প্রতি মানুষের আস্থা কমতে দেখছি। আমরা ভুলে গেছি যে সংরক্ষণবাদের ফলে সংঘাত, অস্থিতিশীলতা এবং দারিদ্র্য নেমে আসে। ~ [[জর্জ ডব্লিউ. বুশ]]]]
[[চিত্র:Official portrait of Barack Obama.jpg|thumb|কেউ এমন কথা বলতে পারে ভেবে আমরা বিস্মিত। কেউ অভিবাসীবিরোধী বা মুসলিমবিরোধী মনোভাব উসকে দিচ্ছে দেখে আমরা অবাক। আমরা সত্যিই হতবাক! কেউ এভাবে তথ্য বিকৃত করতে পারে বা কারো রেকর্ড মিথ্যা প্রমাণ করতে পারে তা ভেবে আমরা বিস্মিত। মনে রাখবেন, এই লোকটিই নিশ্চিত ছিল যে আমার জন্ম কেনিয়ায়। সে কোনোভাবেই বিষয়টি ছাড়তে চায়নি। রিপাবলিকান এস্টাবলিশমেন্টের সবাই তখন চুপ ছিল। যতক্ষণ পর্যন্ত এটা আমার দিকে নির্দেশ করা হচ্ছিল, ততক্ষণ তাদের কোনো সমস্যা ছিল না। তারা একে নিছক বিনোদন ভেবেছিল এবং তার সমর্থন আদায় করতে চেয়েছিল। এই প্রাইমারিতে যা ঘটছে তা আসলে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তাদের দলের ভেতরে যা ঘটে আসছে তারই নির্যাস। ~ [[বারাক ওবামা]]]]
=== এইচ ===
* আমি যখন বলি আমি ক্ষুব্ধ, তখন তা আসলে কমই বলা হয়। মাইক সেই [[ডোনাল্ড ট্রাম্প|লোকটির]] প্রতি সর্বদা বিশ্বস্ত ছিলেন। তিনি লোকটির একজন ভালো বন্ধু ছাড়া আর কিছুই ছিলেন না। মাইক পেন্সের সাথে তার এমন আনুগত্য ও [[বন্ধুত্ব]] থাকার পরও তিনি তার সাথে এমনটা করবেন ভেবে আমি ভীষণ হতাশ। আমি এতে বিরক্ত।
** নিকি হ্যালি, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২১-এ [https://www.politico.com/interactives/2021/magazine-nikki-haleys-choice/ নিকি হ্যালিস টাইম ফর চুজিং দ্য ২০২৪ হোপফুল কান্ট ডিসাইড]-এ
* এটি একটি বিপজ্জনক বিশ্ব। [[হিজবুল্লাহ]] কতটা মহান তা আমি তার কাছ থেকে শুনতে চাই না। আমি তাকে আর কমিউনিস্ট পার্টিকে অভিনন্দন জানাতে দেখতে চাই না। আমি চাই না তিনি [[বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু|নেতানিয়াহুকে]] আঘাত করুন। আমরা এমন কাউকে পেতে পারি না যার অতীত এতই মেঘাচ্ছন্ন যে তিনি ভবিষ্যৎ দেখতে পান না।
** নিকি হ্যালি, ১৩ অক্টোবর ২০২৩-এ [https://www.cbsnews.com/news/trump-israel-netanyahu-hezbollah/ ইসরায়েলে হামাসের হামলার বিষয়ে ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়ায় জিওপি বিরোধীদের ক্ষোভ]-এ
* আমি মনে করি তিনি একজন মহান নেতা হতে পারেন। রিপাবলিকানদের দুর্বলতায় ক্লান্ত আমার মতো অনেক মানুষকে তিনি অনুপ্রাণিত করছেন। আমি এই দুর্বলতায় ভীষণ বিরক্ত।
** শন হ্যানিটি, {{cite web
| date = ৩০ জুলাই ২০১৫
| title = Hannity on Trump: 'That Boldness Needs to Be There If Republicans Want to Win'
| trans-title = ট্রাম্পের বিষয়ে হ্যানিটি: 'রিপাবলিকানরা জিততে চাইলে সেই সাহসিকতা থাকতে হবে'
| newspaper = ফক্স নিউজ ইনসাইডার
| url = http://insider.foxnews.com/2015/07/30/sean-hannity-donald-trump-boldness-needs-be-there-if-republicans-want-win
}}
* নিউ ইয়র্ক ম্যাগাজিনের সাথে তার সাক্ষাৎকারে চিকিৎসকদের অস্বস্তিকরভাবে ট্রাম্পের স্বাস্থ্য নিয়ে কথা বলার জন্য "টকিং পয়েন্ট" লেখা কাগজ নাড়াচাড়া করতে দেখা যায়। শারীরিক সমস্যা এবং মিটিংয়ে ঘুমিয়ে পড়ার বিষয়ে মাসের পর মাস ধরে চলা গুঞ্জনের পাশাপাশি ট্রাম্পের জন্য অদ্ভুত জনসমক্ষে এলোমেলো কথার পর তাকে নিজের স্বাস্থ্য নিয়ে পুরো একটি সাক্ষাৎকার দিতে হয়েছিল। এটি নিজেই অনেক কিছু বলে দেয়।<br>একপর্যায়ে ট্রাম্প সাক্ষাৎকার গ্রহণকারীকে বলেন যে তার বাবা এমন কিছুতে ভুগতেন "যাকে তারা কী যেন বলে?" এরপর তিনি নিজের মাথার দিকে ইশারা করেন। তাকে যখন বলা হয় যে তিনি আলৎসহাইমারের কথা বোঝাতে চাইছেন, তখন ট্রাম্প উত্তর দেন: "আলৎসহাইমারের মতো কিছু। তবে, আমার এটি নেই।" এটি এমন কোনো বিষয় নয় যা বেশিরভাগ মানুষকে ঘোষণা করতে হয়। ঠিক যেমন তারা নতুন মোজা পরেছে বা সকালে মুখ ধোয়ার কথা মনে রেখেছে কিনা তা কাউকে জানাতে হয় না।
** ইসাবেল হার্ডম্যান, ২৯ জানুয়ারি ২০২৬-এ ''আইনিউজের'' [https://inews.co.uk/opinion/now-trumps-friends-appear-worried-mental-state-4190370 "এখন ট্রাম্পের 'বন্ধুরা' তার মানসিক অবস্থা নিয়ে চিন্তিত বলে মনে হচ্ছে এবং পরবর্তীতে কী হবে তা নিয়ে শঙ্কিত"] প্রতিবেদনে
* আমাদের এমন একজন রক্ষণশীল প্রেসিডেন্ট ভীষণ প্রয়োজন যার মধ্যে সাহসিকতা ও সংযমের এক অদ্ভুত সংমিশ্রণ রয়েছে। আমলাতন্ত্র, এর গ্রাহক গোষ্ঠী এবং গণমাধ্যমের ক্ষোভের বিরুদ্ধে নিজের শাখার লাগামহীন ক্ষমতা ও বিস্তৃতিকে চ্যালেঞ্জ করার জন্য প্রেসিডেন্টের সাহসিকতা প্রয়োজন। আমাদের সাংবিধানিক ব্যবস্থায় একজন প্রজাতান্ত্রিক নির্বাহীর যে সংযম থাকা উচিত তা ফিরিয়ে আনতে এই সাহসিকতা জরুরি। এই সর্বোচ্চ সাংবিধানিক কাজের বিষয়ে ট্রাম্প কোনো সচেতনতা দেখান না।
** স্টিভেন এফ. হেওয়ার্ড, ''ন্যাশনাল রিভিউের'' [http://www.nationalreview.com/article/430126/donald-trump-conservatives-oppose-nomination "ট্রাম্পের বিরুদ্ধে রক্ষণশীলরা"] প্রতিবেদনে (২১ জানুয়ারি ২০১৬)
* রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক অবক্ষয়ের এক দীর্ঘ প্রক্রিয়ার ফল হলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি আমাদের ব্যর্থ গণতন্ত্রের ফসল। আমরা একটি কার্যকর গণতন্ত্রে বাস করি, এই কাল্পনিক ধারণাটি আমরা যত বেশি সময় ধরে টিকিয়ে রাখব, আমরা তত দ্রুত স্বৈরতন্ত্রের দিকে ধাবিত হব। ট্রাম্প এবং তার চারপাশের রাজনৈতিক পরিবর্তনগুলো কোনো অস্বাভাবিক বিচ্যুতি নয় যা আগামী নির্বাচনে পরাজিত করা যাবে। আসল সমস্যা ট্রাম্প নন। সমস্যাটি হলো একটি রাজনৈতিক ব্যবস্থা। কর্পোরেট শক্তি এবং দুটি প্রধান রাজনৈতিক দলের কর্তাব্যক্তিরা এটি নিয়ন্ত্রণ করেন। এই ব্যবস্থায় আমাদের কোনো মূল্য নেই। কর্পোরেট রাষ্ট্রকে ভেঙে ফেলার মাধ্যমেই আমরা রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধার করব। এর জন্য এই বছর সারা দেশে শিক্ষকদের মতো ব্যাপক ও ধারাবাহিক নাগরিক অবাধ্যতা প্রয়োজন।<br>একজন বিদেশি সংবাদদাতা হিসেবে আমি ভেঙে পড়া সমাজগুলো কভার করেছি। পতনের দ্বারপ্রান্তে থাকা ক্ষয়িষ্ণু আর্থিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা কতটা ভঙ্গুর হতে পারে তা কোনো ধ্বংসোন্মুখ জনগোষ্ঠীর পক্ষে উপলব্ধি করা অসম্ভব। পতনের সমস্ত পূর্বাভাস দৃশ্যমান। আসন্ন মৃত্যুর সাধারণ লক্ষণগুলো আমরা ভোগ করছি। আমি ভুল প্রমাণিত হলে খুশি হব। তবে আমি আগে এমনটা দেখেছি। আমি সতর্কতামূলক সংকেতগুলো জানি। আমি শুধু বলতে পারি, প্রস্তুত হোন।
** ক্রিস হেজেস, ''কমন ড্রিমসের'' [https://www.commondreams.org/views/2018/05/21/coming-collapse দ্য কামিং কোলাপ্স] প্রতিবেদনে (২১ মে ২০১৮)
* আইনি ও সাংবিধানিক উপায় ব্যবহার করে আইনশৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করাই এই প্রেসিডেন্টের উদ্দেশ্য। তার এই ক্ষমতা সম্পূর্ণভাবে রয়েছে। আপনি কি জানেন কেন তারা তাকে পছন্দ করে না? কারণ তার এটি করার সাহস আছে। অকার্যকর পুলিশ বাহিনীকে ফেডারেল বা কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে আনার কথা বলার সাহস তার আছে। তিনি ন্যাশনাল গার্ড ও ফেডারেল মার্শালদের ডাকার কথা বলেন।
** প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ, লরা ইনগ্রাহামের প্রশ্নের জবাবে। ইনগ্রাহাম প্রশ্ন করেছিলেন: "বামপন্থীরা বলছে ট্রাম্প এবং হেগসেথ স্বৈরাচারী হিসেবে সামরিক আইন জারি করতে চান, এর জবাবে আপনি কী বলবেন?" ''নিউজউইকের'' [https://www.newsweek.com/pete-hegseth-responds-claims-trump-want-martial-law-2112077 সামরিক আইন জারি করতে চান ট্রাম্প, এমন দাবির জবাব দিলেন পিট হেগসেথ] প্রতিবেদনে উদ্ধৃত (১১ আগস্ট ২০২৫)
* সংবিধান, ইতিহাস, আইন, রাজনৈতিক দর্শন, পারমাণবিক কৌশল, কূটনীতি, প্রতিরক্ষা বা রিয়েল এস্টেটের বাইরের অর্থনীতি সম্পর্কে তার কোনো ধারণা নেই। এমনকি নিচু স্তরের মাফিয়াদের মতো আচরণ থাকা সত্ত্বেও সাধারণ মানুষ কীভাবে বাঁচে তা তিনি জানেন না। তবে এই সবকিছু ছাপিয়ে একটি বড় ত্রুটিকে তার প্রধান শক্তি হিসেবে তুলে ধরা হয়। সংকটময় সময়ে একটি মহান জাতিকে শাসন করা নিছক "চুক্তি" করার চেয়ে অনেক বড় বিষয়। তিনি যে পদের আকাঙ্ক্ষা করেন, তার গুরুত্বের তুলনায় তার চুক্তিগুলো খুবই ক্ষুদ্র। আরও গভীর জটিলতার মুখোমুখি হলে তিনি দেশকে ক্রমাগত রুশ রুলেটের মতো এক বিপজ্জনক খেলার দিকে নিয়ে যাবেন। খারাপ বিচারক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও তিনি যদি মেধাবী উপদেষ্টাদের নিয়োগ দেন, তবে তারা তার সামনে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প তুলে ধরবেন। কিন্তু চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভার এমন একজন মানুষের ওপর পড়বে যিনি হাতের কাছে যা পান তা-ই আঁকড়ে ধরেন। ওবামার পর ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সি একটি একসময়ের গম্ভীর প্রজাতন্ত্রের জন্য কেবলই আরেকটি রোমাঞ্চকর পর্যটনের মতো হবে।
** মার্ক হেলপ্রিন, ''ন্যাশনাল রিভিউের'' [http://www.nationalreview.com/article/430126/donald-trump-conservatives-oppose-nomination "ট্রাম্পের বিরুদ্ধে রক্ষণশীলরা"] প্রতিবেদনে (২১ জানুয়ারি ২০১৬)
* ডোনাল্ড ট্রাম্প আজ কোন দুশ্চরিত্রার সাথে শুয়েছেন?
** {{w|ডাগ হেন্ডারসন}}, {{w|স্পঞ্জহেড|স্পঞ্জহেডের}} গিটারবাদক, গায়ক ও গীতিকার, ''কার্ব ইওর ডগমা'' অ্যালবামের "নাথিং" গানে (ট্রিপল এক্স রেকর্ডস, ১৯৯৩)
* প্রেসিডেন্ট পদত্যাগ করলে বা তাকে পদ থেকে অপসারণ করা হলে আমেরিকা যে আরও ভালো অবস্থায় থাকবে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। এটি ঘটবে কিনা বা কীভাবে হওয়া উচিত তা আমার জানা নেই। তবে এই মুহূর্তে আমাদের নেতৃত্ব প্রয়োজন এবং এই সমস্ত উন্মাদনা বন্ধ করা দরকার।
** ল্যারি হোগান, রিপাবলিকান গভর্নর, ''দ্য বাল্টিমোর সানের'' [https://www.baltimoresun.com/politics/bs-md-pol-hogan-capitol-20210107-7gjx3ksoqrhmrixhqr7zz2byom-story.html "মেরিল্যান্ডের গভর্নর হোগান: ট্রাম্প পদত্যাগ করলে বা অপসারিত হলে 'আমেরিকা ভালো থাকবে'"] প্রতিবেদনে উদ্ধৃত (৭ জানুয়ারি ২০২১)
* ভাইস প্রেসিডেন্ট হ্যারিস বা অন্য কারো জাতিগত পরিচয় নিয়ে আক্রমণ করা অগ্রহণযোগ্য ও ঘৃণ্য। আমেরিকার জনগণ এর চেয়ে ভালো কিছু পাওয়ার যোগ্য।
** ল্যারি হোগান, রিপাবলিকান গভর্নর, ''এবিসি নিউজের'' [https://abcnews.go.com/Politics/live-updates/Kamala-Harris-Donald-Trump-100-days/?id=112358511&entryId=112456624 "জিঅপি সিনেট পদপ্রার্থী ল্যারি হোগান এনএবিজে কনভেনশনে ট্রাম্পের মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন"] প্রতিবেদনে উদ্ধৃত (৩১ জুলাই ২০২৪)
* ট্রাম্প মুক্ত গণমাধ্যমকে অবমূল্যায়ন করেন। কারণ তিনি সমাজে তথ্যের একমাত্র বৈধ উৎস হতে চান। চারপাশের জগত সম্পর্কে সত্য জানার প্রক্রিয়াগুলোকে ভেঙে ফেলতে তিনি সবসময় মিথ্যা বলেন। বাস্তবতার কাঠামো তৈরি করে এমন পর্যবেক্ষণ ও সত্যগুলোকেও তিনি নষ্ট করতে চান। তিনি আমাদের গণতান্ত্রিক সমাজের চরম দুর্বলতা উন্মোচন করেছেন। এই সমাজ মূলত লজ্জাবোধের মতো সামাজিক রীতিনীতি মেনে চলা এবং সাধারণ সত্যের গ্রহণযোগ্যতার ওপর নির্ভর করে।<br>মার্কিন প্রেসিডেন্ট সামাজিক কাঠামোর এই ভিত্তি ভেঙে ফেলতে বদ্ধপরিকর। তিনি এমন এক যুগের সূচনা করতে চান যেখানে আলোচনা ও সহযোগিতার বদলে বলপ্রয়োগই সমাজের গতিপথ নির্ধারণ করবে। তিনি যদি নিজের সত্য ছাড়া অন্য কোনো সত্য স্বীকার না করেন, তবে তাকে নিজের প্রত্যক্ষ স্বার্থের বাইরে কিছু করতে হবে না। তাকে আসলে কোনো সমালোচনার জবাব দিতে হবে না বা নিজের কাজ নিয়ে দ্বিতীয়বার ভাবতে হবে না। কারণ, অবিরাম মিথ্যা বলাও এক ধরনের জবরদস্তি। এর মাধ্যমে আপনি অন্যদের নিজের মিথ্যা বাস্তবতার কাঠামো মেনে নিতে বাধ্য করেন। অথবা শুরুতেই কোনো কিছু সত্য নাকি মিথ্যা তা নিয়ে তাদের মাথাব্যথা দূর করে দেন। নিজের চোখ ও কানকে বিশ্বাস করবেন না। সবাই আমার জন্য উল্লাস করছিল।
** জ্যাক হোমস, এস্কোয়ায়ার.কম-এর রাজনীতি সম্পাদক, এস্কোয়ায়ার.কম-এর [https://www.esquire.com/news-politics/a27718993/donald-trump-press-conference-theresa-may-thousands-protesters/ "টেরেসা মে'র সাথে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সংবাদ সম্মেলন সত্যের ওপর আক্রমণ ছাড়া অসম্পূর্ণ থেকে যেত"] প্রতিবেদনে (৪ জুন ২০১৯)
* দ্য রুট পত্রিকায় ড্যামন ইয়াংয়ের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, শ্বেতাঙ্গদের কান্নার কারণেই পরাজিত দক্ষিণাঞ্চলীয়রা কৃষ্ণাঙ্গ দাসদের স্বাধীনতা মেনে নিতে অস্বীকার করে এবং কু ক্লাক্স ক্ল্যান গঠন করে। আর এই শ্বেতাঙ্গ কান্নার কারণেই ৬৩ শতাংশ শ্বেতাঙ্গ পুরুষ এবং ৫৩ শতাংশ শ্বেতাঙ্গ নারী একজন ক্ষতিকর ও অপরিণত মানসিকতার মানুষকে তাদের নেতা হিসেবে নির্বাচিত করেছেন।
** ক্যাথি পার্ক হং, ''মাইনর ফিলিংস: অ্যান এশিয়ান আমেরিকান রেকনিং'' (২০২০)
* ডোনাল্ড ট্রাম্প নিয়মিত রাজনৈতিক সহিংসতা উসকে দেন। তিনি একজন সিরিয়াল মিথ্যাবাদী, চরম বিদেশিবিদ্বেষী, বর্ণবাদী, নারীবিদ্বেষী এবং {{w|বার্থার|বার্থার ষড়যন্ত্র তত্ত্বের সমর্থক}}। তিনি যুক্তরাষ্ট্রে একটি পুরো ধর্মের ১.৬ বিলিয়ন সদস্য, সব মুসলিমের প্রবেশ নিষিদ্ধ করার বারবার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
** জানুয়ারি ২০১৬ পর্যন্ত {{w|হাফিংটন পোস্ট|হাফিংটন পোস্টে}} প্রকাশিত ট্রাম্প বিষয়ক প্রতিটি নিবন্ধে যুক্ত করা টীকা। তবে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্পের জয়ের পর এটি সরিয়ে নেওয়া হয়।
** {{w|পলিটিকো|পলিটিকো}}-এর [http://www.politico.com/blogs/on-media/2016/01/huffpost-to-publish-anti-trump-kicker-with-all-trump-coverage-218345 সব ট্রাম্প কভারেজের সাথে অ্যান্টি-ট্রাম্প কিকার প্রকাশ করবে হাফপোস্ট] প্রতিবেদনে (২৮ জানুয়ারি ২০১৬)
* অফিসে থাকাকালীন সাবেক প্রেসিডেন্টের স্বার্থের সংঘাত পরিচালনার ক্ষেত্রে সংস্থার সক্ষমতা। তখন তিনি বাড়িওয়ালা এবং ভাড়াটিয়া হিসেবে কার্যত চুক্তির উভয় পক্ষেই ছিলেন।
** হাউস ওভারসাইট কমিটি, সিএনএন-এর [https://www.cnn.com/2021/10/08/politics/trump-hotel-dc/index.html "প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন ট্রাম্প ডিসি হোটেলে ৭ কোটি ডলারেরও বেশি লোকসান হয়েছে, নথি থেকে জানা যায়"] প্রতিবেদনে (৮ অক্টোবর ২০২১)
* ট্রাম্প প্রশাসনের বিশ্বাসযোগ্যতার ঘাটতিকে আরও স্পষ্ট করে জাপান ও জার্মানির মতো মিত্ররা মার্কিন দাবিকে সমর্থন করার জন্য আরও "বিশ্বাসযোগ্য" প্রমাণ দাবি করেছে। গত সপ্তাহে ওমান উপসাগরে দুটি তেলের ট্যাংকারে হামলার জন্য ইরান দায়ী বলে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী [[মাইক পম্পেও]] সুস্পষ্ট দাবি করলেও আমেরিকার নিকটতম কিছু মিত্র আরও প্রমাণ চাইছে।<br>জাপান ও জার্মানি উভয় দেশই আরও সুনির্দিষ্ট প্রমাণ চেয়েছে। ব্রিটেনের বিরোধীদলীয় নেতা জেরেমি করবিন বলেছেন, ট্রাম্পের দাবিকে সমর্থন করার জন্য আরও "বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ" প্রয়োজন। ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের'' মতে, অন্যান্য ইউরোপীয় নেতারাও ইরানের ওপর দোষ চাপাতে ইতস্তত করছেন। পত্রিকাটির মতে, তেহরানের প্রতি "ট্রাম্প প্রশাসনের প্রতি তাদের অবিশ্বাস এবং এর আগ্রাসী নীতির" কারণেই এই সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে।
** হাফিংটন পোস্ট, ডমিনিক মোসবার্গেন রচিত [https://www.huffpost.com/entry/trump-administration-allies-iran-tanker-pompeo_n_5d072ea3e4b0985c419ff17d ''পম্পেও দাবি করেছেন ট্যাংকারে ইরানের হামলার বিষয়ে 'কোনো সন্দেহ নেই', তবে মার্কিন মিত্ররা প্রমাণ চায়, হাফিংটন পোস্ট''] (১৭ জুন ২০১৯)
* আমাদের আইনের শাসনকে খাটো করে এমন কোনো প্রেসিডেন্টের প্রয়োজন নেই। তিনি আজ নিউ ইয়র্কের আদালতে গিয়ে একজন বদমেজাজি শিশুর মতো আচরণ করেছেন। আমেরিকায় আমাদের এমন কিছুর দরকার নেই। আমাদের কক্ষে প্রাপ্তবয়স্কদের প্রয়োজন।
** অ্যাসা হাচিনসন, ডব্লিউএমইউআর-৯-এর [https://www.wmur.com/article/asa-hutchinson-trump-courtroom-dispute/45759110|বিচারকের সাথে আদালতের বিবাদের পর ট্রাম্পকে 'বদমেজাজি শিশু' বলেছেন অ্যাসা হাচিনসন] প্রতিবেদনে (৬ নভেম্বর ২০২৩)
=== আই ===
* ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রজাতন্ত্রের জন্য একটি স্পষ্ট ও বর্তমান হুমকি। চরিত্র ও যুক্তির অভাবে তিনি অযোগ্য। তাই আমি কমলা হ্যারিসকে ভোট দেব।
* আমি তার জন্য দুঃখ বোধ করি। সে সত্যিই একটি অসুস্থ কুকুরছানা। তার কিছু সাহায্য দরকার।
* তিনি তিন স্ত্রীর প্রতি অবিশ্বস্ত ছিলেন। চতুর্থ হিসেবে তার সাথে বেদিতে গিয়ে আমরা কেন ভাবব যে তিনি আমাদের প্রতি বিশ্বস্ত হবেন? এটাকে বলে অযৌক্তিকতা।
* ডোনাল্ড ট্রাম্প হারলে তা রিপাবলিকান পার্টির জন্য ভালো হবে। কারণ তখন আমরা রিপাবলিকান হিসেবে পুনরায় চিন্তা করে ভুল শুধরে নিতে পারব।
** বব ইংলিস, সাউথ ক্যারোলিনার ছয়বারের সাবেক রিপাবলিকান কংগ্রেসম্যান, ''চার্লসটন সিটি পেপারের'' [https://charlestoncitypaper.com/2024/09/17/inglis-endorses-harris-calling-trump-a-clear-and-present-danger/ "ইংলিস হ্যারিসকে সমর্থন জানিয়ে ট্রাম্পকে 'একটি স্পষ্ট ও বর্তমান হুমকি' বলে আখ্যা দিয়েছেন"] প্রতিবেদনে উদ্ধৃত (১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪)
=== জে ===
* তিনি চার প্রজন্মের এক হোয়াইট কলার অপরাধী পরিবারের তৃতীয় প্রজন্মের প্রধান। তারা কারো পা ভাঙে না বা মানুষ খুন করে না। তারা কখনোই এমনটা করবে না। কিন্তু তারা নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য চুক্তি নিয়ে প্রতারণা করে, প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে এবং আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তা বা অন্যদের আপস করতে বাধ্য করে। আর শুধু ট্রাম্পরাই এমন পরিবার নয়। তারা কেবল সবচেয়ে পরিচিত পরিবার। ট্রাম্প বিশ্বাস করেন তিনি আমেরিকার স্বৈরশাসক। আর এই মুহূর্তে তিনি কার্যত দেশের স্বৈরশাসকই বটে। তিনি শুধু তার ক্ষমতা পুরোপুরি সুসংহত করতে পারেননি। তিনি জবাবদিহিতার অনেক উৎস মুছে ফেলেছেন।
** ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫, অনুসন্ধানী সাংবাদিক ডেভিড কে জনস্টনের [https://www.youtube.com/watch?v=ghEt48-mXOQ দ্য ট্রাম্প রিপোর্ট]
* গত ২৫ বছর ধরে মধ্যপ্রাচ্যের বিদেশি সংঘাতে ক্লান্ত আমেরিকানদের প্রতি আমি অবশ্যই সহানুভূতিশীল। আমি তাদের উদ্বেগ বুঝতে পারি। তবে পার্থক্য হলো, তখন আমাদের নির্বোধ প্রেসিডেন্ট ছিল। আর এখন আমাদের এমন একজন প্রেসিডেন্ট আছেন যিনি আমেরিকার জাতীয় নিরাপত্তার লক্ষ্যগুলো কীভাবে অর্জন করতে হয় তা জানেন।
** ভাইস-প্রেসিডেন্ট {{w|জেডি ভ্যান্স}}, এনবিসি নিউজের ''মিট দ্য প্রেস'' অনুষ্ঠানে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় বোমা হামলার বিষয়ে ট্রাম্পের নির্দেশের প্রশ্নের জবাবে। ''এনবিসি নিউজের'' [https://www.nbcnews.com/politics/jd-vance/iran-vance-intervention-skeptic-role-salesman-rcna214345 ইরানের ওপর হামলা বিদেশি হস্তক্ষেপে সন্দিহান ভ্যান্সকে সেলসম্যানের ভূমিকায় ঠেলে দিয়েছে] প্রতিবেদনে (২২ জুন ২০২৫)
* মিস্টার ট্রাম্প সীমা অতিক্রম করেছেন। তিনি একাধিক সীমা অতিক্রম করেছেন। ক্যাপ্টেন খান বীরত্বের সাথে অন্যদের বাঁচাতে গিয়ে যুদ্ধে শহীদ হয়েছেন। এই সাহসী সৈনিকের সমালোচনা করার কোনো জায়গা নেই, তা প্রকাশ্যেই হোক বা আকার-ইঙ্গিতে। তিনি আমাদের দেশের সেবা করেছেন। বহু জাতিগত পটভূমি ও ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মানুষের সাথে তাকেও আর্লিংটন জাতীয় কবরস্থানে সমাহিত করা হয়েছে। তারা আমাদের দেশের সেবা করেছেন। মিস্টার ট্রাম্প করেননি। মঞ্চে কথা না বলার জন্য মিসেস খানের সমালোচনা করা বর্ণনাতীতভাবে জঘন্য। কোনো গোল্ড স্টার মা-কে কখনোই এমন আচরণ করা উচিত নয়। মিস্টার ট্রাম্প, মিসেস খান এবং সমস্ত গোল্ড স্টার পরিবারের কাছে আপনার একটি বিশাল ক্ষমাপ্রার্থনা পাওনা।
** {{w|জিউয়িশ ওয়ার ভেটেরান্স অব দ্য ইউনাইটেড স্টেটস অব আমেরিকা}}, খান পরিবার সম্পর্কে ট্রাম্পের মন্তব্যের বিষয়ে ''[http://www.jwv.org/content/press_release/jewish_war_veterans_condemns_remarks_of_donald_trump জিউয়িশ ওয়ার ভেটেরান্স ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্যের নিন্দা জানিয়েছে]'' (২০১৬)
* অবশ্যই, গণমাধ্যমের সাথে প্রেসিডেন্টের অনন্য সম্পর্ক এবং অতীতের প্রেসিডেন্টদের সাথে এর তুলনা আমি বুঝতে পারি। আমি নিজেও কৌতূহলী যে এটি ভবিষ্যতে আদৌ কোনো প্রভাব ফেলবে কিনা। তবে গণমাধ্যম এবং প্রেসিডেন্টের মধ্যে উত্তেজনা নতুন কিছু নয়। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অন্যদের তুলনায় এটি ঘন ঘন এবং আরও রঙিনভাবে প্রকাশ করেন।
** [[ওয়েইজিয়া জিয়াং]], ''এশিয়া সোসাইটিের'' [https://asiasociety.org/blog/asia/cbs-news-weijia-jiang-newsroom-diversity-covid-19-racism-and-covering-president-trump "সিবিএস নিউজের ওয়েইজিয়া জিয়াং নিউজরুমের বৈচিত্র্য, কোভিড-১৯ বর্ণবাদ এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সংবাদ কভার করা নিয়ে কথা বলেছেন"] প্রতিবেদনে উদ্ধৃত (২৭ মে ২০২০)
* সমস্যা হলো, আমি ট্রাম্পকে চিনি। তাই আমার আশাবাদকে পাখির ছানার মতো পিষে ফেলা হয়েছে। তার সম্পর্কে আমার যত খারাপ কথা বলার ছিল, তা আমি তার মুখের ওপরেই বলেছি। আমার মনে হয় ওই শোতে [''সেলিব্রিটি অ্যাপ্রেন্টিস''] তিনি খুব ভালো এবং আকর্ষণীয় ছিলেন। মনের কথা আটকে রাখার প্রবণতা না থাকায় আমি তাকে খুব পছন্দ করি। কেউ যখন নিজের মনের কথা আটকে রাখা বন্ধ করে দেয়, তখন তার মানবিক হৃদয়ের যে ঝলক আমরা দেখতে পাই তা আমার খুব ভালো লাগে। "একজন জিনিয়াস হলেন তিনি, যিনি সবচেয়ে বেশি নিজের মতো।" সত্যিই এক অদ্ভুত উপায়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প তা অর্জন করেছেন। তিনি যদি প্রেসিডেন্ট পদে না লড়তেন, তবে আপনি আমার লেখা প্রবন্ধ দেখতে পেতেন যে আমি ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছ থেকে কতটা শিখেছি এবং ওই শোতে থাকতে কতটা পছন্দ করেছি। আমি খুব, খুব অপরাধবোধ করছি। কারণ আমি অনুভব করি যে অন্যান্য লাখ লাখ মানুষের পাশাপাশি আমি এই খেলাটিতে অংশ নিয়েছি। ক্লিনটনদের নৈরাশ্যবাদ এবং সব রাজনীতিকদের সাবধানে দড়ি হাঁটার প্রবণতা একজন নাস্তিক হিসেবে আমাকে হাঁটু গেড়ে বসে এমন একজনের জন্য প্রার্থনা করতে বাধ্য করেছিল যে কোনো ধরনের সত্যতা নিয়ে আসবে। ঈশ্বর, কেউ একজন আমার ফাঁকি ধরে ফেলেছে। অভিবাসন, নির্যাতন এবং যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প যা বলছেন তা একেবারেই ক্ষমার অযোগ্য। তিনি সরাসরি স্ট্যাচু অব লিবার্টির বিরুদ্ধে অবস্থান নিচ্ছেন। আমি একজন নিখাদ শান্তিবাদী। আমি এমন একজন প্রেসিডেন্ট চাই যিনি মানুষের প্রশংসা করবেন, শান্তির প্রশংসা করবেন এবং একটি মহান দেশের জন্য একসঙ্গে কাজ করার প্রশংসা করবেন। [[আব্রাহাম লিংকন]] ওয়াটারবোর্ডিং নিয়ে হাসতেন না। আমি আমার চেয়ে [[দয়াশীল]], [[বুদ্ধিমান]] এবং আরও সংযত একজন প্রেসিডেন্ট চাই। একজন মানুষের সাথে দ্বিমত পোষণ করার মতো প্রায় সব বিষয়েই আমি হিলারি ক্লিনটনের সাথে দ্বিমত পোষণ করি। যদি ট্রাম্প ও হিলারির মধ্যে কাউকে বেছে নিতে হয়, তবে আমি আমার গাড়িতে একটি হিলারি ক্লিনটনের স্টিকার লাগাব। যে কেউ বিষয়টি [[মনোযোগ]] দিয়ে লক্ষ্য করছে, সে ট্রাম্পের মতো ঘৃণার বদলে ভালোবাসা দিয়ে একই কাজ করে প্রেসিডেন্ট হতে পারবে। সেটা হবে খুব সুন্দর ব্যাপার। এর চেয়ে আশাব্যঞ্জক আর কিছু হতে পারে না। দিনশেষে ডোনাল্ড ট্রাম্প সবকিছু নষ্ট করে দেন। তিনি তার ক্যাসিনোগুলো ধ্বংস করেন। তিনি তার ভবনগুলো ধ্বংস করেন। সম্ভবত দেশ ধ্বংস করার আগেই তিনি নিজের নির্বাচনী প্রচারণাই ধ্বংস করে দেবেন।
** [[পেন জিলেট]], গ্রান্ট বার্নিংহ্যাম রচিত ''নিউজউইকের'' [http://www.newsweek.com/penn-jillette-terrified-president-trump-431837 "পেন জিলেট কেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে নিয়ে আতঙ্কিত"] প্রতিবেদনে উদ্ধৃত (১ মার্চ ২০১৬)
* আমি ''{{w|সেলিব্রিটি অ্যাপ্রেন্টিস|সেলিব্রিটি অ্যাপ্রেন্টিসে}}'' দুইবার কাজ করেছি। এমন একজনকে আমি "মিস্টার ট্রাম্প" বলে সম্বোধন করেছি যাকে আমি একজন গর্দভ, একজন ব্যর্থ মানুষ এবং একজন মিথ্যাবাদী হিসেবে জানতাম। তারা যখন তাকে বিলিয়নেয়ার বা একজন ভালো ব্যবসায়ী বলত, তখন আমি জোরে হাসিনি। '''আমি জানতাম তিনি একজন জঘন্য ব্যবসায়ী। আমি জানতাম তিনি আসলে ধনী নন। আমি জানতাম তিনি একজন মিথ্যাবাদী। আমি এই সবকিছুই জানতাম। আর আমি স্যুট পরে সেখানে বসে থাকতাম। একটি টিভি শোতে থাকলে কী ক্ষতি হয়? কাউকে সফল ব্যবসায়ী হিসেবে ভান করলে কী যায় আসে? দেখা যাচ্ছে এটি অনেক বড় প্রভাব ফেলে।'''
** পেন জিলেট, ব্রেনা এহরলিচ রচিত ''রোলিং স্টোনের'' [https://www.rollingstone.com/tv-movies/tv-movie-features/penn-and-teller-interview-guns-trump-magic-bullet-catch-david-blaine-1234833297/ অস্ত্র ত্যাগ করা এবং ট্রাম্প কেন 'আমেরিকার সমাপ্তি' সে বিষয়ে পেন ও টেলার] প্রতিবেদনে উদ্ধৃত (১ অক্টোবর ২০২৩)
* নিউ ইয়র্কের কিছু অংশে আমার না যাওয়ার একমাত্র কারণ হলো ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে দেখা হওয়ার বাস্তব ঝুঁকি।
** [[বরিস জনসন]], হেলেনা হর্টন রচিত ''দ্য টেলিগ্রাফের'' [http://www.telegraph.co.uk/news/politics/boris-johnson/12039931/Boris-Johnson-The-only-reason-I-wouldnt-visit-some-parts-of-New-York-is-the-real-risk-of-meeting-Donald-Trump.html বরিস জনসন: 'নিউ ইয়র্কের কিছু অংশে আমার না যাওয়ার একমাত্র কারণ হলো ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে দেখা হওয়ার বাস্তব ঝুঁকি'] প্রতিবেদনে উদ্ধৃত (৮ ডিসেম্বর ২০১৫)
* ডোনাল্ড ট্রাম্প একটা কাপুরুষ।
** [[গ্যারি জনসন]], [http://www.kob.com/albuquerque-news/gary-johnson-calls-donald-trump-pussy-at-libertarian-debate/4064122/#.VuDZG5wrLqY ইউ.এস. লিবার্টারিয়ান পার্টির বিতর্কে] (২০১৬)
=== কে ===
* আমি আমার উড়োজাহাজের পাইলটের সাফল্য যে কারণে কামনা করি, ঠিক একই কারণে তার সাফল্য কামনা করছি।
** {{w|জন কেসিচ}}, ''দ্য হিলের'' [http://thehill.com/homenews/campaign/332198-kasich-i-dont-know-what-im-going-to-do-in-2020 কেসিচ: 'আমি জানি না ২০২০ সালে আমি কী করতে যাচ্ছি'] (৬ মে ২০১৭)
* মার্কিন ইতিহাস ও সংস্কৃতির তিনটি ভিন্ন, মূলত রোগাক্রান্ত ধারার সংমিশ্রণ হিসেবে ট্রাম্পের উত্থানকে ভালোভাবে বোঝা যায়। প্রথম এবং সম্ভবত সবচেয়ে স্পষ্ট ধারাটি হলো অভিবাসীদের প্রতি শত্রুতা। ১৮৫০-এর দশকে আমেরিকান পার্টি, যাদের বিরোধীরা 'নো-নাথিংস' বলত, আইরিশ ও জার্মান ক্যাথলিকদের পোপের দালাল এবং একটি হুমকি হিসেবে অভিযুক্ত করেছিল। শতাব্দীর শেষের দিকে প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলে শ্বেতাঙ্গ শ্রমিকরা নতুন আসা চীনাদের বিরুদ্ধে একটি গণ-আন্দোলনের নেতৃত্ব দেয়। মজুরি কমানোর জন্য তারা চীনাদের দায়ী করত। ফেডারেল আইনপ্রণেতারা যেকোনো চীনা শ্রমিকের প্রবেশ নিষিদ্ধ করে তাদের ধর্মান্ধতাকে সমর্থন করেছিলেন। ১৯২০-এর দশকে আমেরিকার শ্বেতাঙ্গ 'নর্ডিক' ঐতিহ্যের প্রতি শত্রুভাবাপন্ন সন্দেহে স্লাভ, ইহুদি, ইতালীয় এবং অন্যদের ভয়ে কংগ্রেস এমন কোটা আরোপ করে যা প্রায় সব অভিবাসীকে নিষিদ্ধ করেছিল। দক্ষিণ সীমান্ত পেরিয়ে আসা 'ধর্ষক ও খুনিদের' এবং আটলান্টিক পাড়ি দেওয়া সম্ভাব্য মুসলিম সন্ত্রাসীদের ওপর ট্রাম্পের আক্রমণ এই দীর্ঘ এবং জঘন্য ঐতিহ্যেরই অংশ।
** {{w|মাইকেল কাজিন}}, ''ডিসেন্টের'' [https://www.dissentmagazine.org/blog/trump-in-context-us-history-know-nothing "প্রেক্ষাপটে ট্রাম্প"] (১৪ ডিসেম্বর ২০১৫)
* 'মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন' বা 'আমেরিকাকে আবার মহান করার' প্রতিশ্রুতিতে আগে ঠিক কী বা কে একে এত চমৎকার করেছিল তার কোনো ব্যাখ্যা নেই। সূত্র খুঁজতে তার ওয়েবসাইটে গেলে এমন কোনো প্রস্তাব পাওয়া যায় না যা বিশ্বাসযোগ্যভাবে একটি জাতীয় পুনর্জাগরণ ঘটাতে পারে। যদি না কেউ বিশ্বাস করে যে একটি সরলীকৃত কর ব্যবস্থা এবং অবৈধ অভিবাসনের ওপর কঠোর দমনপীড়ন বড় ধরনের পরিবর্তনের জন্য যথেষ্ট রূপরেখা।
** {{w|মাইকেল কাজিন}}, ''ডিসেন্টের'' [https://www.dissentmagazine.org/blog/trump-in-context-us-history-know-nothing "প্রেক্ষাপটে ট্রাম্প"] (১৪ ডিসেম্বর ২০১৫)
* ট্রাম্পের প্রার্থিতার আকর্ষণ এবং দেশে-বিদেশে এটি যে আতঙ্ক তৈরি করে, তার উৎস একই। এগুলো মার্কিন রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে গভীরভাবে প্রোথিত। পরিচিত নামের একজন ধনী ব্যক্তি এমন লোকদের আক্রমণ করেন যাদের অনেক নাগরিক ভয় পায় বা অবিশ্বাস করে। এরপর তিনি জাতির যেকোনো সংকট সমাধানের অস্পষ্ট প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি হাসি ও হুমকির সাথে এসব করেন। আবার যাদের তিনি নিয়মিত বক্তৃতায় আক্রমণ করেন, তাদের কাছ থেকেও তিনি সম্মান আশা করেন। ট্রাম্প হয়তো প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হবেন না, আর হলে তা এক বিপর্যয় হবে। তবে তার কাজগুলো তার বা তার ভক্ত-সমালোচকদের ধারণার মতো খুব একটা অভিনব নয়। তিনি মঞ্চ ছাড়ার পর, বড় বড় কথা বলার প্রতিভা এবং রক্ষা করার মতো কোনো রাজনৈতিক রেকর্ড না থাকা অন্য কোনো ধনী অভিনয়শিল্পী অনায়াসেই তার জায়গা নিতে পারে।
** {{w|মাইকেল কাজিন}}, ''ডিসেন্টের'' [https://www.dissentmagazine.org/blog/trump-in-context-us-history-know-nothing "প্রেক্ষাপটে ট্রাম্প"] (১৪ ডিসেম্বর ২০১৫)
* ট্রাম্প প্রকৃত রক্ষণশীল নন। এটি কোনো অপরাধ নয়, বরং তাকে ভোট না দেওয়ার একটি কারণ। অনেক ভালো মানুষ আছেন যারা রক্ষণশীল নন। তবে ট্রাম্পের প্রার্থিতা ডানপন্থীদের জন্য যে কারণে চিন্তার বিষয়, তার শিকড় অনেক গভীরে। তিনি রক্ষণশীলতার প্রতি সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন। কারণ রাজনীতি বাদ দিয়ে তিনি শুধু ব্যবস্থাপকসুলভ নেতৃত্বের ফাঁকা প্রতিশ্রুতির প্রতিমূর্তি। তাঁর প্রথম টেলিভিশন বিজ্ঞাপন শোনা মানে হলো একটি বাজে সিনেমার প্রিভিউ দেখা; এটি হাইলাইটস বা লোলাইটসের একটি ফাঁকা সুপারকাট যেখানে প্লট এতটাই পাতলা যে তা প্রকাশ করা হয় না। ট্রাম্প কোনো সাধারণ মানুষ নন। তিনি তার ধনী বাবার ১০০ মিলিয়ন ডলার দিয়ে নিজের সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছিলেন। শ্রমজীবী বা মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম নেওয়া তো দূরের কথা, ব্যবসায় নিজের ব্যর্থতা ও বারবার দেউলিয়া হওয়া ছাড়া ট্রাম্প জীবনে একদিনও সংগ্রাম করেননি। তার সুবিধাপ্রাপ্ত পটভূমি তাকে টাকা থেকে টাকা বানাতে সাহায্য করেছিল; যা মধ্যবিত্তের মূল্যবোধের মাপকাঠিতে খুব একটা উঁচুতে নয়। দুর্নীতিমুক্ত হওয়ার বিষয়ে বলতে গেলে, ট্রাম্প রাজনীতিকদের প্রচুর অর্থ দিয়েছেন। তিনি স্বীকার করেছেন যে এর উদ্দেশ্য ছিল সুবিধা কেনা। তার নীতিগত অবস্থানগুলোও একইভাবে ক্ষণস্থায়ী। সুবিধা হলে তিনি ডেমোক্র্যাটদের বড় সরকারের নীতি এবং ক্লিনটনদের পিচ্ছিল মূল্যবোধকে সমর্থন করেছেন। তিনি মোটেও অটল নন।
** শন কেনেডি, ''সিএনএনের'' [http://www.cnn.com/2016/01/07/opinions/kennedy-donald-trump/index.html "ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অবশ্যই ধ্বংস করতে হবে"] (৮ জানুয়ারি ২০১৬), জর্জিয়া: কেবল নিউজ নেটওয়ার্ক
* ডোনাল্ড ট্রাম্প অত্যন্ত বিশ্বাসযোগ্যভাবে একজন তোষামোদকারী জননেতার ভূমিকা পালন করছেন। তিনি তার উচ্চাকাঙ্ক্ষার উদ্দেশ্যে কাজ করার জন্য আবেগপূর্ণ প্রতিক্রিয়া উসকে দিতে চাইছেন। আমেরিকার প্রতিষ্ঠাতারা বারবার এ ধরনের জননেতাদের বিরুদ্ধে সতর্ক করেছিলেন, কারণ এটি জনগণকে স্বৈরতন্ত্রের দিকে ঠেলে দেয়। তার পটভূমি বিবেচনা করলে এটি ধরে নেওয়াই ভালো যে, ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সঠিক স্বাধীনতার শত্রুরা ব্যবহার করছে যাতে তিনি আন্তরিকভাবে রক্ষণশীল লোকদের তাদের অভিজাত শত্রুদের ধ্বংসাত্মক আগুনের মুখে একটি অন্ধ গিরিখাতের দিকে নিয়ে যেতে পারেন। এই অতীত রেকর্ডের কথা মাথায় রেখে ট্রাম্পের নেতৃত্ব অনুসরণ করার আগে মানুষের কি তার প্রতিশ্রুত ওকালতির প্রকৃতি মনোযোগ দিয়ে যাচাই করা উচিত নয়, যারা আমেরিকার সাংবিধানিক স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারে আন্তরিকভাবে উদ্বিগ্ন? অনেক ঢাকঢোল পিটিয়ে ট্রাম্প তার একসময়ের অভিজাত বন্ধুদের দ্বারা আক্রান্ত হচ্ছেন। কিন্তু তিনি কি মার্কিন জনগণের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের সাথে বিশ্বাসঘাতকতার জন্য তাদের আক্রমণ করেছেন?
** [[অ্যালান কিস]], ''ডব্লিউএনডিের'' [http://www.wnd.com/2015/07/is-donald-the-elitist-factions-trump/#edXLUkSiiwg8yZ3j.99 "ডোনাল্ড কি অভিজাত গোষ্ঠীর ট্রাম্প?"] (১৬ জুলাই ২০১৫)
* প্রত্যেক প্রেসিডেন্টই কোনো না কোনো সময় মিথ্যা বলেন, তা কূটনৈতিক বা জাতীয় নিরাপত্তার কারণে হোক বা কোনো নীতি প্রচারের জন্যই হোক। কিন্তু ট্রাম্প একটি বড় মিথ্যার জন্য পরিচিত নন—বরং তিনি অতিরঞ্জিত, উদ্ভাবিত, অসঙ্গতিপূর্ণ, সন্দেহজনক এবং মিথ্যা দাবির একটি অবিরাম স্রোত তৈরি করেন। দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট ফ্যাক্ট চেকার পরিচালনার নয় বছরে আমি এমন কোনো রাজনীতিকের দেখা পাইনি যিনি তথ্যের বিষয়ে এত উদাসীন, নির্ভুলতার বিষয়ে এত চিন্তামুক্ত, মনগড়া কারণে মানুষের ওপর আক্রমণ করতে এতটা প্রস্তুত এবং নিজের অর্জনগুলোকে মিথ্যাভাবে চিত্রিত করতে এতটা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
** গ্লেন কেসলার, দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট ফ্যাক্ট চেকারের সম্পাদক এবং প্রধান লেখক, [https://eu.usatoday.com/story/opinion/2020/06/02/fact-checking-donald-trump-essential-american-politics-column/5301135002/ ফ্যাক্ট-চেকিং ট্রাম্প: তিনি একটি বিপজ্জনক পথে আছেন যা নথিবদ্ধ করা এবং নিরুৎসাহিত করা উচিত]-এ (২ জুন ২০২০)
* ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশ্ন তুলেছেন কেন আমি ডেমোক্রেটিক কনভেনশনে কথা বলিনি। তিনি বলেছেন যে তিনি আমার কথা শুনতে চান। ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি আমার উত্তর হলো: কোনো কথা না বলেই আমি বিশ্বের ও আমেরিকার সবাইকে আমার কষ্ট অনুভব করাতে পেরেছি। আমি একজন গোল্ড স্টার মা। যে-ই আমাকে দেখেছে, সে-ই তার হৃদয়ে আমাকে অনুভব করেছে।
* ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন আমার কিছুই বলার ছিল না। আমার অনেক কিছুই বলার আছে। আমার ছেলে, সেনা ক্যাপ্টেন হুমায়ুন খান ১২ বছর আগে ইরাকে মারা গেছে। সে আমেরিকাকে ভালোবাসত। তার দুই বছর বয়সে আমরা এখানে আসি। সে স্বেচ্ছায় তার দেশকে সাহায্য করতে চেয়েছিল এবং ভার্জিনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে আরওটিসিতে নাম লিখিয়েছিল। এটি ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের হামলার আগের ঘটনা। তার এটি করার কোনো প্রয়োজন ছিল না, তবে সে নিজেই চেয়েছিল।
* আমি হুমায়ুনের ছবি থাকা কোনো ঘরে ঢুকতে পারি না। এত বছর ধরে আমি তার জিনিসপত্র রাখা আলমারিটি পরিষ্কার করতে পারিনি; এজন্য আমাকে আমার পুত্রবধূকে বলতে হয়েছে। কনভেনশনের মঞ্চে আমার পেছনে ছেলের একটি বিশাল ছবি দেখে আমি নিজেকে সামলাতে পারছিলাম না। কোন মা তা পারে? ডোনাল্ড ট্রাম্পের সন্তান আছে যাদের তিনি ভালোবাসেন। আমি কেন কথা বলিনি তা নিয়ে কি তার সত্যিই অবাক হওয়ার দরকার আছে?
* ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, সম্ভবত আমাকে কিছু বলার অনুমতি দেওয়া হয়নি। এটি সত্য নয়। আমার স্বামী আমাকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন আমি কথা বলতে চাই কিনা, কিন্তু আমি তাকে বলেছিলাম যে আমি পারব না। আমার ধর্ম আমাকে শেখায় যে ঈশ্বরের চোখে সমস্ত মানুষ সমান। স্বামী-স্ত্রী একে অপরের অংশ; পরিবারকে দেখাশোনার জন্য একে অপরকে ভালোবাসা ও সম্মান করা উচিত। ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন ইসলাম নিয়ে কথা বলেন, তখন তিনি অজ্ঞতার পরিচয় দেন। তিনি যদি প্রকৃত ইসলাম ও কোরআন পড়তেন, তবে সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে পাওয়া তার সব ধারণা বদলে যেত। কারণ সন্ত্রাসবাদ ভিন্ন একটি ধর্ম। ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন তিনি অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছেন। ত্যাগ শব্দের অর্থ তিনি জানেন না।
** [[গাজালা খান]], মার্কিন সেনা ক্যাপ্টেন হুমায়ুন এস. এম. খানের মা। ''{{w|দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট|দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের}}'' ''[https://www.washingtonpost.com/opinions/ghazala-khan-donald-trump-criticized-my-silence-he-knows-nothing-about-true-sacrifice/2016/07/31/c46e52ec-571c-11e6-831d-0324760ca856_story.html গাজালা খান: ট্রাম্প আমার নীরবতার সমালোচনা করেছেন। তিনি প্রকৃত ত্যাগ সম্পর্কে কিছুই জানেন না।]'' (৩১ জুলাই ২০১৬)
* মুসলিমরা আমেরিকান, মুসলিমরা [[নাগরিক]], মুসলিমরা আমেরিকান নাগরিক হিসেবে এই দেশের মঙ্গলে অংশ নেয়। আমরা আমেরিকান নাগরিক হিসেবে গর্বিত। আমাদের ধর্ম নয়, বরং এই দেশের মূল্যবোধগুলোই আমাদের এখানে এনেছে। এসব বিষয়ে ট্রাম্পের অবস্থান ওই মূল্যবোধগুলোর প্রতিনিধিত্ব করে না।
** খিজির এম. খান, ''{{w|ভোক্যাটিভ|ভোক্যাটিভের}}'' সাথে সাক্ষাৎকারে। [http://www.vocativ.com/259159/the-father-of-a-muslim-war-hero-has-this-to-say-to-donald-trump/] (৮ ডিসেম্বর ২০১৫)
* ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর নির্ভর করলে সে কখনোই আমেরিকায় থাকতে পারত না। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রতিনিয়ত মুসলিমদের চরিত্র হনন করেন। তিনি অন্যান্য সংখ্যালঘু, নারী, বিচারকদের, এমনকি নিজ দলের নেতৃত্বকেও অসম্মান করেন। তিনি দেয়াল তোলার এবং আমাদের এই দেশ থেকে নিষিদ্ধ করার প্রতিশ্রুতি দেন। ডোনাল্ড ট্রাম্প, আপনি আমেরিকানদের বলছেন আমাদের ভবিষ্যতের ভার আপনার হাতে তুলে দিয়ে আপনাকে [[বিশ্বাস]] করতে। আমাকে জিজ্ঞাসা করতে দিন: আপনি কি কখনো মার্কিন সংবিধান পড়েছেন? আমি আনন্দের সাথে আমার কপিটি আপনাকে ধার দেব। এই নথিতে "স্বাধীনতা" এবং "আইনের সমান সুরক্ষা" শব্দগুলো খুঁজুন। আপনি কি কখনো {{w|আর্লিংটন কবরস্থান|আর্লিংটন কবরস্থানে}} গেছেন? গিয়ে সেই সাহসী দেশপ্রেমিকদের কবরগুলো দেখুন যারা আমেরিকাকে রক্ষা করতে গিয়ে প্রাণ দিয়েছেন। সেখানে আপনি সব ধর্ম, লিঙ্গ ও জাতিসত্তার মানুষ দেখতে পাবেন। আপনি কোনো কিছুর জন্য বা কারো জন্যই ত্যাগ স্বীকার করেননি। দেয়াল তুলে এবং বিভাজন সৃষ্টি করে আমরা আমাদের সমস্যার সমাধান করতে পারি না। আমরা একজোট হলেই বেশি শক্তিশালী।
** [[খিজির এম. খান]], ফিলাডেলফিয়ায় {{w|২০১৬ ডেমোক্রেটিক ন্যাশনাল কনভেনশন|২০১৬ ডেমোক্রেটিক ন্যাশনাল কনভেনশনের}} শেষ দিনে দেওয়া বক্তব্য। [http://www.independent.co.uk/news/world/americas/dnc-2016-khizr-khan-donald-trump-read-full-transcript-father-muslim-soldier-a7161616.html] (২৯ জুলাই ২০১৬)
* তার নীতি এবং চর্চাগুলো থেকে এটি মনে হয় না যে এই দেশের মৌলিক ও সাংবিধানিক নীতিগুলো সম্পর্কে তার কোনো ধারণা আছে। এই দেশকে কী [[ব্যতিক্রমী]] করে তোলে এবং মানবজাতির ইতিহাসে এই দেশ কেন ব্যতিক্রমী, সে বিষয়েও তার কোনো বোঝাপড়া নেই। সমান মর্যাদা ও স্বাধীনতার নীতি রয়েছে। তিনি মানুষ বাদ দেওয়ার কথা বলেন। তিনি বিচারক, পুরো বিচার ব্যবস্থা, অভিবাসী এবং মুসলিম অভিবাসীদের [[অসম্মান]] করেন। এগুলো বিভেদমূলক কথাবার্তা যা মৌলিক সাংবিধানিক নীতির সম্পূর্ণ পরিপন্থী। আপনি যদি সংবিধান পড়েন, তবে আপনি হয় ইচ্ছাকৃতভাবে সেই নীতিগুলো লঙ্ঘন করবেন অথবা আপনি তা পড়েননি। এই কারণেই আমি পুরো বছর ধরে দেখেছি, বাকি বিশ্ব দেখেছে এবং আমার বক্তব্যের পর রাস্তায়, প্রতিটি জায়গায় আমরা যে [[ভালোবাসা]] ও সমর্থন পেয়েছি তা প্রমাণ করে। আমরা যে স্নেহ, সমর্থন ও ভালোবাসা পেয়েছি এবং এখনো পাচ্ছি তা প্রমাণ করে যে তিনি নিজের [[অজ্ঞতা]] থেকে কথা বলছেন। তিনি এই নীতিগুলো সম্পর্কে পুরোপুরি সচেতন নন।
* নেতৃত্ব দিতে চাওয়া বা নেতা হওয়ার আকাঙ্ক্ষা থাকা যেকোনো ব্যক্তির মধ্যে দুটি জিনিস থাকা একেবারেই অপরিহার্য। প্রথমটি হলো নৈতিক মানদণ্ড এবং দ্বিতীয়টি হলো [[সহানুভূতি]]। এই প্রার্থীর মধ্যে এই দুটি গুণেরই অভাব রয়েছে যা এই দেশের নেতৃত্বের জন্য প্রয়োজনীয়।
* আমি বিশ্বাস করি না যে তার বছরব্যাপী বাগাড়ম্বর, বিভাজন, মানুষ বাদ দেওয়া এবং তাদের সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্য তাকে প্রস্তুত করেছে। তিনি রিপাবলিকান নেতৃত্বকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে তিনি নিজের আচরণ পরিবর্তন করবেন, তিনি আগের মতো অজ্ঞ আচরণ করবেন না। কিন্তু তিনি তা চালিয়ে গেছেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো একটি জাতির এবং মুক্ত বিশ্বের নেতার জন্য নৈতিক মানদণ্ড ও সহানুভূতির এই দুটি গুণ থাকা একেবারেই অপরিহার্য।
* প্রেসিডেন্ট পদের এই প্রার্থীর সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা একজন গোল্ড স্টার মায়ের প্রতি সম্মান সম্পর্কে কোনো ধারণা নেই। তাকে সেই মায়ের দিকে আঙুল তুলতে হয়েছে। এটি তার অজ্ঞতার চূড়ান্ত রূপ। এই কারণেই আমি তাকে সেই সংবিধান দেখিয়েছি। তিনি যদি তা পড়তেন, তবে তিনি জানতেন যে ওই দেশে একজন গোল্ড স্টার মা কী মর্যাদা রাখেন। এই দেশ এমন ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ সম্মান দেয়। কিন্তু তার কোনো [[জ্ঞান]] বা সচেতনতা নেই। এটি তার অজ্ঞতার চূড়ান্ত রূপ। সে অসুস্থ। তার উচ্চ রক্তচাপ ছিল। যারা তাকে চেনে, তারা তার মুখের দিকে তাকিয়েছিল, আর সে বলেছিল, "আমি হয়তো মঞ্চ থেকে পড়ে যাব।" আর আমি তাকে বলেছিলাম যে, তোমাকে নিজেকে সামলে নিতে হবে এবং যে চমৎকার সম্মান জানানো হচ্ছে তার জন্য দাঁড়িয়ে থাকতে হবে। এই ব্যক্তিটির মধ্যে কোনো সহানুভূতি নেই। আমি চাই তার [[পরিবার]] তাকে পরামর্শ দিক, তাকে কিছু সহানুভূতি শেখাক। তিনি যদি তা শিখতে পারেন তবে তিনি একজন ভালো মানুষ হতে পারবেন—কিন্তু তার আত্মা অন্ধকার। এই সুন্দর দেশের নেতৃত্বের জন্য তিনি সম্পূর্ণ অযোগ্য। আমরা যে ভালোবাসা ও স্নেহ পেয়েছি তা নিশ্চিত করে যে এই দেশে আমাদের বিশ্বাস ও অভিজ্ঞতা সঠিক এবং ইতিবাচক ছিল। বিশ্ব আমাদের এমনভাবে গ্রহণ করছে যা আমরা আগে কখনো দেখিনি। তারা তার চরিত্রের ও তার আত্মার অন্ধকার দিকটি দেখেছে। তারা দেখেছে যে তিনি মানুষকে স্বীকৃতি দিতে বা তাদের প্রতি সহানুভূতি দেখাতে অক্ষম।
** [[খিজির এম. খান]], খান সাহেবের স্ত্রী কথা বলেননি কারণ তাকে নিষেধ করা হয়েছিল বলে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্যের বিষয়ে {{w|সিএনএন|সিএনএন-এর}} সাথে একটি সাক্ষাৎকারে। [http://mediamatters.org/video/2016/07/31/cnn-khizr-khan-shreds-trumps-height-ignorance-response-his-democratic-convention-speech/212039] (৩১ জুলাই ২০১৬)
* তার যে অধিকার রয়েছে, আমার ঠিক একই অধিকার রয়েছে। তিনি নারী, বিচারক এবং সব ভদ্র আমেরিকানকে গালি দিচ্ছেন ও অসম্মান করছেন। তিনি তাদের প্রতি খুবই অবমাননাকর আচরণ করেছেন। আমি ঠিক একই অধিকার চর্চা করছি। এটি আবারো তার অজ্ঞতা প্রমাণ করে। তিনি নিজের জন্য এক রকম অধিকার চান এবং অন্যদের জন্য ভিন্ন অধিকার চান। না, কাউকে তাকে বলে দেওয়া উচিত যে এই দেশে সমান মর্যাদা এবং আইনের সমান সুরক্ষা রয়েছে। আর ঠিক এই কারণেই ওই সংবিধানের প্রয়োগ ঘটে। আমি এটি আমার পকেটে রাখি কারণ আমি এই দলিলটিকে খুব মূল্যায়ন করি। আমি চাই কেউ এটি তাকে পড়ে শোনাক। এই দলিলে কিছু মৌলিক মূল্যবোধ নিহিত আছে।
* ডোনাল্ড ট্রাম্পের উচিত তার উপদেষ্টাদের সাথে বসা এবং বিশ্বের সামনে তুলে ধরা যে তিনি সহানুভূতিশীল। মানুষকে একতাবদ্ধ করে সহানুভূতির সাথে সমস্যার সমাধান করতে হয়। আমাদের মধ্যে খারাপ মানুষ আছে, তেমনি ভালো মানুষও আছে। আপনি খারাপ লোকদের তাড়ানোর জন্য ভালো লোকদের জড়ো করবেন, কিন্তু আপনি পুরো ধর্ম বা পুরো সংস্কৃতিকে হেয় করবেন না।
* যুক্তরাষ্ট্রে সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলার সমাধান আমরাই। ভালো মুসলিমদের সাথে হাত মেলান। শুধু যুদ্ধই সমাধান নয়। এটি সমাধানের একটি অংশ মাত্র। সম্প্রদায়গুলোকে একত্রিত করাই আসল সমাধান। এই দেশের নিরাপত্তা নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প যতটা উদ্বিগ্ন, আমরাও ততটাই উদ্বিগ্ন। আমরা এই দেশের ভালো দিকের একটি প্রমাণ। আমাদের একে অপরের সাথে লড়াই করা বন্ধ করতে হবে। অবমাননাকর মন্তব্যের মাধ্যমে অসম্মান করবে না, বরং আমাদের ঐক্যবদ্ধ করবে এমন একজন নেতার আমাদের প্রয়োজন। এই নির্বাচন বা প্রচারণায় যে ধরনের আলোচনা হচ্ছে, তা নিয়ে আমার খুব খারাপ লাগে। আমাদের হাত মেলাতে হবে। এই দেশের নাগরিকদের নিরাপত্তার জন্য আমাদের একটি খুব গুরুতর সমস্যা রয়েছে। আমরাই সমাধান। দেখুন, ফ্রান্স এবং অন্যান্য জায়গায় মুসলিমদের প্রতি আচরণ করা হচ্ছে, সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে অনেক খারাপ নিরাপত্তা সমস্যা রয়েছে।
** [[খিজির এম. খান]], সিএনএন-এর সোমবারে ''নিউ ডে'' অনুষ্ঠানে একটি সাক্ষাৎকারে [http://edition.cnn.com/TRANSCRIPTS/1608/01/nday.03.html] (১ আগস্ট ২০১৬)
* যখন একজন ব্যক্তি কমান্ডার-ইন-চিফ বা প্রেসিডেন্ট হন, তখন তিনি এমন সবার প্রেসিডেন্ট ও কমান্ডার-ইন-চিফ হন যারা তাকে সমর্থন করেছে এবং যারা তাকে সমর্থন করেনি।
** [[খিজির এম. খান]], ''{{w|অ্যান্ডারসন কুপার ৩৬০°|অ্যান্ডারসন কুপার ৩৬০°}}''তে একটি সাক্ষাৎকারে [http://transcripts.cnn.com/TRANSCRIPTS/1608/02/acd.02.html প্রতিলিপি] (২ আগস্ট ২০১৬)
* তবে উত্তেজনা নিরসনে সহায়ক হতে পারে এমন কোনো জোরালো মন্তব্য করার বদলে তিনি এমন অভূতপূর্ব রূঢ় ও অর্থহীন কথা বলেছেন যা তার কোনো পূর্বসূরির কাছ থেকে আগে শোনা যায়নি। ভীত কুকুর বেশি জোরে ডাকে। [...] একটি দেশের সর্বোচ্চ সামরিক ক্ষমতার অধিকারী হওয়ার জন্য তিনি অযোগ্য। একজন রাজনীতিক হওয়ার বদলে তিনি নিশ্চিতভাবেই একজন দুর্বৃত্ত এবং গ্যাংস্টার যিনি আগুন নিয়ে খেলতে পছন্দ করেন। [...] কানে কম শোনা এই মানসিক ভারসাম্যহীন বৃদ্ধকে চিকিৎসা করার জন্য ব্যবস্থা নেওয়াই সবচেয়ে ভালো উপায়। কারণ তিনি কেবল সেটাই বলছেন যা তিনি বলতে চান। [...] আমি নিশ্চিতভাবেই এই মানসিক ভারসাম্যহীন মার্কিন বৃদ্ধকে আগুন দিয়ে বশ করব।
** [[কিম জং উন]], {{cite web |date=২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |title=Trump Is A Rogue And Gangster Playing With Fire- North Korean Leader, Kim Jong |trans-title=ট্রাম্প একজন দুর্বৃত্ত এবং গ্যাংস্টার যিনি আগুন নিয়ে খেলছেন- উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং |author=সিউন ওয়েডেলে |periodical=ওদুয়া ভয়েস |url=https://www.oduavoice.com/2017/09/22/trump-is-a-rogue-and-gangster-playing-with-fire-north-korean-leader-kim-jong/}}-এ উদ্ধৃত
* ডোনাল্ড ট্রাম্প একজন [[ফ্যাসিবাদী]]। ... সর্বদাই একজন [[খারাপ]] মানুষ—এই অর্থে নয়। বরং তিনি এমন একজন মানুষ যিনি আন্তরিকভাবে বিশ্বাস করেন যে শক্তিশালী [[সরকার]] এবং শক্তিশালী কর্পোরেশনের একটি বিষাক্ত জোটের এই [[জাতি]] ও বিশ্বকে পরিচালনা করা উচিত। কর্পোরেশনের হয়ে সরকারের সাথে আলোচনা করেই তিনি তার আগের পেশা কাটিয়েছেন। এখন তিনি দল পরিবর্তন করেছেন। কিন্তু খেলা একই আছে।
** [[মাইকেল কিনসলে]], ''{{w|দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট|দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের}}'' ''[https://www.washingtonpost.com/opinions/donald-trump-is-actually-a-fascist/2016/12/09/e193a2b6-bd77-11e6-94ac-3d324840106c_story.html?utm_term=.6aa47d53b2b7 ডোনাল্ড ট্রাম্প আসলেই একজন ফ্যাসিবাদী]''তে (৯ ডিসেম্বর ২০১৬)
* দশটি আঙুলের বদলে আমার যদি দশটি চিরুনি থাকত, তবে আমি আনন্দের সাথে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে দেখা করতাম, শুধু তার চুলে আমার আঙুলগুলো চালানোর জন্য।
** {{cite web
| author = জ্যারড কিন্টজ
| date = ১৮ মে ২০১১
| title = This Book is Not For Sale
| trans-title = এই বইটি বিক্রির জন্য নয়
}}
* আমরা চাই প্রতিটি ভোট গণনা করা হোক, অবশ্যই প্রতিটি আইনি ভোট গণনা করা হোক (অবশ্যই)। তবে জালিয়াতি নিয়ে আপনাদের যদি বৈধ উদ্বেগ থাকে, তবে প্রমাণ উপস্থাপন করুন এবং আদালতে নিয়ে যান। <b>বাতিল হওয়া [[ভুল তথ্য]] ছড়ানো বন্ধ করুন... এটি পাগলামির পর্যায়ে চলে যাচ্ছে।</b>
** [[অ্যাডাম কিনজিঙ্গার]], রিপাবলিকান কংগ্রেস সদস্য (৬ নভেম্বর ২০২০), ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ২০২০ সালের নির্বাচন সম্পর্কে, <i>[https://twitter.com/RepKinzinger/status/1324503564891414528 টুইট] </i>
* গতকাল এটি স্পষ্ট হয়ে গেছে যে, প্রেসিডেন্ট কেবল জনগণ ও জনগণের ঘর রক্ষার দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াননি, বরং তিনি এমন আবেগ উসকে দিয়েছেন যা এখানে আমাদের দেখা বিদ্রোহে ইন্ধন যুগিয়েছে। সহিংসতা বন্ধ করতে এবং এর নিন্দা জানাতে চাপ দেওয়া হলে তিনি খুব সামান্যই তা করেছিলেন। সেই সাথে তিনি নিজেকে ভুক্তভোগী হিসেবে সাজিয়েছিলেন এবং যারা এই কাজ করছিল তাদের চোখ টিপে ইশারা দিচ্ছিলেন বলে মনে হয়েছে। সমস্ত লক্ষণ বলছে যে প্রেসিডেন্ট কেবল তার দায়িত্ব বা শপথ থেকে নয়, বরং বাস্তবতা থেকেও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন। এই কারণে আগামী কয়েক সপ্তাহ যেন আমেরিকার জনগণের জন্য নিরাপদ থাকে এবং আমরা যেন জাহাজের একজন সুস্থ ক্যাপ্টেন পাই, তা নিশ্চিত করতে আমি ভাইস প্রেসিডেন্ট ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।
** অ্যাডাম কিনজিঙ্গার, {{cite web
| author = রিক পিয়ারসন, লিসা ডোনোভান
| date = ৭ জানুয়ারি ২০২১
| title = Republican US Rep. Adam Kinzinger calls for 25th Amendment to remove President Trump from office
| trans-title = রিপাবলিকান মার্কিন প্রতিনিধি অ্যাডাম কিনজিঙ্গার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে পদ থেকে সরাতে ২৫তম সংশোধনীর আহ্বান জানিয়েছেন
| url = https://www.chicagotribune.com/politics/ct-adam-kinzinger-trump-calls-for-invoking-25th-amendment-20210107-ldf2chdunbecbo6ry6uino4dpq-story.html
}} দ্বারা উদ্ধৃত
* যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের সবচেয়ে বাজে প্রেসিডেন্ট। তিনি ছিলেন একজন মিথ্যাবাদী এবং ভণ্ড। আমার দেখা সবচেয়ে ভঙ্গুর অহংবোধের অধিকারী মানুষ ছিলেন তিনি।
** অ্যাডাম কিনজিঙ্গার, {{cite web
| author = ব্র্যাডলি কর্টরাইট
| date = ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২২
| title = Kinzinger Ramps Up Criticism of Trump: I Will Tell My Son He Was the 'Worst President'
| trans-title = কিনজিঙ্গার ট্রাম্পের সমালোচনা বাড়িয়েছেন: আমি আমার ছেলেকে বলব তিনি ছিলেন 'সবচেয়ে বাজে প্রেসিডেন্ট'
| url = https://ijr.com/kinzinger-ramps-criticism-trump-will-tell-son-worst-president/
}} দ্বারা উদ্ধৃত
* দেয়াল নয়, আমি সারাজীবন সেতু নির্মাণ করে এবং বাধা ভেঙে কাটিয়েছি। এই কারণেই ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশ্বাস যে মেক্সিকান বংশোদ্ভূত একজন আমেরিকান বিচারক তার মামলার ন্যায্য বিচার করতে অক্ষম; এটি কেবল সম্পূর্ণ ভুলই নয়, বরং আমেরিকা-বিরোধী। নির্বাচনী প্রচারণার সময় আমি আশা করেছিলাম যে এই বাগাড়ম্বরপূর্ণ কথাবার্তা কমে আসবে এবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, চিন্তাশীল ও নীতিবান প্রচারণার প্রতিফলন ঘটবে। আমি ডেমোক্র্যাটিক প্রার্থীকে সমর্থন না করলেও, হিস্পানিক, নারী এবং আমার মতো প্রতিবন্ধীদের ওপর অতীতের আক্রমণের প্রেক্ষাপটে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক বিবৃতিগুলো এটি নিশ্চিত করে যে আমি প্রেসিডেন্ট পদে আমার দলের প্রার্থীকে সমর্থন করতে পারি না এবং করব না। এতে আমার প্রার্থিতা বা রিপাবলিকান পার্টির ওপর রাজনৈতিক প্রভাব যা-ই পড়ুক না কেন। আমাদের এমন একজন কমান্ডার-ইন-চিফ দ্বারা পরিচালিত হওয়া অত্যন্ত জরুরি যার মধ্যে দায়িত্বশীল ও সঠিক মেজাজ, বিচক্ষণতা এবং বিচারক্ষমতা রয়েছে। আমাদের প্রেসিডেন্টকে অবশ্যই বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক বাহিনীর নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্য হতে হবে। এর মধ্যে হাজার হাজার পারমাণবিক অস্ত্রের ভাণ্ডারও রয়েছে। অনেক চিন্তাভাবনার পর আমি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি যে বিশ্বের সবচেয়ে বড় পদে বসার জন্য প্রয়োজনীয় মেজাজ ডোনাল্ড ট্রাম্প দেখাতে পারেননি।
** [[মার্ক কার্ক]], ৭ জুন ২০১৬-এ লিন সুইট রচিত ''{{w|শিকাগো সান-টাইমসের|শিকাগো সান-টাইমসের}}'' ''[https://web.archive.org/web/20160608015204/http://chicago.suntimes.com/news/sen-mark-kirk-withdraws-support-for-trump/ সেনেটর মার্ক কার্ক ট্রাম্পের প্রতি সমর্থন প্রত্যাহার করেছেন]'' প্রতিবেদনে উদ্ধৃত।
* আমার মনে হয় ট্রাম্প ইতিহাসের সেই সব ব্যক্তিত্বদের একজন হতে পারেন যারা যুগে যুগে আবির্ভূত হয়ে একটি যুগের সমাপ্তি ঘোষণা করেন এবং সেই যুগকে তার পুরোনো ভান ত্যাগ করতে বাধ্য করেন। এর মানে এই নয় যে তিনি এটি জানেন বা তিনি কোনো বড় বিকল্পের কথা ভাবছেন। এটি কেবল একটি দুর্ঘটনাও হতে পারে।
** [[হেনরি কিসিঞ্জার]], ''ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের'' সাথে সাক্ষাৎকারে, [https://www.ft.com/content/926a66b0-8b49-11e8-bf9e-8771d5404543 ১৮ জুলাই ২০১৮]
* ডোনাল্ড ট্রাম্প—রাজনীতিতে একজন নবীন, নিউ ইয়র্কের একজন বাচাল ব্যক্তি যিনি সত্যকে নিজের মতো করে ব্যবহার করেন, বিশাল অহংবোধের অধিকারী এবং পুরোপুরি একজন ভালো মানুষও নন। তারপরও তিনি রক্ষণশীলদের এমন চমৎকার একটি বছর উপহার দিয়েছেন যা তাদের স্মৃতিতে অমর হয়ে থাকবে এবং এই প্রক্রিয়ায় আমাদের সরকারকে আরও নৈতিক করে তুলেছেন। বামপন্থীরা এবং ডানপন্থীদের অনেকেই এটি বুঝতে পারেনি কারণ তারা লোকটিকে [[ঘৃণা]] করে। আর যেহেতু তারা এটি বুঝতে পারেনি, তাই তারা এটি ঘটতে দেখবে না।
** [[অ্যান্ড্রু ক্লাভান]], পিজে মিডিয়ার "[https://pjmedia.com/andrewklavan/trump-has-made-our-government-more-moral/ ট্রাম্প আমাদের সরকারকে আরও নৈতিক করেছেন]"-এ (১৫ ডিসেম্বর ২০১৭)
* এই শিশুরা এমন সব মানুষ ও প্রতিষ্ঠানের ওপর নিজেদের নৈতিক রায় দিতে প্রস্তুত যারা তাদের জন্য অপেক্ষা করা এক বিপজ্জনক ও ক্ষয়িষ্ণু বিশ্ব সম্পর্কে সব জানত, তবুও তারা কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। তারা জানে যে যুক্তরাষ্ট্রের ডোনাল্ড ট্রাম্প, ব্রাজিলের জাইর বলসোনারো, অস্ট্রেলিয়ার স্কট মরিসন এবং অন্যান্য নেতারা যারা অবজ্ঞার হাসির সাথে পৃথিবীকে পুড়িয়ে ফেলছেন, অথচ সেই বেসিক বিজ্ঞান অস্বীকার করছেন যা এই শিশুরা আট বছর বয়সেই সহজেই বুঝতে পারে, তাদের সম্পর্কে তারা কী ভাবে।
** [[নাওমি ক্লেইন]], ''অন ফায়ার: দ্য (বার্নিং) কেস ফর আ গ্রিন নিউ ডিল'' (২০১৯)
* আমাদের গণতন্ত্র যে নিয়ম ও আইনগুলোর ওপর দাঁড়িয়ে আছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার অনেকগুলোই লঙ্ঘন করেছেন। সীমান্তে "সঙ্কটকে" জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে তিনি কংগ্রেসকে পাশ কাটিয়ে গেছেন। তিনি তার কর্মীদের আইনি তলব উপেক্ষা করার নির্দেশ দেন। পরিবারের সম্পদ বাড়ানোর জন্য তিনি নিজের প্রেসিডেন্ট পদ ব্যবহার করেন। নিয়োগকৃতদের কাছ থেকে তিনি নিরঙ্কুশ আনুগত্য দাবি করেন। তিনি সত্যকে একজন স্বৈরশাসকের মতো দেখেন এবং নিজের "ভুয়া খবর" সমস্যা নিয়ে ভ্লাদিমির পুতিনের সাথে মজা করেন। তিনি নারীবিদ্বেষ নিয়ে গর্ব করেন এবং বর্ণবাদী অপমান করেন। ট্রাম্প একজন স্বৈরশাসক নন। তবে প্রাথমিক যুগে মুসোলিনি এবং হিটলারও স্বৈরশাসক ছিলেন না। আমাদের রাস্তায় কোনো কালো বা বাদামী শার্ট পরা বাহিনী মিছিল করে না। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মদদদাতারা সাদা শার্ট ও কালো পোশাক পরেন। তারা ঐক্যবদ্ধ। ডেমোক্র্যাটরা নয়।
** [[ক্লডিয়া কুনজ]], ''{{w|হিস্ট্রি নিউজ নেটওয়ার্ক|হিস্ট্রি নিউজ নেটওয়ার্কের}}'' ''[https://historynewsnetwork.org/article/173030 স্বৈরশাসকদের গণতন্ত্র ধ্বংস করতে সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রয়োজন নেই। একটি বিভক্ত বিরোধী দল তাদের সাহায্য করে।]''তে (১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯)
* দেখুন। আমেরিকান পচনের এই দুর্গন্ধযুক্ত মৃতদেহটিকে একটি বেমানান স্যুটে ঢোকানো হয়েছে: একজন প্রতারকের নোংরামি, যুদ্ধ এড়ানো এক কাপুরুষের দুর্বলতা, পরজীবীর লোভ, কু ক্লাক্স ক্ল্যান সদস্যের বর্ণবাদ, পেছনের গলির এক বিকৃত মানুষের লিঙ্গবৈষম্য, বারে বসা মাতালের অজ্ঞতা এবং হেজ ফান্ডের এক রক্তচোষার লালসা—এই সবকিছুতে কমলা রঙের স্প্রে করে কোনো এক মেলায় একটি সেরা শুকরছানার মতো প্রদর্শন করা হচ্ছে।<br>কোনো প্রেসিডেন্ট নন। এমনকি একজন মানুষও নন। এই দেশ যা নয় বলে শপথ করে, অথচ বরাবরই যা হয়ে এসেছে, এটি তারই এক বিকৃত নির্যাস—ব্যতিক্রমী পরিচয়ে ঢাকা অহংকার, সাধারণ জ্ঞানের আড়ালে লুকিয়ে থাকা বোকামি, সাহসিকতা হিসেবে বিক্রি হওয়া নিষ্ঠুরতা, উচ্চাকাঙ্ক্ষার রূপ নেওয়া লোভ এবং ধর্মের মতো পূজিত দুর্নীতি।<br>এটি আমেরিকার অন্ধকারের বাস্তব রূপ। এটি একটি পচা মিষ্টি কুমড়ার মূর্তি যা প্রমাণ করে যে, যখন একটি জাতি অর্থ, ক্ষমতা এবং বিদ্বেষের কাছে মাথা নত করে, তখন তারা শুধু তাদের আত্মাই হারায় না—তারা এই ফুলে ওঠা অশ্লীলতাকে বের করে আনে এবং তাকে নেতা বলে ডাকে।
** অলিভার কর্নেটজকে, [https://www.thepoke.com/2025/09/27/this-vividly-insulting-description-of-donald-trump-is-the-most-brutal-summary-of-the-us-president-youll-ever-read/?callback=in&code=NJDJM2E2MZYTMGJKNS0ZZMUXLWFIMJITZMRLNGFHMTFMYTY0&state=8ee969016a444a30b9ef4685545bba10/"ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই অপমানজনক বর্ণনাটি মার্কিন প্রেসিডেন্টের সবচেয়ে নিষ্ঠুর সারসংক্ষেপ যা আপনি কখনো পড়বেন"], মূলত ১৮ আগস্ট ২০২৫-এ ফেসবুকে পোস্ট করা হয়েছে, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫-এ মাইকেল হোয়াইট দ্বারা ''দ্য পোকে'' পুনরায় পোস্ট করা হয়েছে
* দেখুন, ট্রাম্প নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি আমাদের প্রেসিডেন্ট হবেন এবং রক্ষণশীলদের বেছে নেওয়ার অধিকার তার আছে। কিন্তু অনেক নীতিবান রিপাবলিকানের দিকে না ঝুঁকে তিনি বদমেজাজি ও ধর্মান্ধদের প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছেন বলে মনে হচ্ছে। এর মাধ্যমে তিনি নিজেকে ও আমাদের জাতিকে লজ্জিত করছেন।
** [[নিকোলাস ডি. ক্রিস্টফ]], ''{{w|দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের}}'' ''[http://www.nytimes.com/2016/11/20/opinion/sunday/so-many-options-yet-donald-trump-picks-the-ugly.html ট্রাম্প নিজেকে এবং আমাদের দেশকে লজ্জিত করেছেন]''-এ (১৯ নভেম্বর ২০১৬)
* ডোনাল্ড ট্রাম্প কি অশ্লীলতার চরম প্রতিমূর্তি নন? সংক্ষেপে বলতে গেলে... [[ট্রাম্পবাদ]] কি সেই সস্তা সিজারবাদের একটি রূপ নয় যা মার্কিন রক্ষণশীলরা বরাবরই ঘৃণা করে এসেছেন? আজ রক্ষণশীলদের কাজ কি ট্রাম্পবাদের সামনে দাঁড়িয়ে 'থামো' বলে চিৎকার করা নয়?
** উইলিয়াম ক্রিস্টল, ''ন্যাশনাল রিভিউের'' [http://www.nationalreview.com/article/430126/donald-trump-conservatives-oppose-nomination "ট্রাম্পের বিরুদ্ধে রক্ষণশীলরা"] প্রতিবেদনে (২১ জানুয়ারি ২০১৬)
* আফ্রিকান-আমেরিকানদের আর কী হারানোর আছে, ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশ্ন করেছেন।
** [[পল ক্রুগম্যান]], যুক্তরাষ্ট্রে আফ্রিকান আমেরিকানদের বিষয়ে ট্রাম্পের মন্তব্যের বিষয়ে। [https://twitter.com/paulkrugman/status/766985736843165696 টুইটার, ২০ আগস্ট ২০১৬]
=== এল ===
* সাধারণ শত্রুর মতো আর কিছুই মানুষকে তাদের মধ্যকার মিলগুলো বুঝতে সাহায্য করে না। একসময় এমন ঐকমত্য ছিল যে সভ্যতা, সহানুভূতি, অভিবাসন, সমান সুযোগ এবং বিদেশি মিত্ররা ভালো। আর বর্ণবাদ, নারীবিদ্বেষ, বৈষম্য, ভোটার দমন এবং বিদেশি স্বৈরশাসকরা খারাপ। মার্কিন সামরিক বাহিনী, গোয়েন্দা সম্প্রদায়, রাজনৈতিক নেতা, বিজ্ঞান, সংবিধান এবং আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করা স্বাভাবিক ছিল। আমেরিকার প্রতিশ্রুতিগুলো সরল বিশ্বাস, আপস এবং ক্ষমতার ভারসাম্যের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছিল এবং প্রেসিডেন্টদের রোল মডেল বা আদর্শ হওয়া উচিত বলে মনে করা হতো।
** {{cite web |date=১৯ অক্টোবর ২০২০ |title=Trump’s COVID-19 Misinformation Since Testing Positive |trans-title=পজিটিভ হওয়ার পর থেকে ট্রাম্পের কোভিড-১৯ সংক্রান্ত ভুল তথ্য |author=জিল লরেন |periodical=ইউএসএ টুডে |url=https://usatoday.com/story/opinion/voices/2020/10/19/never-trump-conservatives-for-biden-patriots-role-models-column/3696503001/}}
* ২০১৭ সালের ২০ জানুয়ারি ডোনাল্ড জন ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হন। সরকার পরিচালনার বিষয়ে তার কোনো দক্ষতা ছিল না এবং তিনি এই পদের নৈতিক আহ্বানে সাড়া দেননি। তবে তিনি তার অতুলনীয় ক্ষমতার অহংকারে মত্ত ছিলেন। ট্রাম্পের মেয়াদের প্রথম তিন বছর এক ব্যক্তির প্রেসিডেন্সি হিসেবে উন্মোচিত হয়েছিল, যেখানে সর্বজনীন মূল্যবোধ ছিল আনুগত্য; এটি দেশের প্রতি নয়, বরং স্বয়ং প্রেসিডেন্টের প্রতি। কেলেঙ্কারি, বাগাড়ম্বর এবং লাগামহীন বিশৃঙ্খলা রাজত্ব করেছিল। আত্মরক্ষা এবং আত্ম-প্রচারের প্রতিবর্তী যুক্তির দ্বারা সিদ্ধান্তগুলো পরিচালিত হয়েছিল। আত্মরতি এবং নিরাপত্তাহীনতা থেকে জন্ম নেওয়া বিভ্রমগুলো বাস্তবতাকে গ্রাস করেছিল।
** ক্যারল লিওনিগ এবং ফিলিপ রাকার, ''আই অ্যালোন ক্যান ফিক্স ইট: ডোনাল্ড জে. ট্রাম্পস ক্যাটাস্ট্রফিক ফাইনাল ইয়ার'' (২০২১), পৃষ্ঠা ১
* ২০২০ সাল আমেরিকার যুগে চরম যন্ত্রণা ও চরম ব্যর্থতার বছর হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। করোনাভাইরাস মহামারীতে যুক্তরাষ্ট্রে পাঁচ লাখেরও বেশি মানুষ মারা গেছে এবং আরও কোটি কোটি মানুষ আক্রান্ত হয়েছে। এটি এক শতাব্দীর মধ্যে সবচেয়ে মারাত্মক স্বাস্থ্য সংকট। যদিও প্রশাসনের অপারেশন ওয়ার্প স্পিড রেকর্ড সময়ের মধ্যে ভ্যাকসিন তৈরি করতে সাহায্য করেছিল, তবে সামগ্রিক করোনাভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রেসিডেন্ট অব্যবস্থাপনা দেখিয়েছেন এবং অযোগ্যতা ও অভ্যন্তরীণ কলহ একে কলঙ্কিত করেছে। এই ভাইরাসটি ২০২০ সালে ট্রাম্পের মুখোমুখি হওয়া অনেক সংকটের মধ্যে মাত্র একটি ছিল। মহামারীতে অর্থনীতি স্থবির হয়ে পড়ে এবং দেশ এক মন্দার কবলে পড়ে। এ সময় স্বল্প আয়ের শ্রমিকরা, যাদের বেশিরভাগই ছিল সংখ্যালঘু, সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ২৫ মে শ্বেতাঙ্গ পুলিশ কর্মকর্তার হাঁটুর নিচে কৃষ্ণাঙ্গ জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যুর ঘটনায় বর্ণবাদী ন্যায়বিচার এবং পুলিশি বৈষম্য ও বর্বরতার অবসানের দাবিতে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। অথচ ট্রাম্প ব্যক্তিগত রাজনৈতিক ফায়দা লোটার জন্য এই ক্রমবর্ধমান বিভাজনকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করেছিলেন। তিনি দ্রুত নিজেকে "আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী প্রেসিডেন্ট" ঘোষণা করেন এবং ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত সেনা মোতায়েন করতে পেন্টাগন নেতাদের ওপর নিরন্তর চাপ প্রয়োগ করেন। অন্যদিকে, ক্রমবর্ধমান জলবায়ু সংকট ট্রাম্প প্রায় পুরোপুরি উপেক্ষা করেন। মেয়াদের শুরুতে তিনি পরিবেশগত নিয়মকানুনগুলো বাতিল করেছিলেন এবং প্যারিস চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করেছিলেন। এর বদলে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের বৈধতা নিয়ে সন্দেহ জাগিয়ে তোলায় ব্যস্ত ছিলেন। জো বাইডেনের কাছে হেরে যাওয়ার পর ট্রাম্প ষড়যন্ত্রের আগুনে ঘি ঢেলেছেন এবং অস্তিত্বহীন জালিয়াতির কথা বলে হাহাকার করেছেন। "সাজানো নির্বাচনের" বিষয়ে তার মিথ্যা দাবি হাজার হাজার মানুষকে ক্যাপিটল ভবনে হামলা চালাতে উৎসাহিত করেছিল, যা ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারি এক সহিংস ও শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ বিদ্রোহে রূপ নেয়।
** ক্যারল লিওনিগ এবং ফিলিপ রাকার, ''আই অ্যালোন ক্যান ফিক্স ইট: ডোনাল্ড জে. ট্রাম্পস ক্যাটাস্ট্রফিক ফাইনাল ইয়ার'' (২০২১), পৃষ্ঠা ২
* ট্রাম্পের বেশিরভাগ ব্যর্থতা একটি সহজ সত্য দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায়: তিনি দেশের চেয়ে নিজের ব্যাপারে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। করোনাভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবিলা করা হোক বা নিজের নির্বাচনী পরাজয়ের প্রতিক্রিয়া... ট্রাম্প সর্বদা যেটি তিনি নিজের রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত স্বার্থের পক্ষে বলে মনে করতেন, সেটিকেই সাধারণের কল্যাণের উপরে অগ্রাধিকার দিয়েছেন।
** ক্যারল লিওনিগ এবং ফিলিপ রাকার, ''আই অ্যালোন ক্যান ফিক্স ইট: ডোনাল্ড জে. ট্রাম্পস ক্যাটাস্ট্রফিক ফাইনাল ইয়ার'' (২০২১), পৃষ্ঠা ৪
* ধূর্ততার সাথে নির্লজ্জতা এবং অস্বাভাবিক রাজনৈতিক মানসিক শক্তির কারণে ট্রাম্প তার অনেক রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে পেরেছেন। সুপ্রিম কোর্টে তিনটি মনোনয়নসহ ফেডারেল বিচার ব্যবস্থাকে নতুন করে সাজানোর মাধ্যমে তিনি তার রক্ষণশীল ভোটারদের খুশি করেছিলেন। তিনি কর্পোরেশন এবং ধনীদের কর কমিয়েছিলেন, সামরিক বাহিনীকে সম্প্রসারিত করেছিলেন, সীমান্ত প্রয়োগ জোরদার করেছিলেন এবং নিয়ন্ত্রক রাষ্ট্রকে দুর্বল করেছিলেন। ট্রাম্প নতুন দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তিও গঠন করেন, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি চুক্তির মধ্যস্থতা করেন এবং ইউরোপীয় মিত্রদের কাছ থেকে ছাড় আদায় করেন, যারা যুক্তরাষ্ট্রের সুবিধা নিচ্ছে বলে তিনি দাবি করতেন। ট্রাম্প প্রায় দ্বিতীয় মেয়াদে জিতেই গিয়েছিলেন। ৭ কোটি ৪০ লাখেরও বেশি মানুষ তাকে পুনরায় নির্বাচিত করতে ভোট দিয়েছিল—যা এযাবতকালের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট। সর্বোচ্চ ভোট ছিল বাইডেনের ৮ কোটি ১০ লাখ। বাইডেন যদি কয়েকটি সুইং স্টেটে না জিততেন, তবে ট্রাম্প ইলেকটোরাল কলেজে জিতে আরও চার বছরের জন্য ক্ষমতায় থাকতেন। তাই তার প্রেসিডেন্সিকে একটি ব্যর্থতা হিসেবে উড়িয়ে দেওয়া এবং এই অধ্যায়টি বন্ধ করে দেওয়া বোকামি হবে। বরং আমাদের বুঝতে চেষ্টা করতে হবে কী কারণে তিনি এত মানুষের কাছে এতটা আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছিলেন এবং এটি দেশ সম্পর্কে কী প্রকাশ করে।
** ক্যারল লিওনিগ এবং ফিলিপ রাকার, ''আই অ্যালোন ক্যান ফিক্স ইট: ডোনাল্ড জে. ট্রাম্পস ক্যাটাস্ট্রফিক ফাইনাল ইয়ার'' (২০২১), পৃষ্ঠা ৬-৭
* মরিয়া মানুষ মরিয়া সময়ে মরিয়া হয়ে অনেক কিছু করে। দুর্ভাগ্যবশত আমেরিকার জনগণ কোভিড-১৯-এর ভয়াবহ সময় পার করছে। তবে '''এই প্রেসিডেন্ট এখন মরিয়া হয়ে উঠেছেন'''... তিনি যখন সিনেটর হ্যারিস সম্পর্কে বাজে কথা বলেন, তখন আসলে '''তিনি নারীদের সম্পর্কেই বাজে কথা বলেন'''। আমরা তা শুনতে পাই এবং এটি '''পুরো দেশজুড়ে একটি তীব্র সাইরেনের মতো বাজে'''।
** [[শিলা জ্যাকসন লি]], ২৬ অক্টোবর ২০২০-এ [https://www.facebook.com/AC360/videos/trump-intentionally-mispronouncing-kamala-harris-name/715040455763281/ অ্যান্ডারসন কুপার ৩৬০ (ভিডিও)]তে
* যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের প্রতিষ্ঠানটি টক শো করা একজন মানুষের চেয়ে অনেক বড় হওয়া উচিত।
** প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং এফসিসি চেয়ারম্যান ব্রেন্ডন কারের চাপের মুখে সম্প্রতি জিমি কিমেলকে বরখাস্ত করার প্রতিক্রিয়ায় আটলান্টিক ফেস্টিভ্যালে [[ডেভিড লেটারম্যান]]। ''দ্য আটলান্টিকের'' [https://www.theatlantic.com/culture/archive/2025/09/david-letterman-jimmy-kimmel-atlantic-festival/684254/ ডেভিড লেটারম্যানের জিমি কিমেল প্রতিক্রিয়া: 'আমরা সবাই দেখতে পাচ্ছি এটি কোথায় যাচ্ছে, তাই না?'] প্রতিবেদনে (১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫)
* জনপ্রিয় সংস্কৃতিতেও স্যাডিজম বা অন্যের কষ্টে আনন্দ পাওয়ার বিষয়টি একটি বিশিষ্ট অবস্থান খুঁজে পেয়েছে। বর্তমানের অনেক প্রাইম-টাইম টেলিভিশন সিরিজ তাদের জনপ্রিয়তার জন্য স্যাডিস্টিক বা নিপীড়নমূলক প্রবৃত্তির কাছে ঋণী। দর্শকরা এনবিসির 'ফিয়ার ফ্যাক্টর' অনুষ্ঠানে প্রতিযোগীদের পোকামাকড় ও কীটপতঙ্গ খেতে দেখে ভয় পেলেও তা থেকে দারুণ আনন্দ উপভোগ করেন। এছাড়া ডোনাল্ড ট্রাম্প তার অত্যন্ত জনপ্রিয় সিরিজ 'দ্য অ্যাপ্রেন্টিস'-এ কোনো রকম দ্বিধা ছাড়াই "ইউ আর ফায়ার্ড" বা "তুমি বরখাস্ত" বলে চিৎকার করেন...
** জ্যাক লেভিন এবং জেমস অ্যালান ফক্স, "নরমালসি ইন বিহেভিয়ারাল ক্যারেক্টারিস্টিকস অব দ্য স্যাডিস্টিক সিরিয়াল কিলার", রিচার্ড এন. কোকসিস সম্পাদিত ''সিরিয়াল মার্ডার অ্যান্ড দ্য সাইকোলজি অব ভায়োলেন্ট ক্রাইমসের'' প্রথম অধ্যায়, ২০০৮ হুমানা প্রেস; পৃষ্ঠা ১২-১৩
* ডোনাল্ড ট্রাম্প রক্ষণশীল নন। এটি কোনো অপরাধ নয়, বরং তাকে ভোট না দেওয়ার একটি কারণ। অনেক ভালো মানুষ আছেন যারা রক্ষণশীল নন। তবে ট্রাম্পের প্রার্থিতা ডানপন্থীদের যে কারণে চিন্তার বিষয়, তার শিকড় অনেক গভীরে। তিনি রক্ষণশীলতার প্রতি সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন। কারণ রাজনীতি বাদ দিয়ে তিনি শুধু ব্যবস্থাপকসুলভ নেতৃত্বের ফাঁকা প্রতিশ্রুতির প্রতিমূর্তি।
** ইউভাল লেভিন, ''ন্যাশনাল রিভিউের'' [http://www.nationalreview.com/article/430126/donald-trump-conservatives-oppose-nomination "ট্রাম্পের বিরুদ্ধে রক্ষণশীলরা"] প্রতিবেদনে (২১ জানুয়ারি ২০১৬)
* ট্রাম্প... একজন অস্থিতিশীল, বেপরোয়া এবং অযৌক্তিক চরমপন্থী যিনি কোনো আইনের শাসনে আবদ্ধ নন। গ্রহের সম্পদ লুণ্ঠনের পথে থাকা সব বাধা দূর করতে তিনি মরিয়া। তিনি আবার জিতলে তার ওপর এই সামান্য নিয়ন্ত্রণটুকুও থাকবে না। তার কিছু পদক্ষেপ হবে বিপর্যয়কর ও অপরিবর্তনীয়।
** [[অরোরা লেভিন্স মোরালেস]], [https://convergencemag.com/articles/midnight-in-the-latrines-again/ "মিডনাইট ইন দ্য ল্যাট্রিনস"]-এ (২০২০)
* আমরা এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছি যেখানে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও অন্যান্যদের মুখ দিয়ে যা বেরোচ্ছে, তা একটি অগভীর, অশ্লীল এবং সহানুভূতিহীন রক্ষণশীলতার সমতুল্য। দুঃখজনকভাবে অনেক রিপাবলিকানের কাছে বুশ এখন হাসির পাত্র এবং ট্রাম্প হলেন বর্তমানের সবচেয়ে জনপ্রিয় উন্মাদনা।
** ম্যাট লুইস, ''দ্য ডেইলি বিস্টের'' [http://www.thedailybeast.com/articles/2015/11/25/you-guys-i-m-starting-to-miss-dubya.html "তোমরা, আমি ডাবিয়াকে মিস করতে শুরু করেছি"]তে (২৫ নভেম্বর ২০১৫)
* কাশেম সোলেইমানিকে হত্যার জন্য প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্দেশ নৈতিক, সাংবিধানিক এবং কৌশলগতভাবে সঠিক ছিল। এ পর্যন্ত আমার সহকর্মী ডেমোক্র্যাটদের কাছ থেকে এটি যে অনিচ্ছুক বা নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া পেয়েছে, তার চেয়ে এটি আরও বেশি দ্বিদলীয় সমর্থন পাওয়ার দাবি রাখে।
** জো লিবারম্যান, ''দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের'' [https://www.wsj.com/articles/the-democrats-and-iran-11578262553 "দ্য ডেমোক্র্যাটস অ্যান্ড ইরান"]-এ (৫ জানুয়ারি ২০২০)
* আমি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে চিনি। তিনি আমার রেডিও এবং টেলিভিশন প্রোগ্রামে নিয়মিত অতিথি হিসেবে এসেছেন। ২০১৫ সালে আমি তাকে কনজারভেটিভ পলিটিকাল অ্যাকশন কনফারেন্সে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলাম। তিনি সবসময় অমায়িক এবং প্রশংসাকারী ছিলেন। আমি সত্যিই তাকে পছন্দ করি। তবে প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে নয়।
** ডানা লোয়েশ, ''ন্যাশনাল রিভিউের'' [http://www.nationalreview.com/article/430126/donald-trump-conservatives-oppose-nomination "ট্রাম্পের বিরুদ্ধে রক্ষণশীলরা"] প্রতিবেদনে (২১ জানুয়ারি ২০১৬)
* হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের সময় অবশেষে শেষ হয়েছে। তার প্রেসিডেন্সিকে বিশৃঙ্খলা, বিভাজন, হুমকি এবং ঘৃণার সারসংক্ষেপ হিসেবে বলা যেতে পারে। ঘৃণা এবং চরমপন্থাকে প্রশ্রয় দিলে কী হতে পারে, এটি তার একটি সতর্কবার্তা।
** স্টেফান লোফভেন, সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী, [https://www.facebook.com/stefanlofven/posts/5326105824096935 ফেসবুকে, ২০ জানুয়ারি ২০২১] (সুইডিশ ভাষায়)
* বিভিন্ন গোষ্ঠীর কাছে ট্রাম্পের আকর্ষণ বোধগম্য হলেও, তিনি রিপাবলিকান এবং বিশেষ করে রক্ষণশীলদের জন্য একটি ভয়াবহ প্রতিনিধি। আমরা সাধারণত প্রার্থীদের মূল্যায়ন করার জন্য যে মানদণ্ডগুলো ব্যবহার করি, তাদের রেকর্ড, দৃষ্টিভঙ্গি, সাধারণ মানুষের কাছে তাদের জনপ্রিয়তা, তাদের অভিজ্ঞতা, তাদের মেজাজ, তাদের চরিত্র সেই মানদণ্ডে ট্রাম্পকে শুরুতেই বাতিল করা উচিত। কোনো প্রার্থীই নিখুঁত নন। তবে বিপুলসংখ্যক রক্ষণশীল এর আগে কখনোই এতগুলো দিক দিয়ে স্পষ্ট ঘাটতি থাকা কোনো প্রার্থীকে সমর্থন করেননি। ট্রাম্পের দীর্ঘদিনের উদারপন্থী অবস্থানের ইতিহাস, যা সাম্প্রতিক অতীত পর্যন্ত বিস্তৃত, তা একাই তাকে অযোগ্য ঘোষণার জন্য যথেষ্ট হওয়া উচিত নয়। রক্ষণশীলতা বরাবরই ধর্মান্তরিতদের স্বাগত জানিয়েছে। তবে রক্ষণশীলরা ধর্মান্তরিত ব্যক্তিকে উচ্চ পদে বসানোর আগে তাদের নীতির প্রতি কোনো প্রমাণিত প্রতিশ্রুতি বা তাদের কারণকে এগিয়ে নিয়ে যায় এমন কোনো কাজের প্রত্যাশা করেছেন। উদাহরণস্বরূপ, ১৯৯৪ সালে মিট রমনি যখন সিনেটের জন্য লড়েন, তখন তিনি রেগান-যুগের রক্ষণশীলতা থেকে দূরত্ব বজায় রাখার চেষ্টা করেছিলেন। পরে তিনি ডানপন্থায় চলে যান। তবে তার সবচেয়ে কম রক্ষণশীল দিনগুলোতেও রমনি একটি ছোট সরকার এবং কম করের পক্ষে যুক্তি দিচ্ছিলেন (এবং টেড কেনেডির ক্যারিয়ার শেষ করার পক্ষেও ছিলেন)। এর বিপরীতে, রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট পদে মনোনয়নের জন্য লড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ট্রাম্প রক্ষণশীলদের কোনো কারণে মূলত কিছুই করেননি।
** [[রিচ লোরি]] এবং রমেশ পোন্নুরু, ''ন্যাশনাল রিভিউের'' [http://www.nationalreview.com/article/425010/donald-trump-lowry-ponnuru "ট্রাম্প রং দ্য রাইট"]-এ (১৯ অক্টোবর ২০১৫)
* ট্রাম্প স্পষ্টতই তার প্রশাসনে কখনো সম্পদ পরীক্ষা চাপিয়ে দিতে চাননি। তেমনটা চাইলে তিনি নিজেই সেই পরীক্ষায় ব্যর্থ হতেন। তিনি এই কথার প্রমাণ যে জনতুষ্টিবাদী সংস্কারের এজেন্ডার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার ক্ষেত্রে সম্পদ কোনো বাধা নয়।
** রিচ লোরি, ''{{w|পলিটিকো|পলিটিকো}}''র ''[http://www.politico.com/magazine/story/2016/11/no-the-swamp-wont-be-drained-214493 নো, দ্য সোয়াম্প ওন্ট বি ড্রেইনড]''-এ (১ ডিসেম্বর ২০১৬)
* তিনি জলাভূমি পরিষ্কার করবেন না, বরং ভিন্ন কুমিরদের খাওয়াবেন।
** রিচ লোরি, ''{{w|পলিটিকো|পলিটিকো}}''র ''[http://www.politico.com/magazine/story/2016/11/no-the-swamp-wont-be-drained-214493 নো, দ্য সোয়াম্প ওন্ট বি ড্রেইনড]''-এ (১ ডিসেম্বর ২০১৬)
* শিশুদের খাঁচায় বন্দি রাখা, বন্দি নারীদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে অস্ত্রোপচার করা এবং লক্ষ লক্ষ মানুষ মারাত্মক ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পরও বিজ্ঞানকে অবজ্ঞা করা কোনো প্রশাসনের অংশগ্রহণকারী বড় বই চুক্তির রুটিনমাপিক দয়ায় আর্থিকভাবে লাভবান হওয়া উচিত নয়। ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারি অভ্যুত্থান চেষ্টায় প্ররোচিত, উসকানিদাতা বা সমর্থনকারী কারও দর্শন আমাদের প্রিয় প্রকাশনা সংস্থাগুলোর মাধ্যমে পারিশ্রমিকের বিনিময়ে প্রচার হওয়া উচিত নয়।
** ঔপন্যাসিক ব্যারি লিগা, আমেরিকান সাহিত্য সম্প্রদায়ের ২৫০ জনেরও বেশি লেখক, সম্পাদক, এজেন্ট এবং অধ্যাপকদের স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে, {{cite web |date=১৫ জানুয়ারি ২০২১ |title=Hundreds in publishing sign letter objecting to book deals for the Trump administration |trans-title=প্রকাশনা শিল্পের শত শত মানুষ ট্রাম্প প্রশাসনের বই চুক্তির প্রতিবাদে চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন |author=ডোরানি পিনেদা |periodical=লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস |url=https://www.latimes.com/entertainment-arts/books/story/2021-01-15/book-world-signs-letter-to-block-trump-book-deals}}-এ উদ্ধৃত
* আপনি যখন সেখানে উঠে বলার চেষ্টা করবেন যে আপনি হিলারি ক্লিনটনকে জিততে দেখতে চান, তখন তা খুব একটা বড় প্রভাব ফেলবে না। ট্রাম্প আমাকে বিক্রি করে দিয়েছেন। আমি আর কী বলতে পারি? আমার মনে হয় তিনিই একমাত্র ব্যক্তি যিনি এই দেশকে বদলে দিতে পারবেন।
** লোরেটা লিন, কেইটলান কলিন্স রচিত ''দ্য ডেইলি কলারের'' [http://dailycaller.com/2016/01/13/this-huge-country-star-just-revealed-the-republican-shes-supporting-for-president/ "এই বিশাল কান্ট্রি স্টার সবেমাত্র প্রকাশ করেছেন যে তিনি প্রেসিডেন্ট পদে কোন রিপাবলিকানকে সমর্থন করছেন"] প্রতিবেদনে উদ্ধৃত (১৩ জানুয়ারি ২০১৬)
=== এম ===
* তারা কতটা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে তা ঢাকতেই তারা এমনটা করে। যে পুরুষ নিজের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী, যে মানুষ নিজের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী, তাকে সারাক্ষণ মানুষের সাথে খবরদারি করে বেড়াতে হয় না।
** তিনি কখনো ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে ডেটে যাওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন তা সত্য নয় বলে [[ম্যাডোনা]] উল্লেখ করেন। ৫ জুন ২০১৯-এ প্রকাশিত [https://www.nytimes.com/2019/06/05/magazine/madonna-madame-x.html ম্যাডোনা অ্যাট সিক্সটি] অনুযায়ী
* ডোনাল্ড ট্রাম্প তার সমস্ত বাগাড়ম্বর সত্ত্বেও অন্তত আসলভাবেই একজন নির্বোধ। এই অন্য লোকগুলো হলো সস্তা ভাঁড়। ট্রাম্প একেবারে আসল জিনিস। আর ঈশ্বর আমাকে সাহায্য করুন, আমি মনে হয় ওভাল অফিসে তাকে দেখতেই বেশি পছন্দ করব, যে তার অধীনস্থ রাজনীতিকদের দ্বারা বোকার মতো হেরে যাবে। তার বদলে এমন একজন যেমন কারসনকে আমি চাই না যে তার সবটুকু বুদ্ধিবৃত্তিক বিশ্বাসযোগ্যতা বিসর্জন দিয়ে এমন এক নাগরিক সমাজের ওপর রাজত্ব করবে যাদের প্রতি তার খুব একটা সম্মান আছে বলে মনে হয় না।
** {{w|ড্রিউ ম্যাগেরি}}, ''জিকিউের'' [http://www.gq.com/story/fuck-ben-carson "ফাক বেন কারসন"]-এ (৮ অক্টোবর ২০১৫)
* নতুন নিয়ম: যখনই আপনি ভাববেন টি পার্টি এর চেয়ে বেশি নির্বোধ হতে পারে না, তখনই তারা আরও নির্বোধ হয়ে ওঠে। এখন তারা ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রেমে পড়েছে। কারণ তিনবার দেউলিয়া হওয়া কর্পোরেশনের মালিক এক বিলিয়নিয়ারের মতো আর কিছুই "আমরা আর্থিকভাবে দায়িত্বশীল" কথাটি প্রমাণ করে না।
** {{cite web
| author = [[বিল মাহের]]
| year = ২০১১
| title = The New New Rules: A Funny Look At How Everybody But Me Has Their Head Up Their Ass
| trans-title = দ্য নিউ নিউ রুলস: আ ফানি লুক অ্যাট হাউ এভরিবডি বাট মি হ্যাজ দেয়ার হেড আপ দেয়ার অ্যাস
| location = নিউ ইয়র্ক
| publisher = ব্লু রাইডার প্রেস
| isbn = 978-0399158414
}}
* ডোনাল্ড ট্রাম্পের ব্যাপারটি হলো: তিনি কখনো ক্ষমা চান না। তিনি যত পাগলামিই বলুন না কেন, তিনি কখনো ভুল করেন না। তিনি পুরোপুরি, তিনি শ্বেতাঙ্গ কানইয়ে। আর তারা তাকে ভালোবাসবে। যে দলের ভিত্তি ঔদ্ধত্যকে ভালোবাসে, তার জন্য এই লোকটিই উপযুক্ত।
** বিল মাহের, {{cite web
| date = ২৬ জুন ২০১৫
| title = Real Time with Bill Maher
| trans-title = রিয়েল টাইম উইথ বিল মাহের
| medium = টিভি
| url = https://www.youtube.com/watch?v=oTL-M3e6lq0
}}
* আপনি কি জানেন যে মাথাপিছু সর্বোচ্চ ব্যথানাশক ওষুধের প্রেসক্রিপশন থাকা ১৪টি রাজ্যের সবগুলোই ট্রাম্পকে ভোট দিয়েছে?
** বিল মাহের ''রিয়েল টাইম উইথ বিল মাহেরে'', ২০ জানুয়ারি ২০১৭
* "পুরুষালি" হওয়ার প্রচলিত সংজ্ঞাকে তার আচরণ হার মানায়। তিনি ব্রোঞ্জার ব্যবহার করেন, সোনা ও গুজব ভালোবাসেন, নিজের শারীরিক গঠন নিয়ে আচ্ছন্ন থাকেন, সারাক্ষণ ঘ্যানঘ্যান করেন, নিজের আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন না, দিনের বেলা টেলিভিশন দেখেন, প্যারেড ও অন্দরসজ্জা উপভোগ করেন এবং একসময় পারফিউম বিক্রি করতেন।
** উইন্ডসর মান, {{cite web
| date = ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯
| title = The least macho president
| trans-title = সবচেয়ে কম পুরুষালি প্রেসিডেন্ট
| publisher = দ্য উইক
| url = https://theweek.com/articles/816310/least-macho-president
}}
* তিনি আমাদের প্রায় ১০ বছর পিছিয়ে দিয়েছেন। আমাদের যে মূল্যবোধগুলো প্রচার করতে আমরা এত কঠোর পরিশ্রম করেছি, যে মূল্যবোধগুলো প্রচার করে তিনি প্রেসিডেন্ট হয়েছিলেন, আর এখন তিনি এমনটা করে সবকিছু ধ্বংসস্তূপে পরিণত করে গেলেন? নাহ, তাকে ধ্বংস করুন। এটি অন্যান্য প্রত্যেক 'জনতুষ্টিবাদীর' জন্য শিক্ষণীয় হোক।
** ফ্রান্সেস মার্টেল, ব্রেইটবার্ট নিউজের আন্তর্জাতিক সংবাদ সম্পাদক, উইল সমার রচিত ''ডেইলি বিস্টের'' {{cite web
| author = উইল সমার
| date = ১৫ জানুয়ারি ২০২১
| title = ‘Destroy Trump’: Breitbart Staffers Seethe After Capitol Riot
| trans-title = 'ট্রাম্পকে ধ্বংস করুন': ক্যাপিটল দাঙ্গার পর ব্রেইটবার্ট কর্মীদের ক্ষোভ
| publisher = ডেইলি বিস্ট
| url = https://www.thedailybeast.com/breitbart-staffers-clashed-over-blaming-trump-for-capitol-riot-leaked-chats-show?ref=home?ref=home
}} প্রতিবেদনে উদ্ধৃত
* আমার মনে হয় প্রচারণার সময়ও আমি বলেছিলাম যে ট্রাম্প আমাকে সবচেয়ে বেশি জফ্রির কথা মনে করিয়ে দেয়। তাদের দুজনের মানসিক পরিপক্কতার স্তর একই। জফ্রি সবাইকে মনে করিয়ে দিতে পছন্দ করে যে সে রাজা। আর সে মনে করে যে এটি তাকে যেকোনো কিছু করার ক্ষমতা দেয়। আমরা ওয়েস্টেরসের মতো কোনো নিরঙ্কুশ রাজতন্ত্র নই। আমরা একটি সাংবিধানিক প্রজাতন্ত্র। অথচ ট্রাম্প এর অর্থ জানেন বলে মনে হয় না। তিনি মনে করেন প্রেসিডেন্ট পদ তাকে যেকোনো কিছু করার ক্ষমতা দেয়। তাই হ্যাঁ, জফ্রিই হলো ট্রাম্প।
** [[জর্জ আর. আর. মার্টিন]], ১৬ অক্টোবর ২০১৮-এ জেমি সিমস রচিত ''টি: দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস স্টাইল ম্যাগাজিনের'' [https://www.nytimes.com/2018/10/16/t-magazine/george-rr-martin-qanda-game-of-thrones.html "জর্জ আর. আর. মার্টিন টাইমস কর্মীদের জ্বলন্ত প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন"]-এ সাক্ষাৎকারে।
* আজ আমাদের ক্যাপিটলে হওয়া সহিংস হামলা, যা উচ্ছৃঙ্খল জনতার দ্বারা আমেরিকার গণতন্ত্রকে পরাধীন করার একটি চেষ্টা ছিল, তাতে মিস্টার ট্রাম্প উসকানি দিয়েছেন। আমাদের নির্বাচনের প্রতি বিশ্বাস নষ্ট করতে এবং সহনাগরিকদের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধায় বিষ ঢেলে দিতে প্রেসিডেন্ট পদের এই ব্যবহারকে সমর্থন করেছেন এমন কিছু ছদ্মবেশী রাজনৈতিক নেতা, যাদের নাম কাপুরুষতার উদাহরণ হিসেবে কুখ্যাতি পাবে। আমাদের সংবিধান এবং প্রজাতন্ত্র এই কলঙ্ক কাটিয়ে উঠবে। আমরা জনগণ একটি আরও নিখুঁত ইউনিয়ন গঠনের আমাদের অন্তহীন প্রচেষ্টায় আবার একত্রিত হব। আর মিস্টার ট্রাম্প তার প্রাপ্য হিসেবেই এমন একজন মানুষ হিসেবে থেকে যাবেন যার কোনো দেশ নেই।
** জেমস ম্যাটিস {{cite web
| date = ৭ জানুয়ারি ২০২১
| title = Former Defense Secretary Mattis says Trump 'fomented' the security breach at the US Capitol
| trans-title = সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ম্যাটিস বলেছেন মার্কিন ক্যাপিটলে নিরাপত্তা লঙ্ঘনে ট্রাম্প 'উসকানি' দিয়েছেন
| publisher = এবিসি নিউজ
| url = https://abcnews.go.com/Politics/defense-secretary-mattis-trump-fomented-security-breach-us/story?id=75100611
}}
* কমান্ডার-ইন-চিফ হিসেবে ট্রাম্প একটি সম্ভাব্য বিপর্যয়; তিনি অজ্ঞ, অস্থির এবং তার বিচারক্ষমতা দুর্বল। একটি প্রধান রাজনৈতিক দলের প্রার্থী যে তিনি, তা বিশ্বাস করাই কঠিন।
** [[ব্যারি ম্যাককাফ্রে]], অবসরপ্রাপ্ত ফোর-স্টার মার্কিন সেনা জেনারেল, ''টাইমের'' [https://www.yahoo.com/news/does-military-think-donald-trump-204408128.html "সামরিক বাহিনী ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্পর্কে কী ভাবে?"] (১৫ জুন ২০১৬) প্রতিবেদনে উদ্ধৃত
* সম্প্রতি ডোনাল্ড ট্রাম্প এক শহীদ সৈনিকের বাবা-মাকে অপমান করেছেন। তিনি এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন যে তাদের ছেলের মতো মানুষদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া উচিত নয়; দেশের সেবায় যোগ দেওয়ার কথা তো বাদই দিলাম। মিস্টার ট্রাম্পের এই বক্তব্যের সাথে আমি কতটা গভীরভাবে দ্বিমত পোষণ করি তা ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না। আমি আশা করি আমেরিকানরা বুঝতে পারবে যে এই মন্তব্যগুলো আমাদের রিপাবলিকান পার্টি, এর কর্মকর্তা বা প্রার্থীদের দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিনিধিত্ব করে না।
** [[জন ম্যাককেইন]], খিজির ও গাজালা খান সম্পর্কে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্যের বিষয়ে বিবৃতি ({{w|সিএনএন|সিএনএন-এর}} [http://edition.cnn.com/2016/08/01/politics/john-mccain-statement-khan-family/index.html প্রতিলিপি]) (১ আগস্ট ২০১৬)
* ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর আমি কোনো নৈতিক শ্রেষ্ঠত্ব দাবি করি না। আমার একটি দীর্ঘ এবং সুপরিচিত প্রকাশ্য ও ব্যক্তিগত রেকর্ড রয়েছে যার জন্য আমাকে চূড়ান্ত বিচারের দিন জবাবদিহি করতে হবে। আমি আমার আশা ঈশ্বরের করুণা এবং বয়সের সংযমের ওপর রাখছি। আমাদের দেশ যা প্রতিনিধিত্ব করতে পারে এবং যা করা উচিত, তার দৃষ্টান্ত স্থাপন করার জন্য আমি প্রার্থীর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।
** [[জন ম্যাককেইন]], খিজির ও গাজালা খান সম্পর্কে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্যের বিষয়ে বিবৃতি ({{w|সিএনএন|সিএনএন-এর}} [http://edition.cnn.com/2016/08/01/politics/john-mccain-statement-khan-family/index.html প্রতিলিপি]) (১ আগস্ট ২০১৬)
* [[অ্যারিজোনা]] দেখছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য এখন সময় এসেছে আমাদের দেশ এবং রিপাবলিকান পার্টির ভবিষ্যতের জন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করার। যদিও আমাদের পার্টি তাকে মনোনয়ন দিয়েছে, তবে এর অর্থ এই নয় যে আমাদের মধ্যে সেরা মানুষগুলোর মানহানি করার অবারিত ছাড়পত্র তিনি পেয়েছেন।
** [[জন ম্যাককেইন]], খিজির ও গাজালা খান সম্পর্কে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্যের বিষয়ে বিবৃতি ({{w|সিএনএন|সিএনএন-এর}} [http://edition.cnn.com/2016/08/01/politics/john-mccain-statement-khan-family/index.html প্রতিলিপি]) (১ আগস্ট ২০১৬)
* হেলসিংকিতে আজকের সংবাদ সম্মেলন যেকোনো আমেরিকান প্রেসিডেন্টের স্মরণে সবচেয়ে অপমানজনক ঘটনাগুলোর একটি ছিল। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের [[সরলতা]], [[অহংবোধ]], [[মিথ্যা]] [[সমতা]] এবং স্বৈরশাসকদের প্রতি [[সহানুভূতি]] যে কতটা ক্ষতি করেছে তা হিসাব করা কঠিন। ... প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কেবল অক্ষমই নন, বরং পুতিনের বিরুদ্ধে দাঁড়াতেও তিনি অনিচ্ছুক বলে প্রমাণ করেছেন। তিনি এবং পুতিনকে দেখে মনে হচ্ছিল তারা একই স্ক্রিপ্ট থেকে কথা বলছেন। কারণ প্রেসিডেন্ট একটি মুক্ত গণমাধ্যমের ন্যায্য প্রশ্নের বিপরীতে একজন স্বৈরশাসককে রক্ষা করার জন্য সচেতনভাবে [[পছন্দ]] করেছেন। আর বিশ্বজুড়ে [[প্রোপাগান্ডা]] এবং [[মিথ্যা]] ছড়ানোর জন্য পুতিনকে একটি বাধাহীন প্ল্যাটফর্ম দিয়েছেন। ... এর আগে কোনো প্রেসিডেন্ট কখনোই একজন স্বৈরশাসকের সামনে নিজেকে এতটা হীনভাবে অবনমিত করেননি। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কেবল একজন প্রতিপক্ষের বিষয়ে [[সত্য]] কথা বলতে ব্যর্থ হননি; বরং বিশ্বের সামনে আমেরিকার প্রতিনিধিত্ব করতে গিয়ে আমাদের পরিচয়ের মূল ভিত্তিগুলো [[রক্ষা]] করতেও ব্যর্থ হয়েছেন। আমরা দেশ ও বিদেশে স্বাধীনতার জন্য নিবেদিত [[মুক্ত]] [[মানুষের]] একটি [[প্রজাতন্ত্র]]। আমেরিকান প্রেসিডেন্টদের অবশ্যই সেই লক্ষ্য পূরণে চ্যাম্পিয়ন হতে হবে যদি তা [[সফল]] করতে হয়। আমেরিকানরা [[অপেক্ষা]] করছে এবং আশা করছে যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সেই [[পবিত্র]] [[দায়িত্ব]] গ্রহণ করবেন। মানুষ কেবল [[আশা]] করতে পারে যে তারা পুরোপুরি বৃথা অপেক্ষা করছে না।
** [[জন ম্যাককেইন]], আনুষ্ঠানিক বিবৃতি: [https://www.mccain.senate.gov/public/index.cfm?p=press-releases&id=A99FDA26-673D-4560-B4EA-5AEDF0685EC5 "ট্রাম্প-পুতিন বৈঠক নিয়ে এসএএসসি চেয়ারম্যান জন ম্যাককেইন" (১৬ জুলাই ২০১৮)]
* প্রেসিডেন্ট পদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হলো আমেরিকার জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষা করা। অথচ, হিউ হিউইটের সাথে নিজের প্রচারণার কয়েক মাস পর সাক্ষাৎকারে ডোনাল্ড ট্রাম্প বিশ্বব্যাপী জিহাদের মূল নেতাদের চিনতেন না। যে মানুষটি কমান্ডার-ইন-চিফ হতে চান তিনি হাসান নাসরাল্লাহর সাথে অপরিচিত ছিলেন, যিনি হিজবুল্লাহর নেতা এবং ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে আমেরিকানদের হত্যা করছেন। তিনি আল-কায়েদার নেতার মৃত্যুর পর নেটওয়ার্কটির নেতৃত্ব দেওয়া আয়মান আল-জাওয়াহিরি এবং ইসলামিক স্টেটের (আইএসআইএস) স্বঘোষিত খলিফা আবু বকর আল-বাগদাদির সাথেও অপরিচিত ছিলেন। আল-বাগদাদি এত বেশি পরিচিত যে অনেক কিশোরও তাকে চেনে। অবশ্যই যে ব্যক্তি প্রেসিডেন্ট হতে চান, এসব বিষয় জানা তার দায়িত্বের মধ্যে পড়ে।
** অ্যান্ড্রু সি. ম্যাকার্থি, ''ন্যাশনাল রিভিউের'' [http://www.nationalreview.com/article/430126/donald-trump-conservatives-oppose-nomination "ট্রাম্পের বিরুদ্ধে রক্ষণশীলরা"] প্রতিবেদনে (২১ জানুয়ারি ২০১৬)
<i> মার্কিন ক্যাপিটলে হামলার বিষয়ে: </i>
* উন্মত্ত জনতাকে মিথ্যে খাওয়ানো হয়েছিল। প্রেসিডেন্ট ও অন্যান্য ক্ষমতাধর ব্যক্তিরা তাদের উসকে দিয়েছিলেন।
** মিচ ম্যাককনেল, সিনেটের সংখ্যাগরিষ্ঠ নেতা, রিপাবলিকান, {{cite web
| date = ১৯ জানুয়ারি ২০২১
| author = অ্যালেক্স রজার্স, ক্লেয়ার ফোরান
| title = Mitch McConnell: Capitol Hill mob was 'provoked' by Trump
| trans-title = মিচ ম্যাককনেল: ক্যাপিটল হিল জনতা ট্রাম্পের দ্বারা 'উসকানি' পেয়েছিল
| publisher = সিএনএন
| url = https://edition.cnn.com/2021/01/19/politics/mitch-mcconnell-rioters-provoked/index.html
}} দ্বারা উদ্ধৃত
<i> মার্কিন ক্যাপিটলে হামলার বিষয়ে: </i>
* দাঙ্গার আগে সাবেক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কাজগুলো ছিল দায়িত্বের এক চরম অবহেলা। সেদিনের উসকানিমূলক ঘটনাগুলোর জন্য ব্যবহারিক ও নৈতিকভাবে ট্রাম্পই দায়ী।
* অভিশংসন কখনোই আমেরিকান বিচারের চূড়ান্ত ফোরাম হওয়ার কথা ছিল না।
* এই দেশে আমাদের একটি ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থা রয়েছে। আমাদের দেওয়ানি মামলা রয়েছে। আর সাবেক প্রেসিডেন্টরা এর কোনোটি থেকেই জবাবদিহির ঊর্ধ্বে নন।
* তিনি তার দায়িত্ব পালন করেননি। ফেডারেল আইন যাতে বিশ্বস্ততার সাথে কার্যকর হয় এবং শৃঙ্খলা ফিরে আসে সে জন্য তিনি কোনো পদক্ষেপ নেননি। না। বরং, প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, চারপাশে যখন বিশৃঙ্খলা চলছিল তখন তিনি খুশিমনে টেলিভিশন দেখছিলেন।
** মিচ ম্যাককনেল, {{cite web
| date = ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১
| author = অ্যালেক্স রজার্স এবং মনু রাজু
| title = McConnell blames Trump but voted not guilty anyway
| trans-title = ম্যাককনেল ট্রাম্পকে দোষারোপ করেছেন কিন্তু নির্দোষ ভোট দিয়েছেন
| publisher = সিএনএন
| url = https://edition.cnn.com/2021/02/13/politics/mitch-mcconnell-acquit-trump/index.html
}} দ্বারা উদ্ধৃত
* আমরা কতটা পথ পাড়ি দিয়েছি, কত মূল্যের বিনিময়ে এবং কত বিশ্বাসের সাথে এসেছি তা যখন ভাববেন, তখন এই সব কিছু এমন একজন দানবীয় ভাঁড়ের হাতে তুলে দেওয়া যার বিশাল অহংবোধ আছে, যার কোনো অভিজ্ঞতা নেই, যে কখনো কোনোভাবেই নিজের দেশের সেবা করেনি; এটি সত্যিই পাগলামি। আমরা শুধু দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে এটি হতে দিতে পারি না। রিপাবলিকান পার্টির উচিত নয় হাত গুটিয়ে এটি হতে দেওয়া।
** {{w|ডেভিড ম্যাককালাউ}}, ১২ জুলাই ২০১৬-এ জিম ডোয়ার রচিত ''{{w|দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের|দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের}}'' [http://www.nytimes.com/2016/07/13/nyregion/donald-trump-david-mccullough-ken-burns.html "মৃত রাজনীতিকদের নিয়ে মগ্ন পণ্ডিতেরা এক জীবিত ব্যক্তির মুখোমুখি: ডোনাল্ড ট্রাম্প"] প্রতিবেদনে উদ্ধৃত।
* ট্রাম্প তার নির্বাচনী প্রচারণার সময় থেকেই রাশিয়ার সাথে উন্নত সম্পর্কের আহ্বান জানিয়ে আসছিলেন... নতুনভাবে নিচে নেমে শুক্রবারের (নিউ ইয়র্ক) টাইমসের শিরোনামে বলা হয়েছে: "ট্রাম্প গোপনে রাশিয়ার পক্ষে কাজ করছিলেন কিনা তা নিয়ে এফ.বি.আই.-এর তদন্ত।" যারা ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণা এবং রাশিয়ার মধ্যে যোগসাজশ নিয়ে প্রমাণের (বা এর অভাবের) বিষয়ে আগ্রহী, তারা সাম্প্রতিক দিনগুলোতে অসাবধানতাবশত কিছু শূন্যস্থান পূরণের জন্য সাধারণ রাশিয়া-গেট প্রবর্তক দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস ও সিএনএনকে ধন্যবাদ জানাতে পারেন... এনওয়াইটির পাঠকদের ৯ নম্বর অনুচ্ছেদে গিয়ে পড়তে হয়েছে: "কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি..."
** রে ম্যাকগভর্ন, [https://consortiumnews.com/2019/01/15/russia-gate-evidence-please/ ''রে ম্যাকগভর্ন: রাশিয়া-গেট এভিডেন্স, প্লিজ'']-এ (১৫ জানুয়ারি ২০১৯)
* ডোনাল্ড ট্রাম্প কোনো রক্ষণশীল নন। তিনি একজন জনতুষ্টিবাদী যার মূল কথা হলো: আমাদের সরকার ভেঙে পড়েছে এবং আমি তা ঠিক করব। প্রথম পয়েন্টে তিনি ঠিক বলেছেন: উভয় দলই নেতৃত্ব দিতে ব্যর্থ হয়েছে। ওবামা এবং কংগ্রেসের ডেমোক্র্যাটরা আমেরিকাকে ইউরোপীয় সমাজতন্ত্রের দিকে আরও ঠেলে দিতে ক্ষমতার কলকাঠি নাড়েন। রিপাবলিকানরা মুক্তবাজারের বিকল্পের প্রতিশ্রুতি দেয় কিন্তু শেষ পর্যন্ত চাপে নতি স্বীকার করে অথবা জিওপির নিজস্ব বড় সরকারি বিশেষ স্বার্থের পক্ষে কাজ করে। সাম্প্রতিক নির্বাচনগুলোতে আমেরিকার জনগণ ইঙ্গিত দিয়েছে যে তারা স্বাভাবিক নিয়মে চলতে গিয়ে ক্লান্ত এবং এখন তারা ঘর পরিষ্কার করতে চায়। তবে আমাদের কাছে যা আছে, ট্রাম্প তার চেয়ে ভালো কিছু নন। একটি ভোট পাওয়ার জন্য তিনি যেকোনো কিছু বলবেন, কিন্তু ক্ষমতায় গেলে তিনি একই কাজ করবেন। ট্রাম্প আমাদের মুগ্ধ করেন, রাজনৈতিকভাবে সঠিক গণমাধ্যমকে অমান্য করেন এবং যে কেউ রাজার নতুন পোশাক নেই বলে উল্লেখ করলে তাকে ভয় দেখান। এর কোনোটিই তাকে এমন একজন রক্ষণশীল করে তোলে না যিনি স্বাধীনতাকে লালন করেন... কয়েক দশক ধরে ট্রাম্প বড় সরকারের পক্ষে যুক্তি দিয়ে আসছেন।
** ডেভিড ম্যাকিনটশ, ''ন্যাশনাল রিভিউের'' [http://www.nationalreview.com/article/430126/donald-trump-conservatives-oppose-nomination "ট্রাম্পের বিরুদ্ধে রক্ষণশীলরা"] প্রতিবেদনে (২১ জানুয়ারি ২০১৬)
* স্বয়ং ট্রাম্প নিজেই সাম্প্রতিক অতীতে হিলারি ক্লিনটনকে সমর্থন করা, এমনকি তাকে প্রেসিডেন্ট পদে সমর্থন করাকেও একটি ভালো ধারণা বলে মনে করেছিলেন।
** ড্যান ম্যাকলফলিন, ''রেড স্টেটের'' [http://www.redstate.com/dan_mclaughlin/2016/05/17/never-trump-movement-neither-anti-american-hypocritical/ "দ্য নেভার ট্রাম্প মুভমেন্ট ইজ নেইদার অ্যান্টি-আমেরিকান নর হিপোক্রিটিকাল"]-এ (১৭ মে ২০১৬)
* ট্রাম্প অপ্রত্যাশিতভাবে হিলারির প্রতি আমার উৎসাহ বাড়িয়ে দিচ্ছেন। তিনি যা বলছেন তা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে নয়: এটি অপরিপক্কতা, বাজে বিচারক্ষমতা এবং অজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে। আমি মনে করি সামরিক পোশাক পরা যারা এসব বিষয়ে চিন্তাশীল, তাদের জন্য ট্রাম্পকে ভোট দেওয়া কঠিন হবে।
** মেরিল ম্যাকপিক, অবসরপ্রাপ্ত মার্কিন বিমান বাহিনীর প্রধান, ''টাইমের'' [https://www.yahoo.com/news/does-military-think-donald-trump-204408128.html "সামরিক বাহিনী ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্পর্কে কী ভাবে?"] (১৫ জুন ২০১৬) প্রতিবেদনে উদ্ধৃত
* ডোনাল্ড ট্রাম্প একজন আসল মানুষ।
** জন ম্যাকহর্টার, '''[https://www.youtube.com/watch?v=phsU1vVHOQI ভাষা বিশেষজ্ঞ: ডোনাল্ড ট্রাম্পের কথা বলার ধরন 'অদ্ভুতভাবে কিশোরসুলভ' | দ্য ১১থ আওয়ার | এমএসএনবিসি]''' (১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭)
* ট্রাম্প, যিনি শান্তিস্থাপক প্রেসিডেন্ট হিসেবে এসেছিলেন, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি নতুন যুদ্ধ শুরু করেছেন।
** দিমিত্রি মেদভেদেভ, রাশিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট এবং রাশিয়ান নিরাপত্তা পরিষদের ডেপুটি চেয়ারম্যান, ''এনডিটিভি ওয়ার্ল্ডের'' [https://www.ndtv.com/world-news/many-nations-ready-to-supply-iran-with-their-nuclear-warheads-top-putin-aide-8731477 অনেক দেশ ইরানকে তাদের পারমাণবিক ওয়ারহেড সরবরাহ করতে প্রস্তুত: পুতিনের শীর্ষ সহযোগী] প্রতিবেদনে (২২ জুন ২০২৫)
* ট্রাম্পের ঝগড়াটে, হট্টগোলপূর্ণ এবং নীচ মানসিকতার জনসমুখের ব্যক্তিত্ব রক্ষণশীলদের সেই সব নেতিবাচক ছাঁচে ফেলে দেয় যা উদারপন্থীরা কয়েক দশক ধরে ডানপন্থীদের গায়ে লাগিয়ে আসছে। প্রচলিত ব্যঙ্গচিত্র অনুযায়ী, রক্ষণশীলরা স্বার্থপর, লোভী, বস্তুবাদী, উৎপীড়ক, নারীবিদ্বেষী, রাগী এবং অসহিষ্ণু। আমাদের বলা হয়, তারা সুবিধাপ্রাপ্ত এবং আদুরে অভিজাত যারা বংশানুক্রমিক সম্পদের সুবিধা উপভোগ করে, আর কম ভাগ্যবান এবং কম ক্ষমতাশালীদের প্রতি কেবল নিষ্ঠুর অবজ্ঞা দেখায়। বামপন্থীরা রোনাল্ড রেগানকে এভাবেই কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু তারা চরমভাবে ব্যর্থ হয় কারণ তার মধ্যে এই ছাঁচে ফেলা বৈশিষ্ট্যের কোনোটিই ছিল না... ডেমোক্র্যাটরা নিয়মিতভাবে রিপাবলিকানদের যে জঘন্য বৈশিষ্ট্যগুলো আরোপ করে, ট্রাম্প তারই জীবন্ত ও চিৎকার করা রূপ।
** {{w|মাইকেল মেদভেদ}}, ''ন্যাশনাল রিভিউের'' [http://www.nationalreview.com/article/430126/donald-trump-conservatives-oppose-nomination "ট্রাম্পের বিরুদ্ধে রক্ষণশীলরা"] প্রতিবেদনে (২১ জানুয়ারি ২০১৬)
* নির্বাচনী প্রচারণায় দলের মনোনয়ন পেতে চাওয়া প্রার্থীদের জন্য দুটি কৌশলগত পদ্ধতি রয়েছে। একটি হলো দৃঢ়ভাবে বিষয়গুলো নিয়ে বিতর্ক করা এবং নিজের অবস্থান তুলে ধরা। সেই সাথে বিরোধীদের ব্যক্তিগত আক্রমণ বা অপ্রয়োজনীয় বিভাজন এড়িয়ে চলা। অন্যটি হলো সহপ্রার্থীদের ওপর আক্রমণ করা, ব্যক্তিগতভাবে তাদের মানহানি করা এবং তাদের টেনে নিচে নামিয়ে নিজেকে ওপরে তোলার চেষ্টা করা। রোনাল্ড রেগান প্রথম পথটি অনুসরণ করার জন্য বিখ্যাত ছিলেন। দুর্ভাগ্যবশত ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় পথটি বেছে নিয়েছেন... এমন এক সময়ে যখন জাতি ইতিহাসের অন্যতম বিভাজন সৃষ্টিকারী ও অযোগ্য প্রেসিডেন্টের অধীনে ভুগছে, তখন আমাদের জনগণের ইতিবাচক ও ঐক্যবদ্ধ নেতৃত্ব প্রয়োজন, নেতিবাচক ও ধ্বংসাত্মক রাজনৈতিক বাগাড়ম্বর নয়।
** এডউইন মিস, ''ন্যাশনাল রিভিউের'' [http://www.nationalreview.com/article/430126/donald-trump-conservatives-oppose-nomination "ট্রাম্পের বিরুদ্ধে রক্ষণশীলরা"] প্রতিবেদনে (২১ জানুয়ারি ২০১৬)
* ট্রাম্প উইলকির ঐতিহ্যের চেয়ে মুসোলিনির কাছে বেশি ঋণী। এর কারণ শুধু বাহ্যিক মিল নয়: ট্রাম্পের উদ্ধত আচরণ, ডান হাতের ব্যাপক অঙ্গভঙ্গি এবং নিজের "বিশাল" সাফল্য ও "নির্বোধ" বিরোধীদের নিয়ে তার কথাবার্তা সবই ইতালীয় স্বৈরশাসকের শৈলীকে মনে করিয়ে দেয়। যুক্তরাষ্ট্রে মুসলিমদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করার বিষয়ে সোমবারের দমবন্ধ করা ঘোষণায় অনেকেই সুস্পষ্ট ফ্যাসিবাদী মিলের কথা উল্লেখ করেছেন... ট্রাম্প ফ্যাসিবাদের অনেক হাতিয়ার ব্যবহার করেন: তথ্যের প্রতি অবজ্ঞা, ভয় এবং সংকটের অনুভূতি ছড়িয়ে দেওয়া, সমর্থকদের ভুক্তভোগী হিসেবে চিত্রিত করা, বিদেশি বা বহিরাগতদের দোষারোপ করা এবং এই ধারণা দেওয়া যে কেবল তার শক্তিশালী ব্যক্তিত্বই সংকট কাটিয়ে উঠতে পারে। নিজের একটি সমাবেশে একজন ভিন্নমতাবলম্বীর ওপর সহিংসতাকে তিনি সমর্থন করেছেন। আর এখন তিনি ধর্মের ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের শর্ত আরোপ করার ধারণা দিচ্ছেন।
** ডানা মিলব্যাঙ্ক, ''দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের'' [https://www.washingtonpost.com/opinions/donald-trump-isnt-todays-wendell-willkie-hes-todays-benito-mussolini/2015/12/08/77c81b0c-9ddc-11e5-a3c5-c77f2cc5a43c_story.html "ডোনাল্ড ট্রাম্প, আমেরিকার আধুনিক মুসোলিনি"] প্রতিবেদনে (৮ ডিসেম্বর ২০১৫)
* ট্রাম্প তার যত প্রতিশ্রুতিই ভাঙুন না কেন, তিনি একটি প্রতিশ্রুতি দৃঢ়ভাবে রক্ষা করেছেন: অপ্রত্যাশিত হওয়ার তার শপথ। ... কেউ কেউ মনে করেন ট্রাম্পের এই পাগলামির পেছনে একটি উদ্দেশ্য আছে। তিনি সম্ভাব্য প্রতিপক্ষদের এটা বোঝাতে চান যে তিনি অযৌক্তিক এবং খেয়ালী, যাতে শত্রুরা তাকে বেশি চাপ দিতে ভয় পায়। ... তবে {{w|ম্যাডম্যান থিওরি|ম্যাডম্যান তত্ত্বের}} ট্রাম্পের প্রয়োগে তত্ত্বের চেয়ে পাগলামিই বেশি বলে মনে হয়। প্রতিপক্ষদের অপ্রস্তুত করে রাখার সুবিধা থাকতে পারে, কিন্তু ট্রাম্প তার বন্ধুদের ও মিত্রদেরও বিভ্রান্ত করছেন। পররাষ্ট্র নীতির ক্ষেত্রে অপ্রত্যাশিত আচরণ মিত্রদের ভয় দেখায় এবং অস্থিতিশীলতা ছড়ায়। আর দেশের অভ্যন্তরে অপ্রত্যাশিত নীতিকে দীর্ঘদিন ধরেই ব্যবসার জন্য ক্ষতিকর বলে মনে করা হয়। ... এই ব্যাপক বিশৃঙ্খলা ইঙ্গিত দেয় যে ট্রাম্প নতুন নীতি চালু করার চেয়ে নিজেই এলোমেলো কাজ করছেন। তার অপ্রত্যাশিত আচরণ কোনো তত্ত্ব নয়। এটি হলো তত্ত্বের অভাব।
** ডানা মিলব্যাঙ্ক, ''{{w|দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট|দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের}}'' ''[https://www.washingtonpost.com/opinions/trumps-one-consistent-policy-chaos/2016/12/06/f1a5a5ae-bbf7-11e6-91ee-1adddfe36cbe_story.html?utm_term=.f664c9ebc888 ট্রাম্পের একটি সামঞ্জস্যপূর্ণ নীতি: বিশৃঙ্খলা]''তে (৬ ডিসেম্বর ২০১৬)
* আপনি কখনোই জানতে পারবেন না প্রেসিডেন্টের ট্রিগার পয়েন্ট কোথায়।
** জয়েন্ট চিফস চেয়ারম্যান জেনারেল মার্ক মিলি, "[https://www.youtube.com/watch?v=wcGUVBJgZnE সামরিক হামলার নির্দেশ দেওয়ার ট্রাম্পের ক্ষমতা সীমিত করতে মিলি শীর্ষ গোপন ব্যবস্থা নিয়েছিলেন, বইয়ে উল্লেখ]" অনুযায়ী (৮ জানুয়ারি ২০২১)
* তার কোনো পরিচয়ের প্রয়োজন নেই। পৃথিবীর প্রতিটি মানুষের কাছেই তার নাম পরিচিত। বৈশ্বিক রাজনীতি নিয়ে বিশ্বের প্রায় প্রতিটি আলোচনাতেই তার নাম উঠে আসে। তার প্রতিটি কথা কোটি কোটি মানুষ অনুসরণ করে। তিনি সব জায়গায় একটি গভীর এবং দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব রেখে গেছেন।
** [[নরেন্দ্র মোদী]], যুক্তরাষ্ট্রের হিউস্টনের এনআরজি স্টেডিয়ামে "হাউডি মোদী" সমাবেশে বক্তব্য রাখছেন, ''[https://www.youtube.com/watch?v=AhFC-Un3J9Q ইটিভি অন্ধ্রপ্রদেশ]'' (২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯)
[[File:Moon Jae-in 2017.jpg|thumb|প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নোবেল শান্তি পুরস্কার জেতা উচিত। ~ মুন জে-ইন]]
* '''প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নোবেল শান্তি পুরস্কার জেতা উচিত।'''
** মুন জে-ইন, হিয়নহি শিন রচিত ''রয়টার্সের'' [https://www.reuters.com/article/us-northkorea-southkorea-trump/trump-should-win-the-nobel-peace-prize-says-south-koreas-moon-idUSKBN1I10OD "দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট বলেছেন ট্রাম্প নোবেল শান্তি পুরস্কারের যোগ্য"] প্রতিবেদনে উদ্ধৃত (৩০ এপ্রিল ২০১৮)
* ধর্মীয় রক্ষণশীলদের তিনটি প্রাথমিক লক্ষ্য রয়েছে: অনাগত শিশুসহ সকল মানবজীবন রক্ষা করা; বিবাহ এবং পরিবারের পবিত্রতা সুসংহত করা; এবং সকল ব্যক্তির ধর্মীয় স্বাধীনতা সংরক্ষণ করা। ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সিতে এই তিনটি লক্ষ্যই বিপদে পড়বে। হ্যাঁ, ট্রাম্প এখন নিজেকে গর্ভপাতের বিরোধী বলে দাবি করেন, যদিও তিনি অতীতে আংশিক গর্ভপাত সমর্থন করেছিলেন। সমস্যাটি হলো তিনি একটি বাক্সে টিক চিহ্ন দিতে পারেন কিনা তা নিয়ে নয়। গর্ভপাতবিরোধীরা এমন নেতা প্রত্যাশা করেন যার মানব মর্যাদা সম্পর্কে একটি সুসংগত দৃষ্টিভঙ্গি আছে এবং যিনি ভবিষ্যতে মানুষের জীবনের ওপর আক্রমণ প্রতিহত করতে পারবেন—যার মধ্যে কিছু আক্রমণ হয়তো আজ কল্পনাতীত এবং নতুন প্রযুক্তি বিকাশের সাথে সাথে কেবল সামনে আসবে।
** রাসেল মুর, ''ন্যাশনাল রিভিউের'' [http://www.nationalreview.com/article/430126/donald-trump-conservatives-oppose-nomination "ট্রাম্পের বিরুদ্ধে রক্ষণশীলরা"] প্রতিবেদনে (২১ জানুয়ারি ২০১৬)
* ট্রাম্পের প্রস্তাব সব মুসলিমের শত্রুতা নিশ্চিত করবে। এর মধ্যে এমন অনেকেই আছেন যাদের সমর্থন ছাড়া আমরা জয়লাভ করতে পারব না। কে মুসলিম তা শনাক্ত করার কোনো নিখুঁত উপায় আছে ধরে নিলেও, এই প্রস্তাবটি অসম্পূর্ণ এবং অতিরিক্ত। এটি অসম্পূর্ণ কারণ এটি এমন সম্ভাব্য সন্ত্রাসীদের সম্বোধন করে না যাদের মার্কিন পাসপোর্ট বা বসবাসের অনুমতি রয়েছে, অথবা যারা ইতিমধ্যেই এখানে আছে, বা যারা বিদেশে আমাদের হুমকি দিতে পারে। এটি অতিরিক্ত কারণ এটি মুসলিমদের বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশকে নিষিদ্ধ করে যারা সম্ভাব্য সন্ত্রাসী নয়। ট্রাম্প বলেছেন তিনি সামরিক বাহিনীকে সন্ত্রাসীদের পরিবারকে হত্যা করার নির্দেশ দেবেন। এটি সশস্ত্র সংঘাতের সবচেয়ে মৌলিক আইনগুলোর সরাসরি লঙ্ঘন হবে। এই আইন অনুযায়ী, সামরিক প্রয়োজনে কেবল তখনই প্রাণঘাতী শক্তি ব্যবহার করা যেতে পারে যখন পরিস্থিতি সামরিক এবং বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে পার্থক্য করার সুযোগ দেয়। আর অ-সামরিক লক্ষ্যবস্তুর আনুষঙ্গিক ক্ষতি অর্জিত সামরিক সুবিধার আনুপাতিক হলেই এটি করা সম্ভব। সশস্ত্র সংঘাতের আইন মেনে চলা একটি সামরিক বাহিনী এই ধরনের নির্দেশ অমান্য করতে বাধ্য। যদি তারা এই নির্দেশ মানে, তবে যিনি নির্দেশ দিয়েছেন এবং যারা এটি অনুসরণ করেছে, উভয়ই যুদ্ধাপরাধের দায়ে বিচারের সম্মুখীন হবে।
** মাইকেল বি. মুকাসে, ''ন্যাশনাল রিভিউের'' [http://www.nationalreview.com/article/430126/donald-trump-conservatives-oppose-nomination "ট্রাম্পের বিরুদ্ধে রক্ষণশীলরা"] প্রতিবেদনে (২১ জানুয়ারি ২০১৬)
* কী এক আস্ত গর্দভ।
** [[রুপার্ট মারডক]], মাইকেল ওলফ রচিত ''এনওয়াই ম্যাগের'' [http://nymag.com/daily/intelligencer/2018/01/michael-wolff-fire-and-fury-book-donald-trump.html "ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হতে চাননি"] প্রতিবেদনে উদ্ধৃত (জানুয়ারি ২০১৭)
* আমি চাই সে বিদায় নিক। সে যথেষ্ট ক্ষতি করেছে।
** লিসা মুরকোস্কি, রিপাবলিকান সিনেটর, {{cite web
| date = ১০ জানুয়ারি ২০২১
| author = কেট সুলিভান, নিকি রবার্টসন
| title = Republican Sen. Pat Toomey says he thinks Trump 'committed impeachable offenses'
| trans-title = রিপাবলিকান সেনেটর প্যাট টুমি বলেছেন ট্রাম্প 'অভিশংসনযোগ্য অপরাধ করেছেন' বলে তিনি মনে করেন
| publisher = সিএনএন
| url = https://edition.cnn.com/2021/01/09/politics/pat-toomey-trump-impeachable-offenses/index.html
}} দ্বারা উদ্ধৃত
* এ পর্যন্ত নিজের প্রেসিডেন্সিতে ট্রাম্প ছয়-সাতটি এমন ঘটনার জন্ম দিয়েছেন, যেগুলো ১৯৮১ সালে ঘটলে প্রেসিডেন্টকে পদত্যাগ করতে হবে বলে জোরালো আলোচনা হতো। এখন আর সেগুলোর অস্তিত্ব নেই। "আমরা এমনটা করি না, আপনি এগুলো করে পার পাবেন না" এমন কথার কোনো মূল্য এখন আর নেই। অর্ধেক সময়ই তার সব কথার মধ্যে একটি বর্ণবাদী গৎবাঁধা ধারণা থাকে। ট্রাম্পের ব্যাপারে আমাদের এটি স্বীকার করতে হবে।
** মাইক মারফি, [http://conversationswithbillkristol.org/video/mike-murphy/ বিল ক্রিস্টলের সাথে সাক্ষাৎকার] (২০ জুন ২০১৭)
* মস্কো-প্রেমী এক প্রতারক হোয়াইট হাউসে মুক্তভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তাকে ক্রমাগত প্রশ্রয় দেওয়া ভিচি রিপাবলিকানদের ধিক্কার জানাই।
** মাইক মারফি, [https://www.politico.com/story/2018/06/04/playbook-birthday-mike-murphy-620654 ড্যানিয়েল লিপম্যানের সাথে সাক্ষাৎকার] (২০১৮)
* হ্যাঁ, আমি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সমর্থন করছি। আমি যতটা সম্ভব উৎসাহের সাথেই তা করছি। তবে আমি মনে করি তিনি একজন জঘন্য [[মানুষ]]।
** মিক মুলভেনি, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮-এ [https://www.theguardian.com/us-news/2018/dec/15/mick-mulvaney-donald-trump-video-terrible-human সাউথ ক্যারোলিনার ইয়র্কে মুলভেনি এবং ডেমোক্র্যাট ফ্র্যান পারসনের মধ্যকার বিতর্ক] অনুযায়ী
* আমি লোকটিকে ঘৃণা করি না। তবে ট্রাম্পের এখন রাজনীতি থেকে অবসর নেওয়ার সময় এসেছে।
* আমরা কি প্রতিদিন এক ধ্বংসাত্মক পরিস্থিতি দেখতে চাই? এছাড়া আমি মনে করি প্রেসিডেন্ট পদের মেয়াদ শুরুর সর্বোচ্চ আইনি বয়স ৬৯ বছর হওয়া উচিত।
** ইলন মাস্ক, ৭ জুলাই ২০২২-এ [https://thehill.com/blogs/blog-briefing-room/news/other/3554566-elon-musk-time-for-trump-to-hang-up-his-hat-sail-into-the-sunset/ "ইলন মাস্ক: ট্রাম্পের এখন রাজনীতি থেকে অবসর নেওয়ার সময় এসেছে"] প্রতিবেদনে উদ্ধৃত
* আমি এ কেমন ছেলের জন্ম দিয়েছি?
** ম্যারি ট্রাম্প (ট্রাম্পের মা) ইভানা ট্রাম্পকে এই প্রশ্ন করেছিলেন [https://archive.vanityfair.com/article/share/e515a2cd-a51b-4f83-8d61-6ebb9a104e0a বলে শোনা যায়]।
=== এন ===
* [ট্রাম্প হলেন] ইসরায়েলের এ যাবৎকালের সবচেয়ে ভালো বন্ধু।
** [[বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু]]। লাজার বারম্যান রচিত ''দ্য টাইমস অব ইসরায়েলের'' ''[https://www.timesofisrael.com/liveblog_entry/netanyahu-calls-trump-greatest-friend-israel-has-ever-had-hailing-his-actions-in-past-2-weeks/ নেতানিয়াহু গত ২ সপ্তাহে ট্রাম্পের কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করে তাকে 'ইসরায়েলের এ যাবৎকালের সবচেয়ে ভালো বন্ধু' বলেছেন]'' প্রতিবেদনে উদ্ধৃত (৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫)
* ট্রাম্প যখন মেক্সিকানদের জন্য এসেছিলেন, তখন আমি কোনো কথা বলিনি। কারণ আমি মেক্সিকান ছিলাম না। তিনি যখন মুসলিমদের জন্য এসেছিলেন, তখনও আমি কথা বলিনি। কারণ আমি মুসলিম ছিলাম না। এরপর তিনি আমার জন্য এলেন।
** দ্য ডেইলি নিউজ, মার্টিন নিম্যুলারের ''{{w|ফার্স্ট দে কেম ...|ফার্স্ট দে কেম ...}}ের'' ভিন্নরূপ। ৯ ডিসেম্বর ২০১৫-এ কলিন ক্যাম্পবেল রচিত ''{{w|বিজনেস ইনসাইডার|বিজনেস ইনসাইডারের}}'' ''[https://www.businessinsider.com/daily-news-donald-trump-muslim-cover-2015-12 ডেইলি নিউজের প্রচ্ছদে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে স্ট্যাচু অব লিবার্টির মাথা কাটতে দেখা যাচ্ছে]'' প্রতিবেদনে উদ্ধৃত।
* আমি ডোনাল্ডকে ভালোবাসি। তিনি একজন দারুণ প্রেসিডেন্ট হবেন। প্রথমত, তিনি সত্য কথা বলেন। দ্বিতীয়ত, নিজের বিমানে চড়ার দিক থেকে এই লোকগুলোর বেশিরভাগই যেখানে যেতে চায়, তিনি ইতিমধ্যেই সেখানে আছেন। কোন হোটেলে থাকবেন তা নিয়ে তাকে ভাবতে হয় না। তার পরিবার কীভাবে হাওয়াই যাবে তা নিয়েও তাকে চিন্তা করতে হয় না। এমন আরও অনেক কারণ আমি আপনাকে দিতে পারি। তবে আমি মনে করি মিস্টার ট্রাম্পের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, তিনি স্পষ্ট কথা বলেন। দেখুন, আমরা এই কট্টরপন্থীদের নিয়ে যত খুশি কথা বলতে পারি। তবে আমার ধারণা হলো, এবং আমি [ট্রাম্পকেও] এটি বলতে শুনেছি: আমরা তাদের যতটা কট্টর হতে দেব, তারা ঠিক ততটাই কট্টর হবে।
** {{cite web
| date = ৬ অক্টোবর ২০১৫
| title = ফক্স অ্যান্ড ফ্রেন্ডস
}} অনুষ্ঠানে ওয়েইন নিউটন। ৬ অক্টোবর ২০১৫-এ জুডি কার্টজ রচিত ''দ্য হিলের'' [http://thehill.com/video/in-the-news/256070-wayne-newton-all-in-on-trump "ওয়েইন নিউটন অল ইন অন ট্রাম্প"] প্রতিবেদনে উদ্ধৃত।
* মিস্টার প্রেসিডেন্ট, এই উন্মাদনা বন্ধ করুন। আপনি নির্বাচনে হেরেছেন। এখানে আপনার উত্তরাধিকার বাঁচানোর উপায় দেওয়া হলো।
** নিউ ইয়র্ক পোস্ট, ২৯ ডিসেম্বর ২০২০-এ ডেভিড গোল্ডম্যান রচিত ''সিএনএনের'' [https://edition.cnn.com/2020/12/28/media/new-york-post-donald-trump-editorial/index.html "ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নিউ ইয়র্ক পোস্ট: উন্মাদনা বন্ধ করুন"] প্রতিবেদনে উদ্ধৃত।
* ট্রাম্প নিজের অহংবোধের সুবিধার জন্যই নিজেকে রিপাবলিকান হিসেবে পরিচয় দিতে পছন্দ করেন।
** টম নিকোলস, ''দ্য ফেডারেস্টের'' [http://thefederalist.com/2016/02/24/ill-take-hillary-clinton-over-donald-trump/ "আমি ডোনাল্ড ট্রাম্পের চেয়ে হিলারি ক্লিনটনকে বেছে নেব"] (২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬)
* প্রেসিডেন্ট পদে বসা এ যাবৎকালের সবচেয়ে ইচ্ছাকৃত অজ্ঞ মানুষ হলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি প্রায় কোনো কিছুরই প্রাথমিক ধারণাও বোঝেন না। গতকাল মিশিগানে এক নারীকে তিনি বুঝিয়েছিলেন যে খাদ্য আমদানি সীমিত করে তিনি খাবারের দাম কমাবেন। অন্য কথায়, খাদ্যের সরবরাহ কমিয়ে তিনি এটি করবেন। ট্রাম্প হোয়ার্টন স্কুলে পড়েছেন। আমার ধারণা সেখানে প্রথম বর্ষের পাঠ্যক্রমে "চাহিদা ও সরবরাহ" অন্তর্ভুক্ত ছিল। নিজের প্রয়োজন বা বিশ্বাসের সাথে সাংঘর্ষিক যেকোনো কিছুর প্রতি তিনি অনুভূতিহীন। তাকে কোনো বিষয়ে ব্রিফ করা বা ধারণা দেওয়া প্রায় অসম্ভব।
** টম নিকোলস, [https://www.theatlantic.com/newsletters/archive/2024/09/scientific-american-harris-endorsement-science-covid/679931/ সায়েন্টিফিক আমেরিকানের কাউকে সমর্থন করার প্রয়োজন ছিল না] (১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪)
* '''আপনি বুঝতেই পারছেন, [প্যাট] রাজনীতিতে একজন বিশেষজ্ঞ। তার ভবিষ্যদ্বাণী হলো আপনি যখনই নির্বাচনে লড়ার সিদ্ধান্ত নেবেন, আপনি বিজয়ী হবেন!'''
** ১৯৮৭ সালে ট্রাম্পকে লেখা এক চিঠিতে নিজের স্ত্রী প্যাট নিক্সনকে কৃতিত্ব দিয়ে [[রিচার্ড নিক্সন]], ''স্নোপসের'' [https://www.snopes.com/fact-check/nixon-predicted-trump-success/ ফ্যাক্ট চেক: রিচার্ড নিক্সন কি রাজনীতিতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাফল্যের ভবিষ্যদ্বাণী করে কোনো চিঠি লিখেছিলেন?] (১৮ মে ২০১৭)
* আপনি কি কখনো কোনো শিশুর সাথে তর্ক করেছেন? যদি করে থাকেন, তবে আপনি সম্ভবত সেই তর্কে হেরেছেন অথবা শিশুটিকে মেরে ফেলেছেন। যেভাবেই হোক, আপনি তর্কে জেতেননি। কারণ আপনি কোনো শিশুর সাথে তর্কে জিততে পারবেন না। শিশুরা সবচেয়ে অদ্ভুত কথা বলে থাকে। এই নির্বাচনী মৌসুমে আমরা বুঝতে পেরেছি যে নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মানসিকতা একটি শিশুর মতো হতে পারে। আপনি যদি একটু ভাবেন, তবে এটি যৌক্তিক মনে হবে। শিশুরা যা পছন্দ করে, তিনিও ঠিক একই জিনিসগুলো পছন্দ করেন। তারা জিনিস বানাতে পছন্দ করে। তারা মনোযোগ পেতে ভালোবাসে এবং সবসময় এমন জিনিস আঁকড়ে ধরে যা তাদের ধরা উচিত নয়। আপনি যদি জিততে চান তবে কোনো শিশুর সাথে তর্ক করবেন না। শিশুর কণ্ঠস্বরকে বড় করে তুলবেন না। কারণ তাহলে আপনি কেবল শিশুর জগতেই আটকে পড়বেন। এর বদলে শিশুটিকে তার কথা আরও বিস্তারিতভাবে বুঝিয়ে বলতে বলুন। কারণ যুক্তিই প্রত্যেক শিশুর পতনের কারণ। মূল উদ্দেশ্য হলো শিশুটিকে আলতো করে হতোদ্যম করা এবং তার রাগ প্রশমিত করা। আর বাড়তি পাওনা হিসেবে তাকে গণমাধ্যমকে অবৈধ প্রমাণ করা থেকে বিরত রাখা।
** ট্রেভর নোয়াহ, ''দ্য ডেইলি শো'', ৩০ নভেম্বর ২০১৬। ৩০ নভেম্বর ২০১৬-এ পল শ্রোডট রচিত ''{{w|বিজনেস ইনসাইডার|বিজনেস ইনসাইডারের}}'' ''[https://www.businessinsider.com/trevor-noah-trump-toddler-2016-11 ট্রেভর নোয়াহ: সাংবাদিকদের ট্রাম্পের সাথে আসলে কীভাবে আচরণ করা উচিত]'' প্রতিবেদনে উদ্ধৃত।
* এমন সাহসী, সৎ এবং স্পষ্টবাদী উপায়ে নিজের মনের কথা বলার জন্য ডোনাল্ড ট্রাম্পকে মেডেল অব ফ্রিডম দেওয়া উচিত।
** টেড নুজেন্ট, ''{{w|ওয়ার্ল্ডনেটডেইলি|ওয়ার্ল্ডনেটডেইলির}}'' ''[https://web.archive.org/web/20150710040259/http://www.wnd.com/2015/07/give-trump-the-medal-of-freedom/ ট্রাম্পকে মেডেল অব ফ্রিডম দিন]'' (৭ আগস্ট ২০১৫)। ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮-এ ক্যাথরিন মঙ্ক রচিত ''{{w|ফ্যাক্টচেক.অর্গ|ফ্যাক্টচেক.অর্গের}}'' ''[https://www.factcheck.org/2018/09/shaq-didnt-call-trump-the-best-president/ শ্যাক ট্রাম্পকে 'সেরা প্রেসিডেন্ট' বলেননি]'' প্রতিবেদনে উদ্ধৃত।
* এই প্রজাতির আদর্শ রূপ হওয়ার ক্ষেত্রে ডোনাল্ড ট্রাম্প অন্য সবার চেয়ে এগিয়ে আছেন। সমস্ত সীমা ছাড়িয়ে তিনি এমন সব উপায়ের উদাহরণ তৈরি করেছেন যার মাধ্যমে একজন বদমাশ আমাদের মনোযোগ আকর্ষণ করতে পারে।
** {{cite book
| author = জিওফ্রে নানবার্গ
| date = ১৪ আগস্ট ২০১২
| title = Ascent of the A-Word: Assholism, the First Sixty Years
| trans-title = অ্যাসেন্ট অব দ্য এ-ওয়ার্ড: অ্যাসহোলিজম, দ্য ফার্স্ট সিক্সটি ইয়ার্স
| location = নিউ ইয়র্ক
| publisher = পাবলিকঅ্যাফেয়ার্স
| isbn = 978-1610391757
| pages = 164-165
}}
* আমি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ফিলিস্তিনে নিয়ে যেতে চাই। রামাল্লা বা নাবলুসের রাস্তায় তাকে ছেড়ে দিতে চাই। সেই সব বিজয়ীদের মাঝে যারা উনসত্তর বছরেও হাল ছাড়েনি। তারাও তাদের দেশকে আবার মহান করতে চায়। যদি কেবল আমাদের দেশের দান করা অস্ত্রে তাদের হাত বাঁধা না থাকত।
** নাওমি শিহাব নাই ''ভয়েসেস ইন দ্য এয়ার'' (২০১৮)
=== ও ===
* ব্যক্তিগত স্বাধীনতা এবং সচলতার আদর্শের প্রতি আমেরিকানদের এক অবিরাম স্বাভাবিক প্রতিশ্রুতি রয়েছে। এই মূল্যবোধগুলো আমেরিকানদের মনে বর্ণবাদের ইস্যুকে অনেক ছাড়িয়ে যায়। গড়পড়তা আমেরিকানদের ভিত্তিহীন আশাবাদ হিসেবে এই প্রতিশ্রুতির গভীরতাকে সহজেই উড়িয়ে দেওয়া যেতে পারে। আমি হয়তো এখন ডোনাল্ড ট্রাম্প নই, কিন্তু অপেক্ষা করুন; আমি না পারলে আমার সন্তানরা পারবে।
** [[বারাক ওবামা]], ১৯৯১ সালে ল স্কুলে লেখা "রেস অ্যান্ড রাইটস রেটরিক" শীর্ষক একটি গবেষণাপত্রে। ডেভিড গ্যারোর ''রাইজিং স্টার: দ্য মেকিং অব বারাক ওবামা'' (২০১৭) বইয়ে উদ্ধৃত, এবং ''ভাইসের'' [https://www.vice.com/en_us/article/young-obama-said-the-american-dream-is-to-be-donald-trump "তরুণ ওবামা বলেছিলেন আমেরিকান স্বপ্ন হলো ডোনাল্ড ট্রাম্প হওয়া"] প্রতিবেদনে প্রকাশিত (১২ মে ২০১৭)
* অন্য দলের মধ্যে আমাদের এমন একটি বিতর্ক চলছে যা পুরোটাই কল্পনা, স্কুলের মাঠের উপহাস এবং হোম শপিং নেটওয়ার্কের মতো জিনিসপত্র বিক্রি করার মতো। এরপর রয়েছে রিপাবলিকান এস্টাবলিশমেন্ট। তারা বেশ সক্রিয়। কেউ এমন কথা বলতে পারে ভেবে আমরা বিস্মিত। কেউ অভিবাসীবিরোধী বা মুসলিমবিরোধী মনোভাব উসকে দিচ্ছে দেখে আমরা অবাক। '''আমরা সত্যিই হতবাক! কেউ এভাবে তথ্য বিকৃত করতে পারে বা কারো রেকর্ড মিথ্যা প্রমাণ করতে পারে তা ভেবে আমরা বিস্মিত। মনে রাখবেন, এই লোকটিই নিশ্চিত ছিল যে আমার জন্ম কেনিয়ায়। সে কোনোভাবেই বিষয়টি ছাড়তে চায়নি। রিপাবলিকান এস্টাবলিশমেন্টের সবাই তখন চুপ ছিল। যতক্ষণ পর্যন্ত এটা আমার দিকে নির্দেশ করা হচ্ছিল, ততক্ষণ তাদের কোনো সমস্যা ছিল না। তারা একে নিছক বিনোদন ভেবেছিল এবং তার সমর্থন আদায় করতে চেয়েছিল। এই প্রাইমারিতে যা ঘটছে তা আসলে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তাদের দলের ভেতরে যা ঘটে আসছে তারই নির্যাস।''' এর অর্থ হলো, তাদের অনেক ভোটার সাড়া দিচ্ছেন কারণ দীর্ঘকাল ধরে তারা এমন বার্তাই পেয়ে আসছেন। আপনি কেবল এমন সব দাবি করছেন যা বাস্তবতার সাথে মেলে না। আপনি বিজ্ঞানের প্রমাণকে অস্বীকার করছেন। আপস করা একটি বিশ্বাসঘাতকতা। অন্য পক্ষ কেবল ভুল নয় বা আমরা কেবল দ্বিমত পোষণ করি না। আমরা একটি ভিন্ন পদ্ধতি গ্রহণ করতে চাই, কিন্তু অন্য পক্ষ দেশকে ধ্বংস করছে বা দেশদ্রোহী। আপনি যাচাই করে দেখতে পারেন। তারা এসব কথাই বলে আসছে। তাই কেউ যখন হঠাৎ করে বলে, আমি এর চেয়েও ভালোভাবে এসব করতে পারি, তখন তাদের অবাক হওয়ার কিছু নেই। আমি এর চেয়ে ভালোভাবে জিনিসপত্র বানাতে পারি। আমি এর চেয়ে বেশি আপত্তিকর হতে পারি। আমি আরও ভালোভাবে মানুষকে অপমান করতে পারি। আমি আরও বেশি অসভ্য হতে পারি।
** ট্রাম্পের ব্যাপারে বারাক ওবামা, [https://www.whitehouse.gov/the-press-office/2016/03/14/remarks-president-dnc-reception-austin-tx মার্চ ২০১৬]
* আমাদের দেশের স্বার্থে আমি আশা করেছিলাম যে ডোনাল্ড ট্রাম্প হয়তো দায়িত্বটি গুরুত্বের সাথে নেওয়ার কিছুটা আগ্রহ দেখাবেন। কিন্তু তিনি কখনোই তা করেননি। প্রায় চার বছর ধরে তিনি কাজে মন দেওয়ার কোনো আগ্রহ দেখাননি। অভিন্ন ভিত্তি খোঁজার কোনো আগ্রহ তার ছিল না। নিজের ও বন্ধুদের ছাড়া অন্য কাউকে সাহায্য করার জন্য অফিসের বিপুল ক্ষমতা ব্যবহারের কোনো সদিচ্ছা তিনি দেখাননি। প্রেসিডেন্সিকে নিজের কাঙ্ক্ষিত মনোযোগ পাওয়ার জন্য আরেকটি রিয়েলিটি শো ছাড়া অন্য কিছু হিসেবে বিবেচনা করার কোনো আগ্রহ তার ছিল না। ট্রাম্প এই পদের যোগ্য হয়ে উঠতে পারেননি, কারণ তিনি পারবেন না।
** ট্রাম্পের ব্যাপারে বারাক ওবামা, [https://www.vanityfair.com/news/2020/08/democratic-national-convention-kamala-harris-barack-obama ২০ আগস্ট ২০২০]
* আমি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে পছন্দ করি কারণ তিনি মন থেকে কথা বলেন। 'মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন' একটি চমৎকার স্লোগান। আমি তার সাথে দেখা করতে চাই।
** মালিক ওবামা, প্রেসিডেন্ট ওবামার সৎ ভাই। ২৪ জুলাই ২০১৬-এ ইসাবেল ভিনসেন্ট রচিত ''নিউ ইয়র্ক পোস্টের'' [http://nypost.com/2016/07/24/why-obamas-half-brother-says-hell-be-voting-for-donald-trump/ "ওবামার সৎ ভাই কেন বলছেন যে তিনি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ভোট দেবেন"] প্রতিবেদনে উদ্ধৃত।
* চলুন ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছ থেকে শিক্ষা নিয়ে কিছুক্ষণের জন্য রাজনৈতিক শুদ্ধতাকে দূরে সরিয়ে রাখি। আপনি যদি ট্রাম্পকে সমর্থন করেন, তবে আপনি তার নারীবিদ্বেষী, ধর্মান্ধ এবং বর্ণবাদী দৃষ্টিভঙ্গিকেও সমর্থন করেন। এর মধ্যে কোনো 'যদি', 'কিন্তু' বা 'অথবা' নেই। জিওপি দলের নেতা, নির্বাচিত কর্মকর্তা এবং এমনকি সম্প্রদায়ের নেতাদের ক্ষেত্রে এটি বিশেষভাবে সত্য। কেউ কেউ বলেছেন, 'নারীদের হেয় করার ট্রাম্পের অতীত আমার পছন্দ নয়, তবে আমি মনে করি তিনি অর্থনীতির জন্য ভালো হবেন'। দুঃখিত, তার একটি নীতিগত প্রস্তাব পছন্দ করার কারণে আপনি পার পেয়ে যেতে পারেন না। এটি অনেকটা 'আমি তার কর পরিকল্পনার জন্য হিটলারকে সমর্থন করেছিলাম' বলার মতো। না, আমি মোটেও ট্রাম্পকে হিটলারের সাথে তুলনা করছি না। তবে কয়েক সপ্তাহ আগে ''নিউজউইকে'' দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অশউইৎজ থেকে বেঁচে ফেরা অ্যান ফ্রাঙ্কের ৮৬ বছর বয়সী সৎ বোন ইভা শ্লস ঠিক এই কাজটিই করেছেন। তিনি বলেছিলেন যে ট্রাম্প 'বর্ণবাদ উসকে দিয়ে আরেকজন হিটলারের মতো আচরণ করছেন'।
** ডিন ওবেইদাল্লাহ, কেবল নিউজ নেটওয়ার্ক, জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের ''সিএনএনের'' [http://www.edition.cnn.com/2016/02/24/opinions/support-trump-support-bigotry-obeidallah/index.html "অ্যা ভোট ফর ট্রাম্প ইজ অ্যা ভোট"] (২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬)
* তিনি তার বাবার মতো একই পরিণতির ভয়ে থাকেন। নব্বইয়ের দশকে তার বাবার ডিমেনশিয়া এবং পরে আলৎসহাইমার হয়েছিল। আমার মনে হয় তিনি সারাজীবন এই বোঝা বয়ে বেড়িয়েছেন। ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ট্রাম্প ১.০ এর তুলনায় তিনি এখন কীভাবে প্রশ্নের উত্তর দেন তা লক্ষ্য করুন। তিনি তার কথাগুলো কিছুটা অস্পষ্টভাবে বলেন, তাকে ক্লান্ত দেখায় এবং তিনি ঝুঁকে থাকেন।
** টিমোথি এল. ও'ব্রায়েন, ব্লুমবার্গ ওপিনিয়নের জ্যেষ্ঠ নির্বাহী সম্পাদক এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষক। ''ল্যাটিন টাইমসের'' [https://www.latintimes.com/trump-lives-fear-developing-dementia-alzheimers-like-his-father-political-analyst-claims-582332 রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের দাবি, বাবার মতো ডিমেনশিয়া ও আলৎসহাইমার হওয়ার 'ভয়ে আছেন' ট্রাম্প] প্রতিবেদনে উদ্ধৃত (৫ মে ২০২৫)
* তিনি আহামরি কিছু নন। তাছাড়া টেলিভিশনের চেয়ে সামনাসামনি তাকে অনেক কম আকর্ষণীয় মনে হয়।
** আলেকজান্দ্রিয়া ওকাসিও-কর্তেজ, ডেমোক্রেসি নাও-এর সাথে [https://www.democracynow.org/2020/2/10/democracy_now_the_squad_sotu সাক্ষাৎকার] (২০২০)
* তিনি আমাকে বলেছিলেন, "আপনি যদি কখনো প্রতারণা করতে গিয়ে ধরা পড়েন, তবে তা অস্বীকার করুন, বারবার অস্বীকার করুন এবং তাদের ক্লান্ত করে তুলুন। শেষ পর্যন্ত তারা আপনাকে বিশ্বাস করবে কারণ আপনি দীর্ঘ সময় ধরে তা অস্বীকার করে আসছেন।"
** আটলান্টিক সিটির ট্রাম্প প্লাজা ক্যাসিনোর সাবেক প্রেসিডেন্ট জ্যাক ও'ডোনেল, ''নিউ ইয়র্ক টাইমসের'' [https://www.nytimes.com/2019/04/26/us/politics/stephen-moore-donald-trump-sexual-misconduct.html বিলিভিং হিম: ফর ট্রাম্প, স্টিকিং উইথ মেন লাইক স্টিফেন মুর ইজ নাথিং নিউ] (২৬ এপ্রিল ২০১৯)
* আমি যখন সেখানে চার বছর ছিলাম, তখন আমার মতে [এপস্টিন] ছিলেন তার সবচেয়ে কাছের বন্ধু।<br>...এই [স্টেট ক্যাসিনো কমিশন ইন্সপেক্টর] ঘটনাক্রমে একজন টেনিস ভক্ত ছিলেন এবং তিনি বলেছিলেন, 'জ্যাক, আমি জানি মেয়েটির বয়স ১৯ বছর'। তারা নিশ্চিত হয়েছিল যে [এপস্টিন এবং ট্রাম্প] যেসব নারীদের নিয়ে এসেছিলেন, ক্যাসিনোতে থাকার জন্য তাদের বয়স কম ছিল।<br>আমাকে তাদের ফোন করে বলতে হয়েছিল, 'তারা এবার আপনাকে ছাড় দিচ্ছে। কিন্তু যদি এটি আবার ঘটে, তবে জরিমানার পরিমাণ অনেক বেশি হবে এবং এর দায়ভার আপনার ওপরেই বর্তাবে।'<br>সেই কথোপকথনে আমি তাকে বলেছিলাম, 'আমার মনে হয় না আপনার এই লোকটির সাথে ঘুরে বেড়ানো উচিত। আপনাকে জানিয়ে রাখছি, আটলান্টিক সিটিতে আপনার অবশ্যই এমন কিছু করা উচিত নয়।'
** ১৯৮০-এর দশকে আটলান্টিক সিটির ট্রাম্প প্লাজা হোটেল এবং ক্যাসিনোর তদারকি করা জ্যাক ও'ডোনেল সেখানে থাকাকালীন ট্রাম্প এবং জেফরি এপস্টিন সম্পর্কে তার পর্যবেক্ষণ বর্ণনা করেছেন। ''পিপলের'' [https://people.com/ex-casino-boss-claims-trump-epstein-brought-underage-girls-casino-floor-11774374 সাবেক ক্যাসিনো বসের দাবি, ট্রাম্প এবং তার 'সবচেয়ে কাছের বন্ধু' জেফরি এপস্টিন একবার ক্যাসিনোতে অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের আনতে গিয়ে ধরা পড়েছিলেন] (১৭ জুলাই ২০২৫)
* ডোনাল্ড ট্রাম্পের ডিমেনশিয়া হলে আমরা কীভাবে জানব?
** এমএসএনবিসির উপস্থাপক লরেন্স ও'ডোনেল, ''দ্য ডেইলি বিস্টের'' [https://www.thedailybeast.com/lawrence-odonnell-finds-new-signs-of-how-small-trumps-brain-is/ "লরেন্স ও'ডোনেল ট্রাম্পের মস্তিষ্ক 'কতটা ছোট' তার নতুন লক্ষণ খুঁজে পেয়েছেন"] প্রতিবেদনে উদ্ধৃত (১৯ জুন ২০২৫)
* এই তরুণী, {{w|তারা কনার|তারা কনারের}} বয়স কত? ২০? ২১। সে বাইরে গিয়ে পার্টি করছিল। সে কেনটাকির মেয়ে। সে নিউ ইয়র্কে গিয়ে সব পার্টিতে ঘুরে বেড়াত। প্যারিস এবং লিন্ডসে যা করে, সে-ও তাই করছিল—নাচানাচি বা অন্য কিছু। আর সে তার মুকুট ধরে রাখতে পারবে কিনা তা জানাতে তিনি একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন। এরপর মেয়েটি কাঁদতে কাঁদতে বলে, "আমাকে দ্বিতীয় সুযোগ দেওয়ার জন্য আমি শুধু ডোনাল্ডকে ধন্যবাদ জানাতে চাই।" আর সেখানে তিনি চুলের স্টাইল ঠিক করতে করতে বলেন, ''[মেয়েটির মাথার ওপর দিয়ে চুল নাড়িয়ে ট্রাম্পের নকল করে]'' "সবাই দ্বিতীয় সুযোগ পাওয়ার যোগ্য। আমি তাকে দ্বিতীয় সুযোগ দিতে যাচ্ছি।"<br>তিনি আমাকে বিভিন্নভাবে বিরক্ত করেন। তিনি নৈতিকতার মানদণ্ড? প্রথম স্ত্রীকে ছেড়ে তিনি পরকীয়ায় জড়িয়েছিলেন। দ্বিতীয় স্ত্রীকে ছেড়েও তিনি পরকীয়ায় জড়িয়েছিলেন। দুইবারই তার সন্তান ছিল। তারপরও তিনি আমেরিকায় ২০ বছর বয়সীদের জন্য নৈতিকতার পথপ্রদর্শক। ডোনাল্ড, আমার বন্ধু, বসে বসে শুধু ঘুরতে থাকো! আমি তাকে মোটেও উপভোগ করি না। না। না, না, না।
* তিনি উত্তরাধিকার সূত্রে প্রচুর অর্থ পেয়েছিলেন। একটু দাঁড়ান। তিনি এতবার দেউলিয়া হয়েছেন যে তাকে কোনো টাকা শোধ করতে হয়নি। কিন্তু তার অধীনে থাকা মানুষরা, যাদের কাছে তিনি ঋণী ছিলেন, তারা তাদের প্রাপ্য টাকা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। আর তিনি বারবার চেষ্টা করার সুযোগ পেয়েছেন। আপনি কি জানেন দ্বিতীয়বার তাকে কে বাঁচিয়েছিল? তার বাবার মৃত্যুর পর ওই টাকা দিয়ে তিনি তার সব দেউলিয়াত্বের দেনা শোধ করেছিলেন। তিনি নিজের চেষ্টায় গড়ে ওঠা কোনো মানুষ নন।
* আমার শুধু মনে হয় যে এই লোকটি অনেকটা ''লিটল হাউস অন দ্য প্রেইরি''র সেই সাপের তেল বিক্রেতাদের মতো।
** রোজি ও'ডোনেল, দ্য ভিউ (২০০৬), ''পিপলের'' "[http://www.people.com/article/rosie-odonnell-addresses-donald-trump-attack-presidential-debate বিতর্কে আক্রমণের পর ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কড়া জবাব দিয়েছেন রোজি ও'ডোনেল - এবং তাকে 'অরেঞ্জ অ্যানাস' বলেছেন]" প্রতিবেদনে উদ্ধৃত (২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬)
** মাদকাসক্তি কেলেঙ্কারির পর মিস ইউএসএ ২০০৬-কে একটি "দ্বিতীয় সুযোগ" দেওয়ার বিষয়ে ট্রাম্পের ঘোষণার কথা উল্লেখ করে।
* এই লোকটি কোনোভাবেই প্রেসিডেন্ট হতে পারে না। তাদের কাছে ওই বোতামটি আছে—ওই ব্রিফকেসটি। সে ঠিকই তা খুঁজে বের করবে।
** পি. জে. ও'রক, ক্ষমতা গ্রহণের পর কমান্ডার-ইন-চিফ যে পারমাণবিক কোডগুলোর নিয়ন্ত্রণ নেন, তার ইঙ্গিত করে এনপিআর-এ [http://www.npr.org/2016/05/09/477339063/conservative-author-pj-orourke-reluctantly-backs-clinton ৭ মে ২০১৬]-এ
* প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা সীমিত করতে প্রতিষ্ঠাতারা {{w|চেকস অ্যান্ড ব্যালেন্স|ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষার}} একটি ব্যবস্থা তৈরি করেছিলেন। তবে কেউ যদি তা ঠিকভাবে প্রয়োগ করে, তবেই এটি কাজে আসে। আপনি যদি তা না করেন, তবে এর দায় আর ট্রাম্পের ওপর বর্তায় না, বরং আপনার ওপরেই পড়ে। কারণ প্রেসিডেন্সিয়াল ক্ষমতার অধিকারী পাঁচ বছরের কোনো শিশু যখন {{w|রুবি টিউজডেস|রুবি টিউজডেসে}} স্যালাড বারে নোংরামি করে, তখন একপর্যায়ে আপনি পাঁচ বছরের শিশুটিকে দোষ দেওয়া বন্ধ করে দেন। এর বদলে যারা তাকে বাধা দিচ্ছে না, আপনি তাদেরই দোষারোপ করতে শুরু করেন। ওই ছেলেটিকে থামান, আমি সেটাই বলছি। ওই ছেলেটিকে এখনই থামান।
** এফবিআই পরিচালক জেমস কোমিকে ট্রাম্পের বরখাস্ত করার পরের ঘটনা নিয়ে নিজের লাস্ট উইক টুনাইট অনুষ্ঠানে জন অলিভার (১৪ মে ২০১৭)
* আমি অভিবাসন জালিয়াতি করেছি বলে ২০১৯ সালে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প একটি ভিত্তিহীন ষড়যন্ত্র তত্ত্বের পুনরাবৃত্তি করেছিলেন। অথচ প্রায় তিন বছর আগেই আমি ভেবেছিলাম যে আমি এর চূড়ান্ত জবাব দিয়ে দিয়েছি।
** [[ইলহান ওমর]], ''দিস ইজ হোয়াট আমেরিকা লুকস লাইক'' (২০২১)
* যেহেতু তিনি এখন নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট, আপনার শুধু আশা করা উচিত যে তিনি বিশ্বকে আরও সুন্দর করে তুলতে পারবেন। তিনি সম্পূর্ণ ন্যায্যভাবে জিতেছেন। আমাদের তাকে একটি সুযোগ দিতে হবে। ভোট পুনর্গণনা বা এমন অন্যান্য বিষয় নিয়ে কথা বলার কোনো প্রয়োজন নেই।
** ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮-এ ক্যাথরিন মঙ্ক রচিত ''{{w|ফ্যাক্টচেক.অর্গ|ফ্যাক্টচেক.অর্গের}}'' ''[https://www.factcheck.org/2018/09/shaq-didnt-call-trump-the-best-president/ শ্যাক ট্রাম্পকে 'সেরা প্রেসিডেন্ট' বলেননি]'' প্রতিবেদনে উদ্ধৃত হিসেবে শেকিল ও'নিল
* আমার কাছে ট্রাম্পকে হিটলারের চেয়ে সাবেক ইতালীয় প্রধানমন্ত্রী সিলভিও বারলুসকোনির মতোই বেশি মনে হয়। ট্রাম্প অনেক কিছুরই সমাহার। তিনি একজন আদুরে ও অপরিপক্ক মানুষ। সবার কাছ থেকে শর্তহীন এবং অফুরন্ত ভালোবাসা পাওয়ার জন্য মরিয়া এক কিশোর তিনি। আমি মনে করি না তিনি ধর্মান্ধ। আমি নিশ্চিত নই যে তার ভাইস প্রেসিডেন্ট ধর্মান্ধ নন এমন কথা আমি বলব কিনা। সম্ভবত তিনি ধর্মান্ধ। কিন্তু ডোনাল্ড ট্রাম্পকে আমার ধর্মান্ধ বলে মনে হয় না।
** আমোস ওজ, ''ফরোয়ার্ডের'' সাথে [https://forward.com/culture/416752/amos-oz-in-final-q-a-israel-is-a-dream-come-true-and-as-a-dream-come-true/ সাক্ষাৎকার] (২০১৮)
=== পি ===
* ট্রাম্প যা করেছেন তাতে আমি খুশি। কারণ তিনি গণমাধ্যমকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দিয়েছেন! হঠাৎ করেই, 'বুম!' এই অসতর্কতা এবং হঠকারী আচরণ। তিনি অবশ্যই কোনো প্রেসিডেন্ট নন। দূর থেকেও তাকে প্রেসিডেন্ট বলা যায় না। তার কোনো রাজনৈতিক দক্ষতা নেই। তিনি কেবল এমন একজন আমেরিকান নাগরিক যিনি নিজের জন্য একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম তৈরি করছেন।
** ক্যামিল প্যাগলিয়া, ১১ ডিসেম্বর ২০১৫-এ লুক মরগান ব্রাইটন রচিত এনএমই.কম-এর "[http://www.nme.com/blogs/nme-blogs/before-calling-taylor-swift-a-nazi-barbie-camille-paglia-laid-into-plenty-of-other-celebrities-765347#SFT3Db4CgkKHb7QH.99 টেইলর সুইফটকে 'নাৎসি বার্বি' বলার আগে আরও অনেক তারকার ওপর চড়াও হয়েছিলেন ক্যামিল প্যাগলিয়া]" প্রতিবেদনে উদ্ধৃত; সংগৃহীত ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭
* হিলারি জিতলে সবাই আশা করত যে হতাশ ট্রাম্প ভোটাররা নির্বাচনের ফলাফলের প্রতি অন্তত কিছুটা সম্মান দেখাবে। সেই সাথে শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রতি সম্মান জানাতে সাবেক প্রতিদ্বন্দ্বীরা ক্ষণিকের জন্য একত্রিত হওয়ার ঐতিহাসিক অভিষেক অনুষ্ঠানের প্রতিও তাদের শ্রদ্ধাশীল হওয়ার প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু ট্রাম্পের জয়ে হতবাক হওয়া বিপুল সংখ্যক ডেমোক্র্যাটদের প্রতিক্রিয়া তেমন ছিল না। আধুনিক ডেমোক্র্যাটিক পার্টির ইতিহাসের সবচেয়ে জঘন্য পর্বগুলোর একটিতে নেতৃত্বের চরম ব্যর্থতা দেখা যায়। হ্যারি রিডের অবসরের পর সিনেটে ডেমোক্র্যাটিক নেতা হিসেবে আবির্ভূত হওয়া চাক শুমার কোনো নৈতিক কর্তৃত্বই প্রতিষ্ঠা করতে পারেননি। সারা দেশ ক্ষোভ ও বিদ্বেষের বশে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলেও তিনি নির্বিকার ছিলেন। এছাড়া কয়েক দশক ধরে আমি যাদের প্রশংসা করে এসেছি এবং যারা অনেক আগেই প্রেসিডেন্ট পদে লড়তে পারতেন বলে বিশ্বাস করি, সেই দুই প্রবীণ রাজনীতিক সিনেটর ডায়ান ফেইনস্টেইন এবং কংগ্রেসওম্যান ন্যান্সি পেলোসির কাছ থেকেও সতর্কতা এবং সংযমের কোনো রাষ্ট্রনায়কোচিত কথা শোনা যায়নি। ডেমোক্র্যাটরা কীভাবে কল্পনা করে যে তারা এই আত্মঘাতী পথে চলতে থাকলে তাদের নির্বাচনী সমর্থন বাড়বে? অর্ধেক জাতিকে জঘন্য বর্ণবাদী এবং সমকামীবিদ্বেষী হিসেবে তারা অভিযুক্ত করে চলেছে।<br/>এই সবকিছুই আজ ট্রাম্পের কাজের মূল্যায়নের দিকে আমাদের নিয়ে যায়। প্রাথমিক ধাঁধাটি ছিল: তিনি কি প্রচারণার একজন কটুভাষী সাবেক রিয়েলিটি শো তারকা থেকে আরও সংযত এবং প্রেসিডেন্টসুলভ ব্যক্তিত্বে রূপান্তরিত হতে পারবেন? তার কট্টর সমালোচকদের হয়তো হতাশ করে ট্রাম্প অভিষেকের সকালে ক্যাপিটলে সত্যিই সেই রূপান্তর ঘটিয়েছিলেন। সে সময় তাকে গম্ভীর ও মনোযোগী দেখাচ্ছিল এবং সর্বোচ্চ পদের বিশাল দায়িত্বের বোধ তিনি স্পষ্টভাবে প্রকাশ করেছিলেন। প্রেসিডেন্ট হিসেবে তার নির্দিষ্ট পদক্ষেপগুলোর কথা বলতে গেলে, আমি নির্বাহী আদেশের ভক্ত নই। এগুলো কংগ্রেসের বিশেষাধিকার কেড়ে নেয়। ওবামা যখন প্রতিনিয়ত এসব আদেশে সই করতেন, তখন আমি তার কড়া সমালোচনা করতাম (মূলধারার গণমাধ্যম তখন খুব একটা প্রতিবাদ করেনি)।
** ক্যামিল প্যাগলিয়া, ১৫ জুন ২০১৭-এ জোনাথন ভি. লাস্ট রচিত ''দ্য উইকলি স্ট্যান্ডার্ডের'' "[http://www.weeklystandard.com/camille-paglia-on-trump-democrats-transgenderism-and-islamist-terror/article/2008464 ক্যামিল প্যাগলিয়া: ট্রাম্প, ডেমোক্র্যাট, রূপান্তরকামিতা এবং ইসলামি সন্ত্রাসবাদ নিয়ে]" প্রতিবেদনে উদ্ধৃত
* কেবল একজন প্রার্থীর সাফল্যের রেকর্ডই প্রমাণ করে যে তিনি চুক্তি সম্পাদনের শিল্পে দক্ষ। যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সমর্থন জানাতে আমি এখানে এসেছি।
** সারা প্যালিন, ''ইন্ডিপেন্ডেন্টের'' [http://www.independent.co.uk/news/people/sarah-palins-speech-endorsing-donald-trump-in-full-a6822771.html "ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সমর্থন জানিয়ে সারা প্যালিনের সম্পূর্ণ বক্তব্য"] (২০ জানুয়ারি ২০১৬)
* ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্ভাব্য প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হওয়ায় আমরা যুক্তরাষ্ট্রের একটি মহান রাজনৈতিক দলকে জনতুষ্টিবাদীদের ছিনতাই করতে দেখছি। এটি অজ্ঞতা, কুসংস্কার, ভয় এবং বিচ্ছিন্নতাবাদের গভীরে প্রোথিত। একজন রিপাবলিকান হিসেবে এটি আমাকে গভীরভাবে ভাবিয়ে তুলেছে। তবে একজন আমেরিকান হিসেবে এটি আমাকে আরও বেশি উদ্বিগ্ন করেছে। অনেক হয়েছে। এখন দলের ঊর্ধ্বে দেশকে স্থান দেওয়ার এবং একসাথে বলার সময় এসেছে: ট্রাম্প কখনোই নয়।
** হেনরি পলসন, ওয়াশিংটন, ডিসির ''দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের'' [https://www.washingtonpost.com/opinions/when-it-comes-to-trump-a-republican-treasury-secretary-says-choose-country-over-party/2016/06/24/c7bdba34-3942-11e6-8f7c-d4c723a2becb_story.html?hpid=hp_no-name_opinion-card-f%3Ahomepage%2Fstory "দলের চেয়ে দেশকে বেছে নিন"] (২৪ জুন ২০১৬)। ''[http://www.cbsnews.com/news/donald-trump-henry-paulson-op-ed-hillary-clinton-election-2016/ সিবিএস নিউজ]''-এ উদ্ধৃত (জুন ২০১৬)
* সরকারের সাহায্যে সমাজের সবচেয়ে দুর্বল মানুষের ওপর শিকার করে এবং তাদের ভয় দেখিয়ে ট্রাম্প নিজের জীবিকা নির্বাহ করেছেন। তিনি বাইরের কোনো মানুষ নন, বরং সবচেয়ে নিকৃষ্ট ধরনের এক অনির্বাচিত রাজনীতিক। তিনি স্বীকার করেন যে নিজের ইচ্ছেপূরণ করতে এবং প্রকাশ্যে ব্যবস্থার অপব্যবহার করতে তিনি নির্বাচিত কর্মকর্তাদের কিনে নিয়েছেন। কিছু মহল থেকে তিনি যে তীব্র সমর্থন পান, তা সত্যিই বিস্ময়কর। ট্রাম্পের উদারপন্থী অবস্থান সুদূর অতীতের কোনো বিষয় নয়—তিনি নির্বাচনী প্রচারণায় প্রকাশ্যে এর প্রচার করেছেন। ট্রাম্প নিজের ছাড়া আর কারও জন্য লড়ছেন না। এটি কয়েক দশক ধরে তার কাজের ধরন। রক্ষণশীলদের সামনে একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত রয়েছে। আমরা কি সত্যিই আমাদের দীর্ঘদিনের নীতিতে বিশ্বাস করি এবং জোর দিয়ে বলি যে রাজনীতিকদের সেসব নীতির প্রতি আনুগত্য প্রদর্শনের রেকর্ড থাকতে হবে? নাকি আমরা এই নীতিগুলো ছুড়ে ফেলতে প্রস্তুত? কারণ কয়েক দশক ধরে উদারপন্থী ডেমোক্র্যাট হিসেবে থাকা একজন বিনোদনদাতা নিছক কিছু সঠিক কথা বলছেন?
** {{w|কেটি প্যাভলিচ}}, ''ন্যাশনাল রিভিউের'' [http://www.nationalreview.com/article/430126/donald-trump-conservatives-oppose-nomination "ট্রাম্পের বিরুদ্ধে রক্ষণশীলরা"] (২১ জানুয়ারি ২০১৬)
* তার আচরণ পর্যবেক্ষণ করে আমি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি যে তিনি এমন একজন মানুষের মতো যিনি দিকনির্দেশনা চাইতে অস্বীকার করেন।
* সব প্রশ্নের উত্তর সেখানে আছে। তারপরও প্রেসিডেন্ট ভুল পথে চলতে থাকেন এবং আমাদের চেয়ে ভালো জানেন এমন বিজ্ঞানীদের কাছে দিকনির্দেশনা চাইতে অস্বীকার করেন।
** করোনাভাইরাস মহামারী মোকাবেলায় পরীক্ষা, কন্ট্যাক্ট ট্রেসিং, চিকিৎসা, সামাজিক দূরত্ব, মাস্ক পরা এবং সরঞ্জামের প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে কথা বলার সময় ন্যান্সি পেলোসি। ১৭ জুলাই ২০২০-এ মারিসা শুল্টজ রচিত ''সিএনএনের'' [https://www.foxnews.com/politics/pelosi-compares-trump-to-the-man-who-refuses-to-ask-for-directions "পেলোসি ট্রাম্পকে 'দিকনির্দেশনা চাইতে অস্বীকার করা মানুষের' সাথে তুলনা করেছেন"] প্রতিবেদনে উদ্ধৃত।
* আমরা হয়তো তার মতো কাউকে পাব যে মানসিকভাবে সুস্থ। আর তা সত্যিই বিপজ্জনক হবে। কারণ সেই মানুষটি চতুর, কৌশলী এবং আরও অনেক কিছু হতে পারে। কিন্তু ট্রাম্প তো একটা জঘন্য লোক। সে বিজ্ঞানে বিশ্বাস করে না। সে সস্তা জিনিস বিক্রেতার মতো ধোঁকাবাজ। আর সে খুব ধূর্ত। তার ধূর্ততার জন্য তাকে কৃতিত্ব দিন।
** ক্যারল লিওনিগ এবং ফিলিপ রাকার রচিত ''আই অ্যালোন ক্যান ফিক্স ইট: ডোনাল্ড জে. ট্রাম্পস ক্যাটাস্ট্রফিক ফাইনাল ইয়ার'' (২০২১) বইয়ের ৬ নম্বর পৃষ্ঠায় উদ্ধৃত হিসেবে ন্যান্সি পেলোসি।
* ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং আমি বিশ্বাস করি যে ক্যাপ্টেন হুমায়ুন খান একজন আমেরিকান বীর। সব গোল্ড স্টার পরিবারের মতো তার পরিবারকেও প্রতিটি আমেরিকানের সম্মান করা উচিত। সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী যুদ্ধে ক্যাপ্টেন খান আমাদের দেশ রক্ষায় জীবন দিয়েছেন। বারাক ওবামা এবং হিলারি ক্লিনটনের বিপর্যয়কর সিদ্ধান্তের কারণে একসময়ের স্থিতিশীল মধ্যপ্রাচ্য এখন আইসিসের দখলে। এটি চলতে দেওয়া যায় না। সন্ত্রাসবাদের শিকার দেশগুলো থেকে অভিবাসন স্থগিত করে, আমাদের সামরিক বাহিনীকে পুনর্গঠন করে, আইসিসকে তাদের উৎসে পরাজিত করে এবং বৈশ্বিক মঞ্চে শক্তির প্রদর্শন করে আমরা অন্যান্য আমেরিকান পরিবারগুলোর খান পরিবারের মতো হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা কমিয়ে আনব।
** শহীদ ক্যাপ্টেন {{w|হুমায়ুন এস. এম. খান|হুমায়ুন এস. এম. খানের}} পরিবার নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্যের বিষয়ে মাইক পেন্স: [https://www.facebook.com/mikepence/posts/10153921668637862 ফেসবুক, ৩১ জুলাই ২০১৬]
* আমি শাস্ত্রের রেফারেন্সটি লিখেছিলাম, যা হলো ২ করিন্থীয় ৩:১৭। এভাবেই এটি লেখা হয়, আমি দোষী প্রমাণিত। আমি ঠিক এই কাজটিই করেছিলাম। সংযোগ স্থাপনের জন্য তিনি যেসব বিষয়ে কথা বলতে পারেন, আমি তার কয়েকটি পরামর্শ তাকে পাঠিয়েছিলাম। <br /> এটি প্রমাণ করে যে তিনি বাইবেলের সাথে পরিচিত নন। ডোনাল্ড ট্রাম্প খুবই আকর্ষণীয় একজন মানুষ। অন্যান্য ধর্ম প্রচারকদের মতো তার সম্পর্কে এমন কিছু বিষয় রয়েছে যা আমার কাছে দারুণ লাগে এবং আমার পছন্দ হয়।
** লিবার্টি ইউনিভার্সিটিতে এক ভাষণের সময় ট্রাম্প "সেকেন্ড করিন্থিয়ানস"-এর বদলে "টু করিন্থিয়ানস" বলায় ''আউটফ্রন্ট'' অনুষ্ঠানে {{w|সিএনএন|সিএনএন-এর}} {{w|এরিন বার্নেট|এরিন বার্নেটের}} সাথে এক সাক্ষাৎকারে টনি পারকিন্স। [http://edition.cnn.com/2016/01/20/politics/donald-trump-tony-perkins-sarah-palin/] (২২ জানুয়ারি ২০১৬)
* তিনি একটি চিৎকার-চেঁচামেচির উৎসবের প্রস্তাব দেন, যাকে ট্রাম্পবাদ হিসেবে সবচেয়ে ভালোভাবে বর্ণনা করা যায়। এটি জনতুষ্টিবাদ, নীচ মানসিকতা এবং অর্থহীন কথার এক বিষাক্ত মিশ্রণ, যা অনুসরণ করা হলে রিপাবলিকান পার্টি ধ্বংসের দিকে ধাবিত হবে। কেউ যেন ভুল না বোঝে: ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রার্থিতা রক্ষণশীলতার জন্য একটি ক্যান্সারের মতো। এটি স্পষ্টভাবে শনাক্ত করা, কেটে ফেলা এবং বাতিল করা আবশ্যক। ডোনাল্ড ট্রাম্প হলেন {{w|নো নাথিং|নো নাথিং}} আন্দোলনের আধুনিক রূপ।
** ২২ জুলাই ২০১৫-এ উইলার্ড হোটেলের প্রচারণায় রিক পেরি। ২২ জুলাই ২০১৫-এ জোস এ. ডেলরিয়াল রচিত ''দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের'' {{cite news
| date = ২২ জুলাই ২০১৫
| title = Perry: Trump's campaign ‘a barking carnival act' and ‘a cancer on conservatism'
| trans-title = পেরি: ট্রাম্পের প্রচারণা 'একটি চিৎকার-চেঁচামেচির উৎসব' এবং 'রক্ষণশীলতার ক্যান্সার'
| first = জোস এ.
| last = ডেলরিয়াল
| work = দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট
| url = http://www.washingtonpost.com/blogs/post-politics/wp/2015/07/22/rick-perry-donald-trumps-campaign-a-barking-carnival-act-and-a-cancer-on-conservatism/
}} প্রতিবেদনে উদ্ধৃত।
* ট্রাম্প কতদূর যাবেন তা আমার জানা নেই। তবে আমেরিকান জনগণকে আত্মবিশ্বাস জোগানোর মাধ্যমে এবং এস্টাবলিশমেন্টের ভণ্ডামি উন্মোচন করে তিনি ইতিমধ্যেই আমাদের দেশের বড় উপকার করেছেন।
** জেসি লি পিটারসন, ''ডব্লিউএনডিের'' [http://www.wnd.com/2015/09/cowards-join-forces-to-attack-the-bully/ "কাপুরুষরা একত্রিত হয়ে 'গুণ্ডাদের' আক্রমণ করে"] (২১ সেপ্টেম্বর ২০১৫)
* আমাদের বেশিরভাগের কাছেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন একটি গণমাধ্যমের বিকৃত প্রদর্শনী, যেখানে ডোনাল্ড ট্রাম্প হলেন প্রধান খলনায়ক। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতাধররা ট্রাম্পকে ঘৃণা করার কারণ তার আপত্তিকর আচরণ এবং মতামতের সাথে খুব একটা সম্পর্কিত নয়। ওয়াশিংটনের অদৃশ্য সরকারের কাছে একুশ শতকের জন্য আমেরিকার পরিকল্পনায় অপ্রত্যাশিত ট্রাম্প একটি বড় বাধা। ওয়াশিংটনের সামরিকবাদীদের কাছে ট্রাম্পের আসল সমস্যা হলো, নিজের সুস্থ মুহূর্তে তিনি রাশিয়ার সাথে যুদ্ধে জড়াতে চান না বলে মনে হয়। তিনি রুশ প্রেসিডেন্টের সাথে যুদ্ধ না করে আলোচনা করতে চান। তিনি চীনের প্রেসিডেন্টের সাথেও কথা বলতে চান। হিলারি ক্লিনটনের সাথে প্রথম বিতর্কে ট্রাম্প প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে তিনি কোনো সংঘাতে প্রথমে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করবেন না। তিনি বলেছিলেন, "আমি অবশ্যই আগে হামলা করব না। একবার পারমাণবিক বিকল্প ব্যবহার করা হলে সব শেষ।" এটি কোনো নতুন খবর ছিল না। যা স্পষ্ট তা হলো, হোয়াইট হাউসে যিনিই থাকুন না কেন, যুক্তরাষ্ট্র পরিচালনাকারী বিশাল জাতীয় নিরাপত্তা যন্ত্রের বজায় রাখা স্থিতাবস্থার জন্য ট্রাম্পকে একটি গুরুতর হুমকি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সিআইএ তাকে পরাজিত দেখতে চায়। পেন্টাগন চায় তিনি হারুন। গণমাধ্যম তাকে হারতে দেখতে চায়। এমনকি তার নিজের দলও চায় তিনি পরাজিত হোন। তিনি বিশ্বের শাসকদের জন্য একটি হুমকি। অথচ ক্লিনটন কোনো সন্দেহের অবকাশ রাখেননি যে তিনি পারমাণবিক অস্ত্রে সজ্জিত রাশিয়া এবং চীনের সাথে যুদ্ধে যেতে প্রস্তুত। কোনো প্রমাণ ছাড়াই তিনি রাশিয়ার বিরুদ্ধে ট্রাম্পকে সমর্থন করার এবং তার ইমেইল হ্যাক করার অভিযোগ করেছেন।
** [[জন পিলগার]], ''ইনফরমেশন ক্লিয়ারিং হাউসের'' [http://www.informationclearinghouse.info/article45752.htm ইনসাইড দ্য ইনভিজিবল গভর্নমেন্ট: ওয়ার, প্রোপাগান্ডা, ক্লিনটন অ্যান্ড ট্রাম্প] (২৮ অক্টোবর ২০১৬)
* যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের ইচ্ছাকৃত উসকানিমূলক আচরণের কারণে ভুল বা দুর্ঘটনাবশত চীনের সাথে আসন্ন যুদ্ধ বেধে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মহামারীর সুযোগ নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসন চীনের নাকের ডগায় কৌশলগত বোমারু বিমান এবং গুপ্তচর ড্রোন পাঠাচ্ছে। আমাদের এই নীরবতাই আমাদের বিপদের কারণ।
** [[জন পিলগার]], [https://twitter.com/johnpilger/status/1273141084500250625 টুইটার] (১৭ জুন ২০২০)
* ট্রাম্প একটি ভারসাম্যহীন শক্তি। তিনি রাজনীতিকরণ করা আমেরিকান অহংবোধ। যদি তার নির্বাচনের ফলাফল জরিপের সাথে মিলে যায়, তবে তিনি নিঃসন্দেহে আমার জীবদ্দশায় আমেরিকান সাধারণ সংস্কৃতির সবচেয়ে খারাপ ঘটনা হবেন।
** {{w|জন পডহোরজ|জন পডহোরজ}}, ''{{w|ন্যাশনাল রিভিউ|ন্যাশনাল রিভিউ}}ের'' [http://www.nationalreview.com/article/430126/donald-trump-conservatives-oppose-nomination "ট্রাম্পের বিরুদ্ধে রক্ষণশীলরা"] (২১ জানুয়ারি ২০১৬)
* ডোনাল্ড ট্রাম্প এতটাই ভয়াবহ, ভয়ঙ্কর এবং জঘন্য ছিলেন। তার মিথ্যা, বিকৃতি, প্রতারণা এবং মানহানি আগের চেয়ে আরও বেশি এবং ঘৃণ্য ছিল। প্রচারণার শুরু থেকেই তিনি প্রমাণ করেছেন যে আমেরিকার অন্তরালে থাকা আবেগ সম্পর্কে এমন অনেক কিছু তিনি জানেন যা আমাদের অজানা। হয়তো তিনি এটাও জানেন। তিনি বাধা দেন, তিনি তাদের ওপর চিৎকার করেন, তিনি তাদের অপমান করেন, তিনি তার নির্ধারিত সময়ের চেয়ে বেশি সময় নেন। আর তার তৈরি করা ঘূর্ণিঝড় একটি শূন্যস্থানে পরিণত হয়ে পুরো জায়গার সমস্ত বাতাস শুষে নিয়ে মনোযোগ কাড়তে মরিয়া তার ফুসফুসে প্রবেশ করে।
** {{w|জন পডহোরজ|জন পডহোরজ}}, ''{{w|নিউ ইয়র্ক পোস্ট|নিউ ইয়র্ক পোস্ট}}ের'' [http://nypost.com/2016/02/13/trump-was-out-of-control-in-south-carolina-debate/ "সাউথ ক্যারোলিনা বিতর্কে ট্রাম্প নিয়ন্ত্রণের বাইরে ছিলেন"] (১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৬)
* ভিয়েতনামের প্রধানমন্ত্রী নগুয়েন জুয়ান ফুক এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অবস্থানের মধ্যে কোনো তুলনাই চলে না। প্রথমজনের একটি শান্ত ও বিজ্ঞানভিত্তিক মনোভাব ছিল। অন্যদিকে দ্বিতীয়জন গত ২৪ জুন পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে করোনাভাইরাসকে সাধারণ ফ্লু বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।
** ''কনসোর্টিয়াম নিউজের'' [https://consortiumnews.com/2020/07/16/covid-19-why-laos-vietnam-china-have-beaten-the-virus-and-india-brazil-and-the-us-have-not/ কোভিড-১৯: কেন লাওস, ভিয়েতনাম ও চীন ভাইরাসকে পরাজিত করেছে এবং ভারত, ব্রাজিল ও যুক্তরাষ্ট্র তা পারেনি] প্রতিবেদনে বিজয় প্রসাদ (১৬ জুলাই ২০২০)
* ট্রাম্পের মতো একজন অপরাধী অন্যান্য অপরাধীদের ক্ষমা করবেন, এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। তবে ক্ষমা পাওয়ার জন্য কাউকে স্পষ্টতই একজন রিপাবলিকান, শিশু খুনের দায়ে সাজাপ্রাপ্ত আসামি অথবা টার্কি মুরগি হতে হবে।
** সাউদার্ন ডিস্ট্রিক্ট অব আইওয়ার জ্যেষ্ঠ মার্কিন জেলা বিচারক রবার্ট প্র্যাট, {{cite news
| date = ৩০ ডিসেম্বর ২০২০
| title = 'A criminal like Trump': Federal judge ridicules President's pardons
| trans-title = 'ট্রাম্পের মতো অপরাধী': ফেডারেল বিচারক প্রেসিডেন্টের ক্ষমার সমালোচনা করেছেন
| author = রায়ান জে. ফোলি
| work = দ্য সিডনি মর্নিং হেরাল্ড
| url = https://www.smh.com.au/world/north-america/a-criminal-like-trump-federal-judge-in-iowa-ridicules-trump-s-pardons-20201230-p56qrs.html
}} দ্বারা উদ্ধৃত
* ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং কংগ্রেসে তার শীর্ষ রিপাবলিকান মিত্ররা একটি যুদ্ধে লড়ছেন। যুদ্ধের সীমানাও স্পষ্ট হতে শুরু করেছে। তাদের যুদ্ধটি কোভিড-১৯ মহামারীর বিরুদ্ধে নয়, যে মহামারীতে কেবল এই দেশেই হাজার হাজার মানুষ মারা গেছে। তাদের যুদ্ধটি খোদ দেশের বিরুদ্ধেই পরিচালিত হচ্ছে। বিশেষ করে দেশের সেই অঞ্চলগুলোর বিরুদ্ধে যাদের জনসংখ্যা বেশি, কিন্তু সেখানে ট্রাম্প সমর্থকের সংখ্যা কম। অন্য কথায়, বড় শহরকেন্দ্রিক নীল অঙ্গরাজ্যগুলোর বিরুদ্ধে, যেখানকার গভর্নররা এই সংকটের সময় ট্রাম্পের অর্থহীন "নেতৃত্বের" কাছে মাথা নত করতে অস্বীকার করেছেন।
** উইলিয়াম রিভারস পিট, ''{{w|ট্রুথআউট|ট্রুথআউটের}}'' ''[https://truthout.org/articles/trump-and-mcconnell-arent-waging-war-on-covid-theyre-waging-war-on-us/ ট্রাম্প ও ম্যাককনেল কোভিডের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছেন না। তারা আমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছেন।]'' (২৮ এপ্রিল ২০২০)
* ট্রাম্প অঙ্গরাজ্যগুলোতে ফেডারেল সহায়তা প্রদানকে তার নিজস্ব ব্যক্তিগত {{w|স্পয়েলস সিস্টেম|লুটপাটের ব্যবস্থা}} হিসেবে ব্যবহার করছেন। তিনি আনুগত্যের পুরস্কার দিচ্ছেন, সমালোচকদের শাস্তি দিচ্ছেন। তিনি যখন দায়িত্ব পালন করেন বা না করেন, সবসময়ই তার প্রশংসা দাবি করছেন।
** উইলিয়াম রিভারস পিট, ''{{w|ট্রুথআউট|ট্রুথআউটের}}'' ''[https://truthout.org/articles/trump-and-mcconnell-arent-waging-war-on-covid-theyre-waging-war-on-us/ ট্রাম্প ও ম্যাককনেল কোভিডের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছেন না। তারা আমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছেন।]'' (২৮ এপ্রিল ২০২০)
* আপনি যদি নিজের বিল পরিশোধ না করেন, তবে আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট পূর্ণই থাকে। এই কৌশলটি ট্রাম্প অনেক আগেই শিখেছিলেন।
** উইলিয়াম রিভারস পিট, ''{{w|ট্রুথআউট|ট্রুথআউটের}}'' ''[https://truthout.org/articles/trump-and-mcconnell-arent-waging-war-on-covid-theyre-waging-war-on-us/ ট্রাম্প ও ম্যাককনেল কোভিডের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছেন না। তারা আমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছেন।]'' (২৮ এপ্রিল ২০২০)
* ট্রাম্প ও ম্যাককনেল জানেন যে এই অঙ্গরাজ্যগুলো খুব দ্রুত আবার খুলে দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু তারা এ নিয়ে পরোয়া করেন না। কারণ তাদের অর্থের জোগানদাতাদের খুশি রাখতে হবে। এই কৌশলগুলোর চরম নিষ্ঠুরতা এবং ৫৫,০০০ এরও বেশি মানুষের মৃত্যু ও আরও হাজার হাজার মানুষের মৃত্যুর মুখে এই আত্মঘাতী ধ্বংসের নজির মার্কিন রাজনীতির ইতিহাসে বিরল। এই ভয়াবহ সংকটের সময় পুরো দেশকে সাহায্য করার বদলে, ট্রাম্প এবং ম্যাককনেল আদর্শগতভাবে অযোগ্য মনে করা প্রতিটি অঙ্গরাজ্যের ঘাড়ে পা তুলে দিচ্ছেন। জাতি যদি এর থেকে এবং তাদের হাত থেকে বেঁচে যায়, তবে তা সত্যিই এক অলৌকিক ঘটনা হবে।
** উইলিয়াম রিভারস পিট, ''{{w|ট্রুথআউট|ট্রুথআউটের}}'' ''[https://truthout.org/articles/trump-and-mcconnell-arent-waging-war-on-covid-theyre-waging-war-on-us/ ট্রাম্প ও ম্যাককনেল কোভিডের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছেন না। তারা আমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছেন।]'' (২৮ এপ্রিল ২০২০)
* মিস্টার ট্রাম্প, আমি জানি আপনি আপনার ব্যবসাকে খুব গুরুত্বের সাথে নেন, আর আমি আমার ব্যবসাকে গুরুত্বের সাথে নিই। আমি আপনাকে দেওয়ানি আদালত অবমাননার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করছি।
** প্রিজাইডিং বিচারক, [https://www.cbc.ca/news/world/ny-trump-organization-contempt-1.6430134 নিউ ইয়র্কের দেওয়ানি মামলায় আদালত অবমাননার দায়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প দোষী সাব্যস্ত] (২৫ এপ্রিল ২০২২)
* মানুষ যখন কোনো প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে বোকা, বিরক্তিকর বা নিয়ন্ত্রণের বাইরে বোঝাতে চায়, তখন তারা অটিস্টিকদের হাত নাড়ার নকল করে। ২০১৬ সালের প্রচারণার সময় একজন শারীরিক প্রতিবন্ধী সাংবাদিকের সমালোচনা করতে গিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প হাত নাড়ার এক নিষ্ঠুর নকল করেছিলেন, যা ব্যাপকভাবে সমালোচিত হয়।
** ডেভন প্রাইস, ''আনম্যাস্কিং [[অটিজম]]: ডিসকভারিং দ্য নিউ ফেসেস অব নিউরোডাইভারসিটি'' (২০২২)
* এটি অপরাধ দমনের বিষয় নয়। এটি হলো নীল অঙ্গরাজ্যের একটি নীল শহরে সামরিক বাহিনী মোতায়েনের জন্য ডোনাল্ড ট্রাম্পের অজুহাত খোঁজার চেষ্টা, যাতে তিনি তার রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের ভয় দেখাতে পারেন।<br>এটি হলো যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট এবং তার সহযোগী স্টিফেন মিলারের কাজ। তারা আমাদের গণতন্ত্রকে পাশ কাটাতে, আমাদের শহরগুলোকে সামরিকীকরণ করতে এবং নির্বাচন বন্ধ করার প্রেক্ষাপট তৈরির উপায় খুঁজছেন।
** প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প শিকাগোতে সামরিক বাহিনী পাঠানোর পরিকল্পনা করছেন—এমন প্রতিবেদনের জবাবে ইলিনয়ের গভর্নর জেবি প্রিটজকার। ''সিবিএস নিউজের'' [https://www.cbsnews.com/chicago/news/illinois-governor-jb-pritzker-speech-news-conference-full-text-trump/ শিকাগোতে ট্রাম্পের সামরিক বাহিনী পাঠানোর প্রতিবেদনের ওপর সংবাদ সম্মেলনে ইলিনয়ের গভর্নর জেবি প্রিটজকারের সম্পূর্ণ বক্তব্য] (২৬ আগস্ট ২০২৫)
[[File:Vladimir Putin (2020-02-20).jpg|thumb|কোনো সন্দেহ নেই, তিনি একজন অত্যন্ত মেধাবী এবং প্রতিভাবান ব্যক্তি। তার গুণের বিচার করা আমাদের কাজ নয়, এটি আমেরিকান ভোটারদের দায়িত্ব। তবে তিনি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অবিসংবাদিত নেতা। ~ [[ভ্লাদিমির পুতিন]]]]
* '''কোনো সন্দেহ নেই, তিনি একজন অত্যন্ত মেধাবী এবং প্রতিভাবান ব্যক্তি। তার গুণের বিচার করা আমাদের কাজ নয়, এটি আমেরিকান ভোটারদের দায়িত্ব। তবে তিনি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অবিসংবাদিত নেতা।'''
** [[ভ্লাদিমির পুতিন]], ১৭ ডিসেম্বর ২০১৫-এ নিটজান জিমারম্যান রচিত ''দ্য হিলের'' [http://thehill.com/blogs/blog-briefing-room/news/263555-putin-praises-trump-hes-a-really-brilliant-and-talented-person "ট্রাম্পের প্রশংসায় পুতিন: 'তিনি একজন অত্যন্ত মেধাবী ও প্রতিভাবান ব্যক্তি'"] প্রতিবেদনে উদ্ধৃত।
=== আর ===
* ডোনাল্ড ট্রাম্প নির্বাচনে ন্যায্যভাবেই হেরেছেন।
** ব্র্যাড রাফেনসবার্গার, জর্জিয়ার রিপাবলিকান এবং শীর্ষ নির্বাচনী কর্মকর্তা। ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১-এ দ্য গার্ডিয়ানের [https://www.theguardian.com/us-news/2021/sep/25/trump-rally-perry-georgia-republican-raffensperger-herschel-walker "'তিনি জানেন তিনি হেরেছেন': পেরিতে ট্রাম্পের সমাবেশের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন জর্জিয়ার রিপাবলিকান"] প্রতিবেদনে উদ্ধৃত।
* হাইড্রক্সিক্লোরোকুইনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে। এটি মানসিক লক্ষণ, হৃদরোগ এবং আরও অনেক ক্ষতিকারক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে। কিছু মানুষের জন্য এর ভূমিকা থাকতে পারে। তবে আমেরিকানদের 'আপনাদের হারানোর কিছু নেই' বলাটা সত্যি নয়। নির্বিচারে এটি সেবন করলে মানুষের নিশ্চিতভাবেই হারানোর অনেক কিছু আছে।
** [[মেগান র্যানি]], করোনাভাইরাস ডিজিজ ২০১৯ (কোভিড-১৯) এর চিকিৎসায় এই ওষুধের ব্যবহার নিয়ে ট্রাম্পের বিবৃতির জবাবে। ৫ এপ্রিল ২০২০-এ মাইকেল ক্রাউলি, কেটি থমাস এবং [[ম্যাগি হ্যাবারম্যান]] রচিত ''{{w|দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের}}'' ''[https://www.nytimes.com/2020/04/05/us/politics/trump-hydroxychloroquine-coronavirus.html বিশেষজ্ঞ মতকে উপেক্ষা করে ট্রাম্প আবারও হাইড্রক্সিক্লোরোকুইনের প্রচার করছেন]'' প্রতিবেদনে উদ্ধৃত।
* মনে করিয়ে দিচ্ছি, আমেরিকার শীর্ষ ১ শতাংশ ধনী এখন মার্কিন শেয়ারবাজারের অর্ধেক মূল্যের মালিক। শীর্ষ ১০ শতাংশ ধনীর কাছে রয়েছে ৯২ শতাংশ। তাই ট্রাম্প যখন বলেন শেয়ারবাজারই হলো অর্থনীতি, তখন বুঝে নিন তিনি আসলে কাদের কথা বলছেন।
** রবার্ট রাইখ, [https://twitter.com/RBReich/status/1279924108411596802 টুইটার] (৫ জুলাই ২০২০)
* মহামারী যখন আবার বেড়ে উঠছে, তখন ট্রাম্প এবং তার চাটুকাররা যা করেছেন:
—অ্যাফোর্ডেবল কেয়ার অ্যাক্ট বা সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা আইন বাতিল করার চেষ্টা করেছেন
—৭৪,০০,০০,০০,০০০ ডলারের প্রতিরক্ষা ব্যয় বিল পাস করতে সমবেত হয়েছেন
—বেকার আমেরিকানদের অতিরিক্ত বেকারত্ব সুবিধা বাড়াতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন
তাদের অগ্রাধিকার একেবারেই স্পষ্ট।
* রবার্ট রাইখ, [https://twitter.com/RBReich/status/1279957396115390466 টুইটার] (৫ জুলাই ২০২০)
* আপনি হয়তো তার সত্যতার সাথে একমত হবেন না, কিন্তু তিনি আসল। মানুষ এমনটাই পছন্দ করে। তিনি নিজের মনের কথা বলেন, যা আমাকে মাঝে মাঝে নিজের কথা মনে করিয়ে দেয়। আমি মনে করি এটি একটি সতেজ অনুভূতি।
** হ্যারি রিড, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৬-এ রেবেকা স্যাভরানস্কি রচিত ''দ্য হিলের'' [http://thehill.com/blogs/blog-briefing-room/news/269202-reid-praises-trump-for-being-authentic "'আসল' হওয়ার জন্য ট্রাম্পের প্রশংসা করেছেন রিড"] প্রতিবেদনে উদ্ধৃত।
* তিনি নিজেকে এমন একজন শক্তিশালী মানুষ হিসেবে উপস্থাপন করেন যিনি সব বাধা দূর করে সবকিছু আবার ঠিক করার প্রতিশ্রুতি দেন। এক্ষেত্রে আমাদের রাজনৈতিক নেতাদের ঐতিহ্যের চেয়ে দক্ষিণ আমেরিকার জনতুষ্টিবাদী নেতাদের সাথেই তার বেশি মিল রয়েছে। আমেরিকায় মধ্যবিত্ত শ্রেণির ঐক্য ভেঙে পড়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এটি সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ও সামাজিক ভূমিকম্প। রক্ষণশীল আন্দোলনের নেতৃত্ব এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে প্রস্তুত নয়। তাই বেশ কিছু ভোটার ট্রাম্পের বাগাড়ম্বরপূর্ণ কথায় বাজি ধরতে রাজি। এটি একটি বাজে বাজি। আমাদের জাতির সংহতি এখন পরীক্ষার মুখে। আমরা যদি ট্রাম্পের পেছনে ছুটি, তবে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে।
** আর. আর. রেনো, ''ন্যাশনাল রিভিউের'' [http://www.nationalreview.com/article/430126/donald-trump-conservatives-oppose-nomination "ট্রাম্পের বিরুদ্ধে রক্ষণশীলরা"] (২১ জানুয়ারি ২০১৬)
* যে কারও জন্যই নিজের 'ত্যাগ'কে একজন গোল্ড স্টার পরিবারের সদস্যের ত্যাগের সাথে তুলনা করাটা অপমানজনক, বোকামি এবং অজ্ঞতা। বিশেষ করে এমন কেউ যিনি নিজে কখনো সামরিক বাহিনীতে কাজ করেননি এবং যার কোনো সন্তানও সেখানে নেই। আমাদের দেশ গত দেড় দশক ধরে যুদ্ধে লিপ্ত। আর সত্যটা হলো বেশিরভাগ আমেরিকানই কোনো ত্যাগ স্বীকার করেননি। তাদের বেশিরভাগই এতটা বুদ্ধিমান ও বাস্তববাদী যে তারা এটি স্বীকার করেন।
** পল রিকফ, খিজির এম. খানের মতো একজন ব্যক্তির ত্যাগের সাথে নিজের ত্যাগের ট্রাম্পের তুলনার জবাবে ''{{w|এবিসি নিউজ|এবিসি নিউজের}}'' ''[http://abcnews.go.com/Politics/donald-trump-father-fallen-soldier-ive-made-lot/story?id=41015051 শহীদ সেনার বাবাকে ডোনাল্ড ট্রাম্প: 'আমি অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছি']'' (৩০ জুলাই ২০১৬)
* এই মুহূর্তে আমেরিকার সবচেয়ে মানসিকভাবে অসুস্থ মানুষটি হলেন স্বয়ং প্রেসিডেন্ট বলে মনে হয়।
** রিহানা, পপ গায়িকা। ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩-এ ''ভ্যানিটি ফেয়ারের'' [https://www.vanityfair.com/style/2023/02/donald-trump-rihanna-super-bowl-halftime-performance-epic-fail-truth-social "ডোনাল্ড ট্রাম্প রিহানার সুপার বোল হাফটাইম পারফরম্যান্সকে 'এপিক ফেইল' বলেছেন"] প্রতিবেদনে উদ্ধৃত।
* একটি নির্দিষ্ট কারণেই তিনি একজন সফল মানুষ। তিনি সত্যিই একটি সংলাপ তৈরি করেছেন এবং কথোপকথনে বাধ্য করেছেন। গত দীর্ঘ সময়ের মধ্যে অন্য যেকোনো মানুষের চেয়ে তিনি অনেক বেশি মানুষকে রাজনৈতিক প্রক্রিয়া, বর্তমান ঘটনা এবং বিশ্বে কী ঘটছে তার সাথে যুক্ত করেছেন। আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে এখন বেশি মানুষ এসব বিষয়ে সম্পৃক্ত। আপনি ডোনাল্ডের সাথে একমত হোন বা না হোন, তিনি অন্তত একটি আলোচনা শুরু করেন। এটাই হলো গণতন্ত্র। এই দেশ চালাতে হলে আপনাকে মানুষকে যুক্ত করতে হবে।
** ৯ ডিসেম্বর ২০১৫-এ মার্ক হেনশ রচিত ''দ্য হিলের'' [http://thehill.com/blogs/in-the-know/in-the-know/262626-melissa-rivers-trump-is-a-successful-man-for-a-reason "মেলিসা রিভার্স: ট্রাম্প 'একটি নির্দিষ্ট কারণেই একজন সফল মানুষ'"] প্রতিবেদনে উদ্ধৃত হিসেবে {{w|মেলিসা রিভার্স}}।
* তার সব প্রতিভা এবং অর্থ সংগ্রহ ও বিশাল জনসমাগম ঘটানোর ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও, প্রেসিডেন্ট এখনো এক বিকল্প বাস্তবতায় বাস করেন। তিনি সত্যিই তা করেন। মানুষ বলে, 'সে এই, সেই এবং আরও অনেক বিষয়ে মিথ্যা বলে।' কিন্তু তিনি মিথ্যা বলছেন না। তার কাছে সেটাই সত্য।
** প্যাট রবার্টসন, ধর্ম প্রচারক। ২২ ডিসেম্বর ২০২০-এ ভেরোনিকা স্ট্র্যাকোয়ালুরসি এবং জেসন হফম্যান রচিত ''সিএনএনের'' [https://edition.cnn.com/2020/12/22/politics/pat-robertson-trump-2020-election/index.html "ধর্ম প্রচারক প্যাট রবার্টসন বলেছেন ট্রাম্প এক 'বিকল্প বাস্তবতায়' বাস করেন এবং নির্বাচনের হার থেকে তার এগিয়ে যাওয়া উচিত"] প্রতিবেদনে উদ্ধৃত।
* ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিকল্পনাগুলো কখনো বাস্তবায়িত হলে দেশটি দীর্ঘস্থায়ী মন্দায় ডুবে যাবে।<br>কয়েকটি উদাহরণ হলো: তার প্রস্তাবিত ৩৫ শতাংশ শুল্কের মতো জরিমানা একটি বাণিজ্য যুদ্ধ উসকে দেবে। এটি গ্রাহকদের জন্য দাম বাড়াবে, রপ্তানি খাত ধ্বংস করবে এবং উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানগুলোকে আমেরিকা ছেড়ে পালাতে বাধ্য করবে। তাই ডোনাল্ড ট্রাম্প সুনির্দিষ্ট অর্থনৈতিক পরিকল্পনার কথা খুব কম বললেও, তিনি যতটুকু বলেছেন তা আমেরিকান শ্রমিক এবং আমেরিকান পরিবারগুলোর জন্য খুব খারাপ হবে, তা বোঝার জন্য যথেষ্ট।<br>কিন্তু আপনি হয়তো বলবেন, তিনি কি একজন বিশাল ব্যবসায়ী নন? তিনি কী নিয়ে কথা বলছেন তা কি তিনি জানেন না? না, তিনি ব্যবসায়ী নন। আর তিনি জানেন না।<br>তবে ডোনাল্ড ট্রাম্প যেসব নীতি তুলে ধরেছেন তার সবগুলোই খারাপ নয়। তিনি ওবামাকেয়ার বাতিল এবং এর বিকল্প ব্যবস্থা চান। তিনি চীন ও জাপান থেকে চাকরি ফিরিয়ে আনতে চান। কিন্তু এগুলো করার জন্য তার প্রস্তাবিত উপায়গুলো একেবারেই ভিত্তিহীন।<br>দেশে সফলভাবে চাকরি ফিরিয়ে আনার জন্য গুরুতর নীতি ও সংস্কার প্রয়োজন যা আমেরিকাকে এমন একটি জায়গায় পরিণত করবে যেখানে ব্যবসা আসতে, প্রতিষ্ঠা পেতে এবং বাড়তে চাইবে। আপনি আপনার ইচ্ছেমতো ব্যবসা পরিচালনার জন্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে শাস্তি দিতে পারেন না।
** মিট রমনি, ৩ মার্চ ২০১৬-এ ''ভিওএের'' [https://www.voanews.com/a/text-of-speech-mitt-romney-slams-republican-front-runner-donald-trump/3218186.html টেক্সট অব স্পিচ: মিট রমনি স্ল্যামস রিপাবলিকান ফ্রন্ট-রানার ডোনাল্ড ট্রাম্প] প্রতিলিপি থেকে।
* আমার দলে তার প্রভাব এবং কণ্ঠস্বর এখনো সবচেয়ে জোরালো। তিনি ২০২৪ সালে লড়ার পরিকল্পনা করছেন কিনা আমি জানি না। তবে যদি তিনি তা করেন, তবে আমি প্রায় নিশ্চিত যে তিনি মনোনয়ন জিতে নেবেন।
** ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১-এ ক্রিস চিলিজা রচিত ''সিএনএনের'' [https://edition.cnn.com/2021/02/24/politics/mitt-romney-donald-trump-gop-2024/index.html "ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্পর্কে মিট রমনি *ঠিক* কী সঠিক বুঝেছেন"] প্রতিবেদনে উদ্ধৃত হিসেবে মিট রমনি।
* অসততাই ট্রাম্পের প্রধান বৈশিষ্ট্য। তিনি দাবি করেছিলেন যে তিনি ইরাকে যাওয়ার বিরুদ্ধে স্পষ্ট এবং সাহসের সাথে কথা বলেছিলেন। এটি ভুল। তিনি ইরাকে আক্রমণের পক্ষেই কথা বলেছিলেন। তিনি বলেছিলেন যে তিনি নিউ জার্সিতে হাজার হাজার মুসলিমকে ৯/১১ উদযাপন করতে দেখেছেন। এটিও ভুল। তিনি এমন কিছুই দেখেননি। তিনি তা কল্পনা করেছিলেন। তার মেজাজ কোনো স্থির ও চিন্তাশীল নেতার মতো নয়। তার কল্পনাকে কখনোই বাস্তব ক্ষমতার সাথে মেলানো উচিত নয়।<br>আমরা দীর্ঘদিন ধরে তাকে "দ্য ডোনাল্ড" বলে ডেকে আসছি। আমেরিকার তিনিই একমাত্র ব্যক্তি যার নামের আগে আমরা একটি আর্টিকেল (The) যুক্ত করেছি। এর কারণ এই নয় যে তার এমন কোনো গুণ ছিল যার আমরা প্রশংসা করতাম।
** {{w|উটাহ বিশ্ববিদ্যালয়|উটাহ বিশ্ববিদ্যালয়ে}} ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ২০১৬ সালের নির্বাচন নিয়ে মিট রমনির মন্তব্য। [http://www.politico.com/story/2016/03/full-transcript-mitt-romneys-remarks-on-donald-trump-and-the-2016-race-220176] (৩ মার্চ ২০১৬)
* ডোনাল্ড ট্রাম্প যে নজরকাড়া ধারাবাহিকতার সাথে ইচ্ছাকৃত উসকানিমূলক এবং খবরের শিরোনাম দখল করা মন্তব্য করেন, তা উপেক্ষা করা অসম্ভব। এই মন্তব্যগুলোর সময়কালও এড়িয়ে যাওয়া সমান কঠিন, যা প্রায়শই ডেমোক্র্যাটিক রাজনীতিকদের নেতিবাচকভাবে তুলে ধরে এমন কেলেঙ্কারি প্রকাশের সময়ের সাথে মিলে যায়। এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং এটি একটি সুনির্দিষ্ট ধরন। প্রথমত, কোনো ডেমোক্র্যাট কোনো বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন অথবা কোনো বাহ্যিক ঘটনা দলের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। ঠিক তখনই ডোনাল্ড ট্রাম্প সর্বোচ্চ রাজনৈতিক ফায়দা লোটার জন্য হিসাব কষে একটি আপত্তিকর মন্তব্য করেন। এরপর ঘড়ির কাঁটার মতো নিয়ম মেনে সংবাদমাধ্যমগুলো ডেমোক্র্যাটিক নীতিগুলোর সমালোচনামূলক বিশ্লেষণ বাদ দিয়ে দেয়। আর রিপাবলিকানরা আবারো একে অপরের গলা টিপে ধরতে শুরু করে। এটি একটি পরিমাপযোগ্য ঘটনা। গত ছয় মাসেই এর এত বেশি উদাহরণ রয়েছে যে গুনে শেষ করা যাবে না।
** নোয়াহ রথম্যান, ''কমেন্টারিের'' [https://www.commentarymagazine.com/politics-ideas/campaigns-elections/many-times-donald-trump-rescued-democrats/ "যেসব সময়ে ট্রাম্প ডেমোক্র্যাটদের উদ্ধার করেছেন"] (৮ ডিসেম্বর ২০১৫)
* একজন প্রেসিডেন্টের জন্য প্রয়োজনীয় প্রাথমিক কাজগুলো করার জন্য ট্রাম্পের মনোযোগ বা আত্মশৃঙ্খলার অভাব রয়েছে। তার চিরস্থায়ী আবেগপ্রবণতা দৃশ্যত অদম্য এবং তা স্পষ্টতই আত্মঘাতী।
** রিপাবলিকান নীতিনির্ধারক কার্ল রোভ, ৭ জুন ২০১৭-এ ''{{w|দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল|দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে}}'' প্রকাশিত [https://www.wsj.com/articles/political-death-by-1-000-tweets-1496875182 পলিটিক্যাল ডেথ বাই ১,০০০ টুইটস]-এ
* অগভীর রাষ্ট্রের চ্যাম্পিয়ন এবং অবতার ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতা জিতেছেন কারণ তার সমর্থকরা যা বোঝে না তা নিয়ে তারা ভয় পায়। আর তারা প্রায় কিছুই বোঝে না। বিবর্তন থেকে শুরু করে আমাদের অর্থনীতির তথ্য, ভ্যাকসিনের বিজ্ঞান থেকে শুরু করে বিশ্বে আমরা যেসব হুমকির মুখোমুখি হচ্ছি, বাস্তবতাকে তাদের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গির সাথে মেলাতে তারা সত্যের ওপর প্রতিষ্ঠিত বিশাল বিষয়গুলো প্রত্যাখ্যান করে। তারা সত্য খোঁজার চেষ্টা করে না; বরং নিজেদের সম্পর্কে ভালো অনুভব করায় এমন কিছুর জন্য তারা সংবাদমাধ্যমগুলো ঘাঁটে। তাদের অনেকের কাছে জ্ঞান কোনো দরকারী হাতিয়ার নয়, বরং সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ক্ষমতা দূরে রাখতে অভিজাতদের তৈরি করা এক চতুর বাধা। অভিজ্ঞতা, দক্ষতা এবং কৌশলের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। এগুলোর জন্য সময়, পরিশ্রম এবং অধ্যয়নের প্রয়োজন হয়। এগুলো প্রায়ই আমাদের বিশ্বাসের ব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ করে। সত্য কঠিন; অগভীরতা সহজ।
** ডেভিড রথকফ, ''ফরেন পলিসিের'' [http://foreignpolicy.com/2017/02/22/the-shallow-state-trump/ "দ্য শ্যালো স্টেট"] (২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭)
* আমার মনে হয় এখন একজন যুদ্ধংদেহী প্রেসিডেন্টের সময় এসেছে। রিপাবলিকান, রক্ষণশীল এবং খ্রিস্টান এবং পুঁজিপতি, যারা পুঁজিবাদকে ভালোবাসে, যারা আমেরিকাকে ভালোবাসে, দেশপ্রেমিক—আমি মনে করি আমাদের একজন যুদ্ধংদেহী প্রেসিডেন্ট প্রয়োজন। আমার বিশ্বাস, ঈশ্বর আমাদের কাছে ডোনাল্ড ট্রাম্প নামের একজনকে পাঠিয়েছেন। আমি মনে করি তিনি এই নির্বাচনের জন্য নিখুঁত। আমাদের এমন কাউকে দরকার ছিল যিনি কিছুটা অমার্জিত, কটুভাষী, আক্রমণাত্মক এবং বন্দুকযুদ্ধে যিনি ছুরি নয় বরং বন্দুক দিয়েই লড়বেন।
** {{w|ওয়েইন অ্যালিন রুট}} [https://soundcloud.com/rightwingwatch/wayne-allyn-root-donald-trump-is-a-vicious-vengeful-foul-mouthed-war-president-sent-by-god] (৮ আগস্ট ২০১৬)
* ভলডেমর্টও এত বাজে ছিল না।
** জে. কে. রাউলিং, ৮ ডিসেম্বর ২০১৫-এ ''দ্য গার্ডিয়ানের'' [https://www.theguardian.com/books/2015/dec/08/jk-rowling-on-donald-trump-voldemort-was-nowhere-as-bad "ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্পর্কে জে. কে. রাউলিং: 'ভলডেমর্টও এত বাজে ছিল না'"] প্রতিবেদনে উদ্ধৃত হিসেবে [https://twitter.com/jk_rowling/status/674196610683940864 টুইটার পোস্ট] (৮ ডিসেম্বর ২০১৫)
* নিজের চারপাশে ঘুরপাক খাওয়া বিভীষিকা নিয়ে ট্রাম্প কোনো মন্তব্য করেননি। এর বদলে তিনি আধুনিক ভারতের সবচেয়ে বিভেদ সৃষ্টিকারী এবং ঘৃণ্য রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নরেন্দ্র মোদীকে "জাতির পিতা" উপাধি দিয়েছেন। সম্প্রতি পর্যন্ত এটি ছিল গান্ধীর উপাধি। আমি গান্ধীর ভক্ত নই, তবে নিশ্চিতভাবেই তিনিও এমন আচরণের যোগ্য ছিলেন না।
** [https://en.wikipedia.org/wiki/2020_Delhi_riots ২০২০ সালের দিল্লি দাঙ্গার] সময় ট্রাম্পের ভারত সফর নিয়ে [[অরুন্ধতী রায়]]। ''আজাদি: ফ্রিডম, ফ্যাসিজম, ফিকশন'' (২০২০) বইয়ের ভূমিকায়।
=== এস ===
* ওমান উপসাগরে তেলের ট্যাংকারে হামলা অগ্রহণযোগ্য এবং এর পূর্ণ তদন্ত হওয়া আবশ্যক। তবে এই ঘটনাটিকে ইরানের সাথে যুদ্ধের অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করা উচিত নয়। কারণ এমন একটি যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্র, ইরান, ওই অঞ্চল এবং পুরো বিশ্বের জন্য একটি চরম বিপর্যয় ডেকে আনবে। ক্রমবর্ধমান এই উত্তেজনা নিরসনে একটি কূটনৈতিক সমাধান বের করতে আন্তর্জাতিক নেতৃত্ব প্রদর্শন এবং ওই অঞ্চলের দেশগুলোকে একত্রিত করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের এখনই উপযুক্ত সময়। আমি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে এটাও মনে করিয়ে দিতে চাই যে ইরানের সাথে যুদ্ধের জন্য কংগ্রেসের কোনো অনুমোদন নেই। ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের একতরফা আক্রমণ হবে বেআইনি এবং অসাংবিধানিক।
** [[বার্নি স্যান্ডার্স]], ১৪ জুন ২০১৯-এ আন্ড্রেয়া জার্মানস রচিত ''কমন ড্রিমসের'' [https://www.commondreams.org/news/2019/06/14/trump-must-not-be-allowed-use-gulf-oman-incidents-pretext-illegal-war-iran-bernie ওমান উপসাগরের ঘটনাকে ট্রাম্পের 'ইরানের সাথে অবৈধ যুদ্ধের অজুহাত' হিসেবে ব্যবহার করতে দেওয়া উচিত নয়: বার্নি স্যান্ডার্স] প্রতিবেদনে
* আমি মনে করি আমেরিকান জনগণ কখনোই এমন একজন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করবে না যিনি মেক্সিকানদের অপমান করেন, মুসলিমদের অপমান করেন, নারীদের অপমান করেন, আফ্রিকান-আমেরিকানদের অপমান করেন। আর আমাদের ভুলে যাওয়া উচিত নয় যে কয়েক বছর আগে ট্রাম্প তথাকথিত বার্থার আন্দোলনের কেন্দ্রে থেকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে অবৈধ প্রমাণের চেষ্টা করেছিলেন। কারেন, আমি বিষয়টি খুব মজার বলে মনে করি। আমার বাবার জন্ম পোল্যান্ডে। অভিবাসীদের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে আমার কিছুটা ধারণা আছে। কেউ কখনো আমার কাছে জন্মসনদ দেখতে চায়নি। সম্ভবত এর সাথে আমার গায়ের রঙের কোনো সম্পর্ক আছে।<br>এই দেশে অভিবাসন সংস্কার নিয়ে বেশ তীব্র বিতর্ক চলছে। এটি দেশটিকে বিভক্ত করেছে। তবে আমি খুব করে [[আশা]] করব, এই বিতর্ক চলাকালীন আমরা যেন ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং অন্যদের মতো [[বর্ণবাদ]], বিদেশিবিদ্বেষ এবং ধর্মান্ধতার আশ্রয় না নিই। '''হঠাৎ করে একদিন বা এক রাতে ১ কোটি ১০ লাখ মানুষকে জড়ো করে এই দেশ থেকে বের করে দেওয়ার চিন্তাটি একটি জঘন্য ও অযৌক্তিক ধারণা। আমি আশা করি আমেরিকার খুব কম মানুষই এটি সমর্থন করে।'''<br>যখন প্রেসিডেন্ট এবং কংগ্রেসের পদে থাকা রিপাবলিকান প্রার্থীরা আপনাকে বলে যে জলবায়ু পরিবর্তন একটি ভাঁওতাবাজি, যা ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং অন্যান্য প্রার্থীদের অবস্থান, তখন তারা আসলে বলতে চায় যে জীবাশ্ম জ্বালানি শিল্পের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর সাহস আমাদের নেই। বিজ্ঞানীদের কথা শোনা সেই রিপাবলিকানের পরিণতি কী হয় তা কি আপনি জানেন? সেই দিনই ওই রিপাবলিকান কোখ ভ্রাতৃদ্বয় এবং জীবাশ্ম জ্বালানি শিল্পের কাছ থেকে নিজের প্রচারণার তহবিল হারায়।
** মায়ামিতে ডেমোক্র্যাটিক প্রেসিডেন্সিয়াল বিতর্কে [[বার্নি স্যান্ডার্স]]। ৯ মার্চ ২০১৬-এ ''{{w|দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস}}ের'' [http://www.nytimes.com/2016/03/10/us/politics/transcript-democratic-presidential-debate.html?_r=0 প্রতিলিপি]।
* ডোনাল্ড ট্রাম্প একজন প্যাথলজিক্যাল লায়ার বা স্বভাবগত মিথ্যাবাদী।
** [[বার্নি স্যান্ডার্স]], [https://twitter.com/BernieSanders/status/779795585641615360] (২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৬)
* আমেরিকা, তুমি কখনোই মহান ছিলে না। তুমি কি ভুয়া খবর? ট্রাম্পের টুইটারের খাম্বার কাছে খাবার খাওয়ার পর আমেরিকা সম্পর্কে আমার এমনটাই মনে হয়।
** ক্রেগ স্যান্টোস পেরেজ, ''হ্যাবিট্যাট থ্রেশহোল্ড'' (২০২০) এর "দিস চেঞ্জেস এভরিথিং"-এ
* হ্যাঁ, আমাদের অবশ্যই অনুদান দিতে হবে, স্বেচ্ছাসেবক হতে হবে, প্রতিবাদ করতে হবে এবং ভোট দিতে হবে। এর পাশাপাশি আমাদের প্রতিদিন নিজেদের মনে করিয়ে দিতে হবে যে [[হিলারি ক্লিনটন]] পপুলার ভোট জিতেছিলেন। আমাদের বন্ধু, প্রতিবেশী এবং সহকর্মী যারা অভিবাসী (বৈধ বা অবৈধ), মুসলিম (আমেরিকান বংশোদ্ভূত, অভিবাসী বা শরণার্থী), কৃষ্ণাঙ্গ, প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা চাওয়া নারী, নিরাপত্তা চাওয়া ট্রান্স পুরুষ ও নারী, নিজেদের পরিবার রক্ষা করতে চাওয়া সমকামী পুরুষ এবং অন্য সব মানুষ ও জিনিস যাদের ট্রাম্প ক্ষতি করার হুমকি দিয়েছেন, এমনকি আমাদের এই পৃথিবীসহ সবকিছু রক্ষার প্রতিশ্রুতি আমাদের নিতে হবে।
: তবে আমাদের অবশ্যই [[আনন্দ]], [[সুখ]], [[হাসি]], [[বন্ধুত্ব|বন্ধু]], [[খাদ্য|খাবার]], শিল্প, [[সঙ্গীত|সংগীত]] এবং যৌনতার জন্য সময় বের করতে হবে। এইচআইভি/এইডস মহামারীর সবচেয়ে অন্ধকার দিনগুলোতে, যখন রিপাবলিকান এবং ধর্মীয় রক্ষণশীলরা ফেডারেল সরকার নিয়ন্ত্রণ করত এবং অসুস্থ ও মুমূর্ষু মানুষের ক্ষতি করার জন্য তাদের ক্ষমতার সবকিছু করত, তখন সমকামীরা একত্রিত হয়েছিল, প্রতিবাদ করেছিল, স্বেচ্ছাসেবক হয়েছিল এবং শোক পালন করেছিল। আমরা সংগীত, নাটক এবং শিল্পও তৈরি করেছিলাম। আমরা একে অপরের যত্ন নিয়েছিলাম এবং আমরা নেচেছিলাম, ভালোবেসেছিলাম এবং যৌন মিলন করেছিলাম। ভয় ও অনিশ্চয়তার মুখে আনন্দ, শিল্প ও যৌনতাকে আপন করে নেওয়া আমাদের ভালো অনুভব করতে সাহায্য করেছিল। এটি আমাদের সুস্থ রেখেছিল। এর আরেকটি বাড়তি সুবিধা ছিল যে এটি আমাদের শত্রুদের পাগল করে দিয়েছিল। তারা বুঝতে পারত না যে আমাদের সামনে থাকা চ্যালেঞ্জগুলো, তথা তাদের লোভ, তাদের উদাসীনতা, তাদের ধর্মান্ধতা সত্ত্বেও আমরা কীভাবে এত খুশি থাকতে পারি। তাদের ঘৃণা এবং এই ভয়ানক রোগ থাকা সত্ত্বেও আমরা আনন্দ তৈরি করেছি এবং তা উপভোগ করেছি। আমরা একে অপরের দিকে ফিরে তাকিয়েছিলাম। আমরা আমাদের প্রেমিক, বন্ধু এবং কখনো কখনো অপরিচিতদের দিকে ফিরে বলেছিলাম, "ওদের গোল্লায় যেতে দাও। এখন আমার সাথে মিলিত হও।"
: [...] আমরা হয়তো কখনোই বর্ণবাদ, লিঙ্গবৈষম্য এবং ঘৃণা নির্মূল করতে পারব না। তবে আমরা এর বিরুদ্ধে লড়ব। আর যারা বলে যে সংগীত, নাচ, শিল্প, যৌনতা এবং আনন্দ এই লড়াই থেকে মনোযোগ সরিয়ে দেয়, তাদের কথা শুনবেন না। এগুলো এই লড়াইয়েরই অংশ।
:* ড্যান স্যাভেজ, ১৫ নভেম্বর ২০১৬-এ ''দ্য স্ট্রেঞ্জারের'' স্যাভেজ লাভ কলামের [http://www.thestranger.com/savage-love/2016/11/15/24691092/savage-love মর্নিং ইন আমেরিকা]তে
* [ডোনাল্ড ট্রাম্প] আমাদের সময়ের [[উইনস্টন চার্চিল]]।
** মাইকেল স্যাভেজ: {{cite news
| date = ২৯ জুলাই ২০১৫
| title = Savage: Trump is 'Winston Churchill of our time'
| trans-title = স্যাভেজ: ট্রাম্প 'আমাদের সময়ের উইনস্টন চার্চিল'
| work = ডব্লিউএনডি
| url = http://www.wnd.com/2015/07/savage-trump-is-winston-churchill-of-our-time/
}}
* আমি দেখেছি যে তাকে কোনো বিষয়ে ব্রিফ করার সময় আমাকে সেখানে তার ছবি যুক্ত করতে হতো। আমি যখন ছবিগুলো দিতাম, তখন তা একটি ভালো লক্ষণ হিসেবে কাজ করত। আর যখন আমি ছবি দিতাম না, তখন আপনি কোনোভাবেই তাকে ওই বিষয়ে মনোযোগী করতে পারতেন না।
* তবে খারাপ খবর হলো, আপনি তাকে মনোযোগী করতে পারলেও তিনি আপনার কথা শুনতেন না। কারণ তিনি পাগলের মতো আত্মমগ্ন।
** ট্রাম্পের অধীনে কাজ করা হোয়াইট হাউসের সাবেক যোগাযোগ পরিচালক অ্যান্থনি স্কারামুচি। ডেভিড স্মিথ রচিত ''দ্য গার্ডিয়ানের'' {{cite news
| date = ১৭ জুলাই ২০২০
| title = 'The guy stinks and he’s a racist': Anthony Scaramucci on Donald Trump
| trans-title = 'লোকটি জঘন্য এবং সে একজন বর্ণবাদী': ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্পর্কে অ্যান্থনি স্কারামুচি
| work = দ্য গার্ডিয়ান
| url = https://www.theguardian.com/tv-and-radio/2020/jul/17/the-guy-stinks-and-hes-a-racist-anthony-scaramucci-on-donald-trump
}} প্রতিবেদনে উদ্ধৃত।
* এই গ্রহে এমন আর দুজন মানুষ নেই যারা সমালোচনা নিয়ে এতটা উদাসীন, নিজেদের নিয়ে এতটা সন্তুষ্ট, বা নিজেদের বলা জঘন্য কথাগুলোর ব্যাপারে এতটা বেখেয়ালি।
** ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং সারা প্যালিনকে নিয়ে ডেভ শিলিং। ''দ্য গার্ডিয়ানের'' [http://www.theguardian.com/us-news/2016/jan/20/sarah-palin-donald-trump-endorsement-speech-quotes "অ্যাপোক্যালিপ্স নাও: সারা প্যালিনস বিজার ট্রাম্প এনডোর্সমেন্ট অ্যানালাইজড"] (২০ জানুয়ারি ২০১৬)
* তাকে সত্যিই [আমেরিকার জন্য] শেষ ভরসা বলে মনে হয়। তিনি যা বলছেন তা আমরা আর কাউকে বলতে শুনি না। আসলে যাদের তার পাশে দাঁড়ানো উচিত, তাদের বেশিরভাগই তাকে আক্রমণ করছে। তিনি গণমাধ্যমে যতটা কভারেজ পান, সম্ভবত তা নিয়ে তারা ঈর্ষান্বিত। কিন্তু তিনি এত কভারেজ পাওয়ার কারণ হলো, যারা ব্যবস্থা পরিচালনা করছে তাদের ওপর তৃণমূলের মানুষ বিরক্ত। তারা সত্যিই পরিবর্তন চায়। তারা এমন মানুষ চায় যারা আমেরিকার পক্ষে দাঁড়াবে। তিনি যখন বলেন যে তিনি 'আমেরিকাকে আবার মহান করতে চান', তখন তা সত্যিই মানুষের মনে দাগ কাটে।
** ফিলিস শ্ল্যাফ্লাই, ২১ ডিসেম্বর ২০১৫-এ ''ডব্লিউএনডিের'' [http://www.wnd.com/2015/12/top-conservative-trump-is-last-hope-for-america/ "ফিলিস শ্ল্যাফ্লাই: ট্রাম্প 'আমেরিকার শেষ ভরসা'"] প্রতিবেদনে উদ্ধৃত।
* এটি [ট্রাম্প ইউনিভার্সিটি] ছিল একটি নিখুঁত প্রতারণার ফাঁদ।
** অঙ্গরাজ্যের অ্যাটর্নি জেনারেল এরিক স্নাইডারম্যান, ৮ মার্চ ২০১৬-এ [https://money.cnn.com/2016/03/08/news/trump-university-controversy-donald-trump/ ট্রাম্প ইউনিভার্সিটির বিতর্ক ... ২ মিনিটে] প্রতিবেদনে।
* ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হন, তবে তা একটি সম্পূর্ণ বিপর্যয় হবে। আমি মনে করি বর্ণবাদ উসকে দিয়ে তিনি আরেকজন হিটলারের মতো আচরণ করছেন। ১৯৬১ সালে বার্লিন প্রাচীর নির্মাণের সময় বিশ্ব কতটা ক্ষুব্ধ হয়েছিল তা আমার মনে আছে। আর এখন সবাই মানুষকে দূরে রাখতে আবার দেয়াল তৈরি করছে। এটি অযৌক্তিক।
** অ্যান ফ্রাঙ্কের সৎ বোন ইভা শ্লস, ''নিউজউইকের'' সাথে [http://www.cnn.com/2016/01/27/politics/anne-frank-donald-trump-adolf-hitler/ সাক্ষাৎকার] (জানুয়ারি ২০১৬)
* বিচার শেষ হওয়ার পর সিনেটরদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে ডোনাল্ড জন ট্রাম্প এই উত্থান বা উত্তেজনা উসকে দিয়েছিলেন বলে তারা বিশ্বাস করেন কিনা।
** চাক শুমার, [https://www.youtube.com/watch?v=9n4_3u1DQjc ২২ জানুয়ারি ২০২১]-এ (এছাড়াও [https://www.thewrap.com/chuck-schumer-erection-freudian-slip-majority-leader দ্য র্যাপ] দ্বারা উদ্ধৃত)
* আমি একটি শুকরকে লিপস্টিক পরিয়েছিলাম। আমি এমনভাবে ট্রাম্পকে উপস্থাপন করায় অবদান রেখেছি যা তার প্রতি ব্যাপক মনোযোগ আকর্ষণ করেছে এবং তাকে তার আসল রূপের চেয়ে বেশি আকর্ষণীয় করে তুলেছে। এর জন্য আমি গভীরভাবে অনুতপ্ত বোধ করি। আমি সত্যিই বিশ্বাস করি যে ট্রাম্প যদি জিতেন এবং পারমাণবিক কোডগুলো পান, তবে এটি সভ্যতার পতন ডেকে আনার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।
** টনি সোয়ার্জ, ২৫ জুলাই ২০১৬-এ {{w|জেন মেয়ার}} রচিত ''{{w|দ্য নিউ ইয়র্কার|দ্য নিউ ইয়র্কারের}}'' ''[https://www.newyorker.com/magazine/2016/07/25/donald-trumps-ghostwriter-tells-all ডোনাল্ড ট্রাম্পস গোস্টরাইটার টেলস অল]'' প্রতিবেদনে উদ্ধৃত।
* দুজন ট্রাম্প আছেন। তিনি বিশ্বের সামনে যাকে তুলে ধরেন, সে কেবলই বাগাড়ম্বর, {{w|উত্ত্যক্ত করা|ধমক}} এবং আত্মবিশ্বাসে পরিপূর্ণ। অন্যদিকে আমার দীর্ঘদিনের বিশ্বাস হলো, তার ভেতরের জগতে আরেকজন আছেন। তিনি হলেন ক্রমাগত সমালোচক ও কঠোর এক বাবা এবং উদাসীন ও বিচ্ছিন্ন এক মায়ের এক ভীত সন্তান, যে মা তাকে রক্ষা করতে পারতেন না বা চাইতেন না।<br>বয়সের সাথে সাথে ট্রাম্পের মেজাজ এবং অভ্যাসগুলো আরও কঠিন হয়ে গেছে। তিনি সবসময়ই কার্টুনের মতো ছিলেন। তবে ৩০ বছর আগে যার জন্য আমি দ্য আর্ট অব দ্য ডিল লিখেছিলাম, তার তুলনায় আজকের মানুষটি উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি রাগী: বেশি প্রতিক্রিয়াশীল, প্রতারক, অমনোযোগী, প্রতিহিংসাপরায়ণ, আবেগপ্রবণ এবং সর্বোপরি আত্মমগ্ন; যদি ধরে নেওয়া হয় যে পরেরটি সম্ভব।<br>ভয় হলো ট্রাম্পের জীবনের এক লুকানো যোগসূত্র, তথা দুর্বলতার ভয়, অযোগ্যতার ভয়, ব্যর্থতার ভয়, সমালোচনার ভয় এবং গুরুত্বহীনতার ভয়। যেমনটি তিনি বলেন, "জয়ের" মাধ্যমে এবং তথ্যগুলো তার তৈরি করতে চাওয়া আখ্যানের পক্ষে না গেলেই বাস্তবতাকে নতুন করে সংজ্ঞায়িত করে তিনি সারা জীবন এই ভয়গুলোকে এড়িয়ে চলার চেষ্টা করেছেন। এটি কাজ করেনি, তবে চেষ্টার কোনো অভাব ছিল না।<br>যা-ই ঘটুক না কেন, ট্রাম্পের সবচেয়ে খারাপ দিকগুলো যেন আমাদের মধ্যে সেরা কিছু করার [[অনুপ্রেরণা]] জোগায়।
** টনি সোয়ার্জ (লেখক), ''{{w|দ্য গার্ডিয়ানের|দ্য গার্ডিয়ানের}}'' ''[https://www.theguardian.com/global/commentisfree/2018/jan/18/fear-donald-trump-us-president-art-of-the-deal আমি ট্রাম্পের সাথে দ্য আর্ট অব দ্য ডিল লিখেছিলাম। সে এখনো একটি ভীত শিশু]'' (১৮ জানুয়ারি ২০১৮)।
* মিথ্যা বলা তার স্বভাব। আমার দেখা অন্য যে কারও চেয়ে ট্রাম্পের নিজেকে বোঝানোর ক্ষমতা বেশি। তিনি যেকোনো মুহূর্তে যা বলছেন তা সত্য, বা কিছুটা সত্য, বা অন্তত সত্য হওয়া উচিত বলে নিজেকে বিশ্বাস করাতে পারেন।
** টনি সোয়ার্জ (লেখক), ''{{w|দ্য জার্নাল.আইই|দ্য জার্নাল.আইয়ের}}'' ''[https://www.thejournal.ie/trump-ghostwriter-regrets-art-of-the-deal-2884723-Jul2016/ 'মিথ্যা বলা তার স্বভাব': ট্রাম্পের গোস্টরাইটার আর্ট অব দ্য ডিল লেখার জন্য অনুতপ্ত]'' (১৯ জুলাই ২০১৬)।
* মিস্টার ট্রাম্পের সাথে কাজ করার পর থেকে, আমি আমার প্রাপ্তবয়স্ক জীবন নেতা এবং অন্যান্য উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের নিয়ে পড়াশোনা, লেখালেখি এবং তাদের সাথে কাজ করে কাটিয়েছি। আমি বিশেষ করে এই বিষয়টিতে মনোযোগ দিয়েছি যে তাদের শৈশবের প্রারম্ভিক অভিজ্ঞতাগুলো কীভাবে তাদের প্রাপ্তবয়স্ক জীবনকে প্রভাবিত করেছে; এটি বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অবচেতনভাবে ঘটে। সেই সাথে তারা বাইরে নিজেদের কীভাবে উপস্থাপন করেন এবং ভেতরে কেমন অনুভব করেন, এই দুইয়ের মধ্যে প্রায়শই থাকা বিশাল পার্থক্য আমি অন্বেষণ করেছি। মিস্টার ট্রাম্প সবসময়ই আমার কাছে এর প্রধান উদাহরণ।
** টনি সোয়ার্জ, ১১ অক্টোবর ২০২৪-এ ''র স্টোরিের'' [https://www.rawstory.com/tony-schwartz-trump-psychopathy/ "সাবেক প্রেসিডেন্টের 'সাইকোপ্যাথির' প্রমাণে ট্রাম্পের গোস্টরাইটার 'গভীরভাবে বিচলিত'"] প্রতিবেদনে উদ্ধৃত।
* প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প একটি ন্যায্য নির্বাচনের ফলাফল উল্টে দিতে চেয়েছিলেন। মানুষকে মিথ্যা বলে বিভ্রান্ত করে তিনি একটি অভ্যুত্থান ঘটাতে চেয়েছিলেন।
* প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প একজন ব্যর্থ নেতা। তিনি ইতিহাসের সবচেয়ে বাজে প্রেসিডেন্ট হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।
** আর্নল্ড শোয়ার্জনেগার, সাবেক রিপাবলিকান গভর্নর। {{cite news
| date = ১১ জানুয়ারি ২০২১
| title = Arnold Schwarzenegger calls Trump 'worst president' ever, 'failed leader' after Capitol riot
| trans-title = ক্যাপিটল দাঙ্গার পর আর্নল্ড শোয়ার্জনেগার ট্রাম্পকে এ যাবৎকালের 'সবচেয়ে বাজে প্রেসিডেন্ট' এবং 'ব্যর্থ নেতা' বলেছেন
| work = এবিসি৭
| url = https://abc7.com/politics/arnold-schwarzenegger-calls-trump-worst-president-ever/9533922/
}} দ্বারা উদ্ধৃত। {{অকার্যকর সংযোগ}}
* ট্রাম্প এমন একটি নিষেধাজ্ঞা চালু করতে চান যা সব মুসলিমকে আমেরিকার বাইরে রাখবে। অবশ্যই এমন কোনো নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে না। সংবিধান এটি নিষেধ করে। রিপাবলিকান এবং ডেমোক্র্যাটরা এর বিরোধিতা করে। এমনকি সন্ত্রাসবাদের মোকাবেলার অনেক দীর্ঘ ইতিহাস থাকা ইসরায়েলি রাজনীতিকরাও ইসলামকে সন্ত্রাসবাদের সমতুল্য করার জন্য তার সমালোচনা করেছেন। রিপাবলিকানরা ট্রাম্পকে সমর্থন করে কারণ তাকে খাঁটি মনে হয়। তিনি যা সত্যি তা বলতে ভয় পান না এবং রাজনৈতিকভাবে সঠিক হওয়া নিয়ে তিনি চিন্তিত নন। আমি এর বিপরীতটাই দেখি। তিনি খাঁটি নন, তিনি একজন নিষ্ঠুর সুবিধাবাদী।
** খসরো সেমনানি, ''ডেসেরেট নিউজের'' [http://www.deseretnews.com/article/865643874/Trump7s-fear-mongering-threatens-Republican-Party.html?pg=all "আমার দৃষ্টিভঙ্গি: ট্রাম্পের ভয় দেখানো রিপাবলিকান পার্টির জন্য হুমকি"] (১৭ ডিসেম্বর ২০১৫)
* তাদের নিষ্ঠুরতা তাদের ভালো অনুভব করাত, এটি তাদের গর্বিত করত, এটি তাদের আনন্দ দিত। আর এটি তাদের একে অপরের আরও কাছাকাছি নিয়ে আসত। অন্যদের কষ্টে তাদের সম্মিলিত হাসি হলো এক আঠা যা তাদের একে অপরের সাথে এবং ট্রাম্পের সাথে আবদ্ধ করে।<br>ইসরায়েলের প্রতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের অন্ধ সমর্থন এবং আমেরিকা মূলত শ্বেতাঙ্গ খ্রিস্টানদের দেশ—এই বিশ্বাস বিশ্বের দুটি বৃহত্তম ইহুদি জনগোষ্ঠীর মধ্যকার বিভাজনকে আরও বাড়িয়ে তোলে।
** অ্যাডাম সারোয়ার, ''দ্য ক্রুয়েলটি ইজ দ্য পয়েন্ট: দ্য পাস্ট, প্রেজেন্ট, অ্যান্ড ফিউচার অব ট্রাম্পস আমেরিকা'' (২০২১)
* ট্রাম্প এবং বার আমেরিকার সবচেয়ে বড় মাদক ব্যবসায়ীদের সামান্য শাস্তি দিয়ে ছেড়ে দিয়েছেন। একেই বলে আইনশৃঙ্খলা।
** অ্যাডাম সারোয়ার, ১৮ নভেম্বর ২০২০-এ টুইটারে। "অক্সিকন্টিন এবং অন্যান্য আসক্তিযুক্ত অপিওড বিপণনের বিষয়ে বিচার বিভাগ এবং পারডু ফার্মার মধ্যকার ৮.৩ বিলিয়ন ডলারের মীমাংসা" বিষয়ক প্রতিবেদনের জবাবে। "চুক্তি অনুযায়ী স্যাকলার পরিবার কোনো অন্যায় স্বীকার করবে না এবং তাদের বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি অভিযোগ আনা হবে না।"
* আর এর পরিণতিতে আপনি ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতো এক নির্বোধকে দেখতে পান, যে মঞ্চে দাঁড়িয়ে একটি [[বাইবেল]] নাড়ছে এবং এমন ভান করছে যেন এর ভেতরে কী আছে তা নিয়ে তার মাথাব্যথা আছে। হ্যাঁ, দুটি বিয়ে এবং বেশ কয়েকটি বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক এবং আরও অনেক কিছুর পর বিবাহিত নারীদের সাথে নিজের অভিজ্ঞতার কথা বড়াই করে বলে; সেখানে বাইবেল হাতে দাঁড়িয়ে বলছে, 'এটি দ্য আর্ট অব দ্য ডিলের চেয়েও ভালো একটি বই'।"
** {{w|বেন শাপিরো}}, ''{{w|ইউটিউব|ইউটিউবের}}'' দ্য রুবিন রিপোর্টে ''[https://www.youtube.com/watch?v=1rQ_mphb7HU সমকামী বিবাহ, অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ এবং পিয়ার্স মরগান নিয়ে বেন শাপিরো]''। (১২:৩৯ থেকে ১৩:০৭) (১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৬)
* আমরা জানি হিলারি হবেন একজন ভয়ানক, কট্টর আদর্শিক বামপন্থী। ট্রাম্প হিলারির চেয়ে কিছুটা কম খারাপভাবে দেশ চালাবেন—এমন সম্ভাবনা সম্ভবত ৭৫ শতাংশ। আবার ট্রাম্প এমন কোনো বিপর্যয়কর জঘন্য কাজ করবেন যা হিলারি স্বপ্নেও ভাবতে পারবেন না এবং এর ফলে দেশের মারাত্মক ক্ষতি হবে—এমন সম্ভাবনাও ২৫ শতাংশ রয়েছে। শুধুমাত্র তার বাণিজ্য নীতিই আমেরিকাকে আবার মন্দার দিকে ঠেলে দিতে পারে। তার পররাষ্ট্র নীতি এক চরম বিশৃঙ্খলা। তিনি উপদেষ্টাদের কথা শুনবেন—এমন যেকোনো আলোচনা নিছক অনুমানের ওপর ভিত্তি করেই হতে হবে। কারণ এ পর্যন্ত ট্রাম্প শুধু চিনা মাটির দোকানে ঢোকা ষাঁড়ই ছিলেন না, তিনি ছিলেন কাঁচের কারখানায় ঢুকে পড়া এক আস্ত ট্যাংক।
** {{w|বেন শাপিরো}}, ''{{w|ন্যাশনাল রিভিউ|ন্যাশনাল রিভিউয়ের}}'' ''[http://www.nationalreview.com/article/438623/conservatisms-moral-crisis-defending-trumps-lies কনজারভেটিজমস স্যাড অ্যান্ড আগলি ট্রান্সফরমেশন ইনটু ট্রাম্পিজম]'' (৩ আগস্ট ২০১৬)
* আমি বিশ্বাস করি ভালো ও শালীন মানুষেরা সঠিক সিদ্ধান্ত নেবেন। এই সার্কাস ওভাল অফিসকে কলুষিত করার আগেই শহর ছেড়ে চলে যাবে।
** ২০১৬ সালের এক সাক্ষাৎকারে চার্লি শিন। ১৫ জুলাই ২০২৫-এ ''আটলান্টা ব্ল্যাক স্টারের'' [https://atlantablackstar.com/2025/07/15/donald-trumps-gift-to-charlie-sheen-after-wedding/ "‘নোংরা’: চার্লি শিন ভেবেছিলেন ট্রাম্পের ‘হীরার’ উপহারটি আসল, এরপর তিনি তা যাচাই করান এবং জহুরির কথা তাকে হতবাক করে দেয়"] প্রতিবেদনে উদ্ধৃত।
* আমরা তার গত আটটি পদস্খলনের মধ্যে নয়টির ভবিষ্যদ্বাণী করেছি। সেগুলো এখনো পুরোপুরি বাস্তবে রূপ নেয়নি। আমি মনে করি এটি শিশুসুলভ এবং কিশোরসুলভ আচরণের চেয়েও বেশি কিছু। নারীদের প্রতি তার এই মনোভাবে ভয়ানক কিছু একটা আছে। ফক্স নিউজের মেগিন কেলির কথাই ধরুন। তাকে নিয়ে ট্রাম্পের চরম আবেশ রয়েছে। কেলি কতটা জঘন্য, তার কোনো প্রতিভা নেই, এসব নিয়ে তিনি প্রতিনিয়ত লিখছেন। এটি একটি আবেশ। আমি জানি না তার জীবনে কখনো এমন কোনো নারী ছিলেন কিনা—শক্তিশালী, স্বাধীন নারী যারা তার সাথে কথা বলেছেন। তেমনটা মনে হয় না। তার মেয়ে অবশ্য আছে। তবে এর মধ্যে সত্যিই ভয়ানক কিছু একটা আছে যা সাধারণ আড্ডার সীমানা ছাড়িয়ে যায়। এটি প্রায় একজন অনুসরণকারীর মতো। আমার মনে হয়েছিল এটি আসলে অসম্ভবকে সম্ভব করেছে। এটি টেড ক্রুজকে একটি বিষয়ের সঠিক পক্ষে থাকা একজন সম্মানজনক ও কঠোর মানুষ হিসেবে তুলে ধরেছে।
** মার্ক শিল্ডস, ২৫ মার্চ ২০১৬-এ ''পিবিএস নিউজআওয়ারের'' [http://www.pbs.org/newshour/bb/shields-and-brooks-on-trump-cruz-wife-feud-isis-terror-in-brussels/ "ট্রাম্প-ক্রুজ স্ত্রী বিবাদ এবং ব্রাসেলসে আইসিস সন্ত্রাস নিয়ে শিল্ডস ও ব্রুকস"] প্রতিবেদনে উদ্ধৃত।
* ২০১৭ সালের বিশ্ব পরিবেশ দিবসের প্রধান আলোচ্য বিষয় ছিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্যারিস চুক্তি থেকে বেরিয়ে যাওয়া। পৃথিবী রক্ষার আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতা, পরিবেশগত ন্যায়বিচারের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা ভবিষ্যৎ এবং বিশ্ব-গণতন্ত্রের বীজ বপনের ক্ষেত্রে ট্রাম্পের এই অহংকার কী ইঙ্গিত দেয়?
** বন্দনা শিবা, ''ওয়াননেস ভার্সেস দ্য ১%: শ্যাটারিং ইলিউশনস, সিডিং ফ্রিডম'' (২০১৮)
* আমি ডোনাল্ডকে কয়েক দশক ধরে চিনি। কোনো তর্ক ছাড়াই আপনি বলতে পারেন যে তিনি একজন ভালো বাবা। তার সন্তানেরা সত্যিই খুব ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে উঠেছে। এ বিষয়ে খারাপ কিছু বলার নেই।
** জিন সিমন্স, রেডিও.কম-এর সাথে [http://radio.com/2016/07/06/gene-simmons-on-trump-hes-a-good-father/ সাক্ষাৎকার] (৬ জুলাই ২০১৬)
* [ট্রাম্প] এমন কেউ নন যিনি ন্যায্যভাবে বা বিজ্ঞতার সাথে শাসন করবেন। তার অতীত রেকর্ড দেখায় যে তিনি একজন লোভী এবং স্বার্থপর মানুষ। একজন মিথ্যাবাদী এবং প্রতারকের ওই পদে থাকা উচিত নয়।
** আর্ট সিসনেরোস, ইলেকটোরাল কলেজের রিপাবলিকান সদস্য যিনি ট্রাম্পকে ভোট দেওয়ার বদলে পদত্যাগ করেছিলেন। ৩০ নভেম্বর ২০১৬-এ ''{{w|দ্য গার্ডিয়ান|দ্য গার্ডিয়ানের}}'' [https://www.theguardian.com/us-news/2016/nov/30/faithless-electors-electoral-college-donald-trump নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রতিবাদে কিশোর সপ্তম 'বিশ্বাসঘাতক নির্বাচক' হয়ে উঠেছে] প্রতিবেদনে।
* খুব সহজভাবে বলতে গেলে: টকশো উপস্থাপক রাশ লিম্বো পথ তৈরি না করলে কখনোই প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্ভব হতো না।
** সিএনএন-এ মাইকেল স্মারকোনশ "[https://www.youtube.com/watch?v=DxF_SN2-zyc]" (২০ ফেব্রুয়ারি ২০২১)
* ২০১৬ সালের নির্বাচনের আগে আমি "মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন" স্লোগানটি শুনে জিম ক্রো যুগে ফিরে যাওয়ার আশঙ্কা করেছিলাম। এই স্লোগানের মাধ্যমে স্পষ্টতই শ্বেতাঙ্গদের বোঝানো হয়েছিল। দুর্ভাগ্যজনকভাবে ঠিক সেটাই ঘটেছে। আরও চার বছর এমন পরিস্থিতি অকল্পনীয়। এই কারণেই আমি প্রেসিডেন্ট হিসেবে বার্নি স্যান্ডার্সকে নির্বাচিত করার জন্য কাজ করছি।
** ''দ্য গার্ডিয়ানে'' বারবারা স্মিথের [https://www.theguardian.com/commentisfree/2020/feb/10/identity-politics-bernie-sanders-endorsement নিবন্ধ]
* আমাদের জাতির ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একটি গ্র্যান্ড জুরি একজন সাবেক প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে ক্ষমতায় থাকাকালীন হেরে যাওয়া নির্বাচনের ফলাফল পাল্টে দেওয়ার অপরাধের অভিযোগ এনেছে। এর জবাবে বিবাদীর দাবি হলো, প্রেসিডেন্সি প্রতিষ্ঠানকে রক্ষা করার জন্য তাকে অবশ্যই ফৌজদারি বিচার থেকে নিরঙ্কুশ দায়মুক্তির চাদরে ঢেকে রাখতে হবে। যদি না প্রতিনিধি পরিষদ তাকে অভিশংসন করে এবং একই আচরণের জন্য সিনেট তাকে দোষী সাব্যস্ত করে, তবেই এই বিচার সম্ভব। তার এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল।
** জ্যাক স্মিথ, মার্কিন আপিল আদালতে দায়ের করা নথিতে। ৩০ ডিসেম্বর ২০২৩-এ ''[https://www.rawstory.com/jack-smith-trump-immunity-appeal-filing/ র স্টোরি]''তে উদ্ধৃত।
* একজন মহান নেতা ভিন্ন মতামত উপস্থাপনকারীদেরও সম্মানের সাথে আচরণ করেন। বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি এবং মতামত ছাড়া আমাদের জাতিতে কোনো উদ্ভাবন বা সৃজনশীলতা থাকবে না। উৎপীড়ক হওয়া এবং শক্তিশালী হওয়া এক বিষয় নয়। শক্তিশালী হওয়ার মানে হলো নিজের বিশ্বাসের পক্ষে দাঁড়ানো। উৎপীড়ক হওয়ার অর্থ হলো তুলনামূলক দুর্বল বা হুমকি হিসেবে বিবেচিত কাউকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করা। একজন গর্বিত পড়ুয়া মানুষ হিসেবে আমাকে অনেক বছর ধরে উৎপীড়কদের সামলাতে হয়েছে। আমাদের বিশ্বকে একজন উৎপীড়কের কারণে ভুগতে দেখাটা সত্যিই মর্মান্তিক। এছাড়া প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কোনো নৈতিক মানদণ্ড নেই। তিনি সত্যকে এড়িয়ে যান।
** রিক স্নাইডার, ২০১১ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত মিশিগানের রিপাবলিকান গভর্নর। ৩ সেপ্টেম্বর ২০২০-এ ইউএসএ টুডেতে [https://eu.usatoday.com/story/opinion/2020/09/03/rick-snyder-why-im-voting-joe-biden-even-republican-column/5696508002/ মিশিগানের সাবেক গভর্নর রিক স্নাইডার: আমি রিপাবলিকান হয়েও বাইডেনকে ভোট দিচ্ছি] প্রতিবেদনে।
* ডোনাল্ড ট্রাম্পের করা কোনো মন্তব্যের গম্ভীরভাবে জবাব দেওয়াটা খুব কঠিন।
** ট্রাম্প স্নোডেনকে "একজন চরম দেশদ্রোহী" ও "একজন খারাপ মানুষ" বলা এবং "মৃত্যুদণ্ড বলে এখনো একটি জিনিস আছে" বলার জবাবে এডওয়ার্ড স্নোডেন।
** ৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫-এ ''দ্য গার্ডিয়ানের'' "[http://www.theguardian.com/us-news/2015/sep/03/edward-snowden-hillary-clinton-email-server এডওয়ার্ড স্নোডেন বলেছেন ইমেইলগুলো নিরাপদ ছিল বলে হিলারি ক্লিনটনের ধারণা 'হাস্যকর']" প্রতিবেদনে।
* ডোনাল্ড ট্রাম্প একজন স্বৈরতান্ত্রিক মানসিকতার এবং অল্পতেই রেগে যাওয়া রিয়েলিটি টিভি তারকা।
** রবি সোয়াভ, ১ জুন ২০১৬-এ কেবল নিউজ নেটওয়ার্ক, জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের ''সিএনএনের'' [http://www.edition.cnn.com/2016/06/01/opinions/third-party-candidate-options-robby-soave/index.html "'কম খারাপ' যুক্তির ফাঁদে পা দেবেন না"] প্রতিবেদনে।
* এই লেখা পর্যন্ত তিনি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি উপহাসের শিকার হওয়া মানুষ। (...) তিনি হলেন {{w|দ্য ফিশারম্যান অ্যান্ড হিজ ওয়াইফ|সেই বৃদ্ধ জেলের স্ত্রীর মতো যে সবকিছুর আকাঙ্ক্ষা করেছিল এবং শেষ পর্যন্ত শূন্য হাতেই ফিরবে}}।
** {{w|রেবেকা সলনিট}}, [http://lithub.com/rebecca-solnit-the-loneliness-of-donald-trump/ দ্য লোনলিনেস অব ডোনাল্ড ট্রাম্প], ৩০ মে ২০১৭
* ডোনাল্ড ট্রাম্প বোঝেন এমন ভাষাতেই আমি বলছি। আপনি একজন পরাজিত মানুষ। আপনি একজন তৃতীয় শ্রেণির রাজনীতিক। স্পষ্টতই আপনি কোনো বিষয় বোঝেন না। মেগিন কেলি আপনার এই দুর্বলতা ফাঁস করে দেবেন ভেবে আপনি এতই ভীত যে তার প্রশ্নগুলো এড়াতে আপনি সাবেক সেনাসদস্যদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছেন।
** জন সল্টজ, [https://www.yahoo.com/politics/veterans-to-trump-were-not-your-megyn-kelly-170202551.html ''ভোটভেটস''] (জানুয়ারি ২০১৬)
* ট্রাম্পকে (এবং ব্যাননসহ বিশ্বজুড়ে থাকা অন্যান্য ডানপন্থী স্বৈরতান্ত্রিক নেতাদের) প্রায়ই "জনতুষ্টিবাদী" বলা হয়। কারণ তিনি শ্রমজীবী শ্রেণির প্রতি মিথ্যা উদ্বেগ এবং বিজ্ঞান ও শিক্ষার প্রতি ক্ষোভ দেখান। কিন্তু বাস্তবে তার নীতিগুলো জঘন্যভাবে অভিজাততান্ত্রিক। "জনতুষ্টিবাদী" বলতে যদি আমরা অভিবাসী এবং অ-শ্বেতাঙ্গ মানুষদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উসকে দেওয়াকে বোঝাই, তবে আমাদের সেটাই বলা উচিত। তা না হলে "জনতুষ্টিবাদ" হলো বর্ণবাদের একটি সস্তা আলংকারিক শব্দ মাত্র।
** জেন সোরেনসেন, ''গ্রিটিংস ফ্রম দ্য ওয়েস্টল্যান্ড'' (২০২০)
* ডোনাল্ড ট্রাম্প এক ধনী বাবার সন্তান। ছোটবেলা থেকেই তিনি টাকার ওপর বড় হয়েছেন। আমিও সম্পদের মধ্যে বড় হয়েছি। ছোটবেলায় আমার বাবা মজা করে আমাকে সতর্ক করতেন, "ট্রাম্পের মতো হয়ো না।"
** {{w|ওয়াইনেট|ওয়াইনেটের}} জন্য নাহুম বার্নিয়ার সাথে এক সাক্ষাৎকারে {{w|আলেকজান্ডার সোরোস}}, [https://www.ynetnews.com/articles/0,7340,L-5241290,00.html "তারা কেন জর্জ সোরোসকে ঘৃণা করে"]।
* সাবেক প্রেসিডেন্টদের ফৌজদারি দায়মুক্তি দেওয়ার আজকের এই সিদ্ধান্ত প্রেসিডেন্সি প্রতিষ্ঠানকে নতুন রূপ দিয়েছে। এটি আমাদের সংবিধান এবং সরকার ব্যবস্থার ভিত্তি, অর্থাৎ কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়—এই নীতির চরম উপহাস করে। প্রেসিডেন্টের "সাহসী ও দ্বিধাহীন পদক্ষেপের" প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে নিজস্ব বিভ্রান্তিকর প্রজ্ঞার ওপর নির্ভর করে আদালত সাবেক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে তার চাওয়া সমস্ত দায়মুক্তি এবং আরও অনেক কিছু দিয়েছে। যেহেতু আমাদের সংবিধান কোনো সাবেক প্রেসিডেন্টকে তার অপরাধমূলক ও রাষ্ট্রদ্রোহী কাজের জবাবদিহি করা থেকে রক্ষা করে না, তাই আমি এই সিদ্ধান্তের সাথে দ্বিমত পোষণ করছি।
** ট্রাম্প বনাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মামলায় বিচারপতি সোটোমায়র (জুলাই ২০২৪)
* ৩০ কোটিরও বেশি মানুষের একটি দেশে গণমাধ্যম কীভাবে কেবল ডোনাল্ড ট্রাম্প নামের একজন মানুষের প্রতি এত বেশি আচ্ছন্ন হয়ে পড়েছে তা সত্যিই বিস্ময়কর। এর চেয়েও বেশি বিস্ময়কর হলো, হোয়াইট হাউসে এক বাগ্মী অহংকারী নেতার অধীনে দেশে ও বিদেশে সাত বছরের বারবার বিপর্যয়ের পর, এত বিপুল সংখ্যক সম্ভাব্য ভোটার তার উত্তরসূরি হিসেবে আরেকজন বাগ্মী অহংকারী নেতার দিকে ঝুঁকছেন।
** টমাস সোয়েল, ''ন্যাশনাল রিভিউের'' [http://www.nationalreview.com/article/430126/donald-trump-conservatives-oppose-nomination "ট্রাম্পের বিরুদ্ধে রক্ষণশীলরা"] (২১ জানুয়ারি ২০১৬)
* রাতের খাবারের জন্য আমার কয়েকজন বন্ধু এসেছিল এবং আমরা স্বাভাবিকভাবেই ট্রাম্পকে নিয়ে কথা বলছিলাম। লোকজন বলছে, আমরা মনে করি না ট্রাম্প মনোনয়ন পাবেন। আমি বলেছিলাম, আমি মনে করি তিনি পাবেন। কেন আমি মনে করি তিনি মনোনয়ন পাবেন, তা বলছি। তিনি প্রমাণ করেছেন যে তিনি যা-ই বলুন না কেন, মানুষ তাকে পছন্দ করে। আমার মনে হয়, মানুষ রাজনীতিকদের ওপর চরম বিরক্ত। এর মানে হলো, একজন সফল ব্যবসায়ী দেশ চালাবেন এবং তিনি সত্যিই কাজগুলো সম্পন্ন করতে পারবেন—এই ধারণাটি তাদের পছন্দ।
** হাওয়ার্ড স্টার্ন: {{cite news
| date = ২৪ আগস্ট ২০১৫
| title = Howard Stern Predicts Trump Will Be GOP Nominee: He 'Gets Sh*t Done'
| trans-title = হাওয়ার্ড স্টার্নের ভবিষ্যদ্বাণী ট্রাম্পই জিওপি মনোনীত হবেন: তিনি 'কাজ সম্পন্ন করেন'
| author = ম্যাট উইলস্টেইন
| newspaper = মিডিয়াাইট.কম
| url = http://www.mediaite.com/online/howard-stern-predicts-trump-will-be-gop-nominee-he-gets-sht-done/
}} দ্বারা উদ্ধৃত
* মুসলিম অভিবাসনের বিষয়ে তার অবস্থান সম্পূর্ণ বর্ণবাদী। তিনি বলেছেন সন্ত্রাসের হুমকি নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত তিনি এটি বন্ধ রাখবেন। সাধারণ রক্ষণশীলরা তাদের সারা জীবন যেসব বিষয় নিয়ে লড়াই করেছেন, ট্রাম্প সেসব নিয়ে কোনো পরোয়া করেন না। গর্ভপাতের ওপর নিয়ন্ত্রণ, বিবাহের সুরক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা বাজারের সংস্কার—এগুলোর কোনোটিতেই তার আগ্রহ নেই। সরকারকে সম্প্রসারিত করা এবং একে তার লোকেদের পক্ষে রাখার প্রতি তার ঝোঁক খুব একটা সাংবিধানিক নয়। আর বিতর্কে তার দাবি যে রক্ষণশীলতার উদ্দেশ্য হলো সম্পদ সংরক্ষণ করা, এটি একটি আধ্যাত্মিকভাবে দেউলিয়া চিন্তাধারা। রিপাবলিকান পার্টিকে তাকে থামাতে হবে এবং তা যত দ্রুত সম্ভব করতে হবে।
** টিমোথি স্ট্যানলি, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৬-এ কেবল নিউজ নেটওয়ার্ক, জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের ''সিএনএনের'' [http://www.edition.cnn.com/2016/02/10/opinions/donald-trump-republican-party-stanley/index.html "ডোনাল্ড ট্রাম্প জিততে পারেন – এবং তাকে অবশ্যই থামাতে হবে"] প্রতিবেদনে।
* গত কয়েক মাসে একজন শীর্ষস্থানীয় রিপাবলিকান প্রার্থীর উত্থান ঘটেছে। তিনি প্ল্যানড প্যারেন্টহুডের প্রশংসা করেছেন, বিশাল সরকারি ব্যয়ের এজেন্ডা সমর্থন করেছেন এবং নিওকনজারভেটিভ এজেন্ডা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। বলা যেতে পারে যে এগুলোর কয়েকটি বা সবগুলোরই বিশ্লেষণ ও সংশোধনের প্রয়োজন ছিল। কিন্তু ট্রাম্প আমেরিকান রক্ষণশীল আন্দোলনের ওপর এক ধ্বংসাত্মক আঘাত হেনেছেন যা এটিকে টুকরো টুকরো করে ফেলার হুমকি দিচ্ছে। এটি একটি বৈপ্লবিক মুহূর্ত এবং যদি আমি খুব একটা ভুল না করি, তবে রক্ষণশীলদের বিপ্লবী হওয়ার কথা নয়। তারা বিশৃঙ্খলার মধ্যে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং আবেগের চেয়ে যৌক্তিকতাকে প্রাধান্য দিতে কাজ করেন। ট্রাম্প মনে হয় কেবল "সবকিছু তালগোল পাকিয়ে ফেলতে" এসেছেন। তিনি "জঘন্য" এবং "মজার"; যদিও মজার চেয়ে জঘন্যই বেশি। নির্যাতনের প্রতি তার ব্যাপক আগ্রহ অন্তত পক্ষে অস্বস্তিকর।
** টিমোথি স্ট্যানলি, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৬-এ কেবল নিউজ নেটওয়ার্ক, জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের ''সিএনএনের'' [http://www.cnn.com/2016/02/20/opinions/trump-south-carolina-victory-opinion-timothy-stanley/index.html "ট্রাম্প রক্ষণশীলতা ধ্বংস করছেন - তাকে কি থামানো যাবে?"] প্রতিবেদনে।
* ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে বুলেটিন অফ দ্য অ্যাটমিক সায়েন্টিস্টের বিশেষজ্ঞরা ডুমসডে ক্লকের কাঁটা মধ্যরাতের দুই মিনিট আগে নিয়ে যান। ১৯৫৩ থেকে ১৯৬০ সাল পর্যন্ত স্নায়ুযুদ্ধের সবচেয়ে অন্ধকার দিনগুলোতে এটি এই অবস্থানে ছিল। ট্রাম্পের পারমাণবিক চিন্তাভাবনায় বেপরোয়া মনোভাবের কারণেই কাঁটাটি এমন দ্রুত ঘোরানো হয়। ট্রাম্প প্রকাশ্যে প্রশ্ন তুলেছিলেন যে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করতে না পারলে তা রাখার অর্থ কী।<br> তার উত্তর ছিল এগুলোকে আরও ব্যবহারযোগ্য করে তোলা। তিনি তার নতুন নিউক্লিয়ার পসচার রিভিউ (এনপিআর) এর মাধ্যমে ঠিক সেটাই করেছেন। ওবামার ২০১০ সালের এনপিআরের পর এটিই প্রথম, যা মার্কিন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় পারমাণবিক অস্ত্রের ভূমিকা কমিয়ে দিয়েছিল। ২০১৮ সালের এনপিআর এদের ভূমিকা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দিয়েছে। সাইবার হামলা বা যুক্তরাষ্ট্র এবং এর "মিত্র ও অংশীদারদের" অবকাঠামোতে হামলার মতো অস্পষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত "চরম পরিস্থিতিতে" এটি ব্যবহারের অনুমতি দেয়। এই পর্যালোচনাটি পারমাণবিক অস্ত্রাগারের সমস্ত অংশের আধুনিকায়নের জন্য ওবামার অকল্পনীয় ৩০ বছর মেয়াদী ট্রিলিয়ন-ডলার প্রকল্পকে দ্বিগুণ করেছে। প্রকৃত খরচ ১.৭ ট্রিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি বলে মনে হচ্ছে এবং তা বেড়েই চলেছে। পরিস্থিতি আরও খারাপ করার মতো বিষয় হলো, বাকি আটটি পারমাণবিক শক্তিধর দেশও নিজস্ব আধুনিকায়ন করছে, যদিও তা অনেক ছোট পরিসরে। উল্লেখ্য যে, গত বছর রাশিয়া আসলে তাদের প্রতিরক্ষা ব্যয় কমিয়েছিল।
* এর পাশাপাশি ট্রাম্প প্রশাসনের জলবায়ু পরিবর্তন অস্বীকারকারীদের কারণে আমরা দ্রুত একটি বৈশ্বিক বিপর্যয়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি।
** অলিভার স্টোন এবং পিটার কুজনিক, ''দ্য নেশনের'' [https://www.thenation.com/article/untold-history-of-the-united-states-rerelease/ ''২ মিনিট বাকি, যে সংকটগুলো খুব বেশি দিন আগে নিয়ন্ত্রণে ছিল বলে মনে হয়েছিল, তা এখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে—এবং এগুলো শান্তিপূর্ণভাবে সমাধানের সম্ভাবনা হতাশাজনকভাবে ক্ষীণ'']-এ (এপ্রিল ২০১৯)
* ট্রাম্প কেবল উগ্র ডানপন্থীদের কোনো উদ্ভট রাজনীতিক বা মনোযোগ কাড়া টেলিভিশন চশমা নন। তিনি কোনো টুইটার তারকা বা অদ্ভুত কর্মজীবী শ্রেণির নায়কও নন। তিনি টিভিপণ্ডিতদের দ্বারা অন্য সবার মতো বিশ্লেষণ করার মতো আর দশজন প্রার্থী নন। '''আমাদের উদারনৈতিক গণতন্ত্র এবং সাংবিধানিক কাঠামোর দিক থেকে ট্রাম্প এক বিলুপ্তির স্তরের ঘটনা। তাকে সেভাবে বিবেচনা করার সময় অনেক আগেই পেরিয়ে গেছে।'''
** অ্যান্ড্রু সুলিভান, ২ মে ২০১৬-এ ''নিউ ইয়র্কের'' [http://nymag.com/daily/intelligencer/2016/04/america-tyranny-donald-trump.html "আমেরিকা কখনো স্বৈরতন্ত্রের জন্য এতটা প্রস্তুত ছিল না"] প্রতিবেদনে।
* কেউ জালিয়াতির দাবি করেনি। সংসদীয় ফলাফলের একপেশে অন্যায্যতার কেউ উপহাস করেনি, যেখানে লেবার পার্টি ৩৪ শতাংশ ভোট পেয়ে বিস্ময়কর ৬৩ শতাংশ আসন পেয়েছে এবং নতুন ডানপন্থী রিফর্ম পার্টি ১৪ শতাংশ ভোট পেয়ে মাত্র ৫টি আসন পেয়েছে। এগুলোই ছিল খেলার আগের নিয়ম এবং সবাই এই নিয়মে সম্মত হয়েছিল।<br>আমেরিকায় অদূর ভবিষ্যতে এই ধরনের আপসকারী আদান-প্রদান কেন ঘটতে পারে না তার একটি এবং একমাত্র কারণ হলো ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প। প্যাথলজিক্যাল এবং ক্ষতিকর আত্মরতিতে বিকৃত এক মন নিয়ে, উদারতা, করুণা বা ন্যায্যতার বিন্দুমাত্র বোধ ছাড়াই ট্রাম্প প্রায় এক দশক ধরে এই দেশের রাজনীতিতে আধিপত্য বিস্তার করে আছেন। তিনি পদ্ধতিগতভাবে প্রতিটি গণতান্ত্রিক রীতিনীতি এবং প্রতিষ্ঠানকে ক্ষয় করেছেন: আইনের শাসন, নির্বাচন প্রক্রিয়া, সুপ্রিম কোর্টের সততা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, ক্ষমতা হস্তান্তরের শান্তিপূর্ণ প্রকৃতি এবং বিশ্বজুড়ে আমাদের মিত্রদের নির্ভরযোগ্যতা। আর এই সমস্ত ক্ষতি কোনো বৃহত্তর নীতি বা অর্থপূর্ণ এজেন্ডাকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য করা হয়নি, বরং কেবল এবং শুধুমাত্র স্বয়ং প্রেসিডেন্টের আত্মরতি এবং দুর্নীতিকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য করা হয়েছে।
** অ্যান্ড্রু সুলিভান, ১২ জুলাই ২০২৪-এ ''দ্য উইকলি ডিশের'' [https://andrewsullivan.substack.com/p/wanted-an-american-starmer "ওয়ান্টেড: অ্যান আমেরিকান স্টারমার"] প্রতিবেদনে।
* তবে আমরা এটুকু নিশ্চিতভাবে জানি যে ট্রাম্প অপরাধের দিকে ঝুঁকেছেন। তিনি প্রতিশোধ ও ক্ষোভ দ্বারা পরিচালিত হন। এখন স্কোটাস (SCOTUS) বা সুপ্রিম কোর্ট তাকে অস্পষ্ট এবং নজিরবিহীন দায়মুক্তি দিয়েছে, যার সীমাবদ্ধতার সুযোগ তিনি নিঃসন্দেহে কাজে লাগাবেন। আমরা জানি তার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ানো যেকোনো প্রতিষ্ঠানকে তিনি অবৈধ প্রমাণ করবেন। আমরা আরও জানি যে, ক্ষমতা শান্তিপূর্ণ হস্তান্তরে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করা একজন সাজাপ্রাপ্ত অপরাধীকে নির্বাচিত করা একটি কথিত প্রজাতন্ত্রের জন্য যুগান্তকারী ঘটনা হবে।
** অ্যান্ড্রু সুলিভান, ১২ জুলাই ২০২৪-এ ''দ্য উইকলি ডিশের'' [https://andrewsullivan.substack.com/p/wanted-an-american-starmer "ওয়ান্টেড: অ্যান আমেরিকান স্টারমার"] প্রতিবেদনে।
* ট্রাম্প অবশ্যই মনোযোগ সরানো এবং {{w|মিডিয়া ম্যানিপুলেশন|গণমাধ্যমকে প্রভাবিত করায়}} একজন দক্ষ কারিগর। তার প্রতারণার ফাঁদে না পড়া সম্ভব, তবে এর জন্য অবিরাম আত্মনিয়ন্ত্রণের প্রয়োজন।
** মার্গারেট সুলিভান, ''{{w|দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট|দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের}}'' ''[https://www.washingtonpost.com/lifestyle/style/journalists-in-the-age-of-trump-lose-the-smugness-keep-the-mission/2016/11/29/1ee85a28-b64b-11e6-a677-b608fbb3aaf6_story.html ট্রাম্প যুগে সাংবাদিকরা: অহংকার ত্যাগ করুন, লক্ষ্য ধরে রাখুন]'' (২৯ নভেম্বর ২০১৬)
* গণমাধ্যম প্রায়ই আমাকে জিজ্ঞাসা করে যে আমি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে পাগল মনে করি কিনা। আমি এভাবেই বলি: আমি মনে করি না তিনি এতটা পাগল যে তাকে মানসিক হাসপাতালে ঢোকানো যাবে। তবে আমি মনে করি তিনি যদি একবার সেখানে ঢোকেন, তবে তিনি আর কখনো বের হতে পারবেন না!
** ক্রিস সুনুনু, নিউ হ্যাম্পশায়ারের রিপাবলিকান গভর্নর। ৪ এপ্রিল ২০২২-এ পলিটিকোর [https://www.politico.com/newsletters/playbook/2022/04/03/a-night-of-laughter-and-cringe-at-the-gridiron-00022578 "পলিটিকো প্লেবুক: গ্রিডিরনে হাসি ও অস্বস্তির এক রাত"] প্রতিবেদনে উদ্ধৃত।
* আপনাদের অনেকের মতোই আমি আজ রাতে [৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪-এর প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থীদের] বিতর্ক দেখেছি। আপনি যদি এখনো তা না করে থাকেন, তবে বর্তমান সমস্যাগুলো এবং আপনার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে প্রার্থীদের অবস্থান নিয়ে খোঁজখবর নেওয়ার এখনই উপযুক্ত সময়। একজন ভোটার হিসেবে আমি এই দেশের জন্য তাদের প্রস্তাবিত নীতি ও পরিকল্পনা সম্পর্কে সবকিছু দেখার এবং পড়ার চেষ্টা করি।<br>সম্প্রতি আমি জানতে পেরেছি যে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনী প্রচারণাকে সমর্থন জানিয়ে আমার একটি এআই তৈরি ভুয়া ভিডিও তার সাইটে পোস্ট করা হয়েছে। এটি সত্যিই এআই এবং ভুল তথ্য ছড়ানোর বিপদ নিয়ে আমার ভয়কে বাড়িয়ে দিয়েছে। এই ঘটনা আমাকে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছে দিয়েছে যে একজন ভোটার হিসেবে এই নির্বাচনের জন্য আমার প্রকৃত পরিকল্পনা সম্পর্কে খুব স্বচ্ছ হতে হবে। ভুল তথ্যের বিরুদ্ধে লড়াই করার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো সত্য প্রকাশ করা।<br>২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আমি কমলা হ্যারিস এবং টিম ওয়ালজকে ভোট দেব। আমি @kamalaharris-কে ভোট দিচ্ছি কারণ তিনি এমন সব অধিকার ও দাবির জন্য লড়ছেন যেগুলোর জন্য একজন যোগ্য নেতার প্রয়োজন বলে আমি মনে করি। আমি বিশ্বাস করি তিনি একজন অবিচল ও প্রতিভাবান নেতা। বিশৃঙ্খলার বদলে শান্ত নেতৃত্বের মাধ্যমে আমরা এই দেশে আরও অনেক কিছু অর্জন করতে পারি। রানিং মেট হিসেবে @timwalz-কে বেছে নেওয়ায় আমি খুব আনন্দিত এবং মুগ্ধ হয়েছি। তিনি কয়েক দশক ধরে এলজিবিটিকিউ+ অধিকার, আইভিএফ এবং নিজের শরীরের ওপর একজন নারীর অধিকারের পক্ষে দাঁড়িয়েছেন।<br>আমি খোঁজখবর নিয়ে আমার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আপনার খোঁজখবর নেওয়ার দায়িত্ব আপনার এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্বও আপনার। আমি বিশেষ করে নতুন ভোটারদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই: মনে রাখবেন, ভোট দেওয়ার জন্য আপনাকে অবশ্যই নিবন্ধিত হতে হবে! আগাম ভোট দেওয়া অনেক বেশি সহজ বলে আমি মনে করি। কোথায় নিবন্ধন করতে হবে এবং আগাম ভোটের তারিখ ও তথ্য আমি আমার স্টোরিতে যুক্ত করে দেব।<br>ভালোবাসা এবং আশার সাথে,<br>টেইলর সুইফট<br>সন্তানহীন বিড়ালপ্রেমী নারী
** [[টেইলর সুইফট]], ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৪-এ ''এপি নিউজের'' [https://apnews.com/article/taylor-swift-endorse-kamala-harris-president-3a36b6f9695c20153891bba35c47f21d "বিতর্ক শেষে প্রেসিডেন্ট পদে কমলা হ্যারিসকে সমর্থন জানালেন টেইলর সুইফট"] প্রতিবেদনে।
* কিন্তু একপর্যায়ে আপনাকে বুঝতে হবে, আর এটি কেবল আদর্শগত নয়, এটি কেবল একটির পর একটি অবস্থান ত্যাগ করা বা ইন্টারনেট গুজব বা ষড়যন্ত্র তত্ত্বের প্রতি তার ঝোঁক থাকার বিষয় নয়। এক সপ্তাহ আগে তিনি এই ধারণা ছড়াচ্ছিলেন যে জেএফকে হত্যাকাণ্ডের সাথে টেড ক্রুজের বাবার কোনো সম্পর্ক ছিল। অনেকেই বলেন যে কেবল দলের প্রতি আনুগত্যের কারণে আমাদের এসব ভুলে যেতে হবে। আমি এটি মানতে নারাজ। কারণ আমি আমার সহযোগী রক্ষণশীলদের সতর্ক করেছি, আপনি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে মেনে নিলে আপনি সবকিছুকেই মেনে নেন। আপনি প্রতিটি অপবাদ, প্রতিটি অপমান, প্রতিটি ক্ষোভ, প্রতিটি মিথ্যাকে গ্রহণ করেন। আপনি আগামী ছয় মাস এই সবকিছুকে রক্ষা, যৌক্তিক প্রমাণ এবং এড়িয়ে যাওয়ার কাজে ব্যয় করবেন। এরপর আপনি নারী, সংখ্যালঘু, তরুণদের কাছে ফিরে এসে বলবেন, ওটা আমরা ছিলাম না। আমরা ওরকম নই। বাস্তবতা হলো, আপনি যদি তাকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হওয়ার জন্য সমর্থন করেন, তবে আপনি সেটাই যা তিনি এবং আপনাকে এর দায় নিতে হবে।
** ফক্স নিউজের [http://www.weeklystandard.com/sykes-if-you-embrace-trump-you-embrace-every-slur-insult-outrage-falsehood/article/2002334 ''দ্য কেলি ফাইল'']-এ চার্লি সাইকস (২০১৬)
* গণমাধ্যম তাকে যেভাবে তুলে ধরুক না কেন। '''আমি তাকে একজন শান্তির মানুষ হিসেবে দেখি। আমরা দুজনেই একই শত্রুর দ্বারা আক্রান্ত হয়েছি। ট্রাম্প প্রভাব, শক্তি এবং ফলাফল বোঝেন।''' [[সিরিয়া|সিরিয়ার]] এমন একজন সৎ মধ্যস্থতাকারীর প্রয়োজন যিনি আলোচনাটি নতুন করে শুরু করতে পারবেন। যদি এমন কোনো সমঝোতার সম্ভাবনা থাকে যা এই অঞ্চলে স্থিতিশীলতা আনতে সাহায্য করে এবং যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে, তবে আমি সেই আলোচনা করতে প্রস্তুত আছি। তিনিই একমাত্র মানুষ যিনি এই অঞ্চলটিকে ঠিক করতে এবং আমাদের একত্রিত করতে সক্ষম।
** {{w|আহমেদ আল-শারা}}, ''দ্য জিউয়িশ জার্নালের'' সাথে [https://jewishjournal.com/commentary/opinion/381746/a-conversation-with-president-ahmed-al-sharaa-syrias-journey-beyond-the-ruins/ সাক্ষাৎকার] (২৮ মে ২০২৫)
=== টি ===
* ট্রাম্পের ক্রমাগত নিজের টাকা, জনমত জরিপে তার অবস্থান এবং নিজের পুরুষত্ব নিয়ে বড়াই করার বিষয়টি মূলত আমেরিকান মধ্যবিত্তদের সেই ফ্যান্টাসির কথা বলে যেখানে একটি দুর্বল শ্বেতাঙ্গ আমেরিকা আবার নিজের হারানো তেজ ফিরে পাওয়ার স্বপ্ন দেখছে... বাস্কেটবল তারকা থেকে বিশ্লেষক হওয়া করিম আবদুল-জাব্বার যেমন এই সপ্তাহের শুরুতে উল্লেখ করেছিলেন, পলিটিক্যাল কারেক্টনেস বা পিসি কোনো নতুন বিষয় নয়, বা আসলে এটা কোনো বিষয়ই নয়। এটি কেবল একটি "আবেগগত চ্যালেঞ্জ যা প্রতিটি প্রজন্মকে অতিক্রম করতে হয়েছে।" আমরা বড় হই, আমাদের সন্তানরা আমাদের খারাপ অভ্যাসগুলো শুধরে দেয়, এমনটা ঘটেই। কিন্তু ট্রাম্পের সমর্থকদের ক্ষেত্রে তা নয়। তারা কিছু ছোটখাটো সাংস্কৃতিক পরিবর্তনকে শ্বেতাঙ্গদের ভুক্তভোগী হওয়ার এক বিশাল ষড়যন্ত্রে পরিণত করেছে। তারা ট্রাম্পের ''মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন'' থিমটি লুফে নিচ্ছে, যা তার একজন সমর্থক হাস্যকরভাবে ব্যাখ্যা করেছেন যে এটিই তার আসল লক্ষ্য হতে হবে, কারণ 'এটি তার টুপিতে লেখা আছে'। কারণ এটি একসময়কার মহান এক সংস্কৃতির এক ফ্যান্টাসি গল্প যা অপরাধীদের দ্বারা ধ্বংস হয়ে গেছে।
** ম্যাট তাইবি, ''রোলিং স্টোনের'' [http://www.rollingstone.com/politics/news/the-gop-is-now-officially-the-party-of-dumb-white-people-20150904 "রিপাবলিকানরা এখন আনুষ্ঠানিকভাবে শ্বেতাঙ্গ প্যারানোয়ার দলে পরিণত হয়েছে"]-এ।
* বাইডেন টিম স্বাভাবিকভাবেই কাজ চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে। তবে ট্রাম্পের ব্যক্তিত্বের কোনো আমূল পরিবর্তন না হলে একপর্যায়ে এটি চরম আকার ধারণ করবে। প্রেসিডেন্ট ফলাফল মেনে নিতে অস্বীকার করছেন, তিনি ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু করতে বাধা দিচ্ছেন...
** সিএনএন-এর [https://www.cnn.com/videos/tv/2020/11/18/lead-warner-live-jake-tapper.cnn দ্য লিড উইথ জেক ট্যাপার (ভিডিও)]তে জেক ট্যাপার, ১৮ নভেম্বর ২০২০
* সেই প্রশাসনে আড়াই বছর কাটানোর পর প্রতি সপ্তাহে আমরা যা দেখেছি, তা আমার জন্য সত্যিই ভীতিকর ছিল। আমরা যখন কোনো জরুরি জাতীয় নিরাপত্তা ইস্যু—সাইবার হামলা, সন্ত্রাসী হুমকি—নিয়ে তার সাথে কথা বলতে যেতাম, তখন তিনি এসব বিষয়ে কোনো আগ্রহ দেখাতেন না। তার কাছে এগুলো কোনো অগ্রাধিকার ছিল না।
* প্রশাসনে আমার অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, আমাকে জো বাইডেনকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে সমর্থন করতে হবে। আমি ডেমোক্র্যাট না হওয়া সত্ত্বেও, এমনকি মূল বিষয়গুলোতে দ্বিমত থাকা সত্ত্বেও, আমার বিশ্বাস যে জো বাইডেন দেশকে রক্ষা করবেন এবং তিনি বর্তমান প্রেসিডেন্টের মতো একই ভুল করবেন না।
* ট্রাম্প আমেরিকার জন্য কতটা বিপজ্জনক তা আমি নিজের চোখে দেখেছি।
** মাইলস টেইলর, যিনি ২০১৭ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত ট্রাম্প প্রশাসনে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের প্রধান স্টাফ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। {{cite news
| date = ১৭ আগস্ট ২০২০
| title = Former senior Trump administration official backs Biden
| trans-title = সাবেক জ্যেষ্ঠ ট্রাম্প প্রশাসন কর্মকর্তা বাইডেনকে সমর্থন জানিয়েছেন
| author = জিলিয়ান টার্নার, পল স্টেইনহাউসার
| newspaper = ফক্স নিউজ
| url = https://www.foxnews.com/politics/former-senior-trump-administration-official-backs-biden
}} দ্বারা উদ্ধৃত।
* হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের ভেতরে থেকে আমি ট্রাম্পকে খুব কাছ থেকে কাজ করতে দেখেছি। তিনি আমাদের বিভাগের সাথে অন্য যেকোনো বিভাগের চেয়ে বেশি সময় কাটিয়েছেন। আমি যা দেখেছি তা হলো এমন একজন মানুষ যিনি সত্যিই অস্বাভাবিক মানসিক বিভ্রান্তিতে ভুগছেন। একজন কমান্ডার-ইন-চিফের জন্য যা খুবই উদ্বেগজনক। উদাহরণস্বরূপ, তাকে দেখে মনে হতো তিনি ধারাবাহিকভাবে নয়, বরং আকস্মিক সংযোগের মাধ্যমে চিন্তা করেন। তিনি ব্রিফিংয়ের চেয়ে চাটুকারিতা এবং বারবার দৃশ্য দেখার মাধ্যমেই তথ্য গ্রহণ করতেন। আমাদের আক্ষরিক অর্থেই এক পৃষ্ঠার চেয়ে বড় কোনো নথি তাকে পড়তে না দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। আর যেখানে সম্ভব শব্দের বদলে ছবির মাধ্যমে তথ্য সরবরাহ করতে বলা হয়েছিল।<br>সরকারের কাজ মূলত এই অদ্ভুত আচরণগুলোর সাথে খাপ খাইয়ে নেওয়া হয়েছিল। ট্রাম্পকে জটিল বিষয়গুলো বুঝতে সাহায্য করতে এবং কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য তাকে প্রশিক্ষণ দিতে ৫০ পৃষ্ঠার ব্যাকগ্রাউন্ড পেপারগুলোকে এক পৃষ্ঠার বর্ণনায় নামিয়ে আনা হয়েছিল।
** মাইলস টেইলর, ''আইনিউজের'' [https://liveapp.inews.co.uk/category/4314682/content.html আমি ট্রাম্পের সাথে কাজ করেছি। তার মানসিক অবস্থা সম্পর্কে আমি যা জানি] প্রতিবেদনে উদ্ধৃত (২৬ মার্চ ২০২৬)
* সেই প্রশাসনে আড়াই বছর কাটানোর পর প্রতি সপ্তাহে আমরা যা দেখেছি, তা আমার জন্য সত্যিই ভীতিকর ছিল।
** মাইলস টেইলর, ডিএইচএসের সাবেক প্রধান স্টাফ, [https://www.cbsnews.com/news/miles-taylor-homeland-security-trump-terrifying/ সিবিএস নিউজে]
* গণমাধ্যম সবসময় ট্রাম্পের কথার আক্ষরিক অর্থ খোঁজে। তারা কখনো তাকে গুরুত্বের সাথে নেয় না, বরং সবসময় তার আক্ষরিক অর্থ খোঁজে। আমার মনে হয় ট্রাম্পকে ভোট দেওয়া অনেক ভোটারই ট্রাম্পকে গুরুত্বের সাথে নেন, কিন্তু আক্ষরিক অর্থে নেন না।
** পিটার থিয়েল, [http://www.press.org/sites/default/files/20161031_thiel.pdf ন্যাশনাল প্রেস ক্লাবে দেওয়া ভাষণ] (৩১ অক্টোবর ২০১৬)
* ট্রাম্প ডেমোক্রেটিক হাউস এবং সিনেট ক্যাম্পেইন কমিটিকে ১ লাখ ডলারেরও বেশি দিয়েছেন। ২০০৬ সালে, যে বছর ডেমোক্র্যাটরা কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছিল, তিনি ডেমোক্রেটিক কংগ্রেশনাল ক্যাম্পেইন কমিটি এবং ডেমোক্রেটিক সেনেটোরিয়াল ক্যাম্পেইন কমিটিকে ২৫,০০০ ডলার দিয়েছিলেন... ট্রাম্প চেয়েছিলেন ন্যান্সি পেলোসি হাউসের স্পিকার হন এবং হ্যারি রিড সিনেটের সংখ্যাগরিষ্ঠ নেতা হন। যা মোটেও বিস্ময়কর নয়। ২০০১ সালের আগস্ট থেকে ২০০৯ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিনি যখন এই অনুদানগুলো দিয়েছিলেন, তখন ট্রাম্প একজন নিবন্ধিত ডেমোক্র্যাট ছিলেন... ওবামাকেয়ার পাসের ঠিক পরপরই নির্বাচনে ট্রাম্প রিডকে সংখ্যাগরিষ্ঠ নেতা হিসেবে সমর্থন করা চালিয়ে যান... অতীতে ডেমোক্র্যাটদের প্রতি তার সমস্ত সমর্থন বিবেচনা করে ট্রাম্পকে জিজ্ঞাসা করা উচিত: যিনিই রিপাবলিকান দলের চূড়ান্ত মনোনীত প্রার্থী হোন না কেন, তিনি কি তাকে সমর্থন করার প্রতিশ্রুতি দেবেন? শেষ পর্যন্ত যদি তিনি ক্লিনটনকেই সমর্থন করেন, তবে কেন তাকে রিপাবলিকান দলে স্বাগত জানানো হবে? আসল সত্য হলো, ট্রাম্প ডেমোক্র্যাট বা রিপাবলিকান নন; তিনি একজন সুবিধাবাদী... তিনি একজন প্রার্থীর চেয়েও বেশি একটি ব্র্যান্ড। আর প্রেসিডেন্ট পদে লড়া ট্রাম্প ব্র্যান্ডের জন্য দারুণ। এটি ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য জাতীয় মঞ্চে উঠে তিনি কতটা মহান তা আমাদের সবাইকে বলার একটি সুযোগ। তার ঘোষণার ভাষণের সময় তিনি এটি প্রায় স্বীকারই করে নিয়েছিলেন। যখন তিনি উল্লেখ করেছিলেন যে কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন যে তিনি আসলেই যতটা দাবি করেন ততটা সফল কিনা।
** মার্ক এ. থিসেন, ''দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের'' [https://www.washingtonpost.com/opinions/how-donald-trump-helped-democrats-pass-obamacare/2015/06/22/002f4c7c-18ea-11e5-ab92-c75ae6ab94b5_story.html "কীভাবে ডোনাল্ড ট্রাম্প ডেমোক্র্যাটদের ওবামাকেয়ার পাস করতে সাহায্য করেছিলেন"] (২২ জুন ২০১৫)
* রিচার্ড নিক্সনের ভাইস প্রেসিডেন্ট স্পিরো অ্যাগনিউকে আমি যেমন পছন্দ করতে চেয়েছিলাম, ডোনাল্ড ট্রাম্পকেও আমি ঠিক তেমনি পছন্দ করতে চেয়েছিলাম। এই দুই ব্যক্তিই এমন অনেক কথা বলেছেন যার সাথে আমি একমত। অ্যাগনিউ গণমাধ্যমের পক্ষপাতিত্ব আক্রমণ করেছিলেন, আর ট্রাম্প এস্টাবলিশমেন্টের "আমেরিকাকে মহান করতে" ব্যর্থ হওয়ার সমালোচনা করেন। কিন্তু সঠিক রোগ নির্ণয় মানেই সঠিক চিকিৎসা করতে পারা নয়। আমার মস্তিষ্কে টিউমার হলে আমি বেন কারসনকে দিয়ে অস্ত্রোপচার করাতে চাইব, কিন্তু আমি কি চাইব ডোনাল্ড ট্রাম্প আমেরিকার ওপর "অস্ত্রোপচার" করুক? প্রত্যেকেরই একটি নির্দিষ্ট মেজাজ আছে। অভিধান একে "একজন ব্যক্তির মানসিক, শারীরিক এবং মানসিক বৈশিষ্ট্যের সংমিশ্রণ" হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে। ট্রাম্পের এই "সংমিশ্রণ" কি তাকে একজন ভালো প্রেসিডেন্ট হিসেবে গড়ে তুলবে? আমার তা মনে হয় না।
** ক্যাল থমাস, ''ন্যাশনাল রিভিউের'' [http://www.nationalreview.com/article/430126/donald-trump-conservatives-oppose-nomination "ট্রাম্পের বিরুদ্ধে রক্ষণশীলরা"] (২১ জানুয়ারি ২০১৬)
* আমি মনে করি প্রেসিডেন্ট অভিশংসনযোগ্য অপরাধ করেছেন।
** প্যাট টুমি, রিপাবলিকান সিনেটর। {{cite news
| date = ১০ জানুয়ারি ২০২১
| title = Republican Sen. Pat Toomey says he thinks Trump 'committed impeachable offenses'
| trans-title = রিপাবলিকান সেনেটর প্যাট টুমি বলেছেন ট্রাম্প 'অভিশংসনযোগ্য অপরাধ করেছেন' বলে তিনি মনে করেন
| author = কেট সুলিভান, নিকি রবার্টসন
| newspaper = সিএনএন
| url = https://edition.cnn.com/2021/01/09/politics/pat-toomey-trump-impeachable-offenses/index.html
}} দ্বারা উদ্ধৃত।
* ২০২০ সালে বড় ধরনের সামাজিক সংস্কারের অনেক আহ্বানের এক অদ্ভুত পরিণতি ছিল। করোনাভাইরাস সংকট যখন আমাদের গ্রাস করেছিল, তখন আটলান্টিক মহাসাগরের উভয় প্রান্তের বামপন্থীরা পরাজয়ের দিকে যাচ্ছিল। অন্ততপক্ষে যে অংশটি জেরেমি করবিন এবং বার্নি স্যান্ডার্সের দ্বারা উদ্দীপ্ত হয়েছিল। গ্রিন নিউ ডিলের ধারণাকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা একটি চরমপন্থী এবং পুনরুজ্জীবিত বামপন্থার প্রতিশ্রুতি মহামারীর মাঝে মিলিয়ে যেতে বসেছিল। সংকট মোকাবেলার দায়িত্ব মূলত মধ্যপন্থী এবং ডানপন্থী সরকারগুলোর ওপর বর্তায়। তারা ছিল এক অদ্ভুত সমাহার। ব্রাজিলের [[জাইর বলসোনারু|জাইর বলসোনারো]] এবং যুক্তরাষ্ট্রের ডোনাল্ড ট্রাম্প অস্বীকার করার কৌশল নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছিলেন। তাদের কাছে জলবায়ু সংশয়বাদ এবং ভাইরাস সংশয়বাদ হাত ধরাধরি করে চলছিল। মেক্সিকোতে আন্দ্রেস ম্যানুয়েল লোপেজ ওব্রাডরের ধারণাগতভাবে বামপন্থী সরকারও একটি ভিন্ন পথ অনুসরণ করে এবং কঠোর পদক্ষেপ নিতে অস্বীকার করে। ফিলিপাইনের রদ্রিগো দুতের্তে, ভারতের [[নরেন্দ্র মোদী]], রাশিয়ার [[ভ্লাদিমির পুতিন]] এবং তুরস্কের রেজেপ তাইয়িপ এরদোয়ানের মতো জাতীয়তাবাদী একনায়করা ভাইরাসটিকে অস্বীকার করেননি, তবে তারা তাদের দেশপ্রেমিক আবেদন এবং উৎপীড়নমূলক কৌশলের ওপর নির্ভর করে সংকট পার হওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। মধ্যপন্থী পরিচালনাকারীদের ওপরই সবচেয়ে বেশি চাপ ছিল। যুক্তরাষ্ট্রে ন্যান্সি পেলোসি এবং চাক শুমার, বা চিলিতে সেবাস্তিয়ান পিনেরা, বা দক্ষিণ আফ্রিকায় [[সিরিল রামাফোসা]], ইউরোপে [[ইমানুয়েল মাক্রোঁ]], [[আঙ্গেলা ম্যার্কেল]], উর্সুলা ফন ডার লায়েন এবং তাদের মতো ব্যক্তিরা এর উদাহরণ। তারা বিজ্ঞানকে মেনে নিয়েছিলেন। অস্বীকার করা কোনো বিকল্প ছিল না। তারা যে 'জনতুষ্টিবাদীদের' চেয়ে ভালো তা প্রমাণ করতে মরিয়া ছিলেন। সংকট মোকাবেলায় মধ্যপন্থী রাজনীতিকরা শেষ পর্যন্ত অত্যন্ত চরমপন্থী কাজ করে ফেলেছিলেন। এর বেশিরভাগই ছিল তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত এবং আপস। তবে তারা তাদের প্রতিক্রিয়ায় একটি পদ্ধতিগত রূপ দিতে সফল হয়েছিলেন—তা সে ২০২০ সালে ইইউ-এর নেক্সট জেনারেশন প্রোগ্রাম বা বাইডেনের বিল্ড ব্যাক বেটার প্রোগ্রাম-এর আকারেই হোক না কেন। এটি সবুজ আধুনিকায়ন, টেকসই উন্নয়ন এবং গ্রিন নিউ ডিলের ভাণ্ডার থেকেই এসেছিল।
** অ্যাডাম টুজে, ''শাটডাউন: হাউ কোভিড শুক দ্য ওয়ার্ল্ড ইকোনমি'' (২০২১)
* শুরু থেকেই যেসব সরকার অবহেলা করেছে [...] তারা এমন স্বাস্থ্য সংকটের মুখে নিজেদের অযোগ্যতা প্রকাশ করতে ভয় পাচ্ছে। একেবারে শেষ মুহূর্তে ট্রাম্প "জাতীয় জরুরি অবস্থা" ঘোষণা করেন এবং কংগ্রেসে ডেমোক্র্যাটদের সাথে {{w|অসুস্থতাজনিত ছুটি}} এবং দ্রুত পরীক্ষার জন্য একটি বিশেষ প্যাকেজে সম্মত হন। সংকটের মুখে তিনি অযোগ্য প্রমাণিত হলে এবং হাজার হাজার মানুষ মারা গেলে, তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বাইডেনের কাছেও হেরে যেতে পারেন।
** ট্রটস্কিস্ট ফ্র্যাকশন – ফোর্থ ইন্টারন্যাশনাল, ''লেফট ভয়েসের'' ''[https://www.leftvoice.org/coronavirus-and-the-healthcare-crisis-our-lives-are-worth-more-than-their-profits করোনাভাইরাস এবং স্বাস্থ্যসেবা সংকট: তাদের মুনাফার চেয়ে আমাদের জীবনের মূল্য বেশি!]''তে (১৪ মার্চ ২০২০)
* তাকে যত দ্রুত সম্ভব এই জঘন্য কাজের নিন্দা জানাতে হবে।
* আমাদের ওভাল অফিস থেকে একটি ভাষণ দরকার। তাকে এখনই নেতৃত্ব দিতে হবে। পরিস্থিতি অনেক দূর গড়িয়েছে এবং হাতের বাইরে চলে গেছে।
** ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়র, ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারি হোয়াইট হাউসের চিফ অফ স্টাফ মার্ক মিডোসকে লেখা [https://edition.cnn.com/2021/12/13/politics/trump-jr-text-mark-meadows-january-6/index.html টেক্সট মেসেজে]। কংগ্রেস ভবনে হামলা থামাতে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে রাজি করানোর জন্য তিনি মিডোসকে অনুরোধ করছিলেন।
* প্রতিটি পরিবারেই কোনো না কোনো পাগল চাচা থাকে। আমার চাচা ডোনাল্ড এক ভয়ংকর পাগল।
** ফ্রেড ট্রাম্প তৃতীয়, ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভাতিজা। ''এবিসি নিউজের'' [https://abcnews.go.com/US/fred-trump-iii-calls-uncle-donald-trump-atomic/story "ফ্রেড ট্রাম্প তৃতীয় চাচা ডোনাল্ড ট্রাম্পকে 'ভয়ংকর পাগল' বলে আখ্যা দিয়েছেন এবং বলেছেন তিনি কয়েক দশক আগে বর্ণবাদী গালি ব্যবহার করতেন"] প্রতিবেদনে উদ্ধৃত (৩০ জুলাই ২০২৪)
* আমি মনে করি তিনি একজন মহান প্রেসিডেন্ট হবেন... তিনি বিশ্বের অন্যতম গতিশীল মানুষ। তাকে দেখতে প্রেসিডেন্টের মতোই লাগে এবং তিনি সেভাবেই কথা বলেন। তিনি যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তা তিনি পূরণ করবেন।
** ইভানা ট্রাম্প, {{cite news
| date = ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৬
| title = Daily Exclusive: Ivana Trump Uncensored
| trans-title = ডেইলি এক্সক্লুসিভ: ইভানা ট্রাম্প আনসেন্সর্ড
| author = এডি রোচ
| newspaper = ডেইলি ফ্রন্ট রো
| url = http://fashionweekdaily.com/daily-exclusive-ivana-trump-uncensored/
}} দ্বারা উদ্ধৃত
* আমার বাবা একজন দারুণ শ্রোতা। মানুষ আসলে তাকে না চেনা পর্যন্ত এটি বুঝতে পারে না। আর দিনশেষে তিনি নিজের সিদ্ধান্ত নিজেই নেন এবং যেকোনো নেতার সেটাই করা উচিত।
** ইভাঙ্কা ট্রাম্প, {{cite news
| date = ১৪ অক্টোবর ২০১৫
| title = Ivanka Trump: Dad's conflict with Megyn Kelly 'very sensationalized'
| trans-title = ইভাঙ্কা ট্রাম্প: মেগিন কেলির সাথে বাবার বিবাদ 'খুব বেশি চাঞ্চল্যকর' করা হয়েছে
| author = জুডি কার্টজ
| newspaper = দ্য হিল
| url = http://thehill.com/blogs/in-the-know/in-the-know/256903-ivanka-trump-dads-conflict-with-megyn-kelly-very
}} দ্বারা উদ্ধৃত
* তিন বছর বয়সে ডোনাল্ড যেমন ছিলেন, আজও তিনি ঠিক তেমনই আছেন। তিনি বেড়ে উঠতে, শিখতে বা পরিবর্তিত হতে অক্ষম। নিজের আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে, প্রতিক্রিয়া সংযত রাখতে বা তথ্য গ্রহণ করে তা বিশ্লেষণ করতে তিনি পারেন না।
** {{cite news
| date = ৭ জুলাই ২০২০
| author = ম্যারি ট্রাম্প (ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভাতিজি)
| title = The explosive tell-all book by Trump's niece is coming out two weeks earlier than expected
| trans-title = ট্রাম্পের ভাতিজির লেখা বিস্ফোরক বইটি প্রত্যাশার চেয়ে দুই সপ্তাহ আগেই প্রকাশিত হচ্ছে
| newspaper = সিএনএন
| url = https://edition.cnn.com/2020/07/06/media/mary-trump-book-release-date/index.html
}}
* ডোনাল্ডের মানসিক সমস্যাগুলো এতটাই জটিল এবং তার আচরণগুলো প্রায়শই এতটাই অব্যাখ্যাত যে একটি সঠিক ও ব্যাপক রোগ নির্ণয়ের জন্য অনেকগুলো মনস্তাত্ত্বিক এবং স্নায়বিক পরীক্ষার প্রয়োজন হবে। কিন্তু তিনি কখনোই এসব পরীক্ষায় বসবেন না।
** {{cite news
| date = ৮ জুলাই ২০২০
| author = উইলিয়াম গোল্ডশ্ল্যাগ, ড্যান জেনিসন
| title = Donald Trump's niece: He lies, cheats, is cruel, incompetent and cheap
| trans-title = ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভাতিজি: তিনি মিথ্যা বলেন, প্রতারণা করেন, তিনি নিষ্ঠুর, অযোগ্য এবং সস্তা
| newspaper = নিউজডে
| url = https://www.newsday.com/long-island/politics/trump-niece-mary-book-conway-coronavirus-schools-reopening-biden-who-jacksonville-rnc-tiktok-1.46510343
}}
* ডোনাল্ডকে একজন নার্সিসিস্ট বা আত্মমগ্ন মানুষ বলতে আমার কোনো দ্বিধা নেই—তিনি এর নয়টি মানদণ্ডই পূরণ করেন।
** ম্যারি ট্রাম্প, {{cite news
| date = ১৪ জুলাই ২০২০
| author = কার্ট অ্যান্ডারসেন
| title = Review: The most devastating thing about Mary Trump’s portrait is her empathy for Donald Trump
| trans-title = পর্যালোচনা: ম্যারি ট্রাম্পের লেখা ট্রাম্পের চরিত্রের সবচেয়ে মর্মান্তিক বিষয়টি হলো ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি তার সহানুভূতি
| newspaper = লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস
| url = https://www.latimes.com/entertainment-arts/books/story/2020-07-14/the-most-devastating-thing-about-mary-trumps-portrait-of-trump-is-i
}} দ্বারা উদ্ধৃত
* ডোনাল্ড এবং আমাদের সবাইকে এই পর্যায়ে কী নিয়ে এসেছে তা বোঝার জন্য আমাদের আমার দাদা এবং তার নিজের স্বীকৃতির প্রয়োজন থেকে শুরু করতে হবে। এই প্রয়োজনই তাকে ডোনাল্ডের বেপরোয়া অতিরঞ্জন এবং অযৌক্তিক আত্মবিশ্বাসকে উৎসাহিত করতে বাধ্য করেছিল, যা ডোনাল্ডের মানসিক দুর্বলতা এবং নিরাপত্তাহীনতাকে আড়াল করে রেখেছিল। বড় হওয়ার সাথে সাথে ডোনাল্ডকে নিজের গুণগান নিজেই গাইতে হতো। প্রথমত, কারণ ফ্রেডির চেয়ে তিনি যে একজন ভালো এবং আত্মবিশ্বাসী ছেলে, তা তার বাবাকে বিশ্বাস করানো প্রয়োজন ছিল। এরপর, কারণ ফ্রেড তার কাছে এমনটাই চাইতেন। এবং পরিশেষে, কারণ তিনি নিজের এই মিথ্যা প্রচারে নিজেই বিশ্বাস করতে শুরু করেছিলেন, যদিও অদ্ভুতভাবে নিজের অবচেতনে তিনি জানতেন যে অন্য কেউ এতে বিশ্বাস করে না। নির্বাচনের সময় ডোনাল্ড তার শ্রেষ্ঠত্বের অনুভূতিতে যেকোনো চ্যালেঞ্জের জবাব রাগের সাথে দিয়েছিলেন। তার ভয় এবং দুর্বলতাগুলো এত কার্যকরভাবে সমাহিত করা হয়েছিল যে তাকে এগুলোর অস্তিত্বও স্বীকার করতে হয়নি। আর তিনি কখনোই তা করবেন না।
** ম্যারি এল. ট্রাম্প, ''টু মাচ অ্যান্ড নেভার এনাফ: হাউ মাই ফ্যামিলি ক্রিয়েটেড দ্য ওয়ার্ল্ডস মোস্ট ডেঞ্জারাস ম্যান'' (২০২০), পৃষ্ঠা ১১
* ১৯৭০-এর দশকে, আমার দাদা যখন বছরের পর বছর ধরে ডোনাল্ডকে অগ্রাধিকার দিচ্ছিলেন এবং তাকে এগিয়ে নিচ্ছিলেন, তখন নিউ ইয়র্কের গণমাধ্যম সেই দায়িত্ব হাতে তুলে নেয় এবং ডোনাল্ডের ভিত্তিহীন মিথ্যা প্রচার শুরু করে। ১৯৮০-এর দশকে, ব্যাংকগুলো তার উদ্যোগগুলোতে অর্থায়ন শুরু করে এর সাথে যুক্ত হয়। তার ক্রমবর্ধমান ভিত্তিহীন সাফল্যের দাবিগুলোকে লালন করার জন্য তাদের ইচ্ছা (এবং পরে তাদের প্রয়োজনীয়তা) নিজেদের ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার আশার ওপর ঝুলে ছিল। এক দশক ধরে ডোনাল্ড বারবার দেউলিয়া হয়ে সংগ্রাম করার পর এবং স্টেক থেকে ভদকা পর্যন্ত একের পর এক ব্যর্থ পণ্যের সামনে দাঁড়িয়ে থাকার পর, টেলিভিশন প্রযোজক মার্ক বার্নেট তাকে আরও একটি সুযোগ দেন। ''দ্য অ্যাপ্রেন্টিস'' ডোনাল্ডের সেই উদ্ধত ও নিজের পরিশ্রমে সফল চুক্তিকারী ইমেজকে পুঁজি করে ব্যবসা করেছিল। এই মিথটি পাঁচ দশক আগে আমার দাদা তৈরি করেছিলেন এবং আশ্চর্যজনকভাবে এটি খণ্ডন করার মতো বিশাল প্রমাণের ভাণ্ডার থাকা সত্ত্বেও এটি নতুন সহস্রাব্দে প্রায় সম্পূর্ণ অপরিবর্তিত অবস্থায় টিকে ছিল। ২০১৫ সালে ডোনাল্ড যখন রিপাবলিকান পার্টির মনোনয়নের জন্য দৌড়ানোর ঘোষণা দেন, ততদিনে আমেরিকান জনসংখ্যার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ সেই মিথ বিশ্বাস করার জন্য প্রস্তুত হয়ে গিয়েছিল।
** ম্যারি এল. ট্রাম্প, ''টু মাচ অ্যান্ড নেভার এনাফ: হাউ মাই ফ্যামিলি ক্রিয়েটেড দ্য ওয়ার্ল্ডস মোস্ট ডেঞ্জারাস ম্যান'' (২০২০), পৃষ্ঠা ১১
* আজ পর্যন্ত আমার চাচার পরিচয়ের মূলে থাকা মিথ্যা, ভুল উপস্থাপন এবং বানোয়াট কাহিনীগুলো রিপাবলিকান পার্টি এবং শ্বেতাঙ্গ ইভাঞ্জেলিক্যাল খ্রিস্টানদের দ্বারা টিকিয়ে রাখা হয়েছে। যারা সত্যটা ভালোভাবেই জানেন, যেমন সিনেটের সংখ্যাগরিষ্ঠ নেতা মিচ ম্যাককনেল। যারা অন্ধ বিশ্বাসী, যেমন প্রতিনিধি কেভিন ম্যাকার্থি, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও এবং অ্যাটর্নি জেনারেল উইলিয়াম বার। এছাড়া আরও অসংখ্য মানুষ জেনে বা না জেনে এই মিথ্যা টিকিয়ে রাখায় সহযোগী হয়েছেন।
** ম্যারি এল. ট্রাম্প, ''টু মাচ অ্যান্ড নেভার এনাফ: হাউ মাই ফ্যামিলি ক্রিয়েটেড দ্য ওয়ার্ল্ডস মোস্ট ডেঞ্জারাস ম্যান'' (২০২০), পৃষ্ঠা ১১-১২
* ডোনাল্ডের জন্য সীমান্ত প্রাচীর যেমন, আমার দাদার কাছে ডোনাল্ডও ঠিক তেমনই ছিলেন: আরও যোগ্য কাজের বিনিময়ে অর্থায়ন করা একটি নিছক অহংকারের প্রকল্প।
** ম্যারি এল. ট্রাম্প, ''টু মাচ অ্যান্ড নেভার এনাফ: হাউ মাই ফ্যামিলি ক্রিয়েটেড দ্য ওয়ার্ল্ডস মোস্ট ডেঞ্জারাস ম্যান'' (২০২০), পৃষ্ঠা ১৯৪
* তিনি বুদ্ধিমান, তিনি কঠোর, তিনি জানেন তিনি কী করছেন। তিনি মন থেকে কথা বলেন। তিনিই সেরা।
** {{w|মেলানিয়া ট্রাম্প}}, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৫-এ জুডি কার্টজ রচিত ''দ্য হিলের'' [http://thehill.com/blogs/in-the-know/in-the-know/263527-melania-trump-not-nervous-for-husband "স্বামীর জন্য চিন্তিত নন মেলানিয়া ট্রাম্প"] প্রতিবেদনে উদ্ধৃত।
* ট্রাম্পের পুরো ব্যক্তিগত ও পেশাগত ইতিহাস ওবামার মতোই। নিজের স্বার্থ হাসিলের জন্য ট্রাম্প মিথ্যা বলেন। তিনি ব্যবসায়িক সহযোগী, কর্মচারী, বন্ধু, স্ত্রীদের কাছে মিথ্যা বলেছেন এবং এখন লাখ লাখ সম্ভাব্য ভোটারের কাছে মিথ্যা বলছেন। যে-ই ভাবুক না কেন ট্রাম্প তাদের কাছে মিথ্যা বলবেন না, বা অন্তত অভিবাসন বা আইসিস বা অন্য কোনো 'গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে' সত্য কথা বলবেন, সে নিজেকেই বোকা বানাচ্ছে। যখন মিথ্যা বলা সুবিধাজনক হবে, তখন ট্রাম্প তা-ই করবেন।
** ইয়ান টুটল, ''ন্যাশনাল রিভিউের'' [http://www.nationalreview.com/article/431755/donald-trumps-huge-lies "ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশাল মিথ্যা"]তে।
* @realDonaldTrump অ্যাকাউন্ট থেকে সাম্প্রতিক টুইটগুলো এবং তার পেছনের প্রেক্ষাপট ঘনিষ্ঠভাবে পর্যালোচনা করার পর, আরও সহিংসতা উসকে দেওয়ার ঝুঁকির কারণে আমরা অ্যাকাউন্টটি স্থায়ীভাবে স্থগিত করেছি।
** টুইটার, {{cite news
| date = ৮ জানুয়ারি ২০২১
| title = Twitter bans President Trump permanently
| trans-title = টুইটার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করেছে
| author = ব্রায়ান ফাং
| newspaper = সিএনএন বিজনেস
| url = https://edition.cnn.com/2021/01/08/tech/trump-twitter-ban/index.html
}} দ্বারা উদ্ধৃত
* এই মুহূর্তে তিনি এক সপ্তাহের জন্য ক্ষমতায় থাকবেন নাকি অবিলম্বে পদত্যাগ করবেন তা নিয়ে আমি নিশ্চিত নই।
** ক্রিশ্চিয়ান টাইব্রিং-গেডে, ৭ জানুয়ারি ২০২১-এ [https://www.thelocal.no/20210107/trump-scares-norwegian-politician-who-nominated-him-for-nobel-peace-prize "নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য ট্রাম্পকে মনোনীত করা নরওয়েজিয়ান রাজনীতিককে 'ভয় দেখিয়েছেন' ট্রাম্প"] প্রতিবেদনে উদ্ধৃত।
* আমরা সত্যিই খুব ভালো বন্ধু। আমাদের পরিচয় '৮৬ বা '৮৭ সালের দিকে। আমার সবচেয়ে সফল এবং সেরা লড়াইগুলোর বেশিরভাগই ট্রাম্পের হোটেলগুলোতে হয়েছিল। তবে তিনি আমার ম্যানেজার ছিলেন না। তিনি শুধু আমার আদালতের মামলায় আমাকে সাহায্য করছিলেন। '''আমরা একই রকম মানুষ, ক্ষমতার প্রতি তীব্র আকাঙ্ক্ষা আমাদের চালিত করে। আমরা যে ক্ষেত্রেই থাকি না কেন, সেই ক্ষেত্রে আমাদের ক্ষমতার প্রয়োজন। আমরা এমনই। শক্তির আধার। আমরা যা ভাবি আমরা আসলে তা-ও নই। আমরা আগুন। আমরা এই জঞ্জাল দিয়ে তৈরি—পানি, গতি, ময়লা, হীরা, পান্না। আপনি কি বিশ্বাস করতে পারেন যে আমরা এসব দিয়ে তৈরি?'''
* এটাই আসল সত্যি। শুনুন: আমি এই দেশের সবচেয়ে দরিদ্র শহরের একজন কৃষ্ণাঙ্গ মানুষ। আমি জীবনে অনেক কিছুর মধ্য দিয়ে গেছি। আর আমি তাকে চিনি। আমি যখন তার সাথে দেখা করি, তিনি আমার সাথে হাত মেলান এবং আমার পরিবারকে সম্মান করেন। অন্য কেউ—বারাক বা যে-ই হোক না কেন—কেউ তা করে না। তারা তাদের মতোই থাকে এবং আমাকে ও আমার পরিবারকে অবজ্ঞা করে। তাই আমি তাকে ভোট দিচ্ছি। আমি যদি ২০,০০০ বা তার বেশি মানুষকে দিয়ে তাকে ভোট দেওয়ানোর ব্যবস্থা করতে পারি, তবে আমি তা-ই করব।
** [[মাইক টাইসন]], {{w|দ্য ডেইলি কলার|দ্য ডেইলি কলারের}} সাথে এক সাক্ষাৎকারে। [http://www.thedailybeast.com/articles/2016/01/21/mike-tyson-why-i-m-a-muslim-for-donald-trump.html] (২১ জানুয়ারি ২০১৬)
=== ইউ ===
[[File:Trump Second Impeachment Vote.png |tthumb|প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্র এবং এর সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরাপত্তাকে চরম ঝুঁকির মুখে ফেলেছেন। তিনি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার অখণ্ডতাকে হুমকির মুখে ফেলেছেন, শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তরে হস্তক্ষেপ করেছেন এবং সরকারের একটি সমমর্যাদাসম্পন্ন শাখাকে বিপন্ন করেছেন। ~ প্রতিনিধি পরিষদ কর্তৃক অভিশংসন (এরপর সিনেট কর্তৃক খালাস)]]
* প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্র এবং এর সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরাপত্তাকে চরম ঝুঁকির মুখে ফেলেছেন। তিনি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার অখণ্ডতাকে হুমকির মুখে ফেলেছেন, শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তরে হস্তক্ষেপ করেছেন এবং সরকারের একটি সমমর্যাদাসম্পন্ন শাখাকে বিপন্ন করেছেন। এর মাধ্যমে তিনি প্রেসিডেন্ট হিসেবে তার ওপর রাখা বিশ্বাসের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন, যা যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের জন্য স্পষ্টতই ক্ষতিকর। <br /> অতএব, ডোনাল্ড জন ট্রাম্প এ ধরনের আচরণের মাধ্যমে প্রমাণ করেছেন যে ক্ষমতায় থাকলে তিনি জাতীয় নিরাপত্তা, গণতন্ত্র এবং সংবিধানের জন্য হুমকি হয়ে থাকবেন। তিনি এমনভাবে কাজ করেছেন যা স্বশাসন এবং আইনের শাসনের সাথে চরমভাবে সাংঘর্ষিক। ডোনাল্ড জন ট্রাম্প তাই অভিশংসন ও বিচার, পদ থেকে অপসারণ এবং যুক্তরাষ্ট্রের অধীনে কোনো সম্মানজনক, বিশ্বাসযোগ্য ও লাভজনক পদ ধারণ বা উপভোগ করার অযোগ্য হওয়ার যোগ্য।
** মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদ; [https://www.congress.gov/bill/117th-congress/house-resolution/24/text "এইচ.রেস.২৪ - উচ্চ পর্যায়ের অপরাধ এবং অপকর্মের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড জন ট্রাম্পকে অভিশংসন করা", ১১ জানুয়ারি ২০২১-এ উত্থাপিত এবং ১৩ জানুয়ারি ২০২১-এ অনুমোদিত]-এর সমাপ্তি লাইন। পরে সিনেট ট্রাম্পকে খালাস দিয়েছিল।
=== ভি ===
* আপনাকে মনে রাখতে হবে যে ট্রাম্পের কোনো লজ্জা নেই। এমন কিছু নেই যা আমরা তাকে বলতে পারি বা তিনি বলতে পারেন যা তাকে লজ্জিত করবে। তবে তিনি কেবল এই সব দৃশ্যত স্বাভাবিক মানুষের সমর্থনের কারণেই ক্ষমতায় আছেন। আমরা যদি তাদের সবাইকে তেজস্ক্রিয় করে তুলতে পারি, তেজস্ক্রিয়তার চেয়েও বেশি কিছু, তবে আশা করা যায় আমরা এই বৃহত্তর হুমকিকে নিরপেক্ষ করার দিকে কিছু পদক্ষেপ নিতে পারব।
** [[এলি ভ্যালি]], [https://www.tcj.com/eli-valley-and-the-plight-of-the-secular-jew/ সাক্ষাৎকার] (২০১৮)
* আমি তাকে একজন ভাঁড়, একজন বিপজ্জনক ভাঁড় হিসেবে লিখেছিলাম। এমন একজন যিনি আসলেই প্রেসিডেন্ট হতে পারবেন না। শার্লটসভিলের ঘটনার অনেক আগে থেকেই এটি স্পষ্ট ছিল যে, আমেরিকান নাৎসিবাদের নায়ক হওয়া সত্ত্বেও যেসব ইহুদি নেতা তাকে সমর্থন করছিলেন, এটি তাদের সম্পর্কে কী প্রকাশ করে। আমি ভূমিকায় ট্রাম্পকে ছোট হাতের নেতানিয়াহু বলেছি। ট্রাম্পের সাথে নেতানিয়াহুর অনেক মিল রয়েছে। যার মধ্যে জনতুষ্টিবাদ, ধর্মান্ধতা, গণমাধ্যমের ওপর আক্রমণ, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের ওপর আক্রমণ, মানবাধিকার সংস্থার ওপর আক্রমণ অন্যতম। ট্রাম্প এখনো ততদূর গেছেন কিনা আমি জানি না, তবে তিনি যাবেন। এটি স্বৈরশাসকদের একটি সাধারণ কৌশল।
** ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্পর্কে [[এলি ভ্যালি]], [https://electricliterature.com/how-donald-trump-changed-political-comics/ সাক্ষাৎকার] (২০১৭)
* মিস্টার ট্রাম্প আমাদের দেশের সর্বোচ্চ পদের জন্য অযোগ্য।
** [[জে.ডি. ভ্যান্স]], ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের'' [https://www.nytimes.com/2016/04/04/opinion/campaign-stops/why-trumps-antiwar-message-resonates-with-white-america.html "ট্রাম্পের যুদ্ধবিরোধী বার্তা কেন শ্বেতাঙ্গ আমেরিকায় অনুরণিত হয়"] (৪ এপ্রিল ২০১৬)
* মানুষ আর পেশাদার রাজনীতিকদের বিশ্বাস করে না। তারা আর স্থিতাবস্থায় বিশ্বাস করে না কারণ তারা সবকিছু খুব বাজেভাবে নষ্ট করেছে। 'ডোনাল্ড ট্রাম্প পুরো রিপাবলিকান পার্টির জন্য ধ্বংস ডেকে আনতে পারেন'—অন্যান্য বিশ্লেষকদের সাথে আপনার এই আলোচনা শুনতে আমার খুব ভালো লেগেছে। আমি আনন্দে হাত তুলে উল্লাস করেছি। আমি আশা করি এমনটাই হোক! আর আমি আশা করি [[বার্নি স্যান্ডার্স]] ডেমোক্রেটিক পার্টির ধ্বংস ডেকে আনবেন। দুই দলের এই একনায়কতন্ত্র ভেঙে ফেলার এখনই সময়।
** সিএনএন-এ ডন লেমনের সাথে [[জেসি ভেনচুরা]]। {{cite news
| date = ৭ অক্টোবর ২০১৫
| title = Jesse Ventura Wants to Destroy the Political Establishment and He's Named Two Guys to Do It
| trans-title = জেসি ভেনচুরা রাজনৈতিক এস্টাবলিশমেন্ট ধ্বংস করতে চান এবং এটি করার জন্য তিনি দুজনের নাম বলেছেন
| author = ক্রিস এনলো
| newspaper = আইজে রিভিউ
| url = https://www.ijreview.com/2015/10/439711-jesse-ventura-supports-donald-trump-bernie-sanders-destroying-political-establishment/
}} দ্বারা উদ্ধৃত।
* তথাকথিত "ফগ অফ ওয়ার" বা যুদ্ধের বিভ্রান্তি এবং দীর্ঘ গোয়েন্দা ভুলের তালিকার প্রেক্ষাপটে আমরা বিশ্বাস করি গতকাল আপনার চূড়ান্ত সিদ্ধান্তটি সঠিক ছিল। আমরা মনে করি গতকাল সন্ধ্যায় টাকার কার্লসন ঠিক বলেছিলেন: "ঠিক সেই মানুষগুলোই, কোনো কোনো ক্ষেত্রে আক্ষরিক অর্থেই সেই মানুষগুলো, যারা ১৬ বছর আগে আমাদের ইরাকের চোরাবালিতে প্রলুব্ধ করেছি, তারা একটি নতুন যুদ্ধ চাইছে; এবার ইরানের সাথে।" কার্লসন আপনাকে "সংশয়বাদী" বলে বর্ণনা করেছেন। আমরা বিশ্বাস করি এই ব্যাপক সংশয় যুক্তিসঙ্গত।
** [[ভেটেরান ইন্টেলিজেন্স প্রফেশনালস ফর স্যানিটি]], ''[https://consortiumnews.com/2019/06/21/vips-memo-to-the-president-is-pompeos-agenda-the-same-as-yours/ প্রেসিডেন্টকে ভিআইপিএস মেমো: পম্পেওর ইরান এজেন্ডা কি আপনার মতোই?]''-এ (২১ জুন ২০১৯)
* ইরানের ওপর পরিকল্পিত সামরিক হামলা বাতিল করার কালকের অল্পের জন্য রক্ষা পাওয়া ঘটনাটির পর আমরা এখনো উদ্বিগ্ন যে আপনি ইরানের সাথে যুদ্ধের ফাঁদে পা দিতে চলেছেন। আপনি বলেছেন আপনি এমন যুদ্ধ চান না (কোনো সুস্থ মানুষই চাইবে না), এবং আমাদের নিচের মন্তব্যগুলো সেই প্রাঙ্গণের ওপর ভিত্তি করেই করা। এমন উদ্বেগজনক লক্ষণ রয়েছে যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী পম্পেও তার আরও যুদ্ধংদেহী পন্থা ত্যাগ করার সম্ভাবনা কম। আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আপনার নির্দেশনার প্রতি পম্পেওর অবজ্ঞাপূর্ণ মনোভাবের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে আমরা জানি যে বড় পরিণতির বিষয়গুলোতে তার এজেন্ডা আপনার থেকে বিচ্যুত হতে পারে... পম্পেওর আচরণ সামরিক ব্যবস্থা নেওয়ার একটি প্রবল আকাঙ্ক্ষাকে সম্ভবত আপনার অনুমোদন ছাড়াই প্রকাশ করে; এটি ইরানের (বাস্তব বা কাল্পনিক) উসকানিতে সাড়া দিতে চায়। ইসরায়েল, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্বার্থ রক্ষা ছাড়া এর অন্য কোনো সুস্পষ্ট কৌশলগত লক্ষ্য নেই।
** ভেটেরান ইন্টেলিজেন্স প্রফেশনালস ফর স্যানিটি, ''[https://consortiumnews.com/2019/06/21/vips-memo-to-the-president-is-pompeos-agenda-the-same-as-yours/ প্রেসিডেন্টকে ভিআইপিএস মেমো: পম্পেওর ইরান এজেন্ডা কি আপনার মতোই?]''-এ (২১ জুন ২০১৯)
* আপনি পম্পেওকে বিন্নির সাথে কথা বলার যে নির্দেশ দিয়েছিলেন, তিনি যদি সেই কথোপকথন সম্পর্কে আপনাকে জানাতে ব্যর্থ হন, তবে আপনি এখন তাকে সে বিষয়ে জিজ্ঞাসা করতে পারেন (যদিও রাশিয়া কর্তৃক ডিএনসি হ্যাক করার দুর্বল প্রমাণ এখন উধাও হয়ে গেছে এবং বিন্নি নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছেন)। ২০১৭ সালের ২৪ অক্টোবর সিআইএ সদর দপ্তরে হওয়া বৈঠকে দুজন নোট-টেকার উপস্থিত ছিলেন। এমন একটি ভালো সম্ভাবনাও রয়েছে যে অধিবেশনটি রেকর্ড করা হয়েছিল। আপনি পম্পেওকে সে বিষয়ে জিজ্ঞাসা করতে পারেন... বিন্নির ধারণা ছিল পম্পেও কেবল নামমাত্র কাজ করছিলেন; এবং সেটাও অসততার সাথে। তিনি যদি "সত্যিই রাশিয়ান হ্যাকিং সম্পর্কে জানতে চাইতেন," তবে তিনি ২০১৭ সালের মাঝামাঝি সময়ে বিন্নির নেতৃত্বে ভিআইপিএস যে সিদ্ধান্তে পৌঁছেছিল এবং যা স্পষ্টতই আপনার নজর কেড়েছিল, সেগুলোর সাথে নিজেকে পরিচিত করতেন... তিনি যদি বিন্নির সাথে বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করতেন, তবে বিচার বিভাগ স্বয়ং রাশিয়াগেট, ক্রাউডস্ট্রাইক এবং কোমির কফিনে শেষ পেরেক ঠোকা পর্যন্ত আমাদের হয়তো অপেক্ষা করতে হতো না। সংক্ষেপে, পম্পেও আরও দুই বছর ধরে "সবাই জানে যে রাশিয়ানরা ডিএনসিতে হ্যাক করেছিল" এমন দাবি ছড়ানো আটকাতে পারতেন। কেন তিনি তা করেননি?
** ভেটেরান ইন্টেলিজেন্স প্রফেশনালস ফর স্যানিটি, ''[https://consortiumnews.com/2019/06/21/vips-memo-to-the-president-is-pompeos-agenda-the-same-as-yours/ প্রেসিডেন্টকে ভিআইপিএস মেমো: পম্পেওর ইরান এজেন্ডা কি আপনার মতোই?]''-এ (২১ জুন ২০১৯)
* আমরা সবাই গোল্ড স্টার ফ্যামিলি, '''যারা যুদ্ধে আমাদের সবচেয়ে প্রিয়জনদের হারিয়েছি। আমাদের এই ত্যাগ আপনি কখনোই বুঝতে পারবেন না। আমরা কখনোই চাইব না যে আপনি আমাদের এই ত্যাগের কথা জানুন।'''
* খান পরিবার সম্পর্কে আপনার সাম্প্রতিক মন্তব্যগুলো জঘন্য এবং ব্যক্তিগতভাবে আমাদের জন্য অপমানজনক ছিল। যখন আপনি একজন মায়ের কষ্ট নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং ইঙ্গিত দেন যে তার শোক নয়, বরং তার ধর্ম তাকে মানুষের সামনে কথা বলতে বাধা দিয়েছে, তখন আপনি আসলে আমাদের আক্রমণ করছেন। আপনি যখন বলেন যে আপনার ভবন নির্মাণের কাজ আমাদের ত্যাগের সমতুল্য, তখন আপনি আমাদের ত্যাগকে আক্রমণ করছেন। আপনি শুধু আমাদের আক্রমণ করছেন না, যারা আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন তাদের আত্মত্যাগকেও আপনি ছোট করছেন। আমাদের জন্য আমাদের সামরিক সদস্যদের নেওয়া ঝুঁকিকে আপনি তুচ্ছ করছেন। এটি রাজনীতির ঊর্ধ্বে। এটি শালীনতাবোধের প্রশ্ন। যে শালীনতাকে আপনি "রাজনৈতিক শুদ্ধতা" বলে উপহাস করেন।
** ভোটভেটস' গোল্ড স্টার ফ্যামিলির সদস্যরা, ট্রাম্পের কাছে খোলা চিঠি [http://www.votevets.org/press/gold-star-letter] (১ আগস্ট ২০১৬)
=== ডব্লিউ ===
* ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতো এত সম্ভাব্য {{w|স্বার্থের সংঘাত}} তৈরি করার মতো ব্যবসা কোনো প্রেসিডেন্টের ছিল না। একই সাথে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতো স্বার্থের সংঘাত নিয়ে এত কম মাথা ঘামানো প্রেসিডেন্টও আমরা কখনো পাইনি। সত্যি বলতে, তিনি এবং তার সন্তানেরা এটি বেশ স্পষ্ট করে দিচ্ছেন যে তারা প্রেসিডেন্ট পদটিকে যতটা সম্ভব অর্থ উপার্জনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করবেন। আর রিপাবলিকানরা, বিশেষ করে কংগ্রেস, মনে হচ্ছে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে ট্রাম্প যদি এটি করেন, তবে এতে কোনো সমস্যা নেই।
** পল ওয়াল্ডম্যান, ''{{w|দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট|দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের}}'' ''[https://www.washingtonpost.com/blogs/plum-line/wp/2016/12/05/republicans-are-already-making-it-clear-trump-can-do-whatever-he-wants/?hpid=hp_no-name_opinion-card-f%3Ahomepage%2Fstory&utm_term=.4d816d92b558 রিপাবলিকানরা আগেই স্পষ্ট করে দিচ্ছে: ট্রাম্প যা খুশি তাই করতে পারেন]'' (৫ ডিসেম্বর ২০১৬)
* ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাজনৈতিক বিজয় হলো আমাদের সাম্রাজ্যিক পতনের একটি প্রতীক ও উপসর্গ—এর কারণ বা উৎস নয়। ট্রাম্প আমেরিকান সংস্কৃতি এবং ইতিহাসের কাছে ভিনদেশি বা অপ্রাসঙ্গিক নন। আসলে, তিনি অ্যাপল পাইয়ের মতোই খাঁটি আমেরিকান। তবে তিনি আমাদের আধ্যাত্মিক দেউলিয়াত্বের লক্ষণ; এখানে কেবল জৌলুস আছে কিন্তু কোনো সারমর্ম নেই, আত্মরতি আছে কিন্তু সহানুভূতি নেই, আকাঙ্ক্ষা ও লোভ আছে কিন্তু জ্ঞান ও পরিপক্কতা নেই।
** কর্নেল ওয়েস্ট, ''রেস ম্যাটারস'' (২০১৭ সংস্করণ)
* আমরা কি ট্রাম্পকে একজন ভালো নাগরিক প্রমাণ করতে বাধ্য করতে পারি, নাকি আমরা তাকে দেশ থেকে বের করে দেব?
** কার্টুনিস্ট {{w|শ্যানন হুইলার}}, [https://twitter.com/muchcoffee টুইট করেছেন] ১০.১০
* কৃষ্ণাঙ্গ ভোটারদের সমর্থন আদায় করার ক্ষেত্রে ট্রাম্প আসলে অনন্য বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন। এই ধনকুবেরের বর্ণবাদী উসকানিমূলক কথাবার্তা ব্যবহারের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। ১৯৭০-এর দশকে কৃষ্ণাঙ্গ ভাড়াটিয়াদের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণের অভিযোগে তার রিয়েল এস্টেট কোম্পানির বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিল। শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্ববাদীদের প্রশংসা কুড়ানো মুসলিমদের প্রতি তার অবস্থানও সমস্যা তৈরি করতে পারে। কারণ আমেরিকান মুসলিমদের ২৫ শতাংশেরও বেশি হলো কৃষ্ণাঙ্গ।
** হান্টার ওয়াকার, ''ইয়াহু! নিউজের'' [https://www.yahoo.com/politics/donald-trump-has-a-huge-1317867072716854.html "ডোনাল্ড ট্রাম্পের কৃষ্ণাঙ্গ ভোটের ‘১০০ শতাংশ' জেতার এবং নিজেকে বর্ণবাদী না প্রমাণ করার একটি পরিকল্পনা রয়েছে"] (১০ ডিসেম্বর ২০১৫)
* গত ছয় মাসে আমেরিকা এক কোটি ২০ লাখেরও বেশি চাকরি হারিয়েছে। এক শতাব্দীর মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ এই মহামারীতে আনুমানিক ১ কোটি ২০ লাখ মানুষ তাদের নিয়োগকর্তা-প্রদত্ত স্বাস্থ্যবিমা হারিয়েছে। কোটি কোটি মানুষ পর্যাপ্ত খাবার না পাওয়ার কথা জানিয়েছে। অথচ এক মাস আগে কোটি কোটি বেকার আমেরিকান... সপ্তাহে ৬০০ ডলারের ফেডারেল বেকারত্ব বিমা সুবিধা হারিয়েছে যা কংগ্রেস নবায়ন করতে ব্যর্থ হয়েছে... একটি গণতন্ত্রে এটি কীভাবে ঘটতে পারে? এই প্রশ্নটি জীবিকা নির্বাহের জন্য কাজ করা প্রত্যেকেরই... এই শ্রমিক দিবসে বিবেচনা করা উচিত... এই রাজনৈতিক বিপর্যয়ের তথ্যগুলো যদি আরও ব্যাপকভাবে জানা ও বোঝা যেত, তবে রিপাবলিকানরা নভেম্বরে কেবল প্রেসিডেন্সিই নয়, সিনেটও হারাতে পারত। শেষ পর্যন্ত লাখ লাখ বেকার রিপাবলিকান তাদের রাজনৈতিক দলের কাজের ফলেই তাদের আয়ের বেশিরভাগ হারিয়েছে... মহামারী এবং মন্দার মধ্যে কে ছাঁটাইয়ে বাধ্য করতে চাইবে, যা সম্ভাব্যভাবে অঙ্গরাজ্য ও স্থানীয় পর্যায়ে লাখ লাখে পৌঁছাতে পারে? সেনেটর ম্যাককনেল এবং [[ডোনাল্ড ট্রাম্প|ডোনাল্ড ট্রাম্পকে]] জিজ্ঞাসা করুন।
** মার্ক ওয়েইসব্রট, টাইমস ফ্রি প্রেসের [https://www.timesfreepress.com/news/opinion/times-commentary/story/2020/sep/06/weisbrot-whour-government-doing-labor/531611/ আমাদের সরকার শ্রমজীবীদের নিয়ে কী করছে?] (৬ সেপ্টেম্বর ২০২০)
* তিনি একজন সত্যিকারের আমেরিকান নেতা হবেন। ইউরোপের দৃষ্টিকোণ থেকে হয়তো তিনি সবসময় সেরা নাও হতে পারেন, তবে তিনি তার নিজের মানুষের স্বার্থ রক্ষা করেন। আমি আশা করি নেদারল্যান্ডসেও আমাদের এমন রাজনৈতিক নেতা থাকত যারা নিজেদের দেশ রক্ষা করত... এবং বাকিদের ভুলে যেত।
** বিএএনআর রেডিওতে গেয়ার্ট ভিল্ডার্স, ''ডাচনিউজ.এনএলের'' [http://www.dutchnews.nl/news/archives/2016/07/93300-2/ "গেয়ার্ট ভিল্ডার্স বলেছেন নেদারল্যান্ডসের ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতো একজন নেতা দরকার"] প্রতিবেদনে উদ্ধৃত (১৮ জুলাই ২০১৬)
* আমি ট্রাম্পকে ভোট দেওয়ার আগে কুকুরের বিষ্ঠা এবং পিউবিক হেয়ারে ঢাকা একটি বোলিং বলকে ভোট দেব।
** সর্বাধিক বিক্রীত লেখক {{w|চাক ওয়েন্ডিগ}}, [http://terribleminds.com/ramble/2016/06/08/im-with-her/ "আমি তার সাথে আছি"], ৮ জুন ২০১৬
* একজন বাগাড়ম্বরপূর্ণ অজ্ঞ ব্যক্তির সাথে উপস্থিত হওয়ার মূল্য আমার কাছে খুব স্পষ্ট বলে মনে হয়। ডোনাল্ড ট্রাম্প হলেন সেই অদরকারী প্রমাণ যে আপনার নিট সম্পদের পরিমাণ যদি যথেষ্ট হয়, তবে আপনার আইকিউ খুব কম হলেও আপনি আমেরিকান রাজনীতিতে অনুপ্রবেশ করতে পারেন।
** {{cite news
| date = ২৭ মে ২০১২
| title = দিস উইক
| publisher = এবিসি
}}-এ জর্জ উইল। জেইক ট্যাপার রচিত এবিসি নিউজের {{cite news
| date = ২৭ মে ২০১২
| title = George Will Calls Donald Trump a ‘Bloviating Ignoramus'
| trans-title = জর্জ উইল ডোনাল্ড ট্রাম্পকে একজন 'বাগাড়ম্বরপূর্ণ অজ্ঞ' বলেছেন
| first = জেইক
| last = ট্যাপার
| periodical = এবিসি নিউজ
| url = http://abcnews.go.com/blogs/politics/2012/05/george-will-calls-donald-trump-a-bloviating-ignoramus-on-this-week/
}} প্রতিবেদনে উদ্ধৃত।
* পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে। লিঙ্কনের দল এবং দৃশ্যত স্বাধীনতা ও সীমিত সরকারের দল হিসেবে পরিচিত জিওপি এখন লাখ লাখ মানুষকে গণগ্রেপ্তার এবং দেশ থেকে তাড়ানোর চিৎকারের মাধ্যমে সংজ্ঞায়িত হচ্ছে। কোনো কিছু চাওয়ার মানে হলো তা অর্জনের উপায়ও চাওয়া। তাই রিপাবলিকানদের এই চিৎকার সরকারের আকার এবং জবরদস্তিমূলক ক্ষমতা সম্প্রসারণেরও আহ্বান। ট্রাম্প স্পষ্টতই ক্যালিফোর্নিয়ার প্রায় ১০ শতাংশ কর্মী এবং সেই রাজ্যের কে-১২ বা স্কুল-কলেজ পড়ুয়া ১৩ শতাংশ শিক্ষার্থীকে তাড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছেন। তবে তিনি সবচেয়ে বেশি রিপাবলিকান হয়ে ওঠেন যখন তিনি পারিবারিক মূল্যবোধকে সম্মান করেন: তিনি নাগরিক এমন শিশুসহ পুরো পরিবারকে তাড়িয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দেন। মেক্সিকো থেকে আসা অবৈধ অভিবাসীরা দেশে যে টাকা পাঠানোর চেষ্টা করে, ট্রাম্প তা বাজেয়াপ্ত করার প্রস্তাব দিয়েছেন। এর জন্য চিঠিপত্রের গোপনীয়তা লঙ্ঘন করার প্রয়োজন হতে পারে। তবে মরিয়া সময়ে মরিয়া পদক্ষেপ নিতে হয়। তিনি ফেডারেল সরকারের প্রয়োগকারী ব্যবস্থাকে ব্যাপকভাবে প্রসারিত করবেন। তবে যিনি একক-প্রদানকারী স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার প্রশংসা করেন এবং ব্যাপক ইমিনেন্ট ডোমেইন বা সরকারি অধিগ্রহণ ক্ষমতার পক্ষে কথা বলেন, তিনি কখনোই ছোট সরকারকে কোনো অন্ধ ভক্তি দেখাননি।
** জর্জ উইল, ''ন্যাশনাল রিভিউের'' [http://www.nationalreview.com/article/422916/donald-trump-immigration-deportation-republicans "স্বাধীনতা ও সীমিত সরকারের দলে ট্রাম্পের কোনো স্থান থাকা উচিত নয়"] (২২ আগস্ট ২০১৫)
* ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি রিপাবলিকান পার্টির মধ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য ডেমোক্র্যাটদের পাঠানো কোনো গুপ্তচর হতেন, তবে তার আচরণ কীভাবে ভিন্ন হতো? আমি মনে করি না কোনো পার্থক্য থাকত।
** জর্জ উইল, ১১ ডিসেম্বর ২০১৫-এ অ্যান্থনি জুরচার রচিত ''বিবিসি নিউজের'' [http://www.bbc.com/news/world-us-canada-35066940 "ডোনাল্ড ট্রাম্প কি ডেমোক্র্যাটদের গুপ্তচর?"] প্রতিবেদনে উদ্ধৃত। যুক্তরাজ্য: ব্রিটিশ ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশন।
* তার একটি সুবিধা আছে। কারণ তিনি যেকোনো বিষয়ে তার জানা সবকিছু ১৪০ ক্যারেক্টারে বলতে পারেন, যা আমি পারি না।
** উইলকে "সবচেয়ে বেশি মূল্যায়িত রাজনৈতিক পণ্ডিতদের একজন (যিনি অনেক আগেই পথ হারিয়েছেন)" বলে আখ্যা দিয়ে ট্রাম্পের করা টুইটের বিষয়ে মন্তব্য করতে বলা হলে জর্জ উইল এই কথা বলেন। ২০১৬ সালে ট্রাম্পের রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে উত্থান দীর্ঘদিনের এই রক্ষণশীল পণ্ডিতকে তার দলের নিবন্ধন "রিপাবলিকান" থেকে "অনিবন্ধিত"তে পরিবর্তন করতে প্ররোচিত করেছিল। ট্রাম্পের টুইটটি ছিল উইলের এই ঘোষণার একটি প্রতিক্রিয়া। ২৬ জুন ২০১৬-এ ইয়ান শোয়ার্টজ রচিত {{w|রিয়েলক্লিয়ারপলিটিক্স|রিয়েলক্লিয়ারপলিটিক্সের}} [https://www.realclearpolitics.com/video/2016/06/26/george_will_on_republican_exit_like_reagan_said_i_didnt_leave_the_party_the_party_left_me.html "রিপাবলিকান দলত্যাগ নিয়ে জর্জ উইল: রেগান যেমন বলেছিলেন, আমি দল ছাড়িনি, দল আমাকে ছেড়ে গেছে"] প্রতিবেদনে উদ্ধৃত।
* তারা সবচেয়ে ভালো বন্ধু ছিল। আমি জেফ্রির সাথে চার-পাঁচ মাস ডেট করেছিলাম। প্রতিবার আমাদের দেখা হলে বা ফোনে কথা বলার সময় সে কেবল ডোনাল্ডের কথাই উল্লেখ করত। সে অনেক গল্প বলত। আমার কাছে অনেক গল্প আছে। আর হ্যাঁ, তারা খুব ঘনিষ্ঠ ছিল এবং তারা ভালো কোনো উদ্দেশ্যে ছিল না।
** জেফরি এপস্টিনের সাবেক প্রেমিকা স্টেসি উইলিয়ামস ১৯৯৩ সালে এপস্টিনের সাথে ট্রাম্পের সম্পর্ক নিয়ে তার পর্যবেক্ষণের কথা বলেছিলেন। ১৮ জানুয়ারি ২০২৫-এ ''মিডিয়াাইটের'' [https://www.mediaite.com/media/tv/that-was-his-bro-former-epstein-girlfriend-says-trump-and-epstein-were-very-close-and-up-to-no-good/ ‘সে তার ভাই ছিল’: এপস্টিনের সাবেক প্রেমিকা বলেছেন ট্রাম্প ও এপস্টিন ‘খুব ঘনিষ্ঠ ছিল এবং ভালো কোনো উদ্দেশ্যে ছিল না’] প্রতিবেদনে প্রকাশিত।
* নির্বাচনের দিন রাত ৮টার কিছু পর যখন একটি অপ্রত্যাশিত প্রবণতা—ট্রাম্প হয়তো সত্যিই জিততে পারেন—নিশ্চিত বলে মনে হচ্ছিল, তখন ডন জুনিয়র একজন বন্ধুকে বলেছিলেন যে তার বাবা, বা ডিজেটি, যেমনটা তিনি তাকে ডাকেন, তাকে দেখে মনে হচ্ছিল যেন তিনি কোনো ভূত দেখেছেন। মেলানিয়া কাঁদছিলেন—আর তা খুশিতে নয়। এক ঘণ্টার কিছু বেশি সময়ের মধ্যে, স্টিভ ব্যাননের কৌতুকহীন পর্যবেক্ষণে, এক বিভ্রান্ত ট্রাম্প প্রথমে এক অবিশ্বাসী ট্রাম্পে এবং তারপর এক আতঙ্কিত ট্রাম্পে পরিণত হয়েছিলেন। কিন্তু চূড়ান্ত রূপান্তরটি তখনও বাকি ছিল: হঠাৎ ডোনাল্ড ট্রাম্প এমন একজন মানুষে পরিণত হলেন যিনি বিশ্বাস করতেন যে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হওয়ার যোগ্য এবং পুরোপুরি সক্ষম।
** পৃষ্ঠা ১৮
* ট্রাম্প নিজের অভিষেক অনুষ্ঠান উপভোগ করেননি। প্রথম সারির তারকারা অনুষ্ঠানে না আসায় তিনি ক্ষুব্ধ ছিলেন। ব্লেয়ার হাউসের থাকার ব্যবস্থা নিয়ে তিনি অসন্তুষ্ট ছিলেন। তিনি প্রকাশ্যে স্ত্রীর সাথে ঝগড়া করছিলেন, যাকে দেখে মনে হচ্ছিল তিনি কেঁদে দেবেন। সারা দিন ধরে তিনি এমন এক অভিব্যক্তি ধরে রেখেছিলেন যাকে তার আশেপাশের কেউ কেউ গলফ ফেস বলত: রাগী এবং বিরক্ত, কুঁকড়ে যাওয়া কাঁধ, দুলতে থাকা হাত, কোঁচকানো ভ্রু, চেপে রাখা ঠোঁট।
* কোনো বন্ধুর স্ত্রীর পেছনে ঘোরার সময় তিনি সেই স্ত্রীকে বোঝানোর চেষ্টা করতেন যে তার স্বামী হয়তো তার ধারণার মতো মানুষ নয়।
** পৃষ্ঠা ২৩
* মারডক পরামর্শ দিয়েছিলেন যে, বাছাই করা অভিবাসীদের জন্য আমেরিকার দরজা খুলে দেওয়া এইচ-১বি ভিসা নিয়ে উদার অবস্থান নেওয়াটা হয়তো দেয়াল তোলার এবং সীমান্ত বন্ধ করার প্রতিশ্রুতির সাথে মেলানো কঠিন হতে পারে। কিন্তু ট্রাম্পকে এ নিয়ে চিন্তিত মনে হয়নি। তিনি মারডককে আশ্বস্ত করে বলেছিলেন, 'আমরা একটা উপায় বের করব।' ফোন রাখার পর কাঁধ ঝাঁকিয়ে মারডক বলেছিলেন, "কী এক আস্ত গর্দভ।"
** পৃষ্ঠা ৩৬
* এখানকার সবচেয়ে অদ্ভুত সমস্যাটি ছিল এমন কাউকে কীভাবে তথ্য দেওয়া যায়, যিনি পড়তেন না (বা পড়তে পারতেন না বা চাইতেন না), এবং যিনি বড়জোর কেবল বাছাই করা কথাগুলো শুনতেন। অন্য সমস্যাটি ছিল, তিনি যেভাবে তথ্য পেতে পছন্দ করতেন, তা কীভাবে সবচেয়ে ভালোভাবে গুছিয়ে দেওয়া যায়... তিনি কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য পেতেন না। কোনো উপাত্ত নয়। কোনো বিস্তারিত বিবরণ নয়। কোনো বিকল্প বা বিশ্লেষণ নয়। তিনি পাওয়ারপয়েন্ট ব্যবহার করতেন না। ক্লাস বা লেকচার দেওয়ার মতো যেকোনো কিছুর গন্ধ পেলেই তিনি উঠে ঘর থেকে বেরিয়ে যেতেন। "অধ্যাপক" ছিল তার অপছন্দের শব্দগুলোর একটি। তিনি কখনোই ক্লাসে না যাওয়া, কখনো পাঠ্যবই না কেনা, কখনো নোট না নেওয়া নিয়ে খুব গর্ববোধ করতেন।
** পৃষ্ঠা ১৮৮
* প্রেসিডেন্ট জেনারেলদের খুব পছন্দ করতেন। তাদের গায়ে যত বেশি পদক থাকত, তিনি তত বেশি খুশি হতেন। ম্যাটিস, কেলি এবং ম্যাকমাস্টারদের মতো সম্মান আদায় করে নেওয়া জেনারেলদের নিয়োগ দেওয়ায় যে প্রশংসা তিনি পেয়েছিলেন, তাতে প্রেসিডেন্ট খুব খুশি ছিলেন (মাইকেল ফ্লিনের দিকে মনোযোগ দেওয়ার দরকার নেই)। প্রেসিডেন্ট যা পছন্দ করতেন না তা হলো জেনারেলদের কথা ''শোনা''। তাদের বেশিরভাগই পাওয়ারপয়েন্ট, বিপুল উপাত্ত আর ম্যাককিনসি-স্টাইলের প্রেজেন্টেশনের মতো নতুন সামরিক পরিভাষায় পারদর্শী ছিলেন। প্রেসিডেন্ট ফ্লিনকে যে কারণে এত পছন্দ করতেন তা হলো, ফ্লিন ষড়যন্ত্র তত্ত্ব ভালোবাসলেও তার গল্প বলার দারুণ একটা ক্ষমতা ছিল।
** পৃষ্ঠা ১৮৮
** মাইকেল উলফ, ''ফায়ার অ্যান্ড ফিউরি: ইনসাইড দ্য ট্রাম্প হোয়াইট হাউস'' (২০১৮)
* আসুন [ট্রাম্পের] সবচেয়ে সহজ দাবিটি দিয়ে শুরু করি: আমরা অর্থনৈতিকভাবে "দারুণ" করছি... গত ২০ বছরে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করা বেশ কঠিন ছিল। গত এক-দুই বছর কিছুটা ভালো... কারণ সরকার একটি বিশাল সহায়তা দিয়েছে... কোনো বেসরকারি কর্পোরেশন নয়, সরকার এই সহায়তা দিয়েছে... ২০১৭ সালের কর ছাড়... কর্পোরেশনগুলোকে... কর হিসেবে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের ছাড় দিয়েছে যা তাদের আর দিতে হবে না... আর তারা এর বেশিরভাগই ব্যবহার করেছে নির্বাহীদের বেতন বাড়াতে... শীর্ষ এক শতাংশের জন্য এটি খুব ভালো, কিন্তু আমেরিকার বাকি জনগণের জন্য নয়।
* গত ১২-১৫ বছরে মূল্যস্ফীতির সাথে সমন্বয় করার পর চীনা শ্রমিকদের গড় আয় চারগুণ বেড়েছে। মূল্যস্ফীতির সাথে সমন্বয় করার পর আমেরিকায় গড় মজুরির কী অবস্থা? এটি খুব একটা বাড়েনি... আলোচনা থেকে এটিকে বাদ দিয়ে এবং এমন ভান করে লাফিয়ে বেড়ানো যে আমাদের অর্থনীতি বিশ্বের ঈর্ষার বিষয়; এটি কেবলই অর্থহীন প্রলাপ।
* ...তিনি অন্য যেকোনো বিষয়ের চেয়ে অভিবাসীদের বদনাম করতে... বেশি সময় ব্যয় করেছেন... যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে ৩২ কোটি ৫০ লাখ মানুষ রয়েছে; যুক্তরাষ্ট্রে অনিবন্ধিত অভিবাসীদের সংখ্যা ১ থেকে ১.২ কোটির মধ্যে বলে ধারণা করা হয় [প্রায় ৩.৪%] ...অভিবাসীদের ওপর মনোযোগ দেওয়াটা হলো পুরোটাই তাদের বলির পাঁঠা বানানো। এটি মানুষকে এমন কিছুতে মনোনিবেশ করাচ্ছে যার কোনো গুরুত্ব নেই, কারণ আপনি চান না তারা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে মনোযোগ দিক।
** রিচার্ড উলফ, [https://www.rdwolff.com/prof_wolff_on_sotu '''''ট্রাম্পের "স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন" ভাষণের জবাবে উলফ'''''] (৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯)
* আমি এখনো নিজেকে একজন রক্ষণশীল বলে দাবি করি। তবে আমি খুব ভালোভাবেই জানি যে এই সম্মানে এখন কালির দাগ লেগেছে। আর এই উপাধি দাবি করা অনেক লেখকই আসলে আমি যা সত্যিকার অর্থে ধারণ করি, তার সাথে প্রকাশ্য বিশ্বাসঘাতকতা করছেন। তারা শুধু নামেই রক্ষণশীল। সত্যি বলতে, একজন রক্ষণশীল যিনি আদর্শের ভিত্তিতে ট্রাম্পের বিরোধিতা করেন, তিনি একজন অন্ধ অনুসারী এবং রাজনৈতিক চিন্তাবিদ না হওয়ার একই ভুল করেন। যদিও এই প্রশাসন ইতিমধ্যেই আমলাতন্ত্রের ক্ষমতা খর্ব করেছে, নিয়ন্ত্রণ শিথিল করেছে, পররাষ্ট্র নীতির ভুলগুলো শুধরে নিয়েছে এবং মূলধারার বিচারকদের নিয়োগ দিয়েছে।
** জন সি. রাইট, [http://www.scifiwright.com/2017/06/objectivism-and-alt-right/ "অবজেক্টিভিজম অ্যান্ড অল্ট-রাইট"] (২০১৭)
=== ওয়াই ===
* যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের কংগ্রেসের বরাদ্দ করা তহবিল আটকে রাখার কোনো ক্ষমতা নেই। তারপরও ডোনাল্ড ট্রাম্প ঠিক এই কাজটিই করেছেন। তিনি কংগ্রেসের আদেশে গঠিত সরকারি সংস্থাগুলোর ক্ষমতা খর্ব করতে শুরু করেছেন। এর মধ্যে কনজ্যুমার ফাইন্যান্স প্রোটেকশন ব্যুরো, ইউএসএইড এবং এমনকি শিক্ষা বিভাগও রয়েছে।<br>প্রেসিডেন্টের কোনো ক্ষমতা না থাকা সত্ত্বেও তিনি শূন্য থেকে সম্পূর্ণ নতুন একটি সংস্থা—ডিপার্টমেন্ট অফ গভর্নমেন্ট এফিশিয়েন্সি—তৈরি করেছেন। এটি জনগণের ব্যক্তিগত উপাত্ত খোঁজার এবং ফেডারেল সরকারি কর্মীদের একটি বড় অংশ ছাঁটাই করার বিশাল ক্ষমতা পেয়েছে। ট্রাম্প এমনকি সংবিধান দ্বারা সুরক্ষিত জন্মসূত্রে পাওয়া নাগরিকত্বও বাতিল করার চেষ্টা করেছেন।<br>পরিশেষে, তিনি যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ঠিক তা-ই করছেন: নিজের ক্ষমতা বাড়াতে মার্কিন সংবিধানকে ক্ষুণ্ন করছেন। প্রশ্ন হলো, আমাদের হাতে কী উপায় আছে? আর মার্কিন গণতন্ত্র বাঁচানোর সময় কি পেরিয়ে গেছে?
** [https://www.yesmagazine.org/video/ruws-trump-attacking-constitution কে সংবিধান লঙ্ঘনের জন্য ট্রাম্পকে দায়ী করবে?] ''ইয়েস! ম্যাগাজিন'', ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৫-এ প্রকাশিত।
* তিনি হলেন ফেডারেস্ট পেপারস-এ খুব ভালোভাবে বর্ণনা করা সেই ধ্রুপদী জনতুষ্টিবাদী নেতা, যাকে থামানোর জন্যই আমাদের ব্যবস্থাটি তৈরি করা হয়েছে।
** {{w|জন ইউ}}, এনবিসি নিউজের [http://www.nbcnews.com/politics/2016-election/analysis-vengeful-world-donald-trump-why-it-matters-n671721 বিশ্লেষণ: ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতিহিংসাপরায়ণ বিশ্ব এবং এটি কেন গুরুত্বপূর্ণ]-এ, প্রকাশিত ৩১ অক্টোবর ২০১৬
* ডোনাল্ড ট্রাম্প একজন কাপুরুষও বটে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের সমস্ত কঠোর কথাবার্তা এবং বাগাড়ম্বরের আড়ালে তিনি আসলে এক ভীতু মানুষ। তাকে আমরা যতদিন ধরে চিনি, ততকাল ধরেই এই সত্যটি স্পষ্ট হয়ে আছে।
* তিনি খসড়া দায়িত্ব থেকে সরে গিয়েছিলেন... হাড়ের স্পারের কারণে। হাড়ের স্পারের কারণে আপনি এনএফএল ইনজুরি রিপোর্টেও জায়গা পাবেন না। কিন্তু তিনি যুদ্ধ করা থেকে শত হাত দূরে থাকতে এটিকে ব্যবহার করেছিলেন। আমরা নারীদের অপমান করা এবং তাদের উৎপীড়ন করার তার ইতিহাস সম্পর্কে জানি। আর তিনি ক্ষমতায় আসার পর থেকে আমরা তাকে কিম জং উনের সামনে গুটিয়ে থাকতে এবং আক্ষরিক অর্থেই ভ্লাদিমির পুতিনের কাছে পর্যুদস্ত হতে দেখেছি—এই দুই ব্যক্তি তাদের সমস্ত ত্রুটি সত্ত্বেও ট্রাম্পকে অবশ্যই হারিয়ে দিতেন।
* আমাদের এর আগেও বর্ণবাদী প্রেসিডেন্ট ছিলেন। আমাদের এর আগেও চরম নারীবিদ্বেষী প্রেসিডেন্ট ছিলেন। কিন্তু আমাদের কোনো প্রেসিডেন্ট কখনোই এত বড় কাপুরুষ ছিলেন না।
** ডেমন ইয়াং, {{w|দ্য রুট (ম্যাগাজিন)|দ্য রুট}}-এর [https://verysmartbrothas.theroot.com/just-remember-that-your-punk-ass-president-would-never-1828105410 শুধু মনে রাখবেন যে আপনাদের কাপুরুষ প্রেসিডেন্ট কখনোই লেব্রন জেমসকে তার মুখের ওপর বোকা বলতে পারবেন না] প্রতিবেদনে, প্রকাশিত ৪ আগস্ট ২০১৮।
* আমরা 'স্বৈরাচারী' শব্দটি অহরহ ব্যবহার করি। আমি এই প্রেক্ষাপটে শব্দটিকে কোনো নেতিবাচক অর্থে ব্যবহার করছি না এবং আমি এটি খুব সাবধানে ব্যবহার করছি। তবে এটি বেশ স্পষ্ট যে এই প্রেসিডেন্ট একজন স্বৈরাচারী হিসেবে বিশ্বাস করেন যে তিনি কথা বললে সবাই, আর্টিকেল টু-এর অধীনে থাকা সবাই সম্পূর্ণভাবে তা মেনে চলবে...<br>আমি নিজেকে প্রশ্ন করেছি কেন; এটি কীভাবে ঘটলো? আমাদের নিজেদের সরকার, আমাদের সরকারের সর্বোচ্চ কর্মকর্তারা কীভাবে যুক্তরাষ্ট্রে বৈধভাবে বসবাসকারী মানুষের অধিকার লঙ্ঘনের চেষ্টা করতে পারেন? আর আমি বিশ্বাস করতে শুরু করেছি যে এখানে স্বাধীনতার এমন একটি ধারণা রয়েছে যা আমি বুঝতে পারছি না। এই মামলার রেকর্ড আমাকে নিশ্চিত করেছে যে এই উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা, এবং আমি এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকেও অন্তর্ভুক্ত করছি, স্বাধীনতার প্রতি একটি ভীতিপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করেন।
** ইউএস ডিস্ট্রিক্ট কোর্টের বিচারক উইলিয়াম ইয়াং ট্রাম্প প্রশাসনকে তার পরিচালিত একটি মামলার সাথে যুক্ত কোনো অ-নাগরিক শিক্ষাবিদের অভিবাসন মর্যাদা পরিবর্তন করা থেকে বিরত রাখার আদেশের বিষয়ে এই কথা বলেন। ১৬ জানুয়ারি ২০২৬-এ ''দ্য গার্ডিয়ানের'' [https://www.theguardian.com/us-news/2026/jan/16/authoritarian-trump-court-protection-order 'স্বৈরাচারী' ট্রাম্পের কাছ থেকে মামলার সাথে যুক্ত অ-নাগরিক শিক্ষাবিদদের রক্ষা করবেন বিচারক] প্রতিবেদনে প্রকাশিত। [https://www.politico.com/news/2026/01/15/unconstitutional-conspiracy-judge-slams-trump-administration-over-targeted-deportations-00733070]
=== জেড ===
* ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি দূর থেকেও রক্ষণশীল হতেন, হিলারিকে হারানোর উপযুক্ত হতেন অথবা একজন ভালো প্রেসিডেন্টের মেজাজ তার থাকত, তবে তিনি জিওপির একজন দারুণ মনোনীত প্রার্থী হতে পারতেন।
** জন জিগলার, [https://twitter.com/Zigmanfreud/status/697866127163043841 ''টুইটার'' পোস্ট] (ফেব্রুয়ারি ২০১৬)
* ক্যাপিটল ভবনে নিজের সমর্থকদের কর্মকাণ্ডের নিন্দা না জানিয়ে তা সমর্থন করার জন্য নিজের প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের তার সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্র ও সারা বিশ্বের মানুষকে ন্যায়সঙ্গতভাবেই উদ্বিগ্ন করেছে। আমরা গতকাল এই বিবৃতিগুলো সরিয়ে দিয়েছি। কারণ আমরা বিচার করেছি যে এগুলোর প্রভাব এবং সম্ভবত এর উদ্দেশ্য আরও সহিংসতা উসকে দেবে।
* আমরা বিশ্বাস করি এই সময়ে প্রেসিডেন্টকে আমাদের পরিষেবা ব্যবহার চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেওয়ার ঝুঁকি অনেক বেশি। তাই আমরা তার ফেসবুক এবং ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে দেওয়া ব্লকটি অনির্দিষ্টকালের জন্য এবং অন্তত আগামী দুই সপ্তাহের জন্য শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তর সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত বাড়িয়ে দিচ্ছি।
** [[মার্ক জাকারবার্গ]], ফেসবুকের সিইও। ৭ জানুয়ারি ২০২১-এ ''টেক ক্রাঞ্চের'' [https://techcrunch.com/2021/01/07/mark-zuckerberg-announces-trump-banned-from-facebook-and-instagram-for-at-least-the-next-two-weeks/ "মার্ক জাকারবার্গ 'অন্তত আগামী দুই সপ্তাহের জন্য' ফেসবুক এবং ইনস্টাগ্রাম থেকে ট্রাম্পকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন"] প্রতিবেদনে উদ্ধৃত।
* ডোনাল্ড ট্রাম্প কি ডেমোক্র্যাটদের পাঠানো কোনো গোপন ডাবল-এজেন্ট হতে পারেন, যাকে দলটির ভেতর থেকে ধ্বংস করার জন্য পাঠানো হয়েছে? ফ্লোরিডার সাবেক গভর্নর জেব বুশ ট্রাম্পের একাধিক আক্রমণের শিকার হয়েছেন। তিনি মনে করেন এমন একটি সম্ভাবনা থাকতে পারে... তিনি তার রিপাবলিকান সহকর্মীদের ছোট করছেন। তিনি দলটিকে এমনভাবে ডানপন্থীদের দিকে টানছেন যা ২০১৩ সালে একটি বৈচিত্র্যময় জাতির কাছে আবেদন বাড়ানোর জন্য কৌশলবিদদের ঠিক করা লক্ষ্যের সাথে সরাসরি সাংঘর্ষিক। তিনি মূলত সমস্ত রাজনৈতিক আলোচনা নিজের দিকে টেনে নিচ্ছেন। এতে অন্য প্রার্থীদের জন্য তাদের বার্তা পৌঁছে দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। সব মিলিয়ে অনেক বিশেষজ্ঞ বলছেন যে তিনি আগামী শরতে রিপাবলিকান প্রার্থীর সাধারণ নির্বাচন জেতা অনেক কঠিন করে তুলছেন। হয়তো তিনি ইচ্ছা করেই এটি করছেন... তবে কথায় আছে, এমনকি প্যারানয়েড বা সন্দেহবাতিকগ্রস্তদেরও শত্রু থাকে। আর অন্তত এই মুহূর্তের জন্য কিছু রিপাবলিকান ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বন্ধুর চেয়ে শত্রুই বেশি মনে করছেন।
** অ্যান্থনি জুরচার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৫-এ ''বিবিসি নিউজের'' [http://www.bbc.com/news/world-us-canada-35066940 "ডোনাল্ড ট্রাম্প কি ডেমোক্র্যাটদের গুপ্তচর?"] প্রতিবেদনে। যুক্তরাজ্য: ব্রিটিশ ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশন।
* ট্রাম্প শ্রমিক এবং দেশপ্রেমিক অভিজাতদের মধ্যে একটি জোট তৈরি করেছেন। আমি ট্রাম্পের তৈরি করা এই জোটে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি। ঠিক বরিস জনসনের মতো। আমি মনে করি, এটিই ভবিষ্যতের রাজনৈতিক অক্ষ।
** [https://nos.nl/nieuwsuur/artikel/2402214-hoe-de-franse-trump-eric-zemmour-de-politiek-op-zijn-kop-zet কীভাবে 'ফরাসি ট্রাম্প' এরিক জেমুর রাজনীতিকে উল্টে দিচ্ছেন]-এ
no06sufp24mxkb6c9y91f2nvgnubtf1
স্ট্যানলি বল্ডউইন
0
12161
83383
83231
2026-05-04T09:33:23Z
Dr. Mosaddek Khondoker
2987
83383
wikitext
text/x-wiki
[[File:Stanley Baldwin ggbain.35233 (cropped).jpg |thumb|right|আমাদের নিজেদের জনগণের প্রতি সবচেয়ে বড় অপরাধ হলো সত্য বলতে ভয় পাওয়া … পুরোনো সীমানাগুলো আর নেই।]]
'''[[w:স্ট্যানলি বল্ডউইন|স্ট্যানলি বল্ডউইন, বিউডলির ১ম আর্ল বল্ডউইন]]''' কেজি পিসি (৩ আগস্ট ১৮৬৭ – ১৪ ডিসেম্বর ১৯৪৭) তিনটি ভিন্ন মেয়াদে (১৯২৩–২৪, ১৯২৪–২৯ এবং ১৯৩৫–৩৭) [[w:যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী|যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী]] ছিলেন।
==উক্তি==
===১৯১০-এর দশক===
[[Image:Stanley Baldwin.JPG|thumb|আমার মধ্যে একটা ধারণা গেঁথে গেছে যে যুদ্ধের সময় সবাই যার যা খুশি তাই আদায় করতে ব্যস্ত এবং এটা আমাকে বিরক্ত করে।]]
*আমার মধ্যে একটা ধারণা গেঁথে গেছে যে, যুদ্ধের সময় সবাই যার যা খুশি তাই আদায় করতে ব্যস্ত এবং এই জিনিসটা আমাকে বিরক্ত করে।
**লেডি ডিকিনসনকে লেখা চিঠি (২৮ নভেম্বর ১৯১৭), রবার্ট রোডস জেমস (সম্পাদিত), ''মেমোয়ার্স অব অ্যা কনজারভেটিভ: জে. সি. সি. ডেভিডসনস মেমোয়ার্স অ্যান্ড পেপারস, ১৯১০-১৯৩৭'' (১৯৬৯), পৃষ্ঠা ৭৯-এ উদ্ধৃত।
* '''অনেক শক্ত মুখের মানুষ, যাদের দেখে মনে হয় তারা যুদ্ধ থেকে বেশ ভালোই ফায়দা লুটেছে।'''
** ১৯১৮ সালে নির্বাচিত নতুন এমপিদের নিয়ে; জন মেনার্ড কেইনস তার ''ইকোনমিক কনসিকোয়েন্সেস অফ দ্য পিস'', অধ্যায় ৫-এ উদ্ধৃত করেছেন।
*আমার আত্মার কী হবে? ওটা ঠিক আছে। এমন সেবার মূল কথা হলো নিঃস্বার্থতা। আমার প্রথম চিন্তা হতে হবে অন্যদের নিয়ে, রাজমুকুট ও জনগণের সম্পর্ক নিয়ে: টাকা বা আমার নিজের ক্যারিয়ার নিয়ে ভাবার কোনো সুযোগ থাকবে না।
**সরকারি দায়িত্ব গ্রহণের কথা ভেবে জে. সি. সি. ডেভিডসনকে লেখা চিঠি (২৮ জানুয়ারি ১৯১৯), রবার্ট রোডস জেমস (সম্পাদিত), ''মেমোয়ার্স অব অ্যা কনজারভেটিভ: জে. সি. সি. ডেভিডসনস মেমোয়ার্স অ্যান্ড পেপারস, ১৯১০-১৯৩৭'' (১৯৬৯), পৃষ্ঠা ৯৫-এ উদ্ধৃত।
===১৯২০-এর দশক===
====১৯২২====
*[[w:যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী|প্রধানমন্ত্রীকে]] আজ সকালে ''[[w:দ্য টাইমস|দ্য টাইমসে]]'' একজন বিশিষ্ট অভিজাতের ভাষায় একটি "জীবন্ত তার" হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। লর্ড চ্যান্সেলর তাঁকে আমার এবং অন্যদের কাছে আরও স্থির ভাষায় একটি গতিশীল শক্তি হিসেবে বর্ণনা করেছেন। আমি সেই শব্দগুলো মেনে নিচ্ছি। তিনি একটি গতিশীল শক্তি। আমাদের মতে, ঠিক সেই কারণেই আমাদের সমস্যাগুলো তৈরি হয়েছে। '''একটি গতিশীল শক্তি অত্যন্ত ভয়ংকর একটি ব্যাপার; এটি আপনাকে পিষে ফেলতে পারে, কিন্তু এর মানে এই নয় যে এটি সবসময় সঠিক।''' সেই গতিশীল শক্তি এবং তার অসাধারণ ব্যক্তিত্বের কারণেই লিবারেল পার্টি (তিনি আগে যেটির সদস্য ছিলেন) টুকরো টুকরো হয়ে গেছে। আমার দৃঢ় বিশ্বাস যে সময়ের সাথে সাথে আমাদের দলের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটবে।
**[[ডেভিড লয়েড জর্জ|ডেভিড লয়েড জর্জের]] ওপর কার্লটন ক্লাবে দেওয়া ভাষণ (১৯ অক্টোবর ১৯২২), ''দ্য টাইমস''-এ উদ্ধৃত (২০ অক্টোবর ১৯২২), পৃষ্ঠা ৮।
====১৯২৩====
*আমি নিজে সেই কিছুটা দুর্বল প্রকৃতির মানুষ, যে সবসময় মতানৈক্যের চেয়ে একমত হওয়াকে বেশি পছন্দ করে... [[w:লেবার পার্টি (যুক্তরাজ্য)|লেবার পার্টি]] যখন এই বেঞ্চগুলোতে বসবে, তখন দেশ পরিচালনার প্রচেষ্টায় আমরা সবাই তাদের মঙ্গল কামনা করব। তবে আমি একটি বিষয়ে পুরোপুরি নিশ্চিত যে তারা সফল হোক বা ব্যর্থ হোক, এই দেশে কখনোই কোনো [[কমিউনিজম|কমিউনিস্ট]] সরকার আসবে না। এর কারণ হলো, '''[[ঘৃণা|ঘৃণার]] ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা কোনো গসপেল কখনোই আমাদের জনগণের''', তথা [[w:গ্রেট ব্রিটেন|গ্রেট ব্রিটেনের]] জনগণের '''হৃদয় দখল করতে পারবে না।''' রক্তের সাগর বইয়ে দিয়ে বিশ্বকে নিরাময় করার চেষ্টা করা অর্থহীন। ফরাসি ভাষার পাঁচ মাত্রার শব্দ "[[সর্বহারা|প্রোলেতারিয়েত]]" (সর্বহারা) বারবার উচ্চারণ করে বিশ্বকে নিরাময় করার চেষ্টা করাও অর্থহীন। [[ইংরেজি ভাষা]] চিন্তাধারার দিক থেকে বিশ্বের সবচেয়ে সমৃদ্ধ ভাষা। ইংরেজি ভাষা একাক্ষর শব্দের দিক থেকেও বিশ্বের সবচেয়ে সমৃদ্ধ ভাষা। একাক্ষরের চারটি শব্দই এই দেশের এবং সমগ্র বিশ্বের মুক্তির চাবিকাঠি ধারণ করে, আর সেগুলো হলো "Faith" ([[বিশ্বাস]]), "Hope" ([[আশা]]), "Love" ([[ভালোবাসা]]) ও "Work" (কাজ)।" '''আজ এই দেশে এমন কোনো সরকার, যাদের জনগণের ওপর বিশ্বাস নেই, ভবিষ্যতের প্রতি আশা নেই, সহমানুষের প্রতি ভালোবাসা নেই এবং যারা কাজ, কাজ এবং শুধু কাজ করবে না, তারা কখনোই এই দেশকে ভালো দিন ও ভালো সময়ের দিকে নিয়ে যেতে পারবে না কিংবা কখনোই [[ইউরোপ]] বা বিশ্বকে পার করতে পারবে না।'''
**[[w:যুক্তরাজ্যের কমন্সসভা|হাউস অব কমন্সে]] দেওয়া ভাষণ (১৬ ফেব্রুয়ারি ১৯২৩), ''অন ইংল্যান্ড, অ্যান্ড আদার অ্যাড্রেসেস'' (১৯২৬), পৃষ্ঠা ৫৯-৬০-এ উদ্ধৃত।
*...আজ যারা আন্তর্জাতিক [[শান্তিবাদ|শান্তিবাদের]] সপক্ষে সবচেয়ে সোচ্চার, তারাই আবার সবচেয়ে বেশি চিৎকার করে বলছে যে শ্রেণিসংগ্রাম ছাড়া সমাজকে বাঁচানোর আর কোনো পথ নেই। এক শতাব্দী বা তারও বেশি সময় আগে [[দর্শন|দার্শনিক]] [[ইমানুয়েল কান্ট|কান্ট]] একটি কথা বলেছিলেন, যার চেয়ে সত্য কথা আর কেউ বলেননি। তিনি বলেছিলেন, আমরা সভ্যতার এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছি যা ক্লান্তিকর, কিন্তু নৈতিকতায় পৌঁছানোর জন্য আমাদের এখনও অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে। '''আমরা সবাই বিশ্বকে নৈতিকতা শেখাতে চাই।''' ...এর পাশাপাশি আমাদের আরও একটি কথা মনে রাখতে হবে। যুদ্ধের পর যুদ্ধক্লান্তিকে মানুষের জন্মগত সদিচ্ছার আধিক্য বলে ভুল করা ঠিক হবে না। আমরা লক্ষ্য না করে পারছি না যে শান্তির কয়েক বছর পর ইউরোপের বিভিন্ন জায়গায় চরম জাতীয়তাবাদের একটি শক্তিশালী স্থানীয় অনুভূতি মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। এটি নিজে থেকে খারাপ কিছু না হলেও, সংশোধন করা না হলে ইউরোপের শান্তি ও সম্প্রীতির জন্য ভবিষ্যতে এটি চরম বিপদের বীজ বপন করতে পারে।
**[[w:যুক্তরাজ্যের কমন্সসভা|হাউস অব কমন্সে]] দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1923/jul/23/military-expenditure-and-disarmament ভাষণ] (২৩ জুলাই ১৯২৩)।
*[[প্রথম বিশ্বযুদ্ধ|গত যুদ্ধের]] কথা ভেবে আমি প্রায়ই ভেবেছি... যে এটি সারা বিশ্বকে দেখিয়ে দিয়েছে, এই প্রজন্ম যে সভ্যতার ওপর হাঁটছে তার স্তরটি কতটা পাতলা। এর উপলব্ধি এখানকার আমাদের বেশিরভাগের কাছেই এক ভয়ংকর আঘাত হিসেবে এসেছে। কিন্তু শুধু তাই নয়। [[w:হাউস অব কমন্স|এই হাউসে]] এমন কোনো মানুষ নেই যার প্রথম বিমান হামলা ও প্রথম বিষাক্ত গ্যাস ব্যবহারের কথার পাশাপাশি এই দেশ থেকে যে হাহাকার উঠেছিল তার কথা মনে নেই। আমরা জানি কীভাবে যুদ্ধ শেষ হওয়ার আগে শত্রুর ওপর নিজেদের ইচ্ছা চাপিয়ে দিতে আমরা সবাই এই দুটি উপায়ই ব্যবহার করছিলাম। আমরা বুঝতে পারি যে মানুষের পিঠ যখন দেওয়ালে ঠেকে যায়, তখন আত্মরক্ষার জন্য তারা যেকোনো পথই বেছে নেবে। কিন্তু যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর ইউরোপজুড়ে লক্ষ লক্ষ মানুষের মনে এক অস্বস্তিকর অনুভূতি রয়ে গিয়েছিল যে, যুদ্ধের ফলাফল যা-ই হোক না কেন, সভ্যতা বলতে যা বোঝায় সে সম্পর্কে আমাদের সবার দৃষ্টিভঙ্গিই নিচে নেমে গেছে। আমরা এই ভেবে শিউরে উঠছিলাম যে, বিজ্ঞানের আরও আবিষ্কারের ফলে ভবিষ্যতের যুদ্ধগুলো মানবজাতির জন্য আরও দ্রুত পতনের পথ তৈরি করতে পারে। এই হাউসের প্রতিটি কোণায় এই অনুভূতি জেগেছে যে, যদি আমাদের সভ্যতাকে এর বর্তমান স্তরেও বাঁচাতে হয়, তবে সকল জাতির সকল মানুষের উচিত একে অপরকে সহযোগিতা করা। আমরা যেন সবাই মিলে এক খাদে তলিয়ে যাওয়ার ঝুঁকি না নিয়ে, এই সহযোগিতাকে ভবিষ্যৎ উন্নতির ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করতে পারি।
**[[w:যুক্তরাজ্যের কমন্সসভা|হাউস অব কমন্সে]] দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1923/jul/23/military-expenditure-and-disarmament ভাষণ] (২৩ জুলাই ১৯২৩)।
*আজকাল অনেকেই খুব সহজেই বলে দেন যে এই দেশের উচিত নিজেকে ইউরোপ থেকে বিচ্ছিন্ন করে নেওয়া। কিন্তু আমাদের মনে রাখতে হবে যে [[যুক্তরাজ্যের ইতিহাস|আমাদের দ্বীপের গল্প]] ইতোমধ্যেই বলা হয়ে গেছে। [[উড়োজাহাজ|উড়োজাহাজের]] আগমনের সাথে সাথে আমরা আর কোনো দ্বীপ নই। আমরা পছন্দ করি বা না করি, আমরা অবিচ্ছেদ্যভাবে ইউরোপের সাথে আবদ্ধ। ইউরোপ এবং আমরা যে শান্তিতে সমানভাবে বিশ্বাস করি, সেই শান্তি মহাদেশটিতে ফিরিয়ে আনতে আমাদের সর্বোত্তম চেষ্টা করতে হবে এবং তা অব্যাহত রাখতে হবে।
**[[w:যুক্তরাজ্যের কমন্সসভা|হাউস অব কমন্সে]] দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1923/jul/23/military-expenditure-and-disarmament ভাষণ] (২৩ জুলাই ১৯২৩)।
*'''আমার মতে, এই প্রজন্মের সবচেয়ে বড় কাজ হলো [[গণতন্ত্র|গণতন্ত্রকে]] রক্ষা করা, এটি সংরক্ষণ করা এবং একে অনুপ্রাণিত করা।''' গণতন্ত্রের আদর্শটি খুব সুন্দর, কিন্তু কোনো আদর্শই নিজে থেকে চলতে পারে না... জনগণের সমস্ত সরকারকে একটি চাকার পরিধির মতো উপস্থাপন করা যেতে পারে। সরকার সবচেয়ে সম্পূর্ণ এবং নিরঙ্কুশ স্বৈরতন্ত্র থেকে ধাপে ধাপে বিশৃঙ্খলার দিকে যায়। ইতিহাসে এমন অনেক সরকারের উদাহরণ পাওয়া যায় যারা সেই পরিধির প্রতিটি পর্যায় অতিক্রম করেছে... এখন আমরা সেই চাকার এমন এক বিন্দুতে আছি, এবং সেই বিন্দুটি হলো প্রতিনিধিত্বমূলক সরকারসহ গণতন্ত্র। আমাদের মনে রাখতে হবে যে, স্বাধীনতার মূল্য হলো অবিরাম সতর্কতা। আমি আরও যোগ করতে পারি, অবিরাম জ্ঞান, অবিরাম সহানুভূতি এবং অবিরাম বোঝাপড়া। এই প্রজন্মে আমাদের কর্তব্য হলো, রাষ্ট্রকে যে বিন্দুতে আমরা নিয়ে এসেছি সেখানে স্থিতিশীল রাখা। চাকার এক দিক বা অন্য দিকে পিছলে যাওয়ার ঝুঁকিগুলো আমাদের খুব ভালো করেই জানা আছে। এক দিক আমাদের স্বাধীনতা হরণের দিকে নিয়ে যায়, অন্য দিকটি এমন এক দিকে যায় যেখানে স্বাধীনতা স্বেচ্ছাচারিতায় পরিণত হয়।
**ফিলিপ স্কট কলেজে দেওয়া ভাষণ (২৭ সেপ্টেম্বর ১৯২৩), ''অন ইংল্যান্ড, অ্যান্ড আদার অ্যাড্রেসেস'' (১৯২৬), পৃষ্ঠা ১৪৯-১৫০-এ উদ্ধৃত।
*এখন, নিশ্চিতভাবেই, যখন আমরা [[নাগরিকত্ব|নাগরিকত্বের]] উদ্দেশ্যে নিজেদের শিক্ষিত করতে চাই... আপনি যদি মন থেকে কপটতা দূর করতে পারেন এবং ভণ্ডামি শনাক্ত করতে পারেন, আর সেটা যে রূপেই থাকুক না কেন, তাহলে আমি মনে করি, একটি গণতন্ত্র যা টিকে থাকার আশা করতে পারে তার প্রতিটি নাগরিকের যে শিক্ষা থাকা উচিত, তার দিকে আপনি একটি দীর্ঘ পদক্ষেপ এগিয়েছেন। আমি মনে করি আমরা সবাই আজ বুঝতে পারছি যে কোনো সভ্য সমাজই অনিবার্যভাবে এবং কোনো রহস্যময় ভাগ্যের কারণে উন্নতির দিকে যেতে বাধ্য নয়। সভ্যতায় বাধা বলে কিছু আছে, পিছিয়ে পড়া বলেও কিছু আছে। একটি সভ্য সমাজের নিছক অস্তিত্বই তার ধারাবাহিকতা বা তার উন্নতির কোনো গ্যারান্টি নয়। অন্য ভাবে বললে, আমরা ইতোমধ্যেই যে সভ্যতা অর্জন করেছি তার বিশ্বস্ত রক্ষক না হলে, অসীম পরিশ্রমে এই সময় পর্যন্ত আমাদের করা পুরো উন্নতি ধীরে ধীরে আরও পেছনে পিছিয়ে যাওয়ার ঝুঁকি আমরা নেব।
**ফিলিপ স্কট কলেজে দেওয়া ভাষণ (২৭ সেপ্টেম্বর ১৯২৩), ''অন ইংল্যান্ড, অ্যান্ড আদার অ্যাড্রেসেস'' (১৯২৬), পৃষ্ঠা ১৫০-১৫১-এ উদ্ধৃত।
*আমাদের এই দেশ মানব স্বাধীনতা এবং মানব প্রগতির জন্য শুরু হওয়া সবচেয়ে বড় কিছু আন্দোলনের জন্মস্থান এবং আবাসস্থল। আমাদের জাতির শক্তি এখনও নিঃশেষ হয়নি। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আমরা গ্রেট ব্রিটেনে এক অদ্ভুত আত্মবিশ্বাসহীনতায় ভুগেছি, নিজেদের ওপর ভরসা করতে ভয় পেয়েছি। এর ফল হয়েছে এই যে, যারা আমাদের দেশের উন্নতির জন্য আগ্রহী ছিলেন, তারা [[ভাইমার প্রজাতন্ত্র|জার্মান সমাজতন্ত্র]], [[মার্কসবাদ-লেনিনবাদ|রুশ কমিউনিজম]] এবং [[ফ্রান্স|ফরাসি]] সিন্ডিক্যালিজমের ফাঁকা বুলিতে নিজেদের পেট ভরিয়ে নিজেদের এবং তাদের দেশবাসীকে বিভ্রান্ত করা ছাড়া আর কিছুই করতে পারেননি। '''এর বদলে তাদের উচিত ছিল তাদের নিজেদের মানুষের হৃদয়ের গভীরে তাকানো, সেই কাণ্ডজ্ঞান এবং রাজনৈতিক বোধের ওপর নির্ভর করা যা আমাদের জাতিকে কখনোই ব্যর্থ করেনি।''' ... ব্যর্থ মহাদেশীয় তাত্ত্বিকদের লেজ ধরে চলার বদলে, সময়ের শুরু থেকে তার যেমনটা করার কথা ছিল, সেভাবে সে আবারও বিশ্বকে পথ দেখাতে প্রস্তুত। অন্যান্য জাতি, যারা এখনও প্রকৃত রাজনৈতিক স্বাধীনতা কী তা শেখেনি, তাদের দেখাতে প্রস্তুত যে রাজনৈতিক স্বাধীনতার জননী এখনও তার সন্তানদের এবং তার সন্তানদের সন্তানদের পথ দেখাতে সক্ষম।
**ফিলিপ স্কট কলেজে দেওয়া ভাষণ (২৭ সেপ্টেম্বর ১৯২৩), ''অন ইংল্যান্ড, অ্যান্ড আদার অ্যাড্রেসেস'' (১৯২৬), পৃষ্ঠা ১৫৩-১৫৪-এ উদ্ধৃত।
*দেশ ও বিদেশে বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রয়োজন হলো শান্তি, অস্ত্রের যুদ্ধ থেকে শান্তি এবং আত্মার শান্তি। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমি যত দিনই থাকি না কেন, এই বিষয়গুলোর জন্যই আমি লড়তে চেয়েছি। আর সেটি এই উদ্দেশ্যেই:'''সবকিছুর ঊর্ধ্বে এবং সবার আগে শান্তির উদ্দেশ্য।'''
**ফিলিপ স্কট কলেজে দেওয়া ভাষণ (২৭ সেপ্টেম্বর ১৯২৩), ''অন ইংল্যান্ড, অ্যান্ড আদার অ্যাড্রেসেস'' (১৯২৬), পৃষ্ঠা ১৫৭-এ উদ্ধৃত।
*...আমার কাছে অন্তত এই [[বেকারত্ব|বেকারত্বের]] সমস্যাটি আমাদের দেশের সবচেয়ে জটিল সমস্যা। আমি একে সেভাবেই দেখি। আমি এর বিরুদ্ধে লড়তে পারি। আমি এর বিরুদ্ধে লড়তে ইচ্ছুক। তবে [[অস্ত্র|অস্ত্র]] ছাড়া আমি এর সাথে লড়তে পারব না। আমি নিজে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি যে—আজ বিশ্বে যে পরিস্থিতি বিরাজ করছে, অর্থনৈতিক পরিবেশের কথা বিবেচনা করে, আমাদের দেশের পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে—আমরা যদি এভাবেই চলতে থাকি, তবে শেষ দিন পর্যন্ত আমাদের তীব্র বেকারত্বের সাথে কাটাতে হবে। এবং আমি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি যে এই সমস্যার বিরুদ্ধে লড়াই করার একমাত্র উপায় হলো দেশীয় বাজার রক্ষা করা। (প্রচণ্ড ও একটানা হর্ষধ্বনি)।
**প্লিমাউথে ন্যাশনাল ইউনিয়নিস্ট অ্যাসোসিয়েশন কনফারেন্সে দেওয়া ভাষণ (২৫ অক্টোবর ১৯২৩), ''দ্য টাইমস'' (২৬ অক্টোবর ১৯২৩), পৃষ্ঠা ১৭-তে উদ্ধৃত।
*'''আমি আপনাদের মতোই একজন, যাকে এই সময়ে দেশের জন্য বিশেষ কাজ করতে ডাকা হয়েছে।''' আমি কখনোই এই পদের খোঁজ করিনি। আমি কখনোই আমার জীবনের কোনো পরিকল্পনা বা ছক কষিনি। আমার শুধু একটিই ধারণা ছিল, যা আমি উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছি, আর তা হলো সেবা—এই দেশের মানুষের সেবা। আমার বাবা সারা জীবন এই বিশ্বাস নিয়ে বেঁচে ছিলেন... এটি একটি ঐতিহ্য; এটি আমাদের রক্তে মিশে আছে; এবং আমাদের এটি করতেই হবে। এই সেবা আমাকে ব্যবসা এবং কাউন্টি কাউন্সিলের মধ্য দিয়ে পার্লামেন্টে নিয়ে গেছে বলে মনে হচ্ছে। এটি আমাকে বিভিন্ন অদ্ভুত পথ দিয়ে আজকের এই জায়গায় এনেছে; কিন্তু আদর্শটি একই রয়ে গেছে। কারণ আমি সারা জীবন আমার হৃদয় থেকে [[রবার্ট ব্রাউনিং|ব্রাউনিংয়ের]] কথাগুলো বিশ্বাস করেছি, "ঈশ্বরের কাছে সব সেবাই সমান"। একজন মানুষ ট্রাম চালাচ্ছেন না রাস্তা ঝাড়ু দিচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন, তা খুব একটা পার্থক্য গড়ে না, যদি তিনি কেবল তার মধ্যে থাকা সবকিছু সেই সেবায় ঢেলে দেন এবং মানবজাতির কল্যাণে তা পালন করেন।
** ওরস্টারে দেওয়া ভাষণ (৭ নভেম্বর ১৯২৩), ''অন ইংল্যান্ড, অ্যান্ড আদার অ্যাড্রেসেস'' (১৯২৬), পৃষ্ঠা ১৯-এ উদ্ধৃত।
*অনেকের কাছেই গত পাঁচ বছর ছিল এক মোহভঙ্গের সময়। প্রতিটি মেঘেরই রুপোলি রেখা থাকে। আমরা এই সত্যটি থেকে শক্তি পাই যে, সময়ের সমস্ত সমস্যার মধ্য দিয়েও আমাদের জনগণের চরিত্রের শক্তি ও সংযম আবারও নিজেকে প্রমাণ করেছে। প্রায় পুরো ইউরোপের মধ্যে কেবল আমাদের দেশেই কোনো অসাংবিধানিক বিদ্রোহ হয়নি। তার চেয়েও বড় কথা, আমি মনে করি আমরা আমাদের নিজেদের মানুষ সম্পর্কে বলতে পারি যে ঘৃণা ও প্রতিশোধের অনুভূতি তাদের হৃদয়ে স্থায়ী কোনো শিকড় গাড়তে পারেনি।
**বোর্ড অব ট্রেড ওয়ার মেমোরিয়াল উন্মোচনের সময় দেওয়া ভাষণ (১৯ ডিসেম্বর ১৯২৩), ''অন ইংল্যান্ড, অ্যান্ড আদার অ্যাড্রেসেস'' (১৯২৬), পৃষ্ঠা ২৭৩-২৭৪-এ উদ্ধৃত।
====১৯২৪====
*ভবিষ্যৎ বিপরীত দিকের মাননীয় সদস্য এবং আমাদের হাতে। হাউসের এই দিকে বসে আমরা সামাজিক সংস্কারকে ভয় পাই না। '''[[w:রক্ষণশীল দল (যুক্তরাজ্য)|আমাদের দলের]] (কনজারভেটিভ পার্টি_ সদস্যরা যখন [[শ্রমিক|শ্রমিক শ্রেণির]] জন্য লড়ছিলেন, তখন বিপরীত দিকের সদস্যরা বা তাদের পূর্বপুরুষরা লেসে-ফেয়ার (মুক্ত বাণিজ্য) নীতিতে আবদ্ধ ছিলেন।''' কৃষি শ্রমিকরা ভোটাধিকার পাওয়ার বহু বছর আগে [[w:বেঞ্জামিন ডিসরেলি|ডিসরেলি]] তাদের সংগঠিত হওয়ার পক্ষে কথা বলেছিলেন। যখন তিনি প্রথম এই দেশের জনবহুল কেন্দ্রগুলোতে পয়োনিষ্কাশনের প্রয়োজনীয়তার কথা প্রচার করতে শুরু করেন, তখন লিবারেল পার্টি এটিকে "নর্দমার নীতি" বলে আখ্যা দিয়েছিল। গত দুই প্রজন্ম ধরে আমরা তিনটি মৌলিক নীতির ওপর দাঁড়িয়ে আছি—'''আমাদের দেশের প্রতিষ্ঠানগুলো বজায় রাখা, আমাদের [[w:ব্রিটিশ সাম্রাজ্য|সাম্রাজ্য]] সংরক্ষণ ও বিকাশ করা, এবং আমাদের জনগণের অবস্থার উন্নতি করা'''; এবং আমরা প্রতিটি প্রজন্মের পরিবর্তিত চাহিদার সাথে এই নীতিগুলোকে মানিয়ে নিই। আমার পেছনের বন্ধুদের দেখে কি পরাজিত সেনাদল মনে হচ্ছে? যখনই, যেখানেই এবং যে-ই চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিক না কেন, যেকোনো দলের কাছ থেকে সেই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে আমরা প্রস্তুত।
**[[w:যুক্তরাজ্যের কমন্সসভা|হাউস অব কমন্সে]] দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1924/jan/21/debate-on-the-address ভাষণ] (২১ জানুয়ারি ১৯২৪)।
*রাষ্ট্রের কোনো দল যদি তাদের ঐতিহ্য ও ইতিহাসের কারণে শ্রমিক শ্রেণির জীবনমান উন্নয়নের বিষয়টি তাদের কাজ ও কর্মসূচির একেবারে সামনে রাখার অধিকার রাখে, তবে সেটি আমাদের দল। (শুনুন, শুনুন)। কারখানা শ্রমিকরা ভোট পাওয়ার অনেক আগেই আমরা তাদের হয়ে লড়ছিলাম; এবং যখন লিবারেলরা লেসে-ফেয়ারের শেকলে বাঁধা ছিল, তখন লিবারেলরা বিষয়টি নিয়ে ভাবার অনেক আগেই আমরা শ্রমিকদের সংগঠিত হওয়ার পক্ষে কথা বলছিলাম। ৫০ বছরেরও বেশি সময় আগে [[w:বেঞ্জামিন ডিসরেলি|ডিসরেলি]] যখন আবাসন ও স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিষয়গুলোতে দেশের মনোযোগ আকর্ষণ করছিলেন, তখন তারা নর্দমার নীতি বলে তাঁকে উপহাস করেছিল। আমাদের জনগণের স্যানিটেশন, বা বলতে পারি আধ্যাত্মিক স্যানিটেশন, ঐতিহাসিক টোরি পার্টির প্রথম ডাক হওয়া উচিত। লেবার পার্টির যেকোনো সদস্যের মতোই আমরাও যে এই প্রশ্নগুলোতে আন্তরিকভাবে আগ্রহী এবং এই প্রশ্নগুলোর সমাধানে নিজেদের উৎসর্গ করতে সমানভাবে প্রস্তুত, তা যদি আমরা দেশকে দেওয়া আমাদের সেবার মাধ্যমে বোঝাতে পারি, তবেই দেশ আমাদের বিশ্বাস করবে এবং দেশ আমাদের আবার ক্ষমতায় আনবে।
**হোটেল সিসিলে ইউনিয়নিস্ট পার্টির এক সভায় দেওয়া ভাষণ (১১ ফেব্রুয়ারি ১৯২৪), ''দ্য টাইমস''-এ উদ্ধৃত (১২ ফেব্রুয়ারি ১৯২৪), পৃষ্ঠা ১৭।
*বাগ্মীতা, যেটিকে আমি আধুনিক সভ্যতার সবচেয়ে বড় বিপদগুলোর একটি বলে মনে করি..."আত্মনিয়ন্ত্রণ" হলো আরেকটি বাগাড়ম্বরপূর্ণ শব্দ যা কোনো একদিন জাতিগুলোকে একটি রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের দিকে নিয়ে যেতে পারে। বাগ্মীতা ঠিক এই কাজটিই করে। "বীরদের বসবাসের উপযোগী বাড়ি" এবং "গণতন্ত্রের জন্য একটি নিরাপদ বিশ্ব!" এগুলো আমার কাছে বাগ্মীতার সারমর্ম এবং এই অর্থে বাগ্মীতার বিরুদ্ধেই আমি আজ রাতে ভোট দিতে যাচ্ছি।
**কেমব্রিজ ইউনিয়নে দেওয়া ভাষণ (মার্চ ১৯২৪), ''অন ইংল্যান্ড, অ্যান্ড আদার অ্যাড্রেসেস'' (১৯২৬), পৃষ্ঠা ৯৪-৯৫-এ উদ্ধৃত।
*আজকের বাগ্মীতা, যে বাগ্মীতা আমাদের বিবেচনা করতে হবে, তা হলো "উপচে পড়া শস্যভাণ্ডারের" বাগ্মীতা। আমার ধারণা এই গুণটি পৃথিবীতে এ পর্যন্ত আবিষ্কৃত সমস্ত বন্দুক এবং বিস্ফোরকের চেয়ে বেশি রক্তপাতের জন্য দায়ী। আমরা যদি কেবল [[ঊনবিংশ শতাব্দী|গত শতাব্দীর]] দিকে ফিরে তাকাই, তবে কি দেখতে পাব না যে [[রুশো|রুশোর]] সাহিত্যিক বাগ্মীতা, যা [[রোবসপিয়র|রোবসপিয়র]] এবং অন্যদের মৌখিক বাগ্মীতা দ্বারা উসকে দেওয়া হয়েছিল, তা [[ফরাসি বিপ্লব|ফরাসি বিপ্লবের]] জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী ছিল? ঠিক যেভাবে [[রুশ বিপ্লব|রুশ বিপ্লব]] [[w:আলেকজান্ডার কেরেনস্কির|কেরেনস্কির]] বাগ্মীতার কারণে ঘটেছিল—যে ফাঁকা বাগ্মীতা তার দেশের মানুষের পেট কেবল হাওয়ায় ভরিয়ে দিয়েছিল? শব্দ-বুননের কল্পনা এবং নির্দিষ্ট কিছু প্রশিক্ষণের সাথে যুক্ত সেই ভয়ংকর সস্তা সাবলীলতাই হলো সেই ধরনের বাগ্মীতা যা অজ্ঞ জনতার আবেগকে নাড়া দেয় এবং তাদের আন্দোলনে নামায়। বাগ্মীতার কারণে এমন সব শক্তিকে চালিত করা যায় বলেই আমি একে সম্মান করি না, বরং আমি এর প্রতি একটি ইতিবাচক ভয় পোষণ করি।
**কেমব্রিজ ইউনিয়নে দেওয়া ভাষণ (মার্চ ১৯২৪), ''অন ইংল্যান্ড, অ্যান্ড আদার অ্যাড্রেসেস'' (১৯২৬), পৃষ্ঠা ৯৫-৯৬-এ উদ্ধৃত।
*আমি মনে করি আজ সারা দেশে সাদামাটা, অলংকারহীন বক্তব্য শোনার আকাঙ্ক্ষা আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি... আসুন আমরা সবসময় এটি মনে রাখি: যখন আমরা বড় কোনো বিষয়ে আসি, তখন আমাদের বাগ্মীতার প্রয়োজন হয় না। সত্য, যেমনটা আমাদের সবসময় বলা হয়েছে, নগ্ন। তার খুব সামান্য পোশাকেরই প্রয়োজন। সর্বোপরি, [[পল দ্য অ্যাপোস্টল|সেন্ট পল]] কোনো বক্তা ছিলেন না, তবুও তার বক্তব্য এবং শিক্ষা মনে হয় ছড়িয়ে পড়েছে এবং দীর্ঘকাল টিকে আছে। আমি এই না ভেবে পারি না যে, যদি আমরা দুই হাজার বছর পিছিয়ে যেতাম, তবে আমি রবিবারের কোনো পত্রিকা বা যুগের শীর্ষ বক্তাদের সমস্ত বাগ্মীতার বিপরীতে সেন্ট পল এবং তার শিক্ষার ফলাফলকেই সমর্থন করতাম।
**কেমব্রিজ ইউনিয়নে দেওয়া ভাষণ (মার্চ ১৯২৪), ''অন ইংল্যান্ড, অ্যান্ড আদার অ্যাড্রেসেস'' (১৯২৬), পৃষ্ঠা ৯৬-৯৭-এ উদ্ধৃত।
*[[ওয়াল্টার স্কট|স্যার ওয়াল্টার স্কট]], [[উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ|ওয়ার্ডসওয়ার্থ]], [[লর্ড বায়রন|বায়রন]]...[[টমাস কার্লাইল|কার্লাইল]], টেনিসন, [[জন হেনরি নিউম্যান]]...থ্যাকারি, ব্রাউনিং এবং [[চার্লস ডিকেন্স|ডিকেন্স]]। বিশ্বের অন্যতম সেরা একটি [[সাহিত্য|সাহিত্যে]] সর্বোচ্চ পর্যায়ের প্রতিভাদের একটি গ্যালাক্সি ছিল... সেই সময়ের সাহিত্যের ক্ষেত্রে কোনো দেশই আমাদের দেশের সাথে তুলনা করতে পারে না... আমি সবসময় দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে এসেছি যে আমাদের নিজেদের চেয়ে বেশি সুপ্ত প্রতিভা বা যান্ত্রিক প্রতিভার জন্য উচ্চতর যোগ্যতা আর কোনো জাতির নেই। যখন কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, তখন হারগ্রিভস, আর্করাইট এবং ক্রম্পটন, যারা সবাই কর্মজীবী মানুষের সন্তান ছিলেন, তারাই সেই [[যন্ত্র|মেশিনগুলো]] আবিষ্কার করছিলেন যা [[তুলা|সুতা]] শিল্পের জন্ম দেয়। আমাদের মানুষগুলো কী উপাদানে তৈরি, তা বোঝাতেই আমি এই নামগুলো উল্লেখ করছি। এই উপাদানগুলো প্রশিক্ষণ ও শিক্ষিত করার মতো। যে কেউ এটি নিয়ে গবেষণা করতে চাইলে দেখতে পাবেন যে, এটি একটি খুব আকর্ষণীয় বিষয় হবে। মার্কিনিদের বলে হালকাভাবে ধরে নেওয়া যান্ত্রিক আবিষ্কারগুলোর কতগুলো আসলে ব্রিটিশ মেধার ফসল, তা সে ব্রিটিশ মেধাই হোক যারা সে দেশে গিয়ে কাজ করেছে, বা ব্রিটিশ বাবা-মায়ের সন্তানরাই হোক যারা সেখানে গিয়েছে।
**বার্কবেক কলেজে দেওয়া ভাষণ (২০ মার্চ ১৯২৪), ''অন ইংল্যান্ড, অ্যান্ড আদার অ্যাড্রেসেস'' (১৯২৬), পৃষ্ঠা ১৪৩-১৪৪-এ উদ্ধৃত।
*সাহিত্যের প্রজাতন্ত্র ছাড়া আর কোনো সত্যিকারের প্রজাতন্ত্র নেই। আমি যদি দেখি যে এমন কোনো উদ্ধৃতি শুনে মানুষের মুখ উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে যা সবারই জানা উচিত, তবে সেই মানুষটি ডিউক হোক বা ডাস্টম্যান, সে আমার ভাই। এটাই সাহিত্যের বন্ধন। এটি অধ্যয়ন করে দেখুন, বিশ্বের প্রথম দেশের গৌরবময় সাহিত্য—আপনার নিজের দেশের সাহিত্য।
**বার্কবেক কলেজে দেওয়া ভাষণ (২০ মার্চ ১৯২৪), ''অন ইংল্যান্ড, অ্যান্ড আদার অ্যাড্রেসেস'' (১৯২৬), পৃষ্ঠা ১৪৬-এ উদ্ধৃত।
*আমার সরকারি ও ব্যক্তিগত জীবনের অনেক কিছুর জন্যই আমি আমার ননকনফর্মিস্ট]] পূর্বপুরুষদের কাছে ঋণী।
**ননকনফর্মিস্ট ইউনিয়নিস্ট লিগের কাছে দেওয়া ভাষণ (৮ এপ্রিল ১৯২৪), ''অন ইংল্যান্ড, অ্যান্ড আদার অ্যাড্রেসেস'' (১৯২৬), পৃষ্ঠা ২৬৯-এ উদ্ধৃত।
*[[লর্ড বায়রন|বায়রন]], এমন একজন মানুষ যিনি বিশ্বকে একটি ভালো হৃদয় এবং একটি নতুন স্পন্দন দিয়েছিলেন... যে মানুষটি বিশ্বে নতুন স্পন্দন খুঁজে পান, তিনিই অমরত্ব লাভ করবেন। বায়রন, যদি কিছু হয়েই থাকেন, তবে তিনি ছিলেন নতুন বীজের একজন বপনকারী, যার মধ্যে একটি বিশাল অঙ্কুরোদগমের শক্তি ছিল... বায়রন মানুষের চোখ বন্ধ থাকতে দেখেছিলেন এবং তা খুলে দিয়েছিলেন, আর সেই কারণেই জাতির উচিত তাঁকে কৃতজ্ঞতা জানানো।
**বায়রনের শতবর্ষের মধ্যাহ্নভোজে দেওয়া ভাষণ (২৯ এপ্রিল ১৯২৪), ''অন ইংল্যান্ড, অ্যান্ড আদার অ্যাড্রেসেস'' (১৯২৬), পৃষ্ঠা ১২৩-১২৪-এ উদ্ধৃত।
*আমরা আমাদের নিজেদের মানুষের জন্য অবস্থার উন্নতি করতে সাহায্য করতে চাই। আমরা চাই আমাদের মানুষ এমন একটি সমাজে বেড়ে উঠুক, যা [[জাতীয়করণ|রাষ্ট্রীয় মালিকানার]] সমাজ নয়, বরং এমন একটি সমাজ যেখানে ব্যক্তি ক্রমশ মালিক হয়ে উঠতে পারে। স্যার হেনরি মেইনের একটি খুব বিখ্যাত বাক্য আছে, যেখানে তিনি বলেছিলেন যে সাম্প্রতিক শতাব্দীগুলোতে আমাদের সভ্যতার অগ্রগতি হলো মানবজাতির মর্যাদা থেকে চুক্তির দিকে একটি অগ্রগতি। '''[[সমাজতন্ত্র]] তাকে চুক্তি থেকে আবার মর্যাদায় ফিরিয়ে আনবে।'''
**জুনিয়র ইম্পেরিয়াল লিগের কাছে দেওয়া ভাষণ (৩ মে ১৯২৪), ''অন ইংল্যান্ড, অ্যান্ড আদার অ্যাড্রেসেস'' (১৯২৬), পৃষ্ঠা ২২৫-এ উদ্ধৃত।
*ঈশ্বর তাকে যা বানিয়েছেন, অর্থাৎ একজন ইংরেজ হতে যতক্ষণ সে সন্তুষ্ট থাকে, ততক্ষণ একজন ইংরেজ ঠিক আছে। কিন্তু সে যখন অন্য কিছু হওয়ার চেষ্টা করে তখনই সমস্যায় পড়ে। এমন কিছু ইতিহাসবিদ আছেন, বা ছিলেন, যারা বলেছেন যে আমাদের ইংরেজ পূর্বপুরুষদের ফরাসি রীতিনীতি অনুকরণ করার কারণেই আমরা উইলিয়াম দ্য নরম্যানের শিকারে পরিণত হয়েছিলাম এবং হেস্টিংসের যুদ্ধে আমাদের পরাজয় ঘটেছিল। এটি আমাদের জন্য একটি সতর্কবার্তা হোক যাতে আমরা কোনো বিদেশি দেশকে অনুকরণ না করি। আসুন আমরা নিজেদের ওপর আস্থা রাখতে এবং নিজের মতো থাকতে সন্তুষ্ট থাকি।
**দ্য রয়্যাল সোসাইটি অফ সেন্ট জর্জের বার্ষিক নৈশভোজে দেওয়া ভাষণ (৬ মে ১৯২৪), ''অন ইংল্যান্ড, অ্যান্ড আদার অ্যাড্রেসেস'' (১৯২৬), পৃষ্ঠা ২-এ উদ্ধৃত।
*এখন, আমি সবসময় মনে করি যে [[ইংরেজ জাতি|ইংরেজদের]] সম্পর্কে সবচেয়ে কৌতূহলজনক দ্বন্দ্বগুলোর মধ্যে একটি হলো এটি: আমাদের সম্পর্কে প্রায়ই যে সমালোচনা করা হয় তা পুরোপুরি সত্যবর্জিত নয়। আর তা হলো জাতি হিসেবে আমরা ল্যাটিন জাতিগুলোর তুলনায় বুদ্ধিবৃত্তিক অনুভূতির প্রতি কম উন্মুক্ত। তবুও এই একই জাতির মধ্যেই প্রতিভাবান মানুষ তৈরি করার এক অনন্য দক্ষতা রয়েছে। এটি প্রায় ইংরেজ জাতির একটি বৈশিষ্ট্য। এমন কোনো ক্ষেত্র নেই যেখানে এই জাতি প্রতিভাবানদের জন্ম দেয়নি। অনেকেই মনে করতে পারে যে এই জাতি খুব নিয়ন্ত্রিত, নিজেকে প্রকাশ করতে অক্ষম। অথচ এই একই জাতির এমন সাহিত্য রয়েছে যা বিশ্বের অন্য যেকোনো সাহিত্যের চেয়ে পিছিয়ে নেই এবং কবিতায় তো এটি অবশ্যই অপ্রতিদ্বন্দ্বী।
**দ্য রয়্যাল সোসাইটি অফ সেন্ট জর্জের বার্ষিক নৈশভোজে দেওয়া ভাষণ (৬ মে ১৯২৪), ''অন ইংল্যান্ড, অ্যান্ড আদার অ্যাড্রেসেস'' (১৯২৬), পৃষ্ঠা ২-৩-এ উদ্ধৃত।
*ইংরেজ তৈরিই হয়েছে সংকটের সময় এবং জরুরি অবস্থার জন্য। সে কঠিন সময়ে শান্ত থাকে, কিন্তু সময় যখন সহজ হয় তখন সে হয়তো উদাসীন মনে হতে পারে। সে হয়তো ভবিষ্যতের দিকে তাকায় না, সে হয়তো সতর্কবাণীতে কান দেয় না, সে হয়তো প্রস্তুতি নেয় না। কিন্তু সে একবার শুরু করলে মৃত্যু পর্যন্ত নাছোড়বান্দা থাকে এবং কাজে সে নির্মম হয়। এই গুণগুলোই ইংরেজকে আজকের এই জায়গায় নিয়ে এসেছে এবং ইংরেজকে ইংল্যান্ড এবং সাম্রাজ্যকে আজকের এই অবস্থানে নিয়ে আসতে সাহায্য করেছে।
**দ্য রয়্যাল সোসাইটি অফ সেন্ট জর্জের বার্ষিক নৈশভোজে দেওয়া ভাষণ (৬ মে ১৯২৪), ''অন ইংল্যান্ড, অ্যান্ড আদার অ্যাড্রেসেস'' (১৯২৬), পৃষ্ঠা ৩-৪-এ উদ্ধৃত।
*আমি মনে করি ইংরেজরা হৃদয়ে এবং কাজে বিশ্বের সবচেয়ে দয়ালু মানুষ... [[ইংল্যান্ড|ইংল্যান্ডে]] দুর্বলদের জন্য এক গভীর সহানুভূতি রয়েছে। একটি ভ্রাতৃত্বপূর্ণ এবং বন্ধুত্বপূর্ণ অনুভূতি রয়েছে, যা আমরা সব শ্রেণির মধ্যেই ব্যাপকভাবে দেখতে পাই। হাসিমুখে দুর্ভাগ্য মোকাবিলা করার একটা উপায় আছে। যুদ্ধের সময় এটি আশ্চর্যজনকভাবে দেখা গিয়েছিল।
**দ্য রয়্যাল সোসাইটি অফ সেন্ট জর্জের বার্ষিক নৈশভোজে দেওয়া ভাষণ (৬ মে ১৯২৪), ''অন ইংল্যান্ড, অ্যান্ড আদার অ্যাড্রেসেস'' (১৯২৬), পৃষ্ঠা ৪-৫-এ উদ্ধৃত।
*তারপর, ইংরেজদের চেয়ে অন্য কোনো জাতিতে এত বৈচিত্র্যময় স্বকীয়তা নেই। আমরা স্বকীয়তার মানুষ এবং আমরা চরিত্রের মানুষ... জাতির ধরন বজায় রাখার জন্য ইংরেজের স্বকীয়তা রক্ষা করা অপরিহার্য। আর আমাদের পার্থক্যগুলো যদি মুছে যায় এবং আমরা সেই উপহার হারিয়ে ফেলি, তবে আমরা একই সাথে আমাদের ক্ষমতাও হারাব। ধরন বা বৈশিষ্ট্যের একরূপতা একটি খারাপ জিনিস। আমি ব্যক্তিগতভাবে ভাষার একরূপতার জন্য খুব দুঃখ প্রকাশ করি। দুই শতাব্দী আগের এক সময় ছিল যখন আপনি তার কথা শুনেই বলতে পারতেন যে [[যুক্তরাজ্যের সংসদ|পার্লামেন্টের]] প্রতিটি সদস্য ইংল্যান্ডের কোন অংশ থেকে এসেছেন। তিনি তার পূর্বপুরুষদের ভাষায় কথা বলতেন। আমি দুঃখিত যে উপভাষাগুলো হারিয়ে গেছে। আর আমি দুঃখিত যে, একটি ভালো নামের অভাবে যে প্রক্রিয়াটিকে আমরা নিজেদের মধ্যে শিক্ষা বলে ডাকতে রাজি হয়েছি, সেই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আমরা সাধারণ মানুষের ভাষা থেকে দূরে সরে যাচ্ছি। আমরা এমন কিছু সেরা ইংরেজি শব্দ ও বাক্যাংশ হারিয়ে ফেলছি, যা শতাব্দী ধরে দেশে টিকে ছিল, যাতে আমরা সবাই একটি অভিন্ন এবং ভাবপ্রকাশহীন ভাষায় কথা বলতে পারি।
**দ্য রয়্যাল সোসাইটি অফ সেন্ট জর্জের বার্ষিক নৈশভোজে দেওয়া ভাষণ (৬ মে ১৯২৪), ''অন ইংল্যান্ড, অ্যান্ড আদার অ্যাড্রেসেস'' (১৯২৬), পৃষ্ঠা ৫-৬-এ উদ্ধৃত।
[[Image:Stanley Baldwin daughter.jpg|thumb|আমার কাছে ইংল্যান্ড হলো গ্রাম, এবং গ্রামই হলো ইংল্যান্ড।]]
* '''আমার কাছে ইংল্যান্ড হলো গ্রাম, এবং গ্রামই হলো ইংল্যান্ড।''' আর বিদেশে থাকার সময় আমি যখন নিজেকে জিজ্ঞেস করি যে ইংল্যান্ড বলতে আমি কী বুঝি, তখন ইংল্যান্ড আমার কাছে আমার বিভিন্ন অনুভূতির মাধ্যমে ধরা দেয় — কানের মাধ্যমে, চোখের মাধ্যমে এবং কিছু অবিনশ্বর সুবাসের মাধ্যমে... ইংল্যান্ডের শব্দগুলো, গ্রামের কামারশালায় নেহাইয়ের ওপর হাতুড়ির টুংটাং শব্দ, শিশিরভেজা সকালে কর্নক্রেক পাখির ডাক, শানপাথরে কাস্তে ঘষার শব্দ, এবং পাহাড়ের চূড়া দিয়ে একটি লাঙল দলের উঠে আসার দৃশ্য, সেই দৃশ্য যা ইংল্যান্ডে ভূমি সৃষ্টির শুরু থেকেই দেখা যাচ্ছে... ইংল্যান্ডের একমাত্র চিরন্তন দৃশ্য।
** দ্য রয়্যাল সোসাইটি অফ সেন্ট জর্জের বার্ষিক নৈশভোজে দেওয়া ভাষণ (৬ মে ১৯২৪), ''অন ইংল্যান্ড, অ্যান্ড আদার অ্যাড্রেসেস'' (১৯২৬), পৃষ্ঠা ৬-৭-এ উদ্ধৃত।
*আমি যখন ছোট ছিলাম, তখন [[হোরেস|হোরেসের]] ''ওডস'' আমার মুখস্থ ছিল। আর আমি যখন বড় হতে লাগলাম, তখন বছরের পর বছর সেই ওডগুলো সবচেয়ে অপ্রত্যাশিত সময়ে এবং জায়গায় আমার হৃদয়ের দরজায় কড়া নাড়তে লাগল। তাই, আপনি এখন বুঝতে না পারলেও, এমন সময় আসবে যখন আপনি ছোটবেলায় [[উইলিয়াম শেকসপিয়র|শেকসপিয়রে]] ডুবে থাকার জন্য কৃতজ্ঞ হবেন। তার মধ্যে আমরা কেবল বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষকেই পাই না—যেমনটা স্যার জেরাল্ড ডু মরিয়ার কিছুদিন আগে এখানে বলেছিলেন—বরং এমন একজন মানুষকে পাই যাঁর মানবপ্রকৃতি ও বিশ্ব সম্পর্কে গভীর জ্ঞান ছিল। শেকসপিয়র ছিলেন সেই অল্প কয়েকজন কবিদের মধ্যে একজন যাঁর মধ্যে আমরা সেই জাদুকরী শক্তি খুঁজে পাই যা সরাসরি স্বর্গ থেকে আসে এবং যা কেবল সর্বশ্রেষ্ঠদেরই বিশেষ অধিকার... শেকসপিয়রের নাটকগুলো, তিনি যে দেশের কথাই লিখুন না কেন, আমাদের নিজস্ব মাটি এবং আমাদের দেশের মানুষের গন্ধে ভরপুর। শেকসপিয়রের দেশের মানুষ এবং সেই জ্ঞানী মানুষদের, অর্থাৎ শেকসপিয়রের বোকাদের চিন্তাধারা এবং দৃষ্টিভঙ্গি আজও আমাদের গ্রামীণ কাউন্টিগুলোতে পাওয়া যায়।
**সিটি অফ লন্ডন স্কুলে দেওয়া ভাষণ (১৩ জুন ১৯২৪), ''অন ইংল্যান্ড, অ্যান্ড আদার অ্যাড্রেসেস'' (১৯২৬), পৃষ্ঠা ১২০-এ উদ্ধৃত।
*আমার কাছে আমরা যে [[ব্রিটিশ সাম্রাজ্য|কমনওয়েলথ অফ নেশনসের]] অন্তর্ভুক্ত, তার সবচেয়ে বড় মূল্য শুধু টাকা কামানোর জায়গাতেই নয়। বরং এটি হলো আমাদের নিজস্ব জাতির বিস্তৃতি ও বৃদ্ধির জন্য বিশ্বের একটি বিশাল পরিসর। কারণ আমি বিশ্বাস করি আমাদের জাতি বিশ্বের সেরা জাতি। আমি বিশ্বাস করি বিশ্বের অগ্রগতি, নৈতিক ও আধ্যাত্মিক দিক থেকে এবং সেই সাথে অর্থনৈতিক দিক থেকেও, আমাদের মানুষের তাদের ধারণা এবং আদর্শগুলো ছড়িয়ে দেওয়ার সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
**[[w:যুক্তরাজ্যের কমন্সসভা|হাউস অব কমন্সে]] দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1924/jun/18/imperial-preference ভাষণ] (১৮ জুন ১৯২৪)।
*আজ গ্রেট ব্রিটেনের [[রামজে ম্যাকডোনাল্ড|প্রধানমন্ত্রীকে]] নিয়ে [[গ্রিগরি জিনোভিয়েভ|এম. জিনোভিয়েভ]] যেভাবে কথা বলছেন তা পড়ে আমার রক্ত ফুটছে। একসময় একটা স্লোগান উঠেছিল, "রাশিয়া থেকে হাত সরাও।" আমার কথা হলো, আমি মনে করি সময় এসেছে কাউকে "[[রাশিয়া|রাশিয়া]], ইংল্যান্ড থেকে হাত সরাও" বলার।
**জিনোভিয়েভ চিঠির ওপর সাধারণ নির্বাচন প্রচারণাকালে সাউথ-এন্ডে দেওয়া ভাষণ (২০ অক্টোবর ১৯২৪), ''দ্য টাইমস'' (২১ অক্টোবর ১৯২৪), পৃষ্ঠা ১০-এ উদ্ধৃত।
*[[প্রগতি|অগ্রগতির]] দায়িত্ব কেবল সরকারের ওপরই নয়, বরং দেশের প্রতিটি নারী-পুরুষের ওপরও বর্তায়। জনগণ যতদূর যেতে দেবে, সরকার তার চেয়ে দ্রুত এগোতে পারে না। নতুন পদ্ধতিতে স্বতঃস্ফূর্ত সহযোগিতা অপরিহার্য, আর কাজ করার ইচ্ছা ছাড়া অগ্রগতি সম্ভব নয়। শিল্পের ক্রমাগত অচলাবস্থা নিয়েও অগ্রগতি সম্ভব নয়।
**অ্যালবার্ট হলে দেওয়া ভাষণ (৪ ডিসেম্বর ১৯২৪), ''অন ইংল্যান্ড, অ্যান্ড আদার অ্যাড্রেসেস'' (১৯২৬), পৃষ্ঠা ৭০-এ উদ্ধৃত।
*এটি গণতন্ত্রের জন্য একটি পরীক্ষার সময়... গণতন্ত্র, গণতান্ত্রিক সরকারের জন্য বিশ্বের অন্য যেকোনো শাসনব্যবস্থার চেয়ে বেশি কঠোর পরিশ্রম, উচ্চতর শিক্ষা, এবং আরও দূরদর্শিতার প্রয়োজন হয়। পাশ্চাত্যে এটি এখনও দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। আমাদের মতো যারা এটিতে বিশ্বাস করে, কেবল তাদের এটিকে সফল করার মাধ্যমেই আমরা এটিকে স্থায়ী হতে দেখার আশা করতে পারি এবং এর যে সুফল দেওয়া উচিত, তা পাওয়ার আশা করতে পারি। জনগণের অধিকারের দাবি কখনও তাদের খাবার জোগাতে পারেনি। কেবল তাদের দায়িত্ব পালনই সরকার পরিচালনার সেই পরীক্ষাগুলোতে সফল পরিণতি আনতে পারে, যা আমরা বিশ্বের অন্য যেকোনো জাতির চেয়ে বহুদূর এগিয়ে নিয়ে গেছি। '''গণতন্ত্র অনেক উঁচুতে উঠতে পারে; আবার এটি অনেক গভীরে তলিয়েও যেতে পারে। আমাদের নিজেদের সেভাবেই পরিচালিত করতে হবে, এবং আমাদের নিজেদের মানুষকে সেভাবেই শিক্ষিত করতে হবে, যাতে আমরা সেই উচ্চতায় পৌঁছাতে পারি এবং গভীর খাদগুলো এড়াতে পারি।'''
**অ্যালবার্ট হলে দেওয়া ভাষণ (৪ ডিসেম্বর ১৯২৪), ''অন ইংল্যান্ড, অ্যান্ড আদার অ্যাড্রেসেস'' (১৯২৬), পৃষ্ঠা ৭০-৭১-এ উদ্ধৃত।
*যখন আমরা সাম্রাজ্যের কথা বলি, তখন আমরা কেবল পতাকা ওড়ানোর আবেগে কথা বলি না... সমুদ্র দিয়ে বিচ্ছিন্ন থাকা সত্ত্বেও, এই বিশাল উত্তরাধিকারের মধ্যে আমরা অনুভব করি যে আমাদের একটি বাড়ি এবং একটি জাতি রয়েছে... বস্তুগত সুবিধাগুলো যত বড়ই হোক না কেন, আমরা মূলত সেদিকে তাকাই না। আমি মনে করি আমাদের সবার হৃদয়ের গভীরে আমরা সাম্রাজ্যটিকে এমন একটি উপায় হিসেবে দেখি, যার মাধ্যমে আমরা আমাদের জাতির সেই বৃদ্ধি দেখতে আশা করতে পারি, যা আমরা সমগ্র বিশ্বের জন্য এক অসীম কল্যাণকর বলে বিশ্বাস করি। এটি এমন মানুষদের বিদেশে ছড়িয়ে পড়া, যাদের কাছে স্বাধীনতা এবং ন্যায়বিচার তাদের নিঃশ্বাসের মতোই প্রয়োজনীয়। এটি এমন মানুষদের ছড়িয়ে পড়া যারা—যেমনটা আমরা আশা ও বিশ্বাস করতে চাই—সবার ওপরে, তাদের কর্তব্যের প্রতি অবিচল অনুভূতি দ্বারা আলাদা। যদি কখনও এমন দিন আসে যখন আমাদের নিজেদের আত্মীয়দের মধ্যে সেই কর্তব্যের প্রতি আবেদন কানে পৌঁছায় না, তবে সেই দিনটি সত্যিই আমাদের দেশের এবং আমাদের সাম্রাজ্যের শেষ দিন হবে, যার জন্য আপনি এবং আমি আমাদের জীবন উৎসর্গ করেছি।
**অ্যালবার্ট হলে দেওয়া ভাষণ (৪ ডিসেম্বর ১৯২৪), ''অন ইংল্যান্ড, অ্যান্ড আদার অ্যাড্রেসেস'' (১৯২৬), পৃষ্ঠা ৭১-৭২-এ উদ্ধৃত।
*আজ আমরা হয়তো দেশের সেবার সবচেয়ে চমৎকার সুযোগটি পেয়েছি, যা এর আগে কোনো দলকে দেওয়া হয়নি। আপনারা যারা সদ্য হাউস অফ কমন্সে নির্বাচিত হয়েছেন, আপনাদের সহদেশবাসীদের রায় অনুযায়ী, আপনারাই আগামী চার বা পাঁচ বছরের জন্য তাদের স্বাভাবিক নেতা। আপনারা যে বিশাল গণতন্ত্রের অংশ, তাকে শিক্ষিত করা আপনাদের দায়িত্ব, আপনাদের প্রাথমিক দায়িত্ব... আমাদের সহদেশবাসীদের সেই দলগুলোর চেয়ে পরিষ্কার বা মর্মস্পর্শী আর কিছু কি আমাদের সামনে থাকতে পারে, যারা আমাদের কথায় বিশ্বাস রেখেছিল, যারা আমাদের বিশ্বাস করেছিল এবং আমাদের তাদের আস্থা দিয়েছে, এবং যারা তাদের হৃদয়ে বিশ্বাস করে যে আমরা তাদের জন্য কঠিন ও সমস্যাযুক্ত বিষয়গুলো ঠিক করার জন্য এবং তাদের জীবনের কঠিন সংগ্রামে তাদের সাহায্য করার জন্য যা যা সম্ভব তা করতে [[লন্ডন|লন্ডনে]] এসেছি? আপনাদের নির্বাচনী এলাকার সাথে কখনও যোগাযোগ হারাবেন না; কখনও লন্ডনের কোনো ক্লাবের সদস্য এবং কোনো সংবাদকর্মীর কণ্ঠস্বরকে দেশের কণ্ঠস্বর বলে ভুল করবেন না। দেশ আপনাদের নির্বাচিত করেছে; দেশই আপনাদের বিচার করবে।
**অ্যালবার্ট হলে দেওয়া ভাষণ (৪ ডিসেম্বর ১৯২৪), ''অন ইংল্যান্ড, অ্যান্ড আদার অ্যাড্রেসেস'' (১৯২৬), পৃষ্ঠা ৭২-৭৩-এ উদ্ধৃত।
*আমি দেখতে চাই সমগ্র জাতির সেবা করার মনোভাব ইউনিয়নিস্ট পার্টির প্রতিটি সদস্যের জন্মগত অধিকার হয়ে উঠুক—সেই অর্থে ইউনিয়নিস্ট যে আমরা সেই দুই জাতির মিলনের পক্ষে দাঁড়াই, যার কথা দুই প্রজন্ম আগে ডিসরেলি বলেছিলেন; আমাদের নিজেদের মানুষের মধ্যে মিলন, যাতে দেশে আমাদের মানুষের একটিই জাতি তৈরি হয়, যা নিশ্চিত হলে বিশ্বের আর কোনো কিছুই এসে যায় না।
**অ্যালবার্ট হলে দেওয়া ভাষণ (৪ ডিসেম্বর ১৯২৪), ''অন ইংল্যান্ড, অ্যান্ড আদার অ্যাড্রেসেস'' (১৯২৬), পৃষ্ঠা ৭৩-এ উদ্ধৃত।
====১৯২৫====
*যদি কিছু থেকে থাকে... তবে তা হলো আমার প্রশিক্ষণ। এটি আমাকে এমন একটি জ্ঞান এবং সহানুভূতি দিয়েছে—আমি সেটি ব্যবহার করতে পারি বা না পারি—যা কোনো এককভাবে রাজনৈতিক প্রশিক্ষণ পাওয়া মানুষের পক্ষে অর্জন করা খুবই কঠিন। আমি এটিকে নিজের জন্য অত্যন্ত মূল্যবান বলে মনে করি যে, আমার জীবনের গঠনমূলক বছরগুলোতে এবং আমি যখন প্রথম পৃথিবীতে কাজ শুরু করি সেই দশ-বিশ বছর ধরে, আমি এই দেশের সব শ্রেণির মানুষের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছি। আর কোনো কৃতিত্ব ছাড়াই আমি এমন একটি সদিচ্ছা উপভোগ করেছি যা আমি আমার পূর্বপুরুষদের কাছ থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছি। তারা তাঁদের সততা, সুষ্ঠু বিচার এবং যাঁদের সাথে কাজ করতেন তাঁদের প্রতি সদয় আচরণের জন্য একটি নাম রেখে গেছেন। আমি সফল হই বা না হই, এর মাধ্যমে আমি বিশ্বাস করি যে আমি দেশের মানুষের মন সম্পর্কে এমন একটি বোঝাপড়া পেয়েছি যা আমি অন্য কোনো উপায়ে পেতাম না। এর মাধ্যমেই আমাদের মানুষের প্রতি আমার সেই অটুট বিশ্বাস এবং আস্থা তৈরি হয়েছে যা ভালো-খারাপ সব সময়ে আমাকে টিকিয়ে রাখে। আর এর জন্যই আমার পূর্ণ আস্থা আছে যে, এই দেশে বা এই দেশের ওপর যখনই কোনো সমস্যা নেমে আসুক না কেন, আমাদের মানুষের সহজাত শক্তি ও গুণ সবকিছু কাটিয়ে উঠবে। '''আমি অনুভব করি কেবল একটি কাজেই নিজের সমস্ত শক্তি ব্যয় করা সার্থক, আর তা হলো শব্দের প্রতিটি অর্থে এই দেশের জীবনযাত্রার মান উন্নত করার প্রচেষ্টায় আমাদের মানুষের সব শ্রেণিকে একত্রিত করা। রাজনীতিতে আমার জীবনের মূল লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য এটাই'''।
**স্টুরপোর্টে দেওয়া ভাষণ (১২ জানুয়ারি ১৯২৫), ''অন ইংল্যান্ড, অ্যান্ড আদার অ্যাড্রেসেস'' (১৯২৬), পৃষ্ঠা ১৫-১৬-এ উদ্ধৃত।
*ইউরোপ মহাদেশ, একটি মহাদেশ যা একটি সরু সমুদ্র দ্বারা আমাদের থেকে বিচ্ছিন্ন বটে, কিন্তু বাণিজ্য ও মানবতার শত শত বাঁধনে আমাদের সাথে যুক্ত, আমরা পছন্দ করি বা না করি, তা আমাদের ভাগ্যের সাথে অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িত। ... যতক্ষণ না আপনার স্থিতিশীলতা আসে, ততক্ষণ আপনি আত্মবিশ্বাস পেতে পারেন না। আর আত্মবিশ্বাস না আসা পর্যন্ত আপনি কখনোই সেই বর্ধিত উৎপাদন ক্ষমতা পেতে পারেন না যা ইংল্যান্ডে আমাদের নিজেদের বাণিজ্যের উন্নতির জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়... মানুষে-মানুষে এবং জাতিতে-জাতিতে সেই অভিশপ্ত ও পৈশাচিক সন্দেহই ইউরোপকে সেই নিরাপত্তার অনুভূতি থেকে বঞ্চিত করে, যা আত্মার সেই ঐক্যের জন্য অপরিহার্য, যা বিশ্বের সঠিকভাবে কাজ করার জন্য আমাদের থাকতে হবে।
**বার্মিংহামে দেওয়া ভাষণ (৫ মার্চ ১৯২৫), ''অন ইংল্যান্ড, অ্যান্ড আদার অ্যাড্রেসেস'' (১৯২৬), পৃষ্ঠা ২৫-২৭-এ উদ্ধৃত।
*আর তাই, যুদ্ধের প্রায় সাত বছর পরও আমরা দেখতে পাচ্ছি এই দীর্ঘায়িত ও তীব্র মন্দা, এবং বেকারত্বের এই ভয়ংকর পরিসংখ্যান... আমরা আজ এমন এক বিন্দুতে দাঁড়িয়ে আছি যেখানে, মোটামুটিভাবে বললে, বিমাকৃত জনসংখ্যার প্রতি দশজনের মধ্যে একজন কর্মহীন... কিন্তু কেবল রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কোনো সরাসরি প্রতিকার নেই। কেবল সাধারণ মানুষের মাধ্যমেও কোনো সরাসরি প্রতিকার নেই। আমরা সবাই মিলে একযোগে চেষ্টা না করলে কিছুই করা সম্ভব নয়। আর আমি—এবং আমি বেশ সিরিয়াসভাবেই বলছি—লেবার পার্টি ক্ষমতায় ছিল বলে আমি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। এর কারণ হলো: তারা এখন জানে যে, অন্য যেকোনো সরকারের মতোই তারাও বেকারত্ব দূর করার মতো কোনো জাদুকরী দাওয়াই তৈরি করতে পারেনি। আর মনে মনে তাদের অবশ্যই স্বীকার করতে হবে যে তাদের কাছে এমন কোনো প্রতিকার নেই যা এই রোগ নিরাময়ের নিশ্চয়তা দিতে পারে এবং একই সাথে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের আন্তর্জাতিক অবস্থান ও ক্ষমতা অক্ষুণ্ণ রাখতে পারে।
**বার্মিংহামে দেওয়া ভাষণ (৫ মার্চ ১৯২৫), ''অন ইংল্যান্ড, অ্যান্ড আদার অ্যাড্রেসেস'' (১৯২৬), পৃষ্ঠা ৩০-৩১-এ উদ্ধৃত।
*যেসব মানুষ মহাদেশে নিরস্ত্রীকরণ, মহাদেশে শান্তি এবং মহাদেশে সন্দেহ দূর করার কথা বলেন, আমি তাঁদের সাথে পুরোপুরি একমত। তবে আমি এর চেয়েও বেশি করে চাই দেশে নিরস্ত্রীকরণ এবং দেশে এমন সন্দেহ দূর করা যা মানুষে-মানুষে সম্পর্ককে বিষাক্ত করে তোলে। একমাত্র এটি দূর করলেই আমরা আমাদের ধুঁকতে থাকা শিল্পের জন্য স্থিতিশীলতা পেতে পারি এবং সেই আত্মবিশ্বাস তৈরি করতে পারি যার মাধ্যমে আমাদের মানুষ আরও ভালো কিছুর দিকে এগিয়ে যেতে পারবে... এটি জনজীবনের অন্যতম একটি স্ববিরোধিতা যে, যারা বিদেশে শান্তিবাদ প্রচার করে, তাদের মুখেই আমরা দেশে যুদ্ধের ডাক শুনতে পাই। রুশোর সম্পর্কে কে যেন বলেছিলেন যে তিনি তার স্বজাতির প্রেমিক, কিন্তু তার আত্মীয়দের ঘৃণাকারী? '''এমন দর্শনের অনুসারীরা কেবল এই দেশের জন্যই সর্বনাশ বয়ে আনতে পারে।'''
**বার্মিংহামে দেওয়া ভাষণ (৫ মার্চ ১৯২৫), ''অন ইংল্যান্ড, অ্যান্ড আদার অ্যাড্রেসেস'' (১৯২৬), পৃষ্ঠা ৩২-৩৩-এ উদ্ধৃত।
*'''আমি এই দেশে ঈশ্বরের একটি যুদ্ধবিরতি চাই''', যাতে আমরা আমাদের পার্থক্যগুলো দূর করতে পারি, যাতে আমরা আমাদের সমস্ত শক্তি একত্রিত করে দেখতে পারি যে আমরা দেশটিকে একটি আরও ভালো এবং সুখী অবস্থায় নিয়ে যেতে পারি কি না। একটি সরকার খুব সামান্যই করতে পারে; এই সংস্কারগুলো, এই বিপ্লবগুলো অবশ্যই জনগণকেই আনতে হবে। নিয়োগকর্তা এবং শ্রমিকদের সংগঠনগুলো যদি কাজে নেমে পড়ে, তবে তারা রাজনীতিবিদদের চেয়ে তাদের সমস্যার সমাধান খুঁজতে অনেক বেশি সক্ষম... তাই যারা শ্রম এবং পুঁজির প্রতিনিধিত্ব করে, তারা কাজে নেমে পড়ুক এবং এই দেশের প্রতিটি গলি এবং কোণায় শান্তি খুঁজুক এবং তার পিছু ছুটুক... আর আজ রাতে যদি আপনাদের এবং এই দেশের মানুষের জন্য আমার কোনো বার্তা থাকে, তবে তা ঠিক এমনই হবে। '''আমি বলব: "ইংল্যান্ড! স্থির হও! দেখো তুমি কোথায় যাচ্ছ! মানুষের হাত আমাদের দেওয়া হয়েছিল হাত মেলানোর জন্য, ভ্রাতৃঘাতী দ্বন্দ্বে একে অপরের বিরুদ্ধে তোলার জন্য নয়।"'''
**বার্মিংহামে দেওয়া ভাষণ (৫ মার্চ ১৯২৫), ''অন ইংল্যান্ড, অ্যান্ড আদার অ্যাড্রেসেস'' (১৯২৬), পৃষ্ঠা ৩৩-৩৪, ৪০-এ উদ্ধৃত।
*আমি প্রায়ই অবাক হয়ে ভাবি যে এই দেশের সব মানুষ ইংল্যান্ডের শিল্প ব্যবস্থায় আসা অবশ্যম্ভাবী পরিবর্তনগুলো বুঝতে পারে কি না... আমার নিজের জীবনের বিশেষ পরিস্থিতির কারণে, আমি আমার নিজের চোখের সামনে এই বিবর্তনের অনেক কিছুই ঘটতে দেখেছি। আমি অনেক বছর ধরে একটি শিল্প ব্যবসায় কাজ করেছি, এবং আমার অধীনে বিপুল সংখ্যক, বা তখনকার সময়ে বিপুল সংখ্যক মানুষ ছিল... আমি সম্ভবত এমন একটি ব্যবস্থার অধীনে কাজ করছিলাম যা ইতোমধ্যেই অতীতের বিষয় হতে চলেছিল। আমার সন্দেহ আছে যে সেই সময়েও এই দেশের কোনো বড় আধুনিক শিল্প শহরে এর মতো কিছু খুঁজে পাওয়া যেত কি না। এটি এমন একটি জায়গা ছিল যেখানে আমি জায়গাটির প্রতিটি মানুষকে চিনতাম এবং ছোটবেলা থেকেই তাদের চিনতাম। এমন একটি জায়গা যেখানে আমি কেবল কারখানার সমস্যা নিয়েই নয়, বরং বাড়িতে হওয়া সমস্যা নিয়েও পুরুষদের সাথে কথা বলতে পারতাম, যেখানে ধর্মঘট এবং লক-আউটের মতো বিষয়গুলো ছিল অজানা। এটি এমন একটি জায়গা ছিল যেখানে তখন কাজ করা পুরুষদের বাবা এবং দাদারা কাজ করতেন এবং যেখানে তাদের ছেলেরাও স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যবসায় যুক্ত হতো। এটি এমন একটি জায়গাও ছিল যেখানে কাউকে কখনো "বরখাস্ত" করা হয়নি। যারা এই প্রজন্মের তুলনায় দক্ষতার বিষয়ে কম চিন্তিত ছিল, তাদের প্রতি আমাদের একটি স্বাভাবিক সহানুভূতি ছিল। সেখানে বেশ কয়েকজন বয়স্ক ভদ্রলোক তাদের পাইপ টানতে টানতে চাকাগাড়ির হাতলে বসে দিন পার করতেন। অদ্ভুত ব্যাপার হলো, এটি কোনো অদক্ষ সম্প্রদায় ছিল না। এটি ছিল সেই ধরনের কারখানার শেষ নিদর্শন। শেষ পর্যন্ত এটি আজকের শিল্পগুলো যে বিশাল সমন্বয়ের দিকে ঝুঁকছে, তার একটির মধ্যেই বিলীন হয়ে যায়।
**[[w:যুক্তরাজ্যের কমন্সসভা|হাউস অব কমন্সে]] দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1925/mar/06/industrial-peace ভাষণ] (৬ মার্চ ১৯২৫)।
*...একদিন কয়লাখনিগুলোতে একটা বড় ধর্মঘট শুরু হলো। এটি ছিল শুরুর দিককার ধর্মঘটগুলোর একটি, আর এটি একটি [[সাধারণ ধর্মঘট|জাতীয় ধর্মঘটে]] রূপ নিয়েছিল। আমরা যতদিন সম্ভব কাজ চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু স্বাভাবিকভাবেই কাজ চালিয়ে যাওয়াটা আরও বেশি কঠিন হয়ে পড়েছিল। ধীরে ধীরে একটার পর একটা চুল্লি নিভিয়ে ফেলা হলো; চিমনির ধোঁয়া বন্ধ হয়ে গেল। যে ধর্মঘট চলছিল তার সাথে কোনো সম্পর্ক না থাকা প্রায় ১,০০০ মানুষ কোনো দোষ না করেই বেকার হয়ে পড়ল। আর সেসময় কোনো বেকার ভাতাও ছিল না। আমি স্বীকার করছি যে এই ঘটনাটি আমাকে খুব গভীরভাবে ভাবিয়ে তুলেছিল। সেই সময়ে আমার কাছে এই মানুষগুলোর প্রতি এটি এক ভয়ংকর অবিচার বলে মনে হয়েছিল, কারণ আমি তাদের আমার নিজের পরিবারের মতোই দেখতাম। এটি আমাকে খুব আঘাত করেছিল—দুই বা তিন বছর আগে এটি সংবাদমাধ্যমে না এলে আমি হয়তো এটা উল্লেখই করতাম না—এবং আমি তাদের জন্য একটি ভাতার ব্যবস্থা করেছিলাম, খুব বড় কিছু নয়, তবে অন্তত কিছু একটা, যাতে তারা ছয় সপ্তাহ চলতে পারে। আমি এমনটা করেছিলাম কারণ আমার মনে হয়েছিল তাদের সাথে খুব অন্যায় আচরণ করা হচ্ছে। তবে এর মধ্যে আসলে আরও অনেক কিছু ছিল। খনিশ্রমিকরা এই মানুষগুলোর প্রতি ইচ্ছে করে কোনো অন্যায় আচরণ করেনি। আসল ব্যাপার হলো, আমরা ধীরে ধীরে শিল্পের এমন এক নতুন স্তরে প্রবেশ করছিলাম, যেখানে ছোট ছোট প্রতিষ্ঠান এবং ছোট শিল্পগুলোকে কোণঠাসা করে ফেলা হচ্ছিল। [[ব্যবসা]] একদিকে নিয়োগকর্তা এবং অন্যদিকে শ্রমিকদের বড় ধরনের একীভূতকরণের দিকে ঝুঁকছিল... এই বিবর্তনের সময়টাতে দেশকে কীভাবে পরিচালনা করা যায়, যাতে আমরা আমাদের শিল্প সভ্যতার পরবর্তী স্তরে পৌঁছাতে পারি, সে ব্যাপারে প্রজ্ঞাবান রাষ্ট্রনায়করা কী করতে পারেন তা আমাদের দেখতে হবে।
**[[w:যুক্তরাজ্যের কমন্সসভা|হাউস অব কমন্সে]] দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1925/mar/06/industrial-peace ভাষণ] (৬ মার্চ ১৯২৫)।
*আগামী বছরগুলোতে দেশের সামনে আসতে চলা এই বিশাল সমস্যায়, এক পক্ষ বা অন্য পক্ষের দিক থেকে বিপর্যয় নেমে আসতে পারে। কিন্তু এটি নিশ্চিতভাবেই প্রমাণ করে যে, এই দেশে অগ্রগতি কেবল সেই দুই দলের মাধ্যমেই অর্জন করা সম্ভব—যারা শক্তিতে এতটা সমান এবং দুর্বলতায় এতটা সমান—যদি তারা একে অপরকে বুঝতে শেখে এবং একে অপরের সাথে লড়াই না করে... আমরা শিল্পের পুরোনো অবস্থা থেকে নতুন অবস্থার দিকে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছি। আর প্রশ্ন হলো: সেই নতুন অবস্থাটি কেমন হতে চলেছে? কোনো মানুষই অবশ্যই বলতে পারবে না যে বিবর্তন ঠিক কী রূপ নিচ্ছে। তবে এ বিষয়ে আমি বেশ নিশ্চিত যে, আমরা যে রূপই দেখি না কেন... এটিকে একটি বেশ নিবিড় অংশীদারিত্বের রূপ নিতে হবে, তা যেভাবেই অর্জিত হোক না কেন। আর এটি এমন কোনো অংশীদারিত্ব হবে না যার শর্তগুলো পার্লামেন্টের আইনে, বা এই দল বা সেই দল থেকে ঠিক করে দেওয়া হবে, অন্তত এখনই নয়। এটি এমন মানুষদের একটি অংশীদারিত্ব হতে হবে যারা তাদের নিজেদের কাজ বোঝে। রাজনীতিবিদ বা বুদ্ধিজীবী কারও কাছ থেকেই তারা এ ব্যাপারে খুব বেশি সাহায্য পেতে পারে না। নিয়োগকর্তা এবং কর্মচারীদের মধ্যে যে সমস্যাটি আজ দেশকে বিভক্ত করে রেখেছে, তা বিচার করার, মীমাংসা করার এবং ব্যবস্থা করার মতো উপযুক্ত মানুষের সংখ্যা খুব কম। যারা নিজেরা একেবারে তৃণমূল পর্যায় থেকে কাজ করে আসেননি, এমন খুব কম মানুষই এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার যোগ্যতা রাখেন। আমি সবসময় এই সংস্থাগুলোর উভয় পক্ষের শীর্ষ পদে এমন মানুষদের দেখতে চাই, যারা নিজেরা তৃণমূল থেকে উঠে এসেছেন, যারা ঠিক জানেন কোথায় সমস্যা হচ্ছে, যারা ঠিক জানেন কী ছাড় দেওয়া যেতে পারে এবং কী পারে না, যারা তাদের যুক্তিগুলো স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে পারেন। আমি আশা করি আমরা সবসময় এমন মানুষ খুঁজে পাব যারা সরাসরি সংঘর্ষের দিকে না গিয়ে নিজেদের জাহাজগুলোকে পাশাপাশি চালানোর চেষ্টা করবেন।
**[[w:যুক্তরাজ্যের কমন্সসভা|হাউস অব কমন্সে]] দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1925/mar/06/industrial-peace ভাষণ] (৬ মার্চ ১৯২৫)।
*ক্ষমতায় থাকার এই দুই বছর পর, আমরা আজ সম্ভবত আমাদের দলের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে এবং দেশের সাধারণ মানুষের সমর্থন নিয়ে অবস্থান করছি। এখন, আমরা সেখানে কীভাবে পৌঁছালাম? এই বিলটি আনার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আমরা সেখানে পৌঁছাইনি; বরং আমরা সেখানে পৌঁছাতে পেরেছি কারণ, ঠিক হোক বা ভুল, আমরা সারা দেশে এই ধারণাটি তৈরি করতে পেরেছিলাম যে আমরা একটি স্থিতিশীল সরকার এবং সমাজের সব শ্রেণির মধ্যে শান্তির পক্ষে... আমাদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে; আজ যে বিলটি আনা হয়েছে তার ন্যায়বিচারে আমরা বিশ্বাস করি। কিন্তু আমরা আমাদের হাত গুটিয়ে নেব, এবং এমন একটি সময়ে আমরা আমাদের রাজনৈতিক সুবিধাকে কাজে লাগাব না। যে সন্দেহ ইউরোপে স্থিতিশীলতা আসতে বাধা দিয়েছে, ঠিক সেই একই বিষ আমাদের দেশে স্থিতিশীলতা আসতে বাধা দিচ্ছে। আর আমরা আজ দেশকে এই প্রস্তাব দিচ্ছি: '''অন্তত আমরা প্রথম গুলিটি ছুড়তে যাচ্ছি না। আমরা শান্তির পক্ষে। আমরা দেশে সন্দেহ দূর করার পক্ষে। আমরা একটি নতুন যুগের জন্য একটি নতুন পার্লামেন্টে এমন একটি পরিবেশ তৈরি করতে চাই, যেখানে মানুষ একসাথে আসতে পারে।''' আমরা যে কাজে হাত দিয়েছিলাম, তা থেকে আমরা সরে দাঁড়াচ্ছি। আমরা জানি এর জন্য আমাদের কাপুরুষ বলা হতে পারে। আমরা জানি আমাদের বলা হতে পারে যে আমরা আমাদের নীতি থেকে সরে এসেছি। কিন্তু আমরা বিশ্বাস করি, এই মুহূর্তে দেশের কী প্রয়োজন তা আমরা জানি। আর আমরা বিশ্বাস করি যে, এই মুহূর্তে অন্য কোনো দল যা করতে পারে না, আমাদের সেই কাজটি করার শক্তি আছে এবং আমরা অন্তত শান্তির পক্ষে দাঁড়িয়েছি... যদিও আমি জানি যে এই হাউসে অনেকেই আছেন যারা আমাদের বেশিরভাগের চেয়ে ভিন্ন লক্ষ্যের জন্য কাজ করেন, তবুও সব স্তরের এবং সব দলের অনেকেই আছেন যারা আমার প্রার্থনার প্রতিধ্বনি করবেন: '''"হে প্রভু, আমাদের সময়ে শান্তি দাও।"'''
**[[w:যুক্তরাজ্যের কমন্সসভা|হাউস অব কমন্সে]] দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1925/mar/06/industrial-peace ভাষণ] (৬ মার্চ ১৯২৫)।
*আমার মনে হয় আমাদের অনেকেই বুঝতে শুরু করেছিলাম যে আমরা বস্তুগত সম্পদের প্রতি আকর্ষণ হারাচ্ছি। আমরা বুঝতে পারছিলাম যে '''সম্পদ তৈরি হয়েছিল দাস হওয়ার জন্য, মনিব হওয়ার জন্য নয়—একটি দাস হিসেবে এর খুবই দরকারী একটি ভূমিকা রয়েছে, কিন্তু মনিব হিসেবে এর অর্থ হলো ধ্বংস বা নরকবাস।'''
**লিডসে দেওয়া ভাষণ (১৩ মার্চ ১৯২৫), ''অন ইংল্যান্ড, অ্যান্ড আদার অ্যাড্রেসেস'' (১৯২৬), পৃষ্ঠা ৬১-৬২-এ উদ্ধৃত।
*যুদ্ধের পর যে গৌরবময় সময় আসবে, সেই কথা বলা ভাষণগুলোতে আমরা খুব একটা মুগ্ধ হইনি। বিশ্বে যুদ্ধের অর্থ কী তা আমরা বুঝতে পেরেছিলাম। আমরা ইউরোপে সভ্যতার ভিত্তিগুলো ফাটল ধরতে অনুভব করেছিলাম। ব্যবসায়ী হিসেবে আমরা জানতাম যে একটি প্রজন্মের জন্য এই দেশ এবং সমগ্র বিশ্ব অনেক, অনেক বেশি দরিদ্র হয়ে পড়বে। আমরা আগেই বুঝতে পেরেছিলাম যে আমাদের সভ্যতার ভিত্তির ফাটলগুলো মেরামত করতে এবং যুদ্ধের আগে দেশ যে সমৃদ্ধি ভোগ করত তা ফিরিয়ে আনতে কতটা সংগ্রাম করতে হবে। আমি এও মনে করি যে, আমাদের অনেকেরই [[w:Übermensch|সুপারম্যানদের]] ওপর খুব একটা বিশ্বাস ছিল না। '''আমি মনে করি ব্যবসায় আমাদের অভিজ্ঞতা আমাদের শিখিয়েছিল যে, বাস্তব জীবনে সুপারম্যান বলে কিছু নেই। আর আমাদের যদি সফল হতে হয়, তবে এই দেশের সাধারণ নারী-পুরুষের সহজাত কাণ্ডজ্ঞান, সততা, সাহস এবং বিশ্বাসের ওপরই আমাদের নির্ভর করতে হবে।'''
**লিডসে দেওয়া ভাষণ (১৩ মার্চ ১৯২৫), ''অন ইংল্যান্ড, অ্যান্ড আদার অ্যাড্রেসেস'' (১৯২৬), পৃষ্ঠা ৬২-এ উদ্ধৃত।
*ঠিক এই কারণেই, আমার অনুভূতির জায়গা থেকেই, ১৯১৬ সালের ডিসেম্বরে আমি সেই পথ বেছে নিতে বাধ্য হই যখন আমি [[অ্যান্ড্রু বোনার ল|মিস্টার বোনার ল'র]] পার্লামেন্টারি সেক্রেটারি হিসেবে কাজ করার প্রস্তাব গ্রহণ করি। আমি জেনেশুনেই তা করেছিলাম। কারণ আমি বিশ্বাস করেছিলাম যে, জীবনের এই পর্যায়ে এসে, আমি যে ব্যবসায় এতকাল যুক্ত ছিলাম তা থেকে স্বাধীন হওয়ার মতো পর্যাপ্ত সম্পদ আমার রয়েছে। তাই কোনো পারিশ্রমিকের প্রয়োজন ছাড়াই দেশের সেবা করার একটি সুযোগ আমার আছে। এতে অস্বাভাবিক কিছু নেই। আমার মতো এমন অনুভব করা লাখ লাখ মানুষ নিশ্চয়ই ছিল। আমি কখনোই বলিনি বা বিশ্বাস করিনি যে, আমি যে সেবা করার সুযোগ পেয়েছি তা অন্য যেকোনো সেবার চেয়ে এক চুলও বেশি বা ভালো। '''যে মনোভাব নিয়ে সেবা করা হয়, তার ভিত্তিতে সব সেবাই সমান।''' আমাদের রাজ্যের প্রতিটি কোণায় আমাদের দেশের মহান শক্তির অন্যতম একটি উৎস হলো, এমন অনেক মানুষ আছেন যাদের নিজেদের জন্য এমন কোনো ব্যক্তিগত উচ্চাকাঙ্ক্ষা নেই যেখানে প্রচার সবচেয়ে বেশি আর মানুষের নজর সবচেয়ে তীক্ষ্ণ। আর যতদিন আমাদের দেশ এই ধরনের মানুষ তৈরি করতে পারবে—আর আমি শুকরিয়া জানাই যে সমাজের সব শ্রেণি থেকেই এমন মানুষ তৈরি হচ্ছে—ততদিন আমি ইংল্যান্ডকে নিয়ে কখনোই হতাশ হব না।
**লিডসে দেওয়া ভাষণ (১৩ মার্চ ১৯২৫), ''অন ইংল্যান্ড, অ্যান্ড আদার অ্যাড্রেসেস'' (১৯২৬), পৃষ্ঠা ৬২-৬৩-এ উদ্ধৃত।
*যুদ্ধ শেষ হওয়ার অনেক আগেই আমার কাছে এটা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল যে, এর প্রভাব—যা যুদ্ধ-পরবর্তী বছরগুলোতে এই দেশকে সবচেয়ে কঠিন আঘাত করবে—তা হলো আমাদের সেইসব তরুণদের হারানোর ট্র্যাজেডি, যারা মাত্র যোগ্যতা অর্জন করছিল এবং আমাদের তরুণদের নেতা হওয়ার জন্য প্রস্তুত হচ্ছিল... যুদ্ধের পর প্রথম কুড়ি বছরে এমন কিছুই নেই যা এই দেশের সেই বয়সের এতগুলো মানুষের ক্ষতি পুষিয়ে দিতে পারে। আর এটিই ছিল আরও একটি কারণ, যার জন্য আমরা যারা যুদ্ধ শুরুর সময় ইতোমধ্যেই মধ্যবয়সী ছিলাম, তারা যুদ্ধ শেষ হওয়ার আগেই নিজেদের আরও উন্নত সত্তার কাছে এই বলে শপথ নিয়েছিলাম যে, মৃতদের প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বরূপ আমরা আমাদের বাকি জীবনের জন্য দেশের সেবায় আমাদের সেরাটা উজাড় করে দেব। আমাদের কাজ এখন আর সেই স্বস্তি খোঁজা নয় যা আমরা বৈধভাবেই খুঁজতে পারতাম। আমাদের কাজ হলো শেষ পর্যন্ত চালিয়ে যাওয়া এবং আসছে পরবর্তী প্রজন্মকে সাহায্য করা—সেই প্রজন্ম যারা যুদ্ধ করার জন্য খুব ছোট ছিল—তাদের সাহায্য করা যাতে সময় হলে তারা নিজেদের জায়গা করে নিতে পারে। বয়স্ক পুরুষদের ওপর এটি একটি বিশাল বোঝা, এবং এটি এমনই থাকবে। কিন্তু একটি ভাঙা এবং চূর্ণবিচূর্ণ বিশ্বকে সাহায্য করার জন্য নিজেদের সেরাটা দিতে পারাটাই তাদের গর্বের অবদান।
**লিডসে দেওয়া ভাষণ (১৩ মার্চ ১৯২৫), ''অন ইংল্যান্ড, অ্যান্ড আদার অ্যাড্রেসেস'' (১৯২৬), পৃষ্ঠা ৬৩-৬৪-এ উদ্ধৃত।
*[গত বিশ] বছরে দেশের অনেক জায়গাতেই পরিবেশ বিষাক্ত হয়ে উঠেছে। এখানে কার দোষ থাকতে পারে তা নিয়ে আমি কিছু বলতে চাই না। কিন্তু আমি এটা বলতে চাই যে, আমি উপলব্ধি করি, আপনারাও যেমনটা করেন, গত বিশ বছরে যে ধরনের প্রোপাগান্ডা বা অপপ্রচার চালানো হয়েছে—যে প্রোপাগান্ডা শ্রেণিশত্রুতা শেখায়—তা অনেক জায়গাতেই তার মন্দ এবং বিষাক্ত কাজ করে গেছে... সেই দিকে যে কাজ করা হয়েছে তা মুহূর্তের মধ্যে মুছে ফেলা যায় না। আর এর জন্য সর্বোচ্চ সদিচ্ছা এবং দৃষ্টান্তের সর্বোচ্চ শক্তির প্রয়োজন হবে, যাতে বড় পরিসরে ভালো এবং এমন কিছু আনা যায় যার ওপর আমরা একটি স্থায়ী এবং স্থিতিশীল ইমারত গড়তে পারি।
**লিডসে দেওয়া ভাষণ (১৩ মার্চ ১৯২৫), ''অন ইংল্যান্ড, অ্যান্ড আদার অ্যাড্রেসেস'' (১৯২৬), পৃষ্ঠা ৬৬-৬৭-এ উদ্ধৃত।
*আমাদের যা করতে হবে... তা হলো লিমিটেড লায়াবিলিটি বা সীমিত দায়ের ব্যবস্থাকে মানবিক করে তোলা।
**লিডসে দেওয়া ভাষণ (১৩ মার্চ ১৯২৫), ''অন ইংল্যান্ড, অ্যান্ড আদার অ্যাড্রেসেস'' (১৯২৬), পৃষ্ঠা ৬৭-এ উদ্ধৃত।
*আমি চাই নিয়োগকর্তাদের মধ্য থেকে এমন একজন মানুষ উঠে আসুক, যিনি তার কর্মীদের নেতৃত্ব দেবেন। তিনি তার নিজ পক্ষের হয়ে শক্ত অবস্থান নেওয়ার পাশাপাশি কর্মীদের কাজের সাথে যুক্ত সব বিষয়ে মধ্যস্থতাকারী হওয়াকে তার জীবনের প্রধান লক্ষ্য বানাবেন। একজন যুবকের জন্য ব্যবসায় নামার এর চেয়ে ভালো কোনো উদ্দেশ্য হতে পারে না... শুধু টাকা কামানো নয়, বরং এই সম্পর্কগুলোকে আরও শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করানোর ক্ষেত্রে অবদান রাখার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করা। যেসব যুবক ছেলেবেলায় ফ্রান্সে গিয়েছিলেন এবং একটি ব্রিটিশ রেজিমেন্ট কী তা শিখেছিলেন, তাঁদের জন্য সেই ব্রিটিশ রেজিমেন্টের চেতনা নিজেদের শিল্পে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করার চেয়ে ভালো কাজ আর কিছু হতে পারে না।
**লিডসে দেওয়া ভাষণ (১৩ মার্চ ১৯২৫), ''অন ইংল্যান্ড, অ্যান্ড আদার অ্যাড্রেসেস'' (১৯২৬), পৃষ্ঠা ৬৮-৬৯-এ উদ্ধৃত।
*এই দেশে অনেকের কাছেই [[সাম্রাজ্যবাদ]] শব্দটির একটি কিছুটা নেতিবাচক অর্থ রয়েছে। আমার এবং আপনাদের মতে ভুলভাবে হলেও তারা এটিকে শোষণ, সারা বিশ্বকে পদদলিত করা, উগ্র জাতীয়তাবাদ এবং সরকারি নীতিতে স্বার্থপরতার সাথে মিলিয়ে ফেলে। [[আলফ্রেড মিলনার, ১ম ভিসকাউন্ট মিলনার|লর্ড মিলনারের]] কাছে এটি তেমন কিছু ছিল না, আর আমাদের কাছেও এটি তেমন নয়। বরং এটি হলো—আমরা যে অংশগুলো নিয়ন্ত্রণ করি বা যেখানে আমাদের প্রভাব রয়েছে, সেখানে আইন, শৃঙ্খলা এবং ন্যায়বিচারের সেই সমস্ত ধারণা ছড়িয়ে দেওয়া, যা আমাদের জাতির জন্য অনন্য বলে আমরা বিশ্বাস করি। পিছিয়ে পড়া সভ্যতার মানুষকে সভ্যতার মাপকাঠিতে আরও ওপরে উঠতে সাহায্য করাটা—একটি অত্যন্ত কঠিন কাজ, এবং এটি সফল করার জন্য প্রজ্ঞার প্রয়োজন। বিশ্বের আর কোনো দেশের ওপর আমাদের দেশের মতো এই দায়িত্ব চাপানো হয়নি। আর নিঃসন্দেহে আমরা কীভাবে এই দায়িত্ব পালন করি, তার ওপর ভিত্তি করেই ইতিহাসের কাঠগড়ায় আমাদের বিচার করা হবে। হয়তো আজ নয়, কিন্তু আমাদের রক্তের যারা আমাদের পরে আসবে, তারা এই বিচার করবে।
**অক্সফোর্ডে দেওয়া ভাষণ (১৫ মে ১৯২৫), ''অন ইংল্যান্ড, অ্যান্ড আদার অ্যাড্রেসেস'' (১৯২৬), পৃষ্ঠা ১৮৫-১৮৬-এ উদ্ধৃত।
*আমাদের মধ্যে যারা গ্রাম এবং গ্রামের জিনিস ভালোবাসে, তারা নিজেদের রক্তে আমাদের ভূমির এই নগরায়ণ অনুভব করে। আমাদের পাখি এবং ফুল রক্ষার জন্য কিছু একটা করা প্রয়োজন বলেও তারা গভীরভাবে অনুভব করে।
**হাইড পার্কে হাডসন মেমোরিয়াল উন্মোচনকালে দেওয়া ভাষণ (১৯ মে ১৯২৫), ''অন ইংল্যান্ড, অ্যান্ড আদার অ্যাড্রেসেস'' (১৯২৬), পৃষ্ঠা ১২৯-এ উদ্ধৃত।
*আমাদের সাম্রাজ্য গড়ে উঠেছিল আমাদের পূর্বপুরুষদের দুঃসাহসী চেতনা থেকে। অ্যাডভেঞ্চারের প্রতি ভালোবাসা, আবিষ্কারের নেশা আর নতুন দেশে মুক্ত জীবনের আকাঙ্ক্ষা তাঁদের এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিল। তারা যেখানেই গেছেন, নিজেদের সাথে তাঁদের মাতৃভূমির ঐতিহ্য, অভ্যাস আর আদর্শ নিয়ে গেছেন। যেখানেই তারা বসতি স্থাপন করেছেন, সেখানে একটি নতুন মাতৃভূমি গড়ে তুলেছেন। আর যদিও পর্বতমালা এবং বিস্তীর্ণ সমুদ্র তাঁদের আলাদা করে রেখেছিল, তবু সেই আত্মার সোনালি সুতো তারা কখনোই হারাননি, যা তাঁদের জন্মভূমির স্মৃতির দিকে টেনে নিয়ে যেত। এমনকি তাঁদের সন্তানরা এবং তাদের সন্তানদের সন্তানরা, যাদের কাছে গ্রেট ব্রিটেন ছিল কেবল একটি নাম বা একটি স্বপ্ন, তারাও সব সময় এটিকে বাড়ি বলেই ডাকত। আত্মীয়তার এই অনুভূতির মাঝেই সাম্রাজ্য তার উজ্জ্বলতম গৌরব এবং সবচেয়ে প্রয়োজনীয় শক্তি খুঁজে পায়। পুরোনো সাম্রাজ্যগুলো সামরিক বিজয়ের মাধ্যমে তৈরি হয়েছিল এবং সামরিক আধিপত্যের মাধ্যমেই টিকে ছিল। সেগুলো ছিল পরাধীন জাতিগুলোর সাম্রাজ্য, যা একটি কেন্দ্রীয় শক্তি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হতো। আমাদের সাম্রাজ্য এগুলো থেকে এতটাই আলাদা যে আমাদের অবশ্যই সাম্রাজ্য শব্দটিকে একটি নতুন অর্থ দিতে হবে, অথবা এর পরিবর্তে ব্রিটিশ ন্যাশনস কমনওয়েলথ উপাধিটি ব্যবহার করতে হবে... '''আমি নিশ্চিত যে আমাদের মধ্যে কেউই এই ব্রিটিশ ন্যাশনস কমনওয়েলথ নিয়ে ভাবতে পারে না—যা আমাদের নিজস্ব জাতির নারী-পুরুষরাই তৈরি করেছেন—আমাদের গভীরতম অনুভূতির নাড়া দেওয়া ছাড়া।'''
**এম্পায়ার ডে বার্তা (১৯২৫), ''অন ইংল্যান্ড, অ্যান্ড আদার অ্যাড্রেসেস'' (১৯২৬), পৃষ্ঠা ২১৩-২১৪-এ উদ্ধৃত।
*আপনাদের অনেকেই জানেন, পুরোনো দিনে বিউডলি ছিল একটি আশ্রয় শহর। সেখানে একজন মানুষ, সে যতই পাপ করুক না কেন, পালিয়ে এসে বিচারের হাত থেকে নিরাপদ থাকতে পারত। তাই, বাইরের পৃথিবীর রুক্ষ ঢেউ যখন আমাকে সাধারণের চেয়ে বেশি জোরে ধাক্কা দেয়, তখন আমাকে কেবল মনে করতে হয় যে বিউডলিতে এমনকি একজন প্রধানমন্ত্রীর জন্যও আশ্রয় আছে... আমার নিজের দেশে বোঝাপড়া, সহানুভূতি এবং সমর্থন পেতে আমি কখনোই ব্যর্থ হইনি। এমনকি জীবন যখন সবচেয়ে কঠিন মনে হয় এবং সামনের বাধাগুলো পার হওয়া অসম্ভব বলে মনে হয়, তখনও আমি স্মৃতির পাতায় এই নদীর ধারের শান্ত জায়গাটিতে ফিরে যেতে পারি। এখানেই আমি প্রথম শ্বাস নিয়েছিলাম, এবং এখানকার স্মৃতি থেকেই আমি শক্তি সঞ্চয় করতে পারি। ছেলেবেলার স্মৃতি লালন করার জন্য এর চেয়ে আদর্শ কোনো ইংরেজ পরিবেশ হতে পারে না। আমার মনে পড়ে, ছোটবেলায় আমি সেতু থেকে নদীর উজানের দিকে তাকিয়ে থাকতাম। আমি দেখতাম নদীর ঠিক পাশেই থাকা শ্রপশায়ারের সেই রহস্যময় ও রোমান্টিক ভূমি, যেখান থেকে মাত্র তিন প্রজন্ম আগে আমার পূর্বপুরুষরা এসেছিলেন। আমি দেখতাম ছোট্ট রেললাইন ধরে ওয়ায়ার ফরেস্ট, ক্লিওবেরি মর্টিমার, নিন সোলার্স এবং টেনবেরির মতো নামধারী জায়গাগুলোর মধ্য দিয়ে ছুটে চলা ট্রেনের ধোঁয়া। এই নামগুলো রোমান্স এবং বহু আগে পেরিয়ে যাওয়া ইংল্যান্ডের বসন্তের গন্ধে ভরপুর, যার ঐতিহ্য আজ আমাদের।
**বিউডলিতে দেওয়া ভাষণ (৮ আগস্ট ১৯২৫), ''অন ইংল্যান্ড, অ্যান্ড আদার অ্যাড্রেসেস'' (১৯২৬), পৃষ্ঠা ১০-১১-এ উদ্ধৃত।
*শব্দ হলো ভালোবাসা ও [[বন্ধুত্ব|বন্ধুত্বের]], তৈরি ও বিপণনের, শান্তি ও যুদ্ধের মুদ্রা। শব্দ দিয়েই জাতিগুলোকে বাঁধা হয় এবং মুক্ত করা হয়। তিনটি বা চারটি সহজ শব্দই সমুদ্রের বিশাল ঢেউয়ের মতো মানুষের হৃদয়ে আবেগের ঢেউ তুলতে পারে: "যাতে আমরা ভুলে না যাই ।" "[[দেশপ্রেম|দেশপ্রেমই]] যথেষ্ট নয় ।"
**দ্য ইউনিভার্সিটি অফ এডিনবার্গের লর্ড রেক্টর হিসেবে তার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেওয়া ভাষণ (৬ নভেম্বর ১৯২৫), ''অন ইংল্যান্ড, অ্যান্ড আদার অ্যাড্রেসেস'' (১৯২৬), পৃষ্ঠা ৭৮-এ উদ্ধৃত।
*'''খামখেয়ালিভাবে চিন্তা করার চেয়ে নিয়মমাফিকভাবে সন্দেহ করা ভালো।'''
**দ্য ইউনিভার্সিটি অফ এডিনবার্গের লর্ড রেক্টর হিসেবে তার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেওয়া ভাষণ (৬ নভেম্বর ১৯২৫), ''অন ইংল্যান্ড, অ্যান্ড আদার অ্যাড্রেসেস'' (১৯২৬), পৃষ্ঠা ৮৩-এ উদ্ধৃত।
*আমি বিশ্বাস করি, বিশ্বের কোথাও এই দেশের চেয়ে উচ্চতর বাণিজ্যিক সম্মানের মানদণ্ড নেই। আর আমাদের আইনের আদালতগুলোর ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য, যা বিশ্বব্যাপী একটি সম্মানজনক মর্যাদা ভোগ করে।
**দ্য ইউনিভার্সিটি অফ এডিনবার্গের লর্ড রেক্টর হিসেবে তার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেওয়া ভাষণ (৬ নভেম্বর ১৯২৫), ''অন ইংল্যান্ড, অ্যান্ড আদার অ্যাড্রেসেস'' (১৯২৬), পৃষ্ঠা ৮৪-এ উদ্ধৃত।
*কেবল একটি দলের রাজনীতিবিদদের ক্ষেত্রেই নয়, বরং সমগ্র জাতির সাথে যুক্ত থাকা এই দুর্নামের ব্যাখ্যা কী? মূলত, আমি মনে করি, এর কারণ হলো রাষ্ট্রগুলো যখন থেকে অস্তিত্ব লাভ করেছে, তখন থেকেই তারা বিপদে পড়েছে এবং নিজেদের নিরাপত্তার জন্য শক্তির ওপর নির্ভর করেছে। যুদ্ধই তাদের স্বাভাবিক ইতিহাস... যুদ্ধ এবং যুদ্ধের প্রস্তুতির সাথে সাথে আসে কূটনীতির কৌশল, সাধারণ নৈতিকতার পতন, সত্যের জন্য একটি ছুটি এবং এর ফলস্বরূপ সৃষ্টি হওয়া মানববিদ্বেষ... আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা এবং সংঘাতের ময়দানে মানুষ রাষ্ট্রনায়কদের অপরিহার্য গুণ হিসেবে সত্যবাদিতার চেয়ে দেশপ্রেমকেই বেশি গুরুত্ব দিয়েছে।
**দ্য ইউনিভার্সিটি অফ এডিনবার্গের লর্ড রেক্টর হিসেবে তার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেওয়া ভাষণ (৬ নভেম্বর ১৯২৫), ''অন ইংল্যান্ড, অ্যান্ড আদার অ্যাড্রেসেস'' (১৯২৬), পৃষ্ঠা ৮৫-৮৬-এ উদ্ধৃত।
*একজন রাজনীতিবিদ একজন বিজ্ঞানীর চেয়ে একজন ব্যারিস্টার বা আইনজীবীর অনেক কাছাকাছি... আইনজীবী এবং রাজনীতিবিদ প্রমাণের চেয়ে প্ররোচনায় বেশি আগ্রহী। তাদের রক্ষা করার জন্য একজন মক্কেল বা একটি নীতি থাকে। রাজনৈতিক দর্শকরা স্বভাবগতভাবে অসাধু নয়, বা তারা অন্যের অসাধুতা বা মিথ্যা উপস্থাপন পছন্দ বা অনুমোদন করে না। তবে তারা এমন দর্শক যারা গভীর কোনো যুক্তি অনুসরণ করতে পুরোপুরি প্রস্তুত নয়। আর একজন বক্তা দর্শকদের মনে একটি অনুকূল ছাপ ফেলতে চান, একটি নীতির পক্ষে সমর্থন আদায় করতে চান। এটি সহজেই বোঝা যায় যে কীভাবে এটি শব্দের মুদ্রামূল্য কমিয়ে দিতে পারে এবং এমন সব প্রতিশ্রুতি ছড়িয়ে দিতে পারে যা কখনোই পূরণ করা সম্ভব নয়।
**দ্য ইউনিভার্সিটি অফ এডিনবার্গের লর্ড রেক্টর হিসেবে তার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেওয়া ভাষণ (৬ নভেম্বর ১৯২৫), ''অন ইংল্যান্ড, অ্যান্ড আদার অ্যাড্রেসেস'' (১৯২৬), পৃষ্ঠা ৮৯-৯০-এ উদ্ধৃত।
*মানুষ যেসব ভালো জিনিস উপভোগ করে, তার জন্য তাকে যে মূল্য চোকাতে হয় তা হলো অবিরাম সতর্কতা, যাতে সেগুলো কোনো খারাপ কাজে ব্যবহার করা না হয়। ইতিহাসের শুরু থেকেই কি পানীয়, ভাষা এবং স্বাধীনতার ক্ষেত্রে এই কথাটি সত্য নয়? ...আসুন আমরা [[ম্যাকিয়াভেলি|ম্যাকিয়াভেলির]] বদলে [[হুগো গ্রোশিয়াস|গ্রোটিয়াসের]] মতো জনঅধিকার এবং আন্তর্জাতিক আইনের পক্ষে দাঁড়াই; আসুন আমরা আমাদের সরকারি আলাপ-আলোচনাগুলোকে আরও নৈতিক করে তোলার চেষ্টা করি এবং কপটতা ও প্রতারণার জায়গা কমিয়ে আনি। এটি কেবল আমাদের সেরা মানুষদেরই একটি গৃহীত নীতি নয়, বরং আমি নিশ্চিত যে এটি ব্রিটিশ জনগণের এক গভীর প্রবৃত্তি বা স্বভাবের সাথেও মিলে যায়। এটি ১৯১৪ সালের আগস্টে প্রমাণিত হয়েছিল যখন এটি পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল যে '''নৈতিকতা রাজনীতির কোনো শাখা নয়, বরং রাজনীতিই নৈতিকতার শাখা'''। এটি লিগ অব নেশনস-এ আমাদের সমর্থনের মূলেও রয়েছে।
**দ্য ইউনিভার্সিটি অফ এডিনবার্গের লর্ড রেক্টর হিসেবে তার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেওয়া ভাষণ (৬ নভেম্বর ১৯২৫), ''অন ইংল্যান্ড, অ্যান্ড আদার অ্যাড্রেসেস'' (১৯২৬), পৃষ্ঠা ৯১-এ উদ্ধৃত।
*মৌলিক প্রশ্নটি হলো, একজন ব্যক্তির সব ধরনের স্বভাব বা বৈশিষ্ট্যগুলো তার কাজে কীভাবে সবচেয়ে ভালোভাবে কাজে লাগানো যায়... [[শিল্পবিপ্লব|শিল্পবিপ্লবের]] এই হতাশাজনক দিকগুলো কারখানার ভেতরে যা-ই বয়ে আনুক না কেন, কারখানার বাইরে একটি অত্যন্ত খারাপ জিনিস বয়ে আনার প্রবণতা এদের মধ্যে ছিল। আর তা হলো কাজের প্রতিই এক ধরনের অনীহা। কাজকে যদি রুচিসম্মতভাবে উপস্থাপন করা যায়, তবে আমি নিশ্চিত নই যে সাধারণ মানুষ এটি পছন্দ করবে না, যদি না তারা পর্যাপ্ত বিনোদনের সুযোগ পায়। '''আসল শত্রু হলো অতিরিক্ত কাজ, কম বেতন, নিরাপত্তাহীনতা এবং খারাপ পরিস্থিতি'''... আমরা যা সম্ভব তাকে বাড়িয়ে বলতে পারি না। আপনি একঘেয়েমি কাজ পুরোপুরি বন্ধ করতে পারবেন না; এমনকি কোনো সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রেও পারবেন না। সর্বোপরি, একজন শ্রমিকের জীবনের একঘেয়েমি অনেকটাই নির্ভর করে ভোক্তাদের চাহিদার একঘেয়েমির ওপর। যদি কোনো মানুষ প্রতিদিন একই জিনিস চায়, তবে যে মানুষটি সেটি তৈরি করছে তার কাজ একঘেয়ে হবেই।
**ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডাস্ট্রিয়াল সাইকোলজিতে দেওয়া ভাষণ (১২ নভেম্বর ১৯২৫), ''অন ইংল্যান্ড, অ্যান্ড আদার অ্যাড্রেসেস'' (১৯২৬), পৃষ্ঠা ৫৫-৫৬-এ উদ্ধৃত।
==== ১৯২৬ ====
[[Image:KingBaldwin1926.jpg|thumb|রাজনীতিকে যদি সঠিকভাবে দেখা যায়, তবে তা সত্যিই এক ধরনের ধর্মীয় সেবার (মিনিস্ট্রি) মতো।]]
*কেন [[রোম সাম্রাজ্য|রোমান সাম্রাজ্যের]] উত্থান হয়েছিল এবং কেনই বা উত্থানের পর তার পতন ঘটেছিল? ...সাম্রাজ্যের উত্থানে রোমানদের চরিত্র যেমন ভূমিকা রেখেছিল, পতনের ক্ষেত্রেও কি ঠিক তেমনই ভূমিকা রাখেনি? ...আমার কাছে রোমান চরিত্রের সবচেয়ে বড় এবং অনন্য শক্তি হলো ''pietas (নিষ্ঠা)'' ও ''gravitas (গাম্ভীর্য)'' শব্দ দুটির মধ্যে। এগুলোই ছিল সেই দেশপ্রেমের ভিত্তি, যা একাই সাম্রাজ্যের বোঝা বইতে পারত। এই দেশপ্রেম ছিল সহজাত, অসীম ক্ষমতার এক চালিকাশক্তি। অথচ এটি এতটাই পবিত্র ছিল যে, একে নিয়ে কখনোই বড়াই করা হয়নি, কোনো পুরস্কারের আশা করা হয়নি, একে খুব স্বাভাবিক বলেই ধরে নেওয়া হতো এবং একে প্রকাশ করার মতো কোনো একক শব্দও ছিল না।
**ক্লাসিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের কাছে দেওয়া ভাষণ (৮ জানুয়ারি ১৯২৬), ''অন ইংল্যান্ড, অ্যান্ড আদার অ্যাড্রেসেস'' (১৯২৬), পৃষ্ঠা ১০৩-১০৪-এ উদ্ধৃত।
*''Pietas'' ও ''gravitas'' (তথা নিষ্ঠা ও গাম্ভীর্যের) ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা চরিত্রের শেকড় ছিল সত্যের গভীরে। আর আমি এ কথা ভেবে গর্ববোধ করি যে, ইংরেজি শব্দটি রোমান শব্দের চেয়ে কোনো অংশেই কম সম্মানজনক নয়... রোমান সৈন্যদল যখন ব্রিটেন ছাড়ছিল, তখন অ্যামিয়ান লিখেছিলেন, রোমানদের কথার ওপর আর ভরসা করা যায় না। তার এই লেখা থেকেই আমরা তা জানতে পারি। '''শহরগুলোতে জনসংখ্যার ভিড়, অপরিসীম বিলাসিতা এবং সম্পদের স্থায়ী উৎসগুলোর নিঃশেষ হয়ে যাওয়া—এসবের চেয়েও এটি আমার কাছে অনেক বেশি তাৎপর্যপূর্ণ একটি অশনিসংকেত বলে মনে হয়। কারণ এই সব কিছু মিলে সেই চরিত্রটিকেই দুর্বল করে দিয়েছিল, রাষ্ট্রের বেঁচে থাকার জন্য যার টিকে থাকাটা অপরিহার্য ছিল।'''
**ক্লাসিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের কাছে দেওয়া ভাষণ (৮ জানুয়ারি ১৯২৬), ''অন ইংল্যান্ড, অ্যান্ড আদার অ্যাড্রেসেস'' (১৯২৬), পৃষ্ঠা ১০৫-এ উদ্ধৃত।
*আজ যারা সরকার পরিচালনার দায়িত্বে আছেন, তাদের মনে এক ধরনের ভয় কাজ করছে। সেই ভয় এখনও আমাদের গলা চেপে ধরেনি ঠিকই, তবে গোধূলির আলোয় এক ভয়ংকর রূপ নিচ্ছে। ভয়টা হলো, [[প্রথম বিশ্বযুদ্ধ|মহামহাবুদ্ধ]] এত বিপুল সংখ্যক সেরা জীবন কেড়ে নেওয়ার কারণে সাম্রাজ্যের কাজ চালিয়ে নেওয়ার মতো যথেষ্ট উপযুক্ত মানুষ হয়তো আর অবশিষ্ট নেই। আমাদের কাজ এমনিতেই অনেক কঠিন, তবে তা সম্পন্ন হবে; '''তবুও ইউরোপের কে না জানে যে, পশ্চিমে যদি আর একটি যুদ্ধ হয়, তবে যুগের পর যুগ ধরে গড়ে ওঠা সভ্যতা রোমের মতোই এক ভয়ংকর পতনের সম্মুখীন হবে? সে রাস্তার মোড়ে মোড়ে বিপদের সংকেত রেখে গেছে; এখন সেগুলো পড়ার দায়িত্ব আমাদের।'''
**ক্লাসিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের কাছে দেওয়া ভাষণ (৮ জানুয়ারি ১৯২৬), ''অন ইংল্যান্ড, অ্যান্ড আদার অ্যাড্রেসেস'' (১৯২৬), পৃষ্ঠা ১০৬-এ উদ্ধৃত।
*আমি যেহেতু বিশ্বাস করি যে বিশ্বের অনেক সভ্যতা ও সংস্কৃতি পশ্চিম ইউরোপের জীবনের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত, তাই আমাদের জন্য এটি মনে রাখা ভালো যে, ঐতিহাসিক সময়ে আমরা পশ্চিম ইউরোপীয়রা একসঙ্গে একটি বিশাল সাম্রাজ্যের সদস্য ছিলাম। এবং আমরা ভাষা, আইন এবং ঐতিহ্য—যদিও ভিন্ন মাত্রায়—একে অপরের সাথে ভাগ করে নিই। '''একই মায়ের কাছ থেকে নাগরিকত্বের প্রথম পাঠ শেখা জাতিগুলোর মধ্যে যুদ্ধ হওয়াটা আমার কাছে ভ্রাতৃঘাতী উন্মাদনা বলেই মনে হয়।'''
**ক্লাসিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের কাছে দেওয়া ভাষণ (৮ জানুয়ারি ১৯২৬), ''অন ইংল্যান্ড, অ্যান্ড আদার অ্যাড্রেসেস'' (১৯২৬), পৃষ্ঠা ১০৭-এ উদ্ধৃত।
*অ্যাথেন্স এবং রোমে... প্রতিটি চূড়ান্ত সমস্যাই তাদের ছিল, যেমনটা এখন আমাদের। আর আপনি তাদের আবেদনে যত বেশি নিজের আত্মাকে উন্মুক্ত করবেন, হোঁচট খাওয়া মানবতার প্রতি আপনার করুণা তত গভীর হবে। আপনি মানব পরিবারকে ছিন্নভিন্ন করার চেয়ে বরং তাদের একত্রে বাঁধতে তত বেশি আগ্রহী হবেন। এটা কোনো অন্ধ নিয়তি নয় যে আমাদের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একজন পণ্ডিত তার জীবনকে [[w:সম্মিলিত_জাতিপুঞ্জ|লিগ অফ নেশনসের]] আদর্শের জন্য উৎসর্গ করেছেন। বরং এটি সেই গ্রিকদের ব্যর্থতা মোচনে অবদান রাখার ইচ্ছা থেকেই এসেছে, যাদেরকে বুঝতে তিনি জীবিত যেকোনো মানুষের চেয়ে এই আধুনিক বিশ্বকে বেশি সাহায্য করেছেন।
**[[গিলবার্ট মারে|গিলবার্ট মারেকে]] নিয়ে ক্লাসিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের কাছে দেওয়া ভাষণ (৮ জানুয়ারি ১৯২৬), ''অন ইংল্যান্ড, অ্যান্ড আদার অ্যাড্রেসেস'' (১৯২৬), পৃষ্ঠা ১১৫-১১৬-এ উদ্ধৃত।
*দেশের এখন অন্য একজন [[জন ওয়েসলি|ওয়েসলি]] বা [[জর্জ হোয়াইটফিল্ড|হোয়াইটফিল্ডের]] মতো আর কাউকে এতটা প্রয়োজন নেই... আজ বিশ্বকে খ্রিস্টীয় যুগে অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি [[অধর্ম|ধর্মহীন]] বলে মনে হচ্ছে। দায়িত্বজ্ঞানহীন আনন্দ-সন্ধান এবং অপব্যয়ী বিলাসিতা এখন চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে; আমাদের শৈশবে গির্জায় যাওয়ার যে চল ছিল, তা এখন আর নেই; এবং যাজকপদের (মিনিস্ট্রি) জন্য প্রার্থীদের সংখ্যাও আগের বছরগুলোর তুলনায় কমে গেছে। কিন্তু আমি বিশ্বাস করি এই পরিস্থিতি কেটে যাবে।
**ল্যাংহ্যাম হোটেলে দেওয়া ভাষণ (১১ ফেব্রুয়ারি ১৯২৬), ''অন ইংল্যান্ড, অ্যান্ড আদার অ্যাড্রেসেস'' (১৯২৬), পৃষ্ঠা ১৯৫-১৯৬-এ উদ্ধৃত।
*আমি সেখানে, বিশেষ করে লেবার পার্টির মধ্যে এমন অনেক লোককে দেখি যারা পঞ্চাশ বছর আগে নিশ্চিতভাবেই খ্রিস্টান যাজকপদে (মিনিস্ট্রি) যোগ দিতেন। জনগণকে সাহায্য করার গভীর আকাঙ্ক্ষা থেকেই তারা রাজনৈতিক জীবনে আকৃষ্ট হয়েছেন। আজকাল সব দলেই এমন মানুষ দেখা যায়... আমি অবশ্যই অনেক পর্যবেক্ষকের সাথে একমত যে, যুদ্ধের পর থেকে [[শয়তান|শয়তানের]] স্পষ্ট শক্তিগুলো আরও বেশি মাত্রায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। কিন্তু এই শক্তিগুলোর প্রকাশই আবার অন্যান্য শক্তিগুলোকে মাঠে নামার আহ্বান জানাচ্ছে।
**ল্যাংহ্যাম হোটেলে দেওয়া ভাষণ (১১ ফেব্রুয়ারি ১৯২৬), ''অন ইংল্যান্ড, অ্যান্ড আদার অ্যাড্রেসেস'' (১৯২৬), পৃষ্ঠা ১৯৬-এ উদ্ধৃত।
*'''রাজনীতিকে যদি সঠিকভাবে দেখা যায়, তবে তা সত্যিই এক ধরনের ধর্মীয় সেবার (মিনিস্ট্রি) মতো।'''
**ল্যাংহ্যাম হোটেলে দেওয়া ভাষণ (১১ ফেব্রুয়ারি ১৯২৬), ''অন ইংল্যান্ড, অ্যান্ড আদার অ্যাড্রেসেস'' (১৯২৬), পৃষ্ঠা ১৯৭-এ উদ্ধৃত।
* '''আমি একজন শান্তির মানুষ। আমি শান্তির জন্য আকুল আকাঙ্ক্ষা করছি, কাজ করছি এবং প্রার্থনা করছি। কিন্তু আমি ব্রিটিশ সংবিধানের নিরাপত্তা এবং সুরক্ষার সাথে কোনো আপস করব না।''' আপনারা আঠারো মাস আগে আমাকে ক্ষমতায় বসিয়েছেন। অনেক অনেক বছর পর কোনো দলকে দেওয়া সবচেয়ে বড় সংখ্যাগরিষ্ঠতা দিয়ে আপনারা আমাকে নির্বাচিত করেছেন। আমি কি এমন কিছু করেছি যার জন্য সেই বিশ্বাস হারাতে পারি? মানুষে মানুষে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে এবং একটি ন্যায্য ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে আপনারা কি আমার ওপর ভরসা রাখতে পারেন না?
** সাধারণ ধর্মঘট নিয়ে বিবিসি রেডিওতে দেওয়া ভাষণ (৮ মে ১৯২৬), কিথ মিডলমাস এবং জন বার্নসের লেখা ''বল্ডউইন : এ বায়োগ্রাফি'' (১৯৬৯), পৃষ্ঠা ৪১৫-তে উদ্ধৃত। *খাদ্য সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ, সব ধরনের [[পরিবহন]] ব্যবস্থা অধিগ্রহণ, শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং বন্দরগুলোতে থাকা কয়লা রপ্তানি বন্ধ করতে সরকার জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিল। মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে এমন সব বিস্ময়কর ঘটনা ঘটেছিল, যা আমাদের চেয়ে কম সুশৃঙ্খল কোনো জাতির মধ্যে ঘটলে দাঙ্গা এবং বিপ্লব অনিবার্য ছিল। '''কিন্তু আমাদের জাতি কোনো অপরিপক্ব বা অনভিজ্ঞ জাতি নয়। আমাদের দেশ তার সেরা ঐতিহ্য বজায় রেখে মাথা ঠান্ডা রেখেছিল। আর মাথা ঠান্ডা রেখেই সারা বিশ্বের প্রশংসা—এমনকি অনিচ্ছাকৃত প্রশংসাও—আদায় করে নিয়েছিল।'''
**সাধারণ ধর্মঘট নিয়ে চিপেনহ্যামে দেওয়া ভাষণ (১২ জুন ১৯২৬), ''আওয়ার ইনহেরিট্যান্স'' (লন্ডন: হোডার অ্যান্ড স্টোটন, ১৯৩৮), পৃষ্ঠা ১৫৯-এ উদ্ধৃত।
*এটি স্বীকার করা হয়েছিল, এবং ন্যায্যভাবেই স্বীকার করা হয়েছিল যে, যখন বিপুল সংখ্যক শ্রমিক একজোট হয়, তখন তাদের পক্ষে এককভাবে সেই শক্তিশালী ব্যবস্থাপনার সাথে দরকষাকষি করা সম্ভব নয়, যারা এই বিপুল সংখ্যক শ্রমিককে নিয়ন্ত্রণ করে। এমনটা আশা করাও তাদের প্রতি সুবিচার নয়। তাই কার্যকর চুক্তির স্বাধীনতা নিশ্চিত করার জন্যই, নিজেদের অবস্থার উন্নতির উদ্দেশ্যে একে অপরের সাথে যুক্ত হওয়ার অধিকার মানুষকে দেওয়া হয়েছিল। শিল্পের নতুন পরিস্থিতির সাথে খাপ খাইয়ে নিতেই ট্রেড ইউনিয়নগুলোর জন্ম হয়েছিল, যেমনটা আমরা আজ দেখি। তখন এটি অপরিহার্য ছিল, এবং সেই উদ্দেশ্যের জন্য এটি ভবিষ্যতেও অপরিহার্য থাকবে। এই দেশই হলো এ ধরনের জোটবদ্ধ হওয়ার জন্মস্থান—'''এই দেশ, যা বৈধ এবং বিবর্তনমূলক উপায়ে মানবজাতিকে মুক্ত করার প্রতিটি প্রচেষ্টার জন্মস্থান। অন্যান্য এবং অপেক্ষাকৃত কম সৌভাগ্যবান দেশগুলোর প্রচেষ্টা ব্যর্থতা ও বিপর্যয়ে তলিয়ে যাওয়ার অনেক পরও এই দেশ এভাবেই তার ধারা বজায় রাখবে।'''
**চিপেনহ্যামে দেওয়া ভাষণ (১২ জুন ১৯২৬), ''আওয়ার ইনহেরিট্যান্স'' (লন্ডন: হোডার অ্যান্ড স্টোটন, ১৯৩৮), পৃষ্ঠা ১৬১-তে উদ্ধৃত।
*যুদ্ধের দুই বছর আগে [[এইচ. এইচ. অ্যাসকুইথ|লর্ড অক্সফোর্ডের]] তৎকালীন সরকারকে ধর্মঘটের মহামারির মুখোমুখি হতে হয়েছিল। এক পেশার মানুষের বিরোধ সবার বিরোধে পরিণত হয়েছিল। এটি ছিল সহমর্মিতার ধর্মঘট... এক দল নেতার হাতে এটি হয়তো শ্রমিকদের অবস্থার উন্নতির জন্য নিয়োগকর্তাদের ওপর চাপ সৃষ্টির চেয়ে বেশি কিছু ছিল না। কিন্তু অন্যদের হাতে এটি এমন এক অস্ত্রে পরিণত হয়েছিল, যা দিয়ে শ্রেণিসংগ্রাম—যাকে তখন শ্রেণিসংগ্রাম বলা শুরু হয়েছিল—পরিচালনা করা যায়। আর সাধারণ ধর্মঘট, যা নিয়ে তখন প্রথম আলোচনা শুরু হয়েছিল, তা হয়ে উঠেছিল এমন এক চরম হাতিয়ার যার মাধ্যমে পুরো সমাজকে হয় অনাহারে রেখে অথবা ভয় দেখিয়ে এর প্রবর্তকদের ইচ্ছার কাছে নতিস্বীকার করতে বাধ্য করা যেতে পারে। একই আন্দোলনের মধ্যে দুটি ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি কাজ করছিল: পুরোনো নিয়মতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি... আলোচনা করা, সম্মিলিতভাবে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা এবং আলোচনা ব্যর্থ হলে ধর্মঘটের আশ্রয় নেওয়া। অন্যদিকে, ট্রেড ইউনিয়নের এই বিশাল সংগঠনটিকে এমন এক যন্ত্রে পরিণত করার চেষ্টা, যা দিয়ে ব্যক্তিমালিকানাধীন উদ্যোগের ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে সার্বজনীন রাষ্ট্রীয় কর্মসংস্থানের একটি ব্যবস্থা স্থাপন করা যায়... এরপর কী হবে তা কখনোই খুব একটা পরিষ্কার ছিল না। শুধু এটুকু পরিষ্কার ছিল যে, বিদ্যমান ব্যবস্থাকে ভেঙে ফেলাই হলো প্রথম প্রয়োজনীয়তা। এটি ছিল অতীতের সাথে এক গভীর বিচ্ছেদ, এবং এর উৎপত্তি হয়েছিল বিদেশি উৎস থেকে। আর সেইসব বিদেশি বিপ্লবী দৃষ্টান্তগুলোর মতোই এটিও মূলত অত্যন্ত গোপনীয় এবং গুপ্ত ছিল। চুক্তি এবং চুক্তিনামার প্রতি এই ধরনের দৃষ্টিভঙ্গি ব্রিটিশদের খোলাখুলি এবং সৎ লেনদেনের ঐতিহ্য থেকে সরে আসা। এই প্রোপাগান্ডা হলো ঘৃণা এবং ঈর্ষার প্রোপাগান্ডা।
**চিপেনহ্যামে দেওয়া ভাষণ (১২ জুন ১৯২৬), ''আওয়ার ইনহেরিট্যান্স'' (লন্ডন: হোডার অ্যান্ড স্টোটন, ১৯৩৮), পৃষ্ঠা ১৬৪-১৬৫-তে উদ্ধৃত।
*ধর্মঘটকারীদের ভালো গুণাবলির প্রতি এটি একটি বড় সম্মান যে তারা তাদের নির্দেশনার প্রতি আনুগত্যে শৃঙ্খলা এবং সংযমের প্রমাণ দিয়েছে। তারা আমাদেরই দেশের মানুষ। তাদের অনেকেই কেবল আনুগত্যের অনুভূতি থেকেই নির্দেশ পালন করেছে, যদিও তারা নিজেরাই সেই নির্দেশগুলো পছন্দ করেনি। কিন্তু যদি সেই ধর্মঘট সফল হতো, তবে তা কেবল খনি শ্রমিকদের জন্যই নয়, বরং সমগ্র দেশের জন্যই শিল্পক্ষেত্রে ধ্বংস ডেকে আনত।
**সাধারণ ধর্মঘট নিয়ে চিপেনহ্যামে দেওয়া ভাষণ (১২ জুন ১৯২৬), ''আওয়ার ইনহেরিট্যান্স'' (লন্ডন: হোডার অ্যান্ড স্টোটন, ১৯৩৮), পৃষ্ঠা ১৬৭-তে উদ্ধৃত।
*এটি হয়তো শ্রমিকদের সংহতির এক চমৎকার প্রদর্শন হতে পারত। কিন্তু একই সাথে, সবার মঙ্গলের জন্য একসঙ্গে বসবাস ও কাজ করার ক্ষেত্রে আমাদের সবার ব্যর্থতার এক অত্যন্ত হৃদয়বিদারক প্রমাণও ছিল এটি। যেসব নেতারা ভুল পথে পা বাড়িয়েছিলেন, কোনো শর্ত ছাড়াই সেই অবস্থান থেকে সরে আসতে যে সাহসের প্রয়োজন ছিল, আমি তার প্রশংসা করি... এখন যেসব সমালোচক তাদের সোজা পথে না চলার জন্য দোষারোপ করছেন, তাদের চেয়ে ঐ নেতাদের অনেক বেশি সাহসের প্রয়োজন হয়েছিল। কিন্তু সেই ধর্মঘট যদি খনি শ্রমিকদের প্রতি সংহতি বা সহানুভূতি—বা আপনি যা-ই বলুন না কেন—দেখিয়ে থাকে, তবে এটি তার চেয়েও অনেক বড় কিছু দেখিয়েছিল। '''এটি আমাদের দেশের পুরো কাঠামোর স্থিতিশীলতা প্রমাণ করেছিল, এবং পুরো বিশ্বকে অবাক করে দিয়ে একটি গুলিও ছোড়া হয়নি। আমাদের দেশের মানুষের কাণ্ডজ্ঞান এবং ভালো মেজাজের কারণেই আমরা রক্ষা পেয়েছি।'''
**সাধারণ ধর্মঘট নিয়ে চিপেনহ্যামে দেওয়া ভাষণ (১২ জুন ১৯২৬), ''আওয়ার ইনহেরিট্যান্স'' (লন্ডন: হোডার অ্যান্ড স্টোটন, ১৯৩৮), পৃষ্ঠা ১৬৭-১৬৮-তে উদ্ধৃত।
*আমাদের মানুষ পার্লামেন্টকে ছুড়ে ফেলে দিয়ে [[পুঁজিবাদ|পুঁজিপতি]] বা [[ট্রেড ইউনিয়ন|ট্রেড ইউনিয়নিস্টদের]] [[রাজাদের ঐশ্বরিক অধিকার|ঐশ্বরিক অধিকার]] প্রতিষ্ঠা করতে যাচ্ছে না। আর আমরা এদের কারও [[স্বৈরতন্ত্র|স্বৈরতন্ত্রের]] কাছেই মাথা নত করতে যাচ্ছি না... আমি দেখতে চাই আমাদের ব্রিটিশ লেবার আন্দোলন বিদেশি এবং ভিন্নমতের চিন্তাধারা থেকে মুক্ত থাকুক। আমি দেখতে চাই এটি ইংরেজদের দ্বারাই পরিচালিত হয়ে ইংরেজি ধাঁচেই এগোচ্ছে এবং বিকশিত হচ্ছে।
**চিপেনহ্যামে দেওয়া ভাষণ (১২ জুন ১৯২৬), ''আওয়ার ইনহেরিট্যান্স'' (লন্ডন: হোডার অ্যান্ড স্টোটন, ১৯৩৮), পৃষ্ঠা ১৬৯-১৭০-এ উদ্ধৃত।
*'''অবিরাম সংঘাত কেবল দারিদ্র্য এবং নিপীড়নের দিকেই নিয়ে যেতে পারে। একমাত্র শান্তিই দারিদ্র্য এবং নিপীড়নের এই দুই ভূতকে দূর করতে পারে।'''
**চিপেনহ্যামে দেওয়া ভাষণ (১২ জুন ১৯২৬), ''আওয়ার ইনহেরিট্যান্স'' (লন্ডন: হোডার অ্যান্ড স্টোটন, ১৯৩৮), পৃষ্ঠা ১৭১-এ উদ্ধৃত।
*আপনাদের বুঝতে হবে যে আমরা যে বছরগুলোতে বাস করছি, যে বছরগুলোতে আমরা প্রবেশ করছি, সেগুলো অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি করে গণতন্ত্রের আসল পরীক্ষার সময় হতে যাচ্ছে... আমরা এই দেশে সবকিছু তালগোল পাকিয়ে ফেলতে পারি; আর যদি আমরা তা করি, তবে আমরা এর চেয়েও অনেক খারাপ কিছু পাব—আমরা কোনো না কোনো ধরনের স্বৈরতন্ত্র পাব। আমি জানি না সেটি কোন ধরনের স্বৈরতন্ত্র হতে পারে। '''এটি কমিউনিস্ট স্বৈরতন্ত্র হতে পারে; আবার অন্য দিকের কোনো স্বৈরতন্ত্রও হতে পারে। কিন্তু আপনারা যদি একটি সুস্থ ও স্বাভাবিক গণতন্ত্র গড়ে তুলতে না পারেন, তবে সেটাই হবে দেশের পরিণতি।'''
**কিংসওয়ে হলে জুনিয়র ইম্পেরিয়াল লিগের ত্রিশতম বার্ষিকীতে দেওয়া ভাষণ (১৯ জুন ১৯২৬), ''আওয়ার ইনহেরিট্যান্স'' (লন্ডন: হোডার অ্যান্ড স্টোটন, ১৯৩৮), পৃষ্ঠা ১৭-১৮-তে উদ্ধৃত।
*যদি আমাকে জিজ্ঞেস করা হয়, রাজনৈতিক কোনো বিষয়, আইন প্রণয়ন বা রাজনৈতিক পদক্ষেপ বিচার করার সময় কোন দুটি মূল নীতি আমাদের সবসময় মনে রাখা উচিত, তবে আমি বলব কাণ্ডজ্ঞান এবং এই দেশের সবচেয়ে মূল্যবান জিনিসটির সংরক্ষণ—আর তা হলো ব্যক্তি স্বাধীনতা। এই মানদণ্ডগুলো প্রয়োগ করলে আপনি খুব কমই ভুল পথে যাবেন। আজ অনেকেই মনে করেন আইন প্রণয়নের মাধ্যমেই বিশ্বের সব রোগ সারানো সম্ভব। কিন্তু তাদের প্রস্তাবিত আইনটি দৈনন্দিন জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতার সাথে মানানসই কি না এবং তা ব্যক্তির স্বাধীনতাকে ক্ষুণ্ণ করছে কি না, তা আপনাকে যাচাই করে দেখতে হবে। আর যদি এই বিষয়গুলোতে আপনি সন্তুষ্ট হতে না পারেন, তবে নিশ্চিত থাকতে পারেন যে দীর্ঘমেয়াদে সেই আইন উপকারের চেয়ে ক্ষতিই বেশি করবে।
**কিংসওয়ে হলে জুনিয়র ইম্পেরিয়াল লিগের ত্রিশতম বার্ষিকীতে দেওয়া ভাষণ (১৯ জুন ১৯২৬), ''আওয়ার ইনহেরিট্যান্স'' (লন্ডন: হোডার অ্যান্ড স্টোটন, ১৯৩৮), পৃষ্ঠা ১৮-১৯-এ উদ্ধৃত।
*আমাদের দেশে স্বাধীনতার ধারণাটি এতটাই মূল্যবান, এতটাই পবিত্র এবং যুগ যুগ ধরে সংগ্রামের ফল হিসেবে অর্জিত যে, আমি নিশ্চিত ছিলাম অন্য কোনো দেশে এমনটা নেই। অন্যান্য দিক দিয়ে তারা আমাদের চেয়ে যত সুবিধাতেই থাকুক না কেন, এই দেশের মতো আর কোথাও স্বাধীনতাকে এত মূল্যবান মনে করা হয় না বা সেভাবে দেখা হয় না। আর এটি অর্জনের ক্ষেত্রে বিশ্বের এমন কোনো দেশ নেই যারা সব পরিস্থিতিতে আমাদের কিছু শেখাতে পারে।
**কিংসওয়ে হলে জুনিয়র ইম্পেরিয়াল লিগের ত্রিশতম বার্ষিকীতে দেওয়া ভাষণ (১৯ জুন ১৯২৬), ''আওয়ার ইনহেরিট্যান্স'' (লন্ডন: হোডার অ্যান্ড স্টোটন, ১৯৩৮), পৃষ্ঠা ১৯-এ উদ্ধৃত।
*আমার মতে ১৯১৪ সালের আগস্টের চেয়ে ৪৯০ খ্রিস্টপূর্বাব্দের সেপ্টেম্বর মাসটি ইউরোপের ভাগ্য নির্ধারণে আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল। পশ্চিমা সভ্যতা... তার শৈশবেই ম্যারাথনে রক্ষা পেয়েছিল, এবং দশ বছর পর লিওনিদাস এবং সালামিসের মানুষদের দ্বারা... যদি সেই দশকটি না থাকত, তবে [[পূর্ব/মধ্য ইউরোপ|পূর্ব ইউরোপকে]] প্রাচ্যমুখী হওয়া থেকে আটকানোর মতো কিছুই থাকত না। তখন ইউরোপের আধিপত্যের চূড়ান্ত লড়াইটা কেবল [[হাখমানেশি সাম্রাজ্য|পারসিক]] এবং [[প্রাচীন কার্থেজ|কার্থাজিনিয়ানদের]] মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকত। [[প্রাচীন গ্রিস|গ্রিকরা]] না থাকলে আমরা আজ যে সভ্যতা চিনি, তার অস্তিত্বই থাকত না। আমরা সবাই হয়তো কালো চামড়ার, লম্বা নাকের মানুষ হতাম... '''[[ইংল্যান্ড]] হলো [[স্বাধীনতা]] এবং মুক্ত প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক আবাস। বিশ্বের জন্য এই আশীর্বাদগুলো নিশ্চিত করার প্রচেষ্টায় হেলাসের (প্রাচীন গ্রিস) কাছে তার ঋণ স্বীকার করতে তার চেয়ে বেশি ত্বরিত অন্য কোনো দেশের হওয়া উচিত নয়।'''
**লন্ডনে ব্রিটিশ স্কুল অ্যাট অ্যাথেন্সের বার্ষিক সভায় দেওয়া ভাষণ (২ নভেম্বর ১৯২৬), ''আওয়ার ইনহেরিট্যান্স'' (লন্ডন: হোডার অ্যান্ড স্টোটন, ১৯৩৮), পৃষ্ঠা ২০৫-এ উদ্ধৃত।
==== ১৯২৭ ====
*...সেই উগ্র জাতীয়তাবাদী মানসিকতা যা প্রায়শই আধুনিক ইউরোপের জন্য অভিশাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে। '''একটি সত্যিকারের জাতীয় অনুভূতি গড়ে তোলার এবং আপনার নিজের দেশকে তার প্রাপ্য গৌরবের আসনে বসানোর সবচেয়ে ভালো উপায় হলো অন্যান্য জাতির সাথে মিলেমিশে এবং সমগ্র বিশ্বের উন্নতির একমাত্র লক্ষ্য নিয়ে তা করা।''' যুদ্ধের পর থেকে আমরা কেবল মোহভঙ্গেই ভুগিনি; আমরা নিজেদের এবং বিশ্ব সম্পর্কে অনেক বেশি বাস্তববাদী দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করছি... '''[[জাতীয়তাবাদ]] অনেক কুৎসিত রূপ নিতে পারে। দেখে মনে হচ্ছে ধর্ম বা স্বাধীনতার নামের মতোই এর নামেও অনেক অপরাধ সংঘটিত হবে।''' প্রকৃতপক্ষে, সমস্যার মূল কারণ হলো জাতীয়তাবাদীরা ধর্মের পোশাক পরতে পছন্দ করে... '''একপেশে বুদ্ধিজীবীদের প্রচারণার ফলে নিজের দেশের প্রতি ভালোবাসা প্রতিবেশীর দেশের প্রতি ঘৃণায় পরিণত হয়েছে। এই বুদ্ধিজীবীরা সাধারণত অন্যদের জন্য যে আত্মত্যাগের ব্যবস্থা করে, নিজেরা ঠিকই তা থেকে পালিয়ে বাঁচে।'''
**কার্ডিফে সেন্ট ডেভিডস ডে ব্যাঙ্কোয়েটে দেওয়া ভাষণ (১ মার্চ ১৯২৭), ''আওয়ার ইনহেরিট্যান্স'' (লন্ডন: হোডার অ্যান্ড স্টোটন, ১৯৩৮), পৃষ্ঠা ৪৬-৪৭-এ উদ্ধৃত।
*যে শেকড় আমাদের জন্মভূমি এবং জন্মভাষার সাথে বেঁধে রাখে, তা ধ্বংস করলে আমাদের আত্মার স্বাস্থ্যেরই ক্ষতি হবে। '''দেশের প্রতি ভালোবাসা এক গভীর এবং সর্বজনীন প্রবৃত্তি, যা প্রাচীন স্মৃতি এবং সূক্ষ্ম সংযোগে ভরপুর। যেসব মানুষ অস্পষ্ট এবং পানসে বিশ্বজনীনতার লোভে তাদের জাতীয় আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যকে অস্বীকার করে, তারা মানুষের চেয়েও অধম হয়ে যায়; তারা তাদের ব্যক্তিত্বকে অভুক্ত রাখে এবং খর্ব করে; তারা একধরনের রাজনৈতিক নপুংসকে পরিণত হয়।'''
**কার্ডিফে সেন্ট ডেভিডস ডে ব্যাঙ্কোয়েটে দেওয়া ভাষণ (১ মার্চ ১৯২৭), ''আওয়ার ইনহেরিট্যান্স'' (লন্ডন: হোডার অ্যান্ড স্টোটন, ১৯৩৮), পৃষ্ঠা ৫০-এ উদ্ধৃত।
*আজ আমাদের সাম্রাজ্যের চিন্তায় পতাকা ওড়ানো বা মানচিত্র লাল রঙে রাঙানোর অহংকার করার মতো কিছুই নেই। না! কেবল সেই জাতির প্রতি গর্ববোধ আছে যে জাতি থেকে আমাদের উদ্ভব—এমন এক গর্ব যা আমাদের নিজেদের চোখেই আমাদের বিনীত করে এবং আমাদের যে উত্তরাধিকার এবং দায়িত্ব রয়েছে, তার যতটা সম্ভব যোগ্য করে তুলতে সংকল্পবদ্ধ করে।
**লন্ডনের ১০ ডাউনিং স্ট্রিট থেকে সম্প্রচার (২৪ মে ১৯২৭), ''আওয়ার ইনহেরিট্যান্স'' (লন্ডন: হোডার অ্যান্ড স্টোটন, ১৯৩৮), পৃষ্ঠা ৬০-এ উদ্ধৃত।
*...এখনও কেবল আমাদের জন্যই এমন সব সুযোগ রয়েছে যা অন্যান্য জাতিদের জন্য উন্মুক্ত নয়। বিশ্বের প্রায় যেকোনো অংশে এবং যেকোনো জলবায়ুতে বসতি স্থাপন এবং কাজ করা আমাদের জন্য উন্মুক্ত। সেখানে আমরা এমন সব মানুষদের মাঝে নিজেদের খুঁজে পাই যারা আমাদের ভাষায় কথা বলে, আমাদের আইন মেনে চলে, আমাদের মতো একই আদর্শ লালন করে, আমাদের পরিচিত রীতি অনুযায়ী উপাসনা করে এবং একই সার্বভৌম ক্ষমতার অধীন। আর এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে আমাদের—টোরি, লিবারেল এবং লেবার নির্বিশেষে—আমাদের ঐক্যকে এমন এক বাস্তবতায় রূপ দিতে হবে যাতে নারী-পুরুষ সবাই সাম্রাজ্যকে একটি অভিন্ন সত্তা হিসেবে দেখে। যাতে করে গ্লাসগো থেকে লন্ডন বা ব্রিস্টল থেকে নিউক্যাসল যাওয়ার মতোই সহজে এবং স্বাধীনভাবে তারা সাম্রাজ্যের সীমানার মধ্যে [[নিউজিল্যান্ড]], [[অস্ট্রেলিয়া]], [[দক্ষিণ আফ্রিকা]] বা [[কানাডা|কানাডায়]] যেতে পারে।
**লন্ডনের ১০ ডাউনিং স্ট্রিট থেকে সম্প্রচার (২৪ মে ১৯২৭), ''আওয়ার ইনহেরিট্যান্স'' (লন্ডন: হোডার অ্যান্ড স্টোটন, ১৯৩৮), পৃষ্ঠা ৬০-৬১-তে উদ্ধৃত।
*আমরা যারা এই সাম্রাজ্যের উত্তরাধিকারী হয়েছি, তারা এর জন্য গর্বিত। আর আমাদের গর্বিত হওয়াটাই স্বাভাবিক। তবে এই গর্বের সাথে সেইসব মানুষদের প্রতি কৃতজ্ঞতাও মিশে থাকা উচিত, যাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে এই সাম্রাজ্য বেড়ে উঠেছে। যুদ্ধের ধাক্কায় এখনও ধুঁকতে থাকা এই বিশ্বে, ব্রিটিশ সাম্রাজ্য মঙ্গলের এক বিশাল শক্তি হিসেবে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে আছে... প্রতিটি বাতাসের প্রবাহে, প্রতিটি সমুদ্রের ঢেউয়ে এটি সাক্ষ্য দিচ্ছে যে, বিশ্বাস এবং ভ্রাতৃত্ববোধের আত্মা এই বিশ্বে কী বিশাল কিছু অর্জন করতে পারে।
**লন্ডনের ১০ ডাউনিং স্ট্রিট থেকে সম্প্রচার (২৪ মে ১৯২৭), ''আওয়ার ইনহেরিট্যান্স'' (লন্ডন: হোডার অ্যান্ড স্টোটন, ১৯৩৮), পৃষ্ঠা ৬৩-তে উদ্ধৃত।
*[[চার্চ অফ ইংল্যান্ড|চার্চ]] এবং চ্যাপেলের দ্বৈতসত্তা একসঙ্গে আমাদের দেশের জীবনে সবচেয়ে শক্তিশালী প্রভাবগুলোর একটি হিসেবে কাজ করেছে। একটি হয়তো অন্যের চেয়ে বেশি করে কর্তৃত্ব ও ঐতিহ্যের প্রতি সম্মান এবং ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতার বোধ জাগিয়ে তুলেছে; আর অন্যটি [[ঐশ্বরিক আইন|শাশ্বত আইনের]] প্রতি ব্যক্তিগত আনুগত্যের ওপর বেশি জোর দিয়েছে। তাদের উভয়েরই কিছু ভালো গুণ ও কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে, কিন্তু তারা উভয়েই বড় মাপের সামাজিক শক্তি ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে, যার রাজনৈতিক পরিণতিও ব্যাপক। তাদের সেরা সময়ে উভয়েই জীবনকে একটি গম্ভীর উদ্দেশ্য দিয়ে পূর্ণ করে। তারা সবসময় সেই ধর্মনিরপেক্ষতার চেতনার বিরুদ্ধে অবিরাম যুদ্ধ করে, যা অলসতা এবং চপলতায় তার স্বর্গ খুঁজে পায় এবং যার কারণে কোনো দেশ কখনোই উন্নতি করতে পারে না।
**কর্নওয়ালে দেওয়া ভাষণ (২৩ জুন ১৯২৭), ''আওয়ার ইনহেরিট্যান্স'' (লন্ডন: হোডার অ্যান্ড স্টোটন, ১৯৩৮), পৃষ্ঠা ৫৫-তে উদ্ধৃত।
*সাম্প্রতিক সময়ে [[কানাডা|কানাডার]] কিছু বাছাই করা স্নাতক সাম্রাজ্যের সেসব অংশের দেখভাল করার দায়িত্ব পালন করতে শুরু করেছেন, যেখানে [[শ্বেতাঙ্গ|শ্বেতাঙ্গরা]] প্রায়শই একাই যান—সাম্রাজ্যের অপেক্ষাকৃত অনগ্রসর জাতিদের শেখাতে, শিক্ষিত করতে এবং সামনে এগিয়ে নিতে। এর চেয়ে বেশি আত্মত্যাগের কাজ, এর চেয়ে মহৎ কাজ আর কিছু হতে পারে না। আজ আপনারা কানাডিয়ানদের [[সুদান]], [[মালয়েশিয়া|মালয়]], [[মরিশাস]] এবং সামগ্রিকভাবে ঔপনিবেশিক সেবায় দেখতে পাবেন—চিকিৎসক হিসেবে, সিভিল সার্ভিসে উচ্চশিক্ষিত ব্যক্তি হিসেবে তারা শ্বেতাঙ্গদের বোঝা বইতে সাহায্য করছেন। আমি যথেষ্ট সেকেলে মানসিকতার মানুষ বলেই বিশ্বাস করি যে, কোনো দেশের পক্ষে কেবল নিজেদের জন্য প্রচুর অর্থ উপার্জনে মনোনিবেশ করাই যথেষ্ট নয়; বরং সত্যিকারের আধ্যাত্মিক শক্তি তখনই আসে যখন এর সন্তানেরা প্রস্তুত থাকে। যেমনটা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে [[ইংরেজ জাতি|ইংরেজ]], [[আইরিশ]] এবং [[স্কটল্যান্ড|স্কটিশরা]] প্রস্তুত ছিল। তারা পারিবারিক জীবনের আরাম ও স্বাচ্ছন্দ্য ত্যাগ করে সেই অগ্রগামীর কাজে বেরিয়ে পড়তে প্রস্তুত ছিল, যাতে বিশ্বের সেই পিছিয়ে পড়া অংশগুলোকে এগিয়ে নিয়ে আসা যায় এবং অতীতের বছরগুলোতে আমাদের জন্য এত লাভজনক হওয়া বিষয়গুলো থেকে তাদেরও উপকৃত হতে সাহায্য করা যায়।
**টরন্টোতে কানাডিয়ান ক্লাবে দেওয়া ভাষণ (৬ আগস্ট ১৯২৭), ''আওয়ার ইনহেরিট্যান্স'' (লন্ডন: হোডার অ্যান্ড স্টোটন, ১৯৩৮), পৃষ্ঠা ৭৫-৭৬-এ উদ্ধৃত।
*আমাদের দেশের জন্য আমার সবচেয়ে বড় আশা হলো [[শিক্ষা|শিক্ষার]] প্রতি মানুষের প্রকৃত আকাঙ্ক্ষা ব্যাপকভাবে জেগে ওঠা। আমি এটিকে যুদ্ধের একমাত্র সুফল বলে মনে করি যার দিকে আমি তৃপ্তি নিয়ে তাকাতে পারি... আমরা শিক্ষার একটি নিজস্ব উদ্দেশ্য হিসেবে এর গুরুত্ব ভুলে যাই। আপনি যদি শিক্ষাকে কেবল একটি বেতন উপার্জনের উপায় হিসেবে দেখেন, তা সে যতই দরকারি হোক না কেন, তবে আপনি শিক্ষার অন্যতম সেরা উদ্দেশ্যটিই হারিয়ে ফেলবেন।
**টরন্টোতে কানাডিয়ান ক্লাবে দেওয়া ভাষণ (৬ আগস্ট ১৯২৭), ''আওয়ার ইনহেরিট্যান্স'' (লন্ডন: হোডার অ্যান্ড স্টোটন, ১৯৩৮), পৃষ্ঠা ৭৬-৭৭-এ উদ্ধৃত।
*আমরা ইংল্যান্ডেও খুব ভুগছি... এমন কিছু খুব চতুর চিকিৎসকের কারণে, যারা সর্বদা ব্যাপক বুদ্ধিবৃত্তিক ক্ষিপ্রতার সাথে রাজনীতির জন্য প্রেসক্রিপশন দিতে প্রস্তুত। তবে মানব প্রকৃতি সম্পর্কে তাদের অজ্ঞতাও সেই ক্ষিপ্রতার সমান। ইউরোপের এই লোকগুলোকে "বুদ্ধিজীবী" বলা হয়—'''একটি খুব কুৎসিত জিনিসের জন্য এটি একটি খুব কুৎসিত শব্দ।'''
**টরন্টোতে কানাডিয়ান ক্লাবে দেওয়া ভাষণ (৬ আগস্ট ১৯২৭), ''আওয়ার ইনহেরিট্যান্স'' (লন্ডন: হোডার অ্যান্ড স্টোটন, ১৯৩৮), পৃষ্ঠা ৭৮-এ উদ্ধৃত।
*ইংরেজি বংশোদ্ভূত এখানকার পুরুষদের কাছে আমি স্বীকার করতে পারি যে, আমাদের ইংরেজি বুদ্ধিমত্তাকে মাঝেমধ্যে এমন জাতিগুলো অবজ্ঞা করে যারা নিজেদের আমাদের চেয়ে বেশি চতুর বলে মনে করে। '''আমাদের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ হলো আমাদের চরিত্র'''—এর স্থিরতা, এর নির্ভরযোগ্যতা, এর ব্যক্তিগত সততা, এর সহনশীলতা এবং বিরক্তিকর বিষয়গুলোকেও শান্ত ও হাস্যরসাত্মকভাবে নেওয়ার ক্ষমতা। ইংল্যান্ডের সাধারণ ধর্মঘট, যার কিছু ভীতিকর দিকও ছিল, তা আমাদের মানুষের এই সমস্ত গুণাবলিকেই তুলে ধরেছে।
**টরন্টোতে কানাডিয়ান ক্লাবে দেওয়া ভাষণ (৬ আগস্ট ১৯২৭), ''আওয়ার ইনহেরিট্যান্স'' (লন্ডন: হোডার অ্যান্ড স্টোটন, ১৯৩৮), পৃষ্ঠা ৭৯-এ উদ্ধৃত।
*আমি সবসময়ই দাবি করি যে শিক্ষা গণতন্ত্রের জন্য যে মহান সেবা করে, তা ধর্মের কাছ থেকে আমরা যে সেবা আশা করি তারই অনুরূপ। তাদের হাতে হাত রেখে কাজ করা উচিত, বা করতে হয়। এর কাজ হলো নৈতিকতার ওজন এবং পরিমাপকে মানদণ্ড অনুযায়ী সঠিক রাখা; এবং শুধু মানদণ্ড অনুযায়ী সঠিক নয়—বরং সর্বোচ্চ মানদণ্ড অনুযায়ী সঠিক রাখা। আর আসুন আমরা সমাজের ওপর থেকে নিচ পর্যন্ত সকল শ্রেণির মানুষের প্রতি এটি সমানভাবে প্রয়োগ করি। এমন কিছু লোক আছেন যারা রাষ্ট্রীয় ধারণাকে সমস্ত নৈতিক গুণাবলি থেকে শূন্য করতে চান, এবং তারা শিক্ষাকে কেবল রুজি-রোজগারের ব্যবসায় সীমাবদ্ধ করতে চান। নার্স ক্যাভেলের শেষ কথাগুলো ধার করে বলতে গেলে, এমন দেশপ্রেমই যথেষ্ট নয়। আমি যেভাবে পরামর্শ দিচ্ছি, সেভাবে নৈতিক মানদণ্ড প্রয়োগ করাই হলো গণতন্ত্রের জন্য প্রয়োজনীয় সেই মৌলিক সামাজিক ঐক্য অর্জনের সবচেয়ে নিশ্চিত উপায়।
**টরন্টোতে কানাডিয়ান ক্লাবে দেওয়া ভাষণ (৬ আগস্ট ১৯২৭), ''আওয়ার ইনহেরিট্যান্স'' (লন্ডন: হোডার অ্যান্ড স্টোটন, ১৯৩৮), পৃষ্ঠা ৭৯-৮০-তে উদ্ধৃত।
*ব্রিটিশ কমনওয়েলথ অফ নেশনসের কোনো পূর্ব নজির নেই... আমরা নিজেদের জন্য এমন এক অভিন্ন ঐতিহ্য গড়ে তুলেছি যা সব ধরনের স্থানীয় আনুগত্যকে ছাড়িয়ে যায় এবং আমাদের এক জাতি হিসেবে বাঁধে। আমাদের স্বপ্নের সাম্রাজ্য, যদিও তা সবসময় আমাদের কাজের মধ্যে প্রতিফলিত হয় না, মহান সব আধ্যাত্মিক উপাদানে গড়া—স্বাধীনতা এবং আইন, ভ্রাতৃত্ববোধ এবং আনুগত্য, সম্মান এবং সহনশীলতা... '''আজ আমরা যখন সাম্রাজ্যের কথা ভাবি, তখন আমরা এটিকে মূলত বিশ্ব শান্তির একটি হাতিয়ার হিসেবেই ভাবি।'''
**অন্টারিও প্রদেশ আয়োজিত এক নৈশভোজে দেওয়া ভাষণ (৬ আগস্ট ১৯২৭), ''আওয়ার ইনহেরিট্যান্স'' (লন্ডন: হোডার অ্যান্ড স্টোটন, ১৯৩৮), পৃষ্ঠা ৯১-৯২-তে উদ্ধৃত।
*আমার মনে হয় আমাদের মধ্যে যারা মধ্য-পশ্চিম এবং দূর-পশ্চিমের উন্নয়ন দেখেছেন, তাদের কাছে এক উপকূল থেকে অন্য উপকূল পর্যন্ত যেভাবে আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখা হয়েছে, তার চেয়ে অসাধারণ বা আমাদের জাতির সেরা গুণাবলির প্রতি এর চেয়ে বড় সম্মান আর কিছু হতে পারে না।
**কানাডার রেজাইনায় দেওয়া ভাষণ (১৩ আগস্ট ১৯২৭), ''আওয়ার ইনহেরিট্যান্স'' (লন্ডন: হোডার অ্যান্ড স্টোটন, ১৯৩৮), পৃষ্ঠা ১০৫-এ উদ্ধৃত।
*ব্রিটিশ জাতির এমন কিছু দয়ালু সমালোচক আছেন যারা বলেন যে আমরা তিনটি জিনিসকে কীভাবে মেলাতে হয় তা জানি—[[ধর্ম]], [[দেশপ্রেম]] এবং [[মুনাফা]]—যা অন্য যেকোনো [[জাতি|জাতির]] চেয়ে আমরা ভালো পারি। [[উত্তর আমেরিকা|উত্তর আমেরিকায়]] আমাদের সাফল্যের আরও অন্যান্য প্রশংসনীয় ব্যাখ্যা রয়েছে। আসল সত্যটি হলো: আমরা নতুন বিশ্বে আমাদের নিজস্ব বংশধরদের পাঠিয়েছি... ইউরোপের অন্য যেকোনো দেশের চেয়ে বেশি সময় ধরে একটি স্বাধীন দেশ থাকার অমূল্য সুবিধা আমাদের ছিল। আমাদের মানুষ ছোট ছোট নৌকায় করে সমুদ্র পাড়ি দিয়ে স্বাধীনতার বীজ রোপণ করেছিল, যা নিজ দেশে বেড়ে উঠেছিল এবং ফুলেফেঁপে উঠেছিল। সেই মানুষগুলো এবং তাদের দুঃসাহসী চেতনার মধ্যেই আপনি [[কানাডা]] এবং [[ম্যানিটোবা|ম্যানিটোবার]] উৎপত্তি খুঁজে পাবেন।
**কানাডার উইনিপেগে দেওয়া ভাষণ (১৩ আগস্ট ১৯২৭), ''আওয়ার ইনহেরিট্যান্স'' (লন্ডন: হোডার অ্যান্ড স্টোটন, ১৯৩৮), পৃষ্ঠা ১০৭-১০৮-এ উদ্ধৃত।
*ইংরেজি ইতিহাসে, বা সাম্রাজ্যের এই এলোমেলোভাবে গড়ে ওঠার পেছনে, "কোম্পানি অফ অ্যাডভেঞ্চারার্স অফ ইংল্যান্ড ট্রেডিং ইনটু হাডসন'স বে"র গল্পের চেয়ে রোমাঞ্চকর আর কোনো ঘটনা নেই। পশুর চামড়া থেকে মুনাফা করার পাশাপাশি উত্তর-পশ্চিমের পথ খোঁজা, সেই উপসাগরে প্রবাহিত সব জলের অধিকারী ভূমিগুলোর ওপর সার্বভৌমত্বের সনদ পাওয়া, অথচ সেই ভূমিগুলোকে বহু বহু বছর ধরে অনাবিষ্কৃত ফেলে রাখা—এটি একটি আদর্শ ব্রিটিশ আচরণ। তারা "হাতির দাঁত, বানর এবং ময়ূরের" পশ্চিমা সমতুল্য জিনিস খুঁজছিল, এবং বাই-প্রোডাক্ট বা উপজাত হিসেবে তারা একটি সাম্রাজ্য খুঁজে পেয়েছিল। তারা একটি মহান ঐতিহ্য তৈরি করেছিল, যে ঐতিহ্য আজ আপনাদের। এটি একটি বাণিজ্যিক আদর্শকে ঘিরে তৈরি হওয়া শৃঙ্খলা এবং সহনশীলতার ঐতিহ্য। তারা আদিবাসীদের মুনাফার উৎস হিসেবে ব্যবহার করেছিল, তবুও তাদের সাথে ন্যায়বিচার এবং সদয় আচরণ করেছিল। তারা এক চোখ রেখেছিল লভ্যাংশের দিকে, অন্য চোখ আবিষ্কারের দিকে। আমাদের ছাড়া আর কোন জাতি এতটা উদাসীন, এতটা দূরদর্শী, এতটা অসামঞ্জস্যপূর্ণ এবং এতটা সফল হতে পারে?
**কানাডার উইনিপেগে দেওয়া ভাষণ (১৩ আগস্ট ১৯২৭), ''আওয়ার ইনহেরিট্যান্স'' (লন্ডন: হোডার অ্যান্ড স্টোটন, ১৯৩৮), পৃষ্ঠা ১০৮-১০৯-এ উদ্ধৃত।
*ব্রিটিশ জাতির প্রতি বন্ধুভাবাপন্ন নয় এমন [[সংবাদপত্র|সংবাদপত্রে]] আপনারা প্রায়ই শোনেন এবং মাঝেমধ্যেই পড়েন যে গ্রেট ব্রিটেনে পতনের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। এর একটা শব্দও বিশ্বাস করবেন না। দেশের মানুষগুলো তারাই, যারা সারা বিশ্বজুড়ে চার বছর ধরে আপনাদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধ করেছিল। তারা সেই একই বংশধর যারা মেরিটাইম প্রভিন্স এবং [[অন্টারিও]] গড়ে তুলেছে। তারা সেই একই বংশধর যারা এই দেশটিকে গড়ে তুলেছে। '''বংশধররা আগের মতোই আছে, এবং আগের মতোই চমৎকার আছে।'''
**কানাডার উইনিপেগে দেওয়া ভাষণ (১৩ আগস্ট ১৯২৭), ''আওয়ার ইনহেরিট্যান্স'' (লন্ডন: হোডার অ্যান্ড স্টোটন, ১৯৩৮), পৃষ্ঠা ১১৬-১১৭-তে উদ্ধৃত।
*একটি জাতির ভাগ্য সবার ওপরে নির্ধারিত হয় তার মানুষের গুণগত মান দিয়ে।
**স্কটল্যান্ডের ল্যানার্কশায়ারে ডগলাস ক্যাসলে দেওয়া ভাষণ (২৭ আগস্ট ১৯২৭), ''আওয়ার ইনহেরিট্যান্স'' (লন্ডন: হোডার অ্যান্ড স্টোটন, ১৯৩৮), পৃষ্ঠা ১২৯-এ উদ্ধৃত।
*আপনার সমাজসেবামূলক কাজ, তা যে রূপেই হোক না কেন, ঠিক সেই দুটি জিনিসেরই দাবি করে যা আমার কাজের জন্য প্রয়োজন... [[ধৈর্য]] এবং মানুষের মূল্যের ওপর [[বিশ্বাস]]। এরাই হলো গণতন্ত্রের আসল ভিত্তি, [[সমতা]] নয়—যে অর্থে শব্দটি প্রায়শই ব্যবহার করা হয়। '''আমরা সবাই সমান নই, এবং কখনোই সমান হব না; গণতন্ত্রের আসল শর্ত সমতা নয়, বরং এই বিশ্বাস যে প্রতিটি নারী ও পুরুষই মূল্যবান।'''
**ইউনিয়ন অফ গার্লস স্কুলের বার্ষিক সভায় দেওয়া ভাষণ (২৭ অক্টোবর ১৯২৭), ''আওয়ার ইনহেরিট্যান্স'' (লন্ডন: হোডার অ্যান্ড স্টোটন, ১৯৩৮), পৃষ্ঠা ১৫০-১৫১-তে উদ্ধৃত।
*আপনাদের দেশ হলো উত্তরের মানুষদের, অর্থাৎ সহনশীল ও বীরত্বপূর্ণ জাতিগুলোর জন্য। '''যেকোনো দিনই পরিমাণের চেয়ে গুণগত মান আগে। সেরাদের নিয়েই দেশ গড়ুন। আপনাদের দেশ পূর্ণ হতে একশো বছর, নাকি দুইশো বছর, নাকি তারও বেশি সময় লাগল, তাতে কী এসে যায়? আপনাদের যে বংশধর আছে, এবং যে নারী-পুরুষরা আছে, তাদের ধরে রাখুন এবং নিশ্চিত করুন যে আগামী প্রজন্ম কোনোভাবেই তাদের চেয়ে নিকৃষ্ট হবে না।'''
**লন্ডনে কানাডা ক্লাবে দেওয়া ভাষণ (২১ নভেম্বর ১৯২৭), ''আওয়ার ইনহেরিট্যান্স'' (লন্ডন: হোডার অ্যান্ড স্টোটন, ১৯৩৮), পৃষ্ঠা ১৪১-এ উদ্ধৃত।
* সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকৃত এবং শত্রুবাহিনীর জন্য একটি সহজ শিকারে পরিণত হওয়া ইংল্যান্ড! এর চেয়ে বেশি লোভ এবং শত্রুতা জাগিয়ে তোলার মতো আর কিছু কি আপনি ভাবতে পারেন? আমরা পঞ্চম শ্রেণির শক্তির স্তরে নেমে যাব, আমাদের উপনিবেশগুলো আমাদের কাছ থেকে কেড়ে নেওয়া হবে, আমাদের বাণিজ্য ধ্বংস হবে, দুর্ভিক্ষ এবং বেকারত্ব দেশে হানা দেবে। ... আমি আপনাদের শান্তি কামনার অংশীদার। ঈশ্বর না করুন যে এটি যেন আর কখনও ব্যাহত না হয়! সরকারের নিরন্তর এবং অবিভক্ত প্রচেষ্টা হলো এটি রক্ষা করা। কিন্তু আমি এখনও শিখিনি যে আমাদের দেশকে দুর্বল করে কীভাবে শান্তির উদ্দেশ্য সাধিত হতে পারে।
** [[আর্থার পনসনবি|আর্থার পনসনবিকে]] লেখা চিঠি (১৬ ডিসেম্বর ১৯২৭); মার্টিন সিডেলের ''সেমি-ডিটাচড আইডিয়ালিস্টস: দ্য ব্রিটিশ পিস মুভমেন্ট অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল রিলেশনস, ১৮৫৪-১৯৪৫'' (২০০০), পৃষ্ঠা ২৭১-এ প্রকাশিত। ==== ১৯২৮ ====
* '''আমি যদি বিশ্বাস না করতাম যে আমাদের কাজ সেই বিশ্বাস এবং আশার মধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে যে কোনো এক দিন—হতে পারে তা আজ থেকে দশ লক্ষ বছর পর—ঈশ্বরের রাজ্য সমগ্র পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়বে, তবে আমার কোনো আশা থাকত না। আমি কোনো কাজ করতে পারতাম না, এবং যে কেউ আমার এই পদের দায়িত্ব নিতে চাইলে আজ সকালেই আমি তা ছেড়ে দিতাম।'''
** ব্রিটিশ অ্যান্ড ফরেন বাইবেল সোসাইটির কাছে দেওয়া ভাষণ (২ মে ১৯২৮); ''দিস টর্চ অফ ফ্রিডম'' (১৯৩৫), পৃষ্ঠা ৯২-৯৩-এ প্রকাশিত।
*দীর্ঘকাল ধরে মানুষ ভুলে গেছে যে এই দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যে কী অসাধারণ প্রতিভা লুকিয়ে আছে... ইংরেজ বংশোদ্ভূতরা একটি খাঁটি বংশ; আর আমাদের মানুষেরাই সেই মানুষ যারা আমাদের ক্যাথেড্রাল এবং গ্রামের গির্জাগুলো তৈরি করেছিল: যারা ভাস্কর্য খোদাই করেছিল এবং এর ভেতরে থাকা পর্দাগুলো খোদাই করেছিল।
**উইঞ্চেস্টার শহরের স্বাধীনতা অর্জনের পর দেওয়া ভাষণ (৬ জুলাই ১৯২৮), ''দিস টর্চ অফ ফ্রিডম'' (১৯৩৫), পৃষ্ঠা ১১৫-তে প্রকাশিত।
*ইংল্যান্ডের চেয়ে সুন্দর কোনো দেশ নেই।
**উইঞ্চেস্টার শহরের স্বাধীনতা অর্জনের পর দেওয়া ভাষণ (৬ জুলাই ১৯২৮), ''দিস টর্চ অফ ফ্রিডম'' (১৯৩৫), পৃষ্ঠা ১১৬-তে প্রকাশিত।
*ওয়েসলি প্রথম এবং শেষ পর্যন্ত একজন মহান ইংরেজ ছিলেন... মহাদেশটিতে হওয়া ভয়ংকর উত্থান-পতন আর ইংল্যান্ডের মাঝে যদি কোনো একজন মানুষ ঢাল হয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন, তবে তিনি হলেন জন ওয়েসলি... তিনি ছিলেন নিখুঁত ইংরেজ: ইংরেজের সেরা দেশীয় গুণাবলি তার মধ্যে ছিল, এবং সেগুলো এত অসাধারণ পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে তা প্রতিভায় পরিণত হয়েছিল... সেই শতাব্দীর যেসব ইতিহাসবিদ তাদের পাতাগুলো নেপোলিয়ন দিয়ে ভরিয়ে তুলেছিলেন কিন্তু জন ওয়েসলি সম্পর্কে বলার মতো কিছু পাননি, তারা এখন বুঝতে পারছেন যে ওয়েসলিকে ব্যাখ্যা করতে না পারলে তারা [[ঊনবিংশ শতাব্দী|উনিশ শতকের]] ইংল্যান্ডকে ব্যাখ্যা করতে পারবেন না। আর আমি বিশ্বাস করি এ কথা বলাও সত্য যে, ওয়েসলিকে বুঝতে না পারলে আপনি বিংশ শতাব্দীর আমেরিকা বুঝতে পারবেন না।
**লন্ডনে ওয়েসলির চ্যাপেলের ১৫০তম বার্ষিকী সভায় দেওয়া ভাষণ (১ নভেম্বর ১৯২৮), ''দিস টর্চ অফ ফ্রিডম'' (১৯৩৫), পৃষ্ঠা ৯৪-৯৮-এ প্রকাশিত।
==== ১৯২৯ ====
*[[উইলিয়াম বুথ|বুথের]] কথা ভাবলেই একটি বিষয় আমাকে অবাক করে, আর তা হলো [[ভিক্টোরীয় যুগ|ভিক্টোরীয় যুগের]] [[দারিদ্র্য|দারিদ্র্য]] নিয়ে আজকাল যে সব বাজে কথা বলা হয়। ভিক্টোরীয় যুগ আজ কেন এত অজনপ্রিয়, তার বড় একটি কারণ হলো, এর সমস্ত দোষ থাকা সত্ত্বেও এর মহান মানুষদের—যাদের সংখ্যা ছিল অনেক—মধ্যে সততার প্রতি বিশ্বাস ছিল: সেখানে একটি নৈতিক ঐকান্তিকতা ছিল, কর্তব্যের বোধ ছিল এবং কর্তব্য পালন করার প্রবণতা ছিল।
**লন্ডনে স্যালভেশন আর্মি উইলিয়াম বুথ শতবার্ষিকী উদযাপনে দেওয়া ভাষণ (১০ এপ্রিল ১৯২৯), ''দিস টর্চ অফ ফ্রিডম'' (১৯৩৫), পৃষ্ঠা ১০৬-১০৭-এ প্রকাশিত।
*আজ এম্পায়ার ডে, এবং আমাদের বিশাল উত্তরাধিকার দেখার জন্য আমরা আমাদের তাৎক্ষণিক চারপাশ এবং আমাদের দৈনন্দিন কাজগুলোর বাইরে তাকাই। আমরা এক বিশাল স্থানে পা রেখেছি। এই টাইটান যদি ক্লান্তির মুহূর্তগুলো অনুভব করে থাকে, যদি আমাদের বোঝা ভারী হয়, তবু আমাদের কাঁধ চওড়া। আর এগুলো আমাদের ভাগ্যের বিশাল ভার বইতে বহুকাল ধরেই অভ্যস্ত।
**হাইড পার্কে দেওয়া ভাষণ (২৪ মে ১৯২৯), ''দিস টর্চ অফ ফ্রিডম'' (১৯৩৫), পৃষ্ঠা ২৫-এ প্রকাশিত। ১৯০২ সালে [[জোসেফ চেম্বারলেইন]] বলেছিলেন, "ক্লান্ত টাইটান তার ভাগ্যের অত্যধিক বিশাল ভারে টলমল করছে।"
*আমরা যখন এর [ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের] ভাগ্য নিয়ে অধ্যয়ন করি, তখন আমরা একে একটি মানব অর্জনের চেয়ে মানবজাতির অগ্রগতি ত্বরান্বিত করার জন্য ঐশ্বরিক প্রভিডেন্স বা বিধাতার একটি হাতিয়ার হিসেবে বেশি ভাবতে বাধ্য হই।
**হাইড পার্কে দেওয়া ভাষণ (২৪ মে ১৯২৯), ''দিস টর্চ অফ ফ্রিডম'' (১৯৩৫), পৃষ্ঠা ২৬-এ প্রকাশিত।
* টম মোসলে একজন অভদ্র এবং ভুল লোক। তারা এটা খুঁজে বের করবে।
**[[ওসওয়াল্ড মোসলে|ওসওয়াল্ড মোসলেকে]] নিয়ে মন্তব্য (২১ জুন ১৯২৯)। "তারা" বলতে লেবার পার্টিকে বোঝানো হয়েছে, যারা সম্প্রতি একটি সাধারণ নির্বাচনে জিতেছিল। টমাস জোনসের ''হোয়াইটহল ডায়েরি : ভলিউম ২'' (১৯৬৯), পৃষ্ঠা ১৯৫-এ উদ্ধৃত।
*বাস্তব জীবনের রহস্য, রোমান্স এবং কাকতালীয় ঘটনাগুলো কল্পকাহিনীর রহস্য, রোমান্স এবং কাকতালীয় ঘটনাগুলোকেও বহুদূর ছাড়িয়ে যায়। আমার বক্তব্যের শুরুতেই আমি মাননীয় সদস্যদের এমন একটি কথা মনে করিয়ে দিতে চাই, যা আমার কাছে সবসময়ই আমাদের রাজনৈতিক জীবনে ঘটা সবচেয়ে অদ্ভুত এবং রোমান্টিক কাকতালীয় ঘটনাগুলোর একটি বলে মনে হয়েছে। সময়ের অনেক আগে, ইতিহাসের ঊষালগ্নে, প্রাগৈতিহাসিক কুয়াশা থেকে বেরিয়ে আসা অনেকগুলো জাতির মধ্যে সবচেয়ে মহান জাতিটি ছিল মহান [[আর্য জাতি]]। সেই জাতি যখন [[মধ্য এশিয়া|মধ্য এশিয়ার]] পশ্চিমাঞ্চলে তাদের দখল করা দেশ ছেড়ে চলে যায়, তখন একটি বড় শাখা পশ্চিমে চলে যায়। তাদের ঘোরাঘুরির সময় তারা [[অ্যাথেন্স]] এবং [[স্পার্টা]] শহরগুলো প্রতিষ্ঠা করে; তারা [[রোম (প্রাচীন শহর)|রোম]] প্রতিষ্ঠা করে; তারা ইউরোপ তৈরি করে। আর ইউরোপের প্রধান জাতিগুলোর শিরায় তাদের আর্য পূর্বপুরুষদের রক্তই প্রবাহিত। আর্যদের যে ভাষা তারা সাথে নিয়ে এসেছিল, তা সারা ইউরোপে ছড়িয়ে পড়েছে। এটি আমেরিকায় ছড়িয়েছে। এটি সমুদ্রের ওপারের ডোমিনিয়নগুলোতেও ছড়িয়ে পড়েছে। একই সময়ে, একটি শাখা দক্ষিণে যায় এবং তারা [[হিমালয়]] অতিক্রম করে। তারা [[পাঞ্জাব|পাঞ্জাবে]] যায় এবং ভারতজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। আর ঐতিহাসিক সত্য হলো, যুগ যুগ আগে তাদের পূর্বপুরুষের ভূমিতে ইংরেজ জাতির পূর্বপুরুষ এবং [[রাজপুত]] ও [[ব্রাহ্মণ|ব্রাহ্মণদের]] পূর্বপুরুষরা পাশাপাশি দাঁড়িয়েছিলেন। আর এখন, যুগ যুগ পার হওয়ার পর, সেই বংশের দূরতম প্রজন্মের সন্তানরা ঈশ্বরের এক রহস্যময় বিধানে একত্রিত হয়েছে। বিশ্বের যেকোনো জাতির সামনে আসা সবচেয়ে কঠিন, সবচেয়ে জটিল রাজনৈতিক সমস্যার সমাধান করতে তারা এক হয়েছে।
**হাউস অফ কমন্সে দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1929/nov/07/india ভাষণ] (৭ নভেম্বর ১৯২৯)।
=== ১৯৩০-এর দশক ===
==== ১৯৩০ ====
*...অতীতের প্রতি সেই আনুগত্য তার স্বপ্নের সৌন্দর্য এবং তার বাস্তব কঠোরতা ও কষ্টের সাথে মিশে আছে। এগুলোই আমাদের '''আমাদের যুগের সবচেয়ে বড় বিপদ, [[বস্তুবাদ|বস্তুবাদের]] বিপদ থেকে রক্ষা করে।'''... আমাদের মানুষের হৃদয়ে বস্তুবাদের বিরুদ্ধে লড়াই এই যুগের অন্যতম বড় একটি লড়াই।
**স্কটল্যান্ডের ইনভারনেস বুরোর স্বাধীনতা অর্জনের পর দেওয়া ভাষণ (১৩ জুন ১৯৩০), ''দিস টর্চ অফ ফ্রিডম'' (১৯৩৫), পৃষ্ঠা ১৯১-১৯২-তে প্রকাশিত।
*কারণ গ্রিক গণতন্ত্র ব্যর্থ হয়েছিল এবং এর ব্যর্থতার কারণগুলো শিক্ষণীয়। গ্রিকরা বিশ্বকে যে মহান শাসক ধারণাগুলো দিয়েছিল, যে ধারণাগুলো ইংল্যান্ড পরে গ্রহণ করেছিল এবং বিশ্বের এক-চতুর্থাংশে ছড়িয়ে দিয়েছিল—স্বাধীনতা এবং স্বশাসন, সামাজিক সাম্য এবং নাগরিক দেশপ্রেম—সেগুলো জনগণের চাটুকার এবং জননেতাদের দ্বারা কলুষিত হয়েছিল। এটা ভাবা খুব মারাত্মকভাবে সহজ ছিল যে, স্বাধীনতা মানে হলো নিজের যা খুশি তাই করা। একজন মানুষ অন্য মানুষের মতোই ভালো, শুধু তাই নয়, সে যেকোনো পদ পূরণে সমানভাবে সক্ষম। সংখ্যাগরিষ্ঠরা কোনো ভুল করতে পারে না। অন্য জাতি বা অন্যান্য সাম্রাজ্য কী করছে তা বিবেচনা না করেই আপনি আপনার নিজের দেশের জন্য কাল্পনিক সব আইন তৈরি করতে পারেন... বাকস্বাধীনতা রুদ্ধ করা হয়েছিল এবং যেসব জনপ্রতিনিধি সাধারণ জনতার জন্য আনন্দের পক্ষে কথা বলতে অস্বীকার করেছিলেন, তাদের নির্বাসিত করা হয়েছিল। ভোটারদের ঘুষ দেওয়ার ক্ষেত্রে রাজনীতিবিদরা একে অপরের সাথে পাল্লা দিয়েছিলেন।
**কভেন্ট্রিতে দেওয়া জন ক্লিফোর্ড বক্তৃতা (১৪ জুলাই ১৯৩০), ''দিস টর্চ অফ ফ্রিডম'' (১৯৩৫), পৃষ্ঠা ৩৫-৩৬-এ প্রকাশিত।
*একদিকে ব্যক্তিগত আত্মার অসীম মূল্য সম্পর্কে [[প্রোটেস্ট্যান্টবাদ|প্রোটেস্ট্যান্ট]] মতবাদ এবং অন্যদিকে চার্চের মণ্ডলীতে ভাইদের একত্রিত হওয়ার মধ্যেই আধুনিক গণতন্ত্রের বীজ লুকিয়ে আছে।
**কভেন্ট্রিতে দেওয়া জন ক্লিফোর্ড বক্তৃতা (১৪ জুলাই ১৯৩০), ''দিস টর্চ অফ ফ্রিডম'' (১৯৩৫), পৃষ্ঠা ৩৮-এ প্রকাশিত।
*আমরা... এই দ্বীপপুঞ্জের পুরো প্রাপ্তবয়স্ক এবং শ্রমজীবী জনগোষ্ঠীকে, সাধু এবং পাপী নির্বিশেষে সবাইকে ভোটাধিকার দিয়েছি। আমরা এক বিশাল দ্বৈত উদ্যোগের চেষ্টা করছি। কেবল প্রতিটি নাগরিককে এক জন হিসেবে গণনা করা এবং তার নিজের অধিকারে তাকে মূল্য দেওয়াই নয়, বরং তাকে পৌর নাগরিকত্ব এবং সাম্রাজ্যিক সরকারের দায়িত্বগুলোতে কার্যকর এবং বুদ্ধিমত্তার সাথে ভাগ নিতেও বলছি... গণতন্ত্র এখনও একটি আকাঙ্ক্ষা, এটি কোনো প্রতিষ্ঠিত সত্য নয়... আমরা যা অর্জন করেছি তা হলো সরকারের একটি গণতান্ত্রিক কাঠামো, যা একটি গণতান্ত্রিক সমাজের সমান নয়। আমরা জনপ্রতিনিধিত্বমূলক সরকারের যন্ত্রটিকে নিখুঁত করেছি। আর একটি তাৎক্ষণিক বিপদ হলো, গণতান্ত্রিক লক্ষ্য অর্জনের জন্য একে অগণতান্ত্রিক উপায়ে দখল এবং কাজে লাগানো হতে পারে। সার্বভৌম জনগণের নামে এমন নিষ্ঠুর কাজ করা হতে পারে, যা কোনো গ্রিক স্বৈরশাসক বা মধ্যযুগীয় অত্যাচারী শাসকের কাজের মতোই ভয়ংকর। ক্ষমতায় থাকা ব্যক্তিদের জন্য ন্যায়বিচারকে শক্তিশালীদের স্বার্থের সাথে গুলিয়ে ফেলা ভয়ংকরভাবে সহজ; কিন্তু বহুজনের দ্বারা সংখ্যালঘুদের ওপর নিপীড়নও এর বিপরীত অবস্থার মতোই কুৎসিত।
**কভেন্ট্রিতে দেওয়া জন ক্লিফোর্ড বক্তৃতা (১৪ জুলাই ১৯৩০), ''দিস টর্চ অফ ফ্রিডম'' (১৯৩৫), পৃষ্ঠা ৩৯-৪০-এ প্রকাশিত।
*বিপ্লব এড়ানোর ক্ষেত্রে আমাদের রাজনৈতিক সক্ষমতা, "প্রাণবন্ত পরিমিতিবোধের" প্রতি আমাদের স্বভাবগত দক্ষতা (যেমনটা ব্যাজহট বলেছেন), দীর্ঘদিন ধরেই আমাদের মহাদেশীয় প্রতিবেশীদের ঈর্ষার কারণ হয়ে আছে। আমি ভবিষ্যদ্বাণী করার সাহস রাখছি যে, তারা আবারও দেখবে আমরা একসাথে বসব এবং নতুন পরিস্থিতির সাথে খাপ খাইয়ে নিতে আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলোকে দ্রুত সংশোধন করব। আমরা ভবিষ্যতের জন্য পরিকল্পনা করায় খুব একটা ভালো নই, তবে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া এবং আপস করার ক্ষেত্রে আমাদের একটা দক্ষতা আছে।
**কভেন্ট্রিতে দেওয়া জন ক্লিফোর্ড বক্তৃতা (১৪ জুলাই ১৯৩০), ''দিস টর্চ অফ ফ্রিডম'' (১৯৩৫), পৃষ্ঠা ৪২-এ প্রকাশিত।
*'''গ্রিকদের মতোই পুরোনো একটি প্রবাদ আছে যে, ভালো আইন প্রণয়নের চেয়ে ভালো অভ্যাস গড়ে তোলা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।''' এটি যে সত্যি, তার পেছনে একটি সন্দেহের চোরা স্রোত কাজ করে এবং দেশপ্রেমের মতোই, কেবল আইন প্রণয়নই যথেষ্ট নয়। আইন প্রণয়নের সময় যে আশাগুলো দেখানো হয়, আইন পাস হলে সব সময় তা পূরণ হয় না... '''সংবিধানের বইয়ে থাকা সমস্ত আইনের কী হয়? যদি তাদের প্রবর্তকদের আশার অর্ধেকও পূরণ হতো, তবে কি এর মধ্যেই সহস্রাব্দের শান্তি নেমে আসত না?'''
**কভেন্ট্রিতে দেওয়া জন ক্লিফোর্ড বক্তৃতা (১৪ জুলাই ১৯৩০), ''দিস টর্চ অফ ফ্রিডম'' (১৯৩৫), পৃষ্ঠা ৪৬-এ প্রকাশিত।
*সব দলই মানুষের জীবনে হস্তক্ষেপ করার বিষয়ে গভীরভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কারও কারও লক্ষ্য হলো রাষ্ট্রকে একটি সার্বজনীন রক্ষাকর্তায় রূপান্তর করা। অসংখ্য বাছাইয়ের কাজের মাধ্যমেই চরিত্র গড়ে ওঠে। জীবনের সব বা বেশিরভাগ গুরুত্বপূর্ণ পছন্দগুলো যদি রাষ্ট্র আপনার জন্য ঠিক করে দেয়, তবে গণতান্ত্রিক আদর্শের কী হবে... আমরা চালাক বা বোকা, ভালো বা মন্দ যাই হই না কেন, আমাদের নিজেদের জীবন পরিচালনা করা এবং তার দায়িত্ব নেওয়ার কী হবে?
**কভেন্ট্রিতে দেওয়া জন ক্লিফোর্ড বক্তৃতা (১৪ জুলাই ১৯৩০), ''দিস টর্চ অফ ফ্রিডম'' (১৯৩৫), পৃষ্ঠা ৪৭-এ প্রকাশিত।
*বর্তমানে কার্যকর থাকা ত্রাণ ব্যবস্থাগুলোতে সব দলই সমানভাবে জড়িত। সবাই একমত যে অভাব-অনটন সহ্য করা উচিত নয়। কিন্তু জন স্মিথকে এভাবে পাইকারি হারে রাষ্ট্রীয় সুবিধা দেওয়ার সময় আমরা কি জন স্মিথের কাছ থেকে এমন কিছু কেড়ে নিচ্ছি না, যা তাকে সত্যিই দরিদ্র করে তুলবে? এই ভেবে কি আমরা সবাই সম্পূর্ণ খুশি হতে পারি?
**কভেন্ট্রিতে দেওয়া জন ক্লিফোর্ড বক্তৃতা (১৪ জুলাই ১৯৩০), ''দিস টর্চ অফ ফ্রিডম'' (১৯৩৫), পৃষ্ঠা ৪৮-এ প্রকাশিত।
*আমি গতকাল ভারতীয় সম্মেলনের রাজকীয় উদ্বোধনে উপস্থিত ছিলাম... আমাদের প্রতিনিধি দল ভালোভাবেই শুরু করছে, কিন্তু উইনস্টন [চার্চিল] চরম হতাশায় ডুবে আছেন। তিনি চান সম্মেলনটি দ্রুত ভেস্তে যাক এবং টোরি পার্টি যুদ্ধ-পূর্ববর্তী অবস্থায় ফিরে গিয়ে শক্ত হাতে শাসন করুক। তিনি আবারও '৯৬ সালের হুসারদের সাবল্টার্ন বা অধস্তন সামরিক কর্মকর্তা হয়ে উঠেছেন।
**জে. সি. সি. ডেভিডসনকে লেখা চিঠি (১৩ নভেম্বর ১৯৩০), রবার্ট রোডস জেমস (সম্পাদিত), ''মেমোয়ার্স অব অ্যা কনজারভেটিভ: জে. সি. সি. ডেভিডসনস মেমোয়ার্স অ্যান্ড পেপারস, ১৯১০-১৯৩৭'' (লন্ডন: উইডেনফেল্ড অ্যান্ড নিকলসন, ১৯৬৯), পৃষ্ঠা ৩৫৫-তে উদ্ধৃত।
==== ১৯৩১ ====
[[Image:View from Haresfield Beacon - geograph.org.uk - 1120282.jpg|thumb|গ্রাম সেই শাশ্বত মূল্যবোধ এবং শাশ্বত ঐতিহ্যের প্রতিনিধিত্ব করে যা থেকে আমাদের কখনোই নিজেদের বিচ্ছিন্ন হতে দেওয়া উচিত নয়।]]
*এই ধরনের অনুষ্ঠানে কেউ জিজ্ঞেস করতেই পারে, কেন মানুষ এই ধরনের উপহার দিতে এগিয়ে আসে, এবং কেন এই ধরনের জায়গাগুলো সংরক্ষণ করা প্রয়োজন? আমার মনে হয় এটি ইংরেজদের একটি খুব গভীর এবং মৌলিক প্রবৃত্তির জবাব দেয়। আমরা অনেকাংশেই শহরের মানুষে পরিণত হয়েছি। কিন্তু দুই বা তিন প্রজন্ম ধরে যারা আমাদের শহরগুলোতে হাড়ভাঙা পরিশ্রম করেছে, তাদের হৃদয়ের গভীরেও গ্রামের জিনিসপত্র এবং গ্রামীণ সৌন্দর্যের প্রতি এক অদম্য ভালোবাসা লুকিয়ে আছে, যা তাদের মধ্যে ঐতিহ্যগতভাবে এবং অবচেতনভাবে বিরাজ করতে পারে। আমাদের চেয়েও বেশি করে তাদের কাছে, '''গ্রাম সেই শাশ্বত মূল্যবোধ এবং শাশ্বত ঐতিহ্যের প্রতিনিধিত্ব করে যা থেকে আমাদের কখনোই নিজেদের বিচ্ছিন্ন হতে দেওয়া উচিত নয়।'''
**ন্যাশনাল ট্রাস্টের কাছে হেয়ার্সফিল্ড বীকন হস্তান্তর অনুষ্ঠানে দেওয়া ভাষণ (১০ জানুয়ারি ১৯৩১), ''দিস টর্চ অফ ফ্রিডম'' (১৯৩৫), পৃষ্ঠা ১২০-এ প্রকাশিত।
*আমরা প্রায়ই এই দেশে শুনতে পাই, এবং কথাগুলোর মধ্যে একটি পরিচিত সুরও আছে, যে [ভারতের জন্য] একটি দৃঢ় বা শক্তিশালী সরকারের সময় প্রয়োজন। এর মানে আসলে কী, তা সংজ্ঞায়িত করা খুব কঠিন। তবে এক মুহূর্তের জন্য যদি ধরে নিই যে আমরা এর অর্থ নিয়ে একমত, তবে আমি এই কথা বলব। এটি পুরোপুরি সম্ভব, কিন্তু আপনি কেবল দুটি অনুমানের ওপর ভিত্তি করেই সেই নীতিতে সফল হওয়ার আশা করতে পারেন; আমি একটু পরেই ইতিহাসে আসছি। সেই দুটি অনুমান হলো, প্রথমত, দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য এবং দ্বিতীয়ত, নীতির ধারাবাহিকতা। আয়ারল্যান্ডের ক্ষেত্রে এই দুটি প্রাথমিক প্রয়োজনীয়তার অভাব ছিল বলেই আইরিশ প্রশ্নটি এক প্রজন্ম ধরে চলেছিল, যেমনটা ঘটেছিল। আর শেষ পর্যন্ত এর পরিণতি দাঁড়িয়েছিল সম্পূর্ণ আত্মসমর্পণ অথবা যুদ্ধের মতো দুটির একটি বিকল্প বেছে নেওয়ার মধ্যে। যে সমাধানটি বেছে নেওয়া হয়েছিল, তা নিয়ে মতভেদ রয়েছে। তৎকালীন সরকারের একজন সদস্য হিসেবে আমি আত্মসমর্পণের সমাধানটিকে সমর্থন করেছিলাম। সে সময় আমার এটি পছন্দ হয়নি, কিন্তু আমি নিজের বিশ্বাস থেকেই এটি করেছিলাম।
**হাউস অফ কমন্সে দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1931/jan/26/india-1 ভাষণ] (২৬ জানুয়ারি ১৯৩১)।
*আমার দলের মতো বিভক্ত দল আর একটিও নেই। আমি একে একতাবদ্ধ রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করেছি, কিন্তু এটি [[w:Queen Victoria#Diamond Jubilee|দ্বিতীয় জুবিলির]] সাম্রাজ্যবাদীদের থেকে শুরু করে তরুণ প্রগতিশীল ডেমোক্র্যাটদের পর্যন্ত বিস্তৃত, যারা সবাই আরউইনের নীতির পক্ষে। আমি নিজেও সেই নীতির পক্ষে এবং আমি সেটা বলতেও চাই।
**ভারতের হোম রুল নিয়ে টমাস জোনসের সঙ্গে কথোপকথন (১১ মার্চ ১৯৩১), টমাস জোনসের ''আ ডায়েরি উইথ লেটারস. ১৯৩১-১৯৫০'' (অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১৯৫৪), পৃষ্ঠা ৫-এ উদ্ধৃত।
*পথ যতই কঠিন হোক না কেন, বিপদগুলো শুধু সেই কঠিন পথ থেকেই আসে না; বরং দেশে ও ভারতে থাকা চরমপন্থীদের কাছ থেকেও আসে। আমি বলছি আমার কথার মানে কী। আমার দৃঢ় বিশ্বাস যে, ''ডেইলি মেইলের'' মতো পত্রিকায় যে ধরনের লেখা ছাপা হয়, তা ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের জন্য ভারত হাতছাড়া হওয়ার ক্ষেত্রে, বা বিপ্লবী মনোভাব উসকে দেওয়ার ক্ষেত্রে অন্য কারও যেকোনো কাজের চেয়ে বেশি দায়ী হবে। আমাকে আর আলাদা করে বলতে হবে না, আমি সব ধরনের দৃষ্টিভঙ্গি থেকেই অনেক চিঠি পাই। গত সপ্তাহে আমি খুব অদ্ভুত একটি চিঠি পেয়েছি... এটি একজন কর্নেলের কাছ থেকে এসেছিল; তিনি একজন বৃদ্ধ মানুষ ছিলেন, তার হাতের লেখা দেখেই তা বোঝা যাচ্ছিল। তিনি এই বাক্যটি ব্যবহার করেছিলেন: তিনি বলেছিলেন, "আপনি এবং লর্ড আরউইন হলেন নিগ্রোফাইল (কৃষ্ণাঙ্গদের প্রতি অতিরিক্ত সহানুভূতিশীল)।" সম্ভবত তিনি ইউনাইটেড এম্পায়ার পার্টির একজন সদস্য ছিলেন। সাম্রাজ্যকে একতাবদ্ধ রাখার এটি কোনো পথ নয়। এ ধরনের ঘটনা, এবং এর পেছনের যে মানসিকতা, তা নিশ্চিতভাবেই আমাদের সাম্রাজ্য ভেঙে দেবে। আর আমি এর বিরুদ্ধেই লড়াই করতে নেমেছি।
**হাউস অফ কমন্সে দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1931/mar/12/india ভাষণ] (১২ মার্চ ১৯৩১)।
* '''এই পত্রিকাগুলোর মালিকানার লক্ষ্য হলো ক্ষমতা, এবং দায়িত্বহীন ক্ষমতা — যা যুগ যুগ ধরে বেশ্যাদের বিশেষ অধিকার।'''
** বল্ডউইন তার সময়ের শীর্ষস্থানীয় প্রেস ব্যারনদের (লর্ড বিভারব্রুক এবং লর্ড রদারমের) আক্রমণ করছিলেন; বাক্যটি বল্ডউইনের চাচাতো ভাই [[রুডইয়ার্ড কিপলিং]] (১৭ মার্চ ১৯৩১) পরামর্শ দিয়েছিলেন, ''দ্য টাইমস'' (১৮ মার্চ ১৯৩১), পৃষ্ঠা ১৮-তে উদ্ধৃত।
*আমাদের নিজেদের সুরক্ষার সময় এসেছে। বিদেশি যেমন নিজেকে রক্ষা করে, তেমনি আমাদেরও নিজেদের জনগণের স্বার্থকে সবার আগে রাখতে হবে। আমরা দেশবাসীকে আমাদের নিজেদের ডোমিনিয়নগুলোর সাথেও বাণিজ্য চুক্তিতে প্রবেশের আহ্বান জানাব। এর অধীনে আমরা তাদের আমাদের নিজেদের উৎপাদিত পণ্য কেনার আহ্বান জানাব এবং বিনিময়ে আমরা খাদ্যসামগ্রী ও কাঁচামাল নেব। ... গম উৎপাদন বাড়ানোর ক্ষমতা দিতে আমরা ভোটারদের কাছে আহ্বান জানাব।
**নিউজরিলে দেওয়া সাক্ষাৎকার (বসন্ত ১৯৩১), জন রামসডেনের ''এ হিস্ট্রি অফ দ্য কনজারভেটিভ পার্টি: দ্য এজ অফ বেলফোর অ্যান্ড বল্ডউইন, ১৯০২-১৯৪০'' (১৯৭৮), পৃষ্ঠা ৩২০-তে উদ্ধৃত।
*সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ধর্ম আমাদের উদ্দেশ্যগুলোকে পরিচালিত করবে, আমাদের নীতিগুলোকে টিকিয়ে রাখবে, এবং আমরা যখন কাজে যাব তখন এক গোপন আবহের মতো আমাদের আত্মাকে ঘিরে রাখবে ও সিক্ত করবে... আমরা সবাই একমত যে, ধর্ম কেবল চার্চে থাকা খ্রিস্টানদের বিষয় নয়; এটি রাজনীতিতে, কূটনীতিতে, বাণিজ্যে, শিল্পে, স্কুলে এবং খেলাধুলায় থাকা খ্রিস্টানদেরও বিষয়। আমার মনে হয় সাধারণ মানুষের বিচার এটিকে স্বতঃসিদ্ধ হিসেবেই গ্রহণ করেছে।
**লন্ডনে কংগ্রেগেশনাল ইউনিয়নের বার্ষিক সমাবেশে দেওয়া ভাষণ (১২ মে ১৯৩১), ''দিস টর্চ অফ ফ্রিডম'' (১৯৩৫), পৃষ্ঠা ৮০-৮১-তে প্রকাশিত।
*যেকোনো আকাঙ্ক্ষাকে, তা যতই অশালীন হোক না কেন, আকাঙ্ক্ষিত হওয়ার কারণেই ভালো বলে মনে করাটা হয়তো রক্তমাংসের সাধারণ মানুষের পথ হতে পারে, কিন্তু এটি ক্রুশের পথ নয়। আর আমাদের তরুণদের মধ্যে যে নৈতিক নৈরাজ্য ছড়িয়ে পড়েছে বলে বলা হয়... তা ধর্মের দাবিগুলো কমিয়ে দিয়ে মোকাবিলা করা যাবে না, বরং সেগুলোর ওপর জোর দিয়েই করতে হবে। তরুণদের সমর্থন এবং উৎসাহ পাওয়ার জন্য তাদের বদভ্যাসগুলো মেনে নিতে হবে—এমন ধারণা তাদের সম্পর্কে সম্পূর্ণ ভুল বিচার করা এবং তাদের সম্মান হারানোর নামান্তর। চার্চগুলো মানবপ্রকৃতির কাছে খুব বেশি কিছু দাবি করার চেয়ে বরং খুব কম কিছু দাবি করার কারণেই দীর্ঘমেয়াদে ব্যর্থ হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। তরুণরা আজ যে পরিস্থিতিতে নিজেদের আবিষ্কার করেছে, তার আসল ট্র্যাজেডি হলো অতীত প্রজন্মের গোঁড়ামির পতন এবং আজকের পরিস্থিতির সাথে মানানসই একটি আত্মবিশ্বাসী, সুসংগত বিশ্বাস দিয়ে এটিকে প্রতিস্থাপন করতে ব্যর্থ হওয়া। নীতিগুলো শাশ্বত হতে পারে, তবে তাদের বাস্তবায়ন অবশ্যই সময়োপযোগী হতে হবে।
**লন্ডনে কংগ্রেগেশনাল ইউনিয়নের বার্ষিক সমাবেশে দেওয়া ভাষণ (১২ মে ১৯৩১), ''দিস টর্চ অফ ফ্রিডম'' (১৯৩৫), পৃষ্ঠা ৮৩-৮৪-তে প্রকাশিত।
*আসুন আমরা এটা মনে না করি যে উচ্চতর [[গণিত]], [[পদার্থবিজ্ঞান]] বা [[জীববিজ্ঞান|জীববিজ্ঞানের]] জগতে হওয়া আবিষ্কারগুলো নৈতিক সমতলে আমাদের সমস্যাগুলোকে দূর করবে বা এমনকি কমিয়ে দেবে... নৈতিকতার জগৎ পরিমাণ বা রাসায়নিক ক্রিয়ার কোনো জগৎ নয়। এটি মূল্যবোধের একটি জগৎ। [[সঠিক ও বেঠিক]], [[ভালো ও মন্দ]], [[সততা]] এবং [[সাহস|সাহসের]] এই মূল্যবোধগুলোই ধর্ম এবং জাতীয় জীবনের জন্য সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ... আমি বিজ্ঞানকে অবজ্ঞা করছি না। আমি শুধু এ কথাই বলতে চাইছি যে নৈতিক মূল্যবোধগুলো—যা তাদের গুণাবলিতে শাশ্বত, কিন্তু তাদের রূপ এবং প্রয়োগে ক্ষণস্থায়ী—হলো একটি দেশের মহত্ত্বের ভিত্তি। যদি আমাদের সাধারণ জীবনে নৈতিক মূল্যবোধের বিকাশ ঘটে, তবে জাতির সব কিছুই ভালো হবে।
**লন্ডনে কংগ্রেগেশনাল ইউনিয়নের বার্ষিক সমাবেশে দেওয়া ভাষণ (১২ মে ১৯৩১), ''দিস টর্চ অফ ফ্রিডম'' (১৯৩৫), পৃষ্ঠা ৮৬-৮৭-তে প্রকাশিত।
*এখন আমাদের এই দেশের এমন একটি রেকর্ড রয়েছে যার জন্য আমরা গর্ব করতে পারি। আমরা যখন বিভিন্ন চুক্তিতে স্বাক্ষর করে সেই [[নিরস্ত্রীকরণ|নিরস্ত্রীকরণের]] প্রশ্নটি আন্তরিকতা, ঐকান্তিকতা এবং সম্মানের সাথে মোকাবিলা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, তখন আমরা আমাদের স্বাক্ষরকে ন্যায়সংগত প্রমাণ করেছি এবং এর প্রতি সমর্থন দিয়েছি। এবং একটি দেশ নিজে একা যা যা করতে পারে, আমরা তার সবই করেছি। আমরা আমাদের সব অস্ত্রশস্ত্র কমিয়ে দিয়েছি। আজ [[রয়েল এয়ার ফোর্স|আমাদের বিমান বাহিনীর]] শক্তিতে আমরা বিশ্বে পঞ্চম স্থানে রয়েছি। আমরা [[ব্রিটিশ সেনাবাহিনী|আমাদের সেনাবাহিনীকে]] একদম ন্যূনতম পর্যায়ে নামিয়ে এনেছি। আমাদের নৌবাহিনী সীমিত করার জন্য আমরা চুক্তিতে আবদ্ধ হয়েছি। একতরফা নিরস্ত্রীকরণের মাধ্যমে আর কিছুই করা সম্ভব নয়।
**হালের সিটি হলে দেওয়া ভাষণ (১৭ জুলাই ১৯৩১), ''দ্য টাইমস'' (১৮ জুলাই ১৯৩১), পৃষ্ঠা ১৪-তে উদ্ধৃত।
*ভারতীয় প্রশ্নে আমাদের দল কী অবস্থান নেবে তা নিয়ে দুই বছর আগে আমি উদ্বিগ্ন ছিলাম। আমি বিশ্বাস করতাম যে একটি প্রগতিশীল দলের জন্য একটি পথই খোলা আছে—আর বেঁচে থাকতে হলে একটি দলকে প্রগতিশীল হতেই হবে। আমি বিশ্বাস করতাম যে অন্য পথটি দলকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যায়।
**হাউস অফ কমন্সে দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1931/dec/03/indian-policy ভাষণ] (৩ ডিসেম্বর ১৯৩১)।
==== ১৯৩২ ====
*আমরা শুল্ক ব্যবস্থা কার্যকর করব এবং এটি যদি সফল হয় তবে তা অবাধ বাণিজ্যের মতোই দলীয় রাজনীতি থেকে অনেকটা ছিটকে পড়বে। এরপর আমাদের দলের নাম পরিবর্তন করে ন্যাশনাল (জাতীয়) রাখার জন্য উপযুক্ত সময় দিন, কারণ তখন লিবারেলদের বৃহত্তর অংশের থেকে আমাদের আসলেই আলাদা করার মতো খুব সামান্য কিছুই থাকবে।
**টমাস জোনসকে দেওয়া মন্তব্য (২৮ জানুয়ারি ১৯৩২), টমাস জোনসের ''আ ডায়েরি উইথ লেটারস. ১৯৩১-১৯৫০'' (১৯৫৪), পৃষ্ঠা ২৫-২৬-এ উদ্ধৃত।
*ঠিক বা ভুল যা-ই হোক না কেন, পুরোনো ভারতের সাথে আমাদের কাজ শেষ; একটি নতুন ভারত তৈরি হচ্ছে এবং আমাদের অবশ্যই এর সাথে মানিয়ে নিয়ে সেরাটা বের করে আনতে হবে।
**টমাস জোনসকে দেওয়া মন্তব্য (২৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৩২), টমাস জোনসের ''আ ডায়েরি উইথ লেটারস. ১৯৩১-১৯৫০'' (১৯৫৪), পৃষ্ঠা ২৯-এ উদ্ধৃত।
*[[সোভিয়েত ইউনিয়ন|রাশিয়া]] এবং [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|আমেরিকা]] লিগের বাইরে থাকায় [[অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা|নিষেধাজ্ঞাগুলো]] একটি ভুল। আমি সবসময়ই এমনটা ভেবেছি। আপনি একটি প্রথম-শ্রেণির শক্তির বিরুদ্ধে এগুলো প্রয়োগ করতে পারবেন না। [[রবার্ট সিসিল, চেলউডের ১ম ভিসকাউন্ট সিসিল|বব সিসিলের]] মতো ঠিক যে মানুষেরা আমাদের নিরস্ত্রীকরণে বাধ্য করেছিল, এবং তা একেবারে ঠিকও ছিল, তারাই এখন আমাদের পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য জোর দিচ্ছে। কিন্তু পদক্ষেপ আমাদের কোথায় নিয়ে যাবে? আমরা যদি রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার করি, তবে তা হবে কেবল প্রথম পদক্ষেপ। এর পরের পদক্ষেপ কী? এবং তার পরেরটা? আপনি যদি অর্থনৈতিক বয়কট করেন তবে [[জাপান সাম্রাজ্য|জাপান]] যুদ্ধ ঘোষণা করবে এবং সে [[সিঙ্গাপুর]] ও [[ব্রিটিশ হংকং|হংকং]] দখল করবে। আর আমরা এখন যে অবস্থানে আছি, তাতে তাকে থামাতে পারব না। আপনি [[ওয়াশিংটন, ডিসি|ওয়াশিংটন]] থেকে কেবল কথাই পাবেন, বড় বড় কথা, কিন্তু কেবল কথাই।
**জাপানের মাঞ্চুরিয়া আক্রমণের পর টমাস জোনসকে দেওয়া মন্তব্য (২৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৩২), টমাস জোনসের ''আ ডায়েরি উইথ লেটারস. ১৯৩১-১৯৫০'' (১৯৫৪), পৃষ্ঠা ৩০-এ উদ্ধৃত।
*তারা কি কখনো [[ইসলাম|মোহাম্মদীয় ধর্ম]] (ইসলাম) এবং [[কমিউনিজম|বলশেভিজমের]] উৎপত্তির মধ্যে থাকা মিলের কথা ভেবেছে? উভয়ই [[খ্রিস্টধর্ম|খ্রিস্টধর্ম]] থেকে উদ্ভূত, একটি ভ্রাতৃত্বের প্রচার করছে এবং অন্যটি সাম্যবাদের। তবে উভয়ই সকল অবিশ্বাসীদের জন্য মৃত্যু এবং নরকবাসের ঘোষণা দেয়। নবীর মৃত্যুর এক শতাব্দীর মধ্যেই মোহাম্মদীয়রা তরবারির জোরে [[আরব]] থেকে পিরেনিজ পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছিল [এবং] ট্যুরসে চার্লস মার্টেল তাদের থামিয়েছিলেন। রাশিয়া খুব কমই মহান মানুষের জন্ম দেয়, তবে কল্পনা করুন যদি একজন বলশেভিক [[প্রথম পিটার|পিটার দ্য গ্রেট]] দৃশ্যপটে হাজির হন, তবে কী ঘটতে পারে।
**টমাস জোনসের সঙ্গে কথোপকথন (৩ জুলাই ১৯৩২), টমাস জোনসের ''আ ডায়েরি উইথ লেটারস. ১৯৩১-১৯৫০'' (১৯৫৪), পৃষ্ঠা ৪৩-এ উদ্ধৃত।
*সরকার যে শুধু নিরস্ত্রীকরণের কথাই বলেনি, বরং এটি বাস্তবেও প্রয়োগ করেছে, তা আমার জোর দিয়ে বলার প্রয়োজন নেই। গ্রেট ব্রিটেন একতরফা নিরস্ত্রীকরণ নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার সময় এখন শেষ হয়েছে।
**লন্ডনের গিল্ডহলে দেওয়া ভাষণ (৯ নভেম্বর ১৯৩২), ''দ্য টাইমস'' (১০ নভেম্বর ১৯৩২), পৃষ্ঠা ১৪-তে উদ্ধৃত।
*আমি মনে করি সাধারণ মানুষের জন্য এটি উপলব্ধি করাও ভালো যে পৃথিবীর কোনো শক্তিই তাকে বোমা হামলার হাত থেকে রক্ষা করতে পারবে না। মানুষ তাকে যা-ই বলুক না কেন, '''বোমারু বিমান সব সময়ই পথ খুঁজে নেবে'''।
**হাউস অফ কমন্সে দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1932/nov/10/international-affairs ভাষণ] (১০ নভেম্বর ১৯৩২)।
*আমি যাদের সবচেয়ে বেশি বিরোধী, তারা হলেন চরম টোরি উইংয়ের সেই বয়স্ক ভদ্রলোকেরা। তারা ক্লাবের ধূমপানের ঘরে বসে থাকেন এবং কখনোই কোনো কাজে হাত লাগান না, কিন্তু আমি যা কিছু করি তার সবকিছুর জন্যই আমাকে গালমন্দ করেন... সরকারি কাজের জন্য আমাদের কাছে যে জনবল ছিল, অন্য কোনো দেশের কাছে তা ছিল না। জনজীবন জঘন্যভাবে দুর্নীতিগ্রস্ত হয়ে উঠতে পারত, কিন্তু আমরা সবাই একে পরিচ্ছন্ন এবং ঘুষমুক্ত রাখতে সাহায্য করতে পারতাম।
**সান্ডারল্যান্ডের ভিক্টোরিয়া হলে জাতীয় সরকারের সমর্থনে এক সভায় দেওয়া ভাষণ (২ ডিসেম্বর ১৯৩২), ''দ্য টাইমস'' (৩ ডিসেম্বর ১৯৩২), পৃষ্ঠা ১২-তে উদ্ধৃত।
==== ১৯৩৩ ====
*আমি সব সময়ই [[ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট|রুজভেল্টের]] [[নিউ ডিল|পরীক্ষা-নিরীক্ষাগুলোকে]] ভয় পেয়েছি এবং আমার মনে হয় কয়েক মাসের মধ্যেই আমেরিকায় একটি ভয়ংকর বিশৃঙ্খলা তৈরি হবে।
**টমাস জোনসকে লেখা চিঠি (১৪ সেপ্টেম্বর ১৯৩৩), টমাস জোনসের ''আ ডায়েরি উইথ লেটারস. ১৯৩১-১৯৫০'' (১৯৫৪), পৃষ্ঠা ১১৫-তে উদ্ধৃত।
*[[মধ্যযুগ|মধ্যযুগে]], এবং মূলত তার পরবর্তী বছরগুলোতে... আমাদের সীমানা ছিল সমুদ্র; এটি একটি নির্দিষ্ট সীমানা ছিল। আর এটি এমন এক সীমানা ছিল, যা একবার একটি ঐক্যবদ্ধ জাতি সেই সমুদ্র সীমান্ত রক্ষা করতে সক্ষম হলে আর কেউ পার হতে পারত না। আর মূলত ও প্রধানত এর কারণেই আমরা এই দেশে আমাদের নিজস্ব অদ্ভুত সভ্যতা এবং আমাদের নিজস্ব স্বাধীনতা গড়ে তুলতে পেরেছিলাম। আমরা এমন এক নিরাপত্তায় তা করতে পেরেছিলাম, যা সে সময় বিশ্বের প্রায় অন্য সব জাতির কাছেই অপরিচিত ছিল।
**লন্ডন থেকে সম্প্রচারিত (২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৩৩), ''দিস টর্চ অফ ফ্রিডম'' (১৯৩৫), পৃষ্ঠা ১১-তে উদ্ধৃত।
*জাতি হিসেবে আমরা অভিযোগ করি, আমরা কখনোই দুশ্চিন্তা করি না, আর সময় যত কঠিন হয়, আমরা তত বেশি উৎফুল্ল হই। বাইরের বিশ্বে কী ঘটছে তা নিয়ে অনেক দিক থেকেই আমরা উদাসীন হতে পারি, কিন্তু বিপদের সময় এই উদাসীনতা খুব দ্রুতই দূর হয়ে যায়। আমরা বিপদের সময় সব সময়ই শান্ত থাকি। আমরা সামরিক জাতি নই, কিন্তু আমরা মহান যোদ্ধা—যে বংশ থেকে আমাদের উদ্ভব, তাতে আমাদের এমনটাই হওয়া উচিত। আমাদের টিকে থাকার ক্ষমতা আছে, আমরা বিচলিত হই না। আমার মনে আছে, ''দ্য টাইমসের'' একজন লেখকের কথায় আমি খুব মজা পেয়েছিলাম এবং বেশ খুশিও হয়েছিলাম। তিনি বলেছিলেন যে আমার আধ্যাত্মিক বাড়ি হলো শেষ পরিখায় । যদি তা-ই হয়, তবে আমি আমার বেশিরভাগ দেশবাসীর সাথেই সেই পরিখা ভাগ করে নিয়েছি।
**লন্ডন থেকে সম্প্রচারিত (২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৩৩), ''দিস টর্চ অফ ফ্রিডম'' (১৯৩৫), পৃষ্ঠা ১৩-তে উদ্ধৃত।
*তারপর, সবার ওপরে, ইংরেজদের বুদ্ধির চেয়ে [[রসবোধ|রসবোধের]] এক অদ্ভুত অনুভূতি রয়েছে। রসবোধ আসে হৃদয় থেকে; বুদ্ধি আসে মস্তিষ্ক থেকে। আমরা নিজেদের নিয়ে হাসতে পারি। [[জন রাস্কিন|রাস্কিন]] কী বলেছিলেন মনে আছে? "ইংরেজদের হাসি হলো টাকশালে তৈরি হওয়া ধাতুর মধ্যে সবচেয়ে খাঁটি এবং সত্য।" এবং সত্যিই, কেবল ঈশ্বরই জানেন যে দেশ এর কাছে কতটা ঋণী। আসলে, হাসি হলো ঈশ্বরের দেওয়া সেরা উপহারগুলোর একটি। আর মনখোলা হাসির সাথে কোনো বিদ্বেষ বা অশালীনতা থাকতে পারে না। আর যে মানুষগুলো আমাদের দেখিয়েছেন সেই হাসির মানে কী হতে পারে, তাদের মধ্যে [[w:চার্লস ডিকেন্স|ডিকেন্সের]] মতো আর কেউ ছিলেন না। তার প্রতিটি চরিত্রই মজ্জায় মজ্জায় ইংরেজ। আর যদি আমি একজন জীবিত লেখকের কথা উল্লেখ করি, তবে আমার মনে হয় সবচেয়ে খাঁটি ইংরেজদের দেখা যায় মিস্টার প্রিস্টলির উপন্যাসগুলোতে।
**লন্ডন থেকে সম্প্রচারিত (২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৩৩), ''দিস টর্চ অফ ফ্রিডম'' (১৯৩৫), পৃষ্ঠা ১৩-তে উদ্ধৃত।
*দয়া, দুর্বলদের প্রতি সহানুভূতি, বাড়ির প্রতি ভালোবাসা! এগুলো কি আপনার পরিচিত সাধারণ ইংরেজদের বৈশিষ্ট্য নয়? সে একজন প্রবল ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদী এই কারণে যে, সে নিজেকে কোনো সাধারণ ছাঁচে ফেলতে চায় না, সবার মতো হতে চায় না; সে তার নিজস্ব স্বকীয়তা গড়ে তুলতে পছন্দ করে। এবং তবুও সে সেবার জন্য একজোট হতে পারে। এই দেশের সেরা কিছু জিনিস আমাদের সাধারণ মানুষের মধ্যেই তৈরি হয়েছে, সরকারের কোনো সাহায্য ছাড়াই—ফ্রেন্ডলি সোসাইটির কাজ, আমাদের ট্রেড ইউনিয়ন, আমাদের হাসপাতাল এবং রাষ্ট্র দায়িত্ব নেওয়ার আগে আমাদের শিক্ষা। তারপর আইন ও শৃঙ্খলার প্রতি ইংরেজের এক গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে—এটি তার স্বশাসনের ঐতিহ্যের অংশ। সুশৃঙ্খল স্বাধীনতা—বিশৃঙ্খলাপূর্ণ স্বাধীনতা নয়, বা যা অবধারিতভাবে এর অনুসরণ করে সেই স্বৈরতন্ত্রও নয়; বরং সুশৃঙ্খল স্বাধীনতা, যা বর্তমানে এই ওলটপালট পৃথিবীর অন্যতম বিরল জিনিস।
**লন্ডন থেকে সম্প্রচারিত (২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৩৩), ''দিস টর্চ অফ ফ্রিডম'' (১৯৩৫), পৃষ্ঠা ১৩-১৪-তে উদ্ধৃত।
*আমি বলছি যে বিশ্বে এ ধরনের গুণাবলি এর আগে কখনোই এতটা প্রয়োজনীয় ছিল না। আসুন আমরা যা, তা-ই ধরে রাখি; আসুন আমরা অন্য কারও মতো হওয়ার চেষ্টা না করি... আমাদের অধ্যবসায়, আমাদের স্বাধীনতার প্রতি ভালোবাসা, আমাদের সুশৃঙ্খল স্বাধীনতার প্রতি ভালোবাসা, আমাদের আইনের প্রতি শ্রদ্ধা, আমাদের ব্যক্তির প্রতি শ্রদ্ধা এবং সেবায় আমাদের একজোট হওয়ার ক্ষমতা; বস্তুত, আমাদের শক্তি এবং আমাদের দুর্বলতার মাঝেই আমি আমার হৃদয় থেকে বিশ্বাস করি যে, আমাদের মানুষ আমাদের সামনে আসা যেকোনো পরীক্ষা পার হওয়ার যোগ্য। এবং যদি তারা তাদের নিজস্ব সেরা ঐতিহ্যগুলোর প্রতি সৎ থাকে, তবে অতীতে তারা যেমনটা ছিল ভবিষ্যতে তার চেয়েও এক মহান জাতি হিসেবে তারা আত্মপ্রকাশ করবে।
**লন্ডন থেকে সম্প্রচারিত (২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৩৩), ''দিস টর্চ অফ ফ্রিডম'' (১৯৩৫), পৃষ্ঠা ১৪-তে উদ্ধৃত।
*এটি কোনো তৈরি করা জিনিস নয়; এটি শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে ওক, ছাই বা কাঁটার মতোই আমাদের দেশ এবং মানুষের নিজস্ব জিনিস হিসেবে বেড়ে উঠেছে। এটি তার মানুষকে স্বাধীনতা দিয়েছে এবং তাদের স্বাধীনতা ও স্বেচ্ছাচারিতার মধ্যে পার্থক্য শিখিয়েছে। আজ সেই সংবিধানই হুমকির মুখে, সোশ্যালিস্ট পার্টির তাদের সম্মেলনে এখনও পুরোপুরি প্রকাশ্যে না হলেও, প্রবণতাগতভাবে এমন একটি কর্মপন্থা আঁকার মাধ্যমে, যা যদি বাস্তবায়িত হয় তবে তার অর্থ হবে সংবিধানের ধ্বংস। আপনি এটিকে যত খুশি বিতর্কিত করতে পারেন, কিন্তু বাস্তবে হাউস অফ কমন্সের নির্বাহী ক্ষমতা কেড়ে নেওয়াই হলো প্রতিটি স্বৈরতন্ত্রের শুরুর পথ। এটি সর্বহারা হিটলারবাদ এবং অন্য কিছু নয়, এবং এটি অন্য কিছু হতেও পারে না। আমি চাই আপনারা সময়ের আগেই এটি উপলব্ধি করুন।
**বার্মিংহামে দেওয়া ভাষণ (৬ অক্টোবর ১৯৩৩), ''দ্য টাইমস'' (৭ অক্টোবর ১৯৩৩), পৃষ্ঠা ১৪-তে উদ্ধৃত।
*আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলোকে যুক্তিসংগত করার যেকোনো ইচ্ছাকৃত ও নিয়মতান্ত্রিক প্রচেষ্টাকে সন্দেহের চোখে দেখাটা ব্রিটিশ জনসাধারণের একটি বৈশিষ্ট্য।
**লন্ডনে ইনস্টিটিউট অফ পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে দেওয়া ভাষণ (২৬ অক্টোবর ১৯৩৩), ''দিস টর্চ অফ ফ্রিডম'' (১৯৩৫), পৃষ্ঠা ৫২-তে উদ্ধৃত।
*নিখুঁত সরকার কেবল সেখানেই পাওয়া যায় যেখানে কারাগারগুলো পূর্ণ থাকে।
**লন্ডনে ইনস্টিটিউট অফ পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে দেওয়া ভাষণ (২৬ অক্টোবর ১৯৩৩), ''দিস টর্চ অফ ফ্রিডম'' (১৯৩৫), পৃষ্ঠা ৫৩-তে উদ্ধৃত।
*'''আমি একজন ভিক্টোরিয়ান'''। আমি যখন ছোট ছিলাম, তখন আমি সেই সময়ের অন্য সবার মতোই প্রায় দশ মাইল ব্যাসার্ধের একটি বৃত্তের কেন্দ্রে বাস করতাম—যতদূর এক জোড়া ঘোড়া আমাকে টেনে নিয়ে যেতে পারত। এর বাইরে আমি খুব কমই যেতাম, এবং আমি ইংল্যান্ডের অন্যান্য অংশ থেকে এমনভাবে বিচ্ছিন্ন ছিলাম যা কেবল মোটর রাস্তা এবং মোটর গাড়ির দেশ হিসেবে ইংল্যান্ডকে চিনেছে, এমন কারও পক্ষে কল্পনা করাও অসম্ভব।
**লন্ডনে ইয়র্কশায়ার সোসাইটির বার্ষিক নৈশভোজে দেওয়া ভাষণ (৮ নভেম্বর ১৯৩৩), ''দিস টর্চ অফ ফ্রিডম'' (১৯৩৫), পৃষ্ঠা ১৩৪-এ উদ্ধৃত।
*কোনো মানুষের প্ল্যাটফর্মে কথাবার্তা যেমনই হোক না কেন বা দৈনন্দিন জীবনে সে নিজের ঢাল হিসেবে যতটাই মানববিদ্বেষের ভান করুক না কেন, সেই আবরণের নিচে, একশো জনের মধ্যে নিরানব্বই জন ইংরেজের মধ্যেই এমন একটি ভালোবাসা থাকবে—যা সে কখনো ব্যাখ্যা করতে পারে না বা কখনো করবেও না—সেই বাড়ির প্রতি যেখানে সে নিজে একসময় বাস করেছে বা তার আগে তার বাবা-মা বা দাদা-দাদি বাস করেছেন।
**লন্ডনে ইয়র্কশায়ার সোসাইটির বার্ষিক নৈশভোজে দেওয়া ভাষণ (৮ নভেম্বর ১৯৩৩), ''দিস টর্চ অফ ফ্রিডম'' (১৯৩৫), পৃষ্ঠা ১৩৭-এ উদ্ধৃত।
*দুটি সত্য আমাদের মনে গেঁথে আছে। আমরা যে যুগে বাস করি, সেখানে যুদ্ধ বিজয়ী এবং বিজিত উভয়ের জন্যই সমান ধ্বংসাত্মক। দ্বিতীয় বিষয়টি হলো, ইউরোপে আরেকটি যুদ্ধের অর্থ হবে আমাদের পরিচিত পশ্চিমা সভ্যতার অবসান। এই পরিস্থিতিতে এই সরকার যা করছে, তা ছাড়া আর কোনো সরকার কী-ই বা করতে পারে—অস্ত্রসীমিতকরণের বিষয়ে ইউরোপে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে অবিরাম সংগ্রাম করা? এই মুহূর্তে সামনের বাধাগুলোর কারণে অনেক মানুষের হৃদয় নিরাশ হয়ে পড়ছে... আমাদের দায়িত্ব হলো এই রাজনৈতিক বাধাগুলো অতিক্রম করতে চেষ্টার কোনো ত্রুটি না রাখা এবং শেষ মুহূর্তে হলেও অস্ত্রসীমিতকরণের একটি চুক্তি তৈরি করার কাজ পুনরায় শুরু করা।
**এডিনবার্গে দেওয়া ভাষণ (১৭ নভেম্বর ১৯৩৩), ''দ্য টাইমস'' (১৮ নভেম্বর ১৯৩৩), পৃষ্ঠা ১৪-তে উদ্ধৃত।
==== ১৯৩৪ ====
*আমি বলব যে, [[ফ্যাসিবাদ|ফ্যাসিস্টদের]] বিশ্বে স্বাধীনতার একমাত্র রক্ষক হিসেবে আমরাই টিকে আছি। ... এই ফ্যাসিস্ট এবং কমিউনিস্টরা আজ সেই ধর্মীয় সম্প্রদায়গুলোর যুদ্ধের উত্তরসূরি।
**টমাস জোনসের সঙ্গে কথোপকথন (২৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৩৪), টমাস জোনসের ''আ ডায়েরি উইথ লেটারস. ১৯৩১-১৯৫০'' (১৯৫৪), পৃষ্ঠা ১২৪-এ উদ্ধৃত।
*আমাদের স্বাধীনতা আমাদের নিজস্ব—তা সে নাগরিক হোক বা ধর্মীয়। আমরা এতে এতটাই অভ্যস্ত, ঠিক যেমন আমরা যে বাতাসে শ্বাস নিই তার প্রতি, যে আমরা এটিকে স্বাভাবিক বলেই ধরে নিই... আর সেই স্বাধীনতা স্বর্গ থেকে মান্নার মতো আমাদের ওপর ঝরে পড়েনি: আমাদের ইতিহাসের শুরু থেকেই এর জন্য লড়াই করতে হয়েছে, এবং এটি অর্জনের জন্য আমাদের চেয়ে অনেক ভালো মানুষের রক্ত ঝরেছে। এটি নির্বাহী ক্ষমতার প্রতি শতাব্দী ধরে করা প্রতিরোধের ফল, এবং এটি আমাদের জন্য একটি সমান ন্যায়বিচার ও জুরির মাধ্যমে বিচার, এবং ধর্মীয় ও রাজনৈতিক মতামতের স্বাধীনতা নিয়ে এসেছে।
**লন্ডন থেকে সম্প্রচারিত (৬ মার্চ ১৯৩৪), ''দিস টর্চ অফ ফ্রিডম'' (১৯৩৫), পৃষ্ঠা ১৭-তে উদ্ধৃত।
*আমি বিশ্বাস করি, বিশ্বের অন্য যেকোনো দেশের চেয়ে এই দেশে সরকার অনেক বেশি পরিচ্ছন্নভাবে পরিচালিত হয়। আমাদের দেশের সরকারের মতোই আমাদের স্থানীয় জনপ্রশাসনেও এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া খুবই বিরল, যারা পথভ্রষ্ট হয় এবং [[দুর্নীতি]] বা অযাচিত প্রভাবের কারণে আসা প্রলোভনের কাছে নতি স্বীকার করে। আমাদের ভাইদের অবস্থা যা-ই হোক না কেন, তাদের সবার মঙ্গলের জন্য জনসেবা করার একটি চমৎকার ঐতিহ্য এই দেশে প্রাচীনকাল থেকেই চলে আসছে।
**লন্ডন থেকে সম্প্রচারিত (৬ মার্চ ১৯৩৪), ''দিস টর্চ অফ ফ্রিডম'' (১৯৩৫), পৃষ্ঠা ২০-তে উদ্ধৃত।
*আর এই দেশে বসে আমাদের জন্য কোনো [[স্বৈরতন্ত্র|স্বৈরতন্ত্রের]] কথা ভাবা—যা আজ অনেক দেশে সরকারের একটি জনপ্রিয় রূপ—তা হবে আমাদের দিক থেকে চূড়ান্ত [[কাপুরুষতা|কাপুরুষতার]] কাজ, একটি [[আত্মসমর্পণ|আত্মসমর্পণের]] কাজ, হাল ছেড়ে দেওয়ার কাজ, এটি হবে এক ধরনের স্বীকারোক্তি যে আমরা নিজেদের শাসন করতে অক্ষম... এই দেশে আমরা যাকে "রাতারাতি ধনী হওয়ার" মানসিকতা বলি, তা আমরা চাই না। গতি এবং দক্ষতা খুব ভালো জিনিস, এবং সম্ভবত সেগুলো এই প্রজন্মের কাছে পূজনীয়। কিন্তু সেগুলো সবসময় একসাথে চলে না। আমি যেমনটা প্রায়ই বলি, ত্বরণ বা অ্যাক্সিলারেশন সভ্যতার সমার্থক নয়। এটা ঠিক যে এই দেশের রাষ্ট্রীয় ঘোড়ার গাড়িটি হয়তো কর্দমাক্ত পথ দিয়ে যাচ্ছে, এর চাকায় হয়তো ক্যাঁচক্যাঁচ শব্দ হচ্ছে; কিন্তু আপনি কি নিশ্চিত যে আজ [[মস্কো]], [[বার্লিন]], [[ভিয়েনা|ভিয়েনায়]] রাষ্ট্রীয় গাড়ির চাকাগুলো ক্যাঁচক্যাঁচ করছে না? আপনি কি পুরোপুরি নিশ্চিত যে সেগুলো এমনকি [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও]] ক্যাঁচক্যাঁচ করছে না?
**লন্ডন থেকে সম্প্রচারিত (৬ মার্চ ১৯৩৪), ''দিস টর্চ অফ ফ্রিডম'' (১৯৩৫), পৃষ্ঠা ২১-এ উদ্ধৃত।
*'''স্বৈরতন্ত্র হলো একটি বিশাল বিচ গাছের মতো—যৌবনে এটি দেখতে খুবই চমৎকার, কিন্তু এর নিচে কিছুই জন্মায় না বা বাঁচে না।'''
**লন্ডন থেকে সম্প্রচারিত (৬ মার্চ ১৯৩৪), ''দিস টর্চ অফ ফ্রিডম'' (১৯৩৫), পৃষ্ঠা ২১-এ উদ্ধৃত।
==== ১৯২৬ ====
[[Image:KingBaldwin1926.jpg|thumb|রাজনীতিকে যদি সঠিকভাবে দেখা যায়, তবে তা সত্যিই এক ধরনের ধর্মীয় সেবার (মিনিস্ট্রি) মতো।]]
*কেন [[রোম সাম্রাজ্য|রোমান সাম্রাজ্যের]] উত্থান হয়েছিল এবং কেনই বা উত্থানের পর তার পতন ঘটেছিল? ...সাম্রাজ্যের উত্থানে রোমানদের চরিত্র যেমন ভূমিকা রেখেছিল, পতনের ক্ষেত্রেও কি ঠিক তেমনই ভূমিকা রাখেনি? ...আমার কাছে রোমান চরিত্রের সবচেয়ে বড় এবং অনন্য শক্তি হলো ''pietas (নিষ্ঠা)'' এবং ''gravitas (গাম্ভীর্য)'' শব্দ দুটির মধ্যে। এগুলোই ছিল সেই দেশপ্রেমের ভিত্তি, যা একাই সাম্রাজ্যের বোঝা বইতে পারত। এই দেশপ্রেম ছিল সহজাত, অসীম ক্ষমতার এক চালিকাশক্তি। অথচ এটি এতটাই পবিত্র ছিল যে, একে নিয়ে কখনোই বড়াই করা হয়নি, কোনো পুরস্কারের আশা করা হয়নি, একে খুব স্বাভাবিক বলেই ধরে নেওয়া হতো এবং একে প্রকাশ করার মতো কোনো একক শব্দও ছিল না।
**ক্লাসিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের কাছে দেওয়া ভাষণ (৮ জানুয়ারি ১৯২৬), ''অন ইংল্যান্ড, অ্যান্ড আদার অ্যাড্রেসেস'' (১৯২৬), পৃষ্ঠা ১০৩-১০৪-এ উদ্ধৃত।
*''Pietas'' এবং ''gravitas''-এর ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা চরিত্রের শেকড় ছিল সত্যের গভীরে। আর আমি এ কথা ভেবে গর্ববোধ করি যে, ইংরেজি শব্দটি রোমান শব্দের চেয়ে কোনো অংশেই কম সম্মানজনক নয়... রোমান সৈন্যদল যখন ব্রিটেন ছাড়ছিল, তখন [[w:অ্যামিয়ানাস মার্শেলিনাস|অ্যামিয়ান]] লিখেছিলেন যে, রোমানদের কথার ওপর আর ভরসা করা যায় না। তার এই লেখা থেকেই আমরা তা জানতে পারি। '''শহরগুলোতে জনসংখ্যার ভিড়, অপরিসীম বিলাসিতা এবং সম্পদের স্থায়ী উৎসগুলোর নিঃশেষ হয়ে যাওয়া—এসবের চেয়েও এটি আমার কাছে অনেক বেশি তাৎপর্যপূর্ণ একটি অশনিসংকেত বলে মনে হয়। কারণ এই সব কিছু মিলে সেই চরিত্রটিকেই দুর্বল করে দিয়েছিল, রাষ্ট্রের বেঁচে থাকার জন্য যার টিকে থাকাটা অপরিহার্য ছিল।'''
**ক্লাসিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের কাছে দেওয়া ভাষণ (৮ জানুয়ারি ১৯২৬), ''অন ইংল্যান্ড, অ্যান্ড আদার অ্যাড্রেসেস'' (১৯২৬), পৃষ্ঠা ১০৫-এ উদ্ধৃত।
*আজ যারা সরকার পরিচালনার দায়িত্বে আছেন, তাদের মনে এক ধরনের ভয় কাজ করছে। সেই ভয় এখনও আমাদের গলা চেপে ধরেনি ঠিকই, তবে গোধূলির আলোয় এক ভয়ংকর রূপ নিচ্ছে। ভয়টা হলো, [[প্রথম বিশ্বযুদ্ধ|মহামহাবুদ্ধ]] এত বিপুল সংখ্যক সেরা জীবন কেড়ে নেওয়ার কারণে সাম্রাজ্যের কাজ চালিয়ে নেওয়ার মতো যথেষ্ট উপযুক্ত মানুষ হয়তো আর অবশিষ্ট নেই। আমাদের কাজ এমনিতেই অনেক কঠিন, তবে তা সম্পন্ন হবে; '''তবুও ইউরোপের কে না জানে যে, পশ্চিমে যদি আর একটি যুদ্ধ হয়, তবে যুগের পর যুগ ধরে গড়ে ওঠা সভ্যতা রোমের মতোই এক ভয়ংকর পতনের সম্মুখীন হবে? সে রাস্তার মোড়ে মোড়ে বিপদের সংকেত রেখে গেছে; এখন সেগুলো পড়ার দায়িত্ব আমাদের।'''
**ক্লাসিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের কাছে দেওয়া ভাষণ (৮ জানুয়ারি ১৯২৬), ''অন ইংল্যান্ড, অ্যান্ড আদার অ্যাড্রেসেস'' (১৯২৬), পৃষ্ঠা ১০৬-এ উদ্ধৃত।
*আমি যেহেতু বিশ্বাস করি যে বিশ্বের অনেক সভ্যতা ও সংস্কৃতি পশ্চিম ইউরোপের জীবনের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত, তাই আমাদের জন্য এটি মনে রাখা ভালো যে, ঐতিহাসিক সময়ে আমরা পশ্চিম ইউরোপীয়রা একসঙ্গে একটি বিশাল সাম্রাজ্যের সদস্য ছিলাম। এবং আমরা ভাষা, আইন এবং ঐতিহ্য—যদিও ভিন্ন মাত্রায়—একে অপরের সাথে ভাগ করে নিই। '''একই মায়ের কাছ থেকে নাগরিকত্বের প্রথম পাঠ শেখা জাতিগুলোর মধ্যে যুদ্ধ হওয়াটা আমার কাছে ভ্রাতৃঘাতী উন্মাদনা বলেই মনে হয়।'''
**ক্লাসিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের কাছে দেওয়া ভাষণ (৮ জানুয়ারি ১৯২৬), ''অন ইংল্যান্ড, অ্যান্ড আদার অ্যাড্রেসেস'' (১৯২৬), পৃষ্ঠা ১০৭-এ উদ্ধৃত।
*অ্যাথেন্স এবং রোমে... প্রতিটি চূড়ান্ত সমস্যাই তাদের ছিল, যেমনটা এখন আমাদের। আর আপনি তাদের আবেদনে যত বেশি নিজের আত্মাকে উন্মুক্ত করবেন, হোঁচট খাওয়া মানবতার প্রতি আপনার করুণা তত গভীর হবে। আপনি মানব পরিবারকে ছিন্নভিন্ন করার চেয়ে বরং তাদের একত্রে বাঁধতে তত বেশি আগ্রহী হবেন। এটা কোনো অন্ধ নিয়তি নয় যে আমাদের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একজন পণ্ডিত তার জীবনকে [[w:সম্মিলিত_জাতিপুঞ্জ|লিগ অফ নেশনসের]] আদর্শের জন্য উৎসর্গ করেছেন। বরং এটি সেই গ্রিকদের ব্যর্থতা মোচনে অবদান রাখার ইচ্ছা থেকেই এসেছে, যাদেরকে বুঝতে তিনি জীবিত যেকোনো মানুষের চেয়ে এই আধুনিক বিশ্বকে বেশি সাহায্য করেছেন।
**[[গিলবার্ট মারে|গিলবার্ট মারেকে]] নিয়ে ক্লাসিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের কাছে দেওয়া ভাষণ (৮ জানুয়ারি ১৯২৬), ''অন ইংল্যান্ড, অ্যান্ড আদার অ্যাড্রেসেস'' (১৯২৬), পৃষ্ঠা ১১৫-১১৬-এ উদ্ধৃত।
*দেশের এখন অন্য একজন [[জন ওয়েসলি|ওয়েসলি]] বা [[জর্জ হোয়াইটফিল্ড|হোয়াইটফিল্ডের]] মতো আর কাউকে এতটা প্রয়োজন নেই... আজ বিশ্বকে খ্রিস্টীয় যুগে অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি [[অধর্ম|ধর্মহীন]] বলে মনে হচ্ছে। দায়িত্বজ্ঞানহীন আনন্দ-সন্ধান এবং অপব্যয়ী বিলাসিতা এখন চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে; আমাদের শৈশবে গির্জায় যাওয়ার যে চল ছিল, তা এখন আর নেই; এবং যাজকপদের (মিনিস্ট্রি) জন্য প্রার্থীদের সংখ্যাও আগের বছরগুলোর তুলনায় কমে গেছে। কিন্তু আমি বিশ্বাস করি এই পরিস্থিতি কেটে যাবে।
**ল্যাংহ্যাম হোটেলে দেওয়া ভাষণ (১১ ফেব্রুয়ারি ১৯২৬), ''অন ইংল্যান্ড, অ্যান্ড আদার অ্যাড্রেসেস'' (১৯২৬), পৃষ্ঠা ১৯৫-১৯৬-এ উদ্ধৃত।
*আমি সেখানে, বিশেষ করে লেবার পার্টির মধ্যে এমন অনেক লোককে দেখি যারা পঞ্চাশ বছর আগে নিশ্চিতভাবেই খ্রিস্টান যাজকপদে (মিনিস্ট্রি) যোগ দিতেন। জনগণকে সাহায্য করার গভীর আকাঙ্ক্ষা থেকেই তারা রাজনৈতিক জীবনে আকৃষ্ট হয়েছেন। আজকাল সব দলেই এমন মানুষ দেখা যায়... আমি অবশ্যই অনেক পর্যবেক্ষকের সাথে একমত যে, যুদ্ধের পর থেকে [[শয়তান|শয়তানের]] স্পষ্ট শক্তিগুলো আরও বেশি মাত্রায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। কিন্তু এই শক্তিগুলোর প্রকাশই আবার অন্যান্য শক্তিগুলোকে মাঠে নামার আহ্বান জানাচ্ছে।
**ল্যাংহ্যাম হোটেলে দেওয়া ভাষণ (১১ ফেব্রুয়ারি ১৯২৬), ''অন ইংল্যান্ড, অ্যান্ড আদার অ্যাড্রেসেস'' (১৯২৬), পৃষ্ঠা ১৯৬-এ উদ্ধৃত।
*'''রাজনীতিকে যদি সঠিকভাবে দেখা যায়, তবে তা সত্যিই এক ধরনের ধর্মীয় সেবার (মিনিস্ট্রি) মতো।'''
**ল্যাংহ্যাম হোটেলে দেওয়া ভাষণ (১১ ফেব্রুয়ারি ১৯২৬), ''অন ইংল্যান্ড, অ্যান্ড আদার অ্যাড্রেসেস'' (১৯২৬), পৃষ্ঠা ১৯৭-এ উদ্ধৃত।
* '''আমি একজন শান্তির মানুষ। আমি শান্তির জন্য আকুল আকাঙ্ক্ষা করছি, কাজ করছি এবং প্রার্থনা করছি। কিন্তু আমি ব্রিটিশ সংবিধানের নিরাপত্তা এবং সুরক্ষার সাথে কোনো আপস করব না।''' আপনারা আঠারো মাস আগে আমাকে ক্ষমতায় বসিয়েছেন। অনেক অনেক বছর পর কোনো দলকে দেওয়া সবচেয়ে বড় সংখ্যাগরিষ্ঠতা দিয়ে আপনারা আমাকে নির্বাচিত করেছেন। আমি কি এমন কিছু করেছি যার জন্য সেই বিশ্বাস হারাতে পারি? মানুষে মানুষে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে এবং একটি ন্যায্য ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে আপনারা কি আমার ওপর ভরসা রাখতে পারেন না?
** সাধারণ ধর্মঘট নিয়ে বিবিসি রেডিওতে দেওয়া ভাষণ (৮ মে ১৯২৬), কিথ মিডলমাস এবং জন বার্নসের লেখা ''বল্ডউইন : এ বায়োগ্রাফি'' (১৯৬৯), পৃষ্ঠা ৪১৫-তে উদ্ধৃত। *খাদ্য সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ, সব ধরনের [[পরিবহন]] ব্যবস্থা অধিগ্রহণ, শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং বন্দরগুলোতে থাকা কয়লা রপ্তানি বন্ধ করতে সরকার জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিল। মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে এমন সব বিস্ময়কর ঘটনা ঘটেছিল, যা আমাদের চেয়ে কম সুশৃঙ্খল কোনো জাতির মধ্যে ঘটলে দাঙ্গা এবং বিপ্লব অনিবার্য ছিল। '''কিন্তু আমাদের জাতি কোনো অপরিপক্ব বা অনভিজ্ঞ জাতি নয়। আমাদের দেশ তার সেরা ঐতিহ্য বজায় রেখে মাথা ঠান্ডা রেখেছিল। আর মাথা ঠান্ডা রেখেই সারা বিশ্বের প্রশংসা—এমনকি অনিচ্ছাকৃত প্রশংসাও—আদায় করে নিয়েছিল।'''
**সাধারণ ধর্মঘট নিয়ে চিপেনহ্যামে দেওয়া ভাষণ (১২ জুন ১৯২৬), ''আওয়ার ইনহেরিট্যান্স'' (লন্ডন: হোডার অ্যান্ড স্টোটন, ১৯৩৮), পৃষ্ঠা ১৫৯-এ উদ্ধৃত।
*এটি স্বীকার করা হয়েছিল, এবং ন্যায্যভাবেই স্বীকার করা হয়েছিল যে, যখন বিপুল সংখ্যক শ্রমিক একজোট হয়, তখন তাদের পক্ষে এককভাবে সেই শক্তিশালী ব্যবস্থাপনার সাথে দরকষাকষি করা সম্ভব নয়, যারা এই বিপুল সংখ্যক শ্রমিককে নিয়ন্ত্রণ করে। এমনটা আশা করাও তাদের প্রতি সুবিচার নয়। তাই কার্যকর চুক্তির স্বাধীনতা নিশ্চিত করার জন্যই, নিজেদের অবস্থার উন্নতির উদ্দেশ্যে একে অপরের সাথে যুক্ত হওয়ার অধিকার মানুষকে দেওয়া হয়েছিল। শিল্পের নতুন পরিস্থিতির সাথে খাপ খাইয়ে নিতেই ট্রেড ইউনিয়নগুলোর জন্ম হয়েছিল, যেমনটা আমরা আজ দেখি। তখন এটি অপরিহার্য ছিল, এবং সেই উদ্দেশ্যের জন্য এটি ভবিষ্যতেও অপরিহার্য থাকবে। এই দেশই হলো এ ধরনের জোটবদ্ধ হওয়ার জন্মস্থান—'''এই দেশ, যা বৈধ এবং বিবর্তনমূলক উপায়ে মানবজাতিকে মুক্ত করার প্রতিটি প্রচেষ্টার জন্মস্থান। অন্যান্য এবং অপেক্ষাকৃত কম সৌভাগ্যবান দেশগুলোর প্রচেষ্টা ব্যর্থতা ও বিপর্যয়ে তলিয়ে যাওয়ার অনেক পরও এই দেশ এভাবেই তার ধারা বজায় রাখবে।'''
**চিপেনহ্যামে দেওয়া ভাষণ (১২ জুন ১৯২৬), ''আওয়ার ইনহেরিট্যান্স'' (লন্ডন: হোডার অ্যান্ড স্টোটন, ১৯৩৮), পৃষ্ঠা ১৬১-তে উদ্ধৃত।
*যুদ্ধের দুই বছর আগে [[এইচ. এইচ. অ্যাসকুইথ|লর্ড অক্সফোর্ডের]] তৎকালীন সরকারকে [[w:গ্রেট আনরেস্ট|ধর্মঘটের মহামারির]] মুখোমুখি হতে হয়েছিল। এক পেশার মানুষের বিরোধ সবার বিরোধে পরিণত হয়েছিল। এটি ছিল সহমর্মিতার ধর্মঘট... এক দল নেতার হাতে এটি হয়তো শ্রমিকদের অবস্থার উন্নতির জন্য নিয়োগকর্তাদের ওপর চাপ সৃষ্টির চেয়ে বেশি কিছু ছিল না। কিন্তু অন্যদের হাতে এটি এমন এক অস্ত্রে পরিণত হয়েছিল, যা দিয়ে শ্রেণিসংগ্রাম—যাকে তখন শ্রেণিসংগ্রাম বলা শুরু হয়েছিল—পরিচালনা করা যায়। আর সাধারণ ধর্মঘট, যা নিয়ে তখন প্রথম আলোচনা শুরু হয়েছিল, তা হয়ে উঠেছিল এমন এক চরম হাতিয়ার যার মাধ্যমে পুরো সমাজকে হয় অনাহারে রেখে অথবা ভয় দেখিয়ে এর প্রবর্তকদের ইচ্ছার কাছে নতিস্বীকার করতে বাধ্য করা যেতে পারে। একই আন্দোলনের মধ্যে দুটি ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি কাজ করছিল: পুরোনো নিয়মতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি... আলোচনা করা, সম্মিলিতভাবে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা এবং আলোচনা ব্যর্থ হলে ধর্মঘটের আশ্রয় নেওয়া। অন্যদিকে, ট্রেড ইউনিয়নের এই বিশাল সংগঠনটিকে এমন এক যন্ত্রে পরিণত করার চেষ্টা, যা দিয়ে ব্যক্তিমালিকানাধীন উদ্যোগের ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে সার্বজনীন রাষ্ট্রীয় কর্মসংস্থানের একটি ব্যবস্থা স্থাপন করা যায়... এরপর কী হবে তা কখনোই খুব একটা পরিষ্কার ছিল না। শুধু এটুকু পরিষ্কার ছিল যে, বিদ্যমান ব্যবস্থাকে ভেঙে ফেলাই হলো প্রথম প্রয়োজনীয়তা। এটি ছিল অতীতের সাথে এক গভীর বিচ্ছেদ, এবং এর উৎপত্তি হয়েছিল বিদেশি উৎস থেকে। আর সেইসব বিদেশি বিপ্লবী দৃষ্টান্তগুলোর মতোই এটিও মূলত অত্যন্ত গোপনীয় এবং গুপ্ত ছিল। চুক্তি এবং চুক্তিনামার প্রতি এই ধরনের দৃষ্টিভঙ্গি ব্রিটিশদের খোলাখুলি এবং সৎ লেনদেনের ঐতিহ্য থেকে সরে আসা। এই প্রোপাগান্ডা হলো ঘৃণা এবং ঈর্ষার প্রোপাগান্ডা।
**চিপেনহ্যামে দেওয়া ভাষণ (১২ জুন ১৯২৬), ''আওয়ার ইনহেরিট্যান্স'' (লন্ডন: হোডার অ্যান্ড স্টোটন, ১৯৩৮), পৃষ্ঠা ১৬৪-১৬৫-তে উদ্ধৃত।
*ধর্মঘটকারীদের ভালো গুণাবলির প্রতি এটি একটি বড় সম্মান যে তারা তাদের নির্দেশনার প্রতি আনুগত্যে শৃঙ্খলা এবং সংযমের প্রমাণ দিয়েছে। তারা আমাদেরই দেশের মানুষ। তাদের অনেকেই কেবল আনুগত্যের অনুভূতি থেকেই নির্দেশ পালন করেছে, যদিও তারা নিজেরাই সেই নির্দেশগুলো পছন্দ করেনি। কিন্তু যদি সেই ধর্মঘট সফল হতো, তবে তা কেবল খনি শ্রমিকদের জন্যই নয়, বরং সমগ্র দেশের জন্যই শিল্পক্ষেত্রে ধ্বংস ডেকে আনত।
**সাধারণ ধর্মঘট নিয়ে চিপেনহ্যামে দেওয়া ভাষণ (১২ জুন ১৯২৬), ''আওয়ার ইনহেরিট্যান্স'' (লন্ডন: হোডার অ্যান্ড স্টোটন, ১৯৩৮), পৃষ্ঠা ১৬৭-তে উদ্ধৃত।
*এটি হয়তো শ্রমিকদের সংহতির এক চমৎকার প্রদর্শন হতে পারত। কিন্তু একই সাথে, সবার মঙ্গলের জন্য একসঙ্গে বসবাস ও কাজ করার ক্ষেত্রে আমাদের সবার ব্যর্থতার এক অত্যন্ত হৃদয়বিদারক প্রমাণও ছিল এটি। যেসব নেতারা ভুল পথে পা বাড়িয়েছিলেন, কোনো শর্ত ছাড়াই সেই অবস্থান থেকে সরে আসতে যে সাহসের প্রয়োজন ছিল, আমি তার প্রশংসা করি... এখন যেসব সমালোচক তাদের সোজা পথে না চলার জন্য দোষারোপ করছেন, তাদের চেয়ে ঐ নেতাদের অনেক বেশি সাহসের প্রয়োজন হয়েছিল। কিন্তু সেই ধর্মঘট যদি খনি শ্রমিকদের প্রতি সংহতি বা সহানুভূতি—বা আপনি যা-ই বলুন না কেন—দেখিয়ে থাকে, তবে এটি তার চেয়েও অনেক বড় কিছু দেখিয়েছিল। '''এটি আমাদের দেশের পুরো কাঠামোর স্থিতিশীলতা প্রমাণ করেছিল, এবং পুরো বিশ্বকে অবাক করে দিয়ে একটি গুলিও ছোড়া হয়নি। আমাদের দেশের মানুষের কাণ্ডজ্ঞান এবং ভালো মেজাজের কারণেই আমরা রক্ষা পেয়েছি।'''
**সাধারণ ধর্মঘট নিয়ে চিপেনহ্যামে দেওয়া ভাষণ (১২ জুন ১৯২৬), ''আওয়ার ইনহেরিট্যান্স'' (লন্ডন: হোডার অ্যান্ড স্টোটন, ১৯৩৮), পৃষ্ঠা ১৬৭-১৬৮-তে উদ্ধৃত।
*আমাদের মানুষ পার্লামেন্টকে ছুড়ে ফেলে দিয়ে [[পুঁজিবাদ|পুঁজিপতি]] বা [[ট্রেড ইউনিয়ন|ট্রেড ইউনিয়নিস্টদের]] [[রাজাদের ঐশ্বরিক অধিকার|ঐশ্বরিক অধিকার]] প্রতিষ্ঠা করতে যাচ্ছে না। আর আমরা এদের কারও [[স্বৈরতন্ত্র|স্বৈরতন্ত্রের]] কাছেই মাথা নত করতে যাচ্ছি না... আমি দেখতে চাই আমাদের ব্রিটিশ লেবার আন্দোলন বিদেশি এবং ভিন্নমতের চিন্তাধারা থেকে মুক্ত থাকুক। আমি দেখতে চাই এটি ইংরেজদের দ্বারাই পরিচালিত হয়ে ইংরেজি ধাঁচেই এগোচ্ছে এবং বিকশিত হচ্ছে।
**চিপেনহ্যামে দেওয়া ভাষণ (১২ জুন ১৯২৬), ''আওয়ার ইনহেরিট্যান্স'' (লন্ডন: হোডার অ্যান্ড স্টোটন, ১৯৩৮), পৃষ্ঠা ১৬৯-১৭০-এ উদ্ধৃত।
*'''অবিরাম সংঘাত কেবল দারিদ্র্য এবং নিপীড়নের দিকেই নিয়ে যেতে পারে। একমাত্র শান্তিই দারিদ্র্য এবং নিপীড়নের এই দুই ভূতকে দূর করতে পারে।'''
**চিপেনহ্যামে দেওয়া ভাষণ (১২ জুন ১৯২৬), ''আওয়ার ইনহেরিট্যান্স'' (লন্ডন: হোডার অ্যান্ড স্টোটন, ১৯৩৮), পৃষ্ঠা ১৭১-এ উদ্ধৃত।
*আপনাদের বুঝতে হবে যে আমরা যে বছরগুলোতে বাস করছি, যে বছরগুলোতে আমরা প্রবেশ করছি, সেগুলো অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি করে গণতন্ত্রের আসল পরীক্ষার সময় হতে যাচ্ছে... আমরা এই দেশে সবকিছু তালগোল পাকিয়ে ফেলতে পারি; আর যদি আমরা তা করি, তবে আমরা এর চেয়েও অনেক খারাপ কিছু পাব—আমরা কোনো না কোনো ধরনের স্বৈরতন্ত্র পাব। আমি জানি না সেটি কোন ধরনের স্বৈরতন্ত্র হতে পারে। '''এটি কমিউনিস্ট স্বৈরতন্ত্র হতে পারে; আবার অন্য দিকের কোনো স্বৈরতন্ত্রও হতে পারে। কিন্তু আপনারা যদি একটি সুস্থ ও স্বাভাবিক গণতন্ত্র গড়ে তুলতে না পারেন, তবে সেটাই হবে দেশের পরিণতি।'''
**কিংসওয়ে হলে জুনিয়র ইম্পেরিয়াল লিগের ত্রিশতম বার্ষিকীতে দেওয়া ভাষণ (১৯ জুন ১৯২৬), ''আওয়ার ইনহেরিট্যান্স'' (লন্ডন: হোডার অ্যান্ড স্টোটন, ১৯৩৮), পৃষ্ঠা ১৭-১৮-তে উদ্ধৃত।
*যদি আমাকে জিজ্ঞেস করা হয়, রাজনৈতিক কোনো বিষয়, আইন প্রণয়ন বা রাজনৈতিক পদক্ষেপ বিচার করার সময় কোন দুটি মূল নীতি আমাদের সবসময় মনে রাখা উচিত, তবে আমি বলব কাণ্ডজ্ঞান এবং এই দেশের সবচেয়ে মূল্যবান জিনিসটির সংরক্ষণ—আর তা হলো ব্যক্তি স্বাধীনতা। এই মানদণ্ডগুলো প্রয়োগ করলে আপনি খুব কমই ভুল পথে যাবেন। আজ অনেকেই মনে করেন আইন প্রণয়নের মাধ্যমেই বিশ্বের সব রোগ সারানো সম্ভব। কিন্তু তাদের প্রস্তাবিত আইনটি দৈনন্দিন জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতার সাথে মানানসই কি না এবং তা ব্যক্তির স্বাধীনতাকে ক্ষুণ্ণ করছে কি না, তা আপনাকে যাচাই করে দেখতে হবে। আর যদি এই বিষয়গুলোতে আপনি সন্তুষ্ট হতে না পারেন, তবে নিশ্চিত থাকতে পারেন যে দীর্ঘমেয়াদে সেই আইন উপকারের চেয়ে ক্ষতিই বেশি করবে।
**কিংসওয়ে হলে জুনিয়র ইম্পেরিয়াল লিগের ত্রিশতম বার্ষিকীতে দেওয়া ভাষণ (১৯ জুন ১৯২৬), ''আওয়ার ইনহেরিট্যান্স'' (লন্ডন: হোডার অ্যান্ড স্টোটন, ১৯৩৮), পৃষ্ঠা ১৮-১৯-এ উদ্ধৃত।
*আমাদের দেশে স্বাধীনতার ধারণাটি এতটাই মূল্যবান, এতটাই পবিত্র এবং যুগ যুগ ধরে সংগ্রামের ফল হিসেবে অর্জিত যে, আমি নিশ্চিত ছিলাম অন্য কোনো দেশে এমনটা নেই। অন্যান্য দিক দিয়ে তারা আমাদের চেয়ে যত সুবিধাতেই থাকুক না কেন, এই দেশের মতো আর কোথাও স্বাধীনতাকে এত মূল্যবান মনে করা হয় না বা সেভাবে দেখা হয় না। আর এটি অর্জনের ক্ষেত্রে বিশ্বের এমন কোনো দেশ নেই যারা সব পরিস্থিতিতে আমাদের কিছু শেখাতে পারে।
**কিংসওয়ে হলে জুনিয়র ইম্পেরিয়াল লিগের ত্রিশতম বার্ষিকীতে দেওয়া ভাষণ (১৯ জুন ১৯২৬), ''আওয়ার ইনহেরিট্যান্স'' (লন্ডন: হোডার অ্যান্ড স্টোটন, ১৯৩৮), পৃষ্ঠা ১৯-এ উদ্ধৃত।
*আমার মতে ১৯১৪ সালের আগস্টের চেয়ে ৪৯০ খ্রিস্টপূর্বাব্দের সেপ্টেম্বর মাসটি ইউরোপের ভাগ্য নির্ধারণে আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল। পশ্চিমা সভ্যতা... তার শৈশবেই [[w:ম্যারাথনের যুদ্ধ|ম্যারাথনে]] রক্ষা পেয়েছিল, এবং দশ বছর পর [[w:লিওনিদাস ১|লিওনিদাস]] এবং [[w:সালামিসের যুদ্ধ|সালামিসের]] মানুষদের দ্বারা... যদি সেই দশকটি না থাকত, তবে [[পূর্ব/মধ্য ইউরোপ|পূর্ব ইউরোপকে]] প্রাচ্যমুখী হওয়া থেকে আটকানোর মতো কিছুই থাকত না। তখন ইউরোপের আধিপত্যের চূড়ান্ত লড়াইটা কেবল [[হাখমানেশি সাম্রাজ্য|পারসিক]] এবং [[প্রাচীন কার্থেজ|কার্থাজিনিয়ানদের]] মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকত। [[প্রাচীন গ্রিস|গ্রিকরা]] না থাকলে আমরা আজ যে সভ্যতা চিনি, তার অস্তিত্বই থাকত না। আমরা সবাই হয়তো কালো চামড়ার, লম্বা নাকের মানুষ হতাম... '''[[ইংল্যান্ড]] হলো [[স্বাধীনতা]] এবং মুক্ত প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক আবাস। বিশ্বের জন্য এই আশীর্বাদগুলো নিশ্চিত করার প্রচেষ্টায় হেলাসের (প্রাচীন গ্রিস) কাছে তার ঋণ স্বীকার করতে তার চেয়ে বেশি ত্বরিত অন্য কোনো দেশের হওয়া উচিত নয়।'''
**লন্ডনে ব্রিটিশ স্কুল অ্যাট অ্যাথেন্সের বার্ষিক সভায় দেওয়া ভাষণ (২ নভেম্বর ১৯২৬), ''আওয়ার ইনহেরিট্যান্স'' (লন্ডন: হোডার অ্যান্ড স্টোটন, ১৯৩৮), পৃষ্ঠা ২০৫-এ উদ্ধৃত।
==== ১৯২৭ ====
*...সেই উগ্র জাতীয়তাবাদী মানসিকতা যা প্রায়শই আধুনিক ইউরোপের জন্য অভিশাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে। '''একটি সত্যিকারের জাতীয় অনুভূতি গড়ে তোলার এবং আপনার নিজের দেশকে তার প্রাপ্য গৌরবের আসনে বসানোর সবচেয়ে ভালো উপায় হলো অন্যান্য জাতির সাথে মিলেমিশে এবং সমগ্র বিশ্বের উন্নতির একমাত্র লক্ষ্য নিয়ে তা করা।''' যুদ্ধের পর থেকে আমরা কেবল মোহভঙ্গেই ভুগিনি; আমরা নিজেদের এবং বিশ্ব সম্পর্কে অনেক বেশি বাস্তববাদী দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করছি... '''[[জাতীয়তাবাদ]] অনেক কুৎসিত রূপ নিতে পারে। দেখে মনে হচ্ছে ধর্ম বা স্বাধীনতার নামের মতোই এর নামেও অনেক অপরাধ সংঘটিত হবে।''' প্রকৃতপক্ষে, সমস্যার মূল কারণ হলো জাতীয়তাবাদীরা ধর্মের পোশাক পরতে পছন্দ করে... '''একপেশে বুদ্ধিজীবীদের প্রচারণার ফলে নিজের দেশের প্রতি ভালোবাসা প্রতিবেশীর দেশের প্রতি ঘৃণায় পরিণত হয়েছে। এই বুদ্ধিজীবীরা সাধারণত অন্যদের জন্য যে আত্মত্যাগের ব্যবস্থা করে, নিজেরা ঠিকই তা থেকে পালিয়ে বাঁচে।'''
**কার্ডিফে সেন্ট ডেভিডস ডে ব্যাঙ্কোয়েটে দেওয়া ভাষণ (১ মার্চ ১৯২৭), ''আওয়ার ইনহেরিট্যান্স'' (লন্ডন: হোডার অ্যান্ড স্টোটন, ১৯৩৮), পৃষ্ঠা ৪৬-৪৭-এ উদ্ধৃত।
*যে শেকড় আমাদের জন্মভূমি এবং জন্মভাষার সাথে বেঁধে রাখে, তা ধ্বংস করলে আমাদের আত্মার স্বাস্থ্যেরই ক্ষতি হবে। '''দেশের প্রতি ভালোবাসা এক গভীর এবং সর্বজনীন প্রবৃত্তি, যা প্রাচীন স্মৃতি এবং সূক্ষ্ম সংযোগে ভরপুর। যেসব মানুষ অস্পষ্ট এবং পানসে বিশ্বজনীনতার লোভে তাদের জাতীয় আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যকে অস্বীকার করে, তারা মানুষের চেয়েও অধম হয়ে যায়; তারা তাদের ব্যক্তিত্বকে অভুক্ত রাখে এবং খর্ব করে; তারা একধরনের রাজনৈতিক নপুংসকে পরিণত হয়।'''
**কার্ডিফে সেন্ট ডেভিডস ডে ব্যাঙ্কোয়েটে দেওয়া ভাষণ (১ মার্চ ১৯২৭), ''আওয়ার ইনহেরিট্যান্স'' (লন্ডন: হোডার অ্যান্ড স্টোটন, ১৯৩৮), পৃষ্ঠা ৫০-এ উদ্ধৃত।
*আজ আমাদের সাম্রাজ্যের চিন্তায় পতাকা ওড়ানো বা মানচিত্র লাল রঙে রাঙানোর অহংকার করার মতো কিছুই নেই। না! কেবল সেই জাতির প্রতি গর্ববোধ আছে যে জাতি থেকে আমাদের উদ্ভব—এমন এক গর্ব যা আমাদের নিজেদের চোখেই আমাদের বিনীত করে এবং আমাদের যে উত্তরাধিকার এবং দায়িত্ব রয়েছে, তার যতটা সম্ভব যোগ্য করে তুলতে সংকল্পবদ্ধ করে।
**লন্ডনের ১০ ডাউনিং স্ট্রিট থেকে সম্প্রচার (২৪ মে ১৯২৭), ''আওয়ার ইনহেরিট্যান্স'' (লন্ডন: হোডার অ্যান্ড স্টোটন, ১৯৩৮), পৃষ্ঠা ৬০-এ উদ্ধৃত।
*...এখনও কেবল আমাদের জন্যই এমন সব সুযোগ রয়েছে যা অন্যান্য জাতিদের জন্য উন্মুক্ত নয়। বিশ্বের প্রায় যেকোনো অংশে এবং যেকোনো জলবায়ুতে বসতি স্থাপন এবং কাজ করা আমাদের জন্য উন্মুক্ত। সেখানে আমরা এমন সব মানুষদের মাঝে নিজেদের খুঁজে পাই যারা আমাদের ভাষায় কথা বলে, আমাদের আইন মেনে চলে, আমাদের মতো একই আদর্শ লালন করে, আমাদের পরিচিত রীতি অনুযায়ী উপাসনা করে এবং একই সার্বভৌম ক্ষমতার অধীন। আর এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে আমাদের—টোরি, লিবারেল এবং লেবার নির্বিশেষে—আমাদের ঐক্যকে এমন এক বাস্তবতায় রূপ দিতে হবে যাতে নারী-পুরুষ সবাই সাম্রাজ্যকে একটি অভিন্ন সত্তা হিসেবে দেখে। যাতে করে গ্লাসগো থেকে লন্ডন বা ব্রিস্টল থেকে নিউক্যাসল যাওয়ার মতোই সহজে এবং স্বাধীনভাবে তারা সাম্রাজ্যের সীমানার মধ্যে [[নিউজিল্যান্ড]], [[অস্ট্রেলিয়া]], [[দক্ষিণ আফ্রিকা]] বা [[কানাডা|কানাডায়]] যেতে পারে।
**লন্ডনের ১০ ডাউনিং স্ট্রিট থেকে সম্প্রচার (২৪ মে ১৯২৭), ''আওয়ার ইনহেরিট্যান্স'' (লন্ডন: হোডার অ্যান্ড স্টোটন, ১৯৩৮), পৃষ্ঠা ৬০-৬১-তে উদ্ধৃত।
*আমরা যারা এই সাম্রাজ্যের উত্তরাধিকারী হয়েছি, তারা এর জন্য গর্বিত। আর আমাদের গর্বিত হওয়াটাই স্বাভাবিক। তবে এই গর্বের সাথে সেইসব মানুষদের প্রতি কৃতজ্ঞতাও মিশে থাকা উচিত, যাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে এই সাম্রাজ্য বেড়ে উঠেছে। যুদ্ধের ধাক্কায় এখনও ধুঁকতে থাকা এই বিশ্বে, ব্রিটিশ সাম্রাজ্য মঙ্গলের এক বিশাল শক্তি হিসেবে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে আছে... প্রতিটি বাতাসের প্রবাহে, প্রতিটি সমুদ্রের ঢেউয়ে এটি সাক্ষ্য দিচ্ছে যে, বিশ্বাস এবং ভ্রাতৃত্ববোধের আত্মা এই বিশ্বে কী বিশাল কিছু অর্জন করতে পারে।
**লন্ডনের ১০ ডাউনিং স্ট্রিট থেকে সম্প্রচার (২৪ মে ১৯২৭), ''আওয়ার ইনহেরিট্যান্স'' (লন্ডন: হোডার অ্যান্ড স্টোটন, ১৯৩৮), পৃষ্ঠা ৬৩-তে উদ্ধৃত।
*[[চার্চ অফ ইংল্যান্ড|চার্চ]] এবং চ্যাপেলের দ্বৈতসত্তা একসঙ্গে আমাদের দেশের জীবনে সবচেয়ে শক্তিশালী প্রভাবগুলোর একটি হিসেবে কাজ করেছে। একটি হয়তো অন্যের চেয়ে বেশি করে কর্তৃত্ব ও ঐতিহ্যের প্রতি সম্মান এবং ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতার বোধ জাগিয়ে তুলেছে; আর অন্যটি [[ঐশ্বরিক আইন|শাশ্বত আইনের]] প্রতি ব্যক্তিগত আনুগত্যের ওপর বেশি জোর দিয়েছে। তাদের উভয়েরই কিছু ভালো গুণ ও কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে, কিন্তু তারা উভয়েই বড় মাপের সামাজিক শক্তি ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে, যার রাজনৈতিক পরিণতিও ব্যাপক। তাদের সেরা সময়ে উভয়েই জীবনকে একটি গম্ভীর উদ্দেশ্য দিয়ে পূর্ণ করে। তারা সবসময় সেই ধর্মনিরপেক্ষতার চেতনার বিরুদ্ধে অবিরাম যুদ্ধ করে, যা অলসতা এবং চপলতায় তার স্বর্গ খুঁজে পায় এবং যার কারণে কোনো দেশ কখনোই উন্নতি করতে পারে না।
**কর্নওয়ালে দেওয়া ভাষণ (২৩ জুন ১৯২৭), ''আওয়ার ইনহেরিট্যান্স'' (লন্ডন: হোডার অ্যান্ড স্টোটন, ১৯৩৮), পৃষ্ঠা ৫৫-তে উদ্ধৃত।
*সাম্প্রতিক সময়ে [[কানাডা|কানাডার]] কিছু বাছাই করা স্নাতক সাম্রাজ্যের সেসব অংশের দেখভাল করার দায়িত্ব পালন করতে শুরু করেছেন, যেখানে [[শ্বেতাঙ্গ|শ্বেতাঙ্গরা]] প্রায়শই একাই যান—সাম্রাজ্যের অপেক্ষাকৃত অনগ্রসর জাতিদের শেখাতে, শিক্ষিত করতে এবং সামনে এগিয়ে নিতে। এর চেয়ে বেশি আত্মত্যাগের কাজ, এর চেয়ে মহৎ কাজ আর কিছু হতে পারে না। আজ আপনারা কানাডিয়ানদের [[সুদান]], [[মালয়েশিয়া|মালয়]], [[মরিশাস]] এবং সামগ্রিকভাবে ঔপনিবেশিক সেবায় দেখতে পাবেন—চিকিৎসক হিসেবে, সিভিল সার্ভিসে উচ্চশিক্ষিত ব্যক্তি হিসেবে তারা [[w:দ্য হোয়াইট ম্যান'স বার্ডেন|শ্বেতাঙ্গদের বোঝা]] বইতে সাহায্য করছেন। আমি যথেষ্ট সেকেলে মানসিকতার মানুষ বলেই বিশ্বাস করি যে, কোনো দেশের পক্ষে কেবল নিজেদের জন্য প্রচুর অর্থ উপার্জনে মনোনিবেশ করাই যথেষ্ট নয়; বরং সত্যিকারের আধ্যাত্মিক শক্তি তখনই আসে যখন এর সন্তানেরা প্রস্তুত থাকে। যেমনটা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে [[ইংরেজ জাতি|ইংরেজ]], [[আইরিশ]] এবং [[স্কটল্যান্ড|স্কটিশরা]] প্রস্তুত ছিল। তারা পারিবারিক জীবনের আরাম ও স্বাচ্ছন্দ্য ত্যাগ করে সেই অগ্রগামীর কাজে বেরিয়ে পড়তে প্রস্তুত ছিল, যাতে বিশ্বের সেই পিছিয়ে পড়া অংশগুলোকে এগিয়ে নিয়ে আসা যায় এবং অতীতের বছরগুলোতে আমাদের জন্য এত লাভজনক হওয়া বিষয়গুলো থেকে তাদেরও উপকৃত হতে সাহায্য করা যায়।
**টরন্টোতে কানাডিয়ান ক্লাবে দেওয়া ভাষণ (৬ আগস্ট ১৯২৭), ''আওয়ার ইনহেরিট্যান্স'' (লন্ডন: হোডার অ্যান্ড স্টোটন, ১৯৩৮), পৃষ্ঠা ৭৫-৭৬-এ উদ্ধৃত।
*আমাদের দেশের জন্য আমার সবচেয়ে বড় আশা হলো [[শিক্ষা|শিক্ষার]] প্রতি মানুষের প্রকৃত আকাঙ্ক্ষা ব্যাপকভাবে জেগে ওঠা। আমি এটিকে যুদ্ধের একমাত্র সুফল বলে মনে করি যার দিকে আমি তৃপ্তি নিয়ে তাকাতে পারি... আমরা শিক্ষার একটি নিজস্ব উদ্দেশ্য হিসেবে এর গুরুত্ব ভুলে যাই। আপনি যদি শিক্ষাকে কেবল একটি বেতন উপার্জনের উপায় হিসেবে দেখেন, তা সে যতই দরকারি হোক না কেন, তবে আপনি শিক্ষার অন্যতম সেরা উদ্দেশ্যটিই হারিয়ে ফেলবেন।
**টরন্টোতে কানাডিয়ান ক্লাবে দেওয়া ভাষণ (৬ আগস্ট ১৯২৭), ''আওয়ার ইনহেরিট্যান্স'' (লন্ডন: হোডার অ্যান্ড স্টোটন, ১৯৩৮), পৃষ্ঠা ৭৬-৭৭-এ উদ্ধৃত।
*আমরা ইংল্যান্ডেও খুব ভুগছি... এমন কিছু খুব চতুর চিকিৎসকের কারণে, যারা সর্বদা ব্যাপক বুদ্ধিবৃত্তিক ক্ষিপ্রতার সাথে রাজনীতির জন্য প্রেসক্রিপশন দিতে প্রস্তুত। তবে মানব প্রকৃতি সম্পর্কে তাদের অজ্ঞতাও সেই ক্ষিপ্রতার সমান। ইউরোপের এই লোকগুলোকে "বুদ্ধিজীবী" বলা হয়—'''একটি খুব কুৎসিত জিনিসের জন্য এটি একটি খুব কুৎসিত শব্দ।'''
**টরন্টোতে কানাডিয়ান ক্লাবে দেওয়া ভাষণ (৬ আগস্ট ১৯২৭), ''আওয়ার ইনহেরিট্যান্স'' (লন্ডন: হোডার অ্যান্ড স্টোটন, ১৯৩৮), পৃষ্ঠা ৭৮-এ উদ্ধৃত।
*ইংরেজি বংশোদ্ভূত এখানকার পুরুষদের কাছে আমি স্বীকার করতে পারি যে, আমাদের ইংরেজি বুদ্ধিমত্তাকে মাঝেমধ্যে এমন জাতিগুলো অবজ্ঞা করে যারা নিজেদের আমাদের চেয়ে বেশি চতুর বলে মনে করে। '''আমাদের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ হলো আমাদের চরিত্র'''—এর স্থিরতা, এর নির্ভরযোগ্যতা, এর ব্যক্তিগত সততা, এর সহনশীলতা এবং বিরক্তিকর বিষয়গুলোকেও শান্ত ও হাস্যরসাত্মকভাবে নেওয়ার ক্ষমতা। ইংল্যান্ডের সাধারণ ধর্মঘট, যার কিছু ভীতিকর দিকও ছিল, তা আমাদের মানুষের এই সমস্ত গুণাবলিকেই তুলে ধরেছে।
**টরন্টোতে কানাডিয়ান ক্লাবে দেওয়া ভাষণ (৬ আগস্ট ১৯২৭), ''আওয়ার ইনহেরিট্যান্স'' (লন্ডন: হোডার অ্যান্ড স্টোটন, ১৯৩৮), পৃষ্ঠা ৭৯-এ উদ্ধৃত।
*আমি সবসময়ই দাবি করি যে শিক্ষা গণতন্ত্রের জন্য যে মহান সেবা করে, তা ধর্মের কাছ থেকে আমরা যে সেবা আশা করি তারই অনুরূপ। তাদের হাতে হাত রেখে কাজ করা উচিত, বা করতে হয়। এর কাজ হলো নৈতিকতার ওজন এবং পরিমাপকে মানদণ্ড অনুযায়ী সঠিক রাখা; এবং শুধু মানদণ্ড অনুযায়ী সঠিক নয়—বরং সর্বোচ্চ মানদণ্ড অনুযায়ী সঠিক রাখা। আর আসুন আমরা সমাজের ওপর থেকে নিচ পর্যন্ত সকল শ্রেণির মানুষের প্রতি এটি সমানভাবে প্রয়োগ করি। এমন কিছু লোক আছেন যারা রাষ্ট্রীয় ধারণাকে সমস্ত নৈতিক গুণাবলি থেকে শূন্য করতে চান, এবং তারা শিক্ষাকে কেবল রুজি-রোজগারের ব্যবসায় সীমাবদ্ধ করতে চান। [[w:এডিথ ক্যাভেল|নার্স ক্যাভেলের]] শেষ কথাগুলো ধার করে বলতে গেলে, এমন দেশপ্রেমই যথেষ্ট নয়। আমি যেভাবে পরামর্শ দিচ্ছি, সেভাবে নৈতিক মানদণ্ড প্রয়োগ করাই হলো গণতন্ত্রের জন্য প্রয়োজনীয় সেই মৌলিক সামাজিক ঐক্য অর্জনের সবচেয়ে নিশ্চিত উপায়।
**টরন্টোতে কানাডিয়ান ক্লাবে দেওয়া ভাষণ (৬ আগস্ট ১৯২৭), ''আওয়ার ইনহেরিট্যান্স'' (লন্ডন: হোডার অ্যান্ড স্টোটন, ১৯৩৮), পৃষ্ঠা ৭৯-৮০-তে উদ্ধৃত।
*ব্রিটিশ কমনওয়েলথ অফ নেশনসের কোনো পূর্ব নজির নেই... আমরা নিজেদের জন্য এমন এক অভিন্ন ঐতিহ্য গড়ে তুলেছি যা সব ধরনের স্থানীয় আনুগত্যকে ছাড়িয়ে যায় এবং আমাদের এক জাতি হিসেবে বাঁধে। আমাদের স্বপ্নের সাম্রাজ্য, যদিও তা সবসময় আমাদের কাজের মধ্যে প্রতিফলিত হয় না, মহান সব আধ্যাত্মিক উপাদানে গড়া—স্বাধীনতা এবং আইন, ভ্রাতৃত্ববোধ এবং আনুগত্য, সম্মান এবং সহনশীলতা... '''আজ আমরা যখন সাম্রাজ্যের কথা ভাবি, তখন আমরা এটিকে মূলত বিশ্ব শান্তির একটি হাতিয়ার হিসেবেই ভাবি।'''
**অন্টারিও প্রদেশ আয়োজিত এক নৈশভোজে দেওয়া ভাষণ (৬ আগস্ট ১৯২৭), ''আওয়ার ইনহেরিট্যান্স'' (লন্ডন: হোডার অ্যান্ড স্টোটন, ১৯৩৮), পৃষ্ঠা ৯১-৯২-তে উদ্ধৃত।
*আমার মনে হয় আমাদের মধ্যে যারা মধ্য-পশ্চিম এবং দূর-পশ্চিমের উন্নয়ন দেখেছেন, তাদের কাছে এক উপকূল থেকে অন্য উপকূল পর্যন্ত যেভাবে আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখা হয়েছে, তার চেয়ে অসাধারণ বা আমাদের জাতির সেরা গুণাবলির প্রতি এর চেয়ে বড় সম্মান আর কিছু হতে পারে না।
**কানাডার [[w:রেজাইনা, সাসকাচুয়ান|রেজাইনায়]] দেওয়া ভাষণ (১৩ আগস্ট ১৯২৭), ''আওয়ার ইনহেরিট্যান্স'' (লন্ডন: হোডার অ্যান্ড স্টোটন, ১৯৩৮), পৃষ্ঠা ১০৫-এ উদ্ধৃত।
*ব্রিটিশ জাতির এমন কিছু দয়ালু সমালোচক আছেন যারা বলেন যে আমরা তিনটি জিনিসকে কীভাবে মেলাতে হয় তা জানি—[[ধর্ম]], [[দেশপ্রেম]] এবং [[মুনাফা]]—যা অন্য যেকোনো [[জাতি|জাতির]] চেয়ে আমরা ভালো পারি। [[উত্তর আমেরিকা|উত্তর আমেরিকায়]] আমাদের সাফল্যের আরও অন্যান্য প্রশংসনীয় ব্যাখ্যা রয়েছে। আসল সত্যটি হলো: আমরা নতুন বিশ্বে আমাদের নিজস্ব বংশধরদের পাঠিয়েছি... ইউরোপের অন্য যেকোনো দেশের চেয়ে বেশি সময় ধরে একটি স্বাধীন দেশ থাকার অমূল্য সুবিধা আমাদের ছিল। আমাদের মানুষ ছোট ছোট নৌকায় করে সমুদ্র পাড়ি দিয়ে স্বাধীনতার বীজ রোপণ করেছিল, যা নিজ দেশে বেড়ে উঠেছিল এবং ফুলেফেঁপে উঠেছিল। সেই মানুষগুলো এবং তাদের দুঃসাহসী চেতনার মধ্যেই আপনি [[কানাডা]] এবং [[ম্যানিটোবা|ম্যানিটোবার]] উৎপত্তি খুঁজে পাবেন।
**কানাডার উইনিপেগে দেওয়া ভাষণ (১৩ আগস্ট ১৯২৭), ''আওয়ার ইনহেরিট্যান্স'' (লন্ডন: হোডার অ্যান্ড স্টোটন, ১৯৩৮), পৃষ্ঠা ১০৭-১০৮-এ উদ্ধৃত।
*ইংরেজি ইতিহাসে, বা সাম্রাজ্যের এই এলোমেলোভাবে গড়ে ওঠার পেছনে, "কোম্পানি অফ অ্যাডভেঞ্চারার্স অফ ইংল্যান্ড ট্রেডিং ইনটু হাডসন'স বে"র গল্পের চেয়ে রোমাঞ্চকর আর কোনো ঘটনা নেই। পশুর চামড়া থেকে মুনাফা করার পাশাপাশি উত্তর-পশ্চিমের পথ খোঁজা, সেই উপসাগরে প্রবাহিত সব জলের অধিকারী ভূমিগুলোর ওপর সার্বভৌমত্বের সনদ পাওয়া, অথচ সেই ভূমিগুলোকে বহু বহু বছর ধরে অনাবিষ্কৃত ফেলে রাখা—এটি একটি আদর্শ ব্রিটিশ আচরণ। তারা "হাতির দাঁত, বানর এবং ময়ূরের" পশ্চিমা সমতুল্য জিনিস খুঁজছিল, এবং বাই-প্রোডাক্ট বা উপজাত হিসেবে তারা একটি সাম্রাজ্য খুঁজে পেয়েছিল। তারা একটি মহান ঐতিহ্য তৈরি করেছিল, যে ঐতিহ্য আজ আপনাদের। এটি একটি বাণিজ্যিক আদর্শকে ঘিরে তৈরি হওয়া শৃঙ্খলা এবং সহনশীলতার ঐতিহ্য। তারা আদিবাসীদের মুনাফার উৎস হিসেবে ব্যবহার করেছিল, তবুও তাদের সাথে ন্যায়বিচার এবং সদয় আচরণ করেছিল। তারা এক চোখ রেখেছিল লভ্যাংশের দিকে, অন্য চোখ আবিষ্কারের দিকে। আমাদের ছাড়া আর কোন জাতি এতটা উদাসীন, এতটা দূরদর্শী, এতটা অসামঞ্জস্যপূর্ণ এবং এতটা সফল হতে পারে?
**কানাডার উইনিপেগে দেওয়া ভাষণ (১৩ আগস্ট ১৯২৭), ''আওয়ার ইনহেরিট্যান্স'' (লন্ডন: হোডার অ্যান্ড স্টোটন, ১৯৩৮), পৃষ্ঠা ১০৮-১০৯-এ উদ্ধৃত।
*ব্রিটিশ জাতির প্রতি বন্ধুভাবাপন্ন নয় এমন [[সংবাদপত্র|সংবাদপত্রে]] আপনারা প্রায়ই শোনেন এবং মাঝেমধ্যেই পড়েন যে গ্রেট ব্রিটেনে পতনের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। এর একটা শব্দও বিশ্বাস করবেন না। দেশের মানুষগুলো তারাই, যারা সারা বিশ্বজুড়ে চার বছর ধরে আপনাদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধ করেছিল। তারা সেই একই বংশধর যারা মেরিটাইম প্রভিন্স এবং [[অন্টারিও]] গড়ে তুলেছে। তারা সেই একই বংশধর যারা এই দেশটিকে গড়ে তুলেছে। '''বংশধররা আগের মতোই আছে, এবং আগের মতোই চমৎকার আছে।'''
**কানাডার উইনিপেগে দেওয়া ভাষণ (১৩ আগস্ট ১৯২৭), ''আওয়ার ইনহেরিট্যান্স'' (লন্ডন: হোডার অ্যান্ড স্টোটন, ১৯৩৮), পৃষ্ঠা ১১৬-১১৭-তে উদ্ধৃত।
*একটি জাতির ভাগ্য সবার ওপরে নির্ধারিত হয় তার মানুষের গুণগত মান দিয়ে।
**স্কটল্যান্ডের ল্যানার্কশায়ারে ডগলাস ক্যাসলে দেওয়া ভাষণ (২৭ আগস্ট ১৯২৭), ''আওয়ার ইনহেরিট্যান্স'' (লন্ডন: হোডার অ্যান্ড স্টোটন, ১৯৩৮), পৃষ্ঠা ১২৯-এ উদ্ধৃত।
*আপনার সমাজসেবামূলক কাজ, তা যে রূপেই হোক না কেন, ঠিক সেই দুটি জিনিসেরই দাবি করে যা আমার কাজের জন্য প্রয়োজন... [[ধৈর্য]] এবং মানুষের মূল্যের ওপর [[বিশ্বাস]]। এরাই হলো গণতন্ত্রের আসল ভিত্তি, [[সমতা]] নয়—যে অর্থে শব্দটি প্রায়শই ব্যবহার করা হয়। '''আমরা সবাই সমান নই, এবং কখনোই সমান হব না; গণতন্ত্রের আসল শর্ত সমতা নয়, বরং এই বিশ্বাস যে প্রতিটি নারী ও পুরুষই মূল্যবান।'''
**ইউনিয়ন অফ গার্লস স্কুলের বার্ষিক সভায় দেওয়া ভাষণ (২৭ অক্টোবর ১৯২৭), ''আওয়ার ইনহেরিট্যান্স'' (লন্ডন: হোডার অ্যান্ড স্টোটন, ১৯৩৮), পৃষ্ঠা ১৫০-১৫১-তে উদ্ধৃত।
*আপনাদের দেশ হলো উত্তরের মানুষদের, অর্থাৎ সহনশীল ও বীরত্বপূর্ণ জাতিগুলোর জন্য। '''যেকোনো দিনই পরিমাণের চেয়ে গুণগত মান আগে। সেরাদের নিয়েই দেশ গড়ুন। আপনাদের দেশ পূর্ণ হতে একশো বছর, নাকি দুইশো বছর, নাকি তারও বেশি সময় লাগল, তাতে কী এসে যায়? আপনাদের যে বংশধর আছে, এবং যে নারী-পুরুষরা আছে, তাদের ধরে রাখুন এবং নিশ্চিত করুন যে আগামী প্রজন্ম কোনোভাবেই তাদের চেয়ে নিকৃষ্ট হবে fixনা।'''
**লন্ডনে কানাডা ক্লাবে দেওয়া ভাষণ (২১ নভেম্বর ১৯২৭), ''আওয়ার ইনহেরিট্যান্স'' (লন্ডন: হোডার অ্যান্ড স্টোটন, ১৯৩৮), পৃষ্ঠা ১৪১-এ উদ্ধৃত।
* সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকৃত এবং শত্রুবাহিনীর জন্য একটি সহজ শিকারে পরিণত হওয়া ইংল্যান্ড! এর চেয়ে বেশি লোভ এবং শত্রুতা জাগিয়ে তোলার মতো আর কিছু কি আপনি ভাবতে পারেন? আমরা পঞ্চম শ্রেণির শক্তির স্তরে নেমে যাব, আমাদের উপনিবেশগুলো আমাদের কাছ থেকে কেড়ে নেওয়া হবে, আমাদের বাণিজ্য ধ্বংস হবে, দুর্ভিক্ষ এবং বেকারত্ব দেশে হানা দেবে। ... আমি আপনাদের শান্তি কামনার অংশীদার। ঈশ্বর না করুন যে এটি যেন আর কখনও ব্যাহত না হয়! সরকারের নিরন্তর এবং অবিভক্ত প্রচেষ্টা হলো এটি রক্ষা করা। কিন্তু আমি এখনও শিখিনি যে আমাদের দেশকে দুর্বল করে কীভাবে শান্তির উদ্দেশ্য সাধিত হতে পারে।
** [[আর্থার পনসনবি|আর্থার পনসনবিকে]] লেখা চিঠি (১৬ ডিসেম্বর ১৯২৭); মার্টিন সিডেলের ''সেমি-ডিটাচড আইডিয়ালিস্টস: দ্য ব্রিটিশ পিস মুভমেন্ট অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল রিলেশনস, ১৮৫৪-১৯৪৫'' (২০০০), পৃষ্ঠা ২৭১-এ প্রকাশিত। ==== ১৯২৮ ====
* '''আমি যদি বিশ্বাস না করতাম যে আমাদের কাজ সেই বিশ্বাস এবং আশার মধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে যে কোনো এক দিন—হতে পারে তা আজ থেকে দশ লক্ষ বছর পর—[[w:ঈশ্বরের রাজ্য|ঈশ্বরের রাজ্য]] সমগ্র পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়বে, তবে আমার কোনো আশা থাকত না। আমি কোনো কাজ করতে পারতাম না, এবং যে কেউ আমার এই পদের দায়িত্ব নিতে চাইলে আজ সকালেই আমি তা ছেড়ে দিতাম।'''
** ব্রিটিশ অ্যান্ড ফরেন বাইবেল সোসাইটির কাছে দেওয়া ভাষণ (২ মে ১৯২৮); ''দিস টর্চ অফ ফ্রিডম'' (১৯৩৫), পৃষ্ঠা ৯২-৯৩-এ প্রকাশিত।
*দীর্ঘকাল ধরে মানুষ ভুলে গেছে যে এই দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যে কী অসাধারণ প্রতিভা লুকিয়ে আছে... ইংরেজ বংশোদ্ভূতরা একটি খাঁটি বংশ; আর আমাদের মানুষেরাই সেই মানুষ যারা আমাদের ক্যাথেড্রাল এবং গ্রামের গির্জাগুলো তৈরি করেছিল: যারা ভাস্কর্য খোদাই করেছিল এবং এর ভেতরে থাকা পর্দাগুলো খোদাই করেছিল।
**উইঞ্চেস্টার শহরের স্বাধীনতা অর্জনের পর দেওয়া ভাষণ (৬ জুলাই ১৯২৮), ''দিস টর্চ অফ ফ্রিডম'' (১৯৩৫), পৃষ্ঠা ১১৫-তে প্রকাশিত।
*ইংল্যান্ডের চেয়ে সুন্দর কোনো দেশ নেই।
**উইঞ্চেস্টার শহরের স্বাধীনতা অর্জনের পর দেওয়া ভাষণ (৬ জুলাই ১৯২৮), ''দিস টর্চ অফ ফ্রিডম'' (১৯৩৫), পৃষ্ঠা ১১৬-তে প্রকাশিত।
*[[w:জন ওয়েসলি|ওয়েসলি]] প্রথম এবং শেষ পর্যন্ত একজন মহান ইংরেজ ছিলেন... মহাদেশটিতে হওয়া ভয়ংকর উত্থান-পতন আর ইংল্যান্ডের মাঝে যদি কোনো একজন মানুষ ঢাল হয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন, তবে তিনি হলেন জন ওয়েসলি... তিনি ছিলেন নিখুঁত ইংরেজ: ইংরেজের সেরা দেশীয় গুণাবলি তার মধ্যে ছিল, এবং সেগুলো এত অসাধারণ পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে তা প্রতিভায় পরিণত হয়েছিল... সেই শতাব্দীর যেসব ইতিহাসবিদ তাদের পাতাগুলো নেপোলিয়ন দিয়ে ভরিয়ে তুলেছিলেন কিন্তু জন ওয়েসলি সম্পর্কে বলার মতো কিছু পাননি, তারা এখন বুঝতে পারছেন যে ওয়েসলিকে ব্যাখ্যা করতে না পারলে তারা [[ঊনবিংশ শতাব্দী|উনিশ শতকের]] ইংল্যান্ডকে ব্যাখ্যা করতে পারবেন না। আর আমি বিশ্বাস করি এ কথা বলাও সত্য যে, ওয়েসলিকে বুঝতে না পারলে আপনি বিংশ শতাব্দীর আমেরিকা বুঝতে পারবেন না।
**লন্ডনে ওয়েসলির চ্যাপেলের ১৫০তম বার্ষিকী সভায় দেওয়া ভাষণ (১ নভেম্বর ১৯২৮), ''দিস টর্চ অফ ফ্রিডম'' (১৯৩৫), পৃষ্ঠা ৯৪-৯৮-এ প্রকাশিত।
==== ১৯২৯ ====
*[[উইলিয়াম বুথ|বুথের]] কথা ভাবলেই একটি বিষয় আমাকে অবাক করে, আর তা হলো [[ভিক্টোরীয় যুগ|ভিক্টোরীয় যুগের]] [[দারিদ্র্য|দারিদ্র্য]] নিয়ে আজকাল যে সব বাজে কথা বলা হয়। ভিক্টোরীয় যুগ আজ কেন এত অজনপ্রিয়, তার বড় একটি কারণ হলো, এর সমস্ত দোষ থাকা সত্ত্বেও এর মহান মানুষদের—যাদের সংখ্যা ছিল অনেক—মধ্যে সততার প্রতি বিশ্বাস ছিল: সেখানে একটি নৈতিক ঐকান্তিকতা ছিল, কর্তব্যের বোধ ছিল এবং কর্তব্য পালন করার প্রবণতা ছিল।
**লন্ডনে স্যালভেশন আর্মি উইলিয়াম বুথ শতবার্ষিকী উদযাপনে দেওয়া ভাষণ (১০ এপ্রিল ১৯২৯), ''দিস টর্চ অফ ফ্রিডম'' (১৯৩৫), পৃষ্ঠা ১০৬-১০৭-এ প্রকাশিত।
*আজ এম্পায়ার ডে, এবং আমাদের বিশাল উত্তরাধিকার দেখার জন্য আমরা আমাদের তাৎক্ষণিক চারপাশ এবং আমাদের দৈনন্দিন কাজগুলোর বাইরে তাকাই। আমরা এক বিশাল স্থানে পা রেখেছি। এই টাইটান যদি ক্লান্তির মুহূর্তগুলো অনুভব করে থাকে, যদি আমাদের বোঝা ভারী হয়, তবু আমাদের কাঁধ চওড়া। আর এগুলো আমাদের ভাগ্যের বিশাল ভার বইতে বহুকাল ধরেই অভ্যস্ত।
**হাইড পার্কে দেওয়া ভাষণ (২৪ মে ১৯২৯), ''দিস টর্চ অফ ফ্রিডম'' (১৯৩৫), পৃষ্ঠা ২৫-এ প্রকাশিত। ১৯০২ সালে [[জোসেফ চেম্বারলেইন]] বলেছিলেন, "ক্লান্ত টাইটান তার ভাগ্যের অত্যধিক বিশাল ভারে টলমল করছে।"
*আমরা যখন এর [ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের] ভাগ্য নিয়ে অধ্যয়ন করি, তখন আমরা একে একটি মানব অর্জনের চেয়ে মানবজাতির অগ্রগতি ত্বরান্বিত করার জন্য ঐশ্বরিক প্রভিডেন্স বা বিধাতার একটি হাতিয়ার হিসেবে বেশি ভাবতে বাধ্য হই।
**হাইড পার্কে দেওয়া ভাষণ (২৪ মে ১৯২৯), ''দিস টর্চ অফ ফ্রিডম'' (১৯৩৫), পৃষ্ঠা ২৬-এ প্রকাশিত।
* টম মোসলে একজন অভদ্র এবং ভুল লোক। তারা এটা খুঁজে বের করবে।
**[[ওসওয়াল্ড মোসলে|ওসওয়াল্ড মোসলেকে]] নিয়ে মন্তব্য (২১ জুন ১৯২৯)। "তারা" বলতে লেবার পার্টিকে বোঝানো হয়েছে, যারা সম্প্রতি একটি সাধারণ নির্বাচনে জিতেছিল। টমাস জোনসের ''হোয়াইটহল ডায়েরি : ভলিউম ২'' (১৯৬৯), পৃষ্ঠা ১৯৫-এ উদ্ধৃত।
*বাস্তব জীবনের রহস্য, রোমান্স এবং কাকতালীয় ঘটনাগুলো কল্পকাহিনীর রহস্য, রোমান্স এবং কাকতালীয় ঘটনাগুলোকেও বহুদূর ছাড়িয়ে যায়। আমার বক্তব্যের শুরুতেই আমি মাননীয় সদস্যদের এমন একটি কথা মনে করিয়ে দিতে চাই, যা আমার কাছে সবসময়ই আমাদের রাজনৈতিক জীবনে ঘটা সবচেয়ে অদ্ভুত এবং রোমান্টিক কাকতালীয় ঘটনাগুলোর একটি বলে মনে হয়েছে। সময়ের অনেক আগে, ইতিহাসের ঊষালগ্নে, প্রাগৈতিহাসিক কুয়াশা থেকে বেরিয়ে আসা অনেকগুলো জাতির মধ্যে সবচেয়ে মহান জাতিটি ছিল মহান [[আর্য জাতি]]। সেই জাতি যখন [[মধ্য এশিয়া|মধ্য এশিয়ার]] পশ্চিমাঞ্চলে তাদের দখল করা দেশ ছেড়ে চলে যায়, তখন একটি বড় শাখা পশ্চিমে চলে যায়। তাদের ঘোরাঘুরির সময় তারা [[অ্যাথেন্স]] এবং [[স্পার্টা]] শহরগুলো প্রতিষ্ঠা করে; তারা [[রোম (প্রাচীন শহর)|রোম]] প্রতিষ্ঠা করে; তারা ইউরোপ তৈরি করে। আর ইউরোপের প্রধান জাতিগুলোর শিরায় তাদের আর্য পূর্বপুরুষদের রক্তই প্রবাহিত। আর্যদের যে ভাষা তারা সাথে নিয়ে এসেছিল, তা সারা ইউরোপে ছড়িয়ে পড়েছে। এটি আমেরিকায় ছড়িয়েছে। এটি সমুদ্রের ওপারের ডোমিনিয়নগুলোতেও ছড়িয়ে পড়েছে। একই সময়ে, একটি শাখা দক্ষিণে যায় এবং তারা [[হিমালয়]] অতিক্রম করে। তারা [[পাঞ্জাব|পাঞ্জাবে]] যায় এবং ভারতজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। আর ঐতিহাসিক সত্য হলো, যুগ যুগ আগে তাদের পূর্বপুরুষের ভূমিতে ইংরেজ জাতির পূর্বপুরুষ এবং [[রাজপুত]] ও [[ব্রাহ্মণ|ব্রাহ্মণদের]] পূর্বপুরুষরা পাশাপাশি দাঁড়িয়েছিলেন। আর এখন, যুগ যুগ পার হওয়ার পর, সেই বংশের দূরতম প্রজন্মের সন্তানরা ঈশ্বরের এক রহস্যময় বিধানে একত্রিত হয়েছে। বিশ্বের যেকোনো জাতির সামনে আসা সবচেয়ে কঠিন, সবচেয়ে জটিল রাজনৈতিক সমস্যার সমাধান করতে তারা এক হয়েছে।
**হাউস অফ কমন্সে দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1929/nov/07/india ভাষণ] (৭ নভেম্বর ১৯২৯)।
=== ১৯৩০-এর দশক ===
==== ১৯৩০ ====
*...অতীতের প্রতি সেই আনুগত্য তার স্বপ্নের সৌন্দর্য এবং তার বাস্তব কঠোরতা ও কষ্টের সাথে মিশে আছে। এগুলোই আমাদের '''আমাদের যুগের সবচেয়ে বড় বিপদ, [[বস্তুবাদ|বস্তুবাদের]] বিপদ থেকে রক্ষা করে।'''... আমাদের মানুষের হৃদয়ে বস্তুবাদের বিরুদ্ধে লড়াই এই যুগের অন্যতম বড় একটি লড়াই।
**স্কটল্যান্ডের ইনভারনেস বুরোর স্বাধীনতা অর্জনের পর দেওয়া ভাষণ (১৩ জুন ১৯৩০), ''দিস টর্চ অফ ফ্রিডম'' (১৯৩৫), পৃষ্ঠা ১৯১-১৯২-তে প্রকাশিত।
*কারণ গ্রিক গণতন্ত্র ব্যর্থ হয়েছিল এবং এর ব্যর্থতার কারণগুলো শিক্ষণীয়। গ্রিকরা বিশ্বকে যে মহান শাসক ধারণাগুলো দিয়েছিল, যে ধারণাগুলো ইংল্যান্ড পরে গ্রহণ করেছিল এবং বিশ্বের এক-চতুর্থাংশে ছড়িয়ে দিয়েছিল—স্বাধীনতা এবং স্বশাসন, সামাজিক সাম্য এবং নাগরিক দেশপ্রেম—সেগুলো জনগণের চাটুকার এবং জননেতাদের দ্বারা কলুষিত হয়েছিল। এটা ভাবা খুব মারাত্মকভাবে সহজ ছিল যে, স্বাধীনতা মানে হলো নিজের যা খুশি তাই করা। একজন মানুষ অন্য মানুষের মতোই ভালো, শুধু তাই নয়, সে যেকোনো পদ পূরণে সমানভাবে সক্ষম। সংখ্যাগরিষ্ঠরা কোনো ভুল করতে পারে না। অন্য জাতি বা অন্যান্য সাম্রাজ্য কী করছে তা বিবেচনা না করেই আপনি আপনার নিজের দেশের জন্য কাল্পনিক সব আইন তৈরি করতে পারেন... বাকস্বাধীনতা রুদ্ধ করা হয়েছিল এবং যেসব জনপ্রতিনিধি সাধারণ জনতার জন্য আনন্দের পক্ষে কথা বলতে অস্বীকার করেছিলেন, তাদের নির্বাসিত করা হয়েছিল। ভোটারদের ঘুষ দেওয়ার ক্ষেত্রে রাজনীতিবিদরা একে অপরের সাথে পাল্লা দিয়েছিলেন।
**কভেন্ট্রিতে দেওয়া জন ক্লিফোর্ড বক্তৃতা (১৪ জুলাই ১৯৩০), ''দিস টর্চ অফ ফ্রিডম'' (১৯৩৫), পৃষ্ঠা ৩৫-৩৬-এ প্রকাশিত।
*একদিকে ব্যক্তিগত আত্মার অসীম মূল্য সম্পর্কে [[প্রোটেস্ট্যান্টবাদ|প্রোটেস্ট্যান্ট]] মতবাদ এবং অন্যদিকে চার্চের মণ্ডলীতে ভাইদের একত্রিত হওয়ার মধ্যেই আধুনিক গণতন্ত্রের বীজ লুকিয়ে আছে।
**কভেন্ট্রিতে দেওয়া জন ক্লিফোর্ড বক্তৃতা (১৪ জুলাই ১৯৩০), ''দিস টর্চ অফ ফ্রিডম'' (১৯৩৫), পৃষ্ঠা ৩৮-এ প্রকাশিত।
*আমরা... এই দ্বীপপুঞ্জের পুরো প্রাপ্তবয়স্ক এবং শ্রমজীবী জনগোষ্ঠীকে, সাধু এবং পাপী নির্বিশেষে সবাইকে ভোটাধিকার দিয়েছি। আমরা এক বিশাল দ্বৈত উদ্যোগের চেষ্টা করছি। কেবল প্রতিটি নাগরিককে এক জন হিসেবে গণনা করা এবং তার নিজের অধিকারে তাকে মূল্য দেওয়াই নয়, বরং তাকে পৌর নাগরিকত্ব এবং সাম্রাজ্যিক সরকারের দায়িত্বগুলোতে কার্যকর এবং বুদ্ধিমত্তার সাথে ভাগ নিতেও বলছি... গণতন্ত্র এখনও একটি আকাঙ্ক্ষা, এটি কোনো প্রতিষ্ঠিত সত্য নয়... আমরা যা অর্জন করেছি তা হলো সরকারের একটি গণতান্ত্রিক কাঠামো, যা একটি গণতান্ত্রিক সমাজের সমান নয়। আমরা জনপ্রতিনিধিত্বমূলক সরকারের যন্ত্রটিকে নিখুঁত করেছি। আর একটি তাৎক্ষণিক বিপদ হলো, গণতান্ত্রিক লক্ষ্য অর্জনের জন্য একে অগণতান্ত্রিক উপায়ে দখল এবং কাজে লাগানো হতে পারে। সার্বভৌম জনগণের নামে এমন নিষ্ঠুর কাজ করা হতে পারে, যা কোনো গ্রিক স্বৈরশাসক বা মধ্যযুগীয় অত্যাচারী শাসকের কাজের মতোই ভয়ংকর। ক্ষমতায় থাকা ব্যক্তিদের জন্য ন্যায়বিচারকে শক্তিশালীদের স্বার্থের সাথে গুলিয়ে ফেলা ভয়ংকরভাবে সহজ; কিন্তু বহুজনের দ্বারা সংখ্যালঘুদের ওপর নিপীড়নও এর বিপরীত অবস্থার মতোই কুৎসিত।
**কভেন্ট্রিতে দেওয়া জন ক্লিফোর্ড বক্তৃতা (১৪ জুলাই ১৯৩০), ''দিস টর্চ অফ ফ্রিডম'' (১৯৩৫), পৃষ্ঠা ৩৯-৪০-এ প্রকাশিত।
*বিপ্লব এড়ানোর ক্ষেত্রে আমাদের রাজনৈতিক সক্ষমতা, "প্রাণবন্ত পরিমিতিবোধের" প্রতি আমাদের স্বভাবগত দক্ষতা (যেমনটা [[w:ওয়াল্টার ব্যাজহট|ব্যাজহট]] বলেছেন), দীর্ঘদিন ধরেই আমাদের মহাদেশীয় প্রতিবেশীদের ঈর্ষার কারণ হয়ে আছে। আমি ভবিষ্যদ্বাণী করার সাহস রাখছি যে, তারা আবারও দেখবে আমরা একসাথে বসব এবং নতুন পরিস্থিতির সাথে খাপ খাইয়ে নিতে আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলোকে দ্রুত সংশোধন করব। আমরা ভবিষ্যতের জন্য পরিকল্পনা করায় খুব একটা ভালো নই, তবে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া এবং আপস করার ক্ষেত্রে আমাদের একটা দক্ষতা আছে।
**কভেন্ট্রিতে দেওয়া জন ক্লিফোর্ড বক্তৃতা (১৪ জুলাই ১৯৩০), ''দিস টর্চ অফ ফ্রিডম'' (১৯৩৫), পৃষ্ঠা ৪২-এ প্রকাশিত।
*'''গ্রিকদের মতোই পুরোনো একটি প্রবাদ আছে যে, ভালো আইন প্রণয়নের চেয়ে ভালো অভ্যাস গড়ে তোলা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।''' এটি যে সত্যি, তার পেছনে একটি সন্দেহের চোরা স্রোত কাজ করে এবং দেশপ্রেমের মতোই, কেবল আইন প্রণয়নই যথেষ্ট নয়। আইন প্রণয়নের সময় যে আশাগুলো দেখানো হয়, আইন পাস হলে সব সময় তা পূরণ হয় না... '''সংবিধানের বইয়ে থাকা সমস্ত আইনের কী হয়? যদি তাদের প্রবর্তকদের আশার অর্ধেকও পূরণ হতো, তবে কি এর মধ্যেই সহস্রাব্দের শান্তি নেমে আসত না?'''
**কভেন্ট্রিতে দেওয়া জন ক্লিফোর্ড বক্তৃতা (১৪ জুলাই ১৯৩০), ''দিস টর্চ অফ ফ্রিডম'' (১৯৩৫), পৃষ্ঠা ৪৬-এ প্রকাশিত।
*সব দলই মানুষের জীবনে হস্তক্ষেপ করার বিষয়ে গভীরভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কারও কারও লক্ষ্য হলো রাষ্ট্রকে একটি সার্বজনীন রক্ষাকর্তায় রূপান্তর করা। অসংখ্য বাছাইয়ের কাজের মাধ্যমেই চরিত্র গড়ে ওঠে। জীবনের সব বা বেশিরভাগ গুরুত্বপূর্ণ পছন্দগুলো যদি রাষ্ট্র আপনার জন্য ঠিক করে দেয়, তবে গণতান্ত্রিক আদর্শের কী হবে... আমরা চালাক বা বোকা, ভালো বা মন্দ যাই হই না কেন, আমাদের নিজেদের জীবন পরিচালনা করা এবং তার দায়িত্ব নেওয়ার কী হবে?
**কভেন্ট্রিতে দেওয়া জন ক্লিফোর্ড বক্তৃতা (১৪ জুলাই ১৯৩০), ''দিস টর্চ অফ ফ্রিডম'' (১৯৩৫), পৃষ্ঠা ৪৭-এ প্রকাশিত।
*বর্তমানে কার্যকর থাকা ত্রাণ ব্যবস্থাগুলোতে সব দলই সমানভাবে জড়িত। সবাই একমত যে অভাব-অনটন সহ্য করা উচিত নয়। কিন্তু জন স্মিথকে এভাবে পাইকারি হারে রাষ্ট্রীয় সুবিধা দেওয়ার সময় আমরা কি জন স্মিথের কাছ থেকে এমন কিছু কেড়ে নিচ্ছি না, যা তাকে সত্যিই দরিদ্র করে তুলবে? এই ভেবে কি আমরা সবাই সম্পূর্ণ খুশি হতে পারি?
**কভেন্ট্রিতে দেওয়া জন ক্লিফোর্ড বক্তৃতা (১৪ জুলাই ১৯৩০), ''দিস টর্চ অফ ফ্রিডম'' (১৯৩৫), পৃষ্ঠা ৪৮-এ প্রকাশিত।
*আমি গতকাল ভারতীয় সম্মেলনের রাজকীয় উদ্বোধনে উপস্থিত ছিলাম... আমাদের প্রতিনিধি দল ভালোভাবেই শুরু করছে, কিন্তু উইনস্টন [চার্চিল] চরম হতাশায় ডুবে আছেন। তিনি চান সম্মেলনটি দ্রুত ভেস্তে যাক এবং টোরি পার্টি যুদ্ধ-পূর্ববর্তী অবস্থায় ফিরে গিয়ে শক্ত হাতে শাসন করুক। তিনি আবারও '৯৬ সালের হুসারদের সাবল্টার্ন বা অধস্তন সামরিক কর্মকর্তা হয়ে উঠেছেন।
**জে. সি. সি. ডেভিডসনকে লেখা চিঠি (১৩ নভেম্বর ১৯৩০), রবার্ট রোডস জেমস (সম্পাদিত), ''মেমোয়ার্স অব অ্যা কনজারভেটিভ: জে. সি. সি. ডেভিডসনস মেমোয়ার্স অ্যান্ড পেপারস, ১৯১০-১৯৩৭'' (লন্ডন: উইডেনফেল্ড অ্যান্ড নিকলসন, ১৯৬৯), পৃষ্ঠা ৩৫৫-তে উদ্ধৃত।
==== ১৯৩১ ====
[[Image:View from Haresfield Beacon - geograph.org.uk - 1120282.jpg|thumb|গ্রাম সেই শাশ্বত মূল্যবোধ এবং শাশ্বত ঐতিহ্যের প্রতিনিধিত্ব করে যা থেকে আমাদের কখনোই নিজেদের বিচ্ছিন্ন হতে দেওয়া উচিত নয়।]]
*এই ধরনের অনুষ্ঠানে কেউ জিজ্ঞেস করতেই পারে, কেন মানুষ এই ধরনের উপহার দিতে এগিয়ে আসে, এবং কেন এই ধরনের জায়গাগুলো সংরক্ষণ করা প্রয়োজন? আমার মনে হয় এটি ইংরেজদের একটি খুব গভীর এবং মৌলিক প্রবৃত্তির জবাব দেয়। আমরা অনেকাংশেই শহরের মানুষে পরিণত হয়েছি। কিন্তু দুই বা তিন প্রজন্ম ধরে যারা আমাদের শহরগুলোতে হাড়ভাঙা পরিশ্রম করেছে, তাদের হৃদয়ের গভীরেও গ্রামের জিনিসপত্র এবং গ্রামীণ সৌন্দর্যের প্রতি এক অদম্য ভালোবাসা লুকিয়ে আছে, যা তাদের মধ্যে ঐতিহ্যগতভাবে এবং অবচেতনভাবে বিরাজ করতে পারে। আমাদের চেয়েও বেশি করে তাদের কাছে, '''গ্রাম সেই শাশ্বত মূল্যবোধ এবং শাশ্বত ঐতিহ্যের প্রতিনিধিত্ব করে যা থেকে আমাদের কখনোই নিজেদের বিচ্ছিন্ন হতে দেওয়া উচিত নয়।'''
**ন্যাশনাল ট্রাস্টের কাছে [[w:হেয়ার্সফিল্ড বীকন|হেয়ার্সফিল্ড বীকন]] হস্তান্তর অনুষ্ঠানে দেওয়া ভাষণ (১০ জানুয়ারি ১৯৩১), ''দিস টর্চ অফ ফ্রিডম'' (১৯৩৫), পৃষ্ঠা ১২০-এ প্রকাশিত।
*আমরা প্রায়ই এই দেশে শুনতে পাই, এবং কথাগুলোর মধ্যে একটি পরিচিত সুরও আছে, যে [ভারতের জন্য] একটি দৃঢ় বা শক্তিশালী সরকারের সময় প্রয়োজন। এর মানে আসলে কী, তা সংজ্ঞায়িত করা খুব কঠিন। তবে এক মুহূর্তের জন্য যদি ধরে নিই যে আমরা এর অর্থ নিয়ে একমত, তবে আমি এই কথা বলব। এটি পুরোপুরি সম্ভব, কিন্তু আপনি কেবল দুটি অনুমানের ওপর ভিত্তি করেই সেই নীতিতে সফল হওয়ার আশা করতে পারেন; আমি একটু পরেই ইতিহাসে আসছি। সেই দুটি অনুমান হলো, প্রথমত, দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য এবং দ্বিতীয়ত, নীতির ধারাবাহিকতা। আয়ারল্যান্ডের ক্ষেত্রে এই দুটি প্রাথমিক প্রয়োজনীয়তার অভাব ছিল বলেই আইরিশ প্রশ্নটি এক প্রজন্ম ধরে চলেছিল, যেমনটা ঘটেছিল। আর শেষ পর্যন্ত এর পরিণতি দাঁড়িয়েছিল সম্পূর্ণ আত্মসমর্পণ অথবা যুদ্ধের মতো দুটির একটি বিকল্প বেছে নেওয়ার মধ্যে। যে সমাধানটি বেছে নেওয়া হয়েছিল, তা নিয়ে মতভেদ রয়েছে। তৎকালীন সরকারের একজন সদস্য হিসেবে আমি আত্মসমর্পণের সমাধানটিকে সমর্থন করেছিলাম। সে সময় আমার এটি পছন্দ হয়নি, কিন্তু আমি নিজের বিশ্বাস থেকেই এটি করেছিলাম।
**হাউস অফ কমন্সে দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1931/jan/26/india-1 ভাষণ] (২৬ জানুয়ারি ১৯৩১)।
*আমার দলের মতো বিভক্ত দল আর একটিও নেই। আমি একে একতাবদ্ধ রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করেছি, কিন্তু এটি [[w:রানি ভিক্টোরিয়া#ডায়মন্ড জুবিলি|দ্বিতীয় জুবিলির]] সাম্রাজ্যবাদীদের থেকে শুরু করে তরুণ প্রগতিশীল ডেমোক্র্যাটদের পর্যন্ত বিস্তৃত, যারা সবাই আরউইনের নীতির পক্ষে। আমি নিজেও সেই নীতির পক্ষে এবং আমি সেটা বলতেও চাই।
**ভারতের হোম রুল নিয়ে [[w:টমাস জোনস (সরকারি কর্মকর্তা)|টমাস জোনসের]] সাথে কথোপকথন (১১ মার্চ ১৯৩১), টমাস জোনসের ''আ ডায়েরি উইথ লেটারস. ১৯৩১-১৯৫০'' (অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১৯৫৪), পৃষ্ঠা ৫-এ উদ্ধৃত।
*পথ যতই কঠিন হোক না কেন, বিপদগুলো শুধু সেই কঠিন পথ থেকেই আসে না; বরং দেশে ও ভারতে থাকা চরমপন্থীদের কাছ থেকেও আসে। আমি বলছি আমার কথার মানে কী। আমার দৃঢ় বিশ্বাস যে, ''ডেইলি মেইলের'' মতো পত্রিকায় যে ধরনের লেখা ছাপা হয়, তা ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের জন্য ভারত হাতছাড়া হওয়ার ক্ষেত্রে, বা বিপ্লবী মনোভাব উসকে দেওয়ার ক্ষেত্রে অন্য কারও যেকোনো কাজের চেয়ে বেশি দায়ী হবে। আমাকে আর আলাদা করে বলতে হবে না, আমি সব ধরনের দৃষ্টিভঙ্গি থেকেই অনেক চিঠি পাই। গত সপ্তাহে আমি খুব অদ্ভুত একটি চিঠি পেয়েছি... এটি একজন কর্নেলের কাছ থেকে এসেছিল; তিনি একজন বৃদ্ধ মানুষ ছিলেন, তার হাতের লেখা দেখেই তা বোঝা যাচ্ছিল। তিনি এই বাক্যটি ব্যবহার করেছিলেন: তিনি বলেছিলেন, "আপনি এবং লর্ড আরউইন হলেন নিগ্রোফাইল (কৃষ্ণাঙ্গদের প্রতি অতিরিক্ত সহানুভূতিশীল)।" সম্ভবত তিনি [[w:এম্পায়ার ফ্রি ট্রেড ক্রুসেড|ইউনাইটেড এম্পায়ার পার্টির]] একজন সদস্য ছিলেন। সাম্রাজ্যকে একতাবদ্ধ রাখার এটি কোনো পথ নয়। এ ধরনের ঘটনা, এবং এর পেছনের যে মানসিকতা, তা নিশ্চিতভাবেই আমাদের সাম্রাজ্য ভেঙে দেবে। আর আমি এর বিরুদ্ধেই লড়াই করতে নেমেছি।
**হাউস অফ কমন্সে দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1931/mar/12/india ভাষণ] (১২ মার্চ ১৯৩১)।
* '''এই পত্রিকাগুলোর মালিকানার লক্ষ্য হলো ক্ষমতা, এবং দায়িত্বহীন ক্ষমতা — যা যুগ যুগ ধরে বেশ্যাদের বিশেষ অধিকার।'''
** বল্ডউইন তার সময়ের শীর্ষস্থানীয় প্রেস ব্যারনদের (লর্ড বিভারব্রুক এবং লর্ড রদারমের) আক্রমণ করছিলেন; বাক্যটি বল্ডউইনের চাচাতো ভাই [[রুডইয়ার্ড কিপলিং]] (১৭ মার্চ ১৯৩১) পরামর্শ দিয়েছিলেন, ''দ্য টাইমস'' (১৮ মার্চ ১৯৩১), পৃষ্ঠা ১৮-তে উদ্ধৃত।
*আমাদের নিজেদের সুরক্ষার সময় এসেছে। বিদেশি যেমন নিজেকে রক্ষা করে, তেমনি আমাদেরও নিজেদের জনগণের স্বার্থকে সবার আগে রাখতে হবে। আমরা দেশবাসীকে আমাদের নিজেদের ডোমিনিয়নগুলোর সাথেও বাণিজ্য চুক্তিতে প্রবেশের আহ্বান জানাব। এর অধীনে আমরা তাদের আমাদের নিজেদের উৎপাদিত পণ্য কেনার আহ্বান জানাব এবং বিনিময়ে আমরা খাদ্যসামগ্রী ও কাঁচামাল নেব। ... গম উৎপাদন বাড়ানোর ক্ষমতা দিতে আমরা ভোটারদের কাছে আহ্বান জানাব।
**নিউজরিলে দেওয়া সাক্ষাৎকার (বসন্ত ১৯৩১), জন রামসডেনের ''এ হিস্ট্রি অফ দ্য কনজারভেটিভ পার্টি: দ্য এজ অফ বেলফোর অ্যান্ড বল্ডউইন, ১৯০২-১৯৪০'' (১৯৭৮), পৃষ্ঠা ৩২০-তে উদ্ধৃত।
*সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ধর্ম আমাদের উদ্দেশ্যগুলোকে পরিচালিত করবে, আমাদের নীতিগুলোকে টিকিয়ে রাখবে, এবং আমরা যখন কাজে যাব তখন এক গোপন আবহের মতো আমাদের আত্মাকে ঘিরে রাখবে ও সিক্ত করবে... আমরা সবাই একমত যে, ধর্ম কেবল চার্চে থাকা খ্রিস্টানদের বিষয় নয়; এটি রাজনীতিতে, কূটনীতিতে, বাণিজ্যে, শিল্পে, স্কুলে এবং খেলাধুলায় থাকা খ্রিস্টানদেরও বিষয়। আমার মনে হয় সাধারণ মানুষের বিচার এটিকে স্বতঃসিদ্ধ হিসেবেই গ্রহণ করেছে।
**লন্ডনে কংগ্রেগেশনাল ইউনিয়নের বার্ষিক সমাবেশে দেওয়া ভাষণ (১২ মে ১৯৩১), ''দিস টর্চ অফ ফ্রিডম'' (১৯৩৫), পৃষ্ঠা ৮০-৮১-তে প্রকাশিত।
*যেকোনো আকাঙ্ক্ষাকে, তা যতই অশালীন হোক না কেন, আকাঙ্ক্ষিত হওয়ার কারণেই ভালো বলে মনে করাটা হয়তো রক্তমাংসের সাধারণ মানুষের পথ হতে পারে, কিন্তু এটি ক্রুশের পথ নয়। আর আমাদের তরুণদের মধ্যে যে নৈতিক নৈরাজ্য ছড়িয়ে পড়েছে বলে বলা হয়... তা ধর্মের দাবিগুলো কমিয়ে দিয়ে মোকাবিলা করা যাবে্বা, বরং সেগুলোর ওপর জোর দিয়েই করতে হবে। তরুণদের সমর্থন এবং উৎসাহ পাওয়ার জন্য তাদের বদভ্যাসগুলো মেনে নিতে হবে—এমন ধারণা তাদের সম্পর্কে সম্পূর্ণ ভুল বিচার করা এবং তাদের সম্মান হারানোর নামান্তর। চার্চগুলো মানবপ্রকৃতির কাছে খুব বেশি কিছু দাবি করার চেয়ে বরং খুব কম কিছু দাবি করার কারণেই দীর্ঘমেয়াদে ব্যর্থ হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। তরুণরা আজ যে পরিস্থিতিতে নিজেদের আবিষ্কার করেছে, তার আসল ট্র্যাজেডি হলো অতীত প্রজন্মের গোঁড়ামির পতন এবং আজকের পরিস্থিতির সাথে মানানসই একটি আত্মবিশ্বাসী, সুসংগত বিশ্বাস দিয়ে এটিকে প্রতিস্থাপন করতে ব্যর্থ হওয়া। নীতিগুলো শাশ্বত হতে পারে, তবে তাদের বাস্তবায়ন অবশ্যই সময়োপযোগী হতে হবে।
**লন্ডনে কংগ্রেগেশনাল ইউনিয়নের বার্ষিক সমাবেশে দেওয়া ভাষণ (১২ মে ১৯৩১), ''দিস টর্চ অফ ফ্রিডম'' (১৯৩৫), পৃষ্ঠা ৮৩-৮৪-তে প্রকাশিত।
*আসুন আমরা এটা মনে না করি যে উচ্চতর [[গণিত]], [[পদার্থবিজ্ঞান]] বা [[জীববিজ্ঞান|জীববিজ্ঞানের]] জগতে হওয়া আবিষ্কারগুলো নৈতিক সমতলে আমাদের সমস্যাগুলোকে দূর করবে বা এমনকি কমিয়ে দেবে... নৈতিকতার জগৎ পরিমাণ বা রাসায়নিক ক্রিয়ার কোনো জগৎ নয়। এটি মূল্যবোধের একটি জগৎ। [[সঠিক ও বেঠিক]], [[ভালো ও মন্দ]], [[সততা]] এবং [[সাহস|সাহসের]] এই মূল্যবোধগুলোই ধর্ম এবং জাতীয় জীবনের জন্য সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ... আমি বিজ্ঞানকে অবজ্ঞা করছি না। আমি শুধু এ কথাই বলতে চাইছি যে নৈতিক মূল্যবোধগুলো—যা তাদের গুণাবলিতে শাশ্বত, কিন্তু তাদের রূপ এবং প্রয়োগে ক্ষণস্থায়ী—হলো একটি দেশের মহত্ত্বের ভিত্তি। যদি আমাদের সাধারণ জীবনে নৈতিক মূল্যবোধের বিকাশ ঘটে, তবে জাতির সব কিছুই ভালো হবে।
**লন্ডনে কংগ্রেগেশনাল ইউনিয়নের বার্ষিক সমাবেশে দেওয়া ভাষণ (১২ মে ১৯৩১), ''দিস টর্চ অফ ফ্রিডম'' (১৯৩৫), পৃষ্ঠা ৮৬-৮৭-তে প্রকাশিত।
*এখন আমাদের এই দেশের এমন একটি রেকর্ড রয়েছে যার জন্য আমরা গর্ব করতে পারি। আমরা যখন বিভিন্ন চুক্তিতে স্বাক্ষর করে সেই [[নিরস্ত্রীকরণ|নিরস্ত্রীকরণের]] প্রশ্নটি আন্তরিকতা, ঐকান্তিকতা এবং সম্মানের সাথে মোকাবিলা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, তখন আমরা আমাদের স্বাক্ষরকে ন্যায়সংগত প্রমাণ করেছি এবং এর প্রতি সমর্থন দিয়েছি। এবং একটি দেশ নিজে একা যা যা করতে পারে, আমরা তার সবই করেছি। আমরা আমাদের সব অস্ত্রশস্ত্র কমিয়ে দিয়েছি। আজ [[রয়েল এয়ার ফোর্স|আমাদের বিমান বাহিনীর]] শক্তিতে আমরা বিশ্বে পঞ্চম স্থানে রয়েছি। আমরা [[ব্রিটিশ সেনাবাহিনী|আমাদের সেনাবাহিনীকে]] একদম ন্যূনতম পর্যায়ে নামিয়ে এনেছি। আমাদের নৌবাহিনী সীমিত করার জন্য আমরা চুক্তিতে আবদ্ধ হয়েছি। একতরফা নিরস্ত্রীকরণের মাধ্যমে আর কিছুই করা সম্ভব নয়।
**হালের সিটি হলে দেওয়া ভাষণ (১৭ জুলাই ১৯৩১), ''দ্য টাইমস'' (১৮ জুলাই ১৯৩১), পৃষ্ঠা ১৪-তে উদ্ধৃত।
*ভারতীয় প্রশ্নে আমাদের দল কী অবস্থান নেবে তা নিয়ে দুই বছর আগে আমি উদ্বিগ্ন ছিলাম। আমি বিশ্বাস করতাম যে একটি প্রগতিশীল দলের জন্য একটি পথই খোলা আছে—আর বেঁচে থাকতে হলে একটি দলকে প্রগতিশীল হতেই হবে। আমি বিশ্বাস করতাম যে অন্য পথটি দলকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যায়।
**হাউস অফ কমন্সে দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1931/dec/03/indian-policy ভাষণ] (৩ ডিসেম্বর ১৯৩১)।
==== ১৯৩২ ====
*আমরা [[w:আমদানি শুল্ক আইন ১৯৩২|শুল্ক]] ব্যবস্থা কার্যকর করব এবং এটি যদি সফল হয় তবে তা অবাধ বাণিজ্যের মতোই দলীয় রাজনীতি থেকে অনেকটা ছিটকে পড়বে। এরপর আমাদের দলের নাম পরিবর্তন করে ন্যাশনাল (জাতীয়) রাখার জন্য উপযুক্ত সময় দিন, কারণ তখন লিবারেলদের বৃহত্তর অংশের থেকে আমাদের আসলেই আলাদা করার মতো খুব সামান্য কিছুই থাকবে।
**[[w:টমাস জোনস (সরকারি কর্মকর্তা)|টমাস জোনসকে]] দেওয়া মন্তব্য (২৮ জানুয়ারি ১৯৩২), টমাস জোনসের ''আ ডায়েরি উইথ লেটারস. ১৯৩১-১৯৫০'' (১৯৫৪), পৃষ্ঠা ২৫-২৬-এ উদ্ধৃত।
*ঠিক বা ভুল যা-ই হোক না কেন, পুরোনো ভারতের সাথে আমাদের কাজ শেষ; একটি নতুন ভারত তৈরি হচ্ছে এবং আমাদের অবশ্যই এর সাথে মানিয়ে নিয়ে সেরাটা বের করে আনতে হবে।
**[[w:টমাস জোনস (সরকারি কর্মকর্তা)|টমাস জোনসকে]] দেওয়া মন্তব্য (২৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৩২), টমাস জোনসের ''আ ডায়েরি উইথ লেটারস. ১৯৩১-১৯৫০'' (১৯৫৪), পৃষ্ঠা ২৯-এ উদ্ধৃত।
*[[সোভিয়েত ইউনিয়ন|রাশিয়া]] এবং [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|আমেরিকা]] লিগের বাইরে থাকায় [[অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা|নিষেধাজ্ঞাগুলো]] একটি ভুল। আমি সবসময়ই এমনটা ভেবেছি। আপনি একটি প্রথম-শ্রেণির শক্তির বিরুদ্ধে এগুলো প্রয়োগ করতে পারবেন না। [[রবার্ট সিসিল, চেলউডের ১ম ভিসকাউন্ট সিসিল|বব সিসিলের]] মতো ঠিক যে মানুষেরা আমাদের নিরস্ত্রীকরণে বাধ্য করেছিল, এবং তা একেবারে ঠিকও ছিল, তারাই এখন আমাদের পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য জোর দিচ্ছে। কিন্তু পদক্ষেপ আমাদের কোথায় নিয়ে যাবে? আমরা যদি রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার করি, তবে তা হবে কেবল প্রথম পদক্ষেপ। এর পরের পদক্ষেপ কী? এবং তার পরেরটা? আপনি যদি অর্থনৈতিক বয়কট করেন তবে [[জাপান সাম্রাজ্য|জাপান]] যুদ্ধ ঘোষণা করবে এবং সে [[সিঙ্গাপুর]] ও [[ব্রিটিশ হংকং|হংকং]] দখল করবে। আর আমরা এখন যে অবস্থানে আছি, তাতে তাকে থামাতে পারব না। আপনি [[ওয়াশিংটন, ডিসি|ওয়াশিংটন]] থেকে কেবল কথাই পাবেন, বড় বড় কথা, কিন্তু কেবল কথাই।
**[[w:জাপানের মাঞ্চুরিয়া আক্রমণ|জাপানের মাঞ্চুরিয়া আক্রমণের]] পর [[w:টমাস জোনস (সরকারি কর্মকর্তা)|টমাস জোনসকে]] দেওয়া মন্তব্য (২৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৩২), টমাস জোনসের ''আ ডায়েরি উইথ লেটারস. ১৯৩১-১৯৫০'' (১৯৫৪), পৃষ্ঠা ৩০-এ উদ্ধৃত।
*তারা কি কখনো [[ইসলাম|মোহাম্মদীয় ধর্ম]] (ইসলাম) এবং [[কমিউনিজম|বলশেভিজমের]] উৎপত্তির মধ্যে থাকা মিলের কথা ভেবেছে? উভয়ই [[খ্রিস্টধর্ম|খ্রিস্টধর্ম]] থেকে উদ্ভূত, একটি ভ্রাতৃত্বের প্রচার করছে এবং অন্যটি সাম্যবাদের। তবে উভয়ই সকল অবিশ্বাসীদের জন্য মৃত্যু এবং নরকবাসের ঘোষণা দেয়। নবীর মৃত্যুর এক শতাব্দীর মধ্যেই মোহাম্মদীয়রা তরবারির জোরে [[আরব]] থেকে পিরেনিজ পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছিল এবং [[w:ট্যুরসের যুদ্ধ|ট্যুরসে]] [[w:চার্লস মার্টেল|চার্লস মার্টেল]] তাদের থামিয়েছিলেন। রাশিয়া খুব কমই মহান মানুষের জন্ম দেয়, তবে কল্পনা করুন যদি একজন বলশেভিক [[প্রথম পিটার|পিটার দ্য গ্রেট]] দৃশ্যপটে হাজির হন, তবে কী ঘটতে পারে।
**[[w:টমাস জোনস (সরকারি কর্মকর্তা)|টমাস জোনসের]] সাথে কথোপকথন (৩ জুলাই ১৯৩২), টমাস জোনসের ''আ ডায়েরি উইথ লেটারস. ১৯৩১-১৯৫০'' (১৯৫৪), পৃষ্ঠা ৪৩-এ উদ্ধৃত।
*সরকার যে শুধু নিরস্ত্রীকরণের কথাই বলেনি, বরং এটি বাস্তবেও প্রয়োগ করেছে, তা আমার জোর দিয়ে বলার প্রয়োজন নেই। গ্রেট ব্রিটেন একতরফা নিরস্ত্রীকরণ নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার সময় এখন শেষ হয়েছে।
**লন্ডনের গিল্ডহলে দেওয়া ভাষণ (৯ নভেম্বর ১৯৩২), ''দ্য টাইমস'' (১০ নভেম্বর ১৯৩২), পৃষ্ঠা ১৪-তে উদ্ধৃত।
*আমি মনে করি সাধারণ মানুষের জন্য এটি উপলব্ধি করাও ভালো যে পৃথিবীর কোনো শক্তিই তাকে বোমা হামলার হাত থেকে রক্ষা করতে পারবে না। মানুষ তাকে যা-ই বলুক না কেন, '''বোমারু বিমান সব সময়ই পথ খুঁজে নেবে'''।
**হাউস অফ কমন্সে দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1932/nov/10/international-affairs ভাষণ] (১০ নভেম্বর ১৯৩২)।
*আমি যাদের সবচেয়ে বেশি বিরোধী, তারা হলেন চরম টোরি উইংয়ের সেই বয়স্ক ভদ্রলোকেরা। তারা ক্লাবের ধূমপানের ঘরে বসে থাকেন এবং কখনোই কোনো কাজে হাত লাগান না, কিন্তু আমি যা কিছু করি তার সবকিছুর জন্যই আমাকে গালমন্দ করেন... সরকারি কাজের জন্য আমাদের কাছে যে জনবল ছিল, অন্য কোনো দেশের কাছে তা ছিল না। জনজীবন জঘন্যভাবে দুর্নীতিগ্রস্ত হয়ে উঠতে পারত, কিন্তু আমরা সবাই একে পরিচ্ছন্ন এবং ঘুষমুক্ত রাখতে সাহায্য করতে পারতাম।
**সান্ডারল্যান্ডের ভিক্টোরিয়া হলে জাতীয় সরকারের সমর্থনে এক সভায় দেওয়া ভাষণ (২ ডিসেম্বর ১৯৩২), ''দ্য টাইমস'' (৩ ডিসেম্বর ১৯৩২), পৃষ্ঠা ১২-তে উদ্ধৃত।
==== ১৯৩৩ ====
*আমি সব সময়ই [[ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট|রুজভেল্টের]] [[নিউ ডিল|পরীক্ষা-নিরীক্ষাগুলোকে]] ভয় পেয়েছি এবং আমার মনে হয় কয়েক মাসের মধ্যেই আমেরিকায় একটি ভয়ংকর বিশৃঙ্খলা তৈরি হবে।
**টমাস জোনসকে লেখা চিঠি (১৪ সেপ্টেম্বর ১৯৩৩), টমাস জোনসের ''আ ডায়েরি উইথ লেটারস. ১৯৩১-১৯৫০'' (১৯৫৪), পৃষ্ঠা ১১৫-তে উদ্ধৃত।
*[[মধ্যযুগ|মধ্যযুগে]], এবং মূলত তার পরবর্তী বছরগুলোতে... আমাদের সীমানা ছিল সমুদ্র; এটি একটি নির্দিষ্ট সীমানা ছিল। আর এটি এমন এক সীমানা ছিল, যা একবার একটি ঐক্যবদ্ধ জাতি সেই সমুদ্র সীমান্ত রক্ষা করতে সক্ষম হলে আর কেউ পার হতে পারত না। আর মূলত ও প্রধানত এর কারণেই আমরা এই দেশে আমাদের নিজস্ব অদ্ভুত সভ্যতা এবং আমাদের নিজস্ব স্বাধীনতা গড়ে তুলতে পেরেছিলাম। আমরা এমন এক নিরাপত্তায় তা করতে পেরেছিলাম, যা সে সময় বিশ্বের প্রায় অন্য সব জাতির কাছেই অপরিচিত ছিল।
**লন্ডন থেকে সম্প্রচারিত (২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৩৩), ''দিস টর্চ অফ ফ্রিডম'' (১৯৩৫), পৃষ্ঠা ১১-তে উদ্ধৃত।
*জাতি হিসেবে আমরা অভিযোগ করি, আমরা কখনোই দুশ্চিন্তা করি না, আর সময় যত কঠিন হয়, আমরা তত বেশি উৎফুল্ল হই। বাইরের বিশ্বে কী ঘটছে তা নিয়ে অনেক দিক থেকেই আমরা উদাসীন হতে পারি, কিন্তু বিপদের সময় এই উদাসীনতা খুব দ্রুতই দূর হয়ে যায়। আমরা বিপদের সময় সব সময়ই শান্ত থাকি। আমরা সামরিক জাতি নই, কিন্তু আমরা মহান যোদ্ধা—যে বংশ থেকে আমাদের উদ্ভব, তাতে আমাদের এমনটাই হওয়া উচিত। আমাদের টিকে থাকার ক্ষমতা আছে, আমরা বিচলিত হই না। আমার মনে আছে, ''দ্য টাইমসের'' একজন লেখকের কথায় আমি খুব মজা পেয়েছিলাম এবং বেশ খুশিও হয়েছিলাম। তিনি বলেছিলেন যে আমার আধ্যাত্মিক বাড়ি হলো শেষ পরিখায় । যদি তা-ই হয়, তবে আমি আমার বেশিরভাগ দেশবাসীর সাথেই সেই পরিখা ভাগ করে নিয়েছি।
**লন্ডন থেকে সম্প্রচারিত (২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৩৩), ''দিস টর্চ অফ ফ্রিডম'' (১৯৩৫), পৃষ্ঠা ১৩-তে উদ্ধৃত।
*তারপর, সবার ওপরে, ইংরেজদের বুদ্ধির চেয়ে [[রসবোধ|রসবোধের]] এক অদ্ভুত অনুভূতি রয়েছে। রসবোধ আসে হৃদয় থেকে; বুদ্ধি আসে মস্তিষ্ক থেকে। আমরা নিজেদের নিয়ে হাসতে পারি। [[জন রাস্কিন|রাস্কিন]] কী বলেছিলেন মনে আছে? "ইংরেজদের হাসি হলো টাকশালে তৈরি হওয়া ধাতুর মধ্যে সবচেয়ে খাঁটি এবং সত্য।" এবং সত্যিই, কেবল ঈশ্বরই জানেন যে দেশ এর কাছে কতটা ঋণী। আসলে, হাসি হলো ঈশ্বরের দেওয়া সেরা উপহারগুলোর একটি। আর মনখোলা হাসির সাথে কোনো বিদ্বেষ বা অশালীনতা থাকতে পারে না। আর যে মানুষগুলো আমাদের দেখিয়েছেন সেই হাসির মানে কী হতে পারে, তাদের মধ্যে [[w:চার্লস ডিকেন্স|ডিকেন্সের]] মতো আর কেউ ছিলেন না। তার প্রতিটি চরিত্রই মজ্জায় মজ্জায় ইংরেজ। আর যদি আমি একজন জীবিত লেখকের কথা উল্লেখ করি, তবে আমার মনে হয় সবচেয়ে খাঁটি ইংরেজদের দেখা যায় [[w:জে. বি. প্রিস্টলি|মিস্টার প্রিস্টলির]] উপন্যাসগুলোতে।
**লন্ডন থেকে সম্প্রচারিত (২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৩৩), ''দিস টর্চ অফ ফ্রিডম'' (১৯৩৫), পৃষ্ঠা ১৩-তে উদ্ধৃত।
*দয়া, দুর্বলদের প্রতি সহানুভূতি, বাড়ির প্রতি ভালোবাসা! এগুলো কি আপনার পরিচিত সাধারণ ইংরেজদের বৈশিষ্ট্য নয়? সে একজন প্রবল ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদী এই কারণে যে, সে নিজেকে কোনো সাধারণ ছাঁচে ফেলতে চায় না, সবার মতো হতে চায় না; সে তার নিজস্ব স্বকীয়তা গড়ে তুলতে পছন্দ করে। এবং তবুও সে সেবার জন্য একজোট হতে পারে। এই দেশের সেরা কিছু জিনিস আমাদের সাধারণ মানুষের মধ্যেই তৈরি হয়েছে, সরকারের কোনো সাহায্য ছাড়াই—ফ্রেন্ডলি সোসাইটির কাজ, আমাদের ট্রেড ইউনিয়ন, আমাদের হাসপাতাল এবং রাষ্ট্র দায়িত্ব নেওয়ার আগে আমাদের শিক্ষা। তারপর আইন ও শৃঙ্খলার প্রতি ইংরেজের এক গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে—এটি তার স্বশাসনের ঐতিহ্যের অংশ। সুশৃঙ্খল স্বাধীনতা—বিশৃঙ্খলাপূর্ণ স্বাধীনতা নয়, বা যা অবধারিতভাবে এর অনুসরণ করে সেই স্বৈরতন্ত্রও নয়; বরং সুশৃঙ্খল স্বাধীনতা, যা বর্তমানে এই ওলটপালট পৃথিবীর অন্যতম বিরল জিনিস।
**লন্ডন থেকে সম্প্রচারিত (২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৩৩), ''দিস টর্চ অফ ফ্রিডম'' (১৯৩৫), পৃষ্ঠা ১৩-১৪-তে উদ্ধৃত।
*আমি বলছি যে বিশ্বে এ ধরনের গুণাবলি এর আগে কখনোই এতটা প্রয়োজনীয় ছিল না। আসুন আমরা যা, তা-ই ধরে রাখি; আসুন আমরা অন্য কারও মতো হওয়ার চেষ্টা না করি... আমাদের অধ্যবসায়, আমাদের স্বাধীনতার প্রতি ভালোবাসা, আমাদের সুশৃঙ্খল স্বাধীনতার প্রতি ভালোবাসা, আমাদের আইনের প্রতি শ্রদ্ধা, আমাদের ব্যক্তির প্রতি শ্রদ্ধা এবং সেবায় আমাদের একজোট হওয়ার ক্ষমতা; বস্তুত, আমাদের শক্তি এবং আমাদের দুর্বলতার মাঝেই আমি আমার হৃদয় থেকে বিশ্বাস করি যে, আমাদের মানুষ আমাদের সামনে আসা যেকোনো পরীক্ষা পার হওয়ার যোগ্য। এবং যদি তারা তাদের নিজস্ব সেরা ঐতিহ্যগুলোর প্রতি সৎ থাকে, তবে অতীতে তারা যেমনটা ছিল ভবিষ্যতে তার চেয়েও এক মহান জাতি হিসেবে তারা আত্মপ্রকাশ করবে।
**লন্ডন থেকে সম্প্রচারিত (২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৩৩), ''দিস টর্চ অফ ফ্রিডম'' (১৯৩৫), পৃষ্ঠা ১৪-তে উদ্ধৃত।
*এটি কোনো তৈরি করা জিনিস নয়; এটি শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে ওক, ছাই বা কাঁটার মতোই আমাদের দেশ এবং মানুষের নিজস্ব জিনিস হিসেবে বেড়ে উঠেছে। এটি তার মানুষকে স্বাধীনতা দিয়েছে এবং তাদের স্বাধীনতা ও স্বেচ্ছাচারিতার মধ্যে পার্থক্য শিখিয়েছে। আজ সেই সংবিধানই হুমকির মুখে, সোশ্যালিস্ট পার্টির তাদের সম্মেলনে এখনও পুরোপুরি প্রকাশ্যে না হলেও, প্রবণতাগতভাবে এমন একটি কর্মপন্থা আঁকার মাধ্যমে, যা যদি বাস্তবায়িত হয় তবে তার অর্থ হবে সংবিধানের ধ্বংস। আপনি এটিকে যত খুশি বিতর্কিত করতে পারেন, কিন্তু বাস্তবে হাউস অফ কমন্সের নির্বাহী ক্ষমতা কেড়ে নেওয়াই হলো প্রতিটি স্বৈরতন্ত্রের শুরুর পথ। এটি সর্বহারা হিটলারবাদ এবং অন্য কিছু নয়, এবং এটি অন্য কিছু হতেও পারে না। আমি চাই আপনারা সময়ের আগেই এটি উপলব্ধি করুন।
**বার্মিংহামে দেওয়া ভাষণ (৬ অক্টোবর ১৯৩৩), ''দ্য টাইমস'' (৭ অক্টোবর ১৯৩৩), পৃষ্ঠা ১৪-তে উদ্ধৃত।
*আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলোকে যুক্তিসংগত করার যেকোনো ইচ্ছাকৃত ও নিয়মতান্ত্রিক প্রচেষ্টাকে সন্দেহের চোখে দেখাটা ব্রিটিশ জনসাধারণের একটি বৈশিষ্ট্য।
**লন্ডনে ইনস্টিটিউট অফ পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে দেওয়া ভাষণ (২৬ অক্টোবর ১৯৩৩), ''দিস টর্চ অফ ফ্রিডম'' (১৯৩৫), পৃষ্ঠা ৫২-তে উদ্ধৃত।
*নিখুঁত সরকার কেবল সেখানেই পাওয়া যায় যেখানে কারাগারগুলো পূর্ণ থাকে।
**লন্ডনে ইনস্টিটিউট অফ পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে দেওয়া ভাষণ (২৬ অক্টোবর ১৯৩৩), ''দিস টর্চ অফ ফ্রিডম'' (১৯৩৫), পৃষ্ঠা ৫৩-তে উদ্ধৃত।
*'''আমি একজন ভিক্টোরিয়ান'''। আমি যখন ছোট ছিলাম, তখন আমি সেই সময়ের অন্য সবার মতোই প্রায় দশ মাইল ব্যাসার্ধের একটি বৃত্তের কেন্দ্রে বাস করতাম—যতদূর এক জোড়া ঘোড়া আমাকে টেনে নিয়ে যেতে পারত। এর বাইরে আমি খুব কমই যেতাম, এবং আমি ইংল্যান্ডের অন্যান্য অংশ থেকে এমনভাবে বিচ্ছিন্ন ছিলাম যা কেবল মোটর রাস্তা এবং মোটর গাড়ির দেশ হিসেবে ইংল্যান্ডকে চিনেছে, এমন কারও পক্ষে কল্পনা করাও অসম্ভব।
**লন্ডনে ইয়র্কশায়ার সোসাইটির বার্ষিক নৈশভোজে দেওয়া ভাষণ (৮ নভেম্বর ১৯৩৩), ''দিস টর্চ অফ ফ্রিডম'' (১৯৩৫), পৃষ্ঠা ১৩৪-এ উদ্ধৃত।
*কোনো মানুষের প্ল্যাটফর্মে কথাবার্তা যেমনই হোক না কেন বা দৈনন্দিন জীবনে সে নিজের ঢাল হিসেবে যতটাই মানববিদ্বেষের ভান করুক না কেন, সেই আবরণের নিচে, একশো জনের মধ্যে নিরানব্বই জন ইংরেজের মধ্যেই এমন একটি ভালোবাসা থাকবে—যা সে কখনো ব্যাখ্যা করতে পারে না বা কখনো করবেও fixনা—সেই বাড়ির প্রতি যেখানে সে নিজে একসময় বাস করেছে বা তার আগে তার বাবা-মা বা দাদা-দাদি বাস করেছেন।
**লন্ডনে ইয়র্কশায়ার সোসাইটির বার্ষিক নৈশভোজে দেওয়া ভাষণ (৮ নভেম্বর ১৯৩৩), ''দিস টর্চ অফ ফ্রিডম'' (১৯৩৫), পৃষ্ঠা ১৩৭-এ উদ্ধৃত।
*দুটি সত্য আমাদের মনে গেঁথে আছে। আমরা যে যুগে বাস করি, সেখানে যুদ্ধ বিজয়ী এবং বিজিত উভয়ের জন্যই সমান ধ্বংসাত্মক। দ্বিতীয় বিষয়টি হলো, ইউরোপে আরেকটি যুদ্ধের অর্থ হবে আমাদের পরিচিত পশ্চিমা সভ্যতার অবসান। এই পরিস্থিতিতে এই সরকার যা করছে, তা ছাড়া আর কোনো সরকার কী-ই বা করতে পারে—অস্ত্রসীমিতকরণের বিষয়ে ইউরোপে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে অবিরাম সংগ্রাম করা? এই মুহূর্তে সামনের বাধাগুলোর কারণে অনেক মানুষের হৃদয় নিরাশ হয়ে পড়ছে... আমাদের দায়িত্ব হলো এই রাজনৈতিক বাধাগুলো অতিক্রম করতে চেষ্টার কোনো ত্রুটি না রাখা এবং শেষ মুহূর্তে হলেও অস্ত্রসীমিতকরণের একটি চুক্তি তৈরি করার কাজ পুনরায় শুরু করা।
**এডিনবার্গে দেওয়া ভাষণ (১৭ নভেম্বর ১৯৩৩), ''দ্য টাইমস'' (১৮ নভেম্বর ১৯৩৩), পৃষ্ঠা ১৪-তে উদ্ধৃত।
==== ১৯৩৪ ====
*আমি বলব যে, [[ফ্যাসিবাদ|ফ্যাসিস্টদের]] বিশ্বে স্বাধীনতার একমাত্র রক্ষক হিসেবে আমরাই টিকে আছি। ... এই ফ্যাসিস্ট এবং কমিউনিস্টরা আজ সেই ধর্মীয় সম্প্রদায়গুলোর যুদ্ধের উত্তরসূরি।
**[[w:টমাস জোনস (সরকারি কর্মকর্তা)|টমাস জোনসের]] সাথে কথোপকথন (২৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৩৪), টমাস জোনসের ''আ ডায়েরি উইথ লেটারস. ১৯৩১-১৯৫০'' (১৯৫৪), পৃষ্ঠা ১২৪-এ উদ্ধৃত।
*আমাদের স্বাধীনতা আমাদের নিজস্ব—তা সে নাগরিক হোক বা ধর্মীয়। আমরা এতে এতটাই অভ্যস্ত, ঠিক যেমন আমরা যে বাতাসে শ্বাস নিই তার প্রতি, যে আমরা এটিকে স্বাভাবিক বলেই ধরে নিই... আর সেই স্বাধীনতা স্বর্গ থেকে মান্নার মতো আমাদের ওপর ঝরে পড়েনি: আমাদের ইতিহাসের শুরু থেকেই এর জন্য লড়াই করতে হয়েছে, এবং এটি অর্জনের জন্য আমাদের চেয়ে অনেক ভালো মানুষের রক্ত ঝরেছে। এটি নির্বাহী ক্ষমতার প্রতি শতাব্দী ধরে করা প্রতিরোধের ফল, এবং এটি আমাদের জন্য একটি সমান ন্যায়বিচার ও জুরির মাধ্যমে বিচার, এবং ধর্মীয় ও রাজনৈতিক মতামতের স্বাধীনতা নিয়ে এসেছে।
**লন্ডন থেকে সম্প্রচারিত (৬ মার্চ ১৯৩৪), ''দিস টর্চ অফ ফ্রিডম'' (১৯৩৫), পৃষ্ঠা ১৭-তে উদ্ধৃত।
*আমি বিশ্বাস করি, বিশ্বের অন্য যেকোনো দেশের চেয়ে এই দেশে সরকার অনেক বেশি পরিচ্ছন্নভাবে পরিচালিত হয়। আমাদের দেশের সরকারের মতোই আমাদের স্থানীয় জনপ্রশাসনেও এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া খুবই বিরল, যারা পথভ্রষ্ট হয় এবং [[দুর্নীতি]] বা অযাচিত প্রভাবের কারণে আসা প্রলোভনের কাছে নতি স্বীকার করে। আমাদের ভাইদের অবস্থা যা-ই হোক না কেন, তাদের সবার মঙ্গলের জন্য জনসেবা করার একটি চমৎকার ঐতিহ্য এই দেশে প্রাচীনকাল থেকেই চলে আসছে।
**লন্ডন থেকে সম্প্রচারিত (৬ মার্চ ১৯৩৪), ''দিস টর্চ অফ ফ্রিডম'' (১৯৩৫), পৃষ্ঠা ২০-তে উদ্ধৃত।
*আর এই দেশে বসে আমাদের জন্য কোনো [[স্বৈরতন্ত্র|স্বৈরতন্ত্রের]] কথা ভাবা—যা আজ অনেক দেশে সরকারের একটি জনপ্রিয় রূপ—তা হবে আমাদের দিক থেকে চূড়ান্ত [[কাপুরুষতা|কাপুরুষতার]] কাজ, একটি [[আত্মসমর্পণ|আত্মসমর্পণের]] কাজ, হাল ছেড়ে দেওয়ার কাজ, এটি হবে এক ধরনের স্বীকারোক্তি যে আমরা নিজেদের শাসন করতে অক্ষম... এই দেশে আমরা যাকে "রাতারাতি ধনী হওয়ার" মানসিকতা বলি, তা আমরা চাই না। গতি এবং দক্ষতা খুব ভালো জিনিস, এবং সম্ভবত সেগুলো এই প্রজন্মের কাছে পূজনীয়। কিন্তু সেগুলো সবসময় একসাথে চলে না। আমি যেমনটা প্রায়ই বলি, ত্বরণ বা অ্যাক্সিলারেশন সভ্যতার সমার্থক নয়। এটা ঠিক যে এই দেশের রাষ্ট্রীয় ঘোড়ার গাড়িটি হয়তো কর্দমাক্ত পথ দিয়ে যাচ্ছে, এর চাকায় হয়তো ক্যাঁচক্যাঁচ শব্দ হচ্ছে; কিন্তু আপনি কি নিশ্চিত যে আজ [[মস্কো]], [[বার্লিন]], [[ভিয়েনা|ভিয়েনায়]] রাষ্ট্রীয় গাড়ির চাকাগুলো ক্যাঁচক্যাঁচ করছে না? আপনি কি পুরোপুরি নিশ্চিত যে সেগুলো এমনকি [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও]] ক্যাঁচক্যাঁচ করছে না?
**লন্ডন থেকে সম্প্রচারিত (৬ মার্চ ১৯৩৪), ''দিস টর্চ অফ ফ্রিডম'' (১৯৩৫), পৃষ্ঠা ২১-এ উদ্ধৃত।
*'''স্বৈরতন্ত্র হলো একটি বিশাল বিচ গাছের মতো; যৌবনে এটি দেখতে খুবই চমৎকার, কিন্তু এর নিচে কিছুই জন্মায় না বা বাঁচে না।'''
**লন্ডন থেকে সম্প্রচারিত (৬ মার্চ ১৯৩৪), ''দিস টর্চ অফ ফ্রিডম'' (১৯৩৫), পৃষ্ঠা ২১-এ উদ্ধৃত।
* তিনি অন্য সবার চেয়ে বেশি [লয়েড জর্জের] [[লয়েড জর্জের মন্ত্রিসভা|জোট সরকার]] ভেঙে দিয়েছিলেন। তিনি কেন এমনটি করেছিলেন? তিনি বুঝতে পেরেছিলেন, ভিক্টোরীয় যুগে যেই নৈতিক চরিত্রের জন্য দেশের সরকার আলাদা মর্যাদা পেত, তা ক্রমশ হারিয়ে যাচ্ছে। এই নৈতিক অবক্ষয় অব্যাহত থাকলে তা ইংল্যান্ডের মহত্ত্ব ও গৌরবের জন্য মারাত্মক পরিণতি ডেকে আনবে বলে তিনি বিশ্বাস করতেন। এই অবক্ষয়কে আঘাত করে চিরতরে নির্মূল করার অর্থ হলো জোট সরকারের কিছু অত্যন্ত মেধাবী মানুষের ওপর আঘাত হানা। এর ফলে উভয় দলের কিছু অত্যন্ত সম্ভাবনাময় রাজনৈতিক ক্যারিয়ারও ধ্বংস হয়ে যেত। তবে জনজীবনের পুরো পরিবেশকে বিষাক্ত করে তোলা একটি ব্যবস্থা চালিয়ে যাওয়ার চেয়ে দেশের জন্য অপেক্ষাকৃত কম মেধাবী একটি সরকার থাকা ভালো বলে তিনি মনে করতেন। এমনকি দীর্ঘ সময়ের জন্য তার দলের ক্ষমতার বাইরে থাকাকেও তিনি শ্রেয় মনে করতেন। তার এই সিদ্ধান্তের ফলে তাৎক্ষণিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ দুটি সংস্কার সাধিত হয়। তিনি [[সংবাদমাধ্যম|সংবাদমাধ্যমের]] আধিপত্য দূর করেন। একইসঙ্গে তিনি সম্মাননা প্রদান প্রক্রিয়ার কলঙ্কও মুছে ফেলেন... তিনি পুরোনো মানদণ্ডগুলো পুনরুদ্ধার করেছেন। তিনি প্রাচীন বাধাগুলো মেরামত করেছেন। যতদিন তার দলের সেরা মানুষেরা তাঁকে বিশ্বস্তভাবে সমর্থন করবেন, ততদিন ফ্লিট স্ট্রিটের জলোচ্ছ্বাস আর কখনো হোয়াইটহলে ফিরে আসবে না। জনজীবন আবার পরিচ্ছন্ন হয়েছে।
** [[হ্যারল্ড বেগবি]], ''দ্য উইন্ডোজ অব ওয়েস্টমিনস্টার'' (১৯২৪), পৃষ্ঠা ৯-১১
* এ বিষয়ে [লর্ড বল্ডউইনের] প্রতিভা একজন সুবক্তা বা বিতার্কিক হিসেবে তার সীমাবদ্ধতাগুলো পুষিয়ে দিয়েছিল। বল্ডউইন অনুভূতি তৈরির শিল্পে দক্ষ ছিলেন। তবে তা শনাক্ত করার গুরুত্বপূর্ণ শিল্পে তিনি আরও বড় ওস্তাদ ছিলেন। তিনি শুধু উপস্থাপিত যুক্তির ওপর আঘাত হানতেন না। বরং যেই অনুভূতির প্রকাশ হিসেবে যুক্তিটি দেওয়া হয়েছে, তিনি সেই অনুভূতির ওপরও আঘাত হানতেন। নিজেকে রক্ষা করার সময় তিনি সুকৌশলে একের পর এক তথ্য উপস্থাপন করতেন না। এর পরিবর্তে তিনি তার প্রতিপক্ষের মহৎ ও মানবিক অনুভূতিগুলোর কাছে আবেদন জানাতেন। তিনি প্রতিপক্ষকে নিরস্ত্র করায় দারুণ দক্ষ ছিলেন। তবে মাঝে মাঝে তিনি একজন কসাইয়ের মতো পাল্টা আঘাতও করতেন।
** [[অ্যানিউরিন বেভান]], কিথ মিডলমাস ও জন বার্নসের ''বল্ডউইন: আ বায়োগ্রাফি'' (১৯৬৯) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৬৬৭
* ট্রেড ইউনিয়নগুলোর কাছে বল্ডউইন অত্যন্ত শ্রদ্ধেয় ছিলেন। তার দেওয়া যেকোনো বক্তব্যের অনেক গুরুত্ব ছিল... তারা সাধারণ ধর্মঘটের এত ঘন ঘন উল্লেখ করার জন্য আক্ষেপ প্রকাশ করতেন। বল্ডউইনের "আমাদের সময়ে শান্তি" শীর্ষক ভাষণে তাদের ও ট্রেড ইউনিয়ন আন্দোলনের প্রতি তার প্রকৃত মতামত প্রতিফলিত হয়েছে বলে তারা বিশ্বাস করতেন।
** জেফ্রি ফ্রাইকে লেখা [[আর্নেস্ট বেভিনের]] চিঠি (২৪ জানুয়ারি ১৯৩৪), কিথ মিডলমাস ও জন বার্নসের ''বল্ডউইন: আ বায়োগ্রাফি'' (১৯৬৯) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৪৮৩–৪৮৪
* সম্পদের সাথে সামাজিক বাধ্যবাধকতাও থাকে বলে তিনি বিশ্বাস করতেন। তিনি এই নীতি অনুসারেই জীবনযাপন করেছেন।
** ২০০৬ সালে বল্ডউইন সম্পর্কে লর্ড [[জন বিফেনের]] বক্তব্য।
* স্ট্যানলি বল্ডউইনের অন্তত একটি গুণ ছিল। তিনি উভয় পক্ষকে একত্রিত করার চেষ্টা করতেন। তিনি শ্রমিক আন্দোলন বোঝার ও আমাদের দেশে শিল্পক্ষেত্রে শান্তি আনার চেষ্টা করেছেন। যদি এটিই রায় হয়, তবে আমি বল্ডউইনের সাথে যুক্ত হতে পেরে অত্যন্ত আনন্দিত হব। তবে অন্য সব দিক থেকে নয় বলেই আমার মনে হয়।
** [[জেমস ক্যালাহান]], [https://www.youtube.com/watch?v=y4bhqnk602I টেমস টেলিভিশনে দেওয়া সাক্ষাৎকার] (২০ জুলাই ১৯৭৮)। লেবার পার্টির প্রধানমন্ত্রী ক্যালাহানকে [[পিটার জেনকিন্স]] জিজ্ঞাসা করেছিলেন, তাঁকে "স্ট্যানলি বল্ডউইনের পর সেরা রক্ষণশীল প্রধানমন্ত্রী" বলাটা তিনি প্রশংসা হিসেবে দেখেন নাকি সমালোচনা হিসেবে।
* তার [<nowiki/>[[ডেভিড লয়েড জর্জ|ডেভিড লয়েড জর্জের]]] স্থলাভিষিক্ত হওয়া বল্ডউইন স্বভাবগতভাবেই যুদ্ধকে ঘৃণ্য মনে করতেন। একদিক থেকে তিনি স্বভাবগতভাবেই খুব শান্তিকামী ছিলেন। সম্মুক্তিনামায় জবরদস্তিমূলক ক্ষমতার প্রয়োজনীয়তা আমি বিশ্বাস করি কি না, তা তিনি আমাকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন বলে আমার মনে আছে। সামরিক পদক্ষেপের প্রতি তার এই অপছন্দের কারণেই মূলত অ্যাবিসিনীয় বিপর্যয় ঘটেছিল বলে আমি মনে করি। লয়েড জর্জ শক্তি প্রয়োগের ওপর খুব বেশি বিশ্বাস করলে, বল্ডউইন তাতে খুব কমই বিশ্বাস করতেন।
** [[চেলউডের ভিসকাউন্ট সিসিল|চেলউডের ভিসকাউন্ট সিসিল]], ''অল দ্য ওয়ে'' (১৯৪৯), পৃষ্ঠা ১৭৩
* আমি একজন কুখ্যাত জনোত্তেজক ধরনের মানুষ। আমার মতে বেশিরভাগ সংস্কার খুব দ্রুত হওয়ার পরিবর্তে অনেক ধীরগতিতে হয়। এই সবকিছু থেকে সহজেই অনুমান করা যায় আমার প্রিয় রাজনীতিবিদ হলেন বল্ডউইন। এই অনুমান দ্রুত ও সুস্পষ্ট না হলেও এটি যুক্তিযুক্ত। আমি যখন আমার প্রিয় রাজনীতিবিদের কথা বলি, তখন একজন রাজনীতিবিদ কোনো মানুষের যতটা প্রিয় হতে পারে, আমি ততটাই বোঝাই। [...] তবে আমি ব্যবহারিক রাজনীতিতে থাকলে (ঈশ্বর না করুন) ও তারা আমাকে দলীয় আনুগত্যের সেই বিশেষ সমস্যায় জড়ালে আমি আমার বা তার সমস্ত যোগ্যতার ভিত্তিতে তাঁকে সমর্থন করতাম। তার যোগ্যতা মোটেও কম নয়। তার সাথে আমার দ্বিমত থাকলেও আমি তাঁকে সমর্থন করব। কারণ তিনি লিবারেলদের চেয়েও বেশি উদার। তিনি সমাজতন্ত্রীদের চেয়েও বেশি সমাজমনস্ক এবং সাম্রাজ্যবাদীদের চেয়ে বহুগুণ বেশি দেশপ্রেমিক। আমি সুখে-দুঃখে তাঁকে সমর্থন করব। কারণ আমার মনে হয়, বিরোধী তত্ত্বগুলো বেশ দুর্বল ও তাদের ধৃষ্টতা একটু বেশিই। আমি বিশেষ করে তার অনুগত ও নিবেদিতপ্রাণ অনুসারীদের বিরুদ্ধে তাঁকে সমর্থন করব। তবে আমি তাঁকে খুব বিশেষভাবে মূল্যায়ন করি। আমি মনে করি জীবিত রাজনীতিবিদদের মধ্যে একমাত্র তারই ইংরেজ জাতির সম্পর্কে কিছুটা অভ্যন্তরীণ বোঝাপড়া রয়েছে।
** জি. কে. চেস্টারটন, ''অ্যাজ আই ওয়াজ সেয়িং'' গ্রন্থে, অধ্যায় ১৭: "অ্যাবাউট পলিটিক্যাল ক্রিডস", ১৯৩৬
* তিনি এতটা ক্ষমতা দেখাতে পারেন বলে আমার কোনো ধারণাই ছিল না। সম্পূর্ণ রক্ষণশীল দল ঘুরে দাঁড়িয়েছে এবং একজন বিদ্রোহী ছাড়াই নির্দেশ মেনে চলেছে। আমি আর কিছুতেই বিস্মিত হই না।
** ট্রেড ইউনিয়ন ও লেবার পার্টির অর্থায়নকে পঙ্গু করার উদ্দেশ্যে আনা একটি প্রাইভেট মেম্বার বিল বাতিল করতে নিজের ব্যাকবেঞ্চারদের রাজি করানোর পর [[উইনস্টন চার্চিল]], ১৯২৫, ফিলিপ উইলিয়ামসনের ''বল্ডউইন পেপারস: আ কনজারভেটিভ স্টেটসম্যান, ১৯০৮-১৯৪৭'' (২০০৪) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১৬৯
* সরকার কিছুতেই সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না। অথবা তারা প্রধানমন্ত্রীকে দিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়াতে পারছে না। তাই তারা এক অদ্ভুত বৈপরীত্যের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। তারা সিদ্ধান্তহীন থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, অনড় থাকার প্রতিজ্ঞা করেছে, ভেসে যাওয়ার জন্য অটল রয়েছে, তরল হওয়ার জন্য কঠিন হয়েছে এবং ক্ষমতাহীন হওয়ার জন্য সর্বশক্তিমান হয়েছে। এভাবেই আমরা আরও কয়েক মাস ও বছর ধরে পঙ্গপালের খাবারের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি। এগুলো খুব মূল্যবান ও সম্ভবত ব্রিটেনের মহত্ত্বের জন্য অত্যাবশ্যক।
** [[উইনস্টন চার্চিল]], [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1936/nov/12/debate-on-the-address#column_1107 হাউজ অব কমন্সে দেওয়া ভাষণ (১২ নভেম্বর ১৯৩৬)]
* আমি স্ট্যানলি বল্ডউইনের কোনো ক্ষতি চাই না। তবে তিনি কখনো না জন্মালে অনেক ভালো হতো।
** বল্ডউইনকে তার আশি তম জন্মদিনের চিঠি পাঠাতে অস্বীকৃতি জানানোর সময় [[উইনস্টন চার্চিল]], ডমিনিক এনরাইট সম্পাদিত ''দ্য উইকড উইট অব উইনস্টন চার্চিল'' (২০০১) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৫৮ * আমার ধারণা ছিল, সব বড় ধরনের সাম্রাজ্যিক ও জাতীয় ইস্যুতে রক্ষণশীল বিরোধীদের উচিত শক্তভাবে [[দ্বিতীয় ম্যাকডোনাল্ড মন্ত্রিসভা|লেবার সরকারের]] মুখোমুখি হওয়া। [[বেঞ্জামিন ডিসরেলি|লর্ড বিকনসফিল্ড]] ও [[রবার্ট গ্যাসকোয়েন-সিসিল, স্যালিসবারির ৩য় মার্কুয়েস|লর্ড স্যালিসবারির]] অধীনে থাকা ব্রিটেনের মহিমার সাথে নিজেদের যুক্ত করা উচিত। বিতর্কের মুখোমুখি হতেও তাদের দ্বিধা করা উচিত নয়। যদিও তা তাৎক্ষণিকভাবে দেশবাসীর কাছ থেকে কোনো সাড়া নাও পেতে পারে। আমি যতদূর বুঝতে পারছিলাম, ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের মহত্ত্ব জোরালোভাবে প্রমাণের সময় অনেক আগেই পেরিয়ে গেছে বলে বল্ডউইন মনে করতেন। লিবারেল ও লেবার শক্তির সাথে মানিয়ে নেওয়ার মধ্যেই রক্ষণশীল দলের আশা নিহিত রয়েছে বলে তিনি বিশ্বাস করতেন। সেইসাথে সুকৌশলী ও সময়োপযোগী পদক্ষেপের মাধ্যমে শক্তিশালী জনমত ও বিপুল সংখ্যক ভোটারকে তাদের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন করার পক্ষপাতী ছিলেন তিনি। তিনি নিঃসন্দেহে অত্যন্ত সফল ছিলেন। তিনি ছিলেন রক্ষণশীলদের পাওয়া সর্বশ্রেষ্ঠ দলীয় ব্যবস্থাপক। দলের নেতা হিসেবে তিনি পাঁচটি সাধারণ নির্বাচনে লড়াই করে তিনটিতে জয়লাভ করেন। শুধু ইতিহাসই এসব সাধারণ বিষয়ের বিচার করতে পারে।
** [[উইনস্টন চার্চিল]], ''দ্য সেকেন্ড ওয়ার্ল্ড ওয়ার, ভলিউম ওয়ান: দ্য গ্যাদারিং স্টর্ম'' [১৯৪৮] (১৯৫০), পৃষ্ঠা ৪৪
* আমি দীর্ঘকাল ধরে চেনা দুই প্রধানমন্ত্রী বল্ডউইন ও চেম্বারলেইনের তুলনামূলক মূল্যায়ন এখানে তুলে ধরতে পারি। আমি তাঁদের অধীনে কাজ করেছি বা করার কথা ছিল। স্ট্যানলি বল্ডউইন বেশি জ্ঞানী ও অনেক বেশি সমঝদার ব্যক্তিত্বের অধিকারী ছিলেন। তবে তার বিস্তারিত নির্বাহী ক্ষমতার অভাব ছিল। তিনি মূলত পররাষ্ট্র ও সামরিক বিষয়ক কাজ থেকে বিচ্ছিন্ন ছিলেন। তিনি ইউরোপ সম্পর্কে খুব কমই জানতেন এবং যা জানতেন তা-ও অপছন্দ করতেন। ব্রিটিশ দলীয় রাজনীতি সম্পর্কে তার গভীর জ্ঞান ছিল। তিনি বিস্তৃতভাবে আমাদের দ্বীপবাসীর কিছু শক্তি ও অনেক দুর্বলতার প্রতিনিধিত্ব করতেন। তিনি রক্ষণশীল দলের নেতা হিসেবে পাঁচটি সাধারণ নির্বাচনে লড়াই করে তিনটিতে জয়লাভ করেন। ঘটনা ঘটার জন্য অপেক্ষা করার ক্ষেত্রে তার দারুণ প্রতিভা ছিল। বিরূপ সমালোচনার মুখেও তিনি অবিচল থাকতেন। পরিস্থিতিকে নিজের অনুকূলে কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে তিনি অনন্য দক্ষতাসম্পন্ন ছিলেন। উপযুক্ত সময় আসলে তা কাজে লাগাতেও তিনি পারদর্শী ছিলেন। তাঁকে দেখে আমার স্যার [[রবার্ট ওয়ালপোল|রবার্ট ওয়ালপোল]] সম্পর্কে ইতিহাসের ধারণার পুনরুত্থান বলে মনে হতো। তবে অবশ্যই তাতে অষ্টাদশ শতাব্দীর কোনো দুর্নীতি ছিল না। তিনিও প্রায় একই সময় ধরে ব্রিটিশ রাজনীতির নিয়ন্ত্রক ছিলেন।
** [[উইনস্টন চার্চিল]], ''দ্য সেকেন্ড ওয়ার্ল্ড ওয়ার, ভলিউম ওয়ান: দ্য গ্যাদারিং স্টর্ম'' [১৯৪৮] (১৯৫০), পৃষ্ঠা ১৮৯
* বল্ডউইন, স্ট্যানলি … দেশের চেয়ে দলের প্রতি বেশি গুরুত্ব দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন, ১৬৯-৭০; ...
** [[উইনস্টন চার্চিল]], "দ্য সেকেন্ড ওয়ার্ল্ড ওয়ার : ভলিউম ১ : দ্য গ্যাদারিং স্টর্ম" (১৯৪৮) গ্রন্থে নির্ঘণ্ট ভুক্তি
* তিনি মাঝে মাঝে সত্যের কাছে হোঁচট খেতেন। তবে দ্রুত নিজেকে সামলে নিয়ে এমনভাবে তাড়াহুড়ো করে চলে যেতেন যেন কিছুই হয়নি।
** [[উইনস্টন চার্চিল]] (আরোপিত), অ্যান্টনি জের ''লেন্ড মি ইওর ইয়ার্স: অক্সফোর্ড ডিকশনারি অব পলিটিক্যাল কোটেশনস'' (২০১০) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৭১
* বল্ডউইন একবারও আমাদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেননি।
** [[এ. জে. কুক]], [[গ্রেট ব্রিটেনের খনি শ্রমিক ফেডারেশন|মাইনরস ফেডারেশন অব গ্রেট ব্রিটেনের]] সাধারণ সম্পাদক (১৯২৫), জি. এম. ইয়াংয়ের ''স্ট্যানলি বল্ডউইন'' (১৯৫২) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১০২
* [[১৯২৪ সালের যুক্তরাজ্যের সাধারণ নির্বাচন|১৯২৪ সালের নির্বাচনের]] আগ পর্যন্ত বল্ডউইন "সর্বোচ্চ চরিত্রের অধিকারী একজন মানুষ" হিসেবে সফল হতে পারেননি। সেই সময়ে তার বিজয় এটাই দেখিয়েছিল যে, তার কাজ ছিল নৈতিক, শিল্প, কৃষি, [[উদারনীতিবাদ|উদারনৈতিক]], [[অ্যাংলিকান ধর্মবাদ|অ্যাংলিকান]] ও অ-সনাতনপন্থী প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলোকে একত্রিত করা। তিনি সরলতা, শালীনতা ও স্বল্পভাষিতার এক অসম্পূর্ণ জনোত্তেজক মিশ্রণের মাধ্যমে এই কাজটি করতেন। বল্ডউইন কখনো ক্ষমতা দিয়ে ইতিবাচক কিছু করতে চাইলে [[১৯২৩ সালের যুক্তরাজ্যের সাধারণ নির্বাচন|১৯২৩ সালের ডিসেম্বরের নির্বাচন]] সম্ভবত তার সেই ইচ্ছাকে নিরাময় করে দিয়েছিল। এরপর গ্রামীণ সমাজব্যবস্থা বিলুপ্ত হওয়ার সাথে সাথেই তিনি এক ধরনের নির্বোধ গ্রামীণ সত্তা আবিষ্কার করেন। পাইপ টানা সাধারণ মানুষের নতুন ভাবমূর্তির মাধ্যমে তিনি ভোটারদের সাথে দূরত্ব কমানোর লক্ষ্য নিয়েছিলেন। ভোটারদের ভোটদানের পদ্ধতি অন্তত এটুকু প্রমাণ করেছিল যে, "মূলে...কর্মজীবী মানুষেরা [ছিল] ভালো"। তিনি এক পরিমিত নৈতিকতার প্রচার করতেন। এটি "গ্রামের পুরোনো ইংল্যান্ডের...একবারের জন্য হলেও নিজের কিছু ফিরে পাওয়া" না হলেও অন্তত নিজের সুনামকে অন্য অনেকের সুনামের চেয়ে আলাদা করতে পেরেছিল। এদের মধ্যে লম্পট হিসেবে পরিচিত [[হ্যারল্ড হার্মসওয়ার্থ, ১ম ভিসকাউন্ট রদারমিয়ার|রদারমিয়ার]], সিফিলিসে আক্রান্ত [[আলফ্রেড হার্মসওয়ার্থ, ১ম ভিসকাউন্ট নর্থক্লিফ|নর্থক্লিফ]], প্যান্টালুন পরা [[এডওয়ার্ড স্ট্যানলি, ডার্বির ১৭শ আর্ল|ডার্বি]], মাতাল [[এফ. ই. স্মিথ, বার্কেনহেডের ১ম আর্ল|বার্কেনহেড]], অভিযাত্রী [[ম্যাক্স আইটকেন, ১ম ব্যারন বিভারব্রুক|বিভারব্রুক]], কমার্শিয়াল ট্রাভেলার ও নারীদের প্রিয়পাত্র "স্কচ ক্যাড" [[রবার্ট হর্ন, স্লামান্যনের ১ম ভিসকাউন্ট হর্ন|হর্ন]], পকেটমার "ট্যামানি বস" [[আর্চিবল্ড স্যালভিজ|স্যালভিজ]] এবং [[ডেভিড লয়েড জর্জ|লয়েড জর্জের]] নৈতিক ও রাজনৈতিক অশালীনতা উল্লেখযোগ্য। ঠিক বা ভুল যা-ই হোক না কেন, এসব সুনাম তাদের ওপরই বর্তায়। তবে [[রুডইয়ার্ড কিপলিং|কিপলিংয়ের]] পরিবারের "আসল লেখকের" সেই স্নায়বিক কল্পনার পেছনের উদ্দেশ্য নিয়ে এখনও কোনো সন্দেহ থাকতে পারে না। তিনি এমন একটি জাতিকে শাসন করার কাজে হাত দিয়েছিলেন যেখানে ১০ লাখ মানুষ মারা গিয়েছিল এবং বার্কেনহেডের তলোয়ার প্রথম ধারালো হওয়ার পর থেকে প্রায় ৮৫ লাখ নারী ভোটাধিকার পেয়েছিল।
** [[মরিস কাউলিং]], ''দ্য ইমপ্যাক্ট অব লেবার, ১৯২০-১৯২৪: দ্য বিগিনিং অব মডার্ন ব্রিটিশ পলিটিক্স'' (১৯৭১), পৃষ্ঠা ৪২১
* বল্ডউইনের পদ্ধতিগুলো বেশ ধীরগতির ছিল। তিনি বিস্তারিত এড়িয়ে চলতেন। সমালোচকেরা বলতেন, তিনি চিন্তা করাটাই এড়িয়ে চলেন। তবে তিনি সে সময়ের প্রধান সমস্যা নিয়ে ভাবতে পিছপা হননি। তিনি ধরে নিয়েছিলেন, "সমাজতন্ত্রীরা বদ্ধপরিকর হলে" সাংবিধানিক সুরক্ষাকবচ [[সমাজতন্ত্র|সমাজতন্ত্রকে]] থামাতে পারবে না। তাই এর পরিবর্তে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খুঁজতে হবে।<br>একজন প্রতিক্রিয়াশীল টোরি সদস্য হিসেবে তার এই অর্জন ছিল অসাধারণ। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার তৃতীয় মেয়াদ শুরু হওয়ার আগেই "উচ্চমার্গীয় ও শুষ্ক টোরিবাদ" থেকে তার মুক্তি তাকে অ-রক্ষণশীল সহকর্মীদের কাছে "পুরোপুরি গ্রহণযোগ্য" করে তোলে। কোনো রাজনীতিবিদই এ ব্যাপারে সন্দেহ করেননি। সব দলেই থাকা "মাগওয়াম্প", "ক্লেরিকল" এবং আন্তরিক ও তাত্ত্বিক "লিবারেলদের" কাছেও তিনি গ্রহণযোগ্য ছিলেন। অনেক লেবার রাজনীতিকের কাছে তার শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্য ও "আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গির" এই "খাঁটি ইংরেজ" মিশ্রণ এমন একটি সামাজিক আশ্বাস দিয়েছিল যা অন্য কোনো রক্ষণশীলের পক্ষে দেওয়া সম্ভব ছিল না।<br>শিল্প সম্পদের মানবিকতা, দায়িত্বশীলতা ও সামাজিক সীমাহীনতা প্রদর্শন করা বল্ডউইনের লক্ষ্য ছিল... "সর্বগ্রাসবাদের বন্য হুমকির" মুখে তার ভাষণগুলো শালীনতা ও আইনের বিবৃতিতে পরিণত হয়। তিনি ইংল্যান্ড ও ইংরেজদের নিয়ে কথা বলতেন। এমনকি "খ্রিস্টধর্মের সহজ ভাষায় কথা বলতেও তিনি দ্বিধা করেননি"।
** [[মরিস কাউলিং]], ''দ্য ইমপ্যাক্ট অব হিটলার: ব্রিটিশ পলিটিক্স অ্যান্ড ব্রিটিশ পলিসি, ১৯৩৩-১৯৪০'' (১৯৭৫), পৃষ্ঠা ২৫৯
* বল্ডউইন কর্মজীবী শ্রেণির আন্দোলনকে সাধারণ মানুষের সৃষ্টি হিসেবে তুলে ধরেছিলেন। এই মানুষেরা অনেকটা তার মতোই ছিলেন এবং মীমাংসার বার্তায় সাড়া দেবেন বলে তিনি মনে করতেন। "বুদ্ধিজীবী" ও "সংবাদমাধ্যমের মালিকদের" দ্বারা বিপথগামী না হওয়া একটি শক্তিশালী, ভদ্র ও সুখী মানুষের অস্তিত্ব বোঝাতে তিনি অনেক সামাজিক নায়কের উদাহরণ তুলে ধরেন। এদের কেউই [[ম্যাক্স আইটকেন, ১ম ব্যারন বিভারব্রুক|বিভারব্রুক]] বা [[ওয়াল্টার লেটন, ১ম ব্যারন লেটন|লেটনের]] মতো ছিলেন না। বরং তারা নানাভাবে সেই গুণাবলিই প্রতিফলিত করতেন, যা ইংরেজরা প্রশংসা করে বলে মনে করা হতো। প্রেক্ষাপটটি প্রাক-শিল্প যুগের ছিল। বল্ডউইনের জীবদ্দশাতেই "গ্রামীণ সমাজ" "বিলুপ্ত" হয়ে গেলেও তার বক্তৃতায় এর গুণাবলির প্রতি প্রশংসা ফুটে উঠত... বল্ডউইন কি কোনো মিথ তৈরি করছিলেন? সম্ভবত না... বল্ডউইন সম্ভবত নিজের কথাগুলো বিশ্বাস করতেন। তার অনুরাগীদের মতো তিনিও ভাবতেন যে তিনি তাদের "জীবনের মৌলিক বিষয়গুলোর" দিকে "ফিরে ডাকছেন"।
** [[মরিস কাউলিং]], ''দ্য ইমপ্যাক্ট অব হিটলার: ব্রিটিশ পলিটিক্স অ্যান্ড ব্রিটিশ পলিসি, ১৯৩৩-১৯৪০'' (১৯৭৫), পৃষ্ঠা ২৬০
* বল্ডউইনের নৈতিক, সামাজিক ও নান্দনিক বিশ্বাস ছিল। তার একটি ধর্মও ছিল। তবে তার খুব কম বিশ্বাসই রাজনৈতিক ছিল। উদ্দেশ্য নিয়ে তিনি হতাশাগ্রস্ত ছিলেন এবং এর প্রতি এক ধরনের সহজাত প্রতিরোধ অনুভব করতেন। প্রয়োজনের সময় অনীহা কাটিয়ে উঠতে সফল হলেও তার আগ্রহ মূলত আধ্যাত্মিক ও পরিবেশগত ছিল। প্রদর্শনের হাতিয়ার হিসেবে তিনি লাঠির চেয়ে জাদুদণ্ড বেশি পছন্দ করতেন।<br>তিনি মূলত একজন "ভদ্র ইংরেজের" অনুভূতি প্রকাশ করতে চাইতেন। কল্পনায় তিনি এই অনুভূতির একটি সংস্করণ নিয়ে বাঁচতেন এবং এগুলো কেমন হওয়া উচিত তা নিয়ে একটি শিক্ষা তৈরি করেছিলেন। এটি করতে গিয়ে তিনি এমন কিছু করেছিলেন যা বিংশ শতাব্দীর অন্য কোনো রাজনীতিবিদ আগে করতে পারেননি। কেবল [[এডওয়ার্ড গ্রে, ফ্যালোডনের ১ম ভিসকাউন্ট গ্রে|গ্রে]] এর ব্যতিক্রম ছিলেন। এটি করার মাধ্যমে তিনি মধ্যম সারির সাহিত্যিক ও গ্রামীণ রুচির অধিকারী পাবলিক-স্কুলের ভদ্রলোকদের রাজনীতির সাথে সাধারণ মানুষের নীরবতার একটি মিল তুলে ধরেন। ১৯৩৫ সালে তিনি লিখেছিলেন, "ইংরেজরা হয়তো নিজেদের পারস্পরিক আনুগত্যকে স্বাভাবিক বলে ধরে নেয়। আমরা এটি নিয়ে কথা বলি না। তবে মাঝে মাঝে আমাদের এই সহজাত নীরবতা ভেঙে একে অপরের প্রতি এমন কিছু বলা ভালো, যা অপ্রত্যাশিত মৃত্যুর পর না বলার জন্য আমাদের আক্ষেপ করতে হতে পারে।"
** [[মরিস কাউলিং]], ''দ্য ইমপ্যাক্ট অব হিটলার: ব্রিটিশ পলিটিক্স অ্যান্ড ব্রিটিশ পলিসি, ১৯৩৩-১৯৪০'' (১৯৭৫), পৃষ্ঠা ২৬০-২৬১
* এমনকি কোনো জনপ্রতিনিধিও নন। কোনো অভিজ্ঞতা নেই। আর একেবারেই গুরুত্বহীন একজন মানুষ।
** বল্ডউইন প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত হওয়ার পর (প্রায় ২২ মে ১৯২৩) [[জর্জ কার্জন, কেডলেস্টনের ১ম মার্কুয়েস কার্জন|লর্ড কার্জনের]] প্রতিক্রিয়া, হ্যারল্ড নিকলসনের ''কার্জন: দ্য লাস্ট ফেজ, ১৯১৯-১৯২৫: আ স্টাডি ইন পোস্ট-ওয়ার ডিপ্লোমেসি'' (১৯৩৪) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৩৫৫
* স্ট্যানলি বল্ডউইন এ দেশের মানুষের অনেক চারিত্রিক গুণের অধিকারী ছিলেন। নিজের দেশ, এর ঐতিহ্য ও সাহিত্যের প্রতি তার গভীর ভালোবাসা ছিল। তবে সর্বোপরি তিনি বিশ্বের সব দুর্যোগ ও ঝড়ের মধ্যেও এর বিচক্ষণতা, অবিচলতা, সাহস ও নেতৃত্বের প্রশংসা করতেন। '''সহনশীলতা ছিল তার সবচেয়ে বড় গুণ। তিনি ঝগড়া-বিবাদ ঘৃণা করতেন এবং সব জাতির মধ্যে একটি ভালো বোঝাপড়া ও সদিচ্ছা তৈরি করতে সর্বদা সচেষ্ট ছিলেন।''' ...তিনি সবসময় নিজের বলিষ্ঠ সাধারণ জ্ঞান ও দেশের প্রতি প্রবল ভক্তি দ্বারা পরিচালিত হতেন। কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে মধ্যস্থতাকারী, বন্ধুত্বপূর্ণ বিচারক এবং সর্বোপরি নৈতিক নেতা ও পথপ্রদর্শক হিসেবে ব্রিটেনের অবস্থান বজায় রাখা ছিল তার প্রধান লক্ষ্য। তিনি ইংরেজি ভাষায় পারদর্শী ছিলেন। তার অনেক ভাষণ এতটাই উচ্চমানের ছিল যে, ভালো গদ্যগুলোও ভালো কবিতার মতোই সমান উচ্চতায় পৌঁছে যায়... সেগুলো এতই আদর্শগতভাবে উন্নত ও সুন্দর ভাষায় লেখা ছিল যে, ইতোমধ্যেই সেগুলো ইংরেজি ধ্রুপদী সাহিত্যের সমৃদ্ধ ভান্ডারে যুক্ত হয়েছে। '''তিনি ছিলেন সম্মানের মূর্ত প্রতীক; সৎ, উদার ও বিশ্বস্ত।''' তিনি বিনয়ী ও লাজুক ছিলেন। তবে একবার কারও সাথে বন্ধুত্ব করলে তা কখনো ভঙ্গ হতো না এবং প্রয়োজনের সময় তা সবচেয়ে বেশি উষ্ণ থাকত। আমরা যারা সেই বন্ধুত্ব পেয়ে ভাগ্যবান হয়েছি, তারা সবসময় এটি লালন করব। বিশেষ করে তার নিজের প্রজন্মের চেয়ে তরুণ প্রজন্মের প্রতি তার দয়া ও উৎসাহ আমরা সবসময় স্মরণ করব। '''লর্ড বল্ডউইনের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে আমরা একজন মহান গণতন্ত্রী, একজন সত্যিকারের ইংরেজ এবং শান্তি ও সম্প্রীতির অবিচল প্রেমিককে স্যালুট জানাই।'''
** বল্ডউইনের মৃত্যুর পর হাউজ অব কমন্সে দেওয়া একটি [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1947/dec/15/death-of-earl-baldwin-of-bewdley-kg ভাষণে] (১৫ ডিসেম্বর ১৯৪৭) লিবারেল পার্টির নেতা [[ক্লেমেন্ট ডেভিস]]
* রক্ষণশীল দল বল্ডউইনকে বাদ দিলে তারা তাদের সবচেয়ে বড় নির্বাচনী সম্পদ হারাবে... যতদিন বল্ডউইন রক্ষণশীল দলের নেতৃত্ব দেবেন, ততদিন এর "ডানপন্থী" অংশ দলের সিদ্ধান্তে আধিপত্য বিস্তার করতে পারবে না এবং এর উদ্দেশ্যকে সংকুচিত করতে পারবে না। ট্রেড ডিসপুটস বিল এর একটি বড় প্রমাণ... বল্ডউইন নেতা থাকলে রক্ষণশীল দল কখনো কোটিপতি সংবাদপত্র মালিকদের হাতের পুতুল বা বড় ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর লেজুড় হবে না।
** ''দ্য টাইমস'' পত্রিকায় লেখা [[অ্যান্থনি ইডেনের]] চিঠি (৬ অক্টোবর ১৯৩০), পৃষ্ঠা ১৫
* '''স্ট্যানলি বল্ডউইন যদি অন্য সবকিছুর চেয়ে একটি বিষয়ে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকেন, তবে তা হলো শিল্পক্ষেত্রে পারস্পরিক বোঝাপড়া।''' এই ক্ষেত্রে অবদান রাখা ছিল তার জীবনের অন্যতম লক্ষ্য। আমি মনে করি তিনি তা অর্জনও করেছিলেন। অনেকের হয়তো মনে আছে...হাউজ অব কমন্সে দেওয়া স্ট্যানলি বল্ডউইনের সর্বশেষ ভাষণের কথা। সেটি ছিল ১৯৩৭ সালের ৫ মে। কয়লাখনি এলাকার আলোচনা ভালো চলছিল না। সেখানে তৈরি হওয়া উত্তেজনা এই হাউজের বিতর্কেও প্রতিফলিত হয়েছিল। স্ট্যানলি বল্ডউইন বুঝতে পেরেছিলেন যে, এই হাউজের সদস্য হিসেবে এটিই তার শেষ অবদান রাখার সুযোগ। তিনি অত্যন্ত সহজ, আন্তরিক ও সফলভাবে তা করেছিলেন। মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে আমি যখন লর্ড বল্ডউইনের সাথে শেষবার দেখা করি, তখন তিনি আমাকে সেই ভাষণের কথাই বলেছিলেন। আমি নিশ্চিত, তিনি এ ধরনের ভাষণ ও কাজের জন্যই স্মরণীয় হয়ে থাকতে চাইবেন। নিঃসন্দেহে এগুলো সামনের কঠিন পরীক্ষার জন্য জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলতে ভূমিকা রেখেছিল... স্ট্যানলি বল্ডউইন ছিলেন একজন ধৈর্যশীল, সহনশীল ও ব্যাপক মানবিক গুণাবলি সম্পন্ন মানুষ। তিনি তার দেশবাসীকে চিনতেন এবং সমাজের সব স্তরের মানুষের মধ্যেই বন্ধু খুঁজে পেতেন। শ্রেণিবৈষম্য বা অহংকার তার কাছে ঘৃণ্য ছিল। তিনি প্রতিহিংসা বা আক্রোশ দেখাতে অক্ষম ছিলেন। এমনকি সমালোচকদের সবচেয়ে কঠোর কথার পরও তিনি খুব কমই বিরক্তি প্রকাশ করতেন। একজন সংসদ সদস্য হিসেবে তার সবচেয়ে বড় শক্তি ছিল সংযম ও যুক্তিবাদী হয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরা... '''সব দিক থেকেই তিনি ছিলেন একজন খাঁটি ইংরেজ। এমন একজন ইংরেজ, যিনি শিল্পক্ষেত্রে কাজ করেছেন এবং নিজের দেশকে ভালোবেসেছেন।'''
** হাউজ অব কমন্সে দেওয়া একটি [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1947/dec/15/death-of-earl-baldwin-of-bewdley-kg ভাষণে] (১৫ ডিসেম্বর ১৯৪৭) [[অ্যান্থনি ইডেন]]
* ১৯২৩ সালের সংসদে খুব কম সংখ্যক নতুন রক্ষণশীল সদস্য ছিলেন। বল্ডউইন আমাদের যেই উপদেশ দিয়েছিলেন, তা আমার মনে আছে। তিনি লেবার পার্টির সদস্যদের কথা বলতেন, যারা তখন প্রথমবারের মতো নিজেদের দলের সরকারকে সমর্থন দিচ্ছিলেন। সে সময় তাদের বেশিরভাগই ছিলেন ট্রেড ইউনিয়নের সদস্য। তারা কারখানায় বা খনিতে কাজ করে জীবনের বড় একটা সময় কাটিয়েছিলেন। বল্ডউইন বলেছিলেন, "আপনাদের হয়তো শিক্ষার ভালো সুযোগ ছিল। তবে এর জন্য অহংকার করবেন না। বেকারত্ব ভাতা সম্পর্কে তারা আপনাদের চেয়ে বেশি জানেন। সর্বোপরি, তাদের প্রতি কখনো ব্যঙ্গাত্মক আচরণ করবেন না।"
** [[অ্যান্থনি ইডেন]], ''দ্য ইডেন মেমোরিস: ফেসিং দ্য ডিক্টেটরস'' (১৯৬২), পৃষ্ঠা ৫
* র্যামজে ম্যাকডোনাল্ডের প্রশাসন ও এক বছর পর আসা বল্ডউইনের প্রশাসনে অনেক শিল্প বিরোধ দেখা গিয়েছিল। এটি ১৯২৬ সালের সাধারণ ধর্মঘটের মাধ্যমে চূড়ান্ত রূপ নেয়। এই জটিল পরিস্থিতি বল্ডউইন অত্যন্ত দক্ষতার সাথে সামলেছিলেন। পরে রাজা অষ্টম এডওয়ার্ডের সিংহাসন ত্যাগের সময় তিনি যেভাবে ব্রিটিশ জনগণের অনুভূতি বুঝতে পেরে তাদের দ্বিধাহীন নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, ঠিক সেভাবেই তিনি এই পরিস্থিতিও সামাল দিয়েছিলেন। সাধারণ ধর্মঘটের পর তিনি কোনো প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা নেননি। এই শতকে অন্য কোনো ব্রিটিশ রাষ্ট্রনায়ক শ্রেণি বিভেদ দূর করতে এত বেশি কাজ করেননি। ডিসরেলির দুই জাতিকে একীভূত করা তার নীতি ছিল। এই সফলতা কোনো সাধারণ বিষয় নয়। পররাষ্ট্রনীতিতে কিছু ভুল থাকলেও, দেশের ভেতরে তিনি যেই ইতিবাচক রাষ্ট্রনীতি প্রয়োগ করেছিলেন, তা ভবিষ্যতকে প্রভাবিত করেছিল। ব্রিটিশ জনগণের প্রতি তার বিশ্বাস এবং তাদের কোনো স্বার্থান্বেষী শ্রেণির স্বার্থে পরিচালনা না করার বিষয়ে তার দৃঢ় অবস্থান তরুণ প্রজন্মের অনেককে তার প্রতি আকৃষ্ট করেছিল এবং তাদের বিশ্বস্ততা ধরে রেখেছিল। আমরা ব্রিটিশ সৈন্যদের একসঙ্গে যুদ্ধ করতে ও মরতে দেখেছি। সমাজতন্ত্র ছাড়াই জাতি হিসেবে একসঙ্গে বাঁচা সম্ভব বলে আমরা মনে করতাম। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরপরই রক্ষণশীল দলে আধিপত্য বিস্তারকারী কঠোর মনোভাবাপন্ন ব্যক্তিদের সম্পূর্ণ বিপরীত ছিলেন বল্ডউইন। দেশীয় রাজনীতিতে আমরা যা অর্জন করতে চেয়েছিলাম, তার চরিত্র ও উদ্দেশ্যে তারই প্রতিফলন ঘটেছিল।
** [[অ্যান্থনি ইডেন]], ''দ্য ইডেন মেমোরিস: ফেসিং দ্য ডিক্টেটরস'' (১৯৬২), পৃষ্ঠা ৫
* তিনি সেই প্রজন্মের মানুষ ছিলেন, যারা মার্ক্সবাদীদের মধ্যে লালের চেয়ে [[শ্বেতাঙ্গ আন্দোলন|সাদা]] বেশি পছন্দ করতেন। তিনি শুধু একজন বিদেশিকে চিনতেন এবং তার একমাত্র স্লোগানকেই ভয় পেতেন ও ভবিষ্যদ্বাণী করতেন। সেই স্লোগানটি ছিল, "দুনিয়ার মজদুর এক হও, হারানোর মতো তোমাদের শৃঙ্খল ছাড়া আর কিছু নেই।" ইংল্যান্ডে সেই ডাক আসার আগেই যাতে কোনো শৃঙ্খল অবশিষ্ট না থাকে, তা নিশ্চিত করা তার প্রধান ভাবনা, এমনকি একধরনের আবেশ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। তিনি সেই যুদ্ধে জয়ী হয়েছিলেন।
** ''টাইম অ্যান্ড টাইড'' (১৫ নভেম্বর ১৯৫২) পত্রিকায় লেখা [[ওয়াল্টার এলিয়ট]], কিথ মিডলমাস ও জন বার্নসের ''বল্ডউইন: আ বায়োগ্রাফি'' (১৯৬৯) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৬৯৬
* ব্রিটেনে দুই বিশ্বযুদ্ধের মধ্যবর্তী সময়ে দুটি ঐতিহ্যবাহী গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা হ্রাস পায়। এর একটি হলো [[যুক্তরাজ্যের রাজতন্ত্র|রাজতন্ত্র]] ও অন্যটি হলো [[ব্রিটিশ সেনাবাহিনী|সেনাবাহিনী]]। ১৯৩৬ সালের ডিসেম্বরে অষ্টম এডওয়ার্ড সিংহাসন ছাড়তে বাধ্য হন। [[যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন]] এক [[বিবাহবিচ্ছেদ|তালাকপ্রাপ্তা]] নারীকে বিয়ে করার ইচ্ছায় [[যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী|প্রধানমন্ত্রী]] স্ট্যানলি বল্ডউইন তার ওপর চাপ প্রয়োগ করেছিলেন। বল্ডউইন দাবি করেছিলেন, [[ব্রিটিশ জাতি|ব্রিটিশ জনগণ]] ও ডোমিনিয়নগুলোর সরকারগুলোও তার সাথে একমত। এদিকে ১৯১৯ সালে চালু হওয়া ও ১৯৩২ সাল পর্যন্ত প্রতি বছর নবায়ন করা 'টেন-ইয়ার রুল' অনুযায়ী অন্তত ১০ বছরের মধ্যে কোনো বড় যুদ্ধ হবে না ধরে নিয়ে সশস্ত্র বাহিনীকে [[অর্থ|অর্থসংকটে]] রাখা হয়েছিল। তবে [[জাপান সাম্রাজ্য|জাপানে]] ঠিক উল্টোটা ঘটেছিল। সেখানে রাজতন্ত্র ও সেনাবাহিনী উভয়ই বেশি ক্ষমতাবান হয়ে উঠেছিল। [[মহামন্দা|মহামন্দার]] জবাবে জাপানের উত্তর জার্মানির মতো জাতীয় সমাজতন্ত্র ছিল না। বরং সেটি ছিল সাম্রাজ্যিক সামরিকবাদ।
** [[নিয়াল ফার্গুসন]], ''দ্য ওয়ার অব দ্য ওয়ার্ল্ড: টুয়েন্টিয়েথ-সেঞ্চুরি কনফ্লিক্ট অ্যান্ড দ্য ডিসেন্ট অব দ্য ওয়েস্ট'' (২০০৬), পৃষ্ঠা ২৮৯
* আপনি যতদিন সরকারের প্রধান থাকবেন, ততদিন তা সম্মানের প্রতীক হয়ে থাকবে। যুদ্ধের পর যখন লয়েড জর্জের সরকার দেশে জনজীবনকে দুর্নীতিগ্রস্ত করে তোলে এবং বিদেশে আমাদের সম্মান ক্ষুণ্ণ করে, তখন আমি চরম আঘাত পেয়েছিলাম। এরপর থেকে জনসম্মান পুনরুদ্ধারে এটি একটি স্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আপনি সর্বদা এর প্রতীক হয়ে থাকবেন।
** বল্ডউইনকে লেখা [[এডওয়ার্ড গ্রে, ফ্যালোডনের ১ম ভিসকাউন্ট গ্রে|এডওয়ার্ড গ্রের]] চিঠি (৫ জানুয়ারি ১৯২৯), জন ক্যাম্পবেলের ''লয়েড জর্জ: দ্য গোট ইন দ্য ওয়াইল্ডারনেস, ১৯২২-১৯৩১'' (১৯৭৭) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ২৪৩
* বল্ডউইন বলেছিলেন যে, রক্ষণশীল নেতার সবচেয়ে কম আনন্দদায়ক দায়িত্বগুলোর মধ্যে একটি হলো [[শ্রমিক শ্রেণি|কর্মজীবী শ্রেণির]] অলসতা নিয়ে এমন লোকদের লেকচার শোনা, যাদের কাছে কঠোর পরিশ্রম বলতে মুখে [[সিগার]] ধরিয়ে ধোঁয়া দিয়ে গোলাপ গাছ থেকে পোকা তাড়ানোর কাজকে বোঝায়।
** [[ডগলাস হার্ড]], ''অ্যান এন্ড টু প্রমিসেস: স্কেচ অব আ গভর্নমেন্ট, ১৯৭০-৭৪'' (১৯৭৯), পৃষ্ঠা ৮৭
* [ফ্রি চার্চের সদস্যরা] মনে করে যে—আপনার মতো একজন মানুষকে আমরা আমাদের জাতীয় বিষয়ের প্রধান হিসেবে পেয়েছি, যাঁকে আমরা পুরোপুরি বিশ্বাস করতে পারি। [[উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন|গ্ল্যাডস্টোনের]] প্রতি ফ্রি চার্চের সদস্যদের যে ধরনের বিশ্বাস ছিল, আমার বয়স এখন তা মনে রাখার মতো। আমি সম্ভবত খুব একটা বাড়িয়ে বলছি না যে, তারা আপনার ওপরও ঠিক একই রকম বিশ্বাস স্থাপন করেছেন।
** বল্ডউইনকে লেখা রেভারেন্ড জে. ডি. জোনসের চিঠি (১৯ মে ১৯৩৭), ফিলিপ উইলিয়ামসনের 'দ্য ডকট্রিনাল পলিটিক্স অব স্ট্যানলি বল্ডউইন' থেকে, মাইকেল বেন্টলি সম্পাদিত, ''পাবলিক অ্যান্ড প্রাইভেট ডকট্রিন: এসেজ ইন ব্রিটিশ হিস্ট্রি প্রেজেন্টেড টু মরিস কাউলিং'' (১৯৯৩) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ২০৭-২০৮
* আমরা বল্ডউইনকে দিয়ে এই গল্পের সত্যতা স্বীকার করিয়েছিলাম যে, ট্রেনের কামরায় এক পুরোনো হ্যারো স্কুলছাত্র বল্ডউইনকে পুরোনো টাই পরা দেখে জিজ্ঞাসা করেছিল: 'আপনি কি আমার সময়ে হ্যারোতে ছিলেন না? এরপর থেকে আপনি কী করছেন?' আর এই ঘটনা ঘটেছিল যখন বল্ডউইন দেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
** লেডি গ্রিগকে লেখা [[থমাস জোনসের]] চিঠি (১ জুন ১৯৩৫), থমাস জোনসের ''আ ডায়েরি উইথ লেটার্স, ১৯৩১-১৯৫০'' (১৯৫৪) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১৫০
* প্রথমে বল্ডউইনের চালাক না হওয়ার বিষয়টি মানুষকে আকর্ষণ করেছিল। কিন্তু তিনি যখন বারবার নিজের বোকামি নিয়ে আবেগপ্রবণ হন, তখন সেই আকর্ষণ নষ্ট হয়ে যায়।
** স্কিডেলস্কি (১৯৯২:২৩২) উদ্ধৃত করে [[জন মেইনার্ড কেইনস|কেইনসের]] ''পেপার্স'' পিএস/৬
* ১৯১৪ সালে...মালিক ও শ্রমিকদের মধ্যে শিল্পক্ষেত্রে গভীর দ্বন্দ্ব ছিল... আজ আমি সম্পূর্ণ ভিন্ন এক পরিবেশ দেখতে পাচ্ছি... আমি আমার সাথে হাঁটতে থাকা এক বন্ধুকে জিজ্ঞাসা করলাম, গত কয়েক বছরে কীভাবে এত বড় পরিবর্তন এলো। আমরা এর পেছনের কারণ খুঁজতে গিয়ে আপনার একটি ভাষণের কথা মনে করলাম। যখন [[ফ্রেড ম্যাককুইস্টেন]] ট্রেড ইউনিয়নকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে এমন একটি বিল উত্থাপন করেছিলেন, তখন আপনি হাউজ অব কমন্সে এই ভাষণ দিয়েছিলেন। আপনি বিলটির বিরোধিতা করে ভাষণটি দিয়েছিলেন... আজ সন্ধ্যায় আমার মনে হলো, আপনি আপনার ভাষণে আমাদের সবার অনুভূতি প্রকাশ করেছেন। আপনি বুঝিয়েছেন যে, বিদ্বেষ, তিক্ততা ও শ্রেণি প্রতিদ্বন্দ্বিতা একেবারেই অমূলক। এর বদলে বোঝাপড়া ও বন্ধুত্ব সম্ভব... আমি যোগ করতে চাই, যদিও আজকাল আপনার সাথে আমাদের খুব কমই দেখা হয়, তবুও আপনার নাম প্রায়শই আমাদের মুখে থাকে এবং আপনার চিন্তাভাবনা আমাদের হৃদয়ে থাকে।
** বল্ডউইনের ১৯২৫ সালের "আমাদের সময়ে শান্তি" ভাষণের বিষয়ে বল্ডউইনকে লেখা লেবার পার্টির এমপি [[ডেভিড কার্কউডের]] চিঠি (১৯৩৯), জি. এম. ইয়াংয়ের ''স্ট্যানলি বল্ডউইন'' (১৯৫২) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৯৫–৯৬
* আমি যখনই তার কথা শুনি, তখনই তিনি আমাকে প্রায় রাজি করিয়ে ফেলেন যে আমার তাঁকে সমর্থন করা উচিত। আমি মনে করি তার ভাষণগুলো আরও অনেক মানুষের ওপর একই রকম প্রভাব ফেলে।
** [[জর্জ ল্যান্সবারি]], [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1931/nov/11/business-of-the-house-government-business#S5CV0259P0_19311111_HOC_25 হাউজ অব কমন্সে দেওয়া ভাষণ (১১ নভেম্বর ১৯৩১)]
* বিশেষ করে আমি যখন আপনার প্রধান ভাষণগুলো পড়ি, তখন আমি প্রায়ই এই সিদ্ধান্তে পৌঁছাই যে, মৌলিক নীতি নয়, বরং ঐতিহ্যই আপনাকে ডানপন্থী শক্তির কাতারে দাঁড় করিয়েছে।
** বল্ডউইনকে লেখা [[হ্যারল্ড লাস্কির]] চিঠি (৬ মার্চ ১৯৩৩), ফিলিপ উইলিয়ামসনের ''স্ট্যানলি বল্ডউইন: কনজারভেটিভ লিডারশিপ অ্যান্ড ন্যাশনাল ভ্যালুস'' (১৯৯৯) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৩৪৬ এবং জি. এম. ইয়াংয়ের ''স্ট্যানলি বল্ডউইন'' (১৯৫২) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৫৪
* মধ্যবিত্ত ও কর্মজীবী শ্রেণিকে একই দিকে ভোট দেওয়ানোর ক্ষেত্রে তার মতো দক্ষ আর কেউ ছিল না।
** লেডি স্যালিসবারিকে লেখা [[ভিক্টর হোপ, ২য় মার্কুয়েস অব লিনলিথগো|লিনলিথগোর মার্কুয়েসের]] চিঠি (১৬ জুন ১৯৩৬), ফিলিপ উইলিয়ামসনের 'দ্য ডকট্রিনাল পলিটিক্স অব স্ট্যানলি বল্ডউইন' থেকে, মাইকেল বেন্টলি সম্পাদিত, ''পাবলিক অ্যান্ড প্রাইভেট ডকট্রিন: এসেজ ইন ব্রিটিশ হিস্ট্রি প্রেজেন্টেড টু মরিস কাউলিং'' (১৯৯৩) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ২০৪
* বল্ডউইন এখনও আমাকে বিভ্রান্ত করেন। তার যথেষ্ট যোগ্যতা থাকার কথা। সেইসাথে তার মধ্যে এক ধরনের বেপরোয়া ভাবও আছে, যা সাহসের মতো মনে হয়। তবে তার নিশ্চিতভাবেই বিচারবুদ্ধি, পরিশ্রম, উদ্দীপনা, উদ্যোগ ও সম্পদের সদ্ব্যবহারের অভাব রয়েছে। এই গুণাবলি ছাড়া কোনো মানুষই জাতিকে বড় বিপদ থেকে উদ্ধার করতে পারে না। তিনি হয় সাধারণ মানুষের চিন্তার বাইরের কোনো বড় উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করা একজন মহান মানুষ, নয়তো তিনি আস্ত একজন বোকা। তার মধ্যে একজন প্রতারকের কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে—বলতে গেলে অনেকগুলোই। তার এক অস্বাভাবিক অহংকার রয়েছে। এটি তাকে বোঝায় এবং ফলস্বরূপ অন্যদেরও বোঝায় যে, তিনি তার চারপাশের বা আগের মানুষের চেয়ে অনেক উন্নত। তিনি যদি সফল হন, তবে অগণিত ভক্ত তাকে পূজনীয় আসনে বসাবে এবং তার আসল রূপ প্রকাশ পেতে অনেক সময় লাগতে পারে।
** [[ফ্রান্সেস স্টিভেনসনকে]] লেখা [[ডেভিড লয়েড জর্জ|ডেভিড লয়েড জর্জের]] চিঠি (২০ আগস্ট ১৯২৫), এ. জে. পি. টেইলর সম্পাদিত ''মাই ডার্লিং পুসি: দ্য লেটার্স অব লয়েড জর্জ অ্যান্ড ফ্রান্সেস স্টিভেনসন, ১৯১৩-৪১'' (১৯৭৫) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৯৭
* বল্ডউইন অনেকটা নমনীয় ও কথা বলতে ভালোবাসেন এমন একজন [[ক্যালভিন কুলিজ|কুলিজের]] মতো। তার মধ্যে অনেক গুণ আছে যা সাধারণ মানুষকে আকর্ষণ করে। তিনি কোনোভাবেই অসাধারণ নন। তবে তার অনেক ভাষণে তিনি যেই অনুভূতিগুলো সহজে ও চমৎকারভাবে প্রকাশ করেন, তা সাধারণ ব্রিটিশদের কাছে সাধারণ জ্ঞান বলে মনে হয়। কিন্তু তার কোনো উদ্যোগ নেওয়ার ক্ষমতা নেই। তার উদ্দেশ্যের সুস্পষ্টতা ও দৃঢ়তার অভাব রয়েছে। [[যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি|মার্কিন রাষ্ট্রপতির]] সাথে তার পার্থক্য হলো, তিনি একেবারেই পরিশ্রমী নন এবং নিজের সমস্যা সমাধানের কোনো চেষ্টাই করেন না। তার স্বভাব বেশ অমায়িক ও দয়ালু। উপায় জানা থাকলে তিনি সব মানুষের সাথে শান্তিতে বসবাস করতে পছন্দ করতেন। কিন্তু তিনি কোনো কাজেই কষ্ট করতে চাননি। ফলে আইন প্রণয়ন বা প্রশাসন পরিচালনা—কোনো ক্ষেত্রেই তার নিজের কোনো কৃতিত্ব নেই।
** [[ডেভিড লয়েড জর্জ|ডেভিড লয়েড জর্জ]], সংবাদপত্রের প্রবন্ধ (১৩ এপ্রিল ১৯২৭), জন ক্যাম্পবেলের ''লয়েড জর্জ: দ্য গোট ইন দ্য ওয়াইল্ডারনেস, ১৯২২-১৯৩১'' (১৯৭৭) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১৬৭
* একজন সৎ ও সম্মানজনক ইংরেজ।
** ১৯২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনের প্রচারণার সময় (অক্টোবর ১৯২৪) লেবার পার্টির এমপি [[উইলিয়াম লুনের]] মন্তব্য, জন রামসডেনের ''আ হিস্ট্রি অব দ্য কনজারভেটিভ পার্টি: দ্য এজ অব বেলফোর অ্যান্ড বল্ডউইন, ১৯০২-১৯৪০'' (১৯৭৮) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ২০৩
* মৌলিক সব দিক থেকেই স্ট্যানলি বল্ডউইনের দৃষ্টিভঙ্গি আমাদের সাথে খুব মিলে যায়।
** [[র্যামজে ম্যাকডোনাল্ড]], ১৯২৩।
* [বল্ডউইন হলেন] একজন খাঁটি ইউটোপিয়ান। [তিনি] ডিসরেলির মতবাদকে [একটি] ভাঁওতাবাজি থেকে...একটি আনন্দদায়ক ও সৎ অনুভূতিতে পরিণত করেছেন।
** [[র্যামজে ম্যাকডোনাল্ড]], ডায়েরি (১৮ মে ১৯২৫), ফিলিপ উইলিয়ামসনের 'দ্য ডকট্রিনাল পলিটিক্স অব স্ট্যানলি বল্ডউইন' থেকে, মাইকেল বেন্টলি সম্পাদিত, ''পাবলিক অ্যান্ড প্রাইভেট ডকট্রিন: এসেজ ইন ব্রিটিশ হিস্ট্রি প্রেজেন্টেড টু মরিস কাউলিং'' (১৯৯৩) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ২০৩
* বল্ডউইনকে...নিঃসন্দেহে হাউজের সব প্রান্তের সদস্যরাই এক ধরনের স্নেহের চোখে দেখতেন। তার দলের তরুণ ও প্রগতিশীল অংশের তার প্রতি বিশেষ শ্রদ্ধা ছিল। বিশেষ করে শিল্প সমস্যা নিয়ে তার ভাষণগুলোতে আমরা যেমনটি আশা করতাম, ঠিক তেমনই নিখুঁত ও শিক্ষণীয় হতো। ডানপন্থী ও বিশেষ করে তথাকথিত "শিল্পপতিরা" তাঁকে খুব একটা পছন্দ না করার কারণে তার প্রতি আমাদের অনুভূতি আরও দৃঢ় হতো... সেই শুরুর দিনগুলোতে আমি তাঁকে এমন একজন মানুষ হিসেবে চিনতাম, যিনি আমাদের এক বিশাল নির্বাচনী বিজয় এনে দিয়েছিলেন। নিজের শালীনতা ও নিরপেক্ষতার সুনামের কারণে তিনি সারা দেশে কর্মজীবী নারী-পুরুষের সমর্থন আদায় করা সম্ভব করে তুলেছিলেন।
** [[হ্যারল্ড ম্যাকমিলান]], ''উইন্ডস অব চেঞ্জ, ১৯১৪-১৯৩৯'' (১৯৬৬), পৃষ্ঠা ১৬৯-১৭০
* আগের নির্বাচনে বল্ডউইনের রেডিও সম্প্রচার...সব শ্রোতার মনে গভীর প্রভাব ফেলেছিল। রেডিও সম্প্রচার...প্রথমবারের মতো ১৯২৪ সালে কার্যকরভাবে ব্যবহৃত হয়েছিল... বল্ডউইন একটি পদ্ধতি গ্রহণ করেছিলেন—যাকে পরবর্তীতে [[ফ্র্যাংকলিন ডি. রুজভেল্ট|প্রেসিডেন্ট রুজভেল্ট]] "ফায়ারসাইড চ্যাট" হিসেবে পূর্ণতা দিয়েছিলেন। তিনি সহজ, স্পষ্ট ও পরিমিত ছিলেন। তিনি মনে হয় একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রেখেছিলেন যে, রেডিও ভাষণে...শ্রোতারা নিজ বাড়িতে বসে থাকা মাত্র দু-তিনজন মানুষ। তারা ভাষণ নয়, বরং কথাবার্তা শুনতে চায়... [[১৯২৬ সালের যুক্তরাজ্যের সাধারণ ধর্মঘট|সাধারণ ধর্মঘটের]] সময় তার প্রজ্ঞা ও সহানুভূতি আমাদের সবাইকে মুগ্ধ করেছিল। যেমনটি করেছিল এর আগের বছর পলিটিক্যাল লেভি বিলে তার বিখ্যাত ভাষণ... তিনি "বুদ্ধিজীবীদের" অপছন্দ করার ভান করতেন। কিন্তু এটি উচ্চ মেধার অধিকারীদের একটি সাধারণ ভান। বল্ডউইন অবশ্যই একজন রূঢ় গ্রামবাসীর চেয়ে অনেক বেশি সংবেদনশীল শিল্পী ছিলেন। কারণ তিনি অর্ধেক কেল্টিক ছিলেন... এমনকি সবচেয়ে সাধারণ পর্যবেক্ষকের কাছেও এটি স্পষ্ট ছিল যে, বল্ডউইন সংকটের সময় নিজের সেরাটা দিতে পারতেন। এর পরপরই তার বিশ্রাম ও সুস্থ হওয়ার প্রয়োজন হতো। তিনি অত্যন্ত সংবেদনশীল ও স্নায়বিক ছিলেন। দলের লোকজন তার যেই ভাবমূর্তি তৈরি করেছিল, তিনি প্রায় সব দিক থেকেই তার বিপরীত ছিলেন। লর্ড লিভারপুল সম্পর্কে বলা হতো, তার নীতির রহস্য হলো, তার কোনো নীতিই নেই। বল্ডউইনের ক্ষেত্রেও এটি অনেকাংশে সত্যি ছিল। রক্ষণশীলতা, "সুরক্ষা", প্রতিরক্ষা এবং সর্বোপরি ইউরোপীয় সমস্যা তাকে খুব একটা উত্তেজিত করত না। তিনি কোনো মহান প্রশাসক ছিলেন না। তিনি একটি প্রভাব ছিলেন এবং মঙ্গলের জন্য প্রভাব ছিলেন। বিরোধী লেবার পার্টির শ্রদ্ধা ও স্নেহ অর্জন করাটা আমাদের নেতার প্রতি আমাদের প্রশংসাকে আরও মজবুত করেছিল।
** [[হ্যারল্ড ম্যাকমিলান]], ''উইন্ডস অব চেঞ্জ, ১৯১৪-১৯৩৯'' (১৯৬৬), পৃষ্ঠা ১৭০-১৭২
* তার...উদ্দেশ্য ছিল প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর জাতি যেই বিপজ্জনক বিভাজনের মুখে পড়েছিল, তা দূর করতে রাষ্ট্র পরিচালনা করা। তাই তিনি সুকৌশলে পরিমিতিবোধের মাধ্যমে দলের ঊর্ধ্বে নিজের একটি অবস্থান তৈরি করতে চেয়েছিলেন। বল্ডউইন হাউজ অব কমন্সের [[লেবার পার্টি (যুক্তরাজ্য)|লেবার]] সদস্যদের প্রলুব্ধ করে তাদের আস্থা অর্জন করেছিলেন। তার পুরো দর্শন তাঁকে এই বিশ্বাস দিয়েছিল যে, লেবার পার্টিকে গণতন্ত্রের জন্য নিরাপদ করা এবং তাদের বিপ্লবী পদ্ধতি থেকে নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ফিরিয়ে আনা তার অন্যতম প্রধান কাজ। তিনি এও জানতেন যে, ভোটারদের সেই কেন্দ্রীয় অংশের সমর্থন না পেলে কনজারভেটিভ পার্টির কোনো ভবিষ্যৎ নেই... তাই ডানপন্থীদের নয়, বরং কনজারভেটিভ পার্টির মধ্য ও বামপন্থীদেরই দলের নীতি নিয়ন্ত্রণ করা উচিত। এই মানসিকতা ও পদ্ধতিতে শ্রেণিসংগ্রাম ও স্থূল মতাদর্শ ধীরে ধীরে প্রশমিত হবে। ব্যাপক বেকারত্বের কারণে সৃষ্ট ভয়াবহ দুর্ভোগ ও অসন্তোষ যে বিপজ্জনক ও ধ্বংসাত্মক আন্দোলনে রূপ নেয়নি, তা আংশিকভাবে তার দৃষ্টান্ত ও বোঝাপড়ার কারণেই সম্ভব হয়েছিল।
** [[হ্যারল্ড ম্যাকমিলান]], ''উইন্ডস অব চেঞ্জ, ১৯১৪-১৯৩৯'' (১৯৬৬), পৃষ্ঠা ৫১৫-৫১৬
* বল্ডউইন হয়তো জাতির অন্তর্নিহিত ঐক্য বজায় রাখা ও জোরদার করার গুরুত্বপূর্ণ কাজে সফল হয়েছিলেন, যার ওপর জাতির চূড়ান্ত শক্তি নির্ভর করে। কিন্তু একজন প্রধানমন্ত্রীর সর্বোচ্চ দায়িত্ব—সম্মানজনক শান্তি বজায় রাখা এবং যেকোনো পরিস্থিতিতে ব্রিটেনকে তার উপযুক্ত ভূমিকা পালনের জন্য প্রস্তুত রাখা—সেক্ষেত্রে তিনি ব্যর্থ হয়েছিলেন। তিনি তার উত্তরসূরির জন্য পররাষ্ট্র পরিস্থিতি এবং ব্রিটেনের আসন্ন বিপদ মোকাবিলার ক্ষমতার ক্ষেত্রে এক শুষ্ক ও অনুর্বর উত্তরাধিকার রেখে গিয়েছিলেন। যদিও মানবিক অনুভূতির দিক থেকে তিনি এমন এক দেশ রেখে গিয়েছিলেন, যেখানে দয়া ও শালীনতা তখনও বিরাজমান ছিল। আর যখন পরীক্ষার সময় এসেছিল, তখন এ দেশের নারী-পুরুষেরা সেই পরিস্থিতির যোগ্য জবাব দেওয়ার মতো মনোবল দেখিয়েছিল।
** [[হ্যারল্ড ম্যাকমিলান]], ''উইন্ডস অব চেঞ্জ, ১৯১৪-১৯৩৯'' (১৯৬৬), পৃষ্ঠা ৫১৭
* '''স্ট্যানলি বল্ডউইন একজন সফল প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, কারণ প্রত্যেক সাধারণ ইংরেজ জানত যে তিনি তাদের সংস্কারগুলো শেয়ার করেন এবং তাদের স্বার্থের প্রতিনিধিত্ব করেন।'''
** [[কিংসলে মার্টিন]], ''এডিটর। আ সেকেন্ড ভলিউম অব অটোবায়োগ্রাফি। ১৯৩১-৪৫'' (১৯৬৮), পৃষ্ঠা ২১
* তিনি সবসময় ধীরগতিতে চলতেন। সব কাজেই দেরি করতেন। তবে সহজাতভাবেই তিনি খুব চতুর ছিলেন। তিনি সবাইকে বিভ্রান্ত করতেন, কিন্তু সাধারণ মানুষের মেজাজে খুব দ্রুত সাড়া দিতেন। তার ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের কাছ থেকে আমি জেনেছিলাম, যুদ্ধের ভয়ই সবসময় তার নীতি বা নীতিহীনতার প্রধান কারণ ছিল... চেম্বারলেইনের মতো তিনিও জানতেন, পুনরায় অস্ত্রশস্ত্র মজুত করা হলো আরেকটি জার্মান যুদ্ধের প্রথম ধাপ। তাই তার [[ডানপন্থী রাজনীতি|ডানপন্থী]] সমালোচকদের তোলা অভিযোগ পুরোপুরি ভিত্তিহীন ছিল না। তারা অভিযোগ করতেন যে, ব্রিটেনকে শক্তিশালী মিত্র ছাড়া সাম্রাজ্য রক্ষায় সাধারণ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে তিনি ও ম্যাকডোনাল্ড বাধা দিয়েছিলেন। বল্ডউইন কখনোই সাম্রাজ্যবাদী ছিলেন না। একই সময়ে, তিনি নিরস্ত্রীকরণ সম্মেলনকে বাস্তবায়ন করতে কিছুই করেননি। বরং বিকল্প যৌথ নিরাপত্তা নীতি ধ্বংস করতে সব চেষ্টাই করেছিলেন। যুদ্ধের প্রতি তার ভয় ও ঘৃণা পুরোপুরি আন্তরিক ছিল। তিনি তার বিখ্যাত 'দ্য-বোম্বার-উইল-অলওয়েজ-গেট-থ্রু' ভাষণটি শেষ করেছিলেন তরুণদের কাছে এমন ভয়াবহতা প্রতিরোধের এক আন্তরিক আবেদন জানিয়ে... বল্ডউইনের চাবিকাঠি কী ছিল?...এটি ছিল ওরচেস্টারশায়ারের গ্রামাঞ্চল ও [[মেরি ওয়েব|মেরি ওয়েবের]] সাহিত্যকর্ম। মেরি ওয়েব ছিলেন একজন সহৃদয় জনপ্রিয় গ্রামীণ জীবনের লেখক। তার চাচাতো ভাই [[রুডইয়ার্ড কিপলিং|রুডইয়ার্ড কিপলিংয়ের]] ধারণা ও মূল্যবোধ তাঁকে আকর্ষণ করেনি। সংক্ষেপে, তিনি একজন 'লিটল ইংল্যান্ডার' ছিলেন। তিনি বিদেশিদের অপছন্দ করতেন এবং বিশ্বাস করতেন যে [[ইংল্যান্ড]] আর একটি যুদ্ধ সহ্য করতে পারবে না। লিগের মতো বড় ধারণাগুলো বিপজ্জনক। তবে ব্রিটিশ জনগণ তাদের স্বার্থ চরমভাবে বিপন্ন হলে যুদ্ধ করবে। হিটলারের বিরুদ্ধে তাদের হয়তো অস্ত্র ধারণ করতে হবে। যদিও সাম্রাজ্যের প্রতি তার খুব একটা আগ্রহ ছিল না, কিন্তু অনেকেই উপনিবেশগুলো জার্মানিকে ফিরিয়ে দেওয়ার যেই কথা বলছিল, তিনি তাকে রাষ্ট্রদ্রোহী বলে মনে করতেন... তিনি একটি কনভেয়র বেল্টে নির্মমভাবে বাঁধা যান্ত্রিক গতির সভ্যতার ভয়াবহ পরিণতির সাথে গ্রামাঞ্চলের...শান্ত, প্রাচীন জীবনের একটি পার্থক্য তুলে ধরতেন... তিনি দয়ালু, সহানুভূতিশীল ও একজন বন্ধুত্বপূর্ণ গ্রামের ভদ্রলোকের দৃষ্টিভঙ্গির অধিকারী ছিলেন। তিনি কিপলিংয়ের মতো ছিলেন না এবং অবশ্যই [[ব্রিটিশ শিল্পপতি ফেডারেশন|ব্রিটিশ শিল্পপতি ফেডারেশনের]] মতো তো নয়ই... একটি জোট সরকার পরিচালনার সঠিক গুণাবলি তার মধ্যে ছিল। '''তিনি একজন রক্ষণশীলের মতো কাজ করতেন, লিবারেলদের মতো কথা বলতেন এবং কথায় ও কাজে সবসময়ই বিশাল ব্রিটিশ মধ্যবিত্ত শ্রেণির সত্যিকারের প্রতিনিধি ছিলেন।'''
** কিংসলে মার্টিন, ''এডিটর। আ সেকেন্ড ভলিউম অব অটোবায়োগ্রাফি। ১৯৩১-৪৫'' (১৯৬৮), পৃষ্ঠা ১৯১-১৯৯
* গত সত্তর বছরে আর কোনো ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীকে স্ট্যানলি বল্ডউইনের মতো এত কঠোরভাবে একপেশে ছাঁচে ফেলা হয়নি। সমসাময়িকদের প্রাথমিক মূল্যায়নের পর আর কাউকেই এত বেশি অবহেলা করা হয়নি।
** [[কিথ মিডলমাস]]
* সমসাময়িক ইতিহাসবিদদের কাছে বল্ডউইন হলেন একজন ভালো মানুষ, একজন আদর্শবাদী এবং একজন সম্মানিত ভদ্রলোক। এই ভূমিকার জন্য প্রয়োজনীয় প্রতিটি যোগ্যতাই তার মধ্যে রয়েছে। আমি বিশ্বাস করতে চাই যে, তিনি আমাদের সময়ের একমাত্র রাজনীতিবিদ, যিনি সততার সাথে দলের চেয়ে নিজেকে এবং দলের চেয়ে দেশকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন...আমরা [[আর্থার বেলফোর|লর্ড বেলফোরের]] অবিচল আদর্শবাদ, কর্মজীবী মানুষের প্রতি [[এইচ. এইচ. অ্যাসকুইথ|লর্ড অক্সফোর্ডের]] গভীর আগ্রহ বা ক্ষমতার প্রতি [[ডেভিড লয়েড জর্জ|লয়েড জর্জের]] নিঃস্বার্থ উদাসীনতা—কোনোটিই ভুলে যাইনি। তবু আমরা বলি, অন্য কোনো নেতার অধীনে ইংল্যান্ড সাধারণ ধর্মঘট এত ভালোভাবে পার করতে পারত না। তিনি আমাদের বিশ্বাসযোগ্যভাবে প্রমাণ করে দেখিয়েছেন যে, শুধু চালাকিই যথেষ্ট নয়...একজন রাজনীতিবিদকে 'ভালো মানুষ' হিসেবে ডাকার সাথে আমরা এতই অপরিচিত যে, আপাতত আমরা বল্ডউইনকে শুধু প্রশংসায় ভাসাতে চাই। কিন্তু এটি বেশি দিন স্থায়ী হবে না। এমন সময় আসবে যখন আমরা ব্যবহারের জন্য অন্য কোনো অস্ত্র খুঁজব।
** [[এ. এ. মিলনে]], ''বাই ওয়ে অব ইন্ট্রোডাকশন'' (১৯২৯), পৃষ্ঠা ৬৪, ৬৮-৬৯
* বল্ডউইন নির্বাচনে দলের হারের ঝুঁকি নেওয়ার চেয়ে যুদ্ধে দেশ হারানোর ঝুঁকি বেশি নিতেন। তিনি নিজের নিম্নমানের নির্বাচনী হিসাব-নিকাশের মাধ্যমে পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা নীতিতে ব্রিটেনের জীবন নিয়ে রাজনীতি করেছেন। তার অলস ভীরুতা সবসময় যেকোনো মূল্যে ঝামেলা এড়াতে চাইত। ফলে তিনি তার দেশের নীতি হিসেবে বর্তমান শিল্প কাঠামো রেখে গেছেন। বল্ডউইন থাকা সত্ত্বেও পরাজয়ের ভাগ্য এড়ানো গিয়েছিল, কিন্তু বল্ডউইন যুগের পরিণাম এখনো আমাদের দেশকে তাড়া করে।
** [[অসওয়াল্ড মোসলি]], ''মাই লাইফ'' (১৯৬৮), পৃষ্ঠা ৩৮০
* তাঁকে অন্তত স্টাফড শার্ট বা দাম্ভিক বলেও সম্মান দেওয়া যায় না। তিনি শুধু বাতাসের একটি গর্ত ছিলেন।
** [[জর্জ অরওয়েল]], [http://www.k-1.com/Orwell/index.cgi/work/essays/lionunicorn.html ''দ্য লায়ন অ্যান্ড দ্য ইউনিকর্ন'' (১৯৪১) পার্ট ১ : ইংল্যান্ড ইওর ইংল্যান্ড] গ্রন্থে
* আমি তাঁকে ফিসফিস করে বলেছিলাম, "মিসেস বল্ডউইন, আপনি তো ঈশ্বরে বিশ্বাস করেন।" তিনি উত্তর দিয়েছিলেন, "অবশ্যই করি। আপনাকে একটি কথা বলতে চাই, প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে আমরা দুজন একসাথে ঈশ্বরের কাছে নতজানু হই। দিনটি তার কাছে সমর্পণ করি। আমরা প্রার্থনা করি যেন আজ আমরা কোনো ভালো কাজ করতে পারি। আমরা নিজেদের জন্য নয়, বরং দেশ ও ঈশ্বরের জন্য কাজ করছি। নইলে আমরা কীভাবে বাঁচতাম?" তিনি আমার দিকে আন্তরিক ও স্বাভাবিকভাবে তাকিয়েছিলেন। আমি তাদের জীবন সম্পর্কে সরল ও গভীর উপলব্ধি বুঝতে পেরেছিলাম।
** [[এরিক পামস্টিয়র্না]], ''আটস্কিলিজিয়া এগেনহেটার'' (১৯৫০), পৃষ্ঠা ৭, থমাস জোনসের ''আ ডায়েরি উইথ লেটার্স, ১৯৩১-১৯৫০'' (১৯৫৪) গ্রন্থে অনূদিত, পৃষ্ঠা xxxiv
* বল্ডউইনের যেকোনো সমালোচনাই ঈশ্বরনিন্দার মতো মনে হতো।
** [[স্যার চার্লস পেট্রি, ৩য় ব্যারোনেট|চার্লস পেট্রি]], ''টুয়েন্টি ইয়ারস আর্মিসটিস—অ্যান্ড আফটার: ব্রিটিশ ফরেন পলিসি সিন্স ১৯১৮'' (১৯৪০), পৃষ্ঠা ১১৭
* সব দলের মানুষই তার সাথে দেখা করতে আসত, বিশেষ করে লেবার পার্টির লোকেরা। তাদের অনেককেই তিনি পছন্দ করতেন। আমি নিশ্চিত, বল্ডউইনের সাথে পরিচিত হয়ে কেউ তাঁকে অপছন্দ করতে পারবে না। এমনকি তাঁকে ভালো না বেসেও থাকতে পারবে না।
** ১৯৩৮ সালে স্ট্যানলি বল্ডউইনকে নিয়ে লেখা [[জে. ডব্লিউ. রবার্টসন স্কটের]] মন্তব্য।
* ঠিক সাত বছর আগে আমি দেশে একটি সংবাদ পাঠিয়েছিলাম। সেখানে আমি ''[[মাইন কাম্ফ|মাইন কাম্ফের]]'' সব অশুভ অংশের সারসংক্ষেপ তুলে ধরেছিলাম। আমি সামরিকবাদের পুনরুত্থানের দিকেও দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলাম, যার পরিণতি হতে পারে একমাত্র যুদ্ধ। যাদের হুমকি দেওয়া হয়েছিল, তাদের সবার জন্যই এটি একটি চিন্তার বিষয় ছিল। ''মাইন কাম্ফ'' ডেসপ্যাচ নামে পরিচিত এই সংবাদটি বেশ সাড়া ফেললেও পরবর্তীতে তা ধামাচাপা দেওয়া হয়। [[র্যামজে ম্যাকডোনাল্ড|ম্যাকডোনাল্ড]] বা বল্ডউইন—কেউই বাস্তবতার মুখোমুখি হতে চাননি। প্রথমজন মারা গেছেন, আর দ্বিতীয়জন সম্পূর্ণভাবে বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়েছেন। বর্তমান মন্ত্রীদের কয়েকজনও এর জন্য দায়ী। সাম্রাজ্যের নিরাপত্তা ভারসাম্যপূর্ণ বাজেট বা নিরস্ত্রীকরণের আকাঙ্ক্ষার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বল্ডউইন ও তার সঙ্গীরা আক্ষরিক অর্থেই সাম্রাজ্যের নিরাপত্তা নিয়ে জুয়া খেলেছেন, যা ছিল ক্ষমার অযোগ্য। [[রাইনল্যান্ডের পুনঃসামরিকীকরণ|রাইনল্যান্ড পুনঃদখলের]] পর আমাদের সরকারের দ্রুত পুনরায় সামরিকীকরণ শুরু করা উচিত ছিল। এটি দেখিয়েছিল যে, [[অ্যাডলফ হিটলার|হিটলার]] আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতা সম্পর্কে কী ভাবেন। আপনি হয়তো বলবেন, দেশের মানুষ পুনরায় সামরিকীকরণ সমর্থন করত না। তাহলে একটি সরকারের কাজ কী? যেকোনো মূল্যে নিজেকে ও নিজের দলকে ক্ষমতায় রাখা, নাকি প্রয়োজনে দেশকে অপ্রিয় সত্য কথা বলা? পুনরায় সামরিকীকরণ ইস্যুতে বল্ডউইন পদত্যাগ করলে, এমন বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠ একটি সরকারের পদত্যাগ দেশের ওপর বিশাল প্রভাব ফেলত।
** [[নেভিল হেন্ডারসনকে]] লেখা [[স্যার হোরেস রামবোল্ড, ৯ম ব্যারোনেট|হোরেস রামবোল্ডের]] চিঠি (১৫ এপ্রিল ১৯৪০), মার্টিন গিলবার্টের ''স্যার হোরেস রামবোল্ড: পোর্ট্রেট অব আ ডিপ্লোম্যাট, ১৮৬৯-১৯৪১'' (১৯৭৩) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৪৪৯
* বল্ডউইন নিঃসন্দেহে কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্ব ছিলেন... যখন [[জার্মানির পুনঃসামরিকীকরণ|জার্মানির সামরিক প্রস্তুতি]] এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে, তার জবাবে একটি জাতীয় উদ্যোগ নেওয়া জরুরি ছিল, তখন তিনি প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। তিনি তার চোখের সামনের প্রমাণগুলো দেখেও না দেখার ভান করেছিলেন। যখন প্রমাণগুলো আর উপেক্ষা করা সম্ভব ছিল না, তখনও তিনি গড়িমসি করেছিলেন। তিনি ভোটারদের বিরোধিতার ভয় পেয়েছিলেন, কিন্তু তিনি নীতি ঘোষণা করে জনগণের ইচ্ছা যাচাই করেননি বা বিপদের কথা জানিয়ে তাদের পথপ্রদর্শনও করেননি। তিনি দেশবাসীকে অপ্রস্তুত অবস্থায় রেখেই পদত্যাগ করেছিলেন। এমনকি প্রস্তুত করার কোনো প্রস্তুতিও তিনি নেননি... [[নাৎসিদের ক্ষমতা দখল|১৯৩৩ সালের জানুয়ারিতে]] শুরু হওয়া ঐতিহাসিক সময়েই কাজ করার অনিয়মিত ইচ্ছা ও অপছন্দের কাজ করার প্রতি অনীহার মতো তার এই ত্রুটিগুলো সবচেয়ে বেশি ফুটে ওঠে, যা একটি বড় জাতীয় বিপর্যয় ডেকে এনেছিল। তিনি কাছাকাছি থাকা কোনো শক্তির সাথে বিমান সক্ষমতার সমতা আনার প্রতিশ্রুতি দিয়ে জাতির ক্রমবর্ধমান উদ্বেগ প্রশমিত করেছিলেন। কিন্তু তিনি এটি বাস্তবায়নে কিছুই করেননি। একজন প্রধানমন্ত্রীর অন্যতম বিস্ময়কর স্বীকারোক্তিতে তিনি বলেছিলেন, দেশের নিরাপত্তার জন্য তিনি যেই নীতি প্রয়োজন মনে করেছিলেন, তিনি তা প্রস্তাব করা থেকে বিরত ছিলেন। কারণ তিনি বিশ্বাস করতেন যে জনগণ তা মেনে নেবে না। অথচ তিনি এই জনগণকে শুধু নির্দেশনাই দেননি, বরং তাদের এক বোকার স্বর্গে নিয়ে গিয়েছিলেন। দূরদৃষ্টির অভাব বা পরিস্থিতি বিচার করার অক্ষমতা, এমনকি ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও কাজ না করতে পারা তার পতনের কারণ ছিল না। বরং তার ইচ্ছাশক্তির বারবার আসা অলসতাই তার এবং আমাদের পতনের কারণ ছিল।
** [[আর্থার সল্টার, ১ম ব্যারন সল্টার|আর্থার সল্টার]], ''সিকিউরিটি: ক্যান উই রিট্রিভ ইট?'' (১৯৩৯), পৃষ্ঠা ১৯৪, ১৯৭-১৯৮
* সেভয় হোটেলে [[ইয়ান মাটস|মাটসের]] সাথে সকালের নাশতা করলাম... আমি তাঁকে বল্ডউইন সম্পর্কে জানতে চাইলাম, যিনি তখন কিছুটা অজানা ছিলেন। তিনি কি শক্তিশালী এবং যোগ্য? মাটস এই দুই বিষয়েই কিছুটা মিশ্র মত দিলেন। তিনি বলেছিলেন, বল্ডউইন একজন চমৎকার মানুষ এবং আন্তরিক ও সৎ। তবে তার বিচারবুদ্ধি ও উদ্যোগের অভাব রয়েছে বলে তিনি মনে করতেন।
** [[সি. পি. স্কট]], ডায়েরি (২৭ অক্টোবর ১৯২৩), ট্রেভর উইলসন সম্পাদিত ''দ্য পলিটিক্যাল ডায়েরিজ অব সি. পি. স্কট, ১৯১১-১৯২৮'' (১৯৭০) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৪৪৬
* অ্যাথেনিয়ামে [[র্যামজে ম্যাকডোনাল্ডের]] সাথে দুপুরের খাবার খেলাম... সরকার দেশের মানুষের কাছে সম্পূর্ণভাবে গ্রহণযোগ্যতা হারিয়েছে। এটি স্মৃতিতে থাকা সবচেয়ে দুর্বল ও বোকা সরকার এবং দেশের জন্য সত্যিকারের এক কলঙ্ক... বেচারা বল্ডউইন সম্পর্কে বলতে গেলে, আমি সেদিন তার সাথে কোনো একটি বিষয়ে কথা বলছিলাম এবং তিনি পুরোপুরি বিভ্রান্ত ছিলেন... তিনি এক অসাধারণ ব্যর্থতা। তিনি কী করতে চান তা জানেন না এবং জানলেও নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার ক্ষমতা তার নেই। স্মৃতিতে থাকা সবচেয়ে দুর্বল প্রধানমন্ত্রী।
** [[সি. পি. স্কট]], ডায়েরি (২৩ জুলাই ১৯২৭), ট্রেভর উইলসন সম্পাদিত ''দ্য পলিটিক্যাল ডায়েরিজ অব সি. পি. স্কট, ১৯১১-১৯২৮'' (১৯৭০) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৪৮৯-৪৯০
* দলের নেতা হিসেবে মাননীয় বেউডলি সদস্য ছিলেন '''একজন উদার ও সাহসী প্রতিপক্ষ। হাউজের নেতা হিসেবে আমরা জানতাম যে এর সম্মান ও মর্যাদা তার হাতে নিরাপদ। যতদিন এ দেশে মনের বিশালতা এবং মানবিক সহানুভূতি ও বোঝাপড়ার মতো গুণাবলি সম্মানিত হবে, ততদিন তিনি আমাদের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংসদ সদস্য হিসেবে বিবেচিত হবেন।''' ...মাননীয় বেউডলি সদস্য এই হাউজ থেকে অন্য একটি স্থানে যাচ্ছেন। তার সুস্বাস্থ্য ও শক্তির জন্য আমাদের আত্মবিশ্বাসী শুভকামনা তার সাথে থাকবে। বিরোধী দলের নেতার মতো আমরাও নিশ্চিত যে, তিনি তার অবসর ও বিশ্রাম উপভোগ করবেন। পাশাপাশি তিনি জাতির বিষয়ে আরও অনেক বড় ভূমিকা পালন করবেন।
** বল্ডউইনের প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে অবসরের পর হাউজ অব কমন্সে দেওয়া একটি [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1937/may/31/welcome-to-new-prime-minister ভাষণে] (৩১ মে ১৯৩৭) লিবারেল পার্টির নেতা [[আর্চিবল্ড সিনক্লেয়ার, ১ম ভিসকাউন্ট থারসো|আর্চিবল্ড সিনক্লেয়ার]]
* [বল্ডউইন হলেন] একজন সৎ ও ভদ্র মানুষ। রক্ষণশীলদের সাথে প্রতিটি বিষয়ে আমার দ্বিমত থাকলেও...আমি তাদের মূলত সম্মানজনক মানুষ হিসেবেই দেখেছি, যারা অন্তত নিজেদের মতামতের প্রতি অবিচল ছিলেন।
** ১৯২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনের প্রচারণার সময় (অক্টোবর ১৯২৪) লেবার পার্টির এমপি [[হেনরি স্লেসারের]] মন্তব্য, জন রামসডেনের ''আ হিস্ট্রি অব দ্য কনজারভেটিভ পার্টি: দ্য এজ অব বেলফোর অ্যান্ড বল্ডউইন, ১৯০২-১৯৪০'' (১৯৭৮) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ২০৩
* হাউজের আমাদের পক্ষে স্ট্যানলি বল্ডউইনের কোনো শত্রু ছিল না এবং আমাদের সব সদস্য তাঁকে বিশ্বাস করতেন। টোরি পার্টির নেতা হিসেবে তার দুর্বলতা ছিল এই যে, তিনি রাজনৈতিক নিচতা দেখাতে অক্ষম ছিলেন। তিনি কখনো সস্তা অভিযোগ করতেন না বা নোংরা আঘাত হানতেন না। তিনি যদি খুব কমই উচ্চমার্গীয় বক্তব্য বা বড় অর্জনের শিখরে পৌঁছে থাকেন, তবে তিনি কখনোই কোনোটিতে সাধারণ স্তরে নেমে আসেননি। তিনি ছিলেন নির্ভরযোগ্য, বন্ধুত্বপূর্ণ ও দৃঢ়। তার মধ্যে কোনো চালাকি বা বাড়াবাড়ি ছিল না। সবাই তাঁকে পছন্দ করত।
** [[হ্যারি স্নেল, ১ম ব্যারন স্নেল|হেনরি স্নেল]], ''মেন, মুভমেন্টস অ্যান্ড মাইসেলফ'' (১৯৩৬), পৃষ্ঠা ২৪৭
* বল্ডউইনের একটি বহুল স্মরণীয় ভাষণ হলো...যা তিনি ১৯২৫ সালের ৬ মার্চ দিয়েছিলেন। ট্রেড ইউনিয়নের রাজনৈতিক তহবিল সংক্রান্ত একটি প্রাইভেট মেম্বার বিলের আলোচনার সময় তিনি এই ভাষণ দিয়েছিলেন। বল্ডউইন...এমন এক সময়ে এই বিতর্কিত বিষয়টি উত্থাপন করার তীব্র বিরোধিতা করেছিলেন, যখন এমন কিছু না করাটা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল, যাতে সন্দেহ তৈরি না হয় যে সংসদ ট্রেড ইউনিয়নের ওপর আক্রমণ করছে... তিনি তার ভাষণ শেষ করেছিলেন এই কথা বলে: "আমি জানি, এই হাউজের বেশিরভাগ সদস্যের চেয়ে ভিন্ন উদ্দেশ্যে কাজ করেন এমন অনেকে আছেন। তা সত্ত্বেও সব দলের সব স্তরের অনেকেই আমার প্রার্থনার প্রতিধ্বনি করবেন, 'হে প্রভু, আমাদের সময়ে শান্তি দাও।'" এটি তাৎপর্যপূর্ণ ছিল যে, বল্ডউইনের ভাষণের শেষে সবচেয়ে বেশি উচ্ছ্বাস তার নিজের দলের কাছ থেকে আসেনি, বরং এসেছিল লেবার বেঞ্চ থেকে। হাউজ অব কমন্সে এমন গভীর প্রভাব ফেলা কোনো ভাষণ আমার খুব একটা মনে পড়ে না। এটি ছিল প্রকৃত স্ট্যানলি বল্ডউইনের প্রকাশ। এটি গরিবদের প্রতি তার সহানুভূতি এবং পুঁজিপতি ও শ্রমিকদের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির প্রবল আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেছিল। তার আন্তরিকতা ও সৎ উদ্দেশ্য নিয়ে কেউ সন্দেহ করতে পারেনি। ভাষণটি বল্ডউইনের সুস্থ ও শান্ত রক্ষণশীলতা এবং তার দলের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের পুরোনো টোরিবাদের মধ্যে গভীর ও মৌলিক পার্থক্য তুলে ধরেছিল। যারা এটি শোনার সুযোগ পেয়েছেন, তারা এই ভাষণটি সবসময় মনে রাখবেন।
** ফিলিপ স্নোডেন]], ''অ্যান অটোবায়োগ্রাফি। ভলিউম টু, ১৯১৯-১৯৩৪'' (১৯৩৪), পৃষ্ঠা ৭৪১-৭৪২
* পরিশেষে বলতে হয়, বল্ডউইন একজন ভালো মানুষ ছিলেন। তিনি হয়তো অবহেলার একটি উত্তরাধিকার রেখে গেছেন। তবে তিনি এমন সব সভ্য মূল্যবোধ সংরক্ষণ ও উন্নত করেছেন, যা ব্রিটিশ রাজনীতি ও ব্রিটিশ জনগণকে আলাদা করেছে।
** কেনেথ ইয়াংয়ের ''স্ট্যানলি বল্ডউইন'' (১৯৭৬) গ্রন্থের ভূমিকায় [[w:এ. জে. পি. টেইলর|এ. জে. পি. টেইলর]], পৃষ্ঠা ix-x
* ঘৃণায় ভরা এক পৃথিবীতে, তিনি মানুষকে একে অপরকে পছন্দ করতে, বা অন্তত সহ্য করতে রাজি করানোর চেষ্টা করেছিলেন। এই দ্বীপের সীমানার মধ্যে তিনি অনেকাংশে সফলও হয়েছিলেন। তিনি সব প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে সবচেয়ে বেশি মানবিক ও স্নেহশীল মানুষ হিসেবে রয়ে গেছেন।
** [[জর্জ ম্যাকোলে ট্রেভেলিয়ান|জি. এম. ট্রেভেলিয়ান]]
* বল্ডউইনকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বেছে নেওয়ার পর আসল পরিবর্তনটি আসে... নতুন প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব নেওয়ার প্রায় সাথে সাথেই...জনসাধারণের কল্পনা কেড়ে নিয়েছিলেন। তার প্রশান্তি, সাধারণ জ্ঞান, পরিমিতিবোধ, বিনয় ও স্পষ্ট আন্তরিকতা দেখে মানুষ বলতে শুরু করে, "এই সেই মানুষ, একজন সাধারণ ইংরেজ, যাঁকে আমরা দীর্ঘদিন ধরে খুঁজছিলাম। আমরা ওয়েলশম্যান ও আইনজীবী, সেরা মেধা ও অতিমানবদের দেখে ক্লান্ত। আমরা পুরোনো ধাঁচের ইংরেজ রাষ্ট্রনায়কদের চাই, যারা বুদ্ধিমান হওয়ার চেয়ে ন্যায্য, বিচক্ষণ ও দায়িত্বশীল হবেন। এমন কাউকে চাই না যিনি সবার চেয়ে এগিয়ে চিন্তা করেন।"
** লর্ড লিটনকে লেখা লর্ড উইন্টারটনের (এডওয়ার্ড টার্নুর) চিঠি (১১ সেপ্টেম্বর ১৯২৩), কিথ মিডলমাস ও জন বার্নসের ''বল্ডউইন: আ বায়োগ্রাফি'' (১৯৬৯) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ২১১
* ১৯২৪ থেকে ১৯৩৭ সালের মধ্যে আপনার রাষ্ট্রনায়কত্বের চরম পরীক্ষা এখন সামনে। যদি এই সরকার সাংবিধানিকভাবে দেশ পরিচালনায় প্রস্তুত থাকে, তবে তার কারণ হবে আপনি তাদের একটি বিপ্লবী দলের বদলে একটি সংসদীয় দল হতে শিখিয়েছেন। আমার সবসময়ই বিশ্বাস ছিল যে, আপনি আর যা-ই অর্জন করে থাকুন না কেন, এটি অন্য সবকিছুকে ছাড়িয়ে গেছে। সে সময়ের আমাদের আলোচনার কথা মনে করে বলতে পারি, এটি ছিল আপনার নিয়মিত ও সচেতন লক্ষ্য। আমার বিশ্বাস, ইতিহাস আমাদের প্রজন্মের অন্য যেকোনো মানুষের চেয়ে সংসদীয় সরকার বাঁচানোর কৃতিত্ব আপনাকেই দেবে।
** সংসদে লেবার পার্টি প্রথমবার সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পরপরই বল্ডউইনকে লেখা চিঠি (প্রায় জুন ১৯৪৫), জি. এম. ইয়াংয়ের ''স্ট্যানলি বল্ডউইন'' (১৯৫২) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ২৫৪
* তার সব কাজের পেছনে প্রধান উদ্দেশ্য ছিল [[ডেভিড লয়েড জর্জ|লয়েড জর্জ]] ও তার প্রভাবের ভয়। [[অস্টেন চেম্বারলেইন|অস্টেন]] ও এফ.ই.-র ওপর লয়েড জর্জ ও [[w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টনের]] প্রভাবের ভয়ই তাঁকে উইনস্টনকে অর্থমন্ত্রীর পদের প্রস্তাব দিতে প্ররোচিত করেছিল। পরবর্তীতে মূলত উইনস্টন ও লয়েড জর্জকে বাইরে রাখতেই তিনি [[w:র্যামজে ম্যাকডোনাল্ড|র্যামজে ম্যাকডোনাল্ডের]] সাথে সেই সমান বিপর্যয়কর জোট গঠনে সম্মত হন।
** থমাস জোনসকে লেখা এক সাবেক রক্ষণশীল মন্ত্রিপরিষদ সদস্যের চিঠি (১২ নভেম্বর ১৯৫১), থমাস জোনসের ''আ ডায়েরি উইথ লেটার্স, ১৯৩১-১৯৫০'' (১৯৫৪) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা xxxii
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{কমন্স|স্ট্যানলি বল্ডউইন}}
* ["১০ ডাউনিং স্ট্রিট"-এ প্রোফাইল http://www.number-10.gov.uk/output/Page137.asp]
[[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের রাজনীতিবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের শিক্ষাবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৮৬৭-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৭-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:কনজারভেটিভ পার্টি (যুক্তরাজ্য)-এর রাজনীতিবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের অ্যাংলিকান]]
[[বিষয়শ্রেণী:বার্মিংহামের ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]]
[[বিষয়শ্রেণী:রয়েল সোসাইটির ফেলো]]
[[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের বিরোধীদলীয় নেতা]]
[[বিষয়শ্রেণী:হাউজ অব কমন্সের নেতা (যুক্তরাজ্য)]]
[[বিষয়শ্রেণী:বোর্ড অব ট্রেডের সভাপতি (যুক্তরাজ্য)]]
cm741sc8kdd0xze93ucjvcff5v230mg
খ্রিস্টের অনৈতিহাসিকতা তত্ত্ব
0
12258
83377
83186
2026-05-04T09:28:02Z
Dr. Mosaddek Khondoker
2987
83377
wikitext
text/x-wiki
'''{{w|খ্রিস্টের অনৈতিহাসিকতা তত্ত্ব}}''' ('''[[যীশু খ্রীষ্ট|যিশু]] অনৈতিহাসিকতা তত্ত্ব''', যিশুর পুরাণ তত্ত্ব বা '''যিশুর পৌরাণিকতা'''ও বলা হয়ে থাকে) হলো এমন একটি বৃহৎ পরিভাষা, যা খ্রিষ্টানদের গসপেল বা সুসমাচারে বর্ণিত নাজারেথের [[যীশু খ্রীষ্ট|যিশু]] বা তাঁর পুরো জীবনের অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলে এমন নানা ধরনের যুক্তির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। অনৈতিহাসিকতা তত্ত্বের সবচেয়ে চরম সংস্করণগুলোতে দাবি করা হয়, যিশু নামে প্রকৃত কোনো ঐতিহাসিক চরিত্র ছিল না; বরং আদি খ্রিষ্টানরা তাঁকে আবিষ্কার করেছিল। অন্যান্য সংস্করণগুলো দাবি করে, যিশু নামে একজন ব্যক্তি ছিলেন, কিন্তু তাঁর সাথে সম্পর্কিত প্রায় সব শিক্ষা ও অলৌকিক ঘটনাগুলো হয় আবিষ্কৃত, নয়তো রূপক উল্লেখ। অথবা নিউ টেস্টামেন্ট বা নতুন নিয়মে বর্ণিত যিশু হলেন এমন একটি মিশ্র চরিত্র, যা সময়ের সাথে সাথে একাধিক ব্যক্তির ধারণা থেকে তৈরি করা হয়েছে। খ্রিস্ট অনৈতিহাসিকতা তত্ত্ব একটি প্রান্তিক তত্ত্ব। বাইবেল সমালোচনা বা সমগোত্রীয় শাখায় খুব কম সংখ্যক মেয়াদি বা ইমেরিটাস বিশেষজ্ঞ এটি সমর্থন করেন। পুরাণগুলোর মধ্যে তুলনার ওপর সেকেলে নির্ভরতার জন্য এটি সমালোচিত। তাই এটি মূলধারার ঐতিহাসিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বিচ্যুত।
__NOTOC__
{{TOCalpha}}
==অ==
*ক্যাথরিনের [আলেকজান্দ্রিয়া] মতো একটি অনৈতিহাসিক পুরাণ হিসেবে যিশুর বিলুপ্ত হওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই...
::ডেল সি. অ্যালিসন, ''দ্য হিস্টোরিক্যাল ক্রাইস্ট অ্যান্ড দ্য থিওলজিক্যাল জিসাস'', গ্র্যান্ড র্যাপিডস: ইয়ার্ডম্যানস, ২০০৯, পৃষ্ঠা ৩৭
*আদিপুস্তককে মূলত আর বৈজ্ঞানিক বা ঐতিহাসিক হিসেবে বিবেচনা করা হয় না। যাত্রাপুস্তক মূলত একটি পুরাণ। [[দায়ূদ|ডেভিড]] বা [[সলোমন|সলোমনের]] সময়ের তাদের কোনো অকাট্য প্রমাণ নেই। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে তাঁর কথিত পরিবেশে অনুসন্ধান করার পরও যিশুর কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তাই আপনি ১৯০০ থেকে ২০১৪ সালের দিকে তাকালে দেখতে পাবেন, বেশিরভাগ বাইবেল পন্ডিত [[আদম|অ্যাডাম]] ও [[হাওয়া|ইভ]], [[নূহ|নোয়াহ]], [[আব্রাহাম]], [[ইস্হাক|আইজ্যাক]], জ্যাকব, [[ইউসুফ|জোসেফ]], [[সলোমন]] বা [[দায়ূদ|ডেভিডের]] ঐতিহাসিকতায় বিশ্বাস করেন না... আপনি দেখতে পাচ্ছেন যে পার্থক্যটা কত বড়।
: তাহলে এখন কি যিশুর পালা? হয়তো। দেখুন, যিশুকে নিয়ে সন্দেহটি বাস্তব। নতুন নিয়মে লিপিবদ্ধ তাঁর শারীরিক অস্তিত্ব নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। বেশি পন্ডিত [বর্তমানে] প্রকাশ্যে এই ঐতিহাসিকতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে ইচ্ছুক।
: যিশুর ক্ষেত্রে তিনটি সম্ভাব্য অবস্থান রয়েছে। আপনি একজন 'ঐতিহাসিকতাবাদী,' 'পুরাণবাদী,' বা 'অজ্ঞেয়বাদী' হতে পারেন... একজন অজ্ঞেয়বাদী বলেন: "আচ্ছা, যেকোনো এক দিকে প্রশ্নটি নিষ্পত্তি করার জন্য উপাত্ত অপর্যাপ্ত।" আমি এই অবস্থানেই আছি।
:*হেক্টর অ্যাভালোস, পিএইচ.ডি. (৭ জুন ২০১৪), ''আ হিস্টোরিক্যাল অর মিথিক্যাল জিসাস? অ্যান অ্যাগনস্টিক ভিউপয়েন্ট''। অ্যারিজোনা বিশ্ববিদ্যালয়ে দেওয়া বক্তৃতা,
* যদিও "পৌরাণিকতা" ও "পুরাণবাদী" শব্দগুলো কয়েক শতাব্দী ধরে প্রচলিত, তবে অনেকের কাছে তা নতুন হতে পারে। "পুরাণবাদী" শব্দটি সর্বপ্রথম জার্মান ও ইংরেজি ভাষায় ব্যবহৃত হয়েছিল। এটি জুডিও-খ্রিস্টান [[বাইবেল|বাইবেলের]] ঐতিহাসিক সত্যতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশকারীদের বর্ণনা করতে ব্যবহৃত হতো। এই শব্দগুলো আজকাল বিশেষ করে সেই সব পন্ডিত, গবেষক ও অন্যদের সংজ্ঞায়িত করতে ব্যবহৃত হয়, যারা নতুন নিয়মের যিশু খ্রিস্ট বাস্তব ঐতিহাসিক ব্যক্তি ছিলেন কি না, তা নিয়ে তদন্ত করেন। অথবা হারকিউলিস, মিথ্রা বা হোরাসের মতো অন্যান্য সংস্কৃতির দেবতা, দেবতা-মানুষ ও বীরদের মতো তিনি কোনো পুরাণ কি না, তা নিয়ে তারা গবেষণা করেন।
** ডি. এম. মারডক/[[আচার্য এস]], ["হোয়াট ইজ আ মিথিসিস্ট?" http://www.stellarhousepublishing.com/mythicist.html]-এ
* পৌরাণিকতা এমন একটি দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিনিধিত্ব করে। এটি বলে, অসাধারণ বা অতিপ্রাকৃত গুণের অধিকারী অনেক দেবতা, দেবী এবং অন্যান্য বীর ও কিংবদন্তি ব্যক্তিরা "প্রকৃত মানুষ" নন। তারা আসলে পৌরাণিক চরিত্র। এই দৃষ্টিভঙ্গির সাথে এই স্বীকৃতিও আসে, এসব চরিত্রের অনেকেই [[সূর্য]], [[চাঁদ|চন্দ্র]], [[তারা|নক্ষত্র]], [[গ্রহ]], নক্ষত্রপুঞ্জ ইত্যাদির মতো প্রাকৃতিক ঘটনার মূর্ত রূপ বা প্রতীক। এগুলো "অ্যাস্ট্রোমাইথোলজি" বা "অ্যাস্ট্রোথিওলজি" নামে পরিচিত। পৌরাণিক অবস্থানের একটি প্রধান উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, বাইবেলের বিভিন্ন চরিত্র যেমন অ্যাডাম ও ইভ, শয়তান, নোয়াহ, আব্রাহাম, মোজেস, জশুয়া, রাজা ডেভিড, সলোমন এবং যিশু খ্রিস্ট অন্যান্য সত্তার সাথে মিলে আসলে পৌরাণিক চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করেন। তারা মিশরীয়, সুমেরীয়, ফিনিশীয়, ভারতীয়, গ্রিক, রোমান ও অন্যান্য দেবতা-মানুষের মতোই পৌরাণিক। এদের সবাইকে বর্তমানে ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বের পরিবর্তে পুরাণ হিসেবে গ্রহণ করা হয়।
** ''ক্রাইস্ট ইন ইজিপ্ট: দ্য হোরাস-জিসাস কানেকশন'' (২০০৯)-এ ডি. এম. মারডক/আচার্য এস.
*যিশু নিজে কোনো ঐতিহাসিক ব্যক্তি হিসেবে অস্তিত্বশীল ছিলেন কি না, তাঁকে নিয়ে যেসব গসপেল বা সুসমাচার রয়েছে, সেগুলো নিঃসন্দেহে পৌরাণিক পাঠ্য। ...অন্যদিকে ঐতিহাসিক যিশুকে নিয়ে তদন্তের জন্য গসপেলগুলোকে ঐতিহাসিক সূত্র হিসেবে ব্যবহার করা ''প্রয়োজন''। আর "রক্ষণশীল" ও "উদারপন্থী" পান্ডিত্যের মধ্যে প্রধান পার্থক্য আসলে নির্ভর করে কতটা কিংবদন্তি বাদ দিয়ে "ঐতিহাসিক মূলে" পৌঁছানো যায়, তার ওপর। আদৌ কোনো ঐতিহাসিক মূল পাওয়া যাবে কি না, তার ওপর নয়। এসব আখ্যানের পেছনের আসল ঐতিহাসিক ব্যক্তিকে খুঁজতে গিয়ে আমরা এমন এক চরিত্রের সূত্র হিসেবে এসব পাঠ্য ব্যবহার করছি, যার প্রতি তারা নিজেরাই কোনো আগ্রহ দেখায় না। ঠিক যেমন হেরাক্লেস সম্পর্কিত মিথ ও কিংবদন্তিগুলো কোনো ঐতিহাসিক ব্যক্তির ''সম্পর্কে'' নয়, তেমনি গসপেলগুলোও ঐতিহাসিক যিশুর ''সম্পর্কে'' নয়।
**{{cite book|last=আর্নাল|first=উইলিয়াম ই.|title=দ্য সিম্বলিক জিসাস: হিস্টোরিক্যাল স্কলারশিপ, জুডাইজম অ্যান্ড দ্য কনস্ট্রাকশন অব কনটেম্পোরারি আইডেন্টিটি|url=https://books.google.com/books?id=OMBcCgAAQBAJ&pg=PA75|date=12 August 2015|publisher=রাউটলেজ|isbn=978-1-317-32440-9|pages=75–76}}
*যিশুর কোনো প্রকৃত ঐতিহাসিক ভিত্তি আছে কি না, তা নিয়ে বিতর্ক থাকলেও, রবার্ট প্রাইস মনে করেন, আমরা যেই যিশুকে গসপেলে পাই, তিনি মূলত একটি পৌরাণিক চরিত্র। ...যিশুর গল্পগুলো এতটাই পৌরাণিক বৈশিষ্ট্যে পরিপূর্ণ, সেখান থেকে ইতিহাস খুঁজে বের করা প্রায় অসম্ভব।
** রবার্ট এম. প্রাইস, ''ডিকনস্ট্রাক্টিং জিসাস'', প্রমিথিউস বুকস, ২০০০, পৃষ্ঠা ২৬১
==ব==
*কৃষ্ণের গর্ভধারণ, জন্ম ও শৈশবের গল্প হলো নিউ টেস্টামেন্ট বা নতুন নিয়মের গল্পের হুবহু প্রতিরূপ। মিশনারিরা অবশ্য প্রমাণ করার চেষ্টা করে, হিন্দুরা ভারতে আসা আদি খ্রিষ্টানদের কাছ থেকে জন্মের গল্পটি চুরি করেছিল।
**[https://www.theosociety.org/pasadena/key/key-glo2.htm দ্য কি টু থিওসফি — এইচ. পি. ব্লাভাটস্কি, গ্লসারি]
*আমরা এখন যিশুর জীবন ও ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে প্রায় কিছুই জানতে পারি না। আদি খ্রিষ্টান সূত্রগুলো এর প্রতি কোনো আগ্রহ দেখায় না। তাছাড়া এগুলো খণ্ডিত ও প্রায়শই কিংবদন্তিমূলক। যিশু সম্পর্কে অন্য কোনো সূত্রেরও অস্তিত্ব নেই।
**{{cite book|last=বুলটম্যান|first=রুডলফ কার্ল|title=রুডলফ বুলটম্যান: ইন্টারপ্রেটিং ফেইথ ফর দ্য মডার্ন এরা|url=https://books.google.com/books?id=btu0ELYoN-IC&pg=PA94|year=1965|publisher=ফোর্ট্রেস প্রেস|isbn=978-1-4514-1756-2|pages=94f|chapter=জিসাস অ্যান্ড দ্য এস্ক্যাটোলজিক্যাল কিংডম}}
*যিশু সম্ভবত খ্রিস্টপূর্ব ৪ ও খ্রিস্টাব্দ ৩০-এর মাঝামাঝি সময়ে জীবিত ছিলেন। কিন্তু যিশুর কোনো সমসাময়িক ঐতিহাসিক উল্লেখ নেই [...] সমসাময়িক প্রমাণের অভাব তাঁর অস্তিত্বকে খণ্ডন করে না। তবে এটি নিশ্চিতভাবেই [যিশুর] ঐতিহাসিকতার ওপর গভীর সন্দেহের সৃষ্টি করে।
**{{cite book|last1=বার্কার|first1=ড্যান|authorlink1=ড্যান বার্কার|last2=ডকিন্স|first2=রিচার্ড|authorlink2=রিচার্ড ডকিন্স|title=গডলেস: হাউ অ্যান ইভ্যাঞ্জেলিক্যাল প্রিচার বিকেম ওয়ান অব আমেরিকাজ লিডিং অ্যাথিস্টস|url=https://books.google.com/books?id=fAjPWYgIfCoC&pg=PA253|year=2008|publisher=ইউলিসিস প্রেস|isbn=978-1-56975-677-5|page=253}}
*যারা যিশুর অস্তিত্বের বিরুদ্ধে যুক্তি দেন, তারা এসব বিষয় তুলে ধরেন:
::-প্রাচীন বিশ্বে পৌত্তলিক গল্প ও যিশুর গল্পের মধ্যে অস্বাভাবিক মিল।
::-বাইবেলের বাইরে কোনো বিশ্বাসযোগ্য সূত্রে যিশুর অস্তিত্বের কথা নেই।
::-অ্যাসল পল কখনোই কোনো ঐতিহাসিক যিশুর কথা উল্লেখ করেননি।
:"ডিকনস্ট্রাক্টিং জিসাসের" রচয়িতা [আর. এম.] প্রাইস বলেন, প্রথম শতাব্দীর পশ্চিমা বিশ্ব একজন শহিদ বীরের গল্পে পরিপূর্ণ ছিল যাকে ঈশ্বরের পুত্র বলা হয়। প্রাইস বলেন, "সেই সময়ের প্রাচীন উপন্যাসগুলোতে বীরকে ক্রুশে দণ্ডিত করা হয় এবং এমনকি ক্রুশবিদ্ধও করা হয়। কিন্তু সে পালিয়ে গিয়ে বেঁচে যায়।" "তাকে যিশুর মতোই মনে হয়।"
:[...]
:প্রাইস বলেন, "গসপেলে আমরা যিশু সম্পর্কে যা কিছু পড়ি, তা পৌরাণিক বীরের সাথে মিলে যায়।" "এমন কিছুই বাকি থাকে না যা নির্দেশ করে, তিনি একজন বাস্তব ঐতিহাসিক চরিত্র ছিলেন।"
**{{cite web|last=ব্লেক|first=জন|title=Decoding Jesus: Separating man from myth|trans-title=ডিকোডিং যিশু: পুরাণ থেকে মানুষকে আলাদা করা|url=http://www.cnn.com/2017/02/15/living/jesus-debate-man-versus-myth/index.html|publisher=সিএনএন (টার্নার ব্রডকাস্টিং সিস্টেম)|date=February 16, 2017}} (এই নিবন্ধটি মূলত ২০১২ সালে ''[http://religion.blogs.cnn.com/2012/04/07/the-jesus-debate-man-vs-myth/ দ্য জিসাস ডিবেট: ম্যান ভার্সেস মিথ]'' হিসেবে প্রকাশিত হয়েছিল)
*[[ইন্টারনেট|ইন্টারনেটে]] বোকাদের কাছে জনপ্রিয় একটি চিন্তাধারা হলো, যিশু বাস্তবে ছিলেন না।
::টম ব্রিন, ''দ্য মেসিয়াহ ফরমালি নোন অ্যাজ জিসাস: ডিসপ্যাচেস ফ্রম দ্য ইন্টারসেকশন অব ক্রিস্টিয়ানিটি অ্যান্ড পপ কালচার'', ওয়াকো, টেক্সাস: বেলর ইউনিভার্সিটি প্রেস, ২০০৮, পৃষ্ঠা ১৩৮
*যিশু কখনো ছিলেন কি না, তা নিয়ে সন্দেহ বা অস্বীকারকারীদের দয়ায় আমরা কোনোভাবেই বেঁচে নেই।
::রুডলফ বুলটম্যান, "দ্য স্টাডি অব দ্য সিনপটিক গসপেলস", ''ফর্ম ক্রিটিসিজম: টু এসেজ অন নিউ টেস্টামেন্ট রিসার্চ'', রুডলফ বুলটম্যান ও কার্ল কুন্ডসিন; ফ্রেডরিক সি. গ্রান্ট অনুদিত, নিউ ইয়র্ক: হার্পার টর্চবুকস, ১৯৬২, পৃষ্ঠা ৬২
*অবশ্যই যিশু বাস্তবে ছিলেন কি না, তা নিয়ে সন্দেহ ভিত্তিহীন এবং তা খণ্ডন করার যোগ্য নয়। আদি ফিলিস্তিনি সম্প্রদায় যেই ঐতিহাসিক আন্দোলনের প্রথম স্বতন্ত্র পর্যায়ের প্রতিনিধিত্ব করে, সেই আন্দোলনের পেছনে যিশু যে প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে দাঁড়িয়ে আছেন, কোনো সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ তা নিয়ে সন্দেহ করতে পারে না।
::রুডলফ বুলটম্যান, ''জিসাস অ্যান্ড দ্য ওয়ার্ড'', নিউ ইয়র্ক: স্ক্রিবনার, ১৯৫৮, পৃষ্ঠা ভূমিকা
*খ্রিষ্টানদের ক্ষেত্রে এবং জ্যাগ্রিউস, ওসিরিস বা আটিসের উপাসকদের ক্ষেত্রে বিশ্বাস করা হতো যে ঐশ্বরিক সত্তা মারা গিয়েছিলেন ও আবার জীবিত হয়েছিলেন। এটি খ্রিস্টধর্মের অবমূল্যায়ন তখনই হবে, যদি দেখানো যায় খ্রিষ্টান বিশ্বাস পৌত্তলিক বিশ্বাস থেকে উদ্ভূত হয়েছিল। কিন্তু এটি শুধু সেসব বোকারাই ভাবতে পারে যাদের কাছে ঐতিহাসিক প্রমাণের কোনো মূল্য নেই।
::থমাস স্যামুয়েল কেপলারের ''কনটেম্পোরারি থিংকিং অ্যাবাউট পল: অ্যান অ্যান্থোলজি''-তে এডউইন আর. বেভান, নিউ ইয়র্ক: অ্যাবিংডন-কোকসবারি, ১৯৫০, পৃষ্ঠা ৪৪
*যিশুর পুরো গল্পটিকে একটি মিথ হিসেবে "ব্যাখ্যা" করা এই ধরনের ছদ্ম-ইতিহাসের একটি চরম উদাহরণ।
::এমিল ব্রুনার, ''দ্য মেডিয়েটর: আ স্টাডি অব দ্য সেন্ট্রাল ডকট্রিন অব দ্য ক্রিস্টিয়ান ফেইথ'', কেমব্রিজ: লুটারওয়ার্থ প্রেস, ২০০২, পৃষ্ঠা ১৬৪
*কিছু লেখক হয়তো 'খ্রিস্ট-পুরাণ' কল্পনা নিয়ে খেলতে পারেন। কিন্তু ঐতিহাসিক প্রমাণের ভিত্তিতে তারা তা করেন না। জেনেশুনে ইতিহাস বিকৃত না করা যেকোনো ইতিহাসবিদের কাছে জুলিয়াস সিজারের ঐতিহাসিকতা যেমন স্বতঃসিদ্ধ, খ্রিস্টের ঐতিহাসিকতাও তেমনই স্বতঃসিদ্ধ। ইতিহাসবিদেরা 'খ্রিস্ট-পুরাণ' তত্ত্ব প্রচার করেন না।
::এফ. এফ. ব্রুস, ''দ্য নিউ টেস্টামেন্ট ডকুমেন্টস: আর দে রিলায়েবল?'' (৬ষ্ঠ সংস্করণ), গ্র্যান্ড র্যাপিডস: ইয়ার্ডম্যানস, ২০০৩, পৃষ্ঠা ১২৩
*এমন অনেকে আছেন, যারা দাবি করেন যিশু গির্জার কল্পনার ফসল, বাস্তবে যিশু বলে কেউ ছিলেন না। আমাকে বলতেই হচ্ছে, আমি এমন কোনো সম্মানজনক সমালোচক পণ্ডিতকে চিনি না, যিনি আর এমন কথা বলেন।
::রিচার্ড এ. বারিজ, ''জিসাস নাও অ্যান্ড দেন'', গ্র্যান্ড র্যাপিডস: ইয়ার্ডম্যানস, ২০০৪, পৃষ্ঠা ৩৪
*প্রায় সব বাইবেল পণ্ডিতই স্বীকার করেন, এই মিথকে (যা এখনও জনপ্রিয় মহলে এবং অন্যান্য ক্ষেত্রের কিছু পণ্ডিত ব্যাপকভাবে বিশ্বাস করেন—বিশেষ করে জি. এ. ওয়েলস দেখুন) মিথ্যা প্রমাণ করার মতো পর্যাপ্ত তথ্য প্রাচীন অ-খ্রিষ্টান সূত্রগুলোতে রয়েছে। এই মিথ দাবি করে, যিশুর কোনো অস্তিত্বই ছিল না।
::ক্রেগ এল. ব্লম্বার্গ, "গসপেলস (হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি)", জোয়েল বি. গ্রিন, স্কট ম্যাকনাইট ও আই. হাওয়ার্ড মার্শালের ''ডিকশনারি অব জিসাস অ্যান্ড দ্য গসপেলসে'', ডাউনয়ার্স গ্রোভ, আইএল: ইন্টারভার্সিটি, ১৯৯২, পৃষ্ঠা ২৯২
*সবশেষে লেখকদের এমন একটি দল আছে, যারা প্রমাণ করার চেষ্টা করে যিশু বাস্তবে ছিলেন না—তাঁর জীবনের গল্পটি পৌত্তলিক দেবতা, ব্যাবিলনীয়, মিশরীয়, পারসিক, গ্রিক ইত্যাদির মিথ মিলিয়ে তৈরি করা হয়েছে। কোনো প্রকৃত পণ্ডিতই এসব মানুষের কাজকে গুরুত্বের সাথে নেন না। ঐতিহাসিক গবেষণার ক্ষেত্রে তাদের সবচেয়ে প্রাথমিক জ্ঞানের অভাব রয়েছে। তাদের মধ্যে কেউ কেউ অ্যাসিরিওলজি ও গণিতের মতো অন্যান্য বিষয়ে বিশিষ্ট পণ্ডিত। কিন্তু যিশুর জীবন সম্পর্কে তাদের লেখার ঐতিহাসিক হওয়ার দাবি অ্যালিস ইন ওয়ান্ডারল্যান্ড বা দ্য অ্যাডভেঞ্চারস অব ব্যারন মুনশাউসেনের চেয়ে বেশি নয়।
::জর্জ অ্যারন বার্টন, ''জিসাস অব নাজারেথ: আ বায়োগ্রাফি'', নিউ ইয়র্ক: ম্যাকমিলান, ১৯২২, পৃষ্ঠা x
*এ বিষয়ে একটি চরম দৃষ্টিভঙ্গি হলো যিশু খ্রিস্টের ঐতিহাসিক অস্তিত্বকেও অস্বীকার করা—এমন একটি দৃষ্টিভঙ্গি, যা মেনে নিতেই হবে, এটি শৌখিন ও বোকাদের একটি ছোট বৃত্তের বাইরে শিক্ষিত সমাজে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারেনি। অথবা শেক্সপিয়ারের বেকনিয়ান তত্ত্বের মর্যাদার ওপরে উঠতে পারেনি।
::এডউইন রবার্ট বেভান, ''হেলেনিজম অ্যান্ড ক্রিস্টিয়ানিটি'' (২য় সংস্করণ), লন্ডন: জি. অ্যালেন অ্যান্ড আনউইন, ১৯৩০, পৃষ্ঠা ২৫৬
*যিশু-একজন-পৌরণিক-[ব্যক্তি]-ছিলেন ঘরানার অনুসারীরা... যুক্তি দেয় যে নাজারেথের যিশু নামে কেউ ছিলেন না, তাঁর কোনো অস্তিত্বই ছিল না।
::ক্লিনটন বেনেট, ''ইন সার্চ অব জিসাস: ইনসাইডার অ্যান্ড আউটসাইডার ইমেজেস'', নিউ ইয়র্ক: কন্টিনিয়াম, ২০০১, পৃষ্ঠা ২০২
*কিছু সংশয়বাদী নতুন নিয়মের [নিউ টেস্টামেন্ট] যিশুর প্রমাণ ও খ্রিস্টধর্মের উত্থানকে খ্রিস্ট-অনৈতিহাসিকতা তত্ত্বের আলোকে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছেন। এই দৃষ্টিভঙ্গি অনুসারে যিশুর গল্পটি একটি পৌরাণিক কাহিনি। দেবতা ও বীরদের নিয়ে প্রচলিত প্রাচীন গ্রিক বা নর্স গল্পের চেয়ে ঐতিহাসিক সত্যতার ক্ষেত্রে এর দাবি বেশি শক্ত নয় [...] তাঁর মৃত্যু ও পুনরুত্থান অনেকের মনে মৃত-ও-পুনরুত্থিত দেবতার মিথের একটি ভিন্ন রূপের ধারণা দেয়, যা প্রাচীন পৌত্তলিক ধর্মের জগতে এত জনপ্রিয় ছিল এবং আটিস, অ্যাডোনিস, ওসিরিস ও মিথ্রাসের ধর্মে প্রতিনিধিত্ব করত।
::{{cite book|last=ব্রোমিলি|first=জিওফ্রে ডব্লিউ.|editor=Bromiley et al.|title=দ্য ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড বাইবেল এনসাইক্লোপিডিয়া : ফুল্লি রিভাইসড, ইলাস্ট্রেটেড, ইন ফোর ভলিউমস. ভলিউম. ২, ই-জে|url=https://books.google.com/books?id=yklDk6Vv0l4C&pg=PA1034|volume=2|year=1995 [First published 1982]|publisher=ডব্লিউএম. বি. ইয়ার্ডম্যানস পাবলিশিং|isbn=978-0-8028-3782-0|page=1034|chapter=জিসাস ক্রাইস্ট|orig-year=First published 1982}}
*জার্মানি, ইংল্যান্ড, হল্যান্ড, আমেরিকা ও ফ্রান্সে পণ্ডিতদের একটি দল এই তত্ত্ব তৈরি করেছিল যে খ্রিস্টের কোনো অস্তিত্বই ছিল না, যা খ্রিস্ট-অনৈতিহাসিকতা তত্ত্ব নামে পরিচিত।
::মার্গারেট হোপ বেকন, ''লেট দিস লাইফ স্পিক: দ্য লিগ্যাসি অব হেনরি জোয়েল ক্যাডবেরি'', ফিলাডেলফিয়া: ইউনিভার্সিটি অব পেনসিলভানিয়া প্রেস, ১৯৮৭, পৃষ্ঠা ২২
*যিশু-একজন-পৌরণিক-[ব্যক্তি]-ছিলেন ঘরানার অনুসারীরা... যুক্তি দেয় যে নাজারেথের যিশু নামে কেউ ছিলেন না, তাঁর কোনো অস্তিত্বই ছিল না।
::ক্লিনটন বেনেট, ''ইন সার্চ অব জিসাস: ইনসাইডার অ্যান্ড আউটসাইডার ইমেজেস'', নিউ ইয়র্ক: কন্টিনিয়াম, ২০০১, পৃষ্ঠা ২০২
*[আদি খ্রিস্টধর্মের বিষয়ে রিচার্ড ক্যারিয়ার উল্লেখ করেন] নতুন ধর্মের সবচেয়ে বিশিষ্ট প্রেরিত [পল] মনে হয় কেবল একজন মহাজাগতিক খ্রিস্টকেই চেনেন। তিনি তাঁর সম্পর্কে [পুনরুত্থিত যিশুর] দর্শন ও নবীদের [শাস্ত্রে] নিবিড় পাঠের মাধ্যমে জানতে পেরেছিলেন।
**{{cite web|author=ব্রায়ান বেথুন|title=Did Jesus really exist? - Macleans.ca|trans-title=যিশু কি সত্যিই ছিলেন? - ম্যাকলিনস.সিএ|url=http://www.macleans.ca/society/life/did-jesus-really-exist-2/|website=Macleans.ca|accessdate=19 November 2016|date=23 March 2016}}
*[যিশুর ব্যাপারে নতুন নিয়মের বর্ণনার সমর্থনে রিচার্ড ক্যারিয়ার উল্লেখ করেন] এক শতাব্দীর জন্য অন্য কোনো খ্রিষ্টান সাক্ষী নেই; সম্ভবত আরও অবর্ণনীয়ভাবে, কোনো পৌত্তলিক সাক্ষী নেই (যিশু সম্পর্কে যাদের উল্লেখ পরবর্তী খ্রিষ্টানরা উদযাপন বা খণ্ডন করার জন্য উল্লেখ করতেন)।
**{{cite web|author=ব্রায়ান বেথুন|title=Did Jesus really exist? - Macleans.ca|trans-title=যিশু কি সত্যিই ছিলেন? - ম্যাকলিনস.সিএ|url=http://www.macleans.ca/society/life/did-jesus-really-exist-2/|website=Macleans.ca|accessdate=19 November 2016|date=23 March 2016}}
*[রিচার্ড ক্যারিয়ারের ''অন দ্য হিস্টোরিসিটি অব জিসাস''] ঐতিহাসিক যিশুর একাডেমিক প্রবক্তাদের সামনে এমন একটি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয়, যা অতিক্রম করা তাদের জন্য অসম্ভব বলে মনে হয়।
**{{cite web|last=বারবার|first=নাইজেল|title=Jesus Never Existed, After All|trans-title=যিশু কখনোই ছিলেন না, সর্বোপরি|url=https://www.huffingtonpost.com/nigel-barber/jesus-never-existed-after_b_9848702.html|website=Huffington Post|accessdate=7 November 2017|date=5 May 2016}}
*আদি খ্রিষ্টানরা স্মৃতির বিশ্বাসঘাতকতা সম্পর্কে খুব সচেতন ছিলেন বলে মনে হয়। গালাতীয়দের কাছে লেখা চিঠিতে সেন্ট পল তাঁর পাঠকদের আশ্বস্ত করেন, তিনি তাদের যেই শিক্ষা দিয়েছেন তা কোনো অবিশ্বস্ত পথ ধরে তাঁর কাছে আসেনি: "আমি আপনাদের জানাতে চাই, ভাই ও বোনেরা, আমি যেই সুসমাচার প্রচার করেছি তা মানুষের তৈরি নয়। আমি তা কোনো মানুষের কাছ থেকে পাইনি বা আমাকে তা শেখানোও হয়নি; বরং আমি তা যিশু খ্রিস্টের প্রত্যাদেশের মাধ্যমে পেয়েছি।"
**{{cite web|author=ব্রায়ান বেথুন|title=Did Jesus really exist? - Macleans.ca|trans-title=যিশু কি সত্যিই ছিলেন? - ম্যাকলিনস.সিএ|url=http://www.macleans.ca/society/life/did-jesus-really-exist-2/|website=Macleans.ca|accessdate=19 November 2016|date=23 March 2016}}
*গ্রিকো-রোমান বিশ্বের অনেক অধিবাসীর চোখে পরিত্রাণের সবচেয়ে বড় প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল রহস্য ধর্মগুলো। এসব ধর্ম উর্বরতার উদ্দেশ্য ও জীবন, মৃত্যু ও পুনর্জন্মের চক্রকে প্রকাশ করত।
**{{cite book|last=ব্রোমিলি|first=জিওফ্রে ডব্লিউ.|editor=Bromiley et al.|title=দ্য ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড বাইবেল এনসাইক্লোপিডিয়া : ফুল্লি রিভাইসড, ইলাস্ট্রেটেড, ইন ফোর ভলিউমস. ভলিউম. ৪, কিউ-জেড|url=https://books.google.com/books?id=6OJvO2jMCr8C&pg=PA290|volume=4|year=1995|publisher=ডব্লিউএম. বি. ইয়ার্ডম্যানস পাবলিশিং|isbn=978-0-8028-3784-4|page=290|chapter=স্যালভেশন||orig-year=First published 1988}}
*আমি মনে করি, ''মূর্ত'' লোগোসের উপাসনা হলো একটি নতুন বিষয়, একটি "পরিবর্তন"... এটি যিশুর অনুসারীদের মাধ্যমে প্রবর্তিত হয়েছিল। কিন্তু একজন মধ্যস্থতাকারী বা একজন ''ডিউটেরোস থিওসের'' প্রতি ''বিশ্বাস'' এবং সম্ভবত দ্বি-ঈশ্বরিক উপাসনাও তাদের [যিশুর অনুসারী] ও অন্যান্য ইহুদিদের মধ্যে প্রচলিত ছিল।
**{{cite book|last=বোয়ারিন|first=ড্যানিয়েল|title=বর্ডার লাইনস: দ্য পার্টিশন অব জুডাইও-ক্রিস্টিয়ানিটি|url=https://books.google.com/books?id=432ycMoPB-QC&pg=PA119|date=24 November 2010|publisher=ইউনিভার্সিটি অব পেনসিলভানিয়া প্রেস|isbn=0-8122-0384-4|page=119}}
*ওয়াল্টার বাউয়ার দাবি করেন খ্রিস্টধর্ম শুরু থেকেই একটি বৈচিত্র্যময় ঘটনা ছিল। ভূমধ্যসাগরের আশেপাশে 'খ্রিস্টধর্মের বিভিন্ন রূপ' গড়ে উঠেছিল এবং কিছু জায়গায় যাকে পরবর্তীতে 'ধর্মবিদ্বেষী' বলা হতো, তা প্রাথমিকভাবে আদর্শ ছিল। [...] যদিও বাউয়ারের কিছু পুনর্গঠন ভুল ছিল এবং তা বাদ দেওয়া হয়েছে, কিন্তু খ্রিস্টধর্ম যে মূলত একটি বৈচিত্র্যময় ঘটনা ছিল, এই ধারণাটি এখন সাধারণভাবে গৃহীত হয়েছে।
**{{cite book|last=বেহর|first=জন|title=ইরেনিয়াস অব লায়ন্স: আইডেন্টিফাইং ক্রিস্টিয়ানিটি|url=https://books.google.com/books?id=isxoAgAAQBAJ&pg=PA5|year=2013|publisher=ওইউপি অক্সফোর্ড|isbn=978-0-19-166781-7|pages=5–6}}
*জার্মানি, ইংল্যান্ড, হল্যান্ড, আমেরিকা ও ফ্রান্সে পণ্ডিতদের একটি দল এই তত্ত্ব তৈরি করেছিল যে খ্রিস্টের কোনো অস্তিত্বই ছিল না, যা খ্রিস্ট-অনৈতিহাসিকতা তত্ত্ব নামে পরিচিত।
::মার্গারেট হোপ বেকন, ''লেট দিস লাইফ স্পিক: দ্য লিগ্যাসি অব হেনরি জোয়েল ক্যাডবেরি'', ফিলাডেলফিয়া: ইউনিভার্সিটি অব পেনসিলভানিয়া প্রেস, ১৯৮৭, পৃষ্ঠা ২২
*যিশু কোনো বাস্তব ঐতিহাসিক চরিত্র ছিলেন না বলে দাবি করা বিশিষ্ট পণ্ডিত ও সমালোচকদের মধ্যে আমরা [[ব্রুনো বাউয়ার]], [[আলবার্ট কালথফ|কালথফ]], [[আর্থার ড্রিউস|ড্রিউস]], [[ফ্রেডরিখ স্টুডেল|স্টে(উ)ডেল]], [[এমিল ফেলডেন|ফেল্ডে(ন)]], ডেইয়ে, [[পিটার জেনসেন (প্রাচ্যবিদ)|জেনসেন]], [[স্যামুয়েল লুবলিনস্কি|লুবলিনস্কি]], [[জেরার্ড বোল্যান্ড|বোল্যান্ড]], [[গুস্তাভ অ্যাডলফ ভ্যান ডেন বার্ঘ ভ্যান আইসিঙ্গা|ভ্যান দে(ন) বার্গ(হ)]], [[চার্লস ভিরোলউড|ভিরোলউড]], [[পল-লুই কৌচাউড|কৌচাউড]], [[জেরাল্ড ম্যাসি|ম্যাসি]], [[এমিলিও বোসি|বোসি]], [[আন্দ্রেজ নিয়েমোজেউস্কি|নিয়েমোজেউস্কি]], [[জর্জ ব্র্যান্ডেস|ব্র্যান্ডেস]], [[জে. এম. রবার্টসন|রবার্টসন]], [[জি. আর. এস. মিড|মিড]], [[থমাস হুইটেকার (আধিভৌতিক)|হুইটেকার]], [[এডওয়ার্ড কার্পেন্টার|কার্পেন্টার]] ও [[উইলিয়াম বেঞ্জামিন স্মিথ|ডব্লিউ. বি. স্মিথের]] নাম উল্লেখ করতে পারি।
::{{cite book|last=বার্নস|first=হ্যারি এলমার|title=দ্য টোয়াইলাইট অব ক্রিস্টিয়ানিটি|url=https://books.google.com/books?id=WeAAAAAAMAAJ|year=1929|publisher=ভ্যানগার্ড প্রেস|location=নিউ ইয়র্ক|page=390f|chapter=ওয়াজ জিসাস অ্যান হিস্টোরিক ফিগার?}}
*১৯৭০ সালের দিকে নিউ টেস্টামেন্ট ও সংশ্লিষ্ট পাঠ্যগুলোর একটি বিকল্প ব্যাখ্যা উঠে আসছে। গবেষকেরা সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করছেন যে কীভাবে নিউ টেস্টামেন্টের পাঠ্যগুলো কেবল মৌখিক ঐতিহ্যের ওপর নির্ভর না করে প্রাচীন সাহিত্যের, বিশেষ করে প্রাচীন ধর্মগ্রন্থের ওপর নির্ভরশীল হিসেবে ব্যাখ্যা করা যায়। [...] পুরোনো নিয়মের ও অন্যান্য বিদ্যমান পাঠ্যের ওপর গসপেলগুলোর নির্ভরশীলতা কোনো মৌখিক ঐতিহ্যের ওপর এর নির্ভরশীলতার চেয়ে তুলনাহীনভাবে পরিষ্কার ও যাচাইযোগ্য। যেমন, এলিজার ডাকে (১ রাজাবলি ১৯) শিষ্যদের প্রতি যিশুর ডাকের (লুক ৯:৫৭-৬২) সম্পূর্ণ নির্ভরশীলতা দেখা যায়। সূত্রগুলো কেবল একটি কাঠামোই সরবরাহ করে না, বরং এমন একটি জটিল ভর সরবরাহ করে যা পরবর্তী পাঠ্যে ছড়িয়ে পড়ে।
**[[থমাস এল. ব্রোডি]] {{cite book|last=ব্রোডি|first=থমাস এল.|title=বিয়ন্ড দ্য কোয়েস্ট ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল জিসাস: মেমোয়ার অব আ ডিসকভারি|url=https://books.google.com/books?id=BTarMQEACAAJ|year=2012|publisher=শেফিল্ড ফিনিক্স প্রেস|isbn=978-1-907534-58-4|page=229|chapter=এপিলগ: বার্ট ডি. এহরম্যানস 'ডিড জিসাস এক্সিস্ট?'}}
*যিশুকে ঘিরে কিংবদন্তি-ভিত্তিক তত্ত্বের সবচেয়ে চরম প্রান্তিক অংশে বিশেষভাবে প্রচলিত একটি যুক্তি—অর্থাৎ তথাকথিত ''পৌরাণিক''-যিশু তত্ত্বের সমর্থকদের মধ্যে—এই দাবিকে কেন্দ্র করে যে পল ঐতিহাসিক যিশুর প্রতি খুব সামান্য বা প্রায় কোনো উল্লেখই করেন না। [...][জি. এ.] ওয়েলস, [আর্ল] ডোহার্টি ও [আর. এম.] প্রাইসের মতো গবেষকেরা যুক্তি দেন যে পলের দৃষ্টিতে যিশু গসপেলসমূহে যে সাম্প্রতিক, সমসাময়িক গালিলীয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে দেখা যায়, তার মতো মোটেও ছিলেন না। যিশু সম্পর্কে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি—যা আমাদের কাছে প্রাপ্ত সবচেয়ে প্রাচীন দৃষ্টিভঙ্গি—বরং ছিল এক অস্পষ্ট মহাজাগতিক ত্রাণকর্তা-সত্তা, যিনি অজানা, দূরবর্তী অতীতে এবং/অথবা পৌরাণিক আধ্যাত্মিক জগতে বিদ্যমান ছিলেন। প্রকৃতপক্ষে, পলীয় খ্রিস্ট প্রাচীন রহস্যধর্মগুলিতে পাওয়া দেবতাসদৃশ সত্তাগুলোর সঙ্গে যথেষ্ট সাদৃশ্যপূর্ণ ছিল। এই গবেষকদের মতে, এর ফলে এই উপসংহার এড়ানো কঠিন হয়ে পড়ে যে প্রাচীনতম খ্রিস্টানরা যিশুকে এক ধরনের অস্পষ্ট দেবতা হিসেবে দেখতেন, যিনি পলের পর ধীরে ধীরে ঐতিহাসিক রূপ লাভ করেন—মৌখিক পরম্পরা প্রচারিত হওয়ার মাধ্যমে এবং বিশেষত যখন গসপেলসমূহ রচিত হয়। [...] পল খুব কমই, যদি কখনও, যিশুকে উদ্ধৃত করেন। বরং তারা যুক্তি দেন যে পল পরবর্তী খ্রিস্টীয় ধারণা—যেখানে যিশুকে একজন নৈতিক শিক্ষক হিসেবে দেখা হয়—সম্পর্কে সম্পূর্ণ অজ্ঞ বলে মনে হয়।
**{{cite book|last1=এডি|first1=পল রোডস|last2=বয়েড|first2=গ্রেগরি এ.|title=দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন|url=https://books.google.com/books?id=WgROZMp4zDMC&pg=PA33|date=1 August 2007|publisher=বেকার একাডেমিক|isbn=978-0-8010-3114-4|page=33}}
*নতুন নিয়মের পণ্ডিতেরা একমত যে যিশুর জীবন ও কাজ সম্পর্কে পলের খুব কমই বলার আছে। তবে বেশিরভাগই স্বীকার করেনপল যিশুকে একজন সাম্প্রতিক সমসাময়িক ব্যক্তি হিসেবে দেখেছিলেন। কিংবদন্তি-যিশুর সবচেয়ে কট্টর তাত্ত্বিকেরা—বিশেষ করে খ্রিস্ট পুরাণ তাত্ত্বিকেরা—এটি অস্বীকার করেন। তারা যুক্তি দেন যে পলের চিঠির কোনো কিছুই নির্দেশ করে না যে তিনি বিশ্বাস করতেন যিশু তাঁর সমসাময়িক ছিলেন। বরং তারা দাবি করেন, পলের ধর্মতত্ত্বের যিশু হলেন প্রাচীন রহস্য ধর্মের অনুরূপ চরিত্রের আদলে তৈরি একজন ত্রাণকর্তা। এই তত্ত্ব অনুসারে পল বিশ্বাস করতেন যে খ্রিস্ট দূর অতীতের কোনো এক সময়ে পৃথিবীতে এসেছিলেন—বা তিনি কেবল একটি তুরীয় পৌরাণিক জগতেই ছিলেন—এবং অশুভ শক্তিকে পরাজিত করতে ও মানবতাকে মুক্ত করতে মৃত্যুবরণ করেছিলেন। কেবল পরবর্তীতে যিশুকে একজন ইহুদি সমসাময়িক হিসেবে পুনরায় পৌরাণিক [অর্থাৎ ঐতিহাসিক] রূপ দেওয়া হয়েছিল। ...যিশুর গল্পের ঐতিহাসিক দিকগুলো আবিষ্কার করা হয়েছিল এবং পল তাঁর চিঠি লেখার পরে গসপেলগুলোতে যুক্ত করা হয়েছিল।
**{{cite book|last1=এডি|first1=পল রোডস|last2=বয়েড|first2=গ্রেগরি এ.|title=দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন|url=https://books.google.com/books?id=WgROZMp4zDMC&pg=PA202|date=1 August 2007|publisher=বেকার একাডেমিক|isbn=978-0-8010-3114-4|pages=202-203}}
*ব্রুনো বাউয়ার, আর্থার ড্রিউস ও জি. এ. ওয়েলসের মতো পণ্ডিতেরা যুক্তি দিয়েছেন যে যিশু ঐতিহ্য মূলত—সম্ভবত ''পুরোপুরি''—কাল্পনিক প্রকৃতির (অর্থাৎ আমরা যেই অর্থে শব্দটি ব্যবহার করছি তাতে "কিংবদন্তি")....রবার্ট প্রাইসের মতো '''আমরা এই বিভাগে অন্তর্ভুক্ত করতে পারি এমন কিছু পণ্ডিত''' এই তত্ত্ব থেকে সামান্য সরে এসে যুক্তি দেবেন যে '''একজন ঐতিহাসিক যিশুর অস্তিত্ব ছিল কি না, তা নির্ধারণ করার জন্য আমাদের কাছে পর্যাপ্ত তথ্যের অভাব রয়েছে'''। এখানেই এক ধরণের "যিশু অজ্ঞেয়বাদ" তৈরি হয়।
::পল আর এডি ও [[গ্রেগরি এ. বয়েড]], ''দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন'' (গ্র্যান্ড র্যাপিডস: বেকার একাডেমিক, ২০০৭) পৃষ্ঠা ২৪-২৫
*যেমনটি আমরা লক্ষ্য করেছি, কিছু কিংবদন্তি-যিশু তাত্ত্বিক যুক্তি দেন, যিশু নামে একজন বাস্তব ঐতিহাসিক ব্যক্তির অস্তিত্ব থাকাটা অন্তত সম্ভব, যদি তা পুরোপুরি সত্যি নাও হয়। তবুও তিনি এতটাই কিংবদন্তিতে ঢাকা, আমরা তাঁর সম্পর্কে খুব কমই জানতে পারি। অন্যরা (যেমন, খ্রিস্ট পুরাণ তাত্ত্বিকেরা) যুক্তি দেন যে কিংবদন্তির পেছনে একজন বাস্তব ঐতিহাসিক ব্যক্তির অস্তিত্ব ছিল বলে বিশ্বাস করার কোনো ভালো কারণ আমাদের কাছে নেই।
::পল আর এডি ও গ্রেগরি এ. বয়েড, ''দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন'' (গ্র্যান্ড র্যাপিডস: বেকার একাডেমিক, ২০০৭) পৃষ্ঠা ১৬৫
*রবার্ট প্রাইস যুক্তি দেন, প্রাচীন ভূমধ্যসাগরীয় বিশ্ব "একজন ত্রাণকর্তা দেবতার মৃত্যু ও পুনরুত্থানকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা ধর্মে গভীরভাবে ডুবে ছিল।" যে "খ্রিস্ট ধর্ম" গড়ে উঠেছিল, তা এসব প্রাচীন মৃত্যু ও পুনরুত্থান ধর্মের আরেকটি উদাহরণ ছাড়া আর কিছুই নয়। এটি দেখানোর জন্য তিনি বিভিন্ন উদাহরণের তালিকা তুলে ধরেন।
**{{cite book|last1=এডি|first1=পল রোডস|last2=বয়েড|first2=গ্রেগরি এ.|title=দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন|url=https://books.google.com/books?id=WgROZMp4zDMC&pg=PA30|date=1 August 2007|publisher=বেকার একাডেমিক|isbn=978-0-8010-3114-4|page=30}}
*রবার্ট প্রাইস যুক্তি দেন, প্রাচীন ভূমধ্যসাগরীয় বিশ্ব "একজন ত্রাণকর্তা দেবতার মৃত্যু ও পুনরুত্থানকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা ধর্মে গভীরভাবে ডুবে ছিল।" এরপর পলের মাধ্যমে খ্রিস্ট ধর্মের উত্থান ব্যাখ্যা করার জন্য তিনি দেবতার একটি বড় তালিকা তুলে ধরেন। এতে বাল, [[তাম্মুজ]]/দুমুজি, ওসিরিস, আটিস, ডায়োনিসাস, মিথ্রাস, এমনকি কর্ন কিংও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এগুলো থেকে তিনি এই সিদ্ধান্তে আসেন যে পলের গঠিত খ্রিস্ট ধর্মটি নিছক "একটি রহস্য ধর্ম" ছিল। ("একটি রহস্য ধর্মের আদলে তৈরি খ্রিস্ট ধর্ম ''হলো'' একটি রহস্য ধর্ম, একটি খ্রিস্ট ধর্ম যা এই নামের যোগ্য" (প্রাইস, ''ডিকনস্ট্রাক্টিং জিসাস'', ৯৩)। এই প্রেক্ষাপটে প্রাইস রহস্য ধর্মের সাথে খ্রিস্ট ধর্মকে স্পষ্টভাবে যুক্ত করা থেকে বিরত থেকে "খ্রিস্ট ধর্ম" নামটি ব্যবহার করার জন্য [বি. এল.] ম্যাককে তিরস্কার করেন। পুরোনো মতাদর্শগুলো [''[[ধর্মের ইতিহাস স্কুল|Religionsgeschichtliche Schule]]''] ঠিক যেমনটি করেছিল....)
**{{cite book|last1=এডি|first1=পল রোডস|last2=বয়েড|first2=গ্রেগরি এ.|title=দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন|url=https://books.google.com/books?id=WgROZMp4zDMC&pg=PA137|date=1 August 2007|publisher=বেকার একাডেমিক|isbn=978-0-8010-3114-4|page=137, n. 15}}
*যেসকল পণ্ডিত গসপেলগুলোকে "কল্পকাহিনী" হিসেবে শ্রেণিভুক্ত করেন তারা সাধারণত মনে করেনগসপেলের রচয়িতারা ''ইচ্ছাকৃতভাবে'' কল্পকাহিনী লিখেছিলেন এবং ধরে নিয়েছেন তাদের কাজকে সেভাবেই পড়া হবে। গসপেলগুলো ঠিক কোন ''ধরনের'' কল্পকাহিনী হওয়ার উদ্দেশ্যে রচিত হয়েছিল, তা নিয়ে এই শিবিরের পণ্ডিতদের মধ্যে কোনো ঐক্যমত্য নেই। এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হতে পারে ..."কিংবদন্তি" (আর. এম. প্রাইস, ''দ্য ইনক্রেডিবল শ্রিংকিং সান অব ম্যান: হাউ রিলায়েবল ইজ দ্য গসপেল ট্র্যাডিশন?'' (অ্যামহার্স্ট, এনওয়াই: প্রমিথিউস, ২০০৩), ২১।)
**{{cite book|last1=এডি|first1=পল রোডস|last2=বয়েড|first2=গ্রেগরি এ.|title=দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন|url=https://books.google.com/books?id=WgROZMp4zDMC&pg=PA314|date=1 August 2007|publisher=বেকার একাডেমিক|isbn=978-0-8010-3114-4|pages=314-315, n. 23}}
*অনেক পণ্ডিত র্যাগল্যানের "হিরো মিথ" বিশ্লেষণ ও নতুন নিয়মের যিশুর গল্পের মধ্যে শক্তিশালী মিল খুঁজে পান। [...] প্রাইস আরও একধাপ এগিয়ে যুক্তি দেন যে "[খ্রিস্টের] গল্পের প্রতিটি বিবরণ পৌরাণিক নায়কের আদর্শের সাথে খাপ খায়, অতিরিক্ত কিছুই থাকে না।" এটি থেকে প্রাইস অনুমান করেন"পুরাণের পেছনে একজন ঐতিহাসিক ব্যক্তির অস্তিত্ব থাকতে হবে বলে দাবি করাটা অযৌক্তিক।"
**{{cite book|last1=এডি|first1=পল রোডস|last2=বয়েড|first2=গ্রেগরি এ.|title=দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন|url=https://books.google.com/books?id=WgROZMp4zDMC&pg=PA31|date=1 August 2007|publisher=বেকার একাডেমিক|isbn=978-0-8010-3114-4|page=31}}
*রবার্ট প্রাইস এতটা দূর পর্যন্ত যুক্তি দেন, গসপেলে পাওয়া যিশুর গল্পের ''প্রতিটি'' দিকই "পৌরাণিক নায়কের আদর্শের সাথে খাপ খায়, অতিরিক্ত কিছুই থাকে না।" যিশু ও সর্বজনীনভাবে স্বীকৃত পৌরাণিক চরিত্রগুলোর মধ্যে এত শক্তিশালী মিল থাকার কারণে কিছু লোকের কাছে এটি অত্যন্ত অবাস্তব বলে মনে হয়, যিশুর গল্পটির শিকড় ইতিহাসে নিহিত রয়েছে, অন্যদিকে অন্য বীরদের গল্পের কোনো ঐতিহাসিক ভিত্তি নেই।
**{{cite book|last1=এডি|first1=পল রোডস|last2=বয়েড|first2=গ্রেগরি এ.|title=দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন|url=https://books.google.com/books?id=WgROZMp4zDMC&pg=PA137|date=1 August 2007|publisher=বেকার একাডেমিক|isbn=978-0-8010-3114-4|pages=137-138}}
*যিশু গসপেলে তাঁর করা কাজগুলো করে থাকলে, তিনি অন্তত কয়েকজন পৌত্তলিক লেখকের দৃষ্টি আকর্ষণ করতেন বলে কি আমাদের আশা করা উচিত নয়? এর বদলে কিছু পণ্ডিত যুক্তি দেন, নতুন নিয়মের বাইরে আমরা যিশুর খুব কম বা কোনো উল্লেখই পাই না। কারো কারো কাছে—বিশেষ করে কিংবদন্তি-যিশু তাত্ত্বিকদের সবচেয়ে কট্টর অংশের (যেমন, গ্রুপ ১ [খ্রিস্ট পুরাণ তাত্ত্বিকদের নিয়ে গঠিত]) কাছে—এটি প্রমাণ করে, গসপেলের অলৌকিক কাজের সাথে জড়িত চরিত্রটি পুরোপুরি একটি কিংবদন্তি, যা অন্যান্য প্রাচীন রহস্য ধর্মের পৌরাণিক ত্রাণকর্তা চরিত্রগুলোর থেকে মূলত আলাদা কিছু নয়।
**{{cite book|last1=এডি|first1=পল রোডস|last2=বয়েড|first2=গ্রেগরি এ.|title=দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন|url=https://books.google.com/books?id=WgROZMp4zDMC&pg=PA32|date=1 August 2007|publisher=বেকার একাডেমিক|isbn=978-0-8010-3114-4|page=32}}
*[জি. এ. ওয়েলস ও আর্ল ডোহার্টির মতে] গসপেলগুলো পরে পলের পৌরাণিক ত্রাণকর্তার চরিত্রকে কেন্দ্র করে একটি ঐতিহাসিক আখ্যান তৈরি করে এবং তাকে একজন ঐতিহাসিক ব্যক্তিতে রূপান্তরিত করে। (জি. এ. ওয়েলস, ''দ্য জিসাস মিথ'' (শিকাগো: ওপেন কোর্ট, ১৯৯৯), বিশেষ করে ৯৫-১১১; ই. ডোহার্টি, ''দ্য জিসাস পাজল: ডিড ক্রিস্টিয়ানিটি বিগিন উইথ আ মিথিক্যাল ক্রাইস্ট?'' (অটোয়া: কানাডিয়ান হিউম্যানিস্ট পাব., ১৯৯৯)।)
**{{cite book|last1=এডি|first1=পল রোডস|last2=বয়েড|first2=গ্রেগরি এ.|title=দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন|url=https://books.google.com/books?id=WgROZMp4zDMC&pg=PA106|date=1 August 2007|publisher=বেকার একাডেমিক|isbn=978-0-8010-3114-4|page=106}}
*খ্রিস্ট পুরাণ তাত্ত্বিকেরা যুক্তি দেন যে পল যিশুকে রহস্য ধর্মের দেবতার আদলে একজন মহাজাগতিক ত্রাণকর্তা হিসেবে দেখতেন, নিকট অতীতের কোনো ঐতিহাসিক ব্যক্তি হিসেবে নয়। তারা যুক্তি দেন যে কেবল পরবর্তীতে গসপেলগুলো লেখার সময়ই এই পৌরাণিক মহাজাগতিক ত্রাণকর্তা চরিত্রের ওপর একটি কাল্পনিক ঐতিহাসিক আখ্যান চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল।
**{{cite book|last1=এডি|first1=পল রোডস|last2=বয়েড|first2=গ্রেগরি এ.|title=দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন|url=https://books.google.com/books?id=WgROZMp4zDMC&pg=PA163|date=1 August 2007|publisher=বেকার একাডেমিক|isbn=978-0-8010-3114-4|page=163}}
*[কিছু খ্রিস্ট পুরাণ তাত্ত্বিক] এই দাবিকে অনেক গুরুত্ব দেন, প্রথম ও দ্বিতীয় শতাব্দীর অ-খ্রিষ্টান সূত্রগুলোতে বা পলের মতো সবচেয়ে আদি খ্রিষ্টান সূত্রগুলোতে ঐতিহাসিক যিশু সম্পর্কে খুব কম বা কোনো বিশ্বাসযোগ্য তথ্যই পাওয়া যায় না। তারা যুক্তি দেন যে গসপেলগুলোতে বর্ণিত যিশুর মতো অলৌকিক ক্ষমতাসম্পন্ন কোনো নবীর অস্তিত্ব সত্যিই থাকলে, পল ও তাঁর সমসাময়িক পৌত্তলিকেরা তাঁর কাজ ও শিক্ষার কথা উল্লেখ করতেন। এর বদলে, তারা যুক্তি দেন, আমরা সম্পূর্ণ নীরবতা দেখতে পাই।
**{{cite book|last1=এডি|first1=পল রোডস|last2=বয়েড|first2=গ্রেগরি এ.|title=দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন|url=https://books.google.com/books?id=WgROZMp4zDMC&pg=PA165|date=1 August 2007|publisher=বেকার একাডেমিক|isbn=978-0-8010-3114-4|page=165}}
*[পলের] চিঠিতে যিশুর কুমারী মায়ের গর্ভে জন্ম নেওয়া তো দূরের কথা, তাঁর বাবা-মা সম্পর্কেও কোনো ইঙ্গিত নেই। তারা কখনোই তাঁর জন্মস্থানের কথা উল্লেখ করে না... তারা তাঁর পার্থিব অস্তিত্বের সময় বা স্থানের কোনো ইঙ্গিত দেয় না। তারা কোনো রোমান কর্মকর্তার সামনে তাঁর বিচার বা তাঁর মৃত্যুদণ্ডের স্থান হিসেবে জেরুজালেমের কথা উল্লেখ করে না। তারা জন দ্য ব্যাপটিস্ট, জুডাস বা মাস্টারের সাথে পিটারের অস্বীকৃতি—কারও কথাই উল্লেখ করে না... এসব চিঠিতে যিশুর করা কোনো অলৌকিক কাজের কথাও উল্লেখ নেই। এটি একটি বিশেষ লক্ষণীয় ব্যাপার, কারণ গসপেল অনুসারে তিনি এমন অনেক কাজ করেছিলেন।
::{{cite book|last=ওয়েলস|first=জর্জ আলবার্ট|title=দ্য হিস্টোরিক্যাল এভিডেন্স ফর জিসাস|url=https://books.google.com/books?id=uWjz3yUrkWYC&pg=PA22|year=1982|publisher=প্রমিথিউস বুকস, পাবলিশার্স|isbn=978-1-61592-411-0|page=22}}
:*[[জি. এ. ওয়েলস]] এপি. {{cite book|last1=এডি|first1=পল রোডস|last2=বয়েড|first2=গ্রেগরি এ.|title=দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন|url=https://books.google.com/books?id=WgROZMp4zDMC&pg=PA203|date=1 August 2007|publisher=বেকার একাডেমিক|isbn=978-0-8010-3114-4|page=203|chapter=পল'স ল্যাক অব হিস্টোরিক্যাল ইনফরমেশন|quote=(G. A. Wells, ''The Historical Evidence for Jesus'' (Buffalo, NY: Prometheus, 1982), 22.)}}
*খ্রিস্ট অনৈতিহাসিকতা তত্ত্বের অনুসারীরা যুক্তি দেন যে পল যিশুকে কেবল "খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের মধ্যে উপস্থিত এক ঐশ্বরিক শক্তি হিসেবে জানতেন, যা ঈশ্বরের প্রত্যাদেশ ও নির্দেশনা প্রদান করে এবং ঈশ্বর ও আধ্যাত্মিক সত্যের জ্ঞানের সাথে সংযোগ স্থাপন করে।" [ডোহার্টি (১৯৯৯), ৩০।] অন্য কথায়, এসব বিবেচনা থেকে বোঝা যায় পল ও আদি খ্রিষ্টানদের যিশু অন্যান্য প্রাচীন পৌত্তলিক রহস্য ধর্মে উপাসনা করা ও অনুভব করা বিভিন্ন দেবতার চেয়ে খুব একটা আলাদা ছিলেন না। [ই. ডোহার্টি, ''দ্য জিসাস পাজল: ডিড ক্রিস্টিয়ানিটি বিগিন উইথ আ মিথিক্যাল ক্রাইস্ট?'' (অটোয়া: কানাডিয়ান হিউম্যানিস্ট পাবলিকেশন্স, ১৯৯৯), ৩০।]
**{{cite book|last1=বয়েড|first1=গ্রেগরি এ.|last2=এডি|first2=পল আর.|title=লর্ড অর লিজেন্ড?: রেসলিং উইথ দ্য জিসাস ডিলেমা|url=https://books.google.com/books?id=z9BMAwAAQBAJ&pg=PA42|date=1 October 2010|publisher=উইপফ অ্যান্ড স্টক পাবলিশার্স|isbn=978-1-60899-954-5|page=42}}
*পৌত্তলিক সাক্ষীদের বক্তব্য ইঙ্গিত দেয় যে যিশুর ঐতিহাসিকতা সমর্থন করে এমন কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ নেই। [...] ইহুদি তথ্যের অভাবের সাথে যুক্ত হয়ে তাদের এই অনুপস্থিতি প্রমাণ করে, এখানে [নেতিবাচক প্রমাণের নীতিটি] প্রযোজ্য। যিশু বাস্তবে ছিলেন না বলে অবিশ্বাস করাটা আমাদের জন্য যৌক্তিক। (এম. মার্টিন, ''দ্য কেস অ্যাগেইনস্ট ক্রিস্টিয়ানিটি'' (ফিলাডেলফিয়া: টেম্পল ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১৯৯১), ৫২।)
::{{cite book|last1=মার্টিন|first1=মাইকেল|authorlink1=Michael Martin (philosopher)|title=দ্য কেস অ্যাগেইনস্ট ক্রিস্টিয়ানিটি|url=https://books.google.com/books?id=wWkC4dTmK0AC&pg=PA52|year=1993|publisher=টেম্পল ইউনিভার্সিটি প্রেস|isbn=978-1-56639-081-1|page=52}}
:*[[মাইকেল মার্টিন (দার্শনিক)|মাইকেল মার্টিন]] এপি. {{cite book|last1=এডি|first1=পল রোডস|last2=বয়েড|first2=গ্রেগরি এ.|title=দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন|url=https://books.google.com/books?id=WgROZMp4zDMC&pg=PA166|date=1 August 2007|publisher=বেকার একাডেমিক|isbn=978-0-8010-3114-4|page=166}}
*খ্রিস্ট পুরাণ তাত্ত্বিকেরা [দাবি করেন] যে ইউসেবিয়াস টেস্টিমোনিয়াম [ফ্লাভিয়ানাম জালিয়াতির] জন্য দায়ী হতে পারেন।
**{{cite book|last1=এডি|first1=পল রোডস|last2=বয়েড|first2=গ্রেগরি এ.|title=দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন|url=https://books.google.com/books?id=WgROZMp4zDMC&pg=PA197|date=1 August 2007|publisher=বেকার একাডেমিক|isbn=978-0-8010-3114-4|page=197 n. 103)}}
*কিংবদন্তি-যিশুর অনুসারী পণ্ডিতেরা—বিশেষ করে খ্রিস্ট পুরাণ তাত্ত্বিকেরা—সাধারণত যুক্তি দেন, আদি অ-খ্রিষ্টান সূত্রগুলোতে ঐতিহাসিক যিশু সম্পর্কে খুব কম স্বাধীন তথ্যই পাওয়া যায়।
**{{cite book|last1=এডি|first1=পল রোডস|last2=বয়েড|first2=গ্রেগরি এ.|title=দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন|url=https://books.google.com/books?id=WgROZMp4zDMC&pg=PA163|date=1 August 2007|publisher=বেকার একাডেমিক|isbn=978-0-8010-3114-4|page=163}}
*খ্রিষ্টান পণ্ডিতেরা অনেক দিন ধরেই বলে আসছেন, অনেক প্রাচীন অ-খ্রিষ্টান সাহিত্যিক সূত্রে যিশুর উল্লেখ আছে... এর বিপরীতে, বিভিন্ন কিংবদন্তি-যিশু তাত্ত্বিকেরা [খ্রিস্ট পুরাণ তাত্ত্বিকেরা সহ] যুক্তি দেন, এসব সূত্রের ঐতিহাসিকতা সন্দেহজনক। যেই অংশগুলোতে যিশুর কথা বলা হয়েছে বলে মনে হয়, সেগুলো হয় খ্রিষ্টানদের দাবি করা কথার ওপর ভিত্তি করে লেখা, নয়তো খ্রিষ্টানদের দ্বারা পরে যুক্ত করা হয়েছে।
**{{cite book|last1=এডি|first1=পল রোডস|last2=বয়েড|first2=গ্রেগরি এ.|title=দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন|url=https://books.google.com/books?id=WgROZMp4zDMC&pg=PA166|date=1 August 2007|publisher=বেকার একাডেমিক|isbn=978-0-8010-3114-4|page=166}}
*খ্রিষ্টান পণ্ডিতেরা অনেক দিন ধরেই বলে আসছেন, অ-খ্রিষ্টান সূত্রগুলোতে যিশুর উল্লেখ খুব কম হতে পারে... তবে সবগুলোর মধ্যেই যিশু বা আদি খ্রিষ্টান আন্দোলনের কিছু উল্লেখ রয়েছে। [...] তবে এর বিপরীতে, আরও কট্টর কিংবদন্তি-যিশু তাত্ত্বিকেরা [খ্রিস্ট পুরাণ তাত্ত্বিকেরা সহ] যুক্তি দেন, এসব সূত্রের ঐতিহাসিকতা সন্দেহজনক। কিছু অংশ খ্রিষ্টানদের দ্বারা পরে যুক্ত করা হয়েছে বলে প্রমাণ করা যায়। যেগুলো পরে যুক্ত করা হয়নি, সেগুলো নিছক জনশ্রুতি—যিশু সম্পর্কে তৎকালীন খ্রিষ্টানরা যা দাবি করত, তাই তুলে ধরেছে।
**{{cite book|last1=এডি|first1=পল রোডস|last2=বয়েড|first2=গ্রেগরি এ.|title=দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন|url=https://books.google.com/books?id=WgROZMp4zDMC&pg=PA32|date=1 August 2007|publisher=বেকার একাডেমিক|isbn=978-0-8010-3114-4|page=32}}
*[এই] বইয়ে আমরা কিংবদন্তি-যিশু তত্ত্ব নিয়ে আলোচনা করছি। ...বর্তমান নিউ টেস্টামেন্ট গবেষণায় ঐতিহাসিক যিশুকে নিয়ে পাওয়া নানা মতকে চারটি বড় (এবং কিছুটা সরলীকৃত) ভাগে ভাগ করলে সুবিধা হবে। [...] চতুর্থ ও শেষ দলের পণ্ডিতেরা দাবি করেন, ১-৩ নং বিভাগের [পণ্ডিতদের] মতগুলো গসপেলের বিষয়ে বেশি মাত্রায় সন্দেহপ্রবণ। ...এই [৪ নং বিভাগের] পণ্ডিতদের মতে, ঐতিহাসিক গবেষণার মাধ্যমে ঐতিহাসিক যিশু সম্পর্কে বেশ কিছু নির্ভরযোগ্য তথ্য বের করা সম্ভব।
**{{cite book|last1=এডি|first1=পল রোডস|last2=বয়েড|first2=গ্রেগরি এ.|title=দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন|url=https://books.google.com/books?id=WgROZMp4zDMC&pg=PA24|date=1 August 2007|publisher=বেকার একাডেমিক|isbn=978-0-8010-3114-4|pages=24f}}
*কিংবদন্তি-যিশু তাত্ত্বিকদের মতে, এই আদি মৌখিক যিশু ঐতিহ্যগুলোর যিশুর প্রকৃত স্মৃতির সাথে খুব হালকা সংযোগ ছিল (বা খ্রিস্ট পুরাণ প্রবক্তাদের ক্ষেত্রে একেবারেই কোনো সংযোগ ছিল না) এবং সেগুলো কিংবদন্তির প্রভাবে খুব বেশি প্রভাবিত হওয়ার ঝুঁকিতে ছিল।
**{{cite book|last1=এডি|first1=পল রোডস|last2=বয়েড|first2=গ্রেগরি এ.|title=দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন|url=https://books.google.com/books?id=WgROZMp4zDMC&pg=PA237|date=1 August 2007|publisher=বেকার একাডেমিক|isbn=978-0-8010-3114-4|page=237}}
*ব্রুনো বাউয়ার, আর্থার ড্রিউস ও জি. এ. ওয়েলসের মতো পণ্ডিতেরা দাবি করেছেন, যিশু ঐতিহ্য মূলত—এমনকি সম্ভবত পুরোপুরি—কাল্পনিক প্রকৃতির... এই মত অনুসারে যিশু গল্পের কোনো অংশ ইতিহাসে ভিত্তি করে আছে বলে মনে করার কোনো ভালো কারণ আমাদের কাছে নেই। যিশু নামের একজন প্রকৃত ঐতিহাসিক ব্যক্তির অস্তিত্বও এর অন্তর্ভুক্ত। রবার্ট প্রাইসের মতো কিছু পণ্ডিতকে আমরা এই বিভাগে অন্তর্ভুক্ত করতে পারি, যারা এই তত্ত্ব থেকে কিছুটা সরে এসে দাবি করেন, ঐতিহাসিক যিশুর অস্তিত্ব ছিল কি না, তা নির্ধারণ করার জন্য আমাদের কাছে পর্যাপ্ত তথ্যের অভাব রয়েছে। এখানেই এক ধরণের "যিশু অজ্ঞেয়বাদ" উঠে আসে।
**{{cite book|last1=এডি|first1=পল রোডস|last2=বয়েড|first2=গ্রেগরি এ.|title=দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন|url=https://books.google.com/books?id=WgROZMp4zDMC&pg=PA24|date=1 August 2007|publisher=বেকার একাডেমিক|isbn=978-0-8010-3114-4|pages=24-25}}
*রবার্ট প্রাইস বলেছেন, "যারা [গসপেলের] বিষয়বস্তুকে আসল বলে দাবি করেন, তাদের প্রমাণ করার একটি ভারী দায়িত্ব রয়েছে।" (...এই ধরনের চরম পদ্ধতিগত সংশয়বাদ প্রাইসকে "যিশু অজ্ঞেয়বাদের" দিকে নিয়ে গেছে—তিনি নিশ্চিত নন যে ঐতিহাসিক যিশু বলে কেউ ছিলেন কি না।)
**{{cite book|last1=এডি|first1=পল রোডস|last2=বয়েড|first2=গ্রেগরি এ.|title=দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন|url=https://books.google.com/books?id=WgROZMp4zDMC&pg=PA365|date=1 August 2007|publisher=বেকার একাডেমিক|isbn=978-0-8010-3114-4|page=365 n. 3)}}
*[বার্টন] ম্যাক দাবি করেন, গ্রিক "শহিদত্বের মিথ" ও "মহান মৃত্যুর" ঐতিহ্য শেষ পর্যন্ত খ্রিস্ট ধর্মের হেলেনাইজড ইহুদিদের যিশুকে ঈশ্বররূপে গড়ে তুলতে প্রভাবিত করেছিল।
**{{cite book|last1=এডি|first1=পল রোডস|last2=বয়েড|first2=গ্রেগরি এ.|title=দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন|url=https://books.google.com/books?id=WgROZMp4zDMC&pg=PA136|date=1 August 2007|publisher=বেকার একাডেমিক|isbn=978-0-8010-3114-4|page=136}}
*আমরা আগেই দেখেছি, কিছু কিংবদন্তি-যিশু তাত্ত্বিক দাবি করেন, যিশু নামে একজন প্রকৃত ঐতিহাসিক ব্যক্তির অস্তিত্ব থাকাটা খুব সম্ভব, যদিও তা নিশ্চিত নয়। তিনি এতটা কিংবদন্তিতে মোড়া যে আমরা তাঁর সম্পর্কে খুব কমই জানতে পারি। অন্যরা (যথা, খ্রিস্ট পুরাণ তাত্ত্বিকেরা) দাবি করেনকিংবদন্তির পেছনে একজন বাস্তব ঐতিহাসিক ব্যক্তির অস্তিত্ব ছিল বলে বিশ্বাস করার কোনো ভালো কারণ আমাদের কাছে নেই।
::পল আর এডি ও গ্রেগরি এ. বয়েড, ''দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন'' (গ্র্যান্ড র্যাপিডস: বেকার একাডেমিক, ২০০৭) পৃষ্ঠা ১৬৫
*কিছু সংশয়বাদী যিশুর সম্পর্কে নিউ টেস্টামেন্টের বর্ণনা ও খ্রিস্ট ধর্মের উত্থানকে খ্রিস্ট-অনৈতিহাসিকতা তত্ত্বের আলোকে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছেন। [...] তাঁর মৃত্যু ও পুনরুত্থান অনেকের মনে মৃত-ও-পুনরুত্থিত দেবতার মিথের একটি ভিন্ন রূপের ধারণা দেয়, যা প্রাচীন পৌত্তলিক ধর্মের জগতে এত জনপ্রিয় ছিল এবং আটিস, অ্যাডোনিস, ওসিরিস ও মিথ্রাসের ধর্মে প্রতিনিধিত্ব করত।
**{{cite book|last=ব্রোমিলি|first=জিওফ্রে ডব্লিউ.|editor=Bromiley et al.|title=দ্য ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড বাইবেল এনসাইক্লোপিডিয়া : ফুল্লি রিভাইসড, ইলাস্ট্রেটেড, ইন ফোর ভলিউমস. ভলিউম. ২, ই-জে|url=https://books.google.com/books?id=yklDk6Vv0l4C&pg=PA1034|volume=2|year=1995|publisher=ডব্লিউএম. বি. ইয়ার্ডম্যানস পাবলিশিং|isbn=978-0-8028-3782-0|page=1034|chapter=জিসাস ক্রাইস্ট|orig-year=First published 1982}}
*[রিচার্ড] ক্যারিয়ারের মতে, এটি এমন একটি সমাধান, যার জন্য কোনো বিশেষ যুক্তির প্রয়োজন নেই। খ্রিস্ট ধর্মের উৎস নিয়ে তাঁর ধারণা ৩০-এর দশকের ধর্মীয়ভাবে উত্তাল ইসরায়েল থেকে শুরু হয়। তখন বিদ্রোহী মানুষ মন্দিরের অভিজাতদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ শুরু করেছিল। [...] দর্শন, অ্যাপোক্যালিপটিক গণিত ও ধর্মগ্রন্থ অধ্যয়নের মাধ্যমে একদল মানুষ এমন একটি মহাজাগতিক সত্তার ধারণা নিয়ে এসেছিল, যা মানুষের রূপ ধারণ করে এবং অশুভ শক্তির হাতে উৎসর্গ হিসেবে নিহত হয়। এই উৎসর্গ ইওম কিপুর ও নিস্তারপর্বকে একত্রিত করে ও ম্লান করে দেয় এবং সে মৃত্যুকে জয় করে পুনরায় জীবিত হয়। সেই সত্তা বিশ্বস্তদের উদ্ধার করতে খুব শিগগিরই ফিরে আসবে।
**{{cite web|author=ব্রায়ান বেথুন|title=Did Jesus really exist? - Macleans.ca|trans-title=যিশু কি সত্যিই ছিলেন? - ম্যাকলিনস.সিএ|url=http://www.macleans.ca/society/life/did-jesus-really-exist-2/|website=Macleans.ca|accessdate=19 November 2016|date=23 March 2016}}
==স==
*আমাদের কাছে থাকা তথ্য যিশু বাস্তবেই ছিলেন না—এমন একটি ধারণাকে খণ্ডন করার জন্য যথেষ্ট। আর এমন কোনো ধারণা কেউ সমর্থন করে না।
::ব্রুস চিলটন ও ক্রেগ এ. ইভান্স (সম্পাদিত) ''স্টাডিং দ্য হিস্টোরিক্যাল জিসাস: ইভ্যালুয়েশনস অব দ্য স্টেট অব কারেন্ট রিসার্চে'' চার্লস ই. কার্লস্টন, লিডেন: ব্রিল, ১৯৯৮, পৃষ্ঠা ৩
*জোসেফের ছেলে যিশু নামের একজন ইহুদি সত্যিই বেঁচে ছিলেন—আজকাল কোনো সম্মানিত পণ্ডিত এই নিয়ে সন্দেহ করেন না। বেশিরভাগ পণ্ডিতই সানন্দে স্বীকার করেনআমরা তাঁর কাজ ও মৌলিক শিক্ষা সম্পর্কে এখন অনেক কিছু জানি।
::জেমস এইচ. চার্লসওয়ার্থ, জেমস এইচ. চার্লসওয়ার্থের ''জিসাস অ্যান্ড আর্কিওলজি''-তে "প্রিফেস", গ্র্যান্ড র্যাপিডস: ইয়ার্ডম্যানস, ২০০৬, পৃষ্ঠা xxi–xxv
*সত্যি কথা বলতে, আমি এমন কোনো প্রাচীন ইতিহাসবিদ বা বাইবেলের ইতিহাসবিদের কথা জানি না, যিনি যিশু খ্রিস্টের অস্তিত্ব নিয়ে বিন্দুমাত্র সন্দেহ করেন—প্রমাণ্য দলিলটি এতই শক্তিশালী।
::গ্রেম ক্লার্ক, জন ডিকসনের "ফ্যাক্টস অ্যান্ড ফ্রিকশন অব ইস্টার", ''দ্য সিডনি মর্নিং হেরাল্ড'', ২১ মার্চ ২০০৮-এ উদ্ধৃত
*রিচার্ড [ক্যারিয়ার] এই চরম দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করেননাজারেথের যিশু আসলে অস্তিত্বশীলই ছিলেন না। ইতিহাসে এমন কোনো ব্যক্তি ছিল না। এটি এতই চরম একটি দৃষ্টিভঙ্গি যে একে প্রান্তিক বলাটাও একটি আন্ডারস্টেটমেন্ট হবে। এটি সমসাময়িক নিউ টেস্টামেন্ট বৃত্তির মানচিত্রেও নেই।
::উইলিয়াম লেন ক্রেগ, "ডিড জিসাস রাইজ ফ্রম দ্য ডেড?", রিচার্ড ক্যারিয়ারের সাথে বিতর্ক, ২০০৯
*যিশুর ঐতিহাসিকতার বিরুদ্ধে আনা সব প্রমাণ পর্যালোচনা করলে এর মধ্যে কোনো শক্তিশালী উপাদান পাওয়া যায় না।
::[[শার্লি জ্যাকসন কেস]], "দ্য হিস্টোরিসিটি অব জিসাস: অ্যান এস্টিমেট অব দ্য নেগেটিভ আর্গুমেন্ট", ''দ্য আমেরিকান জার্নাল অব থিওলজি'', ১৯১১, ১৫ (১)
*অনৈতিহাসিকতা তত্ত্বগুলোর ঐতিহ্যগত প্রমাণের প্রতি যেই ত্রুটিপূর্ণ আচরণ রয়েছে, তা গসপেলগুলোর ক্ষেত্রে পলিন পত্রগুলোর মতো এতটা স্পষ্ট নয়। তবুও মৌলিকভাবে এটি একই। এর মধ্যে রয়েছে বাহ্যিক প্রমাণের প্রতি অবজ্ঞা, আধুনিক সমালোচনার যুক্তিসঙ্গত উপসংহারগুলোর প্রতি তাচ্ছিল্য, চরম সমালোচনার প্রতি আকর্ষণ, বর্ণনার ব্যক্তিগত ও স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্যগুলোর অবহেলা এবং সন্দেহকে বৈধ প্রমাণের মোড়কে তুলে ধরার প্রবণতা। যিশুর বাস্তব অস্তিত্বের যেকোনো প্রমাণকে স্বীকৃতি না দেওয়ার পূর্বানুমানও এতে সর্বদা উপস্থিত থাকে... নিউ টেস্টামেন্টের উপাত্ত যিশুর পার্থিব জীবনের প্রমাণের বিষয়ে সম্পূর্ণ পরিষ্কার। এগুলো এমন একটি সময় থেকে এসেছে, যখন ঐতিহ্যের আদি রূপকারেরা এই বিষয়ে প্রতারিত হওয়ার সম্ভাবনাও ছিল না।
::শার্লি জ্যাকসন কেস, ''দ্য হিস্টোরিসিটি অব জিসাস'', শিকাগো: ইউনিভার্সিটি অব শিকাগো প্রেস, ১৯১২, পৃষ্ঠা ৭৬-৭৭ এবং ২৬৯
*এই ধরনের খ্রিস্ট-অনৈতিহাসিকতা তত্ত্ব খ্রিস্ট ধর্মের বিরোধী কোনো গম্ভীর মানুষের মাধ্যমে এখন আর উত্থাপিত হয় না—এগুলো অনেক আগেই বিস্ফোরিত হয়েছে..."
::গিলবার্ট কোপ, ''সিম্বলিজম ইন দ্য বাইবেল অ্যান্ড দ্য চার্চ'', লন্ডন: এসসিএম, ১৯৫৯, পৃষ্ঠা ১৪
*নিল, আমি আর্ল ডোহার্টি যা যুক্তি দিচ্ছেন তা যদি বুঝতে পারি, তবে তা হলো নাজারেথের যিশু ঐতিহাসিক ব্যক্তি হিসেবে অস্তিত্বশীল ছিলেন না। অথবা অন্তত আমার মতো ইতিহাসবিদেরা ধরে নেন যে তিনি ছিলেন এবং সেই মারাত্মক ত্রুটিপূর্ণ অনুমানের ওপর ভিত্তি করে কাজ করেন। আমি নিশ্চিত নই, যেমনটি আমি আগেই বলেছি, আপনি কাউকে বোঝাতে পারবেন যে যিশুর অস্তিত্ব ছিল, যতক্ষণ না তারা ঐতিহাসিক যিশু ও আদি খ্রিস্ট ধর্মের পুরো বিষয়টিকে কোনো অশুভ কৌশল বা পবিত্র দৃষ্টান্ত হিসেবে ব্যাখ্যা করতে প্রস্তুত থাকেন। আয়ারল্যান্ডে আমার একজন বন্ধু ছিল, যে বিশ্বাস করত না আমেরিকানরা চাঁদে নেমেছে। বরং সে ভাবত, তারা পুরো বিষয়টি তৈরি করেছে যাতে কমিউনিস্টদের বিরুদ্ধে তাদের শীতল যুদ্ধের ভাবমূর্তি শক্ত করা যায়। আমি তাঁকে কিছুই বোঝাতে পারিনি। তাই আমি একেবারেই নিশ্চিত নই যে আমি এমন একটি অনুমানের বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক যিশুর অস্তিত্ব প্রমাণ করতে পারব এবং সৎভাবে বলতে গেলে, আমি সম্ভবত চেষ্টা করতেও আগ্রহী নই।
::জন ডমিনিক ক্রসডান, "হিস্টোরিক্যাল জিসাস: ম্যাটেরিয়ালস অ্যান্ড মেথডলজি", এক্সটক, ২০০০
*তারা যখন বলে যিশু সম্পর্কে খ্রিষ্টান বিশ্বাস পৌত্তলিক পুরাণ থেকে নেওয়া হয়েছে, তখন আমার মনে হয় আপনার হাসা উচিত। এরপর তাদের দিকে বড় বড় চোখ করে তাকিয়ে হাসতে হাসতে বলা উচিত, 'আপনি কি সত্যিই তা বিশ্বাস করেন?' এমন আচরণ করুন যেন আপনি কেবল ফ্ল্যাট আর্থার বা রোজওয়েল ষড়যন্ত্রকারীর সাথে দেখা করেছেন।
::উইলিয়াম লেন ক্রেগ, "কোয়েশ্চেন ৯০: জিসাস অ্যান্ড প্যাগান মাইথোলজি", রিজনেবল ফেইথ, ২০০৯
*মোজেস ওশেয়াকে [নূনের ছেলে, ধর্মতাত্ত্বিক উপাধি দ্বারা] জশুয়া [সংখ্যাপুস্তক ১৩:১৭, সপ্ততি ১৩:১৬, এ.ভি. অনুসারে] বলে ডাকতেন, যার অর্থ হলো জাহওয়েহ রক্ষা করেন। জাহওয়েহ [দেবতা] মানে যখন তিনি ওশেয়াকে বলেন "আমার নাম তাঁর ওপরে আছে", ঈশ্বরের একটি নাম হলো জাহওয়েহ রক্ষা করেন। ...হিব্রুতে জশুয়া, গ্রিকে আইসাস, ল্যাটিন ভাষায় যিশু হলো মানুষের ছেলে, খ্রিস্ট ও আমাদের প্রভুর ব্যক্তিগত নাম। এই নাম "সব নামের ওপরে, যেন স্বর্গে, পৃথিবীতে ও পাতালের নিচে সব জানু যিশুর নামে নত হয়" (ফিলিপীয় ২:৯-১০)।
**{{cite book|last=কৌচাউড|first=পল লুই|title=দ্য ক্রিয়েশন অব ক্রাইস্ট: অ্যান আউটলাইন অব দ্য বিগিনিংস অব ক্রিস্টিয়ানিটি ; অনূদিত. বাই সি. ব্র্যাডলাউগ বোনার|url=https://books.google.com/books?id=OZjptgAACAAJ|volume=1|year=1939|publisher=ওয়াটস|page=33|chapter=এলিমেন্টস অব ক্রিস্টিয়ানিটি}}
*[জি. এ. ওয়েলসের মতে] তাঁর প্রধান বইগুলোতে [জে. এম.] রবার্টসনের চেয়ে প্রাক-খ্রিষ্টান উৎসের ওপর কম জোর দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি যিশুর জীবনের বিস্তারিত বিষয়ে পলের সম্পূর্ণ অজ্ঞতা ও আগ্রহের অভাব নিয়ে বেশি আলোচনা করা হয়েছে।
**{{cite book|last=কুক|first=বিল|title=ডিকশনারি অব অ্যাথিজম, স্কেপটিসিজম, অ্যান্ড হিউম্যানিজম|url=https://books.google.com/books?id=sA6_jqohqRUC&pg=PA294|publisher=প্রমিথিউস বুকস|isbn=978-1-61592-365-6|page=294|chapter=জিসাস ক্রাইস্ট, মিথ থিওরি অব.|date=2006}}
*[পুরাণবাদের মতে] আমাদের একমাত্র উৎস হলো দশকের পর দশক পার হয়ে যিশুর প্রতি বিশ্বাসী পক্ষপাতদুষ্ট ব্যক্তিদের লেখা। তারা বিশ্বাসযোগ্য উৎস নন। [...] তাদের ইতিবাচক যুক্তি হলো: যিশুর সময়ের অন্যান্য ঈশ্বরিক সত্তার অস্তিত্ব ছিল—যেই দেবতারা মারা গিয়ে পুনরুত্থিত হয়েছিলেন বলে বিশ্বাস করা হতো।
**{{cite web|author=ক্যান্ডেস চেলিউ-হজ|title=Inventing Jesus: An Interview with Bart Ehrman|trans-title=যিশু আবিষ্কার: বার্ট এহরম্যানের সাথে একটি সাক্ষাৎকার|url=http://religiondispatches.org/inventing-jesus-an-interview-with-bart-ehrman/|website=Religion Dispatches|accessdate=17 November 2017|date=25 April 2012}}
*আপনি মিথ্যা বললেও আপনার কাল্পনিক কাহিনি বিশ্বাসযোগ্যভাবে লুকাতে পারেননি।
**[[সেলসাস]], [[অরিজেন]] দ্বারা তাঁর ''[[কন্ট্রা সেলসাস]]'', [http://www.newadvent.org/fathers/04162.htm দ্বিতীয় খণ্ড], ২৬ অধ্যায়ে (অনুবাদ হেনরি চ্যাডউইক) উদ্ধৃত। [[আর. জোসেফ হফম্যান]] দ্বারা উদ্ধৃত: "আমার কাছে স্পষ্ট যে খ্রিষ্টানদের লেখাগুলো একটি মিথ্যা এবং আপনার কল্পকাহিনি এই বিশাল কল্পকাহিনিকে লুকানোর জন্য যথেষ্ট ভালোভাবে তৈরি নয়।" ''সেলসাস: অন দ্য ট্রু ডকট্রিন'' (অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১৯৮৭), পৃষ্ঠা ৩৭-এ।
*বার্ট এহরম্যান মনে করেন একজন ঐতিহাসিক যিশু ছিলেন (যদিও ঐশ্বরিক নন)। আমি তাঁর "প্রমাণ" পড়েছি, কিন্তু তা খুব একটা বিশ্বাসযোগ্য বলে মনে হয়নি।
**{{cite web|last=কয়েন|first=জেরি|title=Not much evidence for a historical Jesus|trans-title=ঐতিহাসিক যিশুর জন্য খুব বেশি প্রমাণ নেই|url=https://whyevolutionistrue.wordpress.com/2016/08/29/rosa-rubicondior-not-much-evidence-for-a-historical-jesus/|website=Why Evolution Is True|accessdate=5 November 2017|date=29 August 2016}}
*[পলের উপস্থাপনায় যিশু] অতুলনীয় নম্রতার সাথে একজন ঐশ্বরিক সত্তা মানুষের রূপ ধারণ করেন। অতিপ্রাকৃত এজেন্ট, এই যুগের রাজকুমার, পলের ভাষায় যারা হলেন শয়তান ও তার সাঙ্গপাঙ্গ, তাদের মাধ্যমে তিনি ক্রুশবিদ্ধ হন। ...পলের উপস্থাপনা অনুসারে, ক্রুশবিদ্ধ হওয়াটা হলো অতিপ্রাকৃত সত্তাদের দ্বারা একজন অতিপ্রাকৃত সত্তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া।
::প্রথম প্রকাশ: ''দ্য হিবার্ট জার্নালে'' "দ্য হিস্টোরিসিটি অব জিসাস" '''৩৭''', (১৯৩৮)। পৃষ্ঠা ১৯৩-২১৪
::[[পল-লুই কাউচাউড]] {{cite book|last=কৌচাউড|first=পল লুই|title=দ্য ক্রিয়েশন অব ক্রাইস্ট: অ্যান আউটলাইন অব দ্য বিগিনিংস অব ক্রিস্টিয়ানিটি ; অনূদিত. বাই সি. ব্র্যাডলাউগ বোনার|url=https://books.google.com/books?id=OZjptgAACAAJ|volume=2|year=1939|publisher=ওয়াটস|page=438|chapter=দ্য হিস্টোরিসিটি অব জিসাস}}
*[''দ্য ক্রাইস্ট মিথ'' (১৯১০) বইয়ের পর্যালোচনা অনুসারে] লেখক [আর্থার ড্রিউস] যেই মূল সিদ্ধান্তে পৌঁছান তা হলো, ক্যানোনিকাল গসপেলগুলোতে বর্ণিত যিশু মূলত প্রাক-খ্রিষ্টান ধর্মীয় দেবতা হিসেবে একই নামের মানুষের রূপ। ...[এটিও] সম্ভব যে একই নামের [যিশু] একজন মহান শিক্ষক ও নিরাময়কারী ছিলেন, যিনি সেই কল্পিত দেবতার সাথে মিলেমিশে গিয়েছিলেন।
::{{cite book|author=টি. কে. চেইন অব অক্সফোর্ড|editor=Williams and Norgate|title=দ্য হিবার্ট জার্নাল|url=https://archive.org/stream/hibbertjournal09londuoft#page/658/mode/1up|volume=9:3-4|year=1911|page=658|chapter=রিভিউজ - ''দ্য ক্রাইস্ট মিথ''|quote=Volume 9, Issues 3-4}}
*ফিলো প্রাক-খ্রিষ্টান ইহুদি ফেরেশতাতত্ত্বে একজন মহাজাগতিক প্রধান ফেরেশতার কথা বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। তাঁর বৈশিষ্ট্যগুলো পত্রের যিশুর বৈশিষ্ট্যের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়: ঈশ্বরের প্রতিচ্ছবি, সৃষ্টির ঈশ্বরিক প্রতিনিধি, ঈশ্বরের মহাজাগতিক মন্দিরের প্রধান পুরোহিত, পূর্ব থেকে বিদ্যমান ঈশ্বরিক ফেরেশতা, ঈশ্বরের প্রথম পুত্র এবং একমাত্র সত্তা যাকে ঈশ্বর মহাবিশ্বের আধিপত্য দিয়েছেন। আমাদেরও তাঁকে অনুসরণ করা উচিত। আর ফিলো এই ফেরেশতাকে জাকারিয়া ৬-এ বর্ণিত সেই চরিত্রের সাথে শনাক্ত করেন, যার নাম ঈশ্বরপুত্র যিশু। এটি প্রমাণ করে, পলের যিশু আগে থেকেই প্রাক-খ্রিষ্টান ইহুদি ফেরেশতাতত্ত্বের একটি চরিত্র ছিলেন।
**[[রিচার্ড ক্যারিয়ার]] এপি. {{cite book|last=ল্যাটাস্টার|first=রাফায়েল|title=জিসাস ডিড নট এক্সিস্ট: আ ডিবেট অ্যামং অ্যাথিস্টস|date=November 12, 2015|isbn=1514814420|page=421|chapter=আফটারওয়ার্ড বাই রিচার্ড ক্যারিয়ার}}
*একজন পৌরাণিক মেরির সন্তান হিসেবে প্রাক-খ্রিষ্টান যিশুর ধারণা এতটা বিস্তারিতভাবে অনুসন্ধান করার জন্য এবং বহু পৃষ্ঠাজুড়ে এর অদ্ভুত, ভিত্তিহীন ও অবাস্তব চরিত্র তুলে ধরার জন্য পাঠকদের কাছে আমার ক্ষমাপ্রার্থনা করা উচিত... খ্রিস্ট পুরাণবাদীদের মতে, গসপেলগুলো পৌত্তলিক পুরাণ, ধর্মীয় নাটক, পৌত্তলিক শিল্প ও ভাস্কর্যের প্রতি এক ধরনের পরোক্ষ শ্রদ্ধা হিসেবে মনে করতে হবে। আমরা পৌরাণিক-প্রতীকি পদ্ধতি গ্রহণ করলে, এগুলো অন্য কিছুই হতে পারে খন। এর পৃষ্ঠপোষকেরা নিশ্চয়ই সেই রাসায়নিক প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করতে চাইবেন, যার মাধ্যমে এসব উৎস থেকে আদি খ্রিষ্টানদের নির্দিষ্ট আচার ও বিশ্বাস নিষ্কাশিত হয়েছিল। কারণ ও প্রভাব একে অপরের থেকে এতটা ভিন্ন এবং এদের মধ্যে কোনো জৈব সংযোগ এতটাই অনুপস্থিত, আমরা চাইব এর বিবর্তনটি আরও কিছুটা পরিষ্কারভাবে তুলে ধরা হোক। এর একদিকে আমরা দেখি পৌত্তলিক পুরাণের এক বিরাট জট, যা প্রতিটি যুগ, জাতি ও জলবায়ু থেকে যথেচ্ছভাবে সংগৃহীত হয়েছে। অন্যদিকে আমরা দেখি খ্রিষ্টান ধর্মরক্ষকদের এক বাহিনী, যারা পৌত্তলিক সবকিছু আক্রমণ করছে এবং এর জন্য মাত্র ষাট বা সত্তর বছরের ব্যবধানে শহিদ হচ্ছে। আমি কেবল আশা করি, গোঁড়া খ্রিষ্টানরা এটি জেনে আনন্দিত হবে যে তাদের ধর্মগ্রন্থগুলো পবিত্র আত্মা দ্বারা অনুপ্রাণিত হওয়ার সময়ের চেয়ে হাজার গুণ বেশি বিস্ময়কর ও অনন্য। কারণ এর অলৌকিক গুণের দিক থেকে আক্ষরিক অনুপ্রেরণা পৌরাণিক-প্রতীকবাদের সমকক্ষ নয়। সত্যি বলতে আমরা মানুষের ইতিহাসে অভূতপূর্ব এক নতুন সাহিত্যিক ঘরানার খোঁজ পেয়েছি। আপনি প্রতিটি যুগ, জাতি ও জলবায়ু থেকে সংগ্রহ করা হাজারো অবান্তর পুরাণের টুকরো একত্রিত করে একটি বস্তায় ভরতে একজনকে দায়িত্ব দিচ্ছেন। আপনি সেটি খুলছেন, আর বেরিয়ে আসছে গসপেল। বেকন-শেক্সপিয়ারিয়ানদের ইতিহাসে আমরা এমন কিছু দেখিনি।
::[[ফ্রেডরিক কর্নওয়ালিস কনিবেয়ার]], ''দ্য হিস্টোরিক্যাল ক্রাইস্ট, অর অ্যান ইনভেস্টিগেশন অব দ্য ভিউজ অব জে. এম. রবার্টসন, এ. ড্রিউস অ্যান্ড ডব্লিউ. বি. স্মিথ'', ইথাকা, এনওয়াই: কর্নেল ইউনিভার্সিটি লাইব্রেরি, ২০০৯/১৯১৪, পৃষ্ঠা ৪২ এবং ৯৫
*"অসংখ্য বৈচিত্র্য থাকা সত্ত্বেও (গসপেল ব্যাখ্যার প্রমাণ অযোগ্য জ্যোতিষতাত্ত্বিক তত্ত্বের প্রতি একটি প্রবল আকর্ষণ সহ, যার প্রতি আপনি এখানে খুব একটা সহানুভূতি পাবেন না), প্রতিটি যোগ্য পৌরাণিকদের মূল তত্ত্ব তখন ও এখন সবসময় এটাই ছিল যে '''যিশু মূলত অন্য যেকোনো দেবতার মতোই একজন দেবতা ছিলেন''' (সঠিকভাবে বলতে গেলে, পৌত্তলিক অর্থে একজন উপদেবতা; ইহুদি অর্থে একজন প্রধান ফেরেশতা; যেকোনো অর্থেই একজন দেবতা), '''যাঁকে পরবর্তীতে ঐতিহাসিক রূপ দেওয়া হয়েছিল''', ঠিক যেমনটি অনেক অন্যান্য দেবতার ক্ষেত্রে করা হয়েছিল..."
::ক্যারিয়ার, রিচার্ড (২০১৪) ''অন দ্য হিস্টোরিসিটি অব জিসাস শেফিল্ড'' ফিনিক্স প্রেস {{ISBN|978-1-909697-49-2}} পৃ. ৫২
*ক্যারিয়ারের ন্যূনতম ঐতিহাসিক যিশু:
:১) জীবনে অনুসারী অর্জনকারী যিশু নামের একজন প্রকৃত মানুষের মৃত্যু পরও তাঁর সেই অনুসারীরা একটি চিহ্নিত আন্দোলন হিসেবে কাজ চালিয়ে গিয়েছিল
:২) তিনি সেই একই যিশু, যাঁকে ইহুদি বা রোমান কর্তৃপক্ষের দ্বারা মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল বলে তাঁর কিছু অনুসারী দাবি করেছিল
:৩) তিনি সেই একই যিশু, যাঁর মৃত্যুর পরপরই কিছু অনুসারী জীবন্ত দেবতা (বা উপদেবতা) হিসেবে উপাসনা শুরু করেছিল
:"এই অনুমানগুলোর যেকোনো একটি মিথ্যা হলে, স্পষ্টভাবেই বলা যায় কোনো প্রাসঙ্গিক অর্থে ঐতিহাসিক যিশু ছিলেন না। আর যিশুর অনৈতিহাসিকতা তত্ত্ব সত্য হতে হলে এর অন্তত একটি মিথ্যা হতে হবে।"
::ক্যারিয়ার, রিচার্ড (২০১৪) ''অন দ্য হিস্টোরিসিটি অব জিসাস শেফিল্ড'' ফিনিক্স প্রেস {{ISBN|978-1-909697-49-2}} পৃ. ৩৪
:"কিন্তু লক্ষ্য করুন যে অনেক গির্জার মূলনীতিতে যেই জিনিসটিকে অপরিহার্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়, তা-ও আমাদের প্রয়োজন নেই। উদাহরণস্বরূপ, যিশুর পন্টিয়াস পিলেটের অধীনে ক্রুশবিদ্ধ হওয়াটা জরুরি নয়। হয়তো তিনি ক্রুশবিদ্ধ হয়েছিলেন। কিন্তু তিনি যে ক্রুশবিদ্ধ হননি, তা প্রমাণ করলেও তা অতীন্দ্রিয়বাদকে সত্য প্রমাণ করে না। কারণ 'প্রকৃত' যিশু হয়তো হেরোড অ্যান্টিপাসের (যেমন গসপেল অব পিটার দাবি করে) বা পিলেটের চেয়ে এক দশক আগে বা পরে রোমান কর্তৃপক্ষের দ্বারা মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছিলেন (যেমন কিছু আদি খ্রিষ্টান সত্যি বিশ্বাস করত)। কিছু পণ্ডিত এমনকি আগের শতাব্দীর পক্ষেও যুক্তি দেন (এবং তাদের উদ্ধৃতি দেওয়ার মতো কিছু প্রকৃত প্রমাণ আছে)[৬১] ... আমার কথা হলো, আমরা যদি খ্রিস্ট ধর্মের প্রতিষ্ঠাতাকে হেরোড দ্য গ্রেটের দ্বারা (এমনকি রোমানদের দ্বারাও নয়, পিলেট তো দূরের কথা, এবং গসপেলের দাবির পুরো চল্লিশ বছর আগে) মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হওয়া প্রমাণও করি, যতক্ষণ তাঁর নাম বা ডাকনাম (তাঁর জন্মের আগে বা পরে দেওয়া হোক না কেন) সত্যিই যিশু ছিল এবং তাঁর মৃত্যুদণ্ডই তাঁকে চিঠিতে উপাসনা করা ঐশ্বরিক খ্রিস্টের মর্যাদায় পৌঁছে দিয়েছিল বলে মনে করা হয়, আমি মনে করি তখন এটা বলা ঠিক হবে যে পুরাণবাদীরা ভুল। আমি এটা বলব, এমনকি যদি যিশু কখনো সত্যিই মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত না হয়ে থাকেন। কারণ তখনও সেই একই ঐতিহাসিক ব্যক্তির কথা বলা হচ্ছে ও উপাসনা করা হচ্ছে।"
::ক্যারিয়ার, রিচার্ড (২০১৪) ''অন দ্য হিস্টোরিসিটি অব জিসাস শেফিল্ড'' ফিনিক্স প্রেস {{ISBN|978-1-909697-49-2}} পৃ. ৩৩
*ক্যারিয়ারের ন্যূনতম পৌরাণিক যিশু:
:"১) খ্রিস্ট ধর্মের সূচনালগ্নে যিশু খ্রিস্টকে অন্যান্য মহাজাগতিক দেবতাদের মতোই একজন বলে মনে করা হতো।
:২) অন্যান্য অনেক মহাজাগতিক দেবতার মতো এই যিশু কেবল স্বপ্ন, দর্শন ও ঐশ্বরিক প্রেরণার অন্যান্য মাধ্যমের (যেমন অতীত ও বর্তমানের ভবিষ্যদ্বাণী) মাধ্যমেই তাঁর প্রজাদের সাথে 'যোগাযোগ' করতেন।
:৩) অন্যান্য কিছু মহাজাগতিক দেবতার মতো এই যিশু একটি অতিপ্রাকৃত জগতে অবতার গ্রহণ, মৃত্যু, সমাধি ও পুনরুত্থানের অগ্নিপরীক্ষা সহ্য করেছিলেন বলে বিশ্বাস করা হতো।
:৪) অন্যান্য অনেক মহাজাগতিক দেবতার মতো পবিত্র সম্প্রদায়ের মধ্যে এই একই যিশুর একটি রূপক গল্প তৈরি ও বলা হয়েছিল। এই গল্প তাঁকে পৃথিবীতে একজন ঐশ্বরিক মানুষ হিসেবে তাঁর পার্থিব পরিবার, সঙ্গী ও শত্রুদের সাথে পৃথিবীতে রেখেছিল। এতে তাঁর কর্ম ও কথা এবং তাঁর অগ্নিপরীক্ষার পার্থিব চিত্রায়ণ ছিল।
:৫) পরবর্তী প্রজন্মের উপাসক সম্প্রদায়গুলো বিশ্বাস করত (বা অন্তত শেখাত) যে এই আবিষ্কৃত পবিত্র গল্পটি বাস্তব (রূপক নয় বা কেবল 'অতিরিক্তভাবে' রূপক)।
:এই পাঁচটি প্রস্তাবনাই সত্য, এটি আমার ন্যূনতম যিশু অনৈতিহাসিকতা তত্ত্ব হবে"
::ক্যারিয়ার, রিচার্ড (২০১৪) ''অন দ্য হিস্টোরিসিটি অব জিসাস'' শেফিল্ড ফিনিক্স প্রেস {{ISBN|978-1-909697-49-2}} পৃ. ৫৩
*আমি বর্তমানে যিশুর ঐতিহাসিকতার পক্ষের ও বিপক্ষের যুক্তির অতি-সংকীর্ণ প্রশ্নের ওপর বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশেষজ্ঞ। [...] [আদি খ্রিস্ট ধর্মের] এই ক্ষেত্রের প্রতিটি ইতিহাসবিদ কোনো না কোনো বিষয়ে আমার চেয়ে বেশি জ্ঞানী। অন্তত ঐতিহাসিকতার প্রশ্নের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয় এমন বেশিরভাগ বিষয়েই তারা জ্ঞানী। আমি আমার যুক্তির ভিত্তি হিসেবে যা ব্যবহার করি, তার বেশিরভাগই অন্য প্রকাশিত লেখকদের ব্যাপক দক্ষতা থেকে আসে। এই কাজগুলো অন্য অতি-সংকীর্ণ প্রশ্নের ওপর ভিত্তি করে তৈরি, যা সরাসরি [যিশুর ঐতিহাসিকতার পক্ষের ও বিপক্ষের যুক্তির] প্রশ্নের সাথে সম্পর্কিত নয়...
**{{cite web|last=ক্যারিয়ার|first=রিচার্ড|title=Jonathan Tweet and the Jesus Debate|trans-title=জোনাথন টুইট ও যিশু বিতর্ক|url=https://www.richardcarrier.info/archives/13366|website=রিচার্ড ক্যারিয়ার ব্লগস|accessdate=18 November 2017|date=14 October 2017}}
*খ্রিস্ট ধর্মের সূচনালগ্নে যিশু খ্রিস্টকে অন্যান্য মহাজাগতিক দেবতাদের মতোই একজন বলে মনে করা হতো। [...] অন্যান্য অনেক মহাজাগতিক দেবতার মতো এই যিশু কেবল স্বপ্ন, দর্শন ও ঐশ্বরিক প্রেরণার অন্যান্য মাধ্যমের (যেমন অতীত ও বর্তমানের ভবিষ্যদ্বাণী) মাধ্যমেই তাঁর প্রজাদের সাথে 'যোগাযোগ' করতেন।
**{{cite book|last=ক্যারিয়ার|first=রিচার্ড|title=অন দ্য হিস্টোরিসিটি অব জিসাস: হোয়াই উই মাইট হ্যাভ রিজন ফর ডাউট|url=https://books.google.com/books?id=EWIJoAEACAAJ|year=2014|publisher=শেফিল্ড ফিনিক্স প্রেস|isbn=978-1-909697-35-5|page=53}}
*আমি মনে করি এটি বেশি যুক্তিসঙ্গত
যিশু খ্রিষ্টানদের মনে একজন মহাজাগতিক সত্তা (প্রধান ফেরেশতার মতো) হিসেবে শুরু করেছিলেন। বিশ্বাস করা হতো বা দাবি করা হতো, তিনি দর্শনের মাধ্যমে ঐশ্বরিক সত্য প্রকাশ করছেন (এবং আগের যুগের নবীদের কানে কানে বলে ধর্মগ্রন্থে লুকানো বার্তা দিচ্ছেন)।
:*{{cite web|last=ক্যারিয়ার|first=রিচার্ড|title=Why We Might Have Reason for Doubt: Should We Still Be Looking for a Historical Jesus?|trans-title=আমাদের সন্দেহ করার কারণ কেন থাকতে পারে: আমাদের কি এখনও একজন ঐতিহাসিক যিশুকে খোঁজা উচিত?|url=http://www.bibleinterp.com/articles/2014/08/car388028.shtml|website=দ্য বাইবেল অ্যান্ড ইন্টারপ্রিটেশন|publisher=বাইবেলইন্টারপ.কম|accessdate=25 June 2017|date=August 2014}}
*[লোগোসের ব্যাপারে] ফিলো আসলে বলেছেন, এই "স্বর্গীয় মানুষ" হলেন প্রথম সৃষ্ট সত্তা ও ঈশ্বরের প্রতিনিধি, ঈশ্বরের "প্রতিচ্ছবি", ঈশ্বরের "প্রথম পুত্র", ঈশ্বরের মহাজাগতিক মন্দিরের প্রধান পুরোহিত এবং প্রধান ফেরেশতা। ঈশ্বর তাঁকে বাকি সৃষ্টির দায়িত্ব দিয়েছিলেন এবং তিনি ঈশ্বরের পক্ষে মহাবিশ্ব পরিচালনা করেন। ফিলো বলেন এই সত্তা হলেন লোগোস। [...] বার্ট এহরম্যানও "এখন একমত, ফিলো এমন একটি ইহুদি ধর্মতত্ত্ব সমর্থন করেন যেখানে লোগোস ঈশ্বরের প্রথম পুত্র ও ঈশ্বরের চিরন্তন প্রতিচ্ছবি। পল যিশুকে এই একই সত্তার সাথে তুলনা করেছেন" (সিএফ. ''হাউ জিসাস বিকেম গড'', পৃষ্ঠা ৭৫)।
:*{{cite web|last=ক্যারিয়ার|first=রিচার্ড|title=Can Paul's Human Jesus Not Be a Celestial Jesus?|trans-title=পলের মানব যিশু কি একজন মহাজাগতিক যিশু হতে পারেন না?|url=http://www.richardcarrier.info/archives/9710|website=রিচার্ড ক্যারিয়ার ব্লগস|accessdate=14 June 2017|date=13 February 2016}}
*নতুন নিয়মের বাইরে যিশুর অস্তিত্বের কোনো স্বাধীন প্রমাণ নেই। তাঁর অস্তিত্বের জন্য সব বাহ্যিক প্রমাণ পুরোপুরি খাঁটি হলেও (যদিও তার বেশিরভাগই নয়), সেগুলো গসপেল বা গসপেলের ওপর নির্ভরশীল খ্রিষ্টানদের দেওয়া তথ্যের থেকে স্বাধীন বলে প্রমাণ করা যায় না। যিশুর ঐতিহাসিকতার ব্যাপারে এর কোনোটিই স্বাধীনভাবে গসপেলকে সমর্থন করে বলে প্রমাণ করা যায় না। একটি প্রমাণও নয়। কোনো স্বাধীন প্রমাণ কেন টিকে নেই তার কারণ যা-ই হোক না কেন (কারণটি গুরুত্বপূর্ণ নয়), এমন কোনো প্রমাণ টিকে নেই।
**[[রিচার্ড ক্যারিয়ার]] এপি. {{cite book|last=ল্যাটাস্টার|first=রাফায়েল|title=জিসাস ডিড নট এক্সিস্ট: আ ডিবেট অ্যামং অ্যাথিস্টস|date=November 12, 2015|isbn=1514814420|page=418|chapter=আফটারওয়ার্ড বাই রিচার্ড ক্যারিয়ার}}
*যিশু সম্ভবত মূলে একজন নাজারেথ (গ্রিক ''নাজারেস'') ছিলেন না, বরং একজন নাজোরিয়ান (গ্রিক ''নাজোরাইওস'') ছিলেন। এটি একটি হারিয়ে যাওয়া ধর্মগ্রন্থের (ম্যাথিউ ২:২৩) ওপর ভিত্তি করে তৈরি। এটি আসলে খ্রিষ্টান আন্দোলনের অন্যতম আদি নাম ছিল (প্রেরিতদের কাজ ২৪:৫) এবং আদি তোরাহ-মান্যকারী খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের নামও এটিই ছিল (এপিহ্যানিয়াস, ''প্যানারিয়ন'' ৯)। [''প্রুভিং হিস্ট্রি'', পৃষ্ঠা ১৪২-১৪৫]
**{{cite web|last=ক্যারিয়ার|first=রিচার্ড ক্যারিয়ার|title=Questioning the Historicity of Jesus|trans-title=যিশুর ঐতিহাসিকতা নিয়ে প্রশ্ন|url=https://strangenotions.com/questioning-the-historicity-of-jesus/|website=Strange Notions|accessdate=28 August 2017|date=9 September 2013}}
*যে কেউ চিঠিপত্র থেকে যেই প্রমাণই সংগ্রহ করুক না কেন (জাল বলে পরিচিতগুলো বাদ দিয়ে): এটি অস্পষ্ট যে সেখানে কোনো পার্থিব নাকি মহাজাগতিক যিশুর কথা বলা হচ্ছে। আমি গসপেলগুলোকে সম্পূর্ণ রূপক কল্পকাহিনি হিসেবে পেয়েছি, যা আসল ইতিহাসের প্রতি আগ্রহী নয়। আর এর যিশুকে আমি সেই যুগের অন্য পৌরাণিক চরিত্রের মতোই পেয়েছি। এরপর আমি দেখতে পেলাম, গসপেলের বাইরের কোনো প্রমাণই স্বাধীনভাবে প্রমাণ করা যায় না। অন্তত এসব মিলিয়ে দেখলে যিশুর ঐতিহাসিকতার প্রতি অজ্ঞেয়বাদ একটি বিশ্বাসযোগ্য সিদ্ধান্তে পৌঁছানো উচিত।
**[[রিচার্ড ক্যারিয়ার]] এপি. {{cite book|last=ল্যাটাস্টার|first=রাফায়েল|title=জিসাস ডিড নট এক্সিস্ট: আ ডিবেট অ্যামং অ্যাথিস্টস|date=November 12, 2015|isbn=1514814420|chapter=ফরোয়ার্ড বাই রিচার্ড ক্যারিয়ার|pages=xi-xii}}
*['প্রকৃত' যিশু] হয়তো হেরোড অ্যান্টিপাসের (যেমন গসপেল অব পিটার দাবি করে) বা পিলেটের চেয়ে এক দশক আগে বা পরে রোমান কর্তৃপক্ষের দ্বারা মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছিলেন (যেমন কিছু আদি খ্রিষ্টান সত্যি বিশ্বাস করত)। কিছু পণ্ডিত এমনকি আগের শতাব্দীর পক্ষেও যুক্তি দেন (এবং তাদের উদ্ধৃতি দেওয়ার মতো কিছু প্রকৃত প্রমাণ আছে)...
**{{cite book|last=ক্যারিয়ার|first=রিচার্ড|title=অন দ্য হিস্টোরিসিটি অব জিসাস: হোয়াই উই মাইট হ্যাভ রিজন ফর ডাউট|url=https://books.google.com/books?id=EWIJoAEACAAJ|year=2014|publisher=শেফিল্ড ফিনিক্স প্রেস|isbn=978-1-909697-35-5|page=33}}
*["বাস্তব" ঐতিহাসিক যিশুকে খুঁজে বের করার চেষ্টার ব্যাপারে] ক্রমবর্ধমান মতৈক্য হলো, মানদণ্ড খোঁজার পুরো চেষ্টাই ব্যর্থ হয়েছে। যিশু অধ্যয়নের পুরো ক্ষেত্রটিই এখন কোনো বৈধ পদ্ধতি ছাড়াই রয়ে গেছে।
**{{cite book|last=ক্যারিয়ার|first=রিচার্ড সি.|title=প্রুভিং হিস্ট্রি: বেইজস থিওরেম অ্যান্ড দ্য কোয়েস্ট ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল জিসাস|url=https://books.google.com/books?id=S5b1ocsVi2cC&pg=PT7|date=3 April 2012|publisher=প্রমিথিউস বুকস|isbn=978-1-61614-560-6|page=11}}
==ড==
*ধর্মপ্রচারকদের কুসংস্কার ও ধর্মতাত্ত্বিক পূর্বানুমান থাকা সত্ত্বেও, তারা এমন অনেক ঘটনা লিপিবদ্ধ করেছেন যা নিছক আবিষ্কারকেরা গোপন রাখতেন—রাজ্যে উচ্চ পদের জন্য শিষ্যদের প্রতিযোগিতা, যিশুর গ্রেপ্তারের পর তাদের পালিয়ে যাওয়া, পিটারের অস্বীকার, গ্যালিলিতে অলৌকিক কাজ করতে যিশুর ব্যর্থতা, তাঁর সম্ভাব্য পাগলামি সম্পর্কে কিছু শ্রোতার মন্তব্য, তাঁর কাজ সম্পর্কে তাঁর প্রাথমিক অনিশ্চয়তা, ভবিষ্যৎ সম্পর্কে তাঁর অজ্ঞতার স্বীকারোক্তি, তাঁর তিক্ততার মুহূর্ত, ক্রুশে তাঁর হতাশার আর্তনাদ; এই দৃশ্যগুলো পড়লে কেউ এর পেছনের চরিত্রের বাস্তবতা নিয়ে সন্দেহ করতে পারেন না। কয়েকজন সাধারণ মানুষ এক প্রজন্মে এত শক্তিশালী ও আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্ব, এত উন্নত নৈতিকতা ও মানবভ্রাতৃত্বের এমন অনুপ্রেরণাদায়ক দৃষ্টিভঙ্গি আবিষ্কার করবে, তা গসপেলে লিপিবদ্ধ যেকোনো অলৌকিক ঘটনার চেয়েও অনেক বেশি অবিশ্বাস্য।
::[[উইল ডুরান্ট]], ''ক্রাইস্ট অ্যান্ড সিজার, দ্য স্টোরি অব সিভিলাইজেশন'', ৩, নিউ ইয়র্ক: সিমন অ্যান্ড শুস্টার, ১৯৭২, পৃষ্ঠা ৫৫৭
*বিকল্প থিসিসটি হলো... ত্রিশ বছরের মধ্যে একটি অস্তিত্বহীন চরিত্র সম্পর্কে এত সুসংগত ও ধারাবাহিক ঐতিহ্যের উদ্ভব হয়েছিল, যেমনটি আমরা গসপেলের সূত্রে পাই। এটি খুবই অবাস্তব। এটি অনেক জটিল ও অনুমানভিত্তিক অনুমানের ওপর নির্ভরশীল। এর চেয়ে অনেক সহজ ব্যাখ্যা হলো, যিশু নামে কেউ ছিলেন, যিনি প্রথম তিনটি গসপেলে তাঁকে দেওয়া কাজ ও কথার বেশিরভাগই করেছিলেন।
::জেমস ডি. জি. ডান, ''দ্য এভিডেন্স ফর জিসাস'', ফিলাডেলফিয়া: ওয়েস্টমিনস্টার, ১৯৮৫, পৃষ্ঠা ২৯
*আমাদের সেসব লেখকদের গুরুত্ব সহকারে নেওয়ার প্রয়োজন নেই, যারা মাঝে মাঝে দাবি করেনযিশুর কোনো অস্তিত্বই ছিল না। কারণ ইহুদি, লাতিন ও ইসলামি সূত্র থেকে এর বিপরীত স্পষ্ট প্রমাণ আমাদের কাছে রয়েছে।
::জন ড্রেন, "ইন্ট্রোডাকশন", জন ড্রেনের ''দ্য গ্রেট সেয়িংস অব জিসাস: প্রোভার্বস, প্যারাবেলস অ্যান্ড প্রেয়ার্সে'', নিউ ইয়র্ক: প্যালগ্রেভ ম্যাকমিলিয়ান, ১৯৯৯, পৃষ্ঠা ২৩
*এটি সবসময় 'যিশু পুরাণ' থিসিসের মারাত্মক ত্রুটি: যেই চরিত্রটি আবিষ্কারকদের প্রজন্মেই বেঁচে ছিল বলে দাবি করা হয়, তাঁকে সম্পূর্ণভাবে আবিষ্কার করার সম্ভাবনাহীনতা। অথবা গ্যালিলির কোনো ছোটখাটো ব্যক্তির ওপর এমন একটি বিস্তৃত মিথ চাপিয়ে দেওয়া। [রবার্ট] প্রাইস এই ব্যাখ্যা নিয়েই সন্তুষ্ট, এই সবকিছু 'অল্প বা বেশি অস্পষ্ট কোনো ত্রাণকর্তার মিথ' থেকে শুরু হয়েছিল। সত্যিই খুব দুঃখজনক।"
::জেমস ডি. জি. ডান, "রেসপন্স টু রবার্ট এম. প্রাইস", জেমস কে. বেইলবি ও পল রোডস এডির ''দ্য হিস্টোরিক্যাল জিসাস: ফাইভ ভিউজে'', ডাউনয়ার্স গ্রোভ, আইএল: ইন্টারভার্সিটি, ২০০৯, পৃষ্ঠা ৯৮
*যিশুর অস্তিত্বহীনতাকে "ব্যাপকভাবে অসমর্থিত" হিসেবে বর্ণনা করাটা একটি আন্ডারস্টেটমেন্ট। এটি অনেকটা আমার বলার মতো, "১৯৬৯ সালের চাঁদে অবতরণ কখনোই ঘটেনি বলে একটি গম্ভীর, যদিও ব্যাপকভাবে অসমর্থিত, বৈজ্ঞানিক প্রমাণ দাঁড় করানো সম্ভব।" এমন কিছু প্রমাণহীন ষড়যন্ত্র তাত্ত্বিক আছেন যারা এসব বিশ্বাস করেন—কিন্তু কোনো বিশেষজ্ঞ তা করেন না। একইভাবে যিশুর প্রশ্নের ক্ষেত্রেও: ঐতিহাসিক বৃত্তিতে তাঁর অস্তিত্বহীনতাকে সম্ভাবনা হিসেবেও বিবেচনা করা হয় না। প্রাচীন ইতিহাস থেকে তাঁকে বাদ দেওয়াটা ঐতিহাসিক পদ্ধতির সম্পূর্ণ ত্যাগের সমতুল্য হবে।
::জন ডিকসন, ''জিসাস: আ শর্ট লাইফ'', অক্সফোর্ড: লায়ন, ২০০৮, ২২-২৩।
*সংক্ষেপে, এটি স্পষ্ট, একটি গসপেলের সাথে অন্যটির অনেক স্ববিরোধিতা রয়েছে। এতে ইতিহাসের অনেক সন্দেহজনক বিবৃতি রয়েছে। পৌত্তলিক দেবতাদের কিংবদন্তির সাথে এর অনেক সন্দেহজনক মিল রয়েছে। চার্চের কোনো পরবর্তী মতবাদ বা আচার-অনুষ্ঠানের ঐতিহাসিক ভিত্তি স্থাপনের লক্ষ্যে অনেক ঘটনা তৈরি করা হয়েছে বলে মনে হয়। ধর্মপ্রচারকেরা সিসেরো, স্যালুস্ট ও ট্যাসিটাসের সাথে নৈতিক ধারণা প্রচারের মাধ্যম হিসেবে ইতিহাসের ধারণা ভাগ করেছিলেন। আর গসপেলে উল্লেখিত কথোপকথন ও বক্তৃতাগুলো সম্ভবত নিরক্ষরদের স্মৃতির দুর্বলতা এবং অনুলিপিকারকদের ভুল বা সংশোধনের শিকার হয়েছিল।
**[[উইল ডুরান্ট]] {{cite book|last1=ডুরান্ট|first1=উইল|authorlink1=Will Durant|last2=ডুরান্ট|first2=এরিয়েল|authorlink2=Ariel Durant|title=সিজার অ্যান্ড ক্রাইস্ট, আ হিস্ট্রি অব রোমান সিভিলাইজেশন অ্যান্ড অব ক্রিস্টিয়ানিটি ফ্রম দেয়ার বিগিনিংস টু এ.ডি. ৩২৫|url=https://books.google.com/books?id=JztghD__8ksC&pg=PT558|volume=দ্য স্টোরি অব সিভিলাইজেশন ৩|year=1944|location=নিউ ইয়র্ক|publisher=সিমন অ্যান্ড শুস্টার|isbn=978-1-4516-4760-0|page=558|chapter=এক্সএক্সভিআই -- জিসাস -- ৪ বি.সি.-এ.ডি. ৩০}}
*লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জি. এ. ওয়েলসের মতো অনেকেই এটি নিয়ে কাজ করেছেন। যিশু আদৌ কখনো বেঁচে ছিলেন না, এমন একটি গুরুতর (যদিও ব্যাপকভাবে সমর্থিত নয়) ঐতিহাসিক দাবি তৈরি করাও সম্ভব।
**{{cite book|last=ডকিন্স|first=রিচার্ড|title=দ্য গড ডিলিউশন|url=https://books.google.com/books?id=yq1xDpicghkC&pg=PA122|date=16 January 2008|publisher=হিউটন মিফলিন হারকোর্ট|isbn=0-547-34866-5|page=122}}
*যিশুর উপাসনা নির্ভরযোগ্যভাবে প্রমাণিত নয়। কিন্তু এর বিপরীতে, আমরা এর পুরো ঘটনাগুলো আমাদের চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছি (এবং এখানেও, যেমনটি আমরা দেখব, কিছু বিবরণ এখন হারিয়ে গেছে)। '''এটি অনুমান করা আকর্ষণীয়, খ্রিস্ট ধর্মের উপাসনা নিশ্চিতভাবেই প্রায় একই রকমভাবে শুরু হয়েছিল এবং প্রাথমিকভাবে একই দ্রুত গতিতে ছড়িয়ে পড়েছিল'''। [...] জন ফ্রামের আদৌ অস্তিত্ব থাকলে, তা মানুষের জীবন্ত স্মৃতিতেই ছিল। তারপরও এত সাম্প্রতিক একটি সম্ভাবনা হলেও, তিনি আদৌ বেঁচে ছিলেন কি না, তা নিশ্চিত নয়।
::ডকিন্স, সি. রিচার্ড (২০০৬). দ্য গড ডিলিউশন। নিউ ইয়র্ক: হাউটন মিফলিন কোম্পানি। পৃ. ২০২–২০৬। {{ISBN|978-0-618-68000-9}}।
*নাজারেথের যিশুর বেশ দুর্বল ঐতিহাসিক প্রমাণগুলো কতটা ভার বইতে পারে, তা পরীক্ষা করে দেখা উচিত [...] তবে আমি মনে করি না যে আগামী ২০ বছরে এমন কোনো মতৈক্য তৈরি হবে যে যিশু অস্তিত্বশীল ছিলেন না ["যিশু নাস্তিকতা" দৃষ্টিভঙ্গি] বা হয়তো অস্তিত্বশীল ছিলেন না ["যিশু অজ্ঞেয়বাদ" দৃষ্টিভঙ্গি]। তবে তাঁর অস্তিত্ব পুরোপুরি নিশ্চিত নয়, এমন স্বীকৃতি যিশু-গবেষণাকে একাডেমিক গ্রহণযোগ্যতার দিকে নিয়ে যাবে।
**{{cite web|last=ডেভিস|first=ফিলিপ|title=Did Jesus Exist?|trans-title=যিশু কি ছিলেন?|url=http://www.bibleinterp.com/opeds/dav368029.shtml|website=www.bibleinterp.com|publisher=দ্য বাইবেল অ্যান্ড ইন্টারপ্রিটেশন|accessdate=29 January 2017|date=August 2012}}
*ঐতিহাসিক যিশু তত্ত্বের কথিত সাধারণ জ্ঞানে পুরাণবাদীরা এমন কিছু সমস্যা খুঁজে পেয়েছেন, যা গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা উচিত।
**{{cite book|last=ডেভিস|first=স্টিভ্যান এল.|title=স্পিরিট পজেশন অ্যান্ড দ্য অরিজিনস অব ক্রিস্টিয়ানিটি|url=https://books.google.com/books?id=zObmrQEACAAJ|date=1 November 2014|publisher=বার্ডিক প্রেস|isbn=978-1-906834-19-7|page=4}}
*যিশুর অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্নের ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো উত্তর হলো, কোনো ঐতিহাসিক যিশুকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করা সময়ের অপচয়। এটি করা সম্ভব নয়। এটি কিছুই ব্যাখ্যা করে stabilize করে না।
**{{cite journal|first=টম|last=ডাইকস্ট্রা|title=Ehrman and Brodie on Whether Jesus Existed: A Cautionary Tale about the State of Biblical Scholarship|trans-title=যিশুর অস্তিত্ব নিয়ে এহরম্যান ও ব্রোডি: বাইবেল পাণ্ডিত্যের অবস্থা সম্পর্কে একটি সতর্কতামূলক গল্প|journal=দ্য জার্নাল অব দ্য অর্থোডক্স সেন্টার ফর দ্য অ্যাডভান্সমেন্ট অব বাইব্লিক্যাল স্টাডিজ (JOCABS)|date=2015|volume=8:1|pages=29|url=http://ocabs.org/journal/index.php/jocabs/article/view/80/47}}
*[থমাস এল.] ব্রোডির বই যে সবাইকে বিশ্বাস করাতে হবে, এমন কোনো কথা নেই। কিন্তু এটি যা অর্জন করে তা হলো, এটি প্রতিষ্ঠা করতে সাহায্য করে, একজন গম্ভীর পণ্ডিত সত্যিই একটি পৌরাণিক অবস্থান নিতে পারেন। এটি দেখাতে সাহায্য করে, পুরাণবাদ একটি মানসিকভাবে গ্রহণযোগ্য অবস্থান, এমনকি এটি সর্বজনীনভাবে বিশ্বাসযোগ্য না হলেও।
**{{cite book|author1=টম ডাইকস্ট্রা|title=জেরোম মারফি-ও'কনর ভার্সেস থমাস ব্রোডি|url=https://tomdykstra.wordpress.com/2014/07/20/jerome-murphy-oconnor-versus-thomas-brodie/|website=ম্যানডেটরি ফর ডিসেন্ট হিউম্যান লাইফ|accessdate=18 November 2016|date=20 July 2014}}
:চতুর্থ গসপেল যিশুর জীবনী হওয়ার দাবি করে না। এটি ধর্মতাত্ত্বিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে খ্রিস্টকে ঐশ্বরিক লোগোস বা শব্দ, বিশ্বের স্রষ্টা ও মানবজাতির ত্রাতা হিসেবে উপস্থাপন করে। এটি শত শত বিবরণে এবং খ্রিস্টের সাধারণ চিত্রে সিনপটিক গসপেলগুলোর সাথে সাংঘর্ষিক।
::{{cite book|last1=ডুরান্ট|first1=উইল|authorlink1=Will Durant|last2=ডুরান্ট|first2=এরিয়েল|authorlink2=Ariel Durant|title=সিজার অ্যান্ড ক্রাইস্ট, আ হিস্ট্রি অব রোমান সিভিলাইজেশন অ্যান্ড অব ক্রিস্টিয়ানিটি ফ্রম দেয়ার বিগিনিংস টু এ.ডি. ৩২৫|url=https://books.google.com/books?id=JztghD__8ksC&pg=PT558|volume=দ্য স্টোরি অব সিভিলাইজেশন ৩|year=1944|location=নিউ ইয়র্ক|publisher=সিমন অ্যান্ড শুস্টার|isbn=978-1-4516-4760-0|page=558|chapter=এক্সএক্সভিআই -- জিসাস -- ৪ বি.সি.-এ.ডি. ৩০}}
* ড. [এইচ. জি.] উড ...বিশেষ অধ্যয়নের জন্য খ্রিস্ট-অনৈতিহাসিকতা তত্ত্ব নির্বাচন করেন। এর অনেক রূপ রয়েছে, যার সবগুলো মূলত প্রয়াত জে. এম. রবার্টসনের লেখার ওপর ভিত্তি করে তৈরি। এই তত্ত্ব অনুসারে গসপেলগুলো প্রতীকী এবং এগুলো ফিলিস্তিনি রহস্য ধর্ম থেকে উদ্ভূত।
::{{cite journal|last=ড্যানিয়েল|first=ই. এইচ.|title=Reviews - ''Did Christ Really Live?'' by H. G. Wood|trans-title=রিভিউজ - এইচ. জি. উড রচিত ''ডিড ক্রাইস্ট রিয়েলি লিভ?''|journal=ব্যাপ্টিস্ট কোয়ার্টারলি|date=October 1938|volume=9|issue=4|page=254f|doi=10.1080/0005576X.1938.11750475|url=https://biblicalstudies.org.uk/articles_bq_03.php}}
* [এটি উল্লেখ করে, কিছু পৌরাণিক অবস্থান একজন মানুষের ঐতিহাসিক অস্তিত্ব স্বীকার করে, যিনি নিজেকে যিশু বলে দাবি করতেন] ...একটি ধর্ম কোনো ঋষি বা পবিত্র ব্যক্তির শিক্ষার ওপর ভিত্তি করে তৈরি হতে পারে, তাঁর জীবনের ঘটনাগুলোর কোনো বিশেষ উল্লেখ ছাড়াই [...] খ্রিস্ট ধর্মের উৎপত্তির সময়ে... এমন কিছু গোষ্ঠী ছিল যাদের ইহুদি ধর্মের সাথে সম্পর্ক ছিল। এদের মধ্যে কেউ কেউ ইহুদি মসিহের সাথে তাদের ত্রাণকর্তা-দেবতাকে চিহ্নিত করেছিল এবং তাঁর জন্য একটি পৌরাণিক রূপ তৈরি করেছিল, যার উপাসনার নাম ছিল 'যিশু'। এই নামটি একটি হিব্রু শব্দ থেকে এসেছে যার অর্থ হলো 'পরিত্রাণ'। অথবা বিকল্প হিসেবে, তারা এই নামের এক অখ্যাত ইহুদি পবিত্র ব্যক্তির খবর পেয়েছিল এবং স্বেচ্ছায় 'উপাসনা-পুরাণ' তাঁর সাথে যুক্ত করেছিল।
::{{cite book|last=ডড|first=চার্লস হ্যারল্ড|title=হিস্ট্রি অ্যান্ড দ্য গসপেল|year=1938|publisher=চার্লস স্ক্রিবনারস সন্স|pages=16–17}}
*[রিচার্ড বাউখামের মতে] "সবচেয়ে পুরোনো ক্রিস্টোলজি (যিশু বিষয়ক ধর্মতত্ত্ব) আগে থেকেই সবচেয়ে উন্নত ক্রিস্টোলজি ছিল।" [{{cite book|last=বাউখাম|first=রিচার্ড|title=গড ক্রুসিফাইড: মনোথিজম অ্যান্ড ক্রিস্টোলজি ইন দ্য নিউ টেস্টামেন্ট|year=1998|publisher=ডব্লিউএম. বি. ইয়ার্ডম্যানস পাবলিশিং|page=viii}}] এটি অত্যন্ত সত্য। ইহুদিদের মধ্যে এত দ্রুত এমনটা হওয়া প্রায় অবিশ্বাস্য। একজন মানব যিশুর প্রকৃত দেবত্ব ও পুনরুত্থান প্রমাণিত হয়েছে বলে আবেদন করার বদলে, এই পর্যবেক্ষণগুলোই প্রমাণ করে, আন্দোলনের শুরুতে ক্রিস্টোলজি উন্নত ছিল। কারণ যেই খ্রিস্টের কথা বলা হতো, তিনি একজন দেবতা ছাড়া আর কিছুই ছিলেন না।
**[[আর্ল ডোহার্টি]] {{cite book|last=ডোহার্টি|first=আর্ল|title=জিসাস: নেইদার গড নর ম্যান - দ্য কেস ফর আ মিথিক্যাল জিসাস|url=https://books.google.com/books?id=KD6wQQAACAAJ|year=2009|publisher=এজ অব রিজন পাবলিকেশন্স|location=অটোয়া|isbn=978-0-9689259-2-8|quote=New edition, Revised and Expanded, Originally published under the title: ''The Jesus Puzzle: Did Christianity Begin with a Mythical Christ? - Challenging the Existence of an Historical Jesus''|page=716, n. 12}}
*[পৌরাণিক যিশু দৃষ্টিভঙ্গি হলো] এমন একটি তত্ত্ব, যা মনে করে, কোনো নামের ঐতিহাসিক যিশু অস্তিত্বশীল ছিলেন না। খ্রিস্ট ধর্ম শুরু হয়েছিল একটি আধ্যাত্মিক, পৌরাণিক চরিত্রের প্রতি বিশ্বাস থেকে এবং গসপেলগুলো মূলত রূপক ও কল্পকাহিনি...
**{{cite book|last=ডোহার্টি|first=আর্ল|title=জিসাস: নেইদার গড নর ম্যান - দ্য কেস ফর আ মিথিক্যাল জিসাস|url=http://books.google.com/books?id=KD6wQQAACAAJ|date=2009|publisher=এজ অব রিজন পাবলিকেশন্স|isbn=978-0-9689259-2-8|pages=vii–viii}}
*[মার্কের চেয়ে পুরোনো লেখার মতে] খ্রিষ্টান বিশ্বাসের কেন্দ্রবিন্দু [যিশুকে] কখনো একজন মানুষ হিসেবে উল্লেখ করা হয়নি, যিনি সম্প্রতি বেঁচে ছিলেন, শিক্ষা দিয়েছিলেন, অলৌকিক কাজ করেছিলেন, মানব কর্তৃপক্ষের হাতে কষ্ট পেয়েছিলেন ও মারা গিয়েছিলেন, বা জেরুজালেমের বাইরের একটি সমাধি থেকে পুনরুত্থিত হয়েছিলেন। চিঠিগুলোতে মেরি বা জোসেফ, জুডাস বা জন দ্য ব্যাপটিস্টের কোনো উল্লেখ নেই, জন্মের কোনো গল্প নেই, যিশুর দ্বারা প্রেরিতদের শিক্ষা বা নিয়োগের কথা নেই, পবিত্র স্থান বা যিশুর কর্মজীবনের স্থানগুলোর কোনো উল্লেখ নেই, এমনকি ক্যালভারি পাহাড় বা খালি সমাধির কথাও নেই। এই নীরবতা এতটাই ব্যাপক ও বিভ্রান্তিকর যে এর ব্যাখ্যা করার চেষ্টাগুলো অপর্যাপ্ত প্রমাণিত হয়েছে।
**{{cite web|last=ডোহার্টি|first=আর্ল|title=Jesus Puzzle - Quick Assembly|trans-title=যিশু ধাঁধা - দ্রুত সমাবেশ|url=http://www.jesuspuzzle.humanists.net/puzzle1.htm|website=www.jesuspuzzle.humanists.net|accessdate=10 February 2018|quote=Piece No. 1: A CONSPIRACY OF SILENCE}}
*[হিব্রুদের কাছে চিঠির ৮ অধ্যায়, ৪ নং পদে] গ্রিক ভাষায় একটি ব্যাকরণগত অস্পষ্ট বিবৃতি রয়েছে। এটি বলে "যিশু যদি [বর্তমানে] পৃথিবীতে থাকতেন, তবে তিনি যাজক হতেন না" অথবা "যিশু যদি পৃথিবীতে থাকতেন, তবে তিনি যাজক হতেন না।" [...] আমার বিশ্লেষণ দেখায়, অনুচ্ছেদের প্রেক্ষাপটের মধ্যে ও অবরোহী যুক্তির মাধ্যমে বর্তমান অর্থে বিবৃতিটিকে সমর্থন করা যায় না। আসলে এটি দেখানো যেতে পারে যে লেখক কেবল অতীতের ক্ষেত্রেই এটি প্রয়োগ করতে পারেন।
**{{cite web|last=ডোহার্টি|first=আর্ল|title=Advancing the Cause: Thoughts on the New Atheism and the Myth of Jesus|trans-title=কারণ এগিয়ে নেওয়া: নব্য নাস্তিকতা ও যিশুর অনৈতিহাসিকতার ওপর চিন্তাভাবনা|url=http://www.atheology.ca/montreal2010/long/doherty_earl_long_en.html|website=এথিস্ট ফ্রিথিঙ্কার্স|accessdate=16 September 2017|date=2 October 2010}}
*[গসপেলগুলোতে] যিশুর গল্পের অনেক উপাদান ইহুদি ধর্মগ্রন্থের অনুচ্ছেদ ও বৈশিষ্ট্যের ওপর [নির্ভরশীল]। [...] জন শেলবি স্পং (তাঁর ''লিবারেটিং দ্য গসপেলসে'') সিনপটিক গসপেলগুলোকে সব বিস্তারিত বিবরণে মিদ্রাশীয় কল্পকাহিনি বলে মনে করেন। তবে তিনি বিশ্বাস করেনএটি একজন ঐতিহাসিক মানুষের ওপর ভিত্তি করে তৈরি।
**{{cite journal|last=ডোহার্টি|first=আর্ল|title=The Jesus Puzzle: Pieces in a Puzzle of Christian Origins|trans-title=দ্য জিসাস পাজল: খ্রিষ্টান উৎসের ধাঁধার টুকরোগুলো|journal=জার্নাল অফ হায়ার ক্রিটিসিজম|date=Fall 1997|volume=4|issue=2|pages=68-102|url=https://depts.drew.edu/jhc/jhcindex.html|quote=Piece No. 8: The Gospels Not History}}
*[ফিলো সম্পর্কে] লোগোস ছিল ঈশ্বরের মধ্যস্থতাকারী [...] ফিলো লোগোসকে "মরণশীল মানুষের পক্ষে অমর ঈশ্বরের কাছে এক অবিরত প্রার্থনাকারী" হিসেবে দেখতেন (''ডিভাইন ম্যাটার্স'', ২০৫)।
:*{{cite web|last=ডোহার্টি|first=আর্ল|title=Tracing the Christian Lineage in Alexandria|trans-title=আলেকজান্দ্রিয়ায় খ্রিষ্টান বংশানুক্রম অনুসন্ধান|url=http://jesuspuzzle.humanists.net/supp05.htm|website=jesuspuzzle.humanists.net|accessdate=21 June 2017|quote=Supplementary Article No. 5}}
*[পৌরাণিক যিশু দৃষ্টিভঙ্গি মনে করে] যে খ্রিস্ট ধর্ম একটি আধ্যাত্মিক, পৌরাণিক চরিত্রের প্রতি বিশ্বাস নিয়ে শুরু হয়েছিল।
::{{cite book|last=ডোহার্টি|first=আর্ল|title=জিসাস: নেইদার গড নর ম্যান - দ্য কেস ফর আ মিথিক্যাল জিসাস|url=http://books.google.com/books?id=KD6wQQAACAAJ|date=2009|publisher=এজ অব রিজন পাবলিকেশন্স|isbn=978-0-9689259-2-8|pages=vii–viii}}
:*[[আর্ল ডোহার্টি]] এপি. {{cite book|last=এহরম্যান|first=বার্ট ডি.|title=ডিড জিসাস এক্সিস্ট?: দ্য হিস্টোরিক্যাল আর্গুমেন্ট ফর জিসাস অব নাজারেথ|chapterurl=http://books.google.com/books?id=hf5Rj8EtsPkC&pg=PT9|date=20 March 2012|publisher=হার্পারকলিন্স|isbn=978-0-06-208994-6|pages=12, 347, n. 1|chapter=অ্যান ইন্ট্রোডাকশন টু দ্য মিথিক্যাল ভিউ অব জিসাস|quote=In a recent exhaustive elaboration of the position, one of the leading proponents of Jesus mythicism, Earl Doherty, defines the view as follows: ...(Earl Doherty, ''Jesus: Neither God nor Man: The Case for a mythical Jesus'' (Ottawa, ON: Age of Reason Publications, 2009), vii-viii.)}}
*[নস্টিক-স্টাইলের পুরাণের অবতীর্ণ হওয়া ত্রাণকর্তার বিষয়ে] প্রাইস পলের খ্রিস্টকে একই শ্রেণিতে দেখেন... এই ধরনের (প্রোটো-) নস্টিক ধরনের দৃষ্টিভঙ্গিতে এমন ধারণা নিহিত আছে, খ্রিস্ট বিশ্বাসীদের মধ্যে বাস করেন এবং যে প্রেরিত তাঁকে প্রচার করেন, তিনি নিজের মধ্যে খ্রিস্ট বা ত্রাণকর্তার একটি অত্যন্ত উন্নত অনুভূতি ধারণ করেন। পল তাঁর "খ্রিস্ট আপনাদের মধ্যে" এবং "সবাই খ্রিস্টের শরীরের অংশ" কথার মাধ্যমে সেই চিন্তাধারারই অনুসারী।
:*{{cite web|last=ডোহার্টি|first=আর্ল|title=Higher Critical Review - Robert M. Price, Deconstructing Jesus|trans-title=হায়ার ক্রিটিক্যাল রিভিউ - রবার্ট এম. প্রাইস, ডিকনস্ট্রাক্টিং জিসাস|url=https://depts.drew.edu/jhc/doherty_price.html|website=জার্নাল অব হায়ার ক্রিটিসিজম|accessdate=14 June 2017|date=2000}}
*১ম শতাব্দীর গঠনমূলক যুগে, যখন কোনো ঐতিহাসিক যিশু তখনও পাদপ্রদীপের আলোয় আসেননি, তখন রোমান সাম্রাজ্যের পূর্বার্ধজুড়ে পুত্র/খ্রিস্ট/ত্রাণকর্তা বিশ্বাসের এক সমৃদ্ধ বিস্তার ঘটেছিল। এগুলো নতুন মধ্যস্থতাকারী পুত্র দর্শনের প্রকাশ ছিল। এর মাধ্যমে তাঁর মধ্য দিয়ে পরিত্রাণের বিভিন্ন পথের ধারণা করা হয়েছিল।
:*{{cite book|last=ডোহার্টি|first=আর্ল|title=জিসাস: নেইদার গড নর ম্যান - দ্য কেস ফর আ মিথিক্যাল জিসাস|url=https://books.google.com/books?id=KD6wQQAACAAJ|year=2009|publisher=এজ অব রিজন পাবলিকেশন্স|location=অটোয়া|isbn=978-0-9689259-2-8|quote=New edition, Revised and Expanded, Originally published under the title: ''The Jesus Puzzle: Did Christianity Begin with a Mythical Christ? - Challenging the Existence of an Historical Jesus''|page=279}}
*ফিলো ও হিব্রুদের চিঠির লেখকের মতো হেলেনিস্টিক ইহুদিরা হিব্রু ও গ্রিকের একটি সংমিশ্রণ তৈরি করতে লোগোসের ধারণাগুলো গ্রহণ করেছিল। কিন্তু মূলধারার ইহুদি ধর্মের নিজস্ব মধ্যস্থতাকারী চরিত্র [মূর্ত প্রজ্ঞা] ছিল, যা কয়েক শতাব্দীর পুরোনো, নিশ্চিতভাবেই প্লেটোর মতো পুরোনো। [...] সলোমনের প্রজ্ঞাতে, যা সম্ভবত হেলেনিস্টিক-ইহুদি লেখার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ টিকে থাকা অংশ, আমরা লোগোসের সাথে প্রজ্ঞার একটি স্পষ্ট ও অদ্ভুত সংমিশ্রণ দেখতে পাই।
**{{cite book|last=ডোহার্টি|first=আর্ল|title=জিসাস: নেইদার গড নর ম্যান - দ্য কেস ফর আ মিথিক্যাল জিসাস|url=https://books.google.com/books?id=KD6wQQAACAAJ|year=2009|publisher=এজ অব রিজন পাবলিকেশন্স|location=অটোয়া|isbn=978-0-9689259-2-8|quote=New edition, Revised and Expanded, Originally published under the title: ''The Jesus Puzzle: Did Christianity Begin with a Mythical Christ? - Challenging the Existence of an Historical Jesus''|pages=92f}}
*আলেকজান্দ্রিয়ার ফিলো (২৫ খ্রিস্টপূর্বাব্দ থেকে ৫০ খ্রিস্টাব্দ) ইহুদি চিন্তাধারায় গ্রিক ধারণার অনুপ্রবেশের প্রধান উদাহরণ। এই ঘটনাটি সেই যুগে "হেলেনিস্টিক ইহুদি ধর্ম" নামে পরিচিত এক গুরুত্বপূর্ণ ধরনের দর্শন ও সংস্কৃতির জন্ম দিয়েছিল। [...] চার্লস এইচ. টালবার্ট ("দ্য মিথ অব আ ডিসেন্ডিং-অ্যাসেন্ডিং রিডিমার ইন মেডিটেরেনিয়ান অ্যান্টিকুইটি," ''নিউ টেস্টামেন্ট স্টাডিজ'' ২২ [১৯৭৫], পৃষ্ঠা ৪১৮-৪৩৯) ফিলোকে এমন একটি বিদ্যমান পুরাণের সাক্ষী বলে মনে করেন, যেখানে প্রজ্ঞা-লোগোসকে ঈশ্বরের জ্ঞান প্রদানের মাধ্যমে একজন স্বর্গীয় ব্যক্তিগত সত্তা ও ত্রাণকর্তা চরিত্র হিসেবে গণ্য করা হয়েছিল। এই পুরাণটি আলেকজান্দ্রিয়ান দলিল, সলোমনের প্রজ্ঞায় প্রতিফলিত হয়েছে...
**{{cite book|last=ডোহার্টি|first=আর্ল|title=জিসাস: নেইদার গড নর ম্যান - দ্য কেস ফর আ মিথিক্যাল জিসাস|url=https://books.google.com/books?id=KD6wQQAACAAJ|year=2009|publisher=এজ অব রিজন পাবলিকেশন্স|location=অটোয়া|isbn=978-0-9689259-2-8|quote=New edition, Revised and Expanded, Originally published under the title: ''The Jesus Puzzle: Did Christianity Begin with a Mythical Christ? - Challenging the Existence of an Historical Jesus''|page=723, n. 40, 41}}
*খ্রিস্ট [আদি] খ্রিষ্টান সম্প্রদায়গুলোর মধ্যে একটি ঐশ্বরিক উপস্থিতি। এটি ঈশ্বরের প্রত্যাদেশ ও দিকনির্দেশনা এবং ঈশ্বর ও আধ্যাত্মিক সত্যের জ্ঞানের সাথে সংযোগ স্থাপন করে। [...] পলের ব্যবস্থা ও আদি খ্রিস্ট ধর্ম সাধারণত অশুভ আত্মিক শক্তির ধারণা দ্বারা পরিপূর্ণ। এগুলো পৃথিবীর ওপর ক্ষতিকারক প্রভাব ফেলে এবং পৃথিবী ও স্বর্গকে বিচ্ছিন্ন করে। ...[এটি] সেই প্রোটো-নস্টিক পরিবেশকে আলোকিত করে, যেখানে তিনি [পল] বিচরণ করতেন ও এমনকি অংশীদারও ছিলেন...
:*{{cite book|last=ডোহার্টি|first=আর্ল|title=জিসাস: নেইদার গড নর ম্যান - দ্য কেস ফর আ মিথিক্যাল জিসাস|url=https://books.google.com/books?id=KD6wQQAACAAJ|year=2009|publisher=এজ অব রিজন পাবলিকেশন্স|location=অটোয়া|isbn=978-0-9689259-2-8|quote=New edition, Revised and Expanded, Originally published under the title: ''The Jesus Puzzle: Did Christianity Begin with a Mythical Christ? - Challenging the Existence of an Historical Jesus''|pages=24, 289}}
*[এটি] স্বর্গীয় জগৎ ও তার মধ্যে ঈশ্বরের কার্যকলাপের ওপর একটি মনোযোগের দিকে পরিবর্তনের একটি অংশ, যা অনেক ইহুদি ইন্টারটেস্টামেন্টাল লেখায় অব্যাহত ছিল ও প্রসারিত হয়েছিল। [...] স্বর্গে বসবাসকারী অন্ধকার মহাজাগতিক শক্তির হুমকির প্রতি পলের লেখাগুলোর মোহ বা রাক্ষসদের হুমকির প্রতি সে যুগের মানুষের আকর্ষণ, হিব্রু বাইবেলে এর নজির খুব কমই পাওয়া যায় এবং এটি হেলেনিস্টিক দৃষ্টিভঙ্গির মতো ইহুদি চিন্তাধারায়ও একটি নতুন বিকাশের চিহ্ন। আর যেহেতু নস্টিকিজমকে এখন খ্রিস্ট ধর্মের আগে থাকা কট্টর ইহুদি মহলগুলোর মধ্যে অন্তত আংশিক উৎস হিসেবে দেখা হয়, যার মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দু ছিল একটি স্বর্গীয় জগৎ ও ঈশ্বরের কার্যকলাপ। তাই আমরা মহাজাগতিক ওপরের অংশে যেখানে ঐশ্বরিক কার্যকলাপ ঘটেছিল, তার প্রতি একটি যুগব্যাপী আগ্রহের বিকাশ দেখতে পাই। এমনকি ফিলো, ঈশ্বরের প্রকাশ হিসেবে লোগোসের প্রতি তাঁর মনোযোগ, সেইসাথে তাঁর "স্বর্গীয় মানুষ" ধারণাও—ঐশ্বরিক বাস্তবতার প্রতি সে যুগের মানুষের আরেকটি আকর্ষণ, যা পলের "অ্যান্থ্রোপোস" হিসেবে খ্রিস্টের ধারণাতেও দেখা যায়—স্বর্গীয় কল্পনার সাথে পার্থিব চিন্তার সম্পৃক্ততা প্রমাণ করে।
**{{cite web|last=ডোহার্টি|first=আর্ল|title=Bart Ehrman vs. Earl Doherty. Part 29 of Earl Doherty’s Response to Bart Ehrman’s Case Against Mythicism|trans-title=বার্ট এহরম্যান বনাম আর্ল ডোহার্টি। পুরাণবাদের বিরুদ্ধে বার্ট এহরম্যানের যুক্তির প্রতি আর্ল ডোহার্টির উত্তরের পর্ব ২৯|url=http://vridar.org/2012/07/30/30014/|website=Vridar|accessdate=7 July 2017|date=30 July 2012}}
*[পৌরাণিক যিশু দৃষ্টিভঙ্গি মনে করে] যে গসপেলগুলো মূলত রূপক ও কল্পকাহিনি।
::{{cite book|last=ডোহার্টি|first=আর্ল|title=জিসাস: নেইদার গড নর ম্যান - দ্য কেস ফর আ মিথিক্যাল জিসাস|url=http://books.google.com/books?id=KD6wQQAACAAJ|date=2009|publisher=এজ অব রিজন পাবলিকেশন্স|isbn=978-0-9689259-2-8|pages=vii–viii}}
:*[[আর্ল ডোহার্টি]] এপি. {{cite book|last=এহরম্যান|first=বার্ট ডি.|title=ডিড জিসাস এক্সিস্ট?: দ্য হিস্টোরিক্যাল আর্গুমেন্ট ফর জিসাস অব নাজারেথ|chapterurl=http://books.google.com/books?id=hf5Rj8EtsPkC&pg=PT9|date=20 March 2012|publisher=হার্পারকলিন্স|isbn=978-0-06-208994-6|pages=12, 347, n. 1|chapter=অ্যান ইন্ট্রোডাকশন টু দ্য মিথিক্যাল ভিউ অব জিসাস|quote=In a recent exhaustive elaboration of the position, one of the leading proponents of Jesus mythicism, Earl Doherty, defines the view as follows: ...(Earl Doherty, ''Jesus: Neither God nor Man: The Case for a mythical Jesus'' (Ottawa, ON: Age of Reason Publications, 2009), vii-viii.)}}
==ই==
*প্রাইস নির্বিচারে যিশু সেমিনারের সন্দেহজনক পদ্ধতি ও ফলাফলগুলো গ্রহণ করেন, উনবিংশ শতাব্দীর (অস্বীকৃত) খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্বের বেশিরভাগই (যাতে দাবি করা হয়েছিল যিশুর কোনো অস্তিত্ব ছিল না) গ্রহণ করেন, ইত্যাদি।
::ক্রেগ এ. ইভান্স, ''ফ্যাব্রিকেটিং জিসাস: হাউ মডার্ন স্কলারস ডিস্টর্ট দ্য গসপেলস'', (ডাউনয়ার্স গ্রোভ, আইএল: ইন্টারভার্সিটি, ২০০৬) পৃষ্ঠা ২৫
*ওয়েলসের বেশ কয়েকজন পর্যালোচক স্বীকার করেছেন যে তাঁর তোলা প্রশ্নগুলো সত্যিই প্রাসঙ্গিক। উদাহরণস্বরূপ, অধ্যাপক কেনেথ গ্রেস্টন (''মেথডিস্ট রেকর্ডার'', ১৬ নভেম্বর ১৯৭১) লিখেছেন: "শিক্ষিত খ্রিষ্টানদের...অধ্যাপক ওয়েলসের সংগ্রহ করা সমস্যাগুলো স্বীকার করা উচিত এবং একটি ভালো সমাধান তৈরি করা উচিত।" ওয়েলসের দ্বিতীয় বইটির পর্যালোচনা করতে গিয়ে গ্রেস্টন এই মতের পুনরাবৃত্তি করেন।
**{{cite journal|last=এলেগার্ড|first=আলভার|title=Theologians as historians|trans-title=ঐতিহাসিক হিসেবে ধর্মতত্ত্ববিদরা|journal=স্ক্যান্ডিয়া: টিডস্ক্রিফ্ট ফর হিস্টোরিস্ক ফর্সনিং|date=২০০৮|issue=59|pages=২|url=http://journals.lub.lu.se/index.php/scandia/article/download/1078/863}}
*[বিরগার] ওলসন তাঁর [ভাষ্যের] অর্ধেক জায়গাই আমার অনুমানের [মাইটেন ওম জিসাস (১৯৯২) অনুসারে] একটি বেশ ন্যায্য সারসংক্ষেপের জন্য উৎসর্গ করেছেন। (আলভার এলেগার্ডের উত্তর, পৃষ্ঠা ১৯৯)
**{{cite journal|last=এলেগার্ড|first=আলভার|title=Comments by Birger Olsson - ''Theologians as historians''|trans-title=বিরগার ওলসনের মন্তব্য - ''ঐতিহাসিক হিসেবে ধর্মতত্ত্ববিদরা''|journal=স্ক্যান্ডিয়া: টিডস্ক্রিফ্ট ফর হিস্টোরিস্ক ফর্সনিং|date=২০০৮|issue=59|pages=১৯৩-১৯৬|url=http://journals.lub.lu.se/index.php/scandia/article/download/1078/863}}
*এটা বলা ন্যায্য যে বর্তমান সময়ের বেশিরভাগ ধর্মতত্ত্ববিদও স্বীকার করেনগসপেলের গল্পগুলোর বড় একটি অংশ, কাল্পনিক না হলেও, অন্তত ঐতিহাসিক বিবরণ হিসেবে আক্ষরিক অর্থে নেওয়া উচিত নয়। অন্যদিকে কোনো ধর্মতত্ত্ববিদই এটা স্বীকার করতে রাজি নন যে যিশুর ঐতিহাসিকতার প্রশ্নটিকে একটি অমীমাংসিত প্রশ্ন হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। আমার কাছে মনে হয়, ধর্মতত্ত্ববিদেরা পণ্ডিত হিসেবে তাদের দায়িত্ব পালন করছেন না, যখন তারা গসপেলের যিশুর অস্তিত্ব নিয়েও বৈধভাবে প্রশ্ন তোলার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করতে অস্বীকার করেন।
**{{cite journal|last=এলেগার্ড|first=আলভার|title=Theologians as historians|trans-title=ঐতিহাসিক হিসেবে ধর্মতত্ত্ববিদরা|journal=স্ক্যান্ডিয়া: টিডস্ক্রিফ্ট ফর হিস্টোরিস্ক ফর্সনিং|date=২০০৮|issue=59|pages=১৭০-১৭১|url=http://journals.lub.lu.se/index.php/scandia/article/download/1078/863}}
*প্রাইস নির্বিচারে যিশু সেমিনারের সন্দেহজনক পদ্ধতি ও ফলাফলগুলো গ্রহণ করেন, উনবিংশ শতাব্দীর (অস্বীকৃত) খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্বের বেশিরভাগই (যাতে দাবি করা হয়েছিল যিশুর কোনো অস্তিত্ব ছিল না) গ্রহণ করেন, ইত্যাদি।
::ক্রেগ এ. ইভান্স, ''ফ্যাব্রিকেটিং জিসাস: হাউ মডার্ন স্কলারস ডিস্টর্ট দ্য গসপেলস'', (ডাউনয়ার্স গ্রোভ, আইএল: ইন্টারভার্সিটি, ২০০৬) পৃষ্ঠা ২৫
*বাউয়ার ও তাঁর সঙ্গীদের বিপরীতে মূলধারার পণ্ডিতেরা কখনোই যিশুর অস্তিত্ব বা গির্জা প্রতিষ্ঠায় তাঁর [[প্রাসঙ্গিকতা|প্রাসঙ্গিকতা]] নিয়ে সন্দেহ করেননি।
::ক্রেগ এ. ইভান্স, "লাইফ-অব-জিসাস রিসার্চ অ্যান্ড দ্য একলিপ্স অব মাইথোলজি", ''থিওলজিক্যাল স্টাডিজ'' ৫৪, ১৯৯৩, পৃষ্ঠা ৮
*যেকোনো ধর্মীয় বা অধর্মীয় ঘরানার কোনো গম্ভীর ইতিহাসবিদই সন্দেহ করেন না যে নাজারেথের যিশু সত্যিই প্রথম শতাব্দীতে বেঁচে ছিলেন এবং যিহূদিয়া ও সামারিয়ার শাসক পন্টিয়াস পিলেটের অধীনে তাঁর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছিল। পণ্ডিতদের কাছে এটি একটি সাধারণ জ্ঞান হলেও, জনসাধারণ হয়তো এটি সম্পর্কে সচেতন নয়।
::ক্রেগ এ. ইভান্স, "দ্য শাউট অব ডেথ", ট্রয় এ. মিলারের ''জিসাস, দ্য ফাইনাল ডেজ: হোয়াট রিয়েলি হ্যাপেনডে'', লুইসভিল: ওয়েস্টমিনস্টার জন নক্স, ২০০৯, পৃষ্ঠা ৩
:[যিশু কোনো প্রকৃত ঐতিহাসিক চরিত্র ছিলেন না বলে দাবি করা পণ্ডিত ও সমালোচকদের মতে] [এইচ. ই.] [[হ্যারি এলমার বার্নস|বার্নস]] এসব চরমপন্থী সমালোচকদের সাথে একমত নন। তবে [জে. এম.] [[জোসেফ ম্যাককাবে|ম্যাককাবে]]র সাথে তিনিও মনে করেনযিশু নামের একজন মানুষ সত্যিই বেঁচে ছিলেন। কিন্তু তিনি আমাদের জীবন ও চিন্তাধারার সাথে এতটাই অপরিচিত ছিলেন, তিনি আমাদের কোনোভাবেই সাহায্য করতে পারেন না।</p>
::{{cite book|author=এর্ডম্যান হ্যারিস|title=অ্যাসোসিয়েশন মেন. অফিশিয়াল ম্যাগাজিন অব দ্য ওয়াই.এম.সি.এ.|url=https://books.google.com/books?id=8HnOAAAAMAAJ|volume=55|year=1929|publisher=ইয়াং মেনস ক্রিস্টিয়ান অ্যাসোসিয়েশন|page=৪৩৯এফ|chapter=দ্য ডিবংকার্স টার্ন অন জিসাস}}
*[আর. এম.] প্রাইস মনে করেন ঐতিহাসিক যিশুর পক্ষে প্রমাণ এতটাই দুর্বল যে আমরা তাঁর সম্পর্কে নিশ্চিত বা অর্থপূর্ণ কিছুই জানতে পারি না। তিনি এমনকি এমন একটি সম্ভাবনাও বিবেচনা করতে ইচ্ছুক যে ঐতিহাসিক যিশু বলে কখনোই কেউ ছিলেন না।
**{{cite book|last=ইভান্স|first=ক্রেগ এ.|title=ফ্যাব্রিকেটিং জিসাস: হাউ মডার্ন স্কলারস ডিস্টর্ট দ্য গসপেলস|url=http://books.google.com/books?id=iLYWWiXbrooC&pg=PA25|date=২৬ সেপ্টেম্বর ২০০৮|publisher=ইন্টারভার্সিটি প্রেস|isbn=978-0-8308-3355-9|page=২৫}}
*"[খ্রিস্ট পুরাণ] হলো এমন একটি তত্ত্ব, যা মনে করে, কোনো নামের ঐতিহাসিক যিশু অস্তিত্বশীল ছিলেন না। খ্রিস্টধর্ম একটি আধ্যাত্মিক, পৌরাণিক চরিত্রের প্রতি বিশ্বাস থেকে শুরু হয়েছিল। গসপেলগুলো মূলত রূপক ও কল্পকাহিনি, এবং '''গ্যালিলীয় প্রচার ঐতিহ্যের মূলে শনাক্তযোগ্য কোনো একক ব্যক্তি নেই'''।" সহজ ভাষায়, ঐতিহাসিক যিশুর অস্তিত্ব ছিল না। অথবা যদি থাকেও, তবে খ্রিস্টধর্ম প্রতিষ্ঠার সাথে তাঁর কার্যত কোনো সম্পর্ক ছিল না।
::এহরম্যান, বার্ট (২০১২) ''ডিড জিসাস এক্সিস্ট'' হার্পার কলিন্স, পৃষ্ঠা ১২)
*পুরাণবাদী দৃষ্টিভঙ্গির একটি ভালো, প্রত্যক্ষ ও সাম্প্রতিক বিবৃতির জন্য জর্জ এ. ওয়েলসের "ইন্ডিপেন্ডেন্ট কনফার্মেশন" দেখুন। যেমনটি স্পষ্ট হবে, একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক দিয়ে ওয়েলস অন্যান্য বেশিরভাগ পুরাণবাদীদের থেকে আলাদা: পৌত্তলিক দেবতাদের মিথ থেকে ঐতিহাসিক যিশুর আবিষ্কারকে খুঁজে বের করার বদলে, ওয়েলস মনে করেন এটি ইহুদি প্রজ্ঞার ঐতিহ্য থেকে এসেছে। সেখানে ঈশ্বরের প্রজ্ঞাকে এমন একটি মূর্ত সত্তা বলে মনে করা হতো, যিনি সৃষ্টির সময় তাঁর সাথে ছিলেন এবং তারপর মানুষের সাথে দেখা করতে এসেছিলেন (যেমন, হিতোপদেশ ৮ দেখুন)। [ওয়েলস, জর্জ এ. "ইজ দেয়ার ইন্ডিপেন্ডেন্ট কনফার্মেশন অব হোয়াট দ্য গসপেলস সে অব জিসাস?" ''ফ্রি ইনকোয়ারি'' ৩১ (২০১১): ১৯-২৫।]
**{{cite book|last=এহরম্যান|first=বার্ট ডি.|title=ডিড জিসাস এক্সিস্ট?: দ্য হিস্টোরিক্যাল আর্গুমেন্ট ফর জিসাস অব নাজারেথ|date=২০ মার্চ ২০১২|publisher=হার্পারকলিন্স|isbn=978-0-06-208994-6|page=৩৪৯, নং ২০}}
*[পৌরাণিক যিশু দৃষ্টিভঙ্গি মনে করে, একজন ঐতিহাসিক যিশু—যদি তিনি থেকেও থাকেন—] খ্রিস্টধর্ম প্রতিষ্ঠার সাথে তাঁর কার্যত কোনো সম্পর্ক ছিল না।
**{{cite book|last=এহরম্যান|first=বার্ট ডি.|title=ডিড জিসাস এক্সিস্ট?: দ্য হিস্টোরিক্যাল আর্গুমেন্ট ফর জিসাস অব নাজারেথ|chapterurl=http://books.google.com/books?id=hf5Rj8EtsPkC&pg=PT9|date=২০ মার্চ ২০১২|publisher=হার্পারকলিন্স|isbn=978-0-06-208994-6|page=১২|chapter=অ্যান ইন্ট্রোডাকশন টু দ্য মিথিক্যাল ভিউ অব জিসাস}}
*প্রায়শই পুরাণবাদী শিবিরে রাখা অন্যান্য লেখকরা কিছুটা ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপন করেন। তা হলো, সত্যিই একজন ঐতিহাসিক যিশু ছিলেন, কিন্তু তিনি খ্রিস্টধর্মের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন না। এই ধর্মটির শিকড় এর মূল অনুসারীদের দ্বারা আবিষ্কৃত পৌরাণিক খ্রিস্ট-চরিত্রের মধ্যে নিহিত। শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে আর্চিবল্ড রবিনসন এই দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। তিনি মনে করতেন, যিশু থাকলেও "আমরা এই যিশু সম্পর্কে প্রায় কিছুই জানি না।" (এ. রবার্টসন, ''জিসাস: মিথ অর হিস্ট্রি?'', ১০৭।) [রবার্টসন, আর্চিবল্ড। ''জিসাস: মিথ অর হিস্ট্রি?'' লন্ডন: ওয়াটস অ্যান্ড কোং, ১৯৪৬।]
**{{cite book|last=এহরম্যান|first=বার্ট ডি.|title=ডিড জিসাস এক্সিস্ট?: দ্য হিস্টোরিক্যাল আর্গুমেন্ট ফর জিসাস অব নাজারেথ|url=https://books.google.com/books?id=hf5Rj8EtsPkC&pg=PT15|date=২০ মার্চ ২০১২|publisher=হার্পারকলিন্স|isbn=978-0-06-208994-6|pages=১৯, ৩৪৮, নং ১০}}
*যিশুর সময়ের পৌত্তলিক লেখকেরা তাঁকে নিয়ে কী ধরনের কথা বলেন? কিছুই না। যতটা অদ্ভুত মনে হতে পারে, তাঁর কোনো পৌত্তলিক সমসাময়িকের দ্বারা যিশুর কোনো উল্লেখই নেই। কোনো জন্মসনদ, কোনো বিচারের প্রতিলিপি, কোনো মৃত্যুসনদ নেই; আগ্রহের কোনো প্রকাশ, কোনো উত্তপ্ত অপবাদ, কোনো পাসিং রেফারেন্স নেই—কিছুই নেই। [''জিসাস'' (১৯৯৯) ৫৬।]
::{{cite book|last=এহরম্যান|first=বার্ট ডি.|title=জিসাস: অ্যাপোক্যালিপটিক প্রফেট অব দ্য নিউ মিলেনিয়াম|url=https://books.google.com/books?id=U8_QCwAAQBAJ&pg=PA56|date=২৩ সেপ্টেম্বর ১৯৯৯|publisher=অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস|isbn=978-0-19-802888-8|page=৫৬}}
:*[[বার্ট ডি. এহরম্যান|বার্ট এহরম্যান]] এপি. {{cite web|last=পেরি|first=ফিলিপ|title=A Growing Number of Scholars Are Questioning the Historical Existence of Jesus|trans-title=ক্রমবর্ধমান সংখ্যক পণ্ডিত যিশুর ঐতিহাসিক অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন|url=http://bigthink.com/philip-perry/a-growing-number-of-scholars-are-questioning-the-existence-of-jesus|website=BigThink.com|publisher=[[বিগ থিংক|বিগ থিংক (ওয়েবসাইট)]]|accessdate=26 February 2017|date=২০ ডিসেম্বর ২০১৬}}
*প্রথম শতাব্দীর কোনো গ্রিক বা রোমান লেখক যিশুর কথা উল্লেখ করেননি। [...] কোনো সমসাময়িক প্রত্যক্ষদর্শী—পৌত্তলিক, ইহুদি বা খ্রিষ্টান—কারো কাছ থেকেই যিশুর কোনো উল্লেখ আমাদের কাছে নেই [...] নতুন নিয়মের গসপেলগুলো যিশুর জীবনের প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ নয়। [...] গসপেল লেখকেরা (যিশুর মৃত্যুর ঐতিহ্যগত তারিখের পঁয়ত্রিশ থেকে পঁয়ষট্টি বছর পর বাস করা বেনামী গ্রিকভাষী খ্রিষ্টানেরা) কেবল যিশুর জীবন থেকে তাদের শোনা ঘটনাগুলো লিখে রাখছিলেন।
**{{cite book|last=এহরম্যান|first=বার্ট ডি.|title=ডিড জিসাস এক্সিস্ট?: দ্য হিস্টোরিক্যাল আর্গুমেন্ট ফর জিসাস অব নাজারেথ|url=http://books.google.com/books?id=hf5Rj8EtsPkC|date=২০ মার্চ ২০১২|publisher=হার্পারকলিন্স|isbn=978-0-06-208994-6|pages=৪৩, ৪৬, ৪৯, ৭২}}
*[যিশুর ঐতিহ্যগত মৃত্যুর প্রায় একশ বছরের মধ্যে রচিত লেখাগুলোতে অ-খ্রিষ্টান পৌত্তলিকদের যিশুর উল্লেখের মতে] সেই সময়ের পরের লেখাগুলোকে প্রায় নিশ্চিতভাবেই তাঁর জীবনের স্বাধীন ও নির্ভরযোগ্য সাক্ষী হিসেবে বিবেচনা করা যায় না। বরং সেগুলো নিঃসন্দেহে লেখকেরা যিশু সম্পর্কে যা শুনেছিলেন (সম্ভবত তাঁর অনুসারীদের কাছ থেকে), তার ওপর ভিত্তি করেই রচিত হয়েছিল। [...] [পৌত্তলিক লেখার মতে] যিশুর মৃত্যুর ঐতিহ্যগত তারিখের (প্রায় ৩০ খ্রিস্টাব্দ) একশ বছরের মধ্যে পৌত্তলিক সূত্র থেকে টিকে থাকা একমাত্র উল্লেখ হলো এই তিনটি [যিশুর উল্লেখ]।
**{{cite book|last=এহরম্যান|first=বার্ট ডি.|title=ডিড জিসাস এক্সিস্ট?: দ্য হিস্টোরিক্যাল আর্গুমেন্ট ফর জিসাস অব নাজারেথ|url=https://books.google.com/books?id=hf5Rj8EtsPkC&pg=PT15|date=২০ মার্চ ২০১২|publisher=হার্পারকলিন্স|isbn=978-0-06-208994-6|pages=৫০, ৫৬}}
*[রবার্ট] প্রাইস মনে করেন ঐতিহাসিক যিশুর পক্ষে প্রমাণ এতটাই দুর্বল যে আমরা তাঁর সম্পর্কে নিশ্চিত বা অর্থপূর্ণ কিছুই জানতে পারি না। তিনি এমনকি এমন একটি সম্ভাবনাও বিবেচনা করতে ইচ্ছুক যে ঐতিহাসিক যিশু বলে কখনোই কেউ ছিলেন না। যিশুর প্রমাণ কি আসলেই এতটা দুর্বল? ইতিহাসে শিক্ষিত প্রায় কোনো পণ্ডিতই প্রাইসের নেতিবাচক সিদ্ধান্তের সাথে একমত হবেন না... আমার মতে গসপেলে প্রাইসের কাজ একটি দার্শনিক মানসিকতা দ্বারা পরাভূত, যা যেকোনো ধরনের ঐতিহাসিক গবেষণার সাথে সাংঘর্ষিক... প্রাইসের মধ্যে আমরা যা দেখি তা হলো, আমরা আগে যা দেখেছি: মৌলবাদ থেকে পলায়ন।
::ক্রেগ এ. ইভান্স, ''ফ্যাব্রিকেটিং জিসাস: হাউ মডার্ন স্কলারস ডিস্টর্ট দ্য গসপেলস'', ডাউনয়ার্স গ্রোভ, আইএল: ইন্টারভার্সিটি, ২০০৮, পৃষ্ঠা ২৫
*আমি সত্যিই [সি. এ.] গিসচেনের যুক্তিটিকে অত্যন্ত উসকানিমূলক ও বিশ্বাসযোগ্য বলে মনে করেছি, পল মানুষ হওয়ার আগে যিশুকে একজন ফেরেশতা হিসেবে বুঝতেন। তাঁর যুক্তিগুলো সুসান আর. গ্যারেটের বই ''নো অর্ডিনারি অ্যাঞ্জেলে'' একটি অত্যন্ত আকর্ষণীয় আলোচনার মাধ্যমে সমর্থিত ও অগ্রসর হয়েছে।
**{{cite web|last=এহরম্যান|first=বার্ট ডি.|title=Christ as an Angel in Paul|trans-title=পলের মধ্যে ফেরেশতা হিসেবে খ্রিস্ট|url=https://ehrmanblog.org/christ-as-an-angel-in-paul-2/|website=The Bart Ehrman Blog|accessdate=9 May 2017|date=৭ জুন ২০১৪}}
*আদি খ্রিস্টধর্ম সম্পর্কে আধুনিক বোঝাপড়ার ক্ষেত্রে সম্ভবত সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হলো এই উপলব্ধি, আগে যা ভাবা হয়েছিল তার বিপরীতে, এই ধর্মটি ব্যতিক্রমীভাবে বৈচিত্র্যময় ছিল।
**{{cite book|last=এহরম্যান|first=বার্ট ডি.|title=আফটার দ্য নিউ টেস্টামেন্ট: আ রিডার ইন আর্লি ক্রিস্টিয়ানিটি|url=https://books.google.com/books?id=2n_YAAAAMAAJ|year=1999|publisher=অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস|isbn=978-0-19-511445-4|page=১৩১|chapter=দ্য ডাইভার্সিটি অব আর্লি ক্রিস্টিয়ানিটি: রাইটিংস লেটার ডিমড হেরেটিক্যাল}}
*আদি খ্রিস্টধর্ম এখন আর মূলত একক নয়, বরং ব্যাপকভাবে বৈচিত্র্যময় বলে মনে হয়, যেমনটি ইউসেবিয়াস আমাদের বিশ্বাস করাতে চেয়েছিলেন। আমাদের একেবারে পুরোনো সূত্রগুলোতে এটি দেখা যায়।
**{{cite book|last=এহরম্যান|first=বার্ট ডি.|title=দ্য গ্রেট কোর্সেস: লস্ট ক্রিস্টিয়ানিটিজ গাইডবুক|date=২০০২|publisher=দ্য টিচিং কোম্পানি|page=৮৩|url=https://guidebookstgc.snagfilms.com/6593_LostChristianities.pdf|chapter=লেকচার ১৯: দ্য রাইজ অব আর্লি ক্রিস্টিয়ান অর্থোডক্সি|quote=[লস্ট ক্রিস্টিয়ানিটিজ: ক্রিস্টিয়ান স্ক্রিপচারস অ্যান্ড দ্য ব্যাটলস ওভার অথেন্টিকেশন]}}
*''আচার্য এস (দ্য ক্রাইস্ট কনস্পিরেসি) এবং টিমোথি ফ্রেক ও পিটার গ্যান্ডির (দ্য জিসাস মিস্ট্রিজ) মতো লেখকদের সম্পর্কে কী বলবেন, যারা বলেন যে যিশু কখনোই ছিলেন না এবং খ্রিস্টধর্ম একটি উদ্ভাবিত ধর্ম ছিল, যা গ্রিক রহস্য ধর্মের ইহুদি সমতুল্য?'' এটি একটি পুরোনো যুক্তি, যদিও এটি প্রতি ১০ বছর বা তার কাছাকাছি সময়ে আবির্ভূত হয়। এই বর্তমান উন্মাদনা যে খ্রিস্টধর্ম এই অন্যান্য রহস্য ধর্মগুলোর মতো একটি রহস্য ধর্ম ছিল—যারা এটি বলছেন তারা প্রায় সবসময়ই এমন মানুষ যারা রহস্য ধর্ম সম্পর্কে কিছুই জানেন না; তারা কয়েকটি জনপ্রিয় বই পড়েছেন, কিন্তু তারা রহস্য ধর্মের পণ্ডিত নন। বাস্তবতা হলো, আমরা রহস্য ধর্ম সম্পর্কে খুব কমই জানি—রহস্য ধর্মের মূল বিষয়টিই হলো তারা গোপন! তাই আমি মনে করি এমন একটি দাবি করার জন্য অজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে তৈরি করাটা পাগলামি। আমি মনে করি যিশু যে অস্তিত্বশীল ছিলেন তার প্রমাণ এতটাই অপ্রতিরোধ্য, তিনি অস্তিত্বশীল ছিলেন না তা নিয়ে কথা বলাটা বোকামি। আমি এমন কোনো দায়িত্বশীল ইতিহাসবিদকে চিনি না, যিনি ঐতিহাসিকভাবে প্রশিক্ষিত, অথবা পেশাদার বাইবেল পণ্ডিত হিসেবে কাজ করেন, যিনি এর কোনোটিতে বিশ্বাস করেন।
::বার্ট এহরম্যান, ডেভিড ভি. ব্যারেটের সাথে সাক্ষাৎকার, "দ্য গসপেল অ্যাকর্ডিং টু বার্ট", ''ফোর্টিন টাইমস'' (২২১), ২০০৭
*আমি মনে করি না এমন কোনো গম্ভীর ইতিহাসবিদ আছেন যিনি যিশুর অস্তিত্ব নিয়ে সন্দেহ করেন। এমন অনেক মানুষ আছেন যারা চাঞ্চল্যকর বই লিখতে চান এবং অনেক অর্থ উপার্জন করতে চান যারা বলেন যিশুর অস্তিত্ব ছিল না। তবে আমি কোনো গম্ভীর পণ্ডিতকে চিনি না যিনি যিশুর অস্তিত্ব নিয়ে সন্দেহ করেন।
::বার্ট এহরম্যান, রেজিনাল্ড ভি. ফিনলে সিনিয়রের সাথে সাক্ষাৎকার, "হু চেঞ্জড দ্য নিউ টেস্টামেন্ট অ্যান্ড হোয়াই", দ্য ইনফিদেল গাই শো, ২০০৮
*পশ্চিমা বিশ্বের কোনো স্বীকৃত উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিউ টেস্টামেন্ট বা আদি খ্রিস্টধর্ম বা এমনকি ক্লাসিক পড়ান এমন একজন পুরাণবাদীও নেই। আর এর কারণ কী তা আশ্চর্যের কিছু নয়। এই দৃষ্টিভঙ্গিগুলো এতটাই চরম এবং ৯৯.৯৯ শতাংশ প্রকৃত বিশেষজ্ঞদের কাছে এতটাই অবিশ্বস্ত, এগুলো ধারণকারী যে কারো ধর্মতত্ত্বের একটি প্রতিষ্ঠিত বিভাগে শিক্ষকতার চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা ঠিক ততটাই, যতটা একজন ছয়-দিনের সৃজনবাদীর জীববিজ্ঞানের কোনো প্রকৃত বিভাগে চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা।
::বার্ট ডি. এহরম্যান, "ডিড জিসাস এক্সিস্ট", হাফিংটন পোস্ট, ২০ মার্চ ২০১২
* এর অনেক প্রমাণ আছে। এত প্রমাণ আছে... আমি জানি আপনি যে ভিড়ে ঘুরে বেড়ান, সেখানে সাধারণত মনে করা হয় যিশুর অস্তিত্ব ছিল না। আমি আপনাকে বলি, আপনি একবার আপনার দলের বাইরে গেলে সেখানে কেউ নেই। প্রাচীনকালের পণ্ডিতদের কাছে এটি কোনো সমস্যাই নয়। পশ্চিমা বিশ্বের কোনো কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাসিক, প্রাচীন ইতিহাস, নতুন নিয়ম, আদি খ্রিস্টধর্ম বা কোনো সম্পর্কিত ক্ষেত্রে শিক্ষকতা করেন এমন কোনো পণ্ডিত নেই যিনি যিশু সত্যিই ছিলেন কি না তা নিয়ে সন্দেহ করেন। এখন এটি কোনো প্রমাণ নয়। শুধু সবাই এমনটা মনে করে বলেই এটি প্রমাণ হয়ে যায় না। তবে আপনি যদি সৃষ্টিবাদের তত্ত্বের বিপরীতে বিবর্তনের তত্ত্ব সম্পর্কে জানতে চান, এবং বিশ্বের প্রতিটি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি পণ্ডিত বিবর্তনে বিশ্বাস করেন, তবে এটি প্রমাণ নাও হতে পারে। তবে আপনার যদি ভিন্ন মত থাকে, তবে আপনার নিজের কাছে একটি বেশ ভালো প্রমাণ থাকা উচিত... মানুষ যিশুর অস্তিত্বে বিশ্বাস করে কারণ তিনি আদি সূত্রগুলোতে প্রচুরভাবে প্রমাণিত... আদি ও স্বাধীন সূত্রগুলো নিশ্চিতভাবে নির্দেশ করে, যিশু অস্তিত্বশীল ছিলেন। [[টারসাসের পল|একজন লেখকের]] কথা আমরা জানি, যিনি যিশুর ভাইকে চিনতেন। আর যিশুর সবচেয়ে কাছের শিষ্য পিটারকে চিনতেন। তিনি যিশুর সবচেয়ে কাছের শিষ্য এবং তাঁর ভাই দুজনেরই একজন প্রত্যক্ষদর্শী। তাই, আমি দুঃখিত কিন্তু, আমি আপনার অবিশ্বাসের প্রতি সম্মান জানাই, কিন্তু আপনি যদি প্রমাণের দিকে যেতে চান... আমি মনে করি নাস্তিকরা পুরাণবাদের দলে ভিড়ে নিজেদের ক্ষতি করেছেন কারণ, সত্যি বলতে, এটি আপনাকে বাইরের বিশ্বের কাছে বোকা বানায়। আপনি যদি এটিই বিশ্বাস করতে চান, তবে আপনাকে শুধু বোকাই মনে হবে। যিশু ছিলেন না এমন একটি তত্ত্ব নিয়ে আসার চেয়ে ঐতিহাসিক প্রমাণ নিয়ে চলা এবং ঐতিহাসিকভাবে যুক্তি দেওয়াটা আপনার জন্য অনেক ভালো।
** [[বার্ট ডি. এহরম্যান]], [https://www.youtube.com/watch?v=VAhw2cVRVsA ফ্রিডম ফ্রম রিলিজিয়ন ফাউন্ডেশন লেকচার] প্রশ্নোত্তর পর্ব (৩ মে ২০১৪)
*'''ফিনলে:''' চ্যাট রুমে কিছু লোক দ্বিমত পোষণ করছেন, অবশ্যই, কিন্তু তারা বলছেন যে আসলে কোনো শক্ত প্রমাণ নেই, যদিও... আমার মানে... কিন্তু কোনো... কোনো প্রমাণ নেই, সত্যিই, যিশুর অস্তিত্ব ছিল এমন কোনো প্রমাণ নেই, মানুষ তাঁকে নিয়ে যা বলছিল তা ছাড়া। কিন্তু... '''এহরম্যান:''' আমি মনে করি... আমি এর সাথে দ্বিমত পোষণ করি। '''ফিনলে:''' সত্যি? '''এহরম্যান:''' আমার মানে, জুলিয়াস সিজারের অস্তিত্ব ছিল এর কী শক্ত প্রমাণ আছে? '''ফিনলে:''' আচ্ছা, এটি হলো... এটি একই ধরণের যুক্তি যা ধর্মরক্ষকেরা যিশুর অস্তিত্বের জন্য ব্যবহার করেন, যাইহোক। তারা একই কথা বলতে ভালোবাসেন যা আপনি কেবল জুলিয়াস... এর জন্য আপনার কাছে কী ধরনের প্রমাণ আছে তা নিয়ে বললেন। '''এহরম্যান:''' আচ্ছা, আমার মানে, এটি... তবে এটি কেবল একটি সাধারণ... এটি কেবল... এটি একটি ঐতিহাসিক বিষয়; আমার মানে, আপনি অতীতের কোনো ব্যক্তির ঐতিহাসিক অস্তিত্ব কীভাবে প্রতিষ্ঠিত করবেন? '''ফিনলে:''' আমি মনে করি... আমি মনে করি এটি দাবির ওপর নির্ভর করে... ঠিক, এটি নির্দিষ্ট ব্যক্তির সম্পর্কে সেই নির্দিষ্ট সময়ে মানুষের করা দাবি এবং সমাজে তাদের প্রভাবের ওপর নির্ভর করে... '''এহরম্যান:''' এটি কেবল দাবি নয়। এখানে... একজনকে ঐতিহাসিক প্রমাণের দিকে তাকাতে হবে। আর যদি আপনি... আপনি যদি বলেন যে ঐতিহাসিক প্রমাণ গণনা করা হয় না, তবে আমি মনে করি আপনি বিশাল সমস্যায় পড়বেন। কারণ তাহলে, কীভাবে... আমার মানে... তাহলে কেন শুধু হলোকাস্ট অস্বীকার করবেন না?
::বার্ট এহরম্যান, রেজিনাল্ড ভি. ফিনলে সিনিয়রের সাথে সাক্ষাৎকার, "হু চেঞ্জড দ্য নিউ টেস্টামেন্ট অ্যান্ড হোয়াই", দ্য ইনফিদেল গাই শো, ২০০৮
*এমন একটি সমাজে যেখানে মানুষ এখনও দাবি করে, হলোকাস্ট ঘটেনি, এবং যেখানে আমেরিকান প্রেসিডেন্ট আসলে বিদেশি মাটিতে জন্মগ্রহণকারী একজন মুসলিম বলে জোরালো দাবি করা হয়, সেখানে পশ্চিমা সভ্যতার ইতিহাসের সবচেয়ে মহান ব্যক্তিত্ব, এমন একজন মানুষ যাঁর ওপর বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ও প্রভাবশালী সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান—খ্রিষ্টান গির্জা—নির্মিত হয়েছিল, যেই মানুষটি আক্ষরিক অর্থেই আজ কোটি কোটি মানুষের দ্বারা উপাসিত হচ্ছেন—সেই যিশুর অস্তিত্বই ছিল না বলে শোনাটা কি কোনো আশ্চর্যের বিষয়?
::বার্ট ডি. এহরম্যান, "ডিড জিসাস এক্সিস্ট?", হাফিংটন পোস্ট, ৩০ মার্চ ২০১২
==ফ==
*একটি চরমপন্থী সমাধান ছিল যিশু সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য জ্ঞানের সম্ভাবনাকে অস্বীকার করা। আর এর থেকেই খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্বের বিকাশ ঘটে, যা অনুসারে ঐতিহাসিক চরিত্র হিসেবে যিশু কখনো ছিলেনই না এবং গসপেলগুলোর খ্রিস্ট ছিলেন একটি মসিহবাদী সম্প্রদায়ের সামাজিক সৃষ্টি।
::উইলিয়াম আর. ফার্মার, "আ ফ্রেশ অ্যাপ্রোচ টু কিউ", জ্যাকব নিউজনারের ''ক্রিস্টিয়ানিটি, জুডাইজম অ্যান্ড আদার গ্রিকো-রোমান কাল্টস'', ৪, লিডেন: ব্রিল, ১৯৭৫, পৃষ্ঠা ৪৩
*ইতিহাসবিদদের কাছে যিশু সত্যিই বেঁচে ছিলেন কি না তা নিয়ে কোনো গুরুতর প্রশ্ন নেই। বাইবেলে যেভাবে তাঁকে বর্ণনা করা হয়েছে, তিনি সত্যিই তেমন ছিলেন কি না তা নিয়ে সত্যিকারের সমস্যা রয়েছে। তাঁর জীবনের নির্দিষ্ট ঘটনাগুলো নিয়েও সমস্যা রয়েছে। তবে প্রথম শতাব্দীতে গ্যালিলিতে বসবাসকারী একজন বাস্তব মানুষ হিসেবে যিশুকে নিয়ে কোনো গম্ভীর প্রাচীন ইতিহাসবিদ সন্দেহ করেন না।
::ক্রিস ফোর্বস, জন ডিকসনের সাথে সাক্ষাৎকার, "জেইটজিস্ট: টাইম টু ডিসকার্ড দ্য ক্রিস্টিয়ান স্টোরি?", সেন্টার ফর পাবলিক ক্রিস্টিয়ানিটি, ২০০৯
*বুদ্ধ ও খ্রিস্ট উভয়ের ঐতিহাসিক বাস্তবতাকে কখনো কখনো সন্দেহ বা অস্বীকার করা হয়েছে। আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট ও শার্লেমেনকে ঘিরে যেই কিংবদন্তিগুলো জমে উঠেছে, সেগুলোর কারণে তাদের ঐতিহাসিক অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলাটা ততটাই যৌক্তিক হবে... মহান মানুষদের প্রভাব ছাড়া ইতিহাস ব্যাখ্যা করার চেষ্টা সাধারণ মানুষের অহংকারকে খুশি করতে পারে, কিন্তু এটি দার্শনিক ইতিহাসবিদের সমর্থন পাবে না।
::জেমস ফ্রেজার, ''দ্য গোল্ডেন বাউ: আ স্টাডি ইন ম্যাজিক অ্যান্ড রিলিজিয়ন'', ৭ (৩য় সংস্করণ), লন্ডন: ম্যাকমিলান, ১৯১৯, পৃষ্ঠা ৩১১
*আমি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে চাই যে আমার তত্ত্ব নাজারেথের যিশুর ঐতিহাসিক বাস্তবতাকে অনুমান করে... যিনি খ্রিস্টধর্ম প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এবং পন্টিয়াস পিলেটের শাসনামলে জেরুজালেমে ক্রুশবিদ্ধ হয়েছিলেন। ...কেবল খ্রিস্টের জীবন ও মৃত্যুর বিস্তারিত বিবরণগুলোই অনিশ্চয়তার কুয়াশায় ঢাকা রয়েছে এবং সম্ভবত সবসময়ই থাকবে।
**{{cite book|last=ফ্রেজার|first=স্যার জেমস জর্জ|title=দ্য গোল্ডেন বাউ: আ স্টাডি ইন ম্যাজিক অ্যান্ড রিলিজিয়ন|url=https://books.google.com/books?id=UnsIAQAAIAAJ&pg=PA412|volume=9|year=1913|publisher=ম্যাকমিলান অ্যান্ড কোম্পানি, লিমিটেড|page=৪১২ নং ১|quote=[https://books.google.com/books/content?id=UnsIAQAAIAAJ&pg=PA412&img=1&zoom=3&hl=en&sig=ACfU3U3mwBeJYd_Gf9bSe0_vhmTF8jbIPQ&ci=175%2C1058%2C368%2C155&edge=0 পৃষ্ঠা ৪১২]-এর চিত্র গুগল বুকসে}}
*একজন ঐতিহাসিক চরিত্র যিশুর অস্তিত্ব ছিল, এর কোনো বিন্দুমাত্র প্রমাণও নেই। উদাহরণস্বরূপ, খ্রিস্টধর্ম উচ্চ সাহিত্যিক ও ক্যাথার্টিক মানের আখ্যানমূলক কল্পকাহিনির ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। (...) আমাদের কাছে যা আছে তার সাথে ওপরেরগুলোর তুলনা করা সম্ভব নয়, অর্থাৎ, ঐতিহাসিক চরিত্র যিশুর অস্তিত্বের কোনো প্রমাণই নেই।
::ফিশার, রোল্যান্ড (১৯৯৪) "অন দ্য স্টোরি-টেলিং ইম্পারেটিভ দ্যাট উই হ্যাভ ইন মাইন্ড" অ্যানথ্রোপলজি অব কনশাসনেস। ডিসে ১৯৯৪, ভলিউম ৫, নং ৪: ১৬
*[জশুয়া নামটিকে ফিলোর "প্রভুর পরিত্রাণ" হিসেবে ব্যাখ্যার মতে] যেহেতু জশুয়া [হোশেয়া] একজন এত চমৎকার ব্যক্তি, তাই তাঁর এই "সবচেয়ে চমৎকার নামগুলো" (ὄνομα τῆς άρίστης) পাওয়াটাই বেশি মানানসই হবে। [অন দ্য চেঞ্জ অব নেমস - ডি মিউটেশনে নমিনাম - ''মুট.'']
**{{cite book|last=ফারবার|first=জেভ|title=ইমেজেস অব জশুয়া ইন দ্য বাইবেল অ্যান্ড দেয়ার রিসেপশন|url=https://books.google.com/books?id=9rKvDAAAQBAJ&pg=PA159|date=১১ জুলাই ২০১৬|publisher=ডি গ্রুটার|isbn=978-3-11-034336-6|page=১৫৯}}
*যিশু সম্পর্কে আমরা যা জানতে পারি [তার মতে]। উদাহরণস্বরূপ, একজন ইতিহাসবিদ হিসেবে আমি নিশ্চিতভাবে জানি না যে যিশুর সত্যিই অস্তিত্ব ছিল কি না, অথবা তিনি কিছু অতিসক্রিয় কল্পনার ফসল ছাড়া আর কিছু কি না। [...] আমার মতে, নাজারেথের যিশু সম্পর্কে এমন কিছুই নেই যা আমরা সব সন্দেহের ঊর্ধ্বে গিয়ে জানতে পারি।
**{{cite journal|last=ফাঙ্ক|first=রবার্ট ডব্লিউ.|title=The Resurrection of Jesus|trans-title=যিশুর পুনরুত্থান|journal=দ্য ফোর্থ আর|date=জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি ১৯৯৫|volume=8|issue=1|pages=৯|url=https://www.westarinstitute.org/resources/more-about-the-fourth-r/|publisher=[[ওয়েস্টার ইনস্টিটিউট]]}}
*একটি চরমপন্থী সমাধান ছিল যিশু সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য জ্ঞানের সম্ভাবনাকে অস্বীকার করা। আর এর থেকেই খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্বের বিকাশ ঘটে, যা অনুসারে ঐতিহাসিক চরিত্র হিসেবে যিশু কখনো ছিলেনই না এবং গসপেলগুলোর খ্রিস্ট ছিলেন একটি মসিহবাদী সম্প্রদায়ের সামাজিক সৃষ্টি।
::উইলিয়াম আর. ফার্মার, "আ ফ্রেশ অ্যাপ্রোচ টু কিউ", জ্যাকব নিউজনারের ''ক্রিস্টিয়ানিটি, জুডাইজম অ্যান্ড আদার গ্রিকো-রোমান কাল্টস'', ৪, লিডেন: ব্রিল, ১৯৭৫, পৃষ্ঠা ৪৩
* আমার তত্ত্ব নাজারেথের যিশুর ঐতিহাসিক বাস্তবতাকে অনুমান করে।
::ফ্রেজার, স্যার জেমস জর্জ (১৯১৩) ''দ্য গোল্ডেন বাউ: আ স্টাডি ইন ম্যাজিক অ্যান্ড রিলিজিয়ন: ভলিউম ৯'' পৃষ্ঠা ৪১২;
::ফ্রেজার ও অন্যান্যদের মতে, [[আলবার্ট শোয়েইটজার]] তাঁর কাজের ১৯১৩ সালের সংশোধিত সংস্করণ ''গেশিখটে ডের লেবেন-জিসু-ফরশুং'', ২য় সংস্করণে দুটি নতুন অধ্যায় যুক্ত করেছিলেন। "আমি বিশেষভাবে পরবর্তী ইহুদি এস্ক্যাটোলজির আরও পুঙ্খানুপুঙ্খ ব্যাখ্যা করতে চেয়েছিলাম এবং জন এম. রবার্টসন, উইলিয়াম বেঞ্জামিন স্মিথ, জেমস জর্জ ফ্রেজার, আর্থার ড্রিউস ও অন্যান্যদের কাজ নিয়ে আলোচনা করতে চেয়েছিলাম, যারা যিশুর ঐতিহাসিক অস্তিত্ব নিয়ে বিতর্ক করেছিলেন।" (শোয়েইটজার (১৯৩১), ''আউট অব মাই লাইফ অ্যান্ড থট: অ্যান অটোবায়োগ্রাফি'', পৃষ্ঠা ১২৫।)
::"যদিও ফ্রেজার যিশুর অস্তিত্ব নিয়ে সন্দেহ করেননি, বা খ্রিষ্টানরা যিশুর অনৈতিহাসিকতা উদ্ভাবন করেছে বলেও দাবি করেননি, তবুও তাঁর কাজ এমন অনেকের জন্য ধারণা ও উপাত্তের একটি উৎস বই হয়ে উঠেছিল যারা তা করেছিল। আসলে শোয়েইটজার ফ্রেজারকে এমন পণ্ডিতদের একটি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন যারা 'যিশুর ঐতিহাসিক অস্তিত্ব নিয়ে বিতর্ক করেছিলেন'।" - বেনেট, ক্লিনটন (২০০১) ''ইন সার্চ অব জিসাস: ইনসাইডার অ্যান্ড আউটসাইডার ইমেজেস'', পৃষ্ঠা ২০৫)
==গ==
*ড্রিউস, রবার্টসন, ডব্লিউ. বি. স্মিথ, কাউচাউড বা স্টাহলের পদ্ধতিতে কতটা অনুমানমূলক, ভাসা-ভাসা মিল ও বিতর্কিত ব্যাখ্যা প্রবেশ করে তা দেখানো খুব সহজ হবে... একমাত্র যিশুর ব্যক্তিত্বের ঐতিহাসিক বাস্তবতাই আমাদের খ্রিস্টধর্মের জন্ম ও বিকাশ বুঝতে সাহায্য করে। অন্যথায় তা একটি ধাঁধা, এবং আক্ষরিক অর্থেই একটি অলৌকিক ঘটনা হয়ে থাকবে।
::মরিস গোগুয়েল, ''জিসাস দ্য নাজারেথ: মিথ অর হিস্ট্রি?'', লন্ডন: টি. ফিশার আনউইন, ১৯২৬, পৃষ্ঠা ৩০ এবং ২৪৪
*যদিও 'দ্য ক্রাইস্ট মিথ' অনেক অশিক্ষিত মানুষকে শঙ্কিত করেছিল, তবে এটি ঐতিহাসিক মহলে কেবল অলিম্পিয়ান ঘৃণাই জাগিয়েছিল, যারা যিশুর অস্তিত্ব সম্পর্কে নিশ্চিত ছিলেন... খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্বটি তাই ঐতিহাসিক বিশেষজ্ঞদের খুব একটা সমর্থন পায়নি। তাদের মতে, এটি একটি বিকৃত থিসিস প্রমাণের চেষ্টা করেছিল। এটি অত্যন্ত বৈচিত্র্যময় উৎসের পুরাণগুলোর মধ্যে সবচেয়ে অকল্পনীয়, এমনকি উদ্ভট সংযোগ আঁকার মাধ্যমে এগিয়েছিল। তত্ত্বটির গুরুত্ব ইতিহাসবিদদের কাছে এর বিশ্বাসযোগ্যতার মধ্যে ছিল না (কারণ এর কোনো বিশ্বাসযোগ্যতা ছিল না), বরং এই বাস্তবতার মধ্যে ছিল যে এটি ধর্মতত্ত্ববিদদের বিশ্বাস ও ইতিহাসের প্রশ্নগুলোর ওপর নতুন করে চিন্তাভাবনা করার আমন্ত্রণ জানিয়েছিল।
::ব্রায়ান এ. গেরিশ, ''দ্য ওল্ড প্রোটেস্ট্যান্টিজম অ্যান্ড দ্য নিউ: এসেজ অন দ্য রিফর্মেশন হেরিটেজ'', লন্ডন: টি. অ্যান্ড টি. ক্লার্ক, ২০০৪, পৃষ্ঠা ২৩১ এবং ২৩৩
*সংক্ষেপে, আধুনিক সমালোচনামূলক পদ্ধতিগুলো খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্বকে সমর্থন করতে ব্যর্থ হয়। এটি 'প্রথম সারির পণ্ডিতদের দ্বারা বারবার খণ্ডিত ও ধ্বংস করা হয়েছে'। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে 'কোনো গম্ভীর পণ্ডিত যিশুর অস্তিত্বহীনতাকে অনুমান করার সাহস করেননি'—বা অন্তত খুব কম জনই করেছেন। এবং তারা এর বিপরীত অনেক শক্তিশালী, এমনকি অত্যন্ত প্রচুর প্রমাণ খারিজ করতেও সফল হননি।
::মাইকেল গ্রান্ট, ''জিসাস: অ্যান হিস্টোরিয়ানস রিভিউ অব দ্য গসপেলস'', নিউ ইয়র্ক: স্ক্রিবনার, ১৯৯৫, পৃষ্ঠা ২০০
*কেউ যদি প্রাচীনকাল নিয়ে কাজ করা বড় বড় পণ্ডিত সমাজের সদস্যদের জরিপ করতে পারতেন, তবে মুষ্টিমেয় কয়েকজনের বেশি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন হতো যারা বিশ্বাস করেন, নাজারেথের যিশু সাধারণ যুগের প্রথম তিন দশকে ফিলিস্তিনের ধুলোমাখা পথে হাঁটেননি। ঐতিহাসিক চরিত্র হিসেবে যিশুর প্রমাণ অকাট্য।
::ডব্লিউ. ওয়ার্ড গ্যাসক, "দ্য লিডিং রিলিজিয়ন রাইটার ইন কানাডা... ডাজ হি নো হোয়াট হি'স টকিং অ্যাবাউট?", ''হিস্ট্রি নিউজ নেটওয়ার্ক'', ২০০৪
*সম্ভবত এর চেয়েও বেশি আকর্ষণীয় (এবং সম্ভবত হতবাক করার মতো) বিষয় হলো এহরম্যানের দাবি: "পলের মতে যিশু ছিলেন ঈশ্বরের ফেরেশতা। আর তাই পৃথিবীতে আসার আগে তিনিও ঈশ্বরের প্রজ্ঞা [মূর্ত] ছিলেন।"
**ড্যানিয়েল এন. গুলোট্টা (১২ মার্চ ২০১৫)। "[https://web.archive.org/web/20150315020224/https://danielngullotta.com/2015/03/12/review-how-jesus-became-god-the-exaltation-of-a-jewish-preacher-from-galilee/ রিভিউ: হাউ জিসাস বিকেম গড: দ্য এক্সল্টেশন অব আ জিউইশ প্রিচার ফ্রম গ্যালিলি]"। danielngullotta.com। (আর্কাইভের তারিখ ১৫ মার্চ ২০১৫)
*স্টিভ্যান এল. ডেভিসের মতো, আমিও বিশ্বাস করি যে "ঐতিহাসিক যিশু তত্ত্বের কথিত সাধারণ জ্ঞানে পুরাণবাদীরা এমন কিছু সমস্যা খুঁজে পেয়েছেন, যা গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা উচিত।" (স্টিভ্যান ডেভিস, ''স্পিরিট পজেশন অ্যান্ড দ্য অরিজিনস অব ক্রিস্টিয়ানিটি'' (ডাবলিন: বার্ডিক প্রেস, ২০১৪), ৪।)
**{{cite web|last=গুলোট্টা|first=ড্যানিয়েল এন.|title=Why You Should Read Carrier’s On the Historicity of Jesus|trans-title=ক্যারিয়ারের অন দ্য হিস্টোরিসিটি অব জিসাস আপনার কেন পড়া উচিত|url=https://danielngullotta.com/2015/02/04/why-you-should-read-carriers-on-the-historicity-of-jesus/|archiveurl=https://web.archive.org/web/20150214043512/https://danielngullotta.com/2015/02/04/why-you-should-read-carriers-on-the-historicity-of-jesus/|archivedate=14 February 2015|date=২ ফেব্রুয়ারি ২০১৫}}
*[আসুন আমরা স্বীকার করি যে তথাকথিত সব পৌত্তলিক ও ইহুদি প্রমাণ [যিশুর বিষয়ে] আমাদের যিশুর জীবন সম্পর্কে কোনো কার্যকর তথ্য দেয় না, এমনকি তিনি যে বেঁচে ছিলেন তার নিশ্চিততাও দেয় না]।
**{{cite book|author=চার্লস গুইগনেবার্ট|title=জিসাস|url=https://books.google.com/books?id=jYoMvgAACAAJ|year=1933|publisher=লা রেনেসাঁ দু লিভর|page=২৩|volume=এল’এভোলিউশন ডে ল’হিউম্যানিটে. সিন্থেস কালেক্টিভ ২৯|location=প্যারিস}}
*যিশুর অস্তিত্বের বিষয়ে ঐতিহ্যগত প্রমাণের চরম সমালোচনা ব্রুনো বাউয়ারের তৈরি দুটি প্রধান যুক্তির ওপর নির্ভর করে: ১. খ্রিষ্টান লেখাগুলোর বাইরে যিশুর সমসাময়িক সাহিত্য আমাদের তাঁর সম্পর্কে কিছুই বলে না। ২. নতুন নিয়মের সাহিত্য তার অসংগতি, স্ববিরোধিতা, সুস্পষ্ট প্রক্ষিপ্ত অংশ ও বিশাল অসম্ভাব্যতার কারণে একটি বিশ্বাসযোগ্য ঐতিহাসিক উৎস হিসেবে বিবেচিত হতে পারে না।
**{{cite book|last=গুইগনেবার্ট|first=চার্লস|title=লা গ্র্যান্ড রিভ্যু|url=https://catalog.hathitrust.org/Record/007909849|volume=79|year=1913|page=১৭৩|chapter=লে প্রোব্লেম ডে ল'এক্সিসটেন্স ডে জেসাস}}
*[পল-লুই কৌচাউডের লেখার মতে] যিশুর ঐতিহাসিক অস্তিত্ব নিয়ে বিতর্ক... [ফ্রান্সে] একটি নতুন রূপে আবির্ভূত হয়েছিল, যা ড্রিউস, জে. এম. রবার্টসন ও ডব্লিউ. বি. স্মিথের তত্ত্ব থেকে সম্পূর্ণ আলাদা ছিল। যিশুর ইতিহাস একটি পুরাণ—এই থিসিসের নতুন দিকটি বর্ণনা করা এবং এই বিতর্কের উৎপত্তি ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করা বেশ আগ্রহের বিষয়।
::{{cite journal|last=গোগুয়েল|first=মরিস|title=Recent French Discussion of the Historical Existence of Jesus Christ|trans-title=যিশু খ্রিস্টের ঐতিহাসিক অস্তিত্ব নিয়ে সাম্প্রতিক ফরাসি আলোচনা|journal=হার্ভার্ড থিওলজিক্যাল রিভিউ|date=এপ্রিল ১৯২৬|volume=19|issue=02|pages=১১৫|doi=10.1017/S001781600000763X|url=https://www.cambridge.org/core/journals/harvard-theological-review/article/div-classtitlerecent-french-discussion-of-the-historical-existence-of-jesus-christdiv/67E220B531FE6D3C81EE56D5EFFF4FA4}}
* এই [চরমপন্থী ন্যূনতমতাবাদী] উপসংহারগুলো যতই নেতিবাচক মনে হোক না কেন, এদের পুরাণবাদীদের তত্ত্ব থেকে কঠোরভাবে আলাদা করতে হবে। যেসব সমালোচককে আমরা [চরমপন্থী] ন্যূনতমতাবাদী বলতে পারি তাদের মতে, যিশু বেঁচে ছিলেন ঠিকই, কিন্তু তাঁর জীবনী আমাদের কাছে প্রায় পুরোপুরি অজানা। অন্যদিকে পুরাণবাদীরা ঘোষণা করেনতিনি কখনোই অস্তিত্বশীল ছিলেন না এবং তাঁর ইতিহাস, বা আরও নিখুঁতভাবে তাঁর সম্পর্কে গড়ে ওঠা কিংবদন্তিটি বিভিন্ন প্রবণতা ও ঘটনার কারণে তৈরি হয়েছে। যেমন, পুরোনো নিয়মের পাঠ্যের ভবিষ্যদ্বাণীমূলক ব্যাখ্যা, দর্শন, পরমানন্দ, অথবা প্রথম খ্রিষ্টানদের বসবাসের শর্তগুলো তাদের তথাকথিত প্রতিষ্ঠাতার গল্পের ওপর আরোপ করা।
::{{cite journal|last=গোগুয়েল|first=মরিস|title=Recent French Discussion of the Historical Existence of Jesus Christ|trans-title=যিশু খ্রিস্টের ঐতিহাসিক অস্তিত্ব নিয়ে সাম্প্রতিক ফরাসি আলোচনা|journal=হার্ভার্ড থিওলজিক্যাল রিভিউ|date=এপ্রিল ১৯২৬|volume=19|issue=02|pages=১১৫–১৪২|doi=10.1017/S001781600000763X|url=https://www.cambridge.org/core/journals/harvard-theological-review/article/div-classtitlerecent-french-discussion-of-the-historical-existence-of-jesus-christdiv/67E220B531FE6D3C81EE56D5EFFF4FA4}}
==হ==
*সেই সময়ে 'খ্রিস্ট-পুরাণ' তত্ত্বের পুনরুত্থান বাইবেল সমালোচনার প্রতিরক্ষায় কোনো সাহায্য করেনি। এই তত্ত্বে যিশুর অস্তিত্ব কখনোই ছিল না বলে দাবি করা হয়েছিল। তবে ইংল্যান্ডে এই দাবি কট্টর কিন্তু স্বাধীন এফ. সি. কনিবেয়ার দ্বারা খণ্ডিত হয়েছিল।
::উইলিয়াম হরবারি, "দ্য নিউ টেস্টামেন্ট", আর্নেস্ট নিকলসনের ''আ সেঞ্চুরি অব থিওলজিক্যাল অ্যান্ড রিলিজিয়াস স্টাডিজ ইন ব্রিটেনে'', অক্সফোর্ড: অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস, ২০০৩, পৃষ্ঠা ৫৫
*যিশু কখনোই ছিলেন না—এই থিসিসটি অন্তত এক শতাব্দী ধরে নতুন নিয়মের গবেষণার প্রান্তে ঘোরাফেরা করলেও, এটি কখনোই মূলধারার তত্ত্ব হিসেবে গৃহীত হয়নি। এর ভালো কারণও আছে। এটি নিছক একটি খারাপ অনুমান, যা নীরবতা, বিশেষ সুবিধা ও প্রচুর কাল্পনিক আশার ওপর ভিত্তি করে তৈরি। এটি সত্যিই বিদ্রূপাত্মক যে কিছু নাস্তিক এই ধারণায় বিশ্বাস করে তাদের [[সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনা|সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনার]] সব দাবি পিছনে ফেলে দেয়।
::জেমস হ্যানাম, "ইজ জিসাস ক্রাইস্ট আ মিথ?" (প্রথম পর্ব), প্যাথিওস, ২০১০, অনুচ্ছেদ ১
*আমার এ কথাও উল্লেখ করা উচিত, অস্তিত্বহীনতা থিসিসের প্রতি পণ্ডিতদের সংকোচের সবচেয়ে বড় কারণটি সাধারণ জ্ঞানের চেয়ে একাডেমিক নিয়োগের (এর নিরাপত্তার ক্ষেত্রে) সাথে বেশি সম্পর্কিত। ঠিক যেমনটি স্ট্রসের মতো মধ্যপন্থী হেগেলিয়ানরা আবিষ্কার করেছিলেন।
::আর. জোসেফ হফম্যান - ভ্রিডারের পোস্ট "ক্রাইস্ট মিথ অ্যান্ড হলোকাস্ট ডিনায়ালে" আরজোসেফহফম্যানের মন্তব্য — ১৭ জুন ২০১০
*ড. ওয়েলস সেখানে উপস্থিত ছিলেন [অর্থাৎ মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সিম্পোজিয়ামে] এবং তিনি তাঁর চরমপন্থী থিসিস উপস্থাপন করেন, হয়তো যিশু কখনোই ছিলেন না। আজকাল কার্যত কেউই এই অবস্থান সমর্থন করেন না। বলা হয় যে কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. মর্টন স্মিথ, যিনি নিজেও একজন সংশয়বাদী, এর উত্তরে বলেছিলেন যে ড. ওয়েলসের দৃষ্টিভঙ্গি "উদ্ভট"।
::গ্যারি হ্যাবারমাস, ''ডিড জিসাস রাইজ ফ্রম দ্য ডেড?: দ্য রেজারেকশন ডিবেটে'', সান ফ্রান্সিসকো: হার্পারকলিন্স, ১৯৮৯, পৃষ্ঠা ৪৫
*যিশু ফিলিস্তিনের অ-ইহুদি জনসংখ্যার মধ্যে জন্মগ্রহণ করেছিলেন, বা যিশু কখনোই ছিলেন না বরং তিনি কেবল একটি পৌরাণিক সৃষ্টি—মাঝে মাঝে এমন প্রান্তিক প্রচেষ্টা বাদ দিলে, নাজারেথের যিশু যে প্রথম শতাব্দীতে ইসরায়েল ভূমিতে একজন ইহুদি হিসেবে জন্মগ্রহণ করেছিলেন, বেঁচে ছিলেন, শিক্ষা দিয়েছিলেন এবং মারা গিয়েছিলেন, তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।
::ড্যানিয়েল জে. হ্যারিংটন, "রিট্রিভিং দ্য জিউইশনেস অব জিসাস: রিসেন্ট ডেভেলপমেন্টস", ব্রায়ান এফ. লে বেউ, লিওনার্ড জে. গ্রিনস্পুন ও ডেনিস হ্যামের ''দ্য হিস্টোরিক্যাল জিসাস থ্রু ক্যাথলিক অ্যান্ড জিউইশ আইজে'', হ্যারিসবার্গ, পিএ: ট্রিনিটি প্রেস ইন্টারন্যাশনাল, ২০০০, পৃষ্ঠা ৬৭
*পুরাণবাদীদের—অর্থাৎ যিশুকে অস্বীকারকারীদের—যুক্তিতে থাকা পদ্ধতিগত দুর্বলতাগুলো নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করাটা প্রায় নিষ্ঠুরতার শামিল। এরা ঈশ্বরকে অস্বীকার করা এবং যিশুকে অস্বীকার করাকে এমনভাবে গুলিয়ে ফেলে, যেন দুটি বিষয় একই আলোচনার স্তরে রয়েছে এবং একই ধরনের প্রমাণ দ্বারা এগুলো প্রমাণ করা সম্ভব। সত্যিই খুব অস্বস্তিকর ব্যাপার—কারণ যেই মানুষেরা ধর্মবিশ্বাসীদের সামনে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি তুলে ধরেন, তারাই আবার পাঠ্যগত ও ভাষাতাত্ত্বিক অধ্যয়নের জটিল প্রমাণগুলোকে এমনভাবে এড়িয়ে যেতে চান যেন সেগুলোর কোনো অস্তিত্বই নেই। ...তাদের নিজেদের ক্ষেত্রে, এটি এমন হবে যেন ফ্ল্যাট আর্থ থিওরি ও স্বতঃস্ফূর্ত প্রজন্মের সমর্থকদের মঞ্চে সমান সময় দেওয়া হয়েছে এবং জ্যোতির্বিদ্যা ও জীববিদ্যাকে উপহাস করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু—তাদের দুর্বল যুক্তিগুলো এমনটাই মনে হয়—যেহেতু এটি বাইবেল অধ্যয়ন, তাই এখানে কতটা গম্ভীর হওয়ারই বা প্রয়োজন আছে?
::আর. জোসেফ হফম্যান, "মিথটিক পিৎজা অ্যান্ড কোল্ড-ককড স্কলারস", ''দ্য নিউ অক্সোনিয়ান'', ২০১২
*আমি মনে হয় একা নই যিনি মনে করেনবর্তমান "পুরাণবাদী" প্রবক্তাদের ভুল তথ্য ও অযৌক্তিক প্রকৃতি দেখানোটা অনেকটা পৃথিবী যে সমতল নয়, বা সূর্য যে পৃথিবীর চারদিকে ঘোরে না, বা চাঁদে অবতরণ যে কোনো সিনেমার সেটে হয়নি—তা প্রমাণ করার মতোই বিরক্তিকর।
::ল্যারি হুরতাদো, "দ্য 'ডিড জিসাস এক্সিস্ট' কন্ট্রোভার্সি অ্যান্ড ইটস প্রেসিডেন্টস", ল্যারি হুরতাদোস ব্লগ, ২৩ জুলাই ২০১২
*সম্ভবত সবচেয়ে বিভ্রান্তিকর দাবি [পুরাণবাদীদের দ্বারা উপস্থাপিত], যা এত গুরুত্ব সহকারে দাবি না করা হলে মজাদার হতে পারত, তা হলো ১৯৮০-এর দশকের কোনো এক সময়ে একটি বিশাল ষড়যন্ত্রের ("নব্য ইভ্যাঞ্জেলিক্যাল" স্বার্থান্বেষীদের দ্বারা) মাধ্যমে ধর্ম, ক্লাসিকস, প্রাচীন ইতিহাস ইত্যাদি বিভাগে পণ্ডিতদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। এটি ইহুদি পণ্ডিত এবং কোনো ধর্মীয় অনুষঙ্গ নেই এমন মানুষের মধ্যেও নাজারেথের যিশুর ঐতিহাসিক অস্তিত্বকে সমর্থন করতে পণ্ডিতদের মতামতকে প্রভাবিত করতে সক্ষম হয়েছিল। হুম। এটি তো টুইন টাওয়ার সিআইএ দ্বারা ধ্বংস করা হয়েছিল এমন ধারণার মতোই! (আজকাল কি কিছু জায়গার পানীয় জলে কিছু মেশানো হচ্ছে?) নিশ্চিতভাবেই, বর্তমান "পুরাণবাদী" বিতর্কে জড়িত অনেকেই (যেমন মরিস কেসি) এটি জেনে অবাক হবেন, তাদের নিজেদের অজান্তেই তাদের মতামত এই "নব্য ইভ্যাঞ্জেলিক্যাল" গোপন দলের দ্বারা প্রভাবিত হয়েছে, যারা ঐতিহ্যগত খ্রিস্টধর্মকে টিকিয়ে রাখতে আগ্রহী!
::ল্যারি হুরতাদো, "দ্য 'ডিড জিসাস এক্সিস্ট' কন্ট্রোভার্সি-অ্যানকোর", ল্যারি হুরতাদোস ব্লগ, ২৩ জুলাই ২০১২
*[ফিলিপীয় ২] ৬-৭ পদে যিশুকে কোনো না কোনোভাবে মর্যাদা বা রূপে "ঐশ্বরিক" এবং পরে মানুষ হওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। আমরা জানি যে যিশুর এই ধরনের দৃষ্টিভঙ্গি শুরুতেই উপস্থিত হয়েছিল [...] প্রকৃতপক্ষে, এই পদগুলোতে ব্যাখ্যা ছাড়াই সংক্ষিপ্ত বাক্যাংশের ব্যবহার (যেমন, "ঈশ্বরের রূপে") থেকে বোঝা যায় পাঠকেরা কীসের কথা বলা হচ্ছে তা বুঝতে পারবেন বলে আশা করা হয়েছিল। এর অর্থ হলো এই পত্রের অনেক আগেই যিশুর "পূর্ব-অস্তিত্বের" ধারণা খ্রিষ্টান বিশ্বাসের একটি অংশে পরিণত হয়েছিল।
**{{cite book|last=হুরতাদো|first=ল্যারি ডব্লিউ.|title=হাউ অন আর্থ ডিড জিসাস বিকেম আ গড?: হিস্টোরিক্যাল কোয়েশ্চেনস অ্যাবাউট আর্লিয়েস্ট ডিভোশন টু জিসাস|url=https://books.google.com/books?id=Xi5xIxgnNgcC&pg=PA102|date=২ নভেম্বর ২০০৫|publisher=ডব্লিউএম. বি. ইয়ার্ডম্যানস পাবলিশিং|isbn=978-0-8028-2861-3|page=১০১}}
*জেমস যে যিশুর ভাই, সেই ধারণার ভিত্তি নির্ভর করে পলের চিঠির প্রাথমিক উল্লেখগুলোর ওপর, বিশেষ করে গালাতীয় ১:১৯ পদের ওপর। [...] "ঐতিহাসিক" যিশুর প্রতি পলের সম্পূর্ণ অবহেলার আলোকে... এটি অকল্পনীয় যে তিনি জেমস এবং "প্রভুর" মধ্যে একটি জৈবিক সম্পর্ক দাবি করবেন।
**{{cite web|last=হফম্যান|first=আর. জোসেফ|title=The Jesus Tomb Debacle: RIP|trans-title=যিশুর সমাধির বিপর্যয়: শান্তিতে ঘুমান|url=https://rjosephhoffmann.wordpress.com/2009/05/15/the-jesus-tomb-debacle-rip/|website=The New Oxonian|accessdate=14 April 2017|date=১৫ মে ২০০৯}}
*[জি. এ.] ওয়েলস বিশ্বাস করেন, পলের লেখায় যিশুর ঐতিহাসিক বিবরণের তুলনামূলক অভাবের মানে হলো, তিনি যিশুর জীবন সম্পর্কে প্রায় কিছুই জানতেন না। এর মধ্যে তাঁর জন্ম, মৃত্যুর সময়, বা তাঁর পুনরুত্থান দর্শনের ঘটনা কবে ঘটেছিল—কোনোটিরই উল্লেখ নেই। পল যিশুকে "একজন অতিপ্রাকৃত সত্তা হিসেবে কল্পনা করেছিলেন, যিনি মানুষের রূপে পৃথিবীতে একটি সংক্ষিপ্ত ও অস্পষ্ট সময় কাটিয়েছিলেন এবং ক্রুশবিদ্ধ হয়েছিলেন" বলে বলা হয়, এমনকি পলের নিজের সময়ের কয়েক শতাব্দী আগেও।
**{{cite book|last=হ্যাবারমাস|first=গ্যারি আর.|title=দ্য হিস্টোরিক্যাল জিসাস: অ্যানসিয়েন্ট এভিডেন্স ফর দ্য লাইফ অব ক্রাইস্ট|url=http://books.google.com/books?id=pMMeqKHZIDkC&pg=PA28|year=1996|publisher=কলেজ প্রেস|isbn=978-0-89900-732-8|page=২৮}}
*সেই সময়ে 'খ্রিস্ট-পুরাণ' তত্ত্বের পুনরুত্থান বাইবেল সমালোচনার প্রতিরক্ষায় কোনো সাহায্য করেনি। এই তত্ত্বে যিশুর অস্তিত্ব কখনোই ছিল না বলে দাবি করা হয়েছিল। তবে ইংল্যান্ডে এই দাবি কট্টর কিন্তু স্বাধীন এফ. সি. কনিবেয়ার দ্বারা খণ্ডিত হয়েছিল।
::উইলিয়াম হরবারি, "দ্য নিউ টেস্টামেন্ট", আর্নেস্ট নিকলসনের ''আ সেঞ্চুরি অব থিওলজিক্যাল অ্যান্ড রিলিজিয়াস স্টাডিজ ইন ব্রিটেনে'', অক্সফোর্ড: অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস, ২০০৩, পৃষ্ঠা ৫৫
==ই==
* আমি নিশ্চিত, প্রাচীন ইতিহাসের অন্যান্য চরিত্রগুলোর (যেমন আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট, টলেমি, ক্লিওপেট্রা, নিরো ইত্যাদি) ওপর যদি প্রাইসের সম্পূর্ণ সংশয়বাদকে ন্যায্য ও ধারাবাহিকভাবে প্রয়োগ করা হতো, তবে তারা সবাই 'বিলীন বিন্দুতে' পরিণত হতো। প্রাইসের অধ্যায়টি তার একটি নিখুঁত উদাহরণ, মানুষ যা বিশ্বাস করতে চায় না, তা বিশ্বাস না করার জন্য সবসময়, ''সবসময়'' কীভাবে অজুহাত খুঁজে পেতে পারে, তা সে যিশুর অস্তিত্বই হোক বা হলোকাস্টের অস্তিত্বই হোক।
::ডেনিস ইঙ্গোলফস্ল্যান্ড, "ফাইভ ভিউজ অব দ্য হিস্টোরিক্যাল জিসাস", দ্য রিক্লাইনার কমেন্টারিজ, ২০০৯
==জ==
*অন্য সবকিছুর মতোই, পাণ্ডিত্যও ফ্যাশনের অধীন। উনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে এবং বিংশ শতাব্দীর শুরুতে যিশুর অস্তিত্ব অস্বীকার করাটা কারো কারো জন্য ফ্যাশনে পরিণত হয়েছিল। এখন কোনো গম্ভীর পণ্ডিতই সেই দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করেন না। আর যিশুর অস্তিত্বের এত প্রচুর প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও, কীভাবে এই ধারণাটি একবারের জন্য হলেও প্রতিষ্ঠা পেয়েছিল, তা বোঝা বেশ কঠিন।
::পল জনসন, ''জিসাস: আ টুয়েন্টিফার্স্ট সেঞ্চুরি বায়োগ্রাফি'', নিউ ইয়র্ক: ভাইকিং, ২০১০, ভূমিকা
*সবচেয়ে পুরোনো টিকে থাকা গসপেল মার্কের গসপেল [সম্পর্কে]? এটি সম্ভবত ৯০ খ্রিস্টাব্দের দিকে তার চূড়ান্ত রূপ পেয়েছিল, কিন্তু এর মূল উপাদানগুলো সম্ভবত ৭০ খ্রিস্টাব্দের মতো পুরোনো। যেমনটি আমরা দেখেছি, এটি যিশুর প্রায় পুরো ঐতিহ্যবাহী জীবনীটি বাদ দেয়। জন দ্য ব্যাপটিস্ট যিশুকে দীক্ষা দিচ্ছেন এমন ঘটনা দিয়ে গল্প শুরু হয় এবং সবচেয়ে পুরোনো পাণ্ডুলিপিগুলোতে—নারীরা খালি সমাধি থেকে ভয় পেয়ে ছুটে পালাচ্ছেন এমন ঘটনা দিয়ে শেষ হয়।
**{{cite web|last=জিন্ডলার|first=ফ্র্যাঙ্ক|title=Did Jesus Exist?|trans-title=যিশুর কি অস্তিত্ব ছিল?|url=https://www.atheists.org/activism/resources/did-jesus-exist/|website=American Atheists|accessdate=3 December 2017}} [প্রথম প্রকাশিত: আমেরিকান অ্যাথিস্ট ম্যাগাজিনের গ্রীষ্মকালীন ১৯৯৮ সংস্করণ]
*এপিফ্যানিয়াসের মতে, খ্রিষ্টানদের ক্রিস্টিয়ানোই (Christianoi) বলার আগে তাদের ইয়েসাইওই (Iessaioi)—জেসিয়ানস বলা হতো।
**{{cite book|last=জিন্ডলার|first=ফ্র্যাঙ্ক আর.|editor=Frank R. Zindler; Robert M. Price|title=বার্ট এহরম্যান অ্যান্ড দ্য কোয়েস্ট অব দ্য হিস্টোরিক্যাল জিসাস অব নাজারেথ: অ্যান ইভ্যালুয়েশন অব এহরম্যান'স ডিড জিসাস এক্সিস্ট?|url=https://books.google.com/books?id=drmfkwEACAAJ|year=2013|publisher=আমেরিকান অ্যাথিস্ট প্রেস|isbn=978-1-57884-019-9|page=175|chapter=কগনিটিভ ডিসোন্যান্স: দ্য এহরম্যান জিন্ডলার করসপন্ডেন্স}}
==ক==
*আজকাল কেবল একজন খামখেয়ালী মানুষই দাবি করতে পারেন যে যিশু কখনোই ছিলেন না।
::লিয়েন্ডার কেক, ''হু ইজ জিসাস?: হিস্ট্রি ইন পারফেক্ট টেন্স'', কলাম্বিয়া, এসসি: ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ক্যারোলিনা প্রেস, ২০০০, পৃষ্ঠা ১৩
*অবশ্যই, যিশু কখনোই ছিলেন না এবং তিনি কেবল নিহত ও পুনরুত্থিত হওয়া কোনো দেবতা সম্পর্কে পৌত্তলিক গল্পগুলোর একটি মিশ্রণ—এমন কোনো ধারণাকে কখনোই সহ্য করা যায় না।
::জোসেফ ক্লাজনার, ''ফ্রম জিসাস টু পল'', নিউ ইয়র্ক: মেনোরাহ, ১৯৪৩, পৃষ্ঠা ১০৭
*এই শতাব্দীর প্রথম দিকে বিভিন্ন থিসিস প্রস্তাব করা হয়েছিল, যার সবগুলোই দাবি করত যে যিশু কখনোই বেঁচে ছিলেন না এবং যিশুর গল্পটি একটি পুরাণ বা কিংবদন্তি। এসব দাবি অনেক আগেই ঐতিহাসিক অর্থহীন হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। নাজারেথের যিশু যে আমাদের যুগের প্রথম তিন দশকে, সম্ভবত খ্রিস্টপূর্ব ৬-৭ থেকে খ্রিস্টাব্দ ৩০ সাল পর্যন্ত ফিলিস্তিনে বাস করতেন, তা নিয়ে কোনো যুক্তিসঙ্গত সন্দেহ থাকতে পারে না। এটি একটি সত্য।
::ওয়াল্টার ক্যাস্পার, ''জিসাস দ্য ক্রাইস্ট'', মাহওয়াহ, এনজে: পলিস্ট প্রেস, ১৯৭৬, পৃষ্ঠা ৬৫
*যেমনটি [বার্ট] এহরম্যান নিজেই উল্লেখ করেছেন, জোসেফাস যিশু সম্পর্কে তাঁর তথ্য প্রত্যক্ষদর্শীদের বা তাদের সরাসরি সহযোগীদের কাছ থেকে পাননি (কারণ তিনি তাদের মারা যাওয়ার অনেক পরে বেঁচে ছিলেন), বরং সম্ভবত মুখে মুখে ছড়ানো গল্পের মাধ্যমে পেয়েছিলেন। [...] জোসেফাস যিশুর জীবনের সময়রেখা থেকে এতটাই দূরে ছিলেন, তিনি এসব গল্পের সত্যতা সরাসরি যাচাই করতে পারতেন না। [...] এহরম্যান নিজেই আমাদের বলেন, "রোমান রেকর্ড পরীক্ষা করে জোসেফাস যিশুর জীবন সম্পর্কে কোনো প্রাথমিক গবেষণা করেছিলেন (কারণ কোনো রেকর্ড ছিল না), এমন কোনো প্রমাণ নেই।" (৬৫) [এহরম্যান, ২০১২।]
::{{cite book|last=এহরম্যান|first=বার্ট ডি.|title=ডিড জিসাস এক্সিস্ট?: দ্য হিস্টোরিক্যাল আর্গুমেন্ট ফর জিসাস অব নাজারেথ|url=http://books.google.com/books?id=hf5Rj8EtsPkC|date=২০ মার্চ ২০১২|publisher=হার্পারকলিন্স|isbn=978-0-06-208994-6|page=৬৫}}
:*{{cite web|last=কেনেডি|first=বিল|title=The Myth of Jesus Examined|trans-title=যিশুর অনৈতিহাসিকতার পরীক্ষা|url=https://www.academia.edu/35137959/The_Myth_of_Jesus_Examined|accessdate=24 November 2017|publisher=[[অ্যাকাডেমিয়া.এডু|অ্যাকাডেমিয়া.এডু]]}}
==ল==
*ঐতিহাসিক প্রমাণ যিশুর অলৌকিক প্রকৃতি সম্পর্কে দাবিগুলোকে—বিশেষ করে তাঁর পুনরুত্থানকে—কতটা সমর্থন করে, তা নিয়ে ইতিহাসবিদদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। তবে আমরা যখন প্রশ্ন তুলি যে একজন ঐতিহাসিক যিশু ছিলেন কি না, তখন আমরা একটি পরিষ্কার ঐকমত্য দেখতে পাই। তাদের বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ বিশ্বাস করে, অন্তত যিশুর অস্তিত্ব ও ক্রুশবিদ্ধ হওয়াটা দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত (রবার্ট এম. প্রাইস হলেন এর একটি বিরল ব্যতিক্রম)।
::স্টিফেন ল, "এভিডেন্স, মিরাকলস অ্যান্ড দ্য এক্সিস্টেন্স অব জিসাস", ''ফেইথ অ্যান্ড ফিলোসফি'' ২০১১, ভলিউম ২৮, ইস্যু ২।
*আপনি জানেন যে আপনি আপনার পক্ষপাত কমানোর চেষ্টা করতে পারেন, কিন্তু সেগুলো পুরোপুরি দূর করতে পারবেন না। এই কারণেই আপনাকে কিছু যাচাই-বাছাই ও ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে... এই পদ্ধতির অধীনে, আমরা কেবল সেই তথ্যগুলোই বিবেচনা করি যা দুটি মানদণ্ড পূরণ করে। প্রথমত, সেগুলোকে সমর্থন করার মতো খুব শক্তিশালী ঐতিহাসিক প্রমাণ থাকতে হবে। এবং দ্বিতীয়ত, প্রমাণটি এতই শক্তিশালী হতে হবে, এই বিষয়ে আজকের বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠ পণ্ডিত—এমনকি সংশয়বাদীরাও—এগুলোকে ঐতিহাসিক সত্য হিসেবে গ্রহণ করেন। আপনি কখনোই সবাইকে একমত করতে পারবেন না। এমন কিছু মানুষ সবসময়ই থাকে যারা হলোকাস্ট অস্বীকার করে বা যিশুর অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলে, কিন্তু তারা একেবারে প্রান্তিক পর্যায়ে থাকে।
::লি স্ট্রোবেলের ''দ্য কেস ফর দ্য রিয়েল জিসাসে'' মাইকেল আর. লিকোনা, গ্র্যান্ড র্যাপিডস: জন্ডারভ্যান, ২০০৭, পৃষ্ঠা ১১২
*যিশু পুরাণবাদীরা তাদের থিসিস এগিয়ে নেওয়া অব্যাহত রাখবে এবং গম্ভীর একাডেমিক আলোচনার বাইরে রাখা হচ্ছে বলে অভিযোগ করবে। তারা প্ল্যাকার্ড বহন করে, 'যিশু কখনোই ছিলেন না!' 'তারা আমার কথা শুনবে না!' এবং আলোচনার ময়দানের ভেতরের মানুষদের 'বুদ্ধিবৃত্তিবিরোধী,' 'মৌলবাদী,' 'বিপথগামী উদারপন্থী' এবং 'ফ্ল্যাট-আর্থার' বলে আখ্যা দেয়। ডোহার্টি ও তাঁর সহযোগীরা বিস্মিত হন, গুটিকয়েক নিরীহ দর্শক ছাড়া প্রায় সবাই মাথা নেড়ে ও চোখ ঘুরিয়ে তাদের পাশ কাটিয়ে চলে যায়। তারা কখনোই দেখতে পায় না যে একশ গজেরও কম দূরে তাদের একজন সহযোগী প্রতিবাদকারী আছেন, তিনি ইরান থেকে আসা একজন বিশিষ্ট চেহারার মানুষ। তিনিও হতাশ এবং একটি প্ল্যাকার্ড বহন করছেন যাতে লেখা, 'হলোকাস্ট কখনোই ঘটেনি!'
::মাইকেল আর. লিকোনা, "লিকোনা রিপ্লাইস টু ডোহার্টিস রিবাটাল", অ্যানসারিং ইনফিদেলস, ২০০৫
*অবশ্যই [ঐতিহাসিক থিসিস সংক্রান্ত] কোনো "সার্বজনীন ঐকমত্য" খোঁজা উচিত নয়, কারণ এমন কিছু মানুষ সবসময়ই থাকবে যারা প্রান্তিক অবস্থানে থাকতে পছন্দ করে। এমন কিছু মানুষ আজও আছে যারা দাবি করে, যিশু একটি পুরাণ, যাঁর কখনোই কোনো অস্তিত্ব ছিল না, যদিও দেখা যায় কোনো ব্যাপকভাবে সম্মানিত পণ্ডিত এই অবস্থান ধারণ করেন না। এমন মানুষও আছেন যারা দাবি করেনহলোকাস্ট কখনোই ঘটেনি।
::মাইকেল আর. লিকোনা, ''দ্য রেজারেকশন অব জিসাস: আ নিউ হিস্টোরিওগ্রাফিক্যাল অ্যাপ্রোচ'', ডাউনয়ার্স গ্রোভ, আইএল: আইভিপি একাডেমিক, ২০১০, পৃষ্ঠা ৬২-৬৩
*বাইবেলের বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠ ইতিহাসবিদ বিশ্বাস করেনযিশুর অস্তিত্বকে যুক্তিসঙ্গত সন্দেহের ঊর্ধ্বে রাখার জন্য যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে। অনেকেই বিশ্বাস করেন, যিশুকে একজন বাস্তব ঐতিহাসিক চরিত্র হিসেবে দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য কেবল নতুন নিয়মের দলিলগুলোই যথেষ্ট। আমি এই দৃষ্টিভঙ্গিগুলো নিয়ে প্রশ্ন তুলি... নতুন নিয়মের দলিলগুলোতে যিশু সম্পর্কে যেসব অসমর্থিত অলৌকিক দাবির একটি বড় অংশ রয়েছে, তা বিবেচনা করে একজন ঐতিহাসিক যিশুর স্বাধীন প্রমাণের অভাবে তাঁর অস্তিত্ব সম্পর্কে আমাদের সংশয়বাদী থাকা উচিত।
**{{cite book|last1=ল|first1=স্টিফেন|authorlink1=w:Stephen Law|title=স্টিফেন ল: এভিডেন্স, মিরাকলস অ্যান্ড দ্য এক্সিস্টেন্স অব জিসাস|url=http://stephenlaw.blogspot.com/2012/04/published-in-faith-and-philosophy-2011.html|website=Stephen Law|accessdate=18 November 2016|date=২০১২|quote=Published in Faith and Philosophy 2011. Volume 28, Issue 2, April 2011. Pages 129-151}}
*রুডলফ বুলটম্যানের মতো একজন "চরমপন্থী" সমালোচকের জন্যও ঐতিহাসিক যিশুর অস্তিত্ব একটি প্রয়োজনীয়তা; এবং ঐতিহাসিক সমালোচনা যদি সফলভাবে "খ্রিস্ট-পুরাণ" তত্ত্ব প্রতিষ্ঠা করতে পারে, অর্থাৎ যিশু কখনোই বেঁচে ছিলেন না, তবে বুলটম্যানের সম্পূর্ণ ধর্মতাত্ত্বিক কাঠামোই নড়ে উঠবে।
::জর্জ এলডন ল্যাড, ''দ্য নিউ টেস্টামেন্ট অ্যান্ড ক্রিটিসিজম'', গ্র্যান্ড র্যাপিডস: ইয়ার্ডম্যানস, ১৯৬৭, পৃষ্ঠা ১৫
*সংক্ষেপে, যিশুর শিক্ষা, জীবন বা ঐতিহাসিক অস্তিত্ব—কোনোটির ক্ষেত্রেই পলকে একজন নির্ভরযোগ্য সাক্ষী হিসেবে বিবেচনা করা যায় না।
**{{cite book|last=লুডেম্যান|first=গার্ড|editor=আর. জোসেফ হফম্যান|title=সোর্সেস অব দ্য জিসাস ট্র্যাডিশন: সেপারেটিং হিস্ট্রি ফ্রম মিথ|url=https://books.google.com/books?id=pbcGQgAACAAJ|year=2010|publisher=প্রমিথিউস বুকস|isbn=978-1-61614-189-9|page=২১২|chapter=পল অ্যাজ আ উইটনেস টু দ্য হিস্টোরিক্যাল জিসাস}}
*রুডলফ বুলটম্যানের মতো একজন "চরমপন্থী" সমালোচকের জন্যও ঐতিহাসিক যিশুর অস্তিত্ব একটি প্রয়োজনীয়তা; এবং ঐতিহাসিক সমালোচনা যদি সফলভাবে "খ্রিস্ট-পুরাণ" তত্ত্ব প্রতিষ্ঠা করতে পারে, অর্থাৎ যিশু কখনোই বেঁচে ছিলেন না, তবে বুলটম্যানের সম্পূর্ণ ধর্মতাত্ত্বিক কাঠামোই নড়ে উঠবে।
::জর্জ এলডন ল্যাড, ''দ্য নিউ টেস্টামেন্ট অ্যান্ড ক্রিটিসিজম'', গ্র্যান্ড র্যাপিডস: ইয়ার্ডম্যানস, ১৯৬৭, পৃষ্ঠা ১৫
*সংশয়বাদী বিশ্লেষণগুলো প্রকাশ করে, পল যিশু সম্পর্কে এমন কিছুই বলেন না যা সন্দেহাতীতভাবে তাঁকে সাম্প্রতিক ইতিহাসে পৃথিবীতে স্থাপন করে।
**{{cite journal|last=ল্যাটাস্টার|first=রাফায়েল|title=Review Essay: Bart Ehrman and the Elusive Historical Jesus|trans-title=রিভিউ প্রবন্ধ: বার্ট এহরম্যান এবং অধরা ঐতিহাসিক যিশু|journal=লিটারেচার অ্যান্ড এস্থেটিকস|issue=26|pages=১৯১|url=https://openjournals.library.sydney.edu.au/index.php/LA/article/view/11431|issn=2200-0437}}
* [নিম্ন (অ্যাডপশনিস্ট) ক্রিস্টোলজির] বিষয়ে [বার্ট] এহরম্যানের সমাধান হলো, বিভিন্ন খ্রিস্টধর্ম আলাদাভাবে এবং আলাদা সময়ে বিকশিত হয়েছিল; এটি এমন একটি মতামত যা তিনি পুরাণবাদীদের সাথে ভাগ করে নেন।
**{{cite journal|last=ল্যাটাস্টার|first=রাফায়েল|title=Review Essay: Bart Ehrman and the Elusive Historical Jesus|trans-title=রিভিউ প্রবন্ধ: বার্ট এহরম্যান এবং অধরা ঐতিহাসিক যিশু|journal=লিটারেচার অ্যান্ড এস্থেটিকস|issue=26|pages=১৮৬|url=https://openjournals.library.sydney.edu.au/index.php/LA/article/view/11431|issn=2200-0437}}
*[পল উল্লেখ করেন] একজন মহাজাগতিক যিশুর (যিনি প্রাক-খ্রিষ্টান ইহুদি—এবং অস্তিত্বহীন—চরিত্র যেমন সন অব ম্যান এবং লোগোসের মতো বিস্ময়করভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ) কাছ থেকে আসা ঐশ্বরিক প্রত্যাদেশের কথা [...] ঐতিহাসিকতাবাদী এবং পুরাণবাদী—উভয়েই যিশুর একটি ভিন্ন রূপের কথা বলেন, যা গসপেলের যিশুর সংস্করণের আগে ছিল। ঐতিহাসিকতাবাদীদের জন্য দুর্ভাগ্যজনকভাবে, জাগতিক ঐতিহাসিক যিশুর কোনো প্রাক-নিউ টেস্টামেন্ট প্রমাণ নেই। মহাজাগতিক মসিহের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়, যাঁকে কিছু প্রাক-খ্রিষ্টান ইহুদি সম্মান করতেন বলে এখন এমনকি [বার্ট] এহরম্যানও স্বীকার করেন।
**{{cite journal|last=ল্যাটাস্টার|first=রাফায়েল|title=Review Essay: Bart Ehrman and the Elusive Historical Jesus|trans-title=রিভিউ প্রবন্ধ: বার্ট এহরম্যান এবং অধরা ঐতিহাসিক যিশু|journal=লিটারেচার অ্যান্ড এস্থেটিকস|issue=26|pages=১৮২, ১৮৪|url=https://openjournals.library.sydney.edu.au/index.php/LA/article/view/11431|issn=2200-0437}}
*জোসেফাস ও ট্যাসিটাসের লেখার উল্লেখগুলো বাদ দিলে, বাইবেলের বাইরের সূত্রগুলো অনেক পরের। এই সব সূত্রই কোনো না কোনো জালিয়াতি বা অস্পষ্টতার উপাদান প্রদর্শন করে এবং সাধারণত যিশু সম্পর্কে গসপেল থেকে যা জানা যায় তার চেয়ে বেশি কিছু আমাদের জানায় না। কোনো সূত্রই যিশুর নিজের সময় থেকে আসেনি। কোনো সূত্রই প্রমাণিত প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছ থেকে আসেনি। এই সমস্যাগুলো যিশু কী বলেছিলেন, তিনি কী করেছিলেন, তিনি আসলে কে ছিলেন এবং আদৌ তাঁর অস্তিত্ব ছিল কি না, তা নিয়ে উল্লেখযোগ্য যৌক্তিক সন্দেহের সুযোগ দেয়। তাই যিশুর অনৈতিহাসিকতা যে একটি জ্ঞানতাত্ত্বিক সম্ভাবনা তা উল্লেখ করতে কোনো সমস্যা হওয়া উচিত নয়, এবং তাঁর ঐতিহাসিকতা নিয়ে কিছু সংশয় প্রকাশ করা যৌক্তিক।
**{{cite journal|last=ল্যাটাস্টার|first=রাফায়েল|title=Questioning the Plausibility of Jesus Ahistoricity Theories — A Brief Pseudo-Bayesian Metacritique of the Sources|trans-title=যিশুর অনৈতিহাসিকতা তত্ত্বের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন — সূত্রগুলোর একটি সংক্ষিপ্ত ছদ্ম-বয়েসিয়ান মেটাক্রিটিক|journal=দ্য ইন্টারমাউন্টেন ওয়েস্ট জার্নাল অব রিলিজিয়াস স্টাডিজ|date=২০১৫|volume=6:1|pages=৯০এফ|url=http://digitalcommons.usu.edu/cgi/viewcontent.cgi?article=1053&context=imwjournal}}
*যিশুর কোনো প্রত্যক্ষদর্শী বা সমসাময়িক বিবরণ বর্তমানে নেই। আমাদের কাছে যা আছে তা হলো প্রত্যক্ষদর্শী নন এমন লোকদের দ্বারা লেখা যিশুর জীবনের ঘটনাগুলোর পরবর্তী সময়ের বর্ণনা, যাদের বেশিরভাগই স্পষ্টতই পক্ষপাতদুষ্ট।
**{{cite web|last=ল্যাটাস্টার|first=রাফায়েল|title=Weighing up the evidence for the 'Historical Jesus'|trans-title='ঐতিহাসিক যিশু'র প্রমাণের বিচার|url=http://theconversation.com/weighing-up-the-evidence-for-the-historical-jesus-35319|website=দ্য কনভারসেশন|publisher=দ্য কনভারসেশন (ওয়েবসাইট)|accessdate=28 August 2016|date=১৪ ডিসেম্বর ২০১৪}}
*ভবিষ্যতে বাইবেলীয়, ঐতিহাসিক বা সম্পূর্ণ পৌরাণিক যিশু (বা আদি খ্রিষ্টানদের বিশ্বাস) সম্পর্কে কোনো বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ না পাওয়া পর্যন্ত, মনে হচ্ছে যিশু সম্পর্কে সবচেয়ে যুক্তিসঙ্গত অবস্থান হবে 'বিশ্বাসের খ্রিস্ট' বা 'বাইবেলীয় যিশুকে' সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান করা, এবং আরও জাগতিক, 'ঐতিহাসিক যিশু' সম্পর্কে অজ্ঞেয়বাদ-ধরনের অবস্থান গ্রহণ করা। হয়তো এমন একজন যিশু ছিলেন, হয়তো ছিলেন না। বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণের অভাবে এটি সম্ভব, কিন্তু অপরিহার্যভাবে সম্ভাব্য নয়, এবং অবশ্যই নিশ্চিত নয়।
**রাফায়েল ল্যাটাস্টার, [http://www.pantheismunites.org/Books/there%20was%20no%20Jesus,%20there%20is%20no%20God.htm 'দেয়ার ওয়াজ নো জিসাস, দেয়ার ইজ নো গড']-এ
*সাম্প্রতিক সময়ে কেবল বার্ট এহরম্যান ও মরিস কেসি যিশুর ঐতিহাসিক অস্তিত্ব পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে প্রমাণের চেষ্টা করেছেন। তাদের সবচেয়ে নির্ণায়ক পয়েন্ট কী? গসপেলগুলোকে সাধারণত বিশ্বাস করা যেতে পারে – অবিশ্বস্ত অনেক, অনেক অংশ উপেক্ষা করার পর – কারণ এগুলোর পেছনে থাকা অনুমানমূলক (অর্থাৎ অস্তিত্বহীন) সূত্রগুলোর জন্য। [...] বর্তমান সূত্রগুলোর দুর্বল অবস্থা এবং মূলধারার বাইবেলের ইতিহাসবিদদের দ্বারা ব্যবহৃত জঘন্য পদ্ধতিগুলোর কারণে, বিষয়টি সম্ভবত কখনোই সমাধান হবে না। সংক্ষেপে বলতে গেলে, যিশুর ঐতিহাসিক অস্তিত্ব নিয়ে সন্দেহ করার সুস্পষ্ট ভালো কারণ রয়েছে – এমনকি যদি এটিকে সরাসরি অসম্ভব বলে মনে করা নাও হয়।
**{{cite web|author=রাফায়েল ল্যাটাস্টার|title=Did historical Jesus really exist? The evidence just doesn’t add up.|trans-title=ঐতিহাসিক যিশুর কি সত্যিই অস্তিত্ব ছিল? প্রমাণগুলো ঠিক মেলে না।|url=https://www.washingtonpost.com/posteverything/wp/2014/12/18/did-historical-jesus-exist-the-traditional-evidence-doesnt-hold-up/?utm_term=.2479cbf18c6b|website=Washington Post|date=১৮ ডিসেম্বর ২০১৪}}
*["ঐতিহাসিক যিশু" অজ্ঞেয়বাদের ক্ষেত্রে] ...যিশুর ঐতিহাসিক নিশ্চিততার জন্য যুক্তি দেওয়া লোকদের সাথে আলোচনা করলেই অজ্ঞেয়বাদের যৌক্তিকতা ইতিমধ্যে স্পষ্ট হয়ে যায়। ...কেবল নিজের জন্য সূত্রগুলো ভালোভাবে পড়ুন। সেটি করুন, এবং সেইসাথে ঐতিহাসিকতাবাদীদের কাছ থেকে শুনুন কীভাবে তারা যিশুর অস্তিত্ব 'প্রমাণ' করেন। ...যিশুর পক্ষে যুক্তিটি যদি বিশ্বাসযোগ্য না হয়, তবে অজ্ঞেয়বাদ ইতিমধ্যে ন্যায়সঙ্গত।
**ল্যাটাস্টার, রাফায়েল (১২ নভেম্বর ২০১৫)। ''জিসাস ডিড নট এক্সিস্ট: আ ডিবেট অ্যামং অ্যাথিস্টস'', (কিন্ডেল লোকেশনস ৬৭৬-৬৮৩)। কিন্ডেল সংস্করণ।
*এখন, অসংখ্য অন্যান্য শিক্ষাবিদদের সাহায্য ও সমর্থনে, যা নিজেই বেশ উল্লেখযোগ্য, আমি আরও জোরালোভাবে ঘোষণা করছি যে যিশুর অস্তিত্বহীনতা কেবল সম্ভবই নয়। এটি সম্ভাব্য।
**{{cite web|author=রাফায়েল ল্যাটাস্টার|title=Jesus Did Not Exist. Probably.|trans-title=যিশু ছিলেন না। সম্ভবত।|url=http://churchandstate.org.uk/2016/04/jesus-did-not-exist-probably/|website=Church and State|date=১২ এপ্রিল ২০১৬}}
*[মূলধারার যিশু গবেষক যথা বার্ট এহরম্যান, মরিস কেসির মতে] ঐকমত্যের দৃষ্টিভঙ্গির সাথে একমত হওয়া পণ্ডিতদের নেওয়া পদ্ধতিটি অন্যায়ভাবে অযৌক্তিক পূর্বানুমানের ওপর ভিত্তি করে তৈরি, এবং কখনও কখনও এটি অপেশাদার এবং অশিক্ষিত বলে মনে হয়...
**{{cite journal|last=ল্যাটাস্টার|first=রাফায়েল|title=The Fourth Quest: A Critical Analysis of the Recent Literature on Jesus’ (a)Historicity|trans-title=দ্য ফোর্থ কোয়েস্ট: যিশুর (অ)ঐতিহাসিকতার সাম্প্রতিক সাহিত্যের একটি সমালোচনামূলক বিশ্লেষণ|journal=লিটারেচার অ্যান্ড এস্থেটিকস|date=২০১৪|volume=24|issue=1|pages=২৬এফ|url=https://openjournals.library.sydney.edu.au/index.php/LA/article/view/8328|issn=2200-0437}}
*বার্ট এহরম্যান ও মরিস কেসি দ্বারা যিশুর ঐতিহাসিকতার সাম্প্রতিক প্রতিরক্ষায় স্পষ্ট ও উপযুক্ত পদ্ধতির অভাব রয়েছে। তারা অত্যন্ত সন্দেহজনক নথির ওপর নির্ভর করেন এবং এর পাশাপাশি এমন সূত্রগুলো ব্যবহার করেন যার আর কোনো অস্তিত্ব নেই, যদি সেগুলোর কখনো অস্তিত্ব থেকেও থাকে। [...] একজন ঐতিহাসিক যিশুর নিশ্চিত অস্তিত্বের ব্যাপারে ঐকমত্যের দৃষ্টিভঙ্গি যদি এমন দুর্বল পদ্ধতির ওপর ভিত্তি করে হয়, তবে মনে হয় ঐকমত্যের দৃষ্টিভঙ্গিটি পর্যালোচনা করা উচিত, যদিও সেটিকে অবিলম্বে মিথ্যা বলে প্রত্যাখ্যান করার প্রয়োজন নেই। আসুন এই বিভাগটি একজন মূলধারার পণ্ডিতের স্বীকারোক্তি দিয়ে শেষ করি যে এমন পদ্ধতিগুলো — যেমন কল্পিত সূত্রের প্রতি আগের এবং প্রায়শই উল্লেখিত আবেদন — বৈশিষ্ট্যপূর্ণ; যে '''এগুলো নতুন নিয়মের পাঠ্যগুলোতে বিশেষজ্ঞ ইতিহাসবিদদের জন্য অনন্য'''
**ল্যাটাস্টার, রাফায়েল (২০১৯)। "ইনঅ্যাডিকুয়েট মেথডস"। কোয়েশ্চেনিং দ্য হিস্টোরিসিটি অব জিসাস: হোয়াই আ ফিলোসফিক্যাল অ্যানালাইসিস ইলুসিডেটস দ্য হিস্টোরিক্যাল ডিসকোর্স। ব্রিল। পৃষ্ঠা ১২৯, ১৪৯, নং ৯২। আইএসবিএন 978-90-04-40878-4
*[রিচার্ড ক্যারিয়ারের 'ন্যূনতম পুরাণবাদের' অনুমান], আর্ল ডোহার্টির কাজের দ্বারা অত্যন্ত প্রভাবিত হয়ে বলে, প্রাথমিকভাবে যিশুকে একজন মহাজাগতিক চরিত্র বলে বিশ্বাস করা হতো, যাঁকে সময়ের সাথে সাথে ঐতিহাসিক রূপ দেওয়া হয়েছিল।
**{{cite journal|last=ল্যাটাস্টার|first=রাফায়েল|title=Richard Carrier: On the Historicity of Jesus: Why We Might Have Reason for Doubt. Sheffield: Sheffield Phoenix Press, 2014; pp. xiv + 696.|trans-title=রিচার্ড ক্যারিয়ার: অন দ্য হিস্টোরিসিটি অব জিসাস: হোয়াই উই মাইট হ্যাভ রিজন ফর ডাউট। শেফিল্ড: শেফিল্ড ফিনিক্স প্রেস, ২০১৪; পৃষ্ঠা xiv + ৬৯৬।|journal=জার্নাল অব রিলিজিয়াস হিস্ট্রি|date=ডিসেম্বর ২০১৪|volume=38|issue=4|pages=৬১৪–৬১৬|doi=10.1111/1467-9809.12219|url=http://onlinelibrary.wiley.com/doi/10.1111/1467-9809.12219/full}}
*রিচার্ড ক্যারিয়ার এমন একটি সম্ভাবনাও (এবং সম্ভবত সতর্ক হওয়ার প্রয়োজনীয়তাও) উত্থাপন করেনমার্কের গসপেলের পরের সমস্ত সূত্র এর দ্বারা কলঙ্কিত হতে পারে এবং এটি কোনোভাবেই উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
**{{cite journal|last=ল্যাটাস্টার|first=রাফায়েল|title=Questioning the Plausibility of Jesus Ahistoricity Theories — A Brief Pseudo-Bayesian Metacritique of the Sources|trans-title=যিশুর অনৈতিহাসিকতা তত্ত্বের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন — সূত্রগুলোর একটি সংক্ষিপ্ত ছদ্ম-বয়েসিয়ান মেটাক্রিটিক|journal=দ্য ইন্টারমাউন্টেন ওয়েস্ট জার্নাল অব রিলিজিয়াস স্টাডিজ|date=২০১৫|volume=6:1|pages=৭৫|url=http://digitalcommons.usu.edu/cgi/viewcontent.cgi?article=1053&context=imwjournal}}
*[আর. এম.] প্রাইস অনুমান করেনসূত্রগুলোর ঐতিহাসিক যিশু পণ্ডিতদের "সম্পূর্ণ অজ্ঞেয়বাদের" দিকে নির্দেশ করা উচিত।
**{{cite journal|last=ল্যাটাস্টার|first=রাফায়েল|title=Questioning the Plausibility of Jesus Ahistoricity Theories — A Brief Pseudo-Bayesian Metacritique of the Sources|trans-title=যিশুর অনৈতিহাসিকতা তত্ত্বের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন — সূত্রগুলোর একটি সংক্ষিপ্ত ছদ্ম-বয়েসিয়ান মেটাক্রিটিক|journal=দ্য ইন্টারমাউন্টেন ওয়েস্ট জার্নাল অব রিলিজিয়াস স্টাডিজ|date=২০১৫|volume=6:1|pages=৯১|url=http://digitalcommons.usu.edu/cgi/viewcontent.cgi?article=1053&context=imwjournal}}
==ম==
*আমরা নিশ্চিত হতে পারি, যিশুর সত্যিই অস্তিত্ব ছিল (যুক্তি মানতে অস্বীকার করা অত্যন্ত উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কয়েকজন সংশয়বাদী থাকা সত্ত্বেও), তিনি গ্যালিলিতে একজন [[ইহুদি]] শিক্ষক ছিলেন এবং প্রায় ৩০ খ্রিস্টাব্দে রোমান সরকারের দ্বারা তাঁকে ক্রুশবিদ্ধ করা হয়েছিল।
::রবার্ট জে. মিলার, ''দ্য জিসাস সেমিনার অ্যান্ড ইটস ক্রিটিকস'', সান্তা রোজা: পোলব্রিজ, ১৯৯৯, পৃষ্ঠা ৩৮
*অবশ্যই, কেবল একজন পাগলই কখনো ভেবেছেন যে যিশুর আদৌ কোনো অস্তিত্ব ছিল না।
::বার্নার্ড ম্যাকগিন, ''অ্যান্টিক্রাইস্ট: টু থাউজেন্ড ইয়ারস অব দ্য হিউম্যান ফ্যাসিনেশন উইথ ইভিল'', নিউ ইয়র্ক: কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটি প্রেস, ২০০০, পৃষ্ঠা ৩৪
* প্রকৃতপক্ষে আমরা যদি [[ভলতেয়ার|ভলতেয়ারের]] সাথে একমত হয়ে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছাই, যিশুর অনৈতিহাসিকতার অন্তত কিছু সমসাময়িক প্রবক্তা আসলে "শিক্ষিতের চেয়ে বেশি প্রতিভাবান", তবে এই প্রশ্নটিকে গুরুত্ব সহকারে নিলে বিতর্কের মান বাড়তে পারে। আর নতুন নিয়মের পণ্ডিতেরা কী করেন এবং কীভাবে করেন—সে সম্পর্কে ব্যাপক বোঝাপড়া, এমনকি আত্ম-বোঝাপড়ার ক্ষেত্রেও এটি অন্তত লাভজনক প্রমাণিত হতে পারে।
** [[জাস্টিন মেগিট|মেগিট, জাস্টিন]], ''[https://archive.org/details/studies-in-the-historical-jesus-anarchy-miracles-madness স্টাডিজ ইন দ্য হিস্টোরিক্যাল জিসাস: অ্যানার্কি, মিরাকলস, অ্যান্ড ম্যাডনেস]'', কেমব্রিজ: মিউচুয়াল একাডেমিক। ২০২৩, ষষ্ঠ অধ্যায় ""মোর ইনজিনিয়াস দ্যান লার্নড"? এক্সামাইনিং দ্য কোয়েস্ট ফর দ্য নন-হিস্টোরিক্যাল জিসাস", পৃষ্ঠা ২২৬, {{ISBN|978-1-9165-7009-2}}।
*মৃত দেবতারা হলেন সেইসব দেবতা যারা পুনরুত্থিত হন বা নতুন জীবনে ফিরে আসেন [...] খ্রিষ্টীয় যুগের অনেক আগেই এমন দেবতা ছিলেন যারা মারা গিয়েছিলেন ও ফিরে এসেছিলেন।
**{{cite book|last=মেটিঙ্গার|first=ট্রিগভে এন. ডি.|title=দ্য রিডল অব রেজারেকশন: “ডাইং অ্যান্ড রাইজিং গডস” ইন দ্য অ্যানসিয়েন্ট নিয়ার ইস্ট|url=https://books.google.com/books?id=px60swEACAAJ|year=2001|publisher=আইজেনব্রাউনস|isbn=978-1-57506-822-0|pages=২১৭—২১৮}}
*...একদিকে নতুন নিয়মে যা ঘটেছিল, তার সত্যনিষ্ঠ দলিল হিসেবে সবকিছুকে আক্ষরিকভাবে গ্রহণ করা, আর অন্যদিকে যিশুর অস্তিত্ব অস্বীকারকারী কোনো এক প্রকারের খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্ব।
::জন ম্যাককয়ারি, ''দ্য স্কোপ অব ডিমিথোলজাইজিং: বুলটম্যান অ্যান্ড হিজ ক্রিটিকস'', লন্ডন: এসসিএম, ১৯৬০, পৃষ্ঠা ৯৩
*এমনকি এমন জ্ঞানী ও বুদ্ধিমান মানুষেরাও ছিলেন যারা যিশুর অস্তিত্ব অস্বীকার করেছেন: যাকে তথাকথিত "খ্রিস্ট-পুরাণ" তত্ত্ব বলা হয়।
::ডোনাল্ড ম্যাকেঞ্জি ম্যাককিনন, ''অবজেকশনস টু ক্রিস্টিয়ান বিলিফ'', লন্ডন: কনস্টেবল, ১৯৬৩, পৃষ্ঠা ৬৭
*[যখন] আমার বন্ধু এবং প্রাক্তন সহকর্মী থমাস এল. থম্পসন ২০০৫ সালের তাঁর 'দ্য মেসিয়াহ মিথ: দ্য নিয়ার ইস্টার্ন রুটস অব জিসাস অ্যান্ড ডেভিড' বইয়ে গসপেলের যিশুকে ঐতিহাসিক চরিত্র হিসেবে খারিজ করার চেষ্টা করেন, তাঁকে বাইবেলীয় এবং অন্যান্য—অনেক পুরোনো—নিকট প্রাচ্যের রাজকীয় মসিহের ধারণার প্রতীক হিসেবে তৈরি করতে চান, তখন ঐতিহাসিকতার প্রশ্নটি আমাদের অন্যান্য দিকে উত্তরের সন্ধান করতে উৎসাহিত করে। 'ইপসিসিমা ভার্বা জিসু' বা ঐতিহাসিক স্মৃতির মতো পরিস্থিতিগুলো চিহ্নিত করার চেষ্টা করার বদলে এটি করা উচিত। এর অর্থ এই নয় যে গসপেলের যিশুর গল্পে পুরোনো নিয়মের চরিত্র ও ঘটনাগুলোর স্মৃতির কোনো প্রভাব নেই, পুরোনো নিয়মটি নিকট প্রাচ্যের মসিহ পুরাণের একটি মাধ্যম। তদুপরি, এই ক্ষেত্রে থমাস এল. থম্পসনের বইটি প্রমাণের একটি প্রচুর ও চিত্তাকর্ষক অস্ত্রাগার।
**মুলার, মরগেন্স। টি.এল. থম্পসন এবং টি.এস. ভেরেনা সম্পাদিত ''ইজ দিস নট দ্য কার্পেন্টার'' (ইকুইনক্স, ২০১২)-এ "পল: দ্য ওল্ডেস্ট উইটনেস টু দ্য হিস্টোরিক্যাল জিসাস", ১১৭-১১৮।
*যদি এই ঘটনার বিবরণ সঠিক হয়, তবে এটিও দেখা যায় কেন 'খ্রিস্ট-পুরাণ' তত্ত্ব। এটি বলে, কোনো ঐতিহাসিক যিশুর অস্তিত্ব আদৌ ছিল না, অনেকের কাছে এতটা যুক্তিসঙ্গত মনে হয়েছে...
::হুগো এ. মেয়নেল, ''অ্যান ইন্ট্রোডাকশন টু দ্য ফিলোসফি অব বার্নার্ড লোনেরগান'' (২য় সংস্করণ), টরন্টো: ইউনিভার্সিটি অব টরন্টো প্রেস, ১৯৯১, পৃষ্ঠা ১৬৬
*যিশুর ঐতিহাসিকতা গ্রহণ করতে হলে স্বাধীন ঐতিহাসিক প্রমাণ থাকতে হবে, কিন্তু এই প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে না।
**{{cite book|last=মার্টিন|first=মাইকেল|title=দ্য কেস অ্যাগেইনস্ট ক্রিস্টিয়ানিটি|url=https://books.google.com/books?id=wWkC4dTmK0AC&pg=PA46|date=মার্চ ১৯৯৩|publisher=টেম্পল ইউনিভার্সিটি প্রেস|isbn=978-1-56639-081-1|page=৪৬|chapter=হিস্টোরিসিটি অব জিসাস}}
*[জি. এ. ওয়েলস] যুক্তি দেন যে প্রথম দিকের খ্রিষ্টান লেখকরা এই থিসিসকে সমর্থন করেন না যে যিশু প্রথম শতাব্দীর শুরুর দিকে বেঁচে ছিলেন।
**{{cite book|last=মার্টিন|first=মাইকেল|title=দ্য কেস অ্যাগেইনস্ট ক্রিস্টিয়ানিটি|url=http://books.google.com/books?id=wWkC4dTmK0AC&pg=PA38|date=মার্চ ১৯৯৩|publisher=টেম্পল ইউনিভার্সিটি প্রেস|isbn=978-1-56639-081-1|page=৩৮}}
*যিশুর ঐতিহাসিকতার বিরুদ্ধে [জি. এ.] ওয়েলসের যুক্তি জোরালো, এবং তাঁর যুক্তির বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক সমালোচনাগুলোর মোকাবিলা করা সম্ভব।
**{{cite book|last1=মার্টিন|first1=মাইকেল|authorlink1=w:Michael Martin (philosopher)|title=দ্য কেস অ্যাগেইনস্ট ক্রিস্টিয়ানিটি|url=https://books.google.com/books?id=wWkC4dTmK0AC&pg=PA67|year=1993|publisher=টেম্পল ইউনিভার্সিটি প্রেস|isbn=978-1-56639-081-1|page=৬৭}}
*পল কোনো এক যিশু আন্দোলনের হেলেনীয় রূপে ধর্মান্তরিত হয়েছিলেন যা ইতিমধ্যেই একটি খ্রিস্ট ধর্মে বিকশিত হয়েছিল। [...] এভাবে তাঁর চিঠিগুলো খ্রিস্ট ধর্মের জন্যও একটি দলিল হিসেবে কাজ করে।
**{{cite book|last=ম্যাক|first=বার্টন এল.|title=আ মিথ অব ইনোসেন্স: মার্ক অ্যান্ড ক্রিস্টিয়ান অরিজিনস|url=https://books.google.com/books?id=fNSbW8hWRzwC&pg=PA98|year=1988|publisher=ফোর্ট্রেস প্রেস|isbn=978-0-8006-2549-8|page=৯৮|chapter=দ্য কংগ্রেগেশনস অব দ্য ক্রাইস্ট}}
*পলের চিঠিগুলো থেকে পাওয়া প্রমাণ হলো, খ্রিস্টের মণ্ডলীগুলো আকর্ষণীয় সমিতি ছিল এবং তাদের বিকাশমান পুরাণটিকে রোমাঞ্চকর বলে মনে করা হতো। রহস্য ধর্মগুলোর আদলে একটি উৎসাহী ধর্ম গঠিত হয়েছিল...
**{{cite book|last=ম্যাক|first=বার্টন এল.|title=দ্য লস্ট গসপেল: দ্য বুক অব কিউ অ্যান্ড ক্রিস্টিয়ান অরিজিনস|url=https://books.google.com/books?id=UeLYAAAAMAAJ|year=1993|publisher=হার্পারসানফ্রান্সিসকো|isbn=978-0-06-065374-3|pages=২১৯এফ|chapter=মিথমেকিং অ্যান্ড দ্য ক্রাইস্ট}}
*যদি এই ঘটনার বিবরণ সঠিক হয়, তবে এটিও দেখা যায় কেন 'খ্রিস্ট-পুরাণ' তত্ত্ব। এটি বলে, কোনো ঐতিহাসিক যিশুর অস্তিত্ব আদৌ ছিল না, অনেকের কাছে এতটা যুক্তিসঙ্গত মনে হয়েছে...
::হুগো এ. মেয়নেল, ''অ্যান ইন্ট্রোডাকশন টু দ্য ফিলোসফি অব বার্নার্ড লোনেরগান'' (২য় সংস্করণ), টরন্টো: ইউনিভার্সিটি অব টরন্টো প্রেস, ১৯৯১, পৃষ্ঠা ১৬৬
*আমার মতে (এবং এটি এমন একটি মত যা প্রত্যেক গম্ভীর ইতিহাসবিদই বিশ্বাস করেন) যে [খ্রিস্ট পুরাণ] তত্ত্বটি ঐতিহাসিকভাবে অগ্রহণযোগ্য।
::উইলি মার্ক্সেন, ''দ্য রেজারেকশন অব জিসাস অব নাজারেথ'', ফিলাডেলফিয়া: ফোর্ট্রেস, ১৯৭০, পৃষ্ঠা ১১৯
*কিন্তু আগের সময়ে ছড়িয়ে পড়া খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্বগুলোর বিপরীতে, এমন মনে হয় যে আজ প্রায় সমস্ত সম্মানিত পণ্ডিতই গ্রহণ করেনযিশুর অস্তিত্ব ছিল এবং তাঁর সম্পর্কে প্রাথমিক তথ্যগুলো সুপ্রতিষ্ঠিত।
::জন ম্যাককয়ারি, "দ্য হিউম্যানিটি অব ক্রাইস্ট", ''থিওলজি'', ভলিউম ৭৪-এ (লন্ডন: এসপিসিকে, ১৯৭১) পৃষ্ঠা ২৪৭
*সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জি. এ. ওয়েলস যিশুর অস্তিত্ব কখনোই ছিল না বলে প্রমাণ করার চেষ্টা করেছেন। তিনি জার্মান ভাষার একজন অধ্যাপক যিনি নতুন নিয়মের অধ্যয়নে যুক্ত হয়েছেন এবং এমন একটি যুক্তি উপস্থাপন করেছেন যে যিশু সত্যিই বেঁচে ছিলেন তা অনুমান না করেই খ্রিস্টধর্মের উৎপত্তি ব্যাখ্যা করা যায়। শতাব্দীর শুরুতে অনুরূপ দৃষ্টিভঙ্গির পূর্ববর্তী উপস্থাপনাগুলো পণ্ডিতদের মতামতের ওপর কোনো প্রভাব ফেলতে ব্যর্থ হয়েছিল এবং এটি নিশ্চিত যে এই যুক্তির সর্বশেষ উপস্থাপনাটিও এর চেয়ে ভালো কিছু করতে পারবে না। কারণ অবশ্যই প্রমাণগুলো কেবল ট্যাসিটাসের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; নতুন নিয়মের নিজস্ব দলিলগুলো রয়েছে, যার প্রায় সবগুলোই প্রথম শতাব্দীতে লেখা হয়েছে এবং যার পেছনে যিশুর গল্পের প্রসারের একটি সময়কাল রয়েছে, যা যিশুর অনুমিত জীবনের কাছাকাছি সময় পর্যন্ত পিছিয়ে নেওয়া যায়। যিশুর অনুমান ছাড়া এই ঐতিহ্যের উত্থান ব্যাখ্যা করা অসম্ভব।
::ইয়ান হাওয়ার্ড মার্শাল, ''আই বিলিভ ইন দ্য হিস্টোরিক্যাল জিসাস'' (সংশোধিত সংস্করণ), ভ্যাঙ্কুভার: রিজেন্ট কলেজ পাবলিশিং, ২০০৪, পৃষ্ঠা ১৫–১৬
*প্রকৃতপক্ষে, প্রাচীন অতীতের বেশিরভাগ বিখ্যাত চরিত্রের চেয়ে নাজারেথের যিশু যে নিশ্চিতভাবে বেঁচে ছিলেন তার বেশি প্রমাণ রয়েছে। এই প্রমাণগুলো দুই ধরনের: অভ্যন্তরীণ এবং বাহ্যিক, অথবা, আপনি যদি চান, পবিত্র এবং ধর্মনিরপেক্ষ। উভয় ক্ষেত্রেই, মোট প্রমাণ এতটা অপ্রতিরোধ্য, এতটা নিখুঁত যে কেবল সবচেয়ে অগভীর বুদ্ধিসম্পন্ন ব্যক্তিরাই যিশুর অস্তিত্ব অস্বীকার করার সাহস করবে। আর তবুও এই করুণ অস্বীকারটি এখনও 'গ্রামের নাস্তিক,' ইন্টারনেটে ব্লগাররা, অথবা ফ্রিডম ফ্রম রিলিজিয়ন ফাউন্ডেশনের মতো সংগঠনগুলো তোতাপাখির মতো আওড়ে যায়।
::পল এল. মায়ার, "ডিড জিসাস রিয়েলি এক্সিস্ট?", 4Truth.net, ২০০৭
*পুরাণবাদ ঐতিহাসিক সূত্রগুলোকে সার্বিকভাবে একইভাবে মূল্যায়ন করার বিষয় নয়। খ্রিস্টধর্মের বিরুদ্ধে যাদের ক্ষোভ রয়েছে, এটি পুরোপুরি তাদেরই কাজ। যদিও সেসব মহলেও এমন অনেকেই আছেন যারা একে বিশ্বাসযোগ্য মনে করেন না। আর এ কথা জোর দিয়ে বলা উচিত, বাইবেল অধ্যয়নের চেয়ে মূলধারার ইতিহাসবিদদের কাছে এটিকে মোটেও বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয় না।
::জেমস এফ. ম্যাকগ্রাথ, "মিথিসিজম ভার্সেস দ্য সক্রেটিক হিস্টোরিয়ানস", ''এক্সপ্লোরিং আওয়ার ম্যাট্রিক্স'', ২০১০
*এই দৃষ্টিভঙ্গি [যে যিশু কখনোই ছিলেন না] প্রদর্শনযোগ্যভাবে মিথ্যা। এটি এক ধরনের হতাশাজনক নাস্তিক কুসংস্কার দ্বারা চালিত, যা সমস্ত প্রধান প্রাথমিক সূত্র এবং খ্রিষ্টানদের অবজ্ঞা করে। এটি কেবল আমেরিকান যিশু সেমিনারের চেয়ে খারাপই নয়, এটি খ্রিষ্টান মৌলবাদের চেয়েও ভালো কিছু নয়। এটির কেবল ভিন্ন ভিন্ন কুসংস্কার রয়েছে। এর বেশিরভাগ প্রবক্তাও অস্বাভাবিকভাবে অযোগ্য।
::মরিস কেসি, ''জিসাস অব নাজারেথ: অ্যান ইন্ডিপেন্ডেন্ট হিস্টোরিয়ানস অ্যাকাউন্ট অব হিজ লাইফ অ্যান্ড টিচিং'', নিউ ইয়র্ক: টিঅ্যান্ডটি ক্লার্ক, ২০১০, পৃষ্ঠা ৪৯৯
*কিছু সংশয়বাদী মনে করেনবাইবেলীয় এবং ঐতিহাসিক প্রমাণের সেরা ব্যাখ্যা হলো সেই তত্ত্ব যা বলে যিশু কখনোই ছিলেন না; অর্থাৎ যিশুর অস্তিত্ব একটি পুরাণ (ওয়েলস ১৯৯৯)। এমন একটি দৃষ্টিভঙ্গি বিতর্কিত এবং এটি এমনকি খ্রিষ্টান-বিরোধী চিন্তাবিদদের মধ্যেও ব্যাপকভাবে সমর্থিত নয়।
::মাইকেল মার্টিন, ডেলবার্ট বুরকেটের ''দ্য ব্ল্যাকওয়েল কম্প্যানিয়ন টু জিসাসে'' "স্কেপটিক্যাল পারসপেক্টিভস অন জিসাস' রেজারেকশন", অক্সফোর্ড: ব্ল্যাকওয়েল, ২০১১, পৃষ্ঠা ২৮৫
*পাণ্ডিত্যপূর্ণ এবং জনপ্রিয় রচনাগুলোর পাশাপাশি, যিশুর ওপর প্রচুর ছদ্মপাণ্ডিত্য রয়েছে যা ছাপার অক্ষরে জায়গা করে নেয়। গত দুই শতাব্দীতে একশোরও বেশি বই এবং নিবন্ধ যিশুর ঐতিহাসিক অস্তিত্ব অস্বীকার করেছে। আজ অসংখ্য ওয়েবসাইট একই বার্তা বহন করে... বেশিরভাগ পণ্ডিত যিশুর অস্তিত্বহীনতার যুক্তিগুলোকে যেকোনো প্রতিক্রিয়ার অযোগ্য বলে মনে করেন—ঠিক যেমন দাবি করা হয় যে ইহুদি হলোকাস্ট কখনোই ঘটেনি অথবা অ্যাপোলোর চাঁদে অবতরণ একটি হলিউড স্টুডিওতে সংঘটিত হয়েছিল।
::মাইকেল জেমস ম্যাকক্লাইমন্ড, ''ফ্যামিলিয়ার স্ট্রেঞ্জার: অ্যান ইন্ট্রোডাকশন টু জিসাস অব নাজারেথ'', গ্র্যান্ড র্যাপিডস: ইয়ার্ডম্যানস, ২০০৪, পৃষ্ঠা ৮ এবং ২৩–২৪
*চিন্তাভাবনার এই সংশয়বাদী ধারাটি তার চূড়ান্ত পরিণতিতে পৌঁছেছিল এই যুক্তিতে যে মানুষ হিসেবে যিশুর আদৌ কোনো অস্তিত্ব ছিল না এবং তিনি একটি পুরাণ। প্রাচীনকালে, এই চরম দৃষ্টিভঙ্গির নাম দেওয়া হয়েছিল ডসেটিজমের ধর্মবিদ্বেষ (মনে হওয়া) কারণ এটি মনে করত যে যিশু কখনো "রক্তমাংসে" পৃথিবীতে আসেননি, বরং তাঁকে কেবল মনে হয়েছিল; (১ জন ৪:২) এবং এটি পলের তাঁর রক্তমাংসের অস্তিত্বের প্রতি আগ্রহের অভাব দ্বারা কিছুটা উৎসাহ পেয়েছিল। পরবর্তীতে, অষ্টাদশ শতাব্দী এবং তার পর থেকে, এই জেদ করার চেষ্টা করা হয়েছে যে যিশুকে এমনকি "মনে" হয়নি যে তিনি অস্তিত্বশীল, এবং পৃথিবীতে তাঁর উপস্থিতির সমস্ত গল্প সম্পূর্ণ কল্পকাহিনী। বিশেষ করে, তাঁর গল্পকে কাল্পনিক মৃত্যু ও পুনরুত্থিত দেবতাদের উদ্ভাবনকারী পৌত্তলিক পুরাণগুলোর সাথে তুলনা করা হয়েছিল। (অনুচ্ছেদ বিরতি) খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্বকে খণ্ডন করতে ব্যবহৃত কিছু চিন্তাধারা কিছুটা অবিবেচক ছিল।
::গ্রান্ট, মাইকেল। ''জিসাস: অ্যান হিস্টোরিয়ানস রিভিউ অব দ্য গসপেলস''। স্ক্রিবনার, ১৯৯৫; প্রথম প্রকাশ ১৯৭৭, পৃষ্ঠা ১৯৯
*...একদিকে নতুন নিয়মে যা ঘটেছিল তার সত্যনিষ্ঠ দলিল হিসেবে সবকিছুকে আক্ষরিকভাবে গ্রহণ করা, আর অন্যদিকে যিশুর অস্তিত্ব অস্বীকারকারী কোনো এক প্রকারের খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্ব।
::জন ম্যাককয়ারি, ''দ্য স্কোপ অব ডিমিথোলজাইজিং: বুলটম্যান অ্যান্ড হিজ ক্রিটিকস'', লন্ডন: এসসিএম, ১৯৬০, পৃষ্ঠা ৯৩
*এমনকি এমন জ্ঞানী ও বুদ্ধিমান মানুষেরাও ছিলেন যারা যিশুর অস্তিত্ব অস্বীকার করেছেন: যাকে তথাকথিত "খ্রিস্ট-পুরাণ" তত্ত্ব বলা হয়।
::ডোনাল্ড ম্যাকেঞ্জি ম্যাককিনন, ''অবজেকশনস টু ক্রিস্টিয়ান বিলিফ'', লন্ডন: কনস্টেবল, ১৯৬৩, পৃষ্ঠা ৬৭
* রবার্টসন, স্মিথ ও ডুজারডিন দাবি করেনযিশুর গল্পটি হলো প্রাক-খ্রিষ্টান ঈশ্বর যিশুর (জেশুয়া বা জশুয়া) মানবিকীকরণ, যাঁকে হিব্রুদের আসার আগে ফিলিস্তিনে উপাসনা করা হতো। জাহওয়েহর বিজয়ের পর মূলত গ্যালিলির অখ্যাত গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে যাঁর উপাসনা টিকে ছিল [...] ড্রিউস বিশ্বাস করেন''ইসায়াহের'' মসিহ-চরিত্রটি হলো পুরাণের উৎস, এবং অনেক বিবরণে জ্যোতিষতাত্ত্বিক ব্যাখ্যা দেন। কাউচাউড পলের কথিত দর্শনে এর উৎপত্তি খুঁজে পান এবং রাইল্যান্ডস (''দ্য বিগিনিংস অব নস্টিক ক্রিস্টিয়ানিটি'', ১৯৪১) প্রাক-খ্রিষ্টান নস্টিক অনুমানের দিকে নজর দেন।
::{{cite book|last=ম্যাককাবে|first=জোসেফ|title=আ র্যাশনালিস্ট এনসাইক্লোপিডিয়া: আ বুক অব রেফারেন্স অন রিলিজিয়ন, ফিলোসফি, এথিকস অ্যান্ড সায়েন্স|url=https://books.google.com/books?id=tXKIkgAACAAJ|year=1948|publisher=ওয়াটস|chapter=জিসাস}}
* অনেকেই (বর্তমান লেখক সহ) প্রথম শতাব্দীর অল্প নির্ভরযোগ্য প্রমাণ ও ধর্মীয় বিকাশ থেকে ব্যাপকভাবে অনুমান করতে সন্তুষ্ট, সম্ভবত যিশু নামের কোনো ইহুদি পৃথিবীর শেষ সম্পর্কে পারসিক বিশ্বাস [অ্যাভেস্তা দেখুন] গ্রহণ করেছিলেন। আর তা কাছাকাছি ভেবে তিনি তাঁর এসেনিয়ান মঠ [এসেনেস দেখুন] ত্যাগ করে তাঁর সঙ্গীদের সতর্ক করতে গিয়েছিলেন এবং তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। তারা মনে করেনঐতিহাসিকতার প্রশ্নটির খুব একটা গুরুত্ব নেই [...] এমনকি গসপেলে [মার্ক দেখুন] দেওয়া অতি সামান্য জীবনী সংক্রান্ত বিবরণগুলো একটি "অনন্য ব্যক্তিত্বের" দাবিকে সমর্থন করে না,...
::{{cite book|last=ম্যাককাবে|first=জোসেফ|title=আ র্যাশনালিস্ট এনসাইক্লোপিডিয়া: আ বুক অব রেফারেন্স অন রিলিজিয়ন, ফিলোসফি, এথিকস অ্যান্ড সায়েন্স|url=https://books.google.com/books?id=tXKIkgAACAAJ|year=1948|publisher=ওয়াটস|chapter=জিসাস}}
==ন==
*আমার থিসিস হলো, ঐতিহাসিক যিশুকে খোঁজার যেকোনো প্রচেষ্টা সেইসব প্রথম দিকের সামাজিক আন্দোলন বোঝার ক্ষেত্রে অপ্রাসঙ্গিক, যা পরবর্তীতে খ্রিস্টধর্ম নামের ধর্মে বিকশিত হয়েছিল। এমনটি তখনও প্রযোজ্য এমনকি যদি একজন ঐতিহাসিক যিশু বেঁচে থাকতেন এবং কোনো ধরনের আন্দোলন প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করতেন। [...] বর্তমান সময়ের গবেষকেরা যাকে যিশু আন্দোলন, বা খ্রিস্ট ধর্ম, অথবা যিশুকে স্বীকারকারী সম্প্রদায় (এবং যাকে আমি আদি খ্রিস্টধর্ম বলব) বলেন, তার প্রথম দিকের স্তরগুলোতে যিশু কার্যত অপ্রাসঙ্গিক ছিলেন।
**{{cite web|last=নোল|first=কার্ট|title=Investigating Earliest Christianity without Jesus (Chapter 13) - Is This Not the Carpenter?|trans-title=যিশু ছাড়াই প্রাচীনতম খ্রিস্টধর্মের অনুসন্ধান (অধ্যায় ১৩) - ইনি কি ছুতোর নন?|url=https://www.cambridge.org/core/books/is-this-not-the-carpenter/investigating-earliest-christianity-without-jesus/A9439BF3800C821DB296F2E49EA91FF3|website=Cambridge Core|accessdate=12 June 2017|language=en}}
==প==
*তাই এটা কোনো আশ্চর্যের বিষয় নয়, এমন কোনো নিউ টেস্টামেন্ট পণ্ডিত নেই যিনি বেতন পান এবং যিশুর অস্তিত্ব নিয়ে সন্দেহ করেন। আমি একজনকে চিনি না। প্রথম শতাব্দীর ফিলিস্তিনে তাঁর জন্ম, জীবন এবং মৃত্যু কখনোই গুরুতর প্রশ্নের সম্মুখীন হয়নি এবং সম্ভবত এই ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞদের মধ্যেও কখনো হবে না। যিশুর অস্তিত্ব একটি স্বতঃসিদ্ধ বিষয়।
::নিকোলাস পেরিন, ''লস্ট ইন ট্রান্সমিশন?: হোয়াট উই ক্যান নো অ্যাবাউট দ্য ওয়ার্ডস অব জিসাস'', ন্যাশভিল: থমাস নেলসন, ২০০৭, পৃষ্ঠা ৩২
*যেই যুক্তি আমাদের বলে যিশুর কোনো অস্তিত্ব ছিল না, সেই একই যুক্তি দাবি করে, হলোকাস্ট বলে কিছু ছিল না।
::নিকোলাস পেরিন, ''লস্ট ইন ট্রান্সমিশন?: হোয়াট উই ক্যান নো অ্যাবাউট দ্য ওয়ার্ডস অব জিসাস'', ন্যাশভিল: থমাস নেলসন, ২০০৭, পৃষ্ঠা ৩২
*দেড়শ বছর আগে ব্রুনো বাউয়ার নামে একজন মোটামুটি সম্মানিত পণ্ডিত দাবি করেন ঐতিহাসিক চরিত্র হিসেবে যিশু কখনোই ছিলেন না। আজ যারা এই কথা বলেন—অন্তত একাডেমিক জগতে—তাদের স্কিনহেডদের সাথে একই দলভুক্ত করা হয় যারা বলে হলোকাস্ট বলে কিছু ছিল না এবং যারা এখনও বিশ্বাস করতে চায় যে পৃথিবী সমতল।
::মার্ক অ্যালান পাওয়েল, ''জিসাস অ্যাজ আ ফিগার ইন হিস্ট্রি: হাউ মডার্ন হিস্টোরিয়ানস ভিউ দ্য ম্যান ফ্রম গ্যালিলি'', লুইসভিল: ওয়েস্টমিনস্টার জন নক্স, ১৯৯৮, পৃষ্ঠা ১৬৮
*খ্রিস্টকে ক্রুশবিদ্ধ করা হয়েছিল তা অস্বীকার করা হলো হলোকাস্ট অস্বীকার করার মতো। কারও কারও জন্য এটি স্বীকার করা খুব ভয়ংকর। অন্যদের জন্য এটি ধর্মীয় সহানুভূতি আদায়ের একটি বিস্তৃত ষড়যন্ত্র। কিন্তু অস্বীকারকারীরা এক ঐতিহাসিক স্বপ্নের জগতে বাস করেন।
::জন পাইপার, ফিফটি রিজনস হোয়াই জিসাস কেম টু ডাই, হুইটন: ক্রসওয়ে, ২০০৬, পৃষ্ঠা ১৪-১৫
*প্রমাণের বোঝার ভিত্তিতে ইতিহাসবিদদের কিছু মাপকাঠি আছে। উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো লেখক কোনো ঘটনা ঘটার ১০০ বছরেরও বেশি সময় পর তা নিয়ে লেখেন, তবে তাকে বৈধ বলে মনে করা হয় না। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ মাপকাঠি হলো লেখকত্বের বৈধতা। যদি লেখককে স্পষ্টভাবে প্রতিষ্ঠিত করা না যায়, তবে এটি রেকর্ডটিকে অনেক কম নির্ভরযোগ্য করে তোলে। আমাদের কাছে যা আছে তা হলো, ঘটনা ঘটার কয়েক দশক পরে লেখা অসংখ্য সূত্র সেই গসপেল লেখকরা তৈরি করেছিলেন, যারা ধর্ম প্রচার করতে চেয়েছিলেন।
**{{cite web|last=পেরি|first=ফিলিপ|title=A Growing Number of Scholars Are Questioning the Historical Existence of Jesus|trans-title=ক্রমবর্ধমান সংখ্যক পণ্ডিত যিশুর ঐতিহাসিক অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন|url=http://bigthink.com/philip-perry/a-growing-number-of-scholars-are-questioning-the-existence-of-jesus|website=BigThink.com|publisher=[[বিগ থিংক|বিগ থিংক (ওয়েবসাইট)]]|accessdate=26 February 2017|date=২০ ডিসেম্বর ২০১৬}}
*যিশুর ঐতিহাসিকতাকে আঁকড়ে ধরার প্রধান কারণটি মূলত ঐতিহাসিক প্রমাণের ওপর নির্ভর করে না, বরং আধুনিক ধর্মতাত্ত্বিক প্রয়োজনীয়তা থেকে উদ্ভূত।
**{{cite book|last=ফহ|first=ইমানুয়েল|editor=Thomas L. Thompson|others=Thomas S. Verenna|title="ইজ দিস নট দ্য কার্পেন্টার?": দ্য কোয়েশ্চেন অব দ্য হিস্টোরিসিটি অব দ্য ফিগার অব জিসাস|url=https://books.google.com/books?id=r4SQZwEACAAJ|year=2012|publisher=ইকুইনক্স|isbn=978-1-84553-986-3|page=80f|chapter=জিসাস অ্যান্ড দ্য মিথিক মাইন্ড: অ্যান এপিস্টেমোলজিক্যাল প্রোব্লেম}}
*খ্রিস্ট-পুরাণ তাত্ত্বিকদের মতে, যিশুকে প্রথমে একজন প্রাচীন অলিম্পিয়ান দেবতার মতো দেখা হতো; তিনি নাকি হারকিউলিস ও অ্যাসক্লিপিয়সের মতো পৃথিবীতে একবার এসেছিলেন, মারা গিয়েছিলেন এবং মৃতদের মধ্য থেকে আবার জীবিত হয়েছিলেন [...] খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্ব বলে, কেবল পরবর্তীতে যিশুর অবতার, মৃত্যু এবং পুনরুত্থানকে ঐতিহাসিক, সময়-নির্ধারণযোগ্য এবং সাম্প্রতিক জাগতিক ইতিহাসের একটি অংশে পরিণত করা হয়েছিল। তাহলে খ্রিস্টধর্ম একটি "উচ্চ" ক্রিস্টোলজি দিয়ে শুরু হয়েছিল, কিন্তু এর কোনো ঐতিহাসিক ভিত্তি ছিল না (তাই একে কেউ "ডসেটিক" বলতে পারে)। অন্যদিকে মূলধারার পণ্ডিতদের "অ্যাডপশনিস্টিক" তত্ত্ব বলে, খ্রিষ্টানরা প্রথমে একটি "নিম্ন" ক্রিস্টোলজি ধারণ করত, যেখানে যিশুকে ঈশ্বরের স্তরে নয়, বরং আমাদের স্তরে রাখা হতো। পরবর্তীতে ঐতিহাসিক মানব নাজারেথের যিশুর পৌরাণিকীকরণের প্রক্রিয়ার কাছে তা নতি স্বীকার করে। পছন্দটা হলো একটি ঐতিহাসিক যিশুকে পৌরাণিকীকরণ এবং একটি পৌরাণিক যিশুকে ঐতিহাসিকীকরণের মধ্যে।
::{{cite book|last=প্রাইস|first=রবার্ট এম.|title=ডিকনস্ট্রাক্টিং জিসাস|url=https://books.google.com/books?id=VJh1H-hf5EwC&pg=PA228|year=2000|publisher=প্রমিথিউস|isbn=978-1-61592-120-1|page=228|chapter=দ্য হিস্টোরিসাইজড জিসাস?}}
*যদিও [চার্লস গুইগনেবার্ট] খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্ব (এটি বলে, কোনো ঐতিহাসিক যিশুর অস্তিত্ব ছিল না) বা কোনো পত্রই যে পলের লেখা নয় (ডাচ র্যাডিক্যালদের এই অস্বীকার) গ্রহণ করতে পারেননি, তবুও গুইগনেবার্ট উভয়কেই বেশ গুরুত্ব সহকারে নিয়েছিলেন।
::[[রবার্ট এম. প্রাইস]], টম ফ্লিনের ''দ্য নিউ এনসাইক্লোপিডিয়া অব আনবিলিফ'' (অ্যামহার্স্ট, এনওয়াই: প্রমিথিউস, ২০০৭)-এ পৃষ্ঠা ৩৭২
*এই কাজের ['তোলেডট ইয়েশু'] প্রধান আকর্ষণের একটি দিক হলো এর সময়কাল, যা যিশুকে প্রায় ১০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে স্থাপন করে। এটি কেবল কোনো ভুল নয়, যদিও পাঠ্যের অন্যান্য অংশে ভুল সময় খুঁজে পাওয়া কঠিন নয়। এপিফ্যানিয়াস এবং তালমুদও যিশুর প্রতি ইহুদি এবং ইহুদি-খ্রিষ্টানদের বিশ্বাস প্রমাণ করে, তিনি আমাদের সাধারণ ভাবনার প্রায় এক শতাব্দী আগে বেঁচে ছিলেন। এর থেকে বোঝা যায় সম্ভবত যিশু চরিত্রটি প্রথমে একটি অনৈতিহাসিক পুরাণ ছিল এবং তাঁকে একটি যুক্তিসঙ্গত ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রাখার জন্য বিভিন্ন চেষ্টা করা হয়েছিল, ঠিক যেমনটি হিরোডোটাস এবং অন্যান্যরা হারকিউলিস কখন বেঁচে ছিলেন তা বের করার চেষ্টা করেছিলেন।
**{{cite book|last=প্রাইস|first=রবার্ট এম.|title=দ্য প্রি-নিসিন নিউ টেস্টামেন্ট: ফিফটি-ফোর ফরমেটিভ টেক্সটস|url=https://books.google.com/books?id=InMRAQAAIAAJ|year=2006|publisher=সিগনেচার বুকস|isbn=978-1-56085-194-3|page=240}}
*যিশু খ্রিস্টের ক্ষেত্রে, যেখানে গল্পের প্রায় প্রতিটি বিবরণ পৌরাণিক বীরের মূল আদর্শের সাথে মিলে যায় এবং অতিরিক্ত কিছুই থাকে না, কোনো "ধর্মনিরপেক্ষ" বা জীবনীমূলক তথ্য থাকে না, সেখানে পুরাণের পেছনে একজন ঐতিহাসিক চরিত্রের অস্তিত্ব থাকতে হবে বলে দাবি করাটা অযৌক্তিক হয়ে ওঠে।
**{{cite web|last=প্রাইস|first=রবার্ট এম.|title=Christ a Fiction|trans-title=খ্রিস্ট একটি কল্পকাহিনি|url=https://infidels.org/library/modern/robert_price/fiction.html|accessdate=27 November 2016|date=১৯৯৭}}
*অ্যালান ডান্ডেস দেখিয়েছেন, গসপেলে বর্ণিত যিশুর জীবন লর্ড রাগলান, অটো র্যাঙ্ক এবং অন্যান্যদের দ্বারা বর্ণিত পৌরাণিক বীরের মূল আদর্শের বিশ্বব্যাপী দৃষ্টান্তের সাথে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মিলে যায়।
**{{cite book|last=প্রাইস|first=রবার্ট এম.|year=2000|title=ডিকনস্ট্রাক্টিং জিসাস|url=https://books.google.com/books?id=VJh1H-hf5EwC&pg=PA259|publisher=প্রমিথিউস বুকস, পাবলিশার্স|isbn=978-1-61592-120-1|page=259}}
*ঐতিহাসিক যিশুর বর্ণনার বদলে গসপেলগুলো জোনা, ডেভিড, মোজেস, এলিজা এবং এলিশার পুনর্লিখিত গল্প দিয়ে কেন পূর্ণ? খুব সম্ভবত কারণ আদি খ্রিষ্টানরা, সম্ভবত নাসোরীয় বা এসেনেসের মতো ইহুদি, সামেরীয় এবং গ্যালিলীয় সাম্প্রদায়িকরা তাদের ত্রাণকর্তাকে আদৌ জাগতিক ইতিহাসের কোনো চরিত্র বলে মনে করত না, ঠিক যেমন আটিস, হারকিউলিস, মিথ্রাস এবং ওসিরিসের ধর্মের ভক্তরা করত না। তাদের দেবতারাও প্রাচীনকালে মারা গিয়েছিলেন এবং পুনরুত্থিত হয়েছিলেন।
**{{cite book|last=প্রাইস|first=রবার্ট এম.|title=দ্য প্রি-নিসিন নিউ টেস্টামেন্ট: ফিফটি-ফোর ফরমেটিভ টেক্সটস|url=https://books.google.com/books?id=InMRAQAAIAAJ|year=2006|publisher=সিগনেচার বুকস|isbn=978-1-56085-194-3|pages=66–67}}
*নির্ভরযোগ্য গসপেল উপাদানের এই বিস্ময়কর অনুপস্থিতি, তার নিজস্ব খাঁটি গতিপথ বরাবর... ঐতিহাসিক যিশুর প্রতি আরেকটি ন্যূনতমতাবাদী দৃষ্টিভঙ্গির সাথে মিলে যেতে শুরু করে, অর্থাৎ, তাঁর কখনোই কোনো অস্তিত্ব ছিল না। বেশিরভাগ ডাচ র্যাডিক্যাল পণ্ডিত ব্রুনো বাউয়ারকে অনুসরণ করে দাবি করেন গসপেলের পুরো ঐতিহ্যটি একজন ত্রাণকর্তার মূলত একটি সাধারণ তথ্যকে ঐতিহাসিক রূপ দেওয়ার জন্য তৈরি করা হয়েছিল। এই ত্রাণকর্তা সম্ভবত রহস্য ধর্ম বা নস্টিকিজম বা এর চেয়েও দূরের কোনো জায়গা থেকে নেওয়া হয়েছিল। আমার কাছে মনে হয়, এই অবস্থানের পক্ষে দেওয়া মূল যুক্তিটি হলো উপমা। যিশু এবং নস্টিক ও রহস্য ধর্মের ত্রাণকর্তাদের মধ্যে এত বেশি ও কাছাকাছি মিল রয়েছে যে তা খারিজ করা যায় না।
**{{cite book|last=প্রাইস|first=রবার্ট এম.|title=দ্য ইনক্রেডিবল শ্রিংকিং সান অব ম্যান: হাউ রিলায়েবল ইজ দ্য গসপেল ট্র্যাডিশন?|url=https://books.google.com/books?id=GmlB-KXsX8kC&pg=PA350|year=2003|publisher=প্রমিথিউস বুকস, পাবলিশার্স|isbn=978-1-61592-028-0|page=350}}
*চিঠিপত্র থেকে আমাদের কখনোই অনুমান করা উচিত নয় যে যিশু কোনো নির্দিষ্ট ঐতিহাসিক বা রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে মারা গেছেন। কেবল পতিত ফেরেশতারা (কলসীয় ২:১৫), এই যুগের আর্চনরা তাঁকে হত্যা করেছিল। তারা বুঝতে পারেনি যে তারা তাদের নিজেদের ধ্বংস ডেকে আনছে (১ করি. ২:৬-৮)।
**={{cite book|last=প্রাইস|first=রবার্ট এম.|editor=James K. Beilby, Paul Rhodes Eddy|title=দ্য হিস্টোরিক্যাল জিসাস: ফাইভ ভিউজ|url=https://books.google.com/books?id=O33P7xrFnLQC&pg=PA63|date=4 February 2010|publisher=ইন্টারভার্সিটি প্রেস|isbn=978-0-8308-7853-6|page=63|chapter=জিসাস অ্যাট দ্য ভ্যানিশিং পয়েন্ট}}=
*[যিশু নামের ক্ষেত্রে] ফিলিপীয় ২:৯-১১ যদি কোনো ধর্মতাত্ত্বিক সংকোচ ছাড়াই পড়া হয়, তবে মনে হয় এটি বোঝাতে চায়, অন্য সব নামের ঊর্ধ্বে মহিমান্বিত সেই নামটি [যিশু] ত্রাণকর্তা পেয়েছিলেন, কোনো ''কিরিওস'' উপাধি নয়।
**{{cite book|last=প্রাইস|first=রবার্ট এম.|editor=James K. Beilby, Paul Rhodes Eddy|title=দ্য হিস্টোরিক্যাল জিসাস: ফাইভ ভিউজ|url=https://books.google.com/books?id=O33P7xrFnLQC&pg=PA64|date=4 February 2010|publisher=ইন্টারভার্সিটি প্রেস|isbn=978-0-8308-7853-6|page=64|chapter=জিসাস অ্যাট দ্য ভ্যানিশিং পয়েন্ট}}
*সমস্ত চিঠিপত্র কেবল একজন যিশু খ্রিস্ট, ঈশ্বরের পুত্রকে চেনে বলে মনে হয়। তিনি মানুষের পাপের প্রায়শ্চিত্ত হিসেবে মৃত্যুবরণ করতে পৃথিবীতে এসেছিলেন এবং ঈশ্বরের দ্বারা পুনরুত্থিত হয়ে স্বর্গে সিংহাসনে অধিষ্ঠিত হয়েছিলেন।
**{{cite book|last=প্রাইস|first=রবার্ট এম.|editor=James K. Beilby, Paul Rhodes Eddy|title=দ্য হিস্টোরিক্যাল জিসাস: ফাইভ ভিউজ|url=https://books.google.com/books?id=O33P7xrFnLQC&pg=PA65|date=4 February 2010|publisher=ইন্টারভার্সিটি প্রেস|isbn=978-0-8308-7853-6|page=65|chapter=জিসাস অ্যাট দ্য ভ্যানিশিং পয়েন্ট}}
*[কিরিওস ক্রিস্টোস ধর্মের মতে] প্রাচীন ভূমধ্যসাগরীয় বিশ্ব একজন ত্রাণকর্তা দেবতার মৃত্যু ও পুনরুত্থানকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা ধর্মে গভীরভাবে ডুবে ছিল। [...] এই ধর্মগুলো এবং খ্রিস্টধর্মের মধ্যে বিস্তৃত ও মৌলিক মিলগুলো না দেখাটা খুব কঠিন। কিন্তু কোনোভাবে খ্রিষ্টান পণ্ডিতরা এটি দেখতে পাননি, এবং সন্দেহ হয় যে তারা এটি গোঁড়ামির কারণেই করেছেন। [...] কিন্তু আমার কাছে মনে হয় যে রহস্য ধর্মের ত্রাণকর্তাদের পুনরুত্থান যে খ্রিস্টধর্মের আগে ছিল, তার অকাট্য প্রমাণ হলো প্রাচীন খ্রিষ্টান ধর্মরক্ষকরা এটি অস্বীকার করেননি!
**{{cite book|last=প্রাইস|first=রবার্ট এম.|title=ডিকনস্ট্রাক্টিং জিসাস|url=https://books.google.com/books?id=VJh1H-hf5EwC&pg=PA86|year=2000|publisher=প্রমিথিউস|isbn=978-1-61592-120-1|pages=86, 88, 91|chapter=দ্য ক্রাইস্ট কাল্টস}}
*সমালোচকদের একটি নতুন স্রোত ইঙ্গিত দেয় যে সুসমাচার লেখকদের উৎসগুলো ছিল সাহিত্যিক উৎস। র্যান্ডেল হেলমস, জন ডমিনিক ক্রসডান, আর্ল ডোহার্টি এবং অন্যান্যরা দেখিয়েছেন যে সুসমাচারের আখ্যান মূলত কেবল পুনর্লিখিত পুরোনো নিয়মের উপাদান। [র্যান্ডেল হেলমস, ''গসপেল ফিকশনস'' (অ্যামহার্স্ট, এন .ওয়াই.: প্রমিথিউস বুকস, ১৯৮৯); জন ডমিনিক ক্রসডান, ''দ্য ক্রস দ্যাট স্পোক: দ্য অরিজিনস অব দ্য প্যাশন ন্যারেটিভ'' (সান ফ্রান্সিসকো: হার্পার অ্যান্ড রো, ১৯৮৮); থমাস এল. ব্রোডি, "লুক দ্য লিটারারি ইন্টারপ্রেটার: লুক-অ্যাক্টস অ্যাজ আ সিস্টেম্যাটিক রিরাইটিং অ্যান্ড আপডেটিং অব দ্য এলিজা-এলিশা ন্যারেটিভ ইন ১ অ্যান্ড ২ কিংস" (পিএইচ.ডি. অভিসন্দর্ভ, পন্টিফিকাল ইউনিভার্সিটি অব থমাস অ্যাকুইনাস, ১৯৮১); আর্ল ডোহার্টি, ''দ্য জিসাস পাজল: ডিড ক্রিস্টিয়ানিটি বিগিন উইথ আ মিথিক্যাল ক্রাইস্ট''।" (অটোয়া: কানাডিয়ান হিউম্যানিস্ট পাবলিকেশন্স, ১৯৯৯)।]
**{{cite book|last=প্রাইস|first=রবার্ট এম.|title=দ্য ইনক্রেডিবল শ্রিংকিং সান অব ম্যান: হাউ রিলায়েবল ইজ দ্য গসপেল ট্র্যাডিশন?|url=https://books.google.com/books?id=GmlB-KXsX8kC&pg=PA31|year=2003|publisher=প্রমিথিউস বুকস, পাবলিশার্স|isbn=978-1-61592-028-0|pages=31, 41f, n. 14|chapter=সোর্সেস}}
*চারটি গসপেল ও প্রেরিতদের কাজের (অ্যাক্টস) (এবং আরও বিস্তারিতভাবে) ধর্মগ্রন্থগত ভিত্তির জন্য দেখুন রবার্ট এম. প্রাইস, "নিউ টেস্টামেন্ট ন্যারেটিভ অ্যাজ ওল্ড টেস্টামেন্ট মিদ্রাশ," ''এনসাইক্লোপিডিয়া অব মিদ্রাশ: বিবলিক্যাল ইন্টারপ্রিটেশন ইন ফরমেটিভ জুডাইজমে'', সম্পাদিত. জ্যাকব নিউজনার এবং অ্যালান জে. অ্যাভেরি পেক (লিডেন: ব্রিল, ২০০৫), ১:৫৩৪-৭৩। [জন ডমিনিক] ক্রসডান, [র্যান্ডেল] হেলমস, মিলারস [ডেল এবং প্যাট্রিসিয়া] এবং [থমাস এল.] ব্রোডি ছাড়াও আমি জন বোম্যানের কাজের কাছে গভীরভাবে ঋণী, ''দ্য গসপেল অব মার্ক: দ্য নিউ ক্রিস্টিয়ান জিউইশ পাসওভার হাগাদাহ'', স্টুডিয়া পোস্ট-বিবলিকা ৮ (লিডেন: ব্রিল, ১৯৬৫); জে. ডানকান এম. ডেরেট, ''দ্য মেকিং অব মার্ক: দ্য স্ক্রিপচারাল বেসিস অব দ্য আর্লিয়েস্ট গসপেল'', খণ্ড ১ এবং ২ (শিপস্টন-অন-স্টুর, ইউ.কে.: পি. ড্রিংকওয়াটার, ১৯৮৫); ফ্রাংক কারমোড, ''দ্য জেনেসিস অব সিক্রেসি: অন দ্য ইন্টারপ্রিটেশন অব ন্যারেটিভ'', দ্য চার্লস এলিয়ট নরটন লেকচারস ১৯৭৭-১৯৭৮ (কেমব্রিজ, ম্যাস.: হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১৯৭৯); উলফগ্যাং রথ, ''হিব্রু গসপেল: ক্র্যাকিং দ্য কোড অব মার্ক'' (ওক পার্ক, ইল.: মেয়ার-স্টোন বুকস, ১৯৮৮); এবং রিকি ই. ওয়াটস, ''ইসায়াহ'স নিউ এক্সোডাস অ্যান্ড মার্ক'', উইসেনশাফটলিখে আনটারসুচুঙ্গেন জুম নিউয়েন টেস্টামেন্ট ২, রেইহে ৮৮ (টুবিঙ্গেন: মোহর সিয়েবেক, ১৯৯৭)।
**{{cite book|last=প্রাইস|first=রবার্ট এম.|editor=James K. Beilby, Paul Rhodes Eddy|title=দ্য হিস্টোরিক্যাল জিসাস: ফাইভ ভিউজ|url=https://books.google.com/books?id=O33P7xrFnLQC&pg=PA68|date=4 February 2010|publisher=ইন্টারভার্সিটি প্রেস|isbn=978-0-8308-7853-6|page=68, n.39|chapter=জিসাস অ্যাট দ্য ভ্যানিশিং পয়েন্ট}}
*আর্ল ডোহার্টির মতো [পুরাণবাদীরা] বিশ্বাস করেনআদি ক্রিস্টোলজি এমন একজন যিশুকে কল্পনা করেছিল যিনি কখনো পৃথিবীতে আসেননি (তাঁর বিশ্বাসীদের কাছে দর্শন ছাড়া)। ফেরেশতাদের মাঝে তাঁর আত্মত্যাগী মৃত্যু নিম্নতর স্বর্গগুলোর কোনো একটিতে ঘটেছিল, প্রাচীন বিশ্বাস অনুযায়ী যেখানে এই সত্তারা থাকতেন।
**{{cite book|last=প্রাইস|first=রবার্ট এম.|editor=James K. Beilby, Paul Rhodes Eddy|title=দ্য হিস্টোরিক্যাল জিসাস: ফাইভ ভিউজ|url=https://books.google.com/books?id=O33P7xrFnLQC&pg=PA65|date=4 February 2010|publisher=ইন্টারভার্সিটি প্রেস|isbn=978-0-8308-7853-6|page=65|chapter=জিসাস অ্যাট দ্য ভ্যানিশিং পয়েন্ট}}
*[চিঠিপত্রগুলো] আদি খ্রিষ্টান বিশ্বাসের একটি ভিন্ন ধারাকে সংরক্ষণ করে বলে মনে হয়, যার কোনো জাগতিক যিশু ছিল না। এমন একটি খ্রিস্টধর্ম যা "যিশুকে" একজন আধ্যাত্মিক ত্রাণকর্তাকে দেওয়া একটি সম্মানসূচক সিংহাসন-নাম হিসেবে বুঝত। যিনি মহাবিশ্ব শাসনকারী আর্চনদের ওপর বিজয়ী হওয়ার আগে তাদের দ্বারা আক্রান্ত ও নিহত হয়েছিলেন।
**{{cite book|last=প্রাইস|first=রবার্ট এম.|title=দ্য ক্রাইস্ট-মিথ থিওরি অ্যান্ড ইটস প্রোব্লেমস|url=https://books.google.com/books?id=qhyzNAEACAAJ|year=2011|publisher=আমেরিকান অ্যাথিস্ট প্রেস|isbn=978-1-57884-017-5|page=425|chapter=কনক্লুশন: ডু ইউ “নো” জিসাস?}}
*বোল্যান্ড, ''ডি ইভাঞ্জেলিশে জোজুয়া''; রাইল্যান্ডস, ''দ্য ইভোলিউশন অব ক্রিস্টিয়ানিটি''; রাইল্যান্ডস, ''দ্য বিগিনিংস অব নস্টিক ক্রিস্টিয়ানিটি''; জিন্ডলার, ''দ্য জিসাস দ্য জিউস নেভার নিউ'', ৩৪০, এবং অন্যান্যরাও একইভাবে মনে করতেন, খ্রিস্টধর্ম ভিন্ন ভিন্নভাবে ডায়াস্পোরা জুড়ে হেলেনাইজড ইহুদি বসতিগুলোর মধ্যে শুরু হয়েছিল। যেখানে রূপক ইহুদি উপাদানগুলো নস্টিক পুরাণগুলোর সাথে মিশে গিয়ে প্রায় চেনার অযোগ্য হয়ে গিয়েছিল।
:*{{cite book|last=প্রাইস|first=রবার্ট এম.|title=সিক্রেট স্ক্রোলস: রেভেলেশনস ফ্রম দ্য লস্ট গসপেল নভেলস|url=https://books.google.com/books?id=5VlgCgAAQBAJ&pg=PT91|date=27 December 2010|publisher=উইপফ অ্যান্ড স্টক পাবলিশার্স|isbn=978-1-4982-7142-4|pages=103, n. 5}}
*পলের গতিপথটি যিশুর ইহুদি ধর্মকে পৌত্তলিক করার চেয়ে এর মূল ইহুদি উপাদানগুলো থেকে একটি মহাজাগতিক আধা-দার্শনিক পরিত্রাণের পুরাণ তৈরি করার চেষ্টার বিষয় ছিল।
:*{{cite web|last=প্রাইস|first=রবার্ট এম.|title=Christianity, Diaspora Judaism, and Roman Crisis|trans-title=খ্রিস্টধর্ম, ডায়াস্পোরা ইহুদি ধর্ম ও রোমান সংকট|url=http://www.robertmprice.mindvendor.com/art_diaspora.htm|website=www.robertmprice.mindvendor.com|accessdate=21 June 2017|date=২০০৭}}
*[নস্টিক ক্রাইস্ট কাল্টের ব্যাপারে] ওয়াল্টার স্মিথলস [{{cite book|others=trans. John E. Steely|title=দ্য অফিস অব অ্যাপোস্টল ইন দ্য আর্লি চার্চ|year=1969|publisher=অ্যাবিংডন প্রেস|location=New York}}] "প্রেরিত" শব্দের বেশ কয়েকটি নিউ টেস্টামেন্ট ব্যবহারে বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর অসঙ্গতি, সেইসাথে এই অসঙ্গতিগুলোর কিছু ধরন লক্ষ্য করেছেন। [...] স্মিথলস পদ্ধতিগতভাবে প্রেরিতদের খ্রিষ্টান ধারণার এযাবৎকাল পর্যন্ত প্রস্তাবিত সমস্ত সম্ভাব্য উৎস পরীক্ষা করেছেন এবং অবশেষে এটিকে সিরিয়ান নস্টিকিজম থেকে উদ্ভূত বলে প্রমাণ করেছেন। [...] তবে পল সিরিয়ান নস্টিকিজম গ্রহণ করুন বা না করুন, স্মিথলসের গবেষণাগুলো আমাদের জন্য খ্রিস্টের একটি প্রাক-যিশু ধর্মের ভিত্তি তৈরি করবে, যেখানে খ্রিস্টের সাথে বিশেষ করে নাজারেথের যিশুর কোনো সম্পর্ক ছিল না। শেষ পর্যন্ত এটি হেলেনাইজড যিশু আন্দোলনের কোনো না কোনো রূপের পাশাপাশি পাওয়া যেতে পারে, আমি অনুমান করব যিশুর শহিদ ধর্ম, করিন্থে।
**{{cite book|last=প্রাইস|first=রবার্ট এম.|title=ডিকনস্ট্রাক্টিং জিসাস|url=https://books.google.com/books?id=VJh1H-hf5EwC&pg=PA79|year=2000|publisher=প্রমিথিউস|isbn=978-1-61592-120-1|pages=79f, 83|chapter=দ্য ক্রাইস্ট কাল্টস}}
*কেউ ভাবতে পারে যে এই সমস্ত পণ্ডিতেরা একটি নির্দিষ্ট বিন্দুতে এসে থেমে গেছেন কি না, তাদের অনুমান ছিল। "যিশু যদি একজন ঐতিহাসিক চরিত্র হতেন, তবে তিনি নিশ্চয়ই ''কিছু'' করতেন এবং বলতেন!" কিন্তু তাদের নিজস্ব মাপকাঠি এবং সমালোচনামূলক হাতিয়ার, যা আমরা এখানে নির্মম ধারাবাহিকতার সাথে প্রয়োগ করার চেষ্টা করেছি, তা তাদের সম্পূর্ণ অজ্ঞেয়বাদের দিকে নিয়ে যাওয়া উচিত ছিল।
**{{cite book|last=প্রাইস|first=রবার্ট এম.|title=দ্য ইনক্রেডিবল শ্রিংকিং সান অব ম্যান: হাউ রিলায়েবল ইজ দ্য গসপেল ট্র্যাডিশন?|url=https://books.google.com/books?id=GmlB-KXsX8kC&pg=PA351|year=2003|publisher=প্রমিথিউস বুকস, পাবলিশার্স|isbn=978-1-61592-028-0|page=351}}
*আমি এই কথা বলার চেষ্টা করছি না যে খ্রিষ্টান ত্রাণকর্তা যিশু খ্রিস্টের একটি একক উৎস ছিল এবং সেই উৎসটি সম্পূর্ণ পুরাণ। বরং আমি বলছি যে সত্যিই এমন একটি পুরাণ থাকতে পারে এবং যদি তাই হয়, তবে এটি শেষ পর্যন্ত অন্যান্য যিশুর ভাবমূর্তির সাথে মিলে যায়, যার কোনো একটি আসলে একজন ঐতিহাসিক নাজারেথের যিশুর ওপর ভিত্তি করেও থাকতে পারে।
**{{cite book|last=প্রাইস|first=রবার্ট এম.|title=ডিকনস্ট্রাক্টিং জিসাস|url=https://books.google.com/books?id=VJh1H-hf5EwC&pg=PA85|year=2000|publisher=প্রমিথিউস বুকস, পাবলিশার্স|isbn=978-1-61592-120-1|page=85}}
*এটা কি ...সম্ভব যে খ্রিষ্টান কিংবদন্তির দাগকাটা কাচের পর্দার নিচে এবং পেছনে খ্রিস্টধর্মের একজন ঐতিহাসিক প্রতিষ্ঠাতার অস্পষ্ট চরিত্র দাঁড়িয়ে আছে? হ্যাঁ, এটা সম্ভব, সম্ভবত একজন ঐতিহাসিক [[মোজেস|মোজেস]] থাকার চেয়ে একটু বেশিই সম্ভব, একজন ঐতিহাসিক [[অ্যাপোলোনিয়াস অব টায়ানা|অ্যাপোলোনিয়াস অব টায়ানা]] থাকার মতোই সম্ভব। তবে এমনটা ভাবা প্রায় অযৌক্তিক হয়ে ওঠে।
**{{cite journal|last=প্রাইস|first=রবার্ট এম.|title=Of Myth and Men: A Closer Look at the Originators of the Major Religions - What Did They Really Say and Do?|trans-title=পুরাণ ও মানুষের কথা: প্রধান ধর্মগুলোর প্রতিষ্ঠাতাদের ওপর একটি নিবিড় দৃষ্টি - তারা আসলে কী বলেছিলেন ও করেছিলেন?|journal=[[ফ্রি ইনকোয়ারি|ফ্রি ইনকোয়ারি ম্যাগাজিন]]|date=৩১ ডিসেম্বর ১৯৯৯|volume=20|issue=1|url=http://www.secularhumanism.org/index.php/articles/2756}}
*আমাদের মনে রাখতে হবে যে ''ঐকমত্য কোনো মাপকাঠি নয়''। সত্য মাঝে নাও থাকতে পারে। সত্য সংখ্যাগরিষ্ঠের কাছে নাও থাকতে পারে। প্রতিটি তত্ত্ব এবং ব্যক্তিগত যুক্তিকে তার নিজস্ব যোগ্যতায় মূল্যায়ন করতে হবে। এর বদলে আমরা যদি "গৃহীত মতামত" বা "পণ্ডিতদের ঐকমত্যের" কাছে আবেদন করি, তবে আমরা কেবল আমাদের নিজেদের দায়িত্বই ত্যাগ করছি না, বরং ''সংখ্যাগরিষ্ঠের কাছে আবেদন'' করার ভুলও করছি।
**{{cite book|last=প্রাইস|first=রবার্ট এম.|editor=James K. Beilby, Paul Rhodes Eddy|title=দ্য হিস্টোরিক্যাল জিসাস: ফাইভ ভিউজ|url=https://books.google.com/books?id=O33P7xrFnLQC&pg=PA61|date=4 February 2010|publisher=ইন্টারভার্সিটি প্রেস|isbn=978-0-8308-7853-6|page=61|chapter=জিসাস অ্যাট দ্য ভ্যানিশিং পয়েন্ট}}
*আমরা এখানে এই অবস্থানের কথা বলছি না যে যিশুর কোনো ঐতিহাসিক অস্তিত্ব ছিল না, যা নিজেই একটি পুরোপুরি বৈধ তত্ত্ব এবং গম্ভীর আলোচনার দাবি রাখে। আমরা যেসব বিভ্রমের কথা ভাবছি তা হলো অতিরঞ্জিত বা অযৌক্তিক ব্যাখ্যা [যা পৌরাণিক দৃষ্টিভঙ্গির কিছু অনুসারী দাবি করে।]
**{{cite book|last=গুইগনেবার্ট|first=চার্লস|title=জিসাস|url=https://books.google.com/books?id=Cqg9AAAAYAAJ|year=1956|publisher=ইউনিভার্সিটি বুকস|page=64}}
:[যদিও চার্লস গুইগনেবার্ট] খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্ব (এটি বলে, কোনো ঐতিহাসিক যিশুর অস্তিত্ব ছিল না) বা কোনো পত্রই যে পলের লেখা নয় (ডাচ র্যাডিক্যালদের এই অস্বীকার) গ্রহণ করতে পারেননি, তবুও গুইগনেবার্ট উভয়কেই বেশ গুরুত্ব সহকারে নিয়েছিলেন।
::{{cite book|last=প্রাইস|first=রবার্ট এম.|editor=Tom Flynn, Richard Dawkins|title=দ্য নিউ এনসাইক্লোপিডিয়া অব আনবিলিফ|url=https://books.google.com/books?id=fsZ26vQxJKMC&pg=PA372|year=2007|publisher=প্রমিথিউস বুকস, পাবলিশার্স|isbn=978-1-61592-280-2|page=372|chapter=গুইগনেবার্ট, চার্লস}}
*যদিও [চার্লস গুইগনেবার্ট] খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্ব (এটি বলে, কোনো ঐতিহাসিক যিশুর অস্তিত্ব ছিল না) বা কোনো পত্রই যে পলের লেখা নয় (ডাচ র্যাডিক্যালদের এই অস্বীকার) গ্রহণ করতে পারেননি, তবুও গুইগনেবার্ট উভয়কেই বেশ গুরুত্ব সহকারে নিয়েছিলেন।
::[[রবার্ট এম. প্রাইস]], টম ফ্লিনের ''দ্য নিউ এনসাইক্লোপিডিয়া অব আনবিলিফ'' (অ্যামহার্স্ট, এনওয়াই: প্রমিথিউস, ২০০৭)-এ পৃষ্ঠা ৩৭২
==R==
*যদিও মার্ক্সীয় প্রচারণামূলক লেখকরা মনে করেনযিশু কখনোই বেঁচে ছিলেন না এবং গসপেলগুলো কল্পনার নিখাদ সৃষ্টি, তবে এটি সবচেয়ে চরমপন্থী গসপেল সমালোচকদেরও মতামত নয়।
::বার্নার্ড এল. র্যাম, ''অ্যান ইভ্যাঞ্জেলিক্যাল ক্রিস্টোলজি: ইকিউমেনিক অ্যান্ড হিস্টোরিক'', ভ্যাঙ্কুভার: রিজেন্ট কলেজ পাবলিশিং, ১৯৯৯, পৃষ্ঠা ১৫৯
*ঐতিহ্যগত খ্রিস্টধর্ম এবং প্রথাগত খ্রিস্টধর্মকে একজন একক ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠাতার দিকে টেনে নিয়ে যাওয়ার যেকোনো চেষ্টা, উভয়ই প্রমাণের ভিত্তিতে ভেঙে পড়ে। [...] যে এজিয়ান শহরগুলোতে পলের চিঠিপত্র রূপ নিয়েছিল, সেখানে অবতার ঈশ্বরের পুরাণ [অর্থাৎ শুরু থেকেই] ধর্মের ভিত্তি ছিল, কোনো ঐতিহাসিক যিশুর জীবন নয়। পল নাজারেথের যিশু সম্পর্কে ঠিক ততটুকুই জানেন, যতটা সিনপটিকগুলো প্রাক-অস্তিত্বশীল খ্রিস্ট সম্পর্কে জানে।
**{{cite book|last=রবার্টসন|first=আর্চিবল্ড|title=দ্য অরিজিনস অব ক্রিস্টিয়ানিটি|url=https://books.google.com/books?id=TXcOAQAAIAAJ|edition=2|year=1962|publisher=ইন্টারন্যাশনাল পাবলিশার্স|page=96|chapter=কনক্লুশন}}
*খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্ব (যে যিশু কখনোই বেঁচে ছিলেন না) এই শতাব্দীর শুরুতে কিছুটা জনপ্রিয়তা পেয়েছিল কিন্তু এটি সমসাময়িক পাণ্ডিত্য দ্বারা সমর্থিত নয়।
::অ্যালান রিচার্ডসন, ''দ্য পলিটিক্যাল ক্রাইস্ট'', লন্ডন: এসসিএম, ১৯৭৩, পৃষ্ঠা ১১৩
*পুরাণবাদীরা... পেশাদার ধর্মতত্ত্ববিদদের কাছ থেকে ন্যায্য আচরণ পায় না। তারা হয় তাকে নীরবতার ষড়যন্ত্র দিয়ে মোকাবিলা করে অথবা, যদি তা অসম্ভব হয়, তবে তাকে এমন একজন অপেশাদার হিসেবে বিবেচনা করে যাঁর একাডেমিক যোগ্যতার অভাব... তাঁর মতামতকে মূল্যহীন করে দেয়। এই ধরনের আচরণ স্বাভাবিকভাবেই পুরাণবাদীদের আক্রমণাত্মক করে তোলে। (এ. রবার্টসন, ''জিসাস: মিথ অর হিস্ট্রি?'', x [xii]।)
::{{cite book|last=রবার্টসন|first=আর্চিবল্ড|title=জিসাস: মিথ অর হিস্ট্রি?|url=https://archive.org/stream/jesusmythorhisto035413mbp#page/n7/mode/2up|publisher=ওয়াটস অ্যান্ড কোং|location=London|year=1946|series=[[থিঙ্কার্স লাইব্রেরি|থিঙ্কার্স লাইব্রেরি, নং ১১০]]|page=xii}}
:*[[আর্চিবল্ড রবার্টসন (নাস্তিক)|আর্চিবল্ড রবার্টসন]] এপি. {{cite book|last=এহরম্যান|first=বার্ট ডি.|title=ডিড জিসাস এক্সিস্ট?: দ্য হিস্টোরিক্যাল আর্গুমেন্ট ফর জিসাস অব নাজারেথ|url=https://books.google.com/books?id=hf5Rj8EtsPkC&pg=PT15|date=20 March 2012|publisher=হার্পারকলিন্স|isbn=978-0-06-208994-6|pages=20, 348, n. 12}}
*যৌক্তিকভাবে কেবল এটুকুই দাবি করা যেতে পারে যে যিশু নামের একজন শিক্ষক বা শিক্ষকগণ, বা ভিন্ন ভিন্ন নামের একাধিক শিক্ষক যাঁদের মসিহ বলা হতো, তারা হয়তো বিভিন্ন সময়ে, সম্ভবত পলের চিঠিপত্র লেখার পরে এই শিক্ষাগুলোর কিছু মসিহসুলভভাবে বলেছিলেন।
**{{cite book|last=রবার্টসন|first=জন ম্যাকিনন|title=ক্রিস্টিয়ানিটি অ্যান্ড মাইথোলজি|url=https://archive.org/details/christianitymyth00robe|year=1910|publisher=ওয়াটস অ্যান্ড কোং|page=125}}
*যিশু নামের একজন মানুষ, একজন অখ্যাত ধর্মীয় শিক্ষক, এই কল্পিত খ্রিস্টের ভিত্তি হিসেবে প্রায় উনিশশো বছর আগে ফিলিস্তিনে বসবাস করতেন, তা সত্য হতে পারে। কিন্তু এই মানুষটি সম্পর্কে আমরা কিছুই জানি না। তাঁর জীবনী লেখা হয়নি।
**{{cite book|last=রেমসবার্গ|first=জন এলিয়াজার|title=দ্য ক্রাইস্ট: আ ক্রিটিক্যাল রিভিউ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস অব দ্য এভিডেন্সেস অব হিজ এক্সিস্টেন্স|url=https://archive.org/details/christcriticalre00rems|year=1909|publisher=ট্রুথ সিকার কোম্পানি|page=24}}
*[এল. জি. রাইল্যান্ডসের ''দ্য বিগিনিংস অব নস্টিক ক্রিস্টিয়ানিটি'', ওয়াটস অ্যান্ড কোং. লন্ডন, ১৯৪০-এর মতে] রাইল্যান্ডসের দৃষ্টিভঙ্গি সংক্ষেপে হলো, হেলেনীয় আগ্রাসন ধর্মীয় বিশ্বে আলোড়ন নিয়ে এসেছিল। ইহুদি ধর্মের ওপর গ্রিক দর্শন ও প্রাচ্যের ধর্মতত্ত্বের প্রভাবের কারণে অনেক মিশ্রণ ঘটেছিল। গড়ে ওঠা অনেক ইহুদি সম্প্রদায়ের মধ্যে খ্রিস্টধর্ম ছিল একটি। পৃষ্ঠা ২২। এই আলোড়নে নস্টিক ধারণাগুলো গড়ে উঠেছিল, যা মূলত প্রাচ্যের দর্শন ও পুরাণ থেকে এসেছিল, যা পরবর্তীতে খ্রিষ্টান নৈতিকতার জন্ম দিয়েছিল। মূলত, প্রথমে যে খ্রিস্টধর্ম গড়ে উঠেছিল তা গভীরভাবে আধ্যাত্মিক ছিল, অর্থাৎ, পল ও জন একজন মানব বস্তুবাদী খ্রিস্ট সম্পর্কে জানতেন না। ক্যাথলিক ধর্মতত্ত্ব বস্তুবাদী দিকটি পরিচয় করিয়ে দেয়। নস্টিকরা আসলে [প্রকৃত] পলিন এবং জোহানাইন চিন্তাধারার প্রতিনিধিত্ব করত। ৭০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে [প্রোটো-অর্থোডক্স] মানুষেরা একজন বলিদান হওয়া যিশুর উপাসনা করছিল; এই মানুষেরা একটি সম্প্রদায় ছিল, শুরুতে কোনো গির্জা নয়। কিন্তু তারা আধিপত্য বিস্তার করে। নস্টিকরা আদিম [উচ্চ] পলিন এবং জোহানাইন ক্রিস্টোলজি ত্যাগ করতে অস্বীকার করে [প্রত্যাখ্যান করে]। পৃষ্ঠা ২৭২ "নস্টিক ক্রিস্টোলজি আসল ছিল, এটি একটি স্বর্গীয় খ্রিস্টের উপাসনা করত, এটি একজন মানব যিশু সম্পর্কে জানত না।" পৃষ্ঠা ২৭৯।
::{{cite book|last=রাইল্যান্ডস|first=লুই গর্ডন|title=দ্য বিগিনিংস অব নস্টিক ক্রিস্টিয়ানিটি|url=https://books.google.com/books?id=es3YAAAAMAAJ|year=1940|publisher=ওয়াটস}}
:*{{cite book|last=গ্রোনিঞ্জেন|first=জেরার্ড ভ্যান|title=ফার্স্ট সেঞ্চুরি নস্টিসিজম: ইটস অরিজিন অ্যান্ড মোটিফস|url=https://books.google.com/books?id=kMgUAAAAIAAJ&pg=PA80|year=1967|publisher=ব্রিল আর্কাইভ|pages=79–80, n. 3|chapter=ক্রিস্টিয়ানিটি}}
*খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্ব (যে যিশু কখনোই বেঁচে ছিলেন না) এই শতাব্দীর শুরুতে কিছুটা জনপ্রিয়তা পেয়েছিল কিন্তু এটি সমসাময়িক পাণ্ডিত্য দ্বারা সমর্থিত নয়।
::অ্যালান রিচার্ডসন, ''দ্য পলিটিক্যাল ক্রাইস্ট'', লন্ডন: এসসিএম, ১৯৭৩, পৃষ্ঠা ১১৩
* "দ্য ক্রাইস্ট" নামক এই খণ্ডটি এমন একজনের দ্বারা লেখা হয়েছে যিনি স্ট্রস ও রেনানের যিশুকে একটি মধ্যবর্তী ধাপ হিসেবে স্বীকার করেন, কিন্তু গোঁড়া খ্রিস্টধর্ম ও কট্টর মুক্তচিন্তার মধ্যে চূড়ান্ত ধাপ হিসেবে নয়। '''খ্রিস্ট বলতে নতুন নিয়মের যিশুকে বোঝানো হয়েছে। নতুন নিয়মের যিশুই হলেন খ্রিস্টধর্মের খ্রিস্ট। নতুন নিয়মের যিশু একজন অতিপ্রাকৃত সত্তা। খ্রিস্টের মতোই তিনিও একটি পুরাণ। তিনি হলেন খ্রিস্ট পুরাণ।''' [...] '''আমি মানব যিশুর বিরুদ্ধে লিখছি না, বরং ধর্মতত্ত্বের খ্রিস্ট যিশুর বিরুদ্ধে লিখছি''' [...] নাজারেথের যিশু, মানবতার যিশু, যাঁর সাধারণ জীবন এবং মর্মান্তিক মৃত্যুর করুণ কাহিনী লক্ষ লক্ষ মানুষের সহানুভূতি জাগিয়েছে, তিনি একজন সম্ভাব্য চরিত্র এবং তাঁর অস্তিত্ব থাকতে পারে; কিন্তু '''বেথেলহেমের যিশু, খ্রিস্টধর্মের খ্রিস্ট, একটি অসম্ভব চরিত্র এবং তাঁর কোনো অস্তিত্ব নেই।''' [...] যদিও সমস্ত মুক্তচিন্তাবিদরা একমত যে নতুন নিয়মের খ্রিস্ট একটি পুরাণ, তবুও তারা, যেমনটি আমরা দেখেছি, এই পুরাণের প্রকৃতি সম্পর্কে সম্পূর্ণ একমত নন এবং হয়তো কখনোই হবেন না। কেউ কেউ বিশ্বাস করেনতিনি একটি ঐতিহাসিক পুরাণ; অন্যরা মনে করেন তিনি একটি নিখাদ পুরাণ। কেউ কেউ বিশ্বাস করেনযিশু, একজন বাস্তব ব্যক্তি, ছিলেন এই খ্রিস্টের বীজ যাঁকে পরবর্তী প্রজন্মগুলো ধীরে ধীরে বিকশিত করেছে; অন্যরা যুক্তি দেন যে মানুষ যিশুর পাশাপাশি খ্রিস্টও পুরোপুরি মানুষের কল্পনার সৃষ্টি। প্রতিটি অনুমানের সমর্থনে দেওয়া প্রমাণ ও যুক্তিগুলো যত্ন সহকারে ওজন করার পর, লেখক কোনো একটি সম্পর্কে গোঁড়া স্বীকৃতি প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকলেও, প্রথমটিকে বেশি সম্ভাব্য বলে গ্রহণ করতে বাধ্য হয়েছেন।
::{{cite book | last = রেমসবার্গ | first = জন ই. | title = দ্য ক্রাইস্ট | publisher = ট্রুথ সিকার কোং | year = 1909 | location = New York | url = http://www.gutenberg.org/ebooks/46986 | isbn = 0879759240}}
*যিশুর ঐতিহাসিকতার সমস্যার আলোচনা দুটি ভাগে বিভক্ত—(১) যিশু কেন ঐতিহাসিক ব্যক্তি হতে পারেন না, তা বিশ্বাস করার কারণগুলোর একটি বিবৃতি; (২) খ্রিস্টধর্মের উৎপত্তির ব্যাখ্যা করবে এমন একটি তত্ত্ব নির্মাণ।
::{{cite book|last=রাইল্যান্ডস|first=এল. গর্ডন|title=দ্য লিটারারি গাইড অ্যান্ড র্যাশনালিস্ট রিভিউ|url=https://books.google.com/books?id=Lr3UAAAAMAAJ|volume=57:8|year=1942|page=107|chapter=বুক নোটিস: ''জিসাস নট আ মিথ''। বাই এ. ডি. হাওয়েল স্মিথ (ওয়াটস) ২১০ পিপি.}}
* [জে. এম.] রবার্টসন একজন ঐতিহাসিক যিশুর (সম্ভবত একাধিক) সম্ভাবনা স্বীকার করতে প্রস্তুত, যিনি গসপেলের গল্পে কিছু অবদান রেখেছেন। "যিশু নামের একজন শিক্ষক বা শিক্ষকগণ, বা ভিন্ন ভিন্ন নামের একাধিক শিক্ষক যাঁদের মসিহ বলা হতো" (যাঁদের মধ্যে অনেকের রেকর্ড রয়েছে) তারা হয়তো গসপেলের কিছু কথা বলেছিলেন।
:# তালমুদের যিশু, যাঁকে ক্রুশবিদ্ধ করার ঐতিহ্যগত তারিখের এক শতাব্দীরও বেশি আগে পাথর ছুঁড়ে হত্যা এবং ফাঁসিতে ঝোলানো হয়েছিল, তিনি সত্যিই বেঁচে থাকতে পারেন এবং ঐতিহ্যে কিছু অবদান রাখতে পারেন।
:# একজন ঐতিহাসিক যিশু হয়তো "রোমান শাসনের ধ্বংসাত্মক রাজনৈতিক মতবাদ প্রচার করেছিলেন, এবং... তার কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছিল"; এবং খ্রিষ্টান লেখকরা রোমানদের খুশি করতে গিয়ে সত্যগুলো গোপন করে থাকতে পারেন।
:# অথবা স্থানীয় খ্যাতিসম্পন্ন একজন গ্যালিলীয় বিশ্বাস-নিরাময়কারীকে সামাজিক অস্থিরতার কোনো এক সময়ে মানব বলি হিসেবে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে; এবং তাঁর গল্পটি পুরাণের সাথে মিলে যেতে পারে।
:পুরাণ তত্ত্ব এমন একটি সম্ভাবনা [যে যিশু একজন মানুষ হিসেবে বেঁচে ছিলেন] অস্বীকার করার জন্য চিন্তিত নয়। '''পুরাণ তত্ত্ব যা অস্বীকার করে তা হলো, খ্রিস্টধর্মকে এমন একজন ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠাতার সাথে যুক্ত করা যেতে পারে যিনি গসপেলগুলোতে বর্ণিত হিসেবে শিক্ষা দিয়েছিলেন এবং সেখানে লিপিবদ্ধ পরিস্থিতিতে তাঁকে হত্যা করা হয়েছিল'''
::{{cite book|last=রবার্টসন|first=আর্চিবল্ড|title=জিসাস: মিথ অর হিস্ট্রি?|url=https://archive.org/stream/jesusmythorhisto035413mbp#page/n63/mode/2up|publisher=ওয়াটস অ্যান্ড কোং|location=London|year=1946|series=[[থিঙ্কার্স লাইব্রেরি|থিঙ্কার্স লাইব্রেরি, নং ১১০]]|page=44}}
*[পল-লুই কৌচাউডের মতে] যিশু সম্পর্কে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য সত্যটি হলো... তিনি একজন ঈশ্বর। পল, বেঁচে থাকা সবচেয়ে প্রাচীন খ্রিষ্টান লেখক (যাঁর আটটি বিখ্যাত চিঠিকে কৌচাউড মূলত খাঁটি বলে মনে করেন, যদিও সেগুলো অনেক বেশি সম্পাদিত এবং প্রক্ষিপ্ত), যিশুকে ঈশ্বর হিসেবেই দেখেন।
::{{cite book|last=রবার্টসন|first=আর্চিবল্ড|title=জিসাস: মিথ অর হিস্ট্রি?|url=https://archive.org/stream/jesusmythorhisto035413mbp#page/n7/mode/2up|publisher=ওয়াটস অ্যান্ড কোং|location=London|year=1946|series=[[থিঙ্কার্স লাইব্রেরি|থিঙ্কার্স লাইব্রেরি, নং ১১০]]|page=58}}
* এই যিশু সম্পর্কে আমরা প্রায় কিছুই জানি না। আমরা খ্রিস্টধর্ম হিসেবে যা চিনতে পারি, তিনি তার কিছুরই প্রতিষ্ঠাতা নন। তিনি কেবল ঐতিহাসিক পর্যালোচনার একটি স্বতঃসিদ্ধ সত্য—এক হারানো কারণের একজন মৃত নেতা, যাঁর নামে কিছু কথা চালিয়ে দেওয়া যেতে পারে এবং যাঁকে ঘিরে একটি কিংবদন্তি লেখা যেতে পারে।
::{{cite book|last=রবার্টসন|first=আর্চিবল্ড|title=জিসাস: মিথ অর হিস্ট্রি?|url=https://archive.org/stream/jesusmythorhisto035413mbp#page/n126/mode/1up|publisher=ওয়াটস অ্যান্ড কোং|location=London|year=1946|series=[[থিঙ্কার্স লাইব্রেরি|থিঙ্কার্স লাইব্রেরি, নং ১১০]]|page=107}}
*[জে. এম.] [[জে. এম. রবার্টসন|রবার্টসন]] একজন ঐতিহাসিক যিশুর (সম্ভবত একাধিক) সম্ভাবনা স্বীকার করতে প্রস্তুত, যিনি গসপেলের গল্পে কিছু অবদান রেখেছেন। "যিশু নামের একজন শিক্ষক বা শিক্ষকগণ, বা ভিন্ন ভিন্ন নামের একাধিক শিক্ষক যাঁদের মসিহ বলা হতো" (যাঁদের মধ্যে অনেকের রেকর্ড রয়েছে) তারা হয়তো গসপেলের কিছু কথা বলেছিলেন। (জে. এম. রবার্টসন, ''ক্রিস্টিয়ানিটি অ্যান্ড মাইথোলজি'', সংশোধিত সংস্করণ, পৃষ্ঠা ১২৫) [...] পুরাণ তত্ত্ব যা অস্বীকার করে তা হলো, খ্রিস্টধর্মকে এমন একজন ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠাতার সাথে যুক্ত করা যেতে পারে যিনি গসপেলগুলোতে বর্ণিত হিসেবে শিক্ষা দিয়েছিলেন এবং সেখানে লিপিবদ্ধ পরিস্থিতিতে তাঁকে হত্যা করা হয়েছিল।
**{{cite book|last=রবার্টসন|first=আর্চিবল্ড|title=জিসাস: মিথ অর হিস্ট্রি?|url=https://archive.org/stream/jesusmythorhisto035413mbp#page/n7/mode/2up|publisher=ওয়াটস অ্যান্ড কোং|location=London|year=1946|series=[[থিঙ্কার্স লাইব্রেরি|থিঙ্কার্স লাইব্রেরি, নং ১১০]]|page=44}}
*জে. এম. রবার্টসন কর্তৃক বর্ণিত পুরাণ তত্ত্ব একজন ঐতিহাসিক যিশুর সম্ভাবনাকে বাতিল করে না। "যিশু নামের একজন শিক্ষক বা শিক্ষকগণ" হয়তো "বিভিন্ন সময়ে" গসপেলের কিছু কথা বলেছিলেন। তালমুদের যিশু বেন-প্যানডেরা হয়তো এমন একটি আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন যার চারপাশে প্রাচীন সৌর বা অন্যান্য ধর্মের বেঁচে থাকা অংশগুলো ধীরে ধীরে জড়ো হয়েছিল। এমনকি এটি "খুব একটা অসম্ভব নয় যে যিশু নামে কয়েকজন ছিলেন যারা নিজেদের মসিহ বলে দাবি করতেন।" এই আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা হয়তো একটি ধ্বংসাত্মক রাজনৈতিক মতবাদ প্রচার করে মারা গিয়েছিলেন এবং পরবর্তী লেখকরা সত্যগুলো গোপন করে থাকতে পারেন। যিশু নামের একজন গ্যালিলীয় বিশ্বাস-নিরাময়কারীকে হয়তো সামাজিক অস্থিরতার কোনো এক সময়ে ধর্মান্ধ কৃষকরা মানব বলি হিসেবে উৎসর্গ করেছিল।
**{{cite book|last=রবার্টসন|first=আর্চিবল্ড|title=জিসাস: মিথ অর হিস্ট্রি?|url=https://archive.org/stream/jesusmythorhisto035413mbp#page/n7/mode/2up|publisher=ওয়াটস অ্যান্ড কোং|location=London|year=1946|series=[[থিঙ্কার্স লাইব্রেরি|থিঙ্কার্স লাইব্রেরি, নং ১১০]]|pages=99-100}}
==স==
*যিশু আর যা-ই করুন বা না করুন, তিনি নিঃসন্দেহে* সেই প্রক্রিয়াটি শুরু করেছিলেন যা পরে খ্রিস্টধর্মে পরিণত হয়েছিল…
:নিঃসন্দেহে: এই প্রস্তাব নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, কিন্তু যেসব বিকল্প ব্যাখ্যা প্রস্তাব করা হয়েছে—যেমন "খ্রিস্ট-পুরাণ ঘরানার" তত্ত্বগুলো—সেগুলো পুরোপুরি খারিজ হয়ে গেছে।
::মর্টন স্মিথ, ''জিসাস দ্য ম্যাজিশিয়ান'', নিউ ইয়র্ক: হার্পার অ্যান্ড রো, ১৯৭৮, পৃষ্ঠা ৫ এবং ১৬৬
*অধ্যাপক ওয়েলস যখন গসপেলের গল্পগুলোর এমন একটি ব্যাখ্যা [অর্থাৎ খ্রিস্ট পুরাণ তত্ত্ব] দেন, তখন তিনি আমাদের সামনে তাঁর ব্যক্তিগত পুরাণের এমন একটি অংশ তুলে ধরেন, যা আমার কাছে গসপেলের যেকোনো কিছুর চেয়েও বেশি অবিশ্বাস্য মনে হয়।
::মর্টন স্মিথ, আর. জোসেফ হফম্যানের ''জিসাস ইন হিস্ট্রি অ্যান্ড মিথে'', অ্যামহার্স্ট, এনওয়াই: প্রমিথিউস, ১৯৮৬, পৃষ্ঠা ৪৮
*বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকের ছদ্মপাণ্ডিত্য যিশুর ঐতিহাসিক বাস্তবতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে মূলত একটি পূর্বনির্ধারিত অবস্থানকে প্রমাণ করার সরল প্রচেষ্টা ছিল।
::জেরার্ড স্টিফেন স্লোয়ান, ''দ্য ক্রুসিফিক্সন অব জিসাস: হিস্ট্রি, মিথ, ফেইথ'', মিনিয়াপোলিস: ফোর্ট্রেস প্রেস, ১৯৯৫, পৃষ্ঠা ৯
*যিশুর ঐতিহাসিকতার পক্ষের ও বিপক্ষের দাবিগুলো পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, যারা তাঁকে অনৈতিহাসিক প্রমাণ করতে চান তারা ধর্ম ও মতবাদের ইতিহাস এবং বিশেষ করে প্রাচীন ঐতিহ্যের ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে তাদের প্রতিপক্ষের চেয়ে অনেক বেশি ও গভীর সমস্যার মুখোমুখি হন। সামগ্রিকভাবে দেখলে তাদের এই সমস্যাগুলোর কোনো সম্ভাব্য সমাধান নেই বলেই মনে করতে হবে। এর সাথে যুক্ত হয়েছে এ পর্যন্ত যিশু কখনোই ছিলেন না বলে তুলে ধরা সমস্ত অনুমানগুলো কাজ করার পদ্ধতি এবং গসপেল বিবরণের ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে একে অপরের সম্পূর্ণ বিপরীত। তাই এগুলো কেবল একে অপরকে বাতিল করে দেয়। সুতরাং আমাদের উপসংহারে আসতে হবে, যিশুর অস্তিত্ব ছিল এই অনুমানটি অত্যন্ত সম্ভাব্য, অন্যদিকে এর বিপরীতটি অত্যন্ত অসম্ভাব্য। এর অর্থ এই নয় যে পরেরটি সময়ে সময়ে আবার প্রস্তাব করা হবে না, ঠিক যেমন যিশুর জীবনের রোমান্টিক দৃষ্টিভঙ্গিও অমর হওয়ার ভাগ্য নিয়ে জন্মেছে। এটি এমনকি কিছু পাণ্ডিত্যপূর্ণ কৌশলের সাহায্যে নিজেকে সাজাতে সক্ষম এবং সামান্য দক্ষ কারসাজির মাধ্যমে বিপুল সংখ্যক মানুষের ওপর অনেক প্রভাব ফেলতে পারে। কিন্তু এটি যখন 'ধর্মতত্ত্বের' সাথে কোলাহলপূর্ণ বিতর্কে জড়ানোর চেয়ে বেশি কিছু করে এবং প্রকৃত প্রমাণ তৈরির ঝুঁকি নেয়, তখন এটি অবিলম্বে নিজেকে একটি অবাস্তব অনুমান হিসেবে প্রকাশ করে।
::আলবার্ট শোয়েইটজার, ''দ্য কোয়েস্ট অব দ্য হিস্টোরিক্যাল জিসাস'', অনুবাদক জন বোডেন এবং অন্যান্য, মিনিয়াপোলিস: ফোর্ট্রেস, ২০০১, পৃষ্ঠা ৪৩৫–৪৩৬
*আলোকায়নের পর থেকে যিশুর জীবন সম্পর্কে গসপেলের গল্পগুলো সন্দেহের মুখে পড়েছে। সে সময়কার বুদ্ধিজীবীরা আজকের মতোই প্রশ্ন করতেন: 'নতুন নিয়মের গল্পগুলোকে ঈশপের গল্প বা গ্রিমের রূপকথার চেয়ে ঐতিহাসিকভাবে বেশি সম্ভাব্য করে তোলে কী?' সমালোচকদের সন্তোষজনকভাবে উত্তর দেওয়া যেতে পারে... এর কঠোর মানদণ্ডের জন্য, [বিব্রতকর] মানদণ্ডটি প্রমাণ করে, যিশু অস্তিত্বশীল ছিলেন।
::অ্যালান এফ. সেগাল, "বিলিভ অনলি দ্য এমব্যারাসিং", স্লেট, ২০০৫
*উনিশ শতকের কিছু যুক্তিবাদী দাবি করতেন যে তাঁর কখনোই কোনো অস্তিত্ব ছিল না, গসপেলগুলো একজন আদর্শ ইহুদির চিত্র তুলে ধরেছে যিনি বাস্তবে ছিলেনই না। একদল জার্মান ও ব্রিটিশ লেখক এই ঐতিহাসিক অর্থহীনতা তৈরি করতে পারতেন, যার কিছুটা আবার ফিরে এসেছে। এর চেয়ে সম্রাট [[নারভা|নারভা]] কখনোই ছিলেন না তা প্রতিষ্ঠা করা সহজ হবে, যেই নামটি ডমিশিয়ান এবং ট্রাজানের মধ্যবর্তী বছরগুলোর অজ্ঞতার শূন্যস্থান পূরণের জন্য তৈরি করা হয়েছিল।
::জেরার্ড স্টিফেন স্লোয়ান, ''জিসাস: ওয়ার্ড মেইড ফ্লেশ'', কলেজভিল, এমএন: লিটার্জিক্যাল প্রেস, ২০০৮, পৃষ্ঠা ১৬০
*১৯১০-এর দশকে কয়েকজন পণ্ডিত যুক্তি দিয়েছিলেন যে যিশু কখনোই ছিলেন না এবং তিনি কেবল কাল্পনিক চিন্তার ফসল। যিশুর ঐতিহাসিকতার এই অস্বীকার এখন আর পণ্ডিতদের কাছে, তা তারা মধ্যপন্থী হোন বা চরমপন্থী, গ্রহণযোগ্য নয়। … "খ্রিস্ট-পুরাণ" তত্ত্বগুলো আজ পণ্ডিতদের দ্বারা গৃহীত বা এমনকি আলোচিতও হয় না।
::স্যামুয়েল স্যান্ডমেল, ''আ জিউইশ আন্ডারস্ট্যান্ডিং অব দ্য নিউ টেস্টামেন্ট'', নিউ ইয়র্ক: কেটাভ, ১৯৭৪, পৃষ্ঠা ১৯৬
*আজকাল প্রায় সমস্ত ইতিহাসবিদ, তারা খ্রিষ্টান হোন বা না হোন, স্বীকার করেনযিশুর অস্তিত্ব ছিল এবং গসপেলগুলোতে প্রচুর মূল্যবান প্রমাণ রয়েছে যা গুরুত্বের সাথে বিবেচনা ও মূল্যায়ন করা উচিত। পলের সম্ভাব্য ব্যতিক্রম ছাড়া, আমরা প্রথম বা দ্বিতীয় শতাব্দীর অন্য যেকোনো ইহুদি বা পৌত্তলিক ধর্মীয় শিক্ষকের চেয়ে নাজারেথের যিশু সম্পর্কে অনেক বেশি জানি বলে সাধারণ ঐকমত্য রয়েছে।
::গ্রাহাম স্ট্যান্টন, ''দ্য গসপেলস অ্যান্ড জিসাস'' (২য় সংস্করণ), অক্সফোর্ড: অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস, ২০০২, পৃষ্ঠা xxiii
*পল আমাদের দেখান যে আদি খ্রিস্টধর্ম যিশুর জাগতিক জীবনের প্রতি কতটা সম্পূর্ণ উদাসীন ছিল।
**{{cite book|last=শোয়েইটজার|first=আলবার্ট|title=দ্য কোয়েস্ট অব দ্য হিস্টোরিক্যাল জিসাস|url=https://books.google.com/books?id=7UPLuZZ8NHIC&pg=PA342#v=onepage&q&f=false|year=1910|page=342|orig-year=1906}}
*আমি এলডিএস [ল্যাটার ডে সেন্টস] পরিসংখ্যান থেকে জানতাম যে আদি খ্রিস্টধর্মের বৃদ্ধি কোনোভাবেই বিস্ময়কর ছিল না। ইতিহাস যে সময় দেয় তার মধ্যে খ্রিষ্টানদের সংখ্যা ৬০ লক্ষে পৌঁছানোর জন্য দশকে ৪০ শতাংশ বৃদ্ধির হার প্রয়োজন ছিল, যা সাম্প্রতিক এলডিএস হারের চেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে কম (স্টার্ক ১৯৯৬এ:৭, ১৪)।
**{{cite book|last=স্টার্ক|first=রডনি|last2=নিলসন|first2=রিড এল.|title=দ্য রাইজ অব মরমনইজম|url=https://books.google.com/books?id=wO6Ui_48mRcC&pg=PA23|date=14 August 2012|publisher=কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটি প্রেস|isbn=978-0-231-50991-6|page=23}}
*ঐতিহাসিকভাবে, [যিশু] খ্রিস্ট আদৌ কখনো অস্তিত্বশীল ছিলেন কি না তা বেশ সন্দেহজনক, এবং যদি তিনি [অস্তিত্বশীল] থেকেও থাকেন, আমরা তাঁর সম্পর্কে কিছুই জানি না।
**{{cite book|last=রাসেল|first=বারট্রান্ড|title=হোয়াই আই অ্যাম নট আ ক্রিস্টিয়ান: অ্যান্ড আদার এসেজ অন রিলিজিয়ন অ্যান্ড রিলেটেড সাবজেক্টস|url=https://books.google.com/books?id=pc0x2bxOSUgC&pg=PA16|year=1957|publisher=সিমন অ্যান্ড শুস্টার|isbn=978-0-671-20323-8|page=16}}
*মর্টন স্মিথ যেমনটি মন্তব্য করেছেন, [জি. এ.] ওয়েলসের যুক্তি মূলত নীরবতার যুক্তির ওপর ভিত্তি করে... তিনি দাবি করেন "অজ্ঞাত প্রোটো-খ্রিষ্টানদের জন্য যারা একটি অপ্রমাণিত পুরাণ গড়ে তোলে... এমন এক অনির্দিষ্ট অতিপ্রাকৃত সত্তা সম্পর্কে যাঁকে অনির্দিষ্ট সময়ে ঈশ্বর মানবজাতিকে বাঁচাতে মানুষের রূপে পৃথিবীতে পাঠিয়েছিলেন এবং তাঁকে ক্রুশবিদ্ধ করা হয়েছিল"।
::{{cite book|last=স্মিথ|first=মর্টন|editor=R. Joseph Hoffmann, Gerald A. Larue|title=জিসাস ইন হিস্ট্রি অ্যান্ড মিথ|url=https://books.google.com/books?id=PdnYAAAAMAAJ|year=1986|publisher=প্রমিথিউস বুকস|isbn=978-0-87975-332-0|pages=47–48|chapter=দ্য হিস্টোরিক্যাল জিসাস}}
:*[[মর্টন স্মিথ]] এপি. {{cite book|last=ভুরস্ট|first=রবার্ট ভ্যান|title=জিসাস আউটসাইড দ্য নিউ টেস্টামেন্ট: অ্যান ইন্ট্রোডাকশন টু দ্য অ্যানসিয়েন্ট এভিডেন্স|url=https://books.google.com/books?id=lwzliMSRGGkC&pg=PA14|date=13 April 2000|publisher=ডব্লিউএম. বি. ইয়ার্ডম্যানস পাবলিশিং|isbn=978-0-8028-4368-5|pages=14f, n. 34|quote=(Morton Smith, “The Historical Jesus,” in ''Jesus in Myth and History''. ed. R. Joseph Hoffmann and Gerald A. Larue [Buffalo: Prometheus, 1986] 47-48)}}
*যিশুর ঐতিহাসিকতার পক্ষের ও বিপক্ষের দাবিগুলো পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, যারা তাঁকে অনৈতিহাসিক প্রমাণ করতে চান তারা ধর্ম ও মতবাদের ইতিহাস এবং বিশেষ করে প্রাচীন ঐতিহ্যের ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে তাদের প্রতিপক্ষের চেয়ে অনেক বেশি ও গভীর সমস্যার মুখোমুখি হন। সামগ্রিকভাবে দেখলে তাদের এই সমস্যাগুলোর কোনো সম্ভাব্য সমাধান নেই বলেই মনে করতে হবে। এর সাথে যুক্ত হয়েছে এ পর্যন্ত যিশু কখনোই ছিলেন না বলে তুলে ধরা সমস্ত অনুমানগুলো কাজ করার পদ্ধতি এবং গসপেল বিবরণের ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে একে অপরের সম্পূর্ণ বিপরীত। তাই এগুলো কেবল একে অপরকে বাতিল করে দেয়। সুতরাং আমাদের উপসংহারে আসতে হবে, যিশুর অস্তিত্ব ছিল এই অনুমানটি অত্যন্ত সম্ভাব্য, অন্যদিকে এর বিপরীতটি অত্যন্ত অসম্ভাব্য। এর অর্থ এই নয় যে পরেরটি সময়ে সময়ে আবার প্রস্তাব করা হবে না, ঠিক যেমন যিশুর জীবনের রোমান্টিক দৃষ্টিভঙ্গিও অমর হওয়ার ভাগ্য নিয়ে জন্মেছে। এটি এমনকি কিছু পাণ্ডিত্যপূর্ণ কৌশলের সাহায্যে নিজেকে সাজাতে সক্ষম এবং সামান্য দক্ষ কারসাজির মাধ্যমে বিপুল সংখ্যক মানুষের ওপর অনেক প্রভাব ফেলতে পারে। কিন্তু এটি যখন 'ধর্মতত্ত্বের' সাথে কোলাহলপূর্ণ বিতর্কে জড়ানোর চেয়ে বেশি কিছু করে এবং প্রকৃত প্রমাণ তৈরির ঝুঁকি নেয়, তখন এটি অবিলম্বে নিজেকে একটি অবাস্তব অনুমান হিসেবে প্রকাশ করে।
::আলবার্ট শোয়েইটজার, ''দ্য কোয়েস্ট অব দ্য হিস্টোরিক্যাল জিসাস'', ২০০১, পৃষ্ঠা ৪৩৫–৪৩৬ [তাঁর কাজ, গেশিখটে ডের লেবেন-জিসু-ফরশুং, ২য় সংস্করণের ১৯১৩ সালের সংশোধিত সংস্করণের ইংরেজি অনুবাদ।]
*তাঁর জীবনীর দুটি প্রাচীনতম রেকর্ডকে খাঁটি ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে প্রদান করে সিনপটিক সমস্যার ওপর তাঁর প্রকাশিত কাজটি ইতিমধ্যে "খ্রিস্ট-পুরাণ" তত্ত্বকে—যে যিশু ঐতিহাসিক ব্যক্তি হিসেবে কখনোই ছিলেন না—ধ্বংস করতে সাহায্য করেছিল।"
::জর্জ সিভার, ''আলবার্ট শোয়েইটজার: দ্য ম্যান অ্যান্ড হিজ মাইন্ড'', নিউ ইয়র্ক: হার্পার, ১৯৫৫, পৃষ্ঠা ৪৫
*[''দ্য হিস্টোরিসিটি অব জিসাস'' (১৯১২) বইয়ের একটি পর্যালোচনার মতে] "নতুন নিয়মের উপাত্ত যিশুর পার্থিব জীবনের বাস্তবতার প্রমাণের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ পরিষ্কার"... ''ইকে ডিউসে'' বর্ণিত সম্পূর্ণ প্রতীকী ব্যাখ্যাকে উপেক্ষা করে। যদি এই ব্যাখ্যাটি অনেকাংশে সঠিক হয়, তবে নতুন নিয়মের উপাত্ত প্রশ্নবিদ্ধ ঐতিহাসিকতার বিরুদ্ধে তাদের প্রমাণের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ পরিষ্কার বলে মনে হবে। যতক্ষণ না সেই ব্যাখ্যার ভুল দেখানো হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত অধ্যাপক [এস. জে.] কেসের সারসংক্ষেপের এই প্রধান যুক্তিটি ধোপে টেকে না।
::{{cite book|last=স্মিথ|first=উইলিয়াম বেঞ্জামিন|editor=Paul Carus|title=দ্য ওপেন কোর্ট, আ মান্থলি ম্যাগাজিন|volume=26:10|year=1912|publisher=দ্য ওপেন কোর্ট পাবলিশিং কো.|pages=613f|chapter=[https://books.google.com/books?id=XLhZAAAAYAAJ&pg=PA604 দ্য হিস্টোরিসিটি অব জিসাস]|quote=Case, S. J. (1912). The Historicity of Jesus. University of Chicago Press. p. 269f.}}
*যিশুর জীবনী লেখার সমালোচনামূলক মূল্য সন্দেহজনক। কিংবদন্তি ঐতিহাসিক তথ্যগুলোকে অনেক বেশি রঙিন করেছে, এবং বাইরের সমর্থনমূলক প্রমাণ খুবই দুর্বল...
::{{cite book|last1=স্মিথ|first1=এ. ডি. হাওয়েল|title=ইন সার্চ অব দ্য রিয়েল বাইবেল|date=1943|publisher=ওয়াটস|location=London|page=87|url=https://archive.org/stream/in.ernet.dli.2015.46389/2015.46389.In-Search-Of-The-Real-Bible#page/n97/mode/1up|series=[[থিঙ্কার্স লাইব্রেরি|থিঙ্কার্স লাইব্রেরি, নং ৯৮]]}}
*"তাঁর জীবনীর দুটি প্রাচীনতম রেকর্ডকে খাঁটি ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে প্রদান করে সিনপটিক সমস্যার ওপর তাঁর প্রকাশিত কাজটি ইতিমধ্যে "খ্রিস্ট-পুরাণ" তত্ত্বকে—যে যিশু ঐতিহাসিক ব্যক্তি হিসেবে কখনোই ছিলেন না—ধ্বংস করতে সাহায্য করেছিল।"
::জর্জ সিভার, ''আলবার্ট শোয়েইটজার: দ্য ম্যান অ্যান্ড হিজ মাইন্ড'', নিউ ইয়র্ক: হার্পার, ১৯৫৫, পৃষ্ঠা ৪৫
*সব পুরাণবাদীরা খ্রিস্টধর্মের উৎপত্তি এবং যিশু পুরাণের সঠিক ব্যাখ্যা হিসেবে কী মনে করেন, তা নিয়ে একে অপরের সাথে একমত নন। [...] [কিছু পুরাণবাদী] দাবি করেনখ্রিষ্টীয় যুগের শুরুতে যিশু নামের কোনো সাধারণ মানুষ আদৌ ছিলেন কি না, তা প্রমাণ বা অপ্রমাণ করা আজ অসম্ভব।
::{{cite book|last=স্টেইন|first=গর্ডন|editor=Stein|title=অ্যান অ্যান্থোলজি অব অ্যাথিজম অ্যান্ড র্যাশনালিজম|url=https://books.google.com/books?id=w4_XAAAAMAAJ|year=1980|publisher=প্রমিথিউস বুকস|isbn=978-0-87975-136-4|page=182|chapter=দ্য হিস্টোরিসিটি অব জিসাস}}
==T==
*জিন্ডলার মাধ্যমিক কাজের ওপর নির্ভর করেন এবং খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্ব, অর্থাৎ ঐতিহাসিক যিশু কখনোই ছিলেন না—এই তত্ত্ব প্রমাণের উদ্দেশ্যে লেখেন।
:::জন টি. টাউনসেন্ড, আইজ্যাক কলিমি ও পিটার জে. হাসের ''বিবলিক্যাল ইন্টারপ্রিটেশন ইন জুডাইজম অ্যান্ড ক্রিস্টিয়ানিটি''-তে "ক্রিস্টিয়ানিটি ইন রাব্বিনিক লিটারেচার" (নিউ ইয়র্ক: টি. অ্যান্ড টি. ক্লার্ক, ২০০৬) পৃষ্ঠা ১৫০
*[প্রথম দুই শতাব্দী থেকে যিশুর অ-খ্রিষ্টান উল্লেখগুলো] যিশুর অস্তিত্বটাই যে খ্রিষ্টানদের আবিষ্কার ছিল, এমন সব অকল্পনীয় তত্ত্বকে অত্যন্ত অবাস্তব করে তোলে। এই সত্যটি যে যিশু ছিলেন, পন্টিয়াস পিলেটের অধীনে তাঁকে (যেকোনো কারণেই হোক) ক্রুশবিদ্ধ করা হয়েছিল এবং তাঁর একদল অনুসারী ছিল যারা তাঁর লক্ষ্যকে সমর্থন করতে থাকে, এগুলো ঐতিহাসিক ঐতিহ্যের ভিত্তির অংশ বলে মনে হয়। অন্য কিছু না হলেও, অন্তত এই বিষয়ে অ-খ্রিষ্টান প্রমাণ আমাদের নিশ্চিত করতে পারে।
::ক্রিস্টোফার এম. টাকেট, ''দ্য কেমব্রিজ কম্প্যানিয়ন টু জিসাসে'' "সোর্সেস অ্যান্ড মেথডস", লন্ডন: কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস, ২০০১, পৃষ্ঠা ১২৪
*একাডেমিক জগতে, যিশু তাঁর জীবদ্দশার সম্রাট অগাস্টাস এবং টাইবেরিয়াসের মতোই অস্তিত্বশীল ছিলেন, তা নিয়ে আর কোনো সন্দেহ থাকতে পারে না। এমনকি যদি আমরা একটু সময়ের জন্য ধরেও নিই যে তাঁকে উল্লেখ করা বাইবেলের বাইরের লেখকদের—ফ্ল্যাভিয়াস জোসেফাস, ট্যাসিটাস, সুয়েটোনিয়াস, প্লিনি দ্য ইয়াংগার এবং অন্যান্যদের—বর্ণনাগুলো টিকে থাকেনি, তবুও গসপেল, পলের চিঠিপত্র এবং নতুন নিয়মের অন্যান্য লেখার অসামান্য মান ইতিহাসবিদদের জন্য প্রয়োজনের চেয়েও ভালো।
::কার্স্টেন পিটার থিয়েড, ''জিসাস, ম্যান অর মিথ?'', অক্সফোর্ড: লায়ন, ২০০৫, পৃষ্ঠা ২৩
*জিন্ডলার মাধ্যমিক কাজের ওপর নির্ভর করেন এবং খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্ব, অর্থাৎ ঐতিহাসিক যিশু কখনোই ছিলেন না—এই তত্ত্ব প্রমাণের উদ্দেশ্যে লেখেন।
::জন টি. টাউনসেন্ড, আইজ্যাক কলিমি ও পিটার জে. হাসের ''বিবলিক্যাল ইন্টারপ্রিটেশন ইন জুডাইজম অ্যান্ড ক্রিস্টিয়ানিটি''-তে "ক্রিস্টিয়ানিটি ইন রাব্বিনিক লিটারেচার" (নিউ ইয়র্ক: টি. অ্যান্ড টি. ক্লার্ক, ২০০৬) পৃষ্ঠা ১৫০
*এই অনুমানগুলো যে (১) গসপেলগুলো ঐতিহাসিক যিশু সম্পর্কে এবং (২) প্রত্যাশাগুলো যা কোনো গল্পের কাহিনীতে ভূমিকা রাখে, সেগুলো ঐতিহাসিক যিশু এবং আদি ইহুদি ধর্মেরও প্রত্যাশা ছিল ...তার কোনো যৌক্তিকতা নেই।
**{{cite book|last=থম্পসন|first=থমাস এল.|title=দ্য মেসিয়াহ মিথ: দ্য নিয়ার ইস্টার্ন রুটস অব জিসাস অ্যান্ড ডেভিড|url=https://books.google.com/books?id=5bSkxEucWDAC&pg=PA8|date=20 April 2009|publisher=বেসিক বুকস|isbn=978-0-7867-3911-0|page=8|chapter=হিস্টোরিসাইজিং দ্য ফিগার অব জিসাস, দ্য মেসিয়াহ}}
*একটি নিবন্ধে ('দ্য হিস্টোরিওগ্রাফি অব দ্য পেন্টাটিউচ: ২৫ ইয়ারস আফটার হিস্টোরিসিটি' স্ক্যান্ডিনেভিয়ান জার্নাল অব দ্য ওল্ড টেস্টামেন্ট ১৩, ১৯৯৯, ২৫৮-২৮৩) আমি আলোচনা করেছি কেন আমি মনে করি বাইবেলের বর্ণনার চরিত্রগুলোর ঐতিহাসিকতা প্রতিষ্ঠা করা খুব কঠিন। কারণ বিষয়টি মূলত আমরা যেই পাঠ্যগুলো নিয়ে কাজ করছি, সেগুলোর মানের সাথে সম্পর্কিত। আমি আমার ২০০৫ সালের মেসিয়াহ মিথ গ্রন্থে এই বিষয়ে আরও কাজ করেছি। এখানে আমি যুক্তি দিয়েছি যে সিনপটিক গসপেলগুলো যিশু চরিত্রের ঐতিহাসিকতা প্রতিষ্ঠা করতে খুব কমই ব্যবহৃত হতে পারে; কারণ যেই ঘটনাগুলো ও কথাগুলো দিয়ে যিশুর চরিত্রটি উপস্থাপন করা হয়েছে, তা উভয়ই ছাঁচে ঢালা এবং এর ইতিহাস কয়েক শতাব্দী পুরোনো। আমি মোটেও এমনটা দেখাইনি বা দাবি করিনি যে যিশুর অস্তিত্ব ছিল না। বরং, আমি হোমারের মতো চরিত্রগুলোর সম্পর্কে আমাদের জ্ঞানের সাথে যিশু সম্পর্কে আমাদের জ্ঞানের তুলনা করেছি। যেই মুহূর্তে আমরা এমন একটি ঐতিহাসিক চরিত্র শনাক্ত করার চেষ্টা করি, তখনই আমরা বুঝতে পারি, আমরা গল্পের মূল উপাদানগুলো নিয়ে কথা বলছি।
::থম্পসন, থ. এল. ১৯৭৪। দ্য হিস্টোরিসিটি অব দ্য প্যাট্রিয়ার্কাল ন্যারেটিভস: দ্য কোয়েস্ট ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল আব্রাহাম, বিজেডএডব্লিউ, ভলিউম ১৩৩, বার্লিন: ডি গ্রুটার।
::{{cite journal|last=থম্পসন|first=থমাস|title=Historiography in the pentateuch: Twenty-five years after historicity|trans-title=পেন্টাটিউচের ইতিহাস রচনা: ঐতিহাসিকতার পঁচিশ বছর পর|journal=স্ক্যান্ডিনেভিয়ান জার্নাল অব দ্য ওল্ড টেস্টামেন্ট|date=1999|volume=13|issue=2|pages=258–283|doi=10.1080/09018329908585157|url=http://www.tandfonline.com/doi/abs/10.1080/09018329908585157}}
:*{{cite web|author=থমাস এল. থম্পসন|title=The Bible and Interpretation - Is This Not the Carpenter’s Son?|trans-title=দ্য বাইবেল অ্যান্ড ইন্টারপ্রিটেশন - ইনি কি ছুতোরের ছেলে নন?|url=http://www.bibleinterp.com/articles/tho368005.shtml|website=www.bibleinterp.com|accessdate=19 September 2016|location=Comments section|date=10 July 2012}} মন্তব্য #৪ - থমাস এল. থম্পসন - ০৭/১০/২০১২ - ০৯:১১।
*গসপেলগুলো আসলে জীবনী কি না—কোনো ঐতিহাসিক ব্যক্তির জীবন সম্পর্কে বর্ণনা কি না—তা সন্দেহজনক। এদের শিক্ষামূলক এবং কিংবদন্তি চরিত্র ঐতিহাসিক পুনর্গঠনের জন্য এদের মান কমিয়ে দেয়। নতুন নিয়মের পণ্ডিতেরা সাধারণত এই মতামত পোষণ করেনএকজন ঐতিহাসিক ব্যক্তি খ্রিস্টের (বা মসিহ) চেয়ে অনেক ভিন্ন হবেন। যাঁর সাথে, উদাহরণস্বরূপ, মার্কের গসপেলের লেখক তাঁর যিশুকে (হিব্রু: জশুয়া = ত্রাণকর্তা) চিহ্নিত করেছেন, এবং এই বলে তাঁর বই শুরু করেছেন: "ঈশ্বরপুত্র যিশু খ্রিস্টের সুসমাচারের শুরু।"
**{{cite book|last=থম্পসন|first=থমাস এল.|title=দ্য মেসিয়াহ মিথ: দ্য নিয়ার ইস্টার্ন রুটস অব জিসাস অ্যান্ড ডেভিড|url=https://books.google.com/books?id=5bSkxEucWDAC&pg=PA3|date=20 April 2009|publisher=বেসিক বুকস|isbn=978-0-7867-3911-0|page=3|chapter=হিস্টোরিসাইজিং দ্য ফিগার অব জিসাস, দ্য মেসিয়াহ}}
*পল যে বার্তার প্রচার করেন তার মূল কথাগুলো যারা যিশুর সাথে ছিলেন তাদের কাছ থেকে আসে না, যাঁদের পল ব্যঙ্গ করে "গির্জার তথাকথিত স্তম্ভ" বলে ডাকেন, এবং যোগ করেন "তারা কে তা আমার কাছে কোনো অর্থ রাখে না" (গালাতীয় ২:৬)। বরং পল যেই কণ্ঠস্বর, দর্শন এবং প্রত্যাদেশগুলো "শুনছেন" এবং "দেখছেন", তা থেকে এগুলো আসে। কারো কারো কাছে এটি একটি শক্তিশালী ভিত্তি। কিন্তু বেশিরভাগ ইতিহাসবিদ সহ অনেকের কাছেই এই ধরনের "ঐতিহ্য" নির্ভরযোগ্য ঐতিহাসিক সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করা যায় না। (জেমস ট্যাবর, "পল অ্যাজ ক্লেয়ারভয়্যান্ট," সংগৃহীত ২১/০৯/২০১২, http://jamestabor.com/2012/05/23/paul-as-clairvoyant-2)।
**[[জেমস ট্যাবর]] এপি. {{cite journal|last=ল্যাটাস্টার|first=রাফায়েল|title=Questioning the Plausibility of Jesus Ahistoricity Theories — A Brief Pseudo-Bayesian Metacritique of the Sources|trans-title=যিশুর অনৈতিহাসিকতা তত্ত্বের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন — সূত্রগুলোর একটি সংক্ষিপ্ত ছদ্ম-বয়েসিয়ান মেটাক্রিটিক|journal=দ্য ইন্টারমাউন্টেন ওয়েস্ট জার্নাল অব রিলিজিয়াস স্টাডিজ|date=2015|volume=6:1|pages=68|url=http://digitalcommons.usu.edu/cgi/viewcontent.cgi?article=1053&context=imwjournal}}
==ভ==
*অর্থাৎ আমরা যদি খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্বগুলোকে বাদ দিই, তবে সেগুলোকে গম্ভীর সমালোচনার পরিসরে অন্তর্ভুক্ত বলে গণ্য করা যায় না।
::আলেকজান্ডার রোপার ভিডলার, ''দ্য মডার্নিস্ট মুভমেন্ট ইন দ্য রোমান চার্চ'', লন্ডন: কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১৯৩৪, পৃষ্ঠা ২৫৩
*যদিও ওয়েলস সম্ভবত অনৈতিহাসিকতা তত্ত্বের সবচেয়ে যোগ্য প্রবক্তা ছিলেন, কিন্তু তিনি বিশ্বাসযোগ্য হতে পারেননি এবং এখন তিনি প্রায় একাই এই তত্ত্বের পক্ষে কথা বলছেন। যিশুর অস্তিত্বহীনতার তত্ত্বটি এখন পণ্ডিতদের কাছে মৃত।" এবং "অনৈতিহাসিকতা থিসিস সবসময়ই বিতর্কিত ছিল এবং এটি ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন শাখা ও ধর্মীয় বিশ্বাসের পণ্ডিতদের বিশ্বাস করাতে ব্যর্থ হয়েছে... বাইবেলের পণ্ডিতরা এবং ধ্রুপদী ইতিহাসবিদরা এখন এটিকে কার্যকরভাবে খণ্ডিত বলে মনে করেন।
::রবার্ট ই. ভ্যান ভুরস্ট, ''জিসাস আউটসাইড দ্য নিউ টেস্টামেন্ট: অ্যান ইন্ট্রোডাকশন টু দ্য অ্যানসিয়েন্ট এভিডেন্স'', গ্র্যান্ড র্যাপিডস: ইয়ার্ডম্যানস, ২০০০, পৃষ্ঠা ১৪ এবং ১৬
*[ব্রুনো বাউয়ার] এই দৃষ্টিভঙ্গি প্রচার করেন খ্রিস্টধর্ম তার শুরুতে সমন্বয়বাদী এবং পৌরাণিক ছিল।
**{{cite book|last=ভুরস্ট|first=রবার্ট ভ্যান|title=জিসাস আউটসাইড দ্য নিউ টেস্টামেন্ট: অ্যান ইন্ট্রোডাকশন টু দ্য অ্যানসিয়েন্ট এভিডেন্স|url=https://books.google.com/books?id=lwzliMSRGGkC&pg=PA9|date=13 April 2000|publisher=ডব্লিউএম. বি. ইয়ার্ডম্যানস পাবলিশিং|isbn=978-0-8028-4368-5|page=9}}
*[ব্রুনো] বাউয়ার যুক্তি দিয়েছিলেন যে খ্রিস্টধর্ম এবং এর খ্রিস্টের জন্ম রোম ও আলেকজান্দ্রিয়ায় হয়েছিল। রোমান স্টোইসিজম, গ্রিক নিও-প্লাটোনিজম এবং ইহুদি ধর্মের অনুসারীরা একত্রিত হয়ে এমন একটি নতুন ধর্ম তৈরি করেছিল, যার একজন প্রতিষ্ঠাতা প্রয়োজন ছিল।
**{{cite book|last=ভুরস্ট|first=রবার্ট ভ্যান|title=জিসাস আউটসাইড দ্য নিউ টেস্টামেন্ট: অ্যান ইন্ট্রোডাকশন টু দ্য অ্যানসিয়েন্ট এভিডেন্স|url=https://books.google.com/books?id=lwzliMSRGGkC&pg=PA9|date=13 April 2000|publisher=ডব্লিউএম. বি. ইয়ার্ডম্যানস পাবলিশিং|isbn=978-0-8028-4368-5|page=9}}
*[জি. এ.] ওয়েলস যুক্তি দেন যে গসপেলগুলোতে এমন অনেক কিছু রয়েছে যা প্রদর্শনযোগ্যভাবে কিংবদন্তি। এগুলো ঐতিহাসিক নয়, বরং ধর্মতাত্ত্বিক উদ্দেশ্য দ্বারা পরিচালিত।
**{{cite book|last=ভুরস্ট|first=রবার্ট ভ্যান|title=জিসাস আউটসাইড দ্য নিউ টেস্টামেন্ট: অ্যান ইন্ট্রোডাকশন টু দ্য অ্যানসিয়েন্ট এভিডেন্স|url=https://books.google.com/books?id=lwzliMSRGGkC&pg=PA13|year=2000|publisher=ডব্লিউএম. বি. ইয়ার্ডম্যানস পাবলিশিং|isbn=978-0-8028-4368-5|page=13}}
*[জি. এ.] ওয়েলস যিশুকে পলের অতীন্দ্রিয়বাদ থেকে উদ্ভূত একটি পৌরাণিক চরিত্র হিসেবে ব্যাখ্যা করেন। প্রথম শতাব্দীর শেষের দিকের অন্যান্য খ্রিষ্টানদের [গসপেল লেখার সময়] যাঁর জন্য একটি জীবনী তৈরি করতে হয়েছিল।
**{{cite book|last=ভুরস্ট|first=রবার্ট ভ্যান|title=জিসাস আউটসাইড দ্য নিউ টেস্টামেন্ট: অ্যান ইন্ট্রোডাকশন টু দ্য অ্যানসিয়েন্ট এভিডেন্স|url=https://books.google.com/books?id=lwzliMSRGGkC&pg=PA13|year=2000|publisher=ডব্লিউএম. বি. ইয়ার্ডম্যানস পাবলিশিং|isbn=978-0-8028-4368-5|page=13}}
*[ব্রুনো বাউয়ার] যিশুর অস্তিত্ব প্রতিষ্ঠায় নতুন নিয়ম, বিশেষ করে গসপেল এবং পলের চিঠিপত্রের মূল্য অস্বীকার করেছিলেন।
**{{cite book|last=ভুরস্ট|first=রবার্ট ভ্যান|title=জিসাস আউটসাইড দ্য নিউ টেস্টামেন্ট: অ্যান ইন্ট্রোডাকশন টু দ্য অ্যানসিয়েন্ট এভিডেন্স|url=https://books.google.com/books?id=lwzliMSRGGkC&pg=PA9|year=2000|publisher=ডব্লিউএম. বি. ইয়ার্ডম্যানস পাবলিশিং|isbn=978-0-8028-4368-5|page=9}}
*''দ্য জিসাস মিথ'' (১৯৯৯) [অনুযায়ী], [জি. এ.] ওয়েলস ...এখন স্বীকার করেনহারিয়ে যাওয়া প্রাথমিক "গসপেল" "কিউ" (ম্যাথিউ এবং লুক দ্বারা ব্যবহৃত অনুমানমূলক সূত্র) থেকে যিশুর অস্তিত্বের কিছু ঐতিহাসিক ভিত্তি রয়েছে। ওয়েলস বিশ্বাস করেনএটি এতটাই পুরোনো ও নির্ভরযোগ্য যে যিশুর অস্তিত্ব থাকার সম্ভাবনা রয়েছে, যদিও এই যিশু পরবর্তী ক্যানোনিকাল গসপেলগুলোতে চিত্রিত খ্রিস্ট ছিলেন না।
**{{cite book|last=ভুরস্ট|first=রবার্ট ভ্যান|editor=James Leslie Houlden|title=জিসাস ইন হিস্ট্রি, থট, অ্যান্ড কালচার: অ্যান এনসাইক্লোপিডিয়া|url=https://books.google.com/books?id=17kzgBusXZIC&pg=PA660|year=2003|publisher=এবিসি-ক্লিও|isbn=978-1-57607-856-3|page=660}}
*যারা গত দুইশ বছরে যিশুর অস্তিত্ব নিয়ে সন্দেহ করেছেন, তারা যুক্তি দিয়েছেন যে ধ্রুপদী লেখকদের দ্বারা যিশুর সমসাময়িক সমর্থন না থাকাটা তাঁর অস্তিত্ব না থাকার একটি প্রধান ইঙ্গিত। (দেখুন, উদাহরণস্বরূপ, ''দ্য এক্সিস্টেন্স অব ক্রাইস্ট ডিসপ্রুভড'' (লন্ডন: হিথারিংটন, ১৮৪১) ২১৪। সাম্প্রতিককালে দেখুন মাইকেল মার্টিন, ''দ্য এভিডেন্স অ্যাগেইনস্ট ক্রিস্টিয়ানিটি'' (ফিলাডেলফিয়া: টেম্পল ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১৯৯১)।)
**{{cite book|last=ভুরস্ট|first=রবার্ট ভ্যান|title=জিসাস আউটসাইড দ্য নিউ টেস্টামেন্ট: অ্যান ইন্ট্রোডাকশন টু দ্য অ্যানসিয়েন্ট এভিডেন্স|url=https://books.google.com/books?id=lwzliMSRGGkC&pg=PA69|year=2000|publisher=ডব্লিউএম. বি. ইয়ার্ডম্যানস পাবলিশিং|isbn=978-0-8028-4368-5|page=69, n. 120}}
*[ব্রুনো বাউয়ার] যুক্তি দিয়েছিলেন যে প্রথম শতাব্দীর অ-খ্রিষ্টান লেখায় যিশুর উল্লেখের অভাব প্রমাণ করে, যিশুর অস্তিত্ব ছিল না। দ্বিতীয় শতাব্দীর শুরুতে রোমান লেখকদের দ্বারা যিশুর কয়েকটি উল্লেখও তাঁর অস্তিত্ব প্রমাণ করে না।
**{{cite book|last=ভুরস্ট|first=রবার্ট ভ্যান|title=জিসাস আউটসাইড দ্য নিউ টেস্টামেন্ট: অ্যান ইন্ট্রোডাকশন টু দ্য অ্যানসিয়েন্ট এভিডেন্স|url=https://books.google.com/books?id=lwzliMSRGGkC&pg=PA9|year=2000|publisher=ডব্লিউএম. বি. ইয়ার্ডম্যানস পাবলিশিং|isbn=978-0-8028-4368-5|page=9}}
*যারা এখনও যুক্তি দেন যে যিশু কখনোই ছিলেন না, তাদের সাথে একটি শেষ সিদ্ধান্ত সম্পর্কিত। যেহেতু ধ্রুপদী লেখকদের মধ্যে যিশুর নিশ্চিত কোনো স্বাধীন সাক্ষী নেই, তাই ঐতিহাসিক প্রমাণের সবচেয়ে কঠোর মানদণ্ড অনুযায়ী আমরা যিশুর অস্তিত্ব প্রমাণ করতে তাদের ব্যবহার করতে পারি না।
**{{cite book|last=ভুরস্ট|first=রবার্ট ভ্যান|title=জিসাস আউটসাইড দ্য নিউ টেস্টামেন্ট: অ্যান ইন্ট্রোডাকশন টু দ্য অ্যানসিয়েন্ট এভিডেন্স|url=https://books.google.com/books?id=lwzliMSRGGkC&pg=PA73|date=13 April 2000|publisher=ডব্লিউএম. বি. ইয়ার্ডম্যানস পাবলিশিং|isbn=978-0-8028-4368-5|page=73}}
*[যিশু সম্পর্কে, জি. এ.] ওয়েলস যুক্তি দেন, তাঁর অস্তিত্ব নিশ্চিত করতে আমাদের অন্যান্য, "বস্তুনিষ্ঠ" সূত্র থেকে স্বাধীন সমর্থনের প্রয়োজন। তিনি [ওয়েলস] ট্যাসিটাস থেকে তালমুদ পর্যন্ত প্রস্তাবিত এই অন্যান্য সূত্রগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা করেন এবং দেখতে পান যে সেগুলোতে যিশু সম্পর্কে কোনো স্বাধীন ঐতিহ্য নেই। অতএব, সেগুলো [প্রমাণ হিসেবে] গ্রহণযোগ্য নয়।
**{{cite book|last=ভুরস্ট|first=রবার্ট ভ্যান|title=জিসাস আউটসাইড দ্য নিউ টেস্টামেন্ট: অ্যান ইন্ট্রোডাকশন টু দ্য অ্যানসিয়েন্ট এভিডেন্স|url=https://books.google.com/books?id=lwzliMSRGGkC&pg=PA13|year=2000|publisher=ডব্লিউএম. বি. ইয়ার্ডম্যানস পাবলিশিং|isbn=978-0-8028-4368-5|page=13}}
==ও==
*যিশুর ক্ষেত্রে আমার ''বর্তমান'' মতামত হলো, আমরা তাঁর জীবনী সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছুই জানি না, এমনকি তাঁর অস্তিত্ব ছিল কি না, তা-ও না।
**{{cite book|author=জর্জ ওয়ালশ|title=দ্য রোল অব রিলিজিয়ন ইন হিস্ট্রি|url=https://books.google.com/books?id=cd6tBwAAQBAJ&pg=PT37|date=31 December 2011|publisher=ট্রানজেকশন পাবলিশার্স|isbn=978-1-4128-3878-8|page=37}}
*আমাদের খ্রিস্টধর্মের উৎপত্তি ব্যাখ্যা করতে হবে, এবং তা করতে গিয়ে আমাদের দুটি বিকল্পের মধ্যে যেকোনো একটি বেছে নিতে হবে। একটি বিকল্প হলো বলা যে এর উৎপত্তি একটি পুরাণে হয়েছিল যাকে পরে ইতিহাস হিসেবে সাজানো হয়েছিল। অন্যটি হলো বলা যে এর উৎপত্তি একজন ঐতিহাসিক ব্যক্তির মাধ্যমে হয়েছিল যাঁকে পরে একজন অতিপ্রাকৃত সত্তায় পরিণত করা হয়েছিল। যিশু মূলত একটি পুরাণ ছিলেন—এই তত্ত্বটিকে বলা হয় খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্ব, আর তিনি একজন ঐতিহাসিক ব্যক্তি ছিলেন—এই তত্ত্বটিকে বলা হয় ঐতিহাসিক যিশু তত্ত্ব।
::জর্জ ওয়ালশ, ''দ্য রোল অব রিলিজিয়ন ইন হিস্ট্রি'', নিউ ব্রান্সউইক: ট্রানজেকশন, ১৯৯৮, পৃষ্ঠা ৫৮
*উনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে কিছু অত্যন্ত সংশয়ী ইতিহাসবিদ প্রস্তাব করেন নাজারেথের যিশু কখনোই ছিলেন না। মিশরীয় সূর্য দেবতা এবং অন্যান্য পৌত্তলিক পুরাণের ওপর ভিত্তি করে তিনি একটি পুরাণ ছিলেন। এই যুক্তিগুলো এখন আর কেউ গুরুত্বের সাথে নেয় না। যিশুর মতো একজন ব্যক্তি ছিলেন বলে কার্যত সর্বজনীন ঐকমত্য রয়েছে।
::স্টিফেন এম. ওয়াইলন, ''দ্য জিউস ইন দ্য টাইম অব জিসাস: অ্যান ইন্ট্রোডাকশন'', মাহওয়াহ, এনজে: পলিস্ট প্রেস, ১৯৯৫, পৃষ্ঠা ১১৪
*আমি মনে করি আজ এমন কোনো ইতিহাসবিদ নেই, আসলে আমি আজকের এমন কোনো ইতিহাসবিদকে চিনি না, যিনি যিশুর অস্তিত্ব নিয়ে সন্দেহ করেন... তাই আমি মনে করি সেই প্রশ্নটি এখন বিশ্রাম নিতে পারে।
::এন. টি. রাইট, অ্যান্টনি ফ্লিউ এবং রায় আব্রাহাম ভার্গিসের ''দেয়ার ইজ আ গডে'' "দ্য সেলফ-রেভেলেশন অব গড ইন হিউম্যান হিস্ট্রি: আ ডায়ালগ অন জিসাস উইথ এন. টি. রাইট", নিউ ইয়র্ক: হার্পারওয়ান, ২০০৭, পৃষ্ঠা ১৮৮
*যে কেউ "যৌক্তিক বিশ্বাস" নিয়ে কথা বলেন, যিশু সম্পর্কে তিনি কী ভাবেন তা অবশ্যই বলা উচিত। আর তা তেমনই হবে, এমনকি যদি এক বা দুজন পাগলের সাথে তিনিও বিশ্বাস করতেন যে তাঁর কখনোই অস্তিত্ব ছিল না।
::জন ডব্লিউ. সি. ওয়ান্ড, ''দ্য ওল্ড ফেইথ অ্যান্ড দ্য নিউ এজ'', লন্ডন: স্কেফিংটন অ্যান্ড সন, ১৯৩৩, পৃষ্ঠা ৩১
*মাঝে মাঝে মানুষ এটা বোঝানোর চেষ্টা করে, নাজারেথের যিশু কখনোই ছিলেন না, কিন্তু এখন কার্যত সব ইতিহাসবিদ, তাদের পটভূমি যা-ই হোক না কেন, একমত যে তিনি ছিলেন। আর চার গসপেল তিনি যা করেছিলেন ও বলেছিলেন বলে বর্ণনা করে, অন্তত তার একটা উল্লেখযোগ্য অংশ যে তিনি সত্যিই করেছিলেন ও বলেছিলেন, সে ব্যাপারেও বেশিরভাগই একমত।
::এন. টি. রাইট, "দ্য রেজারেকশন ওয়াজ অ্যাজ শকিং দেন অ্যাজ ইট ইজ নাউ", ''দ্য গার্ডিয়ান'', ২০০৯
*শেষ বিশ্লেষণে, সম্পূর্ণ খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্বে বিশ্বাস করা হলো অস্পষ্টতাবাদের একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। যদি অস্পষ্টতাবাদের পাপ বাস্তব সম্ভাবনার বদলে নিছক সম্ভাবনাকে গ্রহণ করা এবং বিদ্যমান প্রমাণের অবজ্ঞা করে বিশুদ্ধ অনুমানের ওপর নির্ভর করার মধ্যে থাকে। যারা এই শ্রমসাধ্য গবেষণায় বেশি দূর এগোয়নি, তারা ভান করতে পারে যে যিশুর ঐতিহাসিকতা একটি অমীমাংসিত প্রশ্ন। আমার জন্য এমন ভান করাটা হবে নিছক বুদ্ধিবৃত্তিক অসততা। আমি জানি, একজন সৎ মানুষ হিসেবে ইতিহাসকে একটি নিয়ামক হিসেবে যিশুর সাথে আমার হিসাব মেলাতে হবে... এই দ্বান্দ্বিক প্রক্রিয়া যার দ্বারা খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্ব নিজেকেই অসম্মানিত করে তা এই সহজ সত্যের ওপর দাঁড়িয়ে আছে, আপনি প্রমাণ বিকৃত না করে তত্ত্বটি প্রমাণের চেষ্টা করতে পারবেন না।
::হার্বার্ট জর্জ উড, ''ক্রিস্টিয়ানিটি অ্যান্ড দ্য নেচার অব হিস্ট্রি'', লন্ডন: কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১৯৩৪, পৃষ্ঠা xxxiii এবং ৫৪
*বিবিসির বিখ্যাত টুডে প্রোগ্রাম থেকে একটি ফোন কল: আমি কি গুড ফ্রাইডের সকালে 'দ্য জিসাস মিস্ট্রিজ' নামে একটি নতুন বইয়ের লেখকদের সাথে বিতর্কের জন্য অন এয়ারে যাব? বইটিতে দাবি করা হয়েছে (বা আমাকে তারা এমনটাই বলেছে) যে গসপেলগুলোর সবকিছুই অনেক পুরোনো পৌত্তলিক পুরাণগুলো থেকে ধার করা হয়েছে বলে তা প্রতিফলিত করে; যিশু কখনোই ছিলেন না; আদি গির্জা জানত যে এটি একটি পুরোনো পুরাণের নতুন সংস্করণ প্রচার করছে এবং উন্নত গির্জা তাদের নিজস্ব ক্ষমতা ও নিয়ন্ত্রণের স্বার্থে এটি ধামাচাপা দিয়েছিল। প্রযোজক বন্ধুত্বপূর্ণ ছিলেন এবং আমি যখন বললাম যে এটি একজন পেশাদার জ্যোতির্বিজ্ঞানীকে এমন একটি বইয়ের লেখকদের সাথে বিতর্ক করতে বলার মতো, যেখানে দাবি করা হয়েছে চাঁদ সবুজ পনির দিয়ে তৈরি, তখন তিনি আমার কথাটি বুঝতে পেরেছিলেন।
::এন. টি. রাইট, "জিসাস' সেলফ আন্ডারস্ট্যান্ডিং", স্টিফেন টি. ডেভিস, ড্যানিয়েল কেন্ডাল, জেরাল্ড ও'কলিন্সের ''দ্য ইনকারনেশনে'', অক্সফোর্ড: অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস, ২০০৪, পৃষ্ঠা ৪৮
*এখানে ড. কনিবেয়ার যে দৃষ্টিভঙ্গিগুলো নিয়ে অনুসন্ধান করেছেন তা হলো... কট্টর বামপন্থীদের দৃষ্টিভঙ্গি যারা গসপেলের যিশুর ঐতিহাসিক অস্তিত্বকেও সরাসরি অস্বীকার করে। খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্বের এই প্রবক্তারা দাবি করেনযিশু চরিত্রটি একটি সমন্বিত দেবতার, যাকে পরবর্তীতে একটি ছদ্ম-ইতিহাস আবিষ্কারের মাধ্যমে মানবিক করা হয়েছিল।
::{{cite book|title=দ্য কোয়েস্ট|url=https://babel.hathitrust.org/cgi/pt?id=uc1.a0012200465;view=1up;seq=386|volume=5.2|year=1914|publisher=জন এম. ওয়াটকিনস.|page=778f|chapter=রিভিউজ অ্যান্ড নোটিসেস: ক্রাইস্ট, দ্য হিস্টোরিক্যাল. এফ. সি. কনিবেয়ার|quote=Volume 5, Part 2 - REVIEWS AND NOTICES - ''The Historical Christ; or, An investigation of the views of Mr. J. M. Robertson, Dr. A. Drews, and Prof. W. B. Smith''}}
* ফর্মগেশিখটের (Formgeschichte) উত্থানে প্রতিফলিত সমাজতাত্ত্বিক ধরনটি খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্বগুলোকে আরও রঙিন করে তুলেছে এবং প্রকৃতপক্ষে সেই সমস্ত তত্ত্বগুলোকেও সমর্থন করেছে যা যিশুকে একজন ঐতিহাসিক কিন্তু তাৎপর্যহীন চরিত্র বলে মনে করে।
::{{cite book|last=উড|first=হার্বার্ট জর্জ|title=ক্রিস্টিয়ানিটি অ্যান্ড দ্য নেচার অব হিস্ট্রি|year=1934|publisher=দ্য ইউনিভার্সিটি প্রেস|location=Cambridge, England|page=40}}
*"খ্রিস্টের প্রতি বিশ্বাস জন ফ্রামের প্রতি বিশ্বাসের চেয়ে কম বা বেশি যৌক্তিক নয়।"
::ওর্সলে, পিটার (১৯৫৭) ''দ্য ট্রাম্পেট শ্যাল সাউন্ড: আ স্টাডি অব "কার্গো" কাল্টস ইন মেলানেশিয়া'' লন্ডন: ম্যাকগিবন অ্যান্ড কি পৃষ্ঠা ১৫৩–৯।
*[''ডিড জিসাস এক্সিস্টে''] আমি যুক্তি দিয়েছিলাম যে পল আন্তরিকভাবে বিশ্বাস করতেন যে প্রমাণটি (যা কেবল প্রজ্ঞাসাহিত্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়) '''এমন একজন ঐতিহাসিক যিশুর দিকে নির্দেশ করে যিনি পলের নিজের সময়ের অনেক আগেই বেঁচে ছিলেন'''; এবং আমি এই প্রশ্নটি উন্মুক্ত রাখছি যে এমন কোনো ব্যক্তির আদৌ অস্তিত্ব ছিল কি না এবং পল তাঁর সম্পর্কে যেই অখ্যাত জীবনের কথা ভেবেছিলেন, তিনি সেই জীবন যাপন করেছিলেন কি না। (এই বিষয়টি নিষ্পত্তি করার কোনো উপায় নেই।)
::জি এ ওয়েলস ''দ্য জিসাস লিজেন্ড'' ওপেন কোর্ট পাবলিশিং কোম্পানি ১৯৯৬ পৃষ্ঠা ১৯
*আমাদের খ্রিস্টধর্মের উৎপত্তি ব্যাখ্যা করতে হবে, এবং তা করতে গিয়ে আমাদের দুটি বিকল্পের মধ্যে যেকোনো একটি বেছে নিতে হবে। একটি বিকল্প হলো বলা যে এর উৎপত্তি একটি পুরাণে হয়েছিল যাকে পরে ইতিহাস হিসেবে সাজানো হয়েছিল। অন্যটি হলো বলা যে এর উৎপত্তি একজন ঐতিহাসিক ব্যক্তির মাধ্যমে হয়েছিল যাঁকে পরে একজন অতিপ্রাকৃত সত্তায় পরিণত করা হয়েছিল। যিশু মূলত একটি পুরাণ ছিলেন—এই তত্ত্বটিকে বলা হয় খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্ব, আর তিনি একজন ঐতিহাসিক ব্যক্তি ছিলেন—এই তত্ত্বটিকে বলা হয় ঐতিহাসিক যিশু তত্ত্ব।
::জর্জ ওয়ালশ, ''দ্য রোল অব রিলিজিয়ন ইন হিস্ট্রি'', নিউ ব্রান্সউইক: ট্রানজেকশন, ১৯৯৮, পৃষ্ঠা ৫৮
*আমি যুক্তি দিয়েছি যে পলের যিশুকে মূলত একটি অতিপ্রাকৃত 'প্রজ্ঞা' চরিত্রের ওপর ধ্যান ও চিন্তাভাবনার মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে বলে বিশ্বাস করার ভালো কারণ রয়েছে। আগের ইহুদি সাহিত্যে এর প্রচুর প্রমাণ রয়েছে। এই চরিত্রটি পৃথিবীতে একটি আবাস খুঁজছিল, কিন্তু সেখানে সে প্রত্যাখ্যাত হয়েছিল। সম্প্রতি মারা যাওয়া কোনো ঐতিহাসিক ব্যক্তির তথ্যের ওপর ভিত্তি করে তাকে তৈরি করা হয়নি। প্রজ্ঞাসাহিত্যের প্রভাব অনস্বীকার্য; কেবল এটি কতটা প্রভাব ফেলেছিল, তা নিয়েই এখনো মতভেদ রয়েছে। [...] ইহুদি সাহিত্য প্রজ্ঞাকে ঈশ্বরের প্রধান প্রতিনিধি, তাঁর ঐশ্বরিক পরিষদের সদস্য ইত্যাদি হিসেবে বর্ণনা করে, এবং এটি তার অতিপ্রাকৃত মর্যাদা বোঝায়, কিন্তু, আমি একমত, ঐশ্বরিক মর্যাদা নয়।
::এই নিবন্ধটি মূলত দ্য নিউ হিউম্যানিস্ট খণ্ড ১১৪, নং ৩. সেপ্টে ১৯৯৯, পৃষ্ঠা ১৩-১৮ এ প্রকাশিত হয়েছিল।
:*{{cite web|last=ওয়েলস|first=জর্জ আলবার্ট|title=Earliest Christianity (1999)|trans-title=আদিম খ্রিস্টধর্ম (১৯৯৯)|url=http://infidels.org/library/modern/g_a_wells/earliest.html|website=infidels.org|accessdate=23 September 2016}}
*ইহুদি প্রজ্ঞার ধারণাগুলো যে আদি খ্রিষ্টান লেখাগুলোকে প্রভাবিত করেছিল, তা অনস্বীকার্য। কারণ প্রজ্ঞা সম্পর্কে যেসব ইহুদি বিবৃতি দেওয়া হয়েছিল, সেখানে যিশুর কথাও বলা হয়েছে। খ্রিস্টকে বলা হয় "ঈশ্বরের শক্তি এবং ঈশ্বরের প্রজ্ঞা" (১ করি. ১:২৪); তাঁর মধ্যে "প্রজ্ঞা এবং জ্ঞানের সমস্ত সম্পদ লুকানো আছে" (কলসীয় ২:৩)। প্রজ্ঞার মতোই, খ্রিস্ট সবকিছু সৃষ্টিতে ঈশ্বরকে সাহায্য করেছিলেন (১ করি. ৮:৬)—এই ধারণাটি কলসীয় ১:১৫-২০ এর খ্রিস্টতাত্ত্বিক স্তোত্রে তুলে ধরা হয়েছে। এবং ইহুদি প্রজ্ঞা চরিত্রের মতো, যিশুও পৃথিবীতে গ্রহণযোগ্যতা চেয়েছিলেন কিন্তু প্রত্যাখ্যাত হয়েছিলেন এবং স্বর্গে ফিরে গিয়েছিলেন। উপরন্তু, সলোমনের প্রজ্ঞায়, একজন ধার্মিক মানুষ, প্রজ্ঞার আদর্শ প্রতিনিধি (কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে বোঝানো হয়নি), নির্যাতিত হন কিন্তু মৃত্যুর পর তিনি নির্দোষ প্রমাণিত হন। তাঁর শত্রুরা তাঁকে "লজ্জাজনক মৃত্যুর" (২:২০) জন্য দোষী সাব্যস্ত করে, কিন্তু তিনি তারপর স্বর্গে তাদের বিচারক হিসেবে তাদের মুখোমুখি হন, যেখানে তাঁকে "ঈশ্বরের পুত্রদের মধ্যে গণ্য করা হয়" (৫:৫)।
**{{cite book|last=ওয়েলস|first=জর্জ আলবার্ট|editor=Tom Flynn, Richard Dawkins|title=দ্য নিউ এনসাইক্লোপিডিয়া অব আনবিলিফ|url=https://books.google.com/books?id=fsZ26vQxJKMC&pg=PA449|year=2007|publisher=প্রমিথিউস বুকস, পাবলিশার্স|isbn=978-1-61592-280-2|page=449|chapter=জিসাস, হিস্টোরিসিটি অব}}
*তালমুদের কোথাও বলা হয়নি যে যিশুকে রোমানরা মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিল; তাঁর মৃত্যুকে কেবল ইহুদিদের কাজ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে: এবং কোথাও তাঁর কথিত মসিহ হওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়নি, এমনকি তাঁকে হত্যা করার কারণ হিসেবেও নয়।
**{{cite book|last=ওয়েলস|first=জি. এ.|title=দ্য জিসাস অব দ্য আর্লি ক্রিস্টিয়ানস: আ স্টাডি ইন ক্রিস্টিয়ান অরিজিনস|url=https://books.google.com/books?id=w1IJAQAAIAAJ|year=1971|publisher=পেম্বারটন|page=200}}
*পল আন্তরিকভাবে বিশ্বাস করতেন যে প্রমাণটি (যা কেবল [[প্রজ্ঞাসাহিত্য|প্রজ্ঞাসাহিত্যের]] মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়) এমন একজন ঐতিহাসিক যিশুর দিকে নির্দেশ করে যিনি পলের নিজের সময়ের অনেক আগেই বেঁচে ছিলেন; এবং আমি এই প্রশ্নটি উন্মুক্ত রাখছি যে এমন কোনো ব্যক্তির আদৌ অস্তিত্ব ছিল কি না এবং পল তাঁর সম্পর্কে যেই অখ্যাত জীবনের কথা ভেবেছিলেন, তিনি সেই জীবন যাপন করেছিলেন কি না। (এই বিষয়টি নিষ্পত্তি করার কোনো উপায় নেই।)
**{{cite book|last=ওয়েলস|first=জর্জ|title=দ্য জিসাস লিজেন্ড|url=https://books.google.com/books?id=vmhtAwAAQBAJ&pg=PA19|year=2013|publisher=ওপেন কোর্ট পাবলিশিং কোম্পানি|isbn=978-0-8126-9872-5|page=19}}
*[[কিউ সূত্র|কিউ উপাদান]]—এটি যিশুর ঐতিহাসিকতার প্রমাণ হিসেবে যথেষ্ট হোক বা না হোক—এমন একজন [মানব] ব্যক্তিকে নির্দেশ করে যাঁকে আদি চিঠিপত্রের [পৌরাণিক] মৃত ও পুনরুত্থিত খ্রিস্টের সাথে মেলানো যায় না।
**{{cite book|last=ওয়েলস|first=জর্জ আলবার্ট|title=ক্যান উই ট্রাস্ট দ্য নিউ টেস্টামেন্ট?: থটস অন দ্য রিলায়েবিলিটি অব আর্লি ক্রিস্টিয়ান টেস্টিমনি|url=https://books.google.com/books?id=UYPvHqdDEJcC&pg=PA50|year=2004|publisher=ওপেন কোর্ট পাবলিশিং|isbn=978-0-8126-9567-0|page=50}}
*আমার আগের বই, ''দ্য জিসাস অব দ্য আর্লি ক্রিস্টিয়ানসে'' (যাকে আমি ''জেইসি'' বলব), আমার উদ্দেশ্য ছিল গসপেলগুলোকে ঐতিহাসিক বিবরণ হিসেবে ব্যাখ্যা করার সময় যেসব অসুবিধা এবং সমস্যার উদ্ভব হয় তা দেখানো। সেইসাথে ঐতিহাসিক যিশু না থাকলেও কীভাবে খ্রিস্টধর্মের উদ্ভব হতে পারত তা দেখানো। কিছু ধর্মতাত্ত্বিক পর্যালোচক (যেমন অধ্যাপক গ্রেস্টন এবং সাইমন, ১৮৩ এবং ৩৭২) স্বীকার করেছেন আমি এমন গুরুতর 'অসুবিধাগুলো' তুলে ধরেছি যার কোনো সন্তোষজনক সমাধান এখনও পাওয়া যায়নি। (১৮৩ গ্রেস্টন, কে. (নিউ টেস্টামেন্টের অধ্যাপক, ব্রিস্টল), ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ তারিখে ''মেথডিস্ট রেকর্ডারে'' ''জেইসিের'' পর্যালোচনা।)
**{{cite book|last=ওয়েলস|first=জর্জ আলবার্ট|title=ডিড জিসাস এক্সিস্ট?|url=https://books.google.com/books?id=a30eRfPTSm8C&pg=PA2|year=1975|publisher=প্রমিথিউস বুকস, পাবলিশার্স|isbn=978-1-61592-380-9|pages=2, 224, n. 183}}
*[তাঁর সূত্রের বিষয়ে ওয়েলসের মতে] আমি আসলে যা করেছিলাম তা হলো চেইন এবং ব্ল্যাকের ''এনসাইক্লোপিডিয়া বিবলিকাের'' কিছু নির্দিষ্ট নিবন্ধ থেকে ব্যাপকভাবে (প্রধানত নয়) তথ্য সংগ্রহ করা—যেই নিবন্ধগুলো প্রশংসনীয় স্পষ্টতার সাথে সেই ধর্মতত্ত্ববিদদের দ্বারা লেখা হয়েছিল যারা বিশ্বাস করতেন যে প্রমাণগুলো যেসব অবস্থানকে সমর্থনযোগ্য নয় বলে দেখিয়েছে, সেগুলো পরিষ্কার করে তারা খ্রিস্টধর্মের সেবা করছেন। [..] [এবং উল্লেখে] ''দ্য মেথডিস্ট রেকর্ডারে'' ''জেইসিের'' তাঁর উদার পর্যালোচনায় অধ্যাপক কেনেথ গ্রেস্টনের মজাদার কৌতুক: "''এনসাইক্লোপিডিয়া বিবলিকা'' আবার ফিরে এসেছে"
**{{cite book|last=ওয়েলস|first=জর্জ আলবার্ট|title=দ্য জিসাস মিথ|url=https://books.google.com/books?id=f-vYAAAAMAAJ|year=1999|publisher=ওপেন কোর্ট|isbn=978-0-8126-9392-8|pages=293f, n. 8|.}}
*১৯৯০-এর দশকের মাঝামাঝি থেকে আমি বুঝতে পারি, গসপেলের অনেক ঐতিহ্য সময়, স্থান এবং পরিস্থিতির উল্লেখের ক্ষেত্রে এতটাই নির্দিষ্ট যে এগুলো অন্য কোনো ভিত্তি ছাড়া এত অল্প সময়ে বিকশিত হতে পারে না। আর এগুলোকে প্রথম শতাব্দীর শুরুর দিকের একজন গ্যালিলীয় প্রচারকের কার্যকলাপ হিসেবে চিহ্নিত করাই ভালো, যেই চরিত্রটিকে কিউ-তে উপস্থাপন করা হয়েছে... এই অবস্থানটিই আমি আমার ১৯৯৬, ১৯৯৯ এবং ২০০৪ সালের বইগুলোতে নিয়েছি। যদিও এগুলোর প্রথম দুটির শিরোনাম—''দ্য জিসাস লিজেন্ড'' এবং ''দ্য জিসাস মিথ''—সম্ভাব্য পাঠকদের ভুল পথে পরিচালিত করতে পারে এই ভেবে যে আমি এখনও গসপেলের যিশুর ঐতিহাসিকতা অস্বীকার করছি। এই শিরোনামগুলো বেছে নেওয়া হয়েছিল কারণ আমি [নিচের গল্পগুলোকে] কুমারী জন্ম, গ্যালিলীয় পরিচর্যার অনেকাংশ, পিলেটের অধীনে প্রায় ৩০ খ্রিস্টাব্দে ক্রুশবিদ্ধ হওয়া এবং পুনরুত্থানকে—কিংবদন্তি বলে মনে করতাম (এবং এখনও করি)।
**{{cite book|last=ওয়েলস|first=জর্জ|title=কাটিং জিসাস ডাউন টু সাইজ: হোয়াট হায়ার ক্রিটিসিজম হ্যাজ অ্যাচিভড অ্যান্ড হোয়্যার ইট লিভস ক্রিস্টিয়ানিটি|url=https://books.google.com/books?id=KuccAwAAQBAJ&pg=PT16|date=1 December 2013|publisher=ওপেন কোর্ট পাবলিশিং কোম্পানি|isbn=978-0-8126-9867-1|page=16}}
*আদি দলিলগুলোর সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো, এগুলো যিশুর জীবনকে কোনো নির্দিষ্ট ঐতিহাসিক পরিস্থিতিতে স্থাপন করে না। [...] উদাহরণস্বরূপ, পলের লেখায় মন্দির পরিষ্কার করার কোনো কথা নেই (অন্যদিকে মার্ক এবং লুকের মতে, যিশুকে হত্যা করার প্রধান যাজক এবং লেখকদের সংকল্প জাগিয়ে তুলেছিল)। কর্তৃপক্ষের সাথে কোনো সংঘাত, গেথসেমানের কোনো দৃশ্য, যিশুর সাথে ক্রুশবিদ্ধ হওয়া কোনো চোর, কোনো ক্রন্দনরত নারী, স্থান বা সময় সম্পর্কে কোনো শব্দ এবং জুডাস বা পিলেটের কোনো উল্লেখ নেই। ক্রুশবিদ্ধ হওয়া সম্পর্কে পলের অস্পষ্ট উল্লেখগুলো কোনো সমস্যা নয় বলে মেনে নেওয়া যেত যদি তা তাঁর কাছে গুরুত্বহীন হতো। কিন্তু তিনি নিজেই ঘোষণা করেছেন এটি তাঁর প্রচারের মূল বিষয় (১ করি. ১:২৩ এবং ২:২)। অথচ জেরুজালেমে খুব অল্প সময়ের জন্য যাওয়ার আগে তিনি তিন বছর ধরে একজন খ্রিষ্টান হিসেবে জীবনযাপন করেছিলেন (গালাতীয় ১:১৭এফ.)। আর এমন কিছুই বলেন না যা থেকে বোঝা যায়, সেখানকার পবিত্র স্থানগুলোর প্রতি তাঁর কোনো আগ্রহ ছিল, (কিংবা) এমনকি তিনি সেগুলোর ব্যাপারে সচেতন ছিলেন।
**{{cite book|last=ওয়েলস|first=জর্জ আলবার্ট|editor=টম ফ্লিন, রিচার্ড ডকিন্স|title=দ্য নিউ এনসাইক্লোপিডিয়া অব আনবিলিফ|url=https://books.google.com/books?id=fsZ26vQxJKMC&pg=PA447|year=2007|publisher=প্রমিথিউস বুকস, পাবলিশার্স|isbn=978-1-61592-280-2|page=447|chapter=জিসাস, হিস্টোরিসিটি অব}}
* ঐতিহাসিকভাবে কোনো যিশু ছিলেন না; তাঁর পার্থিব অস্তিত্ব হলো আদি খ্রিস্টধর্মের একটি কল্পকাহিনী এবং এটি পরবর্তীকালে প্রথম শতাব্দীতে তাঁর জীবনকাল স্থাপন করার মাধ্যমে মূর্ত রূপ লাভ করে—এই পুরো মতবাদটি আজ প্রায় সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাখ্যাত।
::জি. এ. ওয়েলস, ''দ্য হিস্টোরিক্যাল এভিডেন্স ফর জিসাস'', অ্যামহার্স্ট, এনওয়াই: প্রমিথিউস, ১৯৮৮, পৃষ্ঠা ২১৮
==আরও দেখুন==
*[[গসপেলের ঐতিহাসিক নির্ভরযোগ্যতা]]
* [[যিশুর ঐতিহাসিকতা]]
*[[ঐতিহাসিক যিশু]]
* [[বাইবেল সমালোচনা]]
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
* [http://www.solarmythology.com/ সৌর পুরাণ ও যিশুর গল্প]
[[বিষয়শ্রেণী:বাইবেল সমালোচনা]]
[[বিষয়শ্রেণী:খ্রিস্টধর্ম]]
iumlw5n7wrw1y6lgnjkioj7n257ednp
83389
83377
2026-05-04T10:02:04Z
Dr. Mosaddek Khondoker
2987
83389
wikitext
text/x-wiki
'''{{w|খ্রিস্টের অনৈতিহাসিকতা তত্ত্ব}}''' ('''[[যীশু খ্রীষ্ট|যিশু]] অনৈতিহাসিকতা তত্ত্ব''', যিশুর পুরাণ তত্ত্ব বা '''যিশুর পৌরাণিকতা'''ও বলা হয়ে থাকে) হলো এমন একটি বৃহৎ পরিভাষা, যা খ্রিষ্টানদের গসপেল বা সুসমাচারে বর্ণিত নাজারেথের [[যীশু খ্রীষ্ট|যিশু]] বা তাঁর পুরো জীবনের অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলে এমন নানা ধরনের যুক্তির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। অনৈতিহাসিকতা তত্ত্বের সবচেয়ে চরম সংস্করণগুলোতে দাবি করা হয়, যিশু নামে প্রকৃত কোনো ঐতিহাসিক চরিত্র ছিল না; বরং আদি খ্রিষ্টানরা তাঁকে আবিষ্কার করেছিল। অন্যান্য সংস্করণগুলো দাবি করে, যিশু নামে একজন ব্যক্তি ছিলেন, কিন্তু তাঁর সাথে সম্পর্কিত প্রায় সব শিক্ষা ও অলৌকিক ঘটনাগুলো হয় আবিষ্কৃত, নয়তো রূপক উল্লেখ। অথবা নিউ টেস্টামেন্ট বা নতুন নিয়মে বর্ণিত যিশু হলেন এমন একটি মিশ্র চরিত্র, যা সময়ের সাথে সাথে একাধিক ব্যক্তির ধারণা থেকে তৈরি করা হয়েছে। খ্রিস্ট অনৈতিহাসিকতা তত্ত্ব একটি প্রান্তিক তত্ত্ব। বাইবেল সমালোচনা বা সমগোত্রীয় শাখায় খুব কম সংখ্যক মেয়াদি বা ইমেরিটাস বিশেষজ্ঞ এটি সমর্থন করেন। পুরাণগুলোর মধ্যে তুলনার ওপর সেকেলে নির্ভরতার জন্য এটি সমালোচিত। তাই এটি মূলধারার ঐতিহাসিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বিচ্যুত।
__NOTOC__
{{TOCalpha}}
==অ==
*ক্যাথরিনের [আলেকজান্দ্রিয়া] মতো একটি অনৈতিহাসিক পুরাণ হিসেবে যিশুর বিলুপ্ত হওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই...
::ডেল সি. অ্যালিসন, ''দ্য হিস্টোরিক্যাল ক্রাইস্ট অ্যান্ড দ্য থিওলজিক্যাল জিসাস'', গ্র্যান্ড র্যাপিডস: ইয়ার্ডম্যানস, ২০০৯, পৃষ্ঠা ৩৭
*আদিপুস্তককে মূলত আর বৈজ্ঞানিক বা ঐতিহাসিক হিসেবে বিবেচনা করা হয় না। যাত্রাপুস্তক মূলত একটি পুরাণ। [[দায়ূদ|ডেভিড]] বা [[সলোমন|সলোমনের]] সময়ের তাদের কোনো অকাট্য প্রমাণ নেই। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে তাঁর কথিত পরিবেশে অনুসন্ধান করার পরও যিশুর কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তাই আপনি ১৯০০ থেকে ২০১৪ সালের দিকে তাকালে দেখতে পাবেন, বেশিরভাগ বাইবেল পন্ডিত [[আদম|অ্যাডাম]] ও [[হাওয়া|ইভ]], [[নূহ|নোয়াহ]], [[আব্রাহাম]], [[ইস্হাক|আইজ্যাক]], জ্যাকব, [[ইউসুফ|জোসেফ]], [[সলোমন]] বা [[দায়ূদ|ডেভিডের]] ঐতিহাসিকতায় বিশ্বাস করেন না... আপনি দেখতে পাচ্ছেন যে পার্থক্যটা কত বড়।
: তাহলে এখন কি যিশুর পালা? হয়তো। দেখুন, যিশুকে নিয়ে সন্দেহটি বাস্তব। নতুন নিয়মে লিপিবদ্ধ তাঁর শারীরিক অস্তিত্ব নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। বেশি পন্ডিত [বর্তমানে] প্রকাশ্যে এই ঐতিহাসিকতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে ইচ্ছুক।
: যিশুর ক্ষেত্রে তিনটি সম্ভাব্য অবস্থান রয়েছে। আপনি একজন 'ঐতিহাসিকতাবাদী,' 'পুরাণবাদী,' বা 'অজ্ঞেয়বাদী' হতে পারেন... একজন অজ্ঞেয়বাদী বলেন: "আচ্ছা, যেকোনো এক দিকে প্রশ্নটি নিষ্পত্তি করার জন্য উপাত্ত অপর্যাপ্ত।" আমি এই অবস্থানেই আছি।
:*হেক্টর অ্যাভালোস, পিএইচ.ডি. (৭ জুন ২০১৪), ''আ হিস্টোরিক্যাল অর মিথিক্যাল জিসাস? অ্যান অ্যাগনস্টিক ভিউপয়েন্ট''। অ্যারিজোনা বিশ্ববিদ্যালয়ে দেওয়া বক্তৃতা,
* যদিও "পৌরাণিকতা" ও "পুরাণবাদী" শব্দগুলো কয়েক শতাব্দী ধরে প্রচলিত, তবে অনেকের কাছে তা নতুন হতে পারে। "পুরাণবাদী" শব্দটি সর্বপ্রথম জার্মান ও ইংরেজি ভাষায় ব্যবহৃত হয়েছিল। এটি জুডিও-খ্রিস্টান [[বাইবেল|বাইবেলের]] ঐতিহাসিক সত্যতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশকারীদের বর্ণনা করতে ব্যবহৃত হতো। এই শব্দগুলো আজকাল বিশেষ করে সেই সব পন্ডিত, গবেষক ও অন্যদের সংজ্ঞায়িত করতে ব্যবহৃত হয়, যারা নতুন নিয়মের যিশু খ্রিস্ট বাস্তব ঐতিহাসিক ব্যক্তি ছিলেন কি না, তা নিয়ে তদন্ত করেন। অথবা হারকিউলিস, মিথ্রা বা হোরাসের মতো অন্যান্য সংস্কৃতির দেবতা, দেবতা-মানুষ ও বীরদের মতো তিনি কোনো পুরাণ কি না, তা নিয়ে তারা গবেষণা করেন।
** ডি. এম. মারডক/[[আচার্য এস]], ["হোয়াট ইজ আ মিথিসিস্ট?" http://www.stellarhousepublishing.com/mythicist.html]-এ
* পৌরাণিকতা এমন একটি দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিনিধিত্ব করে। এটি বলে, অসাধারণ বা অতিপ্রাকৃত গুণের অধিকারী অনেক দেবতা, দেবী এবং অন্যান্য বীর ও কিংবদন্তি ব্যক্তিরা "প্রকৃত মানুষ" নন। তারা আসলে পৌরাণিক চরিত্র। এই দৃষ্টিভঙ্গির সাথে এই স্বীকৃতিও আসে, এসব চরিত্রের অনেকেই [[সূর্য]], [[চাঁদ|চন্দ্র]], [[তারা|নক্ষত্র]], [[গ্রহ]], নক্ষত্রপুঞ্জ ইত্যাদির মতো প্রাকৃতিক ঘটনার মূর্ত রূপ বা প্রতীক। এগুলো "অ্যাস্ট্রোমাইথোলজি" বা "অ্যাস্ট্রোথিওলজি" নামে পরিচিত। পৌরাণিক অবস্থানের একটি প্রধান উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, বাইবেলের বিভিন্ন চরিত্র যেমন অ্যাডাম ও ইভ, শয়তান, নোয়াহ, আব্রাহাম, মোজেস, জশুয়া, রাজা ডেভিড, সলোমন এবং যিশু খ্রিস্ট অন্যান্য সত্তার সাথে মিলে আসলে পৌরাণিক চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করেন। তারা মিশরীয়, সুমেরীয়, ফিনিশীয়, ভারতীয়, গ্রিক, রোমান ও অন্যান্য দেবতা-মানুষের মতোই পৌরাণিক। এদের সবাইকে বর্তমানে ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বের পরিবর্তে পুরাণ হিসেবে গ্রহণ করা হয়।
** ''ক্রাইস্ট ইন ইজিপ্ট: দ্য হোরাস-জিসাস কানেকশন'' (২০০৯)-এ ডি. এম. মারডক/আচার্য এস.
*যিশু নিজে কোনো ঐতিহাসিক ব্যক্তি হিসেবে অস্তিত্বশীল ছিলেন কি না, তাঁকে নিয়ে যেসব গসপেল বা সুসমাচার রয়েছে, সেগুলো নিঃসন্দেহে পৌরাণিক পাঠ্য। ...অন্যদিকে ঐতিহাসিক যিশুকে নিয়ে তদন্তের জন্য গসপেলগুলোকে ঐতিহাসিক সূত্র হিসেবে ব্যবহার করা ''প্রয়োজন''। আর "রক্ষণশীল" ও "উদারপন্থী" পান্ডিত্যের মধ্যে প্রধান পার্থক্য আসলে নির্ভর করে কতটা কিংবদন্তি বাদ দিয়ে "ঐতিহাসিক মূলে" পৌঁছানো যায়, তার ওপর। আদৌ কোনো ঐতিহাসিক মূল পাওয়া যাবে কি না, তার ওপর নয়। এসব আখ্যানের পেছনের আসল ঐতিহাসিক ব্যক্তিকে খুঁজতে গিয়ে আমরা এমন এক চরিত্রের সূত্র হিসেবে এসব পাঠ্য ব্যবহার করছি, যার প্রতি তারা নিজেরাই কোনো আগ্রহ দেখায় না। ঠিক যেমন হেরাক্লেস সম্পর্কিত মিথ ও কিংবদন্তিগুলো কোনো ঐতিহাসিক ব্যক্তির ''সম্পর্কে'' নয়, তেমনি গসপেলগুলোও ঐতিহাসিক যিশুর ''সম্পর্কে'' নয়।
**{{cite book|last=আর্নাল|first=উইলিয়াম ই.|title=দ্য সিম্বলিক জিসাস: হিস্টোরিক্যাল স্কলারশিপ, জুডাইজম অ্যান্ড দ্য কনস্ট্রাকশন অব কনটেম্পোরারি আইডেন্টিটি|url=https://books.google.com/books?id=OMBcCgAAQBAJ&pg=PA75|date=12 August 2015|publisher=রাউটলেজ|isbn=978-1-317-32440-9|pages=75–76}}
*যিশুর কোনো প্রকৃত ঐতিহাসিক ভিত্তি আছে কি না, তা নিয়ে বিতর্ক থাকলেও, রবার্ট প্রাইস মনে করেন, আমরা যেই যিশুকে গসপেলে পাই, তিনি মূলত একটি পৌরাণিক চরিত্র। ...যিশুর গল্পগুলো এতটাই পৌরাণিক বৈশিষ্ট্যে পরিপূর্ণ, সেখান থেকে ইতিহাস খুঁজে বের করা প্রায় অসম্ভব।
** রবার্ট এম. প্রাইস, ''ডিকনস্ট্রাক্টিং জিসাস'', প্রমিথিউস বুকস, ২০০০, পৃষ্ঠা ২৬১
==ব==
*কৃষ্ণের গর্ভধারণ, জন্ম ও শৈশবের গল্প হলো নিউ টেস্টামেন্ট বা নতুন নিয়মের গল্পের হুবহু প্রতিরূপ। মিশনারিরা অবশ্য প্রমাণ করার চেষ্টা করে, হিন্দুরা ভারতে আসা আদি খ্রিষ্টানদের কাছ থেকে জন্মের গল্পটি চুরি করেছিল।
**[https://www.theosociety.org/pasadena/key/key-glo2.htm দ্য কি টু থিওসফি — এইচ. পি. ব্লাভাটস্কি, গ্লসারি]
*আমরা এখন যিশুর জীবন ও ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে প্রায় কিছুই জানতে পারি না। আদি খ্রিষ্টান সূত্রগুলো এর প্রতি কোনো আগ্রহ দেখায় না। তাছাড়া এগুলো খণ্ডিত ও প্রায়শই কিংবদন্তিমূলক। যিশু সম্পর্কে অন্য কোনো সূত্রেরও অস্তিত্ব নেই।
**{{cite book|last=বুলটম্যান|first=রুডলফ কার্ল|title=রুডলফ বুলটম্যান: ইন্টারপ্রেটিং ফেইথ ফর দ্য মডার্ন এরা|url=https://books.google.com/books?id=btu0ELYoN-IC&pg=PA94|year=1965|publisher=ফোর্ট্রেস প্রেস|isbn=978-1-4514-1756-2|pages=94f|chapter=জিসাস অ্যান্ড দ্য এস্ক্যাটোলজিক্যাল কিংডম}}
*যিশু সম্ভবত খ্রিস্টপূর্ব ৪ ও খ্রিস্টাব্দ ৩০-এর মাঝামাঝি সময়ে জীবিত ছিলেন। কিন্তু যিশুর কোনো সমসাময়িক ঐতিহাসিক উল্লেখ নেই [...] সমসাময়িক প্রমাণের অভাব তাঁর অস্তিত্বকে খণ্ডন করে না। তবে এটি নিশ্চিতভাবেই [যিশুর] ঐতিহাসিকতার ওপর গভীর সন্দেহের সৃষ্টি করে।
**{{cite book|last1=বার্কার|first1=ড্যান|authorlink1=ড্যান বার্কার|last2=ডকিন্স|first2=রিচার্ড|authorlink2=রিচার্ড ডকিন্স|title=গডলেস: হাউ অ্যান ইভ্যাঞ্জেলিক্যাল প্রিচার বিকেম ওয়ান অব আমেরিকাজ লিডিং অ্যাথিস্টস|url=https://books.google.com/books?id=fAjPWYgIfCoC&pg=PA253|year=2008|publisher=ইউলিসিস প্রেস|isbn=978-1-56975-677-5|page=২৫৩}}
*যারা যিশুর অস্তিত্বের বিরুদ্ধে যুক্তি দেন, তারা এসব বিষয় তুলে ধরেন:
::-প্রাচীন বিশ্বে পৌত্তলিক গল্প ও যিশুর গল্পের মধ্যে অস্বাভাবিক মিল।
::-বাইবেলের বাইরে কোনো বিশ্বাসযোগ্য সূত্রে যিশুর অস্তিত্বের কথা নেই।
::-অ্যাসল পল কখনোই কোনো ঐতিহাসিক যিশুর কথা উল্লেখ করেননি।
:"ডিকনস্ট্রাক্টিং জিসাসের" রচয়িতা [আর. এম.] প্রাইস বলেন, প্রথম শতাব্দীর পশ্চিমা বিশ্ব একজন শহিদ বীরের গল্পে পরিপূর্ণ ছিল যাকে ঈশ্বরের পুত্র বলা হয়। প্রাইস বলেন, "সেই সময়ের প্রাচীন উপন্যাসগুলোতে বীরকে ক্রুশে দণ্ডিত করা হয় এবং এমনকি ক্রুশবিদ্ধও করা হয়। কিন্তু সে পালিয়ে গিয়ে বেঁচে যায়।" "তাকে যিশুর মতোই মনে হয়।"
:[...]
:প্রাইস বলেন, "গসপেলে আমরা যিশু সম্পর্কে যা কিছু পড়ি, তা পৌরাণিক বীরের সাথে মিলে যায়।" "এমন কিছুই বাকি থাকে না যা নির্দেশ করে, তিনি একজন বাস্তব ঐতিহাসিক চরিত্র ছিলেন।"
**{{cite web|last=ব্লেক|first=জন|title=Decoding Jesus: Separating man from myth|trans-title=ডিকোডিং যিশু: পুরাণ থেকে মানুষকে আলাদা করা|url=http://www.cnn.com/2017/02/15/living/jesus-debate-man-versus-myth/index.html|publisher=সিএনএন (টার্নার ব্রডকাস্টিং সিস্টেম)|date=February 16, 2017}} (এই নিবন্ধটি মূলত ২০১২ সালে ''[http://religion.blogs.cnn.com/2012/04/07/the-jesus-debate-man-vs-myth/ দ্য জিসাস ডিবেট: ম্যান ভার্সেস মিথ]'' হিসেবে প্রকাশিত হয়েছিল)
*[[ইন্টারনেট|ইন্টারনেটে]] বোকাদের কাছে জনপ্রিয় একটি চিন্তাধারা হলো, যিশু বাস্তবে ছিলেন না।
::টম ব্রিন, ''দ্য মেসিয়াহ ফরমালি নোন অ্যাজ জিসাস: ডিসপ্যাচেস ফ্রম দ্য ইন্টারসেকশন অব ক্রিস্টিয়ানিটি অ্যান্ড পপ কালচার'', ওয়াকো, টেক্সাস: বেলর ইউনিভার্সিটি প্রেস, ২০০৮, পৃষ্ঠা ১৩৮
*যিশু কখনো ছিলেন কি না, তা নিয়ে সন্দেহ বা অস্বীকারকারীদের দয়ায় আমরা কোনোভাবেই বেঁচে নেই।
::রুডলফ বুলটম্যান, "দ্য স্টাডি অব দ্য সিনপটিক গসপেলস", ''ফর্ম ক্রিটিসিজম: টু এসেজ অন নিউ টেস্টামেন্ট রিসার্চ'', রুডলফ বুলটম্যান ও কার্ল কুন্ডসিন; ফ্রেডরিক সি. গ্রান্ট অনুদিত, নিউ ইয়র্ক: হার্পার টর্চবুকস, ১৯৬২, পৃষ্ঠা ৬২
*অবশ্যই যিশু বাস্তবে ছিলেন কি না, তা নিয়ে সন্দেহ ভিত্তিহীন এবং তা খণ্ডন করার যোগ্য নয়। আদি ফিলিস্তিনি সম্প্রদায় যেই ঐতিহাসিক আন্দোলনের প্রথম স্বতন্ত্র পর্যায়ের প্রতিনিধিত্ব করে, সেই আন্দোলনের পেছনে যিশু যে প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে দাঁড়িয়ে আছেন, কোনো সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ তা নিয়ে সন্দেহ করতে পারে না।
::রুডলফ বুলটম্যান, ''জিসাস অ্যান্ড দ্য ওয়ার্ড'', নিউ ইয়র্ক: স্ক্রিবনার, ১৯৫৮, পৃষ্ঠা ভূমিকা
*খ্রিষ্টানদের ক্ষেত্রে এবং জ্যাগ্রিউস, ওসিরিস বা আটিসের উপাসকদের ক্ষেত্রে বিশ্বাস করা হতো যে ঐশ্বরিক সত্তা মারা গিয়েছিলেন ও আবার জীবিত হয়েছিলেন। এটি খ্রিস্টধর্মের অবমূল্যায়ন তখনই হবে, যদি দেখানো যায় খ্রিষ্টান বিশ্বাস পৌত্তলিক বিশ্বাস থেকে উদ্ভূত হয়েছিল। কিন্তু এটি শুধু সেসব বোকারাই ভাবতে পারে যাদের কাছে ঐতিহাসিক প্রমাণের কোনো মূল্য নেই।
::থমাস স্যামুয়েল কেপলারের ''কনটেম্পোরারি থিংকিং অ্যাবাউট পল: অ্যান অ্যান্থোলজি''-তে এডউইন আর. বেভান, নিউ ইয়র্ক: অ্যাবিংডন-কোকসবারি, ১৯৫০, পৃষ্ঠা ৪৪
*যিশুর পুরো গল্পটিকে একটি মিথ হিসেবে "ব্যাখ্যা" করা এই ধরনের ছদ্ম-ইতিহাসের একটি চরম উদাহরণ।
::এমিল ব্রুনার, ''দ্য মেডিয়েটর: আ স্টাডি অব দ্য সেন্ট্রাল ডকট্রিন অব দ্য ক্রিস্টিয়ান ফেইথ'', কেমব্রিজ: লুটারওয়ার্থ প্রেস, ২০০২, পৃষ্ঠা ১৬৪
*কিছু লেখক হয়তো 'খ্রিস্ট-পুরাণ' কল্পনা নিয়ে খেলতে পারেন। কিন্তু ঐতিহাসিক প্রমাণের ভিত্তিতে তারা তা করেন না। জেনেশুনে ইতিহাস বিকৃত না করা যেকোনো ইতিহাসবিদের কাছে জুলিয়াস সিজারের ঐতিহাসিকতা যেমন স্বতঃসিদ্ধ, খ্রিস্টের ঐতিহাসিকতাও তেমনই স্বতঃসিদ্ধ। ইতিহাসবিদেরা 'খ্রিস্ট-পুরাণ' তত্ত্ব প্রচার করেন না।
::এফ. এফ. ব্রুস, ''দ্য নিউ টেস্টামেন্ট ডকুমেন্টস: আর দে রিলায়েবল?'' (৬ষ্ঠ সংস্করণ), গ্র্যান্ড র্যাপিডস: ইয়ার্ডম্যানস, ২০০৩, পৃষ্ঠা ১২৩
*এমন অনেকে আছেন, যারা দাবি করেন যিশু গির্জার কল্পনার ফসল, বাস্তবে যিশু বলে কেউ ছিলেন না। আমাকে বলতেই হচ্ছে, আমি এমন কোনো সম্মানজনক সমালোচক পণ্ডিতকে চিনি না, যিনি আর এমন কথা বলেন।
::রিচার্ড এ. বারিজ, ''জিসাস নাও অ্যান্ড দেন'', গ্র্যান্ড র্যাপিডস: ইয়ার্ডম্যানস, ২০০৪, পৃষ্ঠা ৩৪
*প্রায় সব বাইবেল পণ্ডিতই স্বীকার করেন, এই মিথকে (যা এখনও জনপ্রিয় মহলে এবং অন্যান্য ক্ষেত্রের কিছু পণ্ডিত ব্যাপকভাবে বিশ্বাস করেন—বিশেষ করে জি. এ. ওয়েলস দেখুন) মিথ্যা প্রমাণ করার মতো পর্যাপ্ত তথ্য প্রাচীন অ-খ্রিষ্টান সূত্রগুলোতে রয়েছে। এই মিথ দাবি করে, যিশুর কোনো অস্তিত্বই ছিল না।
::ক্রেগ এল. ব্লম্বার্গ, "গসপেলস (হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি)", জোয়েল বি. গ্রিন, স্কট ম্যাকনাইট ও আই. হাওয়ার্ড মার্শালের ''ডিকশনারি অব জিসাস অ্যান্ড দ্য গসপেলসে'', ডাউনয়ার্স গ্রোভ, আইএল: ইন্টারভার্সিটি, ১৯৯২, পৃষ্ঠা ২৯২
*সবশেষে লেখকদের এমন একটি দল আছে, যারা প্রমাণ করার চেষ্টা করে যিশু বাস্তবে ছিলেন না—তাঁর জীবনের গল্পটি পৌত্তলিক দেবতা, ব্যাবিলনীয়, মিশরীয়, পারসিক, গ্রিক ইত্যাদির মিথ মিলিয়ে তৈরি করা হয়েছে। কোনো প্রকৃত পণ্ডিতই এসব মানুষের কাজকে গুরুত্বের সাথে নেন না। ঐতিহাসিক গবেষণার ক্ষেত্রে তাদের সবচেয়ে প্রাথমিক জ্ঞানের অভাব রয়েছে। তাদের মধ্যে কেউ কেউ অ্যাসিরিওলজি ও গণিতের মতো অন্যান্য বিষয়ে বিশিষ্ট পণ্ডিত। কিন্তু যিশুর জীবন সম্পর্কে তাদের লেখার ঐতিহাসিক হওয়ার দাবি অ্যালিস ইন ওয়ান্ডারল্যান্ড বা দ্য অ্যাডভেঞ্চারস অব ব্যারন মুনশাউসেনের চেয়ে বেশি নয়।
::জর্জ অ্যারন বার্টন, ''জিসাস অব নাজারেথ: আ বায়োগ্রাফি'', নিউ ইয়র্ক: ম্যাকমিলান, ১৯২২, পৃষ্ঠা x
*এ বিষয়ে একটি চরম দৃষ্টিভঙ্গি হলো যিশু খ্রিস্টের ঐতিহাসিক অস্তিত্বকেও অস্বীকার করা—এমন একটি দৃষ্টিভঙ্গি, যা মেনে নিতেই হবে, এটি শৌখিন ও বোকাদের একটি ছোট বৃত্তের বাইরে শিক্ষিত সমাজে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারেনি। অথবা শেক্সপিয়ারের বেকনিয়ান তত্ত্বের মর্যাদার ওপরে উঠতে পারেনি।
::এডউইন রবার্ট বেভান, ''হেলেনিজম অ্যান্ড ক্রিস্টিয়ানিটি'' (২য় সংস্করণ), লন্ডন: জি. অ্যালেন অ্যান্ড আনউইন, ১৯৩০, পৃষ্ঠা ২৫৬
*যিশু-একজন-পৌরণিক-[ব্যক্তি]-ছিলেন ঘরানার অনুসারীরা... যুক্তি দেয় যে নাজারেথের যিশু নামে কেউ ছিলেন না, তাঁর কোনো অস্তিত্বই ছিল না।
::ক্লিনটন বেনেট, ''ইন সার্চ অব জিসাস: ইনসাইডার অ্যান্ড আউটসাইডার ইমেজেস'', নিউ ইয়র্ক: কন্টিনিয়াম, ২০০১, পৃষ্ঠা ২০২
*কিছু সংশয়বাদী নতুন নিয়মের [নিউ টেস্টামেন্ট] যিশুর প্রমাণ ও খ্রিস্টধর্মের উত্থানকে খ্রিস্ট-অনৈতিহাসিকতা তত্ত্বের আলোকে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছেন। এই দৃষ্টিভঙ্গি অনুসারে যিশুর গল্পটি একটি পৌরাণিক কাহিনি। দেবতা ও বীরদের নিয়ে প্রচলিত প্রাচীন গ্রিক বা নর্স গল্পের চেয়ে ঐতিহাসিক সত্যতার ক্ষেত্রে এর দাবি বেশি শক্ত নয় [...] তাঁর মৃত্যু ও পুনরুত্থান অনেকের মনে মৃত-ও-পুনরুত্থিত দেবতার মিথের একটি ভিন্ন রূপের ধারণা দেয়, যা প্রাচীন পৌত্তলিক ধর্মের জগতে এত জনপ্রিয় ছিল এবং আটিস, অ্যাডোনিস, ওসিরিস ও মিথ্রাসের ধর্মে প্রতিনিধিত্ব করত।
::{{cite book|last=ব্রোমিলি|first=জিওফ্রে ডব্লিউ.|editor=Bromiley et al.|title=দ্য ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড বাইবেল এনসাইক্লোপিডিয়া : ফুল্লি রিভাইসড, ইলাস্ট্রেটেড, ইন ফোর ভলিউমস. ভলিউম. ২, ই-জে|url=https://books.google.com/books?id=yklDk6Vv0l4C&pg=PA1034|volume=2|year=1995 [First published 1982]|publisher=ডব্লিউএম. বি. ইয়ার্ডম্যানস পাবলিশিং|isbn=978-0-8028-3782-0|page=১০৩৪|chapter=জিসাস ক্রাইস্ট|orig-year=First published 1982}}
*জার্মানি, ইংল্যান্ড, হল্যান্ড, আমেরিকা ও ফ্রান্সে পণ্ডিতদের একটি দল এই তত্ত্ব তৈরি করেছিল যে খ্রিস্টের কোনো অস্তিত্বই ছিল না, যা খ্রিস্ট-অনৈতিহাসিকতা তত্ত্ব নামে পরিচিত।
::মার্গারেট হোপ বেকন, ''লেট দিস লাইফ স্পিক: দ্য লিগ্যাসি অব হেনরি জোয়েল ক্যাডবেরি'', ফিলাডেলফিয়া: ইউনিভার্সিটি অব পেনসিলভানিয়া প্রেস, ১৯৮৭, পৃষ্ঠা ২২
*যিশু-একজন-পৌরণিক-[ব্যক্তি]-ছিলেন ঘরানার অনুসারীরা... যুক্তি দেয় যে নাজারেথের যিশু নামে কেউ ছিলেন না, তাঁর কোনো অস্তিত্বই ছিল না।
::ক্লিনটন বেনেট, ''ইন সার্চ অব জিসাস: ইনসাইডার অ্যান্ড আউটসাইডার ইমেজেস'', নিউ ইয়র্ক: কন্টিনিয়াম, ২০০১, পৃষ্ঠা ২০২
*[আদি খ্রিস্টধর্মের বিষয়ে রিচার্ড ক্যারিয়ার উল্লেখ করেন] নতুন ধর্মের সবচেয়ে বিশিষ্ট প্রেরিত [পল] মনে হয় কেবল একজন মহাজাগতিক খ্রিস্টকেই চেনেন। তিনি তাঁর সম্পর্কে [পুনরুত্থিত যিশুর] দর্শন ও নবীদের [শাস্ত্রে] নিবিড় পাঠের মাধ্যমে জানতে পেরেছিলেন।
**{{cite web|author=ব্রায়ান বেথুন|title=Did Jesus really exist? - Macleans.ca|trans-title=যিশু কি সত্যিই ছিলেন? - ম্যাকলিনস.সিএ|url=http://www.macleans.ca/society/life/did-jesus-really-exist-2/|website=Macleans.ca|accessdate=19 November 2016|date=23 March 2016}}
*[যিশুর ব্যাপারে নতুন নিয়মের বর্ণনার সমর্থনে রিচার্ড ক্যারিয়ার উল্লেখ করেন] এক শতাব্দীর জন্য অন্য কোনো খ্রিষ্টান সাক্ষী নেই; সম্ভবত আরও অবর্ণনীয়ভাবে, কোনো পৌত্তলিক সাক্ষী নেই (যিশু সম্পর্কে যাদের উল্লেখ পরবর্তী খ্রিষ্টানরা উদযাপন বা খণ্ডন করার জন্য উল্লেখ করতেন)।
**{{cite web|author=ব্রায়ান বেথুন|title=Did Jesus really exist? - Macleans.ca|trans-title=যিশু কি সত্যিই ছিলেন? - ম্যাকলিনস.সিএ|url=http://www.macleans.ca/society/life/did-jesus-really-exist-2/|website=Macleans.ca|accessdate=19 November 2016|date=23 March 2016}}
*[রিচার্ড ক্যারিয়ারের ''অন দ্য হিস্টোরিসিটি অব জিসাস''] ঐতিহাসিক যিশুর একাডেমিক প্রবক্তাদের সামনে এমন একটি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয়, যা অতিক্রম করা তাদের জন্য অসম্ভব বলে মনে হয়।
**{{cite web|last=বারবার|first=নাইজেল|title=Jesus Never Existed, After All|trans-title=যিশু কখনোই ছিলেন না, সর্বোপরি|url=https://www.huffingtonpost.com/nigel-barber/jesus-never-existed-after_b_9848702.html|website=Huffington Post|accessdate=7 November 2017|date=5 May 2016}}
*আদি খ্রিষ্টানরা স্মৃতির বিশ্বাসঘাতকতা সম্পর্কে খুব সচেতন ছিলেন বলে মনে হয়। গালাতীয়দের কাছে লেখা চিঠিতে সেন্ট পল তাঁর পাঠকদের আশ্বস্ত করেন, তিনি তাদের যেই শিক্ষা দিয়েছেন তা কোনো অবিশ্বস্ত পথ ধরে তাঁর কাছে আসেনি: "আমি আপনাদের জানাতে চাই, ভাই ও বোনেরা, আমি যেই সুসমাচার প্রচার করেছি তা মানুষের তৈরি নয়। আমি তা কোনো মানুষের কাছ থেকে পাইনি বা আমাকে তা শেখানোও হয়নি; বরং আমি তা যিশু খ্রিস্টের প্রত্যাদেশের মাধ্যমে পেয়েছি।"
**{{cite web|author=ব্রায়ান বেথুন|title=Did Jesus really exist? - Macleans.ca|trans-title=যিশু কি সত্যিই ছিলেন? - ম্যাকলিনস.সিএ|url=http://www.macleans.ca/society/life/did-jesus-really-exist-2/|website=Macleans.ca|accessdate=19 November 2016|date=23 March 2016}}
*গ্রিকো-রোমান বিশ্বের অনেক অধিবাসীর চোখে পরিত্রাণের সবচেয়ে বড় প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল রহস্য ধর্মগুলো। এসব ধর্ম উর্বরতার উদ্দেশ্য ও জীবন, মৃত্যু ও পুনর্জন্মের চক্রকে প্রকাশ করত।
**{{cite book|last=ব্রোমিলি|first=জিওফ্রে ডব্লিউ.|editor=Bromiley et al.|title=দ্য ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড বাইবেল এনসাইক্লোপিডিয়া : ফুল্লি রিভাইসড, ইলাস্ট্রেটেড, ইন ফোর ভলিউমস. ভলিউম. ৪, কিউ-জেড|url=https://books.google.com/books?id=6OJvO2jMCr8C&pg=PA290|volume=4|year=1995|publisher=ডব্লিউএম. বি. ইয়ার্ডম্যানস পাবলিশিং|isbn=978-0-8028-3784-4|page=২৯০|chapter=স্যালভেশন||orig-year=First published 1988}}
*আমি মনে করি, ''মূর্ত'' লোগোসের উপাসনা হলো একটি নতুন বিষয়, একটি "পরিবর্তন"... এটি যিশুর অনুসারীদের মাধ্যমে প্রবর্তিত হয়েছিল। কিন্তু একজন মধ্যস্থতাকারী বা একজন ''ডিউটেরোস থিওসের'' প্রতি ''বিশ্বাস'' এবং সম্ভবত দ্বি-ঈশ্বরিক উপাসনাও তাদের [যিশুর অনুসারী] ও অন্যান্য ইহুদিদের মধ্যে প্রচলিত ছিল।
**{{cite book|last=বোয়ারিন|first=ড্যানিয়েল|title=বর্ডার লাইনস: দ্য পার্টিশন অব জুডাইও-ক্রিস্টিয়ানিটি|url=https://books.google.com/books?id=432ycMoPB-QC&pg=PA119|date=24 November 2010|publisher=ইউনিভার্সিটি অব পেনসিলভানিয়া প্রেস|isbn=0-8122-0384-4|page=১১৯}}
*ওয়াল্টার বাউয়ার দাবি করেন খ্রিস্টধর্ম শুরু থেকেই একটি বৈচিত্র্যময় ঘটনা ছিল। ভূমধ্যসাগরের আশেপাশে 'খ্রিস্টধর্মের বিভিন্ন রূপ' গড়ে উঠেছিল এবং কিছু জায়গায় যাকে পরবর্তীতে 'ধর্মবিদ্বেষী' বলা হতো, তা প্রাথমিকভাবে আদর্শ ছিল। [...] যদিও বাউয়ারের কিছু পুনর্গঠন ভুল ছিল এবং তা বাদ দেওয়া হয়েছে, কিন্তু খ্রিস্টধর্ম যে মূলত একটি বৈচিত্র্যময় ঘটনা ছিল, এই ধারণাটি এখন সাধারণভাবে গৃহীত হয়েছে।
**{{cite book|last=বেহর|first=জন|title=ইরেনিয়াস অব লায়ন্স: আইডেন্টিফাইং ক্রিস্টিয়ানিটি|url=https://books.google.com/books?id=isxoAgAAQBAJ&pg=PA5|year=2013|publisher=ওইউপি অক্সফোর্ড|isbn=978-0-19-166781-7|pages=5–6}}
*জার্মানি, ইংল্যান্ড, হল্যান্ড, আমেরিকা ও ফ্রান্সে পণ্ডিতদের একটি দল এই তত্ত্ব তৈরি করেছিল যে খ্রিস্টের কোনো অস্তিত্বই ছিল না, যা খ্রিস্ট-অনৈতিহাসিকতা তত্ত্ব নামে পরিচিত।
::মার্গারেট হোপ বেকন, ''লেট দিস লাইফ স্পিক: দ্য লিগ্যাসি অব হেনরি জোয়েল ক্যাডবেরি'', ফিলাডেলফিয়া: ইউনিভার্সিটি অব পেনসিলভানিয়া প্রেস, ১৯৮৭, পৃষ্ঠা ২২
*যিশু কোনো বাস্তব ঐতিহাসিক চরিত্র ছিলেন না বলে দাবি করা বিশিষ্ট পণ্ডিত ও সমালোচকদের মধ্যে আমরা [[ব্রুনো বাউয়ার]], [[আলবার্ট কালথফ|কালথফ]], [[আর্থার ড্রিউস|ড্রিউস]], [[ফ্রেডরিখ স্টুডেল|স্টে(উ)ডেল]], [[এমিল ফেলডেন|ফেল্ডে(ন)]], ডেইয়ে, [[পিটার জেনসেন (প্রাচ্যবিদ)|জেনসেন]], [[স্যামুয়েল লুবলিনস্কি|লুবলিনস্কি]], [[জেরার্ড বোল্যান্ড|বোল্যান্ড]], [[গুস্তাভ অ্যাডলফ ভ্যান ডেন বার্ঘ ভ্যান আইসিঙ্গা|ভ্যান দে(ন) বার্গ(হ)]], [[চার্লস ভিরোলউড|ভিরোলউড]], [[পল-লুই কৌচাউড|কৌচাউড]], [[জেরাল্ড ম্যাসি|ম্যাসি]], [[এমিলিও বোসি|বোসি]], [[আন্দ্রেজ নিয়েমোজেউস্কি|নিয়েমোজেউস্কি]], [[জর্জ ব্র্যান্ডেস|ব্র্যান্ডেস]], [[জে. এম. রবার্টসন|রবার্টসন]], [[জি. আর. এস. মিড|মিড]], [[থমাস হুইটেকার (আধিভৌতিক)|হুইটেকার]], [[এডওয়ার্ড কার্পেন্টার|কার্পেন্টার]] ও [[উইলিয়াম বেঞ্জামিন স্মিথ|ডব্লিউ. বি. স্মিথের]] নাম উল্লেখ করতে পারি।
::{{cite book|last=বার্নস|first=হ্যারি এলমার|title=দ্য টোয়াইলাইট অব ক্রিস্টিয়ানিটি|url=https://books.google.com/books?id=WeAAAAAAMAAJ|year=1929|publisher=ভ্যানগার্ড প্রেস|location=নিউ ইয়র্ক|page=৩৯০f|chapter=ওয়াজ জিসাস অ্যান হিস্টোরিক ফিগার?}}
*১৯৭০ সালের দিকে নিউ টেস্টামেন্ট ও সংশ্লিষ্ট পাঠ্যগুলোর একটি বিকল্প ব্যাখ্যা উঠে আসছে। গবেষকেরা সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করছেন যে কীভাবে নিউ টেস্টামেন্টের পাঠ্যগুলো কেবল মৌখিক ঐতিহ্যের ওপর নির্ভর না করে প্রাচীন সাহিত্যের, বিশেষ করে প্রাচীন ধর্মগ্রন্থের ওপর নির্ভরশীল হিসেবে ব্যাখ্যা করা যায়। [...] পুরোনো নিয়মের ও অন্যান্য বিদ্যমান পাঠ্যের ওপর গসপেলগুলোর নির্ভরশীলতা কোনো মৌখিক ঐতিহ্যের ওপর এর নির্ভরশীলতার চেয়ে তুলনাহীনভাবে পরিষ্কার ও যাচাইযোগ্য। যেমন, এলিজার ডাকে (১ রাজাবলি ১৯) শিষ্যদের প্রতি যিশুর ডাকের (লুক ৯:৫৭-৬২) সম্পূর্ণ নির্ভরশীলতা দেখা যায়। সূত্রগুলো কেবল একটি কাঠামোই সরবরাহ করে না, বরং এমন একটি জটিল ভর সরবরাহ করে যা পরবর্তী পাঠ্যে ছড়িয়ে পড়ে।
**[[থমাস এল. ব্রোডি]] {{cite book|last=ব্রোডি|first=থমাস এল.|title=বিয়ন্ড দ্য কোয়েস্ট ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল জিসাস: মেমোয়ার অব আ ডিসকভারি|url=https://books.google.com/books?id=BTarMQEACAAJ|year=2012|publisher=শেফিল্ড ফিনিক্স প্রেস|isbn=978-1-907534-58-4|page=২২৯|chapter=এপিলগ: বার্ট ডি. এহরম্যানস 'ডিড জিসাস এক্সিস্ট?'}}
*যিশুকে ঘিরে কিংবদন্তি-ভিত্তিক তত্ত্বের সবচেয়ে চরম প্রান্তিক অংশে বিশেষভাবে প্রচলিত একটি যুক্তি—অর্থাৎ তথাকথিত ''পৌরাণিক''-যিশু তত্ত্বের সমর্থকদের মধ্যে—এই দাবিকে কেন্দ্র করে যে পল ঐতিহাসিক যিশুর প্রতি খুব সামান্য বা প্রায় কোনো উল্লেখই করেন না। [...][জি. এ.] ওয়েলস, [আর্ল] ডোহার্টি ও [আর. এম.] প্রাইসের মতো গবেষকেরা যুক্তি দেন যে পলের দৃষ্টিতে যিশু গসপেলসমূহে যে সাম্প্রতিক, সমসাময়িক গালিলীয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে দেখা যায়, তার মতো মোটেও ছিলেন না। যিশু সম্পর্কে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি—যা আমাদের কাছে প্রাপ্ত সবচেয়ে প্রাচীন দৃষ্টিভঙ্গি—বরং ছিল এক অস্পষ্ট মহাজাগতিক ত্রাণকর্তা-সত্তা, যিনি অজানা, দূরবর্তী অতীতে এবং/অথবা পৌরাণিক আধ্যাত্মিক জগতে বিদ্যমান ছিলেন। প্রকৃতপক্ষে, পলীয় খ্রিস্ট প্রাচীন রহস্যধর্মগুলিতে পাওয়া দেবতাসদৃশ সত্তাগুলোর সঙ্গে যথেষ্ট সাদৃশ্যপূর্ণ ছিল। এই গবেষকদের মতে, এর ফলে এই উপসংহার এড়ানো কঠিন হয়ে পড়ে যে প্রাচীনতম খ্রিস্টানরা যিশুকে এক ধরনের অস্পষ্ট দেবতা হিসেবে দেখতেন, যিনি পলের পর ধীরে ধীরে ঐতিহাসিক রূপ লাভ করেন—মৌখিক পরম্পরা প্রচারিত হওয়ার মাধ্যমে এবং বিশেষত যখন গসপেলসমূহ রচিত হয়। [...] পল খুব কমই, যদি কখনও, যিশুকে উদ্ধৃত করেন। বরং তারা যুক্তি দেন যে পল পরবর্তী খ্রিস্টীয় ধারণা—যেখানে যিশুকে একজন নৈতিক শিক্ষক হিসেবে দেখা হয়—সম্পর্কে সম্পূর্ণ অজ্ঞ বলে মনে হয়।
**{{cite book|last1=এডি|first1=পল রোডস|last2=বয়েড|first2=গ্রেগরি এ.|title=দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন|url=https://books.google.com/books?id=WgROZMp4zDMC&pg=PA33|date=1 August 2007|publisher=বেকার একাডেমিক|isbn=978-0-8010-3114-4|page=৩৩}}
*নতুন নিয়মের পণ্ডিতেরা একমত যে যিশুর জীবন ও কাজ সম্পর্কে পলের খুব কমই বলার আছে। তবে বেশিরভাগই স্বীকার করেনপল যিশুকে একজন সাম্প্রতিক সমসাময়িক ব্যক্তি হিসেবে দেখেছিলেন। কিংবদন্তি-যিশুর সবচেয়ে কট্টর তাত্ত্বিকেরা—বিশেষ করে খ্রিস্ট পুরাণ তাত্ত্বিকেরা—এটি অস্বীকার করেন। তারা যুক্তি দেন যে পলের চিঠির কোনো কিছুই নির্দেশ করে না যে তিনি বিশ্বাস করতেন যিশু তাঁর সমসাময়িক ছিলেন। বরং তারা দাবি করেন, পলের ধর্মতত্ত্বের যিশু হলেন প্রাচীন রহস্য ধর্মের অনুরূপ চরিত্রের আদলে তৈরি একজন ত্রাণকর্তা। এই তত্ত্ব অনুসারে পল বিশ্বাস করতেন যে খ্রিস্ট দূর অতীতের কোনো এক সময়ে পৃথিবীতে এসেছিলেন—বা তিনি কেবল একটি তুরীয় পৌরাণিক জগতেই ছিলেন—এবং অশুভ শক্তিকে পরাজিত করতে ও মানবতাকে মুক্ত করতে মৃত্যুবরণ করেছিলেন। কেবল পরবর্তীতে যিশুকে একজন ইহুদি সমসাময়িক হিসেবে পুনরায় পৌরাণিক [অর্থাৎ ঐতিহাসিক] রূপ দেওয়া হয়েছিল। ...যিশুর গল্পের ঐতিহাসিক দিকগুলো আবিষ্কার করা হয়েছিল এবং পল তাঁর চিঠি লেখার পরে গসপেলগুলোতে যুক্ত করা হয়েছিল।
**{{cite book|last1=এডি|first1=পল রোডস|last2=বয়েড|first2=গ্রেগরি এ.|title=দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন|url=https://books.google.com/books?id=WgROZMp4zDMC&pg=PA202|date=1 August 2007|publisher=বেকার একাডেমিক|isbn=978-0-8010-3114-4|pages=202-203}}
*ব্রুনো বাউয়ার, আর্থার ড্রিউস ও জি. এ. ওয়েলসের মতো পণ্ডিতেরা যুক্তি দিয়েছেন যে যিশু ঐতিহ্য মূলত—সম্ভবত ''পুরোপুরি''—কাল্পনিক প্রকৃতির (অর্থাৎ আমরা যেই অর্থে শব্দটি ব্যবহার করছি তাতে "কিংবদন্তি")....রবার্ট প্রাইসের মতো '''আমরা এই বিভাগে অন্তর্ভুক্ত করতে পারি এমন কিছু পণ্ডিত''' এই তত্ত্ব থেকে সামান্য সরে এসে যুক্তি দেবেন যে '''একজন ঐতিহাসিক যিশুর অস্তিত্ব ছিল কি না, তা নির্ধারণ করার জন্য আমাদের কাছে পর্যাপ্ত তথ্যের অভাব রয়েছে'''। এখানেই এক ধরণের "যিশু অজ্ঞেয়বাদ" তৈরি হয়।
::পল আর এডি ও [[গ্রেগরি এ. বয়েড]], ''দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন'' (গ্র্যান্ড র্যাপিডস: বেকার একাডেমিক, ২০০৭) পৃষ্ঠা ২৪-২৫
*যেমনটি আমরা লক্ষ্য করেছি, কিছু কিংবদন্তি-যিশু তাত্ত্বিক যুক্তি দেন, যিশু নামে একজন বাস্তব ঐতিহাসিক ব্যক্তির অস্তিত্ব থাকাটা অন্তত সম্ভব, যদি তা পুরোপুরি সত্যি নাও হয়। তবুও তিনি এতটাই কিংবদন্তিতে ঢাকা, আমরা তাঁর সম্পর্কে খুব কমই জানতে পারি। অন্যরা (যেমন, খ্রিস্ট পুরাণ তাত্ত্বিকেরা) যুক্তি দেন যে কিংবদন্তির পেছনে একজন বাস্তব ঐতিহাসিক ব্যক্তির অস্তিত্ব ছিল বলে বিশ্বাস করার কোনো ভালো কারণ আমাদের কাছে নেই।
::পল আর এডি ও গ্রেগরি এ. বয়েড, ''দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন'' (গ্র্যান্ড র্যাপিডস: বেকার একাডেমিক, ২০০৭) পৃষ্ঠা ১৬৫
*রবার্ট প্রাইস যুক্তি দেন, প্রাচীন ভূমধ্যসাগরীয় বিশ্ব "একজন ত্রাণকর্তা দেবতার মৃত্যু ও পুনরুত্থানকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা ধর্মে গভীরভাবে ডুবে ছিল।" যে "খ্রিস্ট ধর্ম" গড়ে উঠেছিল, তা এসব প্রাচীন মৃত্যু ও পুনরুত্থান ধর্মের আরেকটি উদাহরণ ছাড়া আর কিছুই নয়। এটি দেখানোর জন্য তিনি বিভিন্ন উদাহরণের তালিকা তুলে ধরেন।
**{{cite book|last1=এডি|first1=পল রোডস|last2=বয়েড|first2=গ্রেগরি এ.|title=দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন|url=https://books.google.com/books?id=WgROZMp4zDMC&pg=PA30|date=1 August 2007|publisher=বেকার একাডেমিক|isbn=978-0-8010-3114-4|page=৩০}}
*রবার্ট প্রাইস যুক্তি দেন, প্রাচীন ভূমধ্যসাগরীয় বিশ্ব "একজন ত্রাণকর্তা দেবতার মৃত্যু ও পুনরুত্থানকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা ধর্মে গভীরভাবে ডুবে ছিল।" এরপর পলের মাধ্যমে খ্রিস্ট ধর্মের উত্থান ব্যাখ্যা করার জন্য তিনি দেবতার একটি বড় তালিকা তুলে ধরেন। এতে বাল, [[তাম্মুজ]]/দুমুজি, ওসিরিস, আটিস, ডায়োনিসাস, মিথ্রাস, এমনকি কর্ন কিংও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এগুলো থেকে তিনি এই সিদ্ধান্তে আসেন যে পলের গঠিত খ্রিস্ট ধর্মটি নিছক "একটি রহস্য ধর্ম" ছিল। ("একটি রহস্য ধর্মের আদলে তৈরি খ্রিস্ট ধর্ম ''হলো'' একটি রহস্য ধর্ম, একটি খ্রিস্ট ধর্ম যা এই নামের যোগ্য" (প্রাইস, ''ডিকনস্ট্রাক্টিং জিসাস'', ৯৩)। এই প্রেক্ষাপটে প্রাইস রহস্য ধর্মের সাথে খ্রিস্ট ধর্মকে স্পষ্টভাবে যুক্ত করা থেকে বিরত থেকে "খ্রিস্ট ধর্ম" নামটি ব্যবহার করার জন্য [বি. এল.] ম্যাককে তিরস্কার করেন। পুরোনো মতাদর্শগুলো [''[[ধর্মের ইতিহাস স্কুল|Religionsgeschichtliche Schule]]''] ঠিক যেমনটি করেছিল....)
**{{cite book|last1=এডি|first1=পল রোডস|last2=বয়েড|first2=গ্রেগরি এ.|title=দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন|url=https://books.google.com/books?id=WgROZMp4zDMC&pg=PA137|date=1 August 2007|publisher=বেকার একাডেমিক|isbn=978-0-8010-3114-4|page=১৩৭, n. 15}}
*যেসকল পণ্ডিত গসপেলগুলোকে "কল্পকাহিনী" হিসেবে শ্রেণিভুক্ত করেন তারা সাধারণত মনে করেনগসপেলের রচয়িতারা ''ইচ্ছাকৃতভাবে'' কল্পকাহিনী লিখেছিলেন এবং ধরে নিয়েছেন তাদের কাজকে সেভাবেই পড়া হবে। গসপেলগুলো ঠিক কোন ''ধরনের'' কল্পকাহিনী হওয়ার উদ্দেশ্যে রচিত হয়েছিল, তা নিয়ে এই শিবিরের পণ্ডিতদের মধ্যে কোনো ঐক্যমত্য নেই। এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হতে পারে ..."কিংবদন্তি" (আর. এম. প্রাইস, ''দ্য ইনক্রেডিবল শ্রিংকিং সান অব ম্যান: হাউ রিলায়েবল ইজ দ্য গসপেল ট্র্যাডিশন?'' (অ্যামহার্স্ট, এনওয়াই: প্রমিথিউস, ২০০৩), ২১।)
**{{cite book|last1=এডি|first1=পল রোডস|last2=বয়েড|first2=গ্রেগরি এ.|title=দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন|url=https://books.google.com/books?id=WgROZMp4zDMC&pg=PA314|date=1 August 2007|publisher=বেকার একাডেমিক|isbn=978-0-8010-3114-4|pages=314-315, n. 23}}
*অনেক পণ্ডিত র্যাগল্যানের "হিরো মিথ" বিশ্লেষণ ও নতুন নিয়মের যিশুর গল্পের মধ্যে শক্তিশালী মিল খুঁজে পান। [...] প্রাইস আরও একধাপ এগিয়ে যুক্তি দেন যে "[খ্রিস্টের] গল্পের প্রতিটি বিবরণ পৌরাণিক নায়কের আদর্শের সাথে খাপ খায়, অতিরিক্ত কিছুই থাকে না।" এটি থেকে প্রাইস অনুমান করেন"পুরাণের পেছনে একজন ঐতিহাসিক ব্যক্তির অস্তিত্ব থাকতে হবে বলে দাবি করাটা অযৌক্তিক।"
**{{cite book|last1=এডি|first1=পল রোডস|last2=বয়েড|first2=গ্রেগরি এ.|title=দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন|url=https://books.google.com/books?id=WgROZMp4zDMC&pg=PA31|date=1 August 2007|publisher=বেকার একাডেমিক|isbn=978-0-8010-3114-4|page=৩১}}
*রবার্ট প্রাইস এতটা দূর পর্যন্ত যুক্তি দেন, গসপেলে পাওয়া যিশুর গল্পের ''প্রতিটি'' দিকই "পৌরাণিক নায়কের আদর্শের সাথে খাপ খায়, অতিরিক্ত কিছুই থাকে না।" যিশু ও সর্বজনীনভাবে স্বীকৃত পৌরাণিক চরিত্রগুলোর মধ্যে এত শক্তিশালী মিল থাকার কারণে কিছু লোকের কাছে এটি অত্যন্ত অবাস্তব বলে মনে হয়, যিশুর গল্পটির শিকড় ইতিহাসে নিহিত রয়েছে, অন্যদিকে অন্য বীরদের গল্পের কোনো ঐতিহাসিক ভিত্তি নেই।
**{{cite book|last1=এডি|first1=পল রোডস|last2=বয়েড|first2=গ্রেগরি এ.|title=দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন|url=https://books.google.com/books?id=WgROZMp4zDMC&pg=PA137|date=1 August 2007|publisher=বেকার একাডেমিক|isbn=978-0-8010-3114-4|pages=137-138}}
*যিশু গসপেলে তাঁর করা কাজগুলো করে থাকলে, তিনি অন্তত কয়েকজন পৌত্তলিক লেখকের দৃষ্টি আকর্ষণ করতেন বলে কি আমাদের আশা করা উচিত নয়? এর বদলে কিছু পণ্ডিত যুক্তি দেন, নতুন নিয়মের বাইরে আমরা যিশুর খুব কম বা কোনো উল্লেখই পাই না। কারো কারো কাছে—বিশেষ করে কিংবদন্তি-যিশু তাত্ত্বিকদের সবচেয়ে কট্টর অংশের (যেমন, গ্রুপ ১ [খ্রিস্ট পুরাণ তাত্ত্বিকদের নিয়ে গঠিত]) কাছে—এটি প্রমাণ করে, গসপেলের অলৌকিক কাজের সাথে জড়িত চরিত্রটি পুরোপুরি একটি কিংবদন্তি, যা অন্যান্য প্রাচীন রহস্য ধর্মের পৌরাণিক ত্রাণকর্তা চরিত্রগুলোর থেকে মূলত আলাদা কিছু নয়।
**{{cite book|last1=এডি|first1=পল রোডস|last2=বয়েড|first2=গ্রেগরি এ.|title=দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন|url=https://books.google.com/books?id=WgROZMp4zDMC&pg=PA32|date=1 August 2007|publisher=বেকার একাডেমিক|isbn=978-0-8010-3114-4|page=৩২}}
*[জি. এ. ওয়েলস ও আর্ল ডোহার্টির মতে] গসপেলগুলো পরে পলের পৌরাণিক ত্রাণকর্তার চরিত্রকে কেন্দ্র করে একটি ঐতিহাসিক আখ্যান তৈরি করে এবং তাকে একজন ঐতিহাসিক ব্যক্তিতে রূপান্তরিত করে। (জি. এ. ওয়েলস, ''দ্য জিসাস মিথ'' (শিকাগো: ওপেন কোর্ট, ১৯৯৯), বিশেষ করে ৯৫-১১১; ই. ডোহার্টি, ''দ্য জিসাস পাজল: ডিড ক্রিস্টিয়ানিটি বিগিন উইথ আ মিথিক্যাল ক্রাইস্ট?'' (অটোয়া: কানাডিয়ান হিউম্যানিস্ট পাব., ১৯৯৯)।)
**{{cite book|last1=এডি|first1=পল রোডস|last2=বয়েড|first2=গ্রেগরি এ.|title=দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন|url=https://books.google.com/books?id=WgROZMp4zDMC&pg=PA106|date=1 August 2007|publisher=বেকার একাডেমিক|isbn=978-0-8010-3114-4|page=১০৬}}
*খ্রিস্ট পুরাণ তাত্ত্বিকেরা যুক্তি দেন যে পল যিশুকে রহস্য ধর্মের দেবতার আদলে একজন মহাজাগতিক ত্রাণকর্তা হিসেবে দেখতেন, নিকট অতীতের কোনো ঐতিহাসিক ব্যক্তি হিসেবে নয়। তারা যুক্তি দেন যে কেবল পরবর্তীতে গসপেলগুলো লেখার সময়ই এই পৌরাণিক মহাজাগতিক ত্রাণকর্তা চরিত্রের ওপর একটি কাল্পনিক ঐতিহাসিক আখ্যান চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল।
**{{cite book|last1=এডি|first1=পল রোডস|last2=বয়েড|first2=গ্রেগরি এ.|title=দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন|url=https://books.google.com/books?id=WgROZMp4zDMC&pg=PA163|date=1 August 2007|publisher=বেকার একাডেমিক|isbn=978-0-8010-3114-4|page=১৬৩}}
*[কিছু খ্রিস্ট পুরাণ তাত্ত্বিক] এই দাবিকে অনেক গুরুত্ব দেন, প্রথম ও দ্বিতীয় শতাব্দীর অ-খ্রিষ্টান সূত্রগুলোতে বা পলের মতো সবচেয়ে আদি খ্রিষ্টান সূত্রগুলোতে ঐতিহাসিক যিশু সম্পর্কে খুব কম বা কোনো বিশ্বাসযোগ্য তথ্যই পাওয়া যায় না। তারা যুক্তি দেন যে গসপেলগুলোতে বর্ণিত যিশুর মতো অলৌকিক ক্ষমতাসম্পন্ন কোনো নবীর অস্তিত্ব সত্যিই থাকলে, পল ও তাঁর সমসাময়িক পৌত্তলিকেরা তাঁর কাজ ও শিক্ষার কথা উল্লেখ করতেন। এর বদলে, তারা যুক্তি দেন, আমরা সম্পূর্ণ নীরবতা দেখতে পাই।
**{{cite book|last1=এডি|first1=পল রোডস|last2=বয়েড|first2=গ্রেগরি এ.|title=দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন|url=https://books.google.com/books?id=WgROZMp4zDMC&pg=PA165|date=1 August 2007|publisher=বেকার একাডেমিক|isbn=978-0-8010-3114-4|page=১৬৫}}
*[পলের] চিঠিতে যিশুর কুমারী মায়ের গর্ভে জন্ম নেওয়া তো দূরের কথা, তাঁর বাবা-মা সম্পর্কেও কোনো ইঙ্গিত নেই। তারা কখনোই তাঁর জন্মস্থানের কথা উল্লেখ করে না... তারা তাঁর পার্থিব অস্তিত্বের সময় বা স্থানের কোনো ইঙ্গিত দেয় না। তারা কোনো রোমান কর্মকর্তার সামনে তাঁর বিচার বা তাঁর মৃত্যুদণ্ডের স্থান হিসেবে জেরুজালেমের কথা উল্লেখ করে না। তারা জন দ্য ব্যাপটিস্ট, জুডাস বা মাস্টারের সাথে পিটারের অস্বীকৃতি—কারও কথাই উল্লেখ করে না... এসব চিঠিতে যিশুর করা কোনো অলৌকিক কাজের কথাও উল্লেখ নেই। এটি একটি বিশেষ লক্ষণীয় ব্যাপার, কারণ গসপেল অনুসারে তিনি এমন অনেক কাজ করেছিলেন।
::{{cite book|last=ওয়েলস|first=জর্জ আলবার্ট|title=দ্য হিস্টোরিক্যাল এভিডেন্স ফর জিসাস|url=https://books.google.com/books?id=uWjz3yUrkWYC&pg=PA22|year=1982|publisher=প্রমিথিউস বুকস, পাবলিশার্স|isbn=978-1-61592-411-0|page=২২}}
:*[[জি. এ. ওয়েলস]] এপি. {{cite book|last1=এডি|first1=পল রোডস|last2=বয়েড|first2=গ্রেগরি এ.|title=দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন|url=https://books.google.com/books?id=WgROZMp4zDMC&pg=PA203|date=1 August 2007|publisher=বেকার একাডেমিক|isbn=978-0-8010-3114-4|page=২০৩|chapter=পল'স ল্যাক অব হিস্টোরিক্যাল ইনফরমেশন|quote=(G. A. Wells, ''The Historical Evidence for Jesus'' (Buffalo, NY: Prometheus, 1982), 22.)}}
*খ্রিস্ট অনৈতিহাসিকতা তত্ত্বের অনুসারীরা যুক্তি দেন যে পল যিশুকে কেবল "খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের মধ্যে উপস্থিত এক ঐশ্বরিক শক্তি হিসেবে জানতেন, যা ঈশ্বরের প্রত্যাদেশ ও নির্দেশনা প্রদান করে এবং ঈশ্বর ও আধ্যাত্মিক সত্যের জ্ঞানের সাথে সংযোগ স্থাপন করে।" [ডোহার্টি (১৯৯৯), ৩০।] অন্য কথায়, এসব বিবেচনা থেকে বোঝা যায় পল ও আদি খ্রিষ্টানদের যিশু অন্যান্য প্রাচীন পৌত্তলিক রহস্য ধর্মে উপাসনা করা ও অনুভব করা বিভিন্ন দেবতার চেয়ে খুব একটা আলাদা ছিলেন না। [ই. ডোহার্টি, ''দ্য জিসাস পাজল: ডিড ক্রিস্টিয়ানিটি বিগিন উইথ আ মিথিক্যাল ক্রাইস্ট?'' (অটোয়া: কানাডিয়ান হিউম্যানিস্ট পাবলিকেশন্স, ১৯৯৯), ৩০।]
**{{cite book|last1=বয়েড|first1=গ্রেগরি এ.|last2=এডি|first2=পল আর.|title=লর্ড অর লিজেন্ড?: রেসলিং উইথ দ্য জিসাস ডিলেমা|url=https://books.google.com/books?id=z9BMAwAAQBAJ&pg=PA42|date=1 October 2010|publisher=উইপফ অ্যান্ড স্টক পাবলিশার্স|isbn=978-1-60899-954-5|page=৪২}}
*পৌত্তলিক সাক্ষীদের বক্তব্য ইঙ্গিত দেয় যে যিশুর ঐতিহাসিকতা সমর্থন করে এমন কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ নেই। [...] ইহুদি তথ্যের অভাবের সাথে যুক্ত হয়ে তাদের এই অনুপস্থিতি প্রমাণ করে, এখানে [নেতিবাচক প্রমাণের নীতিটি] প্রযোজ্য। যিশু বাস্তবে ছিলেন না বলে অবিশ্বাস করাটা আমাদের জন্য যৌক্তিক। (এম. মার্টিন, ''দ্য কেস অ্যাগেইনস্ট ক্রিস্টিয়ানিটি'' (ফিলাডেলফিয়া: টেম্পল ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১৯৯১), ৫২।)
::{{cite book|last1=মার্টিন|first1=মাইকেল|authorlink1=Michael Martin (philosopher)|title=দ্য কেস অ্যাগেইনস্ট ক্রিস্টিয়ানিটি|url=https://books.google.com/books?id=wWkC4dTmK0AC&pg=PA52|year=1993|publisher=টেম্পল ইউনিভার্সিটি প্রেস|isbn=978-1-56639-081-1|page=৫২}}
:*[[মাইকেল মার্টিন (দার্শনিক)|মাইকেল মার্টিন]] এপি. {{cite book|last1=এডি|first1=পল রোডস|last2=বয়েড|first2=গ্রেগরি এ.|title=দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন|url=https://books.google.com/books?id=WgROZMp4zDMC&pg=PA166|date=1 August 2007|publisher=বেকার একাডেমিক|isbn=978-0-8010-3114-4|page=১৬৬}}
*খ্রিস্ট পুরাণ তাত্ত্বিকেরা [দাবি করেন] যে ইউসেবিয়াস টেস্টিমোনিয়াম [ফ্লাভিয়ানাম জালিয়াতির] জন্য দায়ী হতে পারেন।
**{{cite book|last1=এডি|first1=পল রোডস|last2=বয়েড|first2=গ্রেগরি এ.|title=দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন|url=https://books.google.com/books?id=WgROZMp4zDMC&pg=PA197|date=1 August 2007|publisher=বেকার একাডেমিক|isbn=978-0-8010-3114-4|page=১৯৭ n. 103)}}
*কিংবদন্তি-যিশুর অনুসারী পণ্ডিতেরা—বিশেষ করে খ্রিস্ট পুরাণ তাত্ত্বিকেরা—সাধারণত যুক্তি দেন, আদি অ-খ্রিষ্টান সূত্রগুলোতে ঐতিহাসিক যিশু সম্পর্কে খুব কম স্বাধীন তথ্যই পাওয়া যায়।
**{{cite book|last1=এডি|first1=পল রোডস|last2=বয়েড|first2=গ্রেগরি এ.|title=দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন|url=https://books.google.com/books?id=WgROZMp4zDMC&pg=PA163|date=1 August 2007|publisher=বেকার একাডেমিক|isbn=978-0-8010-3114-4|page=১৬৩}}
*খ্রিষ্টান পণ্ডিতেরা অনেক দিন ধরেই বলে আসছেন, অনেক প্রাচীন অ-খ্রিষ্টান সাহিত্যিক সূত্রে যিশুর উল্লেখ আছে... এর বিপরীতে, বিভিন্ন কিংবদন্তি-যিশু তাত্ত্বিকেরা [খ্রিস্ট পুরাণ তাত্ত্বিকেরা সহ] যুক্তি দেন, এসব সূত্রের ঐতিহাসিকতা সন্দেহজনক। যেই অংশগুলোতে যিশুর কথা বলা হয়েছে বলে মনে হয়, সেগুলো হয় খ্রিষ্টানদের দাবি করা কথার ওপর ভিত্তি করে লেখা, নয়তো খ্রিষ্টানদের দ্বারা পরে যুক্ত করা হয়েছে।
**{{cite book|last1=এডি|first1=পল রোডস|last2=বয়েড|first2=গ্রেগরি এ.|title=দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন|url=https://books.google.com/books?id=WgROZMp4zDMC&pg=PA166|date=1 August 2007|publisher=বেকার একাডেমিক|isbn=978-0-8010-3114-4|page=১৬৬}}
*খ্রিষ্টান পণ্ডিতেরা অনেক দিন ধরেই বলে আসছেন, অ-খ্রিষ্টান সূত্রগুলোতে যিশুর উল্লেখ খুব কম হতে পারে... তবে সবগুলোর মধ্যেই যিশু বা আদি খ্রিষ্টান আন্দোলনের কিছু উল্লেখ রয়েছে। [...] তবে এর বিপরীতে, আরও কট্টর কিংবদন্তি-যিশু তাত্ত্বিকেরা [খ্রিস্ট পুরাণ তাত্ত্বিকেরা সহ] যুক্তি দেন, এসব সূত্রের ঐতিহাসিকতা সন্দেহজনক। কিছু অংশ খ্রিষ্টানদের দ্বারা পরে যুক্ত করা হয়েছে বলে প্রমাণ করা যায়। যেগুলো পরে যুক্ত করা হয়নি, সেগুলো নিছক জনশ্রুতি—যিশু সম্পর্কে তৎকালীন খ্রিষ্টানরা যা দাবি করত, তাই তুলে ধরেছে।
**{{cite book|last1=এডি|first1=পল রোডস|last2=বয়েড|first2=গ্রেগরি এ.|title=দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন|url=https://books.google.com/books?id=WgROZMp4zDMC&pg=PA32|date=1 August 2007|publisher=বেকার একাডেমিক|isbn=978-0-8010-3114-4|page=৩২}}
*[এই] বইয়ে আমরা কিংবদন্তি-যিশু তত্ত্ব নিয়ে আলোচনা করছি। ...বর্তমান নিউ টেস্টামেন্ট গবেষণায় ঐতিহাসিক যিশুকে নিয়ে পাওয়া নানা মতকে চারটি বড় (এবং কিছুটা সরলীকৃত) ভাগে ভাগ করলে সুবিধা হবে। [...] চতুর্থ ও শেষ দলের পণ্ডিতেরা দাবি করেন, ১-৩ নং বিভাগের [পণ্ডিতদের] মতগুলো গসপেলের বিষয়ে বেশি মাত্রায় সন্দেহপ্রবণ। ...এই [৪ নং বিভাগের] পণ্ডিতদের মতে, ঐতিহাসিক গবেষণার মাধ্যমে ঐতিহাসিক যিশু সম্পর্কে বেশ কিছু নির্ভরযোগ্য তথ্য বের করা সম্ভব।
**{{cite book|last1=এডি|first1=পল রোডস|last2=বয়েড|first2=গ্রেগরি এ.|title=দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন|url=https://books.google.com/books?id=WgROZMp4zDMC&pg=PA24|date=1 August 2007|publisher=বেকার একাডেমিক|isbn=978-0-8010-3114-4|pages=24f}}
*কিংবদন্তি-যিশু তাত্ত্বিকদের মতে, এই আদি মৌখিক যিশু ঐতিহ্যগুলোর যিশুর প্রকৃত স্মৃতির সাথে খুব হালকা সংযোগ ছিল (বা খ্রিস্ট পুরাণ প্রবক্তাদের ক্ষেত্রে একেবারেই কোনো সংযোগ ছিল না) এবং সেগুলো কিংবদন্তির প্রভাবে খুব বেশি প্রভাবিত হওয়ার ঝুঁকিতে ছিল।
**{{cite book|last1=এডি|first1=পল রোডস|last2=বয়েড|first2=গ্রেগরি এ.|title=দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন|url=https://books.google.com/books?id=WgROZMp4zDMC&pg=PA237|date=1 August 2007|publisher=বেকার একাডেমিক|isbn=978-0-8010-3114-4|page=২৩৭}}
*ব্রুনো বাউয়ার, আর্থার ড্রিউস ও জি. এ. ওয়েলসের মতো পণ্ডিতেরা দাবি করেছেন, যিশু ঐতিহ্য মূলত—এমনকি সম্ভবত পুরোপুরি—কাল্পনিক প্রকৃতির... এই মত অনুসারে যিশু গল্পের কোনো অংশ ইতিহাসে ভিত্তি করে আছে বলে মনে করার কোনো ভালো কারণ আমাদের কাছে নেই। যিশু নামের একজন প্রকৃত ঐতিহাসিক ব্যক্তির অস্তিত্বও এর অন্তর্ভুক্ত। রবার্ট প্রাইসের মতো কিছু পণ্ডিতকে আমরা এই বিভাগে অন্তর্ভুক্ত করতে পারি, যারা এই তত্ত্ব থেকে কিছুটা সরে এসে দাবি করেন, ঐতিহাসিক যিশুর অস্তিত্ব ছিল কি না, তা নির্ধারণ করার জন্য আমাদের কাছে পর্যাপ্ত তথ্যের অভাব রয়েছে। এখানেই এক ধরণের "যিশু অজ্ঞেয়বাদ" উঠে আসে।
**{{cite book|last1=এডি|first1=পল রোডস|last2=বয়েড|first2=গ্রেগরি এ.|title=দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন|url=https://books.google.com/books?id=WgROZMp4zDMC&pg=PA24|date=1 August 2007|publisher=বেকার একাডেমিক|isbn=978-0-8010-3114-4|pages=24-25}}
*রবার্ট প্রাইস বলেছেন, "যারা [গসপেলের] বিষয়বস্তুকে আসল বলে দাবি করেন, তাদের প্রমাণ করার একটি ভারী দায়িত্ব রয়েছে।" (...এই ধরনের চরম পদ্ধতিগত সংশয়বাদ প্রাইসকে "যিশু অজ্ঞেয়বাদের" দিকে নিয়ে গেছে—তিনি নিশ্চিত নন যে ঐতিহাসিক যিশু বলে কেউ ছিলেন কি না।)
**{{cite book|last1=এডি|first1=পল রোডস|last2=বয়েড|first2=গ্রেগরি এ.|title=দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন|url=https://books.google.com/books?id=WgROZMp4zDMC&pg=PA365|date=1 August 2007|publisher=বেকার একাডেমিক|isbn=978-0-8010-3114-4|page=৩৬৫ n. 3)}}
*[বার্টন] ম্যাক দাবি করেন, গ্রিক "শহিদত্বের মিথ" ও "মহান মৃত্যুর" ঐতিহ্য শেষ পর্যন্ত খ্রিস্ট ধর্মের হেলেনাইজড ইহুদিদের যিশুকে ঈশ্বররূপে গড়ে তুলতে প্রভাবিত করেছিল।
**{{cite book|last1=এডি|first1=পল রোডস|last2=বয়েড|first2=গ্রেগরি এ.|title=দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন|url=https://books.google.com/books?id=WgROZMp4zDMC&pg=PA136|date=1 August 2007|publisher=বেকার একাডেমিক|isbn=978-0-8010-3114-4|page=১৩৬}}
*আমরা আগেই দেখেছি, কিছু কিংবদন্তি-যিশু তাত্ত্বিক দাবি করেন, যিশু নামে একজন প্রকৃত ঐতিহাসিক ব্যক্তির অস্তিত্ব থাকাটা খুব সম্ভব, যদিও তা নিশ্চিত নয়। তিনি এতটা কিংবদন্তিতে মোড়া যে আমরা তাঁর সম্পর্কে খুব কমই জানতে পারি। অন্যরা (যথা, খ্রিস্ট পুরাণ তাত্ত্বিকেরা) দাবি করেনকিংবদন্তির পেছনে একজন বাস্তব ঐতিহাসিক ব্যক্তির অস্তিত্ব ছিল বলে বিশ্বাস করার কোনো ভালো কারণ আমাদের কাছে নেই।
::পল আর এডি ও গ্রেগরি এ. বয়েড, ''দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন'' (গ্র্যান্ড র্যাপিডস: বেকার একাডেমিক, ২০০৭) পৃষ্ঠা ১৬৫
*কিছু সংশয়বাদী যিশুর সম্পর্কে নিউ টেস্টামেন্টের বর্ণনা ও খ্রিস্ট ধর্মের উত্থানকে খ্রিস্ট-অনৈতিহাসিকতা তত্ত্বের আলোকে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছেন। [...] তাঁর মৃত্যু ও পুনরুত্থান অনেকের মনে মৃত-ও-পুনরুত্থিত দেবতার মিথের একটি ভিন্ন রূপের ধারণা দেয়, যা প্রাচীন পৌত্তলিক ধর্মের জগতে এত জনপ্রিয় ছিল এবং আটিস, অ্যাডোনিস, ওসিরিস ও মিথ্রাসের ধর্মে প্রতিনিধিত্ব করত।
**{{cite book|last=ব্রোমিলি|first=জিওফ্রে ডব্লিউ.|editor=Bromiley et al.|title=দ্য ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড বাইবেল এনসাইক্লোপিডিয়া : ফুল্লি রিভাইসড, ইলাস্ট্রেটেড, ইন ফোর ভলিউমস. ভলিউম. ২, ই-জে|url=https://books.google.com/books?id=yklDk6Vv0l4C&pg=PA1034|volume=2|year=1995|publisher=ডব্লিউএম. বি. ইয়ার্ডম্যানস পাবলিশিং|isbn=978-0-8028-3782-0|page=১০৩৪|chapter=জিসাস ক্রাইস্ট|orig-year=First published 1982}}
*[রিচার্ড] ক্যারিয়ারের মতে, এটি এমন একটি সমাধান, যার জন্য কোনো বিশেষ যুক্তির প্রয়োজন নেই। খ্রিস্ট ধর্মের উৎস নিয়ে তাঁর ধারণা ৩০-এর দশকের ধর্মীয়ভাবে উত্তাল ইসরায়েল থেকে শুরু হয়। তখন বিদ্রোহী মানুষ মন্দিরের অভিজাতদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ শুরু করেছিল। [...] দর্শন, অ্যাপোক্যালিপটিক গণিত ও ধর্মগ্রন্থ অধ্যয়নের মাধ্যমে একদল মানুষ এমন একটি মহাজাগতিক সত্তার ধারণা নিয়ে এসেছিল, যা মানুষের রূপ ধারণ করে এবং অশুভ শক্তির হাতে উৎসর্গ হিসেবে নিহত হয়। এই উৎসর্গ ইওম কিপুর ও নিস্তারপর্বকে একত্রিত করে ও ম্লান করে দেয় এবং সে মৃত্যুকে জয় করে পুনরায় জীবিত হয়। সেই সত্তা বিশ্বস্তদের উদ্ধার করতে খুব শিগগিরই ফিরে আসবে।
**{{cite web|author=ব্রায়ান বেথুন|title=Did Jesus really exist? - Macleans.ca|trans-title=যিশু কি সত্যিই ছিলেন? - ম্যাকলিনস.সিএ|url=http://www.macleans.ca/society/life/did-jesus-really-exist-2/|website=Macleans.ca|accessdate=19 November 2016|date=23 March 2016}}
==স==
*আমাদের কাছে থাকা তথ্য যিশু বাস্তবেই ছিলেন না—এমন একটি ধারণাকে খণ্ডন করার জন্য যথেষ্ট। আর এমন কোনো ধারণা কেউ সমর্থন করে না।
::ব্রুস চিলটন ও ক্রেগ এ. ইভান্স (সম্পাদিত) ''স্টাডিং দ্য হিস্টোরিক্যাল জিসাস: ইভ্যালুয়েশনস অব দ্য স্টেট অব কারেন্ট রিসার্চে'' চার্লস ই. কার্লস্টন, লিডেন: ব্রিল, ১৯৯৮, পৃষ্ঠা ৩
*জোসেফের ছেলে যিশু নামের একজন ইহুদি সত্যিই বেঁচে ছিলেন—আজকাল কোনো সম্মানিত পণ্ডিত এই নিয়ে সন্দেহ করেন না। বেশিরভাগ পণ্ডিতই সানন্দে স্বীকার করেনআমরা তাঁর কাজ ও মৌলিক শিক্ষা সম্পর্কে এখন অনেক কিছু জানি।
::জেমস এইচ. চার্লসওয়ার্থ, জেমস এইচ. চার্লসওয়ার্থের ''জিসাস অ্যান্ড আর্কিওলজি''-তে "প্রিফেস", গ্র্যান্ড র্যাপিডস: ইয়ার্ডম্যানস, ২০০৬, পৃষ্ঠা xxi–xxv
*সত্যি কথা বলতে, আমি এমন কোনো প্রাচীন ইতিহাসবিদ বা বাইবেলের ইতিহাসবিদের কথা জানি না, যিনি যিশু খ্রিস্টের অস্তিত্ব নিয়ে বিন্দুমাত্র সন্দেহ করেন—প্রমাণ্য দলিলটি এতই শক্তিশালী।
::গ্রেম ক্লার্ক, জন ডিকসনের "ফ্যাক্টস অ্যান্ড ফ্রিকশন অব ইস্টার", ''দ্য সিডনি মর্নিং হেরাল্ড'', ২১ মার্চ ২০০৮-এ উদ্ধৃত
*রিচার্ড [ক্যারিয়ার] এই চরম দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করেননাজারেথের যিশু আসলে অস্তিত্বশীলই ছিলেন না। ইতিহাসে এমন কোনো ব্যক্তি ছিল না। এটি এতই চরম একটি দৃষ্টিভঙ্গি যে একে প্রান্তিক বলাটাও একটি আন্ডারস্টেটমেন্ট হবে। এটি সমসাময়িক নিউ টেস্টামেন্ট বৃত্তির মানচিত্রেও নেই।
::উইলিয়াম লেন ক্রেগ, "ডিড জিসাস রাইজ ফ্রম দ্য ডেড?", রিচার্ড ক্যারিয়ারের সাথে বিতর্ক, ২০০৯
*যিশুর ঐতিহাসিকতার বিরুদ্ধে আনা সব প্রমাণ পর্যালোচনা করলে এর মধ্যে কোনো শক্তিশালী উপাদান পাওয়া যায় না।
::[[শার্লি জ্যাকসন কেস]], "দ্য হিস্টোরিসিটি অব জিসাস: অ্যান এস্টিমেট অব দ্য নেগেটিভ আর্গুমেন্ট", ''দ্য আমেরিকান জার্নাল অব থিওলজি'', ১৯১১, ১৫ (১)
*অনৈতিহাসিকতা তত্ত্বগুলোর ঐতিহ্যগত প্রমাণের প্রতি যেই ত্রুটিপূর্ণ আচরণ রয়েছে, তা গসপেলগুলোর ক্ষেত্রে পলিন পত্রগুলোর মতো এতটা স্পষ্ট নয়। তবুও মৌলিকভাবে এটি একই। এর মধ্যে রয়েছে বাহ্যিক প্রমাণের প্রতি অবজ্ঞা, আধুনিক সমালোচনার যুক্তিসঙ্গত উপসংহারগুলোর প্রতি তাচ্ছিল্য, চরম সমালোচনার প্রতি আকর্ষণ, বর্ণনার ব্যক্তিগত ও স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্যগুলোর অবহেলা এবং সন্দেহকে বৈধ প্রমাণের মোড়কে তুলে ধরার প্রবণতা। যিশুর বাস্তব অস্তিত্বের যেকোনো প্রমাণকে স্বীকৃতি না দেওয়ার পূর্বানুমানও এতে সর্বদা উপস্থিত থাকে... নিউ টেস্টামেন্টের উপাত্ত যিশুর পার্থিব জীবনের প্রমাণের বিষয়ে সম্পূর্ণ পরিষ্কার। এগুলো এমন একটি সময় থেকে এসেছে, যখন ঐতিহ্যের আদি রূপকারেরা এই বিষয়ে প্রতারিত হওয়ার সম্ভাবনাও ছিল না।
::শার্লি জ্যাকসন কেস, ''দ্য হিস্টোরিসিটি অব জিসাস'', শিকাগো: ইউনিভার্সিটি অব শিকাগো প্রেস, ১৯১২, পৃষ্ঠা ৭৬-৭৭ এবং ২৬৯
*এই ধরনের খ্রিস্ট-অনৈতিহাসিকতা তত্ত্ব খ্রিস্ট ধর্মের বিরোধী কোনো গম্ভীর মানুষের মাধ্যমে এখন আর উত্থাপিত হয় না—এগুলো অনেক আগেই বিস্ফোরিত হয়েছে..."
::গিলবার্ট কোপ, ''সিম্বলিজম ইন দ্য বাইবেল অ্যান্ড দ্য চার্চ'', লন্ডন: এসসিএম, ১৯৫৯, পৃষ্ঠা ১৪
*নিল, আমি আর্ল ডোহার্টি যা যুক্তি দিচ্ছেন তা যদি বুঝতে পারি, তবে তা হলো নাজারেথের যিশু ঐতিহাসিক ব্যক্তি হিসেবে অস্তিত্বশীল ছিলেন না। অথবা অন্তত আমার মতো ইতিহাসবিদেরা ধরে নেন যে তিনি ছিলেন এবং সেই মারাত্মক ত্রুটিপূর্ণ অনুমানের ওপর ভিত্তি করে কাজ করেন। আমি নিশ্চিত নই, যেমনটি আমি আগেই বলেছি, আপনি কাউকে বোঝাতে পারবেন যে যিশুর অস্তিত্ব ছিল, যতক্ষণ না তারা ঐতিহাসিক যিশু ও আদি খ্রিস্ট ধর্মের পুরো বিষয়টিকে কোনো অশুভ কৌশল বা পবিত্র দৃষ্টান্ত হিসেবে ব্যাখ্যা করতে প্রস্তুত থাকেন। আয়ারল্যান্ডে আমার একজন বন্ধু ছিল, যে বিশ্বাস করত না আমেরিকানরা চাঁদে নেমেছে। বরং সে ভাবত, তারা পুরো বিষয়টি তৈরি করেছে যাতে কমিউনিস্টদের বিরুদ্ধে তাদের শীতল যুদ্ধের ভাবমূর্তি শক্ত করা যায়। আমি তাঁকে কিছুই বোঝাতে পারিনি। তাই আমি একেবারেই নিশ্চিত নই যে আমি এমন একটি অনুমানের বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক যিশুর অস্তিত্ব প্রমাণ করতে পারব এবং সৎভাবে বলতে গেলে, আমি সম্ভবত চেষ্টা করতেও আগ্রহী নই।
::জন ডমিনিক ক্রসডান, "হিস্টোরিক্যাল জিসাস: ম্যাটেরিয়ালস অ্যান্ড মেথডলজি", এক্সটক, ২০০০
*তারা যখন বলে যিশু সম্পর্কে খ্রিষ্টান বিশ্বাস পৌত্তলিক পুরাণ থেকে নেওয়া হয়েছে, তখন আমার মনে হয় আপনার হাসা উচিত। এরপর তাদের দিকে বড় বড় চোখ করে তাকিয়ে হাসতে হাসতে বলা উচিত, 'আপনি কি সত্যিই তা বিশ্বাস করেন?' এমন আচরণ করুন যেন আপনি কেবল ফ্ল্যাট আর্থার বা রোজওয়েল ষড়যন্ত্রকারীর সাথে দেখা করেছেন।
::উইলিয়াম লেন ক্রেগ, "কোয়েশ্চেন ৯০: জিসাস অ্যান্ড প্যাগান মাইথোলজি", রিজনেবল ফেইথ, ২০০৯
*মোজেস ওশেয়াকে [নূনের ছেলে, ধর্মতাত্ত্বিক উপাধি দ্বারা] জশুয়া [সংখ্যাপুস্তক ১৩:১৭, সপ্ততি ১৩:১৬, এ.ভি. অনুসারে] বলে ডাকতেন, যার অর্থ হলো জাহওয়েহ রক্ষা করেন। জাহওয়েহ [দেবতা] মানে যখন তিনি ওশেয়াকে বলেন "আমার নাম তাঁর ওপরে আছে", ঈশ্বরের একটি নাম হলো জাহওয়েহ রক্ষা করেন। ...হিব্রুতে জশুয়া, গ্রিকে আইসাস, ল্যাটিন ভাষায় যিশু হলো মানুষের ছেলে, খ্রিস্ট ও আমাদের প্রভুর ব্যক্তিগত নাম। এই নাম "সব নামের ওপরে, যেন স্বর্গে, পৃথিবীতে ও পাতালের নিচে সব জানু যিশুর নামে নত হয়" (ফিলিপীয় ২:৯-১০)।
**{{cite book|last=কৌচাউড|first=পল লুই|title=দ্য ক্রিয়েশন অব ক্রাইস্ট: অ্যান আউটলাইন অব দ্য বিগিনিংস অব ক্রিস্টিয়ানিটি ; অনূদিত. বাই সি. ব্র্যাডলাউগ বোনার|url=https://books.google.com/books?id=OZjptgAACAAJ|volume=1|year=1939|publisher=ওয়াটস|page=৩৩|chapter=এলিমেন্টস অব ক্রিস্টিয়ানিটি}}
*[জি. এ. ওয়েলসের মতে] তাঁর প্রধান বইগুলোতে [জে. এম.] রবার্টসনের চেয়ে প্রাক-খ্রিষ্টান উৎসের ওপর কম জোর দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি যিশুর জীবনের বিস্তারিত বিষয়ে পলের সম্পূর্ণ অজ্ঞতা ও আগ্রহের অভাব নিয়ে বেশি আলোচনা করা হয়েছে।
**{{cite book|last=কুক|first=বিল|title=ডিকশনারি অব অ্যাথিজম, স্কেপটিসিজম, অ্যান্ড হিউম্যানিজম|url=https://books.google.com/books?id=sA6_jqohqRUC&pg=PA294|publisher=প্রমিথিউস বুকস|isbn=978-1-61592-365-6|page=২৯৪|chapter=জিসাস ক্রাইস্ট, মিথ থিওরি অব.|date=2006}}
*[পুরাণবাদের মতে] আমাদের একমাত্র উৎস হলো দশকের পর দশক পার হয়ে যিশুর প্রতি বিশ্বাসী পক্ষপাতদুষ্ট ব্যক্তিদের লেখা। তারা বিশ্বাসযোগ্য উৎস নন। [...] তাদের ইতিবাচক যুক্তি হলো: যিশুর সময়ের অন্যান্য ঈশ্বরিক সত্তার অস্তিত্ব ছিল—যেই দেবতারা মারা গিয়ে পুনরুত্থিত হয়েছিলেন বলে বিশ্বাস করা হতো।
**{{cite web|author=ক্যান্ডেস চেলিউ-হজ|title=Inventing Jesus: An Interview with Bart Ehrman|trans-title=যিশু আবিষ্কার: বার্ট এহরম্যানের সাথে একটি সাক্ষাৎকার|url=http://religiondispatches.org/inventing-jesus-an-interview-with-bart-ehrman/|website=Religion Dispatches|accessdate=17 November 2017|date=25 April 2012}}
*আপনি মিথ্যা বললেও আপনার কাল্পনিক কাহিনি বিশ্বাসযোগ্যভাবে লুকাতে পারেননি।
**[[সেলসাস]], [[অরিজেন]] দ্বারা তাঁর ''[[কন্ট্রা সেলসাস]]'', [http://www.newadvent.org/fathers/04162.htm দ্বিতীয় খণ্ড], ২৬ অধ্যায়ে (অনুবাদ হেনরি চ্যাডউইক) উদ্ধৃত। [[আর. জোসেফ হফম্যান]] দ্বারা উদ্ধৃত: "আমার কাছে স্পষ্ট যে খ্রিষ্টানদের লেখাগুলো একটি মিথ্যা এবং আপনার কল্পকাহিনি এই বিশাল কল্পকাহিনিকে লুকানোর জন্য যথেষ্ট ভালোভাবে তৈরি নয়।" ''সেলসাস: অন দ্য ট্রু ডকট্রিন'' (অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১৯৮৭), পৃষ্ঠা ৩৭-এ।
*বার্ট এহরম্যান মনে করেন একজন ঐতিহাসিক যিশু ছিলেন (যদিও ঐশ্বরিক নন)। আমি তাঁর "প্রমাণ" পড়েছি, কিন্তু তা খুব একটা বিশ্বাসযোগ্য বলে মনে হয়নি।
**{{cite web|last=কয়েন|first=জেরি|title=Not much evidence for a historical Jesus|trans-title=ঐতিহাসিক যিশুর জন্য খুব বেশি প্রমাণ নেই|url=https://whyevolutionistrue.wordpress.com/2016/08/29/rosa-rubicondior-not-much-evidence-for-a-historical-jesus/|website=Why Evolution Is True|accessdate=5 November 2017|date=29 August 2016}}
*[পলের উপস্থাপনায় যিশু] অতুলনীয় নম্রতার সাথে একজন ঐশ্বরিক সত্তা মানুষের রূপ ধারণ করেন। অতিপ্রাকৃত এজেন্ট, এই যুগের রাজকুমার, পলের ভাষায় যারা হলেন শয়তান ও তার সাঙ্গপাঙ্গ, তাদের মাধ্যমে তিনি ক্রুশবিদ্ধ হন। ...পলের উপস্থাপনা অনুসারে, ক্রুশবিদ্ধ হওয়াটা হলো অতিপ্রাকৃত সত্তাদের দ্বারা একজন অতিপ্রাকৃত সত্তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া।
::প্রথম প্রকাশ: ''দ্য হিবার্ট জার্নালে'' "দ্য হিস্টোরিসিটি অব জিসাস" '''৩৭''', (১৯৩৮)। পৃষ্ঠা ১৯৩-২১৪
::[[পল-লুই কাউচাউড]] {{cite book|last=কৌচাউড|first=পল লুই|title=দ্য ক্রিয়েশন অব ক্রাইস্ট: অ্যান আউটলাইন অব দ্য বিগিনিংস অব ক্রিস্টিয়ানিটি ; অনূদিত. বাই সি. ব্র্যাডলাউগ বোনার|url=https://books.google.com/books?id=OZjptgAACAAJ|volume=2|year=1939|publisher=ওয়াটস|page=৪৩৮|chapter=দ্য হিস্টোরিসিটি অব জিসাস}}
*[''দ্য ক্রাইস্ট মিথ'' (১৯১০) বইয়ের পর্যালোচনা অনুসারে] লেখক [আর্থার ড্রিউস] যেই মূল সিদ্ধান্তে পৌঁছান তা হলো, ক্যানোনিকাল গসপেলগুলোতে বর্ণিত যিশু মূলত প্রাক-খ্রিষ্টান ধর্মীয় দেবতা হিসেবে একই নামের মানুষের রূপ। ...[এটিও] সম্ভব যে একই নামের [যিশু] একজন মহান শিক্ষক ও নিরাময়কারী ছিলেন, যিনি সেই কল্পিত দেবতার সাথে মিলেমিশে গিয়েছিলেন।
::{{cite book|author=টি. কে. চেইন অব অক্সফোর্ড|editor=Williams and Norgate|title=দ্য হিবার্ট জার্নাল|url=https://archive.org/stream/hibbertjournal09londuoft#page/658/mode/1up|volume=9:3-4|year=1911|page=৬৫৮|chapter=রিভিউজ - ''দ্য ক্রাইস্ট মিথ''|quote=Volume 9, Issues 3-4}}
*ফিলো প্রাক-খ্রিষ্টান ইহুদি ফেরেশতাতত্ত্বে একজন মহাজাগতিক প্রধান ফেরেশতার কথা বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। তাঁর বৈশিষ্ট্যগুলো পত্রের যিশুর বৈশিষ্ট্যের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়: ঈশ্বরের প্রতিচ্ছবি, সৃষ্টির ঈশ্বরিক প্রতিনিধি, ঈশ্বরের মহাজাগতিক মন্দিরের প্রধান পুরোহিত, পূর্ব থেকে বিদ্যমান ঈশ্বরিক ফেরেশতা, ঈশ্বরের প্রথম পুত্র এবং একমাত্র সত্তা যাকে ঈশ্বর মহাবিশ্বের আধিপত্য দিয়েছেন। আমাদেরও তাঁকে অনুসরণ করা উচিত। আর ফিলো এই ফেরেশতাকে জাকারিয়া ৬-এ বর্ণিত সেই চরিত্রের সাথে শনাক্ত করেন, যার নাম ঈশ্বরপুত্র যিশু। এটি প্রমাণ করে, পলের যিশু আগে থেকেই প্রাক-খ্রিষ্টান ইহুদি ফেরেশতাতত্ত্বের একটি চরিত্র ছিলেন।
**[[রিচার্ড ক্যারিয়ার]] এপি. {{cite book|last=ল্যাটাস্টার|first=রাফায়েল|title=জিসাস ডিড নট এক্সিস্ট: আ ডিবেট অ্যামং অ্যাথিস্টস|date=November 12, 2015|isbn=1514814420|page=৪২১|chapter=আফটারওয়ার্ড বাই রিচার্ড ক্যারিয়ার}}
*একজন পৌরাণিক মেরির সন্তান হিসেবে প্রাক-খ্রিষ্টান যিশুর ধারণা এতটা বিস্তারিতভাবে অনুসন্ধান করার জন্য এবং বহু পৃষ্ঠাজুড়ে এর অদ্ভুত, ভিত্তিহীন ও অবাস্তব চরিত্র তুলে ধরার জন্য পাঠকদের কাছে আমার ক্ষমাপ্রার্থনা করা উচিত... খ্রিস্ট পুরাণবাদীদের মতে, গসপেলগুলো পৌত্তলিক পুরাণ, ধর্মীয় নাটক, পৌত্তলিক শিল্প ও ভাস্কর্যের প্রতি এক ধরনের পরোক্ষ শ্রদ্ধা হিসেবে মনে করতে হবে। আমরা পৌরাণিক-প্রতীকি পদ্ধতি গ্রহণ করলে, এগুলো অন্য কিছুই হতে পারে খন। এর পৃষ্ঠপোষকেরা নিশ্চয়ই সেই রাসায়নিক প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করতে চাইবেন, যার মাধ্যমে এসব উৎস থেকে আদি খ্রিষ্টানদের নির্দিষ্ট আচার ও বিশ্বাস নিষ্কাশিত হয়েছিল। কারণ ও প্রভাব একে অপরের থেকে এতটা ভিন্ন এবং এদের মধ্যে কোনো জৈব সংযোগ এতটাই অনুপস্থিত, আমরা চাইব এর বিবর্তনটি আরও কিছুটা পরিষ্কারভাবে তুলে ধরা হোক। এর একদিকে আমরা দেখি পৌত্তলিক পুরাণের এক বিরাট জট, যা প্রতিটি যুগ, জাতি ও জলবায়ু থেকে যথেচ্ছভাবে সংগৃহীত হয়েছে। অন্যদিকে আমরা দেখি খ্রিষ্টান ধর্মরক্ষকদের এক বাহিনী, যারা পৌত্তলিক সবকিছু আক্রমণ করছে এবং এর জন্য মাত্র ষাট বা সত্তর বছরের ব্যবধানে শহিদ হচ্ছে। আমি কেবল আশা করি, গোঁড়া খ্রিষ্টানরা এটি জেনে আনন্দিত হবে যে তাদের ধর্মগ্রন্থগুলো পবিত্র আত্মা দ্বারা অনুপ্রাণিত হওয়ার সময়ের চেয়ে হাজার গুণ বেশি বিস্ময়কর ও অনন্য। কারণ এর অলৌকিক গুণের দিক থেকে আক্ষরিক অনুপ্রেরণা পৌরাণিক-প্রতীকবাদের সমকক্ষ নয়। সত্যি বলতে আমরা মানুষের ইতিহাসে অভূতপূর্ব এক নতুন সাহিত্যিক ঘরানার খোঁজ পেয়েছি। আপনি প্রতিটি যুগ, জাতি ও জলবায়ু থেকে সংগ্রহ করা হাজারো অবান্তর পুরাণের টুকরো একত্রিত করে একটি বস্তায় ভরতে একজনকে দায়িত্ব দিচ্ছেন। আপনি সেটি খুলছেন, আর বেরিয়ে আসছে গসপেল। বেকন-শেক্সপিয়ারিয়ানদের ইতিহাসে আমরা এমন কিছু দেখিনি।
::[[ফ্রেডরিক কর্নওয়ালিস কনিবেয়ার]], ''দ্য হিস্টোরিক্যাল ক্রাইস্ট, অর অ্যান ইনভেস্টিগেশন অব দ্য ভিউজ অব জে. এম. রবার্টসন, এ. ড্রিউস অ্যান্ড ডব্লিউ. বি. স্মিথ'', ইথাকা, এনওয়াই: কর্নেল ইউনিভার্সিটি লাইব্রেরি, ২০০৯/১৯১৪, পৃষ্ঠা ৪২ এবং ৯৫
*"অসংখ্য বৈচিত্র্য থাকা সত্ত্বেও (গসপেল ব্যাখ্যার প্রমাণ অযোগ্য জ্যোতিষতাত্ত্বিক তত্ত্বের প্রতি একটি প্রবল আকর্ষণ সহ, যার প্রতি আপনি এখানে খুব একটা সহানুভূতি পাবেন না), প্রতিটি যোগ্য পৌরাণিকদের মূল তত্ত্ব তখন ও এখন সবসময় এটাই ছিল যে '''যিশু মূলত অন্য যেকোনো দেবতার মতোই একজন দেবতা ছিলেন''' (সঠিকভাবে বলতে গেলে, পৌত্তলিক অর্থে একজন উপদেবতা; ইহুদি অর্থে একজন প্রধান ফেরেশতা; যেকোনো অর্থেই একজন দেবতা), '''যাঁকে পরবর্তীতে ঐতিহাসিক রূপ দেওয়া হয়েছিল''', ঠিক যেমনটি অনেক অন্যান্য দেবতার ক্ষেত্রে করা হয়েছিল..."
::ক্যারিয়ার, রিচার্ড (২০১৪) ''অন দ্য হিস্টোরিসিটি অব জিসাস শেফিল্ড'' ফিনিক্স প্রেস {{ISBN|978-1-909697-49-2}} পৃ. ৫২
*ক্যারিয়ারের ন্যূনতম ঐতিহাসিক যিশু:
:১) জীবনে অনুসারী অর্জনকারী যিশু নামের একজন প্রকৃত মানুষের মৃত্যু পরও তাঁর সেই অনুসারীরা একটি চিহ্নিত আন্দোলন হিসেবে কাজ চালিয়ে গিয়েছিল
:২) তিনি সেই একই যিশু, যাঁকে ইহুদি বা রোমান কর্তৃপক্ষের দ্বারা মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল বলে তাঁর কিছু অনুসারী দাবি করেছিল
:৩) তিনি সেই একই যিশু, যাঁর মৃত্যুর পরপরই কিছু অনুসারী জীবন্ত দেবতা (বা উপদেবতা) হিসেবে উপাসনা শুরু করেছিল
:"এই অনুমানগুলোর যেকোনো একটি মিথ্যা হলে, স্পষ্টভাবেই বলা যায় কোনো প্রাসঙ্গিক অর্থে ঐতিহাসিক যিশু ছিলেন না। আর যিশুর অনৈতিহাসিকতা তত্ত্ব সত্য হতে হলে এর অন্তত একটি মিথ্যা হতে হবে।"
::ক্যারিয়ার, রিচার্ড (২০১৪) ''অন দ্য হিস্টোরিসিটি অব জিসাস শেফিল্ড'' ফিনিক্স প্রেস {{ISBN|978-1-909697-49-2}} পৃ. ৩৪
:"কিন্তু লক্ষ্য করুন যে অনেক গির্জার মূলনীতিতে যেই জিনিসটিকে অপরিহার্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়, তা-ও আমাদের প্রয়োজন নেই। উদাহরণস্বরূপ, যিশুর পন্টিয়াস পিলেটের অধীনে ক্রুশবিদ্ধ হওয়াটা জরুরি নয়। হয়তো তিনি ক্রুশবিদ্ধ হয়েছিলেন। কিন্তু তিনি যে ক্রুশবিদ্ধ হননি, তা প্রমাণ করলেও তা অতীন্দ্রিয়বাদকে সত্য প্রমাণ করে না। কারণ 'প্রকৃত' যিশু হয়তো হেরোড অ্যান্টিপাসের (যেমন গসপেল অব পিটার দাবি করে) বা পিলেটের চেয়ে এক দশক আগে বা পরে রোমান কর্তৃপক্ষের দ্বারা মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছিলেন (যেমন কিছু আদি খ্রিষ্টান সত্যি বিশ্বাস করত)। কিছু পণ্ডিত এমনকি আগের শতাব্দীর পক্ষেও যুক্তি দেন (এবং তাদের উদ্ধৃতি দেওয়ার মতো কিছু প্রকৃত প্রমাণ আছে)[৬১] ... আমার কথা হলো, আমরা যদি খ্রিস্ট ধর্মের প্রতিষ্ঠাতাকে হেরোড দ্য গ্রেটের দ্বারা (এমনকি রোমানদের দ্বারাও নয়, পিলেট তো দূরের কথা, এবং গসপেলের দাবির পুরো চল্লিশ বছর আগে) মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হওয়া প্রমাণও করি, যতক্ষণ তাঁর নাম বা ডাকনাম (তাঁর জন্মের আগে বা পরে দেওয়া হোক না কেন) সত্যিই যিশু ছিল এবং তাঁর মৃত্যুদণ্ডই তাঁকে চিঠিতে উপাসনা করা ঐশ্বরিক খ্রিস্টের মর্যাদায় পৌঁছে দিয়েছিল বলে মনে করা হয়, আমি মনে করি তখন এটা বলা ঠিক হবে যে পুরাণবাদীরা ভুল। আমি এটা বলব, এমনকি যদি যিশু কখনো সত্যিই মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত না হয়ে থাকেন। কারণ তখনও সেই একই ঐতিহাসিক ব্যক্তির কথা বলা হচ্ছে ও উপাসনা করা হচ্ছে।"
::ক্যারিয়ার, রিচার্ড (২০১৪) ''অন দ্য হিস্টোরিসিটি অব জিসাস শেফিল্ড'' ফিনিক্স প্রেস {{ISBN|978-1-909697-49-2}} পৃ. ৩৩
*ক্যারিয়ারের ন্যূনতম পৌরাণিক যিশু:
:"১) খ্রিস্ট ধর্মের সূচনালগ্নে যিশু খ্রিস্টকে অন্যান্য মহাজাগতিক দেবতাদের মতোই একজন বলে মনে করা হতো।
:২) অন্যান্য অনেক মহাজাগতিক দেবতার মতো এই যিশু কেবল স্বপ্ন, দর্শন ও ঐশ্বরিক প্রেরণার অন্যান্য মাধ্যমের (যেমন অতীত ও বর্তমানের ভবিষ্যদ্বাণী) মাধ্যমেই তাঁর প্রজাদের সাথে 'যোগাযোগ' করতেন।
:৩) অন্যান্য কিছু মহাজাগতিক দেবতার মতো এই যিশু একটি অতিপ্রাকৃত জগতে অবতার গ্রহণ, মৃত্যু, সমাধি ও পুনরুত্থানের অগ্নিপরীক্ষা সহ্য করেছিলেন বলে বিশ্বাস করা হতো।
:৪) অন্যান্য অনেক মহাজাগতিক দেবতার মতো পবিত্র সম্প্রদায়ের মধ্যে এই একই যিশুর একটি রূপক গল্প তৈরি ও বলা হয়েছিল। এই গল্প তাঁকে পৃথিবীতে একজন ঐশ্বরিক মানুষ হিসেবে তাঁর পার্থিব পরিবার, সঙ্গী ও শত্রুদের সাথে পৃথিবীতে রেখেছিল। এতে তাঁর কর্ম ও কথা এবং তাঁর অগ্নিপরীক্ষার পার্থিব চিত্রায়ণ ছিল।
:৫) পরবর্তী প্রজন্মের উপাসক সম্প্রদায়গুলো বিশ্বাস করত (বা অন্তত শেখাত) যে এই আবিষ্কৃত পবিত্র গল্পটি বাস্তব (রূপক নয় বা কেবল 'অতিরিক্তভাবে' রূপক)।
:এই পাঁচটি প্রস্তাবনাই সত্য, এটি আমার ন্যূনতম যিশু অনৈতিহাসিকতা তত্ত্ব হবে"
::ক্যারিয়ার, রিচার্ড (২০১৪) ''অন দ্য হিস্টোরিসিটি অব জিসাস'' শেফিল্ড ফিনিক্স প্রেস {{ISBN|978-1-909697-49-2}} পৃ. ৫৩
*আমি বর্তমানে যিশুর ঐতিহাসিকতার পক্ষের ও বিপক্ষের যুক্তির অতি-সংকীর্ণ প্রশ্নের ওপর বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশেষজ্ঞ। [...] [আদি খ্রিস্ট ধর্মের] এই ক্ষেত্রের প্রতিটি ইতিহাসবিদ কোনো না কোনো বিষয়ে আমার চেয়ে বেশি জ্ঞানী। অন্তত ঐতিহাসিকতার প্রশ্নের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয় এমন বেশিরভাগ বিষয়েই তারা জ্ঞানী। আমি আমার যুক্তির ভিত্তি হিসেবে যা ব্যবহার করি, তার বেশিরভাগই অন্য প্রকাশিত লেখকদের ব্যাপক দক্ষতা থেকে আসে। এই কাজগুলো অন্য অতি-সংকীর্ণ প্রশ্নের ওপর ভিত্তি করে তৈরি, যা সরাসরি [যিশুর ঐতিহাসিকতার পক্ষের ও বিপক্ষের যুক্তির] প্রশ্নের সাথে সম্পর্কিত নয়...
**{{cite web|last=ক্যারিয়ার|first=রিচার্ড|title=Jonathan Tweet and the Jesus Debate|trans-title=জোনাথন টুইট ও যিশু বিতর্ক|url=https://www.richardcarrier.info/archives/13366|website=রিচার্ড ক্যারিয়ার ব্লগস|accessdate=18 November 2017|date=14 October 2017}}
*খ্রিস্ট ধর্মের সূচনালগ্নে যিশু খ্রিস্টকে অন্যান্য মহাজাগতিক দেবতাদের মতোই একজন বলে মনে করা হতো। [...] অন্যান্য অনেক মহাজাগতিক দেবতার মতো এই যিশু কেবল স্বপ্ন, দর্শন ও ঐশ্বরিক প্রেরণার অন্যান্য মাধ্যমের (যেমন অতীত ও বর্তমানের ভবিষ্যদ্বাণী) মাধ্যমেই তাঁর প্রজাদের সাথে 'যোগাযোগ' করতেন।
**{{cite book|last=ক্যারিয়ার|first=রিচার্ড|title=অন দ্য হিস্টোরিসিটি অব জিসাস: হোয়াই উই মাইট হ্যাভ রিজন ফর ডাউট|url=https://books.google.com/books?id=EWIJoAEACAAJ|year=2014|publisher=শেফিল্ড ফিনিক্স প্রেস|isbn=978-1-909697-35-5|page=৫৩}}
*আমি মনে করি এটি বেশি যুক্তিসঙ্গত
যিশু খ্রিষ্টানদের মনে একজন মহাজাগতিক সত্তা (প্রধান ফেরেশতার মতো) হিসেবে শুরু করেছিলেন। বিশ্বাস করা হতো বা দাবি করা হতো, তিনি দর্শনের মাধ্যমে ঐশ্বরিক সত্য প্রকাশ করছেন (এবং আগের যুগের নবীদের কানে কানে বলে ধর্মগ্রন্থে লুকানো বার্তা দিচ্ছেন)।
:*{{cite web|last=ক্যারিয়ার|first=রিচার্ড|title=Why We Might Have Reason for Doubt: Should We Still Be Looking for a Historical Jesus?|trans-title=আমাদের সন্দেহ করার কারণ কেন থাকতে পারে: আমাদের কি এখনও একজন ঐতিহাসিক যিশুকে খোঁজা উচিত?|url=http://www.bibleinterp.com/articles/2014/08/car388028.shtml|website=দ্য বাইবেল অ্যান্ড ইন্টারপ্রিটেশন|publisher=বাইবেলইন্টারপ.কম|accessdate=25 June 2017|date=August 2014}}
*[লোগোসের ব্যাপারে] ফিলো আসলে বলেছেন, এই "স্বর্গীয় মানুষ" হলেন প্রথম সৃষ্ট সত্তা ও ঈশ্বরের প্রতিনিধি, ঈশ্বরের "প্রতিচ্ছবি", ঈশ্বরের "প্রথম পুত্র", ঈশ্বরের মহাজাগতিক মন্দিরের প্রধান পুরোহিত এবং প্রধান ফেরেশতা। ঈশ্বর তাঁকে বাকি সৃষ্টির দায়িত্ব দিয়েছিলেন এবং তিনি ঈশ্বরের পক্ষে মহাবিশ্ব পরিচালনা করেন। ফিলো বলেন এই সত্তা হলেন লোগোস। [...] বার্ট এহরম্যানও "এখন একমত, ফিলো এমন একটি ইহুদি ধর্মতত্ত্ব সমর্থন করেন যেখানে লোগোস ঈশ্বরের প্রথম পুত্র ও ঈশ্বরের চিরন্তন প্রতিচ্ছবি। পল যিশুকে এই একই সত্তার সাথে তুলনা করেছেন" (সিএফ. ''হাউ জিসাস বিকেম গড'', পৃষ্ঠা ৭৫)।
:*{{cite web|last=ক্যারিয়ার|first=রিচার্ড|title=Can Paul's Human Jesus Not Be a Celestial Jesus?|trans-title=পলের মানব যিশু কি একজন মহাজাগতিক যিশু হতে পারেন না?|url=http://www.richardcarrier.info/archives/9710|website=রিচার্ড ক্যারিয়ার ব্লগস|accessdate=14 June 2017|date=13 February 2016}}
*নতুন নিয়মের বাইরে যিশুর অস্তিত্বের কোনো স্বাধীন প্রমাণ নেই। তাঁর অস্তিত্বের জন্য সব বাহ্যিক প্রমাণ পুরোপুরি খাঁটি হলেও (যদিও তার বেশিরভাগই নয়), সেগুলো গসপেল বা গসপেলের ওপর নির্ভরশীল খ্রিষ্টানদের দেওয়া তথ্যের থেকে স্বাধীন বলে প্রমাণ করা যায় না। যিশুর ঐতিহাসিকতার ব্যাপারে এর কোনোটিই স্বাধীনভাবে গসপেলকে সমর্থন করে বলে প্রমাণ করা যায় না। একটি প্রমাণও নয়। কোনো স্বাধীন প্রমাণ কেন টিকে নেই তার কারণ যা-ই হোক না কেন (কারণটি গুরুত্বপূর্ণ নয়), এমন কোনো প্রমাণ টিকে নেই।
**[[রিচার্ড ক্যারিয়ার]] এপি. {{cite book|last=ল্যাটাস্টার|first=রাফায়েল|title=জিসাস ডিড নট এক্সিস্ট: আ ডিবেট অ্যামং অ্যাথিস্টস|date=November 12, 2015|isbn=1514814420|page=৪১৮|chapter=আফটারওয়ার্ড বাই রিচার্ড ক্যারিয়ার}}
*যিশু সম্ভবত মূলে একজন নাজারেথ (গ্রিক ''নাজারেস'') ছিলেন না, বরং একজন নাজোরিয়ান (গ্রিক ''নাজোরাইওস'') ছিলেন। এটি একটি হারিয়ে যাওয়া ধর্মগ্রন্থের (ম্যাথিউ ২:২৩) ওপর ভিত্তি করে তৈরি। এটি আসলে খ্রিষ্টান আন্দোলনের অন্যতম আদি নাম ছিল (প্রেরিতদের কাজ ২৪:৫) এবং আদি তোরাহ-মান্যকারী খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের নামও এটিই ছিল (এপিহ্যানিয়াস, ''প্যানারিয়ন'' ৯)। [''প্রুভিং হিস্ট্রি'', পৃষ্ঠা ১৪২-১৪৫]
**{{cite web|last=ক্যারিয়ার|first=রিচার্ড ক্যারিয়ার|title=Questioning the Historicity of Jesus|trans-title=যিশুর ঐতিহাসিকতা নিয়ে প্রশ্ন|url=https://strangenotions.com/questioning-the-historicity-of-jesus/|website=Strange Notions|accessdate=28 August 2017|date=9 September 2013}}
*যে কেউ চিঠিপত্র থেকে যেই প্রমাণই সংগ্রহ করুক না কেন (জাল বলে পরিচিতগুলো বাদ দিয়ে): এটি অস্পষ্ট যে সেখানে কোনো পার্থিব নাকি মহাজাগতিক যিশুর কথা বলা হচ্ছে। আমি গসপেলগুলোকে সম্পূর্ণ রূপক কল্পকাহিনি হিসেবে পেয়েছি, যা আসল ইতিহাসের প্রতি আগ্রহী নয়। আর এর যিশুকে আমি সেই যুগের অন্য পৌরাণিক চরিত্রের মতোই পেয়েছি। এরপর আমি দেখতে পেলাম, গসপেলের বাইরের কোনো প্রমাণই স্বাধীনভাবে প্রমাণ করা যায় না। অন্তত এসব মিলিয়ে দেখলে যিশুর ঐতিহাসিকতার প্রতি অজ্ঞেয়বাদ একটি বিশ্বাসযোগ্য সিদ্ধান্তে পৌঁছানো উচিত।
**[[রিচার্ড ক্যারিয়ার]] এপি. {{cite book|last=ল্যাটাস্টার|first=রাফায়েল|title=জিসাস ডিড নট এক্সিস্ট: আ ডিবেট অ্যামং অ্যাথিস্টস|date=November 12, 2015|isbn=1514814420|chapter=ফরোয়ার্ড বাই রিচার্ড ক্যারিয়ার|pages=xi-xii}}
*['প্রকৃত' যিশু] হয়তো হেরোড অ্যান্টিপাসের (যেমন গসপেল অব পিটার দাবি করে) বা পিলেটের চেয়ে এক দশক আগে বা পরে রোমান কর্তৃপক্ষের দ্বারা মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছিলেন (যেমন কিছু আদি খ্রিষ্টান সত্যি বিশ্বাস করত)। কিছু পণ্ডিত এমনকি আগের শতাব্দীর পক্ষেও যুক্তি দেন (এবং তাদের উদ্ধৃতি দেওয়ার মতো কিছু প্রকৃত প্রমাণ আছে)...
**{{cite book|last=ক্যারিয়ার|first=রিচার্ড|title=অন দ্য হিস্টোরিসিটি অব জিসাস: হোয়াই উই মাইট হ্যাভ রিজন ফর ডাউট|url=https://books.google.com/books?id=EWIJoAEACAAJ|year=2014|publisher=শেফিল্ড ফিনিক্স প্রেস|isbn=978-1-909697-35-5|page=৩৩}}
*["বাস্তব" ঐতিহাসিক যিশুকে খুঁজে বের করার চেষ্টার ব্যাপারে] ক্রমবর্ধমান মতৈক্য হলো, মানদণ্ড খোঁজার পুরো চেষ্টাই ব্যর্থ হয়েছে। যিশু অধ্যয়নের পুরো ক্ষেত্রটিই এখন কোনো বৈধ পদ্ধতি ছাড়াই রয়ে গেছে।
**{{cite book|last=ক্যারিয়ার|first=রিচার্ড সি.|title=প্রুভিং হিস্ট্রি: বেইজস থিওরেম অ্যান্ড দ্য কোয়েস্ট ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল জিসাস|url=https://books.google.com/books?id=S5b1ocsVi2cC&pg=PT7|date=3 April 2012|publisher=প্রমিথিউস বুকস|isbn=978-1-61614-560-6|page=১১}}
==ড==
*ধর্মপ্রচারকদের কুসংস্কার ও ধর্মতাত্ত্বিক পূর্বানুমান থাকা সত্ত্বেও, তারা এমন অনেক ঘটনা লিপিবদ্ধ করেছেন যা নিছক আবিষ্কারকেরা গোপন রাখতেন—রাজ্যে উচ্চ পদের জন্য শিষ্যদের প্রতিযোগিতা, যিশুর গ্রেপ্তারের পর তাদের পালিয়ে যাওয়া, পিটারের অস্বীকার, গ্যালিলিতে অলৌকিক কাজ করতে যিশুর ব্যর্থতা, তাঁর সম্ভাব্য পাগলামি সম্পর্কে কিছু শ্রোতার মন্তব্য, তাঁর কাজ সম্পর্কে তাঁর প্রাথমিক অনিশ্চয়তা, ভবিষ্যৎ সম্পর্কে তাঁর অজ্ঞতার স্বীকারোক্তি, তাঁর তিক্ততার মুহূর্ত, ক্রুশে তাঁর হতাশার আর্তনাদ; এই দৃশ্যগুলো পড়লে কেউ এর পেছনের চরিত্রের বাস্তবতা নিয়ে সন্দেহ করতে পারেন না। কয়েকজন সাধারণ মানুষ এক প্রজন্মে এত শক্তিশালী ও আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্ব, এত উন্নত নৈতিকতা ও মানবভ্রাতৃত্বের এমন অনুপ্রেরণাদায়ক দৃষ্টিভঙ্গি আবিষ্কার করবে, তা গসপেলে লিপিবদ্ধ যেকোনো অলৌকিক ঘটনার চেয়েও অনেক বেশি অবিশ্বাস্য।
::[[উইল ডুরান্ট]], ''ক্রাইস্ট অ্যান্ড সিজার, দ্য স্টোরি অব সিভিলাইজেশন'', ৩, নিউ ইয়র্ক: সিমন অ্যান্ড শুস্টার, ১৯৭২, পৃষ্ঠা ৫৫৭
*বিকল্প থিসিসটি হলো... ত্রিশ বছরের মধ্যে একটি অস্তিত্বহীন চরিত্র সম্পর্কে এত সুসংগত ও ধারাবাহিক ঐতিহ্যের উদ্ভব হয়েছিল, যেমনটি আমরা গসপেলের সূত্রে পাই। এটি খুবই অবাস্তব। এটি অনেক জটিল ও অনুমানভিত্তিক অনুমানের ওপর নির্ভরশীল। এর চেয়ে অনেক সহজ ব্যাখ্যা হলো, যিশু নামে কেউ ছিলেন, যিনি প্রথম তিনটি গসপেলে তাঁকে দেওয়া কাজ ও কথার বেশিরভাগই করেছিলেন।
::জেমস ডি. জি. ডান, ''দ্য এভিডেন্স ফর জিসাস'', ফিলাডেলফিয়া: ওয়েস্টমিনস্টার, ১৯৮৫, পৃষ্ঠা ২৯
*আমাদের সেসব লেখকদের গুরুত্ব সহকারে নেওয়ার প্রয়োজন নেই, যারা মাঝে মাঝে দাবি করেনযিশুর কোনো অস্তিত্বই ছিল না। কারণ ইহুদি, লাতিন ও ইসলামি সূত্র থেকে এর বিপরীত স্পষ্ট প্রমাণ আমাদের কাছে রয়েছে।
::জন ড্রেন, "ইন্ট্রোডাকশন", জন ড্রেনের ''দ্য গ্রেট সেয়িংস অব জিসাস: প্রোভার্বস, প্যারাবেলস অ্যান্ড প্রেয়ার্সে'', নিউ ইয়র্ক: প্যালগ্রেভ ম্যাকমিলিয়ান, ১৯৯৯, পৃষ্ঠা ২৩
*এটি সবসময় 'যিশু পুরাণ' থিসিসের মারাত্মক ত্রুটি: যেই চরিত্রটি আবিষ্কারকদের প্রজন্মেই বেঁচে ছিল বলে দাবি করা হয়, তাঁকে সম্পূর্ণভাবে আবিষ্কার করার সম্ভাবনাহীনতা। অথবা গ্যালিলির কোনো ছোটখাটো ব্যক্তির ওপর এমন একটি বিস্তৃত মিথ চাপিয়ে দেওয়া। [রবার্ট] প্রাইস এই ব্যাখ্যা নিয়েই সন্তুষ্ট, এই সবকিছু 'অল্প বা বেশি অস্পষ্ট কোনো ত্রাণকর্তার মিথ' থেকে শুরু হয়েছিল। সত্যিই খুব দুঃখজনক।"
::জেমস ডি. জি. ডান, "রেসপন্স টু রবার্ট এম. প্রাইস", জেমস কে. বেইলবি ও পল রোডস এডির ''দ্য হিস্টোরিক্যাল জিসাস: ফাইভ ভিউজে'', ডাউনয়ার্স গ্রোভ, আইএল: ইন্টারভার্সিটি, ২০০৯, পৃষ্ঠা ৯৮
*যিশুর অস্তিত্বহীনতাকে "ব্যাপকভাবে অসমর্থিত" হিসেবে বর্ণনা করাটা একটি আন্ডারস্টেটমেন্ট। এটি অনেকটা আমার বলার মতো, "১৯৬৯ সালের চাঁদে অবতরণ কখনোই ঘটেনি বলে একটি গম্ভীর, যদিও ব্যাপকভাবে অসমর্থিত, বৈজ্ঞানিক প্রমাণ দাঁড় করানো সম্ভব।" এমন কিছু প্রমাণহীন ষড়যন্ত্র তাত্ত্বিক আছেন যারা এসব বিশ্বাস করেন—কিন্তু কোনো বিশেষজ্ঞ তা করেন না। একইভাবে যিশুর প্রশ্নের ক্ষেত্রেও: ঐতিহাসিক বৃত্তিতে তাঁর অস্তিত্বহীনতাকে সম্ভাবনা হিসেবেও বিবেচনা করা হয় না। প্রাচীন ইতিহাস থেকে তাঁকে বাদ দেওয়াটা ঐতিহাসিক পদ্ধতির সম্পূর্ণ ত্যাগের সমতুল্য হবে।
::জন ডিকসন, ''জিসাস: আ শর্ট লাইফ'', অক্সফোর্ড: লায়ন, ২০০৮, ২২-২৩।
*সংক্ষেপে, এটি স্পষ্ট, একটি গসপেলের সাথে অন্যটির অনেক স্ববিরোধিতা রয়েছে। এতে ইতিহাসের অনেক সন্দেহজনক বিবৃতি রয়েছে। পৌত্তলিক দেবতাদের কিংবদন্তির সাথে এর অনেক সন্দেহজনক মিল রয়েছে। চার্চের কোনো পরবর্তী মতবাদ বা আচার-অনুষ্ঠানের ঐতিহাসিক ভিত্তি স্থাপনের লক্ষ্যে অনেক ঘটনা তৈরি করা হয়েছে বলে মনে হয়। ধর্মপ্রচারকেরা সিসেরো, স্যালুস্ট ও ট্যাসিটাসের সাথে নৈতিক ধারণা প্রচারের মাধ্যম হিসেবে ইতিহাসের ধারণা ভাগ করেছিলেন। আর গসপেলে উল্লেখিত কথোপকথন ও বক্তৃতাগুলো সম্ভবত নিরক্ষরদের স্মৃতির দুর্বলতা এবং অনুলিপিকারকদের ভুল বা সংশোধনের শিকার হয়েছিল।
**[[উইল ডুরান্ট]] {{cite book|last1=ডুরান্ট|first1=উইল|authorlink1=Will Durant|last2=ডুরান্ট|first2=এরিয়েল|authorlink2=Ariel Durant|title=সিজার অ্যান্ড ক্রাইস্ট, আ হিস্ট্রি অব রোমান সিভিলাইজেশন অ্যান্ড অব ক্রিস্টিয়ানিটি ফ্রম দেয়ার বিগিনিংস টু এ.ডি. ৩২৫|url=https://books.google.com/books?id=JztghD__8ksC&pg=PT558|volume=দ্য স্টোরি অব সিভিলাইজেশন ৩|year=1944|location=নিউ ইয়র্ক|publisher=সিমন অ্যান্ড শুস্টার|isbn=978-1-4516-4760-0|page=৫৫৮|chapter=এক্সএক্সভিআই -- জিসাস -- ৪ বি.সি.-এ.ডি. ৩০}}
*লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জি. এ. ওয়েলসের মতো অনেকেই এটি নিয়ে কাজ করেছেন। যিশু আদৌ কখনো বেঁচে ছিলেন না, এমন একটি গুরুতর (যদিও ব্যাপকভাবে সমর্থিত নয়) ঐতিহাসিক দাবি তৈরি করাও সম্ভব।
**{{cite book|last=ডকিন্স|first=রিচার্ড|title=দ্য গড ডিলিউশন|url=https://books.google.com/books?id=yq1xDpicghkC&pg=PA122|date=16 January 2008|publisher=হিউটন মিফলিন হারকোর্ট|isbn=0-547-34866-5|page=১২২}}
*যিশুর উপাসনা নির্ভরযোগ্যভাবে প্রমাণিত নয়। কিন্তু এর বিপরীতে, আমরা এর পুরো ঘটনাগুলো আমাদের চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছি (এবং এখানেও, যেমনটি আমরা দেখব, কিছু বিবরণ এখন হারিয়ে গেছে)। '''এটি অনুমান করা আকর্ষণীয়, খ্রিস্ট ধর্মের উপাসনা নিশ্চিতভাবেই প্রায় একই রকমভাবে শুরু হয়েছিল এবং প্রাথমিকভাবে একই দ্রুত গতিতে ছড়িয়ে পড়েছিল'''। [...] জন ফ্রামের আদৌ অস্তিত্ব থাকলে, তা মানুষের জীবন্ত স্মৃতিতেই ছিল। তারপরও এত সাম্প্রতিক একটি সম্ভাবনা হলেও, তিনি আদৌ বেঁচে ছিলেন কি না, তা নিশ্চিত নয়।
::ডকিন্স, সি. রিচার্ড (২০০৬). দ্য গড ডিলিউশন। নিউ ইয়র্ক: হাউটন মিফলিন কোম্পানি। পৃ. ২০২–২০৬। {{ISBN|978-0-618-68000-9}}।
*নাজারেথের যিশুর বেশ দুর্বল ঐতিহাসিক প্রমাণগুলো কতটা ভার বইতে পারে, তা পরীক্ষা করে দেখা উচিত [...] তবে আমি মনে করি না যে আগামী ২০ বছরে এমন কোনো মতৈক্য তৈরি হবে যে যিশু অস্তিত্বশীল ছিলেন না ["যিশু নাস্তিকতা" দৃষ্টিভঙ্গি] বা হয়তো অস্তিত্বশীল ছিলেন না ["যিশু অজ্ঞেয়বাদ" দৃষ্টিভঙ্গি]। তবে তাঁর অস্তিত্ব পুরোপুরি নিশ্চিত নয়, এমন স্বীকৃতি যিশু-গবেষণাকে একাডেমিক গ্রহণযোগ্যতার দিকে নিয়ে যাবে।
**{{cite web|last=ডেভিস|first=ফিলিপ|title=Did Jesus Exist?|trans-title=যিশু কি ছিলেন?|url=http://www.bibleinterp.com/opeds/dav368029.shtml|website=www.bibleinterp.com|publisher=দ্য বাইবেল অ্যান্ড ইন্টারপ্রিটেশন|accessdate=29 January 2017|date=August 2012}}
*ঐতিহাসিক যিশু তত্ত্বের কথিত সাধারণ জ্ঞানে পুরাণবাদীরা এমন কিছু সমস্যা খুঁজে পেয়েছেন, যা গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা উচিত।
**{{cite book|last=ডেভিস|first=স্টিভ্যান এল.|title=স্পিরিট পজেশন অ্যান্ড দ্য অরিজিনস অব ক্রিস্টিয়ানিটি|url=https://books.google.com/books?id=zObmrQEACAAJ|date=1 November 2014|publisher=বার্ডিক প্রেস|isbn=978-1-906834-19-7|page=৪}}
*যিশুর অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্নের ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো উত্তর হলো, কোনো ঐতিহাসিক যিশুকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করা সময়ের অপচয়। এটি করা সম্ভব নয়। এটি কিছুই ব্যাখ্যা করে stabilize করে না।
**{{cite journal|first=টম|last=ডাইকস্ট্রা|title=Ehrman and Brodie on Whether Jesus Existed: A Cautionary Tale about the State of Biblical Scholarship|trans-title=যিশুর অস্তিত্ব নিয়ে এহরম্যান ও ব্রোডি: বাইবেল পাণ্ডিত্যের অবস্থা সম্পর্কে একটি সতর্কতামূলক গল্প|journal=দ্য জার্নাল অব দ্য অর্থোডক্স সেন্টার ফর দ্য অ্যাডভান্সমেন্ট অব বাইব্লিক্যাল স্টাডিজ (JOCABS)|date=2015|volume=8:1|pages=29|url=http://ocabs.org/journal/index.php/jocabs/article/view/80/47}}
*[থমাস এল.] ব্রোডির বই যে সবাইকে বিশ্বাস করাতে হবে, এমন কোনো কথা নেই। কিন্তু এটি যা অর্জন করে তা হলো, এটি প্রতিষ্ঠা করতে সাহায্য করে, একজন গম্ভীর পণ্ডিত সত্যিই একটি পৌরাণিক অবস্থান নিতে পারেন। এটি দেখাতে সাহায্য করে, পুরাণবাদ একটি মানসিকভাবে গ্রহণযোগ্য অবস্থান, এমনকি এটি সর্বজনীনভাবে বিশ্বাসযোগ্য না হলেও।
**{{cite book|author1=টম ডাইকস্ট্রা|title=জেরোম মারফি-ও'কনর ভার্সেস থমাস ব্রোডি|url=https://tomdykstra.wordpress.com/2014/07/20/jerome-murphy-oconnor-versus-thomas-brodie/|website=ম্যানডেটরি ফর ডিসেন্ট হিউম্যান লাইফ|accessdate=18 November 2016|date=20 July 2014}}
:চতুর্থ গসপেল যিশুর জীবনী হওয়ার দাবি করে না। এটি ধর্মতাত্ত্বিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে খ্রিস্টকে ঐশ্বরিক লোগোস বা শব্দ, বিশ্বের স্রষ্টা ও মানবজাতির ত্রাতা হিসেবে উপস্থাপন করে। এটি শত শত বিবরণে এবং খ্রিস্টের সাধারণ চিত্রে সিনপটিক গসপেলগুলোর সাথে সাংঘর্ষিক।
::{{cite book|last1=ডুরান্ট|first1=উইল|authorlink1=Will Durant|last2=ডুরান্ট|first2=এরিয়েল|authorlink2=Ariel Durant|title=সিজার অ্যান্ড ক্রাইস্ট, আ হিস্ট্রি অব রোমান সিভিলাইজেশন অ্যান্ড অব ক্রিস্টিয়ানিটি ফ্রম দেয়ার বিগিনিংস টু এ.ডি. ৩২৫|url=https://books.google.com/books?id=JztghD__8ksC&pg=PT558|volume=দ্য স্টোরি অব সিভিলাইজেশন ৩|year=1944|location=নিউ ইয়র্ক|publisher=সিমন অ্যান্ড শুস্টার|isbn=978-1-4516-4760-0|page=৫৫৮|chapter=এক্সএক্সভিআই -- জিসাস -- ৪ বি.সি.-এ.ডি. ৩০}}
* ড. [এইচ. জি.] উড ...বিশেষ অধ্যয়নের জন্য খ্রিস্ট-অনৈতিহাসিকতা তত্ত্ব নির্বাচন করেন। এর অনেক রূপ রয়েছে, যার সবগুলো মূলত প্রয়াত জে. এম. রবার্টসনের লেখার ওপর ভিত্তি করে তৈরি। এই তত্ত্ব অনুসারে গসপেলগুলো প্রতীকী এবং এগুলো ফিলিস্তিনি রহস্য ধর্ম থেকে উদ্ভূত।
::{{cite journal|last=ড্যানিয়েল|first=ই. এইচ.|title=Reviews - ''Did Christ Really Live?'' by H. G. Wood|trans-title=রিভিউজ - এইচ. জি. উড রচিত ''ডিড ক্রাইস্ট রিয়েলি লিভ?''|journal=ব্যাপ্টিস্ট কোয়ার্টারলি|date=October 1938|volume=9|issue=4|page=২৫৪f|doi=10.1080/0005576X.1938.11750475|url=https://biblicalstudies.org.uk/articles_bq_03.php}}
* [এটি উল্লেখ করে, কিছু পৌরাণিক অবস্থান একজন মানুষের ঐতিহাসিক অস্তিত্ব স্বীকার করে, যিনি নিজেকে যিশু বলে দাবি করতেন] ...একটি ধর্ম কোনো ঋষি বা পবিত্র ব্যক্তির শিক্ষার ওপর ভিত্তি করে তৈরি হতে পারে, তাঁর জীবনের ঘটনাগুলোর কোনো বিশেষ উল্লেখ ছাড়াই [...] খ্রিস্ট ধর্মের উৎপত্তির সময়ে... এমন কিছু গোষ্ঠী ছিল যাদের ইহুদি ধর্মের সাথে সম্পর্ক ছিল। এদের মধ্যে কেউ কেউ ইহুদি মসিহের সাথে তাদের ত্রাণকর্তা-দেবতাকে চিহ্নিত করেছিল এবং তাঁর জন্য একটি পৌরাণিক রূপ তৈরি করেছিল, যার উপাসনার নাম ছিল 'যিশু'। এই নামটি একটি হিব্রু শব্দ থেকে এসেছে যার অর্থ হলো 'পরিত্রাণ'। অথবা বিকল্প হিসেবে, তারা এই নামের এক অখ্যাত ইহুদি পবিত্র ব্যক্তির খবর পেয়েছিল এবং স্বেচ্ছায় 'উপাসনা-পুরাণ' তাঁর সাথে যুক্ত করেছিল।
::{{cite book|last=ডড|first=চার্লস হ্যারল্ড|title=হিস্ট্রি অ্যান্ড দ্য গসপেল|year=1938|publisher=চার্লস স্ক্রিবনারস সন্স|pages=16–17}}
*[রিচার্ড বাউখামের মতে] "সবচেয়ে পুরোনো ক্রিস্টোলজি (যিশু বিষয়ক ধর্মতত্ত্ব) আগে থেকেই সবচেয়ে উন্নত ক্রিস্টোলজি ছিল।" [{{cite book|last=বাউখাম|first=রিচার্ড|title=গড ক্রুসিফাইড: মনোথিজম অ্যান্ড ক্রিস্টোলজি ইন দ্য নিউ টেস্টামেন্ট|year=1998|publisher=ডব্লিউএম. বি. ইয়ার্ডম্যানস পাবলিশিং|page=viii}}] এটি অত্যন্ত সত্য। ইহুদিদের মধ্যে এত দ্রুত এমনটা হওয়া প্রায় অবিশ্বাস্য। একজন মানব যিশুর প্রকৃত দেবত্ব ও পুনরুত্থান প্রমাণিত হয়েছে বলে আবেদন করার বদলে, এই পর্যবেক্ষণগুলোই প্রমাণ করে, আন্দোলনের শুরুতে ক্রিস্টোলজি উন্নত ছিল। কারণ যেই খ্রিস্টের কথা বলা হতো, তিনি একজন দেবতা ছাড়া আর কিছুই ছিলেন না।
**[[আর্ল ডোহার্টি]] {{cite book|last=ডোহার্টি|first=আর্ল|title=জিসাস: নেইদার গড নর ম্যান - দ্য কেস ফর আ মিথিক্যাল জিসাস|url=https://books.google.com/books?id=KD6wQQAACAAJ|year=2009|publisher=এজ অব রিজন পাবলিকেশন্স|location=অটোয়া|isbn=978-0-9689259-2-8|quote=New edition, Revised and Expanded, Originally published under the title: ''The Jesus Puzzle: Did Christianity Begin with a Mythical Christ? - Challenging the Existence of an Historical Jesus''|page=৭১৬, n. 12}}
*[পৌরাণিক যিশু দৃষ্টিভঙ্গি হলো] এমন একটি তত্ত্ব, যা মনে করে, কোনো নামের ঐতিহাসিক যিশু অস্তিত্বশীল ছিলেন না। খ্রিস্ট ধর্ম শুরু হয়েছিল একটি আধ্যাত্মিক, পৌরাণিক চরিত্রের প্রতি বিশ্বাস থেকে এবং গসপেলগুলো মূলত রূপক ও কল্পকাহিনি...
**{{cite book|last=ডোহার্টি|first=আর্ল|title=জিসাস: নেইদার গড নর ম্যান - দ্য কেস ফর আ মিথিক্যাল জিসাস|url=http://books.google.com/books?id=KD6wQQAACAAJ|date=2009|publisher=এজ অব রিজন পাবলিকেশন্স|isbn=978-0-9689259-2-8|pages=vii–viii}}
*[মার্কের চেয়ে পুরোনো লেখার মতে] খ্রিষ্টান বিশ্বাসের কেন্দ্রবিন্দু [যিশুকে] কখনো একজন মানুষ হিসেবে উল্লেখ করা হয়নি, যিনি সম্প্রতি বেঁচে ছিলেন, শিক্ষা দিয়েছিলেন, অলৌকিক কাজ করেছিলেন, মানব কর্তৃপক্ষের হাতে কষ্ট পেয়েছিলেন ও মারা গিয়েছিলেন, বা জেরুজালেমের বাইরের একটি সমাধি থেকে পুনরুত্থিত হয়েছিলেন। চিঠিগুলোতে মেরি বা জোসেফ, জুডাস বা জন দ্য ব্যাপটিস্টের কোনো উল্লেখ নেই, জন্মের কোনো গল্প নেই, যিশুর দ্বারা প্রেরিতদের শিক্ষা বা নিয়োগের কথা নেই, পবিত্র স্থান বা যিশুর কর্মজীবনের স্থানগুলোর কোনো উল্লেখ নেই, এমনকি ক্যালভারি পাহাড় বা খালি সমাধির কথাও নেই। এই নীরবতা এতটাই ব্যাপক ও বিভ্রান্তিকর যে এর ব্যাখ্যা করার চেষ্টাগুলো অপর্যাপ্ত প্রমাণিত হয়েছে।
**{{cite web|last=ডোহার্টি|first=আর্ল|title=Jesus Puzzle - Quick Assembly|trans-title=যিশু ধাঁধা - দ্রুত সমাবেশ|url=http://www.jesuspuzzle.humanists.net/puzzle1.htm|website=www.jesuspuzzle.humanists.net|accessdate=10 February 2018|quote=Piece No. 1: A CONSPIRACY OF SILENCE}}
*[হিব্রুদের কাছে চিঠির ৮ অধ্যায়, ৪ নং পদে] গ্রিক ভাষায় একটি ব্যাকরণগত অস্পষ্ট বিবৃতি রয়েছে। এটি বলে "যিশু যদি [বর্তমানে] পৃথিবীতে থাকতেন, তবে তিনি যাজক হতেন না" অথবা "যিশু যদি পৃথিবীতে থাকতেন, তবে তিনি যাজক হতেন না।" [...] আমার বিশ্লেষণ দেখায়, অনুচ্ছেদের প্রেক্ষাপটের মধ্যে ও অবরোহী যুক্তির মাধ্যমে বর্তমান অর্থে বিবৃতিটিকে সমর্থন করা যায় না। আসলে এটি দেখানো যেতে পারে যে লেখক কেবল অতীতের ক্ষেত্রেই এটি প্রয়োগ করতে পারেন।
**{{cite web|last=ডোহার্টি|first=আর্ল|title=Advancing the Cause: Thoughts on the New Atheism and the Myth of Jesus|trans-title=কারণ এগিয়ে নেওয়া: নব্য নাস্তিকতা ও যিশুর অনৈতিহাসিকতার ওপর চিন্তাভাবনা|url=http://www.atheology.ca/montreal2010/long/doherty_earl_long_en.html|website=এথিস্ট ফ্রিথিঙ্কার্স|accessdate=16 September 2017|date=2 October 2010}}
*[গসপেলগুলোতে] যিশুর গল্পের অনেক উপাদান ইহুদি ধর্মগ্রন্থের অনুচ্ছেদ ও বৈশিষ্ট্যের ওপর [নির্ভরশীল]। [...] জন শেলবি স্পং (তাঁর ''লিবারেটিং দ্য গসপেলসে'') সিনপটিক গসপেলগুলোকে সব বিস্তারিত বিবরণে মিদ্রাশীয় কল্পকাহিনি বলে মনে করেন। তবে তিনি বিশ্বাস করেনএটি একজন ঐতিহাসিক মানুষের ওপর ভিত্তি করে তৈরি।
**{{cite journal|last=ডোহার্টি|first=আর্ল|title=The Jesus Puzzle: Pieces in a Puzzle of Christian Origins|trans-title=দ্য জিসাস পাজল: খ্রিষ্টান উৎসের ধাঁধার টুকরোগুলো|journal=জার্নাল অফ হায়ার ক্রিটিসিজম|date=Fall 1997|volume=4|issue=2|pages=68-102|url=https://depts.drew.edu/jhc/jhcindex.html|quote=Piece No. 8: The Gospels Not History}}
*[ফিলো সম্পর্কে] লোগোস ছিল ঈশ্বরের মধ্যস্থতাকারী [...] ফিলো লোগোসকে "মরণশীল মানুষের পক্ষে অমর ঈশ্বরের কাছে এক অবিরত প্রার্থনাকারী" হিসেবে দেখতেন (''ডিভাইন ম্যাটার্স'', ২০৫)।
:*{{cite web|last=ডোহার্টি|first=আর্ল|title=Tracing the Christian Lineage in Alexandria|trans-title=আলেকজান্দ্রিয়ায় খ্রিষ্টান বংশানুক্রম অনুসন্ধান|url=http://jesuspuzzle.humanists.net/supp05.htm|website=jesuspuzzle.humanists.net|accessdate=21 June 2017|quote=Supplementary Article No. 5}}
*[পৌরাণিক যিশু দৃষ্টিভঙ্গি মনে করে] যে খ্রিস্ট ধর্ম একটি আধ্যাত্মিক, পৌরাণিক চরিত্রের প্রতি বিশ্বাস নিয়ে শুরু হয়েছিল।
::{{cite book|last=ডোহার্টি|first=আর্ল|title=জিসাস: নেইদার গড নর ম্যান - দ্য কেস ফর আ মিথিক্যাল জিসাস|url=http://books.google.com/books?id=KD6wQQAACAAJ|date=2009|publisher=এজ অব রিজন পাবলিকেশন্স|isbn=978-0-9689259-2-8|pages=vii–viii}}
:*[[আর্ল ডোহার্টি]] এপি. {{cite book|last=এহরম্যান|first=বার্ট ডি.|title=ডিড জিসাস এক্সিস্ট?: দ্য হিস্টোরিক্যাল আর্গুমেন্ট ফর জিসাস অব নাজারেথ|chapterurl=http://books.google.com/books?id=hf5Rj8EtsPkC&pg=PT9|date=20 March 2012|publisher=হার্পারকলিন্স|isbn=978-0-06-208994-6|pages=12, 347, n. 1|chapter=অ্যান ইন্ট্রোডাকশন টু দ্য মিথিক্যাল ভিউ অব জিসাস|quote=In a recent exhaustive elaboration of the position, one of the leading proponents of Jesus mythicism, Earl Doherty, defines the view as follows: ...(Earl Doherty, ''Jesus: Neither God nor Man: The Case for a mythical Jesus'' (Ottawa, ON: Age of Reason Publications, 2009), vii-viii.)}}
*[নস্টিক-স্টাইলের পুরাণের অবতীর্ণ হওয়া ত্রাণকর্তার বিষয়ে] প্রাইস পলের খ্রিস্টকে একই শ্রেণিতে দেখেন... এই ধরনের (প্রোটো-) নস্টিক ধরনের দৃষ্টিভঙ্গিতে এমন ধারণা নিহিত আছে, খ্রিস্ট বিশ্বাসীদের মধ্যে বাস করেন এবং যে প্রেরিত তাঁকে প্রচার করেন, তিনি নিজের মধ্যে খ্রিস্ট বা ত্রাণকর্তার একটি অত্যন্ত উন্নত অনুভূতি ধারণ করেন। পল তাঁর "খ্রিস্ট আপনাদের মধ্যে" এবং "সবাই খ্রিস্টের শরীরের অংশ" কথার মাধ্যমে সেই চিন্তাধারারই অনুসারী।
:*{{cite web|last=ডোহার্টি|first=আর্ল|title=Higher Critical Review - Robert M. Price, Deconstructing Jesus|trans-title=হায়ার ক্রিটিক্যাল রিভিউ - রবার্ট এম. প্রাইস, ডিকনস্ট্রাক্টিং জিসাস|url=https://depts.drew.edu/jhc/doherty_price.html|website=জার্নাল অব হায়ার ক্রিটিসিজম|accessdate=14 June 2017|date=2000}}
*১ম শতাব্দীর গঠনমূলক যুগে, যখন কোনো ঐতিহাসিক যিশু তখনও পাদপ্রদীপের আলোয় আসেননি, তখন রোমান সাম্রাজ্যের পূর্বার্ধজুড়ে পুত্র/খ্রিস্ট/ত্রাণকর্তা বিশ্বাসের এক সমৃদ্ধ বিস্তার ঘটেছিল। এগুলো নতুন মধ্যস্থতাকারী পুত্র দর্শনের প্রকাশ ছিল। এর মাধ্যমে তাঁর মধ্য দিয়ে পরিত্রাণের বিভিন্ন পথের ধারণা করা হয়েছিল।
:*{{cite book|last=ডোহার্টি|first=আর্ল|title=জিসাস: নেইদার গড নর ম্যান - দ্য কেস ফর আ মিথিক্যাল জিসাস|url=https://books.google.com/books?id=KD6wQQAACAAJ|year=2009|publisher=এজ অব রিজন পাবলিকেশন্স|location=অটোয়া|isbn=978-0-9689259-2-8|quote=New edition, Revised and Expanded, Originally published under the title: ''The Jesus Puzzle: Did Christianity Begin with a Mythical Christ? - Challenging the Existence of an Historical Jesus''|page=২৭৯}}
*ফিলো ও হিব্রুদের চিঠির লেখকের মতো হেলেনিস্টিক ইহুদিরা হিব্রু ও গ্রিকের একটি সংমিশ্রণ তৈরি করতে লোগোসের ধারণাগুলো গ্রহণ করেছিল। কিন্তু মূলধারার ইহুদি ধর্মের নিজস্ব মধ্যস্থতাকারী চরিত্র [মূর্ত প্রজ্ঞা] ছিল, যা কয়েক শতাব্দীর পুরোনো, নিশ্চিতভাবেই প্লেটোর মতো পুরোনো। [...] সলোমনের প্রজ্ঞাতে, যা সম্ভবত হেলেনিস্টিক-ইহুদি লেখার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ টিকে থাকা অংশ, আমরা লোগোসের সাথে প্রজ্ঞার একটি স্পষ্ট ও অদ্ভুত সংমিশ্রণ দেখতে পাই।
**{{cite book|last=ডোহার্টি|first=আর্ল|title=জিসাস: নেইদার গড নর ম্যান - দ্য কেস ফর আ মিথিক্যাল জিসাস|url=https://books.google.com/books?id=KD6wQQAACAAJ|year=2009|publisher=এজ অব রিজন পাবলিকেশন্স|location=অটোয়া|isbn=978-0-9689259-2-8|quote=New edition, Revised and Expanded, Originally published under the title: ''The Jesus Puzzle: Did Christianity Begin with a Mythical Christ? - Challenging the Existence of an Historical Jesus''|pages=92f}}
*আলেকজান্দ্রিয়ার ফিলো (২৫ খ্রিস্টপূর্বাব্দ থেকে ৫০ খ্রিস্টাব্দ) ইহুদি চিন্তাধারায় গ্রিক ধারণার অনুপ্রবেশের প্রধান উদাহরণ। এই ঘটনাটি সেই যুগে "হেলেনিস্টিক ইহুদি ধর্ম" নামে পরিচিত এক গুরুত্বপূর্ণ ধরনের দর্শন ও সংস্কৃতির জন্ম দিয়েছিল। [...] চার্লস এইচ. টালবার্ট ("দ্য মিথ অব আ ডিসেন্ডিং-অ্যাসেন্ডিং রিডিমার ইন মেডিটেরেনিয়ান অ্যান্টিকুইটি," ''নিউ টেস্টামেন্ট স্টাডিজ'' ২২ [১৯৭৫], পৃষ্ঠা ৪১৮-৪৩৯) ফিলোকে এমন একটি বিদ্যমান পুরাণের সাক্ষী বলে মনে করেন, যেখানে প্রজ্ঞা-লোগোসকে ঈশ্বরের জ্ঞান প্রদানের মাধ্যমে একজন স্বর্গীয় ব্যক্তিগত সত্তা ও ত্রাণকর্তা চরিত্র হিসেবে গণ্য করা হয়েছিল। এই পুরাণটি আলেকজান্দ্রিয়ান দলিল, সলোমনের প্রজ্ঞায় প্রতিফলিত হয়েছে...
**{{cite book|last=ডোহার্টি|first=আর্ল|title=জিসাস: নেইদার গড নর ম্যান - দ্য কেস ফর আ মিথিক্যাল জিসাস|url=https://books.google.com/books?id=KD6wQQAACAAJ|year=2009|publisher=এজ অব রিজন পাবলিকেশন্স|location=অটোয়া|isbn=978-0-9689259-2-8|quote=New edition, Revised and Expanded, Originally published under the title: ''The Jesus Puzzle: Did Christianity Begin with a Mythical Christ? - Challenging the Existence of an Historical Jesus''|page=৭২৩, n. 40, 41}}
*খ্রিস্ট [আদি] খ্রিষ্টান সম্প্রদায়গুলোর মধ্যে একটি ঐশ্বরিক উপস্থিতি। এটি ঈশ্বরের প্রত্যাদেশ ও দিকনির্দেশনা এবং ঈশ্বর ও আধ্যাত্মিক সত্যের জ্ঞানের সাথে সংযোগ স্থাপন করে। [...] পলের ব্যবস্থা ও আদি খ্রিস্ট ধর্ম সাধারণত অশুভ আত্মিক শক্তির ধারণা দ্বারা পরিপূর্ণ। এগুলো পৃথিবীর ওপর ক্ষতিকারক প্রভাব ফেলে এবং পৃথিবী ও স্বর্গকে বিচ্ছিন্ন করে। ...[এটি] সেই প্রোটো-নস্টিক পরিবেশকে আলোকিত করে, যেখানে তিনি [পল] বিচরণ করতেন ও এমনকি অংশীদারও ছিলেন...
:*{{cite book|last=ডোহার্টি|first=আর্ল|title=জিসাস: নেইদার গড নর ম্যান - দ্য কেস ফর আ মিথিক্যাল জিসাস|url=https://books.google.com/books?id=KD6wQQAACAAJ|year=2009|publisher=এজ অব রিজন পাবলিকেশন্স|location=অটোয়া|isbn=978-0-9689259-2-8|quote=New edition, Revised and Expanded, Originally published under the title: ''The Jesus Puzzle: Did Christianity Begin with a Mythical Christ? - Challenging the Existence of an Historical Jesus''|pages=24, 289}}
*[এটি] স্বর্গীয় জগৎ ও তার মধ্যে ঈশ্বরের কার্যকলাপের ওপর একটি মনোযোগের দিকে পরিবর্তনের একটি অংশ, যা অনেক ইহুদি ইন্টারটেস্টামেন্টাল লেখায় অব্যাহত ছিল ও প্রসারিত হয়েছিল। [...] স্বর্গে বসবাসকারী অন্ধকার মহাজাগতিক শক্তির হুমকির প্রতি পলের লেখাগুলোর মোহ বা রাক্ষসদের হুমকির প্রতি সে যুগের মানুষের আকর্ষণ, হিব্রু বাইবেলে এর নজির খুব কমই পাওয়া যায় এবং এটি হেলেনিস্টিক দৃষ্টিভঙ্গির মতো ইহুদি চিন্তাধারায়ও একটি নতুন বিকাশের চিহ্ন। আর যেহেতু নস্টিকিজমকে এখন খ্রিস্ট ধর্মের আগে থাকা কট্টর ইহুদি মহলগুলোর মধ্যে অন্তত আংশিক উৎস হিসেবে দেখা হয়, যার মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দু ছিল একটি স্বর্গীয় জগৎ ও ঈশ্বরের কার্যকলাপ। তাই আমরা মহাজাগতিক ওপরের অংশে যেখানে ঐশ্বরিক কার্যকলাপ ঘটেছিল, তার প্রতি একটি যুগব্যাপী আগ্রহের বিকাশ দেখতে পাই। এমনকি ফিলো, ঈশ্বরের প্রকাশ হিসেবে লোগোসের প্রতি তাঁর মনোযোগ, সেইসাথে তাঁর "স্বর্গীয় মানুষ" ধারণাও—ঐশ্বরিক বাস্তবতার প্রতি সে যুগের মানুষের আরেকটি আকর্ষণ, যা পলের "অ্যান্থ্রোপোস" হিসেবে খ্রিস্টের ধারণাতেও দেখা যায়—স্বর্গীয় কল্পনার সাথে পার্থিব চিন্তার সম্পৃক্ততা প্রমাণ করে।
**{{cite web|last=ডোহার্টি|first=আর্ল|title=Bart Ehrman vs. Earl Doherty. Part 29 of Earl Doherty’s Response to Bart Ehrman’s Case Against Mythicism|trans-title=বার্ট এহরম্যান বনাম আর্ল ডোহার্টি। পুরাণবাদের বিরুদ্ধে বার্ট এহরম্যানের যুক্তির প্রতি আর্ল ডোহার্টির উত্তরের পর্ব ২৯|url=http://vridar.org/2012/07/30/30014/|website=Vridar|accessdate=7 July 2017|date=30 July 2012}}
*[পৌরাণিক যিশু দৃষ্টিভঙ্গি মনে করে] যে গসপেলগুলো মূলত রূপক ও কল্পকাহিনি।
::{{cite book|last=ডোহার্টি|first=আর্ল|title=জিসাস: নেইদার গড নর ম্যান - দ্য কেস ফর আ মিথিক্যাল জিসাস|url=http://books.google.com/books?id=KD6wQQAACAAJ|date=2009|publisher=এজ অব রিজন পাবলিকেশন্স|isbn=978-0-9689259-2-8|pages=vii–viii}}
:*[[আর্ল ডোহার্টি]] এপি. {{cite book|last=এহরম্যান|first=বার্ট ডি.|title=ডিড জিসাস এক্সিস্ট?: দ্য হিস্টোরিক্যাল আর্গুমেন্ট ফর জিসাস অব নাজারেথ|chapterurl=http://books.google.com/books?id=hf5Rj8EtsPkC&pg=PT9|date=20 March 2012|publisher=হার্পারকলিন্স|isbn=978-0-06-208994-6|pages=12, 347, n. 1|chapter=অ্যান ইন্ট্রোডাকশন টু দ্য মিথিক্যাল ভিউ অব জিসাস|quote=In a recent exhaustive elaboration of the position, one of the leading proponents of Jesus mythicism, Earl Doherty, defines the view as follows: ...(Earl Doherty, ''Jesus: Neither God nor Man: The Case for a mythical Jesus'' (Ottawa, ON: Age of Reason Publications, 2009), vii-viii.)}}
==ই==
*প্রাইস নির্বিচারে যিশু সেমিনারের সন্দেহজনক পদ্ধতি ও ফলাফলগুলো গ্রহণ করেন, উনবিংশ শতাব্দীর (অস্বীকৃত) খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্বের বেশিরভাগই (যাতে দাবি করা হয়েছিল যিশুর কোনো অস্তিত্ব ছিল না) গ্রহণ করেন, ইত্যাদি।
::ক্রেগ এ. ইভান্স, ''ফ্যাব্রিকেটিং জিসাস: হাউ মডার্ন স্কলারস ডিস্টর্ট দ্য গসপেলস'', (ডাউনয়ার্স গ্রোভ, আইএল: ইন্টারভার্সিটি, ২০০৬) পৃষ্ঠা ২৫
*ওয়েলসের বেশ কয়েকজন পর্যালোচক স্বীকার করেছেন যে তাঁর তোলা প্রশ্নগুলো সত্যিই প্রাসঙ্গিক। উদাহরণস্বরূপ, অধ্যাপক কেনেথ গ্রেস্টন (''মেথডিস্ট রেকর্ডার'', ১৬ নভেম্বর ১৯৭১) লিখেছেন: "শিক্ষিত খ্রিষ্টানদের...অধ্যাপক ওয়েলসের সংগ্রহ করা সমস্যাগুলো স্বীকার করা উচিত এবং একটি ভালো সমাধান তৈরি করা উচিত।" ওয়েলসের দ্বিতীয় বইটির পর্যালোচনা করতে গিয়ে গ্রেস্টন এই মতের পুনরাবৃত্তি করেন।
**{{cite journal|last=এলেগার্ড|first=আলভার|title=Theologians as historians|trans-title=ঐতিহাসিক হিসেবে ধর্মতত্ত্ববিদরা|journal=স্ক্যান্ডিয়া: টিডস্ক্রিফ্ট ফর হিস্টোরিস্ক ফর্সনিং|date=২০০৮|issue=59|pages=২|url=http://journals.lub.lu.se/index.php/scandia/article/download/1078/863}}
*[বিরগার] ওলসন তাঁর [ভাষ্যের] অর্ধেক জায়গাই আমার অনুমানের [মাইটেন ওম জিসাস (১৯৯২) অনুসারে] একটি বেশ ন্যায্য সারসংক্ষেপের জন্য উৎসর্গ করেছেন। (আলভার এলেগার্ডের উত্তর, পৃষ্ঠা ১৯৯)
**{{cite journal|last=এলেগার্ড|first=আলভার|title=Comments by Birger Olsson - ''Theologians as historians''|trans-title=বিরগার ওলসনের মন্তব্য - ''ঐতিহাসিক হিসেবে ধর্মতত্ত্ববিদরা''|journal=স্ক্যান্ডিয়া: টিডস্ক্রিফ্ট ফর হিস্টোরিস্ক ফর্সনিং|date=২০০৮|issue=59|pages=১৯৩-১৯৬|url=http://journals.lub.lu.se/index.php/scandia/article/download/1078/863}}
*এটা বলা ন্যায্য যে বর্তমান সময়ের বেশিরভাগ ধর্মতত্ত্ববিদও স্বীকার করেনগসপেলের গল্পগুলোর বড় একটি অংশ, কাল্পনিক না হলেও, অন্তত ঐতিহাসিক বিবরণ হিসেবে আক্ষরিক অর্থে নেওয়া উচিত নয়। অন্যদিকে কোনো ধর্মতত্ত্ববিদই এটা স্বীকার করতে রাজি নন যে যিশুর ঐতিহাসিকতার প্রশ্নটিকে একটি অমীমাংসিত প্রশ্ন হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। আমার কাছে মনে হয়, ধর্মতত্ত্ববিদেরা পণ্ডিত হিসেবে তাদের দায়িত্ব পালন করছেন না, যখন তারা গসপেলের যিশুর অস্তিত্ব নিয়েও বৈধভাবে প্রশ্ন তোলার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করতে অস্বীকার করেন।
**{{cite journal|last=এলেগার্ড|first=আলভার|title=Theologians as historians|trans-title=ঐতিহাসিক হিসেবে ধর্মতত্ত্ববিদরা|journal=স্ক্যান্ডিয়া: টিডস্ক্রিফ্ট ফর হিস্টোরিস্ক ফর্সনিং|date=২০০৮|issue=59|pages=১৭০-১৭১|url=http://journals.lub.lu.se/index.php/scandia/article/download/1078/863}}
*প্রাইস নির্বিচারে যিশু সেমিনারের সন্দেহজনক পদ্ধতি ও ফলাফলগুলো গ্রহণ করেন, উনবিংশ শতাব্দীর (অস্বীকৃত) খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্বের বেশিরভাগই (যাতে দাবি করা হয়েছিল যিশুর কোনো অস্তিত্ব ছিল না) গ্রহণ করেন, ইত্যাদি।
::ক্রেগ এ. ইভান্স, ''ফ্যাব্রিকেটিং জিসাস: হাউ মডার্ন স্কলারস ডিস্টর্ট দ্য গসপেলস'', (ডাউনয়ার্স গ্রোভ, আইএল: ইন্টারভার্সিটি, ২০০৬) পৃষ্ঠা ২৫
*বাউয়ার ও তাঁর সঙ্গীদের বিপরীতে মূলধারার পণ্ডিতেরা কখনোই যিশুর অস্তিত্ব বা গির্জা প্রতিষ্ঠায় তাঁর [[প্রাসঙ্গিকতা|প্রাসঙ্গিকতা]] নিয়ে সন্দেহ করেননি।
::ক্রেগ এ. ইভান্স, "লাইফ-অব-জিসাস রিসার্চ অ্যান্ড দ্য একলিপ্স অব মাইথোলজি", ''থিওলজিক্যাল স্টাডিজ'' ৫৪, ১৯৯৩, পৃষ্ঠা ৮
*যেকোনো ধর্মীয় বা অধর্মীয় ঘরানার কোনো গম্ভীর ইতিহাসবিদই সন্দেহ করেন না যে নাজারেথের যিশু সত্যিই প্রথম শতাব্দীতে বেঁচে ছিলেন এবং যিহূদিয়া ও সামারিয়ার শাসক পন্টিয়াস পিলেটের অধীনে তাঁর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছিল। পণ্ডিতদের কাছে এটি একটি সাধারণ জ্ঞান হলেও, জনসাধারণ হয়তো এটি সম্পর্কে সচেতন নয়।
::ক্রেগ এ. ইভান্স, "দ্য শাউট অব ডেথ", ট্রয় এ. মিলারের ''জিসাস, দ্য ফাইনাল ডেজ: হোয়াট রিয়েলি হ্যাপেনডে'', লুইসভিল: ওয়েস্টমিনস্টার জন নক্স, ২০০৯, পৃষ্ঠা ৩
:[যিশু কোনো প্রকৃত ঐতিহাসিক চরিত্র ছিলেন না বলে দাবি করা পণ্ডিত ও সমালোচকদের মতে] [এইচ. ই.] [[হ্যারি এলমার বার্নস|বার্নস]] এসব চরমপন্থী সমালোচকদের সাথে একমত নন। তবে [জে. এম.] [[জোসেফ ম্যাককাবে|ম্যাককাবে]]র সাথে তিনিও মনে করেনযিশু নামের একজন মানুষ সত্যিই বেঁচে ছিলেন। কিন্তু তিনি আমাদের জীবন ও চিন্তাধারার সাথে এতটাই অপরিচিত ছিলেন, তিনি আমাদের কোনোভাবেই সাহায্য করতে পারেন না।</p>
::{{cite book|author=এর্ডম্যান হ্যারিস|title=অ্যাসোসিয়েশন মেন. অফিশিয়াল ম্যাগাজিন অব দ্য ওয়াই.এম.সি.এ.|url=https://books.google.com/books?id=8HnOAAAAMAAJ|volume=55|year=1929|publisher=ইয়াং মেনস ক্রিস্টিয়ান অ্যাসোসিয়েশন|page=৪৩৯এফ|chapter=দ্য ডিবংকার্স টার্ন অন জিসাস}}
*[আর. এম.] প্রাইস মনে করেন ঐতিহাসিক যিশুর পক্ষে প্রমাণ এতটাই দুর্বল যে আমরা তাঁর সম্পর্কে নিশ্চিত বা অর্থপূর্ণ কিছুই জানতে পারি না। তিনি এমনকি এমন একটি সম্ভাবনাও বিবেচনা করতে ইচ্ছুক যে ঐতিহাসিক যিশু বলে কখনোই কেউ ছিলেন না।
**{{cite book|last=ইভান্স|first=ক্রেগ এ.|title=ফ্যাব্রিকেটিং জিসাস: হাউ মডার্ন স্কলারস ডিস্টর্ট দ্য গসপেলস|url=http://books.google.com/books?id=iLYWWiXbrooC&pg=PA25|date=২৬ সেপ্টেম্বর ২০০৮|publisher=ইন্টারভার্সিটি প্রেস|isbn=978-0-8308-3355-9|page=২৫}}
*"[খ্রিস্ট পুরাণ] হলো এমন একটি তত্ত্ব, যা মনে করে, কোনো নামের ঐতিহাসিক যিশু অস্তিত্বশীল ছিলেন না। খ্রিস্টধর্ম একটি আধ্যাত্মিক, পৌরাণিক চরিত্রের প্রতি বিশ্বাস থেকে শুরু হয়েছিল। গসপেলগুলো মূলত রূপক ও কল্পকাহিনি, এবং '''গ্যালিলীয় প্রচার ঐতিহ্যের মূলে শনাক্তযোগ্য কোনো একক ব্যক্তি নেই'''।" সহজ ভাষায়, ঐতিহাসিক যিশুর অস্তিত্ব ছিল না। অথবা যদি থাকেও, তবে খ্রিস্টধর্ম প্রতিষ্ঠার সাথে তাঁর কার্যত কোনো সম্পর্ক ছিল না।
::এহরম্যান, বার্ট (২০১২) ''ডিড জিসাস এক্সিস্ট'' হার্পার কলিন্স, পৃষ্ঠা ১২)
*পুরাণবাদী দৃষ্টিভঙ্গির একটি ভালো, প্রত্যক্ষ ও সাম্প্রতিক বিবৃতির জন্য জর্জ এ. ওয়েলসের "ইন্ডিপেন্ডেন্ট কনফার্মেশন" দেখুন। যেমনটি স্পষ্ট হবে, একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক দিয়ে ওয়েলস অন্যান্য বেশিরভাগ পুরাণবাদীদের থেকে আলাদা: পৌত্তলিক দেবতাদের মিথ থেকে ঐতিহাসিক যিশুর আবিষ্কারকে খুঁজে বের করার বদলে, ওয়েলস মনে করেন এটি ইহুদি প্রজ্ঞার ঐতিহ্য থেকে এসেছে। সেখানে ঈশ্বরের প্রজ্ঞাকে এমন একটি মূর্ত সত্তা বলে মনে করা হতো, যিনি সৃষ্টির সময় তাঁর সাথে ছিলেন এবং তারপর মানুষের সাথে দেখা করতে এসেছিলেন (যেমন, হিতোপদেশ ৮ দেখুন)। [ওয়েলস, জর্জ এ. "ইজ দেয়ার ইন্ডিপেন্ডেন্ট কনফার্মেশন অব হোয়াট দ্য গসপেলস সে অব জিসাস?" ''ফ্রি ইনকোয়ারি'' ৩১ (২০১১): ১৯-২৫।]
**{{cite book|last=এহরম্যান|first=বার্ট ডি.|title=ডিড জিসাস এক্সিস্ট?: দ্য হিস্টোরিক্যাল আর্গুমেন্ট ফর জিসাস অব নাজারেথ|date=২০ মার্চ ২০১২|publisher=হার্পারকলিন্স|isbn=978-0-06-208994-6|page=৩৪৯, নং ২০}}
*[পৌরাণিক যিশু দৃষ্টিভঙ্গি মনে করে, একজন ঐতিহাসিক যিশু—যদি তিনি থেকেও থাকেন—] খ্রিস্টধর্ম প্রতিষ্ঠার সাথে তাঁর কার্যত কোনো সম্পর্ক ছিল না।
**{{cite book|last=এহরম্যান|first=বার্ট ডি.|title=ডিড জিসাস এক্সিস্ট?: দ্য হিস্টোরিক্যাল আর্গুমেন্ট ফর জিসাস অব নাজারেথ|chapterurl=http://books.google.com/books?id=hf5Rj8EtsPkC&pg=PT9|date=২০ মার্চ ২০১২|publisher=হার্পারকলিন্স|isbn=978-0-06-208994-6|page=১২|chapter=অ্যান ইন্ট্রোডাকশন টু দ্য মিথিক্যাল ভিউ অব জিসাস}}
*প্রায়শই পুরাণবাদী শিবিরে রাখা অন্যান্য লেখকরা কিছুটা ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপন করেন। তা হলো, সত্যিই একজন ঐতিহাসিক যিশু ছিলেন, কিন্তু তিনি খ্রিস্টধর্মের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন না। এই ধর্মটির শিকড় এর মূল অনুসারীদের দ্বারা আবিষ্কৃত পৌরাণিক খ্রিস্ট-চরিত্রের মধ্যে নিহিত। শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে আর্চিবল্ড রবিনসন এই দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। তিনি মনে করতেন, যিশু থাকলেও "আমরা এই যিশু সম্পর্কে প্রায় কিছুই জানি না।" (এ. রবার্টসন, ''জিসাস: মিথ অর হিস্ট্রি?'', ১০৭।) [রবার্টসন, আর্চিবল্ড। ''জিসাস: মিথ অর হিস্ট্রি?'' লন্ডন: ওয়াটস অ্যান্ড কোং, ১৯৪৬।]
**{{cite book|last=এহরম্যান|first=বার্ট ডি.|title=ডিড জিসাস এক্সিস্ট?: দ্য হিস্টোরিক্যাল আর্গুমেন্ট ফর জিসাস অব নাজারেথ|url=https://books.google.com/books?id=hf5Rj8EtsPkC&pg=PT15|date=২০ মার্চ ২০১২|publisher=হার্পারকলিন্স|isbn=978-0-06-208994-6|pages=১৯, ৩৪৮, নং ১০}}
*যিশুর সময়ের পৌত্তলিক লেখকেরা তাঁকে নিয়ে কী ধরনের কথা বলেন? কিছুই না। যতটা অদ্ভুত মনে হতে পারে, তাঁর কোনো পৌত্তলিক সমসাময়িকের দ্বারা যিশুর কোনো উল্লেখই নেই। কোনো জন্মসনদ, কোনো বিচারের প্রতিলিপি, কোনো মৃত্যুসনদ নেই; আগ্রহের কোনো প্রকাশ, কোনো উত্তপ্ত অপবাদ, কোনো পাসিং রেফারেন্স নেই—কিছুই নেই। [''জিসাস'' (১৯৯৯) ৫৬।]
::{{cite book|last=এহরম্যান|first=বার্ট ডি.|title=জিসাস: অ্যাপোক্যালিপটিক প্রফেট অব দ্য নিউ মিলেনিয়াম|url=https://books.google.com/books?id=U8_QCwAAQBAJ&pg=PA56|date=২৩ সেপ্টেম্বর ১৯৯৯|publisher=অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস|isbn=978-0-19-802888-8|page=৫৬}}
:*[[বার্ট ডি. এহরম্যান|বার্ট এহরম্যান]] এপি. {{cite web|last=পেরি|first=ফিলিপ|title=A Growing Number of Scholars Are Questioning the Historical Existence of Jesus|trans-title=ক্রমবর্ধমান সংখ্যক পণ্ডিত যিশুর ঐতিহাসিক অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন|url=http://bigthink.com/philip-perry/a-growing-number-of-scholars-are-questioning-the-existence-of-jesus|website=BigThink.com|publisher=[[বিগ থিংক|বিগ থিংক (ওয়েবসাইট)]]|accessdate=26 February 2017|date=২০ ডিসেম্বর ২০১৬}}
*প্রথম শতাব্দীর কোনো গ্রিক বা রোমান লেখক যিশুর কথা উল্লেখ করেননি। [...] কোনো সমসাময়িক প্রত্যক্ষদর্শী—পৌত্তলিক, ইহুদি বা খ্রিষ্টান—কারো কাছ থেকেই যিশুর কোনো উল্লেখ আমাদের কাছে নেই [...] নতুন নিয়মের গসপেলগুলো যিশুর জীবনের প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ নয়। [...] গসপেল লেখকেরা (যিশুর মৃত্যুর ঐতিহ্যগত তারিখের পঁয়ত্রিশ থেকে পঁয়ষট্টি বছর পর বাস করা বেনামী গ্রিকভাষী খ্রিষ্টানেরা) কেবল যিশুর জীবন থেকে তাদের শোনা ঘটনাগুলো লিখে রাখছিলেন।
**{{cite book|last=এহরম্যান|first=বার্ট ডি.|title=ডিড জিসাস এক্সিস্ট?: দ্য হিস্টোরিক্যাল আর্গুমেন্ট ফর জিসাস অব নাজারেথ|url=http://books.google.com/books?id=hf5Rj8EtsPkC|date=২০ মার্চ ২০১২|publisher=হার্পারকলিন্স|isbn=978-0-06-208994-6|pages=৪৩, ৪৬, ৪৯, ৭২}}
*[যিশুর ঐতিহ্যগত মৃত্যুর প্রায় একশ বছরের মধ্যে রচিত লেখাগুলোতে অ-খ্রিষ্টান পৌত্তলিকদের যিশুর উল্লেখের মতে] সেই সময়ের পরের লেখাগুলোকে প্রায় নিশ্চিতভাবেই তাঁর জীবনের স্বাধীন ও নির্ভরযোগ্য সাক্ষী হিসেবে বিবেচনা করা যায় না। বরং সেগুলো নিঃসন্দেহে লেখকেরা যিশু সম্পর্কে যা শুনেছিলেন (সম্ভবত তাঁর অনুসারীদের কাছ থেকে), তার ওপর ভিত্তি করেই রচিত হয়েছিল। [...] [পৌত্তলিক লেখার মতে] যিশুর মৃত্যুর ঐতিহ্যগত তারিখের (প্রায় ৩০ খ্রিস্টাব্দ) একশ বছরের মধ্যে পৌত্তলিক সূত্র থেকে টিকে থাকা একমাত্র উল্লেখ হলো এই তিনটি [যিশুর উল্লেখ]।
**{{cite book|last=এহরম্যান|first=বার্ট ডি.|title=ডিড জিসাস এক্সিস্ট?: দ্য হিস্টোরিক্যাল আর্গুমেন্ট ফর জিসাস অব নাজারেথ|url=https://books.google.com/books?id=hf5Rj8EtsPkC&pg=PT15|date=২০ মার্চ ২০১২|publisher=হার্পারকলিন্স|isbn=978-0-06-208994-6|pages=৫০, ৫৬}}
*[রবার্ট] প্রাইস মনে করেন ঐতিহাসিক যিশুর পক্ষে প্রমাণ এতটাই দুর্বল যে আমরা তাঁর সম্পর্কে নিশ্চিত বা অর্থপূর্ণ কিছুই জানতে পারি না। তিনি এমনকি এমন একটি সম্ভাবনাও বিবেচনা করতে ইচ্ছুক যে ঐতিহাসিক যিশু বলে কখনোই কেউ ছিলেন না। যিশুর প্রমাণ কি আসলেই এতটা দুর্বল? ইতিহাসে শিক্ষিত প্রায় কোনো পণ্ডিতই প্রাইসের নেতিবাচক সিদ্ধান্তের সাথে একমত হবেন না... আমার মতে গসপেলে প্রাইসের কাজ একটি দার্শনিক মানসিকতা দ্বারা পরাভূত, যা যেকোনো ধরনের ঐতিহাসিক গবেষণার সাথে সাংঘর্ষিক... প্রাইসের মধ্যে আমরা যা দেখি তা হলো, আমরা আগে যা দেখেছি: মৌলবাদ থেকে পলায়ন।
::ক্রেগ এ. ইভান্স, ''ফ্যাব্রিকেটিং জিসাস: হাউ মডার্ন স্কলারস ডিস্টর্ট দ্য গসপেলস'', ডাউনয়ার্স গ্রোভ, আইএল: ইন্টারভার্সিটি, ২০০৮, পৃষ্ঠা ২৫
*আমি সত্যিই [সি. এ.] গিসচেনের যুক্তিটিকে অত্যন্ত উসকানিমূলক ও বিশ্বাসযোগ্য বলে মনে করেছি, পল মানুষ হওয়ার আগে যিশুকে একজন ফেরেশতা হিসেবে বুঝতেন। তাঁর যুক্তিগুলো সুসান আর. গ্যারেটের বই ''নো অর্ডিনারি অ্যাঞ্জেলে'' একটি অত্যন্ত আকর্ষণীয় আলোচনার মাধ্যমে সমর্থিত ও অগ্রসর হয়েছে।
**{{cite web|last=এহরম্যান|first=বার্ট ডি.|title=Christ as an Angel in Paul|trans-title=পলের মধ্যে ফেরেশতা হিসেবে খ্রিস্ট|url=https://ehrmanblog.org/christ-as-an-angel-in-paul-2/|website=The Bart Ehrman Blog|accessdate=9 May 2017|date=৭ জুন ২০১৪}}
*আদি খ্রিস্টধর্ম সম্পর্কে আধুনিক বোঝাপড়ার ক্ষেত্রে সম্ভবত সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হলো এই উপলব্ধি, আগে যা ভাবা হয়েছিল তার বিপরীতে, এই ধর্মটি ব্যতিক্রমীভাবে বৈচিত্র্যময় ছিল।
**{{cite book|last=এহরম্যান|first=বার্ট ডি.|title=আফটার দ্য নিউ টেস্টামেন্ট: আ রিডার ইন আর্লি ক্রিস্টিয়ানিটি|url=https://books.google.com/books?id=2n_YAAAAMAAJ|year=1999|publisher=অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস|isbn=978-0-19-511445-4|page=১৩১|chapter=দ্য ডাইভার্সিটি অব আর্লি ক্রিস্টিয়ানিটি: রাইটিংস লেটার ডিমড হেরেটিক্যাল}}
*আদি খ্রিস্টধর্ম এখন আর মূলত একক নয়, বরং ব্যাপকভাবে বৈচিত্র্যময় বলে মনে হয়, যেমনটি ইউসেবিয়াস আমাদের বিশ্বাস করাতে চেয়েছিলেন। আমাদের একেবারে পুরোনো সূত্রগুলোতে এটি দেখা যায়।
**{{cite book|last=এহরম্যান|first=বার্ট ডি.|title=দ্য গ্রেট কোর্সেস: লস্ট ক্রিস্টিয়ানিটিজ গাইডবুক|date=২০০২|publisher=দ্য টিচিং কোম্পানি|page=৮৩|url=https://guidebookstgc.snagfilms.com/৬৫৯৩_LostChristianities.pdf|chapter=লেকচার ১৯: দ্য রাইজ অব আর্লি ক্রিস্টিয়ান অর্থোডক্সি|quote=[লস্ট ক্রিস্টিয়ানিটিজ: ক্রিস্টিয়ান স্ক্রিপচারস অ্যান্ড দ্য ব্যাটলস ওভার অথেন্টিকেশন]}}
*''আচার্য এস (দ্য ক্রাইস্ট কনস্পিরেসি) এবং টিমোথি ফ্রেক ও পিটার গ্যান্ডির (দ্য জিসাস মিস্ট্রিজ) মতো লেখকদের সম্পর্কে কী বলবেন, যারা বলেন যে যিশু কখনোই ছিলেন না এবং খ্রিস্টধর্ম একটি উদ্ভাবিত ধর্ম ছিল, যা গ্রিক রহস্য ধর্মের ইহুদি সমতুল্য?'' এটি একটি পুরোনো যুক্তি, যদিও এটি প্রতি ১০ বছর বা তার কাছাকাছি সময়ে আবির্ভূত হয়। এই বর্তমান উন্মাদনা যে খ্রিস্টধর্ম এই অন্যান্য রহস্য ধর্মগুলোর মতো একটি রহস্য ধর্ম ছিল—যারা এটি বলছেন তারা প্রায় সবসময়ই এমন মানুষ যারা রহস্য ধর্ম সম্পর্কে কিছুই জানেন না; তারা কয়েকটি জনপ্রিয় বই পড়েছেন, কিন্তু তারা রহস্য ধর্মের পণ্ডিত নন। বাস্তবতা হলো, আমরা রহস্য ধর্ম সম্পর্কে খুব কমই জানি—রহস্য ধর্মের মূল বিষয়টিই হলো তারা গোপন! তাই আমি মনে করি এমন একটি দাবি করার জন্য অজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে তৈরি করাটা পাগলামি। আমি মনে করি যিশু যে অস্তিত্বশীল ছিলেন তার প্রমাণ এতটাই অপ্রতিরোধ্য, তিনি অস্তিত্বশীল ছিলেন না তা নিয়ে কথা বলাটা বোকামি। আমি এমন কোনো দায়িত্বশীল ইতিহাসবিদকে চিনি না, যিনি ঐতিহাসিকভাবে প্রশিক্ষিত, অথবা পেশাদার বাইবেল পণ্ডিত হিসেবে কাজ করেন, যিনি এর কোনোটিতে বিশ্বাস করেন।
::বার্ট এহরম্যান, ডেভিড ভি. ব্যারেটের সাথে সাক্ষাৎকার, "দ্য গসপেল অ্যাকর্ডিং টু বার্ট", ''ফোর্টিন টাইমস'' (২২১), ২০০৭
*আমি মনে করি না এমন কোনো গম্ভীর ইতিহাসবিদ আছেন যিনি যিশুর অস্তিত্ব নিয়ে সন্দেহ করেন। এমন অনেক মানুষ আছেন যারা চাঞ্চল্যকর বই লিখতে চান এবং অনেক অর্থ উপার্জন করতে চান যারা বলেন যিশুর অস্তিত্ব ছিল না। তবে আমি কোনো গম্ভীর পণ্ডিতকে চিনি না যিনি যিশুর অস্তিত্ব নিয়ে সন্দেহ করেন।
::বার্ট এহরম্যান, রেজিনাল্ড ভি. ফিনলে সিনিয়রের সাথে সাক্ষাৎকার, "হু চেঞ্জড দ্য নিউ টেস্টামেন্ট অ্যান্ড হোয়াই", দ্য ইনফিদেল গাই শো, ২০০৮
*পশ্চিমা বিশ্বের কোনো স্বীকৃত উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিউ টেস্টামেন্ট বা আদি খ্রিস্টধর্ম বা এমনকি ক্লাসিক পড়ান এমন একজন পুরাণবাদীও নেই। আর এর কারণ কী তা আশ্চর্যের কিছু নয়। এই দৃষ্টিভঙ্গিগুলো এতটাই চরম এবং ৯৯.৯৯ শতাংশ প্রকৃত বিশেষজ্ঞদের কাছে এতটাই অবিশ্বস্ত, এগুলো ধারণকারী যে কারো ধর্মতত্ত্বের একটি প্রতিষ্ঠিত বিভাগে শিক্ষকতার চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা ঠিক ততটাই, যতটা একজন ছয়-দিনের সৃজনবাদীর জীববিজ্ঞানের কোনো প্রকৃত বিভাগে চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা।
::বার্ট ডি. এহরম্যান, "ডিড জিসাস এক্সিস্ট", হাফিংটন পোস্ট, ২০ মার্চ ২০১২
* এর অনেক প্রমাণ আছে। এত প্রমাণ আছে... আমি জানি আপনি যে ভিড়ে ঘুরে বেড়ান, সেখানে সাধারণত মনে করা হয় যিশুর অস্তিত্ব ছিল না। আমি আপনাকে বলি, আপনি একবার আপনার দলের বাইরে গেলে সেখানে কেউ নেই। প্রাচীনকালের পণ্ডিতদের কাছে এটি কোনো সমস্যাই নয়। পশ্চিমা বিশ্বের কোনো কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাসিক, প্রাচীন ইতিহাস, নতুন নিয়ম, আদি খ্রিস্টধর্ম বা কোনো সম্পর্কিত ক্ষেত্রে শিক্ষকতা করেন এমন কোনো পণ্ডিত নেই যিনি যিশু সত্যিই ছিলেন কি না তা নিয়ে সন্দেহ করেন। এখন এটি কোনো প্রমাণ নয়। শুধু সবাই এমনটা মনে করে বলেই এটি প্রমাণ হয়ে যায় না। তবে আপনি যদি সৃষ্টিবাদের তত্ত্বের বিপরীতে বিবর্তনের তত্ত্ব সম্পর্কে জানতে চান, এবং বিশ্বের প্রতিটি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি পণ্ডিত বিবর্তনে বিশ্বাস করেন, তবে এটি প্রমাণ নাও হতে পারে। তবে আপনার যদি ভিন্ন মত থাকে, তবে আপনার নিজের কাছে একটি বেশ ভালো প্রমাণ থাকা উচিত... মানুষ যিশুর অস্তিত্বে বিশ্বাস করে কারণ তিনি আদি সূত্রগুলোতে প্রচুরভাবে প্রমাণিত... আদি ও স্বাধীন সূত্রগুলো নিশ্চিতভাবে নির্দেশ করে, যিশু অস্তিত্বশীল ছিলেন। [[টারসাসের পল|একজন লেখকের]] কথা আমরা জানি, যিনি যিশুর ভাইকে চিনতেন। আর যিশুর সবচেয়ে কাছের শিষ্য পিটারকে চিনতেন। তিনি যিশুর সবচেয়ে কাছের শিষ্য এবং তাঁর ভাই দুজনেরই একজন প্রত্যক্ষদর্শী। তাই, আমি দুঃখিত কিন্তু, আমি আপনার অবিশ্বাসের প্রতি সম্মান জানাই, কিন্তু আপনি যদি প্রমাণের দিকে যেতে চান... আমি মনে করি নাস্তিকরা পুরাণবাদের দলে ভিড়ে নিজেদের ক্ষতি করেছেন কারণ, সত্যি বলতে, এটি আপনাকে বাইরের বিশ্বের কাছে বোকা বানায়। আপনি যদি এটিই বিশ্বাস করতে চান, তবে আপনাকে শুধু বোকাই মনে হবে। যিশু ছিলেন না এমন একটি তত্ত্ব নিয়ে আসার চেয়ে ঐতিহাসিক প্রমাণ নিয়ে চলা এবং ঐতিহাসিকভাবে যুক্তি দেওয়াটা আপনার জন্য অনেক ভালো।
** [[বার্ট ডি. এহরম্যান]], [https://www.youtube.com/watch?v=VAhw2cVRVsA ফ্রিডম ফ্রম রিলিজিয়ন ফাউন্ডেশন লেকচার] প্রশ্নোত্তর পর্ব (৩ মে ২০১৪)
*'''ফিনলে:''' চ্যাট রুমে কিছু লোক দ্বিমত পোষণ করছেন, অবশ্যই, কিন্তু তারা বলছেন যে আসলে কোনো শক্ত প্রমাণ নেই, যদিও... আমার মানে... কিন্তু কোনো... কোনো প্রমাণ নেই, সত্যিই, যিশুর অস্তিত্ব ছিল এমন কোনো প্রমাণ নেই, মানুষ তাঁকে নিয়ে যা বলছিল তা ছাড়া। কিন্তু... '''এহরম্যান:''' আমি মনে করি... আমি এর সাথে দ্বিমত পোষণ করি। '''ফিনলে:''' সত্যি? '''এহরম্যান:''' আমার মানে, জুলিয়াস সিজারের অস্তিত্ব ছিল এর কী শক্ত প্রমাণ আছে? '''ফিনলে:''' আচ্ছা, এটি হলো... এটি একই ধরণের যুক্তি যা ধর্মরক্ষকেরা যিশুর অস্তিত্বের জন্য ব্যবহার করেন, যাইহোক। তারা একই কথা বলতে ভালোবাসেন যা আপনি কেবল জুলিয়াস... এর জন্য আপনার কাছে কী ধরনের প্রমাণ আছে তা নিয়ে বললেন। '''এহরম্যান:''' আচ্ছা, আমার মানে, এটি... তবে এটি কেবল একটি সাধারণ... এটি কেবল... এটি একটি ঐতিহাসিক বিষয়; আমার মানে, আপনি অতীতের কোনো ব্যক্তির ঐতিহাসিক অস্তিত্ব কীভাবে প্রতিষ্ঠিত করবেন? '''ফিনলে:''' আমি মনে করি... আমি মনে করি এটি দাবির ওপর নির্ভর করে... ঠিক, এটি নির্দিষ্ট ব্যক্তির সম্পর্কে সেই নির্দিষ্ট সময়ে মানুষের করা দাবি এবং সমাজে তাদের প্রভাবের ওপর নির্ভর করে... '''এহরম্যান:''' এটি কেবল দাবি নয়। এখানে... একজনকে ঐতিহাসিক প্রমাণের দিকে তাকাতে হবে। আর যদি আপনি... আপনি যদি বলেন যে ঐতিহাসিক প্রমাণ গণনা করা হয় না, তবে আমি মনে করি আপনি বিশাল সমস্যায় পড়বেন। কারণ তাহলে, কীভাবে... আমার মানে... তাহলে কেন শুধু হলোকাস্ট অস্বীকার করবেন না?
::বার্ট এহরম্যান, রেজিনাল্ড ভি. ফিনলে সিনিয়রের সাথে সাক্ষাৎকার, "হু চেঞ্জড দ্য নিউ টেস্টামেন্ট অ্যান্ড হোয়াই", দ্য ইনফিদেল গাই শো, ২০০৮
*এমন একটি সমাজে যেখানে মানুষ এখনও দাবি করে, হলোকাস্ট ঘটেনি, এবং যেখানে আমেরিকান প্রেসিডেন্ট আসলে বিদেশি মাটিতে জন্মগ্রহণকারী একজন মুসলিম বলে জোরালো দাবি করা হয়, সেখানে পশ্চিমা সভ্যতার ইতিহাসের সবচেয়ে মহান ব্যক্তিত্ব, এমন একজন মানুষ যাঁর ওপর বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ও প্রভাবশালী সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান—খ্রিষ্টান গির্জা—নির্মিত হয়েছিল, যেই মানুষটি আক্ষরিক অর্থেই আজ কোটি কোটি মানুষের দ্বারা উপাসিত হচ্ছেন—সেই যিশুর অস্তিত্বই ছিল না বলে শোনাটা কি কোনো আশ্চর্যের বিষয়?
::বার্ট ডি. এহরম্যান, "ডিড জিসাস এক্সিস্ট?", হাফিংটন পোস্ট, ৩০ মার্চ ২০১২
==ফ==
*একটি চরমপন্থী সমাধান ছিল যিশু সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য জ্ঞানের সম্ভাবনাকে অস্বীকার করা। আর এর থেকেই খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্বের বিকাশ ঘটে, যা অনুসারে ঐতিহাসিক চরিত্র হিসেবে যিশু কখনো ছিলেনই না এবং গসপেলগুলোর খ্রিস্ট ছিলেন একটি মসিহবাদী সম্প্রদায়ের সামাজিক সৃষ্টি।
::উইলিয়াম আর. ফার্মার, "আ ফ্রেশ অ্যাপ্রোচ টু কিউ", জ্যাকব নিউজনারের ''ক্রিস্টিয়ানিটি, জুডাইজম অ্যান্ড আদার গ্রিকো-রোমান কাল্টস'', ৪, লিডেন: ব্রিল, ১৯৭৫, পৃষ্ঠা ৪৩
*ইতিহাসবিদদের কাছে যিশু সত্যিই বেঁচে ছিলেন কি না তা নিয়ে কোনো গুরুতর প্রশ্ন নেই। বাইবেলে যেভাবে তাঁকে বর্ণনা করা হয়েছে, তিনি সত্যিই তেমন ছিলেন কি না তা নিয়ে সত্যিকারের সমস্যা রয়েছে। তাঁর জীবনের নির্দিষ্ট ঘটনাগুলো নিয়েও সমস্যা রয়েছে। তবে প্রথম শতাব্দীতে গ্যালিলিতে বসবাসকারী একজন বাস্তব মানুষ হিসেবে যিশুকে নিয়ে কোনো গম্ভীর প্রাচীন ইতিহাসবিদ সন্দেহ করেন না।
::ক্রিস ফোর্বস, জন ডিকসনের সাথে সাক্ষাৎকার, "জেইটজিস্ট: টাইম টু ডিসকার্ড দ্য ক্রিস্টিয়ান স্টোরি?", সেন্টার ফর পাবলিক ক্রিস্টিয়ানিটি, ২০০৯
*বুদ্ধ ও খ্রিস্ট উভয়ের ঐতিহাসিক বাস্তবতাকে কখনো কখনো সন্দেহ বা অস্বীকার করা হয়েছে। আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট ও শার্লেমেনকে ঘিরে যেই কিংবদন্তিগুলো জমে উঠেছে, সেগুলোর কারণে তাদের ঐতিহাসিক অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলাটা ততটাই যৌক্তিক হবে... মহান মানুষদের প্রভাব ছাড়া ইতিহাস ব্যাখ্যা করার চেষ্টা সাধারণ মানুষের অহংকারকে খুশি করতে পারে, কিন্তু এটি দার্শনিক ইতিহাসবিদের সমর্থন পাবে না।
::জেমস ফ্রেজার, ''দ্য গোল্ডেন বাউ: আ স্টাডি ইন ম্যাজিক অ্যান্ড রিলিজিয়ন'', ৭ (৩য় সংস্করণ), লন্ডন: ম্যাকমিলান, ১৯১৯, পৃষ্ঠা ৩১১
*আমি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে চাই যে আমার তত্ত্ব নাজারেথের যিশুর ঐতিহাসিক বাস্তবতাকে অনুমান করে... যিনি খ্রিস্টধর্ম প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এবং পন্টিয়াস পিলেটের শাসনামলে জেরুজালেমে ক্রুশবিদ্ধ হয়েছিলেন। ...কেবল খ্রিস্টের জীবন ও মৃত্যুর বিস্তারিত বিবরণগুলোই অনিশ্চয়তার কুয়াশায় ঢাকা রয়েছে এবং সম্ভবত সবসময়ই থাকবে।
**{{cite book|last=ফ্রেজার|first=স্যার জেমস জর্জ|title=দ্য গোল্ডেন বাউ: আ স্টাডি ইন ম্যাজিক অ্যান্ড রিলিজিয়ন|url=https://books.google.com/books?id=UnsIAQAAIAAJ&pg=PA412|volume=9|year=1913|publisher=ম্যাকমিলান অ্যান্ড কোম্পানি, লিমিটেড|page=৪১২ নং ১|quote=[https://books.google.com/books/content?id=UnsIAQAAIAAJ&pg=PA৪১২&img=1&zoom=3&hl=en&sig=ACfU3U3mwBeJYd_Gf9bSe0_vhmTF8jbIPQ&ci=175%2C1058%2C368%2C155&edge=0 পৃষ্ঠা ৪১২]-এর চিত্র গুগল বুকসে}}
*একজন ঐতিহাসিক চরিত্র যিশুর অস্তিত্ব ছিল, এর কোনো বিন্দুমাত্র প্রমাণও নেই। উদাহরণস্বরূপ, খ্রিস্টধর্ম উচ্চ সাহিত্যিক ও ক্যাথার্টিক মানের আখ্যানমূলক কল্পকাহিনির ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। (...) আমাদের কাছে যা আছে তার সাথে ওপরেরগুলোর তুলনা করা সম্ভব নয়, অর্থাৎ, ঐতিহাসিক চরিত্র যিশুর অস্তিত্বের কোনো প্রমাণই নেই।
::ফিশার, রোল্যান্ড (১৯৯৪) "অন দ্য স্টোরি-টেলিং ইম্পারেটিভ দ্যাট উই হ্যাভ ইন মাইন্ড" অ্যানথ্রোপলজি অব কনশাসনেস। ডিসে ১৯৯৪, ভলিউম ৫, নং ৪: ১৬
*[জশুয়া নামটিকে ফিলোর "প্রভুর পরিত্রাণ" হিসেবে ব্যাখ্যার মতে] যেহেতু জশুয়া [হোশেয়া] একজন এত চমৎকার ব্যক্তি, তাই তাঁর এই "সবচেয়ে চমৎকার নামগুলো" (ὄνομα τῆς άρίστης) পাওয়াটাই বেশি মানানসই হবে। [অন দ্য চেঞ্জ অব নেমস - ডি মিউটেশনে নমিনাম - ''মুট.'']
**{{cite book|last=ফারবার|first=জেভ|title=ইমেজেস অব জশুয়া ইন দ্য বাইবেল অ্যান্ড দেয়ার রিসেপশন|url=https://books.google.com/books?id=9rKvDAAAQBAJ&pg=PA159|date=১১ জুলাই ২০১৬|publisher=ডি গ্রুটার|isbn=978-3-11-034336-6|page=১৫৯}}
*যিশু সম্পর্কে আমরা যা জানতে পারি [তার মতে]। উদাহরণস্বরূপ, একজন ইতিহাসবিদ হিসেবে আমি নিশ্চিতভাবে জানি না যে যিশুর সত্যিই অস্তিত্ব ছিল কি না, অথবা তিনি কিছু অতিসক্রিয় কল্পনার ফসল ছাড়া আর কিছু কি না। [...] আমার মতে, নাজারেথের যিশু সম্পর্কে এমন কিছুই নেই যা আমরা সব সন্দেহের ঊর্ধ্বে গিয়ে জানতে পারি।
**{{cite journal|last=ফাঙ্ক|first=রবার্ট ডব্লিউ.|title=The Resurrection of Jesus|trans-title=যিশুর পুনরুত্থান|journal=দ্য ফোর্থ আর|date=জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি ১৯৯৫|volume=8|issue=1|pages=৯|url=https://www.westarinstitute.org/resources/more-about-the-fourth-r/|publisher=[[ওয়েস্টার ইনস্টিটিউট]]}}
*একটি চরমপন্থী সমাধান ছিল যিশু সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য জ্ঞানের সম্ভাবনাকে অস্বীকার করা। আর এর থেকেই খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্বের বিকাশ ঘটে, যা অনুসারে ঐতিহাসিক চরিত্র হিসেবে যিশু কখনো ছিলেনই না এবং গসপেলগুলোর খ্রিস্ট ছিলেন একটি মসিহবাদী সম্প্রদায়ের সামাজিক সৃষ্টি।
::উইলিয়াম আর. ফার্মার, "আ ফ্রেশ অ্যাপ্রোচ টু কিউ", জ্যাকব নিউজনারের ''ক্রিস্টিয়ানিটি, জুডাইজম অ্যান্ড আদার গ্রিকো-রোমান কাল্টস'', ৪, লিডেন: ব্রিল, ১৯৭৫, পৃষ্ঠা ৪৩
* আমার তত্ত্ব নাজারেথের যিশুর ঐতিহাসিক বাস্তবতাকে অনুমান করে।
::ফ্রেজার, স্যার জেমস জর্জ (১৯১৩) ''দ্য গোল্ডেন বাউ: আ স্টাডি ইন ম্যাজিক অ্যান্ড রিলিজিয়ন: ভলিউম ৯'' পৃষ্ঠা ৪১২;
::ফ্রেজার ও অন্যান্যদের মতে, [[আলবার্ট শোয়েইটজার]] তাঁর কাজের ১৯১৩ সালের সংশোধিত সংস্করণ ''গেশিখটে ডের লেবেন-জিসু-ফরশুং'', ২য় সংস্করণে দুটি নতুন অধ্যায় যুক্ত করেছিলেন। "আমি বিশেষভাবে পরবর্তী ইহুদি এস্ক্যাটোলজির আরও পুঙ্খানুপুঙ্খ ব্যাখ্যা করতে চেয়েছিলাম এবং জন এম. রবার্টসন, উইলিয়াম বেঞ্জামিন স্মিথ, জেমস জর্জ ফ্রেজার, আর্থার ড্রিউস ও অন্যান্যদের কাজ নিয়ে আলোচনা করতে চেয়েছিলাম, যারা যিশুর ঐতিহাসিক অস্তিত্ব নিয়ে বিতর্ক করেছিলেন।" (শোয়েইটজার (১৯৩১), ''আউট অব মাই লাইফ অ্যান্ড থট: অ্যান অটোবায়োগ্রাফি'', পৃষ্ঠা ১২৫।)
::"যদিও ফ্রেজার যিশুর অস্তিত্ব নিয়ে সন্দেহ করেননি, বা খ্রিষ্টানরা যিশুর অনৈতিহাসিকতা উদ্ভাবন করেছে বলেও দাবি করেননি, তবুও তাঁর কাজ এমন অনেকের জন্য ধারণা ও উপাত্তের একটি উৎস বই হয়ে উঠেছিল যারা তা করেছিল। আসলে শোয়েইটজার ফ্রেজারকে এমন পণ্ডিতদের একটি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন যারা 'যিশুর ঐতিহাসিক অস্তিত্ব নিয়ে বিতর্ক করেছিলেন'।" - বেনেট, ক্লিনটন (২০০১) ''ইন সার্চ অব জিসাস: ইনসাইডার অ্যান্ড আউটসাইডার ইমেজেস'', পৃষ্ঠা ২০৫)
==গ==
*ড্রিউস, রবার্টসন, ডব্লিউ. বি. স্মিথ, কাউচাউড বা স্টাহলের পদ্ধতিতে কতটা অনুমানমূলক, ভাসা-ভাসা মিল ও বিতর্কিত ব্যাখ্যা প্রবেশ করে তা দেখানো খুব সহজ হবে... একমাত্র যিশুর ব্যক্তিত্বের ঐতিহাসিক বাস্তবতাই আমাদের খ্রিস্টধর্মের জন্ম ও বিকাশ বুঝতে সাহায্য করে। অন্যথায় তা একটি ধাঁধা, এবং আক্ষরিক অর্থেই একটি অলৌকিক ঘটনা হয়ে থাকবে।
::মরিস গোগুয়েল, ''জিসাস দ্য নাজারেথ: মিথ অর হিস্ট্রি?'', লন্ডন: টি. ফিশার আনউইন, ১৯২৬, পৃষ্ঠা ৩০ এবং ২৪৪
*যদিও 'দ্য ক্রাইস্ট মিথ' অনেক অশিক্ষিত মানুষকে শঙ্কিত করেছিল, তবে এটি ঐতিহাসিক মহলে কেবল অলিম্পিয়ান ঘৃণাই জাগিয়েছিল, যারা যিশুর অস্তিত্ব সম্পর্কে নিশ্চিত ছিলেন... খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্বটি তাই ঐতিহাসিক বিশেষজ্ঞদের খুব একটা সমর্থন পায়নি। তাদের মতে, এটি একটি বিকৃত থিসিস প্রমাণের চেষ্টা করেছিল। এটি অত্যন্ত বৈচিত্র্যময় উৎসের পুরাণগুলোর মধ্যে সবচেয়ে অকল্পনীয়, এমনকি উদ্ভট সংযোগ আঁকার মাধ্যমে এগিয়েছিল। তত্ত্বটির গুরুত্ব ইতিহাসবিদদের কাছে এর বিশ্বাসযোগ্যতার মধ্যে ছিল না (কারণ এর কোনো বিশ্বাসযোগ্যতা ছিল না), বরং এই বাস্তবতার মধ্যে ছিল যে এটি ধর্মতত্ত্ববিদদের বিশ্বাস ও ইতিহাসের প্রশ্নগুলোর ওপর নতুন করে চিন্তাভাবনা করার আমন্ত্রণ জানিয়েছিল।
::ব্রায়ান এ. গেরিশ, ''দ্য ওল্ড প্রোটেস্ট্যান্টিজম অ্যান্ড দ্য নিউ: এসেজ অন দ্য রিফর্মেশন হেরিটেজ'', লন্ডন: টি. অ্যান্ড টি. ক্লার্ক, ২০০৪, পৃষ্ঠা ২৩১ এবং ২৩৩
*সংক্ষেপে, আধুনিক সমালোচনামূলক পদ্ধতিগুলো খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্বকে সমর্থন করতে ব্যর্থ হয়। এটি 'প্রথম সারির পণ্ডিতদের দ্বারা বারবার খণ্ডিত ও ধ্বংস করা হয়েছে'। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে 'কোনো গম্ভীর পণ্ডিত যিশুর অস্তিত্বহীনতাকে অনুমান করার সাহস করেননি'—বা অন্তত খুব কম জনই করেছেন। এবং তারা এর বিপরীত অনেক শক্তিশালী, এমনকি অত্যন্ত প্রচুর প্রমাণ খারিজ করতেও সফল হননি।
::মাইকেল গ্রান্ট, ''জিসাস: অ্যান হিস্টোরিয়ানস রিভিউ অব দ্য গসপেলস'', নিউ ইয়র্ক: স্ক্রিবনার, ১৯৯৫, পৃষ্ঠা ২০০
*কেউ যদি প্রাচীনকাল নিয়ে কাজ করা বড় বড় পণ্ডিত সমাজের সদস্যদের জরিপ করতে পারতেন, তবে মুষ্টিমেয় কয়েকজনের বেশি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন হতো যারা বিশ্বাস করেন, নাজারেথের যিশু সাধারণ যুগের প্রথম তিন দশকে ফিলিস্তিনের ধুলোমাখা পথে হাঁটেননি। ঐতিহাসিক চরিত্র হিসেবে যিশুর প্রমাণ অকাট্য।
::ডব্লিউ. ওয়ার্ড গ্যাসক, "দ্য লিডিং রিলিজিয়ন রাইটার ইন কানাডা... ডাজ হি নো হোয়াট হি'স টকিং অ্যাবাউট?", ''হিস্ট্রি নিউজ নেটওয়ার্ক'', ২০০৪
*সম্ভবত এর চেয়েও বেশি আকর্ষণীয় (এবং সম্ভবত হতবাক করার মতো) বিষয় হলো এহরম্যানের দাবি: "পলের মতে যিশু ছিলেন ঈশ্বরের ফেরেশতা। আর তাই পৃথিবীতে আসার আগে তিনিও ঈশ্বরের প্রজ্ঞা [মূর্ত] ছিলেন।"
**ড্যানিয়েল এন. গুলোট্টা (১২ মার্চ ২০১৫)। "[https://web.archive.org/web/20150315020224/https://danielngullotta.com/2015/03/12/review-how-jesus-became-god-the-exaltation-of-a-jewish-preacher-from-galilee/ রিভিউ: হাউ জিসাস বিকেম গড: দ্য এক্সল্টেশন অব আ জিউইশ প্রিচার ফ্রম গ্যালিলি]"। danielngullotta.com। (আর্কাইভের তারিখ ১৫ মার্চ ২০১৫)
*স্টিভ্যান এল. ডেভিসের মতো, আমিও বিশ্বাস করি যে "ঐতিহাসিক যিশু তত্ত্বের কথিত সাধারণ জ্ঞানে পুরাণবাদীরা এমন কিছু সমস্যা খুঁজে পেয়েছেন, যা গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা উচিত।" (স্টিভ্যান ডেভিস, ''স্পিরিট পজেশন অ্যান্ড দ্য অরিজিনস অব ক্রিস্টিয়ানিটি'' (ডাবলিন: বার্ডিক প্রেস, ২০১৪), ৪।)
**{{cite web|last=গুলোট্টা|first=ড্যানিয়েল এন.|title=Why You Should Read Carrier’s On the Historicity of Jesus|trans-title=ক্যারিয়ারের অন দ্য হিস্টোরিসিটি অব জিসাস আপনার কেন পড়া উচিত|url=https://danielngullotta.com/2015/02/04/why-you-should-read-carriers-on-the-historicity-of-jesus/|archiveurl=https://web.archive.org/web/20150214043512/https://danielngullotta.com/2015/02/04/why-you-should-read-carriers-on-the-historicity-of-jesus/|archivedate=14 February 2015|date=২ ফেব্রুয়ারি ২০১৫}}
*[আসুন আমরা স্বীকার করি যে তথাকথিত সব পৌত্তলিক ও ইহুদি প্রমাণ [যিশুর বিষয়ে] আমাদের যিশুর জীবন সম্পর্কে কোনো কার্যকর তথ্য দেয় না, এমনকি তিনি যে বেঁচে ছিলেন তার নিশ্চিততাও দেয় না]।
**{{cite book|author=চার্লস গুইগনেবার্ট|title=জিসাস|url=https://books.google.com/books?id=jYoMvgAACAAJ|year=1933|publisher=লা রেনেসাঁ দু লিভর|page=২৩|volume=এল’এভোলিউশন ডে ল’হিউম্যানিটে. সিন্থেস কালেক্টিভ ২৯|location=প্যারিস}}
*যিশুর অস্তিত্বের বিষয়ে ঐতিহ্যগত প্রমাণের চরম সমালোচনা ব্রুনো বাউয়ারের তৈরি দুটি প্রধান যুক্তির ওপর নির্ভর করে: ১. খ্রিষ্টান লেখাগুলোর বাইরে যিশুর সমসাময়িক সাহিত্য আমাদের তাঁর সম্পর্কে কিছুই বলে না। ২. নতুন নিয়মের সাহিত্য তার অসংগতি, স্ববিরোধিতা, সুস্পষ্ট প্রক্ষিপ্ত অংশ ও বিশাল অসম্ভাব্যতার কারণে একটি বিশ্বাসযোগ্য ঐতিহাসিক উৎস হিসেবে বিবেচিত হতে পারে না।
**{{cite book|last=গুইগনেবার্ট|first=চার্লস|title=লা গ্র্যান্ড রিভ্যু|url=https://catalog.hathitrust.org/Record/007909849|volume=79|year=1913|page=১৭৩|chapter=লে প্রোব্লেম ডে ল'এক্সিসটেন্স ডে জেসাস}}
*[পল-লুই কৌচাউডের লেখার মতে] যিশুর ঐতিহাসিক অস্তিত্ব নিয়ে বিতর্ক... [ফ্রান্সে] একটি নতুন রূপে আবির্ভূত হয়েছিল, যা ড্রিউস, জে. এম. রবার্টসন ও ডব্লিউ. বি. স্মিথের তত্ত্ব থেকে সম্পূর্ণ আলাদা ছিল। যিশুর ইতিহাস একটি পুরাণ—এই থিসিসের নতুন দিকটি বর্ণনা করা এবং এই বিতর্কের উৎপত্তি ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করা বেশ আগ্রহের বিষয়।
::{{cite journal|last=গোগুয়েল|first=মরিস|title=Recent French Discussion of the Historical Existence of Jesus Christ|trans-title=যিশু খ্রিস্টের ঐতিহাসিক অস্তিত্ব নিয়ে সাম্প্রতিক ফরাসি আলোচনা|journal=হার্ভার্ড থিওলজিক্যাল রিভিউ|date=এপ্রিল ১৯২৬|volume=19|issue=02|pages=১১৫|doi=10.1017/S001781600000763X|url=https://www.cambridge.org/core/journals/harvard-theological-review/article/div-classtitlerecent-french-discussion-of-the-historical-existence-of-jesus-christdiv/67E220B531FE6D3C81EE56D5EFFF4FA4}}
* এই [চরমপন্থী ন্যূনতমতাবাদী] উপসংহারগুলো যতই নেতিবাচক মনে হোক না কেন, এদের পুরাণবাদীদের তত্ত্ব থেকে কঠোরভাবে আলাদা করতে হবে। যেসব সমালোচককে আমরা [চরমপন্থী] ন্যূনতমতাবাদী বলতে পারি তাদের মতে, যিশু বেঁচে ছিলেন ঠিকই, কিন্তু তাঁর জীবনী আমাদের কাছে প্রায় পুরোপুরি অজানা। অন্যদিকে পুরাণবাদীরা ঘোষণা করেনতিনি কখনোই অস্তিত্বশীল ছিলেন না এবং তাঁর ইতিহাস, বা আরও নিখুঁতভাবে তাঁর সম্পর্কে গড়ে ওঠা কিংবদন্তিটি বিভিন্ন প্রবণতা ও ঘটনার কারণে তৈরি হয়েছে। যেমন, পুরোনো নিয়মের পাঠ্যের ভবিষ্যদ্বাণীমূলক ব্যাখ্যা, দর্শন, পরমানন্দ, অথবা প্রথম খ্রিষ্টানদের বসবাসের শর্তগুলো তাদের তথাকথিত প্রতিষ্ঠাতার গল্পের ওপর আরোপ করা।
::{{cite journal|last=গোগুয়েল|first=মরিস|title=Recent French Discussion of the Historical Existence of Jesus Christ|trans-title=যিশু খ্রিস্টের ঐতিহাসিক অস্তিত্ব নিয়ে সাম্প্রতিক ফরাসি আলোচনা|journal=হার্ভার্ড থিওলজিক্যাল রিভিউ|date=এপ্রিল ১৯২৬|volume=19|issue=02|pages=১১৫–১৪২|doi=10.1017/S001781600000763X|url=https://www.cambridge.org/core/journals/harvard-theological-review/article/div-classtitlerecent-french-discussion-of-the-historical-existence-of-jesus-christdiv/67E220B531FE6D3C81EE56D5EFFF4FA4}}
==হ==
*সেই সময়ে 'খ্রিস্ট-পুরাণ' তত্ত্বের পুনরুত্থান বাইবেল সমালোচনার প্রতিরক্ষায় কোনো সাহায্য করেনি। এই তত্ত্বে যিশুর অস্তিত্ব কখনোই ছিল না বলে দাবি করা হয়েছিল। তবে ইংল্যান্ডে এই দাবি কট্টর কিন্তু স্বাধীন এফ. সি. কনিবেয়ার দ্বারা খণ্ডিত হয়েছিল।
::উইলিয়াম হরবারি, "দ্য নিউ টেস্টামেন্ট", আর্নেস্ট নিকলসনের ''আ সেঞ্চুরি অব থিওলজিক্যাল অ্যান্ড রিলিজিয়াস স্টাডিজ ইন ব্রিটেনে'', অক্সফোর্ড: অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস, ২০০৩, পৃষ্ঠা ৫৫
*যিশু কখনোই ছিলেন না—এই থিসিসটি অন্তত এক শতাব্দী ধরে নতুন নিয়মের গবেষণার প্রান্তে ঘোরাফেরা করলেও, এটি কখনোই মূলধারার তত্ত্ব হিসেবে গৃহীত হয়নি। এর ভালো কারণও আছে। এটি নিছক একটি খারাপ অনুমান, যা নীরবতা, বিশেষ সুবিধা ও প্রচুর কাল্পনিক আশার ওপর ভিত্তি করে তৈরি। এটি সত্যিই বিদ্রূপাত্মক যে কিছু নাস্তিক এই ধারণায় বিশ্বাস করে তাদের [[সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনা|সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনার]] সব দাবি পিছনে ফেলে দেয়।
::জেমস হ্যানাম, "ইজ জিসাস ক্রাইস্ট আ মিথ?" (প্রথম পর্ব), প্যাথিওস, ২০১০, অনুচ্ছেদ ১
*আমার এ কথাও উল্লেখ করা উচিত, অস্তিত্বহীনতা থিসিসের প্রতি পণ্ডিতদের সংকোচের সবচেয়ে বড় কারণটি সাধারণ জ্ঞানের চেয়ে একাডেমিক নিয়োগের (এর নিরাপত্তার ক্ষেত্রে) সাথে বেশি সম্পর্কিত। ঠিক যেমনটি স্ট্রসের মতো মধ্যপন্থী হেগেলিয়ানরা আবিষ্কার করেছিলেন।
::আর. জোসেফ হফম্যান - ভ্রিডারের পোস্ট "ক্রাইস্ট মিথ অ্যান্ড হলোকাস্ট ডিনায়ালে" আরজোসেফহফম্যানের মন্তব্য — ১৭ জুন ২০১০
*ড. ওয়েলস সেখানে উপস্থিত ছিলেন [অর্থাৎ মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সিম্পোজিয়ামে] এবং তিনি তাঁর চরমপন্থী থিসিস উপস্থাপন করেন, হয়তো যিশু কখনোই ছিলেন না। আজকাল কার্যত কেউই এই অবস্থান সমর্থন করেন না। বলা হয় যে কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. মর্টন স্মিথ, যিনি নিজেও একজন সংশয়বাদী, এর উত্তরে বলেছিলেন যে ড. ওয়েলসের দৃষ্টিভঙ্গি "উদ্ভট"।
::গ্যারি হ্যাবারমাস, ''ডিড জিসাস রাইজ ফ্রম দ্য ডেড?: দ্য রেজারেকশন ডিবেটে'', সান ফ্রান্সিসকো: হার্পারকলিন্স, ১৯৮৯, পৃষ্ঠা ৪৫
*যিশু ফিলিস্তিনের অ-ইহুদি জনসংখ্যার মধ্যে জন্মগ্রহণ করেছিলেন, বা যিশু কখনোই ছিলেন না বরং তিনি কেবল একটি পৌরাণিক সৃষ্টি—মাঝে মাঝে এমন প্রান্তিক প্রচেষ্টা বাদ দিলে, নাজারেথের যিশু যে প্রথম শতাব্দীতে ইসরায়েল ভূমিতে একজন ইহুদি হিসেবে জন্মগ্রহণ করেছিলেন, বেঁচে ছিলেন, শিক্ষা দিয়েছিলেন এবং মারা গিয়েছিলেন, তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।
::ড্যানিয়েল জে. হ্যারিংটন, "রিট্রিভিং দ্য জিউইশনেস অব জিসাস: রিসেন্ট ডেভেলপমেন্টস", ব্রায়ান এফ. লে বেউ, লিওনার্ড জে. গ্রিনস্পুন ও ডেনিস হ্যামের ''দ্য হিস্টোরিক্যাল জিসাস থ্রু ক্যাথলিক অ্যান্ড জিউইশ আইজে'', হ্যারিসবার্গ, পিএ: ট্রিনিটি প্রেস ইন্টারন্যাশনাল, ২০০০, পৃষ্ঠা ৬৭
*পুরাণবাদীদের—অর্থাৎ যিশুকে অস্বীকারকারীদের—যুক্তিতে থাকা পদ্ধতিগত দুর্বলতাগুলো নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করাটা প্রায় নিষ্ঠুরতার শামিল। এরা ঈশ্বরকে অস্বীকার করা এবং যিশুকে অস্বীকার করাকে এমনভাবে গুলিয়ে ফেলে, যেন দুটি বিষয় একই আলোচনার স্তরে রয়েছে এবং একই ধরনের প্রমাণ দ্বারা এগুলো প্রমাণ করা সম্ভব। সত্যিই খুব অস্বস্তিকর ব্যাপার—কারণ যেই মানুষেরা ধর্মবিশ্বাসীদের সামনে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি তুলে ধরেন, তারাই আবার পাঠ্যগত ও ভাষাতাত্ত্বিক অধ্যয়নের জটিল প্রমাণগুলোকে এমনভাবে এড়িয়ে যেতে চান যেন সেগুলোর কোনো অস্তিত্বই নেই। ...তাদের নিজেদের ক্ষেত্রে, এটি এমন হবে যেন ফ্ল্যাট আর্থ থিওরি ও স্বতঃস্ফূর্ত প্রজন্মের সমর্থকদের মঞ্চে সমান সময় দেওয়া হয়েছে এবং জ্যোতির্বিদ্যা ও জীববিদ্যাকে উপহাস করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু—তাদের দুর্বল যুক্তিগুলো এমনটাই মনে হয়—যেহেতু এটি বাইবেল অধ্যয়ন, তাই এখানে কতটা গম্ভীর হওয়ারই বা প্রয়োজন আছে?
::আর. জোসেফ হফম্যান, "মিথটিক পিৎজা অ্যান্ড কোল্ড-ককড স্কলারস", ''দ্য নিউ অক্সোনিয়ান'', ২০১২
*আমি মনে হয় একা নই যিনি মনে করেনবর্তমান "পুরাণবাদী" প্রবক্তাদের ভুল তথ্য ও অযৌক্তিক প্রকৃতি দেখানোটা অনেকটা পৃথিবী যে সমতল নয়, বা সূর্য যে পৃথিবীর চারদিকে ঘোরে না, বা চাঁদে অবতরণ যে কোনো সিনেমার সেটে হয়নি—তা প্রমাণ করার মতোই বিরক্তিকর।
::ল্যারি হুরতাদো, "দ্য 'ডিড জিসাস এক্সিস্ট' কন্ট্রোভার্সি অ্যান্ড ইটস প্রেসিডেন্টস", ল্যারি হুরতাদোস ব্লগ, ২৩ জুলাই ২০১২
*সম্ভবত সবচেয়ে বিভ্রান্তিকর দাবি [পুরাণবাদীদের দ্বারা উপস্থাপিত], যা এত গুরুত্ব সহকারে দাবি না করা হলে মজাদার হতে পারত, তা হলো ১৯৮০-এর দশকের কোনো এক সময়ে একটি বিশাল ষড়যন্ত্রের ("নব্য ইভ্যাঞ্জেলিক্যাল" স্বার্থান্বেষীদের দ্বারা) মাধ্যমে ধর্ম, ক্লাসিকস, প্রাচীন ইতিহাস ইত্যাদি বিভাগে পণ্ডিতদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। এটি ইহুদি পণ্ডিত এবং কোনো ধর্মীয় অনুষঙ্গ নেই এমন মানুষের মধ্যেও নাজারেথের যিশুর ঐতিহাসিক অস্তিত্বকে সমর্থন করতে পণ্ডিতদের মতামতকে প্রভাবিত করতে সক্ষম হয়েছিল। হুম। এটি তো টুইন টাওয়ার সিআইএ দ্বারা ধ্বংস করা হয়েছিল এমন ধারণার মতোই! (আজকাল কি কিছু জায়গার পানীয় জলে কিছু মেশানো হচ্ছে?) নিশ্চিতভাবেই, বর্তমান "পুরাণবাদী" বিতর্কে জড়িত অনেকেই (যেমন মরিস কেসি) এটি জেনে অবাক হবেন, তাদের নিজেদের অজান্তেই তাদের মতামত এই "নব্য ইভ্যাঞ্জেলিক্যাল" গোপন দলের দ্বারা প্রভাবিত হয়েছে, যারা ঐতিহ্যগত খ্রিস্টধর্মকে টিকিয়ে রাখতে আগ্রহী!
::ল্যারি হুরতাদো, "দ্য 'ডিড জিসাস এক্সিস্ট' কন্ট্রোভার্সি-অ্যানকোর", ল্যারি হুরতাদোস ব্লগ, ২৩ জুলাই ২০১২
*[ফিলিপীয় ২] ৬-৭ পদে যিশুকে কোনো না কোনোভাবে মর্যাদা বা রূপে "ঐশ্বরিক" এবং পরে মানুষ হওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। আমরা জানি যে যিশুর এই ধরনের দৃষ্টিভঙ্গি শুরুতেই উপস্থিত হয়েছিল [...] প্রকৃতপক্ষে, এই পদগুলোতে ব্যাখ্যা ছাড়াই সংক্ষিপ্ত বাক্যাংশের ব্যবহার (যেমন, "ঈশ্বরের রূপে") থেকে বোঝা যায় পাঠকেরা কীসের কথা বলা হচ্ছে তা বুঝতে পারবেন বলে আশা করা হয়েছিল। এর অর্থ হলো এই পত্রের অনেক আগেই যিশুর "পূর্ব-অস্তিত্বের" ধারণা খ্রিষ্টান বিশ্বাসের একটি অংশে পরিণত হয়েছিল।
**{{cite book|last=হুরতাদো|first=ল্যারি ডব্লিউ.|title=হাউ অন আর্থ ডিড জিসাস বিকেম আ গড?: হিস্টোরিক্যাল কোয়েশ্চেনস অ্যাবাউট আর্লিয়েস্ট ডিভোশন টু জিসাস|url=https://books.google.com/books?id=Xi5xIxgnNgcC&pg=PA102|date=২ নভেম্বর ২০০৫|publisher=ডব্লিউএম. বি. ইয়ার্ডম্যানস পাবলিশিং|isbn=978-0-8028-2861-3|page=১০১}}
*জেমস যে যিশুর ভাই, সেই ধারণার ভিত্তি নির্ভর করে পলের চিঠির প্রাথমিক উল্লেখগুলোর ওপর, বিশেষ করে গালাতীয় ১:১৯ পদের ওপর। [...] "ঐতিহাসিক" যিশুর প্রতি পলের সম্পূর্ণ অবহেলার আলোকে... এটি অকল্পনীয় যে তিনি জেমস এবং "প্রভুর" মধ্যে একটি জৈবিক সম্পর্ক দাবি করবেন।
**{{cite web|last=হফম্যান|first=আর. জোসেফ|title=The Jesus Tomb Debacle: RIP|trans-title=যিশুর সমাধির বিপর্যয়: শান্তিতে ঘুমান|url=https://rjosephhoffmann.wordpress.com/2009/05/15/the-jesus-tomb-debacle-rip/|website=The New Oxonian|accessdate=14 April 2017|date=১৫ মে ২০০৯}}
*[জি. এ.] ওয়েলস বিশ্বাস করেন, পলের লেখায় যিশুর ঐতিহাসিক বিবরণের তুলনামূলক অভাবের মানে হলো, তিনি যিশুর জীবন সম্পর্কে প্রায় কিছুই জানতেন না। এর মধ্যে তাঁর জন্ম, মৃত্যুর সময়, বা তাঁর পুনরুত্থান দর্শনের ঘটনা কবে ঘটেছিল—কোনোটিরই উল্লেখ নেই। পল যিশুকে "একজন অতিপ্রাকৃত সত্তা হিসেবে কল্পনা করেছিলেন, যিনি মানুষের রূপে পৃথিবীতে একটি সংক্ষিপ্ত ও অস্পষ্ট সময় কাটিয়েছিলেন এবং ক্রুশবিদ্ধ হয়েছিলেন" বলে বলা হয়, এমনকি পলের নিজের সময়ের কয়েক শতাব্দী আগেও।
**{{cite book|last=হ্যাবারমাস|first=গ্যারি আর.|title=দ্য হিস্টোরিক্যাল জিসাস: অ্যানসিয়েন্ট এভিডেন্স ফর দ্য লাইফ অব ক্রাইস্ট|url=http://books.google.com/books?id=pMMeqKHZIDkC&pg=PA28|year=1996|publisher=কলেজ প্রেস|isbn=978-0-89900-732-8|page=২৮}}
*সেই সময়ে 'খ্রিস্ট-পুরাণ' তত্ত্বের পুনরুত্থান বাইবেল সমালোচনার প্রতিরক্ষায় কোনো সাহায্য করেনি। এই তত্ত্বে যিশুর অস্তিত্ব কখনোই ছিল না বলে দাবি করা হয়েছিল। তবে ইংল্যান্ডে এই দাবি কট্টর কিন্তু স্বাধীন এফ. সি. কনিবেয়ার দ্বারা খণ্ডিত হয়েছিল।
::উইলিয়াম হরবারি, "দ্য নিউ টেস্টামেন্ট", আর্নেস্ট নিকলসনের ''আ সেঞ্চুরি অব থিওলজিক্যাল অ্যান্ড রিলিজিয়াস স্টাডিজ ইন ব্রিটেনে'', অক্সফোর্ড: অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস, ২০০৩, পৃষ্ঠা ৫৫
==ই==
* আমি নিশ্চিত, প্রাচীন ইতিহাসের অন্যান্য চরিত্রগুলোর (যেমন আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট, টলেমি, ক্লিওপেট্রা, নিরো ইত্যাদি) ওপর যদি প্রাইসের সম্পূর্ণ সংশয়বাদকে ন্যায্য ও ধারাবাহিকভাবে প্রয়োগ করা হতো, তবে তারা সবাই 'বিলীন বিন্দুতে' পরিণত হতো। প্রাইসের অধ্যায়টি তার একটি নিখুঁত উদাহরণ, মানুষ যা বিশ্বাস করতে চায় না, তা বিশ্বাস না করার জন্য সবসময়, ''সবসময়'' কীভাবে অজুহাত খুঁজে পেতে পারে, তা সে যিশুর অস্তিত্বই হোক বা হলোকাস্টের অস্তিত্বই হোক।
::ডেনিস ইঙ্গোলফস্ল্যান্ড, "ফাইভ ভিউজ অব দ্য হিস্টোরিক্যাল জিসাস", দ্য রিক্লাইনার কমেন্টারিজ, ২০০৯
==জ==
*অন্য সবকিছুর মতোই, পাণ্ডিত্যও ফ্যাশনের অধীন। উনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে এবং বিংশ শতাব্দীর শুরুতে যিশুর অস্তিত্ব অস্বীকার করাটা কারো কারো জন্য ফ্যাশনে পরিণত হয়েছিল। এখন কোনো গম্ভীর পণ্ডিতই সেই দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করেন না। আর যিশুর অস্তিত্বের এত প্রচুর প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও, কীভাবে এই ধারণাটি একবারের জন্য হলেও প্রতিষ্ঠা পেয়েছিল, তা বোঝা বেশ কঠিন।
::পল জনসন, ''জিসাস: আ টুয়েন্টিফার্স্ট সেঞ্চুরি বায়োগ্রাফি'', নিউ ইয়র্ক: ভাইকিং, ২০১০, ভূমিকা
*সবচেয়ে পুরোনো টিকে থাকা গসপেল মার্কের গসপেল [সম্পর্কে]? এটি সম্ভবত ৯০ খ্রিস্টাব্দের দিকে তার চূড়ান্ত রূপ পেয়েছিল, কিন্তু এর মূল উপাদানগুলো সম্ভবত ৭০ খ্রিস্টাব্দের মতো পুরোনো। যেমনটি আমরা দেখেছি, এটি যিশুর প্রায় পুরো ঐতিহ্যবাহী জীবনীটি বাদ দেয়। জন দ্য ব্যাপটিস্ট যিশুকে দীক্ষা দিচ্ছেন এমন ঘটনা দিয়ে গল্প শুরু হয় এবং সবচেয়ে পুরোনো পাণ্ডুলিপিগুলোতে—নারীরা খালি সমাধি থেকে ভয় পেয়ে ছুটে পালাচ্ছেন এমন ঘটনা দিয়ে শেষ হয়।
**{{cite web|last=জিন্ডলার|first=ফ্র্যাঙ্ক|title=Did Jesus Exist?|trans-title=যিশুর কি অস্তিত্ব ছিল?|url=https://www.atheists.org/activism/resources/did-jesus-exist/|website=American Atheists|accessdate=3 December 2017}} [প্রথম প্রকাশিত: আমেরিকান অ্যাথিস্ট ম্যাগাজিনের গ্রীষ্মকালীন ১৯৯৮ সংস্করণ]
*এপিফ্যানিয়াসের মতে, খ্রিষ্টানদের ক্রিস্টিয়ানোই (Christianoi) বলার আগে তাদের ইয়েসাইওই (Iessaioi)—জেসিয়ানস বলা হতো।
**{{cite book|last=জিন্ডলার|first=ফ্র্যাঙ্ক আর.|editor=Frank R. Zindler; Robert M. Price|title=বার্ট এহরম্যান অ্যান্ড দ্য কোয়েস্ট অব দ্য হিস্টোরিক্যাল জিসাস অব নাজারেথ: অ্যান ইভ্যালুয়েশন অব এহরম্যান'স ডিড জিসাস এক্সিস্ট?|url=https://books.google.com/books?id=drmfkwEACAAJ|year=2013|publisher=আমেরিকান অ্যাথিস্ট প্রেস|isbn=978-1-57884-019-9|page=১৭৫|chapter=কগনিটিভ ডিসোন্যান্স: দ্য এহরম্যান জিন্ডলার করসপন্ডেন্স}}
==ক==
*আজকাল কেবল একজন খামখেয়ালী মানুষই দাবি করতে পারেন যে যিশু কখনোই ছিলেন না।
::লিয়েন্ডার কেক, ''হু ইজ জিসাস?: হিস্ট্রি ইন পারফেক্ট টেন্স'', কলাম্বিয়া, এসসি: ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ক্যারোলিনা প্রেস, ২০০০, পৃষ্ঠা ১৩
*অবশ্যই, যিশু কখনোই ছিলেন না এবং তিনি কেবল নিহত ও পুনরুত্থিত হওয়া কোনো দেবতা সম্পর্কে পৌত্তলিক গল্পগুলোর একটি মিশ্রণ—এমন কোনো ধারণাকে কখনোই সহ্য করা যায় না।
::জোসেফ ক্লাজনার, ''ফ্রম জিসাস টু পল'', নিউ ইয়র্ক: মেনোরাহ, ১৯৪৩, পৃষ্ঠা ১০৭
*এই শতাব্দীর প্রথম দিকে বিভিন্ন থিসিস প্রস্তাব করা হয়েছিল, যার সবগুলোই দাবি করত যে যিশু কখনোই বেঁচে ছিলেন না এবং যিশুর গল্পটি একটি পুরাণ বা কিংবদন্তি। এসব দাবি অনেক আগেই ঐতিহাসিক অর্থহীন হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। নাজারেথের যিশু যে আমাদের যুগের প্রথম তিন দশকে, সম্ভবত খ্রিস্টপূর্ব ৬-৭ থেকে খ্রিস্টাব্দ ৩০ সাল পর্যন্ত ফিলিস্তিনে বাস করতেন, তা নিয়ে কোনো যুক্তিসঙ্গত সন্দেহ থাকতে পারে না। এটি একটি সত্য।
::ওয়াল্টার ক্যাস্পার, ''জিসাস দ্য ক্রাইস্ট'', মাহওয়াহ, এনজে: পলিস্ট প্রেস, ১৯৭৬, পৃষ্ঠা ৬৫
*যেমনটি [বার্ট] এহরম্যান নিজেই উল্লেখ করেছেন, জোসেফাস যিশু সম্পর্কে তাঁর তথ্য প্রত্যক্ষদর্শীদের বা তাদের সরাসরি সহযোগীদের কাছ থেকে পাননি (কারণ তিনি তাদের মারা যাওয়ার অনেক পরে বেঁচে ছিলেন), বরং সম্ভবত মুখে মুখে ছড়ানো গল্পের মাধ্যমে পেয়েছিলেন। [...] জোসেফাস যিশুর জীবনের সময়রেখা থেকে এতটাই দূরে ছিলেন, তিনি এসব গল্পের সত্যতা সরাসরি যাচাই করতে পারতেন না। [...] এহরম্যান নিজেই আমাদের বলেন, "রোমান রেকর্ড পরীক্ষা করে জোসেফাস যিশুর জীবন সম্পর্কে কোনো প্রাথমিক গবেষণা করেছিলেন (কারণ কোনো রেকর্ড ছিল না), এমন কোনো প্রমাণ নেই।" (৬৫) [এহরম্যান, ২০১২।]
::{{cite book|last=এহরম্যান|first=বার্ট ডি.|title=ডিড জিসাস এক্সিস্ট?: দ্য হিস্টোরিক্যাল আর্গুমেন্ট ফর জিসাস অব নাজারেথ|url=http://books.google.com/books?id=hf5Rj8EtsPkC|date=২০ মার্চ ২০১২|publisher=হার্পারকলিন্স|isbn=978-0-06-208994-6|page=৬৫}}
:*{{cite web|last=কেনেডি|first=বিল|title=The Myth of Jesus Examined|trans-title=যিশুর অনৈতিহাসিকতার পরীক্ষা|url=https://www.academia.edu/35137959/The_Myth_of_Jesus_Examined|accessdate=24 November 2017|publisher=[[অ্যাকাডেমিয়া.এডু|অ্যাকাডেমিয়া.এডু]]}}
==ল==
*ঐতিহাসিক প্রমাণ যিশুর অলৌকিক প্রকৃতি সম্পর্কে দাবিগুলোকে—বিশেষ করে তাঁর পুনরুত্থানকে—কতটা সমর্থন করে, তা নিয়ে ইতিহাসবিদদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। তবে আমরা যখন প্রশ্ন তুলি যে একজন ঐতিহাসিক যিশু ছিলেন কি না, তখন আমরা একটি পরিষ্কার ঐকমত্য দেখতে পাই। তাদের বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ বিশ্বাস করে, অন্তত যিশুর অস্তিত্ব ও ক্রুশবিদ্ধ হওয়াটা দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত (রবার্ট এম. প্রাইস হলেন এর একটি বিরল ব্যতিক্রম)।
::স্টিফেন ল, "এভিডেন্স, মিরাকলস অ্যান্ড দ্য এক্সিস্টেন্স অব জিসাস", ''ফেইথ অ্যান্ড ফিলোসফি'' ২০১১, ভলিউম ২৮, ইস্যু ২।
*আপনি জানেন যে আপনি আপনার পক্ষপাত কমানোর চেষ্টা করতে পারেন, কিন্তু সেগুলো পুরোপুরি দূর করতে পারবেন না। এই কারণেই আপনাকে কিছু যাচাই-বাছাই ও ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে... এই পদ্ধতির অধীনে, আমরা কেবল সেই তথ্যগুলোই বিবেচনা করি যা দুটি মানদণ্ড পূরণ করে। প্রথমত, সেগুলোকে সমর্থন করার মতো খুব শক্তিশালী ঐতিহাসিক প্রমাণ থাকতে হবে। এবং দ্বিতীয়ত, প্রমাণটি এতই শক্তিশালী হতে হবে, এই বিষয়ে আজকের বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠ পণ্ডিত—এমনকি সংশয়বাদীরাও—এগুলোকে ঐতিহাসিক সত্য হিসেবে গ্রহণ করেন। আপনি কখনোই সবাইকে একমত করতে পারবেন না। এমন কিছু মানুষ সবসময়ই থাকে যারা হলোকাস্ট অস্বীকার করে বা যিশুর অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলে, কিন্তু তারা একেবারে প্রান্তিক পর্যায়ে থাকে।
::লি স্ট্রোবেলের ''দ্য কেস ফর দ্য রিয়েল জিসাসে'' মাইকেল আর. লিকোনা, গ্র্যান্ড র্যাপিডস: জন্ডারভ্যান, ২০০৭, পৃষ্ঠা ১১২
*যিশু পুরাণবাদীরা তাদের থিসিস এগিয়ে নেওয়া অব্যাহত রাখবে এবং গম্ভীর একাডেমিক আলোচনার বাইরে রাখা হচ্ছে বলে অভিযোগ করবে। তারা প্ল্যাকার্ড বহন করে, 'যিশু কখনোই ছিলেন না!' 'তারা আমার কথা শুনবে না!' এবং আলোচনার ময়দানের ভেতরের মানুষদের 'বুদ্ধিবৃত্তিবিরোধী,' 'মৌলবাদী,' 'বিপথগামী উদারপন্থী' এবং 'ফ্ল্যাট-আর্থার' বলে আখ্যা দেয়। ডোহার্টি ও তাঁর সহযোগীরা বিস্মিত হন, গুটিকয়েক নিরীহ দর্শক ছাড়া প্রায় সবাই মাথা নেড়ে ও চোখ ঘুরিয়ে তাদের পাশ কাটিয়ে চলে যায়। তারা কখনোই দেখতে পায় না যে একশ গজেরও কম দূরে তাদের একজন সহযোগী প্রতিবাদকারী আছেন, তিনি ইরান থেকে আসা একজন বিশিষ্ট চেহারার মানুষ। তিনিও হতাশ এবং একটি প্ল্যাকার্ড বহন করছেন যাতে লেখা, 'হলোকাস্ট কখনোই ঘটেনি!'
::মাইকেল আর. লিকোনা, "লিকোনা রিপ্লাইস টু ডোহার্টিস রিবাটাল", অ্যানসারিং ইনফিদেলস, ২০০৫
*অবশ্যই [ঐতিহাসিক থিসিস সংক্রান্ত] কোনো "সার্বজনীন ঐকমত্য" খোঁজা উচিত নয়, কারণ এমন কিছু মানুষ সবসময়ই থাকবে যারা প্রান্তিক অবস্থানে থাকতে পছন্দ করে। এমন কিছু মানুষ আজও আছে যারা দাবি করে, যিশু একটি পুরাণ, যাঁর কখনোই কোনো অস্তিত্ব ছিল না, যদিও দেখা যায় কোনো ব্যাপকভাবে সম্মানিত পণ্ডিত এই অবস্থান ধারণ করেন না। এমন মানুষও আছেন যারা দাবি করেনহলোকাস্ট কখনোই ঘটেনি।
::মাইকেল আর. লিকোনা, ''দ্য রেজারেকশন অব জিসাস: আ নিউ হিস্টোরিওগ্রাফিক্যাল অ্যাপ্রোচ'', ডাউনয়ার্স গ্রোভ, আইএল: আইভিপি একাডেমিক, ২০১০, পৃষ্ঠা ৬২-৬৩
*বাইবেলের বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠ ইতিহাসবিদ বিশ্বাস করেনযিশুর অস্তিত্বকে যুক্তিসঙ্গত সন্দেহের ঊর্ধ্বে রাখার জন্য যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে। অনেকেই বিশ্বাস করেন, যিশুকে একজন বাস্তব ঐতিহাসিক চরিত্র হিসেবে দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য কেবল নতুন নিয়মের দলিলগুলোই যথেষ্ট। আমি এই দৃষ্টিভঙ্গিগুলো নিয়ে প্রশ্ন তুলি... নতুন নিয়মের দলিলগুলোতে যিশু সম্পর্কে যেসব অসমর্থিত অলৌকিক দাবির একটি বড় অংশ রয়েছে, তা বিবেচনা করে একজন ঐতিহাসিক যিশুর স্বাধীন প্রমাণের অভাবে তাঁর অস্তিত্ব সম্পর্কে আমাদের সংশয়বাদী থাকা উচিত।
**{{cite book|last1=ল|first1=স্টিফেন|authorlink1=w:Stephen Law|title=স্টিফেন ল: এভিডেন্স, মিরাকলস অ্যান্ড দ্য এক্সিস্টেন্স অব জিসাস|url=http://stephenlaw.blogspot.com/2012/04/published-in-faith-and-philosophy-2011.html|website=Stephen Law|accessdate=18 November 2016|date=২০১২|quote=Published in Faith and Philosophy 2011. Volume 28, Issue 2, April 2011. Pages 129-151}}
*রুডলফ বুলটম্যানের মতো একজন "চরমপন্থী" সমালোচকের জন্যও ঐতিহাসিক যিশুর অস্তিত্ব একটি প্রয়োজনীয়তা; এবং ঐতিহাসিক সমালোচনা যদি সফলভাবে "খ্রিস্ট-পুরাণ" তত্ত্ব প্রতিষ্ঠা করতে পারে, অর্থাৎ যিশু কখনোই বেঁচে ছিলেন না, তবে বুলটম্যানের সম্পূর্ণ ধর্মতাত্ত্বিক কাঠামোই নড়ে উঠবে।
::জর্জ এলডন ল্যাড, ''দ্য নিউ টেস্টামেন্ট অ্যান্ড ক্রিটিসিজম'', গ্র্যান্ড র্যাপিডস: ইয়ার্ডম্যানস, ১৯৬৭, পৃষ্ঠা ১৫
*সংক্ষেপে, যিশুর শিক্ষা, জীবন বা ঐতিহাসিক অস্তিত্ব—কোনোটির ক্ষেত্রেই পলকে একজন নির্ভরযোগ্য সাক্ষী হিসেবে বিবেচনা করা যায় না।
**{{cite book|last=লুডেম্যান|first=গার্ড|editor=আর. জোসেফ হফম্যান|title=সোর্সেস অব দ্য জিসাস ট্র্যাডিশন: সেপারেটিং হিস্ট্রি ফ্রম মিথ|url=https://books.google.com/books?id=pbcGQgAACAAJ|year=2010|publisher=প্রমিথিউস বুকস|isbn=978-1-61614-189-9|page=২১২|chapter=পল অ্যাজ আ উইটনেস টু দ্য হিস্টোরিক্যাল জিসাস}}
*রুডলফ বুলটম্যানের মতো একজন "চরমপন্থী" সমালোচকের জন্যও ঐতিহাসিক যিশুর অস্তিত্ব একটি প্রয়োজনীয়তা; এবং ঐতিহাসিক সমালোচনা যদি সফলভাবে "খ্রিস্ট-পুরাণ" তত্ত্ব প্রতিষ্ঠা করতে পারে, অর্থাৎ যিশু কখনোই বেঁচে ছিলেন না, তবে বুলটম্যানের সম্পূর্ণ ধর্মতাত্ত্বিক কাঠামোই নড়ে উঠবে।
::জর্জ এলডন ল্যাড, ''দ্য নিউ টেস্টামেন্ট অ্যান্ড ক্রিটিসিজম'', গ্র্যান্ড র্যাপিডস: ইয়ার্ডম্যানস, ১৯৬৭, পৃষ্ঠা ১৫
*সংশয়বাদী বিশ্লেষণগুলো প্রকাশ করে, পল যিশু সম্পর্কে এমন কিছুই বলেন না যা সন্দেহাতীতভাবে তাঁকে সাম্প্রতিক ইতিহাসে পৃথিবীতে স্থাপন করে।
**{{cite journal|last=ল্যাটাস্টার|first=রাফায়েল|title=Review Essay: Bart Ehrman and the Elusive Historical Jesus|trans-title=রিভিউ প্রবন্ধ: বার্ট এহরম্যান এবং অধরা ঐতিহাসিক যিশু|journal=লিটারেচার অ্যান্ড এস্থেটিকস|issue=26|pages=১৯১|url=https://openjournals.library.sydney.edu.au/index.php/LA/article/view/11431|issn=2200-0437}}
* [নিম্ন (অ্যাডপশনিস্ট) ক্রিস্টোলজির] বিষয়ে [বার্ট] এহরম্যানের সমাধান হলো, বিভিন্ন খ্রিস্টধর্ম আলাদাভাবে এবং আলাদা সময়ে বিকশিত হয়েছিল; এটি এমন একটি মতামত যা তিনি পুরাণবাদীদের সাথে ভাগ করে নেন।
**{{cite journal|last=ল্যাটাস্টার|first=রাফায়েল|title=Review Essay: Bart Ehrman and the Elusive Historical Jesus|trans-title=রিভিউ প্রবন্ধ: বার্ট এহরম্যান এবং অধরা ঐতিহাসিক যিশু|journal=লিটারেচার অ্যান্ড এস্থেটিকস|issue=26|pages=১৮৬|url=https://openjournals.library.sydney.edu.au/index.php/LA/article/view/11431|issn=2200-0437}}
*[পল উল্লেখ করেন] একজন মহাজাগতিক যিশুর (যিনি প্রাক-খ্রিষ্টান ইহুদি—এবং অস্তিত্বহীন—চরিত্র যেমন সন অব ম্যান এবং লোগোসের মতো বিস্ময়করভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ) কাছ থেকে আসা ঐশ্বরিক প্রত্যাদেশের কথা [...] ঐতিহাসিকতাবাদী এবং পুরাণবাদী—উভয়েই যিশুর একটি ভিন্ন রূপের কথা বলেন, যা গসপেলের যিশুর সংস্করণের আগে ছিল। ঐতিহাসিকতাবাদীদের জন্য দুর্ভাগ্যজনকভাবে, জাগতিক ঐতিহাসিক যিশুর কোনো প্রাক-নিউ টেস্টামেন্ট প্রমাণ নেই। মহাজাগতিক মসিহের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়, যাঁকে কিছু প্রাক-খ্রিষ্টান ইহুদি সম্মান করতেন বলে এখন এমনকি [বার্ট] এহরম্যানও স্বীকার করেন।
**{{cite journal|last=ল্যাটাস্টার|first=রাফায়েল|title=Review Essay: Bart Ehrman and the Elusive Historical Jesus|trans-title=রিভিউ প্রবন্ধ: বার্ট এহরম্যান এবং অধরা ঐতিহাসিক যিশু|journal=লিটারেচার অ্যান্ড এস্থেটিকস|issue=26|pages=১৮২, ১৮৪|url=https://openjournals.library.sydney.edu.au/index.php/LA/article/view/11431|issn=2200-0437}}
*জোসেফাস ও ট্যাসিটাসের লেখার উল্লেখগুলো বাদ দিলে, বাইবেলের বাইরের সূত্রগুলো অনেক পরের। এই সব সূত্রই কোনো না কোনো জালিয়াতি বা অস্পষ্টতার উপাদান প্রদর্শন করে এবং সাধারণত যিশু সম্পর্কে গসপেল থেকে যা জানা যায় তার চেয়ে বেশি কিছু আমাদের জানায় না। কোনো সূত্রই যিশুর নিজের সময় থেকে আসেনি। কোনো সূত্রই প্রমাণিত প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছ থেকে আসেনি। এই সমস্যাগুলো যিশু কী বলেছিলেন, তিনি কী করেছিলেন, তিনি আসলে কে ছিলেন এবং আদৌ তাঁর অস্তিত্ব ছিল কি না, তা নিয়ে উল্লেখযোগ্য যৌক্তিক সন্দেহের সুযোগ দেয়। তাই যিশুর অনৈতিহাসিকতা যে একটি জ্ঞানতাত্ত্বিক সম্ভাবনা তা উল্লেখ করতে কোনো সমস্যা হওয়া উচিত নয়, এবং তাঁর ঐতিহাসিকতা নিয়ে কিছু সংশয় প্রকাশ করা যৌক্তিক।
**{{cite journal|last=ল্যাটাস্টার|first=রাফায়েল|title=Questioning the Plausibility of Jesus Ahistoricity Theories — A Brief Pseudo-Bayesian Metacritique of the Sources|trans-title=যিশুর অনৈতিহাসিকতা তত্ত্বের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন — সূত্রগুলোর একটি সংক্ষিপ্ত ছদ্ম-বয়েসিয়ান মেটাক্রিটিক|journal=দ্য ইন্টারমাউন্টেন ওয়েস্ট জার্নাল অব রিলিজিয়াস স্টাডিজ|date=২০১৫|volume=6:1|pages=৯০এফ|url=http://digitalcommons.usu.edu/cgi/viewcontent.cgi?article=1053&context=imwjournal}}
*যিশুর কোনো প্রত্যক্ষদর্শী বা সমসাময়িক বিবরণ বর্তমানে নেই। আমাদের কাছে যা আছে তা হলো প্রত্যক্ষদর্শী নন এমন লোকদের দ্বারা লেখা যিশুর জীবনের ঘটনাগুলোর পরবর্তী সময়ের বর্ণনা, যাদের বেশিরভাগই স্পষ্টতই পক্ষপাতদুষ্ট।
**{{cite web|last=ল্যাটাস্টার|first=রাফায়েল|title=Weighing up the evidence for the 'Historical Jesus'|trans-title='ঐতিহাসিক যিশু'র প্রমাণের বিচার|url=http://theconversation.com/weighing-up-the-evidence-for-the-historical-jesus-35319|website=দ্য কনভারসেশন|publisher=দ্য কনভারসেশন (ওয়েবসাইট)|accessdate=28 August 2016|date=১৪ ডিসেম্বর ২০১৪}}
*ভবিষ্যতে বাইবেলীয়, ঐতিহাসিক বা সম্পূর্ণ পৌরাণিক যিশু (বা আদি খ্রিষ্টানদের বিশ্বাস) সম্পর্কে কোনো বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ না পাওয়া পর্যন্ত, মনে হচ্ছে যিশু সম্পর্কে সবচেয়ে যুক্তিসঙ্গত অবস্থান হবে 'বিশ্বাসের খ্রিস্ট' বা 'বাইবেলীয় যিশুকে' সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান করা, এবং আরও জাগতিক, 'ঐতিহাসিক যিশু' সম্পর্কে অজ্ঞেয়বাদ-ধরনের অবস্থান গ্রহণ করা। হয়তো এমন একজন যিশু ছিলেন, হয়তো ছিলেন না। বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণের অভাবে এটি সম্ভব, কিন্তু অপরিহার্যভাবে সম্ভাব্য নয়, এবং অবশ্যই নিশ্চিত নয়।
**রাফায়েল ল্যাটাস্টার, [http://www.pantheismunites.org/Books/there%20was%20no%20Jesus,%20there%20is%20no%20God.htm 'দেয়ার ওয়াজ নো জিসাস, দেয়ার ইজ নো গড']-এ
*সাম্প্রতিক সময়ে কেবল বার্ট এহরম্যান ও মরিস কেসি যিশুর ঐতিহাসিক অস্তিত্ব পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে প্রমাণের চেষ্টা করেছেন। তাদের সবচেয়ে নির্ণায়ক পয়েন্ট কী? গসপেলগুলোকে সাধারণত বিশ্বাস করা যেতে পারে – অবিশ্বস্ত অনেক, অনেক অংশ উপেক্ষা করার পর – কারণ এগুলোর পেছনে থাকা অনুমানমূলক (অর্থাৎ অস্তিত্বহীন) সূত্রগুলোর জন্য। [...] বর্তমান সূত্রগুলোর দুর্বল অবস্থা এবং মূলধারার বাইবেলের ইতিহাসবিদদের দ্বারা ব্যবহৃত জঘন্য পদ্ধতিগুলোর কারণে, বিষয়টি সম্ভবত কখনোই সমাধান হবে না। সংক্ষেপে বলতে গেলে, যিশুর ঐতিহাসিক অস্তিত্ব নিয়ে সন্দেহ করার সুস্পষ্ট ভালো কারণ রয়েছে – এমনকি যদি এটিকে সরাসরি অসম্ভব বলে মনে করা নাও হয়।
**{{cite web|author=রাফায়েল ল্যাটাস্টার|title=Did historical Jesus really exist? The evidence just doesn’t add up.|trans-title=ঐতিহাসিক যিশুর কি সত্যিই অস্তিত্ব ছিল? প্রমাণগুলো ঠিক মেলে না।|url=https://www.washingtonpost.com/posteverything/wp/2014/12/18/did-historical-jesus-exist-the-traditional-evidence-doesnt-hold-up/?utm_term=.2479cbf18c6b|website=Washington Post|date=১৮ ডিসেম্বর ২০১৪}}
*["ঐতিহাসিক যিশু" অজ্ঞেয়বাদের ক্ষেত্রে] ...যিশুর ঐতিহাসিক নিশ্চিততার জন্য যুক্তি দেওয়া লোকদের সাথে আলোচনা করলেই অজ্ঞেয়বাদের যৌক্তিকতা ইতিমধ্যে স্পষ্ট হয়ে যায়। ...কেবল নিজের জন্য সূত্রগুলো ভালোভাবে পড়ুন। সেটি করুন, এবং সেইসাথে ঐতিহাসিকতাবাদীদের কাছ থেকে শুনুন কীভাবে তারা যিশুর অস্তিত্ব 'প্রমাণ' করেন। ...যিশুর পক্ষে যুক্তিটি যদি বিশ্বাসযোগ্য না হয়, তবে অজ্ঞেয়বাদ ইতিমধ্যে ন্যায়সঙ্গত।
**ল্যাটাস্টার, রাফায়েল (১২ নভেম্বর ২০১৫)। ''জিসাস ডিড নট এক্সিস্ট: আ ডিবেট অ্যামং অ্যাথিস্টস'', (কিন্ডেল লোকেশনস ৬৭৬-৬৮৩)। কিন্ডেল সংস্করণ।
*এখন, অসংখ্য অন্যান্য শিক্ষাবিদদের সাহায্য ও সমর্থনে, যা নিজেই বেশ উল্লেখযোগ্য, আমি আরও জোরালোভাবে ঘোষণা করছি যে যিশুর অস্তিত্বহীনতা কেবল সম্ভবই নয়। এটি সম্ভাব্য।
**{{cite web|author=রাফায়েল ল্যাটাস্টার|title=Jesus Did Not Exist. Probably.|trans-title=যিশু ছিলেন না। সম্ভবত।|url=http://churchandstate.org.uk/2016/04/jesus-did-not-exist-probably/|website=Church and State|date=১২ এপ্রিল ২০১৬}}
*[মূলধারার যিশু গবেষক যথা বার্ট এহরম্যান, মরিস কেসির মতে] ঐকমত্যের দৃষ্টিভঙ্গির সাথে একমত হওয়া পণ্ডিতদের নেওয়া পদ্ধতিটি অন্যায়ভাবে অযৌক্তিক পূর্বানুমানের ওপর ভিত্তি করে তৈরি, এবং কখনও কখনও এটি অপেশাদার এবং অশিক্ষিত বলে মনে হয়...
**{{cite journal|last=ল্যাটাস্টার|first=রাফায়েল|title=The Fourth Quest: A Critical Analysis of the Recent Literature on Jesus’ (a)Historicity|trans-title=দ্য ফোর্থ কোয়েস্ট: যিশুর (অ)ঐতিহাসিকতার সাম্প্রতিক সাহিত্যের একটি সমালোচনামূলক বিশ্লেষণ|journal=লিটারেচার অ্যান্ড এস্থেটিকস|date=২০১৪|volume=24|issue=1|pages=২৬এফ|url=https://openjournals.library.sydney.edu.au/index.php/LA/article/view/8328|issn=2200-0437}}
*বার্ট এহরম্যান ও মরিস কেসি দ্বারা যিশুর ঐতিহাসিকতার সাম্প্রতিক প্রতিরক্ষায় স্পষ্ট ও উপযুক্ত পদ্ধতির অভাব রয়েছে। তারা অত্যন্ত সন্দেহজনক নথির ওপর নির্ভর করেন এবং এর পাশাপাশি এমন সূত্রগুলো ব্যবহার করেন যার আর কোনো অস্তিত্ব নেই, যদি সেগুলোর কখনো অস্তিত্ব থেকেও থাকে। [...] একজন ঐতিহাসিক যিশুর নিশ্চিত অস্তিত্বের ব্যাপারে ঐকমত্যের দৃষ্টিভঙ্গি যদি এমন দুর্বল পদ্ধতির ওপর ভিত্তি করে হয়, তবে মনে হয় ঐকমত্যের দৃষ্টিভঙ্গিটি পর্যালোচনা করা উচিত, যদিও সেটিকে অবিলম্বে মিথ্যা বলে প্রত্যাখ্যান করার প্রয়োজন নেই। আসুন এই বিভাগটি একজন মূলধারার পণ্ডিতের স্বীকারোক্তি দিয়ে শেষ করি যে এমন পদ্ধতিগুলো — যেমন কল্পিত সূত্রের প্রতি আগের এবং প্রায়শই উল্লেখিত আবেদন — বৈশিষ্ট্যপূর্ণ; যে '''এগুলো নতুন নিয়মের পাঠ্যগুলোতে বিশেষজ্ঞ ইতিহাসবিদদের জন্য অনন্য'''
**ল্যাটাস্টার, রাফায়েল (২০১৯)। "ইনঅ্যাডিকুয়েট মেথডস"। কোয়েশ্চেনিং দ্য হিস্টোরিসিটি অব জিসাস: হোয়াই আ ফিলোসফিক্যাল অ্যানালাইসিস ইলুসিডেটস দ্য হিস্টোরিক্যাল ডিসকোর্স। ব্রিল। পৃষ্ঠা ১২৯, ১৪৯, নং ৯২। আইএসবিএন 978-90-04-40878-4
*[রিচার্ড ক্যারিয়ারের 'ন্যূনতম পুরাণবাদের' অনুমান], আর্ল ডোহার্টির কাজের দ্বারা অত্যন্ত প্রভাবিত হয়ে বলে, প্রাথমিকভাবে যিশুকে একজন মহাজাগতিক চরিত্র বলে বিশ্বাস করা হতো, যাঁকে সময়ের সাথে সাথে ঐতিহাসিক রূপ দেওয়া হয়েছিল।
**{{cite journal|last=ল্যাটাস্টার|first=রাফায়েল|title=Richard Carrier: On the Historicity of Jesus: Why We Might Have Reason for Doubt. Sheffield: Sheffield Phoenix Press, 2014; pp. xiv + 696.|trans-title=রিচার্ড ক্যারিয়ার: অন দ্য হিস্টোরিসিটি অব জিসাস: হোয়াই উই মাইট হ্যাভ রিজন ফর ডাউট। শেফিল্ড: শেফিল্ড ফিনিক্স প্রেস, ২০১৪; পৃষ্ঠা xiv + ৬৯৬।|journal=জার্নাল অব রিলিজিয়াস হিস্ট্রি|date=ডিসেম্বর ২০১৪|volume=38|issue=4|pages=৬১৪–৬১৬|doi=10.1111/1467-9809.12219|url=http://onlinelibrary.wiley.com/doi/10.1111/1467-9809.12219/full}}
*রিচার্ড ক্যারিয়ার এমন একটি সম্ভাবনাও (এবং সম্ভবত সতর্ক হওয়ার প্রয়োজনীয়তাও) উত্থাপন করেনমার্কের গসপেলের পরের সমস্ত সূত্র এর দ্বারা কলঙ্কিত হতে পারে এবং এটি কোনোভাবেই উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
**{{cite journal|last=ল্যাটাস্টার|first=রাফায়েল|title=Questioning the Plausibility of Jesus Ahistoricity Theories — A Brief Pseudo-Bayesian Metacritique of the Sources|trans-title=যিশুর অনৈতিহাসিকতা তত্ত্বের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন — সূত্রগুলোর একটি সংক্ষিপ্ত ছদ্ম-বয়েসিয়ান মেটাক্রিটিক|journal=দ্য ইন্টারমাউন্টেন ওয়েস্ট জার্নাল অব রিলিজিয়াস স্টাডিজ|date=২০১৫|volume=6:1|pages=৭৫|url=http://digitalcommons.usu.edu/cgi/viewcontent.cgi?article=1053&context=imwjournal}}
*[আর. এম.] প্রাইস অনুমান করেনসূত্রগুলোর ঐতিহাসিক যিশু পণ্ডিতদের "সম্পূর্ণ অজ্ঞেয়বাদের" দিকে নির্দেশ করা উচিত।
**{{cite journal|last=ল্যাটাস্টার|first=রাফায়েল|title=Questioning the Plausibility of Jesus Ahistoricity Theories — A Brief Pseudo-Bayesian Metacritique of the Sources|trans-title=যিশুর অনৈতিহাসিকতা তত্ত্বের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন — সূত্রগুলোর একটি সংক্ষিপ্ত ছদ্ম-বয়েসিয়ান মেটাক্রিটিক|journal=দ্য ইন্টারমাউন্টেন ওয়েস্ট জার্নাল অব রিলিজিয়াস স্টাডিজ|date=২০১৫|volume=6:1|pages=৯১|url=http://digitalcommons.usu.edu/cgi/viewcontent.cgi?article=1053&context=imwjournal}}
==ম==
*আমরা নিশ্চিত হতে পারি, যিশুর সত্যিই অস্তিত্ব ছিল (যুক্তি মানতে অস্বীকার করা অত্যন্ত উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কয়েকজন সংশয়বাদী থাকা সত্ত্বেও), তিনি গ্যালিলিতে একজন [[ইহুদি]] শিক্ষক ছিলেন এবং প্রায় ৩০ খ্রিস্টাব্দে রোমান সরকারের দ্বারা তাঁকে ক্রুশবিদ্ধ করা হয়েছিল।
::রবার্ট জে. মিলার, ''দ্য জিসাস সেমিনার অ্যান্ড ইটস ক্রিটিকস'', সান্তা রোজা: পোলব্রিজ, ১৯৯৯, পৃষ্ঠা ৩৮
*অবশ্যই, কেবল একজন পাগলই কখনো ভেবেছেন যে যিশুর আদৌ কোনো অস্তিত্ব ছিল না।
::বার্নার্ড ম্যাকগিন, ''অ্যান্টিক্রাইস্ট: টু থাউজেন্ড ইয়ারস অব দ্য হিউম্যান ফ্যাসিনেশন উইথ ইভিল'', নিউ ইয়র্ক: কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটি প্রেস, ২০০০, পৃষ্ঠা ৩৪
* প্রকৃতপক্ষে আমরা যদি [[ভলতেয়ার|ভলতেয়ারের]] সাথে একমত হয়ে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছাই, যিশুর অনৈতিহাসিকতার অন্তত কিছু সমসাময়িক প্রবক্তা আসলে "শিক্ষিতের চেয়ে বেশি প্রতিভাবান", তবে এই প্রশ্নটিকে গুরুত্ব সহকারে নিলে বিতর্কের মান বাড়তে পারে। আর নতুন নিয়মের পণ্ডিতেরা কী করেন এবং কীভাবে করেন—সে সম্পর্কে ব্যাপক বোঝাপড়া, এমনকি আত্ম-বোঝাপড়ার ক্ষেত্রেও এটি অন্তত লাভজনক প্রমাণিত হতে পারে।
** [[জাস্টিন মেগিট|মেগিট, জাস্টিন]], ''[https://archive.org/details/studies-in-the-historical-jesus-anarchy-miracles-madness স্টাডিজ ইন দ্য হিস্টোরিক্যাল জিসাস: অ্যানার্কি, মিরাকলস, অ্যান্ড ম্যাডনেস]'', কেমব্রিজ: মিউচুয়াল একাডেমিক। ২০২৩, ষষ্ঠ অধ্যায় ""মোর ইনজিনিয়াস দ্যান লার্নড"? এক্সামাইনিং দ্য কোয়েস্ট ফর দ্য নন-হিস্টোরিক্যাল জিসাস", পৃষ্ঠা ২২৬, {{ISBN|978-1-9165-7009-2}}।
*মৃত দেবতারা হলেন সেইসব দেবতা যারা পুনরুত্থিত হন বা নতুন জীবনে ফিরে আসেন [...] খ্রিষ্টীয় যুগের অনেক আগেই এমন দেবতা ছিলেন যারা মারা গিয়েছিলেন ও ফিরে এসেছিলেন।
**{{cite book|last=মেটিঙ্গার|first=ট্রিগভে এন. ডি.|title=দ্য রিডল অব রেজারেকশন: “ডাইং অ্যান্ড রাইজিং গডস” ইন দ্য অ্যানসিয়েন্ট নিয়ার ইস্ট|url=https://books.google.com/books?id=px60swEACAAJ|year=2001|publisher=আইজেনব্রাউনস|isbn=978-1-57506-822-0|pages=২১৭—২১৮}}
*...একদিকে নতুন নিয়মে যা ঘটেছিল, তার সত্যনিষ্ঠ দলিল হিসেবে সবকিছুকে আক্ষরিকভাবে গ্রহণ করা, আর অন্যদিকে যিশুর অস্তিত্ব অস্বীকারকারী কোনো এক প্রকারের খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্ব।
::জন ম্যাককয়ারি, ''দ্য স্কোপ অব ডিমিথোলজাইজিং: বুলটম্যান অ্যান্ড হিজ ক্রিটিকস'', লন্ডন: এসসিএম, ১৯৬০, পৃষ্ঠা ৯৩
*এমনকি এমন জ্ঞানী ও বুদ্ধিমান মানুষেরাও ছিলেন যারা যিশুর অস্তিত্ব অস্বীকার করেছেন: যাকে তথাকথিত "খ্রিস্ট-পুরাণ" তত্ত্ব বলা হয়।
::ডোনাল্ড ম্যাকেঞ্জি ম্যাককিনন, ''অবজেকশনস টু ক্রিস্টিয়ান বিলিফ'', লন্ডন: কনস্টেবল, ১৯৬৩, পৃষ্ঠা ৬৭
*[যখন] আমার বন্ধু এবং প্রাক্তন সহকর্মী থমাস এল. থম্পসন ২০০৫ সালের তাঁর 'দ্য মেসিয়াহ মিথ: দ্য নিয়ার ইস্টার্ন রুটস অব জিসাস অ্যান্ড ডেভিড' বইয়ে গসপেলের যিশুকে ঐতিহাসিক চরিত্র হিসেবে খারিজ করার চেষ্টা করেন, তাঁকে বাইবেলীয় এবং অন্যান্য—অনেক পুরোনো—নিকট প্রাচ্যের রাজকীয় মসিহের ধারণার প্রতীক হিসেবে তৈরি করতে চান, তখন ঐতিহাসিকতার প্রশ্নটি আমাদের অন্যান্য দিকে উত্তরের সন্ধান করতে উৎসাহিত করে। 'ইপসিসিমা ভার্বা জিসু' বা ঐতিহাসিক স্মৃতির মতো পরিস্থিতিগুলো চিহ্নিত করার চেষ্টা করার বদলে এটি করা উচিত। এর অর্থ এই নয় যে গসপেলের যিশুর গল্পে পুরোনো নিয়মের চরিত্র ও ঘটনাগুলোর স্মৃতির কোনো প্রভাব নেই, পুরোনো নিয়মটি নিকট প্রাচ্যের মসিহ পুরাণের একটি মাধ্যম। তদুপরি, এই ক্ষেত্রে থমাস এল. থম্পসনের বইটি প্রমাণের একটি প্রচুর ও চিত্তাকর্ষক অস্ত্রাগার।
**মুলার, মরগেন্স। টি.এল. থম্পসন এবং টি.এস. ভেরেনা সম্পাদিত ''ইজ দিস নট দ্য কার্পেন্টার'' (ইকুইনক্স, ২০১২)-এ "পল: দ্য ওল্ডেস্ট উইটনেস টু দ্য হিস্টোরিক্যাল জিসাস", ১১৭-১১৮।
*যদি এই ঘটনার বিবরণ সঠিক হয়, তবে এটিও দেখা যায় কেন 'খ্রিস্ট-পুরাণ' তত্ত্ব। এটি বলে, কোনো ঐতিহাসিক যিশুর অস্তিত্ব আদৌ ছিল না, অনেকের কাছে এতটা যুক্তিসঙ্গত মনে হয়েছে...
::হুগো এ. মেয়নেল, ''অ্যান ইন্ট্রোডাকশন টু দ্য ফিলোসফি অব বার্নার্ড লোনেরগান'' (২য় সংস্করণ), টরন্টো: ইউনিভার্সিটি অব টরন্টো প্রেস, ১৯৯১, পৃষ্ঠা ১৬৬
*যিশুর ঐতিহাসিকতা গ্রহণ করতে হলে স্বাধীন ঐতিহাসিক প্রমাণ থাকতে হবে, কিন্তু এই প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে না।
**{{cite book|last=মার্টিন|first=মাইকেল|title=দ্য কেস অ্যাগেইনস্ট ক্রিস্টিয়ানিটি|url=https://books.google.com/books?id=wWkC4dTmK0AC&pg=PA46|date=মার্চ ১৯৯৩|publisher=টেম্পল ইউনিভার্সিটি প্রেস|isbn=978-1-56639-081-1|page=৪৬|chapter=হিস্টোরিসিটি অব জিসাস}}
*[জি. এ. ওয়েলস] যুক্তি দেন যে প্রথম দিকের খ্রিষ্টান লেখকরা এই থিসিসকে সমর্থন করেন না যে যিশু প্রথম শতাব্দীর শুরুর দিকে বেঁচে ছিলেন।
**{{cite book|last=মার্টিন|first=মাইকেল|title=দ্য কেস অ্যাগেইনস্ট ক্রিস্টিয়ানিটি|url=http://books.google.com/books?id=wWkC4dTmK0AC&pg=PA38|date=মার্চ ১৯৯৩|publisher=টেম্পল ইউনিভার্সিটি প্রেস|isbn=978-1-56639-081-1|page=৩৮}}
*যিশুর ঐতিহাসিকতার বিরুদ্ধে [জি. এ.] ওয়েলসের যুক্তি জোরালো, এবং তাঁর যুক্তির বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক সমালোচনাগুলোর মোকাবিলা করা সম্ভব।
**{{cite book|last1=মার্টিন|first1=মাইকেল|authorlink1=w:Michael Martin (philosopher)|title=দ্য কেস অ্যাগেইনস্ট ক্রিস্টিয়ানিটি|url=https://books.google.com/books?id=wWkC4dTmK0AC&pg=PA67|year=1993|publisher=টেম্পল ইউনিভার্সিটি প্রেস|isbn=978-1-56639-081-1|page=৬৭}}
*পল কোনো এক যিশু আন্দোলনের হেলেনীয় রূপে ধর্মান্তরিত হয়েছিলেন যা ইতিমধ্যেই একটি খ্রিস্ট ধর্মে বিকশিত হয়েছিল। [...] এভাবে তাঁর চিঠিগুলো খ্রিস্ট ধর্মের জন্যও একটি দলিল হিসেবে কাজ করে।
**{{cite book|last=ম্যাক|first=বার্টন এল.|title=আ মিথ অব ইনোসেন্স: মার্ক অ্যান্ড ক্রিস্টিয়ান অরিজিনস|url=https://books.google.com/books?id=fNSbW8hWRzwC&pg=PA98|year=1988|publisher=ফোর্ট্রেস প্রেস|isbn=978-0-8006-2549-8|page=৯৮|chapter=দ্য কংগ্রেগেশনস অব দ্য ক্রাইস্ট}}
*পলের চিঠিগুলো থেকে পাওয়া প্রমাণ হলো, খ্রিস্টের মণ্ডলীগুলো আকর্ষণীয় সমিতি ছিল এবং তাদের বিকাশমান পুরাণটিকে রোমাঞ্চকর বলে মনে করা হতো। রহস্য ধর্মগুলোর আদলে একটি উৎসাহী ধর্ম গঠিত হয়েছিল...
**{{cite book|last=ম্যাক|first=বার্টন এল.|title=দ্য লস্ট গসপেল: দ্য বুক অব কিউ অ্যান্ড ক্রিস্টিয়ান অরিজিনস|url=https://books.google.com/books?id=UeLYAAAAMAAJ|year=1993|publisher=হার্পারসানফ্রান্সিসকো|isbn=978-0-06-065374-3|pages=২১৯এফ|chapter=মিথমেকিং অ্যান্ড দ্য ক্রাইস্ট}}
*যদি এই ঘটনার বিবরণ সঠিক হয়, তবে এটিও দেখা যায় কেন 'খ্রিস্ট-পুরাণ' তত্ত্ব। এটি বলে, কোনো ঐতিহাসিক যিশুর অস্তিত্ব আদৌ ছিল না, অনেকের কাছে এতটা যুক্তিসঙ্গত মনে হয়েছে...
::হুগো এ. মেয়নেল, ''অ্যান ইন্ট্রোডাকশন টু দ্য ফিলোসফি অব বার্নার্ড লোনেরগান'' (২য় সংস্করণ), টরন্টো: ইউনিভার্সিটি অব টরন্টো প্রেস, ১৯৯১, পৃষ্ঠা ১৬৬
*আমার মতে (এবং এটি এমন একটি মত যা প্রত্যেক গম্ভীর ইতিহাসবিদই বিশ্বাস করেন) যে [খ্রিস্ট পুরাণ] তত্ত্বটি ঐতিহাসিকভাবে অগ্রহণযোগ্য।
::উইলি মার্ক্সেন, ''দ্য রেজারেকশন অব জিসাস অব নাজারেথ'', ফিলাডেলফিয়া: ফোর্ট্রেস, ১৯৭০, পৃষ্ঠা ১১৯
*কিন্তু আগের সময়ে ছড়িয়ে পড়া খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্বগুলোর বিপরীতে, এমন মনে হয় যে আজ প্রায় সমস্ত সম্মানিত পণ্ডিতই গ্রহণ করেনযিশুর অস্তিত্ব ছিল এবং তাঁর সম্পর্কে প্রাথমিক তথ্যগুলো সুপ্রতিষ্ঠিত।
::জন ম্যাককয়ারি, "দ্য হিউম্যানিটি অব ক্রাইস্ট", ''থিওলজি'', ভলিউম ৭৪-এ (লন্ডন: এসপিসিকে, ১৯৭১) পৃষ্ঠা ২৪৭
*সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জি. এ. ওয়েলস যিশুর অস্তিত্ব কখনোই ছিল না বলে প্রমাণ করার চেষ্টা করেছেন। তিনি জার্মান ভাষার একজন অধ্যাপক যিনি নতুন নিয়মের অধ্যয়নে যুক্ত হয়েছেন এবং এমন একটি যুক্তি উপস্থাপন করেছেন যে যিশু সত্যিই বেঁচে ছিলেন তা অনুমান না করেই খ্রিস্টধর্মের উৎপত্তি ব্যাখ্যা করা যায়। শতাব্দীর শুরুতে অনুরূপ দৃষ্টিভঙ্গির পূর্ববর্তী উপস্থাপনাগুলো পণ্ডিতদের মতামতের ওপর কোনো প্রভাব ফেলতে ব্যর্থ হয়েছিল এবং এটি নিশ্চিত যে এই যুক্তির সর্বশেষ উপস্থাপনাটিও এর চেয়ে ভালো কিছু করতে পারবে না। কারণ অবশ্যই প্রমাণগুলো কেবল ট্যাসিটাসের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; নতুন নিয়মের নিজস্ব দলিলগুলো রয়েছে, যার প্রায় সবগুলোই প্রথম শতাব্দীতে লেখা হয়েছে এবং যার পেছনে যিশুর গল্পের প্রসারের একটি সময়কাল রয়েছে, যা যিশুর অনুমিত জীবনের কাছাকাছি সময় পর্যন্ত পিছিয়ে নেওয়া যায়। যিশুর অনুমান ছাড়া এই ঐতিহ্যের উত্থান ব্যাখ্যা করা অসম্ভব।
::ইয়ান হাওয়ার্ড মার্শাল, ''আই বিলিভ ইন দ্য হিস্টোরিক্যাল জিসাস'' (সংশোধিত সংস্করণ), ভ্যাঙ্কুভার: রিজেন্ট কলেজ পাবলিশিং, ২০০৪, পৃষ্ঠা ১৫–১৬
*প্রকৃতপক্ষে, প্রাচীন অতীতের বেশিরভাগ বিখ্যাত চরিত্রের চেয়ে নাজারেথের যিশু যে নিশ্চিতভাবে বেঁচে ছিলেন তার বেশি প্রমাণ রয়েছে। এই প্রমাণগুলো দুই ধরনের: অভ্যন্তরীণ এবং বাহ্যিক, অথবা, আপনি যদি চান, পবিত্র এবং ধর্মনিরপেক্ষ। উভয় ক্ষেত্রেই, মোট প্রমাণ এতটা অপ্রতিরোধ্য, এতটা নিখুঁত যে কেবল সবচেয়ে অগভীর বুদ্ধিসম্পন্ন ব্যক্তিরাই যিশুর অস্তিত্ব অস্বীকার করার সাহস করবে। আর তবুও এই করুণ অস্বীকারটি এখনও 'গ্রামের নাস্তিক,' ইন্টারনেটে ব্লগাররা, অথবা ফ্রিডম ফ্রম রিলিজিয়ন ফাউন্ডেশনের মতো সংগঠনগুলো তোতাপাখির মতো আওড়ে যায়।
::পল এল. মায়ার, "ডিড জিসাস রিয়েলি এক্সিস্ট?", 4Truth.net, ২০০৭
*পুরাণবাদ ঐতিহাসিক সূত্রগুলোকে সার্বিকভাবে একইভাবে মূল্যায়ন করার বিষয় নয়। খ্রিস্টধর্মের বিরুদ্ধে যাদের ক্ষোভ রয়েছে, এটি পুরোপুরি তাদেরই কাজ। যদিও সেসব মহলেও এমন অনেকেই আছেন যারা একে বিশ্বাসযোগ্য মনে করেন না। আর এ কথা জোর দিয়ে বলা উচিত, বাইবেল অধ্যয়নের চেয়ে মূলধারার ইতিহাসবিদদের কাছে এটিকে মোটেও বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয় না।
::জেমস এফ. ম্যাকগ্রাথ, "মিথিসিজম ভার্সেস দ্য সক্রেটিক হিস্টোরিয়ানস", ''এক্সপ্লোরিং আওয়ার ম্যাট্রিক্স'', ২০১০
*এই দৃষ্টিভঙ্গি [যে যিশু কখনোই ছিলেন না] প্রদর্শনযোগ্যভাবে মিথ্যা। এটি এক ধরনের হতাশাজনক নাস্তিক কুসংস্কার দ্বারা চালিত, যা সমস্ত প্রধান প্রাথমিক সূত্র এবং খ্রিষ্টানদের অবজ্ঞা করে। এটি কেবল আমেরিকান যিশু সেমিনারের চেয়ে খারাপই নয়, এটি খ্রিষ্টান মৌলবাদের চেয়েও ভালো কিছু নয়। এটির কেবল ভিন্ন ভিন্ন কুসংস্কার রয়েছে। এর বেশিরভাগ প্রবক্তাও অস্বাভাবিকভাবে অযোগ্য।
::মরিস কেসি, ''জিসাস অব নাজারেথ: অ্যান ইন্ডিপেন্ডেন্ট হিস্টোরিয়ানস অ্যাকাউন্ট অব হিজ লাইফ অ্যান্ড টিচিং'', নিউ ইয়র্ক: টিঅ্যান্ডটি ক্লার্ক, ২০১০, পৃষ্ঠা ৪৯৯
*কিছু সংশয়বাদী মনে করেনবাইবেলীয় এবং ঐতিহাসিক প্রমাণের সেরা ব্যাখ্যা হলো সেই তত্ত্ব যা বলে যিশু কখনোই ছিলেন না; অর্থাৎ যিশুর অস্তিত্ব একটি পুরাণ (ওয়েলস ১৯৯৯)। এমন একটি দৃষ্টিভঙ্গি বিতর্কিত এবং এটি এমনকি খ্রিষ্টান-বিরোধী চিন্তাবিদদের মধ্যেও ব্যাপকভাবে সমর্থিত নয়।
::মাইকেল মার্টিন, ডেলবার্ট বুরকেটের ''দ্য ব্ল্যাকওয়েল কম্প্যানিয়ন টু জিসাসে'' "স্কেপটিক্যাল পারসপেক্টিভস অন জিসাস' রেজারেকশন", অক্সফোর্ড: ব্ল্যাকওয়েল, ২০১১, পৃষ্ঠা ২৮৫
*পাণ্ডিত্যপূর্ণ এবং জনপ্রিয় রচনাগুলোর পাশাপাশি, যিশুর ওপর প্রচুর ছদ্মপাণ্ডিত্য রয়েছে যা ছাপার অক্ষরে জায়গা করে নেয়। গত দুই শতাব্দীতে একশোরও বেশি বই এবং নিবন্ধ যিশুর ঐতিহাসিক অস্তিত্ব অস্বীকার করেছে। আজ অসংখ্য ওয়েবসাইট একই বার্তা বহন করে... বেশিরভাগ পণ্ডিত যিশুর অস্তিত্বহীনতার যুক্তিগুলোকে যেকোনো প্রতিক্রিয়ার অযোগ্য বলে মনে করেন—ঠিক যেমন দাবি করা হয় যে ইহুদি হলোকাস্ট কখনোই ঘটেনি অথবা অ্যাপোলোর চাঁদে অবতরণ একটি হলিউড স্টুডিওতে সংঘটিত হয়েছিল।
::মাইকেল জেমস ম্যাকক্লাইমন্ড, ''ফ্যামিলিয়ার স্ট্রেঞ্জার: অ্যান ইন্ট্রোডাকশন টু জিসাস অব নাজারেথ'', গ্র্যান্ড র্যাপিডস: ইয়ার্ডম্যানস, ২০০৪, পৃষ্ঠা ৮ এবং ২৩–২৪
*চিন্তাভাবনার এই সংশয়বাদী ধারাটি তার চূড়ান্ত পরিণতিতে পৌঁছেছিল এই যুক্তিতে যে মানুষ হিসেবে যিশুর আদৌ কোনো অস্তিত্ব ছিল না এবং তিনি একটি পুরাণ। প্রাচীনকালে, এই চরম দৃষ্টিভঙ্গির নাম দেওয়া হয়েছিল ডসেটিজমের ধর্মবিদ্বেষ (মনে হওয়া) কারণ এটি মনে করত যে যিশু কখনো "রক্তমাংসে" পৃথিবীতে আসেননি, বরং তাঁকে কেবল মনে হয়েছিল; (১ জন ৪:২) এবং এটি পলের তাঁর রক্তমাংসের অস্তিত্বের প্রতি আগ্রহের অভাব দ্বারা কিছুটা উৎসাহ পেয়েছিল। পরবর্তীতে, অষ্টাদশ শতাব্দী এবং তার পর থেকে, এই জেদ করার চেষ্টা করা হয়েছে যে যিশুকে এমনকি "মনে" হয়নি যে তিনি অস্তিত্বশীল, এবং পৃথিবীতে তাঁর উপস্থিতির সমস্ত গল্প সম্পূর্ণ কল্পকাহিনী। বিশেষ করে, তাঁর গল্পকে কাল্পনিক মৃত্যু ও পুনরুত্থিত দেবতাদের উদ্ভাবনকারী পৌত্তলিক পুরাণগুলোর সাথে তুলনা করা হয়েছিল। (অনুচ্ছেদ বিরতি) খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্বকে খণ্ডন করতে ব্যবহৃত কিছু চিন্তাধারা কিছুটা অবিবেচক ছিল।
::গ্রান্ট, মাইকেল। ''জিসাস: অ্যান হিস্টোরিয়ানস রিভিউ অব দ্য গসপেলস''। স্ক্রিবনার, ১৯৯৫; প্রথম প্রকাশ ১৯৭৭, পৃষ্ঠা ১৯৯
*...একদিকে নতুন নিয়মে যা ঘটেছিল তার সত্যনিষ্ঠ দলিল হিসেবে সবকিছুকে আক্ষরিকভাবে গ্রহণ করা, আর অন্যদিকে যিশুর অস্তিত্ব অস্বীকারকারী কোনো এক প্রকারের খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্ব।
::জন ম্যাককয়ারি, ''দ্য স্কোপ অব ডিমিথোলজাইজিং: বুলটম্যান অ্যান্ড হিজ ক্রিটিকস'', লন্ডন: এসসিএম, ১৯৬০, পৃষ্ঠা ৯৩
*এমনকি এমন জ্ঞানী ও বুদ্ধিমান মানুষেরাও ছিলেন যারা যিশুর অস্তিত্ব অস্বীকার করেছেন: যাকে তথাকথিত "খ্রিস্ট-পুরাণ" তত্ত্ব বলা হয়।
::ডোনাল্ড ম্যাকেঞ্জি ম্যাককিনন, ''অবজেকশনস টু ক্রিস্টিয়ান বিলিফ'', লন্ডন: কনস্টেবল, ১৯৬৩, পৃষ্ঠা ৬৭
* রবার্টসন, স্মিথ ও ডুজারডিন দাবি করেনযিশুর গল্পটি হলো প্রাক-খ্রিষ্টান ঈশ্বর যিশুর (জেশুয়া বা জশুয়া) মানবিকীকরণ, যাঁকে হিব্রুদের আসার আগে ফিলিস্তিনে উপাসনা করা হতো। জাহওয়েহর বিজয়ের পর মূলত গ্যালিলির অখ্যাত গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে যাঁর উপাসনা টিকে ছিল [...] ড্রিউস বিশ্বাস করেন''ইসায়াহের'' মসিহ-চরিত্রটি হলো পুরাণের উৎস, এবং অনেক বিবরণে জ্যোতিষতাত্ত্বিক ব্যাখ্যা দেন। কাউচাউড পলের কথিত দর্শনে এর উৎপত্তি খুঁজে পান এবং রাইল্যান্ডস (''দ্য বিগিনিংস অব নস্টিক ক্রিস্টিয়ানিটি'', ১৯৪১) প্রাক-খ্রিষ্টান নস্টিক অনুমানের দিকে নজর দেন।
::{{cite book|last=ম্যাককাবে|first=জোসেফ|title=আ র্যাশনালিস্ট এনসাইক্লোপিডিয়া: আ বুক অব রেফারেন্স অন রিলিজিয়ন, ফিলোসফি, এথিকস অ্যান্ড সায়েন্স|url=https://books.google.com/books?id=tXKIkgAACAAJ|year=1948|publisher=ওয়াটস|chapter=জিসাস}}
* অনেকেই (বর্তমান লেখক সহ) প্রথম শতাব্দীর অল্প নির্ভরযোগ্য প্রমাণ ও ধর্মীয় বিকাশ থেকে ব্যাপকভাবে অনুমান করতে সন্তুষ্ট, সম্ভবত যিশু নামের কোনো ইহুদি পৃথিবীর শেষ সম্পর্কে পারসিক বিশ্বাস [অ্যাভেস্তা দেখুন] গ্রহণ করেছিলেন। আর তা কাছাকাছি ভেবে তিনি তাঁর এসেনিয়ান মঠ [এসেনেস দেখুন] ত্যাগ করে তাঁর সঙ্গীদের সতর্ক করতে গিয়েছিলেন এবং তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। তারা মনে করেনঐতিহাসিকতার প্রশ্নটির খুব একটা গুরুত্ব নেই [...] এমনকি গসপেলে [মার্ক দেখুন] দেওয়া অতি সামান্য জীবনী সংক্রান্ত বিবরণগুলো একটি "অনন্য ব্যক্তিত্বের" দাবিকে সমর্থন করে না,...
::{{cite book|last=ম্যাককাবে|first=জোসেফ|title=আ র্যাশনালিস্ট এনসাইক্লোপিডিয়া: আ বুক অব রেফারেন্স অন রিলিজিয়ন, ফিলোসফি, এথিকস অ্যান্ড সায়েন্স|url=https://books.google.com/books?id=tXKIkgAACAAJ|year=1948|publisher=ওয়াটস|chapter=জিসাস}}
==ন==
*আমার থিসিস হলো, ঐতিহাসিক যিশুকে খোঁজার যেকোনো প্রচেষ্টা সেইসব প্রথম দিকের সামাজিক আন্দোলন বোঝার ক্ষেত্রে অপ্রাসঙ্গিক, যা পরবর্তীতে খ্রিস্টধর্ম নামের ধর্মে বিকশিত হয়েছিল। এমনটি তখনও প্রযোজ্য এমনকি যদি একজন ঐতিহাসিক যিশু বেঁচে থাকতেন এবং কোনো ধরনের আন্দোলন প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করতেন। [...] বর্তমান সময়ের গবেষকেরা যাকে যিশু আন্দোলন, বা খ্রিস্ট ধর্ম, অথবা যিশুকে স্বীকারকারী সম্প্রদায় (এবং যাকে আমি আদি খ্রিস্টধর্ম বলব) বলেন, তার প্রথম দিকের স্তরগুলোতে যিশু কার্যত অপ্রাসঙ্গিক ছিলেন।
**{{cite web|last=নোল|first=কার্ট|title=Investigating Earliest Christianity without Jesus (Chapter 13) - Is This Not the Carpenter?|trans-title=যিশু ছাড়াই প্রাচীনতম খ্রিস্টধর্মের অনুসন্ধান (অধ্যায় ১৩) - ইনি কি ছুতোর নন?|url=https://www.cambridge.org/core/books/is-this-not-the-carpenter/investigating-earliest-christianity-without-jesus/A9439BF3800C821DB296F2E49EA91FF3|website=Cambridge Core|accessdate=12 June 2017|language=en}}
==প==
*তাই এটা কোনো আশ্চর্যের বিষয় নয়, এমন কোনো নিউ টেস্টামেন্ট পণ্ডিত নেই যিনি বেতন পান এবং যিশুর অস্তিত্ব নিয়ে সন্দেহ করেন। আমি একজনকে চিনি না। প্রথম শতাব্দীর ফিলিস্তিনে তাঁর জন্ম, জীবন এবং মৃত্যু কখনোই গুরুতর প্রশ্নের সম্মুখীন হয়নি এবং সম্ভবত এই ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞদের মধ্যেও কখনো হবে না। যিশুর অস্তিত্ব একটি স্বতঃসিদ্ধ বিষয়।
::নিকোলাস পেরিন, ''লস্ট ইন ট্রান্সমিশন?: হোয়াট উই ক্যান নো অ্যাবাউট দ্য ওয়ার্ডস অব জিসাস'', ন্যাশভিল: থমাস নেলসন, ২০০৭, পৃষ্ঠা ৩২
*যেই যুক্তি আমাদের বলে যিশুর কোনো অস্তিত্ব ছিল না, সেই একই যুক্তি দাবি করে, হলোকাস্ট বলে কিছু ছিল না।
::নিকোলাস পেরিন, ''লস্ট ইন ট্রান্সমিশন?: হোয়াট উই ক্যান নো অ্যাবাউট দ্য ওয়ার্ডস অব জিসাস'', ন্যাশভিল: থমাস নেলসন, ২০০৭, পৃষ্ঠা ৩২
*দেড়শ বছর আগে ব্রুনো বাউয়ার নামে একজন মোটামুটি সম্মানিত পণ্ডিত দাবি করেন ঐতিহাসিক চরিত্র হিসেবে যিশু কখনোই ছিলেন না। আজ যারা এই কথা বলেন—অন্তত একাডেমিক জগতে—তাদের স্কিনহেডদের সাথে একই দলভুক্ত করা হয় যারা বলে হলোকাস্ট বলে কিছু ছিল না এবং যারা এখনও বিশ্বাস করতে চায় যে পৃথিবী সমতল।
::মার্ক অ্যালান পাওয়েল, ''জিসাস অ্যাজ আ ফিগার ইন হিস্ট্রি: হাউ মডার্ন হিস্টোরিয়ানস ভিউ দ্য ম্যান ফ্রম গ্যালিলি'', লুইসভিল: ওয়েস্টমিনস্টার জন নক্স, ১৯৯৮, পৃষ্ঠা ১৬৮
*খ্রিস্টকে ক্রুশবিদ্ধ করা হয়েছিল তা অস্বীকার করা হলো হলোকাস্ট অস্বীকার করার মতো। কারও কারও জন্য এটি স্বীকার করা খুব ভয়ংকর। অন্যদের জন্য এটি ধর্মীয় সহানুভূতি আদায়ের একটি বিস্তৃত ষড়যন্ত্র। কিন্তু অস্বীকারকারীরা এক ঐতিহাসিক স্বপ্নের জগতে বাস করেন।
::জন পাইপার, ফিফটি রিজনস হোয়াই জিসাস কেম টু ডাই, হুইটন: ক্রসওয়ে, ২০০৬, পৃষ্ঠা ১৪-১৫
*প্রমাণের বোঝার ভিত্তিতে ইতিহাসবিদদের কিছু মাপকাঠি আছে। উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো লেখক কোনো ঘটনা ঘটার ১০০ বছরেরও বেশি সময় পর তা নিয়ে লেখেন, তবে তাকে বৈধ বলে মনে করা হয় না। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ মাপকাঠি হলো লেখকত্বের বৈধতা। যদি লেখককে স্পষ্টভাবে প্রতিষ্ঠিত করা না যায়, তবে এটি রেকর্ডটিকে অনেক কম নির্ভরযোগ্য করে তোলে। আমাদের কাছে যা আছে তা হলো, ঘটনা ঘটার কয়েক দশক পরে লেখা অসংখ্য সূত্র সেই গসপেল লেখকরা তৈরি করেছিলেন, যারা ধর্ম প্রচার করতে চেয়েছিলেন।
**{{cite web|last=পেরি|first=ফিলিপ|title=A Growing Number of Scholars Are Questioning the Historical Existence of Jesus|trans-title=ক্রমবর্ধমান সংখ্যক পণ্ডিত যিশুর ঐতিহাসিক অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন|url=http://bigthink.com/philip-perry/a-growing-number-of-scholars-are-questioning-the-existence-of-jesus|website=BigThink.com|publisher=[[বিগ থিংক|বিগ থিংক (ওয়েবসাইট)]]|accessdate=26 February 2017|date=২০ ডিসেম্বর ২০১৬}}
*যিশুর ঐতিহাসিকতাকে আঁকড়ে ধরার প্রধান কারণটি মূলত ঐতিহাসিক প্রমাণের ওপর নির্ভর করে না, বরং আধুনিক ধর্মতাত্ত্বিক প্রয়োজনীয়তা থেকে উদ্ভূত।
**{{cite book|last=ফহ|first=ইমানুয়েল|editor=Thomas L. Thompson|others=Thomas S. Verenna|title="ইজ দিস নট দ্য কার্পেন্টার?": দ্য কোয়েশ্চেন অব দ্য হিস্টোরিসিটি অব দ্য ফিগার অব জিসাস|url=https://books.google.com/books?id=r4SQZwEACAAJ|year=2012|publisher=ইকুইনক্স|isbn=978-1-84553-986-3|page=৮০f|chapter=জিসাস অ্যান্ড দ্য মিথিক মাইন্ড: অ্যান এপিস্টেমোলজিক্যাল প্রোব্লেম}}
*খ্রিস্ট-পুরাণ তাত্ত্বিকদের মতে, যিশুকে প্রথমে একজন প্রাচীন অলিম্পিয়ান দেবতার মতো দেখা হতো; তিনি নাকি হারকিউলিস ও অ্যাসক্লিপিয়সের মতো পৃথিবীতে একবার এসেছিলেন, মারা গিয়েছিলেন এবং মৃতদের মধ্য থেকে আবার জীবিত হয়েছিলেন [...] খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্ব বলে, কেবল পরবর্তীতে যিশুর অবতার, মৃত্যু এবং পুনরুত্থানকে ঐতিহাসিক, সময়-নির্ধারণযোগ্য এবং সাম্প্রতিক জাগতিক ইতিহাসের একটি অংশে পরিণত করা হয়েছিল। তাহলে খ্রিস্টধর্ম একটি "উচ্চ" ক্রিস্টোলজি দিয়ে শুরু হয়েছিল, কিন্তু এর কোনো ঐতিহাসিক ভিত্তি ছিল না (তাই একে কেউ "ডসেটিক" বলতে পারে)। অন্যদিকে মূলধারার পণ্ডিতদের "অ্যাডপশনিস্টিক" তত্ত্ব বলে, খ্রিষ্টানরা প্রথমে একটি "নিম্ন" ক্রিস্টোলজি ধারণ করত, যেখানে যিশুকে ঈশ্বরের স্তরে নয়, বরং আমাদের স্তরে রাখা হতো। পরবর্তীতে ঐতিহাসিক মানব নাজারেথের যিশুর পৌরাণিকীকরণের প্রক্রিয়ার কাছে তা নতি স্বীকার করে। পছন্দটা হলো একটি ঐতিহাসিক যিশুকে পৌরাণিকীকরণ এবং একটি পৌরাণিক যিশুকে ঐতিহাসিকীকরণের মধ্যে।
::{{cite book|last=প্রাইস|first=রবার্ট এম.|title=ডিকনস্ট্রাক্টিং জিসাস|url=https://books.google.com/books?id=VJh1H-hf5EwC&pg=PA228|year=2000|publisher=প্রমিথিউস|isbn=978-1-61592-120-1|page=২২৮|chapter=দ্য হিস্টোরিসাইজড জিসাস?}}
*যদিও [চার্লস গুইগনেবার্ট] খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্ব (এটি বলে, কোনো ঐতিহাসিক যিশুর অস্তিত্ব ছিল না) বা কোনো পত্রই যে পলের লেখা নয় (ডাচ র্যাডিক্যালদের এই অস্বীকার) গ্রহণ করতে পারেননি, তবুও গুইগনেবার্ট উভয়কেই বেশ গুরুত্ব সহকারে নিয়েছিলেন।
::[[রবার্ট এম. প্রাইস]], টম ফ্লিনের ''দ্য নিউ এনসাইক্লোপিডিয়া অব আনবিলিফ'' (অ্যামহার্স্ট, এনওয়াই: প্রমিথিউস, ২০০৭)-এ পৃষ্ঠা ৩৭২
*এই কাজের ['তোলেডট ইয়েশু'] প্রধান আকর্ষণের একটি দিক হলো এর সময়কাল, যা যিশুকে প্রায় ১০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে স্থাপন করে। এটি কেবল কোনো ভুল নয়, যদিও পাঠ্যের অন্যান্য অংশে ভুল সময় খুঁজে পাওয়া কঠিন নয়। এপিফ্যানিয়াস এবং তালমুদও যিশুর প্রতি ইহুদি এবং ইহুদি-খ্রিষ্টানদের বিশ্বাস প্রমাণ করে, তিনি আমাদের সাধারণ ভাবনার প্রায় এক শতাব্দী আগে বেঁচে ছিলেন। এর থেকে বোঝা যায় সম্ভবত যিশু চরিত্রটি প্রথমে একটি অনৈতিহাসিক পুরাণ ছিল এবং তাঁকে একটি যুক্তিসঙ্গত ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রাখার জন্য বিভিন্ন চেষ্টা করা হয়েছিল, ঠিক যেমনটি হিরোডোটাস এবং অন্যান্যরা হারকিউলিস কখন বেঁচে ছিলেন তা বের করার চেষ্টা করেছিলেন।
**{{cite book|last=প্রাইস|first=রবার্ট এম.|title=দ্য প্রি-নিসিন নিউ টেস্টামেন্ট: ফিফটি-ফোর ফরমেটিভ টেক্সটস|url=https://books.google.com/books?id=InMRAQAAIAAJ|year=2006|publisher=সিগনেচার বুকস|isbn=978-1-56085-194-3|page=২৪০}}
*যিশু খ্রিস্টের ক্ষেত্রে, যেখানে গল্পের প্রায় প্রতিটি বিবরণ পৌরাণিক বীরের মূল আদর্শের সাথে মিলে যায় এবং অতিরিক্ত কিছুই থাকে না, কোনো "ধর্মনিরপেক্ষ" বা জীবনীমূলক তথ্য থাকে না, সেখানে পুরাণের পেছনে একজন ঐতিহাসিক চরিত্রের অস্তিত্ব থাকতে হবে বলে দাবি করাটা অযৌক্তিক হয়ে ওঠে।
**{{cite web|last=প্রাইস|first=রবার্ট এম.|title=Christ a Fiction|trans-title=খ্রিস্ট একটি কল্পকাহিনি|url=https://infidels.org/library/modern/robert_price/fiction.html|accessdate=27 November 2016|date=১৯৯৭}}
*অ্যালান ডান্ডেস দেখিয়েছেন, গসপেলে বর্ণিত যিশুর জীবন লর্ড রাগলান, অটো র্যাঙ্ক এবং অন্যান্যদের দ্বারা বর্ণিত পৌরাণিক বীরের মূল আদর্শের বিশ্বব্যাপী দৃষ্টান্তের সাথে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মিলে যায়।
**{{cite book|last=প্রাইস|first=রবার্ট এম.|year=2000|title=ডিকনস্ট্রাক্টিং জিসাস|url=https://books.google.com/books?id=VJh1H-hf5EwC&pg=PA259|publisher=প্রমিথিউস বুকস, পাবলিশার্স|isbn=978-1-61592-120-1|page=২৫৯}}
*ঐতিহাসিক যিশুর বর্ণনার বদলে গসপেলগুলো জোনা, ডেভিড, মোজেস, এলিজা এবং এলিশার পুনর্লিখিত গল্প দিয়ে কেন পূর্ণ? খুব সম্ভবত কারণ আদি খ্রিষ্টানরা, সম্ভবত নাসোরীয় বা এসেনেসের মতো ইহুদি, সামেরীয় এবং গ্যালিলীয় সাম্প্রদায়িকরা তাদের ত্রাণকর্তাকে আদৌ জাগতিক ইতিহাসের কোনো চরিত্র বলে মনে করত না, ঠিক যেমন আটিস, হারকিউলিস, মিথ্রাস এবং ওসিরিসের ধর্মের ভক্তরা করত না। তাদের দেবতারাও প্রাচীনকালে মারা গিয়েছিলেন এবং পুনরুত্থিত হয়েছিলেন।
**{{cite book|last=প্রাইস|first=রবার্ট এম.|title=দ্য প্রি-নিসিন নিউ টেস্টামেন্ট: ফিফটি-ফোর ফরমেটিভ টেক্সটস|url=https://books.google.com/books?id=InMRAQAAIAAJ|year=2006|publisher=সিগনেচার বুকস|isbn=978-1-56085-194-3|pages=66–67}}
*নির্ভরযোগ্য গসপেল উপাদানের এই বিস্ময়কর অনুপস্থিতি, তার নিজস্ব খাঁটি গতিপথ বরাবর... ঐতিহাসিক যিশুর প্রতি আরেকটি ন্যূনতমতাবাদী দৃষ্টিভঙ্গির সাথে মিলে যেতে শুরু করে, অর্থাৎ, তাঁর কখনোই কোনো অস্তিত্ব ছিল না। বেশিরভাগ ডাচ র্যাডিক্যাল পণ্ডিত ব্রুনো বাউয়ারকে অনুসরণ করে দাবি করেন গসপেলের পুরো ঐতিহ্যটি একজন ত্রাণকর্তার মূলত একটি সাধারণ তথ্যকে ঐতিহাসিক রূপ দেওয়ার জন্য তৈরি করা হয়েছিল। এই ত্রাণকর্তা সম্ভবত রহস্য ধর্ম বা নস্টিকিজম বা এর চেয়েও দূরের কোনো জায়গা থেকে নেওয়া হয়েছিল। আমার কাছে মনে হয়, এই অবস্থানের পক্ষে দেওয়া মূল যুক্তিটি হলো উপমা। যিশু এবং নস্টিক ও রহস্য ধর্মের ত্রাণকর্তাদের মধ্যে এত বেশি ও কাছাকাছি মিল রয়েছে যে তা খারিজ করা যায় না।
**{{cite book|last=প্রাইস|first=রবার্ট এম.|title=দ্য ইনক্রেডিবল শ্রিংকিং সান অব ম্যান: হাউ রিলায়েবল ইজ দ্য গসপেল ট্র্যাডিশন?|url=https://books.google.com/books?id=GmlB-KXsX8kC&pg=PA350|year=2003|publisher=প্রমিথিউস বুকস, পাবলিশার্স|isbn=978-1-61592-028-0|page=৩৫০}}
*চিঠিপত্র থেকে আমাদের কখনোই অনুমান করা উচিত নয় যে যিশু কোনো নির্দিষ্ট ঐতিহাসিক বা রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে মারা গেছেন। কেবল পতিত ফেরেশতারা (কলসীয় ২:১৫), এই যুগের আর্চনরা তাঁকে হত্যা করেছিল। তারা বুঝতে পারেনি যে তারা তাদের নিজেদের ধ্বংস ডেকে আনছে (১ করি. ২:৬-৮)।
**={{cite book|last=প্রাইস|first=রবার্ট এম.|editor=James K. Beilby, Paul Rhodes Eddy|title=দ্য হিস্টোরিক্যাল জিসাস: ফাইভ ভিউজ|url=https://books.google.com/books?id=O33P7xrFnLQC&pg=PA63|date=4 February 2010|publisher=ইন্টারভার্সিটি প্রেস|isbn=978-0-8308-7853-6|page=৬৩|chapter=জিসাস অ্যাট দ্য ভ্যানিশিং পয়েন্ট}}=
*[যিশু নামের ক্ষেত্রে] ফিলিপীয় ২:৯-১১ যদি কোনো ধর্মতাত্ত্বিক সংকোচ ছাড়াই পড়া হয়, তবে মনে হয় এটি বোঝাতে চায়, অন্য সব নামের ঊর্ধ্বে মহিমান্বিত সেই নামটি [যিশু] ত্রাণকর্তা পেয়েছিলেন, কোনো ''কিরিওস'' উপাধি নয়।
**{{cite book|last=প্রাইস|first=রবার্ট এম.|editor=James K. Beilby, Paul Rhodes Eddy|title=দ্য হিস্টোরিক্যাল জিসাস: ফাইভ ভিউজ|url=https://books.google.com/books?id=O33P7xrFnLQC&pg=PA64|date=4 February 2010|publisher=ইন্টারভার্সিটি প্রেস|isbn=978-0-8308-7853-6|page=৬৪|chapter=জিসাস অ্যাট দ্য ভ্যানিশিং পয়েন্ট}}
*সমস্ত চিঠিপত্র কেবল একজন যিশু খ্রিস্ট, ঈশ্বরের পুত্রকে চেনে বলে মনে হয়। তিনি মানুষের পাপের প্রায়শ্চিত্ত হিসেবে মৃত্যুবরণ করতে পৃথিবীতে এসেছিলেন এবং ঈশ্বরের দ্বারা পুনরুত্থিত হয়ে স্বর্গে সিংহাসনে অধিষ্ঠিত হয়েছিলেন।
**{{cite book|last=প্রাইস|first=রবার্ট এম.|editor=James K. Beilby, Paul Rhodes Eddy|title=দ্য হিস্টোরিক্যাল জিসাস: ফাইভ ভিউজ|url=https://books.google.com/books?id=O33P7xrFnLQC&pg=PA65|date=4 February 2010|publisher=ইন্টারভার্সিটি প্রেস|isbn=978-0-8308-7853-6|page=৬৫|chapter=জিসাস অ্যাট দ্য ভ্যানিশিং পয়েন্ট}}
*[কিরিওস ক্রিস্টোস ধর্মের মতে] প্রাচীন ভূমধ্যসাগরীয় বিশ্ব একজন ত্রাণকর্তা দেবতার মৃত্যু ও পুনরুত্থানকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা ধর্মে গভীরভাবে ডুবে ছিল। [...] এই ধর্মগুলো এবং খ্রিস্টধর্মের মধ্যে বিস্তৃত ও মৌলিক মিলগুলো না দেখাটা খুব কঠিন। কিন্তু কোনোভাবে খ্রিষ্টান পণ্ডিতরা এটি দেখতে পাননি, এবং সন্দেহ হয় যে তারা এটি গোঁড়ামির কারণেই করেছেন। [...] কিন্তু আমার কাছে মনে হয় যে রহস্য ধর্মের ত্রাণকর্তাদের পুনরুত্থান যে খ্রিস্টধর্মের আগে ছিল, তার অকাট্য প্রমাণ হলো প্রাচীন খ্রিষ্টান ধর্মরক্ষকরা এটি অস্বীকার করেননি!
**{{cite book|last=প্রাইস|first=রবার্ট এম.|title=ডিকনস্ট্রাক্টিং জিসাস|url=https://books.google.com/books?id=VJh1H-hf5EwC&pg=PA86|year=2000|publisher=প্রমিথিউস|isbn=978-1-61592-120-1|pages=86, 88, 91|chapter=দ্য ক্রাইস্ট কাল্টস}}
*সমালোচকদের একটি নতুন স্রোত ইঙ্গিত দেয় যে সুসমাচার লেখকদের উৎসগুলো ছিল সাহিত্যিক উৎস। র্যান্ডেল হেলমস, জন ডমিনিক ক্রসডান, আর্ল ডোহার্টি এবং অন্যান্যরা দেখিয়েছেন যে সুসমাচারের আখ্যান মূলত কেবল পুনর্লিখিত পুরোনো নিয়মের উপাদান। [র্যান্ডেল হেলমস, ''গসপেল ফিকশনস'' (অ্যামহার্স্ট, এন .ওয়াই.: প্রমিথিউস বুকস, ১৯৮৯); জন ডমিনিক ক্রসডান, ''দ্য ক্রস দ্যাট স্পোক: দ্য অরিজিনস অব দ্য প্যাশন ন্যারেটিভ'' (সান ফ্রান্সিসকো: হার্পার অ্যান্ড রো, ১৯৮৮); থমাস এল. ব্রোডি, "লুক দ্য লিটারারি ইন্টারপ্রেটার: লুক-অ্যাক্টস অ্যাজ আ সিস্টেম্যাটিক রিরাইটিং অ্যান্ড আপডেটিং অব দ্য এলিজা-এলিশা ন্যারেটিভ ইন ১ অ্যান্ড ২ কিংস" (পিএইচ.ডি. অভিসন্দর্ভ, পন্টিফিকাল ইউনিভার্সিটি অব থমাস অ্যাকুইনাস, ১৯৮১); আর্ল ডোহার্টি, ''দ্য জিসাস পাজল: ডিড ক্রিস্টিয়ানিটি বিগিন উইথ আ মিথিক্যাল ক্রাইস্ট''।" (অটোয়া: কানাডিয়ান হিউম্যানিস্ট পাবলিকেশন্স, ১৯৯৯)।]
**{{cite book|last=প্রাইস|first=রবার্ট এম.|title=দ্য ইনক্রেডিবল শ্রিংকিং সান অব ম্যান: হাউ রিলায়েবল ইজ দ্য গসপেল ট্র্যাডিশন?|url=https://books.google.com/books?id=GmlB-KXsX8kC&pg=PA31|year=2003|publisher=প্রমিথিউস বুকস, পাবলিশার্স|isbn=978-1-61592-028-0|pages=31, 41f, n. 14|chapter=সোর্সেস}}
*চারটি গসপেল ও প্রেরিতদের কাজের (অ্যাক্টস) (এবং আরও বিস্তারিতভাবে) ধর্মগ্রন্থগত ভিত্তির জন্য দেখুন রবার্ট এম. প্রাইস, "নিউ টেস্টামেন্ট ন্যারেটিভ অ্যাজ ওল্ড টেস্টামেন্ট মিদ্রাশ," ''এনসাইক্লোপিডিয়া অব মিদ্রাশ: বিবলিক্যাল ইন্টারপ্রিটেশন ইন ফরমেটিভ জুডাইজমে'', সম্পাদিত. জ্যাকব নিউজনার এবং অ্যালান জে. অ্যাভেরি পেক (লিডেন: ব্রিল, ২০০৫), ১:৫৩৪-৭৩। [জন ডমিনিক] ক্রসডান, [র্যান্ডেল] হেলমস, মিলারস [ডেল এবং প্যাট্রিসিয়া] এবং [থমাস এল.] ব্রোডি ছাড়াও আমি জন বোম্যানের কাজের কাছে গভীরভাবে ঋণী, ''দ্য গসপেল অব মার্ক: দ্য নিউ ক্রিস্টিয়ান জিউইশ পাসওভার হাগাদাহ'', স্টুডিয়া পোস্ট-বিবলিকা ৮ (লিডেন: ব্রিল, ১৯৬৫); জে. ডানকান এম. ডেরেট, ''দ্য মেকিং অব মার্ক: দ্য স্ক্রিপচারাল বেসিস অব দ্য আর্লিয়েস্ট গসপেল'', খণ্ড ১ এবং ২ (শিপস্টন-অন-স্টুর, ইউ.কে.: পি. ড্রিংকওয়াটার, ১৯৮৫); ফ্রাংক কারমোড, ''দ্য জেনেসিস অব সিক্রেসি: অন দ্য ইন্টারপ্রিটেশন অব ন্যারেটিভ'', দ্য চার্লস এলিয়ট নরটন লেকচারস ১৯৭৭-১৯৭৮ (কেমব্রিজ, ম্যাস.: হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১৯৭৯); উলফগ্যাং রথ, ''হিব্রু গসপেল: ক্র্যাকিং দ্য কোড অব মার্ক'' (ওক পার্ক, ইল.: মেয়ার-স্টোন বুকস, ১৯৮৮); এবং রিকি ই. ওয়াটস, ''ইসায়াহ'স নিউ এক্সোডাস অ্যান্ড মার্ক'', উইসেনশাফটলিখে আনটারসুচুঙ্গেন জুম নিউয়েন টেস্টামেন্ট ২, রেইহে ৮৮ (টুবিঙ্গেন: মোহর সিয়েবেক, ১৯৯৭)।
**{{cite book|last=প্রাইস|first=রবার্ট এম.|editor=James K. Beilby, Paul Rhodes Eddy|title=দ্য হিস্টোরিক্যাল জিসাস: ফাইভ ভিউজ|url=https://books.google.com/books?id=O33P7xrFnLQC&pg=PA68|date=4 February 2010|publisher=ইন্টারভার্সিটি প্রেস|isbn=978-0-8308-7853-6|page=৬৮, n.39|chapter=জিসাস অ্যাট দ্য ভ্যানিশিং পয়েন্ট}}
*আর্ল ডোহার্টির মতো [পুরাণবাদীরা] বিশ্বাস করেনআদি ক্রিস্টোলজি এমন একজন যিশুকে কল্পনা করেছিল যিনি কখনো পৃথিবীতে আসেননি (তাঁর বিশ্বাসীদের কাছে দর্শন ছাড়া)। ফেরেশতাদের মাঝে তাঁর আত্মত্যাগী মৃত্যু নিম্নতর স্বর্গগুলোর কোনো একটিতে ঘটেছিল, প্রাচীন বিশ্বাস অনুযায়ী যেখানে এই সত্তারা থাকতেন।
**{{cite book|last=প্রাইস|first=রবার্ট এম.|editor=James K. Beilby, Paul Rhodes Eddy|title=দ্য হিস্টোরিক্যাল জিসাস: ফাইভ ভিউজ|url=https://books.google.com/books?id=O33P7xrFnLQC&pg=PA65|date=4 February 2010|publisher=ইন্টারভার্সিটি প্রেস|isbn=978-0-8308-7853-6|page=৬৫|chapter=জিসাস অ্যাট দ্য ভ্যানিশিং পয়েন্ট}}
*[চিঠিপত্রগুলো] আদি খ্রিষ্টান বিশ্বাসের একটি ভিন্ন ধারাকে সংরক্ষণ করে বলে মনে হয়, যার কোনো জাগতিক যিশু ছিল না। এমন একটি খ্রিস্টধর্ম যা "যিশুকে" একজন আধ্যাত্মিক ত্রাণকর্তাকে দেওয়া একটি সম্মানসূচক সিংহাসন-নাম হিসেবে বুঝত। যিনি মহাবিশ্ব শাসনকারী আর্চনদের ওপর বিজয়ী হওয়ার আগে তাদের দ্বারা আক্রান্ত ও নিহত হয়েছিলেন।
**{{cite book|last=প্রাইস|first=রবার্ট এম.|title=দ্য ক্রাইস্ট-মিথ থিওরি অ্যান্ড ইটস প্রোব্লেমস|url=https://books.google.com/books?id=qhyzNAEACAAJ|year=2011|publisher=আমেরিকান অ্যাথিস্ট প্রেস|isbn=978-1-57884-017-5|page=৪২৫|chapter=কনক্লুশন: ডু ইউ “নো” জিসাস?}}
*বোল্যান্ড, ''ডি ইভাঞ্জেলিশে জোজুয়া''; রাইল্যান্ডস, ''দ্য ইভোলিউশন অব ক্রিস্টিয়ানিটি''; রাইল্যান্ডস, ''দ্য বিগিনিংস অব নস্টিক ক্রিস্টিয়ানিটি''; জিন্ডলার, ''দ্য জিসাস দ্য জিউস নেভার নিউ'', ৩৪০, এবং অন্যান্যরাও একইভাবে মনে করতেন, খ্রিস্টধর্ম ভিন্ন ভিন্নভাবে ডায়াস্পোরা জুড়ে হেলেনাইজড ইহুদি বসতিগুলোর মধ্যে শুরু হয়েছিল। যেখানে রূপক ইহুদি উপাদানগুলো নস্টিক পুরাণগুলোর সাথে মিশে গিয়ে প্রায় চেনার অযোগ্য হয়ে গিয়েছিল।
:*{{cite book|last=প্রাইস|first=রবার্ট এম.|title=সিক্রেট স্ক্রোলস: রেভেলেশনস ফ্রম দ্য লস্ট গসপেল নভেলস|url=https://books.google.com/books?id=5VlgCgAAQBAJ&pg=PT91|date=27 December 2010|publisher=উইপফ অ্যান্ড স্টক পাবলিশার্স|isbn=978-1-4982-7142-4|pages=103, n. 5}}
*পলের গতিপথটি যিশুর ইহুদি ধর্মকে পৌত্তলিক করার চেয়ে এর মূল ইহুদি উপাদানগুলো থেকে একটি মহাজাগতিক আধা-দার্শনিক পরিত্রাণের পুরাণ তৈরি করার চেষ্টার বিষয় ছিল।
:*{{cite web|last=প্রাইস|first=রবার্ট এম.|title=Christianity, Diaspora Judaism, and Roman Crisis|trans-title=খ্রিস্টধর্ম, ডায়াস্পোরা ইহুদি ধর্ম ও রোমান সংকট|url=http://www.robertmprice.mindvendor.com/art_diaspora.htm|website=www.robertmprice.mindvendor.com|accessdate=21 June 2017|date=২০০৭}}
*[নস্টিক ক্রাইস্ট কাল্টের ব্যাপারে] ওয়াল্টার স্মিথলস [{{cite book|others=trans. John E. Steely|title=দ্য অফিস অব অ্যাপোস্টল ইন দ্য আর্লি চার্চ|year=1969|publisher=অ্যাবিংডন প্রেস|location=New York}}] "প্রেরিত" শব্দের বেশ কয়েকটি নিউ টেস্টামেন্ট ব্যবহারে বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর অসঙ্গতি, সেইসাথে এই অসঙ্গতিগুলোর কিছু ধরন লক্ষ্য করেছেন। [...] স্মিথলস পদ্ধতিগতভাবে প্রেরিতদের খ্রিষ্টান ধারণার এযাবৎকাল পর্যন্ত প্রস্তাবিত সমস্ত সম্ভাব্য উৎস পরীক্ষা করেছেন এবং অবশেষে এটিকে সিরিয়ান নস্টিকিজম থেকে উদ্ভূত বলে প্রমাণ করেছেন। [...] তবে পল সিরিয়ান নস্টিকিজম গ্রহণ করুন বা না করুন, স্মিথলসের গবেষণাগুলো আমাদের জন্য খ্রিস্টের একটি প্রাক-যিশু ধর্মের ভিত্তি তৈরি করবে, যেখানে খ্রিস্টের সাথে বিশেষ করে নাজারেথের যিশুর কোনো সম্পর্ক ছিল না। শেষ পর্যন্ত এটি হেলেনাইজড যিশু আন্দোলনের কোনো না কোনো রূপের পাশাপাশি পাওয়া যেতে পারে, আমি অনুমান করব যিশুর শহিদ ধর্ম, করিন্থে।
**{{cite book|last=প্রাইস|first=রবার্ট এম.|title=ডিকনস্ট্রাক্টিং জিসাস|url=https://books.google.com/books?id=VJh1H-hf5EwC&pg=PA79|year=2000|publisher=প্রমিথিউস|isbn=978-1-61592-120-1|pages=79f, 83|chapter=দ্য ক্রাইস্ট কাল্টস}}
*কেউ ভাবতে পারে যে এই সমস্ত পণ্ডিতেরা একটি নির্দিষ্ট বিন্দুতে এসে থেমে গেছেন কি না, তাদের অনুমান ছিল। "যিশু যদি একজন ঐতিহাসিক চরিত্র হতেন, তবে তিনি নিশ্চয়ই ''কিছু'' করতেন এবং বলতেন!" কিন্তু তাদের নিজস্ব মাপকাঠি এবং সমালোচনামূলক হাতিয়ার, যা আমরা এখানে নির্মম ধারাবাহিকতার সাথে প্রয়োগ করার চেষ্টা করেছি, তা তাদের সম্পূর্ণ অজ্ঞেয়বাদের দিকে নিয়ে যাওয়া উচিত ছিল।
**{{cite book|last=প্রাইস|first=রবার্ট এম.|title=দ্য ইনক্রেডিবল শ্রিংকিং সান অব ম্যান: হাউ রিলায়েবল ইজ দ্য গসপেল ট্র্যাডিশন?|url=https://books.google.com/books?id=GmlB-KXsX8kC&pg=PA351|year=2003|publisher=প্রমিথিউস বুকস, পাবলিশার্স|isbn=978-1-61592-028-0|page=৩৫১}}
*আমি এই কথা বলার চেষ্টা করছি না যে খ্রিষ্টান ত্রাণকর্তা যিশু খ্রিস্টের একটি একক উৎস ছিল এবং সেই উৎসটি সম্পূর্ণ পুরাণ। বরং আমি বলছি যে সত্যিই এমন একটি পুরাণ থাকতে পারে এবং যদি তাই হয়, তবে এটি শেষ পর্যন্ত অন্যান্য যিশুর ভাবমূর্তির সাথে মিলে যায়, যার কোনো একটি আসলে একজন ঐতিহাসিক নাজারেথের যিশুর ওপর ভিত্তি করেও থাকতে পারে।
**{{cite book|last=প্রাইস|first=রবার্ট এম.|title=ডিকনস্ট্রাক্টিং জিসাস|url=https://books.google.com/books?id=VJh1H-hf5EwC&pg=PA85|year=2000|publisher=প্রমিথিউস বুকস, পাবলিশার্স|isbn=978-1-61592-120-1|page=৮৫}}
*এটা কি ...সম্ভব যে খ্রিষ্টান কিংবদন্তির দাগকাটা কাচের পর্দার নিচে এবং পেছনে খ্রিস্টধর্মের একজন ঐতিহাসিক প্রতিষ্ঠাতার অস্পষ্ট চরিত্র দাঁড়িয়ে আছে? হ্যাঁ, এটা সম্ভব, সম্ভবত একজন ঐতিহাসিক [[মোজেস|মোজেস]] থাকার চেয়ে একটু বেশিই সম্ভব, একজন ঐতিহাসিক [[অ্যাপোলোনিয়াস অব টায়ানা|অ্যাপোলোনিয়াস অব টায়ানা]] থাকার মতোই সম্ভব। তবে এমনটা ভাবা প্রায় অযৌক্তিক হয়ে ওঠে।
**{{cite journal|last=প্রাইস|first=রবার্ট এম.|title=Of Myth and Men: A Closer Look at the Originators of the Major Religions - What Did They Really Say and Do?|trans-title=পুরাণ ও মানুষের কথা: প্রধান ধর্মগুলোর প্রতিষ্ঠাতাদের ওপর একটি নিবিড় দৃষ্টি - তারা আসলে কী বলেছিলেন ও করেছিলেন?|journal=[[ফ্রি ইনকোয়ারি|ফ্রি ইনকোয়ারি ম্যাগাজিন]]|date=৩১ ডিসেম্বর ১৯৯৯|volume=20|issue=1|url=http://www.secularhumanism.org/index.php/articles/2756}}
*আমাদের মনে রাখতে হবে যে ''ঐকমত্য কোনো মাপকাঠি নয়''। সত্য মাঝে নাও থাকতে পারে। সত্য সংখ্যাগরিষ্ঠের কাছে নাও থাকতে পারে। প্রতিটি তত্ত্ব এবং ব্যক্তিগত যুক্তিকে তার নিজস্ব যোগ্যতায় মূল্যায়ন করতে হবে। এর বদলে আমরা যদি "গৃহীত মতামত" বা "পণ্ডিতদের ঐকমত্যের" কাছে আবেদন করি, তবে আমরা কেবল আমাদের নিজেদের দায়িত্বই ত্যাগ করছি না, বরং ''সংখ্যাগরিষ্ঠের কাছে আবেদন'' করার ভুলও করছি।
**{{cite book|last=প্রাইস|first=রবার্ট এম.|editor=James K. Beilby, Paul Rhodes Eddy|title=দ্য হিস্টোরিক্যাল জিসাস: ফাইভ ভিউজ|url=https://books.google.com/books?id=O33P7xrFnLQC&pg=PA61|date=4 February 2010|publisher=ইন্টারভার্সিটি প্রেস|isbn=978-0-8308-7853-6|page=৬১|chapter=জিসাস অ্যাট দ্য ভ্যানিশিং পয়েন্ট}}
*আমরা এখানে এই অবস্থানের কথা বলছি না যে যিশুর কোনো ঐতিহাসিক অস্তিত্ব ছিল না, যা নিজেই একটি পুরোপুরি বৈধ তত্ত্ব এবং গম্ভীর আলোচনার দাবি রাখে। আমরা যেসব বিভ্রমের কথা ভাবছি তা হলো অতিরঞ্জিত বা অযৌক্তিক ব্যাখ্যা [যা পৌরাণিক দৃষ্টিভঙ্গির কিছু অনুসারী দাবি করে।]
**{{cite book|last=গুইগনেবার্ট|first=চার্লস|title=জিসাস|url=https://books.google.com/books?id=Cqg9AAAAYAAJ|year=1956|publisher=ইউনিভার্সিটি বুকস|page=৬৪}}
:[যদিও চার্লস গুইগনেবার্ট] খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্ব (এটি বলে, কোনো ঐতিহাসিক যিশুর অস্তিত্ব ছিল না) বা কোনো পত্রই যে পলের লেখা নয় (ডাচ র্যাডিক্যালদের এই অস্বীকার) গ্রহণ করতে পারেননি, তবুও গুইগনেবার্ট উভয়কেই বেশ গুরুত্ব সহকারে নিয়েছিলেন।
::{{cite book|last=প্রাইস|first=রবার্ট এম.|editor=Tom Flynn, Richard Dawkins|title=দ্য নিউ এনসাইক্লোপিডিয়া অব আনবিলিফ|url=https://books.google.com/books?id=fsZ26vQxJKMC&pg=PA372|year=2007|publisher=প্রমিথিউস বুকস, পাবলিশার্স|isbn=978-1-61592-280-2|page=৩৭২|chapter=গুইগনেবার্ট, চার্লস}}
*যদিও [চার্লস গুইগনেবার্ট] খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্ব (এটি বলে, কোনো ঐতিহাসিক যিশুর অস্তিত্ব ছিল না) বা কোনো পত্রই যে পলের লেখা নয় (ডাচ র্যাডিক্যালদের এই অস্বীকার) গ্রহণ করতে পারেননি, তবুও গুইগনেবার্ট উভয়কেই বেশ গুরুত্ব সহকারে নিয়েছিলেন।
::[[রবার্ট এম. প্রাইস]], টম ফ্লিনের ''দ্য নিউ এনসাইক্লোপিডিয়া অব আনবিলিফ'' (অ্যামহার্স্ট, এনওয়াই: প্রমিথিউস, ২০০৭)-এ পৃষ্ঠা ৩৭২
==R==
*যদিও মার্ক্সীয় প্রচারণামূলক লেখকরা মনে করেনযিশু কখনোই বেঁচে ছিলেন না এবং গসপেলগুলো কল্পনার নিখাদ সৃষ্টি, তবে এটি সবচেয়ে চরমপন্থী গসপেল সমালোচকদেরও মতামত নয়।
::বার্নার্ড এল. র্যাম, ''অ্যান ইভ্যাঞ্জেলিক্যাল ক্রিস্টোলজি: ইকিউমেনিক অ্যান্ড হিস্টোরিক'', ভ্যাঙ্কুভার: রিজেন্ট কলেজ পাবলিশিং, ১৯৯৯, পৃষ্ঠা ১৫৯
*ঐতিহ্যগত খ্রিস্টধর্ম এবং প্রথাগত খ্রিস্টধর্মকে একজন একক ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠাতার দিকে টেনে নিয়ে যাওয়ার যেকোনো চেষ্টা, উভয়ই প্রমাণের ভিত্তিতে ভেঙে পড়ে। [...] যে এজিয়ান শহরগুলোতে পলের চিঠিপত্র রূপ নিয়েছিল, সেখানে অবতার ঈশ্বরের পুরাণ [অর্থাৎ শুরু থেকেই] ধর্মের ভিত্তি ছিল, কোনো ঐতিহাসিক যিশুর জীবন নয়। পল নাজারেথের যিশু সম্পর্কে ঠিক ততটুকুই জানেন, যতটা সিনপটিকগুলো প্রাক-অস্তিত্বশীল খ্রিস্ট সম্পর্কে জানে।
**{{cite book|last=রবার্টসন|first=আর্চিবল্ড|title=দ্য অরিজিনস অব ক্রিস্টিয়ানিটি|url=https://books.google.com/books?id=TXcOAQAAIAAJ|edition=2|year=1962|publisher=ইন্টারন্যাশনাল পাবলিশার্স|page=৯৬|chapter=কনক্লুশন}}
*খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্ব (যে যিশু কখনোই বেঁচে ছিলেন না) এই শতাব্দীর শুরুতে কিছুটা জনপ্রিয়তা পেয়েছিল কিন্তু এটি সমসাময়িক পাণ্ডিত্য দ্বারা সমর্থিত নয়।
::অ্যালান রিচার্ডসন, ''দ্য পলিটিক্যাল ক্রাইস্ট'', লন্ডন: এসসিএম, ১৯৭৩, পৃষ্ঠা ১১৩
*পুরাণবাদীরা... পেশাদার ধর্মতত্ত্ববিদদের কাছ থেকে ন্যায্য আচরণ পায় না। তারা হয় তাকে নীরবতার ষড়যন্ত্র দিয়ে মোকাবিলা করে অথবা, যদি তা অসম্ভব হয়, তবে তাকে এমন একজন অপেশাদার হিসেবে বিবেচনা করে যাঁর একাডেমিক যোগ্যতার অভাব... তাঁর মতামতকে মূল্যহীন করে দেয়। এই ধরনের আচরণ স্বাভাবিকভাবেই পুরাণবাদীদের আক্রমণাত্মক করে তোলে। (এ. রবার্টসন, ''জিসাস: মিথ অর হিস্ট্রি?'', x [xii]।)
::{{cite book|last=রবার্টসন|first=আর্চিবল্ড|title=জিসাস: মিথ অর হিস্ট্রি?|url=https://archive.org/stream/jesusmythorhisto035413mbp#page/n7/mode/2up|publisher=ওয়াটস অ্যান্ড কোং|location=London|year=1946|series=[[থিঙ্কার্স লাইব্রেরি|থিঙ্কার্স লাইব্রেরি, নং ১১০]]|page=xii}}
:*[[আর্চিবল্ড রবার্টসন (নাস্তিক)|আর্চিবল্ড রবার্টসন]] এপি. {{cite book|last=এহরম্যান|first=বার্ট ডি.|title=ডিড জিসাস এক্সিস্ট?: দ্য হিস্টোরিক্যাল আর্গুমেন্ট ফর জিসাস অব নাজারেথ|url=https://books.google.com/books?id=hf5Rj8EtsPkC&pg=PT15|date=20 March 2012|publisher=হার্পারকলিন্স|isbn=978-0-06-208994-6|pages=20, 348, n. 12}}
*যৌক্তিকভাবে কেবল এটুকুই দাবি করা যেতে পারে যে যিশু নামের একজন শিক্ষক বা শিক্ষকগণ, বা ভিন্ন ভিন্ন নামের একাধিক শিক্ষক যাঁদের মসিহ বলা হতো, তারা হয়তো বিভিন্ন সময়ে, সম্ভবত পলের চিঠিপত্র লেখার পরে এই শিক্ষাগুলোর কিছু মসিহসুলভভাবে বলেছিলেন।
**{{cite book|last=রবার্টসন|first=জন ম্যাকিনন|title=ক্রিস্টিয়ানিটি অ্যান্ড মাইথোলজি|url=https://archive.org/details/christianitymyth00robe|year=1910|publisher=ওয়াটস অ্যান্ড কোং|page=১২৫}}
*যিশু নামের একজন মানুষ, একজন অখ্যাত ধর্মীয় শিক্ষক, এই কল্পিত খ্রিস্টের ভিত্তি হিসেবে প্রায় উনিশশো বছর আগে ফিলিস্তিনে বসবাস করতেন, তা সত্য হতে পারে। কিন্তু এই মানুষটি সম্পর্কে আমরা কিছুই জানি না। তাঁর জীবনী লেখা হয়নি।
**{{cite book|last=রেমসবার্গ|first=জন এলিয়াজার|title=দ্য ক্রাইস্ট: আ ক্রিটিক্যাল রিভিউ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস অব দ্য এভিডেন্সেস অব হিজ এক্সিস্টেন্স|url=https://archive.org/details/christcriticalre00rems|year=1909|publisher=ট্রুথ সিকার কোম্পানি|page=২৪}}
*[এল. জি. রাইল্যান্ডসের ''দ্য বিগিনিংস অব নস্টিক ক্রিস্টিয়ানিটি'', ওয়াটস অ্যান্ড কোং. লন্ডন, ১৯৪০-এর মতে] রাইল্যান্ডসের দৃষ্টিভঙ্গি সংক্ষেপে হলো, হেলেনীয় আগ্রাসন ধর্মীয় বিশ্বে আলোড়ন নিয়ে এসেছিল। ইহুদি ধর্মের ওপর গ্রিক দর্শন ও প্রাচ্যের ধর্মতত্ত্বের প্রভাবের কারণে অনেক মিশ্রণ ঘটেছিল। গড়ে ওঠা অনেক ইহুদি সম্প্রদায়ের মধ্যে খ্রিস্টধর্ম ছিল একটি। পৃষ্ঠা ২২। এই আলোড়নে নস্টিক ধারণাগুলো গড়ে উঠেছিল, যা মূলত প্রাচ্যের দর্শন ও পুরাণ থেকে এসেছিল, যা পরবর্তীতে খ্রিষ্টান নৈতিকতার জন্ম দিয়েছিল। মূলত, প্রথমে যে খ্রিস্টধর্ম গড়ে উঠেছিল তা গভীরভাবে আধ্যাত্মিক ছিল, অর্থাৎ, পল ও জন একজন মানব বস্তুবাদী খ্রিস্ট সম্পর্কে জানতেন না। ক্যাথলিক ধর্মতত্ত্ব বস্তুবাদী দিকটি পরিচয় করিয়ে দেয়। নস্টিকরা আসলে [প্রকৃত] পলিন এবং জোহানাইন চিন্তাধারার প্রতিনিধিত্ব করত। ৭০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে [প্রোটো-অর্থোডক্স] মানুষেরা একজন বলিদান হওয়া যিশুর উপাসনা করছিল; এই মানুষেরা একটি সম্প্রদায় ছিল, শুরুতে কোনো গির্জা নয়। কিন্তু তারা আধিপত্য বিস্তার করে। নস্টিকরা আদিম [উচ্চ] পলিন এবং জোহানাইন ক্রিস্টোলজি ত্যাগ করতে অস্বীকার করে [প্রত্যাখ্যান করে]। পৃষ্ঠা ২৭২ "নস্টিক ক্রিস্টোলজি আসল ছিল, এটি একটি স্বর্গীয় খ্রিস্টের উপাসনা করত, এটি একজন মানব যিশু সম্পর্কে জানত না।" পৃষ্ঠা ২৭৯।
::{{cite book|last=রাইল্যান্ডস|first=লুই গর্ডন|title=দ্য বিগিনিংস অব নস্টিক ক্রিস্টিয়ানিটি|url=https://books.google.com/books?id=es3YAAAAMAAJ|year=1940|publisher=ওয়াটস}}
:*{{cite book|last=গ্রোনিঞ্জেন|first=জেরার্ড ভ্যান|title=ফার্স্ট সেঞ্চুরি নস্টিসিজম: ইটস অরিজিন অ্যান্ড মোটিফস|url=https://books.google.com/books?id=kMgUAAAAIAAJ&pg=PA80|year=1967|publisher=ব্রিল আর্কাইভ|pages=79–80, n. 3|chapter=ক্রিস্টিয়ানিটি}}
*খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্ব (যে যিশু কখনোই বেঁচে ছিলেন না) এই শতাব্দীর শুরুতে কিছুটা জনপ্রিয়তা পেয়েছিল কিন্তু এটি সমসাময়িক পাণ্ডিত্য দ্বারা সমর্থিত নয়।
::অ্যালান রিচার্ডসন, ''দ্য পলিটিক্যাল ক্রাইস্ট'', লন্ডন: এসসিএম, ১৯৭৩, পৃষ্ঠা ১১৩
* "দ্য ক্রাইস্ট" নামক এই খণ্ডটি এমন একজনের দ্বারা লেখা হয়েছে যিনি স্ট্রস ও রেনানের যিশুকে একটি মধ্যবর্তী ধাপ হিসেবে স্বীকার করেন, কিন্তু গোঁড়া খ্রিস্টধর্ম ও কট্টর মুক্তচিন্তার মধ্যে চূড়ান্ত ধাপ হিসেবে নয়। '''খ্রিস্ট বলতে নতুন নিয়মের যিশুকে বোঝানো হয়েছে। নতুন নিয়মের যিশুই হলেন খ্রিস্টধর্মের খ্রিস্ট। নতুন নিয়মের যিশু একজন অতিপ্রাকৃত সত্তা। খ্রিস্টের মতোই তিনিও একটি পুরাণ। তিনি হলেন খ্রিস্ট পুরাণ।''' [...] '''আমি মানব যিশুর বিরুদ্ধে লিখছি না, বরং ধর্মতত্ত্বের খ্রিস্ট যিশুর বিরুদ্ধে লিখছি''' [...] নাজারেথের যিশু, মানবতার যিশু, যাঁর সাধারণ জীবন এবং মর্মান্তিক মৃত্যুর করুণ কাহিনী লক্ষ লক্ষ মানুষের সহানুভূতি জাগিয়েছে, তিনি একজন সম্ভাব্য চরিত্র এবং তাঁর অস্তিত্ব থাকতে পারে; কিন্তু '''বেথেলহেমের যিশু, খ্রিস্টধর্মের খ্রিস্ট, একটি অসম্ভব চরিত্র এবং তাঁর কোনো অস্তিত্ব নেই।''' [...] যদিও সমস্ত মুক্তচিন্তাবিদরা একমত যে নতুন নিয়মের খ্রিস্ট একটি পুরাণ, তবুও তারা, যেমনটি আমরা দেখেছি, এই পুরাণের প্রকৃতি সম্পর্কে সম্পূর্ণ একমত নন এবং হয়তো কখনোই হবেন না। কেউ কেউ বিশ্বাস করেনতিনি একটি ঐতিহাসিক পুরাণ; অন্যরা মনে করেন তিনি একটি নিখাদ পুরাণ। কেউ কেউ বিশ্বাস করেনযিশু, একজন বাস্তব ব্যক্তি, ছিলেন এই খ্রিস্টের বীজ যাঁকে পরবর্তী প্রজন্মগুলো ধীরে ধীরে বিকশিত করেছে; অন্যরা যুক্তি দেন যে মানুষ যিশুর পাশাপাশি খ্রিস্টও পুরোপুরি মানুষের কল্পনার সৃষ্টি। প্রতিটি অনুমানের সমর্থনে দেওয়া প্রমাণ ও যুক্তিগুলো যত্ন সহকারে ওজন করার পর, লেখক কোনো একটি সম্পর্কে গোঁড়া স্বীকৃতি প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকলেও, প্রথমটিকে বেশি সম্ভাব্য বলে গ্রহণ করতে বাধ্য হয়েছেন।
::{{cite book | last = রেমসবার্গ | first = জন ই. | title = দ্য ক্রাইস্ট | publisher = ট্রুথ সিকার কোং | year = 1909 | location = New York | url = http://www.gutenberg.org/ebooks/46986 | isbn = 0879759240}}
*যিশুর ঐতিহাসিকতার সমস্যার আলোচনা দুটি ভাগে বিভক্ত—(১) যিশু কেন ঐতিহাসিক ব্যক্তি হতে পারেন না, তা বিশ্বাস করার কারণগুলোর একটি বিবৃতি; (২) খ্রিস্টধর্মের উৎপত্তির ব্যাখ্যা করবে এমন একটি তত্ত্ব নির্মাণ।
::{{cite book|last=রাইল্যান্ডস|first=এল. গর্ডন|title=দ্য লিটারারি গাইড অ্যান্ড র্যাশনালিস্ট রিভিউ|url=https://books.google.com/books?id=Lr3UAAAAMAAJ|volume=57:8|year=1942|page=১০৭|chapter=বুক নোটিস: ''জিসাস নট আ মিথ''। বাই এ. ডি. হাওয়েল স্মিথ (ওয়াটস) ২১০ পিপি.}}
* [জে. এম.] রবার্টসন একজন ঐতিহাসিক যিশুর (সম্ভবত একাধিক) সম্ভাবনা স্বীকার করতে প্রস্তুত, যিনি গসপেলের গল্পে কিছু অবদান রেখেছেন। "যিশু নামের একজন শিক্ষক বা শিক্ষকগণ, বা ভিন্ন ভিন্ন নামের একাধিক শিক্ষক যাঁদের মসিহ বলা হতো" (যাঁদের মধ্যে অনেকের রেকর্ড রয়েছে) তারা হয়তো গসপেলের কিছু কথা বলেছিলেন।
:# তালমুদের যিশু, যাঁকে ক্রুশবিদ্ধ করার ঐতিহ্যগত তারিখের এক শতাব্দীরও বেশি আগে পাথর ছুঁড়ে হত্যা এবং ফাঁসিতে ঝোলানো হয়েছিল, তিনি সত্যিই বেঁচে থাকতে পারেন এবং ঐতিহ্যে কিছু অবদান রাখতে পারেন।
:# একজন ঐতিহাসিক যিশু হয়তো "রোমান শাসনের ধ্বংসাত্মক রাজনৈতিক মতবাদ প্রচার করেছিলেন, এবং... তার কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছিল"; এবং খ্রিষ্টান লেখকরা রোমানদের খুশি করতে গিয়ে সত্যগুলো গোপন করে থাকতে পারেন।
:# অথবা স্থানীয় খ্যাতিসম্পন্ন একজন গ্যালিলীয় বিশ্বাস-নিরাময়কারীকে সামাজিক অস্থিরতার কোনো এক সময়ে মানব বলি হিসেবে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে; এবং তাঁর গল্পটি পুরাণের সাথে মিলে যেতে পারে।
:পুরাণ তত্ত্ব এমন একটি সম্ভাবনা [যে যিশু একজন মানুষ হিসেবে বেঁচে ছিলেন] অস্বীকার করার জন্য চিন্তিত নয়। '''পুরাণ তত্ত্ব যা অস্বীকার করে তা হলো, খ্রিস্টধর্মকে এমন একজন ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠাতার সাথে যুক্ত করা যেতে পারে যিনি গসপেলগুলোতে বর্ণিত হিসেবে শিক্ষা দিয়েছিলেন এবং সেখানে লিপিবদ্ধ পরিস্থিতিতে তাঁকে হত্যা করা হয়েছিল'''
::{{cite book|last=রবার্টসন|first=আর্চিবল্ড|title=জিসাস: মিথ অর হিস্ট্রি?|url=https://archive.org/stream/jesusmythorhisto035413mbp#page/n63/mode/2up|publisher=ওয়াটস অ্যান্ড কোং|location=London|year=1946|series=[[থিঙ্কার্স লাইব্রেরি|থিঙ্কার্স লাইব্রেরি, নং ১১০]]|page=৪৪}}
*[পল-লুই কৌচাউডের মতে] যিশু সম্পর্কে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য সত্যটি হলো... তিনি একজন ঈশ্বর। পল, বেঁচে থাকা সবচেয়ে প্রাচীন খ্রিষ্টান লেখক (যাঁর আটটি বিখ্যাত চিঠিকে কৌচাউড মূলত খাঁটি বলে মনে করেন, যদিও সেগুলো অনেক বেশি সম্পাদিত এবং প্রক্ষিপ্ত), যিশুকে ঈশ্বর হিসেবেই দেখেন।
::{{cite book|last=রবার্টসন|first=আর্চিবল্ড|title=জিসাস: মিথ অর হিস্ট্রি?|url=https://archive.org/stream/jesusmythorhisto035413mbp#page/n7/mode/2up|publisher=ওয়াটস অ্যান্ড কোং|location=London|year=1946|series=[[থিঙ্কার্স লাইব্রেরি|থিঙ্কার্স লাইব্রেরি, নং ১১০]]|page=৫৮}}
* এই যিশু সম্পর্কে আমরা প্রায় কিছুই জানি না। আমরা খ্রিস্টধর্ম হিসেবে যা চিনতে পারি, তিনি তার কিছুরই প্রতিষ্ঠাতা নন। তিনি কেবল ঐতিহাসিক পর্যালোচনার একটি স্বতঃসিদ্ধ সত্য—এক হারানো কারণের একজন মৃত নেতা, যাঁর নামে কিছু কথা চালিয়ে দেওয়া যেতে পারে এবং যাঁকে ঘিরে একটি কিংবদন্তি লেখা যেতে পারে।
::{{cite book|last=রবার্টসন|first=আর্চিবল্ড|title=জিসাস: মিথ অর হিস্ট্রি?|url=https://archive.org/stream/jesusmythorhisto035413mbp#page/n126/mode/1up|publisher=ওয়াটস অ্যান্ড কোং|location=London|year=1946|series=[[থিঙ্কার্স লাইব্রেরি|থিঙ্কার্স লাইব্রেরি, নং ১১০]]|page=১০৭}}
*[জে. এম.] [[জে. এম. রবার্টসন|রবার্টসন]] একজন ঐতিহাসিক যিশুর (সম্ভবত একাধিক) সম্ভাবনা স্বীকার করতে প্রস্তুত, যিনি গসপেলের গল্পে কিছু অবদান রেখেছেন। "যিশু নামের একজন শিক্ষক বা শিক্ষকগণ, বা ভিন্ন ভিন্ন নামের একাধিক শিক্ষক যাঁদের মসিহ বলা হতো" (যাঁদের মধ্যে অনেকের রেকর্ড রয়েছে) তারা হয়তো গসপেলের কিছু কথা বলেছিলেন। (জে. এম. রবার্টসন, ''ক্রিস্টিয়ানিটি অ্যান্ড মাইথোলজি'', সংশোধিত সংস্করণ, পৃষ্ঠা ১২৫) [...] পুরাণ তত্ত্ব যা অস্বীকার করে তা হলো, খ্রিস্টধর্মকে এমন একজন ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠাতার সাথে যুক্ত করা যেতে পারে যিনি গসপেলগুলোতে বর্ণিত হিসেবে শিক্ষা দিয়েছিলেন এবং সেখানে লিপিবদ্ধ পরিস্থিতিতে তাঁকে হত্যা করা হয়েছিল।
**{{cite book|last=রবার্টসন|first=আর্চিবল্ড|title=জিসাস: মিথ অর হিস্ট্রি?|url=https://archive.org/stream/jesusmythorhisto035413mbp#page/n7/mode/2up|publisher=ওয়াটস অ্যান্ড কোং|location=London|year=1946|series=[[থিঙ্কার্স লাইব্রেরি|থিঙ্কার্স লাইব্রেরি, নং ১১০]]|page=৪৪}}
*জে. এম. রবার্টসন কর্তৃক বর্ণিত পুরাণ তত্ত্ব একজন ঐতিহাসিক যিশুর সম্ভাবনাকে বাতিল করে না। "যিশু নামের একজন শিক্ষক বা শিক্ষকগণ" হয়তো "বিভিন্ন সময়ে" গসপেলের কিছু কথা বলেছিলেন। তালমুদের যিশু বেন-প্যানডেরা হয়তো এমন একটি আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন যার চারপাশে প্রাচীন সৌর বা অন্যান্য ধর্মের বেঁচে থাকা অংশগুলো ধীরে ধীরে জড়ো হয়েছিল। এমনকি এটি "খুব একটা অসম্ভব নয় যে যিশু নামে কয়েকজন ছিলেন যারা নিজেদের মসিহ বলে দাবি করতেন।" এই আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা হয়তো একটি ধ্বংসাত্মক রাজনৈতিক মতবাদ প্রচার করে মারা গিয়েছিলেন এবং পরবর্তী লেখকরা সত্যগুলো গোপন করে থাকতে পারেন। যিশু নামের একজন গ্যালিলীয় বিশ্বাস-নিরাময়কারীকে হয়তো সামাজিক অস্থিরতার কোনো এক সময়ে ধর্মান্ধ কৃষকরা মানব বলি হিসেবে উৎসর্গ করেছিল।
**{{cite book|last=রবার্টসন|first=আর্চিবল্ড|title=জিসাস: মিথ অর হিস্ট্রি?|url=https://archive.org/stream/jesusmythorhisto035413mbp#page/n7/mode/2up|publisher=ওয়াটস অ্যান্ড কোং|location=London|year=1946|series=[[থিঙ্কার্স লাইব্রেরি|থিঙ্কার্স লাইব্রেরি, নং ১১০]]|pages=99-100}}
==স==
*যিশু আর যা-ই করুন বা না করুন, তিনি নিঃসন্দেহে* সেই প্রক্রিয়াটি শুরু করেছিলেন যা পরে খ্রিস্টধর্মে পরিণত হয়েছিল…
:নিঃসন্দেহে: এই প্রস্তাব নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, কিন্তু যেসব বিকল্প ব্যাখ্যা প্রস্তাব করা হয়েছে—যেমন "খ্রিস্ট-পুরাণ ঘরানার" তত্ত্বগুলো—সেগুলো পুরোপুরি খারিজ হয়ে গেছে।
::মর্টন স্মিথ, ''জিসাস দ্য ম্যাজিশিয়ান'', নিউ ইয়র্ক: হার্পার অ্যান্ড রো, ১৯৭৮, পৃষ্ঠা ৫ এবং ১৬৬
*অধ্যাপক ওয়েলস যখন গসপেলের গল্পগুলোর এমন একটি ব্যাখ্যা [অর্থাৎ খ্রিস্ট পুরাণ তত্ত্ব] দেন, তখন তিনি আমাদের সামনে তাঁর ব্যক্তিগত পুরাণের এমন একটি অংশ তুলে ধরেন, যা আমার কাছে গসপেলের যেকোনো কিছুর চেয়েও বেশি অবিশ্বাস্য মনে হয়।
::মর্টন স্মিথ, আর. জোসেফ হফম্যানের ''জিসাস ইন হিস্ট্রি অ্যান্ড মিথে'', অ্যামহার্স্ট, এনওয়াই: প্রমিথিউস, ১৯৮৬, পৃষ্ঠা ৪৮
*বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকের ছদ্মপাণ্ডিত্য যিশুর ঐতিহাসিক বাস্তবতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে মূলত একটি পূর্বনির্ধারিত অবস্থানকে প্রমাণ করার সরল প্রচেষ্টা ছিল।
::জেরার্ড স্টিফেন স্লোয়ান, ''দ্য ক্রুসিফিক্সন অব জিসাস: হিস্ট্রি, মিথ, ফেইথ'', মিনিয়াপোলিস: ফোর্ট্রেস প্রেস, ১৯৯৫, পৃষ্ঠা ৯
*যিশুর ঐতিহাসিকতার পক্ষের ও বিপক্ষের দাবিগুলো পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, যারা তাঁকে অনৈতিহাসিক প্রমাণ করতে চান তারা ধর্ম ও মতবাদের ইতিহাস এবং বিশেষ করে প্রাচীন ঐতিহ্যের ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে তাদের প্রতিপক্ষের চেয়ে অনেক বেশি ও গভীর সমস্যার মুখোমুখি হন। সামগ্রিকভাবে দেখলে তাদের এই সমস্যাগুলোর কোনো সম্ভাব্য সমাধান নেই বলেই মনে করতে হবে। এর সাথে যুক্ত হয়েছে এ পর্যন্ত যিশু কখনোই ছিলেন না বলে তুলে ধরা সমস্ত অনুমানগুলো কাজ করার পদ্ধতি এবং গসপেল বিবরণের ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে একে অপরের সম্পূর্ণ বিপরীত। তাই এগুলো কেবল একে অপরকে বাতিল করে দেয়। সুতরাং আমাদের উপসংহারে আসতে হবে, যিশুর অস্তিত্ব ছিল এই অনুমানটি অত্যন্ত সম্ভাব্য, অন্যদিকে এর বিপরীতটি অত্যন্ত অসম্ভাব্য। এর অর্থ এই নয় যে পরেরটি সময়ে সময়ে আবার প্রস্তাব করা হবে না, ঠিক যেমন যিশুর জীবনের রোমান্টিক দৃষ্টিভঙ্গিও অমর হওয়ার ভাগ্য নিয়ে জন্মেছে। এটি এমনকি কিছু পাণ্ডিত্যপূর্ণ কৌশলের সাহায্যে নিজেকে সাজাতে সক্ষম এবং সামান্য দক্ষ কারসাজির মাধ্যমে বিপুল সংখ্যক মানুষের ওপর অনেক প্রভাব ফেলতে পারে। কিন্তু এটি যখন 'ধর্মতত্ত্বের' সাথে কোলাহলপূর্ণ বিতর্কে জড়ানোর চেয়ে বেশি কিছু করে এবং প্রকৃত প্রমাণ তৈরির ঝুঁকি নেয়, তখন এটি অবিলম্বে নিজেকে একটি অবাস্তব অনুমান হিসেবে প্রকাশ করে।
::আলবার্ট শোয়েইটজার, ''দ্য কোয়েস্ট অব দ্য হিস্টোরিক্যাল জিসাস'', অনুবাদক জন বোডেন এবং অন্যান্য, মিনিয়াপোলিস: ফোর্ট্রেস, ২০০১, পৃষ্ঠা ৪৩৫–৪৩৬
*আলোকায়নের পর থেকে যিশুর জীবন সম্পর্কে গসপেলের গল্পগুলো সন্দেহের মুখে পড়েছে। সে সময়কার বুদ্ধিজীবীরা আজকের মতোই প্রশ্ন করতেন: 'নতুন নিয়মের গল্পগুলোকে ঈশপের গল্প বা গ্রিমের রূপকথার চেয়ে ঐতিহাসিকভাবে বেশি সম্ভাব্য করে তোলে কী?' সমালোচকদের সন্তোষজনকভাবে উত্তর দেওয়া যেতে পারে... এর কঠোর মানদণ্ডের জন্য, [বিব্রতকর] মানদণ্ডটি প্রমাণ করে, যিশু অস্তিত্বশীল ছিলেন।
::অ্যালান এফ. সেগাল, "বিলিভ অনলি দ্য এমব্যারাসিং", স্লেট, ২০০৫
*উনিশ শতকের কিছু যুক্তিবাদী দাবি করতেন যে তাঁর কখনোই কোনো অস্তিত্ব ছিল না, গসপেলগুলো একজন আদর্শ ইহুদির চিত্র তুলে ধরেছে যিনি বাস্তবে ছিলেনই না। একদল জার্মান ও ব্রিটিশ লেখক এই ঐতিহাসিক অর্থহীনতা তৈরি করতে পারতেন, যার কিছুটা আবার ফিরে এসেছে। এর চেয়ে সম্রাট [[নারভা|নারভা]] কখনোই ছিলেন না তা প্রতিষ্ঠা করা সহজ হবে, যেই নামটি ডমিশিয়ান এবং ট্রাজানের মধ্যবর্তী বছরগুলোর অজ্ঞতার শূন্যস্থান পূরণের জন্য তৈরি করা হয়েছিল।
::জেরার্ড স্টিফেন স্লোয়ান, ''জিসাস: ওয়ার্ড মেইড ফ্লেশ'', কলেজভিল, এমএন: লিটার্জিক্যাল প্রেস, ২০০৮, পৃষ্ঠা ১৬০
*১৯১০-এর দশকে কয়েকজন পণ্ডিত যুক্তি দিয়েছিলেন যে যিশু কখনোই ছিলেন না এবং তিনি কেবল কাল্পনিক চিন্তার ফসল। যিশুর ঐতিহাসিকতার এই অস্বীকার এখন আর পণ্ডিতদের কাছে, তা তারা মধ্যপন্থী হোন বা চরমপন্থী, গ্রহণযোগ্য নয়। … "খ্রিস্ট-পুরাণ" তত্ত্বগুলো আজ পণ্ডিতদের দ্বারা গৃহীত বা এমনকি আলোচিতও হয় না।
::স্যামুয়েল স্যান্ডমেল, ''আ জিউইশ আন্ডারস্ট্যান্ডিং অব দ্য নিউ টেস্টামেন্ট'', নিউ ইয়র্ক: কেটাভ, ১৯৭৪, পৃষ্ঠা ১৯৬
*আজকাল প্রায় সমস্ত ইতিহাসবিদ, তারা খ্রিষ্টান হোন বা না হোন, স্বীকার করেনযিশুর অস্তিত্ব ছিল এবং গসপেলগুলোতে প্রচুর মূল্যবান প্রমাণ রয়েছে যা গুরুত্বের সাথে বিবেচনা ও মূল্যায়ন করা উচিত। পলের সম্ভাব্য ব্যতিক্রম ছাড়া, আমরা প্রথম বা দ্বিতীয় শতাব্দীর অন্য যেকোনো ইহুদি বা পৌত্তলিক ধর্মীয় শিক্ষকের চেয়ে নাজারেথের যিশু সম্পর্কে অনেক বেশি জানি বলে সাধারণ ঐকমত্য রয়েছে।
::গ্রাহাম স্ট্যান্টন, ''দ্য গসপেলস অ্যান্ড জিসাস'' (২য় সংস্করণ), অক্সফোর্ড: অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস, ২০০২, পৃষ্ঠা xxiii
*পল আমাদের দেখান যে আদি খ্রিস্টধর্ম যিশুর জাগতিক জীবনের প্রতি কতটা সম্পূর্ণ উদাসীন ছিল।
**{{cite book|last=শোয়েইটজার|first=আলবার্ট|title=দ্য কোয়েস্ট অব দ্য হিস্টোরিক্যাল জিসাস|url=https://books.google.com/books?id=7UPLuZZ8NHIC&pg=PA342#v=onepage&q&f=false|year=1910|page=৩৪২|orig-year=1906}}
*আমি এলডিএস [ল্যাটার ডে সেন্টস] পরিসংখ্যান থেকে জানতাম যে আদি খ্রিস্টধর্মের বৃদ্ধি কোনোভাবেই বিস্ময়কর ছিল না। ইতিহাস যে সময় দেয় তার মধ্যে খ্রিষ্টানদের সংখ্যা ৬০ লক্ষে পৌঁছানোর জন্য দশকে ৪০ শতাংশ বৃদ্ধির হার প্রয়োজন ছিল, যা সাম্প্রতিক এলডিএস হারের চেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে কম (স্টার্ক ১৯৯৬এ:৭, ১৪)।
**{{cite book|last=স্টার্ক|first=রডনি|last2=নিলসন|first2=রিড এল.|title=দ্য রাইজ অব মরমনইজম|url=https://books.google.com/books?id=wO6Ui_48mRcC&pg=PA23|date=14 August 2012|publisher=কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটি প্রেস|isbn=978-0-231-50991-6|page=২৩}}
*ঐতিহাসিকভাবে, [যিশু] খ্রিস্ট আদৌ কখনো অস্তিত্বশীল ছিলেন কি না তা বেশ সন্দেহজনক, এবং যদি তিনি [অস্তিত্বশীল] থেকেও থাকেন, আমরা তাঁর সম্পর্কে কিছুই জানি না।
**{{cite book|last=রাসেল|first=বারট্রান্ড|title=হোয়াই আই অ্যাম নট আ ক্রিস্টিয়ান: অ্যান্ড আদার এসেজ অন রিলিজিয়ন অ্যান্ড রিলেটেড সাবজেক্টস|url=https://books.google.com/books?id=pc0x2bxOSUgC&pg=PA16|year=1957|publisher=সিমন অ্যান্ড শুস্টার|isbn=978-0-671-20323-8|page=১৬}}
*মর্টন স্মিথ যেমনটি মন্তব্য করেছেন, [জি. এ.] ওয়েলসের যুক্তি মূলত নীরবতার যুক্তির ওপর ভিত্তি করে... তিনি দাবি করেন "অজ্ঞাত প্রোটো-খ্রিষ্টানদের জন্য যারা একটি অপ্রমাণিত পুরাণ গড়ে তোলে... এমন এক অনির্দিষ্ট অতিপ্রাকৃত সত্তা সম্পর্কে যাঁকে অনির্দিষ্ট সময়ে ঈশ্বর মানবজাতিকে বাঁচাতে মানুষের রূপে পৃথিবীতে পাঠিয়েছিলেন এবং তাঁকে ক্রুশবিদ্ধ করা হয়েছিল"।
::{{cite book|last=স্মিথ|first=মর্টন|editor=R. Joseph Hoffmann, Gerald A. Larue|title=জিসাস ইন হিস্ট্রি অ্যান্ড মিথ|url=https://books.google.com/books?id=PdnYAAAAMAAJ|year=1986|publisher=প্রমিথিউস বুকস|isbn=978-0-87975-332-0|pages=47–48|chapter=দ্য হিস্টোরিক্যাল জিসাস}}
:*[[মর্টন স্মিথ]] এপি. {{cite book|last=ভুরস্ট|first=রবার্ট ভ্যান|title=জিসাস আউটসাইড দ্য নিউ টেস্টামেন্ট: অ্যান ইন্ট্রোডাকশন টু দ্য অ্যানসিয়েন্ট এভিডেন্স|url=https://books.google.com/books?id=lwzliMSRGGkC&pg=PA14|date=13 April 2000|publisher=ডব্লিউএম. বি. ইয়ার্ডম্যানস পাবলিশিং|isbn=978-0-8028-4368-5|pages=14f, n. 34|quote=(Morton Smith, “The Historical Jesus,” in ''Jesus in Myth and History''. ed. R. Joseph Hoffmann and Gerald A. Larue [Buffalo: Prometheus, 1986] 47-48)}}
*যিশুর ঐতিহাসিকতার পক্ষের ও বিপক্ষের দাবিগুলো পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, যারা তাঁকে অনৈতিহাসিক প্রমাণ করতে চান তারা ধর্ম ও মতবাদের ইতিহাস এবং বিশেষ করে প্রাচীন ঐতিহ্যের ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে তাদের প্রতিপক্ষের চেয়ে অনেক বেশি ও গভীর সমস্যার মুখোমুখি হন। সামগ্রিকভাবে দেখলে তাদের এই সমস্যাগুলোর কোনো সম্ভাব্য সমাধান নেই বলেই মনে করতে হবে। এর সাথে যুক্ত হয়েছে এ পর্যন্ত যিশু কখনোই ছিলেন না বলে তুলে ধরা সমস্ত অনুমানগুলো কাজ করার পদ্ধতি এবং গসপেল বিবরণের ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে একে অপরের সম্পূর্ণ বিপরীত। তাই এগুলো কেবল একে অপরকে বাতিল করে দেয়। সুতরাং আমাদের উপসংহারে আসতে হবে, যিশুর অস্তিত্ব ছিল এই অনুমানটি অত্যন্ত সম্ভাব্য, অন্যদিকে এর বিপরীতটি অত্যন্ত অসম্ভাব্য। এর অর্থ এই নয় যে পরেরটি সময়ে সময়ে আবার প্রস্তাব করা হবে না, ঠিক যেমন যিশুর জীবনের রোমান্টিক দৃষ্টিভঙ্গিও অমর হওয়ার ভাগ্য নিয়ে জন্মেছে। এটি এমনকি কিছু পাণ্ডিত্যপূর্ণ কৌশলের সাহায্যে নিজেকে সাজাতে সক্ষম এবং সামান্য দক্ষ কারসাজির মাধ্যমে বিপুল সংখ্যক মানুষের ওপর অনেক প্রভাব ফেলতে পারে। কিন্তু এটি যখন 'ধর্মতত্ত্বের' সাথে কোলাহলপূর্ণ বিতর্কে জড়ানোর চেয়ে বেশি কিছু করে এবং প্রকৃত প্রমাণ তৈরির ঝুঁকি নেয়, তখন এটি অবিলম্বে নিজেকে একটি অবাস্তব অনুমান হিসেবে প্রকাশ করে।
::আলবার্ট শোয়েইটজার, ''দ্য কোয়েস্ট অব দ্য হিস্টোরিক্যাল জিসাস'', ২০০১, পৃষ্ঠা ৪৩৫–৪৩৬ [তাঁর কাজ, গেশিখটে ডের লেবেন-জিসু-ফরশুং, ২য় সংস্করণের ১৯১৩ সালের সংশোধিত সংস্করণের ইংরেজি অনুবাদ।]
*তাঁর জীবনীর দুটি প্রাচীনতম রেকর্ডকে খাঁটি ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে প্রদান করে সিনপটিক সমস্যার ওপর তাঁর প্রকাশিত কাজটি ইতিমধ্যে "খ্রিস্ট-পুরাণ" তত্ত্বকে—যে যিশু ঐতিহাসিক ব্যক্তি হিসেবে কখনোই ছিলেন না—ধ্বংস করতে সাহায্য করেছিল।"
::জর্জ সিভার, ''আলবার্ট শোয়েইটজার: দ্য ম্যান অ্যান্ড হিজ মাইন্ড'', নিউ ইয়র্ক: হার্পার, ১৯৫৫, পৃষ্ঠা ৪৫
*[''দ্য হিস্টোরিসিটি অব জিসাস'' (১৯১২) বইয়ের একটি পর্যালোচনার মতে] "নতুন নিয়মের উপাত্ত যিশুর পার্থিব জীবনের বাস্তবতার প্রমাণের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ পরিষ্কার"... ''ইকে ডিউসে'' বর্ণিত সম্পূর্ণ প্রতীকী ব্যাখ্যাকে উপেক্ষা করে। যদি এই ব্যাখ্যাটি অনেকাংশে সঠিক হয়, তবে নতুন নিয়মের উপাত্ত প্রশ্নবিদ্ধ ঐতিহাসিকতার বিরুদ্ধে তাদের প্রমাণের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ পরিষ্কার বলে মনে হবে। যতক্ষণ না সেই ব্যাখ্যার ভুল দেখানো হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত অধ্যাপক [এস. জে.] কেসের সারসংক্ষেপের এই প্রধান যুক্তিটি ধোপে টেকে না।
::{{cite book|last=স্মিথ|first=উইলিয়াম বেঞ্জামিন|editor=Paul Carus|title=দ্য ওপেন কোর্ট, আ মান্থলি ম্যাগাজিন|volume=26:10|year=1912|publisher=দ্য ওপেন কোর্ট পাবলিশিং কো.|pages=613f|chapter=[https://books.google.com/books?id=XLhZAAAAYAAJ&pg=PA604 দ্য হিস্টোরিসিটি অব জিসাস]|quote=Case, S. J. (1912). The Historicity of Jesus. University of Chicago Press. p. 269f.}}
*যিশুর জীবনী লেখার সমালোচনামূলক মূল্য সন্দেহজনক। কিংবদন্তি ঐতিহাসিক তথ্যগুলোকে অনেক বেশি রঙিন করেছে, এবং বাইরের সমর্থনমূলক প্রমাণ খুবই দুর্বল...
::{{cite book|last1=স্মিথ|first1=এ. ডি. হাওয়েল|title=ইন সার্চ অব দ্য রিয়েল বাইবেল|date=1943|publisher=ওয়াটস|location=London|page=৮৭|url=https://archive.org/stream/in.ernet.dli.2015.46389/2015.46389.In-Search-Of-The-Real-Bible#page/n97/mode/1up|series=[[থিঙ্কার্স লাইব্রেরি|থিঙ্কার্স লাইব্রেরি, নং ৯৮]]}}
*"তাঁর জীবনীর দুটি প্রাচীনতম রেকর্ডকে খাঁটি ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে প্রদান করে সিনপটিক সমস্যার ওপর তাঁর প্রকাশিত কাজটি ইতিমধ্যে "খ্রিস্ট-পুরাণ" তত্ত্বকে—যে যিশু ঐতিহাসিক ব্যক্তি হিসেবে কখনোই ছিলেন না—ধ্বংস করতে সাহায্য করেছিল।"
::জর্জ সিভার, ''আলবার্ট শোয়েইটজার: দ্য ম্যান অ্যান্ড হিজ মাইন্ড'', নিউ ইয়র্ক: হার্পার, ১৯৫৫, পৃষ্ঠা ৪৫
*সব পুরাণবাদীরা খ্রিস্টধর্মের উৎপত্তি এবং যিশু পুরাণের সঠিক ব্যাখ্যা হিসেবে কী মনে করেন, তা নিয়ে একে অপরের সাথে একমত নন। [...] [কিছু পুরাণবাদী] দাবি করেনখ্রিষ্টীয় যুগের শুরুতে যিশু নামের কোনো সাধারণ মানুষ আদৌ ছিলেন কি না, তা প্রমাণ বা অপ্রমাণ করা আজ অসম্ভব।
::{{cite book|last=স্টেইন|first=গর্ডন|editor=Stein|title=অ্যান অ্যান্থোলজি অব অ্যাথিজম অ্যান্ড র্যাশনালিজম|url=https://books.google.com/books?id=w4_XAAAAMAAJ|year=1980|publisher=প্রমিথিউস বুকস|isbn=978-0-87975-136-4|page=১৮২|chapter=দ্য হিস্টোরিসিটি অব জিসাস}}
==T==
*জিন্ডলার মাধ্যমিক কাজের ওপর নির্ভর করেন এবং খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্ব, অর্থাৎ ঐতিহাসিক যিশু কখনোই ছিলেন না—এই তত্ত্ব প্রমাণের উদ্দেশ্যে লেখেন।
:::জন টি. টাউনসেন্ড, আইজ্যাক কলিমি ও পিটার জে. হাসের ''বিবলিক্যাল ইন্টারপ্রিটেশন ইন জুডাইজম অ্যান্ড ক্রিস্টিয়ানিটি''-তে "ক্রিস্টিয়ানিটি ইন রাব্বিনিক লিটারেচার" (নিউ ইয়র্ক: টি. অ্যান্ড টি. ক্লার্ক, ২০০৬) পৃষ্ঠা ১৫০
*[প্রথম দুই শতাব্দী থেকে যিশুর অ-খ্রিষ্টান উল্লেখগুলো] যিশুর অস্তিত্বটাই যে খ্রিষ্টানদের আবিষ্কার ছিল, এমন সব অকল্পনীয় তত্ত্বকে অত্যন্ত অবাস্তব করে তোলে। এই সত্যটি যে যিশু ছিলেন, পন্টিয়াস পিলেটের অধীনে তাঁকে (যেকোনো কারণেই হোক) ক্রুশবিদ্ধ করা হয়েছিল এবং তাঁর একদল অনুসারী ছিল যারা তাঁর লক্ষ্যকে সমর্থন করতে থাকে, এগুলো ঐতিহাসিক ঐতিহ্যের ভিত্তির অংশ বলে মনে হয়। অন্য কিছু না হলেও, অন্তত এই বিষয়ে অ-খ্রিষ্টান প্রমাণ আমাদের নিশ্চিত করতে পারে।
::ক্রিস্টোফার এম. টাকেট, ''দ্য কেমব্রিজ কম্প্যানিয়ন টু জিসাসে'' "সোর্সেস অ্যান্ড মেথডস", লন্ডন: কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস, ২০০১, পৃষ্ঠা ১২৪
*একাডেমিক জগতে, যিশু তাঁর জীবদ্দশার সম্রাট অগাস্টাস এবং টাইবেরিয়াসের মতোই অস্তিত্বশীল ছিলেন, তা নিয়ে আর কোনো সন্দেহ থাকতে পারে না। এমনকি যদি আমরা একটু সময়ের জন্য ধরেও নিই যে তাঁকে উল্লেখ করা বাইবেলের বাইরের লেখকদের—ফ্ল্যাভিয়াস জোসেফাস, ট্যাসিটাস, সুয়েটোনিয়াস, প্লিনি দ্য ইয়াংগার এবং অন্যান্যদের—বর্ণনাগুলো টিকে থাকেনি, তবুও গসপেল, পলের চিঠিপত্র এবং নতুন নিয়মের অন্যান্য লেখার অসামান্য মান ইতিহাসবিদদের জন্য প্রয়োজনের চেয়েও ভালো।
::কার্স্টেন পিটার থিয়েড, ''জিসাস, ম্যান অর মিথ?'', অক্সফোর্ড: লায়ন, ২০০৫, পৃষ্ঠা ২৩
*জিন্ডলার মাধ্যমিক কাজের ওপর নির্ভর করেন এবং খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্ব, অর্থাৎ ঐতিহাসিক যিশু কখনোই ছিলেন না—এই তত্ত্ব প্রমাণের উদ্দেশ্যে লেখেন।
::জন টি. টাউনসেন্ড, আইজ্যাক কলিমি ও পিটার জে. হাসের ''বিবলিক্যাল ইন্টারপ্রিটেশন ইন জুডাইজম অ্যান্ড ক্রিস্টিয়ানিটি''-তে "ক্রিস্টিয়ানিটি ইন রাব্বিনিক লিটারেচার" (নিউ ইয়র্ক: টি. অ্যান্ড টি. ক্লার্ক, ২০০৬) পৃষ্ঠা ১৫০
*এই অনুমানগুলো যে (১) গসপেলগুলো ঐতিহাসিক যিশু সম্পর্কে এবং (২) প্রত্যাশাগুলো যা কোনো গল্পের কাহিনীতে ভূমিকা রাখে, সেগুলো ঐতিহাসিক যিশু এবং আদি ইহুদি ধর্মেরও প্রত্যাশা ছিল ...তার কোনো যৌক্তিকতা নেই।
**{{cite book|last=থম্পসন|first=থমাস এল.|title=দ্য মেসিয়াহ মিথ: দ্য নিয়ার ইস্টার্ন রুটস অব জিসাস অ্যান্ড ডেভিড|url=https://books.google.com/books?id=5bSkxEucWDAC&pg=PA8|date=20 April 2009|publisher=বেসিক বুকস|isbn=978-0-7867-3911-0|page=৮|chapter=হিস্টোরিসাইজিং দ্য ফিগার অব জিসাস, দ্য মেসিয়াহ}}
*একটি নিবন্ধে ('দ্য হিস্টোরিওগ্রাফি অব দ্য পেন্টাটিউচ: ২৫ ইয়ারস আফটার হিস্টোরিসিটি' স্ক্যান্ডিনেভিয়ান জার্নাল অব দ্য ওল্ড টেস্টামেন্ট ১৩, ১৯৯৯, ২৫৮-২৮৩) আমি আলোচনা করেছি কেন আমি মনে করি বাইবেলের বর্ণনার চরিত্রগুলোর ঐতিহাসিকতা প্রতিষ্ঠা করা খুব কঠিন। কারণ বিষয়টি মূলত আমরা যেই পাঠ্যগুলো নিয়ে কাজ করছি, সেগুলোর মানের সাথে সম্পর্কিত। আমি আমার ২০০৫ সালের মেসিয়াহ মিথ গ্রন্থে এই বিষয়ে আরও কাজ করেছি। এখানে আমি যুক্তি দিয়েছি যে সিনপটিক গসপেলগুলো যিশু চরিত্রের ঐতিহাসিকতা প্রতিষ্ঠা করতে খুব কমই ব্যবহৃত হতে পারে; কারণ যেই ঘটনাগুলো ও কথাগুলো দিয়ে যিশুর চরিত্রটি উপস্থাপন করা হয়েছে, তা উভয়ই ছাঁচে ঢালা এবং এর ইতিহাস কয়েক শতাব্দী পুরোনো। আমি মোটেও এমনটা দেখাইনি বা দাবি করিনি যে যিশুর অস্তিত্ব ছিল না। বরং, আমি হোমারের মতো চরিত্রগুলোর সম্পর্কে আমাদের জ্ঞানের সাথে যিশু সম্পর্কে আমাদের জ্ঞানের তুলনা করেছি। যেই মুহূর্তে আমরা এমন একটি ঐতিহাসিক চরিত্র শনাক্ত করার চেষ্টা করি, তখনই আমরা বুঝতে পারি, আমরা গল্পের মূল উপাদানগুলো নিয়ে কথা বলছি।
::থম্পসন, থ. এল. ১৯৭৪। দ্য হিস্টোরিসিটি অব দ্য প্যাট্রিয়ার্কাল ন্যারেটিভস: দ্য কোয়েস্ট ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল আব্রাহাম, বিজেডএডব্লিউ, ভলিউম ১৩৩, বার্লিন: ডি গ্রুটার।
::{{cite journal|last=থম্পসন|first=থমাস|title=Historiography in the pentateuch: Twenty-five years after historicity|trans-title=পেন্টাটিউচের ইতিহাস রচনা: ঐতিহাসিকতার পঁচিশ বছর পর|journal=স্ক্যান্ডিনেভিয়ান জার্নাল অব দ্য ওল্ড টেস্টামেন্ট|date=1999|volume=13|issue=2|pages=258–283|doi=10.1080/09018329908585157|url=http://www.tandfonline.com/doi/abs/10.1080/09018329908585157}}
:*{{cite web|author=থমাস এল. থম্পসন|title=The Bible and Interpretation - Is This Not the Carpenter’s Son?|trans-title=দ্য বাইবেল অ্যান্ড ইন্টারপ্রিটেশন - ইনি কি ছুতোরের ছেলে নন?|url=http://www.bibleinterp.com/articles/tho368005.shtml|website=www.bibleinterp.com|accessdate=19 September 2016|location=Comments section|date=10 July 2012}} মন্তব্য #৪ - থমাস এল. থম্পসন - ০৭/১০/২০১২ - ০৯:১১।
*গসপেলগুলো আসলে জীবনী কি না—কোনো ঐতিহাসিক ব্যক্তির জীবন সম্পর্কে বর্ণনা কি না—তা সন্দেহজনক। এদের শিক্ষামূলক এবং কিংবদন্তি চরিত্র ঐতিহাসিক পুনর্গঠনের জন্য এদের মান কমিয়ে দেয়। নতুন নিয়মের পণ্ডিতেরা সাধারণত এই মতামত পোষণ করেনএকজন ঐতিহাসিক ব্যক্তি খ্রিস্টের (বা মসিহ) চেয়ে অনেক ভিন্ন হবেন। যাঁর সাথে, উদাহরণস্বরূপ, মার্কের গসপেলের লেখক তাঁর যিশুকে (হিব্রু: জশুয়া = ত্রাণকর্তা) চিহ্নিত করেছেন, এবং এই বলে তাঁর বই শুরু করেছেন: "ঈশ্বরপুত্র যিশু খ্রিস্টের সুসমাচারের শুরু।"
**{{cite book|last=থম্পসন|first=থমাস এল.|title=দ্য মেসিয়াহ মিথ: দ্য নিয়ার ইস্টার্ন রুটস অব জিসাস অ্যান্ড ডেভিড|url=https://books.google.com/books?id=5bSkxEucWDAC&pg=PA3|date=20 April 2009|publisher=বেসিক বুকস|isbn=978-0-7867-3911-0|page=৩|chapter=হিস্টোরিসাইজিং দ্য ফিগার অব জিসাস, দ্য মেসিয়াহ}}
*পল যে বার্তার প্রচার করেন তার মূল কথাগুলো যারা যিশুর সাথে ছিলেন তাদের কাছ থেকে আসে না, যাঁদের পল ব্যঙ্গ করে "গির্জার তথাকথিত স্তম্ভ" বলে ডাকেন, এবং যোগ করেন "তারা কে তা আমার কাছে কোনো অর্থ রাখে না" (গালাতীয় ২:৬)। বরং পল যেই কণ্ঠস্বর, দর্শন এবং প্রত্যাদেশগুলো "শুনছেন" এবং "দেখছেন", তা থেকে এগুলো আসে। কারো কারো কাছে এটি একটি শক্তিশালী ভিত্তি। কিন্তু বেশিরভাগ ইতিহাসবিদ সহ অনেকের কাছেই এই ধরনের "ঐতিহ্য" নির্ভরযোগ্য ঐতিহাসিক সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করা যায় না। (জেমস ট্যাবর, "পল অ্যাজ ক্লেয়ারভয়্যান্ট," সংগৃহীত ২১/০৯/২০১২, http://jamestabor.com/2012/05/23/paul-as-clairvoyant-2)।
**[[জেমস ট্যাবর]] এপি. {{cite journal|last=ল্যাটাস্টার|first=রাফায়েল|title=Questioning the Plausibility of Jesus Ahistoricity Theories — A Brief Pseudo-Bayesian Metacritique of the Sources|trans-title=যিশুর অনৈতিহাসিকতা তত্ত্বের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন — সূত্রগুলোর একটি সংক্ষিপ্ত ছদ্ম-বয়েসিয়ান মেটাক্রিটিক|journal=দ্য ইন্টারমাউন্টেন ওয়েস্ট জার্নাল অব রিলিজিয়াস স্টাডিজ|date=2015|volume=6:1|pages=68|url=http://digitalcommons.usu.edu/cgi/viewcontent.cgi?article=1053&context=imwjournal}}
==ভ==
*অর্থাৎ আমরা যদি খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্বগুলোকে বাদ দিই, তবে সেগুলোকে গম্ভীর সমালোচনার পরিসরে অন্তর্ভুক্ত বলে গণ্য করা যায় না।
::আলেকজান্ডার রোপার ভিডলার, ''দ্য মডার্নিস্ট মুভমেন্ট ইন দ্য রোমান চার্চ'', লন্ডন: কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১৯৩৪, পৃষ্ঠা ২৫৩
*যদিও ওয়েলস সম্ভবত অনৈতিহাসিকতা তত্ত্বের সবচেয়ে যোগ্য প্রবক্তা ছিলেন, কিন্তু তিনি বিশ্বাসযোগ্য হতে পারেননি এবং এখন তিনি প্রায় একাই এই তত্ত্বের পক্ষে কথা বলছেন। যিশুর অস্তিত্বহীনতার তত্ত্বটি এখন পণ্ডিতদের কাছে মৃত।" এবং "অনৈতিহাসিকতা থিসিস সবসময়ই বিতর্কিত ছিল এবং এটি ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন শাখা ও ধর্মীয় বিশ্বাসের পণ্ডিতদের বিশ্বাস করাতে ব্যর্থ হয়েছে... বাইবেলের পণ্ডিতরা এবং ধ্রুপদী ইতিহাসবিদরা এখন এটিকে কার্যকরভাবে খণ্ডিত বলে মনে করেন।
::রবার্ট ই. ভ্যান ভুরস্ট, ''জিসাস আউটসাইড দ্য নিউ টেস্টামেন্ট: অ্যান ইন্ট্রোডাকশন টু দ্য অ্যানসিয়েন্ট এভিডেন্স'', গ্র্যান্ড র্যাপিডস: ইয়ার্ডম্যানস, ২০০০, পৃষ্ঠা ১৪ এবং ১৬
*[ব্রুনো বাউয়ার] এই দৃষ্টিভঙ্গি প্রচার করেন খ্রিস্টধর্ম তার শুরুতে সমন্বয়বাদী এবং পৌরাণিক ছিল।
**{{cite book|last=ভুরস্ট|first=রবার্ট ভ্যান|title=জিসাস আউটসাইড দ্য নিউ টেস্টামেন্ট: অ্যান ইন্ট্রোডাকশন টু দ্য অ্যানসিয়েন্ট এভিডেন্স|url=https://books.google.com/books?id=lwzliMSRGGkC&pg=PA9|date=13 April 2000|publisher=ডব্লিউএম. বি. ইয়ার্ডম্যানস পাবলিশিং|isbn=978-0-8028-4368-5|page=৯}}
*[ব্রুনো] বাউয়ার যুক্তি দিয়েছিলেন যে খ্রিস্টধর্ম এবং এর খ্রিস্টের জন্ম রোম ও আলেকজান্দ্রিয়ায় হয়েছিল। রোমান স্টোইসিজম, গ্রিক নিও-প্লাটোনিজম এবং ইহুদি ধর্মের অনুসারীরা একত্রিত হয়ে এমন একটি নতুন ধর্ম তৈরি করেছিল, যার একজন প্রতিষ্ঠাতা প্রয়োজন ছিল।
**{{cite book|last=ভুরস্ট|first=রবার্ট ভ্যান|title=জিসাস আউটসাইড দ্য নিউ টেস্টামেন্ট: অ্যান ইন্ট্রোডাকশন টু দ্য অ্যানসিয়েন্ট এভিডেন্স|url=https://books.google.com/books?id=lwzliMSRGGkC&pg=PA9|date=13 April 2000|publisher=ডব্লিউএম. বি. ইয়ার্ডম্যানস পাবলিশিং|isbn=978-0-8028-4368-5|page=৯}}
*[জি. এ.] ওয়েলস যুক্তি দেন যে গসপেলগুলোতে এমন অনেক কিছু রয়েছে যা প্রদর্শনযোগ্যভাবে কিংবদন্তি। এগুলো ঐতিহাসিক নয়, বরং ধর্মতাত্ত্বিক উদ্দেশ্য দ্বারা পরিচালিত।
**{{cite book|last=ভুরস্ট|first=রবার্ট ভ্যান|title=জিসাস আউটসাইড দ্য নিউ টেস্টামেন্ট: অ্যান ইন্ট্রোডাকশন টু দ্য অ্যানসিয়েন্ট এভিডেন্স|url=https://books.google.com/books?id=lwzliMSRGGkC&pg=PA13|year=2000|publisher=ডব্লিউএম. বি. ইয়ার্ডম্যানস পাবলিশিং|isbn=978-0-8028-4368-5|page=১৩}}
*[জি. এ.] ওয়েলস যিশুকে পলের অতীন্দ্রিয়বাদ থেকে উদ্ভূত একটি পৌরাণিক চরিত্র হিসেবে ব্যাখ্যা করেন। প্রথম শতাব্দীর শেষের দিকের অন্যান্য খ্রিষ্টানদের [গসপেল লেখার সময়] যাঁর জন্য একটি জীবনী তৈরি করতে হয়েছিল।
**{{cite book|last=ভুরস্ট|first=রবার্ট ভ্যান|title=জিসাস আউটসাইড দ্য নিউ টেস্টামেন্ট: অ্যান ইন্ট্রোডাকশন টু দ্য অ্যানসিয়েন্ট এভিডেন্স|url=https://books.google.com/books?id=lwzliMSRGGkC&pg=PA13|year=2000|publisher=ডব্লিউএম. বি. ইয়ার্ডম্যানস পাবলিশিং|isbn=978-0-8028-4368-5|page=১৩}}
*[ব্রুনো বাউয়ার] যিশুর অস্তিত্ব প্রতিষ্ঠায় নতুন নিয়ম, বিশেষ করে গসপেল এবং পলের চিঠিপত্রের মূল্য অস্বীকার করেছিলেন।
**{{cite book|last=ভুরস্ট|first=রবার্ট ভ্যান|title=জিসাস আউটসাইড দ্য নিউ টেস্টামেন্ট: অ্যান ইন্ট্রোডাকশন টু দ্য অ্যানসিয়েন্ট এভিডেন্স|url=https://books.google.com/books?id=lwzliMSRGGkC&pg=PA9|year=2000|publisher=ডব্লিউএম. বি. ইয়ার্ডম্যানস পাবলিশিং|isbn=978-0-8028-4368-5|page=৯}}
*''দ্য জিসাস মিথ'' (১৯৯৯) [অনুযায়ী], [জি. এ.] ওয়েলস ...এখন স্বীকার করেনহারিয়ে যাওয়া প্রাথমিক "গসপেল" "কিউ" (ম্যাথিউ এবং লুক দ্বারা ব্যবহৃত অনুমানমূলক সূত্র) থেকে যিশুর অস্তিত্বের কিছু ঐতিহাসিক ভিত্তি রয়েছে। ওয়েলস বিশ্বাস করেনএটি এতটাই পুরোনো ও নির্ভরযোগ্য যে যিশুর অস্তিত্ব থাকার সম্ভাবনা রয়েছে, যদিও এই যিশু পরবর্তী ক্যানোনিকাল গসপেলগুলোতে চিত্রিত খ্রিস্ট ছিলেন না।
**{{cite book|last=ভুরস্ট|first=রবার্ট ভ্যান|editor=James Leslie Houlden|title=জিসাস ইন হিস্ট্রি, থট, অ্যান্ড কালচার: অ্যান এনসাইক্লোপিডিয়া|url=https://books.google.com/books?id=17kzgBusXZIC&pg=PA660|year=2003|publisher=এবিসি-ক্লিও|isbn=978-1-57607-856-3|page=৬৬০}}
*যারা গত দুইশ বছরে যিশুর অস্তিত্ব নিয়ে সন্দেহ করেছেন, তারা যুক্তি দিয়েছেন যে ধ্রুপদী লেখকদের দ্বারা যিশুর সমসাময়িক সমর্থন না থাকাটা তাঁর অস্তিত্ব না থাকার একটি প্রধান ইঙ্গিত। (দেখুন, উদাহরণস্বরূপ, ''দ্য এক্সিস্টেন্স অব ক্রাইস্ট ডিসপ্রুভড'' (লন্ডন: হিথারিংটন, ১৮৪১) ২১৪। সাম্প্রতিককালে দেখুন মাইকেল মার্টিন, ''দ্য এভিডেন্স অ্যাগেইনস্ট ক্রিস্টিয়ানিটি'' (ফিলাডেলফিয়া: টেম্পল ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১৯৯১)।)
**{{cite book|last=ভুরস্ট|first=রবার্ট ভ্যান|title=জিসাস আউটসাইড দ্য নিউ টেস্টামেন্ট: অ্যান ইন্ট্রোডাকশন টু দ্য অ্যানসিয়েন্ট এভিডেন্স|url=https://books.google.com/books?id=lwzliMSRGGkC&pg=PA69|year=2000|publisher=ডব্লিউএম. বি. ইয়ার্ডম্যানস পাবলিশিং|isbn=978-0-8028-4368-5|page=৬৯, n. ১২০}}
*[ব্রুনো বাউয়ার] যুক্তি দিয়েছিলেন যে প্রথম শতাব্দীর অ-খ্রিষ্টান লেখায় যিশুর উল্লেখের অভাব প্রমাণ করে, যিশুর অস্তিত্ব ছিল না। দ্বিতীয় শতাব্দীর শুরুতে রোমান লেখকদের দ্বারা যিশুর কয়েকটি উল্লেখও তাঁর অস্তিত্ব প্রমাণ করে না।
**{{cite book|last=ভুরস্ট|first=রবার্ট ভ্যান|title=জিসাস আউটসাইড দ্য নিউ টেস্টামেন্ট: অ্যান ইন্ট্রোডাকশন টু দ্য অ্যানসিয়েন্ট এভিডেন্স|url=https://books.google.com/books?id=lwzliMSRGGkC&pg=PA9|year=2000|publisher=ডব্লিউএম. বি. ইয়ার্ডম্যানস পাবলিশিং|isbn=978-0-8028-4368-5|page=৯}}
*যারা এখনও যুক্তি দেন যে যিশু কখনোই ছিলেন না, তাদের সাথে একটি শেষ সিদ্ধান্ত সম্পর্কিত। যেহেতু ধ্রুপদী লেখকদের মধ্যে যিশুর নিশ্চিত কোনো স্বাধীন সাক্ষী নেই, তাই ঐতিহাসিক প্রমাণের সবচেয়ে কঠোর মানদণ্ড অনুযায়ী আমরা যিশুর অস্তিত্ব প্রমাণ করতে তাদের ব্যবহার করতে পারি না।
**{{cite book|last=ভুরস্ট|first=রবার্ট ভ্যান|title=জিসাস আউটসাইড দ্য নিউ টেস্টামেন্ট: অ্যান ইন্ট্রোডাকশন টু দ্য অ্যানসিয়েন্ট এভিডেন্স|url=https://books.google.com/books?id=lwzliMSRGGkC&pg=PA73|date=13 April 2000|publisher=ডব্লিউএম. বি. ইয়ার্ডম্যানস পাবলিশিং|isbn=978-0-8028-4368-5|page=৭৩}}
*[যিশু সম্পর্কে, জি. এ.] ওয়েলস যুক্তি দেন, তাঁর অস্তিত্ব নিশ্চিত করতে আমাদের অন্যান্য, "বস্তুনিষ্ঠ" সূত্র থেকে স্বাধীন সমর্থনের প্রয়োজন। তিনি [ওয়েলস] ট্যাসিটাস থেকে তালমুদ পর্যন্ত প্রস্তাবিত এই অন্যান্য সূত্রগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা করেন এবং দেখতে পান যে সেগুলোতে যিশু সম্পর্কে কোনো স্বাধীন ঐতিহ্য নেই। অতএব, সেগুলো [প্রমাণ হিসেবে] গ্রহণযোগ্য নয়।
**{{cite book|last=ভুরস্ট|first=রবার্ট ভ্যান|title=জিসাস আউটসাইড দ্য নিউ টেস্টামেন্ট: অ্যান ইন্ট্রোডাকশন টু দ্য অ্যানসিয়েন্ট এভিডেন্স|url=https://books.google.com/books?id=lwzliMSRGGkC&pg=PA13|year=2000|publisher=ডব্লিউএম. বি. ইয়ার্ডম্যানস পাবলিশিং|isbn=978-0-8028-4368-5|page=১৩}}
==ও==
*যিশুর ক্ষেত্রে আমার ''বর্তমান'' মতামত হলো, আমরা তাঁর জীবনী সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছুই জানি না, এমনকি তাঁর অস্তিত্ব ছিল কি না, তা-ও না।
**{{cite book|author=জর্জ ওয়ালশ|title=দ্য রোল অব রিলিজিয়ন ইন হিস্ট্রি|url=https://books.google.com/books?id=cd6tBwAAQBAJ&pg=PT37|date=31 December 2011|publisher=ট্রানজেকশন পাবলিশার্স|isbn=978-1-4128-3878-8|page=৩৭}}
*আমাদের খ্রিস্টধর্মের উৎপত্তি ব্যাখ্যা করতে হবে, এবং তা করতে গিয়ে আমাদের দুটি বিকল্পের মধ্যে যেকোনো একটি বেছে নিতে হবে। একটি বিকল্প হলো বলা যে এর উৎপত্তি একটি পুরাণে হয়েছিল যাকে পরে ইতিহাস হিসেবে সাজানো হয়েছিল। অন্যটি হলো বলা যে এর উৎপত্তি একজন ঐতিহাসিক ব্যক্তির মাধ্যমে হয়েছিল যাঁকে পরে একজন অতিপ্রাকৃত সত্তায় পরিণত করা হয়েছিল। যিশু মূলত একটি পুরাণ ছিলেন—এই তত্ত্বটিকে বলা হয় খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্ব, আর তিনি একজন ঐতিহাসিক ব্যক্তি ছিলেন—এই তত্ত্বটিকে বলা হয় ঐতিহাসিক যিশু তত্ত্ব।
::জর্জ ওয়ালশ, ''দ্য রোল অব রিলিজিয়ন ইন হিস্ট্রি'', নিউ ব্রান্সউইক: ট্রানজেকশন, ১৯৯৮, পৃষ্ঠা ৫৮
*উনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে কিছু অত্যন্ত সংশয়ী ইতিহাসবিদ প্রস্তাব করেন নাজারেথের যিশু কখনোই ছিলেন না। মিশরীয় সূর্য দেবতা এবং অন্যান্য পৌত্তলিক পুরাণের ওপর ভিত্তি করে তিনি একটি পুরাণ ছিলেন। এই যুক্তিগুলো এখন আর কেউ গুরুত্বের সাথে নেয় না। যিশুর মতো একজন ব্যক্তি ছিলেন বলে কার্যত সর্বজনীন ঐকমত্য রয়েছে।
::স্টিফেন এম. ওয়াইলন, ''দ্য জিউস ইন দ্য টাইম অব জিসাস: অ্যান ইন্ট্রোডাকশন'', মাহওয়াহ, এনজে: পলিস্ট প্রেস, ১৯৯৫, পৃষ্ঠা ১১৪
*আমি মনে করি আজ এমন কোনো ইতিহাসবিদ নেই, আসলে আমি আজকের এমন কোনো ইতিহাসবিদকে চিনি না, যিনি যিশুর অস্তিত্ব নিয়ে সন্দেহ করেন... তাই আমি মনে করি সেই প্রশ্নটি এখন বিশ্রাম নিতে পারে।
::এন. টি. রাইট, অ্যান্টনি ফ্লিউ এবং রায় আব্রাহাম ভার্গিসের ''দেয়ার ইজ আ গডে'' "দ্য সেলফ-রেভেলেশন অব গড ইন হিউম্যান হিস্ট্রি: আ ডায়ালগ অন জিসাস উইথ এন. টি. রাইট", নিউ ইয়র্ক: হার্পারওয়ান, ২০০৭, পৃষ্ঠা ১৮৮
*যে কেউ "যৌক্তিক বিশ্বাস" নিয়ে কথা বলেন, যিশু সম্পর্কে তিনি কী ভাবেন তা অবশ্যই বলা উচিত। আর তা তেমনই হবে, এমনকি যদি এক বা দুজন পাগলের সাথে তিনিও বিশ্বাস করতেন যে তাঁর কখনোই অস্তিত্ব ছিল না।
::জন ডব্লিউ. সি. ওয়ান্ড, ''দ্য ওল্ড ফেইথ অ্যান্ড দ্য নিউ এজ'', লন্ডন: স্কেফিংটন অ্যান্ড সন, ১৯৩৩, পৃষ্ঠা ৩১
*মাঝে মাঝে মানুষ এটা বোঝানোর চেষ্টা করে, নাজারেথের যিশু কখনোই ছিলেন না, কিন্তু এখন কার্যত সব ইতিহাসবিদ, তাদের পটভূমি যা-ই হোক না কেন, একমত যে তিনি ছিলেন। আর চার গসপেল তিনি যা করেছিলেন ও বলেছিলেন বলে বর্ণনা করে, অন্তত তার একটা উল্লেখযোগ্য অংশ যে তিনি সত্যিই করেছিলেন ও বলেছিলেন, সে ব্যাপারেও বেশিরভাগই একমত।
::এন. টি. রাইট, "দ্য রেজারেকশন ওয়াজ অ্যাজ শকিং দেন অ্যাজ ইট ইজ নাউ", ''দ্য গার্ডিয়ান'', ২০০৯
*শেষ বিশ্লেষণে, সম্পূর্ণ খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্বে বিশ্বাস করা হলো অস্পষ্টতাবাদের একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। যদি অস্পষ্টতাবাদের পাপ বাস্তব সম্ভাবনার বদলে নিছক সম্ভাবনাকে গ্রহণ করা এবং বিদ্যমান প্রমাণের অবজ্ঞা করে বিশুদ্ধ অনুমানের ওপর নির্ভর করার মধ্যে থাকে। যারা এই শ্রমসাধ্য গবেষণায় বেশি দূর এগোয়নি, তারা ভান করতে পারে যে যিশুর ঐতিহাসিকতা একটি অমীমাংসিত প্রশ্ন। আমার জন্য এমন ভান করাটা হবে নিছক বুদ্ধিবৃত্তিক অসততা। আমি জানি, একজন সৎ মানুষ হিসেবে ইতিহাসকে একটি নিয়ামক হিসেবে যিশুর সাথে আমার হিসাব মেলাতে হবে... এই দ্বান্দ্বিক প্রক্রিয়া যার দ্বারা খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্ব নিজেকেই অসম্মানিত করে তা এই সহজ সত্যের ওপর দাঁড়িয়ে আছে, আপনি প্রমাণ বিকৃত না করে তত্ত্বটি প্রমাণের চেষ্টা করতে পারবেন না।
::হার্বার্ট জর্জ উড, ''ক্রিস্টিয়ানিটি অ্যান্ড দ্য নেচার অব হিস্ট্রি'', লন্ডন: কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১৯৩৪, পৃষ্ঠা xxxiii এবং ৫৪
*বিবিসির বিখ্যাত টুডে প্রোগ্রাম থেকে একটি ফোন কল: আমি কি গুড ফ্রাইডের সকালে 'দ্য জিসাস মিস্ট্রিজ' নামে একটি নতুন বইয়ের লেখকদের সাথে বিতর্কের জন্য অন এয়ারে যাব? বইটিতে দাবি করা হয়েছে (বা আমাকে তারা এমনটাই বলেছে) যে গসপেলগুলোর সবকিছুই অনেক পুরোনো পৌত্তলিক পুরাণগুলো থেকে ধার করা হয়েছে বলে তা প্রতিফলিত করে; যিশু কখনোই ছিলেন না; আদি গির্জা জানত যে এটি একটি পুরোনো পুরাণের নতুন সংস্করণ প্রচার করছে এবং উন্নত গির্জা তাদের নিজস্ব ক্ষমতা ও নিয়ন্ত্রণের স্বার্থে এটি ধামাচাপা দিয়েছিল। প্রযোজক বন্ধুত্বপূর্ণ ছিলেন এবং আমি যখন বললাম যে এটি একজন পেশাদার জ্যোতির্বিজ্ঞানীকে এমন একটি বইয়ের লেখকদের সাথে বিতর্ক করতে বলার মতো, যেখানে দাবি করা হয়েছে চাঁদ সবুজ পনির দিয়ে তৈরি, তখন তিনি আমার কথাটি বুঝতে পেরেছিলেন।
::এন. টি. রাইট, "জিসাস' সেলফ আন্ডারস্ট্যান্ডিং", স্টিফেন টি. ডেভিস, ড্যানিয়েল কেন্ডাল, জেরাল্ড ও'কলিন্সের ''দ্য ইনকারনেশনে'', অক্সফোর্ড: অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস, ২০০৪, পৃষ্ঠা ৪৮
*এখানে ড. কনিবেয়ার যে দৃষ্টিভঙ্গিগুলো নিয়ে অনুসন্ধান করেছেন তা হলো... কট্টর বামপন্থীদের দৃষ্টিভঙ্গি যারা গসপেলের যিশুর ঐতিহাসিক অস্তিত্বকেও সরাসরি অস্বীকার করে। খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্বের এই প্রবক্তারা দাবি করেনযিশু চরিত্রটি একটি সমন্বিত দেবতার, যাকে পরবর্তীতে একটি ছদ্ম-ইতিহাস আবিষ্কারের মাধ্যমে মানবিক করা হয়েছিল।
::{{cite book|title=দ্য কোয়েস্ট|url=https://babel.hathitrust.org/cgi/pt?id=uc1.a0012200465;view=1up;seq=386|volume=5.2|year=1914|publisher=জন এম. ওয়াটকিনস.|page=৭৭৮f|chapter=রিভিউজ অ্যান্ড নোটিসেস: ক্রাইস্ট, দ্য হিস্টোরিক্যাল. এফ. সি. কনিবেয়ার|quote=Volume 5, Part 2 - REVIEWS AND NOTICES - ''The Historical Christ; or, An investigation of the views of Mr. J. M. Robertson, Dr. A. Drews, and Prof. W. B. Smith''}}
* ফর্মগেশিখটের (Formgeschichte) উত্থানে প্রতিফলিত সমাজতাত্ত্বিক ধরনটি খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্বগুলোকে আরও রঙিন করে তুলেছে এবং প্রকৃতপক্ষে সেই সমস্ত তত্ত্বগুলোকেও সমর্থন করেছে যা যিশুকে একজন ঐতিহাসিক কিন্তু তাৎপর্যহীন চরিত্র বলে মনে করে।
::{{cite book|last=উড|first=হার্বার্ট জর্জ|title=ক্রিস্টিয়ানিটি অ্যান্ড দ্য নেচার অব হিস্ট্রি|year=1934|publisher=দ্য ইউনিভার্সিটি প্রেস|location=Cambridge, England|page=৪০}}
*"খ্রিস্টের প্রতি বিশ্বাস জন ফ্রামের প্রতি বিশ্বাসের চেয়ে কম বা বেশি যৌক্তিক নয়।"
::ওর্সলে, পিটার (১৯৫৭) ''দ্য ট্রাম্পেট শ্যাল সাউন্ড: আ স্টাডি অব "কার্গো" কাল্টস ইন মেলানেশিয়া'' লন্ডন: ম্যাকগিবন অ্যান্ড কি পৃষ্ঠা ১৫৩–৯।
*[''ডিড জিসাস এক্সিস্টে''] আমি যুক্তি দিয়েছিলাম যে পল আন্তরিকভাবে বিশ্বাস করতেন যে প্রমাণটি (যা কেবল প্রজ্ঞাসাহিত্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়) '''এমন একজন ঐতিহাসিক যিশুর দিকে নির্দেশ করে যিনি পলের নিজের সময়ের অনেক আগেই বেঁচে ছিলেন'''; এবং আমি এই প্রশ্নটি উন্মুক্ত রাখছি যে এমন কোনো ব্যক্তির আদৌ অস্তিত্ব ছিল কি না এবং পল তাঁর সম্পর্কে যেই অখ্যাত জীবনের কথা ভেবেছিলেন, তিনি সেই জীবন যাপন করেছিলেন কি না। (এই বিষয়টি নিষ্পত্তি করার কোনো উপায় নেই।)
::জি এ ওয়েলস ''দ্য জিসাস লিজেন্ড'' ওপেন কোর্ট পাবলিশিং কোম্পানি ১৯৯৬ পৃষ্ঠা ১৯
*আমাদের খ্রিস্টধর্মের উৎপত্তি ব্যাখ্যা করতে হবে, এবং তা করতে গিয়ে আমাদের দুটি বিকল্পের মধ্যে যেকোনো একটি বেছে নিতে হবে। একটি বিকল্প হলো বলা যে এর উৎপত্তি একটি পুরাণে হয়েছিল যাকে পরে ইতিহাস হিসেবে সাজানো হয়েছিল। অন্যটি হলো বলা যে এর উৎপত্তি একজন ঐতিহাসিক ব্যক্তির মাধ্যমে হয়েছিল যাঁকে পরে একজন অতিপ্রাকৃত সত্তায় পরিণত করা হয়েছিল। যিশু মূলত একটি পুরাণ ছিলেন—এই তত্ত্বটিকে বলা হয় খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্ব, আর তিনি একজন ঐতিহাসিক ব্যক্তি ছিলেন—এই তত্ত্বটিকে বলা হয় ঐতিহাসিক যিশু তত্ত্ব।
::জর্জ ওয়ালশ, ''দ্য রোল অব রিলিজিয়ন ইন হিস্ট্রি'', নিউ ব্রান্সউইক: ট্রানজেকশন, ১৯৯৮, পৃষ্ঠা ৫৮
*আমি যুক্তি দিয়েছি যে পলের যিশুকে মূলত একটি অতিপ্রাকৃত 'প্রজ্ঞা' চরিত্রের ওপর ধ্যান ও চিন্তাভাবনার মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে বলে বিশ্বাস করার ভালো কারণ রয়েছে। আগের ইহুদি সাহিত্যে এর প্রচুর প্রমাণ রয়েছে। এই চরিত্রটি পৃথিবীতে একটি আবাস খুঁজছিল, কিন্তু সেখানে সে প্রত্যাখ্যাত হয়েছিল। সম্প্রতি মারা যাওয়া কোনো ঐতিহাসিক ব্যক্তির তথ্যের ওপর ভিত্তি করে তাকে তৈরি করা হয়নি। প্রজ্ঞাসাহিত্যের প্রভাব অনস্বীকার্য; কেবল এটি কতটা প্রভাব ফেলেছিল, তা নিয়েই এখনো মতভেদ রয়েছে। [...] ইহুদি সাহিত্য প্রজ্ঞাকে ঈশ্বরের প্রধান প্রতিনিধি, তাঁর ঐশ্বরিক পরিষদের সদস্য ইত্যাদি হিসেবে বর্ণনা করে, এবং এটি তার অতিপ্রাকৃত মর্যাদা বোঝায়, কিন্তু, আমি একমত, ঐশ্বরিক মর্যাদা নয়।
::এই নিবন্ধটি মূলত দ্য নিউ হিউম্যানিস্ট খণ্ড ১১৪, নং ৩. সেপ্টে ১৯৯৯, পৃষ্ঠা ১৩-১৮ এ প্রকাশিত হয়েছিল।
:*{{cite web|last=ওয়েলস|first=জর্জ আলবার্ট|title=Earliest Christianity (1999)|trans-title=আদিম খ্রিস্টধর্ম (১৯৯৯)|url=http://infidels.org/library/modern/g_a_wells/earliest.html|website=infidels.org|accessdate=23 September 2016}}
*ইহুদি প্রজ্ঞার ধারণাগুলো যে আদি খ্রিষ্টান লেখাগুলোকে প্রভাবিত করেছিল, তা অনস্বীকার্য। কারণ প্রজ্ঞা সম্পর্কে যেসব ইহুদি বিবৃতি দেওয়া হয়েছিল, সেখানে যিশুর কথাও বলা হয়েছে। খ্রিস্টকে বলা হয় "ঈশ্বরের শক্তি এবং ঈশ্বরের প্রজ্ঞা" (১ করি. ১:২৪); তাঁর মধ্যে "প্রজ্ঞা এবং জ্ঞানের সমস্ত সম্পদ লুকানো আছে" (কলসীয় ২:৩)। প্রজ্ঞার মতোই, খ্রিস্ট সবকিছু সৃষ্টিতে ঈশ্বরকে সাহায্য করেছিলেন (১ করি. ৮:৬)—এই ধারণাটি কলসীয় ১:১৫-২০ এর খ্রিস্টতাত্ত্বিক স্তোত্রে তুলে ধরা হয়েছে। এবং ইহুদি প্রজ্ঞা চরিত্রের মতো, যিশুও পৃথিবীতে গ্রহণযোগ্যতা চেয়েছিলেন কিন্তু প্রত্যাখ্যাত হয়েছিলেন এবং স্বর্গে ফিরে গিয়েছিলেন। উপরন্তু, সলোমনের প্রজ্ঞায়, একজন ধার্মিক মানুষ, প্রজ্ঞার আদর্শ প্রতিনিধি (কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে বোঝানো হয়নি), নির্যাতিত হন কিন্তু মৃত্যুর পর তিনি নির্দোষ প্রমাণিত হন। তাঁর শত্রুরা তাঁকে "লজ্জাজনক মৃত্যুর" (২:২০) জন্য দোষী সাব্যস্ত করে, কিন্তু তিনি তারপর স্বর্গে তাদের বিচারক হিসেবে তাদের মুখোমুখি হন, যেখানে তাঁকে "ঈশ্বরের পুত্রদের মধ্যে গণ্য করা হয়" (৫:৫)।
**{{cite book|last=ওয়েলস|first=জর্জ আলবার্ট|editor=Tom Flynn, Richard Dawkins|title=দ্য নিউ এনসাইক্লোপিডিয়া অব আনবিলিফ|url=https://books.google.com/books?id=fsZ26vQxJKMC&pg=PA449|year=2007|publisher=প্রমিথিউস বুকস, পাবলিশার্স|isbn=978-1-61592-280-2|page=৪৪৯|chapter=জিসাস, হিস্টোরিসিটি অব}}
*তালমুদের কোথাও বলা হয়নি যে যিশুকে রোমানরা মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিল; তাঁর মৃত্যুকে কেবল ইহুদিদের কাজ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে: এবং কোথাও তাঁর কথিত মসিহ হওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়নি, এমনকি তাঁকে হত্যা করার কারণ হিসেবেও নয়।
**{{cite book|last=ওয়েলস|first=জি. এ.|title=দ্য জিসাস অব দ্য আর্লি ক্রিস্টিয়ানস: আ স্টাডি ইন ক্রিস্টিয়ান অরিজিনস|url=https://books.google.com/books?id=w1IJAQAAIAAJ|year=1971|publisher=পেম্বারটন|page=২০০}}
*পল আন্তরিকভাবে বিশ্বাস করতেন যে প্রমাণটি (যা কেবল [[প্রজ্ঞাসাহিত্য|প্রজ্ঞাসাহিত্যের]] মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়) এমন একজন ঐতিহাসিক যিশুর দিকে নির্দেশ করে যিনি পলের নিজের সময়ের অনেক আগেই বেঁচে ছিলেন; এবং আমি এই প্রশ্নটি উন্মুক্ত রাখছি যে এমন কোনো ব্যক্তির আদৌ অস্তিত্ব ছিল কি না এবং পল তাঁর সম্পর্কে যেই অখ্যাত জীবনের কথা ভেবেছিলেন, তিনি সেই জীবন যাপন করেছিলেন কি না। (এই বিষয়টি নিষ্পত্তি করার কোনো উপায় নেই।)
**{{cite book|last=ওয়েলস|first=জর্জ|title=দ্য জিসাস লিজেন্ড|url=https://books.google.com/books?id=vmhtAwAAQBAJ&pg=PA19|year=2013|publisher=ওপেন কোর্ট পাবলিশিং কোম্পানি|isbn=978-0-8126-9872-5|page=১৯}}
*[[কিউ সূত্র|কিউ উপাদান]]—এটি যিশুর ঐতিহাসিকতার প্রমাণ হিসেবে যথেষ্ট হোক বা না হোক—এমন একজন [মানব] ব্যক্তিকে নির্দেশ করে যাঁকে আদি চিঠিপত্রের [পৌরাণিক] মৃত ও পুনরুত্থিত খ্রিস্টের সাথে মেলানো যায় না।
**{{cite book|last=ওয়েলস|first=জর্জ আলবার্ট|title=ক্যান উই ট্রাস্ট দ্য নিউ টেস্টামেন্ট?: থটস অন দ্য রিলায়েবিলিটি অব আর্লি ক্রিস্টিয়ান টেস্টিমনি|url=https://books.google.com/books?id=UYPvHqdDEJcC&pg=PA50|year=2004|publisher=ওপেন কোর্ট পাবলিশিং|isbn=978-0-8126-9567-0|page=৫০}}
*আমার আগের বই, ''দ্য জিসাস অব দ্য আর্লি ক্রিস্টিয়ানসে'' (যাকে আমি ''জেইসি'' বলব), আমার উদ্দেশ্য ছিল গসপেলগুলোকে ঐতিহাসিক বিবরণ হিসেবে ব্যাখ্যা করার সময় যেসব অসুবিধা এবং সমস্যার উদ্ভব হয় তা দেখানো। সেইসাথে ঐতিহাসিক যিশু না থাকলেও কীভাবে খ্রিস্টধর্মের উদ্ভব হতে পারত তা দেখানো। কিছু ধর্মতাত্ত্বিক পর্যালোচক (যেমন অধ্যাপক গ্রেস্টন এবং সাইমন, ১৮৩ এবং ৩৭২) স্বীকার করেছেন আমি এমন গুরুতর 'অসুবিধাগুলো' তুলে ধরেছি যার কোনো সন্তোষজনক সমাধান এখনও পাওয়া যায়নি। (১৮৩ গ্রেস্টন, কে. (নিউ টেস্টামেন্টের অধ্যাপক, ব্রিস্টল), ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ তারিখে ''মেথডিস্ট রেকর্ডারে'' ''জেইসিের'' পর্যালোচনা।)
**{{cite book|last=ওয়েলস|first=জর্জ আলবার্ট|title=ডিড জিসাস এক্সিস্ট?|url=https://books.google.com/books?id=a30eRfPTSm8C&pg=PA2|year=1975|publisher=প্রমিথিউস বুকস, পাবলিশার্স|isbn=978-1-61592-380-9|pages=2, 224, n. 183}}
*[তাঁর সূত্রের বিষয়ে ওয়েলসের মতে] আমি আসলে যা করেছিলাম তা হলো চেইন এবং ব্ল্যাকের ''এনসাইক্লোপিডিয়া বিবলিকাের'' কিছু নির্দিষ্ট নিবন্ধ থেকে ব্যাপকভাবে (প্রধানত নয়) তথ্য সংগ্রহ করা—যেই নিবন্ধগুলো প্রশংসনীয় স্পষ্টতার সাথে সেই ধর্মতত্ত্ববিদদের দ্বারা লেখা হয়েছিল যারা বিশ্বাস করতেন যে প্রমাণগুলো যেসব অবস্থানকে সমর্থনযোগ্য নয় বলে দেখিয়েছে, সেগুলো পরিষ্কার করে তারা খ্রিস্টধর্মের সেবা করছেন। [..] [এবং উল্লেখে] ''দ্য মেথডিস্ট রেকর্ডারে'' ''জেইসিের'' তাঁর উদার পর্যালোচনায় অধ্যাপক কেনেথ গ্রেস্টনের মজাদার কৌতুক: "''এনসাইক্লোপিডিয়া বিবলিকা'' আবার ফিরে এসেছে"
**{{cite book|last=ওয়েলস|first=জর্জ আলবার্ট|title=দ্য জিসাস মিথ|url=https://books.google.com/books?id=f-vYAAAAMAAJ|year=1999|publisher=ওপেন কোর্ট|isbn=978-0-8126-9392-8|pages=293f, n. 8|.}}
*১৯৯০-এর দশকের মাঝামাঝি থেকে আমি বুঝতে পারি, গসপেলের অনেক ঐতিহ্য সময়, স্থান এবং পরিস্থিতির উল্লেখের ক্ষেত্রে এতটাই নির্দিষ্ট যে এগুলো অন্য কোনো ভিত্তি ছাড়া এত অল্প সময়ে বিকশিত হতে পারে না। আর এগুলোকে প্রথম শতাব্দীর শুরুর দিকের একজন গ্যালিলীয় প্রচারকের কার্যকলাপ হিসেবে চিহ্নিত করাই ভালো, যেই চরিত্রটিকে কিউ-তে উপস্থাপন করা হয়েছে... এই অবস্থানটিই আমি আমার ১৯৯৬, ১৯৯৯ এবং ২০০৪ সালের বইগুলোতে নিয়েছি। যদিও এগুলোর প্রথম দুটির শিরোনাম—''দ্য জিসাস লিজেন্ড'' এবং ''দ্য জিসাস মিথ''—সম্ভাব্য পাঠকদের ভুল পথে পরিচালিত করতে পারে এই ভেবে যে আমি এখনও গসপেলের যিশুর ঐতিহাসিকতা অস্বীকার করছি। এই শিরোনামগুলো বেছে নেওয়া হয়েছিল কারণ আমি [নিচের গল্পগুলোকে] কুমারী জন্ম, গ্যালিলীয় পরিচর্যার অনেকাংশ, পিলেটের অধীনে প্রায় ৩০ খ্রিস্টাব্দে ক্রুশবিদ্ধ হওয়া এবং পুনরুত্থানকে—কিংবদন্তি বলে মনে করতাম (এবং এখনও করি)।
**{{cite book|last=ওয়েলস|first=জর্জ|title=কাটিং জিসাস ডাউন টু সাইজ: হোয়াট হায়ার ক্রিটিসিজম হ্যাজ অ্যাচিভড অ্যান্ড হোয়্যার ইট লিভস ক্রিস্টিয়ানিটি|url=https://books.google.com/books?id=KuccAwAAQBAJ&pg=PT16|date=1 December 2013|publisher=ওপেন কোর্ট পাবলিশিং কোম্পানি|isbn=978-0-8126-9867-1|page=১৬}}
*আদি দলিলগুলোর সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো, এগুলো যিশুর জীবনকে কোনো নির্দিষ্ট ঐতিহাসিক পরিস্থিতিতে স্থাপন করে না। [...] উদাহরণস্বরূপ, পলের লেখায় মন্দির পরিষ্কার করার কোনো কথা নেই (অন্যদিকে মার্ক এবং লুকের মতে, যিশুকে হত্যা করার প্রধান যাজক এবং লেখকদের সংকল্প জাগিয়ে তুলেছিল)। কর্তৃপক্ষের সাথে কোনো সংঘাত, গেথসেমানের কোনো দৃশ্য, যিশুর সাথে ক্রুশবিদ্ধ হওয়া কোনো চোর, কোনো ক্রন্দনরত নারী, স্থান বা সময় সম্পর্কে কোনো শব্দ এবং জুডাস বা পিলেটের কোনো উল্লেখ নেই। ক্রুশবিদ্ধ হওয়া সম্পর্কে পলের অস্পষ্ট উল্লেখগুলো কোনো সমস্যা নয় বলে মেনে নেওয়া যেত যদি তা তাঁর কাছে গুরুত্বহীন হতো। কিন্তু তিনি নিজেই ঘোষণা করেছেন এটি তাঁর প্রচারের মূল বিষয় (১ করি. ১:২৩ এবং ২:২)। অথচ জেরুজালেমে খুব অল্প সময়ের জন্য যাওয়ার আগে তিনি তিন বছর ধরে একজন খ্রিষ্টান হিসেবে জীবনযাপন করেছিলেন (গালাতীয় ১:১৭এফ.)। আর এমন কিছুই বলেন না যা থেকে বোঝা যায়, সেখানকার পবিত্র স্থানগুলোর প্রতি তাঁর কোনো আগ্রহ ছিল, (কিংবা) এমনকি তিনি সেগুলোর ব্যাপারে সচেতন ছিলেন।
**{{cite book|last=ওয়েলস|first=জর্জ আলবার্ট|editor=টম ফ্লিন, রিচার্ড ডকিন্স|title=দ্য নিউ এনসাইক্লোপিডিয়া অব আনবিলিফ|url=https://books.google.com/books?id=fsZ26vQxJKMC&pg=PA447|year=2007|publisher=প্রমিথিউস বুকস, পাবলিশার্স|isbn=978-1-61592-280-2|page=৪৪৭|chapter=জিসাস, হিস্টোরিসিটি অব}}
* ঐতিহাসিকভাবে কোনো যিশু ছিলেন না; তাঁর পার্থিব অস্তিত্ব হলো আদি খ্রিস্টধর্মের একটি কল্পকাহিনী এবং এটি পরবর্তীকালে প্রথম শতাব্দীতে তাঁর জীবনকাল স্থাপন করার মাধ্যমে মূর্ত রূপ লাভ করে—এই পুরো মতবাদটি আজ প্রায় সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাখ্যাত।
::জি. এ. ওয়েলস, ''দ্য হিস্টোরিক্যাল এভিডেন্স ফর জিসাস'', অ্যামহার্স্ট, এনওয়াই: প্রমিথিউস, ১৯৮৮, পৃষ্ঠা ২১৮
==আরও দেখুন==
*[[গসপেলের ঐতিহাসিক নির্ভরযোগ্যতা]]
* [[যিশুর ঐতিহাসিকতা]]
*[[ঐতিহাসিক যিশু]]
* [[বাইবেল সমালোচনা]]
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
* [http://www.solarmythology.com/ সৌর পুরাণ ও যিশুর গল্প]
[[বিষয়শ্রেণী:বাইবেল সমালোচনা]]
[[বিষয়শ্রেণী:খ্রিস্টধর্ম]]
grrufkw6lo3nhp96ttenc6dcquthvv2
83391
83389
2026-05-04T10:04:11Z
Dr. Mosaddek Khondoker
2987
83391
wikitext
text/x-wiki
'''{{w|খ্রিস্টের অনৈতিহাসিকতা তত্ত্ব}}''' ('''[[যীশু খ্রীষ্ট|যিশু]] অনৈতিহাসিকতা তত্ত্ব''', যিশুর পুরাণ তত্ত্ব বা '''যিশুর পৌরাণিকতা'''ও বলা হয়ে থাকে) হলো এমন একটি বৃহৎ পরিভাষা, যা খ্রিষ্টানদের গসপেল বা সুসমাচারে বর্ণিত নাজারেথের [[যীশু খ্রীষ্ট|যিশু]] বা তাঁর পুরো জীবনের অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলে এমন নানা ধরনের যুক্তির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। অনৈতিহাসিকতা তত্ত্বের সবচেয়ে চরম সংস্করণগুলোতে দাবি করা হয়, যিশু নামে প্রকৃত কোনো ঐতিহাসিক চরিত্র ছিল না; বরং আদি খ্রিষ্টানরা তাঁকে আবিষ্কার করেছিল। অন্যান্য সংস্করণগুলো দাবি করে, যিশু নামে একজন ব্যক্তি ছিলেন, কিন্তু তাঁর সাথে সম্পর্কিত প্রায় সব শিক্ষা ও অলৌকিক ঘটনাগুলো হয় আবিষ্কৃত, নয়তো রূপক উল্লেখ। অথবা নিউ টেস্টামেন্ট বা নতুন নিয়মে বর্ণিত যিশু হলেন এমন একটি মিশ্র চরিত্র, যা সময়ের সাথে সাথে একাধিক ব্যক্তির ধারণা থেকে তৈরি করা হয়েছে। খ্রিস্ট অনৈতিহাসিকতা তত্ত্ব একটি প্রান্তিক তত্ত্ব। বাইবেল সমালোচনা বা সমগোত্রীয় শাখায় খুব কম সংখ্যক মেয়াদি বা ইমেরিটাস বিশেষজ্ঞ এটি সমর্থন করেন। পুরাণগুলোর মধ্যে তুলনার ওপর সেকেলে নির্ভরতার জন্য এটি সমালোচিত। তাই এটি মূলধারার ঐতিহাসিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বিচ্যুত।
__NOTOC__
{{TOCalpha}}
==অ==
*ক্যাথরিনের [আলেকজান্দ্রিয়া] মতো একটি অনৈতিহাসিক পুরাণ হিসেবে যিশুর বিলুপ্ত হওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই...
::ডেল সি. অ্যালিসন, ''দ্য হিস্টোরিক্যাল ক্রাইস্ট অ্যান্ড দ্য থিওলজিক্যাল জিসাস'', গ্র্যান্ড র্যাপিডস: ইয়ার্ডম্যানস, ২০০৯, পৃষ্ঠা ৩৭
*আদিপুস্তককে মূলত আর বৈজ্ঞানিক বা ঐতিহাসিক হিসেবে বিবেচনা করা হয় না। যাত্রাপুস্তক মূলত একটি পুরাণ। [[দায়ূদ|ডেভিড]] বা [[সলোমন|সলোমনের]] সময়ের তাদের কোনো অকাট্য প্রমাণ নেই। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে তাঁর কথিত পরিবেশে অনুসন্ধান করার পরও যিশুর কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তাই আপনি ১৯০০ থেকে ২০১৪ সালের দিকে তাকালে দেখতে পাবেন, বেশিরভাগ বাইবেল পন্ডিত [[আদম|অ্যাডাম]] ও [[হাওয়া|ইভ]], [[নূহ|নোয়াহ]], [[আব্রাহাম]], [[ইস্হাক|আইজ্যাক]], জ্যাকব, [[ইউসুফ|জোসেফ]], [[সলোমন]] বা [[দায়ূদ|ডেভিডের]] ঐতিহাসিকতায় বিশ্বাস করেন না... আপনি দেখতে পাচ্ছেন যে পার্থক্যটা কত বড়।
: তাহলে এখন কি যিশুর পালা? হয়তো। দেখুন, যিশুকে নিয়ে সন্দেহটি বাস্তব। নতুন নিয়মে লিপিবদ্ধ তাঁর শারীরিক অস্তিত্ব নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। বেশি পন্ডিত [বর্তমানে] প্রকাশ্যে এই ঐতিহাসিকতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে ইচ্ছুক।
: যিশুর ক্ষেত্রে তিনটি সম্ভাব্য অবস্থান রয়েছে। আপনি একজন 'ঐতিহাসিকতাবাদী,' 'পুরাণবাদী,' বা 'অজ্ঞেয়বাদী' হতে পারেন... একজন অজ্ঞেয়বাদী বলেন: "আচ্ছা, যেকোনো এক দিকে প্রশ্নটি নিষ্পত্তি করার জন্য উপাত্ত অপর্যাপ্ত।" আমি এই অবস্থানেই আছি।
:*হেক্টর অ্যাভালোস, পিএইচ.ডি. (৭ জুন ২০১৪), ''আ হিস্টোরিক্যাল অর মিথিক্যাল জিসাস? অ্যান অ্যাগনস্টিক ভিউপয়েন্ট''। অ্যারিজোনা বিশ্ববিদ্যালয়ে দেওয়া বক্তৃতা,
* যদিও "পৌরাণিকতা" ও "পুরাণবাদী" শব্দগুলো কয়েক শতাব্দী ধরে প্রচলিত, তবে অনেকের কাছে তা নতুন হতে পারে। "পুরাণবাদী" শব্দটি সর্বপ্রথম জার্মান ও ইংরেজি ভাষায় ব্যবহৃত হয়েছিল। এটি জুডিও-খ্রিস্টান [[বাইবেল|বাইবেলের]] ঐতিহাসিক সত্যতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশকারীদের বর্ণনা করতে ব্যবহৃত হতো। এই শব্দগুলো আজকাল বিশেষ করে সেই সব পন্ডিত, গবেষক ও অন্যদের সংজ্ঞায়িত করতে ব্যবহৃত হয়, যারা নতুন নিয়মের যিশু খ্রিস্ট বাস্তব ঐতিহাসিক ব্যক্তি ছিলেন কি না, তা নিয়ে তদন্ত করেন। অথবা হারকিউলিস, মিথ্রা বা হোরাসের মতো অন্যান্য সংস্কৃতির দেবতা, দেবতা-মানুষ ও বীরদের মতো তিনি কোনো পুরাণ কি না, তা নিয়ে তারা গবেষণা করেন।
** ডি. এম. মারডক/[[আচার্য এস]], ["হোয়াট ইজ আ মিথিসিস্ট?" http://www.stellarhousepublishing.com/mythicist.html]-এ
* পৌরাণিকতা এমন একটি দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিনিধিত্ব করে। এটি বলে, অসাধারণ বা অতিপ্রাকৃত গুণের অধিকারী অনেক দেবতা, দেবী এবং অন্যান্য বীর ও কিংবদন্তি ব্যক্তিরা "প্রকৃত মানুষ" নন। তারা আসলে পৌরাণিক চরিত্র। এই দৃষ্টিভঙ্গির সাথে এই স্বীকৃতিও আসে, এসব চরিত্রের অনেকেই [[সূর্য]], [[চাঁদ|চন্দ্র]], [[তারা|নক্ষত্র]], [[গ্রহ]], নক্ষত্রপুঞ্জ ইত্যাদির মতো প্রাকৃতিক ঘটনার মূর্ত রূপ বা প্রতীক। এগুলো "অ্যাস্ট্রোমাইথোলজি" বা "অ্যাস্ট্রোথিওলজি" নামে পরিচিত। পৌরাণিক অবস্থানের একটি প্রধান উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, বাইবেলের বিভিন্ন চরিত্র যেমন অ্যাডাম ও ইভ, শয়তান, নোয়াহ, আব্রাহাম, মোজেস, জশুয়া, রাজা ডেভিড, সলোমন এবং যিশু খ্রিস্ট অন্যান্য সত্তার সাথে মিলে আসলে পৌরাণিক চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করেন। তারা মিশরীয়, সুমেরীয়, ফিনিশীয়, ভারতীয়, গ্রিক, রোমান ও অন্যান্য দেবতা-মানুষের মতোই পৌরাণিক। এদের সবাইকে বর্তমানে ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বের পরিবর্তে পুরাণ হিসেবে গ্রহণ করা হয়।
** ''ক্রাইস্ট ইন ইজিপ্ট: দ্য হোরাস-জিসাস কানেকশন'' (২০০৯)-এ ডি. এম. মারডক/আচার্য এস.
*যিশু নিজে কোনো ঐতিহাসিক ব্যক্তি হিসেবে অস্তিত্বশীল ছিলেন কি না, তাঁকে নিয়ে যেসব গসপেল বা সুসমাচার রয়েছে, সেগুলো নিঃসন্দেহে পৌরাণিক পাঠ্য। ...অন্যদিকে ঐতিহাসিক যিশুকে নিয়ে তদন্তের জন্য গসপেলগুলোকে ঐতিহাসিক সূত্র হিসেবে ব্যবহার করা ''প্রয়োজন''। আর "রক্ষণশীল" ও "উদারপন্থী" পান্ডিত্যের মধ্যে প্রধান পার্থক্য আসলে নির্ভর করে কতটা কিংবদন্তি বাদ দিয়ে "ঐতিহাসিক মূলে" পৌঁছানো যায়, তার ওপর। আদৌ কোনো ঐতিহাসিক মূল পাওয়া যাবে কি না, তার ওপর নয়। এসব আখ্যানের পেছনের আসল ঐতিহাসিক ব্যক্তিকে খুঁজতে গিয়ে আমরা এমন এক চরিত্রের সূত্র হিসেবে এসব পাঠ্য ব্যবহার করছি, যার প্রতি তারা নিজেরাই কোনো আগ্রহ দেখায় না। ঠিক যেমন হেরাক্লেস সম্পর্কিত মিথ ও কিংবদন্তিগুলো কোনো ঐতিহাসিক ব্যক্তির ''সম্পর্কে'' নয়, তেমনি গসপেলগুলোও ঐতিহাসিক যিশুর ''সম্পর্কে'' নয়।
**{{cite book|last=আর্নাল|first=উইলিয়াম ই.|title=দ্য সিম্বলিক জিসাস: হিস্টোরিক্যাল স্কলারশিপ, জুডাইজম অ্যান্ড দ্য কনস্ট্রাকশন অব কনটেম্পোরারি আইডেন্টিটি|url=https://books.google.com/books?id=OMBcCgAAQBAJ&pg=PA75|date=12 August 2015|publisher=রাউটলেজ|isbn=978-1-317-32440-9|pages=75–76}}
*যিশুর কোনো প্রকৃত ঐতিহাসিক ভিত্তি আছে কি না, তা নিয়ে বিতর্ক থাকলেও, রবার্ট প্রাইস মনে করেন, আমরা যেই যিশুকে গসপেলে পাই, তিনি মূলত একটি পৌরাণিক চরিত্র। ...যিশুর গল্পগুলো এতটাই পৌরাণিক বৈশিষ্ট্যে পরিপূর্ণ, সেখান থেকে ইতিহাস খুঁজে বের করা প্রায় অসম্ভব।
** রবার্ট এম. প্রাইস, ''ডিকনস্ট্রাক্টিং জিসাস'', প্রমিথিউস বুকস, ২০০০, পৃষ্ঠা ২৬১
==ব==
*কৃষ্ণের গর্ভধারণ, জন্ম ও শৈশবের গল্প হলো নিউ টেস্টামেন্ট বা নতুন নিয়মের গল্পের হুবহু প্রতিরূপ। মিশনারিরা অবশ্য প্রমাণ করার চেষ্টা করে, হিন্দুরা ভারতে আসা আদি খ্রিষ্টানদের কাছ থেকে জন্মের গল্পটি চুরি করেছিল।
**[https://www.theosociety.org/pasadena/key/key-glo2.htm দ্য কি টু থিওসফি — এইচ. পি. ব্লাভাটস্কি, গ্লসারি]
*আমরা এখন যিশুর জীবন ও ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে প্রায় কিছুই জানতে পারি না। আদি খ্রিষ্টান সূত্রগুলো এর প্রতি কোনো আগ্রহ দেখায় না। তাছাড়া এগুলো খণ্ডিত ও প্রায়শই কিংবদন্তিমূলক। যিশু সম্পর্কে অন্য কোনো সূত্রেরও অস্তিত্ব নেই।
**{{cite book|last=বুলটম্যান|first=রুডলফ কার্ল|title=রুডলফ বুলটম্যান: ইন্টারপ্রেটিং ফেইথ ফর দ্য মডার্ন এরা|url=https://books.google.com/books?id=btu0ELYoN-IC&pg=PA94|year=1965|publisher=ফোর্ট্রেস প্রেস|isbn=978-1-4514-1756-2|pages=94f|chapter=জিসাস অ্যান্ড দ্য এস্ক্যাটোলজিক্যাল কিংডম}}
*যিশু সম্ভবত খ্রিস্টপূর্ব ৪ ও খ্রিস্টাব্দ ৩০-এর মাঝামাঝি সময়ে জীবিত ছিলেন। কিন্তু যিশুর কোনো সমসাময়িক ঐতিহাসিক উল্লেখ নেই [...] সমসাময়িক প্রমাণের অভাব তাঁর অস্তিত্বকে খণ্ডন করে না। তবে এটি নিশ্চিতভাবেই [যিশুর] ঐতিহাসিকতার ওপর গভীর সন্দেহের সৃষ্টি করে।
**{{cite book|last1=বার্কার|first1=ড্যান|authorlink1=ড্যান বার্কার|last2=ডকিন্স|first2=রিচার্ড|authorlink2=রিচার্ড ডকিন্স|title=গডলেস: হাউ অ্যান ইভ্যাঞ্জেলিক্যাল প্রিচার বিকেম ওয়ান অব আমেরিকাজ লিডিং অ্যাথিস্টস|url=https://books.google.com/books?id=fAjPWYgIfCoC&pg=PA253|year=2008|publisher=ইউলিসিস প্রেস|isbn=978-1-56975-677-5|page=২৫৩}}
*যারা যিশুর অস্তিত্বের বিরুদ্ধে যুক্তি দেন, তারা এসব বিষয় তুলে ধরেন:
::-প্রাচীন বিশ্বে পৌত্তলিক গল্প ও যিশুর গল্পের মধ্যে অস্বাভাবিক মিল।
::-বাইবেলের বাইরে কোনো বিশ্বাসযোগ্য সূত্রে যিশুর অস্তিত্বের কথা নেই।
::-অ্যাসল পল কখনোই কোনো ঐতিহাসিক যিশুর কথা উল্লেখ করেননি।
:"ডিকনস্ট্রাক্টিং জিসাসের" রচয়িতা [আর. এম.] প্রাইস বলেন, প্রথম শতাব্দীর পশ্চিমা বিশ্ব একজন শহিদ বীরের গল্পে পরিপূর্ণ ছিল যাকে ঈশ্বরের পুত্র বলা হয়। প্রাইস বলেন, "সেই সময়ের প্রাচীন উপন্যাসগুলোতে বীরকে ক্রুশে দণ্ডিত করা হয় এবং এমনকি ক্রুশবিদ্ধও করা হয়। কিন্তু সে পালিয়ে গিয়ে বেঁচে যায়।" "তাকে যিশুর মতোই মনে হয়।"
:[...]
:প্রাইস বলেন, "গসপেলে আমরা যিশু সম্পর্কে যা কিছু পড়ি, তা পৌরাণিক বীরের সাথে মিলে যায়।" "এমন কিছুই বাকি থাকে না যা নির্দেশ করে, তিনি একজন বাস্তব ঐতিহাসিক চরিত্র ছিলেন।"
**{{cite web|last=ব্লেক|first=জন|title=Decoding Jesus: Separating man from myth|trans-title=ডিকোডিং যিশু: পুরাণ থেকে মানুষকে আলাদা করা|url=http://www.cnn.com/2017/02/15/living/jesus-debate-man-versus-myth/index.html|publisher=সিএনএন (টার্নার ব্রডকাস্টিং সিস্টেম)|date=February 16, 2017}} (এই নিবন্ধটি মূলত ২০১২ সালে ''[http://religion.blogs.cnn.com/2012/04/07/the-jesus-debate-man-vs-myth/ দ্য জিসাস ডিবেট: ম্যান ভার্সেস মিথ]'' হিসেবে প্রকাশিত হয়েছিল)
*[[ইন্টারনেট|ইন্টারনেটে]] বোকাদের কাছে জনপ্রিয় একটি চিন্তাধারা হলো, যিশু বাস্তবে ছিলেন না।
::টম ব্রিন, ''দ্য মেসিয়াহ ফরমালি নোন অ্যাজ জিসাস: ডিসপ্যাচেস ফ্রম দ্য ইন্টারসেকশন অব ক্রিস্টিয়ানিটি অ্যান্ড পপ কালচার'', ওয়াকো, টেক্সাস: বেলর ইউনিভার্সিটি প্রেস, ২০০৮, পৃষ্ঠা ১৩৮
*যিশু কখনো ছিলেন কি না, তা নিয়ে সন্দেহ বা অস্বীকারকারীদের দয়ায় আমরা কোনোভাবেই বেঁচে নেই।
::রুডলফ বুলটম্যান, "দ্য স্টাডি অব দ্য সিনপটিক গসপেলস", ''ফর্ম ক্রিটিসিজম: টু এসেজ অন নিউ টেস্টামেন্ট রিসার্চ'', রুডলফ বুলটম্যান ও কার্ল কুন্ডসিন; ফ্রেডরিক সি. গ্রান্ট অনুদিত, নিউ ইয়র্ক: হার্পার টর্চবুকস, ১৯৬২, পৃষ্ঠা ৬২
*অবশ্যই যিশু বাস্তবে ছিলেন কি না, তা নিয়ে সন্দেহ ভিত্তিহীন এবং তা খণ্ডন করার যোগ্য নয়। আদি ফিলিস্তিনি সম্প্রদায় যেই ঐতিহাসিক আন্দোলনের প্রথম স্বতন্ত্র পর্যায়ের প্রতিনিধিত্ব করে, সেই আন্দোলনের পেছনে যিশু যে প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে দাঁড়িয়ে আছেন, কোনো সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ তা নিয়ে সন্দেহ করতে পারে না।
::রুডলফ বুলটম্যান, ''জিসাস অ্যান্ড দ্য ওয়ার্ড'', নিউ ইয়র্ক: স্ক্রিবনার, ১৯৫৮, পৃষ্ঠা ভূমিকা
*খ্রিষ্টানদের ক্ষেত্রে এবং জ্যাগ্রিউস, ওসিরিস বা আটিসের উপাসকদের ক্ষেত্রে বিশ্বাস করা হতো যে ঐশ্বরিক সত্তা মারা গিয়েছিলেন ও আবার জীবিত হয়েছিলেন। এটি খ্রিস্টধর্মের অবমূল্যায়ন তখনই হবে, যদি দেখানো যায় খ্রিষ্টান বিশ্বাস পৌত্তলিক বিশ্বাস থেকে উদ্ভূত হয়েছিল। কিন্তু এটি শুধু সেসব বোকারাই ভাবতে পারে যাদের কাছে ঐতিহাসিক প্রমাণের কোনো মূল্য নেই।
::থমাস স্যামুয়েল কেপলারের ''কনটেম্পোরারি থিংকিং অ্যাবাউট পল: অ্যান অ্যান্থোলজি''-তে এডউইন আর. বেভান, নিউ ইয়র্ক: অ্যাবিংডন-কোকসবারি, ১৯৫০, পৃষ্ঠা ৪৪
*যিশুর পুরো গল্পটিকে একটি মিথ হিসেবে "ব্যাখ্যা" করা এই ধরনের ছদ্ম-ইতিহাসের একটি চরম উদাহরণ।
::এমিল ব্রুনার, ''দ্য মেডিয়েটর: আ স্টাডি অব দ্য সেন্ট্রাল ডকট্রিন অব দ্য ক্রিস্টিয়ান ফেইথ'', কেমব্রিজ: লুটারওয়ার্থ প্রেস, ২০০২, পৃষ্ঠা ১৬৪
*কিছু লেখক হয়তো 'খ্রিস্ট-পুরাণ' কল্পনা নিয়ে খেলতে পারেন। কিন্তু ঐতিহাসিক প্রমাণের ভিত্তিতে তারা তা করেন না। জেনেশুনে ইতিহাস বিকৃত না করা যেকোনো ইতিহাসবিদের কাছে জুলিয়াস সিজারের ঐতিহাসিকতা যেমন স্বতঃসিদ্ধ, খ্রিস্টের ঐতিহাসিকতাও তেমনই স্বতঃসিদ্ধ। ইতিহাসবিদেরা 'খ্রিস্ট-পুরাণ' তত্ত্ব প্রচার করেন না।
::এফ. এফ. ব্রুস, ''দ্য নিউ টেস্টামেন্ট ডকুমেন্টস: আর দে রিলায়েবল?'' (৬ষ্ঠ সংস্করণ), গ্র্যান্ড র্যাপিডস: ইয়ার্ডম্যানস, ২০০৩, পৃষ্ঠা ১২৩
*এমন অনেকে আছেন, যারা দাবি করেন যিশু গির্জার কল্পনার ফসল, বাস্তবে যিশু বলে কেউ ছিলেন না। আমাকে বলতেই হচ্ছে, আমি এমন কোনো সম্মানজনক সমালোচক পণ্ডিতকে চিনি না, যিনি আর এমন কথা বলেন।
::রিচার্ড এ. বারিজ, ''জিসাস নাও অ্যান্ড দেন'', গ্র্যান্ড র্যাপিডস: ইয়ার্ডম্যানস, ২০০৪, পৃষ্ঠা ৩৪
*প্রায় সব বাইবেল পণ্ডিতই স্বীকার করেন, এই মিথকে (যা এখনও জনপ্রিয় মহলে এবং অন্যান্য ক্ষেত্রের কিছু পণ্ডিত ব্যাপকভাবে বিশ্বাস করেন—বিশেষ করে জি. এ. ওয়েলস দেখুন) মিথ্যা প্রমাণ করার মতো পর্যাপ্ত তথ্য প্রাচীন অ-খ্রিষ্টান সূত্রগুলোতে রয়েছে। এই মিথ দাবি করে, যিশুর কোনো অস্তিত্বই ছিল না।
::ক্রেগ এল. ব্লম্বার্গ, "গসপেলস (হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি)", জোয়েল বি. গ্রিন, স্কট ম্যাকনাইট ও আই. হাওয়ার্ড মার্শালের ''ডিকশনারি অব জিসাস অ্যান্ড দ্য গসপেলসে'', ডাউনয়ার্স গ্রোভ, আইএল: ইন্টারভার্সিটি, ১৯৯২, পৃষ্ঠা ২৯২
*সবশেষে লেখকদের এমন একটি দল আছে, যারা প্রমাণ করার চেষ্টা করে যিশু বাস্তবে ছিলেন না—তাঁর জীবনের গল্পটি পৌত্তলিক দেবতা, ব্যাবিলনীয়, মিশরীয়, পারসিক, গ্রিক ইত্যাদির মিথ মিলিয়ে তৈরি করা হয়েছে। কোনো প্রকৃত পণ্ডিতই এসব মানুষের কাজকে গুরুত্বের সাথে নেন না। ঐতিহাসিক গবেষণার ক্ষেত্রে তাদের সবচেয়ে প্রাথমিক জ্ঞানের অভাব রয়েছে। তাদের মধ্যে কেউ কেউ অ্যাসিরিওলজি ও গণিতের মতো অন্যান্য বিষয়ে বিশিষ্ট পণ্ডিত। কিন্তু যিশুর জীবন সম্পর্কে তাদের লেখার ঐতিহাসিক হওয়ার দাবি অ্যালিস ইন ওয়ান্ডারল্যান্ড বা দ্য অ্যাডভেঞ্চারস অব ব্যারন মুনশাউসেনের চেয়ে বেশি নয়।
::জর্জ অ্যারন বার্টন, ''জিসাস অব নাজারেথ: আ বায়োগ্রাফি'', নিউ ইয়র্ক: ম্যাকমিলান, ১৯২২, পৃষ্ঠা x
*এ বিষয়ে একটি চরম দৃষ্টিভঙ্গি হলো যিশু খ্রিস্টের ঐতিহাসিক অস্তিত্বকেও অস্বীকার করা—এমন একটি দৃষ্টিভঙ্গি, যা মেনে নিতেই হবে, এটি শৌখিন ও বোকাদের একটি ছোট বৃত্তের বাইরে শিক্ষিত সমাজে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারেনি। অথবা শেক্সপিয়ারের বেকনিয়ান তত্ত্বের মর্যাদার ওপরে উঠতে পারেনি।
::এডউইন রবার্ট বেভান, ''হেলেনিজম অ্যান্ড ক্রিস্টিয়ানিটি'' (২য় সংস্করণ), লন্ডন: জি. অ্যালেন অ্যান্ড আনউইন, ১৯৩০, পৃষ্ঠা ২৫৬
*যিশু-একজন-পৌরণিক-[ব্যক্তি]-ছিলেন ঘরানার অনুসারীরা... যুক্তি দেয় যে নাজারেথের যিশু নামে কেউ ছিলেন না, তাঁর কোনো অস্তিত্বই ছিল না।
::ক্লিনটন বেনেট, ''ইন সার্চ অব জিসাস: ইনসাইডার অ্যান্ড আউটসাইডার ইমেজেস'', নিউ ইয়র্ক: কন্টিনিয়াম, ২০০১, পৃষ্ঠা ২০২
*কিছু সংশয়বাদী নতুন নিয়মের [নিউ টেস্টামেন্ট] যিশুর প্রমাণ ও খ্রিস্টধর্মের উত্থানকে খ্রিস্ট-অনৈতিহাসিকতা তত্ত্বের আলোকে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছেন। এই দৃষ্টিভঙ্গি অনুসারে যিশুর গল্পটি একটি পৌরাণিক কাহিনি। দেবতা ও বীরদের নিয়ে প্রচলিত প্রাচীন গ্রিক বা নর্স গল্পের চেয়ে ঐতিহাসিক সত্যতার ক্ষেত্রে এর দাবি বেশি শক্ত নয় [...] তাঁর মৃত্যু ও পুনরুত্থান অনেকের মনে মৃত-ও-পুনরুত্থিত দেবতার মিথের একটি ভিন্ন রূপের ধারণা দেয়, যা প্রাচীন পৌত্তলিক ধর্মের জগতে এত জনপ্রিয় ছিল এবং আটিস, অ্যাডোনিস, ওসিরিস ও মিথ্রাসের ধর্মে প্রতিনিধিত্ব করত।
::{{cite book|last=ব্রোমিলি|first=জিওফ্রে ডব্লিউ.|editor=Bromiley et al.|title=দ্য ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড বাইবেল এনসাইক্লোপিডিয়া : ফুল্লি রিভাইসড, ইলাস্ট্রেটেড, ইন ফোর ভলিউমস. ভলিউম. ২, ই-জে|url=https://books.google.com/books?id=yklDk6Vv0l4C&pg=PA1034|volume=2|year=1995 [First published 1982]|publisher=ডব্লিউএম. বি. ইয়ার্ডম্যানস পাবলিশিং|isbn=978-0-8028-3782-0|page=১০৩৪|chapter=জিসাস ক্রাইস্ট|orig-year=First published 1982}}
*জার্মানি, ইংল্যান্ড, হল্যান্ড, আমেরিকা ও ফ্রান্সে পণ্ডিতদের একটি দল এই তত্ত্ব তৈরি করেছিল যে খ্রিস্টের কোনো অস্তিত্বই ছিল না, যা খ্রিস্ট-অনৈতিহাসিকতা তত্ত্ব নামে পরিচিত।
::মার্গারেট হোপ বেকন, ''লেট দিস লাইফ স্পিক: দ্য লিগ্যাসি অব হেনরি জোয়েল ক্যাডবেরি'', ফিলাডেলফিয়া: ইউনিভার্সিটি অব পেনসিলভানিয়া প্রেস, ১৯৮৭, পৃষ্ঠা ২২
*যিশু-একজন-পৌরণিক-[ব্যক্তি]-ছিলেন ঘরানার অনুসারীরা... যুক্তি দেয় যে নাজারেথের যিশু নামে কেউ ছিলেন না, তাঁর কোনো অস্তিত্বই ছিল না।
::ক্লিনটন বেনেট, ''ইন সার্চ অব জিসাস: ইনসাইডার অ্যান্ড আউটসাইডার ইমেজেস'', নিউ ইয়র্ক: কন্টিনিয়াম, ২০০১, পৃষ্ঠা ২০২
*[আদি খ্রিস্টধর্মের বিষয়ে রিচার্ড ক্যারিয়ার উল্লেখ করেন] নতুন ধর্মের সবচেয়ে বিশিষ্ট প্রেরিত [পল] মনে হয় কেবল একজন মহাজাগতিক খ্রিস্টকেই চেনেন। তিনি তাঁর সম্পর্কে [পুনরুত্থিত যিশুর] দর্শন ও নবীদের [শাস্ত্রে] নিবিড় পাঠের মাধ্যমে জানতে পেরেছিলেন।
**{{cite web|author=ব্রায়ান বেথুন|title=Did Jesus really exist? - Macleans.ca|trans-title=যিশু কি সত্যিই ছিলেন? - ম্যাকলিনস.সিএ|url=http://www.macleans.ca/society/life/did-jesus-really-exist-2/|website=Macleans.ca|accessdate=19 November 2016|date=23 March 2016}}
*[যিশুর ব্যাপারে নতুন নিয়মের বর্ণনার সমর্থনে রিচার্ড ক্যারিয়ার উল্লেখ করেন] এক শতাব্দীর জন্য অন্য কোনো খ্রিষ্টান সাক্ষী নেই; সম্ভবত আরও অবর্ণনীয়ভাবে, কোনো পৌত্তলিক সাক্ষী নেই (যিশু সম্পর্কে যাদের উল্লেখ পরবর্তী খ্রিষ্টানরা উদযাপন বা খণ্ডন করার জন্য উল্লেখ করতেন)।
**{{cite web|author=ব্রায়ান বেথুন|title=Did Jesus really exist? - Macleans.ca|trans-title=যিশু কি সত্যিই ছিলেন? - ম্যাকলিনস.সিএ|url=http://www.macleans.ca/society/life/did-jesus-really-exist-2/|website=Macleans.ca|accessdate=19 November 2016|date=23 March 2016}}
*[রিচার্ড ক্যারিয়ারের ''অন দ্য হিস্টোরিসিটি অব জিসাস''] ঐতিহাসিক যিশুর একাডেমিক প্রবক্তাদের সামনে এমন একটি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয়, যা অতিক্রম করা তাদের জন্য অসম্ভব বলে মনে হয়।
**{{cite web|last=বারবার|first=নাইজেল|title=Jesus Never Existed, After All|trans-title=যিশু কখনোই ছিলেন না, সর্বোপরি|url=https://www.huffingtonpost.com/nigel-barber/jesus-never-existed-after_b_9848702.html|website=Huffington Post|accessdate=7 November 2017|date=5 May 2016}}
*আদি খ্রিষ্টানরা স্মৃতির বিশ্বাসঘাতকতা সম্পর্কে খুব সচেতন ছিলেন বলে মনে হয়। গালাতীয়দের কাছে লেখা চিঠিতে সেন্ট পল তাঁর পাঠকদের আশ্বস্ত করেন, তিনি তাদের যেই শিক্ষা দিয়েছেন তা কোনো অবিশ্বস্ত পথ ধরে তাঁর কাছে আসেনি: "আমি আপনাদের জানাতে চাই, ভাই ও বোনেরা, আমি যেই সুসমাচার প্রচার করেছি তা মানুষের তৈরি নয়। আমি তা কোনো মানুষের কাছ থেকে পাইনি বা আমাকে তা শেখানোও হয়নি; বরং আমি তা যিশু খ্রিস্টের প্রত্যাদেশের মাধ্যমে পেয়েছি।"
**{{cite web|author=ব্রায়ান বেথুন|title=Did Jesus really exist? - Macleans.ca|trans-title=যিশু কি সত্যিই ছিলেন? - ম্যাকলিনস.সিএ|url=http://www.macleans.ca/society/life/did-jesus-really-exist-2/|website=Macleans.ca|accessdate=19 November 2016|date=23 March 2016}}
*গ্রিকো-রোমান বিশ্বের অনেক অধিবাসীর চোখে পরিত্রাণের সবচেয়ে বড় প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল রহস্য ধর্মগুলো। এসব ধর্ম উর্বরতার উদ্দেশ্য ও জীবন, মৃত্যু ও পুনর্জন্মের চক্রকে প্রকাশ করত।
**{{cite book|last=ব্রোমিলি|first=জিওফ্রে ডব্লিউ.|editor=Bromiley et al.|title=দ্য ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড বাইবেল এনসাইক্লোপিডিয়া : ফুল্লি রিভাইসড, ইলাস্ট্রেটেড, ইন ফোর ভলিউমস. ভলিউম. ৪, কিউ-জেড|url=https://books.google.com/books?id=6OJvO2jMCr8C&pg=PA290|volume=4|year=1995|publisher=ডব্লিউএম. বি. ইয়ার্ডম্যানস পাবলিশিং|isbn=978-0-8028-3784-4|page=২৯০|chapter=স্যালভেশন||orig-year=First published 1988}}
*আমি মনে করি, ''মূর্ত'' লোগোসের উপাসনা হলো একটি নতুন বিষয়, একটি "পরিবর্তন"... এটি যিশুর অনুসারীদের মাধ্যমে প্রবর্তিত হয়েছিল। কিন্তু একজন মধ্যস্থতাকারী বা একজন ''ডিউটেরোস থিওসের'' প্রতি ''বিশ্বাস'' এবং সম্ভবত দ্বি-ঈশ্বরিক উপাসনাও তাদের [যিশুর অনুসারী] ও অন্যান্য ইহুদিদের মধ্যে প্রচলিত ছিল।
**{{cite book|last=বোয়ারিন|first=ড্যানিয়েল|title=বর্ডার লাইনস: দ্য পার্টিশন অব জুডাইও-ক্রিস্টিয়ানিটি|url=https://books.google.com/books?id=432ycMoPB-QC&pg=PA119|date=24 November 2010|publisher=ইউনিভার্সিটি অব পেনসিলভানিয়া প্রেস|isbn=0-8122-0384-4|page=১১৯}}
*ওয়াল্টার বাউয়ার দাবি করেন খ্রিস্টধর্ম শুরু থেকেই একটি বৈচিত্র্যময় ঘটনা ছিল। ভূমধ্যসাগরের আশেপাশে 'খ্রিস্টধর্মের বিভিন্ন রূপ' গড়ে উঠেছিল এবং কিছু জায়গায় যাকে পরবর্তীতে 'ধর্মবিদ্বেষী' বলা হতো, তা প্রাথমিকভাবে আদর্শ ছিল। [...] যদিও বাউয়ারের কিছু পুনর্গঠন ভুল ছিল এবং তা বাদ দেওয়া হয়েছে, কিন্তু খ্রিস্টধর্ম যে মূলত একটি বৈচিত্র্যময় ঘটনা ছিল, এই ধারণাটি এখন সাধারণভাবে গৃহীত হয়েছে।
**{{cite book|last=বেহর|first=জন|title=ইরেনিয়াস অব লায়ন্স: আইডেন্টিফাইং ক্রিস্টিয়ানিটি|url=https://books.google.com/books?id=isxoAgAAQBAJ&pg=PA5|year=2013|publisher=ওইউপি অক্সফোর্ড|isbn=978-0-19-166781-7|pages=5–6}}
*জার্মানি, ইংল্যান্ড, হল্যান্ড, আমেরিকা ও ফ্রান্সে পণ্ডিতদের একটি দল এই তত্ত্ব তৈরি করেছিল যে খ্রিস্টের কোনো অস্তিত্বই ছিল না, যা খ্রিস্ট-অনৈতিহাসিকতা তত্ত্ব নামে পরিচিত।
::মার্গারেট হোপ বেকন, ''লেট দিস লাইফ স্পিক: দ্য লিগ্যাসি অব হেনরি জোয়েল ক্যাডবেরি'', ফিলাডেলফিয়া: ইউনিভার্সিটি অব পেনসিলভানিয়া প্রেস, ১৯৮৭, পৃষ্ঠা ২২
*যিশু কোনো বাস্তব ঐতিহাসিক চরিত্র ছিলেন না বলে দাবি করা বিশিষ্ট পণ্ডিত ও সমালোচকদের মধ্যে আমরা [[ব্রুনো বাউয়ার]], [[আলবার্ট কালথফ|কালথফ]], [[আর্থার ড্রিউস|ড্রিউস]], [[ফ্রেডরিখ স্টুডেল|স্টে(উ)ডেল]], [[এমিল ফেলডেন|ফেল্ডে(ন)]], ডেইয়ে, [[পিটার জেনসেন (প্রাচ্যবিদ)|জেনসেন]], [[স্যামুয়েল লুবলিনস্কি|লুবলিনস্কি]], [[জেরার্ড বোল্যান্ড|বোল্যান্ড]], [[গুস্তাভ অ্যাডলফ ভ্যান ডেন বার্ঘ ভ্যান আইসিঙ্গা|ভ্যান দে(ন) বার্গ(হ)]], [[চার্লস ভিরোলউড|ভিরোলউড]], [[পল-লুই কৌচাউড|কৌচাউড]], [[জেরাল্ড ম্যাসি|ম্যাসি]], [[এমিলিও বোসি|বোসি]], [[আন্দ্রেজ নিয়েমোজেউস্কি|নিয়েমোজেউস্কি]], [[জর্জ ব্র্যান্ডেস|ব্র্যান্ডেস]], [[জে. এম. রবার্টসন|রবার্টসন]], [[জি. আর. এস. মিড|মিড]], [[থমাস হুইটেকার (আধিভৌতিক)|হুইটেকার]], [[এডওয়ার্ড কার্পেন্টার|কার্পেন্টার]] ও [[উইলিয়াম বেঞ্জামিন স্মিথ|ডব্লিউ. বি. স্মিথের]] নাম উল্লেখ করতে পারি।
::{{cite book|last=বার্নস|first=হ্যারি এলমার|title=দ্য টোয়াইলাইট অব ক্রিস্টিয়ানিটি|url=https://books.google.com/books?id=WeAAAAAAMAAJ|year=1929|publisher=ভ্যানগার্ড প্রেস|location=নিউ ইয়র্ক|page=৩৯০f|chapter=ওয়াজ জিসাস অ্যান হিস্টোরিক ফিগার?}}
*১৯৭০ সালের দিকে নিউ টেস্টামেন্ট ও সংশ্লিষ্ট পাঠ্যগুলোর একটি বিকল্প ব্যাখ্যা উঠে আসছে। গবেষকেরা সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করছেন যে কীভাবে নিউ টেস্টামেন্টের পাঠ্যগুলো কেবল মৌখিক ঐতিহ্যের ওপর নির্ভর না করে প্রাচীন সাহিত্যের, বিশেষ করে প্রাচীন ধর্মগ্রন্থের ওপর নির্ভরশীল হিসেবে ব্যাখ্যা করা যায়। [...] পুরোনো নিয়মের ও অন্যান্য বিদ্যমান পাঠ্যের ওপর গসপেলগুলোর নির্ভরশীলতা কোনো মৌখিক ঐতিহ্যের ওপর এর নির্ভরশীলতার চেয়ে তুলনাহীনভাবে পরিষ্কার ও যাচাইযোগ্য। যেমন, এলিজার ডাকে (১ রাজাবলি ১৯) শিষ্যদের প্রতি যিশুর ডাকের (লুক ৯:৫৭-৬২) সম্পূর্ণ নির্ভরশীলতা দেখা যায়। সূত্রগুলো কেবল একটি কাঠামোই সরবরাহ করে না, বরং এমন একটি জটিল ভর সরবরাহ করে যা পরবর্তী পাঠ্যে ছড়িয়ে পড়ে।
**[[থমাস এল. ব্রোডি]] {{cite book|last=ব্রোডি|first=থমাস এল.|title=বিয়ন্ড দ্য কোয়েস্ট ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল জিসাস: মেমোয়ার অব আ ডিসকভারি|url=https://books.google.com/books?id=BTarMQEACAAJ|year=2012|publisher=শেফিল্ড ফিনিক্স প্রেস|isbn=978-1-907534-58-4|page=২২৯|chapter=এপিলগ: বার্ট ডি. এহরম্যানস 'ডিড জিসাস এক্সিস্ট?'}}
*যিশুকে ঘিরে কিংবদন্তি-ভিত্তিক তত্ত্বের সবচেয়ে চরম প্রান্তিক অংশে বিশেষভাবে প্রচলিত একটি যুক্তি—অর্থাৎ তথাকথিত ''পৌরাণিক''-যিশু তত্ত্বের সমর্থকদের মধ্যে—এই দাবিকে কেন্দ্র করে যে পল ঐতিহাসিক যিশুর প্রতি খুব সামান্য বা প্রায় কোনো উল্লেখই করেন না। [...][জি. এ.] ওয়েলস, [আর্ল] ডোহার্টি ও [আর. এম.] প্রাইসের মতো গবেষকেরা যুক্তি দেন যে পলের দৃষ্টিতে যিশু গসপেলসমূহে যে সাম্প্রতিক, সমসাময়িক গালিলীয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে দেখা যায়, তার মতো মোটেও ছিলেন না। যিশু সম্পর্কে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি—যা আমাদের কাছে প্রাপ্ত সবচেয়ে প্রাচীন দৃষ্টিভঙ্গি—বরং ছিল এক অস্পষ্ট মহাজাগতিক ত্রাণকর্তা-সত্তা, যিনি অজানা, দূরবর্তী অতীতে এবং/অথবা পৌরাণিক আধ্যাত্মিক জগতে বিদ্যমান ছিলেন। প্রকৃতপক্ষে, পলীয় খ্রিস্ট প্রাচীন রহস্যধর্মগুলিতে পাওয়া দেবতাসদৃশ সত্তাগুলোর সঙ্গে যথেষ্ট সাদৃশ্যপূর্ণ ছিল। এই গবেষকদের মতে, এর ফলে এই উপসংহার এড়ানো কঠিন হয়ে পড়ে যে প্রাচীনতম খ্রিস্টানরা যিশুকে এক ধরনের অস্পষ্ট দেবতা হিসেবে দেখতেন, যিনি পলের পর ধীরে ধীরে ঐতিহাসিক রূপ লাভ করেন—মৌখিক পরম্পরা প্রচারিত হওয়ার মাধ্যমে এবং বিশেষত যখন গসপেলসমূহ রচিত হয়। [...] পল খুব কমই, যদি কখনও, যিশুকে উদ্ধৃত করেন। বরং তারা যুক্তি দেন যে পল পরবর্তী খ্রিস্টীয় ধারণা—যেখানে যিশুকে একজন নৈতিক শিক্ষক হিসেবে দেখা হয়—সম্পর্কে সম্পূর্ণ অজ্ঞ বলে মনে হয়।
**{{cite book|last1=এডি|first1=পল রোডস|last2=বয়েড|first2=গ্রেগরি এ.|title=দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন|url=https://books.google.com/books?id=WgROZMp4zDMC&pg=PA33|date=1 August 2007|publisher=বেকার একাডেমিক|isbn=978-0-8010-3114-4|page=৩৩}}
*নতুন নিয়মের পণ্ডিতেরা একমত যে যিশুর জীবন ও কাজ সম্পর্কে পলের খুব কমই বলার আছে। তবে বেশিরভাগই স্বীকার করেনপল যিশুকে একজন সাম্প্রতিক সমসাময়িক ব্যক্তি হিসেবে দেখেছিলেন। কিংবদন্তি-যিশুর সবচেয়ে কট্টর তাত্ত্বিকেরা—বিশেষ করে খ্রিস্ট পুরাণ তাত্ত্বিকেরা—এটি অস্বীকার করেন। তারা যুক্তি দেন যে পলের চিঠির কোনো কিছুই নির্দেশ করে না যে তিনি বিশ্বাস করতেন যিশু তাঁর সমসাময়িক ছিলেন। বরং তারা দাবি করেন, পলের ধর্মতত্ত্বের যিশু হলেন প্রাচীন রহস্য ধর্মের অনুরূপ চরিত্রের আদলে তৈরি একজন ত্রাণকর্তা। এই তত্ত্ব অনুসারে পল বিশ্বাস করতেন যে খ্রিস্ট দূর অতীতের কোনো এক সময়ে পৃথিবীতে এসেছিলেন—বা তিনি কেবল একটি তুরীয় পৌরাণিক জগতেই ছিলেন—এবং অশুভ শক্তিকে পরাজিত করতে ও মানবতাকে মুক্ত করতে মৃত্যুবরণ করেছিলেন। কেবল পরবর্তীতে যিশুকে একজন ইহুদি সমসাময়িক হিসেবে পুনরায় পৌরাণিক [অর্থাৎ ঐতিহাসিক] রূপ দেওয়া হয়েছিল। ...যিশুর গল্পের ঐতিহাসিক দিকগুলো আবিষ্কার করা হয়েছিল এবং পল তাঁর চিঠি লেখার পরে গসপেলগুলোতে যুক্ত করা হয়েছিল।
**{{cite book|last1=এডি|first1=পল রোডস|last2=বয়েড|first2=গ্রেগরি এ.|title=দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন|url=https://books.google.com/books?id=WgROZMp4zDMC&pg=PA202|date=1 August 2007|publisher=বেকার একাডেমিক|isbn=978-0-8010-3114-4|pages=202-203}}
*ব্রুনো বাউয়ার, আর্থার ড্রিউস ও জি. এ. ওয়েলসের মতো পণ্ডিতেরা যুক্তি দিয়েছেন যে যিশু ঐতিহ্য মূলত—সম্ভবত ''পুরোপুরি''—কাল্পনিক প্রকৃতির (অর্থাৎ আমরা যেই অর্থে শব্দটি ব্যবহার করছি তাতে "কিংবদন্তি")....রবার্ট প্রাইসের মতো '''আমরা এই বিভাগে অন্তর্ভুক্ত করতে পারি এমন কিছু পণ্ডিত''' এই তত্ত্ব থেকে সামান্য সরে এসে যুক্তি দেবেন যে '''একজন ঐতিহাসিক যিশুর অস্তিত্ব ছিল কি না, তা নির্ধারণ করার জন্য আমাদের কাছে পর্যাপ্ত তথ্যের অভাব রয়েছে'''। এখানেই এক ধরণের "যিশু অজ্ঞেয়বাদ" তৈরি হয়।
::পল আর এডি ও [[গ্রেগরি এ. বয়েড]], ''দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন'' (গ্র্যান্ড র্যাপিডস: বেকার একাডেমিক, ২০০৭) পৃষ্ঠা ২৪-২৫
*যেমনটি আমরা লক্ষ্য করেছি, কিছু কিংবদন্তি-যিশু তাত্ত্বিক যুক্তি দেন, যিশু নামে একজন বাস্তব ঐতিহাসিক ব্যক্তির অস্তিত্ব থাকাটা অন্তত সম্ভব, যদি তা পুরোপুরি সত্যি নাও হয়। তবুও তিনি এতটাই কিংবদন্তিতে ঢাকা, আমরা তাঁর সম্পর্কে খুব কমই জানতে পারি। অন্যরা (যেমন, খ্রিস্ট পুরাণ তাত্ত্বিকেরা) যুক্তি দেন যে কিংবদন্তির পেছনে একজন বাস্তব ঐতিহাসিক ব্যক্তির অস্তিত্ব ছিল বলে বিশ্বাস করার কোনো ভালো কারণ আমাদের কাছে নেই।
::পল আর এডি ও গ্রেগরি এ. বয়েড, ''দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন'' (গ্র্যান্ড র্যাপিডস: বেকার একাডেমিক, ২০০৭) পৃষ্ঠা ১৬৫
*রবার্ট প্রাইস যুক্তি দেন, প্রাচীন ভূমধ্যসাগরীয় বিশ্ব "একজন ত্রাণকর্তা দেবতার মৃত্যু ও পুনরুত্থানকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা ধর্মে গভীরভাবে ডুবে ছিল।" যে "খ্রিস্ট ধর্ম" গড়ে উঠেছিল, তা এসব প্রাচীন মৃত্যু ও পুনরুত্থান ধর্মের আরেকটি উদাহরণ ছাড়া আর কিছুই নয়। এটি দেখানোর জন্য তিনি বিভিন্ন উদাহরণের তালিকা তুলে ধরেন।
**{{cite book|last1=এডি|first1=পল রোডস|last2=বয়েড|first2=গ্রেগরি এ.|title=দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন|url=https://books.google.com/books?id=WgROZMp4zDMC&pg=PA30|date=1 August 2007|publisher=বেকার একাডেমিক|isbn=978-0-8010-3114-4|page=৩০}}
*রবার্ট প্রাইস যুক্তি দেন, প্রাচীন ভূমধ্যসাগরীয় বিশ্ব "একজন ত্রাণকর্তা দেবতার মৃত্যু ও পুনরুত্থানকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা ধর্মে গভীরভাবে ডুবে ছিল।" এরপর পলের মাধ্যমে খ্রিস্ট ধর্মের উত্থান ব্যাখ্যা করার জন্য তিনি দেবতার একটি বড় তালিকা তুলে ধরেন। এতে বাল, [[তাম্মুজ]]/দুমুজি, ওসিরিস, আটিস, ডায়োনিসাস, মিথ্রাস, এমনকি কর্ন কিংও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এগুলো থেকে তিনি এই সিদ্ধান্তে আসেন যে পলের গঠিত খ্রিস্ট ধর্মটি নিছক "একটি রহস্য ধর্ম" ছিল। ("একটি রহস্য ধর্মের আদলে তৈরি খ্রিস্ট ধর্ম ''হলো'' একটি রহস্য ধর্ম, একটি খ্রিস্ট ধর্ম যা এই নামের যোগ্য" (প্রাইস, ''ডিকনস্ট্রাক্টিং জিসাস'', ৯৩)। এই প্রেক্ষাপটে প্রাইস রহস্য ধর্মের সাথে খ্রিস্ট ধর্মকে স্পষ্টভাবে যুক্ত করা থেকে বিরত থেকে "খ্রিস্ট ধর্ম" নামটি ব্যবহার করার জন্য [বি. এল.] ম্যাককে তিরস্কার করেন। পুরোনো মতাদর্শগুলো [''[[ধর্মের ইতিহাস স্কুল|Religionsgeschichtliche Schule]]''] ঠিক যেমনটি করেছিল....)
**{{cite book|last1=এডি|first1=পল রোডস|last2=বয়েড|first2=গ্রেগরি এ.|title=দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন|url=https://books.google.com/books?id=WgROZMp4zDMC&pg=PA137|date=1 August 2007|publisher=বেকার একাডেমিক|isbn=978-0-8010-3114-4|page=১৩৭, n. 15}}
*যেসকল পণ্ডিত গসপেলগুলোকে "কল্পকাহিনী" হিসেবে শ্রেণিভুক্ত করেন তারা সাধারণত মনে করেনগসপেলের রচয়িতারা ''ইচ্ছাকৃতভাবে'' কল্পকাহিনী লিখেছিলেন এবং ধরে নিয়েছেন তাদের কাজকে সেভাবেই পড়া হবে। গসপেলগুলো ঠিক কোন ''ধরনের'' কল্পকাহিনী হওয়ার উদ্দেশ্যে রচিত হয়েছিল, তা নিয়ে এই শিবিরের পণ্ডিতদের মধ্যে কোনো ঐক্যমত্য নেই। এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হতে পারে ..."কিংবদন্তি" (আর. এম. প্রাইস, ''দ্য ইনক্রেডিবল শ্রিংকিং সান অব ম্যান: হাউ রিলায়েবল ইজ দ্য গসপেল ট্র্যাডিশন?'' (অ্যামহার্স্ট, এনওয়াই: প্রমিথিউস, ২০০৩), ২১।)
**{{cite book|last1=এডি|first1=পল রোডস|last2=বয়েড|first2=গ্রেগরি এ.|title=দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন|url=https://books.google.com/books?id=WgROZMp4zDMC&pg=PA314|date=1 August 2007|publisher=বেকার একাডেমিক|isbn=978-0-8010-3114-4|pages=314-315, n. 23}}
*অনেক পণ্ডিত র্যাগল্যানের "হিরো মিথ" বিশ্লেষণ ও নতুন নিয়মের যিশুর গল্পের মধ্যে শক্তিশালী মিল খুঁজে পান। [...] প্রাইস আরও একধাপ এগিয়ে যুক্তি দেন যে "[খ্রিস্টের] গল্পের প্রতিটি বিবরণ পৌরাণিক নায়কের আদর্শের সাথে খাপ খায়, অতিরিক্ত কিছুই থাকে না।" এটি থেকে প্রাইস অনুমান করেন"পুরাণের পেছনে একজন ঐতিহাসিক ব্যক্তির অস্তিত্ব থাকতে হবে বলে দাবি করাটা অযৌক্তিক।"
**{{cite book|last1=এডি|first1=পল রোডস|last2=বয়েড|first2=গ্রেগরি এ.|title=দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন|url=https://books.google.com/books?id=WgROZMp4zDMC&pg=PA31|date=1 August 2007|publisher=বেকার একাডেমিক|isbn=978-0-8010-3114-4|page=৩১}}
*রবার্ট প্রাইস এতটা দূর পর্যন্ত যুক্তি দেন, গসপেলে পাওয়া যিশুর গল্পের ''প্রতিটি'' দিকই "পৌরাণিক নায়কের আদর্শের সাথে খাপ খায়, অতিরিক্ত কিছুই থাকে না।" যিশু ও সর্বজনীনভাবে স্বীকৃত পৌরাণিক চরিত্রগুলোর মধ্যে এত শক্তিশালী মিল থাকার কারণে কিছু লোকের কাছে এটি অত্যন্ত অবাস্তব বলে মনে হয়, যিশুর গল্পটির শিকড় ইতিহাসে নিহিত রয়েছে, অন্যদিকে অন্য বীরদের গল্পের কোনো ঐতিহাসিক ভিত্তি নেই।
**{{cite book|last1=এডি|first1=পল রোডস|last2=বয়েড|first2=গ্রেগরি এ.|title=দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন|url=https://books.google.com/books?id=WgROZMp4zDMC&pg=PA137|date=1 August 2007|publisher=বেকার একাডেমিক|isbn=978-0-8010-3114-4|pages=137-138}}
*যিশু গসপেলে তাঁর করা কাজগুলো করে থাকলে, তিনি অন্তত কয়েকজন পৌত্তলিক লেখকের দৃষ্টি আকর্ষণ করতেন বলে কি আমাদের আশা করা উচিত নয়? এর বদলে কিছু পণ্ডিত যুক্তি দেন, নতুন নিয়মের বাইরে আমরা যিশুর খুব কম বা কোনো উল্লেখই পাই না। কারো কারো কাছে—বিশেষ করে কিংবদন্তি-যিশু তাত্ত্বিকদের সবচেয়ে কট্টর অংশের (যেমন, গ্রুপ ১ [খ্রিস্ট পুরাণ তাত্ত্বিকদের নিয়ে গঠিত]) কাছে—এটি প্রমাণ করে, গসপেলের অলৌকিক কাজের সাথে জড়িত চরিত্রটি পুরোপুরি একটি কিংবদন্তি, যা অন্যান্য প্রাচীন রহস্য ধর্মের পৌরাণিক ত্রাণকর্তা চরিত্রগুলোর থেকে মূলত আলাদা কিছু নয়।
**{{cite book|last1=এডি|first1=পল রোডস|last2=বয়েড|first2=গ্রেগরি এ.|title=দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন|url=https://books.google.com/books?id=WgROZMp4zDMC&pg=PA32|date=1 August 2007|publisher=বেকার একাডেমিক|isbn=978-0-8010-3114-4|page=৩২}}
*[জি. এ. ওয়েলস ও আর্ল ডোহার্টির মতে] গসপেলগুলো পরে পলের পৌরাণিক ত্রাণকর্তার চরিত্রকে কেন্দ্র করে একটি ঐতিহাসিক আখ্যান তৈরি করে এবং তাকে একজন ঐতিহাসিক ব্যক্তিতে রূপান্তরিত করে। (জি. এ. ওয়েলস, ''দ্য জিসাস মিথ'' (শিকাগো: ওপেন কোর্ট, ১৯৯৯), বিশেষ করে ৯৫-১১১; ই. ডোহার্টি, ''দ্য জিসাস পাজল: ডিড ক্রিস্টিয়ানিটি বিগিন উইথ আ মিথিক্যাল ক্রাইস্ট?'' (অটোয়া: কানাডিয়ান হিউম্যানিস্ট পাব., ১৯৯৯)।)
**{{cite book|last1=এডি|first1=পল রোডস|last2=বয়েড|first2=গ্রেগরি এ.|title=দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন|url=https://books.google.com/books?id=WgROZMp4zDMC&pg=PA106|date=1 August 2007|publisher=বেকার একাডেমিক|isbn=978-0-8010-3114-4|page=১০৬}}
*খ্রিস্ট পুরাণ তাত্ত্বিকেরা যুক্তি দেন যে পল যিশুকে রহস্য ধর্মের দেবতার আদলে একজন মহাজাগতিক ত্রাণকর্তা হিসেবে দেখতেন, নিকট অতীতের কোনো ঐতিহাসিক ব্যক্তি হিসেবে নয়। তারা যুক্তি দেন যে কেবল পরবর্তীতে গসপেলগুলো লেখার সময়ই এই পৌরাণিক মহাজাগতিক ত্রাণকর্তা চরিত্রের ওপর একটি কাল্পনিক ঐতিহাসিক আখ্যান চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল।
**{{cite book|last1=এডি|first1=পল রোডস|last2=বয়েড|first2=গ্রেগরি এ.|title=দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন|url=https://books.google.com/books?id=WgROZMp4zDMC&pg=PA163|date=1 August 2007|publisher=বেকার একাডেমিক|isbn=978-0-8010-3114-4|page=১৬৩}}
*[কিছু খ্রিস্ট পুরাণ তাত্ত্বিক] এই দাবিকে অনেক গুরুত্ব দেন, প্রথম ও দ্বিতীয় শতাব্দীর অ-খ্রিষ্টান সূত্রগুলোতে বা পলের মতো সবচেয়ে আদি খ্রিষ্টান সূত্রগুলোতে ঐতিহাসিক যিশু সম্পর্কে খুব কম বা কোনো বিশ্বাসযোগ্য তথ্যই পাওয়া যায় না। তারা যুক্তি দেন যে গসপেলগুলোতে বর্ণিত যিশুর মতো অলৌকিক ক্ষমতাসম্পন্ন কোনো নবীর অস্তিত্ব সত্যিই থাকলে, পল ও তাঁর সমসাময়িক পৌত্তলিকেরা তাঁর কাজ ও শিক্ষার কথা উল্লেখ করতেন। এর বদলে, তারা যুক্তি দেন, আমরা সম্পূর্ণ নীরবতা দেখতে পাই।
**{{cite book|last1=এডি|first1=পল রোডস|last2=বয়েড|first2=গ্রেগরি এ.|title=দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন|url=https://books.google.com/books?id=WgROZMp4zDMC&pg=PA165|date=1 August 2007|publisher=বেকার একাডেমিক|isbn=978-0-8010-3114-4|page=১৬৫}}
*[পলের] চিঠিতে যিশুর কুমারী মায়ের গর্ভে জন্ম নেওয়া তো দূরের কথা, তাঁর বাবা-মা সম্পর্কেও কোনো ইঙ্গিত নেই। তারা কখনোই তাঁর জন্মস্থানের কথা উল্লেখ করে না... তারা তাঁর পার্থিব অস্তিত্বের সময় বা স্থানের কোনো ইঙ্গিত দেয় না। তারা কোনো রোমান কর্মকর্তার সামনে তাঁর বিচার বা তাঁর মৃত্যুদণ্ডের স্থান হিসেবে জেরুজালেমের কথা উল্লেখ করে না। তারা জন দ্য ব্যাপটিস্ট, জুডাস বা মাস্টারের সাথে পিটারের অস্বীকৃতি—কারও কথাই উল্লেখ করে না... এসব চিঠিতে যিশুর করা কোনো অলৌকিক কাজের কথাও উল্লেখ নেই। এটি একটি বিশেষ লক্ষণীয় ব্যাপার, কারণ গসপেল অনুসারে তিনি এমন অনেক কাজ করেছিলেন।
::{{cite book|last=ওয়েলস|first=জর্জ আলবার্ট|title=দ্য হিস্টোরিক্যাল এভিডেন্স ফর জিসাস|url=https://books.google.com/books?id=uWjz3yUrkWYC&pg=PA22|year=1982|publisher=প্রমিথিউস বুকস, পাবলিশার্স|isbn=978-1-61592-411-0|page=২২}}
:*[[জি. এ. ওয়েলস]] এপি. {{cite book|last1=এডি|first1=পল রোডস|last2=বয়েড|first2=গ্রেগরি এ.|title=দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন|url=https://books.google.com/books?id=WgROZMp4zDMC&pg=PA203|date=1 August 2007|publisher=বেকার একাডেমিক|isbn=978-0-8010-3114-4|page=২০৩|chapter=পল'স ল্যাক অব হিস্টোরিক্যাল ইনফরমেশন|quote=(G. A. Wells, ''The Historical Evidence for Jesus'' (Buffalo, NY: Prometheus, 1982), 22.)}}
*খ্রিস্ট অনৈতিহাসিকতা তত্ত্বের অনুসারীরা যুক্তি দেন যে পল যিশুকে কেবল "খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের মধ্যে উপস্থিত এক ঐশ্বরিক শক্তি হিসেবে জানতেন, যা ঈশ্বরের প্রত্যাদেশ ও নির্দেশনা প্রদান করে এবং ঈশ্বর ও আধ্যাত্মিক সত্যের জ্ঞানের সাথে সংযোগ স্থাপন করে।" [ডোহার্টি (১৯৯৯), ৩০।] অন্য কথায়, এসব বিবেচনা থেকে বোঝা যায় পল ও আদি খ্রিষ্টানদের যিশু অন্যান্য প্রাচীন পৌত্তলিক রহস্য ধর্মে উপাসনা করা ও অনুভব করা বিভিন্ন দেবতার চেয়ে খুব একটা আলাদা ছিলেন না। [ই. ডোহার্টি, ''দ্য জিসাস পাজল: ডিড ক্রিস্টিয়ানিটি বিগিন উইথ আ মিথিক্যাল ক্রাইস্ট?'' (অটোয়া: কানাডিয়ান হিউম্যানিস্ট পাবলিকেশন্স, ১৯৯৯), ৩০।]
**{{cite book|last1=বয়েড|first1=গ্রেগরি এ.|last2=এডি|first2=পল আর.|title=লর্ড অর লিজেন্ড?: রেসলিং উইথ দ্য জিসাস ডিলেমা|url=https://books.google.com/books?id=z9BMAwAAQBAJ&pg=PA42|date=1 October 2010|publisher=উইপফ অ্যান্ড স্টক পাবলিশার্স|isbn=978-1-60899-954-5|page=৪২}}
*পৌত্তলিক সাক্ষীদের বক্তব্য ইঙ্গিত দেয় যে যিশুর ঐতিহাসিকতা সমর্থন করে এমন কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ নেই। [...] ইহুদি তথ্যের অভাবের সাথে যুক্ত হয়ে তাদের এই অনুপস্থিতি প্রমাণ করে, এখানে [নেতিবাচক প্রমাণের নীতিটি] প্রযোজ্য। যিশু বাস্তবে ছিলেন না বলে অবিশ্বাস করাটা আমাদের জন্য যৌক্তিক। (এম. মার্টিন, ''দ্য কেস অ্যাগেইনস্ট ক্রিস্টিয়ানিটি'' (ফিলাডেলফিয়া: টেম্পল ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১৯৯১), ৫২।)
::{{cite book|last1=মার্টিন|first1=মাইকেল|authorlink1=Michael Martin (philosopher)|title=দ্য কেস অ্যাগেইনস্ট ক্রিস্টিয়ানিটি|url=https://books.google.com/books?id=wWkC4dTmK0AC&pg=PA52|year=1993|publisher=টেম্পল ইউনিভার্সিটি প্রেস|isbn=978-1-56639-081-1|page=৫২}}
:*[[মাইকেল মার্টিন (দার্শনিক)|মাইকেল মার্টিন]] এপি. {{cite book|last1=এডি|first1=পল রোডস|last2=বয়েড|first2=গ্রেগরি এ.|title=দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন|url=https://books.google.com/books?id=WgROZMp4zDMC&pg=PA166|date=1 August 2007|publisher=বেকার একাডেমিক|isbn=978-0-8010-3114-4|page=১৬৬}}
*খ্রিস্ট পুরাণ তাত্ত্বিকেরা [দাবি করেন] যে ইউসেবিয়াস টেস্টিমোনিয়াম [ফ্লাভিয়ানাম জালিয়াতির] জন্য দায়ী হতে পারেন।
**{{cite book|last1=এডি|first1=পল রোডস|last2=বয়েড|first2=গ্রেগরি এ.|title=দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন|url=https://books.google.com/books?id=WgROZMp4zDMC&pg=PA197|date=1 August 2007|publisher=বেকার একাডেমিক|isbn=978-0-8010-3114-4|page=১৯৭ n. 103)}}
*কিংবদন্তি-যিশুর অনুসারী পণ্ডিতেরা—বিশেষ করে খ্রিস্ট পুরাণ তাত্ত্বিকেরা—সাধারণত যুক্তি দেন, আদি অ-খ্রিষ্টান সূত্রগুলোতে ঐতিহাসিক যিশু সম্পর্কে খুব কম স্বাধীন তথ্যই পাওয়া যায়।
**{{cite book|last1=এডি|first1=পল রোডস|last2=বয়েড|first2=গ্রেগরি এ.|title=দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন|url=https://books.google.com/books?id=WgROZMp4zDMC&pg=PA163|date=1 August 2007|publisher=বেকার একাডেমিক|isbn=978-0-8010-3114-4|page=১৬৩}}
*খ্রিষ্টান পণ্ডিতেরা অনেক দিন ধরেই বলে আসছেন, অনেক প্রাচীন অ-খ্রিষ্টান সাহিত্যিক সূত্রে যিশুর উল্লেখ আছে... এর বিপরীতে, বিভিন্ন কিংবদন্তি-যিশু তাত্ত্বিকেরা [খ্রিস্ট পুরাণ তাত্ত্বিকেরা সহ] যুক্তি দেন, এসব সূত্রের ঐতিহাসিকতা সন্দেহজনক। যেই অংশগুলোতে যিশুর কথা বলা হয়েছে বলে মনে হয়, সেগুলো হয় খ্রিষ্টানদের দাবি করা কথার ওপর ভিত্তি করে লেখা, নয়তো খ্রিষ্টানদের দ্বারা পরে যুক্ত করা হয়েছে।
**{{cite book|last1=এডি|first1=পল রোডস|last2=বয়েড|first2=গ্রেগরি এ.|title=দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন|url=https://books.google.com/books?id=WgROZMp4zDMC&pg=PA166|date=1 August 2007|publisher=বেকার একাডেমিক|isbn=978-0-8010-3114-4|page=১৬৬}}
*খ্রিষ্টান পণ্ডিতেরা অনেক দিন ধরেই বলে আসছেন, অ-খ্রিষ্টান সূত্রগুলোতে যিশুর উল্লেখ খুব কম হতে পারে... তবে সবগুলোর মধ্যেই যিশু বা আদি খ্রিষ্টান আন্দোলনের কিছু উল্লেখ রয়েছে। [...] তবে এর বিপরীতে, আরও কট্টর কিংবদন্তি-যিশু তাত্ত্বিকেরা [খ্রিস্ট পুরাণ তাত্ত্বিকেরা সহ] যুক্তি দেন, এসব সূত্রের ঐতিহাসিকতা সন্দেহজনক। কিছু অংশ খ্রিষ্টানদের দ্বারা পরে যুক্ত করা হয়েছে বলে প্রমাণ করা যায়। যেগুলো পরে যুক্ত করা হয়নি, সেগুলো নিছক জনশ্রুতি—যিশু সম্পর্কে তৎকালীন খ্রিষ্টানরা যা দাবি করত, তাই তুলে ধরেছে।
**{{cite book|last1=এডি|first1=পল রোডস|last2=বয়েড|first2=গ্রেগরি এ.|title=দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন|url=https://books.google.com/books?id=WgROZMp4zDMC&pg=PA32|date=1 August 2007|publisher=বেকার একাডেমিক|isbn=978-0-8010-3114-4|page=৩২}}
*[এই] বইয়ে আমরা কিংবদন্তি-যিশু তত্ত্ব নিয়ে আলোচনা করছি। ...বর্তমান নিউ টেস্টামেন্ট গবেষণায় ঐতিহাসিক যিশুকে নিয়ে পাওয়া নানা মতকে চারটি বড় (এবং কিছুটা সরলীকৃত) ভাগে ভাগ করলে সুবিধা হবে। [...] চতুর্থ ও শেষ দলের পণ্ডিতেরা দাবি করেন, ১-৩ নং বিভাগের [পণ্ডিতদের] মতগুলো গসপেলের বিষয়ে বেশি মাত্রায় সন্দেহপ্রবণ। ...এই [৪ নং বিভাগের] পণ্ডিতদের মতে, ঐতিহাসিক গবেষণার মাধ্যমে ঐতিহাসিক যিশু সম্পর্কে বেশ কিছু নির্ভরযোগ্য তথ্য বের করা সম্ভব।
**{{cite book|last1=এডি|first1=পল রোডস|last2=বয়েড|first2=গ্রেগরি এ.|title=দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন|url=https://books.google.com/books?id=WgROZMp4zDMC&pg=PA24|date=1 August 2007|publisher=বেকার একাডেমিক|isbn=978-0-8010-3114-4|pages=24f}}
*কিংবদন্তি-যিশু তাত্ত্বিকদের মতে, এই আদি মৌখিক যিশু ঐতিহ্যগুলোর যিশুর প্রকৃত স্মৃতির সাথে খুব হালকা সংযোগ ছিল (বা খ্রিস্ট পুরাণ প্রবক্তাদের ক্ষেত্রে একেবারেই কোনো সংযোগ ছিল না) এবং সেগুলো কিংবদন্তির প্রভাবে খুব বেশি প্রভাবিত হওয়ার ঝুঁকিতে ছিল।
**{{cite book|last1=এডি|first1=পল রোডস|last2=বয়েড|first2=গ্রেগরি এ.|title=দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন|url=https://books.google.com/books?id=WgROZMp4zDMC&pg=PA237|date=1 August 2007|publisher=বেকার একাডেমিক|isbn=978-0-8010-3114-4|page=২৩৭}}
*ব্রুনো বাউয়ার, আর্থার ড্রিউস ও জি. এ. ওয়েলসের মতো পণ্ডিতেরা দাবি করেছেন, যিশু ঐতিহ্য মূলত—এমনকি সম্ভবত পুরোপুরি—কাল্পনিক প্রকৃতির... এই মত অনুসারে যিশু গল্পের কোনো অংশ ইতিহাসে ভিত্তি করে আছে বলে মনে করার কোনো ভালো কারণ আমাদের কাছে নেই। যিশু নামের একজন প্রকৃত ঐতিহাসিক ব্যক্তির অস্তিত্বও এর অন্তর্ভুক্ত। রবার্ট প্রাইসের মতো কিছু পণ্ডিতকে আমরা এই বিভাগে অন্তর্ভুক্ত করতে পারি, যারা এই তত্ত্ব থেকে কিছুটা সরে এসে দাবি করেন, ঐতিহাসিক যিশুর অস্তিত্ব ছিল কি না, তা নির্ধারণ করার জন্য আমাদের কাছে পর্যাপ্ত তথ্যের অভাব রয়েছে। এখানেই এক ধরণের "যিশু অজ্ঞেয়বাদ" উঠে আসে।
**{{cite book|last1=এডি|first1=পল রোডস|last2=বয়েড|first2=গ্রেগরি এ.|title=দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন|url=https://books.google.com/books?id=WgROZMp4zDMC&pg=PA24|date=1 August 2007|publisher=বেকার একাডেমিক|isbn=978-0-8010-3114-4|pages=24-25}}
*রবার্ট প্রাইস বলেছেন, "যারা [গসপেলের] বিষয়বস্তুকে আসল বলে দাবি করেন, তাদের প্রমাণ করার একটি ভারী দায়িত্ব রয়েছে।" (...এই ধরনের চরম পদ্ধতিগত সংশয়বাদ প্রাইসকে "যিশু অজ্ঞেয়বাদের" দিকে নিয়ে গেছে—তিনি নিশ্চিত নন যে ঐতিহাসিক যিশু বলে কেউ ছিলেন কি না।)
**{{cite book|last1=এডি|first1=পল রোডস|last2=বয়েড|first2=গ্রেগরি এ.|title=দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন|url=https://books.google.com/books?id=WgROZMp4zDMC&pg=PA365|date=1 August 2007|publisher=বেকার একাডেমিক|isbn=978-0-8010-3114-4|page=৩৬৫ n. 3)}}
*[বার্টন] ম্যাক দাবি করেন, গ্রিক "শহিদত্বের মিথ" ও "মহান মৃত্যুর" ঐতিহ্য শেষ পর্যন্ত খ্রিস্ট ধর্মের হেলেনাইজড ইহুদিদের যিশুকে ঈশ্বররূপে গড়ে তুলতে প্রভাবিত করেছিল।
**{{cite book|last1=এডি|first1=পল রোডস|last2=বয়েড|first2=গ্রেগরি এ.|title=দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন|url=https://books.google.com/books?id=WgROZMp4zDMC&pg=PA136|date=1 August 2007|publisher=বেকার একাডেমিক|isbn=978-0-8010-3114-4|page=১৩৬}}
*আমরা আগেই দেখেছি, কিছু কিংবদন্তি-যিশু তাত্ত্বিক দাবি করেন, যিশু নামে একজন প্রকৃত ঐতিহাসিক ব্যক্তির অস্তিত্ব থাকাটা খুব সম্ভব, যদিও তা নিশ্চিত নয়। তিনি এতটা কিংবদন্তিতে মোড়া যে আমরা তাঁর সম্পর্কে খুব কমই জানতে পারি। অন্যরা (যথা, খ্রিস্ট পুরাণ তাত্ত্বিকেরা) দাবি করেনকিংবদন্তির পেছনে একজন বাস্তব ঐতিহাসিক ব্যক্তির অস্তিত্ব ছিল বলে বিশ্বাস করার কোনো ভালো কারণ আমাদের কাছে নেই।
::পল আর এডি ও গ্রেগরি এ. বয়েড, ''দ্য জিসাস লিজেন্ড: আ কেস ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল রিলায়েবিলিটি অব দ্য সিনপটিক জিসাস ট্র্যাডিশন'' (গ্র্যান্ড র্যাপিডস: বেকার একাডেমিক, ২০০৭) পৃষ্ঠা ১৬৫
*কিছু সংশয়বাদী যিশুর সম্পর্কে নিউ টেস্টামেন্টের বর্ণনা ও খ্রিস্ট ধর্মের উত্থানকে খ্রিস্ট-অনৈতিহাসিকতা তত্ত্বের আলোকে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছেন। [...] তাঁর মৃত্যু ও পুনরুত্থান অনেকের মনে মৃত-ও-পুনরুত্থিত দেবতার মিথের একটি ভিন্ন রূপের ধারণা দেয়, যা প্রাচীন পৌত্তলিক ধর্মের জগতে এত জনপ্রিয় ছিল এবং আটিস, অ্যাডোনিস, ওসিরিস ও মিথ্রাসের ধর্মে প্রতিনিধিত্ব করত।
**{{cite book|last=ব্রোমিলি|first=জিওফ্রে ডব্লিউ.|editor=Bromiley et al.|title=দ্য ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড বাইবেল এনসাইক্লোপিডিয়া : ফুল্লি রিভাইসড, ইলাস্ট্রেটেড, ইন ফোর ভলিউমস. ভলিউম. ২, ই-জে|url=https://books.google.com/books?id=yklDk6Vv0l4C&pg=PA1034|volume=2|year=1995|publisher=ডব্লিউএম. বি. ইয়ার্ডম্যানস পাবলিশিং|isbn=978-0-8028-3782-0|page=১০৩৪|chapter=জিসাস ক্রাইস্ট|orig-year=First published 1982}}
*[রিচার্ড] ক্যারিয়ারের মতে, এটি এমন একটি সমাধান, যার জন্য কোনো বিশেষ যুক্তির প্রয়োজন নেই। খ্রিস্ট ধর্মের উৎস নিয়ে তাঁর ধারণা ৩০-এর দশকের ধর্মীয়ভাবে উত্তাল ইসরায়েল থেকে শুরু হয়। তখন বিদ্রোহী মানুষ মন্দিরের অভিজাতদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ শুরু করেছিল। [...] দর্শন, অ্যাপোক্যালিপটিক গণিত ও ধর্মগ্রন্থ অধ্যয়নের মাধ্যমে একদল মানুষ এমন একটি মহাজাগতিক সত্তার ধারণা নিয়ে এসেছিল, যা মানুষের রূপ ধারণ করে এবং অশুভ শক্তির হাতে উৎসর্গ হিসেবে নিহত হয়। এই উৎসর্গ ইওম কিপুর ও নিস্তারপর্বকে একত্রিত করে ও ম্লান করে দেয় এবং সে মৃত্যুকে জয় করে পুনরায় জীবিত হয়। সেই সত্তা বিশ্বস্তদের উদ্ধার করতে খুব শিগগিরই ফিরে আসবে।
**{{cite web|author=ব্রায়ান বেথুন|title=Did Jesus really exist? - Macleans.ca|trans-title=যিশু কি সত্যিই ছিলেন? - ম্যাকলিনস.সিএ|url=http://www.macleans.ca/society/life/did-jesus-really-exist-2/|website=Macleans.ca|accessdate=19 November 2016|date=23 March 2016}}
==স==
*আমাদের কাছে থাকা তথ্য যিশু বাস্তবেই ছিলেন না—এমন একটি ধারণাকে খণ্ডন করার জন্য যথেষ্ট। আর এমন কোনো ধারণা কেউ সমর্থন করে না।
::ব্রুস চিলটন ও ক্রেগ এ. ইভান্স (সম্পাদিত) ''স্টাডিং দ্য হিস্টোরিক্যাল জিসাস: ইভ্যালুয়েশনস অব দ্য স্টেট অব কারেন্ট রিসার্চে'' চার্লস ই. কার্লস্টন, লিডেন: ব্রিল, ১৯৯৮, পৃষ্ঠা ৩
*জোসেফের ছেলে যিশু নামের একজন ইহুদি সত্যিই বেঁচে ছিলেন—আজকাল কোনো সম্মানিত পণ্ডিত এই নিয়ে সন্দেহ করেন না। বেশিরভাগ পণ্ডিতই সানন্দে স্বীকার করেনআমরা তাঁর কাজ ও মৌলিক শিক্ষা সম্পর্কে এখন অনেক কিছু জানি।
::জেমস এইচ. চার্লসওয়ার্থ, জেমস এইচ. চার্লসওয়ার্থের ''জিসাস অ্যান্ড আর্কিওলজি''-তে "প্রিফেস", গ্র্যান্ড র্যাপিডস: ইয়ার্ডম্যানস, ২০০৬, পৃষ্ঠা xxi–xxv
*সত্যি কথা বলতে, আমি এমন কোনো প্রাচীন ইতিহাসবিদ বা বাইবেলের ইতিহাসবিদের কথা জানি না, যিনি যিশু খ্রিস্টের অস্তিত্ব নিয়ে বিন্দুমাত্র সন্দেহ করেন—প্রমাণ্য দলিলটি এতই শক্তিশালী।
::গ্রেম ক্লার্ক, জন ডিকসনের "ফ্যাক্টস অ্যান্ড ফ্রিকশন অব ইস্টার", ''দ্য সিডনি মর্নিং হেরাল্ড'', ২১ মার্চ ২০০৮-এ উদ্ধৃত
*রিচার্ড [ক্যারিয়ার] এই চরম দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করেননাজারেথের যিশু আসলে অস্তিত্বশীলই ছিলেন না। ইতিহাসে এমন কোনো ব্যক্তি ছিল না। এটি এতই চরম একটি দৃষ্টিভঙ্গি যে একে প্রান্তিক বলাটাও একটি আন্ডারস্টেটমেন্ট হবে। এটি সমসাময়িক নিউ টেস্টামেন্ট বৃত্তির মানচিত্রেও নেই।
::উইলিয়াম লেন ক্রেগ, "ডিড জিসাস রাইজ ফ্রম দ্য ডেড?", রিচার্ড ক্যারিয়ারের সাথে বিতর্ক, ২০০৯
*যিশুর ঐতিহাসিকতার বিরুদ্ধে আনা সব প্রমাণ পর্যালোচনা করলে এর মধ্যে কোনো শক্তিশালী উপাদান পাওয়া যায় না।
::[[শার্লি জ্যাকসন কেস]], "দ্য হিস্টোরিসিটি অব জিসাস: অ্যান এস্টিমেট অব দ্য নেগেটিভ আর্গুমেন্ট", ''দ্য আমেরিকান জার্নাল অব থিওলজি'', ১৯১১, ১৫ (১)
*অনৈতিহাসিকতা তত্ত্বগুলোর ঐতিহ্যগত প্রমাণের প্রতি যেই ত্রুটিপূর্ণ আচরণ রয়েছে, তা গসপেলগুলোর ক্ষেত্রে পলিন পত্রগুলোর মতো এতটা স্পষ্ট নয়। তবুও মৌলিকভাবে এটি একই। এর মধ্যে রয়েছে বাহ্যিক প্রমাণের প্রতি অবজ্ঞা, আধুনিক সমালোচনার যুক্তিসঙ্গত উপসংহারগুলোর প্রতি তাচ্ছিল্য, চরম সমালোচনার প্রতি আকর্ষণ, বর্ণনার ব্যক্তিগত ও স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্যগুলোর অবহেলা এবং সন্দেহকে বৈধ প্রমাণের মোড়কে তুলে ধরার প্রবণতা। যিশুর বাস্তব অস্তিত্বের যেকোনো প্রমাণকে স্বীকৃতি না দেওয়ার পূর্বানুমানও এতে সর্বদা উপস্থিত থাকে... নিউ টেস্টামেন্টের উপাত্ত যিশুর পার্থিব জীবনের প্রমাণের বিষয়ে সম্পূর্ণ পরিষ্কার। এগুলো এমন একটি সময় থেকে এসেছে, যখন ঐতিহ্যের আদি রূপকারেরা এই বিষয়ে প্রতারিত হওয়ার সম্ভাবনাও ছিল না।
::শার্লি জ্যাকসন কেস, ''দ্য হিস্টোরিসিটি অব জিসাস'', শিকাগো: ইউনিভার্সিটি অব শিকাগো প্রেস, ১৯১২, পৃষ্ঠা ৭৬-৭৭ এবং ২৬৯
*এই ধরনের খ্রিস্ট-অনৈতিহাসিকতা তত্ত্ব খ্রিস্ট ধর্মের বিরোধী কোনো গম্ভীর মানুষের মাধ্যমে এখন আর উত্থাপিত হয় না—এগুলো অনেক আগেই বিস্ফোরিত হয়েছে..."
::গিলবার্ট কোপ, ''সিম্বলিজম ইন দ্য বাইবেল অ্যান্ড দ্য চার্চ'', লন্ডন: এসসিএম, ১৯৫৯, পৃষ্ঠা ১৪
*নিল, আমি আর্ল ডোহার্টি যা যুক্তি দিচ্ছেন তা যদি বুঝতে পারি, তবে তা হলো নাজারেথের যিশু ঐতিহাসিক ব্যক্তি হিসেবে অস্তিত্বশীল ছিলেন না। অথবা অন্তত আমার মতো ইতিহাসবিদেরা ধরে নেন যে তিনি ছিলেন এবং সেই মারাত্মক ত্রুটিপূর্ণ অনুমানের ওপর ভিত্তি করে কাজ করেন। আমি নিশ্চিত নই, যেমনটি আমি আগেই বলেছি, আপনি কাউকে বোঝাতে পারবেন যে যিশুর অস্তিত্ব ছিল, যতক্ষণ না তারা ঐতিহাসিক যিশু ও আদি খ্রিস্ট ধর্মের পুরো বিষয়টিকে কোনো অশুভ কৌশল বা পবিত্র দৃষ্টান্ত হিসেবে ব্যাখ্যা করতে প্রস্তুত থাকেন। আয়ারল্যান্ডে আমার একজন বন্ধু ছিল, যে বিশ্বাস করত না আমেরিকানরা চাঁদে নেমেছে। বরং সে ভাবত, তারা পুরো বিষয়টি তৈরি করেছে যাতে কমিউনিস্টদের বিরুদ্ধে তাদের শীতল যুদ্ধের ভাবমূর্তি শক্ত করা যায়। আমি তাঁকে কিছুই বোঝাতে পারিনি। তাই আমি একেবারেই নিশ্চিত নই যে আমি এমন একটি অনুমানের বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক যিশুর অস্তিত্ব প্রমাণ করতে পারব এবং সৎভাবে বলতে গেলে, আমি সম্ভবত চেষ্টা করতেও আগ্রহী নই।
::জন ডমিনিক ক্রসডান, "হিস্টোরিক্যাল জিসাস: ম্যাটেরিয়ালস অ্যান্ড মেথডলজি", এক্সটক, ২০০০
*তারা যখন বলে যিশু সম্পর্কে খ্রিষ্টান বিশ্বাস পৌত্তলিক পুরাণ থেকে নেওয়া হয়েছে, তখন আমার মনে হয় আপনার হাসা উচিত। এরপর তাদের দিকে বড় বড় চোখ করে তাকিয়ে হাসতে হাসতে বলা উচিত, 'আপনি কি সত্যিই তা বিশ্বাস করেন?' এমন আচরণ করুন যেন আপনি কেবল ফ্ল্যাট আর্থার বা রোজওয়েল ষড়যন্ত্রকারীর সাথে দেখা করেছেন।
::উইলিয়াম লেন ক্রেগ, "কোয়েশ্চেন ৯০: জিসাস অ্যান্ড প্যাগান মাইথোলজি", রিজনেবল ফেইথ, ২০০৯
*মোজেস ওশেয়াকে [নূনের ছেলে, ধর্মতাত্ত্বিক উপাধি দ্বারা] জশুয়া [সংখ্যাপুস্তক ১৩:১৭, সপ্ততি ১৩:১৬, এ.ভি. অনুসারে] বলে ডাকতেন, যার অর্থ হলো জাহওয়েহ রক্ষা করেন। জাহওয়েহ [দেবতা] মানে যখন তিনি ওশেয়াকে বলেন "আমার নাম তাঁর ওপরে আছে", ঈশ্বরের একটি নাম হলো জাহওয়েহ রক্ষা করেন। ...হিব্রুতে জশুয়া, গ্রিকে আইসাস, ল্যাটিন ভাষায় যিশু হলো মানুষের ছেলে, খ্রিস্ট ও আমাদের প্রভুর ব্যক্তিগত নাম। এই নাম "সব নামের ওপরে, যেন স্বর্গে, পৃথিবীতে ও পাতালের নিচে সব জানু যিশুর নামে নত হয়" (ফিলিপীয় ২:৯-১০)।
**{{cite book|last=কৌচাউড|first=পল লুই|title=দ্য ক্রিয়েশন অব ক্রাইস্ট: অ্যান আউটলাইন অব দ্য বিগিনিংস অব ক্রিস্টিয়ানিটি ; অনূদিত. বাই সি. ব্র্যাডলাউগ বোনার|url=https://books.google.com/books?id=OZjptgAACAAJ|volume=1|year=1939|publisher=ওয়াটস|page=৩৩|chapter=এলিমেন্টস অব ক্রিস্টিয়ানিটি}}
*[জি. এ. ওয়েলসের মতে] তাঁর প্রধান বইগুলোতে [জে. এম.] রবার্টসনের চেয়ে প্রাক-খ্রিষ্টান উৎসের ওপর কম জোর দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি যিশুর জীবনের বিস্তারিত বিষয়ে পলের সম্পূর্ণ অজ্ঞতা ও আগ্রহের অভাব নিয়ে বেশি আলোচনা করা হয়েছে।
**{{cite book|last=কুক|first=বিল|title=ডিকশনারি অব অ্যাথিজম, স্কেপটিসিজম, অ্যান্ড হিউম্যানিজম|url=https://books.google.com/books?id=sA6_jqohqRUC&pg=PA294|publisher=প্রমিথিউস বুকস|isbn=978-1-61592-365-6|page=২৯৪|chapter=জিসাস ক্রাইস্ট, মিথ থিওরি অব.|date=2006}}
*[পুরাণবাদের মতে] আমাদের একমাত্র উৎস হলো দশকের পর দশক পার হয়ে যিশুর প্রতি বিশ্বাসী পক্ষপাতদুষ্ট ব্যক্তিদের লেখা। তারা বিশ্বাসযোগ্য উৎস নন। [...] তাদের ইতিবাচক যুক্তি হলো: যিশুর সময়ের অন্যান্য ঈশ্বরিক সত্তার অস্তিত্ব ছিল—যেই দেবতারা মারা গিয়ে পুনরুত্থিত হয়েছিলেন বলে বিশ্বাস করা হতো।
**{{cite web|author=ক্যান্ডেস চেলিউ-হজ|title=Inventing Jesus: An Interview with Bart Ehrman|trans-title=যিশু আবিষ্কার: বার্ট এহরম্যানের সাথে একটি সাক্ষাৎকার|url=http://religiondispatches.org/inventing-jesus-an-interview-with-bart-ehrman/|website=Religion Dispatches|accessdate=17 November 2017|date=25 April 2012}}
*আপনি মিথ্যা বললেও আপনার কাল্পনিক কাহিনি বিশ্বাসযোগ্যভাবে লুকাতে পারেননি।
**[[সেলসাস]], [[অরিজেন]] দ্বারা তাঁর ''[[কন্ট্রা সেলসাস]]'', [http://www.newadvent.org/fathers/04162.htm দ্বিতীয় খণ্ড], ২৬ অধ্যায়ে (অনুবাদ হেনরি চ্যাডউইক) উদ্ধৃত। [[আর. জোসেফ হফম্যান]] দ্বারা উদ্ধৃত: "আমার কাছে স্পষ্ট যে খ্রিষ্টানদের লেখাগুলো একটি মিথ্যা এবং আপনার কল্পকাহিনি এই বিশাল কল্পকাহিনিকে লুকানোর জন্য যথেষ্ট ভালোভাবে তৈরি নয়।" ''সেলসাস: অন দ্য ট্রু ডকট্রিন'' (অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১৯৮৭), পৃষ্ঠা ৩৭-এ।
*বার্ট এহরম্যান মনে করেন একজন ঐতিহাসিক যিশু ছিলেন (যদিও ঐশ্বরিক নন)। আমি তাঁর "প্রমাণ" পড়েছি, কিন্তু তা খুব একটা বিশ্বাসযোগ্য বলে মনে হয়নি।
**{{cite web|last=কয়েন|first=জেরি|title=Not much evidence for a historical Jesus|trans-title=ঐতিহাসিক যিশুর জন্য খুব বেশি প্রমাণ নেই|url=https://whyevolutionistrue.wordpress.com/2016/08/29/rosa-rubicondior-not-much-evidence-for-a-historical-jesus/|website=Why Evolution Is True|accessdate=5 November 2017|date=29 August 2016}}
*[পলের উপস্থাপনায় যিশু] অতুলনীয় নম্রতার সাথে একজন ঐশ্বরিক সত্তা মানুষের রূপ ধারণ করেন। অতিপ্রাকৃত এজেন্ট, এই যুগের রাজকুমার, পলের ভাষায় যারা হলেন শয়তান ও তার সাঙ্গপাঙ্গ, তাদের মাধ্যমে তিনি ক্রুশবিদ্ধ হন। ...পলের উপস্থাপনা অনুসারে, ক্রুশবিদ্ধ হওয়াটা হলো অতিপ্রাকৃত সত্তাদের দ্বারা একজন অতিপ্রাকৃত সত্তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া।
::প্রথম প্রকাশ: ''দ্য হিবার্ট জার্নালে'' "দ্য হিস্টোরিসিটি অব জিসাস" '''৩৭''', (১৯৩৮)। পৃষ্ঠা ১৯৩-২১৪
::[[পল-লুই কাউচাউড]] {{cite book|last=কৌচাউড|first=পল লুই|title=দ্য ক্রিয়েশন অব ক্রাইস্ট: অ্যান আউটলাইন অব দ্য বিগিনিংস অব ক্রিস্টিয়ানিটি ; অনূদিত. বাই সি. ব্র্যাডলাউগ বোনার|url=https://books.google.com/books?id=OZjptgAACAAJ|volume=2|year=1939|publisher=ওয়াটস|page=৪৩৮|chapter=দ্য হিস্টোরিসিটি অব জিসাস}}
*[''দ্য ক্রাইস্ট মিথ'' (১৯১০) বইয়ের পর্যালোচনা অনুসারে] লেখক [আর্থার ড্রিউস] যেই মূল সিদ্ধান্তে পৌঁছান তা হলো, ক্যানোনিকাল গসপেলগুলোতে বর্ণিত যিশু মূলত প্রাক-খ্রিষ্টান ধর্মীয় দেবতা হিসেবে একই নামের মানুষের রূপ। ...[এটিও] সম্ভব যে একই নামের [যিশু] একজন মহান শিক্ষক ও নিরাময়কারী ছিলেন, যিনি সেই কল্পিত দেবতার সাথে মিলেমিশে গিয়েছিলেন।
::{{cite book|author=টি. কে. চেইন অব অক্সফোর্ড|editor=Williams and Norgate|title=দ্য হিবার্ট জার্নাল|url=https://archive.org/stream/hibbertjournal09londuoft#page/658/mode/1up|volume=9:3-4|year=1911|page=৬৫৮|chapter=রিভিউজ - ''দ্য ক্রাইস্ট মিথ''|quote=Volume 9, Issues 3-4}}
*ফিলো প্রাক-খ্রিষ্টান ইহুদি ফেরেশতাতত্ত্বে একজন মহাজাগতিক প্রধান ফেরেশতার কথা বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। তাঁর বৈশিষ্ট্যগুলো পত্রের যিশুর বৈশিষ্ট্যের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়: ঈশ্বরের প্রতিচ্ছবি, সৃষ্টির ঈশ্বরিক প্রতিনিধি, ঈশ্বরের মহাজাগতিক মন্দিরের প্রধান পুরোহিত, পূর্ব থেকে বিদ্যমান ঈশ্বরিক ফেরেশতা, ঈশ্বরের প্রথম পুত্র এবং একমাত্র সত্তা যাকে ঈশ্বর মহাবিশ্বের আধিপত্য দিয়েছেন। আমাদেরও তাঁকে অনুসরণ করা উচিত। আর ফিলো এই ফেরেশতাকে জাকারিয়া ৬-এ বর্ণিত সেই চরিত্রের সাথে শনাক্ত করেন, যার নাম ঈশ্বরপুত্র যিশু। এটি প্রমাণ করে, পলের যিশু আগে থেকেই প্রাক-খ্রিষ্টান ইহুদি ফেরেশতাতত্ত্বের একটি চরিত্র ছিলেন।
**[[রিচার্ড ক্যারিয়ার]] এপি. {{cite book|last=ল্যাটাস্টার|first=রাফায়েল|title=জিসাস ডিড নট এক্সিস্ট: আ ডিবেট অ্যামং অ্যাথিস্টস|date=November 12, 2015|isbn=1514814420|page=৪২১|chapter=আফটারওয়ার্ড বাই রিচার্ড ক্যারিয়ার}}
*একজন পৌরাণিক মেরির সন্তান হিসেবে প্রাক-খ্রিষ্টান যিশুর ধারণা এতটা বিস্তারিতভাবে অনুসন্ধান করার জন্য এবং বহু পৃষ্ঠাজুড়ে এর অদ্ভুত, ভিত্তিহীন ও অবাস্তব চরিত্র তুলে ধরার জন্য পাঠকদের কাছে আমার ক্ষমাপ্রার্থনা করা উচিত... খ্রিস্ট পুরাণবাদীদের মতে, গসপেলগুলো পৌত্তলিক পুরাণ, ধর্মীয় নাটক, পৌত্তলিক শিল্প ও ভাস্কর্যের প্রতি এক ধরনের পরোক্ষ শ্রদ্ধা হিসেবে মনে করতে হবে। আমরা পৌরাণিক-প্রতীকি পদ্ধতি গ্রহণ করলে, এগুলো অন্য কিছুই হতে পারে খন। এর পৃষ্ঠপোষকেরা নিশ্চয়ই সেই রাসায়নিক প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করতে চাইবেন, যার মাধ্যমে এসব উৎস থেকে আদি খ্রিষ্টানদের নির্দিষ্ট আচার ও বিশ্বাস নিষ্কাশিত হয়েছিল। কারণ ও প্রভাব একে অপরের থেকে এতটা ভিন্ন এবং এদের মধ্যে কোনো জৈব সংযোগ এতটাই অনুপস্থিত, আমরা চাইব এর বিবর্তনটি আরও কিছুটা পরিষ্কারভাবে তুলে ধরা হোক। এর একদিকে আমরা দেখি পৌত্তলিক পুরাণের এক বিরাট জট, যা প্রতিটি যুগ, জাতি ও জলবায়ু থেকে যথেচ্ছভাবে সংগৃহীত হয়েছে। অন্যদিকে আমরা দেখি খ্রিষ্টান ধর্মরক্ষকদের এক বাহিনী, যারা পৌত্তলিক সবকিছু আক্রমণ করছে এবং এর জন্য মাত্র ষাট বা সত্তর বছরের ব্যবধানে শহিদ হচ্ছে। আমি কেবল আশা করি, গোঁড়া খ্রিষ্টানরা এটি জেনে আনন্দিত হবে যে তাদের ধর্মগ্রন্থগুলো পবিত্র আত্মা দ্বারা অনুপ্রাণিত হওয়ার সময়ের চেয়ে হাজার গুণ বেশি বিস্ময়কর ও অনন্য। কারণ এর অলৌকিক গুণের দিক থেকে আক্ষরিক অনুপ্রেরণা পৌরাণিক-প্রতীকবাদের সমকক্ষ নয়। সত্যি বলতে আমরা মানুষের ইতিহাসে অভূতপূর্ব এক নতুন সাহিত্যিক ঘরানার খোঁজ পেয়েছি। আপনি প্রতিটি যুগ, জাতি ও জলবায়ু থেকে সংগ্রহ করা হাজারো অবান্তর পুরাণের টুকরো একত্রিত করে একটি বস্তায় ভরতে একজনকে দায়িত্ব দিচ্ছেন। আপনি সেটি খুলছেন, আর বেরিয়ে আসছে গসপেল। বেকন-শেক্সপিয়ারিয়ানদের ইতিহাসে আমরা এমন কিছু দেখিনি।
::[[ফ্রেডরিক কর্নওয়ালিস কনিবেয়ার]], ''দ্য হিস্টোরিক্যাল ক্রাইস্ট, অর অ্যান ইনভেস্টিগেশন অব দ্য ভিউজ অব জে. এম. রবার্টসন, এ. ড্রিউস অ্যান্ড ডব্লিউ. বি. স্মিথ'', ইথাকা, এনওয়াই: কর্নেল ইউনিভার্সিটি লাইব্রেরি, ২০০৯/১৯১৪, পৃষ্ঠা ৪২ এবং ৯৫
*"অসংখ্য বৈচিত্র্য থাকা সত্ত্বেও (গসপেল ব্যাখ্যার প্রমাণ অযোগ্য জ্যোতিষতাত্ত্বিক তত্ত্বের প্রতি একটি প্রবল আকর্ষণ সহ, যার প্রতি আপনি এখানে খুব একটা সহানুভূতি পাবেন না), প্রতিটি যোগ্য পৌরাণিকদের মূল তত্ত্ব তখন ও এখন সবসময় এটাই ছিল যে '''যিশু মূলত অন্য যেকোনো দেবতার মতোই একজন দেবতা ছিলেন''' (সঠিকভাবে বলতে গেলে, পৌত্তলিক অর্থে একজন উপদেবতা; ইহুদি অর্থে একজন প্রধান ফেরেশতা; যেকোনো অর্থেই একজন দেবতা), '''যাঁকে পরবর্তীতে ঐতিহাসিক রূপ দেওয়া হয়েছিল''', ঠিক যেমনটি অনেক অন্যান্য দেবতার ক্ষেত্রে করা হয়েছিল..."
::ক্যারিয়ার, রিচার্ড (২০১৪) ''অন দ্য হিস্টোরিসিটি অব জিসাস শেফিল্ড'' ফিনিক্স প্রেস {{ISBN|978-1-909697-49-2}} পৃ. ৫২
*ক্যারিয়ারের ন্যূনতম ঐতিহাসিক যিশু:
:১) জীবনে অনুসারী অর্জনকারী যিশু নামের একজন প্রকৃত মানুষের মৃত্যু পরও তাঁর সেই অনুসারীরা একটি চিহ্নিত আন্দোলন হিসেবে কাজ চালিয়ে গিয়েছিল
:২) তিনি সেই একই যিশু, যাঁকে ইহুদি বা রোমান কর্তৃপক্ষের দ্বারা মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল বলে তাঁর কিছু অনুসারী দাবি করেছিল
:৩) তিনি সেই একই যিশু, যাঁর মৃত্যুর পরপরই কিছু অনুসারী জীবন্ত দেবতা (বা উপদেবতা) হিসেবে উপাসনা শুরু করেছিল
:"এই অনুমানগুলোর যেকোনো একটি মিথ্যা হলে, স্পষ্টভাবেই বলা যায় কোনো প্রাসঙ্গিক অর্থে ঐতিহাসিক যিশু ছিলেন না। আর যিশুর অনৈতিহাসিকতা তত্ত্ব সত্য হতে হলে এর অন্তত একটি মিথ্যা হতে হবে।"
::ক্যারিয়ার, রিচার্ড (২০১৪) ''অন দ্য হিস্টোরিসিটি অব জিসাস শেফিল্ড'' ফিনিক্স প্রেস {{ISBN|978-1-909697-49-2}} পৃ. ৩৪
:"কিন্তু লক্ষ্য করুন যে অনেক গির্জার মূলনীতিতে যেই জিনিসটিকে অপরিহার্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়, তা-ও আমাদের প্রয়োজন নেই। উদাহরণস্বরূপ, যিশুর পন্টিয়াস পিলেটের অধীনে ক্রুশবিদ্ধ হওয়াটা জরুরি নয়। হয়তো তিনি ক্রুশবিদ্ধ হয়েছিলেন। কিন্তু তিনি যে ক্রুশবিদ্ধ হননি, তা প্রমাণ করলেও তা অতীন্দ্রিয়বাদকে সত্য প্রমাণ করে না। কারণ 'প্রকৃত' যিশু হয়তো হেরোড অ্যান্টিপাসের (যেমন গসপেল অব পিটার দাবি করে) বা পিলেটের চেয়ে এক দশক আগে বা পরে রোমান কর্তৃপক্ষের দ্বারা মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছিলেন (যেমন কিছু আদি খ্রিষ্টান সত্যি বিশ্বাস করত)। কিছু পণ্ডিত এমনকি আগের শতাব্দীর পক্ষেও যুক্তি দেন (এবং তাদের উদ্ধৃতি দেওয়ার মতো কিছু প্রকৃত প্রমাণ আছে)[৬১] ... আমার কথা হলো, আমরা যদি খ্রিস্ট ধর্মের প্রতিষ্ঠাতাকে হেরোড দ্য গ্রেটের দ্বারা (এমনকি রোমানদের দ্বারাও নয়, পিলেট তো দূরের কথা, এবং গসপেলের দাবির পুরো চল্লিশ বছর আগে) মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হওয়া প্রমাণও করি, যতক্ষণ তাঁর নাম বা ডাকনাম (তাঁর জন্মের আগে বা পরে দেওয়া হোক না কেন) সত্যিই যিশু ছিল এবং তাঁর মৃত্যুদণ্ডই তাঁকে চিঠিতে উপাসনা করা ঐশ্বরিক খ্রিস্টের মর্যাদায় পৌঁছে দিয়েছিল বলে মনে করা হয়, আমি মনে করি তখন এটা বলা ঠিক হবে যে পুরাণবাদীরা ভুল। আমি এটা বলব, এমনকি যদি যিশু কখনো সত্যিই মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত না হয়ে থাকেন। কারণ তখনও সেই একই ঐতিহাসিক ব্যক্তির কথা বলা হচ্ছে ও উপাসনা করা হচ্ছে।"
::ক্যারিয়ার, রিচার্ড (২০১৪) ''অন দ্য হিস্টোরিসিটি অব জিসাস শেফিল্ড'' ফিনিক্স প্রেস {{ISBN|978-1-909697-49-2}} পৃ. ৩৩
*ক্যারিয়ারের ন্যূনতম পৌরাণিক যিশু:
:"১) খ্রিস্ট ধর্মের সূচনালগ্নে যিশু খ্রিস্টকে অন্যান্য মহাজাগতিক দেবতাদের মতোই একজন বলে মনে করা হতো।
:২) অন্যান্য অনেক মহাজাগতিক দেবতার মতো এই যিশু কেবল স্বপ্ন, দর্শন ও ঐশ্বরিক প্রেরণার অন্যান্য মাধ্যমের (যেমন অতীত ও বর্তমানের ভবিষ্যদ্বাণী) মাধ্যমেই তাঁর প্রজাদের সাথে 'যোগাযোগ' করতেন।
:৩) অন্যান্য কিছু মহাজাগতিক দেবতার মতো এই যিশু একটি অতিপ্রাকৃত জগতে অবতার গ্রহণ, মৃত্যু, সমাধি ও পুনরুত্থানের অগ্নিপরীক্ষা সহ্য করেছিলেন বলে বিশ্বাস করা হতো।
:৪) অন্যান্য অনেক মহাজাগতিক দেবতার মতো পবিত্র সম্প্রদায়ের মধ্যে এই একই যিশুর একটি রূপক গল্প তৈরি ও বলা হয়েছিল। এই গল্প তাঁকে পৃথিবীতে একজন ঐশ্বরিক মানুষ হিসেবে তাঁর পার্থিব পরিবার, সঙ্গী ও শত্রুদের সাথে পৃথিবীতে রেখেছিল। এতে তাঁর কর্ম ও কথা এবং তাঁর অগ্নিপরীক্ষার পার্থিব চিত্রায়ণ ছিল।
:৫) পরবর্তী প্রজন্মের উপাসক সম্প্রদায়গুলো বিশ্বাস করত (বা অন্তত শেখাত) যে এই আবিষ্কৃত পবিত্র গল্পটি বাস্তব (রূপক নয় বা কেবল 'অতিরিক্তভাবে' রূপক)।
:এই পাঁচটি প্রস্তাবনাই সত্য, এটি আমার ন্যূনতম যিশু অনৈতিহাসিকতা তত্ত্ব হবে"
::ক্যারিয়ার, রিচার্ড (২০১৪) ''অন দ্য হিস্টোরিসিটি অব জিসাস'' শেফিল্ড ফিনিক্স প্রেস {{ISBN|978-1-909697-49-2}} পৃ. ৫৩
*আমি বর্তমানে যিশুর ঐতিহাসিকতার পক্ষের ও বিপক্ষের যুক্তির অতি-সংকীর্ণ প্রশ্নের ওপর বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশেষজ্ঞ। [...] [আদি খ্রিস্ট ধর্মের] এই ক্ষেত্রের প্রতিটি ইতিহাসবিদ কোনো না কোনো বিষয়ে আমার চেয়ে বেশি জ্ঞানী। অন্তত ঐতিহাসিকতার প্রশ্নের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয় এমন বেশিরভাগ বিষয়েই তারা জ্ঞানী। আমি আমার যুক্তির ভিত্তি হিসেবে যা ব্যবহার করি, তার বেশিরভাগই অন্য প্রকাশিত লেখকদের ব্যাপক দক্ষতা থেকে আসে। এই কাজগুলো অন্য অতি-সংকীর্ণ প্রশ্নের ওপর ভিত্তি করে তৈরি, যা সরাসরি [যিশুর ঐতিহাসিকতার পক্ষের ও বিপক্ষের যুক্তির] প্রশ্নের সাথে সম্পর্কিত নয়...
**{{cite web|last=ক্যারিয়ার|first=রিচার্ড|title=Jonathan Tweet and the Jesus Debate|trans-title=জোনাথন টুইট ও যিশু বিতর্ক|url=https://www.richardcarrier.info/archives/13366|website=রিচার্ড ক্যারিয়ার ব্লগস|accessdate=18 November 2017|date=14 October 2017}}
*খ্রিস্ট ধর্মের সূচনালগ্নে যিশু খ্রিস্টকে অন্যান্য মহাজাগতিক দেবতাদের মতোই একজন বলে মনে করা হতো। [...] অন্যান্য অনেক মহাজাগতিক দেবতার মতো এই যিশু কেবল স্বপ্ন, দর্শন ও ঐশ্বরিক প্রেরণার অন্যান্য মাধ্যমের (যেমন অতীত ও বর্তমানের ভবিষ্যদ্বাণী) মাধ্যমেই তাঁর প্রজাদের সাথে 'যোগাযোগ' করতেন।
**{{cite book|last=ক্যারিয়ার|first=রিচার্ড|title=অন দ্য হিস্টোরিসিটি অব জিসাস: হোয়াই উই মাইট হ্যাভ রিজন ফর ডাউট|url=https://books.google.com/books?id=EWIJoAEACAAJ|year=2014|publisher=শেফিল্ড ফিনিক্স প্রেস|isbn=978-1-909697-35-5|page=৫৩}}
*আমি মনে করি এটি বেশি যুক্তিসঙ্গত
যিশু খ্রিষ্টানদের মনে একজন মহাজাগতিক সত্তা (প্রধান ফেরেশতার মতো) হিসেবে শুরু করেছিলেন। বিশ্বাস করা হতো বা দাবি করা হতো, তিনি দর্শনের মাধ্যমে ঐশ্বরিক সত্য প্রকাশ করছেন (এবং আগের যুগের নবীদের কানে কানে বলে ধর্মগ্রন্থে লুকানো বার্তা দিচ্ছেন)।
:*{{cite web|last=ক্যারিয়ার|first=রিচার্ড|title=Why We Might Have Reason for Doubt: Should We Still Be Looking for a Historical Jesus?|trans-title=আমাদের সন্দেহ করার কারণ কেন থাকতে পারে: আমাদের কি এখনও একজন ঐতিহাসিক যিশুকে খোঁজা উচিত?|url=http://www.bibleinterp.com/articles/2014/08/car388028.shtml|website=দ্য বাইবেল অ্যান্ড ইন্টারপ্রিটেশন|publisher=বাইবেলইন্টারপ.কম|accessdate=25 June 2017|date=August 2014}}
*[লোগোসের ব্যাপারে] ফিলো আসলে বলেছেন, এই "স্বর্গীয় মানুষ" হলেন প্রথম সৃষ্ট সত্তা ও ঈশ্বরের প্রতিনিধি, ঈশ্বরের "প্রতিচ্ছবি", ঈশ্বরের "প্রথম পুত্র", ঈশ্বরের মহাজাগতিক মন্দিরের প্রধান পুরোহিত এবং প্রধান ফেরেশতা। ঈশ্বর তাঁকে বাকি সৃষ্টির দায়িত্ব দিয়েছিলেন এবং তিনি ঈশ্বরের পক্ষে মহাবিশ্ব পরিচালনা করেন। ফিলো বলেন এই সত্তা হলেন লোগোস। [...] বার্ট এহরম্যানও "এখন একমত, ফিলো এমন একটি ইহুদি ধর্মতত্ত্ব সমর্থন করেন যেখানে লোগোস ঈশ্বরের প্রথম পুত্র ও ঈশ্বরের চিরন্তন প্রতিচ্ছবি। পল যিশুকে এই একই সত্তার সাথে তুলনা করেছেন" (সিএফ. ''হাউ জিসাস বিকেম গড'', পৃষ্ঠা ৭৫)।
:*{{cite web|last=ক্যারিয়ার|first=রিচার্ড|title=Can Paul's Human Jesus Not Be a Celestial Jesus?|trans-title=পলের মানব যিশু কি একজন মহাজাগতিক যিশু হতে পারেন না?|url=http://www.richardcarrier.info/archives/9710|website=রিচার্ড ক্যারিয়ার ব্লগস|accessdate=14 June 2017|date=13 February 2016}}
*নতুন নিয়মের বাইরে যিশুর অস্তিত্বের কোনো স্বাধীন প্রমাণ নেই। তাঁর অস্তিত্বের জন্য সব বাহ্যিক প্রমাণ পুরোপুরি খাঁটি হলেও (যদিও তার বেশিরভাগই নয়), সেগুলো গসপেল বা গসপেলের ওপর নির্ভরশীল খ্রিষ্টানদের দেওয়া তথ্যের থেকে স্বাধীন বলে প্রমাণ করা যায় না। যিশুর ঐতিহাসিকতার ব্যাপারে এর কোনোটিই স্বাধীনভাবে গসপেলকে সমর্থন করে বলে প্রমাণ করা যায় না। একটি প্রমাণও নয়। কোনো স্বাধীন প্রমাণ কেন টিকে নেই তার কারণ যা-ই হোক না কেন (কারণটি গুরুত্বপূর্ণ নয়), এমন কোনো প্রমাণ টিকে নেই।
**[[রিচার্ড ক্যারিয়ার]] এপি. {{cite book|last=ল্যাটাস্টার|first=রাফায়েল|title=জিসাস ডিড নট এক্সিস্ট: আ ডিবেট অ্যামং অ্যাথিস্টস|date=November 12, 2015|isbn=1514814420|page=৪১৮|chapter=আফটারওয়ার্ড বাই রিচার্ড ক্যারিয়ার}}
*যিশু সম্ভবত মূলে একজন নাজারেথ (গ্রিক ''নাজারেস'') ছিলেন না, বরং একজন নাজোরিয়ান (গ্রিক ''নাজোরাইওস'') ছিলেন। এটি একটি হারিয়ে যাওয়া ধর্মগ্রন্থের (ম্যাথিউ ২:২৩) ওপর ভিত্তি করে তৈরি। এটি আসলে খ্রিষ্টান আন্দোলনের অন্যতম আদি নাম ছিল (প্রেরিতদের কাজ ২৪:৫) এবং আদি তোরাহ-মান্যকারী খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের নামও এটিই ছিল (এপিহ্যানিয়াস, ''প্যানারিয়ন'' ৯)। [''প্রুভিং হিস্ট্রি'', পৃষ্ঠা ১৪২-১৪৫]
**{{cite web|last=ক্যারিয়ার|first=রিচার্ড ক্যারিয়ার|title=Questioning the Historicity of Jesus|trans-title=যিশুর ঐতিহাসিকতা নিয়ে প্রশ্ন|url=https://strangenotions.com/questioning-the-historicity-of-jesus/|website=Strange Notions|accessdate=28 August 2017|date=9 September 2013}}
*যে কেউ চিঠিপত্র থেকে যেই প্রমাণই সংগ্রহ করুক না কেন (জাল বলে পরিচিতগুলো বাদ দিয়ে): এটি অস্পষ্ট যে সেখানে কোনো পার্থিব নাকি মহাজাগতিক যিশুর কথা বলা হচ্ছে। আমি গসপেলগুলোকে সম্পূর্ণ রূপক কল্পকাহিনি হিসেবে পেয়েছি, যা আসল ইতিহাসের প্রতি আগ্রহী নয়। আর এর যিশুকে আমি সেই যুগের অন্য পৌরাণিক চরিত্রের মতোই পেয়েছি। এরপর আমি দেখতে পেলাম, গসপেলের বাইরের কোনো প্রমাণই স্বাধীনভাবে প্রমাণ করা যায় না। অন্তত এসব মিলিয়ে দেখলে যিশুর ঐতিহাসিকতার প্রতি অজ্ঞেয়বাদ একটি বিশ্বাসযোগ্য সিদ্ধান্তে পৌঁছানো উচিত।
**[[রিচার্ড ক্যারিয়ার]] এপি. {{cite book|last=ল্যাটাস্টার|first=রাফায়েল|title=জিসাস ডিড নট এক্সিস্ট: আ ডিবেট অ্যামং অ্যাথিস্টস|date=November 12, 2015|isbn=1514814420|chapter=ফরোয়ার্ড বাই রিচার্ড ক্যারিয়ার|pages=xi-xii}}
*['প্রকৃত' যিশু] হয়তো হেরোড অ্যান্টিপাসের (যেমন গসপেল অব পিটার দাবি করে) বা পিলেটের চেয়ে এক দশক আগে বা পরে রোমান কর্তৃপক্ষের দ্বারা মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছিলেন (যেমন কিছু আদি খ্রিষ্টান সত্যি বিশ্বাস করত)। কিছু পণ্ডিত এমনকি আগের শতাব্দীর পক্ষেও যুক্তি দেন (এবং তাদের উদ্ধৃতি দেওয়ার মতো কিছু প্রকৃত প্রমাণ আছে)...
**{{cite book|last=ক্যারিয়ার|first=রিচার্ড|title=অন দ্য হিস্টোরিসিটি অব জিসাস: হোয়াই উই মাইট হ্যাভ রিজন ফর ডাউট|url=https://books.google.com/books?id=EWIJoAEACAAJ|year=2014|publisher=শেফিল্ড ফিনিক্স প্রেস|isbn=978-1-909697-35-5|page=৩৩}}
*["বাস্তব" ঐতিহাসিক যিশুকে খুঁজে বের করার চেষ্টার ব্যাপারে] ক্রমবর্ধমান মতৈক্য হলো, মানদণ্ড খোঁজার পুরো চেষ্টাই ব্যর্থ হয়েছে। যিশু অধ্যয়নের পুরো ক্ষেত্রটিই এখন কোনো বৈধ পদ্ধতি ছাড়াই রয়ে গেছে।
**{{cite book|last=ক্যারিয়ার|first=রিচার্ড সি.|title=প্রুভিং হিস্ট্রি: বেইজস থিওরেম অ্যান্ড দ্য কোয়েস্ট ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল জিসাস|url=https://books.google.com/books?id=S5b1ocsVi2cC&pg=PT7|date=3 April 2012|publisher=প্রমিথিউস বুকস|isbn=978-1-61614-560-6|page=১১}}
==ড==
*ধর্মপ্রচারকদের কুসংস্কার ও ধর্মতাত্ত্বিক পূর্বানুমান থাকা সত্ত্বেও, তারা এমন অনেক ঘটনা লিপিবদ্ধ করেছেন যা নিছক আবিষ্কারকেরা গোপন রাখতেন—রাজ্যে উচ্চ পদের জন্য শিষ্যদের প্রতিযোগিতা, যিশুর গ্রেপ্তারের পর তাদের পালিয়ে যাওয়া, পিটারের অস্বীকার, গ্যালিলিতে অলৌকিক কাজ করতে যিশুর ব্যর্থতা, তাঁর সম্ভাব্য পাগলামি সম্পর্কে কিছু শ্রোতার মন্তব্য, তাঁর কাজ সম্পর্কে তাঁর প্রাথমিক অনিশ্চয়তা, ভবিষ্যৎ সম্পর্কে তাঁর অজ্ঞতার স্বীকারোক্তি, তাঁর তিক্ততার মুহূর্ত, ক্রুশে তাঁর হতাশার আর্তনাদ; এই দৃশ্যগুলো পড়লে কেউ এর পেছনের চরিত্রের বাস্তবতা নিয়ে সন্দেহ করতে পারেন না। কয়েকজন সাধারণ মানুষ এক প্রজন্মে এত শক্তিশালী ও আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্ব, এত উন্নত নৈতিকতা ও মানবভ্রাতৃত্বের এমন অনুপ্রেরণাদায়ক দৃষ্টিভঙ্গি আবিষ্কার করবে, তা গসপেলে লিপিবদ্ধ যেকোনো অলৌকিক ঘটনার চেয়েও অনেক বেশি অবিশ্বাস্য।
::[[উইল ডুরান্ট]], ''ক্রাইস্ট অ্যান্ড সিজার, দ্য স্টোরি অব সিভিলাইজেশন'', ৩, নিউ ইয়র্ক: সিমন অ্যান্ড শুস্টার, ১৯৭২, পৃষ্ঠা ৫৫৭
*বিকল্প থিসিসটি হলো... ত্রিশ বছরের মধ্যে একটি অস্তিত্বহীন চরিত্র সম্পর্কে এত সুসংগত ও ধারাবাহিক ঐতিহ্যের উদ্ভব হয়েছিল, যেমনটি আমরা গসপেলের সূত্রে পাই। এটি খুবই অবাস্তব। এটি অনেক জটিল ও অনুমানভিত্তিক অনুমানের ওপর নির্ভরশীল। এর চেয়ে অনেক সহজ ব্যাখ্যা হলো, যিশু নামে কেউ ছিলেন, যিনি প্রথম তিনটি গসপেলে তাঁকে দেওয়া কাজ ও কথার বেশিরভাগই করেছিলেন।
::জেমস ডি. জি. ডান, ''দ্য এভিডেন্স ফর জিসাস'', ফিলাডেলফিয়া: ওয়েস্টমিনস্টার, ১৯৮৫, পৃষ্ঠা ২৯
*আমাদের সেসব লেখকদের গুরুত্ব সহকারে নেওয়ার প্রয়োজন নেই, যারা মাঝে মাঝে দাবি করেনযিশুর কোনো অস্তিত্বই ছিল না। কারণ ইহুদি, লাতিন ও ইসলামি সূত্র থেকে এর বিপরীত স্পষ্ট প্রমাণ আমাদের কাছে রয়েছে।
::জন ড্রেন, "ইন্ট্রোডাকশন", জন ড্রেনের ''দ্য গ্রেট সেয়িংস অব জিসাস: প্রোভার্বস, প্যারাবেলস অ্যান্ড প্রেয়ার্সে'', নিউ ইয়র্ক: প্যালগ্রেভ ম্যাকমিলিয়ান, ১৯৯৯, পৃষ্ঠা ২৩
*এটি সবসময় 'যিশু পুরাণ' থিসিসের মারাত্মক ত্রুটি: যেই চরিত্রটি আবিষ্কারকদের প্রজন্মেই বেঁচে ছিল বলে দাবি করা হয়, তাঁকে সম্পূর্ণভাবে আবিষ্কার করার সম্ভাবনাহীনতা। অথবা গ্যালিলির কোনো ছোটখাটো ব্যক্তির ওপর এমন একটি বিস্তৃত মিথ চাপিয়ে দেওয়া। [রবার্ট] প্রাইস এই ব্যাখ্যা নিয়েই সন্তুষ্ট, এই সবকিছু 'অল্প বা বেশি অস্পষ্ট কোনো ত্রাণকর্তার মিথ' থেকে শুরু হয়েছিল। সত্যিই খুব দুঃখজনক।"
::জেমস ডি. জি. ডান, "রেসপন্স টু রবার্ট এম. প্রাইস", জেমস কে. বেইলবি ও পল রোডস এডির ''দ্য হিস্টোরিক্যাল জিসাস: ফাইভ ভিউজে'', ডাউনয়ার্স গ্রোভ, আইএল: ইন্টারভার্সিটি, ২০০৯, পৃষ্ঠা ৯৮
*যিশুর অস্তিত্বহীনতাকে "ব্যাপকভাবে অসমর্থিত" হিসেবে বর্ণনা করাটা একটি আন্ডারস্টেটমেন্ট। এটি অনেকটা আমার বলার মতো, "১৯৬৯ সালের চাঁদে অবতরণ কখনোই ঘটেনি বলে একটি গম্ভীর, যদিও ব্যাপকভাবে অসমর্থিত, বৈজ্ঞানিক প্রমাণ দাঁড় করানো সম্ভব।" এমন কিছু প্রমাণহীন ষড়যন্ত্র তাত্ত্বিক আছেন যারা এসব বিশ্বাস করেন—কিন্তু কোনো বিশেষজ্ঞ তা করেন না। একইভাবে যিশুর প্রশ্নের ক্ষেত্রেও: ঐতিহাসিক বৃত্তিতে তাঁর অস্তিত্বহীনতাকে সম্ভাবনা হিসেবেও বিবেচনা করা হয় না। প্রাচীন ইতিহাস থেকে তাঁকে বাদ দেওয়াটা ঐতিহাসিক পদ্ধতির সম্পূর্ণ ত্যাগের সমতুল্য হবে।
::জন ডিকসন, ''জিসাস: আ শর্ট লাইফ'', অক্সফোর্ড: লায়ন, ২০০৮, ২২-২৩।
*সংক্ষেপে, এটি স্পষ্ট, একটি গসপেলের সাথে অন্যটির অনেক স্ববিরোধিতা রয়েছে। এতে ইতিহাসের অনেক সন্দেহজনক বিবৃতি রয়েছে। পৌত্তলিক দেবতাদের কিংবদন্তির সাথে এর অনেক সন্দেহজনক মিল রয়েছে। চার্চের কোনো পরবর্তী মতবাদ বা আচার-অনুষ্ঠানের ঐতিহাসিক ভিত্তি স্থাপনের লক্ষ্যে অনেক ঘটনা তৈরি করা হয়েছে বলে মনে হয়। ধর্মপ্রচারকেরা সিসেরো, স্যালুস্ট ও ট্যাসিটাসের সাথে নৈতিক ধারণা প্রচারের মাধ্যম হিসেবে ইতিহাসের ধারণা ভাগ করেছিলেন। আর গসপেলে উল্লেখিত কথোপকথন ও বক্তৃতাগুলো সম্ভবত নিরক্ষরদের স্মৃতির দুর্বলতা এবং অনুলিপিকারকদের ভুল বা সংশোধনের শিকার হয়েছিল।
**[[উইল ডুরান্ট]] {{cite book|last1=ডুরান্ট|first1=উইল|authorlink1=Will Durant|last2=ডুরান্ট|first2=এরিয়েল|authorlink2=Ariel Durant|title=সিজার অ্যান্ড ক্রাইস্ট, আ হিস্ট্রি অব রোমান সিভিলাইজেশন অ্যান্ড অব ক্রিস্টিয়ানিটি ফ্রম দেয়ার বিগিনিংস টু এ.ডি. ৩২৫|url=https://books.google.com/books?id=JztghD__8ksC&pg=PT558|volume=দ্য স্টোরি অব সিভিলাইজেশন ৩|year=1944|location=নিউ ইয়র্ক|publisher=সিমন অ্যান্ড শুস্টার|isbn=978-1-4516-4760-0|page=৫৫৮|chapter=এক্সএক্সভিআই -- জিসাস -- ৪ বি.সি.-এ.ডি. ৩০}}
*লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জি. এ. ওয়েলসের মতো অনেকেই এটি নিয়ে কাজ করেছেন। যিশু আদৌ কখনো বেঁচে ছিলেন না, এমন একটি গুরুতর (যদিও ব্যাপকভাবে সমর্থিত নয়) ঐতিহাসিক দাবি তৈরি করাও সম্ভব।
**{{cite book|last=ডকিন্স|first=রিচার্ড|title=দ্য গড ডিলিউশন|url=https://books.google.com/books?id=yq1xDpicghkC&pg=PA122|date=16 January 2008|publisher=হিউটন মিফলিন হারকোর্ট|isbn=0-547-34866-5|page=১২২}}
*যিশুর উপাসনা নির্ভরযোগ্যভাবে প্রমাণিত নয়। কিন্তু এর বিপরীতে, আমরা এর পুরো ঘটনাগুলো আমাদের চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছি (এবং এখানেও, যেমনটি আমরা দেখব, কিছু বিবরণ এখন হারিয়ে গেছে)। '''এটি অনুমান করা আকর্ষণীয়, খ্রিস্ট ধর্মের উপাসনা নিশ্চিতভাবেই প্রায় একই রকমভাবে শুরু হয়েছিল এবং প্রাথমিকভাবে একই দ্রুত গতিতে ছড়িয়ে পড়েছিল'''। [...] জন ফ্রামের আদৌ অস্তিত্ব থাকলে, তা মানুষের জীবন্ত স্মৃতিতেই ছিল। তারপরও এত সাম্প্রতিক একটি সম্ভাবনা হলেও, তিনি আদৌ বেঁচে ছিলেন কি না, তা নিশ্চিত নয়।
::ডকিন্স, সি. রিচার্ড (২০০৬). দ্য গড ডিলিউশন। নিউ ইয়র্ক: হাউটন মিফলিন কোম্পানি। পৃ. ২০২–২০৬। {{ISBN|978-0-618-68000-9}}।
*নাজারেথের যিশুর বেশ দুর্বল ঐতিহাসিক প্রমাণগুলো কতটা ভার বইতে পারে, তা পরীক্ষা করে দেখা উচিত [...] তবে আমি মনে করি না যে আগামী ২০ বছরে এমন কোনো মতৈক্য তৈরি হবে যে যিশু অস্তিত্বশীল ছিলেন না ["যিশু নাস্তিকতা" দৃষ্টিভঙ্গি] বা হয়তো অস্তিত্বশীল ছিলেন না ["যিশু অজ্ঞেয়বাদ" দৃষ্টিভঙ্গি]। তবে তাঁর অস্তিত্ব পুরোপুরি নিশ্চিত নয়, এমন স্বীকৃতি যিশু-গবেষণাকে একাডেমিক গ্রহণযোগ্যতার দিকে নিয়ে যাবে।
**{{cite web|last=ডেভিস|first=ফিলিপ|title=Did Jesus Exist?|trans-title=যিশু কি ছিলেন?|url=http://www.bibleinterp.com/opeds/dav368029.shtml|website=www.bibleinterp.com|publisher=দ্য বাইবেল অ্যান্ড ইন্টারপ্রিটেশন|accessdate=29 January 2017|date=August 2012}}
*ঐতিহাসিক যিশু তত্ত্বের কথিত সাধারণ জ্ঞানে পুরাণবাদীরা এমন কিছু সমস্যা খুঁজে পেয়েছেন, যা গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা উচিত।
**{{cite book|last=ডেভিস|first=স্টিভ্যান এল.|title=স্পিরিট পজেশন অ্যান্ড দ্য অরিজিনস অব ক্রিস্টিয়ানিটি|url=https://books.google.com/books?id=zObmrQEACAAJ|date=1 November 2014|publisher=বার্ডিক প্রেস|isbn=978-1-906834-19-7|page=৪}}
*যিশুর অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্নের ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো উত্তর হলো, কোনো ঐতিহাসিক যিশুকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করা সময়ের অপচয়। এটি করা সম্ভব নয়। এটি কিছুই ব্যাখ্যা করে stabilize করে না।
**{{cite journal|first=টম|last=ডাইকস্ট্রা|title=Ehrman and Brodie on Whether Jesus Existed: A Cautionary Tale about the State of Biblical Scholarship|trans-title=যিশুর অস্তিত্ব নিয়ে এহরম্যান ও ব্রোডি: বাইবেল পাণ্ডিত্যের অবস্থা সম্পর্কে একটি সতর্কতামূলক গল্প|journal=দ্য জার্নাল অব দ্য অর্থোডক্স সেন্টার ফর দ্য অ্যাডভান্সমেন্ট অব বাইব্লিক্যাল স্টাডিজ (JOCABS)|date=2015|volume=8:1|pages=29|url=http://ocabs.org/journal/index.php/jocabs/article/view/80/47}}
*[থমাস এল.] ব্রোডির বই যে সবাইকে বিশ্বাস করাতে হবে, এমন কোনো কথা নেই। কিন্তু এটি যা অর্জন করে তা হলো, এটি প্রতিষ্ঠা করতে সাহায্য করে, একজন গম্ভীর পণ্ডিত সত্যিই একটি পৌরাণিক অবস্থান নিতে পারেন। এটি দেখাতে সাহায্য করে, পুরাণবাদ একটি মানসিকভাবে গ্রহণযোগ্য অবস্থান, এমনকি এটি সর্বজনীনভাবে বিশ্বাসযোগ্য না হলেও।
**{{cite book|author1=টম ডাইকস্ট্রা|title=জেরোম মারফি-ও'কনর ভার্সেস থমাস ব্রোডি|url=https://tomdykstra.wordpress.com/2014/07/20/jerome-murphy-oconnor-versus-thomas-brodie/|website=ম্যানডেটরি ফর ডিসেন্ট হিউম্যান লাইফ|accessdate=18 November 2016|date=20 July 2014}}
:চতুর্থ গসপেল যিশুর জীবনী হওয়ার দাবি করে না। এটি ধর্মতাত্ত্বিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে খ্রিস্টকে ঐশ্বরিক লোগোস বা শব্দ, বিশ্বের স্রষ্টা ও মানবজাতির ত্রাতা হিসেবে উপস্থাপন করে। এটি শত শত বিবরণে এবং খ্রিস্টের সাধারণ চিত্রে সিনপটিক গসপেলগুলোর সাথে সাংঘর্ষিক।
::{{cite book|last1=ডুরান্ট|first1=উইল|authorlink1=Will Durant|last2=ডুরান্ট|first2=এরিয়েল|authorlink2=Ariel Durant|title=সিজার অ্যান্ড ক্রাইস্ট, আ হিস্ট্রি অব রোমান সিভিলাইজেশন অ্যান্ড অব ক্রিস্টিয়ানিটি ফ্রম দেয়ার বিগিনিংস টু এ.ডি. ৩২৫|url=https://books.google.com/books?id=JztghD__8ksC&pg=PT558|volume=দ্য স্টোরি অব সিভিলাইজেশন ৩|year=1944|location=নিউ ইয়র্ক|publisher=সিমন অ্যান্ড শুস্টার|isbn=978-1-4516-4760-0|page=৫৫৮|chapter=এক্সএক্সভিআই -- জিসাস -- ৪ বি.সি.-এ.ডি. ৩০}}
* ড. [এইচ. জি.] উড ...বিশেষ অধ্যয়নের জন্য খ্রিস্ট-অনৈতিহাসিকতা তত্ত্ব নির্বাচন করেন। এর অনেক রূপ রয়েছে, যার সবগুলো মূলত প্রয়াত জে. এম. রবার্টসনের লেখার ওপর ভিত্তি করে তৈরি। এই তত্ত্ব অনুসারে গসপেলগুলো প্রতীকী এবং এগুলো ফিলিস্তিনি রহস্য ধর্ম থেকে উদ্ভূত।
::{{cite journal|last=ড্যানিয়েল|first=ই. এইচ.|title=Reviews - ''Did Christ Really Live?'' by H. G. Wood|trans-title=রিভিউজ - এইচ. জি. উড রচিত ''ডিড ক্রাইস্ট রিয়েলি লিভ?''|journal=ব্যাপ্টিস্ট কোয়ার্টারলি|date=October 1938|volume=9|issue=4|page=২৫৪f|doi=10.1080/0005576X.1938.11750475|url=https://biblicalstudies.org.uk/articles_bq_03.php}}
* [এটি উল্লেখ করে, কিছু পৌরাণিক অবস্থান একজন মানুষের ঐতিহাসিক অস্তিত্ব স্বীকার করে, যিনি নিজেকে যিশু বলে দাবি করতেন] ...একটি ধর্ম কোনো ঋষি বা পবিত্র ব্যক্তির শিক্ষার ওপর ভিত্তি করে তৈরি হতে পারে, তাঁর জীবনের ঘটনাগুলোর কোনো বিশেষ উল্লেখ ছাড়াই [...] খ্রিস্ট ধর্মের উৎপত্তির সময়ে... এমন কিছু গোষ্ঠী ছিল যাদের ইহুদি ধর্মের সাথে সম্পর্ক ছিল। এদের মধ্যে কেউ কেউ ইহুদি মসিহের সাথে তাদের ত্রাণকর্তা-দেবতাকে চিহ্নিত করেছিল এবং তাঁর জন্য একটি পৌরাণিক রূপ তৈরি করেছিল, যার উপাসনার নাম ছিল 'যিশু'। এই নামটি একটি হিব্রু শব্দ থেকে এসেছে যার অর্থ হলো 'পরিত্রাণ'। অথবা বিকল্প হিসেবে, তারা এই নামের এক অখ্যাত ইহুদি পবিত্র ব্যক্তির খবর পেয়েছিল এবং স্বেচ্ছায় 'উপাসনা-পুরাণ' তাঁর সাথে যুক্ত করেছিল।
::{{cite book|last=ডড|first=চার্লস হ্যারল্ড|title=হিস্ট্রি অ্যান্ড দ্য গসপেল|year=1938|publisher=চার্লস স্ক্রিবনারস সন্স|pages=16–17}}
*[রিচার্ড বাউখামের মতে] "সবচেয়ে পুরোনো ক্রিস্টোলজি (যিশু বিষয়ক ধর্মতত্ত্ব) আগে থেকেই সবচেয়ে উন্নত ক্রিস্টোলজি ছিল।" [{{cite book|last=বাউখাম|first=রিচার্ড|title=গড ক্রুসিফাইড: মনোথিজম অ্যান্ড ক্রিস্টোলজি ইন দ্য নিউ টেস্টামেন্ট|year=1998|publisher=ডব্লিউএম. বি. ইয়ার্ডম্যানস পাবলিশিং|page=viii}}] এটি অত্যন্ত সত্য। ইহুদিদের মধ্যে এত দ্রুত এমনটা হওয়া প্রায় অবিশ্বাস্য। একজন মানব যিশুর প্রকৃত দেবত্ব ও পুনরুত্থান প্রমাণিত হয়েছে বলে আবেদন করার বদলে, এই পর্যবেক্ষণগুলোই প্রমাণ করে, আন্দোলনের শুরুতে ক্রিস্টোলজি উন্নত ছিল। কারণ যেই খ্রিস্টের কথা বলা হতো, তিনি একজন দেবতা ছাড়া আর কিছুই ছিলেন না।
**[[আর্ল ডোহার্টি]] {{cite book|last=ডোহার্টি|first=আর্ল|title=জিসাস: নেইদার গড নর ম্যান - দ্য কেস ফর আ মিথিক্যাল জিসাস|url=https://books.google.com/books?id=KD6wQQAACAAJ|year=2009|publisher=এজ অব রিজন পাবলিকেশন্স|location=অটোয়া|isbn=978-0-9689259-2-8|quote=New edition, Revised and Expanded, Originally published under the title: ''The Jesus Puzzle: Did Christianity Begin with a Mythical Christ? - Challenging the Existence of an Historical Jesus''|page=৭১৬, n. 12}}
*[পৌরাণিক যিশু দৃষ্টিভঙ্গি হলো] এমন একটি তত্ত্ব, যা মনে করে, কোনো নামের ঐতিহাসিক যিশু অস্তিত্বশীল ছিলেন না। খ্রিস্ট ধর্ম শুরু হয়েছিল একটি আধ্যাত্মিক, পৌরাণিক চরিত্রের প্রতি বিশ্বাস থেকে এবং গসপেলগুলো মূলত রূপক ও কল্পকাহিনি...
**{{cite book|last=ডোহার্টি|first=আর্ল|title=জিসাস: নেইদার গড নর ম্যান - দ্য কেস ফর আ মিথিক্যাল জিসাস|url=http://books.google.com/books?id=KD6wQQAACAAJ|date=2009|publisher=এজ অব রিজন পাবলিকেশন্স|isbn=978-0-9689259-2-8|pages=vii–viii}}
*[মার্কের চেয়ে পুরোনো লেখার মতে] খ্রিষ্টান বিশ্বাসের কেন্দ্রবিন্দু [যিশুকে] কখনো একজন মানুষ হিসেবে উল্লেখ করা হয়নি, যিনি সম্প্রতি বেঁচে ছিলেন, শিক্ষা দিয়েছিলেন, অলৌকিক কাজ করেছিলেন, মানব কর্তৃপক্ষের হাতে কষ্ট পেয়েছিলেন ও মারা গিয়েছিলেন, বা জেরুজালেমের বাইরের একটি সমাধি থেকে পুনরুত্থিত হয়েছিলেন। চিঠিগুলোতে মেরি বা জোসেফ, জুডাস বা জন দ্য ব্যাপটিস্টের কোনো উল্লেখ নেই, জন্মের কোনো গল্প নেই, যিশুর দ্বারা প্রেরিতদের শিক্ষা বা নিয়োগের কথা নেই, পবিত্র স্থান বা যিশুর কর্মজীবনের স্থানগুলোর কোনো উল্লেখ নেই, এমনকি ক্যালভারি পাহাড় বা খালি সমাধির কথাও নেই। এই নীরবতা এতটাই ব্যাপক ও বিভ্রান্তিকর যে এর ব্যাখ্যা করার চেষ্টাগুলো অপর্যাপ্ত প্রমাণিত হয়েছে।
**{{cite web|last=ডোহার্টি|first=আর্ল|title=Jesus Puzzle - Quick Assembly|trans-title=যিশু ধাঁধা - দ্রুত সমাবেশ|url=http://www.jesuspuzzle.humanists.net/puzzle1.htm|website=www.jesuspuzzle.humanists.net|accessdate=10 February 2018|quote=Piece No. 1: A CONSPIRACY OF SILENCE}}
*[হিব্রুদের কাছে চিঠির ৮ অধ্যায়, ৪ নং পদে] গ্রিক ভাষায় একটি ব্যাকরণগত অস্পষ্ট বিবৃতি রয়েছে। এটি বলে "যিশু যদি [বর্তমানে] পৃথিবীতে থাকতেন, তবে তিনি যাজক হতেন না" অথবা "যিশু যদি পৃথিবীতে থাকতেন, তবে তিনি যাজক হতেন না।" [...] আমার বিশ্লেষণ দেখায়, অনুচ্ছেদের প্রেক্ষাপটের মধ্যে ও অবরোহী যুক্তির মাধ্যমে বর্তমান অর্থে বিবৃতিটিকে সমর্থন করা যায় না। আসলে এটি দেখানো যেতে পারে যে লেখক কেবল অতীতের ক্ষেত্রেই এটি প্রয়োগ করতে পারেন।
**{{cite web|last=ডোহার্টি|first=আর্ল|title=Advancing the Cause: Thoughts on the New Atheism and the Myth of Jesus|trans-title=কারণ এগিয়ে নেওয়া: নব্য নাস্তিকতা ও যিশুর অনৈতিহাসিকতার ওপর চিন্তাভাবনা|url=http://www.atheology.ca/montreal2010/long/doherty_earl_long_en.html|website=এথিস্ট ফ্রিথিঙ্কার্স|accessdate=16 September 2017|date=2 October 2010}}
*[গসপেলগুলোতে] যিশুর গল্পের অনেক উপাদান ইহুদি ধর্মগ্রন্থের অনুচ্ছেদ ও বৈশিষ্ট্যের ওপর [নির্ভরশীল]। [...] জন শেলবি স্পং (তাঁর ''লিবারেটিং দ্য গসপেলসে'') সিনপটিক গসপেলগুলোকে সব বিস্তারিত বিবরণে মিদ্রাশীয় কল্পকাহিনি বলে মনে করেন। তবে তিনি বিশ্বাস করেনএটি একজন ঐতিহাসিক মানুষের ওপর ভিত্তি করে তৈরি।
**{{cite journal|last=ডোহার্টি|first=আর্ল|title=The Jesus Puzzle: Pieces in a Puzzle of Christian Origins|trans-title=দ্য জিসাস পাজল: খ্রিষ্টান উৎসের ধাঁধার টুকরোগুলো|journal=জার্নাল অফ হায়ার ক্রিটিসিজম|date=Fall 1997|volume=4|issue=2|pages=68-102|url=https://depts.drew.edu/jhc/jhcindex.html|quote=Piece No. 8: The Gospels Not History}}
*[ফিলো সম্পর্কে] লোগোস ছিল ঈশ্বরের মধ্যস্থতাকারী [...] ফিলো লোগোসকে "মরণশীল মানুষের পক্ষে অমর ঈশ্বরের কাছে এক অবিরত প্রার্থনাকারী" হিসেবে দেখতেন (''ডিভাইন ম্যাটার্স'', ২০৫)।
:*{{cite web|last=ডোহার্টি|first=আর্ল|title=Tracing the Christian Lineage in Alexandria|trans-title=আলেকজান্দ্রিয়ায় খ্রিষ্টান বংশানুক্রম অনুসন্ধান|url=http://jesuspuzzle.humanists.net/supp05.htm|website=jesuspuzzle.humanists.net|accessdate=21 June 2017|quote=Supplementary Article No. 5}}
*[পৌরাণিক যিশু দৃষ্টিভঙ্গি মনে করে] যে খ্রিস্ট ধর্ম একটি আধ্যাত্মিক, পৌরাণিক চরিত্রের প্রতি বিশ্বাস নিয়ে শুরু হয়েছিল।
::{{cite book|last=ডোহার্টি|first=আর্ল|title=জিসাস: নেইদার গড নর ম্যান - দ্য কেস ফর আ মিথিক্যাল জিসাস|url=http://books.google.com/books?id=KD6wQQAACAAJ|date=2009|publisher=এজ অব রিজন পাবলিকেশন্স|isbn=978-0-9689259-2-8|pages=vii–viii}}
:*[[আর্ল ডোহার্টি]] এপি. {{cite book|last=এহরম্যান|first=বার্ট ডি.|title=ডিড জিসাস এক্সিস্ট?: দ্য হিস্টোরিক্যাল আর্গুমেন্ট ফর জিসাস অব নাজারেথ|chapterurl=http://books.google.com/books?id=hf5Rj8EtsPkC&pg=PT9|date=20 March 2012|publisher=হার্পারকলিন্স|isbn=978-0-06-208994-6|pages=12, 347, n. 1|chapter=অ্যান ইন্ট্রোডাকশন টু দ্য মিথিক্যাল ভিউ অব জিসাস|quote=In a recent exhaustive elaboration of the position, one of the leading proponents of Jesus mythicism, Earl Doherty, defines the view as follows: ...(Earl Doherty, ''Jesus: Neither God nor Man: The Case for a mythical Jesus'' (Ottawa, ON: Age of Reason Publications, 2009), vii-viii.)}}
*[নস্টিক-স্টাইলের পুরাণের অবতীর্ণ হওয়া ত্রাণকর্তার বিষয়ে] প্রাইস পলের খ্রিস্টকে একই শ্রেণিতে দেখেন... এই ধরনের (প্রোটো-) নস্টিক ধরনের দৃষ্টিভঙ্গিতে এমন ধারণা নিহিত আছে, খ্রিস্ট বিশ্বাসীদের মধ্যে বাস করেন এবং যে প্রেরিত তাঁকে প্রচার করেন, তিনি নিজের মধ্যে খ্রিস্ট বা ত্রাণকর্তার একটি অত্যন্ত উন্নত অনুভূতি ধারণ করেন। পল তাঁর "খ্রিস্ট আপনাদের মধ্যে" এবং "সবাই খ্রিস্টের শরীরের অংশ" কথার মাধ্যমে সেই চিন্তাধারারই অনুসারী।
:*{{cite web|last=ডোহার্টি|first=আর্ল|title=Higher Critical Review - Robert M. Price, Deconstructing Jesus|trans-title=হায়ার ক্রিটিক্যাল রিভিউ - রবার্ট এম. প্রাইস, ডিকনস্ট্রাক্টিং জিসাস|url=https://depts.drew.edu/jhc/doherty_price.html|website=জার্নাল অব হায়ার ক্রিটিসিজম|accessdate=14 June 2017|date=2000}}
*১ম শতাব্দীর গঠনমূলক যুগে, যখন কোনো ঐতিহাসিক যিশু তখনও পাদপ্রদীপের আলোয় আসেননি, তখন রোমান সাম্রাজ্যের পূর্বার্ধজুড়ে পুত্র/খ্রিস্ট/ত্রাণকর্তা বিশ্বাসের এক সমৃদ্ধ বিস্তার ঘটেছিল। এগুলো নতুন মধ্যস্থতাকারী পুত্র দর্শনের প্রকাশ ছিল। এর মাধ্যমে তাঁর মধ্য দিয়ে পরিত্রাণের বিভিন্ন পথের ধারণা করা হয়েছিল।
:*{{cite book|last=ডোহার্টি|first=আর্ল|title=জিসাস: নেইদার গড নর ম্যান - দ্য কেস ফর আ মিথিক্যাল জিসাস|url=https://books.google.com/books?id=KD6wQQAACAAJ|year=2009|publisher=এজ অব রিজন পাবলিকেশন্স|location=অটোয়া|isbn=978-0-9689259-2-8|quote=New edition, Revised and Expanded, Originally published under the title: ''The Jesus Puzzle: Did Christianity Begin with a Mythical Christ? - Challenging the Existence of an Historical Jesus''|page=২৭৯}}
*ফিলো ও হিব্রুদের চিঠির লেখকের মতো হেলেনিস্টিক ইহুদিরা হিব্রু ও গ্রিকের একটি সংমিশ্রণ তৈরি করতে লোগোসের ধারণাগুলো গ্রহণ করেছিল। কিন্তু মূলধারার ইহুদি ধর্মের নিজস্ব মধ্যস্থতাকারী চরিত্র [মূর্ত প্রজ্ঞা] ছিল, যা কয়েক শতাব্দীর পুরোনো, নিশ্চিতভাবেই প্লেটোর মতো পুরোনো। [...] সলোমনের প্রজ্ঞাতে, যা সম্ভবত হেলেনিস্টিক-ইহুদি লেখার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ টিকে থাকা অংশ, আমরা লোগোসের সাথে প্রজ্ঞার একটি স্পষ্ট ও অদ্ভুত সংমিশ্রণ দেখতে পাই।
**{{cite book|last=ডোহার্টি|first=আর্ল|title=জিসাস: নেইদার গড নর ম্যান - দ্য কেস ফর আ মিথিক্যাল জিসাস|url=https://books.google.com/books?id=KD6wQQAACAAJ|year=2009|publisher=এজ অব রিজন পাবলিকেশন্স|location=অটোয়া|isbn=978-0-9689259-2-8|quote=New edition, Revised and Expanded, Originally published under the title: ''The Jesus Puzzle: Did Christianity Begin with a Mythical Christ? - Challenging the Existence of an Historical Jesus''|pages=92f}}
*আলেকজান্দ্রিয়ার ফিলো (২৫ খ্রিস্টপূর্বাব্দ থেকে ৫০ খ্রিস্টাব্দ) ইহুদি চিন্তাধারায় গ্রিক ধারণার অনুপ্রবেশের প্রধান উদাহরণ। এই ঘটনাটি সেই যুগে "হেলেনিস্টিক ইহুদি ধর্ম" নামে পরিচিত এক গুরুত্বপূর্ণ ধরনের দর্শন ও সংস্কৃতির জন্ম দিয়েছিল। [...] চার্লস এইচ. টালবার্ট ("দ্য মিথ অব আ ডিসেন্ডিং-অ্যাসেন্ডিং রিডিমার ইন মেডিটেরেনিয়ান অ্যান্টিকুইটি," ''নিউ টেস্টামেন্ট স্টাডিজ'' ২২ [১৯৭৫], পৃষ্ঠা ৪১৮-৪৩৯) ফিলোকে এমন একটি বিদ্যমান পুরাণের সাক্ষী বলে মনে করেন, যেখানে প্রজ্ঞা-লোগোসকে ঈশ্বরের জ্ঞান প্রদানের মাধ্যমে একজন স্বর্গীয় ব্যক্তিগত সত্তা ও ত্রাণকর্তা চরিত্র হিসেবে গণ্য করা হয়েছিল। এই পুরাণটি আলেকজান্দ্রিয়ান দলিল, সলোমনের প্রজ্ঞায় প্রতিফলিত হয়েছে...
**{{cite book|last=ডোহার্টি|first=আর্ল|title=জিসাস: নেইদার গড নর ম্যান - দ্য কেস ফর আ মিথিক্যাল জিসাস|url=https://books.google.com/books?id=KD6wQQAACAAJ|year=2009|publisher=এজ অব রিজন পাবলিকেশন্স|location=অটোয়া|isbn=978-0-9689259-2-8|quote=New edition, Revised and Expanded, Originally published under the title: ''The Jesus Puzzle: Did Christianity Begin with a Mythical Christ? - Challenging the Existence of an Historical Jesus''|page=৭২৩, n. 40, 41}}
*খ্রিস্ট [আদি] খ্রিষ্টান সম্প্রদায়গুলোর মধ্যে একটি ঐশ্বরিক উপস্থিতি। এটি ঈশ্বরের প্রত্যাদেশ ও দিকনির্দেশনা এবং ঈশ্বর ও আধ্যাত্মিক সত্যের জ্ঞানের সাথে সংযোগ স্থাপন করে। [...] পলের ব্যবস্থা ও আদি খ্রিস্ট ধর্ম সাধারণত অশুভ আত্মিক শক্তির ধারণা দ্বারা পরিপূর্ণ। এগুলো পৃথিবীর ওপর ক্ষতিকারক প্রভাব ফেলে এবং পৃথিবী ও স্বর্গকে বিচ্ছিন্ন করে। ...[এটি] সেই প্রোটো-নস্টিক পরিবেশকে আলোকিত করে, যেখানে তিনি [পল] বিচরণ করতেন ও এমনকি অংশীদারও ছিলেন...
:*{{cite book|last=ডোহার্টি|first=আর্ল|title=জিসাস: নেইদার গড নর ম্যান - দ্য কেস ফর আ মিথিক্যাল জিসাস|url=https://books.google.com/books?id=KD6wQQAACAAJ|year=2009|publisher=এজ অব রিজন পাবলিকেশন্স|location=অটোয়া|isbn=978-0-9689259-2-8|quote=New edition, Revised and Expanded, Originally published under the title: ''The Jesus Puzzle: Did Christianity Begin with a Mythical Christ? - Challenging the Existence of an Historical Jesus''|pages=24, 289}}
*[এটি] স্বর্গীয় জগৎ ও তার মধ্যে ঈশ্বরের কার্যকলাপের ওপর একটি মনোযোগের দিকে পরিবর্তনের একটি অংশ, যা অনেক ইহুদি ইন্টারটেস্টামেন্টাল লেখায় অব্যাহত ছিল ও প্রসারিত হয়েছিল। [...] স্বর্গে বসবাসকারী অন্ধকার মহাজাগতিক শক্তির হুমকির প্রতি পলের লেখাগুলোর মোহ বা রাক্ষসদের হুমকির প্রতি সে যুগের মানুষের আকর্ষণ, হিব্রু বাইবেলে এর নজির খুব কমই পাওয়া যায় এবং এটি হেলেনিস্টিক দৃষ্টিভঙ্গির মতো ইহুদি চিন্তাধারায়ও একটি নতুন বিকাশের চিহ্ন। আর যেহেতু নস্টিকিজমকে এখন খ্রিস্ট ধর্মের আগে থাকা কট্টর ইহুদি মহলগুলোর মধ্যে অন্তত আংশিক উৎস হিসেবে দেখা হয়, যার মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দু ছিল একটি স্বর্গীয় জগৎ ও ঈশ্বরের কার্যকলাপ। তাই আমরা মহাজাগতিক ওপরের অংশে যেখানে ঐশ্বরিক কার্যকলাপ ঘটেছিল, তার প্রতি একটি যুগব্যাপী আগ্রহের বিকাশ দেখতে পাই। এমনকি ফিলো, ঈশ্বরের প্রকাশ হিসেবে লোগোসের প্রতি তাঁর মনোযোগ, সেইসাথে তাঁর "স্বর্গীয় মানুষ" ধারণাও—ঐশ্বরিক বাস্তবতার প্রতি সে যুগের মানুষের আরেকটি আকর্ষণ, যা পলের "অ্যান্থ্রোপোস" হিসেবে খ্রিস্টের ধারণাতেও দেখা যায়—স্বর্গীয় কল্পনার সাথে পার্থিব চিন্তার সম্পৃক্ততা প্রমাণ করে।
**{{cite web|last=ডোহার্টি|first=আর্ল|title=Bart Ehrman vs. Earl Doherty. Part 29 of Earl Doherty’s Response to Bart Ehrman’s Case Against Mythicism|trans-title=বার্ট এহরম্যান বনাম আর্ল ডোহার্টি। পুরাণবাদের বিরুদ্ধে বার্ট এহরম্যানের যুক্তির প্রতি আর্ল ডোহার্টির উত্তরের পর্ব ২৯|url=http://vridar.org/2012/07/30/30014/|website=Vridar|accessdate=7 July 2017|date=30 July 2012}}
*[পৌরাণিক যিশু দৃষ্টিভঙ্গি মনে করে] যে গসপেলগুলো মূলত রূপক ও কল্পকাহিনি।
::{{cite book|last=ডোহার্টি|first=আর্ল|title=জিসাস: নেইদার গড নর ম্যান - দ্য কেস ফর আ মিথিক্যাল জিসাস|url=http://books.google.com/books?id=KD6wQQAACAAJ|date=2009|publisher=এজ অব রিজন পাবলিকেশন্স|isbn=978-0-9689259-2-8|pages=vii–viii}}
:*[[আর্ল ডোহার্টি]] এপি. {{cite book|last=এহরম্যান|first=বার্ট ডি.|title=ডিড জিসাস এক্সিস্ট?: দ্য হিস্টোরিক্যাল আর্গুমেন্ট ফর জিসাস অব নাজারেথ|chapterurl=http://books.google.com/books?id=hf5Rj8EtsPkC&pg=PT9|date=20 March 2012|publisher=হার্পারকলিন্স|isbn=978-0-06-208994-6|pages=12, 347, n. 1|chapter=অ্যান ইন্ট্রোডাকশন টু দ্য মিথিক্যাল ভিউ অব জিসাস|quote=In a recent exhaustive elaboration of the position, one of the leading proponents of Jesus mythicism, Earl Doherty, defines the view as follows: ...(Earl Doherty, ''Jesus: Neither God nor Man: The Case for a mythical Jesus'' (Ottawa, ON: Age of Reason Publications, 2009), vii-viii.)}}
==ই==
*প্রাইস নির্বিচারে যিশু সেমিনারের সন্দেহজনক পদ্ধতি ও ফলাফলগুলো গ্রহণ করেন, উনবিংশ শতাব্দীর (অস্বীকৃত) খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্বের বেশিরভাগই (যাতে দাবি করা হয়েছিল যিশুর কোনো অস্তিত্ব ছিল না) গ্রহণ করেন, ইত্যাদি।
::ক্রেগ এ. ইভান্স, ''ফ্যাব্রিকেটিং জিসাস: হাউ মডার্ন স্কলারস ডিস্টর্ট দ্য গসপেলস'', (ডাউনয়ার্স গ্রোভ, আইএল: ইন্টারভার্সিটি, ২০০৬) পৃষ্ঠা ২৫
*ওয়েলসের বেশ কয়েকজন পর্যালোচক স্বীকার করেছেন যে তাঁর তোলা প্রশ্নগুলো সত্যিই প্রাসঙ্গিক। উদাহরণস্বরূপ, অধ্যাপক কেনেথ গ্রেস্টন (''মেথডিস্ট রেকর্ডার'', ১৬ নভেম্বর ১৯৭১) লিখেছেন: "শিক্ষিত খ্রিষ্টানদের...অধ্যাপক ওয়েলসের সংগ্রহ করা সমস্যাগুলো স্বীকার করা উচিত এবং একটি ভালো সমাধান তৈরি করা উচিত।" ওয়েলসের দ্বিতীয় বইটির পর্যালোচনা করতে গিয়ে গ্রেস্টন এই মতের পুনরাবৃত্তি করেন।
**{{cite journal|last=এলেগার্ড|first=আলভার|title=Theologians as historians|trans-title=ঐতিহাসিক হিসেবে ধর্মতত্ত্ববিদরা|journal=স্ক্যান্ডিয়া: টিডস্ক্রিফ্ট ফর হিস্টোরিস্ক ফর্সনিং|date=২০০৮|issue=59|pages=২|url=http://journals.lub.lu.se/index.php/scandia/article/download/1078/863}}
*[বিরগার] ওলসন তাঁর [ভাষ্যের] অর্ধেক জায়গাই আমার অনুমানের [মাইটেন ওম জিসাস (১৯৯২) অনুসারে] একটি বেশ ন্যায্য সারসংক্ষেপের জন্য উৎসর্গ করেছেন। (আলভার এলেগার্ডের উত্তর, পৃষ্ঠা ১৯৯)
**{{cite journal|last=এলেগার্ড|first=আলভার|title=Comments by Birger Olsson - ''Theologians as historians''|trans-title=বিরগার ওলসনের মন্তব্য - ''ঐতিহাসিক হিসেবে ধর্মতত্ত্ববিদরা''|journal=স্ক্যান্ডিয়া: টিডস্ক্রিফ্ট ফর হিস্টোরিস্ক ফর্সনিং|date=২০০৮|issue=59|pages=১৯৩-১৯৬|url=http://journals.lub.lu.se/index.php/scandia/article/download/1078/863}}
*এটা বলা ন্যায্য যে বর্তমান সময়ের বেশিরভাগ ধর্মতত্ত্ববিদও স্বীকার করেনগসপেলের গল্পগুলোর বড় একটি অংশ, কাল্পনিক না হলেও, অন্তত ঐতিহাসিক বিবরণ হিসেবে আক্ষরিক অর্থে নেওয়া উচিত নয়। অন্যদিকে কোনো ধর্মতত্ত্ববিদই এটা স্বীকার করতে রাজি নন যে যিশুর ঐতিহাসিকতার প্রশ্নটিকে একটি অমীমাংসিত প্রশ্ন হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। আমার কাছে মনে হয়, ধর্মতত্ত্ববিদেরা পণ্ডিত হিসেবে তাদের দায়িত্ব পালন করছেন না, যখন তারা গসপেলের যিশুর অস্তিত্ব নিয়েও বৈধভাবে প্রশ্ন তোলার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করতে অস্বীকার করেন।
**{{cite journal|last=এলেগার্ড|first=আলভার|title=Theologians as historians|trans-title=ঐতিহাসিক হিসেবে ধর্মতত্ত্ববিদরা|journal=স্ক্যান্ডিয়া: টিডস্ক্রিফ্ট ফর হিস্টোরিস্ক ফর্সনিং|date=২০০৮|issue=59|pages=১৭০-১৭১|url=http://journals.lub.lu.se/index.php/scandia/article/download/1078/863}}
*প্রাইস নির্বিচারে যিশু সেমিনারের সন্দেহজনক পদ্ধতি ও ফলাফলগুলো গ্রহণ করেন, উনবিংশ শতাব্দীর (অস্বীকৃত) খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্বের বেশিরভাগই (যাতে দাবি করা হয়েছিল যিশুর কোনো অস্তিত্ব ছিল না) গ্রহণ করেন, ইত্যাদি।
::ক্রেগ এ. ইভান্স, ''ফ্যাব্রিকেটিং জিসাস: হাউ মডার্ন স্কলারস ডিস্টর্ট দ্য গসপেলস'', (ডাউনয়ার্স গ্রোভ, আইএল: ইন্টারভার্সিটি, ২০০৬) পৃষ্ঠা ২৫
*বাউয়ার ও তাঁর সঙ্গীদের বিপরীতে মূলধারার পণ্ডিতেরা কখনোই যিশুর অস্তিত্ব বা গির্জা প্রতিষ্ঠায় তাঁর [[প্রাসঙ্গিকতা|প্রাসঙ্গিকতা]] নিয়ে সন্দেহ করেননি।
::ক্রেগ এ. ইভান্স, "লাইফ-অব-জিসাস রিসার্চ অ্যান্ড দ্য একলিপ্স অব মাইথোলজি", ''থিওলজিক্যাল স্টাডিজ'' ৫৪, ১৯৯৩, পৃষ্ঠা ৮
*যেকোনো ধর্মীয় বা অধর্মীয় ঘরানার কোনো গম্ভীর ইতিহাসবিদই সন্দেহ করেন না যে নাজারেথের যিশু সত্যিই প্রথম শতাব্দীতে বেঁচে ছিলেন এবং যিহূদিয়া ও সামারিয়ার শাসক পন্টিয়াস পিলেটের অধীনে তাঁর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছিল। পণ্ডিতদের কাছে এটি একটি সাধারণ জ্ঞান হলেও, জনসাধারণ হয়তো এটি সম্পর্কে সচেতন নয়।
::ক্রেগ এ. ইভান্স, "দ্য শাউট অব ডেথ", ট্রয় এ. মিলারের ''জিসাস, দ্য ফাইনাল ডেজ: হোয়াট রিয়েলি হ্যাপেনডে'', লুইসভিল: ওয়েস্টমিনস্টার জন নক্স, ২০০৯, পৃষ্ঠা ৩
:[যিশু কোনো প্রকৃত ঐতিহাসিক চরিত্র ছিলেন না বলে দাবি করা পণ্ডিত ও সমালোচকদের মতে] [এইচ. ই.] [[হ্যারি এলমার বার্নস|বার্নস]] এসব চরমপন্থী সমালোচকদের সাথে একমত নন। তবে [জে. এম.] [[জোসেফ ম্যাককাবে|ম্যাককাবে]]র সাথে তিনিও মনে করেনযিশু নামের একজন মানুষ সত্যিই বেঁচে ছিলেন। কিন্তু তিনি আমাদের জীবন ও চিন্তাধারার সাথে এতটাই অপরিচিত ছিলেন, তিনি আমাদের কোনোভাবেই সাহায্য করতে পারেন না।</p>
::{{cite book|author=এর্ডম্যান হ্যারিস|title=অ্যাসোসিয়েশন মেন. অফিশিয়াল ম্যাগাজিন অব দ্য ওয়াই.এম.সি.এ.|url=https://books.google.com/books?id=8HnOAAAAMAAJ|volume=55|year=1929|publisher=ইয়াং মেনস ক্রিস্টিয়ান অ্যাসোসিয়েশন|page=৪৩৯এফ|chapter=দ্য ডিবংকার্স টার্ন অন জিসাস}}
*[আর. এম.] প্রাইস মনে করেন ঐতিহাসিক যিশুর পক্ষে প্রমাণ এতটাই দুর্বল যে আমরা তাঁর সম্পর্কে নিশ্চিত বা অর্থপূর্ণ কিছুই জানতে পারি না। তিনি এমনকি এমন একটি সম্ভাবনাও বিবেচনা করতে ইচ্ছুক যে ঐতিহাসিক যিশু বলে কখনোই কেউ ছিলেন না।
**{{cite book|last=ইভান্স|first=ক্রেগ এ.|title=ফ্যাব্রিকেটিং জিসাস: হাউ মডার্ন স্কলারস ডিস্টর্ট দ্য গসপেলস|url=http://books.google.com/books?id=iLYWWiXbrooC&pg=PA25|date=২৬ সেপ্টেম্বর ২০০৮|publisher=ইন্টারভার্সিটি প্রেস|isbn=978-0-8308-3355-9|page=২৫}}
*"[খ্রিস্ট পুরাণ] হলো এমন একটি তত্ত্ব, যা মনে করে, কোনো নামের ঐতিহাসিক যিশু অস্তিত্বশীল ছিলেন না। খ্রিস্টধর্ম একটি আধ্যাত্মিক, পৌরাণিক চরিত্রের প্রতি বিশ্বাস থেকে শুরু হয়েছিল। গসপেলগুলো মূলত রূপক ও কল্পকাহিনি, এবং '''গ্যালিলীয় প্রচার ঐতিহ্যের মূলে শনাক্তযোগ্য কোনো একক ব্যক্তি নেই'''।" সহজ ভাষায়, ঐতিহাসিক যিশুর অস্তিত্ব ছিল না। অথবা যদি থাকেও, তবে খ্রিস্টধর্ম প্রতিষ্ঠার সাথে তাঁর কার্যত কোনো সম্পর্ক ছিল না।
::এহরম্যান, বার্ট (২০১২) ''ডিড জিসাস এক্সিস্ট'' হার্পার কলিন্স, পৃষ্ঠা ১২)
*পুরাণবাদী দৃষ্টিভঙ্গির একটি ভালো, প্রত্যক্ষ ও সাম্প্রতিক বিবৃতির জন্য জর্জ এ. ওয়েলসের "ইন্ডিপেন্ডেন্ট কনফার্মেশন" দেখুন। যেমনটি স্পষ্ট হবে, একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক দিয়ে ওয়েলস অন্যান্য বেশিরভাগ পুরাণবাদীদের থেকে আলাদা: পৌত্তলিক দেবতাদের মিথ থেকে ঐতিহাসিক যিশুর আবিষ্কারকে খুঁজে বের করার বদলে, ওয়েলস মনে করেন এটি ইহুদি প্রজ্ঞার ঐতিহ্য থেকে এসেছে। সেখানে ঈশ্বরের প্রজ্ঞাকে এমন একটি মূর্ত সত্তা বলে মনে করা হতো, যিনি সৃষ্টির সময় তাঁর সাথে ছিলেন এবং তারপর মানুষের সাথে দেখা করতে এসেছিলেন (যেমন, হিতোপদেশ ৮ দেখুন)। [ওয়েলস, জর্জ এ. "ইজ দেয়ার ইন্ডিপেন্ডেন্ট কনফার্মেশন অব হোয়াট দ্য গসপেলস সে অব জিসাস?" ''ফ্রি ইনকোয়ারি'' ৩১ (২০১১): ১৯-২৫।]
**{{cite book|last=এহরম্যান|first=বার্ট ডি.|title=ডিড জিসাস এক্সিস্ট?: দ্য হিস্টোরিক্যাল আর্গুমেন্ট ফর জিসাস অব নাজারেথ|date=২০ মার্চ ২০১২|publisher=হার্পারকলিন্স|isbn=978-0-06-208994-6|page=৩৪৯, নং ২০}}
*[পৌরাণিক যিশু দৃষ্টিভঙ্গি মনে করে, একজন ঐতিহাসিক যিশু—যদি তিনি থেকেও থাকেন—] খ্রিস্টধর্ম প্রতিষ্ঠার সাথে তাঁর কার্যত কোনো সম্পর্ক ছিল না।
**{{cite book|last=এহরম্যান|first=বার্ট ডি.|title=ডিড জিসাস এক্সিস্ট?: দ্য হিস্টোরিক্যাল আর্গুমেন্ট ফর জিসাস অব নাজারেথ|chapterurl=http://books.google.com/books?id=hf5Rj8EtsPkC&pg=PT9|date=২০ মার্চ ২০১২|publisher=হার্পারকলিন্স|isbn=978-0-06-208994-6|page=১২|chapter=অ্যান ইন্ট্রোডাকশন টু দ্য মিথিক্যাল ভিউ অব জিসাস}}
*প্রায়শই পুরাণবাদী শিবিরে রাখা অন্যান্য লেখকরা কিছুটা ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপন করেন। তা হলো, সত্যিই একজন ঐতিহাসিক যিশু ছিলেন, কিন্তু তিনি খ্রিস্টধর্মের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন না। এই ধর্মটির শিকড় এর মূল অনুসারীদের দ্বারা আবিষ্কৃত পৌরাণিক খ্রিস্ট-চরিত্রের মধ্যে নিহিত। শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে আর্চিবল্ড রবিনসন এই দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। তিনি মনে করতেন, যিশু থাকলেও "আমরা এই যিশু সম্পর্কে প্রায় কিছুই জানি না।" (এ. রবার্টসন, ''জিসাস: মিথ অর হিস্ট্রি?'', ১০৭।) [রবার্টসন, আর্চিবল্ড। ''জিসাস: মিথ অর হিস্ট্রি?'' লন্ডন: ওয়াটস অ্যান্ড কোং, ১৯৪৬।]
**{{cite book|last=এহরম্যান|first=বার্ট ডি.|title=ডিড জিসাস এক্সিস্ট?: দ্য হিস্টোরিক্যাল আর্গুমেন্ট ফর জিসাস অব নাজারেথ|url=https://books.google.com/books?id=hf5Rj8EtsPkC&pg=PT15|date=২০ মার্চ ২০১২|publisher=হার্পারকলিন্স|isbn=978-0-06-208994-6|pages=১৯, ৩৪৮, নং ১০}}
*যিশুর সময়ের পৌত্তলিক লেখকেরা তাঁকে নিয়ে কী ধরনের কথা বলেন? কিছুই না। যতটা অদ্ভুত মনে হতে পারে, তাঁর কোনো পৌত্তলিক সমসাময়িকের দ্বারা যিশুর কোনো উল্লেখই নেই। কোনো জন্মসনদ, কোনো বিচারের প্রতিলিপি, কোনো মৃত্যুসনদ নেই; আগ্রহের কোনো প্রকাশ, কোনো উত্তপ্ত অপবাদ, কোনো পাসিং রেফারেন্স নেই—কিছুই নেই। [''জিসাস'' (১৯৯৯) ৫৬।]
::{{cite book|last=এহরম্যান|first=বার্ট ডি.|title=জিসাস: অ্যাপোক্যালিপটিক প্রফেট অব দ্য নিউ মিলেনিয়াম|url=https://books.google.com/books?id=U8_QCwAAQBAJ&pg=PA56|date=২৩ সেপ্টেম্বর ১৯৯৯|publisher=অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস|isbn=978-0-19-802888-8|page=৫৬}}
:*[[বার্ট ডি. এহরম্যান|বার্ট এহরম্যান]] এপি. {{cite web|last=পেরি|first=ফিলিপ|title=A Growing Number of Scholars Are Questioning the Historical Existence of Jesus|trans-title=ক্রমবর্ধমান সংখ্যক পণ্ডিত যিশুর ঐতিহাসিক অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন|url=http://bigthink.com/philip-perry/a-growing-number-of-scholars-are-questioning-the-existence-of-jesus|website=BigThink.com|publisher=[[বিগ থিংক|বিগ থিংক (ওয়েবসাইট)]]|accessdate=26 February 2017|date=২০ ডিসেম্বর ২০১৬}}
*প্রথম শতাব্দীর কোনো গ্রিক বা রোমান লেখক যিশুর কথা উল্লেখ করেননি। [...] কোনো সমসাময়িক প্রত্যক্ষদর্শী—পৌত্তলিক, ইহুদি বা খ্রিষ্টান—কারো কাছ থেকেই যিশুর কোনো উল্লেখ আমাদের কাছে নেই [...] নতুন নিয়মের গসপেলগুলো যিশুর জীবনের প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ নয়। [...] গসপেল লেখকেরা (যিশুর মৃত্যুর ঐতিহ্যগত তারিখের পঁয়ত্রিশ থেকে পঁয়ষট্টি বছর পর বাস করা বেনামী গ্রিকভাষী খ্রিষ্টানেরা) কেবল যিশুর জীবন থেকে তাদের শোনা ঘটনাগুলো লিখে রাখছিলেন।
**{{cite book|last=এহরম্যান|first=বার্ট ডি.|title=ডিড জিসাস এক্সিস্ট?: দ্য হিস্টোরিক্যাল আর্গুমেন্ট ফর জিসাস অব নাজারেথ|url=http://books.google.com/books?id=hf5Rj8EtsPkC|date=২০ মার্চ ২০১২|publisher=হার্পারকলিন্স|isbn=978-0-06-208994-6|pages=৪৩, ৪৬, ৪৯, ৭২}}
*[যিশুর ঐতিহ্যগত মৃত্যুর প্রায় একশ বছরের মধ্যে রচিত লেখাগুলোতে অ-খ্রিষ্টান পৌত্তলিকদের যিশুর উল্লেখের মতে] সেই সময়ের পরের লেখাগুলোকে প্রায় নিশ্চিতভাবেই তাঁর জীবনের স্বাধীন ও নির্ভরযোগ্য সাক্ষী হিসেবে বিবেচনা করা যায় না। বরং সেগুলো নিঃসন্দেহে লেখকেরা যিশু সম্পর্কে যা শুনেছিলেন (সম্ভবত তাঁর অনুসারীদের কাছ থেকে), তার ওপর ভিত্তি করেই রচিত হয়েছিল। [...] [পৌত্তলিক লেখার মতে] যিশুর মৃত্যুর ঐতিহ্যগত তারিখের (প্রায় ৩০ খ্রিস্টাব্দ) একশ বছরের মধ্যে পৌত্তলিক সূত্র থেকে টিকে থাকা একমাত্র উল্লেখ হলো এই তিনটি [যিশুর উল্লেখ]।
**{{cite book|last=এহরম্যান|first=বার্ট ডি.|title=ডিড জিসাস এক্সিস্ট?: দ্য হিস্টোরিক্যাল আর্গুমেন্ট ফর জিসাস অব নাজারেথ|url=https://books.google.com/books?id=hf5Rj8EtsPkC&pg=PT15|date=২০ মার্চ ২০১২|publisher=হার্পারকলিন্স|isbn=978-0-06-208994-6|pages=৫০, ৫৬}}
*[রবার্ট] প্রাইস মনে করেন ঐতিহাসিক যিশুর পক্ষে প্রমাণ এতটাই দুর্বল যে আমরা তাঁর সম্পর্কে নিশ্চিত বা অর্থপূর্ণ কিছুই জানতে পারি না। তিনি এমনকি এমন একটি সম্ভাবনাও বিবেচনা করতে ইচ্ছুক যে ঐতিহাসিক যিশু বলে কখনোই কেউ ছিলেন না। যিশুর প্রমাণ কি আসলেই এতটা দুর্বল? ইতিহাসে শিক্ষিত প্রায় কোনো পণ্ডিতই প্রাইসের নেতিবাচক সিদ্ধান্তের সাথে একমত হবেন না... আমার মতে গসপেলে প্রাইসের কাজ একটি দার্শনিক মানসিকতা দ্বারা পরাভূত, যা যেকোনো ধরনের ঐতিহাসিক গবেষণার সাথে সাংঘর্ষিক... প্রাইসের মধ্যে আমরা যা দেখি তা হলো, আমরা আগে যা দেখেছি: মৌলবাদ থেকে পলায়ন।
::ক্রেগ এ. ইভান্স, ''ফ্যাব্রিকেটিং জিসাস: হাউ মডার্ন স্কলারস ডিস্টর্ট দ্য গসপেলস'', ডাউনয়ার্স গ্রোভ, আইএল: ইন্টারভার্সিটি, ২০০৮, পৃষ্ঠা ২৫
*আমি সত্যিই [সি. এ.] গিসচেনের যুক্তিটিকে অত্যন্ত উসকানিমূলক ও বিশ্বাসযোগ্য বলে মনে করেছি, পল মানুষ হওয়ার আগে যিশুকে একজন ফেরেশতা হিসেবে বুঝতেন। তাঁর যুক্তিগুলো সুসান আর. গ্যারেটের বই ''নো অর্ডিনারি অ্যাঞ্জেলে'' একটি অত্যন্ত আকর্ষণীয় আলোচনার মাধ্যমে সমর্থিত ও অগ্রসর হয়েছে।
**{{cite web|last=এহরম্যান|first=বার্ট ডি.|title=Christ as an Angel in Paul|trans-title=পলের মধ্যে ফেরেশতা হিসেবে খ্রিস্ট|url=https://ehrmanblog.org/christ-as-an-angel-in-paul-2/|website=The Bart Ehrman Blog|accessdate=9 May 2017|date=৭ জুন ২০১৪}}
*আদি খ্রিস্টধর্ম সম্পর্কে আধুনিক বোঝাপড়ার ক্ষেত্রে সম্ভবত সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হলো এই উপলব্ধি, আগে যা ভাবা হয়েছিল তার বিপরীতে, এই ধর্মটি ব্যতিক্রমীভাবে বৈচিত্র্যময় ছিল।
**{{cite book|last=এহরম্যান|first=বার্ট ডি.|title=আফটার দ্য নিউ টেস্টামেন্ট: আ রিডার ইন আর্লি ক্রিস্টিয়ানিটি|url=https://books.google.com/books?id=2n_YAAAAMAAJ|year=1999|publisher=অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস|isbn=978-0-19-511445-4|page=১৩১|chapter=দ্য ডাইভার্সিটি অব আর্লি ক্রিস্টিয়ানিটি: রাইটিংস লেটার ডিমড হেরেটিক্যাল}}
*আদি খ্রিস্টধর্ম এখন আর মূলত একক নয়, বরং ব্যাপকভাবে বৈচিত্র্যময় বলে মনে হয়, যেমনটি ইউসেবিয়াস আমাদের বিশ্বাস করাতে চেয়েছিলেন। আমাদের একেবারে পুরোনো সূত্রগুলোতে এটি দেখা যায়।
**{{cite book|last=এহরম্যান|first=বার্ট ডি.|title=দ্য গ্রেট কোর্সেস: লস্ট ক্রিস্টিয়ানিটিজ গাইডবুক|date=২০০২|publisher=দ্য টিচিং কোম্পানি|page=৮৩|url=https://guidebookstgc.snagfilms.com/৬৫৯৩_LostChristianities.pdf|chapter=লেকচার ১৯: দ্য রাইজ অব আর্লি ক্রিস্টিয়ান অর্থোডক্সি|quote=[লস্ট ক্রিস্টিয়ানিটিজ: ক্রিস্টিয়ান স্ক্রিপচারস অ্যান্ড দ্য ব্যাটলস ওভার অথেন্টিকেশন]}}
*''আচার্য এস (দ্য ক্রাইস্ট কনস্পিরেসি) এবং টিমোথি ফ্রেক ও পিটার গ্যান্ডির (দ্য জিসাস মিস্ট্রিজ) মতো লেখকদের সম্পর্কে কী বলবেন, যারা বলেন যে যিশু কখনোই ছিলেন না এবং খ্রিস্টধর্ম একটি উদ্ভাবিত ধর্ম ছিল, যা গ্রিক রহস্য ধর্মের ইহুদি সমতুল্য?'' এটি একটি পুরোনো যুক্তি, যদিও এটি প্রতি ১০ বছর বা তার কাছাকাছি সময়ে আবির্ভূত হয়। এই বর্তমান উন্মাদনা যে খ্রিস্টধর্ম এই অন্যান্য রহস্য ধর্মগুলোর মতো একটি রহস্য ধর্ম ছিল—যারা এটি বলছেন তারা প্রায় সবসময়ই এমন মানুষ যারা রহস্য ধর্ম সম্পর্কে কিছুই জানেন না; তারা কয়েকটি জনপ্রিয় বই পড়েছেন, কিন্তু তারা রহস্য ধর্মের পণ্ডিত নন। বাস্তবতা হলো, আমরা রহস্য ধর্ম সম্পর্কে খুব কমই জানি—রহস্য ধর্মের মূল বিষয়টিই হলো তারা গোপন! তাই আমি মনে করি এমন একটি দাবি করার জন্য অজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে তৈরি করাটা পাগলামি। আমি মনে করি যিশু যে অস্তিত্বশীল ছিলেন তার প্রমাণ এতটাই অপ্রতিরোধ্য, তিনি অস্তিত্বশীল ছিলেন না তা নিয়ে কথা বলাটা বোকামি। আমি এমন কোনো দায়িত্বশীল ইতিহাসবিদকে চিনি না, যিনি ঐতিহাসিকভাবে প্রশিক্ষিত, অথবা পেশাদার বাইবেল পণ্ডিত হিসেবে কাজ করেন, যিনি এর কোনোটিতে বিশ্বাস করেন।
::বার্ট এহরম্যান, ডেভিড ভি. ব্যারেটের সাথে সাক্ষাৎকার, "দ্য গসপেল অ্যাকর্ডিং টু বার্ট", ''ফোর্টিন টাইমস'' (২২১), ২০০৭
*আমি মনে করি না এমন কোনো গম্ভীর ইতিহাসবিদ আছেন যিনি যিশুর অস্তিত্ব নিয়ে সন্দেহ করেন। এমন অনেক মানুষ আছেন যারা চাঞ্চল্যকর বই লিখতে চান এবং অনেক অর্থ উপার্জন করতে চান যারা বলেন যিশুর অস্তিত্ব ছিল না। তবে আমি কোনো গম্ভীর পণ্ডিতকে চিনি না যিনি যিশুর অস্তিত্ব নিয়ে সন্দেহ করেন।
::বার্ট এহরম্যান, রেজিনাল্ড ভি. ফিনলে সিনিয়রের সাথে সাক্ষাৎকার, "হু চেঞ্জড দ্য নিউ টেস্টামেন্ট অ্যান্ড হোয়াই", দ্য ইনফিদেল গাই শো, ২০০৮
*পশ্চিমা বিশ্বের কোনো স্বীকৃত উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিউ টেস্টামেন্ট বা আদি খ্রিস্টধর্ম বা এমনকি ক্লাসিক পড়ান এমন একজন পুরাণবাদীও নেই। আর এর কারণ কী তা আশ্চর্যের কিছু নয়। এই দৃষ্টিভঙ্গিগুলো এতটাই চরম এবং ৯৯.৯৯ শতাংশ প্রকৃত বিশেষজ্ঞদের কাছে এতটাই অবিশ্বস্ত, এগুলো ধারণকারী যে কারো ধর্মতত্ত্বের একটি প্রতিষ্ঠিত বিভাগে শিক্ষকতার চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা ঠিক ততটাই, যতটা একজন ছয়-দিনের সৃজনবাদীর জীববিজ্ঞানের কোনো প্রকৃত বিভাগে চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা।
::বার্ট ডি. এহরম্যান, "ডিড জিসাস এক্সিস্ট", হাফিংটন পোস্ট, ২০ মার্চ ২০১২
* এর অনেক প্রমাণ আছে। এত প্রমাণ আছে... আমি জানি আপনি যে ভিড়ে ঘুরে বেড়ান, সেখানে সাধারণত মনে করা হয় যিশুর অস্তিত্ব ছিল না। আমি আপনাকে বলি, আপনি একবার আপনার দলের বাইরে গেলে সেখানে কেউ নেই। প্রাচীনকালের পণ্ডিতদের কাছে এটি কোনো সমস্যাই নয়। পশ্চিমা বিশ্বের কোনো কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাসিক, প্রাচীন ইতিহাস, নতুন নিয়ম, আদি খ্রিস্টধর্ম বা কোনো সম্পর্কিত ক্ষেত্রে শিক্ষকতা করেন এমন কোনো পণ্ডিত নেই যিনি যিশু সত্যিই ছিলেন কি না তা নিয়ে সন্দেহ করেন। এখন এটি কোনো প্রমাণ নয়। শুধু সবাই এমনটা মনে করে বলেই এটি প্রমাণ হয়ে যায় না। তবে আপনি যদি সৃষ্টিবাদের তত্ত্বের বিপরীতে বিবর্তনের তত্ত্ব সম্পর্কে জানতে চান, এবং বিশ্বের প্রতিটি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি পণ্ডিত বিবর্তনে বিশ্বাস করেন, তবে এটি প্রমাণ নাও হতে পারে। তবে আপনার যদি ভিন্ন মত থাকে, তবে আপনার নিজের কাছে একটি বেশ ভালো প্রমাণ থাকা উচিত... মানুষ যিশুর অস্তিত্বে বিশ্বাস করে কারণ তিনি আদি সূত্রগুলোতে প্রচুরভাবে প্রমাণিত... আদি ও স্বাধীন সূত্রগুলো নিশ্চিতভাবে নির্দেশ করে, যিশু অস্তিত্বশীল ছিলেন। [[টারসাসের পল|একজন লেখকের]] কথা আমরা জানি, যিনি যিশুর ভাইকে চিনতেন। আর যিশুর সবচেয়ে কাছের শিষ্য পিটারকে চিনতেন। তিনি যিশুর সবচেয়ে কাছের শিষ্য এবং তাঁর ভাই দুজনেরই একজন প্রত্যক্ষদর্শী। তাই, আমি দুঃখিত কিন্তু, আমি আপনার অবিশ্বাসের প্রতি সম্মান জানাই, কিন্তু আপনি যদি প্রমাণের দিকে যেতে চান... আমি মনে করি নাস্তিকরা পুরাণবাদের দলে ভিড়ে নিজেদের ক্ষতি করেছেন কারণ, সত্যি বলতে, এটি আপনাকে বাইরের বিশ্বের কাছে বোকা বানায়। আপনি যদি এটিই বিশ্বাস করতে চান, তবে আপনাকে শুধু বোকাই মনে হবে। যিশু ছিলেন না এমন একটি তত্ত্ব নিয়ে আসার চেয়ে ঐতিহাসিক প্রমাণ নিয়ে চলা এবং ঐতিহাসিকভাবে যুক্তি দেওয়াটা আপনার জন্য অনেক ভালো।
** [[বার্ট ডি. এহরম্যান]], [https://www.youtube.com/watch?v=VAhw2cVRVsA ফ্রিডম ফ্রম রিলিজিয়ন ফাউন্ডেশন লেকচার] প্রশ্নোত্তর পর্ব (৩ মে ২০১৪)
*'''ফিনলে:''' চ্যাট রুমে কিছু লোক দ্বিমত পোষণ করছেন, অবশ্যই, কিন্তু তারা বলছেন যে আসলে কোনো শক্ত প্রমাণ নেই, যদিও... আমার মানে... কিন্তু কোনো... কোনো প্রমাণ নেই, সত্যিই, যিশুর অস্তিত্ব ছিল এমন কোনো প্রমাণ নেই, মানুষ তাঁকে নিয়ে যা বলছিল তা ছাড়া। কিন্তু... '''এহরম্যান:''' আমি মনে করি... আমি এর সাথে দ্বিমত পোষণ করি। '''ফিনলে:''' সত্যি? '''এহরম্যান:''' আমার মানে, জুলিয়াস সিজারের অস্তিত্ব ছিল এর কী শক্ত প্রমাণ আছে? '''ফিনলে:''' আচ্ছা, এটি হলো... এটি একই ধরণের যুক্তি যা ধর্মরক্ষকেরা যিশুর অস্তিত্বের জন্য ব্যবহার করেন, যাইহোক। তারা একই কথা বলতে ভালোবাসেন যা আপনি কেবল জুলিয়াস... এর জন্য আপনার কাছে কী ধরনের প্রমাণ আছে তা নিয়ে বললেন। '''এহরম্যান:''' আচ্ছা, আমার মানে, এটি... তবে এটি কেবল একটি সাধারণ... এটি কেবল... এটি একটি ঐতিহাসিক বিষয়; আমার মানে, আপনি অতীতের কোনো ব্যক্তির ঐতিহাসিক অস্তিত্ব কীভাবে প্রতিষ্ঠিত করবেন? '''ফিনলে:''' আমি মনে করি... আমি মনে করি এটি দাবির ওপর নির্ভর করে... ঠিক, এটি নির্দিষ্ট ব্যক্তির সম্পর্কে সেই নির্দিষ্ট সময়ে মানুষের করা দাবি এবং সমাজে তাদের প্রভাবের ওপর নির্ভর করে... '''এহরম্যান:''' এটি কেবল দাবি নয়। এখানে... একজনকে ঐতিহাসিক প্রমাণের দিকে তাকাতে হবে। আর যদি আপনি... আপনি যদি বলেন যে ঐতিহাসিক প্রমাণ গণনা করা হয় না, তবে আমি মনে করি আপনি বিশাল সমস্যায় পড়বেন। কারণ তাহলে, কীভাবে... আমার মানে... তাহলে কেন শুধু হলোকাস্ট অস্বীকার করবেন না?
::বার্ট এহরম্যান, রেজিনাল্ড ভি. ফিনলে সিনিয়রের সাথে সাক্ষাৎকার, "হু চেঞ্জড দ্য নিউ টেস্টামেন্ট অ্যান্ড হোয়াই", দ্য ইনফিদেল গাই শো, ২০০৮
*এমন একটি সমাজে যেখানে মানুষ এখনও দাবি করে, হলোকাস্ট ঘটেনি, এবং যেখানে আমেরিকান প্রেসিডেন্ট আসলে বিদেশি মাটিতে জন্মগ্রহণকারী একজন মুসলিম বলে জোরালো দাবি করা হয়, সেখানে পশ্চিমা সভ্যতার ইতিহাসের সবচেয়ে মহান ব্যক্তিত্ব, এমন একজন মানুষ যাঁর ওপর বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ও প্রভাবশালী সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান—খ্রিষ্টান গির্জা—নির্মিত হয়েছিল, যেই মানুষটি আক্ষরিক অর্থেই আজ কোটি কোটি মানুষের দ্বারা উপাসিত হচ্ছেন—সেই যিশুর অস্তিত্বই ছিল না বলে শোনাটা কি কোনো আশ্চর্যের বিষয়?
::বার্ট ডি. এহরম্যান, "ডিড জিসাস এক্সিস্ট?", হাফিংটন পোস্ট, ৩০ মার্চ ২০১২
==ফ==
*একটি চরমপন্থী সমাধান ছিল যিশু সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য জ্ঞানের সম্ভাবনাকে অস্বীকার করা। আর এর থেকেই খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্বের বিকাশ ঘটে, যা অনুসারে ঐতিহাসিক চরিত্র হিসেবে যিশু কখনো ছিলেনই না এবং গসপেলগুলোর খ্রিস্ট ছিলেন একটি মসিহবাদী সম্প্রদায়ের সামাজিক সৃষ্টি।
::উইলিয়াম আর. ফার্মার, "আ ফ্রেশ অ্যাপ্রোচ টু কিউ", জ্যাকব নিউজনারের ''ক্রিস্টিয়ানিটি, জুডাইজম অ্যান্ড আদার গ্রিকো-রোমান কাল্টস'', ৪, লিডেন: ব্রিল, ১৯৭৫, পৃষ্ঠা ৪৩
*ইতিহাসবিদদের কাছে যিশু সত্যিই বেঁচে ছিলেন কি না তা নিয়ে কোনো গুরুতর প্রশ্ন নেই। বাইবেলে যেভাবে তাঁকে বর্ণনা করা হয়েছে, তিনি সত্যিই তেমন ছিলেন কি না তা নিয়ে সত্যিকারের সমস্যা রয়েছে। তাঁর জীবনের নির্দিষ্ট ঘটনাগুলো নিয়েও সমস্যা রয়েছে। তবে প্রথম শতাব্দীতে গ্যালিলিতে বসবাসকারী একজন বাস্তব মানুষ হিসেবে যিশুকে নিয়ে কোনো গম্ভীর প্রাচীন ইতিহাসবিদ সন্দেহ করেন না।
::ক্রিস ফোর্বস, জন ডিকসনের সাথে সাক্ষাৎকার, "জেইটজিস্ট: টাইম টু ডিসকার্ড দ্য ক্রিস্টিয়ান স্টোরি?", সেন্টার ফর পাবলিক ক্রিস্টিয়ানিটি, ২০০৯
*বুদ্ধ ও খ্রিস্ট উভয়ের ঐতিহাসিক বাস্তবতাকে কখনো কখনো সন্দেহ বা অস্বীকার করা হয়েছে। আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট ও শার্লেমেনকে ঘিরে যেই কিংবদন্তিগুলো জমে উঠেছে, সেগুলোর কারণে তাদের ঐতিহাসিক অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলাটা ততটাই যৌক্তিক হবে... মহান মানুষদের প্রভাব ছাড়া ইতিহাস ব্যাখ্যা করার চেষ্টা সাধারণ মানুষের অহংকারকে খুশি করতে পারে, কিন্তু এটি দার্শনিক ইতিহাসবিদের সমর্থন পাবে না।
::জেমস ফ্রেজার, ''দ্য গোল্ডেন বাউ: আ স্টাডি ইন ম্যাজিক অ্যান্ড রিলিজিয়ন'', ৭ (৩য় সংস্করণ), লন্ডন: ম্যাকমিলান, ১৯১৯, পৃষ্ঠা ৩১১
*আমি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে চাই যে আমার তত্ত্ব নাজারেথের যিশুর ঐতিহাসিক বাস্তবতাকে অনুমান করে... যিনি খ্রিস্টধর্ম প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এবং পন্টিয়াস পিলেটের শাসনামলে জেরুজালেমে ক্রুশবিদ্ধ হয়েছিলেন। ...কেবল খ্রিস্টের জীবন ও মৃত্যুর বিস্তারিত বিবরণগুলোই অনিশ্চয়তার কুয়াশায় ঢাকা রয়েছে এবং সম্ভবত সবসময়ই থাকবে।
**{{cite book|last=ফ্রেজার|first=স্যার জেমস জর্জ|title=দ্য গোল্ডেন বাউ: আ স্টাডি ইন ম্যাজিক অ্যান্ড রিলিজিয়ন|url=https://books.google.com/books?id=UnsIAQAAIAAJ&pg=PA412|volume=9|year=1913|publisher=ম্যাকমিলান অ্যান্ড কোম্পানি, লিমিটেড|page=৪১২ নং ১|quote=[https://books.google.com/books/content?id=UnsIAQAAIAAJ&pg=PA৪১২&img=1&zoom=3&hl=en&sig=ACfU3U3mwBeJYd_Gf9bSe0_vhmTF8jbIPQ&ci=175%2C1058%2C368%2C155&edge=0 পৃষ্ঠা ৪১২]-এর চিত্র গুগল বুকসে}}
*একজন ঐতিহাসিক চরিত্র যিশুর অস্তিত্ব ছিল, এর কোনো বিন্দুমাত্র প্রমাণও নেই। উদাহরণস্বরূপ, খ্রিস্টধর্ম উচ্চ সাহিত্যিক ও ক্যাথার্টিক মানের আখ্যানমূলক কল্পকাহিনির ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। (...) আমাদের কাছে যা আছে তার সাথে ওপরেরগুলোর তুলনা করা সম্ভব নয়, অর্থাৎ, ঐতিহাসিক চরিত্র যিশুর অস্তিত্বের কোনো প্রমাণই নেই।
::ফিশার, রোল্যান্ড (১৯৯৪) "অন দ্য স্টোরি-টেলিং ইম্পারেটিভ দ্যাট উই হ্যাভ ইন মাইন্ড" অ্যানথ্রোপলজি অব কনশাসনেস। ডিসে ১৯৯৪, ভলিউম ৫, নং ৪: ১৬
*[জশুয়া নামটিকে ফিলোর "প্রভুর পরিত্রাণ" হিসেবে ব্যাখ্যার মতে] যেহেতু জশুয়া [হোশেয়া] একজন এত চমৎকার ব্যক্তি, তাই তাঁর এই "সবচেয়ে চমৎকার নামগুলো" (ὄνομα τῆς άρίστης) পাওয়াটাই বেশি মানানসই হবে। [অন দ্য চেঞ্জ অব নেমস - ডি মিউটেশনে নমিনাম - ''মুট.'']
**{{cite book|last=ফারবার|first=জেভ|title=ইমেজেস অব জশুয়া ইন দ্য বাইবেল অ্যান্ড দেয়ার রিসেপশন|url=https://books.google.com/books?id=9rKvDAAAQBAJ&pg=PA159|date=১১ জুলাই ২০১৬|publisher=ডি গ্রুটার|isbn=978-3-11-034336-6|page=১৫৯}}
*যিশু সম্পর্কে আমরা যা জানতে পারি [তার মতে]। উদাহরণস্বরূপ, একজন ইতিহাসবিদ হিসেবে আমি নিশ্চিতভাবে জানি না যে যিশুর সত্যিই অস্তিত্ব ছিল কি না, অথবা তিনি কিছু অতিসক্রিয় কল্পনার ফসল ছাড়া আর কিছু কি না। [...] আমার মতে, নাজারেথের যিশু সম্পর্কে এমন কিছুই নেই যা আমরা সব সন্দেহের ঊর্ধ্বে গিয়ে জানতে পারি।
**{{cite journal|last=ফাঙ্ক|first=রবার্ট ডব্লিউ.|title=The Resurrection of Jesus|trans-title=যিশুর পুনরুত্থান|journal=দ্য ফোর্থ আর|date=জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি ১৯৯৫|volume=8|issue=1|pages=৯|url=https://www.westarinstitute.org/resources/more-about-the-fourth-r/|publisher=[[ওয়েস্টার ইনস্টিটিউট]]}}
*একটি চরমপন্থী সমাধান ছিল যিশু সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য জ্ঞানের সম্ভাবনাকে অস্বীকার করা। আর এর থেকেই খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্বের বিকাশ ঘটে, যা অনুসারে ঐতিহাসিক চরিত্র হিসেবে যিশু কখনো ছিলেনই না এবং গসপেলগুলোর খ্রিস্ট ছিলেন একটি মসিহবাদী সম্প্রদায়ের সামাজিক সৃষ্টি।
::উইলিয়াম আর. ফার্মার, "আ ফ্রেশ অ্যাপ্রোচ টু কিউ", জ্যাকব নিউজনারের ''ক্রিস্টিয়ানিটি, জুডাইজম অ্যান্ড আদার গ্রিকো-রোমান কাল্টস'', ৪, লিডেন: ব্রিল, ১৯৭৫, পৃষ্ঠা ৪৩
* আমার তত্ত্ব নাজারেথের যিশুর ঐতিহাসিক বাস্তবতাকে অনুমান করে।
::ফ্রেজার, স্যার জেমস জর্জ (১৯১৩) ''দ্য গোল্ডেন বাউ: আ স্টাডি ইন ম্যাজিক অ্যান্ড রিলিজিয়ন: ভলিউম ৯'' পৃষ্ঠা ৪১২;
::ফ্রেজার ও অন্যান্যদের মতে, [[আলবার্ট শোয়েইটজার]] তাঁর কাজের ১৯১৩ সালের সংশোধিত সংস্করণ ''গেশিখটে ডের লেবেন-জিসু-ফরশুং'', ২য় সংস্করণে দুটি নতুন অধ্যায় যুক্ত করেছিলেন। "আমি বিশেষভাবে পরবর্তী ইহুদি এস্ক্যাটোলজির আরও পুঙ্খানুপুঙ্খ ব্যাখ্যা করতে চেয়েছিলাম এবং জন এম. রবার্টসন, উইলিয়াম বেঞ্জামিন স্মিথ, জেমস জর্জ ফ্রেজার, আর্থার ড্রিউস ও অন্যান্যদের কাজ নিয়ে আলোচনা করতে চেয়েছিলাম, যারা যিশুর ঐতিহাসিক অস্তিত্ব নিয়ে বিতর্ক করেছিলেন।" (শোয়েইটজার (১৯৩১), ''আউট অব মাই লাইফ অ্যান্ড থট: অ্যান অটোবায়োগ্রাফি'', পৃষ্ঠা ১২৫।)
::"যদিও ফ্রেজার যিশুর অস্তিত্ব নিয়ে সন্দেহ করেননি, বা খ্রিষ্টানরা যিশুর অনৈতিহাসিকতা উদ্ভাবন করেছে বলেও দাবি করেননি, তবুও তাঁর কাজ এমন অনেকের জন্য ধারণা ও উপাত্তের একটি উৎস বই হয়ে উঠেছিল যারা তা করেছিল। আসলে শোয়েইটজার ফ্রেজারকে এমন পণ্ডিতদের একটি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন যারা 'যিশুর ঐতিহাসিক অস্তিত্ব নিয়ে বিতর্ক করেছিলেন'।" - বেনেট, ক্লিনটন (২০০১) ''ইন সার্চ অব জিসাস: ইনসাইডার অ্যান্ড আউটসাইডার ইমেজেস'', পৃষ্ঠা ২০৫)
==গ==
*ড্রিউস, রবার্টসন, ডব্লিউ. বি. স্মিথ, কাউচাউড বা স্টাহলের পদ্ধতিতে কতটা অনুমানমূলক, ভাসা-ভাসা মিল ও বিতর্কিত ব্যাখ্যা প্রবেশ করে তা দেখানো খুব সহজ হবে... একমাত্র যিশুর ব্যক্তিত্বের ঐতিহাসিক বাস্তবতাই আমাদের খ্রিস্টধর্মের জন্ম ও বিকাশ বুঝতে সাহায্য করে। অন্যথায় তা একটি ধাঁধা, এবং আক্ষরিক অর্থেই একটি অলৌকিক ঘটনা হয়ে থাকবে।
::মরিস গোগুয়েল, ''জিসাস দ্য নাজারেথ: মিথ অর হিস্ট্রি?'', লন্ডন: টি. ফিশার আনউইন, ১৯২৬, পৃষ্ঠা ৩০ এবং ২৪৪
*যদিও 'দ্য ক্রাইস্ট মিথ' অনেক অশিক্ষিত মানুষকে শঙ্কিত করেছিল, তবে এটি ঐতিহাসিক মহলে কেবল অলিম্পিয়ান ঘৃণাই জাগিয়েছিল, যারা যিশুর অস্তিত্ব সম্পর্কে নিশ্চিত ছিলেন... খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্বটি তাই ঐতিহাসিক বিশেষজ্ঞদের খুব একটা সমর্থন পায়নি। তাদের মতে, এটি একটি বিকৃত থিসিস প্রমাণের চেষ্টা করেছিল। এটি অত্যন্ত বৈচিত্র্যময় উৎসের পুরাণগুলোর মধ্যে সবচেয়ে অকল্পনীয়, এমনকি উদ্ভট সংযোগ আঁকার মাধ্যমে এগিয়েছিল। তত্ত্বটির গুরুত্ব ইতিহাসবিদদের কাছে এর বিশ্বাসযোগ্যতার মধ্যে ছিল না (কারণ এর কোনো বিশ্বাসযোগ্যতা ছিল না), বরং এই বাস্তবতার মধ্যে ছিল যে এটি ধর্মতত্ত্ববিদদের বিশ্বাস ও ইতিহাসের প্রশ্নগুলোর ওপর নতুন করে চিন্তাভাবনা করার আমন্ত্রণ জানিয়েছিল।
::ব্রায়ান এ. গেরিশ, ''দ্য ওল্ড প্রোটেস্ট্যান্টিজম অ্যান্ড দ্য নিউ: এসেজ অন দ্য রিফর্মেশন হেরিটেজ'', লন্ডন: টি. অ্যান্ড টি. ক্লার্ক, ২০০৪, পৃষ্ঠা ২৩১ এবং ২৩৩
*সংক্ষেপে, আধুনিক সমালোচনামূলক পদ্ধতিগুলো খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্বকে সমর্থন করতে ব্যর্থ হয়। এটি 'প্রথম সারির পণ্ডিতদের দ্বারা বারবার খণ্ডিত ও ধ্বংস করা হয়েছে'। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে 'কোনো গম্ভীর পণ্ডিত যিশুর অস্তিত্বহীনতাকে অনুমান করার সাহস করেননি'—বা অন্তত খুব কম জনই করেছেন। এবং তারা এর বিপরীত অনেক শক্তিশালী, এমনকি অত্যন্ত প্রচুর প্রমাণ খারিজ করতেও সফল হননি।
::মাইকেল গ্রান্ট, ''জিসাস: অ্যান হিস্টোরিয়ানস রিভিউ অব দ্য গসপেলস'', নিউ ইয়র্ক: স্ক্রিবনার, ১৯৯৫, পৃষ্ঠা ২০০
*কেউ যদি প্রাচীনকাল নিয়ে কাজ করা বড় বড় পণ্ডিত সমাজের সদস্যদের জরিপ করতে পারতেন, তবে মুষ্টিমেয় কয়েকজনের বেশি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন হতো যারা বিশ্বাস করেন, নাজারেথের যিশু সাধারণ যুগের প্রথম তিন দশকে ফিলিস্তিনের ধুলোমাখা পথে হাঁটেননি। ঐতিহাসিক চরিত্র হিসেবে যিশুর প্রমাণ অকাট্য।
::ডব্লিউ. ওয়ার্ড গ্যাসক, "দ্য লিডিং রিলিজিয়ন রাইটার ইন কানাডা... ডাজ হি নো হোয়াট হি'স টকিং অ্যাবাউট?", ''হিস্ট্রি নিউজ নেটওয়ার্ক'', ২০০৪
*সম্ভবত এর চেয়েও বেশি আকর্ষণীয় (এবং সম্ভবত হতবাক করার মতো) বিষয় হলো এহরম্যানের দাবি: "পলের মতে যিশু ছিলেন ঈশ্বরের ফেরেশতা। আর তাই পৃথিবীতে আসার আগে তিনিও ঈশ্বরের প্রজ্ঞা [মূর্ত] ছিলেন।"
**ড্যানিয়েল এন. গুলোট্টা (১২ মার্চ ২০১৫)। "[https://web.archive.org/web/20150315020224/https://danielngullotta.com/2015/03/12/review-how-jesus-became-god-the-exaltation-of-a-jewish-preacher-from-galilee/ রিভিউ: হাউ জিসাস বিকেম গড: দ্য এক্সল্টেশন অব আ জিউইশ প্রিচার ফ্রম গ্যালিলি]"। danielngullotta.com। (আর্কাইভের তারিখ ১৫ মার্চ ২০১৫)
*স্টিভ্যান এল. ডেভিসের মতো, আমিও বিশ্বাস করি যে "ঐতিহাসিক যিশু তত্ত্বের কথিত সাধারণ জ্ঞানে পুরাণবাদীরা এমন কিছু সমস্যা খুঁজে পেয়েছেন, যা গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা উচিত।" (স্টিভ্যান ডেভিস, ''স্পিরিট পজেশন অ্যান্ড দ্য অরিজিনস অব ক্রিস্টিয়ানিটি'' (ডাবলিন: বার্ডিক প্রেস, ২০১৪), ৪।)
**{{cite web|last=গুলোট্টা|first=ড্যানিয়েল এন.|title=Why You Should Read Carrier’s On the Historicity of Jesus|trans-title=ক্যারিয়ারের অন দ্য হিস্টোরিসিটি অব জিসাস আপনার কেন পড়া উচিত|url=https://danielngullotta.com/2015/02/04/why-you-should-read-carriers-on-the-historicity-of-jesus/|archiveurl=https://web.archive.org/web/20150214043512/https://danielngullotta.com/2015/02/04/why-you-should-read-carriers-on-the-historicity-of-jesus/|archivedate=14 February 2015|date=২ ফেব্রুয়ারি ২০১৫}}
*[আসুন আমরা স্বীকার করি যে তথাকথিত সব পৌত্তলিক ও ইহুদি প্রমাণ [যিশুর বিষয়ে] আমাদের যিশুর জীবন সম্পর্কে কোনো কার্যকর তথ্য দেয় না, এমনকি তিনি যে বেঁচে ছিলেন তার নিশ্চিততাও দেয় না]।
**{{cite book|author=চার্লস গুইগনেবার্ট|title=জিসাস|url=https://books.google.com/books?id=jYoMvgAACAAJ|year=1933|publisher=লা রেনেসাঁ দু লিভর|page=২৩|volume=এল’এভোলিউশন ডে ল’হিউম্যানিটে. সিন্থেস কালেক্টিভ ২৯|location=প্যারিস}}
*যিশুর অস্তিত্বের বিষয়ে ঐতিহ্যগত প্রমাণের চরম সমালোচনা ব্রুনো বাউয়ারের তৈরি দুটি প্রধান যুক্তির ওপর নির্ভর করে: ১. খ্রিষ্টান লেখাগুলোর বাইরে যিশুর সমসাময়িক সাহিত্য আমাদের তাঁর সম্পর্কে কিছুই বলে না। ২. নতুন নিয়মের সাহিত্য তার অসংগতি, স্ববিরোধিতা, সুস্পষ্ট প্রক্ষিপ্ত অংশ ও বিশাল অসম্ভাব্যতার কারণে একটি বিশ্বাসযোগ্য ঐতিহাসিক উৎস হিসেবে বিবেচিত হতে পারে না।
**{{cite book|last=গুইগনেবার্ট|first=চার্লস|title=লা গ্র্যান্ড রিভ্যু|url=https://catalog.hathitrust.org/Record/007909849|volume=79|year=1913|page=১৭৩|chapter=লে প্রোব্লেম ডে ল'এক্সিসটেন্স ডে জেসাস}}
*[পল-লুই কৌচাউডের লেখার মতে] যিশুর ঐতিহাসিক অস্তিত্ব নিয়ে বিতর্ক... [ফ্রান্সে] একটি নতুন রূপে আবির্ভূত হয়েছিল, যা ড্রিউস, জে. এম. রবার্টসন ও ডব্লিউ. বি. স্মিথের তত্ত্ব থেকে সম্পূর্ণ আলাদা ছিল। যিশুর ইতিহাস একটি পুরাণ—এই থিসিসের নতুন দিকটি বর্ণনা করা এবং এই বিতর্কের উৎপত্তি ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করা বেশ আগ্রহের বিষয়।
::{{cite journal|last=গোগুয়েল|first=মরিস|title=Recent French Discussion of the Historical Existence of Jesus Christ|trans-title=যিশু খ্রিস্টের ঐতিহাসিক অস্তিত্ব নিয়ে সাম্প্রতিক ফরাসি আলোচনা|journal=হার্ভার্ড থিওলজিক্যাল রিভিউ|date=এপ্রিল ১৯২৬|volume=19|issue=02|pages=১১৫|doi=10.1017/S001781600000763X|url=https://www.cambridge.org/core/journals/harvard-theological-review/article/div-classtitlerecent-french-discussion-of-the-historical-existence-of-jesus-christdiv/67E220B531FE6D3C81EE56D5EFFF4FA4}}
* এই [চরমপন্থী ন্যূনতমতাবাদী] উপসংহারগুলো যতই নেতিবাচক মনে হোক না কেন, এদের পুরাণবাদীদের তত্ত্ব থেকে কঠোরভাবে আলাদা করতে হবে। যেসব সমালোচককে আমরা [চরমপন্থী] ন্যূনতমতাবাদী বলতে পারি তাদের মতে, যিশু বেঁচে ছিলেন ঠিকই, কিন্তু তাঁর জীবনী আমাদের কাছে প্রায় পুরোপুরি অজানা। অন্যদিকে পুরাণবাদীরা ঘোষণা করেনতিনি কখনোই অস্তিত্বশীল ছিলেন না এবং তাঁর ইতিহাস, বা আরও নিখুঁতভাবে তাঁর সম্পর্কে গড়ে ওঠা কিংবদন্তিটি বিভিন্ন প্রবণতা ও ঘটনার কারণে তৈরি হয়েছে। যেমন, পুরোনো নিয়মের পাঠ্যের ভবিষ্যদ্বাণীমূলক ব্যাখ্যা, দর্শন, পরমানন্দ, অথবা প্রথম খ্রিষ্টানদের বসবাসের শর্তগুলো তাদের তথাকথিত প্রতিষ্ঠাতার গল্পের ওপর আরোপ করা।
::{{cite journal|last=গোগুয়েল|first=মরিস|title=Recent French Discussion of the Historical Existence of Jesus Christ|trans-title=যিশু খ্রিস্টের ঐতিহাসিক অস্তিত্ব নিয়ে সাম্প্রতিক ফরাসি আলোচনা|journal=হার্ভার্ড থিওলজিক্যাল রিভিউ|date=এপ্রিল ১৯২৬|volume=19|issue=02|pages=১১৫–১৪২|doi=10.1017/S001781600000763X|url=https://www.cambridge.org/core/journals/harvard-theological-review/article/div-classtitlerecent-french-discussion-of-the-historical-existence-of-jesus-christdiv/67E220B531FE6D3C81EE56D5EFFF4FA4}}
==হ==
*সেই সময়ে 'খ্রিস্ট-পুরাণ' তত্ত্বের পুনরুত্থান বাইবেল সমালোচনার প্রতিরক্ষায় কোনো সাহায্য করেনি। এই তত্ত্বে যিশুর অস্তিত্ব কখনোই ছিল না বলে দাবি করা হয়েছিল। তবে ইংল্যান্ডে এই দাবি কট্টর কিন্তু স্বাধীন এফ. সি. কনিবেয়ার দ্বারা খণ্ডিত হয়েছিল।
::উইলিয়াম হরবারি, "দ্য নিউ টেস্টামেন্ট", আর্নেস্ট নিকলসনের ''আ সেঞ্চুরি অব থিওলজিক্যাল অ্যান্ড রিলিজিয়াস স্টাডিজ ইন ব্রিটেনে'', অক্সফোর্ড: অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস, ২০০৩, পৃষ্ঠা ৫৫
*যিশু কখনোই ছিলেন না—এই থিসিসটি অন্তত এক শতাব্দী ধরে নতুন নিয়মের গবেষণার প্রান্তে ঘোরাফেরা করলেও, এটি কখনোই মূলধারার তত্ত্ব হিসেবে গৃহীত হয়নি। এর ভালো কারণও আছে। এটি নিছক একটি খারাপ অনুমান, যা নীরবতা, বিশেষ সুবিধা ও প্রচুর কাল্পনিক আশার ওপর ভিত্তি করে তৈরি। এটি সত্যিই বিদ্রূপাত্মক যে কিছু নাস্তিক এই ধারণায় বিশ্বাস করে তাদের [[সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনা|সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনার]] সব দাবি পিছনে ফেলে দেয়।
::জেমস হ্যানাম, "ইজ জিসাস ক্রাইস্ট আ মিথ?" (প্রথম পর্ব), প্যাথিওস, ২০১০, অনুচ্ছেদ ১
*আমার এ কথাও উল্লেখ করা উচিত, অস্তিত্বহীনতা থিসিসের প্রতি পণ্ডিতদের সংকোচের সবচেয়ে বড় কারণটি সাধারণ জ্ঞানের চেয়ে একাডেমিক নিয়োগের (এর নিরাপত্তার ক্ষেত্রে) সাথে বেশি সম্পর্কিত। ঠিক যেমনটি স্ট্রসের মতো মধ্যপন্থী হেগেলিয়ানরা আবিষ্কার করেছিলেন।
::আর. জোসেফ হফম্যান - ভ্রিডারের পোস্ট "ক্রাইস্ট মিথ অ্যান্ড হলোকাস্ট ডিনায়ালে" আরজোসেফহফম্যানের মন্তব্য — ১৭ জুন ২০১০
*ড. ওয়েলস সেখানে উপস্থিত ছিলেন [অর্থাৎ মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সিম্পোজিয়ামে] এবং তিনি তাঁর চরমপন্থী থিসিস উপস্থাপন করেন, হয়তো যিশু কখনোই ছিলেন না। আজকাল কার্যত কেউই এই অবস্থান সমর্থন করেন না। বলা হয় যে কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. মর্টন স্মিথ, যিনি নিজেও একজন সংশয়বাদী, এর উত্তরে বলেছিলেন যে ড. ওয়েলসের দৃষ্টিভঙ্গি "উদ্ভট"।
::গ্যারি হ্যাবারমাস, ''ডিড জিসাস রাইজ ফ্রম দ্য ডেড?: দ্য রেজারেকশন ডিবেটে'', সান ফ্রান্সিসকো: হার্পারকলিন্স, ১৯৮৯, পৃষ্ঠা ৪৫
*যিশু ফিলিস্তিনের অ-ইহুদি জনসংখ্যার মধ্যে জন্মগ্রহণ করেছিলেন, বা যিশু কখনোই ছিলেন না বরং তিনি কেবল একটি পৌরাণিক সৃষ্টি—মাঝে মাঝে এমন প্রান্তিক প্রচেষ্টা বাদ দিলে, নাজারেথের যিশু যে প্রথম শতাব্দীতে ইসরায়েল ভূমিতে একজন ইহুদি হিসেবে জন্মগ্রহণ করেছিলেন, বেঁচে ছিলেন, শিক্ষা দিয়েছিলেন এবং মারা গিয়েছিলেন, তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।
::ড্যানিয়েল জে. হ্যারিংটন, "রিট্রিভিং দ্য জিউইশনেস অব জিসাস: রিসেন্ট ডেভেলপমেন্টস", ব্রায়ান এফ. লে বেউ, লিওনার্ড জে. গ্রিনস্পুন ও ডেনিস হ্যামের ''দ্য হিস্টোরিক্যাল জিসাস থ্রু ক্যাথলিক অ্যান্ড জিউইশ আইজে'', হ্যারিসবার্গ, পিএ: ট্রিনিটি প্রেস ইন্টারন্যাশনাল, ২০০০, পৃষ্ঠা ৬৭
*পুরাণবাদীদের—অর্থাৎ যিশুকে অস্বীকারকারীদের—যুক্তিতে থাকা পদ্ধতিগত দুর্বলতাগুলো নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করাটা প্রায় নিষ্ঠুরতার শামিল। এরা ঈশ্বরকে অস্বীকার করা এবং যিশুকে অস্বীকার করাকে এমনভাবে গুলিয়ে ফেলে, যেন দুটি বিষয় একই আলোচনার স্তরে রয়েছে এবং একই ধরনের প্রমাণ দ্বারা এগুলো প্রমাণ করা সম্ভব। সত্যিই খুব অস্বস্তিকর ব্যাপার—কারণ যেই মানুষেরা ধর্মবিশ্বাসীদের সামনে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি তুলে ধরেন, তারাই আবার পাঠ্যগত ও ভাষাতাত্ত্বিক অধ্যয়নের জটিল প্রমাণগুলোকে এমনভাবে এড়িয়ে যেতে চান যেন সেগুলোর কোনো অস্তিত্বই নেই। ...তাদের নিজেদের ক্ষেত্রে, এটি এমন হবে যেন ফ্ল্যাট আর্থ থিওরি ও স্বতঃস্ফূর্ত প্রজন্মের সমর্থকদের মঞ্চে সমান সময় দেওয়া হয়েছে এবং জ্যোতির্বিদ্যা ও জীববিদ্যাকে উপহাস করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু—তাদের দুর্বল যুক্তিগুলো এমনটাই মনে হয়—যেহেতু এটি বাইবেল অধ্যয়ন, তাই এখানে কতটা গম্ভীর হওয়ারই বা প্রয়োজন আছে?
::আর. জোসেফ হফম্যান, "মিথটিক পিৎজা অ্যান্ড কোল্ড-ককড স্কলারস", ''দ্য নিউ অক্সোনিয়ান'', ২০১২
*আমি মনে হয় একা নই যিনি মনে করেনবর্তমান "পুরাণবাদী" প্রবক্তাদের ভুল তথ্য ও অযৌক্তিক প্রকৃতি দেখানোটা অনেকটা পৃথিবী যে সমতল নয়, বা সূর্য যে পৃথিবীর চারদিকে ঘোরে না, বা চাঁদে অবতরণ যে কোনো সিনেমার সেটে হয়নি—তা প্রমাণ করার মতোই বিরক্তিকর।
::ল্যারি হুরতাদো, "দ্য 'ডিড জিসাস এক্সিস্ট' কন্ট্রোভার্সি অ্যান্ড ইটস প্রেসিডেন্টস", ল্যারি হুরতাদোস ব্লগ, ২৩ জুলাই ২০১২
*সম্ভবত সবচেয়ে বিভ্রান্তিকর দাবি [পুরাণবাদীদের দ্বারা উপস্থাপিত], যা এত গুরুত্ব সহকারে দাবি না করা হলে মজাদার হতে পারত, তা হলো ১৯৮০-এর দশকের কোনো এক সময়ে একটি বিশাল ষড়যন্ত্রের ("নব্য ইভ্যাঞ্জেলিক্যাল" স্বার্থান্বেষীদের দ্বারা) মাধ্যমে ধর্ম, ক্লাসিকস, প্রাচীন ইতিহাস ইত্যাদি বিভাগে পণ্ডিতদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। এটি ইহুদি পণ্ডিত এবং কোনো ধর্মীয় অনুষঙ্গ নেই এমন মানুষের মধ্যেও নাজারেথের যিশুর ঐতিহাসিক অস্তিত্বকে সমর্থন করতে পণ্ডিতদের মতামতকে প্রভাবিত করতে সক্ষম হয়েছিল। হুম। এটি তো টুইন টাওয়ার সিআইএ দ্বারা ধ্বংস করা হয়েছিল এমন ধারণার মতোই! (আজকাল কি কিছু জায়গার পানীয় জলে কিছু মেশানো হচ্ছে?) নিশ্চিতভাবেই, বর্তমান "পুরাণবাদী" বিতর্কে জড়িত অনেকেই (যেমন মরিস কেসি) এটি জেনে অবাক হবেন, তাদের নিজেদের অজান্তেই তাদের মতামত এই "নব্য ইভ্যাঞ্জেলিক্যাল" গোপন দলের দ্বারা প্রভাবিত হয়েছে, যারা ঐতিহ্যগত খ্রিস্টধর্মকে টিকিয়ে রাখতে আগ্রহী!
::ল্যারি হুরতাদো, "দ্য 'ডিড জিসাস এক্সিস্ট' কন্ট্রোভার্সি-অ্যানকোর", ল্যারি হুরতাদোস ব্লগ, ২৩ জুলাই ২০১২
*[ফিলিপীয় ২] ৬-৭ পদে যিশুকে কোনো না কোনোভাবে মর্যাদা বা রূপে "ঐশ্বরিক" এবং পরে মানুষ হওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। আমরা জানি যে যিশুর এই ধরনের দৃষ্টিভঙ্গি শুরুতেই উপস্থিত হয়েছিল [...] প্রকৃতপক্ষে, এই পদগুলোতে ব্যাখ্যা ছাড়াই সংক্ষিপ্ত বাক্যাংশের ব্যবহার (যেমন, "ঈশ্বরের রূপে") থেকে বোঝা যায় পাঠকেরা কীসের কথা বলা হচ্ছে তা বুঝতে পারবেন বলে আশা করা হয়েছিল। এর অর্থ হলো এই পত্রের অনেক আগেই যিশুর "পূর্ব-অস্তিত্বের" ধারণা খ্রিষ্টান বিশ্বাসের একটি অংশে পরিণত হয়েছিল।
**{{cite book|last=হুরতাদো|first=ল্যারি ডব্লিউ.|title=হাউ অন আর্থ ডিড জিসাস বিকেম আ গড?: হিস্টোরিক্যাল কোয়েশ্চেনস অ্যাবাউট আর্লিয়েস্ট ডিভোশন টু জিসাস|url=https://books.google.com/books?id=Xi5xIxgnNgcC&pg=PA102|date=২ নভেম্বর ২০০৫|publisher=ডব্লিউএম. বি. ইয়ার্ডম্যানস পাবলিশিং|isbn=978-0-8028-2861-3|page=১০১}}
*জেমস যে যিশুর ভাই, সেই ধারণার ভিত্তি নির্ভর করে পলের চিঠির প্রাথমিক উল্লেখগুলোর ওপর, বিশেষ করে গালাতীয় ১:১৯ পদের ওপর। [...] "ঐতিহাসিক" যিশুর প্রতি পলের সম্পূর্ণ অবহেলার আলোকে... এটি অকল্পনীয় যে তিনি জেমস এবং "প্রভুর" মধ্যে একটি জৈবিক সম্পর্ক দাবি করবেন।
**{{cite web|last=হফম্যান|first=আর. জোসেফ|title=The Jesus Tomb Debacle: RIP|trans-title=যিশুর সমাধির বিপর্যয়: শান্তিতে ঘুমান|url=https://rjosephhoffmann.wordpress.com/2009/05/15/the-jesus-tomb-debacle-rip/|website=The New Oxonian|accessdate=14 April 2017|date=১৫ মে ২০০৯}}
*[জি. এ.] ওয়েলস বিশ্বাস করেন, পলের লেখায় যিশুর ঐতিহাসিক বিবরণের তুলনামূলক অভাবের মানে হলো, তিনি যিশুর জীবন সম্পর্কে প্রায় কিছুই জানতেন না। এর মধ্যে তাঁর জন্ম, মৃত্যুর সময়, বা তাঁর পুনরুত্থান দর্শনের ঘটনা কবে ঘটেছিল—কোনোটিরই উল্লেখ নেই। পল যিশুকে "একজন অতিপ্রাকৃত সত্তা হিসেবে কল্পনা করেছিলেন, যিনি মানুষের রূপে পৃথিবীতে একটি সংক্ষিপ্ত ও অস্পষ্ট সময় কাটিয়েছিলেন এবং ক্রুশবিদ্ধ হয়েছিলেন" বলে বলা হয়, এমনকি পলের নিজের সময়ের কয়েক শতাব্দী আগেও।
**{{cite book|last=হ্যাবারমাস|first=গ্যারি আর.|title=দ্য হিস্টোরিক্যাল জিসাস: অ্যানসিয়েন্ট এভিডেন্স ফর দ্য লাইফ অব ক্রাইস্ট|url=http://books.google.com/books?id=pMMeqKHZIDkC&pg=PA28|year=1996|publisher=কলেজ প্রেস|isbn=978-0-89900-732-8|page=২৮}}
*সেই সময়ে 'খ্রিস্ট-পুরাণ' তত্ত্বের পুনরুত্থান বাইবেল সমালোচনার প্রতিরক্ষায় কোনো সাহায্য করেনি। এই তত্ত্বে যিশুর অস্তিত্ব কখনোই ছিল না বলে দাবি করা হয়েছিল। তবে ইংল্যান্ডে এই দাবি কট্টর কিন্তু স্বাধীন এফ. সি. কনিবেয়ার দ্বারা খণ্ডিত হয়েছিল।
::উইলিয়াম হরবারি, "দ্য নিউ টেস্টামেন্ট", আর্নেস্ট নিকলসনের ''আ সেঞ্চুরি অব থিওলজিক্যাল অ্যান্ড রিলিজিয়াস স্টাডিজ ইন ব্রিটেনে'', অক্সফোর্ড: অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস, ২০০৩, পৃষ্ঠা ৫৫
==ই==
* আমি নিশ্চিত, প্রাচীন ইতিহাসের অন্যান্য চরিত্রগুলোর (যেমন আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট, টলেমি, ক্লিওপেট্রা, নিরো ইত্যাদি) ওপর যদি প্রাইসের সম্পূর্ণ সংশয়বাদকে ন্যায্য ও ধারাবাহিকভাবে প্রয়োগ করা হতো, তবে তারা সবাই 'বিলীন বিন্দুতে' পরিণত হতো। প্রাইসের অধ্যায়টি তার একটি নিখুঁত উদাহরণ, মানুষ যা বিশ্বাস করতে চায় না, তা বিশ্বাস না করার জন্য সবসময়, ''সবসময়'' কীভাবে অজুহাত খুঁজে পেতে পারে, তা সে যিশুর অস্তিত্বই হোক বা হলোকাস্টের অস্তিত্বই হোক।
::ডেনিস ইঙ্গোলফস্ল্যান্ড, "ফাইভ ভিউজ অব দ্য হিস্টোরিক্যাল জিসাস", দ্য রিক্লাইনার কমেন্টারিজ, ২০০৯
==জ==
*অন্য সবকিছুর মতোই, পাণ্ডিত্যও ফ্যাশনের অধীন। উনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে এবং বিংশ শতাব্দীর শুরুতে যিশুর অস্তিত্ব অস্বীকার করাটা কারো কারো জন্য ফ্যাশনে পরিণত হয়েছিল। এখন কোনো গম্ভীর পণ্ডিতই সেই দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করেন না। আর যিশুর অস্তিত্বের এত প্রচুর প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও, কীভাবে এই ধারণাটি একবারের জন্য হলেও প্রতিষ্ঠা পেয়েছিল, তা বোঝা বেশ কঠিন।
::পল জনসন, ''জিসাস: আ টুয়েন্টিফার্স্ট সেঞ্চুরি বায়োগ্রাফি'', নিউ ইয়র্ক: ভাইকিং, ২০১০, ভূমিকা
*সবচেয়ে পুরোনো টিকে থাকা গসপেল মার্কের গসপেল [সম্পর্কে]? এটি সম্ভবত ৯০ খ্রিস্টাব্দের দিকে তার চূড়ান্ত রূপ পেয়েছিল, কিন্তু এর মূল উপাদানগুলো সম্ভবত ৭০ খ্রিস্টাব্দের মতো পুরোনো। যেমনটি আমরা দেখেছি, এটি যিশুর প্রায় পুরো ঐতিহ্যবাহী জীবনীটি বাদ দেয়। জন দ্য ব্যাপটিস্ট যিশুকে দীক্ষা দিচ্ছেন এমন ঘটনা দিয়ে গল্প শুরু হয় এবং সবচেয়ে পুরোনো পাণ্ডুলিপিগুলোতে—নারীরা খালি সমাধি থেকে ভয় পেয়ে ছুটে পালাচ্ছেন এমন ঘটনা দিয়ে শেষ হয়।
**{{cite web|last=জিন্ডলার|first=ফ্র্যাঙ্ক|title=Did Jesus Exist?|trans-title=যিশুর কি অস্তিত্ব ছিল?|url=https://www.atheists.org/activism/resources/did-jesus-exist/|website=আমেরিকান এথেইস্ট|accessdate=3 December 2017}} [প্রথম প্রকাশিত: আমেরিকান অ্যাথিস্ট ম্যাগাজিনের গ্রীষ্মকালীন ১৯৯৮ সংস্করণ]
*এপিফ্যানিয়াসের মতে, খ্রিষ্টানদের ক্রিস্টিয়ানোই (Christianoi) বলার আগে তাদের ইয়েসাইওই (Iessaioi)—জেসিয়ানস বলা হতো।
**{{cite book|last=জিন্ডলার|first=ফ্র্যাঙ্ক আর.|editor=Frank R. Zindler; Robert M. Price|title=বার্ট এহরম্যান অ্যান্ড দ্য কোয়েস্ট অব দ্য হিস্টোরিক্যাল জিসাস অব নাজারেথ: অ্যান ইভ্যালুয়েশন অব এহরম্যান'স ডিড জিসাস এক্সিস্ট?|url=https://books.google.com/books?id=drmfkwEACAAJ|year=2013|publisher=আমেরিকান অ্যাথিস্ট প্রেস|isbn=978-1-57884-019-9|page=১৭৫|chapter=কগনিটিভ ডিসোন্যান্স: দ্য এহরম্যান জিন্ডলার করসপন্ডেন্স}}
==ক==
*আজকাল কেবল একজন খামখেয়ালী মানুষই দাবি করতে পারেন যে যিশু কখনোই ছিলেন না।
::লিয়েন্ডার কেক, ''হু ইজ জিসাস?: হিস্ট্রি ইন পারফেক্ট টেন্স'', কলাম্বিয়া, এসসি: ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ক্যারোলিনা প্রেস, ২০০০, পৃষ্ঠা ১৩
*অবশ্যই, যিশু কখনোই ছিলেন না এবং তিনি কেবল নিহত ও পুনরুত্থিত হওয়া কোনো দেবতা সম্পর্কে পৌত্তলিক গল্পগুলোর একটি মিশ্রণ—এমন কোনো ধারণাকে কখনোই সহ্য করা যায় না।
::জোসেফ ক্লাজনার, ''ফ্রম জিসাস টু পল'', নিউ ইয়র্ক: মেনোরাহ, ১৯৪৩, পৃষ্ঠা ১০৭
*এই শতাব্দীর প্রথম দিকে বিভিন্ন থিসিস প্রস্তাব করা হয়েছিল, যার সবগুলোই দাবি করত যে যিশু কখনোই বেঁচে ছিলেন না এবং যিশুর গল্পটি একটি পুরাণ বা কিংবদন্তি। এসব দাবি অনেক আগেই ঐতিহাসিক অর্থহীন হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। নাজারেথের যিশু যে আমাদের যুগের প্রথম তিন দশকে, সম্ভবত খ্রিস্টপূর্ব ৬-৭ থেকে খ্রিস্টাব্দ ৩০ সাল পর্যন্ত ফিলিস্তিনে বাস করতেন, তা নিয়ে কোনো যুক্তিসঙ্গত সন্দেহ থাকতে পারে না। এটি একটি সত্য।
::ওয়াল্টার ক্যাস্পার, ''জিসাস দ্য ক্রাইস্ট'', মাহওয়াহ, এনজে: পলিস্ট প্রেস, ১৯৭৬, পৃষ্ঠা ৬৫
*যেমনটি [বার্ট] এহরম্যান নিজেই উল্লেখ করেছেন, জোসেফাস যিশু সম্পর্কে তাঁর তথ্য প্রত্যক্ষদর্শীদের বা তাদের সরাসরি সহযোগীদের কাছ থেকে পাননি (কারণ তিনি তাদের মারা যাওয়ার অনেক পরে বেঁচে ছিলেন), বরং সম্ভবত মুখে মুখে ছড়ানো গল্পের মাধ্যমে পেয়েছিলেন। [...] জোসেফাস যিশুর জীবনের সময়রেখা থেকে এতটাই দূরে ছিলেন, তিনি এসব গল্পের সত্যতা সরাসরি যাচাই করতে পারতেন না। [...] এহরম্যান নিজেই আমাদের বলেন, "রোমান রেকর্ড পরীক্ষা করে জোসেফাস যিশুর জীবন সম্পর্কে কোনো প্রাথমিক গবেষণা করেছিলেন (কারণ কোনো রেকর্ড ছিল না), এমন কোনো প্রমাণ নেই।" (৬৫) [এহরম্যান, ২০১২।]
::{{cite book|last=এহরম্যান|first=বার্ট ডি.|title=ডিড জিসাস এক্সিস্ট?: দ্য হিস্টোরিক্যাল আর্গুমেন্ট ফর জিসাস অব নাজারেথ|url=http://books.google.com/books?id=hf5Rj8EtsPkC|date=২০ মার্চ ২০১২|publisher=হার্পারকলিন্স|isbn=978-0-06-208994-6|page=৬৫}}
:*{{cite web|last=কেনেডি|first=বিল|title=The Myth of Jesus Examined|trans-title=যিশুর অনৈতিহাসিকতার পরীক্ষা|url=https://www.academia.edu/35137959/The_Myth_of_Jesus_Examined|accessdate=24 November 2017|publisher=[[অ্যাকাডেমিয়া.এডু|অ্যাকাডেমিয়া.এডু]]}}
==ল==
*ঐতিহাসিক প্রমাণ যিশুর অলৌকিক প্রকৃতি সম্পর্কে দাবিগুলোকে—বিশেষ করে তাঁর পুনরুত্থানকে—কতটা সমর্থন করে, তা নিয়ে ইতিহাসবিদদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। তবে আমরা যখন প্রশ্ন তুলি যে একজন ঐতিহাসিক যিশু ছিলেন কি না, তখন আমরা একটি পরিষ্কার ঐকমত্য দেখতে পাই। তাদের বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ বিশ্বাস করে, অন্তত যিশুর অস্তিত্ব ও ক্রুশবিদ্ধ হওয়াটা দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত (রবার্ট এম. প্রাইস হলেন এর একটি বিরল ব্যতিক্রম)।
::স্টিফেন ল, "এভিডেন্স, মিরাকলস অ্যান্ড দ্য এক্সিস্টেন্স অব জিসাস", ''ফেইথ অ্যান্ড ফিলোসফি'' ২০১১, ভলিউম ২৮, ইস্যু ২।
*আপনি জানেন যে আপনি আপনার পক্ষপাত কমানোর চেষ্টা করতে পারেন, কিন্তু সেগুলো পুরোপুরি দূর করতে পারবেন না। এই কারণেই আপনাকে কিছু যাচাই-বাছাই ও ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে... এই পদ্ধতির অধীনে, আমরা কেবল সেই তথ্যগুলোই বিবেচনা করি যা দুটি মানদণ্ড পূরণ করে। প্রথমত, সেগুলোকে সমর্থন করার মতো খুব শক্তিশালী ঐতিহাসিক প্রমাণ থাকতে হবে। এবং দ্বিতীয়ত, প্রমাণটি এতই শক্তিশালী হতে হবে, এই বিষয়ে আজকের বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠ পণ্ডিত—এমনকি সংশয়বাদীরাও—এগুলোকে ঐতিহাসিক সত্য হিসেবে গ্রহণ করেন। আপনি কখনোই সবাইকে একমত করতে পারবেন না। এমন কিছু মানুষ সবসময়ই থাকে যারা হলোকাস্ট অস্বীকার করে বা যিশুর অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলে, কিন্তু তারা একেবারে প্রান্তিক পর্যায়ে থাকে।
::লি স্ট্রোবেলের ''দ্য কেস ফর দ্য রিয়েল জিসাসে'' মাইকেল আর. লিকোনা, গ্র্যান্ড র্যাপিডস: জন্ডারভ্যান, ২০০৭, পৃষ্ঠা ১১২
*যিশু পুরাণবাদীরা তাদের থিসিস এগিয়ে নেওয়া অব্যাহত রাখবে এবং গম্ভীর একাডেমিক আলোচনার বাইরে রাখা হচ্ছে বলে অভিযোগ করবে। তারা প্ল্যাকার্ড বহন করে, 'যিশু কখনোই ছিলেন না!' 'তারা আমার কথা শুনবে না!' এবং আলোচনার ময়দানের ভেতরের মানুষদের 'বুদ্ধিবৃত্তিবিরোধী,' 'মৌলবাদী,' 'বিপথগামী উদারপন্থী' এবং 'ফ্ল্যাট-আর্থার' বলে আখ্যা দেয়। ডোহার্টি ও তাঁর সহযোগীরা বিস্মিত হন, গুটিকয়েক নিরীহ দর্শক ছাড়া প্রায় সবাই মাথা নেড়ে ও চোখ ঘুরিয়ে তাদের পাশ কাটিয়ে চলে যায়। তারা কখনোই দেখতে পায় না যে একশ গজেরও কম দূরে তাদের একজন সহযোগী প্রতিবাদকারী আছেন, তিনি ইরান থেকে আসা একজন বিশিষ্ট চেহারার মানুষ। তিনিও হতাশ এবং একটি প্ল্যাকার্ড বহন করছেন যাতে লেখা, 'হলোকাস্ট কখনোই ঘটেনি!'
::মাইকেল আর. লিকোনা, "লিকোনা রিপ্লাইস টু ডোহার্টিস রিবাটাল", অ্যানসারিং ইনফিদেলস, ২০০৫
*অবশ্যই [ঐতিহাসিক থিসিস সংক্রান্ত] কোনো "সার্বজনীন ঐকমত্য" খোঁজা উচিত নয়, কারণ এমন কিছু মানুষ সবসময়ই থাকবে যারা প্রান্তিক অবস্থানে থাকতে পছন্দ করে। এমন কিছু মানুষ আজও আছে যারা দাবি করে, যিশু একটি পুরাণ, যাঁর কখনোই কোনো অস্তিত্ব ছিল না, যদিও দেখা যায় কোনো ব্যাপকভাবে সম্মানিত পণ্ডিত এই অবস্থান ধারণ করেন না। এমন মানুষও আছেন যারা দাবি করেনহলোকাস্ট কখনোই ঘটেনি।
::মাইকেল আর. লিকোনা, ''দ্য রেজারেকশন অব জিসাস: আ নিউ হিস্টোরিওগ্রাফিক্যাল অ্যাপ্রোচ'', ডাউনয়ার্স গ্রোভ, আইএল: আইভিপি একাডেমিক, ২০১০, পৃষ্ঠা ৬২-৬৩
*বাইবেলের বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠ ইতিহাসবিদ বিশ্বাস করেনযিশুর অস্তিত্বকে যুক্তিসঙ্গত সন্দেহের ঊর্ধ্বে রাখার জন্য যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে। অনেকেই বিশ্বাস করেন, যিশুকে একজন বাস্তব ঐতিহাসিক চরিত্র হিসেবে দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য কেবল নতুন নিয়মের দলিলগুলোই যথেষ্ট। আমি এই দৃষ্টিভঙ্গিগুলো নিয়ে প্রশ্ন তুলি... নতুন নিয়মের দলিলগুলোতে যিশু সম্পর্কে যেসব অসমর্থিত অলৌকিক দাবির একটি বড় অংশ রয়েছে, তা বিবেচনা করে একজন ঐতিহাসিক যিশুর স্বাধীন প্রমাণের অভাবে তাঁর অস্তিত্ব সম্পর্কে আমাদের সংশয়বাদী থাকা উচিত।
**{{cite book|last1=ল|first1=স্টিফেন|authorlink1=w:Stephen Law|title=স্টিফেন ল: এভিডেন্স, মিরাকলস অ্যান্ড দ্য এক্সিস্টেন্স অব জিসাস|url=http://stephenlaw.blogspot.com/2012/04/published-in-faith-and-philosophy-2011.html|website=Stephen Law|accessdate=18 November 2016|date=২০১২|quote=Published in Faith and Philosophy 2011. Volume 28, Issue 2, April 2011. Pages 129-151}}
*রুডলফ বুলটম্যানের মতো একজন "চরমপন্থী" সমালোচকের জন্যও ঐতিহাসিক যিশুর অস্তিত্ব একটি প্রয়োজনীয়তা; এবং ঐতিহাসিক সমালোচনা যদি সফলভাবে "খ্রিস্ট-পুরাণ" তত্ত্ব প্রতিষ্ঠা করতে পারে, অর্থাৎ যিশু কখনোই বেঁচে ছিলেন না, তবে বুলটম্যানের সম্পূর্ণ ধর্মতাত্ত্বিক কাঠামোই নড়ে উঠবে।
::জর্জ এলডন ল্যাড, ''দ্য নিউ টেস্টামেন্ট অ্যান্ড ক্রিটিসিজম'', গ্র্যান্ড র্যাপিডস: ইয়ার্ডম্যানস, ১৯৬৭, পৃষ্ঠা ১৫
*সংক্ষেপে, যিশুর শিক্ষা, জীবন বা ঐতিহাসিক অস্তিত্ব—কোনোটির ক্ষেত্রেই পলকে একজন নির্ভরযোগ্য সাক্ষী হিসেবে বিবেচনা করা যায় না।
**{{cite book|last=লুডেম্যান|first=গার্ড|editor=আর. জোসেফ হফম্যান|title=সোর্সেস অব দ্য জিসাস ট্র্যাডিশন: সেপারেটিং হিস্ট্রি ফ্রম মিথ|url=https://books.google.com/books?id=pbcGQgAACAAJ|year=2010|publisher=প্রমিথিউস বুকস|isbn=978-1-61614-189-9|page=২১২|chapter=পল অ্যাজ আ উইটনেস টু দ্য হিস্টোরিক্যাল জিসাস}}
*রুডলফ বুলটম্যানের মতো একজন "চরমপন্থী" সমালোচকের জন্যও ঐতিহাসিক যিশুর অস্তিত্ব একটি প্রয়োজনীয়তা; এবং ঐতিহাসিক সমালোচনা যদি সফলভাবে "খ্রিস্ট-পুরাণ" তত্ত্ব প্রতিষ্ঠা করতে পারে, অর্থাৎ যিশু কখনোই বেঁচে ছিলেন না, তবে বুলটম্যানের সম্পূর্ণ ধর্মতাত্ত্বিক কাঠামোই নড়ে উঠবে।
::জর্জ এলডন ল্যাড, ''দ্য নিউ টেস্টামেন্ট অ্যান্ড ক্রিটিসিজম'', গ্র্যান্ড র্যাপিডস: ইয়ার্ডম্যানস, ১৯৬৭, পৃষ্ঠা ১৫
*সংশয়বাদী বিশ্লেষণগুলো প্রকাশ করে, পল যিশু সম্পর্কে এমন কিছুই বলেন না যা সন্দেহাতীতভাবে তাঁকে সাম্প্রতিক ইতিহাসে পৃথিবীতে স্থাপন করে।
**{{cite journal|last=ল্যাটাস্টার|first=রাফায়েল|title=Review Essay: Bart Ehrman and the Elusive Historical Jesus|trans-title=রিভিউ প্রবন্ধ: বার্ট এহরম্যান এবং অধরা ঐতিহাসিক যিশু|journal=লিটারেচার অ্যান্ড এস্থেটিকস|issue=26|pages=১৯১|url=https://openjournals.library.sydney.edu.au/index.php/LA/article/view/11431|issn=2200-0437}}
* [নিম্ন (অ্যাডপশনিস্ট) ক্রিস্টোলজির] বিষয়ে [বার্ট] এহরম্যানের সমাধান হলো, বিভিন্ন খ্রিস্টধর্ম আলাদাভাবে এবং আলাদা সময়ে বিকশিত হয়েছিল; এটি এমন একটি মতামত যা তিনি পুরাণবাদীদের সাথে ভাগ করে নেন।
**{{cite journal|last=ল্যাটাস্টার|first=রাফায়েল|title=Review Essay: Bart Ehrman and the Elusive Historical Jesus|trans-title=রিভিউ প্রবন্ধ: বার্ট এহরম্যান এবং অধরা ঐতিহাসিক যিশু|journal=লিটারেচার অ্যান্ড এস্থেটিকস|issue=26|pages=১৮৬|url=https://openjournals.library.sydney.edu.au/index.php/LA/article/view/11431|issn=2200-0437}}
*[পল উল্লেখ করেন] একজন মহাজাগতিক যিশুর (যিনি প্রাক-খ্রিষ্টান ইহুদি—এবং অস্তিত্বহীন—চরিত্র যেমন সন অব ম্যান এবং লোগোসের মতো বিস্ময়করভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ) কাছ থেকে আসা ঐশ্বরিক প্রত্যাদেশের কথা [...] ঐতিহাসিকতাবাদী এবং পুরাণবাদী—উভয়েই যিশুর একটি ভিন্ন রূপের কথা বলেন, যা গসপেলের যিশুর সংস্করণের আগে ছিল। ঐতিহাসিকতাবাদীদের জন্য দুর্ভাগ্যজনকভাবে, জাগতিক ঐতিহাসিক যিশুর কোনো প্রাক-নিউ টেস্টামেন্ট প্রমাণ নেই। মহাজাগতিক মসিহের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়, যাঁকে কিছু প্রাক-খ্রিষ্টান ইহুদি সম্মান করতেন বলে এখন এমনকি [বার্ট] এহরম্যানও স্বীকার করেন।
**{{cite journal|last=ল্যাটাস্টার|first=রাফায়েল|title=Review Essay: Bart Ehrman and the Elusive Historical Jesus|trans-title=রিভিউ প্রবন্ধ: বার্ট এহরম্যান এবং অধরা ঐতিহাসিক যিশু|journal=লিটারেচার অ্যান্ড এস্থেটিকস|issue=26|pages=১৮২, ১৮৪|url=https://openjournals.library.sydney.edu.au/index.php/LA/article/view/11431|issn=2200-0437}}
*জোসেফাস ও ট্যাসিটাসের লেখার উল্লেখগুলো বাদ দিলে, বাইবেলের বাইরের সূত্রগুলো অনেক পরের। এই সব সূত্রই কোনো না কোনো জালিয়াতি বা অস্পষ্টতার উপাদান প্রদর্শন করে এবং সাধারণত যিশু সম্পর্কে গসপেল থেকে যা জানা যায় তার চেয়ে বেশি কিছু আমাদের জানায় না। কোনো সূত্রই যিশুর নিজের সময় থেকে আসেনি। কোনো সূত্রই প্রমাণিত প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছ থেকে আসেনি। এই সমস্যাগুলো যিশু কী বলেছিলেন, তিনি কী করেছিলেন, তিনি আসলে কে ছিলেন এবং আদৌ তাঁর অস্তিত্ব ছিল কি না, তা নিয়ে উল্লেখযোগ্য যৌক্তিক সন্দেহের সুযোগ দেয়। তাই যিশুর অনৈতিহাসিকতা যে একটি জ্ঞানতাত্ত্বিক সম্ভাবনা তা উল্লেখ করতে কোনো সমস্যা হওয়া উচিত নয়, এবং তাঁর ঐতিহাসিকতা নিয়ে কিছু সংশয় প্রকাশ করা যৌক্তিক।
**{{cite journal|last=ল্যাটাস্টার|first=রাফায়েল|title=Questioning the Plausibility of Jesus Ahistoricity Theories — A Brief Pseudo-Bayesian Metacritique of the Sources|trans-title=যিশুর অনৈতিহাসিকতা তত্ত্বের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন — সূত্রগুলোর একটি সংক্ষিপ্ত ছদ্ম-বয়েসিয়ান মেটাক্রিটিক|journal=দ্য ইন্টারমাউন্টেন ওয়েস্ট জার্নাল অব রিলিজিয়াস স্টাডিজ|date=২০১৫|volume=6:1|pages=৯০এফ|url=http://digitalcommons.usu.edu/cgi/viewcontent.cgi?article=1053&context=imwjournal}}
*যিশুর কোনো প্রত্যক্ষদর্শী বা সমসাময়িক বিবরণ বর্তমানে নেই। আমাদের কাছে যা আছে তা হলো প্রত্যক্ষদর্শী নন এমন লোকদের দ্বারা লেখা যিশুর জীবনের ঘটনাগুলোর পরবর্তী সময়ের বর্ণনা, যাদের বেশিরভাগই স্পষ্টতই পক্ষপাতদুষ্ট।
**{{cite web|last=ল্যাটাস্টার|first=রাফায়েল|title=Weighing up the evidence for the 'Historical Jesus'|trans-title='ঐতিহাসিক যিশু'র প্রমাণের বিচার|url=http://theconversation.com/weighing-up-the-evidence-for-the-historical-jesus-35319|website=দ্য কনভারসেশন|publisher=দ্য কনভারসেশন (ওয়েবসাইট)|accessdate=28 August 2016|date=১৪ ডিসেম্বর ২০১৪}}
*ভবিষ্যতে বাইবেলীয়, ঐতিহাসিক বা সম্পূর্ণ পৌরাণিক যিশু (বা আদি খ্রিষ্টানদের বিশ্বাস) সম্পর্কে কোনো বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ না পাওয়া পর্যন্ত, মনে হচ্ছে যিশু সম্পর্কে সবচেয়ে যুক্তিসঙ্গত অবস্থান হবে 'বিশ্বাসের খ্রিস্ট' বা 'বাইবেলীয় যিশুকে' সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান করা, এবং আরও জাগতিক, 'ঐতিহাসিক যিশু' সম্পর্কে অজ্ঞেয়বাদ-ধরনের অবস্থান গ্রহণ করা। হয়তো এমন একজন যিশু ছিলেন, হয়তো ছিলেন না। বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণের অভাবে এটি সম্ভব, কিন্তু অপরিহার্যভাবে সম্ভাব্য নয়, এবং অবশ্যই নিশ্চিত নয়।
**রাফায়েল ল্যাটাস্টার, [http://www.pantheismunites.org/Books/there%20was%20no%20Jesus,%20there%20is%20no%20God.htm 'দেয়ার ওয়াজ নো জিসাস, দেয়ার ইজ নো গড']-এ
*সাম্প্রতিক সময়ে কেবল বার্ট এহরম্যান ও মরিস কেসি যিশুর ঐতিহাসিক অস্তিত্ব পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে প্রমাণের চেষ্টা করেছেন। তাদের সবচেয়ে নির্ণায়ক পয়েন্ট কী? গসপেলগুলোকে সাধারণত বিশ্বাস করা যেতে পারে – অবিশ্বস্ত অনেক, অনেক অংশ উপেক্ষা করার পর – কারণ এগুলোর পেছনে থাকা অনুমানমূলক (অর্থাৎ অস্তিত্বহীন) সূত্রগুলোর জন্য। [...] বর্তমান সূত্রগুলোর দুর্বল অবস্থা এবং মূলধারার বাইবেলের ইতিহাসবিদদের দ্বারা ব্যবহৃত জঘন্য পদ্ধতিগুলোর কারণে, বিষয়টি সম্ভবত কখনোই সমাধান হবে না। সংক্ষেপে বলতে গেলে, যিশুর ঐতিহাসিক অস্তিত্ব নিয়ে সন্দেহ করার সুস্পষ্ট ভালো কারণ রয়েছে – এমনকি যদি এটিকে সরাসরি অসম্ভব বলে মনে করা নাও হয়।
**{{cite web|author=রাফায়েল ল্যাটাস্টার|title=Did historical Jesus really exist? The evidence just doesn’t add up.|trans-title=ঐতিহাসিক যিশুর কি সত্যিই অস্তিত্ব ছিল? প্রমাণগুলো ঠিক মেলে না।|url=https://www.washingtonpost.com/posteverything/wp/2014/12/18/did-historical-jesus-exist-the-traditional-evidence-doesnt-hold-up/?utm_term=.2479cbf18c6b|website=Washington Post|date=১৮ ডিসেম্বর ২০১৪}}
*["ঐতিহাসিক যিশু" অজ্ঞেয়বাদের ক্ষেত্রে] ...যিশুর ঐতিহাসিক নিশ্চিততার জন্য যুক্তি দেওয়া লোকদের সাথে আলোচনা করলেই অজ্ঞেয়বাদের যৌক্তিকতা ইতিমধ্যে স্পষ্ট হয়ে যায়। ...কেবল নিজের জন্য সূত্রগুলো ভালোভাবে পড়ুন। সেটি করুন, এবং সেইসাথে ঐতিহাসিকতাবাদীদের কাছ থেকে শুনুন কীভাবে তারা যিশুর অস্তিত্ব 'প্রমাণ' করেন। ...যিশুর পক্ষে যুক্তিটি যদি বিশ্বাসযোগ্য না হয়, তবে অজ্ঞেয়বাদ ইতিমধ্যে ন্যায়সঙ্গত।
**ল্যাটাস্টার, রাফায়েল (১২ নভেম্বর ২০১৫)। ''জিসাস ডিড নট এক্সিস্ট: আ ডিবেট অ্যামং অ্যাথিস্টস'', (কিন্ডেল লোকেশনস ৬৭৬-৬৮৩)। কিন্ডেল সংস্করণ।
*এখন, অসংখ্য অন্যান্য শিক্ষাবিদদের সাহায্য ও সমর্থনে, যা নিজেই বেশ উল্লেখযোগ্য, আমি আরও জোরালোভাবে ঘোষণা করছি যে যিশুর অস্তিত্বহীনতা কেবল সম্ভবই নয়। এটি সম্ভাব্য।
**{{cite web|author=রাফায়েল ল্যাটাস্টার|title=Jesus Did Not Exist. Probably.|trans-title=যিশু ছিলেন না। সম্ভবত।|url=http://churchandstate.org.uk/2016/04/jesus-did-not-exist-probably/|website=Church and State|date=১২ এপ্রিল ২০১৬}}
*[মূলধারার যিশু গবেষক যথা বার্ট এহরম্যান, মরিস কেসির মতে] ঐকমত্যের দৃষ্টিভঙ্গির সাথে একমত হওয়া পণ্ডিতদের নেওয়া পদ্ধতিটি অন্যায়ভাবে অযৌক্তিক পূর্বানুমানের ওপর ভিত্তি করে তৈরি, এবং কখনও কখনও এটি অপেশাদার এবং অশিক্ষিত বলে মনে হয়...
**{{cite journal|last=ল্যাটাস্টার|first=রাফায়েল|title=The Fourth Quest: A Critical Analysis of the Recent Literature on Jesus’ (a)Historicity|trans-title=দ্য ফোর্থ কোয়েস্ট: যিশুর (অ)ঐতিহাসিকতার সাম্প্রতিক সাহিত্যের একটি সমালোচনামূলক বিশ্লেষণ|journal=লিটারেচার অ্যান্ড এস্থেটিকস|date=২০১৪|volume=24|issue=1|pages=২৬এফ|url=https://openjournals.library.sydney.edu.au/index.php/LA/article/view/8328|issn=2200-0437}}
*বার্ট এহরম্যান ও মরিস কেসি দ্বারা যিশুর ঐতিহাসিকতার সাম্প্রতিক প্রতিরক্ষায় স্পষ্ট ও উপযুক্ত পদ্ধতির অভাব রয়েছে। তারা অত্যন্ত সন্দেহজনক নথির ওপর নির্ভর করেন এবং এর পাশাপাশি এমন সূত্রগুলো ব্যবহার করেন যার আর কোনো অস্তিত্ব নেই, যদি সেগুলোর কখনো অস্তিত্ব থেকেও থাকে। [...] একজন ঐতিহাসিক যিশুর নিশ্চিত অস্তিত্বের ব্যাপারে ঐকমত্যের দৃষ্টিভঙ্গি যদি এমন দুর্বল পদ্ধতির ওপর ভিত্তি করে হয়, তবে মনে হয় ঐকমত্যের দৃষ্টিভঙ্গিটি পর্যালোচনা করা উচিত, যদিও সেটিকে অবিলম্বে মিথ্যা বলে প্রত্যাখ্যান করার প্রয়োজন নেই। আসুন এই বিভাগটি একজন মূলধারার পণ্ডিতের স্বীকারোক্তি দিয়ে শেষ করি যে এমন পদ্ধতিগুলো — যেমন কল্পিত সূত্রের প্রতি আগের এবং প্রায়শই উল্লেখিত আবেদন — বৈশিষ্ট্যপূর্ণ; যে '''এগুলো নতুন নিয়মের পাঠ্যগুলোতে বিশেষজ্ঞ ইতিহাসবিদদের জন্য অনন্য'''
**ল্যাটাস্টার, রাফায়েল (২০১৯)। "ইনঅ্যাডিকুয়েট মেথডস"। কোয়েশ্চেনিং দ্য হিস্টোরিসিটি অব জিসাস: হোয়াই আ ফিলোসফিক্যাল অ্যানালাইসিস ইলুসিডেটস দ্য হিস্টোরিক্যাল ডিসকোর্স। ব্রিল। পৃষ্ঠা ১২৯, ১৪৯, নং ৯২। আইএসবিএন 978-90-04-40878-4
*[রিচার্ড ক্যারিয়ারের 'ন্যূনতম পুরাণবাদের' অনুমান], আর্ল ডোহার্টির কাজের দ্বারা অত্যন্ত প্রভাবিত হয়ে বলে, প্রাথমিকভাবে যিশুকে একজন মহাজাগতিক চরিত্র বলে বিশ্বাস করা হতো, যাঁকে সময়ের সাথে সাথে ঐতিহাসিক রূপ দেওয়া হয়েছিল।
**{{cite journal|last=ল্যাটাস্টার|first=রাফায়েল|title=Richard Carrier: On the Historicity of Jesus: Why We Might Have Reason for Doubt. Sheffield: Sheffield Phoenix Press, 2014; pp. xiv + 696.|trans-title=রিচার্ড ক্যারিয়ার: অন দ্য হিস্টোরিসিটি অব জিসাস: হোয়াই উই মাইট হ্যাভ রিজন ফর ডাউট। শেফিল্ড: শেফিল্ড ফিনিক্স প্রেস, ২০১৪; পৃষ্ঠা xiv + ৬৯৬।|journal=জার্নাল অব রিলিজিয়াস হিস্ট্রি|date=ডিসেম্বর ২০১৪|volume=38|issue=4|pages=৬১৪–৬১৬|doi=10.1111/1467-9809.12219|url=http://onlinelibrary.wiley.com/doi/10.1111/1467-9809.12219/full}}
*রিচার্ড ক্যারিয়ার এমন একটি সম্ভাবনাও (এবং সম্ভবত সতর্ক হওয়ার প্রয়োজনীয়তাও) উত্থাপন করেনমার্কের গসপেলের পরের সমস্ত সূত্র এর দ্বারা কলঙ্কিত হতে পারে এবং এটি কোনোভাবেই উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
**{{cite journal|last=ল্যাটাস্টার|first=রাফায়েল|title=Questioning the Plausibility of Jesus Ahistoricity Theories — A Brief Pseudo-Bayesian Metacritique of the Sources|trans-title=যিশুর অনৈতিহাসিকতা তত্ত্বের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন — সূত্রগুলোর একটি সংক্ষিপ্ত ছদ্ম-বয়েসিয়ান মেটাক্রিটিক|journal=দ্য ইন্টারমাউন্টেন ওয়েস্ট জার্নাল অব রিলিজিয়াস স্টাডিজ|date=২০১৫|volume=6:1|pages=৭৫|url=http://digitalcommons.usu.edu/cgi/viewcontent.cgi?article=1053&context=imwjournal}}
*[আর. এম.] প্রাইস অনুমান করেনসূত্রগুলোর ঐতিহাসিক যিশু পণ্ডিতদের "সম্পূর্ণ অজ্ঞেয়বাদের" দিকে নির্দেশ করা উচিত।
**{{cite journal|last=ল্যাটাস্টার|first=রাফায়েল|title=Questioning the Plausibility of Jesus Ahistoricity Theories — A Brief Pseudo-Bayesian Metacritique of the Sources|trans-title=যিশুর অনৈতিহাসিকতা তত্ত্বের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন — সূত্রগুলোর একটি সংক্ষিপ্ত ছদ্ম-বয়েসিয়ান মেটাক্রিটিক|journal=দ্য ইন্টারমাউন্টেন ওয়েস্ট জার্নাল অব রিলিজিয়াস স্টাডিজ|date=২০১৫|volume=6:1|pages=৯১|url=http://digitalcommons.usu.edu/cgi/viewcontent.cgi?article=1053&context=imwjournal}}
==ম==
*আমরা নিশ্চিত হতে পারি, যিশুর সত্যিই অস্তিত্ব ছিল (যুক্তি মানতে অস্বীকার করা অত্যন্ত উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কয়েকজন সংশয়বাদী থাকা সত্ত্বেও), তিনি গ্যালিলিতে একজন [[ইহুদি]] শিক্ষক ছিলেন এবং প্রায় ৩০ খ্রিস্টাব্দে রোমান সরকারের দ্বারা তাঁকে ক্রুশবিদ্ধ করা হয়েছিল।
::রবার্ট জে. মিলার, ''দ্য জিসাস সেমিনার অ্যান্ড ইটস ক্রিটিকস'', সান্তা রোজা: পোলব্রিজ, ১৯৯৯, পৃষ্ঠা ৩৮
*অবশ্যই, কেবল একজন পাগলই কখনো ভেবেছেন যে যিশুর আদৌ কোনো অস্তিত্ব ছিল না।
::বার্নার্ড ম্যাকগিন, ''অ্যান্টিক্রাইস্ট: টু থাউজেন্ড ইয়ারস অব দ্য হিউম্যান ফ্যাসিনেশন উইথ ইভিল'', নিউ ইয়র্ক: কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটি প্রেস, ২০০০, পৃষ্ঠা ৩৪
* প্রকৃতপক্ষে আমরা যদি [[ভলতেয়ার|ভলতেয়ারের]] সাথে একমত হয়ে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছাই, যিশুর অনৈতিহাসিকতার অন্তত কিছু সমসাময়িক প্রবক্তা আসলে "শিক্ষিতের চেয়ে বেশি প্রতিভাবান", তবে এই প্রশ্নটিকে গুরুত্ব সহকারে নিলে বিতর্কের মান বাড়তে পারে। আর নতুন নিয়মের পণ্ডিতেরা কী করেন এবং কীভাবে করেন—সে সম্পর্কে ব্যাপক বোঝাপড়া, এমনকি আত্ম-বোঝাপড়ার ক্ষেত্রেও এটি অন্তত লাভজনক প্রমাণিত হতে পারে।
** [[জাস্টিন মেগিট|মেগিট, জাস্টিন]], ''[https://archive.org/details/studies-in-the-historical-jesus-anarchy-miracles-madness স্টাডিজ ইন দ্য হিস্টোরিক্যাল জিসাস: অ্যানার্কি, মিরাকলস, অ্যান্ড ম্যাডনেস]'', কেমব্রিজ: মিউচুয়াল একাডেমিক। ২০২৩, ষষ্ঠ অধ্যায় ""মোর ইনজিনিয়াস দ্যান লার্নড"? এক্সামাইনিং দ্য কোয়েস্ট ফর দ্য নন-হিস্টোরিক্যাল জিসাস", পৃষ্ঠা ২২৬, {{ISBN|978-1-9165-7009-2}}।
*মৃত দেবতারা হলেন সেইসব দেবতা যারা পুনরুত্থিত হন বা নতুন জীবনে ফিরে আসেন [...] খ্রিষ্টীয় যুগের অনেক আগেই এমন দেবতা ছিলেন যারা মারা গিয়েছিলেন ও ফিরে এসেছিলেন।
**{{cite book|last=মেটিঙ্গার|first=ট্রিগভে এন. ডি.|title=দ্য রিডল অব রেজারেকশন: “ডাইং অ্যান্ড রাইজিং গডস” ইন দ্য অ্যানসিয়েন্ট নিয়ার ইস্ট|url=https://books.google.com/books?id=px60swEACAAJ|year=2001|publisher=আইজেনব্রাউনস|isbn=978-1-57506-822-0|pages=২১৭—২১৮}}
*...একদিকে নতুন নিয়মে যা ঘটেছিল, তার সত্যনিষ্ঠ দলিল হিসেবে সবকিছুকে আক্ষরিকভাবে গ্রহণ করা, আর অন্যদিকে যিশুর অস্তিত্ব অস্বীকারকারী কোনো এক প্রকারের খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্ব।
::জন ম্যাককয়ারি, ''দ্য স্কোপ অব ডিমিথোলজাইজিং: বুলটম্যান অ্যান্ড হিজ ক্রিটিকস'', লন্ডন: এসসিএম, ১৯৬০, পৃষ্ঠা ৯৩
*এমনকি এমন জ্ঞানী ও বুদ্ধিমান মানুষেরাও ছিলেন যারা যিশুর অস্তিত্ব অস্বীকার করেছেন: যাকে তথাকথিত "খ্রিস্ট-পুরাণ" তত্ত্ব বলা হয়।
::ডোনাল্ড ম্যাকেঞ্জি ম্যাককিনন, ''অবজেকশনস টু ক্রিস্টিয়ান বিলিফ'', লন্ডন: কনস্টেবল, ১৯৬৩, পৃষ্ঠা ৬৭
*[যখন] আমার বন্ধু এবং প্রাক্তন সহকর্মী থমাস এল. থম্পসন ২০০৫ সালের তাঁর 'দ্য মেসিয়াহ মিথ: দ্য নিয়ার ইস্টার্ন রুটস অব জিসাস অ্যান্ড ডেভিড' বইয়ে গসপেলের যিশুকে ঐতিহাসিক চরিত্র হিসেবে খারিজ করার চেষ্টা করেন, তাঁকে বাইবেলীয় এবং অন্যান্য—অনেক পুরোনো—নিকট প্রাচ্যের রাজকীয় মসিহের ধারণার প্রতীক হিসেবে তৈরি করতে চান, তখন ঐতিহাসিকতার প্রশ্নটি আমাদের অন্যান্য দিকে উত্তরের সন্ধান করতে উৎসাহিত করে। 'ইপসিসিমা ভার্বা জিসু' বা ঐতিহাসিক স্মৃতির মতো পরিস্থিতিগুলো চিহ্নিত করার চেষ্টা করার বদলে এটি করা উচিত। এর অর্থ এই নয় যে গসপেলের যিশুর গল্পে পুরোনো নিয়মের চরিত্র ও ঘটনাগুলোর স্মৃতির কোনো প্রভাব নেই, পুরোনো নিয়মটি নিকট প্রাচ্যের মসিহ পুরাণের একটি মাধ্যম। তদুপরি, এই ক্ষেত্রে থমাস এল. থম্পসনের বইটি প্রমাণের একটি প্রচুর ও চিত্তাকর্ষক অস্ত্রাগার।
**মুলার, মরগেন্স। টি.এল. থম্পসন এবং টি.এস. ভেরেনা সম্পাদিত ''ইজ দিস নট দ্য কার্পেন্টার'' (ইকুইনক্স, ২০১২)-এ "পল: দ্য ওল্ডেস্ট উইটনেস টু দ্য হিস্টোরিক্যাল জিসাস", ১১৭-১১৮।
*যদি এই ঘটনার বিবরণ সঠিক হয়, তবে এটিও দেখা যায় কেন 'খ্রিস্ট-পুরাণ' তত্ত্ব। এটি বলে, কোনো ঐতিহাসিক যিশুর অস্তিত্ব আদৌ ছিল না, অনেকের কাছে এতটা যুক্তিসঙ্গত মনে হয়েছে...
::হুগো এ. মেয়নেল, ''অ্যান ইন্ট্রোডাকশন টু দ্য ফিলোসফি অব বার্নার্ড লোনেরগান'' (২য় সংস্করণ), টরন্টো: ইউনিভার্সিটি অব টরন্টো প্রেস, ১৯৯১, পৃষ্ঠা ১৬৬
*যিশুর ঐতিহাসিকতা গ্রহণ করতে হলে স্বাধীন ঐতিহাসিক প্রমাণ থাকতে হবে, কিন্তু এই প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে না।
**{{cite book|last=মার্টিন|first=মাইকেল|title=দ্য কেস অ্যাগেইনস্ট ক্রিস্টিয়ানিটি|url=https://books.google.com/books?id=wWkC4dTmK0AC&pg=PA46|date=মার্চ ১৯৯৩|publisher=টেম্পল ইউনিভার্সিটি প্রেস|isbn=978-1-56639-081-1|page=৪৬|chapter=হিস্টোরিসিটি অব জিসাস}}
*[জি. এ. ওয়েলস] যুক্তি দেন যে প্রথম দিকের খ্রিষ্টান লেখকরা এই থিসিসকে সমর্থন করেন না যে যিশু প্রথম শতাব্দীর শুরুর দিকে বেঁচে ছিলেন।
**{{cite book|last=মার্টিন|first=মাইকেল|title=দ্য কেস অ্যাগেইনস্ট ক্রিস্টিয়ানিটি|url=http://books.google.com/books?id=wWkC4dTmK0AC&pg=PA38|date=মার্চ ১৯৯৩|publisher=টেম্পল ইউনিভার্সিটি প্রেস|isbn=978-1-56639-081-1|page=৩৮}}
*যিশুর ঐতিহাসিকতার বিরুদ্ধে [জি. এ.] ওয়েলসের যুক্তি জোরালো, এবং তাঁর যুক্তির বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক সমালোচনাগুলোর মোকাবিলা করা সম্ভব।
**{{cite book|last1=মার্টিন|first1=মাইকেল|authorlink1=w:Michael Martin (philosopher)|title=দ্য কেস অ্যাগেইনস্ট ক্রিস্টিয়ানিটি|url=https://books.google.com/books?id=wWkC4dTmK0AC&pg=PA67|year=1993|publisher=টেম্পল ইউনিভার্সিটি প্রেস|isbn=978-1-56639-081-1|page=৬৭}}
*পল কোনো এক যিশু আন্দোলনের হেলেনীয় রূপে ধর্মান্তরিত হয়েছিলেন যা ইতিমধ্যেই একটি খ্রিস্ট ধর্মে বিকশিত হয়েছিল। [...] এভাবে তাঁর চিঠিগুলো খ্রিস্ট ধর্মের জন্যও একটি দলিল হিসেবে কাজ করে।
**{{cite book|last=ম্যাক|first=বার্টন এল.|title=আ মিথ অব ইনোসেন্স: মার্ক অ্যান্ড ক্রিস্টিয়ান অরিজিনস|url=https://books.google.com/books?id=fNSbW8hWRzwC&pg=PA98|year=1988|publisher=ফোর্ট্রেস প্রেস|isbn=978-0-8006-2549-8|page=৯৮|chapter=দ্য কংগ্রেগেশনস অব দ্য ক্রাইস্ট}}
*পলের চিঠিগুলো থেকে পাওয়া প্রমাণ হলো, খ্রিস্টের মণ্ডলীগুলো আকর্ষণীয় সমিতি ছিল এবং তাদের বিকাশমান পুরাণটিকে রোমাঞ্চকর বলে মনে করা হতো। রহস্য ধর্মগুলোর আদলে একটি উৎসাহী ধর্ম গঠিত হয়েছিল...
**{{cite book|last=ম্যাক|first=বার্টন এল.|title=দ্য লস্ট গসপেল: দ্য বুক অব কিউ অ্যান্ড ক্রিস্টিয়ান অরিজিনস|url=https://books.google.com/books?id=UeLYAAAAMAAJ|year=1993|publisher=হার্পারসানফ্রান্সিসকো|isbn=978-0-06-065374-3|pages=২১৯এফ|chapter=মিথমেকিং অ্যান্ড দ্য ক্রাইস্ট}}
*যদি এই ঘটনার বিবরণ সঠিক হয়, তবে এটিও দেখা যায় কেন 'খ্রিস্ট-পুরাণ' তত্ত্ব। এটি বলে, কোনো ঐতিহাসিক যিশুর অস্তিত্ব আদৌ ছিল না, অনেকের কাছে এতটা যুক্তিসঙ্গত মনে হয়েছে...
::হুগো এ. মেয়নেল, ''অ্যান ইন্ট্রোডাকশন টু দ্য ফিলোসফি অব বার্নার্ড লোনেরগান'' (২য় সংস্করণ), টরন্টো: ইউনিভার্সিটি অব টরন্টো প্রেস, ১৯৯১, পৃষ্ঠা ১৬৬
*আমার মতে (এবং এটি এমন একটি মত যা প্রত্যেক গম্ভীর ইতিহাসবিদই বিশ্বাস করেন) যে [খ্রিস্ট পুরাণ] তত্ত্বটি ঐতিহাসিকভাবে অগ্রহণযোগ্য।
::উইলি মার্ক্সেন, ''দ্য রেজারেকশন অব জিসাস অব নাজারেথ'', ফিলাডেলফিয়া: ফোর্ট্রেস, ১৯৭০, পৃষ্ঠা ১১৯
*কিন্তু আগের সময়ে ছড়িয়ে পড়া খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্বগুলোর বিপরীতে, এমন মনে হয় যে আজ প্রায় সমস্ত সম্মানিত পণ্ডিতই গ্রহণ করেনযিশুর অস্তিত্ব ছিল এবং তাঁর সম্পর্কে প্রাথমিক তথ্যগুলো সুপ্রতিষ্ঠিত।
::জন ম্যাককয়ারি, "দ্য হিউম্যানিটি অব ক্রাইস্ট", ''থিওলজি'', ভলিউম ৭৪-এ (লন্ডন: এসপিসিকে, ১৯৭১) পৃষ্ঠা ২৪৭
*সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জি. এ. ওয়েলস যিশুর অস্তিত্ব কখনোই ছিল না বলে প্রমাণ করার চেষ্টা করেছেন। তিনি জার্মান ভাষার একজন অধ্যাপক যিনি নতুন নিয়মের অধ্যয়নে যুক্ত হয়েছেন এবং এমন একটি যুক্তি উপস্থাপন করেছেন যে যিশু সত্যিই বেঁচে ছিলেন তা অনুমান না করেই খ্রিস্টধর্মের উৎপত্তি ব্যাখ্যা করা যায়। শতাব্দীর শুরুতে অনুরূপ দৃষ্টিভঙ্গির পূর্ববর্তী উপস্থাপনাগুলো পণ্ডিতদের মতামতের ওপর কোনো প্রভাব ফেলতে ব্যর্থ হয়েছিল এবং এটি নিশ্চিত যে এই যুক্তির সর্বশেষ উপস্থাপনাটিও এর চেয়ে ভালো কিছু করতে পারবে না। কারণ অবশ্যই প্রমাণগুলো কেবল ট্যাসিটাসের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; নতুন নিয়মের নিজস্ব দলিলগুলো রয়েছে, যার প্রায় সবগুলোই প্রথম শতাব্দীতে লেখা হয়েছে এবং যার পেছনে যিশুর গল্পের প্রসারের একটি সময়কাল রয়েছে, যা যিশুর অনুমিত জীবনের কাছাকাছি সময় পর্যন্ত পিছিয়ে নেওয়া যায়। যিশুর অনুমান ছাড়া এই ঐতিহ্যের উত্থান ব্যাখ্যা করা অসম্ভব।
::ইয়ান হাওয়ার্ড মার্শাল, ''আই বিলিভ ইন দ্য হিস্টোরিক্যাল জিসাস'' (সংশোধিত সংস্করণ), ভ্যাঙ্কুভার: রিজেন্ট কলেজ পাবলিশিং, ২০০৪, পৃষ্ঠা ১৫–১৬
*প্রকৃতপক্ষে, প্রাচীন অতীতের বেশিরভাগ বিখ্যাত চরিত্রের চেয়ে নাজারেথের যিশু যে নিশ্চিতভাবে বেঁচে ছিলেন তার বেশি প্রমাণ রয়েছে। এই প্রমাণগুলো দুই ধরনের: অভ্যন্তরীণ এবং বাহ্যিক, অথবা, আপনি যদি চান, পবিত্র এবং ধর্মনিরপেক্ষ। উভয় ক্ষেত্রেই, মোট প্রমাণ এতটা অপ্রতিরোধ্য, এতটা নিখুঁত যে কেবল সবচেয়ে অগভীর বুদ্ধিসম্পন্ন ব্যক্তিরাই যিশুর অস্তিত্ব অস্বীকার করার সাহস করবে। আর তবুও এই করুণ অস্বীকারটি এখনও 'গ্রামের নাস্তিক,' ইন্টারনেটে ব্লগাররা, অথবা ফ্রিডম ফ্রম রিলিজিয়ন ফাউন্ডেশনের মতো সংগঠনগুলো তোতাপাখির মতো আওড়ে যায়।
::পল এল. মায়ার, "ডিড জিসাস রিয়েলি এক্সিস্ট?", 4Truth.net, ২০০৭
*পুরাণবাদ ঐতিহাসিক সূত্রগুলোকে সার্বিকভাবে একইভাবে মূল্যায়ন করার বিষয় নয়। খ্রিস্টধর্মের বিরুদ্ধে যাদের ক্ষোভ রয়েছে, এটি পুরোপুরি তাদেরই কাজ। যদিও সেসব মহলেও এমন অনেকেই আছেন যারা একে বিশ্বাসযোগ্য মনে করেন না। আর এ কথা জোর দিয়ে বলা উচিত, বাইবেল অধ্যয়নের চেয়ে মূলধারার ইতিহাসবিদদের কাছে এটিকে মোটেও বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয় না।
::জেমস এফ. ম্যাকগ্রাথ, "মিথিসিজম ভার্সেস দ্য সক্রেটিক হিস্টোরিয়ানস", ''এক্সপ্লোরিং আওয়ার ম্যাট্রিক্স'', ২০১০
*এই দৃষ্টিভঙ্গি [যে যিশু কখনোই ছিলেন না] প্রদর্শনযোগ্যভাবে মিথ্যা। এটি এক ধরনের হতাশাজনক নাস্তিক কুসংস্কার দ্বারা চালিত, যা সমস্ত প্রধান প্রাথমিক সূত্র এবং খ্রিষ্টানদের অবজ্ঞা করে। এটি কেবল আমেরিকান যিশু সেমিনারের চেয়ে খারাপই নয়, এটি খ্রিষ্টান মৌলবাদের চেয়েও ভালো কিছু নয়। এটির কেবল ভিন্ন ভিন্ন কুসংস্কার রয়েছে। এর বেশিরভাগ প্রবক্তাও অস্বাভাবিকভাবে অযোগ্য।
::মরিস কেসি, ''জিসাস অব নাজারেথ: অ্যান ইন্ডিপেন্ডেন্ট হিস্টোরিয়ানস অ্যাকাউন্ট অব হিজ লাইফ অ্যান্ড টিচিং'', নিউ ইয়র্ক: টিঅ্যান্ডটি ক্লার্ক, ২০১০, পৃষ্ঠা ৪৯৯
*কিছু সংশয়বাদী মনে করেনবাইবেলীয় এবং ঐতিহাসিক প্রমাণের সেরা ব্যাখ্যা হলো সেই তত্ত্ব যা বলে যিশু কখনোই ছিলেন না; অর্থাৎ যিশুর অস্তিত্ব একটি পুরাণ (ওয়েলস ১৯৯৯)। এমন একটি দৃষ্টিভঙ্গি বিতর্কিত এবং এটি এমনকি খ্রিষ্টান-বিরোধী চিন্তাবিদদের মধ্যেও ব্যাপকভাবে সমর্থিত নয়।
::মাইকেল মার্টিন, ডেলবার্ট বুরকেটের ''দ্য ব্ল্যাকওয়েল কম্প্যানিয়ন টু জিসাসে'' "স্কেপটিক্যাল পারসপেক্টিভস অন জিসাস' রেজারেকশন", অক্সফোর্ড: ব্ল্যাকওয়েল, ২০১১, পৃষ্ঠা ২৮৫
*পাণ্ডিত্যপূর্ণ এবং জনপ্রিয় রচনাগুলোর পাশাপাশি, যিশুর ওপর প্রচুর ছদ্মপাণ্ডিত্য রয়েছে যা ছাপার অক্ষরে জায়গা করে নেয়। গত দুই শতাব্দীতে একশোরও বেশি বই এবং নিবন্ধ যিশুর ঐতিহাসিক অস্তিত্ব অস্বীকার করেছে। আজ অসংখ্য ওয়েবসাইট একই বার্তা বহন করে... বেশিরভাগ পণ্ডিত যিশুর অস্তিত্বহীনতার যুক্তিগুলোকে যেকোনো প্রতিক্রিয়ার অযোগ্য বলে মনে করেন—ঠিক যেমন দাবি করা হয় যে ইহুদি হলোকাস্ট কখনোই ঘটেনি অথবা অ্যাপোলোর চাঁদে অবতরণ একটি হলিউড স্টুডিওতে সংঘটিত হয়েছিল।
::মাইকেল জেমস ম্যাকক্লাইমন্ড, ''ফ্যামিলিয়ার স্ট্রেঞ্জার: অ্যান ইন্ট্রোডাকশন টু জিসাস অব নাজারেথ'', গ্র্যান্ড র্যাপিডস: ইয়ার্ডম্যানস, ২০০৪, পৃষ্ঠা ৮ এবং ২৩–২৪
*চিন্তাভাবনার এই সংশয়বাদী ধারাটি তার চূড়ান্ত পরিণতিতে পৌঁছেছিল এই যুক্তিতে যে মানুষ হিসেবে যিশুর আদৌ কোনো অস্তিত্ব ছিল না এবং তিনি একটি পুরাণ। প্রাচীনকালে, এই চরম দৃষ্টিভঙ্গির নাম দেওয়া হয়েছিল ডসেটিজমের ধর্মবিদ্বেষ (মনে হওয়া) কারণ এটি মনে করত যে যিশু কখনো "রক্তমাংসে" পৃথিবীতে আসেননি, বরং তাঁকে কেবল মনে হয়েছিল; (১ জন ৪:২) এবং এটি পলের তাঁর রক্তমাংসের অস্তিত্বের প্রতি আগ্রহের অভাব দ্বারা কিছুটা উৎসাহ পেয়েছিল। পরবর্তীতে, অষ্টাদশ শতাব্দী এবং তার পর থেকে, এই জেদ করার চেষ্টা করা হয়েছে যে যিশুকে এমনকি "মনে" হয়নি যে তিনি অস্তিত্বশীল, এবং পৃথিবীতে তাঁর উপস্থিতির সমস্ত গল্প সম্পূর্ণ কল্পকাহিনী। বিশেষ করে, তাঁর গল্পকে কাল্পনিক মৃত্যু ও পুনরুত্থিত দেবতাদের উদ্ভাবনকারী পৌত্তলিক পুরাণগুলোর সাথে তুলনা করা হয়েছিল। (অনুচ্ছেদ বিরতি) খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্বকে খণ্ডন করতে ব্যবহৃত কিছু চিন্তাধারা কিছুটা অবিবেচক ছিল।
::গ্রান্ট, মাইকেল। ''জিসাস: অ্যান হিস্টোরিয়ানস রিভিউ অব দ্য গসপেলস''। স্ক্রিবনার, ১৯৯৫; প্রথম প্রকাশ ১৯৭৭, পৃষ্ঠা ১৯৯
*...একদিকে নতুন নিয়মে যা ঘটেছিল তার সত্যনিষ্ঠ দলিল হিসেবে সবকিছুকে আক্ষরিকভাবে গ্রহণ করা, আর অন্যদিকে যিশুর অস্তিত্ব অস্বীকারকারী কোনো এক প্রকারের খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্ব।
::জন ম্যাককয়ারি, ''দ্য স্কোপ অব ডিমিথোলজাইজিং: বুলটম্যান অ্যান্ড হিজ ক্রিটিকস'', লন্ডন: এসসিএম, ১৯৬০, পৃষ্ঠা ৯৩
*এমনকি এমন জ্ঞানী ও বুদ্ধিমান মানুষেরাও ছিলেন যারা যিশুর অস্তিত্ব অস্বীকার করেছেন: যাকে তথাকথিত "খ্রিস্ট-পুরাণ" তত্ত্ব বলা হয়।
::ডোনাল্ড ম্যাকেঞ্জি ম্যাককিনন, ''অবজেকশনস টু ক্রিস্টিয়ান বিলিফ'', লন্ডন: কনস্টেবল, ১৯৬৩, পৃষ্ঠা ৬৭
* রবার্টসন, স্মিথ ও ডুজারডিন দাবি করেনযিশুর গল্পটি হলো প্রাক-খ্রিষ্টান ঈশ্বর যিশুর (জেশুয়া বা জশুয়া) মানবিকীকরণ, যাঁকে হিব্রুদের আসার আগে ফিলিস্তিনে উপাসনা করা হতো। জাহওয়েহর বিজয়ের পর মূলত গ্যালিলির অখ্যাত গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে যাঁর উপাসনা টিকে ছিল [...] ড্রিউস বিশ্বাস করেন''ইসায়াহের'' মসিহ-চরিত্রটি হলো পুরাণের উৎস, এবং অনেক বিবরণে জ্যোতিষতাত্ত্বিক ব্যাখ্যা দেন। কাউচাউড পলের কথিত দর্শনে এর উৎপত্তি খুঁজে পান এবং রাইল্যান্ডস (''দ্য বিগিনিংস অব নস্টিক ক্রিস্টিয়ানিটি'', ১৯৪১) প্রাক-খ্রিষ্টান নস্টিক অনুমানের দিকে নজর দেন।
::{{cite book|last=ম্যাককাবে|first=জোসেফ|title=আ র্যাশনালিস্ট এনসাইক্লোপিডিয়া: আ বুক অব রেফারেন্স অন রিলিজিয়ন, ফিলোসফি, এথিকস অ্যান্ড সায়েন্স|url=https://books.google.com/books?id=tXKIkgAACAAJ|year=1948|publisher=ওয়াটস|chapter=জিসাস}}
* অনেকেই (বর্তমান লেখক সহ) প্রথম শতাব্দীর অল্প নির্ভরযোগ্য প্রমাণ ও ধর্মীয় বিকাশ থেকে ব্যাপকভাবে অনুমান করতে সন্তুষ্ট, সম্ভবত যিশু নামের কোনো ইহুদি পৃথিবীর শেষ সম্পর্কে পারসিক বিশ্বাস [অ্যাভেস্তা দেখুন] গ্রহণ করেছিলেন। আর তা কাছাকাছি ভেবে তিনি তাঁর এসেনিয়ান মঠ [এসেনেস দেখুন] ত্যাগ করে তাঁর সঙ্গীদের সতর্ক করতে গিয়েছিলেন এবং তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। তারা মনে করেনঐতিহাসিকতার প্রশ্নটির খুব একটা গুরুত্ব নেই [...] এমনকি গসপেলে [মার্ক দেখুন] দেওয়া অতি সামান্য জীবনী সংক্রান্ত বিবরণগুলো একটি "অনন্য ব্যক্তিত্বের" দাবিকে সমর্থন করে না,...
::{{cite book|last=ম্যাককাবে|first=জোসেফ|title=আ র্যাশনালিস্ট এনসাইক্লোপিডিয়া: আ বুক অব রেফারেন্স অন রিলিজিয়ন, ফিলোসফি, এথিকস অ্যান্ড সায়েন্স|url=https://books.google.com/books?id=tXKIkgAACAAJ|year=1948|publisher=ওয়াটস|chapter=জিসাস}}
==ন==
*আমার থিসিস হলো, ঐতিহাসিক যিশুকে খোঁজার যেকোনো প্রচেষ্টা সেইসব প্রথম দিকের সামাজিক আন্দোলন বোঝার ক্ষেত্রে অপ্রাসঙ্গিক, যা পরবর্তীতে খ্রিস্টধর্ম নামের ধর্মে বিকশিত হয়েছিল। এমনটি তখনও প্রযোজ্য এমনকি যদি একজন ঐতিহাসিক যিশু বেঁচে থাকতেন এবং কোনো ধরনের আন্দোলন প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করতেন। [...] বর্তমান সময়ের গবেষকেরা যাকে যিশু আন্দোলন, বা খ্রিস্ট ধর্ম, অথবা যিশুকে স্বীকারকারী সম্প্রদায় (এবং যাকে আমি আদি খ্রিস্টধর্ম বলব) বলেন, তার প্রথম দিকের স্তরগুলোতে যিশু কার্যত অপ্রাসঙ্গিক ছিলেন।
**{{cite web|last=নোল|first=কার্ট|title=Investigating Earliest Christianity without Jesus (Chapter 13) - Is This Not the Carpenter?|trans-title=যিশু ছাড়াই প্রাচীনতম খ্রিস্টধর্মের অনুসন্ধান (অধ্যায় ১৩) - ইনি কি ছুতোর নন?|url=https://www.cambridge.org/core/books/is-this-not-the-carpenter/investigating-earliest-christianity-without-jesus/A9439BF3800C821DB296F2E49EA91FF3|website=Cambridge Core|accessdate=12 June 2017|language=en}}
==প==
*তাই এটা কোনো আশ্চর্যের বিষয় নয়, এমন কোনো নিউ টেস্টামেন্ট পণ্ডিত নেই যিনি বেতন পান এবং যিশুর অস্তিত্ব নিয়ে সন্দেহ করেন। আমি একজনকে চিনি না। প্রথম শতাব্দীর ফিলিস্তিনে তাঁর জন্ম, জীবন এবং মৃত্যু কখনোই গুরুতর প্রশ্নের সম্মুখীন হয়নি এবং সম্ভবত এই ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞদের মধ্যেও কখনো হবে না। যিশুর অস্তিত্ব একটি স্বতঃসিদ্ধ বিষয়।
::নিকোলাস পেরিন, ''লস্ট ইন ট্রান্সমিশন?: হোয়াট উই ক্যান নো অ্যাবাউট দ্য ওয়ার্ডস অব জিসাস'', ন্যাশভিল: থমাস নেলসন, ২০০৭, পৃষ্ঠা ৩২
*যেই যুক্তি আমাদের বলে যিশুর কোনো অস্তিত্ব ছিল না, সেই একই যুক্তি দাবি করে, হলোকাস্ট বলে কিছু ছিল না।
::নিকোলাস পেরিন, ''লস্ট ইন ট্রান্সমিশন?: হোয়াট উই ক্যান নো অ্যাবাউট দ্য ওয়ার্ডস অব জিসাস'', ন্যাশভিল: থমাস নেলসন, ২০০৭, পৃষ্ঠা ৩২
*দেড়শ বছর আগে ব্রুনো বাউয়ার নামে একজন মোটামুটি সম্মানিত পণ্ডিত দাবি করেন ঐতিহাসিক চরিত্র হিসেবে যিশু কখনোই ছিলেন না। আজ যারা এই কথা বলেন—অন্তত একাডেমিক জগতে—তাদের স্কিনহেডদের সাথে একই দলভুক্ত করা হয় যারা বলে হলোকাস্ট বলে কিছু ছিল না এবং যারা এখনও বিশ্বাস করতে চায় যে পৃথিবী সমতল।
::মার্ক অ্যালান পাওয়েল, ''জিসাস অ্যাজ আ ফিগার ইন হিস্ট্রি: হাউ মডার্ন হিস্টোরিয়ানস ভিউ দ্য ম্যান ফ্রম গ্যালিলি'', লুইসভিল: ওয়েস্টমিনস্টার জন নক্স, ১৯৯৮, পৃষ্ঠা ১৬৮
*খ্রিস্টকে ক্রুশবিদ্ধ করা হয়েছিল তা অস্বীকার করা হলো হলোকাস্ট অস্বীকার করার মতো। কারও কারও জন্য এটি স্বীকার করা খুব ভয়ংকর। অন্যদের জন্য এটি ধর্মীয় সহানুভূতি আদায়ের একটি বিস্তৃত ষড়যন্ত্র। কিন্তু অস্বীকারকারীরা এক ঐতিহাসিক স্বপ্নের জগতে বাস করেন।
::জন পাইপার, ফিফটি রিজনস হোয়াই জিসাস কেম টু ডাই, হুইটন: ক্রসওয়ে, ২০০৬, পৃষ্ঠা ১৪-১৫
*প্রমাণের বোঝার ভিত্তিতে ইতিহাসবিদদের কিছু মাপকাঠি আছে। উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো লেখক কোনো ঘটনা ঘটার ১০০ বছরেরও বেশি সময় পর তা নিয়ে লেখেন, তবে তাকে বৈধ বলে মনে করা হয় না। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ মাপকাঠি হলো লেখকত্বের বৈধতা। যদি লেখককে স্পষ্টভাবে প্রতিষ্ঠিত করা না যায়, তবে এটি রেকর্ডটিকে অনেক কম নির্ভরযোগ্য করে তোলে। আমাদের কাছে যা আছে তা হলো, ঘটনা ঘটার কয়েক দশক পরে লেখা অসংখ্য সূত্র সেই গসপেল লেখকরা তৈরি করেছিলেন, যারা ধর্ম প্রচার করতে চেয়েছিলেন।
**{{cite web|last=পেরি|first=ফিলিপ|title=A Growing Number of Scholars Are Questioning the Historical Existence of Jesus|trans-title=ক্রমবর্ধমান সংখ্যক পণ্ডিত যিশুর ঐতিহাসিক অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন|url=http://bigthink.com/philip-perry/a-growing-number-of-scholars-are-questioning-the-existence-of-jesus|website=BigThink.com|publisher=[[বিগ থিংক|বিগ থিংক (ওয়েবসাইট)]]|accessdate=26 February 2017|date=২০ ডিসেম্বর ২০১৬}}
*যিশুর ঐতিহাসিকতাকে আঁকড়ে ধরার প্রধান কারণটি মূলত ঐতিহাসিক প্রমাণের ওপর নির্ভর করে না, বরং আধুনিক ধর্মতাত্ত্বিক প্রয়োজনীয়তা থেকে উদ্ভূত।
**{{cite book|last=ফহ|first=ইমানুয়েল|editor=Thomas L. Thompson|others=Thomas S. Verenna|title="ইজ দিস নট দ্য কার্পেন্টার?": দ্য কোয়েশ্চেন অব দ্য হিস্টোরিসিটি অব দ্য ফিগার অব জিসাস|url=https://books.google.com/books?id=r4SQZwEACAAJ|year=2012|publisher=ইকুইনক্স|isbn=978-1-84553-986-3|page=৮০f|chapter=জিসাস অ্যান্ড দ্য মিথিক মাইন্ড: অ্যান এপিস্টেমোলজিক্যাল প্রোব্লেম}}
*খ্রিস্ট-পুরাণ তাত্ত্বিকদের মতে, যিশুকে প্রথমে একজন প্রাচীন অলিম্পিয়ান দেবতার মতো দেখা হতো; তিনি নাকি হারকিউলিস ও অ্যাসক্লিপিয়সের মতো পৃথিবীতে একবার এসেছিলেন, মারা গিয়েছিলেন এবং মৃতদের মধ্য থেকে আবার জীবিত হয়েছিলেন [...] খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্ব বলে, কেবল পরবর্তীতে যিশুর অবতার, মৃত্যু এবং পুনরুত্থানকে ঐতিহাসিক, সময়-নির্ধারণযোগ্য এবং সাম্প্রতিক জাগতিক ইতিহাসের একটি অংশে পরিণত করা হয়েছিল। তাহলে খ্রিস্টধর্ম একটি "উচ্চ" ক্রিস্টোলজি দিয়ে শুরু হয়েছিল, কিন্তু এর কোনো ঐতিহাসিক ভিত্তি ছিল না (তাই একে কেউ "ডসেটিক" বলতে পারে)। অন্যদিকে মূলধারার পণ্ডিতদের "অ্যাডপশনিস্টিক" তত্ত্ব বলে, খ্রিষ্টানরা প্রথমে একটি "নিম্ন" ক্রিস্টোলজি ধারণ করত, যেখানে যিশুকে ঈশ্বরের স্তরে নয়, বরং আমাদের স্তরে রাখা হতো। পরবর্তীতে ঐতিহাসিক মানব নাজারেথের যিশুর পৌরাণিকীকরণের প্রক্রিয়ার কাছে তা নতি স্বীকার করে। পছন্দটা হলো একটি ঐতিহাসিক যিশুকে পৌরাণিকীকরণ এবং একটি পৌরাণিক যিশুকে ঐতিহাসিকীকরণের মধ্যে।
::{{cite book|last=প্রাইস|first=রবার্ট এম.|title=ডিকনস্ট্রাক্টিং জিসাস|url=https://books.google.com/books?id=VJh1H-hf5EwC&pg=PA228|year=2000|publisher=প্রমিথিউস|isbn=978-1-61592-120-1|page=২২৮|chapter=দ্য হিস্টোরিসাইজড জিসাস?}}
*যদিও [চার্লস গুইগনেবার্ট] খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্ব (এটি বলে, কোনো ঐতিহাসিক যিশুর অস্তিত্ব ছিল না) বা কোনো পত্রই যে পলের লেখা নয় (ডাচ র্যাডিক্যালদের এই অস্বীকার) গ্রহণ করতে পারেননি, তবুও গুইগনেবার্ট উভয়কেই বেশ গুরুত্ব সহকারে নিয়েছিলেন।
::[[রবার্ট এম. প্রাইস]], টম ফ্লিনের ''দ্য নিউ এনসাইক্লোপিডিয়া অব আনবিলিফ'' (অ্যামহার্স্ট, এনওয়াই: প্রমিথিউস, ২০০৭)-এ পৃষ্ঠা ৩৭২
*এই কাজের ['তোলেডট ইয়েশু'] প্রধান আকর্ষণের একটি দিক হলো এর সময়কাল, যা যিশুকে প্রায় ১০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে স্থাপন করে। এটি কেবল কোনো ভুল নয়, যদিও পাঠ্যের অন্যান্য অংশে ভুল সময় খুঁজে পাওয়া কঠিন নয়। এপিফ্যানিয়াস এবং তালমুদও যিশুর প্রতি ইহুদি এবং ইহুদি-খ্রিষ্টানদের বিশ্বাস প্রমাণ করে, তিনি আমাদের সাধারণ ভাবনার প্রায় এক শতাব্দী আগে বেঁচে ছিলেন। এর থেকে বোঝা যায় সম্ভবত যিশু চরিত্রটি প্রথমে একটি অনৈতিহাসিক পুরাণ ছিল এবং তাঁকে একটি যুক্তিসঙ্গত ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রাখার জন্য বিভিন্ন চেষ্টা করা হয়েছিল, ঠিক যেমনটি হিরোডোটাস এবং অন্যান্যরা হারকিউলিস কখন বেঁচে ছিলেন তা বের করার চেষ্টা করেছিলেন।
**{{cite book|last=প্রাইস|first=রবার্ট এম.|title=দ্য প্রি-নিসিন নিউ টেস্টামেন্ট: ফিফটি-ফোর ফরমেটিভ টেক্সটস|url=https://books.google.com/books?id=InMRAQAAIAAJ|year=2006|publisher=সিগনেচার বুকস|isbn=978-1-56085-194-3|page=২৪০}}
*যিশু খ্রিস্টের ক্ষেত্রে, যেখানে গল্পের প্রায় প্রতিটি বিবরণ পৌরাণিক বীরের মূল আদর্শের সাথে মিলে যায় এবং অতিরিক্ত কিছুই থাকে না, কোনো "ধর্মনিরপেক্ষ" বা জীবনীমূলক তথ্য থাকে না, সেখানে পুরাণের পেছনে একজন ঐতিহাসিক চরিত্রের অস্তিত্ব থাকতে হবে বলে দাবি করাটা অযৌক্তিক হয়ে ওঠে।
**{{cite web|last=প্রাইস|first=রবার্ট এম.|title=Christ a Fiction|trans-title=খ্রিস্ট একটি কল্পকাহিনি|url=https://infidels.org/library/modern/robert_price/fiction.html|accessdate=27 November 2016|date=১৯৯৭}}
*অ্যালান ডান্ডেস দেখিয়েছেন, গসপেলে বর্ণিত যিশুর জীবন লর্ড রাগলান, অটো র্যাঙ্ক এবং অন্যান্যদের দ্বারা বর্ণিত পৌরাণিক বীরের মূল আদর্শের বিশ্বব্যাপী দৃষ্টান্তের সাথে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মিলে যায়।
**{{cite book|last=প্রাইস|first=রবার্ট এম.|year=2000|title=ডিকনস্ট্রাক্টিং জিসাস|url=https://books.google.com/books?id=VJh1H-hf5EwC&pg=PA259|publisher=প্রমিথিউস বুকস, পাবলিশার্স|isbn=978-1-61592-120-1|page=২৫৯}}
*ঐতিহাসিক যিশুর বর্ণনার বদলে গসপেলগুলো জোনা, ডেভিড, মোজেস, এলিজা এবং এলিশার পুনর্লিখিত গল্প দিয়ে কেন পূর্ণ? খুব সম্ভবত কারণ আদি খ্রিষ্টানরা, সম্ভবত নাসোরীয় বা এসেনেসের মতো ইহুদি, সামেরীয় এবং গ্যালিলীয় সাম্প্রদায়িকরা তাদের ত্রাণকর্তাকে আদৌ জাগতিক ইতিহাসের কোনো চরিত্র বলে মনে করত না, ঠিক যেমন আটিস, হারকিউলিস, মিথ্রাস এবং ওসিরিসের ধর্মের ভক্তরা করত না। তাদের দেবতারাও প্রাচীনকালে মারা গিয়েছিলেন এবং পুনরুত্থিত হয়েছিলেন।
**{{cite book|last=প্রাইস|first=রবার্ট এম.|title=দ্য প্রি-নিসিন নিউ টেস্টামেন্ট: ফিফটি-ফোর ফরমেটিভ টেক্সটস|url=https://books.google.com/books?id=InMRAQAAIAAJ|year=2006|publisher=সিগনেচার বুকস|isbn=978-1-56085-194-3|pages=66–67}}
*নির্ভরযোগ্য গসপেল উপাদানের এই বিস্ময়কর অনুপস্থিতি, তার নিজস্ব খাঁটি গতিপথ বরাবর... ঐতিহাসিক যিশুর প্রতি আরেকটি ন্যূনতমতাবাদী দৃষ্টিভঙ্গির সাথে মিলে যেতে শুরু করে, অর্থাৎ, তাঁর কখনোই কোনো অস্তিত্ব ছিল না। বেশিরভাগ ডাচ র্যাডিক্যাল পণ্ডিত ব্রুনো বাউয়ারকে অনুসরণ করে দাবি করেন গসপেলের পুরো ঐতিহ্যটি একজন ত্রাণকর্তার মূলত একটি সাধারণ তথ্যকে ঐতিহাসিক রূপ দেওয়ার জন্য তৈরি করা হয়েছিল। এই ত্রাণকর্তা সম্ভবত রহস্য ধর্ম বা নস্টিকিজম বা এর চেয়েও দূরের কোনো জায়গা থেকে নেওয়া হয়েছিল। আমার কাছে মনে হয়, এই অবস্থানের পক্ষে দেওয়া মূল যুক্তিটি হলো উপমা। যিশু এবং নস্টিক ও রহস্য ধর্মের ত্রাণকর্তাদের মধ্যে এত বেশি ও কাছাকাছি মিল রয়েছে যে তা খারিজ করা যায় না।
**{{cite book|last=প্রাইস|first=রবার্ট এম.|title=দ্য ইনক্রেডিবল শ্রিংকিং সান অব ম্যান: হাউ রিলায়েবল ইজ দ্য গসপেল ট্র্যাডিশন?|url=https://books.google.com/books?id=GmlB-KXsX8kC&pg=PA350|year=2003|publisher=প্রমিথিউস বুকস, পাবলিশার্স|isbn=978-1-61592-028-0|page=৩৫০}}
*চিঠিপত্র থেকে আমাদের কখনোই অনুমান করা উচিত নয় যে যিশু কোনো নির্দিষ্ট ঐতিহাসিক বা রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে মারা গেছেন। কেবল পতিত ফেরেশতারা (কলসীয় ২:১৫), এই যুগের আর্চনরা তাঁকে হত্যা করেছিল। তারা বুঝতে পারেনি যে তারা তাদের নিজেদের ধ্বংস ডেকে আনছে (১ করি. ২:৬-৮)।
**={{cite book|last=প্রাইস|first=রবার্ট এম.|editor=James K. Beilby, Paul Rhodes Eddy|title=দ্য হিস্টোরিক্যাল জিসাস: ফাইভ ভিউজ|url=https://books.google.com/books?id=O33P7xrFnLQC&pg=PA63|date=4 February 2010|publisher=ইন্টারভার্সিটি প্রেস|isbn=978-0-8308-7853-6|page=৬৩|chapter=জিসাস অ্যাট দ্য ভ্যানিশিং পয়েন্ট}}=
*[যিশু নামের ক্ষেত্রে] ফিলিপীয় ২:৯-১১ যদি কোনো ধর্মতাত্ত্বিক সংকোচ ছাড়াই পড়া হয়, তবে মনে হয় এটি বোঝাতে চায়, অন্য সব নামের ঊর্ধ্বে মহিমান্বিত সেই নামটি [যিশু] ত্রাণকর্তা পেয়েছিলেন, কোনো ''কিরিওস'' উপাধি নয়।
**{{cite book|last=প্রাইস|first=রবার্ট এম.|editor=James K. Beilby, Paul Rhodes Eddy|title=দ্য হিস্টোরিক্যাল জিসাস: ফাইভ ভিউজ|url=https://books.google.com/books?id=O33P7xrFnLQC&pg=PA64|date=4 February 2010|publisher=ইন্টারভার্সিটি প্রেস|isbn=978-0-8308-7853-6|page=৬৪|chapter=জিসাস অ্যাট দ্য ভ্যানিশিং পয়েন্ট}}
*সমস্ত চিঠিপত্র কেবল একজন যিশু খ্রিস্ট, ঈশ্বরের পুত্রকে চেনে বলে মনে হয়। তিনি মানুষের পাপের প্রায়শ্চিত্ত হিসেবে মৃত্যুবরণ করতে পৃথিবীতে এসেছিলেন এবং ঈশ্বরের দ্বারা পুনরুত্থিত হয়ে স্বর্গে সিংহাসনে অধিষ্ঠিত হয়েছিলেন।
**{{cite book|last=প্রাইস|first=রবার্ট এম.|editor=James K. Beilby, Paul Rhodes Eddy|title=দ্য হিস্টোরিক্যাল জিসাস: ফাইভ ভিউজ|url=https://books.google.com/books?id=O33P7xrFnLQC&pg=PA65|date=4 February 2010|publisher=ইন্টারভার্সিটি প্রেস|isbn=978-0-8308-7853-6|page=৬৫|chapter=জিসাস অ্যাট দ্য ভ্যানিশিং পয়েন্ট}}
*[কিরিওস ক্রিস্টোস ধর্মের মতে] প্রাচীন ভূমধ্যসাগরীয় বিশ্ব একজন ত্রাণকর্তা দেবতার মৃত্যু ও পুনরুত্থানকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা ধর্মে গভীরভাবে ডুবে ছিল। [...] এই ধর্মগুলো এবং খ্রিস্টধর্মের মধ্যে বিস্তৃত ও মৌলিক মিলগুলো না দেখাটা খুব কঠিন। কিন্তু কোনোভাবে খ্রিষ্টান পণ্ডিতরা এটি দেখতে পাননি, এবং সন্দেহ হয় যে তারা এটি গোঁড়ামির কারণেই করেছেন। [...] কিন্তু আমার কাছে মনে হয় যে রহস্য ধর্মের ত্রাণকর্তাদের পুনরুত্থান যে খ্রিস্টধর্মের আগে ছিল, তার অকাট্য প্রমাণ হলো প্রাচীন খ্রিষ্টান ধর্মরক্ষকরা এটি অস্বীকার করেননি!
**{{cite book|last=প্রাইস|first=রবার্ট এম.|title=ডিকনস্ট্রাক্টিং জিসাস|url=https://books.google.com/books?id=VJh1H-hf5EwC&pg=PA86|year=2000|publisher=প্রমিথিউস|isbn=978-1-61592-120-1|pages=86, 88, 91|chapter=দ্য ক্রাইস্ট কাল্টস}}
*সমালোচকদের একটি নতুন স্রোত ইঙ্গিত দেয় যে সুসমাচার লেখকদের উৎসগুলো ছিল সাহিত্যিক উৎস। র্যান্ডেল হেলমস, জন ডমিনিক ক্রসডান, আর্ল ডোহার্টি এবং অন্যান্যরা দেখিয়েছেন যে সুসমাচারের আখ্যান মূলত কেবল পুনর্লিখিত পুরোনো নিয়মের উপাদান। [র্যান্ডেল হেলমস, ''গসপেল ফিকশনস'' (অ্যামহার্স্ট, এন .ওয়াই.: প্রমিথিউস বুকস, ১৯৮৯); জন ডমিনিক ক্রসডান, ''দ্য ক্রস দ্যাট স্পোক: দ্য অরিজিনস অব দ্য প্যাশন ন্যারেটিভ'' (সান ফ্রান্সিসকো: হার্পার অ্যান্ড রো, ১৯৮৮); থমাস এল. ব্রোডি, "লুক দ্য লিটারারি ইন্টারপ্রেটার: লুক-অ্যাক্টস অ্যাজ আ সিস্টেম্যাটিক রিরাইটিং অ্যান্ড আপডেটিং অব দ্য এলিজা-এলিশা ন্যারেটিভ ইন ১ অ্যান্ড ২ কিংস" (পিএইচ.ডি. অভিসন্দর্ভ, পন্টিফিকাল ইউনিভার্সিটি অব থমাস অ্যাকুইনাস, ১৯৮১); আর্ল ডোহার্টি, ''দ্য জিসাস পাজল: ডিড ক্রিস্টিয়ানিটি বিগিন উইথ আ মিথিক্যাল ক্রাইস্ট''।" (অটোয়া: কানাডিয়ান হিউম্যানিস্ট পাবলিকেশন্স, ১৯৯৯)।]
**{{cite book|last=প্রাইস|first=রবার্ট এম.|title=দ্য ইনক্রেডিবল শ্রিংকিং সান অব ম্যান: হাউ রিলায়েবল ইজ দ্য গসপেল ট্র্যাডিশন?|url=https://books.google.com/books?id=GmlB-KXsX8kC&pg=PA31|year=2003|publisher=প্রমিথিউস বুকস, পাবলিশার্স|isbn=978-1-61592-028-0|pages=31, 41f, n. 14|chapter=সোর্সেস}}
*চারটি গসপেল ও প্রেরিতদের কাজের (অ্যাক্টস) (এবং আরও বিস্তারিতভাবে) ধর্মগ্রন্থগত ভিত্তির জন্য দেখুন রবার্ট এম. প্রাইস, "নিউ টেস্টামেন্ট ন্যারেটিভ অ্যাজ ওল্ড টেস্টামেন্ট মিদ্রাশ," ''এনসাইক্লোপিডিয়া অব মিদ্রাশ: বিবলিক্যাল ইন্টারপ্রিটেশন ইন ফরমেটিভ জুডাইজমে'', সম্পাদিত. জ্যাকব নিউজনার এবং অ্যালান জে. অ্যাভেরি পেক (লিডেন: ব্রিল, ২০০৫), ১:৫৩৪-৭৩। [জন ডমিনিক] ক্রসডান, [র্যান্ডেল] হেলমস, মিলারস [ডেল এবং প্যাট্রিসিয়া] এবং [থমাস এল.] ব্রোডি ছাড়াও আমি জন বোম্যানের কাজের কাছে গভীরভাবে ঋণী, ''দ্য গসপেল অব মার্ক: দ্য নিউ ক্রিস্টিয়ান জিউইশ পাসওভার হাগাদাহ'', স্টুডিয়া পোস্ট-বিবলিকা ৮ (লিডেন: ব্রিল, ১৯৬৫); জে. ডানকান এম. ডেরেট, ''দ্য মেকিং অব মার্ক: দ্য স্ক্রিপচারাল বেসিস অব দ্য আর্লিয়েস্ট গসপেল'', খণ্ড ১ এবং ২ (শিপস্টন-অন-স্টুর, ইউ.কে.: পি. ড্রিংকওয়াটার, ১৯৮৫); ফ্রাংক কারমোড, ''দ্য জেনেসিস অব সিক্রেসি: অন দ্য ইন্টারপ্রিটেশন অব ন্যারেটিভ'', দ্য চার্লস এলিয়ট নরটন লেকচারস ১৯৭৭-১৯৭৮ (কেমব্রিজ, ম্যাস.: হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১৯৭৯); উলফগ্যাং রথ, ''হিব্রু গসপেল: ক্র্যাকিং দ্য কোড অব মার্ক'' (ওক পার্ক, ইল.: মেয়ার-স্টোন বুকস, ১৯৮৮); এবং রিকি ই. ওয়াটস, ''ইসায়াহ'স নিউ এক্সোডাস অ্যান্ড মার্ক'', উইসেনশাফটলিখে আনটারসুচুঙ্গেন জুম নিউয়েন টেস্টামেন্ট ২, রেইহে ৮৮ (টুবিঙ্গেন: মোহর সিয়েবেক, ১৯৯৭)।
**{{cite book|last=প্রাইস|first=রবার্ট এম.|editor=James K. Beilby, Paul Rhodes Eddy|title=দ্য হিস্টোরিক্যাল জিসাস: ফাইভ ভিউজ|url=https://books.google.com/books?id=O33P7xrFnLQC&pg=PA68|date=4 February 2010|publisher=ইন্টারভার্সিটি প্রেস|isbn=978-0-8308-7853-6|page=৬৮, n.39|chapter=জিসাস অ্যাট দ্য ভ্যানিশিং পয়েন্ট}}
*আর্ল ডোহার্টির মতো [পুরাণবাদীরা] বিশ্বাস করেনআদি ক্রিস্টোলজি এমন একজন যিশুকে কল্পনা করেছিল যিনি কখনো পৃথিবীতে আসেননি (তাঁর বিশ্বাসীদের কাছে দর্শন ছাড়া)। ফেরেশতাদের মাঝে তাঁর আত্মত্যাগী মৃত্যু নিম্নতর স্বর্গগুলোর কোনো একটিতে ঘটেছিল, প্রাচীন বিশ্বাস অনুযায়ী যেখানে এই সত্তারা থাকতেন।
**{{cite book|last=প্রাইস|first=রবার্ট এম.|editor=James K. Beilby, Paul Rhodes Eddy|title=দ্য হিস্টোরিক্যাল জিসাস: ফাইভ ভিউজ|url=https://books.google.com/books?id=O33P7xrFnLQC&pg=PA65|date=4 February 2010|publisher=ইন্টারভার্সিটি প্রেস|isbn=978-0-8308-7853-6|page=৬৫|chapter=জিসাস অ্যাট দ্য ভ্যানিশিং পয়েন্ট}}
*[চিঠিপত্রগুলো] আদি খ্রিষ্টান বিশ্বাসের একটি ভিন্ন ধারাকে সংরক্ষণ করে বলে মনে হয়, যার কোনো জাগতিক যিশু ছিল না। এমন একটি খ্রিস্টধর্ম যা "যিশুকে" একজন আধ্যাত্মিক ত্রাণকর্তাকে দেওয়া একটি সম্মানসূচক সিংহাসন-নাম হিসেবে বুঝত। যিনি মহাবিশ্ব শাসনকারী আর্চনদের ওপর বিজয়ী হওয়ার আগে তাদের দ্বারা আক্রান্ত ও নিহত হয়েছিলেন।
**{{cite book|last=প্রাইস|first=রবার্ট এম.|title=দ্য ক্রাইস্ট-মিথ থিওরি অ্যান্ড ইটস প্রোব্লেমস|url=https://books.google.com/books?id=qhyzNAEACAAJ|year=2011|publisher=আমেরিকান অ্যাথিস্ট প্রেস|isbn=978-1-57884-017-5|page=৪২৫|chapter=কনক্লুশন: ডু ইউ “নো” জিসাস?}}
*বোল্যান্ড, ''ডি ইভাঞ্জেলিশে জোজুয়া''; রাইল্যান্ডস, ''দ্য ইভোলিউশন অব ক্রিস্টিয়ানিটি''; রাইল্যান্ডস, ''দ্য বিগিনিংস অব নস্টিক ক্রিস্টিয়ানিটি''; জিন্ডলার, ''দ্য জিসাস দ্য জিউস নেভার নিউ'', ৩৪০, এবং অন্যান্যরাও একইভাবে মনে করতেন, খ্রিস্টধর্ম ভিন্ন ভিন্নভাবে ডায়াস্পোরা জুড়ে হেলেনাইজড ইহুদি বসতিগুলোর মধ্যে শুরু হয়েছিল। যেখানে রূপক ইহুদি উপাদানগুলো নস্টিক পুরাণগুলোর সাথে মিশে গিয়ে প্রায় চেনার অযোগ্য হয়ে গিয়েছিল।
:*{{cite book|last=প্রাইস|first=রবার্ট এম.|title=সিক্রেট স্ক্রোলস: রেভেলেশনস ফ্রম দ্য লস্ট গসপেল নভেলস|url=https://books.google.com/books?id=5VlgCgAAQBAJ&pg=PT91|date=27 December 2010|publisher=উইপফ অ্যান্ড স্টক পাবলিশার্স|isbn=978-1-4982-7142-4|pages=103, n. 5}}
*পলের গতিপথটি যিশুর ইহুদি ধর্মকে পৌত্তলিক করার চেয়ে এর মূল ইহুদি উপাদানগুলো থেকে একটি মহাজাগতিক আধা-দার্শনিক পরিত্রাণের পুরাণ তৈরি করার চেষ্টার বিষয় ছিল।
:*{{cite web|last=প্রাইস|first=রবার্ট এম.|title=Christianity, Diaspora Judaism, and Roman Crisis|trans-title=খ্রিস্টধর্ম, ডায়াস্পোরা ইহুদি ধর্ম ও রোমান সংকট|url=http://www.robertmprice.mindvendor.com/art_diaspora.htm|website=www.robertmprice.mindvendor.com|accessdate=21 June 2017|date=২০০৭}}
*[নস্টিক ক্রাইস্ট কাল্টের ব্যাপারে] ওয়াল্টার স্মিথলস [{{cite book|others=trans. John E. Steely|title=দ্য অফিস অব অ্যাপোস্টল ইন দ্য আর্লি চার্চ|year=1969|publisher=অ্যাবিংডন প্রেস|location=New York}}] "প্রেরিত" শব্দের বেশ কয়েকটি নিউ টেস্টামেন্ট ব্যবহারে বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর অসঙ্গতি, সেইসাথে এই অসঙ্গতিগুলোর কিছু ধরন লক্ষ্য করেছেন। [...] স্মিথলস পদ্ধতিগতভাবে প্রেরিতদের খ্রিষ্টান ধারণার এযাবৎকাল পর্যন্ত প্রস্তাবিত সমস্ত সম্ভাব্য উৎস পরীক্ষা করেছেন এবং অবশেষে এটিকে সিরিয়ান নস্টিকিজম থেকে উদ্ভূত বলে প্রমাণ করেছেন। [...] তবে পল সিরিয়ান নস্টিকিজম গ্রহণ করুন বা না করুন, স্মিথলসের গবেষণাগুলো আমাদের জন্য খ্রিস্টের একটি প্রাক-যিশু ধর্মের ভিত্তি তৈরি করবে, যেখানে খ্রিস্টের সাথে বিশেষ করে নাজারেথের যিশুর কোনো সম্পর্ক ছিল না। শেষ পর্যন্ত এটি হেলেনাইজড যিশু আন্দোলনের কোনো না কোনো রূপের পাশাপাশি পাওয়া যেতে পারে, আমি অনুমান করব যিশুর শহিদ ধর্ম, করিন্থে।
**{{cite book|last=প্রাইস|first=রবার্ট এম.|title=ডিকনস্ট্রাক্টিং জিসাস|url=https://books.google.com/books?id=VJh1H-hf5EwC&pg=PA79|year=2000|publisher=প্রমিথিউস|isbn=978-1-61592-120-1|pages=79f, 83|chapter=দ্য ক্রাইস্ট কাল্টস}}
*কেউ ভাবতে পারে যে এই সমস্ত পণ্ডিতেরা একটি নির্দিষ্ট বিন্দুতে এসে থেমে গেছেন কি না, তাদের অনুমান ছিল। "যিশু যদি একজন ঐতিহাসিক চরিত্র হতেন, তবে তিনি নিশ্চয়ই ''কিছু'' করতেন এবং বলতেন!" কিন্তু তাদের নিজস্ব মাপকাঠি এবং সমালোচনামূলক হাতিয়ার, যা আমরা এখানে নির্মম ধারাবাহিকতার সাথে প্রয়োগ করার চেষ্টা করেছি, তা তাদের সম্পূর্ণ অজ্ঞেয়বাদের দিকে নিয়ে যাওয়া উচিত ছিল।
**{{cite book|last=প্রাইস|first=রবার্ট এম.|title=দ্য ইনক্রেডিবল শ্রিংকিং সান অব ম্যান: হাউ রিলায়েবল ইজ দ্য গসপেল ট্র্যাডিশন?|url=https://books.google.com/books?id=GmlB-KXsX8kC&pg=PA351|year=2003|publisher=প্রমিথিউস বুকস, পাবলিশার্স|isbn=978-1-61592-028-0|page=৩৫১}}
*আমি এই কথা বলার চেষ্টা করছি না যে খ্রিষ্টান ত্রাণকর্তা যিশু খ্রিস্টের একটি একক উৎস ছিল এবং সেই উৎসটি সম্পূর্ণ পুরাণ। বরং আমি বলছি যে সত্যিই এমন একটি পুরাণ থাকতে পারে এবং যদি তাই হয়, তবে এটি শেষ পর্যন্ত অন্যান্য যিশুর ভাবমূর্তির সাথে মিলে যায়, যার কোনো একটি আসলে একজন ঐতিহাসিক নাজারেথের যিশুর ওপর ভিত্তি করেও থাকতে পারে।
**{{cite book|last=প্রাইস|first=রবার্ট এম.|title=ডিকনস্ট্রাক্টিং জিসাস|url=https://books.google.com/books?id=VJh1H-hf5EwC&pg=PA85|year=2000|publisher=প্রমিথিউস বুকস, পাবলিশার্স|isbn=978-1-61592-120-1|page=৮৫}}
*এটা কি ...সম্ভব যে খ্রিষ্টান কিংবদন্তির দাগকাটা কাচের পর্দার নিচে এবং পেছনে খ্রিস্টধর্মের একজন ঐতিহাসিক প্রতিষ্ঠাতার অস্পষ্ট চরিত্র দাঁড়িয়ে আছে? হ্যাঁ, এটা সম্ভব, সম্ভবত একজন ঐতিহাসিক [[মোজেস|মোজেস]] থাকার চেয়ে একটু বেশিই সম্ভব, একজন ঐতিহাসিক [[অ্যাপোলোনিয়াস অব টায়ানা|অ্যাপোলোনিয়াস অব টায়ানা]] থাকার মতোই সম্ভব। তবে এমনটা ভাবা প্রায় অযৌক্তিক হয়ে ওঠে।
**{{cite journal|last=প্রাইস|first=রবার্ট এম.|title=Of Myth and Men: A Closer Look at the Originators of the Major Religions - What Did They Really Say and Do?|trans-title=পুরাণ ও মানুষের কথা: প্রধান ধর্মগুলোর প্রতিষ্ঠাতাদের ওপর একটি নিবিড় দৃষ্টি - তারা আসলে কী বলেছিলেন ও করেছিলেন?|journal=[[ফ্রি ইনকোয়ারি|ফ্রি ইনকোয়ারি ম্যাগাজিন]]|date=৩১ ডিসেম্বর ১৯৯৯|volume=20|issue=1|url=http://www.secularhumanism.org/index.php/articles/2756}}
*আমাদের মনে রাখতে হবে যে ''ঐকমত্য কোনো মাপকাঠি নয়''। সত্য মাঝে নাও থাকতে পারে। সত্য সংখ্যাগরিষ্ঠের কাছে নাও থাকতে পারে। প্রতিটি তত্ত্ব এবং ব্যক্তিগত যুক্তিকে তার নিজস্ব যোগ্যতায় মূল্যায়ন করতে হবে। এর বদলে আমরা যদি "গৃহীত মতামত" বা "পণ্ডিতদের ঐকমত্যের" কাছে আবেদন করি, তবে আমরা কেবল আমাদের নিজেদের দায়িত্বই ত্যাগ করছি না, বরং ''সংখ্যাগরিষ্ঠের কাছে আবেদন'' করার ভুলও করছি।
**{{cite book|last=প্রাইস|first=রবার্ট এম.|editor=James K. Beilby, Paul Rhodes Eddy|title=দ্য হিস্টোরিক্যাল জিসাস: ফাইভ ভিউজ|url=https://books.google.com/books?id=O33P7xrFnLQC&pg=PA61|date=4 February 2010|publisher=ইন্টারভার্সিটি প্রেস|isbn=978-0-8308-7853-6|page=৬১|chapter=জিসাস অ্যাট দ্য ভ্যানিশিং পয়েন্ট}}
*আমরা এখানে এই অবস্থানের কথা বলছি না যে যিশুর কোনো ঐতিহাসিক অস্তিত্ব ছিল না, যা নিজেই একটি পুরোপুরি বৈধ তত্ত্ব এবং গম্ভীর আলোচনার দাবি রাখে। আমরা যেসব বিভ্রমের কথা ভাবছি তা হলো অতিরঞ্জিত বা অযৌক্তিক ব্যাখ্যা [যা পৌরাণিক দৃষ্টিভঙ্গির কিছু অনুসারী দাবি করে।]
**{{cite book|last=গুইগনেবার্ট|first=চার্লস|title=জিসাস|url=https://books.google.com/books?id=Cqg9AAAAYAAJ|year=1956|publisher=ইউনিভার্সিটি বুকস|page=৬৪}}
:[যদিও চার্লস গুইগনেবার্ট] খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্ব (এটি বলে, কোনো ঐতিহাসিক যিশুর অস্তিত্ব ছিল না) বা কোনো পত্রই যে পলের লেখা নয় (ডাচ র্যাডিক্যালদের এই অস্বীকার) গ্রহণ করতে পারেননি, তবুও গুইগনেবার্ট উভয়কেই বেশ গুরুত্ব সহকারে নিয়েছিলেন।
::{{cite book|last=প্রাইস|first=রবার্ট এম.|editor=Tom Flynn, Richard Dawkins|title=দ্য নিউ এনসাইক্লোপিডিয়া অব আনবিলিফ|url=https://books.google.com/books?id=fsZ26vQxJKMC&pg=PA372|year=2007|publisher=প্রমিথিউস বুকস, পাবলিশার্স|isbn=978-1-61592-280-2|page=৩৭২|chapter=গুইগনেবার্ট, চার্লস}}
*যদিও [চার্লস গুইগনেবার্ট] খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্ব (এটি বলে, কোনো ঐতিহাসিক যিশুর অস্তিত্ব ছিল না) বা কোনো পত্রই যে পলের লেখা নয় (ডাচ র্যাডিক্যালদের এই অস্বীকার) গ্রহণ করতে পারেননি, তবুও গুইগনেবার্ট উভয়কেই বেশ গুরুত্ব সহকারে নিয়েছিলেন।
::[[রবার্ট এম. প্রাইস]], টম ফ্লিনের ''দ্য নিউ এনসাইক্লোপিডিয়া অব আনবিলিফ'' (অ্যামহার্স্ট, এনওয়াই: প্রমিথিউস, ২০০৭)-এ পৃষ্ঠা ৩৭২
==R==
*যদিও মার্ক্সীয় প্রচারণামূলক লেখকরা মনে করেনযিশু কখনোই বেঁচে ছিলেন না এবং গসপেলগুলো কল্পনার নিখাদ সৃষ্টি, তবে এটি সবচেয়ে চরমপন্থী গসপেল সমালোচকদেরও মতামত নয়।
::বার্নার্ড এল. র্যাম, ''অ্যান ইভ্যাঞ্জেলিক্যাল ক্রিস্টোলজি: ইকিউমেনিক অ্যান্ড হিস্টোরিক'', ভ্যাঙ্কুভার: রিজেন্ট কলেজ পাবলিশিং, ১৯৯৯, পৃষ্ঠা ১৫৯
*ঐতিহ্যগত খ্রিস্টধর্ম এবং প্রথাগত খ্রিস্টধর্মকে একজন একক ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠাতার দিকে টেনে নিয়ে যাওয়ার যেকোনো চেষ্টা, উভয়ই প্রমাণের ভিত্তিতে ভেঙে পড়ে। [...] যে এজিয়ান শহরগুলোতে পলের চিঠিপত্র রূপ নিয়েছিল, সেখানে অবতার ঈশ্বরের পুরাণ [অর্থাৎ শুরু থেকেই] ধর্মের ভিত্তি ছিল, কোনো ঐতিহাসিক যিশুর জীবন নয়। পল নাজারেথের যিশু সম্পর্কে ঠিক ততটুকুই জানেন, যতটা সিনপটিকগুলো প্রাক-অস্তিত্বশীল খ্রিস্ট সম্পর্কে জানে।
**{{cite book|last=রবার্টসন|first=আর্চিবল্ড|title=দ্য অরিজিনস অব ক্রিস্টিয়ানিটি|url=https://books.google.com/books?id=TXcOAQAAIAAJ|edition=2|year=1962|publisher=ইন্টারন্যাশনাল পাবলিশার্স|page=৯৬|chapter=কনক্লুশন}}
*খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্ব (যে যিশু কখনোই বেঁচে ছিলেন না) এই শতাব্দীর শুরুতে কিছুটা জনপ্রিয়তা পেয়েছিল কিন্তু এটি সমসাময়িক পাণ্ডিত্য দ্বারা সমর্থিত নয়।
::অ্যালান রিচার্ডসন, ''দ্য পলিটিক্যাল ক্রাইস্ট'', লন্ডন: এসসিএম, ১৯৭৩, পৃষ্ঠা ১১৩
*পুরাণবাদীরা... পেশাদার ধর্মতত্ত্ববিদদের কাছ থেকে ন্যায্য আচরণ পায় না। তারা হয় তাকে নীরবতার ষড়যন্ত্র দিয়ে মোকাবিলা করে অথবা, যদি তা অসম্ভব হয়, তবে তাকে এমন একজন অপেশাদার হিসেবে বিবেচনা করে যাঁর একাডেমিক যোগ্যতার অভাব... তাঁর মতামতকে মূল্যহীন করে দেয়। এই ধরনের আচরণ স্বাভাবিকভাবেই পুরাণবাদীদের আক্রমণাত্মক করে তোলে। (এ. রবার্টসন, ''জিসাস: মিথ অর হিস্ট্রি?'', x [xii]।)
::{{cite book|last=রবার্টসন|first=আর্চিবল্ড|title=জিসাস: মিথ অর হিস্ট্রি?|url=https://archive.org/stream/jesusmythorhisto035413mbp#page/n7/mode/2up|publisher=ওয়াটস অ্যান্ড কোং|location=London|year=1946|series=[[থিঙ্কার্স লাইব্রেরি|থিঙ্কার্স লাইব্রেরি, নং ১১০]]|page=xii}}
:*[[আর্চিবল্ড রবার্টসন (নাস্তিক)|আর্চিবল্ড রবার্টসন]] এপি. {{cite book|last=এহরম্যান|first=বার্ট ডি.|title=ডিড জিসাস এক্সিস্ট?: দ্য হিস্টোরিক্যাল আর্গুমেন্ট ফর জিসাস অব নাজারেথ|url=https://books.google.com/books?id=hf5Rj8EtsPkC&pg=PT15|date=20 March 2012|publisher=হার্পারকলিন্স|isbn=978-0-06-208994-6|pages=20, 348, n. 12}}
*যৌক্তিকভাবে কেবল এটুকুই দাবি করা যেতে পারে যে যিশু নামের একজন শিক্ষক বা শিক্ষকগণ, বা ভিন্ন ভিন্ন নামের একাধিক শিক্ষক যাঁদের মসিহ বলা হতো, তারা হয়তো বিভিন্ন সময়ে, সম্ভবত পলের চিঠিপত্র লেখার পরে এই শিক্ষাগুলোর কিছু মসিহসুলভভাবে বলেছিলেন।
**{{cite book|last=রবার্টসন|first=জন ম্যাকিনন|title=ক্রিস্টিয়ানিটি অ্যান্ড মাইথোলজি|url=https://archive.org/details/christianitymyth00robe|year=1910|publisher=ওয়াটস অ্যান্ড কোং|page=১২৫}}
*যিশু নামের একজন মানুষ, একজন অখ্যাত ধর্মীয় শিক্ষক, এই কল্পিত খ্রিস্টের ভিত্তি হিসেবে প্রায় উনিশশো বছর আগে ফিলিস্তিনে বসবাস করতেন, তা সত্য হতে পারে। কিন্তু এই মানুষটি সম্পর্কে আমরা কিছুই জানি না। তাঁর জীবনী লেখা হয়নি।
**{{cite book|last=রেমসবার্গ|first=জন এলিয়াজার|title=দ্য ক্রাইস্ট: আ ক্রিটিক্যাল রিভিউ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস অব দ্য এভিডেন্সেস অব হিজ এক্সিস্টেন্স|url=https://archive.org/details/christcriticalre00rems|year=1909|publisher=ট্রুথ সিকার কোম্পানি|page=২৪}}
*[এল. জি. রাইল্যান্ডসের ''দ্য বিগিনিংস অব নস্টিক ক্রিস্টিয়ানিটি'', ওয়াটস অ্যান্ড কোং. লন্ডন, ১৯৪০-এর মতে] রাইল্যান্ডসের দৃষ্টিভঙ্গি সংক্ষেপে হলো, হেলেনীয় আগ্রাসন ধর্মীয় বিশ্বে আলোড়ন নিয়ে এসেছিল। ইহুদি ধর্মের ওপর গ্রিক দর্শন ও প্রাচ্যের ধর্মতত্ত্বের প্রভাবের কারণে অনেক মিশ্রণ ঘটেছিল। গড়ে ওঠা অনেক ইহুদি সম্প্রদায়ের মধ্যে খ্রিস্টধর্ম ছিল একটি। পৃষ্ঠা ২২। এই আলোড়নে নস্টিক ধারণাগুলো গড়ে উঠেছিল, যা মূলত প্রাচ্যের দর্শন ও পুরাণ থেকে এসেছিল, যা পরবর্তীতে খ্রিষ্টান নৈতিকতার জন্ম দিয়েছিল। মূলত, প্রথমে যে খ্রিস্টধর্ম গড়ে উঠেছিল তা গভীরভাবে আধ্যাত্মিক ছিল, অর্থাৎ, পল ও জন একজন মানব বস্তুবাদী খ্রিস্ট সম্পর্কে জানতেন না। ক্যাথলিক ধর্মতত্ত্ব বস্তুবাদী দিকটি পরিচয় করিয়ে দেয়। নস্টিকরা আসলে [প্রকৃত] পলিন এবং জোহানাইন চিন্তাধারার প্রতিনিধিত্ব করত। ৭০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে [প্রোটো-অর্থোডক্স] মানুষেরা একজন বলিদান হওয়া যিশুর উপাসনা করছিল; এই মানুষেরা একটি সম্প্রদায় ছিল, শুরুতে কোনো গির্জা নয়। কিন্তু তারা আধিপত্য বিস্তার করে। নস্টিকরা আদিম [উচ্চ] পলিন এবং জোহানাইন ক্রিস্টোলজি ত্যাগ করতে অস্বীকার করে [প্রত্যাখ্যান করে]। পৃষ্ঠা ২৭২ "নস্টিক ক্রিস্টোলজি আসল ছিল, এটি একটি স্বর্গীয় খ্রিস্টের উপাসনা করত, এটি একজন মানব যিশু সম্পর্কে জানত না।" পৃষ্ঠা ২৭৯।
::{{cite book|last=রাইল্যান্ডস|first=লুই গর্ডন|title=দ্য বিগিনিংস অব নস্টিক ক্রিস্টিয়ানিটি|url=https://books.google.com/books?id=es3YAAAAMAAJ|year=1940|publisher=ওয়াটস}}
:*{{cite book|last=গ্রোনিঞ্জেন|first=জেরার্ড ভ্যান|title=ফার্স্ট সেঞ্চুরি নস্টিসিজম: ইটস অরিজিন অ্যান্ড মোটিফস|url=https://books.google.com/books?id=kMgUAAAAIAAJ&pg=PA80|year=1967|publisher=ব্রিল আর্কাইভ|pages=79–80, n. 3|chapter=ক্রিস্টিয়ানিটি}}
*খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্ব (যে যিশু কখনোই বেঁচে ছিলেন না) এই শতাব্দীর শুরুতে কিছুটা জনপ্রিয়তা পেয়েছিল কিন্তু এটি সমসাময়িক পাণ্ডিত্য দ্বারা সমর্থিত নয়।
::অ্যালান রিচার্ডসন, ''দ্য পলিটিক্যাল ক্রাইস্ট'', লন্ডন: এসসিএম, ১৯৭৩, পৃষ্ঠা ১১৩
* "দ্য ক্রাইস্ট" নামক এই খণ্ডটি এমন একজনের দ্বারা লেখা হয়েছে যিনি স্ট্রস ও রেনানের যিশুকে একটি মধ্যবর্তী ধাপ হিসেবে স্বীকার করেন, কিন্তু গোঁড়া খ্রিস্টধর্ম ও কট্টর মুক্তচিন্তার মধ্যে চূড়ান্ত ধাপ হিসেবে নয়। '''খ্রিস্ট বলতে নতুন নিয়মের যিশুকে বোঝানো হয়েছে। নতুন নিয়মের যিশুই হলেন খ্রিস্টধর্মের খ্রিস্ট। নতুন নিয়মের যিশু একজন অতিপ্রাকৃত সত্তা। খ্রিস্টের মতোই তিনিও একটি পুরাণ। তিনি হলেন খ্রিস্ট পুরাণ।''' [...] '''আমি মানব যিশুর বিরুদ্ধে লিখছি না, বরং ধর্মতত্ত্বের খ্রিস্ট যিশুর বিরুদ্ধে লিখছি''' [...] নাজারেথের যিশু, মানবতার যিশু, যাঁর সাধারণ জীবন এবং মর্মান্তিক মৃত্যুর করুণ কাহিনী লক্ষ লক্ষ মানুষের সহানুভূতি জাগিয়েছে, তিনি একজন সম্ভাব্য চরিত্র এবং তাঁর অস্তিত্ব থাকতে পারে; কিন্তু '''বেথেলহেমের যিশু, খ্রিস্টধর্মের খ্রিস্ট, একটি অসম্ভব চরিত্র এবং তাঁর কোনো অস্তিত্ব নেই।''' [...] যদিও সমস্ত মুক্তচিন্তাবিদরা একমত যে নতুন নিয়মের খ্রিস্ট একটি পুরাণ, তবুও তারা, যেমনটি আমরা দেখেছি, এই পুরাণের প্রকৃতি সম্পর্কে সম্পূর্ণ একমত নন এবং হয়তো কখনোই হবেন না। কেউ কেউ বিশ্বাস করেনতিনি একটি ঐতিহাসিক পুরাণ; অন্যরা মনে করেন তিনি একটি নিখাদ পুরাণ। কেউ কেউ বিশ্বাস করেনযিশু, একজন বাস্তব ব্যক্তি, ছিলেন এই খ্রিস্টের বীজ যাঁকে পরবর্তী প্রজন্মগুলো ধীরে ধীরে বিকশিত করেছে; অন্যরা যুক্তি দেন যে মানুষ যিশুর পাশাপাশি খ্রিস্টও পুরোপুরি মানুষের কল্পনার সৃষ্টি। প্রতিটি অনুমানের সমর্থনে দেওয়া প্রমাণ ও যুক্তিগুলো যত্ন সহকারে ওজন করার পর, লেখক কোনো একটি সম্পর্কে গোঁড়া স্বীকৃতি প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকলেও, প্রথমটিকে বেশি সম্ভাব্য বলে গ্রহণ করতে বাধ্য হয়েছেন।
::{{cite book | last = রেমসবার্গ | first = জন ই. | title = দ্য ক্রাইস্ট | publisher = ট্রুথ সিকার কোং | year = 1909 | location = New York | url = http://www.gutenberg.org/ebooks/46986 | isbn = 0879759240}}
*যিশুর ঐতিহাসিকতার সমস্যার আলোচনা দুটি ভাগে বিভক্ত—(১) যিশু কেন ঐতিহাসিক ব্যক্তি হতে পারেন না, তা বিশ্বাস করার কারণগুলোর একটি বিবৃতি; (২) খ্রিস্টধর্মের উৎপত্তির ব্যাখ্যা করবে এমন একটি তত্ত্ব নির্মাণ।
::{{cite book|last=রাইল্যান্ডস|first=এল. গর্ডন|title=দ্য লিটারারি গাইড অ্যান্ড র্যাশনালিস্ট রিভিউ|url=https://books.google.com/books?id=Lr3UAAAAMAAJ|volume=57:8|year=1942|page=১০৭|chapter=বুক নোটিস: ''জিসাস নট আ মিথ''। বাই এ. ডি. হাওয়েল স্মিথ (ওয়াটস) ২১০ পিপি.}}
* [জে. এম.] রবার্টসন একজন ঐতিহাসিক যিশুর (সম্ভবত একাধিক) সম্ভাবনা স্বীকার করতে প্রস্তুত, যিনি গসপেলের গল্পে কিছু অবদান রেখেছেন। "যিশু নামের একজন শিক্ষক বা শিক্ষকগণ, বা ভিন্ন ভিন্ন নামের একাধিক শিক্ষক যাঁদের মসিহ বলা হতো" (যাঁদের মধ্যে অনেকের রেকর্ড রয়েছে) তারা হয়তো গসপেলের কিছু কথা বলেছিলেন।
:# তালমুদের যিশু, যাঁকে ক্রুশবিদ্ধ করার ঐতিহ্যগত তারিখের এক শতাব্দীরও বেশি আগে পাথর ছুঁড়ে হত্যা এবং ফাঁসিতে ঝোলানো হয়েছিল, তিনি সত্যিই বেঁচে থাকতে পারেন এবং ঐতিহ্যে কিছু অবদান রাখতে পারেন।
:# একজন ঐতিহাসিক যিশু হয়তো "রোমান শাসনের ধ্বংসাত্মক রাজনৈতিক মতবাদ প্রচার করেছিলেন, এবং... তার কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছিল"; এবং খ্রিষ্টান লেখকরা রোমানদের খুশি করতে গিয়ে সত্যগুলো গোপন করে থাকতে পারেন।
:# অথবা স্থানীয় খ্যাতিসম্পন্ন একজন গ্যালিলীয় বিশ্বাস-নিরাময়কারীকে সামাজিক অস্থিরতার কোনো এক সময়ে মানব বলি হিসেবে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে; এবং তাঁর গল্পটি পুরাণের সাথে মিলে যেতে পারে।
:পুরাণ তত্ত্ব এমন একটি সম্ভাবনা [যে যিশু একজন মানুষ হিসেবে বেঁচে ছিলেন] অস্বীকার করার জন্য চিন্তিত নয়। '''পুরাণ তত্ত্ব যা অস্বীকার করে তা হলো, খ্রিস্টধর্মকে এমন একজন ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠাতার সাথে যুক্ত করা যেতে পারে যিনি গসপেলগুলোতে বর্ণিত হিসেবে শিক্ষা দিয়েছিলেন এবং সেখানে লিপিবদ্ধ পরিস্থিতিতে তাঁকে হত্যা করা হয়েছিল'''
::{{cite book|last=রবার্টসন|first=আর্চিবল্ড|title=জিসাস: মিথ অর হিস্ট্রি?|url=https://archive.org/stream/jesusmythorhisto035413mbp#page/n63/mode/2up|publisher=ওয়াটস অ্যান্ড কোং|location=London|year=1946|series=[[থিঙ্কার্স লাইব্রেরি|থিঙ্কার্স লাইব্রেরি, নং ১১০]]|page=৪৪}}
*[পল-লুই কৌচাউডের মতে] যিশু সম্পর্কে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য সত্যটি হলো... তিনি একজন ঈশ্বর। পল, বেঁচে থাকা সবচেয়ে প্রাচীন খ্রিষ্টান লেখক (যাঁর আটটি বিখ্যাত চিঠিকে কৌচাউড মূলত খাঁটি বলে মনে করেন, যদিও সেগুলো অনেক বেশি সম্পাদিত এবং প্রক্ষিপ্ত), যিশুকে ঈশ্বর হিসেবেই দেখেন।
::{{cite book|last=রবার্টসন|first=আর্চিবল্ড|title=জিসাস: মিথ অর হিস্ট্রি?|url=https://archive.org/stream/jesusmythorhisto035413mbp#page/n7/mode/2up|publisher=ওয়াটস অ্যান্ড কোং|location=London|year=1946|series=[[থিঙ্কার্স লাইব্রেরি|থিঙ্কার্স লাইব্রেরি, নং ১১০]]|page=৫৮}}
* এই যিশু সম্পর্কে আমরা প্রায় কিছুই জানি না। আমরা খ্রিস্টধর্ম হিসেবে যা চিনতে পারি, তিনি তার কিছুরই প্রতিষ্ঠাতা নন। তিনি কেবল ঐতিহাসিক পর্যালোচনার একটি স্বতঃসিদ্ধ সত্য—এক হারানো কারণের একজন মৃত নেতা, যাঁর নামে কিছু কথা চালিয়ে দেওয়া যেতে পারে এবং যাঁকে ঘিরে একটি কিংবদন্তি লেখা যেতে পারে।
::{{cite book|last=রবার্টসন|first=আর্চিবল্ড|title=জিসাস: মিথ অর হিস্ট্রি?|url=https://archive.org/stream/jesusmythorhisto035413mbp#page/n126/mode/1up|publisher=ওয়াটস অ্যান্ড কোং|location=London|year=1946|series=[[থিঙ্কার্স লাইব্রেরি|থিঙ্কার্স লাইব্রেরি, নং ১১০]]|page=১০৭}}
*[জে. এম.] [[জে. এম. রবার্টসন|রবার্টসন]] একজন ঐতিহাসিক যিশুর (সম্ভবত একাধিক) সম্ভাবনা স্বীকার করতে প্রস্তুত, যিনি গসপেলের গল্পে কিছু অবদান রেখেছেন। "যিশু নামের একজন শিক্ষক বা শিক্ষকগণ, বা ভিন্ন ভিন্ন নামের একাধিক শিক্ষক যাঁদের মসিহ বলা হতো" (যাঁদের মধ্যে অনেকের রেকর্ড রয়েছে) তারা হয়তো গসপেলের কিছু কথা বলেছিলেন। (জে. এম. রবার্টসন, ''ক্রিস্টিয়ানিটি অ্যান্ড মাইথোলজি'', সংশোধিত সংস্করণ, পৃষ্ঠা ১২৫) [...] পুরাণ তত্ত্ব যা অস্বীকার করে তা হলো, খ্রিস্টধর্মকে এমন একজন ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠাতার সাথে যুক্ত করা যেতে পারে যিনি গসপেলগুলোতে বর্ণিত হিসেবে শিক্ষা দিয়েছিলেন এবং সেখানে লিপিবদ্ধ পরিস্থিতিতে তাঁকে হত্যা করা হয়েছিল।
**{{cite book|last=রবার্টসন|first=আর্চিবল্ড|title=জিসাস: মিথ অর হিস্ট্রি?|url=https://archive.org/stream/jesusmythorhisto035413mbp#page/n7/mode/2up|publisher=ওয়াটস অ্যান্ড কোং|location=London|year=1946|series=[[থিঙ্কার্স লাইব্রেরি|থিঙ্কার্স লাইব্রেরি, নং ১১০]]|page=৪৪}}
*জে. এম. রবার্টসন কর্তৃক বর্ণিত পুরাণ তত্ত্ব একজন ঐতিহাসিক যিশুর সম্ভাবনাকে বাতিল করে না। "যিশু নামের একজন শিক্ষক বা শিক্ষকগণ" হয়তো "বিভিন্ন সময়ে" গসপেলের কিছু কথা বলেছিলেন। তালমুদের যিশু বেন-প্যানডেরা হয়তো এমন একটি আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন যার চারপাশে প্রাচীন সৌর বা অন্যান্য ধর্মের বেঁচে থাকা অংশগুলো ধীরে ধীরে জড়ো হয়েছিল। এমনকি এটি "খুব একটা অসম্ভব নয় যে যিশু নামে কয়েকজন ছিলেন যারা নিজেদের মসিহ বলে দাবি করতেন।" এই আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা হয়তো একটি ধ্বংসাত্মক রাজনৈতিক মতবাদ প্রচার করে মারা গিয়েছিলেন এবং পরবর্তী লেখকরা সত্যগুলো গোপন করে থাকতে পারেন। যিশু নামের একজন গ্যালিলীয় বিশ্বাস-নিরাময়কারীকে হয়তো সামাজিক অস্থিরতার কোনো এক সময়ে ধর্মান্ধ কৃষকরা মানব বলি হিসেবে উৎসর্গ করেছিল।
**{{cite book|last=রবার্টসন|first=আর্চিবল্ড|title=জিসাস: মিথ অর হিস্ট্রি?|url=https://archive.org/stream/jesusmythorhisto035413mbp#page/n7/mode/2up|publisher=ওয়াটস অ্যান্ড কোং|location=London|year=1946|series=[[থিঙ্কার্স লাইব্রেরি|থিঙ্কার্স লাইব্রেরি, নং ১১০]]|pages=99-100}}
==স==
*যিশু আর যা-ই করুন বা না করুন, তিনি নিঃসন্দেহে* সেই প্রক্রিয়াটি শুরু করেছিলেন যা পরে খ্রিস্টধর্মে পরিণত হয়েছিল…
:নিঃসন্দেহে: এই প্রস্তাব নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, কিন্তু যেসব বিকল্প ব্যাখ্যা প্রস্তাব করা হয়েছে—যেমন "খ্রিস্ট-পুরাণ ঘরানার" তত্ত্বগুলো—সেগুলো পুরোপুরি খারিজ হয়ে গেছে।
::মর্টন স্মিথ, ''জিসাস দ্য ম্যাজিশিয়ান'', নিউ ইয়র্ক: হার্পার অ্যান্ড রো, ১৯৭৮, পৃষ্ঠা ৫ এবং ১৬৬
*অধ্যাপক ওয়েলস যখন গসপেলের গল্পগুলোর এমন একটি ব্যাখ্যা [অর্থাৎ খ্রিস্ট পুরাণ তত্ত্ব] দেন, তখন তিনি আমাদের সামনে তাঁর ব্যক্তিগত পুরাণের এমন একটি অংশ তুলে ধরেন, যা আমার কাছে গসপেলের যেকোনো কিছুর চেয়েও বেশি অবিশ্বাস্য মনে হয়।
::মর্টন স্মিথ, আর. জোসেফ হফম্যানের ''জিসাস ইন হিস্ট্রি অ্যান্ড মিথে'', অ্যামহার্স্ট, এনওয়াই: প্রমিথিউস, ১৯৮৬, পৃষ্ঠা ৪৮
*বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকের ছদ্মপাণ্ডিত্য যিশুর ঐতিহাসিক বাস্তবতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে মূলত একটি পূর্বনির্ধারিত অবস্থানকে প্রমাণ করার সরল প্রচেষ্টা ছিল।
::জেরার্ড স্টিফেন স্লোয়ান, ''দ্য ক্রুসিফিক্সন অব জিসাস: হিস্ট্রি, মিথ, ফেইথ'', মিনিয়াপোলিস: ফোর্ট্রেস প্রেস, ১৯৯৫, পৃষ্ঠা ৯
*যিশুর ঐতিহাসিকতার পক্ষের ও বিপক্ষের দাবিগুলো পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, যারা তাঁকে অনৈতিহাসিক প্রমাণ করতে চান তারা ধর্ম ও মতবাদের ইতিহাস এবং বিশেষ করে প্রাচীন ঐতিহ্যের ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে তাদের প্রতিপক্ষের চেয়ে অনেক বেশি ও গভীর সমস্যার মুখোমুখি হন। সামগ্রিকভাবে দেখলে তাদের এই সমস্যাগুলোর কোনো সম্ভাব্য সমাধান নেই বলেই মনে করতে হবে। এর সাথে যুক্ত হয়েছে এ পর্যন্ত যিশু কখনোই ছিলেন না বলে তুলে ধরা সমস্ত অনুমানগুলো কাজ করার পদ্ধতি এবং গসপেল বিবরণের ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে একে অপরের সম্পূর্ণ বিপরীত। তাই এগুলো কেবল একে অপরকে বাতিল করে দেয়। সুতরাং আমাদের উপসংহারে আসতে হবে, যিশুর অস্তিত্ব ছিল এই অনুমানটি অত্যন্ত সম্ভাব্য, অন্যদিকে এর বিপরীতটি অত্যন্ত অসম্ভাব্য। এর অর্থ এই নয় যে পরেরটি সময়ে সময়ে আবার প্রস্তাব করা হবে না, ঠিক যেমন যিশুর জীবনের রোমান্টিক দৃষ্টিভঙ্গিও অমর হওয়ার ভাগ্য নিয়ে জন্মেছে। এটি এমনকি কিছু পাণ্ডিত্যপূর্ণ কৌশলের সাহায্যে নিজেকে সাজাতে সক্ষম এবং সামান্য দক্ষ কারসাজির মাধ্যমে বিপুল সংখ্যক মানুষের ওপর অনেক প্রভাব ফেলতে পারে। কিন্তু এটি যখন 'ধর্মতত্ত্বের' সাথে কোলাহলপূর্ণ বিতর্কে জড়ানোর চেয়ে বেশি কিছু করে এবং প্রকৃত প্রমাণ তৈরির ঝুঁকি নেয়, তখন এটি অবিলম্বে নিজেকে একটি অবাস্তব অনুমান হিসেবে প্রকাশ করে।
::আলবার্ট শোয়েইটজার, ''দ্য কোয়েস্ট অব দ্য হিস্টোরিক্যাল জিসাস'', অনুবাদক জন বোডেন এবং অন্যান্য, মিনিয়াপোলিস: ফোর্ট্রেস, ২০০১, পৃষ্ঠা ৪৩৫–৪৩৬
*আলোকায়নের পর থেকে যিশুর জীবন সম্পর্কে গসপেলের গল্পগুলো সন্দেহের মুখে পড়েছে। সে সময়কার বুদ্ধিজীবীরা আজকের মতোই প্রশ্ন করতেন: 'নতুন নিয়মের গল্পগুলোকে ঈশপের গল্প বা গ্রিমের রূপকথার চেয়ে ঐতিহাসিকভাবে বেশি সম্ভাব্য করে তোলে কী?' সমালোচকদের সন্তোষজনকভাবে উত্তর দেওয়া যেতে পারে... এর কঠোর মানদণ্ডের জন্য, [বিব্রতকর] মানদণ্ডটি প্রমাণ করে, যিশু অস্তিত্বশীল ছিলেন।
::অ্যালান এফ. সেগাল, "বিলিভ অনলি দ্য এমব্যারাসিং", স্লেট, ২০০৫
*উনিশ শতকের কিছু যুক্তিবাদী দাবি করতেন যে তাঁর কখনোই কোনো অস্তিত্ব ছিল না, গসপেলগুলো একজন আদর্শ ইহুদির চিত্র তুলে ধরেছে যিনি বাস্তবে ছিলেনই না। একদল জার্মান ও ব্রিটিশ লেখক এই ঐতিহাসিক অর্থহীনতা তৈরি করতে পারতেন, যার কিছুটা আবার ফিরে এসেছে। এর চেয়ে সম্রাট [[নারভা|নারভা]] কখনোই ছিলেন না তা প্রতিষ্ঠা করা সহজ হবে, যেই নামটি ডমিশিয়ান এবং ট্রাজানের মধ্যবর্তী বছরগুলোর অজ্ঞতার শূন্যস্থান পূরণের জন্য তৈরি করা হয়েছিল।
::জেরার্ড স্টিফেন স্লোয়ান, ''জিসাস: ওয়ার্ড মেইড ফ্লেশ'', কলেজভিল, এমএন: লিটার্জিক্যাল প্রেস, ২০০৮, পৃষ্ঠা ১৬০
*১৯১০-এর দশকে কয়েকজন পণ্ডিত যুক্তি দিয়েছিলেন যে যিশু কখনোই ছিলেন না এবং তিনি কেবল কাল্পনিক চিন্তার ফসল। যিশুর ঐতিহাসিকতার এই অস্বীকার এখন আর পণ্ডিতদের কাছে, তা তারা মধ্যপন্থী হোন বা চরমপন্থী, গ্রহণযোগ্য নয়। … "খ্রিস্ট-পুরাণ" তত্ত্বগুলো আজ পণ্ডিতদের দ্বারা গৃহীত বা এমনকি আলোচিতও হয় না।
::স্যামুয়েল স্যান্ডমেল, ''আ জিউইশ আন্ডারস্ট্যান্ডিং অব দ্য নিউ টেস্টামেন্ট'', নিউ ইয়র্ক: কেটাভ, ১৯৭৪, পৃষ্ঠা ১৯৬
*আজকাল প্রায় সমস্ত ইতিহাসবিদ, তারা খ্রিষ্টান হোন বা না হোন, স্বীকার করেনযিশুর অস্তিত্ব ছিল এবং গসপেলগুলোতে প্রচুর মূল্যবান প্রমাণ রয়েছে যা গুরুত্বের সাথে বিবেচনা ও মূল্যায়ন করা উচিত। পলের সম্ভাব্য ব্যতিক্রম ছাড়া, আমরা প্রথম বা দ্বিতীয় শতাব্দীর অন্য যেকোনো ইহুদি বা পৌত্তলিক ধর্মীয় শিক্ষকের চেয়ে নাজারেথের যিশু সম্পর্কে অনেক বেশি জানি বলে সাধারণ ঐকমত্য রয়েছে।
::গ্রাহাম স্ট্যান্টন, ''দ্য গসপেলস অ্যান্ড জিসাস'' (২য় সংস্করণ), অক্সফোর্ড: অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস, ২০০২, পৃষ্ঠা xxiii
*পল আমাদের দেখান যে আদি খ্রিস্টধর্ম যিশুর জাগতিক জীবনের প্রতি কতটা সম্পূর্ণ উদাসীন ছিল।
**{{cite book|last=শোয়েইটজার|first=আলবার্ট|title=দ্য কোয়েস্ট অব দ্য হিস্টোরিক্যাল জিসাস|url=https://books.google.com/books?id=7UPLuZZ8NHIC&pg=PA342#v=onepage&q&f=false|year=1910|page=৩৪২|orig-year=1906}}
*আমি এলডিএস [ল্যাটার ডে সেন্টস] পরিসংখ্যান থেকে জানতাম যে আদি খ্রিস্টধর্মের বৃদ্ধি কোনোভাবেই বিস্ময়কর ছিল না। ইতিহাস যে সময় দেয় তার মধ্যে খ্রিষ্টানদের সংখ্যা ৬০ লক্ষে পৌঁছানোর জন্য দশকে ৪০ শতাংশ বৃদ্ধির হার প্রয়োজন ছিল, যা সাম্প্রতিক এলডিএস হারের চেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে কম (স্টার্ক ১৯৯৬এ:৭, ১৪)।
**{{cite book|last=স্টার্ক|first=রডনি|last2=নিলসন|first2=রিড এল.|title=দ্য রাইজ অব মরমনইজম|url=https://books.google.com/books?id=wO6Ui_48mRcC&pg=PA23|date=14 August 2012|publisher=কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটি প্রেস|isbn=978-0-231-50991-6|page=২৩}}
*ঐতিহাসিকভাবে, [যিশু] খ্রিস্ট আদৌ কখনো অস্তিত্বশীল ছিলেন কি না তা বেশ সন্দেহজনক, এবং যদি তিনি [অস্তিত্বশীল] থেকেও থাকেন, আমরা তাঁর সম্পর্কে কিছুই জানি না।
**{{cite book|last=রাসেল|first=বারট্রান্ড|title=হোয়াই আই অ্যাম নট আ ক্রিস্টিয়ান: অ্যান্ড আদার এসেজ অন রিলিজিয়ন অ্যান্ড রিলেটেড সাবজেক্টস|url=https://books.google.com/books?id=pc0x2bxOSUgC&pg=PA16|year=1957|publisher=সিমন অ্যান্ড শুস্টার|isbn=978-0-671-20323-8|page=১৬}}
*মর্টন স্মিথ যেমনটি মন্তব্য করেছেন, [জি. এ.] ওয়েলসের যুক্তি মূলত নীরবতার যুক্তির ওপর ভিত্তি করে... তিনি দাবি করেন "অজ্ঞাত প্রোটো-খ্রিষ্টানদের জন্য যারা একটি অপ্রমাণিত পুরাণ গড়ে তোলে... এমন এক অনির্দিষ্ট অতিপ্রাকৃত সত্তা সম্পর্কে যাঁকে অনির্দিষ্ট সময়ে ঈশ্বর মানবজাতিকে বাঁচাতে মানুষের রূপে পৃথিবীতে পাঠিয়েছিলেন এবং তাঁকে ক্রুশবিদ্ধ করা হয়েছিল"।
::{{cite book|last=স্মিথ|first=মর্টন|editor=R. Joseph Hoffmann, Gerald A. Larue|title=জিসাস ইন হিস্ট্রি অ্যান্ড মিথ|url=https://books.google.com/books?id=PdnYAAAAMAAJ|year=1986|publisher=প্রমিথিউস বুকস|isbn=978-0-87975-332-0|pages=47–48|chapter=দ্য হিস্টোরিক্যাল জিসাস}}
:*[[মর্টন স্মিথ]] এপি. {{cite book|last=ভুরস্ট|first=রবার্ট ভ্যান|title=জিসাস আউটসাইড দ্য নিউ টেস্টামেন্ট: অ্যান ইন্ট্রোডাকশন টু দ্য অ্যানসিয়েন্ট এভিডেন্স|url=https://books.google.com/books?id=lwzliMSRGGkC&pg=PA14|date=13 April 2000|publisher=ডব্লিউএম. বি. ইয়ার্ডম্যানস পাবলিশিং|isbn=978-0-8028-4368-5|pages=14f, n. 34|quote=(Morton Smith, “The Historical Jesus,” in ''Jesus in Myth and History''. ed. R. Joseph Hoffmann and Gerald A. Larue [Buffalo: Prometheus, 1986] 47-48)}}
*যিশুর ঐতিহাসিকতার পক্ষের ও বিপক্ষের দাবিগুলো পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, যারা তাঁকে অনৈতিহাসিক প্রমাণ করতে চান তারা ধর্ম ও মতবাদের ইতিহাস এবং বিশেষ করে প্রাচীন ঐতিহ্যের ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে তাদের প্রতিপক্ষের চেয়ে অনেক বেশি ও গভীর সমস্যার মুখোমুখি হন। সামগ্রিকভাবে দেখলে তাদের এই সমস্যাগুলোর কোনো সম্ভাব্য সমাধান নেই বলেই মনে করতে হবে। এর সাথে যুক্ত হয়েছে এ পর্যন্ত যিশু কখনোই ছিলেন না বলে তুলে ধরা সমস্ত অনুমানগুলো কাজ করার পদ্ধতি এবং গসপেল বিবরণের ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে একে অপরের সম্পূর্ণ বিপরীত। তাই এগুলো কেবল একে অপরকে বাতিল করে দেয়। সুতরাং আমাদের উপসংহারে আসতে হবে, যিশুর অস্তিত্ব ছিল এই অনুমানটি অত্যন্ত সম্ভাব্য, অন্যদিকে এর বিপরীতটি অত্যন্ত অসম্ভাব্য। এর অর্থ এই নয় যে পরেরটি সময়ে সময়ে আবার প্রস্তাব করা হবে না, ঠিক যেমন যিশুর জীবনের রোমান্টিক দৃষ্টিভঙ্গিও অমর হওয়ার ভাগ্য নিয়ে জন্মেছে। এটি এমনকি কিছু পাণ্ডিত্যপূর্ণ কৌশলের সাহায্যে নিজেকে সাজাতে সক্ষম এবং সামান্য দক্ষ কারসাজির মাধ্যমে বিপুল সংখ্যক মানুষের ওপর অনেক প্রভাব ফেলতে পারে। কিন্তু এটি যখন 'ধর্মতত্ত্বের' সাথে কোলাহলপূর্ণ বিতর্কে জড়ানোর চেয়ে বেশি কিছু করে এবং প্রকৃত প্রমাণ তৈরির ঝুঁকি নেয়, তখন এটি অবিলম্বে নিজেকে একটি অবাস্তব অনুমান হিসেবে প্রকাশ করে।
::আলবার্ট শোয়েইটজার, ''দ্য কোয়েস্ট অব দ্য হিস্টোরিক্যাল জিসাস'', ২০০১, পৃষ্ঠা ৪৩৫–৪৩৬ [তাঁর কাজ, গেশিখটে ডের লেবেন-জিসু-ফরশুং, ২য় সংস্করণের ১৯১৩ সালের সংশোধিত সংস্করণের ইংরেজি অনুবাদ।]
*তাঁর জীবনীর দুটি প্রাচীনতম রেকর্ডকে খাঁটি ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে প্রদান করে সিনপটিক সমস্যার ওপর তাঁর প্রকাশিত কাজটি ইতিমধ্যে "খ্রিস্ট-পুরাণ" তত্ত্বকে—যে যিশু ঐতিহাসিক ব্যক্তি হিসেবে কখনোই ছিলেন না—ধ্বংস করতে সাহায্য করেছিল।"
::জর্জ সিভার, ''আলবার্ট শোয়েইটজার: দ্য ম্যান অ্যান্ড হিজ মাইন্ড'', নিউ ইয়র্ক: হার্পার, ১৯৫৫, পৃষ্ঠা ৪৫
*[''দ্য হিস্টোরিসিটি অব জিসাস'' (১৯১২) বইয়ের একটি পর্যালোচনার মতে] "নতুন নিয়মের উপাত্ত যিশুর পার্থিব জীবনের বাস্তবতার প্রমাণের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ পরিষ্কার"... ''ইকে ডিউসে'' বর্ণিত সম্পূর্ণ প্রতীকী ব্যাখ্যাকে উপেক্ষা করে। যদি এই ব্যাখ্যাটি অনেকাংশে সঠিক হয়, তবে নতুন নিয়মের উপাত্ত প্রশ্নবিদ্ধ ঐতিহাসিকতার বিরুদ্ধে তাদের প্রমাণের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ পরিষ্কার বলে মনে হবে। যতক্ষণ না সেই ব্যাখ্যার ভুল দেখানো হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত অধ্যাপক [এস. জে.] কেসের সারসংক্ষেপের এই প্রধান যুক্তিটি ধোপে টেকে না।
::{{cite book|last=স্মিথ|first=উইলিয়াম বেঞ্জামিন|editor=Paul Carus|title=দ্য ওপেন কোর্ট, আ মান্থলি ম্যাগাজিন|volume=26:10|year=1912|publisher=দ্য ওপেন কোর্ট পাবলিশিং কো.|pages=613f|chapter=[https://books.google.com/books?id=XLhZAAAAYAAJ&pg=PA604 দ্য হিস্টোরিসিটি অব জিসাস]|quote=Case, S. J. (1912). The Historicity of Jesus. University of Chicago Press. p. 269f.}}
*যিশুর জীবনী লেখার সমালোচনামূলক মূল্য সন্দেহজনক। কিংবদন্তি ঐতিহাসিক তথ্যগুলোকে অনেক বেশি রঙিন করেছে, এবং বাইরের সমর্থনমূলক প্রমাণ খুবই দুর্বল...
::{{cite book|last1=স্মিথ|first1=এ. ডি. হাওয়েল|title=ইন সার্চ অব দ্য রিয়েল বাইবেল|date=1943|publisher=ওয়াটস|location=London|page=৮৭|url=https://archive.org/stream/in.ernet.dli.2015.46389/2015.46389.In-Search-Of-The-Real-Bible#page/n97/mode/1up|series=[[থিঙ্কার্স লাইব্রেরি|থিঙ্কার্স লাইব্রেরি, নং ৯৮]]}}
*"তাঁর জীবনীর দুটি প্রাচীনতম রেকর্ডকে খাঁটি ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে প্রদান করে সিনপটিক সমস্যার ওপর তাঁর প্রকাশিত কাজটি ইতিমধ্যে "খ্রিস্ট-পুরাণ" তত্ত্বকে—যে যিশু ঐতিহাসিক ব্যক্তি হিসেবে কখনোই ছিলেন না—ধ্বংস করতে সাহায্য করেছিল।"
::জর্জ সিভার, ''আলবার্ট শোয়েইটজার: দ্য ম্যান অ্যান্ড হিজ মাইন্ড'', নিউ ইয়র্ক: হার্পার, ১৯৫৫, পৃষ্ঠা ৪৫
*সব পুরাণবাদীরা খ্রিস্টধর্মের উৎপত্তি এবং যিশু পুরাণের সঠিক ব্যাখ্যা হিসেবে কী মনে করেন, তা নিয়ে একে অপরের সাথে একমত নন। [...] [কিছু পুরাণবাদী] দাবি করেনখ্রিষ্টীয় যুগের শুরুতে যিশু নামের কোনো সাধারণ মানুষ আদৌ ছিলেন কি না, তা প্রমাণ বা অপ্রমাণ করা আজ অসম্ভব।
::{{cite book|last=স্টেইন|first=গর্ডন|editor=Stein|title=অ্যান অ্যান্থোলজি অব অ্যাথিজম অ্যান্ড র্যাশনালিজম|url=https://books.google.com/books?id=w4_XAAAAMAAJ|year=1980|publisher=প্রমিথিউস বুকস|isbn=978-0-87975-136-4|page=১৮২|chapter=দ্য হিস্টোরিসিটি অব জিসাস}}
==T==
*জিন্ডলার মাধ্যমিক কাজের ওপর নির্ভর করেন এবং খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্ব, অর্থাৎ ঐতিহাসিক যিশু কখনোই ছিলেন না—এই তত্ত্ব প্রমাণের উদ্দেশ্যে লেখেন।
:::জন টি. টাউনসেন্ড, আইজ্যাক কলিমি ও পিটার জে. হাসের ''বিবলিক্যাল ইন্টারপ্রিটেশন ইন জুডাইজম অ্যান্ড ক্রিস্টিয়ানিটি''-তে "ক্রিস্টিয়ানিটি ইন রাব্বিনিক লিটারেচার" (নিউ ইয়র্ক: টি. অ্যান্ড টি. ক্লার্ক, ২০০৬) পৃষ্ঠা ১৫০
*[প্রথম দুই শতাব্দী থেকে যিশুর অ-খ্রিষ্টান উল্লেখগুলো] যিশুর অস্তিত্বটাই যে খ্রিষ্টানদের আবিষ্কার ছিল, এমন সব অকল্পনীয় তত্ত্বকে অত্যন্ত অবাস্তব করে তোলে। এই সত্যটি যে যিশু ছিলেন, পন্টিয়াস পিলেটের অধীনে তাঁকে (যেকোনো কারণেই হোক) ক্রুশবিদ্ধ করা হয়েছিল এবং তাঁর একদল অনুসারী ছিল যারা তাঁর লক্ষ্যকে সমর্থন করতে থাকে, এগুলো ঐতিহাসিক ঐতিহ্যের ভিত্তির অংশ বলে মনে হয়। অন্য কিছু না হলেও, অন্তত এই বিষয়ে অ-খ্রিষ্টান প্রমাণ আমাদের নিশ্চিত করতে পারে।
::ক্রিস্টোফার এম. টাকেট, ''দ্য কেমব্রিজ কম্প্যানিয়ন টু জিসাসে'' "সোর্সেস অ্যান্ড মেথডস", লন্ডন: কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস, ২০০১, পৃষ্ঠা ১২৪
*একাডেমিক জগতে, যিশু তাঁর জীবদ্দশার সম্রাট অগাস্টাস এবং টাইবেরিয়াসের মতোই অস্তিত্বশীল ছিলেন, তা নিয়ে আর কোনো সন্দেহ থাকতে পারে না। এমনকি যদি আমরা একটু সময়ের জন্য ধরেও নিই যে তাঁকে উল্লেখ করা বাইবেলের বাইরের লেখকদের—ফ্ল্যাভিয়াস জোসেফাস, ট্যাসিটাস, সুয়েটোনিয়াস, প্লিনি দ্য ইয়াংগার এবং অন্যান্যদের—বর্ণনাগুলো টিকে থাকেনি, তবুও গসপেল, পলের চিঠিপত্র এবং নতুন নিয়মের অন্যান্য লেখার অসামান্য মান ইতিহাসবিদদের জন্য প্রয়োজনের চেয়েও ভালো।
::কার্স্টেন পিটার থিয়েড, ''জিসাস, ম্যান অর মিথ?'', অক্সফোর্ড: লায়ন, ২০০৫, পৃষ্ঠা ২৩
*জিন্ডলার মাধ্যমিক কাজের ওপর নির্ভর করেন এবং খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্ব, অর্থাৎ ঐতিহাসিক যিশু কখনোই ছিলেন না—এই তত্ত্ব প্রমাণের উদ্দেশ্যে লেখেন।
::জন টি. টাউনসেন্ড, আইজ্যাক কলিমি ও পিটার জে. হাসের ''বিবলিক্যাল ইন্টারপ্রিটেশন ইন জুডাইজম অ্যান্ড ক্রিস্টিয়ানিটি''-তে "ক্রিস্টিয়ানিটি ইন রাব্বিনিক লিটারেচার" (নিউ ইয়র্ক: টি. অ্যান্ড টি. ক্লার্ক, ২০০৬) পৃষ্ঠা ১৫০
*এই অনুমানগুলো যে (১) গসপেলগুলো ঐতিহাসিক যিশু সম্পর্কে এবং (২) প্রত্যাশাগুলো যা কোনো গল্পের কাহিনীতে ভূমিকা রাখে, সেগুলো ঐতিহাসিক যিশু এবং আদি ইহুদি ধর্মেরও প্রত্যাশা ছিল ...তার কোনো যৌক্তিকতা নেই।
**{{cite book|last=থম্পসন|first=থমাস এল.|title=দ্য মেসিয়াহ মিথ: দ্য নিয়ার ইস্টার্ন রুটস অব জিসাস অ্যান্ড ডেভিড|url=https://books.google.com/books?id=5bSkxEucWDAC&pg=PA8|date=20 April 2009|publisher=বেসিক বুকস|isbn=978-0-7867-3911-0|page=৮|chapter=হিস্টোরিসাইজিং দ্য ফিগার অব জিসাস, দ্য মেসিয়াহ}}
*একটি নিবন্ধে ('দ্য হিস্টোরিওগ্রাফি অব দ্য পেন্টাটিউচ: ২৫ ইয়ারস আফটার হিস্টোরিসিটি' স্ক্যান্ডিনেভিয়ান জার্নাল অব দ্য ওল্ড টেস্টামেন্ট ১৩, ১৯৯৯, ২৫৮-২৮৩) আমি আলোচনা করেছি কেন আমি মনে করি বাইবেলের বর্ণনার চরিত্রগুলোর ঐতিহাসিকতা প্রতিষ্ঠা করা খুব কঠিন। কারণ বিষয়টি মূলত আমরা যেই পাঠ্যগুলো নিয়ে কাজ করছি, সেগুলোর মানের সাথে সম্পর্কিত। আমি আমার ২০০৫ সালের মেসিয়াহ মিথ গ্রন্থে এই বিষয়ে আরও কাজ করেছি। এখানে আমি যুক্তি দিয়েছি যে সিনপটিক গসপেলগুলো যিশু চরিত্রের ঐতিহাসিকতা প্রতিষ্ঠা করতে খুব কমই ব্যবহৃত হতে পারে; কারণ যেই ঘটনাগুলো ও কথাগুলো দিয়ে যিশুর চরিত্রটি উপস্থাপন করা হয়েছে, তা উভয়ই ছাঁচে ঢালা এবং এর ইতিহাস কয়েক শতাব্দী পুরোনো। আমি মোটেও এমনটা দেখাইনি বা দাবি করিনি যে যিশুর অস্তিত্ব ছিল না। বরং, আমি হোমারের মতো চরিত্রগুলোর সম্পর্কে আমাদের জ্ঞানের সাথে যিশু সম্পর্কে আমাদের জ্ঞানের তুলনা করেছি। যেই মুহূর্তে আমরা এমন একটি ঐতিহাসিক চরিত্র শনাক্ত করার চেষ্টা করি, তখনই আমরা বুঝতে পারি, আমরা গল্পের মূল উপাদানগুলো নিয়ে কথা বলছি।
::থম্পসন, থ. এল. ১৯৭৪। দ্য হিস্টোরিসিটি অব দ্য প্যাট্রিয়ার্কাল ন্যারেটিভস: দ্য কোয়েস্ট ফর দ্য হিস্টোরিক্যাল আব্রাহাম, বিজেডএডব্লিউ, ভলিউম ১৩৩, বার্লিন: ডি গ্রুটার।
::{{cite journal|last=থম্পসন|first=থমাস|title=Historiography in the pentateuch: Twenty-five years after historicity|trans-title=পেন্টাটিউচের ইতিহাস রচনা: ঐতিহাসিকতার পঁচিশ বছর পর|journal=স্ক্যান্ডিনেভিয়ান জার্নাল অব দ্য ওল্ড টেস্টামেন্ট|date=1999|volume=13|issue=2|pages=258–283|doi=10.1080/09018329908585157|url=http://www.tandfonline.com/doi/abs/10.1080/09018329908585157}}
:*{{cite web|author=থমাস এল. থম্পসন|title=The Bible and Interpretation - Is This Not the Carpenter’s Son?|trans-title=দ্য বাইবেল অ্যান্ড ইন্টারপ্রিটেশন - ইনি কি ছুতোরের ছেলে নন?|url=http://www.bibleinterp.com/articles/tho368005.shtml|website=www.bibleinterp.com|accessdate=19 September 2016|location=Comments section|date=10 July 2012}} মন্তব্য #৪ - থমাস এল. থম্পসন - ০৭/১০/২০১২ - ০৯:১১।
*গসপেলগুলো আসলে জীবনী কি না—কোনো ঐতিহাসিক ব্যক্তির জীবন সম্পর্কে বর্ণনা কি না—তা সন্দেহজনক। এদের শিক্ষামূলক এবং কিংবদন্তি চরিত্র ঐতিহাসিক পুনর্গঠনের জন্য এদের মান কমিয়ে দেয়। নতুন নিয়মের পণ্ডিতেরা সাধারণত এই মতামত পোষণ করেনএকজন ঐতিহাসিক ব্যক্তি খ্রিস্টের (বা মসিহ) চেয়ে অনেক ভিন্ন হবেন। যাঁর সাথে, উদাহরণস্বরূপ, মার্কের গসপেলের লেখক তাঁর যিশুকে (হিব্রু: জশুয়া = ত্রাণকর্তা) চিহ্নিত করেছেন, এবং এই বলে তাঁর বই শুরু করেছেন: "ঈশ্বরপুত্র যিশু খ্রিস্টের সুসমাচারের শুরু।"
**{{cite book|last=থম্পসন|first=থমাস এল.|title=দ্য মেসিয়াহ মিথ: দ্য নিয়ার ইস্টার্ন রুটস অব জিসাস অ্যান্ড ডেভিড|url=https://books.google.com/books?id=5bSkxEucWDAC&pg=PA3|date=20 April 2009|publisher=বেসিক বুকস|isbn=978-0-7867-3911-0|page=৩|chapter=হিস্টোরিসাইজিং দ্য ফিগার অব জিসাস, দ্য মেসিয়াহ}}
*পল যে বার্তার প্রচার করেন তার মূল কথাগুলো যারা যিশুর সাথে ছিলেন তাদের কাছ থেকে আসে না, যাঁদের পল ব্যঙ্গ করে "গির্জার তথাকথিত স্তম্ভ" বলে ডাকেন, এবং যোগ করেন "তারা কে তা আমার কাছে কোনো অর্থ রাখে না" (গালাতীয় ২:৬)। বরং পল যেই কণ্ঠস্বর, দর্শন এবং প্রত্যাদেশগুলো "শুনছেন" এবং "দেখছেন", তা থেকে এগুলো আসে। কারো কারো কাছে এটি একটি শক্তিশালী ভিত্তি। কিন্তু বেশিরভাগ ইতিহাসবিদ সহ অনেকের কাছেই এই ধরনের "ঐতিহ্য" নির্ভরযোগ্য ঐতিহাসিক সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করা যায় না। (জেমস ট্যাবর, "পল অ্যাজ ক্লেয়ারভয়্যান্ট," সংগৃহীত ২১/০৯/২০১২, http://jamestabor.com/2012/05/23/paul-as-clairvoyant-2)।
**[[জেমস ট্যাবর]] এপি. {{cite journal|last=ল্যাটাস্টার|first=রাফায়েল|title=Questioning the Plausibility of Jesus Ahistoricity Theories — A Brief Pseudo-Bayesian Metacritique of the Sources|trans-title=যিশুর অনৈতিহাসিকতা তত্ত্বের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন — সূত্রগুলোর একটি সংক্ষিপ্ত ছদ্ম-বয়েসিয়ান মেটাক্রিটিক|journal=দ্য ইন্টারমাউন্টেন ওয়েস্ট জার্নাল অব রিলিজিয়াস স্টাডিজ|date=2015|volume=6:1|pages=68|url=http://digitalcommons.usu.edu/cgi/viewcontent.cgi?article=1053&context=imwjournal}}
==ভ==
*অর্থাৎ আমরা যদি খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্বগুলোকে বাদ দিই, তবে সেগুলোকে গম্ভীর সমালোচনার পরিসরে অন্তর্ভুক্ত বলে গণ্য করা যায় না।
::আলেকজান্ডার রোপার ভিডলার, ''দ্য মডার্নিস্ট মুভমেন্ট ইন দ্য রোমান চার্চ'', লন্ডন: কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১৯৩৪, পৃষ্ঠা ২৫৩
*যদিও ওয়েলস সম্ভবত অনৈতিহাসিকতা তত্ত্বের সবচেয়ে যোগ্য প্রবক্তা ছিলেন, কিন্তু তিনি বিশ্বাসযোগ্য হতে পারেননি এবং এখন তিনি প্রায় একাই এই তত্ত্বের পক্ষে কথা বলছেন। যিশুর অস্তিত্বহীনতার তত্ত্বটি এখন পণ্ডিতদের কাছে মৃত।" এবং "অনৈতিহাসিকতা থিসিস সবসময়ই বিতর্কিত ছিল এবং এটি ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন শাখা ও ধর্মীয় বিশ্বাসের পণ্ডিতদের বিশ্বাস করাতে ব্যর্থ হয়েছে... বাইবেলের পণ্ডিতরা এবং ধ্রুপদী ইতিহাসবিদরা এখন এটিকে কার্যকরভাবে খণ্ডিত বলে মনে করেন।
::রবার্ট ই. ভ্যান ভুরস্ট, ''জিসাস আউটসাইড দ্য নিউ টেস্টামেন্ট: অ্যান ইন্ট্রোডাকশন টু দ্য অ্যানসিয়েন্ট এভিডেন্স'', গ্র্যান্ড র্যাপিডস: ইয়ার্ডম্যানস, ২০০০, পৃষ্ঠা ১৪ এবং ১৬
*[ব্রুনো বাউয়ার] এই দৃষ্টিভঙ্গি প্রচার করেন খ্রিস্টধর্ম তার শুরুতে সমন্বয়বাদী এবং পৌরাণিক ছিল।
**{{cite book|last=ভুরস্ট|first=রবার্ট ভ্যান|title=জিসাস আউটসাইড দ্য নিউ টেস্টামেন্ট: অ্যান ইন্ট্রোডাকশন টু দ্য অ্যানসিয়েন্ট এভিডেন্স|url=https://books.google.com/books?id=lwzliMSRGGkC&pg=PA9|date=13 April 2000|publisher=ডব্লিউএম. বি. ইয়ার্ডম্যানস পাবলিশিং|isbn=978-0-8028-4368-5|page=৯}}
*[ব্রুনো] বাউয়ার যুক্তি দিয়েছিলেন যে খ্রিস্টধর্ম এবং এর খ্রিস্টের জন্ম রোম ও আলেকজান্দ্রিয়ায় হয়েছিল। রোমান স্টোইসিজম, গ্রিক নিও-প্লাটোনিজম এবং ইহুদি ধর্মের অনুসারীরা একত্রিত হয়ে এমন একটি নতুন ধর্ম তৈরি করেছিল, যার একজন প্রতিষ্ঠাতা প্রয়োজন ছিল।
**{{cite book|last=ভুরস্ট|first=রবার্ট ভ্যান|title=জিসাস আউটসাইড দ্য নিউ টেস্টামেন্ট: অ্যান ইন্ট্রোডাকশন টু দ্য অ্যানসিয়েন্ট এভিডেন্স|url=https://books.google.com/books?id=lwzliMSRGGkC&pg=PA9|date=13 April 2000|publisher=ডব্লিউএম. বি. ইয়ার্ডম্যানস পাবলিশিং|isbn=978-0-8028-4368-5|page=৯}}
*[জি. এ.] ওয়েলস যুক্তি দেন যে গসপেলগুলোতে এমন অনেক কিছু রয়েছে যা প্রদর্শনযোগ্যভাবে কিংবদন্তি। এগুলো ঐতিহাসিক নয়, বরং ধর্মতাত্ত্বিক উদ্দেশ্য দ্বারা পরিচালিত।
**{{cite book|last=ভুরস্ট|first=রবার্ট ভ্যান|title=জিসাস আউটসাইড দ্য নিউ টেস্টামেন্ট: অ্যান ইন্ট্রোডাকশন টু দ্য অ্যানসিয়েন্ট এভিডেন্স|url=https://books.google.com/books?id=lwzliMSRGGkC&pg=PA13|year=2000|publisher=ডব্লিউএম. বি. ইয়ার্ডম্যানস পাবলিশিং|isbn=978-0-8028-4368-5|page=১৩}}
*[জি. এ.] ওয়েলস যিশুকে পলের অতীন্দ্রিয়বাদ থেকে উদ্ভূত একটি পৌরাণিক চরিত্র হিসেবে ব্যাখ্যা করেন। প্রথম শতাব্দীর শেষের দিকের অন্যান্য খ্রিষ্টানদের [গসপেল লেখার সময়] যাঁর জন্য একটি জীবনী তৈরি করতে হয়েছিল।
**{{cite book|last=ভুরস্ট|first=রবার্ট ভ্যান|title=জিসাস আউটসাইড দ্য নিউ টেস্টামেন্ট: অ্যান ইন্ট্রোডাকশন টু দ্য অ্যানসিয়েন্ট এভিডেন্স|url=https://books.google.com/books?id=lwzliMSRGGkC&pg=PA13|year=2000|publisher=ডব্লিউএম. বি. ইয়ার্ডম্যানস পাবলিশিং|isbn=978-0-8028-4368-5|page=১৩}}
*[ব্রুনো বাউয়ার] যিশুর অস্তিত্ব প্রতিষ্ঠায় নতুন নিয়ম, বিশেষ করে গসপেল এবং পলের চিঠিপত্রের মূল্য অস্বীকার করেছিলেন।
**{{cite book|last=ভুরস্ট|first=রবার্ট ভ্যান|title=জিসাস আউটসাইড দ্য নিউ টেস্টামেন্ট: অ্যান ইন্ট্রোডাকশন টু দ্য অ্যানসিয়েন্ট এভিডেন্স|url=https://books.google.com/books?id=lwzliMSRGGkC&pg=PA9|year=2000|publisher=ডব্লিউএম. বি. ইয়ার্ডম্যানস পাবলিশিং|isbn=978-0-8028-4368-5|page=৯}}
*''দ্য জিসাস মিথ'' (১৯৯৯) [অনুযায়ী], [জি. এ.] ওয়েলস ...এখন স্বীকার করেনহারিয়ে যাওয়া প্রাথমিক "গসপেল" "কিউ" (ম্যাথিউ এবং লুক দ্বারা ব্যবহৃত অনুমানমূলক সূত্র) থেকে যিশুর অস্তিত্বের কিছু ঐতিহাসিক ভিত্তি রয়েছে। ওয়েলস বিশ্বাস করেনএটি এতটাই পুরোনো ও নির্ভরযোগ্য যে যিশুর অস্তিত্ব থাকার সম্ভাবনা রয়েছে, যদিও এই যিশু পরবর্তী ক্যানোনিকাল গসপেলগুলোতে চিত্রিত খ্রিস্ট ছিলেন না।
**{{cite book|last=ভুরস্ট|first=রবার্ট ভ্যান|editor=James Leslie Houlden|title=জিসাস ইন হিস্ট্রি, থট, অ্যান্ড কালচার: অ্যান এনসাইক্লোপিডিয়া|url=https://books.google.com/books?id=17kzgBusXZIC&pg=PA660|year=2003|publisher=এবিসি-ক্লিও|isbn=978-1-57607-856-3|page=৬৬০}}
*যারা গত দুইশ বছরে যিশুর অস্তিত্ব নিয়ে সন্দেহ করেছেন, তারা যুক্তি দিয়েছেন যে ধ্রুপদী লেখকদের দ্বারা যিশুর সমসাময়িক সমর্থন না থাকাটা তাঁর অস্তিত্ব না থাকার একটি প্রধান ইঙ্গিত। (দেখুন, উদাহরণস্বরূপ, ''দ্য এক্সিস্টেন্স অব ক্রাইস্ট ডিসপ্রুভড'' (লন্ডন: হিথারিংটন, ১৮৪১) ২১৪। সাম্প্রতিককালে দেখুন মাইকেল মার্টিন, ''দ্য এভিডেন্স অ্যাগেইনস্ট ক্রিস্টিয়ানিটি'' (ফিলাডেলফিয়া: টেম্পল ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১৯৯১)।)
**{{cite book|last=ভুরস্ট|first=রবার্ট ভ্যান|title=জিসাস আউটসাইড দ্য নিউ টেস্টামেন্ট: অ্যান ইন্ট্রোডাকশন টু দ্য অ্যানসিয়েন্ট এভিডেন্স|url=https://books.google.com/books?id=lwzliMSRGGkC&pg=PA69|year=2000|publisher=ডব্লিউএম. বি. ইয়ার্ডম্যানস পাবলিশিং|isbn=978-0-8028-4368-5|page=৬৯, n. ১২০}}
*[ব্রুনো বাউয়ার] যুক্তি দিয়েছিলেন যে প্রথম শতাব্দীর অ-খ্রিষ্টান লেখায় যিশুর উল্লেখের অভাব প্রমাণ করে, যিশুর অস্তিত্ব ছিল না। দ্বিতীয় শতাব্দীর শুরুতে রোমান লেখকদের দ্বারা যিশুর কয়েকটি উল্লেখও তাঁর অস্তিত্ব প্রমাণ করে না।
**{{cite book|last=ভুরস্ট|first=রবার্ট ভ্যান|title=জিসাস আউটসাইড দ্য নিউ টেস্টামেন্ট: অ্যান ইন্ট্রোডাকশন টু দ্য অ্যানসিয়েন্ট এভিডেন্স|url=https://books.google.com/books?id=lwzliMSRGGkC&pg=PA9|year=2000|publisher=ডব্লিউএম. বি. ইয়ার্ডম্যানস পাবলিশিং|isbn=978-0-8028-4368-5|page=৯}}
*যারা এখনও যুক্তি দেন যে যিশু কখনোই ছিলেন না, তাদের সাথে একটি শেষ সিদ্ধান্ত সম্পর্কিত। যেহেতু ধ্রুপদী লেখকদের মধ্যে যিশুর নিশ্চিত কোনো স্বাধীন সাক্ষী নেই, তাই ঐতিহাসিক প্রমাণের সবচেয়ে কঠোর মানদণ্ড অনুযায়ী আমরা যিশুর অস্তিত্ব প্রমাণ করতে তাদের ব্যবহার করতে পারি না।
**{{cite book|last=ভুরস্ট|first=রবার্ট ভ্যান|title=জিসাস আউটসাইড দ্য নিউ টেস্টামেন্ট: অ্যান ইন্ট্রোডাকশন টু দ্য অ্যানসিয়েন্ট এভিডেন্স|url=https://books.google.com/books?id=lwzliMSRGGkC&pg=PA73|date=13 April 2000|publisher=ডব্লিউএম. বি. ইয়ার্ডম্যানস পাবলিশিং|isbn=978-0-8028-4368-5|page=৭৩}}
*[যিশু সম্পর্কে, জি. এ.] ওয়েলস যুক্তি দেন, তাঁর অস্তিত্ব নিশ্চিত করতে আমাদের অন্যান্য, "বস্তুনিষ্ঠ" সূত্র থেকে স্বাধীন সমর্থনের প্রয়োজন। তিনি [ওয়েলস] ট্যাসিটাস থেকে তালমুদ পর্যন্ত প্রস্তাবিত এই অন্যান্য সূত্রগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা করেন এবং দেখতে পান যে সেগুলোতে যিশু সম্পর্কে কোনো স্বাধীন ঐতিহ্য নেই। অতএব, সেগুলো [প্রমাণ হিসেবে] গ্রহণযোগ্য নয়।
**{{cite book|last=ভুরস্ট|first=রবার্ট ভ্যান|title=জিসাস আউটসাইড দ্য নিউ টেস্টামেন্ট: অ্যান ইন্ট্রোডাকশন টু দ্য অ্যানসিয়েন্ট এভিডেন্স|url=https://books.google.com/books?id=lwzliMSRGGkC&pg=PA13|year=2000|publisher=ডব্লিউএম. বি. ইয়ার্ডম্যানস পাবলিশিং|isbn=978-0-8028-4368-5|page=১৩}}
==ও==
*যিশুর ক্ষেত্রে আমার ''বর্তমান'' মতামত হলো, আমরা তাঁর জীবনী সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছুই জানি না, এমনকি তাঁর অস্তিত্ব ছিল কি না, তা-ও না।
**{{cite book|author=জর্জ ওয়ালশ|title=দ্য রোল অব রিলিজিয়ন ইন হিস্ট্রি|url=https://books.google.com/books?id=cd6tBwAAQBAJ&pg=PT37|date=31 December 2011|publisher=ট্রানজেকশন পাবলিশার্স|isbn=978-1-4128-3878-8|page=৩৭}}
*আমাদের খ্রিস্টধর্মের উৎপত্তি ব্যাখ্যা করতে হবে, এবং তা করতে গিয়ে আমাদের দুটি বিকল্পের মধ্যে যেকোনো একটি বেছে নিতে হবে। একটি বিকল্প হলো বলা যে এর উৎপত্তি একটি পুরাণে হয়েছিল যাকে পরে ইতিহাস হিসেবে সাজানো হয়েছিল। অন্যটি হলো বলা যে এর উৎপত্তি একজন ঐতিহাসিক ব্যক্তির মাধ্যমে হয়েছিল যাঁকে পরে একজন অতিপ্রাকৃত সত্তায় পরিণত করা হয়েছিল। যিশু মূলত একটি পুরাণ ছিলেন—এই তত্ত্বটিকে বলা হয় খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্ব, আর তিনি একজন ঐতিহাসিক ব্যক্তি ছিলেন—এই তত্ত্বটিকে বলা হয় ঐতিহাসিক যিশু তত্ত্ব।
::জর্জ ওয়ালশ, ''দ্য রোল অব রিলিজিয়ন ইন হিস্ট্রি'', নিউ ব্রান্সউইক: ট্রানজেকশন, ১৯৯৮, পৃষ্ঠা ৫৮
*উনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে কিছু অত্যন্ত সংশয়ী ইতিহাসবিদ প্রস্তাব করেন নাজারেথের যিশু কখনোই ছিলেন না। মিশরীয় সূর্য দেবতা এবং অন্যান্য পৌত্তলিক পুরাণের ওপর ভিত্তি করে তিনি একটি পুরাণ ছিলেন। এই যুক্তিগুলো এখন আর কেউ গুরুত্বের সাথে নেয় না। যিশুর মতো একজন ব্যক্তি ছিলেন বলে কার্যত সর্বজনীন ঐকমত্য রয়েছে।
::স্টিফেন এম. ওয়াইলন, ''দ্য জিউস ইন দ্য টাইম অব জিসাস: অ্যান ইন্ট্রোডাকশন'', মাহওয়াহ, এনজে: পলিস্ট প্রেস, ১৯৯৫, পৃষ্ঠা ১১৪
*আমি মনে করি আজ এমন কোনো ইতিহাসবিদ নেই, আসলে আমি আজকের এমন কোনো ইতিহাসবিদকে চিনি না, যিনি যিশুর অস্তিত্ব নিয়ে সন্দেহ করেন... তাই আমি মনে করি সেই প্রশ্নটি এখন বিশ্রাম নিতে পারে।
::এন. টি. রাইট, অ্যান্টনি ফ্লিউ এবং রায় আব্রাহাম ভার্গিসের ''দেয়ার ইজ আ গডে'' "দ্য সেলফ-রেভেলেশন অব গড ইন হিউম্যান হিস্ট্রি: আ ডায়ালগ অন জিসাস উইথ এন. টি. রাইট", নিউ ইয়র্ক: হার্পারওয়ান, ২০০৭, পৃষ্ঠা ১৮৮
*যে কেউ "যৌক্তিক বিশ্বাস" নিয়ে কথা বলেন, যিশু সম্পর্কে তিনি কী ভাবেন তা অবশ্যই বলা উচিত। আর তা তেমনই হবে, এমনকি যদি এক বা দুজন পাগলের সাথে তিনিও বিশ্বাস করতেন যে তাঁর কখনোই অস্তিত্ব ছিল না।
::জন ডব্লিউ. সি. ওয়ান্ড, ''দ্য ওল্ড ফেইথ অ্যান্ড দ্য নিউ এজ'', লন্ডন: স্কেফিংটন অ্যান্ড সন, ১৯৩৩, পৃষ্ঠা ৩১
*মাঝে মাঝে মানুষ এটা বোঝানোর চেষ্টা করে, নাজারেথের যিশু কখনোই ছিলেন না, কিন্তু এখন কার্যত সব ইতিহাসবিদ, তাদের পটভূমি যা-ই হোক না কেন, একমত যে তিনি ছিলেন। আর চার গসপেল তিনি যা করেছিলেন ও বলেছিলেন বলে বর্ণনা করে, অন্তত তার একটা উল্লেখযোগ্য অংশ যে তিনি সত্যিই করেছিলেন ও বলেছিলেন, সে ব্যাপারেও বেশিরভাগই একমত।
::এন. টি. রাইট, "দ্য রেজারেকশন ওয়াজ অ্যাজ শকিং দেন অ্যাজ ইট ইজ নাউ", ''দ্য গার্ডিয়ান'', ২০০৯
*শেষ বিশ্লেষণে, সম্পূর্ণ খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্বে বিশ্বাস করা হলো অস্পষ্টতাবাদের একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। যদি অস্পষ্টতাবাদের পাপ বাস্তব সম্ভাবনার বদলে নিছক সম্ভাবনাকে গ্রহণ করা এবং বিদ্যমান প্রমাণের অবজ্ঞা করে বিশুদ্ধ অনুমানের ওপর নির্ভর করার মধ্যে থাকে। যারা এই শ্রমসাধ্য গবেষণায় বেশি দূর এগোয়নি, তারা ভান করতে পারে যে যিশুর ঐতিহাসিকতা একটি অমীমাংসিত প্রশ্ন। আমার জন্য এমন ভান করাটা হবে নিছক বুদ্ধিবৃত্তিক অসততা। আমি জানি, একজন সৎ মানুষ হিসেবে ইতিহাসকে একটি নিয়ামক হিসেবে যিশুর সাথে আমার হিসাব মেলাতে হবে... এই দ্বান্দ্বিক প্রক্রিয়া যার দ্বারা খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্ব নিজেকেই অসম্মানিত করে তা এই সহজ সত্যের ওপর দাঁড়িয়ে আছে, আপনি প্রমাণ বিকৃত না করে তত্ত্বটি প্রমাণের চেষ্টা করতে পারবেন না।
::হার্বার্ট জর্জ উড, ''ক্রিস্টিয়ানিটি অ্যান্ড দ্য নেচার অব হিস্ট্রি'', লন্ডন: কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১৯৩৪, পৃষ্ঠা xxxiii এবং ৫৪
*বিবিসির বিখ্যাত টুডে প্রোগ্রাম থেকে একটি ফোন কল: আমি কি গুড ফ্রাইডের সকালে 'দ্য জিসাস মিস্ট্রিজ' নামে একটি নতুন বইয়ের লেখকদের সাথে বিতর্কের জন্য অন এয়ারে যাব? বইটিতে দাবি করা হয়েছে (বা আমাকে তারা এমনটাই বলেছে) যে গসপেলগুলোর সবকিছুই অনেক পুরোনো পৌত্তলিক পুরাণগুলো থেকে ধার করা হয়েছে বলে তা প্রতিফলিত করে; যিশু কখনোই ছিলেন না; আদি গির্জা জানত যে এটি একটি পুরোনো পুরাণের নতুন সংস্করণ প্রচার করছে এবং উন্নত গির্জা তাদের নিজস্ব ক্ষমতা ও নিয়ন্ত্রণের স্বার্থে এটি ধামাচাপা দিয়েছিল। প্রযোজক বন্ধুত্বপূর্ণ ছিলেন এবং আমি যখন বললাম যে এটি একজন পেশাদার জ্যোতির্বিজ্ঞানীকে এমন একটি বইয়ের লেখকদের সাথে বিতর্ক করতে বলার মতো, যেখানে দাবি করা হয়েছে চাঁদ সবুজ পনির দিয়ে তৈরি, তখন তিনি আমার কথাটি বুঝতে পেরেছিলেন।
::এন. টি. রাইট, "জিসাস' সেলফ আন্ডারস্ট্যান্ডিং", স্টিফেন টি. ডেভিস, ড্যানিয়েল কেন্ডাল, জেরাল্ড ও'কলিন্সের ''দ্য ইনকারনেশনে'', অক্সফোর্ড: অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস, ২০০৪, পৃষ্ঠা ৪৮
*এখানে ড. কনিবেয়ার যে দৃষ্টিভঙ্গিগুলো নিয়ে অনুসন্ধান করেছেন তা হলো... কট্টর বামপন্থীদের দৃষ্টিভঙ্গি যারা গসপেলের যিশুর ঐতিহাসিক অস্তিত্বকেও সরাসরি অস্বীকার করে। খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্বের এই প্রবক্তারা দাবি করেনযিশু চরিত্রটি একটি সমন্বিত দেবতার, যাকে পরবর্তীতে একটি ছদ্ম-ইতিহাস আবিষ্কারের মাধ্যমে মানবিক করা হয়েছিল।
::{{cite book|title=দ্য কোয়েস্ট|url=https://babel.hathitrust.org/cgi/pt?id=uc1.a0012200465;view=1up;seq=386|volume=5.2|year=1914|publisher=জন এম. ওয়াটকিনস.|page=৭৭৮f|chapter=রিভিউজ অ্যান্ড নোটিসেস: ক্রাইস্ট, দ্য হিস্টোরিক্যাল. এফ. সি. কনিবেয়ার|quote=Volume 5, Part 2 - REVIEWS AND NOTICES - ''The Historical Christ; or, An investigation of the views of Mr. J. M. Robertson, Dr. A. Drews, and Prof. W. B. Smith''}}
* ফর্মগেশিখটের (Formgeschichte) উত্থানে প্রতিফলিত সমাজতাত্ত্বিক ধরনটি খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্বগুলোকে আরও রঙিন করে তুলেছে এবং প্রকৃতপক্ষে সেই সমস্ত তত্ত্বগুলোকেও সমর্থন করেছে যা যিশুকে একজন ঐতিহাসিক কিন্তু তাৎপর্যহীন চরিত্র বলে মনে করে।
::{{cite book|last=উড|first=হার্বার্ট জর্জ|title=ক্রিস্টিয়ানিটি অ্যান্ড দ্য নেচার অব হিস্ট্রি|year=1934|publisher=দ্য ইউনিভার্সিটি প্রেস|location=Cambridge, England|page=৪০}}
*"খ্রিস্টের প্রতি বিশ্বাস জন ফ্রামের প্রতি বিশ্বাসের চেয়ে কম বা বেশি যৌক্তিক নয়।"
::ওর্সলে, পিটার (১৯৫৭) ''দ্য ট্রাম্পেট শ্যাল সাউন্ড: আ স্টাডি অব "কার্গো" কাল্টস ইন মেলানেশিয়া'' লন্ডন: ম্যাকগিবন অ্যান্ড কি পৃষ্ঠা ১৫৩–৯।
*[''ডিড জিসাস এক্সিস্টে''] আমি যুক্তি দিয়েছিলাম যে পল আন্তরিকভাবে বিশ্বাস করতেন যে প্রমাণটি (যা কেবল প্রজ্ঞাসাহিত্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়) '''এমন একজন ঐতিহাসিক যিশুর দিকে নির্দেশ করে যিনি পলের নিজের সময়ের অনেক আগেই বেঁচে ছিলেন'''; এবং আমি এই প্রশ্নটি উন্মুক্ত রাখছি যে এমন কোনো ব্যক্তির আদৌ অস্তিত্ব ছিল কি না এবং পল তাঁর সম্পর্কে যেই অখ্যাত জীবনের কথা ভেবেছিলেন, তিনি সেই জীবন যাপন করেছিলেন কি না। (এই বিষয়টি নিষ্পত্তি করার কোনো উপায় নেই।)
::জি এ ওয়েলস ''দ্য জিসাস লিজেন্ড'' ওপেন কোর্ট পাবলিশিং কোম্পানি ১৯৯৬ পৃষ্ঠা ১৯
*আমাদের খ্রিস্টধর্মের উৎপত্তি ব্যাখ্যা করতে হবে, এবং তা করতে গিয়ে আমাদের দুটি বিকল্পের মধ্যে যেকোনো একটি বেছে নিতে হবে। একটি বিকল্প হলো বলা যে এর উৎপত্তি একটি পুরাণে হয়েছিল যাকে পরে ইতিহাস হিসেবে সাজানো হয়েছিল। অন্যটি হলো বলা যে এর উৎপত্তি একজন ঐতিহাসিক ব্যক্তির মাধ্যমে হয়েছিল যাঁকে পরে একজন অতিপ্রাকৃত সত্তায় পরিণত করা হয়েছিল। যিশু মূলত একটি পুরাণ ছিলেন—এই তত্ত্বটিকে বলা হয় খ্রিস্ট-পুরাণ তত্ত্ব, আর তিনি একজন ঐতিহাসিক ব্যক্তি ছিলেন—এই তত্ত্বটিকে বলা হয় ঐতিহাসিক যিশু তত্ত্ব।
::জর্জ ওয়ালশ, ''দ্য রোল অব রিলিজিয়ন ইন হিস্ট্রি'', নিউ ব্রান্সউইক: ট্রানজেকশন, ১৯৯৮, পৃষ্ঠা ৫৮
*আমি যুক্তি দিয়েছি যে পলের যিশুকে মূলত একটি অতিপ্রাকৃত 'প্রজ্ঞা' চরিত্রের ওপর ধ্যান ও চিন্তাভাবনার মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে বলে বিশ্বাস করার ভালো কারণ রয়েছে। আগের ইহুদি সাহিত্যে এর প্রচুর প্রমাণ রয়েছে। এই চরিত্রটি পৃথিবীতে একটি আবাস খুঁজছিল, কিন্তু সেখানে সে প্রত্যাখ্যাত হয়েছিল। সম্প্রতি মারা যাওয়া কোনো ঐতিহাসিক ব্যক্তির তথ্যের ওপর ভিত্তি করে তাকে তৈরি করা হয়নি। প্রজ্ঞাসাহিত্যের প্রভাব অনস্বীকার্য; কেবল এটি কতটা প্রভাব ফেলেছিল, তা নিয়েই এখনো মতভেদ রয়েছে। [...] ইহুদি সাহিত্য প্রজ্ঞাকে ঈশ্বরের প্রধান প্রতিনিধি, তাঁর ঐশ্বরিক পরিষদের সদস্য ইত্যাদি হিসেবে বর্ণনা করে, এবং এটি তার অতিপ্রাকৃত মর্যাদা বোঝায়, কিন্তু, আমি একমত, ঐশ্বরিক মর্যাদা নয়।
::এই নিবন্ধটি মূলত দ্য নিউ হিউম্যানিস্ট খণ্ড ১১৪, নং ৩. সেপ্টে ১৯৯৯, পৃষ্ঠা ১৩-১৮ এ প্রকাশিত হয়েছিল।
:*{{cite web|last=ওয়েলস|first=জর্জ আলবার্ট|title=Earliest Christianity (1999)|trans-title=আদিম খ্রিস্টধর্ম (১৯৯৯)|url=http://infidels.org/library/modern/g_a_wells/earliest.html|website=infidels.org|accessdate=23 September 2016}}
*ইহুদি প্রজ্ঞার ধারণাগুলো যে আদি খ্রিষ্টান লেখাগুলোকে প্রভাবিত করেছিল, তা অনস্বীকার্য। কারণ প্রজ্ঞা সম্পর্কে যেসব ইহুদি বিবৃতি দেওয়া হয়েছিল, সেখানে যিশুর কথাও বলা হয়েছে। খ্রিস্টকে বলা হয় "ঈশ্বরের শক্তি এবং ঈশ্বরের প্রজ্ঞা" (১ করি. ১:২৪); তাঁর মধ্যে "প্রজ্ঞা এবং জ্ঞানের সমস্ত সম্পদ লুকানো আছে" (কলসীয় ২:৩)। প্রজ্ঞার মতোই, খ্রিস্ট সবকিছু সৃষ্টিতে ঈশ্বরকে সাহায্য করেছিলেন (১ করি. ৮:৬)—এই ধারণাটি কলসীয় ১:১৫-২০ এর খ্রিস্টতাত্ত্বিক স্তোত্রে তুলে ধরা হয়েছে। এবং ইহুদি প্রজ্ঞা চরিত্রের মতো, যিশুও পৃথিবীতে গ্রহণযোগ্যতা চেয়েছিলেন কিন্তু প্রত্যাখ্যাত হয়েছিলেন এবং স্বর্গে ফিরে গিয়েছিলেন। উপরন্তু, সলোমনের প্রজ্ঞায়, একজন ধার্মিক মানুষ, প্রজ্ঞার আদর্শ প্রতিনিধি (কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে বোঝানো হয়নি), নির্যাতিত হন কিন্তু মৃত্যুর পর তিনি নির্দোষ প্রমাণিত হন। তাঁর শত্রুরা তাঁকে "লজ্জাজনক মৃত্যুর" (২:২০) জন্য দোষী সাব্যস্ত করে, কিন্তু তিনি তারপর স্বর্গে তাদের বিচারক হিসেবে তাদের মুখোমুখি হন, যেখানে তাঁকে "ঈশ্বরের পুত্রদের মধ্যে গণ্য করা হয়" (৫:৫)।
**{{cite book|last=ওয়েলস|first=জর্জ আলবার্ট|editor=Tom Flynn, Richard Dawkins|title=দ্য নিউ এনসাইক্লোপিডিয়া অব আনবিলিফ|url=https://books.google.com/books?id=fsZ26vQxJKMC&pg=PA449|year=2007|publisher=প্রমিথিউস বুকস, পাবলিশার্স|isbn=978-1-61592-280-2|page=৪৪৯|chapter=জিসাস, হিস্টোরিসিটি অব}}
*তালমুদের কোথাও বলা হয়নি যে যিশুকে রোমানরা মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিল; তাঁর মৃত্যুকে কেবল ইহুদিদের কাজ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে: এবং কোথাও তাঁর কথিত মসিহ হওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়নি, এমনকি তাঁকে হত্যা করার কারণ হিসেবেও নয়।
**{{cite book|last=ওয়েলস|first=জি. এ.|title=দ্য জিসাস অব দ্য আর্লি ক্রিস্টিয়ানস: আ স্টাডি ইন ক্রিস্টিয়ান অরিজিনস|url=https://books.google.com/books?id=w1IJAQAAIAAJ|year=1971|publisher=পেম্বারটন|page=২০০}}
*পল আন্তরিকভাবে বিশ্বাস করতেন যে প্রমাণটি (যা কেবল [[প্রজ্ঞাসাহিত্য|প্রজ্ঞাসাহিত্যের]] মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়) এমন একজন ঐতিহাসিক যিশুর দিকে নির্দেশ করে যিনি পলের নিজের সময়ের অনেক আগেই বেঁচে ছিলেন; এবং আমি এই প্রশ্নটি উন্মুক্ত রাখছি যে এমন কোনো ব্যক্তির আদৌ অস্তিত্ব ছিল কি না এবং পল তাঁর সম্পর্কে যেই অখ্যাত জীবনের কথা ভেবেছিলেন, তিনি সেই জীবন যাপন করেছিলেন কি না। (এই বিষয়টি নিষ্পত্তি করার কোনো উপায় নেই।)
**{{cite book|last=ওয়েলস|first=জর্জ|title=দ্য জিসাস লিজেন্ড|url=https://books.google.com/books?id=vmhtAwAAQBAJ&pg=PA19|year=2013|publisher=ওপেন কোর্ট পাবলিশিং কোম্পানি|isbn=978-0-8126-9872-5|page=১৯}}
*[[কিউ সূত্র|কিউ উপাদান]]—এটি যিশুর ঐতিহাসিকতার প্রমাণ হিসেবে যথেষ্ট হোক বা না হোক—এমন একজন [মানব] ব্যক্তিকে নির্দেশ করে যাঁকে আদি চিঠিপত্রের [পৌরাণিক] মৃত ও পুনরুত্থিত খ্রিস্টের সাথে মেলানো যায় না।
**{{cite book|last=ওয়েলস|first=জর্জ আলবার্ট|title=ক্যান উই ট্রাস্ট দ্য নিউ টেস্টামেন্ট?: থটস অন দ্য রিলায়েবিলিটি অব আর্লি ক্রিস্টিয়ান টেস্টিমনি|url=https://books.google.com/books?id=UYPvHqdDEJcC&pg=PA50|year=2004|publisher=ওপেন কোর্ট পাবলিশিং|isbn=978-0-8126-9567-0|page=৫০}}
*আমার আগের বই, ''দ্য জিসাস অব দ্য আর্লি ক্রিস্টিয়ানসে'' (যাকে আমি ''জেইসি'' বলব), আমার উদ্দেশ্য ছিল গসপেলগুলোকে ঐতিহাসিক বিবরণ হিসেবে ব্যাখ্যা করার সময় যেসব অসুবিধা এবং সমস্যার উদ্ভব হয় তা দেখানো। সেইসাথে ঐতিহাসিক যিশু না থাকলেও কীভাবে খ্রিস্টধর্মের উদ্ভব হতে পারত তা দেখানো। কিছু ধর্মতাত্ত্বিক পর্যালোচক (যেমন অধ্যাপক গ্রেস্টন এবং সাইমন, ১৮৩ এবং ৩৭২) স্বীকার করেছেন আমি এমন গুরুতর 'অসুবিধাগুলো' তুলে ধরেছি যার কোনো সন্তোষজনক সমাধান এখনও পাওয়া যায়নি। (১৮৩ গ্রেস্টন, কে. (নিউ টেস্টামেন্টের অধ্যাপক, ব্রিস্টল), ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ তারিখে ''মেথডিস্ট রেকর্ডারে'' ''জেইসিের'' পর্যালোচনা।)
**{{cite book|last=ওয়েলস|first=জর্জ আলবার্ট|title=ডিড জিসাস এক্সিস্ট?|url=https://books.google.com/books?id=a30eRfPTSm8C&pg=PA2|year=1975|publisher=প্রমিথিউস বুকস, পাবলিশার্স|isbn=978-1-61592-380-9|pages=2, 224, n. 183}}
*[তাঁর সূত্রের বিষয়ে ওয়েলসের মতে] আমি আসলে যা করেছিলাম তা হলো চেইন এবং ব্ল্যাকের ''এনসাইক্লোপিডিয়া বিবলিকাের'' কিছু নির্দিষ্ট নিবন্ধ থেকে ব্যাপকভাবে (প্রধানত নয়) তথ্য সংগ্রহ করা—যেই নিবন্ধগুলো প্রশংসনীয় স্পষ্টতার সাথে সেই ধর্মতত্ত্ববিদদের দ্বারা লেখা হয়েছিল যারা বিশ্বাস করতেন যে প্রমাণগুলো যেসব অবস্থানকে সমর্থনযোগ্য নয় বলে দেখিয়েছে, সেগুলো পরিষ্কার করে তারা খ্রিস্টধর্মের সেবা করছেন। [..] [এবং উল্লেখে] ''দ্য মেথডিস্ট রেকর্ডারে'' ''জেইসিের'' তাঁর উদার পর্যালোচনায় অধ্যাপক কেনেথ গ্রেস্টনের মজাদার কৌতুক: "''এনসাইক্লোপিডিয়া বিবলিকা'' আবার ফিরে এসেছে"
**{{cite book|last=ওয়েলস|first=জর্জ আলবার্ট|title=দ্য জিসাস মিথ|url=https://books.google.com/books?id=f-vYAAAAMAAJ|year=1999|publisher=ওপেন কোর্ট|isbn=978-0-8126-9392-8|pages=293f, n. 8|.}}
*১৯৯০-এর দশকের মাঝামাঝি থেকে আমি বুঝতে পারি, গসপেলের অনেক ঐতিহ্য সময়, স্থান এবং পরিস্থিতির উল্লেখের ক্ষেত্রে এতটাই নির্দিষ্ট যে এগুলো অন্য কোনো ভিত্তি ছাড়া এত অল্প সময়ে বিকশিত হতে পারে না। আর এগুলোকে প্রথম শতাব্দীর শুরুর দিকের একজন গ্যালিলীয় প্রচারকের কার্যকলাপ হিসেবে চিহ্নিত করাই ভালো, যেই চরিত্রটিকে কিউ-তে উপস্থাপন করা হয়েছে... এই অবস্থানটিই আমি আমার ১৯৯৬, ১৯৯৯ এবং ২০০৪ সালের বইগুলোতে নিয়েছি। যদিও এগুলোর প্রথম দুটির শিরোনাম—''দ্য জিসাস লিজেন্ড'' এবং ''দ্য জিসাস মিথ''—সম্ভাব্য পাঠকদের ভুল পথে পরিচালিত করতে পারে এই ভেবে যে আমি এখনও গসপেলের যিশুর ঐতিহাসিকতা অস্বীকার করছি। এই শিরোনামগুলো বেছে নেওয়া হয়েছিল কারণ আমি [নিচের গল্পগুলোকে] কুমারী জন্ম, গ্যালিলীয় পরিচর্যার অনেকাংশ, পিলেটের অধীনে প্রায় ৩০ খ্রিস্টাব্দে ক্রুশবিদ্ধ হওয়া এবং পুনরুত্থানকে—কিংবদন্তি বলে মনে করতাম (এবং এখনও করি)।
**{{cite book|last=ওয়েলস|first=জর্জ|title=কাটিং জিসাস ডাউন টু সাইজ: হোয়াট হায়ার ক্রিটিসিজম হ্যাজ অ্যাচিভড অ্যান্ড হোয়্যার ইট লিভস ক্রিস্টিয়ানিটি|url=https://books.google.com/books?id=KuccAwAAQBAJ&pg=PT16|date=1 December 2013|publisher=ওপেন কোর্ট পাবলিশিং কোম্পানি|isbn=978-0-8126-9867-1|page=১৬}}
*আদি দলিলগুলোর সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো, এগুলো যিশুর জীবনকে কোনো নির্দিষ্ট ঐতিহাসিক পরিস্থিতিতে স্থাপন করে না। [...] উদাহরণস্বরূপ, পলের লেখায় মন্দির পরিষ্কার করার কোনো কথা নেই (অন্যদিকে মার্ক এবং লুকের মতে, যিশুকে হত্যা করার প্রধান যাজক এবং লেখকদের সংকল্প জাগিয়ে তুলেছিল)। কর্তৃপক্ষের সাথে কোনো সংঘাত, গেথসেমানের কোনো দৃশ্য, যিশুর সাথে ক্রুশবিদ্ধ হওয়া কোনো চোর, কোনো ক্রন্দনরত নারী, স্থান বা সময় সম্পর্কে কোনো শব্দ এবং জুডাস বা পিলেটের কোনো উল্লেখ নেই। ক্রুশবিদ্ধ হওয়া সম্পর্কে পলের অস্পষ্ট উল্লেখগুলো কোনো সমস্যা নয় বলে মেনে নেওয়া যেত যদি তা তাঁর কাছে গুরুত্বহীন হতো। কিন্তু তিনি নিজেই ঘোষণা করেছেন এটি তাঁর প্রচারের মূল বিষয় (১ করি. ১:২৩ এবং ২:২)। অথচ জেরুজালেমে খুব অল্প সময়ের জন্য যাওয়ার আগে তিনি তিন বছর ধরে একজন খ্রিষ্টান হিসেবে জীবনযাপন করেছিলেন (গালাতীয় ১:১৭এফ.)। আর এমন কিছুই বলেন না যা থেকে বোঝা যায়, সেখানকার পবিত্র স্থানগুলোর প্রতি তাঁর কোনো আগ্রহ ছিল, (কিংবা) এমনকি তিনি সেগুলোর ব্যাপারে সচেতন ছিলেন।
**{{cite book|last=ওয়েলস|first=জর্জ আলবার্ট|editor=টম ফ্লিন, রিচার্ড ডকিন্স|title=দ্য নিউ এনসাইক্লোপিডিয়া অব আনবিলিফ|url=https://books.google.com/books?id=fsZ26vQxJKMC&pg=PA447|year=2007|publisher=প্রমিথিউস বুকস, পাবলিশার্স|isbn=978-1-61592-280-2|page=৪৪৭|chapter=জিসাস, হিস্টোরিসিটি অব}}
* ঐতিহাসিকভাবে কোনো যিশু ছিলেন না; তাঁর পার্থিব অস্তিত্ব হলো আদি খ্রিস্টধর্মের একটি কল্পকাহিনী এবং এটি পরবর্তীকালে প্রথম শতাব্দীতে তাঁর জীবনকাল স্থাপন করার মাধ্যমে মূর্ত রূপ লাভ করে—এই পুরো মতবাদটি আজ প্রায় সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাখ্যাত।
::জি. এ. ওয়েলস, ''দ্য হিস্টোরিক্যাল এভিডেন্স ফর জিসাস'', অ্যামহার্স্ট, এনওয়াই: প্রমিথিউস, ১৯৮৮, পৃষ্ঠা ২১৮
==আরও দেখুন==
*[[গসপেলের ঐতিহাসিক নির্ভরযোগ্যতা]]
* [[যিশুর ঐতিহাসিকতা]]
*[[ঐতিহাসিক যিশু]]
* [[বাইবেল সমালোচনা]]
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
* [http://www.solarmythology.com/ সৌর পুরাণ ও যিশুর গল্প]
[[বিষয়শ্রেণী:বাইবেল সমালোচনা]]
[[বিষয়শ্রেণী:খ্রিস্টধর্ম]]
0mru5vr3uimdz0tgipy8olkaken7sbf
ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker/খেলাঘর
2
12538
83388
77038
2026-05-04T09:58:43Z
Dr. Mosaddek Khondoker
2987
পাতাকে '*যারা গত দুইশ বছরে যিশুর অস্তিত্ব নিয়ে সন্দেহ করেছেন, তারা যুক্তি দিয়েছেন যে ধ্রুপদী লেখকদের দ্বারা যিশুর সমসাময়িক সমর্থন না থাকাটা তাঁর অস্তিত্ব না...' দিয়ে প্রতিস্থাপিত করা হল
83388
wikitext
text/x-wiki
*যারা গত দুইশ বছরে যিশুর অস্তিত্ব নিয়ে সন্দেহ করেছেন, তারা যুক্তি দিয়েছেন যে ধ্রুপদী লেখকদের দ্বারা যিশুর সমসাময়িক সমর্থন না থাকাটা তাঁর অস্তিত্ব না থাকার একটি প্রধান ইঙ্গিত। (দেখুন, উদাহরণস্বরূপ, ''দ্য এক্সিস্টেন্স অব ক্রাইস্ট ডিসপ্রুভড'' (লন্ডন: হিথারিংটন, ১৮৪১) ২১৪। সাম্প্রতিককালে দেখুন মাইকেল মার্টিন, ''দ্য এভিডেন্স অ্যাগেইনস্ট ক্রিস্টিয়ানিটি'' (ফিলাডেলফিয়া: টেম্পল ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১৯৯১)।)
**{{cite book|last=ভুরস্ট|first=রবার্ট ভ্যান|title=জিসাস আউটসাইড দ্য নিউ টেস্টামেন্ট: অ্যান ইন্ট্রোডাকশন টু দ্য অ্যানসিয়েন্ট এভিডেন্স|url=https://books.google.com/books?id=lwzliMSRGGkC&pg=PA69|year=2000|publisher=ডব্লিউএম. বি. ইয়ার্ডম্যানস পাবলিশিং|isbn=978-0-8028-4368-5|
ce4igr9gfh5tv70bea8t4h0hweayv7y
লিটিশা এলিজাবেথ ল্যান্ডন
0
12579
83338
83178
2026-05-03T13:47:54Z
NusJaS
273
83338
wikitext
text/x-wiki
[[File:Letitia Elizabeth Landon.jpg|thumb|লিটিশা এলিজাবেথ ল্যান্ডন]]
'''[[w:লিটিশা এলিজাবেথ ল্যান্ডন|লিটিশা এলিজাবেথ ল্যান্ডন]]''' (১৪ আগস্ট ১৮০২ – ১৫ অক্টোবর ১৮৩৮) ছিলেন একজন ইংরেজ কবি এবং ঔপন্যাসিক। তিনি তার নামের আদ্যক্ষর এল. ই. এল. (L. E. L.) নামেই বেশি পরিচিত ছিলেন। উনিশ শতকের শুরুর দিকে তিনি ছিলেন এপিগ্রামের অন্যতম সেরা উৎস। একজন সাহিত্য সমালোচক তাকে রশফুকোর সাথে তুলনা করেছিলেন। মাঝে মাঝে তিনি বিরোধী ভূমিকা গ্রহণ করে পরস্পরবিরোধী দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপন করতেন। তার কিছু চিন্তাভাবনা হয় বিকশিত বা পরিমার্জিত রূপে বারবার ফিরে এসেছে। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে তিনি কিছু বিষয়ে ভিন্ন ভিন্ন মতও প্রকাশ করেছেন। তিনি যুক্তি দেখিয়েছেন, পরিবর্তনশীলতা আমাদের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য। তার একটি চরিত্রের কথায়, '''''সত্য হলো পরশপাথরের মতো, এমন একটি জিনিস যা কখনো আবিষ্কার করা যায় না'''''।
== উক্তি ==
===দ্য ফেট অব অ্যাডিলেড (১৮২১)===
* রোমান্টিক সুইজারল্যান্ড! তোমার দৃশ্যগুলোতে আঁকা আছে<br>অদ্ভুত বন্য এক সৌন্দর্যের ছাপ,<br>সৌন্দর্য এবং ধ্বংস, পাশাপাশি;<br>এখানে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে সুউচ্চ পাহাড়, যেখানে প্রকৃতি যেন<br>নীরব মহিমায় একাই বাস করে;<br>বরফের চাদরে ঢাকা, তার রাজকীয় প্রাসাদ তৈরি হয়েছে<br>সাদা পাহাড় দিয়ে; সমস্ত অহংকারে মাথা উঁচু করে থাকা,<br>বরফের বিশাল স্তূপগুলো মেঘের আড়ালে হারিয়ে গেছে,<br>যেন মাঝ আকাশে তৈরি করা বিশাল কোনো দুর্গ।<br>বরফও ভাস্কর্যের রূপ নিয়েছে অত্যন্ত অদ্ভুত চিত্রে—<br>ওবেলিস্ক, স্তম্ভ, মিনার, চমৎকার সব কাঠামো;<br>কিছু মসৃণ মার্বেলের মতো, অন্যগুলো স্ফটিকের মতো<br>স্বচ্ছ, আর বাকিগুলো জ্বলজ্বল করছে<br>সূর্যস্নাত রংধনুর গায়ে গলে যাওয়া রঙের ছটায়।
** ''ক্যান্টো ১, ১'' শুরুর চরণসমূহ
* আর তাদের ওপর ধ্বংসের ছায়া, উঁচুতে বাতাসে ভাসছে,<br>সেই বেরিয়ে থাকা পাহাড়ের চূড়ায়, যার এবড়োখেবড়ো পাশগুলো,<br>টুকরো টুকরো হয়ে ভেঙে, ধ্বংসস্তূপের মতো স্তূপ হয়ে আছে,<br>যেন প্রাচীনকালের সেই দানবরা<br>যখন পৃথিবীর বুকে জন্ম নেওয়া প্রাণীরা অলিম্পিক দেবতাদের ভয় দেখাত,<br>যাদের কথা রূপকথায় বলা হয়, তারা তাদের শক্ত ভিত থেকে<br>পাহাড়গুলোকে ছিঁড়ে ফেলেছিল, এবং শক্তিশালী হাত দিয়ে,<br>পাহাড়গুলোকে দুই ভাগ করেছিল: সেখানেই ঝুলে আছে তুষারধস,<br>বিশাল, কিন্তু কম্পমান; একটু হালকা বাতাসই<br>তাকে তার বায়বীয় সিংহাসন থেকে আলগা করে দেবে;<br>তারপর তা ক্রোধে আছড়ে পড়বে, ঝড়ের মাঝে<br>বজ্রপাতের শব্দের মতো, অথবা ছুটে চলা<br>পানির গর্জনের মতো—যার গতিপথ শুধুই মৃত্যু।
** ''ক্যান্টো ১, ১''
* আমার মনে হয় বিদায় শব্দটি<br>খুবই শীতল, যদি না তা অশ্রু দিয়ে বলা হয়।
** ''ক্যান্টো ১, ১১''
* আশা, ক্ষণস্থায়ী কিন্তু সুন্দর ছায়া! তুমি আসো,<br>আমাদের এখানে চলার পথে এক উজ্জ্বল দর্শনের মতো,<br>অন্ধকার ভবিষ্যৎকে সুন্দর করে তোলো,<br>আর আমাদের দিগন্তকে এমন এক আলোয় রাঙিয়ে দাও,<br>যা মানুষের চোখে দেখা সবচেয়ে সুন্দর আলো।
** ''ক্যান্টো ১, ১৩''
* আরেকবার আমার বীণা বেজে উঠেছে; আরেকবার,<br>যদিও আমার হাত কবিতার ঐশ্বরিক<br>ফুলগুলো গাঁথার অযোগ্য,<br>তবুও আমি তার সুরগুলো ডেকে আনতে চাই, আর অনুভব করতে চাই<br>তার সুর আমার আত্মায় রোদের মতো ঝরে পড়ছে।
** ''ক্যান্টো ২, ১''
* ... অনুপস্থিতি হলো<br>স্নেহের চাঁদের আলো;
** ''ক্যান্টো ২, ২''
* হায়! হায়! বিবেক অনেক সময় ঘুমিয়ে থাকে,<br>যখন আনন্দের মোহময় সুর তাকে ঘুম পাড়িয়ে দেয়।—
** ''ক্যান্টো ২, ৮''
* সব পাতা ঝরে গিয়েছিল, শুধু পাইন গাছটি ছাড়া<br>যে তার অপরিবর্তিত সবুজের বিশাল ছায়া ফেলেছিল।<br>আমি তার সেই ম্লানহীন অবস্থাকে ঈর্ষা করতে পারিনি।—<br>হায়! কে সেই শেষ হতে চাইবে, একমাত্র সে-ই<br>যাকে ধ্বংস রেহাই দেয়—না; যদি ধ্বংসের হাওয়া<br>চারপাশের সবকিছুর ওপর দিয়ে বয়ে যায়, তবে তা আমার ওপর দিয়েও বয়ে যাক!
** ''ক্যান্টো ২, ১০''
* হৃদয়ের জন্য এটি প্রশান্তিদায়ক, ওহ! খুব প্রশান্তিদায়ক,<br>এমন সব জায়গায় ঘুরে বেড়ানো যেখানে আমরা একসময় সুখী ছিলাম!<br>প্রতিটি গাছ, প্রতিটি ফুলে এক শিহরণ জাগানো আকর্ষণ আছে;<br>সেগুলো যেন সেই সুখের সময়ের স্মৃতিচিহ্ন:<br>যে দীর্ঘশ্বাসটি বলে যে তারা আর নেই,<br>তা-ও আত্মার কাছে মিষ্টি লাগে; পুরনো দিনগুলো,<br>আর পুরনো অনুভূতিগুলো আত্মার ওপর জেগে ওঠে,<br>ঠিক ততটাই প্রিয় যেমনটা তারা একসময় ছিল।
** ''ক্যান্টো ২, ১২''
* ... ওহ! সেই ফোঁটাগুলো খুব জ্বলন্ত<br>যা আহত ভালোবাসা ঝরায়—যেন বিষবৃক্ষ থেকে<br>ঝরে পড়া শিশির, যার ছোঁয়াতেই<br>ধ্বংস নেমে আসে;—হায়! অন্য অশ্রুরা<br>নরম করে এবং আশীর্বাদ করে—কিন্তু এগুলো হৃদয়কে ধ্বংস করে।
** ''ক্যান্টো ২, ১৭''
* তুমি, কবিতা, অনুপস্থিতিতে ছিলে একটি শিকল,<br>যা আমাদের হৃদয়গুলোকে একসাথে বেঁধে রেখেছিল: আর কোথায়<br>তোমার সুরের চেয়ে ভালোভাবে, আমি আমার আত্মাকে ঢেলে দিতে পারতাম,<br>প্রশান্তিদায়ক কোমলতায়? এটা ছিল এক পরম আনন্দ, আমি যাদের কথা ভেবেছি<br>তাদের কাছে চিন্তাকে দৃশ্যমান করে তোলা।
** ''দ্য ফেয়ারওয়েল''
* তোমার ঘুম কত নিষ্পাপ, কত সুন্দর!<br>মিষ্টি শিশু, তোমার দিকে তাকিয়ে থাকাটা শান্তি আর আনন্দের!
** ''স্লিপিং চাইল্ড''
* আমি তোমাকে দিচ্ছি, ভালোবাসা, একটি ফুটন্ত ফুলের মালা;<br>আমি এটি তুলেছি সন্ধ্যার জাদুকরী প্রহরে;<br>আমি এটি গেঁথেছি চাঁদের মিষ্টি ছায়ায়,<br>যখন প্রতিটি ফুলে তারার আলোর মতো শিশির ছিল।
** ''লাভস পার্টিং রিথ''
* আমি যে কাল্পনিক কাঠামো তৈরি করি তা দেখে তুমি হাসতে পারো,<br>আর বলতে পারো যে আমার দুর্গগুলো শুধু বালির ওপর তৈরি;<br>বুদবুদের মতো, যা নীল জলে ভেসে ওঠে,<br>যা ঝিকমিক করে, কাছে ডাকে, আর তারপর হাতের ছোঁয়ায় মিলিয়ে যায়।
** ''ক্যাসল বিল্ডিং''
* আর তুমি, আমার মহান কবি, যে ভেবেছিল পৃথিবী<br>আর কখনো এমন চারণকবির জন্ম দিতে পারবে না,<br>ইতিমধ্যেই তোমার বইগুলো তাকে ফেলে রাখা হয়েছে,<br>আর তাদের লেখককে এক অজ্ঞ বামন বলে নিন্দা করা হয়েছে।—<br>হ্যাঁ; পৃথিবীর দিকে তাকাও, আর তুমি এই সত্যটি খুঁজে পাবে<br>যে, একবার চোখের আড়াল হলে, তুমি শীঘ্রই মনের আড়াল হয়ে যাবে।
** ''ফ্যাবল (ফরাসি লেখক লা মত্তের অনুকরণে)''
===দ্য ইমপ্রোভাইজাট্রাইস (১৮২৪)===
* আমি সেই দেশের এক কন্যা,<br>যেখানে কবির ঠোঁট আর চিত্রকরের হাত<br>সবচেয়ে ঐশ্বরিক, —যেখানে মাটি আর আকাশ,<br>দুটোই ছবি আর কবিতা—<br>আমি ফ্লোরেন্সের।
** শিরোনাম কবিতা
* মূর্তিগুলো মাটির আকৃতি থেকে পরিচিত নয়,<br>বরং মরণশীল জন্মের জন্য বড্ড সুন্দর হওয়ায়;<br>চিত্রকর্মগুলো, যার জীবনের রং নেওয়া হয়েছিল<br>রংধনুতে তৈরি পরীর ছটা থেকে;<br>সংগীত, যার দীর্ঘশ্বাসের একটা জাদু ছিল তাদের মতো<br>যারা সন্ধ্যার শেষে সাগরে ভাসে<br>ভাষা এতই রূপালি যে প্রতিটি শব্দ<br>বীণার জাগিয়ে তোলা তারের মতো ছিল;
** শিরোনাম কবিতা
* আমার ক্ষমতা শুধু একজন নারীর ক্ষমতাই ছিল;<br>তবুও, প্রতিভার দেওয়া সেই মহান এবং গৌরবময়<br>উপহারে, আমারও অংশ ছিল:<br>আমি আমার পূর্ণ এবং জ্বলন্ত হৃদয় ঢেলে দিয়েছিলাম
** শিরোনাম কবিতা
* কিন্তু ভালোবাসার উজ্জ্বল ঝরনা কখনো পবিত্র নয়;<br>আর তার সব তীর্থযাত্রীকে সহ্য করতে হয়<br>আবেগের সব বিশাল কষ্ট<br>সেই আশীর্বাদপুষ্ট ঝরনায় পৌঁছানোর আগে।
** শিরোনাম কবিতা
* আমার ওপরের অশুভ তারায় ছিল,<br>আমার মিষ্টি বীণায় নয়, যা আমার ক্ষতি করেছে;<br>গান আমাকে ভালোবাসা শেখায়নি,<br>ভালোবাসাই আমাকে গান শিখিয়েছে।
** শিরোনাম কবিতা
* হাজারো কাল্পনিক জিনিস আছে<br>যা তরুণ হৃদয়ের কল্পনার সাথে যুক্ত।<br>তার প্রথম ভালোবাসার স্বপ্নে, একটি পাতা বা একটি ফুল<br>তখন একটি জাদু এবং একটি ক্ষমতায় উপহারপ্রাপ্ত হয়:<br>একটি ছায়া একটি অমঙ্গল, একটি স্বপ্ন একটি লক্ষণ,<br>যা থেকে কুমারী খুব সহজেই অনুমান করতে পারে<br>আবেগের পুরো ইতিহাস।
** শিরোনাম কবিতা
* শরতের পাতার ঝরে পড়া দেখা<br>খুবই দুঃখজনক!—কিন্তু তার চেয়েও খারাপ<br>হলো বসন্তের ফুলকে<br>তার তাজা প্রস্ফুটিত অবস্থায় ম্লান হতে দেখা!
** শিরোনাম কবিতা
* আমি তাকে ভালোবেসেছিলাম যেমন তরুণ প্রতিভা ভালোবাসে,<br>যখন তার নিজস্ব বন্য এবং উজ্জ্বল আকাশ<br>তারার আলোয় জ্বলে ওঠে,<br>ভালোবাসা, জীবন, আবেগের দেওয়া।<br>আমি তাকে ভালোবেসেছিলাম, যেমন নারী ভালোবাসে—<br>দুঃখ, পাপ বা অবজ্ঞার পরোয়া না করে:<br>জীবনের এমন কোনো অশুভ নিয়তি ছিল না<br>যা, তার সাথে, আমি সহ্য করতে পারতাম না!
** শিরোনাম কবিতা
* এটি গ্রীষ্মের এক রাত,—আর সাগর<br>ঘুমাচ্ছে, একটি শিশুর মতো, নীরব প্রশান্তিতে।<br>গভীর-নীল ঢেউয়ের ওপর ধীরে ধীরে চাঁদের আলো ভেঙে পড়ছে;<br>তার অঞ্চলের সাদা মেঘের ভেতর থেকে ঝিকমিক করছে,
** ''রোজালি।''
* তারপর তারা চুপ হয়ে গেল:—ভালোবাসার জন্য শব্দ খুব সামান্যই সাহায্য করে,<br>যার গভীরতম শপথগুলো সবসময় করা হয়<br>শুধু হৃদস্পন্দনের মাধ্যমে। ওহ, নীরবতাই হলো<br>আনন্দের নিজস্ব অদ্ভুত বাগ্মিতা!
** ''রোজালি।''
* সেই বুকটা কতটা নিঃসঙ্গ হতে পারে,<br>যার একমাত্র আনন্দ স্মৃতিতে আছে!<br>আর একজন নারীকে কতটা কষ্ট সহ্য করতে হয়, এভাবে প্রতারিত হয়ে?—<br>তার হৃদয়ের সবচেয়ে উষ্ণ এবং মূল্যবান অনুভূতিগুলো তৈরি করা হয়েছে<br>শুধু আঘাত করার জিনিস হিসেবে: সেই হৃদয়—এত দুর্বল,<br>এত নরম—শকুনের চঞ্চুর সামনে উন্মুক্ত করা হয়েছে!
** ''রোজালি।''
* এটি নিশ্চয়ই সারাজীবনের পরিশ্রম এবং যত্নের মূল্যবান,—<br>সেই কালো শেকলগুলোর মূল্যবান যা ক্লান্ত মানুষকে বইতে হয়<br>যে ভাগ্যের খাড়া পথে পরিশ্রম করে,—সবকিছু যা নিংড়ে নিতে পারে<br>নিঃসঙ্গ-কষ্টে ক্লান্ত বুককে,—<br>অস্থিরতা, অত্যাচার, যন্ত্রণাদায়ক ভয়,<br>আর বহু বছরের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত আশাগুলোর মূল্যবান,—<br>সেই ছোট্ট শান্ত জায়গাটিতে আবার পৌঁছানো,<br>যা একসময় এত প্রিয় ছিল, আর কখনোই পুরোপুরি ভোলা যায়নি;—<br>শৈশবের পা ফেলার জায়গাগুলো আবার খুঁজে পাওয়া,<br>আর তাদের স্মৃতি থেকে তাদের সতেজতা ধরে রাখা!
** ''রোজালি।''
* সেখানে সদ্য বন্ধ হওয়া একটা কবর ছিল। মনে হলো না কেউ কাছাকাছি আছে,<br>একটা দীর্ঘ—শেষ কান্নার শ্রদ্ধা নিবেদন করতে!<br>সেই মানুষটি কতটা নিঃসঙ্গ হতে পারে,<br>যার কবরের চেয়ে বেশি কোনো স্মৃতি নেই!
** ''রোজালি।''
* আমি ভায়োলেট খুব ভালোবাসি:<br>তারা নারীর ভালোবাসার ইতিহাস বলে;<br>তারা বসন্তের প্রথম নিশ্বাসের সাথে ফোটে;<br>সুগন্ধ, শিশির আর আলোর এক মিষ্টি জীবন কাটায়;<br>আর যদি তারা মারা যায়, তবে একটা দীর্ঘশ্বাস নিয়ে মারা যায়<br>যা সেই জীবনের মতোই সুস্বাদু।
** ''রোল্যান্ডস টাওয়ার''
* ভালোবাসা হলো কাঁচের মতো,<br>যা সবার ওপর তার নিজস্ব সমৃদ্ধ রং ফেলে,<br>আর সবাইকে সুন্দর করে তোলে।
** ''রোল্যান্ডস টাওয়ার''
* সুস্বাদু কান্না! হৃদয়ের নিজস্ব শিশির।
** ''দ্য গেরিলা চিফ''
* এটি কিছু একটা, যদি অনুপস্থিতিতে আমরা দেখতে পাই<br>অতীতের পায়ের ছাপ:—এটি হৃদয়কে প্রশান্তি দেয়<br>অন্য বছরের সুগন্ধি বাতাসে নিশ্বাস নিতে<br>প্রিয় ঠোঁটের দ্বারা; সেই বাগানগুলোতে ঘুরে বেড়াতে<br>যেখানে একসময় আমরা একা ছিলাম না,—
** ''দ্য গেরিলা চিফ''
* আর হলরুম একাকী, আর হলরুম বিষণ্ণ,<br>কারণ নারীর হাসি এখানে জ্বলজ্বল করে না।
* লুরি তার দারুচিনির বাসায় নিয়ে এসেছে।<br>মৌমাছি তার মধুর খোঁজের মাঝখান থেকে,<br>আর পদ্মের পাতাগুলো খুলে রেখেছে<br>গ্রীষ্মের দিনের দুপুরকে স্বাগত জানাতে।
* তবুও মান্ডাল্লা স্কোয়ারের দিকে তাকিয়ে রইল<br>যেহেতু সে যাকে খুঁজছিল সে এখনো সেখানে ঘুরে বেড়াচ্ছিল,—<br>ওহ সেই প্রিয় দৃষ্টি, যার চোখের মণি টানাটানি করছে,<br>আর জানবে না যে তার দৃষ্টি বৃথা!<br>অবশেষে সে ঘুরল,—তার নীরব মেজাজ<br>সেই আবেগপূর্ণ একাকীত্ব খুঁজছিল,<br>তরুণ হৃদয়ের ইডেন, যখন প্রথমবার<br>ভালোবাসা তার নিঃসঙ্গতায় লালিত হয়।
* একজন আলমা মেয়ে! ওহ লজ্জা, গভীর লজ্জা,<br>ব্রহ্মার জাত আর ব্রহ্মার নামের প্রতি!<br>অলক্ষ্যে, করুণাহীন, সে একপাশে ঘুরে দাঁড়াল,<br>এক মুহূর্তের জন্য তার ফেটে পড়া কান্না লুকাতে।<br>কেউ বায়াদেরের কথা ভাবেনি, যতক্ষণ না আগুন<br>কবরের চিতায় লাল আর ভয়ংকরভাবে জ্বলে উঠল,<br>তারপর একটা চিন্তার মতো সে ছুটে গেল,<br>আর জ্বলন্ত চিতায় লাফিয়ে পড়ল মরার জন্য!
** দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট (৩০ আগস্ট, ৬ এবং ১৩ সেপ্টেম্বর ১৮২৩) থেকে ''দ্য বায়াদের''
* মৃত্যু একটা ভয়ংকর জিনিস যখন আমাদের এর পা ফেলার হিসাব করতে হয়!
* আশার বালুকাময় ভিত্তির ওপর আমরা<br>কতগুলো গৌরবময় কাঠামো তৈরি করেছিলাম!
** লন্ডন লিটারারি গেজেট (২৫ মে ১৮২২) পোয়েটিক স্কেচেস থেকে ''সেন্ট জর্জেস হসপিটাল, হাইড পার্ক কর্নার। সেকেন্ড সিরিজ - স্কেচ দ্য ফোর্থ''
* এটি একটি মিষ্টি, যদিও খুব বেদনাদায়ক, অনুভূতি<br>এটা জানা যে, আমাদের জন্য কেউ আক্ষেপ করছে।
* তার গাল মার্বেলের মতো ফ্যাকাশে ছিল, আর ততটাই ঠান্ডা;<br>কিন্তু তার ঠোঁট কাঁপেনি, আর তার কালো চোখ<br>গর্বের সাথে চারপাশে তাকাল। কিন্তু যখন তারা তার বুক উন্মুক্ত করল<br>মৃত্যুর গুলির জন্য, আর সেখান থেকে একটা প্রতিকৃতি নিল,<br>সে তার হাত মুঠো করল, আর হাঁপিয়ে উঠল, আর একটা গভীর দীর্ঘশ্বাস<br>যন্ত্রণায় তার থেকে ফেটে বের হলো; আর সে লুকাল<br>তার মুখ কিছুক্ষণের জন্য—তার মায়ের দৃষ্টি সেখানে ছিল।<br>সে তার আত্মাকে শক্ত করতে পারল না যখন সে মনে করল<br>তার মায়ের হতাশার তিক্ততা। এটি কেটে গেল—<br>সেই বন্য যন্ত্রণার মুহূর্তটি; সে হাঁটু গেড়ে বসল;<br>সেই সূর্যের আলো তার গৌরব ছড়িয়ে দিল একজনের ওপর,<br>তরুণ, গর্বিত, আর সাহসী, গভীর শক্তিতে স্নায়ুযুক্ত;<br>পরের আলোটি পড়ল ঠান্ডা আর রক্তমাখা কাদামাটির ওপর। . . .
** দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট (৮ জুন ১৮২২) পোয়েটিক স্কেচেস থেকে ''দ্য ডেজার্টার। সেকেন্ড সিরিজ - স্কেচ দ্য সিক্সথ''
* আমি তাদের জন্য করুণা করি যাদের শৈশব অসুখী ছিল! তাদের কাছে অনুভূতির অন্যতম মিষ্টি ঝরনা পুরোপুরি অস্বীকার করা হয়েছে, জীবনের সবচেয়ে সবুজ এবং সুন্দর অংশটি ধ্বংস হয়ে গেছে।
* তিনবার পবিত্র করা মঠ<br>হৃদয়ের যোগাযোগের, আমাদের নিজস্ব চুল্লির পাশ!
** দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট (১৪ সেপ্টেম্বর ১৮২২) পোয়েটিক্যাল স্কেচেস থেকে ''গ্ল্যাডেসমুইর। থার্ড সিরিজ - স্কেচ দ্য সেকেন্ড''
* ওহ, সবাই<br>জানে ভালোবাসা হলো নারীর সুখ।
* আশা হলো ভালোবাসার সুখ, কিন্তু এর জীবন নয়;—<br>কতগুলো হৃদয় একটা বৃথা শিখা লালন করেছে<br>নীরবে আর গোপনে, যদিও তারা জানত<br>তারা সেই পোড়ানো আগুনকে খাওয়াচ্ছে যা তাদের গ্রাস করবে!
* — একজন কবির ভালোবাসা<br>হলো অমরত্ব!
** দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট (২১ সেপ্টেম্বর ১৮২২) থেকে ''দ্য মিনস্ট্রেল অব পর্তুগাল''
* সবাই, দেরি করে, তাকিয়ে থাকার জন্য দাঁড়িয়ে রইল<br>চিত্রকরের শিল্পের এই ইডেনের ওপর,<br>আর এর সৌন্দর্যের দিকে তাকিয়ে, ভুলে গেল<br>তাদের চারপাশের ভিড় করা পৃথিবীকে!—
* আহ! ভালোবাসা তার উপহারের চেয়েও বেশি ভঙ্গুর!<br>কাকের মতো কালো চুলের একটা বিনুনি: ওহ, শুধু তারা<br>যাদের আত্মা এই একটা মূর্তিপূজা অনুভব করেছে<br>তারাই বলতে পারে কতটা মূল্যবান সেই সামান্য জিনিস<br>যা স্নেহ দেয় আর পবিত্র করে।
* ভালোবাসা, তোমার কাছে গ্রীষ্মের মতো আশা আছে, ছোট আর উজ্জ্বল,<br>পরমানন্দের মুহূর্ত, আর পাগল করা স্বপ্ন,<br>তীব্র সুস্বাদু স্পন্দন!
** দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট (১২ অক্টোবর ১৮২২) থেকে ''দ্য বাস্ক গার্ল অ্যান্ড হেনরি কোয়াত্রে''
* আর বাতাসে ঢাকা ড্রাম বেজে চলল,<br>রাজকীয় পদক্ষেপে যোদ্ধারা সেখানে ছিল;<br>প্রতিটি হাতে কালো ক্রেপ বাঁধা ছিল,<br>প্রতিটি কারবাইন মাটির দিকে ঘোরানো ছিল:<br>তাদের মাপা পদচারণার শব্দ গম্ভীর ছিল,<br>যেহেতু তারা নীরব আর ধীর গতিতে মৃতদেহ অনুসরণ করছিল।<br>আরোহীহীন ঘোড়াটিকে পেছনে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল,<br>কফিনের ওপর সাদা পালক উড়ছিল:<br>হেলমেট আর তলোয়ার কাফনের ওপর রাখা হয়েছিল,<br>কারণ এটি ছিল একজন সৈনিকের শেষকৃত্য।
* সে সদ্য তৈরি করা ঢিবির ওপর হাঁটু গেড়ে বসল,<br>তার মুখ ঠান্ডা স্যাঁতসেঁতে মাটিতে নত ছিল,<br>সে তার মাথা তুলল, তার কান্না শেষ হয়েছিল,<br>বাবা তার একমাত্র ছেলের ওপর প্রার্থনা করেছিল!
** দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট (১৬ নভেম্বর ১৮২২) থেকে ''দ্য সোলজার্স ফিউনারেল''
* আমি আমার বাড়ি ছেড়েছিলাম, আর আমাকে ছেড়ে যাওয়া হয়েছিল<br>তার দেশে একজন অপরিচিত, বঞ্চিত<br>এমনকি আশা থেকেও; এমন একজনও ছিল না<br>যার পরিচিত মুখের দিকে তাকানো যায়।—<br>তাদের কথাগুলো অদ্ভুত ছিল।
* আমি চাই না সে কাঁদুক<br>তার ইতালীয় ভালোবাসার শেষ ঘুমের ওপর।<br>ওহ, কান্না খুব মূল্যহীন একটা চিহ্ন,<br>যখন যে হৃদয়গুলোকে তাদের সান্ত্বনা দেওয়ার কথা ছিল সেগুলো ভেঙে যায়।
** দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট (১৪ ডিসেম্বর ১৮২২) থেকে ''দ্য পেইন্টার্স লাভ''
* লাইনগুলো অনেক কোমল জিনিসে ভরা ছিল,<br>আবেগপূর্ণ হৃদয়ের সমস্ত ভালোবাসার যোগাযোগ।
** দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট (১৬ নভেম্বর ১৮২২) ফ্র্যাগমেন্টস ইন রাইম ২ থেকে ''রিটেন আন্ডার আ পিকচার অব আ গার্ল বার্নিং আ লাভ লেটার - লাইনস রিটেন আন্ডার আ পিকচার অব আ গার্ল বার্নিং আ লাভ লেটার''
* একজন কবির নামের আলো কী,<br>যদি তার দেশ তার খ্যাতির পবিত্রতা রক্ষা না করে?<br>কোথায় সে এত সুন্দর পুরস্কার খুঁজতে পারে<br>যেমন সম্মান এবং প্রশংসা তার জন্য সেখানে অপেক্ষা করে?<br>তার নাম হারিয়ে যাবে আর তার কবর ভুলে যাওয়া হবে,<br>যদি তার দেশের কান্না তাদের রক্ষা না করে! . . .
* সে গাইল,—সুরগুলো প্রথমে নিচু ছিল,<br>ভালোবাসার ফিসফিসানির মতো, বা দুঃখের দীর্ঘশ্বাসের মতো:<br>জল শান্ত হয়ে গেল, আর বাতাস থেমে গেল,<br>যখন সে তার লেসবিয়ান কুমারীকে বিদায় জানাল!
** দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট (২৩ নভেম্বর ১৮২২) ফ্র্যাগমেন্টস ইন রাইম ৪ থেকে ''অ্যারিয়ন''
* একটা পদ্মফুলের ওপর বালিশ রেখে,<br>গ্রীষ্মের এক প্রহরে সংগৃহীত,<br>সে পাহাড়ের ঢেউয়ের ওপর চড়ে<br>যা একটা লম্বা জাহাজের কবর হতে পারে!<br>তার পিঠে তার ধনুক ঝোলানো,<br>আখ, বন্য মৌমাছি দিয়ে গাঁথা,—
* তবুও একটা তীরের এমন ক্ষমতা আছে<br>যা জীবনের শেষ প্রহর পর্যন্ত স্থায়ী হয়<br>ক্লান্ত দিন আর ঘুমহীন রাত,<br>ভয়ানক আনন্দের বিদ্যুতের ঝলকানি,<br>সুগন্ধি আর তবুও বিষাক্ত দীর্ঘশ্বাস,<br>যন্ত্রণা আর পরমানন্দ;<br>আশাগুলো, অন্ধকারের মাঝে আগুনের মতো,<br>শুধুই গ্রাস করার জন্য আলো দিচ্ছে!
* আকাশে ঝড় হতে পারে,<br>আর জল উঁচুতে বয়ে যেতে পারে,<br>যখন মনমদিন পাশ দিয়ে যায়।<br>নিচে পৃথিবী আর ওপরে স্বর্গ<br>তোমার কাছে নত হতে পারে, ওহ ভালোবাসা!
** দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট (১৪ ডিসেম্বর ১৮২২) ফ্র্যাগমেন্টস ইন রাইম ৭ থেকে ''মনমদিন, দ্য ইন্ডিয়ান কিউপিড। ফ্লোটিং ডাউন দ্য গঞ্জেস''
* ভালোবাসা হলো সবচেয়ে পবিত্র রঙের একটা মুক্তা,<br>কিন্তু এর চারপাশে ঝোড়ো ঢেউ আছে;<br>আর একজন নারী হয়তো খুব আক্ষেপ করতে পারে,<br>সেই প্রহরটি নিয়ে যখন সে এটি খুঁজে পেয়েছিল।
* —কারণ পৃথিবীটা বড্ড স্বর্গের মতো হতো,<br>যদি ভালোবাসাকে দীর্ঘ জীবন দেওয়া হতো।
* ওহ, খ্যাতি হলো ওপরের চাঁদের মতো,<br>যার আলো আর জীবনের সূর্য হলো ভালোবাসা।<br>একটা কোমল চোখের হাসিতে আরও বেশি কিছু আছে<br>ইতিহাসের হাজার পাতার চেয়ে;<br>জনতা সবচেয়ে জোরে যে প্রশংসা করতে পারে তার চেয়ে।<br>গৌরবের মুকুটে রত্নগুলো নাও,<br>আর সৌন্দর্যের একটা হাসি তাদের সবগুলোর চেয়ে মূল্যবান।—
** দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট (২৪ মে ১৮২৩) থেকে ''ইনেজ''
* ভায়োলেট! — গভীর-নীল ভায়োলেট!<br>এপ্রিলের সবচেয়ে সুন্দর মুকুট!<br>উপত্যকায় এমন কোনো ফুল ফোটে না,<br>যা শিশির দ্বারা চুমু খায়, বাতাস দ্বারা প্রেম নিবেদিত হয়, —<br>গোধূলির শিশিরে ভেজা কেউ নেই,<br>গভীর-নীল ভায়োলেটের মতো এত মিষ্টি!
** ''দ্য ভায়োলেট''
* কিন্তু এটা একটা স্বপ্নের মতো, — লাঙল চলে গেছে<br>যেখানে হরিণ লাফিয়ে বেড়াত, আর দিনটা তাকিয়েছে<br>বনের গাছগুলোর সবুজ গোধূলির ওপর।<br>এই ওক গাছটির কোনো সঙ্গী নেই ! - - - -
** দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট (১৯ এপ্রিল ১৮২৩) ফ্র্যাগমেন্টস থেকে ''দ্য ওক''
* তারা ঠান্ডা কথা নিয়ে দেখা করেছিল, আর তার চেয়েও ঠান্ডা দৃষ্টি নিয়ে:<br>প্রত্যেকেই নিজের ভেতরে বদলে গিয়েছিল, আর তবুও প্রত্যেকেই ভেবেছিল<br>শুধু অন্যজনই বদলেছে, সে নিজে একই আছে।
** দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট (২৩ আগস্ট ১৮২৩) থেকে ''চেঞ্জ''
* তার একটা ক্ষমতা ছিল; তার চোখে<br>একটা নিভিয়ে ফেলার অযোগ্য শক্তি ছিল,<br>একটা আত্মা যা সাহস করতে পারে<br>মৃত্যু যে সবচেয়ে ভয়ংকর রূপ নিতে পারে,<br>আর সাহসের জন্যই সাহস করতে পারে।
** দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট (১৯ জুলাই ১৮২৩) এক্সিকিউশন অব ক্রিসেনটিয়াস থেকে ''ক্রিসেনটিয়াস''
* এটি এমন একটি রত্ন যার ক্ষমতা আছে দেখানোর<br>যে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ প্রেমিক-প্রেমিকারা তাদের বিশ্বাস রাখে কিনা :<br>যদি বিশ্বস্ত হয়, তবে এটি বসন্তের পাতার মতো ;<br>যদি অবিশ্বস্ত হয়, তবে ম্লান হয়ে যাওয়া সেই পাতার মতো।
** দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট (২৮ ডিসেম্বর ১৮২২) ফ্র্যাগমেন্টস ইন রাইম ১১ থেকে ''দ্য এমারেল্ড রিং — আ সুপারস্টিশন''
* আর এটাই ভালোবাসা! ওহ! কেন নারী ভালোবাসবে;<br>তার সবচেয়ে প্রিয় অনুভূতিগুলো নষ্ট করবে, যতক্ষণ না স্বাস্থ্য, আশা,<br>সুখ, শুধু এমন জিনিসে পরিণত হয় যার এখন থেকে<br>সে শুধু নামই জানবে?
** ''লাভ''
* ভালোবাসা ভয়ে বাড়তে পারে,<br>দীর্ঘশ্বাসের হাওয়ায় ছড়াতে পারে,<br>কল্পনার দ্বারা লালিত হতে পারে, সন্দেহের দ্বারা পুষ্ট হতে পারে<br>কিন্তু আশা ছাড়া এটি মারা যায়!
** ''লাভ, হোপ অ্যান্ড বিউটি''
* দিন পেরিয়ে গেছে, আর চাঁদের আলো কাঁদছে<br>সেই অনেকের ওপর যারা তাদের শেষ ঠান্ডা ঘুমে বিশ্রাম নিচ্ছে;<br>কাটা আর স্নায়ুহীন হাতের কাছে<br>আছে ভোঁতা বর্শা আর ভাঙা তলোয়ার;<br>তীরন্দাজ এক ব্যবহৃত তীরের মতো পড়ে আছে,<br>তার সব তীর আলগা আর তার ধনুক বাঁকানো নয়;<br>অনেক সাদা পালক ছেঁড়া আর লাল,<br>সুন্দর মাথা থেকে উজ্জ্বল কোঁকড়ানো চুল ছেঁড়া,<br>হেলমেট আর বর্ম চারপাশে ছড়ানো,<br>ভালোভাবে লড়াই করা মাঠে এক ভয়ংকর দৃশ্য হয়ে পড়ে আছে;<br>যখন কাক আর দাঁড়কাক মাথার ওপরে ভিড় করছে<br>অসহায় মৃতদের হৃদয় খাওয়ার জন্য,<br>শুধু তখনই বাঁচে যখন শেষ মৃত্যু যন্ত্রণায় থাকা<br>কোনো হতভাগ্যের জ্বলন্ত দৃষ্টি দেখে ভয় পায়।
** দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট (২৫ অক্টোবর ১৮২৩) স্কেচ থেকে ''দ্য ওয়ারিয়র''
* ওহ, গালের ভালোবাসার আভা সবচেয়ে নরম<br>যখন তা চাঁদের আলোর প্রহরে দেখা যায়<br>অন্য গোলাপরা দিন খোঁজে,<br>কিন্তু লজ্জার আভা হলো রাতের ফুল।
** দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট (২৪ নভেম্বর ১৮২১) থেকে ''হোয়েন শুড লাভারস ব্রিদ দেয়ার ভাউস''
===দ্য ট্রুবাদুর (১৮২৫)===
* কারণ তার জন্য এখন ছিল সবচেয়ে সুন্দর সময়<br>তরুণ কবির জীবনের, যখন প্রথমে,<br>নিঃসঙ্গতা আর নীরবতায় লালিত হয়ে,<br>তার প্রতিভা একটা ঝরনার মতো জেগে ওঠে<br>যা নিজের পথে চলতে গিয়ে কারো চোখে পড়ে না;<br>শীতের মেঘ বা গ্রীষ্মের রোদ<br>তাকে ঠান্ডা করার, বা নষ্ট করে দেওয়ার আগে,
** ''ক্যান্টো ১''
* হায়! সেই মানুষের জন্য যার যৌবনের আগুন<br>বীণার প্রতি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ এবং নষ্ট করা হয়েছে,—<br>হায়! তার জন্য যে চেষ্টা করবে,<br>লরেলের দীর্ঘ এবং বিষণ্ণ পথে চলতে!<br>উপহাস তাকে স্বাগত জানাবে, অবহেলা ঠান্ডা করবে<br>তার আত্মার উচ্ছ্বাস, তার বুকের রোমাঞ্চ;<br>আর, সবচেয়ে খারাপ, সেই হৃদয়হীন প্রশংসা<br>যা অন্য কেউ যা বলে তা থেকে প্রতিধ্বনিত হয়।
** ''ক্যান্টো ১''
* বসন্তের জন্য এটা ঠিক নয় যে সে ভাববে<br>শরতের ঝরে পড়ার সব শুষ্কতা এবং অপচয় নিয়ে: —
** ''ক্যান্টো ১''
* ওহ, এমন হৃদয় কোথায় আছে যা জানে না<br>ভালোবাসার প্রথম পা গোলাপের ওপরেই পড়ে!
** ''ক্যান্টো ১''
* হায়! প্রতিটি সুন্দর জিনিস<br>শুধু ম্লান হওয়ার জন্যই বাঁচে,—<br>যে বসন্তের রংধনু আর গ্রীষ্মের আলো<br>শরতের ফ্যাকাশে পতনেই শেষ হয়।
** ''ক্যান্টো ১''
* ঠান্ডা উত্তুরে বাতাস যা মাটির দিকে বাঁকিয়ে দেয়<br>উইলো গাছের হালকা জন্মকে<br>পাহাড়ের সিডার গাছগুলোকে বাঁকাতে পারে না;<br>বাতাস থেকে তাদের ডালগুলো গুটিয়ে নিয়ে,<br>তারা এমনভাবে দাঁড়িয়ে থাকে যেন তারা অমান্য করতে পারে<br>ঝড় আর আকাশের সর্বোচ্চ ক্রোধকে।
** ''ক্যান্টো ১''
* ওহ, তার এখনো সেই কাজটা শেখার বাকি ছিল<br>কতবার নারীর হৃদয়কে ফিরে যেতে হয়<br>তার নিজস্ব অতিরিক্তকে খাবার দিতে<br>গভীর অথচ আবেগপূর্ণ কোমলতার!<br>হৃদয়কে কতটা দুঃখ প্রমাণ করতে হয়<br>যা ভালোবাসাকে আশ্রয় দেয়!
** ''ক্যান্টো ১''
* প্রথম, একেবারে প্রথম; ওহ! কেউ না<br>আগের মতো আবার অনুভব করতে পারে;<br>ভালোবাসায়, যুদ্ধে, গর্বে, সব কিছুতে<br>জীবনের মুকুটের গ্রহগুলো,<br>যতই সুন্দর বা উজ্জ্বল হোক না কেন,—<br>তাদের প্রথম মিষ্টি আলোর মতো আর কী হতে পারে?
** ''ক্যান্টো ২''
* শরৎ আসছিল, কিন্তু পাইন গাছটা<br>যেন সব পরিবর্তনকে উপহাস করছিল; কোনো চিহ্ন<br>ঋতুর তার পাতায় দেখা যায়নি,<br>অপরিবর্তিত সবুজের একই কালো অন্ধকার।<br>কিন্তু সেই জাঁকজমকপূর্ণ ফার্সি ব্যান্ডের মতো<br>উত্তরের দেশের কঠোর জাতির মাঝে,<br>চেস্টনাট গাছের ডালগুলো উজ্জ্বল ছিল সেই সব কিছু দিয়ে<br>যা শরতের পতনকে রাঙিয়ে দেয় আর উপহাস করে।
** ''ক্যান্টো ২''
* ওহ, ভালোবাসা তার জন্মে বড্ড লাজুক!<br>তার সবচেয়ে হালকা দৃষ্টি বা নড়াচড়া খেয়াল রাখা,<br>যেহেতু সে শুধু তাকিয়েছিল আর তার সাথে নিশ্বাস নিয়েছিল।<br>মজার কথা হচ্ছিল, কিন্তু সে ঝুঁকে ছিল<br>নীরবে; তবুও, একটা দ্রুত দৃষ্টি পাঠানো হয়েছিল,—<br>তার গোপন কথা আর তার নিজের নেই,<br>কবে নারী তার ক্ষমতা জানতে পারেনি?
** ''ক্যান্টো ২''
* জেগে ওঠা আশা নাম দিয়েছে<br>ভালোবাসার, বা এর স্ফুলিঙ্গকে শিখায় পরিণত করেছে।<br>অস্থিরতা, কিন্তু বাতাসের মতো ঘোরে<br>পাতা থেকে পাতায়, ফুল থেকে ফুলে;<br>পরিবর্তনশীলতা, কিন্তু রংধনুর মতো বদলায়,<br>রঙিন আকাশ থেকে রোদেলা প্রহর পর্যন্ত।<br>হ্যাঁ, সত্যিই চারণকবি গাইতে পারে,—<br>হৃদয় আর বছরের কাছে বসন্তের মতো কী আছে?
** ''ক্যান্টো ২''
* সেই হৃদয় কোথায় যে নত হয়নি<br>একজন দাস হিসেবে, অনন্ত ভালোবাসা, তোমার কাছে:<br>ঠান্ডা, হাসিখুশি, গর্বিতদের দিকে তাকাও,<br>আর তাদের মধ্যে কি কেউ মুক্ত আছে?
** ''ক্যান্টো ২''
* গ্রীষ্মের সূর্য দুপুরের সময়<br>যে তুষারের দিকে তাকিয়েছে তার মতোই বিশুদ্ধ, —<br>মরুভূমির গুহায় লুকানো<br>হীরক ঢেউয়ের মতোই গভীর, —<br>সাইপ্রাসের বোনা মালার<br>সবচেয়ে সবুজ পাতার মতোই অপরিবর্তনীয়, —<br>প্রায়শই আশাহীন, যখন সবচেয়ে বেশি ভালোবাসে,<br>আশা বা ভয় ছাড়া এর বাইরে<br>তার নিজস্ব ফ্যাকাশে বিশ্বস্ততার, —<br>আর এটাই নারীর ভালোবাসা হতে পারে!
** ''ক্যান্টো ২''
* আগুনের দাগ, ইস্পাতের আঘাত,<br>ভালোবাসার ক্ষতের চেয়ে সারানো সহজ।
** ''ক্যান্টো ২''
* আমি তাকে ভালোবাসতাম! হ্যাঁ, আমি দিয়ে দিতাম<br>মৃত্যুশয্যায় স্বর্গের নিশ্চয়তা<br>যদি আমি ভাবতাম এটা দিতে পারে<br>তাকে বিন্দুমাত্র সুখ!
** ''ক্যান্টো ৩''
* আমি তার ঠোঁটে চুমু খেলাম: ওহ, ঈশ্বর, সেই ঠান্ডা!<br>আমার হৃদয় এখনো তাতে জমে আছে:—<br>এটা হঠাৎ করেই আমার ওপর<br>আমার যন্ত্রণার গভীরতা খুলে দিল।<br>আমি মাটিতে আছড়ে পড়লাম, আর প্রলাপ বকলাম,<br>আর যে বাতাস আমাকে পেরিয়ে গেল তার কাছে চাইলাম<br>এক নিশ্বাস বিষ, যতক্ষণ না আমার রক্ত<br>ঠোঁট আর ভ্রু থেকে এক বন্যায় ছুটে বের হলো।<br>আমি দেখলাম আমার শিরার উষ্ণ স্রোত<br>মৃত্যুর ক্ষতের জমাট দাগের সাথে মিশে যাচ্ছে;<br>ওহ! আমি কত প্রার্থনা করেছিলাম যেন আমি ঢালতে পারি<br>আমার হৃদয়ের জোয়ার, আর তার জীবন ফিরিয়ে দিতে পারি!
** ''ক্যান্টো ৩''
* আমি একটা ঈগলের ডানায় ভেসেছিলাম,<br>দুপুরের সূর্যের সাথে ধ্বংস হওয়া পর্যন্ত;<br>তারপর আমি একটা পৃথিবীতে একা দাঁড়ালাম,<br>যেখান থেকে অন্য সব জীবন চলে গিয়েছিল,<br>যেখান থেকে উষ্ণতা, আর নিশ্বাস, আর আলো পালিয়ে গিয়েছিল,<br>একটা পৃথিবী যার ওপর একটা অভিশাপ বলা হয়েছিল:<br>গাছগুলো সব পাতাহীন দাঁড়িয়ে ছিল, আর ন্যাড়া,<br>আকাশ ছড়িয়ে ছিল, কিন্তু সেখানে কোনো সূর্য ছিল না:<br>রাত এল, তার পথে কোনো তারা ছিল না,<br>সকাল এল দিনের কোনো চেহারা ছাড়া,—<br>যেহেতু রাত আর দিন একটা ফ্যাকাশে কাফন ভাগ করেছিল,<br>কোনো রং বা মেঘ ছাড়া।<br>আর সেখানে নদী ছিল, কিন্তু তারা দাঁড়িয়ে ছিল<br>বন্যার ওপর কোনো গুঞ্জন ছাড়া,<br>ঢেউহীন আর অন্ধকার, তাদের কাজ শেষ হয়েছিল,—<br>সমুদ্র তীরে নীরব শুয়ে ছিল,<br>তার বুকে কোনো চিহ্ন ছাড়া<br>অন্তহীন বিশ্রাম ছাড়া:<br>আর সেখানে প্রাসাদ আর হলরুম ছিল,<br>কিন্তু তাদের দেয়ালের মাঝে নীরবতা রাজত্ব করছিল,<br>যদিও ভিড় এখনো তাদের পূর্ণ করে রেখেছিল; কারণ কোনো শব্দ<br>চারপাশে জড়ো হওয়া হাজারো মানুষের থেকে ওঠেনি;<br>সবাই একই সাদা, রক্তহীন রং পরেছিল,<br>সবার কাঁচের মতো নীল চোখের একই দৃষ্টি,<br>অর্থহীন, ঠান্ডা, লাশের মতো যেমনটা<br>বন্ধ করার জন্য কোনো কোমল হাত কাছে ছিল না।<br>আর সবাই যেন, আমার দিকে তাকানোর সময়,<br>অবাক হয়েছিল যে আমি এখনো থাকতে পারি<br>উষ্ণতা আর নিশ্বাসের একটা চলমান আকৃতি<br>মৃত্যুর একটা পৃথিবীর মাঝে একা।
** ''ক্যান্টো ৩''
* দুঃখে একটা অলসতা আছে<br>যা স্বস্তিও খুঁজতে চায় না। <br>সেই পরিশ্রম, বা যত্ন, বা ব্যথা কী,<br>যা মানুষের হৃদয় সহ্য করতে পারে না?<br>যথেষ্ট যদি সংগ্রাম তৈরি করতে পারে<br>আমাদের ভাগ্যে একটা পরিবর্তন বা রং;<br>কিন্তু কোথায় সেই আত্মা যে সামলাতে পারে<br>অলস যন্ত্রণার সাথে, যখন আশা,<br>যন্ত্রণার শেষ মিত্র,<br>তার মিষ্টি নিজের ওপর অসুস্থ হয়ে পড়ে, আর মারা যায়।
** ''ক্যান্টো ৩''
* ওহ! স্মৃতি কী একটা উপহার ছাড়া<br>যা একটা ধ্বংসপ্রাপ্ত মন্দিরের ভেতরে রাখা আছে,<br>যা মনে করিয়ে দেয় তার সৌন্দর্যগুলো কী ছিল,<br>আর তারপর তুলে ধরে সেগুলো এখন কী।
** ''ক্যান্টো ৩''
* এটা অদ্ভুত যে কতটা শক্তি আর গর্বের সাথে<br>কোমলতা ভালোবাসার সাথে যুক্ত;<br>বুককে বাধ্য করার কতটা শক্তি<br>বাহ্যিক চেহারায় শান্ত থাকতে,—<br>কতটা গর্ব যে কোনো চোখ কখনো<br>তার যন্ত্রণার দিকে তাকাতে না পারে!<br>আহ! ঠোঁট খুব সামান্যই প্রকাশ করবে<br>জ্বলন্ত হৃদয় যা অনুভব করতে পারে।
** ''ক্যান্টো ৪''
* ওহ! কেন নারী কখনো ভালোবাসবে,<br>ওপরের একটা মিথ্যা তারাকে বিশ্বাস করে;<br>আর তার সামান্য সুযোগ ছুঁড়ে ফেলবে<br>রোদের তার বিশ্বাসঘাতক রশ্মির জন্য।
** ''ক্যান্টো ৪''
* এটা অদ্ভুত যে কীভাবে হৃদয় তৈরি করতে পারে<br>বা নিজেকে থেকে নিজের ভাগ্য রাঙাতে পারে;<br>আমরা নিজেরাই আমাদের নিজেদের যন্ত্রণা তৈরি করি,<br>আমরা নিজেরাই আমাদের সুখ।
** ''ক্যান্টো ৪''
* "সেখানে একটা খাড়া আর উঁচু দেয়াল আছে,<br>যেখানে আমার প্রহরীরা কাঁপতে কাঁপতে দাঁড়িয়ে থাকে,<br>যে এর উচ্চতার চারপাশে গতিতে ছুটবে,<br>তার জন্যই আমার হাত হবে।"
** ''ক্যান্টো ৪''
* —সংগীতের ক্ষমতা<br>রোদেলা প্রহরে খুব কমই অনুভূত হয়;<br>কিন্তু তার কণ্ঠ শোনো যখন আশাগুলো চলে যায়,<br>সোয়ালো পাখির মতো, হৃদয় থেকে উড়ে যায়<br>যার ওপর গ্রীষ্মের শেষের পতন<br>একটা বিষণ্ণতা আর একটা চিহ্ন রেখে গেছে;. . . . . .<br>কত গভীরভাবে আত্মা অনুভব করবে<br>বীণা, গানের মিষ্টি-কণ্ঠের আবেদন;<br>আর কীভাবে হৃদয় তাদের দীর্ঘশ্বাস পান করবে<br>যেন তারা স্বর্গের প্রতিধ্বনি।
** ''ক্যান্টো ৪''
* সেখানে একটা ফুল আছে, একটা তুষার-সাদা ফুল,<br>ভঙ্গুর যেন সকালের এক পশলা বৃষ্টি<br>তার অস্তিত্ব শেষ করে দেবে, আর পৃথিবী<br>ভুলে যাবে সে কী জন্ম দিয়েছিল;<br>আর একে দেখতে নিষ্পাপ আর ফ্যাকাশে লাগে,<br>এতই হালকা যে সামান্য শক্তিই যথেষ্ট<br>একে তার বিছানা থেকে ছিঁড়ে ফেলতে, আর তবুও<br>এর শিকড় গভীরতা আর শক্তিতে প্রোথিত।<br>জুলাইয়ের সূর্য, শরতের বৃষ্টি,<br>এর সরু ডালে বৃথাই আঘাত করে;—<br>যত্নের পরোয়া না করে এটি চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে,<br>যতক্ষণ না পুরো বাগানটি এর অংশ হয়ে যায়;<br>আর অন্য গাছগুলোকে ম্লান হয়ে পড়ে যেতে হয়<br>এর গভীর আর মারাত্মক দাসত্বের নিচে।<br>এটি ভালোবাসার প্রতীক; এটি লালিত হয়<br>প্রথমে সব অবচেতনতায়,<br>বড্ড হালকা, বড্ড সুন্দর, অবিশ্বাস জাগানোর জন্য;<br>কোনো চিহ্ন নেই কীভাবে যে পরের কোনো প্রহর<br>এর মারাত্মক ক্ষমতার জন্য আক্ষেপ করবে আর কাঁদবে।
** ''ক্যান্টো ৪''
* কখনোই না, প্রিয় বাবা, ভালোবাসা হতে পারে,<br>সেই প্রিয় ভালোবাসার মতো যা আমার তোমার জন্য ছিল!
** ''ক্যান্টো ৪''
* হায়, কান্নাই কবির উত্তরাধিকার!
** ''জুলিয়েট আফটার দ্য মাস্করেড। টমসনের লেখা''
* এটা কোনো কল্পনা ছিল না, সে নাম ধরেছিল<br>ভালোবাসার, আর সেই চিন্তায় তার গাল আগুনের মতো লাল হয়ে উঠল:
** ''জুলিয়েট আফটার দ্য মাস্করেড। টমসনের লেখা''
* ... ওহ! ভালোবাসা টিকে থাকবে<br>যখন যে জিনিসগুলো একে সুখ দিয়েছিল তা অতীত হয়ে যায়,—<br>যখন এর সব আশা ঝিকমিক করা খেলনার মতো হয়ে যায়<br>বর্তমান সময় যা দেয়, ভবিষ্যতের সময় যা ধ্বংস করে,—
** ''জুলিয়েট আফটার দ্য মাস্করেড। টমসনের লেখা''
* মৃতপ্রায় সর্দার তার হাঁটুতে ভর দিয়ে লাফিয়ে উঠল,<br>আর বন্ধ করা ক্ষতগুলো ভয়ংকরভাবে রক্ত ঝরাল;<br>কিন্তু তার কাটা হাত, এটা এখন কী?<br>তার ঠোঁট কালচে নীল, আর তার ভ্রু কালো,<br>যখন তার ওপরে খুনি দাঁড়িয়ে ছিল,<br>যেন সে প্রায় অবজ্ঞা করছিল সেই রক্তকে<br>যা জিততে এত কম খরচ হয়েছিল,—<br>সে আঘাত করে,—মৃত্যুর কাজ শেষ!
** ''দ্য কমব্যাট। ইটির লেখা''
* ঘুমের জাদুকরী রাজত্বে<br>অন্য সময় আবার বেঁচে উঠবে;
** ''দ্য ফেয়ারি কুইন স্লিপিং। স্টোথার্টের লেখা''
* সুন্দর ভাষা! ভালোবাসার নিজস্ব, আপন,<br>কিন্তু শুধু বসন্ত আর গ্রীষ্মের কাছেই পরিচিত।
** ''দ্য ওরিয়েন্টাল নোজগে। পিকারসগিলের লেখা''
* হ্যাঁ, তোমার প্রিয় ঘুঘুকে আড়াল করো, সুন্দর শিশু,<br>হ্যাঁ, আড়াল করো যদি তুমি পারো,—<br>তবুও আমার সন্দেহ হয় তোমার কাঁপা হাত<br>বাজপাখিকে ভয় দেখিয়ে তাড়াতে পারবে কিনা।
** ''অ্যা চাইল্ড স্ক্রিনিং আ ডাভ ফ্রম আ হক। স্টুয়ার্টসনের লেখা''
* এর ইতিহাস কোনো ব্যাপার নয়; ভালোবাসার ডানা আছে<br>বিদ্যুতের মতো, দ্রুত আর মারাত্মক, আর এটা জন্ম নেয়<br>বুনো ফুলের মতো যেখানে এটা সবচেয়ে কম প্রত্যাশিত,<br>টিকে থাকে তা লালিত হোক বা প্রত্যাখ্যাত হোক;
** ''অ্যা গার্ল অ্যাট হার ডিভোশনস। নিউটনের লেখা''
* সে পড়ে গেল যেমন অন্য হাজার হাজার পড়ে যায়,<br>মাড়িয়ে দেওয়া হলো যেখানে তারা পড়ে যায়,<br>যখন একটা মাত্র নামের ওপর স্তূপ করা হয়<br>সবার দ্বারা অর্জিত গৌরব।<br>তবুও এমনকি সে-ও যার সাধারণ কবর<br>খোলা মাঠে পড়ে আছে,<br>গৌরব যে আনন্দ দেয়<br>তার সবকিছুর একটা চিন্তা ছাড়া মারা যায়নি।
** ''দ্য রেকর্ড''
===দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট (১৮২৭)===
* আগামীকাল, আগামীকাল, তুমি সবচেয়ে সুন্দর মে,<br>আগামীকাল তোমার প্রথম জন্ম নেওয়া দিনটি উঠবে;<br>গ্রীষ্মের কনে, বসন্তের সন্তান,<br>আগামীকাল বছর তার প্রিয় জিনিসটি নিয়ে আসবে:
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - শিরোনাম কবিতা - ভূমিকা''
* ওহ, আমি কী, আর তারা কী ?<br>ছদ্মবেশী শুধু প্রতারণা করার চেষ্টা করছে<br>নিজেদের আর অন্যদের ; আর বিশ্বাস করে<br>এটাই যথেষ্ট, যদি কেউ না জানে<br>নিচে থাকা যত্নের ঢাকা স্তূপটিকে।
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - শিরোনাম কবিতা - ভূমিকা''
* কিন্তু প্রকৃতির চেহারা এমন নয়,<br>যদিও তাকেও সেই বড় অভিশাপের দাগ<br>বইতে হয় যা সবার সাথে লেগে থাকে ;<br>তার পাতা, তার ফুল, ঝরে পড়ার জন্যই ফোটে :
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - শিরোনাম কবিতা - ভূমিকা''
* আবার মে মাস, আরেকটা মে,<br>দেখে মনে হচ্ছে যেন এটা থাকতে এসেছে ;<br>এর হাজারো ফুল এত বেশি,<br>এর রোদেলা প্রহরগুলো এত গৌরবময়,<br>এর পৃথিবী এত সবুজ, এর আকাশ এত নীল,<br>যেন আশার অনন্তকালের জন্য তৈরি।
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - শিরোনাম কবিতা - দ্য ফার্স্ট ডে''
* জাগতিক শীতলতা আর যত্ন দূর হোক,<br>আর চারণকবির শিল্পের জাদুর কাছে নতি স্বীকার করুক।
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - শিরোনাম কবিতা - দ্য ফার্স্ট ডে''
* পৃথিবীতে এমন সত্য কোথায় আছে যা টেক্কা দিতে পারে<br>নারীর নিঃসঙ্গ আর দীর্ঘ বিশ্বস্ততার সাথে?
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য ব্রোকেন স্পেল''
* দিগন্তে একটা তারা আছে,<br>এর সবচেয়ে প্রথম, সবচেয়ে সুন্দর তারা ;<br>আকাশে এখনো একটা আভা আছে,<br>যেন মরার জন্য বড্ড সুন্দর,—<br>অস্ত যাওয়া সূর্যের একটা শেষ আভা,<br>আশার মতো যখন ভালোবাসা সবে শুরু হয়েছে ;
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য ব্রোকেন স্পেল''
* উজ্জ্বল মেঘ নদীর বুকে জ্বলজ্বল করছিল,<br>কিন্তু মৃত্যুর মতো কালো পানিতে কোনো চিহ্ন ছিল না<br>সেই লাল আভার যা তাদের ওপর খেলছিল :<br>মনে হচ্ছিল যেন ঘাস, নদী, গাছ, আর ফুলের ওপর<br>একটা অভিশাপ দেওয়া হয়েছে,<br>আর তাদের সূর্যের আলোর ক্ষমতা থেকে দূরে রাখা হয়েছে ;
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য ব্রোকেন স্পেল''
* খুনির কবরের ওপর ঢেউ খেলানো<br>ম্লান নীল শিখার মতো আলো ;<br>আর ঝিকমিক করা আকৃতিগুলো পথ ঘিরে রেখেছে,<br>অন্ধকারে তাদের শিকার ধরার জন্য অপেক্ষায় আছে,<br>সবচেয়ে ভয়ংকর, কারণ চোখ<br>অস্পষ্ট অনিশ্চয়তায় ঘুরে বেড়াচ্ছিল ;
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য ব্রোকেন স্পেল''
* তারপর সেই ভয়ংকর শব্দগুলো উঠল যা বলে<br>যখন শত্রুরা হাতাহাতি লড়াইয়ে নামে,—<br>চিৎকার, ইয়েল, বর্শা আর তলোয়ারের<br>মিলনের লোহার ঝনঝন শব্দ।
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য ফ্যালকন''
* এটা গ্রীষ্মের এক সন্ধ্যা ছিল; আর সমুদ্র<br>যেন তার প্রশান্তিতে আনন্দ করছিল ;<br>তার শান্ত জলকে পশ্চিম দিকে গড়িয়ে দিচ্ছিল,<br>যতক্ষণ না সমৃদ্ধ লাল আভা তাদের বুকে রাঙিয়ে দেয়,<br>ঢেউ আর আকাশকে ভালোবেসে এক করে দেয়,<br>আশার মতো যা তার আনন্দে মরতে সন্তুষ্ট।
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য চাইল্ড অব দ্য সি''
* কারণ ভালোবাসা শ্বাস নেওয়া বাতাসের মতো,<br>যা সব জায়গায় প্রবেশপথ খুঁজে পেতে পারে।
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য চাইল্ড অব দ্য সি''
* এটা একটা জাদুকরী আংটি—এই পান্না পাথরটা<br>একটা চিহ্ন হবে, যখন তুমি আমার কাছ থেকে চলে যাবে।<br>লক্ষ্য রেখো যদি এটা বদলায়; যদি আলোকিত সবুজের<br>এখন দাগহীন জমিনে কোনো দাগ দেখা যায়,<br>তবে বিপদ আমার চারপাশে; তখন তুমি আমার কাছে ছুটে এসো,<br>তুমি জানো তোমার ওপর আমার বিশ্বাস কতটা নির্ভীক।
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য চাইল্ড অব দ্য সি''
* কারণ তার কাছে অদ্ভুত সব রং ছিল, যা মানুষের মুখকে<br>এতটা আসল করে তুলতে পারত যে, মনে হতো এটা বেঁচে আছে।
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য চাইল্ড অব দ্য সি''
* আর ভালোবাসা তার শক্তিতে বিদ্যুতের মতো,<br>যেখানে সবচেয়ে কম ভাবা হয় সেখানেই তার আগুনের উড়ান দেয়,<br>খাপের পাহারা থাকা সত্ত্বেও ব্লেড গলিয়ে দেয়।
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য চাইল্ড অব দ্য সি''
* ওটা রাত ছিল, কিন্তু এমন রাত যাকে রাজকীয় চাঁদ,<br>তার পূর্ণ সৌন্দর্যে রাজকীয় হয়ে, দুপুরে পরিণত করেছিল,<br>কিন্তু তবুও মধ্যরাতের দুপুর; যদিও রশ্মি<br>পরিষ্কার আর উজ্জ্বল ছিল, এটা দিনের মতো ছিল না;
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য চাইল্ড অব দ্য সি''
* সেই হৃদয়হীন বিশ্বাসের ওপর ধিক্কার যা বাতিল করে দেয়<br>আত্মীয়স্বজন, জন্ম আর নামের হৃদয়ের ওপর দাবি।
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য চাইল্ড অব দ্য সি''
* সত্যিকারের ভালোবাসা লাজুক হয়, যেন সে তার মূল্য জানে,<br>আর জানে যে এমন সুখ পৃথিবীর জন্য দুর্লভ।
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য চাইল্ড অব দ্য সি''
* সেখানে সে দাঁড়িয়েছিল, ঠিক যেমন একটা মূর্তি দাঁড়ায়,<br>মাথা নিচের দিকে নোয়ানো, আর হাত দুটো জড়ো করা;<br>তার হাতির দাঁতের পায়ের সাথে মানানসই এমন ছোট সাদা হাত দুটো,<br>কীভাবে তারা সেই ঝলসে যাওয়া আগুনের মুখোমুখি হবে?
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য চাইল্ড অব দ্য সি''
* হতাশা কাঁদে না। তার ঠোঁট প্রার্থনার মতো নড়েছিল<br>অবচেতনভাবে ; যেন প্রার্থনা সেখানে ছিল,<br>আর তারা এখন অভ্যাস থেকে নড়ছিল।
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য চাইল্ড অব দ্য সি''
* ওহ! স্নেহের কোমল যত্নের শিকলে<br>অনেকগুলো যোগসূত্রই ভঙ্গুর,
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য রিং''
* হায়! যখন রাগী কথাগুলো শুরু করে <br>ঠোঁটের ওপর তাদের প্রবেশপথ জিততে; <br>যখন বিষণ্ণ চোখ আর লাল হওয়া গাল <br>সবচেয়ে তিক্ত সুর যা বলতে পারে তার চেয়ে বেশি কিছু বলে; <br>আর দৃষ্টি এবং কথা, আগুন বা ইস্পাতের চেয়েও, <br>আরও গভীর ক্ষত দেয়,—সময় সারাতে পারে না;<br>আর রাগ খোঁড়ে, বৃথা উপহাস দিয়ে,<br>একটা গহ্বর যা সে হয়তো আর কখনো পার হতে পারবে না।
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য রিং''
* মাটি শুকিয়ে গিয়েছিল, গাছগুলো শুকিয়ে গিয়েছিল,<br>আর প্রতিটি ডাল ঝলসে যাওয়া মনে হচ্ছিল;<br>এক প্রান্তে একটা অন্ধকার গুহা হাঁ করে ছিল,<br>কালো, যেন এর মুখটা কবরের মতো;<br>আর অন্ধকার, যেন মৃত্যুর জল<br>এর গভীরে ছিল, নিচে একটা কুয়ো উঠেছিল।
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য রিং''
* পাপের বন্য দৌড়ের পদচিহ্ন<br>পায়ে পায়ে অনুসরণ করাটা বিষণ্ণ।
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য রিং''
* তার দেবত্বের জন্য মন্দিরের<br>কী প্রয়োজন তার?<br>প্রতিটি সুন্দর মুখই তার দৃশ্যমান মন্দির;<br>সে ঐশ্বরিক ছিল, সে ঐশ্বরিক হবে।
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য কুইন অব সাইপ্রাস''
* সুন্দর দুর্বলতা! ওহ, যদি দুর্বল হয়,<br>যে নারীর হৃদয় তার গাল রাঙিয়ে দেয়!<br>সেই শক্তির জন্য একে বদলানো দুঃখজনক<br>যা হৃদয় আর গালকে শেষ পর্যন্ত জানতে হবে।
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য কুইন অব সাইপ্রাস''
* আমি ক্লান্ত, আমি ক্লান্ত। ওহ! আনন্দ হলো ব্যথা<br>যখন এর জাদু বারবার ভেঙে যায়。<br>আমি সেই হাসিগুলোতে ক্লান্ত যেগুলো কেনা আর বেচা হয়,<br>আমি সেই সৌন্দর্যে ক্লান্ত যার শিকলগুলো সোনার,<br>আমি সম্পদে ক্লান্ত—এটা আমাকে দিয়ে কী করে<br>শুধু তা-ই যা সবচেয়ে নীচ আর নিচু হতে পারে?
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য ইস্টার্ন কিং''
* আহমেদ একজন বিজয়ী হিসেবে ফিরে আসে, কিন্তু সে কী পেয়েছে?<br>অনাথের কান্না তার কানে জোরে বাজে,<br>আর তার চোখ তরুণ কনের তিক্ত কান্না দেখেছে,<br>আর তার যৌবনের বন্ধু মাঠে মৃত পড়ে আছে,<br>আর তার অভিজাতদের ফুল আর ফিরে আসে না।<br>ভিড় আছে যারা তার নাম দিয়ে বাতাস ভরিয়ে দিচ্ছে;<br>তুমি কি অবাক হও যে সম্রাট তার খ্যাতি ঘৃণা করছে?
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য ইস্টার্ন কিং''
* আমি যন্ত্রণা আর কষ্টের বছরগুলো গুনেছি,<br>আর শুধু চৌদ্দ দিনের সুখ।<br>মরণশীল, না আনন্দ, না সম্পদ, না ক্ষমতা,<br>একটি ক্ষণস্থায়ী প্রহরের খেলনার চেয়ে বেশি কিছু;
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য ইস্টার্ন কিং''
* আমার হৃদয় নিভে যাওয়া চুল্লির মতো<br>এখন আমার পাশে,<br>একের পর এক এর আগুনের ঝলক<br>জ্বলেছে আর নিভেছে।
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - ক্লেমেনজাস সং''
* বেগুনি বুদবুদগুলো কোথায় ভাসে,<br>শুধু পানের পাত্রের কানায় ছাড়া ?<br>গভীরে পান কোরো না, এটা যতই জ্বলজ্বল করুক না কেন<br>ঝিকমিক কখনোই নিচে থাকে না।
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - লেডি ইসাবেলস ফার্স্ট সং''
* কারণ আমার আত্মা তার জাগতিক বাড়ি ছেড়ে গেছে<br>আর একটা মহৎ বাসস্থান পেয়েছে,<br>যেখানে আলোর সুরই হলো জীবনের সুর,<br>আর তারার বীণাগুলো বাজছে।
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - আমেনাইড''
* আমি শুধু অবাক হতে পারি সেই উপায়ে<br>যেভাবে আমাদের জীবন কেটে যায়, দিনের পর দিন<br>মানুষের হৃদয়ে অদ্ভুত পাঠ শেখে,<br>আর তবুও ছায়ার মতো তাদের চলে যেতে দেয়।
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য রোজ''
* আমরা একে অপরের ব্যথা খুব কম অনুভব করি;<br>আমরা সেই সামাজিক শিকলকে খুব বেশি শিথিল করি<br>যা আমাদের একে অপরের সাথে বাঁধে; সেই যত্নকে অবহেলা করি<br>যা এমন দুঃখের জন্য আছে যাতে আমাদের কোনো অংশ নেই।
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য রোজ''
* কারণ কষ্ট, একজন ছদ্মবেশীর মতো, সবকিছুকে উপহাস করে<br>যাতে এর কোনো অংশ নেই, অথবা পিত্তের একটি অংশ,
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য রোজ''
* বীণার মতো, যা কোনো হাতের ছোঁয়া পায়নি<br>শুধু কোনো ফেরেশতার ছোঁয়া ছাড়া, জাগে আর কাঁদে,<br>এমনই সেই শব্দ যা এখন জাদুকরী জল থেকে<br>তীরের দিকে ভেসে আসে।
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য হন্টেড লেক''
* সুরটি আরও জোরে বেজে উঠল :<br>জাদুকরী ঢেউয়ের সর্দার,<br>তার তুষার-সাদা ঘোড়ার ওপর রাজকীয়ভাবে,<br>তার নীল হলরুম থেকে নিচে উঠল ;<br>আর সে একজন বিজয়ী-নাইটের মতো চড়ে এল<br>তার আলোর অস্ত্রে তিনগুণ গৌরবময়।
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য হন্টেড লেক''
* আসন্ন দিনের প্রথম আভা রাঙিয়ে দিল,<br>পরীর দল ম্লান হয়ে মিলিয়ে গেল।<br>তারা চলে গেল আর শুধু পেছনে ফেলে গেল<br>বাতাসে একটা দীর্ঘস্থায়ী সুবাস,<br>আর হ্রদের ওপর, তাদের ভুতুড়ে বাড়িতে,<br>রুপালি ফেনার একটা লম্বা সাদা মালা।
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য হন্টেড লেক''
* তারা মরণশীল কুমারীকে চড়তে দেখে<br>সর্দারের পাশে সম্মানের সাথে,<br>এত সুন্দর, পাপ থেকে এত মুক্ত,<br>সে এমন আশীর্বাদ জেতার যোগ্য ছিল :<br>চারপাশে ভাসমান আত্মার জাতি<br>এর চেয়ে বিশুদ্ধ, আরও দাগহীন পাওয়া যায়নি
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য হন্টেড লেক''
* সেখানে তার বাবার সাইপ্রাস গাছটি জন্মেছিল,<br>তার অন্য কোনো স্মৃতিস্তম্ভ ছিল না।<br>সে বলেছিল যে কোনো শেষকৃত্যের পাথর যেন<br>পরাজিত গৌরবের কথা না বলে,—<br>এটা কী বলতে পারত, শুধু এটা ছাড়া যে বিদেশের আকাশ<br>নির্বাসিতকে কষ্ট পেতে আর মরতে দেখেছে?
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য রিথ''
* কুমারী, তোমার বিনুনি করা চুল থেকে ফেলে দাও<br>সেই লাল গোলাপের কুঁড়িটা যা সেখানে গাঁথা আছে ;<br>কারণ যে এর মূল গাছটি রোপণ করেছিল<br>সে এখন তা-ই যা খুব শিগগিরই ওই ফুলটি হবে।
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য রিথ''
* এক মুহূর্ত সে তার হাঁটুতে,<br>“তাহলে, লায়লা, তুমি কি আমার জন্য কাঁদবে ?”<br>সে চমকে উঠল, যেন বিদ্যুতের ঝলকানিতে,—<br>“ওহ, মির্জা, এটা আমি স্বপ্নেও ভাবিনি!<br>মুসলিম আর মুর, স্প্যানিশ কুমারী কি<br>এমন কথা শুনতে পারে যা তুমি বলেছ?”
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য রিথ''
* কবে আমার আত্মা সেই দৃষ্টি ভুলে যাবে<br>যাতে সে মালা থেকে একটা মাত্র ডাল নিয়েছিল ?—একটা টিউলিপ ফুল;<br>কিন্তু, যেন কোনো ধ্বংসকারী শক্তির ছোঁয়ায়,<br>রঙিন পাতাগুলো সেই সমৃদ্ধ কিন্তু জ্বলন্ত হৃদয়ের<br>চারপাশে ঝুলে পড়েছিল যাকে তারা বেঁধে রেখেছিল।
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য রিথ''
* সে ঝরে পড়ল যেমন বসন্তে গোলাপ ঝরে পড়ে,<br>সবচেয়ে সুন্দররাই সবসময় সবচেয়ে বেশি ক্ষণস্থায়ী হয়,<br>তবুও দুঃখ আর ভালোবাসার সেই গল্পটা টিকে আছে,<br>খ্রিস্টান কুমারী আর তার মুসলিম ভালোবাসার ;<br>গোধূলির প্রহরে বলার মতো একটা গল্প,<br>তার একাকী কুঞ্জবনে সুন্দরীর কান্নার জন্য।
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য রিথ''
* ওহ ! হৃদয়ের কাছে বড্ড বেশি কান্না আছে ;<br>কিন্তু সেইগুলোর মতো একটাও নেই যা অপেক্ষা করে<br>ধ্বংসপ্রাপ্ত ভালোবাসার ওপর, একাকীত্বের ওপর<br>তরুণ অনাথের ভাগ্যের।
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - স্যার ওয়াল্টার ম্যানি অ্যাট হিজ ফাদারস টোম্ব''
* জেতার জন্য এত কিছু, হারানোর জন্য এত কিছু,<br> এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই যে আমি বেছে নিতে ভয় পাচ্ছি।
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - শিরোনাম কবিতা - সমাপ্তি''
* একটা প্রাচীন রত্ন আছে, যার ওপর তার ভ্রু<br>এখনো তার খোদাই করা সৌন্দর্য ধরে রেখেছে।
** ''এরিন্না''
* শৈশব যার সুখই হলো ভালোবাসা।
** ''এরিন্না''
* যদি আমার চোখ কখনো মানুষের মুখের<br>সৌন্দর্যের ওপর না পড়ত, আর আমার কান কখনো পান না করত<br>মানুষের কণ্ঠের সুর; আমি অনুভব করি<br>আমার আত্মা গানে নিজেকে ঢেলে দিত,<br>খসখস করা পাতা থেকে একটা ভাষা শিখত,<br>পাখিদের গান থেকে, আর জোয়ারের থেকে।
** ''এরিন্না''
* আমি কতটা<br>ভালোবাসতাম চিত্রকরের গৌরবময় শিল্প, যা তৈরি করে<br>এর মতো একটা পৃথিবী, কিন্তু এর চেয়েও বেশি সুন্দর;<br>প্রকৃতিকে শুধু তার সবচেয়ে খুশির মেজাজে ধরে রাখা!
** ''এরিন্না''
* কিন্তু সুর একটা রহস্য, আর দৃষ্টিহীন<br>এমনকি যখন উপস্থিত থাকে, আর এটা মানুষের কাজ কম,<br>আর তার আদেশের আওতায় কম; কারণ সেই হাত<br>যা সুরগুলো ডেকে আনতে পারে, তবুও বলতে পারে না<br>তারা কোথায় যায়, অথবা তারা বাঁচে নাকি মরে,<br>যখন একবার তার দুর্বল কানের বাইরে ভেসে যায়;
** ''এরিন্না''
* সুর আমাদের আলোড়িত করে, আর আমরা জানি না কেন;<br />আমরা কান্না অনুভব করি, কিন্তু তাদের উৎস খুঁজে পাই না。<br />এটা কি অন্য কোনো অবস্থার ভাষা,<br />এর স্মৃতি থেকে জন্ম নেওয়া ? কারণ সুরের মতো কী জাগাতে পারে<br />অন্য একটা পৃথিবীর প্রতি আত্মার জোরালো প্রবৃত্তি?
** ''এরিন্না''
* গর্ব আনন্দের সাথে কৃপণতা করে, যখন আমাদের কাছে<br>এমন জিনিসগুলোতে আনন্দ থাকে যা শুধু মনের:<br>কিন্তু অর্ধেক নম্রতা যখন আমরা অংশ নিই<br>সেই আনন্দগুলোতে যা অর্ধেক অভাব, আত্মা কষ্ট পায়<br>আর তার শেকলে সংগ্রাম করে, আর অবজ্ঞা করে<br>সেই নিচু ভিত্তিহীন কাদামাটিকে যার সাথে সে যুক্ত।
** ''এরিন্না''
* ওহ খ্যাতির স্বপ্ন, তুমি আমার কাছে কী ছিলে<br>শুধু জীবনের শান্ত তৃপ্তির ধ্বংসকারী ছাড়া!
** ''এরিন্না''
* কোনটা সেরা,—<br>সৌন্দর্য আর গৌরব, একটা দক্ষিণের জলবায়ুতে,<br>বজ্রপাত, ঝড়ের সাথে মেশানো ; অথবা সেই আকাশগুলোর<br>শান্তি যা খুব কমই বদলায়, যা, অন্তত,<br>যদি তাদের খুব একটা আলো না থাকে, তবে কোনো ঝড়ও নেই?
** ''এরিন্না''
* সকালের রোদ<br>পাহাড়ের ওপর ছড়িয়ে পড়েছে,<br>সবুজ বনের পাতার গানের সাথে,<br>আর হাজারো ছোট নদীর সাথে।
** ''ওয়ান ডে''
* ওহ, সকালের গৌরব!<br>ওহ, তোমরা প্রতিভাধর, তরুণ, আর সাহসী!<br>মধ্যরাত ছাড়া তোমাদের আর কী শেষ আছে;<br>কবর ছাড়া তোমরা আর কী পাও ?
** ''ওয়ান ডে''
* যদি তুমি পারো, আমাকে এটা শেখাও,—ভুলে যাওয়া!<br>আমি নিশ্চিতভাবেই ভুলে যাব, যদি তুমি আমাকে আদেশ করো;
** ''লাভস লাস্ট লেসন''
* সে তার মাথা নোয়াল<br>এমনই সাদা একটা হাতের ওপর যে কান্নাকে<br>শুধু তার তুষারের স্বাভাবিক গলে যাওয়া মনে হলো,<br>লাল হওয়া গালের লাল রঙের ছোঁয়ায়।
** ''লাভস লাস্ট লেসন''
* আর সে কি অনেক আগেই পড়েনি<br>তার আগমনে জ্বলে ওঠা নরম কালো চোখে তার হৃদয়ের লুকানো গোপন কথা,<br>আর তার সবচেয়ে হালকা দৃষ্টিতে গাল<br>পুরোপুরি লাল হয়ে ওঠায়?
** ''লাভস লাস্ট লেসন''
* আর এখানে অবশেষে প্রতিশোধের কিছুটা আছে:<br>কারণ মানুষের গর্ব আর ক্ষমতার সবচেয়ে সোনালী স্বপ্নগুলো<br>ভালোবাসার যেকোনো নারী-স্বপ্নের মতোই বৃথা;<br>দুটোই ক্লান্ত ভ্রু আর শুকিয়ে যাওয়া হৃদয়ে শেষ হয়,<br>আর কবর তাদের ওপর বন্ধ হয়ে যায় যাদের আশা<br>অনেক আগেই সেখানে শুয়ে আছে।
** ''লাভস লাস্ট লেসন''
===দ্য ভেনেশিয়ান ব্রেসলেট (১৮২৯)===
* প্রতারণা হলো এই পৃথিবীর পাসপোর্ট: কে সাহস করবে,<br>বুক যতই পবিত্র হোক না কেন, একে উন্মুক্ত করতে?
** শিরোনাম কবিতা
* আমি কেন ভালোবাসব? মুক্তা আর রত্ন ছুঁড়ে ফেলে<br>তাদের কাছে যারা অবজ্ঞা করে, অন্তত তাদের পরোয়া করে না:<br>আমি কেন ঘৃণা করব? যেমন ব্লেডগুলো খাপের মধ্যে গলে যায়,<br>আমার ঘৃণাকে অনুভব করানোর কোনো ক্ষমতা আমার নেই;
** শিরোনাম কবিতা
* আমরা অন্য হৃদয়গুলোকে আমাদের সুর কতটা দিই,<br>আর অন্যদের অনুভূতিগুলোকে আমাদের নিজেদের দিয়ে বিচার করি!
** শিরোনাম কবিতা, চতুর্থ খণ্ড।
* তার প্রতিদ্বন্দ্বী—তার—ভাষায় এমন কোনো শব্দ নেই<br>যা নারীর কানের কাছে এত বেশি ঘৃণ্য।<br>এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই, কারণ এটা তার একমাত্র অংশ কেড়ে নেয়<br>মিষ্টি আধিপত্যের—হৃদয়ের ওপর রাজত্ব।
** শিরোনাম কবিতা, চতুর্থ খণ্ড।
* সে ঘুমাচ্ছে!—কাঠগড়ার পাশে হতভাগ্য এভাবেই ঘুমায়:<br>সে ঘুমাচ্ছে!—এমন ঘুম থেকে জাগাটা কত ভয়ংকর!
** শিরোনাম কবিতা, পঞ্চম খণ্ড।
* কে সেই সবচেয়ে খারাপ, সেই জাগার প্রহরকে ঘৃণা করেনি,<br>যখন দুঃখ আর চেতনা তাদের ক্ষমতা জাহির করে;<br>যখন যন্ত্রণার সকালের সতেজতা থাকে, তবুও আমরা চাই<br>এটাকে একটা স্বপ্ন হিসেবে ধরে রাখতে, আর আবার ঘুমাতে;
** শিরোনাম কবিতা, ষষ্ঠ খণ্ড।
* এমন কিছু স্মৃতি আছে যা মিলিয়ে যাবে না,—<br>অতীতের এমন সব চিন্তা যা আমরা তাড়াতে চাইলেও পারি না:<br>যেন শুধু ইচ্ছা কতটা অক্ষম তা দেখানোর জন্য,<br>আমরা যন্ত্রণাকে ঘৃণা করি, আর তবুও আমাদের কষ্ট পেতেই হয়:<br>কারণ কে আছে যে বলতে পারে তারা ভুলে যাবে?<br>—এটি এমন একটা ক্ষমতা যা কোনো বিজ্ঞান এখনো শেখায় না।
** শিরোনাম কবিতা, সপ্তম খণ্ড।
* হায়! হায়! প্লেগের দাগের মতো পাপ কীভাবে<br>সেই নিংড়ানো হৃদয়ের ওপর ছড়িয়ে পড়বে যেখানে সে প্রবেশ করে!
** শিরোনাম কবিতা, অষ্টম খণ্ড।
* হঠাৎ চমকে ওঠা, দ্রুত পদক্ষেপ আবারও,—<br>যেন এটা সময়কে ধ্বংস করে দেবে:—<br>কিন্তু কে অপরাধের নিঃসঙ্গতা আঁকতে পারে?
** শিরোনাম কবিতা, নবম খণ্ড।
* তারাগুলোর থেকে একটা গল্প; অথবা বরং প্রাচীনকালের<br>তারাদের রূপকথার একটা,<br>যখন তরুণ কল্পনা ততটাই সতেজ ছিল<br>যতটা সুন্দর পৃথিবী সে নিজে দিয়ে ভরিয়ে দিয়েছিল।
** ''দ্য লস্ট প্লেইয়াড''
* আর পুরো স্বর্গজুড়ে সেই পরিষ্কার নীল রং<br>যার ভেতর দিয়ে তারাগুলো ঘুরে বেড়াতে এত ভালোবাসে।<br>তারা নীরব গভীর থেকে উঠছে,<br>ঘুমের পর উজ্জ্বল চোখ খোলার মতো।
** ''দ্য লস্ট প্লেইয়াড''
* চারণকবি, যোদ্ধা, আর জ্ঞানী ব্যক্তি,<br>তারা কী জেতে শুধু একটা মিথ্যা পাতা ছাড়া,<br>যেখানে কাজ আর কথা, খেয়ালের বশে ছুঁড়ে দেওয়া,<br>তাদের নিজেদের হতেও পারে বা নাও হতে পারে?
** ''দ্য লস্ট প্লেইয়াড''
* কিন্তু সাইরিনের গালের ওপর গোলাপ,<br>চাঁদের আলো ছুঁয়ে যাওয়া পানির মতো, জোয়ার-ভাটায় চলে;<br>আর গ্রীষ্মের ফুলের মতো ঝুলে পড়া চোখগুলো<br>বলেছিল তারা রোদ আর বৃষ্টির সাথে বদলাতে পারে।
** ''দ্য লস্ট প্লেইয়াড''
* হায়! শপথগুলো তার পরের লক্ষণ!—<br>আমরা এর পতনের সময় গাছটিকে ঠেকিয়ে রাখি—<br>সেই ভূতগুলো যা একটা বিদায় প্রহরে তাড়া করে,<br>সব দুঃখ নিয়ে, আর ক্ষমতার কিছুই না নিয়ে;<br>তৈরি হওয়ার সময় অর্ধেক ছিঁড়ে যাওয়া একটা শিকল,—<br>প্রতিজ্ঞাবদ্ধ শপথটা আগেই ভাঙছে।
** ''দ্য লস্ট প্লেইয়াড''
* আসলেই স্কেচ, সেই সবচেয়ে আবেগপূর্ণ পাতা থেকে,<br>একটা নারীর হৃদয়, অনুভূতির, চিন্তার, যা তৈরি করে<br>সেই বায়ুমণ্ডল যেখানে তার আত্মা ঘোরে;
** ''অ্যা হিস্ট্রি অব দ্য লায়ার''
* যখন বছর পেরিয়ে গেছে<br>পড়ে যাওয়া খিলানের ওপর, ধ্বংসপ্রাপ্ত হলরুমের ওপর,<br>এটাকে শুধু সময়ের গতি মনে হয়, একটা বড় নিয়তি,<br>যার প্রভাব আমাদের সবার ওপর সমান;
** ''অ্যা হিস্ট্রি অব দ্য লায়ার''
* —আমি এর চেয়ে নিখুঁত সৌন্দর্য আর কখনো দেখিনি।<br>এটা পোশাক থেকে কোনো সাহায্য চায়নি, পায়নি: তার পোশাক<br>সাদা ছিল, আর সাধারণভাবে এমন ভাঁজে জড়ো করা ছিল<br>যা একটা মূর্তির সাথে মানানসই: ঘাড় আর হাত দুটো খোলা ছিল;<br>কালো চুলগুলো খোলা ছিল, আর একটা ঘোমটার মতো<br>এমনকি তার পা পর্যন্ত ঝুলে ছিল; সে একটা বীণা ধরে ছিল,<br>আর, সে যখন প্রাচীন গ্যালারি দিয়ে হাঁটছিল, জাগিয়ে তুলল<br>কয়েকটা বন্য সুর, আর ফিসফিস করে নিচু মিষ্টি কথা বলল,<br>কিন্তু প্রায় শোনাই যাচ্ছিল না, যেন সে ভাবছিল<br>কথা বলার চেয়ে:—রাত, নিঃসঙ্গতা,<br>তরুণ পাইথনেসকে কবিতায় ভরিয়ে দিয়েছিল।
** ''অ্যা হিস্ট্রি অব দ্য লায়ার''
* এটা এটাই যা আমাদের প্রতিশ্রুত স্বর্গের<br>সবচেয়ে ভালো নিশ্চয়তা তৈরি করে:<br>মৃত্যুর ওপর বুদ্ধির এই বিজয়—<br>আমাদের কথাগুলো অন্যদের ঠোঁটে বেঁচে থাকে; আমাদের চিন্তাগুলো<br>অন্যদের চালিত করে। সেই মানুষটা কি মৃত হতে পারে<br>যার আধ্যাত্মিক প্রভাব তার নিজের জাতির ওপর আছে?
** ''অ্যা হিস্ট্রি অব দ্য লায়ার''
* আমি একজন নারী:—আমাকে খ্যাতির কথা বোলো না।
** ''অ্যা হিস্ট্রি অব দ্য লায়ার''
* আমি আমার উপহার বেছে নিইনি:—খুব শিগগিরই আমার হৃদয়,<br>ঘড়ির মতো, একটা পরের সময়ের দিকে নির্দেশ করেছিল<br>যা সময় পৌঁছেছিল: আর যখন আমার বছরগুলো পেরিয়ে গেল,<br>ছায়া আর ভাসমান দর্শনগুলো চিন্তায় পরিণত হলো,<br>আর চিন্তাগুলো শব্দ খুঁজে পেল, গানের আবেগপূর্ণ শব্দ,<br>আর আমার কাছে সব কিছুই ছিল কবিতা।
** ''অ্যা হিস্ট্রি অব দ্য লায়ার''
* আমি আমার নিজের অনুভূতির কথা বলছি—আমি অন্যদের বিচার করতে পারি<br>শুধু বাহ্যিক চেহারা দিয়ে, আর তা<br>অভিনেতার অধ্যয়ন করা অংশের চেয়েও বেশি মিথ্যা।<br>আমরা আমাদের কথা আর চেহারা ধার করা পোশাকে সাজাই:<br>মনটা মুখের মতো—কারণ অন্তত একটা ঘোমটা ছাড়া<br>পাবলিক রাস্তায় কে বের হয়?
** ''অ্যা হিস্ট্রি অব দ্য লায়ার''
* আমি অহংকারী—প্রশংসা হলো আফিম, আর ঠোঁট<br>সেই আকর্ষণীয় পানীয়কে প্রতিরোধ করতে পারে না,<br>хоociaż জানে এর উত্তেজনা একটা প্রতারণা—<br>প্রলাপ বকা—খ্যাতির একটা উপহাস।
** ''অ্যা হিস্ট্রি অব দ্য লায়ার''
* আমি হয়তো দয়ালু হতে পারি,<br>আর দয়ার সাথে দেখা করতে পারি, তবুও একা থাকতে পারি;<br>কারণ কৃতজ্ঞতা সাহচর্য নয়।—
** ''অ্যা হিস্ট্রি অব দ্য লায়ার''
* কতটা মহৎ আর মহান করার মতো!—কিন্তু ভেতরে<br>কতটা নীচ, কতটা দরিদ্র, কতটা করুণ, কতটা মিশ্রিত<br>বাজে খাদের সাথে; কীভাবে হতাশা অনুসরণ করে<br>আশার পদক্ষেপ; কীভাবে ঈর্ষা সাফল্যকে তাড়া করে;<br>কীভাবে প্রতিটি বিজয়ীর মুকুট কাঁটা দিয়ে ঘেরা থাকে,<br>আর উপহাসের মাঝে পরা হয়!
** ''অ্যা হিস্ট্রি অব দ্য লায়ার''
* সামাজিক জীবন সন্দেহ আর বৃথা আকাঙ্ক্ষায়<br>ভরা; নিঃসঙ্গতা,<br>যখন কল্পনা সিংহাসনচ্যুত হয়,<br>ক্লান্তিতে পরিণত হয়।
** ''অ্যা হিস্ট্রি অব দ্য লায়ার''
* আমার মনে হয় আমাদের বর্তমানের চেয়ে আরও বেশি গৌরবময়<br>কোনো অতীত অবস্থা জানা উচিত ছিল, আর হৃদয়<br>অস্পষ্ট স্মৃতিগুলো দ্বারা তাড়িত হয়, অতীতের জাঁকজমকের<br>ফেলে যাওয়া ছায়াগুলো; আর তাই আমরা কষ্ট পাই<br>বৃথা আকাঙ্ক্ষা নিয়ে, আশাগুলো যা চোখ ভরিয়ে দেয়<br>তাদের নিজেদের বৃথা হওয়ার জন্য তিক্ত কান্না দিয়ে।
** ''অ্যা হিস্ট্রি অব দ্য লায়ার''
* স্মৃতি কবিকে তৈরি করে; এটা হলো অতীত<br>তার ভেতরে রয়ে যাওয়া, একটা তীক্ষ্ণ অনুভূতির সাথে<br>সাধারণ মানুষের চিন্তায় যা আছে তার চেয়ে<br>যা ছিল, যা আসল পৃথিবীকে ভরিয়ে দেয়<br>সুন্দর আকারগুলোর অবাস্তব প্রতিচ্ছবি দিয়ে,<br>যা ছিল এবং নেই; আর তারা যত বেশি সুন্দর,<br>বিদ্যমান জিনিসগুলোর সাথে তাদের বৈসাদৃশ্য তত বেশি,<br>তার ক্ষমতা তত বেশি, তার দুঃখ তত বেশি।
** ''অ্যা হিস্ট্রি অব দ্য লায়ার''
* আমি সেই ভালোবাসাকে ধরে রেখেছিলাম<br>যা হাজারের মধ্যে শুধু একজনকে বেছে নেয়,<br>সেই কোমলতার বস্তু হতে<br>যা প্রতিটি হৃদয়ের জন্য স্বাভাবিক; যা ত্যাগ করতে পারে<br>তার নিজের সেরা সুখ একটা প্রিয়জনের জন্য;<br>অনুপস্থিতি সহ্য করতে পারে; আশায় যার কোনো অংশ নেই,—<br>কারণ আশা কিছুটা স্বার্থপর, ভালোবাসা নয়,—<br>আর নিজেকে ছেড়ে অন্যকে পছন্দ করে।
** ''অ্যা হিস্ট্রি অব দ্য লায়ার''
* হায়! আমরা তৈরি করি<br>আমাদের চিন্তার একটা মই, যেখানে ফেরেশতারা পা রাখে,<br>কিন্তু আমরা নিজেরাই নিচে ঘুমাই: আমাদের উচ্চ সংকল্পগুলো<br>আমাদের ঘুমন্ত কাজগুলোর দিকে তাকিয়ে থাকে।
** ''অ্যা হিস্ট্রি অব দ্য লায়ার''
* সেখানে একটা খোদাই করা আকৃতি ছিল; পা দুটো রাখা ছিল<br>একটা সূক্ষ্মভাবে খোদাই করা গোলাপের মালার ওপর; হাত দুটো<br>স্বর্গের দিকে তোলা ছিল, যেন তারাগুলোকে জড়িয়ে ধরতে চায়<br>ইওলালিয়া পাশে ঝুঁকে ছিল; বলা কঠিন ছিল<br>কোনটা আসল মার্বেল ছিল: সে যখন কথা বলল,<br>তুমি চমকে উঠলে, মনে হলো না এটা মানুষের শব্দ;<br>কিন্তু চোখের আভা বলেছিল যে জীবন এখনো টিকে আছে;<br>আর এখন চাঁদের আলো যেন তাদের গভীরতা ভরিয়ে দিল।
** ''অ্যা হিস্ট্রি অব দ্য লায়ার''
* সেই ক্লান্ত আর স্পন্দিত হৃদয়ের শান্তি হোক,<br>যা নিজেকে খাইয়ে বেঁচে ছিল!
** ''অ্যা হিস্ট্রি অব দ্য লায়ার''
* এখানেই আমাদের পার্থক্য; আমি চাই<br>আমার সত্তাকে তোমার মাঝে মিশিয়ে দিতে—<br>আমি তোমার স্মৃতি নিয়েও ঈর্ষান্বিত:<br>আমি চাই আমাদের শৈশব একসাথে কাটত।
** ''দ্য অ্যানসেস্ট্রেস'' (জারোমিরের উদ্দেশ্যে বার্থার কথা)
* ফাঁপা কণ্ঠস্বর<br>সেই বুড়ির, একমাত্র জীবন্ত শব্দ;<br>তার মুখ, যার ওপর মরণশীলতা লিখেছে<br>এর সমাপ্তি, ফ্যাকাশে আর হাড়গোড় বের করা হাত দিয়ে,<br>একটা ভূতের মতো তোলা—আর তুমি সেই সময়,<br>মধ্যরাতের ঠান্ডায় শীতল, আর ভয়ে সাদা,<br>তোমার বড় নীল চোখগুলো আরও গাঢ় আর বড় হয়ে উঠেছে<br>ভয়ের শেকলবদ্ধ মনোযোগের সাথে, আর তোমার নিশ্বাস<br>খুব বেশি আগ্রহের জন্য চেপে রাখা।
** ''দ্য অ্যানসেস্ট্রেস'' (বার্থার উদ্দেশ্যে জারোমিরের কথা)
* এখন<br>আমার এমন কোনো আশা নেই যা তোমার জন্য স্বপ্ন দেখে না;<br>আমার এমন কোনো আনন্দ নেই যা তোমার দ্বারা ভাগ করা হয় না;<br>আমার এমন কোনো ভয় নেই যা তোমার জন্য ভয় পায় না।
** ''দ্য অ্যানসেস্ট্রেস'' (জারোমির সম্পর্কে বার্থার কথা)
* আমি দিন কাটাতে পারি<br>সেই পুরনো সিডার গাছগুলোর ছায়ায় শুয়ে,<br>রোদের আলো একটা আশীর্বাদের মতো ঝরে পড়া দেখতে দেখতে,—<br>বাতাস ডালপালার ওপর সুরের মতো ঘুরে বেড়াচ্ছে,—<br>প্রতিটি গাছ একটা প্রাকৃতিক বীণা,— প্রতিটি আলাদা পাতা<br>একটা আলাদা সুর, একটা বিশাল ধন্যবাদ-জ্ঞাপনে মেশানো।
** ''দ্য অ্যানসেস্ট্রেস'' (জারোমিরের কথা)
* বাতাসের ওপর একটা ওজন আছে, কারণ প্রতিটি হাওয়া<br>পাখির মতো, ঘুমের জন্য তার ডানা গুটিয়ে নিয়েছে।
** ''দ্য অ্যানসেস্ট্রেস'' (বার্থার কথা)
* নীল হায়াসিন্থ!<br>ওহ, ওগুলো আমাকে দেখিও না; ওগুলো আমার চোখ<br>এমন একটা দৃশ্যের জন্য বড্ড নরম কান্নায় ভরিয়ে দেয়।
** ''দ্য অ্যানসেস্ট্রেস'' (বার্থার কথা)
* আমি এখানে দর্শক, অংশগ্রহণকারী নই。<br>আমার কাছে এটা আসল আনন্দের চেয়ে<br>আনন্দ উপস্থাপন করার জন্য তৈরি করা একটা প্রদর্শনীর মতো মনে হচ্ছে।
** ''দ্য অ্যানসেস্ট্রেস'' (বার্থার কথা)
* গ্রিক গানের প্রথম দিকের সম্মানিত,<br>সুগন্ধি মার্টল গাছ;<br>কারণ এটা সুখী ভালোবাসার কথা বলে,<br>নরম, সত্যি।
** ''পোয়েটিক্যাল পোর্ট্রেট ১''
* তুমি আমাদের বসন্তের আশীর্বাদপুষ্ট ঋতু,<br>যখন আশাগুলো উড়ন্ত ফেরেশতা;<br>তাদের স্বর্গের তীরের দিকে উঁচুতে আবদ্ধ,<br>হায়! পৃথিবীতে আর কখনো না আসার জন্য।
** ''পোয়েটিক্যাল পোর্ট্রেট ২''
* হায়! কানে দেওয়া প্রশংসা<br>কখনোই আন্তরিক ছিল না আর কখনো হতেও পারে না—<br>আর শুধু সেই মনকে ক্ষয় করে দেয়<br>যার ওপর এটা শিকার করে:—বৃথাই<br>তারা চাইবে যাদের মধ্যে এর বিষ লুকিয়ে আছে<br>একটা আরও যোগ্য অবস্থা অর্জন করতে।
** ''পোয়েটিক্যাল পোর্ট্রেট ৩''
* তোমার কণ্ঠস্বর মিষ্টি, যেন এটা তার<br>সুর নিয়েছে তোমার মুখ থেকে।<br>আর কথা আর আচরণ, আর পদক্ষেপ আর দৃষ্টি,<br>তাদের অনুগ্রহে নিখুঁত।
** ''পোয়েটিক্যাল পোর্ট্রেট ৫''
* তারা কীভাবে বলতে পারে যে বিশ্বাস করাটাই স্বস্তি?<br>হালকা হলো সেই দুঃখগুলো যা চোখের পাতায় লাফিয়ে ওঠে,<br>তারা যে কান্না নিয়ে আসে তার দ্বারা বশীভূত এবং নরম করা হয়;<br>কিন্তু কিছু আছে বড্ড দীর্ঘ, বড্ড ভালোভাবে লুকানো,<br>বড্ড গভীরভাবে অনুভূত,—যা শুধু একবারই প্রকাশিত হয়:<br>যেমন মরণশীল তীর টেনে বের করা হয়,<br>আর তারপর জীবন-রক্ত হৃদয় থেকে বেরিয়ে আসে;<br>দুঃখ, আগে কোনো দীর্ঘশ্বাসের দ্বারা অকথিত,<br>কিন্তু যা, একবার বলা হলে, শুধু মরতেই হয়।—
** ''দ্য নেগলেক্টেড ওয়ান''
* কতটা গভীর, কতটা নির্দয়, সেই চাপা দেওয়া ভালোবাসা,<br>যা নীরব মধ্যরাতকে তার বিশ্রাম থেকে কেড়ে নেয়;<br>যা জড়ো হওয়া ভিড়ের মধ্যে শুধু একজনকেই দেখে;<br>যা মিশে যাওয়া পদচিহ্নের মধ্যে শুধু একজনকেই শোনে;<br>যা কবির পাতা উল্টায়, শুধু খুঁজে পেতে<br>তার নিজের জন্য ডিজাইন করা কোনো বিষণ্ণ ছবি;<br>যা সংগীতে খোঁজে, শুধু সেই অভিযোগের সুর<br>যা গোপন দুঃখ ফিসফিস করে বলে যে এটা তার নিজের!
** ''দ্য নেগলেক্টেড ওয়ান''
* হৃদয়ের নিজস্ব রহস্য আছে, আর কে তা প্রকাশ করতে পারে,<br>বা কে কখনো তাদের নিজেদের গভীরে পড়েছে? —<br>কতটা, আমরা হয়তো কখনোই বলতে পারব না, তবুও তা অনুভব করি,<br>কিন্তু, এমনকি এটা অনুভব করেও, জানি যে এটা অজানা!
** ''অ্যা নাইট ইন মে''
* আত্মা, যা মানুষের জীবনকে তার শেষ পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণ করে,<br>সুযোগ, ভাগ্য, নিয়তি, এখন আমার সমনের উত্তর দাও;<br>রাতের চেহারার ওপর দিয়ে ঝড় নেমে আসছে,—<br>সুন্দর চাঁদ, অন্ধকার মেঘগুলো তোমার রূপালি ভ্রু লুকিয়ে রাখে।<br>এরা তোমার উত্তর নিয়ে আসুক, আর আমাকে বলো যদি বিষণ্ণতা<br>চিরকাল মানুষের প্রায়শ্চিত্ত আর অংশ হতে হয়;<br>সকাল কি আনন্দের কোনো জন্মস্থান থেকে আসে?<br>তোমার সাম্রাজ্য বা তোমার মধ্যে কি শান্তি আছে, বিশ্রাম আছে?
** ''অ্যা নাইট ইন মে''
* মুক্ত, তুমি বলছ,—তুমি কীভাবে স্বপ্ন দেখো?<br>তুমি কি এমন মুক্তিকে ঘৃণায় এড়িয়ে যাবে<br>যা এমন মুক্তিপণ দিয়ে কেনা হয়েছে।<br>—মেয়ে, তোমার জন্য আমি সরিয়ে রাখব<br>হাসির ঘোমটা আর গর্বের মুখোশ;<br>সেই কাফনগুলো যা শুধু নিয়তির কাছে চায়<br>এতটা নিঃসঙ্গ না দেখাতে।<br>—আমি তরুণ,—কিন্তু বয়সের তুষার<br>নিচের আরও ঠান্ডা গভীরতা লুকায় না ...
** ''ওয়ার্নিং:''
* আমি ক্লান্ত, আমি ক্লান্ত,—আমাদের এই ঠান্ডা পৃথিবী;<br>আমি দূরে গিয়ে থাকব, পরীদের আর ফুলদের সাথে।<br>. . . .<br>আমি ক্লান্ত, আমি ক্লান্ত,—আমি বাতাসের সাথে চলে যাচ্ছি:<br>আমি কি পেছনে ফেলে আসা ভাগ্যের চেয়েও খারাপ কোনো ভাগ্য খুঁজে পেতে পারি?
** ''ফ্যান্টাসিস, ইনস্ক্রাইবড টু টি. ক্রফটন ক্রোকার, এস্কোয়ায়ার.''
* এটা ভালো: আলনা, শিকল, চাকা,<br>তুমি প্রমাণ করলে অনেক ভালো হতো;<br>এমনকি আমিও হয়তো কিছুটা করুণা অনুভব করতে পারতাম,<br>কারণ তুমি প্রিয় নও।
** ''রিভেঞ্জ''
* ওহ আর কোনো স্বপ্ন কখনো হতে পারে না<br>আমাদের সেই প্রথম দিকের স্বপ্নের মতো,<br>যখন পরী আশা ঘুমাতে শুয়েছিল,<br>একটা শিশুর মতো, ফুলদের মাঝে।
** ''সং: ওহ নেভার অ্যানাদার ড্রিম ক্যান বি''
* নারী চরম দুর্দশায় ছিল—সেই সবচেয়ে খারাপ দারিদ্র্য, যা লজ্জা দ্বারা তাড়িত হয়—ভালো দিনগুলোর রেখে যাওয়া একমাত্র ধ্বংসাবশেষ। সে সুস্থ হওয়ার সব চেষ্টা থেকে পিছিয়ে এসেছিল, ওষুধ দিতে অস্বীকার করেছিল, আর শিশুটির মৃত্যুকে শুধু একটা আশীর্বাদ হিসেবে বলেছিল।<br>আমার ঈশ্বর! আর জীবনের প্রতিদিনের পাতা কি<br>এরকম দুর্দশা দিয়ে অন্ধকার করা?
** ''দ্য ডাইং চাইল্ড''
* আমরা কি সেই পুরনো দিনের অভিনেতার মতো নই,<br>যে তার মুখোশ এতক্ষণ পরেছিল যে তার মুখ<br>এর রূপ নিয়েছিল?
** ''আ সামার ইভিনিংস টেল''
* আমাদের এই সামাজিক ব্যবস্থায়, যেখানে ছোটখাটো যত্ন<br>আর লাভজনক স্বার্থগুলো শুধু তাকায়<br>বর্তমানের ক্ষুদ্রতার ওপর, আর পিছিয়ে আসে<br>সাহসী ভবিষ্যৎ, আর রাজকীয় অতীত থেকে,—
** ''আ সামার ইভিনিংস টেল''
* কারণ ইচ্ছাগুলো শুধু ইচ্ছাশক্তি দিয়েই কার্যকর হয়,<br>আর তা বড্ড বেশি অক্ষম আর শূন্য<br>ভঙ্গুর মানবতায়; আর সময় চুরি করে চলে যায়<br>পাপী আর দোদুল্যমান, আর মুক্ত না হয়ে।
** ''আ সামার ইভিনিংস টেল''
* কে বলবে<br>প্রতিভার ভালোবাসা একটা সাধারণ জিনিস,<br>যেমন অনেকেই অনুভব করে—অর্ধেক স্বার্থপরতা,<br>অর্ধেক অহংকার?—কারণ প্রতিভা ঐশ্বরিক,<br>আর, একজন দেবতার মতো, তার বাসস্থানকে পরিণত করে<br>একটা মন্দিরে; আর হৃদয় যা উদ্ধার পেয়েছে<br>তার সূক্ষ্ম প্রভাব দ্বারা তা হলো অমর মন্দির<br>ভালোবাসার দেবত্বের জন্য।
** ''আ সামার ইভিনিংস টেল''
* হায়!<br>আমরা আমাদের নিজেদের হাত থেকে আমাদের নিয়তি দিয়ে দিই,<br>আর বিশ্বাস করি সেই সবচেয়ে ভঙ্গুর সব ভঙ্গুর জিনিসগুলোকে,<br>মানবতার সুযোগগুলোকে।
** ''আ সামার ইভিনিংস টেল''
* আচ্ছা, আমার গাল পড়ো, আর আমার চোখ লক্ষ্য করো,—<br> ওরা বড্ড কড়াভাবে শেখানো হয়েছে,<br>আমার আত্মার একটা গোপন কথা দেখাতে,<br> একটা লুকানো চিন্তা ফাঁস করতে।
** ''লাইনস অব লাইফ''
* আমার কাছে আশার এমন আগ্রহ আছে<br>আমার জাতির উপকার করার;<br>আর আমি অনুভব করি যেন অমর ক্ষমতা<br>আমার মনকে দেওয়া হয়েছিল।
** ''লাইনস অব লাইফ''
* কিন্তু গান আমার ঠোঁটকে আগুন দিয়ে ছুঁয়েছে,<br>আর আমার হৃদয়কে একটা মন্দিরে পরিণত করেছে;<br>কারণ কী, যদিও খাদ মেশানো, নিচু করা,<br>তা নিজেই ঐশ্বরিক।
** ''লাইনস অব লাইফ''
* সুর মৃতদের নীরবতাকে<br>কম ভয়ংকর করে তুলুক;<br>আমি পরোয়া করি না, যাতে আমার আত্মা টিকে থাকে<br>জীবন পালিয়ে যাওয়ার অনেক পরে।
** ''লাইনস অব লাইফ''
* আর এটাই আমাদের মরণশীল অবস্থার সারসংক্ষেপ,<br>যে আশাগুলো আমরা গুনি,—<br>জ্বরগ্রস্ত জাগরণ, বিপদ, মৃত্যু,<br>আর অলস ঘুম।
** ''দ্য ব্যাটল ফিল্ড''
* আরেকটা বছর, আরেকটা বছর,—<br>হায়! আর এটা কি হতেই হবে<br>যে সময়ের সবচেয়ে অন্ধকার আর ক্লান্ত চাকাটা<br>আমার জন্য আবার ঘুরবে?
** ''নিউ ইয়ারস ইভ''
* আমার কান্নাগুলো আমার হৃদয়ে কবর দেওয়া আছে,<br>গুহায়-তালাবদ্ধ ঝরনার ঘুমানোর মতো।
** ''সং - আই প্রে দি লেট মি উইপ টু-নাইট''
* আমি পৃথিবী দিয়ে দিতাম, যদি আমি বিশ্বাস করতে পারতাম<br>আমাকে যা বলা হয়েছে তার অর্ধেক;<br> স্নেহ! আমি কি এটাকে তুমি ভাবতে পারতাম,<br>যখন চাটুকারিতা আমাকে আদর করেছে।
** ''সং - আই প্রে দি লেট মি উইপ টু-নাইট''
===হিথস বুক অব বিউটি, ১৮৩৩ (১৮৩২)===
* এই তাৎপর্যপূর্ণ সাংস্কৃতিক খণ্ডের কিছু বিষয়বস্তুর আলোচনার জন্য, আদ্রিয়ানা ক্রাসিউনের 'ফ্যাটাল উইমেন অব রোমান্টিসিজম', কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস, ২০০৪, পৃষ্ঠা ২০৪ দেখুন। 'দ্য এনচ্যান্ট্রেস' বা 'জাদুকরী' বিভাগটি এখানে সেই প্রথম গল্পটিকে একটি 'স্ব-সচেতনভাবে বায়রনিক টেক্সট' হিসেবে বর্ণনা করে শুরু হয় যা 'কাব্যিক পরিচয় এবং স্ব-সৃষ্টির একটি প্রমিথিয়ান, স্বতন্ত্রভাবে লুসিফেরিয়ান মডেল তৈরি করে'।
'''দ্য এনচ্যান্ট্রেস'''
* জল—শক্তিশালী, পবিত্র, সুন্দর, অথৈ—তোমার নিজস্ব রাজত্ব, গভীর সমুদ্রের মতো তোমার উপাদান আর কোথায় এতটা গৌরবময়? দূর আটলান্টিকে ক্ষমতার কী এক অসীমতা রয়েছে, যা দুটি ভিন্ন জগতের সীমানা, স্মৃতি এবং আশার জগতের মতো আলাদা! অথবা উজ্জ্বল প্রশান্ত মহাসাগরে, যার জোয়ার দক্ষিণের সূর্যের আলোয় সোনালিতে পরিণত হয়, এবং যার বুকে ঘুমিয়ে আছে হাজারো দ্বীপ, যার প্রতিটি এডেনের সবুজ, ফুল এবং ফলে ঢাকা! কিন্তু, তোমার সব জন্মগত রাজত্বের মাঝে, তোমার প্রিয় ভূমধ্যসাগরের মতো আর কাকে তুমি এত অকৃপণভাবে সৌন্দর্য দিয়েছ? গ্রীষ্মের এক রাতের নীরবতা এখন তার বুকে ঘুমাচ্ছে, যেখানে উজ্জ্বল তারাগুলোর প্রতিচ্ছবি এমনভাবে পড়েছে, যেন তার গভীরে তাদের আরেকটি বাড়ি এবং আরেকটি স্বর্গ রয়েছে। উভয়ের মাঝখানে বাতাস চিরে ছুটে চলা কোনো আত্মা হয়তো থমকে দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করতে পারত, কোনটি সমুদ্র আর কোনটি আকাশ। জলের ওপর অপশকুনের মতো বিশ্রাম নেওয়া পৃথিবী এবং পার্থিব জিনিসের ছায়াগুলোই শুধু বুঝিয়ে দিচ্ছিল কোনটি স্বর্গীয় বাহিনীর বাড়ি আর কোনটি আয়না।
* ভালোবাসা পথ না দেখালে আমরা শৈশবের দোরগোড়া পেরোতে পারি না।
* অদ্ভুত, এই জীবনে অজ্ঞতাই আমাদের সেরা সুখ হওয়া উচিত, আর তবুও আমরা সবসময় এটাকেই ধ্বংস করার চেষ্টা করছি!
* আমাদের স্বভাবের দুর্বলতা—কত দ্রুত কোনো তীব্র আবেগ একে বশ করে ফেলে!
* আমি মানবতার শুধু এর বিভ্রমগুলোই হারিয়েছিলাম, আর সেগুলোই একমাত্র জিনিস যা একে সহনীয় করে তোলে।
* সত্যি বলতে, রাত তৈরি হয়েছে ঘুমের জন্য; কারণ এর জাগরণ প্রহরগুলোতে এমন এক ধরনের নিপীড়ন থাকে যা দিনের সবচেয়ে বিষণ্ণ প্রহরগুলোরও অজানা। স্থিরতা এতটাই গভীর, নিঃসঙ্গতা এতটাই অটুট, বিশ্রামের অভাবে আসা জ্বর স্নায়ুগুলোকে এতটাই দুর্বল করে দেয় যে, কল্পনা স্বৈরতান্ত্রিক এবং অস্বাস্থ্যকর ক্ষমতা প্রয়োগ করে, যতক্ষণ না, যদি হৃদয়ে কোনো ভয় বা দুঃখ থাকে, তা বিশাল অতিরঞ্জনের সমস্ত শক্তি এবং আতঙ্ক নিয়ে জেগে ওঠে।
* কারণ বন্ধুরা কখন সফল মানুষের দুঃখে আনন্দ পায় না?
* যে ব্যক্তি অন্যদের নয়, নিজের কথা ভেবে আনন্দ খোঁজে, সে সবসময় দেখতে পাবে যে আনন্দ কেবল অসন্তোষের আরেকটি নাম।
* দুঃখজনক সত্য হলো, আমাদের প্রতিবেশীদের সম্পর্কে আমাদের বেশিরভাগ পূর্বানুমানই আসলে আমাদের নিজস্ব ইচ্ছা, যা আমরা অন্য কোনো উপায়ে প্রকাশ করতে লজ্জিত বোধ করি।
* যখন হৃদয় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে পূর্ণ থাকে, তখন ঠোঁট কতবারই না কোনো উদাসীন প্রশ্ন তৈরি করে!
'''দ্য তালিসমান'''
* শহরের সমস্ত বাসিন্দাদের মধ্যে দেশের প্রতি ভালোবাসা কতটা তীব্র!
* এটা কৌতূহলোদ্দীপক যে আমাদের দিনের প্রতিটি প্রহর অসংখ্য ঘড়ির ধ্বনি থেকে পুনরাবৃত্তি হয়; আর তবুও আমরা কত কমই ঘড়ির বাজার দিকে মনোযোগ দিই! হায়! সময়ের অসংখ্য চিহ্নকে আমরা যেভাবে অবহেলা করি, এটা তার কতটা প্রতীকী! সময়ের সম্ভাবনা নিয়ে ভাবলে, আমরা যেভাবে সময় নষ্ট করি তা সত্যিই ভয়ানক! প্রতিটি মানুষের জীবনের শেষে দেখা যাবে যে তার জীবন তৈরি করা বিশাল উপাদানের অন্তত তিন-চতুর্থাংশই শূন্য—হারিয়ে গেছে—বরং, পুরোপুরি ভুলে যাওয়া হয়েছে! অথচ সেই সময়কে যদি কাজে লাগানো হতো এবং সদ্ব্যবহার করা হতো, তবে তা হয়তো প্রাসাদ তৈরি করতে পারত, সম্পদ জড়ো করতে পারত, আর সবচেয়ে বড় কথা, একটি অবিনশ্বর নাম তৈরি করতে পারত।
* দারিদ্র্য একটি ভয়ানক জিনিস যখন তা একজন শক্তিশালী মানুষের গর্বকে একেবারে মাটিতে নামিয়ে আনে—এটি একটি ভয়ানক জিনিস যখন এটি বার্ধক্যকে নিঃস্ব করে দেয়: তবুও, সেই শক্তিশালী মানুষটি হয়তো আবার তার ভাগ্য ফিরে পেতে পারে, আর সেই বার্ধক্যের হয়তো উপভোগ করার ক্ষমতা থাকাকালীন আনন্দ ছিল। কিন্তু একটি শিশু, যার পা দুর্বলতার কারণে ধীর, অথচ তার বয়সে তা এতটা উচ্ছল হওয়ার কথা ছিল; একটি গাল যা ক্ষুধার কারণে পাতলা এবং সাদা, এমন একটি সময়ে যখন তার বিশেষভাবে খাবারের প্রয়োজন (কারণ সব শিশুই লোভী হয়); এমন একটি শরীর যা ঠান্ডায় কুঁচকে গেছে; এমন একটি বৃদ্ধি যা এত কোমল বয়সের জন্য বড্ড বেশি কঠোর পরিশ্রমে থেমে গেছে; এমন একটি আত্মা যা ক্লান্তি, অভাব এবং কঠোরতায় ভেঙে পড়েছে; —এমন একটি শিশু কি দারিদ্র্যের সবচেয়ে শোচনীয় দৃশ্য নয়? যদিও এটি একটি সাধারণ দৃশ্য।
* {থিয়েটারের ব্যাপারে} সেখানে, যে দুঃখগুলো নেই তার জন্য কাঁদতে কাঁদতে, হালকা কৌতুক বা হাস্যকর দুর্ঘটনায় হাসতে হাসতে, সেই অভাবের কথা কতটা কম মনে থাকে যা ভয়কে একমাত্র বাঁধনে পরিণত করে যা জীবিতকে জীবনের সাথে বাঁধে!
* ভালো আর মন্দ! ভালো আর মন্দ! তোমরা আমাদের সত্তার জালে অবিচ্ছেদ্যভাবে মিশে আছো; আর কে সেই অন্ধকার সুতোটিকে আলাদা করতে পারে?
* প্রত্যেক মানুষের স্বভাবের মধ্যেই নিশ্চয়ই কোনো গভীরভাবে প্রোথিত অসামাজিক নীতি আছে, সে তার নিজ জাতি থেকে তাকে আলাদা করে এমন যেকোনো কিছুকে এত বেশি ভালোবাসে; অথবা এটি কি সেই মানসিক ক্যালাইডোস্কোপ, অহংকার, পরিবর্তনশীল এবং ঝিকমিক করা, আলাদা হওয়ার আকাঙ্ক্ষা, যা মনোযোগ পাওয়ার আকাঙ্ক্ষায় ডুবে যায়?
* সেই কৃষক বালক যে রংধনুর রঙিন পথ অনুসরণ করেছিল, এই আশায় যে যেখানে রংধনু মাটি ছোঁয় সেখানে সে নীল এবং জাদুকরী ফুলটি খুঁজে পাবে, সে ওই ব্যক্তির চেয়ে অনেক বেশি জ্ঞানী যে সাহিত্যকে তার যৌবন, প্রতিভা এবং সময় দেয়।
* রাগ কী একটা ভুল! যদি তা সত্যিই প্রতিশোধ চায়, তবে রাগের কখনোই উপহাসের বাইরে যাওয়া উচিত নয়।
* আলাদা হওয়ার মর্যাদা সহানুভূতির মূল্যে কেনা হয়
* আমরা আবার পুনরাবৃত্তি করছি, কল্পনাবিলাসী মেজাজের মতো এত বেশি যোগাযোগকারী মেজাজ আর নেই।
* ... কে কখনো না কখনো এই অভিজ্ঞতা লাভ করেনি যে, শব্দের মধ্যে কান্নার সমস্ত স্বস্তি লুকিয়ে থাকে?
* মানবতায় যে পরোপকারিতা বিদ্যমান, তা থেকে আমরা একবিন্দুও কমাতে চাই না; আজকাল যা স্বীকার করার রেওয়াজ আছে, তার চেয়ে বেশি কৃতজ্ঞতা এবং কৃতজ্ঞ হওয়ার কারণ উভয়ই রয়েছে: তবে আমরা এই কথাটি বলি যে, যাদের ওপর আমাদের দাবি আছে তাদের কাছ থেকে বাধ্যবাধকতা কখনোই আসে না। দয়া সবসময় অপ্রত্যাশিত হয়; এবং এটি "আমাদের ওপর গ্রীষ্মের মেঘের মতো আসে," যা আমাদের কৃতজ্ঞতার পাশাপাশি "বিশেষ বিস্ময়" জাগিয়ে তোলে।
* এটা কী একটা মিথ্যা কথা যে প্রতিভা এবং পরিশ্রম বেমানান! প্রতিভার এমন একটি কাজের অস্তিত্ব কি আছে যা একই সাথে পরিশ্রমের কাজ ছিল না?
* —নিজেকে উপভোগ করাটাই হলো অন্যদের আনন্দ দেওয়ার সহজ উপায়; ...
* একটি স্বৈরতান্ত্রিক ক্ষমতা দাস তৈরি করে।
* আমি যে বিলাসিতাগুলো দেখেছিলাম, তার লোভ করার চেয়ে বরং আমি সেগুলো অবজ্ঞা করেছিলাম: হায়! আমরা নিজেদের চেয়ে অন্যদের জন্যই বেশি সম্পদ চাই।
* —অহংকার, সমস্ত সামাজিক দুর্গুণের মতো, অভিনবত্বের জন্য আকুল হয়;
* —সত্যিকারের ভালোবাসা ধর্মের মতো, এর নিজস্ব নীরবতা এবং পবিত্রতা আছে।
* তারা বলে মাধ্যাকর্ষণ হলো আকর্ষণের কেন্দ্র; আমার বরং মনে হয় শব্দই সেই কেন্দ্র। একটি জোরে এবং হঠাৎ শব্দের মতো আর কিছুই এত দ্রুত একটি বাড়ির বাসিন্দাদের একত্রিত করতে পারে না: ...
* ... একজন নারী কবে তিক্ত না হয়ে চতুর হতে পেরেছে?
* প্রচলিত বাক্য ব্যবহার করতে গেলে, তিন মাসের নিরবচ্ছিন্ন সুখ কেটে গেল—একটি বাক্য, যা প্রায়ই ব্যবহৃত হলেও, এর নির্ভুলতা নিয়ে আমার চরম সন্দেহ আছে; কারণ নিরবচ্ছিন্ন সুখ বলে কোনো কিছুই নেই, তা যেভাবেই হোক বা যেখানেই হোক না কেন।
'''দ্য নাইফ'''
* স্নেহ থেকে দায়িত্ব পালন করাই হলো দুঃখের সেরা সান্ত্বনা।
* একজন ইংরেজ কৃষকের শৌর্য খুব কমই কথায় প্রকাশ পায়।
* —এটা কী অদ্ভুত একটা ব্যাপার যে, ভয়ের লক্ষণগুলো সাধারণত হাস্যকর হয়!
* এই সত্যটি অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই যে, সব হঠাৎ আসা জরুরি পরিস্থিতিতে একজন নারীর দশগুণ বেশি উপস্থিতি বুদ্ধি থাকে, অথবা সাধারণ ভাষায় বলতে গেলে, একজন পুরুষের চেয়ে তার বুদ্ধি অনেক বেশি সজাগ থাকে।
* মৃত্যু কখনোই এতটা সহানুভূতি জাগায় না যতটা তা খুন হওয়ার রূপ নিলে জাগায়।
* এমন একটি বিশাল অথচ নীরব ভিড় দ্বারা ভয়ের একটি গভীর ছাপ তৈরি হয়; আমরা তাৎক্ষণিকভাবে সচেতন হই যে এমন অস্বাভাবিক স্থিরতা যে কারণে তৈরি হতে পারে তা ভয়ানক। একটি বিচারের রায় যার ওপর জীবন বা মৃত্যু ঝুলে থাকে, তা সত্যিই একটি ভয়াবহ ব্যাপার। আমরা জানি যে মানুষ এমন কিছু কেড়ে নিতে চলেছে যা তারা দিতে পারে না—মানুষের নিঃশ্বাসের কয়েকটি শব্দ চিরকালের জন্য তাদেরই একজনের নিঃশ্বাস কেড়ে নেবে; আর যদিও আমরা স্বীকার করি যে এই অশুভ পৃথিবীতে অপরাধের বিরুদ্ধে শাস্তিই হলো একমাত্র নিরাপত্তা, এবং সময়ের শুরু থেকেই রক্তের বদলে রক্ত নেওয়ার একটি প্রয়োজনীয়তা ছিল; তবুও, আমরা অনুভব করি যে প্রয়োজনীয়তাটি একটি ভয়ংকর জিনিস।
* নারীর ভালোবাসা কতটা অবোধ্য!—দয়া এটি জয় করতে পারে না, বা প্রতিদান এটি নিশ্চিত করতে পারে না; আমরা প্রতিদিন দেখতে পাই যে আমাদের কাছে সবচেয়ে অযোগ্য মনে হওয়া ব্যক্তিদের ওপরই সবচেয়ে বেশি ভক্তি ঢেলে দেওয়া হয়। দ্য স্পেকটেটর মানব স্বভাব সম্পর্কে তার স্বাভাবিক জ্ঞান দেখিয়েছিলেন, যখন এই বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি বর্ণনা করেন যে, শত্রুদের দ্বারা অবরুদ্ধ একটি শহরে, নারীদের যখন তাদের কাছে থাকা সবচেয়ে মূল্যবান জিনিস নিয়ে চলে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল, তখন তাদের মধ্যে কেবল একজনই তার স্বামীকে নিয়ে গিয়েছিল,—এমন একজন মানুষ যে তার স্বৈরাচারী মেজাজের জন্য কুখ্যাত ছিল, এবং যার, তাছাড়া একটি খারাপ—বা, যেমনটা দেখা গেল, একটি ভালো—অভ্যাস ছিল প্রতিদিন সকালে তার স্ত্রীকে মারধর করার। আচ্ছা, সমস্ত সরকার ভয়ের দ্বারা পরিচালিত হয়—ভয় হলো আমাদের কাজের প্রধান নীতি; আর ভয়, আমরা বিশ্বাস করতে প্রলুব্ধ হই, নারীর ভালোবাসাকে বাড়িয়ে তোলে এবং শক্তিশালী করে।
* নিডরেরা নিজেদের পথ নিজেরাই তৈরি করে নেয়।
* তাদের সাথেই জন্ম—তাদের সাথেই জন্ম: সবাই একই রকম! একজন নারীর কাছে যন্ত্রণা দেওয়ার আনন্দের সমান আর কোনো আনন্দ নেই।
'''থেরেসা'''
* আমরা যদি জানতাম কীভাবে আমরা একটি এড়াতে গিয়ে আরেকটি মন্দের দিকে ছুটে যাই, তবে আমাদের কোনো কিছুই এড়ানোর সংকল্প থাকত না।
* দুঃখের সাথে যৌবনের প্রথম পরিচয় একটি ভয়ংকর জিনিস—যতক্ষণ না সময় শেখায়, যা সে নিশ্চিতভাবেই শেখাবে, যে দুঃখই আমাদের স্বাভাবিক অংশ, যা একই সাথে ক্ষণস্থায়ী এবং চিরস্থায়ী। কিন্তু প্রথম পাঠটি সবচেয়ে কঠোর হয়—তখনো আমরা আমাদের সঙ্গীদের দিকে তাকাইনি, এবং দেখিনি যে কষ্ট সবার জন্যই সাধারণ; আর আমরা অনুভব করি যেন ভাগ্য আমাদের এমন এক দুর্দশার জন্য বেছে নিয়েছে যার কোনো সমান্তরাল নেই।
* কিন্তু যেহেতু আমাদের ব্যাখ্যা বিস্ময়, অনুশোচনা এবং স্নেহের কথায় বাধা পাওয়া ব্যাখ্যার চেয়ে সংক্ষিপ্ত হবে, তাই আমরা এতে এগিয়ে যাব; এই বিশ্বাসে যে ব্যাখ্যা, উপদেশের মতো, সমস্ত সুবিধাজনক সংক্ষিপ্ততার হওয়া উচিত।
'''রেবেকা'''
* সকাল কতটা সুন্দর, কতটা উচ্ছল এবং আনন্দময়! পাতায় প্রথম রোদের আলো: প্রথম বাতাস, ফুলেদের প্রথম নিশ্বাসে ভারী—সেই গভীর দীর্ঘশ্বাস যার মাধ্যমে তারা যেন ঘুম থেকে জেগে ওঠে; প্রথম শিশির, যা ভোরে ওঠা খরগোশের হালকা পায়ের ছোঁয়াও পায়নি; জেগে ওঠা পাখিদের প্রথম কিচিরমিচির, যেন তারা গান এবং উড়ান শুরু করতে উদগ্রীব; সবকিছুই বিশ্রাম থেকে পাওয়া শক্তি এবং সচেতন জীবনের আনন্দের সুবাসে ভরপুর।
* শব্দ বিশেষভাবে স্মৃতির কাছে আবেদন করে।
* মানুষের অহংকারের জন্য এটি একটি হতাশাজনক বিষয় যে মনের জোর এর অধিকারীকে কোনো প্রিয় বিভ্রমে লিপ্ত হওয়া থেকে রক্ষা করতে পারে না; বরং এই জোরই বিশ্বাসকে তার নিজস্ব শক্তি দেয়।
* এটি এমন একজন অহংকারীর ভুল ধারণা, যার স্নেহের অভিজ্ঞতা এখনও আসেনি—যদি আদৌ আসে—যে নারীদের শুধু ভালো চেহারা দিয়েই জয় করা যায়। যদিও এটি তার কারণে জন্ম নেয় না। কৃতজ্ঞতা এবং অহংকার হলো সেই দুই ধাত্রী যারা ভালোবাসার দোলনা দোলায়।
* যৌবনের স্বাধীনতা কী এক কল্পনাবিলাসী জিনিস! কত প্রকল্পে ভরা, যা নিশ্চিত রূপ নেয়! একজন তরুণ এবং উৎসাহী মানুষকে বোঝাতে কতটা রূঢ় এবং কঠোর অভিজ্ঞতার প্রয়োজন হয় যে, সংযোগ বা পরিস্থিতির সাহায্য ছাড়া একজন ব্যক্তির চেষ্টা হলো ড্যানাইডেসের রূপকথার আসল অর্থ: —পরিশ্রম এবং দক্ষতা, হায়, কতবারই তো সেগুলো শুধু ফুটো বালতিতে পরিশ্রম করে তোলা জলের মতো!
* [রেজিনাল্ড ক্লিনটনের কাছ থেকে]: আমি বিশ্বাস করি না যে ঈশ্বরের সৃষ্টি উপভোগ করলে হৃদয় তার কাছ থেকে দূরে সরে যায়। গোলাপের মিষ্টি সুবাস, বা ভোরের পাখির গানের মূল্য কী? এগুলো যে আনন্দ দেয় তা কোনো প্রয়োজনীয়তার বিষয় নয়, তবুও আমরা উভয়টিতেই আনন্দ পাই। কবির আত্মা ঠিক ততটাই তাঁর উপহার যতটা ফুলের সুবাস, বা পাখির গান; আর যে পাতায় অনুপ্রাণিত শব্দ বীরত্বপূর্ণ কাজ, হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া দুঃখ, বা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য লিপিবদ্ধ করে, তা হলো সেই আনন্দগুলোর একটি যার জন্য আমাদের কৃতজ্ঞ হওয়া উচিত। আমি অন্ততপক্ষে সর্বশক্তিমানের করুণায় সবচেয়ে গভীরভাবে বিশ্বাস করি, যখন আমি দেখি যে আমাদের এই তীর্থযাত্রার পথে কতটা সুন্দর এবং আনন্দদায়ক জিনিস ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
* আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে একজন লন্ডনের বাসিন্দা তার শহরের বাড়ি নিয়ে ঠিক ততটাই সন্তুষ্ট, যতটা অ্যাপেনাইনস পর্বতমালার সবচেয়ে সুন্দর উপত্যকার একজন বাসিন্দা; এবং অভ্যাস জায়গার ব্যাপারে তার স্বাভাবিক উদাসীনতা নিয়ে আসে।
* মানব দুর্দশা পরিমাপ করার সময় যারা গরিবের যন্ত্রণার সাথে অন্য কিছুর তুলনা করার সুযোগ দেয়, সেই বোকামির ওপর ধিক্কার! আমি গরিব শব্দটি আপেক্ষিক অর্থে ব্যবহার করছি। যাদের সততা আত্মসম্মান নিয়ে আসে, যাদের অভ্যাস আর সামর্থ্য একসাথে চলেছে এবং যাদের পরিশ্রমই তাদের নিজস্ব অবলম্বন, আমি তাদের গরিব বলছি না। বরং তারাই গরিব যাদের প্রচেষ্টা তাদের অভাব মেটাতে পারে না। শীত, ক্ষুধা আর ক্লান্তি যাদের খুব সাধারণ অনুভূতি। যারা একসময় ভালো দিন দেখেছে। অতীত যাদের কাছে কেবলই বৈসাদৃশ্য তুলে ধরে আর ভবিষ্যৎ নিয়ে আসে ভয়।
* [একজন নাট্যকার লির কাছ থেকে]: আহ! সেই কবির কোনো সত্যিকারের আশা নেই, যে তা সাধারণ মানুষের মাঝে এবং সাধারণ জনতার অনুভূতির মধ্যে স্থাপন করে না।
* [লির কাছ থেকে]: আমি বিশ্বাস করি মন তার নিজস্ব অমরত্ব তৈরি করতে পারে। চিন্তাই হলো অস্তিত্বের আধ্যাত্মিক অংশ। যতদিন আমার মন অন্যদের প্রভাবিত করবে, যতদিন আমার চিন্তাগুলো পেছনে থেকে যাবে, ততদিন আমার আত্মা সচেতন এবং অমর থাকবে। শরীর ধ্বংস হতে পারে। কিন্তু জীবন্ত এবং চিরস্থায়ী পাতায় টিকে থাকা নির্যাস ধ্বংস হয় না।
* আমি নিশ্চিত যে মঞ্চে অর্জিত বিজয়ের সমান আর কোনো বিজয় নেই। এটি খুব তাৎক্ষণিক এবং খুব আপন হয়ে আসে। আপনার সামনে সেই মানুষের ভিড় থাকে যাদের সহানুভূতি আপনার ইচ্ছার ওপর নির্ভর করে। আপনি যে আবেগগুলো জাগিয়ে তোলেন তা আপনি দেখতে পান। আপনার আদেশে ঝরে পড়া কান্নাগুলো আপনি দেখেন। কবি মূর্তিটি তৈরি করেছেন, কিন্তু তাতে জীবন দেওয়ার দায়িত্ব আপনার। শব্দগুলোকে আপনার ঠোঁটে তাদের সুর খুঁজে পেতে হবে। উদার মনোভাব, উন্নত আশা, গভীর অনুভূতির ছোঁয়া আপনার কাছে তাদের প্রকাশ খোঁজে। নিশ্চিতভাবেই এমন প্রভাব মনের বিজয়গুলোর মধ্যে অন্যতম। হ্যাঁ, এটি একটি মহান ও মহৎ বিজয়।
* কিন্তু এই পৃথিবীতে সবকিছুরই মন্দ দিক আছে। বিজয়ীর রথের চাকায় ধুলো থাকে। রেশমের তৈরি ট্যাপেস্ট্রি ক্ষয়িষ্ণু দেয়ালকে ঢেকে রাখে।
* আমি সবসময় খেয়াল করেছি যে, ভাগ্যে যখন কোনো বড় দুর্ভাগ্য জমা থাকে, তখন তার আগে সবসময় একটি সংক্ষিপ্ত শান্ত এবং রৌদ্রোজ্জ্বল সময় আসে। যেন অন্য সমস্ত দুর্দশার সাথে বৈসাদৃশ্যের তিক্ততা যোগ করতে এটি আসে। যারা সুখী তাদের জন্যই কাঁপার সময়। তাদের মাথার ওপর দিয়েই বজ্রপাত হতে চলেছে।
* ... ; কিন্তু বিবেক, একটি শিশুর মতো, খুব সহজেই ঘুমিয়ে পড়ে; আর অভ্যাসই হলো অনন্তকাল সম্পর্কে আমাদের ধারণা।
* একটি প্রতীক্ষিত আগমনের অস্থিরতা কে না জানে?
'''এক্সপেরিমেন্টস; অর দ্য লাভার ফ্রম এনুই'''
* সুদর্শন, ধনী, উচ্চ বংশীয় এবং চতুর হওয়ার কারণে সিসিল ফরেস্টার অনেক দুর্ভাগ্যের উত্তরাধিকারী ছিলেন।
* আমাদের গল্পটি ক্ষুদ্র সহিসের চেয়ে ছোট করতে গেলে, তিনি জানতে পেরেছিলেন যে নিজের মধ্যে তার নিজস্ব সম্পত্তি বিপদে পড়েছে। আর যদি দেশপ্রেমিকদের স্বাধীনতার সংজ্ঞা সত্য হয় ("এটি আমাদের শ্বাস নেওয়া বাতাসের মতো, এটি ছাড়া আমরা মারা যাই"), তবে তার জীবন শেষের পথে। তার বিরুদ্ধে একটি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল। তার ভৃত্যের প্রতি এক বিশেষ অনুদানের কারণে, তিনি টয়লেট থেকে বের হওয়ার সময় দুজন পেশাদার ভদ্রলোক ক্ল্যারেন্ডনে তার বন্ধুদের তার সঙ্গ থেকে বঞ্চিত করবেন।
* একপাশে এক শিলিংয়ে এক ডজন লেবু বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে কমলা বিক্রি হচ্ছে ছয় পেন্সে। একজন মানুষ আপনার কানে শিঙা বাজাচ্ছে আর আপনাকে স্ট্যান্ডার্ড পত্রিকা সেধেছে। অন্যজন নিজের ফুসফুসের জোর খাটিয়ে আপনাকে কুরিয়ার দেখাচ্ছে। এক পেনিতে পেনসিল পাওয়া যায়। আর তিন থেকে ছয়টি ব্লেডযুক্ত কলমকাটা ছুরি এক ডজন আঠারো পেন্সে পাওয়া যায়। ট্রাঙ্ক হাতে এক লোক এর কোণ আপনার কপালের দিকে ঘুরিয়ে দেয়। অন্যজন একটি পরিবারের মুদিখানার জিনিসপত্র (চিনি, সাবান, মোমবাতি এবং সবকিছু) ভরা একটি বাক্স আপনার পায়ের আঙুলের ওপর রাখে। তাড়াহুড়োর মধ্যে একজন বিশাল আকৃতির ভদ্রলোক আপনাকে প্রায় ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন। একজন বয়স্ক ইহুদি এত সুন্দরভাবে আপনার পাশ দিয়ে পিছলে যান যে আপনি কিছু বোঝার আগেই তার ওপর পড়ে যান। সবারই সবসময় দেরি হয়ে যায়, আর তাই সবাই তাড়াহুড়োর মধ্যে থাকে। দুজন পুলিশ সদস্য শান্তি বজায় রাখেন। আর সম্পত্তির আইন সম্পর্কে যাদের ধারণা প্রতিষ্ঠিত নীতি বা সংস্কারের সাথে সাংঘর্ষিক, এমন আধ ডজন মানুষ তা ভাঙার উদ্দেশ্যে সেখানে উপস্থিত থাকে। এর সাথে যোগ করুন শাল গায়ে এবং ধারালো কনুইযুক্ত কয়েকজন নারীকে। আর প্যাটেন জুতো, যার লোহার আংটিগুলো পথচারীদের উপকারের জন্য। হোয়াইট হর্স সেলার এবং ডোভার স্ট্রিট থেকে আলবেমার্ল স্ট্রিট পর্যন্ত ফুটপাতের এই হলো অবস্থা।
* [সিসিল ফরেস্টারের কাছ থেকে]: বৃষ্টির সকাল কাটানোর জন্য প্রেমের চিঠির বিকল্প নেই। একজন প্রেমিকা একজন মানুষকে নিজের প্রতি এতটা আগ্রহী করে তোলে! আপনার চুলের ভেতর দিয়ে আঙুল চালালেই সেই লকেটের ছবি ভেসে উঠবে, যেখানে আপনার একগোছা কোঁকড়ানো চুল পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর ঘাড়ে বিশ্রাম নিচ্ছে। পুবের বাতাস কেবল একদল "মিষ্টি উদ্বেগের" জন্ম দেয়। আর পরিস্থিতি সবচেয়ে খারাপ হলে আপনি বসে আপনার প্রেমিকার ভ্রু নিয়ে সনেট লিখতে পারেন।
* ইংরেজরা ... আগুন বা খুনের ঘটনা ছাড়া পরিচয় না করিয়ে দিলে কখনো কথা বলে না।
* লন্ডনে একটি ফ্যান্সি বল বেশ বাজে ব্যাপার, যেখানে অনেক টুপি প্রস্তুতকারক আছে এবং যেখানে থিয়েটারগুলোতে এমন পোশাক আছে যা ধার করা বা নকল করা যায়। কিন্তু গ্রামে, যেখানে মানুষদের নিজেদের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়, সত্যিই তাদের ক্ষেত্রে খুনিদের সম্পর্কে সেই পুরোনো কবির কথাটি প্রয়োগ করা যেতে পারে, "তাদের কল্পনাগুলো বড্ড ভয়ংকর।"
* আমরা কৃত্রিমতাহীন প্রকৃতির কথা বলি। আমি জানতে চাই তা কোথায় পাওয়া যাবে।
* অসময়ের প্রশংসা একজন সাধুকে রাগানোর জন্য যথেষ্ট।
* আমরা নিজেদের কাছে অজুহাত দিতে এত তৃপ্তি পাই কেন? অথচ আমরাই পৃথিবীর একমাত্র মানুষ যাদের কাছে এই অজুহাতগুলোর কোনোই প্রয়োজন নেই।
'''অ্যান ইভনিং অ্যাট লুসি অ্যাশটনস'''
* শাস্তি না পাওয়া অপরাধের জন্য কখনোই অনুশোচনা হয় না। আমরা ফলাফলের জন্য কাঁদি, ভুলের জন্য নয়।
'''পোয়েট্রি'''
* ঘোমটাহীন, মুখোশহীন! এমন নয়, এমন নয়!<br>আহ! তোমারগুলো আরও ঘনিষ্ঠভাবে পরা<br>হালকা উপহাসের ছলে পরা<br>সেই এক সন্ধ্যারগুলোর চেয়ে।<br>তুমি যে মুখোশ আর ঘোমটা পরো<br>তা তোমারই একটা অংশ;<br>কোনো মুখোশই কখনো তোমার মুখ লুকাতে পারে না<br>যেমনটা তা তোমার হৃদয়কে লুকায়।
** ''দ্য মাস্ক''
* সে হাতের ওপর মাথা রাখল: “আমি জানি না কোনটা বেছে নেব,<br>হায়! আমি যেটাই বেছে নিই না কেন, অন্যটা আমাকে হারাতেই হবে।”
** ''দ্য চয়েস''
* কনে ছিল তরুণী আর সুন্দরী, বর ছিল কঠোর আর বৃদ্ধ,<br>কিন্তু রেশমি লাগাম মুক্তো দিয়ে ঝোলানো ছিল, আর ঘোড়ার পিঠের চাদর সোনায় উজ্জ্বল ছিল।
** ''দ্য চয়েস''
* যে হতভাগ্য ফাঁসির মঞ্চে দাঁড়িয়ে আছে<br>তার কাছে কিছু সংক্ষিপ্ত সময় আছে<br>দয়ালু হাতের বিদায়ী আলিঙ্গনের জন্য,<br>জনতাকে বিদায় জানানোর জন্য:
** ''ম্যাডেলিন''
* আরেকটি নরম আর সুগন্ধি পাতা,<br>আরও মধুর শব্দে ভরা!<br>আমার মতো একটা মন্দির<br>তীর্থযাত্রার জন্য কী উদ্দেশ্য দেয়!<br>সিল ভাঙার আগেই আমি জানি,<br>আমি কী শব্দ খুঁজে পাব:
** ''বেলিন্ডা, অর দ্য লাভ লেটার''
* তারা বলে যে, প্রাচীন হলরুমে ঝোলানো,<br>মধ্যরাতে নীরব বীণা থেকে<br>এক বিষণ্ণ সুর ঝরে পড়ে<br>দিনের আলোয় বোবা থাকা তারগুলো থেকে।<br>আর তাই রাতের বেলা মানুষের হৃদয়<br>কোনো অনুপ্রাণিত সুরের ছোঁয়া পায়,<br>গভীর আনন্দে সুরেলা,<br>দিনে সে জানত না যে এটা তার নিজের।
** ''মেডিটেশন''
* ওহ মধ্যরাতের আকাশের সৌন্দর্য!<br>ওহ প্রতিটি দূরের তারার রহস্য!<br>ওহ স্বপ্নের প্রহর, যার জাদু লুকিয়ে আছে<br>বিশ্রাম আর শান্তিতে, যখন দিন অনেক দূরে!<br>সেই উচ্চ মেজাজগুলোর জন্য ধন্যবাদ যা জাগিয়ে তোলে<br>আমাদের চিন্তাশীল এবং অমর অংশকে!<br>আমাদের জীবনের ওপর ধিক্কার, আমরা কি পারতাম না<br>হৃদয়ের একটি আধ্যাত্মিক মন্দির তৈরি করতে?
** ''মেডিটেশন''
* আর এখানে তারা মিলিত হয়েছিল: ভালোবাসার মিলন কোথায় হওয়া উচিত,<br>আবেগপূর্ণ, আধ্যাত্মিক, আর গভীর ভালোবাসা,<br>কোথায়, এমন এক ভুতুড়ে নিঃসঙ্গতা ছাড়া,<br>একটা সবুজ আর প্রাকৃতিক মন্দির, উপযুক্ত তীর্থস্থান<br>সেই শপথগুলোর জন্য যা তারারা মনে রাখে?
** ''দ্য লাস্ট অব দ্য সেন্ট অবিনস''
* মিষ্টি মটরলতা ওপরে উঠে গেল,<br>ফুলেদের প্রজাপতি: আমি একে ভালোবাসি না,<br>যদিও প্রতিটি রং, আর এর অনেক রং আছে,<br>এমনভাবে রাঙানো যেন সূর্যাস্তের সন্ধ্যার মেঘগুলো<br>হঠাৎ বৃষ্টিতে মাটিতে পড়েছিল,<br>আর তাদের রংগুলো রেখে গিয়েছিল: বেগুনি, নরম গোলাপি,<br>আর তুষার-সাদা, তোমার ডানার মতো পাতায় আছে;<br>কিন্তু তুমি তোমার ফোটার ক্ষেত্রে বড্ড বেশি এগিয়ে আছো;<br>তোমার ফুলগুলো সূর্যের, আর সবকিছুকে আঁকড়ে ধরে<br>যা তাদের খোলা দিনের আলোয় সমর্থন করতে পারে:<br>আর তারপর তারা মারা যায়, পেছনে কোনো শিকড় না রেখে,<br>আরেকটি বসন্তের আশা আর প্রতিশ্রুতি না রেখে;<br>আর কোনো সুগন্ধি নেই, যার দীর্ঘস্থায়ী কৃতজ্ঞতা<br>তার গ্রীষ্মের জীবনকে ধরে রাখা জিনিসগুলোর চারপাশে থাকে।
** ''দ্য লাস্ট অব দ্য সেন্ট অবিনস''
* মহান স্বর্গ! কী সব বৃথা বিশ্বাস<br>মানুষের স্পন্দনকে আলোড়িত করেছে আর আশাকে চালিত করেছে!<br>যেন সেই সম্মান রক্ত দিয়ে কেনা যেত,<br>আর সেই ভয়ংকর ডান হাতটা আরও ভালো মূল্যের ছিল<br>সূক্ষ্ম মন, আর উচ্চ এবং উদার হৃদয়ের চেয়ে!
** ''দ্য লাস্ট অব দ্য সেন্ট অবিনস''
===দ্য ভাও অব দ্য পিকক (১৮৩৫)===
* বর্তমান! এটি সমুদ্রের একটি বিন্দুমাত্র<br>অনন্তকালের বিশাল গভীরতায়।<br>আমি একে ভালোবাসি না, এর জন্ম হয়<br>নিস্তেজ আর সাধারণ পৃথিবীর বড্ড কাছাকাছি।
* বর্তমান, বাস্তবতা, এগুলোই যদি আমাদের সবকিছু হতো,<br>আমাদের বোঝা বড্ড ভারী হতো, আমাদের দাসত্ব বড্ড আশাহীন হতো;<br>কিন্তু স্বর্গ, যা তার নীল আচ্ছাদন সবার ওপর ছড়িয়ে দেয়,<br>আমাদের স্মৃতি দিয়েছে, আমাদের আশা দিয়েছে!
* ভবিষ্যৎ! আহ, সেখানেই আত্মার বাড়ি,<br>এর দূরত্বে লেখা আছে গৌরবময় আগামী।
* বর্তমান! এটি দুঃখ আর যত্নে ডুবে যায়,<br>যা ভবিষ্যৎ না থাকলে সে কখনোই সইতে পারত না;<br>আমরা এর ছায়ায় বাস করি, আমরা এর আলোয় দেখি,<br>আর আজ আগামীকালকে বিশ্বাস করে, তখন এটি উজ্জ্বল হবে।
* অতীত! আহ, আমরা এর কাছে আরও কোমল ঋণী,<br>স্বর্গের নিজস্ব সবচেয়ে মিষ্টি করুণা হলো ভুলে না যাওয়া;<br>এর প্রভাব বর্তমানকে নরম করে, আর ছুঁড়ে দেয়<br>আইভির মতো একটা অনুগ্রহ, যেখানেই এটি আটকে থাকে।
* ওহ! মিষ্টি প্রেতাত্মাদের জগত, তুমি কত মূল্যবান!<br>অতীত হলো হৃদয়ের জন্য চিরস্থায়ী যৌবন।
* অতীত কবির, সেই জগতটা তার নিজের;<br>সেখান থেকেই তার সুর তার সত্য আর তার স্বর পায়।<br>সে অনেক আগে হারিয়ে যাওয়া যুগের ছায়াগুলোকে ডেকে আনে,<br>আর সুন্দর জীবনের মতো আলো, মৃতদের আলোকিত করে।
* যৌবন বড্ড বেশি আগ্রহী, সে নিজেকে ছুঁড়ে দেয়<br>উল্লসিত ডানার ওপর,<br>যা সেই স্বর্গ খোঁজে যা তারা বড্ড কাছে চায়,<br>একটি বন্য উড়ান উজ্জ্বল ক্যারিয়ার শেষ করে;<br>ভাঙা ডানা আর অন্ধকার চোখ নিয়ে,<br>পৃথিবী আবার তার নিজের জিনিসকে মরার জন্য দাবি করে।
* আহ! ভালোবাসা আর গান কেবলই একটা স্বপ্ন,<br>জীবনের অন্ধকার স্রোতের ওপর একটা ফুলের আবছা ছায়া।
** সবগুলো ''দ্য ভাও অব দ্য পিকক'' (শিরোনাম কবিতা - ভূমিকা) থেকে
* এমন একটি শহর আছে, যার দাস হিসেবে<br>রাজা, আর জাতি, বাতাস, আর ঢেউ আছে:<br>সেন্ট মার্ক তার ক্ষমতা সম্পর্কে সচেতন,<br>তার ডানাযুক্ত সিংহ তার মিনারকে চিহ্নিত করে।
* আহ, চারণকবির গানের অনেক ডানা আছে!<br>বিদেশ থেকে সে তার সম্পদ নিয়ে আসে।
* লার্ক পাখিটি বিজয়ী গানের সাথে<br>গোলাপ-ছোঁয়া মেঘের মাঝে গাইছে:<br>সেখানেই সেই আলোকিত গানের জন্ম হয়,<br>পৃথিবীর সাথে এমন স্তোত্রের কী সম্পর্ক?
* অনেক মাথা যা শুয়ে পড়েছিল,<br>বারো ঘণ্টার ব্যথায় অধৈর্য হয়ে,<br>আর কামনা করেছিল যে বিছানাটা সে চেপে আছে,<br>তা যেন কবরের মতো একটা দীর্ঘ শেষ বিশ্রাম হয়,<br>তারা সকালের ডাকে আবার লাফিয়ে উঠেছে,<br>সবকিছু ক্ষমা করে, বা ভুলে গিয়ে;<br>ক্লান্ত চিন্তার বোঝাকে আলোকিত করে<br>ভোর থেকে আনা রং দিয়ে,<br>আকাশে নতুন প্রতিশ্রুতি পড়ে,<br>আর ওপরে লার্ক পাখিটিকে, আশাকে শুনতে পায়।
* বাতাস চিরে ওড়া সব পাখির মধ্যে<br>ময়ূরের সাথে কারও তুলনা হয় না;<br>শুধু তার সৌন্দর্যের জন্যই নয়,<br>যদিও রানীরা বৃথাই এমন পোশাক চাইতে পারে,<br>কিন্তু সেই আঁকা পালকগুলোর ওপর ফেলা হয়েছে<br>অতীতের কত ছায়া,
* ওহ! মিষ্টি আর হঠাৎ আগুন যা লাফিয়ে ওঠে<br>তার ডানা আলোকিত করতে শুধু একটা দৃষ্টি নিয়ে;<br>এটা বলা কতটা মিথ্যা যে তোমার সময় দরকার<br>আশার উজ্জ্বল আরোহণ চড়তে;<br>তুমি একটা তারা, যা হয়তো<br>নিস্তেজ জ্যোতির্বিজ্ঞান দ্বারা গণনা করা যায় না!
* ভালোবাসার উপহারগুলো সোনার শিরার মতো<br>যা পৃথিবীর অন্ধকার ছাঁচকে ছেদ করে;<br>সোনা পাওয়া যায়, মুদ্রা তৈরি হয়;<br>কিন্তু এটি কত কষ্ট নিয়ে এসেছে?
* কিন্তু কে কখনো সৌন্দর্যের রশ্মি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে<br>ভবিষ্যতের ছায়ার ভয়ে;<br>অথবা কে কখনো একটা গোলাপ ছুঁড়ে ফেলেছে<br>কারণ সেই গোলাপ ম্লান হতে পারে।
* জীবন চলার পথে কীভাবে মুছে ফেলে<br>আগের দুঃখের সবচেয়ে তীব্র যন্ত্রণা।<br>আমরা কতটা যত্নহীন আর কতটা ঠান্ডা হয়ে যাই,<br>নিচে মাড়ানো ধুলোর মতোই শুষ্ক;
* সে তাকিয়ে রইল, যদিও সে জানত না কেন,<br>যেখানে মহাসাগরকে অন্য একটা আকাশ মনে হচ্ছিল।<br>চাঁদ গভীর জলের দিকে তাকিয়ে ছিল,<br>যতক্ষণ না সেই গভীরে তাকে মনে হচ্ছিল;<br>চোখ হয়তো খুব কমই ছবিটা ধরে রাখতে পারত<br>কোনটা আকাশ ছিল, আর কোনটা সমুদ্র।
** সবগুলো ''দ্য ভাও অব দ্য পিকক - ফার্স্ট ক্যান্টো'' থেকে
* গোধূলি, যখন আমাদের পৃথিবীকে মনে হয় মিশে যাচ্ছে<br>তার মানব আবেগকে আকাশের সাথে;<br>আর গোলাপি মেঘ, ওপরে উঠছে,<br>ওঠার সময় মরণশীল রং পরে,<br>যতক্ষণ না, বিশুদ্ধ হয়ে, তারা অদৃশ্য হয়ে যায়<br>উচ্চ ফ্যাকাশে বায়ুমণ্ডলের মাঝে।
* সে তার বীণা নিল, তার কণ্ঠস্বর নিচু ছিল,<br>যেমন বয়ে চলা জল নরমভাবে প্রবাহিত হয়<br>চারপাশের ঝুলে পড়া ফুলেদের মাঝে,<br>যেন তারা তাদের দীর্ঘশ্বাসকে শব্দে পরিণত করেছে।<br>আহ, জাদু! এমন এক কণ্ঠের যা মনে হয়<br>আত্মাকে আশা আর স্বপ্ন দিয়ে তাড়া করে;
* মাঠে যুদ্ধ হয়েছে, সেখানে কে হাঁটে?<br>বিজয় যে ছায়া ফেলে, হতাশা!
* রাত এল, গভীর আর বেগুনি সময়<br>দক্ষিণের জলবায়ুতে গ্রীষ্মের।
* ওই গায়ক পাখিটাকে নিয়ে যাও!<br>এর গানটা বড্ড বেশি খুশির<br>আমার মতো এত বিষণ্ণ কানের জন্য!<br>আর এর ডানাগুলো বড্ড বেশি হালকা,<br>আর এর পালকগুলো বড্ড বেশি উজ্জ্বল,<br>আমার মতো বুকে বিশ্রাম নেওয়ার জন্য!
* ওহ, ক্লান্ত দিন যা এত দীর্ঘ মনে হয়েছিল!<br>ওহ, প্রহরগুলো যা তাদের ভার টেনে নিয়ে গেছে!
* মৃতদের জন্য নিষ্ফল স্মরণের সাথে কেঁদো না,<br>তাদের আত্মা সকালের ডানায় উড়ে গেছে;<br>বরং তাদের জন্য শোক করো যাদের জীবন এখনো আবদ্ধ করে রেখেছে,<br>আহ! জীবিতদের জন্য কাঁদো, মৃতদের জন্য কেঁদো না।
** সবগুলো ''দ্য ভাও অব দ্য পিকক - সেকেন্ড ক্যান্টো'' থেকে
* সে তার বীণার ওপর ভর দিল, আর হাজার হাজার মানুষ তাকাল<br>তার দিকে ভালোবাসা আর বিস্ময় নিয়ে, হাজার হাজার মানুষ হাঁটু গাড়ল<br>আর তার উপস্থিতিতে উপাসনা করল, জ্বলন্ত কান্না,<br>আর শব্দ যা উচ্চারণে মারা গেল, আর একটা বিরতি<br>শ্বাসরুদ্ধকর, উত্তেজিত আগ্রহের,<br>প্রথমে পূর্ণ হৃদয়ের শ্রদ্ধা জানাল: তারপর বেরিয়ে এল<br>একটা চিৎকার যা স্বর্গে পৌঁছাল; আর পাহাড়গুলো,<br>দূরের উপত্যকাগুলো, সব বেজে উঠল<br>ইওলিয়ান সাফো-র নামে, প্রতিটি হৃদয়<br>তার গানের কোনো না কোনো প্রতিধ্বনি নিজের মধ্যে খুঁজে পেল।
** ৪ মে ১৮২২-এ দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেটের পোয়েটিক স্কেচেস থেকে ''সাফো। সেকেন্ড সিরিজ - স্কেচ দ্য ফার্স্ট''
* [অ্যালভাইন] ওহ, সুন্দর আকৃতির সেই মিষ্টি বৃত্ত! একজন<br>তার সাদা হাত দুটো উঁচুতে ছুঁড়ে দেয়, আর আনন্দের সাথে বাজায়<br>তার সোনালি করতাল, আমি প্রায় মনে করতে পারি<br>আমি তাদের শব্দ শুনতে পাচ্ছি; একজন ঝলমলে পায়ে<br>তার সুর অনুসরণ করে, যখন তার লাল গাল<br>ব্যায়ামে লাল হয়ে উঠেছে, যতক্ষণ না লাল আঙুর<br>একজন বোন পরীর কালো চুলের মাঝে<br>খুব কমই উজ্জ্বলতর হয় ; সেখানে আরেকজন দাঁড়িয়ে আছে,<br>আরও অন্ধকার একটি আত্মা, আনন্দময় ভ্রু নিয়ে,<br>আর একটি সমৃদ্ধ পানপাত্র ধরে ;
* [অ্যালভাইন] এটি সেই উজ্জ্বল কল্পকাহিনীগুলোর একটি যা তৈরি করেছে<br>গ্রিসের নামটিকে আরেকটি শব্দে<br>ভালোবাসা আর কবিতার জন্য ; একটি সবুজ পৃথিবীর সাথে,<br>সুন্দর মার্টলের কুঞ্জ, গ্রীষ্মের আকাশ,<br>যার তারাগুলো দশ হাজার স্রোতে প্রতিফলিত হয়,<br>বাতাস যা কেবল সুগন্ধি আর সংগীতে ঘোরে,<br>আর, সবকিছুর চেয়ে বেশি, নারীর সৌন্দর্যের উপহার।<br>কী আশ্চর্যের যে পৃথিবী, আকাশ, সমুদ্র,<br>ভরা ছিল সেই সব চমৎকার কল্পনায়<br>যা ভালোবাসা তৈরি করে, আর যা বীণা সংরক্ষণ করে !
** ২ নভেম্বর ১৮২২-এ দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেটের ড্রামাটিক সিন - ২ থেকে ''বাক্কাস অ্যান্ড আরিয়াডনে''
* সেই দেশের সবচেয়ে সুন্দর কন্যাদের একজন,<br>ঐশ্বরিক গ্রিস! যা চিত্রকরের হাতকে শিখিয়েছে<br>সৌন্দর্যকে অনন্তকাল দিতে ;<br>সেই কালো চোখের কুমারীদের একজন, যাদের<br>প্রতিটি গানের গৌরব এবং সৌন্দর্য<br>তোমার কবিরা শ্বাস নিয়েছে, কারণ এটা তাদের ছিল আশীর্বাদ করার জন্য<br>পেন্সিল আর বীণার স্বপ্নগুলোকে জীবন দিয়ে,<br>বাস্তবতা দেওয়া সেই দেখা আভাগুলোকে<br>উজ্জ্বল দেবত্বগুলোর।
** ২২ ফেব্রুয়ারি ১৮২৩-এ দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট থেকে ''লিয়েন্ডার অ্যান্ড হিরো''
* একটি ছোট পরিষ্কার ঝরনা, সবুজ উইলো গাছ দিয়ে ঘেরা;<br>একে ঘিরে, কেবল একটি মাত্র জায়গা আছে<br>যেখানে আপনি বসে বিশ্রাম নিতে পারেন, এর একমাত্র তীর;
* কিন্তু দৃশ্যমান কবিতার<br>এই দিনগুলো অনেক আগেই পেরিয়ে গেছে!<br>কোনো ভয় নেই যে তরুণ শিকারি অপবিত্র করতে পারে<br>কোনো অমর সত্তার আস্তানা;
* কিন্তু সিংহাসনচ্যুত হলেও সেই অনন্ত দেবতাদের জন্য<br>এখনো প্রাকৃতিক মন্দির আছে,<br>যেখানে সবুজ বেদি থেকে ফুলেরা তাদের ধূপ ওপরে পাঠায়:<br>এই ঝরনাটি তাদের মধ্যে একটি।
** ২৪ জানুয়ারি ১৮২৪-এ দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেটের ফ্র্যাগমেন্টস, ফোর্থ সিরিজ থেকে ''দ্য থেসালিয়ান ফাউন্টেন''
* এটি ছিল তার শেষ, তার একমাত্র মাঠ:<br>তারা তাকে তার ঢালের ওপর করে ফিরিয়ে এনেছিল,<br>কিন্তু বিজয় অর্জিত হয়েছিল।<br>আমি কাঁদতে পারি না যখন আমি মনে করি<br>তোমার দেশের তোমার পতনকে আশীর্বাদ করার কারণ আছে।
** ১ মার্চ ১৮২৩-এ দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেটের মেডালিয়ন ওয়েফার্স থেকে ''অ্যান ওল্ড ম্যান ওভার দ্য বডি অব হিজ সন''
* তারা দেবতার জন্য একটি মন্দির তৈরি করেছিল,<br>এটি একটি মার্টল কুঞ্জবনে ছিল,<br>যেখানে মৌমাছি আর প্রজাপতি<br>প্রতিটি ফুলের ভালোবাসার জন্য প্রতিযোগিতা করত।
* আমি তাদের তার নাম ও ক্ষমতার স্তোত্র গাইতে শুনেছি,<br>আমি তাদের শুনেছি, আর আমি হেসেছি;<br>তারা কীভাবে বলতে পারে যে পৃথিবী নিয়ন্ত্রিত হতো<br>কেবল একটি ঘুমন্ত শিশু দ্বারা?
** ১৮২৬-এ লিটারারি সুভেনির থেকে ''ল'আমোর ডোমিনেটোর''
* আমি গভীরভাবে শপথ করেছিলাম<br>কোনো ঠোঁট দীর্ঘশ্বাস ফেলবে না যেখানে আমার আগে<br>তার শপথ সিলমোহর করেছিল, কোনো হৃদয় বিশ্রাম নেবে না<br>সেই বুকে যা আমার চেপে ধরেছিল।<br>জীবনের এমন কোনো অসুস্থতা ছিল না যার মুখোমুখি আমি হতাম না<br>তাকে দাবি করার জন্য, এমনকি কবরেও!
* আর এটাই নারীর ভাগ্য:<br>তার সমস্ত স্নেহ জীবনে ডেকে আনা হয়<br>জয়ী চাটুকারিতার দ্বারা, আর তারপর পেছনে ছুঁড়ে দেওয়া হয়<br>নিজেদের ওপর ধ্বংস হওয়ার জন্য; আর তার হৃদয়,<br>তার বিশ্বাসী হৃদয়, দুর্বল কোমলতায় ভরা,<br>রক্তক্ষরণ বা ভেঙে যাওয়ার জন্য ফেলে রাখা হয়!
** ২৮ সেপ্টেম্বর ১৮২২-এ দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেটের পোয়েটিক্যাল স্কেচেস থেকে ''দ্য কাস্টিলিয়ান নাপচুয়ালস। থার্ড সিরিজ - স্কেচ দ্য ফোর্থ''
* ভালোবাসতে, আবার ভালোবাসার পাত্র হতে, আর জানতে<br>আমাদের মাঝে একটা উপসাগর: হ্যাঁ, এটা কষ্ট!<br>আবেগের এই যন্ত্রণা, এই বন্য বিশ্বাস,<br>যার বিশ্বস্ততা নিষ্ফল, তবুও রাখা হয়<br>অক্ষুণ্ন: অনুভব করতে যে জীবনের সব আশা,<br>আর আলো, আর ধন, তাকে আঁকড়ে ধরে থাকে যার কাছ থেকে<br>আমাদের পথভ্রষ্ট নিয়তি আমাদের আলাদা করে। এর চেয়ে অনেক ভালো<br>বিশ্বাসঘাতকতা বা ভাঙা শপথের ওপর কান্না,<br>কারণ সময় তাদের মূল্যহীনতা শেখাতে পারে: অথবা কষ্ট পাওয়া<br>অপূর্ণ ভালোবাসার সাথে; একটা গর্ব আছে<br>প্রিয় ত্যাগে, গাল হারাতে পারে<br>তার গ্রীষ্মের লাল রং; কিন্তু অন্তত গোলাপ<br>গোপনে শুকিয়ে গেছে, অন্তত, সেই হৃদয়<br>যে তার কোমলতার শিকার হয়েছে,<br>প্রতিধ্বনিহীন দীর্ঘশ্বাস ফেলেছে এমন কারো দ্বারা যে ততটাই সত্যি,<br>তার নিজের মতোই হতভাগ্য।
** ৫ অক্টোবর ১৮২২-এ দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেটের পোয়েটিক্যাল স্কেচেস থেকে ''দ্য লাভারস রক। থার্ড সিরিজ - স্কেচ দ্য ফিফথ''
* আমি জানি না কোনটি সবচেয়ে মারাত্মক উপহার,<br>প্রতিভা নাকি ভালোবাসা, কারণ উভয়ই একইভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়<br>উজ্জ্বল দিক এবং অশুভ প্রভাবের তারা দ্বারা।
* সে ছবি আঁকল যতক্ষণ না প্রদীপগুলো ম্লান হয়ে গেল, তার হাত<br>খুব কমই সচেতন ছিল সে কী তৈরি করছিল; অবশেষে তার চোখের পাতা<br>একটা ভারী ঘুমে বন্ধ হয়ে গেল, আর সে স্বপ্ন দেখল<br>যে একটা সুন্দর প্রাণী এল আর তার ভ্রুতে চুমু খেল,<br>আর তাকে অনুসরণ করতে বলল: সে দৃষ্টিটা চিনত,<br>আর উঠে দাঁড়াল। জেগে উঠে, সে নিজেকে দেখতে পেল<br>প্রতিকৃতির সামনে হাঁটু গেড়ে আছে: এটা এত সুন্দর ছিল<br>সে ভাবল এটা বেঁচে আছে, আর তার জ্বলন্ত ঠোঁট চেপে ধরল<br>সেই মিষ্টি মুখে; তার আত্মা সেই চুমুতে চলে গেল,<br>তরুণ গুইডো তার মাস্টারপিসের পাশে মারা গেল!
** ১৫ নভেম্বর ১৮২৩-এ দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেটের পোয়েটিক স্কেচেস থেকে ''দ্য পেইন্টার। ফোর্থ সিরিজ। স্কেচ ১।''
* . . . ঘড়িটা<br>রাখা হয়েছিল যেখানে সূর্যের আলো পুরোপুরি পড়ত; কী গভীর,<br>সহজ নৈতিকতা কথা বলত সেই হাতগুলোতে,<br>নীরবে তাদের পথে চলত, যতক্ষণ না একটা শব্দ,<br>গম্ভীর আর মিষ্টি, সময়ের কাছে তাদের আবেদন জানাত,<br>আর প্রহরটি তার একমাত্র সতর্কতা উচ্চারণ করত!
* এমনকি শৈশবের নিষ্পাপ আনন্দের মধ্যেও<br>বেঁচে থাকে সেই ধ্বংসকারী আত্মা যা সময়ের সাথে<br>নষ্ট করবে, তারপর চাইবে, সেরা সুখটিকে।
* ওহ, কোনো কিছুরই ভালোবাসার মতো স্মৃতি নেই!
* ভালোবাসা, আবেগপূর্ণ তরুণ ভালোবাসা, এটা কত মিষ্টি<br>বুকটাকে একটা স্বর্গে পরিণত করা<br>তোমার দ্বারা, তোমার রংধনু হাসিতে আলোকিত জীবন!
** ৬ ডিসেম্বর ১৮২৩-এ দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেটের পোয়েটিক স্কেচেস থেকে ''অ্যা ভিলেজ টেল। ফোর্থ সিরিজ। স্কেচ ৪।''
* আমার জাহাজ সাগরের ওপর চড়ছে,<br>এর ওপর দিয়ে ভেসে চলা একটা আত্মার মতো;<br>কুমারী, তুমি কি আসবে, আর হবে<br>আমার সুন্দর জাহাজ আর আমার রানি?
* হায়! সে শুধু সেই চোখের দিকে তাকাল<br>যেখানে এখন তার নিয়তি লেখা ছিল।<br>ভালোবাসা যে হৃদয় ছেড়ে যায় তা সবসময় ফিরে তাকায়;<br>যে হৃদয়ে সে বাস করছে, তা কখনো নয়।
* ওহ, কে, কোনো প্রিয় বুকে বিশ্রাম নিয়ে,<br>ভালোবাসার নিজস্ব সুস্বাদু বিশ্রামের জায়গা,<br>তাকিয়ে থাকা চোখে বিশ্বাস পড়ে,<br>এর দীর্ঘশ্বাসের সাথে হৃদস্পন্দন অনুভব করে,<br>আক্ষেপ, বা সন্দেহ, বা চিন্তা জানতে পারত,<br>যে আমরা তাদের সাথে আমাদের ভাগ্য বেঁধেছিলাম!
** ১৩ মার্চ ১৮২৪-এ দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেটের মেট্রিক্যাল টেলস থেকে ''দ্য সিস্টার্স - টেল ৩।''
* ওহ, আমাদের জীবনে এমন অশুভ মুহূর্ত আছে,<br>যখন শুধু একটা চিন্তা, একটা শব্দ, একটা দৃষ্টির ক্ষমতা থাকে<br>সুখের পেয়ালাকে একপাশে ছুঁড়ে ফেলার,<br>আর আমাদের হতভাগ্য হিসেবে চিহ্নিত করার!
* এটা বড্ড দুঃখজনক <br>বড্ড বেশি নিঃসঙ্গ, একমাত্র সেই হওয়া<br>যার মধ্যে পরিবর্তনের কোনো চিহ্ন আছে!
** ৩১ জুলাই ১৮২৪-এ দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেটের পোয়েটিক স্কেচেস থেকে ''দ্য নাইটস টেল - ফিফথ সিরিজ - স্কেচ দ্য থার্ড''
* ওই শহরের ওপর একটা ছায়া বিশ্রাম নিচ্ছে,<br>একটা অন্ধকার শেষকৃত্যের কাফন:<br>এটা নেমে আসা কোনো ঝড় নয়,<br>এটা কোনো গ্রীষ্মের মেঘ নয়।<br>বাতাসে যে ধোঁয়া উঠছে<br>তা একটা ধরন আর চিহ্নের মতো;<br>হতাশার ছুঁড়ে দেওয়া একটা ছায়া<br>তোমার ওই রাস্তাগুলোর ভেতরে।
* ওই শিশুটির দিকে তাকাও, সে মাথা নিচু করে আছে,<br>তার হাঁটু ব্যথায় বাঁকানো;<br>সে তার হতভাগ্য বিছানা থেকে বিড়বিড় করে বলছে,<br>"ওহ, আমাকে আবার ঘুমাতে দাও!"<br>হায়! সময় হয়ে গেছে, মায়ের চোখ<br>বিষণ্ণভাবে অন্যদিকে ঘুরে যায়;<br>হায়! সময় হয়ে গেছে, শিশুটিকে উঠতেই হবে,<br>আর তবুও এখনো দিন হয়নি।
** ''দ্য ফ্যাক্টরি''
* বছর ভরিয়ে দেওয়া সব মাসের মধ্যে<br>এপ্রিল মাসটি আমাকে দাও,<br>কারণ পৃথিবী আর আকাশ তখন বড্ড ভরা থাকে<br>মিষ্টি বৈচিত্র্যে !
* আপেল ফুলের মুক্তোর ঝরনা,<br>নাশপাতি গাছের আরও গোলাপি আভা,<br>নারীর লজ্জার মতো সুন্দর,<br>ততটাই ক্ষণস্থায়ীও।
* এটা ভালোবাসার মতো ; ওহ ভালোবাসা হওয়া উচিত<br>একটা চির-পরিবর্তনশীল জিনিস,<br>যে ভালোবাসাকে আমি উপাসনা করতে পারতাম তাকে অবশ্যই<br>সবসময় ডানায় ভর করে থাকতে হবে।
** ৫ এপ্রিল ১৮২৩-এ দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট থেকে ''এপ্রিল''
* [আগে]<br>শুধু দুটো বা তিনটে মিষ্টি কর্ড, যা মনে হচ্ছিল<br>তোমার সুরের একটা প্রতিধ্বনি,<br>ঘুঘুর গান বাতাসে ছিল<br>আর তোমার নিজের সাথে মিশে গিয়েছিল।
* [পরে]<br>ধুলোয় পুড়ে যাওয়া, একটা ছাইয়ের স্তূপ<br>ছিল চারপাশের প্রতিটি কুটির;<br>আমি শুনেছিলাম, কিন্তু আমি শুনতে পাইনি<br>একটাও মানুষের শব্দ:
** ১২ জুলাই ১৮২৩-এ দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট থেকে ''গ্লেনকো''
* এমন কোনো নামহীন অশুভ সংকেত কি পাঠানো হয়েছে,<br>কবর থেকে আসা কোনো শব্দহীন কণ্ঠের মতো?<br>অন্য জগত থেকে আসা একটা আত্মার নোট,<br>মৃত্যু আর নিয়তির ব্যাপারে সতর্ক করতে?
** ১০ সেপ্টেম্বর ১৮২৫-এ দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট থেকে আয়োলি ছদ্মনামে ''দ্য রেক''
* চাঁদ আকাশের ওপর দিয়ে ভেসে বেড়াচ্ছে,<br>কিন্তু বড্ড একা, যেন সে কষ্ট পাচ্ছে<br>একটু সাহচর্যের জন্য,<br>আর অনুভব করেছিল যে তার আলো ছড়ানোটা বৃথা ছিল:<br>পৃথিবী তার আয়না, আর তারাগুলো<br>তার সিংহাসনের চারপাশের দরবারের মতো;<br>সে এক সুন্দরী আর এক রানি;<br>কিন্তু এটা কী? সে একা।
** ২৫ মার্চ ১৮২৬-এ দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট থেকে ''দ্য মুন''
* প্রত্যেকে তার সঙ্গীর মুখের দিকে তাকাল,<br>শেষকৃত্যের পাথরের মতো ফ্যাকাশে ;<br>তবুও কেউ অন্যের হাত ছুঁতে পারল না,<br>কারণ কেউ নিজের হাতই অনুভব করতে পারছিল না。<br>মূর্তির মতো স্থির, সেই সাহসী দলটা<br>সেই ভয়ংকর ডেকে মরার জন্য দাঁড়িয়েছিল ;<br>তুষারবৃষ্টি ছিল তাদের কাফন, বাতাস তাদের শোকগীতি,<br>আর তাদের কবরস্থান ছিল সমুদ্র আর আকাশ।
* সে বলেছিল তাদের দাঁড়িয়ে থাকতে দেখাটা ভয়ংকর ছিল,<br>জীবিত নয়, আবার মৃতও নয়,<br>আর কাঁচের মতো চোখে আলো অদ্ভুতভাবে জ্বলজ্বল করছিল<br>যার মানবিক দৃষ্টি পালিয়ে গিয়েছিল。<br>কারণ বরফ জীবনের অর্ধেক কাজ করে দিয়েছিল,<br>আর তাদের ক্ষয় হওয়া থেকে রক্ষা করেছিল ;<br>তারা যাদের ভালোবাসত তারা ক্ষয়ে গিয়েছিল, কিন্তু এদের<br>দেখে গতকালের মৃতদের মতো মনে হচ্ছিল।
** ১৬ সেপ্টেম্বর ১৮২৬-এ দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট থেকে আয়োলি ছদ্মনামে ''দ্য ফ্রোজেন শিপ। মেট্রিক্যাল ফ্র্যাগমেন্ট নম্বর ৫ - দ্য ফ্রোজেন শিপ''
* রাতের বেলা কারাগার থেকে পালানো বন্দীদের মতো,<br>জল আনন্দের সাথে সূর্যের দিকে তার ছিটে ছুঁড়ে দেয়;<br>কে আমাকে বলতে পারে কোথা থেকে সেই আনন্দময় নদীর উত্থান হয়েছে?<br>কে বলতে পারে কোথা থেকে এটি তার সৌন্দর্যে ঝরে পড়ে? কেউ না।
** ১৮২৭-এ লিটারারি সুভেনির থেকে ''দ্য মিনস্ট্রেলস মনিটর''
* সত্যি বলতে, এই পৃথিবী একটা সুন্দর জায়গা;<br>অন্ধকারে এর মুখের ওপর দিয়ে যেয়ো না;<br>তবুও তোমার নিয়তির কথাগুলো ফিরিয়ে নাও,<br>তারা কবরের জন্য বড্ড বেশি হাসিখুশি আর বড্ড বেশি সুন্দর।<br>. . . .<br>আর দেখেছি, হায়! এটা শুধু বাইরের লোক দেখানো,<br>নিচের ওই সবুজ পৃথিবীর রোদের আলো:<br>বিশ্রাম পেয়ে হতভাগ্য আর পথক্লান্ত মানুষরা নিশ্চয়ই খুশি হবে,<br>মৃত্যুর ফেরেশতা, তারা তোমার জন্য প্রস্তুত!
** ১৮২৭-এ ফ্রেন্ডশিপস অফারিং থেকে ''দ্য স্পিরিট অ্যান্ড দ্য অ্যাঞ্জেল অব ডেথ''
* ওই আকাশ থেকে একটা আলো চলে গেছে,<br>একটা তারা তার কক্ষপথ ছেড়েছে;<br>সুন্দররা, তারাও কি মারা যায়<br>ওই উজ্জ্বল পৃথিবীতে এখানকার মতোই?<br>সেই তারা কি একটা নিঃসঙ্গ জায়গা রেখে যাবে,<br>রাতের ওপর একটা অন্ধকার?<br>না; খুব কম লোকই তার সুন্দর মুখটা মিস করবে,<br>আর কেউ স্বর্গকে কম উজ্জ্বল ভাববে না!
** ১৮২৮-এ দ্য লিটারারি সুভেনির থেকে ''দ্য লস্ট স্টার''
* সুন্দর ধ্বংসাবশেষ! কারণ এখনো তোমার মুখ,<br>বদলে গেলেও, খুব সুন্দর;<br>সৌন্দর্যের চাঁদের আলোর মতো, এটা দেখাতে রেখে গেছে<br>তার সকালের সূর্য সেখানে ছিল।
** ১৬ ফেব্রুয়ারি ১৮২৮-এ দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট থেকে ''দ্য চেঞ্জ''
* সন্ধ্যার প্রহরটির প্রশান্তি<br>গ্রীষ্মের প্রতিটি পাতায় রাখা ছিল;<br>সেই বেগুনি ছায়া প্রতিটি ফুলে ছিল,<br>একসাথে এত সুন্দর, এত ক্ষণস্থায়ী,<br>শুধু অ্যাস্পেন গাছটি কোনো বিশ্রাম জানত না,<br>কিন্তু তবুও, একটা অশান্ত গানের সাথে,<br>নরম পশ্চিমের দিকে বিড়বিড় করতে থাকল,<br>আর একটা পরিবর্তনশীল ছায়া ছড়িয়ে দিল।
** ২১ আগস্ট ১৮৩০-এ দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট থেকে ''দ্য অ্যাস্পেন ট্রি''
* যদিও অনেক ফুল আমার প্রশংসা জিততে পারে,<br>ভায়োলেট আমার ভালোবাসা পেয়েছে;<br>আমি আমার ছোটবেলার দিনগুলো কাটাইনি<br>বাগানে বা কোনো কুঞ্জবনে:<br>আমার বাগান ছিল জানালার আসনটি,<br>যার কিনারায় রাখা ছিল<br>একটা ছোট্ট ফুলদানি, সুন্দর, মিষ্টি,<br>এটা ছিল ভায়োলেট।
** ১৮৩১-এ দ্য লিটারারি সুভেনির থেকে ''দ্য ভায়োলেট''
* তার কাফন স্যাঁতসেঁতে ছিল, তার মুখ সাদা ছিল:<br>সে বলেছিল, "আমি ঘুমাতে পারছি না,<br>তোমার কান্না আমার কাফন এত ভিজিয়ে দিয়েছে;<br>ওহ, মা, কেঁদো না!"<br>ওহ, ভালোবাসা শক্তিশালী! মায়ের হৃদয়<br>নরম ভয়ে ভরে গিয়েছিল;<br>ওহ, ভালোবাসা শক্তিশালী! আর তার সন্তানের জন্য<br>তার দুঃখ তার কান্না চেপে রেখেছিল।
** ২৮ এপ্রিল ১৮৩২-এ দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট থেকে ''দ্য লিটল শ્રાউড''
* গির্জার ছায়া মাটির ওপর পড়ে,<br>তার বিশ্রামের জায়গাকে পবিত্র করে; আর এখানে মৃতরা<br>ঘুমায়, যেখানে সমস্ত ধর্মীয় আবেগ,<br>আর বিষণ্ণ ও পবিত্র অনুভূতিগুলো, ফেরেশতাদের মতো,<br>নিজেদের দিয়ে জায়গাটিকে পবিত্র করে, আর জাগিয়ে তোলে<br>হৃদয়ে সেই দুঃখজনক আবেগগুলো<br>যা একে বিশুদ্ধ করে, যেন কোনো অপার্থিব উপস্থিতির জন্য<br>মানানসই কোনো মন্দির। জীবন, বৃথা জীবন,<br>তিক্ত আর মূল্যহীন, কেন এখানে<br>তোমার স্মৃতিগুলো অনুপ্রবেশ করে?
* সেই মিষ্টি, অস্পষ্ট শব্দগুলো বাতাসে ভাসছে,<br>অর্ধেক ঘুম, অর্ধেক গান, অর্ধেক মিথ্যা, অর্ধেক সত্যি,<br>যেন যে বাতাস তাদের সেখানে এনেছে<br>তাদেরও তার সুর দিয়ে ছুঁয়েছে।
* কারণ মানুষের কান্না হলো লাভার ফোঁটা,<br>যা বইতে বইতে ঝলসে দেয় আর শুকিয়ে দেয়;<br>তাহলে তাদের জন্য সেগুলো বইতে দাও যারা বেঁচে আছে,<br>আর তাদের জন্য নয় যারা নিচে ঘুমাচ্ছে।
** ৩ জানুয়ারি ১৮২৯-এ দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট থেকে ''দ্য চার্চইয়ার্ড''
* . . . নিঃসঙ্গরা<br>দ্বিগুণ দুঃখী হয় যখন সে মনে করে<br>সে সবসময় নিঃসঙ্গ ছিল না।
** ৩ জানুয়ারি ১৮২৯-এ দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট থেকে ''চেঞ্জ''
* এই সূক্ষ্ম আত্মার কাছে আমাদের পৃথিবী তার সেরা জিনিসের জন্য ঋণী:<br>কারণ বর্তমানকে অবজ্ঞা করেই ভবিষ্যৎ কেনা হয়,<br>আর খ্যাতির দ্বারা জীবনকে তার কাদামাটি থেকে উদ্ধার করা হয়。<br>* রাজা, তোমার প্রাসাদের কোনো চিহ্নও অবশিষ্ট নেই;<br>বিজয়ী, তোমার যুদ্ধের খ্যাতি ভুলে যাওয়া হয়েছে:<br>কিন্তু কবি এখনো সুরের মিষ্টতায় বেঁচে আছেন,<br>তিনি হৃদয়ের কাছে আবেদন করেছিলেন, যা কখনো ভুলে যায় না।
** ২০ জুন ১৮২৯-এ দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট থেকে ''ফেম : অ্যান অ্যাপোলোগ'' হিসেবে ''দ্য থ্রি ব্রাদার্স''
* আহ! এটা ভালো যে আমরা ভুলে যেতে পারি,<br>নইলে কে টিকে থাকতে পারত<br>এমন এক আকাশের নিচে যার তারাগুলো ডুবে গেছে,<br>এমন এক পৃথিবীতে যার ফুলগুলো চলে গেছে?<br>কারণ কে কাছের প্রিয়জনদের স্বাগত জানাতে পারত,<br>তাদের কথা ভেবে যারা একসময় আরও অনেক বেশি প্রিয় ছিল,
* প্রথমে আমাকে এটা ধাক্কা দিয়েছিল যে সূর্যকে<br>তোমার কবরের ওপর আনন্দে আলো ছড়াতে দেখে;<br>বুনো ফুলগুলোকে এর ওপর দিয়ে ছুটতে দেখে<br>এমন বিলাসবহুল প্রস্ফুটনে。<br>এখন আমি খুশি বোধ করছি যে তারা যেন<br>তোমার ঘুমের ওপর একটা উজ্জ্বল মিষ্টি পাহারা রাখে।
** ১৮৩১-এ দ্য কিপসেক থেকে ''দ্য ফরগোটেন ওয়ান''
* ভারী সেতুটি তোমার স্রোতকে আটকে রাখে,<br>যার ভেতর দিয়ে বার্জগুলো পরিশ্রম করে যায়,<br>ধোঁয়া সূর্যের আনন্দময় রশ্মিকে আটকে দিয়েছে,<br>তোমার ঢেউগুলো কাদামাটি ধরেছে。<br>এগিয়ে চলো, এগিয়ে চলো, যদিও এটি ক্লান্তি হোক,<br>চর আর বাধা পার হয়ে,<br>যতক্ষণ না তুমি বিশাল সমুদ্রে পৌঁছাও,<br>আর সেখানে পুরোপুরি হারিয়ে যাও।
** ১৮২৯-এ দ্য কিপসেক থেকে ''দ্য অল্টারড রিভার''
* একটিমাত্র কবর! একমাত্র কবর<br>এই অটুট মাটিতে,<br>যেখানে এখনো বাগানের পাতা আর ফুল<br>চারপাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে।
** ২৯ আগস্ট ১৮২৯-এ দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট থেকে ''দ্য সিঙ্গেল গ্রেভ''
* ঝরনার নিচু গান বাতাসে শোনা যায়,<br>এমন এক সুরের মতো যা মিষ্টি কল্পনাগুলোকে মনে করিয়ে দেয়;<br>কিছু দুঃখ দিতে, কিছু আনন্দ দিতে: তাদের চারপাশে তারা ছুঁড়ে দেয়<br>আগামীকালের আশাগুলো, অতীতের স্বপ্নগুলো。<br>দূরে বিশাল শব্দ শোনা যায়,<br>শহরের রাস্তাগুলো থেকে যা এটিকে ঘিরে আছে,<br>পাহাড়ের প্রতিধ্বনি বা সমুদ্রের গভীর ডাকের মতো;<br>তবুও সেই ঝরনার নিচু গান সবকিছুর ওপর দিয়ে শোনা যায়।
** ''দ্য মিডল টেম্পল গার্ডেনস''
===ট্রেইটস অ্যান্ড ট্রায়ালস অব আর্লি লাইফ (১৮৩৬)===
* এই খণ্ডটি শিশুদের জন্য লেখা হয়েছিল। মিস ল্যান্ডন ভূমিকায় এর উদ্দেশ্য তুলে ধরেছেন।
'''ভূমিকা'''
* সহানুভূতিই স্বার্থপরতা ধ্বংসের সবচেয়ে নিশ্চিত উপায়। প্রাপ্তবয়স্কদের মতোই শিশুরাও কষ্ট ভাগ করে নিলে ভালোভাবে বেড়ে ওঠে, যেখানে তাদের একমাত্র অংশ হলো করুণা।
'''দ্য টুইন সিস্টার্স'''
* ... সুখ এই পৃথিবীর জন্য নয়, এই বিশ্বাসটি যত তাড়াতাড়ি অর্জন করা যায়, ততই ভালো। এটি হাজারো বৃথা প্রত্যাশা ধ্বংস করবে, আমাদের সবচেয়ে বিভ্রান্তিকর বিভ্রমগুলোকে দূর করবে। এই প্রাথমিক জ্ঞান যে জীবন একটি পরীক্ষামাত্র, যার বিজয় পরকালে। আর এই পৃথিবী হলো সেই দুঃখ এবং ধৈর্যশীল সহনশীলতার জন্য নির্ধারিত একটি জায়গা যা ধীরে ধীরে আমাদের আরও ভালো এবং সুখী অবস্থার জন্য উপযুক্ত করে তুলছে।
* সাধারণের সম্মতিতে যাকে "দুঃখী বিপত্নীক" বলা হয়, তাকে সান্ত্বনা দেওয়ার জন্য সহানুভূতিশীল প্রতিবেশীদের কখনোই কোনো অভাব হয় না।
* স্বার্থপরতা স্বভাবগতভাবেই ভণ্ড, এবং এটি প্রথম শালীন অজুহাতটিকে একটি চাদর হিসেবে আঁকড়ে ধরে।
* ... যে কেউ খেয়াল করলে দেখে থাকবেন যে প্রাপ্তবয়স্কদের কান্না শিশুর মনে এক অদ্ভুত ভীতির অনুভূতি তৈরি করে। বড়দের শ্রেষ্ঠত্বের ধারণার সাথে যুক্ত থাকতে অভ্যস্ত হওয়ার কারণে, তারা বুঝতে পারে না যে বড়রাও তাদের মতোই একই আবেগের কাছে কীভাবে নতি স্বীকার করতে পারে।
* একটি আনন্দদায়ক আচরণ গড়ে তোলা কতটা জরুরি! এটি কতগুলো দেখাসাক্ষাৎকে আনন্দময় করে তোলে যা অন্যথায় বিরক্তিকর এবং আনুষ্ঠানিক হতো! এর দ্বারা আমরা কেবল ভদ্রতার নিয়মকানুন মেনে চলাকে বোঝাচ্ছি না, বরং আমরা সেই সাধারণ প্রফুল্লতার কথা বলছি যা সূর্যের আলোর মতো যাকে ছোঁয় তাকেই আলোকিত করে। এটি অন্যদের প্রতি সেই মনোযোগ যা আবিষ্কার করে কোন বিষয়টি তাদের আগ্রহী করার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি, এবং সেই জ্ঞান যা ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত থাকে এবং সমস্ত সম্পদকে তাৎক্ষণিক ব্যবহারের অভ্যাসের মাধ্যমে সহজেই কাজে লাগানো যায়। সংক্ষেপে, একটি সত্যিই আনন্দদায়ক আচরণ পরোপকারিতা থেকে জন্ম নেয়, যা একটি বড় সেবার মতোই একটি ছোট শিষ্টাচার দিয়েও দেখানো যেতে পারে।
* অন্যকে খুশি করার অসম্ভবতার মতো আর কোনো কিছুই একটি শিশুকে এত বেশি হতাশ করে না।
* আমি বিশ্বাস করি ফুলের প্রতি ভালোবাসা অন্য যেকোনো ঝোঁকের মতোই মানুষের স্বভাবের মধ্যে সহজাত।
* প্রয়োজনীয় কর্তৃত্বের প্রয়োগে অসন্তুষ্ট কত শিশু অন্যদের ভাগ্য থেকে বশ্যতা এবং কৃতজ্ঞতা শিখতে পারে। আমরা যে মেজাজের কথা বর্ণনা করছি তা খুবই অস্বাভাবিক। শিশুদের সাথে আচরণের ক্ষেত্রে অন্য কিছুর চেয়ে মাত্রাতিরিক্ত প্রশ্রয়ের দিকেই ভুলটা বেশি হয়। নিজেদের চেয়ে কম ভাগ্যবানদের কী সহ্য করতে হয় তা বিবেচনা করে, কতজনকে তাদের চারপাশের আশীর্বাদগুলোকে আরও ভালোভাবে মূল্যায়ন করতে শেখানো যেতে পারে!
'''দ্য হিস্ট্রি অব মেবেল ডেকারস ফার্স্ট লেসনস'''
* তিক্ত হলেও উপকারী অপদস্থতা হলো জ্ঞানের প্রথম ধাপ, এমনকি একজন শিশুর ক্ষেত্রেও।
* প্রত্যাশা দীর্ঘ বিলম্বের সৃষ্টি করে।
* সব শুরুই খুব ঝামেলার বিষয়।
* ... আমরা সবাই জানি রহস্য খুবই আকর্ষণীয় জিনিস।
'''দ্য ইন্ডিয়ান আইল্যান্ড'''
'''ফ্রান্সেস বিউমন্ট'''
* নভেম্বরের রাত অন্ধকার আর বিষণ্ণ,<br>পুরো বছরের সবচেয়ে নিস্তেজ মাস।
* শিশুরা প্রায়শই একে অপরের প্রতি নির্দয় হয়, এবং তারা সেই ছাড় দিতে অস্বীকার করে যা তাদের নিজেদের ক্ষেত্রে তাদের খুব প্রয়োজন।
* চরম উদ্বেগের মুহূর্তে হৃদয়ে এক ধরনের স্বাভাবিক কুসংস্কার কাজ করে, যা শান্ত মুহূর্তে যুক্তি প্রত্যাখ্যান করে।
'''দ্য হিস্ট্রি অব আ চাইল্ড'''
* আপনি যাকে ভালোবাসেন, তার কাছে আপনি কম প্রিয়, এটা জানা একটি ভয়ংকর অনুভূতি।
* এটি আমার জীবনের একটি যুগান্তকারী ঘটনা ছিল, এটি প্রতিটি শিশুর জীবনের একটি যুগান্তকারী ঘটনা, প্রথমবার রবিনসন ক্রুসো পড়া।
* আমরা সেই ঝোড়ো হাওয়ার কথা পড়ি যা সিলনের উপকূল থেকে দারুচিনির বাগানের সুবাস নিয়ে আসে।
* গরিব শিশুটিকে, চার্লস ল্যাম্ব যেমন হৃদয়স্পর্শীভাবে প্রকাশ করেছেন, আনা হয় না, বরং "টেনে বের করা হয়"। আর যদি বুদ্ধি তীক্ষ্ণ হয়, তবে তার নরম, গোল গালও তীক্ষ্ণ হয়। পঙ্গু অঙ্গ এবং ভেঙে পড়া শরীর দারিদ্র্যের সাথে অতি-প্রাথমিক সংগ্রামের প্রভাব প্রমাণ করে। কিন্তু ধনী বাবা-মায়ের সন্তান অন্যভাবে ভোগে; প্রশ্রয়ের স্বার্থপরতা এবং অন্যদের ওপর নির্ভর করার অভ্যাসের কারণে তার হৃদয় পঙ্গু হয়ে যায়। একটি নষ্ট এবং অতিরিক্ত সহায়তা পাওয়া শৈশবের দুর্বল করার কাজটিকে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনতে জীবনের বাস্তবতার সাথে কঠোর যোগাযোগের কয়েক বছর সময় লাগে। প্রচেষ্টা এবং স্বনির্ভরতার শক্তিশালী ও দরকারী পাঠগুলো আমরা যত তাড়াতাড়ি শিখি, ততই ভালো।
'''পোয়েট্রি'''
* ''দ্য লিটল বয়েস বেড-টাইম'' ট্রান্সলেশনস বা অনুবাদের নিচে দেখুন
* সে বলেছিল “ওহ বরং তোমার ঈশ্বরকে ধন্যবাদ দাও,<br>আমার ভাগ্য তোমার মতো নয়।<br>আমার ক্লান্ত পা দুটো কীভাবে আনন্দ করত<br>তোমার মতো ওই নরম আর সুগন্ধি ঘাসের ওপর<br>ওই আনন্দময় সূর্যের নিচে হাঁটতে আর দৌড়াতে পারলে।<br>আর তবুও আমি ঈশ্বরের সদিচ্ছায় বিশ্বাস করি<br>আমার আত্মা সমর্পিত হয়েছে ;<br>যদিও আমার অসুস্থতা যন্ত্রণাদায়ক, এটি অন্তত<br>ধৈর্যশীল মন নিয়ে সহ্য করা হচ্ছে।<br>যদিও আমার বাবার নাম মহৎ,<br>আর আমার বাবার সম্পদ বিশাল;<br>তিনি সব দিয়ে দিতেন, যদি তিনি শুধু দিতে পারতেন<br>তার একমাত্র সন্তানকে তোমার স্বাস্থ্য !<br>আহ, এই পৃথিবীর বৃথা আর ভঙ্গুর<br>বাইরের রূপ দেখে বিচার কোরো না”
** ''দ্য লেডি মারিয়ান''
* “তুমি বলেছিলে আমাদের পুরনো ছাই-গাছে একটা পাখি বাসা বেঁধেছিল ;<br>সম্ভবত এই লিনেট পাখিটারই সেখানে বিশ্রামের জায়গা আছে।<br>এখন যখন রাত নামতে শুরু করবে তখন তার ছোট্ট ছানাদের কে রাখবে ?<br>তাদের আর কোনো আশ্রয় নেই, আর তারা সবাই মারা যাবে।<br>ওই একাকী কুঞ্জবনে আর কোনো মিষ্টি গান থাকবে না ;<br>এখন, হেনরি, তোমার বন্দীকে মুক্ত করো, আমি তোমাকে অনুরোধ করছি, আমার ভালোবাসার খাতিরে।<br>আমাদের বাবা একজন সৈনিক, আর কোনো দূরের যুদ্ধে<br>তিনিও হয়তো দূরের কোনো বিদেশি দেশে বন্দী হতে পারেন।”
** ''দ্য প্রিজনার''
* “কিন্তু আমাদের পাখিটা মুক্ত নীল বাতাস সম্পর্কে জানত না,<br>সে তার খাঁচায় বাস করত, আর তার বাড়ি সেখানেই ছিল :<br>সবুজ বনে সে কোনো উড়ান ওড়েনি<br>যে স্বাধীনতা সে কখনোই জানত না, তার জন্য সে কষ্ট পায়নি !<br>যদি সে পাতা আর ডালের মাঝে বাস করত<br>তবে এখন তাকে শৃঙ্খলিত করাটা নিষ্ঠুরতা হতো ;<br>কারণ আমি একটা বেচারা পাখিকে মরতে দেখেছি,<br>আর তা শুধু তার নিজস্ব আকাশের ভালোবাসার জন্য।”
** ''দ্য ডেড রবিন''
===ফিশারস ড্রয়িং রুম স্ক্র্যাপ বুক (১৮৩৭)===
==== দ্য লেক অব কোমো ====
আমি হ্রদের পাশে আছি,</br>
সেই একাকী হ্রদ, যা একসময়</br>
স্পন্দিত হৃদয়ের বিশাল জগত ছিল</br>
যখন আমি তোমার সাথে ছিলাম, ভালোবাসা।</br>
আমি দূরের পাহাড়ের মাঝে</br>
শান্ত সন্ধ্যার আলো জ্বলতে দেখছি;</br>
আমি একটি বীণার সুর শুনতে পাচ্ছি,</br>
একসময় এটি তোমার থেকে আসত।</br>
অন্য কেউ কীভাবে সেই গান গাইতে পারে,</br>
সেই মিষ্টি বিষণ্ণ গান, যা তোমার নিজের ছিল</br>
এটি একই রকম, তবুও এক নয়;</br>
এটি তোমার সুর ধরতে পারেনি।</br>
আহ, অন্য কোনো ঠোঁট কখনোই হয়তো</br>
তোমার ঠোঁটকে আঁকড়ে থাকা সেই মিষ্টতা ধরতে পারবে না;</br>
আমার কাছে একটি সুর অশ্রুত আছে,</br>
একটি তার অগোছালো আছে।</br>
তুমি সবচেয়ে সুন্দর হ্রদ, আমি তোমার তীর খুঁজেছিলাম,</br>
যাতে অন্য দিনের স্বপ্নগুলো হয়তো ফেলে যেতে পারে,</br>
অন্য কোথাও বৃথাই খোঁজা সেই উপস্থিতি,</br>
অতীতের উপস্থিতি।</br>
আমি খোঁজার বোকামি বুঝতে পারি,</br>
তুমি কেবল অতীতের অর্ধেকটাই ফিরিয়ে আনো;</br>
আমার আনন্দ অস্পষ্টভাবে ডাকছে</br>
আমার ব্যথাকে বড্ড বেশি স্পষ্টভাবে।</br>
তোমার কিনারার চারপাশের বেগুনি ছায়াগুলোকে</br>
তাড়া করে বেড়ানো স্মৃতিগুলো বড্ড বাস্তব</br>
আমি শুধু তোমার কাছে স্বপ্ন দেখার অনুরোধ করেছিলাম,</br>
আমি ভাবতে বলিনি।</br>
মিথ্যা সৌন্দর্য এখনো আমার হৃদয় তাড়া করে,</br>
যদিও অনেক আগেই সেই হৃদয় থেকে মুছে গেছে;</br>
এই ঢেউগুলো শুধু আমাকে বলে কীভাবে তোমাকে</br>
বড্ড বেশি এবং বৃথাই ভালোবাসা হয়েছিল।</br>
সুন্দর হ্রদ, তোমার সুন্দর তীরের</br>
প্রভাব খোঁজাটা পুরোপুরি বৃথা</br>
আমি তোমার কাছে আশা আর ভালোবাসা চাই</br>
তারা আর আমার কাছে আসে না।</br>
===দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট===
====১৮২১-১৮২২====
* সন্ধ্যার বাতাসে কতটা মিষ্টি হয়ে ওঠে<br>সেই প্রশান্তিদায়ক ঘণ্টাগুলোর সন্ধ্যার ডাক,<br>নরমভাবে বয়ে চলে আর প্রতিধ্বনিতে মিলিয়ে যায়,<br>যেন বিদায়ী দিনের উদ্দেশ্যে গাওয়া কোনো শোকগীতি।
** (২২ সেপ্টেম্বর ১৮২১) ''বেলস''
* যাকে আমি ভালোবাসতে পারি তাকে অবশ্যই ধনী হতে হবে,<br>তার ভাগ্য পরিষ্কার হতে হবে,<br>তা জমিতে হোক বা তহবিলে,<br>আমার কাছে সবই এক।
** (১০ নভেম্বর ১৮২১) ''সিক্স সংস অব লাভ, কনস্ট্যান্সি, রোমান্স, ইনকনস্ট্যান্সি, ট্রুথ, অ্যান্ড ম্যারেজ - 'ম্যাট্রিমোনিয়াল ক্রিড'''
** (২৪ নভেম্বর ১৮২১) ''স্ট্যানজাস'' দ্য ইমপ্রোভাইজাট্রাইস (১৮২৪)-এ ''হোয়েন শুড লাভারস ব্রিদ দেয়ার ভাউস?'' হিসেবে দেখুন
* তাহলে অন্য চোখের দিকে তাকিও না, ভালোবাসা ;<br>অন্য দীর্ঘশ্বাস ফেলো না, ভালোবাসা ;<br>তুমি হয়তো অনেক উজ্জ্বল কাউকে খুঁজে পেতে পারো<br/>তোমার নিজের গোলাপের চেয়ে, কিন্তু এমন কেউ নেই<br/>তোমার প্রতি এতটা সত্য, ভালোবাসা।
** (৫ জানুয়ারি ১৮২২) ''সং ("আর আদার আইস বিগায়লিং, লাভ?")''
* এগুলো তোমার বিয়ের ফুল<br/>আমি এখন গাঁথছি;<br/>এটি তোমার বিয়ের স্তোত্র<br/>আমি এখন নিশ্বাস নিচ্ছি।
** (১২ জানুয়ারি ১৮২২) ''স্কেচ দ্য ফার্স্ট ("দেয়ার আর ডার্ক ইউ-ট্রিস গ্যাদারড রাউন্ড, বিনিথ")''
* পথটি নতুন ছিল, আর সেখানে ছুঁড়ে দেওয়া হয়েছিল<br>আনন্দের রশ্মির ওপর একটা মিষ্টি ঘোমটা ;<br>কিন্তু অজ্ঞতাই হলো সুখ,<br/>যখন তরুণ আশা পথ দেখাতে আসে;
** (১২ জানুয়ারি ১৮২২) ''টেন ইয়ারস অ্যাগো।''
* প্রতিশ্রুতিতে ভরা একটা ফুল হলো জীবনের আনন্দ,<br>যা কখনো ফলে পরিণত হয় না; আশা, কিছু সময়ের জন্য,<br>তার আনন্দময় আলোয় তরুণ ফুলটিকে রোদ পোহায়,<br>আর একে প্রস্ফুটিত মনে হয়, কিছুক্ষণের জন্য,<br>এটা অতীত, আমরা জানি না কোথায়, কিন্তু এটা চলে গেছে,
** (১৯ জানুয়ারি ১৮২২) ''পোয়েটিক স্কেচেস, নম্বর ২''
* ওহ, পরম সুখ !<br>চিন্তার সুন্দর সৃষ্টিগুলোকে দেখা<br>একটি দৃশ্যমান রূপ ধারণ করতে ; মিষ্টি কবিতা !<br>হৃদয়ের ওপর তোমার ক্ষমতা কতটা জাদুকরী ;<br>সম্মোহন যা আমাদের ইন্দ্রিয়গুলোকে বেঁধে রাখে<br>এক অবর্ণনীয় প্রভাবের মধ্যে ;<br>প্রতিটি চিন্তার ওপর রাখা একটা জাদুকরী মন্ত্র,<br>যতক্ষণ না জীবনের পুরো আশা বীণার ওপর নিক্ষিপ্ত হয়।
** (২৬ জানুয়ারি ১৮২২) ''পোয়েটিক স্কেচেস, নম্বর ৩''
* একটা সমৃদ্ধ আলো<br>ঝড়ের ডানার ছায়া ভেদ করে বেরিয়ে এল,<br>যখন সোনালি আর বেগুনি কিনারাযুক্ত কালো মেঘগুলো,<br>প্রতি মুহূর্তে আরও উষ্ণ আভা ধারণ করছিল, যতক্ষণ না<br>পুরোটা মিলে একটা ঝিকমিক করা খিলান হয়ে গেল, আর, একজন রাজার মতো<br>তার শত্রুদের ওপর বিজয়ে, সূর্য দেবতা খুঁজলেন<br>সমুদ্রের নীল গভীরতা ; জলগুলো তখনো<br>ঝড়ে বিক্ষুব্ধ ছিল, আর সাদা ফেনা<br>তখনো ঢেউয়ের ওপর ভাসছিল, যখন বাতাস<br>মাঝে মাঝে রাগী শিশুর মতো বিড়বিড় করছিল,<br>যে তার ঘুমের মধ্যেও ফুঁপিয়ে কাঁদে।
** (২ ফেব্রুয়ারি ১৮২২) ''পোয়েটিক স্কেচেস, নম্বর ৪''
* জড়ো হওয়া জলগুলো পাথরের ওপর দিয়ে নিচে বয়ে গেল<br>যা মাঝে মাঝে স্তম্ভের ফেনিল রেখাকে ভেঙে দিচ্ছিল ;<br>তুষার-সাদা ফেনার মাঝে অন্ধকার হয়ে, এটি বয়ে গেল<br>এক সর্বজয়ী সেনাবাহিনীর মতো, আর একটি খিলান<br>ঝিকমিক করা রঙের যা সূর্যের আলোয় খেলছিল<br>মনে হচ্ছিল একে আকাশের সাথে মিলিয়ে দিচ্ছে যা ঝুলে ছিল<br>সমস্ত শান্ত এবং বিশ্রামের ওপরে :
** (১৬ ফেব্রুয়ারি ১৮২২) ''পোয়েটিক স্কেচেস, নম্বর ৬''
* আহ, চারণকবি যা কিছু গায় তা সে গভীরভাবে অনুভব করেছে,<br>সে যে প্রতিটি আবেগ আঁকে তা তার নিজের বুক জেনেছে ;<br>বন্য সুরের কোনো স্বরই তারগুলো থেকে ভেসে আসে না,<br>কিন্তু প্রথমে তার নিজের অনুভূতিগুলো সেই সুরকে প্রতিধ্বনিত করেছে।
** (২৭ এপ্রিল ১৮২২) ''দ্য পোয়েট''
** (৪ মে ১৮২২) ''সাফো'' দ্য ভাও অব দ্য পিকক (১৮৩৫)-এ দেখুন
* আমরা গোপনে দেখা করেছিলাম : ভালোবাসার কাছে রহস্য হলো<br>ফুলের সুবাসের মতো ; কুমারীর লজ্জা<br>সবচেয়ে সুন্দর দেখায় যখন তার গাল ভয়ে ফ্যাকাশে থাকে।
** (১৮ মে ১৮২২) পোয়েটিক স্কেচেস। সেকেন্ড সিরিজ - স্কেচ দ্য থার্ড। ''রোজালি''
** (২৫ মে ১৮২২) ''সেন্ট জর্জেস হসপিটাল, হাইড পার্ক কর্নার'' দ্য ইমপ্রোভাইজাট্রাইস (১৮২৪)-এ দেখুন
* এটি ছিল একটি সুন্দর মূর্ত চিন্তা,<br>সূক্ষ্ম চিত্রকরের একটি স্বপ্ন, এমন একটি<br>যা চাঁদের আলোয় আত্মার ওপর দিয়ে যায়, আর ঘুরে বেড়ায়<br>গোধূলির আবছা ছায়ার মাঝে, যখন চোখ<br>তার পরমানন্দে অশ্রুসজল হয়ে ওঠে।
** (১ জুন ১৮২২) পোয়েটিক স্কেচেস। সেকেন্ড সিরিজ - স্কেচ দ্য ফিফথ। ''মিস্টার মার্টিনস পিকচার অব ক্লাইটি''
** (৮ জুন ১৮২২) ''দ্য ডেজার্টার'' দ্য ইমপ্রোভাইজাট্রাইস (১৮২৪)-এ দেখুন
* সেই প্রহর-চিহ্নিত গোলকটির দিকে তাকাও,<br>সেই নিয়তিপূর্ণ শব্দ শোনো ;<br>সেখানে আমার নীরব হাত চুরি করে চলেছে।<br>আমার আরও নীরব গতিপথ প্রকাশ করছে ;<br>বন্য, নিবেদিত আনন্দ, শোনো,<br>তোমার পাগল যাত্রায় থামো !
** (২৭ জুলাই ১৮২২) মিস্টার ডাগলির আঁকা ছবি থেকে স্কেচেস। স্কেচ দ্য ফার্স্ট। ''টাইম অ্যারেস্টিং দ্য ক্যারিয়ার অব প্লেজার।''
* তিনগুণ বিষাক্ত হয় সেই ক্ষত যখন ভালোবাসার হাত<br>সেই আঘাত হানে।
** (৩ আগস্ট ১৮২২) মিস্টার ডাগলির আঁকা ছবি থেকে স্কেচেস। স্কেচ দ্য সেকেন্ড। ''লাভ টাচিং দ্য হর্নস অব আ স্নেইল, হুইচ ইজ শ্রিংকিং ফ্রম হিজ হ্যান্ড।''
* চিত্রকরের দক্ষতা এমন একটি মুহূর্তকে ধরে রেখেছে যেখানে<br>তার হাত তার কাকের মতো কালো চুলের মাঝে ঘুরছে;<br>আর সে উপাসনায় নত হয়েছে, যেন সেই ছোঁয়া,<br>সেই নরম হালকা ছোঁয়া, বড্ড বেশি পরমানন্দ ছিল।<br>সে শুধু সেই বিভ্রান্তিকর মুখ থেকে ফিরেছে<br>সেই সুন্দর হাতের দিকে যা জাদুকরী ফুলদানিটি ধরে আছে,<br>বেগুনি মদ সবেমাত্র ঝিকমিক করে উঠছে,<br>তরুণটি সেই পেয়ালায় তার হৃদয়ের সত্য প্রতিজ্ঞা করেছে!
** (১০ আগস্ট ১৮২২) মিস্টার ডাগলির আঁকা ছবি থেকে স্কেচেস। স্কেচ দ্য থার্ড। ''দ্য কাপ অব সার্সি''
* ভালোবাসা কখনো কোনো হালকা প্রশংসা উচ্চারণ করেনি।
* ত্রিশোর্ধ্ব একজন পুরুষ একজন উৎসাহী মেয়ের বন্য কল্পনায় প্রবেশ করতে পারে না।
* সামনের দিকে তাকানোর কোনো ক্ষমতা ভালোবাসার নেই, বর্তমানের সুস্বাদু চেতনা, অতীতের একটি অস্পষ্ট কিন্তু আনন্দদায়ক ছায়া, এর অনন্তকাল গঠন করে।
** (১৮ আগস্ট ১৮২২) এগুলো একটি গদ্য স্কেচ থেকে - ''ইসাদোর''
* হায়, জীবনের কী অদ্ভুত বৈচিত্র্য !<br>আমরা বিপদ আর আনন্দের মাঝে বাস করি, যেমন<br>বালিতে খোদাই করা অক্ষর, বা রং<br>রংধনু রাঙিয়ে দেয়। এক অসুস্থ কল্পনার মতো বন্য<br>আর একজন কুমারীর মতো পরিবর্তনশীল, হলো এই স্বপ্ন,<br>পৃথিবীতে এই সংক্ষিপ্ত স্বপ্ন,
** (৭ সেপ্টেম্বর ১৮২২) পোয়েটিক্যাল স্কেচেস। থার্ড সিরিজ - স্কেচ দ্য ফার্স্ট। ''দ্য মাইন''
** (১৪ সেপ্টেম্বর ১৮২২) পোয়েটিক্যাল স্কেচেস। থার্ড সিরিজ - স্কেচ দ্য সেকেন্ড। ''গ্ল্যাডেসমুইর'' দ্য ইমপ্রোভাইজাট্রাইস (১৮২৪)-এ দেখুন
** (২১ সেপ্টেম্বর ১৮২২) পোয়েটিক্যাল স্কেচেস। থার্ড সিরিজ - স্কেচ দ্য থার্ড। ''দ্য মিনস্ট্রেল অব পর্তুগাল'' দ্য ইমপ্রোভাইজাট্রাইস (১৮২৪)-এ দেখুন
** (২৮ সেপ্টেম্বর ১৮২২) পোয়েটিক্যাল স্কেচেস। থার্ড সিরিজ - স্কেচ দ্য ফোর্থ। ''দ্য কাস্টিলিয়ান নাপচুয়ালস'' দ্য ভাও অব দ্য পিকক (১৮৩৫)-এ দেখুন
** (৫ অক্টোবর ১৮২২) পোয়েটিক্যাল স্কেচেস। থার্ড সিরিজ - স্কেচ দ্য ফিফথ। ''দ্য লাভারস রক'' দ্য ভাও অব দ্য পিকক (১৮৩৫)-এ দেখুন
** (১২ অক্টোবর ১৮২২) পোয়েটিক্যাল স্কেচেস। থার্ড সিরিজ - স্কেচ দ্য সিক্সথ। ''দ্য বাস্ক গার্ল অ্যান্ড হেনরি কোয়াত্রে'' দ্য ইমপ্রোভাইজাট্রাইস (১৮২৪)-এ দেখুন
* আমার হৃদয় তোমার সাথে আছে, ভালোবাসা ! যদিও এখন<br>তুমি আমার থেকে অনেক দূরে :<br>আমি আমার নিজের চিন্তাকেও ঈর্ষা করি,<br>কারণ তারা উড়ে তোমার কাছে যেতে পারে।
** (১৯ অক্টোবর ১৮২২) ''সংস অব অ্যাবসেন্স''
* [জুলিয়ান - ছদ্মবেশী]<br>হরিণ তার অনুসরণ থেকে পালিয়ে যায় বলে<br>শিকারি হতাশ হয়ে শিকার থেকে<br>ফিরে আসে না : প্রতিটি বাধাই<br>একটি আনন্দে পরিণত হয়।
* [জুলিয়ান - ছদ্মবেশী]<br>ওহ, ঈর্ষা হলো কেবল<br>অহংকার থেকে ফেলা একটি ছায়া, যা পড়ে থাকলে<br>ভালোবাসার রূপ নিত তার নিজের<br>স্বার্থপর বিকৃতি লুকানোর জন্য !
* [জুলিয়ান]<br>কেন আমি এমন একটা বিশ্বাসের পরীক্ষা নিলাম যা আমার জানা উচিত ছিল<br>সাদা ঘুঘুর মতো দাগহীন। আমি অনুভব করতে পারছি না<br>তার হৃদয়ের স্পন্দন। আমি চুমু খেয়ে তার গালে<br>রং ফিরিয়ে আনব। ওহ, ঈশ্বর ! তার ঠোঁট বরফ,<br>এর ওপর কোনো নিশ্বাস নেই !<br>অ্যাগনেস, তোমার জুলিয়ানই তোমার খুনি !
** (২৬ অক্টোবর ১৮২২) ''ড্রামাটিক সিন ১''
** (২ নভেম্বর ১৮২২) ''ড্রামাটিক সিন ২'' দ্য ভাও অব দ্য পিকক (১৮৩৫)-এ ''বাক্কাস অ্যান্ড আরিয়াডনে'' দেখুন
** (১৬ নভেম্বর ১৮২২) ''ফ্র্যাগমেন্টস ইন রাইম ১: দ্য সোলজার্স ফিউনারেল'' দ্য ইমপ্রোভাইজাট্রাইস (১৮২৪)-এ দেখুন
** (১৬ নভেম্বর ১৮২২) ''ফ্র্যাগমেন্টস ইন রাইম ২: লাইনস রিটেন আন্ডার আ পিকচার অব আ গার্ল বার্নিং আ লাভ লেটার'' দ্য ইমপ্রোভাইজাট্রাইস (১৮২৪)-এ দেখুন
* শব্দগুলো বলার ক্ষমতাহীন।<br>আমার হৃদয়ে এমনই সেই ছবি,<br>চিত্রকর, তোমার গৌরবময় শিল্প চেষ্টা করো !
** (১৬ নভেম্বর ১৮২২) ''ফ্র্যাগমেন্টস ইন রাইম ৩: আউটলাইন ফর আ পোর্ট্রেট''
** (২৩ নভেম্বর ১৮২২) ''ফ্র্যাগমেন্টস ইন রাইম ৪: অ্যারিয়ন'' দ্য ইমপ্রোভাইজাট্রাইস (১৮২৪)-এ দেখুন
* এর চেয়ে সুন্দর বা বন্য তীরে<br>দিনের আলো কখনো পড়েনি !<br>অর্ধেক জমি ছিল, আর অর্ধেক সমুদ্র<br>যেখানে চোখ শুধু দেখতে পেত<br>নীল আকাশটাকে সীমানা হিসেবে।
** (৩০ নভেম্বর ১৮২২) ''ফ্র্যাগমেন্টস ইন রাইম ৫: দ্য হ্যাপি আইল''
** (৭ ডিসেম্বর ১৮২২) ''ফ্র্যাগমেন্টস ইন রাইম ৬: দ্য পেইন্টার্স লাভ'' দ্য ইমপ্রোভাইজাট্রাইস (১৮২৪)-এ দেখুন
** (১৪ ডিসেম্বর ১৮২২) ''ফ্র্যাগমেন্টস ইন রাইম ৭: মনমদিন, দ্য ইন্ডিয়ান কিউপিড। ফ্লোটিং ডাউন দ্য গঞ্জেস'' দ্য ইমপ্রোভাইজাট্রাইস (১৮২৪)-এ দেখুন
** (২১ ডিসেম্বর ১৮২২) ''ফ্র্যাগমেন্টস ইন রাইম ৯: দ্য ফিমেল কনভিক্ট'' দ্য ইমপ্রোভাইজাট্রাইস (১৮২৪)-এ দেখুন
* একটা ফুল আছে, একটা জাদুকরী ফুল,<br>যার ওপর ভালোবাসা একটা পরীর ক্ষমতা রেখেছে ;<br>সেন্ট জনের আগের দিন সন্ধ্যায় এটি তুলে নাও,<br>যখন গ্রামের ঘড়িতে একটা বাজছে ;<br>কোনো দিকে তাকিও না, কোনো কথা বোলো না,<br>আর গোলাপের পাতাগুলো তোমার মাথার নিচে রাখো ;<br>তোমার ঘুম হালকা হবে, আর তোমার বিশ্রাম আনন্দদায়ক হবে,<br>কারণ তোমার স্বপ্নগুলো হবে সেই তরুণের যাকে তুমি সবচেয়ে ভালোবাসো।
** (২৮ ডিসেম্বর ১৮২২) ''ফ্র্যাগমেন্টস ইন রাইম ১০: দ্য ইভ অব সেন্ট জন''
** (২৮ ডিসেম্বর ১৮২২) ''ফ্র্যাগমেন্টস ইন রাইম ১১: দ্য এমারেল্ড রিং — আ সুপারস্টিশন'' দ্য ইমপ্রোভাইজাট্রাইস (১৮২৪)-এ দেখুন
====১৮২৩====
* ওহ এটা সেই মিষ্টি ভালোবাসা নয়<br>ঘুঘুর নিজস্ব সঙ্গী ;<br>বরং একটা বন্য আর ঘুরে বেড়ানো জিনিস,<br>সেই আলোগুলোর মতো পরিবর্তনশীল যা ছুঁড়ে দেয়<br>তার ময়ূরের ডানার ওপর আভা।<br>আমি সত্যিই কাঁদি, যে ভালোবাসা হওয়া উচিত<br>সবসময় অহংকারের সাথে যুক্ত।
** (২৫ জানুয়ারি ১৮২৩) ''মেডালিয়ন ওয়েফার্স: কিউপিড রাইডিং অন আ পিকক''
* অন্ধকার রাত,<br>ওহ যুদ্ধের ওপর তোমার ছায়া কত ভয়ংকর !<br>বন্ধু আর শত্রু সবার ওপর সমানভাবে আঘাত হানা হয়, মৃত,<br>আর মৃতপ্রায়দের মাড়িয়ে যাওয়া হয়, ওহ, কেবল দিনেরই<br>সৈনিকের কাজগুলোর দিকে তাকানো উচিত !
** (১ ফেব্রুয়ারি ১৮২৩) ''দ্য ক্যাডেটস। অ্যান ইন্ডিয়ান স্কেচ''
* গৌরবময় চারণকবি ! যার<br>এমন সব মালা আছে যা গান প্রায়শই দাবি করে না,<br>যোদ্ধার ঢালের চারপাশে ঝোলানো সেই মালাগুলো,<br>রক্ত-লাল মাঠ থেকে লরেল।
** (৮ ফেব্রুয়ারি ১৮২৩) ''মেডালিয়ন ওয়েফার্স: হেড অব টায়ার্টিয়াস''
* সে পেয়ালাটা ধরে ছিল ; আর সে সেই সময়<br>তার কৌতুকপূর্ণ হাসির দিকে তাকিয়ে বসে ছিল,<br>যেন সে যে মদ পান করতে চেয়েছিল<br>তা ছিল তার গোলাপের কুঁড়ির মতো ঠোঁট থেকে একটা চুমু।
** (৮ ফেব্রুয়ারি ১৮২৩) ''মেডালিয়ন ওয়েফার্স: হারকিউলিস অ্যান্ড আয়োলি''
** (২২ ফেব্রুয়ারি ১৮২৩) ''লিয়েন্ডার অ্যান্ড হিরো'' দ্য ভাও অব দ্য পিকক (১৮৩৫)-এ দেখুন
** (১ মার্চ ১৮২৩) ''অ্যান ওল্ড ম্যান ওভার দ্য বডি অব হিজ সন'' দ্য ভাও অব দ্য পিকক (১৮৩৫)-এ দেখুন
* ছবি, উজ্জ্বল ছবি, ওহ ! তারা আমার কাছে<br>চিন্তার আনন্দ করার জন্য একটা জগত। আমি ভালোবাসি<br>প্রতিটি মুখে একটা ইতিহাস দিতে, ভাবতে,<br>যেমন আমি চিত্রকরের সাথে ভেবেছিলাম, যেমন আমি জানতাম<br>তার সেই উচ্চ যোগাযোগ কী ছিল।
* আহ, নারীর এর চেয়ে মিষ্টি আর কোনো রূপ নেই<br>যেমনটা, যখন, সে যে দৃষ্টি ভালোবাসে তার মুখোমুখি হতে<br>অর্ধেক ভয় পায়, লজ্জার আভা বিশ্বাসঘাতকতা করে<br>সেই সব কিছু যা চাপা দেওয়া দৃষ্টি বলতে চাইত।
** (১৫ মার্চ ১৮২৩) ''পোয়েটিক্যাল ক্যাটালগ অব পিকচার্স। ভ্যানডাইক কনসাল্টিং হিজ মিস্ট্রেস অন আ পিকচার ইন কুকস এক্সিবিশন।''
* মিষ্টি আশা ! প্রতিটি আনন্দদায়ক ফুল<br>তোমার আনন্দময় শক্তিতে নিজেকে রোদ পোহায় ;<br>প্রতিটি দুঃখ তোমার কাছে আসে,<br>কষ্টের জন্য মরুভূমির ঝরনা !
** (১৫ মার্চ ১৮২৩) ''পোয়েটিক্যাল ক্যাটালগ অব পিকচার্স। হোপ, ফ্রম আ ডিজাইন বাই আ লেডি।''
* তুমি তোমার সুন্দর হাতগুলোকে ঘুরে বেড়াতে বলবে<br>তোমার নরম বীণার রুপালি ঘুমের ওপর,<br>সুর জাগিয়ে; গান আর ভালোবাসার<br>তাদের মিষ্টি ইতালীয় ছন্দে।
** (২৯ মার্চ ১৮২৩) ''সং - আই'ল মিট দি অ্যাট দ্য মিডনাইট আওয়ার''
* পুরো পৃথিবী জুড়ে তোমার সাথে, আমার ভালোবাসা !<br>পুরো পৃথিবী জুড়ে তোমার সাথে ;<br>আমি পরোয়া করি না ওপরে কোন আকাশ নামতে পারে,<br>অথবা আমাদের পথ কতটা অন্ধকার হতে পারে।
** (২৯ মার্চ ১৮২৩) ''সং - অল ওভার দ্য ওয়ার্ল্ড উইথ দি, মাই লাভ!''
* বালিশের ওপরের স্বপ্ন,<br>যা দিনের সাথে সাথে মিলিয়ে যায়,<br>উইলো গাছের পাতা<br>একটা নিশ্বাসে খসে পড়ে;<br>ফুলের ওপরের ধুলো,<br>সমুদ্রের ওপরের জলের ছিটে;<br>হ্যাঁ,—তোমার নিজের বুককে জিজ্ঞাসা করো—<br>এগুলো কি তোমার প্রতীক নয়।
** (২৯ মার্চ ১৮২৩) ''সং - দ্য ড্রিম অন দ্য পিলো।''
* আমাদের বিদায় কেমন ছিল ?—একটা বন্য চুমু,<br>কতটা বন্য তা আমি বলতে পারব না,<br>একটা দীর্ঘ আর শ্বাসরুদ্ধকর আলিঙ্গন, আর তারপর<br>যেন জীবনটাই শেষ হয়ে গেল।
** (২৯ মার্চ ১৮২৩) ''সং - হোয়াট ওয়াজ আওয়ার পার্টিং ?—ওয়ান ওয়াইল্ড কিস,''
* অনেক বছর ধরে সে বাতাসে নিশ্বাস নেয়নি,<br>স্বাস্থ্যকর খোলা বাতাস ; সূর্য, চাঁদ,<br>তারা, মেঘ, সুন্দর নীল স্বর্গ, বসন্ত,<br>ফুল, গাছ, আর মানুষের মিষ্টি মুখ,<br>গান, বা গানের চেয়েও সুরেলা কথা,<br>স্নেহ, অনুভূতি, সামাজিক মেলামেশা<br>(যদি না তার পরীর স্বপ্নে মনে পড়ে)<br>তার নিঃসঙ্গতার কাছে এরা সবাই অপরিচিত হয়ে গেছে ! —<br>তার ওপর একটা অভিশাপ দেওয়া হয়েছে, দারিদ্র্যের মতো,<br>বা কুষ্ঠরোগ, বা লাল প্লেগের মতো, কিন্তু তার চেয়েও খারাপ, —<br>হৃদয় তার আগুন মস্তিষ্কে পাঠিয়েছে,<br>আর সে পাগল হয়ে গেছে।
** (৫ এপ্রিল ১৮২৩) ''পোয়েটিক্যাল ক্যাটালগ অব পিকচার্স। আ ম্যানিয়াক ভিজিটেড বাই হিজ ফ্যামিলি ইন কনফাইনমেন্ট : বাই ডেভিস।''
** (৫ এপ্রিল ১৮২৩) ''এপ্রিল'' দ্য ভাও অব দ্য পিকক (১৮৩৫)-এ দেখুন
* [ইয়ান্থের কাছ থেকে]<br>আমি একজন কৃপণ<br>তোমার সব চিন্তা আর কথা, আর দৃষ্টি আর অনুভূতির—<br>ওহ, আমি একটা পাতা, একটা ফুল নিয়ে ঈর্ষান্বিত,<br>একটা গান, একটা তারা, যদি তুমি সেটা নিয়ে খুব বেশি ভাবো !
* [গুইডো] ওহ, আমার ইয়ান্থে, আমি শুধু তোমার মাঝেই বাঁচি,<br>আর আমি তোমাকে জিতব, প্রতিটি বাধা পেরিয়ে<br>ভাগ্যের স্বৈরাচার দ্বারা তোলা, আমার নিজের,<br>আমার সেরা হৃদয়ের সম্পদ ! (সে তার হাত কেড়ে নেয়)<br>[ম্যানফ্রেড] বন্য বোকা ! সে তোমার বোন !
** (১২ এপ্রিল ১৮২৩) ''ড্রামাটিক সিন। ইয়ান্থে — গুইডো — ম্যানফ্রেড।''
** (১৯ এপ্রিল ১৮২৩) ''ফ্র্যাগমেন্টস'' দ্য ইমপ্রোভাইজাট্রাইস (১৮২৪)-এ ''দ্য ওক'' হিসেবে দেখুন
* ভালোবাসা ছাড়া যেকোনো কিছু করো ; অথবা যদি তুমি ভালোবাসো<br>আর একজন নারী হও, তবে তোমার ভালোবাসা তার কাছ থেকে লুকাও<br>যাকে তুমি উপাসনা করো ; তাকে কখনো জানতে দিয়ো না<br>সে কতটা প্রিয় ; তার সামনে একটা পাখির মতো উড়ে বেড়াও, — <br>তাকে গাছ থেকে গাছে, ফুল থেকে ফুলে নিয়ে চলো ;<br>কিন্তু বশীভূত হয়ো না, নইলে তুমি, সেই পাখির মতো,<br>যখন ধরা পড়বে আর খাঁচায় বন্দী হবে, অবহেলিত হয়ে কষ্ট পাওয়ার জন্য ফেলে রাখা হবে,<br>আর বিস্মৃতির মাঝে মারা যাবে।
** (২৬ এপ্রিল ১৮২৩) ''ফ্র্যাগমেন্ট - ডু এনি থিং বাট লাভ ; অর ইফ দাউ লাভস্ট''
* সুন্দর আর উজ্জ্বল মে,<br>এটা কি তোমার উৎসবের দিন নয় ?<br>এই বসন্তের আনন্দ কি<br>তোমার সম্মানে অনুষ্ঠিত হচ্ছে না, রানি ?
**(৩ মে ১৮২৩) ''পোয়েটিক্যাল ক্যাটালগ অব পেইন্টিংস'' - ''অন মে-ডে, বাই লেসলি''
* তুমি কি জানতে চাও জীবন কেমন হওয়া উচিত?<br>যদি এটা আমার হাতে থাকত নির্দেশ দেওয়া<br>যে তোমার জন্য এর পথ কেমন হওয়া উচিত ?<br>ওই বোন শক্তিগুলোর দিকে তাকাও,<br>শৃঙ্খলিত, কিন্তু শুধু ফুল দিয়ে শৃঙ্খলিত, —<br>গোলাপ-ডানাযুক্ত প্রহরগুলোর ওই উজ্জ্বল দল
**(৩ মে ১৮২৩) ''পোয়েটিক্যাল ক্যাটালগ অব পেইন্টিংস'' - ''দ্য আওয়ার্স, বাই হাওয়ার্ড।''
* একটা ডালের ওপর,<br>একমাত্র ডাল যা হানিসাকল দিয়ে বাঁধা ছিল,<br>দুটো সাদা ঘুঘু বসেছিল, প্রতিটি ঘাড়ের ওপর একটা আভা<br>সমুদ্র-মুক্তোর সূক্ষ্ম খোসার ভেতরের<br>গোলাপ-দাগের মতো, যখন ভালোবাসা তাদের পালকের ওপর নিশ্বাস ফেলেছিল。<br>আর প্রত্যেকেই অন্যের চোখে প্রতিফলিত হয়েছিল,<br>ভাসমান আর অন্ধকার, আবেগের একটা স্বর্গ।
** (১০ মে ১৮২৩) ''পোয়েটিক্যাল ক্যাটালগ অব পেইন্টিংস - টু ডাভস ইন আ গ্রোভ। মিস্টার গ্লোভারস এক্সিবিশন।''
** (২৪ মে ১৮২৩) ''ইনেজ'' দ্য ইমপ্রোভাইজাট্রাইস (১৮২৪)-এ দেখুন
* এমন কোনো বন্ধন নেই<br>ভালোবাসার সেই শেষ সবচেয়ে পবিত্র যোগসূত্রের মতো, যা বাঁধে<br>নিঃসঙ্গ সন্তানকে তার আরও নিঃসঙ্গ বাবা-মায়ের সাথে।
** (৫ জুলাই ১৮২৩) ''আ টেল ফাউন্ডেড অন ফ্যাক্ট''
** (১২ জুলাই ১৮২৩) ''গ্লেনকো'' দ্য ভাও অব দ্য পিকক (১৮৩৫)-এ দেখুন
** (১৯ জুলাই ১৮২৩) ''এক্সিকিউশন অব ক্রিসেনটিয়াস'' দ্য ইমপ্রোভাইজাট্রাইস (১৮২৪)-এ ''ক্রিসেনটিয়াস'' হিসেবে দেখুন
* সৌন্দর্য সুন্দর জিনিসের চারপাশে থাকা উচিত।
* একটা নরম আর নীল ইতালীয় আকাশ, — সেই নীল<br>যা চিত্রকর আর কবিরা ভালোবাসে, — সেই নীল<br>প্রেমিক কুমারীর চোখে উপাসনা করে,<br>যার সৌন্দর্যই তাদের ক্ষমতা আর জাদু।
* আর দেয়ালের চারপাশে ছিল ছবি : পৃথিবীর<br>সবুজ সৌন্দর্যের কিছু শান্ত দৃশ্য, আর কিছু যার রং<br>নেওয়া হয়েছিল সেই মুখগুলো থেকে যাদের হাসিতে আমাদের জীবন<br>স্বর্গের মতো হয়ে ওঠে ; আর মূর্তি, যাদের সাদা অনুগ্রহ<br>কবিতার একটা স্বপ্নের মতো।
* ওহ প্রতিভা! তোমার তারায় ভরা মুকুট একপাশে ছুঁড়ে ফেলো,<br>তোমার রংধনু ডানাগুলো গুটিয়ে নাও, আর তোমার মাথার ওপর<br>ধুলো আর ছাই রাখো — কারণ, এই ঠান্ডা বিষণ্ণ পৃথিবী<br>শুধু তোমার কারাগার। হায় তার জন্য<br>যার কাছে তোমার বিপজ্জনক উপহারগুলো আছে, কারণ সেগুলো অনেকটা<br>সেই মারাত্মক উপহারগুলোর মতো যা অশুভ আত্মারা দেয়, —<br>উজ্জ্বল আর বিভ্রান্তিকর, যা মৃত্যুর দিকে নিয়ে যায়।
** (২৬ জুলাই ১৮২৩) ''দ্য আর্টিস্টস স্টুডিও''
* আকাশে চাঁদ অন্ধকার হয়ে গেছে<br>যেন দুঃখের ছায়া পাশ দিয়ে যাচ্ছে;
* আমি তোমাকে ঈর্ষা করি, তুমি যত্নহীন বাতাস !<br>কতটা হালকা, কতটা বন্য তোমার ঘুরে বেড়ানো :<br>তোমার কোনো পার্থিব শিকল নেই, বাঁধার জন্য<br>তোমার বায়বীয় ডানার ওপর একটা শৃঙ্খলও।
** (২ আগস্ট ১৮২৩) দুটোই ''সংস'' থেকে
* সবচেয়ে ভদ্র, আমি তোমার কাছে মাথা নত করি,<br>গোলাপ-ঠোঁটযুক্ত কবিতার রানি,<br>মিষ্টি ইরাটো, তুমি যার তারগুলো<br>শুধু ভালোবাসা-ছোঁয়া শব্দের জন্যই জাগে !
** (৯ আগস্ট ১৮২৩) ''পোয়েটিক্যাল ক্যাটালগ অব পিকচার্স। স্টোথার্ডস ইরাটো''
** (২৩ আগস্ট ১৮২৩) ''চেঞ্জ'' দ্য ইমপ্রোভাইজাট্রাইস (১৮২৪)-এ দেখুন
** (৩০ আগস্ট, ৬ এবং ১৩ সেপ্টেম্বর ১৮২৩) ''দ্য বায়াদের'' দ্য ইমপ্রোভাইজাট্রাইস (১৮২৪)-এ দেখুন
* এসো, শান্ত বীণা, আর আমাকে রাখতে দাও<br>তোমার সুরের সাথে যোগাযোগ,<br>আর আমার দুঃখের গল্প বলা হোক<br>তোমাকে, আমার বীণা, আর শুধু তোমাকেই।
** (২৭ সেপ্টেম্বর ১৮২৩) ''এক্সট্রাক্টস ফ্রম মাই পকেট বুক। সং''
* আমি তারাদের দিকে তাকাব আর তোমার দিকে তাকাব,<br>আর তোমার নিয়তির পাতা পড়ব।
** (১১ অক্টোবর ১৮২৩) ''দ্য জিপসিস প্রফেসি।''
** (২৫ অক্টোবর ১৮২৩) ''স্কেচ'' দ্য ইমপ্রোভাইজাট্রাইস (১৮২৪)-এ ''দ্য ওয়ারিয়র'' হিসেবে দেখুন
** (১৫ নভেম্বর ১৮২৩) ''পোয়েটিক স্কেচেস। ফোর্থ সিরিজ। স্কেচ ১। — দ্য পেইন্টার।'' দ্য ভাও অব দ্য পিককে দেখুন
** (৬ ডিসেম্বর ১৮২৩) পোয়েটিক স্কেচেস। ''ফোর্থ সিরিজ। স্কেচ ৪।— আ ভিলেজ টেল।'' দ্য ভাও অব দ্য পিককে দেখুন
* একটা গ্রীষ্মের দ্বীপ, এমন একটা যার ওপর দিয়ে বাতাস<br>সবসময় সুরেলা হয়ে বয়ে গেছে,— এমন বাতাস<br>যা গোলাপের বুকে জন্ম নেয়, আর মারা যায়<br>জলের ওপর গানের মতো।
* সেখানে দশ হাজার ফুল ফুটেছিল, যাদের পাতায়<br>জ্বলজ্বল করছিল প্রতিটি রং যা কখনো উজ্জ্বল হয়েছে<br>ভারতীয় রত্ন দিয়ে তৈরি কোনো রাজার মুকুটে,<br>অথবা সেই রংগুলোতে যা শরতের সূর্যাস্ত ছুঁড়ে দেয়<br>চলে যাওয়া বৃষ্টির রংধনু খিলানের মাঝে<br>সমৃদ্ধ হিমবাহগুলোর ওপর ;
* কোনো অন্য ভাষা নয়, শুধু কিছু নরম মিষ্টি শব্দ<br>সে পাখিদের কণ্ঠ থেকে ধরেছিল<br>যখন তারা সকালের উদ্দেশ্যে গাইত, আর সুরগুলো<br>ঝরনা থেকে পাঠানো হতো, যখন, একটা বীণার মতো,<br>এটি বাতাসের সাথে সংগীতে কথা বলত।
* যৌবনের প্রথম আনন্দের সাথে কিসের তুলনা করা যেতে পারে ?<br>দিনের আলো, আর লার্ক পাখির আনন্দময় গানের<br>একসাথে ফেটে পড়ার সাথে, — একটা হঠাৎ সুবাসের স্রোত,<br>যতক্ষণ না চঞ্চল ইন্দ্রিয়গুলো যুক্ত হয়<br>অতিরিক্ত আনন্দের সাথে,— একটা স্বপ্ন,— একটা গল্প<br>স্বর্গের, সুন্দর কবিতায় বলা।
** (১৩ ডিসেম্বর ১৮২৩) ''পোয়েটিক স্কেচেস। ফোর্থ সিরিজ। স্কেচ ৫।— দ্য আইল্যান্ড।''
====১৮২৪====
** (২৪ জানুয়ারি ১৮২৪) ''ফ্র্যাগমেন্টস ফোর্থ সিরিজ। ফার্স্ট পোয়েম'': দ্য ভাও অব দ্য পিককে ''দ্য থেসালিয়ান ফাউন্টেন'' হিসেবে
* উজ্জ্বল আকৃতিগুলো দ্বারা চড়ে এল যাদের দেখে মনে হয়<br>ফুল আর আলো দিয়ে তৈরি প্রাণী,<br>তাদের চুল আর পালকের উজ্জ্বল রঙের সাথে<br>সকালের আকাশের মতো গৌরবময়।
* কিন্তু যেমন পুরোনো ঐতিহ্য বলে,<br>আরও অন্য, গভীর, মন্ত্র আছে<br>নিঃসঙ্গ আর রহস্যময় কুয়োগুলোর মধ্যে —<br>অদ্ভুত বন্য ভবিষদ্বাণীর মন্ত্র<br>খুব কম মানুষেরই চেষ্টা করার সাহস হয়েছে। —
* কুয়োগুলোকে সূর্যের আলো থেকে লুকাতে,<br>সে রুপালি সাদার জালগুলো নিল<br>যা সে নিজেই একাকী চাঁদের আলোয় বুনেছিল,<br>আর সেগুলো ওপরে ছুঁড়ে দিল, যাতে একটা রশ্মিও<br>তাদের গভীরতাকে দিনের এক ঝলক দিয়ে আলোকিত করতে না পারে;
* আমার মন্ত্র শেষ হয়েছে, আমার পুরস্কার জেতা হয়েছে ;<br>সত্যিকারের ভালোবাসা! তোমার সমান কেউ নেই;<br>সত্যিকারের ভালোবাসা ! কে তোমার জন্য বেছে নিতে পারে<br>সোনা বা রত্ন বা অহংকার ?<br>কোথায় সেই মন্ত্র যার জাদু প্রমাণ করবে,<br>তোমার জাদুর মন্ত্রের মতো, সত্যিকারের ভালোবাসা ?
** (২৮ ফেব্রুয়ারি ১৮২৪) ''মেট্রিক্যাল টেলস। টেল ১। দ্য থ্রি ওয়েলস - আ ফেয়ারি টেল''
* যেমনটা সে আশা করেছিল, — সে ঘুমাচ্ছে ; আর এখন<br>তার ঠোঁট তার স্পন্দিত ভ্রুর ওপর,<br>বিষ চুষে বের করছে : এটা ছিল পরমানন্দ<br>এটা জানা যে সে তার জীবনের জন্য নিজের জীবন দিয়েছে।
** (৬ মার্চ ১৮২৪) ''মেট্রিক্যাল টেলস। টেল ২। দ্য পয়জনড অ্যারো''
** (১৩ মার্চ ১৮২৪) ''মেট্রিক্যাল টেলস। টেল ৩। — দ্য সিস্টার্স'' দ্য ভাও অব দ্য পিককে দেখুন
* তবুও, আবার জাগো, আমি তোমাকে অনুরোধ করছি, জাগো;<br>আমার আত্মা এখনো তারগুলোর ওপর বেঁচে আছে —<br>আমার হৃদয়কে তার অন্যায়ের কথা বলতেই হবে, নইলে ভেঙে যাবে :<br>তবুও কি এটা শব্দে স্বস্তি পেতে পারে !
** (২০ মার্চ ১৮২৪) ''মেট্রিক্যাল টেলস। টেল ৪।— দ্য ট্রুবাদুর''
* আমি আমার স্বপ্নের ছবিগুলোকে ভয় পাই,<br>কারণ, তখন আমি তোমার দিকে তাকাই;<br>আর তুমি কাছে আছো, আর তুমিই সব<br>যেমনটা আমি তোমাকে দেখতে চাইতাম。<br>আর তারপর আমি আমার ঘুম থেকে চমকে উঠি,<br>আর সব মিথ্যা জানি, আর পাহারা দিই আর কাঁদি।
** (১০ এপ্রিল ১৮২৪) ''লাভ ইন অ্যাবসেন্স''
* আমি তোমার ভ্রুর কথা ভেবেছি যখন রাত<br>আমার প্যালেটের ওপর তার গ্রীষ্মের চাঁদের আলো ছুঁড়ে দিয়েছিল,<br>আর আমি মধ্যরাতের আকাশের দিকে তাকিয়েছি<br>তোমার চোখের গভীরতা আর আলো ধরতে ;<br>আমি এগুলো থেকে আর স্মৃতি থেকে এঁকেছি,<br>কারণ আমি আঁকতে পারিনি যখন আমি তোমার দিকে তাকিয়েছি।
** (২৮ এপ্রিল ১৮২৪) ''রাফায়েল শোয়িং হিজ মিস্ট্রেস হার পোর্ট্রেট বাই মিস্টার ব্রোকেডন। (ব্রিটিশ গ্যালারি।)''
* গভীর বিশ্রামের এক বিলাসিতা ! হৃদয়কে<br>নিশ্চয়ই এখানে শান্তিতে স্পন্দিত হতে হবে।
* ঈশ্বর ! এই পৃথিবীটা এত সুন্দর হওয়া উচিত,<br>আর তবুও এত হতভাগ্য !
** (২৮ এপ্রিল ১৮২৪) ''মুনলাইট। টি. সি. হফল্যান্ড।''
* রংধনু ডানার জাতি, গভীর নীল চোখ<br>যাদের প্রাসাদ ছিল একটা ফুলের বুক;<br>যারা গোলাপের নিশ্বাসের ওপর চড়েছিল ;<br>হেয়ারবেল থেকে পান করেছিল ; চাঁদকে রানি বানিয়েছিল<br>তাদের আনন্দময় উৎসবের ; আর যাদের ট্রাম্পেট ছিল<br>গোলাপি-শিরার হানিসাকল; আর যারা চড়েছিল<br>গ্রীষ্মের প্রজাপতির ওপর : যারা ঘুমিয়েছিল<br>ভায়োলেটের পাতার মিষ্টতায় শান্ত হয়ে,—<br>তোমরা এখন কোথায় ? আর তোমরা যারা পুবের গল্পের,<br>তোমাদের উজ্জ্বল প্রাসাদ, তোমাদের পান্নার হলরুম নিয়ে ;<br>বাগান যাদের ঝরনাগুলো ছিল তরল সোনার ;<br>গাছ তাদের রুবি ফল আর রুপালি পাতা নিয়ে,—<br>তোমরা এখন কোথায় ?
** (১২ জুন ১৮২৪) ''স্ট্যানজাস''
* আর তারপর বীণা, জানালার জাফরান, আর মেয়েটি,<br>সাদা গোলাপ, আর বিষণ্ণ গান —<br>ওহ, রাত, সুন্দর জিনিসের ওপর তোমার রাজত্ব শেষ ! —
* ওহ, হৃদয়<br>সংগীতের ক্ষমতা জানে না যতক্ষণ না সে ভালোবাসে !
* ওহ! উপভোগের নৈতিকতা! — ছড়ানো, চূর্ণবিচূর্ণ : —<br>যে কয়েকজন থেকে গিয়েছিল তাদের ফ্যাকাশে গাল, ভূতের মতো<br>বিদায়ী আনন্দের পদচিহ্ন তাড়া করছিল,<br>যখন তাদের ওপরের উজ্জ্বল ছবিগুলো নিচের দিকে তাকিয়ে ছিল<br>প্রায় উপহাসের সাথে।
** (১৭ জুলাই ১৮২৪) ''পোয়েটিক স্কেচেস - ফিফথ সিরিজ। স্কেচ দ্য ফার্স্ট। - ফিডেলিটি''
* মৃত্যুর সবচেয়ে ভয়ংকর পাঠ আছে ! এটা দুঃখজনক,<br>হ্যাঁ, অদ্ভুত, এমনকি বয়স্কদের মরতে দেখাও ;<br>কিন্তু যৌবন সম্পর্কে একটা আত্মবিশ্বাস আছে<br>জীবনের ওপর, যা একে ভয়ংকর করে তোলে।
* সেই আশা যা নীলের সবচেয়ে ছোট ঝলক আঁকড়ে ধরে<br>অন্ধকার একটা আকাশের মাঝে ; সেই ভয়<br>যা নিজের ওপর অসুস্থ হয়ে পড়ে; সেই প্রিয় প্রতারণা,<br>যা সত্য দেখতে চায় না ; সেই কোমলতা,<br>যা শুধু বিশ্বাস করতে চায় ; আর, শেষে,<br>সেই জ্ঞান যা আমরা এত দীর্ঘ সময় ধরে বৃথাই জেনেছি<br>একটা বজ্রপাতের মতো আসে, আর চূর্ণবিচূর্ণ করে দেয়।
** (২৪ জুলাই ১৮২৪) ''পোয়েটিক স্কেচেস - ফিফথ সিরিজ। স্কেচ দ্য সেকেন্ড। - ইনফিডেলিটি''
** (৩১ জুলাই ১৮২৪) ''পোয়েটিক স্কেচেস - ফিফথ সিরিজ। স্কেচ দ্য থার্ড।—দ্য নাইটস টেল।'' দ্য ভাও অব দ্য পিককে দেখুন
* কিন্তু আমাকে তোমার কাকের মতো কালো চুলের একটা কার্ল দাও,<br>আর, স্বর্গে তোমার সব আশার কসম খেয়ে, শপথ করো<br>যে, যা-ই ঘটুক না কেন তুমি তোমার কনেকে দাবি করবে,<br>আর তুমি আগামীকাল আমার পাশে শুয়ে থাকবে।
* সেই দিন তরুণটিকে গল্পটা বলা হয়েছিল,<br>কীভাবে সে ঘোমটার নিচে কষ্ট পেয়েছিল<br>আর মারা গিয়েছিল, আর তারপর তারা তার কবর দেখিয়েছিল—<br>সে সেই সাইপ্রাসের সবুজ ঢেউ চিনত। —<br>সেই রাতে, একা, সে তার কনের ওপর পাহারা দিয়েছিল —<br>পরের দিন তারা তাকে তার পাশে শুইয়ে দিয়েছিল।
** (১৮ সেপ্টেম্বর ১৮২৪) ''দ্য ফ্যান্টম ব্রাইড''
* আর সব নীরব ছিল। — শুধু যখন বুনো মৌমাছিরা।<br>তাদের দুপুরের উৎসবে মত্ত হয়ে,<br>গুঞ্জন করতে করতে, সেই ফুলগুলোকে চুমু খেত যেখানে তারা শুয়ে ছিল ;<br>অথবা যখন বাতাস একটা সবুজ পাতাকে উড়িয়ে নিয়ে যেত;<br>অথবা যখন ঘুঘুর ডানার ঝটপটানি<br>তার করুণ ক্লান্তির গানকে প্রতিধ্বনিত করত —
** (২ অক্টোবর ১৮২৪) ''দ্য গ্লেন''
* হ্রদটা ছিল সেই গভীর নীল, যা রাত<br>তার সর্বোচ্চ চাঁদের পূর্ণ আলোয় পরে;<br>নুড়িগুলো এর ভেতর দিয়ে জ্বলজ্বল করছিল, রত্নের মতো<br>সুলতানার মুকুট আলোকিত করার মতো :
** (২ অক্টোবর ১৮২৪) ''দ্য লেক''
* গত রাতে আমি আমার জানালার ধারে ঝুঁকেছিলাম,<br>আর উজ্জ্বল আকাশের দিকে তাকিয়েছিলাম;<br>আর তারাদের একটা দলকে লক্ষ্য করেছিলাম, যা মিলেছিল,<br>প্রায় যেন উদ্দেশ্যমূলকভাবে সেট করা হয়েছিল<br>একসাথে তাদের সৌন্দর্যের জন্য, —
** (৩০ অক্টোবর ১৮২৪) ''দ্য স্টারস''
* একটা ফুল আছে, একটা বেগুনি ফুল<br>বাতাস দ্বারা বোনা, বৃষ্টি দ্বারা লালিত,<br>যার ওপর ভালোবাসা একটা ক্ষমতা আর মন্ত্র নিশ্বাস ফেলেছে<br>ফিসফিস করা আশার সত্য বলার জন্য。<br>(লেডিস বুক অব ফ্লাওয়ারস, ১৮৪২ অনুসারে, এটি হলো সেন্টাউরি)
* সে ভালোবাসে না, সে আমাকে ভালোবাসে, সে আমাকে ভালোবাসে না,<br>সে আমাকে ভালোবাসে, — হ্যাঁ, তুমি শেষ পাতা, হ্যাঁ,<br>আমি তোমাকে ছিঁড়ব না, ওই শেষ মিষ্টি অনুমানের জন্য!<br>" সে আমাকে ভালোবাসে,”
** (১৩ নভেম্বর ১৮২৪) ''দ্য ডিসিশন অব দ্য ফ্লাওয়ার''
* এই পাহাড়-অ্যাশ, যার ফুলে-ভরা ডালগুলো<br>দুপুরে একটা মেঘের মতো ছড়িয়ে পড়ে —<br>যার ছায়া একটা ভুতুড়ে জায়গার মতো<br>জুনের মিষ্টি বাতাসের জন্য :<br>এটা শুধু একটা ছোট গুল্ম ছিল যখন প্রথম<br>আমি তোমার চুলের মাঝে গেঁথেছিলাম<br>এর বেরিগুলো, প্রবাল মুকুটের মতো<br>যা সমুদ্র-কুমারীরা পরে।
** (২০ নভেম্বর ১৮২৪) ''কনস্ট্যান্সি''
* এভাবেই সময়ের সাথে চলে যাওয়া,<br>যৌবনের মিষ্টি উপহারগুলো ক্ষয়ে যায় ;<br>তাদের প্রস্ফুটন দ্রুত চলে যায়, এভাবেই একের পর এক,<br>যতক্ষণ না তাদের আসল রূপটাই চলে যায় ;<br>স্মৃতি শুধু ঘোষণা করতে বাকি থাকে<br>তারা কতটা সুন্দর আর মিষ্টি ছিল!<br>বসন্তের প্রথম নীল দুপুরে,<br>কে ম্লান হয়ে যাওয়ার কথা ভাবতে পারে?
** (২৫ ডিসেম্বর ১৮২৪) ''ফেডেড ফ্লাওয়ারস''
====১৮২৫====
* আমি নিজের জন্য একটা ছোট নৌকা বানালাম<br>আর একে সাগরে ভাসালাম ;<br>আর বিশাল পৃথিবীতে বেরিয়ে পড়লাম<br>সেখানে কী থাকতে পারে তা দেখতে।
** (৩০ এপ্রিল ১৮২৫) ''রিয়েলিটিস''
* আমার কাছে একটা গ্রীষ্মের উপহার আছে,<br>তোমার জন্য একটা রোদেলা উপহার :<br>এই সাদা ফুলদানিটা দেখো, যেখানে ফুটেছে<br>একটা সুন্দর গোলাপ গাছ。<br>আর এর লাল পাতায়<br>তোমার হৃদয়কে অবশ্যই নৈতিকতা খুঁজতে হবে,<br>কারণ ভালোবাসা একটা পাঠ নেয়<br>যে প্রতিটি পাতা মারা যায় তার থেকে।
** (১৪ মে ১৮২৫) ''সং''
* ওহ ! একজন নারীর কথা কখনোই তার চেয়ে বেশি হওয়া উচিত নয়<br>যে দীর্ঘশ্বাসগুলো উচ্চারণ খুঁজে পেয়েছে।
** (৫ জুন ১৮২৫) ''পোর্ট্রেটস ১''
* সুখ ! আমার বরং আনন্দ বলা উচিত,<br>সুখ পৃথিবীতে কখনোই থাকেনি —
** (৫ জুন ১৮২৫) ''পোর্ট্রেটস ২''
* কে সেই সুন্দর জাহাজটিকে দেখে<br>যা উজ্জ্বল ঢেউয়ের ভেতর দিয়ে ছুটে যাচ্ছিল。<br>স্বপ্ন দেখবে যে স্বৈরশাসকরা তার ডেকে হেঁটেছিল,<br>আর তার মালবাহী জিনিস ছিল দাস !
** (২০ আগস্ট ১৮২৫) ''দ্য স্লেভ শিপ'' (আয়োলি ছদ্মনামে)
* আমি বরং একজন দাস হতাম<br>শৃঙ্খলিত দাসত্বে তোমার পাশে,<br>পৃথিবী যা দিতে পারে তার সবকিছুর অংশীদার হওয়ার চেয়ে,<br>যদি এর পাশাপাশি তোমাকে না দেওয়া হতো।
** (১ অক্টোবর ১৮২৫) ''স্ট্যানজাস''
* আমি প্রশংসার সেই কথাগুলো ছেড়ে দিতাম যা এখন<br>আমার গাল লাল করে আর আমার নাড়ি স্পন্দিত করে。<br>আমি যদি শুধু ভাবতে পারতাম যে যখন আমার হৃদয় ঠান্ডা হয়ে যাবে<br>আর আমার ঠোঁট আবেগহীন হবে, আমার গানগুলো<br>তরুণ চারণকবিদের প্রথম আনন্দের মাঝে গোনা হবে,<br>আর প্রেমিক দ্বারা বিড়বিড় করা হবে যেখানে তার মামলা<br>কবিতাকে ভালোবাসার নিশ্বাস নিতে ডাকে।
** [এই অনুচ্ছেদটি ''এরিন্না''তে আছে, পরিবর্তিত]
* জীবন একটা গ্রীষ্মমণ্ডলীয় দিন,<br>ধুলো আর রোদে শুকিয়ে যাওয়া ;<br>আর মৃত্যু হলো শান্ত শীতল রাত,<br>যখন ক্লান্ত দিন শেষ হয়।
** (১৭ ডিসেম্বর ১৮২৫) ''পোয়েটিক ফ্র্যাগমেন্টস - ফিফথ সিরিজ''
* এটা একটা মুখ ছিল, শুধু লজ্জার আভা ছাড়া<br>চারপাশের খোদাই করা বৈশিষ্ট্যগুলো থেকে একে আলাদা করার জন্য কিছু ছিল না :<br>এর সৌন্দর্যে ততটাই নিখুঁত ; কিন্তু সেই ফ্লাশ<br>পার্থিব উষ্ণতা আর পার্থিব অনুভূতির মুকুট পরিয়েছিল<br>প্রকৃতির মাস্টার-পিসকে ;— সেই সমৃদ্ধ স্রোত<br>ছিল হৃদয় থেকে, যা এভাবে একটা ভাষা খুঁজে পেয়েছিল,<br>সত্য আর নীরবতার বাগ্মিতা সবসময় : —<br>কথা, দীর্ঘশ্বাস, আর হাসি প্রতারণা করে, কিন্তু লজ্জার আভা কখনো নয়।
** (২৪ ডিসেম্বর ১৮২৫) ''মেট্রিক্যাল ফ্র্যাগমেন্টস - নম্বর ১ অ্যানিকডোট অব ক্যানোভা'' (আয়োলি ছদ্মনামে)
====১৮২৬====
* কোথায়, ওহ, কোথায় সেই শেকল ছুঁড়ে ফেলার জন্য,<br>এমন একটা যা কিউপিডের ডানা বাঁধবে—<br>এমন একটা যার ক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ী হবে<br>এপ্রিলের সূর্য বা বৃষ্টির চেয়ে?
** (১৪ জানুয়ারি ১৮২৬) ''লেজিয়োনে পের ল'আমোরে''
* জাঁকজমকপূর্ণ হলরুমে ভোজের আয়োজন করা হয়েছে,<br>শহরের দেয়ালের চারপাশে প্রদীপগুলো জ্বলছে,<br>আর অনেক আলোর বন্যা পড়ছে<br>অনেক সম্মানিত নামের ওপর。<br>তুমি এগুলো থেকে মুখ ফিরিয়ে নাও, আর সেখানে প্রবেশ করো যেখানে<br>কোনো মা তার হতাশার ওপর কাঁদছে,<br>কোনো হতভাগ্য কনে তার সমৃদ্ধ চুল ছিঁড়ছে,<br>কোনো অনাথ কান্নায় যোগ দিচ্ছে !<br>তারপর আবার ফিরে যাও মৃত্যুর মাঠে,<br>যেখানে তারা শুয়ে আছে যাদের জন্য তারা বৃথাই কাঁদছে,<br>আর জিজ্ঞাসা করো, নিহতদের দিকে তাকিয়ে,<br>তুমি কী, বিজয় ?
** (২১ জানুয়ারি ১৮২৬) ''আইও ট্রায়াম্ফে'' (আয়োলি ছদ্মনামে)
* ভালোবাসা আমাদের বিশ্বাসে ঐশ্বরিক<br>এর অনন্তকালের — কতটা বৃথা,<br>যখন আমরা জেনেছি যে ভালোবাসা মরতে পারে,<br>এটা ভাবা যে সে আবার বাঁচতে পারে !
** (৪ ফেব্রুয়ারি ১৮২৬) ''দ্য পাস্ট'' (আয়োলি ছদ্মনামে)
* তার প্রতিচ্ছবি ! কেন এটা একটা বৃথা চেষ্টা<br>একে কল্পনা করা। পেইন্টিং বা শব্দ হয়তো কখনো<br>বলতে পারবে না সে কী ছিল ; তবুও আমি এই কাজটার ওপর থাকি,<br>যেন সেই কবিতার অধিকার আছে জিজ্ঞাসা করার<br>স্মৃতির কাছ থেকে তার সম্পদ।
** (২৫ মার্চ ১৮২৬) ''ইয়ান্থে। আ পোর্ট্রেট'' (আয়োলি ছদ্মনামে)
** (২৫ মার্চ ১৮২৬) ''মুন'' দ্য ভাও অব দ্য পিককে দেখুন
* সকালের সূর্য উঠল —<br>তবুও উৎসবের টেবিল পাতা ছিল —<br>তবুও আয়োজক আর অতিথিরা চারপাশে ছিল ;<br>কিন্তু আয়োজক আর অতিথিরা মৃত ছিল !
** (২২ এপ্রিল ১৮২৬) ''দ্য ডেথ-ফিস্ট'' (আয়োলি ছদ্মনামে)
* কোনটা সেরা,<br>একটা আবেগপূর্ণ জলবায়ুতে সৌন্দর্য আর গৌরব,<br>বজ্রপাত, ঝড়ের সাথে মেশানো; — অথবা শান্ত<br>সেই আকাশগুলো যা খুব কমই বদলায় — যা, অন্তত,<br>যদি তাদের খুব একটা আলো না থাকে, তবে কোনো ঝড়ও নেই?
** (২০ মে ১৮২৬) ''লাইফ''
* আমরা খুঁজি—আমরা পাই—<br>আর দেখি যে খোঁজার সাথে সাথে আকর্ষণ কমে গেছে。<br>স্নেহ—আনন্দ—সব কিছু যাতে আমরা বিশ্বাস করি, —<br>এগুলোর শেষ কী হয় ?—কিছু না, বা বিরক্তি।
** (১ জুলাই ১৮২৬) ''মোরালাইজিং''
* আমি যুদ্ধক্ষেত্র খুঁজব না —<br>সেখানে আমি যাদের সাথে দেখা করব,<br>তারা আমার কী করেছে যে আমাকে<br>তাদের জীবন-রক্ত ঝরাতে মিষ্টি লাগবে ?<br>মানুষের সবচেয়ে উন্মাদ মেজাজে<br>যে উন্মাদনা তৈরি করতে পারে এটাই সেই সবচেয়ে চরম উন্মাদনা,<br>মানুষের রক্ত দিয়ে পৃথিবীকে খাওয়ানো,<br>আর তারপর একে খ্যাতি বলে ডাকা。<br>আমার ওপর অন্যায় করা হয়েছে ; কিন্তু আমার প্রতি করা অন্যায় যদি<br>এযাবতকালের সবচেয়ে মারাত্মক অন্যায়ও হয়,<br>আমি আমার শত্রুকে হত্যা করব না,<br>বরং তাকে বেঁচে থাকতে বলব :—<br>আর আমি আমার প্রতিশোধকে মনে করব আরও বেশি কিছু<br>লড়াইয়ে মৃত্যুর ক্ষতের চেয়ে—<br>জীবনের প্রতিটি প্রহরে চাপিয়ে দেওয়া কষ্টের মতো<br>মৃত্যু কী কষ্ট দিতে পারে ?
** (১৯ আগস্ট ১৮২৬) মেট্রিক্যাল ফ্র্যাগমেন্টস - নম্বর ১ (আয়োলি ছদ্মনামে)
* পৃথিবীর সব নিয়তি কঠোর, — কিন্তু তার সবচেয়ে কঠিন<br>যে সেই প্রশংসা বিশ্বাস করতে পারে না যা সে শুনতে ভালোবাসে —<br>যে তার খ্যাতি নিশ্চিতভাবে ধরে রাখতে পারে না যতক্ষণ না, বড্ড দেরিতে,<br>মৃত্যু আর সত্যের সিলমোহর ভাগ্য দ্বারা সেট করা হয়।
* সে কথা বলল, সেগুলো ছিল মাত্র কয়েকটা তাড়াহুড়োর কথা —<br>চারপাশের মিষ্টি ফুল নিয়ে, গরম, রাত —<br>তবুও সেগুলো এমন ছিল যা আশীর্বাদপুষ্ট হৃদয় রেকর্ড করে<br>অনেক পরের মুহূর্তের দীর্ঘ আনন্দের জন্য ;<br>তারা তার আত্মার গভীরতম কর্ডগুলো ছুঁয়েছিল ;<br>যদিও অর্থ ভেঙে গিয়েছিল, উচ্চারণ হালকা ছিল,<br>তবুও তার কাছে সেই কাঁপানো সুরটা আরও মিষ্টি ছিল<br>সেই সমস্ত বাগ্মিতার চেয়ে যা মালিক হতে পেরে গর্বিত হতো।
** (২৬ আগস্ট ১৮২৬) ''মেট্রিক্যাল ফ্র্যাগমেন্টস নম্বর ২। টাসোস লাস্ট ইন্টারভিউ উইথ দ্য প্রিন্সেস লিওনোরা।'' (আয়োলি ছদ্মনামে)
* সে তার ঘোড়ার ওপর লাফিয়ে উঠল, আর বাতাসের মতো<br>তারা গতিতে ছুটে চলল ; প্রথমে তার ঘোরালো মস্তিষ্ক<br>একটা বিশৃঙ্খলার মতো সাঁতার কাটছিল— মনের রহস্য<br>যা তার নিজের কাজগুলোকে গাইড করতে চাইবে, কিন্তু বৃথাই :
* সে এখন বাগানে ঢুকল, আর একটা পতন<br>গানের, কণ্ঠ আর বীণার, তার কানে পড়ল :<br>প্রথমে এটা তিনগুণ মিষ্টি আর সুরেলা মনে হলো,<br>কিন্তু সে যত কাছে এল এটা আরও বিষণ্ণ হয়ে উঠল।
** (৯ সেপ্টেম্বর ১৮২৬) ''মেট্রিক্যাল ফ্র্যাগমেন্টস নম্বর ৪ - দ্য রিডিমড ক্যাপটিভ'' (আয়োলি ছদ্মনামে)
** (১৬ সেপ্টেম্বর ১৮২৬) ''মেট্রিক্যাল ফ্র্যাগমেন্টস নম্বর ৫ - দ্য ফ্রোজেন শিপ'' (আয়োলি ছদ্মনামে) দ্য ভাও অব দ্য পিককে দেখুন
* মৃতরা ! মৃতরা ! আর তারা কি এখানে ঘুমায়,<br>অন্য বছরের হারিয়ে যাওয়া মানুষগুলো —<br>মৃতরা ! মৃতরা ! তারা কি এখানে থাকতে পারে,<br>যেখানে মৃত্যুর কিছুই দেখা যায় না ?
** (৭ অক্টোবর ১৮২৬) ''দ্য তুমুলি''
* পাতা সবুজ হয় ঝরে পড়ার জন্য,<br>ফুল সুন্দর হয় ম্লান হওয়ার জন্য,<br>ফল পাকে পচে যাওয়ার জন্য —<br>সবকিছুই শুধু ক্ষণস্থায়ী হওয়ার জন্য তৈরি।
** (১৪ অক্টোবর ১৮২৬) ''চেঞ্জেস''
====১৮২৭====
** (২৭ জানুয়ারি ১৮২৭) ''উইলো লিভস'' ট্রান্সলেশনস বা অনুবাদের নিচে দেখুন
* হাজারো ডাল থেকে হাজারো গান<br>আনন্দময় পাখিদের আনন্দ ঘোষণা করে ;<br>ছোট নদীগুলো স্ফটিক আলোয় হাসছে—<br>কারণ বসন্তের উপস্থিতি সেখানে আছে।
** (৩ মার্চ ১৮২৭) ''বার্থডে ইন স্প্রিং''
* মধ্যরাতের স্বপ্নের আত্মা,<br>তোমার ডানায় এখন কী আছে ?<br>পৃথিবী চাঁদের আলোয় ঘুমাচ্ছে ;<br>সেই ঘুমের ওপর তুমি কী ছুঁড়ে দেবে ?
** (৩১ মার্চ ১৮২৭) ''দ্য স্পিরিট অব ড্রিমস''
* পৃথিবীর গৌরব, আর স্বর্গের আলো,<br>তরুণ প্রতিভা ! কিন্তু তোমার জন্য,<br>আর তোমাকে দেওয়া সেই বন্য আশ্চর্যের জন্য,<br>আমাদের পৃথিবী কতটা ভিত্তিহীন হতো !
** (১৯ মে ১৮২৭) ''জিনিয়াস''
* মৃত্যু একজন বন্ধুর মতো এসেছিল তোমাকে ফিরিয়ে দিতে<br>তাদের কাছে যারা তোমার আগে মারা গিয়েছিল:<br>বাবা, মা,<br>বোন, ভাই—<br>এদের কেউই তোমার ওপর শোক করার জন্য ছিল না。<br>কিন্তু এখন যেহেতু মৃত্যু তোমাকে খুঁজে পেয়েছে,<br>তোমার আত্মীয় আর বন্ধুরা তোমার চারপাশে আছে ;<br>তারা তাদের বিশ্রামে শুয়ে আছে<br>অন্ধকার ইউ গাছের ছায়ায়,<br>আর তাদের মতো ঠান্ডা ঘুম তোমাকেও বেঁধেছে।
** (১৮ আগস্ট ১৮২৭) ''ইউথানাসিয়া''
====১৮২৮====
** (১৬ ফেব্রুয়ারি ১৮২৮) ''দ্য চেঞ্জ'' দ্য ভাও অব দ্য পিককে দেখুন
** (১৬ ফেব্রুয়ারি ১৮২৮) ''দ্য লিগ্যাসি অব দ্য লায়ার'' দ্য ভাও অব দ্য পিককে দেখুন
====১৮২৯====
** (৩ জানুয়ারি ১৮২৯) ''দ্য চার্চইয়ার্ড'' দ্য ভাও অব দ্য পিককে দেখুন
** (৩ জানুয়ারি ১৮২৯) ''চেঞ্জ'' দ্য ভাও অব দ্য পিককে দেখুন
* সেই প্রতিভাধরদের মধ্যে একজন যারা পৃথিবীতে হাঁটে,<br>তাদের সৌন্দর্যে ফেরেশতাদের মতো, আর সেই সময়<br>বাতাস তাদের ডানার সংগীতে ভরে যায়।
** (৩১ জানুয়ারি ১৮২৯) ''লাইনস টু দ্য অথর আফটার রিডিং দ্য সোরোস অব রোজালি''
* . . . ওহ! হৃদয়<br>তার নিজের সুখ তৈরি করে, সম্ভবত সেরা,<br>যখন কোনো এক গ্রাসকারী ভালোবাসার কাছে পবিত্র হয় !
* গুচ্ছবদ্ধ লতা থেকে ছায়াটা আরও গাঢ় হয়ে পড়েছিল,<br>যার সবুজ ডালগুলো একটা মালার মতো জাফরানকে জড়িয়ে রেখেছিল ;<br>লার্ক পাখিটা সেই সুরেলা আনন্দময় হাসি থামিয়ে দিয়েছিল<br>যা দিয়ে সে সকালকে স্বাগত জানায়; সুরে সুরে<br>ম্যাটিন গানটা বাতাসে মিলিয়ে গিয়েছিল;<br>সাইপ্রাস গাছগুলোর ওপর যে শিশির ঝুলে ছিল<br>তা দুলতে থাকা পাতাগুলোর ওপর রোদে পরিণত হয়েছিল;—
** (১৪ ফেব্রুয়ারি ১৮২৯) ''লাইনস অন নিউটনস পিকচার অব দ্য ডিসকনসোলেট''
* আমরা বলি যে মানুষ এবং জিনিসগুলো বদলে গেছে;<br>হায় ! আসলে আমরা নিজেরাই বদলাই : হৃদয়<br>চারপাশের সবকিছুকে তার নিজের আয়নায় পরিণত করে।
*কোথায় সেই ফুলগুলো, সেই সুন্দর ফুলগুলো,<br>যা বসন্তে তোমার বাড়ি আর তোমার হৃদয়কে তাড়া করত ?<br>আগের প্রহরগুলোর সেই রোদ কোথায় ?<br>কোথায় সেই সুর যা পাখিরা নিয়ে আসত ?
** (৯ মে ১৮২৯) ''চেঞ্জ''
** (২০ জুন ১৮২৯) ''ফেম : অ্যান অ্যাপোলোগ'' দ্য ভাও অব দ্য পিককে ''দ্য থ্রি ব্রাদার্স'' হিসেবে দেখুন
** (২৯ আগস্ট ১৮২৯) ''ফার্স্ট গ্রেভ'' দ্য ভাও অব দ্য পিককে ''দ্য সিঙ্গেল গ্রেভ'' হিসেবে দেখুন
====১৮৩০====
** (২৯ মে ১৮৩০) ''দ্য ফেস্টিভ্যাল'' দ্য ভাও অব দ্য পিককে দেখুন
** (২১ আগস্ট ১৮৩০) ''দ্য অ্যাস্পেন ট্রি'' দ্য ভাও অব দ্য পিককে দেখুন
** (২১ আগস্ট ১৮৩০) ''ফলো মি!'' দ্য ভাও অব দ্য পিককে দেখুন
* জীবনের জন্য কাঁদো, এর পরিশ্রম আর যত্নের জন্য,<br>এর পাপ এড়ানোর জন্য, আর এর দুঃখ সইবার জন্য ;<br>কান্না আর কান্নার চিহ্ন ঝরতে দাও<br>জীবিতদের ওপর, মৃতদের ওপর নয় !
** (২১ আগস্ট ১৮৩০) ''দ্য লিগ্যাসি অব দ্য রোজেস''
====১৮৩১====
* এর বেরিগুলো কুমারীর ঠোঁটের মতো লাল,<br>এর পাতাগুলো অপরিবর্তিত সবুজ ;<br>আর এখন যেকোনো অপরিবর্তিত জিনিস, আমি জানি,<br>দেখাটা বেশ বিরল。<br>হলি গাছ, যা পতন আর তুষার সহ্য করেছে,<br>হলি গাছই হলো ক্রিসমাসের সকালের মালা।
** (১ জানুয়ারি ১৮৩১) ''ক্রিসমাস ক্যারল''
* গোলাপ ঝরে পড়তে দাও, আরেকটা গোলাপ<br>সেই একই গাছে ফুটবে ;<br>পাখিটাকে মরতে দাও, সন্ধ্যা নামার আগে<br>অন্য কোনো পাখি আমার জন্য গাইবে。<br>প্রিয়জনের জন্যই ভালোবাসা,<br>সুখীদের জন্যই দয়ালু হওয়া ;<br>স্নেহ যে যোগসূত্রগুলো বাঁধে, দুঃখ<br>মৃত্যুর চেয়েও বেশি তা সরিয়ে দেবে।
** (২ এপ্রিল ১৮৩১) ''লাইনস সাপোজড টু বি দ্য প্রেয়ার অব দ্য সাপ্লিকেটিং নিম্প ইন মিস্টার লরেন্স ম্যাকডোনাল্ডস এক্সিবিশন অব স্কাল্পচার্স''
* কালো (কারণ এমন খনিগুলো দেয়<br>যেখানে সূর্য কখনো আলো দেয়নি,<br>যার ওপর শুধু রাত বিশ্রাম নেয়,<br>ছিল মার্বেলের মেঝে, যা দিয়েছিল<br>কোনো পরিষ্কার অন্ধকার ঢেউয়ের মতো আয়না।
* মূর্তি যাদের বিশ্রামে দেওয়া হয়েছে বলে মনে হয়<br>পৃথিবীর জীবন নয়, স্বর্গের জীবন ;<br>কারণ এখানে রাখা প্রতিটি মূর্তি<br>কী অমর মনে<br>এর সৌন্দর্য আর এর ক্ষমতা তৈরি করে —<br>প্রতিভার চিরস্থায়ী উপহার :
** (২৫ জুন ১৮৩১) ''দ্য হল অব স্ট্যাচুস''
* তার হৃদয়টা একটা পোকা-খাওয়া বাদামের মতো:<br>এর ভেতরে কিছু নেই ; কিন্তু এটা শক্তভাবে বন্ধ।
** (১ অক্টোবর ১৮৩১) ''এপিগ্রাম অব আ মাইজার''
====১৮৩২====
* এখন ধিক্কার তোমাকে, ক্রিসমাস !<br>এটা কি সেই আনন্দের সময় <br>যখন লাল চুলা জ্বলত, বীণাবাদক গাইত,<br>আর ঘণ্টাগুলো তাদের গৌরবময় সুর বাজাত ? . . .
* আমি একজন বয়স্ক নারীকে ফিরতে দেখলাম <br>তার হতভাগ্য বাড়িতে আবার — <br>সারা দিন সে ভিক্ষা চেয়েছিল,<br>আর সারা দিন বৃথাই চেয়েছিল। . . .
* এটাই কি সেই অভিশাপ যা পৃথিবীর ওপর রাখা হয়েছে ?<br>আর এটা কি সবসময় এমনই হতে হবে, <br>যে মানুষের ভালো এমন কিছুই থাকতে পারে না<br>যা কোনো না কোনো মন্দ থেকে বয়ে আসে না ? . . .
* তাহলে প্রাচীনকালের বোকামির ওপর ধিক্কার— <br>সেই বোকামি যা তোমার আনন্দ কামনা করত : <br>চারপাশের যন্ত্রণার দিকে তাকাও, চারপাশের দুর্নীতির দিকে তাকাও,<br>তারপর পৃথিবীতে আনন্দ করার সাহস করো !
** (১৪ জানুয়ারি ১৮৩২) ''ক্রিসমাস'' অংশবিশেষ
** (২৮ এপ্রিল ১৮৩২) ''দ্য লিটল শ્રાউড'' দ্য ভাও অব দ্য পিককে দেখুন
* কবিরা বলেছে তোমার জন্ম <br>পৃথিবীতে স্বাগত জানানো হয়েছিল <br>উজ্জ্বল ফুলেদের মিষ্টি ভিড় দিয়ে,<br>ফোটা কুঁড়ি, সবুজ পাতা, আর রোদেলা প্রহর দিয়ে।
* তারা জানে বছরের মধ্যে মে মাস থাকতে হবে, <br>নইলে তারা কখনোই স্বপ্ন দেখত না যে মে এখানে ছিল।
** (১২ মে ১৮৩২) ''আওয়ার প্রেজেন্ট মে''
* গৌরবময় আর সুন্দর<br>ছিল যৌবনের অনুভূতি আর যৌবনের চিন্তা—<br>ইশ যদি আমরা বাতিল না করতাম <br>আমাদের মধ্যে তখন যা তৈরি হয়েছিল তার সব !<br>ইশ তাদের প্রভাব থেকে যেত<br>যখন আশা আর স্বপ্ন চলে যায় ;<br>ইশ আমরা সারা জীবন ধরে রাখতে পারতাম<br>হৃদয়ের মধ্যে এখনো কিছু যৌবন !
** (১১ আগস্ট ১৮৩২) ''ইউথ''
* আমাদের আকাশ আরেকটা তারা হারিয়েছে,<br>পৃথিবী তার নিজের জিনিসকে দাবি করেছে,<br>আর ভয়ংকর অনন্তকালের মধ্যে <br>একজন গৌরবময় মানুষ চলে গেছে। <br>যিনি চলে যাওয়া জিনিসগুলোকে দিতে পারতেন<br>এত আলো আর নিশ্বাস, <br>তিনি নিজেই এখন অতীতের সাথে —<br>জীবন থেকে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে গেছেন।
** (২৯ সেপ্টেম্বর ১৮৩২) ''অন দ্য ডেথ অব স্যার ওয়াল্টার স্কট''
====১৮৩৩-১৮৩৫====
* মিষ্টি সকাল কি ওঠে,<br>কনের মতো, ঘুম থেকে,<br>যখন তাদের প্রথম আনন্দ উৎসব<br>পাখি আর মৌমাছি করে,<br>সবুজ গাছে<br>আনন্দে গান গেয়ে ?<br>তারপর, যখন আমার আশাগুলো উঁচুতে থাকে,<br>আমি তোমার কথা ভাবি।
** (৫ জানুয়ারি ১৮৩৩) ''সংস''
* নীরব জলের গভীরে,<br>হাজার ফ্যাহম নিচে,<br>একটা সাহসী জাহাজ ধ্বংস হয়ে পড়ে আছে —<br>সে অনেক আগে ডুবে গিয়েছিল।
** (১২ জানুয়ারি ১৮৩৩) ''দ্য লস্ট শিপ''
* মেঘ, আর তারা নয়, তাদের কাছে<br>লক্ষণ আর চিহ্ন দেওয়া হোক—<br>মেঘ, আমাদের মাটির বাষ্প,<br>তারা নয়, যাদের উপাদান স্বর্গ。<br>গভীর হওয়া ছায়া, উড়ন্ত আলো,<br>চিহ্নিত করো আগামী প্রতিটি মাস কী জানবে—<br>ক্ষণস্থায়ী আনন্দ, অবিরাম যত্ন,<br>নিচে জীবনের বিষণ্ণ তীর্থযাত্রার।
* ওই হাসিখুশি ঘণ্টাগুলো, তারা কীভাবে<br>নতুন জন্ম নেওয়া বছরকে স্বাগত জানাতে পারে?<br>অতীত কেমন ছিল আমি তা ভাবি ;<br>আমি আশা করতে পারি না—আমি শুধু ভয় পাই।
** (৪ জানুয়ারি ১৮৩৪) ''দ্য নিউ ইয়ার''
* আর সেখানে সুন্দর লিলি ফুটেছিল,<br>গ্রীষ্মের সবচেয়ে পবিত্র ফুল,<br>আর অনেক ছোট্ট পরী জানত<br>এর কুঞ্জবনের আশ্রয়,
** (৭ জুন ১৮৩৪) ''দ্য হিস্ট্রি অব দ্য লিলি''
** (২৫ অক্টোবর ১৮৩৪) ''দ্য এক্সাইল''। ফরাসি থেকে অনুবাদের নিচে দেখুন
** (১৮৩৫) ''ভার্সনস ফ্রম দ্য জার্মান'' এর জন্য, জার্মান থেকে অনুবাদের নিচে দেখুন
===দ্য মান্থলি ম্যাগাজিন===
'''লিভিং লিটারারি ক্যারেক্টারস, নম্বর ৫. - এডওয়ার্ড লিটন বুলওয়ার (১৮৩১-১)''' ভলিউম ৩১ পৃষ্ঠা ৪৩৭
* এটি একটি অবিসংবাদিত সত্য যে, অন্যান্য শ্রেণির অনুপাতে অভিজাতরা "উন্নতি" করেনি। বর্তমান যুগের একজন তরুণ অভিজাতের শিক্ষা এলিজাবেথের সময়ের তার পূর্বপুরুষের চেয়ে খুব একটা ভালো নয়।
* সাহিত্যিক রুচিকে অন্যদের দ্বারা প্রায়ই সাহিত্যিক প্রতিভার সাথে গুলিয়ে ফেলা হয়, ঠিক যতটা আমরা নিজেরাও করি।
* উপহাস হলো উৎসাহের প্রতিক্রিয়া। আবেগ কেবল স্কুলগুলোতে সীমাবদ্ধ বলে মনে করা হতো; এবং খুব বেশি অনুভূতি দেখানোর বদলে, মানুষ তাদের অনুভূতি থাকার বিষয়ে লজ্জিত হতে শুরু করেছিল।
* জীবনে নিশ্বাস ফেলার সময় খুব কম; এবং এমনকি যখন আমরা এক মুহূর্তের জন্য চিন্তা করি, তখন তা আমাদের অতীতের চেয়ে বর্তমান নিয়েই বেশি হয়: স্মৃতির ব্যথা এবং আনন্দগুলো সেই কবিতার মতোই দ্রুত সরিয়ে রাখা হয় যা তাদের উদযাপন করে।
* কিন্তু বুদ্ধিমত্তা জনসাধারণের অনুকূলের কাঁচের দরজা দিয়ে নিজের উজ্জ্বল পথ কেটে নেয়;
* কিন্তু পছন্দ, এবং এর পরিণতি, অবহেলা, হলো একটি শিশুর সবচেয়ে নিষ্ঠুর অন্যায়। নিজের ভাগ্যকে অন্যের সাথে তুলনা করার তিক্ত অনুভূতি শৈশবে না শেখালেও যথেষ্ট তাড়াতাড়ি চলে আসবে।
'''অন দ্য অ্যানশিয়েন্ট অ্যান্ড মডার্ন ইনফ্লুয়েন্স অব পোয়েট্রি (১৮৩২-২)''' ভলিউম ৩৫ পৃষ্ঠা ৪৬৬
* এটা লক্ষ্য করা কৌতূহলোদ্দীপক যে একটি সময় আরেকটি সময়ের সাথে কতটা কম মেলে। শতকগুলো একটি বিশাল পরিবারের সন্তান, কিন্তু তাদের মধ্যে কোনো পারিবারিক মিল নেই।
* কল্পনা, যা কবিতার উৎস, প্রতিটি দেশেই সভ্যতার শুরু এবং অলংকার উভয়ই ছিল। এটি সভ্য করে কারণ এটি পরিশুদ্ধ করে।
* আমরা অস্বীকার করি যে কবিতা কথাসাহিত্য; এর যোগ্যতা এবং এর ক্ষমতা উভয়ই এর সত্যের মধ্যে নিহিত:
'''দ্য স্টোরি অব হেস্টার মালপাস (১৮৩৩-৩)''' ভলিউম ৩৯ পৃষ্ঠা ৪৬৩
* প্রতিটি পরিবারেই একজন প্রিয়জন থাকে; এবং সাধারণভাবে বলতে গেলে, সেই প্রিয়জনই পরিবারের সবচেয়ে ঝামেলা সৃষ্টিকারী সদস্য।
* তিনি ভালোবাসার জন্য বিয়ে করেছিলেন, এই বারবার ঘটা বিভ্রান্তির অধীনে যে, ভালোবাসা যেকোনো পরিস্থিতিতে টিকে থাকবে যা এটিকে ধ্বংস করার জন্য সবচেয়ে বেশি হিসাব করা হয়; এবং দ্বিতীয়ত, যে এটি অন্য সব কিছুর জায়গা নিতে পারে।
* অন্যান্য দুঃখ হৃদয়কে নরম করে, — দারিদ্র্য এটিকে শক্ত করে। স্নেহকে ঠান্ডা করার এবং মেজাজকে দমন করার জন্য দারিদ্র্যের মতো আর কিছুই নেই। এর বিরক্তিগুলো সবই ছোট এবং নিচু স্তরের; এর অনুশোচনাগুলো সবই স্বার্থপর ধরনের; এর উপস্থিতি চিরস্থায়ী; এবং অপর্যাপ্ত খাবার, আর অনিচ্ছায় দেওয়া আগুন, দিনের পর দিন পুনরাবৃত্তি হয়, তবুও কে এতে অভ্যস্ত হতে পারে?
* একজন নারী সবসময় তার সৌন্দর্য এবং এর প্রভাবকে অতিরঞ্জিত করে যখন তা অতীত হয়ে যায়; এবং তার সুন্দর মুখটি তার জন্য কী করতে পারত তা ভাবা একটি চিরস্থায়ী দুঃখ ছিল।
* প্রত্যেকেরই কিছু নির্দিষ্ট বিষয় থাকে যার ওপর তারা নিজেদের নিয়ে গর্ব করে; সাধারণত এমন কিছু যা এর ওপর অর্পিত গর্বের খুব একটা যোগ্য নয়।
* সে সবসময় ভেবেছিল সে তার বাবার মতো হবে, এবং একটি লম্বা, কালো, আর সুদর্শন মুখের কল্পনা করেছিল।
'''এ ক্যালেন্ডার অব দ্য লন্ডন সিজনস (১৮৩৪-১)''' ভলিউম ৪০ পৃষ্ঠা ৪২৫
* দার্শনিকরা নৈতিক হন, এবং কবিরা দেশের ব্যাপারে মনোরম হন।
* নিজের প্রজাতির বাকিদের সাথে মতামতে ভিন্ন হওয়াটা একটা অপ্রীতিকর ব্যাপার — এটি নিজের মতো করে একটি উত্তর মেরু তৈরি করা এবং তারপর তার সন্ধানে বেরিয়ে পড়ার মতো।
* আমি আমার স্বীকারোক্তিতে অকপট হতে পছন্দ করি — এটি খুব নিরস্ত্রীকরণকারী; আপনি যে আপত্তিটি স্বীকার করেন তা আপনি আগেভাগেই আটকে দেন — অন্তত আপনার প্রতিপক্ষের সেই সুবিধাটিকে চরম পর্যায়ে ঠেলে দেওয়ার সাহস খুব একটা থাকে না যা আপনি এত নম্রভাবে স্বীকার করেন।
* আহ ! আমি তাদের সবার কাছে আবেদন করছি যাদের কোনো অনুভূতি আছে — নিজেদের জন্য — সকালে ডাকা হওয়াটা কতটা আনন্দদায়ক, কিন্তু সেই ডাকে সাড়া না দেওয়াটা। এটি দুটি সবচেয়ে বড় আনন্দকে একত্রিত করে যার প্রতি আমাদের প্রকৃতি সংবেদনশীল— জেদ এবং অলসতা।
* লন্ডনের একটি দিনকে এর মধ্যে নামার আগে ভালোভাবে বাতাসে শুকানো দরকার।
* যদি, এমনকি তিন বছর বয়সেও, আমরা স্মৃতির আনন্দের দিকে ফিরে তাকাই, তবে শৈশবের সুখ সম্পর্কে যত কম দাবি করা হবে, বিতর্ক করার মতো তত কম বিষয় থাকবে।
* নিজেদের যন্ত্রণা দেওয়ার মতো আনন্দ আমরা আর কোনো কিছুতেই পাই না।
* আদর্শ প্রেমের চিঠি — "আমি — আমি — আমি — তুমি — তুমি — তুমি ; তুমি — তুমি — তুমি — আমি — আমি — আমি," ইচ্ছেমতো ভালোবাসা আর ঘুঘুর কথা দিয়ে সাজানো।
* ... একজন সাধারণ প্রেমিকের চেয়ে সাধারণ প্রশংসার পরোয়া কে করে।
* ... আমরা ইংরেজরা একটি নীতিবাক্যে আনন্দ পাই — এমন কোনো নীতিবাক্য নয় যা অনুমান করা বা ধরে নেওয়া হবে, বরং একটি চমৎকার, সুন্দর, ছোট নীতিবাক্য, যা সাজানো বাক্যের সমস্ত কড়াকড়ি নিয়ে ঠিক শেষে বসানো হয়,
* সম্ভবত এটি প্রকৃতির একটি দয়ালু ব্যবস্থা যে আমরা আমাদের যা কষ্ট দেয় তার চেয়ে যা আমাদের স্পর্শ করে তা বেশি মনে রাখি।
'''অন দ্য ক্যারেক্টার অব মিসেস হেমানস রাইটিংস (১৮৩৫-২)''' ভলিউম ৪৪ পৃষ্ঠা ৪২৫
* কবি যা লেখেন তা তিনি অনুভব করেন না, এর চেয়ে বড় ভুল আর হতে পারে না। একটি শিল্পের ক্ষেত্রে এটি কতটা অসাধারণ, আমি বলতে পারি, অসম্ভব দৃষ্টিভঙ্গি, যা এর অন্যান্য ভগিনী বিজ্ঞানের চেয়ে আবেগের সাথে বেশি যুক্ত। কী — হৃদয়ের গভীরতা মাপা হবে, এর রহস্যগুলো উন্মোচন করা হবে, আর এর স্পন্দনগুলো গোনা হবে তাদের দ্বারা যাদের নিজেদের হৃদয় এই অদ্ভুত মতবাদ দ্বারা তৈরি — ছন্দের ঘড়ির কাঁটায় দম দেওয়া একটি নিছক যন্ত্র! না; কবিতা একটি ক্ষমতার চেয়েও বেশি একটি আবেগ, এবং লেখার ওপর লেখকের চরিত্রের চেয়ে শক্তিশালী আর কিছুই মুদ্রিত হয় না। আমি কবিতাকে প্রায় এভাবে সংজ্ঞায়িত করব যে, প্রথমত এটি গভীরভাবে অনুভব করার প্রয়োজনীয়তা, এবং দ্বিতীয়ত, সমানভাবে বিশ্বাস করার প্রয়োজনীয়তা।
* প্রশংসা — বাস্তব ব্যক্তিগত প্রশংসা— প্রায়শই উৎসাহিত করার চেয়ে বেশি বিরক্ত করে এবং বিব্রত করে। এটি খুব কাছাকাছি এলে বড্ড ছোট মনে হয়।
* প্রতিটি মানুষের বুকেই বিষণ্ণ কবিতার একটি কূপ রয়েছে। আমরা সবাই ধ্বংস হওয়া বিভ্রম এবং বিশ্বাসঘাতকতা করা আশার জন্য শোক করেছি। আমরা কোনো তিক্ত মুহূর্তে একজন ছোটবেলার বন্ধুর সাথে ঝগড়া করেছি, এবং যখন বড্ড দেরি হয়ে গেছে তখন দূরত্বের জন্য আক্ষেপ করেছি।
* শৈশবে কথোপকথনের প্রেরণা হলো কৌতূহল। শিশুটি প্রশ্ন করার জন্য কথা বলে। কিন্তু সে যত বড় হয়, তার প্রথম পাঠগুলোর একটি হলো যে একটি প্রশ্ন হলো একটি অনধিকার প্রবেশ, এবং একটি উত্তর হলো একটি প্রতারণা।
* উপহাস সামাজিক জীবনকে একটি অদৃশ্য বেড়ার মতো ভাগ করে; আর আমরা সবাই অন্যকে ভয় পাই। একজন লেখকের লেখা এবং তার কথোপকথনের মধ্যে যে পার্থক্য থাকে, তা অনেকাংশেই এর জন্য দায়ী করা যেতে পারে। একটি প্রায়শই বিষণ্ণ এবং চিন্তাশীল হয়, যখন অন্যটি প্রাণবন্ত এবং উদাসীন হয়। আসল ব্যাপার হলো, প্রথমটিতে আসল চরিত্রটি দেখানো হয়, আর দ্বিতীয়টিতে ধরে নেওয়া চরিত্রটি।
* এখানেই চিত্রকলা এবং কবিতার মধ্যে পার্থক্য নিহিত : চিত্রকর অন্যদের পুনরুৎপাদন করেন, — কবি নিজেকে পুনরুৎপাদন করেন।
* আমরা কি জানতাম না যে এই পৃথিবী কেবল একটি পরীক্ষার জায়গা — আমাদের আরেকটি এবং আরও ভালো জায়গার জন্য একটি তিক্ত পরীক্ষা — তবে একজন নারীর মধ্যে প্রতিভার ভাগ্য কতটা অদ্ভুতভাবে কঠোর মনে হতো। তীক্ষ্ণ অনুভূতি — উদার উৎসাহ — উচ্চ আকাঙ্ক্ষা — এবং সূক্ষ্ম উপলব্ধি — এগুলো কেবল অধিকারীকে তার প্রকৃত অবস্থানের জন্য অযোগ্য করে তোলার জন্যই দেওয়া হয়।
* আমি সবসময় আমার প্রিয় কবিদের পড়ার সময় জানতে চাই, আমার প্রিয় কবিতাগুলোর ধারণা প্রথমে কোথা থেকে এসেছিল। সেগুলো কী পরিস্থিতিতে রচিত হয়েছিল, — প্রতিটিতে কতটা ব্যক্তিগত আবেগ ছিল, অথবা কীভাবে, আপাতদৃষ্টিতে সম্পূর্ণ বিপরীত কোনো ঘটনার ওপর, তারা তাদের নিজস্ব অনুষঙ্গগুলোকে গেঁথে দিতে পেরেছিল, তা জানার চেয়ে আকর্ষণীয় আর খুব কম জিনিসই হতে পারে। এমন ইতিহাস হৃদয়ের কত অজানা কথা প্রকাশ করবে! প্রতিটি কবিতাই নিজের মধ্যে একটি আবেগ।
* একজন নারীর কাছে খ্যাতি আসলে সুখের জন্য বেগুনি রাজকীয় শোকের পোশাক মাত্র।
'''দ্য লাভ চার্ম (১৮৩৫-৩)''' ভলিউম ৪৫ পৃষ্ঠা ১৫৬
* প্রত্যাশা নিজেই এক ধরণের খুব সুন্দর বাস্তবতা।
* তারা বলে রাতের খাবার খুব অস্বাস্থ্যকর, আমাদের দাদা-দাদিরা তা কখনোই আবিষ্কার করতে পারেননি ...
* ... ভাগ না করা আনন্দ কেবল একটি ছোট বৃত্তের মেজাজকেই দমিয়ে দেয় ...
* সেন্ট পলের বিশাল গম্বুজটি চাঁদের আলোয় স্নান করে উঠেছিল, একটি বিশাল শহরের সেই বিশাল মন্দির, শত মিনার নরম আলোয় রুপালি হয়ে জ্বলজ্বল করছিল, আর সমস্ত ছোটখাটো বস্তু একটি সুরম্য অস্পষ্টতায় ছুঁয়ে গিয়েছিল: চারপাশ ছিল নীরবতা আর বিশ্রাম। লন্ডনের হাজারো কণ্ঠ স্তব্ধ ছিল, আর মধ্যরাতের শান্ত কানকে কিছুই বিরক্ত করছিল না।
* সে সাধারণ নারীর উচ্চতার চেয়েও লম্বা ছিল, কিন্তু রানির আদর্শ আর রাজহাঁসের বাস্তবতার মতো তার রাজকীয় অনুগ্রহে সে মহীয়সী ছিল। তার হাত আর পা খালি ছিল, শুধু সেগুলো ঘিরে থাকা রত্নগুলো ছাড়া। একটি সাদা পোশাক তার চারপাশে এমন ভাঁজে ছড়িয়ে ছিল যা কোমরে একটি সোনালি কোমরবন্ধ দিয়ে জড়ো করা ছিল, যাতে বিভিন্ন চিহ্ন আর অক্ষর খোদাই করা ছিল। তার চুল ছিল অদ্ভুতভাবে ঘন, আর আঙুর আর দাঁড়কাকের ঘাড়ে দেখা সেই বেগুনি কালো রঙের — কালো, যার ওপর এক ধরণের নীল রঙের আভা ছিল। এটি বড় বড় ভাঁজে বাঁধা ছিল, যা মাথার চারপাশে কয়েকবার ঘুরেছিল, আর এগুলো মণি-মুক্তা আর মূল্যবান পাথর দিয়ে সাজানো ছিল, যেন তারায় আলোকিত এক মধ্যরাত। তার গায়ের রং ছিল ফ্যাকাশে বিশুদ্ধ জলপাই, সম্পূর্ণ বর্ণহীন, কিন্তু শিশুর মতো কোমল। তার মুখটাই ছিল একমাত্র জায়গা যেখানে গোলাপের রাজত্ব ছিল, আর এর চেয়ে সমৃদ্ধ গাঢ় লাল রঙের ঠোঁট সকালের জন্যও কখনো খোলেনি।
* তার নিজের পায়ের শব্দই তাকে বিরক্ত করছিল ; আর সে একটা সোফায় নিজেকে ছুঁড়ে দিল, বিনা বাধায় সেই চমৎকার সুর উপভোগ করার জন্য। ফুলেদের তীব্র সুবাস তাকে মদের মতো নেশাগ্রস্ত করে তুলল। সে অনুভব করল যেন তাকে এক সুস্বাদু ঘোরে ঘুম পাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যেখানে একটা ছবি ক্রমশ আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে — তার হোস্টেসের ফ্যাকাশে কিন্তু সুন্দর মুখটা। সেই উজ্জ্বল চোখের প্রতি ভালোবাসায় তার হৃদয় ভরে উঠছিল। তার চারপাশে একটা নরম সুবাস নিশ্বাস নিচ্ছিল — এটা ছিল তার নিশ্বাস। সে তাকাল, আর সে আবার তার ওপর ঝুঁকে ছিল ; সে নিজেকে তার চোখের চাঁদের আলোয় প্রতিফলিত হতে দেখল।
'''মিলড্রেড পেমবার্টন (১৮৩৬-১)''' ভলিউম ৪৬ পৃষ্ঠা ৩০৯
* এই বিষয়ে কোনো সাধারণ নিয়ম অসম্ভব ; ভালোবাসা, গিরগিটির মতো, যে বাতাসে বাঁচে তার রঙে রঙিন হয় — আর বাতাস যত সুন্দর, রং তত সমৃদ্ধ। কিছু তরুণীর প্রেমে পড়া এবং প্রেম থেকে বেরিয়ে আসার এক অদ্ভুত সহজ ক্ষমতা থাকে; তাদের হৃদয়, একটা রাস্পবেরি টার্টের মতো, ক্রসে ঢাকা থাকে।
* সে ভুল ছিল, যেমন সবাই ভুল করে যারা একজন নারীর স্বভাবের নিষ্ক্রিয় প্রতিরোধকে জাগিয়ে তোলে। যে অপমান আর সহিংসতার সাথে তার সাথে আচরণ করা হয়েছিল, তা তাকে কেবল আরও স্নেহের সাথে সেই ভালোবাসার হৃদয়ের আশ্রয়ের দিকে ফিরে তাকাতে বাধ্য করেছিল যাকে সে সত্যিই নিজের বলে বিশ্বাস করত। দয়া হয়তো তাকে তার বাবার পায়ের কাছে নিয়ে আসতে পারত, তার বাবার খাতিরে তার সবচেয়ে প্রিয় আশাগুলো ছেড়ে দিতে প্রস্তুত করত; কিন্তু তার কঠোর রাগ শুধু তাকে আশাহীন ভবিষ্যতের কথা ভেবে কাঁপতে বাধ্য করেছিল।
* একজন নারী যার প্রেমিক তাকে ছেড়ে দেয়, আর যেন তার নিজের খাতিরেই, যদিও তার সাথে পরামর্শ না করেই, সে এক চরম অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে পড়ে। সে কী করতে পারে ? তার কথা মেনে নেবে ? এটা বলা সহজ, কিন্তু করা কঠিন, যখন সব আশা আর স্নেহ তার ভালোবাসায় জমা থাকে।
* সবসময় সম্পদে অভ্যস্ত থাকায়, সে এর মূল্য বুঝত না ; টাকার আসল মূল্য জানার জন্য আমাদের টাকার অভাব থাকা দরকার, আর টাকা তার কাছে সবচেয়ে তুচ্ছ বিষয় বলে মনে হতো যা প্রভাব ফেলতে পারে।
'''অ্যান ওল্ড লেডি অব দ্য লাস্ট সেঞ্চুরি (১৮৩৬-১)''' ভলিউম ৪৬ পৃষ্ঠা ৪২১
* মিসেস লরেন্স বার্গয়েনের কয়েকটি স্মৃতি মনে করার চেষ্টা করার সময়, আমি সেই একই নীতি অনুসরণ করি যে নীতিতে বিজ্ঞানীরা ম্যামথের হাড় সংগ্রহ করেন — পুরোটা আর নেই ; কিন্তু এটা যে ছিল তা দেখানোর জন্য যথেষ্ট অবশিষ্টাংশ আছে।
* মিসেস বার্গয়েন তার জীবনের শেষ বিশ বছর কেনসিংটনের একটি বড়, গম্ভীর-দর্শন বাড়িতে কাটিয়েছিলেন ; এটি এখন একটি পাগলাগারদ। একসময়ের হাসিখুশি আর পরিচিত বাসস্থানগুলোতে এই পরিবর্তনগুলো কীভাবে আমাদের অস্তিত্বের পরিবর্তনশীলতাকে বাড়িতে নিয়ে আসে ! লন্ডনের আশেপাশের পুরোনো ফ্যাশনের বাড়িগুলোর মাত্র কয়েকটির ইতিহাসও এক ঘটনাবহুল বিবরণ হবে। আপনি এক ধাপ সিঁড়ি বেয়ে উঠতেন, যার দুপাশে রেলিং আর দুটি অবর্ণনীয় পাখি ছিল, আর একটা বড় হলরুম, যা আশ্চর্যের বিষয়, গ্রীষ্মের চেয়ে শীতে বেশি হাসিখুশি ছিল। গ্রীষ্মকালে সরু জানালাগুলো, যে কালো কাঠ দিয়ে এটি প্যানেল করা হয়েছিল, তা ভারী এবং নিস্তেজ মনে হতো ; কিন্তু শীতকালে বিশাল আগুন তার নিজস্ব আনন্দ দিত, আর এর পাশাপাশি পুরোনো ইংরেজি আতিথেয়তার সেই সংযোগ ছিল যা একটি জ্বলন্ত চুলা সবসময় নিয়ে আসে। এরপর আপনি দুটি দীর্ঘ ড্রয়িং-রুমের মধ্য দিয়ে যেতেন, যার সাদা ওয়েনস্কোটিং প্রায় পারিবারিক প্রতিকৃতি দিয়ে ঢাকা ছিল। রানি অ্যানের সময় থেকে শুরু করে নিচের দিকে রুচির ব্যাপারে খুব একটা ভালো কথা বলা যায় না — থলেওয়ালা, পরচুলা পরা, আর ঘেরওয়ালা ; এমন কোনো ছবি ছিল না যার বিষয়ে আফ্রিকানদের সেই প্রশ্নটি করা যেত না, "দয়া করে আমাকে বলুন, শ্বেতাঙ্গ নারী, এটাই কি আপনার সব?”
* আসলে এটা একটা সন্দেহজনক সত্য যে বুদ্ধিমান মানুষরা কখনো খুব একটা আনন্দদায়ক হয় কিনা ; তারা কোনো একটি নির্দিষ্ট সাধনায় এত বেশি মগ্ন থাকে যে, কথোপকথনের ধাপ হিসেবে কাজ করা সাধারণ বিষয়গুলোর ওপর দিয়ে সহজে লাফিয়ে পার হতে পারে না ; তারা অনুভব করে যে তাদের এমন কিছু বলা উচিত যা মনে রাখার মতো।
'''এ ফ্রেন্ড ইন নিড ইজ এ ফ্রেন্ড ইনডিড (১৮৩৬-২)''' ভলিউম ৪৭ পৃষ্ঠা ৪১
* চার্লস টেবিলের দিকে গেল, কিন্তু চার পাতা কিছুই না লিখে ভরার মতো মেয়েলি ক্ষমতা তার ছিল না, আর চিঠিটা শিগগিরই সিল করে দেওয়া হলো।
* আবার তাকে তার নিজের সম্পদের ওপর ছেড়ে দেওয়া হলো; যা আমার কাছে সবসময় সেই সবচেয়ে খারাপ জিনিস বলে মনে হয়েছে যার ওপর একজন দুর্ভাগ্যবান ব্যক্তিকে বিনোদনের জন্য ছেড়ে দেওয়া যেতে পারে।
* এক পয়সাও না থাকা একজন যুবকের নিজস্ব ইচ্ছা থাকাটা একটা বাড়তি ব্যাপার,
* তিনটে হ্যাকনি-কোচ, আর প্যাটেন পরা দুজন নারী পাশ দিয়ে গেল; সাথে ছাতা হাতে একজন লোক যে ভিজে যাচ্ছিল, সে নিজের চেয়ে একটি বাদামি কাগজের পার্সেলের ওপর ছাতাটা বেশি ধরে রেখেছিল: অবশেষে, প্রাসাদের ঠিক ওপরে একটা উজ্জ্বল বিন্দু দেখা গেল, বৃষ্টিটা আকাশের ওপর আলোকিত রেখায় গলে যাচ্ছে বলে মনে হলো, আর যে বৃষ্টির ফোঁটাগুলো জানালার কাঁচের ওপর ছিটিয়ে ছিল সেগুলো দুই-তিনটি বড় ফোঁটায় জড়ো হতে শুরু করল, আর ধীরে ধীরে কাঁচের ওপর দিয়ে নামতে লাগল। সেগুলোর ওপর বাজি ধরা যেত, কিন্তু বাজি ধরার মতো কেউ ছিল না।
* এখন আমি মনে করি প্রয়োজনীয়তার আরও বেশি বন্ধুত্বপূর্ণ বিশেষণের যোগ্যতা আছে; এর দ্বারা কত ঝামেলাই না বাঁচে। আমার মতো একজন সিদ্ধান্তহীন ব্যক্তির কাছে, অনিবার্য বিষয়টি অমূল্য।
* চার্লস লাল হয়ে গেল, "অসুখের জটিলতায়।" প্রথমত সে এই ভেবে বিরক্ত হওয়ার মতো যথেষ্ট লাজুক ছিল যে, পৃথিবীতে কোনো তরুণী আছে কি নেই তা নিয়ে সে মাথা ঘামায় বলে মনে করা হচ্ছে; আর দ্বিতীয়ত, একটি সুন্দর মুখের অভাব টাকা দিয়ে পূরণ হওয়ার ধারণায় ধাক্কা খাওয়ার মতো যথেষ্ট রোমান্টিক সে ছিল।
* ফ্যানশাও আবহাওয়া নিয়ে কথা বলতে শুরু করল; আর তার শ্রোতা এটা দেখে সত্যিই অবাক হয়ে গেল যে আবহাওয়া নিয়ে তার বলার মতো কত কিছু আছে। সে বৃষ্টির ফোঁটা প্রায় গুনেই ফেলেছিল; আর সকাল থেকে তাদের পাওয়া প্রতিটি রোদের ঝলক সম্পর্কে সে বেশ সচেতন ছিল।
* ...সেই সবচেয়ে খারাপ বাম্পটা বিকশিত হয়েছে যা একজন বিরক্তিকর মানুষের মাথা সাজাতে পারে। অর্থাৎ, লম্বা-গল্প-বলার-প্রবণতা।
'''দ্য ব্রাইড অব লিনডর্ফ (১৮৩৬-২)''' ভলিউম ৪৭ পৃষ্ঠা ৪৪৯
* একটি বিশাল শহরে মধ্যরাত একটি বিস্ময়কর জিনিস—আর ভিয়েনায় মধ্যরাত নেমে এসেছিল। দোকানপাট বন্ধ ছিল, জানালাগুলো অন্ধকার ছিল, আর রাস্তাগুলো জনশূন্য ছিল—এটা অদ্ভুত যে যেখানে এত জীবন একসাথে জড়ো হয়েছিল সেখানে এমন গভীর বিশ্রাম থাকতে পারে; তবুও রাতে একটি বড় শহরের নীরবতার সমান আর কিছুই নেই। সম্ভবত স্মৃতির দ্বারা দেওয়া বৈসাদৃশ্যই একে আরও বেশি গভীর করে তোলে। একাকী উপত্যকায়, আর সবুজ বনে, এমনকি দুপুরেও নীরবতা থাকে—নীরবতা, অন্তত, দিন আর রাত উভয়েরই অন্তর্গত শব্দ দ্বারা ভাঙা হয়। মৌমাছি আর পাখির গান, বা পাহাড়ের কোনো পুরোনো গান গাওয়া পশুপালকের কণ্ঠ—এগুলো হয়তো স্তব্ধ হতে পারে; কিন্তু পাতার খসখসানি, লম্বা ঘাসের মাঝে বাতাসের বিড়বিড়ানি, আর পাইন গাছের নিচু চিরস্থায়ী ফিসফিসানি তখনো থাকে। কিন্তু শহরে—ইট আর মর্টারের নিজস্ব কোনো কণ্ঠস্বর নেই। প্রকৃতি নীরব—তার নরম, মিষ্টি সুরগুলো মানুষের বিশাল কোলাহলে স্তব্ধ হয়ে থাকে—মানুষ, আর শুধু মানুষকেই শোনা যায়। চব্বিশ ঘণ্টার অনেকগুলো প্রহর ধরে, অস্তিত্বের মহাসাগর বজ্রের মতো শব্দ করে বয়ে চলে—হাজারো কণ্ঠ একসাথে কথা বলে। চাকাগুলো পাথরের ওপর দিয়ে যায় আর আসে—সংগীত, হাসি, রাগ, সৌজন্য আর ব্যবসার কথাগুলো একসাথে মিশে যায়—একটি দিনের ইতিহাসই হলো সব সময়ের ইতিহাস। জীবনের ইতিহাস শুধু নিজেদের পুনরাবৃত্তি করে।
* বেশিরভাগ মানুষ এই ভ্রান্তিতে ভোগে যে, যখন তারা তাদের ঘরগুলো আলোকিত করে আর ভরিয়ে ফেলে, তখন তারা তাদের সব কাজ করে ফেলেছে। তারা এর চেয়ে বড় ভুল আর কখনোই করেনি। আলো দেওয়াটা অনেক কিছু—ভিড় করাটাও অনেক কিছু—কিন্তু এখনো “আরও সূক্ষ্ম কিছুর” অভাব থাকে। এই কিছুতেই কাউন্টেস নিখুঁত ছিলেন। যে কেউ একটি ভিড় জড়ো করতে পারে, কিন্তু খুব কম লোকই তাদের মেলাতে পারে।
* [আর্নেস্ট ফন হারম্যানস্ট্যাডের কাছ থেকে]; কাজ—রোদের আলোয় কাজ—আবেগ—কিন্তু খুব কম অনুভূতি, আর তার চেয়েও কম চিন্তা: এমনটাই আমাদের অস্তিত্ব হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আমরা পরিমার্জন করি—আমরা বিষণ্ণ করি আর আমরা বশীভূত করি—আমরা ভেতরের জগতের লুকানো আর অশুভ আত্মাদের ডেকে আনি—আমরা তাদের অন্ধকার বিশ্রাম থেকে তাদের জাগিয়ে তুলি যারা আমাদের পাগল করে দেবে। হৃদয়টা ওই দুলতে থাকা চুল্লির কাঠের মতো: সবুজ আর সতেজ, হাজারো মিষ্টি সুবাসে তাড়া করা, উষ্ণ বাতাসে স্নান করা, আর গ্রীষ্মের রোদে আনন্দিত—এমনভাবেই এটি প্রথমে তার জন্মভূমিতে বেড়ে উঠেছিল। কিন্তু প্রকৃতি শিল্পের কাছে নতি স্বীকার করে, আর মানুষ এর জন্য আরেকটি নিয়তি ঠিক করে রেখেছে: এটিকে সংগ্রহ করা হয়, আর আগুনে ছুঁড়ে ফেলা হয়। তখন মনে হয় যেন এর জীবন সবেমাত্র শুরু হয়েছে। প্রজ্বলিত শিরাগুলোতে একটি নতুন আত্মা প্রবেশ করেছে—এর চারপাশে একটি উজ্জ্বল আলো নাচে—এটি উজ্জ্বল—এটি সুন্দর—আর এটি গ্রাস হয়ে যাচ্ছে! কী অবশিষ্ট থাকে?—বাতাসে একটি উষ্ণতা যা শীঘ্রই চলে যায়, আর এক স্তূপ কালো ছাই! হৃদয়ের আর কী অবশিষ্ট থাকবে?
* একজন নারীর প্রথম ভালোবাসার প্রভাব তার পুরো পরবর্তী অস্তিত্বের ওপর অনুভূত হয়: সে আর কখনোই এমন স্বপ্ন দেখতে পারে না। একজন নারীর জন্য কোনো দ্বিতীয়-ভালোবাসা নেই—যৌবন, আশা, বিশ্বাস, সবই তার প্রথম অনুরাগকে দেওয়া হয়; যদি তা অপূর্ণ থাকে, তবে হৃদয় তার নিজের প্রমিথিউস হয়ে ওঠে, সৃজনশীল, আদর্শ, কিন্তু শকুন তাকে চিরকাল কুরে কুরে খায়।—যদি প্রতারিত হয়, তবে জীবনের সমস্ত কবিতা চলে যায়; কবিতার আসল সারমর্ম হলো বিশ্বাস, আর কীভাবে সে, যার মিষ্টি আগ্রহী বিশ্বাসযোগ্যতা একবার তিক্ত সত্যটি শিখেছে—যে তার নির্ভরতা বৃথা ছিল, কীভাবে সে আর কখনো বিশ্বাস করতে পারে?
* বাষ্পের বিশাল স্তূপ—প্রতিটিতে একটি করে ঝড়—একটি আকাশের ওপর দিয়ে ছুটে যাচ্ছিল, যেখানে ঝড় আর সকাল উভয়েরই রং ছড়ানো ছিল; কিছু বাষ্প ছিল কালির মতো কালো, অন্যগুলো রাজকীয় বেগুনির একটা স্ক্রোলের মতো ছড়িয়ে ছিল; কিছু ভেতর দিয়ে সংগ্রাম করা আলোয় ঢেউ খেলছিল, অন্যগুলো ছিল স্বচ্ছ সাদা; কিন্তু পূর্ব দিকেরগুলো ছিল গভীর লাল রঙের—আর গোল, লাল সূর্যটা সবেমাত্র একটা বিশাল পুরনো সিডার গাছের ওপরে উঠেছিল। সবকিছুর ওপর লাল রং ছুঁড়ে দেওয়া হয়েছিল; এমনকি লিলিগুলোও লজ্জায় লাল হয়েছিল, আর ছোট ঝরনার জল গলানো রুবির মতো লাগছিল...
* কিন্তু প্রেমিকদের কথাগুলো একটা আলাদা ভাষা; তাদের সুর হলো একটা পরীর গান যা সেই একটা ভুতুড়ে প্রহরের সাথে চলে যায়; একে পুনরাবৃত্তি করা মানে একে সাধারণ করে তোলা—ঠান্ডা, তবুও আমরা সবাই এটি মনে করতে পারি।
* [পলিন ফন লিনডর্ফকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করার পর মিন্নার কাছ থেকে]: হ্যাঁ, আমি অবশেষে তাকে মেরে ফেলেছি। তারা ভেবেছিল আমি তাকে চিনি না, কিন্তু আমি চিনতাম। সে আমার বাবার হৃদয় আমার কাছ থেকে কেড়ে নিয়েছিল, আর আমার স্বামীরটাও কেড়ে নিত; কিন্তু আমি অবশেষে তাকে মেরে ফেলেছি।
'''দ্য ক্রিটিসিজম অব শাতোব্রিয়াঁ (১৮৩৬-৩)''' ভলিউম ৪৮ পৃষ্ঠা ৬২
* আমাদের সবচেয়ে কাছের বন্ধুদের কাজগুলোর কথাই ধরুন, এবং আমরা কতটা কম জানি সেই আশাগুলো সম্পর্কে যা প্ররোচিত করেছিল, বা সেই ভয়গুলো সম্পর্কে যা প্রবল হয়েছিল ! আমরা কখনো কখনো নিজেদের একটি ভুল করার কথা স্বীকার করা এড়াতে পারি না, কিন্তু কীভাবে আমরা তা ঢেকে রাখি—কীভাবে আমরা মেজাজ এবং প্রলোভনকে হিসাবে নিই, যতক্ষণ না শেষ পর্যন্ত এটি এমন একটি অনিবার্য বিষয় বলে মনে হয় যা এর সৃষ্ট আক্ষেপ এবং এর দেওয়া শিক্ষা দ্বারা উদ্ধার করা হয়েছে। অন্যদের জন্য আমরা এমনভাবে যুক্তি দিই না—তখন আমরা বিচ্ছিন্ন ঘটনাটির দিকে তাকাই, কারণগুলোর দিকে নয়: ভুলটি অজুহাতকে বন্ধ করে দেয়। সত্যি কথা হলো, দর্শন এবং কবিতার সাহায্য ছাড়া আমরা একে অপরের সম্পর্কে কিছুই জানি না; দর্শন, যা আমাদের চিন্তাগুলো বিশ্লেষণ করে, আর কবিতা যা আমাদের অনুভূতিগুলো প্রকাশ করে।
* সময় হলো মহান সমতাকারী, তবে সে পবিত্রকারী এবং সৌন্দর্যবর্ধকও।
* যোগাযোগ নিজেই সভ্যতা; আমরা অন্যদের কুসংস্কারের সংস্পর্শে এসে কেবল আমাদের নিজেদের কুসংস্কারগুলোই মুছে ফেলি। আমাদের জন্য কতটা ছাড় দেওয়া দরকার তা দেখে আমরা অন্যদের ছাড় দিতে বাধ্য হই।
* এখন একটি জাতির চরিত্র তার সাহিত্যে থাকে।
* তিনি ছিলেন একজন উৎসাহী—কাজের জন্য উৎসাহ প্রয়োজন; হিসাবনিকাশ কখনো কাজ করে না—এটি একটি নিষ্ক্রিয় নীতি।
* কেন, কবিতার খুব উপাদানই হলো বিশ্বাস—সুন্দর, ঐশ্বরিক এবং সত্যের প্রতি বিশ্বাস।
* কেউ অস্বীকার করতে পারে না—কেউ অস্বীকার করার কথা ভাববেও না—সাহিত্য মানবজাতিকে যে বিশাল সুবিধা দিয়েছে; এবং এটি সর্বদা কত অকৃতজ্ঞতার সাথে গৃহীত হয়েছে!
* খ্যাতি কেবল একটি সুন্দর ধ্রুপদী বিভ্রম। কবির অনুপ্রেরণা ডেলফিকের ওরাকলের অনুপ্রেরণার মতো: যা একসময় ঐশ্বরিক বলে ধরা হতো তা এখন একটি অশুভ আত্মার প্ররোচনা বলে স্বীকার করা হয় যা সেই ভক্তদের উপহাস করে যাদের সে শিকারে পরিণত করেছিল। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে সেই সময় দ্রুত ঘনিয়ে আসছে যখন আর কোনো বই লেখা হবে না। যারা একসময় লেখক ছিলেন তারা বলবেন—“কেন আমরা এমন একটি বৃথা প্রশংসা পাওয়ার জন্য আমাদের পুরো অস্তিত্ব উৎসর্গ করব, যা শেষ পর্যন্ত কখনোই আমাদের কাছে এতটাও আসে না যে তা উপভোগ করা যায়? কেন আমরা এই সবচেয়ে অনুর্বর সাধনায় সেই পরিশ্রম এবং প্রতিভা উৎসর্গ করব, যা অন্য যেকোনো ক্ষেত্রে, সেই জাগতিক সাফল্যের নিশ্চয়তা দেবে, যা, যেহেতু আমরা পৃথিবীতে বাস করি, একমাত্র সাফল্য যা কাঙ্ক্ষিত হওয়া উচিত?” এমনকি কবিদেরও শেষ পর্যন্ত প্রজ্ঞা শিখতে হবে। প্রশংসার তিক্ততা এবং ফাঁপা হওয়াটা উপলব্ধি করা হবে; এবং তখন কে একটি বই লেখার ঝামেলায় যাবে? আমরা আবারও পুনরাবৃত্তি করছি, সেই সময় দ্রুত ঘনিয়ে আসছে যখন আর কোনো বই লেখা হবে না।
'''ফার্স্ট লাভ; অর, কনস্ট্যান্সি ইন দ্য নাইনটিন্থ সেঞ্চুরি (১৮৩৬-৩)''' ভলিউম ৪৮ পৃষ্ঠা ৩২৬
* এই দাবি যে “যা সবার কাজ তা আসলে কারো কাজ নয়,” তা যথেষ্ট সত্য; কিন্তু এই দাবি যে “যা কারো কাজ নয় তা আসলে সবার কাজ,” তা আরও বেশি সত্য। এখন, একটি প্রেমের সম্পর্ক, উদাহরণস্বরূপ, অন্য সবার চেয়ে, একটি আলাদা বিষয় একটি জাদুকরী স্বপ্ন, যেখানে “সাধারণ দুঃখ এবং যত্ন আসে না।” এটি একটি বৈবাহিক ঝগড়ার মতো। অন্যদের হস্তক্ষেপে কখনোই উপকৃত হওয়ার নয়: এটি একটি মিষ্টি এবং সূক্ষ্ম ভাষা, “যা স্পিকাররা ছাড়া আর কেউ বোঝে না;” এবং তবুও এই সূক্ষ্ম এবং নাজুক আত্মাটি বিশেষ করে জনসাধারণের কৌতূহলের বস্তু। এটি প্রায়শই অস্তিত্বের আগে ধরে নেওয়া হয়: এটি ধরে নেওয়া হয়, মন্তব্য করা হয়, চালিয়ে যাওয়া হয় এবং শেষ করা হয়, দলগুলোর নিজেদের সম্মতি ছাড়াই; যদিও একজন সাধারণ পর্যবেক্ষক মনে করতে পারেন যে এই বিষয়ে তাদেরই সবচেয়ে বেশি আগ্রহ রয়েছে।
* আমি স্বীকার করি যে আমি জীবনে এর চেয়ে বড় দুর্ভাগ্য দেখেছি যে বিশ বছরের একজন তরুণ এবং তরুণীকে বিয়ে করার আগে বারো মাস অপেক্ষা করতে হবে; কিন্তু প্রতিটি মানুষ নিজেরটাকেই সবচেয়ে খারাপ বলে মনে করে যা কখনো ঘটেছে...
* ... কিন্তু একজন মানুষের কেনাকাটার প্রতি এক স্বাভাবিক অনীহা থাকে, এবং এমনকি একটি লজ্জার আকর্ষণ, এবং বিশেষ করে সেই আকর্ষণীয় ধরণের একটি লজ্জা, আপনার নিজের কারণে একটি; এমনকি সেটাও ফিতা, রেশম এবং দরদামের ভয়ংকর বিন্যাসের মধ্যে হারিয়ে গিয়েছিল—
* এটা আশ্চর্যজনক যে আমাদের প্রশংসা অন্যদের প্রশংসা থেকে কতটা তার সুর নেয়; এবং যখন এর সাথে আমাদের নিজেদের প্রতি একটি সুস্পষ্ট প্রশংসা যুক্ত হয়, তখন আকর্ষণটি অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠে।
'''ফিমেল পোর্ট্রেট গ্যালারি - নম্বর ১ — ফ্লোরা ম্যাকইভর এবং রোজ ব্র্যাডওয়ার্ডিন। (১৮৩৭-১)''' ভলিউম ৫২ পৃষ্ঠা ৩৫
* স্যার ওয়াল্টার স্কট ছিলেন সাহিত্যের লুথার। তিনি সংস্কার করেছিলেন এবং তিনি পুনর্জন্ম দিয়েছিলেন। তিনি একটি নতুন স্কুল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন বলাটা পুরো সত্য বলা নয় ; কারণ একটি স্কুলের ধারণার মধ্যে সংকীর্ণ কিছু আছে, এবং তার প্রভাব সর্বজনীন ছিল। আসলে, সাহিত্যে স্কুল বলে কিছু নেই ; প্রতিটি মহান লেখক তার নিজস্ব আসল, এবং "তিনি ছাড়া আর কেউই তার সমান্তরাল হতে পারে না।" আমরা ড্রাইডেন এবং পোপের স্কুলের কথা শুনি, কিন্তু তাদের অনুকরণকারীরা কোথায় এবং কী ? পারনাসাস হলো মন্ট ব্লাঙ্কের ঠিক বিপরীত। সেখানে গাইডদের পদক্ষেপে নিবিড়ভাবে পা ফেলে শীর্ষে পৌঁছানো যায় ; কিন্তু প্রথমটিতে, উচ্চতায় পৌঁছাতে হয় কেবল আমাদের নিজস্ব পথ দিয়ে। স্কটের মতো একজন প্রতিভার প্রভাব সেই সতেজ এবং নতুন আত্মার দ্বারা দেখানো হয় যা তিনি সাহিত্যে ঢেলে দেন।
* আমি স্বীকার করি যে লক ক্যাটরিনে একটি স্টিম-বোটের কথা শুনে আমার ছবির মতো কল্পনাগুলো প্রথমে ধাক্কা খেয়েছিল ; কিন্তু আমি ভুল ছিলাম। ইংল্যান্ড এবং স্কটল্যান্ডের মধ্যে বর্ধিত যোগাযোগের এর চেয়ে আর কোনো চূড়ান্ত প্রমাণ হতে পারে না — আর যোগাযোগই হলো সব ধরনের উন্নতির রাজপথ।
* কিন্তু গ্রামে বাস করা মানুষেরা, শহরের বাসিন্দাদের তাড়া করে বেড়ানো সবুজ মাঠের আকাঙ্ক্ষা সম্পর্কে খুব কমই বোঝে, এবং তাই তাদের খুব কম সহানুভূতি থাকে। সেই অন্ধকারাচ্ছন্ন রাস্তার প্রায় প্রতিটি বাসিন্দার গোপন স্বপ্ন, যেখানে একটি সতেজ চিন্তাও প্রবেশ করতে পারে বলে মনে হয় না, তা হলো একটি স্বাধীনতা অর্জন করা, এবং গ্রামে গিয়ে বাস করা। গ্রামে ছাড়া প্রতিটি ছুটি আর কোথায় কাটানো হয় ! ধোঁয়াটে জেরানিয়ামগুলো, অনেক সরু রাস্তা এবং কানা গলিতে এত যত্ন সহকারে লালনপালন করা হয়, সেগুলো গ্রামের প্রতি সহজাত ভালোবাসা ছাড়া আর কী প্রমাণ করে ! প্রস্ফুটিত এবং আশ্রয় নেওয়া ভিলাগুলো, যা ইংরেজি ল্যান্ডস্কেপের একটি জাতীয় বৈশিষ্ট্য, সেগুলো কাদের, শুধু সেই পুরুষদের ছাড়া যারা তাদের জীবনের বেশিরভাগ সময় ছোট আবছা কাউন্টিং-হাউসগুলোতে কাটায় ! প্রকৃতির প্রতি এই ভালোবাসা ঐশ্বরিকভাবে দেওয়া হয়েছে যাতে সবচেয়ে পরিশ্রমী এবং বিশ্ব-ক্লান্ত অস্তিত্বের মধ্যেও, কল্পনাপ্রবণ এবং আলাদা কিছু বাঁচিয়ে রাখা যায়। এটি একটি ইতিবাচক ভালো গুণ ; এবং একটি ভালো গুণ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে আরেকটি তৈরি করার প্রবণতা রাখে।
* অল্প বয়সে অনাথ হয়ে পৃথিবীতে ছুঁড়ে দেওয়া ভাই-বোনের ভালোবাসার চেয়ে শক্তিশালী, আরও বেশি নিঃস্বার্থ আর কোনো টান নেই, একে অপরকে ছাড়া তাদের ভালোবাসার আর কেউ নেই। তারা অনুভব করে যে তারা কতটা একা দাঁড়িয়ে আছে, আর এটাই তাদের আরও কাছাকাছি নিয়ে আসে। ধ্রুবক মেলামেশা সেই নিখুঁত বোঝাপড়া দিয়েছে যা কেবল পরিচিতিই করতে পারে ; আশা, আগ্রহ, দুঃখ, সবই সমানভাবে সাধারণ। প্রত্যেকেই অপরের জন্য গর্বের উৎস ; এটি ভীতিহীন ভালোবাসার কোমলতা, এবং এর গুরুতর এবং আরও উদ্বিগ্ন চরিত্রহীন বিবাহের আত্মবিশ্বাস। যৌবনের সতেজ আবেগগুলো সবই হৃদয়ের চারপাশে উষ্ণ।
* এটি একটি ভয়ংকর দায়িত্ব, প্রভাবের প্রয়োগ : আমাদের নিজস্ব আচরণ তার নিজস্ব পরিণতি নিয়ে আসুক — আমরা হয়তো সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে পারি; কিন্তু তা নয় যখন আমরা অন্য কাউকে কোনো নির্দিষ্ট কাজের পথে চলতে চালিত করেছি : যদি তারা কষ্ট পায়, তবে সেই কষ্ট আমাদের নিজেদের ওপর কত দশগুণ বেশি নেমে আসে !
'''ফিমেল পোর্ট্রেট গ্যালারি - নম্বর ২ — কনস্ট্যান্স। (১৮৩৭-১)''' ভলিউম ৫২ পৃষ্ঠা ১৮৩
* বছর পেরিয়ে যাওয়ার পর, কোনো প্রিয় লেখকের পাতায় ফিরে যাওয়াটা এক অদ্ভুত ব্যাপার। আমাদের নিজেদের মধ্যে যে পরিবর্তন ঘটেছে, তা অন্য কিছুর চেয়ে এটি আমাদের আরও জোরালোভাবে দেখায়। বইটি একটি মানসিক আয়না — মন তার নিজস্ব মুখ থেকে চমকে ওঠে, এত সতেজতা, আর এত আগুন চলে গেছে। যৌবনের রং আর আলো একসাথে চলে গেছে। মানুষের বিচার খুব কমই বালকের বিচারকে নিশ্চিত করে। যা একসময় মিষ্টি ছিল তা এখন বিস্বাদ হয়ে গেছে, আর একসময়কার চমৎকার উপমাটি এখন কেবল একটি চতুর ধারণা ছাড়া আর কিছুই মনে হয় না। যে অনুভূতিটিকে হৃদয় একসময় প্রশংসা করতে স্পন্দিত হয়েছিল, তার এখন ভেতরে কোনো সাড়াদায়ী মূল সুর নেই, আর বাস্তব প্রতিনিয়ত কল্পনার বিরুদ্ধে লড়ছে। এটি কবির জন্য একটি বিশাল বিজয় যখন আমরা খণ্ডে ফিরে আসি, এবং দেখতে পাই যে আমাদের প্রথম দিকের বিশ্বাসই, সর্বোপরি, সত্য ধর্ম ছিল।
* বারো মাসের জন্য আপনার মাথার ওপর আপনার ঘর পুড়ে না যাওয়াটা এক অস্বাভাবিক পারিবারিক শান্তির মতো মনে হয়।
* বায়রন সেই অসন্তোষের তিক্ত আত্মাকে আদর্শায়িত এবং প্রকাশ করেছিলেন যা বর্তমান মুহূর্তে আরও বস্তুগত এবং বাস্তব রূপ নিয়েছে। তিনি নভেম্বরের অবতার। স্মরণাতীত কাল থেকে অভিযোগ করা একজন ইংরেজের অধিকার, আর বায়রন সর্বজনীন অনুভূতিকে ছবির মতো ভাষা দিয়েছিলেন।
* এটি মানবতার সবচেয়ে অদ্ভুত সমস্যা — এমন একটি সমস্যা, যার জন্য সবচেয়ে কাছাকাছি তদন্তও কখনোই পুরোপুরি কারণ দর্শাতে পারে না — নির্দোষতা কীভাবে অপরাধে পরিণত হয় তার অগ্রগতি খুঁজে বের করা, এবং যারা আগে অপরাধের কথা ভাবতে কাঁপত, কীভাবে তারা তা করতে পরিচালিত হয় যা দেখে তারা একসময় শিহরিত হতো।
* এটি মানব স্বভাবে উদারতার অভাবের একটি নিষ্ঠুর প্রমাণ যে, একটি বড্ড বেশি আত্মত্যাগী স্নেহ সবসময় একটি মন্দ প্রতিদানের সাথে দেখা করে।
* কিন্তু ঈর্ষার আবেগ ভালোবাসার আবেগ ছাড়া থাকতে পারে না, এবং এটি তার পিতামাতার মতো, সৃজনশীল, আবেগপ্রবণ, এবং বিশ্বাসপ্রবণ।
* আমাদের স্বভাবের সবচেয়ে মিষ্টি এবং সেরা গুণগুলো পরিস্থিতি এবং প্রলোভনের শক্তিশালী শক্তি দ্বারা মন্দের দিকে মোড় নিতে পারে।
'''ফিমেল পোর্ট্রেট গ্যালারি - নম্বর ৩ — অ্যালিস লি। (১৮৩৭-১)''' ভলিউম ৫২ পৃষ্ঠা ৪৮০
* যাইহোক, চিরস্থায়ী স্থানান্তরের এই মতবাদটি পূর্ববর্তী চুক্তিগুলো পূরণ না করার জন্য চাপ দেওয়ার একটি অদ্ভুত আবেদন হবে ; সাত বছর আমি বিশ্বাস করি পুরো পরিবর্তনের জন্য বরাদ্দ করা সময়। এখন, ঋণে জর্জরিত একজন মানুষ কি সময়ের অবসানে ওয়েস্টমিনস্টারের আদালতে আবেদন করতে পারে না, যে সে সেই ব্যক্তি নয় যে আসলে সেই ঋণগুলো চুক্তিবদ্ধ করেছিল ? অথবা একজন অবিশ্বস্ত দম্পতি কি বিবাহবিচ্ছেদের জন্য মামলা করতে পারে না, এই যুক্তিতে যে তাদের কেউই সেই ব্যক্তি নয় যারা মূলত বিয়ে করেছিল ?
* বেশিরভাগ কল্পকাহিনীর ইতিহাস কল্পকাহিনীর চেয়েও অনেক বেশি অদ্ভুত হবে ; তবে এটি একটি অন্ধকার এবং দুঃখজনক ইতিহাস হবে।
* সাহিত্য শীঘ্রই একটি ক্ষমতায় পরিণত হয়, এটি একসময় যা ছিল তা নয়, একটি আবেগ; কিন্তু সাহিত্যের সাফল্য, অন্যদের মতো, কেবল শ্রমের মাধ্যমেই পাওয়া এবং ধরে রাখা যায় — আর শ্রম এবং ঝোঁক সবসময় একসাথে চলে না। আমাদের সমস্ত সবচেয়ে বিশিষ্ট লেখকদের ধরুন, এবং তাদের কাজ, কঠোর পরিশ্রমের পরিমাণ, প্রচুর এবং অবিরাম পাওয়া যাবে। সাহিত্য, একটি পেশা হিসেবে, খুব কম অবসর দেয়, এবং আরও কম প্রশ্রয় দেয়।
'''কবিতা'''
* পালা করে নারী আর রানি,<br>আর প্রত্যেকে এমন যেন অন্যজন কখনো ছিলই না।
* এই প্রহরে তোমার জীবন কোথায় থাকত,<br>যদি আমার ভালোবাসার চেয়ে আমার ক্ষমতা বেশি না হতো ? —<br>যাও, যদি তুমি ভয় পাও, — ভালোবাসা কখনোই পারে না,<br>অবিশ্বাসের এক বিন্দু ছায়া নিয়েও কখনো বাঁচতে পারে না।
** (১৮২৫-২) ''অ্যান্টনি অ্যান্ড ক্লিওপেট্রা। অ্যান অ্যানিকডোট ফ্রম প্লুটার্ক''
* তার মুখটা কান্নার জন্য বড্ড বেশি উজ্জ্বল ছিল, সে দিয়েছিল<br>বাতাসকে দীর্ঘশ্বাস, আর ঢেউকে কান্না,<br>আর ভবিষ্যতের জন্য একটা শিক্ষা রেখে গিয়েছিল,<br>যা চারণকবিদের ছন্দে খুব কমই বলা হয়েছে,<br>একটা শিক্ষা যে কীভাবে অবিশ্বস্ততার<br>প্রতিদান একই রকম অবিশ্বস্ততা দিয়ে দেওয়া উচিত।
** (১৮২৫-২) ''আইডিয়াল লাইকনেসেস। আরিয়াডনে''
* তার হৃদয় আর ঠোঁট ছিল সুর, যদিও একজন<br>যে তার নিজের মিষ্টি সত্তার কাজে অবাক হয়েছিল;<br>যে ভালোবাসার জন্য নিশ্বাস নিত, আর এটা দেখে কষ্ট পেত যে খ্যাতি<br>তার বীণার নরম ডাকের উত্তরে এসেছিল;<br>দেখো, বিষণ্ণতায় চোখ নিচু হয়ে আসে, যেন এড়াতে চায়<br>গৌরবের সেই সূর্যকে, যার দিকে সে তাকাতে সাহস পায়নি।
** (১৮২৫-২) ''আইডিয়াল লাইকনেসেস। এরিন্না''
* আমি দুটো মিলিত বছরের মাঝখানে দাঁড়িয়ে ছিলাম,<br>আসা আর যাওয়া,<br>আর আমি ভবিষ্যতের বছরটাকে জিজ্ঞাসা করলাম,<br>তুমি কি শেষেরটার মতোই হবে?
** (১৮২৬-১) ''স্ট্যানজাস অন দ্য নিউ ইয়ার''
* ওহ না, আমার হৃদয় আর কখনো হতে পারবে না<br>আবার আলোকিত আশায় আগের মতো —<br>তোমার জন্য যে ভালোবাসা সেখানে টিকে আছে<br>তাতে শিখার চেয়ে ছাই-ই বেশি।
** (১৮২৬-২) ''সি-ডেভান্ত''
* আর যখন বেপরোয়া ভিড়ের মাঝে<br>আমি একটা মিষ্টি শিল্পের কথা বলি,<br>আমি কত সহজেই সেই গানের নাম নিতে পারি,<br>যা এখনো আমার হৃদয়কে নিংড়ে নিয়েছে !<br>সেই বীণা আর হৃদয়ের এমন কিছু কর্ড আছে<br>যা কথায় বলা যায় না —
** (১৮২৬-২) ''দ্য উইশ''
* আশা একটা লাজুক জিনিস,<br>ভীতু, আর দুর্বল, আর কষ্টে জন্ম নেওয়া;<br>অন্তত, এমন আশা যা মানব জীবন আনতে পারে।
** (১৮৩৪-১, পৃষ্ঠা ৩০৩) ''দ্য ফিউচার''। [[ইথেল চার্চিল (অর দ্য টু ব্রাইডস)]] প্রথম খণ্ড, অধ্যায় ৩১-এ পুনরায় ব্যবহৃত
* যদি ধ্বংস হওয়া আশা আর নষ্ট হওয়া নাম,<br>আর ভালোবাসার দেওয়া লজ্জার সব বিষ —<br>হিংস্র মৃত্যু, আর জনতার চোখ,<br>এর যন্ত্রণার দিকে তাকানোর জন্য ;<br>যদি পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়ংকর পাপের জন্য একটা ক্ষমা<br>জেতার জন্য এগুলো যথেষ্ট না হয়,<br>কথা পারবে না, পারে না! — কখনো সাহস কোরো না<br>আমাকে বলতে যে এটা প্রার্থনার মাধ্যমে জেতা যায় !<br>কাপুরুষ প্রার্থনা, কাপুরুষের কান্না,<br>অনুশোচনা থেকে নয়, বরং ভয় থেকে নিংড়ে নেওয়া!
* তার ঘাড়ের চারপাশে একটা ফিতা ঝোলানো ছিল,<br>তার হৃদয়ের কাছে একটা ছবি ঝোলানো ছিল :<br>আমি মুখটা দেখেছিলাম — এটা আমার ছিল না ;<br>আমি একটা ছোট ছোরাও জ্বলজ্বল করতে দেখেছিলাম,<br>একটা অদ্ভুত খেলনা — বাকিটা তো তুমি জানোই।
** (১৮৩১-২) ''দ্য কনভিক্ট''
* আহ, মিষ্টি বর্তমান ! — এটা কি যথেষ্ট হওয়া উচিত নয় ?<br>মানবতার কাছে নয়, যা বৃথাই চেষ্টা করে<br>সেই পর্দা তুলতে যা হয়তো কখনোই উঠবে না !
* অতীতেরও বেশি বর্তমান হলো ভবিষ্যৎ :<br>পেছনে এক দৃষ্টির জন্য, আমরা সামনে হাজারটা ফেলি ;<br>আর আশা সবসময় স্মৃতিকে ছাড়িয়ে যায়।
** (১৮৩৪-১) (ভলিউম ৪০) ''দ্য ফিউচার'', [[ইথেল চার্চিল (অর দ্য টু ব্রাইডস)]] ১, ৩১-এর সাথে তুলনা করুন
* পূর্বে দিন লাল হচ্ছিল,<br>যখন যোদ্ধারা পার হচ্ছিল ;<br>পশ্চিমে রাত ম্লান হচ্ছিল,<br>যখন তারা তাদের শেষ দৃষ্টি ফেলল ;<br>যখন তারা তার ওপর তাদের শেষ দৃষ্টি ফেলল —<br>সে, তাদের কমরেড — তাদের সেনাপতি —<br>সে, পৃথিবীর আরাধনার পাত্র —<br>সে, দেবতুল্য আলেকজান্ডার !<br>কে তার তলোয়ার চালাতে পারবে ?<br>তারা যখন যাচ্ছিল তাদের চোখ ঝাপসা ছিল,<br>রুপালি-ঢালওয়ালা যোদ্ধারা,<br>পৃথিবীর যোদ্ধারা !
** (১৮৩৫-৩) (ভলিউম ৪৫) ''ডেথবেড অব আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট''
* অভিজ্ঞতার রূঢ় শিক্ষা আছে, আর আমরা হই<br>আমাদের যা শেখানো হয়েছে তার মতো, বড্ড দেরিতে জানার জন্য,<br>আর তবুও আমরা এমন হওয়ার জন্য নিজেদেরই ঘৃণা করি।
** (১৮৩৬-১) (ভলিউম ৪৬) ''এক্সপেরিয়েন্স''
* যেমন শিশির ফুলের ওপর দিয়ে চুরি করে আসে,<br>তেমনি তোমার হাসি আমার ওপর চুরি করে এসেছিল ;<br>আমি বলতে পারব না সেই দিন বা সেই প্রহর<br>কবে আমি প্রথম তোমাকে ভালোবেসেছিলাম !
** (১৮৩৬-২) (ভলিউম ৪৭) ''সংস-৪''
* একটা শব্দ — একটা নাম —<br>আমার সামনে অতীতকে জাগিয়ে তোলে, যতক্ষণ না এটা হয়ে ওঠে<br>বর্তমানের চেয়েও বেশি বাস্তব : সেটা — আমি দেখি<br>কিন্তু দৈনন্দিন জীবনের সাধারণ চোখ দিয়ে,<br>অসম্পূর্ণ আর অধৈর্য ; কিন্তু অতীত<br>কল্পনার বাইরে কাজ করে তার সত্য,<br>আর কবিতার সাথে স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
** (১৮৩৬-২) (ভলিউম ৪৭) ''সাবজেক্টস ফর পিকচার্স''
* পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর সব জিনিস,<br>শিল্পের সৃষ্টিগুলোর জন্ম হয় —<br>এখনো ভালোবাসা আর মৃত্যু থেকে।
** (১৮৩৬-২) (ভলিউম ৪৭) সাবজেক্টস ফর পিকচার্স। ২. ''দ্য ব্যাঙ্কেট অব অ্যাসপাসিয়া অ্যান্ড পেরিক্লেস''
* এটা একটা বুনো বনে লুকানো ছিল<br>লার্চ আর পাইন গাছের ;<br>এটা তার শৈশবের জন্য ছিল<br>নিঃসঙ্গতা আর মন্দির, —<br>সেখানেই সে স্বপ্ন দেখে সময় কাটাত।
** (১৮৩৬-২) (ভলিউম ৪৭) সাবজেক্টস ফর পিকচার্স। ৩. ''রিয়েঞ্জি শোয়িং নিনা দ্য টোম্ব অব হিজ ব্রাদার''
* একটা মার্বেল মূর্তির মতো রাখা, <br>জলের বিশালতার দিকে তাকিয়ে আছে,<br>তার সাদা স্থির দৃষ্টি নিয়ে ;<br>সেখানে দেবী বসে আছেন, তার চোখ<br>নির্দয় আকাশের দিকে তোলা ;
* সে শুধু তাদের সবার প্রতীক,<br>মরণশীল বা স্বর্গীয়,<br>যারা হৃদয়কে অনুমতি দেয়,<br>তার আবেগ আর তার ক্ষমতায়,<br>কোনো অন্ধকার আর নিয়তিপূর্ণ প্রহরে,<br>তার অংশ জাহির করার জন্য।
** (১৮৩৬-৩) (ভলিউম ৪৮) সাবজেক্টস ফর পিকচার্স। সেকেন্ড সিরিজ। ১. ''ক্যালিপ্সো ওয়াচিং দ্য ওশান''
* সে খুব ভালো করেই জানে তার পথ দ্রুত ছুটে গেছে<br>সুস্বাদু পাপের ভেতর দিয়ে,<br>কোলাহলের সাথে বয়ে গেছে।<br>ওপরের তারারা কখনো<br>এমন চূড়ান্ত ভালোবাসার কথা লেখেনি।
* তার থেকে একটা মিষ্টি ফিসফিসানি এল ;<br>আর সে তার নিশ্বাস ধরতে পান করল, —<br>মদ আর দীর্ঘশ্বাস দুটোই মৃত্যু !
** (১৮৩৬-৩) (ভলিউম ৪৮) সাবজেক্টস ফর পিকচার্স। সেকেন্ড সিরিজ। ২. ''আ সাপার অব মাদাম ডি ব্রিনভিয়ার্স''
* একসময় ডালিমের কুঁড়ি<br>তার গালের উষ্ণ রঙের পাশে ফ্যাকাশে হয়ে যেত,<br>এখন এটা সেই শেষ বিষণ্ণ গ্রহের মতো<br>সকালের আকাশে ম্লান হয়ে যাচ্ছে —<br>সে কেঁদে কেঁদে এর লাল রং ধুয়ে ফেলেছে।
** (১৮৩৬-৩) (ভলিউম ৪৮) সাবজেক্টস ফর পিকচার্স। সেকেন্ড সিরিজ। ৩. ''দ্য মুরিশ মেইডেনস ভিজিল''
* একটা পাহাড়ের ওপর একা, পাইন গাছগুলো তার চারপাশে কাঁদছে,<br>একটা পাহাড়ের ওপর একা গ্রিক যুবক শুয়ে আছে ;<br>ঘুম, জাদুকরী ঘুম, অনেক বছর ধরে তাকে বেঁধে রেখেছে,<br>তবুও তার সৌন্দর্য, একটা মূর্তির মতো ফ্যাকাশে আর সুন্দর, ক্ষয়ে যায়নি。<br>সে কবে জাগবে ?
* যখন সব জাগতিক চিন্তা পুরোপুরি ত্যাগ করা হয়,<br>আসে তারায় ভরা মধ্যরাত, জীবনের খুব কম সংখ্যক প্রতিভাবানরাই তা অনুভব করে;<br>তখন আত্মা তার জাগতিক ঘুম থেকে জাগবে<br>একটা আরও তীব্র, আরও আধ্যাত্মিক আর সত্য সত্তায়。<br>এভাবেই আত্মা জাগে,<br>রাতের সুন্দর রানির জন্য সেই যুবকের মতো !
** (১৮৩৭-১) (ভলিউম ৪৯) সাবজেক্টস ফর পিকচার্স। থার্ড সিরিজ। ১. ''দ্য অ্যাওয়াকেনিং অব এন্ডিমিয়ন''
* তারা তার নাম নিল — আহ ! তবুও<br>আমি কি সেই নামে চমকে উঠি ;
** (১৮৩৭ ১) (ভলিউম ৪৯) ''আ নেম''
* বিদায়, আর যখন আগামীকালকে<br>আজকের মতোই ছোট মনে হবে,<br>আর আমরা দেখব জীবনের গভীরতম দুঃখ<br>ধীরে ধীরে গলে যাচ্ছে ;<br>তবুও আমাকে পুরোপুরি ভুলে যেয়ো না।
** (১৮৩৭ ১) (ভলিউম ৪৯) ''সংস - ১''
* একটা দিন একটা নিয়তি হতে পারে ; কারণ জীবন<br>খুব অল্পতেই বাঁচে— কিন্তু সেই অল্পতেই ভরে থাকে<br>এমন কোনো সুযোগ দিয়ে, যা সব সময়ের ভারসাম্য
** (১৮৩৭ ১) (ভলিউম ৪৯) ''থ্রি এক্সট্রাক্টস ফ্রম দ্য ডায়রি অব আ উইক।''
* আমরা হতে পারতাম !— এগুলো শুধু সাধারণ কথা,<br>আর তবুও এগুলোই জীবনের আক্ষেপের সারসংক্ষেপ;
* পূর্ণ হৃদয়ের কতটা<br>একটা সিল করা বই হতে হবে যার ভেতরের জিনিস দেখে আমরা কাঁপি ?
** (১৮৩৭ ১) (ভলিউম ৪৯) ''উই মাইট হ্যাভ বিন''
* আমরা এর উপস্থিতির কথা জানি না, যদিও এর ক্ষমতা<br>প্রতিটি প্রহরের ধীর গতির ওপর থাকে,<br>কখনো একটা সাম্রাজ্য ছুঁড়ে ফেলে, কখনো একটা ফুল।
** (১৮৩৭ ১) (ভলিউম ৪৯) ''নেসেসিটি''
* স্বপ্ন দেখা আর তৈরি করা আমার নিয়তি ছিল,<br>একা, জীবনের বেশি ব্যস্ত চক্রান্তগুলো থেকে দূরে ;<br>আমি এটা ভেবে ভয় পাই যে আমি হয়তো বড্ড দেরিতে দেখতে পাব<br>পরিশ্রমটা বৃথা ছিল, আর স্বপ্ন দেখাটা অর্থহীন ছিল।
** (১৮৩৭ ১) (ভলিউম ৪৯) ''মেমরি''
* চাঁদের আলো পড়া জলের পাশে একা<br>বিজয়ী দাঁড়িয়ে আছে,<br>তবুও তার বিশাল বাহিনীর<br>হত্যাকাণ্ডে সে লাল হয়নি。<br>তবুও তার লরেলে একটা পাতার অভাব আছে。<br>সেখানে সে দাঁড়িয়ে আছে, বিষণ্ণ, নীরব, একা ;<br>কারণ তার আশা বৃথা :<br>সে শুধু ফিরে আসার জন্যই<br>সেই নদীতে পৌঁছেছে।
* জীবন তো কেবল আত্মার কারাগার,<br>যেখানে তার ডানাগুলো গোটানো থাকে,<br>বৃথাই তাদের উড়ানের দিকে প্রসারিত হয়, —<br>সেই অনন্ত বাড়ির সন্ধানে<br>যা আগামী এক পৃথিবীতে আছে।
** (১৮৩৭ ২) (ভলিউম ৫০) সাবজেক্টস ফর পিকচার্স। ''আলেকজান্ডার অন দ্য ব্যাংকস অব দ্য হাইফাসিস''
* রোদেলা ঘাসের ওপর ডায়ালটা দাঁড়িয়ে ছিল,<br>যার মাপা সময় আমাদের সাথে অদ্ভুত বৈসাদৃশ্য তৈরি করেছিল :<br>আহ ! এটা কি জীবনের পরের পরীক্ষার কোনো অশুভ সংকেত ছিল,<br>যে এমনকি তখনও প্রহরগুলো ছায়ায় বলা হয়েছিল,<br>পুরোনো, পুরোনো দিনে,<br>সেই প্রিয় পুরোনো দিনে ?
** (১৮৩৭ ৩) (ভলিউম ৫১) ''দ্য ওল্ড টাইমস''
* আমরা বদলাই, আর অন্যরাও বদলায়, যখন স্মৃতি<br>খুশিমনে তা নতুন করতে চায় যা সে শুধু মনে করতে পারে :<br>অন্ধকার হলো জীবনের স্বপ্নগুলো, আর ক্লান্ত এর স্নেহ,<br>আর ঠান্ডা এর আশাগুলো, — আর তবুও আমি সেগুলো সব অনুভব করেছি,<br>অনেক দিন আগে।
** (১৮৩৮ ১) (ভলিউম ৫২) ''আ লং হোয়াইল অ্যাগো''
* ভদ্রমহিলা সারাক্ষণ বসে কাঁদেন —<br>রাত-দিন কাঁদেন —<br>একটা চিরস্থায়ী পাহারা দেন,<br>যতক্ষণ না জীবন চলে যায়,<br>আর তিনি সেই সাতজনের সাথে যোগ দেন যারা ঘুমিয়ে আছে।
* দুঃখের কঠোর আর নীরব ক্ষমতা আছে,<br>আর তার বাড়ি গর্বিত ;<br>আজকের ঠান্ডা পাহারায় থাকা প্রহরগুলোর কাছে নয়<br>হতাশাকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে ;<br>কিন্তু, অহংকারী ভয় দিয়ে বন্ধ করে রাখা,<br>গর্ব দিনের আলোর সাথে সাথে অদৃশ্য হয়ে যায়,<br>সেই সুন্দর জেগ্রি ভদ্রমহিলার কাছ থেকে —<br>যে ভদ্রমহিলা সেখানে কাঁদছেন।
** (১৮৩৮ ২) (ভলিউম ৫৩) সাবজেক্টস ফর পিকচার্স - ''দ্য জেগ্রি লেডিস ভিজিল''
* একা — তীরে একা —<br>যেখানে বিশাল জলরাশি গর্জন করে,<br>ইশ যদি সে সেগুলো পার হতে পারত!<br> কুমারী কি সেখানে দাঁড়িয়ে থাকে।
* একটা মানবিক চিন্তার মতো যা খুঁজছে<br>ভবিষ্যতের একটা প্রহর।
** (১৮৩৮ ২) (ভলিউম ৫৩) সাবজেক্টস ফর পিকচার্স - ''আরিয়াডনে ওয়াচিং দ্য সি আফটার দ্য ডিপার্চার অব থিসিয়াস''
* হ্যাঁ; কারণ, যখন স্মৃতি ক্লান্তভাবে নিয়ে আসছে<br>তার সম্পদগুলো সেই গভীরতা থেকে যেখানে তারা পড়ে ছিল,<br>একটা ভঙ্গুর হাত — কতটা পাতলা — কতটা দুর্বল — বিষণ্ণভাবে আঁকছে<br>আকৃতি আর কল্পনাগুলো সেই সেলের সাদা দেয়াল বরাবর。<br>ঠোঁটের ওপর একটা বিড়বিড়ানি আছে —<br>এটা রাজহাঁসের শেষ গান।
** (১৮৩৮ ২) (ভলিউম ৫৩) সাবজেক্টস ফর পিকচার্স - ''দ্য ডেথ অব ক্যামোয়েন্স''
===অন্যান্য উপহারের বই===
'''দ্য ফরগেট-মি-নট, ১৮২৪ - দ্য ইন্ডিয়ান অরফান'''
* কেউই উদাসীনতার সাথে বিদায় জানাতে পারে না।
* সমুদ্রযাত্রাটি ছোট মনে হয়েছিল, কারণ আমার অপেক্ষা করার মতো কিছুই ছিল না।
* আমাদের প্রথম ছাপের মধ্যে সত্য এবং নিশ্চয়তা আছে। প্রথম ছাপ হলো প্রাকৃতিক পথপ্রদর্শক, আর প্রকৃতি হলো একজন সত্যিকারের পথপ্রদর্শক।
* এটি হয়তো কাল্পনিক মনে হতে পারে, কিন্তু আমার কাছে ভায়োলেট হলো নারীর ভালোবাসার আসল প্রতীক; এটি গোপনে ফুটে ওঠে; এমনকি তোলার পরও এটি তার সুবাস লুকিয়ে রাখে; এর হালকা কাণ্ডে এর গভীর নীল পাতাগুলো কতটা লাজুকভাবে বাঁকে! মিলটা হয়তো আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায় — নারীর ভালোবাসা শুধু এর পবিত্রতার মধ্যেই সুন্দর; আবেগের উষ্ণ নিশ্বাস একবার একে কলুষিত করলে, এর সৌন্দর্য চলে যায় — এভাবেই গ্রীষ্ম যত এগোয়, ভায়োলেট তার সুবাস হারায়; জুন আসে, কিন্তু এর সুবাস উড়ে যায় — হৃদয়েরও তার জুন আছে; ফুলটা হয়তো থেকে যেতে পারে, কিন্তু এর সুবাস চিরকালের জন্য চলে যায়।
* পরমানন্দের স্বপ্নের মতো হালকা রঙের, বিদায়ী ঝড়ের ওপর একটা অর্ধেক তৈরি রংধনু ঝুলে ছিল, যেন এখনো শান্তির প্রতিশ্রুতি দিতে ভয় পাচ্ছিল।
* এটি অদ্ভুত, তবে সত্য, যে আমাদের জীবনের সবচেয়ে সুখী অংশটি বিস্তারিত বর্ণনায় সবচেয়ে ছোট। আমরা সেই ঝড়ের কথা মনে রাখি যা ধ্বংস করেছিল, সেই বন্যার কথা যা ভাসিয়ে নিয়েছিল — কিন্তু গ্রীষ্ম এবং রোদে কাটানো অসংখ্য দিনগুলোর কথা আমরা নীরবে পার করে যাই।
* তারা বলে নারীরা পুরুষদের চেয়ে বেশি বিশ্বস্ত : এটি হলো পরিস্থিতির বিশ্বস্ততা ; পুরুষদের যে উদ্যোগ এবং পরিশ্রমের প্রয়োজন হয় তা ক্রমাগত তাদের নিজেদের থেকে বাইরে বের করে আনে, এবং যা প্রথমে প্রয়োজনীয়তা ছিল তা শীঘ্রই অভ্যাসে পরিণত হয় — অন্যদিকে একজন নারী যে প্রতিনিয়ত কাজের চক্রে নিযুক্ত থাকে তার মন বা শরীরের কোনো ক্লান্তির প্রয়োজন হয় না; সুই, সাধারণত বলতে গেলে, তার পেশা এবং বিনোদন দুটোই, আর এই ধরনের কাজ ধারণাগুলোকে পুরোপুরি খেলার সুযোগ দেয় ; তাই কল্পনাকে একটি বিষয়ে মনোযোগ দেওয়ার স্বাধীনতা দেওয়া হয়, এবং তাই অভ্যাস, যা একদিক থেকে একটি সুবিধা, তার কাছে একটি অতিরিক্ত রিভেটে পরিণত হয়।
* তখন একটি চিঠি, বাড়ি এবং স্নেহের নিশ্বাস নেওয়া, একটি সম্পদ ; এটি মৃতদের কাছ থেকে আসা একটি স্মারকচিহ্নের মতো, কারণ অনুপস্থিতি মৃত্যু ছাড়া আর কিছুই নয়, শুধু এর পুনরুত্থান এই জীবনেই হয়।
'''দ্য ফরগেট-মি-নট, ১৮৩৩ - জিউলিয়েটা'''
* কিন্তু যৌবন হলো একটা বয়ে চলা স্রোতের মতো, যার স্রোতে ছায়া হয়তো বিশ্রাম নিতে পারে কিন্তু থাকতে পারে না।
'''দ্য কিপসেক, ১৮৩৩ - ওয়ান পিপ ওয়াজ এনাফ; অর দ্য পোস্ট-অফিস'''
* ... কী তাকে ডালটনে আনতে পারে। সেখানে সূর্যের নিচের প্রতিটি রোগ সারানোর নিশ্চয়তা দেওয়া কোনো খনিজ-ঝরনা ছিল না; আশপাশে এমন কোনো ধ্বংসাবশেষ ছিল না যা বিশেষভাবে প্রত্নতাত্ত্বিক এবং পিকনিক পার্টিদের জন্য রেখে দেওয়া হয়েছে; এমন কোনো সুন্দর দৃশ্য ছিল না, যা, সুরের মতো, মানুষের প্রশংসা করাকে বিবেকের বিষয় বানিয়ে তোলে; কোনো বিখ্যাত ব্যক্তি কখনো এর আশেপাশে জন্মায়নি বা মারা যায়নি; কোনো ঘোড়দৌড় ছিল না, কোনো আদালত ছিল না—সংক্ষেপে, সেখানে "কিছুই ছিল না।"
'''দ্য কিপসেক, ১৮৩৪ - দ্য হেড'''
** পর্ব ১
* সময় ততটাই হালকাভাবে পেরিয়ে গেল যতটা সে সবসময় ফুল, ব্রাসেলসের কার্পেট, মার্বেলের ছাদ, সবুজ ঘাস, বা যেকোনো উপমা যা কোনো বাধাহীন পথকে সবচেয়ে ভালোভাবে প্রকাশ করতে পারে তার ওপর দিয়ে হেঁটে যায়।
* প্রকৃতিতে আপনার সত্যিকারের স্বামীর জেদের মতো এত অবাস্তব আর কিছুই নেই; এটি হলো অনতিক্রম্য বাধা—সেই আল্পস পর্বত যা কোনো নারীসুলভ ভিনেগার গলাতে পারে না।
* কিন্তু লাইব্রেরির জ্ঞান আর পৃথিবীর জ্ঞান এক নয়; নিঃসঙ্গ যৌবন হলো কাজের জীবনের জন্য একটা খারাপ প্রস্তুতি; সবচেয়ে অল্প বয়স থেকেই আমাদের নিজেদের প্রজাতির সাথে মেলামেশা করা দরকার; শিশু অন্য শিশুর কাছ থেকে তার শিক্ষকদের চেয়ে বেশি শেখে এবং শুধরে নেয়; আমাদের সমকক্ষরাই হলো সেই হাতিয়ার যা দিয়ে অভিজ্ঞতা তার পাঠগুলো বের করে আনে; আর খেলার মাঠ, তার প্রতিদ্বন্দ্বী স্বার্থ, তার অবিচার, তার উপস্থিত বুদ্ধি আর নিয়ন্ত্রিত মেজাজের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে, এটা পৃথিবীর একটা ক্ষুদ্র রূপ আর ভবিষদ্বাণী দুটোই, যা কেবল পুরোনো সংগ্রামগুলোকেই ফিরিয়ে আনবে শুধু আরও কঠোর চেহারায়, আর একই সাফল্যগুলো, কিন্তু তাদের অর্ধেকেরও বেশি আনন্দ চলে যাওয়ার পর।
* যৌবন শুধু একটা মৌসুমের জন্যই কষ্ট পায়; মাথা নোয়ানো কিন্তু না ভাঙা আত্মা তার স্থিতিস্থাপকতা ফিরে পায়; ভবিষ্যৎ, অজানা আর সুন্দর, বর্তমানকে নিজের দিকে টেনে নেয়, আর অতীত সেই অন্ধকার আর অপ্রতিরোধ্য প্রভাবের জন্য অপেক্ষা করে যা আজ বা কাল আমাদের পুরো দিগন্তকে অন্ধকার করে দেবে।
* কিন্তু প্রথার স্বৈরাচার, অন্যান্য সমস্ত স্বৈরাচারের মতো, যখন একেবারেই অসহনীয় হয়ে ওঠে—কারণ মানুষ যা সহ্য করবে তা সত্যিই বিস্ময়কর—তখন তা ইতিমধ্যেই তার নিজের বিলুপ্তির বীজ বপন করে ফেলেছে। কষ্টের ভেতর থেকেই অভিযোগের জন্ম হয়েছে, আর কোনো কথিত অধিকারের প্রয়োগের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা মানেই খুব শিগগিরই তার কর্তৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলা, আর প্রথম প্রশ্নটিই অধিকারের পুরো প্রাচীন আর সময়-সম্মানিত কাঠামোটিকে নাড়িয়ে দেয়।
* নিখুঁত সমতা, আর নিখুঁত স্বৈরতন্ত্র, হলো এমন তত্ত্ব যা একইভাবে অনুশীলনে আনা যায় না; কিন্তু প্রথমটির সাথে অনেক সুন্দর অনুভূতি যুক্ত আছে, আর একটা সুন্দর অনুভূতির মধ্যে একটা অদ্ভুত আকর্ষণ আছে—আমরা এটা উচ্চারণ করে নিজেদেরই একটা প্রশংসা করি।
* এমন একটা বিশ্বাস আছে যাতে আমরা পৌঁছাই না, যদিও দৈনন্দিন অভিজ্ঞতা আমাদের ওপর তা চাপিয়ে দেয়, সেটা হলো এই বিশ্বাস যে বাস্তবে কেউই কারও জন্য পরোয়া করে না; কিন্তু এই সত্যটা এতই ঠান্ডা যে আমরা একে সব ধরণের চাদর আর আবরণ, বিভ্রম আর কৌশল দিয়ে আটকে রাখি।
** পর্ব ২
* ভালোবাসার অশুভ আত্মা এক মুহূর্তের জন্য তার আত্মা ছেড়ে গিয়েছিল, কিন্তু ফিরে এসেছিল, যদিও একটা অদ্ভুত আর ভয়ংকর চেহারা নিয়ে, সাথে করে তার নিজের চেয়েও অন্য আর আরও খারাপ আত্মাদের নিয়ে এসেছিল—ঘৃণা, প্রতিশোধ, রক্তপিপাসা—সবই সেই সময়ের উত্তেজিত আর ধর্মান্ধ মেজাজের সাথে মিশে গিয়েছিল আর তার রঙে রঙিন হয়েছিল।
'''দ্য ক্যাবিনেট অব মডার্ন আর্ট, অ্যান্ড লিটারারি সুভেনির, ১৮৩৭ - টু সিনস ইন দ্য লাইফ অব অ্যানা বোলেন'''
* শহর আর ভিড় ভালোবাসাকে আদর্শহীন করে তোলে; আর একজন মেয়ের তরুণ উষ্ণ হৃদয়ে ভালোবাসা হওয়া উচিত সমস্ত সাধারণ আবেগ থেকে আলাদা একটা স্বপ্ন — ততটাই মিষ্টি আর ততটাই বায়বীয় যতটা সেই লজ্জার আভা যার সাথে এটি জন্মায় আর মারা যায়। সৌন্দর্য ভালোবাসাকে তার নিজস্ব অনুগ্রহ দেয় — আয়নায় প্রতিফলিত হওয়া বড্ড সুন্দর মুখ দ্বারা অনুপ্রাণিত আবেগের সাথে রোমান্স মেশানো থাকতে হবে।
* বিলম্বিত আশা হলো হৃদয়ের জন্য অসুস্থতা — আর সে এখন সেই অসুস্থতায় ভুগছিল, তার সবচেয়ে খারাপ অবস্থায়।
'''হিথস বুক অব বিউটি, ১৮৩৭ - আ সিন ইন দ্য লাইফ অব নূরজাহান'''
* অনুশোচনার চমকে ওঠা আতঙ্ক যা সে ভয় পায় তা নিয়ে ভাবতে সাহস পায় না, তা অন্যান্য সমস্ত মানবিক অনুভূতির মতোই অসঙ্গতিপূর্ণ।
* সৌন্দর্য কি তার ক্ষমতা হারাতে পারে ? আহ, হ্যাঁ ! যখন ভালোবাসা তার সত্য হারাতে পারে। দুর্বল আর আবেগপ্রবণ, প্রলোভনের কাছে নতি স্বীকার করে, কিন্তু সংঘটিত অপরাধের পুরস্কার উপভোগ করতে কাঁপে ; এমন মানুষকেই আমার হৃদয় তার দেবতা বানিয়েছিল, — যার জন্য আমি একজন দাসের মতো পরিশ্রম করতাম; হ্যাঁ, আর করি ; কিন্তু এখন অনেক ভিন্ন লক্ষ্য নিয়ে। জাহাঙ্গীর, আমাদের শুধু আর একবার দেখা হতে দাও, আর তুমি আমার ! কিন্তু আমি — আমি আর কখনো তোমার হতে পারব না। জীবন, সিংহাসন, ভাগ্য, আমরা এখনো একসাথে ভাগ করব ; কিন্তু আমার হৃদয়, কখনোই, আর কখনোই না !
* মন যেমন শরীরের অনুষদগুলোকে ত্বরান্বিত করতে পারে, তেমনভাবে ত্বরান্বিত কান ছাড়া আর কেউই দোরগোড়ায় ইতস্তত করা পদক্ষেপের শব্দ শুনতে পেত না।
* আমি তাকে জিতেছি, আর তাকে রাখব ; কারণ তার দুর্বল মেজাজের কাছে অভ্যাস লোহার শেকলের মতো হবে। আমি তাকে জিতেছি — কিন্তু কীভাবে? সে সেই তরুণ হৃদয়ের আন্তরিক আর নিবেদিত ভালোবাসার কথা মনে রাখেনি, যা ছিল তার, আর শুধুই তার। এমনকি আমার সৌন্দর্যও তার স্বার্থপর অবহেলাকে প্রভাবিত করতে ব্যর্থ হয়েছিল : কিন্তু সে আরও শক্তিশালী এক জাদুর মাধ্যমে আমার। ভালোবাসা হয়তো বৃথা দেওয়া হতে পারে,— সৌন্দর্য হয়তো ক্ষমতাহীন হতে পারে ; কিন্তু আমি চাটুকারিতার গভীর জাদুর মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করেছি।
'''পোয়েট্রি'''
* পৃথিবীটা সাগরের মতো, যার নোনা ঢেউয়ে,<br>নদীর মতো, আমরা আমাদের যৌবনের সতেজতা হারাই।
** ফ্রেন্ডশিপস অফারিং, ১৮২৫ (১৮২৪) ''দ্য সুইসাইডস গ্রেভ''
* আমি একটা স্বপ্ন দেখেছিলাম, যে আমি ছুঁড়ে দিয়েছি একটা শিকল<br>গোলাপের ভালোবাসার চারপাশে,—আমি জাগলাম, আর দেখলাম<br>আমি দুঃখকে শৃঙ্খলিত করেছি।
** দ্য লিটারারি সুভেনির, ১৮২৬ (১৮২৫) ''দ্য ফোরসেকেন''
* আমি বালির ওপর আমার নাম লিখেছিলাম;<br>আমি ভেবেছিলাম আমি এটা তোমার হৃদয়ে লিখেছি।<br>আমার ভয়ের কোনো ছোঁয়া ছিল না, যে শব্দগুলো,<br>এমন শব্দ, এত খোদাই করা, চলে যেতে পারে।
** ফ্রেন্ডশিপস অফারিং, ১৮২৭ (১৮২৬) ''সং''
* একই, তবুও এক নয় — তার মুখ<br>এখনো সেই গ্রিক রেখা আছে ;<br>সেই খোদাই করা নিখুঁততা যার অনুগ্রহ<br>দীর্ঘদিন ধরে ঐশ্বরিক বলে ধরা হয়েছে।
** দ্য অ্যামুলেট, ১৮৩১ (১৮৩০), ''দ্য লিগ্যাসি''
===অনুবাদ===
====ফরাসি থেকে====
'''মাদাম ডি স্তায়েল, কোরিন (ইসাবেল হিল, ১৮৩৩):'''
* চিঠির দোলনা ! পৃথিবীর মালকিন !<br>সূর্যের মাটি ! ইতালিয়া! আমি তোমাকে অভিবাদন জানাই !<br>মানবজাতি কতবার তোমার জোয়াল পরেছে।<br>তোমার হাতের, তোমার শিল্পের, তোমার আকাশের জাহাজগুলো !
* তোমার দান্তে ! খ্রিস্টান যুগের হোমার,<br>বিশ্বাসের রহস্যগুলোর পবিত্র কবি—<br>চিন্তার নায়ক—যার বিষণ্ণ প্রতিভা ডুব দিয়েছিল<br>স্টিক্সে, আর নরকে বিদ্ধ করেছিল ; আর যার গভীর আত্মা<br>ছিল সেই অতল গহ্বরের মতো যা সে পরিমাপ করেছিল।
* প্রতিভার সেই জাদু, উচ্চ শিল্পের বিজয়;<br>কবিতার ভবিষ্যদ্বাণী, যা প্রকাশ করে<br>প্রকৃতির সব রহস্য, যা মানুষের<br>হৃদয়কে প্রভাবিত করে।
* কল্পনার সাথে আমাদের দীর্ঘ শেষ ঘুমকে<br>মিলিয়ে নেওয়াটা রোমের গোপন জাদু।<br>আমরা নিজেদের সমর্পণ করি, আর কম কষ্ট পাই<br>যাদের আমরা ভালোবাসি তাদের জন্য। উত্তরের বিষণ্ণ জাতিগুলোর চেয়ে<br>দক্ষিণের মানুষরা জীবনের শেষ সময়টাকে<br>কম ভয়ংকর রঙে আঁকে :<br>সূর্য, গৌরবের মতো, এমনকি কবরকেও উষ্ণ করে।
** ''চ্যান্ট অব কোরিন অ্যাট দ্য ক্যাপিটল''
* কল্পনার সত্য আসে এর ক্ষমতা থেকে:<br>মানুষের প্রতিভা তৈরি করতে পারে যখন প্রকৃতি অনুভূত হয়;<br>সে নকল করে যখন সে ভাবে যে সে আবিষ্কার করছে।
* ওহ স্মৃতি ! মহৎ শক্তি ! তোমার রাজত্ব এখানেই।<br>অদ্ভুত নিয়তি, কীভাবে এভাবে, যুগের পর যুগ,<br>মানুষ তার যা হারিয়েছে তার জন্য অভিযোগ করে।<br>তবুও কি চলে যাওয়া বছরগুলো, প্রত্যেকে তাদের পালা অনুযায়ী,<br>অতীতের সুখের সম্পদের মতো মনে হয়:<br>আর যখন মন, তার দূর অগ্রগতিতে আনন্দিত হয়ে,<br>ভবিষ্যতের মাঝে ডুব দেয়, তবুও আত্মা<br>যেন অন্য কোনো প্রাচীন বাড়ির জন্য আক্ষেপ করে<br>যাতে সে অতীতের দ্বারা আরও কাছে টানা হয়।
* ওহ পৃথিবী ! রক্ত আর কান্নায় সব ভিজে গেছে, তবুও কখনোই<br>তুমি তোমার ফল আর ফুল দেওয়া থামাওনি;<br>আর মানবজাতির জন্য কি তোমার কোনো করুণা নেই ?<br>তোমার মাতৃসুলভ বুক কি আবার গ্রহণ করতে পারে<br>তাদের ধুলো, আর তবুও স্পন্দিত হয় না ?
* রহস্যময় উৎসাহ, ভালোবাসা !<br>হৃদয়ের সর্বোচ্চ ক্ষমতা;—যা নিজের মধ্যেই<br>ধর্ম, কবিতা,<br>আর বীরত্বকে একত্রিত করে।
* প্রতিভা গোলকের সংগীত ধরে ফেলে,<br>যা মরণশীল কান কখনো জানার জন্য ছিল না।<br>প্রতিভা রহস্য ভেদ করতে পারে<br>অনুভূতির, যা অন্য সব হৃদয়ের অজানা;<br>এক শক্তি সবচেয়ে ভেতরের আত্মায় প্রবেশ করেছে,<br>যার উপস্থিতি হয়তো আটকে রাখা যাবে না।
* আমরা যা করতে পারি<br>আগামীকাল হয়তো আমাদের ভাগ্য ঠিক করে দেবে।<br>আমরা হয়তো গতকালই এমন কোনো কথা বলেছি<br>যা আর ফিরিয়ে নেওয়া যাবে না।
** ''কোরিনস চ্যান্ট ইন দ্য ভিসিনিটি অব নেপলস''
* তোমরা আমার বিদায় গ্রহণ করো ! ওহ, আমার বন্ধুরা,<br>আগেই আমার চোখে রাত অন্ধকার হয়ে আসছে ;—<br>কিন্তু রাতের বেলা কি স্বর্গ সবচেয়ে সুন্দর নয় ?<br>জ্বলন্ত আকাশে হাজারো তারা জ্বলে ওঠে,<br>যা দিনের বেলা একটা নীল রঙের মরুভূমি।<br>এভাবেই অনন্ত ছায়ার জড়ো হওয়া<br>অসংখ্য চিন্তা প্রকাশ করে, যা প্রায় হারিয়ে যায়<br>সমৃদ্ধির পুরো দিনের আলোয়।
* ধর্মের কোনো সীমানা নেই, কোনো গণ্ডি নেই;—<br>বিশাল, অসীম, আর অনন্তকাল.,<br>প্রতিভা কখনোই তার কাছ থেকে আলাদা হতে পারে না।<br>কল্পনা তার প্রথম উড়ান থেকে,<br>জীবনের গণ্ডি পেরিয়ে গেছে : আর মহৎ<br>হলো দেবত্বের প্রতিফলন।
* যদি বাতাস বিড়বিড় করে তবে তারা যেন শুনতে পায়<br>তার কণ্ঠস্বর ; আর যখন রাত নামে, চারপাশের ছায়াগুলো<br>যেন তার ঝুলে পড়া পোশাকের কালো ভাঁজগুলোর মতো মনে হয়।<br>দুপুরে, যখন জীবন শুধু পরিষ্কার আকাশ দেখে,<br>শুধু উজ্জ্বল সূর্য অনুভব করে, সেই নিয়তিপূর্ণ জন<br>যাকে মৃত্যু ডেকেছে, সে দূর থেকে লক্ষ্য করে<br>সেই ভারী ছায়া যা খুব শিগগিরই ঢেকে দেবে<br>প্রকৃতির সব কিছু তাদের চোখ থেকে।
* দয়াময় ঈশ্বর, তুমি আমাকে উত্তর দিচ্ছ না !<br>আমি পৃথিবীতে আমার পছন্দ বেছে নিয়েছি, আর এখন আমার হৃদয়ের<br>কোনো আশ্রয় নেই। তোমরা আমার জন্য সিদ্ধান্ত নাও,<br>আর এমন একটা নিয়তিই সেরা।
** ''দ্য লাস্ট সং অব কোরিন''
'''অন্যান্য:'''
* প্রিয় বন্ধু, যদি তোমার কোনো গভীর উপত্যকায় একটা বাড়ি থাকে,<br>যেখানে তুমি বিশ্বাস আর ভাগ্য, আর সব মহান জিনিসের, আসার স্বপ্ন দেখতে পারো।<br>যদি এমন একটা শান্ত বিশ্রামের জায়গা তোমার ভবিষ্যতের জন্য দেওয়া হয়,<br>যেখানে নিঃসঙ্গতার প্রতিটি প্রহর স্বর্গের কাছে পবিত্র করা হয়,<br>ওহ, এটা ছেড়ো না ! এই বৃথা জীবন তার কয়েকটা প্রহর দূরে গিয়ে বিরক্ত হোক,<br>যেখানে আনন্দ চলে যায়, আর গৌরব বিশাল পৃথিবীর ক্লান্ত যুদ্ধকে উপহাস করে<br>এর রূঢ় আর রাগী জোয়ার যেন বেমানান স্রোতের সাথে জাগিয়ে না তোলে<br>সেই নীরবতাকে যা পপলার গাছগুলো ভালোবাসে, তোমার নিজের স্বচ্ছ হ্রদের।
* হ্যাঁ, নিঃসঙ্গতার গভীরে অনেক লুকানো মলম আছে<br>যারা তাকে ছেড়ে যায় না তাদের জন্য পাহারা দেওয়া, শক্তিশালী আর শান্ত করার জন্য।
** ''ফিশারস ড্রয়িং রুম স্ক্র্যাপ বুক, ১৮৩৫'' (১৮৩৪), 'চ্যাপ্টার হাউস, ফার্নেস অ্যাবে' সেন্ট বেউভ থেকে এ. ফন্টেনের কাছে একটি চিঠির অনুবাদ। (সম্ভবত [[শার্ল ওগ্যুস্তাঁ সাঁত-বভ]])
* ঘুমাও, ছোট পল, কী, কাঁদছ, চুপ ! রাতটা খুব অন্ধকার ;<br>নেকড়েরা প্রাচীরের কাছে আছে, কুকুরগুলো ডাকতে শুরু করেছে ;<br>ঘুমের জন্য ঘণ্টা বেজেছে, আর অভিভাবক ফেরেশতা কাঁদে<br>যখন চুল্লির পাশে একটা ছোট শিশু এত রাত পর্যন্ত খেলা করে।
** ''ট্রেইটস অ্যান্ড ট্রায়ালস অব আর্লি লাইফ'' (১৮৩৬), 'দ্য লিটল বয়েস বেড-টাইম' মাদাম [[মার্সেলিন দেসবার্দেস-ভালমোর]] থেকে অনুবাদ
====জার্মান থেকে====
* আমি একটা সুন্দর ছোট ফুল চিনি, একটা ফুল যার জন্য আমি কষ্ট পাই —<br>আমি গিয়ে ওটা তুলতাম, কিন্তু বাধা আমার ভারী প্রহরগুলোকে আটকে রাখে;<br>ওহ, দুঃখ, যখন আমি মুক্ত ছিলাম, কত সহজেই ওই ছোট ফুলটা আমার ছিল !<br>. . .<br>ওহ, আমি যদি কবরে ডুবতাম আমি প্রায়ই বৃথাই জিজ্ঞাসা করি,<br>আর স্বাগত জানানো মৃত্যু পাশে দাঁড়িয়ে থাকে ক্ষয়ে যাওয়া বন্দীর শিকল খুলতে — <br>আহ, আমাকে ফরগেট-মি-নট নাম দাও, আমি আবার জীবনে জেগে উঠতাম!
** ''দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট'' (৩ জানুয়ারি ১৮৩৫) জার্মান থেকে সংস্করণ (ফার্স্ট সিরিজ।) - 'দ্য লাভলি লিটল ফ্লাওয়ার' — [[ইয়োহান ভোলফগাং ফন গ্যোটে|গ্যোটে]]।
* ওই গভীর বন থেকে কী আলো ঝলকাচ্ছে —<br>বুনো বাতাসে বয়ে আসা কী শব্দ ?<br>কী সেই কালো সারিগুলো যা সামনের দিকে ছুটে যাচ্ছে<br>বেজে ওঠা শিঙার ডাকের দিকে ?<br>কারা তারা যারা বজ্রের মতো শব্দ করে যাচ্ছে ? —<br>এটা সাহসী লিটজউয়ের কালো শিকার!
** ''দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট'' (৩ জানুয়ারি ১৮৩৫) জার্মান থেকে সংস্করণ (ফার্স্ট সিরিজ।) - 'দ্য ব্ল্যাক হান্ট অব লিটজউ'
* যখন আমরা যুদ্ধের মাঠে শুয়ে থাকি,<br>মধ্যরাতের বৃষ্টিতে ভিজে একাকার হয়ে যাই,<br>আনন্দদায়ক স্বপ্ন হয়তো তোমার ঘুমকে মুকুট পরাবে,<br>যেহেতু তুমি রেশম আর পালকের মাঝে বিশ্রামে ডুবে যাও :<br>কিন্তু তোমার বালিশের পাশে লজ্জা দাঁড়িয়ে থাকুক !<br>একজন জার্মান কুমারী তোমাকে চুমু খাবে না,<br>একটা জার্মান গান তোমাকে আনন্দ দেবে না,<br>আর জার্মান মদ তোমাকে উষ্ণ করবে না !<br>যার তলোয়ার চালানোর শক্তি আছে,<br>তাকে এখন তার পিতৃভূমির জন্য তা বের করতে দাও !
** ''দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট'' (৩ জানুয়ারি ১৮৩৫) জার্মান থেকে সংস্করণ (ফার্স্ট সিরিজ।) - 'দ্য গ্যাদারিং' — কোয়র্নের।
* মিষ্টি পলিন, যদি আমি তোমাকে কিনতে পারতাম<br>সোনা বা তার দাম দিয়ে,<br>আমি তোমাকে অস্বীকার করতাম না<br>পৃথিবীর সম্পদ।<br>তারা সেই আনন্দের কথা বলে<br>যা ধনসম্পদ দেয় —<br>তোমাকে ছাড়া, আমার সম্পদ,<br>আমি কী আনন্দ জানতে পারতাম ?
** ''দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট'' (১০ জানুয়ারি ১৮৩৫) জার্মান থেকে সংস্করণ (সেকেন্ড সিরিজ।) 'পলিনস প্রাইস'— গ্যোটে।
* গানের মিষ্টি সুরে ভরা একটা উপত্যকায়<br>পাহাড় আর বন থেকে আসা,<br>যেখানে সবুজ শ্যাওলার ছোট নদীগুলো লাফিয়ে উঠছিল,<br>একটা অদ্ভুত কুমারী দাঁড়িয়ে ছিল।<br>প্রথম লার্ক পাখিটি যেন বহন করছিল<br>বাতাসের ভেতর দিয়ে তার আগমনকে ;<br>সে খুব বেশিক্ষণ দেরি করতে অভ্যস্ত ছিল না,<br>যদিও সে কোথায় ঘুরে বেড়াত তা কেউ জানত না।
** ''দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট'' (১০ জানুয়ারি ১৮৩৫) জার্মান থেকে সংস্করণ (সেকেন্ড সিরিজ।) 'দ্য কামিং অব স্প্রিং'—শিলার।
* মহিলাটি তার ক্লান্ত মাথা তুলল,<br>আর বলল, "আমার সন্তানটি দুর্বল ছিল<br>মৃতদের মাঝে সে কাউকে চিনত না<br>তার প্রতিদিনের খাবার খোঁজার জন্য !<br>আমার স্বামী ছিলেন একজন ভালো শিকারি<br>যিনি সবসময় তীর বইতেন :<br>আমি জানি আমার সন্তানের এখন খাবার থাকবে,<br>তাই আমি আর কাঁদব না।<br>আমি বসে অতীতের কথা ভাবি,<br>আর আমার বিষণ্ণ সুর গাই :<br>আমি জানি যে শেষে আমাদের দেখা হবে,<br>আর কখনোই আলাদা হব না।"
** ''দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট'' (২৪ জানুয়ারি ১৮৩৫) জার্মান থেকে সংস্করণ (ফোর্থ সিরিজ।) 'দ্য হুরনস চাইল্ড'— হার্ডার।
* শক্তি, ক্ষমতা, আর রাজকীয়তা, পুরুষের অন্তর্গত ;<br>তারা গৌরবকে তার জীবনের স্থানীয় করে তোলে ;<br>কিন্তু মিষ্টতা হলো একজন নারীর বৈশিষ্ট্য —<br>সেটা দিয়েই সে রাজত্ব করেছে, আর সেটা দিয়েই সে রাজত্ব করবে।
** ''দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট'' (২৪ জানুয়ারি ১৮৩৫) জার্মান থেকে সংস্করণ (ফোর্থ সিরিজ।) 'দ্য অ্যাম্পায়ার অব ওম্যান' — শিলার।
'''কাউন্ট এগমন্ট, এ ট্র্যাজেডি। — গ্যোটে।''' জার্মান থেকে সংস্করণ (ফিফথ সিরিজ।)
* '''দৃশ্য ১। — (ক্লারা, মা, ব্র্যাকেনবার্গ)''' [অঙ্ক ১, দৃশ্য ৩]
* মা:<br>সন্তান আর দুঃখ একসাথে আসে। প্রথমে<br>ঘুমহীন রাত, আর দোলনা পাহারা দেওয়া — তারপর<br>তোমার বয়স কুমারী কল্পনা দিয়ে বিরক্ত হয়,<br>আর তোমার মেয়ের প্রেমিক তোমার আরও বেশি যত্ন নেয়<br>যেমনটা তোমার নিজের কখনোই নেয়নি। এটা ভালো না !
** ''দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট'' (৭ ফেব্রুয়ারি ১৮৩৫)
* '''দৃশ্য ২। — (মা, ক্লারা, এবং পরে কাউন্ট এগমন্ট।)''' [অঙ্ক ৩, দৃশ্য ২]
* ক্লারা:<br>প্রেমময় হৃদয় পুরনো গানে আনন্দ পায় ;<br>তারা অনেক কিছু বলে যা আমরা বলতে চাই,<br>আর আমাদের সহানুভূতি জাগিয়ে তোলে, আর আমাদের অনুভব করায়<br>নিজেদের কম অপরিচিত। অন্যরাও ভালোভাবে ভালোবেসেছে,<br>আর তাদের ভালোবাসার এই কোমল স্মৃতিচিহ্নগুলো রেখে গেছে।
* এগমন্ট:<br>ভালোবাসা কোনো<br>শিকারী পাখি নয়, শিকারির পরিশ্রমের মূল্য দেওয়ার জন্য — <br>যে তাকে খোঁজে না তার দ্বারাই সে সবচেয়ে ভালোভাবে জেতা হয়।
* এগমন্ট:<br>ওই শহরের এগমন্ট — সে গর্বিত,<br>আর ঠান্ডা, আর কঠোর, আর বিষণ্ণ। সে রাখে<br>তার পরামর্শ নিজের কাছে। সে এমন একটা ভ্রু পরে<br>যা তার হৃদয়ের জন্য একটা হাসিখুশি ছায়া :<br>আপাত আনন্দ নিয়ে বিভ্রান্ত, যা যত্নকে ঢেকে রাখে।<br>একটা চঞ্চল জনতা দ্বারা উঁচুতে তোলা,<br>যারা জানে না তারা কী প্রশংসা করে, বা তারা কী খোঁজে।<br>এমন লোকদের মাঝে ঘুরে বেড়ানো যারা তাকে বোঝে না ;<br>যাদের সাথে তার কোনো মিল নেই : আর ক্লান্ত<br>পরিচিত বন্ধুদের বিরুদ্ধে ক্ষিপ্ত পাহারার দ্বারা<br>যাদের মনে হয়, তবুও তারা তা নয়। নজর রাখা, সন্দেহ করা, ভয় পাওয়া ;<br>পরিশ্রমে ক্লান্ত, যার কোনো শেষ নেই<br>বা কোনো পুরস্কারও নেই ; কিন্তু শুধু দূরের আশা।<br>এমনই হলো মাঠ আর রাজ্যের এগমন্ট।<br>কিন্তু তোমার প্রিয় : সে সুখী, অকপট,<br>খোলা, আর পরিচিত সেই হৃদয়ের সবচেয়ে প্রিয়র কাছে —<br>যাকে সে-ও চেনে, আর তার নিজের মতোই বিশ্বাস করে।<br>শান্ত, গভীরভাবে আনন্দময় ; এমনই এখন এগমন্ট।
** ''দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট'' (২৮ ফেব্রুয়ারি ১৮৩৫)
* '''এগমন্ট, সাথে ক্লারা, ব্র্যাকেনবার্গ, এবং নাগরিকরা।''' [অঙ্ক ৫, দৃশ্য ১]
* ক্লারা:<br>আমি নরমভাবে কথা বলব, যতক্ষণ না আমাদের জড়ো হওয়া শক্তি<br>তার মিলনে কণ্ঠস্বর খুঁজে পায়। আহ, কোনো দেরি নয় !<br>যে স্বৈরাচার শেকল পরাতে সাহস করেছিল সে পরে<br>একটা মধ্যরাতের ছোরা।
* ক্লারা:<br>প্রতিবেশীরা, প্রিয় বন্ধুরা, তোমরা স্বপ্ন দেখছ, তোমরা স্বপ্ন দেখছ : জাগো!<br>বিষণ্ণ অবাক চোখে আমার দিকে তাকিও না,<br>আমি শুধু তোমাদের তোমাদের আসল ইচ্ছার দিকে ডাকছি।<br>আমার কণ্ঠস্বর কেবল তোমাদের নিজেদের হৃদয়ের কণ্ঠস্বর।
** ''দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট'' (৭ মার্চ ১৮৩৫)
* '''কারাগারে কাউন্ট এগমন্টের স্বগতোক্তি।''' [অঙ্ক ৫, দৃশ্য ২]
* পুরনো বন্ধু আর সত্যিকারের সঙ্গী ! প্রশান্তিদায়ক ঘুম,<br>হ্যাঁ উড়ে যাও, অন্য বন্ধুদের মতো। কত সহজেই<br>তোমার মিষ্টি প্রভাব আমার মুক্ত মাথার ওপর পড়েছিল,<br>মার্টল ডালের একটা সুন্দর মুকুটের মতো ঠান্ডা।<br>প্রিয় ঘুম ! অস্ত্রের ঝনঝনানির মাঝে,<br>অশান্ত জীবনের রূঢ় স্রোতের ওপর,<br>আমি বিশ্রাম নিয়েছিলাম, শিশুর মতো হালকা নিশ্বাস নিয়ে,<br>ক্লান্ত আর তোমার মায়ের কোলে দোল খেয়ে।<br>যখন ঝড় ডাল থেকে পাতাগুলোকে উড়িয়ে নিয়ে যেত,<br>আর আছড়ে পড়া ডালপালার ভেতর দিয়ে ছুটে যেত, তবুও আমার হৃদয়<br>তার গভীরে শান্ত ছিল, — আর আমি ঘুমাতাম।
* সে নয়, সেই সাহসী শত্রু নয়<br>যে স্বাস্থ্যকর বুকের ওপর ভয়ংকরভাবে ছুটে আসে।<br>এমন কারো জন্য আমার কোনো ভয় নেই। এটা এই নিস্তেজ কারাগার<br>যা নায়ক আর কাপুরুষকে এক করে দেয় !
* সাহস আমার হৃদয়ে একজন ফেরেশতার মতো !
* অন্ধকারের বাতাসে আঁকা সুন্দর মুখটা,<br>আশার জোরালো শক্তির দ্বারা, স্পষ্ট আর মিষ্টি,<br>একটা ভালো লক্ষণ। আমার ভালোবাসা, আমি বিশ্রাম নেব।<br>যদি আমার শেষ ঘুম হয় — এটা তোমাতে পূর্ণ হবে।
** ''দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট'' (২৮ মার্চ ১৮৩৫)
===অন্যান্য প্রকাশনা===
===লিটারারি রিমেইনস===
'''দ্য ফিমেল পোর্ট্রেট গ্যালারি'''
* "ওয়েভারলি" ছিল একটি নতুন যুগের অবতার ;
** ''নম্বর ১। ওয়েভারলি — ফ্লোরা ম্যাক ইভর।''
* (নামের ব্যাপারে) সাহিত্যিক গডফাদার এবং গডমাদারদের, বাস্তব জীবনের মতো, অনুপযুক্ত হওয়ার ব্যাপারে অনেক কিছুর জন্য জবাবদিহি করতে হয়।
* প্রকৃতির কিছু খুব মিষ্টি উপহার ছাড়া কেউই একটি ছোট বাড়ির বৃত্তের হৃদয়কে পুরোপুরি নিজেদের করে নিতে পারে না — ভালোবাসার পাত্র হওয়ার জন্য আমাদের অবশ্যই ভালোবাসতে হবে।
** ''নম্বর ২। ওয়েভারলি — রোজ ব্র্যাডওয়ার্ডিন।''
* এমন কতজন আছে যারা এগারো মাস কাটায় দ্বাদশ মাসের কোনো সংক্ষিপ্ত কিন্তু আনন্দদায়ক ভ্রমণের আশায়।
* নেতৃত্ব দিতে অভ্যস্ত একজন মানুষের অভ্যাস — বিশেষ করে কোনো বিদেশি স্টেশনে, তা নিশ্চিতভাবেই সংরক্ষিত এবং বিচ্ছিন্ন হবে। শুধু পরম আনুগত্যে অভ্যস্ত নয়, বরং তারা যেসব পরিস্থিতিতে পড়েছে সেখানে এর বাধ্যতামূলক প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সচেতন, এমন ব্যক্তিরা সবার কাছ থেকে এটি আশা করতে পারে। এখন, দাপ্তরিক জীবনে এবং মানুষের ওপর মানুষের জন্য যা কেবল প্রয়োজনীয় কর্তৃত্ব, তা নারীর ওপর প্রসারিত হলে কঠোরতা বলে মনে হয়।
* প্রতারণা সবসময়ই একটি মন্দ জিনিস, কিন্তু যৌবনে — যৌবন, যার খুব দোষগুলোও খোলা মনের এবং আবেগপ্রবণ হওয়া উচিত, এটি চরিত্রের সবচেয়ে খারাপ সম্ভাব্য দোষগুলোর ভিত্তি তৈরি করে।
** ''নম্বর ৩। গাই ম্যানারিং — জুলিয়া ম্যানারিং।''
* সভ্যতা যখন একটি নির্দিষ্ট পর্যায়ে পৌঁছায়, তখন উচ্চ শ্রেণির পরিবর্তনগুলো কল্পনা এবং ফ্যাশনের পরিবর্তনের চেয়ে খুব একটা বেশি হয় না ; কিন্তু নিচের শ্রেণির ওপর কাজ করা পরিবর্তনগুলো হলো চরিত্রের পরিবর্তন।
** ''নম্বর ৪। গাই ম্যানারিং — লুসি বারট্রাম।''
* মানুষের বিশ্বাসপ্রবণতার ইতিহাস মানবজাতির মহান ইতিহাসের সবচেয়ে অদ্ভুত পাতা হবে। যেসব বিশাল বিশ্বাস ধর্ম এবং সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেছে, সেখান থেকে শুরু করে সর্বশেষ নতুন খুনকে সাজানো আবিষ্কারগুলো পর্যন্ত, মানুষের মনে সবসময় যুক্তির ক্ষমতা যতটা সম্ভব কম খরচ করে বিশ্বাস করার প্রবণতা রয়েছে।
* এটি একটি কৌতূহলোদ্দীপক সত্য যে, সত্য সবসময় মিথ্যার চেয়ে শুরুতে বেশি বিরোধিতার সম্মুখীন হয়েছে ; রক্ত সঞ্চালন এবং টিকাদান তাদের আবিষ্কারকদের প্রায় বিশ্বাস এবং অনুশীলন হারাতে বসিয়েছিল, যখন হাতুড়ে ওষুধের কোনো বিক্রেতা দ্রুত ভাগ্য তৈরি করে। এর হয়তো কেবল এই কারণেই ব্যাখ্যা করা যেতে পারে যে, প্রতারক জনতার কাছে আবেদন করে, অন্যদিকে বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারক জ্ঞানে তার ভাইদের কাছে আবেদন করে, যাদের প্রত্যেকেই অস্বীকার করতে আগ্রহী, যা, যদি স্বীকার করা হয়, তবে দেখাতে হবে যে, তাদের নিজস্ব গবেষণা এবং অর্জনের একটি বড় অংশ বৃথা গেছে ; তবুও যে মানুষের বিশ্বাসপ্রবণতার ওপর ব্যবসা করে তার হাতে একটি ভালো স্টক থাকবে, বিশেষ করে যখন সামনে রাখা প্রলোভনটি লাভের হয়।
* একজন গল্পকার হিসেবে, স্কট অপ্রতিদ্বন্দ্বী ; তিনি দামেস্কের একটি ক্যাফের ভাগ্য তৈরি করে দিতেন।
* শোকাহত পিতা-মাতার অনুভূতি কতটা গভীর হতে হবে যিনি বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর এবং সবচেয়ে প্রিয় একটি মুখ মনে না করে তার সন্তানের সুন্দর মুখের দিকে তাকাতে পারেন না: কবরের ছায়া অনাথের শিশুসুলভ চঞ্চলতার চারপাশে ঝুলে থাকে, এবং এমনকি বর্তমানের আশাগুলোও অতীত থেকে বিষণ্ণতার কিছু ছোঁয়া নিয়ে আসতে হবে।
* অস্তিত্বের জন্য শ্রম যেমন প্রয়োজনীয়, মূল্যায়নের জন্য অসুবিধাও ততটাই প্রয়োজনীয়।
** ''নম্বর ৫। দ্য অ্যান্টিকোয়ারি— মিস ওয়ারডোর।''
* মানুষের বিশ্বাসপ্রবণতার ইতিহাস মানবজাতির মহান ইতিহাসের সবচেয়ে অদ্ভুত পাতা হবে। যেসব বিশাল বিশ্বাস ধর্ম এবং সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেছে, সেখান থেকে শুরু করে সর্বশেষ নতুন খুনকে সাজানো আবিষ্কারগুলো পর্যন্ত, মানুষের মনে সবসময় যুক্তির ক্ষমতা যতটা সম্ভব কম খরচ করে বিশ্বাস করার প্রবণতা রয়েছে।
* ... কিন্তু জীবনের জল চিরকাল সামনের দিকে বয়ে চলেছে, এবং ভাসার সময় নিচে ঢেউগুলোকে কোন মেঘগুলো অন্ধকার বা লাল করেছিল তার খুব সামান্যই চিহ্ন তারা বহন করে।
** ''নম্বর ৬। দ্য অ্যান্টিকোয়ারি.— মেরি ম্যাক ইন্টায়ার।''
* জীবনের লটগুলো অনেক এবং বিপরীত, এবং পৃথিবীর শিশুদের জন্য তারা যে অংশগুলো মেপে দেয় তা অসম। আমরা তাদের সাথে একমত হতে পারি না যারা যুক্তি দেয় যে পার্থক্য শেষ পর্যন্ত কেবল বাহ্যিক চেহারায়। এমন দাবি প্রায়শই চিন্তাহীনতার ফলাফল — কখনো কখনো স্বার্থপরতার ফলাফল। এটি মানব প্রকৃতির অন্যতম ভালো দিক যে, এটি মানুষের কষ্টের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে। এমন খুব কম লোকই আছে যারা মন বা শরীরের ব্যথা দেখে করুণা এবং উপশম করার ইচ্ছা ছাড়া থাকতে পারে ; কিন্তু আমাদের উদ্দেশ্যের দুর্বলতা এমনই যে, সাহায্য থেকে আমাদের অন্যদিকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য সামান্যই যথেষ্ট। অলসতা, অসুবিধা, এবং বিপরীত স্বার্থ সহানুভূতির পথে আসে, এবং তখন আমরা নিজেদের কাছে আমাদের উদাসীনতার অজুহাত দিতে চাই। এটি একটি আরামদায়ক মতবাদ যে মন্দের ক্ষতিপূরণ কোনো রহস্যময় ভালো দ্বারা করা হয় ; এটি হস্তক্ষেপ না করার একটি অজুহাত, এবং আমরা আমাদের নিজেদের আনন্দের ওপর বিবেককে ঘুমাতে দিই, এটা ধরে নিয়ে যে অন্যদেরও সেগুলো আছে — যদিও আমরা জানি না কীভাবে।
* তবে, এটি অবশ্যই স্বীকার করতে হবে যে, কঠিন পরিস্থিতিগুলো শক্তিশালী চরিত্র তৈরি করে, যেমন উত্তরের ঠান্ডা জলবায়ু এমন এক জাতির মানুষের লালনপালন করে, যাদের কার্যকলাপ এবং শক্তি দক্ষিণের লোকদের অনেক পেছনে ফেলে দেয়। একারণেই পুরুষদের তুলনায় নারীদের চরিত্র বেশি অভিন্ন হয় ; মনের সুপ্ত ক্ষমতাগুলোকে জাগিয়ে তোলার মতো পরিস্থিতিতে তাদের খুব কমই রাখা হয়।
* কোনো পুরুষ কখনো একজন নারীর অনুভূতির মধ্যে প্রবেশ করতে পারে না, তার দয়া যেমনই হোক না কেন; "জীবনের রূঢ়তর জিনিসগুলোর" ওপর যে হাতের মুঠো রয়েছে, তার জন্য সেগুলো বড্ড সূক্ষ্ম এবং নাজুক। তারা দাবি করে যে দুঃখ যেন একটি কণ্ঠস্বর খুঁজে পায় ; এখন সবচেয়ে প্রশান্তিদায়ক সহানুভূতি হলো সেটি যা কোনো প্রশ্ন ছাড়াই কষ্টটা অনুমান করতে পারে।
** ''নম্বর ৭। রব রয় — ডায়ানা ভার্নন।''
* সর্বোপরি, যদিও সৌন্দর্য প্রতারণামূলক হতে পারে, এবং অনুগ্রহ বৃথা হতে পারে, তবুও সৌন্দর্য হলো পরীদের দ্বারা কোনো শিশুর দোলনার চারপাশে ছড়ানো সবচেয়ে চমৎকার উপহার। এর আকর্ষণ নামহীন ; এটি আমাদের জয় করে, আমরা জানি না কেন — এবং আমাদের স্মৃতিতে রয়ে যায়, আমরা জানি না কেন। প্রাণী বা জড় জগতেই হোক না কেন, এটি আমাদের সবচেয়ে সুস্বাদু অনুভূতির কারণ ; এটি কল্পনার অন্তর্গত, কারণ এটি আমাদের ভেতরে সেই সব কিছু জাগিয়ে তোলে যা "চিন্তার লুকানো খনিগুলোতে" লুকিয়ে থাকতে পারে। অস্তিত্বের মধ্যে যা কিছু সবচেয়ে গৌরবময়, এটি তারই গুণ — এটি নীল আকাশে আছে — এটি পৃথিবীকে একটি পোশাকের মতো ঢেকে রাখে — এটি সমুদ্রের বেগুনি বুকের ওপর বিজয়ীর মতো চড়ে। আমাদের হৃদয়ের ভেতরে তাকান, এটি আমাদের প্রকৃতির সমস্ত আদর্শের জন্ম দিয়েছে। সৌন্দর্য হলো স্বর্গ থেকে পৃথিবীতে ফেলা ছায়া — এটি একটি আরও সুন্দর এবং আরও আধ্যাত্মিক অস্তিত্বের প্রতীক, এবং আমাদের এই বিষণ্ণ এবং ভারী তীর্থযাত্রার ওপর এটি যে ভাঙা এবং ক্ষণস্থায়ী আলোগুলো ফেলে, তা কেবল অন্য এবং আরও ভালো গোলকের ইঙ্গিত দেয়, যেখানে সুন্দরও চিরস্থায়ী হবে। এর রহস্যময় প্রভাবের প্রতি অনিচ্ছাকৃতভাবে দেওয়া শ্রদ্ধা কেবল এর ঐশ্বরিক উৎপত্তি এবং এর অনন্ত ভবিষ্যতের একটি অবচেতন স্বীকৃতি।
** ''নম্বর ৮। দ্য ব্ল্যাক ডোয়ার্ফ — ইসাবেল ভেরে।''
* প্রিয় খণ্ডটি যার পড়া আমরা প্রশংসা করি, তা অনিবার্যভাবে আমাদের নিজেদের সাথে যুক্ত — এটি অবশ্যই আমাদের মূর্তির কাছে সেই নিঃসঙ্গ প্রহরগুলো নিয়ে আসবে যখন কোনো মূর্তির পুনরাবৃত্তির এমন প্রভাব থাকে — এটি সেই মূর্তিকে কবিতা এবং কল্পকাহিনীর অনুষঙ্গগুলো দিয়ে সাজিয়ে তোলে, এবং এইভাবে একে সাধারণ জীবনের দৈনন্দিনতা থেকে উদ্ধার করে। রুচির সহানুভূতিও আছে — এবং শুধুমাত্র আমাদের নিজেদের চোখের জন্য মূলত পেন্সিল দিয়ে দাগানো একটি অনুচ্ছেদ থেকে কত কিছুই না অনুমান করা যেতে পারে। তারপরও, একটি বই হলো চিঠিপত্রের জন্য সবচেয়ে সুন্দর পদক্ষেপ ; একটি ধন্যবাদের নোট লেখা একটি খুব সাধারণ জিনিস বলে মনে হয়, এবং লেখকের ওপর কিছু হালকা মন্তব্য যোগ করা খুব স্বাভাবিক ; এবং একজন লেখকের অনুভূতির সমালোচনা কতবারই না কেবল আমাদের নিজেদের প্রকাশ !
* আমি সারাজীবন শহরের বাসিন্দা ছিলাম, এবং আমি অকপটে স্বীকার করছি, একটি স্থায়ী বাসস্থান হিসেবে, আমি এটিকে সেই সমস্ত গ্রামীণ আকর্ষণের চেয়ে বেশি পছন্দ করি যা কখনো একটি প্রবন্ধের নৈতিকতা তৈরি করেছে, বা কবিতাকে অনুগ্রহ দিয়েছে ; তবুও দেশের এমন কিছু আছে যার প্রতি হৃদয় সবসময় সতেজতা এবং পুনর্নবীকরণের অনুভূতি নিয়ে ফিরে যায়। সবুজ বনের মধ্য দিয়ে চাঁদের আলোয় হাঁটা, স্মৃতির ওপর এমন একটি জাদু নিয়ে ফিরে আসবে যা প্রদীপ-আলোকিত হাঁটার অন্তর্গত নয়। সবুজ পাতা তার সতেজতা দেবে, বুনো ফুল তার মিষ্টি ; কানে বেজে উঠবে ডালে বাতাসের গুঞ্জন — অথবা ঝরনার গান যা নিছক আনন্দের জন্য একটি শিশুর মতো গায়।
* এটি একটি সত্য যে, যদিও একজন স্কটসম্যান ব্যক্তিদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি লোকোমোটিভ — গ্লোবের এমন কোনো বাসযোগ্য অংশ নেই যেখানে তাকে পাওয়া যাবে না — তবুও কোনো কিছুই তার দেশের প্রতি তার আকর্ষণকে দুর্বল করতে পারে না।
** ''নম্বর ৯। ওল্ড মর্টালিটি — এডিথ বেলেনডেন।''
* সাধারণ স্বাধীনতার সুবিধাগুলো বিতর্কের জন্য বড্ড বেশি স্পষ্ট; তবে এটি আক্ষেপ করা যেতে পারে যে ধনী এবং গরিবরা আজকাল এত দূরে বাস করে: তাদের কোনো সাধারণ বিনোদন নেই, এবং এটি একসাথে কাটানো জীবনের হাসিখুশি প্রহরগুলো যা সামাজিক বন্ধনগুলোকে সবচেয়ে বেশি বোনে। তার বনে শিকার, এবং তার চুল্লির পাশে ক্রিসমাস, ব্যারন এবং তার লোকদের একত্রিত করেছিল, প্রত্যেকে তাদের সবচেয়ে হালকা মেজাজে — লাভটি পারস্পরিক ছিল।
* আংশিকভাবে আরও বিক্ষিপ্ত জনসংখ্যা হওয়ার কারণে, যা আত্মনির্ভরশীলতার দিকে নিয়ে যায় — আংশিকভাবে তাদের ধর্মীয় সংগ্রামগুলো তাদের সাধারণ স্মৃতিগুলোতে একটি ঐতিহাসিক চরিত্র দেওয়ার কারণে, যা সেই পারিবারিক গর্ব দ্বারা লালিত হয় যা ফিরে তাকাতে ভালোবাসে — অন্য যেকোনো কৃষকদের চেয়ে স্কচদের মধ্যে বেশি ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্য রয়েছে।
** ''নম্বর ১০। ওল্ড মর্টালিটি — জেনি ডেনিসন।''
* আমরা সবাই জানি যে পৃথিবীতে মন্দ আছে — আমরা এর সম্পর্কে পড়ি — আমরা এর সম্পর্কে শুনি — কিন্তু আমরা কখনো আমাদের নিজস্ব জাদুকরী বৃত্তে এর প্রবেশের কথা ভাবি না। আমাদের পরিচিতদের বৃত্তের দিকে তাকান; আমরা যাকে অপরাধ করতে সক্ষম বলে মনে করতাম তাকে নাম বলতে বললে আমরা কতটা চমকে উঠব; আমাদের সবচেয়ে কাছের এবং প্রিয় কেউ সেই অপরাধ করেছে তা জানতে পারলে আরও কতটা চমকে উঠব। এমন একটি আবিষ্কার কী এক নৈতিক বিদ্রোহ তৈরি করবে — এমন একটি পরীক্ষার অধীনে আমরা নিজেদের কতটা দুর্বল দেখতে পাব — কত দ্রুত আমরা অপরাধী এবং অপরাধকে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে শুরু করব ; তখন, প্রথমবারের মতো, আমরা প্রলোভনের পূর্ণ শক্তি বুঝতে শুরু করব, এবং এর ভয়ানক শক্তির জন্য ছাড় দেব ; এবং আমরা কি এমন কিছুর অজুহাত দিতে শুরু করব না যা আগে কখনো ক্ষমার যোগ্য বলে মনে হয়নি?
** ''নম্বর ১১। দ্য হার্ট অব মিড লোথিয়ান — জিনি ডিনস।''
* আমরা একে অপরের থেকে ব্যাপকভাবে আলাদা ; আমরা কি তা নই, যেমনটা পরিস্থিতি আমাদের চারপাশে বদলায়, ক্রীতদাসের মতো আমাদের তাদের ইচ্ছায় ঢালাই করে — আমরা কি আমাদের নিজেদের থেকেও আরও বেশি আলাদা নই ?
* আমি গ্যোটের সাথে একমত নই, যিনি বলেন যে প্রত্যেক মানুষের বুকের গোপন গভীরে এমন কিছু লুকিয়ে আছে, যা যদি জানা যায়, তবে তার সহকর্মীরা ঘৃণায় তার কাছ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে ; বিপরীতে, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে যদি হৃদয়ের কাজগুলো জানা যেত, তবে তারা বরং আমাদের জন্য অনুগ্রহ এবং স্নেহ জয় করে আনত।
* আমাদের কথাগুলোর ওপর চিরস্থায়ী নজর রাখার চেয়ে ভয়ংকর কোনো শাস্তির কথা আমি কল্পনা করতে পারি না, পাছে তারা যা লুকাতে চায় তা প্রকাশ করে ফেলে ; কোনো অসতর্ক মুহূর্ত না জানা — কোনো উদাসীন আনন্দ না জানা — সেই আত্মবিশ্বাসের জন্য কষ্ট পাওয়া যা তবুও আমরা দিতে সাহস পাই না — কাঁপতে থাকা, পাছে এমন কোনো বাক্যাংশে কোনো লুকানো অর্থ লুকিয়ে থাকে যা কেবল আমাদের নিজেদের অসুস্থ কল্পনাই এমন অর্থ বহন করতে নির্যাতন করতে পারে — সন্দেহকে একটি দ্বিতীয় প্রকৃতিতে পরিণত করা — এবং প্রতিদিন সকালে আনন্দময় রোদ থেকে পিছিয়ে আসা, কারণ আমরা জানি না যে একটি দিন কী নিয়ে আসতে পারে : ইক্সিয়নের চাকা এমন একটি অবস্থার তুলনায় একটি কোমল করুণা ছিল।
** ''নম্বর ১২। দ্য হার্ট অব মিড লোথিয়ান — এফি ডিনস।''
* আমাদের নিজেদের চারপাশের জগতটা কী ? ছায়াময়, ভিত্তিহীন, এবং বিস্ময়কর হলো অদৃশ্য উপাদানগুলো, শক্তিশালী এবং বাতাসের মতো অদৃশ্য আত্মাদের দ্বারা জনবহুল যা তাদের বাড়ি। পৃথিবীর প্রথম প্রহর থেকেই অতিপ্রাকৃতের প্রতি বিশ্বাস সর্বজনীন। প্রথমে বিশ্বাসটি কবিতায় পূর্ণ ছিল ; কারণ, সেই দিনগুলোতে, কল্পনা পৃথিবীতে ঠিক সেভাবেই হেঁটেছিল যেমনটা ফেরেশতারা করেছিল, মানুষের সন্তানদের চারপাশে তাদের গৌরব ছড়িয়ে দিয়েছিল। চ্যালডীয়রা তাদের উঁচু মিনার থেকে রাতের নীরব সৌন্দর্য দেখত — তারা তারাগুলোকে তাদের নির্দিষ্ট পথে যেতে দেখত, এবং ভাবত যে তারা তাদের সাথে অনন্তকালের শক্তিশালী রেকর্ডগুলো বহন করে নিয়ে যায়। প্রতিটি আলাদা গ্রহ কোনো না কোনো মরণশীল জন্মের ওপর আলোকিত হতো, এবং তার দিকটি যেমন ভালো বা মন্দের জন্য ছিল, তার আলোর নিচে শুরু হওয়া ভাগ্যের দিকটিও তেমনই ছিল। সেই বিশাল ওয়াচ-টাওয়ারগুলো, তাদের ধূসর ঋষিদের সাথে, মধ্যরাতের কাছে তার রহস্য জানতে চেয়েছিল, এবং এর তারার রোলকে এই শ্বাস নেওয়া পৃথিবীর কালপঞ্জি হিসেবে ধরেছিল। সময় গড়িয়ে গেল, ফেরেশতারা আর পৃথিবীতে আসল না, এবং তরুণ কল্পনার ঐশ্বরিক বিশ্বাসগুলো আরও পার্থিব হয়ে উঠল। তবুও ডোডোনার ওক গাছের শোকাবহ গুঞ্জনে এবং উড়ন্ত শকুনদের ভয়ংকর যুদ্ধের গানে কবিতা টিকে ছিল, যাদের কাছ থেকে রোমানরা বিজয়ের খবর দাবি করেছিল। কিন্তু ভবিষ্যদ্বাণী ধীরে ধীরে ভবিষ্যদ্বাণীতে পরিণত হলো, এবং ভবিষ্যতের পূর্বাভাস দেওয়ার কৃতিত্ব পেয়েছে এমন বিভিন্ন পদ্ধতিগুলো নোট করা মানুষের বিশ্বাসপ্রবণতা এবং কৌতূহল উভয়ের পরিমাণের একটি অনন্য প্রমাণ। তারা থেকে চায়ের কাপে নামাটা সত্যিই একটা পতন —
* আমি বিশ্বাস করি যে আকর্ষণের সবচেয়ে বড় রহস্য হলো, বিবরণগুলো সবসময় আমাদের ভয়ের প্রতি যা উপস্থিত থাকে, বা আমাদের অহংকারের কাছে যা তৃপ্তিদায়ক তার ওপর ফেরে।
** ''নম্বর ১৩। দ্য লিজেন্ড অব মনট্রোজ — অ্যানট লাইল।''
* আপনি যদি একজনের পক্ষে মতামত দেন, তবে আপনি এখনও উভয়কেই ক্ষুব্ধ করবেন ; কারণ এটি দাম্পত্য ঝগড়ার ক্ষেত্রে একটি শারীরিক গুণ যে, যদিও প্রত্যেকেই অন্যকে দোষী বলে মনে করে, তারা আপনাকেও তা ভাবতে দেবে না ; তদুপরি, সম্ভাবনা হলো যে, আপনার নিজের ব্যক্তিগত মতামতে, তারা উভয়ই ভুল — যা উচ্চারণ করা সবচেয়ে অজনপ্রিয় রায়।
* আজকের বিশ্বাসগুলো খুব কম, কুসংস্কারগুলো আরও কম। আমরা সবকিছুর হিসাব দেওয়ার ভান করি, যতক্ষণ না আমরা নৈতিক শৃঙ্খলার জন্য এত প্রয়োজনীয় নম্রতার জন্য যথেষ্ট বিশ্বাস করি না। কিন্তু নিয়তিবাদীর অন্ধকার মতবাদ এখনও তার জমি ধরে রেখেছে — আমাদের ভেতরে এমন কিছু আছে, যা, আত্মার শান্ত গভীরে, আমরা অনুভব করি যে এর একটি রহস্যময় প্রাধান্য রয়েছে তা অস্বীকার করতে সাহস পায় না। একটি নির্দিষ্ট মাত্রায় আমরা আমাদের নিজস্ব কাজগুলো নিয়ন্ত্রণ করি — আমাদের কাছে ঠিক বা ভুলের পছন্দ আছে ; কিন্তু পরিণতিগুলো, ভয়ংকর পরিণতিগুলো, আমাদের ওপর নির্ভর করে না। যে কেউ তার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যুগগুলোর দিকে তাকিয়ে দেখুক ; সেগুলো আমাদের নিজেদের তৈরি কতটা কম হয়েছে — কীভাবে একটা সামান্য জিনিস আরেকটার দিকে নিয়ে গেছে, যতক্ষণ না ফলাফলটা আমাদের হিসাবের ঠিক বিপরীত হয়েছে। আমাদের আবেগগুলো, তারা কতটা কম আমাদের নিজেদের নিয়ন্ত্রণে ! কতবারই না সাদা হয়ে যাওয়া ঠোঁট, বা লাল হয়ে যাওয়া গাল, প্রকাশ করে দিয়েছে যা ইচ্ছাশক্তি লুকাতে শক্তিশালী ছিল ! আমাদের সমস্ত সংবেদনের মধ্যে, ভালোবাসাই হলো সেইটি যার ওপর ভাগ্যের ছাপ সবচেয়ে বেশি। সাধারণত কী একটি নিছক সুযোগ আমাদের সেই ব্যক্তির সাথে দেখা করার দিকে নিয়ে যায় যে আমাদের জীবনের পুরো স্রোতকে বদলে দেওয়ার নিয়তিভুক্ত। আমাদের নিজেদের কাছেও একটি রহস্য সেই প্রভাব যা তারা আমাদের ওপর প্রয়োগ করে। কেন আমরা তাদের প্রতি এত ভিন্নভাবে অনুভব করব, যা আমরা আগে কখনো অনুভব করিনি ? একটি অনুরাগ হলো অস্তিত্বের একটি যুগ — এটি পুরনো বন্ধনগুলো ছিন্ন করার দিকে নিয়ে যায়, যা, ততক্ষণ পর্যন্ত, আমাদের সবচেয়ে প্রিয় বলে মনে হয়েছিল ; এটি নতুন দায়িত্ব শুরু করে ; প্রায়শই, বিশেষ করে একজন নারীর মধ্যে, পুরো চরিত্রটি বদলে দেয় ; এবং তবুও, এর শুরুতে, এর ধারাবাহিকতায় বা এর শেষে, ভালোবাসা ঠিক ততটাই আমাদের ক্ষমতার বাইরে যতটা বয়ে যাওয়া বাতাস, যার সম্পর্কে কেউ জানে না যে এটি কোথায় যায় বা কোথা থেকে আসে।
** ''নম্বর ১৪। দ্য ব্রাইড অব ল্যামারমুইর — লুসি অ্যাশটন।''
* ফিকশন হলো কেবল প্রতিদিনের দ্বারা সংগৃহীত উপাদানগুলোকে একসাথে ঢালাই করা, বাস্তব এবং কাল্পনিক উভয় জীবনেই ; শ্রেষ্ঠত্বের সর্বোচ্চ স্তর এর সাথে প্রেরণা বহন করে। প্রকৃতি এবং ভাগ্যের প্রতিযোগিতার জায়গা হলো এই পৃথিবী, এবং বিজয় প্রায়শই পরেরটির সাথেই হয়।
* ভীতু মেজাজ চিরস্থায়ী ভয়ের মধ্যে বাস করে, মহৎ মেজাজ নিজেকে প্রস্তুত করে সহ্য করার জন্য যখনই নির্ধারিত সময় আসবে।
* আমি বিশ্বাস করি যে পুরুষদের তুলনায় নারীরা বিয়েতে বেশি হতাশ হয় ; একজন নারী তার হৃদয়ের পুরোটা দেয় — পুরুষটি কেবল তার হৃদয়ের অবশিষ্টাংশ দেয়, এবং খুব প্রায়ই কেবল একটুখানি বাকি থাকে। তাছাড়া তার প্রতিমা খুব কমই তার নিজের হাতের কাজের মতো তার কাজ ; প্রথম বছরের শেষে সে হয়তো জিজ্ঞেস করতে পারে, সেই মনোরম এবং মহৎ গুণগুলো কোথায় যা দিয়ে সে তার প্রেমিককে সাজিয়েছিল? দশটির মধ্যে নয়টি ক্ষেত্রেই প্রতিধ্বনি সত্যিই উত্তর দেবে "কোথায়।"
** ''নম্বর ১৫। ইভানহো — রেবেকা।''
* অনুমান করা চরিত্রটি বাস্তব চরিত্র থেকে কতটা আলাদা হবে ; সবচেয়ে ঘনিষ্ঠরাও একে অপরের সম্পর্কে কত কম জানে। কিন্তু অপরিচিত ব্যক্তি যে পার্থক্যটি আবিষ্কার করতে পারে তা আমরা নিজেদের মধ্যে যে পার্থক্যটি খুঁজে পাই তার কাছে কিছুই নয়।
** ''নম্বর ১৬। ইভানহো — রোয়েনা।''
* কোনো বইকে দুবার এবং দূরবর্তী সময়ে না পড়া পর্যন্ত নিখুঁতভাবে বিচার করা যায় না। নিজেদের মধ্যে রুচির তারতম্য লক্ষ্য করা কৌতূহলোদ্দীপক। আমি মনে করতে পারি আমি গল্পটি খুব আগ্রহের সাথে গিলে খেয়েছিলাম, অনুভূতির অংশ নেওয়া সমস্ত কিছুর ওপর মনোযোগ দিয়েছিলাম, এবং কোনো মন্তব্যের গভীরতা নিয়ে কখনোই প্রশ্ন তুলিনি। আমি এখন দেখতে পাচ্ছি যে আমি চরিত্রের বিকাশের দিকে সবচেয়ে বেশি আগ্রহ নিই। আমি রসিকতার মধ্যে আরও বেশি প্রবেশ করি, এবং প্রতিবারই কোনো সিদ্ধান্তের সত্যতা বিশ্লেষণ করতে প্রলুব্ধ হই। আমি যা পড়ছি তা নিয়ে আমি আরও বেশি ভাবি, এবং কল্পনার জগতের সাথে বাস্তবের জগতকে সংযুক্ত করে আরও বেশি আনন্দ পাই।
** ''নম্বর ১৭। দ্য মনাস্ট্রি — মেরি অ্যাভেনেল।''
* স্কচরা চতুর হওয়ার জন্য বড্ড বেশি সতর্ক — তারা তাদের উত্তরগুলো নিয়ে আগে থেকেই চিন্তা করে ; তারা আবেগপ্রবণ লোক নয়, এবং চতুরতা হলো একটি আবেগ। "এটি স্বতঃস্ফূর্তভাবে স্পন্দিত হয় যদি এটি স্পন্দিত হয়।" কিন্তু তারপর তাদের রসবোধ আছে, সমৃদ্ধ, আকর্ষণীয়, ধূর্ত রসবোধ, জাতীয় চরিত্রে পূর্ণ, এবং প্রায় করুণ রসের সাথে সম্পর্কিত।
* সামাজিক পার্থক্যের কী অদ্ভুত পাতা মানব ইতিহাসে ; কোনো জাতি এত অসভ্য নয় যে তাদের এক ধরণের ফ্যাশন নেই। এমনকি আমি এখন যে বন্য লোকদের দেশে লিখছি, সেখানেও ছোট ভদ্রতার সমস্ত ছোট পার্থক্য রয়েছে — উদাহরণস্বরূপ, এটি "রেশম পরা কम्मे ইল ফাউট (উপযুক্ত)" নয়।
** ''নম্বর ১৮। দ্য মনাস্ট্রি — মাইসি হ্যাপার।''
* খুব নিচু শ্রেণিতে সেই দৃশ্যগুলোর মধ্যে বড় হওয়া ভালো যেখানে আমাদের ভবিষ্যৎ ঢালাই করা হয় ; কোনো কিছুই কখনো সেই প্রাথমিক অনুষঙ্গগুলোর জায়গা নিতে পারে না — শৈশবের স্মৃতির মতো কোনো কিছুই হৃদয়কে তার জন্মস্থানের সাথে বাঁধে না — কোনো কিছুই একটি জাতির সম্পূর্ণ জ্ঞান দিতে পারে না, কেবল তাদের মধ্যে বড় হওয়া ছাড়া।
** ''নম্বর ১৯। দ্য অ্যাবট — মেরি কুইন অব স্কটস।''
* আজকের শান্ত এবং মাপা পথে নয় যে আমরা আরও সাহসী এবং উচ্চারিত চরিত্রগুলোকে দেখতে পাই, যাদের রূপরেখা প্রয়োজনীয়তার শক্তিশালী হাত দ্বারা রুক্ষভাবে তৈরি করা হয়েছে ; তবুও এমন অশান্ত সময়গুলো প্রায়শই আমাদের মহৎ এবং সেরা গুণগুলোর বিকাশের অন্তর্গত — ওরমুজের ঝোড়ো উপসাগর সবচেয়ে ভালো মুক্তোগুলো ছুঁড়ে ফেলে। এটি শান্তির ঋতুতে নয় যে আমরা সেই উদার ভক্তি, সম্পদের উর্বরতা, এবং আত্মবিস্মৃতি সম্পর্কে কিছু জানতে পারি যা প্রায়শই পরীক্ষার প্রহরে দেখানো হয়। ফরাসি বিপ্লব যখন শুরু হয়েছিল, তখন অলসতা, বিলাসিতা এবং প্রথায় অভ্যস্ত কতজন দেখিয়েছিল যে "গোলাপের মধ্যে লোহা ছিল ;" এবং, কর্তব্যের বা স্নেহের আদেশে, একেবারে চরম পর্যন্ত সহ্য করতে প্রস্তুত ছিল, এবং এমন একটি মানসিক দৃঢ়তা প্রয়োগ করতে প্রস্তুত ছিল যার কথা আগে কখনো স্বপ্নও দেখা হয়নি।
* যৌবন অকপট, আগ্রহী, এবং ভালোর প্রতি বিশ্বাস করার প্রবণতা রাখে ; এটি চারপাশে তাকায়, এবং ফুল দেখে ; এটি ওপরের দিকে তাকায় এবং তারা দেখে ; মন্দকে অসম্ভব মনে হয়, কারণ এটি আমাদের নিজেদের মধ্যে আছে বলে মনে হয় না। এটি পরে এবং ক্লান্তিকর বছরগুলোর জন্য অবশিষ্ট থাকে আমাদের শেখানোর জন্য, যে এমনকি তরুণ এবং নিষ্পাপরাও প্রলোভনের শক্তিশালী প্রভাবের দ্বারা অপরাধে পরিচালিত হতে পারে। প্রথমে আবেগ, এবং পরে স্বার্থ, মানুষের পা অন্ধকার এবং বাঁকা পথে প্রলুব্ধ করে, যা কেউ আগে এবং পবিত্র প্রহরগুলোতে ভেবেছিল না যে তারা পা রাখতে পারে। আমরা হয়তো প্রায়শই প্রতারিত হয়েছি, কিন্তু যতক্ষণ না আমরা নিজেরাই প্রতারণা করতে শুরু করি ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা প্রতারণাকে ভয় পাই না।
* একটি হাসিখুশি মেজাজ একটি উজ্জ্বল দিনের মতো ; সত্যি, এর দোষ থাকতে পারে — একটু বিরক্তি, একটু জেদ — গালে হয়তো বড্ড সহজে লাল হয়ে যায়, এবং চোখে বড্ড তাড়াতাড়ি ঝলকানি দেয় ; তবুও এগুলো কেবল ক্ষমা করার মতো তুচ্ছ বিষয়, এবং আমরা সেই সব কিছুই আরও ভালোভাবে পছন্দ করি যাতে আমাদের ক্ষমা করার কিছু আছে।
** ''নম্বর ২০। দ্য অ্যাবট — ক্যাথরিন সেটন।''
* বেশিরভাগ কল্পকাহিনীর ইতিহাস কল্পকাহিনীর চেয়েও অনেক বেশি অদ্ভুত হবে ; তবে এটি একটি অন্ধকার এবং দুঃখজনক ইতিহাস হবে। যে কাজগুলো আমাদের অবসরের আকর্ষণ তৈরি করে, যা দীর্ঘ নভেম্বরের সন্ধ্যাকে তাদের নিজস্ব আগ্রহ দেয়, বা সবুজ বনের গাছের নিচে গ্রীষ্মের দুপুরের আকর্ষণে যোগ করে, তার অর্ধেকই হলো দারিদ্র্য এবং ব্যথার সন্তান। ... কতবারই না লেখক কাজ শেষ করার জন্য তার নিজের কষ্ট, তার যন্ত্রণা, বা তার দুঃখ একপাশে সরিয়ে রাখতে বাধ্য হন ! হাত কাঁপতে পারে, চোখ অকারণে জলে ভরে যেতে পারে, এবং কপাল জ্বরের ব্যথায় স্পন্দিত হতে পারে, তবুও কতবারই না এমন কিছু কঠিন এবং কঠোর প্রয়োজনীয়তা থাকে, যা বলে, "কাজটা করতেই হবে।"
* আমি বিশ্বাস করি না যে স্নেহ সত্য ছাড়া, আদর্শ ছাড়া, এবং আমাদের প্রকৃতির সবচেয়ে ভালো এবং সবচেয়ে আন্তরিক সবকিছুর সাথে নিজেকে মিশিয়ে নেওয়া ছাড়া থাকতে পারে।
** ''নম্বর ২১। উডস্টক — অ্যালিস লি।''
** ''নম্বর ২২। মারমিয়ন — কনস্ট্যান্স।'' দ্য মান্থলি ম্যাগাজিন-এর নিচে দেখুন
'''কাস্ট্রুচিও কাস্ট্রুকানি'''<br>
''অঙ্ক ১ - দৃশ্য ১'':
* [সিজারিওর কাছ থেকে]<br>
কিন্তু তোমাদের ভালো কারণে শক্তিশালী।<br>ওহ, তোমরা শক্তিশালী, যদি তোমরা তোমাদের শক্তি জানতে !<br><br>
''অঙ্ক ১ - দৃশ্য ২'':
* [কাস্ট্রুচিওর কাছ থেকে]<br>
ধন্যবাদ, ভদ্রলোকেরা,<br>একটা মাঝারি বাসস্থানের জন্য। আমি শিখেছি<br>যে কারাগার, মৃত্যুর চিন্তা দিয়ে ভাড়া দেওয়া,<br>হালকাভাবে আদেশ করার মতো শাস্তি নয়;<br>তাই, তোমরা আমার খালি জায়গা পূরণ করবে না।
* [কাস্ট্রুচিওর কাছ থেকে]<br>
তা নয়, আমার প্রভু ; একটা উচ্চ কারণ ছিল —<br>অন্যায়ের বিরুদ্ধে ন্যায়। তোমার সেনাবাহিনী এসেছিল,<br>একটা ভাড়াটে আর স্বার্থপর দল,<br>কেউ মিথ্যা উচ্চাকাঙ্ক্ষা দ্বারা চালিত, কেউ লুটের জন্য।<br>কোনো মহৎ উদ্দেশ্য মহৎ প্রেরণা দেয়নি :<br>তোমরা ছিলে আক্রমণকারী, আর তোমরা তেমনই লড়েছ।<br><br>
''অঙ্ক ২ - দৃশ্য ১''
* [আরেজির কাছ থেকে]<br>
আমি জানি না আমি কোন সময়ে বাস করছি।<br>এত পরিবর্তনের ভার প্রতিটি প্রহরের ওপর ভারী হয়ে আছে !<br><br>
''অঙ্ক ২ - দৃশ্য ২''
* [কাস্টুচিওর কাছ থেকে]<br>
অপরাধ বিশ্বাসঘাতকতার চেয়ে নীচ কোনো রূপ নেয় না,<br>আর ওই দাস তার শহরের পরিষদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে<br>কয়েকটা ডুকাটের জন্য ; কিন্তু সেই সময় আসবে,<br>যখন, লুক্কার কারণে শক্তিশালী হয়ে, আমার প্রয়োজন হবে না<br>এমন কোনো অযোগ্য উপায়ের ; দাস আর গুপ্তচর<br>স্বৈরাচারের অন্তর্গত, আর স্বাধীনতা কাজ করে<br>মহৎ যন্ত্রপাতি দিয়ে।<br><br>
==ল্যান্ডন সম্পর্কে উক্তি==
* আমি জানি না কে, বা তুমি কী;<br />আমি তোমাকে জানতেও চাই না,<br />যতক্ষণ তুমি, এভাবে তোমার কাজ করে যাচ্ছ,<br />আমাকে এমন সব ভোজ উপহার দিতে পারো।<br />তাহলে থাকো, যতদিন তুমি চাও,<br />আমার অদৃশ্য, নামহীন সুরকার।
** [[w:বার্নার্ড বার্টন|বার্নার্ড বার্টন]], "টু এল. ই. এল.", ''[[w:লিটারারি গেজেট|দ্য লিটারারি গেজেট]]''-এ, নম্বর ২৬৪ (৯ ফেব্রুয়ারি ১৮২২)
* তোমার আবেগে ভরা পাতাগুলোর ভেতরে<br>মেয়েরা আর দূরের যুগগুলো ভিড় করে আসে,<br>নির্জীবরা হঠাৎ করেই বাঁচতে শেখে,<br>বোবারা অদ্ভুতভাবে কথা বলতে শুরু করে,<br>মিলগুলো আঘাত করতে শুরু করে<br>অত্যন্ত অমিল জিনিসগুলোর মধ্যে,<br>সব বিশেষ্য, রাজনীতিকদের মতো, সব জায়গায় মানানসই হয়,<br> আর ক্রিয়াপদরা, আইনজীবী হয়ে, মামলা খোঁজে।
** উইনথ্রপ ম্যাকওয়ার্থ প্রেইড (মৃত্যু ১৮৩৯), 'আ প্রিফেস'
* সেই প্রতিভাধর সত্তার, যার কর্মজীবন, প্রায় বিশ বছর ধরে প্রতিটি বুদ্ধিবৃত্তিক এবং সাহিত্যিক সাধনায় আমার নিজের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে মিশে ছিল, এটি বর্ণনা করা আমার অনিবার্য কাজ, আমি সাধারণ মনের কাছে আবেদন করা বা নিছক জাগতিক নিয়মের অধীনস্থ কোনো ভাষায় লিখতে পারি না। আমাকে অনুভূতি এবং কল্পনার কাছে আবেদন করতে হবে; কারণ এল. ই. এল. তেমনই ছিলেন। তাকে কোনো সাধারণ অনুমান দ্বারা বোঝা যাবে না বা কোনো সাধারণ মানদণ্ড দ্বারা পরিমাপ করা যাবে না; এবং যাদের আত্মায় কবিতা নেই এবং যাদের স্বভাবে উষ্ণ এবং গভীর সহানুভূতি নেই, তারা আমার কাজের এই অংশে তাদের আগ্রহী করার মতো খুব কমই খুঁজে পাবেন।<br>....<br>আমি এল. ই. এল.-এর মধ্যে অন্য কোনো গোলকের একটি প্রাণীকে খুঁজে পেয়েছিলাম, যদিও প্রতিটি আকর্ষণের সাথে যা তাকে আমাদের দৈনন্দিন জগতে সবচেয়ে বেশি প্রেমময় করে তুলতে পারত। শৈশবের চমৎকার সারল্য, নারীত্বের সুন্দর রূপ, সবচেয়ে মিষ্টি মেজাজ, অকৃত্রিম আচরণের সর্বোচ্চ আকর্ষণ, এবং সর্বোপরি, একটি আবেগপূর্ণ আদর্শ এবং কাব্যিক মেজাজ যা তার অস্তিত্বকে শুষে নিয়েছিল এবং অন্য সবকিছুকে তুলনামূলকভাবে কিছুই মনে করত না। এই সাইকি-ঘটনার বিকাশই ছিল তার জীবন, এবং এর সাথে যুক্ত সবকিছু। তার পুরো ইতিহাস অ্যাপুলিয়াসের রূপকটিকে বাস্তবায়িত করেছিল, যদি এটি একটি রূপক হয়, ঠিক ততটাই ঘনিষ্ঠভাবে যেন এটি তার গতিপথকে রূপ দেওয়ার জন্যই উদ্ভাবিত হয়েছিল, পৃথিবীতে এর মারাত্মক সমাপ্তির ব্যতিক্রম ছাড়া—ঘুমের বদলে মৃত্যু;
** উইলিয়াম জারডান, ''অটোবায়োগ্রাফি'' (১৮৫২)
==বহিঃসংযোগ==
*{{wikipedia}}
[[বিষয়শ্রেণী:১৮০২-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৮৩৮-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের ঔপন্যাসিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের কবি]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের ছোটগল্পকার]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের নারী লেখক]]
[[বিষয়শ্রেণী:লন্ডনের ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯শ শতকে জন্ম নেওয়া নারী]]
mc86g4n6anrcb27s0ezzxw7oql7nr1o
83345
83338
2026-05-03T13:57:49Z
NusJaS
273
83345
wikitext
text/x-wiki
[[File:Letitia Elizabeth Landon.jpg|thumb|লিটিশা এলিজাবেথ ল্যান্ডন]]
'''[[w:লিটিশা এলিজাবেথ ল্যান্ডন|লিটিশা এলিজাবেথ ল্যান্ডন]]''' (১৪ আগস্ট ১৮০২ – ১৫ অক্টোবর ১৮৩৮) ছিলেন একজন ইংরেজ কবি এবং ঔপন্যাসিক। তিনি তার নামের আদ্যক্ষর এল. ই. এল. (L. E. L.) নামেই বেশি পরিচিত ছিলেন। উনিশ শতকের শুরুর দিকে তিনি ছিলেন এপিগ্রামের অন্যতম সেরা উৎস। একজন সাহিত্য সমালোচক তাকে রশফুকোর সাথে তুলনা করেছিলেন। মাঝে মাঝে তিনি বিরোধী ভূমিকা গ্রহণ করে পরস্পরবিরোধী দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপন করতেন। তার কিছু চিন্তাভাবনা হয় বিকশিত বা পরিমার্জিত রূপে বারবার ফিরে এসেছে। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে তিনি কিছু বিষয়ে ভিন্ন ভিন্ন মতও প্রকাশ করেছেন। তিনি যুক্তি দেখিয়েছেন, পরিবর্তনশীলতা আমাদের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য। তার একটি চরিত্রের কথায়, '''''সত্য হলো পরশপাথরের মতো, এমন একটি জিনিস যা কখনো আবিষ্কার করা যায় না'''''।
== উক্তি ==
===দ্য ফেট অব অ্যাডিলেড (১৮২১)===
* রোমান্টিক সুইজারল্যান্ড! তোমার দৃশ্যগুলোতে আঁকা আছে<br>অদ্ভুত বন্য এক সৌন্দর্যের ছাপ,<br>সৌন্দর্য এবং ধ্বংস, পাশাপাশি;<br>এখানে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে সুউচ্চ পাহাড়, যেখানে প্রকৃতি যেন<br>নীরব মহিমায় একাই বাস করে;<br>বরফের চাদরে ঢাকা, তার রাজকীয় প্রাসাদ তৈরি হয়েছে<br>সাদা পাহাড় দিয়ে; সমস্ত অহংকারে মাথা উঁচু করে থাকা,<br>বরফের বিশাল স্তূপগুলো মেঘের আড়ালে হারিয়ে গেছে,<br>যেন মাঝ আকাশে তৈরি করা বিশাল কোনো দুর্গ।<br>বরফও ভাস্কর্যের রূপ নিয়েছে অত্যন্ত অদ্ভুত চিত্রে—<br>ওবেলিস্ক, স্তম্ভ, মিনার, চমৎকার সব কাঠামো;<br>কিছু মসৃণ মার্বেলের মতো, অন্যগুলো স্ফটিকের মতো<br>স্বচ্ছ, আর বাকিগুলো জ্বলজ্বল করছে<br>সূর্যস্নাত রংধনুর গায়ে গলে যাওয়া রঙের ছটায়।
** ''ক্যান্টো ১, ১'' শুরুর চরণসমূহ
* আর তাদের ওপর ধ্বংসের ছায়া, উঁচুতে বাতাসে ভাসছে,<br>সেই বেরিয়ে থাকা পাহাড়ের চূড়ায়, যার এবড়োখেবড়ো পাশগুলো,<br>টুকরো টুকরো হয়ে ভেঙে, ধ্বংসস্তূপের মতো স্তূপ হয়ে আছে,<br>যেন প্রাচীনকালের সেই দানবরা<br>যখন পৃথিবীর বুকে জন্ম নেওয়া প্রাণীরা অলিম্পিক দেবতাদের ভয় দেখাত,<br>যাদের কথা রূপকথায় বলা হয়, তারা তাদের শক্ত ভিত থেকে<br>পাহাড়গুলোকে ছিঁড়ে ফেলেছিল, এবং শক্তিশালী হাত দিয়ে,<br>পাহাড়গুলোকে দুই ভাগ করেছিল: সেখানেই ঝুলে আছে তুষারধস,<br>বিশাল, কিন্তু কম্পমান; একটু হালকা বাতাসই<br>তাকে তার বায়বীয় সিংহাসন থেকে আলগা করে দেবে;<br>তারপর তা ক্রোধে আছড়ে পড়বে, ঝড়ের মাঝে<br>বজ্রপাতের শব্দের মতো, অথবা ছুটে চলা<br>পানির গর্জনের মতো—যার গতিপথ শুধুই মৃত্যু।
** ''ক্যান্টো ১, ১''
* আমার মনে হয় বিদায় শব্দটি<br>খুবই শীতল, যদি না তা অশ্রু দিয়ে বলা হয়।
** ''ক্যান্টো ১, ১১''
* আশা, ক্ষণস্থায়ী কিন্তু সুন্দর ছায়া! তুমি আসো,<br>আমাদের এখানে চলার পথে এক উজ্জ্বল দর্শনের মতো,<br>অন্ধকার ভবিষ্যৎকে সুন্দর করে তোলো,<br>আর আমাদের দিগন্তকে এমন এক আলোয় রাঙিয়ে দাও,<br>যা মানুষের চোখে দেখা সবচেয়ে সুন্দর আলো।
** ''ক্যান্টো ১, ১৩''
* আরেকবার আমার বীণা বেজে উঠেছে; আরেকবার,<br>যদিও আমার হাত কবিতার ঐশ্বরিক<br>ফুলগুলো গাঁথার অযোগ্য,<br>তবুও আমি তার সুরগুলো ডেকে আনতে চাই, আর অনুভব করতে চাই<br>তার সুর আমার আত্মায় রোদের মতো ঝরে পড়ছে।
** ''ক্যান্টো ২, ১''
* ... অনুপস্থিতি হলো<br>স্নেহের চাঁদের আলো;
** ''ক্যান্টো ২, ২''
* হায়! হায়! বিবেক অনেক সময় ঘুমিয়ে থাকে,<br>যখন আনন্দের মোহময় সুর তাকে ঘুম পাড়িয়ে দেয়।—
** ''ক্যান্টো ২, ৮''
* সব পাতা ঝরে গিয়েছিল, শুধু পাইন গাছটি ছাড়া<br>যে তার অপরিবর্তিত সবুজের বিশাল ছায়া ফেলেছিল।<br>আমি তার সেই ম্লানহীন অবস্থাকে ঈর্ষা করতে পারিনি।—<br>হায়! কে সেই শেষ হতে চাইবে, একমাত্র সে-ই<br>যাকে ধ্বংস রেহাই দেয়—না; যদি ধ্বংসের হাওয়া<br>চারপাশের সবকিছুর ওপর দিয়ে বয়ে যায়, তবে তা আমার ওপর দিয়েও বয়ে যাক!
** ''ক্যান্টো ২, ১০''
* হৃদয়ের জন্য এটি প্রশান্তিদায়ক, ওহ! খুব প্রশান্তিদায়ক,<br>এমন সব জায়গায় ঘুরে বেড়ানো যেখানে আমরা একসময় সুখী ছিলাম!<br>প্রতিটি গাছ, প্রতিটি ফুলে এক শিহরণ জাগানো আকর্ষণ আছে;<br>সেগুলো যেন সেই সুখের সময়ের স্মৃতিচিহ্ন:<br>যে দীর্ঘশ্বাসটি বলে যে তারা আর নেই,<br>তা-ও আত্মার কাছে মিষ্টি লাগে; পুরনো দিনগুলো,<br>আর পুরনো অনুভূতিগুলো আত্মার ওপর জেগে ওঠে,<br>ঠিক ততটাই প্রিয় যেমনটা তারা একসময় ছিল।
** ''ক্যান্টো ২, ১২''
* ... ওহ! সেই ফোঁটাগুলো খুব জ্বলন্ত<br>যা আহত ভালোবাসা ঝরায়—যেন বিষবৃক্ষ থেকে<br>ঝরে পড়া শিশির, যার ছোঁয়াতেই<br>ধ্বংস নেমে আসে;—হায়! অন্য অশ্রুরা<br>নরম করে এবং আশীর্বাদ করে—কিন্তু এগুলো হৃদয়কে ধ্বংস করে।
** ''ক্যান্টো ২, ১৭''
* তুমি, কবিতা, অনুপস্থিতিতে ছিলে একটি শিকল,<br>যা আমাদের হৃদয়গুলোকে একসাথে বেঁধে রেখেছিল: আর কোথায়<br>তোমার সুরের চেয়ে ভালোভাবে, আমি আমার আত্মাকে ঢেলে দিতে পারতাম,<br>প্রশান্তিদায়ক কোমলতায়? এটা ছিল এক পরম আনন্দ, আমি যাদের কথা ভেবেছি<br>তাদের কাছে চিন্তাকে দৃশ্যমান করে তোলা।
** ''দ্য ফেয়ারওয়েল''
* তোমার ঘুম কত নিষ্পাপ, কত সুন্দর!<br>মিষ্টি শিশু, তোমার দিকে তাকিয়ে থাকাটা শান্তি আর আনন্দের!
** ''স্লিপিং চাইল্ড''
* আমি তোমাকে দিচ্ছি, ভালোবাসা, একটি ফুটন্ত ফুলের মালা;<br>আমি এটি তুলেছি সন্ধ্যার জাদুকরী প্রহরে;<br>আমি এটি গেঁথেছি চাঁদের মিষ্টি ছায়ায়,<br>যখন প্রতিটি ফুলে তারার আলোর মতো শিশির ছিল।
** ''লাভস পার্টিং রিথ''
* আমি যে কাল্পনিক কাঠামো তৈরি করি তা দেখে তুমি হাসতে পারো,<br>আর বলতে পারো যে আমার দুর্গগুলো শুধু বালির ওপর তৈরি;<br>বুদবুদের মতো, যা নীল জলে ভেসে ওঠে,<br>যা ঝিকমিক করে, কাছে ডাকে, আর তারপর হাতের ছোঁয়ায় মিলিয়ে যায়।
** ''ক্যাসল বিল্ডিং''
* আর তুমি, আমার মহান কবি, যে ভেবেছিল পৃথিবী<br>আর কখনো এমন চারণকবির জন্ম দিতে পারবে না,<br>ইতিমধ্যেই তোমার বইগুলো তাকে ফেলে রাখা হয়েছে,<br>আর তাদের লেখককে এক অজ্ঞ বামন বলে নিন্দা করা হয়েছে।—<br>হ্যাঁ; পৃথিবীর দিকে তাকাও, আর তুমি এই সত্যটি খুঁজে পাবে<br>যে, একবার চোখের আড়াল হলে, তুমি শীঘ্রই মনের আড়াল হয়ে যাবে।
** ''ফ্যাবল (ফরাসি লেখক লা মত্তের অনুকরণে)''
===দ্য ইমপ্রোভাইজাট্রাইস (১৮২৪)===
* আমি সেই দেশের এক কন্যা,<br>যেখানে কবির ঠোঁট আর চিত্রকরের হাত<br>সবচেয়ে ঐশ্বরিক, —যেখানে মাটি আর আকাশ,<br>দুটোই ছবি আর কবিতা—<br>আমি ফ্লোরেন্সের।
** শিরোনাম কবিতা
* মূর্তিগুলো মাটির আকৃতি থেকে পরিচিত নয়,<br>বরং মরণশীল জন্মের জন্য বড্ড সুন্দর হওয়ায়;<br>চিত্রকর্মগুলো, যার জীবনের রং নেওয়া হয়েছিল<br>রংধনুতে তৈরি পরীর ছটা থেকে;<br>সংগীত, যার দীর্ঘশ্বাসের একটা জাদু ছিল তাদের মতো<br>যারা সন্ধ্যার শেষে সাগরে ভাসে<br>ভাষা এতই রূপালি যে প্রতিটি শব্দ<br>বীণার জাগিয়ে তোলা তারের মতো ছিল;
** শিরোনাম কবিতা
* আমার ক্ষমতা শুধু একজন নারীর ক্ষমতাই ছিল;<br>তবুও, প্রতিভার দেওয়া সেই মহান এবং গৌরবময়<br>উপহারে, আমারও অংশ ছিল:<br>আমি আমার পূর্ণ এবং জ্বলন্ত হৃদয় ঢেলে দিয়েছিলাম
** শিরোনাম কবিতা
* কিন্তু ভালোবাসার উজ্জ্বল ঝরনা কখনো পবিত্র নয়;<br>আর তার সব তীর্থযাত্রীকে সহ্য করতে হয়<br>আবেগের সব বিশাল কষ্ট<br>সেই আশীর্বাদপুষ্ট ঝরনায় পৌঁছানোর আগে।
** শিরোনাম কবিতা
* আমার ওপরের অশুভ তারায় ছিল,<br>আমার মিষ্টি বীণায় নয়, যা আমার ক্ষতি করেছে;<br>গান আমাকে ভালোবাসা শেখায়নি,<br>ভালোবাসাই আমাকে গান শিখিয়েছে।
** শিরোনাম কবিতা
* হাজারো কাল্পনিক জিনিস আছে<br>যা তরুণ হৃদয়ের কল্পনার সাথে যুক্ত।<br>তার প্রথম ভালোবাসার স্বপ্নে, একটি পাতা বা একটি ফুল<br>তখন একটি জাদু এবং একটি ক্ষমতায় উপহারপ্রাপ্ত হয়:<br>একটি ছায়া একটি অমঙ্গল, একটি স্বপ্ন একটি লক্ষণ,<br>যা থেকে কুমারী খুব সহজেই অনুমান করতে পারে<br>আবেগের পুরো ইতিহাস।
** শিরোনাম কবিতা
* শরতের পাতার ঝরে পড়া দেখা<br>খুবই দুঃখজনক!—কিন্তু তার চেয়েও খারাপ<br>হলো বসন্তের ফুলকে<br>তার তাজা প্রস্ফুটিত অবস্থায় ম্লান হতে দেখা!
** শিরোনাম কবিতা
* আমি তাকে ভালোবেসেছিলাম যেমন তরুণ প্রতিভা ভালোবাসে,<br>যখন তার নিজস্ব বন্য এবং উজ্জ্বল আকাশ<br>তারার আলোয় জ্বলে ওঠে,<br>ভালোবাসা, জীবন, আবেগের দেওয়া।<br>আমি তাকে ভালোবেসেছিলাম, যেমন নারী ভালোবাসে—<br>দুঃখ, পাপ বা অবজ্ঞার পরোয়া না করে:<br>জীবনের এমন কোনো অশুভ নিয়তি ছিল না<br>যা, তার সাথে, আমি সহ্য করতে পারতাম না!
** শিরোনাম কবিতা
* এটি গ্রীষ্মের এক রাত,—আর সাগর<br>ঘুমাচ্ছে, একটি শিশুর মতো, নীরব প্রশান্তিতে।<br>গভীর-নীল ঢেউয়ের ওপর ধীরে ধীরে চাঁদের আলো ভেঙে পড়ছে;<br>তার অঞ্চলের সাদা মেঘের ভেতর থেকে ঝিকমিক করছে,
** ''রোজালি।''
* তারপর তারা চুপ হয়ে গেল:—ভালোবাসার জন্য শব্দ খুব সামান্যই সাহায্য করে,<br>যার গভীরতম শপথগুলো সবসময় করা হয়<br>শুধু হৃদস্পন্দনের মাধ্যমে। ওহ, নীরবতাই হলো<br>আনন্দের নিজস্ব অদ্ভুত বাগ্মিতা!
** ''রোজালি।''
* সেই বুকটা কতটা নিঃসঙ্গ হতে পারে,<br>যার একমাত্র আনন্দ স্মৃতিতে আছে!<br>আর একজন নারীকে কতটা কষ্ট সহ্য করতে হয়, এভাবে প্রতারিত হয়ে?—<br>তার হৃদয়ের সবচেয়ে উষ্ণ এবং মূল্যবান অনুভূতিগুলো তৈরি করা হয়েছে<br>শুধু আঘাত করার জিনিস হিসেবে: সেই হৃদয়—এত দুর্বল,<br>এত নরম—শকুনের চঞ্চুর সামনে উন্মুক্ত করা হয়েছে!
** ''রোজালি।''
* এটি নিশ্চয়ই সারাজীবনের পরিশ্রম এবং যত্নের মূল্যবান,—<br>সেই কালো শেকলগুলোর মূল্যবান যা ক্লান্ত মানুষকে বইতে হয়<br>যে ভাগ্যের খাড়া পথে পরিশ্রম করে,—সবকিছু যা নিংড়ে নিতে পারে<br>নিঃসঙ্গ-কষ্টে ক্লান্ত বুককে,—<br>অস্থিরতা, অত্যাচার, যন্ত্রণাদায়ক ভয়,<br>আর বহু বছরের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত আশাগুলোর মূল্যবান,—<br>সেই ছোট্ট শান্ত জায়গাটিতে আবার পৌঁছানো,<br>যা একসময় এত প্রিয় ছিল, আর কখনোই পুরোপুরি ভোলা যায়নি;—<br>শৈশবের পা ফেলার জায়গাগুলো আবার খুঁজে পাওয়া,<br>আর তাদের স্মৃতি থেকে তাদের সতেজতা ধরে রাখা!
** ''রোজালি।''
* সেখানে সদ্য বন্ধ হওয়া একটা কবর ছিল। মনে হলো না কেউ কাছাকাছি আছে,<br>একটা দীর্ঘ—শেষ কান্নার শ্রদ্ধা নিবেদন করতে!<br>সেই মানুষটি কতটা নিঃসঙ্গ হতে পারে,<br>যার কবরের চেয়ে বেশি কোনো স্মৃতি নেই!
** ''রোজালি।''
* আমি ভায়োলেট খুব ভালোবাসি:<br>তারা নারীর ভালোবাসার ইতিহাস বলে;<br>তারা বসন্তের প্রথম নিশ্বাসের সাথে ফোটে;<br>সুগন্ধ, শিশির আর আলোর এক মিষ্টি জীবন কাটায়;<br>আর যদি তারা মারা যায়, তবে একটা দীর্ঘশ্বাস নিয়ে মারা যায়<br>যা সেই জীবনের মতোই সুস্বাদু।
** ''রোল্যান্ডস টাওয়ার''
* ভালোবাসা হলো কাঁচের মতো,<br>যা সবার ওপর তার নিজস্ব সমৃদ্ধ রং ফেলে,<br>আর সবাইকে সুন্দর করে তোলে।
** ''রোল্যান্ডস টাওয়ার''
* সুস্বাদু কান্না! হৃদয়ের নিজস্ব শিশির।
** ''দ্য গেরিলা চিফ''
* এটি কিছু একটা, যদি অনুপস্থিতিতে আমরা দেখতে পাই<br>অতীতের পায়ের ছাপ:—এটি হৃদয়কে প্রশান্তি দেয়<br>অন্য বছরের সুগন্ধি বাতাসে নিশ্বাস নিতে<br>প্রিয় ঠোঁটের দ্বারা; সেই বাগানগুলোতে ঘুরে বেড়াতে<br>যেখানে একসময় আমরা একা ছিলাম না,—
** ''দ্য গেরিলা চিফ''
* আর হলরুম একাকী, আর হলরুম বিষণ্ণ,<br>কারণ নারীর হাসি এখানে জ্বলজ্বল করে না।
* লুরি তার দারুচিনির বাসায় নিয়ে এসেছে।<br>মৌমাছি তার মধুর খোঁজের মাঝখান থেকে,<br>আর পদ্মের পাতাগুলো খুলে রেখেছে<br>গ্রীষ্মের দিনের দুপুরকে স্বাগত জানাতে।
* তবুও মান্ডাল্লা স্কোয়ারের দিকে তাকিয়ে রইল<br>যেহেতু সে যাকে খুঁজছিল সে এখনো সেখানে ঘুরে বেড়াচ্ছিল,—<br>ওহ সেই প্রিয় দৃষ্টি, যার চোখের মণি টানাটানি করছে,<br>আর জানবে না যে তার দৃষ্টি বৃথা!<br>অবশেষে সে ঘুরল,—তার নীরব মেজাজ<br>সেই আবেগপূর্ণ একাকীত্ব খুঁজছিল,<br>তরুণ হৃদয়ের ইডেন, যখন প্রথমবার<br>ভালোবাসা তার নিঃসঙ্গতায় লালিত হয়।
* একজন আলমা মেয়ে! ওহ লজ্জা, গভীর লজ্জা,<br>ব্রহ্মার জাত আর ব্রহ্মার নামের প্রতি!<br>অলক্ষ্যে, করুণাহীন, সে একপাশে ঘুরে দাঁড়াল,<br>এক মুহূর্তের জন্য তার ফেটে পড়া কান্না লুকাতে।<br>কেউ বায়াদেরের কথা ভাবেনি, যতক্ষণ না আগুন<br>কবরের চিতায় লাল আর ভয়ংকরভাবে জ্বলে উঠল,<br>তারপর একটা চিন্তার মতো সে ছুটে গেল,<br>আর জ্বলন্ত চিতায় লাফিয়ে পড়ল মরার জন্য!
** দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট (৩০ আগস্ট, ৬ এবং ১৩ সেপ্টেম্বর ১৮২৩) থেকে ''দ্য বায়াদের''
* মৃত্যু একটা ভয়ংকর জিনিস যখন আমাদের এর পা ফেলার হিসাব করতে হয়!
* আশার বালুকাময় ভিত্তির ওপর আমরা<br>কতগুলো গৌরবময় কাঠামো তৈরি করেছিলাম!
** লন্ডন লিটারারি গেজেট (২৫ মে ১৮২২) পোয়েটিক স্কেচেস থেকে ''সেন্ট জর্জেস হসপিটাল, হাইড পার্ক কর্নার। সেকেন্ড সিরিজ - স্কেচ দ্য ফোর্থ''
* এটি একটি মিষ্টি, যদিও খুব বেদনাদায়ক, অনুভূতি<br>এটা জানা যে, আমাদের জন্য কেউ আক্ষেপ করছে।
* তার গাল মার্বেলের মতো ফ্যাকাশে ছিল, আর ততটাই ঠান্ডা;<br>কিন্তু তার ঠোঁট কাঁপেনি, আর তার কালো চোখ<br>গর্বের সাথে চারপাশে তাকাল। কিন্তু যখন তারা তার বুক উন্মুক্ত করল<br>মৃত্যুর গুলির জন্য, আর সেখান থেকে একটা প্রতিকৃতি নিল,<br>সে তার হাত মুঠো করল, আর হাঁপিয়ে উঠল, আর একটা গভীর দীর্ঘশ্বাস<br>যন্ত্রণায় তার থেকে ফেটে বের হলো; আর সে লুকাল<br>তার মুখ কিছুক্ষণের জন্য—তার মায়ের দৃষ্টি সেখানে ছিল।<br>সে তার আত্মাকে শক্ত করতে পারল না যখন সে মনে করল<br>তার মায়ের হতাশার তিক্ততা। এটি কেটে গেল—<br>সেই বন্য যন্ত্রণার মুহূর্তটি; সে হাঁটু গেড়ে বসল;<br>সেই সূর্যের আলো তার গৌরব ছড়িয়ে দিল একজনের ওপর,<br>তরুণ, গর্বিত, আর সাহসী, গভীর শক্তিতে স্নায়ুযুক্ত;<br>পরের আলোটি পড়ল ঠান্ডা আর রক্তমাখা কাদামাটির ওপর। . . .
** দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট (৮ জুন ১৮২২) পোয়েটিক স্কেচেস থেকে ''দ্য ডেজার্টার। সেকেন্ড সিরিজ - স্কেচ দ্য সিক্সথ''
* আমি তাদের জন্য করুণা করি যাদের শৈশব অসুখী ছিল! তাদের কাছে অনুভূতির অন্যতম মিষ্টি ঝরনা পুরোপুরি অস্বীকার করা হয়েছে, জীবনের সবচেয়ে সবুজ এবং সুন্দর অংশটি ধ্বংস হয়ে গেছে।
* তিনবার পবিত্র করা মঠ<br>হৃদয়ের যোগাযোগের, আমাদের নিজস্ব চুল্লির পাশ!
** দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট (১৪ সেপ্টেম্বর ১৮২২) পোয়েটিক্যাল স্কেচেস থেকে ''গ্ল্যাডেসমুইর। থার্ড সিরিজ - স্কেচ দ্য সেকেন্ড''
* ওহ, সবাই<br>জানে ভালোবাসা হলো নারীর সুখ।
* আশা হলো ভালোবাসার সুখ, কিন্তু এর জীবন নয়;—<br>কতগুলো হৃদয় একটা বৃথা শিখা লালন করেছে<br>নীরবে আর গোপনে, যদিও তারা জানত<br>তারা সেই পোড়ানো আগুনকে খাওয়াচ্ছে যা তাদের গ্রাস করবে!
* — একজন কবির ভালোবাসা<br>হলো অমরত্ব!
** দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট (২১ সেপ্টেম্বর ১৮২২) থেকে ''দ্য মিনস্ট্রেল অব পর্তুগাল''
* সবাই, দেরি করে, তাকিয়ে থাকার জন্য দাঁড়িয়ে রইল<br>চিত্রকরের শিল্পের এই ইডেনের ওপর,<br>আর এর সৌন্দর্যের দিকে তাকিয়ে, ভুলে গেল<br>তাদের চারপাশের ভিড় করা পৃথিবীকে!—
* আহ! ভালোবাসা তার উপহারের চেয়েও বেশি ভঙ্গুর!<br>কাকের মতো কালো চুলের একটা বিনুনি: ওহ, শুধু তারা<br>যাদের আত্মা এই একটা মূর্তিপূজা অনুভব করেছে<br>তারাই বলতে পারে কতটা মূল্যবান সেই সামান্য জিনিস<br>যা স্নেহ দেয় আর পবিত্র করে।
* ভালোবাসা, তোমার কাছে গ্রীষ্মের মতো আশা আছে, ছোট আর উজ্জ্বল,<br>পরমানন্দের মুহূর্ত, আর পাগল করা স্বপ্ন,<br>তীব্র সুস্বাদু স্পন্দন!
** দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট (১২ অক্টোবর ১৮২২) থেকে ''দ্য বাস্ক গার্ল অ্যান্ড হেনরি কোয়াত্রে''
* আর বাতাসে ঢাকা ড্রাম বেজে চলল,<br>রাজকীয় পদক্ষেপে যোদ্ধারা সেখানে ছিল;<br>প্রতিটি হাতে কালো ক্রেপ বাঁধা ছিল,<br>প্রতিটি কারবাইন মাটির দিকে ঘোরানো ছিল:<br>তাদের মাপা পদচারণার শব্দ গম্ভীর ছিল,<br>যেহেতু তারা নীরব আর ধীর গতিতে মৃতদেহ অনুসরণ করছিল।<br>আরোহীহীন ঘোড়াটিকে পেছনে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল,<br>কফিনের ওপর সাদা পালক উড়ছিল:<br>হেলমেট আর তলোয়ার কাফনের ওপর রাখা হয়েছিল,<br>কারণ এটি ছিল একজন সৈনিকের শেষকৃত্য।
* সে সদ্য তৈরি করা ঢিবির ওপর হাঁটু গেড়ে বসল,<br>তার মুখ ঠান্ডা স্যাঁতসেঁতে মাটিতে নত ছিল,<br>সে তার মাথা তুলল, তার কান্না শেষ হয়েছিল,<br>বাবা তার একমাত্র ছেলের ওপর প্রার্থনা করেছিল!
** দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট (১৬ নভেম্বর ১৮২২) থেকে ''দ্য সোলজার্স ফিউনারেল''
* আমি আমার বাড়ি ছেড়েছিলাম, আর আমাকে ছেড়ে যাওয়া হয়েছিল<br>তার দেশে একজন অপরিচিত, বঞ্চিত<br>এমনকি আশা থেকেও; এমন একজনও ছিল না<br>যার পরিচিত মুখের দিকে তাকানো যায়।—<br>তাদের কথাগুলো অদ্ভুত ছিল।
* আমি চাই না সে কাঁদুক<br>তার ইতালীয় ভালোবাসার শেষ ঘুমের ওপর।<br>ওহ, কান্না খুব মূল্যহীন একটা চিহ্ন,<br>যখন যে হৃদয়গুলোকে তাদের সান্ত্বনা দেওয়ার কথা ছিল সেগুলো ভেঙে যায়।
** দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট (১৪ ডিসেম্বর ১৮২২) থেকে ''দ্য পেইন্টার্স লাভ''
* লাইনগুলো অনেক কোমল জিনিসে ভরা ছিল,<br>আবেগপূর্ণ হৃদয়ের সমস্ত ভালোবাসার যোগাযোগ।
** দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট (১৬ নভেম্বর ১৮২২) ফ্র্যাগমেন্টস ইন রাইম ২ থেকে ''রিটেন আন্ডার আ পিকচার অব আ গার্ল বার্নিং আ লাভ লেটার - লাইনস রিটেন আন্ডার আ পিকচার অব আ গার্ল বার্নিং আ লাভ লেটার''
* একজন কবির নামের আলো কী,<br>যদি তার দেশ তার খ্যাতির পবিত্রতা রক্ষা না করে?<br>কোথায় সে এত সুন্দর পুরস্কার খুঁজতে পারে<br>যেমন সম্মান এবং প্রশংসা তার জন্য সেখানে অপেক্ষা করে?<br>তার নাম হারিয়ে যাবে আর তার কবর ভুলে যাওয়া হবে,<br>যদি তার দেশের কান্না তাদের রক্ষা না করে! . . .
* সে গাইল,—সুরগুলো প্রথমে নিচু ছিল,<br>ভালোবাসার ফিসফিসানির মতো, বা দুঃখের দীর্ঘশ্বাসের মতো:<br>জল শান্ত হয়ে গেল, আর বাতাস থেমে গেল,<br>যখন সে তার লেসবিয়ান কুমারীকে বিদায় জানাল!
** দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট (২৩ নভেম্বর ১৮২২) ফ্র্যাগমেন্টস ইন রাইম ৪ থেকে ''অ্যারিয়ন''
* একটা পদ্মফুলের ওপর বালিশ রেখে,<br>গ্রীষ্মের এক প্রহরে সংগৃহীত,<br>সে পাহাড়ের ঢেউয়ের ওপর চড়ে<br>যা একটা লম্বা জাহাজের কবর হতে পারে!<br>তার পিঠে তার ধনুক ঝোলানো,<br>আখ, বন্য মৌমাছি দিয়ে গাঁথা,—
* তবুও একটা তীরের এমন ক্ষমতা আছে<br>যা জীবনের শেষ প্রহর পর্যন্ত স্থায়ী হয়<br>ক্লান্ত দিন আর ঘুমহীন রাত,<br>ভয়ানক আনন্দের বিদ্যুতের ঝলকানি,<br>সুগন্ধি আর তবুও বিষাক্ত দীর্ঘশ্বাস,<br>যন্ত্রণা আর পরমানন্দ;<br>আশাগুলো, অন্ধকারের মাঝে আগুনের মতো,<br>শুধুই গ্রাস করার জন্য আলো দিচ্ছে!
* আকাশে ঝড় হতে পারে,<br>আর জল উঁচুতে বয়ে যেতে পারে,<br>যখন মনমদিন পাশ দিয়ে যায়।<br>নিচে পৃথিবী আর ওপরে স্বর্গ<br>তোমার কাছে নত হতে পারে, ওহ ভালোবাসা!
** দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট (১৪ ডিসেম্বর ১৮২২) ফ্র্যাগমেন্টস ইন রাইম ৭ থেকে ''মনমদিন, দ্য ইন্ডিয়ান কিউপিড। ফ্লোটিং ডাউন দ্য গঞ্জেস''
* ভালোবাসা হলো সবচেয়ে পবিত্র রঙের একটা মুক্তা,<br>কিন্তু এর চারপাশে ঝোড়ো ঢেউ আছে;<br>আর একজন নারী হয়তো খুব আক্ষেপ করতে পারে,<br>সেই প্রহরটি নিয়ে যখন সে এটি খুঁজে পেয়েছিল।
* —কারণ পৃথিবীটা বড্ড স্বর্গের মতো হতো,<br>যদি ভালোবাসাকে দীর্ঘ জীবন দেওয়া হতো।
* ওহ, খ্যাতি হলো ওপরের চাঁদের মতো,<br>যার আলো আর জীবনের সূর্য হলো ভালোবাসা।<br>একটা কোমল চোখের হাসিতে আরও বেশি কিছু আছে<br>ইতিহাসের হাজার পাতার চেয়ে;<br>জনতা সবচেয়ে জোরে যে প্রশংসা করতে পারে তার চেয়ে।<br>গৌরবের মুকুটে রত্নগুলো নাও,<br>আর সৌন্দর্যের একটা হাসি তাদের সবগুলোর চেয়ে মূল্যবান।—
** দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট (২৪ মে ১৮২৩) থেকে ''ইনেজ''
* ভায়োলেট! — গভীর-নীল ভায়োলেট!<br>এপ্রিলের সবচেয়ে সুন্দর মুকুট!<br>উপত্যকায় এমন কোনো ফুল ফোটে না,<br>যা শিশির দ্বারা চুমু খায়, বাতাস দ্বারা প্রেম নিবেদিত হয়, —<br>গোধূলির শিশিরে ভেজা কেউ নেই,<br>গভীর-নীল ভায়োলেটের মতো এত মিষ্টি!
** ''দ্য ভায়োলেট''
* কিন্তু এটা একটা স্বপ্নের মতো, — লাঙল চলে গেছে<br>যেখানে হরিণ লাফিয়ে বেড়াত, আর দিনটা তাকিয়েছে<br>বনের গাছগুলোর সবুজ গোধূলির ওপর।<br>এই ওক গাছটির কোনো সঙ্গী নেই ! - - - -
** দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট (১৯ এপ্রিল ১৮২৩) ফ্র্যাগমেন্টস থেকে ''দ্য ওক''
* তারা ঠান্ডা কথা নিয়ে দেখা করেছিল, আর তার চেয়েও ঠান্ডা দৃষ্টি নিয়ে:<br>প্রত্যেকেই নিজের ভেতরে বদলে গিয়েছিল, আর তবুও প্রত্যেকেই ভেবেছিল<br>শুধু অন্যজনই বদলেছে, সে নিজে একই আছে।
** দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট (২৩ আগস্ট ১৮২৩) থেকে ''চেঞ্জ''
* তার একটা ক্ষমতা ছিল; তার চোখে<br>একটা নিভিয়ে ফেলার অযোগ্য শক্তি ছিল,<br>একটা আত্মা যা সাহস করতে পারে<br>মৃত্যু যে সবচেয়ে ভয়ংকর রূপ নিতে পারে,<br>আর সাহসের জন্যই সাহস করতে পারে।
** দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট (১৯ জুলাই ১৮২৩) এক্সিকিউশন অব ক্রিসেনটিয়াস থেকে ''ক্রিসেনটিয়াস''
* এটি এমন একটি রত্ন যার ক্ষমতা আছে দেখানোর<br>যে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ প্রেমিক-প্রেমিকারা তাদের বিশ্বাস রাখে কিনা :<br>যদি বিশ্বস্ত হয়, তবে এটি বসন্তের পাতার মতো ;<br>যদি অবিশ্বস্ত হয়, তবে ম্লান হয়ে যাওয়া সেই পাতার মতো।
** দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট (২৮ ডিসেম্বর ১৮২২) ফ্র্যাগমেন্টস ইন রাইম ১১ থেকে ''দ্য এমারেল্ড রিং — আ সুপারস্টিশন''
* আর এটাই ভালোবাসা! ওহ! কেন নারী ভালোবাসবে;<br>তার সবচেয়ে প্রিয় অনুভূতিগুলো নষ্ট করবে, যতক্ষণ না স্বাস্থ্য, আশা,<br>সুখ, শুধু এমন জিনিসে পরিণত হয় যার এখন থেকে<br>সে শুধু নামই জানবে?
** ''লাভ''
* ভালোবাসা ভয়ে বাড়তে পারে,<br>দীর্ঘশ্বাসের হাওয়ায় ছড়াতে পারে,<br>কল্পনার দ্বারা লালিত হতে পারে, সন্দেহের দ্বারা পুষ্ট হতে পারে<br>কিন্তু আশা ছাড়া এটি মারা যায়!
** ''লাভ, হোপ অ্যান্ড বিউটি''
* দিন পেরিয়ে গেছে, আর চাঁদের আলো কাঁদছে<br>সেই অনেকের ওপর যারা তাদের শেষ ঠান্ডা ঘুমে বিশ্রাম নিচ্ছে;<br>কাটা আর স্নায়ুহীন হাতের কাছে<br>আছে ভোঁতা বর্শা আর ভাঙা তলোয়ার;<br>তীরন্দাজ এক ব্যবহৃত তীরের মতো পড়ে আছে,<br>তার সব তীর আলগা আর তার ধনুক বাঁকানো নয়;<br>অনেক সাদা পালক ছেঁড়া আর লাল,<br>সুন্দর মাথা থেকে উজ্জ্বল কোঁকড়ানো চুল ছেঁড়া,<br>হেলমেট আর বর্ম চারপাশে ছড়ানো,<br>ভালোভাবে লড়াই করা মাঠে এক ভয়ংকর দৃশ্য হয়ে পড়ে আছে;<br>যখন কাক আর দাঁড়কাক মাথার ওপরে ভিড় করছে<br>অসহায় মৃতদের হৃদয় খাওয়ার জন্য,<br>শুধু তখনই বাঁচে যখন শেষ মৃত্যু যন্ত্রণায় থাকা<br>কোনো হতভাগ্যের জ্বলন্ত দৃষ্টি দেখে ভয় পায়।
** দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট (২৫ অক্টোবর ১৮২৩) স্কেচ থেকে ''দ্য ওয়ারিয়র''
* ওহ, গালের ভালোবাসার আভা সবচেয়ে নরম<br>যখন তা চাঁদের আলোর প্রহরে দেখা যায়<br>অন্য গোলাপরা দিন খোঁজে,<br>কিন্তু লজ্জার আভা হলো রাতের ফুল।
** দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট (২৪ নভেম্বর ১৮২১) থেকে ''হোয়েন শুড লাভারস ব্রিদ দেয়ার ভাউস''
===দ্য ট্রুবাদুর (১৮২৫)===
* কারণ তার জন্য এখন ছিল সবচেয়ে সুন্দর সময়<br>তরুণ কবির জীবনের, যখন প্রথমে,<br>নিঃসঙ্গতা আর নীরবতায় লালিত হয়ে,<br>তার প্রতিভা একটা ঝরনার মতো জেগে ওঠে<br>যা নিজের পথে চলতে গিয়ে কারো চোখে পড়ে না;<br>শীতের মেঘ বা গ্রীষ্মের রোদ<br>তাকে ঠান্ডা করার, বা নষ্ট করে দেওয়ার আগে,
** ''ক্যান্টো ১''
* হায়! সেই মানুষের জন্য যার যৌবনের আগুন<br>বীণার প্রতি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ এবং নষ্ট করা হয়েছে,—<br>হায়! তার জন্য যে চেষ্টা করবে,<br>লরেলের দীর্ঘ এবং বিষণ্ণ পথে চলতে!<br>উপহাস তাকে স্বাগত জানাবে, অবহেলা ঠান্ডা করবে<br>তার আত্মার উচ্ছ্বাস, তার বুকের রোমাঞ্চ;<br>আর, সবচেয়ে খারাপ, সেই হৃদয়হীন প্রশংসা<br>যা অন্য কেউ যা বলে তা থেকে প্রতিধ্বনিত হয়।
** ''ক্যান্টো ১''
* বসন্তের জন্য এটা ঠিক নয় যে সে ভাববে<br>শরতের ঝরে পড়ার সব শুষ্কতা এবং অপচয় নিয়ে: —
** ''ক্যান্টো ১''
* ওহ, এমন হৃদয় কোথায় আছে যা জানে না<br>ভালোবাসার প্রথম পা গোলাপের ওপরেই পড়ে!
** ''ক্যান্টো ১''
* হায়! প্রতিটি সুন্দর জিনিস<br>শুধু ম্লান হওয়ার জন্যই বাঁচে,—<br>যে বসন্তের রংধনু আর গ্রীষ্মের আলো<br>শরতের ফ্যাকাশে পতনেই শেষ হয়।
** ''ক্যান্টো ১''
* ঠান্ডা উত্তুরে বাতাস যা মাটির দিকে বাঁকিয়ে দেয়<br>উইলো গাছের হালকা জন্মকে<br>পাহাড়ের সিডার গাছগুলোকে বাঁকাতে পারে না;<br>বাতাস থেকে তাদের ডালগুলো গুটিয়ে নিয়ে,<br>তারা এমনভাবে দাঁড়িয়ে থাকে যেন তারা অমান্য করতে পারে<br>ঝড় আর আকাশের সর্বোচ্চ ক্রোধকে।
** ''ক্যান্টো ১''
* ওহ, তার এখনো সেই কাজটা শেখার বাকি ছিল<br>কতবার নারীর হৃদয়কে ফিরে যেতে হয়<br>তার নিজস্ব অতিরিক্তকে খাবার দিতে<br>গভীর অথচ আবেগপূর্ণ কোমলতার!<br>হৃদয়কে কতটা দুঃখ প্রমাণ করতে হয়<br>যা ভালোবাসাকে আশ্রয় দেয়!
** ''ক্যান্টো ১''
* প্রথম, একেবারে প্রথম; ওহ! কেউ না<br>আগের মতো আবার অনুভব করতে পারে;<br>ভালোবাসায়, যুদ্ধে, গর্বে, সব কিছুতে<br>জীবনের মুকুটের গ্রহগুলো,<br>যতই সুন্দর বা উজ্জ্বল হোক না কেন,—<br>তাদের প্রথম মিষ্টি আলোর মতো আর কী হতে পারে?
** ''ক্যান্টো ২''
* শরৎ আসছিল, কিন্তু পাইন গাছটা<br>যেন সব পরিবর্তনকে উপহাস করছিল; কোনো চিহ্ন<br>ঋতুর তার পাতায় দেখা যায়নি,<br>অপরিবর্তিত সবুজের একই কালো অন্ধকার।<br>কিন্তু সেই জাঁকজমকপূর্ণ ফার্সি ব্যান্ডের মতো<br>উত্তরের দেশের কঠোর জাতির মাঝে,<br>চেস্টনাট গাছের ডালগুলো উজ্জ্বল ছিল সেই সব কিছু দিয়ে<br>যা শরতের পতনকে রাঙিয়ে দেয় আর উপহাস করে।
** ''ক্যান্টো ২''
* ওহ, ভালোবাসা তার জন্মে বড্ড লাজুক!<br>তার সবচেয়ে হালকা দৃষ্টি বা নড়াচড়া খেয়াল রাখা,<br>যেহেতু সে শুধু তাকিয়েছিল আর তার সাথে নিশ্বাস নিয়েছিল।<br>মজার কথা হচ্ছিল, কিন্তু সে ঝুঁকে ছিল<br>নীরবে; তবুও, একটা দ্রুত দৃষ্টি পাঠানো হয়েছিল,—<br>তার গোপন কথা আর তার নিজের নেই,<br>কবে নারী তার ক্ষমতা জানতে পারেনি?
** ''ক্যান্টো ২''
* জেগে ওঠা আশা নাম দিয়েছে<br>ভালোবাসার, বা এর স্ফুলিঙ্গকে শিখায় পরিণত করেছে।<br>অস্থিরতা, কিন্তু বাতাসের মতো ঘোরে<br>পাতা থেকে পাতায়, ফুল থেকে ফুলে;<br>পরিবর্তনশীলতা, কিন্তু রংধনুর মতো বদলায়,<br>রঙিন আকাশ থেকে রোদেলা প্রহর পর্যন্ত।<br>হ্যাঁ, সত্যিই চারণকবি গাইতে পারে,—<br>হৃদয় আর বছরের কাছে বসন্তের মতো কী আছে?
** ''ক্যান্টো ২''
* সেই হৃদয় কোথায় যে নত হয়নি<br>একজন দাস হিসেবে, অনন্ত ভালোবাসা, তোমার কাছে:<br>ঠান্ডা, হাসিখুশি, গর্বিতদের দিকে তাকাও,<br>আর তাদের মধ্যে কি কেউ মুক্ত আছে?
** ''ক্যান্টো ২''
* গ্রীষ্মের সূর্য দুপুরের সময়<br>যে তুষারের দিকে তাকিয়েছে তার মতোই বিশুদ্ধ, —<br>মরুভূমির গুহায় লুকানো<br>হীরক ঢেউয়ের মতোই গভীর, —<br>সাইপ্রাসের বোনা মালার<br>সবচেয়ে সবুজ পাতার মতোই অপরিবর্তনীয়, —<br>প্রায়শই আশাহীন, যখন সবচেয়ে বেশি ভালোবাসে,<br>আশা বা ভয় ছাড়া এর বাইরে<br>তার নিজস্ব ফ্যাকাশে বিশ্বস্ততার, —<br>আর এটাই নারীর ভালোবাসা হতে পারে!
** ''ক্যান্টো ২''
* আগুনের দাগ, ইস্পাতের আঘাত,<br>ভালোবাসার ক্ষতের চেয়ে সারানো সহজ।
** ''ক্যান্টো ২''
* আমি তাকে ভালোবাসতাম! হ্যাঁ, আমি দিয়ে দিতাম<br>মৃত্যুশয্যায় স্বর্গের নিশ্চয়তা<br>যদি আমি ভাবতাম এটা দিতে পারে<br>তাকে বিন্দুমাত্র সুখ!
** ''ক্যান্টো ৩''
* আমি তার ঠোঁটে চুমু খেলাম: ওহ, ঈশ্বর, সেই ঠান্ডা!<br>আমার হৃদয় এখনো তাতে জমে আছে:—<br>এটা হঠাৎ করেই আমার ওপর<br>আমার যন্ত্রণার গভীরতা খুলে দিল।<br>আমি মাটিতে আছড়ে পড়লাম, আর প্রলাপ বকলাম,<br>আর যে বাতাস আমাকে পেরিয়ে গেল তার কাছে চাইলাম<br>এক নিশ্বাস বিষ, যতক্ষণ না আমার রক্ত<br>ঠোঁট আর ভ্রু থেকে এক বন্যায় ছুটে বের হলো।<br>আমি দেখলাম আমার শিরার উষ্ণ স্রোত<br>মৃত্যুর ক্ষতের জমাট দাগের সাথে মিশে যাচ্ছে;<br>ওহ! আমি কত প্রার্থনা করেছিলাম যেন আমি ঢালতে পারি<br>আমার হৃদয়ের জোয়ার, আর তার জীবন ফিরিয়ে দিতে পারি!
** ''ক্যান্টো ৩''
* আমি একটা ঈগলের ডানায় ভেসেছিলাম,<br>দুপুরের সূর্যের সাথে ধ্বংস হওয়া পর্যন্ত;<br>তারপর আমি একটা পৃথিবীতে একা দাঁড়ালাম,<br>যেখান থেকে অন্য সব জীবন চলে গিয়েছিল,<br>যেখান থেকে উষ্ণতা, আর নিশ্বাস, আর আলো পালিয়ে গিয়েছিল,<br>একটা পৃথিবী যার ওপর একটা অভিশাপ বলা হয়েছিল:<br>গাছগুলো সব পাতাহীন দাঁড়িয়ে ছিল, আর ন্যাড়া,<br>আকাশ ছড়িয়ে ছিল, কিন্তু সেখানে কোনো সূর্য ছিল না:<br>রাত এল, তার পথে কোনো তারা ছিল না,<br>সকাল এল দিনের কোনো চেহারা ছাড়া,—<br>যেহেতু রাত আর দিন একটা ফ্যাকাশে কাফন ভাগ করেছিল,<br>কোনো রং বা মেঘ ছাড়া।<br>আর সেখানে নদী ছিল, কিন্তু তারা দাঁড়িয়ে ছিল<br>বন্যার ওপর কোনো গুঞ্জন ছাড়া,<br>ঢেউহীন আর অন্ধকার, তাদের কাজ শেষ হয়েছিল,—<br>সমুদ্র তীরে নীরব শুয়ে ছিল,<br>তার বুকে কোনো চিহ্ন ছাড়া<br>অন্তহীন বিশ্রাম ছাড়া:<br>আর সেখানে প্রাসাদ আর হলরুম ছিল,<br>কিন্তু তাদের দেয়ালের মাঝে নীরবতা রাজত্ব করছিল,<br>যদিও ভিড় এখনো তাদের পূর্ণ করে রেখেছিল; কারণ কোনো শব্দ<br>চারপাশে জড়ো হওয়া হাজারো মানুষের থেকে ওঠেনি;<br>সবাই একই সাদা, রক্তহীন রং পরেছিল,<br>সবার কাঁচের মতো নীল চোখের একই দৃষ্টি,<br>অর্থহীন, ঠান্ডা, লাশের মতো যেমনটা<br>বন্ধ করার জন্য কোনো কোমল হাত কাছে ছিল না।<br>আর সবাই যেন, আমার দিকে তাকানোর সময়,<br>অবাক হয়েছিল যে আমি এখনো থাকতে পারি<br>উষ্ণতা আর নিশ্বাসের একটা চলমান আকৃতি<br>মৃত্যুর একটা পৃথিবীর মাঝে একা।
** ''ক্যান্টো ৩''
* দুঃখে একটা অলসতা আছে<br>যা স্বস্তিও খুঁজতে চায় না। <br>সেই পরিশ্রম, বা যত্ন, বা ব্যথা কী,<br>যা মানুষের হৃদয় সহ্য করতে পারে না?<br>যথেষ্ট যদি সংগ্রাম তৈরি করতে পারে<br>আমাদের ভাগ্যে একটা পরিবর্তন বা রং;<br>কিন্তু কোথায় সেই আত্মা যে সামলাতে পারে<br>অলস যন্ত্রণার সাথে, যখন আশা,<br>যন্ত্রণার শেষ মিত্র,<br>তার মিষ্টি নিজের ওপর অসুস্থ হয়ে পড়ে, আর মারা যায়।
** ''ক্যান্টো ৩''
* ওহ! স্মৃতি কী একটা উপহার ছাড়া<br>যা একটা ধ্বংসপ্রাপ্ত মন্দিরের ভেতরে রাখা আছে,<br>যা মনে করিয়ে দেয় তার সৌন্দর্যগুলো কী ছিল,<br>আর তারপর তুলে ধরে সেগুলো এখন কী।
** ''ক্যান্টো ৩''
* এটা অদ্ভুত যে কতটা শক্তি আর গর্বের সাথে<br>কোমলতা ভালোবাসার সাথে যুক্ত;<br>বুককে বাধ্য করার কতটা শক্তি<br>বাহ্যিক চেহারায় শান্ত থাকতে,—<br>কতটা গর্ব যে কোনো চোখ কখনো<br>তার যন্ত্রণার দিকে তাকাতে না পারে!<br>আহ! ঠোঁট খুব সামান্যই প্রকাশ করবে<br>জ্বলন্ত হৃদয় যা অনুভব করতে পারে।
** ''ক্যান্টো ৪''
* ওহ! কেন নারী কখনো ভালোবাসবে,<br>ওপরের একটা মিথ্যা তারাকে বিশ্বাস করে;<br>আর তার সামান্য সুযোগ ছুঁড়ে ফেলবে<br>রোদের তার বিশ্বাসঘাতক রশ্মির জন্য।
** ''ক্যান্টো ৪''
* এটা অদ্ভুত যে কীভাবে হৃদয় তৈরি করতে পারে<br>বা নিজেকে থেকে নিজের ভাগ্য রাঙাতে পারে;<br>আমরা নিজেরাই আমাদের নিজেদের যন্ত্রণা তৈরি করি,<br>আমরা নিজেরাই আমাদের সুখ।
** ''ক্যান্টো ৪''
* "সেখানে একটা খাড়া আর উঁচু দেয়াল আছে,<br>যেখানে আমার প্রহরীরা কাঁপতে কাঁপতে দাঁড়িয়ে থাকে,<br>যে এর উচ্চতার চারপাশে গতিতে ছুটবে,<br>তার জন্যই আমার হাত হবে।"
** ''ক্যান্টো ৪''
* —সংগীতের ক্ষমতা<br>রোদেলা প্রহরে খুব কমই অনুভূত হয়;<br>কিন্তু তার কণ্ঠ শোনো যখন আশাগুলো চলে যায়,<br>সোয়ালো পাখির মতো, হৃদয় থেকে উড়ে যায়<br>যার ওপর গ্রীষ্মের শেষের পতন<br>একটা বিষণ্ণতা আর একটা চিহ্ন রেখে গেছে;. . . . . .<br>কত গভীরভাবে আত্মা অনুভব করবে<br>বীণা, গানের মিষ্টি-কণ্ঠের আবেদন;<br>আর কীভাবে হৃদয় তাদের দীর্ঘশ্বাস পান করবে<br>যেন তারা স্বর্গের প্রতিধ্বনি।
** ''ক্যান্টো ৪''
* সেখানে একটা ফুল আছে, একটা তুষার-সাদা ফুল,<br>ভঙ্গুর যেন সকালের এক পশলা বৃষ্টি<br>তার অস্তিত্ব শেষ করে দেবে, আর পৃথিবী<br>ভুলে যাবে সে কী জন্ম দিয়েছিল;<br>আর একে দেখতে নিষ্পাপ আর ফ্যাকাশে লাগে,<br>এতই হালকা যে সামান্য শক্তিই যথেষ্ট<br>একে তার বিছানা থেকে ছিঁড়ে ফেলতে, আর তবুও<br>এর শিকড় গভীরতা আর শক্তিতে প্রোথিত।<br>জুলাইয়ের সূর্য, শরতের বৃষ্টি,<br>এর সরু ডালে বৃথাই আঘাত করে;—<br>যত্নের পরোয়া না করে এটি চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে,<br>যতক্ষণ না পুরো বাগানটি এর অংশ হয়ে যায়;<br>আর অন্য গাছগুলোকে ম্লান হয়ে পড়ে যেতে হয়<br>এর গভীর আর মারাত্মক দাসত্বের নিচে।<br>এটি ভালোবাসার প্রতীক; এটি লালিত হয়<br>প্রথমে সব অবচেতনতায়,<br>বড্ড হালকা, বড্ড সুন্দর, অবিশ্বাস জাগানোর জন্য;<br>কোনো চিহ্ন নেই কীভাবে যে পরের কোনো প্রহর<br>এর মারাত্মক ক্ষমতার জন্য আক্ষেপ করবে আর কাঁদবে।
** ''ক্যান্টো ৪''
* কখনোই না, প্রিয় বাবা, ভালোবাসা হতে পারে,<br>সেই প্রিয় ভালোবাসার মতো যা আমার তোমার জন্য ছিল!
** ''ক্যান্টো ৪''
* হায়, কান্নাই কবির উত্তরাধিকার!
** ''জুলিয়েট আফটার দ্য মাস্করেড। টমসনের লেখা''
* এটা কোনো কল্পনা ছিল না, সে নাম ধরেছিল<br>ভালোবাসার, আর সেই চিন্তায় তার গাল আগুনের মতো লাল হয়ে উঠল:
** ''জুলিয়েট আফটার দ্য মাস্করেড। টমসনের লেখা''
* ... ওহ! ভালোবাসা টিকে থাকবে<br>যখন যে জিনিসগুলো একে সুখ দিয়েছিল তা অতীত হয়ে যায়,—<br>যখন এর সব আশা ঝিকমিক করা খেলনার মতো হয়ে যায়<br>বর্তমান সময় যা দেয়, ভবিষ্যতের সময় যা ধ্বংস করে,—
** ''জুলিয়েট আফটার দ্য মাস্করেড। টমসনের লেখা''
* মৃতপ্রায় সর্দার তার হাঁটুতে ভর দিয়ে লাফিয়ে উঠল,<br>আর বন্ধ করা ক্ষতগুলো ভয়ংকরভাবে রক্ত ঝরাল;<br>কিন্তু তার কাটা হাত, এটা এখন কী?<br>তার ঠোঁট কালচে নীল, আর তার ভ্রু কালো,<br>যখন তার ওপরে খুনি দাঁড়িয়ে ছিল,<br>যেন সে প্রায় অবজ্ঞা করছিল সেই রক্তকে<br>যা জিততে এত কম খরচ হয়েছিল,—<br>সে আঘাত করে,—মৃত্যুর কাজ শেষ!
** ''দ্য কমব্যাট। ইটির লেখা''
* ঘুমের জাদুকরী রাজত্বে<br>অন্য সময় আবার বেঁচে উঠবে;
** ''দ্য ফেয়ারি কুইন স্লিপিং। স্টোথার্টের লেখা''
* সুন্দর ভাষা! ভালোবাসার নিজস্ব, আপন,<br>কিন্তু শুধু বসন্ত আর গ্রীষ্মের কাছেই পরিচিত।
** ''দ্য ওরিয়েন্টাল নোজগে। পিকারসগিলের লেখা''
* হ্যাঁ, তোমার প্রিয় ঘুঘুকে আড়াল করো, সুন্দর শিশু,<br>হ্যাঁ, আড়াল করো যদি তুমি পারো,—<br>তবুও আমার সন্দেহ হয় তোমার কাঁপা হাত<br>বাজপাখিকে ভয় দেখিয়ে তাড়াতে পারবে কিনা।
** ''অ্যা চাইল্ড স্ক্রিনিং আ ডাভ ফ্রম আ হক। স্টুয়ার্টসনের লেখা''
* এর ইতিহাস কোনো ব্যাপার নয়; ভালোবাসার ডানা আছে<br>বিদ্যুতের মতো, দ্রুত আর মারাত্মক, আর এটা জন্ম নেয়<br>বুনো ফুলের মতো যেখানে এটা সবচেয়ে কম প্রত্যাশিত,<br>টিকে থাকে তা লালিত হোক বা প্রত্যাখ্যাত হোক;
** ''অ্যা গার্ল অ্যাট হার ডিভোশনস। নিউটনের লেখা''
* সে পড়ে গেল যেমন অন্য হাজার হাজার পড়ে যায়,<br>মাড়িয়ে দেওয়া হলো যেখানে তারা পড়ে যায়,<br>যখন একটা মাত্র নামের ওপর স্তূপ করা হয়<br>সবার দ্বারা অর্জিত গৌরব।<br>তবুও এমনকি সে-ও যার সাধারণ কবর<br>খোলা মাঠে পড়ে আছে,<br>গৌরব যে আনন্দ দেয়<br>তার সবকিছুর একটা চিন্তা ছাড়া মারা যায়নি।
** ''দ্য রেকর্ড''
===দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট (১৮২৭)===
* আগামীকাল, আগামীকাল, তুমি সবচেয়ে সুন্দর মে,<br>আগামীকাল তোমার প্রথম জন্ম নেওয়া দিনটি উঠবে;<br>গ্রীষ্মের কনে, বসন্তের সন্তান,<br>আগামীকাল বছর তার প্রিয় জিনিসটি নিয়ে আসবে:
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - শিরোনাম কবিতা - ভূমিকা''
* ওহ, আমি কী, আর তারা কী ?<br>ছদ্মবেশী শুধু প্রতারণা করার চেষ্টা করছে<br>নিজেদের আর অন্যদের ; আর বিশ্বাস করে<br>এটাই যথেষ্ট, যদি কেউ না জানে<br>নিচে থাকা যত্নের ঢাকা স্তূপটিকে।
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - শিরোনাম কবিতা - ভূমিকা''
* কিন্তু প্রকৃতির চেহারা এমন নয়,<br>যদিও তাকেও সেই বড় অভিশাপের দাগ<br>বইতে হয় যা সবার সাথে লেগে থাকে ;<br>তার পাতা, তার ফুল, ঝরে পড়ার জন্যই ফোটে :
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - শিরোনাম কবিতা - ভূমিকা''
* আবার মে মাস, আরেকটা মে,<br>দেখে মনে হচ্ছে যেন এটা থাকতে এসেছে ;<br>এর হাজারো ফুল এত বেশি,<br>এর রোদেলা প্রহরগুলো এত গৌরবময়,<br>এর পৃথিবী এত সবুজ, এর আকাশ এত নীল,<br>যেন আশার অনন্তকালের জন্য তৈরি।
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - শিরোনাম কবিতা - দ্য ফার্স্ট ডে''
* জাগতিক শীতলতা আর যত্ন দূর হোক,<br>আর চারণকবির শিল্পের জাদুর কাছে নতি স্বীকার করুক।
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - শিরোনাম কবিতা - দ্য ফার্স্ট ডে''
* পৃথিবীতে এমন সত্য কোথায় আছে যা টেক্কা দিতে পারে<br>নারীর নিঃসঙ্গ আর দীর্ঘ বিশ্বস্ততার সাথে?
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য ব্রোকেন স্পেল''
* দিগন্তে একটা তারা আছে,<br>এর সবচেয়ে প্রথম, সবচেয়ে সুন্দর তারা ;<br>আকাশে এখনো একটা আভা আছে,<br>যেন মরার জন্য বড্ড সুন্দর,—<br>অস্ত যাওয়া সূর্যের একটা শেষ আভা,<br>আশার মতো যখন ভালোবাসা সবে শুরু হয়েছে ;
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য ব্রোকেন স্পেল''
* উজ্জ্বল মেঘ নদীর বুকে জ্বলজ্বল করছিল,<br>কিন্তু মৃত্যুর মতো কালো পানিতে কোনো চিহ্ন ছিল না<br>সেই লাল আভার যা তাদের ওপর খেলছিল :<br>মনে হচ্ছিল যেন ঘাস, নদী, গাছ, আর ফুলের ওপর<br>একটা অভিশাপ দেওয়া হয়েছে,<br>আর তাদের সূর্যের আলোর ক্ষমতা থেকে দূরে রাখা হয়েছে ;
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য ব্রোকেন স্পেল''
* খুনির কবরের ওপর ঢেউ খেলানো<br>ম্লান নীল শিখার মতো আলো ;<br>আর ঝিকমিক করা আকৃতিগুলো পথ ঘিরে রেখেছে,<br>অন্ধকারে তাদের শিকার ধরার জন্য অপেক্ষায় আছে,<br>সবচেয়ে ভয়ংকর, কারণ চোখ<br>অস্পষ্ট অনিশ্চয়তায় ঘুরে বেড়াচ্ছিল ;
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য ব্রোকেন স্পেল''
* তারপর সেই ভয়ংকর শব্দগুলো উঠল যা বলে<br>যখন শত্রুরা হাতাহাতি লড়াইয়ে নামে,—<br>চিৎকার, ইয়েল, বর্শা আর তলোয়ারের<br>মিলনের লোহার ঝনঝন শব্দ।
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য ফ্যালকন''
* এটা গ্রীষ্মের এক সন্ধ্যা ছিল; আর সমুদ্র<br>যেন তার প্রশান্তিতে আনন্দ করছিল ;<br>তার শান্ত জলকে পশ্চিম দিকে গড়িয়ে দিচ্ছিল,<br>যতক্ষণ না সমৃদ্ধ লাল আভা তাদের বুকে রাঙিয়ে দেয়,<br>ঢেউ আর আকাশকে ভালোবেসে এক করে দেয়,<br>আশার মতো যা তার আনন্দে মরতে সন্তুষ্ট।
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য চাইল্ড অব দ্য সি''
* কারণ ভালোবাসা শ্বাস নেওয়া বাতাসের মতো,<br>যা সব জায়গায় প্রবেশপথ খুঁজে পেতে পারে।
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য চাইল্ড অব দ্য সি''
* এটা একটা জাদুকরী আংটি—এই পান্না পাথরটা<br>একটা চিহ্ন হবে, যখন তুমি আমার কাছ থেকে চলে যাবে।<br>লক্ষ্য রেখো যদি এটা বদলায়; যদি আলোকিত সবুজের<br>এখন দাগহীন জমিনে কোনো দাগ দেখা যায়,<br>তবে বিপদ আমার চারপাশে; তখন তুমি আমার কাছে ছুটে এসো,<br>তুমি জানো তোমার ওপর আমার বিশ্বাস কতটা নির্ভীক।
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য চাইল্ড অব দ্য সি''
* কারণ তার কাছে অদ্ভুত সব রং ছিল, যা মানুষের মুখকে<br>এতটা আসল করে তুলতে পারত যে, মনে হতো এটা বেঁচে আছে।
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য চাইল্ড অব দ্য সি''
* আর ভালোবাসা তার শক্তিতে বিদ্যুতের মতো,<br>যেখানে সবচেয়ে কম ভাবা হয় সেখানেই তার আগুনের উড়ান দেয়,<br>খাপের পাহারা থাকা সত্ত্বেও ব্লেড গলিয়ে দেয়।
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য চাইল্ড অব দ্য সি''
* ওটা রাত ছিল, কিন্তু এমন রাত যাকে রাজকীয় চাঁদ,<br>তার পূর্ণ সৌন্দর্যে রাজকীয় হয়ে, দুপুরে পরিণত করেছিল,<br>কিন্তু তবুও মধ্যরাতের দুপুর; যদিও রশ্মি<br>পরিষ্কার আর উজ্জ্বল ছিল, এটা দিনের মতো ছিল না;
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য চাইল্ড অব দ্য সি''
* সেই হৃদয়হীন বিশ্বাসের ওপর ধিক্কার যা বাতিল করে দেয়<br>আত্মীয়স্বজন, জন্ম আর নামের হৃদয়ের ওপর দাবি।
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য চাইল্ড অব দ্য সি''
* সত্যিকারের ভালোবাসা লাজুক হয়, যেন সে তার মূল্য জানে,<br>আর জানে যে এমন সুখ পৃথিবীর জন্য দুর্লভ।
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য চাইল্ড অব দ্য সি''
* সেখানে সে দাঁড়িয়েছিল, ঠিক যেমন একটা মূর্তি দাঁড়ায়,<br>মাথা নিচের দিকে নোয়ানো, আর হাত দুটো জড়ো করা;<br>তার হাতির দাঁতের পায়ের সাথে মানানসই এমন ছোট সাদা হাত দুটো,<br>কীভাবে তারা সেই ঝলসে যাওয়া আগুনের মুখোমুখি হবে?
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য চাইল্ড অব দ্য সি''
* হতাশা কাঁদে না। তার ঠোঁট প্রার্থনার মতো নড়েছিল<br>অবচেতনভাবে ; যেন প্রার্থনা সেখানে ছিল,<br>আর তারা এখন অভ্যাস থেকে নড়ছিল।
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য চাইল্ড অব দ্য সি''
* ওহ! স্নেহের কোমল যত্নের শিকলে<br>অনেকগুলো যোগসূত্রই ভঙ্গুর,
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য রিং''
* হায়! যখন রাগী কথাগুলো শুরু করে <br>ঠোঁটের ওপর তাদের প্রবেশপথ জিততে; <br>যখন বিষণ্ণ চোখ আর লাল হওয়া গাল <br>সবচেয়ে তিক্ত সুর যা বলতে পারে তার চেয়ে বেশি কিছু বলে; <br>আর দৃষ্টি এবং কথা, আগুন বা ইস্পাতের চেয়েও, <br>আরও গভীর ক্ষত দেয়,—সময় সারাতে পারে না;<br>আর রাগ খোঁড়ে, বৃথা উপহাস দিয়ে,<br>একটা গহ্বর যা সে হয়তো আর কখনো পার হতে পারবে না।
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য রিং''
* মাটি শুকিয়ে গিয়েছিল, গাছগুলো শুকিয়ে গিয়েছিল,<br>আর প্রতিটি ডাল ঝলসে যাওয়া মনে হচ্ছিল;<br>এক প্রান্তে একটা অন্ধকার গুহা হাঁ করে ছিল,<br>কালো, যেন এর মুখটা কবরের মতো;<br>আর অন্ধকার, যেন মৃত্যুর জল<br>এর গভীরে ছিল, নিচে একটা কুয়ো উঠেছিল।
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য রিং''
* পাপের বন্য দৌড়ের পদচিহ্ন<br>পায়ে পায়ে অনুসরণ করাটা বিষণ্ণ।
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য রিং''
* তার দেবত্বের জন্য মন্দিরের<br>কী প্রয়োজন তার?<br>প্রতিটি সুন্দর মুখই তার দৃশ্যমান মন্দির;<br>সে ঐশ্বরিক ছিল, সে ঐশ্বরিক হবে।
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য কুইন অব সাইপ্রাস''
* সুন্দর দুর্বলতা! ওহ, যদি দুর্বল হয়,<br>যে নারীর হৃদয় তার গাল রাঙিয়ে দেয়!<br>সেই শক্তির জন্য একে বদলানো দুঃখজনক<br>যা হৃদয় আর গালকে শেষ পর্যন্ত জানতে হবে।
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য কুইন অব সাইপ্রাস''
* আমি ক্লান্ত, আমি ক্লান্ত। ওহ! আনন্দ হলো ব্যথা<br>যখন এর জাদু বারবার ভেঙে যায়。<br>আমি সেই হাসিগুলোতে ক্লান্ত যেগুলো কেনা আর বেচা হয়,<br>আমি সেই সৌন্দর্যে ক্লান্ত যার শিকলগুলো সোনার,<br>আমি সম্পদে ক্লান্ত—এটা আমাকে দিয়ে কী করে<br>শুধু তা-ই যা সবচেয়ে নীচ আর নিচু হতে পারে?
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য ইস্টার্ন কিং''
* আহমেদ একজন বিজয়ী হিসেবে ফিরে আসে, কিন্তু সে কী পেয়েছে?<br>অনাথের কান্না তার কানে জোরে বাজে,<br>আর তার চোখ তরুণ কনের তিক্ত কান্না দেখেছে,<br>আর তার যৌবনের বন্ধু মাঠে মৃত পড়ে আছে,<br>আর তার অভিজাতদের ফুল আর ফিরে আসে না।<br>ভিড় আছে যারা তার নাম দিয়ে বাতাস ভরিয়ে দিচ্ছে;<br>তুমি কি অবাক হও যে সম্রাট তার খ্যাতি ঘৃণা করছে?
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য ইস্টার্ন কিং''
* আমি যন্ত্রণা আর কষ্টের বছরগুলো গুনেছি,<br>আর শুধু চৌদ্দ দিনের সুখ।<br>মরণশীল, না আনন্দ, না সম্পদ, না ক্ষমতা,<br>একটি ক্ষণস্থায়ী প্রহরের খেলনার চেয়ে বেশি কিছু;
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য ইস্টার্ন কিং''
* আমার হৃদয় নিভে যাওয়া চুল্লির মতো<br>এখন আমার পাশে,<br>একের পর এক এর আগুনের ঝলক<br>জ্বলেছে আর নিভেছে।
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - ক্লেমেনজাস সং''
* বেগুনি বুদবুদগুলো কোথায় ভাসে,<br>শুধু পানের পাত্রের কানায় ছাড়া ?<br>গভীরে পান কোরো না, এটা যতই জ্বলজ্বল করুক না কেন<br>ঝিকমিক কখনোই নিচে থাকে না।
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - লেডি ইসাবেলস ফার্স্ট সং''
* কারণ আমার আত্মা তার জাগতিক বাড়ি ছেড়ে গেছে<br>আর একটা মহৎ বাসস্থান পেয়েছে,<br>যেখানে আলোর সুরই হলো জীবনের সুর,<br>আর তারার বীণাগুলো বাজছে।
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - আমেনাইড''
* আমি শুধু অবাক হতে পারি সেই উপায়ে<br>যেভাবে আমাদের জীবন কেটে যায়, দিনের পর দিন<br>মানুষের হৃদয়ে অদ্ভুত পাঠ শেখে,<br>আর তবুও ছায়ার মতো তাদের চলে যেতে দেয়।
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য রোজ''
* আমরা একে অপরের ব্যথা খুব কম অনুভব করি;<br>আমরা সেই সামাজিক শিকলকে খুব বেশি শিথিল করি<br>যা আমাদের একে অপরের সাথে বাঁধে; সেই যত্নকে অবহেলা করি<br>যা এমন দুঃখের জন্য আছে যাতে আমাদের কোনো অংশ নেই।
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য রোজ''
* কারণ কষ্ট, একজন ছদ্মবেশীর মতো, সবকিছুকে উপহাস করে<br>যাতে এর কোনো অংশ নেই, অথবা পিত্তের একটি অংশ,
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য রোজ''
* বীণার মতো, যা কোনো হাতের ছোঁয়া পায়নি<br>শুধু কোনো ফেরেশতার ছোঁয়া ছাড়া, জাগে আর কাঁদে,<br>এমনই সেই শব্দ যা এখন জাদুকরী জল থেকে<br>তীরের দিকে ভেসে আসে।
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য হন্টেড লেক''
* সুরটি আরও জোরে বেজে উঠল :<br>জাদুকরী ঢেউয়ের সর্দার,<br>তার তুষার-সাদা ঘোড়ার ওপর রাজকীয়ভাবে,<br>তার নীল হলরুম থেকে নিচে উঠল ;<br>আর সে একজন বিজয়ী-নাইটের মতো চড়ে এল<br>তার আলোর অস্ত্রে তিনগুণ গৌরবময়।
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য হন্টেড লেক''
* আসন্ন দিনের প্রথম আভা রাঙিয়ে দিল,<br>পরীর দল ম্লান হয়ে মিলিয়ে গেল।<br>তারা চলে গেল আর শুধু পেছনে ফেলে গেল<br>বাতাসে একটা দীর্ঘস্থায়ী সুবাস,<br>আর হ্রদের ওপর, তাদের ভুতুড়ে বাড়িতে,<br>রুপালি ফেনার একটা লম্বা সাদা মালা।
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য হন্টেড লেক''
* তারা মরণশীল কুমারীকে চড়তে দেখে<br>সর্দারের পাশে সম্মানের সাথে,<br>এত সুন্দর, পাপ থেকে এত মুক্ত,<br>সে এমন আশীর্বাদ জেতার যোগ্য ছিল :<br>চারপাশে ভাসমান আত্মার জাতি<br>এর চেয়ে বিশুদ্ধ, আরও দাগহীন পাওয়া যায়নি
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য হন্টেড লেক''
* সেখানে তার বাবার সাইপ্রাস গাছটি জন্মেছিল,<br>তার অন্য কোনো স্মৃতিস্তম্ভ ছিল না।<br>সে বলেছিল যে কোনো শেষকৃত্যের পাথর যেন<br>পরাজিত গৌরবের কথা না বলে,—<br>এটা কী বলতে পারত, শুধু এটা ছাড়া যে বিদেশের আকাশ<br>নির্বাসিতকে কষ্ট পেতে আর মরতে দেখেছে?
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য রিথ''
* কুমারী, তোমার বিনুনি করা চুল থেকে ফেলে দাও<br>সেই লাল গোলাপের কুঁড়িটা যা সেখানে গাঁথা আছে ;<br>কারণ যে এর মূল গাছটি রোপণ করেছিল<br>সে এখন তা-ই যা খুব শিগগিরই ওই ফুলটি হবে।
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য রিথ''
* এক মুহূর্ত সে তার হাঁটুতে,<br>“তাহলে, লায়লা, তুমি কি আমার জন্য কাঁদবে ?”<br>সে চমকে উঠল, যেন বিদ্যুতের ঝলকানিতে,—<br>“ওহ, মির্জা, এটা আমি স্বপ্নেও ভাবিনি!<br>মুসলিম আর মুর, স্প্যানিশ কুমারী কি<br>এমন কথা শুনতে পারে যা তুমি বলেছ?”
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য রিথ''
* কবে আমার আত্মা সেই দৃষ্টি ভুলে যাবে<br>যাতে সে মালা থেকে একটা মাত্র ডাল নিয়েছিল ?—একটা টিউলিপ ফুল;<br>কিন্তু, যেন কোনো ধ্বংসকারী শক্তির ছোঁয়ায়,<br>রঙিন পাতাগুলো সেই সমৃদ্ধ কিন্তু জ্বলন্ত হৃদয়ের<br>চারপাশে ঝুলে পড়েছিল যাকে তারা বেঁধে রেখেছিল।
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য রিথ''
* সে ঝরে পড়ল যেমন বসন্তে গোলাপ ঝরে পড়ে,<br>সবচেয়ে সুন্দররাই সবসময় সবচেয়ে বেশি ক্ষণস্থায়ী হয়,<br>তবুও দুঃখ আর ভালোবাসার সেই গল্পটা টিকে আছে,<br>খ্রিস্টান কুমারী আর তার মুসলিম ভালোবাসার ;<br>গোধূলির প্রহরে বলার মতো একটা গল্প,<br>তার একাকী কুঞ্জবনে সুন্দরীর কান্নার জন্য।
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - দ্য রিথ''
* ওহ ! হৃদয়ের কাছে বড্ড বেশি কান্না আছে ;<br>কিন্তু সেইগুলোর মতো একটাও নেই যা অপেক্ষা করে<br>ধ্বংসপ্রাপ্ত ভালোবাসার ওপর, একাকীত্বের ওপর<br>তরুণ অনাথের ভাগ্যের।
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - স্যার ওয়াল্টার ম্যানি অ্যাট হিজ ফাদারস টোম্ব''
* জেতার জন্য এত কিছু, হারানোর জন্য এত কিছু,<br> এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই যে আমি বেছে নিতে ভয় পাচ্ছি।
** ''দ্য গোল্ডেন ভায়োলেট - শিরোনাম কবিতা - সমাপ্তি''
* একটা প্রাচীন রত্ন আছে, যার ওপর তার ভ্রু<br>এখনো তার খোদাই করা সৌন্দর্য ধরে রেখেছে।
** ''এরিন্না''
* শৈশব যার সুখই হলো ভালোবাসা।
** ''এরিন্না''
* যদি আমার চোখ কখনো মানুষের মুখের<br>সৌন্দর্যের ওপর না পড়ত, আর আমার কান কখনো পান না করত<br>মানুষের কণ্ঠের সুর; আমি অনুভব করি<br>আমার আত্মা গানে নিজেকে ঢেলে দিত,<br>খসখস করা পাতা থেকে একটা ভাষা শিখত,<br>পাখিদের গান থেকে, আর জোয়ারের থেকে।
** ''এরিন্না''
* আমি কতটা<br>ভালোবাসতাম চিত্রকরের গৌরবময় শিল্প, যা তৈরি করে<br>এর মতো একটা পৃথিবী, কিন্তু এর চেয়েও বেশি সুন্দর;<br>প্রকৃতিকে শুধু তার সবচেয়ে খুশির মেজাজে ধরে রাখা!
** ''এরিন্না''
* কিন্তু সুর একটা রহস্য, আর দৃষ্টিহীন<br>এমনকি যখন উপস্থিত থাকে, আর এটা মানুষের কাজ কম,<br>আর তার আদেশের আওতায় কম; কারণ সেই হাত<br>যা সুরগুলো ডেকে আনতে পারে, তবুও বলতে পারে না<br>তারা কোথায় যায়, অথবা তারা বাঁচে নাকি মরে,<br>যখন একবার তার দুর্বল কানের বাইরে ভেসে যায়;
** ''এরিন্না''
* সুর আমাদের আলোড়িত করে, আর আমরা জানি না কেন;<br />আমরা কান্না অনুভব করি, কিন্তু তাদের উৎস খুঁজে পাই না。<br />এটা কি অন্য কোনো অবস্থার ভাষা,<br />এর স্মৃতি থেকে জন্ম নেওয়া ? কারণ সুরের মতো কী জাগাতে পারে<br />অন্য একটা পৃথিবীর প্রতি আত্মার জোরালো প্রবৃত্তি?
** ''এরিন্না''
* গর্ব আনন্দের সাথে কৃপণতা করে, যখন আমাদের কাছে<br>এমন জিনিসগুলোতে আনন্দ থাকে যা শুধু মনের:<br>কিন্তু অর্ধেক নম্রতা যখন আমরা অংশ নিই<br>সেই আনন্দগুলোতে যা অর্ধেক অভাব, আত্মা কষ্ট পায়<br>আর তার শেকলে সংগ্রাম করে, আর অবজ্ঞা করে<br>সেই নিচু ভিত্তিহীন কাদামাটিকে যার সাথে সে যুক্ত।
** ''এরিন্না''
* ওহ খ্যাতির স্বপ্ন, তুমি আমার কাছে কী ছিলে<br>শুধু জীবনের শান্ত তৃপ্তির ধ্বংসকারী ছাড়া!
** ''এরিন্না''
* কোনটা সেরা,—<br>সৌন্দর্য আর গৌরব, একটা দক্ষিণের জলবায়ুতে,<br>বজ্রপাত, ঝড়ের সাথে মেশানো ; অথবা সেই আকাশগুলোর<br>শান্তি যা খুব কমই বদলায়, যা, অন্তত,<br>যদি তাদের খুব একটা আলো না থাকে, তবে কোনো ঝড়ও নেই?
** ''এরিন্না''
* সকালের রোদ<br>পাহাড়ের ওপর ছড়িয়ে পড়েছে,<br>সবুজ বনের পাতার গানের সাথে,<br>আর হাজারো ছোট নদীর সাথে।
** ''ওয়ান ডে''
* ওহ, সকালের গৌরব!<br>ওহ, তোমরা প্রতিভাধর, তরুণ, আর সাহসী!<br>মধ্যরাত ছাড়া তোমাদের আর কী শেষ আছে;<br>কবর ছাড়া তোমরা আর কী পাও ?
** ''ওয়ান ডে''
* যদি তুমি পারো, আমাকে এটা শেখাও,—ভুলে যাওয়া!<br>আমি নিশ্চিতভাবেই ভুলে যাব, যদি তুমি আমাকে আদেশ করো;
** ''লাভস লাস্ট লেসন''
* সে তার মাথা নোয়াল<br>এমনই সাদা একটা হাতের ওপর যে কান্নাকে<br>শুধু তার তুষারের স্বাভাবিক গলে যাওয়া মনে হলো,<br>লাল হওয়া গালের লাল রঙের ছোঁয়ায়।
** ''লাভস লাস্ট লেসন''
* আর সে কি অনেক আগেই পড়েনি<br>তার আগমনে জ্বলে ওঠা নরম কালো চোখে তার হৃদয়ের লুকানো গোপন কথা,<br>আর তার সবচেয়ে হালকা দৃষ্টিতে গাল<br>পুরোপুরি লাল হয়ে ওঠায়?
** ''লাভস লাস্ট লেসন''
* আর এখানে অবশেষে প্রতিশোধের কিছুটা আছে:<br>কারণ মানুষের গর্ব আর ক্ষমতার সবচেয়ে সোনালী স্বপ্নগুলো<br>ভালোবাসার যেকোনো নারী-স্বপ্নের মতোই বৃথা;<br>দুটোই ক্লান্ত ভ্রু আর শুকিয়ে যাওয়া হৃদয়ে শেষ হয়,<br>আর কবর তাদের ওপর বন্ধ হয়ে যায় যাদের আশা<br>অনেক আগেই সেখানে শুয়ে আছে।
** ''লাভস লাস্ট লেসন''
===দ্য ভেনেশিয়ান ব্রেসলেট (১৮২৯)===
* প্রতারণা হলো এই পৃথিবীর পাসপোর্ট: কে সাহস করবে,<br>বুক যতই পবিত্র হোক না কেন, একে উন্মুক্ত করতে?
** শিরোনাম কবিতা
* আমি কেন ভালোবাসব? মুক্তা আর রত্ন ছুঁড়ে ফেলে<br>তাদের কাছে যারা অবজ্ঞা করে, অন্তত তাদের পরোয়া করে না:<br>আমি কেন ঘৃণা করব? যেমন ব্লেডগুলো খাপের মধ্যে গলে যায়,<br>আমার ঘৃণাকে অনুভব করানোর কোনো ক্ষমতা আমার নেই;
** শিরোনাম কবিতা
* আমরা অন্য হৃদয়গুলোকে আমাদের সুর কতটা দিই,<br>আর অন্যদের অনুভূতিগুলোকে আমাদের নিজেদের দিয়ে বিচার করি!
** শিরোনাম কবিতা, চতুর্থ খণ্ড।
* তার প্রতিদ্বন্দ্বী—তার—ভাষায় এমন কোনো শব্দ নেই<br>যা নারীর কানের কাছে এত বেশি ঘৃণ্য।<br>এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই, কারণ এটা তার একমাত্র অংশ কেড়ে নেয়<br>মিষ্টি আধিপত্যের—হৃদয়ের ওপর রাজত্ব।
** শিরোনাম কবিতা, চতুর্থ খণ্ড।
* সে ঘুমাচ্ছে!—কাঠগড়ার পাশে হতভাগ্য এভাবেই ঘুমায়:<br>সে ঘুমাচ্ছে!—এমন ঘুম থেকে জাগাটা কত ভয়ংকর!
** শিরোনাম কবিতা, পঞ্চম খণ্ড।
* কে সেই সবচেয়ে খারাপ, সেই জাগার প্রহরকে ঘৃণা করেনি,<br>যখন দুঃখ আর চেতনা তাদের ক্ষমতা জাহির করে;<br>যখন যন্ত্রণার সকালের সতেজতা থাকে, তবুও আমরা চাই<br>এটাকে একটা স্বপ্ন হিসেবে ধরে রাখতে, আর আবার ঘুমাতে;
** শিরোনাম কবিতা, ষষ্ঠ খণ্ড।
* এমন কিছু স্মৃতি আছে যা মিলিয়ে যাবে না,—<br>অতীতের এমন সব চিন্তা যা আমরা তাড়াতে চাইলেও পারি না:<br>যেন শুধু ইচ্ছা কতটা অক্ষম তা দেখানোর জন্য,<br>আমরা যন্ত্রণাকে ঘৃণা করি, আর তবুও আমাদের কষ্ট পেতেই হয়:<br>কারণ কে আছে যে বলতে পারে তারা ভুলে যাবে?<br>—এটি এমন একটা ক্ষমতা যা কোনো বিজ্ঞান এখনো শেখায় না।
** শিরোনাম কবিতা, সপ্তম খণ্ড।
* হায়! হায়! প্লেগের দাগের মতো পাপ কীভাবে<br>সেই নিংড়ানো হৃদয়ের ওপর ছড়িয়ে পড়বে যেখানে সে প্রবেশ করে!
** শিরোনাম কবিতা, অষ্টম খণ্ড।
* হঠাৎ চমকে ওঠা, দ্রুত পদক্ষেপ আবারও,—<br>যেন এটা সময়কে ধ্বংস করে দেবে:—<br>কিন্তু কে অপরাধের নিঃসঙ্গতা আঁকতে পারে?
** শিরোনাম কবিতা, নবম খণ্ড।
* তারাগুলোর থেকে একটা গল্প; অথবা বরং প্রাচীনকালের<br>তারাদের রূপকথার একটা,<br>যখন তরুণ কল্পনা ততটাই সতেজ ছিল<br>যতটা সুন্দর পৃথিবী সে নিজে দিয়ে ভরিয়ে দিয়েছিল।
** ''দ্য লস্ট প্লেইয়াড''
* আর পুরো স্বর্গজুড়ে সেই পরিষ্কার নীল রং<br>যার ভেতর দিয়ে তারাগুলো ঘুরে বেড়াতে এত ভালোবাসে।<br>তারা নীরব গভীর থেকে উঠছে,<br>ঘুমের পর উজ্জ্বল চোখ খোলার মতো।
** ''দ্য লস্ট প্লেইয়াড''
* চারণকবি, যোদ্ধা, আর জ্ঞানী ব্যক্তি,<br>তারা কী জেতে শুধু একটা মিথ্যা পাতা ছাড়া,<br>যেখানে কাজ আর কথা, খেয়ালের বশে ছুঁড়ে দেওয়া,<br>তাদের নিজেদের হতেও পারে বা নাও হতে পারে?
** ''দ্য লস্ট প্লেইয়াড''
* কিন্তু সাইরিনের গালের ওপর গোলাপ,<br>চাঁদের আলো ছুঁয়ে যাওয়া পানির মতো, জোয়ার-ভাটায় চলে;<br>আর গ্রীষ্মের ফুলের মতো ঝুলে পড়া চোখগুলো<br>বলেছিল তারা রোদ আর বৃষ্টির সাথে বদলাতে পারে।
** ''দ্য লস্ট প্লেইয়াড''
* হায়! শপথগুলো তার পরের লক্ষণ!—<br>আমরা এর পতনের সময় গাছটিকে ঠেকিয়ে রাখি—<br>সেই ভূতগুলো যা একটা বিদায় প্রহরে তাড়া করে,<br>সব দুঃখ নিয়ে, আর ক্ষমতার কিছুই না নিয়ে;<br>তৈরি হওয়ার সময় অর্ধেক ছিঁড়ে যাওয়া একটা শিকল,—<br>প্রতিজ্ঞাবদ্ধ শপথটা আগেই ভাঙছে।
** ''দ্য লস্ট প্লেইয়াড''
* আসলেই স্কেচ, সেই সবচেয়ে আবেগপূর্ণ পাতা থেকে,<br>একটা নারীর হৃদয়, অনুভূতির, চিন্তার, যা তৈরি করে<br>সেই বায়ুমণ্ডল যেখানে তার আত্মা ঘোরে;
** ''অ্যা হিস্ট্রি অব দ্য লায়ার''
* যখন বছর পেরিয়ে গেছে<br>পড়ে যাওয়া খিলানের ওপর, ধ্বংসপ্রাপ্ত হলরুমের ওপর,<br>এটাকে শুধু সময়ের গতি মনে হয়, একটা বড় নিয়তি,<br>যার প্রভাব আমাদের সবার ওপর সমান;
** ''অ্যা হিস্ট্রি অব দ্য লায়ার''
* —আমি এর চেয়ে নিখুঁত সৌন্দর্য আর কখনো দেখিনি।<br>এটা পোশাক থেকে কোনো সাহায্য চায়নি, পায়নি: তার পোশাক<br>সাদা ছিল, আর সাধারণভাবে এমন ভাঁজে জড়ো করা ছিল<br>যা একটা মূর্তির সাথে মানানসই: ঘাড় আর হাত দুটো খোলা ছিল;<br>কালো চুলগুলো খোলা ছিল, আর একটা ঘোমটার মতো<br>এমনকি তার পা পর্যন্ত ঝুলে ছিল; সে একটা বীণা ধরে ছিল,<br>আর, সে যখন প্রাচীন গ্যালারি দিয়ে হাঁটছিল, জাগিয়ে তুলল<br>কয়েকটা বন্য সুর, আর ফিসফিস করে নিচু মিষ্টি কথা বলল,<br>কিন্তু প্রায় শোনাই যাচ্ছিল না, যেন সে ভাবছিল<br>কথা বলার চেয়ে:—রাত, নিঃসঙ্গতা,<br>তরুণ পাইথনেসকে কবিতায় ভরিয়ে দিয়েছিল।
** ''অ্যা হিস্ট্রি অব দ্য লায়ার''
* এটা এটাই যা আমাদের প্রতিশ্রুত স্বর্গের<br>সবচেয়ে ভালো নিশ্চয়তা তৈরি করে:<br>মৃত্যুর ওপর বুদ্ধির এই বিজয়—<br>আমাদের কথাগুলো অন্যদের ঠোঁটে বেঁচে থাকে; আমাদের চিন্তাগুলো<br>অন্যদের চালিত করে। সেই মানুষটা কি মৃত হতে পারে<br>যার আধ্যাত্মিক প্রভাব তার নিজের জাতির ওপর আছে?
** ''অ্যা হিস্ট্রি অব দ্য লায়ার''
* আমি একজন নারী:—আমাকে খ্যাতির কথা বোলো না।
** ''অ্যা হিস্ট্রি অব দ্য লায়ার''
* আমি আমার উপহার বেছে নিইনি:—খুব শিগগিরই আমার হৃদয়,<br>ঘড়ির মতো, একটা পরের সময়ের দিকে নির্দেশ করেছিল<br>যা সময় পৌঁছেছিল: আর যখন আমার বছরগুলো পেরিয়ে গেল,<br>ছায়া আর ভাসমান দর্শনগুলো চিন্তায় পরিণত হলো,<br>আর চিন্তাগুলো শব্দ খুঁজে পেল, গানের আবেগপূর্ণ শব্দ,<br>আর আমার কাছে সব কিছুই ছিল কবিতা।
** ''অ্যা হিস্ট্রি অব দ্য লায়ার''
* আমি আমার নিজের অনুভূতির কথা বলছি—আমি অন্যদের বিচার করতে পারি<br>শুধু বাহ্যিক চেহারা দিয়ে, আর তা<br>অভিনেতার অধ্যয়ন করা অংশের চেয়েও বেশি মিথ্যা।<br>আমরা আমাদের কথা আর চেহারা ধার করা পোশাকে সাজাই:<br>মনটা মুখের মতো—কারণ অন্তত একটা ঘোমটা ছাড়া<br>পাবলিক রাস্তায় কে বের হয়?
** ''অ্যা হিস্ট্রি অব দ্য লায়ার''
* আমি অহংকারী—প্রশংসা হলো আফিম, আর ঠোঁট<br>সেই আকর্ষণীয় পানীয়কে প্রতিরোধ করতে পারে না,<br>хоociaż জানে এর উত্তেজনা একটা প্রতারণা—<br>প্রলাপ বকা—খ্যাতির একটা উপহাস।
** ''অ্যা হিস্ট্রি অব দ্য লায়ার''
* আমি হয়তো দয়ালু হতে পারি,<br>আর দয়ার সাথে দেখা করতে পারি, তবুও একা থাকতে পারি;<br>কারণ কৃতজ্ঞতা সাহচর্য নয়।—
** ''অ্যা হিস্ট্রি অব দ্য লায়ার''
* কতটা মহৎ আর মহান করার মতো!—কিন্তু ভেতরে<br>কতটা নীচ, কতটা দরিদ্র, কতটা করুণ, কতটা মিশ্রিত<br>বাজে খাদের সাথে; কীভাবে হতাশা অনুসরণ করে<br>আশার পদক্ষেপ; কীভাবে ঈর্ষা সাফল্যকে তাড়া করে;<br>কীভাবে প্রতিটি বিজয়ীর মুকুট কাঁটা দিয়ে ঘেরা থাকে,<br>আর উপহাসের মাঝে পরা হয়!
** ''অ্যা হিস্ট্রি অব দ্য লায়ার''
* সামাজিক জীবন সন্দেহ আর বৃথা আকাঙ্ক্ষায়<br>ভরা; নিঃসঙ্গতা,<br>যখন কল্পনা সিংহাসনচ্যুত হয়,<br>ক্লান্তিতে পরিণত হয়।
** ''অ্যা হিস্ট্রি অব দ্য লায়ার''
* আমার মনে হয় আমাদের বর্তমানের চেয়ে আরও বেশি গৌরবময়<br>কোনো অতীত অবস্থা জানা উচিত ছিল, আর হৃদয়<br>অস্পষ্ট স্মৃতিগুলো দ্বারা তাড়িত হয়, অতীতের জাঁকজমকের<br>ফেলে যাওয়া ছায়াগুলো; আর তাই আমরা কষ্ট পাই<br>বৃথা আকাঙ্ক্ষা নিয়ে, আশাগুলো যা চোখ ভরিয়ে দেয়<br>তাদের নিজেদের বৃথা হওয়ার জন্য তিক্ত কান্না দিয়ে।
** ''অ্যা হিস্ট্রি অব দ্য লায়ার''
* স্মৃতি কবিকে তৈরি করে; এটা হলো অতীত<br>তার ভেতরে রয়ে যাওয়া, একটা তীক্ষ্ণ অনুভূতির সাথে<br>সাধারণ মানুষের চিন্তায় যা আছে তার চেয়ে<br>যা ছিল, যা আসল পৃথিবীকে ভরিয়ে দেয়<br>সুন্দর আকারগুলোর অবাস্তব প্রতিচ্ছবি দিয়ে,<br>যা ছিল এবং নেই; আর তারা যত বেশি সুন্দর,<br>বিদ্যমান জিনিসগুলোর সাথে তাদের বৈসাদৃশ্য তত বেশি,<br>তার ক্ষমতা তত বেশি, তার দুঃখ তত বেশি।
** ''অ্যা হিস্ট্রি অব দ্য লায়ার''
* আমি সেই ভালোবাসাকে ধরে রেখেছিলাম<br>যা হাজারের মধ্যে শুধু একজনকে বেছে নেয়,<br>সেই কোমলতার বস্তু হতে<br>যা প্রতিটি হৃদয়ের জন্য স্বাভাবিক; যা ত্যাগ করতে পারে<br>তার নিজের সেরা সুখ একটা প্রিয়জনের জন্য;<br>অনুপস্থিতি সহ্য করতে পারে; আশায় যার কোনো অংশ নেই,—<br>কারণ আশা কিছুটা স্বার্থপর, ভালোবাসা নয়,—<br>আর নিজেকে ছেড়ে অন্যকে পছন্দ করে।
** ''অ্যা হিস্ট্রি অব দ্য লায়ার''
* হায়! আমরা তৈরি করি<br>আমাদের চিন্তার একটা মই, যেখানে ফেরেশতারা পা রাখে,<br>কিন্তু আমরা নিজেরাই নিচে ঘুমাই: আমাদের উচ্চ সংকল্পগুলো<br>আমাদের ঘুমন্ত কাজগুলোর দিকে তাকিয়ে থাকে।
** ''অ্যা হিস্ট্রি অব দ্য লায়ার''
* সেখানে একটা খোদাই করা আকৃতি ছিল; পা দুটো রাখা ছিল<br>একটা সূক্ষ্মভাবে খোদাই করা গোলাপের মালার ওপর; হাত দুটো<br>স্বর্গের দিকে তোলা ছিল, যেন তারাগুলোকে জড়িয়ে ধরতে চায়<br>ইওলালিয়া পাশে ঝুঁকে ছিল; বলা কঠিন ছিল<br>কোনটা আসল মার্বেল ছিল: সে যখন কথা বলল,<br>তুমি চমকে উঠলে, মনে হলো না এটা মানুষের শব্দ;<br>কিন্তু চোখের আভা বলেছিল যে জীবন এখনো টিকে আছে;<br>আর এখন চাঁদের আলো যেন তাদের গভীরতা ভরিয়ে দিল।
** ''অ্যা হিস্ট্রি অব দ্য লায়ার''
* সেই ক্লান্ত আর স্পন্দিত হৃদয়ের শান্তি হোক,<br>যা নিজেকে খাইয়ে বেঁচে ছিল!
** ''অ্যা হিস্ট্রি অব দ্য লায়ার''
* এখানেই আমাদের পার্থক্য; আমি চাই<br>আমার সত্তাকে তোমার মাঝে মিশিয়ে দিতে—<br>আমি তোমার স্মৃতি নিয়েও ঈর্ষান্বিত:<br>আমি চাই আমাদের শৈশব একসাথে কাটত।
** ''দ্য অ্যানসেস্ট্রেস'' (জারোমিরের উদ্দেশ্যে বার্থার কথা)
* ফাঁপা কণ্ঠস্বর<br>সেই বুড়ির, একমাত্র জীবন্ত শব্দ;<br>তার মুখ, যার ওপর মরণশীলতা লিখেছে<br>এর সমাপ্তি, ফ্যাকাশে আর হাড়গোড় বের করা হাত দিয়ে,<br>একটা ভূতের মতো তোলা—আর তুমি সেই সময়,<br>মধ্যরাতের ঠান্ডায় শীতল, আর ভয়ে সাদা,<br>তোমার বড় নীল চোখগুলো আরও গাঢ় আর বড় হয়ে উঠেছে<br>ভয়ের শেকলবদ্ধ মনোযোগের সাথে, আর তোমার নিশ্বাস<br>খুব বেশি আগ্রহের জন্য চেপে রাখা।
** ''দ্য অ্যানসেস্ট্রেস'' (বার্থার উদ্দেশ্যে জারোমিরের কথা)
* এখন<br>আমার এমন কোনো আশা নেই যা তোমার জন্য স্বপ্ন দেখে না;<br>আমার এমন কোনো আনন্দ নেই যা তোমার দ্বারা ভাগ করা হয় না;<br>আমার এমন কোনো ভয় নেই যা তোমার জন্য ভয় পায় না।
** ''দ্য অ্যানসেস্ট্রেস'' (জারোমির সম্পর্কে বার্থার কথা)
* আমি দিন কাটাতে পারি<br>সেই পুরনো সিডার গাছগুলোর ছায়ায় শুয়ে,<br>রোদের আলো একটা আশীর্বাদের মতো ঝরে পড়া দেখতে দেখতে,—<br>বাতাস ডালপালার ওপর সুরের মতো ঘুরে বেড়াচ্ছে,—<br>প্রতিটি গাছ একটা প্রাকৃতিক বীণা,— প্রতিটি আলাদা পাতা<br>একটা আলাদা সুর, একটা বিশাল ধন্যবাদ-জ্ঞাপনে মেশানো।
** ''দ্য অ্যানসেস্ট্রেস'' (জারোমিরের কথা)
* বাতাসের ওপর একটা ওজন আছে, কারণ প্রতিটি হাওয়া<br>পাখির মতো, ঘুমের জন্য তার ডানা গুটিয়ে নিয়েছে।
** ''দ্য অ্যানসেস্ট্রেস'' (বার্থার কথা)
* নীল হায়াসিন্থ!<br>ওহ, ওগুলো আমাকে দেখিও না; ওগুলো আমার চোখ<br>এমন একটা দৃশ্যের জন্য বড্ড নরম কান্নায় ভরিয়ে দেয়।
** ''দ্য অ্যানসেস্ট্রেস'' (বার্থার কথা)
* আমি এখানে দর্শক, অংশগ্রহণকারী নই。<br>আমার কাছে এটা আসল আনন্দের চেয়ে<br>আনন্দ উপস্থাপন করার জন্য তৈরি করা একটা প্রদর্শনীর মতো মনে হচ্ছে।
** ''দ্য অ্যানসেস্ট্রেস'' (বার্থার কথা)
* গ্রিক গানের প্রথম দিকের সম্মানিত,<br>সুগন্ধি মার্টল গাছ;<br>কারণ এটা সুখী ভালোবাসার কথা বলে,<br>নরম, সত্যি।
** ''পোয়েটিক্যাল পোর্ট্রেট ১''
* তুমি আমাদের বসন্তের আশীর্বাদপুষ্ট ঋতু,<br>যখন আশাগুলো উড়ন্ত ফেরেশতা;<br>তাদের স্বর্গের তীরের দিকে উঁচুতে আবদ্ধ,<br>হায়! পৃথিবীতে আর কখনো না আসার জন্য।
** ''পোয়েটিক্যাল পোর্ট্রেট ২''
* হায়! কানে দেওয়া প্রশংসা<br>কখনোই আন্তরিক ছিল না আর কখনো হতেও পারে না—<br>আর শুধু সেই মনকে ক্ষয় করে দেয়<br>যার ওপর এটা শিকার করে:—বৃথাই<br>তারা চাইবে যাদের মধ্যে এর বিষ লুকিয়ে আছে<br>একটা আরও যোগ্য অবস্থা অর্জন করতে।
** ''পোয়েটিক্যাল পোর্ট্রেট ৩''
* তোমার কণ্ঠস্বর মিষ্টি, যেন এটা তার<br>সুর নিয়েছে তোমার মুখ থেকে।<br>আর কথা আর আচরণ, আর পদক্ষেপ আর দৃষ্টি,<br>তাদের অনুগ্রহে নিখুঁত।
** ''পোয়েটিক্যাল পোর্ট্রেট ৫''
* তারা কীভাবে বলতে পারে যে বিশ্বাস করাটাই স্বস্তি?<br>হালকা হলো সেই দুঃখগুলো যা চোখের পাতায় লাফিয়ে ওঠে,<br>তারা যে কান্না নিয়ে আসে তার দ্বারা বশীভূত এবং নরম করা হয়;<br>কিন্তু কিছু আছে বড্ড দীর্ঘ, বড্ড ভালোভাবে লুকানো,<br>বড্ড গভীরভাবে অনুভূত,—যা শুধু একবারই প্রকাশিত হয়:<br>যেমন মরণশীল তীর টেনে বের করা হয়,<br>আর তারপর জীবন-রক্ত হৃদয় থেকে বেরিয়ে আসে;<br>দুঃখ, আগে কোনো দীর্ঘশ্বাসের দ্বারা অকথিত,<br>কিন্তু যা, একবার বলা হলে, শুধু মরতেই হয়।—
** ''দ্য নেগলেক্টেড ওয়ান''
* কতটা গভীর, কতটা নির্দয়, সেই চাপা দেওয়া ভালোবাসা,<br>যা নীরব মধ্যরাতকে তার বিশ্রাম থেকে কেড়ে নেয়;<br>যা জড়ো হওয়া ভিড়ের মধ্যে শুধু একজনকেই দেখে;<br>যা মিশে যাওয়া পদচিহ্নের মধ্যে শুধু একজনকেই শোনে;<br>যা কবির পাতা উল্টায়, শুধু খুঁজে পেতে<br>তার নিজের জন্য ডিজাইন করা কোনো বিষণ্ণ ছবি;<br>যা সংগীতে খোঁজে, শুধু সেই অভিযোগের সুর<br>যা গোপন দুঃখ ফিসফিস করে বলে যে এটা তার নিজের!
** ''দ্য নেগলেক্টেড ওয়ান''
* হৃদয়ের নিজস্ব রহস্য আছে, আর কে তা প্রকাশ করতে পারে,<br>বা কে কখনো তাদের নিজেদের গভীরে পড়েছে? —<br>কতটা, আমরা হয়তো কখনোই বলতে পারব না, তবুও তা অনুভব করি,<br>কিন্তু, এমনকি এটা অনুভব করেও, জানি যে এটা অজানা!
** ''অ্যা নাইট ইন মে''
* আত্মা, যা মানুষের জীবনকে তার শেষ পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণ করে,<br>সুযোগ, ভাগ্য, নিয়তি, এখন আমার সমনের উত্তর দাও;<br>রাতের চেহারার ওপর দিয়ে ঝড় নেমে আসছে,—<br>সুন্দর চাঁদ, অন্ধকার মেঘগুলো তোমার রূপালি ভ্রু লুকিয়ে রাখে।<br>এরা তোমার উত্তর নিয়ে আসুক, আর আমাকে বলো যদি বিষণ্ণতা<br>চিরকাল মানুষের প্রায়শ্চিত্ত আর অংশ হতে হয়;<br>সকাল কি আনন্দের কোনো জন্মস্থান থেকে আসে?<br>তোমার সাম্রাজ্য বা তোমার মধ্যে কি শান্তি আছে, বিশ্রাম আছে?
** ''অ্যা নাইট ইন মে''
* মুক্ত, তুমি বলছ,—তুমি কীভাবে স্বপ্ন দেখো?<br>তুমি কি এমন মুক্তিকে ঘৃণায় এড়িয়ে যাবে<br>যা এমন মুক্তিপণ দিয়ে কেনা হয়েছে।<br>—মেয়ে, তোমার জন্য আমি সরিয়ে রাখব<br>হাসির ঘোমটা আর গর্বের মুখোশ;<br>সেই কাফনগুলো যা শুধু নিয়তির কাছে চায়<br>এতটা নিঃসঙ্গ না দেখাতে।<br>—আমি তরুণ,—কিন্তু বয়সের তুষার<br>নিচের আরও ঠান্ডা গভীরতা লুকায় না ...
** ''ওয়ার্নিং:''
* আমি ক্লান্ত, আমি ক্লান্ত,—আমাদের এই ঠান্ডা পৃথিবী;<br>আমি দূরে গিয়ে থাকব, পরীদের আর ফুলদের সাথে।<br>. . . .<br>আমি ক্লান্ত, আমি ক্লান্ত,—আমি বাতাসের সাথে চলে যাচ্ছি:<br>আমি কি পেছনে ফেলে আসা ভাগ্যের চেয়েও খারাপ কোনো ভাগ্য খুঁজে পেতে পারি?
** ''ফ্যান্টাসিস, ইনস্ক্রাইবড টু টি. ক্রফটন ক্রোকার, এস্কোয়ায়ার.''
* এটা ভালো: আলনা, শিকল, চাকা,<br>তুমি প্রমাণ করলে অনেক ভালো হতো;<br>এমনকি আমিও হয়তো কিছুটা করুণা অনুভব করতে পারতাম,<br>কারণ তুমি প্রিয় নও।
** ''রিভেঞ্জ''
* ওহ আর কোনো স্বপ্ন কখনো হতে পারে না<br>আমাদের সেই প্রথম দিকের স্বপ্নের মতো,<br>যখন পরী আশা ঘুমাতে শুয়েছিল,<br>একটা শিশুর মতো, ফুলদের মাঝে।
** ''সং: ওহ নেভার অ্যানাদার ড্রিম ক্যান বি''
* নারী চরম দুর্দশায় ছিল—সেই সবচেয়ে খারাপ দারিদ্র্য, যা লজ্জা দ্বারা তাড়িত হয়—ভালো দিনগুলোর রেখে যাওয়া একমাত্র ধ্বংসাবশেষ। সে সুস্থ হওয়ার সব চেষ্টা থেকে পিছিয়ে এসেছিল, ওষুধ দিতে অস্বীকার করেছিল, আর শিশুটির মৃত্যুকে শুধু একটা আশীর্বাদ হিসেবে বলেছিল।<br>আমার ঈশ্বর! আর জীবনের প্রতিদিনের পাতা কি<br>এরকম দুর্দশা দিয়ে অন্ধকার করা?
** ''দ্য ডাইং চাইল্ড''
* আমরা কি সেই পুরনো দিনের অভিনেতার মতো নই,<br>যে তার মুখোশ এতক্ষণ পরেছিল যে তার মুখ<br>এর রূপ নিয়েছিল?
** ''আ সামার ইভিনিংস টেল''
* আমাদের এই সামাজিক ব্যবস্থায়, যেখানে ছোটখাটো যত্ন<br>আর লাভজনক স্বার্থগুলো শুধু তাকায়<br>বর্তমানের ক্ষুদ্রতার ওপর, আর পিছিয়ে আসে<br>সাহসী ভবিষ্যৎ, আর রাজকীয় অতীত থেকে,—
** ''আ সামার ইভিনিংস টেল''
* কারণ ইচ্ছাগুলো শুধু ইচ্ছাশক্তি দিয়েই কার্যকর হয়,<br>আর তা বড্ড বেশি অক্ষম আর শূন্য<br>ভঙ্গুর মানবতায়; আর সময় চুরি করে চলে যায়<br>পাপী আর দোদুল্যমান, আর মুক্ত না হয়ে।
** ''আ সামার ইভিনিংস টেল''
* কে বলবে<br>প্রতিভার ভালোবাসা একটা সাধারণ জিনিস,<br>যেমন অনেকেই অনুভব করে—অর্ধেক স্বার্থপরতা,<br>অর্ধেক অহংকার?—কারণ প্রতিভা ঐশ্বরিক,<br>আর, একজন দেবতার মতো, তার বাসস্থানকে পরিণত করে<br>একটা মন্দিরে; আর হৃদয় যা উদ্ধার পেয়েছে<br>তার সূক্ষ্ম প্রভাব দ্বারা তা হলো অমর মন্দির<br>ভালোবাসার দেবত্বের জন্য।
** ''আ সামার ইভিনিংস টেল''
* হায়!<br>আমরা আমাদের নিজেদের হাত থেকে আমাদের নিয়তি দিয়ে দিই,<br>আর বিশ্বাস করি সেই সবচেয়ে ভঙ্গুর সব ভঙ্গুর জিনিসগুলোকে,<br>মানবতার সুযোগগুলোকে।
** ''আ সামার ইভিনিংস টেল''
* আচ্ছা, আমার গাল পড়ো, আর আমার চোখ লক্ষ্য করো,—<br> ওরা বড্ড কড়াভাবে শেখানো হয়েছে,<br>আমার আত্মার একটা গোপন কথা দেখাতে,<br> একটা লুকানো চিন্তা ফাঁস করতে।
** ''লাইনস অব লাইফ''
* আমার কাছে আশার এমন আগ্রহ আছে<br>আমার জাতির উপকার করার;<br>আর আমি অনুভব করি যেন অমর ক্ষমতা<br>আমার মনকে দেওয়া হয়েছিল।
** ''লাইনস অব লাইফ''
* কিন্তু গান আমার ঠোঁটকে আগুন দিয়ে ছুঁয়েছে,<br>আর আমার হৃদয়কে একটা মন্দিরে পরিণত করেছে;<br>কারণ কী, যদিও খাদ মেশানো, নিচু করা,<br>তা নিজেই ঐশ্বরিক।
** ''লাইনস অব লাইফ''
* সুর মৃতদের নীরবতাকে<br>কম ভয়ংকর করে তুলুক;<br>আমি পরোয়া করি না, যাতে আমার আত্মা টিকে থাকে<br>জীবন পালিয়ে যাওয়ার অনেক পরে।
** ''লাইনস অব লাইফ''
* আর এটাই আমাদের মরণশীল অবস্থার সারসংক্ষেপ,<br>যে আশাগুলো আমরা গুনি,—<br>জ্বরগ্রস্ত জাগরণ, বিপদ, মৃত্যু,<br>আর অলস ঘুম।
** ''দ্য ব্যাটল ফিল্ড''
* আরেকটা বছর, আরেকটা বছর,—<br>হায়! আর এটা কি হতেই হবে<br>যে সময়ের সবচেয়ে অন্ধকার আর ক্লান্ত চাকাটা<br>আমার জন্য আবার ঘুরবে?
** ''নিউ ইয়ারস ইভ''
* আমার কান্নাগুলো আমার হৃদয়ে কবর দেওয়া আছে,<br>গুহায়-তালাবদ্ধ ঝরনার ঘুমানোর মতো।
** ''সং - আই প্রে দি লেট মি উইপ টু-নাইট''
* আমি পৃথিবী দিয়ে দিতাম, যদি আমি বিশ্বাস করতে পারতাম<br>আমাকে যা বলা হয়েছে তার অর্ধেক;<br> স্নেহ! আমি কি এটাকে তুমি ভাবতে পারতাম,<br>যখন চাটুকারিতা আমাকে আদর করেছে।
** ''সং - আই প্রে দি লেট মি উইপ টু-নাইট''
===হিথস বুক অব বিউটি, ১৮৩৩ (১৮৩২)===
* এই তাৎপর্যপূর্ণ সাংস্কৃতিক খণ্ডের কিছু বিষয়বস্তুর আলোচনার জন্য, আদ্রিয়ানা ক্রাসিউনের 'ফ্যাটাল উইমেন অব রোমান্টিসিজম', কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস, ২০০৪, পৃষ্ঠা ২০৪ দেখুন। 'দ্য এনচ্যান্ট্রেস' বা 'জাদুকরী' বিভাগটি এখানে সেই প্রথম গল্পটিকে একটি 'স্ব-সচেতনভাবে বায়রনিক টেক্সট' হিসেবে বর্ণনা করে শুরু হয় যা 'কাব্যিক পরিচয় এবং স্ব-সৃষ্টির একটি প্রমিথিয়ান, স্বতন্ত্রভাবে লুসিফেরিয়ান মডেল তৈরি করে'।
'''দ্য এনচ্যান্ট্রেস'''
* জল—শক্তিশালী, পবিত্র, সুন্দর, অথৈ—তোমার নিজস্ব রাজত্ব, গভীর সমুদ্রের মতো তোমার উপাদান আর কোথায় এতটা গৌরবময়? দূর আটলান্টিকে ক্ষমতার কী এক অসীমতা রয়েছে, যা দুটি ভিন্ন জগতের সীমানা, স্মৃতি এবং আশার জগতের মতো আলাদা! অথবা উজ্জ্বল প্রশান্ত মহাসাগরে, যার জোয়ার দক্ষিণের সূর্যের আলোয় সোনালিতে পরিণত হয়, এবং যার বুকে ঘুমিয়ে আছে হাজারো দ্বীপ, যার প্রতিটি এডেনের সবুজ, ফুল এবং ফলে ঢাকা! কিন্তু, তোমার সব জন্মগত রাজত্বের মাঝে, তোমার প্রিয় ভূমধ্যসাগরের মতো আর কাকে তুমি এত অকৃপণভাবে সৌন্দর্য দিয়েছ? গ্রীষ্মের এক রাতের নীরবতা এখন তার বুকে ঘুমাচ্ছে, যেখানে উজ্জ্বল তারাগুলোর প্রতিচ্ছবি এমনভাবে পড়েছে, যেন তার গভীরে তাদের আরেকটি বাড়ি এবং আরেকটি স্বর্গ রয়েছে। উভয়ের মাঝখানে বাতাস চিরে ছুটে চলা কোনো আত্মা হয়তো থমকে দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করতে পারত, কোনটি সমুদ্র আর কোনটি আকাশ। জলের ওপর অপশকুনের মতো বিশ্রাম নেওয়া পৃথিবী এবং পার্থিব জিনিসের ছায়াগুলোই শুধু বুঝিয়ে দিচ্ছিল কোনটি স্বর্গীয় বাহিনীর বাড়ি আর কোনটি আয়না।
* ভালোবাসা পথ না দেখালে আমরা শৈশবের দোরগোড়া পেরোতে পারি না।
* অদ্ভুত, এই জীবনে অজ্ঞতাই আমাদের সেরা সুখ হওয়া উচিত, আর তবুও আমরা সবসময় এটাকেই ধ্বংস করার চেষ্টা করছি!
* আমাদের স্বভাবের দুর্বলতা—কত দ্রুত কোনো তীব্র আবেগ একে বশ করে ফেলে!
* আমি মানবতার শুধু এর বিভ্রমগুলোই হারিয়েছিলাম, আর সেগুলোই একমাত্র জিনিস যা একে সহনীয় করে তোলে।
* সত্যি বলতে, রাত তৈরি হয়েছে ঘুমের জন্য; কারণ এর জাগরণ প্রহরগুলোতে এমন এক ধরনের নিপীড়ন থাকে যা দিনের সবচেয়ে বিষণ্ণ প্রহরগুলোরও অজানা। স্থিরতা এতটাই গভীর, নিঃসঙ্গতা এতটাই অটুট, বিশ্রামের অভাবে আসা জ্বর স্নায়ুগুলোকে এতটাই দুর্বল করে দেয় যে, কল্পনা স্বৈরতান্ত্রিক এবং অস্বাস্থ্যকর ক্ষমতা প্রয়োগ করে, যতক্ষণ না, যদি হৃদয়ে কোনো ভয় বা দুঃখ থাকে, তা বিশাল অতিরঞ্জনের সমস্ত শক্তি এবং আতঙ্ক নিয়ে জেগে ওঠে।
* কারণ বন্ধুরা কখন সফল মানুষের দুঃখে আনন্দ পায় না?
* যে ব্যক্তি অন্যদের নয়, নিজের কথা ভেবে আনন্দ খোঁজে, সে সবসময় দেখতে পাবে যে আনন্দ কেবল অসন্তোষের আরেকটি নাম।
* দুঃখজনক সত্য হলো, আমাদের প্রতিবেশীদের সম্পর্কে আমাদের বেশিরভাগ পূর্বানুমানই আসলে আমাদের নিজস্ব ইচ্ছা, যা আমরা অন্য কোনো উপায়ে প্রকাশ করতে লজ্জিত বোধ করি।
* যখন হৃদয় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে পূর্ণ থাকে, তখন ঠোঁট কতবারই না কোনো উদাসীন প্রশ্ন তৈরি করে!
'''দ্য তালিসমান'''
* শহরের সমস্ত বাসিন্দাদের মধ্যে দেশের প্রতি ভালোবাসা কতটা তীব্র!
* এটা কৌতূহলোদ্দীপক যে আমাদের দিনের প্রতিটি প্রহর অসংখ্য ঘড়ির ধ্বনি থেকে পুনরাবৃত্তি হয়; আর তবুও আমরা কত কমই ঘড়ির বাজার দিকে মনোযোগ দিই! হায়! সময়ের অসংখ্য চিহ্নকে আমরা যেভাবে অবহেলা করি, এটা তার কতটা প্রতীকী! সময়ের সম্ভাবনা নিয়ে ভাবলে, আমরা যেভাবে সময় নষ্ট করি তা সত্যিই ভয়ানক! প্রতিটি মানুষের জীবনের শেষে দেখা যাবে যে তার জীবন তৈরি করা বিশাল উপাদানের অন্তত তিন-চতুর্থাংশই শূন্য—হারিয়ে গেছে—বরং, পুরোপুরি ভুলে যাওয়া হয়েছে! অথচ সেই সময়কে যদি কাজে লাগানো হতো এবং সদ্ব্যবহার করা হতো, তবে তা হয়তো প্রাসাদ তৈরি করতে পারত, সম্পদ জড়ো করতে পারত, আর সবচেয়ে বড় কথা, একটি অবিনশ্বর নাম তৈরি করতে পারত।
* দারিদ্র্য একটি ভয়ানক জিনিস যখন তা একজন শক্তিশালী মানুষের গর্বকে একেবারে মাটিতে নামিয়ে আনে—এটি একটি ভয়ানক জিনিস যখন এটি বার্ধক্যকে নিঃস্ব করে দেয়: তবুও, সেই শক্তিশালী মানুষটি হয়তো আবার তার ভাগ্য ফিরে পেতে পারে, আর সেই বার্ধক্যের হয়তো উপভোগ করার ক্ষমতা থাকাকালীন আনন্দ ছিল। কিন্তু একটি শিশু, যার পা দুর্বলতার কারণে ধীর, অথচ তার বয়সে তা এতটা উচ্ছল হওয়ার কথা ছিল; একটি গাল যা ক্ষুধার কারণে পাতলা এবং সাদা, এমন একটি সময়ে যখন তার বিশেষভাবে খাবারের প্রয়োজন (কারণ সব শিশুই লোভী হয়); এমন একটি শরীর যা ঠান্ডায় কুঁচকে গেছে; এমন একটি বৃদ্ধি যা এত কোমল বয়সের জন্য বড্ড বেশি কঠোর পরিশ্রমে থেমে গেছে; এমন একটি আত্মা যা ক্লান্তি, অভাব এবং কঠোরতায় ভেঙে পড়েছে; —এমন একটি শিশু কি দারিদ্র্যের সবচেয়ে শোচনীয় দৃশ্য নয়? যদিও এটি একটি সাধারণ দৃশ্য।
* {থিয়েটারের ব্যাপারে} সেখানে, যে দুঃখগুলো নেই তার জন্য কাঁদতে কাঁদতে, হালকা কৌতুক বা হাস্যকর দুর্ঘটনায় হাসতে হাসতে, সেই অভাবের কথা কতটা কম মনে থাকে যা ভয়কে একমাত্র বাঁধনে পরিণত করে যা জীবিতকে জীবনের সাথে বাঁধে!
* ভালো আর মন্দ! ভালো আর মন্দ! তোমরা আমাদের সত্তার জালে অবিচ্ছেদ্যভাবে মিশে আছো; আর কে সেই অন্ধকার সুতোটিকে আলাদা করতে পারে?
* প্রত্যেক মানুষের স্বভাবের মধ্যেই নিশ্চয়ই কোনো গভীরভাবে প্রোথিত অসামাজিক নীতি আছে, সে তার নিজ জাতি থেকে তাকে আলাদা করে এমন যেকোনো কিছুকে এত বেশি ভালোবাসে; অথবা এটি কি সেই মানসিক ক্যালাইডোস্কোপ, অহংকার, পরিবর্তনশীল এবং ঝিকমিক করা, আলাদা হওয়ার আকাঙ্ক্ষা, যা মনোযোগ পাওয়ার আকাঙ্ক্ষায় ডুবে যায়?
* সেই কৃষক বালক যে রংধনুর রঙিন পথ অনুসরণ করেছিল, এই আশায় যে যেখানে রংধনু মাটি ছোঁয় সেখানে সে নীল এবং জাদুকরী ফুলটি খুঁজে পাবে, সে ওই ব্যক্তির চেয়ে অনেক বেশি জ্ঞানী যে সাহিত্যকে তার যৌবন, প্রতিভা এবং সময় দেয়।
* রাগ কী একটা ভুল! যদি তা সত্যিই প্রতিশোধ চায়, তবে রাগের কখনোই উপহাসের বাইরে যাওয়া উচিত নয়।
* আলাদা হওয়ার মর্যাদা সহানুভূতির মূল্যে কেনা হয়
* আমরা আবার পুনরাবৃত্তি করছি, কল্পনাবিলাসী মেজাজের মতো এত বেশি যোগাযোগকারী মেজাজ আর নেই।
* ... কে কখনো না কখনো এই অভিজ্ঞতা লাভ করেনি যে, শব্দের মধ্যে কান্নার সমস্ত স্বস্তি লুকিয়ে থাকে?
* মানবতায় যে পরোপকারিতা বিদ্যমান, তা থেকে আমরা একবিন্দুও কমাতে চাই না; আজকাল যা স্বীকার করার রেওয়াজ আছে, তার চেয়ে বেশি কৃতজ্ঞতা এবং কৃতজ্ঞ হওয়ার কারণ উভয়ই রয়েছে: তবে আমরা এই কথাটি বলি যে, যাদের ওপর আমাদের দাবি আছে তাদের কাছ থেকে বাধ্যবাধকতা কখনোই আসে না। দয়া সবসময় অপ্রত্যাশিত হয়; এবং এটি "আমাদের ওপর গ্রীষ্মের মেঘের মতো আসে," যা আমাদের কৃতজ্ঞতার পাশাপাশি "বিশেষ বিস্ময়" জাগিয়ে তোলে।
* এটা কী একটা মিথ্যা কথা যে প্রতিভা এবং পরিশ্রম বেমানান! প্রতিভার এমন একটি কাজের অস্তিত্ব কি আছে যা একই সাথে পরিশ্রমের কাজ ছিল না?
* —নিজেকে উপভোগ করাটাই হলো অন্যদের আনন্দ দেওয়ার সহজ উপায়; ...
* একটি স্বৈরতান্ত্রিক ক্ষমতা দাস তৈরি করে।
* আমি যে বিলাসিতাগুলো দেখেছিলাম, তার লোভ করার চেয়ে বরং আমি সেগুলো অবজ্ঞা করেছিলাম: হায়! আমরা নিজেদের চেয়ে অন্যদের জন্যই বেশি সম্পদ চাই।
* —অহংকার, সমস্ত সামাজিক দুর্গুণের মতো, অভিনবত্বের জন্য আকুল হয়;
* —সত্যিকারের ভালোবাসা ধর্মের মতো, এর নিজস্ব নীরবতা এবং পবিত্রতা আছে।
* তারা বলে মাধ্যাকর্ষণ হলো আকর্ষণের কেন্দ্র; আমার বরং মনে হয় শব্দই সেই কেন্দ্র। একটি জোরে এবং হঠাৎ শব্দের মতো আর কিছুই এত দ্রুত একটি বাড়ির বাসিন্দাদের একত্রিত করতে পারে না: ...
* ... একজন নারী কবে তিক্ত না হয়ে চতুর হতে পেরেছে?
* প্রচলিত বাক্য ব্যবহার করতে গেলে, তিন মাসের নিরবচ্ছিন্ন সুখ কেটে গেল—একটি বাক্য, যা প্রায়ই ব্যবহৃত হলেও, এর নির্ভুলতা নিয়ে আমার চরম সন্দেহ আছে; কারণ নিরবচ্ছিন্ন সুখ বলে কোনো কিছুই নেই, তা যেভাবেই হোক বা যেখানেই হোক না কেন।
'''দ্য নাইফ'''
* স্নেহ থেকে দায়িত্ব পালন করাই হলো দুঃখের সেরা সান্ত্বনা।
* একজন ইংরেজ কৃষকের শৌর্য খুব কমই কথায় প্রকাশ পায়।
* —এটা কী অদ্ভুত একটা ব্যাপার যে, ভয়ের লক্ষণগুলো সাধারণত হাস্যকর হয়!
* এই সত্যটি অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই যে, সব হঠাৎ আসা জরুরি পরিস্থিতিতে একজন নারীর দশগুণ বেশি উপস্থিতি বুদ্ধি থাকে, অথবা সাধারণ ভাষায় বলতে গেলে, একজন পুরুষের চেয়ে তার বুদ্ধি অনেক বেশি সজাগ থাকে।
* মৃত্যু কখনোই এতটা সহানুভূতি জাগায় না যতটা তা খুন হওয়ার রূপ নিলে জাগায়।
* এমন একটি বিশাল অথচ নীরব ভিড় দ্বারা ভয়ের একটি গভীর ছাপ তৈরি হয়; আমরা তাৎক্ষণিকভাবে সচেতন হই যে এমন অস্বাভাবিক স্থিরতা যে কারণে তৈরি হতে পারে তা ভয়ানক। একটি বিচারের রায় যার ওপর জীবন বা মৃত্যু ঝুলে থাকে, তা সত্যিই একটি ভয়াবহ ব্যাপার। আমরা জানি যে মানুষ এমন কিছু কেড়ে নিতে চলেছে যা তারা দিতে পারে না—মানুষের নিঃশ্বাসের কয়েকটি শব্দ চিরকালের জন্য তাদেরই একজনের নিঃশ্বাস কেড়ে নেবে; আর যদিও আমরা স্বীকার করি যে এই অশুভ পৃথিবীতে অপরাধের বিরুদ্ধে শাস্তিই হলো একমাত্র নিরাপত্তা, এবং সময়ের শুরু থেকেই রক্তের বদলে রক্ত নেওয়ার একটি প্রয়োজনীয়তা ছিল; তবুও, আমরা অনুভব করি যে প্রয়োজনীয়তাটি একটি ভয়ংকর জিনিস।
* নারীর ভালোবাসা কতটা অবোধ্য!—দয়া এটি জয় করতে পারে না, বা প্রতিদান এটি নিশ্চিত করতে পারে না; আমরা প্রতিদিন দেখতে পাই যে আমাদের কাছে সবচেয়ে অযোগ্য মনে হওয়া ব্যক্তিদের ওপরই সবচেয়ে বেশি ভক্তি ঢেলে দেওয়া হয়। দ্য স্পেকটেটর মানব স্বভাব সম্পর্কে তার স্বাভাবিক জ্ঞান দেখিয়েছিলেন, যখন এই বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি বর্ণনা করেন যে, শত্রুদের দ্বারা অবরুদ্ধ একটি শহরে, নারীদের যখন তাদের কাছে থাকা সবচেয়ে মূল্যবান জিনিস নিয়ে চলে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল, তখন তাদের মধ্যে কেবল একজনই তার স্বামীকে নিয়ে গিয়েছিল,—এমন একজন মানুষ যে তার স্বৈরাচারী মেজাজের জন্য কুখ্যাত ছিল, এবং যার, তাছাড়া একটি খারাপ—বা, যেমনটা দেখা গেল, একটি ভালো—অভ্যাস ছিল প্রতিদিন সকালে তার স্ত্রীকে মারধর করার। আচ্ছা, সমস্ত সরকার ভয়ের দ্বারা পরিচালিত হয়—ভয় হলো আমাদের কাজের প্রধান নীতি; আর ভয়, আমরা বিশ্বাস করতে প্রলুব্ধ হই, নারীর ভালোবাসাকে বাড়িয়ে তোলে এবং শক্তিশালী করে।
* নিডরেরা নিজেদের পথ নিজেরাই তৈরি করে নেয়।
* তাদের সাথেই জন্ম—তাদের সাথেই জন্ম: সবাই একই রকম! একজন নারীর কাছে যন্ত্রণা দেওয়ার আনন্দের সমান আর কোনো আনন্দ নেই।
'''থেরেসা'''
* আমরা যদি জানতাম কীভাবে আমরা একটি এড়াতে গিয়ে আরেকটি মন্দের দিকে ছুটে যাই, তবে আমাদের কোনো কিছুই এড়ানোর সংকল্প থাকত না।
* দুঃখের সাথে যৌবনের প্রথম পরিচয় একটি ভয়ংকর জিনিস—যতক্ষণ না সময় শেখায়, যা সে নিশ্চিতভাবেই শেখাবে, যে দুঃখই আমাদের স্বাভাবিক অংশ, যা একই সাথে ক্ষণস্থায়ী এবং চিরস্থায়ী। কিন্তু প্রথম পাঠটি সবচেয়ে কঠোর হয়—তখনো আমরা আমাদের সঙ্গীদের দিকে তাকাইনি, এবং দেখিনি যে কষ্ট সবার জন্যই সাধারণ; আর আমরা অনুভব করি যেন ভাগ্য আমাদের এমন এক দুর্দশার জন্য বেছে নিয়েছে যার কোনো সমান্তরাল নেই।
* কিন্তু যেহেতু আমাদের ব্যাখ্যা বিস্ময়, অনুশোচনা এবং স্নেহের কথায় বাধা পাওয়া ব্যাখ্যার চেয়ে সংক্ষিপ্ত হবে, তাই আমরা এতে এগিয়ে যাব; এই বিশ্বাসে যে ব্যাখ্যা, উপদেশের মতো, সমস্ত সুবিধাজনক সংক্ষিপ্ততার হওয়া উচিত।
'''রেবেকা'''
* সকাল কতটা সুন্দর, কতটা উচ্ছল এবং আনন্দময়! পাতায় প্রথম রোদের আলো: প্রথম বাতাস, ফুলেদের প্রথম নিশ্বাসে ভারী—সেই গভীর দীর্ঘশ্বাস যার মাধ্যমে তারা যেন ঘুম থেকে জেগে ওঠে; প্রথম শিশির, যা ভোরে ওঠা খরগোশের হালকা পায়ের ছোঁয়াও পায়নি; জেগে ওঠা পাখিদের প্রথম কিচিরমিচির, যেন তারা গান এবং উড়ান শুরু করতে উদগ্রীব; সবকিছুই বিশ্রাম থেকে পাওয়া শক্তি এবং সচেতন জীবনের আনন্দের সুবাসে ভরপুর।
* শব্দ বিশেষভাবে স্মৃতির কাছে আবেদন করে।
* মানুষের অহংকারের জন্য এটি একটি হতাশাজনক বিষয় যে মনের জোর এর অধিকারীকে কোনো প্রিয় বিভ্রমে লিপ্ত হওয়া থেকে রক্ষা করতে পারে না; বরং এই জোরই বিশ্বাসকে তার নিজস্ব শক্তি দেয়।
* এটি এমন একজন অহংকারীর ভুল ধারণা, যার স্নেহের অভিজ্ঞতা এখনও আসেনি—যদি আদৌ আসে—যে নারীদের শুধু ভালো চেহারা দিয়েই জয় করা যায়। যদিও এটি তার কারণে জন্ম নেয় না। কৃতজ্ঞতা এবং অহংকার হলো সেই দুই ধাত্রী যারা ভালোবাসার দোলনা দোলায়।
* যৌবনের স্বাধীনতা কী এক কল্পনাবিলাসী জিনিস! কত প্রকল্পে ভরা, যা নিশ্চিত রূপ নেয়! একজন তরুণ এবং উৎসাহী মানুষকে বোঝাতে কতটা রূঢ় এবং কঠোর অভিজ্ঞতার প্রয়োজন হয় যে, সংযোগ বা পরিস্থিতির সাহায্য ছাড়া একজন ব্যক্তির চেষ্টা হলো ড্যানাইডেসের রূপকথার আসল অর্থ: —পরিশ্রম এবং দক্ষতা, হায়, কতবারই তো সেগুলো শুধু ফুটো বালতিতে পরিশ্রম করে তোলা জলের মতো!
* [রেজিনাল্ড ক্লিনটনের কাছ থেকে]: আমি বিশ্বাস করি না যে ঈশ্বরের সৃষ্টি উপভোগ করলে হৃদয় তার কাছ থেকে দূরে সরে যায়। গোলাপের মিষ্টি সুবাস, বা ভোরের পাখির গানের মূল্য কী? এগুলো যে আনন্দ দেয় তা কোনো প্রয়োজনীয়তার বিষয় নয়, তবুও আমরা উভয়টিতেই আনন্দ পাই। কবির আত্মা ঠিক ততটাই তাঁর উপহার যতটা ফুলের সুবাস, বা পাখির গান; আর যে পাতায় অনুপ্রাণিত শব্দ বীরত্বপূর্ণ কাজ, হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া দুঃখ, বা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য লিপিবদ্ধ করে, তা হলো সেই আনন্দগুলোর একটি যার জন্য আমাদের কৃতজ্ঞ হওয়া উচিত। আমি অন্ততপক্ষে সর্বশক্তিমানের করুণায় সবচেয়ে গভীরভাবে বিশ্বাস করি, যখন আমি দেখি যে আমাদের এই তীর্থযাত্রার পথে কতটা সুন্দর এবং আনন্দদায়ক জিনিস ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
* আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে একজন লন্ডনের বাসিন্দা তার শহরের বাড়ি নিয়ে ঠিক ততটাই সন্তুষ্ট, যতটা অ্যাপেনাইনস পর্বতমালার সবচেয়ে সুন্দর উপত্যকার একজন বাসিন্দা; এবং অভ্যাস জায়গার ব্যাপারে তার স্বাভাবিক উদাসীনতা নিয়ে আসে।
* মানব দুর্দশা পরিমাপ করার সময় যারা গরিবের যন্ত্রণার সাথে অন্য কিছুর তুলনা করার সুযোগ দেয়, সেই বোকামির ওপর ধিক্কার! আমি গরিব শব্দটি আপেক্ষিক অর্থে ব্যবহার করছি। যাদের সততা আত্মসম্মান নিয়ে আসে, যাদের অভ্যাস আর সামর্থ্য একসাথে চলেছে এবং যাদের পরিশ্রমই তাদের নিজস্ব অবলম্বন, আমি তাদের গরিব বলছি না। বরং তারাই গরিব যাদের প্রচেষ্টা তাদের অভাব মেটাতে পারে না। শীত, ক্ষুধা আর ক্লান্তি যাদের খুব সাধারণ অনুভূতি। যারা একসময় ভালো দিন দেখেছে। অতীত যাদের কাছে কেবলই বৈসাদৃশ্য তুলে ধরে আর ভবিষ্যৎ নিয়ে আসে ভয়।
* [একজন নাট্যকার লির কাছ থেকে]: আহ! সেই কবির কোনো সত্যিকারের আশা নেই, যে তা সাধারণ মানুষের মাঝে এবং সাধারণ জনতার অনুভূতির মধ্যে স্থাপন করে না।
* [লির কাছ থেকে]: আমি বিশ্বাস করি মন তার নিজস্ব অমরত্ব তৈরি করতে পারে। চিন্তাই হলো অস্তিত্বের আধ্যাত্মিক অংশ। যতদিন আমার মন অন্যদের প্রভাবিত করবে, যতদিন আমার চিন্তাগুলো পেছনে থেকে যাবে, ততদিন আমার আত্মা সচেতন এবং অমর থাকবে। শরীর ধ্বংস হতে পারে। কিন্তু জীবন্ত এবং চিরস্থায়ী পাতায় টিকে থাকা নির্যাস ধ্বংস হয় না।
* আমি নিশ্চিত যে মঞ্চে অর্জিত বিজয়ের সমান আর কোনো বিজয় নেই। এটি খুব তাৎক্ষণিক এবং খুব আপন হয়ে আসে। আপনার সামনে সেই মানুষের ভিড় থাকে যাদের সহানুভূতি আপনার ইচ্ছার ওপর নির্ভর করে। আপনি যে আবেগগুলো জাগিয়ে তোলেন তা আপনি দেখতে পান। আপনার আদেশে ঝরে পড়া কান্নাগুলো আপনি দেখেন। কবি মূর্তিটি তৈরি করেছেন, কিন্তু তাতে জীবন দেওয়ার দায়িত্ব আপনার। শব্দগুলোকে আপনার ঠোঁটে তাদের সুর খুঁজে পেতে হবে। উদার মনোভাব, উন্নত আশা, গভীর অনুভূতির ছোঁয়া আপনার কাছে তাদের প্রকাশ খোঁজে। নিশ্চিতভাবেই এমন প্রভাব মনের বিজয়গুলোর মধ্যে অন্যতম। হ্যাঁ, এটি একটি মহান ও মহৎ বিজয়।
* কিন্তু এই পৃথিবীতে সবকিছুরই মন্দ দিক আছে। বিজয়ীর রথের চাকায় ধুলো থাকে। রেশমের তৈরি ট্যাপেস্ট্রি ক্ষয়িষ্ণু দেয়ালকে ঢেকে রাখে।
* আমি সবসময় খেয়াল করেছি যে, ভাগ্যে যখন কোনো বড় দুর্ভাগ্য জমা থাকে, তখন তার আগে সবসময় একটি সংক্ষিপ্ত শান্ত এবং রৌদ্রোজ্জ্বল সময় আসে। যেন অন্য সমস্ত দুর্দশার সাথে বৈসাদৃশ্যের তিক্ততা যোগ করতে এটি আসে। যারা সুখী তাদের জন্যই কাঁপার সময়। তাদের মাথার ওপর দিয়েই বজ্রপাত হতে চলেছে।
* ... ; কিন্তু বিবেক, একটি শিশুর মতো, খুব সহজেই ঘুমিয়ে পড়ে; আর অভ্যাসই হলো অনন্তকাল সম্পর্কে আমাদের ধারণা।
* একটি প্রতীক্ষিত আগমনের অস্থিরতা কে না জানে?
'''এক্সপেরিমেন্টস; অর দ্য লাভার ফ্রম এনুই'''
* সুদর্শন, ধনী, উচ্চ বংশীয় এবং চতুর হওয়ার কারণে সিসিল ফরেস্টার অনেক দুর্ভাগ্যের উত্তরাধিকারী ছিলেন।
* আমাদের গল্পটি ক্ষুদ্র সহিসের চেয়ে ছোট করতে গেলে, তিনি জানতে পেরেছিলেন যে নিজের মধ্যে তার নিজস্ব সম্পত্তি বিপদে পড়েছে। আর যদি দেশপ্রেমিকদের স্বাধীনতার সংজ্ঞা সত্য হয় ("এটি আমাদের শ্বাস নেওয়া বাতাসের মতো, এটি ছাড়া আমরা মারা যাই"), তবে তার জীবন শেষের পথে। তার বিরুদ্ধে একটি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল। তার ভৃত্যের প্রতি এক বিশেষ অনুদানের কারণে, তিনি টয়লেট থেকে বের হওয়ার সময় দুজন পেশাদার ভদ্রলোক ক্ল্যারেন্ডনে তার বন্ধুদের তার সঙ্গ থেকে বঞ্চিত করবেন।
* একপাশে এক শিলিংয়ে এক ডজন লেবু বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে কমলা বিক্রি হচ্ছে ছয় পেন্সে। একজন মানুষ আপনার কানে শিঙা বাজাচ্ছে আর আপনাকে স্ট্যান্ডার্ড পত্রিকা সেধেছে। অন্যজন নিজের ফুসফুসের জোর খাটিয়ে আপনাকে কুরিয়ার দেখাচ্ছে। এক পেনিতে পেনসিল পাওয়া যায়। আর তিন থেকে ছয়টি ব্লেডযুক্ত কলমকাটা ছুরি এক ডজন আঠারো পেন্সে পাওয়া যায়। ট্রাঙ্ক হাতে এক লোক এর কোণ আপনার কপালের দিকে ঘুরিয়ে দেয়। অন্যজন একটি পরিবারের মুদিখানার জিনিসপত্র (চিনি, সাবান, মোমবাতি এবং সবকিছু) ভরা একটি বাক্স আপনার পায়ের আঙুলের ওপর রাখে। তাড়াহুড়োর মধ্যে একজন বিশাল আকৃতির ভদ্রলোক আপনাকে প্রায় ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন। একজন বয়স্ক ইহুদি এত সুন্দরভাবে আপনার পাশ দিয়ে পিছলে যান যে আপনি কিছু বোঝার আগেই তার ওপর পড়ে যান। সবারই সবসময় দেরি হয়ে যায়, আর তাই সবাই তাড়াহুড়োর মধ্যে থাকে। দুজন পুলিশ সদস্য শান্তি বজায় রাখেন। আর সম্পত্তির আইন সম্পর্কে যাদের ধারণা প্রতিষ্ঠিত নীতি বা সংস্কারের সাথে সাংঘর্ষিক, এমন আধ ডজন মানুষ তা ভাঙার উদ্দেশ্যে সেখানে উপস্থিত থাকে। এর সাথে যোগ করুন শাল গায়ে এবং ধারালো কনুইযুক্ত কয়েকজন নারীকে। আর প্যাটেন জুতো, যার লোহার আংটিগুলো পথচারীদের উপকারের জন্য। হোয়াইট হর্স সেলার এবং ডোভার স্ট্রিট থেকে আলবেমার্ল স্ট্রিট পর্যন্ত ফুটপাতের এই হলো অবস্থা।
* [সিসিল ফরেস্টারের কাছ থেকে]: বৃষ্টির সকাল কাটানোর জন্য প্রেমের চিঠির বিকল্প নেই। একজন প্রেমিকা একজন মানুষকে নিজের প্রতি এতটা আগ্রহী করে তোলে! আপনার চুলের ভেতর দিয়ে আঙুল চালালেই সেই লকেটের ছবি ভেসে উঠবে, যেখানে আপনার একগোছা কোঁকড়ানো চুল পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর ঘাড়ে বিশ্রাম নিচ্ছে। পুবের বাতাস কেবল একদল "মিষ্টি উদ্বেগের" জন্ম দেয়। আর পরিস্থিতি সবচেয়ে খারাপ হলে আপনি বসে আপনার প্রেমিকার ভ্রু নিয়ে সনেট লিখতে পারেন।
* ইংরেজরা ... আগুন বা খুনের ঘটনা ছাড়া পরিচয় না করিয়ে দিলে কখনো কথা বলে না।
* লন্ডনে একটি ফ্যান্সি বল বেশ বাজে ব্যাপার, যেখানে অনেক টুপি প্রস্তুতকারক আছে এবং যেখানে থিয়েটারগুলোতে এমন পোশাক আছে যা ধার করা বা নকল করা যায়। কিন্তু গ্রামে, যেখানে মানুষদের নিজেদের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়, সত্যিই তাদের ক্ষেত্রে খুনিদের সম্পর্কে সেই পুরোনো কবির কথাটি প্রয়োগ করা যেতে পারে, "তাদের কল্পনাগুলো বড্ড ভয়ংকর।"
* আমরা কৃত্রিমতাহীন প্রকৃতির কথা বলি। আমি জানতে চাই তা কোথায় পাওয়া যাবে।
* অসময়ের প্রশংসা একজন সাধুকে রাগানোর জন্য যথেষ্ট।
* আমরা নিজেদের কাছে অজুহাত দিতে এত তৃপ্তি পাই কেন? অথচ আমরাই পৃথিবীর একমাত্র মানুষ যাদের কাছে এই অজুহাতগুলোর কোনোই প্রয়োজন নেই।
'''অ্যান ইভনিং অ্যাট লুসি অ্যাশটনস'''
* শাস্তি না পাওয়া অপরাধের জন্য কখনোই অনুশোচনা হয় না। আমরা ফলাফলের জন্য কাঁদি, ভুলের জন্য নয়।
'''পোয়েট্রি'''
* ঘোমটাহীন, মুখোশহীন! এমন নয়, এমন নয়!<br>আহ! তোমারগুলো আরও ঘনিষ্ঠভাবে পরা<br>হালকা উপহাসের ছলে পরা<br>সেই এক সন্ধ্যারগুলোর চেয়ে।<br>তুমি যে মুখোশ আর ঘোমটা পরো<br>তা তোমারই একটা অংশ;<br>কোনো মুখোশই কখনো তোমার মুখ লুকাতে পারে না<br>যেমনটা তা তোমার হৃদয়কে লুকায়।
** ''দ্য মাস্ক''
* সে হাতের ওপর মাথা রাখল: “আমি জানি না কোনটা বেছে নেব,<br>হায়! আমি যেটাই বেছে নিই না কেন, অন্যটা আমাকে হারাতেই হবে।”
** ''দ্য চয়েস''
* কনে ছিল তরুণী আর সুন্দরী, বর ছিল কঠোর আর বৃদ্ধ,<br>কিন্তু রেশমি লাগাম মুক্তো দিয়ে ঝোলানো ছিল, আর ঘোড়ার পিঠের চাদর সোনায় উজ্জ্বল ছিল।
** ''দ্য চয়েস''
* যে হতভাগ্য ফাঁসির মঞ্চে দাঁড়িয়ে আছে<br>তার কাছে কিছু সংক্ষিপ্ত সময় আছে<br>দয়ালু হাতের বিদায়ী আলিঙ্গনের জন্য,<br>জনতাকে বিদায় জানানোর জন্য:
** ''ম্যাডেলিন''
* আরেকটি নরম আর সুগন্ধি পাতা,<br>আরও মধুর শব্দে ভরা!<br>আমার মতো একটা মন্দির<br>তীর্থযাত্রার জন্য কী উদ্দেশ্য দেয়!<br>সিল ভাঙার আগেই আমি জানি,<br>আমি কী শব্দ খুঁজে পাব:
** ''বেলিন্ডা, অর দ্য লাভ লেটার''
* তারা বলে যে, প্রাচীন হলরুমে ঝোলানো,<br>মধ্যরাতে নীরব বীণা থেকে<br>এক বিষণ্ণ সুর ঝরে পড়ে<br>দিনের আলোয় বোবা থাকা তারগুলো থেকে।<br>আর তাই রাতের বেলা মানুষের হৃদয়<br>কোনো অনুপ্রাণিত সুরের ছোঁয়া পায়,<br>গভীর আনন্দে সুরেলা,<br>দিনে সে জানত না যে এটা তার নিজের।
** ''মেডিটেশন''
* ওহ মধ্যরাতের আকাশের সৌন্দর্য!<br>ওহ প্রতিটি দূরের তারার রহস্য!<br>ওহ স্বপ্নের প্রহর, যার জাদু লুকিয়ে আছে<br>বিশ্রাম আর শান্তিতে, যখন দিন অনেক দূরে!<br>সেই উচ্চ মেজাজগুলোর জন্য ধন্যবাদ যা জাগিয়ে তোলে<br>আমাদের চিন্তাশীল এবং অমর অংশকে!<br>আমাদের জীবনের ওপর ধিক্কার, আমরা কি পারতাম না<br>হৃদয়ের একটি আধ্যাত্মিক মন্দির তৈরি করতে?
** ''মেডিটেশন''
* আর এখানে তারা মিলিত হয়েছিল: ভালোবাসার মিলন কোথায় হওয়া উচিত,<br>আবেগপূর্ণ, আধ্যাত্মিক, আর গভীর ভালোবাসা,<br>কোথায়, এমন এক ভুতুড়ে নিঃসঙ্গতা ছাড়া,<br>একটা সবুজ আর প্রাকৃতিক মন্দির, উপযুক্ত তীর্থস্থান<br>সেই শপথগুলোর জন্য যা তারারা মনে রাখে?
** ''দ্য লাস্ট অব দ্য সেন্ট অবিনস''
* মিষ্টি মটরলতা ওপরে উঠে গেল,<br>ফুলেদের প্রজাপতি: আমি একে ভালোবাসি না,<br>যদিও প্রতিটি রং, আর এর অনেক রং আছে,<br>এমনভাবে রাঙানো যেন সূর্যাস্তের সন্ধ্যার মেঘগুলো<br>হঠাৎ বৃষ্টিতে মাটিতে পড়েছিল,<br>আর তাদের রংগুলো রেখে গিয়েছিল: বেগুনি, নরম গোলাপি,<br>আর তুষার-সাদা, তোমার ডানার মতো পাতায় আছে;<br>কিন্তু তুমি তোমার ফোটার ক্ষেত্রে বড্ড বেশি এগিয়ে আছো;<br>তোমার ফুলগুলো সূর্যের, আর সবকিছুকে আঁকড়ে ধরে<br>যা তাদের খোলা দিনের আলোয় সমর্থন করতে পারে:<br>আর তারপর তারা মারা যায়, পেছনে কোনো শিকড় না রেখে,<br>আরেকটি বসন্তের আশা আর প্রতিশ্রুতি না রেখে;<br>আর কোনো সুগন্ধি নেই, যার দীর্ঘস্থায়ী কৃতজ্ঞতা<br>তার গ্রীষ্মের জীবনকে ধরে রাখা জিনিসগুলোর চারপাশে থাকে।
** ''দ্য লাস্ট অব দ্য সেন্ট অবিনস''
* মহান স্বর্গ! কী সব বৃথা বিশ্বাস<br>মানুষের স্পন্দনকে আলোড়িত করেছে আর আশাকে চালিত করেছে!<br>যেন সেই সম্মান রক্ত দিয়ে কেনা যেত,<br>আর সেই ভয়ংকর ডান হাতটা আরও ভালো মূল্যের ছিল<br>সূক্ষ্ম মন, আর উচ্চ এবং উদার হৃদয়ের চেয়ে!
** ''দ্য লাস্ট অব দ্য সেন্ট অবিনস''
===দ্য ভাও অব দ্য পিকক (১৮৩৫)===
* বর্তমান! এটি সমুদ্রের একটি বিন্দুমাত্র<br>অনন্তকালের বিশাল গভীরতায়।<br>আমি একে ভালোবাসি না, এর জন্ম হয়<br>নিস্তেজ আর সাধারণ পৃথিবীর বড্ড কাছাকাছি।
* বর্তমান, বাস্তবতা, এগুলোই যদি আমাদের সবকিছু হতো,<br>আমাদের বোঝা বড্ড ভারী হতো, আমাদের দাসত্ব বড্ড আশাহীন হতো;<br>কিন্তু স্বর্গ, যা তার নীল আচ্ছাদন সবার ওপর ছড়িয়ে দেয়,<br>আমাদের স্মৃতি দিয়েছে, আমাদের আশা দিয়েছে!
* ভবিষ্যৎ! আহ, সেখানেই আত্মার বাড়ি,<br>এর দূরত্বে লেখা আছে গৌরবময় আগামী।
* বর্তমান! এটি দুঃখ আর যত্নে ডুবে যায়,<br>যা ভবিষ্যৎ না থাকলে সে কখনোই সইতে পারত না;<br>আমরা এর ছায়ায় বাস করি, আমরা এর আলোয় দেখি,<br>আর আজ আগামীকালকে বিশ্বাস করে, তখন এটি উজ্জ্বল হবে।
* অতীত! আহ, আমরা এর কাছে আরও কোমল ঋণী,<br>স্বর্গের নিজস্ব সবচেয়ে মিষ্টি করুণা হলো ভুলে না যাওয়া;<br>এর প্রভাব বর্তমানকে নরম করে, আর ছুঁড়ে দেয়<br>আইভির মতো একটা অনুগ্রহ, যেখানেই এটি আটকে থাকে।
* ওহ! মিষ্টি প্রেতাত্মাদের জগত, তুমি কত মূল্যবান!<br>অতীত হলো হৃদয়ের জন্য চিরস্থায়ী যৌবন।
* অতীত কবির, সেই জগতটা তার নিজের;<br>সেখান থেকেই তার সুর তার সত্য আর তার স্বর পায়।<br>সে অনেক আগে হারিয়ে যাওয়া যুগের ছায়াগুলোকে ডেকে আনে,<br>আর সুন্দর জীবনের মতো আলো, মৃতদের আলোকিত করে।
* যৌবন বড্ড বেশি আগ্রহী, সে নিজেকে ছুঁড়ে দেয়<br>উল্লসিত ডানার ওপর,<br>যা সেই স্বর্গ খোঁজে যা তারা বড্ড কাছে চায়,<br>একটি বন্য উড়ান উজ্জ্বল ক্যারিয়ার শেষ করে;<br>ভাঙা ডানা আর অন্ধকার চোখ নিয়ে,<br>পৃথিবী আবার তার নিজের জিনিসকে মরার জন্য দাবি করে।
* আহ! ভালোবাসা আর গান কেবলই একটা স্বপ্ন,<br>জীবনের অন্ধকার স্রোতের ওপর একটা ফুলের আবছা ছায়া।
** সবগুলো ''দ্য ভাও অব দ্য পিকক'' (শিরোনাম কবিতা - ভূমিকা) থেকে
* এমন একটি শহর আছে, যার দাস হিসেবে<br>রাজা, আর জাতি, বাতাস, আর ঢেউ আছে:<br>সেন্ট মার্ক তার ক্ষমতা সম্পর্কে সচেতন,<br>তার ডানাযুক্ত সিংহ তার মিনারকে চিহ্নিত করে।
* আহ, চারণকবির গানের অনেক ডানা আছে!<br>বিদেশ থেকে সে তার সম্পদ নিয়ে আসে।
* লার্ক পাখিটি বিজয়ী গানের সাথে<br>গোলাপ-ছোঁয়া মেঘের মাঝে গাইছে:<br>সেখানেই সেই আলোকিত গানের জন্ম হয়,<br>পৃথিবীর সাথে এমন স্তোত্রের কী সম্পর্ক?
* অনেক মাথা যা শুয়ে পড়েছিল,<br>বারো ঘণ্টার ব্যথায় অধৈর্য হয়ে,<br>আর কামনা করেছিল যে বিছানাটা সে চেপে আছে,<br>তা যেন কবরের মতো একটা দীর্ঘ শেষ বিশ্রাম হয়,<br>তারা সকালের ডাকে আবার লাফিয়ে উঠেছে,<br>সবকিছু ক্ষমা করে, বা ভুলে গিয়ে;<br>ক্লান্ত চিন্তার বোঝাকে আলোকিত করে<br>ভোর থেকে আনা রং দিয়ে,<br>আকাশে নতুন প্রতিশ্রুতি পড়ে,<br>আর ওপরে লার্ক পাখিটিকে, আশাকে শুনতে পায়।
* বাতাস চিরে ওড়া সব পাখির মধ্যে<br>ময়ূরের সাথে কারও তুলনা হয় না;<br>শুধু তার সৌন্দর্যের জন্যই নয়,<br>যদিও রানীরা বৃথাই এমন পোশাক চাইতে পারে,<br>কিন্তু সেই আঁকা পালকগুলোর ওপর ফেলা হয়েছে<br>অতীতের কত ছায়া,
* ওহ! মিষ্টি আর হঠাৎ আগুন যা লাফিয়ে ওঠে<br>তার ডানা আলোকিত করতে শুধু একটা দৃষ্টি নিয়ে;<br>এটা বলা কতটা মিথ্যা যে তোমার সময় দরকার<br>আশার উজ্জ্বল আরোহণ চড়তে;<br>তুমি একটা তারা, যা হয়তো<br>নিস্তেজ জ্যোতির্বিজ্ঞান দ্বারা গণনা করা যায় না!
* ভালোবাসার উপহারগুলো সোনার শিরার মতো<br>যা পৃথিবীর অন্ধকার ছাঁচকে ছেদ করে;<br>সোনা পাওয়া যায়, মুদ্রা তৈরি হয়;<br>কিন্তু এটি কত কষ্ট নিয়ে এসেছে?
* কিন্তু কে কখনো সৌন্দর্যের রশ্মি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে<br>ভবিষ্যতের ছায়ার ভয়ে;<br>অথবা কে কখনো একটা গোলাপ ছুঁড়ে ফেলেছে<br>কারণ সেই গোলাপ ম্লান হতে পারে।
* জীবন চলার পথে কীভাবে মুছে ফেলে<br>আগের দুঃখের সবচেয়ে তীব্র যন্ত্রণা।<br>আমরা কতটা যত্নহীন আর কতটা ঠান্ডা হয়ে যাই,<br>নিচে মাড়ানো ধুলোর মতোই শুষ্ক;
* সে তাকিয়ে রইল, যদিও সে জানত না কেন,<br>যেখানে মহাসাগরকে অন্য একটা আকাশ মনে হচ্ছিল।<br>চাঁদ গভীর জলের দিকে তাকিয়ে ছিল,<br>যতক্ষণ না সেই গভীরে তাকে মনে হচ্ছিল;<br>চোখ হয়তো খুব কমই ছবিটা ধরে রাখতে পারত<br>কোনটা আকাশ ছিল, আর কোনটা সমুদ্র।
** সবগুলো ''দ্য ভাও অব দ্য পিকক - ফার্স্ট ক্যান্টো'' থেকে
* গোধূলি, যখন আমাদের পৃথিবীকে মনে হয় মিশে যাচ্ছে<br>তার মানব আবেগকে আকাশের সাথে;<br>আর গোলাপি মেঘ, ওপরে উঠছে,<br>ওঠার সময় মরণশীল রং পরে,<br>যতক্ষণ না, বিশুদ্ধ হয়ে, তারা অদৃশ্য হয়ে যায়<br>উচ্চ ফ্যাকাশে বায়ুমণ্ডলের মাঝে।
* সে তার বীণা নিল, তার কণ্ঠস্বর নিচু ছিল,<br>যেমন বয়ে চলা জল নরমভাবে প্রবাহিত হয়<br>চারপাশের ঝুলে পড়া ফুলেদের মাঝে,<br>যেন তারা তাদের দীর্ঘশ্বাসকে শব্দে পরিণত করেছে।<br>আহ, জাদু! এমন এক কণ্ঠের যা মনে হয়<br>আত্মাকে আশা আর স্বপ্ন দিয়ে তাড়া করে;
* মাঠে যুদ্ধ হয়েছে, সেখানে কে হাঁটে?<br>বিজয় যে ছায়া ফেলে, হতাশা!
* রাত এল, গভীর আর বেগুনি সময়<br>দক্ষিণের জলবায়ুতে গ্রীষ্মের।
* ওই গায়ক পাখিটাকে নিয়ে যাও!<br>এর গানটা বড্ড বেশি খুশির<br>আমার মতো এত বিষণ্ণ কানের জন্য!<br>আর এর ডানাগুলো বড্ড বেশি হালকা,<br>আর এর পালকগুলো বড্ড বেশি উজ্জ্বল,<br>আমার মতো বুকে বিশ্রাম নেওয়ার জন্য!
* ওহ, ক্লান্ত দিন যা এত দীর্ঘ মনে হয়েছিল!<br>ওহ, প্রহরগুলো যা তাদের ভার টেনে নিয়ে গেছে!
* মৃতদের জন্য নিষ্ফল স্মরণের সাথে কেঁদো না,<br>তাদের আত্মা সকালের ডানায় উড়ে গেছে;<br>বরং তাদের জন্য শোক করো যাদের জীবন এখনো আবদ্ধ করে রেখেছে,<br>আহ! জীবিতদের জন্য কাঁদো, মৃতদের জন্য কেঁদো না।
** সবগুলো ''দ্য ভাও অব দ্য পিকক - সেকেন্ড ক্যান্টো'' থেকে
* সে তার বীণার ওপর ভর দিল, আর হাজার হাজার মানুষ তাকাল<br>তার দিকে ভালোবাসা আর বিস্ময় নিয়ে, হাজার হাজার মানুষ হাঁটু গাড়ল<br>আর তার উপস্থিতিতে উপাসনা করল, জ্বলন্ত কান্না,<br>আর শব্দ যা উচ্চারণে মারা গেল, আর একটা বিরতি<br>শ্বাসরুদ্ধকর, উত্তেজিত আগ্রহের,<br>প্রথমে পূর্ণ হৃদয়ের শ্রদ্ধা জানাল: তারপর বেরিয়ে এল<br>একটা চিৎকার যা স্বর্গে পৌঁছাল; আর পাহাড়গুলো,<br>দূরের উপত্যকাগুলো, সব বেজে উঠল<br>ইওলিয়ান সাফো-র নামে, প্রতিটি হৃদয়<br>তার গানের কোনো না কোনো প্রতিধ্বনি নিজের মধ্যে খুঁজে পেল।
** ৪ মে ১৮২২-এ দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেটের পোয়েটিক স্কেচেস থেকে ''সাফো। সেকেন্ড সিরিজ - স্কেচ দ্য ফার্স্ট''
* [অ্যালভাইন] ওহ, সুন্দর আকৃতির সেই মিষ্টি বৃত্ত! একজন<br>তার সাদা হাত দুটো উঁচুতে ছুঁড়ে দেয়, আর আনন্দের সাথে বাজায়<br>তার সোনালি করতাল, আমি প্রায় মনে করতে পারি<br>আমি তাদের শব্দ শুনতে পাচ্ছি; একজন ঝলমলে পায়ে<br>তার সুর অনুসরণ করে, যখন তার লাল গাল<br>ব্যায়ামে লাল হয়ে উঠেছে, যতক্ষণ না লাল আঙুর<br>একজন বোন পরীর কালো চুলের মাঝে<br>খুব কমই উজ্জ্বলতর হয় ; সেখানে আরেকজন দাঁড়িয়ে আছে,<br>আরও অন্ধকার একটি আত্মা, আনন্দময় ভ্রু নিয়ে,<br>আর একটি সমৃদ্ধ পানপাত্র ধরে ;
* [অ্যালভাইন] এটি সেই উজ্জ্বল কল্পকাহিনীগুলোর একটি যা তৈরি করেছে<br>গ্রিসের নামটিকে আরেকটি শব্দে<br>ভালোবাসা আর কবিতার জন্য ; একটি সবুজ পৃথিবীর সাথে,<br>সুন্দর মার্টলের কুঞ্জ, গ্রীষ্মের আকাশ,<br>যার তারাগুলো দশ হাজার স্রোতে প্রতিফলিত হয়,<br>বাতাস যা কেবল সুগন্ধি আর সংগীতে ঘোরে,<br>আর, সবকিছুর চেয়ে বেশি, নারীর সৌন্দর্যের উপহার।<br>কী আশ্চর্যের যে পৃথিবী, আকাশ, সমুদ্র,<br>ভরা ছিল সেই সব চমৎকার কল্পনায়<br>যা ভালোবাসা তৈরি করে, আর যা বীণা সংরক্ষণ করে !
** ২ নভেম্বর ১৮২২-এ দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেটের ড্রামাটিক সিন - ২ থেকে ''বাক্কাস অ্যান্ড আরিয়াডনে''
* সেই দেশের সবচেয়ে সুন্দর কন্যাদের একজন,<br>ঐশ্বরিক গ্রিস! যা চিত্রকরের হাতকে শিখিয়েছে<br>সৌন্দর্যকে অনন্তকাল দিতে ;<br>সেই কালো চোখের কুমারীদের একজন, যাদের<br>প্রতিটি গানের গৌরব এবং সৌন্দর্য<br>তোমার কবিরা শ্বাস নিয়েছে, কারণ এটা তাদের ছিল আশীর্বাদ করার জন্য<br>পেন্সিল আর বীণার স্বপ্নগুলোকে জীবন দিয়ে,<br>বাস্তবতা দেওয়া সেই দেখা আভাগুলোকে<br>উজ্জ্বল দেবত্বগুলোর।
** ২২ ফেব্রুয়ারি ১৮২৩-এ দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট থেকে ''লিয়েন্ডার অ্যান্ড হিরো''
* একটি ছোট পরিষ্কার ঝরনা, সবুজ উইলো গাছ দিয়ে ঘেরা;<br>একে ঘিরে, কেবল একটি মাত্র জায়গা আছে<br>যেখানে আপনি বসে বিশ্রাম নিতে পারেন, এর একমাত্র তীর;
* কিন্তু দৃশ্যমান কবিতার<br>এই দিনগুলো অনেক আগেই পেরিয়ে গেছে!<br>কোনো ভয় নেই যে তরুণ শিকারি অপবিত্র করতে পারে<br>কোনো অমর সত্তার আস্তানা;
* কিন্তু সিংহাসনচ্যুত হলেও সেই অনন্ত দেবতাদের জন্য<br>এখনো প্রাকৃতিক মন্দির আছে,<br>যেখানে সবুজ বেদি থেকে ফুলেরা তাদের ধূপ ওপরে পাঠায়:<br>এই ঝরনাটি তাদের মধ্যে একটি।
** ২৪ জানুয়ারি ১৮২৪-এ দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেটের ফ্র্যাগমেন্টস, ফোর্থ সিরিজ থেকে ''দ্য থেসালিয়ান ফাউন্টেন''
* এটি ছিল তার শেষ, তার একমাত্র মাঠ:<br>তারা তাকে তার ঢালের ওপর করে ফিরিয়ে এনেছিল,<br>কিন্তু বিজয় অর্জিত হয়েছিল।<br>আমি কাঁদতে পারি না যখন আমি মনে করি<br>তোমার দেশের তোমার পতনকে আশীর্বাদ করার কারণ আছে।
** ১ মার্চ ১৮২৩-এ দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেটের মেডালিয়ন ওয়েফার্স থেকে ''অ্যান ওল্ড ম্যান ওভার দ্য বডি অব হিজ সন''
* তারা দেবতার জন্য একটি মন্দির তৈরি করেছিল,<br>এটি একটি মার্টল কুঞ্জবনে ছিল,<br>যেখানে মৌমাছি আর প্রজাপতি<br>প্রতিটি ফুলের ভালোবাসার জন্য প্রতিযোগিতা করত।
* আমি তাদের তার নাম ও ক্ষমতার স্তোত্র গাইতে শুনেছি,<br>আমি তাদের শুনেছি, আর আমি হেসেছি;<br>তারা কীভাবে বলতে পারে যে পৃথিবী নিয়ন্ত্রিত হতো<br>কেবল একটি ঘুমন্ত শিশু দ্বারা?
** ১৮২৬-এ লিটারারি সুভেনির থেকে ''ল'আমোর ডোমিনেটোর''
* আমি গভীরভাবে শপথ করেছিলাম<br>কোনো ঠোঁট দীর্ঘশ্বাস ফেলবে না যেখানে আমার আগে<br>তার শপথ সিলমোহর করেছিল, কোনো হৃদয় বিশ্রাম নেবে না<br>সেই বুকে যা আমার চেপে ধরেছিল।<br>জীবনের এমন কোনো অসুস্থতা ছিল না যার মুখোমুখি আমি হতাম না<br>তাকে দাবি করার জন্য, এমনকি কবরেও!
* আর এটাই নারীর ভাগ্য:<br>তার সমস্ত স্নেহ জীবনে ডেকে আনা হয়<br>জয়ী চাটুকারিতার দ্বারা, আর তারপর পেছনে ছুঁড়ে দেওয়া হয়<br>নিজেদের ওপর ধ্বংস হওয়ার জন্য; আর তার হৃদয়,<br>তার বিশ্বাসী হৃদয়, দুর্বল কোমলতায় ভরা,<br>রক্তক্ষরণ বা ভেঙে যাওয়ার জন্য ফেলে রাখা হয়!
** ২৮ সেপ্টেম্বর ১৮২২-এ দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেটের পোয়েটিক্যাল স্কেচেস থেকে ''দ্য কাস্টিলিয়ান নাপচুয়ালস। থার্ড সিরিজ - স্কেচ দ্য ফোর্থ''
* ভালোবাসতে, আবার ভালোবাসার পাত্র হতে, আর জানতে<br>আমাদের মাঝে একটা উপসাগর: হ্যাঁ, এটা কষ্ট!<br>আবেগের এই যন্ত্রণা, এই বন্য বিশ্বাস,<br>যার বিশ্বস্ততা নিষ্ফল, তবুও রাখা হয়<br>অক্ষুণ্ন: অনুভব করতে যে জীবনের সব আশা,<br>আর আলো, আর ধন, তাকে আঁকড়ে ধরে থাকে যার কাছ থেকে<br>আমাদের পথভ্রষ্ট নিয়তি আমাদের আলাদা করে। এর চেয়ে অনেক ভালো<br>বিশ্বাসঘাতকতা বা ভাঙা শপথের ওপর কান্না,<br>কারণ সময় তাদের মূল্যহীনতা শেখাতে পারে: অথবা কষ্ট পাওয়া<br>অপূর্ণ ভালোবাসার সাথে; একটা গর্ব আছে<br>প্রিয় ত্যাগে, গাল হারাতে পারে<br>তার গ্রীষ্মের লাল রং; কিন্তু অন্তত গোলাপ<br>গোপনে শুকিয়ে গেছে, অন্তত, সেই হৃদয়<br>যে তার কোমলতার শিকার হয়েছে,<br>প্রতিধ্বনিহীন দীর্ঘশ্বাস ফেলেছে এমন কারো দ্বারা যে ততটাই সত্যি,<br>তার নিজের মতোই হতভাগ্য।
** ৫ অক্টোবর ১৮২২-এ দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেটের পোয়েটিক্যাল স্কেচেস থেকে ''দ্য লাভারস রক। থার্ড সিরিজ - স্কেচ দ্য ফিফথ''
* আমি জানি না কোনটি সবচেয়ে মারাত্মক উপহার,<br>প্রতিভা নাকি ভালোবাসা, কারণ উভয়ই একইভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়<br>উজ্জ্বল দিক এবং অশুভ প্রভাবের তারা দ্বারা।
* সে ছবি আঁকল যতক্ষণ না প্রদীপগুলো ম্লান হয়ে গেল, তার হাত<br>খুব কমই সচেতন ছিল সে কী তৈরি করছিল; অবশেষে তার চোখের পাতা<br>একটা ভারী ঘুমে বন্ধ হয়ে গেল, আর সে স্বপ্ন দেখল<br>যে একটা সুন্দর প্রাণী এল আর তার ভ্রুতে চুমু খেল,<br>আর তাকে অনুসরণ করতে বলল: সে দৃষ্টিটা চিনত,<br>আর উঠে দাঁড়াল। জেগে উঠে, সে নিজেকে দেখতে পেল<br>প্রতিকৃতির সামনে হাঁটু গেড়ে আছে: এটা এত সুন্দর ছিল<br>সে ভাবল এটা বেঁচে আছে, আর তার জ্বলন্ত ঠোঁট চেপে ধরল<br>সেই মিষ্টি মুখে; তার আত্মা সেই চুমুতে চলে গেল,<br>তরুণ গুইডো তার মাস্টারপিসের পাশে মারা গেল!
** ১৫ নভেম্বর ১৮২৩-এ দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেটের পোয়েটিক স্কেচেস থেকে ''দ্য পেইন্টার। ফোর্থ সিরিজ। স্কেচ ১।''
* . . . ঘড়িটা<br>রাখা হয়েছিল যেখানে সূর্যের আলো পুরোপুরি পড়ত; কী গভীর,<br>সহজ নৈতিকতা কথা বলত সেই হাতগুলোতে,<br>নীরবে তাদের পথে চলত, যতক্ষণ না একটা শব্দ,<br>গম্ভীর আর মিষ্টি, সময়ের কাছে তাদের আবেদন জানাত,<br>আর প্রহরটি তার একমাত্র সতর্কতা উচ্চারণ করত!
* এমনকি শৈশবের নিষ্পাপ আনন্দের মধ্যেও<br>বেঁচে থাকে সেই ধ্বংসকারী আত্মা যা সময়ের সাথে<br>নষ্ট করবে, তারপর চাইবে, সেরা সুখটিকে।
* ওহ, কোনো কিছুরই ভালোবাসার মতো স্মৃতি নেই!
* ভালোবাসা, আবেগপূর্ণ তরুণ ভালোবাসা, এটা কত মিষ্টি<br>বুকটাকে একটা স্বর্গে পরিণত করা<br>তোমার দ্বারা, তোমার রংধনু হাসিতে আলোকিত জীবন!
** ৬ ডিসেম্বর ১৮২৩-এ দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেটের পোয়েটিক স্কেচেস থেকে ''অ্যা ভিলেজ টেল। ফোর্থ সিরিজ। স্কেচ ৪।''
* আমার জাহাজ সাগরের ওপর চড়ছে,<br>এর ওপর দিয়ে ভেসে চলা একটা আত্মার মতো;<br>কুমারী, তুমি কি আসবে, আর হবে<br>আমার সুন্দর জাহাজ আর আমার রানি?
* হায়! সে শুধু সেই চোখের দিকে তাকাল<br>যেখানে এখন তার নিয়তি লেখা ছিল।<br>ভালোবাসা যে হৃদয় ছেড়ে যায় তা সবসময় ফিরে তাকায়;<br>যে হৃদয়ে সে বাস করছে, তা কখনো নয়।
* ওহ, কে, কোনো প্রিয় বুকে বিশ্রাম নিয়ে,<br>ভালোবাসার নিজস্ব সুস্বাদু বিশ্রামের জায়গা,<br>তাকিয়ে থাকা চোখে বিশ্বাস পড়ে,<br>এর দীর্ঘশ্বাসের সাথে হৃদস্পন্দন অনুভব করে,<br>আক্ষেপ, বা সন্দেহ, বা চিন্তা জানতে পারত,<br>যে আমরা তাদের সাথে আমাদের ভাগ্য বেঁধেছিলাম!
** ১৩ মার্চ ১৮২৪-এ দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেটের মেট্রিক্যাল টেলস থেকে ''দ্য সিস্টার্স - টেল ৩।''
* ওহ, আমাদের জীবনে এমন অশুভ মুহূর্ত আছে,<br>যখন শুধু একটা চিন্তা, একটা শব্দ, একটা দৃষ্টির ক্ষমতা থাকে<br>সুখের পেয়ালাকে একপাশে ছুঁড়ে ফেলার,<br>আর আমাদের হতভাগ্য হিসেবে চিহ্নিত করার!
* এটা বড্ড দুঃখজনক <br>বড্ড বেশি নিঃসঙ্গ, একমাত্র সেই হওয়া<br>যার মধ্যে পরিবর্তনের কোনো চিহ্ন আছে!
** ৩১ জুলাই ১৮২৪-এ দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেটের পোয়েটিক স্কেচেস থেকে ''দ্য নাইটস টেল - ফিফথ সিরিজ - স্কেচ দ্য থার্ড''
* ওই শহরের ওপর একটা ছায়া বিশ্রাম নিচ্ছে,<br>একটা অন্ধকার শেষকৃত্যের কাফন:<br>এটা নেমে আসা কোনো ঝড় নয়,<br>এটা কোনো গ্রীষ্মের মেঘ নয়।<br>বাতাসে যে ধোঁয়া উঠছে<br>তা একটা ধরন আর চিহ্নের মতো;<br>হতাশার ছুঁড়ে দেওয়া একটা ছায়া<br>তোমার ওই রাস্তাগুলোর ভেতরে।
* ওই শিশুটির দিকে তাকাও, সে মাথা নিচু করে আছে,<br>তার হাঁটু ব্যথায় বাঁকানো;<br>সে তার হতভাগ্য বিছানা থেকে বিড়বিড় করে বলছে,<br>"ওহ, আমাকে আবার ঘুমাতে দাও!"<br>হায়! সময় হয়ে গেছে, মায়ের চোখ<br>বিষণ্ণভাবে অন্যদিকে ঘুরে যায়;<br>হায়! সময় হয়ে গেছে, শিশুটিকে উঠতেই হবে,<br>আর তবুও এখনো দিন হয়নি।
** ''দ্য ফ্যাক্টরি''
* বছর ভরিয়ে দেওয়া সব মাসের মধ্যে<br>এপ্রিল মাসটি আমাকে দাও,<br>কারণ পৃথিবী আর আকাশ তখন বড্ড ভরা থাকে<br>মিষ্টি বৈচিত্র্যে !
* আপেল ফুলের মুক্তোর ঝরনা,<br>নাশপাতি গাছের আরও গোলাপি আভা,<br>নারীর লজ্জার মতো সুন্দর,<br>ততটাই ক্ষণস্থায়ীও।
* এটা ভালোবাসার মতো ; ওহ ভালোবাসা হওয়া উচিত<br>একটা চির-পরিবর্তনশীল জিনিস,<br>যে ভালোবাসাকে আমি উপাসনা করতে পারতাম তাকে অবশ্যই<br>সবসময় ডানায় ভর করে থাকতে হবে।
** ৫ এপ্রিল ১৮২৩-এ দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট থেকে ''এপ্রিল''
* [আগে]<br>শুধু দুটো বা তিনটে মিষ্টি কর্ড, যা মনে হচ্ছিল<br>তোমার সুরের একটা প্রতিধ্বনি,<br>ঘুঘুর গান বাতাসে ছিল<br>আর তোমার নিজের সাথে মিশে গিয়েছিল।
* [পরে]<br>ধুলোয় পুড়ে যাওয়া, একটা ছাইয়ের স্তূপ<br>ছিল চারপাশের প্রতিটি কুটির;<br>আমি শুনেছিলাম, কিন্তু আমি শুনতে পাইনি<br>একটাও মানুষের শব্দ:
** ১২ জুলাই ১৮২৩-এ দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট থেকে ''গ্লেনকো''
* এমন কোনো নামহীন অশুভ সংকেত কি পাঠানো হয়েছে,<br>কবর থেকে আসা কোনো শব্দহীন কণ্ঠের মতো?<br>অন্য জগত থেকে আসা একটা আত্মার নোট,<br>মৃত্যু আর নিয়তির ব্যাপারে সতর্ক করতে?
** ১০ সেপ্টেম্বর ১৮২৫-এ দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট থেকে আয়োলি ছদ্মনামে ''দ্য রেক''
* চাঁদ আকাশের ওপর দিয়ে ভেসে বেড়াচ্ছে,<br>কিন্তু বড্ড একা, যেন সে কষ্ট পাচ্ছে<br>একটু সাহচর্যের জন্য,<br>আর অনুভব করেছিল যে তার আলো ছড়ানোটা বৃথা ছিল:<br>পৃথিবী তার আয়না, আর তারাগুলো<br>তার সিংহাসনের চারপাশের দরবারের মতো;<br>সে এক সুন্দরী আর এক রানি;<br>কিন্তু এটা কী? সে একা।
** ২৫ মার্চ ১৮২৬-এ দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট থেকে ''দ্য মুন''
* প্রত্যেকে তার সঙ্গীর মুখের দিকে তাকাল,<br>শেষকৃত্যের পাথরের মতো ফ্যাকাশে ;<br>তবুও কেউ অন্যের হাত ছুঁতে পারল না,<br>কারণ কেউ নিজের হাতই অনুভব করতে পারছিল না。<br>মূর্তির মতো স্থির, সেই সাহসী দলটা<br>সেই ভয়ংকর ডেকে মরার জন্য দাঁড়িয়েছিল ;<br>তুষারবৃষ্টি ছিল তাদের কাফন, বাতাস তাদের শোকগীতি,<br>আর তাদের কবরস্থান ছিল সমুদ্র আর আকাশ।
* সে বলেছিল তাদের দাঁড়িয়ে থাকতে দেখাটা ভয়ংকর ছিল,<br>জীবিত নয়, আবার মৃতও নয়,<br>আর কাঁচের মতো চোখে আলো অদ্ভুতভাবে জ্বলজ্বল করছিল<br>যার মানবিক দৃষ্টি পালিয়ে গিয়েছিল。<br>কারণ বরফ জীবনের অর্ধেক কাজ করে দিয়েছিল,<br>আর তাদের ক্ষয় হওয়া থেকে রক্ষা করেছিল ;<br>তারা যাদের ভালোবাসত তারা ক্ষয়ে গিয়েছিল, কিন্তু এদের<br>দেখে গতকালের মৃতদের মতো মনে হচ্ছিল।
** ১৬ সেপ্টেম্বর ১৮২৬-এ দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট থেকে আয়োলি ছদ্মনামে ''দ্য ফ্রোজেন শিপ। মেট্রিক্যাল ফ্র্যাগমেন্ট নম্বর ৫ - দ্য ফ্রোজেন শিপ''
* রাতের বেলা কারাগার থেকে পালানো বন্দীদের মতো,<br>জল আনন্দের সাথে সূর্যের দিকে তার ছিটে ছুঁড়ে দেয়;<br>কে আমাকে বলতে পারে কোথা থেকে সেই আনন্দময় নদীর উত্থান হয়েছে?<br>কে বলতে পারে কোথা থেকে এটি তার সৌন্দর্যে ঝরে পড়ে? কেউ না।
** ১৮২৭-এ লিটারারি সুভেনির থেকে ''দ্য মিনস্ট্রেলস মনিটর''
* সত্যি বলতে, এই পৃথিবী একটা সুন্দর জায়গা;<br>অন্ধকারে এর মুখের ওপর দিয়ে যেয়ো না;<br>তবুও তোমার নিয়তির কথাগুলো ফিরিয়ে নাও,<br>তারা কবরের জন্য বড্ড বেশি হাসিখুশি আর বড্ড বেশি সুন্দর।<br>. . . .<br>আর দেখেছি, হায়! এটা শুধু বাইরের লোক দেখানো,<br>নিচের ওই সবুজ পৃথিবীর রোদের আলো:<br>বিশ্রাম পেয়ে হতভাগ্য আর পথক্লান্ত মানুষরা নিশ্চয়ই খুশি হবে,<br>মৃত্যুর ফেরেশতা, তারা তোমার জন্য প্রস্তুত!
** ১৮২৭-এ ফ্রেন্ডশিপস অফারিং থেকে ''দ্য স্পিরিট অ্যান্ড দ্য অ্যাঞ্জেল অব ডেথ''
* ওই আকাশ থেকে একটা আলো চলে গেছে,<br>একটা তারা তার কক্ষপথ ছেড়েছে;<br>সুন্দররা, তারাও কি মারা যায়<br>ওই উজ্জ্বল পৃথিবীতে এখানকার মতোই?<br>সেই তারা কি একটা নিঃসঙ্গ জায়গা রেখে যাবে,<br>রাতের ওপর একটা অন্ধকার?<br>না; খুব কম লোকই তার সুন্দর মুখটা মিস করবে,<br>আর কেউ স্বর্গকে কম উজ্জ্বল ভাববে না!
** ১৮২৮-এ দ্য লিটারারি সুভেনির থেকে ''দ্য লস্ট স্টার''
* সুন্দর ধ্বংসাবশেষ! কারণ এখনো তোমার মুখ,<br>বদলে গেলেও, খুব সুন্দর;<br>সৌন্দর্যের চাঁদের আলোর মতো, এটা দেখাতে রেখে গেছে<br>তার সকালের সূর্য সেখানে ছিল।
** ১৬ ফেব্রুয়ারি ১৮২৮-এ দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট থেকে ''দ্য চেঞ্জ''
* সন্ধ্যার প্রহরটির প্রশান্তি<br>গ্রীষ্মের প্রতিটি পাতায় রাখা ছিল;<br>সেই বেগুনি ছায়া প্রতিটি ফুলে ছিল,<br>একসাথে এত সুন্দর, এত ক্ষণস্থায়ী,<br>শুধু অ্যাস্পেন গাছটি কোনো বিশ্রাম জানত না,<br>কিন্তু তবুও, একটা অশান্ত গানের সাথে,<br>নরম পশ্চিমের দিকে বিড়বিড় করতে থাকল,<br>আর একটা পরিবর্তনশীল ছায়া ছড়িয়ে দিল।
** ২১ আগস্ট ১৮৩০-এ দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট থেকে ''দ্য অ্যাস্পেন ট্রি''
* যদিও অনেক ফুল আমার প্রশংসা জিততে পারে,<br>ভায়োলেট আমার ভালোবাসা পেয়েছে;<br>আমি আমার ছোটবেলার দিনগুলো কাটাইনি<br>বাগানে বা কোনো কুঞ্জবনে:<br>আমার বাগান ছিল জানালার আসনটি,<br>যার কিনারায় রাখা ছিল<br>একটা ছোট্ট ফুলদানি, সুন্দর, মিষ্টি,<br>এটা ছিল ভায়োলেট।
** ১৮৩১-এ দ্য লিটারারি সুভেনির থেকে ''দ্য ভায়োলেট''
* তার কাফন স্যাঁতসেঁতে ছিল, তার মুখ সাদা ছিল:<br>সে বলেছিল, "আমি ঘুমাতে পারছি না,<br>তোমার কান্না আমার কাফন এত ভিজিয়ে দিয়েছে;<br>ওহ, মা, কেঁদো না!"<br>ওহ, ভালোবাসা শক্তিশালী! মায়ের হৃদয়<br>নরম ভয়ে ভরে গিয়েছিল;<br>ওহ, ভালোবাসা শক্তিশালী! আর তার সন্তানের জন্য<br>তার দুঃখ তার কান্না চেপে রেখেছিল।
** ২৮ এপ্রিল ১৮৩২-এ দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট থেকে ''দ্য লিটল শ્રાউড''
* গির্জার ছায়া মাটির ওপর পড়ে,<br>তার বিশ্রামের জায়গাকে পবিত্র করে; আর এখানে মৃতরা<br>ঘুমায়, যেখানে সমস্ত ধর্মীয় আবেগ,<br>আর বিষণ্ণ ও পবিত্র অনুভূতিগুলো, ফেরেশতাদের মতো,<br>নিজেদের দিয়ে জায়গাটিকে পবিত্র করে, আর জাগিয়ে তোলে<br>হৃদয়ে সেই দুঃখজনক আবেগগুলো<br>যা একে বিশুদ্ধ করে, যেন কোনো অপার্থিব উপস্থিতির জন্য<br>মানানসই কোনো মন্দির। জীবন, বৃথা জীবন,<br>তিক্ত আর মূল্যহীন, কেন এখানে<br>তোমার স্মৃতিগুলো অনুপ্রবেশ করে?
* সেই মিষ্টি, অস্পষ্ট শব্দগুলো বাতাসে ভাসছে,<br>অর্ধেক ঘুম, অর্ধেক গান, অর্ধেক মিথ্যা, অর্ধেক সত্যি,<br>যেন যে বাতাস তাদের সেখানে এনেছে<br>তাদেরও তার সুর দিয়ে ছুঁয়েছে।
* কারণ মানুষের কান্না হলো লাভার ফোঁটা,<br>যা বইতে বইতে ঝলসে দেয় আর শুকিয়ে দেয়;<br>তাহলে তাদের জন্য সেগুলো বইতে দাও যারা বেঁচে আছে,<br>আর তাদের জন্য নয় যারা নিচে ঘুমাচ্ছে।
** ৩ জানুয়ারি ১৮২৯-এ দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট থেকে ''দ্য চার্চইয়ার্ড''
* . . . নিঃসঙ্গরা<br>দ্বিগুণ দুঃখী হয় যখন সে মনে করে<br>সে সবসময় নিঃসঙ্গ ছিল না।
** ৩ জানুয়ারি ১৮২৯-এ দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট থেকে ''চেঞ্জ''
* এই সূক্ষ্ম আত্মার কাছে আমাদের পৃথিবী তার সেরা জিনিসের জন্য ঋণী:<br>কারণ বর্তমানকে অবজ্ঞা করেই ভবিষ্যৎ কেনা হয়,<br>আর খ্যাতির দ্বারা জীবনকে তার কাদামাটি থেকে উদ্ধার করা হয়。<br>* রাজা, তোমার প্রাসাদের কোনো চিহ্নও অবশিষ্ট নেই;<br>বিজয়ী, তোমার যুদ্ধের খ্যাতি ভুলে যাওয়া হয়েছে:<br>কিন্তু কবি এখনো সুরের মিষ্টতায় বেঁচে আছেন,<br>তিনি হৃদয়ের কাছে আবেদন করেছিলেন, যা কখনো ভুলে যায় না।
** ২০ জুন ১৮২৯-এ দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট থেকে ''ফেম : অ্যান অ্যাপোলোগ'' হিসেবে ''দ্য থ্রি ব্রাদার্স''
* আহ! এটা ভালো যে আমরা ভুলে যেতে পারি,<br>নইলে কে টিকে থাকতে পারত<br>এমন এক আকাশের নিচে যার তারাগুলো ডুবে গেছে,<br>এমন এক পৃথিবীতে যার ফুলগুলো চলে গেছে?<br>কারণ কে কাছের প্রিয়জনদের স্বাগত জানাতে পারত,<br>তাদের কথা ভেবে যারা একসময় আরও অনেক বেশি প্রিয় ছিল,
* প্রথমে আমাকে এটা ধাক্কা দিয়েছিল যে সূর্যকে<br>তোমার কবরের ওপর আনন্দে আলো ছড়াতে দেখে;<br>বুনো ফুলগুলোকে এর ওপর দিয়ে ছুটতে দেখে<br>এমন বিলাসবহুল প্রস্ফুটনে。<br>এখন আমি খুশি বোধ করছি যে তারা যেন<br>তোমার ঘুমের ওপর একটা উজ্জ্বল মিষ্টি পাহারা রাখে।
** ১৮৩১-এ দ্য কিপসেক থেকে ''দ্য ফরগোটেন ওয়ান''
* ভারী সেতুটি তোমার স্রোতকে আটকে রাখে,<br>যার ভেতর দিয়ে বার্জগুলো পরিশ্রম করে যায়,<br>ধোঁয়া সূর্যের আনন্দময় রশ্মিকে আটকে দিয়েছে,<br>তোমার ঢেউগুলো কাদামাটি ধরেছে。<br>এগিয়ে চলো, এগিয়ে চলো, যদিও এটি ক্লান্তি হোক,<br>চর আর বাধা পার হয়ে,<br>যতক্ষণ না তুমি বিশাল সমুদ্রে পৌঁছাও,<br>আর সেখানে পুরোপুরি হারিয়ে যাও।
** ১৮২৯-এ দ্য কিপসেক থেকে ''দ্য অল্টারড রিভার''
* একটিমাত্র কবর! একমাত্র কবর<br>এই অটুট মাটিতে,<br>যেখানে এখনো বাগানের পাতা আর ফুল<br>চারপাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে।
** ২৯ আগস্ট ১৮২৯-এ দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট থেকে ''দ্য সিঙ্গেল গ্রেভ''
* ঝরনার নিচু গান বাতাসে শোনা যায়,<br>এমন এক সুরের মতো যা মিষ্টি কল্পনাগুলোকে মনে করিয়ে দেয়;<br>কিছু দুঃখ দিতে, কিছু আনন্দ দিতে: তাদের চারপাশে তারা ছুঁড়ে দেয়<br>আগামীকালের আশাগুলো, অতীতের স্বপ্নগুলো。<br>দূরে বিশাল শব্দ শোনা যায়,<br>শহরের রাস্তাগুলো থেকে যা এটিকে ঘিরে আছে,<br>পাহাড়ের প্রতিধ্বনি বা সমুদ্রের গভীর ডাকের মতো;<br>তবুও সেই ঝরনার নিচু গান সবকিছুর ওপর দিয়ে শোনা যায়।
** ''দ্য মিডল টেম্পল গার্ডেনস''
===ট্রেইটস অ্যান্ড ট্রায়ালস অব আর্লি লাইফ (১৮৩৬)===
* এই খণ্ডটি শিশুদের জন্য লেখা হয়েছিল। মিস ল্যান্ডন ভূমিকায় এর উদ্দেশ্য তুলে ধরেছেন।
'''ভূমিকা'''
* সহানুভূতিই স্বার্থপরতা ধ্বংসের সবচেয়ে নিশ্চিত উপায়। প্রাপ্তবয়স্কদের মতোই শিশুরাও কষ্ট ভাগ করে নিলে ভালোভাবে বেড়ে ওঠে, যেখানে তাদের একমাত্র অংশ হলো করুণা।
'''দ্য টুইন সিস্টার্স'''
* ... সুখ এই পৃথিবীর জন্য নয়, এই বিশ্বাসটি যত তাড়াতাড়ি অর্জন করা যায়, ততই ভালো। এটি হাজারো বৃথা প্রত্যাশা ধ্বংস করবে, আমাদের সবচেয়ে বিভ্রান্তিকর বিভ্রমগুলোকে দূর করবে। এই প্রাথমিক জ্ঞান যে জীবন একটি পরীক্ষামাত্র, যার বিজয় পরকালে। আর এই পৃথিবী হলো সেই দুঃখ এবং ধৈর্যশীল সহনশীলতার জন্য নির্ধারিত একটি জায়গা যা ধীরে ধীরে আমাদের আরও ভালো এবং সুখী অবস্থার জন্য উপযুক্ত করে তুলছে।
* সাধারণের সম্মতিতে যাকে "দুঃখী বিপত্নীক" বলা হয়, তাকে সান্ত্বনা দেওয়ার জন্য সহানুভূতিশীল প্রতিবেশীদের কখনোই কোনো অভাব হয় না।
* স্বার্থপরতা স্বভাবগতভাবেই ভণ্ড, এবং এটি প্রথম শালীন অজুহাতটিকে একটি চাদর হিসেবে আঁকড়ে ধরে।
* ... যে কেউ খেয়াল করলে দেখে থাকবেন যে প্রাপ্তবয়স্কদের কান্না শিশুর মনে এক অদ্ভুত ভীতির অনুভূতি তৈরি করে। বড়দের শ্রেষ্ঠত্বের ধারণার সাথে যুক্ত থাকতে অভ্যস্ত হওয়ার কারণে, তারা বুঝতে পারে না যে বড়রাও তাদের মতোই একই আবেগের কাছে কীভাবে নতি স্বীকার করতে পারে।
* একটি আনন্দদায়ক আচরণ গড়ে তোলা কতটা জরুরি! এটি কতগুলো দেখাসাক্ষাৎকে আনন্দময় করে তোলে যা অন্যথায় বিরক্তিকর এবং আনুষ্ঠানিক হতো! এর দ্বারা আমরা কেবল ভদ্রতার নিয়মকানুন মেনে চলাকে বোঝাচ্ছি না, বরং আমরা সেই সাধারণ প্রফুল্লতার কথা বলছি যা সূর্যের আলোর মতো যাকে ছোঁয় তাকেই আলোকিত করে। এটি অন্যদের প্রতি সেই মনোযোগ যা আবিষ্কার করে কোন বিষয়টি তাদের আগ্রহী করার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি, এবং সেই জ্ঞান যা ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত থাকে এবং সমস্ত সম্পদকে তাৎক্ষণিক ব্যবহারের অভ্যাসের মাধ্যমে সহজেই কাজে লাগানো যায়। সংক্ষেপে, একটি সত্যিই আনন্দদায়ক আচরণ পরোপকারিতা থেকে জন্ম নেয়, যা একটি বড় সেবার মতোই একটি ছোট শিষ্টাচার দিয়েও দেখানো যেতে পারে।
* অন্যকে খুশি করার অসম্ভবতার মতো আর কোনো কিছুই একটি শিশুকে এত বেশি হতাশ করে না।
* আমি বিশ্বাস করি ফুলের প্রতি ভালোবাসা অন্য যেকোনো ঝোঁকের মতোই মানুষের স্বভাবের মধ্যে সহজাত।
* প্রয়োজনীয় কর্তৃত্বের প্রয়োগে অসন্তুষ্ট কত শিশু অন্যদের ভাগ্য থেকে বশ্যতা এবং কৃতজ্ঞতা শিখতে পারে। আমরা যে মেজাজের কথা বর্ণনা করছি তা খুবই অস্বাভাবিক। শিশুদের সাথে আচরণের ক্ষেত্রে অন্য কিছুর চেয়ে মাত্রাতিরিক্ত প্রশ্রয়ের দিকেই ভুলটা বেশি হয়। নিজেদের চেয়ে কম ভাগ্যবানদের কী সহ্য করতে হয় তা বিবেচনা করে, কতজনকে তাদের চারপাশের আশীর্বাদগুলোকে আরও ভালোভাবে মূল্যায়ন করতে শেখানো যেতে পারে!
'''দ্য হিস্ট্রি অব মেবেল ডেকারস ফার্স্ট লেসনস'''
* তিক্ত হলেও উপকারী অপদস্থতা হলো জ্ঞানের প্রথম ধাপ, এমনকি একজন শিশুর ক্ষেত্রেও।
* প্রত্যাশা দীর্ঘ বিলম্বের সৃষ্টি করে।
* সব শুরুই খুব ঝামেলার বিষয়।
* ... আমরা সবাই জানি রহস্য খুবই আকর্ষণীয় জিনিস।
'''দ্য ইন্ডিয়ান আইল্যান্ড'''
'''ফ্রান্সেস বিউমন্ট'''
* নভেম্বরের রাত অন্ধকার আর বিষণ্ণ,<br>পুরো বছরের সবচেয়ে নিস্তেজ মাস।
* শিশুরা প্রায়শই একে অপরের প্রতি নির্দয় হয়, এবং তারা সেই ছাড় দিতে অস্বীকার করে যা তাদের নিজেদের ক্ষেত্রে তাদের খুব প্রয়োজন।
* চরম উদ্বেগের মুহূর্তে হৃদয়ে এক ধরনের স্বাভাবিক কুসংস্কার কাজ করে, যা শান্ত মুহূর্তে যুক্তি প্রত্যাখ্যান করে।
'''দ্য হিস্ট্রি অব আ চাইল্ড'''
* আপনি যাকে ভালোবাসেন, তার কাছে আপনি কম প্রিয়, এটা জানা একটি ভয়ংকর অনুভূতি।
* এটি আমার জীবনের একটি যুগান্তকারী ঘটনা ছিল, এটি প্রতিটি শিশুর জীবনের একটি যুগান্তকারী ঘটনা, প্রথমবার রবিনসন ক্রুসো পড়া।
* আমরা সেই ঝোড়ো হাওয়ার কথা পড়ি যা সিলনের উপকূল থেকে দারুচিনির বাগানের সুবাস নিয়ে আসে।
* গরিব শিশুটিকে, চার্লস ল্যাম্ব যেমন হৃদয়স্পর্শীভাবে প্রকাশ করেছেন, আনা হয় না, বরং "টেনে বের করা হয়"। আর যদি বুদ্ধি তীক্ষ্ণ হয়, তবে তার নরম, গোল গালও তীক্ষ্ণ হয়। পঙ্গু অঙ্গ এবং ভেঙে পড়া শরীর দারিদ্র্যের সাথে অতি-প্রাথমিক সংগ্রামের প্রভাব প্রমাণ করে। কিন্তু ধনী বাবা-মায়ের সন্তান অন্যভাবে ভোগে; প্রশ্রয়ের স্বার্থপরতা এবং অন্যদের ওপর নির্ভর করার অভ্যাসের কারণে তার হৃদয় পঙ্গু হয়ে যায়। একটি নষ্ট এবং অতিরিক্ত সহায়তা পাওয়া শৈশবের দুর্বল করার কাজটিকে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনতে জীবনের বাস্তবতার সাথে কঠোর যোগাযোগের কয়েক বছর সময় লাগে। প্রচেষ্টা এবং স্বনির্ভরতার শক্তিশালী ও দরকারী পাঠগুলো আমরা যত তাড়াতাড়ি শিখি, ততই ভালো।
'''পোয়েট্রি'''
* ''দ্য লিটল বয়েস বেড-টাইম'' ট্রান্সলেশনস বা অনুবাদের নিচে দেখুন
* সে বলেছিল “ওহ বরং তোমার ঈশ্বরকে ধন্যবাদ দাও,<br>আমার ভাগ্য তোমার মতো নয়।<br>আমার ক্লান্ত পা দুটো কীভাবে আনন্দ করত<br>তোমার মতো ওই নরম আর সুগন্ধি ঘাসের ওপর<br>ওই আনন্দময় সূর্যের নিচে হাঁটতে আর দৌড়াতে পারলে।<br>আর তবুও আমি ঈশ্বরের সদিচ্ছায় বিশ্বাস করি<br>আমার আত্মা সমর্পিত হয়েছে ;<br>যদিও আমার অসুস্থতা যন্ত্রণাদায়ক, এটি অন্তত<br>ধৈর্যশীল মন নিয়ে সহ্য করা হচ্ছে।<br>যদিও আমার বাবার নাম মহৎ,<br>আর আমার বাবার সম্পদ বিশাল;<br>তিনি সব দিয়ে দিতেন, যদি তিনি শুধু দিতে পারতেন<br>তার একমাত্র সন্তানকে তোমার স্বাস্থ্য !<br>আহ, এই পৃথিবীর বৃথা আর ভঙ্গুর<br>বাইরের রূপ দেখে বিচার কোরো না”
** ''দ্য লেডি মারিয়ান''
* “তুমি বলেছিলে আমাদের পুরনো ছাই-গাছে একটা পাখি বাসা বেঁধেছিল ;<br>সম্ভবত এই লিনেট পাখিটারই সেখানে বিশ্রামের জায়গা আছে।<br>এখন যখন রাত নামতে শুরু করবে তখন তার ছোট্ট ছানাদের কে রাখবে ?<br>তাদের আর কোনো আশ্রয় নেই, আর তারা সবাই মারা যাবে।<br>ওই একাকী কুঞ্জবনে আর কোনো মিষ্টি গান থাকবে না ;<br>এখন, হেনরি, তোমার বন্দীকে মুক্ত করো, আমি তোমাকে অনুরোধ করছি, আমার ভালোবাসার খাতিরে।<br>আমাদের বাবা একজন সৈনিক, আর কোনো দূরের যুদ্ধে<br>তিনিও হয়তো দূরের কোনো বিদেশি দেশে বন্দী হতে পারেন।”
** ''দ্য প্রিজনার''
* “কিন্তু আমাদের পাখিটা মুক্ত নীল বাতাস সম্পর্কে জানত না,<br>সে তার খাঁচায় বাস করত, আর তার বাড়ি সেখানেই ছিল :<br>সবুজ বনে সে কোনো উড়ান ওড়েনি<br>যে স্বাধীনতা সে কখনোই জানত না, তার জন্য সে কষ্ট পায়নি !<br>যদি সে পাতা আর ডালের মাঝে বাস করত<br>তবে এখন তাকে শৃঙ্খলিত করাটা নিষ্ঠুরতা হতো ;<br>কারণ আমি একটা বেচারা পাখিকে মরতে দেখেছি,<br>আর তা শুধু তার নিজস্ব আকাশের ভালোবাসার জন্য।”
** ''দ্য ডেড রবিন''
===ফিশারস ড্রয়িং রুম স্ক্র্যাপ বুক (১৮৩৭)===
==== দ্য লেক অব কোমো ====
আমি হ্রদের পাশে আছি,</br>
সেই একাকী হ্রদ, যা একসময়</br>
স্পন্দিত হৃদয়ের বিশাল জগত ছিল</br>
যখন আমি তোমার সাথে ছিলাম, ভালোবাসা।</br>
আমি দূরের পাহাড়ের মাঝে</br>
শান্ত সন্ধ্যার আলো জ্বলতে দেখছি;</br>
আমি একটি বীণার সুর শুনতে পাচ্ছি,</br>
একসময় এটি তোমার থেকে আসত।</br>
অন্য কেউ কীভাবে সেই গান গাইতে পারে,</br>
সেই মিষ্টি বিষণ্ণ গান, যা তোমার নিজের ছিল</br>
এটি একই রকম, তবুও এক নয়;</br>
এটি তোমার সুর ধরতে পারেনি।</br>
আহ, অন্য কোনো ঠোঁট কখনোই হয়তো</br>
তোমার ঠোঁটকে আঁকড়ে থাকা সেই মিষ্টতা ধরতে পারবে না;</br>
আমার কাছে একটি সুর অশ্রুত আছে,</br>
একটি তার অগোছালো আছে।</br>
তুমি সবচেয়ে সুন্দর হ্রদ, আমি তোমার তীর খুঁজেছিলাম,</br>
যাতে অন্য দিনের স্বপ্নগুলো হয়তো ফেলে যেতে পারে,</br>
অন্য কোথাও বৃথাই খোঁজা সেই উপস্থিতি,</br>
অতীতের উপস্থিতি।</br>
আমি খোঁজার বোকামি বুঝতে পারি,</br>
তুমি কেবল অতীতের অর্ধেকটাই ফিরিয়ে আনো;</br>
আমার আনন্দ অস্পষ্টভাবে ডাকছে</br>
আমার ব্যথাকে বড্ড বেশি স্পষ্টভাবে।</br>
তোমার কিনারার চারপাশের বেগুনি ছায়াগুলোকে</br>
তাড়া করে বেড়ানো স্মৃতিগুলো বড্ড বাস্তব</br>
আমি শুধু তোমার কাছে স্বপ্ন দেখার অনুরোধ করেছিলাম,</br>
আমি ভাবতে বলিনি।</br>
মিথ্যা সৌন্দর্য এখনো আমার হৃদয় তাড়া করে,</br>
যদিও অনেক আগেই সেই হৃদয় থেকে মুছে গেছে;</br>
এই ঢেউগুলো শুধু আমাকে বলে কীভাবে তোমাকে</br>
বড্ড বেশি এবং বৃথাই ভালোবাসা হয়েছিল।</br>
সুন্দর হ্রদ, তোমার সুন্দর তীরের</br>
প্রভাব খোঁজাটা পুরোপুরি বৃথা</br>
আমি তোমার কাছে আশা আর ভালোবাসা চাই</br>
তারা আর আমার কাছে আসে না।</br>
===দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট===
====১৮২১-১৮২২====
* সন্ধ্যার বাতাসে কতটা মিষ্টি হয়ে ওঠে<br>সেই প্রশান্তিদায়ক ঘণ্টাগুলোর সন্ধ্যার ডাক,<br>নরমভাবে বয়ে চলে আর প্রতিধ্বনিতে মিলিয়ে যায়,<br>যেন বিদায়ী দিনের উদ্দেশ্যে গাওয়া কোনো শোকগীতি।
** (২২ সেপ্টেম্বর ১৮২১) ''বেলস''
* যাকে আমি ভালোবাসতে পারি তাকে অবশ্যই ধনী হতে হবে,<br>তার ভাগ্য পরিষ্কার হতে হবে,<br>তা জমিতে হোক বা তহবিলে,<br>আমার কাছে সবই এক।
** (১০ নভেম্বর ১৮২১) ''সিক্স সংস অব লাভ, কনস্ট্যান্সি, রোমান্স, ইনকনস্ট্যান্সি, ট্রুথ, অ্যান্ড ম্যারেজ - 'ম্যাট্রিমোনিয়াল ক্রিড'''
** (২৪ নভেম্বর ১৮২১) ''স্ট্যানজাস'' দ্য ইমপ্রোভাইজাট্রাইস (১৮২৪)-এ ''হোয়েন শুড লাভারস ব্রিদ দেয়ার ভাউস?'' হিসেবে দেখুন
* তাহলে অন্য চোখের দিকে তাকিও না, ভালোবাসা ;<br>অন্য দীর্ঘশ্বাস ফেলো না, ভালোবাসা ;<br>তুমি হয়তো অনেক উজ্জ্বল কাউকে খুঁজে পেতে পারো<br/>তোমার নিজের গোলাপের চেয়ে, কিন্তু এমন কেউ নেই<br/>তোমার প্রতি এতটা সত্য, ভালোবাসা।
** (৫ জানুয়ারি ১৮২২) ''সং ("আর আদার আইস বিগায়লিং, লাভ?")''
* এগুলো তোমার বিয়ের ফুল<br/>আমি এখন গাঁথছি;<br/>এটি তোমার বিয়ের স্তোত্র<br/>আমি এখন নিশ্বাস নিচ্ছি।
** (১২ জানুয়ারি ১৮২২) ''স্কেচ দ্য ফার্স্ট ("দেয়ার আর ডার্ক ইউ-ট্রিস গ্যাদারড রাউন্ড, বিনিথ")''
* পথটি নতুন ছিল, আর সেখানে ছুঁড়ে দেওয়া হয়েছিল<br>আনন্দের রশ্মির ওপর একটা মিষ্টি ঘোমটা ;<br>কিন্তু অজ্ঞতাই হলো সুখ,<br/>যখন তরুণ আশা পথ দেখাতে আসে;
** (১২ জানুয়ারি ১৮২২) ''টেন ইয়ারস অ্যাগো।''
* প্রতিশ্রুতিতে ভরা একটা ফুল হলো জীবনের আনন্দ,<br>যা কখনো ফলে পরিণত হয় না; আশা, কিছু সময়ের জন্য,<br>তার আনন্দময় আলোয় তরুণ ফুলটিকে রোদ পোহায়,<br>আর একে প্রস্ফুটিত মনে হয়, কিছুক্ষণের জন্য,<br>এটা অতীত, আমরা জানি না কোথায়, কিন্তু এটা চলে গেছে,
** (১৯ জানুয়ারি ১৮২২) ''পোয়েটিক স্কেচেস, নম্বর ২''
* ওহ, পরম সুখ !<br>চিন্তার সুন্দর সৃষ্টিগুলোকে দেখা<br>একটি দৃশ্যমান রূপ ধারণ করতে ; মিষ্টি কবিতা !<br>হৃদয়ের ওপর তোমার ক্ষমতা কতটা জাদুকরী ;<br>সম্মোহন যা আমাদের ইন্দ্রিয়গুলোকে বেঁধে রাখে<br>এক অবর্ণনীয় প্রভাবের মধ্যে ;<br>প্রতিটি চিন্তার ওপর রাখা একটা জাদুকরী মন্ত্র,<br>যতক্ষণ না জীবনের পুরো আশা বীণার ওপর নিক্ষিপ্ত হয়।
** (২৬ জানুয়ারি ১৮২২) ''পোয়েটিক স্কেচেস, নম্বর ৩''
* একটা সমৃদ্ধ আলো<br>ঝড়ের ডানার ছায়া ভেদ করে বেরিয়ে এল,<br>যখন সোনালি আর বেগুনি কিনারাযুক্ত কালো মেঘগুলো,<br>প্রতি মুহূর্তে আরও উষ্ণ আভা ধারণ করছিল, যতক্ষণ না<br>পুরোটা মিলে একটা ঝিকমিক করা খিলান হয়ে গেল, আর, একজন রাজার মতো<br>তার শত্রুদের ওপর বিজয়ে, সূর্য দেবতা খুঁজলেন<br>সমুদ্রের নীল গভীরতা ; জলগুলো তখনো<br>ঝড়ে বিক্ষুব্ধ ছিল, আর সাদা ফেনা<br>তখনো ঢেউয়ের ওপর ভাসছিল, যখন বাতাস<br>মাঝে মাঝে রাগী শিশুর মতো বিড়বিড় করছিল,<br>যে তার ঘুমের মধ্যেও ফুঁপিয়ে কাঁদে।
** (২ ফেব্রুয়ারি ১৮২২) ''পোয়েটিক স্কেচেস, নম্বর ৪''
* জড়ো হওয়া জলগুলো পাথরের ওপর দিয়ে নিচে বয়ে গেল<br>যা মাঝে মাঝে স্তম্ভের ফেনিল রেখাকে ভেঙে দিচ্ছিল ;<br>তুষার-সাদা ফেনার মাঝে অন্ধকার হয়ে, এটি বয়ে গেল<br>এক সর্বজয়ী সেনাবাহিনীর মতো, আর একটি খিলান<br>ঝিকমিক করা রঙের যা সূর্যের আলোয় খেলছিল<br>মনে হচ্ছিল একে আকাশের সাথে মিলিয়ে দিচ্ছে যা ঝুলে ছিল<br>সমস্ত শান্ত এবং বিশ্রামের ওপরে :
** (১৬ ফেব্রুয়ারি ১৮২২) ''পোয়েটিক স্কেচেস, নম্বর ৬''
* আহ, চারণকবি যা কিছু গায় তা সে গভীরভাবে অনুভব করেছে,<br>সে যে প্রতিটি আবেগ আঁকে তা তার নিজের বুক জেনেছে ;<br>বন্য সুরের কোনো স্বরই তারগুলো থেকে ভেসে আসে না,<br>কিন্তু প্রথমে তার নিজের অনুভূতিগুলো সেই সুরকে প্রতিধ্বনিত করেছে।
** (২৭ এপ্রিল ১৮২২) ''দ্য পোয়েট''
** (৪ মে ১৮২২) ''সাফো'' দ্য ভাও অব দ্য পিকক (১৮৩৫)-এ দেখুন
* আমরা গোপনে দেখা করেছিলাম : ভালোবাসার কাছে রহস্য হলো<br>ফুলের সুবাসের মতো ; কুমারীর লজ্জা<br>সবচেয়ে সুন্দর দেখায় যখন তার গাল ভয়ে ফ্যাকাশে থাকে।
** (১৮ মে ১৮২২) পোয়েটিক স্কেচেস। সেকেন্ড সিরিজ - স্কেচ দ্য থার্ড। ''রোজালি''
** (২৫ মে ১৮২২) ''সেন্ট জর্জেস হসপিটাল, হাইড পার্ক কর্নার'' দ্য ইমপ্রোভাইজাট্রাইস (১৮২৪)-এ দেখুন
* এটি ছিল একটি সুন্দর মূর্ত চিন্তা,<br>সূক্ষ্ম চিত্রকরের একটি স্বপ্ন, এমন একটি<br>যা চাঁদের আলোয় আত্মার ওপর দিয়ে যায়, আর ঘুরে বেড়ায়<br>গোধূলির আবছা ছায়ার মাঝে, যখন চোখ<br>তার পরমানন্দে অশ্রুসজল হয়ে ওঠে।
** (১ জুন ১৮২২) পোয়েটিক স্কেচেস। সেকেন্ড সিরিজ - স্কেচ দ্য ফিফথ। ''মিস্টার মার্টিনস পিকচার অব ক্লাইটি''
** (৮ জুন ১৮২২) ''দ্য ডেজার্টার'' দ্য ইমপ্রোভাইজাট্রাইস (১৮২৪)-এ দেখুন
* সেই প্রহর-চিহ্নিত গোলকটির দিকে তাকাও,<br>সেই নিয়তিপূর্ণ শব্দ শোনো ;<br>সেখানে আমার নীরব হাত চুরি করে চলেছে।<br>আমার আরও নীরব গতিপথ প্রকাশ করছে ;<br>বন্য, নিবেদিত আনন্দ, শোনো,<br>তোমার পাগল যাত্রায় থামো !
** (২৭ জুলাই ১৮২২) মিস্টার ডাগলির আঁকা ছবি থেকে স্কেচেস। স্কেচ দ্য ফার্স্ট। ''টাইম অ্যারেস্টিং দ্য ক্যারিয়ার অব প্লেজার।''
* তিনগুণ বিষাক্ত হয় সেই ক্ষত যখন ভালোবাসার হাত<br>সেই আঘাত হানে।
** (৩ আগস্ট ১৮২২) মিস্টার ডাগলির আঁকা ছবি থেকে স্কেচেস। স্কেচ দ্য সেকেন্ড। ''লাভ টাচিং দ্য হর্নস অব আ স্নেইল, হুইচ ইজ শ্রিংকিং ফ্রম হিজ হ্যান্ড।''
* চিত্রকরের দক্ষতা এমন একটি মুহূর্তকে ধরে রেখেছে যেখানে<br>তার হাত তার কাকের মতো কালো চুলের মাঝে ঘুরছে;<br>আর সে উপাসনায় নত হয়েছে, যেন সেই ছোঁয়া,<br>সেই নরম হালকা ছোঁয়া, বড্ড বেশি পরমানন্দ ছিল।<br>সে শুধু সেই বিভ্রান্তিকর মুখ থেকে ফিরেছে<br>সেই সুন্দর হাতের দিকে যা জাদুকরী ফুলদানিটি ধরে আছে,<br>বেগুনি মদ সবেমাত্র ঝিকমিক করে উঠছে,<br>তরুণটি সেই পেয়ালায় তার হৃদয়ের সত্য প্রতিজ্ঞা করেছে!
** (১০ আগস্ট ১৮২২) মিস্টার ডাগলির আঁকা ছবি থেকে স্কেচেস। স্কেচ দ্য থার্ড। ''দ্য কাপ অব সার্সি''
* ভালোবাসা কখনো কোনো হালকা প্রশংসা উচ্চারণ করেনি।
* ত্রিশোর্ধ্ব একজন পুরুষ একজন উৎসাহী মেয়ের বন্য কল্পনায় প্রবেশ করতে পারে না।
* সামনের দিকে তাকানোর কোনো ক্ষমতা ভালোবাসার নেই, বর্তমানের সুস্বাদু চেতনা, অতীতের একটি অস্পষ্ট কিন্তু আনন্দদায়ক ছায়া, এর অনন্তকাল গঠন করে।
** (১৮ আগস্ট ১৮২২) এগুলো একটি গদ্য স্কেচ থেকে - ''ইসাদোর''
* হায়, জীবনের কী অদ্ভুত বৈচিত্র্য !<br>আমরা বিপদ আর আনন্দের মাঝে বাস করি, যেমন<br>বালিতে খোদাই করা অক্ষর, বা রং<br>রংধনু রাঙিয়ে দেয়। এক অসুস্থ কল্পনার মতো বন্য<br>আর একজন কুমারীর মতো পরিবর্তনশীল, হলো এই স্বপ্ন,<br>পৃথিবীতে এই সংক্ষিপ্ত স্বপ্ন,
** (৭ সেপ্টেম্বর ১৮২২) পোয়েটিক্যাল স্কেচেস। থার্ড সিরিজ - স্কেচ দ্য ফার্স্ট। ''দ্য মাইন''
** (১৪ সেপ্টেম্বর ১৮২২) পোয়েটিক্যাল স্কেচেস। থার্ড সিরিজ - স্কেচ দ্য সেকেন্ড। ''গ্ল্যাডেসমুইর'' দ্য ইমপ্রোভাইজাট্রাইস (১৮২৪)-এ দেখুন
** (২১ সেপ্টেম্বর ১৮২২) পোয়েটিক্যাল স্কেচেস। থার্ড সিরিজ - স্কেচ দ্য থার্ড। ''দ্য মিনস্ট্রেল অব পর্তুগাল'' দ্য ইমপ্রোভাইজাট্রাইস (১৮২৪)-এ দেখুন
** (২৮ সেপ্টেম্বর ১৮২২) পোয়েটিক্যাল স্কেচেস। থার্ড সিরিজ - স্কেচ দ্য ফোর্থ। ''দ্য কাস্টিলিয়ান নাপচুয়ালস'' দ্য ভাও অব দ্য পিকক (১৮৩৫)-এ দেখুন
** (৫ অক্টোবর ১৮২২) পোয়েটিক্যাল স্কেচেস। থার্ড সিরিজ - স্কেচ দ্য ফিফথ। ''দ্য লাভারস রক'' দ্য ভাও অব দ্য পিকক (১৮৩৫)-এ দেখুন
** (১২ অক্টোবর ১৮২২) পোয়েটিক্যাল স্কেচেস। থার্ড সিরিজ - স্কেচ দ্য সিক্সথ। ''দ্য বাস্ক গার্ল অ্যান্ড হেনরি কোয়াত্রে'' দ্য ইমপ্রোভাইজাট্রাইস (১৮২৪)-এ দেখুন
* আমার হৃদয় তোমার সাথে আছে, ভালোবাসা ! যদিও এখন<br>তুমি আমার থেকে অনেক দূরে :<br>আমি আমার নিজের চিন্তাকেও ঈর্ষা করি,<br>কারণ তারা উড়ে তোমার কাছে যেতে পারে।
** (১৯ অক্টোবর ১৮২২) ''সংস অব অ্যাবসেন্স''
* [জুলিয়ান - ছদ্মবেশী]<br>হরিণ তার অনুসরণ থেকে পালিয়ে যায় বলে<br>শিকারি হতাশ হয়ে শিকার থেকে<br>ফিরে আসে না : প্রতিটি বাধাই<br>একটি আনন্দে পরিণত হয়।
* [জুলিয়ান - ছদ্মবেশী]<br>ওহ, ঈর্ষা হলো কেবল<br>অহংকার থেকে ফেলা একটি ছায়া, যা পড়ে থাকলে<br>ভালোবাসার রূপ নিত তার নিজের<br>স্বার্থপর বিকৃতি লুকানোর জন্য !
* [জুলিয়ান]<br>কেন আমি এমন একটা বিশ্বাসের পরীক্ষা নিলাম যা আমার জানা উচিত ছিল<br>সাদা ঘুঘুর মতো দাগহীন। আমি অনুভব করতে পারছি না<br>তার হৃদয়ের স্পন্দন। আমি চুমু খেয়ে তার গালে<br>রং ফিরিয়ে আনব। ওহ, ঈশ্বর ! তার ঠোঁট বরফ,<br>এর ওপর কোনো নিশ্বাস নেই !<br>অ্যাগনেস, তোমার জুলিয়ানই তোমার খুনি !
** (২৬ অক্টোবর ১৮২২) ''ড্রামাটিক সিন ১''
** (২ নভেম্বর ১৮২২) ''ড্রামাটিক সিন ২'' দ্য ভাও অব দ্য পিকক (১৮৩৫)-এ ''বাক্কাস অ্যান্ড আরিয়াডনে'' দেখুন
** (১৬ নভেম্বর ১৮২২) ''ফ্র্যাগমেন্টস ইন রাইম ১: দ্য সোলজার্স ফিউনারেল'' দ্য ইমপ্রোভাইজাট্রাইস (১৮২৪)-এ দেখুন
** (১৬ নভেম্বর ১৮২২) ''ফ্র্যাগমেন্টস ইন রাইম ২: লাইনস রিটেন আন্ডার আ পিকচার অব আ গার্ল বার্নিং আ লাভ লেটার'' দ্য ইমপ্রোভাইজাট্রাইস (১৮২৪)-এ দেখুন
* শব্দগুলো বলার ক্ষমতাহীন।<br>আমার হৃদয়ে এমনই সেই ছবি,<br>চিত্রকর, তোমার গৌরবময় শিল্প চেষ্টা করো !
** (১৬ নভেম্বর ১৮২২) ''ফ্র্যাগমেন্টস ইন রাইম ৩: আউটলাইন ফর আ পোর্ট্রেট''
** (২৩ নভেম্বর ১৮২২) ''ফ্র্যাগমেন্টস ইন রাইম ৪: অ্যারিয়ন'' দ্য ইমপ্রোভাইজাট্রাইস (১৮২৪)-এ দেখুন
* এর চেয়ে সুন্দর বা বন্য তীরে<br>দিনের আলো কখনো পড়েনি !<br>অর্ধেক জমি ছিল, আর অর্ধেক সমুদ্র<br>যেখানে চোখ শুধু দেখতে পেত<br>নীল আকাশটাকে সীমানা হিসেবে।
** (৩০ নভেম্বর ১৮২২) ''ফ্র্যাগমেন্টস ইন রাইম ৫: দ্য হ্যাপি আইল''
** (৭ ডিসেম্বর ১৮২২) ''ফ্র্যাগমেন্টস ইন রাইম ৬: দ্য পেইন্টার্স লাভ'' দ্য ইমপ্রোভাইজাট্রাইস (১৮২৪)-এ দেখুন
** (১৪ ডিসেম্বর ১৮২২) ''ফ্র্যাগমেন্টস ইন রাইম ৭: মনমদিন, দ্য ইন্ডিয়ান কিউপিড। ফ্লোটিং ডাউন দ্য গঞ্জেস'' দ্য ইমপ্রোভাইজাট্রাইস (১৮২৪)-এ দেখুন
** (২১ ডিসেম্বর ১৮২২) ''ফ্র্যাগমেন্টস ইন রাইম ৯: দ্য ফিমেল কনভিক্ট'' দ্য ইমপ্রোভাইজাট্রাইস (১৮২৪)-এ দেখুন
* একটা ফুল আছে, একটা জাদুকরী ফুল,<br>যার ওপর ভালোবাসা একটা পরীর ক্ষমতা রেখেছে ;<br>সেন্ট জনের আগের দিন সন্ধ্যায় এটি তুলে নাও,<br>যখন গ্রামের ঘড়িতে একটা বাজছে ;<br>কোনো দিকে তাকিও না, কোনো কথা বোলো না,<br>আর গোলাপের পাতাগুলো তোমার মাথার নিচে রাখো ;<br>তোমার ঘুম হালকা হবে, আর তোমার বিশ্রাম আনন্দদায়ক হবে,<br>কারণ তোমার স্বপ্নগুলো হবে সেই তরুণের যাকে তুমি সবচেয়ে ভালোবাসো।
** (২৮ ডিসেম্বর ১৮২২) ''ফ্র্যাগমেন্টস ইন রাইম ১০: দ্য ইভ অব সেন্ট জন''
** (২৮ ডিসেম্বর ১৮২২) ''ফ্র্যাগমেন্টস ইন রাইম ১১: দ্য এমারেল্ড রিং — আ সুপারস্টিশন'' দ্য ইমপ্রোভাইজাট্রাইস (১৮২৪)-এ দেখুন
====১৮২৩====
* ওহ এটা সেই মিষ্টি ভালোবাসা নয়<br>ঘুঘুর নিজস্ব সঙ্গী ;<br>বরং একটা বন্য আর ঘুরে বেড়ানো জিনিস,<br>সেই আলোগুলোর মতো পরিবর্তনশীল যা ছুঁড়ে দেয়<br>তার ময়ূরের ডানার ওপর আভা।<br>আমি সত্যিই কাঁদি, যে ভালোবাসা হওয়া উচিত<br>সবসময় অহংকারের সাথে যুক্ত।
** (২৫ জানুয়ারি ১৮২৩) ''মেডালিয়ন ওয়েফার্স: কিউপিড রাইডিং অন আ পিকক''
* অন্ধকার রাত,<br>ওহ যুদ্ধের ওপর তোমার ছায়া কত ভয়ংকর !<br>বন্ধু আর শত্রু সবার ওপর সমানভাবে আঘাত হানা হয়, মৃত,<br>আর মৃতপ্রায়দের মাড়িয়ে যাওয়া হয়, ওহ, কেবল দিনেরই<br>সৈনিকের কাজগুলোর দিকে তাকানো উচিত !
** (১ ফেব্রুয়ারি ১৮২৩) ''দ্য ক্যাডেটস। অ্যান ইন্ডিয়ান স্কেচ''
* গৌরবময় চারণকবি ! যার<br>এমন সব মালা আছে যা গান প্রায়শই দাবি করে না,<br>যোদ্ধার ঢালের চারপাশে ঝোলানো সেই মালাগুলো,<br>রক্ত-লাল মাঠ থেকে লরেল।
** (৮ ফেব্রুয়ারি ১৮২৩) ''মেডালিয়ন ওয়েফার্স: হেড অব টায়ার্টিয়াস''
* সে পেয়ালাটা ধরে ছিল ; আর সে সেই সময়<br>তার কৌতুকপূর্ণ হাসির দিকে তাকিয়ে বসে ছিল,<br>যেন সে যে মদ পান করতে চেয়েছিল<br>তা ছিল তার গোলাপের কুঁড়ির মতো ঠোঁট থেকে একটা চুমু।
** (৮ ফেব্রুয়ারি ১৮২৩) ''মেডালিয়ন ওয়েফার্স: হারকিউলিস অ্যান্ড আয়োলি''
** (২২ ফেব্রুয়ারি ১৮২৩) ''লিয়েন্ডার অ্যান্ড হিরো'' দ্য ভাও অব দ্য পিকক (১৮৩৫)-এ দেখুন
** (১ মার্চ ১৮২৩) ''অ্যান ওল্ড ম্যান ওভার দ্য বডি অব হিজ সন'' দ্য ভাও অব দ্য পিকক (১৮৩৫)-এ দেখুন
* ছবি, উজ্জ্বল ছবি, ওহ ! তারা আমার কাছে<br>চিন্তার আনন্দ করার জন্য একটা জগত। আমি ভালোবাসি<br>প্রতিটি মুখে একটা ইতিহাস দিতে, ভাবতে,<br>যেমন আমি চিত্রকরের সাথে ভেবেছিলাম, যেমন আমি জানতাম<br>তার সেই উচ্চ যোগাযোগ কী ছিল।
* আহ, নারীর এর চেয়ে মিষ্টি আর কোনো রূপ নেই<br>যেমনটা, যখন, সে যে দৃষ্টি ভালোবাসে তার মুখোমুখি হতে<br>অর্ধেক ভয় পায়, লজ্জার আভা বিশ্বাসঘাতকতা করে<br>সেই সব কিছু যা চাপা দেওয়া দৃষ্টি বলতে চাইত।
** (১৫ মার্চ ১৮২৩) ''পোয়েটিক্যাল ক্যাটালগ অব পিকচার্স। ভ্যানডাইক কনসাল্টিং হিজ মিস্ট্রেস অন আ পিকচার ইন কুকস এক্সিবিশন।''
* মিষ্টি আশা ! প্রতিটি আনন্দদায়ক ফুল<br>তোমার আনন্দময় শক্তিতে নিজেকে রোদ পোহায় ;<br>প্রতিটি দুঃখ তোমার কাছে আসে,<br>কষ্টের জন্য মরুভূমির ঝরনা !
** (১৫ মার্চ ১৮২৩) ''পোয়েটিক্যাল ক্যাটালগ অব পিকচার্স। হোপ, ফ্রম আ ডিজাইন বাই আ লেডি।''
* তুমি তোমার সুন্দর হাতগুলোকে ঘুরে বেড়াতে বলবে<br>তোমার নরম বীণার রুপালি ঘুমের ওপর,<br>সুর জাগিয়ে; গান আর ভালোবাসার<br>তাদের মিষ্টি ইতালীয় ছন্দে।
** (২৯ মার্চ ১৮২৩) ''সং - আই'ল মিট দি অ্যাট দ্য মিডনাইট আওয়ার''
* পুরো পৃথিবী জুড়ে তোমার সাথে, আমার ভালোবাসা !<br>পুরো পৃথিবী জুড়ে তোমার সাথে ;<br>আমি পরোয়া করি না ওপরে কোন আকাশ নামতে পারে,<br>অথবা আমাদের পথ কতটা অন্ধকার হতে পারে।
** (২৯ মার্চ ১৮২৩) ''সং - অল ওভার দ্য ওয়ার্ল্ড উইথ দি, মাই লাভ!''
* বালিশের ওপরের স্বপ্ন,<br>যা দিনের সাথে সাথে মিলিয়ে যায়,<br>উইলো গাছের পাতা<br>একটা নিশ্বাসে খসে পড়ে;<br>ফুলের ওপরের ধুলো,<br>সমুদ্রের ওপরের জলের ছিটে;<br>হ্যাঁ,—তোমার নিজের বুককে জিজ্ঞাসা করো—<br>এগুলো কি তোমার প্রতীক নয়।
** (২৯ মার্চ ১৮২৩) ''সং - দ্য ড্রিম অন দ্য পিলো।''
* আমাদের বিদায় কেমন ছিল ?—একটা বন্য চুমু,<br>কতটা বন্য তা আমি বলতে পারব না,<br>একটা দীর্ঘ আর শ্বাসরুদ্ধকর আলিঙ্গন, আর তারপর<br>যেন জীবনটাই শেষ হয়ে গেল।
** (২৯ মার্চ ১৮২৩) ''সং - হোয়াট ওয়াজ আওয়ার পার্টিং ?—ওয়ান ওয়াইল্ড কিস,''
* অনেক বছর ধরে সে বাতাসে নিশ্বাস নেয়নি,<br>স্বাস্থ্যকর খোলা বাতাস ; সূর্য, চাঁদ,<br>তারা, মেঘ, সুন্দর নীল স্বর্গ, বসন্ত,<br>ফুল, গাছ, আর মানুষের মিষ্টি মুখ,<br>গান, বা গানের চেয়েও সুরেলা কথা,<br>স্নেহ, অনুভূতি, সামাজিক মেলামেশা<br>(যদি না তার পরীর স্বপ্নে মনে পড়ে)<br>তার নিঃসঙ্গতার কাছে এরা সবাই অপরিচিত হয়ে গেছে ! —<br>তার ওপর একটা অভিশাপ দেওয়া হয়েছে, দারিদ্র্যের মতো,<br>বা কুষ্ঠরোগ, বা লাল প্লেগের মতো, কিন্তু তার চেয়েও খারাপ, —<br>হৃদয় তার আগুন মস্তিষ্কে পাঠিয়েছে,<br>আর সে পাগল হয়ে গেছে।
** (৫ এপ্রিল ১৮২৩) ''পোয়েটিক্যাল ক্যাটালগ অব পিকচার্স। আ ম্যানিয়াক ভিজিটেড বাই হিজ ফ্যামিলি ইন কনফাইনমেন্ট : বাই ডেভিস।''
** (৫ এপ্রিল ১৮২৩) ''এপ্রিল'' দ্য ভাও অব দ্য পিকক (১৮৩৫)-এ দেখুন
* [ইয়ান্থের কাছ থেকে]<br>আমি একজন কৃপণ<br>তোমার সব চিন্তা আর কথা, আর দৃষ্টি আর অনুভূতির—<br>ওহ, আমি একটা পাতা, একটা ফুল নিয়ে ঈর্ষান্বিত,<br>একটা গান, একটা তারা, যদি তুমি সেটা নিয়ে খুব বেশি ভাবো !
* [গুইডো] ওহ, আমার ইয়ান্থে, আমি শুধু তোমার মাঝেই বাঁচি,<br>আর আমি তোমাকে জিতব, প্রতিটি বাধা পেরিয়ে<br>ভাগ্যের স্বৈরাচার দ্বারা তোলা, আমার নিজের,<br>আমার সেরা হৃদয়ের সম্পদ ! (সে তার হাত কেড়ে নেয়)<br>[ম্যানফ্রেড] বন্য বোকা ! সে তোমার বোন !
** (১২ এপ্রিল ১৮২৩) ''ড্রামাটিক সিন। ইয়ান্থে — গুইডো — ম্যানফ্রেড।''
** (১৯ এপ্রিল ১৮২৩) ''ফ্র্যাগমেন্টস'' দ্য ইমপ্রোভাইজাট্রাইস (১৮২৪)-এ ''দ্য ওক'' হিসেবে দেখুন
* ভালোবাসা ছাড়া যেকোনো কিছু করো ; অথবা যদি তুমি ভালোবাসো<br>আর একজন নারী হও, তবে তোমার ভালোবাসা তার কাছ থেকে লুকাও<br>যাকে তুমি উপাসনা করো ; তাকে কখনো জানতে দিয়ো না<br>সে কতটা প্রিয় ; তার সামনে একটা পাখির মতো উড়ে বেড়াও, — <br>তাকে গাছ থেকে গাছে, ফুল থেকে ফুলে নিয়ে চলো ;<br>কিন্তু বশীভূত হয়ো না, নইলে তুমি, সেই পাখির মতো,<br>যখন ধরা পড়বে আর খাঁচায় বন্দী হবে, অবহেলিত হয়ে কষ্ট পাওয়ার জন্য ফেলে রাখা হবে,<br>আর বিস্মৃতির মাঝে মারা যাবে।
** (২৬ এপ্রিল ১৮২৩) ''ফ্র্যাগমেন্ট - ডু এনি থিং বাট লাভ ; অর ইফ দাউ লাভস্ট''
* সুন্দর আর উজ্জ্বল মে,<br>এটা কি তোমার উৎসবের দিন নয় ?<br>এই বসন্তের আনন্দ কি<br>তোমার সম্মানে অনুষ্ঠিত হচ্ছে না, রানি ?
**(৩ মে ১৮২৩) ''পোয়েটিক্যাল ক্যাটালগ অব পেইন্টিংস'' - ''অন মে-ডে, বাই লেসলি''
* তুমি কি জানতে চাও জীবন কেমন হওয়া উচিত?<br>যদি এটা আমার হাতে থাকত নির্দেশ দেওয়া<br>যে তোমার জন্য এর পথ কেমন হওয়া উচিত ?<br>ওই বোন শক্তিগুলোর দিকে তাকাও,<br>শৃঙ্খলিত, কিন্তু শুধু ফুল দিয়ে শৃঙ্খলিত, —<br>গোলাপ-ডানাযুক্ত প্রহরগুলোর ওই উজ্জ্বল দল
**(৩ মে ১৮২৩) ''পোয়েটিক্যাল ক্যাটালগ অব পেইন্টিংস'' - ''দ্য আওয়ার্স, বাই হাওয়ার্ড।''
* একটা ডালের ওপর,<br>একমাত্র ডাল যা হানিসাকল দিয়ে বাঁধা ছিল,<br>দুটো সাদা ঘুঘু বসেছিল, প্রতিটি ঘাড়ের ওপর একটা আভা<br>সমুদ্র-মুক্তোর সূক্ষ্ম খোসার ভেতরের<br>গোলাপ-দাগের মতো, যখন ভালোবাসা তাদের পালকের ওপর নিশ্বাস ফেলেছিল。<br>আর প্রত্যেকেই অন্যের চোখে প্রতিফলিত হয়েছিল,<br>ভাসমান আর অন্ধকার, আবেগের একটা স্বর্গ।
** (১০ মে ১৮২৩) ''পোয়েটিক্যাল ক্যাটালগ অব পেইন্টিংস - টু ডাভস ইন আ গ্রোভ। মিস্টার গ্লোভারস এক্সিবিশন।''
** (২৪ মে ১৮২৩) ''ইনেজ'' দ্য ইমপ্রোভাইজাট্রাইস (১৮২৪)-এ দেখুন
* এমন কোনো বন্ধন নেই<br>ভালোবাসার সেই শেষ সবচেয়ে পবিত্র যোগসূত্রের মতো, যা বাঁধে<br>নিঃসঙ্গ সন্তানকে তার আরও নিঃসঙ্গ বাবা-মায়ের সাথে।
** (৫ জুলাই ১৮২৩) ''আ টেল ফাউন্ডেড অন ফ্যাক্ট''
** (১২ জুলাই ১৮২৩) ''গ্লেনকো'' দ্য ভাও অব দ্য পিকক (১৮৩৫)-এ দেখুন
** (১৯ জুলাই ১৮২৩) ''এক্সিকিউশন অব ক্রিসেনটিয়াস'' দ্য ইমপ্রোভাইজাট্রাইস (১৮২৪)-এ ''ক্রিসেনটিয়াস'' হিসেবে দেখুন
* সৌন্দর্য সুন্দর জিনিসের চারপাশে থাকা উচিত।
* একটা নরম আর নীল ইতালীয় আকাশ, — সেই নীল<br>যা চিত্রকর আর কবিরা ভালোবাসে, — সেই নীল<br>প্রেমিক কুমারীর চোখে উপাসনা করে,<br>যার সৌন্দর্যই তাদের ক্ষমতা আর জাদু।
* আর দেয়ালের চারপাশে ছিল ছবি : পৃথিবীর<br>সবুজ সৌন্দর্যের কিছু শান্ত দৃশ্য, আর কিছু যার রং<br>নেওয়া হয়েছিল সেই মুখগুলো থেকে যাদের হাসিতে আমাদের জীবন<br>স্বর্গের মতো হয়ে ওঠে ; আর মূর্তি, যাদের সাদা অনুগ্রহ<br>কবিতার একটা স্বপ্নের মতো।
* ওহ প্রতিভা! তোমার তারায় ভরা মুকুট একপাশে ছুঁড়ে ফেলো,<br>তোমার রংধনু ডানাগুলো গুটিয়ে নাও, আর তোমার মাথার ওপর<br>ধুলো আর ছাই রাখো — কারণ, এই ঠান্ডা বিষণ্ণ পৃথিবী<br>শুধু তোমার কারাগার। হায় তার জন্য<br>যার কাছে তোমার বিপজ্জনক উপহারগুলো আছে, কারণ সেগুলো অনেকটা<br>সেই মারাত্মক উপহারগুলোর মতো যা অশুভ আত্মারা দেয়, —<br>উজ্জ্বল আর বিভ্রান্তিকর, যা মৃত্যুর দিকে নিয়ে যায়।
** (২৬ জুলাই ১৮২৩) ''দ্য আর্টিস্টস স্টুডিও''
* আকাশে চাঁদ অন্ধকার হয়ে গেছে<br>যেন দুঃখের ছায়া পাশ দিয়ে যাচ্ছে;
* আমি তোমাকে ঈর্ষা করি, তুমি যত্নহীন বাতাস !<br>কতটা হালকা, কতটা বন্য তোমার ঘুরে বেড়ানো :<br>তোমার কোনো পার্থিব শিকল নেই, বাঁধার জন্য<br>তোমার বায়বীয় ডানার ওপর একটা শৃঙ্খলও।
** (২ আগস্ট ১৮২৩) দুটোই ''সংস'' থেকে
* সবচেয়ে ভদ্র, আমি তোমার কাছে মাথা নত করি,<br>গোলাপ-ঠোঁটযুক্ত কবিতার রানি,<br>মিষ্টি ইরাটো, তুমি যার তারগুলো<br>শুধু ভালোবাসা-ছোঁয়া শব্দের জন্যই জাগে !
** (৯ আগস্ট ১৮২৩) ''পোয়েটিক্যাল ক্যাটালগ অব পিকচার্স। স্টোথার্ডস ইরাটো''
** (২৩ আগস্ট ১৮২৩) ''চেঞ্জ'' দ্য ইমপ্রোভাইজাট্রাইস (১৮২৪)-এ দেখুন
** (৩০ আগস্ট, ৬ এবং ১৩ সেপ্টেম্বর ১৮২৩) ''দ্য বায়াদের'' দ্য ইমপ্রোভাইজাট্রাইস (১৮২৪)-এ দেখুন
* এসো, শান্ত বীণা, আর আমাকে রাখতে দাও<br>তোমার সুরের সাথে যোগাযোগ,<br>আর আমার দুঃখের গল্প বলা হোক<br>তোমাকে, আমার বীণা, আর শুধু তোমাকেই।
** (২৭ সেপ্টেম্বর ১৮২৩) ''এক্সট্রাক্টস ফ্রম মাই পকেট বুক। সং''
* আমি তারাদের দিকে তাকাব আর তোমার দিকে তাকাব,<br>আর তোমার নিয়তির পাতা পড়ব।
** (১১ অক্টোবর ১৮২৩) ''দ্য জিপসিস প্রফেসি।''
** (২৫ অক্টোবর ১৮২৩) ''স্কেচ'' দ্য ইমপ্রোভাইজাট্রাইস (১৮২৪)-এ ''দ্য ওয়ারিয়র'' হিসেবে দেখুন
** (১৫ নভেম্বর ১৮২৩) ''পোয়েটিক স্কেচেস। ফোর্থ সিরিজ। স্কেচ ১। — দ্য পেইন্টার।'' দ্য ভাও অব দ্য পিকক গ্রন্থে দেখুন
** (৬ ডিসেম্বর ১৮২৩) পোয়েটিক স্কেচেস। ''ফোর্থ সিরিজ। স্কেচ ৪।— আ ভিলেজ টেল।'' দ্য ভাও অব দ্য পিকক গ্রন্থে দেখুন
* একটা গ্রীষ্মের দ্বীপ, এমন একটা যার ওপর দিয়ে বাতাস<br>সবসময় সুরেলা হয়ে বয়ে গেছে,— এমন বাতাস<br>যা গোলাপের বুকে জন্ম নেয়, আর মারা যায়<br>জলের ওপর গানের মতো।
* সেখানে দশ হাজার ফুল ফুটেছিল, যাদের পাতায়<br>জ্বলজ্বল করছিল প্রতিটি রং যা কখনো উজ্জ্বল হয়েছে<br>ভারতীয় রত্ন দিয়ে তৈরি কোনো রাজার মুকুটে,<br>অথবা সেই রংগুলোতে যা শরতের সূর্যাস্ত ছুঁড়ে দেয়<br>চলে যাওয়া বৃষ্টির রংধনু খিলানের মাঝে<br>সমৃদ্ধ হিমবাহগুলোর ওপর ;
* কোনো অন্য ভাষা নয়, শুধু কিছু নরম মিষ্টি শব্দ<br>সে পাখিদের কণ্ঠ থেকে ধরেছিল<br>যখন তারা সকালের উদ্দেশ্যে গাইত, আর সুরগুলো<br>ঝরনা থেকে পাঠানো হতো, যখন, একটা বীণার মতো,<br>এটি বাতাসের সাথে সংগীতে কথা বলত।
* যৌবনের প্রথম আনন্দের সাথে কিসের তুলনা করা যেতে পারে ?<br>দিনের আলো, আর লার্ক পাখির আনন্দময় গানের<br>একসাথে ফেটে পড়ার সাথে, — একটা হঠাৎ সুবাসের স্রোত,<br>যতক্ষণ না চঞ্চল ইন্দ্রিয়গুলো যুক্ত হয়<br>অতিরিক্ত আনন্দের সাথে,— একটা স্বপ্ন,— একটা গল্প<br>স্বর্গের, সুন্দর কবিতায় বলা।
** (১৩ ডিসেম্বর ১৮২৩) ''পোয়েটিক স্কেচেস। ফোর্থ সিরিজ। স্কেচ ৫।— দ্য আইল্যান্ড।''
====১৮২৪====
''<small>''ফ্র্যাগমেন্টস চতুর্থ সিরিজ। প্রথম কবিতা'': ''দ্য ভাও অব দ্য পিকক''-এ ''দ্য থেসালিয়ান ফাউন্টেন'' হিসেবে (২৪ জানুয়ারি ১৮২৪)।</small>''
* উজ্জ্বল আকৃতিগুলো দ্বারা চড়ে এল যাদের দেখে মনে হয়<br>ফুল আর আলো দিয়ে তৈরি প্রাণী,<br>তাদের চুল আর পালকের উজ্জ্বল রঙের সাথে<br>সকালের আকাশের মতো গৌরবময়।
* কিন্তু যেমন পুরোনো ঐতিহ্য বলে,<br>আরও অন্য, গভীর, মন্ত্র আছে<br>নিঃসঙ্গ আর রহস্যময় কুয়োগুলোর মধ্যে —<br>অদ্ভুত বন্য ভবিষদ্বাণীর মন্ত্র<br>খুব কম মানুষেরই চেষ্টা করার সাহস হয়েছে। —
* কুয়োগুলোকে সূর্যের আলো থেকে লুকাতে,<br>সে রুপালি সাদার জালগুলো নিল<br>যা সে নিজেই একাকী চাঁদের আলোয় বুনেছিল,<br>আর সেগুলো ওপরে ছুঁড়ে দিল, যাতে একটা রশ্মিও<br>তাদের গভীরতাকে দিনের এক ঝলক দিয়ে আলোকিত করতে না পারে;
* আমার মন্ত্র শেষ হয়েছে, আমার পুরস্কার জেতা হয়েছে ;<br>সত্যিকারের ভালোবাসা! তোমার সমান কেউ নেই;<br>সত্যিকারের ভালোবাসা ! কে তোমার জন্য বেছে নিতে পারে<br>সোনা বা রত্ন বা অহংকার ?<br>কোথায় সেই মন্ত্র যার জাদু প্রমাণ করবে,<br>তোমার জাদুর মন্ত্রের মতো, সত্যিকারের ভালোবাসা ?
** (২৮ ফেব্রুয়ারি ১৮২৪) ''মেট্রিক্যাল টেলস। টেল ১। দ্য থ্রি ওয়েলস - আ ফেয়ারি টেল''
* যেমনটা সে আশা করেছিল, — সে ঘুমাচ্ছে ; আর এখন<br>তার ঠোঁট তার স্পন্দিত ভ্রুর ওপর,<br>বিষ চুষে বের করছে : এটা ছিল পরমানন্দ<br>এটা জানা যে সে তার জীবনের জন্য নিজের জীবন দিয়েছে।
** (৬ মার্চ ১৮২৪) ''মেট্রিক্যাল টেলস। টেল ২। দ্য পয়জনড অ্যারো''
** (১৩ মার্চ ১৮২৪) ''মেট্রিক্যাল টেলস। টেল ৩। — দ্য সিস্টার্স'' দ্য ভাও অব দ্য পিকক গ্রন্থে দেখুন
* তবুও, আবার জাগো, আমি তোমাকে অনুরোধ করছি, জাগো;<br>আমার আত্মা এখনো তারগুলোর ওপর বেঁচে আছে —<br>আমার হৃদয়কে তার অন্যায়ের কথা বলতেই হবে, নইলে ভেঙে যাবে :<br>তবুও কি এটা শব্দে স্বস্তি পেতে পারে !
** (২০ মার্চ ১৮২৪) ''মেট্রিক্যাল টেলস। টেল ৪।— দ্য ট্রুবাদুর''
* আমি আমার স্বপ্নের ছবিগুলোকে ভয় পাই,<br>কারণ, তখন আমি তোমার দিকে তাকাই;<br>আর তুমি কাছে আছো, আর তুমিই সব<br>যেমনটা আমি তোমাকে দেখতে চাইতাম。<br>আর তারপর আমি আমার ঘুম থেকে চমকে উঠি,<br>আর সব মিথ্যা জানি, আর পাহারা দিই আর কাঁদি।
** (১০ এপ্রিল ১৮২৪) ''লাভ ইন অ্যাবসেন্স''
* আমি তোমার ভ্রুর কথা ভেবেছি যখন রাত<br>আমার প্যালেটের ওপর তার গ্রীষ্মের চাঁদের আলো ছুঁড়ে দিয়েছিল,<br>আর আমি মধ্যরাতের আকাশের দিকে তাকিয়েছি<br>তোমার চোখের গভীরতা আর আলো ধরতে ;<br>আমি এগুলো থেকে আর স্মৃতি থেকে এঁকেছি,<br>কারণ আমি আঁকতে পারিনি যখন আমি তোমার দিকে তাকিয়েছি।
** (২৮ এপ্রিল ১৮২৪) ''রাফায়েল শোয়িং হিজ মিস্ট্রেস হার পোর্ট্রেট বাই মিস্টার ব্রোকেডন। (ব্রিটিশ গ্যালারি।)''
* গভীর বিশ্রামের এক বিলাসিতা ! হৃদয়কে<br>নিশ্চয়ই এখানে শান্তিতে স্পন্দিত হতে হবে।
* ঈশ্বর ! এই পৃথিবীটা এত সুন্দর হওয়া উচিত,<br>আর তবুও এত হতভাগ্য !
** (২৮ এপ্রিল ১৮২৪) ''মুনলাইট। টি. সি. হফল্যান্ড।''
* রংধনু ডানার জাতি, গভীর নীল চোখ<br>যাদের প্রাসাদ ছিল একটা ফুলের বুক;<br>যারা গোলাপের নিশ্বাসের ওপর চড়েছিল ;<br>হেয়ারবেল থেকে পান করেছিল ; চাঁদকে রানি বানিয়েছিল<br>তাদের আনন্দময় উৎসবের ; আর যাদের ট্রাম্পেট ছিল<br>গোলাপি-শিরার হানিসাকল; আর যারা চড়েছিল<br>গ্রীষ্মের প্রজাপতির ওপর : যারা ঘুমিয়েছিল<br>ভায়োলেটের পাতার মিষ্টতায় শান্ত হয়ে,—<br>তোমরা এখন কোথায় ? আর তোমরা যারা পুবের গল্পের,<br>তোমাদের উজ্জ্বল প্রাসাদ, তোমাদের পান্নার হলরুম নিয়ে ;<br>বাগান যাদের ঝরনাগুলো ছিল তরল সোনার ;<br>গাছ তাদের রুবি ফল আর রুপালি পাতা নিয়ে,—<br>তোমরা এখন কোথায় ?
** (১২ জুন ১৮২৪) ''স্ট্যানজাস''
* আর তারপর বীণা, জানালার জাফরান, আর মেয়েটি,<br>সাদা গোলাপ, আর বিষণ্ণ গান —<br>ওহ, রাত, সুন্দর জিনিসের ওপর তোমার রাজত্ব শেষ ! —
* ওহ, হৃদয়<br>সংগীতের ক্ষমতা জানে না যতক্ষণ না সে ভালোবাসে !
* ওহ! উপভোগের নৈতিকতা! — ছড়ানো, চূর্ণবিচূর্ণ : —<br>যে কয়েকজন থেকে গিয়েছিল তাদের ফ্যাকাশে গাল, ভূতের মতো<br>বিদায়ী আনন্দের পদচিহ্ন তাড়া করছিল,<br>যখন তাদের ওপরের উজ্জ্বল ছবিগুলো নিচের দিকে তাকিয়ে ছিল<br>প্রায় উপহাসের সাথে।
** (১৭ জুলাই ১৮২৪) ''পোয়েটিক স্কেচেস - ফিফথ সিরিজ। স্কেচ দ্য ফার্স্ট। - ফিডেলিটি''
* মৃত্যুর সবচেয়ে ভয়ংকর পাঠ আছে ! এটা দুঃখজনক,<br>হ্যাঁ, অদ্ভুত, এমনকি বয়স্কদের মরতে দেখাও ;<br>কিন্তু যৌবন সম্পর্কে একটা আত্মবিশ্বাস আছে<br>জীবনের ওপর, যা একে ভয়ংকর করে তোলে।
* সেই আশা যা নীলের সবচেয়ে ছোট ঝলক আঁকড়ে ধরে<br>অন্ধকার একটা আকাশের মাঝে ; সেই ভয়<br>যা নিজের ওপর অসুস্থ হয়ে পড়ে; সেই প্রিয় প্রতারণা,<br>যা সত্য দেখতে চায় না ; সেই কোমলতা,<br>যা শুধু বিশ্বাস করতে চায় ; আর, শেষে,<br>সেই জ্ঞান যা আমরা এত দীর্ঘ সময় ধরে বৃথাই জেনেছি<br>একটা বজ্রপাতের মতো আসে, আর চূর্ণবিচূর্ণ করে দেয়।
** (২৪ জুলাই ১৮২৪) ''পোয়েটিক স্কেচেস - ফিফথ সিরিজ। স্কেচ দ্য সেকেন্ড। - ইনফিডেলিটি''
** (৩১ জুলাই ১৮২৪) ''পোয়েটিক স্কেচেস - ফিফথ সিরিজ। স্কেচ দ্য থার্ড।—দ্য নাইটস টেল।'' দ্য ভাও অব দ্য পিকক গ্রন্থে দেখুন
* কিন্তু আমাকে তোমার কাকের মতো কালো চুলের একটা কার্ল দাও,<br>আর, স্বর্গে তোমার সব আশার কসম খেয়ে, শপথ করো<br>যে, যা-ই ঘটুক না কেন তুমি তোমার কনেকে দাবি করবে,<br>আর তুমি আগামীকাল আমার পাশে শুয়ে থাকবে।
* সেই দিন তরুণটিকে গল্পটা বলা হয়েছিল,<br>কীভাবে সে ঘোমটার নিচে কষ্ট পেয়েছিল<br>আর মারা গিয়েছিল, আর তারপর তারা তার কবর দেখিয়েছিল—<br>সে সেই সাইপ্রাসের সবুজ ঢেউ চিনত। —<br>সেই রাতে, একা, সে তার কনের ওপর পাহারা দিয়েছিল —<br>পরের দিন তারা তাকে তার পাশে শুইয়ে দিয়েছিল।
** (১৮ সেপ্টেম্বর ১৮২৪) ''দ্য ফ্যান্টম ব্রাইড''
* আর সব নীরব ছিল। — শুধু যখন বুনো মৌমাছিরা।<br>তাদের দুপুরের উৎসবে মত্ত হয়ে,<br>গুঞ্জন করতে করতে, সেই ফুলগুলোকে চুমু খেত যেখানে তারা শুয়ে ছিল ;<br>অথবা যখন বাতাস একটা সবুজ পাতাকে উড়িয়ে নিয়ে যেত;<br>অথবা যখন ঘুঘুর ডানার ঝটপটানি<br>তার করুণ ক্লান্তির গানকে প্রতিধ্বনিত করত —
** (২ অক্টোবর ১৮২৪) ''দ্য গ্লেন''
* হ্রদটা ছিল সেই গভীর নীল, যা রাত<br>তার সর্বোচ্চ চাঁদের পূর্ণ আলোয় পরে;<br>নুড়িগুলো এর ভেতর দিয়ে জ্বলজ্বল করছিল, রত্নের মতো<br>সুলতানার মুকুট আলোকিত করার মতো :
** (২ অক্টোবর ১৮২৪) ''দ্য লেক''
* গত রাতে আমি আমার জানালার ধারে ঝুঁকেছিলাম,<br>আর উজ্জ্বল আকাশের দিকে তাকিয়েছিলাম;<br>আর তারাদের একটা দলকে লক্ষ্য করেছিলাম, যা মিলেছিল,<br>প্রায় যেন উদ্দেশ্যমূলকভাবে সেট করা হয়েছিল<br>একসাথে তাদের সৌন্দর্যের জন্য, —
** (৩০ অক্টোবর ১৮২৪) ''দ্য স্টারস''
* একটা ফুল আছে, একটা বেগুনি ফুল<br>বাতাস দ্বারা বোনা, বৃষ্টি দ্বারা লালিত,<br>যার ওপর ভালোবাসা একটা ক্ষমতা আর মন্ত্র নিশ্বাস ফেলেছে<br>ফিসফিস করা আশার সত্য বলার জন্য。<br>(লেডিস বুক অব ফ্লাওয়ারস, ১৮৪২ অনুসারে, এটি হলো সেন্টাউরি)
* সে ভালোবাসে না, সে আমাকে ভালোবাসে, সে আমাকে ভালোবাসে না,<br>সে আমাকে ভালোবাসে, — হ্যাঁ, তুমি শেষ পাতা, হ্যাঁ,<br>আমি তোমাকে ছিঁড়ব না, ওই শেষ মিষ্টি অনুমানের জন্য!<br>" সে আমাকে ভালোবাসে,”
** (১৩ নভেম্বর ১৮২৪) ''দ্য ডিসিশন অব দ্য ফ্লাওয়ার''
* এই পাহাড়-অ্যাশ, যার ফুলে-ভরা ডালগুলো<br>দুপুরে একটা মেঘের মতো ছড়িয়ে পড়ে —<br>যার ছায়া একটা ভুতুড়ে জায়গার মতো<br>জুনের মিষ্টি বাতাসের জন্য :<br>এটা শুধু একটা ছোট গুল্ম ছিল যখন প্রথম<br>আমি তোমার চুলের মাঝে গেঁথেছিলাম<br>এর বেরিগুলো, প্রবাল মুকুটের মতো<br>যা সমুদ্র-কুমারীরা পরে।
** (২০ নভেম্বর ১৮২৪) ''কনস্ট্যান্সি''
* এভাবেই সময়ের সাথে চলে যাওয়া,<br>যৌবনের মিষ্টি উপহারগুলো ক্ষয়ে যায় ;<br>তাদের প্রস্ফুটন দ্রুত চলে যায়, এভাবেই একের পর এক,<br>যতক্ষণ না তাদের আসল রূপটাই চলে যায় ;<br>স্মৃতি শুধু ঘোষণা করতে বাকি থাকে<br>তারা কতটা সুন্দর আর মিষ্টি ছিল!<br>বসন্তের প্রথম নীল দুপুরে,<br>কে ম্লান হয়ে যাওয়ার কথা ভাবতে পারে?
** (২৫ ডিসেম্বর ১৮২৪) ''ফেডেড ফ্লাওয়ারস''
====১৮২৫====
* আমি নিজের জন্য একটা ছোট নৌকা বানালাম<br>আর একে সাগরে ভাসালাম ;<br>আর বিশাল পৃথিবীতে বেরিয়ে পড়লাম<br>সেখানে কী থাকতে পারে তা দেখতে।
** (৩০ এপ্রিল ১৮২৫) ''রিয়েলিটিস''
* আমার কাছে একটা গ্রীষ্মের উপহার আছে,<br>তোমার জন্য একটা রোদেলা উপহার :<br>এই সাদা ফুলদানিটা দেখো, যেখানে ফুটেছে<br>একটা সুন্দর গোলাপ গাছ。<br>আর এর লাল পাতায়<br>তোমার হৃদয়কে অবশ্যই নৈতিকতা খুঁজতে হবে,<br>কারণ ভালোবাসা একটা পাঠ নেয়<br>যে প্রতিটি পাতা মারা যায় তার থেকে।
** (১৪ মে ১৮২৫) ''সং''
* ওহ ! একজন নারীর কথা কখনোই তার চেয়ে বেশি হওয়া উচিত নয়<br>যে দীর্ঘশ্বাসগুলো উচ্চারণ খুঁজে পেয়েছে।
** (৫ জুন ১৮২৫) ''পোর্ট্রেটস ১''
* সুখ ! আমার বরং আনন্দ বলা উচিত,<br>সুখ পৃথিবীতে কখনোই থাকেনি —
** (৫ জুন ১৮২৫) ''পোর্ট্রেটস ২''
* কে সেই সুন্দর জাহাজটিকে দেখে<br>যা উজ্জ্বল ঢেউয়ের ভেতর দিয়ে ছুটে যাচ্ছিল。<br>স্বপ্ন দেখবে যে স্বৈরশাসকরা তার ডেকে হেঁটেছিল,<br>আর তার মালবাহী জিনিস ছিল দাস !
** (২০ আগস্ট ১৮২৫) ''দ্য স্লেভ শিপ'' (আয়োলি ছদ্মনামে)
* আমি বরং একজন দাস হতাম<br>শৃঙ্খলিত দাসত্বে তোমার পাশে,<br>পৃথিবী যা দিতে পারে তার সবকিছুর অংশীদার হওয়ার চেয়ে,<br>যদি এর পাশাপাশি তোমাকে না দেওয়া হতো।
** (১ অক্টোবর ১৮২৫) ''স্ট্যানজাস''
* আমি প্রশংসার সেই কথাগুলো ছেড়ে দিতাম যা এখন<br>আমার গাল লাল করে আর আমার নাড়ি স্পন্দিত করে。<br>আমি যদি শুধু ভাবতে পারতাম যে যখন আমার হৃদয় ঠান্ডা হয়ে যাবে<br>আর আমার ঠোঁট আবেগহীন হবে, আমার গানগুলো<br>তরুণ চারণকবিদের প্রথম আনন্দের মাঝে গোনা হবে,<br>আর প্রেমিক দ্বারা বিড়বিড় করা হবে যেখানে তার মামলা<br>কবিতাকে ভালোবাসার নিশ্বাস নিতে ডাকে।
** [এই অনুচ্ছেদটি ''এরিন্না''তে আছে, পরিবর্তিত]
* জীবন একটা গ্রীষ্মমণ্ডলীয় দিন,<br>ধুলো আর রোদে শুকিয়ে যাওয়া ;<br>আর মৃত্যু হলো শান্ত শীতল রাত,<br>যখন ক্লান্ত দিন শেষ হয়।
** (১৭ ডিসেম্বর ১৮২৫) ''পোয়েটিক ফ্র্যাগমেন্টস - ফিফথ সিরিজ''
* এটা একটা মুখ ছিল, শুধু লজ্জার আভা ছাড়া<br>চারপাশের খোদাই করা বৈশিষ্ট্যগুলো থেকে একে আলাদা করার জন্য কিছু ছিল না :<br>এর সৌন্দর্যে ততটাই নিখুঁত ; কিন্তু সেই ফ্লাশ<br>পার্থিব উষ্ণতা আর পার্থিব অনুভূতির মুকুট পরিয়েছিল<br>প্রকৃতির মাস্টার-পিসকে ;— সেই সমৃদ্ধ স্রোত<br>ছিল হৃদয় থেকে, যা এভাবে একটা ভাষা খুঁজে পেয়েছিল,<br>সত্য আর নীরবতার বাগ্মিতা সবসময় : —<br>কথা, দীর্ঘশ্বাস, আর হাসি প্রতারণা করে, কিন্তু লজ্জার আভা কখনো নয়।
** (২৪ ডিসেম্বর ১৮২৫) ''মেট্রিক্যাল ফ্র্যাগমেন্টস - নম্বর ১ অ্যানিকডোট অব ক্যানোভা'' (আয়োলি ছদ্মনামে)
====১৮২৬====
* কোথায়, ওহ, কোথায় সেই শেকল ছুঁড়ে ফেলার জন্য,<br>এমন একটা যা কিউপিডের ডানা বাঁধবে—<br>এমন একটা যার ক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ী হবে<br>এপ্রিলের সূর্য বা বৃষ্টির চেয়ে?
** (১৪ জানুয়ারি ১৮২৬) ''লেজিয়োনে পের ল'আমোরে''
* জাঁকজমকপূর্ণ হলরুমে ভোজের আয়োজন করা হয়েছে,<br>শহরের দেয়ালের চারপাশে প্রদীপগুলো জ্বলছে,<br>আর অনেক আলোর বন্যা পড়ছে<br>অনেক সম্মানিত নামের ওপর。<br>তুমি এগুলো থেকে মুখ ফিরিয়ে নাও, আর সেখানে প্রবেশ করো যেখানে<br>কোনো মা তার হতাশার ওপর কাঁদছে,<br>কোনো হতভাগ্য কনে তার সমৃদ্ধ চুল ছিঁড়ছে,<br>কোনো অনাথ কান্নায় যোগ দিচ্ছে !<br>তারপর আবার ফিরে যাও মৃত্যুর মাঠে,<br>যেখানে তারা শুয়ে আছে যাদের জন্য তারা বৃথাই কাঁদছে,<br>আর জিজ্ঞাসা করো, নিহতদের দিকে তাকিয়ে,<br>তুমি কী, বিজয় ?
** (২১ জানুয়ারি ১৮২৬) ''আইও ট্রায়াম্ফে'' (আয়োলি ছদ্মনামে)
* ভালোবাসা আমাদের বিশ্বাসে ঐশ্বরিক<br>এর অনন্তকালের — কতটা বৃথা,<br>যখন আমরা জেনেছি যে ভালোবাসা মরতে পারে,<br>এটা ভাবা যে সে আবার বাঁচতে পারে !
** (৪ ফেব্রুয়ারি ১৮২৬) ''দ্য পাস্ট'' (আয়োলি ছদ্মনামে)
* তার প্রতিচ্ছবি ! কেন এটা একটা বৃথা চেষ্টা<br>একে কল্পনা করা। পেইন্টিং বা শব্দ হয়তো কখনো<br>বলতে পারবে না সে কী ছিল ; তবুও আমি এই কাজটার ওপর থাকি,<br>যেন সেই কবিতার অধিকার আছে জিজ্ঞাসা করার<br>স্মৃতির কাছ থেকে তার সম্পদ।
** (২৫ মার্চ ১৮২৬) ''ইয়ান্থে। আ পোর্ট্রেট'' (আয়োলি ছদ্মনামে)
** (২৫ মার্চ ১৮২৬) ''মুন'' দ্য ভাও অব দ্য পিকক গ্রন্থে দেখুন
* সকালের সূর্য উঠল —<br>তবুও উৎসবের টেবিল পাতা ছিল —<br>তবুও আয়োজক আর অতিথিরা চারপাশে ছিল ;<br>কিন্তু আয়োজক আর অতিথিরা মৃত ছিল !
** (২২ এপ্রিল ১৮২৬) ''দ্য ডেথ-ফিস্ট'' (আয়োলি ছদ্মনামে)
* কোনটা সেরা,<br>একটা আবেগপূর্ণ জলবায়ুতে সৌন্দর্য আর গৌরব,<br>বজ্রপাত, ঝড়ের সাথে মেশানো; — অথবা শান্ত<br>সেই আকাশগুলো যা খুব কমই বদলায় — যা, অন্তত,<br>যদি তাদের খুব একটা আলো না থাকে, তবে কোনো ঝড়ও নেই?
** (২০ মে ১৮২৬) ''লাইফ''
* আমরা খুঁজি—আমরা পাই—<br>আর দেখি যে খোঁজার সাথে সাথে আকর্ষণ কমে গেছে。<br>স্নেহ—আনন্দ—সব কিছু যাতে আমরা বিশ্বাস করি, —<br>এগুলোর শেষ কী হয় ?—কিছু না, বা বিরক্তি।
** (১ জুলাই ১৮২৬) ''মোরালাইজিং''
* আমি যুদ্ধক্ষেত্র খুঁজব না —<br>সেখানে আমি যাদের সাথে দেখা করব,<br>তারা আমার কী করেছে যে আমাকে<br>তাদের জীবন-রক্ত ঝরাতে মিষ্টি লাগবে ?<br>মানুষের সবচেয়ে উন্মাদ মেজাজে<br>যে উন্মাদনা তৈরি করতে পারে এটাই সেই সবচেয়ে চরম উন্মাদনা,<br>মানুষের রক্ত দিয়ে পৃথিবীকে খাওয়ানো,<br>আর তারপর একে খ্যাতি বলে ডাকা。<br>আমার ওপর অন্যায় করা হয়েছে ; কিন্তু আমার প্রতি করা অন্যায় যদি<br>এযাবতকালের সবচেয়ে মারাত্মক অন্যায়ও হয়,<br>আমি আমার শত্রুকে হত্যা করব না,<br>বরং তাকে বেঁচে থাকতে বলব :—<br>আর আমি আমার প্রতিশোধকে মনে করব আরও বেশি কিছু<br>লড়াইয়ে মৃত্যুর ক্ষতের চেয়ে—<br>জীবনের প্রতিটি প্রহরে চাপিয়ে দেওয়া কষ্টের মতো<br>মৃত্যু কী কষ্ট দিতে পারে ?
** (১৯ আগস্ট ১৮২৬) মেট্রিক্যাল ফ্র্যাগমেন্টস - নম্বর ১ (আয়োলি ছদ্মনামে)
* পৃথিবীর সব নিয়তি কঠোর, — কিন্তু তার সবচেয়ে কঠিন<br>যে সেই প্রশংসা বিশ্বাস করতে পারে না যা সে শুনতে ভালোবাসে —<br>যে তার খ্যাতি নিশ্চিতভাবে ধরে রাখতে পারে না যতক্ষণ না, বড্ড দেরিতে,<br>মৃত্যু আর সত্যের সিলমোহর ভাগ্য দ্বারা সেট করা হয়।
* সে কথা বলল, সেগুলো ছিল মাত্র কয়েকটা তাড়াহুড়োর কথা —<br>চারপাশের মিষ্টি ফুল নিয়ে, গরম, রাত —<br>তবুও সেগুলো এমন ছিল যা আশীর্বাদপুষ্ট হৃদয় রেকর্ড করে<br>অনেক পরের মুহূর্তের দীর্ঘ আনন্দের জন্য ;<br>তারা তার আত্মার গভীরতম কর্ডগুলো ছুঁয়েছিল ;<br>যদিও অর্থ ভেঙে গিয়েছিল, উচ্চারণ হালকা ছিল,<br>তবুও তার কাছে সেই কাঁপানো সুরটা আরও মিষ্টি ছিল<br>সেই সমস্ত বাগ্মিতার চেয়ে যা মালিক হতে পেরে গর্বিত হতো।
** (২৬ আগস্ট ১৮২৬) ''মেট্রিক্যাল ফ্র্যাগমেন্টস নম্বর ২। টাসোস লাস্ট ইন্টারভিউ উইথ দ্য প্রিন্সেস লিওনোরা।'' (আয়োলি ছদ্মনামে)
* সে তার ঘোড়ার ওপর লাফিয়ে উঠল, আর বাতাসের মতো<br>তারা গতিতে ছুটে চলল ; প্রথমে তার ঘোরালো মস্তিষ্ক<br>একটা বিশৃঙ্খলার মতো সাঁতার কাটছিল— মনের রহস্য<br>যা তার নিজের কাজগুলোকে গাইড করতে চাইবে, কিন্তু বৃথাই :
* সে এখন বাগানে ঢুকল, আর একটা পতন<br>গানের, কণ্ঠ আর বীণার, তার কানে পড়ল :<br>প্রথমে এটা তিনগুণ মিষ্টি আর সুরেলা মনে হলো,<br>কিন্তু সে যত কাছে এল এটা আরও বিষণ্ণ হয়ে উঠল।
** (৯ সেপ্টেম্বর ১৮২৬) ''মেট্রিক্যাল ফ্র্যাগমেন্টস নম্বর ৪ - দ্য রিডিমড ক্যাপটিভ'' (আয়োলি ছদ্মনামে)
** (১৬ সেপ্টেম্বর ১৮২৬) ''মেট্রিক্যাল ফ্র্যাগমেন্টস নম্বর ৫ - দ্য ফ্রোজেন শিপ'' (আয়োলি ছদ্মনামে) দ্য ভাও অব দ্য পিকক গ্রন্থে দেখুন
* মৃতরা ! মৃতরা ! আর তারা কি এখানে ঘুমায়,<br>অন্য বছরের হারিয়ে যাওয়া মানুষগুলো —<br>মৃতরা ! মৃতরা ! তারা কি এখানে থাকতে পারে,<br>যেখানে মৃত্যুর কিছুই দেখা যায় না ?
** (৭ অক্টোবর ১৮২৬) ''দ্য তুমুলি''
* পাতা সবুজ হয় ঝরে পড়ার জন্য,<br>ফুল সুন্দর হয় ম্লান হওয়ার জন্য,<br>ফল পাকে পচে যাওয়ার জন্য —<br>সবকিছুই শুধু ক্ষণস্থায়ী হওয়ার জন্য তৈরি।
** (১৪ অক্টোবর ১৮২৬) ''চেঞ্জেস''
====১৮২৭====
** (২৭ জানুয়ারি ১৮২৭) ''উইলো লিভস'' ট্রান্সলেশনস বা অনুবাদের নিচে দেখুন
* হাজারো ডাল থেকে হাজারো গান<br>আনন্দময় পাখিদের আনন্দ ঘোষণা করে ;<br>ছোট নদীগুলো স্ফটিক আলোয় হাসছে—<br>কারণ বসন্তের উপস্থিতি সেখানে আছে।
** (৩ মার্চ ১৮২৭) ''বার্থডে ইন স্প্রিং''
* মধ্যরাতের স্বপ্নের আত্মা,<br>তোমার ডানায় এখন কী আছে ?<br>পৃথিবী চাঁদের আলোয় ঘুমাচ্ছে ;<br>সেই ঘুমের ওপর তুমি কী ছুঁড়ে দেবে ?
** (৩১ মার্চ ১৮২৭) ''দ্য স্পিরিট অব ড্রিমস''
* পৃথিবীর গৌরব, আর স্বর্গের আলো,<br>তরুণ প্রতিভা ! কিন্তু তোমার জন্য,<br>আর তোমাকে দেওয়া সেই বন্য আশ্চর্যের জন্য,<br>আমাদের পৃথিবী কতটা ভিত্তিহীন হতো !
** (১৯ মে ১৮২৭) ''জিনিয়াস''
* মৃত্যু একজন বন্ধুর মতো এসেছিল তোমাকে ফিরিয়ে দিতে<br>তাদের কাছে যারা তোমার আগে মারা গিয়েছিল:<br>বাবা, মা,<br>বোন, ভাই—<br>এদের কেউই তোমার ওপর শোক করার জন্য ছিল না。<br>কিন্তু এখন যেহেতু মৃত্যু তোমাকে খুঁজে পেয়েছে,<br>তোমার আত্মীয় আর বন্ধুরা তোমার চারপাশে আছে ;<br>তারা তাদের বিশ্রামে শুয়ে আছে<br>অন্ধকার ইউ গাছের ছায়ায়,<br>আর তাদের মতো ঠান্ডা ঘুম তোমাকেও বেঁধেছে।
** (১৮ আগস্ট ১৮২৭) ''ইউথানাসিয়া''
====১৮২৮====
** (১৬ ফেব্রুয়ারি ১৮২৮) ''দ্য চেঞ্জ'' দ্য ভাও অব দ্য পিকক গ্রন্থে দেখুন
** (১৬ ফেব্রুয়ারি ১৮২৮) ''দ্য লিগ্যাসি অব দ্য লায়ার'' দ্য ভাও অব দ্য পিকক গ্রন্থে দেখুন
====১৮২৯====
** (৩ জানুয়ারি ১৮২৯) ''দ্য চার্চইয়ার্ড'' দ্য ভাও অব দ্য পিকক গ্রন্থে দেখুন
** (৩ জানুয়ারি ১৮২৯) ''চেঞ্জ'' দ্য ভাও অব দ্য পিকক গ্রন্থে দেখুন
* সেই প্রতিভাধরদের মধ্যে একজন যারা পৃথিবীতে হাঁটে,<br>তাদের সৌন্দর্যে ফেরেশতাদের মতো, আর সেই সময়<br>বাতাস তাদের ডানার সংগীতে ভরে যায়।
** (৩১ জানুয়ারি ১৮২৯) ''লাইনস টু দ্য অথর আফটার রিডিং দ্য সোরোস অব রোজালি''
* . . . ওহ! হৃদয়<br>তার নিজের সুখ তৈরি করে, সম্ভবত সেরা,<br>যখন কোনো এক গ্রাসকারী ভালোবাসার কাছে পবিত্র হয় !
* গুচ্ছবদ্ধ লতা থেকে ছায়াটা আরও গাঢ় হয়ে পড়েছিল,<br>যার সবুজ ডালগুলো একটা মালার মতো জাফরানকে জড়িয়ে রেখেছিল ;<br>লার্ক পাখিটা সেই সুরেলা আনন্দময় হাসি থামিয়ে দিয়েছিল<br>যা দিয়ে সে সকালকে স্বাগত জানায়; সুরে সুরে<br>ম্যাটিন গানটা বাতাসে মিলিয়ে গিয়েছিল;<br>সাইপ্রাস গাছগুলোর ওপর যে শিশির ঝুলে ছিল<br>তা দুলতে থাকা পাতাগুলোর ওপর রোদে পরিণত হয়েছিল;—
** (১৪ ফেব্রুয়ারি ১৮২৯) ''লাইনস অন নিউটনস পিকচার অব দ্য ডিসকনসোলেট''
* আমরা বলি যে মানুষ এবং জিনিসগুলো বদলে গেছে;<br>হায় ! আসলে আমরা নিজেরাই বদলাই : হৃদয়<br>চারপাশের সবকিছুকে তার নিজের আয়নায় পরিণত করে।
*কোথায় সেই ফুলগুলো, সেই সুন্দর ফুলগুলো,<br>যা বসন্তে তোমার বাড়ি আর তোমার হৃদয়কে তাড়া করত ?<br>আগের প্রহরগুলোর সেই রোদ কোথায় ?<br>কোথায় সেই সুর যা পাখিরা নিয়ে আসত ?
** (৯ মে ১৮২৯) ''চেঞ্জ''
** (২০ জুন ১৮২৯) ''ফেম : অ্যান অ্যাপোলোগ'' দ্য ভাও অব দ্য পিকক গ্রন্থে ''দ্য থ্রি ব্রাদার্স'' হিসেবে দেখুন
** (২৯ আগস্ট ১৮২৯) ''ফার্স্ট গ্রেভ'' দ্য ভাও অব দ্য পিকক গ্রন্থে ''দ্য সিঙ্গেল গ্রেভ'' হিসেবে দেখুন
====১৮৩০====
** (২৯ মে ১৮৩০) ''দ্য ফেস্টিভ্যাল'' দ্য ভাও অব দ্য পিকক গ্রন্থে দেখুন
** (২১ আগস্ট ১৮৩০) ''দ্য অ্যাস্পেন ট্রি'' দ্য ভাও অব দ্য পিকক গ্রন্থে দেখুন
** (২১ আগস্ট ১৮৩০) ''ফলো মি!'' দ্য ভাও অব দ্য পিকক গ্রন্থে দেখুন
* জীবনের জন্য কাঁদো, এর পরিশ্রম আর যত্নের জন্য,<br>এর পাপ এড়ানোর জন্য, আর এর দুঃখ সইবার জন্য ;<br>কান্না আর কান্নার চিহ্ন ঝরতে দাও<br>জীবিতদের ওপর, মৃতদের ওপর নয় !
** (২১ আগস্ট ১৮৩০) ''দ্য লিগ্যাসি অব দ্য রোজেস''
====১৮৩১====
* এর বেরিগুলো কুমারীর ঠোঁটের মতো লাল,<br>এর পাতাগুলো অপরিবর্তিত সবুজ ;<br>আর এখন যেকোনো অপরিবর্তিত জিনিস, আমি জানি,<br>দেখাটা বেশ বিরল。<br>হলি গাছ, যা পতন আর তুষার সহ্য করেছে,<br>হলি গাছই হলো ক্রিসমাসের সকালের মালা।
** (১ জানুয়ারি ১৮৩১) ''ক্রিসমাস ক্যারল''
* গোলাপ ঝরে পড়তে দাও, আরেকটা গোলাপ<br>সেই একই গাছে ফুটবে ;<br>পাখিটাকে মরতে দাও, সন্ধ্যা নামার আগে<br>অন্য কোনো পাখি আমার জন্য গাইবে。<br>প্রিয়জনের জন্যই ভালোবাসা,<br>সুখীদের জন্যই দয়ালু হওয়া ;<br>স্নেহ যে যোগসূত্রগুলো বাঁধে, দুঃখ<br>মৃত্যুর চেয়েও বেশি তা সরিয়ে দেবে।
** (২ এপ্রিল ১৮৩১) ''লাইনস সাপোজড টু বি দ্য প্রেয়ার অব দ্য সাপ্লিকেটিং নিম্প ইন মিস্টার লরেন্স ম্যাকডোনাল্ডস এক্সিবিশন অব স্কাল্পচার্স''
* কালো (কারণ এমন খনিগুলো দেয়<br>যেখানে সূর্য কখনো আলো দেয়নি,<br>যার ওপর শুধু রাত বিশ্রাম নেয়,<br>ছিল মার্বেলের মেঝে, যা দিয়েছিল<br>কোনো পরিষ্কার অন্ধকার ঢেউয়ের মতো আয়না।
* মূর্তি যাদের বিশ্রামে দেওয়া হয়েছে বলে মনে হয়<br>পৃথিবীর জীবন নয়, স্বর্গের জীবন ;<br>কারণ এখানে রাখা প্রতিটি মূর্তি<br>কী অমর মনে<br>এর সৌন্দর্য আর এর ক্ষমতা তৈরি করে —<br>প্রতিভার চিরস্থায়ী উপহার :
** (২৫ জুন ১৮৩১) ''দ্য হল অব স্ট্যাচুস''
* তার হৃদয়টা একটা পোকা-খাওয়া বাদামের মতো:<br>এর ভেতরে কিছু নেই ; কিন্তু এটা শক্তভাবে বন্ধ।
** (১ অক্টোবর ১৮৩১) ''এপিগ্রাম অব আ মাইজার''
====১৮৩২====
* এখন ধিক্কার তোমাকে, ক্রিসমাস !<br>এটা কি সেই আনন্দের সময় <br>যখন লাল চুলা জ্বলত, বীণাবাদক গাইত,<br>আর ঘণ্টাগুলো তাদের গৌরবময় সুর বাজাত ? . . .
* আমি একজন বয়স্ক নারীকে ফিরতে দেখলাম <br>তার হতভাগ্য বাড়িতে আবার — <br>সারা দিন সে ভিক্ষা চেয়েছিল,<br>আর সারা দিন বৃথাই চেয়েছিল। . . .
* এটাই কি সেই অভিশাপ যা পৃথিবীর ওপর রাখা হয়েছে ?<br>আর এটা কি সবসময় এমনই হতে হবে, <br>যে মানুষের ভালো এমন কিছুই থাকতে পারে না<br>যা কোনো না কোনো মন্দ থেকে বয়ে আসে না ? . . .
* তাহলে প্রাচীনকালের বোকামির ওপর ধিক্কার— <br>সেই বোকামি যা তোমার আনন্দ কামনা করত : <br>চারপাশের যন্ত্রণার দিকে তাকাও, চারপাশের দুর্নীতির দিকে তাকাও,<br>তারপর পৃথিবীতে আনন্দ করার সাহস করো !
** (১৪ জানুয়ারি ১৮৩২) ''ক্রিসমাস'' অংশবিশেষ
** (২৮ এপ্রিল ১৮৩২) ''দ্য লিটল শ્રાউড'' দ্য ভাও অব দ্য পিকক গ্রন্থে দেখুন
* কবিরা বলেছে তোমার জন্ম <br>পৃথিবীতে স্বাগত জানানো হয়েছিল <br>উজ্জ্বল ফুলেদের মিষ্টি ভিড় দিয়ে,<br>ফোটা কুঁড়ি, সবুজ পাতা, আর রোদেলা প্রহর দিয়ে।
* তারা জানে বছরের মধ্যে মে মাস থাকতে হবে, <br>নইলে তারা কখনোই স্বপ্ন দেখত না যে মে এখানে ছিল।
** (১২ মে ১৮৩২) ''আওয়ার প্রেজেন্ট মে''
* গৌরবময় আর সুন্দর<br>ছিল যৌবনের অনুভূতি আর যৌবনের চিন্তা—<br>ইশ যদি আমরা বাতিল না করতাম <br>আমাদের মধ্যে তখন যা তৈরি হয়েছিল তার সব !<br>ইশ তাদের প্রভাব থেকে যেত<br>যখন আশা আর স্বপ্ন চলে যায় ;<br>ইশ আমরা সারা জীবন ধরে রাখতে পারতাম<br>হৃদয়ের মধ্যে এখনো কিছু যৌবন !
** (১১ আগস্ট ১৮৩২) ''ইউথ''
* আমাদের আকাশ আরেকটা তারা হারিয়েছে,<br>পৃথিবী তার নিজের জিনিসকে দাবি করেছে,<br>আর ভয়ংকর অনন্তকালের মধ্যে <br>একজন গৌরবময় মানুষ চলে গেছে। <br>যিনি চলে যাওয়া জিনিসগুলোকে দিতে পারতেন<br>এত আলো আর নিশ্বাস, <br>তিনি নিজেই এখন অতীতের সাথে —<br>জীবন থেকে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে গেছেন।
** (২৯ সেপ্টেম্বর ১৮৩২) ''অন দ্য ডেথ অব স্যার ওয়াল্টার স্কট''
====১৮৩৩-১৮৩৫====
* মিষ্টি সকাল কি ওঠে,<br>কনের মতো, ঘুম থেকে,<br>যখন তাদের প্রথম আনন্দ উৎসব<br>পাখি আর মৌমাছি করে,<br>সবুজ গাছে<br>আনন্দে গান গেয়ে ?<br>তারপর, যখন আমার আশাগুলো উঁচুতে থাকে,<br>আমি তোমার কথা ভাবি।
** (৫ জানুয়ারি ১৮৩৩) ''সংস''
* নীরব জলের গভীরে,<br>হাজার ফ্যাহম নিচে,<br>একটা সাহসী জাহাজ ধ্বংস হয়ে পড়ে আছে —<br>সে অনেক আগে ডুবে গিয়েছিল।
** (১২ জানুয়ারি ১৮৩৩) ''দ্য লস্ট শিপ''
* মেঘ, আর তারা নয়, তাদের কাছে<br>লক্ষণ আর চিহ্ন দেওয়া হোক—<br>মেঘ, আমাদের মাটির বাষ্প,<br>তারা নয়, যাদের উপাদান স্বর্গ。<br>গভীর হওয়া ছায়া, উড়ন্ত আলো,<br>চিহ্নিত করো আগামী প্রতিটি মাস কী জানবে—<br>ক্ষণস্থায়ী আনন্দ, অবিরাম যত্ন,<br>নিচে জীবনের বিষণ্ণ তীর্থযাত্রার।
* ওই হাসিখুশি ঘণ্টাগুলো, তারা কীভাবে<br>নতুন জন্ম নেওয়া বছরকে স্বাগত জানাতে পারে?<br>অতীত কেমন ছিল আমি তা ভাবি ;<br>আমি আশা করতে পারি না—আমি শুধু ভয় পাই।
** (৪ জানুয়ারি ১৮৩৪) ''দ্য নিউ ইয়ার''
* আর সেখানে সুন্দর লিলি ফুটেছিল,<br>গ্রীষ্মের সবচেয়ে পবিত্র ফুল,<br>আর অনেক ছোট্ট পরী জানত<br>এর কুঞ্জবনের আশ্রয়,
** (৭ জুন ১৮৩৪) ''দ্য হিস্ট্রি অব দ্য লিলি''
** (২৫ অক্টোবর ১৮৩৪) ''দ্য এক্সাইল''। ফরাসি থেকে অনুবাদের নিচে দেখুন
** (১৮৩৫) ''ভার্সনস ফ্রম দ্য জার্মান'' এর জন্য, জার্মান থেকে অনুবাদের নিচে দেখুন
===দ্য মান্থলি ম্যাগাজিন===
'''লিভিং লিটারারি ক্যারেক্টারস, নম্বর ৫. - এডওয়ার্ড লিটন বুলওয়ার (১৮৩১-১)''' ভলিউম ৩১ পৃষ্ঠা ৪৩৭
* এটি একটি অবিসংবাদিত সত্য যে, অন্যান্য শ্রেণির অনুপাতে অভিজাতরা "উন্নতি" করেনি। বর্তমান যুগের একজন তরুণ অভিজাতের শিক্ষা এলিজাবেথের সময়ের তার পূর্বপুরুষের চেয়ে খুব একটা ভালো নয়।
* সাহিত্যিক রুচিকে অন্যদের দ্বারা প্রায়ই সাহিত্যিক প্রতিভার সাথে গুলিয়ে ফেলা হয়, ঠিক যতটা আমরা নিজেরাও করি।
* উপহাস হলো উৎসাহের প্রতিক্রিয়া। আবেগ কেবল স্কুলগুলোতে সীমাবদ্ধ বলে মনে করা হতো; এবং খুব বেশি অনুভূতি দেখানোর বদলে, মানুষ তাদের অনুভূতি থাকার বিষয়ে লজ্জিত হতে শুরু করেছিল।
* জীবনে নিশ্বাস ফেলার সময় খুব কম; এবং এমনকি যখন আমরা এক মুহূর্তের জন্য চিন্তা করি, তখন তা আমাদের অতীতের চেয়ে বর্তমান নিয়েই বেশি হয়: স্মৃতির ব্যথা এবং আনন্দগুলো সেই কবিতার মতোই দ্রুত সরিয়ে রাখা হয় যা তাদের উদযাপন করে।
* কিন্তু বুদ্ধিমত্তা জনসাধারণের অনুকূলের কাঁচের দরজা দিয়ে নিজের উজ্জ্বল পথ কেটে নেয়;
* কিন্তু পছন্দ, এবং এর পরিণতি, অবহেলা, হলো একটি শিশুর সবচেয়ে নিষ্ঠুর অন্যায়। নিজের ভাগ্যকে অন্যের সাথে তুলনা করার তিক্ত অনুভূতি শৈশবে না শেখালেও যথেষ্ট তাড়াতাড়ি চলে আসবে।
'''অন দ্য অ্যানশিয়েন্ট অ্যান্ড মডার্ন ইনফ্লুয়েন্স অব পোয়েট্রি (১৮৩২-২)''' ভলিউম ৩৫ পৃষ্ঠা ৪৬৬
* এটা লক্ষ্য করা কৌতূহলোদ্দীপক যে একটি সময় আরেকটি সময়ের সাথে কতটা কম মেলে। শতকগুলো একটি বিশাল পরিবারের সন্তান, কিন্তু তাদের মধ্যে কোনো পারিবারিক মিল নেই।
* কল্পনা, যা কবিতার উৎস, প্রতিটি দেশেই সভ্যতার শুরু এবং অলংকার উভয়ই ছিল। এটি সভ্য করে কারণ এটি পরিশুদ্ধ করে।
* আমরা অস্বীকার করি যে কবিতা কথাসাহিত্য; এর যোগ্যতা এবং এর ক্ষমতা উভয়ই এর সত্যের মধ্যে নিহিত:
'''দ্য স্টোরি অব হেস্টার মালপাস (১৮৩৩-৩)''' ভলিউম ৩৯ পৃষ্ঠা ৪৬৩
* প্রতিটি পরিবারেই একজন প্রিয়জন থাকে; এবং সাধারণভাবে বলতে গেলে, সেই প্রিয়জনই পরিবারের সবচেয়ে ঝামেলা সৃষ্টিকারী সদস্য।
* তিনি ভালোবাসার জন্য বিয়ে করেছিলেন, এই বারবার ঘটা বিভ্রান্তির অধীনে যে, ভালোবাসা যেকোনো পরিস্থিতিতে টিকে থাকবে যা এটিকে ধ্বংস করার জন্য সবচেয়ে বেশি হিসাব করা হয়; এবং দ্বিতীয়ত, যে এটি অন্য সব কিছুর জায়গা নিতে পারে।
* অন্যান্য দুঃখ হৃদয়কে নরম করে, — দারিদ্র্য এটিকে শক্ত করে। স্নেহকে ঠান্ডা করার এবং মেজাজকে দমন করার জন্য দারিদ্র্যের মতো আর কিছুই নেই। এর বিরক্তিগুলো সবই ছোট এবং নিচু স্তরের; এর অনুশোচনাগুলো সবই স্বার্থপর ধরনের; এর উপস্থিতি চিরস্থায়ী; এবং অপর্যাপ্ত খাবার, আর অনিচ্ছায় দেওয়া আগুন, দিনের পর দিন পুনরাবৃত্তি হয়, তবুও কে এতে অভ্যস্ত হতে পারে?
* একজন নারী সবসময় তার সৌন্দর্য এবং এর প্রভাবকে অতিরঞ্জিত করে যখন তা অতীত হয়ে যায়; এবং তার সুন্দর মুখটি তার জন্য কী করতে পারত তা ভাবা একটি চিরস্থায়ী দুঃখ ছিল।
* প্রত্যেকেরই কিছু নির্দিষ্ট বিষয় থাকে যার ওপর তারা নিজেদের নিয়ে গর্ব করে; সাধারণত এমন কিছু যা এর ওপর অর্পিত গর্বের খুব একটা যোগ্য নয়।
* সে সবসময় ভেবেছিল সে তার বাবার মতো হবে, এবং একটি লম্বা, কালো, আর সুদর্শন মুখের কল্পনা করেছিল।
'''এ ক্যালেন্ডার অব দ্য লন্ডন সিজনস (১৮৩৪-১)''' ভলিউম ৪০ পৃষ্ঠা ৪২৫
* দার্শনিকরা নৈতিক হন, এবং কবিরা দেশের ব্যাপারে মনোরম হন।
* নিজের প্রজাতির বাকিদের সাথে মতামতে ভিন্ন হওয়াটা একটা অপ্রীতিকর ব্যাপার — এটি নিজের মতো করে একটি উত্তর মেরু তৈরি করা এবং তারপর তার সন্ধানে বেরিয়ে পড়ার মতো।
* আমি আমার স্বীকারোক্তিতে অকপট হতে পছন্দ করি — এটি খুব নিরস্ত্রীকরণকারী; আপনি যে আপত্তিটি স্বীকার করেন তা আপনি আগেভাগেই আটকে দেন — অন্তত আপনার প্রতিপক্ষের সেই সুবিধাটিকে চরম পর্যায়ে ঠেলে দেওয়ার সাহস খুব একটা থাকে না যা আপনি এত নম্রভাবে স্বীকার করেন।
* আহ ! আমি তাদের সবার কাছে আবেদন করছি যাদের কোনো অনুভূতি আছে — নিজেদের জন্য — সকালে ডাকা হওয়াটা কতটা আনন্দদায়ক, কিন্তু সেই ডাকে সাড়া না দেওয়াটা। এটি দুটি সবচেয়ে বড় আনন্দকে একত্রিত করে যার প্রতি আমাদের প্রকৃতি সংবেদনশীল— জেদ এবং অলসতা।
* লন্ডনের একটি দিনকে এর মধ্যে নামার আগে ভালোভাবে বাতাসে শুকানো দরকার।
* যদি, এমনকি তিন বছর বয়সেও, আমরা স্মৃতির আনন্দের দিকে ফিরে তাকাই, তবে শৈশবের সুখ সম্পর্কে যত কম দাবি করা হবে, বিতর্ক করার মতো তত কম বিষয় থাকবে।
* নিজেদের যন্ত্রণা দেওয়ার মতো আনন্দ আমরা আর কোনো কিছুতেই পাই না।
* আদর্শ প্রেমের চিঠি — "আমি — আমি — আমি — তুমি — তুমি — তুমি ; তুমি — তুমি — তুমি — আমি — আমি — আমি," ইচ্ছেমতো ভালোবাসা আর ঘুঘুর কথা দিয়ে সাজানো।
* ... একজন সাধারণ প্রেমিকের চেয়ে সাধারণ প্রশংসার পরোয়া কে করে।
* ... আমরা ইংরেজরা একটি নীতিবাক্যে আনন্দ পাই — এমন কোনো নীতিবাক্য নয় যা অনুমান করা বা ধরে নেওয়া হবে, বরং একটি চমৎকার, সুন্দর, ছোট নীতিবাক্য, যা সাজানো বাক্যের সমস্ত কড়াকড়ি নিয়ে ঠিক শেষে বসানো হয়,
* সম্ভবত এটি প্রকৃতির একটি দয়ালু ব্যবস্থা যে আমরা আমাদের যা কষ্ট দেয় তার চেয়ে যা আমাদের স্পর্শ করে তা বেশি মনে রাখি।
'''অন দ্য ক্যারেক্টার অব মিসেস হেমানস রাইটিংস (১৮৩৫-২)''' ভলিউম ৪৪ পৃষ্ঠা ৪২৫
* কবি যা লেখেন তা তিনি অনুভব করেন না, এর চেয়ে বড় ভুল আর হতে পারে না। একটি শিল্পের ক্ষেত্রে এটি কতটা অসাধারণ, আমি বলতে পারি, অসম্ভব দৃষ্টিভঙ্গি, যা এর অন্যান্য ভগিনী বিজ্ঞানের চেয়ে আবেগের সাথে বেশি যুক্ত। কী — হৃদয়ের গভীরতা মাপা হবে, এর রহস্যগুলো উন্মোচন করা হবে, আর এর স্পন্দনগুলো গোনা হবে তাদের দ্বারা যাদের নিজেদের হৃদয় এই অদ্ভুত মতবাদ দ্বারা তৈরি — ছন্দের ঘড়ির কাঁটায় দম দেওয়া একটি নিছক যন্ত্র! না; কবিতা একটি ক্ষমতার চেয়েও বেশি একটি আবেগ, এবং লেখার ওপর লেখকের চরিত্রের চেয়ে শক্তিশালী আর কিছুই মুদ্রিত হয় না। আমি কবিতাকে প্রায় এভাবে সংজ্ঞায়িত করব যে, প্রথমত এটি গভীরভাবে অনুভব করার প্রয়োজনীয়তা, এবং দ্বিতীয়ত, সমানভাবে বিশ্বাস করার প্রয়োজনীয়তা।
* প্রশংসা — বাস্তব ব্যক্তিগত প্রশংসা— প্রায়শই উৎসাহিত করার চেয়ে বেশি বিরক্ত করে এবং বিব্রত করে। এটি খুব কাছাকাছি এলে বড্ড ছোট মনে হয়।
* প্রতিটি মানুষের বুকেই বিষণ্ণ কবিতার একটি কূপ রয়েছে। আমরা সবাই ধ্বংস হওয়া বিভ্রম এবং বিশ্বাসঘাতকতা করা আশার জন্য শোক করেছি। আমরা কোনো তিক্ত মুহূর্তে একজন ছোটবেলার বন্ধুর সাথে ঝগড়া করেছি, এবং যখন বড্ড দেরি হয়ে গেছে তখন দূরত্বের জন্য আক্ষেপ করেছি।
* শৈশবে কথোপকথনের প্রেরণা হলো কৌতূহল। শিশুটি প্রশ্ন করার জন্য কথা বলে। কিন্তু সে যত বড় হয়, তার প্রথম পাঠগুলোর একটি হলো যে একটি প্রশ্ন হলো একটি অনধিকার প্রবেশ, এবং একটি উত্তর হলো একটি প্রতারণা।
* উপহাস সামাজিক জীবনকে একটি অদৃশ্য বেড়ার মতো ভাগ করে; আর আমরা সবাই অন্যকে ভয় পাই। একজন লেখকের লেখা এবং তার কথোপকথনের মধ্যে যে পার্থক্য থাকে, তা অনেকাংশেই এর জন্য দায়ী করা যেতে পারে। একটি প্রায়শই বিষণ্ণ এবং চিন্তাশীল হয়, যখন অন্যটি প্রাণবন্ত এবং উদাসীন হয়। আসল ব্যাপার হলো, প্রথমটিতে আসল চরিত্রটি দেখানো হয়, আর দ্বিতীয়টিতে ধরে নেওয়া চরিত্রটি।
* এখানেই চিত্রকলা এবং কবিতার মধ্যে পার্থক্য নিহিত : চিত্রকর অন্যদের পুনরুৎপাদন করেন, — কবি নিজেকে পুনরুৎপাদন করেন।
* আমরা কি জানতাম না যে এই পৃথিবী কেবল একটি পরীক্ষার জায়গা — আমাদের আরেকটি এবং আরও ভালো জায়গার জন্য একটি তিক্ত পরীক্ষা — তবে একজন নারীর মধ্যে প্রতিভার ভাগ্য কতটা অদ্ভুতভাবে কঠোর মনে হতো। তীক্ষ্ণ অনুভূতি — উদার উৎসাহ — উচ্চ আকাঙ্ক্ষা — এবং সূক্ষ্ম উপলব্ধি — এগুলো কেবল অধিকারীকে তার প্রকৃত অবস্থানের জন্য অযোগ্য করে তোলার জন্যই দেওয়া হয়।
* আমি সবসময় আমার প্রিয় কবিদের পড়ার সময় জানতে চাই, আমার প্রিয় কবিতাগুলোর ধারণা প্রথমে কোথা থেকে এসেছিল। সেগুলো কী পরিস্থিতিতে রচিত হয়েছিল, — প্রতিটিতে কতটা ব্যক্তিগত আবেগ ছিল, অথবা কীভাবে, আপাতদৃষ্টিতে সম্পূর্ণ বিপরীত কোনো ঘটনার ওপর, তারা তাদের নিজস্ব অনুষঙ্গগুলোকে গেঁথে দিতে পেরেছিল, তা জানার চেয়ে আকর্ষণীয় আর খুব কম জিনিসই হতে পারে। এমন ইতিহাস হৃদয়ের কত অজানা কথা প্রকাশ করবে! প্রতিটি কবিতাই নিজের মধ্যে একটি আবেগ।
* একজন নারীর কাছে খ্যাতি আসলে সুখের জন্য বেগুনি রাজকীয় শোকের পোশাক মাত্র।
'''দ্য লাভ চার্ম (১৮৩৫-৩)''' ভলিউম ৪৫ পৃষ্ঠা ১৫৬
* প্রত্যাশা নিজেই এক ধরণের খুব সুন্দর বাস্তবতা।
* তারা বলে রাতের খাবার খুব অস্বাস্থ্যকর, আমাদের দাদা-দাদিরা তা কখনোই আবিষ্কার করতে পারেননি ...
* ... ভাগ না করা আনন্দ কেবল একটি ছোট বৃত্তের মেজাজকেই দমিয়ে দেয় ...
* সেন্ট পলের বিশাল গম্বুজটি চাঁদের আলোয় স্নান করে উঠেছিল, একটি বিশাল শহরের সেই বিশাল মন্দির, শত মিনার নরম আলোয় রুপালি হয়ে জ্বলজ্বল করছিল, আর সমস্ত ছোটখাটো বস্তু একটি সুরম্য অস্পষ্টতায় ছুঁয়ে গিয়েছিল: চারপাশ ছিল নীরবতা আর বিশ্রাম। লন্ডনের হাজারো কণ্ঠ স্তব্ধ ছিল, আর মধ্যরাতের শান্ত কানকে কিছুই বিরক্ত করছিল না।
* সে সাধারণ নারীর উচ্চতার চেয়েও লম্বা ছিল, কিন্তু রানির আদর্শ আর রাজহাঁসের বাস্তবতার মতো তার রাজকীয় অনুগ্রহে সে মহীয়সী ছিল। তার হাত আর পা খালি ছিল, শুধু সেগুলো ঘিরে থাকা রত্নগুলো ছাড়া। একটি সাদা পোশাক তার চারপাশে এমন ভাঁজে ছড়িয়ে ছিল যা কোমরে একটি সোনালি কোমরবন্ধ দিয়ে জড়ো করা ছিল, যাতে বিভিন্ন চিহ্ন আর অক্ষর খোদাই করা ছিল। তার চুল ছিল অদ্ভুতভাবে ঘন, আর আঙুর আর দাঁড়কাকের ঘাড়ে দেখা সেই বেগুনি কালো রঙের — কালো, যার ওপর এক ধরণের নীল রঙের আভা ছিল। এটি বড় বড় ভাঁজে বাঁধা ছিল, যা মাথার চারপাশে কয়েকবার ঘুরেছিল, আর এগুলো মণি-মুক্তা আর মূল্যবান পাথর দিয়ে সাজানো ছিল, যেন তারায় আলোকিত এক মধ্যরাত। তার গায়ের রং ছিল ফ্যাকাশে বিশুদ্ধ জলপাই, সম্পূর্ণ বর্ণহীন, কিন্তু শিশুর মতো কোমল। তার মুখটাই ছিল একমাত্র জায়গা যেখানে গোলাপের রাজত্ব ছিল, আর এর চেয়ে সমৃদ্ধ গাঢ় লাল রঙের ঠোঁট সকালের জন্যও কখনো খোলেনি।
* তার নিজের পায়ের শব্দই তাকে বিরক্ত করছিল ; আর সে একটা সোফায় নিজেকে ছুঁড়ে দিল, বিনা বাধায় সেই চমৎকার সুর উপভোগ করার জন্য। ফুলেদের তীব্র সুবাস তাকে মদের মতো নেশাগ্রস্ত করে তুলল। সে অনুভব করল যেন তাকে এক সুস্বাদু ঘোরে ঘুম পাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যেখানে একটা ছবি ক্রমশ আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে — তার হোস্টেসের ফ্যাকাশে কিন্তু সুন্দর মুখটা। সেই উজ্জ্বল চোখের প্রতি ভালোবাসায় তার হৃদয় ভরে উঠছিল। তার চারপাশে একটা নরম সুবাস নিশ্বাস নিচ্ছিল — এটা ছিল তার নিশ্বাস। সে তাকাল, আর সে আবার তার ওপর ঝুঁকে ছিল ; সে নিজেকে তার চোখের চাঁদের আলোয় প্রতিফলিত হতে দেখল।
'''মিলড্রেড পেমবার্টন (১৮৩৬-১)''' ভলিউম ৪৬ পৃষ্ঠা ৩০৯
* এই বিষয়ে কোনো সাধারণ নিয়ম অসম্ভব ; ভালোবাসা, গিরগিটির মতো, যে বাতাসে বাঁচে তার রঙে রঙিন হয় — আর বাতাস যত সুন্দর, রং তত সমৃদ্ধ। কিছু তরুণীর প্রেমে পড়া এবং প্রেম থেকে বেরিয়ে আসার এক অদ্ভুত সহজ ক্ষমতা থাকে; তাদের হৃদয়, একটা রাস্পবেরি টার্টের মতো, ক্রসে ঢাকা থাকে।
* সে ভুল ছিল, যেমন সবাই ভুল করে যারা একজন নারীর স্বভাবের নিষ্ক্রিয় প্রতিরোধকে জাগিয়ে তোলে। যে অপমান আর সহিংসতার সাথে তার সাথে আচরণ করা হয়েছিল, তা তাকে কেবল আরও স্নেহের সাথে সেই ভালোবাসার হৃদয়ের আশ্রয়ের দিকে ফিরে তাকাতে বাধ্য করেছিল যাকে সে সত্যিই নিজের বলে বিশ্বাস করত। দয়া হয়তো তাকে তার বাবার পায়ের কাছে নিয়ে আসতে পারত, তার বাবার খাতিরে তার সবচেয়ে প্রিয় আশাগুলো ছেড়ে দিতে প্রস্তুত করত; কিন্তু তার কঠোর রাগ শুধু তাকে আশাহীন ভবিষ্যতের কথা ভেবে কাঁপতে বাধ্য করেছিল।
* একজন নারী যার প্রেমিক তাকে ছেড়ে দেয়, আর যেন তার নিজের খাতিরেই, যদিও তার সাথে পরামর্শ না করেই, সে এক চরম অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে পড়ে। সে কী করতে পারে ? তার কথা মেনে নেবে ? এটা বলা সহজ, কিন্তু করা কঠিন, যখন সব আশা আর স্নেহ তার ভালোবাসায় জমা থাকে।
* সবসময় সম্পদে অভ্যস্ত থাকায়, সে এর মূল্য বুঝত না ; টাকার আসল মূল্য জানার জন্য আমাদের টাকার অভাব থাকা দরকার, আর টাকা তার কাছে সবচেয়ে তুচ্ছ বিষয় বলে মনে হতো যা প্রভাব ফেলতে পারে।
'''অ্যান ওল্ড লেডি অব দ্য লাস্ট সেঞ্চুরি (১৮৩৬-১)''' ভলিউম ৪৬ পৃষ্ঠা ৪২১
* মিসেস লরেন্স বার্গয়েনের কয়েকটি স্মৃতি মনে করার চেষ্টা করার সময়, আমি সেই একই নীতি অনুসরণ করি যে নীতিতে বিজ্ঞানীরা ম্যামথের হাড় সংগ্রহ করেন — পুরোটা আর নেই ; কিন্তু এটা যে ছিল তা দেখানোর জন্য যথেষ্ট অবশিষ্টাংশ আছে।
* মিসেস বার্গয়েন তার জীবনের শেষ বিশ বছর কেনসিংটনের একটি বড়, গম্ভীর-দর্শন বাড়িতে কাটিয়েছিলেন ; এটি এখন একটি পাগলাগারদ। একসময়ের হাসিখুশি আর পরিচিত বাসস্থানগুলোতে এই পরিবর্তনগুলো কীভাবে আমাদের অস্তিত্বের পরিবর্তনশীলতাকে বাড়িতে নিয়ে আসে ! লন্ডনের আশেপাশের পুরোনো ফ্যাশনের বাড়িগুলোর মাত্র কয়েকটির ইতিহাসও এক ঘটনাবহুল বিবরণ হবে। আপনি এক ধাপ সিঁড়ি বেয়ে উঠতেন, যার দুপাশে রেলিং আর দুটি অবর্ণনীয় পাখি ছিল, আর একটা বড় হলরুম, যা আশ্চর্যের বিষয়, গ্রীষ্মের চেয়ে শীতে বেশি হাসিখুশি ছিল। গ্রীষ্মকালে সরু জানালাগুলো, যে কালো কাঠ দিয়ে এটি প্যানেল করা হয়েছিল, তা ভারী এবং নিস্তেজ মনে হতো ; কিন্তু শীতকালে বিশাল আগুন তার নিজস্ব আনন্দ দিত, আর এর পাশাপাশি পুরোনো ইংরেজি আতিথেয়তার সেই সংযোগ ছিল যা একটি জ্বলন্ত চুলা সবসময় নিয়ে আসে। এরপর আপনি দুটি দীর্ঘ ড্রয়িং-রুমের মধ্য দিয়ে যেতেন, যার সাদা ওয়েনস্কোটিং প্রায় পারিবারিক প্রতিকৃতি দিয়ে ঢাকা ছিল। রানি অ্যানের সময় থেকে শুরু করে নিচের দিকে রুচির ব্যাপারে খুব একটা ভালো কথা বলা যায় না — থলেওয়ালা, পরচুলা পরা, আর ঘেরওয়ালা ; এমন কোনো ছবি ছিল না যার বিষয়ে আফ্রিকানদের সেই প্রশ্নটি করা যেত না, "দয়া করে আমাকে বলুন, শ্বেতাঙ্গ নারী, এটাই কি আপনার সব?”
* আসলে এটা একটা সন্দেহজনক সত্য যে বুদ্ধিমান মানুষরা কখনো খুব একটা আনন্দদায়ক হয় কিনা ; তারা কোনো একটি নির্দিষ্ট সাধনায় এত বেশি মগ্ন থাকে যে, কথোপকথনের ধাপ হিসেবে কাজ করা সাধারণ বিষয়গুলোর ওপর দিয়ে সহজে লাফিয়ে পার হতে পারে না ; তারা অনুভব করে যে তাদের এমন কিছু বলা উচিত যা মনে রাখার মতো।
'''এ ফ্রেন্ড ইন নিড ইজ এ ফ্রেন্ড ইনডিড (১৮৩৬-২)''' ভলিউম ৪৭ পৃষ্ঠা ৪১
* চার্লস টেবিলের দিকে গেল, কিন্তু চার পাতা কিছুই না লিখে ভরার মতো মেয়েলি ক্ষমতা তার ছিল না, আর চিঠিটা শিগগিরই সিল করে দেওয়া হলো।
* আবার তাকে তার নিজের সম্পদের ওপর ছেড়ে দেওয়া হলো; যা আমার কাছে সবসময় সেই সবচেয়ে খারাপ জিনিস বলে মনে হয়েছে যার ওপর একজন দুর্ভাগ্যবান ব্যক্তিকে বিনোদনের জন্য ছেড়ে দেওয়া যেতে পারে।
* এক পয়সাও না থাকা একজন যুবকের নিজস্ব ইচ্ছা থাকাটা একটা বাড়তি ব্যাপার,
* তিনটে হ্যাকনি-কোচ, আর প্যাটেন পরা দুজন নারী পাশ দিয়ে গেল; সাথে ছাতা হাতে একজন লোক যে ভিজে যাচ্ছিল, সে নিজের চেয়ে একটি বাদামি কাগজের পার্সেলের ওপর ছাতাটা বেশি ধরে রেখেছিল: অবশেষে, প্রাসাদের ঠিক ওপরে একটা উজ্জ্বল বিন্দু দেখা গেল, বৃষ্টিটা আকাশের ওপর আলোকিত রেখায় গলে যাচ্ছে বলে মনে হলো, আর যে বৃষ্টির ফোঁটাগুলো জানালার কাঁচের ওপর ছিটিয়ে ছিল সেগুলো দুই-তিনটি বড় ফোঁটায় জড়ো হতে শুরু করল, আর ধীরে ধীরে কাঁচের ওপর দিয়ে নামতে লাগল। সেগুলোর ওপর বাজি ধরা যেত, কিন্তু বাজি ধরার মতো কেউ ছিল না।
* এখন আমি মনে করি প্রয়োজনীয়তার আরও বেশি বন্ধুত্বপূর্ণ বিশেষণের যোগ্যতা আছে; এর দ্বারা কত ঝামেলাই না বাঁচে। আমার মতো একজন সিদ্ধান্তহীন ব্যক্তির কাছে, অনিবার্য বিষয়টি অমূল্য।
* চার্লস লাল হয়ে গেল, "অসুখের জটিলতায়।" প্রথমত সে এই ভেবে বিরক্ত হওয়ার মতো যথেষ্ট লাজুক ছিল যে, পৃথিবীতে কোনো তরুণী আছে কি নেই তা নিয়ে সে মাথা ঘামায় বলে মনে করা হচ্ছে; আর দ্বিতীয়ত, একটি সুন্দর মুখের অভাব টাকা দিয়ে পূরণ হওয়ার ধারণায় ধাক্কা খাওয়ার মতো যথেষ্ট রোমান্টিক সে ছিল।
* ফ্যানশাও আবহাওয়া নিয়ে কথা বলতে শুরু করল; আর তার শ্রোতা এটা দেখে সত্যিই অবাক হয়ে গেল যে আবহাওয়া নিয়ে তার বলার মতো কত কিছু আছে। সে বৃষ্টির ফোঁটা প্রায় গুনেই ফেলেছিল; আর সকাল থেকে তাদের পাওয়া প্রতিটি রোদের ঝলক সম্পর্কে সে বেশ সচেতন ছিল।
* ...সেই সবচেয়ে খারাপ বাম্পটা বিকশিত হয়েছে যা একজন বিরক্তিকর মানুষের মাথা সাজাতে পারে। অর্থাৎ, লম্বা-গল্প-বলার-প্রবণতা।
'''দ্য ব্রাইড অব লিনডর্ফ (১৮৩৬-২)''' ভলিউম ৪৭ পৃষ্ঠা ৪৪৯
* একটি বিশাল শহরে মধ্যরাত একটি বিস্ময়কর জিনিস—আর ভিয়েনায় মধ্যরাত নেমে এসেছিল। দোকানপাট বন্ধ ছিল, জানালাগুলো অন্ধকার ছিল, আর রাস্তাগুলো জনশূন্য ছিল—এটা অদ্ভুত যে যেখানে এত জীবন একসাথে জড়ো হয়েছিল সেখানে এমন গভীর বিশ্রাম থাকতে পারে; তবুও রাতে একটি বড় শহরের নীরবতার সমান আর কিছুই নেই। সম্ভবত স্মৃতির দ্বারা দেওয়া বৈসাদৃশ্যই একে আরও বেশি গভীর করে তোলে। একাকী উপত্যকায়, আর সবুজ বনে, এমনকি দুপুরেও নীরবতা থাকে—নীরবতা, অন্তত, দিন আর রাত উভয়েরই অন্তর্গত শব্দ দ্বারা ভাঙা হয়। মৌমাছি আর পাখির গান, বা পাহাড়ের কোনো পুরোনো গান গাওয়া পশুপালকের কণ্ঠ—এগুলো হয়তো স্তব্ধ হতে পারে; কিন্তু পাতার খসখসানি, লম্বা ঘাসের মাঝে বাতাসের বিড়বিড়ানি, আর পাইন গাছের নিচু চিরস্থায়ী ফিসফিসানি তখনো থাকে। কিন্তু শহরে—ইট আর মর্টারের নিজস্ব কোনো কণ্ঠস্বর নেই। প্রকৃতি নীরব—তার নরম, মিষ্টি সুরগুলো মানুষের বিশাল কোলাহলে স্তব্ধ হয়ে থাকে—মানুষ, আর শুধু মানুষকেই শোনা যায়। চব্বিশ ঘণ্টার অনেকগুলো প্রহর ধরে, অস্তিত্বের মহাসাগর বজ্রের মতো শব্দ করে বয়ে চলে—হাজারো কণ্ঠ একসাথে কথা বলে। চাকাগুলো পাথরের ওপর দিয়ে যায় আর আসে—সংগীত, হাসি, রাগ, সৌজন্য আর ব্যবসার কথাগুলো একসাথে মিশে যায়—একটি দিনের ইতিহাসই হলো সব সময়ের ইতিহাস। জীবনের ইতিহাস শুধু নিজেদের পুনরাবৃত্তি করে।
* বেশিরভাগ মানুষ এই ভ্রান্তিতে ভোগে যে, যখন তারা তাদের ঘরগুলো আলোকিত করে আর ভরিয়ে ফেলে, তখন তারা তাদের সব কাজ করে ফেলেছে। তারা এর চেয়ে বড় ভুল আর কখনোই করেনি। আলো দেওয়াটা অনেক কিছু—ভিড় করাটাও অনেক কিছু—কিন্তু এখনো “আরও সূক্ষ্ম কিছুর” অভাব থাকে। এই কিছুতেই কাউন্টেস নিখুঁত ছিলেন। যে কেউ একটি ভিড় জড়ো করতে পারে, কিন্তু খুব কম লোকই তাদের মেলাতে পারে।
* [আর্নেস্ট ফন হারম্যানস্ট্যাডের কাছ থেকে]; কাজ—রোদের আলোয় কাজ—আবেগ—কিন্তু খুব কম অনুভূতি, আর তার চেয়েও কম চিন্তা: এমনটাই আমাদের অস্তিত্ব হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আমরা পরিমার্জন করি—আমরা বিষণ্ণ করি আর আমরা বশীভূত করি—আমরা ভেতরের জগতের লুকানো আর অশুভ আত্মাদের ডেকে আনি—আমরা তাদের অন্ধকার বিশ্রাম থেকে তাদের জাগিয়ে তুলি যারা আমাদের পাগল করে দেবে। হৃদয়টা ওই দুলতে থাকা চুল্লির কাঠের মতো: সবুজ আর সতেজ, হাজারো মিষ্টি সুবাসে তাড়া করা, উষ্ণ বাতাসে স্নান করা, আর গ্রীষ্মের রোদে আনন্দিত—এমনভাবেই এটি প্রথমে তার জন্মভূমিতে বেড়ে উঠেছিল। কিন্তু প্রকৃতি শিল্পের কাছে নতি স্বীকার করে, আর মানুষ এর জন্য আরেকটি নিয়তি ঠিক করে রেখেছে: এটিকে সংগ্রহ করা হয়, আর আগুনে ছুঁড়ে ফেলা হয়। তখন মনে হয় যেন এর জীবন সবেমাত্র শুরু হয়েছে। প্রজ্বলিত শিরাগুলোতে একটি নতুন আত্মা প্রবেশ করেছে—এর চারপাশে একটি উজ্জ্বল আলো নাচে—এটি উজ্জ্বল—এটি সুন্দর—আর এটি গ্রাস হয়ে যাচ্ছে! কী অবশিষ্ট থাকে?—বাতাসে একটি উষ্ণতা যা শীঘ্রই চলে যায়, আর এক স্তূপ কালো ছাই! হৃদয়ের আর কী অবশিষ্ট থাকবে?
* একজন নারীর প্রথম ভালোবাসার প্রভাব তার পুরো পরবর্তী অস্তিত্বের ওপর অনুভূত হয়: সে আর কখনোই এমন স্বপ্ন দেখতে পারে না। একজন নারীর জন্য কোনো দ্বিতীয়-ভালোবাসা নেই—যৌবন, আশা, বিশ্বাস, সবই তার প্রথম অনুরাগকে দেওয়া হয়; যদি তা অপূর্ণ থাকে, তবে হৃদয় তার নিজের প্রমিথিউস হয়ে ওঠে, সৃজনশীল, আদর্শ, কিন্তু শকুন তাকে চিরকাল কুরে কুরে খায়।—যদি প্রতারিত হয়, তবে জীবনের সমস্ত কবিতা চলে যায়; কবিতার আসল সারমর্ম হলো বিশ্বাস, আর কীভাবে সে, যার মিষ্টি আগ্রহী বিশ্বাসযোগ্যতা একবার তিক্ত সত্যটি শিখেছে—যে তার নির্ভরতা বৃথা ছিল, কীভাবে সে আর কখনো বিশ্বাস করতে পারে?
* বাষ্পের বিশাল স্তূপ—প্রতিটিতে একটি করে ঝড়—একটি আকাশের ওপর দিয়ে ছুটে যাচ্ছিল, যেখানে ঝড় আর সকাল উভয়েরই রং ছড়ানো ছিল; কিছু বাষ্প ছিল কালির মতো কালো, অন্যগুলো রাজকীয় বেগুনির একটা স্ক্রোলের মতো ছড়িয়ে ছিল; কিছু ভেতর দিয়ে সংগ্রাম করা আলোয় ঢেউ খেলছিল, অন্যগুলো ছিল স্বচ্ছ সাদা; কিন্তু পূর্ব দিকেরগুলো ছিল গভীর লাল রঙের—আর গোল, লাল সূর্যটা সবেমাত্র একটা বিশাল পুরনো সিডার গাছের ওপরে উঠেছিল। সবকিছুর ওপর লাল রং ছুঁড়ে দেওয়া হয়েছিল; এমনকি লিলিগুলোও লজ্জায় লাল হয়েছিল, আর ছোট ঝরনার জল গলানো রুবির মতো লাগছিল...
* কিন্তু প্রেমিকদের কথাগুলো একটা আলাদা ভাষা; তাদের সুর হলো একটা পরীর গান যা সেই একটা ভুতুড়ে প্রহরের সাথে চলে যায়; একে পুনরাবৃত্তি করা মানে একে সাধারণ করে তোলা—ঠান্ডা, তবুও আমরা সবাই এটি মনে করতে পারি।
* [পলিন ফন লিনডর্ফকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করার পর মিন্নার কাছ থেকে]: হ্যাঁ, আমি অবশেষে তাকে মেরে ফেলেছি। তারা ভেবেছিল আমি তাকে চিনি না, কিন্তু আমি চিনতাম। সে আমার বাবার হৃদয় আমার কাছ থেকে কেড়ে নিয়েছিল, আর আমার স্বামীরটাও কেড়ে নিত; কিন্তু আমি অবশেষে তাকে মেরে ফেলেছি।
'''দ্য ক্রিটিসিজম অব শাতোব্রিয়াঁ (১৮৩৬-৩)''' ভলিউম ৪৮ পৃষ্ঠা ৬২
* আমাদের সবচেয়ে কাছের বন্ধুদের কাজগুলোর কথাই ধরুন, এবং আমরা কতটা কম জানি সেই আশাগুলো সম্পর্কে যা প্ররোচিত করেছিল, বা সেই ভয়গুলো সম্পর্কে যা প্রবল হয়েছিল ! আমরা কখনো কখনো নিজেদের একটি ভুল করার কথা স্বীকার করা এড়াতে পারি না, কিন্তু কীভাবে আমরা তা ঢেকে রাখি—কীভাবে আমরা মেজাজ এবং প্রলোভনকে হিসাবে নিই, যতক্ষণ না শেষ পর্যন্ত এটি এমন একটি অনিবার্য বিষয় বলে মনে হয় যা এর সৃষ্ট আক্ষেপ এবং এর দেওয়া শিক্ষা দ্বারা উদ্ধার করা হয়েছে। অন্যদের জন্য আমরা এমনভাবে যুক্তি দিই না—তখন আমরা বিচ্ছিন্ন ঘটনাটির দিকে তাকাই, কারণগুলোর দিকে নয়: ভুলটি অজুহাতকে বন্ধ করে দেয়। সত্যি কথা হলো, দর্শন এবং কবিতার সাহায্য ছাড়া আমরা একে অপরের সম্পর্কে কিছুই জানি না; দর্শন, যা আমাদের চিন্তাগুলো বিশ্লেষণ করে, আর কবিতা যা আমাদের অনুভূতিগুলো প্রকাশ করে।
* সময় হলো মহান সমতাকারী, তবে সে পবিত্রকারী এবং সৌন্দর্যবর্ধকও।
* যোগাযোগ নিজেই সভ্যতা; আমরা অন্যদের কুসংস্কারের সংস্পর্শে এসে কেবল আমাদের নিজেদের কুসংস্কারগুলোই মুছে ফেলি। আমাদের জন্য কতটা ছাড় দেওয়া দরকার তা দেখে আমরা অন্যদের ছাড় দিতে বাধ্য হই।
* এখন একটি জাতির চরিত্র তার সাহিত্যে থাকে।
* তিনি ছিলেন একজন উৎসাহী—কাজের জন্য উৎসাহ প্রয়োজন; হিসাবনিকাশ কখনো কাজ করে না—এটি একটি নিষ্ক্রিয় নীতি।
* কেন, কবিতার খুব উপাদানই হলো বিশ্বাস—সুন্দর, ঐশ্বরিক এবং সত্যের প্রতি বিশ্বাস।
* কেউ অস্বীকার করতে পারে না—কেউ অস্বীকার করার কথা ভাববেও না—সাহিত্য মানবজাতিকে যে বিশাল সুবিধা দিয়েছে; এবং এটি সর্বদা কত অকৃতজ্ঞতার সাথে গৃহীত হয়েছে!
* খ্যাতি কেবল একটি সুন্দর ধ্রুপদী বিভ্রম। কবির অনুপ্রেরণা ডেলফিকের ওরাকলের অনুপ্রেরণার মতো: যা একসময় ঐশ্বরিক বলে ধরা হতো তা এখন একটি অশুভ আত্মার প্ররোচনা বলে স্বীকার করা হয় যা সেই ভক্তদের উপহাস করে যাদের সে শিকারে পরিণত করেছিল। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে সেই সময় দ্রুত ঘনিয়ে আসছে যখন আর কোনো বই লেখা হবে না। যারা একসময় লেখক ছিলেন তারা বলবেন—“কেন আমরা এমন একটি বৃথা প্রশংসা পাওয়ার জন্য আমাদের পুরো অস্তিত্ব উৎসর্গ করব, যা শেষ পর্যন্ত কখনোই আমাদের কাছে এতটাও আসে না যে তা উপভোগ করা যায়? কেন আমরা এই সবচেয়ে অনুর্বর সাধনায় সেই পরিশ্রম এবং প্রতিভা উৎসর্গ করব, যা অন্য যেকোনো ক্ষেত্রে, সেই জাগতিক সাফল্যের নিশ্চয়তা দেবে, যা, যেহেতু আমরা পৃথিবীতে বাস করি, একমাত্র সাফল্য যা কাঙ্ক্ষিত হওয়া উচিত?” এমনকি কবিদেরও শেষ পর্যন্ত প্রজ্ঞা শিখতে হবে। প্রশংসার তিক্ততা এবং ফাঁপা হওয়াটা উপলব্ধি করা হবে; এবং তখন কে একটি বই লেখার ঝামেলায় যাবে? আমরা আবারও পুনরাবৃত্তি করছি, সেই সময় দ্রুত ঘনিয়ে আসছে যখন আর কোনো বই লেখা হবে না।
'''ফার্স্ট লাভ; অর, কনস্ট্যান্সি ইন দ্য নাইনটিন্থ সেঞ্চুরি (১৮৩৬-৩)''' ভলিউম ৪৮ পৃষ্ঠা ৩২৬
* এই দাবি যে “যা সবার কাজ তা আসলে কারো কাজ নয়,” তা যথেষ্ট সত্য; কিন্তু এই দাবি যে “যা কারো কাজ নয় তা আসলে সবার কাজ,” তা আরও বেশি সত্য। এখন, একটি প্রেমের সম্পর্ক, উদাহরণস্বরূপ, অন্য সবার চেয়ে, একটি আলাদা বিষয় একটি জাদুকরী স্বপ্ন, যেখানে “সাধারণ দুঃখ এবং যত্ন আসে না।” এটি একটি বৈবাহিক ঝগড়ার মতো। অন্যদের হস্তক্ষেপে কখনোই উপকৃত হওয়ার নয়: এটি একটি মিষ্টি এবং সূক্ষ্ম ভাষা, “যা স্পিকাররা ছাড়া আর কেউ বোঝে না;” এবং তবুও এই সূক্ষ্ম এবং নাজুক আত্মাটি বিশেষ করে জনসাধারণের কৌতূহলের বস্তু। এটি প্রায়শই অস্তিত্বের আগে ধরে নেওয়া হয়: এটি ধরে নেওয়া হয়, মন্তব্য করা হয়, চালিয়ে যাওয়া হয় এবং শেষ করা হয়, দলগুলোর নিজেদের সম্মতি ছাড়াই; যদিও একজন সাধারণ পর্যবেক্ষক মনে করতে পারেন যে এই বিষয়ে তাদেরই সবচেয়ে বেশি আগ্রহ রয়েছে।
* আমি স্বীকার করি যে আমি জীবনে এর চেয়ে বড় দুর্ভাগ্য দেখেছি যে বিশ বছরের একজন তরুণ এবং তরুণীকে বিয়ে করার আগে বারো মাস অপেক্ষা করতে হবে; কিন্তু প্রতিটি মানুষ নিজেরটাকেই সবচেয়ে খারাপ বলে মনে করে যা কখনো ঘটেছে...
* ... কিন্তু একজন মানুষের কেনাকাটার প্রতি এক স্বাভাবিক অনীহা থাকে, এবং এমনকি একটি লজ্জার আকর্ষণ, এবং বিশেষ করে সেই আকর্ষণীয় ধরণের একটি লজ্জা, আপনার নিজের কারণে একটি; এমনকি সেটাও ফিতা, রেশম এবং দরদামের ভয়ংকর বিন্যাসের মধ্যে হারিয়ে গিয়েছিল—
* এটা আশ্চর্যজনক যে আমাদের প্রশংসা অন্যদের প্রশংসা থেকে কতটা তার সুর নেয়; এবং যখন এর সাথে আমাদের নিজেদের প্রতি একটি সুস্পষ্ট প্রশংসা যুক্ত হয়, তখন আকর্ষণটি অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠে।
'''ফিমেল পোর্ট্রেট গ্যালারি - নম্বর ১ — ফ্লোরা ম্যাকইভর এবং রোজ ব্র্যাডওয়ার্ডিন। (১৮৩৭-১)''' ভলিউম ৫২ পৃষ্ঠা ৩৫
* স্যার ওয়াল্টার স্কট ছিলেন সাহিত্যের লুথার। তিনি সংস্কার করেছিলেন এবং তিনি পুনর্জন্ম দিয়েছিলেন। তিনি একটি নতুন স্কুল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন বলাটা পুরো সত্য বলা নয় ; কারণ একটি স্কুলের ধারণার মধ্যে সংকীর্ণ কিছু আছে, এবং তার প্রভাব সর্বজনীন ছিল। আসলে, সাহিত্যে স্কুল বলে কিছু নেই ; প্রতিটি মহান লেখক তার নিজস্ব আসল, এবং "তিনি ছাড়া আর কেউই তার সমান্তরাল হতে পারে না।" আমরা ড্রাইডেন এবং পোপের স্কুলের কথা শুনি, কিন্তু তাদের অনুকরণকারীরা কোথায় এবং কী ? পারনাসাস হলো মন্ট ব্লাঙ্কের ঠিক বিপরীত। সেখানে গাইডদের পদক্ষেপে নিবিড়ভাবে পা ফেলে শীর্ষে পৌঁছানো যায় ; কিন্তু প্রথমটিতে, উচ্চতায় পৌঁছাতে হয় কেবল আমাদের নিজস্ব পথ দিয়ে। স্কটের মতো একজন প্রতিভার প্রভাব সেই সতেজ এবং নতুন আত্মার দ্বারা দেখানো হয় যা তিনি সাহিত্যে ঢেলে দেন।
* আমি স্বীকার করি যে লক ক্যাটরিনে একটি স্টিম-বোটের কথা শুনে আমার ছবির মতো কল্পনাগুলো প্রথমে ধাক্কা খেয়েছিল ; কিন্তু আমি ভুল ছিলাম। ইংল্যান্ড এবং স্কটল্যান্ডের মধ্যে বর্ধিত যোগাযোগের এর চেয়ে আর কোনো চূড়ান্ত প্রমাণ হতে পারে না — আর যোগাযোগই হলো সব ধরনের উন্নতির রাজপথ।
* কিন্তু গ্রামে বাস করা মানুষেরা, শহরের বাসিন্দাদের তাড়া করে বেড়ানো সবুজ মাঠের আকাঙ্ক্ষা সম্পর্কে খুব কমই বোঝে, এবং তাই তাদের খুব কম সহানুভূতি থাকে। সেই অন্ধকারাচ্ছন্ন রাস্তার প্রায় প্রতিটি বাসিন্দার গোপন স্বপ্ন, যেখানে একটি সতেজ চিন্তাও প্রবেশ করতে পারে বলে মনে হয় না, তা হলো একটি স্বাধীনতা অর্জন করা, এবং গ্রামে গিয়ে বাস করা। গ্রামে ছাড়া প্রতিটি ছুটি আর কোথায় কাটানো হয় ! ধোঁয়াটে জেরানিয়ামগুলো, অনেক সরু রাস্তা এবং কানা গলিতে এত যত্ন সহকারে লালনপালন করা হয়, সেগুলো গ্রামের প্রতি সহজাত ভালোবাসা ছাড়া আর কী প্রমাণ করে ! প্রস্ফুটিত এবং আশ্রয় নেওয়া ভিলাগুলো, যা ইংরেজি ল্যান্ডস্কেপের একটি জাতীয় বৈশিষ্ট্য, সেগুলো কাদের, শুধু সেই পুরুষদের ছাড়া যারা তাদের জীবনের বেশিরভাগ সময় ছোট আবছা কাউন্টিং-হাউসগুলোতে কাটায় ! প্রকৃতির প্রতি এই ভালোবাসা ঐশ্বরিকভাবে দেওয়া হয়েছে যাতে সবচেয়ে পরিশ্রমী এবং বিশ্ব-ক্লান্ত অস্তিত্বের মধ্যেও, কল্পনাপ্রবণ এবং আলাদা কিছু বাঁচিয়ে রাখা যায়। এটি একটি ইতিবাচক ভালো গুণ ; এবং একটি ভালো গুণ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে আরেকটি তৈরি করার প্রবণতা রাখে।
* অল্প বয়সে অনাথ হয়ে পৃথিবীতে ছুঁড়ে দেওয়া ভাই-বোনের ভালোবাসার চেয়ে শক্তিশালী, আরও বেশি নিঃস্বার্থ আর কোনো টান নেই, একে অপরকে ছাড়া তাদের ভালোবাসার আর কেউ নেই। তারা অনুভব করে যে তারা কতটা একা দাঁড়িয়ে আছে, আর এটাই তাদের আরও কাছাকাছি নিয়ে আসে। ধ্রুবক মেলামেশা সেই নিখুঁত বোঝাপড়া দিয়েছে যা কেবল পরিচিতিই করতে পারে ; আশা, আগ্রহ, দুঃখ, সবই সমানভাবে সাধারণ। প্রত্যেকেই অপরের জন্য গর্বের উৎস ; এটি ভীতিহীন ভালোবাসার কোমলতা, এবং এর গুরুতর এবং আরও উদ্বিগ্ন চরিত্রহীন বিবাহের আত্মবিশ্বাস। যৌবনের সতেজ আবেগগুলো সবই হৃদয়ের চারপাশে উষ্ণ।
* এটি একটি ভয়ংকর দায়িত্ব, প্রভাবের প্রয়োগ : আমাদের নিজস্ব আচরণ তার নিজস্ব পরিণতি নিয়ে আসুক — আমরা হয়তো সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে পারি; কিন্তু তা নয় যখন আমরা অন্য কাউকে কোনো নির্দিষ্ট কাজের পথে চলতে চালিত করেছি : যদি তারা কষ্ট পায়, তবে সেই কষ্ট আমাদের নিজেদের ওপর কত দশগুণ বেশি নেমে আসে !
'''ফিমেল পোর্ট্রেট গ্যালারি - নম্বর ২ — কনস্ট্যান্স। (১৮৩৭-১)''' ভলিউম ৫২ পৃষ্ঠা ১৮৩
* বছর পেরিয়ে যাওয়ার পর, কোনো প্রিয় লেখকের পাতায় ফিরে যাওয়াটা এক অদ্ভুত ব্যাপার। আমাদের নিজেদের মধ্যে যে পরিবর্তন ঘটেছে, তা অন্য কিছুর চেয়ে এটি আমাদের আরও জোরালোভাবে দেখায়। বইটি একটি মানসিক আয়না — মন তার নিজস্ব মুখ থেকে চমকে ওঠে, এত সতেজতা, আর এত আগুন চলে গেছে। যৌবনের রং আর আলো একসাথে চলে গেছে। মানুষের বিচার খুব কমই বালকের বিচারকে নিশ্চিত করে। যা একসময় মিষ্টি ছিল তা এখন বিস্বাদ হয়ে গেছে, আর একসময়কার চমৎকার উপমাটি এখন কেবল একটি চতুর ধারণা ছাড়া আর কিছুই মনে হয় না। যে অনুভূতিটিকে হৃদয় একসময় প্রশংসা করতে স্পন্দিত হয়েছিল, তার এখন ভেতরে কোনো সাড়াদায়ী মূল সুর নেই, আর বাস্তব প্রতিনিয়ত কল্পনার বিরুদ্ধে লড়ছে। এটি কবির জন্য একটি বিশাল বিজয় যখন আমরা খণ্ডে ফিরে আসি, এবং দেখতে পাই যে আমাদের প্রথম দিকের বিশ্বাসই, সর্বোপরি, সত্য ধর্ম ছিল।
* বারো মাসের জন্য আপনার মাথার ওপর আপনার ঘর পুড়ে না যাওয়াটা এক অস্বাভাবিক পারিবারিক শান্তির মতো মনে হয়।
* বায়রন সেই অসন্তোষের তিক্ত আত্মাকে আদর্শায়িত এবং প্রকাশ করেছিলেন যা বর্তমান মুহূর্তে আরও বস্তুগত এবং বাস্তব রূপ নিয়েছে। তিনি নভেম্বরের অবতার। স্মরণাতীত কাল থেকে অভিযোগ করা একজন ইংরেজের অধিকার, আর বায়রন সর্বজনীন অনুভূতিকে ছবির মতো ভাষা দিয়েছিলেন।
* এটি মানবতার সবচেয়ে অদ্ভুত সমস্যা — এমন একটি সমস্যা, যার জন্য সবচেয়ে কাছাকাছি তদন্তও কখনোই পুরোপুরি কারণ দর্শাতে পারে না — নির্দোষতা কীভাবে অপরাধে পরিণত হয় তার অগ্রগতি খুঁজে বের করা, এবং যারা আগে অপরাধের কথা ভাবতে কাঁপত, কীভাবে তারা তা করতে পরিচালিত হয় যা দেখে তারা একসময় শিহরিত হতো।
* এটি মানব স্বভাবে উদারতার অভাবের একটি নিষ্ঠুর প্রমাণ যে, একটি বড্ড বেশি আত্মত্যাগী স্নেহ সবসময় একটি মন্দ প্রতিদানের সাথে দেখা করে।
* কিন্তু ঈর্ষার আবেগ ভালোবাসার আবেগ ছাড়া থাকতে পারে না, এবং এটি তার পিতামাতার মতো, সৃজনশীল, আবেগপ্রবণ, এবং বিশ্বাসপ্রবণ।
* আমাদের স্বভাবের সবচেয়ে মিষ্টি এবং সেরা গুণগুলো পরিস্থিতি এবং প্রলোভনের শক্তিশালী শক্তি দ্বারা মন্দের দিকে মোড় নিতে পারে।
'''ফিমেল পোর্ট্রেট গ্যালারি - নম্বর ৩ — অ্যালিস লি। (১৮৩৭-১)''' ভলিউম ৫২ পৃষ্ঠা ৪৮০
* যাইহোক, চিরস্থায়ী স্থানান্তরের এই মতবাদটি পূর্ববর্তী চুক্তিগুলো পূরণ না করার জন্য চাপ দেওয়ার একটি অদ্ভুত আবেদন হবে ; সাত বছর আমি বিশ্বাস করি পুরো পরিবর্তনের জন্য বরাদ্দ করা সময়। এখন, ঋণে জর্জরিত একজন মানুষ কি সময়ের অবসানে ওয়েস্টমিনস্টারের আদালতে আবেদন করতে পারে না, যে সে সেই ব্যক্তি নয় যে আসলে সেই ঋণগুলো চুক্তিবদ্ধ করেছিল ? অথবা একজন অবিশ্বস্ত দম্পতি কি বিবাহবিচ্ছেদের জন্য মামলা করতে পারে না, এই যুক্তিতে যে তাদের কেউই সেই ব্যক্তি নয় যারা মূলত বিয়ে করেছিল ?
* বেশিরভাগ কল্পকাহিনীর ইতিহাস কল্পকাহিনীর চেয়েও অনেক বেশি অদ্ভুত হবে ; তবে এটি একটি অন্ধকার এবং দুঃখজনক ইতিহাস হবে।
* সাহিত্য শীঘ্রই একটি ক্ষমতায় পরিণত হয়, এটি একসময় যা ছিল তা নয়, একটি আবেগ; কিন্তু সাহিত্যের সাফল্য, অন্যদের মতো, কেবল শ্রমের মাধ্যমেই পাওয়া এবং ধরে রাখা যায় — আর শ্রম এবং ঝোঁক সবসময় একসাথে চলে না। আমাদের সমস্ত সবচেয়ে বিশিষ্ট লেখকদের ধরুন, এবং তাদের কাজ, কঠোর পরিশ্রমের পরিমাণ, প্রচুর এবং অবিরাম পাওয়া যাবে। সাহিত্য, একটি পেশা হিসেবে, খুব কম অবসর দেয়, এবং আরও কম প্রশ্রয় দেয়।
'''কবিতা'''
* পালা করে নারী আর রানি,<br>আর প্রত্যেকে এমন যেন অন্যজন কখনো ছিলই না।
* এই প্রহরে তোমার জীবন কোথায় থাকত,<br>যদি আমার ভালোবাসার চেয়ে আমার ক্ষমতা বেশি না হতো ? —<br>যাও, যদি তুমি ভয় পাও, — ভালোবাসা কখনোই পারে না,<br>অবিশ্বাসের এক বিন্দু ছায়া নিয়েও কখনো বাঁচতে পারে না।
** (১৮২৫-২) ''অ্যান্টনি অ্যান্ড ক্লিওপেট্রা। অ্যান অ্যানিকডোট ফ্রম প্লুটার্ক''
* তার মুখটা কান্নার জন্য বড্ড বেশি উজ্জ্বল ছিল, সে দিয়েছিল<br>বাতাসকে দীর্ঘশ্বাস, আর ঢেউকে কান্না,<br>আর ভবিষ্যতের জন্য একটা শিক্ষা রেখে গিয়েছিল,<br>যা চারণকবিদের ছন্দে খুব কমই বলা হয়েছে,<br>একটা শিক্ষা যে কীভাবে অবিশ্বস্ততার<br>প্রতিদান একই রকম অবিশ্বস্ততা দিয়ে দেওয়া উচিত।
** (১৮২৫-২) ''আইডিয়াল লাইকনেসেস। আরিয়াডনে''
* তার হৃদয় আর ঠোঁট ছিল সুর, যদিও একজন<br>যে তার নিজের মিষ্টি সত্তার কাজে অবাক হয়েছিল;<br>যে ভালোবাসার জন্য নিশ্বাস নিত, আর এটা দেখে কষ্ট পেত যে খ্যাতি<br>তার বীণার নরম ডাকের উত্তরে এসেছিল;<br>দেখো, বিষণ্ণতায় চোখ নিচু হয়ে আসে, যেন এড়াতে চায়<br>গৌরবের সেই সূর্যকে, যার দিকে সে তাকাতে সাহস পায়নি।
** (১৮২৫-২) ''আইডিয়াল লাইকনেসেস। এরিন্না''
* আমি দুটো মিলিত বছরের মাঝখানে দাঁড়িয়ে ছিলাম,<br>আসা আর যাওয়া,<br>আর আমি ভবিষ্যতের বছরটাকে জিজ্ঞাসা করলাম,<br>তুমি কি শেষেরটার মতোই হবে?
** (১৮২৬-১) ''স্ট্যানজাস অন দ্য নিউ ইয়ার''
* ওহ না, আমার হৃদয় আর কখনো হতে পারবে না<br>আবার আলোকিত আশায় আগের মতো —<br>তোমার জন্য যে ভালোবাসা সেখানে টিকে আছে<br>তাতে শিখার চেয়ে ছাই-ই বেশি।
** (১৮২৬-২) ''সি-ডেভান্ত''
* আর যখন বেপরোয়া ভিড়ের মাঝে<br>আমি একটা মিষ্টি শিল্পের কথা বলি,<br>আমি কত সহজেই সেই গানের নাম নিতে পারি,<br>যা এখনো আমার হৃদয়কে নিংড়ে নিয়েছে !<br>সেই বীণা আর হৃদয়ের এমন কিছু কর্ড আছে<br>যা কথায় বলা যায় না —
** (১৮২৬-২) ''দ্য উইশ''
* আশা একটা লাজুক জিনিস,<br>ভীতু, আর দুর্বল, আর কষ্টে জন্ম নেওয়া;<br>অন্তত, এমন আশা যা মানব জীবন আনতে পারে।
** (১৮৩৪-১, পৃষ্ঠা ৩০৩) ''দ্য ফিউচার''। [[ইথেল চার্চিল (অর দ্য টু ব্রাইডস)]] প্রথম খণ্ড, অধ্যায় ৩১-এ পুনরায় ব্যবহৃত
* যদি ধ্বংস হওয়া আশা আর নষ্ট হওয়া নাম,<br>আর ভালোবাসার দেওয়া লজ্জার সব বিষ —<br>হিংস্র মৃত্যু, আর জনতার চোখ,<br>এর যন্ত্রণার দিকে তাকানোর জন্য ;<br>যদি পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়ংকর পাপের জন্য একটা ক্ষমা<br>জেতার জন্য এগুলো যথেষ্ট না হয়,<br>কথা পারবে না, পারে না! — কখনো সাহস কোরো না<br>আমাকে বলতে যে এটা প্রার্থনার মাধ্যমে জেতা যায় !<br>কাপুরুষ প্রার্থনা, কাপুরুষের কান্না,<br>অনুশোচনা থেকে নয়, বরং ভয় থেকে নিংড়ে নেওয়া!
* তার ঘাড়ের চারপাশে একটা ফিতা ঝোলানো ছিল,<br>তার হৃদয়ের কাছে একটা ছবি ঝোলানো ছিল :<br>আমি মুখটা দেখেছিলাম — এটা আমার ছিল না ;<br>আমি একটা ছোট ছোরাও জ্বলজ্বল করতে দেখেছিলাম,<br>একটা অদ্ভুত খেলনা — বাকিটা তো তুমি জানোই।
** (১৮৩১-২) ''দ্য কনভিক্ট''
* আহ, মিষ্টি বর্তমান ! — এটা কি যথেষ্ট হওয়া উচিত নয় ?<br>মানবতার কাছে নয়, যা বৃথাই চেষ্টা করে<br>সেই পর্দা তুলতে যা হয়তো কখনোই উঠবে না !
* অতীতেরও বেশি বর্তমান হলো ভবিষ্যৎ :<br>পেছনে এক দৃষ্টির জন্য, আমরা সামনে হাজারটা ফেলি ;<br>আর আশা সবসময় স্মৃতিকে ছাড়িয়ে যায়।
** (১৮৩৪-১) (ভলিউম ৪০) ''দ্য ফিউচার'', [[ইথেল চার্চিল (অর দ্য টু ব্রাইডস)]] ১, ৩১-এর সাথে তুলনা করুন
* পূর্বে দিন লাল হচ্ছিল,<br>যখন যোদ্ধারা পার হচ্ছিল ;<br>পশ্চিমে রাত ম্লান হচ্ছিল,<br>যখন তারা তাদের শেষ দৃষ্টি ফেলল ;<br>যখন তারা তার ওপর তাদের শেষ দৃষ্টি ফেলল —<br>সে, তাদের কমরেড — তাদের সেনাপতি —<br>সে, পৃথিবীর আরাধনার পাত্র —<br>সে, দেবতুল্য আলেকজান্ডার !<br>কে তার তলোয়ার চালাতে পারবে ?<br>তারা যখন যাচ্ছিল তাদের চোখ ঝাপসা ছিল,<br>রুপালি-ঢালওয়ালা যোদ্ধারা,<br>পৃথিবীর যোদ্ধারা !
** (১৮৩৫-৩) (ভলিউম ৪৫) ''ডেথবেড অব আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট''
* অভিজ্ঞতার রূঢ় শিক্ষা আছে, আর আমরা হই<br>আমাদের যা শেখানো হয়েছে তার মতো, বড্ড দেরিতে জানার জন্য,<br>আর তবুও আমরা এমন হওয়ার জন্য নিজেদেরই ঘৃণা করি।
** (১৮৩৬-১) (ভলিউম ৪৬) ''এক্সপেরিয়েন্স''
* যেমন শিশির ফুলের ওপর দিয়ে চুরি করে আসে,<br>তেমনি তোমার হাসি আমার ওপর চুরি করে এসেছিল ;<br>আমি বলতে পারব না সেই দিন বা সেই প্রহর<br>কবে আমি প্রথম তোমাকে ভালোবেসেছিলাম !
** (১৮৩৬-২) (ভলিউম ৪৭) ''সংস-৪''
* একটা শব্দ — একটা নাম —<br>আমার সামনে অতীতকে জাগিয়ে তোলে, যতক্ষণ না এটা হয়ে ওঠে<br>বর্তমানের চেয়েও বেশি বাস্তব : সেটা — আমি দেখি<br>কিন্তু দৈনন্দিন জীবনের সাধারণ চোখ দিয়ে,<br>অসম্পূর্ণ আর অধৈর্য ; কিন্তু অতীত<br>কল্পনার বাইরে কাজ করে তার সত্য,<br>আর কবিতার সাথে স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
** (১৮৩৬-২) (ভলিউম ৪৭) ''সাবজেক্টস ফর পিকচার্স''
* পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর সব জিনিস,<br>শিল্পের সৃষ্টিগুলোর জন্ম হয় —<br>এখনো ভালোবাসা আর মৃত্যু থেকে।
** (১৮৩৬-২) (ভলিউম ৪৭) সাবজেক্টস ফর পিকচার্স। ২. ''দ্য ব্যাঙ্কেট অব অ্যাসপাসিয়া অ্যান্ড পেরিক্লেস''
* এটা একটা বুনো বনে লুকানো ছিল<br>লার্চ আর পাইন গাছের ;<br>এটা তার শৈশবের জন্য ছিল<br>নিঃসঙ্গতা আর মন্দির, —<br>সেখানেই সে স্বপ্ন দেখে সময় কাটাত।
** (১৮৩৬-২) (ভলিউম ৪৭) সাবজেক্টস ফর পিকচার্স। ৩. ''রিয়েঞ্জি শোয়িং নিনা দ্য টোম্ব অব হিজ ব্রাদার''
* একটা মার্বেল মূর্তির মতো রাখা, <br>জলের বিশালতার দিকে তাকিয়ে আছে,<br>তার সাদা স্থির দৃষ্টি নিয়ে ;<br>সেখানে দেবী বসে আছেন, তার চোখ<br>নির্দয় আকাশের দিকে তোলা ;
* সে শুধু তাদের সবার প্রতীক,<br>মরণশীল বা স্বর্গীয়,<br>যারা হৃদয়কে অনুমতি দেয়,<br>তার আবেগ আর তার ক্ষমতায়,<br>কোনো অন্ধকার আর নিয়তিপূর্ণ প্রহরে,<br>তার অংশ জাহির করার জন্য।
** (১৮৩৬-৩) (ভলিউম ৪৮) সাবজেক্টস ফর পিকচার্স। সেকেন্ড সিরিজ। ১. ''ক্যালিপ্সো ওয়াচিং দ্য ওশান''
* সে খুব ভালো করেই জানে তার পথ দ্রুত ছুটে গেছে<br>সুস্বাদু পাপের ভেতর দিয়ে,<br>কোলাহলের সাথে বয়ে গেছে।<br>ওপরের তারারা কখনো<br>এমন চূড়ান্ত ভালোবাসার কথা লেখেনি।
* তার থেকে একটা মিষ্টি ফিসফিসানি এল ;<br>আর সে তার নিশ্বাস ধরতে পান করল, —<br>মদ আর দীর্ঘশ্বাস দুটোই মৃত্যু !
** (১৮৩৬-৩) (ভলিউম ৪৮) সাবজেক্টস ফর পিকচার্স। সেকেন্ড সিরিজ। ২. ''আ সাপার অব মাদাম ডি ব্রিনভিয়ার্স''
* একসময় ডালিমের কুঁড়ি<br>তার গালের উষ্ণ রঙের পাশে ফ্যাকাশে হয়ে যেত,<br>এখন এটা সেই শেষ বিষণ্ণ গ্রহের মতো<br>সকালের আকাশে ম্লান হয়ে যাচ্ছে —<br>সে কেঁদে কেঁদে এর লাল রং ধুয়ে ফেলেছে।
** (১৮৩৬-৩) (ভলিউম ৪৮) সাবজেক্টস ফর পিকচার্স। সেকেন্ড সিরিজ। ৩. ''দ্য মুরিশ মেইডেনস ভিজিল''
* একটা পাহাড়ের ওপর একা, পাইন গাছগুলো তার চারপাশে কাঁদছে,<br>একটা পাহাড়ের ওপর একা গ্রিক যুবক শুয়ে আছে ;<br>ঘুম, জাদুকরী ঘুম, অনেক বছর ধরে তাকে বেঁধে রেখেছে,<br>তবুও তার সৌন্দর্য, একটা মূর্তির মতো ফ্যাকাশে আর সুন্দর, ক্ষয়ে যায়নি。<br>সে কবে জাগবে ?
* যখন সব জাগতিক চিন্তা পুরোপুরি ত্যাগ করা হয়,<br>আসে তারায় ভরা মধ্যরাত, জীবনের খুব কম সংখ্যক প্রতিভাবানরাই তা অনুভব করে;<br>তখন আত্মা তার জাগতিক ঘুম থেকে জাগবে<br>একটা আরও তীব্র, আরও আধ্যাত্মিক আর সত্য সত্তায়。<br>এভাবেই আত্মা জাগে,<br>রাতের সুন্দর রানির জন্য সেই যুবকের মতো !
** (১৮৩৭-১) (ভলিউম ৪৯) সাবজেক্টস ফর পিকচার্স। থার্ড সিরিজ। ১. ''দ্য অ্যাওয়াকেনিং অব এন্ডিমিয়ন''
* তারা তার নাম নিল — আহ ! তবুও<br>আমি কি সেই নামে চমকে উঠি ;
** (১৮৩৭ ১) (ভলিউম ৪৯) ''আ নেম''
* বিদায়, আর যখন আগামীকালকে<br>আজকের মতোই ছোট মনে হবে,<br>আর আমরা দেখব জীবনের গভীরতম দুঃখ<br>ধীরে ধীরে গলে যাচ্ছে ;<br>তবুও আমাকে পুরোপুরি ভুলে যেয়ো না।
** (১৮৩৭ ১) (ভলিউম ৪৯) ''সংস - ১''
* একটা দিন একটা নিয়তি হতে পারে ; কারণ জীবন<br>খুব অল্পতেই বাঁচে— কিন্তু সেই অল্পতেই ভরে থাকে<br>এমন কোনো সুযোগ দিয়ে, যা সব সময়ের ভারসাম্য
** (১৮৩৭ ১) (ভলিউম ৪৯) ''থ্রি এক্সট্রাক্টস ফ্রম দ্য ডায়রি অব আ উইক।''
* আমরা হতে পারতাম !— এগুলো শুধু সাধারণ কথা,<br>আর তবুও এগুলোই জীবনের আক্ষেপের সারসংক্ষেপ;
* পূর্ণ হৃদয়ের কতটা<br>একটা সিল করা বই হতে হবে যার ভেতরের জিনিস দেখে আমরা কাঁপি ?
** (১৮৩৭ ১) (ভলিউম ৪৯) ''উই মাইট হ্যাভ বিন''
* আমরা এর উপস্থিতির কথা জানি না, যদিও এর ক্ষমতা<br>প্রতিটি প্রহরের ধীর গতির ওপর থাকে,<br>কখনো একটা সাম্রাজ্য ছুঁড়ে ফেলে, কখনো একটা ফুল।
** (১৮৩৭ ১) (ভলিউম ৪৯) ''নেসেসিটি''
* স্বপ্ন দেখা আর তৈরি করা আমার নিয়তি ছিল,<br>একা, জীবনের বেশি ব্যস্ত চক্রান্তগুলো থেকে দূরে ;<br>আমি এটা ভেবে ভয় পাই যে আমি হয়তো বড্ড দেরিতে দেখতে পাব<br>পরিশ্রমটা বৃথা ছিল, আর স্বপ্ন দেখাটা অর্থহীন ছিল।
** (১৮৩৭ ১) (ভলিউম ৪৯) ''মেমরি''
* চাঁদের আলো পড়া জলের পাশে একা<br>বিজয়ী দাঁড়িয়ে আছে,<br>তবুও তার বিশাল বাহিনীর<br>হত্যাকাণ্ডে সে লাল হয়নি。<br>তবুও তার লরেলে একটা পাতার অভাব আছে。<br>সেখানে সে দাঁড়িয়ে আছে, বিষণ্ণ, নীরব, একা ;<br>কারণ তার আশা বৃথা :<br>সে শুধু ফিরে আসার জন্যই<br>সেই নদীতে পৌঁছেছে।
* জীবন তো কেবল আত্মার কারাগার,<br>যেখানে তার ডানাগুলো গোটানো থাকে,<br>বৃথাই তাদের উড়ানের দিকে প্রসারিত হয়, —<br>সেই অনন্ত বাড়ির সন্ধানে<br>যা আগামী এক পৃথিবীতে আছে।
** (১৮৩৭ ২) (ভলিউম ৫০) সাবজেক্টস ফর পিকচার্স। ''আলেকজান্ডার অন দ্য ব্যাংকস অব দ্য হাইফাসিস''
* রোদেলা ঘাসের ওপর ডায়ালটা দাঁড়িয়ে ছিল,<br>যার মাপা সময় আমাদের সাথে অদ্ভুত বৈসাদৃশ্য তৈরি করেছিল :<br>আহ ! এটা কি জীবনের পরের পরীক্ষার কোনো অশুভ সংকেত ছিল,<br>যে এমনকি তখনও প্রহরগুলো ছায়ায় বলা হয়েছিল,<br>পুরোনো, পুরোনো দিনে,<br>সেই প্রিয় পুরোনো দিনে ?
** (১৮৩৭ ৩) (ভলিউম ৫১) ''দ্য ওল্ড টাইমস''
* আমরা বদলাই, আর অন্যরাও বদলায়, যখন স্মৃতি<br>খুশিমনে তা নতুন করতে চায় যা সে শুধু মনে করতে পারে :<br>অন্ধকার হলো জীবনের স্বপ্নগুলো, আর ক্লান্ত এর স্নেহ,<br>আর ঠান্ডা এর আশাগুলো, — আর তবুও আমি সেগুলো সব অনুভব করেছি,<br>অনেক দিন আগে।
** (১৮৩৮ ১) (ভলিউম ৫২) ''আ লং হোয়াইল অ্যাগো''
* ভদ্রমহিলা সারাক্ষণ বসে কাঁদেন —<br>রাত-দিন কাঁদেন —<br>একটা চিরস্থায়ী পাহারা দেন,<br>যতক্ষণ না জীবন চলে যায়,<br>আর তিনি সেই সাতজনের সাথে যোগ দেন যারা ঘুমিয়ে আছে।
* দুঃখের কঠোর আর নীরব ক্ষমতা আছে,<br>আর তার বাড়ি গর্বিত ;<br>আজকের ঠান্ডা পাহারায় থাকা প্রহরগুলোর কাছে নয়<br>হতাশাকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে ;<br>কিন্তু, অহংকারী ভয় দিয়ে বন্ধ করে রাখা,<br>গর্ব দিনের আলোর সাথে সাথে অদৃশ্য হয়ে যায়,<br>সেই সুন্দর জেগ্রি ভদ্রমহিলার কাছ থেকে —<br>যে ভদ্রমহিলা সেখানে কাঁদছেন।
** (১৮৩৮ ২) (ভলিউম ৫৩) সাবজেক্টস ফর পিকচার্স - ''দ্য জেগ্রি লেডিস ভিজিল''
* একা — তীরে একা —<br>যেখানে বিশাল জলরাশি গর্জন করে,<br>ইশ যদি সে সেগুলো পার হতে পারত!<br> কুমারী কি সেখানে দাঁড়িয়ে থাকে।
* একটা মানবিক চিন্তার মতো যা খুঁজছে<br>ভবিষ্যতের একটা প্রহর।
** (১৮৩৮ ২) (ভলিউম ৫৩) সাবজেক্টস ফর পিকচার্স - ''আরিয়াডনে ওয়াচিং দ্য সি আফটার দ্য ডিপার্চার অব থিসিয়াস''
* হ্যাঁ; কারণ, যখন স্মৃতি ক্লান্তভাবে নিয়ে আসছে<br>তার সম্পদগুলো সেই গভীরতা থেকে যেখানে তারা পড়ে ছিল,<br>একটা ভঙ্গুর হাত — কতটা পাতলা — কতটা দুর্বল — বিষণ্ণভাবে আঁকছে<br>আকৃতি আর কল্পনাগুলো সেই সেলের সাদা দেয়াল বরাবর。<br>ঠোঁটের ওপর একটা বিড়বিড়ানি আছে —<br>এটা রাজহাঁসের শেষ গান।
** (১৮৩৮ ২) (ভলিউম ৫৩) সাবজেক্টস ফর পিকচার্স - ''দ্য ডেথ অব ক্যামোয়েন্স''
===অন্যান্য উপহারের বই===
'''দ্য ফরগেট-মি-নট, ১৮২৪ - দ্য ইন্ডিয়ান অরফান'''
* কেউই উদাসীনতার সাথে বিদায় জানাতে পারে না।
* সমুদ্রযাত্রাটি ছোট মনে হয়েছিল, কারণ আমার অপেক্ষা করার মতো কিছুই ছিল না।
* আমাদের প্রথম ছাপের মধ্যে সত্য এবং নিশ্চয়তা আছে। প্রথম ছাপ হলো প্রাকৃতিক পথপ্রদর্শক, আর প্রকৃতি হলো একজন সত্যিকারের পথপ্রদর্শক।
* এটি হয়তো কাল্পনিক মনে হতে পারে, কিন্তু আমার কাছে ভায়োলেট হলো নারীর ভালোবাসার আসল প্রতীক; এটি গোপনে ফুটে ওঠে; এমনকি তোলার পরও এটি তার সুবাস লুকিয়ে রাখে; এর হালকা কাণ্ডে এর গভীর নীল পাতাগুলো কতটা লাজুকভাবে বাঁকে! মিলটা হয়তো আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায় — নারীর ভালোবাসা শুধু এর পবিত্রতার মধ্যেই সুন্দর; আবেগের উষ্ণ নিশ্বাস একবার একে কলুষিত করলে, এর সৌন্দর্য চলে যায় — এভাবেই গ্রীষ্ম যত এগোয়, ভায়োলেট তার সুবাস হারায়; জুন আসে, কিন্তু এর সুবাস উড়ে যায় — হৃদয়েরও তার জুন আছে; ফুলটা হয়তো থেকে যেতে পারে, কিন্তু এর সুবাস চিরকালের জন্য চলে যায়।
* পরমানন্দের স্বপ্নের মতো হালকা রঙের, বিদায়ী ঝড়ের ওপর একটা অর্ধেক তৈরি রংধনু ঝুলে ছিল, যেন এখনো শান্তির প্রতিশ্রুতি দিতে ভয় পাচ্ছিল।
* এটি অদ্ভুত, তবে সত্য, যে আমাদের জীবনের সবচেয়ে সুখী অংশটি বিস্তারিত বর্ণনায় সবচেয়ে ছোট। আমরা সেই ঝড়ের কথা মনে রাখি যা ধ্বংস করেছিল, সেই বন্যার কথা যা ভাসিয়ে নিয়েছিল — কিন্তু গ্রীষ্ম এবং রোদে কাটানো অসংখ্য দিনগুলোর কথা আমরা নীরবে পার করে যাই।
* তারা বলে নারীরা পুরুষদের চেয়ে বেশি বিশ্বস্ত : এটি হলো পরিস্থিতির বিশ্বস্ততা ; পুরুষদের যে উদ্যোগ এবং পরিশ্রমের প্রয়োজন হয় তা ক্রমাগত তাদের নিজেদের থেকে বাইরে বের করে আনে, এবং যা প্রথমে প্রয়োজনীয়তা ছিল তা শীঘ্রই অভ্যাসে পরিণত হয় — অন্যদিকে একজন নারী যে প্রতিনিয়ত কাজের চক্রে নিযুক্ত থাকে তার মন বা শরীরের কোনো ক্লান্তির প্রয়োজন হয় না; সুই, সাধারণত বলতে গেলে, তার পেশা এবং বিনোদন দুটোই, আর এই ধরনের কাজ ধারণাগুলোকে পুরোপুরি খেলার সুযোগ দেয় ; তাই কল্পনাকে একটি বিষয়ে মনোযোগ দেওয়ার স্বাধীনতা দেওয়া হয়, এবং তাই অভ্যাস, যা একদিক থেকে একটি সুবিধা, তার কাছে একটি অতিরিক্ত রিভেটে পরিণত হয়।
* তখন একটি চিঠি, বাড়ি এবং স্নেহের নিশ্বাস নেওয়া, একটি সম্পদ ; এটি মৃতদের কাছ থেকে আসা একটি স্মারকচিহ্নের মতো, কারণ অনুপস্থিতি মৃত্যু ছাড়া আর কিছুই নয়, শুধু এর পুনরুত্থান এই জীবনেই হয়।
'''দ্য ফরগেট-মি-নট, ১৮৩৩ - জিউলিয়েটা'''
* কিন্তু যৌবন হলো একটা বয়ে চলা স্রোতের মতো, যার স্রোতে ছায়া হয়তো বিশ্রাম নিতে পারে কিন্তু থাকতে পারে না।
'''দ্য কিপসেক, ১৮৩৩ - ওয়ান পিপ ওয়াজ এনাফ; অর দ্য পোস্ট-অফিস'''
* ... কী তাকে ডালটনে আনতে পারে। সেখানে সূর্যের নিচের প্রতিটি রোগ সারানোর নিশ্চয়তা দেওয়া কোনো খনিজ-ঝরনা ছিল না; আশপাশে এমন কোনো ধ্বংসাবশেষ ছিল না যা বিশেষভাবে প্রত্নতাত্ত্বিক এবং পিকনিক পার্টিদের জন্য রেখে দেওয়া হয়েছে; এমন কোনো সুন্দর দৃশ্য ছিল না, যা, সুরের মতো, মানুষের প্রশংসা করাকে বিবেকের বিষয় বানিয়ে তোলে; কোনো বিখ্যাত ব্যক্তি কখনো এর আশেপাশে জন্মায়নি বা মারা যায়নি; কোনো ঘোড়দৌড় ছিল না, কোনো আদালত ছিল না—সংক্ষেপে, সেখানে "কিছুই ছিল না।"
'''দ্য কিপসেক, ১৮৩৪ - দ্য হেড'''
** পর্ব ১
* সময় ততটাই হালকাভাবে পেরিয়ে গেল যতটা সে সবসময় ফুল, ব্রাসেলসের কার্পেট, মার্বেলের ছাদ, সবুজ ঘাস, বা যেকোনো উপমা যা কোনো বাধাহীন পথকে সবচেয়ে ভালোভাবে প্রকাশ করতে পারে তার ওপর দিয়ে হেঁটে যায়।
* প্রকৃতিতে আপনার সত্যিকারের স্বামীর জেদের মতো এত অবাস্তব আর কিছুই নেই; এটি হলো অনতিক্রম্য বাধা—সেই আল্পস পর্বত যা কোনো নারীসুলভ ভিনেগার গলাতে পারে না।
* কিন্তু লাইব্রেরির জ্ঞান আর পৃথিবীর জ্ঞান এক নয়; নিঃসঙ্গ যৌবন হলো কাজের জীবনের জন্য একটা খারাপ প্রস্তুতি; সবচেয়ে অল্প বয়স থেকেই আমাদের নিজেদের প্রজাতির সাথে মেলামেশা করা দরকার; শিশু অন্য শিশুর কাছ থেকে তার শিক্ষকদের চেয়ে বেশি শেখে এবং শুধরে নেয়; আমাদের সমকক্ষরাই হলো সেই হাতিয়ার যা দিয়ে অভিজ্ঞতা তার পাঠগুলো বের করে আনে; আর খেলার মাঠ, তার প্রতিদ্বন্দ্বী স্বার্থ, তার অবিচার, তার উপস্থিত বুদ্ধি আর নিয়ন্ত্রিত মেজাজের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে, এটা পৃথিবীর একটা ক্ষুদ্র রূপ আর ভবিষদ্বাণী দুটোই, যা কেবল পুরোনো সংগ্রামগুলোকেই ফিরিয়ে আনবে শুধু আরও কঠোর চেহারায়, আর একই সাফল্যগুলো, কিন্তু তাদের অর্ধেকেরও বেশি আনন্দ চলে যাওয়ার পর।
* যৌবন শুধু একটা মৌসুমের জন্যই কষ্ট পায়; মাথা নোয়ানো কিন্তু না ভাঙা আত্মা তার স্থিতিস্থাপকতা ফিরে পায়; ভবিষ্যৎ, অজানা আর সুন্দর, বর্তমানকে নিজের দিকে টেনে নেয়, আর অতীত সেই অন্ধকার আর অপ্রতিরোধ্য প্রভাবের জন্য অপেক্ষা করে যা আজ বা কাল আমাদের পুরো দিগন্তকে অন্ধকার করে দেবে।
* কিন্তু প্রথার স্বৈরাচার, অন্যান্য সমস্ত স্বৈরাচারের মতো, যখন একেবারেই অসহনীয় হয়ে ওঠে—কারণ মানুষ যা সহ্য করবে তা সত্যিই বিস্ময়কর—তখন তা ইতিমধ্যেই তার নিজের বিলুপ্তির বীজ বপন করে ফেলেছে। কষ্টের ভেতর থেকেই অভিযোগের জন্ম হয়েছে, আর কোনো কথিত অধিকারের প্রয়োগের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা মানেই খুব শিগগিরই তার কর্তৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলা, আর প্রথম প্রশ্নটিই অধিকারের পুরো প্রাচীন আর সময়-সম্মানিত কাঠামোটিকে নাড়িয়ে দেয়।
* নিখুঁত সমতা, আর নিখুঁত স্বৈরতন্ত্র, হলো এমন তত্ত্ব যা একইভাবে অনুশীলনে আনা যায় না; কিন্তু প্রথমটির সাথে অনেক সুন্দর অনুভূতি যুক্ত আছে, আর একটা সুন্দর অনুভূতির মধ্যে একটা অদ্ভুত আকর্ষণ আছে—আমরা এটা উচ্চারণ করে নিজেদেরই একটা প্রশংসা করি।
* এমন একটা বিশ্বাস আছে যাতে আমরা পৌঁছাই না, যদিও দৈনন্দিন অভিজ্ঞতা আমাদের ওপর তা চাপিয়ে দেয়, সেটা হলো এই বিশ্বাস যে বাস্তবে কেউই কারও জন্য পরোয়া করে না; কিন্তু এই সত্যটা এতই ঠান্ডা যে আমরা একে সব ধরণের চাদর আর আবরণ, বিভ্রম আর কৌশল দিয়ে আটকে রাখি।
** পর্ব ২
* ভালোবাসার অশুভ আত্মা এক মুহূর্তের জন্য তার আত্মা ছেড়ে গিয়েছিল, কিন্তু ফিরে এসেছিল, যদিও একটা অদ্ভুত আর ভয়ংকর চেহারা নিয়ে, সাথে করে তার নিজের চেয়েও অন্য আর আরও খারাপ আত্মাদের নিয়ে এসেছিল—ঘৃণা, প্রতিশোধ, রক্তপিপাসা—সবই সেই সময়ের উত্তেজিত আর ধর্মান্ধ মেজাজের সাথে মিশে গিয়েছিল আর তার রঙে রঙিন হয়েছিল।
'''দ্য ক্যাবিনেট অব মডার্ন আর্ট, অ্যান্ড লিটারারি সুভেনির, ১৮৩৭ - টু সিনস ইন দ্য লাইফ অব অ্যানা বোলেন'''
* শহর আর ভিড় ভালোবাসাকে আদর্শহীন করে তোলে; আর একজন মেয়ের তরুণ উষ্ণ হৃদয়ে ভালোবাসা হওয়া উচিত সমস্ত সাধারণ আবেগ থেকে আলাদা একটা স্বপ্ন — ততটাই মিষ্টি আর ততটাই বায়বীয় যতটা সেই লজ্জার আভা যার সাথে এটি জন্মায় আর মারা যায়। সৌন্দর্য ভালোবাসাকে তার নিজস্ব অনুগ্রহ দেয় — আয়নায় প্রতিফলিত হওয়া বড্ড সুন্দর মুখ দ্বারা অনুপ্রাণিত আবেগের সাথে রোমান্স মেশানো থাকতে হবে।
* বিলম্বিত আশা হলো হৃদয়ের জন্য অসুস্থতা — আর সে এখন সেই অসুস্থতায় ভুগছিল, তার সবচেয়ে খারাপ অবস্থায়।
'''হিথস বুক অব বিউটি, ১৮৩৭ - আ সিন ইন দ্য লাইফ অব নূরজাহান'''
* অনুশোচনার চমকে ওঠা আতঙ্ক যা সে ভয় পায় তা নিয়ে ভাবতে সাহস পায় না, তা অন্যান্য সমস্ত মানবিক অনুভূতির মতোই অসঙ্গতিপূর্ণ।
* সৌন্দর্য কি তার ক্ষমতা হারাতে পারে ? আহ, হ্যাঁ ! যখন ভালোবাসা তার সত্য হারাতে পারে। দুর্বল আর আবেগপ্রবণ, প্রলোভনের কাছে নতি স্বীকার করে, কিন্তু সংঘটিত অপরাধের পুরস্কার উপভোগ করতে কাঁপে ; এমন মানুষকেই আমার হৃদয় তার দেবতা বানিয়েছিল, — যার জন্য আমি একজন দাসের মতো পরিশ্রম করতাম; হ্যাঁ, আর করি ; কিন্তু এখন অনেক ভিন্ন লক্ষ্য নিয়ে। জাহাঙ্গীর, আমাদের শুধু আর একবার দেখা হতে দাও, আর তুমি আমার ! কিন্তু আমি — আমি আর কখনো তোমার হতে পারব না। জীবন, সিংহাসন, ভাগ্য, আমরা এখনো একসাথে ভাগ করব ; কিন্তু আমার হৃদয়, কখনোই, আর কখনোই না !
* মন যেমন শরীরের অনুষদগুলোকে ত্বরান্বিত করতে পারে, তেমনভাবে ত্বরান্বিত কান ছাড়া আর কেউই দোরগোড়ায় ইতস্তত করা পদক্ষেপের শব্দ শুনতে পেত না।
* আমি তাকে জিতেছি, আর তাকে রাখব ; কারণ তার দুর্বল মেজাজের কাছে অভ্যাস লোহার শেকলের মতো হবে। আমি তাকে জিতেছি — কিন্তু কীভাবে? সে সেই তরুণ হৃদয়ের আন্তরিক আর নিবেদিত ভালোবাসার কথা মনে রাখেনি, যা ছিল তার, আর শুধুই তার। এমনকি আমার সৌন্দর্যও তার স্বার্থপর অবহেলাকে প্রভাবিত করতে ব্যর্থ হয়েছিল : কিন্তু সে আরও শক্তিশালী এক জাদুর মাধ্যমে আমার। ভালোবাসা হয়তো বৃথা দেওয়া হতে পারে,— সৌন্দর্য হয়তো ক্ষমতাহীন হতে পারে ; কিন্তু আমি চাটুকারিতার গভীর জাদুর মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করেছি।
'''পোয়েট্রি'''
* পৃথিবীটা সাগরের মতো, যার নোনা ঢেউয়ে,<br>নদীর মতো, আমরা আমাদের যৌবনের সতেজতা হারাই।
** ফ্রেন্ডশিপস অফারিং, ১৮২৫ (১৮২৪) ''দ্য সুইসাইডস গ্রেভ''
* আমি একটা স্বপ্ন দেখেছিলাম, যে আমি ছুঁড়ে দিয়েছি একটা শিকল<br>গোলাপের ভালোবাসার চারপাশে,—আমি জাগলাম, আর দেখলাম<br>আমি দুঃখকে শৃঙ্খলিত করেছি।
** দ্য লিটারারি সুভেনির, ১৮২৬ (১৮২৫) ''দ্য ফোরসেকেন''
* আমি বালির ওপর আমার নাম লিখেছিলাম;<br>আমি ভেবেছিলাম আমি এটা তোমার হৃদয়ে লিখেছি।<br>আমার ভয়ের কোনো ছোঁয়া ছিল না, যে শব্দগুলো,<br>এমন শব্দ, এত খোদাই করা, চলে যেতে পারে।
** ফ্রেন্ডশিপস অফারিং, ১৮২৭ (১৮২৬) ''সং''
* একই, তবুও এক নয় — তার মুখ<br>এখনো সেই গ্রিক রেখা আছে ;<br>সেই খোদাই করা নিখুঁততা যার অনুগ্রহ<br>দীর্ঘদিন ধরে ঐশ্বরিক বলে ধরা হয়েছে।
** দ্য অ্যামুলেট, ১৮৩১ (১৮৩০), ''দ্য লিগ্যাসি''
===অনুবাদ===
====ফরাসি থেকে====
'''মাদাম ডি স্তায়েল, কোরিন (ইসাবেল হিল, ১৮৩৩):'''
* চিঠির দোলনা ! পৃথিবীর মালকিন !<br>সূর্যের মাটি ! ইতালিয়া! আমি তোমাকে অভিবাদন জানাই !<br>মানবজাতি কতবার তোমার জোয়াল পরেছে।<br>তোমার হাতের, তোমার শিল্পের, তোমার আকাশের জাহাজগুলো !
* তোমার দান্তে ! খ্রিস্টান যুগের হোমার,<br>বিশ্বাসের রহস্যগুলোর পবিত্র কবি—<br>চিন্তার নায়ক—যার বিষণ্ণ প্রতিভা ডুব দিয়েছিল<br>স্টিক্সে, আর নরকে বিদ্ধ করেছিল ; আর যার গভীর আত্মা<br>ছিল সেই অতল গহ্বরের মতো যা সে পরিমাপ করেছিল।
* প্রতিভার সেই জাদু, উচ্চ শিল্পের বিজয়;<br>কবিতার ভবিষ্যদ্বাণী, যা প্রকাশ করে<br>প্রকৃতির সব রহস্য, যা মানুষের<br>হৃদয়কে প্রভাবিত করে।
* কল্পনার সাথে আমাদের দীর্ঘ শেষ ঘুমকে<br>মিলিয়ে নেওয়াটা রোমের গোপন জাদু।<br>আমরা নিজেদের সমর্পণ করি, আর কম কষ্ট পাই<br>যাদের আমরা ভালোবাসি তাদের জন্য। উত্তরের বিষণ্ণ জাতিগুলোর চেয়ে<br>দক্ষিণের মানুষরা জীবনের শেষ সময়টাকে<br>কম ভয়ংকর রঙে আঁকে :<br>সূর্য, গৌরবের মতো, এমনকি কবরকেও উষ্ণ করে।
** ''চ্যান্ট অব কোরিন অ্যাট দ্য ক্যাপিটল''
* কল্পনার সত্য আসে এর ক্ষমতা থেকে:<br>মানুষের প্রতিভা তৈরি করতে পারে যখন প্রকৃতি অনুভূত হয়;<br>সে নকল করে যখন সে ভাবে যে সে আবিষ্কার করছে।
* ওহ স্মৃতি ! মহৎ শক্তি ! তোমার রাজত্ব এখানেই।<br>অদ্ভুত নিয়তি, কীভাবে এভাবে, যুগের পর যুগ,<br>মানুষ তার যা হারিয়েছে তার জন্য অভিযোগ করে।<br>তবুও কি চলে যাওয়া বছরগুলো, প্রত্যেকে তাদের পালা অনুযায়ী,<br>অতীতের সুখের সম্পদের মতো মনে হয়:<br>আর যখন মন, তার দূর অগ্রগতিতে আনন্দিত হয়ে,<br>ভবিষ্যতের মাঝে ডুব দেয়, তবুও আত্মা<br>যেন অন্য কোনো প্রাচীন বাড়ির জন্য আক্ষেপ করে<br>যাতে সে অতীতের দ্বারা আরও কাছে টানা হয়।
* ওহ পৃথিবী ! রক্ত আর কান্নায় সব ভিজে গেছে, তবুও কখনোই<br>তুমি তোমার ফল আর ফুল দেওয়া থামাওনি;<br>আর মানবজাতির জন্য কি তোমার কোনো করুণা নেই ?<br>তোমার মাতৃসুলভ বুক কি আবার গ্রহণ করতে পারে<br>তাদের ধুলো, আর তবুও স্পন্দিত হয় না ?
* রহস্যময় উৎসাহ, ভালোবাসা !<br>হৃদয়ের সর্বোচ্চ ক্ষমতা;—যা নিজের মধ্যেই<br>ধর্ম, কবিতা,<br>আর বীরত্বকে একত্রিত করে।
* প্রতিভা গোলকের সংগীত ধরে ফেলে,<br>যা মরণশীল কান কখনো জানার জন্য ছিল না।<br>প্রতিভা রহস্য ভেদ করতে পারে<br>অনুভূতির, যা অন্য সব হৃদয়ের অজানা;<br>এক শক্তি সবচেয়ে ভেতরের আত্মায় প্রবেশ করেছে,<br>যার উপস্থিতি হয়তো আটকে রাখা যাবে না।
* আমরা যা করতে পারি<br>আগামীকাল হয়তো আমাদের ভাগ্য ঠিক করে দেবে।<br>আমরা হয়তো গতকালই এমন কোনো কথা বলেছি<br>যা আর ফিরিয়ে নেওয়া যাবে না।
** ''কোরিনস চ্যান্ট ইন দ্য ভিসিনিটি অব নেপলস''
* তোমরা আমার বিদায় গ্রহণ করো ! ওহ, আমার বন্ধুরা,<br>আগেই আমার চোখে রাত অন্ধকার হয়ে আসছে ;—<br>কিন্তু রাতের বেলা কি স্বর্গ সবচেয়ে সুন্দর নয় ?<br>জ্বলন্ত আকাশে হাজারো তারা জ্বলে ওঠে,<br>যা দিনের বেলা একটা নীল রঙের মরুভূমি।<br>এভাবেই অনন্ত ছায়ার জড়ো হওয়া<br>অসংখ্য চিন্তা প্রকাশ করে, যা প্রায় হারিয়ে যায়<br>সমৃদ্ধির পুরো দিনের আলোয়।
* ধর্মের কোনো সীমানা নেই, কোনো গণ্ডি নেই;—<br>বিশাল, অসীম, আর অনন্তকাল.,<br>প্রতিভা কখনোই তার কাছ থেকে আলাদা হতে পারে না।<br>কল্পনা তার প্রথম উড়ান থেকে,<br>জীবনের গণ্ডি পেরিয়ে গেছে : আর মহৎ<br>হলো দেবত্বের প্রতিফলন।
* যদি বাতাস বিড়বিড় করে তবে তারা যেন শুনতে পায়<br>তার কণ্ঠস্বর ; আর যখন রাত নামে, চারপাশের ছায়াগুলো<br>যেন তার ঝুলে পড়া পোশাকের কালো ভাঁজগুলোর মতো মনে হয়।<br>দুপুরে, যখন জীবন শুধু পরিষ্কার আকাশ দেখে,<br>শুধু উজ্জ্বল সূর্য অনুভব করে, সেই নিয়তিপূর্ণ জন<br>যাকে মৃত্যু ডেকেছে, সে দূর থেকে লক্ষ্য করে<br>সেই ভারী ছায়া যা খুব শিগগিরই ঢেকে দেবে<br>প্রকৃতির সব কিছু তাদের চোখ থেকে।
* দয়াময় ঈশ্বর, তুমি আমাকে উত্তর দিচ্ছ না !<br>আমি পৃথিবীতে আমার পছন্দ বেছে নিয়েছি, আর এখন আমার হৃদয়ের<br>কোনো আশ্রয় নেই। তোমরা আমার জন্য সিদ্ধান্ত নাও,<br>আর এমন একটা নিয়তিই সেরা।
** ''দ্য লাস্ট সং অব কোরিন''
'''অন্যান্য:'''
* প্রিয় বন্ধু, যদি তোমার কোনো গভীর উপত্যকায় একটা বাড়ি থাকে,<br>যেখানে তুমি বিশ্বাস আর ভাগ্য, আর সব মহান জিনিসের, আসার স্বপ্ন দেখতে পারো।<br>যদি এমন একটা শান্ত বিশ্রামের জায়গা তোমার ভবিষ্যতের জন্য দেওয়া হয়,<br>যেখানে নিঃসঙ্গতার প্রতিটি প্রহর স্বর্গের কাছে পবিত্র করা হয়,<br>ওহ, এটা ছেড়ো না ! এই বৃথা জীবন তার কয়েকটা প্রহর দূরে গিয়ে বিরক্ত হোক,<br>যেখানে আনন্দ চলে যায়, আর গৌরব বিশাল পৃথিবীর ক্লান্ত যুদ্ধকে উপহাস করে<br>এর রূঢ় আর রাগী জোয়ার যেন বেমানান স্রোতের সাথে জাগিয়ে না তোলে<br>সেই নীরবতাকে যা পপলার গাছগুলো ভালোবাসে, তোমার নিজের স্বচ্ছ হ্রদের।
* হ্যাঁ, নিঃসঙ্গতার গভীরে অনেক লুকানো মলম আছে<br>যারা তাকে ছেড়ে যায় না তাদের জন্য পাহারা দেওয়া, শক্তিশালী আর শান্ত করার জন্য।
** ''ফিশারস ড্রয়িং রুম স্ক্র্যাপ বুক, ১৮৩৫'' (১৮৩৪), 'চ্যাপ্টার হাউস, ফার্নেস অ্যাবে' সেন্ট বেউভ থেকে এ. ফন্টেনের কাছে একটি চিঠির অনুবাদ। (সম্ভবত [[শার্ল ওগ্যুস্তাঁ সাঁত-বভ]])
* ঘুমাও, ছোট পল, কী, কাঁদছ, চুপ ! রাতটা খুব অন্ধকার ;<br>নেকড়েরা প্রাচীরের কাছে আছে, কুকুরগুলো ডাকতে শুরু করেছে ;<br>ঘুমের জন্য ঘণ্টা বেজেছে, আর অভিভাবক ফেরেশতা কাঁদে<br>যখন চুল্লির পাশে একটা ছোট শিশু এত রাত পর্যন্ত খেলা করে।
** ''ট্রেইটস অ্যান্ড ট্রায়ালস অব আর্লি লাইফ'' (১৮৩৬), 'দ্য লিটল বয়েস বেড-টাইম' মাদাম [[মার্সেলিন দেসবার্দেস-ভালমোর]] থেকে অনুবাদ
====জার্মান থেকে====
* আমি একটা সুন্দর ছোট ফুল চিনি, একটা ফুল যার জন্য আমি কষ্ট পাই —<br>আমি গিয়ে ওটা তুলতাম, কিন্তু বাধা আমার ভারী প্রহরগুলোকে আটকে রাখে;<br>ওহ, দুঃখ, যখন আমি মুক্ত ছিলাম, কত সহজেই ওই ছোট ফুলটা আমার ছিল !<br>. . .<br>ওহ, আমি যদি কবরে ডুবতাম আমি প্রায়ই বৃথাই জিজ্ঞাসা করি,<br>আর স্বাগত জানানো মৃত্যু পাশে দাঁড়িয়ে থাকে ক্ষয়ে যাওয়া বন্দীর শিকল খুলতে — <br>আহ, আমাকে ফরগেট-মি-নট নাম দাও, আমি আবার জীবনে জেগে উঠতাম!
** ''দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট'' (৩ জানুয়ারি ১৮৩৫) জার্মান থেকে সংস্করণ (ফার্স্ট সিরিজ।) - 'দ্য লাভলি লিটল ফ্লাওয়ার' — [[ইয়োহান ভোলফগাং ফন গ্যোটে|গ্যোটে]]।
* ওই গভীর বন থেকে কী আলো ঝলকাচ্ছে —<br>বুনো বাতাসে বয়ে আসা কী শব্দ ?<br>কী সেই কালো সারিগুলো যা সামনের দিকে ছুটে যাচ্ছে<br>বেজে ওঠা শিঙার ডাকের দিকে ?<br>কারা তারা যারা বজ্রের মতো শব্দ করে যাচ্ছে ? —<br>এটা সাহসী লিটজউয়ের কালো শিকার!
** ''দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট'' (৩ জানুয়ারি ১৮৩৫) জার্মান থেকে সংস্করণ (ফার্স্ট সিরিজ।) - 'দ্য ব্ল্যাক হান্ট অব লিটজউ'
* যখন আমরা যুদ্ধের মাঠে শুয়ে থাকি,<br>মধ্যরাতের বৃষ্টিতে ভিজে একাকার হয়ে যাই,<br>আনন্দদায়ক স্বপ্ন হয়তো তোমার ঘুমকে মুকুট পরাবে,<br>যেহেতু তুমি রেশম আর পালকের মাঝে বিশ্রামে ডুবে যাও :<br>কিন্তু তোমার বালিশের পাশে লজ্জা দাঁড়িয়ে থাকুক !<br>একজন জার্মান কুমারী তোমাকে চুমু খাবে না,<br>একটা জার্মান গান তোমাকে আনন্দ দেবে না,<br>আর জার্মান মদ তোমাকে উষ্ণ করবে না !<br>যার তলোয়ার চালানোর শক্তি আছে,<br>তাকে এখন তার পিতৃভূমির জন্য তা বের করতে দাও !
** ''দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট'' (৩ জানুয়ারি ১৮৩৫) জার্মান থেকে সংস্করণ (ফার্স্ট সিরিজ।) - 'দ্য গ্যাদারিং' — কোয়র্নের।
* মিষ্টি পলিন, যদি আমি তোমাকে কিনতে পারতাম<br>সোনা বা তার দাম দিয়ে,<br>আমি তোমাকে অস্বীকার করতাম না<br>পৃথিবীর সম্পদ।<br>তারা সেই আনন্দের কথা বলে<br>যা ধনসম্পদ দেয় —<br>তোমাকে ছাড়া, আমার সম্পদ,<br>আমি কী আনন্দ জানতে পারতাম ?
** ''দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট'' (১০ জানুয়ারি ১৮৩৫) জার্মান থেকে সংস্করণ (সেকেন্ড সিরিজ।) 'পলিনস প্রাইস'— গ্যোটে।
* গানের মিষ্টি সুরে ভরা একটা উপত্যকায়<br>পাহাড় আর বন থেকে আসা,<br>যেখানে সবুজ শ্যাওলার ছোট নদীগুলো লাফিয়ে উঠছিল,<br>একটা অদ্ভুত কুমারী দাঁড়িয়ে ছিল।<br>প্রথম লার্ক পাখিটি যেন বহন করছিল<br>বাতাসের ভেতর দিয়ে তার আগমনকে ;<br>সে খুব বেশিক্ষণ দেরি করতে অভ্যস্ত ছিল না,<br>যদিও সে কোথায় ঘুরে বেড়াত তা কেউ জানত না।
** ''দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট'' (১০ জানুয়ারি ১৮৩৫) জার্মান থেকে সংস্করণ (সেকেন্ড সিরিজ।) 'দ্য কামিং অব স্প্রিং'—শিলার।
* মহিলাটি তার ক্লান্ত মাথা তুলল,<br>আর বলল, "আমার সন্তানটি দুর্বল ছিল<br>মৃতদের মাঝে সে কাউকে চিনত না<br>তার প্রতিদিনের খাবার খোঁজার জন্য !<br>আমার স্বামী ছিলেন একজন ভালো শিকারি<br>যিনি সবসময় তীর বইতেন :<br>আমি জানি আমার সন্তানের এখন খাবার থাকবে,<br>তাই আমি আর কাঁদব না।<br>আমি বসে অতীতের কথা ভাবি,<br>আর আমার বিষণ্ণ সুর গাই :<br>আমি জানি যে শেষে আমাদের দেখা হবে,<br>আর কখনোই আলাদা হব না।"
** ''দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট'' (২৪ জানুয়ারি ১৮৩৫) জার্মান থেকে সংস্করণ (ফোর্থ সিরিজ।) 'দ্য হুরনস চাইল্ড'— হার্ডার।
* শক্তি, ক্ষমতা, আর রাজকীয়তা, পুরুষের অন্তর্গত ;<br>তারা গৌরবকে তার জীবনের স্থানীয় করে তোলে ;<br>কিন্তু মিষ্টতা হলো একজন নারীর বৈশিষ্ট্য —<br>সেটা দিয়েই সে রাজত্ব করেছে, আর সেটা দিয়েই সে রাজত্ব করবে।
** ''দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট'' (২৪ জানুয়ারি ১৮৩৫) জার্মান থেকে সংস্করণ (ফোর্থ সিরিজ।) 'দ্য অ্যাম্পায়ার অব ওম্যান' — শিলার।
'''কাউন্ট এগমন্ট, এ ট্র্যাজেডি। — গ্যোটে।''' জার্মান থেকে সংস্করণ (ফিফথ সিরিজ।)
* '''দৃশ্য ১। — (ক্লারা, মা, ব্র্যাকেনবার্গ)''' [অঙ্ক ১, দৃশ্য ৩]
* মা:<br>সন্তান আর দুঃখ একসাথে আসে। প্রথমে<br>ঘুমহীন রাত, আর দোলনা পাহারা দেওয়া — তারপর<br>তোমার বয়স কুমারী কল্পনা দিয়ে বিরক্ত হয়,<br>আর তোমার মেয়ের প্রেমিক তোমার আরও বেশি যত্ন নেয়<br>যেমনটা তোমার নিজের কখনোই নেয়নি। এটা ভালো না !
** ''দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট'' (৭ ফেব্রুয়ারি ১৮৩৫)
* '''দৃশ্য ২। — (মা, ক্লারা, এবং পরে কাউন্ট এগমন্ট।)''' [অঙ্ক ৩, দৃশ্য ২]
* ক্লারা:<br>প্রেমময় হৃদয় পুরনো গানে আনন্দ পায় ;<br>তারা অনেক কিছু বলে যা আমরা বলতে চাই,<br>আর আমাদের সহানুভূতি জাগিয়ে তোলে, আর আমাদের অনুভব করায়<br>নিজেদের কম অপরিচিত। অন্যরাও ভালোভাবে ভালোবেসেছে,<br>আর তাদের ভালোবাসার এই কোমল স্মৃতিচিহ্নগুলো রেখে গেছে।
* এগমন্ট:<br>ভালোবাসা কোনো<br>শিকারী পাখি নয়, শিকারির পরিশ্রমের মূল্য দেওয়ার জন্য — <br>যে তাকে খোঁজে না তার দ্বারাই সে সবচেয়ে ভালোভাবে জেতা হয়।
* এগমন্ট:<br>ওই শহরের এগমন্ট — সে গর্বিত,<br>আর ঠান্ডা, আর কঠোর, আর বিষণ্ণ। সে রাখে<br>তার পরামর্শ নিজের কাছে। সে এমন একটা ভ্রু পরে<br>যা তার হৃদয়ের জন্য একটা হাসিখুশি ছায়া :<br>আপাত আনন্দ নিয়ে বিভ্রান্ত, যা যত্নকে ঢেকে রাখে।<br>একটা চঞ্চল জনতা দ্বারা উঁচুতে তোলা,<br>যারা জানে না তারা কী প্রশংসা করে, বা তারা কী খোঁজে।<br>এমন লোকদের মাঝে ঘুরে বেড়ানো যারা তাকে বোঝে না ;<br>যাদের সাথে তার কোনো মিল নেই : আর ক্লান্ত<br>পরিচিত বন্ধুদের বিরুদ্ধে ক্ষিপ্ত পাহারার দ্বারা<br>যাদের মনে হয়, তবুও তারা তা নয়। নজর রাখা, সন্দেহ করা, ভয় পাওয়া ;<br>পরিশ্রমে ক্লান্ত, যার কোনো শেষ নেই<br>বা কোনো পুরস্কারও নেই ; কিন্তু শুধু দূরের আশা।<br>এমনই হলো মাঠ আর রাজ্যের এগমন্ট।<br>কিন্তু তোমার প্রিয় : সে সুখী, অকপট,<br>খোলা, আর পরিচিত সেই হৃদয়ের সবচেয়ে প্রিয়র কাছে —<br>যাকে সে-ও চেনে, আর তার নিজের মতোই বিশ্বাস করে।<br>শান্ত, গভীরভাবে আনন্দময় ; এমনই এখন এগমন্ট।
** ''দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট'' (২৮ ফেব্রুয়ারি ১৮৩৫)
* '''এগমন্ট, সাথে ক্লারা, ব্র্যাকেনবার্গ, এবং নাগরিকরা।''' [অঙ্ক ৫, দৃশ্য ১]
* ক্লারা:<br>আমি নরমভাবে কথা বলব, যতক্ষণ না আমাদের জড়ো হওয়া শক্তি<br>তার মিলনে কণ্ঠস্বর খুঁজে পায়। আহ, কোনো দেরি নয় !<br>যে স্বৈরাচার শেকল পরাতে সাহস করেছিল সে পরে<br>একটা মধ্যরাতের ছোরা।
* ক্লারা:<br>প্রতিবেশীরা, প্রিয় বন্ধুরা, তোমরা স্বপ্ন দেখছ, তোমরা স্বপ্ন দেখছ : জাগো!<br>বিষণ্ণ অবাক চোখে আমার দিকে তাকিও না,<br>আমি শুধু তোমাদের তোমাদের আসল ইচ্ছার দিকে ডাকছি।<br>আমার কণ্ঠস্বর কেবল তোমাদের নিজেদের হৃদয়ের কণ্ঠস্বর।
** ''দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট'' (৭ মার্চ ১৮৩৫)
* '''কারাগারে কাউন্ট এগমন্টের স্বগতোক্তি।''' [অঙ্ক ৫, দৃশ্য ২]
* পুরনো বন্ধু আর সত্যিকারের সঙ্গী ! প্রশান্তিদায়ক ঘুম,<br>হ্যাঁ উড়ে যাও, অন্য বন্ধুদের মতো। কত সহজেই<br>তোমার মিষ্টি প্রভাব আমার মুক্ত মাথার ওপর পড়েছিল,<br>মার্টল ডালের একটা সুন্দর মুকুটের মতো ঠান্ডা।<br>প্রিয় ঘুম ! অস্ত্রের ঝনঝনানির মাঝে,<br>অশান্ত জীবনের রূঢ় স্রোতের ওপর,<br>আমি বিশ্রাম নিয়েছিলাম, শিশুর মতো হালকা নিশ্বাস নিয়ে,<br>ক্লান্ত আর তোমার মায়ের কোলে দোল খেয়ে।<br>যখন ঝড় ডাল থেকে পাতাগুলোকে উড়িয়ে নিয়ে যেত,<br>আর আছড়ে পড়া ডালপালার ভেতর দিয়ে ছুটে যেত, তবুও আমার হৃদয়<br>তার গভীরে শান্ত ছিল, — আর আমি ঘুমাতাম।
* সে নয়, সেই সাহসী শত্রু নয়<br>যে স্বাস্থ্যকর বুকের ওপর ভয়ংকরভাবে ছুটে আসে।<br>এমন কারো জন্য আমার কোনো ভয় নেই। এটা এই নিস্তেজ কারাগার<br>যা নায়ক আর কাপুরুষকে এক করে দেয় !
* সাহস আমার হৃদয়ে একজন ফেরেশতার মতো !
* অন্ধকারের বাতাসে আঁকা সুন্দর মুখটা,<br>আশার জোরালো শক্তির দ্বারা, স্পষ্ট আর মিষ্টি,<br>একটা ভালো লক্ষণ। আমার ভালোবাসা, আমি বিশ্রাম নেব।<br>যদি আমার শেষ ঘুম হয় — এটা তোমাতে পূর্ণ হবে।
** ''দ্য লন্ডন লিটারারি গেজেট'' (২৮ মার্চ ১৮৩৫)
===অন্যান্য প্রকাশনা===
===লিটারারি রিমেইনস===
'''দ্য ফিমেল পোর্ট্রেট গ্যালারি'''
* "ওয়েভারলি" ছিল একটি নতুন যুগের অবতার ;
** ''নম্বর ১। ওয়েভারলি — ফ্লোরা ম্যাক ইভর।''
* (নামের ব্যাপারে) সাহিত্যিক গডফাদার এবং গডমাদারদের, বাস্তব জীবনের মতো, অনুপযুক্ত হওয়ার ব্যাপারে অনেক কিছুর জন্য জবাবদিহি করতে হয়।
* প্রকৃতির কিছু খুব মিষ্টি উপহার ছাড়া কেউই একটি ছোট বাড়ির বৃত্তের হৃদয়কে পুরোপুরি নিজেদের করে নিতে পারে না — ভালোবাসার পাত্র হওয়ার জন্য আমাদের অবশ্যই ভালোবাসতে হবে।
** ''নম্বর ২। ওয়েভারলি — রোজ ব্র্যাডওয়ার্ডিন।''
* এমন কতজন আছে যারা এগারো মাস কাটায় দ্বাদশ মাসের কোনো সংক্ষিপ্ত কিন্তু আনন্দদায়ক ভ্রমণের আশায়।
* নেতৃত্ব দিতে অভ্যস্ত একজন মানুষের অভ্যাস — বিশেষ করে কোনো বিদেশি স্টেশনে, তা নিশ্চিতভাবেই সংরক্ষিত এবং বিচ্ছিন্ন হবে। শুধু পরম আনুগত্যে অভ্যস্ত নয়, বরং তারা যেসব পরিস্থিতিতে পড়েছে সেখানে এর বাধ্যতামূলক প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সচেতন, এমন ব্যক্তিরা সবার কাছ থেকে এটি আশা করতে পারে। এখন, দাপ্তরিক জীবনে এবং মানুষের ওপর মানুষের জন্য যা কেবল প্রয়োজনীয় কর্তৃত্ব, তা নারীর ওপর প্রসারিত হলে কঠোরতা বলে মনে হয়।
* প্রতারণা সবসময়ই একটি মন্দ জিনিস, কিন্তু যৌবনে — যৌবন, যার খুব দোষগুলোও খোলা মনের এবং আবেগপ্রবণ হওয়া উচিত, এটি চরিত্রের সবচেয়ে খারাপ সম্ভাব্য দোষগুলোর ভিত্তি তৈরি করে।
** ''নম্বর ৩। গাই ম্যানারিং — জুলিয়া ম্যানারিং।''
* সভ্যতা যখন একটি নির্দিষ্ট পর্যায়ে পৌঁছায়, তখন উচ্চ শ্রেণির পরিবর্তনগুলো কল্পনা এবং ফ্যাশনের পরিবর্তনের চেয়ে খুব একটা বেশি হয় না ; কিন্তু নিচের শ্রেণির ওপর কাজ করা পরিবর্তনগুলো হলো চরিত্রের পরিবর্তন।
** ''নম্বর ৪। গাই ম্যানারিং — লুসি বারট্রাম।''
* মানুষের বিশ্বাসপ্রবণতার ইতিহাস মানবজাতির মহান ইতিহাসের সবচেয়ে অদ্ভুত পাতা হবে। যেসব বিশাল বিশ্বাস ধর্ম এবং সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেছে, সেখান থেকে শুরু করে সর্বশেষ নতুন খুনকে সাজানো আবিষ্কারগুলো পর্যন্ত, মানুষের মনে সবসময় যুক্তির ক্ষমতা যতটা সম্ভব কম খরচ করে বিশ্বাস করার প্রবণতা রয়েছে।
* এটি একটি কৌতূহলোদ্দীপক সত্য যে, সত্য সবসময় মিথ্যার চেয়ে শুরুতে বেশি বিরোধিতার সম্মুখীন হয়েছে ; রক্ত সঞ্চালন এবং টিকাদান তাদের আবিষ্কারকদের প্রায় বিশ্বাস এবং অনুশীলন হারাতে বসিয়েছিল, যখন হাতুড়ে ওষুধের কোনো বিক্রেতা দ্রুত ভাগ্য তৈরি করে। এর হয়তো কেবল এই কারণেই ব্যাখ্যা করা যেতে পারে যে, প্রতারক জনতার কাছে আবেদন করে, অন্যদিকে বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারক জ্ঞানে তার ভাইদের কাছে আবেদন করে, যাদের প্রত্যেকেই অস্বীকার করতে আগ্রহী, যা, যদি স্বীকার করা হয়, তবে দেখাতে হবে যে, তাদের নিজস্ব গবেষণা এবং অর্জনের একটি বড় অংশ বৃথা গেছে ; তবুও যে মানুষের বিশ্বাসপ্রবণতার ওপর ব্যবসা করে তার হাতে একটি ভালো স্টক থাকবে, বিশেষ করে যখন সামনে রাখা প্রলোভনটি লাভের হয়।
* একজন গল্পকার হিসেবে, স্কট অপ্রতিদ্বন্দ্বী ; তিনি দামেস্কের একটি ক্যাফের ভাগ্য তৈরি করে দিতেন।
* শোকাহত পিতা-মাতার অনুভূতি কতটা গভীর হতে হবে যিনি বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর এবং সবচেয়ে প্রিয় একটি মুখ মনে না করে তার সন্তানের সুন্দর মুখের দিকে তাকাতে পারেন না: কবরের ছায়া অনাথের শিশুসুলভ চঞ্চলতার চারপাশে ঝুলে থাকে, এবং এমনকি বর্তমানের আশাগুলোও অতীত থেকে বিষণ্ণতার কিছু ছোঁয়া নিয়ে আসতে হবে।
* অস্তিত্বের জন্য শ্রম যেমন প্রয়োজনীয়, মূল্যায়নের জন্য অসুবিধাও ততটাই প্রয়োজনীয়।
** ''নম্বর ৫। দ্য অ্যান্টিকোয়ারি— মিস ওয়ারডোর।''
* মানুষের বিশ্বাসপ্রবণতার ইতিহাস মানবজাতির মহান ইতিহাসের সবচেয়ে অদ্ভুত পাতা হবে। যেসব বিশাল বিশ্বাস ধর্ম এবং সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেছে, সেখান থেকে শুরু করে সর্বশেষ নতুন খুনকে সাজানো আবিষ্কারগুলো পর্যন্ত, মানুষের মনে সবসময় যুক্তির ক্ষমতা যতটা সম্ভব কম খরচ করে বিশ্বাস করার প্রবণতা রয়েছে।
* ... কিন্তু জীবনের জল চিরকাল সামনের দিকে বয়ে চলেছে, এবং ভাসার সময় নিচে ঢেউগুলোকে কোন মেঘগুলো অন্ধকার বা লাল করেছিল তার খুব সামান্যই চিহ্ন তারা বহন করে।
** ''নম্বর ৬। দ্য অ্যান্টিকোয়ারি.— মেরি ম্যাক ইন্টায়ার।''
* জীবনের লটগুলো অনেক এবং বিপরীত, এবং পৃথিবীর শিশুদের জন্য তারা যে অংশগুলো মেপে দেয় তা অসম। আমরা তাদের সাথে একমত হতে পারি না যারা যুক্তি দেয় যে পার্থক্য শেষ পর্যন্ত কেবল বাহ্যিক চেহারায়। এমন দাবি প্রায়শই চিন্তাহীনতার ফলাফল — কখনো কখনো স্বার্থপরতার ফলাফল। এটি মানব প্রকৃতির অন্যতম ভালো দিক যে, এটি মানুষের কষ্টের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে। এমন খুব কম লোকই আছে যারা মন বা শরীরের ব্যথা দেখে করুণা এবং উপশম করার ইচ্ছা ছাড়া থাকতে পারে ; কিন্তু আমাদের উদ্দেশ্যের দুর্বলতা এমনই যে, সাহায্য থেকে আমাদের অন্যদিকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য সামান্যই যথেষ্ট। অলসতা, অসুবিধা, এবং বিপরীত স্বার্থ সহানুভূতির পথে আসে, এবং তখন আমরা নিজেদের কাছে আমাদের উদাসীনতার অজুহাত দিতে চাই। এটি একটি আরামদায়ক মতবাদ যে মন্দের ক্ষতিপূরণ কোনো রহস্যময় ভালো দ্বারা করা হয় ; এটি হস্তক্ষেপ না করার একটি অজুহাত, এবং আমরা আমাদের নিজেদের আনন্দের ওপর বিবেককে ঘুমাতে দিই, এটা ধরে নিয়ে যে অন্যদেরও সেগুলো আছে — যদিও আমরা জানি না কীভাবে।
* তবে, এটি অবশ্যই স্বীকার করতে হবে যে, কঠিন পরিস্থিতিগুলো শক্তিশালী চরিত্র তৈরি করে, যেমন উত্তরের ঠান্ডা জলবায়ু এমন এক জাতির মানুষের লালনপালন করে, যাদের কার্যকলাপ এবং শক্তি দক্ষিণের লোকদের অনেক পেছনে ফেলে দেয়। একারণেই পুরুষদের তুলনায় নারীদের চরিত্র বেশি অভিন্ন হয় ; মনের সুপ্ত ক্ষমতাগুলোকে জাগিয়ে তোলার মতো পরিস্থিতিতে তাদের খুব কমই রাখা হয়।
* কোনো পুরুষ কখনো একজন নারীর অনুভূতির মধ্যে প্রবেশ করতে পারে না, তার দয়া যেমনই হোক না কেন; "জীবনের রূঢ়তর জিনিসগুলোর" ওপর যে হাতের মুঠো রয়েছে, তার জন্য সেগুলো বড্ড সূক্ষ্ম এবং নাজুক। তারা দাবি করে যে দুঃখ যেন একটি কণ্ঠস্বর খুঁজে পায় ; এখন সবচেয়ে প্রশান্তিদায়ক সহানুভূতি হলো সেটি যা কোনো প্রশ্ন ছাড়াই কষ্টটা অনুমান করতে পারে।
** ''নম্বর ৭। রব রয় — ডায়ানা ভার্নন।''
* সর্বোপরি, যদিও সৌন্দর্য প্রতারণামূলক হতে পারে, এবং অনুগ্রহ বৃথা হতে পারে, তবুও সৌন্দর্য হলো পরীদের দ্বারা কোনো শিশুর দোলনার চারপাশে ছড়ানো সবচেয়ে চমৎকার উপহার। এর আকর্ষণ নামহীন ; এটি আমাদের জয় করে, আমরা জানি না কেন — এবং আমাদের স্মৃতিতে রয়ে যায়, আমরা জানি না কেন। প্রাণী বা জড় জগতেই হোক না কেন, এটি আমাদের সবচেয়ে সুস্বাদু অনুভূতির কারণ ; এটি কল্পনার অন্তর্গত, কারণ এটি আমাদের ভেতরে সেই সব কিছু জাগিয়ে তোলে যা "চিন্তার লুকানো খনিগুলোতে" লুকিয়ে থাকতে পারে। অস্তিত্বের মধ্যে যা কিছু সবচেয়ে গৌরবময়, এটি তারই গুণ — এটি নীল আকাশে আছে — এটি পৃথিবীকে একটি পোশাকের মতো ঢেকে রাখে — এটি সমুদ্রের বেগুনি বুকের ওপর বিজয়ীর মতো চড়ে। আমাদের হৃদয়ের ভেতরে তাকান, এটি আমাদের প্রকৃতির সমস্ত আদর্শের জন্ম দিয়েছে। সৌন্দর্য হলো স্বর্গ থেকে পৃথিবীতে ফেলা ছায়া — এটি একটি আরও সুন্দর এবং আরও আধ্যাত্মিক অস্তিত্বের প্রতীক, এবং আমাদের এই বিষণ্ণ এবং ভারী তীর্থযাত্রার ওপর এটি যে ভাঙা এবং ক্ষণস্থায়ী আলোগুলো ফেলে, তা কেবল অন্য এবং আরও ভালো গোলকের ইঙ্গিত দেয়, যেখানে সুন্দরও চিরস্থায়ী হবে। এর রহস্যময় প্রভাবের প্রতি অনিচ্ছাকৃতভাবে দেওয়া শ্রদ্ধা কেবল এর ঐশ্বরিক উৎপত্তি এবং এর অনন্ত ভবিষ্যতের একটি অবচেতন স্বীকৃতি।
** ''নম্বর ৮। দ্য ব্ল্যাক ডোয়ার্ফ — ইসাবেল ভেরে।''
* প্রিয় খণ্ডটি যার পড়া আমরা প্রশংসা করি, তা অনিবার্যভাবে আমাদের নিজেদের সাথে যুক্ত — এটি অবশ্যই আমাদের মূর্তির কাছে সেই নিঃসঙ্গ প্রহরগুলো নিয়ে আসবে যখন কোনো মূর্তির পুনরাবৃত্তির এমন প্রভাব থাকে — এটি সেই মূর্তিকে কবিতা এবং কল্পকাহিনীর অনুষঙ্গগুলো দিয়ে সাজিয়ে তোলে, এবং এইভাবে একে সাধারণ জীবনের দৈনন্দিনতা থেকে উদ্ধার করে। রুচির সহানুভূতিও আছে — এবং শুধুমাত্র আমাদের নিজেদের চোখের জন্য মূলত পেন্সিল দিয়ে দাগানো একটি অনুচ্ছেদ থেকে কত কিছুই না অনুমান করা যেতে পারে। তারপরও, একটি বই হলো চিঠিপত্রের জন্য সবচেয়ে সুন্দর পদক্ষেপ ; একটি ধন্যবাদের নোট লেখা একটি খুব সাধারণ জিনিস বলে মনে হয়, এবং লেখকের ওপর কিছু হালকা মন্তব্য যোগ করা খুব স্বাভাবিক ; এবং একজন লেখকের অনুভূতির সমালোচনা কতবারই না কেবল আমাদের নিজেদের প্রকাশ !
* আমি সারাজীবন শহরের বাসিন্দা ছিলাম, এবং আমি অকপটে স্বীকার করছি, একটি স্থায়ী বাসস্থান হিসেবে, আমি এটিকে সেই সমস্ত গ্রামীণ আকর্ষণের চেয়ে বেশি পছন্দ করি যা কখনো একটি প্রবন্ধের নৈতিকতা তৈরি করেছে, বা কবিতাকে অনুগ্রহ দিয়েছে ; তবুও দেশের এমন কিছু আছে যার প্রতি হৃদয় সবসময় সতেজতা এবং পুনর্নবীকরণের অনুভূতি নিয়ে ফিরে যায়। সবুজ বনের মধ্য দিয়ে চাঁদের আলোয় হাঁটা, স্মৃতির ওপর এমন একটি জাদু নিয়ে ফিরে আসবে যা প্রদীপ-আলোকিত হাঁটার অন্তর্গত নয়। সবুজ পাতা তার সতেজতা দেবে, বুনো ফুল তার মিষ্টি ; কানে বেজে উঠবে ডালে বাতাসের গুঞ্জন — অথবা ঝরনার গান যা নিছক আনন্দের জন্য একটি শিশুর মতো গায়।
* এটি একটি সত্য যে, যদিও একজন স্কটসম্যান ব্যক্তিদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি লোকোমোটিভ — গ্লোবের এমন কোনো বাসযোগ্য অংশ নেই যেখানে তাকে পাওয়া যাবে না — তবুও কোনো কিছুই তার দেশের প্রতি তার আকর্ষণকে দুর্বল করতে পারে না।
** ''নম্বর ৯। ওল্ড মর্টালিটি — এডিথ বেলেনডেন।''
* সাধারণ স্বাধীনতার সুবিধাগুলো বিতর্কের জন্য বড্ড বেশি স্পষ্ট; তবে এটি আক্ষেপ করা যেতে পারে যে ধনী এবং গরিবরা আজকাল এত দূরে বাস করে: তাদের কোনো সাধারণ বিনোদন নেই, এবং এটি একসাথে কাটানো জীবনের হাসিখুশি প্রহরগুলো যা সামাজিক বন্ধনগুলোকে সবচেয়ে বেশি বোনে। তার বনে শিকার, এবং তার চুল্লির পাশে ক্রিসমাস, ব্যারন এবং তার লোকদের একত্রিত করেছিল, প্রত্যেকে তাদের সবচেয়ে হালকা মেজাজে — লাভটি পারস্পরিক ছিল।
* আংশিকভাবে আরও বিক্ষিপ্ত জনসংখ্যা হওয়ার কারণে, যা আত্মনির্ভরশীলতার দিকে নিয়ে যায় — আংশিকভাবে তাদের ধর্মীয় সংগ্রামগুলো তাদের সাধারণ স্মৃতিগুলোতে একটি ঐতিহাসিক চরিত্র দেওয়ার কারণে, যা সেই পারিবারিক গর্ব দ্বারা লালিত হয় যা ফিরে তাকাতে ভালোবাসে — অন্য যেকোনো কৃষকদের চেয়ে স্কচদের মধ্যে বেশি ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্য রয়েছে।
** ''নম্বর ১০। ওল্ড মর্টালিটি — জেনি ডেনিসন।''
* আমরা সবাই জানি যে পৃথিবীতে মন্দ আছে — আমরা এর সম্পর্কে পড়ি — আমরা এর সম্পর্কে শুনি — কিন্তু আমরা কখনো আমাদের নিজস্ব জাদুকরী বৃত্তে এর প্রবেশের কথা ভাবি না। আমাদের পরিচিতদের বৃত্তের দিকে তাকান; আমরা যাকে অপরাধ করতে সক্ষম বলে মনে করতাম তাকে নাম বলতে বললে আমরা কতটা চমকে উঠব; আমাদের সবচেয়ে কাছের এবং প্রিয় কেউ সেই অপরাধ করেছে তা জানতে পারলে আরও কতটা চমকে উঠব। এমন একটি আবিষ্কার কী এক নৈতিক বিদ্রোহ তৈরি করবে — এমন একটি পরীক্ষার অধীনে আমরা নিজেদের কতটা দুর্বল দেখতে পাব — কত দ্রুত আমরা অপরাধী এবং অপরাধকে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে শুরু করব ; তখন, প্রথমবারের মতো, আমরা প্রলোভনের পূর্ণ শক্তি বুঝতে শুরু করব, এবং এর ভয়ানক শক্তির জন্য ছাড় দেব ; এবং আমরা কি এমন কিছুর অজুহাত দিতে শুরু করব না যা আগে কখনো ক্ষমার যোগ্য বলে মনে হয়নি?
** ''নম্বর ১১। দ্য হার্ট অব মিড লোথিয়ান — জিনি ডিনস।''
* আমরা একে অপরের থেকে ব্যাপকভাবে আলাদা ; আমরা কি তা নই, যেমনটা পরিস্থিতি আমাদের চারপাশে বদলায়, ক্রীতদাসের মতো আমাদের তাদের ইচ্ছায় ঢালাই করে — আমরা কি আমাদের নিজেদের থেকেও আরও বেশি আলাদা নই ?
* আমি গ্যোটের সাথে একমত নই, যিনি বলেন যে প্রত্যেক মানুষের বুকের গোপন গভীরে এমন কিছু লুকিয়ে আছে, যা যদি জানা যায়, তবে তার সহকর্মীরা ঘৃণায় তার কাছ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে ; বিপরীতে, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে যদি হৃদয়ের কাজগুলো জানা যেত, তবে তারা বরং আমাদের জন্য অনুগ্রহ এবং স্নেহ জয় করে আনত।
* আমাদের কথাগুলোর ওপর চিরস্থায়ী নজর রাখার চেয়ে ভয়ংকর কোনো শাস্তির কথা আমি কল্পনা করতে পারি না, পাছে তারা যা লুকাতে চায় তা প্রকাশ করে ফেলে ; কোনো অসতর্ক মুহূর্ত না জানা — কোনো উদাসীন আনন্দ না জানা — সেই আত্মবিশ্বাসের জন্য কষ্ট পাওয়া যা তবুও আমরা দিতে সাহস পাই না — কাঁপতে থাকা, পাছে এমন কোনো বাক্যাংশে কোনো লুকানো অর্থ লুকিয়ে থাকে যা কেবল আমাদের নিজেদের অসুস্থ কল্পনাই এমন অর্থ বহন করতে নির্যাতন করতে পারে — সন্দেহকে একটি দ্বিতীয় প্রকৃতিতে পরিণত করা — এবং প্রতিদিন সকালে আনন্দময় রোদ থেকে পিছিয়ে আসা, কারণ আমরা জানি না যে একটি দিন কী নিয়ে আসতে পারে : ইক্সিয়নের চাকা এমন একটি অবস্থার তুলনায় একটি কোমল করুণা ছিল।
** ''নম্বর ১২। দ্য হার্ট অব মিড লোথিয়ান — এফি ডিনস।''
* আমাদের নিজেদের চারপাশের জগতটা কী ? ছায়াময়, ভিত্তিহীন, এবং বিস্ময়কর হলো অদৃশ্য উপাদানগুলো, শক্তিশালী এবং বাতাসের মতো অদৃশ্য আত্মাদের দ্বারা জনবহুল যা তাদের বাড়ি। পৃথিবীর প্রথম প্রহর থেকেই অতিপ্রাকৃতের প্রতি বিশ্বাস সর্বজনীন। প্রথমে বিশ্বাসটি কবিতায় পূর্ণ ছিল ; কারণ, সেই দিনগুলোতে, কল্পনা পৃথিবীতে ঠিক সেভাবেই হেঁটেছিল যেমনটা ফেরেশতারা করেছিল, মানুষের সন্তানদের চারপাশে তাদের গৌরব ছড়িয়ে দিয়েছিল। চ্যালডীয়রা তাদের উঁচু মিনার থেকে রাতের নীরব সৌন্দর্য দেখত — তারা তারাগুলোকে তাদের নির্দিষ্ট পথে যেতে দেখত, এবং ভাবত যে তারা তাদের সাথে অনন্তকালের শক্তিশালী রেকর্ডগুলো বহন করে নিয়ে যায়। প্রতিটি আলাদা গ্রহ কোনো না কোনো মরণশীল জন্মের ওপর আলোকিত হতো, এবং তার দিকটি যেমন ভালো বা মন্দের জন্য ছিল, তার আলোর নিচে শুরু হওয়া ভাগ্যের দিকটিও তেমনই ছিল। সেই বিশাল ওয়াচ-টাওয়ারগুলো, তাদের ধূসর ঋষিদের সাথে, মধ্যরাতের কাছে তার রহস্য জানতে চেয়েছিল, এবং এর তারার রোলকে এই শ্বাস নেওয়া পৃথিবীর কালপঞ্জি হিসেবে ধরেছিল। সময় গড়িয়ে গেল, ফেরেশতারা আর পৃথিবীতে আসল না, এবং তরুণ কল্পনার ঐশ্বরিক বিশ্বাসগুলো আরও পার্থিব হয়ে উঠল। তবুও ডোডোনার ওক গাছের শোকাবহ গুঞ্জনে এবং উড়ন্ত শকুনদের ভয়ংকর যুদ্ধের গানে কবিতা টিকে ছিল, যাদের কাছ থেকে রোমানরা বিজয়ের খবর দাবি করেছিল। কিন্তু ভবিষ্যদ্বাণী ধীরে ধীরে ভবিষ্যদ্বাণীতে পরিণত হলো, এবং ভবিষ্যতের পূর্বাভাস দেওয়ার কৃতিত্ব পেয়েছে এমন বিভিন্ন পদ্ধতিগুলো নোট করা মানুষের বিশ্বাসপ্রবণতা এবং কৌতূহল উভয়ের পরিমাণের একটি অনন্য প্রমাণ। তারা থেকে চায়ের কাপে নামাটা সত্যিই একটা পতন —
* আমি বিশ্বাস করি যে আকর্ষণের সবচেয়ে বড় রহস্য হলো, বিবরণগুলো সবসময় আমাদের ভয়ের প্রতি যা উপস্থিত থাকে, বা আমাদের অহংকারের কাছে যা তৃপ্তিদায়ক তার ওপর ফেরে।
** ''নম্বর ১৩। দ্য লিজেন্ড অব মনট্রোজ — অ্যানট লাইল।''
* আপনি যদি একজনের পক্ষে মতামত দেন, তবে আপনি এখনও উভয়কেই ক্ষুব্ধ করবেন ; কারণ এটি দাম্পত্য ঝগড়ার ক্ষেত্রে একটি শারীরিক গুণ যে, যদিও প্রত্যেকেই অন্যকে দোষী বলে মনে করে, তারা আপনাকেও তা ভাবতে দেবে না ; তদুপরি, সম্ভাবনা হলো যে, আপনার নিজের ব্যক্তিগত মতামতে, তারা উভয়ই ভুল — যা উচ্চারণ করা সবচেয়ে অজনপ্রিয় রায়।
* আজকের বিশ্বাসগুলো খুব কম, কুসংস্কারগুলো আরও কম। আমরা সবকিছুর হিসাব দেওয়ার ভান করি, যতক্ষণ না আমরা নৈতিক শৃঙ্খলার জন্য এত প্রয়োজনীয় নম্রতার জন্য যথেষ্ট বিশ্বাস করি না। কিন্তু নিয়তিবাদীর অন্ধকার মতবাদ এখনও তার জমি ধরে রেখেছে — আমাদের ভেতরে এমন কিছু আছে, যা, আত্মার শান্ত গভীরে, আমরা অনুভব করি যে এর একটি রহস্যময় প্রাধান্য রয়েছে তা অস্বীকার করতে সাহস পায় না। একটি নির্দিষ্ট মাত্রায় আমরা আমাদের নিজস্ব কাজগুলো নিয়ন্ত্রণ করি — আমাদের কাছে ঠিক বা ভুলের পছন্দ আছে ; কিন্তু পরিণতিগুলো, ভয়ংকর পরিণতিগুলো, আমাদের ওপর নির্ভর করে না। যে কেউ তার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যুগগুলোর দিকে তাকিয়ে দেখুক ; সেগুলো আমাদের নিজেদের তৈরি কতটা কম হয়েছে — কীভাবে একটা সামান্য জিনিস আরেকটার দিকে নিয়ে গেছে, যতক্ষণ না ফলাফলটা আমাদের হিসাবের ঠিক বিপরীত হয়েছে। আমাদের আবেগগুলো, তারা কতটা কম আমাদের নিজেদের নিয়ন্ত্রণে ! কতবারই না সাদা হয়ে যাওয়া ঠোঁট, বা লাল হয়ে যাওয়া গাল, প্রকাশ করে দিয়েছে যা ইচ্ছাশক্তি লুকাতে শক্তিশালী ছিল ! আমাদের সমস্ত সংবেদনের মধ্যে, ভালোবাসাই হলো সেইটি যার ওপর ভাগ্যের ছাপ সবচেয়ে বেশি। সাধারণত কী একটি নিছক সুযোগ আমাদের সেই ব্যক্তির সাথে দেখা করার দিকে নিয়ে যায় যে আমাদের জীবনের পুরো স্রোতকে বদলে দেওয়ার নিয়তিভুক্ত। আমাদের নিজেদের কাছেও একটি রহস্য সেই প্রভাব যা তারা আমাদের ওপর প্রয়োগ করে। কেন আমরা তাদের প্রতি এত ভিন্নভাবে অনুভব করব, যা আমরা আগে কখনো অনুভব করিনি ? একটি অনুরাগ হলো অস্তিত্বের একটি যুগ — এটি পুরনো বন্ধনগুলো ছিন্ন করার দিকে নিয়ে যায়, যা, ততক্ষণ পর্যন্ত, আমাদের সবচেয়ে প্রিয় বলে মনে হয়েছিল ; এটি নতুন দায়িত্ব শুরু করে ; প্রায়শই, বিশেষ করে একজন নারীর মধ্যে, পুরো চরিত্রটি বদলে দেয় ; এবং তবুও, এর শুরুতে, এর ধারাবাহিকতায় বা এর শেষে, ভালোবাসা ঠিক ততটাই আমাদের ক্ষমতার বাইরে যতটা বয়ে যাওয়া বাতাস, যার সম্পর্কে কেউ জানে না যে এটি কোথায় যায় বা কোথা থেকে আসে।
** ''নম্বর ১৪। দ্য ব্রাইড অব ল্যামারমুইর — লুসি অ্যাশটন।''
* ফিকশন হলো কেবল প্রতিদিনের দ্বারা সংগৃহীত উপাদানগুলোকে একসাথে ঢালাই করা, বাস্তব এবং কাল্পনিক উভয় জীবনেই ; শ্রেষ্ঠত্বের সর্বোচ্চ স্তর এর সাথে প্রেরণা বহন করে। প্রকৃতি এবং ভাগ্যের প্রতিযোগিতার জায়গা হলো এই পৃথিবী, এবং বিজয় প্রায়শই পরেরটির সাথেই হয়।
* ভীতু মেজাজ চিরস্থায়ী ভয়ের মধ্যে বাস করে, মহৎ মেজাজ নিজেকে প্রস্তুত করে সহ্য করার জন্য যখনই নির্ধারিত সময় আসবে।
* আমি বিশ্বাস করি যে পুরুষদের তুলনায় নারীরা বিয়েতে বেশি হতাশ হয় ; একজন নারী তার হৃদয়ের পুরোটা দেয় — পুরুষটি কেবল তার হৃদয়ের অবশিষ্টাংশ দেয়, এবং খুব প্রায়ই কেবল একটুখানি বাকি থাকে। তাছাড়া তার প্রতিমা খুব কমই তার নিজের হাতের কাজের মতো তার কাজ ; প্রথম বছরের শেষে সে হয়তো জিজ্ঞেস করতে পারে, সেই মনোরম এবং মহৎ গুণগুলো কোথায় যা দিয়ে সে তার প্রেমিককে সাজিয়েছিল? দশটির মধ্যে নয়টি ক্ষেত্রেই প্রতিধ্বনি সত্যিই উত্তর দেবে "কোথায়।"
** ''নম্বর ১৫। ইভানহো — রেবেকা।''
* অনুমান করা চরিত্রটি বাস্তব চরিত্র থেকে কতটা আলাদা হবে ; সবচেয়ে ঘনিষ্ঠরাও একে অপরের সম্পর্কে কত কম জানে। কিন্তু অপরিচিত ব্যক্তি যে পার্থক্যটি আবিষ্কার করতে পারে তা আমরা নিজেদের মধ্যে যে পার্থক্যটি খুঁজে পাই তার কাছে কিছুই নয়।
** ''নম্বর ১৬। ইভানহো — রোয়েনা।''
* কোনো বইকে দুবার এবং দূরবর্তী সময়ে না পড়া পর্যন্ত নিখুঁতভাবে বিচার করা যায় না। নিজেদের মধ্যে রুচির তারতম্য লক্ষ্য করা কৌতূহলোদ্দীপক। আমি মনে করতে পারি আমি গল্পটি খুব আগ্রহের সাথে গিলে খেয়েছিলাম, অনুভূতির অংশ নেওয়া সমস্ত কিছুর ওপর মনোযোগ দিয়েছিলাম, এবং কোনো মন্তব্যের গভীরতা নিয়ে কখনোই প্রশ্ন তুলিনি। আমি এখন দেখতে পাচ্ছি যে আমি চরিত্রের বিকাশের দিকে সবচেয়ে বেশি আগ্রহ নিই। আমি রসিকতার মধ্যে আরও বেশি প্রবেশ করি, এবং প্রতিবারই কোনো সিদ্ধান্তের সত্যতা বিশ্লেষণ করতে প্রলুব্ধ হই। আমি যা পড়ছি তা নিয়ে আমি আরও বেশি ভাবি, এবং কল্পনার জগতের সাথে বাস্তবের জগতকে সংযুক্ত করে আরও বেশি আনন্দ পাই।
** ''নম্বর ১৭। দ্য মনাস্ট্রি — মেরি অ্যাভেনেল।''
* স্কচরা চতুর হওয়ার জন্য বড্ড বেশি সতর্ক — তারা তাদের উত্তরগুলো নিয়ে আগে থেকেই চিন্তা করে ; তারা আবেগপ্রবণ লোক নয়, এবং চতুরতা হলো একটি আবেগ। "এটি স্বতঃস্ফূর্তভাবে স্পন্দিত হয় যদি এটি স্পন্দিত হয়।" কিন্তু তারপর তাদের রসবোধ আছে, সমৃদ্ধ, আকর্ষণীয়, ধূর্ত রসবোধ, জাতীয় চরিত্রে পূর্ণ, এবং প্রায় করুণ রসের সাথে সম্পর্কিত।
* সামাজিক পার্থক্যের কী অদ্ভুত পাতা মানব ইতিহাসে ; কোনো জাতি এত অসভ্য নয় যে তাদের এক ধরণের ফ্যাশন নেই। এমনকি আমি এখন যে বন্য লোকদের দেশে লিখছি, সেখানেও ছোট ভদ্রতার সমস্ত ছোট পার্থক্য রয়েছে — উদাহরণস্বরূপ, এটি "রেশম পরা কम्मे ইল ফাউট (উপযুক্ত)" নয়।
** ''নম্বর ১৮। দ্য মনাস্ট্রি — মাইসি হ্যাপার।''
* খুব নিচু শ্রেণিতে সেই দৃশ্যগুলোর মধ্যে বড় হওয়া ভালো যেখানে আমাদের ভবিষ্যৎ ঢালাই করা হয় ; কোনো কিছুই কখনো সেই প্রাথমিক অনুষঙ্গগুলোর জায়গা নিতে পারে না — শৈশবের স্মৃতির মতো কোনো কিছুই হৃদয়কে তার জন্মস্থানের সাথে বাঁধে না — কোনো কিছুই একটি জাতির সম্পূর্ণ জ্ঞান দিতে পারে না, কেবল তাদের মধ্যে বড় হওয়া ছাড়া।
** ''নম্বর ১৯। দ্য অ্যাবট — মেরি কুইন অব স্কটস।''
* আজকের শান্ত এবং মাপা পথে নয় যে আমরা আরও সাহসী এবং উচ্চারিত চরিত্রগুলোকে দেখতে পাই, যাদের রূপরেখা প্রয়োজনীয়তার শক্তিশালী হাত দ্বারা রুক্ষভাবে তৈরি করা হয়েছে ; তবুও এমন অশান্ত সময়গুলো প্রায়শই আমাদের মহৎ এবং সেরা গুণগুলোর বিকাশের অন্তর্গত — ওরমুজের ঝোড়ো উপসাগর সবচেয়ে ভালো মুক্তোগুলো ছুঁড়ে ফেলে। এটি শান্তির ঋতুতে নয় যে আমরা সেই উদার ভক্তি, সম্পদের উর্বরতা, এবং আত্মবিস্মৃতি সম্পর্কে কিছু জানতে পারি যা প্রায়শই পরীক্ষার প্রহরে দেখানো হয়। ফরাসি বিপ্লব যখন শুরু হয়েছিল, তখন অলসতা, বিলাসিতা এবং প্রথায় অভ্যস্ত কতজন দেখিয়েছিল যে "গোলাপের মধ্যে লোহা ছিল ;" এবং, কর্তব্যের বা স্নেহের আদেশে, একেবারে চরম পর্যন্ত সহ্য করতে প্রস্তুত ছিল, এবং এমন একটি মানসিক দৃঢ়তা প্রয়োগ করতে প্রস্তুত ছিল যার কথা আগে কখনো স্বপ্নও দেখা হয়নি।
* যৌবন অকপট, আগ্রহী, এবং ভালোর প্রতি বিশ্বাস করার প্রবণতা রাখে ; এটি চারপাশে তাকায়, এবং ফুল দেখে ; এটি ওপরের দিকে তাকায় এবং তারা দেখে ; মন্দকে অসম্ভব মনে হয়, কারণ এটি আমাদের নিজেদের মধ্যে আছে বলে মনে হয় না। এটি পরে এবং ক্লান্তিকর বছরগুলোর জন্য অবশিষ্ট থাকে আমাদের শেখানোর জন্য, যে এমনকি তরুণ এবং নিষ্পাপরাও প্রলোভনের শক্তিশালী প্রভাবের দ্বারা অপরাধে পরিচালিত হতে পারে। প্রথমে আবেগ, এবং পরে স্বার্থ, মানুষের পা অন্ধকার এবং বাঁকা পথে প্রলুব্ধ করে, যা কেউ আগে এবং পবিত্র প্রহরগুলোতে ভেবেছিল না যে তারা পা রাখতে পারে। আমরা হয়তো প্রায়শই প্রতারিত হয়েছি, কিন্তু যতক্ষণ না আমরা নিজেরাই প্রতারণা করতে শুরু করি ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা প্রতারণাকে ভয় পাই না।
* একটি হাসিখুশি মেজাজ একটি উজ্জ্বল দিনের মতো ; সত্যি, এর দোষ থাকতে পারে — একটু বিরক্তি, একটু জেদ — গালে হয়তো বড্ড সহজে লাল হয়ে যায়, এবং চোখে বড্ড তাড়াতাড়ি ঝলকানি দেয় ; তবুও এগুলো কেবল ক্ষমা করার মতো তুচ্ছ বিষয়, এবং আমরা সেই সব কিছুই আরও ভালোভাবে পছন্দ করি যাতে আমাদের ক্ষমা করার কিছু আছে।
** ''নম্বর ২০। দ্য অ্যাবট — ক্যাথরিন সেটন।''
* বেশিরভাগ কল্পকাহিনীর ইতিহাস কল্পকাহিনীর চেয়েও অনেক বেশি অদ্ভুত হবে ; তবে এটি একটি অন্ধকার এবং দুঃখজনক ইতিহাস হবে। যে কাজগুলো আমাদের অবসরের আকর্ষণ তৈরি করে, যা দীর্ঘ নভেম্বরের সন্ধ্যাকে তাদের নিজস্ব আগ্রহ দেয়, বা সবুজ বনের গাছের নিচে গ্রীষ্মের দুপুরের আকর্ষণে যোগ করে, তার অর্ধেকই হলো দারিদ্র্য এবং ব্যথার সন্তান। ... কতবারই না লেখক কাজ শেষ করার জন্য তার নিজের কষ্ট, তার যন্ত্রণা, বা তার দুঃখ একপাশে সরিয়ে রাখতে বাধ্য হন ! হাত কাঁপতে পারে, চোখ অকারণে জলে ভরে যেতে পারে, এবং কপাল জ্বরের ব্যথায় স্পন্দিত হতে পারে, তবুও কতবারই না এমন কিছু কঠিন এবং কঠোর প্রয়োজনীয়তা থাকে, যা বলে, "কাজটা করতেই হবে।"
* আমি বিশ্বাস করি না যে স্নেহ সত্য ছাড়া, আদর্শ ছাড়া, এবং আমাদের প্রকৃতির সবচেয়ে ভালো এবং সবচেয়ে আন্তরিক সবকিছুর সাথে নিজেকে মিশিয়ে নেওয়া ছাড়া থাকতে পারে।
** ''নম্বর ২১। উডস্টক — অ্যালিস লি।''
** ''নম্বর ২২। মারমিয়ন — কনস্ট্যান্স।'' দ্য মান্থলি ম্যাগাজিন-এর নিচে দেখুন
'''কাস্ট্রুচিও কাস্ট্রুকানি'''<br>
''অঙ্ক ১ - দৃশ্য ১'':
* [সিজারিওর কাছ থেকে]<br>
কিন্তু তোমাদের ভালো কারণে শক্তিশালী।<br>ওহ, তোমরা শক্তিশালী, যদি তোমরা তোমাদের শক্তি জানতে !<br><br>
''অঙ্ক ১ - দৃশ্য ২'':
* [কাস্ট্রুচিওর কাছ থেকে]<br>
ধন্যবাদ, ভদ্রলোকেরা,<br>একটা মাঝারি বাসস্থানের জন্য। আমি শিখেছি<br>যে কারাগার, মৃত্যুর চিন্তা দিয়ে ভাড়া দেওয়া,<br>হালকাভাবে আদেশ করার মতো শাস্তি নয়;<br>তাই, তোমরা আমার খালি জায়গা পূরণ করবে না।
* [কাস্ট্রুচিওর কাছ থেকে]<br>
তা নয়, আমার প্রভু ; একটা উচ্চ কারণ ছিল —<br>অন্যায়ের বিরুদ্ধে ন্যায়। তোমার সেনাবাহিনী এসেছিল,<br>একটা ভাড়াটে আর স্বার্থপর দল,<br>কেউ মিথ্যা উচ্চাকাঙ্ক্ষা দ্বারা চালিত, কেউ লুটের জন্য।<br>কোনো মহৎ উদ্দেশ্য মহৎ প্রেরণা দেয়নি :<br>তোমরা ছিলে আক্রমণকারী, আর তোমরা তেমনই লড়েছ।<br><br>
''অঙ্ক ২ - দৃশ্য ১''
* [আরেজির কাছ থেকে]<br>
আমি জানি না আমি কোন সময়ে বাস করছি।<br>এত পরিবর্তনের ভার প্রতিটি প্রহরের ওপর ভারী হয়ে আছে !<br><br>
''অঙ্ক ২ - দৃশ্য ২''
* [কাস্টুচিওর কাছ থেকে]<br>
অপরাধ বিশ্বাসঘাতকতার চেয়ে নীচ কোনো রূপ নেয় না,<br>আর ওই দাস তার শহরের পরিষদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে<br>কয়েকটা ডুকাটের জন্য ; কিন্তু সেই সময় আসবে,<br>যখন, লুক্কার কারণে শক্তিশালী হয়ে, আমার প্রয়োজন হবে না<br>এমন কোনো অযোগ্য উপায়ের ; দাস আর গুপ্তচর<br>স্বৈরাচারের অন্তর্গত, আর স্বাধীনতা কাজ করে<br>মহৎ যন্ত্রপাতি দিয়ে।<br><br>
==ল্যান্ডন সম্পর্কে উক্তি==
* আমি জানি না কে, বা তুমি কী;<br />আমি তোমাকে জানতেও চাই না,<br />যতক্ষণ তুমি, এভাবে তোমার কাজ করে যাচ্ছ,<br />আমাকে এমন সব ভোজ উপহার দিতে পারো।<br />তাহলে থাকো, যতদিন তুমি চাও,<br />আমার অদৃশ্য, নামহীন সুরকার।
** [[w:বার্নার্ড বার্টন|বার্নার্ড বার্টন]], "টু এল. ই. এল.", ''[[w:লিটারারি গেজেট|দ্য লিটারারি গেজেট]]''-এ, নম্বর ২৬৪ (৯ ফেব্রুয়ারি ১৮২২)
* তোমার আবেগে ভরা পাতাগুলোর ভেতরে<br>মেয়েরা আর দূরের যুগগুলো ভিড় করে আসে,<br>নির্জীবরা হঠাৎ করেই বাঁচতে শেখে,<br>বোবারা অদ্ভুতভাবে কথা বলতে শুরু করে,<br>মিলগুলো আঘাত করতে শুরু করে<br>অত্যন্ত অমিল জিনিসগুলোর মধ্যে,<br>সব বিশেষ্য, রাজনীতিকদের মতো, সব জায়গায় মানানসই হয়,<br> আর ক্রিয়াপদরা, আইনজীবী হয়ে, মামলা খোঁজে।
** উইনথ্রপ ম্যাকওয়ার্থ প্রেইড (মৃত্যু ১৮৩৯), 'আ প্রিফেস'
* সেই প্রতিভাধর সত্তার, যার কর্মজীবন, প্রায় বিশ বছর ধরে প্রতিটি বুদ্ধিবৃত্তিক এবং সাহিত্যিক সাধনায় আমার নিজের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে মিশে ছিল, এটি বর্ণনা করা আমার অনিবার্য কাজ, আমি সাধারণ মনের কাছে আবেদন করা বা নিছক জাগতিক নিয়মের অধীনস্থ কোনো ভাষায় লিখতে পারি না। আমাকে অনুভূতি এবং কল্পনার কাছে আবেদন করতে হবে; কারণ এল. ই. এল. তেমনই ছিলেন। তাকে কোনো সাধারণ অনুমান দ্বারা বোঝা যাবে না বা কোনো সাধারণ মানদণ্ড দ্বারা পরিমাপ করা যাবে না; এবং যাদের আত্মায় কবিতা নেই এবং যাদের স্বভাবে উষ্ণ এবং গভীর সহানুভূতি নেই, তারা আমার কাজের এই অংশে তাদের আগ্রহী করার মতো খুব কমই খুঁজে পাবেন।<br>....<br>আমি এল. ই. এল.-এর মধ্যে অন্য কোনো গোলকের একটি প্রাণীকে খুঁজে পেয়েছিলাম, যদিও প্রতিটি আকর্ষণের সাথে যা তাকে আমাদের দৈনন্দিন জগতে সবচেয়ে বেশি প্রেমময় করে তুলতে পারত। শৈশবের চমৎকার সারল্য, নারীত্বের সুন্দর রূপ, সবচেয়ে মিষ্টি মেজাজ, অকৃত্রিম আচরণের সর্বোচ্চ আকর্ষণ, এবং সর্বোপরি, একটি আবেগপূর্ণ আদর্শ এবং কাব্যিক মেজাজ যা তার অস্তিত্বকে শুষে নিয়েছিল এবং অন্য সবকিছুকে তুলনামূলকভাবে কিছুই মনে করত না। এই সাইকি-ঘটনার বিকাশই ছিল তার জীবন, এবং এর সাথে যুক্ত সবকিছু। তার পুরো ইতিহাস অ্যাপুলিয়াসের রূপকটিকে বাস্তবায়িত করেছিল, যদি এটি একটি রূপক হয়, ঠিক ততটাই ঘনিষ্ঠভাবে যেন এটি তার গতিপথকে রূপ দেওয়ার জন্যই উদ্ভাবিত হয়েছিল, পৃথিবীতে এর মারাত্মক সমাপ্তির ব্যতিক্রম ছাড়া—ঘুমের বদলে মৃত্যু;
** উইলিয়াম জারডান, ''অটোবায়োগ্রাফি'' (১৮৫২)
==বহিঃসংযোগ==
*{{wikipedia}}
[[বিষয়শ্রেণী:১৮০২-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৮৩৮-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের ঔপন্যাসিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের কবি]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের ছোটগল্পকার]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের নারী লেখক]]
[[বিষয়শ্রেণী:লন্ডনের ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯শ শতকে জন্ম নেওয়া নারী]]
ntotrbse9l52il0lo7w8xodmj5tfogi
দৌলতাবাদ, মহারাষ্ট্র
0
12800
83355
78291
2026-05-03T19:37:04Z
Tuhin
172
/* */
83355
wikitext
text/x-wiki
'''[[w:দেবগিরি দুর্গ|দৌলতাবাদ]]''', যা '''দেবগিরি''' নামেও পরিচিত, হলো ভারতের [[মহারাষ্ট্র]] রাজ্যের ১৪শ শতাব্দীর একটি দুর্গ শহর। এটি ঔরঙ্গাবাদ থেকে প্রায় ১৬ কিলোমিটার (৯.৯ মাইল) উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত। স্থানটির আদি নাম ছিল দেবগিরি যখন এটি বাণিজ্য পথের ধারে একটি গুরুত্বপূর্ণ উচ্চভূমি শহর ছিল (আনুমানিক ষষ্ঠ শতাব্দী)। তবে মধ্যবর্তী শতাব্দীগুলোতে এটি একটি গ্রামে পরিণত হয়েছে। তবে এটি মহারাষ্ট্রের সাতটি আশ্চর্যের একটি এবং একটি ক্রমবর্ধমান পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত।
== উক্তি ==
* মালিক নায়েব [কাফুর] সেখানে দ্রুত পৌঁছে দুর্গটি দখল করেন... তিনি মন্দিরের জায়গায় মসজিদ নির্মাণ করেন।
** দেবগিরি (মহারাষ্ট্র)। ইসামি রচিত ফুতুহ উস সালাতিন, এস.এ.এ. রিজভী কর্তৃক অনূদিত হিন্দি সংস্করণ থেকে যা খিলজি কালীন ভারত (আলীগড়, ১৯৫৫, পৃ. ২০৬) এ অন্তর্ভুক্ত। সীতা রাম গোয়েল রচিত: [[হিন্দু]] টেম্পলস হোয়াট হ্যাপেন্ড টু দেম-এ।
* “কিন্তু দেখুন তিনি কী করুণার সাথে ভগ্নহৃদয়দের দেখেছিলেন, কারণ রাইকে ধরার পর তিনি তাকে আবার মুক্ত করে দেন। তিনি মূর্তিপূজকদের [[মন্দির|মন্দিরগুলো]] ধ্বংস করেন এবং মসজিদের জন্য মিম্বর ও খিলান নির্মাণ করেন।”
** দেবগিরিতে (মহারাষ্ট্র) সুলতান জালালউদ্দিন খিলজি (১২৯০-১২৯৬ খ্রিস্টাব্দ) সম্পর্কে। ইলিয়ট ও ডাউসন, হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়া অ্যাজ টোল্ড বাই ইটস ওউন হিস্টোরিয়ানস, খণ্ড ৩, পৃ. ৫৪২।
* 'তিনি দুর্গের অংশ ছাড়া রামদেবকে সব জায়গায় পরাজিত করেছিলেন। দুর্গে [[সোনা|সোনার]] ও [[রূপা|রূপার]] [[মন্দির]] এবং একই ধাতুর মূর্তি ছিল। এছাড়া বিভিন্ন জাতের রত্ন ছিল। তিনি সেগুলো ধ্বংস করার এবং এর সোনা সংগ্রহ করার আদেশ দেন। দুর্গের শাসক এই কাজে অবাক হন এবং তার মন বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে। তিনি এই শর্তে শান্তি স্থাপনের জন্য একজন দূত পাঠান যে মন্দিরগুলোকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করা হবে, যা মেনে নেওয়া হয়েছিল।'
** জাফরুল ওয়ালিহ বি মুজাফফর ওয়া আলিহি। দেবগিরি (মহারাষ্ট্র)। জাফরুল ওয়ালিহ বি মুজাফফর ওয়া আলিহি, এম.এফ. লোকহ্যান্ডওয়ালা কর্তৃক ইংরেজিতে অনূদিত, বরোদা, ১৯৭০ এবং ১৯৭৪, খণ্ড ১, পৃ. ১৩৮।
* “সময়ের খলিফার তলোয়ারের জিহ্বা, যা ইসলামের শিখার জিহ্বা, তার নির্দেশনার আলো দ্বারা সমগ্র হিন্দুস্তানের অন্ধকারকে আলোকিত করেছে… এবং ডানে ও বামে সেনাবাহিনী সমুদ্র থেকে সমুদ্রে জয়লাভ করেছে এবং [[হিন্দু|হিন্দুদের]] দেবতাদের বেশ কিছু রাজধানী যেগুলোতে জিনের সময় থেকে শয়তানবাদ প্রচলিত ছিল, তা ধ্বংস করা হয়েছে। কুফরির এই সমস্ত অপবিত্রতা সুলতানের মূর্তিপূজার মন্দির ধ্বংসের মাধ্যমে পরিষ্কার করা হয়েছে, যা দেওগিরের বিরুদ্ধে তার প্রথম অভিযানের মাধ্যমে শুরু হয়েছিল। যাতে আইনের আলোর শিখা এই সমস্ত অপবিত্র দেশগুলোকে আলোকিত করে এবং উচ্চস্বরে আজান দেওয়ার জায়গাগুলো উঁচুতে স্থাপন করা হয় এবং মসজিদে নামাজ পড়া হয়। আল্লাহর প্রশংসা হোক!”
** আমির খসরু। মাবার: (দক্ষিণ ভারতের অংশ), সুলতান আলাউদ্দিন খিলজি (১২৯৬-১৩১৬ খ্রিস্টাব্দ) এবং তার সেনাপতিদের দাক্ষিণাত্য ও দক্ষিণ ভারত বিজয় সম্পর্কে। ইলিয়ট ও ডাউসন, [[ভারতবর্ষের ইতিহাস (ইলিয়ট ও ডাউসন)|হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়া অ্যাজ টোল্ড বাই ইটস ওউন হিস্টোরিয়ানস]], খণ্ড ৩, পৃ. ৮১-৮৫।
* “দৌলতাবাদে কুতুব আল দিন মোবারক খিলজির মসজিদটি, যা ৭১৮ হিজরি/১৩১৮ খ্রিস্টাব্দের, সম্ভবত দাক্ষিণাত্যের প্রাচীনতম টিকে থাকা মুসলিম স্থাপনা। এটি প্রতিটি দিকে ২৬০ ফুট চওড়া একটি বর্গক্ষেত্র, যা ধ্বংসপ্রাপ্ত হিন্দু স্তম্ভ, ব্র্যাকেট এবং বিম থেকে সাধারণ গোঁড়া পরিকল্পনায় একত্রিত করা হয়েছে…”
** দৌলতাবাদ (মহারাষ্ট্র)। সৈয়দ মাহমুদুল হাসান, মস্ক আর্কিটেকচার অফ প্রি মুঘল বেঙ্গল, ঢাকা (বাংলাদেশ), ১৯৭৯, পৃ. ৫০।
* দেবগিরি দিল্লি সুলতানদের বাহিনী দ্বারা দুইবার আক্রান্ত হয়েছিল, প্রথমত আলাউদ্দিন খিলজির শাসনামলে এবং দ্বিতীয়ত তার উত্তরসূরি মোবারক খিলজির সময়ে। এই দুটি আক্রমণের ফলে এর প্রাকৃতিক দৃশ্যপট আমূল পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে গিয়েছিল। ১৩১৩ থেকে ১৩১৮ সালের মধ্যে শহরের কেন্দ্রে একটি বিশাল জামে মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছিল যা দাক্ষিণাত্যের প্রাচীনতম টিকে থাকা ইসলামি স্থাপত্য। এটি আকারে দিল্লির কুতুব মসজিদের পরেই ছিল। এম.এস. মাতে এবং টি.ভি. পাথি যারা মসজিদটি নিয়ে গবেষণা করেছেন, তারা দেখিয়েছেন যে এটি হিন্দু ও জৈন মন্দিরের অংশ থেকে তৈরি করা হয়েছিল। যাদব শৈলীতে খোদাই করা একশ সাতাত্তরটি স্তম্ভ মসজিদের নির্মাণে ব্যবহৃত হয়েছিল যার মধ্যে একশ ছয়টি কেন্দ্রীয় প্রার্থনা কক্ষে রাখা হয়েছিল... রিচার্ড ইটন এবং ফিলিপ ওয়াগনার যুক্তি দিয়েছিলেন যে মসজিদটি নির্মাণের মাধ্যমে খিলজিরা “একযোগে সেই সমস্ত ধর্মীয় স্মৃতিস্তম্ভগুলোকে নিশ্চিহ্ন এবং শোষণ করেছিল যা আগে শহরটিকে সংজ্ঞায়িত করত।”
** জৈন, এম. (২০১৯)। ফ্লাইট অফ ডেইটিস অ্যান্ড রিবার্থ অফ টেম্পলস: এপিসোডস ফ্রম ইন্ডিয়ান হিস্ট্রি। ২০০পৃ.।
* মধ্যযুগীয় ঐতিহাসিক জিয়াউদ্দিন বারানি দেবগিরি আক্রমণের বর্ণনা দিয়েছেন, মালিক নায়েব কাফুর দেওগির পৌঁছে দেশটিকে ধ্বংস করে দেন। তিনি রামদেও এবং তার ছেলেদের বন্দি করেন এবং তার ধনসম্পদ ও হাতিগুলো নিয়ে নেন। তার হাতে বড় লুণ্ঠিত সম্পদ পড়েছিল... এবং তিনি বিজয়ী হয়ে রামদেওকে সাথে নিয়ে দিল্লিতে ফিরে আসেন। সুলতান রাইয়ের প্রতি খুব সদয় ছিলেন এবং তাকে অত্যন্ত সম্মানের সাথে দেওগির পাঠিয়ে দেন, যে স্থানটি তিনি তার দখলে রাখার নিশ্চয়তা দেন। রাইয়ের পর থেকে সর্বদা অনুগত ছিলেন এবং যতদিন বেঁচে ছিলেন নিয়মিত কর পাঠাতেন।
** (ইলিয়ট ও ডাউসন খণ্ড ৩: ২০০-২০১) যা জৈন, এম. (২০১৯) এর ফ্লাইট অফ ডেইটিস অ্যান্ড রিবার্থ অফ টেম্পলস: এপিসোডস ফ্রম ইন্ডিয়ান হিস্ট্রি (২৪৪পৃ.) এ উদ্ধৃত।
* ইবনে বতুতা যিনি ১৪শ শতাব্দীর শুরুতে এলাকাটি ভ্রমণ করেছিলেন, তিনি দৌলতাবাদকে দিল্লির সমান একটি বড় এবং মহিমান্বিত শহর হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিন শতাব্দী পরে শাহজাহানের সরকারি ইতিহাসবিদ আবু উল হামিদ লাহোরি দুর্গটি নিয়ে অত্যন্ত আবেগের সাথে লিখেছিলেন: এই সুউচ্চ দুর্গ যার প্রাচীন নাম ছিল দেওগির এবং ধরাগির তা আসলে পাথরের একটি স্তূপ যা স্বর্গের দিকে মাথা তুলে আছে। পাথরটিকে এর পরিধি জুড়ে ৫০০০ গজ গভীর পর্যন্ত খোদাই করা হয়েছে যা দুর্গের পাদদেশে পরিখায় জল ধরে রাখা নিশ্চিত করে... পাহাড়ের কেন্দ্রের মধ্য দিয়ে মিনারের আরোহণের মতো একটি অন্ধকার সর্পিল পথ কাটা হয়েছিল যা দিনের আলোতেও প্রদীপ ছাড়া পার হওয়া অসম্ভব এবং এই পথের ধাপগুলো পাথর থেকে খোদাই করা হয়েছে... দুর্গ জয়ের সাধারণ উপায় যেমন মাইন, ঢাকা পথ, ব্যাটারি ইত্যাদি এই শক্তিশালী দুর্গের বিরুদ্ধে অকেজো। এই পথটি এখনও বিদ্যমান এবং এটিই একমাত্র কাজ যার জন্য মুহাম্মদের অবদান সন্দেহজনক, কারণ ইবনে বতুতা যিনি ১৩৪২ এর শেষ বা ১৩৪৩ এর শুরুতে দৌলতাবাদ সফর করেছিলেন, তিনি উল্লেখ করেছেন যে তখন দুর্গে প্রবেশের জন্য চামড়ার মই ব্যবহার করা হতো।
** পি. গোরাড়িয়া (২০০২) এর হিন্দু মাসজিদ থেকে উদ্ধৃত।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতের দুর্গ]]
[[বিষয়শ্রেণী:মহারাষ্ট্র]]
80nb8q7fh6yz7smn00dqz5s55gsbiur
83356
83355
2026-05-03T19:54:23Z
Tuhin
172
83356
wikitext
text/x-wiki
'''[[w:দেবগিরি দুর্গ|দৌলতাবাদ]]''', যা '''দেবগিরি''' নামেও পরিচিত, হলো ভারতের [[মহারাষ্ট্র]] রাজ্যের ১৪শ শতাব্দীর একটি দুর্গ শহর। এটি ঔরঙ্গাবাদ থেকে প্রায় ১৬ কিলোমিটার (৯.৯ মাইল) উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত। স্থানটির আদি নাম ছিল দেবগিরি যখন এটি বাণিজ্য পথের ধারে একটি গুরুত্বপূর্ণ উচ্চভূমি শহর ছিল (আনুমানিক ষষ্ঠ শতাব্দী)। তবে মধ্যবর্তী শতাব্দীগুলোতে এটি একটি গ্রামে পরিণত হয়েছে। তবে এটি মহারাষ্ট্রের সাতটি আশ্চর্যের একটি এবং একটি ক্রমবর্ধমান পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত।
== উক্তি ==
* মালিক নায়েব [কাফুর] সেখানে দ্রুত পৌঁছে দুর্গটি দখল করেন... তিনি মন্দিরের জায়গায় মসজিদ নির্মাণ করেন।
** দেবগিরি (মহারাষ্ট্র)। ইসামি রচিত ফুতুহ উস সালাতিন, এস.এ.এ. রিজভী কর্তৃক অনূদিত হিন্দি সংস্করণ থেকে যা খিলজি কালীন ভারত (আলীগড়, ১৯৫৫, পৃ. ২০৬) এ অন্তর্ভুক্ত। সীতা রাম গোয়েল রচিত: [[হিন্দু]] টেম্পলস হোয়াট হ্যাপেন্ড টু দেম-এ।
* “কিন্তু দেখুন তিনি কী করুণার সাথে ভগ্নহৃদয়দের দেখেছিলেন, কারণ রাইকে ধরার পর তিনি তাকে আবার মুক্ত করে দেন। তিনি মূর্তিপূজকদের [[মন্দির|মন্দিরগুলো]] ধ্বংস করেন এবং মসজিদের জন্য মিম্বর ও খিলান নির্মাণ করেন।”
** দেবগিরিতে (মহারাষ্ট্র) সুলতান জালালউদ্দিন খিলজি (১২৯০-১২৯৬ খ্রিস্টাব্দ) সম্পর্কে। ইলিয়ট ও ডাউসন, হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়া অ্যাজ টোল্ড বাই ইটস ওউন হিস্টোরিয়ানস, খণ্ড ৩, পৃ. ৫৪২।
* 'তিনি দুর্গ বাদে সর্বত্র রামদেবকে পরাজিত করেছিলেন। দুর্গের ভেতরে [[সোনা]] ও [[রুপা]]র [[মন্দির]] এবং একই ধাতুর তৈরি মূর্তি ছিল। এছাড়া সেখানে বিভিন্ন ধরনের রত্ন ছিল। তিনি সেগুলো ধ্বংস করার নির্দেশ দেন এবং এর সোনা সংগ্রহ করেন। দুর্গের শাসক এই কাজে বিস্মিত হন এবং তার মন বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে। তিনি এই শর্তে শান্তি স্থাপনের জন্য একজন দূত পাঠান যেন [[মন্দির]]গুলোকে ধ্বংস করা থেকে রেহাই দেওয়া হয় যা মেনে নেওয়া হয়েছিল'।
** জাফরুল ওয়ালিহ বি মুজাফফর ওয়া আলিহি। দেবগিরি (মহারাষ্ট্র)। জাফরুল ওয়ালিহ বি মুজাফফর ওয়া আলিহি, এম.এফ. লোকহ্যান্ডওয়ালা কর্তৃক ইংরেজিতে অনূদিত, বরোদা, ১৯৭০ এবং ১৯৭৪, খণ্ড ১, পৃ. ১৩৮।
* “সমসাময়িক খলিফার তরবারির জিহ্বা যা ইসলামের শিখার জিহ্বা স্বরূপ তা তার নির্দেশনার আলোর মাধ্যমে সমগ্র হিন্দুস্তানের অন্ধকারকে আলোকিত করেছে… এবং ডানে ও বামে সেনাবাহিনী সমুদ্র থেকে সমুদ্র জয় করেছে এবং [[হিন্দু]]দের দেবতাদের বেশ কয়েকটি রাজধানী যেখানে জিনের সময় থেকে শয়তানবাদ বিরাজ করছিল সেগুলো ধ্বংস করা হয়েছে। কুফরির এই সমস্ত অপবিত্রতা সুলতানের মন্দিরের [[মূর্তি]] ধ্বংসের মাধ্যমে পরিচ্ছন্ন করা হয়েছে। এটি দেওগিরের বিরুদ্ধে তার প্রথম অভিযান থেকে শুরু হয়েছিল যাতে শরীয়তের আলোর শিখা এই সমস্ত অপবিত্র দেশকে আলোকিত করে এবং আজান প্রদানকারীদের স্থানসমূহ উচ্চ মর্যাদায় উন্নীত হয় ও মসজিদগুলোতে নামাজ পড়া হয়। আল্লাহর প্রশংসিত হন!”
** আমির খসরু। মাবার: (দক্ষিণ ভারতের অংশ), সুলতান আলাউদ্দিন খিলজি (১২৯৬-১৩১৬ খ্রিস্টাব্দ) এবং তার সেনাপতিদের দাক্ষিণাত্য ও দক্ষিণ ভারত বিজয় সম্পর্কে। ইলিয়ট ও ডাউসন, [[ভারতবর্ষের ইতিহাস (ইলিয়ট ও ডাউসন)|হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়া অ্যাজ টোল্ড বাই ইটস ওউন হিস্টোরিয়ানস]], খণ্ড ৩, পৃ. ৮১-৮৫।
* “দৌলতবাদে কুতুব আল দিন মুবারক খিলজির মসজিদটি যার সময়কাল ৭১৮ হিজরি/১৩১৮ খ্রিস্টাব্দে নির্মিত। এটি সম্ভবত দাক্ষিণাত্যের টিকে থাকা প্রাচীনতম মুসলিম স্থাপনা। এটি প্রতিটি দিকে ২৬০ ফুট বিশিষ্ট একটি বর্গক্ষেত্র যা ধ্বংসপ্রাপ্ত হিন্দু স্তম্ভ, ব্র্যাকেট এবং বিম থেকে সাধারণ চিরাচরিত পরিকল্পনা অনুযায়ী তৈরি করা হয়েছে…”
** দৌলতাবাদ (মহারাষ্ট্র)। সৈয়দ মাহমুদুল হাসান, মস্ক আর্কিটেকচার অফ প্রি মুঘল বেঙ্গল, ঢাকা (বাংলাদেশ), ১৯৭৯, পৃ. ৫০।
* দেবগিরি দিল্লির সুলতানদের বাহিনী দ্বারা দুইবার আক্রান্ত হয়েছিল। প্রথমবার আলাউদ্দিন খিলজির শাসনামলে এবং দ্বিতীয়বার তার উত্তরসূরি মোবারক খিলজির সময়ে। এই দুটি আক্রমণের ফলে এর প্রাকৃতিক দৃশ্যপট আমূল পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে গিয়েছিল। ১৩১৩ থেকে ১৩১৮ সালের মধ্যে শহরের কেন্দ্রে একটি বিশাল জামে মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছিল যা দাক্ষিণাত্যের প্রাচীনতম টিকে থাকা ইসলামি স্থাপত্য। এটি আকারে দিল্লির কুতুব মসজিদের পরেই ছিল। এম.এস. মাতে এবং টি.ভি. পাথি যারা মসজিদটি নিয়ে গবেষণা করেছেন, তারা দেখিয়েছেন যে এটি হিন্দু ও জৈন মন্দিরের অংশ থেকে তৈরি করা হয়েছিল। যাদব শৈলীতে খোদাই করা একশ সাতাত্তরটি স্তম্ভ মসজিদের নির্মাণে ব্যবহৃত হয়েছিল যার মধ্যে একশ ছয়টি কেন্দ্রীয় প্রার্থনা কক্ষে রাখা হয়েছিল... রিচার্ড ইটন এবং ফিলিপ ওয়াগনার যুক্তি দিয়েছিলেন যে মসজিদটি নির্মাণের মাধ্যমে খিলজিরা “একযোগে সেই সমস্ত ধর্মীয় স্মৃতিস্তম্ভগুলোকে নিশ্চিহ্ন এবং শোষণ করেছিল যা আগে শহরটিকে সংজ্ঞায়িত করত।”
** জৈন, এম. (২০১৯)। ফ্লাইট অফ ডেইটিস অ্যান্ড রিবার্থ অফ টেম্পলস: এপিসোডস ফ্রম ইন্ডিয়ান হিস্ট্রি। ২০০পৃ.।
* মধ্যযুগীয় ঐতিহাসিক জিয়াউদ্দিন বারানি দেবগিরি আক্রমণের বর্ণনা দিয়েছেন, মালিক নায়েব কাফুর দেওগির পৌঁছে দেশটিকে ধ্বংস করে দেন। তিনি রামদেও এবং তার ছেলেদের বন্দি করেন এবং তার ধনসম্পদ ও হাতিগুলো নিয়ে নেন। তার হাতে বড় লুণ্ঠিত সম্পদ পড়েছিল... এবং তিনি বিজয়ী হয়ে রামদেওকে সাথে নিয়ে দিল্লিতে ফিরে আসেন। সুলতান রাইয়ের প্রতি খুব সদয় ছিলেন এবং তাকে অত্যন্ত সম্মানের সাথে দেওগির পাঠিয়ে দেন, যে স্থানটি তিনি তার দখলে রাখার নিশ্চয়তা দেন। রাইয়ের পর থেকে সর্বদা অনুগত ছিলেন এবং যতদিন বেঁচে ছিলেন নিয়মিত কর পাঠাতেন।
** (ইলিয়ট ও ডাউসন খণ্ড ৩: ২০০-২০১) যা জৈন, এম. (২০১৯) এর ফ্লাইট অফ ডেইটিস অ্যান্ড রিবার্থ অফ টেম্পলস: এপিসোডস ফ্রম ইন্ডিয়ান হিস্ট্রি (২৪৪পৃ.) এ উদ্ধৃত।
* ইবনে বতুতা যিনি ১৪শ শতাব্দীর শুরুতে এলাকাটি ভ্রমণ করেছিলেন, তিনি দৌলতাবাদকে দিল্লির সমান একটি বড় এবং মহিমান্বিত শহর হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিন শতাব্দী পরে শাহজাহানের সরকারি ইতিহাসবিদ আবু উল হামিদ লাহোরি দুর্গটি নিয়ে অত্যন্ত আবেগের সাথে লিখেছিলেন: এই সুউচ্চ দুর্গ যার প্রাচীন নাম ছিল দেওগির এবং ধরাগির তা আসলে পাথরের একটি স্তূপ যা স্বর্গের দিকে মাথা তুলে আছে। পাথরটিকে এর পরিধি জুড়ে ৫০০০ গজ গভীর পর্যন্ত খোদাই করা হয়েছে যা দুর্গের পাদদেশে পরিখায় জল ধরে রাখা নিশ্চিত করে... পাহাড়ের কেন্দ্রের মধ্য দিয়ে মিনারের আরোহণের মতো একটি অন্ধকার সর্পিল পথ কাটা হয়েছিল যা দিনের আলোতেও প্রদীপ ছাড়া পার হওয়া অসম্ভব এবং এই পথের ধাপগুলো পাথর থেকে খোদাই করা হয়েছে... দুর্গ জয়ের সাধারণ উপায় যেমন মাইন, ঢাকা পথ, ব্যাটারি ইত্যাদি এই শক্তিশালী দুর্গের বিরুদ্ধে অকেজো। এই পথটি এখনও বিদ্যমান এবং এটিই একমাত্র কাজ যার জন্য মুহাম্মদের অবদান সন্দেহজনক, কারণ ইবনে বতুতা যিনি ১৩৪২ এর শেষ বা ১৩৪৩ এর শুরুতে দৌলতাবাদ সফর করেছিলেন, তিনি উল্লেখ করেছেন যে তখন দুর্গে প্রবেশের জন্য চামড়ার মই ব্যবহার করা হতো।
** পি. গোরাড়িয়া (২০০২) এর হিন্দু মাসজিদ থেকে উদ্ধৃত।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতের দুর্গ]]
[[বিষয়শ্রেণী:মহারাষ্ট্র]]
c1fdfm7v7qylirtmn7kvs9gjxgnkuo5
বেঞ্জামিন ডিসরাইলি
0
12832
83381
78379
2026-05-04T09:31:39Z
Dr. Mosaddek Khondoker
2987
83381
wikitext
text/x-wiki
[[File:Disraeli.jpg|thumb|আমি সবচেয়ে খারাপের জন্য প্রস্তুত আছি, কিন্তু সবচেয়ে ভালোর জন্য আশা করি।]]
'''[[w:বেঞ্জামিন ডিসরাইলি|বেঞ্জামিন ডিসরাইলি, বেকনসফিল্ডের প্রথম আর্ল]]''' (২১ ডিসেম্বর ১৮০৪ – ১৯ এপ্রিল ১৮৮১) ছিলেন একজন ব্রিটিশ রাজনীতিক, ঔপন্যাসিক এবং প্রাবন্ধিক। তিনি দুইবার যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯ এপ্রিল তার মৃত্যুবার্ষিকী প্রিমরোজ ডে হিসেবে পরিচিত।
\((?!\s*(?:cropped|alt)\s*\))(?!\s*[A-Z]\s*\))(?!\s*\d+\s*\))[A-Za-z0-9\s\.\-\,\'\"\–\—]+\)
==উক্তি==
===১৮২০-এর দশক===
*ক্যাথেড্রাল হাই মাস বা গির্জার পবিত্র জমায়েত। ধূপের ধোঁয়া এবং একটি অর্কেস্ট্রার মাধ্যমে [[মোৎসার্ট|মোজার্টের]] অন্যতম মহৎ একটি পরিবেশনা, যার সামনে হয়তো সান কার্লোও ম্লান হয়ে যেত। এর প্রভাব ছিল অকল্পনীয়ভাবে বিশাল। আয়োজক যখন সামনে এলেন, আমি নিজেকে মাটিতে লুটিয়ে দিলাম।
** ঘেন্টে থাকাকালীন ডায়েরির এন্ট্রি (১ আগস্ট ১৮২৪), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের ''দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরাইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড। ভলিউম ১। ১৮০৪-১৮৫৯'' (১৯২৯), পৃষ্ঠা ৪৯-এ উদ্ধৃত।
*মোরালেসের আঁকা [[যিশু|যিশু খ্রিস্টের]] মাথা, রোমান প্রোকনসালের ছদ্ম চিঠির বর্ণনার সাথে হুবহু মিলে যায়। মোরালেস তার ডিভিনো উপাধির সত্যিই যোগ্য... সোনালি চুলগুলো যেন মুখের ওপর পড়তে বাধা পাচ্ছিল কেবল সেই তারার অর্ধেক অংশের জন্য যা এই মহিমা তৈরি করে: নিখুঁত সৌন্দর্যের একটি মুখ তৈরির জন্য যা কিছু প্রয়োজনীয় বলে মনে করা যায় তার সবই এখানে ছিল, কিন্তু এর চেহারায় পার্থিব কিছুই ছিল না। আপনি এই মাথাটিকে ভুল করে কোনো অ্যাপোলো বা অ্যাডোনিসের মাথা ভাবতে পারবেন না। মানুষের সৌন্দর্যে উজ্জ্বল চোখগুলো তবুও স্বর্গীয় আলোর দীপ্তিতে উজ্জ্বল, এবং কোনো নির্দিষ্ট বস্তুর ওপর স্থির নয়। মনে হয় যেন তারা পৃথিবীর দিকে তাকিয়ে আছে। নাকটি চমৎকারভাবে গড়া, এবং মাংসের আভাগুলো দেখে মনে হয় অমর।
** আইক্সে থাকাকালীন ডায়েরির এন্ট্রি (আনুমানিক ১৬ আগস্ট ১৮২৪), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের ''দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরাইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড। ভলিউম ১। ১৮০৪-১৮৫৯'' (১৯২৯), পৃষ্ঠা ৫২-৫৩-এ উদ্ধৃত।
*[[ইতালি|ইতালির]] কথা বলতে গিয়ে, রোমান্স অন্তত একবারের জন্য অতিরঞ্জন করতে ভুলে গেছে।
** আইজ্যাক ডিসরাইলিকে লেখা চিঠি (২ সেপ্টেম্বর ১৮২৬), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের ''দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরাইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড। ভলিউম ১। ১৮০৪-১৮৫৯'' (১৯২৯), পৃষ্ঠা ১০৪-এ উদ্ধৃত।
*ভেরোনা এমন সব ছবিতে ভরা যা কখনোই আঁকা হয়নি। প্রতিটি পদক্ষেপ আবেগ জাগিয়ে তোলে এবং অকৃত্রিম চিন্তার জন্ম দেয়। একটু ছোট হাঁটাহাঁটির মধ্যেই আপনি একটি রোমান অ্যাম্ফিথিয়েটার পার হতে পারেন, যা এখনো ব্যবহৃত হয়, তারপর মধ্যযুগের কোনো ছোট রাজপুত্রের দুর্গ, এবং যখন আপনি প্রাচীনকালের মহৎ উচ্চতার সাথে একজন স্ক্যালিগারের মিশ্র প্রাসাদের তুলনা করছেন, তখন আপনার চোখ হয়তো প্রাচ্যরীতির এবং চমৎকার অলংকারে সাজানো একটি গেটের ওপর পড়বে... বিভ্রমটি নিখুঁত, চোখ আধুনিক পোশাকে হেঁটে যাওয়া নাগরিকদের দিকে তাকালে কষ্ট পায়; আপনি কালো মখমল এবং সোনার চেইন, সাদা পালক এবং লাল মোজা খোঁজেন।
** আইজ্যাক ডিসরাইলিকে লেখা চিঠি (সেপ্টেম্বর ১৮২৬), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের ''দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরাইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড। ভলিউম ১। ১৮০৪-১৮৫৯'' (১৯২৯), পৃষ্ঠা ১০৭-এ উদ্ধৃত।
*চাঁদের আলোয় [[ভেনিস]] একটি জাদুকরী শহর; মুরিশ স্থাপত্যের ওপর রুপালি আলোর বন্যা, গাড়ি ও ঘোড়ার গাড়ির যেকোনো কর্কশ শব্দের সম্পূর্ণ অনুপস্থিতি, জলের ওপর অবিরাম সংগীত, মনের ওপর এমন এক প্রভাব ফেলে যা আমি নিশ্চিত, বিশ্বের অন্য কোনো শহরে অনুভব করা যায় না।
** আইজ্যাক ডিসরাইলিকে লেখা চিঠি (আনুমানিক ৮ সেপ্টেম্বর ১৮২৬), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের ''দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরাইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড। ভলিউম ১। ১৮০৪-১৮৫৯'' (১৯২৯), পৃষ্ঠা ১০৮-এ উদ্ধৃত।
*আমি ঘোষণা করছি যে ইংল্যান্ড, তার সমস্ত অসম্পূর্ণতা সত্ত্বেও, পুরো পৃথিবীর সমান মূল্যবান, এবং আমি আশা করি এটি মানববিদ্বেষ নয় যখন আমি অনুভব করি যে আমি আদালত ও শহরের চেয়ে হ্রদ এবং পাহাড় বেশি ভালোবাসি, এবং মানুষের চেয়ে গাছ বেশি ভালোবাসি।
** আইজ্যাক ডিসরাইলিকে লেখা চিঠি (১০ অক্টোবর ১৮২৬), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের ''দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরাইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড। ভলিউম ১। ১৮০৪-১৮৫৯'' (১৯২৯), পৃষ্ঠা ১১৩-এ উদ্ধৃত।
* আমি ধরে নিচ্ছি, আমাদের জাতীয় মূলমন্ত্র ব্যবহার করে বলা যায়, কিছু একটা ঘটে যাবে।
** ''[http://www.gutenberg.org/etext/7816 পোপানিলা]'' (১৮২৭), অধ্যায় ৭, "ভ্রেব্লুসিয়া"র মূলমন্ত্রের উল্লেখ করে।
====''ভিভিয়ান গ্রে'' (১৮২৬)====
* একটি পাবলিক স্কুলের ক্ষুদ্র জগত।
** বই ১, অধ্যায় ২
* যুদ্ধের সময় সামরিক সেবা কেবল বেপরোয়াদের জন্য উপযুক্ত, কিন্তু শান্তির সময় তা কেবল বোকাদের জন্যই উপযুক্ত।
** বই ১, অধ্যায় ৯
* তাড়াহুড়ো করে মহান মানুষ হওয়ার চেষ্টা করা থেকে সাবধান। দশ হাজারের মধ্যে এমন একটি চেষ্টা সফল হতে পারে: এই সম্ভাবনাগুলো বড্ড ভয়ংকর।
** বই ১, অধ্যায় ১০
* আমি সংজ্ঞা ঘৃণা করি।
** বই ২, অধ্যায় ৬
* ভয় আমাদের মানবতা অনুভব করতে শেখায়।
** বই ৩, অধ্যায় ৬
* এমন কোনো বিশ্বাসঘাতকতা বা নীচতা নেই যা একটি রাজনৈতিক দল করতে পারে না; কারণ রাজনীতিতে কোনো সম্মান নেই।
** বই ৩, অধ্যায় ৯
* অভিজ্ঞতা হলো চিন্তার সন্তান, আর চিন্তা হলো কাজের সন্তান। আমরা বই থেকে মানুষ চিনতে পারি না।
** বই ৫, অধ্যায় ১
* বৈচিত্র্যই হলো উপভোগের জননী।
** বই ৫, অধ্যায় ৪
* এমনকি বাড়াবাড়ির মধ্যেও পরিমিতি আছে।
** বই ৬, অধ্যায় ১
* রাজনীতিতে কোনো কিছুই তুচ্ছ নয়।
** বই ৬, অধ্যায় ৪
* '''মানুষ পরিস্থিতির দাস নয়, পরিস্থিতি মানুষের দাস। আমরা স্বাধীন প্রতিনিধি, এবং মানুষ বস্তুর চেয়ে বেশি শক্তিশালী।'''
** বই ৬, অধ্যায় ৭
* '''আমি আবার বলছি যে সমস্ত ক্ষমতাই একটি আস্থার মতো; এর প্রয়োগের জন্য আমাদের জবাবদিহি করতে হবে; জনগণের কাছ থেকেই এর উৎপত্তি, জনগণের জন্যই এটি, এবং এর অস্তিত্বও থাকতে হবে জনগণের জন্যই।'''
** বই ৬, অধ্যায় ৭
* শোক হলো এক মুহূর্তের যন্ত্রণা; আর শোককে প্রশ্রয় দেওয়া হলো সারা জীবনের একটি ভুল।
** বই ৬, অধ্যায় ৭
* মানুষের মেজাজই তার নিজের ভাগ্য।
** বই ৬, অধ্যায় ৭
* একজন অটল মানুষ ভাগ্যে বিশ্বাস করেন — একজন খামখেয়ালি মানুষ বিশ্বাস করেন সুযোগে।
** বই ৬, অধ্যায় ২২
* সব মহান ভ্রমণকারীদের মতো আমি যা দেখেছি তার চেয়ে বেশি মনে রেখেছি, এবং আমি যা দেখেছি তার চেয়ে বেশি মনে রেখেছি।
** বই ৮, অধ্যায় ৪
*যৌবনের বিভ্রমের পর আসে প্রাপ্তবয়স্ক জীবনের হতাশা: আসুন আশা করি যে বার্ধক্যের উত্তরাধিকার যেন হতাশা না হয়।
** বই ৮, অধ্যায় ৪
===১৮৩০-এর দশক===
*মানুষকে শাসন করতে হলে, আপনাকে হয় তাদের অর্জনে তাদের ছাড়িয়ে যেতে হবে, অথবা তাদের অবজ্ঞা করতে হবে।
** মাল্টা থেকে তার বাবাকে লেখা চিঠি (২৭ আগস্ট ১৮৩০), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের ''দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরাইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড। ভলিউম ১। ১৮০৪-১৮৫৯'' (১৯২৯), পৃষ্ঠা ১৫৮-এ উদ্ধৃত।
*এক সপ্তাহের জন্য আমি এমন এক দৃশ্যের মধ্যে ছিলাম যা ''[[আরব্য রজনী|আরব্য রজনী]]''র যেকোনো কিছুর সমান—এমন সব শোভাযাত্রা, এমন সব পোশাক, ঘোড়সওয়ারদের এমন মিছিল, উটের এমন কাফেলা। তারপর এমন একজনের কাছ থেকে খাতির পাওয়ার আনন্দ, যে প্রতিদিন প্রদেশের অর্ধেক মানুষের শিরশ্ছেদ করছিল। প্রতিদিন সকালে আমরা ঘুরতে যেতাম, কুচকাওয়াজ দেখতাম, এবং মিষ্টি দিয়ে নিজেদের পেট ভরাতাম; প্রতিদিন সন্ধ্যায় উজির বা কোনো পাশা আমাদের আস্তানায় নর্তকী ও গায়কদের পাঠাতেন।
** [[আলবেনিয়া]] থেকে বেঞ্জামিন অস্টেনকে লেখা চিঠি (অক্টোবর ১৮৩০), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের ''দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরাইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড। ভলিউম ১। ১৮০৪-১৮৫৯'' (১৯২৯), পৃষ্ঠা ১৬২-এ উদ্ধৃত।
*আমি একেবারে একজন তুর্কি, পাগড়ি পরি, ছয় ফুট লম্বা পাইপ খাই, আর ডিভানে পা গুটিয়ে বসি। [[w:Reşid Mehmed Pasha|মেহেমেত পাশা]] আমাকে বলেছিলেন যে তিনি আমাকে একজন ইংরেজ বলে মনে করেন না কারণ আমি খুব ধীরে হাঁটি: আসলে আমি দেখি যে এই শান্ত এবং বিলাসী মানুষের অভ্যাসগুলো শিষ্টাচার এবং উপভোগ সম্পর্কে আমার নিজের আগে থেকে থাকা ধারণার সাথে পুরোপুরি মিলে যায়, আর আমি গ্রিকদের আগের চেয়ে বেশি ঘৃণা করি। লেভান্টের সমৃদ্ধ এবং বিচিত্র পোশাক সম্পর্কে আপনার কোনো ধারণা নেই। আমাকে যখন গ্র্যান্ড উজিরের সামনে হাজির করা হয়েছিল, তখন আমি আমার বিচিত্র ওয়ার্ডরোব থেকে এমন একটা পোশাক বানিয়েছিলাম যা দেখে পোশাকের ব্যাপারে পাগল তুর্কিরাও পুরোপুরি হতবাক হয়ে গিয়েছিল।
** [[আলবেনিয়া]] থেকে বেঞ্জামিন অস্টেনকে লেখা চিঠি (অক্টোবর ১৮৩০), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের ''দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরাইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড। ভলিউম ১। ১৮০৪-১৮৫৯'' (১৯২৯), পৃষ্ঠা ১৬৩-এ উদ্ধৃত।
*এই মানুষের জীবন আমার রুচির সাথে দারুণভাবে মিলে যায়, যা স্বভাবতই কিছুটা অলস এবং বিষণ্ণ... বিলাসবহুল অটোমানে বিশ্রাম নেওয়া এবং চমৎকার পাইপ খাওয়া, প্রতিদিন এমন একটি স্নানের বিলাসিতা উপভোগ করা যার নিখুঁত হওয়ার জন্য আধ ডজন সেবকের প্রয়োজন; কারুকাজ করা [[w:Caïque|কাইক]] নৌকায় এমন তীর ধরে বাতাস উপভোগ করা যা চিরকালই এক চমৎকার দৃশ্য; আর ঘোড়ার পিঠে চড়ার চেয়ে বেশি কোনো পরিশ্রম না করা; আমার মনে হয়, এটি ক্লাবের সমস্ত কোলাহল, ড্রয়িং-রুমের সমস্ত বিরক্তি এবং আমাদের রাজনৈতিক বিতর্কের সমস্ত স্থূল অশালীনতার চেয়ে অনেক বেশি সংবেদনশীল জীবন।
** [[তুরস্ক|তুরস্কের]] [[ইস্তাম্বুল|কনস্টান্টিনোপল]] থেকে এডওয়ার্ড লিটন বুলওয়ারকে লেখা চিঠি (২৭ ডিসেম্বর ১৮৩০), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের ''দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরাইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড। ভলিউম ১। ১৮০৪-১৮৫৯'' (১৯২৯), পৃষ্ঠা ১৭৪-এ উদ্ধৃত।
*আমি হুইগ বা টোরি কোনোটাই নই। আমার রাজনীতি একটি শব্দে বর্ণনা করা যায়, এবং সেই শব্দটি হলো <small>ইংল্যান্ড</small>।
**''ইংল্যান্ড অ্যান্ড ফ্রান্স; অর, আ কিউর ফর দ্য মিনিস্ট্রিয়াল গ্যালোম্যানিয়া'' (১৮৩২), পৃষ্ঠা ১৩
*যে মন্ত্রিত্ব নিচু শ্রেণির মানুষের অবস্থার উন্নতির জন্য কোনো বড় পদক্ষেপ নেবে না, আমি তাকে সমর্থন দেওয়া থেকে বিরত থাকব।
** হাই উইকম্বের ভোটারদের প্রতি ভাষণ (১ অক্টোবর ১৮৩২), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের ''দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরাইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড। ভলিউম ১। ১৮০৪-১৮৫৯'' (১৯২৯), পৃষ্ঠা ২২১-এ উদ্ধৃত।
*সেই লোভী, স্বৈরাচারী এবং অযোগ্য দলের বিরুদ্ধে, যারা অসৎভাবে মিথ্যা অজুহাতে ক্ষমতা দখল করে, বোকার মতো মনে করে যে তারা অর্ধেক পদক্ষেপ দিয়ে তা ধরে রাখতে পারবে। এবং যারা তাদের সংক্ষিপ্ত কিন্তু বিপর্যয়কর কর্মজীবনে [[ব্রিটিশ সাম্রাজ্য|সাম্রাজ্যের]] প্রতিটি বড় স্বার্থকে এর কেন্দ্র থেকে নাড়িয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে। আয়ারল্যান্ড বিদ্রোহে, উপনিবেশগুলো আলোড়নে, আমাদের বৈদেশিক সম্পর্ক এমন এক অবিচ্ছেদ্য বিভ্রান্তির মধ্যে রয়েছে যে, আমাদের বলা হয় কেবল যুদ্ধই জটিল ভুলের গর্ডিয়ান গিঁট কাটতে পারে; কৃষক সন্দেহে, জাহাজের মালিক হতাশায়, আমাদের ব্যবসায়ীরা বাণিজ্যহীন, এবং আমাদের নির্মাতারা বাজারহীন, রাজস্ব কমছে, এবং সেনাবাহিনী বাড়ছে, ধনীরা তাদের অকেজো মূলধন জমা করছে, এবং আমাদের একসময়ের সন্তুষ্ট কুটিরগুলোতে নিঃস্বতা পড়ে আছে। ইংরেজরা, তোমাদের পূর্বপুরুষদের বীরত্বপূর্ণ শক্তিতে গড়ে ওঠা অতুলনীয় সাম্রাজ্যের দিকে তাকাও; সন্দেহ ও বিপদের এই প্রহরে নিজেদের জাগিয়ে তোলো; হুইগ এবং টোরির সেই সমস্ত রাজনৈতিক বুলি এবং দলীয় অপবাদ থেকে নিজেদের মুক্ত করো—দুটি নাম যার একটিই অর্থ, যা কেবল তোমাদের প্রতারণা করার জন্যই ব্যবহৃত হয়—এবং একটি মহান জাতীয় দল গঠনে ঐক্যবদ্ধ হও যা একাই দেশটিকে আসন্ন ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে পারে।
** হাই উইকম্বের ভোটারদের প্রতি ভাষণ (১ অক্টোবর ১৮৩২), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের ''দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরাইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড। ভলিউম ১। ১৮০৪-১৮৫৯'' (১৯২৯), পৃষ্ঠা ২২২-এ উদ্ধৃত।
* '''আমি আমাদের সংবিধানের ভালো সবকিছু সংরক্ষণের জন্য একজন রক্ষণশীল, আর খারাপ সবকিছু দূর করার জন্য একজন র্যাডিক্যাল।''' আমি সম্পত্তি সংরক্ষণ করতে এবং শৃঙ্খলাকে সম্মান করতে চাই, এবং আমি সমানভাবে অনেকের আবেগ বা অল্প কিছু মানুষের কুসংস্কারের কাছে আবেদন করার নিন্দা জানাই।
** হাই উইকম্বে নির্বাচনী প্রচারণার ভাষণ (২৭ নভেম্বর ১৮৩২), ''সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড'', ভলিউম ১ (১৮৮২)-এ উদ্ধৃত।
*আমি সেই মহান স্বার্থের সমর্থক হিসেবে এগিয়ে এসেছি যা সামাজিক কাঠামোর একমাত্র শক্ত ভিত্তি। আর এই দেশটির সুস্থ সমৃদ্ধি যে কৃষকের সুরক্ষিত শিল্পের ওপর নির্ভর করে সে বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে আমি সেই তাড়াহুড়ো এবং পরীক্ষামূলক আইন প্রণয়নের চেষ্টার বিরোধিতা করতে চাই যা এই একসময়ের গৌরবময় [[ব্রিটিশ সাম্রাজ্য|সাম্রাজ্যকে]] দ্রুত নাগরিক আলোড়নের যন্ত্রণার দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
** বাকিংহ্যামশায়ারের ভোটারদের প্রতি ভাষণ (১২ ডিসেম্বর ১৮৩২), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের ''দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরাইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড। ভলিউম ১। ১৮০৪-১৮৫৯'' (১৯২৯), পৃষ্ঠা ২২৫-এ উদ্ধৃত।
* "যত্ন কী?" রাজকুমারী হাসি মুখে জিজ্ঞাসা করলেন।<br>"এটি একজন দেবতা", চিকিৎসক উত্তর দিলেন, "অদৃশ্য, তবে সর্বশক্তিমান। এটি গাল থেকে সৌন্দর্য এবং নাড়ি থেকে সতেজতা চুরি করে নেয় — এটি ক্ষুধা কেড়ে নেয়, আর চুল ধূসর করে দেয়"।
** ''দ্য ওয়ান্ড্রাস টেল অব আলরয়'', পার্ট ৫, অধ্যায় ৫ (১৮৩৩)
* আমি সবচেয়ে খারাপের জন্য প্রস্তুত আছি, কিন্তু সবচেয়ে ভালোর জন্য আশা করি।
** ''দ্য ওয়ান্ড্রাস টেল অব আলরয়'', পার্ট ১০, অধ্যায় ৩
* হতাশা হলো বোকাদের উপসংহার।
** ''দ্য ওয়ান্ড্রাস টেল অব আলরয়'', পার্ট ১০, অধ্যায় ১৭
* সাফল্য হলো সাহসিকতার সন্তান।
** ''দ্য রাইজ অব ইস্কান্দার'' অধ্যায় ৪ (১৮৩৩)
* যদিও তারা তাদের শত্রুদের কাছে সিংহের মতো ছিল, তবে বন্ধুদের কাছে তারা মেষশাবকের মতো ছিল।
** ''দ্য ইনফার্নাল ম্যারেজ'', পার্ট ২, অধ্যায় ৪ (১৮৩৪)
* কখন সুযোগ লুফে নিতে হবে তা জানার পাশাপাশি, জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো কখন সুবিধা ছেড়ে দিতে হবে তা জানা।
** ''দ্য ইনফার্নাল ম্যারেজ'', পার্ট ৩ (১৮৩৪)
*আমি হুইগদের একটি জাতিবিরোধী দল হিসেবে দেখি... দলের নীতি এমন যে তা বিদেশে রাজ্যের সম্মান এবং দেশে জনগণের সুখ ধ্বংস করবে বলে বিশ্বাস করে, আমি হুইগদের বিরোধিতা করা, তাদের অস্বস্তি নিশ্চিত করা এবং সম্ভব হলে তাদের ধ্বংস করা আমার কর্তব্য বলে মনে করি।
** টনটনে ভাষণ (২৮ এপ্রিল ১৮৩৫), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের ''দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরাইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড। ভলিউম ১। ১৮০৪-১৮৫৯'' (১৯২৯), পৃষ্ঠা ২৮৬-এ উদ্ধৃত।
* '''হ্যাঁ, আমি একজন ইহুদি, আর যখন ডানহাতি সম্মানিত ভদ্রলোকের পূর্বপুরুষরা অজানা কোনো দ্বীপে নিষ্ঠুর অসভ্য ছিল, তখন আমার পূর্বপুরুষরা সলোমনের মন্দিরে পুরোহিত ছিলেন।'''
** ড্যানিয়েল ও'কনেলের উপহাসের জবাবে [http://www.victorianweb.org/history/pms/dizzy.html]। এর ব্যাপক প্রচলন থাকা সত্ত্বেও এটি সম্ভবত অতিকথা। যারা সতর্কতার সাথে একটি উৎসের সন্ধান করেছেন তাদের মন্তব্যে আলোচনা দেখুন, সু ব্রুটনের "না, বেঞ্জামিন ডিসরাইলি সেটি লেখেননি," ''সু ব্রুটনস ব্লগ অন কোটস অ্যান্ড মিসকোটস'' (৩০ এপ্রিল ২০১৬) [https://suebrewton.com/2016/04/30/no-benjamin-disraeli-did-not-write-that/]। এর প্রথম দিকের উল্লেখ পাওয়া যায় {{cite book |url=https://archive.org/details/russianmephistop00huntiala/page/106/mode/2up |title=দ্য রাশিয়ান মেফিস্টোফেলস |last=হান্টারবার্গ |first=ম্যাক্স |pages=১০৫-১০৬ |year=১৯০৯ |location=গ্লাসগো |publisher=জন জে. রে}}-এ।
* ইংল্যান্ডের রাষ্ট্রব্যবস্থা, যা আধুনিক যুগের সবচেয়ে সমৃদ্ধশালী সমাজ প্রতিষ্ঠা করেছে, এবং এমন একটি জাতির ভাগ্য নিয়ন্ত্রণ করেছে যা বহু শতাব্দী ধরে স্বাধীনতা, সম্পদ এবং গৌরব অর্জনে প্রগতিশীল অগ্রগতি করেছে, তা নিঃসন্দেহে রাজনৈতিক দর্শনে অনুমানের অন্যতম আকর্ষণীয় বিষয় উপস্থাপন করে। আর এটি এমন কিছু নয় যা অবহেলিত হয়েছে; এবং বিখ্যাত বিদেশিরাও ইংরেজি সংবিধান নিয়ে তাদের গবেষণায় আমাদের দেশীয় লেখকদের অনুকরণ করেছেন।
** {{cite book|url=https://books.google.com/books?id=QCtOAAAAcAAJ | title=ভিন্ডিকেশন অব দ্য ইংলিশ কনস্টিটিউশন ইন আ লেটার টু আ নোবেল অ্যান্ড লার্নড লর্ড | date=১৮৩৫ |pages=৩-৪}}
*ভৃত্য এবং পরিচারিকাদের গল্পগুজবে ব্যস্ত থাকায়, আপনি ভুলবশত আপনার ''মেমোয়ার্স অব দ্য অ্যাফেয়ার্স অব ইউরোপ''-এ এর সবচেয়ে বিশাল এবং উদীয়মান সাম্রাজ্য সম্পর্কে কোনো উল্লেখ করেননি। এই দুর্ভাগ্যজনক রচনাটি আপনার সাহিত্যিক ক্যারিয়ারের সমাপ্তি ঘটিয়েছিল; আপনি অক্ষম হতাশায় আপনার বৃথা কলমটি ছুড়ে ফেলেছিলেন; আর, আপনার দুর্বল বুদ্ধি সাহিত্যে ব্যর্থ হওয়ার পর, আপনার প্রবল উচ্চাকাঙ্ক্ষা রাজনীতিতে আশ্রয় নিয়েছিল।
**'লেটার ৭. টু [[জন রাসেল, প্রথম আর্ল রাসেল|লর্ড জন রাসেল]]' (৩০ জানুয়ারি ১৮৩৬), ''দ্য লেটারস অব রানিমেড'' (১৮৩৬), পৃষ্ঠা ৫৬
*আপনার লক্ষ্য হলো সবকিছুকে আপনার নিজস্ব নিচু স্তরে নামিয়ে আনা—সবকিছুকে আপনার বিদ্বেষপূর্ণ মানদণ্ডে নামিয়ে আনা... আপনার সমস্ত আচরণে এমন একটি নিচু এবং দীর্ঘকাল ধরে অবদমিত আত্মার কার্যকলাপ খুঁজে পাওয়া কঠিন নয় যা হঠাৎ করে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়েছে,—একটি দুর্বল বুদ্ধির কলঙ্ক প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য ক্ষমতার অবাধ প্রয়োগের মাধ্যমে চেষ্টা করা একটি প্রবল উচ্চাকাঙ্ক্ষার সংগ্রাম।
**'লেটার ৭. টু লর্ড জন রাসেল' (৩০ জানুয়ারি ১৮৩৬), ''দ্য লেটারস অব রানিমেড'' (১৮৩৬), পৃষ্ঠা ৬০-৬১
*কিন্তু, আমার লর্ড, আমাদের দর্শনার্থী কতটা হতবাক হবেন যখন তাকে একটি অত্যন্ত ছোট গুবরে পোকার মধ্যে রাষ্ট্রসচিবকে চিনতে বলা হবে;—হ্যাঁ, আমার লর্ড, যখন তিনি জানতে পারবেন যে আপনিই ইংলিশ হাউস অব কমন্সের নেতা, তখন আমাদের ভ্রমণকারী হয়তো বুঝতে শুরু করবেন কীভাবে মিশরীয়রা পূজা করত—<small>একটি পোকাকে।</small>
**'লেটার ৭. টু লর্ড জন রাসেল' (৩০ জানুয়ারি ১৮৩৬), ''দ্য লেটারস অব রানিমেড'' (১৮৩৬), পৃষ্ঠা ৬৪
*এই লোকটি, [[ড্যানিয়েল ও'কনেল|ও'কনেল]], পোপতন্ত্রের ভাড়ায় খাটা এক যন্ত্র; এবং সেই হিসেবে, তার মিশন হলো আপনাদের প্রোটেস্ট্যান্ট সমাজ ধ্বংস করা, আর সেই কারণেই সে ইংল্যান্ডের জন্য [[নেপোলিয়ন|নেপোলিয়নের]] চেয়েও ভয়ংকর এক শত্রু। আপনাদের সাম্রাজ্য এবং স্বাধীনতা আজ ওই সময়ের চেয়ে বেশি বিপদে আছে যখন আক্রমণকারী সেনাবাহিনী বোলোনে শিবির স্থাপন করেছিল।
**'লেটার ৮. টু দ্য পিপল' (২ ফেব্রুয়ারি ১৮৩৬), ''দ্য লেটারস অব রানিমেড'' (১৮৩৬), পৃষ্ঠা ৭২
*এখন ও'কনেলের রাজনৈতিক চরিত্র সম্পর্কে আমাদের স্পষ্ট ধারণা হয়েছে। আর আমি প্রায়ই অবাক হয়েছি যখন আমি তাদের কথা শুনেছি যারা তার ভণ্ডামির নিন্দা করেছে বা তার দক্ষতার প্রশংসা করেছে, যখন তারা বিজয়ী জননেতাকে একজন সাধারণ পুরোহিতের সামনে কাদায় নিজেকে ছোট করার কথা পড়েছে। এতে কোনো ভণ্ডামি বা চাতুরী ছিল না। এজেন্ট তার প্রধানকে চিনতে পেরেছিল, দাস তার প্রভুর সামনে মাথা নত করেছিল; আর যখন সে হুইস্কির গন্ধে এবং ধূপের সুবাসে মাখা সেই পবিত্র পোশাকে চুমু খেয়েছিল, তখন আমি নিশ্চিত যে তার আত্মা একই সাথে অকৃত্রিম ভক্তি এবং গভীর কৃতজ্ঞতায় পূর্ণ হয়েছিল।
**'লেটার ৮. টু দ্য পিপল' (২ ফেব্রুয়ারি ১৮৩৬), ''দ্য লেটারস অব রানিমেড'' (১৮৩৬), পৃষ্ঠা ৭২-৭৩
*এই মানুষদের শান্ত করা যাবে না। তারা আপনাদের শত্রু, কারণ তারা ইংল্যান্ডের শত্রু। তারা আমাদের স্বাধীন ও উর্বর দ্বীপকে ঘৃণা করে। তারা আমাদের শৃঙ্খলা, আমাদের সভ্যতা, আমাদের উদ্যোগী শিল্প, আমাদের অটল সাহস, আমাদের শালীন স্বাধীনতা, আমাদের বিশুদ্ধ ধর্মকে ঘৃণা করে। এই বন্য, বেপরোয়া, অলস, অনিশ্চিত এবং কুসংস্কারাচ্ছন্ন জাতির ইংরেজি চরিত্রের সাথে কোনো সহানুভূতি নেই। মানব সুখ সম্পর্কে তাদের আদর্শ হলো গোত্রগত দাঙ্গা এবং স্থূল মূর্তিপূজার এক পর্যায়ক্রমিক পরিবর্তন। তাদের ইতিহাস ধর্মান্ধতা এবং রক্তের এক অটুট বৃত্ত বর্ণনা করে। আর এখন বলা হচ্ছে যে তারা অপশাসনের শিকার হয়েছে! যারা এই দলীয় বুলি আওড়ায় তাদের মধ্যে কতজন আয়ারল্যান্ডের ইতিহাস পড়েছে? পোপতন্ত্রের প্রভাবে থাকা এক বন্য জনগোষ্ঠী, তা সত্ত্বেও এমনভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়েছে যে, তারা একটি উচ্চ সভ্য এবং প্রোটেস্ট্যান্ট সাম্রাজ্য সৃষ্টিতে অবদান রেখেছে। কেন, এটা কি রাজনৈতিক বিজ্ঞানের সেরা উদাহরণ নয়? [[নিকোলো মেকিয়াভেলি|ম্যাকিয়াভেলি]] কি এর চেয়ে বেশি কিছু শেখাতে পারতেন? আমার লর্ডরা, রোমান পুরোহিতদের নির্দেশে এই উপজাতিদের প্রতিনিধিরা কি আমাদের দেশের ওপর—ইংল্যান্ডের ওপর—অহংকারী এবং এখনও সাম্রাজ্যবাদী ইংল্যান্ডের ওপর একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করবে? আপনাদের পূর্বপুরুষদের সমস্ত স্মৃতির দোহাই দিয়ে এটি নিষিদ্ধ করুন!
**'লেটার ১৬. টু দ্য হাউস অব লর্ডস' (১৮ এপ্রিল ১৮৩৬), ''দ্য লেটারস অব রানিমেড'' (১৮৩৬), পৃষ্ঠা ১৪৫-১৪৬
* '''যদিও আমি এখন বসছি, তবে এমন সময় আসবে যখন আপনারা আমার কথা শুনবেন।'''
** হাউস অব কমন্সে [https://www.oxfordreference.com/view/10.1093/acref/9780191843730.001.0001/q-oro-ed5-00003685 প্রথম ভাষণ] (৭ ডিসেম্বর ১৮৩৭)। অন্যান্য এমপিরা চিৎকার করে ডিসরাইলিকে থামিয়ে দিচ্ছিলেন। তুলনা করুন: "আমার কথা শুনতে হবে", [[উইলিয়াম লয়েড গ্যারিসন]], ''স্যালুটরি অব দ্য লিবারেটর''
* [আমার কাছে মনে হয় যে] সোসাইটি অব এডুকেশন, দার্শনিকদের সেই স্কুল, তাদের সমস্ত প্রশংসিত বুদ্ধি এবং শিক্ষা থাকা সত্ত্বেও, দ্রুত একটি বর্বর যুগের ব্যবস্থায়, একটি পিতৃতান্ত্রিক সরকারের ব্যবস্থায় ফিরে যাচ্ছিল। '''যেখানেই একটি পিতৃতান্ত্রিক সরকার ছিল সেখানেই একটি রাষ্ট্রীয় শিক্ষা ব্যবস্থা পাওয়া গিয়েছিল। এটি আবিষ্কার করা হয়েছিল যে শর্তহীন আনুগত্য নিশ্চিত করার সর্বোত্তম উপায় হলো নার্সারি থেকে স্বৈরাচার শুরু করা।''' এমন একটি দেশ ছিল যেখানে শিক্ষা অফিসের একমাত্র যোগ্যতা তৈরি করেছিল। তাই, সেই দেশটিকে একটি আদর্শ স্কুল এবং প্রস্তাবিত শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য আদর্শ সমাজ হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে। সেই দেশটি ছিল চীন। এই পিতৃতান্ত্রিক সরকারগুলো পশ্চিমের চেয়ে পূর্বেই বেশি পাওয়া যেত, এবং ওয়াটারফোর্ডের মাননীয় সদস্য যদি জনশিক্ষার সবচেয়ে নিখুঁত কর্মসূচির জন্য [আমাকে] জিজ্ঞাসা করতেন, তিনি যদি [আমাকে] একাধারে সবচেয়ে গভীর এবং সবচেয়ে ব্যাপক একটি ব্যবস্থা নির্দেশ করতে বলতেন, তবে [আমাকে] অবশ্যই তাকে সেই শিক্ষা ব্যবস্থা দিতে হতো যা পারস্যে প্রচলিত ছিল। চীন এবং পারস্য ছেড়ে ইউরোপে এসে, [আমি] অস্ট্রিয়ায়, ইউরোপের চীনে এবং প্রুশিয়ার পিতৃতান্ত্রিক সরকারের অধীনে জাতীয় শিক্ষার একটি নিখুঁত ব্যবস্থা খুঁজে পেয়েছি। সত্য হলো এই যে, '''যেখানেই সবকিছু সরকারের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়, সেখানেই প্রজা একটি যন্ত্রে পরিণত হয়।'''
** হাউস অব কমন্সে দেওয়া ভাষণ, যা (তৃতীয় পুরুষে) রেকর্ড করা হয়েছে [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1839/jun/20/education-adjourned-debate#S3V0048P0_18390620_HOC_4 | ২০ জুন ১৮৩৯-এর কার্যবিবরণী]তে
* সাহস হলো আগুন, আর ভয় দেখানো হলো ধোঁয়া।
** ''কাউন্ট আলারকোস: আ ট্র্যাজেডি;'' অঙ্ক ৪, দৃশ্য ১ (১৮৩৯)
* বোকারা অবাক হয়, আর জ্ঞানীরা প্রশ্ন করে।
** ''কাউন্ট আলারকোস: আ ট্র্যাজেডি;'' অঙ্ক ৪, দৃশ্য ১ (১৮৩৯)
====''দ্য ইয়াং ডিউক'' (১৮৩১)====
* সফল না হওয়া পর্যন্ত প্রতিটি মানুষেরই অহংকারী হওয়ার অধিকার আছে।
** ১৮৫৩ সালের সংস্করণের 'অ্যাডভার্টাইসমেন্ট'-এ।
* একটি ''অজানা'' ঘোড়া, যার কথা কেউ ভাবেনি, এবং যাকে অসতর্ক সেন্ট জেমস তালিকায় খেয়ালও করেননি, সে দুর্দান্ত বিজয়ে গ্র্যান্ডস্ট্যান্ড পেরিয়ে ছুটে গেল।
** বই ১, অধ্যায় ৫।
* তারপর একটি প্রথম ভাষণ ছিল, যা এতটা অস্পষ্ট ছিল যে, শেষ পর্যন্ত তরুণ বক্তা সত্যিই তার কুমারীত্ব হারিয়েছিলেন কি না তা নিয়ে সন্দেহ ছিল।
** বই ১, অধ্যায় ৬।
* আমরা সত্যিই দোকানদারদের একটি জাতি।
** বই ১, অধ্যায় ১১।
* প্রতিদিন একই মানুষের প্রতি অমায়িক হতে গেলে একজনের স্নায়ু নষ্ট হয়ে যায়।
** বই ৩, অধ্যায় ২।
* বীরত্বের যুগ শেষ হয়ে গেছে। ড্রাগনের জায়গা নিয়েছে বিরক্তিকর মানুষেরা।
** বই ২, অধ্যায় ৫।
* আমাদের শেখান যে সম্পদ মানেই আভিজাত্য নয়; প্রাচুর্য মানেই জাঁকজমক নয়; এবং জাঁকজমক মানেই সৌন্দর্য নয়। আমাদের শেখান যে রুচি হলো একটি তাবিজ যা ঋণদাতাদের কোটি টাকার চেয়েও বড় অলৌকিক কাজ করতে পারে। আমাদের শেখান যে প্রতিযোগিতা করা মানেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা নয়, এবং অনুকরণ করা মানেই আবিষ্কার করা নয়। আমাদের শেখান যে ভান করা একটি বিরক্তিকর ব্যাপার। আমাদের শেখান যে বুদ্ধিমত্তা অত্যন্ত ভালো স্বভাবের, এবং শ্যাম্পেনের মতো, এটি কেবল চমকায়ই না, মিষ্টিও বটে। আমাদের শেখান যে বিদ্বেষ হলো অভদ্রতা। আমাদের শেখান যে ঈর্ষা আমাদের গায়ের রং নষ্ট করে, এবং দুশ্চিন্তা আমাদের শারীরিক গঠন ধ্বংস করে।
** বই ৩, অধ্যায় ১০।
* '''যখন মানুষ সত্যি কথা বলার জন্য উদ্বিগ্ন হয়, তখন বুঝতে হবে অপ্রীতিকর কিছু একটা আসতে চলেছে।'''
** বই ৪, অধ্যায় ৬।
* যদি কোনো মানুষ বিষণ্ণ থাকে, তবে তাকে নিজের মধ্যেই থাকতে দিন। সমাজে ঘ্যানঘ্যান করে বেড়ানোর, বা এর চেয়েও খারাপ, শোক চেপে রাখার মতো চেহারা করে ঘোরার অধিকার কারো নেই।
** বই ৫, অধ্যায় ১।
* একজন মানুষ হাউস অব কমন্সে খুব ভালোভাবে কথা বলতে পারেন, এবং হাউস অব লর্ডসে খুব সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হতে পারেন। দুটি ভিন্ন ধরনের শৈলী প্রয়োজন: আমি আমার ক্যারিয়ারের কোনো এক সময়, সময় পেলে, উভয়েরই একটি নমুনা দেওয়ার ইচ্ছা রাখি।
** বই ৫, অধ্যায় ৬।
====''কন্টারিনি ফ্লেমিং'' (১৮৩২)====
* '''[[প্রকৃতি]] [[শিক্ষা|শিক্ষার]] চেয়ে শক্তিশালী; [[সময়]] সবকিছুকে বিকশিত করবে।'''
** পর্ব ১, অধ্যায় ৮। তুলনা করুন: "La Nature a été en eux forte que l'éducation" (অনুবাদ: "শিক্ষা থেকে তাদের মধ্যে প্রকৃতি একটি শক্তিশালী শক্তি ছিল"), [[ভলতেয়ার]], ''ভি ডি মলিয়ের''।
* '''[[অনুভূতি]] দেখানোর জন্য কখনো ক্ষমা চাইবেন না, আমার [[বন্ধু]]। মনে রাখবেন যে আপনি যখন তা করেন, তখন আপনি [[সত্য|সত্যের]] জন্য ক্ষমা চান।'''
** পর্ব ১, অধ্যায় ১৩; কখনো কখনো সহজ ভাষায় বলা হয়: "অনুভূতি দেখানোর জন্য কখনো ক্ষমা চাইবেন না। আপনি যখন তা করেন, তখন আপনি সত্যের জন্য ক্ষমা চান।"
* কথা দিয়ে আমরা মানুষকে শাসন করি।
** পর্ব ১, অধ্যায় ২১।
* '''কোনো ইতিহাস পড়বেন না: কেবল জীবনী ছাড়া, কারণ তা হলো [[তত্ত্ব]] ছাড়া [[জীবন]]।'''
** পর্ব ১, অধ্যায় ২৩।
* একজন পর্যবেক্ষণকারী মনের জন্য বিনোদনই হলো পড়াশোনা।
** পর্ব ১, অধ্যায় ২৩।
* অস্তিত্বের অনুভূতিই হলো সবচেয়ে বড় [[সুখ]]।
** পর্ব ৩, অধ্যায় ১।
* '''[[ধৈর্য]] হলো [[প্রতিভা|প্রতিভার]] একটি প্রয়োজনীয় উপাদান।'''
** পর্ব ৪, অধ্যায় ৫।
* প্রাচ্যে [[রাজনীতি|রাজনীতির]] চর্চাকে একটি শব্দে সংজ্ঞায়িত করা যেতে পারে: ভান করা।
** পর্ব ৫, অধ্যায় ১০।
* '''সবকিছুই [[রহস্য]]; কিন্তু সে একজন [[দাসত্ব|দাস]] যে এই অন্ধকার পর্দা ভেদ করার জন্য সংগ্রাম করবে না।'''
** পর্ব ৫, অধ্যায় ১৮।
* যখন মানুষ বিশুদ্ধ থাকে, তখন [[আইন]] অকেজো হয়ে যায়; যখন মানুষ [[দুর্নীতি|দুর্নীতিগ্রস্ত]] হয়, তখন আইন ভাঙা হয়।
** পর্ব ৬, অধ্যায় ৩
====''হেনরিয়েটা টেম্পল'' (১৮৩৭) ====
* ঋণ হলো বোকামি এবং অপরাধের এক উর্বর মা।
** বই ২, অধ্যায় ১।
* আমরা যা আশা করি তা খুব কমই ঘটে; আমরা যা সবচেয়ে কম আশা করেছিলাম তা সাধারণত ঘটে যায়।
** বই ২, অধ্যায় ৪। তুলনা করুন: "আমি ঠিক সেই কথাগুলোই বলি যা সবচেয়ে বেশি আলোড়ন তোলে / আর সবচেয়ে মজার জিনিস হলো সেই জিনিসগুলো, যা কখনোই ঘটেনি", স্যাম ওয়াল্টার ফস, ''থিংস দ্যাট ডিডন্ট অকার''।
* প্রথম প্রেমের জাদুটাই হলো আমাদের এই অজ্ঞতা যে এটা কখনো শেষ হতে পারে।
** বই ৪, অধ্যায় ১। প্রায়ই ভুলভাবে উদ্ধৃত করা হয় "প্রথম প্রেমের জাদুটাই হলো আমাদের এই অজ্ঞতা যে এটা '''কখনোই''' শেষ হতে পারে না"।
* সময় হলো মহান চিকিৎসক।
** বই ৬, অধ্যায় ৯।
* মানুষ কোনো যুক্তিবাদী প্রাণী নয়। সে কেবল তখনই সত্যিকার অর্থে ভালো বা মহান হয় যখন সে আবেগ থেকে কাজ করে।
** বই ৬, অধ্যায় ১২।
* প্রকৃতি আমাদের দুটো কান দিয়েছে কিন্তু মুখ দিয়েছে মাত্র একটি।
** বই ৬, অধ্যায় ২৪।
===১৮৪০-এর দশক===
*আমি এটা বলতে লজ্জিত বা ভীত নই যে আমি চাই চার্টিস্টদের প্রতি উভয় পক্ষ থেকেই আরও বেশি সহানুভূতি দেখানো হতো... আমি এটা বলতে লজ্জিত নই যে আমি আমার লাখো সহকর্মীর সাথে সহানুভূতিশীল।
** হাউস অব কমন্সে দেওয়া ভাষণ (২৮ জানুয়ারি ১৮৪০), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের ''দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরাইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড। ভলিউম ১। ১৮০৪-১৮৫৯'' (১৯২৯), পৃষ্ঠা ৪৮৫-এ উদ্ধৃত।
*আমি আপনার সাথে পুরোপুরি একমত যে, কনজারভেটিভ পার্টি এবং র্যাডিক্যাল বা চরমপন্থী জনতার মধ্যে একটি ঐক্যই একমাত্র উপায় যার মাধ্যমে আমরা সাম্রাজ্য রক্ষা করতে পারি। তাদের স্বার্থ অভিন্ন; ঐক্যবদ্ধ হয়ে তারা জাতি গঠন করে; আর তাদের বিভাজন কেবল একটি নগণ্য সংখ্যালঘুকে জনগণের চটকদার নামে সম্পত্তি এবং ব্যক্তির সমস্ত অধিকার আক্রমণ করার সুযোগ দিয়েছে। আট বছর আগে আমি যখন প্রথম রাজনৈতিক জীবনে প্রবেশ করি, তখন থেকে একটি জাতীয় দল গঠনে সহায়তা করা ছাড়া অন্য কোনো লক্ষ্য বা উদ্দেশ্যে আমি কাজ করিনি।
** চার্লস অ্যাটউডকে লেখা চিঠি (৭ জুন ১৮৪০), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের ''দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরাইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড। ভলিউম ১। ১৮০৪-১৮৫৯'' (১৯২৯), পৃষ্ঠা ৪৮৬-এ উদ্ধৃত।
* অবাধ বাণিজ্য কোনো নীতি নয়; এটি একটি উপায়।
** আমদানি শুল্কের ওপর (২৫ এপ্রিল ১৮৪৩)। তুলনা করুন: "এটি একটি শর্ত যা আমাদের মুখোমুখি হয়, কোনো তত্ত্ব নয়" (গ্রোভার ক্লিভল্যান্ড, ''বার্ষিক বার্তা'', ১৮৮৭, শুল্কের প্রসঙ্গে); "সুরক্ষা কোনো নীতি নয়, বরং একটি উপায়" (নিচে)।
*আমরা সবাই শুনেছি কীভাবে অত্যন্ত বিশিষ্ট ব্যক্তি মিস্টার কবডেন এক স্মরণীয় ভাষণে বলেছেন যে, ইংল্যান্ড সামন্ততান্ত্রিক ব্যবস্থার শিকার। আমরা আরও শুনেছি কীভাবে তিনি সামন্ততান্ত্রিক ব্যবস্থার বর্বরতা এবং এর বর্বর অবশিষ্টাংশের কথা বলেছেন। এখন, আমাদের যদি সামন্ততান্ত্রিক ব্যবস্থার কোনো অবশিষ্টাংশ থেকে থাকে, তবে এর আরও বেশি অংশ অবশিষ্ট নেই বলে আমার আক্ষেপ হয়... এখন, সামন্ততান্ত্রিক ব্যবস্থার মূল নীতিটি কী, ভদ্রলোকেরা? এটি হলো সমস্ত সম্পত্তির মেয়াদ হবে তার দায়িত্ব পালন। কেন, যখন বিজয়ী উইলিয়াম জমির অংশগুলো ভাগ করেছিলেন এবং সামন্ততান্ত্রিক ব্যবস্থা চালু করেছিলেন, তখন তিনি প্রাপককে বলেছিলেন, "আপনি ওই জমি পাবেন, কিন্তু এর জন্য আপনাকে কিছু করতে হবে: আপনি দরিদ্রদের খাওয়াবেন; আপনি চার্চকে অনুদান দেবেন; যুদ্ধের সময় আপনি জমি রক্ষা করবেন; এবং আপনি ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করবেন ও বিনামূল্যে দরিদ্রদের জন্য সত্য বজায় রাখবেন।"
** শ্রুসবেরিতে দেওয়া ভাষণ (৯ মে ১৮৪৩), টি. ই. কেবেল সম্পাদিত ''সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, ভলিউম ১'' (১৮৮২), পৃষ্ঠা ৫০-৫১-এ উদ্ধৃত।
*সামন্ততান্ত্রিক ব্যবস্থার নীতি, যে নীতিটি বাস্তবে প্রয়োগ করা হয়েছিল, সেটি ছিল সবচেয়ে মহৎ, সবচেয়ে জাঁকজমকপূর্ণ, সবচেয়ে চমৎকার এবং কল্যাণকর নীতি, যা কোনো জ্ঞানী ব্যক্তি কল্পনা করেছিলেন বা কোনো দেশপ্রেমিক অনুশীলন করেছিলেন।
** শ্রুসবেরিতে দেওয়া ভাষণ (৯ মে ১৮৪৩), টি. ই. কেবেল সম্পাদিত ''সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, ভলিউম ১'' (১৮৮২), পৃষ্ঠা ৫১-এ উদ্ধৃত।
*এখন, আমি সেই ভদ্রলোকদের জিজ্ঞাসা করতে চাই যারা অ্যান্টি-কর্ন-ল লিগের সদস্য, যে ভদ্রলোকেরা বর্তমান সময়ে দেশের সরকারের ওপর কর্ন ল পুরোপুরি বাতিল করার জন্য চাপ দিচ্ছেন... আমি তাদের বিবেচনা করতে বলতে চাই... যে জমির উত্তরাধিকার আইন বর্তমান পরিস্থিতিতে কতদিন টিকবে—যদি এটি বাতিল হয়—যদি আমরা জমি ভাগ করার মহাদেশীয় ব্যবস্থায় ফিরে যাই—আমি জানতে চাই আপনারা দেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থাকে কতদিন টিকিয়ে রাখতে পারবেন। আমি যে চার্চের সম্পত্তির কথা উল্লেখ করেছি; আমি দরিদ্রদের যে সম্পত্তির ইঙ্গিত দিয়েছি; জমি থেকে উদ্ভূত সেই ঐতিহ্যবাহী রীতিনীতি এবং অনুষঙ্গগুলো, যা জাতীয় চরিত্র গঠন করে, যা দরিদ্রদের সম্পত্তির অংশ গঠন করে যা অবজ্ঞা করার মতো নয়, এবং যা রাজনৈতিক ক্ষমতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান—তারা আপনাদের বলবে "এটি যেতে দিন।" এর প্রতি আমার উত্তর হলো, "যদি এটি যায়, তবে এটি একটি বিপ্লব, একটি মহান, একটি ধ্বংসাত্মক বিপ্লব।" এই কারণে, ভদ্রলোকেরা, আমি বিশ্বাস করি সেই বিষয়ে, আপনাদের অনুভূতির বিশ্বস্ত প্রতিনিধিত্ব করে, যে আমি সবসময় সেই আইনকে সমর্থন করেছি যা, আমি মনে করি, দেশের কৃষি স্বার্থের প্রাধান্যকে তুলে ধরবে এবং বজায় রাখবে... আমি কেবল একটি বিস্তৃত এবং নিরাপদ পথ নিই—আর তা হলো, আমাদের যা বজায় রাখা উচিত তা হলো, ভূমি স্বার্থের প্রাধান্য; যে ভূমি স্বার্থের প্রাধান্যই ইংল্যান্ডকে তৈরি করেছে; যে এটি রাজনৈতিক ক্ষমতা এবং স্থিতিশীলতার একটি বিশাল উপাদান; যে আমরা যদি একটি আঞ্চলিক অভিজাততন্ত্র না পেতাম যা আমাদের সংবিধানে স্থিতিশীলতা দেয়, তবে আমরা হয়তো কখনো সেই মহান যুদ্ধ শুরু করতে পারতাম না, যার স্মৃতি অনেকেরই মনে আছে—আমরা হয়তো কখনো বিশ্বের সবচেয়ে বড় সামরিক প্রতিভাকে জয় করতে পারতাম না, যার হাতে ছিল সবচেয়ে বড় উপায়, এবং তাকে তার সিংহাসন থেকে টেনে নামাতে পারতাম না।
** শ্রুসবেরিতে দেওয়া ভাষণ (৯ মে ১৮৪৩), টি. ই. কেবেল সম্পাদিত ''সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, ভলিউম ১'' (১৮৮২), পৃষ্ঠা ৫২-৫৩-এ উদ্ধৃত।
*আর আমি এটাই বলতে চাই যে, যদি আমরা সেটা না করতাম, যদি আমাদের সেই আঞ্চলিক ক্ষমতা না থাকত, এবং আমাদের সংবিধানে জমির মালিকদের সেই প্রাধান্য না থাকত, তবে আমি জানি না কেন গ্রেট ব্রিটেন, সম্ভবত খুব সন্তুষ্ট এবং খুব সমৃদ্ধশালী হয়ে, ডেনমার্ক বা সুইডেনের চেয়ে বড় শক্তি হতো; কিন্তু আমি অন্তত তৃতীয় শ্রেণির শক্তির অধীনে থাকতে প্রস্তুত নই যদি আমি একটি প্রথম শ্রেণির সাম্রাজ্যের নাগরিক হতে পারি। আর আমার কথা যারা শুনছেন তাদের কেউ এই বিষয়ে আমার সাথে দ্বিমত পোষণ করতে পারবেন বলে আমি বিশ্বাস করি না। এটাই যথেষ্ট যে আপনারা শ্রপশায়ারে জন্মগ্রহণ করেছেন, যে আপনারা সেই প্রাচীন কাউন্টির একটি অংশ, যে আপনারা ঐতিহাসিক স্মৃতিতে পূর্ণ একটি কাউন্টিতে জন্মগ্রহণ করেছেন, এমন একটি কাউন্টি যা সরকারি বিষয়ে অন্য সবার চেয়ে এগিয়ে আছে, এমন একটি কাউন্টি যেখানে, যেমনটি [[এডওয়ার্ড হাইড, ক্ল্যারেনডনের প্রথম আর্ল|লর্ড ক্ল্যারেনডন]] বলেছেন, "ক্যাভালিয়ারদের রক্ত বেঁচে আছে।"
** শ্রুসবেরিতে দেওয়া ভাষণ (৯ মে ১৮৪৩), টি. ই. কেবেল সম্পাদিত ''সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, ভলিউম ১'' (১৮৮২), পৃষ্ঠা ৫৩-এ উদ্ধৃত।
*আমি বিশ্বাস করি ভূমি স্বার্থই আমাদের রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যবস্থার ভিত্তি হওয়া উচিত।
** শ্রুসবেরিতে দেওয়া ভাষণ (৯ মে ১৮৪৩), টি. ই. কেবেল সম্পাদিত ''সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, ভলিউম ১'' (১৮৮২), পৃষ্ঠা ৫৫-এ উদ্ধৃত।
*ইংরেজদের জাতীয় চরিত্রের ওপর আমার এখনও কিছুটা আস্থা আছে। আমি ভালো করেই জানি যে এর আগে দেশটি বড় ধরনের উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে গেছে... আপনারা দেখেছেন ইংল্যান্ডের রাজকীয়তাকে শিরশ্ছেদ করা হয়েছে; আপনারা দেখেছেন [[উইলিয়াম লড|আর্চবিশপ লডের]] রূপ ধরে চার্চকে শিরশ্ছেদ করা হয়েছে; আপনারা দেখেছেন [[টমাস ওয়েন্টওয়ার্থ, স্ট্র্যাফোর্ডের প্রথম আর্ল|স্ট্র্যাফোর্ডের]] রূপে প্রশাসনকে শিরশ্ছেদ করা হয়েছে—রাজা, মন্ত্রী এবং আর্চবিশপকে। আপনারা দেখেছেন হাউস অব লর্ডসকে একটি উপদ্রব হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। আপনারা দেখেছেন একজন সামরিক কর্মকর্তার দ্বারা অপমানজনকভাবে হাউস অব কমন্সকে বের করে দেওয়া হয়েছে। আপনারা দেখেছেন চার্চকে পুরোপুরি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এই সব ইংল্যান্ডে ঘটেছে। কিন্তু পঁচিশ বছর পেরিয়ে যাওয়ার আগেই, আপনারা আপনাদের পুরোনো আইন, পুরোনো অভ্যাস, পুরোনো ঐতিহ্য, পুরোনো বিশ্বাসে ফিরে গেছেন। ১৬[৫]৮ সালে [[অলিভার ক্রমওয়েল]] হোয়াইটহলে ঘুমিয়েছিলেন; ১৬৮[৫] সালে [[দ্বিতীয় চার্লস|দ্বিতীয় চার্লস]] তার উদাহরণ অনুসরণ করেছিলেন। আর এত বিস্ময়কর ঘটনার পর কেন এমন হলো তা আমি আপনাদের বলব, যদিও কোনো ঐতিহাসিক এটি লক্ষ্য করেননি; যদিও আপনারা দেখেছেন যে সামাজিক ব্যবস্থার প্রতিটি চিহ্নকে উপড়ে ফেলা হয়েছে এমন সব ক্ষতিকারক, লোভী এবং সূক্ষ্ম শত্রুদের দ্বারা যা কখনো উদ্ভাবিত হয়েছিল; যদিও জাহাজটি ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল, এবং রাজা, চার্চ এবং সংবিধান ভেসে গিয়েছিল, তবুও জাতি নিজের কাছে ফিরে এসেছিল? আমি কি আপনাদের বলব কীভাবে জাতি নিজের কাছে ফিরে এসেছিল, আর কীভাবে পুরোনো ইংল্যান্ড মহাপ্লাবনের পর জলের ওপরে মাথা তুলে দাঁড়িয়েছিল? এটাই ছিল কারণ—কারণ সেই ভয়াবহ বিপ্লবের সময় আপনারা কখনোই আপনাদের জমির সম্পত্তির মেয়াদ পরিবর্তন করেননি। আমি মনে করি, ভদ্রলোকেরা, এটাই আমার কথা প্রমাণ করে; এবং যদি আমরা অলিভার ক্রমওয়েলের মতো একজন জ্ঞানীর বুদ্ধিকে পরাস্ত করে থাকি, তবে আসুন আমরা মিস্টার কবডেনের সামনেও যেন থমকে না যাই। একরগুলো থেকে গিয়েছিল; জমিদারিগুলো থেকে গিয়েছিল। প্রজন্ম বদলে গিয়েছিল: পিউরিটান বাবার মৃত্যু হয়েছিল, এবং ক্যাভালিয়ার ছেলে তার জায়গা নিয়েছিল, আর সেই ক্ষমতা এবং প্রভাবের জোরে জাতি রাজ্যের প্রাচীন নীতিগুলোতে ফিরে গিয়েছিল। আর এই কারণেই, ভদ্রলোকেরা, আপনারা আপনাদের কর্ন ল বা শস্য আইনের বিরুদ্ধে একটি ক্ষোভ উঠতে দেখছেন। আপনাদের কর্ন ল কেবল আপনাদের আঞ্চলিক সম্পত্তির ওপর স্থির এবং প্রতিষ্ঠিত একটি বিশাল ব্যবস্থার বাইরের দেয়াল মাত্র। আর এই বাইরের দেয়ালের ওপর নিজেদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করার ক্ষেত্রে লিগারদের একমাত্র উদ্দেশ্য হলো যাতে তারা সহজেই ভেতরের দুর্গটি জয় করতে পারে।
** শ্রুসবেরিতে দেওয়া ভাষণ (৯ মে ১৮৪৩), টি. ই. কেবেল সম্পাদিত ''সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, ভলিউম ১'' (১৮৮২), পৃষ্ঠা ৫৬-৫৭-এ উদ্ধৃত।
* চরম দুর্দশায় থাকা সেই ঘনবসতিপূর্ণ জনগোষ্ঠী এমন একটি দ্বীপে বাস করত যেখানে একটি প্রতিষ্ঠিত চার্চ ছিল যা তাদের চার্চ ছিল না; এবং একটি আঞ্চলিক অভিজাততন্ত্র ছিল, যাদের মধ্যে সবচেয়ে ধনীরা দূরবর্তী রাজধানীগুলোতে বাস করত। এভাবে তাদের কাছে ছিল এক ক্ষুধার্ত জনগোষ্ঠী, এক অনুপস্থিত অভিজাততন্ত্র এবং এক ভিনদেশি চার্চ। সেই সাথে যুক্ত হয়েছিল বিশ্বের সবচেয়ে দুর্বল নির্বাহী ব্যবস্থা। এটাই ছিল আইরিশ সমস্যা।
** হাউস অব কমন্সে দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1844/feb/16/state-of-ireland-adjourned-debate-fourth ভাষণ] (১৬ ফেব্রুয়ারি ১৮৪৪)
* অন্যান্য অনেক ক্ষেত্রের মতোই এই ক্ষেত্রেও নোবেল লর্ড প্রথমে তার প্রতিপক্ষকে ধ্বংস করেন, এবং তারপর নিজের অবস্থান ধ্বংস করেন। নোবেল লর্ড হলেন সংসদীয় আলোচনার প্রিন্স রুপার্ট: তার আক্রমণ অপ্রতিরোধ্য, কিন্তু যখন তিনি তাড়া করে ফিরে আসেন তখন তিনি সবসময় দেখতে পান যে তার শিবির শত্রুর দখলে।
** হাউস অব কমন্সে দেওয়া ভাষণ (২৪ এপ্রিল ১৮৪৪), লর্ড স্ট্যানলির কথা উল্লেখ করে; তুলনা করুন: "উজ্জ্বল নেতা, অনিয়মিতভাবে মহান, / অকপট, অহংকারী, বেপরোয়া,—বিতর্কের রুপার্ট!", [[এডওয়ার্ড বুলওয়ার-লিটন]], ''দ্য নিউ টাইমন'' (১৮৪৬), প্রথম খণ্ড
*শ্রমিক শ্রেণির অবস্থা নিয়ে আমি যতটা গভীর আগ্রহ দেখিয়েছি, অন্য কোনো বিষয়ে ততটা দেখাইনি। হাউস অব কমন্সে 'জনগণের অবস্থার প্রশ্ন' নিয়ে আলোচনা হওয়ার অনেক আগে থেকেই আমি এই বিষয়ে আমার কলম ব্যবহার করেছিলাম। আমি অনেক দিন ধরেই সচেতন ছিলাম যে আমাদের সামাজিক ব্যবস্থার মূলে পচন ধরেছে। আমি দেখেছিলাম যে যখন বিপুল পরিমাণ সম্পদ জমা হচ্ছিল, যখন সম্পদ উপচে পড়ছিল, এবং যখন গ্রেট ব্রিটেন পুরো ইউরোপে বিশ্বের সবচেয়ে সমৃদ্ধশালী জাতি হিসেবে উদ্ধৃত হচ্ছিল, তখন সম্পদ সৃষ্টিকারী শ্রমিক শ্রেণি চরম দারিদ্র্যের মধ্যে ডুবে ছিল এবং ধীরে ধীরে গভীরতম অবক্ষয়ের দিকে তলিয়ে যাচ্ছিল।
**''শ্রপশায়ার কনজারভেটিভ'' (৩১ আগস্ট ১৮৪৪), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের ''দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরাইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড। ভলিউম ১। ১৮০৪-১৮৫৯'' (১৯২৯), পৃষ্ঠা ৬২৯-এ উদ্ধৃত।
* জ্ঞানই মানুষকে প্রভাবিত করে এবং তার সামাজিক অবস্থার সমতা বিধান করে; এটি রাজনৈতিক অবস্থান যা-ই হোক না কেন, সবাইকে এমন আবেগ দেয় যা অভিন্ন, এবং এমন উপভোগ দেয় যা সর্বজনীন।
** "দ্য ভ্যালু অব লিটারেচার টু মেন অব বিজনেস," ম্যানচেস্টার অ্যাথেনিয়ামে দেওয়া ভাষণ (২৩ অক্টোবর ১৮৪৪), ''সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড'', ভলিউম ২ (১৮৮২), পৃষ্ঠা ৬২৫-এ উদ্ধৃত।
* লন্ডন তার প্রেসের কাছে সবকিছু ঋণী: এটি সরকার এবং আইনের কেন্দ্র হওয়ার মতোই তার প্রেসের কাছে সমানভাবে ঋণী।
** প্রিন্টিং ট্রেড ফেস্টিভ্যালে দেওয়া ভাষণ (১৮৪৫)
* প্রেস কেবল স্বাধীনই নয়, এটি শক্তিশালীও। সেই ক্ষমতা আমাদের। মানুষ এটি উপভোগ করতে পেরে সবচেয়ে বেশি গর্বিত হতে পারে। এটি সম্রাটদের দ্বারা দেওয়া হয়নি, এটি আমাদের জন্য অভিজাতদের দ্বারা অর্জিত হয়নি; বরং এটি জনগণ থেকে উদ্ভূত হয়েছে, এবং একটি অমর প্রবৃত্তি নিয়ে এটি সর্বদা জনগণের জন্য কাজ করেছে।
** প্রিন্টিং ট্রেড ফেস্টিভ্যালে দেওয়া ভাষণ (১৮৪৫)
* মাননীয় জেন্টলম্যান হুইগদের স্নান করতে দেখেছিলেন, এবং তাদের জামাকাপড় নিয়ে চলে গিয়েছিলেন। তিনি তাদের উদারপন্থী অবস্থানের পূর্ণ উপভোগের মধ্যে ছেড়ে দিয়েছেন, এবং তিনি নিজেই তাদের পোশাকের একজন কঠোর রক্ষণশীল।
** স্যার [[রবার্ট পিল|রবার্ট পিলের]] কথা উল্লেখ করে হাউস অব কমন্সে দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1845/feb/28/opening-letters-at-the-post-office ভাষণ] (২৮ ফেব্রুয়ারি ১৮৪৫)।
* এতে কোনো সন্দেহ নেই যে বিরোধী দলের নেতা এবং ক্রাউনের মন্ত্রী হিসেবে রাইট অনারেবল জেন্টলম্যানের আচরণের মধ্যে একটি পার্থক্য রয়েছে। কিন্তু ওটা তো পুরোনো গল্প; বিয়ের আগের সময়ের সাথে বিয়ের পরের সময়ের এতটা তীব্র পার্থক্য করা ঠিক নয়। এটা সত্যি যে রাইট অনারেবল জেন্টলম্যানের আচরণ ভিন্ন। তার সেই সুরক্ষার কথা বলা ভাষণগুলো আমার মনে আছে। সেগুলো ছিল আমার শোনা সেরা ভাষণগুলোর মধ্যে অন্যতম। রাইট অনারেবল জেন্টলম্যানকে এমন কথা বলতে শোনা দারুণ ব্যাপার ছিল: "আমি সম্রাটদের বিশ্বাসভাজন হওয়ার চেয়ে ইংল্যান্ডের ভদ্রলোকদের নেতা হওয়াটাই বেশি পছন্দ করব"। সেটা একটা দারুণ ব্যাপার ছিল। এখন আমরা "ইংল্যান্ডের ভদ্রলোকদের" কথা খুব একটা শুনতে পাই না। কিন্তু তাতে কী? তাদের কাছে স্মৃতির আনন্দ আছে—স্মৃতিচারণের আকর্ষণ আছে। তারা ছিল তার প্রথম প্রেম, আর যদিও সে এখন আবেগের মুহূর্তের মতো তাদের কাছে হাঁটু গাড়ে না, তবুও তারা অতীত মনে করতে পারে; আর এই ধরনের অপরাধ আর তিরস্কারের দৃশ্যগুলো পুরোপুরি অর্থহীন আর বোকামি, কারণ আমরা জানি যে সব ক্ষেত্রেই, যখন প্রিয় বস্তু আর আকর্ষণ করে না, তখন অনুভূতির কাছে আবেদন করা বৃথা। আপনি জানেন যে এটি সত্য। প্রায় প্রতিটি মানুষই এর মধ্য দিয়ে গেছে। আমার মাননীয় জেন্টলম্যান তাদের শান্ত রাখার জন্য যা পারেন তা-ই করেন; কখনো তিনি অহংকারী নীরবতায় আশ্রয় নেন, আবার কখনো তিনি তাদের সাথে অহংকারী শীতলতার সাথে আচরণ করেন; আর মানব স্বভাব সম্পর্কে তাদের কোনো ধারণা থাকলে তারা ইশারাটা বুঝত আর মুখ বন্ধ রাখত। কিন্তু তারা তা করবে না। আর তখন কী হয়? এমন পরিস্থিতিতে কী ঘটে? রাইট অনারেবল জেন্টলম্যান হস্তক্ষেপ করতে বাধ্য হয়ে তার ভৃত্যকে পাঠান, যে সবচেয়ে ভদ্রভাবে বলে: "আমরা এখানে কোনো ঘ্যানঘ্যান সহ্য করতে পারি না"। আর স্যার, এটাই হলো সেই বিশাল কৃষি স্বার্থের ঠিক অবস্থা—সেই সুন্দরী যার সাথে সবাই প্রেম করেছিল আর একজন প্রতারণা করেছিল। এমন আকর্ষণে একটা দুর্ভাগ্য আছে, আর আমরা এখন মনে হয় তার ক্যারিয়ারের বিপর্যয়ের দিকে এগোচ্ছি। প্রটেকশন বা সুরক্ষার অবস্থা এখন ঠিক ১৮২৮ সালের প্রোটেস্ট্যান্ট ধর্মের মতোই মনে হচ্ছে। দেশ এর নৈতিকতা বুঝে নেবে। আমার পক্ষ থেকে বলতে পারি, যদি আমাদের অবাধ বাণিজ্য পেতেই হয়, তবে আমি, যে প্রতিভাকে সম্মান করে, চাইব যে এমন পদক্ষেপগুলো একজন মহান মানুষ আর একটি মহান দলের উদার বিশ্বাসের সাথে রাজনৈতিক চাতুরী দিয়ে খেলা করা কারো চেয়ে বরং [[রিচার্ড কবডেন|স্টকপোর্টের মাননীয় সদস্যের]] দ্বারা প্রস্তাবিত হোক। আমার জন্য, ফলাফল কী হবে তা নিয়ে আমি ভাবি না। আপনি যদি চান, তবে যে সংসদের সাথে আপনি বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন তাকে ভেঙে দিন। আমার জন্য অন্তত এই সুযোগটি রয়েছে—জনসমক্ষে এই বিশ্বাসটি প্রকাশ করার সুযোগ যে '''একটি রক্ষণশীল সরকার হলো একটি সুসংগঠিত ভণ্ডামি।''
** হাউস অব কমন্সে দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1845/mar/17/agricultural-interest ভাষণ] (১৭ মার্চ ১৮৪৫)
* সুরক্ষা কোনো নীতি নয়, বরং একটি উপায়।
** হাউস অব কমন্সে দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1845/mar/17/agricultural-interest ভাষণ] (১৭ মার্চ ১৮৪৫)
* স্যার, দলীয় সরকারের অভিযোগ করা খুবই সহজ, আর এই বিষয়ে মতামত গঠন করতে সক্ষম এমন ব্যক্তিরা থাকতে পারেন যারা সেই সরকারের প্রতি গভীর আপত্তি পোষণ করতে পারেন, এবং জানেন যে সেই আপত্তি কোথায় নিয়ে যায়। কিন্তু এমন আরও অনেকে আছেন যারা তাদের কাঁধ ঝাঁকান, এবং এই বিষয়ে এক অদ্ভুত ঢঙে কথা বলেন, যারা হয়তো ঠিক জানেন না যে এই আপত্তিগুলো কোথায় নিয়ে যায়। এই ব্যক্তিদের বোঝা উচিত যে, যদি তারা দলীয় সরকারের আপত্তি করেন, তবে তারা আসলে সংসদীয় সরকার ছাড়া আর কিছুরই আপত্তি করছেন না। '''দল ছাড়া একটি জনপ্রিয় সমাবেশ—৫০০ জন বিচ্ছিন্ন ব্যক্তি—একটি সংগঠিত সরকারের মন্ত্রীর বিরুদ্ধে পাঁচ বছর টিকতে পারবে না, যতক্ষণ না তারা একটি দাসসুলভ সেনেটে পরিণত হয়।'''
** হাউস অব কমন্সে দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1845/apr/11/maynooth-college ভাষণ] (১১ এপ্রিল ১৮৪৫)
* এই দেশে রাজনৈতিক জগতে এমন কিছু একটা মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে যা আয়ারল্যান্ডের ভূমিতে থাকা সমস্যার মতোই মারাত্মক—আমাদের এক বিশাল সংসদীয় মধ্যস্বত্বভোগী বা মিডলম্যান রয়েছে। একজন মধ্যস্বত্বভোগী বলতে কী বোঝায় তা সবারই জানা; সে এমন একজন মানুষ যে এক পক্ষকে বোকা বানায় এবং অন্য পক্ষকে লুটে নেয়, যতক্ষণ না সে এমন একটি অবস্থান অর্জন করে যার সে যোগ্য নয়। তখন সে চিৎকার করে বলে, "আসুন, আমাদের কোনো দলীয় প্রশ্ন না থাকুক, বরং মেয়াদের স্থায়িত্ব ঠিক করা যাক।"
** হাউস অব কমন্সে দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1845/apr/11/maynooth-college ভাষণ] (১১ এপ্রিল ১৮৪৫)
* এটি হলো চতুর্থ কোর্স, যা আমি বিশ্বাস করি রাইট অনারেবল জেন্টলম্যান ([[রবার্ট পিল|স্যার আর. পিল]]) ভবিষ্যতে ভুলবেন না। রাইট অনারেবল জেন্টলম্যান আমাদের নজিরগুলোতে ফিরে যেতে বলেন; তার কাছে একটি বিশাল পদক্ষেপ সবসময়ই একটি ছোট নজিরের ওপর ভিত্তি করে নেওয়া হয়। তিনি সব সময় বাষ্পীয় ইঞ্জিনকে চায়ের কেটলির সাথে তুলনা করেন। তার নজিরগুলো সাধারণত চায়ের কেটলির নজির হয়ে থাকে।
** হাউস অব কমন্সে দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1845/apr/11/maynooth-college ভাষণ] (১১ এপ্রিল ১৮৪৫)
* স্যার, খুব কম মানুষই উত্তরসূরিদের কাছে পৌঁছাতে পারে। আমাদের মধ্যে কে সেই গন্তব্যে পৌঁছাতে পারে তা আমি ভবিষ্যদ্বাণী করার সাহস পাই না। উত্তরসূরিরা হলো একটি অত্যন্ত সীমিত সমাবেশ। যে ভদ্রলোকেরা উত্তরসূরিদের কাছে পৌঁছান তারা গ্রহদের চেয়ে খুব একটা বেশি নয়।
** হাউস অব কমন্সে দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1846/jan/22/address-in-answer-to-the-speech ভাষণ] (২২ জানুয়ারি ১৮৪৬)
*সর্বোপরি, দলগুলোর মধ্যে সীমানা রেখা বজায় রাখুন; কারণ কেবল দলের স্বাধীনতা বজায় রাখার মাধ্যমেই আপনি সাধারণ মানুষের সততা এবং স্বয়ং সংসদের ক্ষমতা ও প্রভাব বজায় রাখতে পারেন।
** হাউস অব কমন্সে দেওয়া ভাষণ (২২ জানুয়ারি ১৮৪৬), টি. ই. কেবেল সম্পাদিত ''সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, ভলিউম ১'' (১৮৮২), পৃষ্ঠা ১১০-এ উদ্ধৃত।
*প্রথমত, ইংল্যান্ডের কথা বাদ দিয়ে সমস্ত দেশের দিকে তাকালে আমি বলব যে, জাতীয় শিল্পের দুটি প্রধান শাখার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা মন্ত্রীর প্রধান দায়িত্ব এবং রাষ্ট্রের প্রধান স্বার্থ; এটি এমন একটি নীতি যা গত দুইশ বছর ধরে সমস্ত মহান মন্ত্রীরা স্বীকার করে আসছেন... কেন আমাদের জাতীয় শিল্পের এই দুটি প্রধান শাখার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা উচিত, তার সাথে রাজনৈতিক বিবেচনার পাশাপাশি সামাজিক বিবেচনাও জড়িত, যা মানুষের সুখ, সমৃদ্ধি এবং নৈতিকতা, সেইসাথে রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতাকে প্রভাবিত করে। কিন্তু আমি এর চেয়েও এগিয়ে গিয়ে বলি; আমি বলি যে ইংল্যান্ডে আমরা আরও কিছু করতে বাধ্য—আমি আগে যা বলেছি তার পুনরাবৃত্তি করছি যে, এই দেশে বিশেষ কারণ রয়েছে কেন আমাদের কেবল আমাদের জাতীয় শিল্পের দুটি শাখার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা উচিত নয়, বরং কেন আমাদের কৃষিখাতকে... প্রাধান্য দেওয়া উচিত; আর এর কারণ হলো ইংল্যান্ডে আমাদের একটি আঞ্চলিক সংবিধান রয়েছে। আমরা জমির ওপর চার্চের রাজস্ব, বিচার ব্যবস্থা এবং দরিদ্রদের সম্পত্তি ছেড়ে দিয়েছি; আর এটি করা হয়েছে জমির মালিকদের অহংকার মেটাতে বা তাদের বিলাসিতাকে প্রশ্রয় দিতে নয়, বরং একটি আঞ্চলিক সংবিধানে আপনি এবং যাদের স্থলাভিষিক্ত আপনি হয়েছেন তারা স্বশাসনের একমাত্র নিরাপত্তা খুঁজে পেয়েছেন—সেই কেন্দ্রীকরণ ব্যবস্থার বিরুদ্ধে একমাত্র বাধা যা অন্যান্য দেশে শেকড় গেড়েছে।
**হাউস অব কমন্সে দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1846/feb/20/commercial-policy-customs-corn-laws ভাষণ] (২০ ফেব্রুয়ারি ১৮৪৬)
*তাহলে আমি বলি যে, যেমনটা অনুমান করার কারণ আমি আপনাদের দিয়েছি, যখন এই ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হবে, তখন ইংল্যান্ডে গমের দাম প্রতি কোয়ার্টারে ৩৫ শিলিং হবে, আর অন্যান্য শস্যের দামও সে অনুযায়ী হবে। এটি তখন আর ভাড়ার প্রশ্ন নয়, বরং এটি হলো ইংল্যান্ডের শস্য উৎপাদনকারী শ্রমকে সরিয়ে দেওয়ার প্রশ্ন, যাতে একটি বিস্তৃত এবং এমনকি সর্বজনীন স্কেলে বিদেশি শ্রম দ্বারা উৎপাদিত বিদেশি শস্য এই দেশে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া যায়। সেই সরিয়ে দেওয়া শ্রম কি নতুন কাজ খুঁজে পাবে? ... কিন্তু যদি কৃষিজাত পণ্যের ক্ষেত্রে সেই বড় ধরনের মন্দা দেখা দেয় যার আশঙ্কা করা হচ্ছে—এই বিশাল বিপ্লব, যেমনটা উপযুক্তভাবেই বলা হয়েছে, যদি ঘটে—যদি আমরা আর একটি কৃষিপ্রধান জাতি না থাকি, তবে সেই জনগণের কাজের সুযোগ এবং সমর্থন দেওয়ার জন্য কী সম্পদ আছে? বস্তুত, উৎখাত হওয়া কৃষি জনসংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশ, অর্থাৎ ৩৫ লাখ থেকে ৪০ লাখ মানুষের জন্য কী সম্পদ কর্মসংস্থান জোগাবে? ধরে নিন যে বিশ্বের কারখানা নীতিটি কার্যকর করা হয়েছে—ধরে নিন যে বৈরী শুল্ক সত্ত্বেও সেই ইতিমধ্যেই বিশাল শিল্পটি দ্বিগুণ হয়েছে, এবং আপনার ব্যবস্থা, আর্থিক ও অভ্যন্তরীণ উভয়ই, তুলা বাণিজ্যের সম্পদের ওপর টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে... তবে আপনি কেবল আপনার জনসংখ্যার ৩ লাখ মানুষের জন্য বর্ধিত কর্মসংস্থান খুঁজে পাবেন... এর পরিণতি কী হতে হবে? আমার মনে হয় সামাজিক দুর্দশা এবং রাজনৈতিক বিপর্যয়ের পূর্বাভাস দেওয়ার জন্য আমাদের কাছে যথেষ্ট ভালো ভিত্তি রয়েছে।
**হাউস অব কমন্সে দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1846/may/15/corn-importation-bill-adjourned-debate ভাষণ] (১৫ মে ১৮৪৬)
*আমাদের দেশবাসীর কাণ্ডজ্ঞানের ওপর, আমি বলব যে সাধারণ চেতনার ওপর আমার সেই আস্থা আছে যে, আমি বিশ্বাস করি তারা ট্রেজারি বেঞ্চের এই হকারদের মতো স্বৈরাচার—এই রাজনৈতিক ফেরিওয়ালাদের যারা তাদের দলকে সবচেয়ে সস্তা বাজারে কিনেছে এবং আমাদের সবচেয়ে দামি বাজারে বিক্রি করেছে, তাদের বেশিদিন সহ্য করবে না। আমি জানি, স্যার, অনেকেই বিশ্বাস করেন যে সেই সময় পেরিয়ে গেছে যখন কেউ ইংরেজ চরিত্রের সেই উচ্চ এবং সৎ আবেগগুলোর কাছে আবেদন করতে পারত যা একসময় এর প্রধান ভিত্তি এবং প্রধান উপাদান ছিল। আমি জানি, স্যার, আমরা এমন এক জনগণের কাছে আবেদন করছি যারা সাধারণ জুয়ায় মত্ত—যাদের একজন অদক্ষ এবং অদূরদর্শী মন্ত্রী উদ্দীপিত ও উৎসাহিত করেছেন। আমি জানি যে জনমন অর্থনৈতিক কল্পনায় কলুষিত; এমন এক বিকৃত বাসনা যে পরিশ্রম এবং কষ্ট ছাড়াই ধনীরা আরও ধনী হতে পারে। আমি জানি, স্যার, যে সাধারণ মানুষের প্রতি সমস্ত আস্থা হারিয়ে গেছে। কিন্তু, স্যার, আমি ইংরেজ চরিত্রের আদিম এবং স্থায়ী উপাদানগুলোর প্রতি বিশ্বাস রাখি। এখন, তাদের মাতাল অবস্থার মধ্যরাতে, তাদের এটা বলা বৃথা হতে পারে যে একটা তিক্ত জাগরণ হবে; এখন, তাদের অর্থনৈতিক উন্মাদনার বসন্তে, তাদের সতর্ক করা অর্থহীন হতে পারে যে একটা ঝামেলার ভাটা আসতে পারে। কিন্তু সেই অন্ধকার এবং অনিবার্য প্রহরটি আসবে। তখন, যখন তাদের আত্মা দুর্ভাগ্য দ্বারা নরম হবে, তখন তারা সেই নীতিগুলোতে ফিরে যাবে যা ইংল্যান্ডকে মহান করেছিল, এবং যা, আমাদের বিশ্বাসে, একাই ইংল্যান্ডকে মহান রাখতে পারে। তখন, হয়তো, তারা একটুও নির্দয়তা ছাড়াই তাদের কথা মনে রাখবে যারা, বিশ্বাসঘাতকতা এবং পরিত্যাগের শিকার হয়েও, সেই "ভালো পুরনো কারণের" জন্য লড়াই করতে লজ্জিত বা ভীত ছিল না—যে কারণের সাথে যুক্ত সবচেয়ে জনপ্রিয় নীতিগুলো, সবচেয়ে সম্পূর্ণ জাতীয় অনুভূতিগুলো—'''শ্রমের কারণ—জনগণের কারণ—ইংল্যান্ডের কারণ।'''
**হাউস অব কমন্সে দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1846/may/15/corn-importation-bill-adjourned-debate ভাষণ] (১৫ মে ১৮৪৬)
* তিনি এতই অহংকারী যে তিনি সমস্ত বড় প্রশ্নের সমাধানকারী হিসেবে ইতিহাসে জায়গা করে নিতে চান; কিন্তু একটি সংসদীয় সংবিধান এমন উচ্চাকাঙ্ক্ষার জন্য অনুকূল নয়; কাজগুলো দলের দ্বারা হওয়া উচিত, এমন ব্যক্তিদের দ্বারা নয় যারা দলকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে।
** [[জন ম্যানারস, রাটল্যান্ডের সপ্তম ডিউক|লর্ড জন ম্যানারসকে]] লেখা চিঠি, প্রধানমন্ত্রী স্যার রবার্ট পিলের কৌশলগুলোর উল্লেখ করে (১৭ ডিসেম্বর ১৮৪৬), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের ''দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরাইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড'' (ভলিউম ২) (১৯১৩), পৃষ্ঠা ৩৩৭-৩৩৮-এ উদ্ধৃত।
*সবকিছুই হলো জাতি বা রেস; এর বাইরে আর কোনো সত্য নেই।
**''ট্যানক্রেড; অর, দ্য নিউ ক্রুসেড'' (১৮৪৭), ভলিউম ১, অধ্যায় ২০: আ মডার্ন ট্রুবাদুর, পৃষ্ঠা ১৯১
*জনপ্রিয় নীতি এবং উদার দৃষ্টিভঙ্গির মধ্যে যে বিশাল সংগ্রাম, যা আমাদের যুগের বৈশিষ্ট্য, আমি আশা করি সেখানে আমাকে সবসময় ইংল্যান্ডের জনগণ এবং প্রতিষ্ঠানের পক্ষে পাওয়া যাবে। আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলোই আমাদের স্বাধীন করেছে, এবং কেবল সেগুলোই আমাদের সেভাবে রাখতে পারে; এর মাধ্যমেই তারা একটি সুবিধাজনক, অথচ দুর্বল করে দেওয়া কেন্দ্রীকরণ ব্যবস্থার কপট আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যে দেয়াল তৈরি করেছে, তা যদি বাধা না দেওয়া হয়, তবে তা জাতীয় চরিত্রের জন্য মারাত্মক প্রমাণিত হবে।
** বাকিংহ্যামশায়ারের ভোটারদের প্রতি ভাষণ (২৫ মে ১৮৪৭), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের ''দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরাইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড। ভলিউম ১। ১৮০৪-১৮৫৯'' (১৯২৯), পৃষ্ঠা ৮৩৭-এ উদ্ধৃত।
*আমার জন্য এটা বলার অপেক্ষা রাখে না যে আমি সেই সমস্ত পদক্ষেপকে সমর্থন করব, যার উদ্দেশ্য হলো শ্রমিক শ্রেণির কাজের সময় কমিয়ে—তাদের স্বাস্থ্যের উপায় উন্নত করে—এবং তাদের বুদ্ধিমত্তার বিকাশ ঘটিয়ে তাদের নৈতিক ও সামাজিক অবস্থার উন্নতি করা। এগুলো এমন কিছু লক্ষ্য যা মনে করতে আমার ভালো লাগে যে, আমি আমার কিছু বন্ধুদের সাথে মিলে এগুলোকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিলাম, যখন এগুলো সরকারের মনোযোগ আকর্ষণ করার আগে বা বিশাল সংসদীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা দ্বারা সমর্থিত হওয়ার অনেক আগে থেকেই ছিল।
** বাকিংহ্যামশায়ারের ভোটারদের প্রতি ভাষণ (২৫ মে ১৮৪৭), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের ''দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরাইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড। ভলিউম ১। ১৮০৪-১৮৫৯'' (১৯২৯), পৃষ্ঠা ৮৩৮-এ উদ্ধৃত।
*উদার দৃষ্টিভঙ্গি হলো তাদের দৃষ্টিভঙ্গি যারা কিছু নির্দিষ্ট বাধ্যবাধকতা এবং নিয়ম থেকে, সাধারণ বা জনপ্রিয় কল্যাণের জন্য প্রয়োজনীয় বলে মনে করা একটি নির্দিষ্ট নির্ভরতা এবং দায়িত্ব থেকে মুক্ত থাকতে চান। উদার দৃষ্টিভঙ্গি হলো ধনী এবং ক্ষমতাশালীদের জন্য অত্যন্ত সুবিধাজনক দৃষ্টিভঙ্গি। এগুলো উপভোগ নিশ্চিত করে এবং আত্মত্যাগের বিরোধী। উদাহরণস্বরূপ, উদার দৃষ্টিভঙ্গির অধিকারী একজন ব্যক্তি মনে করেন যে জমির মালিকানাকে বাণিজ্যিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করা উচিত এবং অন্য কোনোভাবে নয়। তিনি এর থেকে পাওয়া আয়ের দিকে তাকিয়ে থাকেন। এটা কোনো উদার দৃষ্টিভঙ্গি নয় যে জমির মালিকের বিনামূল্যে সাধারণ মানুষের মাঝে ন্যায়বিচার এবং সত্য বজায় রাখার দায়িত্ব নেওয়া উচিত। এটি, ভদ্রলোকেরা, একটি জনপ্রিয় নীতি, জনগণের সুবিধার জন্য সরকারের একটি নীতি, কোনো উদার দৃষ্টিভঙ্গি নয়। একটি দুর্বল আইনও একটি জনপ্রিয় নীতির ওপর প্রতিষ্ঠিত; উদার দৃষ্টিভঙ্গি এর প্রণয়নের সম্পূর্ণ বিরোধী।
** আইলসবেরিতে দেওয়া ভাষণ (২৬ জুন ১৮৪৭), টি. ই. কেবেল সম্পাদিত ''সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, ভলিউম ১'' (১৮৮২), পৃষ্ঠা ১৭৮-এ উদ্ধৃত।
*যেহেতু সরকারের জনপ্রিয় নীতিগুলো অনুসরণ করা ধনী এবং ক্ষমতাশালীদের স্বার্থের পক্ষে নয়, তাই মহান ব্যক্তিদের প্রজ্ঞা এবং যুগ যুগের অভিজ্ঞতা এই নীতিগুলোকে প্রতিষ্ঠানের আকারে লালন ও চিরস্থায়ী করার ব্যবস্থা করেছে। এভাবে, সাধারণ মানুষকে রক্ষা করা মহিমা একটি সিংহাসনে মূর্ত হয়েছে; যে বিশ্বাস তাদের সান্ত্বনা দেয় তা একটি জাতীয় চার্চের বেদির চারপাশে ঘোরে; আলোচনার চেতনা যা জনস্বাধীনতার মূল তা একটি মুক্ত সংসদের পরিবেশে প্রস্ফুটিত হয়। কিন্তু রাজতন্ত্রের বদলে, উদার দৃষ্টিভঙ্গির একজন ভদ্রলোক পছন্দ করবেন যে সর্বোচ্চ নির্বাহী ক্ষমতা তার নিজের শ্রেণির একজন ব্যক্তির হাতে ন্যস্ত করা হোক, যার উপাধি হবে প্রেসিডেন্ট, এবং সম্ভবত তিনি নিজেও প্রেসিডেন্ট হওয়ার সুযোগ পাবেন; একটি জাতীয় চার্চের বদলে তিনি নিজের ধর্মের মন্ত্রী বেছে নেওয়া এবং তার জন্য অর্থ প্রদান করা বেশি পছন্দ করবেন, যদি তার এমন কোনো ইচ্ছা থাকে; এবং যদিও তিনি প্রতিনিধি সরকারের তত্ত্বের বিরোধী নন, যদি প্রতিনিধিত্ব তার নিজস্ব শ্রেণির দ্বারা শোষিত হয়, তিনি বিষয়গুলোর প্রকৃত লেনদেন বেতনভোগী কমিশনার এবং বাছাই করা কমিটি দ্বারা পরিচালিত হতে উৎসাহিত করেন। এই মতামতগুলোর বিরুদ্ধে আমি সবসময় সংগ্রাম করেছি; আমি বিশ্বাস করি যে এগুলোর অধীনে সমস্ত জাতীয় মহিমা ম্লান হয়ে যেতে বাধ্য।
** আইলসবেরিতে দেওয়া ভাষণ (২৬ জুন ১৮৪৭), টি. ই. কেবেল সম্পাদিত ''সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, ভলিউম ১'' (১৮৮২), পৃষ্ঠা ১৭৮-১৭৯-এ উদ্ধৃত।
*'''প্রাসাদ কখনোই নিরাপদ নয়, যখন কুটির সুখী থাকে না।'''
** উইনইয়ার্ড হর্টিকালচারাল শোতে দেওয়া ভাষণ (১৮৪৮), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের ''দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরাইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড। ভলিউম ২। ১৮৬০-১৮৮১'' (১৯২৯), পৃষ্ঠা ৭০৯-এ উদ্ধৃত।
* নজিরের মূল্য নিয়ে আমি সরকারের সাথে পুরোপুরি দ্বিমত পোষণ করি। এই ক্ষেত্রে, অন্যান্য ক্ষেত্রের মতো, নজিরগুলো কেবল ধুলোমাখা কিছু বাক্যাংশ নয়, যা আমাদের সামনের প্রশ্নটিকে খুব একটা প্রভাবিত করে না। '''একটি নজির একটি নীতিকে সুরক্ষিত করে রাখে।'''
** হাউস অব কমন্সে দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1848/feb/22/expenditure-of-the-country ভাষণ] (২২ ফেব্রুয়ারি ১৮৪৮)
* [[উদারনীতিবাদ|উদারনীতিবাদের]] প্রতি আমার আপত্তি হলো এই—যে এটি জীবনের সর্বোচ্চ স্তরের ব্যবহারিক কাজে—অর্থাৎ রাজনীতিতে—রাজনৈতিক নীতির পরিবর্তে দার্শনিক ধারণার প্রবর্তন।
** হাউস অব কমন্সে দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1848/jun/05/expulsion-of-the-british-ambassador-from ভাষণ] (৫ জুন ১৮৪৮)
* মাননীয় জেন্টলম্যান অত্যন্ত অদ্ভুতভাবে বলেছেন যে, বর্তমান দিনে আমাদের শান্তির নিরাপত্তা হলো দেশগুলোর বাড়িতে থাকার ইচ্ছা। জাতীয়তা এবং জাতির মধ্যে একটি বড় পার্থক্য রয়েছে। '''জাতীয়তা হলো রাজনৈতিক স্বাধীনতার নীতি। জাতি হলো শারীরিক সাদৃশ্যের নীতি,''' আর এই মুহূর্তে আপনার কাছে জাতির নীতি রয়েছে—জাতীয়তার একেবারেই নয়—যা জার্মানি গ্রহণ করেছে, ঠিক যে দেশটির কথা ওয়েস্ট রাইডিংয়ের মাননীয় সদস্য উল্লেখ করেছেন।
** হাউস অব কমন্সে দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1848/aug/09/supply-navy-estimates ভাষণ] (৯ আগস্ট ১৮৪৮)
* আপনি দলীয় সরকার এবং সংসদীয় সরকারের মধ্যে কোনো একটি বেছে নিতে পারবেন না। আমি বলি, আপনার যদি কোনো দলীয় সরকার না থাকে তবে আপনার কোনো সংসদীয় সরকার থাকতে পারে না; আর তাই, যখন ভদ্রলোকেরা দলীয় সরকারের নিন্দা করেন, তখন তারা সরকারের সেই কাঠামোর ওপর আঘাত হানেন যা আমার মতে এই দেশকে মহান করেছে, এবং যা আমি আশা করি এটিকে মহান রাখবে।
** হাউস অব কমন্সে দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1848/aug/30/business-of-the-session ভাষণ] (৩০ আগস্ট ১৮৪৮)
*বর্তমান দিনে হাউস অব কমন্সে কনজারভেটিভ দলের নেতার কাজ হলো এই দেশের অভিজাতদের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা। এটাই একমাত্র প্রশ্ন যা ঝুঁকির মধ্যে আছে, যদিও জনসাধারণের আলোচনায় এটি নানা রূপ নিতে পারে।
** লর্ড স্ট্যানলিকে লেখা চিঠি (২৬ ডিসেম্বর ১৮৪৮), এম. জি. উইবে, জে. বি. কনাচার, জন ম্যাথুস এবং মেরি এস. মিলার সম্পাদিত ''বেঞ্জামিন ডিসরাইলি লেটারস, ভলিউম ফাইভ ১৮৪৮-১৮৫১'' (১৯৯৩), পৃষ্ঠা ১১৮-এ উদ্ধৃত।
* কিন্তু জাতির এই নীতিটি দুর্ভাগ্যবশত অন্যতম কারণ কেন আমি ভয় পাই যে যুদ্ধ হয়তো সবসময়ই থাকবে; কারণ জাতি বলতে পার্থক্য বোঝায়, পার্থক্য মানে শ্রেষ্ঠত্ব, আর শ্রেষ্ঠত্ব মানে আধিপত্য।
** হাউস অব কমন্সে দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1849/feb/01/address-in-answer-to-the-speech ভাষণ] (১ ফেব্রুয়ারি ১৮৪৯)
* কিন্তু তিনি আমাদের জন্য বীরদের উত্তরাধিকার রেখে গেছেন—তার মহান নামের স্মৃতি, এবং তার মহান উদাহরণের অনুপ্রেরণা।
** হাউস অব কমন্সে দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1849/feb/01/address-in-answer-to-the-speech ভাষণ] (১ ফেব্রুয়ারি ১৮৪৯)
*[ভূ]স্বার্থ... ভুলে যায়নি যে তাদের বিজয়ী জননেতারা জনসাধারণের ঘৃণা ও তিরস্কারের পাত্র হিসেবে তুলে ধরেছেন। তারা ভুলে যায়নি যে তাদের মহৎ শিল্প, যা প্রাচীনকালে দেবতাদের আবিষ্কার এবং বীরদের পেশা হিসেবে বিবেচিত হতো, তা ইংলিশ উদ্যোগের ওপর একটি বোঝা হিসেবে কলঙ্কিত এবং নিন্দিত হয়েছে। তারা ভুলে যায়নি যে তাদের পূর্বপুরুষদের বীরত্ব এবং ভক্তি দিয়ে তৈরি করা সাম্রাজ্যটি জনসাধারণের ঘৃণার পাত্র হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে, যা কেবল আমাদের আঞ্চলিক বাড়িগুলোর বিলাসিতা এবং লালসাকে প্রশ্রয় দেওয়ার জন্য তৈরি করা একটি ভারী এবং রক্তক্ষয়ী যন্ত্র... এটা মনে রাখা আপনাদের জন্য ভালো হবে যে এই লোকদের পূর্বপুরুষরাই আপনাদের স্বাধীনতার প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন; এবং এর আগে, তাদের পূর্বপুরুষরা ন্যায়বিচারের জন্য রক্ত দিয়েছেন। বিশ্বাস করুন যে এই লোকদের রক্ত, যারা জাহাজ-কর দিতে অস্বীকার করেছিল, তাদের নিয়ে খেলা করা যাবে না।
**হাউস অব কমন্সে দেওয়া ভাষণ (৮ মার্চ ১৮৪৯), টি. ই. কেবেল সম্পাদিত ''সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, ভলিউম ১'' (১৮৮২), পৃষ্ঠা ২৩৭-২৩৮-এ উদ্ধৃত।
====''কনিংসবি'' (১৮৪৪)====
* "শিষ্টাচার সহজ," কনিংসবি বলল, "কিন্তু জীবন কঠিন।"
** বই ৩, অধ্যায় ৪
* প্রাচীন বিশ্বের কাছে শিল্পের যে মূল্য ছিল, আধুনিক বিশ্বের কাছে বিজ্ঞানের মূল্য ঠিক তাই: এটি একটি বিশেষ ক্ষমতা। মানুষের মনে সুন্দরের জায়গা নিয়েছে প্রয়োজনীয় জিনিস.. যদি আমাদের তা ঘোষণা করার সাহস বা গ্রহণ করার মেজাজ থাকে, তবে বলার মতো অনেক বড় সত্য আছে।
** বই ৪, অধ্যায় ১
* "তাহলে তুমি দেখতে পাচ্ছ, আমার প্রিয় কনিংসবি, যারা পর্দার আড়ালে নেই তারা যা কল্পনা করে তার চেয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন ব্যক্তিরা এই পৃথিবী পরিচালনা করে।" (সিডোনিয়ার কথা)
** বই ৪, অধ্যায় ১৫
====''সিবিল'' (১৮৪৫)====
{{main|সিবিল (উপন্যাস)}}
* "আমি বরং খারাপ মদই পছন্দ করি," মিস্টার মাউন্টচেসনি বললেন; "মানুষ ভালো মদ খেতে খেতে খুব বিরক্ত হয়ে যায়।"
** বই ১, অধ্যায় ১
* '''আপনি যে তথ্যগুলো জানেন না সে বিষয়ে সচেতন হওয়া জ্ঞানের দিকে একটি বড় পদক্ষেপ।'''
** বই ১, অধ্যায় ৫
====''ট্যানক্রেড'' (১৮৪৭)====
* আপনারা যাকে সভ্যতা বলেন, তা-ই কি ইংল্যান্ডের সমৃদ্ধির কারণ? মানুষের সক্ষমতার সার্বজনীন বিকাশই কি প্রাচীনদের কাছে প্রায় অজানা একটি দ্বীপকে বিশ্বের ভাগ্যবিধাতা করে তুলেছে? স্পষ্টতই তা নয়। এর কারণ এখানকার মানুষরাই। এটি মূলত একটি [[জাতি|জাতির]] ব্যাপার.... সবকিছুই জাতির ওপর নির্ভর করে, এর বাইরে আর কোনো সত্য নেই।
** বই ১, অধ্যায় ১৩
* বিশ্বাস ছাড়া দায়িত্বের অস্তিত্ব থাকতে পারে না।
** বই ২, অধ্যায় ১
* সংখ্যাগরিষ্ঠতা সব সময় সেরা জবাব।
** বই ২, অধ্যায় ১
* কণ্ঠস্বরের চেয়ে মানুষের চরিত্রের আর কোনো নির্ভরযোগ্য নির্দেশক নেই।
** বই ২, অধ্যায় ১
* বিশ্বাস ছাড়া দায়িত্বের অস্তিত্ব থাকতে পারে না।
** বই ২, অধ্যায় ১১
* ওই মারাত্মক কৌতুক, যাকে বলা হয় প্রতিনিধিত্বশীল সরকার।
** বই ২, অধ্যায় ১৩
* জেরুজালেমের দৃশ্যই হলো পৃথিবীর ইতিহাস; এর চেয়েও বেশি, এটি পৃথিবী এবং স্বর্গের ইতিহাস।
** বই ৩, অধ্যায় ৪
* তিনি সতেজ ছিলেন এবং তার পূর্ণ বিশ্বাস ছিল যে "কিছু একটা ঘটে যাবে।"
** বই ৩, অধ্যায় ৬
* যখন কম কাজ হয়, তখন কথাও কম বলা হয়; নীরবতাই হলো সত্যের জননী।
** বই ৪, অধ্যায় ৪
* মানুষ যদি শুধু অপেক্ষা করতে পারে, তবে সবকিছুই তার কাছে আসে।
** বই ৪, অধ্যায় ৮
* আমরা ধ্বংসস্তূপের মাঝে নৈতিকতার কথা বলি।
** বই ৫, অধ্যায় ৫
* লন্ডন হলো একটি আধুনিক ব্যাবিলন।
** বই ৫, অধ্যায় ৫
* আমাদের কখনোই কোনো সুযোগ হাতছাড়া করা উচিত নয়। সুযোগ বিজয়ী এবং নবীদের চেয়েও বেশি শক্তিশালী।
** ''ট্যানক্রেড'', অধ্যায় ৪৬
* আমাদের নৈতিকতা বিভিন্ন কাউন্টি, বিভিন্ন শহর, বিভিন্ন রাস্তায়, এমনকি সংসদের বিভিন্ন আইনেই ভিন্ন হয়ে থাকে। লন্ডনে যা নৈতিক, মন্টাকিউটে তা অনৈতিক; জনতার কাছে যা অপরাধ, মুষ্টিমেয় মানুষের কাছে তা কেবলই একটি দোষ।
** ''ট্যানক্রেড'', অধ্যায় ৭
===১৮৫০-এর দশক===
*এই বিবেচনায় যে আমাদের সমস্ত প্রতিষ্ঠান জমি থেকেই উদ্ভূত—বিবেচনা করে যে সিংহাসন, রাজ্যের সম্পত্তি, আমাদের বিচারিক প্রতিষ্ঠানের মহান কাঠামো, দরিদ্রদের উত্তরাধিকার, আমাদের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের পবিত্র চূড়াগুলো, এই সবকিছুর উৎপত্তি একই উৎস থেকে; বিবেচনা করে যে, আসলে, আমাদের একটি আঞ্চলিক সংবিধান রয়েছে, তারা সর্বদা এই মত পোষণ করেছেন যে আমাদের আঞ্চলিক জনসংখ্যার শিল্প, সম্পত্তি এবং প্রভাব বজায় রাখা একজন ব্রিটিশ রাষ্ট্রনায়কের প্রথম দায়িত্ব। এই কারণেই তারা সর্বদা এই মত পোষণ করেছেন—একটি কঠোরভাবে সাংবিধানিক মত—যে আমাদের সমস্ত আইন প্রণয়নে যা ক্ষমতার বণ্টনকে নির্দেশ বা নিয়ন্ত্রণ করে, আমাদের ভূস্বার্থের প্রাধান্য নিয়ে আলোচনা করা উচিত। তারা এমনটা ভেবেছিলেন কারণ তারা সেই প্রাধান্যকে শৃঙ্খলা এবং স্বাধীনতার সর্বোত্তম নিরাপত্তা বলে মনে করেছিলেন, এবং এর পাশাপাশি, সেই রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য সর্বোত্তম নিরাপত্তা যা দেশগুলোর ইতিহাসে শৃঙ্খলা এবং স্বাধীনতার চেয়েও বিরল একটি গুণ। এই মতামতগুলো আমি জানি যে হাউস অব কমন্সে কিছুটা পুরোনো ফ্যাশনের বলে মনে করা হয়, তবে আমি বিশ্বাস করি যে এগুলো এখনো জনগণের বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠের ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ হারায়নি; এবং আমি বিনীতভাবে এগুলো ভাগ করে নেওয়ার এবং মেনে চলার সাহস করি।
** হাউস অব কমন্সে দেওয়া ভাষণ (১৯ ফেব্রুয়ারি ১৮৫০), টি. ই. কেবেল সম্পাদিত ''সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, ভলিউম ১'' (১৮৮২), পৃষ্ঠা ২৬৪-এ উদ্ধৃত।
* কেন, আমি বলি যে একটি শ্রেণির সুবিধার জন্য সম্প্রদায়কে কর দেওয়া কোনো সুরক্ষা নয়; এটি লুটপাট, এবং আমি এটি পুরোপুরি অস্বীকার করি; কিন্তু আমি আপনাদের অনুরোধ করছি প্রথমে সাধারণভাবে শ্রমের অধিকার এবং স্বার্থ রক্ষা করুন, যেসব দেশ আপনাদের পাল্টা শুল্ক দিয়ে মোকাবিলা করে তাদের কাছ থেকে কোনো অবাধ আমদানির অনুমতি না দিয়ে; এবং দ্বিতীয়ত, কৃষিজাত পণ্যের ক্ষেত্রে, অন্যান্য শ্রেণিরা যেসব বোঝা থেকে মুক্ত, মাটিকে সমপরিমাণ শুল্ক দিয়ে তার ক্ষতিপূরণ দিন। যাকে "সুরক্ষা" বলা হয় তার বিষয়ে এটি আমার দৃষ্টিভঙ্গি।
** হাউস অব কমন্সে দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1850/may/14/foreign-corn ভাষণ] (১৪ মে ১৮৫০)
*আমার মনে আছে—মাননীয় জেন্টলম্যানের বাধা আমাকে একজন মহান লেখকের কথা মনে করিয়ে দেয়, যিনি বলেছিলেন যে "কাজের মধ্যেই সৌন্দর্যের প্রকাশ ঘটে।" '''স্যার, আমি বলি যে কাজ করার নামই হলো ন্যায়বিচার। সত্য একটি বিরোধী দলকে অনুপ্রাণিত করবে, এবং আমি আশা করি এটি এই বিরোধী দলকেও অনুপ্রাণিত করবে।'''
** হাউস অব কমন্সে দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1851/feb/11/agricultural-distress ভাষণ] (২ ফেব্রুয়ারি ১৮ ৫১)
*হ্যাঁ! আমি জানি আমাকে কিসের মুখোমুখি হতে হবে। আমাকে একটি জোটের মুখোমুখি হতে হবে। এই সংমিশ্রণ সফল হতে পারে। এর আগে একটি জোট সফল হয়েছে। কিন্তু জোটগুলো, যদিও সফল হয়েছে, তারা সর্বদা এটি পেয়েছে যে তাদের বিজয় ক্ষণস্থায়ী হয়েছে। এটিও আমি জানি যে, '''ইংল্যান্ড জোট পছন্দ করে না।'''
** হাউস অব কমন্সে দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1852/dec/16/ways-and-means-financial-statement ভাষণ] (১৬ ডিসেম্বর ১৮৫২)
*দাসপ্রথা বাতিলের জন্য মধ্যবিত্তদের আন্দোলন পুণ্যময় ছিল, তবে তা বুদ্ধিমানের কাজ ছিল না। এটি একটি অজ্ঞ আন্দোলন ছিল। এটি বাণিজ্যের আইন এবং চুক্তির শর্তাবলি উভয় ক্ষেত্রেই জ্ঞানের অভাব দেখিয়েছিল; এবং এটি উপনিবেশগুলোকে ধ্বংস করেছে এবং দাস ব্যবসাকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে... ইংরেজদের দ্বারা দাসপ্রথা বাতিলের ইতিহাস এবং এর পরিণতি হবে অজ্ঞতা, অবিচার, ভুল, অপচয় এবং ধ্বংসের এমন এক আখ্যান যা মানবজাতির ইতিহাসে সহজে মিলবে না।
**''লর্ড জর্জ বেন্টিনক: আ পলিটিক্যাল বায়োগ্রাফি'' (১৮৫২), পৃষ্ঠা ৩২৪-৩২৫
*ইহুদিরা সেমিটিক নীতির প্রতিনিধিত্ব করে; আমাদের প্রকৃতির আধ্যাত্মিক সবকিছুর প্রতিনিধিত্ব করে। তারা ঐতিহ্যের রক্ষক, এবং ধর্মীয় উপাদানের সংরক্ষক। তারা আধুনিক যুগের সেই ক্ষতিকর মতবাদের—মানুষের স্বাভাবিক সমতার—মিথ্যা হওয়ার একটি জীবন্ত এবং সবচেয়ে আকর্ষণীয় প্রমাণ। কোনো নির্দিষ্ট জাতির রাজনৈতিক সমতা হলো পৌর ব্যবস্থার একটি বিষয় এবং এটি সম্পূর্ণভাবে রাজনৈতিক বিবেচনা এবং পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে; কিন্তু মানুষের স্বাভাবিক সমতা যা এখন প্রচলিত, এবং যা কসমোপলিটান ভ্রাতৃত্বের রূপ নিচ্ছে, এটি এমন একটি নীতি যা যদি এর ওপর কাজ করা সম্ভব হতো, তবে তা মহান জাতিগুলোকে দুর্বল করে দিত এবং বিশ্বের সমস্ত প্রতিভাকে ধ্বংস করে দিত। মহান অ্যাংলো-স্যাক্সন প্রজাতন্ত্রের ওপর এর পরিণতি কী হতো, উদাহরণস্বরূপ, যদি এর নাগরিকরা তাদের সংরক্ষণের সুস্থ নীতি থেকে সরে আসত, এবং তাদের কৃষ্ণাঙ্গ এবং রঙিন জনসংখ্যার সাথে মিশে যেত? সময়ের সাথে সাথে তারা এতটাই দুর্বল হয়ে পড়ত যে তাদের রাজ্যগুলো সম্ভবত সেই আদিবাসীদের দ্বারা পুনরায় বিজিত এবং দখল হতো যাদের তারা বহিষ্কার করেছে এবং যারা তখন তাদের থেকে শ্রেষ্ঠ হতো।
**''লর্ড জর্জ বেন্টিনক: আ পলিটিক্যাল বায়োগ্রাফি'' (১৮৫২), পৃষ্ঠা ৪৯৬
* কিন্তু বিদ্যমান সমাজ এই জাতিকে নিপীড়ন করা বেছে নিয়েছে যা তার পছন্দের মিত্রদের সরবরাহ করা উচিত ছিল, এবং এর পরিণতি কী হয়েছে?<br>ইউরোপে ধ্বংসাত্মক নীতির শেষ প্রাদুর্ভাবে এগুলো খুঁজে পাওয়া যেতে পারে। ঐতিহ্য এবং অভিজাততন্ত্রের বিরুদ্ধে, ধর্ম এবং সম্পত্তির বিরুদ্ধে একটি বিদ্রোহ সংঘটিত হয়। সেমিটিক নীতির ধ্বংস, ইহুদি ধর্মের মূলোৎপাটন, তা মোজাইক বা খ্রিস্টান রূপেই হোক না কেন, মানুষের স্বাভাবিক সমতা এবং সম্পত্তির বিলুপ্তি, গোপন সংগঠনগুলো দ্বারা ঘোষিত হয় যারা অস্থায়ী সরকার গঠন করে, এবং ইহুদি জাতির পুরুষদের তাদের প্রত্যেকটির শীর্ষে পাওয়া যায়। '''ঈশ্বরের লোকেরা নাস্তিকদের সাথে সহযোগিতা করে; সম্পত্তির সবচেয়ে দক্ষ সঞ্চয়কারীরা কমিউনিস্টদের সাথে মিত্রতা করে; অদ্ভুত এবং নির্বাচিত জাতি ইউরোপের সমস্ত ময়লা এবং নিচু জাতের হাত স্পর্শ করে! আর এই সবকিছুই কারণ তারা সেই অকৃতজ্ঞ খ্রিস্টধর্মকে ধ্বংস করতে চায় যা তাদের কাছে এমনকি তার নামের জন্যও ঋণী, এবং যাদের স্বৈরাচার তারা আর সহ্য করতে পারে না।'''
** ''লর্ড জর্জ বেন্টিনক: আ পলিটিক্যাল বায়োগ্রাফি'' (১৮৫২), পৃষ্ঠা ৪৯৭-৪৯৮। এই উদ্ধৃতির বোল্ড করা অংশের বিভিন্ন রূপ ভুলভাবে দায়ী করা হয়েছে বলে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে, যা কমিউনিজমের (যা তখনো একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক শক্তি ছিল না) আপাত অকালিক উল্লেখ, ইহুদিদের প্রতি নেতিবাচক ভাষা এবং ইহুদিবিদ্বেষী আন্দোলনকারীদের দ্বারা এই ধরনের পরিবর্তনের ব্যবহারের ওপর ভিত্তি করে করা হয়েছে যারা এটি যে রচনায় উপস্থিত হয়েছে তার একটি সঠিক উদ্ধৃতি দিতে ব্যর্থ হয়েছে। পল এফ. বোলার, জন জর্জের ''দে নেভার সেইড ইট: আ বুক অব ফেইক কোটস, মিসকোটস, অ্যান্ড মিসলিডিং অ্যাট্রিবিউশনস'' (১৯৯০) দেখুন।
*ইংল্যান্ডই হলো একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ ইউরোপীয় সম্প্রদায় যা এখনো ঐতিহ্যবাহী প্রভাব দ্বারা পরিচালিত হয়, এবং জাতিগুলোর লজ্জাহীন ধ্বংসাবশেষের মধ্যে কেবল সে-ই তার সম্মান, তার স্বাধীনতা, তার শৃঙ্খলা, তার কর্তৃত্ব এবং তার সম্পদ বজায় রেখেছে... কিন্তু বলা হয় যে ইংল্যান্ডের মতো একটি মহান জাতি, দীর্ঘকাল ধরে জনস্বাধীনতায় অভ্যস্ত আলোকিত লাখ লাখ মানুষের একটি সম্প্রদায় একটি অভিজাততন্ত্র দ্বারা শাসিত হওয়াটা যুগের চেতনার পরিপন্থী। এটি সত্য নয় যে শব্দটির সাধারণ অর্থে ইংল্যান্ড একটি অভিজাততন্ত্র দ্বারা শাসিত হয়। ইংল্যান্ড একটি অভিজাত নীতি দ্বারা শাসিত হয়। ইংল্যান্ডের অভিজাততন্ত্র সমস্ত অভিজাততন্ত্রকে শুষে নেয়, এবং প্রতিটি আদেশ এবং প্রতিটি শ্রেণির প্রতিটি মানুষকে গ্রহণ করে যে আমাদের সমাজের নীতির কাছে মাথা নত করে, যা হলো আকাঙ্ক্ষা এবং শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করা।
**''লর্ড জর্জ বেন্টিনক: আ পলিটিক্যাল বায়োগ্রাফি'' (১৮৫২), পৃষ্ঠা ৫৫৫-৫৫৭
*তিনি <nowiki>[</nowiki>লর্ড জর্জ বেন্টিনক<nowiki>]</nowiki> সেই উত্থান-পতন নিয়ে অনেক ভেবেছেন যা সমস্ত কেবল বিদেশি বাণিজ্যের সাথে যুক্ত থাকতে হবে, যা, যদিও এটি উৎসাহিত করা উচিত, এর ওপর কেবল নির্ভর করা উচিত নয়, যা আজকের দিনে প্রচলিত ছিল। চিরস্থায়ী শান্তির ধারণার ওপর ভিত্তি করে তৈরি একটি বাণিজ্যিক ব্যবস্থাকে ধ্বংসের পূর্ণ মনে করে, তিনি যুদ্ধকে মাঝে মাঝে অনিবার্য হিসেবে দেখতেন। তার নীতিটি মূলত [[সাম্রাজ্যবাদ|সাম্রাজ্যবাদী]] ছিল এবং [[w:কসমোপলিটান|কসমোপলিটান]] বা বিশ্বজনীন ছিল না।
**''লর্ড জর্জ বেন্টিনক: আ পলিটিক্যাল বায়োগ্রাফি'' (১৮৫২), পৃষ্ঠা ৫৭৯
*[[দেশপ্রেম|দেশপ্রেমিক]] এবং কসমোপলিটান নীতির মধ্যে যে বিশাল বিতর্ক সবেমাত্র শুরু হয়েছে এবং যার ফলাফলের ওপর একটি শক্তিশালী সম্প্রদায় হিসেবে এই দ্বীপের ভাগ্য নির্ভর করে, সেখানে লর্ড জর্জ বেন্টিনককে আমাদের দেশের ঐতিহ্যবাহী প্রভাবগুলোকে তাদের সবচেয়ে চিত্তাকর্ষক রূপে উপস্থাপন করার জন্য তৈরি করা হয়েছিল বলে মনে হয়েছিল।
**''লর্ড জর্জ বেন্টিনক: আ পলিটিক্যাল বায়োগ্রাফি'' (১৮৫২), পৃষ্ঠা ৫৮৩
* ছয় বছরের মধ্যে এই নিয়ে তৃতীয়বার, যে সময়ে আমি হাউস অব কমন্সে বিরোধী দলের নেতৃত্বে ছিলাম, আমি ট্রেজারি বেঞ্চে ঝড় তুলেছি: দুবার, নিষ্ফলভাবে, তৃতীয়বার আমার লেজে একটি টিনের কেটলি বাঁধা ছিল যা দৌড়কে আশাহীন করে তুলেছিল। তাই, আপনি অবাক হতে পারবেন না যে, আমি এই নিষ্ফল বিজয়গুলোতে একটু ক্লান্ত, যা আলমা, ইনকারম্যান এবং বালাক্লাভার মতো গৌরবময় হতে পারে তবে নিশ্চিতভাবেই এর চেয়ে বেশি কিছু নয়।
** লেডি লন্ডনডেরিকে লেখা চিঠি (২২ ফেব্রুয়ারি ১৮৫৪), ''বেঞ্জামিন ডিসরাইলি, লেটারস'': ১৮৫২-১৮৫৬ (১৯৯৭), পৃষ্ঠা ৪০৫-এ।
নিচে উইকিপিডিয়ার ওই লেখার বাংলা অনুবাদ দেওয়া হলো:
*আমি বলি যে, প্রাচ্য প্রশ্ন নামে পরিচিত বিষয়টির ব্যবস্থাপনায় প্রয়োগ করার জন্য নীতির দুটি পদ্ধতি রয়েছে। এটি মূলত ভৌগোলিক প্রশ্ন। অর্থাৎ সেই স্থানের দখল, যা বিশ্বের সাম্রাজ্যকে নিয়ন্ত্রণ করে—কনস্টান্টিনোপল শহর। মতামতের এমন একটি ধারা রয়েছে যাকে আমি ব্রিটিশ মতামত বলি। হাউসের নেতা (লর্ড জে. রাসেল) এবং স্বরাষ্ট্র দপ্তরের সেক্রেটারি অব স্টেট (ভিসকাউন্ট পামারস্টন) এটিকে সমর্থন করেন। তারা তুরস্কের টিকে থাকায় বিশ্বাস করেন। তারা মনে করেন যে, এটি একটি স্বাধীন এবং এমনকি প্রগতিশীল দেশ হিসেবে থাকতে পারে, এবং রাশিয়ার আগ্রাসনের বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী ও পর্যাপ্ত ঢাল গঠন করতে পারে। আর অন্য একটি ধারা রয়েছে, যাকে আমি রুশ নীতির ধারা বলি। তারা বিশ্বাস করে যে, তুরস্ক নিঃশেষিত হয়ে গেছে; আমরা যা করতে পারি তা হলো, ধীরে ধীরে খ্রিষ্টান জনগণকে মুক্তি দেওয়ার মাধ্যমে এর পতন হলে সম্পূর্ণ নৈরাজ্য রোধ করা এবং রাশিয়ার বসফরাস দখলের সম্ভাবনাকে বিবেচনা করা।<br>
**হাউস অব কমন্সে [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1854/mar/31/war-with-russia-the-queens-message ভাষণ] (২১ মার্চ ১৮৫৪)
*কম্পাসের চারটি বিন্দুর আদ্যক্ষরগুলো মিলে "নিউজ" বা খবর শব্দটি তৈরি করে। তাকে বুঝতে হবে যে খবর হলো যা উত্তর, পূর্ব, পশ্চিম এবং দক্ষিণ থেকে আসে। আর যদি এটি কম্পাসের কেবল একটি বিন্দু থেকে আসে, তবে এটি একটি শ্রেণিভিত্তিক প্রকাশনা, খবর নয়।<br>
** হাউস অব কমন্সে [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1855/mar/26/newspaper-stamp-duties-bill ভাষণ] (২৬ মার্চ ১৮৫৫)
*আমি ব্রিটিশ সৈনিকের আচরণের জন্য নেনা সাহেবকে আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করার তীব্র প্রতিবাদ করছি। <strong>আমি নৃশংসতার জবাব নৃশংসতা দিয়ে দেওয়ার প্রতিবাদ করি।</strong> (শুনুন, শুনুন।) আমি সম্প্রতি এমন কথা শুনেছি এবং এমন লেখা দেখেছি যা আমাকে ভাবতে বাধ্য করে যে, ইংল্যান্ডের মানুষের ধর্মীয় বিশ্বাসে হঠাৎ করে কোনো পরিবর্তন এসেছে। যিশুর নামের সামনে মাথা নত করার বদলে আমরা মোলোচের উপাসনা পুনরুজ্জীবিত করার প্রস্তুতি নিচ্ছি। (শুনুন, শুনুন।) আমি বিশ্বাস করতে পারি না যে, এমন মনোভাবকে প্রশ্রয় দেওয়া আমাদের কর্তব্য। আমার মনে হয় ভারতে যা ঘটেছে তা হলো একটি বড় ঐশ্বরিক শিক্ষা, যা থেকে আমরা লাভবান হতে পারি। আমরা যদি সাহসী এবং অনুসন্ধিৎসু মানুষের মতো এর মোকাবিলা করি, তবে আমরা আমাদের আধিপত্য জাহির করতে পারি এবং ভবিষ্যতে ভারতে এমন একটি সরকার প্রতিষ্ঠা করতে পারি যা আমাদের দেশের জন্য দীর্ঘস্থায়ী এবং সম্মানজনক বলে প্রমাণিত হতে পারে। (শুনুন, শুনুন।) আমি আশা করি যে, আসন্ন উপলক্ষে আমাদের চার্চের যাজকরা সুযোগটি কাজে লাগাবেন। তারা ঐশ্বরিক সহায়তার চেতনার মাধ্যমে মানুষের মনোবল বাড়ানোর পাশাপাশি জাতীয় মনে এই ধারণাটি গেঁথে দেবেন যে, এটি একটি খ্রিষ্টান দেশ। আর একজন খ্রিষ্টান যোদ্ধার বৈশিষ্ট্য কেবল সাহসী হওয়াই নয়, বরং দয়ালু হওয়াও বটে। (শুনুন, শুনুন।)<br>
**নিউপোর্ট প্যাগনেলে রয়্যাল বাকস এগ্রিকালচারাল অ্যাসোসিয়েশনের ২৫তম বার্ষিকীতে প্রদত্ত সিপাহী বিদ্রোহের ওপর ভাষণ (৩০ সেপ্টেম্বর ১৮৫৭), <em>দ্য টাইমস</em>-এ উদ্ধৃত (১ অক্টোবর ১৮৫৭), পৃষ্ঠা ১০
*চূড়ান্ততা, স্যার, রাজনীতির ভাষা নয়।<br>
** হাউস অব কমন্সে [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1859/feb/28/leave ভাষণ] (২৮ ফেব্রুয়ারি ১৮৫৯)
<h3>১৮৬০-এর দশক</h3>
*এটি দেখায় যে সঠিক হওয়ার চেয়ে সমালোচক হওয়া কতটা সহজ।<br>
** হাউস অব কমন্সে [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1860/jan/24/address-in-answer-to-her-majestys-speech ভাষণ] (২৪ জানুয়ারি ১৮৬০); আরও দেখুন লর্ড বায়রন, "নোটস টু ক্যান্টো টু" (১৮১২), <em>চাইল্ড হ্যারল্ড'স পিলগ্রিমেজ</em>: "সঠিক হওয়ার চেয়ে সমালোচক হওয়া কতটা সহজ।"
*চৌদ্দ বছর আগে আপনি, যিনি তখন দেশের ভদ্রলোকদের নেতা ছিলেন...একটি দৃশ্যত অপ্রতিরোধ্য বিপর্যয়ের মুহূর্তে আমাকে সাহায্য করার জন্য আবেদন করেছিলেন। আমি শেষ পর্যন্ত তা করতে রাজি হয়েছিলাম...কারণ, আমার প্রথম জীবন থেকেই ইংল্যান্ডের ভূমি মালিকদের স্বার্থের প্রতি আমার সহানুভূতি ছিল।<br>
**স্যার উইলিয়াম মাইলসকে লেখা চিঠি (১১ জুন ১৮৬০), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের <em>দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরেইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২, ১৮৬০-১৮৮১</em> (১৯২৯)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ২৩-২৪
*একটি জ্ঞানী সরকার, যারা ধর্মের সাথে মৈত্রী করে, তারা যেন সমাজকে পবিত্র করে এবং রাষ্ট্রকে পবিত্র করে। কিন্তু এটি কীভাবে করা সম্ভব? এটি আধুনিক রাজনীতির সেই সমস্যা যা রাষ্ট্রনায়কদের সবচেয়ে বেশি বিব্রত করেছে। বেতনভোগী যাজকত্ব এবং জটিল চুক্তিগুলোতে এই সমস্যার কোনো সমাধান পাওয়া যাবে না। কিন্তু ইংল্যান্ডে রাষ্ট্রের পাশে ধীরে ধীরে একটি রাজকীয় করপোরেশন গড়ে উঠেছে, যা ধনী, শক্তিশালী, স্বাধীন, দীর্ঘ ঐতিহ্যের পবিত্রতায় পূর্ণ। এটি কর্তৃপক্ষের প্রতি সহানুভূতিশীল এবং নাগরিক ক্ষমতার প্রতি সম্মানজনক। এটি ভূমিতে গভীরভাবে প্রোথিত, আমাদের সমস্ত রীতিনীতি ও প্রথার সাথে মিশে আছে। এটি আমাদের স্থানীয় সরকারের অন্যতম প্রধান গ্যারান্টি, এবং তাই আমাদের সাধারণ স্বাধীনতার অন্যতম প্রধান সুরক্ষা। চার্চ অব ইংল্যান্ড আমাদের ইতিহাসের অংশ, আমাদের জীবনের অংশ, ইংল্যান্ডেরই অংশ।<br>
**অয়েলসবেরিতে ভাষণ (১৪ নভেম্বর ১৮৬১), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের <em>দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরেইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২, ১৮৬০-১৮৮১</em> (১৯২৯)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৯৬
*তিনি মনে করেন যে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম হলো মালবাহী ঘোড়ার মতো, যাদের ওপর সবসময় বোঝা চাপানো যেতে পারে।<br>
** হাউস অব কমন্সে ভাষণ (৩ জুন ১৮৬২)
*এমন একটি সমাজ গড়ে তোলা, যা উদারনৈতিক মতামতের ওপর ভিত্তি করে নয়, কারণ যেকোনো ব্যক্তি তার পছন্দমতো এটি তৈরি করতে পারে। বরং এটি এমন জনপ্রিয় নীতির ওপর ভিত্তি করে তৈরি হবে, যা নাগরিক এবং ধর্মীয় উভয় ক্ষেত্রেই সমান অধিকার দাবি করে। দেশের প্রতিষ্ঠানগুলোকে টিকিয়ে রাখা, কারণ সেগুলো জাতির প্রয়োজন এবং আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন। সেগুলো আমাদের ব্যক্তিগত স্বৈরাচার এবং জনপ্রিয় ক্ষোভ উভয় থেকেই রক্ষা করে। গণতন্ত্র এবং অভিজাততন্ত্র উভয়কেই সমানভাবে প্রতিহত করা; এবং সেই মুক্ত অভিজাততন্ত্রের নীতিকে সমর্থন করা যা সাংবিধানিক সরকারের একমাত্র ভিত্তি এবং নিরাপত্তা। দেশের সম্মান রক্ষায় সজাগ ও তৎপর হওয়া, কিন্তু সেই অশান্ত কূটনীতি থেকে দূরে থাকা, যা কেবল অভ্যন্তরীণ উন্নয়ন থেকে জনগণের মনকে সরিয়ে দেয়। কর কমানো; মিতব্যয়িতার সাথে কিন্তু বিজ্ঞতার সাথে জনগণের অর্থ পরিচালনা করা। জনপ্রিয় শিক্ষাকে সমর্থন করা, কারণ এটি জনশৃঙ্খলার সেরা গ্যারান্টি। স্থানীয় সরকারকে রক্ষা করা; এবং মুকুটের বিশেষাধিকার এবং সিনেটের সুযোগ-সুবিধার মতোই শ্রমজীবী মানুষের অধিকার সম্পর্কেও সজাগ থাকা—এগুলোই একসময় টোরি রাষ্ট্রনায়কদের পরিচালিত করত। আর আমার দিক থেকে আমি বলতে পারি যে, টোরি পার্টি যদি এই নীতিগুলো অনুসরণ না করে, তবে আমি চাই না তারা কখনো ক্ষমতায় আসুক।<br>
** হাউস অব কমন্সে [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1862/aug/01/the-administration-of-viscount ভাষণ] (১ আগস্ট ১৮৬২)
*ইংরেজরা, কোনো ব্যতিক্রম ছাড়াই, বিশ্বের সবচেয়ে উৎসাহী জাতি। অনেক বেশি উত্তেজনাপ্রবণ জাতি রয়েছে। ফরাসি এবং ইতালীয়রা অনেক বেশি উত্তেজনাপ্রবণ। তবে গভীর ও প্রখর অনুভূতির ক্ষেত্রে বিশ্বের কোনো জাতিই ইংরেজদের সমকক্ষ নয়। আর অন্য সব বিষয়ের মধ্যে কোন বিষয়টি ইংরেজদের সবচেয়ে বেশি উৎসাহী করেছে? ধর্ম। তাদের অনুভূতির মাপকাঠিতে সুরগুলো কম, কিন্তু সেগুলো অনেক গভীর। শিল্প, স্বাধীনতা এবং ধর্ম এই গুরুগম্ভীর মাপকাঠি তৈরি করে। শিল্প, স্বাধীনতা, ধর্ম—এটাই ইংল্যান্ডের ইতিহাস।<br>
**উইকোম্বে ভাষণ (৩০ অক্টোবর ১৮৬২), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের <em>দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরেইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২, ১৮৬০-১৮৮১</em> (১৯২৯)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৯৮
*গৃহযুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র উপনিবেশ ছিল। আমাদের ভোলা উচিত নয় যে এ ধরনের সম্প্রদায় স্বাধীন হওয়ার পরও উপনিবেশ হতে পারে না।<br>
** হাউস অব কমন্সে [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1863/feb/05/address-to-her-majesty-on-the-lords ভাষণ] (৫ ফেব্রুয়ারি ১৮৬৩)
*অধ্যাপক এবং বাগ্মীরা প্রতিটি ঘটনার জন্য একটি সিস্টেম এবং প্রতিটি সুযোগের জন্য একটি নীতি খুঁজে পান। তবে আমি আশা করি আপনি ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের ভাগ্য অহংকারী এবং পণ্ডিতদের হাতে ছেড়ে দেবেন না। <strong>যে রাষ্ট্রনায়করা গড়েন এবং যে যোদ্ধারা অর্জন করেন, তারা কেবল ক্ষমতার প্রবৃত্তি দ্বারা প্রভাবিত হন এবং দেশপ্রেমের দ্বারা অনুপ্রাণিত হন। এই অনুভূতি এবং পদ্ধতিগুলোই সাম্রাজ্য গঠন করে।</strong><br>
**হাউস অব কমন্সে [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1863/feb/05/address-to-her-majesty-on-the-lords#column_96 ভাষণ] (৫ ফেব্রুয়ারি ১৮৬৩)
*টোরি পার্টি কেবল তখনই সঠিক অবস্থানে থাকে যখন এটি জনপ্রিয় নীতিগুলোর প্রতিনিধিত্ব করে। তখন এটি সত্যিই অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠে। তখন এটি সিংহাসন এবং বেদি, সাম্রাজ্যের মর্যাদা, জাতির স্বাধীনতা এবং জনসাধারণের অধিকার বজায় রাখতে পারে। টোরিবাদের প্রকৃত চরিত্রে নিচু, তুচ্ছ বা একচেটিয়া কিছুই নেই। এটি মূলত বিস্তৃত সহানুভূতি এবং মহৎ আকাঙ্ক্ষার ওপর নির্ভর করে, কারণ এটি মূলত জাতীয়।<br>
**একটি কনজারভেটিভ নৈশভোজে ভাষণ (২৬ জুন ১৮৬৩), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের <em>দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরেইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২, ১৮৬০-১৮৮১</em> (১৯২৯)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১১৪
*বর্তমানে বিশ্বের শান্তি রাষ্ট্রনায়কদের দ্বারা নয়, বরং পুঁজিবাদীদের দ্বারা রক্ষা করা হচ্ছে।<br>
**মিসেস সারাহ ব্রিজেস উইলিয়ামসকে লেখা চিঠি (১৭ অক্টোবর ১৮৬৩), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের <em>দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরেইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২, ১৮৬০-১৮৮১</em> (১৯২৯)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৭৩
*যদি কখনো আমার বা কোনো জননেতার, যার সাথে কাজ করার সম্মান আমার রয়েছে, এ দেশের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা চালানোর সুযোগ হয়, যেমনটি ওই মহান লর্ড এবং তার সহকর্মীরা করেছেন। তবে আমি বিশ্বাস করি যে, আমরা অন্তত এমনভাবে আলোচনা চালাব না, যাতে আমাদের পার্লামেন্টে এসে দেশকে জানাতে হয় যে আমাদের কোনো মিত্র নেই এবং তারপর ঘোষণা করতে হয় যে ইংল্যান্ড কখনো একা কাজ করতে পারে না। স্যার, এসব কথা কখনো একজন ব্রিটিশ মন্ত্রীর মুখ থেকে বের হওয়া উচিত নয়। এমনকি তার হৃদয়েও এসব অনুভূতি কখনো আসা উচিত নয়। আমি এগুলো প্রত্যাখ্যান করি, আমি এগুলোকে অস্বীকার করি। আমার মনে আছে এমন এক সময় ছিল যখন ইংল্যান্ড, তার বর্তমান সম্পদের দশ ভাগের এক ভাগও না থাকা সত্ত্বেও, একটি দেশপ্রেমিক উদ্দেশ্য দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে, অস্ত্রের সাহায্যে বিশ্বের বিরুদ্ধে সফলভাবে লড়াই করেছিল। এবং, স্যার, আমি বিশ্বাস করি যে এখন, যদি সুযোগ আসে, যদি তার স্বাধীনতা বা সম্মান আক্রান্ত হয়, বা তার সাম্রাজ্য বিপন্ন হয়, তবে ইংল্যান্ড তার শক্তির মহিমায় জেগে উঠবে। আর সেইসব উদ্দেশ্যের জন্য সফলভাবে লড়াই করবে যার জন্য মানুষ বাঁচে এবং জাতি সমৃদ্ধ হয়। কিন্তু আমি অন্তত কখনো মন্ত্রীদের নিজেদের ভুলের পরিণতি থেকে উদ্ধার করার জন্য যুদ্ধে যাওয়ার পক্ষে সম্মতি দেব না।<br>
**দ্বিতীয় শ্লেসউইগ যুদ্ধ নিয়ে হাউস অব কমন্সে ভাষণ (৪ জুলাই ১৮৬৪), <em>সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২</em>, সম্পাদক টি. ই. কেবেল (১৮৮২)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১২৬-১২৭
*কখনোই কোনো কিছু বিনা প্রমাণে সত্য বলে ধরে নেবেন না।<br>
** সল্টহিলে ভাষণ (৫ অক্টোবর ১৮৬৪)
*বর্তমান যুগের বৈশিষ্ট্য হলো একটি প্রবল বিশ্বাসপ্রবণতা।<br>
**অক্সফোর্ড ডায়োসেশন কনফারেন্সে ভাষণ (২৫ নভেম্বর ১৮৬৪), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের <em>দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরেইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২, ১৮৬০-১৮৮১</em> (১৯২৯)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১০৫
*ফরাসি বিপ্লব, যা এখনো শেষ হয়নি এবং যা নিশ্চিতভাবে মানব ইতিহাসে ঘটে যাওয়া সবচেয়ে বড় ঘটনা। কেবল রোমান সাম্রাজ্যের পতনের সাথেই এর তুলনা করা যেতে পারে... বর্তমান ইউরোপ এবং এক শতাব্দী আগের ইউরোপের দিকে তাকান। এটি একই ইউরোপ নয়। এর আকারই বদলে গেছে।<br>
** অক্সফোর্ড ডায়োসেশন কনফারেন্সে ভাষণ (২৫ নভেম্বর ১৮৬৪), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের <em>দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরেইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২, ১৮৬০-১৮৮১</em> (১৯২৯)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১০৭
*সবচেয়ে আশ্চর্যজনকভাবে স্বতঃস্ফূর্ত আত্মবিশ্বাসের সাথে এখন সমাজের সামনে কোন প্রশ্নটি রাখা হচ্ছে? প্রশ্নটি হলো—মানুষ কি বানর নাকি দেবদূত? <strong>আমার লর্ড, আমি দেবদূতদের পক্ষে।</strong><br>
** <em>বিকল্প</em>: প্রশ্নটি হলো— মানুষ কি বানর নাকি দেবদূত? আমার লর্ড, আমি দেবদূতদের পক্ষে। আমি ক্ষোভ এবং ঘৃণার সাথে এই নতুন তত্ত্বগুলো প্রত্যাখ্যান করছি।<br>
**<em>বিকল্প</em>: মানুষ কি বানর নাকি দেবদূত? এখন, আমি দেবদূতদের পক্ষে!<br>
** অক্সফোর্ড ডায়োসেশন কনফারেন্সে ভাষণ (২৫ নভেম্বর ১৮৬৪), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের <em>দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরেইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২, ১৮৬০-১৮৮১</em> (১৯২৯)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১০৮
*আমেরিকার গণতন্ত্রকে পুরোনো ইউরোপের গণতন্ত্রের সাথে গুলিয়ে ফেলা উচিত নয়। এটি কোনো অস্থির শহরের আবর্জনা নয়, বা এটি কোনো উত্তেজিত মধ্যবিত্ত শ্রেণির শেয়ার নিয়ে জল্পনাকল্পনা করে একে প্রগতি বলার অংশও নয়। এটি একটি আঞ্চলিক গণতন্ত্র, যদি আমি উল্টো দিকে থাকা মাননীয় ভদ্রলোকদের আঘাত না করে এই বিশেষণটি ব্যবহার করতে পারি। অ্যারিস্টটল, যিনি আমাদের জানা সবচেয়ে বুদ্ধিমান জিনিসগুলো শিখিয়েছেন, তিনি এর চেয়ে বেশি বুদ্ধিমান কোনো কথা বলেননি যে মাটির কৃষকরা বিদ্রোহ এবং সহিংস পথের দিকে সবচেয়ে কম ঝুঁকে থাকা শ্রেণি।<br>
**হাউস অব কমন্সে [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1865/mar/13/defences-of-canada-colonel-jervois#column_1572 ভাষণ] (১৩ মার্চ ১৮৬৫)
* <strong>এমন বিরল ঘটনা রয়েছে যখন একটি জাতির সহানুভূতি সেই কোমল অনুভূতির কাছাকাছি পৌঁছায়, যা সাধারণত ব্যক্তির নিজস্ব বলে মনে করা হয় এবং ব্যক্তিগত জীবনের একটি আনন্দের সুযোগ হিসেবে গণ্য হয়। আর এটি তেমনই একটি ঘটনা।</strong> যে কোনো পরিস্থিতিতেই আমরা ওয়াশিংটনে ঘটে যাওয়া বিপর্যয়ের জন্য শোক প্রকাশ করতাম; যেকোনো পরিস্থিতিতেই আমরা এটি যে উপায়ে ঘটানো হয়েছিল তার জন্য শিউরে উঠতাম। কিন্তু ভুক্তভোগীর চরিত্র এবং এমনকি তার শেষ মুহূর্তের আনুষঙ্গিক বিষয়গুলোতে এমন কিছু ঘরোয়া এবং নির্দোষ বিষয় রয়েছে, যা এটিকে ইতিহাসের সমস্ত জাঁকজমক এবং কূটনীতির আনুষ্ঠানিকতা থেকে বের করে আনে; এটি জাতিগুলোর হৃদয় ছুঁয়ে যায় এবং মানবজাতির পারিবারিক অনুভূতির কাছে আবেদন জানায়।<br>
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রয়াত রাষ্ট্রপতির নীতির বিষয়ে এই হাউসে এবং সাধারণভাবে দেশে বিভিন্ন ধরনের মতামত থাকলেও, সবাই একমত হবেন যে মানুষের নৈতিক গুণাবলি পরীক্ষা করার অন্যতম কঠিন পরীক্ষায় তিনি সরলতা এবং শক্তির সাথে তার দায়িত্ব পালন করেছেন... যখন এই ধরনের অপরাধ ঘটে, তখন জনসাধারণের মন বিষণ্ণ এবং বিভ্রান্তিতে পড়ে যায়। কারণ তারা এই ধরনের কাজের কারণ এবং পরিণতি উভয় বিষয়েই অজ্ঞ। কিন্তু অযৌক্তিক আতঙ্ক এবং হতাশার মধ্যে তাদের আশ্বস্ত করা আমাদের অন্যতম কর্তব্য। <strong>গুপ্তহত্যা কখনোই পৃথিবীর ইতিহাস পরিবর্তন করেনি।</strong> আমি সুদূর অতীতের কথা বলব না, যদিও একটি দুর্ঘটনা আমার চারপাশের সবার মন ও স্মৃতিতে এই মুহূর্তে প্রাচীনকালের সবচেয়ে স্মরণীয় ঘটনাটিকে সতেজ করে তুলেছে। কিন্তু জুলিয়াস সিজারের মতো মূল্যবান আত্মত্যাগও তার দেশের অমোঘ ভাগ্যকে শান্ত করতে পারেনি।<br>
** আব্রাহাম লিংকনের গুপ্তহত্যার পর হাউস অব কমন্সে বক্তব্য (১ মে ১৮৬৫)
*আপনার...একটি প্রাচীন, শক্তিশালী, সমৃদ্ধশালী চার্চ এবং নিখুঁত ধর্মীয় স্বাধীনতা রয়েছে। আপনার অক্ষুণ্ণ শৃঙ্খলা এবং সম্পূর্ণ স্বাধীনতা রয়েছে। আপনার রোমানদের মতো বিশাল ভূসম্পত্তি রয়েছে, যার সাথে এমন বাণিজ্যিক উদ্যোগ যুক্ত রয়েছে যা কার্থেজ এবং ভেনিস মিলেও কখনো সমান হতে পারেনি। আর আপনাকে মনে রাখতে হবে যে এই অদ্ভুত দেশটি, এই শক্তিশালী বৈপরীত্য নিয়ে, শক্তি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত নয়; এটি স্থায়ী সেনাবাহিনী দ্বারা নিয়ন্ত্রিত নয়। এটি ঐতিহ্যবাহী প্রভাবের এক অত্যন্ত অদ্ভুত ধারাবাহিকতার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত, যা প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম লালন করে এবং সংরক্ষণ করে কারণ তারা জানে যে এগুলো প্রথাগুলোকে রক্ষা করে এবং আইনের প্রতিনিধিত্ব করে। এবং এর সাথে, আপনি কী করেছেন? আপনি আধুনিক যুগের সবচেয়ে বড় সাম্রাজ্য তৈরি করেছেন। আপনি কল্পনাতীত পরিমাণ মূলধন সংগ্রহ করেছেন। আপনি ঋণের একটি পদ্ধতি তৈরি এবং বজায় রেখেছেন যা আরও বেশি আশ্চর্যজনক। এবং সর্বোপরি, আপনি শ্রম এবং শিল্পের এমন একটি বিশাল এবং জটিল প্রকল্প প্রতিষ্ঠা ও বজায় রেখেছেন, যার সাথে পৃথিবীর ইতিহাসে কোনো সমতুল্য কিছু নেই... যদি আপনি সমাজের এই অবস্থাটি ধ্বংস করেন, তবে মনে রাখবেন—<strong>ইংল্যান্ড আবার শুরু করতে পারবে না।</strong><br>
**হাউস অব কমন্সে [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1865/may/08/adjourned-debate-second-night#column_1703 ভাষণ] (৮ মে ১৮৬৫)
* সময় মূল্যবান, কিন্তু সত্য সময়ের চেয়েও বেশি মূল্যবান।<br>
** আইলেসবারিতে রয়্যাল অ্যান্ড সেন্ট্রাল বাকস অ্যাগ্রিকালচারাল অ্যাসোসিয়েশনে ভাষণ (২১ সেপ্টেম্বর ১৮৬৫), <em>উইট অ্যান্ড উইজডম অব বেঞ্জামিন ডিসরেইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড, কালেক্টেড ফ্রম হিজ রাইটিংস অ্যান্ড স্পিচেস</em> (১৮৮১)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৩৫৬
* অজ্ঞতা কখনোই কোনো সমস্যার সমাধান করতে পারে না।<br>
** হাউস অব কমন্সে ভাষণ (১৪ মে ১৮৬৬)
* ব্যক্তিরা সম্প্রদায় গঠন করতে পারে, কিন্তু কেবল প্রতিষ্ঠানগুলোই একটি জাতি গঠন করতে পারে।<br>
** লন্ডনের গিল্ডহলে ভাষণ (৯ নভেম্বর ১৮৬৬), <em>দ্য টাইমস</em>-এ উদ্ধৃত (১০ নভেম্বর ১৮৬৬), পৃষ্ঠা ৯
*টোরি পার্টি যদি জাতীয় অনুভূতির প্রতিনিধিত্ব না করে, তবে এটি কী? যদি এটি জাতীয় অনুভূতির প্রতিনিধিত্ব না করে, তবে টোরিবাদ কিছুই নয়। এটি একচেটিয়া অভিজাতদের বংশানুক্রমিক দলগুলোর ওপর নির্ভর করে না। এটি মহাজাগতিক নীতিগুলোর পক্ষে কথা বলে বা মহাজাগতিক শব্দ ব্যবহার করে হঠাৎ করে তৈরি হওয়া কৃত্রিম শক্তিকে নিজের দিকে টেনে ক্ষমতা অর্জনের চেষ্টা করে না। টোরি পার্টি দেশের প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিত্ব এবং সমর্থন না করলে কিছুই নয়।<br>
**ম্যানশন হাউসে ভাষণ (৭ আগস্ট ১৮৬৭), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের <em>দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরেইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২, ১৮৬০-১৮৮১</em> (১৯২৯)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ২৮৭
*আমাকে দেশের মন তৈরি করতে হয়েছিল, এবং আমাদের দলকে... শিক্ষিত করতে হয়েছিল... এই সংস্কার প্রশ্নে আমাকে সংসদ এবং দেশের মন তৈরি করতে হয়েছিল।<br>
**১৮৬৭ সালের সংস্কার বিলে ভাষণ, এডিনবরা, স্কটল্যান্ড (২৯ অক্টোবর ১৮৬৭), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের <em>দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরেইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২, ১৮৬০-১৮৮১</em> (১৯২৯)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ২৮৯
* একটি প্রগতিশীল দেশে পরিবর্তন অবিরত ঘটে; এবং আসল প্রশ্নটি এটি নয় যে আপনার অনিবার্য পরিবর্তনকে প্রতিহত করা উচিত কি না, বরং সেই পরিবর্তনটি জনগণের রীতিনীতি, প্রথা, আইন এবং ঐতিহ্যের প্রতি সম্মান জানিয়ে করা উচিত নাকি বিমূর্ত নীতি এবং খেয়ালখুশিমতো সাধারণ মতবাদের প্রতি সম্মান জানিয়ে করা উচিত। একটি হলো জাতীয় ব্যবস্থা; অন্যটি... একটি দার্শনিক ব্যবস্থা।<br>
** ১৮৬৭ সালের সংস্কার বিলে ভাষণ, এডিনবরা, স্কটল্যান্ড (২৯ অক্টোবর ১৮৬৭); উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের <em>দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরেইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২, ১৮৬০-১৮৮১</em> (১৯২৯)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ২৯১
*আমি সবসময় শ্রমজীবী মানুষের স্বার্থকে দেশের সবচেয়ে রক্ষণশীল স্বার্থ হিসেবে দেখেছি। শ্রমের অধিকার আমার কাছে সবসময় সম্পত্তির অধিকারের মতোই পবিত্র। আমি সবসময় ভেবেছি যে যারা রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা এবং এমনকি গৌরবে সবচেয়ে বেশি আগ্রহী, তারা হলো জনসাধারণের বিশাল অংশ। যারা ভালো আইনের অধীনে স্বাধীন মানুষের সুযোগ-সুবিধা উপভোগ করে খুশি এবং একই সাথে এমন একটি দেশের জন্য গর্বিত যা তার অধিবাসীদের সম্মানজনক নাম এবং বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তে গৌরবময় খ্যাতি দেয়।<br>
**এডিনবরায় ভাষণ (৩০ অক্টোবর ১৮৬৭), <em>দ্য চ্যান্সেলর অব দ্য এক্সচেকার ইন স্কটল্যান্ড; বিয়িং টু স্পিচেস ডেলিভারড বাই হিম ইন দ্য সিটি অব এডিনবরা অন ২৯ অ্যান্ড ৩০ অক্টোবর, ১৮৬৭</em> (১৮৬৭)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৩৬-৩৭
* আমি আমার সামনে একজন বিখ্যাত মন্ত্রীর মূর্তি দেখতে পাচ্ছি, যিনি বলেছিলেন যে আত্মবিশ্বাস হলো ধীরে ধীরে বেড়ে ওঠা একটি গাছ। তবে আমি বিশ্বাস করি, আত্মবিশ্বাসের বৃদ্ধি যতই ধীরে হোক না কেন, পরিপক্বতায় পৌঁছাতে আস্থার আরও বেশি সময় প্রয়োজন।<br>
** ৯ নভেম্বর ১৮৬৭-এর ভাষণ
*দেশের প্রতিষ্ঠানগুলো বজায় রাখার ক্ষেত্রে শ্রমজীবী শ্রেণির মতো আর কেউ এতটা আগ্রহী নয়। ধনী এবং ক্ষমতাবানরা যেকোনো পরিস্থিতিতে তাদের অধিকার বজায় রাখতে খুব বেশি অসুবিধার সম্মুখীন হবেন না। তবে জনসাধারণের সুযোগ-সুবিধাগুলো কেবল জনপ্রিয় প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমেই রক্ষা এবং সুরক্ষিত করা যেতে পারে।<br>
**একটি শ্রমিক ক্লাবকে লেখা চিঠি (১৮৬৭), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের <em>দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরেইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২, ১৮৬০-১৮৮১</em> (১৯২৯)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ২৯৭
*এখন, চার্চ এবং রাষ্ট্রের মধ্যে সংযোগ বলতে কী বোঝায়? ... আমি এর দ্বারা বুঝি যে ওই কর্তৃত্ব কেবল রাজনৈতিক হবে না; সেই সরকার কেবল শক্তি প্রয়োগের বিষয় হবে না, বরং এটি ঐশ্বরিক শক্তির প্রতি তার দায়িত্ব স্বীকার করবে। স্যার, আমরা রাজাদের ঐশ্বরিক অধিকারকে বাতিল করেছি, এবং সঠিকভাবে বাতিল করেছি। কারণ রাজাদের ঐশ্বরিক অধিকার ব্যক্তিদের দ্বারা অতিপ্রাকৃত ক্ষমতার অপব্যবহারের দিকে নিয়ে গিয়েছিল। কিন্তু একটি বুদ্ধিমান যুগ কখনোই সরকারের ঐশ্বরিক অধিকার বাতিল করবে না। সরকার যদি ঐশ্বরিক না হয়, তবে এটি কিছুই নয়। এটি কেবল পুলিশ-অফিস, কর-সংগ্রাহক, প্রহরী-কক্ষের ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়।<br>
**হাউস অব কমন্সে [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1868/apr/03/adjourned-debate#column_917 ভাষণ] (৩ এপ্রিল ১৮৬৮)
*এই ভূমির ওপর দিয়ে তিনি অশ্বারোহী এবং পদাতিক বাহিনী পরিচালনা করেছিলেন। এবং—অভিযানের সম্ভবত সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য অংশ হলো—তিনি ইউরোপের কামান বহনকারী এশিয়ার হাতিগুলোকে আফ্রিকার গিরিপথগুলোর ওপর দিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন, যা হয়তো আল্পস পর্বতমালার শিকারিকেও চমকে দিত। যখন তিনি এই সংকটময় মিলনস্থলের পাদদেশে পৌঁছান, তখন তিনি কোনো সম্মানহীন শত্রুর মুখোমুখি হননি। আমাদের যুদ্ধবিজ্ঞানের সম্পদের সামনে আবিসিনিয়ানদের বীরত্বপূর্ণ গুণাবলি ম্লান হয়ে গেলেও, সেই যুদ্ধের পর আমাদের সৈন্যদের একটি পর্বত দুর্গে আরোহণ করতে হয়েছিল। এর অন্তর্নিহিত শক্তি এমনই ছিল যে, এটি ন্যায্যভাবেই বলা যায় যে এটি পুরো বিশ্বের কাছে দুর্ভেদ্য হতো যদি এটিকে আক্রমণকারী ব্যক্তি নিজেই রক্ষা করত। কিন্তু এই সমস্ত বাধা, এই সমস্ত অসুবিধা এবং বিপদ স্যার রবার্ট নেপিয়ার অতিক্রম করেছিলেন। আর এমন একটি ঘটনা ঘটেছিল যা দশ বছর আগে, আমাদের কেউই স্বপ্নেও কল্পনা করতে পারেনি। আর যা সমস্ত পরিস্থিতিতে, একজন ইংরেজের জন্য বিশেষ আগ্রহের ঘটনা হওয়া উচিত—রাসেলসের পর্বতমালায় সেন্ট জর্জের পতাকা উত্তোলিত হয়েছিল।<br>
**আবিসিনিয়ান অভিযান নিয়ে হাউস অব কমন্সে ভাষণ (২ জুলাই ১৮৬৮), <em>সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২</em>, সম্পাদক টি. ই. কেবেল (১৮৮২)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১২৮-১২৯
* লন্ডনের বিশপ সম্পর্কে এটি লক্ষ করা যায় যে, যদিও দৃশ্যত কিছুটা কঠোর স্বভাবের, তবে তার বৈশিষ্ট্যের মধ্যে উৎসাহের একটি অদ্ভুত তহবিল রয়েছে। এটি এমন একটি গুণ যা ক্যান্টারবারির আর্চবিশপ বা ইংল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর কখনোই থাকা উচিত নয়। লন্ডনের বিশপ আন্তরিক সবকিছুর প্রতি সহানুভূতিশীল; কিন্তু যা আন্তরিক তা সর্বদা সত্য নয়; বিপরীতে ভুল প্রায়ই সত্যের চেয়ে বেশি আন্তরিক হয়।<br>
** ফ্রেডেরিক টেম্পলের কথা উল্লেখ করে রানি ভিক্টোরিয়াকে লেখা চিঠি (৪ নভেম্বর ১৮৬৮), <em>দ্য লেটারস অব কুইন ভিক্টোরিয়া</em>, দ্বিতীয় সিরিজ) (১৯২৬), সম্পাদক জর্জ আর্ল বাকল-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৫৫০
* যেখানে দক্ষতা নেই, সেখানে কোনো মিতব্যয়িতা থাকতে পারে না।<br>
** নির্বাচনী এলাকার ভোটারদের কাছে চিঠি (৩ অক্টোবর ১৮৬৮), <em>উইট অ্যান্ড উইজডম অব বেঞ্জামিন ডিসরেইলি, কালেক্টেড ফ্রম হিজ রাইটিংস অ্যান্ড স্পিচেস</em> (১৮৮১)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১১০
<h3>১৮৭০-এর দশক</h3>
* কাউকে ভুলে যাওয়া হয় না, যখন তাকে মনে রাখা সুবিধাজনক হয়।<br>
** লর্ড স্ট্যানহোপকে লেখা চিঠি (১৭ জুলাই ১৮৭০), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের <em>দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরেইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড</em>, খণ্ড ৫ (১৯২০)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১২৩-১২৫
*আমার কোনো সন্দেহ নেই যে, মহান উদারনৈতিক দলের প্রতিনিধি হিসেবে যারা সেই চুক্তির আলোচনা করেছিলেন, তারা ইংল্যান্ডের নীতির ঐতিহ্য দ্বারা প্রভাবিত ছিলেন। তারা ইউরোপের সাধারণ সুবিধার জন্য সেই চুক্তির আলোচনা করেছিলেন, কিন্তু ইংল্যান্ডের জন্য এর বিধানগুলোর গুরুত্ব সম্পর্কে সুস্পষ্ট উপলব্ধি রেখেছিলেন। এই দেশের সরকার সর্বদা এটি মনে করেছে যে এটি ইংল্যান্ডের স্বার্থে যে ডাঙ্কিরক এবং ওস্টেন্ড থেকে উত্তর সাগরের দ্বীপগুলো পর্যন্ত প্রসারিত ইউরোপীয় উপকূলের দেশগুলো স্বাধীন এবং সমৃদ্ধ সম্প্রদায়গুলোর দখলে থাকা উচিত। যারা শান্তির শিল্প অনুশীলন করে, স্বাধীনতার অধিকার উপভোগ করে এবং বাণিজ্যের সেই কাজগুলো অনুসরণ করে যা মানুষের সভ্যতার দিকে নিয়ে যায়। আর এটি এমন কোনো বড় সামরিক শক্তির দখলে থাকা উচিত নয়, যার অস্তিত্বের অন্যতম নীতি অবশ্যই ইউরোপে একটি প্রভাব বিস্তার করার লক্ষ্য হতে হবে।<br>
**হাউস অব কমন্সে [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1870/aug/01/the-war-observations#column_1289 ভাষণ] (১ আগস্ট ১৮৭০)
*তারা [উপন্যাসগুলো] জাতির শাসনে কল্পনাকে যুক্তির চেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ নয় এমন একটি গুণ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। তারা একটি জনপ্রিয় অনুভূতির ওপর অনেক বেশি বিশ্বাস করেছিল, যা একটি বীরত্বপূর্ণ ঐতিহ্যের ওপর ভিত্তি করে ছিল এবং একটি মুক্ত অভিজাততন্ত্রের উচ্চ চেতনার দ্বারা সমর্থিত ছিল। তাদের অর্থনৈতিক নীতিগুলো অযৌক্তিক ছিল না। কিন্তু তারা জনসাধারণের স্বাস্থ্য এবং জ্ঞানকে জাতির সম্পদের অন্তত মূল্যবান অংশ হিসেবে দেখেছিল। জাতির মতবাদ দাবি করে তারা মানুষের সমতা এবং অনুরূপ বিমূর্ত মতবাদগুলোর সম্পূর্ণ বিরোধী ছিল, যা একটি সন্তোষজনক বিকল্প তৈরি না করেই প্রাচীন সমাজকে ধ্বংস করেছে। জনপ্রিয় সহানুভূতি এবং জনপ্রিয় সুযোগ-সুবিধার ওপর নির্ভর করে, তারা বিশ্বাস করত যে কোনো সমাজই টেকসই হতে পারে না যদি না এটি আনুগত্য এবং ধর্মীয় শ্রদ্ধার নীতির ওপর নির্মিত হয়। লেখক এবং তার সাথে যারা কাজ করেছিলেন, তারা তাই অ্যাংলিকান চার্চকে একটি প্রধান মাধ্যম হিসেবে দেখেছিলেন যার দ্বারা এই ফলাফলগুলো বাস্তবায়িত হতে পারে। ইংল্যান্ডে খুব কমই বড় জিনিস অবশিষ্ট ছিল, এবং চার্চ ছিল তাদের মধ্যে একটি।<br>
**'জেনারেল প্রিফেস' (অক্টোবর ১৮৭০), <em>লোথেয়ার</em> (১৮৭৫ সংস্করণ), পৃষ্ঠা ১৪-১৫
*কনিংসবি প্রকাশের এক বছরেরও কিছু সময় পরে, ডক্টর নিউম্যানের বিচ্ছেদ চার্চ অব ইংল্যান্ডে এমন একটি আঘাত হেনেছিল, যার কারণে এটি এখনো টলমল করছে। সেই অসাধারণ ঘটনার জন্য "ক্ষমা চাওয়া" হয়েছে, তবে তা কখনো ব্যাখ্যা করা হয়নি। এটি একটি ভুল এবং একটি দুর্ভাগ্য ছিল। অ্যাংলিকান চার্চের ঐতিহ্য শক্তিশালী ছিল। জেরুজালেমের চার্চের ওপর ভিত্তি করে, গ্যালিলির ঐশ্বরিক বিদ্যালয় দ্বারা পরিবর্তিত হয়ে, এটি সত্যের সেই শিলাটি খুঁজে পেত যা ঈশ্বর সেমিটিক জাতির মাধ্যমে সেন্ট পিটারকে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তার বদলে, বিচ্ছিন্নতাবাদীরা মধ্যযুগীয় কুসংস্কারে আশ্রয় নিয়েছিল, যা সাধারণত কেবল পৌত্তলিক অনুষ্ঠান এবং বিশ্বাসের মূর্ত রূপ।<br>
**'জেনারেল প্রিফেস' (অক্টোবর ১৮৭০), <em>লোথেয়ার</em> (১৮৭৫ সংস্করণ), পৃষ্ঠা ১৫
* আমার মনে হয় যে লেখক নিজের বই নিয়ে কথা বলেন, তিনি সেই মায়ের মতোই খারাপ যিনি নিজের সন্তানদের নিয়ে কথা বলেন।<br>
** গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক লর্ড রেক্টর হিসেবে ডিসরেইলির অভিষেকের সময় প্রদত্ত ভোজসভায় ভাষণ (১৯ নভেম্বর ১৮৭০), <em>উইট অ্যান্ড উইজডম অব বেঞ্জামিন ডিসরেইলি, কালেক্টেড ফ্রম হিজ রাইটিংস অ্যান্ড স্পিচেস</em> (১৮৮১)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১৬
*এই যুদ্ধ জার্মান বিপ্লবকে তুলে ধরে, যা গত শতাব্দীর ফরাসি বিপ্লবের চেয়েও বড় একটি রাজনৈতিক ঘটনা — আমি বলছি না যে এটি একটি বড়, বা ততটাই বড়, সামাজিক ঘটনা। এর সামাজিক পরিণতি কী হতে পারে তা ভবিষ্যতেই দেখা যাবে। আমাদের পররাষ্ট্রবিষয়ক পরিচালনার একটি নীতিও, যা ছয় মাস আগে পর্যন্ত সমস্ত রাষ্ট্রনায়করা নির্দেশিকা হিসেবে মেনে নিয়েছিলেন, আর নেই। এমন কোনো কূটনৈতিক ঐতিহ্য নেই যা ভেসে যায়নি। আপনার কাছে একটি নতুন বিশ্ব, কাজ করছে নতুন প্রভাব। মোকাবিলা করার জন্য নতুন এবং অজানা বস্তু ও বিপদ রয়েছে... ক্ষমতার ভারসাম্য পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে, এবং যে দেশটি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং এই বড় পরিবর্তনের প্রভাব সবচেয়ে বেশি অনুভব করেছে, সেটি হলো ইংল্যান্ড।<br>
**ফ্রাঙ্কো-প্রুশিয়ান যুদ্ধ নিয়ে হাউস অব কমন্সে [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1871/feb/09/address-to-her-majesty-on-her-most ভাষণ], যা জার্মান একত্রীকরণের দিকে পরিচালিত করেছিল (৯ ফেব্রুয়ারি ১৮৭১)
*মাননীয় ভদ্রলোক ইংল্যান্ডের মানুষকে বুঝিয়েছেন যে আইরিশ রাজনীতির ক্ষেত্রে তিনি [[পরশ পাথর|পরশ পাথরের]] (ফিলোসফারস স্টোন) অধিকারী। বেশ, স্যার, আয়ারল্যান্ডের শান্তি ও তৃপ্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে তিনি এই হাউসে একটি বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ফিরে এসেছেন। তাকে কি কিছু দিতে কার্পণ্য করা হয়েছে? সময়, শ্রম, নিষ্ঠা—যা চাওয়া হয়েছে তা-ই দেওয়া হয়েছে, যা প্রস্তাব করা হয়েছে তা-ই পাস করা হয়েছে। তার প্রভাবে এবং তার অনুরোধে আমরা সম্পত্তি বাজেয়াপ্তকরণকে বৈধ করেছি, পবিত্র জিনিস অপবিত্রকরণকে পবিত্র করেছি এবং উচ্চ দেশদ্রোহিতাকে ক্ষমা করেছি; আমরা চার্চ ধ্বংস করেছি, সম্পত্তির ভিত নাড়িয়ে দিয়েছি এবং কারাগার খালি করেছি। আর এখন তিনি একটি সংসদীয় কমিটির কাছে না এসে একটি কাউন্টি পরিচালনা করতে পারছেন না! মাননীয় ভদ্রলোক, তার সমস্ত বীরত্বপূর্ণ কাজ এবং বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠতার পর, সরকারকে হাস্যকর করে তুলছেন।<br>
**হাউস অব কমন্সে [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1871/feb/27/motion-for-a-select-committee#column_1007 ভাষণ] (২৭ ফেব্রুয়ারি ১৮৭১)
* এটি একটি ক্ষমা প্রার্থনা, কোনো ব্যাখ্যা নয়; এবং ক্ষমা প্রার্থনা কেবল তার জন্যই প্রযোজ্য যা তারা পরিবর্তন করে না।<br>
** হাউস অব কমন্সে [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1871/jul/28/parliament-order-of-business ভাষণ] (২৮ জুলাই ১৮৭১)
* প্রচার ছাড়া কোনো জনচেতনা থাকতে পারে না, এবং জনচেতনা ছাড়া প্রতিটি জাতি ধ্বংস হতে বাধ্য।<br>
** হাউস অব কমন্সে [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1871/aug/08/third-reading ভাষণ] (৮ আগস্ট ১৮৭১)
*ভদ্রমহোদয়গণ, কনজারভেটিভ পার্টির কর্মসূচি হলো দেশের সংবিধান বজায় রাখা।<br>
**ম্যানচেস্টারের কনজারভেটিভদের উদ্দেশ্যে ভাষণ (৩ এপ্রিল ১৮৭২), <em>সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২</em>, সম্পাদক টি. ই. কেবেল (১৮৮২)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৪৯১
*সংবিধান প্রতিষ্ঠার পর, এখন প্রায় দুই শতাব্দী হয়ে গেছে, ইংল্যান্ড কখনোই কোনো বিপ্লবের সম্মুখীন হয়নি। যদিও এমন কোনো দেশ নেই যেখানে এত ধারাবাহিক এবং উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয়েছে। এমনটি কীভাবে সম্ভব? কারণ আপনার পূর্বপুরুষদের প্রজ্ঞা মানব আবেগের বাইরে সর্বোচ্চ ক্ষমতার পুরস্কার রেখেছিল। দলগুলোর লড়াই যাই হোক না কেন, দলগুলোর দ্বন্দ্ব যাই হোক না কেন, জনসাধারণের মনের উত্তেজনা এবং উৎসাহ যাই হোক না কেন, এই দেশে সর্বদা এমন কিছু ছিল যাকে ঘিরে সমস্ত শ্রেণি এবং দল একত্রিত হতে পারে। যা আইনের মহিমা, ন্যায়বিচারের প্রশাসনের প্রতিনিধিত্ব করে, এবং একই সাথে প্রতিটি মানুষের অধিকার এবং সম্মানের উৎসের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।<br>
**ম্যানচেস্টারের কনজারভেটিভদের উদ্দেশ্যে ভাষণ (৩ এপ্রিল ১৮৭২), <em>সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২</em>, সম্পাদক টি. ই. কেবেল (১৮৮২)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৪৯২
*ভদ্রমহোদয়গণ, আমি একটি দলের মানুষ। <strong>আমি বিশ্বাস করি যে, কোনো দল ছাড়া সংসদীয় সরকার অসম্ভব</strong>। আমি সংসদীয় সরকারকে বিশ্বের সবচেয়ে মহৎ সরকার হিসেবে দেখি এবং অবশ্যই এটি ইংল্যান্ডের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত।<br>
**ম্যানচেস্টারের কনজারভেটিভদের উদ্দেশ্যে ভাষণ (৩ এপ্রিল ১৮৭২), <em>সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২</em>, সম্পাদক টি. ই. কেবেল (১৮৮২)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৪৯২-৪৯৩
*ভদ্রমহোদয়গণ, মুকুটের প্রভাব কেবল রাজনৈতিক বিষয়েই সীমাবদ্ধ নয়। ইংল্যান্ড একটি ঘরোয়া দেশ। এখানে বাড়িটিকে সম্মান করা হয় এবং পরিবারটিকে পবিত্র মনে করা হয়। জাতি একটি পরিবার দ্বারা প্রতিনিধিত্ব করে—রাজপরিবার। এবং যদি সেই পরিবারটিকে দায়িত্ববোধ এবং জনস্বার্থের অনুভূতি দিয়ে শিক্ষিত করা হয়, তবে তারা একটি জাতির ওপর যে উপকারী প্রভাব ফেলতে পারে, তা বাড়িয়ে বলা কঠিন। এটি কেবল রীতিনীতির ওপর প্রভাব নয়। এটি কেবল পরিমার্জন এবং ভালো রুচির জন্য একটি মডেল নয়—তারা জনগণের বুদ্ধি এবং হৃদয়কে সমানভাবে প্রভাবিত করে। জনসাধারণের প্রতিকূলতার সময়, বা জনসাধারণের যেকোনো গুরুতর পরিস্থিতিতে, জাতি পরিবার এবং সিংহাসনের চারপাশে একত্রিত হয়, এবং এর চেতনা জনসাধারণের স্নেহের প্রকাশ দ্বারা উদ্দীপ্ত এবং টিকিয়ে রাখা হয়।<br>
**ম্যানচেস্টারের কনজারভেটিভদের উদ্দেশ্যে ভাষণ (৩ এপ্রিল ১৮৭২), <em>সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২</em>, সম্পাদক টি. ই. কেবেল (১৮৮২)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৪৯৪
*আমি স্বীকার করছি যে আমি এটি বিশ্বাস করতে ইচ্ছুক যে একজন ইংরেজ ভদ্রলোক—ব্যবসায় জন্মগ্রহণ করা, নিজের জমিদারি পরিচালনা করা, নিজের কাউন্টির বিষয়াদি দেখাশোনা করা, তার সমসাময়িক সমস্ত শ্রেণির মানুষের সাথে মেশা, কখনো শিকারের মাঠে, কখনো রেলওয়ের নির্দেশনায়, অকৃত্রিম, আড়ম্বরহীন, নিজের পূর্বপুরুষদের নিয়ে গর্বিত, যদি তারা আমাদের সাধারণ দেশের মহিমায় অবদান রেখে থাকে—তিনি সামগ্রিকভাবে একজন সিনেটর গঠন করার সম্ভাবনা বেশি রাখেন যা ইংরেজ মতামত এবং ইংরেজ রুচির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে, এখন পর্যন্ত উৎপাদিত যেকোনো বিকল্পের চেয়ে।<br>
**ম্যানচেস্টারের কনজারভেটিভদের উদ্দেশ্যে ভাষণ (৩ এপ্রিল ১৮৭২), <em>সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২</em>, সম্পাদক টি. ই. কেবেল (১৮৮২)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৪৯৯
*ধর্মীয় শিক্ষা সাধারণত জাতি এবং মানুষের স্বভাবের প্রবৃত্তি দ্বারা দাবি করা হয়।<br>
**ম্যানচেস্টারের কনজারভেটিভদের উদ্দেশ্যে ভাষণ (৩ এপ্রিল ১৮৭২), <em>সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২</em>, সম্পাদক টি. ই. কেবেল (১৮৮২)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৫০৫
*আপনাদের আক্রমণ করা হয়েছিল। আপনাদের লুণ্ঠন করা হয়েছিল এবং জয় করা হয়েছিল। তারপরও এই সমস্ত কলঙ্ক এবং উত্থান-পতনের মধ্যে ধীরে ধীরে সেই ইংরেজ জাতি গঠিত হয়েছিল যা একটি খুব ভিন্ন পরিস্থিতি তৈরি করেছে। আপনার ভূখণ্ড আক্রমণ করার বদলে, আজ এটি প্রবাদতুল্যভাবে একমাত্র "অক্ষুণ্ণ ভূমি"—"জ্ঞানী ও স্বাধীনদের অক্ষুণ্ণ ভূমি"। লুণ্ঠিত হওয়ার বদলে, আপনি বিশ্বের সমস্ত পুঁজি আপনার তীরে আকৃষ্ট করেছেন। বিজিত হওয়ার বদলে, আপনার পতাকা অনেক জলে ভাসে এবং আপনার ধ্বজা প্রতিটি অঞ্চলে ওড়ে। এটি বলা যেতে পারে যে এই অর্জনগুলো দেশের অধিবাসী জাতির কারণে হয়েছে, এর প্রতিষ্ঠানের কারণে নয়। ভদ্রমহোদয়গণ, রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে একটি জাতির অভিজ্ঞতার প্রতিফলন থাকে। আপনারা একটি শ্রেণিভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করেছেন যা জীবনকে শক্তি এবং বৈচিত্র্য দেয়। তবে কোনো শ্রেণিরই কোনো একক একচেটিয়া সুবিধা নেই এবং আইনের চোখে সবাই সমান। আপনাদের একটি প্রকৃত অভিজাততন্ত্র রয়েছে, যারা এটি পাওয়ার যোগ্য তাদের সবার জন্যই এটি উন্মুক্ত। আপনাদের কেবল একটি মধ্যবিত্ত শ্রেণি নেই, বরং মধ্যবিত্ত শ্রেণির একটি স্তরবিন্যাস রয়েছে। এতে সম্পদ, পরিমার্জন, শিল্প, শক্তি এবং উদ্যোগের প্রতিটি স্তর যথাযথভাবে প্রতিনিধিত্ব করে।<br>
**ম্যানচেস্টারের কনজারভেটিভদের উদ্দেশ্যে ভাষণ (৩ এপ্রিল ১৮৭২), <em>সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২</em>, সম্পাদক টি. ই. কেবেল (১৮৮২)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৫০৬-৫০৭
*আর এখন, ভদ্রমহোদয়গণ, দেশের বিশাল জনগোষ্ঠীর অবস্থা কী? প্রথমত, ভদ্রমহোদয়গণ, তারা শতাব্দী ধরে সেই সুবিধা পুরোপুরি উপভোগ করে আসছে যা ইউরোপের অন্য কোনো দেশ কখনো পুরোপুরি অর্জন করতে পারেনি—ব্যক্তিগত স্বাধীনতার সম্পূর্ণ অধিকার।<br>
**ম্যানচেস্টারের কনজারভেটিভদের উদ্দেশ্যে ভাষণ (৩ এপ্রিল ১৮৭২), <em>সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২</em>, সম্পাদক টি. ই. কেবেল (১৮৮২)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৫০৭
* <strong>বাড়তি সম্পদ এবং বাড়তি অবসর হলো মানুষের দুটি সভ্য করার উপাদান।</strong><br>
**ম্যানচেস্টারের কনজারভেটিভদের উদ্দেশ্যে ভাষণ (৩ এপ্রিল ১৮৭২), <em>সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২</em>, সম্পাদক টি. ই. কেবেল (১৮৮২)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৫০৭
*আমি আমার মতামত প্রকাশ করতে চাই যে একজন কৃষি শ্রমিকের তার অবস্থার উন্নতির জন্য ট্রেড ইউনিয়নে যোগ দেওয়ার ততটাই অধিকার রয়েছে যতটা অধিকার একজন কারখানার শ্রমিক বা ধাতব শ্রমিকের রয়েছে। যদি তার জোটবদ্ধ হওয়ার কারণগুলো স্বাভাবিক হয়—অর্থাৎ, যদি সেগুলো তার নিজের অনুভূতি এবং তার নিজের অবস্থার প্রয়োজনীয়তা থেকে উদ্ভূত হয়, তবে জোটটি এমন ফলাফলে শেষ হবে যা নিয়োগকর্তা এবং কর্মচারী উভয়ের জন্যই পারস্পরিকভাবে উপকারী হবে।<br>
**ম্যানচেস্টারের কনজারভেটিভদের উদ্দেশ্যে ভাষণ (৩ এপ্রিল ১৮৭২), <em>সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২</em>, সম্পাদক টি. ই. কেবেল (১৮৮২)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৫০৭-৫০৮
*বিশুদ্ধ বাতাস, বিশুদ্ধ জল, অস্বাস্থ্যকর বাসস্থানের পরিদর্শন, খাদ্যে ভেজাল মেশানো, এগুলো এবং এর মতো অনেক বিষয় আইনসভার দ্বারা বৈধভাবে মোকাবিলা করা যেতে পারে... সবকিছুর পর, একজন মন্ত্রীর প্রথম বিবেচনা হওয়া উচিত জনগণের স্বাস্থ্য।<br>
**ম্যানচেস্টারের কনজারভেটিভদের উদ্দেশ্যে ভাষণ (৩ এপ্রিল ১৮৭২), <em>সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২</em>, সম্পাদক টি. ই. কেবেল (১৮৮২)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৫১১-৫১২
*মহামান্য রানির নতুন মন্ত্রীরা তাদের কর্মজীবন শুরু করেছিলেন এমন একদল মানুষের মতো যারা কোনো প্রলাপ সৃষ্টিকারী ওষুধের প্রভাবে রয়েছেন। আয়ারল্যান্ডের লুণ্ঠন ও নৈরাজ্যে তৃপ্ত না হয়ে, তারা দেশের প্রতিটি প্রতিষ্ঠান ও স্বার্থ, প্রতিটি শ্রেণি ও পেশাকে আক্রমণ করতে শুরু করলেন... সময় যত গড়িয়েছে, এটি বুঝতে অসুবিধা হয়নি যে সরকার শক্তির জায়গায় অপচয়কে প্রতিস্থাপন করছে। অস্বাভাবিক উদ্দীপনা কমে আসছিল। তাদের পাগলামিগুলো ক্লান্তিতে শেষ হয়েছিল। কেউ কেউ বিষণ্ণতায় আশ্রয় নিয়েছিলেন এবং <strong>তাদের বিশিষ্ট প্রধান হুমকি ও দীর্ঘশ্বাসের মধ্যে ওঠানামা করতেন।</strong> আমি ট্রেজারি বেঞ্চের বিপরীতে বসে থাকার সময়, মন্ত্রীরা আমাকে দক্ষিণ আমেরিকার উপকূলে খুব অস্বাভাবিক নয় এমন একটি সামুদ্রিক ল্যান্ডস্কেপের কথা মনে করিয়ে দিয়েছিল। আপনি ক্লান্ত আগ্নেয়গিরির একটি সারি দেখতে পাচ্ছেন। একটি বিবর্ণ চূড়ায়ও কোনো শিখা জ্বলজ্বল করছে না। তবে পরিস্থিতি এখনো বিপজ্জনক। মাঝে মাঝে ভূমিকম্প হয় এবং সর্বদাই সমুদ্রের অন্ধকার গর্জন শোনা যায়।<br>
**উইলিয়াম গ্ল্যাডস্টোনের লিবারেল সরকারের কথা উল্লেখ করে ম্যানচেস্টারের কনজারভেটিভদের উদ্দেশ্যে ভাষণ (৩ এপ্রিল ১৮৭২), <em>সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২</em>, সম্পাদক টি. ই. কেবেল (১৮৮২)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৫১৩, ৫১৬
*"পররাষ্ট্র বিষয়ক" শব্দটি শুনলেই একজন ইংরেজ নিশ্চিত হন যে আমি এমন কিছু নিয়ে কথা বলতে যাচ্ছি যার সাথে তার কোনো সম্পর্ক নেই।<br>
**ম্যানচেস্টারের কনজারভেটিভদের উদ্দেশ্যে ভাষণ (৩ এপ্রিল ১৮৭২), <em>সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২</em>, সম্পাদক টি. ই. কেবেল (১৮৮২)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৫১৬
*আমি স্বীকার করছি যে ইউরোপের ক্ষেত্রে ইংল্যান্ডের নীতি একটি সংরক্ষণের নীতি হওয়া উচিত, তবে তা হতে হবে একটি গর্বিত সংরক্ষণ। যেসব রাষ্ট্রনায়ক—সেই সব বিভ্রান্ত রাষ্ট্রনায়ক যারা ইংল্যান্ডের শক্তির ক্ষয় এবং এর সম্পদের হ্রাসের ইঙ্গিত দিয়েছেন, তাদের উত্তরে আমি এখানে আমার আত্মবিশ্বাসী দৃঢ় বিশ্বাস প্রকাশ করছি যে আমাদের ইতিহাসে এমন কোনো মুহূর্ত আসেনি যখন ইংল্যান্ডের শক্তি এত মহান ছিল এবং এর সম্পদ এত বিশাল ও অক্ষয় ছিল।<br>
**ম্যানচেস্টারের কনজারভেটিভদের উদ্দেশ্যে ভাষণ (৩ এপ্রিল ১৮৭২), <em>সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২</em>, সম্পাদক টি. ই. কেবেল (১৮৮২)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৫২২
*আমি কেবল আমাদের নৌবহর ও সেনাবাহিনী, আমাদের শক্তিশালী গোলন্দাজ বাহিনী, আমাদের সঞ্চিত মূলধন এবং আমাদের সীমাহীন ঋণের ওপর নির্ভর করি না। আমি তার জনগণের সেই অটুট চেতনার ওপর নির্ভর করি, যা আমি বিশ্বাস করি যে, তাদের সাম্রাজ্যবাদী দেশ নিয়ে কখনোই এতটা গর্বিত ছিল না। ভদ্রমহোদয়গণ, আমি সর্বোপরি সেই চেতনার ওপরই আস্থা রাখি।<br>
**ম্যানচেস্টারের কনজারভেটিভদের উদ্দেশ্যে ভাষণ (৩ এপ্রিল ১৮৭২), <em>সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২</em>, সম্পাদক টি. ই. কেবেল (১৮৮২)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৫২২
*ভদ্রমহোদয়গণ, টোরি পার্টি যদি জাতীয় দল না হয়, তবে এটি কিছুই নয়।<br>
**লন্ডনের ক্রিস্টাল প্যালেসে ন্যাশনাল ইউনিয়ন অব কনজারভেটিভ অ্যান্ড কনস্টিটিউশনাল অ্যাসোসিয়েশনের উদ্দেশ্যে ভাষণ (২৪ জুন ১৮৭২), <em>সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২</em>, সম্পাদক টি. ই. কেবেল (১৮৮২)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৫২৪
*ভদ্রমহোদয়গণ, একদল জনপ্রতিনিধি...এমনভাবে ক্ষমতার হাল ধরেছেন যার সম্মান আমি এক মুহূর্তের জন্যও প্রশ্নবিদ্ধ করি না। তবে তারা আমাদের রাজনৈতিক জীবনে একটি নতুন ব্যবস্থা চালু করেছেন। মহাদেশের দর্শন ও রাজনীতি দ্বারা অনেকাংশে প্রভাবিত হয়ে তারা জাতীয় নীতির পরিবর্তে মহাজাগতিক নীতি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেছেন। এবং তারা এই নতুন রাজনৈতিক প্রকল্পের নাম দিয়েছেন "উদারতাবাদ (লিবারেলিজম)"... তবে উদারতাবাদের সুর ও প্রবণতা বেশিক্ষণ লুকিয়ে রাখা যায় না। সংস্কারের নামে দেশের প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর আক্রমণ করা এবং প্রগতির অজুহাতে এ দেশের জনগণের রীতিনীতি ও প্রথার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করাই এর লক্ষ্য। এই নতুন ব্যবস্থা চালুর পর যে চল্লিশ বছর পেরিয়ে গেছে...সেখানে প্রকৃত অবস্থা ছিল এই: এক দলের চেষ্টা এ দেশে মহাজাগতিক ধারণা প্রতিষ্ঠা করা, আর অন্য দলের চেষ্টা...সেই জাতীয় নীতিগুলোতে ফিরে যাওয়া ও তা পুনরায় গ্রহণ করা, যার কৃতিত্ব তারা দেশের মহত্ত্ব ও গৌরবকে দেয়।<br>
**লন্ডনের ক্রিস্টাল প্যালেসে ন্যাশনাল ইউনিয়ন অব কনজারভেটিভ অ্যান্ড কনস্টিটিউশনাল অ্যাসোসিয়েশনের উদ্দেশ্যে ভাষণ (২৪ জুন ১৮৭২), <em>সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২</em>, সম্পাদক টি. ই. কেবেল (১৮৮২)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৫২৪
*আমি সবসময় এই মত পোষণ করেছি যে টোরি পার্টির তিনটি মহান লক্ষ্য রয়েছে। প্রথমটি হলো দেশের প্রতিষ্ঠানগুলো রক্ষা করা—কোনো রাজনৈতিক কুসংস্কারের কারণে নয়। বরং আমরা বিশ্বাস করি যে, এই প্রতিষ্ঠানগুলো সেই নীতিগুলোর প্রতীক, যার ওপর ইংল্যান্ডের মতো একটি সমাজ কেবল নিরাপদে নির্ভর করতে পারে। স্বাধীনতা, শৃঙ্খলা, আইন এবং ধর্মের নীতিগুলোকে কোনো ব্যক্তির মতামত বা জনতার খেয়ালখুশি ও আবেগের ওপর ছেড়ে দেওয়া উচিত নয়। বরং এগুলোকে স্থায়ীত্ব ও শক্তির রূপ দেওয়া উচিত। আমরা রাজতন্ত্রের সাথে সেই ধারণাগুলোকে যুক্ত করি যা এটি প্রতিনিধিত্ব করে—আইনের মহিমা, ন্যায়বিচারের প্রয়োগ, দয়া ও সম্মানের উৎস। আমরা জানি যে রাষ্ট্রের বিভিন্ন স্তর ও তাদের সুযোগ-সুবিধার মধ্যেই জনগণের স্বাধীনতা ও সুশাসনের সর্বোত্তম নিরাপত্তা নিহিত রয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি যে একটি প্রতিষ্ঠিত চার্চ দ্বারাই জাতীয় ধর্মবিশ্বাস রক্ষা করা সম্ভব, এবং কোনো সমাজই নিরাপদ নয় যদি সেখানে বিশ্ব পরিচালনার ক্ষেত্রে ঈশ্বরের ভূমিকা এবং মানুষের ভবিষ্যৎ দায়িত্ববোধের সর্বজনীন স্বীকৃতি না থাকে।<br>
**লন্ডনের ক্রিস্টাল প্যালেসে ন্যাশনাল ইউনিয়ন অব কনজারভেটিভ অ্যান্ড কনস্টিটিউশনাল অ্যাসোসিয়েশনের উদ্দেশ্যে ভাষণ (২৪ জুন ১৮৭২), <em>সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২</em>, সম্পাদক টি. ই. কেবেল (১৮৮২)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৫২৫
*হাউস অব লর্ডসের ওপর লিবারেলিজমের আক্রমণ মূলত এই দেশের ভূমি আইনের বিরুদ্ধে তাদের কুসংস্কারের কারণেই হয়েছে। কিন্তু আমার মতে, এবং আমার চেয়ে জ্ঞানী ব্যক্তিদের মতে, এবং এই দেশ ছাড়াও অন্যান্য দেশের মানুষের মতে, ইংল্যান্ডের স্বাধীনতা অনেকাংশে এর ভূমিস্বত্ব ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল—এই সত্যের ওপর যে এমন একটি শ্রেণি রয়েছে যারা স্বৈরাচারী এবং উন্মত্ত জনতা উভয়কেই সমানভাবে মোকাবিলা করতে পারে, যাদের চারপাশে জনগণ সবসময় একত্রিত হতে পারে এবং যারা মাটির সাথে তাদের নিবিড় সম্পর্কের কারণে দেশপ্রেমিক হতে বাধ্য। তো, ভদ্রমহোদয়গণ, দেশের এই প্রতিষ্ঠানগুলো—রাজতন্ত্র এবং লর্ডস স্পিরিচুয়াল অ্যান্ড টেম্পোরাল—যতটুকু সম্পর্কিত, আমি মনে করি আমরা কোনো অতিরঞ্জন ছাড়াই বলতে পারি যে জনমত এই প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষেই রয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ টোরি পার্টির অন্যতম প্রধান মতবাদ। আর এর অস্তিত্ব গত চল্লিশ বছর ধরে লিবারেল পার্টি দ্বারা নিরবচ্ছিন্নভাবে সমালোচিত হয়ে আসছে।<br>
**লন্ডনের ক্রিস্টাল প্যালেসে ন্যাশনাল ইউনিয়ন অব কনজারভেটিভ অ্যান্ড কনস্টিটিউশনাল অ্যাসোসিয়েশনের উদ্দেশ্যে ভাষণ (২৪ জুন ১৮৭২), <em>সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২</em>, সম্পাদক টি. ই. কেবেল (১৮৮২)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৫২৭
*১৮৩২ সালের সেই মহান পরিবর্তনের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য, বা অন্তত একটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য ছিল, যারা এই পরিবর্তন এনেছিলেন তারা ইংল্যান্ডের ব্যারনদের সমান প্রাচীন সব ভোটাধিকার বিলুপ্ত করেছিলেন। আর সেগুলো বাতিল করার সময় তারা কোনো বিকল্প প্রস্তাব করেননি। প্রতিনিধিত্ব নিয়ে যে অসন্তোষ পরে কমবেশি আমাদের সমাজে ছড়িয়ে পড়ে, তা ওই সময় থেকেই শুরু। সবাই স্বীকার করবেন যে, সেই অসন্তোষ এখন দূর হয়েছে। ১৮৬৭-৮ সালের সংসদীয় সংস্কার আইনের মাধ্যমে এর অবসান ঘটে। ওই আইনটি এই বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছিল যে এ দেশের বিশাল জনগোষ্ঠী "রক্ষণশীল"... আমি শব্দটি এর সবচেয়ে খাঁটি এবং উচ্চতম অর্থে ব্যবহার করছি। আমি বলতে চাই যে ইংল্যান্ডের জনগণ, এবং বিশেষ করে ইংল্যান্ডের শ্রমিক শ্রেণি, একটি মহান দেশের অংশ হওয়ার জন্য গর্বিত। তারা এর মহত্ত্ব বজায় রাখতে চায়—তারা একটি সাম্রাজ্যবাদী দেশের অংশ হওয়ার জন্য গর্বিত, এবং তারা তাদের সাম্রাজ্য বজায় রাখার সংকল্পবদ্ধ—তারা সামগ্রিকভাবে বিশ্বাস করে যে ইংল্যান্ডের মহত্ত্ব এবং সাম্রাজ্যের কারণ এই দেশের প্রাচীন প্রতিষ্ঠানগুলো।<br>
**লন্ডনের ক্রিস্টাল প্যালেসে ন্যাশনাল ইউনিয়ন অব কনজারভেটিভ অ্যান্ড কনস্টিটিউশনাল অ্যাসোসিয়েশনের উদ্দেশ্যে ভাষণ (২৪ জুন ১৮৭২), <em>সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২</em>, সম্পাদক টি. ই. কেবেল (১৮৮২)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৫২৭-৫২৮
*এমন কিছু মানুষ আছেন যারা হয়তো শ্রমিক শ্রেণির মানুষ হতে পারেন, বা অন্ততপক্ষে সে রকম হওয়ার ভান করেন। যাদের নিঃসন্দেহে রাজধানীর শ্রমিক শ্রেণির একটি নির্দিষ্ট অংশের ওপর প্রভাব রয়েছে। তারা জ্যাকোবিনিজমের কথা বলেন... আমি দৃঢ়তার সাথে বলছি যে ইংল্যান্ডের শ্রমিক শ্রেণির বিশাল অংশ এ ধরনের মনোভাব পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করে। এগুলোর প্রতি তাদের কোনো সহানুভূতি নেই। তারা মনেপ্রাণে ইংরেজ। তারা মহাজাগতিক নীতি প্রত্যাখ্যান করে। তারা জাতীয় নীতিতে অবিচল থাকে। তারা রাজ্য ও সাম্রাজ্যের মহত্ত্ব বজায় রাখার পক্ষে এবং আমাদের শাসকের প্রজা ও এমন একটি সাম্রাজ্যের সদস্য হওয়ার জন্য গর্বিত। তাই, এই দেশের রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যাপারে, যা বজায় রাখা টোরি পার্টির অন্যতম প্রধান মতবাদ, জনমতকে আমি যতটুকু বুঝতে পারি, জাতির অনুভূতি টোরি পার্টির সাথেই আছে।<br>
**লন্ডনের ক্রিস্টাল প্যালেসে ন্যাশনাল ইউনিয়ন অব কনজারভেটিভ অ্যান্ড কনস্টিটিউশনাল অ্যাসোসিয়েশনের উদ্দেশ্যে ভাষণ (২৪ জুন ১৮৭২), <em>সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২</em>, সম্পাদক টি. ই. কেবেল (১৮৮২)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৫২৮
*ভদ্রমহোদয়গণ, টোরি পার্টির আরেকটি দ্বিতীয় মহান উদ্দেশ্য রয়েছে। প্রথমটি যদি দেশের প্রতিষ্ঠানগুলো রক্ষা করা হয়, তবে দ্বিতীয়টি আমার মতে ইংল্যান্ডের সাম্রাজ্য বজায় রাখা। আপনি যদি চল্লিশ বছর আগে উদারতাবাদের আগমনের পর থেকে এই দেশের ইতিহাসের দিকে তাকান, তবে দেখতে পাবেন যে ইংল্যান্ডের সাম্রাজ্যকে টুকরো টুকরো করার জন্য উদারতাবাদের চেষ্টার চেয়ে এতটা ধারাবাহিক, সূক্ষ্ম, শক্তি সমর্থিত এবং যোগ্যতা ও তীক্ষ্ণতার সাথে পরিচালিত আর কোনো প্রচেষ্টা হয়নি।<br>
**লন্ডনের ক্রিস্টাল প্যালেসে ন্যাশনাল ইউনিয়ন অব কনজারভেটিভ অ্যান্ড কনস্টিটিউশনাল অ্যাসোসিয়েশনের উদ্দেশ্যে ভাষণ (২৪ জুন ১৮৭২), <em>সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২</em>, সম্পাদক টি. ই. কেবেল (১৮৮২)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৫২৯-৫৩০
*ভদ্রমহোদয়গণ, টোরি পার্টির আরেকটি মহান উদ্দেশ্য, যা সাম্রাজ্য বজায় রাখা বা আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলো রক্ষা করার চেয়ে কোনো অংশে কম নয়, তা হলো জনগণের অবস্থার উন্নতি... যারা বিপুল মানুষের উন্নতি ও তাদের অবস্থার উন্নতির কথা ভাবেন, তাদের কাছে এটি স্পষ্ট হওয়া উচিত যে, যতক্ষণ না তাদের কাজের সময় কমানো এবং তাদের শ্রমকে মানবিক করা যায়, ততক্ষণ পর্যন্ত কোনো গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ অর্জন করা সম্ভব নয়। আসল চ্যালেঞ্জ হলো অর্থনৈতিক সত্যের সেই নীতিগুলো লঙ্ঘন না করেই এ ধরনের ফলাফল অর্জন করা, যার ওপর সমস্ত রাষ্ট্রের সমৃদ্ধি নির্ভর করে।<br>
**লন্ডনের ক্রিস্টাল প্যালেসে ন্যাশনাল ইউনিয়ন অব কনজারভেটিভ অ্যান্ড কনস্টিটিউশনাল অ্যাসোসিয়েশনের উদ্দেশ্যে ভাষণ (২৪ জুন ১৮৭২), <em>সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২</em>, সম্পাদক টি. ই. কেবেল (১৮৮২)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৫৩১
*একজন রাষ্ট্রনায়কের জন্য জনগণের স্বাস্থ্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল... এর সাথে জনগণের বাসস্থানের অবস্থা জড়িত, যার নৈতিক পরিণতি শারীরিক পরিণতির চেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। এর সাথে প্রকৃতির কিছু প্রধান উপাদান—বাতাস, আলো এবং জল উপভোগ করার বিষয়টি জড়িত। এর সাথে তাদের শিল্পের নিয়মকানুন, তাদের শ্রমের পরিদর্শন জড়িত। এর সাথে তাদের খাদ্যের বিশুদ্ধতা জড়িত। আর এটি তাদের সেসব অভ্যাসের সাথে সম্পর্কিত যার মাধ্যমে আপনি তাদের অতিরিক্ত ও নিষ্ঠুরতার অভ্যাস থেকে বিরত রাখতে পারেন। এখন, এসব বিষয়ে লিবারেল পার্টির—যে দলটি টোরি পার্টির বিরোধিতা করেছিল, যখন তারা দুর্বল থাকা অবস্থাতেও জনগণের শ্রম কমানোর পক্ষে কথা বলেছিল, এবং সেই ফ্যাক্টরি আইনগুলো প্রবর্তন ও সমর্থন করেছিল, যে নীতিগুলো তারা ক্ষমতায় থাকার সংক্ষিপ্ত সময়ে দেশের অন্যান্য সব ব্যবসায় সম্প্রসারিত করেছিল—তাদের অনুভূতি কী? এই মহান লিবারেল পার্টির—যারা এ দেশের সরকারে জাতীয় নীতির পরিবর্তে মহাজাগতিক নীতি স্থাপন করতে চায়—এই বিষয়ে তাদের মতামত কী? কেন ল্যাঙ্কাশায়ার কাউন্টির বিশাল রাজধানীতে আমি যে মতামত প্রকাশ করেছিলাম তা লিবারেল প্রেস উপহাসের পাত্র বানিয়েছে। এক শীর্ষস্থানীয় সদস্য...কিছুদিন আগে সেগুলোকে "পয়োনিষ্কাশনের নীতি" বলে নিন্দা করেছেন। আচ্ছা, এটি লিবারেল সংসদ সদস্যের কাছে "পয়োনিষ্কাশনের নীতি" হতে পারে। কিন্তু ইংল্যান্ডের শ্রমজীবী জনগণের কাছে, যারা জ্বরকে তাদের ঘরের অন্যতম সদস্য হিসেবে দেখেছে—যারা বছরের পর বছর ধরে তাদের সন্তানদের অসুস্থ হতে দেখেছে, যাদের সহানুভূতি ও বস্তুগত সহায়তার দিকে তারা আশা ও আত্মবিশ্বাসের সাথে তাকিয়ে থেকেছে, তাদের কাছে এটি "পয়োনিষ্কাশনের নীতি" নয়, বরং এটি জীবন-মরণের প্রশ্ন।<br>
**লন্ডনের ক্রিস্টাল প্যালেসে ন্যাশনাল ইউনিয়ন অব কনজারভেটিভ অ্যান্ড কনস্টিটিউশনাল অ্যাসোসিয়েশনের উদ্দেশ্যে ভাষণ (২৪ জুন ১৮৭২), <em>সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২</em>, সম্পাদক টি. ই. কেবেল (১৮৮২)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৫৩২-৫৩৩
*সেই সময় ঘনিয়ে এসেছে...যখন ইংল্যান্ডকে জাতীয় ও মহাজাগতিক নীতির মধ্যে একটি বেছে নিতে হবে। বিষয়টি কোনো সাধারণ বিষয় নয়। প্রশ্নটি হলো আপনি কি এমন একটি আরামদায়ক ইংল্যান্ড হতে চান, যা মহাদেশীয় নীতির ওপর ভিত্তি করে তৈরি হবে এবং সময়মতো একটি অনিবার্য পরিণতির মুখোমুখি হবে, নাকি আপনি একটি মহান দেশে—একটি সাম্রাজ্যবাদী দেশে—এমন একটি দেশে পরিণত হবেন যেখানে আপনার সন্তানরা যখন বড় হবে, তখন তারা সর্বোচ্চ মর্যাদায় পৌঁছাবে। তারা কেবল দেশবাসীর কাছেই সম্মান পাবে না, বরং সারা বিশ্বের কাছে সম্মান আদায় করে নেবে।<br>
**লন্ডনের ক্রিস্টাল প্যালেসে ন্যাশনাল ইউনিয়ন অব কনজারভেটিভ অ্যান্ড কনস্টিটিউশনাল অ্যাসোসিয়েশনের উদ্দেশ্যে ভাষণ (২৪ জুন ১৮৭২), <em>সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২</em>, সম্পাদক টি. ই. কেবেল (১৮৮২)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৫৩৪
*আপনাদের নির্ভর করার মতো কেবল নিজেদের শক্তি এবং একটি প্রাচীন জাতির মহান প্রবৃত্তি ছাড়া আর কিছুই নেই। আপনাদের এমনভাবে কাজ করতে হবে যেন সবকিছু আপনাদের ব্যক্তিগত প্রচেষ্টার ওপর নির্ভরশীল। <strong>সাফল্যের রহস্য হলো উদ্দেশ্যের অবিচলতা।</strong> নিজেদের ঘরে ফিরে যান এবং সেখানে এই সত্যগুলো শেখান, যা শিগগিরই দেশের বিবেকে খোদিত হবে। প্রত্যেককে অনুভব করান যে তার নিজের প্রচেষ্টার ওপর কতটা নির্ভর করছে... এই চেতনায় কাজ করুন এবং আপনারা সফল হবেন। আপনারা আপনাদের দেশকে বর্তমান অবস্থায় বজায় রাখবেন। কিন্তু আপনারা তার চেয়েও বেশি কিছু করবেন। আপনারা আপনাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে একটি স্বাধীন, সমৃদ্ধ, শক্তিশালী এবং গৌরবময় দেশ রেখে যাবেন।<br>
**লন্ডনের ক্রিস্টাল প্যালেসে ন্যাশনাল ইউনিয়ন অব কনজারভেটিভ অ্যান্ড কনস্টিটিউশনাল অ্যাসোসিয়েশনের উদ্দেশ্যে ভাষণ (২৪ জুন ১৮৭২), <em>সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২</em>, সম্পাদক টি. ই. কেবেল (১৮৮২)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৫৩৪-৫৩৫
* একটি বিশ্ববিদ্যালয় হওয়া উচিত আলো, স্বাধীনতা এবং শিক্ষার স্থান।<br>
** হাউস অব কমন্সে [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1873/mar/11/second-reading-adjourned-debate ভাষণ] (১১ মার্চ ১৮৭৩)
* আপনারা চার্চগুলো লুট করেছেন। আপনারা দেশের প্রতিটি করপোরেশন এবং এনডাওমেন্টকে হুমকি দিয়েছেন। আপনারা সবার বিষয়ে নাক গলিয়েছেন। আপনারা প্রতিটি পেশার সমালোচনা করেছেন এবং প্রতিটি ব্যবসাকে বিরক্ত করেছেন। কারোর সম্পত্তির কোনো নিশ্চয়তা নেই এবং কেউ জানে না আগামীকাল তাকে কী দায়িত্ব পালন করতে হবে। সহগামী এনডাওমেন্টের তুলনায় এটি হলো বাজেয়াপ্তকরণের নীতি।<br>
** হাউস অব কমন্সে [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1873/mar/11/second-reading-adjourned-debate ভাষণ] (১১ মার্চ ১৮৭৩)
* গত প্রায় পাঁচ বছর ধরে বর্তমান মন্ত্রীরা দেশের প্রতিটি ব্যবসাকে বিরক্ত করেছেন, প্রতিটি পেশাকে অতিষ্ঠ করেছেন এবং প্রতিটি শ্রেণি, প্রতিষ্ঠান ও সম্পত্তির ওপর আক্রমণ বা হুমকি দিয়েছেন। মাঝে মাঝে তারা এমন কিছু কাজ করে এই গৃহযুদ্ধের অবস্থা পরিবর্তন করেছেন, যা জনমতকে ক্ষুব্ধ করেছে। অথবা এমন ভুল করেছেন যা সবসময় অসম্মানজনক এবং কখনো কখনো ধ্বংসাত্মক হয়েছে। এই সবকিছুর নাম তারা দিয়েছেন নীতি, এবং মনে হয় এ নিয়ে তারা বেশ গর্বিত; কিন্তু আমার মনে হয় দেশটি এই লুণ্ঠন ও ভুলের অধ্যায় বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।<br>
** লর্ড গ্রে ডি উইলটনকে লেখা চিঠি (৩ অক্টোবর ১৮৭৩), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের <em>দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরেইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড</em>, খণ্ড ৫ (১৯২০)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ২৬২
* রাজা লুই ফিলিপ একবার আমাকে বলেছিলেন যে রাজনৈতিক জীবনে ব্রিটিশ জাতির এই দুর্দান্ত সাফল্যের কারণ হলো রাতের খাবারের পর তাদের রাজনীতি নিয়ে আলোচনা করার অভ্যাস।<br>
** <em>ওই</em>.
*যেহেতু মি. গ্ল্যাডস্টোন আমাকে এই বিষয়ে এত গভীরভাবে চ্যালেঞ্জ ও চাপ দিয়েছেন, তাই আমি সাহস করে বলতে চাই যে, আমি বিশ্বাস করি না এমন কোনো দেশে আপনি একটি সাশ্রয়ী সরকার পেতে পারেন, যেখানে প্রধান মন্ত্রী বিদেশে দেশের স্বার্থকে অবহেলা করে গর্ববোধ করেন... ইংল্যান্ডে আমাদের সবচেয়ে সাশ্রয়ী সরকার ছিল ডিউক অব ওয়েলিংটনের সরকার। কেন ওই সরকার এত সাশ্রয়ী ছিল? কারণ এ দেশে শাসন করা যেকোনো মন্ত্রীর চেয়ে ডিউক অব ওয়েলিংটন বিদেশে ইংল্যান্ডের স্বার্থ এবং ব্যবসার দিকে সর্বোচ্চ মনোযোগ দিয়েছিলেন। (শুনুন, শুনুন।) তিনি এতটাই সফলভাবে এবং একনিষ্ঠভাবে এগুলোর দিকে মনোযোগ দিয়েছিলেন যে, তার শাসনামলে আমরা কোনো ব্যয়বহুল যুদ্ধে জড়িয়ে পড়িনি; আমরা এমন কোনো সমস্যায় পড়িনি যার জন্য আমাদের ব্যয়বহুল সালিশির আশ্রয় নিতে হয়েছিল... এবং আমি আবার বলছি, এটি মূলত তার পররাষ্ট্র বিষয়ক মনোযোগ এবং পররাষ্ট্র বিষয়ক জ্ঞানের কারণেই সম্ভব হয়েছিল... যার ফলে তিনি একটি সাশ্রয়ী সরকার গঠন করতে পেরেছিলেন এবং সম্প্রতি আমাদের অভ্যাসমতো বর্ধিত অস্ত্রের জন্য আবেদন করতে হয়নি। (শুনুন, শুনুন।) এখন, মি. গ্ল্যাডস্টোনের মিতব্যয়িতার দৃষ্টিভঙ্গি, বা বরং তার দলের এবং যে দর্শনের তিনি প্রতিনিধিত্ব করেন, তা অন্যরকম। তিনি বলেন, "ইংরেজ জনগণ বিদেশে তাদের বিষয় নিয়ে ভাবে না—আমি নিজেও তা খুব একটা ভাবি না—কিন্তু আমাকে মিতব্যয়ী হতে হবে (হাসি); আমাকে ডকইয়ার্ডের কর্মীদের ছাঁটাই করতে হবে; আমাকে কেরানিদের কমাতে হবে; আমাকে রানির স্টোর বিক্রি করতে হবে (হাসি); আমাকে রানির সেবাগুলো অনাহারে রাখতে হবে; ডকইয়ার্ড এবং অস্ত্রাগারে জমা হওয়া সমস্ত কাঠ আমাকে বিক্রি করতে হবে; নৌবাহিনীর সমস্ত নোঙর আমাকে বিক্রি করতে হবে (হাসি); আমাকে বিক্রি করতে হবে"—গত বছর আমরা এগুলো বিক্রি করছিলাম—"মহামান্য রানির নৌবাহিনীর অর্ধেক জাহাজ।" (উল্লাস এবং হাসি) ... তো, ভদ্রমহোদয়গণ, এটাই সেই মিতব্যয়িতা যা নিয়ে মি. গ্ল্যাডস্টোন এত গর্বিত।<br>
**নিউপোর্ট প্যাগনেলের সোয়ান হোটেলের ফার্মার্স অর্ডিনারিতে ভাষণ (৪ ফেব্রুয়ারি ১৮৭৪), <em>দ্য টাইমস</em>-এ উদ্ধৃত (৫ ফেব্রুয়ারি ১৮৭৪), পৃষ্ঠা ৫
* এই দেশের জনগণের শিক্ষার ওপর এই দেশের ভাগ্য নির্ভর করছে।<br>
** হাউস অব কমন্সে [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1874/jun/15/motion-for-a-select-committee ভাষণ] (১৫ জুন ১৮৭৪)
*আমাদের একটি ইম্পেরিয়াল পার্লামেন্ট এবং একটি লোকাল পার্লামেন্ট থাকা উচিত কি না, অথবা যেমনটি প্রস্তাব করা হয়েছে—এবং এটি সম্ভবত অনেক সমস্যার সমাধান হতে পারে, যদিও এটি আরও বড় সমস্যার দিকে নিয়ে যাবে—আমাদের একটি ইম্পেরিয়াল এবং তিনটি লোকাল পার্লামেন্ট থাকতে হবে কি না; একটি বিষয় খুব স্পষ্ট—আমাদের সমান ক্ষমতার প্রতিযোগী কর্তৃপক্ষ থাকবে। এবং আমরা দেখতে পাব যে রাষ্ট্রের কর্মকর্তারা সম্পূর্ণ ভিন্ন নীতিতে কাজ করছেন এবং একে অপরের প্রতি শত্রুভাবাপন্ন পরিস্থিতি তৈরি করছেন।<br>
**হাউস অব কমন্সে [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1874/jul/02/motion-for-a-committee-adjourned-debate#column_952 ভাষণ] (২ জুলাই ১৮৭৪)
*আমাকে বলতেই হবে যে আইরিশ জনগণের এই দৃঢ় সংকল্পের চেয়ে আমার কাছে আর কিছু বিস্ময়কর মনে হয় না যে, তারা পৃথিবীকে জানাতে চায় যে তারা একটি বিজিত জাতি। আমি সবসময় অবাক হয়েছি যে এমন মেধাবী, এত অনুভূতিশীল, এমন আকর্ষণীয় গুণাবলি সম্পন্ন একটি জাতি—আমি নিশ্চিত তারা আমাকে এই কথা বলার জন্য ক্ষমা করবেন; আমার মন্তব্যটি একটি সাধারণ মন্তব্য, ব্যক্তিগত নয়—কীভাবে আত্মসম্মানের এত অভাব থাকতে পারে। আমি অস্বীকার করি যে আইরিশ জনগণ বিজিত, যেমনটা তারা গর্ব করে আমাদের বলতে চায়; আমি অস্বীকার করি যে তাদের এই গর্বের কোনো ভিত্তি আছে... আমি অস্বীকার করি যে আইরিশরা এমন এক প্রাচীন জাতি, যারা সমস্ত প্রাচীন জাতির চেয়ে বেশি বিজিত হয়েছে। আমি অস্বীকার করি যে আইরিশরা ইংরেজদের চেয়ে বেশি, বা এমনকি তাদের সমান বিজিত হয়েছে। আপনি কখনো কোনো ইংরেজকে ঘুরে বেড়াতে এবং তার পরাধীনতার বড়াই করতে শুনবেন না। সে কখনো কখনো উইলিয়াম দ্য কনকারারের সাথে আসার বা বরং তার পূর্বপুরুষদের আসার বড়াই করে। আইরিশরা নরম্যানদের দ্বারা বিজিত হয়েছিল এবং আমরাও। আর আধুনিক সময়ে আমি অস্বীকার করব না যে অলিভার ক্রোমওয়েল আয়ারল্যান্ড জয় করেছিলেন, কিন্তু সেটি তিনি ইংল্যান্ড জয় করার পরেই করেছিলেন। উইলিয়াম থ্রি আয়ারল্যান্ড জয় করতে সফল হতেন না যদি তিনি আগে ইংল্যান্ড জয় না করতেন।<br>
**হাউস অব কমন্সে [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1874/jul/02/motion-for-a-committee-adjourned-debate#column_958 ভাষণ] (২ জুলাই ১৮৭৪)
*আমি এর বিরোধিতা করছি কারণ আমি চাই বিশ্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংকটে—এমন একটি সংকট যা হয়তো আমাদের কারও কারও ধারণার চেয়েও কাছাকাছি চলে এসেছে—একটি ঐক্যবদ্ধ জাতি হিসেবে সবাইকে এক মহান জাতীয়তায় আবদ্ধ দেখতে। এবং আমি অনুভব করি যে আমরা যদি এই নীতি অনুমোদন করি—যদি আমরা সংসদীয় বুক থেকে এই সমস্ত "বিপজ্জনক জিনিস" পরিষ্কার না করি—তবে আমরা রাজ্যের বিভাজন এবং সাম্রাজ্যের ধ্বংস ডেকে আনব। <br>
**আইরিশ হোম রুলের বিরুদ্ধে হাউস অব কমন্সে [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1874/jul/02/motion-for-a-committee-adjourned-debate#column_963 ভাষণ] (২ জুলাই ১৮৭৪)
* আমি সবসময় অনুভব করেছি যে সভ্যতার জন্য সর্বোত্তম সুরক্ষা হলো বাসস্থান। সঠিকভাবে নিযুক্ত এবং উপযোগী বাসস্থানের ওপর মানবজাতির উন্নতি অন্য যেকোনো কিছুর চেয়ে বেশি নির্ভরশীল। এ ধরনের বাসস্থান সব ঘরোয়া গুণের আঁতুড়ঘর। উপযোগী বাড়ি ছাড়া সেই গুণাবলির চর্চা অসম্ভব।<br>
** শ্যাফটসবার্গ পার্ক এস্টেট উদ্বোধনের সময় ভাষণ (১৮ জুলাই ১৮৭৪), <em>উইট অ্যান্ড উইজডম অব বেঞ্জামিন ডিসরেইলি, কালেক্টেড ফ্রম হিজ রাইটিংস অ্যান্ড স্পিচেস</em> (১৮৮১)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৩৮
*এই সংকটময় মুহূর্তে আপনার মহারানির কর্তৃত্ব এবং ক্ষমতার জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যে, খালটি ইংল্যান্ডের হওয়া উচিত।<br>
**রানি ভিক্টোরিয়াকে চিঠি (১৮ নভেম্বর ১৮৭৫), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের <em>দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরেইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২, ১৮৬০-১৮৮১</em> (১৯২৯)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৭৮৩
*এটি এইমাত্র নিষ্পত্তি হয়েছে: ম্যাডাম, আপনি এটি পেয়েছেন। ফরাসি সরকারকে কৌশলে হারানো হয়েছে।<br>
**সুয়েজ খাল নিয়ে রানি ভিক্টোরিয়াকে চিঠি (২৪ নভেম্বর ১৮৭৫), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের <em>দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরেইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২, ১৮৬০-১৮৮১</em> (১৯২৯)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৭৮৮
*আমাদের অফিসারদের ভারতের অধিবাসীদের সম্পর্কে কথা বলার অভ্যাসের চেয়ে জঘন্য আর কিছু নেই—যাদের অনেকেই মহান জাতি থেকে এসেছেন—তাদের "নিগ্রো" বলা হয়। এটি অজ্ঞতা এবং পাশবিকতা—এবং নিশ্চিতভাবেই খুব ক্ষতিকারক।<br>
**লর্ড সালিসবারিকে চিঠি (১৩ ডিসেম্বর ১৮৭৫), মাইকেল বেন্টলির <em>লর্ড স্যালিসবারি'স ওয়ার্ল্ড: কনজারভেটিভ এনভায়রনমেন্টস ইন লেট-ভিক্টোরিয়ান ব্রিটেন</em> (২০০১)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ২২৪, নোট ১০
*কেবলমাত্র পদবি বাড়ানোর মাধ্যমেই আপনি প্রায়শই জাতিগুলোর কল্পনাকে স্পর্শ করতে এবং সন্তুষ্ট করতে পারেন; এবং এটি এমন একটি উপাদান যা সরকারগুলোর অবজ্ঞা করা উচিত নয়।<br>
**রয়্যাল টাইটেলস অ্যাক্ট নিয়ে হাউস অব কমন্সে [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1876/mar/09/second-reading-1 ভাষণ], যা রানি ভিক্টোরিয়াকে "ভারতের সম্রাজ্ঞী" উপাধি দিয়েছিল (৯ মার্চ ১৮৭৬)
* আমি মৃত: মৃত, কিন্তু এলিসিয়ান ফিল্ডসে আছি।<br>
** হাউস অব লর্ডসে স্বাগত জানানোর পর লর্ড অ্যাবারডেয়ারকে করা মন্তব্য (১৮৭৬), স্ট্যানলি উইনট্রবের <em>ডিসরেইলি: আ বায়োগ্রাফি</em> (১৯৯৩)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৫৬৩
*ইউরোপের পূর্বাঞ্চলের ভাগ্য কী হতে পারে, তা নিয়ে জল্পনাকল্পনা করা আমার জন্য অহংকার হবে... তবে আমি নিশ্চিত যে, যতদিন ইংল্যান্ড এমন ইংরেজ দলগুলোর দ্বারা শাসিত হবে যারা আমাদের সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার ভিত্তিগুলো বোঝে এবং যারা সেই সাম্রাজ্য বজায় রাখতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, ততদিন বিশ্বের ওই অংশে আমাদের প্রভাবকে কখনোই উদাসীনতার সাথে দেখা যাবে না... বর্তমান পরিস্থিতি এমন যে, এর জন্য অত্যন্ত সতর্ক পর্যবেক্ষণ এবং সাবধানী ব্যবস্থাপনার প্রয়োজন। কিন্তু যারা মনে করে যে ইংল্যান্ড কখনো অন্ধ কুসংস্কার থেকে বা মানবতার সর্বোচ্চ আকাঙ্ক্ষার প্রতি সহানুভূতির অভাব থেকে তুরস্ককে সমর্থন করবে বা এই মুহূর্তে সমর্থন করছে, তারা প্রতারিত হচ্ছে। এই সংকটময় মুহূর্তে আমাদের কর্তব্য হলো ইংল্যান্ডের সাম্রাজ্য বজায় রাখা। আর আমরা এমন কোনো পদক্ষেপে কখনোই রাজি হব না, যা আমাদের সাম্রাজ্যের অস্তিত্বকে বিপন্ন করে, যদিও এটি সাময়িকভাবে আপেক্ষিক শান্তি ও মিথ্যা সমৃদ্ধি আনতে পারে।<br>
**হাউস অব কমন্সে [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1876/aug/11/turkey-the-alleged-atrocities-in ভাষণ] (১১ আগস্ট ১৮৭৬)
*এমন সময়ে বিপদ হলো স্বার্থান্বেষী রাজনীতিকরা এই ধরনের মহৎ আবেগের সুযোগ নিতে পারে এবং তাদের নিজেদের খারাপ উদ্দেশ্য পূরণের জন্য তা ব্যবহার করতে পারে। আমার মনে হয় না এমন কোনো ভাষা আছে যা এ ধরনের আচরণের যথেষ্ট কঠোর নিন্দা করতে পারে। যে ব্যক্তি এ ধরনের সময়ে নিজের ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের জন্য এমন জোরালো আবেগকে কাজে লাগায়, এমন কোনো পথের পরামর্শ দেয় যা সে জানে যে দেশের স্বার্থের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে এবং মানবজাতির কল্যাণের অনুকূল নয়, সে এমন একজন মানুষ যার আচরণের নিন্দা কোনো ভাষাতেই যথেষ্ট নয়। সে দেশপ্রেমের নীতিকে অপমান করে, যা স্বাধীন সম্প্রদায়ের মূল ভিত্তি। সে আরও বেশি কিছু করে—সে মানবতার সাধারণ কল্যাণকে সবচেয়ে ক্ষতিকারক উপায়ে প্রভাবিত করে। এই মুহূর্তে যদি কোনো মানুষ এ ধরনের আচরণ করে, তবে ইংল্যান্ডের জনগণের উচিত তার তীব্র নিন্দা করা; কারণ, এটি যে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ডেকে আনতে পারে, তা ন্যায্যভাবেই ওই বুলগেরীয় নৃশংসতার চেয়েও খারাপ বলে বর্ণনা করা যেতে পারে যা এখন সবার মনোযোগ কেড়েছে।<br>
**বুলগেরীয় নৃশংসতার বিরুদ্ধে গ্ল্যাডস্টোনের প্রচারণার ওপর; আইলেসবারিতে রয়্যাল অ্যান্ড সেন্ট্রাল বাকস অ্যাগ্রিকালচারাল অ্যাসোসিয়েশনের বার্ষিক সভায় ভাষণ (২০ সেপ্টেম্বর ১৮৭৬), <em>দ্য টাইমস</em>-এ উদ্ধৃত (২১ সেপ্টেম্বর ১৮৭৬), পৃষ্ঠা ৬
*আমি সংশোধনীতে যা দেখতে পাচ্ছি, তা কোনো মহান নীতির ঘোষণা নয়। আমি এই নীতিগুলোকে যতটা সম্মান করি, অন্য কেউ তা করে না। এর মূলে রয়েছে যেকোনো মূল্যে শান্তির নীতি, যা এ দেশের একটি নির্দিষ্ট দল সমর্থন করে। এটি একটি বিপজ্জনক মতবাদ, যা আমি বিশ্বাস করি এই মুহূর্তে আমার সামনের সারিতে থাকা লোকদেরও অনুপ্রাণিত করছে, যদিও তাদের অনেকেই হয়তো এটি সম্পর্কে অসচেতন। সেই ক্ষতিকর মতবাদটি এ দেশের মানুষকে সব রূপে তাড়া করে বেড়ায়। কখনো এটি একটি কমিটি; কখনো এটি একটি চিঠি; কখনো এটি ঠিকানার একটি সংশোধনী; কখনো এটি সরবরাহ বন্ধ করার একটি প্রস্তাব। এই শতাব্দীর মধ্যে যা কিছু ঘটেছে, তার মধ্যে এই মতবাদটি সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করেছে। এটি সবচেয়ে নিষ্ঠুর বিজেতাদের চেয়েও বেশি যুদ্ধের জন্ম দিয়েছে। এটি সেই রাজনৈতিক ভারসাম্যকে বিঘ্নিত করেছে এবং প্রায় ধ্বংস করে দিয়েছে, যা জাতিগুলোর স্বাধীনতা এবং বিশ্বের কল্যাণের জন্য খুব প্রয়োজনীয়। এটি কখনো কখনো ইংল্যান্ডের গৌরবকেও সাময়িকভাবে ম্লান করে দিয়েছে। এবং, আমার লর্ডস, আজ রাতে আপনাদের একটি সুযোগ রয়েছে, যা আমি আশা করি আপনারা হারাবেন না, এই মতামতগুলোকে, এই ক্ষতিকর মতবাদগুলোকে ইংল্যান্ডের সমকক্ষদের নিন্দার মাধ্যমে কলঙ্কিত করার।<br>
**হাউস অব লর্ডসে ভাষণ (১০ ডিসেম্বর ১৮৭৬), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের <em>দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরেইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২, ১৮৬০-১৮৮১</em> (১৯২৯)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১২৭৩
*বলা হয়েছে যে এ দেশের মানুষ [পূর্বাঞ্চলীয় প্রশ্নে] জড়িত মানবিক ও পরোপকারী বিষয়গুলোতে গভীরভাবে আগ্রহী। সবাই এ ধরনের অনুভূতির প্রশংসা করবে। কিন্তু আমি ভুল হতে পারি যদি এ দেশের মানুষের পক্ষ থেকে এর চেয়েও গভীর কোনো অনুভূতি না থাকে, যার প্রতি আমি সন্দেহ করতে পারি না যে আপনার লর্ডশিপরা সর্বদাই সহানুভূতিশীল হবেন। আর তা হলো—<strong>ইংল্যান্ডের সাম্রাজ্য বজায় রাখার সংকল্প।</strong><br>
**হাউস অব লর্ডসে ভাষণ (২০ ফেব্রুয়ারি ১৮৭৭), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের <em>দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরেইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২, ১৮৬০-১৮৮১</em> (১৯২৯)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৯৯৪
* জনগণের স্বাস্থ্যই হলো সেই ভিত্তি যার ওপর তাদের সব সুখ এবং একটি রাষ্ট্র হিসেবে তাদের সব ক্ষমতা নির্ভর করে।<br>
** ২৪ জুন ১৮৭৭-এর ভাষণ
*তাহলে সেই নীতি কী ছিল? এটি ছিল শর্তসাপেক্ষ নিরপেক্ষতার নীতি। পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে আমরা বিশ্বাস করিনি যে আসন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া ইংল্যান্ড বা তুরস্কের সম্মান বা স্বার্থের জন্য ভালো হবে; কিন্তু আমরা নিরপেক্ষতা পালনের জন্য জোর দিলেও, আমরা একই সাথে ঘোষণা করেছিলাম যে যদি ব্রিটিশ স্বার্থে আঘাত হানা হয় বা হুমকি দেওয়া হয়, তবে সেই নিরপেক্ষতা বজায় থাকবে না। মহাজাগতিক সমালোচকরা, যারা নিজের দেশ ছাড়া অন্য সব দেশের বন্ধু, তারা এই নীতিকে স্বার্থপর নীতি বলে নিন্দা করেছেন। আমার লর্ড মেয়র, এটি দেশপ্রেমের মতোই স্বার্থপর।<br>
**লন্ডনের গিল্ডহলে ভাষণ (৯ নভেম্বর ১৮৭৭), <em>দ্য টাইমস</em>-এ উদ্ধৃত (১০ নভেম্বর ১৮৭৭), পৃষ্ঠা ১০
*সব বিষয়ে তার মতামত বেশ মৌলিক। তবে তার মধ্যে কোনো জোরজবরদস্তি নেই, বৈপরীত্য তৈরির কোনো চেষ্টা নেই। তিনি সেভাবেই কথা বলেন যেভাবে মন্টাইন লেখেন। যখন তিনি সাইপ্রাস সম্পর্কে শুনলেন, তখন তিনি বললেন: "আপনারা একটি বুদ্ধিমানের কাজ করেছেন। এটিই প্রগতি। এটি জনপ্রিয় হবে; একটি জাতি প্রগতি পছন্দ করে।" প্রগতি সম্পর্কে তার ধারণা স্পষ্টতই কোনো কিছু দখল করা। তিনি বলেছিলেন যে তিনি আয়োনিয়ান দ্বীপপুঞ্জ ছেড়ে দেওয়াকে আমাদের পতনের প্রথম লক্ষণ হিসেবে দেখেছিলেন। সাইপ্রাস আমাদের আবারও সঠিক পথে নিয়ে এসেছে।<br>
**বার্লিনে অটো ফন বিসমার্কের সাথে তার সাক্ষাতের বিষয়ে রানি ভিক্টোরিয়াকে লেখা চিঠি (৫ জুলাই ১৮৭৮), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের <em>দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরেইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২, ১৮৬০-১৮৮১</em> (১৯২৯)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১২০৪
*আমরা একটি শান্তি নিয়ে এসেছি। এবং আমরা বিশ্বাস করি আমরা <strong>সম্মানের সাথে একটি শান্তি</strong> নিয়ে এসেছি। আর আমি বিশ্বাস করি যে এরপর দেশে সমৃদ্ধি আসবে।<br>
**বার্লিন কংগ্রেস থেকে আসার পর ইংল্যান্ডের ডোভারে ভাষণ (১৬ জুলাই ১৮৭৮), <em>দ্য টাইমস</em>-এ উদ্ধৃত (১৭ জুলাই ১৮৭৮), পৃষ্ঠা ৫
*লর্ড স্যালিসবারি এবং আমি আপনাদের জন্য শান্তি ফিরিয়ে এনেছি। তবে আমি আশা করি, এমন এক শান্তি যা সম্মানের সাথে আমাদের শাসককে সন্তুষ্ট করতে পারে এবং দেশের কল্যাণে সহায়ক হতে পারে।<br>
**ডোভার থেকে আসার পর ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের জানালা থেকে (১৬ জুলাই ১৮৭৮), 'রিটার্ন অব লর্ড বেকনসফিল্ড অ্যান্ড লর্ড স্যালিসবারি', <em>দ্য টাইমস</em> (১৭ জুলাই ১৮৭৮)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৫
*আপনি কাকে একটি পাগলাটে সম্মেলনে প্রবেশ করার সম্ভাবনা বেশি বলে মনে করেন? একদল ইংরেজ ভদ্রলোক যারা তাদের শাসকের অনুগ্রহ এবং তাদের সহকর্মীদের আস্থার দ্বারা সম্মানিত হয়ে পাঁচ বছর ধরে আপনাদের বিষয়গুলো পরিচালনা করছেন। আমি আশা করি দূরদর্শিতার সাথে এবং কোনো সাফল্য ছাড়াই নয়। নাকি <strong>একজন বাগ্মী ব্যক্তি, যিনি নিজের কথার অতিরিক্ত প্রবাহে নেশাগ্রস্ত এবং অহংকারী কল্পনায় এমনভাবে মগ্ন যে সব সময় তার বিরোধীকে হেয় করার এবং নিজেকে মহিমান্বিত করার জন্য অসংখ্য ও অসংগতিপূর্ণ যুক্তির ধারাবাহিকতা তৈরি করতে পারেন</strong>?<br>
**সাইপ্রাস চুক্তিকে একটি "পাগলাটে চুক্তি" বলার জন্য উইলিয়াম গ্ল্যাডস্টোনকে আক্রমণ করে নাইটসব্রিজে তাকে দেওয়া একটি ভোজসভায় ভাষণ (২৭ জুলাই ১৮৭৮), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের <em>দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরেইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২, ১৮৬০-১৮৮১</em> (১৯২৯)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১২২৮-৯
*অভিনন্দনমূলক আক্ষেপের একটি সিরিজ।<br>
** বার্লিন চুক্তির ওপর লর্ড হার্টিংটনের প্রস্তাব (৩০ জুলাই ১৮৭৮)
*বিশ্বের সরকার শাসক ও রাষ্ট্রনায়কদের দ্বারা পরিচালিত হয়, কোনো বেনামি অনুচ্ছেদ লেখক দ্বারা নয়, বা <strong>দায়িত্বহীন তুচ্ছ ব্যক্তিদের পাগলাটে বকবকানির দ্বারা নয়।</strong><br>
**লন্ডনের গিল্ডহলে ভাষণ (১০ নভেম্বর ১৮৭৮), <em>দ্য টাইমস</em>-এ উদ্ধৃত (১১ নভেম্বর ১৮৭৮), পৃষ্ঠা ১০
*আমাদের সম্প্রতি জানানো হয়েছে যে আমাদের পরিণতি জেনোয়া, ভেনিস এবং নেদারল্যান্ডসের মতো হবে। কিন্তু...ইংল্যান্ড এবং তাদের অবস্থার মধ্যে একটি বড় পার্থক্য রয়েছে... আমরা সমৃদ্ধির যুগগুলোতে ৩৪ মিলিয়ন মানুষের একটি জাতি তৈরি করেছি—এমন একটি জাতি যারা নাগরিক জীবনের দুটি সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ—ন্যায়বিচার এবং স্বাধীনতা দীর্ঘকাল ধরে উপভোগ করছে... এই চরিত্রের একটি জাতি তাদের সাম্রাজ্য ছেড়ে দেওয়ার চেয়ে তা তৈরি করতে বেশি সক্ষম। আর আমি আত্মবিশ্বাসী বোধ করি যদি ইংল্যান্ড নিজের প্রতি সত্য থাকে; যদি ইংরেজ জনগণ নিজেদের পূর্বপুরুষদের যোগ্য প্রমাণ করে; যদি তারা তাদের পূর্বপুরুষদের সাহস এবং সংকল্প এখনো ধারণ করে, তবে তাদের সম্মান কখনোই কলঙ্কিত হবে না এবং তাদের ক্ষমতা কখনোই কমবে না।<br>
**লন্ডনের গিল্ডহলে ভাষণ (১০ নভেম্বর ১৮৭৮), <em>দ্য টাইমস</em>-এ উদ্ধৃত (১১ নভেম্বর ১৮৭৮), পৃষ্ঠা ১০। উইলিয়াম গ্ল্যাডস্টোন <em>দ্য নর্থ আমেরিকান রিভিউ</em>-এ লিখেছিলেন: "কেবলমাত্র আমেরিকা আগামী দিনে আমাদের কাছ থেকে সেই বাণিজ্যিক শ্রেষ্ঠত্ব কেড়ে নিতে পারে, এবং সম্ভবত তা-ই করবে... ভেনিস, বা জেনোয়া, বা নেদারল্যান্ডস যেমন আমাদের বিরুদ্ধে কোনো অধিকার পায়নি, তেমনি তার বিরুদ্ধে আমাদেরও কোনো অধিকার নেই" ('কিন বিয়ন্ড সি', দ্য নর্থ আমেরিকান রিভিউ খণ্ড ১২৭, নং ২৬৪ (সেপ্টেম্বর - অক্টোবর, ১৮৭৮), পৃষ্ঠা ১৮০)
* জুলুরা খুব উল্লেখযোগ্য জাতি: তারা আমাদের সেনাপতিদের পরাস্ত করে, তারা আমাদের বিশপদের ধর্মান্তরিত করে, তারা একটি মহান ইউরোপীয় রাজবংশের ভাগ্য নির্ধারণ করেছে।<br>
** আফ্রিকায় বোনাপার্ট বংশের নেপোলিয়ন, প্রিন্স ইম্পেরিয়ালের মৃত্যুর খবর শোনার পর (১৮৭৯); জেমস অ্যান্থনি ফ্রুডের <em>লর্ড বেকনসফিল্ড</em> (১৮৯০)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ২১৩
*আমি মনে করি, কেউই অস্বীকার করতে পারবে না যে কৃষিখাতে বিষণ্ণতা খুব বেশি। যদিও আমি কষ্টের সময়গুলোর কথা মনে করতে পারি, তবে সেগুলোর কোনোটিই বর্তমানের সমতুল্য নয়... এতে কোনো সন্দেহ নেই যে বিদেশি প্রতিযোগিতা দেশের কৃষির ওপর একটি অত্যন্ত ক্ষতিকর প্রভাব ফেলেছে। তবে, দেশকে পুরোপুরি সতর্ক করা হয়েছিল যে, আমরা যদি আমাদের শিল্প ব্যবস্থায় একটি বড় বিপ্লব ঘটাই, তবে এটি হবে তার অন্যতম পরিণতি। আমি উল্লেখ করতে পারি যে আমাদের হাতে থাকা রিটার্নের সবচেয়ে বড় ফল হলো, বিদেশি কৃষিজাত পণ্যের বিপুল পরিমাণ আমদানি আমাদের জনগণের বর্ধিত চাহিদার চেয়ে অনেক বেশি হয়েছে, এবং এই কারণেই কম দাম বজায় রয়েছে... এটি অনেকাংশেই এই বিষণ্ণতার কারণ।<br>
** কৃষি বিষণ্ণতা নিয়ে হাউস অব লর্ডসে ভাষণ (২৮ মার্চ ১৮৭৯), <em>দ্য টাইমস</em> (২৯ মার্চ ১৮৭৯)-এ রিপোর্ট করা হয়েছে, পৃষ্ঠা ৮
*এটি অস্বীকার করা যায় না যে জাতীয় সমৃদ্ধির একটি বিশাল অবস্থা স্থানীয় শিল্পের সুরক্ষার পক্ষে আইন প্রণয়নের সাথে বেশ সামঞ্জস্যপূর্ণ। সেই প্রস্তাবটি বহু বছর আগে অস্বীকার করা হয়েছিল; কিন্তু ফ্রান্স এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের—সম্ভবত অস্তিত্ব থাকা দুটি সবচেয়ে সমৃদ্ধশালী সম্প্রদায়ের—যে অভিজ্ঞতা আমাদের রয়েছে, তার পরিপ্রেক্ষিতে এটি এখন প্রশ্নাতীত। আচ্ছা, আমার লর্ডস, বহু বছর আগে—প্রায় ৪০ বছর—এই দেশ, যাকে কেউ এক মুহূর্তের জন্যও বলতে পারবে না যে এটি সুরক্ষার পুরোনো ব্যবস্থার সাথে উন্নতি করেনি, তারা তাদের বাণিজ্য পরিচালনার নীতিগুলো সংশোধন করা প্রয়োজন বলে মনে করেছিল...যে প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়েছিল তা হলো—মুক্ত আমদানির মাধ্যমে আমাদের শত্রু শুল্কের সাথে লড়াই করতে হবে। আমি তাদের মধ্যে ছিলাম যারা এই নীতিটিকে ভয়ের চোখে দেখত। আমি বিশ্বাস করতাম যে এটি খুবই বিপজ্জনক।<br>
**কৃষি বিষণ্ণতা নিয়ে হাউস অব লর্ডসে ভাষণ (২৯ এপ্রিল ১৮৭৯), <em>দ্য টাইমস</em> (৩০ এপ্রিল ১৮৭৯)-এ রিপোর্ট করা হয়েছে, পৃষ্ঠা ৮
*পারস্পরিক আদানপ্রদান হলো বিনিময়। আমি সবসময় বুঝতাম যে বিনিময় সভ্যতার শেষ চেষ্টা। মানবীয় বিনিময়ের এই অবস্থাই সভ্যতাকে বর্বরতা থেকে আলাদা করেছে। আর পারস্পরিক আদানপ্রদান যদি কেবলই বিনিময় হয়, তবে আমি আশঙ্কা করি যে এটি আমাদের সংকট থেকে উদ্ধার করতে খুব একটা সাহায্য করবে না। ... ৪০ বছর আগের আমার কিছু পুরোনো কথার উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি যখন আমাকে উপহাস করেন, তখন আমাকে অবশ্যই তাকে মনে করিয়ে দিতে হবে যে, তখন আমাদের কাছে এমন কিছু উপাদান ছিল যার ভিত্তিতে পারস্পরিক আদানপ্রদানের চুক্তি নিয়ে আলোচনা করা যেত। সে সময় স্যার [[রবার্ট পিল|রবার্ট পিলের]] বড় পরিবর্তনগুলো ঘটলেও শুল্কতালিকায় ১৬৮টি পণ্য ছিল। সেগুলো ছিল এমন উপাদান যা দিয়ে আপনারা আলোচনা করতে পারতেন। যদি সেটি একটি বিজ্ঞ এবং কাঙ্ক্ষিত নীতি হতো, তবে পারস্পরিক আদানপ্রদানের বাণিজ্যিক চুক্তি হতে পারত। আপনাদের শুল্কতালিকায় এখন কতগুলো পণ্য আছে? বাইশটি। যারা পারস্পরিক আদানপ্রদানের চুক্তির আলোচনার কথা বলেন... তাদের কাছে কি সেই চুক্তির আলোচনার জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান আছে? আপনারা সুযোগটি হারিয়েছেন। আমি এই মুহূর্তে তর্কে জড়াতে চাই না। তবে ইংল্যান্ড এই নীতি অনুসরণ করতে পারে না।
** কৃষি মন্দা নিয়ে হাউস অফ লর্ডসে দেওয়া ভাষণ (২৯ এপ্রিল ১৮৭৯), ''দ্য টাইমস''এ প্রকাশিত (৩০ এপ্রিল ১৮৭৯), পৃ. ৮
*শান্তি বজায় থাকবে বলে ধরে নেওয়ার পাশাপাশি আমি আরও ধরে নিচ্ছি যে কোনো পরাশক্তি তার দায়িত্ব থেকে পিছপা হবে না। উদাহরণস্বরূপ, যদি বিশ্বে এমন কোনো দেশ থাকে যা অন্যতম বিশাল ও ধনী সাম্রাজ্য এবং সেই দেশ যদি তার বিচ্ছিন্ন ভৌগোলিক অবস্থানের ভুল ব্যাখ্যার কারণে মহাদেশীয় ইউরোপের অনুভূতি ও ভাগ্যের প্রতি উদাসীন থাকে, তবে আমার বিশ্বাস এমন পদক্ষেপ শেষ পর্যন্ত তাকে কেবল সাধারণ লুণ্ঠনের বস্তুতে পরিণত করবে। আমার বিশ্বাস, যতদিন ইউরোপের পরিষদগুলোতে ইংল্যান্ডের ক্ষমতা ও পরামর্শ অনুভূত হবে, ততদিন শান্তি বজায় থাকবে। আর এই শান্তি দীর্ঘ সময়ের জন্য বজায় থাকবে। তাদের উপস্থিতি ছাড়া যুদ্ধ অনিবার্য বলে আমার মনে হয়, যেমনটি আগেও ঘটেছে এবং সম্প্রতি খুব ঘন ঘন ঘটেছে। আমি লন্ডনের নাগরিকদের কাছে আত্মবিশ্বাসের সাথে এই বিষয়ে কথা বলছি। কারণ আমি জানি তারা এমন মানুষ যারা তাদের পূর্বপুরুষদের গড়া সাম্রাজ্য নিয়ে লজ্জিত নয়। কারণ আমি জানি তারা মানবতাবাদের অন্যতম মহৎ অনুভূতি নিয়ে লজ্জিত নয়, যা এখন দার্শনিকদের দ্বারা নিন্দিত। সেই অনুভূতি হলো [[দেশপ্রেম]]। কারণ আমি জানি তারা এমন বিশ্বাসে প্রতারিত হবে না যে তাদের সাম্রাজ্য বজায় রাখতে গিয়ে তারা তাদের স্বাধীনতা হারাতে পারে। রোমের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিকে যখন জিজ্ঞেস করা হয়েছিল তার রাজনীতি কী, তখন তিনি উত্তর দিয়েছিলেন, ''ইম্পেরিয়াম এট লিবারটাস'' (সাম্রাজ্য এবং স্বাধীনতা)। এটি কোনো ব্রিটিশ মন্ত্রণালয়ের জন্য খারাপ কর্মসূচি হবে না। এটি এমন একটি কর্মসূচি যা থেকে মহারানির উপদেষ্টারা পিছপা হন না।
** [[w:গিল্ডহল, লন্ডন|গিল্ডহল, লন্ডন]]এ দেওয়া ভাষণ (৯ নভেম্বর ১৮৭৯), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকল, ''দ্য লাইফ অফ বেঞ্জামিন ডিসরেলি, আর্ল অফ বিকন্সফিল্ড'', খণ্ড ২ (১৯২৯), পৃ. ১৩৬৬-১৩৬৭এ উদ্ধৃত।
====''[[w:লোথেয়ার (উপন্যাস)|লোথেয়ার]]'' (১৮৭০)====
* রাজাদের ঐশ্বরিক অধিকার হয়তো দুর্বল স্বৈরশাসকদের জন্য একটি অজুহাত ছিল। কিন্তু সরকারের ঐশ্বরিক অধিকার মানব প্রগতির মূলভিত্তি। এটি ছাড়া সরকার পুলিশে পরিণত হয় এবং একটি জাতি জনতায় অধঃপতিত হয়।
** ভূমিকা।
* লন্ডন হলো প্রতিটি পাখির জন্য একটি আশ্রয়স্থল।
** অধ্যায় ১১।
* '''গণতন্ত্র যাদেরকে রাজনীতিবিদে পরিণত করে পদাবনতি ঘটিয়েছে, সেইসব রাষ্ট্রনায়কদের নিয়ে বিশ্ব ক্লান্ত।'''
** অধ্যায় ১৭।
* বিজ্ঞানের সাধনা কেবল অমীমাংসিত বিষয়ের দিকে নিয়ে যায়।
** অধ্যায় ১৭।
* যখন একজন মানুষ তার অতীতের গল্প বলার বয়সে পৌঁছায়, তখন সেটি তার অবসরে যাওয়ার সংকেত।
** অধ্যায় ২৮।
* বই মারাত্মক। এগুলো মানবজাতির জন্য অভিশাপ। বিদ্যমান বইগুলোর দশভাগের নয়ভাগই আজেবাজে কথা। আর বুদ্ধিদীপ্ত বইগুলো হলো সেই আজেবাজে কথার খণ্ডন। মানুষের সবচেয়ে বড় দুর্ভাগ্য হলো মুদ্রণযন্ত্রের আবিষ্কার।
** অধ্যায় ২৯।
* আমি সবসময় ভেবেছি যে প্রতিটি নারীর বিয়ে করা উচিত, কিন্তু কোনো পুরুষের নয়।
** অধ্যায় ৩০।
* '''আপনি কি জানেন সমালোচক কারা? তারা হলো সেইসব মানুষ যারা সাহিত্য ও শিল্পে ব্যর্থ হয়েছে।'''
** অধ্যায় ৩৫। তুলনা করুন: "পর্যালোচকরা সাধারণত এমন লোক যারা সুযোগ পেলে কবি, ইতিহাসবিদ বা জীবনীকার হতে পারত। তারা এক বা অন্য ক্ষেত্রে তাদের মেধা প্রমাণের চেষ্টা করেছে এবং ব্যর্থ হয়েছে। তাই তারা সমালোচকে পরিণত হয়", [[স্যামুয়েল টেলর কোলরিজ]], ''লেকচারস অন শেক্সপিয়ার অ্যান্ড মিলটন'', পৃ. ৩৬। ১৮১১-১৮১২ সালে প্রদত্ত। "কিছু বিরল ব্যতিক্রম ছাড়া পর্যালোচকরা অত্যন্ত বোকা এবং ক্ষতিকারক প্রকৃতির হয়। একজন দেউলিয়া চোর যেমন হতাশায় চোর-ধরায় পরিণত হয়, তেমনি একজন ব্যর্থ লেখক সমালোচকে পরিণত হয়", [[পার্সি বিশি শেলি]], ''ফ্র্যাগমেন্টস অফ অ্যাডোনেইস''।
* '''হিউগো বোহুন বলেছিলেন, "একজন সম্মত হওয়ার মতো ব্যক্তি সম্পর্কে আমার ধারণা হলো এমন একজন ব্যক্তি যিনি আমার সাথে একমত হন।"'''
** অধ্যায় ৩৫।
* আপনি না থাকলে আমাদের প্রথম পরিচয়ের সময় আমি যেমন ছিলাম তেমনই থেকে যেতাম। আমি থাকতাম একজন কুসংস্কারাচ্ছন্ন ও সংকীর্ণমনা সত্তা, যার সহানুভূতি ছিল সীমাবদ্ধ এবং জ্ঞান ছিল ভ্রান্ত। আমি সেকেলে তুচ্ছ বিষয়ে আমার জীবন নষ্ট করতাম এবং পরিবর্তন ও প্রগতির এই বিস্ময়কর যুগে বেঁচে থাকার সুযোগ সম্পর্কে সম্পূর্ণ উদাসীন থাকতাম।
** অধ্যায় ৪৯।
* কাজ সবসময় সুখ বয়ে আনতে নাও পারে, তবে কাজ ছাড়া কোনো সুখ নেই।
===১৮৮০-এর দশক===
*একটি বিপদ, যা তার চূড়ান্ত ফলাফলে মহামারী এবং দুর্ভিক্ষের চেয়ে খুব একটা কম বিপর্যয়কর নয়, সেই দেশকে (আয়ারল্যান্ড) বিভ্রান্ত করছে। এর জনসংখ্যার একটি অংশ সেই সাংবিধানিক বন্ধন ছিন্ন করার চেষ্টা করছে যা একে গ্রেট ব্রিটেনের সাথে যুক্ত করেছে। এই বন্ধন উভয় দেশের ক্ষমতা ও সমৃদ্ধির অনুকূলে কাজ করেছে। আশা করা যায় যে আলো ও নেতৃত্বের অধিকারী সকল মানুষ এই ধ্বংসাত্মক মতবাদকে প্রতিহত করবেন। এই জাতির শক্তি সেই অনুভূতির ঐক্যের ওপর নির্ভরশীল যা সমগ্র যুক্তরাজ্য এবং এর বিস্তৃত উপনিবেশগুলোর মধ্যে ছড়িয়ে থাকা উচিত।
**[[w:১৮৮০ যুক্তরাজ্যের সাধারণ নির্বাচন|নির্বাচনী]] ভাষণ। আয়ারল্যান্ডের লর্ড লেফটেন্যান্ট [[w:জন স্পেন্সার-চার্চিল, মার্লবোরোর ৭ম ডিউক|মার্লবোরোর ডিউকের]] কাছে লেখা চিঠি (৮ মার্চ ১৮৮০), ''দ্য টাইমস'' (৯ মার্চ ১৮৮০), পৃ. ৮এ উদ্ধৃত।
*এমন অনেকেই আছেন যারা এই রাজ্যের সাম্রাজ্যিক চরিত্রের যৌক্তিকতাকে চ্যালেঞ্জ করেন। তারা পচনের নীতির মাধ্যমে আমাদের উপনিবেশগুলোকে দুর্বল করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছেন। তারা হয়তো এখন যুক্তরাজ্যের ভাঙনের মধ্যে এমন একটি উপায় দেখতে পাচ্ছেন যা কেবল তাদের উদ্দেশ্য সাধনই করবে না, বরং তা ত্বরান্বিত করবে। সংসদের আসন্ন বিলুপ্তি জাতিকে এমন একটি গতিপথ বেছে নেওয়ার সুযোগ দেবে যা এর ভাগ্যকে গভীরভাবে প্রভাবিত করবে এবং এর নিয়তি নির্ধারণ করবে। এই শতাব্দীতে এমন সংকটপূর্ণ মুহূর্ত খুব কমই এসেছে। ইংল্যান্ডের ক্ষমতা এবং ইউরোপের শান্তি অনেকাংশেই দেশের এই রায়ের ওপর নির্ভর করবে।
**[[w:১৮৮০ যুক্তরাজ্যের সাধারণ নির্বাচন|নির্বাচনী]] ভাষণ। আয়ারল্যান্ডের লর্ড লেফটেন্যান্ট মার্লবোরোর ডিউকের কাছে লেখা চিঠি (৮ মার্চ ১৮৮০), ''দ্য টাইমস'' (৯ মার্চ ১৮৮০), পৃ. ৮এ উদ্ধৃত।
*মহারানির বর্তমান মন্ত্রীরা এযাবৎ সেই শান্তি নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছেন, যা সমস্ত সভ্য দেশের কল্যাণের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় এবং আমাদের নিজেদের স্বার্থের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু অহস্তক্ষেপের নিষ্ক্রিয় নীতির মাধ্যমে এই অবর্ণনীয় আশীর্বাদ লাভ করা সম্ভব নয়। ইউরোপের পরিষদগুলোতে ইংল্যান্ডের উপস্থিতির ওপর শান্তি নির্ভর করে, আধিপত্যের কথা না হয় বাদই দিলাম। আশা করি নির্বাচন ওয়েস্টমিনস্টারে এমন একটি সংসদ ফিরিয়ে আনবে যা ইংল্যান্ডের ক্ষমতার অযোগ্য নয় এবং তা বজায় রাখতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ!
**[[w:১৮৮০ যুক্তরাজ্যের সাধারণ নির্বাচন|নির্বাচনী]] ভাষণ। আয়ারল্যান্ডের লর্ড লেফটেন্যান্ট [[w:জন স্পেন্সার-চার্চিল, মার্লবোরোর ৭ম ডিউক|মার্লবোরোর ডিউকের]] কাছে লেখা চিঠি (৮ মার্চ ১৮৮০), ''দ্য টাইমস'' (৯ মার্চ ১৮৮০), পৃ. ৮এ উদ্ধৃত।
*[[w:চার্লস ব্র্যাডল|ব্র্যাডল]] সবচেয়ে বেশি শোরগোল করেন, তবে [[w:ক্ষতিপূরণ আইন (বিক্ষোভ)|আইরিশ উচ্ছেদ বিল]] অনেক বেশি গুরুতর বিষয়। যদি উচ্ছেদ আইন পাস হয়, তবে আর বেশি মৌসুম বাকি থাকবে না। এটি একটি বৈপ্লবিক যুগ এবং সম্ভাবনা রয়েছে যে, এমনকি আপনি এবং আমি হয়তো দুর্দান্ত লন্ডন মৌসুমের চূড়ান্ত বিলুপ্তি দেখে যেতে পারি, যা ছিল আমাদের যৌবনের বিস্ময় ও প্রশংসার বস্তু।
**লেডি চেস্টারফিল্ডের কাছে চিঠি (২৭ জুন ১৮৮০), মার্কুইস অফ জেটল্যান্ড (সম্পাদিত), ''দ্য লেটারস অফ ডিসরেলি টু লেডি ব্র্যাডফোর্ড অ্যান্ড লেডি চেস্টারফিল্ড। খণ্ড ২, ১৮৭৬ থেকে ১৮৮১'' (১৯২৯), পৃ. ২৭৯এ উদ্ধৃত।
*এখানে সবকিছুই অন্ধকার। একের পর এক ঝড় আমাদের সমস্ত আশাকে ধ্বংস করে দিয়েছে যা প্রতিশ্রুতিতে পূর্ণ ছিল। একটি প্রচুর খড়ের ফসল পানিতে তলিয়ে গেছে এবং কৃষকদের বছরের পর বছর ধরে পাওয়া সেরা গম মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে। এটি একটি বিজিত দেশের মতো ধ্বংস ও তাণ্ডবের দৃশ্য। এটি সেই তিক্ত পেয়ালার শেষ বিন্দু যা জমির মালিক শ্রেণিকে গিলতে হবে। রাজনীতির কথা বললে, গ্ল্যাডস্টোন আবহাওয়ার মতোই অভিজাতদের জন্য মারাত্মক হবেন। আর তিনি যদি আরও তরুণ হতেন, তবে রাজমুকুটও নিরাপদ থাকত কাটত না।
**লেডি চেস্টারফিল্ডের কাছে চিঠি (১৯ জুলাই ১৮৮০), মার্কুইস অফ জেটল্যান্ড (সম্পাদিত), ''দ্য লেটারস অফ ডিসরেলি টু লেডি ব্র্যাডফোর্ড অ্যান্ড লেডি চেস্টারফিল্ড। খণ্ড ২, ১৮৭৬ থেকে ১৮৮১'' (১৯২৯), পৃ. ২৮২এ উদ্ধৃত।
*বর্তমান পরিস্থিতি আমাকে কাঁপিয়ে তোলে। পুরোনো ইংল্যান্ড যেন টুকরো টুকরো হয়ে যাচ্ছে। আমার বিশ্বাস, আগামীকাল যদি কোনো বিদেশি শক্তি কনস্টান্টিনোপল দখল করে নেয়, তবে আমরা এক পাও নড়ব না। আমরা কি পারতাম? আয়ারল্যান্ডে বিপ্লব চলছে, দক্ষিণ আফ্রিকায় বিদ্রোহ এবং ইংল্যান্ডের র্যাডিক্যাল ও জ্যাকোবিনরা রাষ্ট্রের মেরুদণ্ডস্বরূপ জমির মালিক শ্রেণিকে ধ্বংস করতে এতটাই বদ্ধপরিকর যে, বাইরের বিপদ ও অপমানের দিকে নজর দেওয়ার মতো শক্তি কারও নেই। আমি কখনোই ভাবিনি যে আমার সময়ে এমন দিন আসতে পারে!
**লেডি চেস্টারফিল্ডের কাছে চিঠি (২২ ডিসেম্বর ১৮৮০), মার্কুইস অফ জেটল্যান্ড (সম্পাদিত), ''দ্য লেটারস অফ ডিসরেলি টু লেডি ব্র্যাডফোর্ড অ্যান্ড লেডি চেস্টারফিল্ড। খণ্ড ২, ১৮৭৬ থেকে ১৮৮১'' (১৯২৯), পৃ. ৩০৪-৩০৫এ উদ্ধৃত।
*আমি প্রতিদিন চিঠি পাই যেখানে আমাকে একটি ইশতেহার লিখতে এবং একটি ভাষণ দিতে বলা হয়। তারা বলে যে আমিই একমাত্র ব্যক্তি যে এটি কার্যকরভাবে করতে পারে। আরও অনেক কিছু। আমি কেন করব? আমি সাধারণ নির্বাচনের আগে দেশবাসীকে আয়ারল্যান্ড সম্পর্কে সতর্ক করেছিলাম। আমি তাদের সতর্ক থাকতে বলেছিলাম, নইলে সেখানে এমন কিছু ঘটবে যা "দুর্ভিক্ষ বা মহামারীর চেয়েও খারাপ" হবে। সেটাই ঘটেছে। আর তারপর থেকে আয়ারল্যান্ডের বিপ্লবের পর ইংল্যান্ড, ওয়েলস এবং স্কটল্যান্ডে নির্বাচন হয়েছে। তারা সেই নির্বুদ্ধিতা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার নীতিকে সমর্থন করেছে যা এই সমস্ত বিপর্যয় ডেকে এনেছে।
**লেডি চেস্টারফিল্ডের কাছে চিঠি (২২ ডিসেম্বর ১৮৮০), মার্কুইস অফ জেটল্যান্ড (সম্পাদিত), ''দ্য লেটারস অফ ডিসরেলি টু লেডি ব্র্যাডফোর্ড অ্যান্ড লেডি চেস্টারফিল্ড। খণ্ড ২, ১৮৭৬ থেকে ১৮৮১'' (১৯২৯), পৃ. ৩০৫এ উদ্ধৃত।
*এখন আমাকে বলতেই হবে যে কোনো কিছুই আমাকে [[w:থ্রি এফ|৩ এফ]] সমর্থন করতে প্ররোচিত করবে না। এটি সম্পূর্ণ বাজে কথা। একটি দীর্ঘ সংসদীয় জীবনে এবং আমি সংসদে আসার অনেক আগে থেকেই গভীরভাবে বিশ্বাস করতাম যে, এই দেশের মহত্ত্ব ও চরিত্র আমাদের ভূমিস্বত্ব ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। বাকি সবগুলোকে আমি অগুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করি এবং সবসময় তাই মনে করেছি। আমার আশঙ্কা, সুযোগ হাতছাড়া হয়ে গেছে। আমি যে কক্ষে এখন বসে আছি, সেখানে আমি আনুষ্ঠানিকভাবে এবং এমনকি গম্ভীরভাবে সতর্ক করেছিলাম যে এই দেশের ভূমি ব্যবস্থা বিপ্লবী দলের দ্বারা আক্রান্ত এবং অধিকৃত হবে।
**লর্ড স্যালিসবারির কাছে চিঠি (২৭ ডিসেম্বর ১৮৮০), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকল, ''দ্য লাইফ অফ বেঞ্জামিন ডিসরেলি, আর্ল অফ বিকন্সফিল্ড। খণ্ড ২। ১৮৬০-১৮৮১'' (১৯২৯), পৃ. ১৪৬৮এ উদ্ধৃত।
*মাই লর্ডস, ভারতের চাবিকাঠি মার্ভ, হেরাত বা কান্দাহার নয়। '''ভারতের চাবিকাঠি হলো লন্ডন।''' সার্বভৌমত্বের মহিমা, আপনাদের সংসদের চেতনা ও প্রাণশক্তি এবং একটি স্বাধীন, উদ্ভাবনী ও দৃঢ়প্রতিজ্ঞ জনগণের অফুরন্ত সম্পদ। এগুলোই ভারতের চাবিকাঠি।
**হাউস অফ লর্ডসে [https://api.parliament.uk/historic-hansard/lords/1881/mar/04/candahar-resolution ভাষণ] (৪ মার্চ ১৮৮১)।
*এটি পরিবর্তন করার জন্য একটি অত্যন্ত কঠিন দেশ, মি. হাইন্ডম্যান। সত্যিই খুব কঠিন দেশ। এখানে সাফল্যের চেয়ে হতাশার আশঙ্কাই বেশি।
**তার মৃত্যুর কয়েক সপ্তাহ আগে [[w:হেনরি হাইন্ডম্যান|হেনরি হাইন্ডম্যানের]] প্রতি মন্তব্য (মার্চ ১৮৮১ সালের দিকে), এইচ. এম. হাইন্ডম্যান, ''দ্য রেকর্ড অফ অ্যান অ্যাডভেঞ্চারাস লাইফ'' (১৯১১), পৃ. ২৪৪-২৪৫এ উদ্ধৃত।
* আমি ভুল ব্যাকরণ বলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে স্মরণীয় হতে চাই না।
** সংসদে তার শেষ ভাষণের (৩১ মার্চ ১৮৮১) [[w:হ্যানসার্ড|হ্যানসার্ড]] প্রমাণপত্র সংশোধন করার সময়, তার মৃত্যুর কিছু আগে। ''হার্পারস'', খণ্ড ৬৩ (১৮৮১)এ উদ্ধৃত। উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের ''দ্য লাইফ অফ বেঞ্জামিন ডিসরেলি, আর্ল অফ বিকন্সফিল্ড'', খণ্ড ১ (১৯২৯)এ উদ্ধৃতিটি "আমি ভুল ব্যাকরণ বলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে স্মরণীয় হব না" হিসেবে দেওয়া হয়েছে।
==== ''[[w:এন্ডিমিয়ন (উপন্যাস)|এন্ডিমিয়ন]]'' (১৮৮০) ====
* কিছুই ঘটছে না, তবে সবাই কোনো না কোনো কিছু নিয়ে ভয় পাচ্ছে।
** অধ্যায় ২।
* '''হতাশা কখনও কখনও প্রতিভার মতোই একটি শক্তিশালী অনুপ্রেরণাদাতা।'''
** অধ্যায় ৮।
* তার খ্রিষ্টধর্ম ছিল বলিষ্ঠ।
** অধ্যায় ১৪।
* "কিন্তু তারা তাদের সম্পদের যোগ্য," তিনি যোগ করলেন, "কেউ তাদের প্রতি ঈর্ষা করে না। আমি ঘোষণা করছি, যখন আমি সেই ট্রাফল খাচ্ছিলাম, তখন আমি আমার হৃদয়ে এক ধরনের উষ্ণতা অনুভব করেছি যা বদহজম না হলে আমার মনে হয় অবশ্যই কৃতজ্ঞতা হবে। যদিও এটি এমন একটি বিষয় যা আমি বিশ্বাস করতাম না।"
** অধ্যায় ২৩।
* আমি দীর্ঘ ধ্যানের মাধ্যমে নিজেকে এই বিশ্বাসে নিয়ে এসেছি যে, একটি স্থির উদ্দেশ্য নিয়ে একজন মানুষ অবশ্যই তা অর্জন করতে পারে। এবং এমন কোনো কিছুই একটি ইচ্ছাশক্তিকে প্রতিহত করতে পারে না যা তার পূরণের জন্য নিজের অস্তিত্বকেও বাজি রাখে।
** অধ্যায় ২৬।
* আপনাকে নিয়ে যত বেশি আলোচনা হবে, আপনি তত কম ক্ষমতাশালী হবেন।
** অধ্যায় ৩৬।
* একটি সাধারণ নিয়ম হিসেবে জীবনের সবচেয়ে সফল মানুষ হলেন সেই ব্যক্তি যার কাছে সেরা তথ্য রয়েছে।
** অধ্যায় ৩৬।
* কুয়াশাচ্ছন্ন এবং একটি শক্তিশালী মধ্যবিত্ত শ্রেণি সম্পন্ন একটি বিচ্ছিন্ন দেশের জন্য গম্ভীর রাষ্ট্রনায়ক প্রয়োজন।
** অধ্যায় ৩৭।
* অ্যাথানাসিয়ান মতবাদ হলো মানুষের প্রতিভা দ্বারা উৎসারিত সবচেয়ে চমৎকার ধর্মীয় গীতিকবিতা।
** অধ্যায় ৫২।
* প্রতিকূলতার মতো কোনো শিক্ষা নেই।
** অধ্যায় ৬১।
* কৌশল ছাড়া আপনি কিছুই শিখতে পারবেন না।
** অধ্যায় ৬১।
* আমাদের সংখ্যাগরিষ্ঠতার বিষয়ে বললে... একজনই যথেষ্ট।
** অধ্যায় ৬৪।
* পৃথিবী একটি চাকা এবং সবকিছুই সঠিক পথে ফিরে আসবে।
** অধ্যায় ৭০।
* ক্ষমতার অধিকার ও বণ্টনই হলো প্রকৃত রাজনীতি।
** অধ্যায় ৭১।
* '''ওয়ালডেনশেয়ার বললেন, "সে বিষয়ে বলতে গেলে, বুদ্ধিমান মানুষেরা সবাই একই ধর্মের অনুসারী।" <br> যুবরাজ জিজ্ঞেস করলেন, "দয়া করে বলবেন, সেটি কী?" <br> "বুদ্ধিমান মানুষেরা তা কখনো বলেন না।"'''
** অধ্যায় ৮১। স্যার অ্যান্থনি অ্যাশলি কুপার (১৬২১-১৬৮৩) সম্পর্কে একটি গল্প প্রচলিত আছে। তিনি ধর্ম প্রসঙ্গে বলেছিলেন, "এই বিষয়গুলো নিয়ে মানুষের কথা ও বিশ্বাসে ভিন্নতা রয়েছে। তবে বুদ্ধিমান মানুষেরা আসলে এক ধর্মেরই অনুসারী।" "কী ধর্ম?" এমন প্রশ্নের উত্তরে আর্ল বলেছিলেন, "বুদ্ধিমান মানুষেরা তা কখনো বলেন না।" বার্নেটের ''হিস্ট্রি অফ মাই ওন টাইমস'', খণ্ড ১, পৃ. ১৭৫, টীকা (১৮৩৩ সংস্করণ)এ বর্ণিত।
* রাজনীতির মতো কোনো জুয়া নেই।
** অধ্যায় ৮২।
* আপনি যদি খুব চতুর না হন, তবে আপনার আপসকারী হওয়া উচিত।
** অধ্যায় ৮৫।
* তিন শতাংশের মিষ্টি সারল্য।
** অধ্যায় ৯৬। তুলনা করুন: "তিন শতাংশের মার্জিত সারল্য", [[লর্ড স্টোয়েল|লর্ড স্টোয়েলের]], ''লাইভস অফ দ্য লর্ড চ্যান্সেলরস'' (ক্যাম্পবেল), খণ্ড ১০, অধ্যায় ২১২।
==তথ্যসূত্রযুক্ত কিন্তু তারিখবিহীন==
* আপনার বয়স বাড়ার সাথে সাথে আপনি দেখতে পাবেন যে জননেতাদের মধ্যে সাহসিকতা পাওয়া সবচেয়ে বিরল গুণ।
** গোয়েন্ডোলেন সেসিলের ''লাইফ অফ রবার্ট মার্কুইস অফ স্যালিসবারি: ১৮৬৮-১৮৮০'', খণ্ড ২ (১৯২১), পৃ. ২০৫এ উদ্ধৃত।
* মিস স্যান্ডস আমাকে বলেছিলেন যে রানি ভিক্টোরিয়া, যিনি পরবর্তীকালে ডিসরেলির প্রতি মুগ্ধ হয়েছিলেন, একদিন তাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন তার আসল ধর্ম কী। তিনি উত্তর দিয়েছিলেন, "ম্যাডাম, '''আমি ওল্ড টেস্টামেন্ট এবং নিউ টেস্টামেন্টের মাঝখানের ফাঁকা পৃষ্ঠাটি।"'''
** হার্বার্ট হেনরি অ্যাসকুইথের ''লেটারস অফ দ্য আর্ল অফ অক্সফোর্ড অ্যান্ড অ্যাসকুইথ টু আ ফ্রেন্ড'', খণ্ড ২ (১৯৩৩), পৃ. ৯৪এ উদ্ধৃত।
* আমরা দেবতাদের সন্তান। আমরা যখন নিজেদেরকে পরিস্থিতির প্রভু মনে করি, তখনই আমরা এর সবচেয়ে বড় দাসে পরিণত হই। জীবনের এই চমকপ্রদ প্রহসনে এরপর কী ঘটতে পারে তা কেবল নিয়তিই জানে।
** রোসিনা বুলওয়ার লিটনের কাছে লেখা তারিখবিহীন চিঠি, আন্দ্রে মরোয়ার ''ডিসরেলি: আ পিকচার অফ দ্য ভিক্টোরিয়ান এজ'' (১৯২৭), পৃ. ১১৪এ উদ্ধৃত।
* '''মজার হোন। কখনও নিষ্ঠুর গল্প বলবেন না। সর্বোপরি কখনও দীর্ঘ গল্প বলবেন না।'''
** সংসদ সদস্যের এক তরুণ ছেলেকে উপদেশ দেওয়ার অনুরোধের প্রেক্ষিতে। উইলফ্রিড মেনেলের ''বেঞ্জামিন ডিসরেলি: অ্যান আনকনভেনশনাল বায়োগ্রাফি'' (১৯০৩), পৃ. ৮৩এ উদ্ধৃত।
* তিনি [[w:রেজিনাল্ড ব্রেট, ২য় ভিসকাউন্ট এশার|লর্ড এশার]]কে বলেছিলেন যে, [[যুক্তরাজ্যের ভিক্টোরিয়া|রানি]]র সাথে কথা বলার সময় তিনি একটি সহজ নিয়ম মেনে চলতেন: "আমি কখনও অস্বীকার করি না। আমি কখনও বিরোধিতা করি না। আমি মাঝে মাঝে ভুলে যাই।"
** উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের ''দ্য লাইফ অফ বেঞ্জামিন ডিসরেলি, আর্ল অফ বিকন্সফিল্ড'', খণ্ড ৬ (১৯২০), পৃ. ৪৬৩ এবং হেনরি ডব্লিউ. লুসির ''মেমোরিজ অফ এইট পার্লামেন্টস'' (১৯০৮), পৃ. ৬৬এ উদ্ধৃত।
* যদি গ্ল্যাডস্টোন টেমস নদীতে পড়ে যান, তবে তা একটি দুর্ভাগ্য হবে। আর যদি কেউ তাকে টেনে তোলে, তবে আমার মনে হয় সেটি একটি বিপর্যয় হবে।
** এক ব্যক্তি ডিসরেলিকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, "দুর্ভাগ্য এবং বিপর্যয়ের মধ্যে পার্থক্য কী?" তার উত্তরে তিনি এটি বলেছিলেন। উইলফ্রিড মেনেলের বেঞ্জামিন ডিসরেলি: অ্যান আনকনভেনশনাল বায়োগ্রাফি (১৯০৩), পৃ. ১৪৬এ উদ্ধৃত।
* কোনো পুরুষ বিয়ে করার আগে পর্যন্ত হাউস অফ কমন্সে নিয়মিত উপস্থিত থাকেন না।
** ডিসরেলির ধারণাকৃত তত্ত্ব, স্যার উইলিয়াম ফ্রেজারের ''ডিসরেলি অ্যান্ড হিজ ডে'' (১৮৯১), পৃ. ১৪২এ উদ্ধৃত।
* তার মধ্যে একটিও ক্ষমার যোগ্য ত্রুটি নেই।
** [[উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন|উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন]] সম্পর্কে। উইলিয়াম এস. ওয়ালশের ''হ্যান্ডি-বুক অফ লিটারারি কিউরিওসিটিজ'' (১৮৯২), পৃ. ৩৫৭এ আরোপিত।
* যেখানে জ্ঞানের শেষ, সেখানে ধর্মের শুরু।
** মন্তব্য, জন গর্ডন স্টুয়ার্ট ড্রিসডেল এবং জন জেমস ড্রিসডেলের ''দ্য প্রোটোপ্লাজমিক থিওরি অফ লাইফ'' (১৮৭৪), পৃ. ২৭৯ (টীকা)এ আরোপিত।
*সবাই তোষামোদ পছন্দ করে। আর রাজপরিবারের কাছে গেলে আপনার উচিত তা বেশি করে করা।
** ম্যাথু আর্নল্ডের কাছে লেখা একটি চিঠিতে, স্ট্যানলি ওয়েইন্ট্রবের ''ভিক্টোরিয়া. বায়োগ্রাফি অফ আ কুইন'' (১৯৮৭), পৃ. ৪১২এ উদ্ধৃত।
* তরুণ প্রিন্স লিওপোল্ডের নাকটি রূপকথার রাজপুত্রের মতো, যাকে কোনো এক দুষ্ট ডাইনি জাদু করেছে।
**[https://odysee.com/@BelgianCongo:3/Leopold-II-Het-Hele-Verhaal-Aflevering-1:1 লিওপোল্ড ২, দ্য হোল স্টোরি] বেলজিয়ামের রাজা দ্বিতীয় লিওপোল্ড সম্পর্কে বেঞ্জামিন ডিসরেলি।
{{Misattributed begin}}
== ভুলভাবে আরোপিত ==
* তিন ধরনের মিথ্যা আছে: মিথ্যা, ডাহা মিথ্যা এবং পরিসংখ্যান।
** "চ্যাপ্টারস ফ্রম মাই অটোবায়োগ্রাফি ২০", ''নর্থ আমেরিকান রিভিউ'' নং ৬১৮ (৫ জুলাই ১৯০৭) [http://www.gutenberg.org/ebooks/19987]এ [[মার্ক টোয়েন#ভুলভাবে আরোপিত|মার্ক টোয়েন]] কর্তৃক ডিসরেলির ওপর আরোপিত। তার এই আরোপ অবিশ্বস্ত বলে বিবেচিত হয় এবং এর আসল উৎপত্তি অনিশ্চিত। এই ধরনের বাক্যাংশের প্রথম দিকের পরিচিত প্রকাশনাগুলোর মধ্যে একটি হলো [[লিওনার্ড এইচ. কোর্টনি#সারাটোগা স্প্রিংস-এ আমার সহকর্মীদের প্রতি (১৮৯৫)|লিওনার্ড এইচ. কোর্টনি]]র প্রকাশনা। দেখুন [[w:মিথ্যা, ডাহা মিথ্যা এবং পরিসংখ্যান|মিথ্যা, ডাহা মিথ্যা এবং পরিসংখ্যান]]।
* অধ্যবসায় হলো সৌভাগ্যের জননী।
** আসলে এটি [[মিগেল দে থের্ভান্তেস সাভেদ্রা|মিগেল দে থের্ভান্তেস সাভেদ্রার]] ''ডন কুইক্সোট'', খণ্ড ১, বই ৪, অধ্যায় ১৯ থেকে নেওয়া।
* যদি পরিবর্তন করার প্রয়োজন না থাকে, তবে পরিবর্তন না করাই প্রয়োজন।
** এটি [[এডমন্ড বার্ক]], [[w:উইলিয়াম জেরার্ড হ্যামিল্টন|উইলিয়াম জেরার্ড হ্যামিল্টন]], [[জর্জ বার্নার্ড শ]], [[জন এফ. কেনেডি]] (যিনি এটি উদ্ধৃত করেছিলেন) এবং বেঞ্জামিন ডিসরেলির ওপর আরোপিত। এটি মূলত [[১৬৪১-১১-২২]] তারিখে হাউস অফ কমন্সে দেওয়া একটি ভাষণে [[w:লুসিয়াস ক্যারি, ২য় ভিসকাউন্ট ফকল্যান্ড|লুসিয়াস ক্যারি, ২য় ভিসকাউন্ট ফকল্যান্ড]] বলেছিলেন।
* বিপদের ভয়কে তা প্রতিরোধের প্রেরণা হতে দিন। যে অন্যথায় ভয় পায়, সে বিপদকে সুবিধা দেয়।
** [[ফ্রান্সিস কোয়ার্লেস|ফ্রান্সিস কোয়ার্লেসের]] ''এনচিরিডিয়ন'' (১৬৪০) থেকে নেওয়া।
* পরিমিতিবোধকে এমন একটি গুণ বলা হয়েছে যা মহান ব্যক্তিদের উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে সীমাবদ্ধ করে এবং সাধারণ মানুষকে তাদের ভাগ্যের অভাব ও যোগ্যতার অভাবের জন্য সান্ত্বনা দেয়।
** এটি ডিসরেলির নয়, বরং [[ফ্রঁসোয়া দ্য লা রোশফুকো|লা রোশফুকো]]এর কথা। এটি তার ''রিফ্লেকশনস''এর ৩০৮ নম্বর প্রবচন।
* বেশি দেখা, বেশি ভোগা এবং বেশি পড়াশোনা করা হলো শিক্ষার তিনটি স্তম্ভ।
** [[w:শ্যারন টার্নার|শ্যারন টার্নার]]এর ''আ ভিন্ডিকেশন অফ দ্য জেনুইননেস অফ দ্য অ্যানসিয়েন্ট ব্রিটিশ পোয়েমস অফ অ্যানিউরিন, ট্যালিয়েসিন, ল্লিওয়ার্চ হেন এবং মার্ডিন'' (১৮০৩)এ উদ্ধৃত একটি [[w:ওয়েলশ ট্রায়াড|ওয়েলশ ট্রায়াড]]এ লেখা আছে, "শিক্ষার তিনটি স্তম্ভ হলো বেশি দেখা, বেশি ভোগা এবং বেশি পড়াশোনা করা"। আইজ্যাক ডি'ইজরেলি তার ''দ্য অ্যামেনিটিজ অফ লিটারেচার'' (১৮৪১)এ টার্নারের কাছ থেকে এটি উদ্ধৃত করেছিলেন। পরে বাবার সাথে ছেলের বিভ্রান্তির কারণে এটি বেঞ্জামিন ডিসরেলির ওপর ভুলভাবে আরোপিত হয়েছে।
* একটি নতুন পদক্ষেপ নেওয়া, একটি নতুন কথা বলাকে মানুষ সবচেয়ে বেশি ভয় পায়।
** এটি [[ফিয়োদর দস্তয়েভ্স্কি|দস্তয়েভ্স্কির]] ''[[অপরাধ ও শাস্তি]]''এর প্রথম খণ্ড, প্রথম অধ্যায় থেকে এসেছে।
* জীবনের সবচেয়ে পছন্দের আনন্দগুলো পরিমিতিবোধের বৃত্তের মধ্যেই থাকে।
** আসলে এটি [[মার্টিন ফারকুহার টুপার|মার্টিন টুপার]]এর ''প্রোভারবিয়াল ফিলোসফি''এর একটি লাইন।
* যারা পিচ স্পর্শ করে তারা কলঙ্কিত হবে।
** আসলে এটি [[উইলিয়াম শেকসপিয়ার|উইলিয়াম শেকসপিয়ারের]] [[w:মাচ অ্যাডু অ্যাবাউট নাথিং|মাচ অ্যাডু অ্যাবাউট নাথিং]] (৩.৩)এ [[w:ডগবেরি|ডগবেরি]] বলেছিলেন। কেজেভি বাইবেলে (ইক্লেসিয়াস্টিকাস ১৩:১) রয়েছে "যে পিচ স্পর্শ করে সে তাতে কলঙ্কিত হবে"।
* [[জন মন্টেগু, ৪র্থ আর্ল অফ স্যান্ডউইচ]]: "ফুট, আমি প্রায়ই ভেবেছি কোন বিপর্যয় আপনার শেষ ডেকে আনবে। তবে আমার মনে হয়, আপনাকে হয় পক্সে নয়তো ফাঁসির দড়িতে মরতে হবে।" <br /> [[স্যামুয়েল ফুট]]: "মাই লর্ড, সেটি দুটি সম্ভাবনার একটির ওপর নির্ভর করবে। আমি আপনার লর্ডশিপের উপপত্নীকে আলিঙ্গন করব নাকি আপনার লর্ডশিপের নীতিগুলোকে আলিঙ্গন করব।"
** গ্ল্যাডস্টোন থেকে ডিসরেলির ওপর ভুলভাবে আরোপিত{{fix cite}}।* এই ছাদের নিচে রথসচাইল্ড পরিবারের প্রধানরা আছেন। এই নামটি ইউরোপের প্রতিটি রাজধানীতে এবং বিশ্বের প্রতিটি অংশে বিখ্যাত। আপনি যদি চান, আমরা যুক্তরাষ্ট্রকে দুই ভাগে ভাগ করব। এক ভাগ আপনার জন্য, জেমস এবং এক ভাগ আপনার জন্য, লিওনেল। নেপোলিয়ন ঠিক তাই করবেন যা আমি তাকে করার পরামর্শ দেব। এবং বিসমার্ককে এমন একটি নেশাগ্রস্ত কর্মসূচি প্রস্তাব করা হবে যা তাকে আমাদের আজ্ঞাবহ দাসে পরিণত করবে।
** বার্নার্ড গ্লাসম্যানের ''বেঞ্জামিন ডিসরেলি: দ্য ফ্যাব্রিকেটেড জিউ ইন মিথ অ্যান্ড মেমোরি'' (২০০৩), পৃ. ১৮৫তে একটি ভুল আরোপ হিসেবে প্রতিবেদন করা হয়েছে।
=== [[আইজ্যাক ডি'ইজরেলি]] ===
:''তার বাবা [[আইজ্যাক ডি'ইজরেলি|আইজ্যাক ডি'ইজরেলির]] বেশ কয়েকটি উদ্ধৃতি ব্যাপকভাবে বেঞ্জামিনের ওপর ভুলভাবে আরোপিত হয়েছে''।
* একজন লেখকের যা করা হয়েছে সে সম্পর্কে জ্ঞান যত বেশি বিস্তৃত হবে, কী করতে হবে তা জানার ক্ষমতাও তার তত বেশি হবে।
** আইজ্যাক ডি'ইজরেলি, ''কিউরিওসিটিজ অফ লিটারেচার''।
* অকপটতা হলো সমালোচনার সবচেয়ে উজ্জ্বল রত্ন।
** আইজ্যাক ডি'ইজরেলি, ''দ্য কিউরিওসিটিজ অফ লিটারেচার'', "লিটারারি জার্নালস"।
* প্রতিভার প্রতিটি সৃষ্টি অবশ্যই উৎসাহের সৃষ্টি হতে হবে।
** আইজ্যাক ডি'ইজরেলি, ''দ্য কিউরিওসিটিজ অফ লিটারেচার'', "সলিটিউড"।
* মাঝারি মানের মানুষ ''কথা বলতে'' পারে। কিন্তু ''পর্যবেক্ষণ করা'' প্রতিভার কাজ।
** আইজ্যাক ডি'ইজরেলি, ''দ্য কিউরিওসিটিজ অফ লিটারেচার'', "মেন অফ জিনিয়াস ডেফিশিয়েন্ট ইন কনভারসেশন"।
* কুম্ভীলকদের অন্তত সংরক্ষণের গুণ রয়েছে।
** আইজ্যাক ডি'ইজরেলি, ''কিউরিওসিটিজ অফ লিটারেচার'', "অফ সাপ্রেসরস অ্যান্ড ডিলাপিডেটরস অফ ম্যানুস্ক্রিপ্টস"।
* মানুষকে প্রতারিত করে শাসন করার শিল্প।
** আইজ্যাক ডি'ইজরেলির ''কিউরিওসিটিজ অফ লিটারেচার''এ রয়েছে, "দৃঢ় মিথ্যা এবং ছদ্মবেশী সত্যের মধ্যে একটি পার্থক্য আছে যা 'মানুষকে প্রতারিত করে শাসন করার শিল্প'এ দক্ষ লেখকদের জানা আছে। ঠিক যেমন ভুলভাবে বোঝা রাজনীতিকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে"।
* জ্ঞানীদের প্রজ্ঞা এবং যুগ যুগের অভিজ্ঞতা উদ্ধৃতির মাধ্যমে সংরক্ষণ করা যেতে পারে।
** আইজ্যাক ডি'ইজরেলি, ''কিউরিওসিটিজ অফ লিটারেচার'', "কোটেশন"।
**''বিকল্প:'' জ্ঞানীদের প্রজ্ঞা এবং যুগ যুগের অভিজ্ঞতা উদ্ধৃতির মাধ্যমে স্থায়ী হয়।
* যখনই আমরা কোনো জোরালো আবেদনের মাধ্যমে মনকে প্রস্তুত করতে চাই, তখন একটি প্রারম্ভিক উদ্ধৃতি হলো এমন এক সুর যা সেই ধ্বনিগুলোর সূচনা করে যেগুলো আমরা মেলাতে যাচ্ছি।
** আইজ্যাক ডি'ইজরেলি, ''কিউরিওসিটিজ অফ লিটারেচার'', "কোটেশন"।
{{Misattributed end}}
== বেঞ্জামিন ডিসরেলি সম্পর্কে উদ্ধৃতি ==
:<small>পারিবারিক নাম অনুযায়ী বর্ণনানুক্রমিক</small>
* তিনি প্রশংসা-পত্রের একটি খণ্ড পূর্ণ করার জন্য যথেষ্ট অসাধারণ ছিলেন। গতকাল কেউ একজন আমাকে লিখেছিলেন যে গত ১৮০০ বছরে কোনো ইহুদি বিশ্বে এত বড় ভূমিকা পালন করেননি। সেন্ট পলের পর থেকে কোনো ইহুদি এমনটা করেননি। আর এটি অত্যন্ত চমকপ্রদ।
** [[জন ডালবার্গ-অ্যাক্টন, ১ম ব্যারন অ্যাক্টন|লর্ড অ্যাক্টন]], মিসেস ড্রিউ'র কাছে চিঠি (২৪ এপ্রিল ১৮৮১)
*টোরিবাদ, যা আমরা জানি, বেঞ্জামিন ডিসরেলির প্রতিভার দ্বারা আলোকিত, ব্যাখ্যায়িত এবং এই দেশের একটি বড় অংশের জন্য একটি সুসমাচারে পরিণত হয়েছিল। আমাদের মহান দলের জন্য কাজ করা বেশিরভাগ মানুষই এই রাষ্ট্রনায়কের কাছ থেকে তাদের বিশ্বাসের ভিত্তি স্থাপন করেছেন এবং অনুপ্রেরণা পেয়েছেন।
**[[স্ট্যানলি বল্ডউইন]], সিটি অফ লন্ডন কনজারভেটিভ অ্যান্ড ইউনিয়নিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের শতবর্ষী নৈশভোজে দেওয়া ভাষণ (২ জুলাই ১৯৩৬), ''সার্ভিস অফ আওয়ার লাইভস'' (১৯৩৭), পৃ. ৩৭-৩৮এ উদ্ধৃত।
* ডের অল্টে জুড, দাস ইস্ত ডের মান!
** বুড়ো ইহুদি, তিনিই সেই মানুষ!
** বার্লিন কংগ্রেসে ডিসরেলির পারফরম্যান্স সম্পর্কে [[অটো ফন বিসমার্ক]]। [http://www.time.com/time/magazine/article/0,9171,721804,00.html]
*ডিসরেলির আচরণ, পোশাক এবং কথোপকথন সম্পর্কে আমরা যে গল্পগুলো পড়ি তা বারবার আমাদের সেই গম্ভীর ও শান্ত বুর্জোয়া ইংল্যান্ডের কথা মনে করিয়ে দেয় না যা তিনি শাসন করার জন্য নিয়তিবদ্ধ ছিলেন। বরং এটি আমাদের সেই ইংল্যান্ডের কথা মনে করিয়ে দেয় যা তার মৃত্যুর দশ বছর পর বিকশিত হয়েছিল। এটি ছিল ''[[w:দ্য ইয়েলো বুক|দ্য ইয়েলো বুক]]'' এবং [[অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ডের]] ইংল্যান্ড। ওয়াইল্ড তার ঋণ স্বীকার করেছিলেন। এটি কোনো দুর্ঘটনা ছিল গঠন ছিল না যে তিনি তার সবচেয়ে অসামান্য বইগুলোর একটির শিরোনাম হিসেবে ''[[w:দ্য পিকচার অফ ডোরিয়ান গ্রে|ডোরিয়ান গ্রে]]'' বেছে নিয়েছিলেন। এবং তার নিজের বিখ্যাত প্রবচনগুলো ডিসরেলির কোনো উপন্যাসের পাতায় অনায়াসেই দেখা যেতে পারত।
**[[w:রবার্ট ব্লেক, ব্যারন ব্লেক|রবার্ট ব্লেক]], ''ডিসরেলি'' (১৯৬৬), পৃ. ৭৭-৭৮
*ডিসরেলি এমন কিছু বৈশিষ্ট্য যোগ করেছিলেন যা সম্পূর্ণ তার নিজস্ব। এটি দিয়ে তিনি [[রক্ষণশীল দল (যুক্তরাজ্য)|রক্ষণশীল দল]]কে চিহ্নিত করেছিলেন এবং এটি [[w:গ্ল্যাডস্টোনিয়ান লিবারেলিজম|গ্ল্যাডস্টোনিয়ান লিবারেলিজমের]] সাথে বৈসাদৃশ্যকে বাড়িয়ে তুলেছিল। এর মধ্যে ছিল সাম্রাজ্যের প্রতি বিশ্বাস, একটি কঠোর ও "অর্থহীন নয়" এমন পররাষ্ট্র নীতি গ্রহণ এবং বিশ্বে ব্রিটেনের মহত্ত্বের দাবি। ডিসরেলি ইংরেজি জাতীয়তাবাদ ছাড়া অন্য সমস্ত জাতীয়তাবাদের প্রতি সহানুভূতিহীন ছিলেন। এটি তার নিজের অ-ইংরেজ হওয়ার সাথে বেশ সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল। আয়ারল্যান্ড, বলকান বা অন্য কোথাও তিনি এমন কোনো কারণ দেখেননি যা তিনি ইংরেজি স্বার্থ বলে মনে করতেন, তা তথাকথিত উচ্চতর নৈতিক আইনের দ্বারা অগ্রাহ্য হতে পারে যা জাতিদের মুক্তির জন্য সংগ্রাম করতে উৎসাহিত করে। ... তার দৃষ্টিভঙ্গি রক্ষণশীল দলকে আগামী বহু বছরের জন্য চূড়ান্তভাবে পরিচালিত করেছিল। তিনি যে ঐতিহ্য শুরু করেছিলেন তা শতাব্দীর শেষ প্রান্তিকে শ্রমিক শ্রেণির সমর্থন জয়ে সবচেয়ে বড় নির্বাচনী সম্পদ ছিল।
**[[w:রবার্ট ব্লেক, ব্যারন ব্লেক|রবার্ট ব্লেক]], ''ডিসরেলি'' (১৯৬৬), পৃ. ৭৬০
*ডিসরেলি উপস্থাপনার শিল্পে পারদর্শী ছিলেন। তিনি একজন ইমপ্রেসারিও এবং একজন অভিনেতা ব্যবস্থাপক ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন চমৎকার সংসদ সদস্য, আমাদের ইতিহাসে সেরা আধ ডজনের মধ্যে একজন। তিনি জানতেন ছাপ, শৈলী, রঙের ওপর কতটা নির্ভর করে। আর রাজনীতিতে যুক্তি, শীতল কারণ বা বিকল্পগুলোর শান্ত মূল্যায়নের ভূমিকা কতটা সামান্য। এই কারণেই রাজনীতিবিদরা তার প্রশংসা করেন।
**[[w:রবার্ট ব্লেক, ব্যারন ব্লেক|রবার্ট ব্লেক]], ''ডিসরেলি'' (১৯৬৬), পৃ. ৭৬৪
*ডিসরেলি অনেক দিক থেকেই খুব "অ-ভিক্টোরীয়" ব্যক্তিত্ব ছিলেন... তার সংশয়বাদ ডিসরেলিকে প্রায় যেকোনো সমসাময়িক রাজনীতিবিদের চেয়ে কম "সেকেলে" ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছে। নৈতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক দিক থেকে গ্ল্যাডস্টোন তার চেয়ে শ্রেষ্ঠ ছিলেন... কিন্তু গ্ল্যাডস্টোন ডিসরেলির চেয়ে অনেক বেশি তার সময়ের মানুষ ছিলেন। তাকে অন্য কোনো যুগে বেঁচে থাকার কল্পনা করা কঠিন, যেখানে ডিসরেলিকে আজ অথবা লর্ড নর্থের যুগে বেঁচে থাকার কল্পনা করা বেশ সহজ। এই কালজয়ী বৈশিষ্ট্যই তার সেরা উপন্যাসগুলোকে স্থায়ী আকর্ষণ দেয় এবং তার রসবোধকে একশ বছর আগের মতোই আজকেও সমান কার্যকর করে তোলে। তার মধ্যে শ্যাম্পেনের মতো এক উজ্জ্বলতা রয়েছে যা রাষ্ট্রনায়কদের মধ্যে প্রায় অতুলনীয়।
**[[w:রবার্ট ব্লেক, ব্যারন ব্লেক|রবার্ট ব্লেক]], ''ডিসরেলি'' (১৯৬৬), পৃ. ৭৬৫
*এখন, মি. ডিসরেলি এমন একজন মানুষ যিনি তার দলের জন্য জাদুকরের কাজ করেন। তিনি এমন একজন যাকে রেড ইন্ডিয়ানদের কোনো উপজাতির মধ্যে "রহস্যময় মানুষ" বলা হতো। তিনি তাদের জন্য শব্দবন্ধ উদ্ভাবন করেন... মি. ডিসরেলি মেধা, প্রতিভা, কাজের দুর্দান্ত ক্ষমতা, উদ্দেশ্যের চমৎকার দৃঢ়তা এবং বিরল সাহসের অধিকারী একজন মানুষ। তার ক্ষমতা যদি কোনো মহৎ নীতি বা আদর্শের দ্বারা পরিচালিত হতো, তবে তিনি একজন রাষ্ট্রনায়ক হতেন।
**[[জন ব্রাইট]], বার্মিংহাম টাউন হলে দেওয়া ভাষণ (১২ জুলাই ১৮৬৫), জর্জ বার্নেট স্মিথ, ''দ্য লাইফ অ্যান্ড স্পিচেস অফ দ্য রাইট অনারেবল জন ব্রাইট, এমপি, খণ্ড ২'' (১৮৮১), পৃ. ১৯২এ উদ্ধৃত।
*ডিসরেলি সত্য প্রচার ও কাজ করার পরিবর্তে নিজেকে আলাদা করার এক তীব্র উচ্চাকাঙ্ক্ষায় আচ্ছন্ন ছিলেন। "আমরা এখানে খ্যাতির জন্য আসি!" তিনি অনেক বছর আগে আমাকে বলেছিলেন। এবং তিনি নিজেকে আলাদা করেছেন, তবে একটি নিচু স্তরে এবং এমন কোনো ফলাফল ছাড়া যা নিয়ে সন্তুষ্টির সাথে পেছনে ফিরে তাকানো যায়।
**[[জন ব্রাইট]], ডায়েরি (১ মার্চ ১৮৬৭), জি. এম. ট্রেভেলিয়ান, ''দ্য লাইফ অফ জন ব্রাইট'' (১৯১৩), পৃ. ৩৭১এ উদ্ধৃত।
*বেঞ্জামিন ডিসরেলি একজন মহান মানুষ ছিলেন। তার প্রজন্মের রাষ্ট্রনায়কদের মধ্যে একমাত্র তিনিই [[w:ম্যানচেস্টার লিবারেলিজম|ম্যানচেস্টার স্কুলের]] ভুলগুলো এবং এর দ্বারা প্রবর্তিত জাতীয় নীতির বিচ্যুতি বুঝতে পেরেছিলেন। একটি [[মুক্ত বাণিজ্য]] নীতির দ্বারা হয়তো কারখানার মালিক, শ্রমিক এবং বিনিয়োগকারীর তাৎক্ষণিক স্বার্থ রক্ষা করা সম্ভব। কিন্তু তিনি জানতেন যে দীর্ঘমেয়াদে এই নীতি জাতিকে বিশ্বব্যাপী এমন শক্তির দয়ায় ছেড়ে দেবে যা এর নিয়ন্ত্রণের বাইরে।
**[[আর্থার ব্রায়ান্ট]], ''ইংলিশ সাগা, ১৮৪০-১৯৪০'' (১৯৪০), পৃ. ৯২
*সামাজিক কর্তব্যের পালনের ওপর ভিত্তি করে না থাকা ব্যক্তিগত সম্পদের ধারণা তার কাছে ঘৃণ্য ছিল কারণ এটি প্রকৃতির পরিপন্থী ছিল। ''[[লেসে-ফেয়ার]]'' অর্থনীতিবিদদের দোষ ছিল যে তারা মূলধনকে রাজনৈতিক ও সামাজিক কার্যকলাপ থেকে বিচ্ছিন্ন একটি অর্থনৈতিক পণ্য হিসেবে বিবেচনা করতেন। তারা এর ব্যবহারকে সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত বিষয় হিসেবে দেখতেন। ডিসরেলি মূলধনকে কেবল মূল্যের পণ্য হিসেবে নয়, বরং রাজনৈতিক ও সামাজিক ক্ষমতা হিসেবে দেখেছিলেন। তিনি এটিকে একটি ট্রাস্ট হিসেবে ব্যবহার করার পক্ষপাতী ছিলেন। তাই তিনি এর অধিকারকে স্থায়ীভাবে সামাজিক বাধ্যবাধকতার সাথে যুক্ত দেখতে চেয়েছিলেন। জমির মালিকানা এই ধরনের সংযোগ দিতে সক্ষম ছিল। কিন্তু স্টক ও শেয়ারের মালিকানা তা পারত না। এই সমস্ত কারণেই সমাজতন্ত্র একটি রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হওয়ার অনেক আগে ডিসরেলি একজন সমাজতান্ত্রিক ছিলেন।
**[[আর্থার ব্রায়ান্ট]], ''ইংলিশ সাগা, ১৮৪০-১৯৪০'' (১৯৪০), পৃ. ৯৬
*তিনি ইংল্যান্ডের ইতিহাস ও প্রতিষ্ঠানের চেতনায় গভীরভাবে উদ্বুদ্ধ ছিলেন... ডিসরেলির মনের গভীরে সবসময় নির্দিষ্ট প্রাচীন ইংরেজি আদর্শ লুকিয়ে ছিল। একটি [[w:টিউডর যুগ|টিউডর যুগের]] এবং অন্যটি মধ্যযুগীয়। একটি ঐক্যবদ্ধ জাতি এবং অবিচ্ছেদ্য সুযোগ-সুবিধা ও অধিকারসম্পন্ন পুরুষ ও নারীদের নিয়ে গঠিত একটি অবিচ্ছিন্ন সম্প্রদায়ের আদর্শ। সমাজ সম্পর্কে তার ধারণা মূলত ধর্মীয় এবং মানবিক ছিল। এটি ছিল মানব প্রয়োজন এবং অধিকারের সর্বজনীন স্বীকৃতির ওপর ভিত্তি করে একটি সুশৃঙ্খল স্তরবিন্যাস। তিনি রাজতন্ত্রের মর্যাদা, রোমান্স এবং ব্যক্তিগত প্রভাব পুনরুদ্ধার করতে চেয়েছিলেন। তিনি অভিজাত ও ভদ্রলোকদের দায়িত্ব, চার্চের নৈতিক কর্তৃত্ব এবং সর্বোপরি কৃষক ও শ্রমিকদের মর্যাদা, নৈপুণ্যের গর্ব ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনতে চেয়েছিলেন।
**[[আর্থার ব্রায়ান্ট]], ''ইংলিশ সাগা, ১৮৪০-১৯৪০'' (১৯৪০), পৃ. ৯৬-৯৭
*আপনার সম্পর্কে আমার কাছে সবচেয়ে বিস্ময়কর যে বিষয়টি মনে হয় তা হলো, আপনি খ্যাতির চেয়ে ক্ষমতার প্রতি বেশি অনুরাগী।
**[[এডওয়ার্ড বুলওয়ার-লিটন]], ''ডিসরেলিস রেমিনিসেন্সেস'', সম্পাদক হেলেন এম. সোয়ার্টজ এবং মারভিন সোয়ার্টজ (১৯৭৫), পৃ. ১২০এ উদ্ধৃত।
*এটি ছিল ইংরেজ রাষ্ট্রনায়কদের মধ্যে অন্যতম অসাধারণ এক ব্যক্তির মৃত্যুর বার্ষিকী, যিনি অগণিত মানুষের সত্যিকারের শোকের মধ্য দিয়ে বিদায় নিয়েছিলেন। লর্ড বিকন্সফিল্ডের সাথে কাজ করা তার কর্তব্য এবং সৌভাগ্য ছিল ... এবং তিনি কামনা করেছিলেন যে লর্ড বিকন্সফিল্ডকে এখন তার কবর থেকে ফিরিয়ে আনা হোক যাতে তিনি আমাদের বর্তমান বিক্ষুব্ধ ও বিপদগ্রস্ত দেশকে তার দীর্ঘ জীবনের পরামর্শ ও অভিজ্ঞতা দিতে পারেন। লর্ড বিকন্সফিল্ডের দুর্দান্ত গুণটি ছিল তার দেশের প্রতি অকৃত্রিম ও প্রবল ভালোবাসা, এর মহত্ত্বের প্রতি ভালোবাসা এবং এর প্রাচীন সম্মানের প্রতি ঈর্ষা। তার মধ্যে বিদেশি প্রথা ও বিশ্বজনীন ধ্যানধারণার প্রতি কোনো দুর্বলতা ছিল না।
**[[w:হেনরি হার্বার্ট, ৪র্থ আর্ল অফ কার্নারভন|লর্ড কার্নারভন]], লেস্টারের ফ্লোরাল-হলে লেস্টার এবং লেস্টারশায়ার কনজারভেটিভ ক্লাবের প্রথম নৈশভোজে দেওয়া ভাষণ (১৯ এপ্রিল ১৮৮২), ''দ্য টাইমস'' (২০ এপ্রিল ১৮৮২), পৃ. ৬এ উদ্ধৃত।
*উনিশ শতকের শেষের দিকের মহান ইউরোপীয় ব্যক্তিত্বরা ছিলেন ডিসরেলি এবং [[অটো ফন বিসমার্ক|বিসমার্ক]]। তারা সমাজসেবা রাষ্ট্র, জনপ্রিয় শিক্ষা এবং সাম্রাজ্যবাদের মাধ্যমে "দুই জাতি"কে এক করার চেষ্টা করেছিলেন। তারা "শ্রমিকদের কোনো দেশ নেই" এই কটূক্তি খণ্ডন করেছিলেন এবং "জাতীয় শ্রম", "জাতীয় সমাজতন্ত্র" এবং এমনকি "জাতীয় সাম্যবাদ"এর পথ প্রশস্ত করেছিলেন।
**[[ই. এইচ. কার]], ''[[w:দ্য টোয়েন্টি ইয়ার্স ক্রাইসিস|দ্য টোয়েন্টি ইয়ার্স ক্রাইসিস, ১৯১৯-১৯৩৯: অ্যান ইন্ট্রোডাকশন টু দ্য স্টাডি অফ ইন্টারন্যাশনাল রিলেশনস]]'' (১৯৩৯), পৃ. ২৯০
*আমি মনে করি আমি এখানে বা অন্য কোথাও আমার রক্ষণশীল বন্ধুদের কাছে এর চেয়ে বড় অপরাধ করতে পারব না যদি আমি তাদের বলি যে তারা প্রগতিশীল দল নয়। তারা হয়তো অতীতে বৈপ্লবিক পরিবর্তনের দাবিতে একমত হননি, কিন্তু তারা বিশেষ অর্থে সামাজিক সংস্কারের মহান প্রবক্তা। এবং তাদের শিক্ষক কে ছিলেন? তাদের নেতা কে ছিলেন? তিনি ছিলেন মি. ডিসরেলি, যিনি তার মহান উপন্যাস ''[[সিবিল (উপন্যাস)|সিবিল]]''এ তার মতবাদের বীজ বপন করেছিলেন। যদিও তিনি তার দলকে শেখাতে ধীরগতির ছিলেন, তারা তার নির্দেশনায় এবং পরবর্তীতে [[লর্ড র্যান্ডলফ চার্চিল]] এবং অন্যদের নির্দেশনায় এত উন্নতি করেছিল যে তারা এখন এমন একটি অবস্থানে পৌঁছেছে যেখানে তারা ন্যায্যভাবে দাবি করতে পারে যে এই দেশের আইনি বইয়ে এখন যে মহান সামাজিক সংস্কারগুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে তা তাদের প্রচেষ্টা এবং তাদের আইনের কারণেই সম্ভব হয়েছে।
**[[জোসেফ চেম্বারলেইন]], ম্যানচেস্টার লিবারেল ইউনিয়নিস্ট অ্যাসোসিয়েশনে দেওয়া ভাষণ (১৭ নভেম্বর ১৮৯৮), ''দ্য টাইমস'' (১৮ নভেম্বর ১৮৯৮), পৃ. ১২এ উদ্ধৃত।
*লর্ড বিকন্সফিল্ড ছিলেন মি. গ্ল্যাডস্টোনের ঘোর শত্রু এবং সবাই তাকে 'ডিজি' বলে ডাকত। যাইহোক, এই সময় (১৮৮০) মি. গ্ল্যাডস্টোনের কাছে 'ডিজি' পুরোপুরি পরাজিত হয়েছিলেন। তাই আমাদের সবাইকে বিরোধী দলে ফেলে দেওয়া হয়েছিল এবং দেশটি খুব দ্রুত ধ্বংস হতে শুরু করেছিল। সবাই বলছিল এটি 'কুকুরের কাছে যাচ্ছে'। আর এরপর এই সবকিছুর ওপর লর্ড বিকন্সফিল্ড খুব অসুস্থ হয়ে পড়েন। তার দীর্ঘ অসুস্থতা ছিল। আর যেহেতু তিনি খুব বৃদ্ধও ছিলেন, তাই এটি তাকে মেরে ফেলে। আমি খুব উদ্বেগের সাথে দিনের পর দিন তার অসুস্থতা অনুসরণ করতাম। কারণ সবাই বলছিল যে তিনি তার দেশের জন্য কতটা ক্ষতি হবেন এবং কীভাবে অন্য কেউ মি. গ্ল্যাডস্টোনকে আমাদের সবার ওপর তার দুষ্ট ইচ্ছা প্রয়োগ করা থেকে আটকাতে পারবে না। আমি সবসময় নিশ্চিত ছিলাম লর্ড বিকন্সফিল্ড মারা যাবেন। আর অবশেষে সেই দিনটি আসে যখন আমি দেখেছি সব মানুষের মুখ খুব বিষণ্ণ ছিল কারণ তারা বলেছিল যে, একজন মহান ও চমৎকার রাষ্ট্রনায়ক, যিনি আমাদের দেশকে ভালোবাসতেন এবং রাশিয়ানদের অবজ্ঞা করতেন, র্যাডিক্যালদের অকৃতজ্ঞতার কারণে ভগ্নহৃদয়ে মারা গেছেন।
**[[উইনস্টন চার্চিল]], ''[[w:মাই আর্লি লাইফ|মাই আর্লি লাইফ]]'' (১৯৩০), পৃ. ২২
*[[w:অগাস্টা স্ট্যানলি|লেডি অগাস্টা স্ট্যানলি]], যিনি রাজদরবারের বিষয়ে একজন কর্তৃপক্ষ, আমাকে বলেছিলেন যে ডিজি প্রতিদিন রানিকে তার সেরা উপন্যাস শৈলীতে চিঠি লেখেন। তিনি তার নিজের উদ্দেশ্য সাধনের জন্য প্রতিটি রাজনৈতিক খবরের টুকরো সাজিয়ে লেখেন এবং তাকে খুশি করার জন্য প্রতিটি সামাজিক গালগল্পকে আকর্ষণীয় করে তোলেন। তিনি ঘোষণা করেন যে তিনি জীবনে কখনো এমন চিঠি পাননি, যা সম্ভবত সত্য। এবং তিনি এর আগে কখনো ''সবকিছু'' জানতেন না!
**লেডি স্যালিসবারির কাছে [[w:জর্জ ভিলিয়ার্স, ৪র্থ আর্ল অফ ক্ল্যারেন্ডন|আর্ল অফ ক্ল্যারেন্ডন]] (২৬ জুন ১৮৬৪), হার্বার্ট ম্যাক্সওয়েল, ''দ্য লাইফ অ্যান্ড লেটারস অফ জর্জ উইলিয়াম ফ্রেডেরিক, ফোর্থ আর্ল অফ ক্ল্যারেন্ডন, কেজি, জিসিবি. খণ্ড ২'' (১৯১৩), পৃ. ৩৪৬এ উদ্ধৃত।
*পেন্ডারের সাথে হাঁটা... তার নিজের বন্ধুরা, যারা বর্তমান সময় পর্যন্ত কট্টর লিবারেল... তারা বিশ্বাস করে যে গ্ল্যাডস্টোন, অর্ধেক উচ্চাকাঙ্ক্ষার বশবর্তী হয়ে এবং অর্ধেক আবেগপ্রবণ সহানুভূতির কারণে, রাষ্ট্রের সমস্ত প্রভাব নিয়োগকর্তাদের বিরুদ্ধে নিক্ষেপ করতে প্রস্তুত। কিন্তু তারা গ্ল্যাডস্টোনকে অপছন্দ করলেও ডিসরেলি সম্পর্কে সমানভাবে সন্দেহপ্রবণ ও ভীত। তারা তাকে পুঁজিবাদী শ্রেণির শত্রু মনে করে।
**[[w:এডওয়ার্ড স্ট্যানলি, ১৫শ আর্ল অফ ডার্বি|লর্ড ডার্বি]], ডায়েরি এন্ট্রি (১৮ সেপ্টেম্বর ১৮৭৩), ''আ সিলেকশন ফ্রম দ্য ডায়েরিজ অফ এডওয়ার্ড হেনরি স্ট্যানলি, ১৫শ আর্ল অফ ডার্বি (১৮২৬-৯৩) বিটুইন সেপ্টেম্বর ১৮৬৯ অ্যান্ড মার্চ ১৮৭৮'', সম্পাদক জন ভিনসেন্ট (১৯৯৪), পৃ. ১৪৪এ উদ্ধৃত।
*মধ্যবিত্ত শ্রেণির পুরুষদের প্রতি তার এক অদ্ভুত অপছন্দ রয়েছে, যদিও তারাই আমাদের দলের শক্তি।
**[[w:এডওয়ার্ড স্ট্যানলি, ১৫শ আর্ল অফ ডার্বি|লর্ড ডার্বি]], ডায়েরি এন্ট্রি (৯ জুলাই ১৮৭৭), ''আ সিলেকশন ফ্রম দ্য ডায়েরিজ অফ এডওয়ার্ড হেনরি স্ট্যানলি, ১৫শ আর্ল অফ ডার্বি (১৮২৬-৯৩) বিটুইন সেপ্টেম্বর ১৮৬৯ অ্যান্ড মার্চ ১৮৭৮'', সম্পাদক জন ভিনসেন্ট (১৯৯৪), পৃ. ৪১৬এ উদ্ধৃত।
*শতাব্দীর শুরুতে, ডিসরেলির মতে, রক্ষণশীল দল তার দার্শনিক শেকড় থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে শুকিয়ে গিয়েছিল। একের পর এক লিবারেল মন্ত্রণালয়... সম্মানজনক প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর আক্রমণকে ন্যায্যতা দেওয়ার জন্য "বিশ্বজনীন" নীতি ধার করেছিল। তবে এখন মানুষ বিদেশি মতবাদ এবং বেপরোয়া আইন নিয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়েছিল। রক্ষণশীলরা পুনরুদ্ধারে নামতে প্রস্তুত ছিল কারণ তারা নিজেদেরকে একটি জাতীয় দল হিসেবে পুনর্গঠিত করেছিল যা সম্পত্তিবান এবং শ্রমিক উভয় শ্রেণির দেশপ্রেমিক অনুভূতিকে পুষ্ট করতে সক্ষম ছিল... ডিসরেলি এবার এমন একটি দৃষ্টিভঙ্গি যুক্ত করেছিলেন, যা সমস্ত শ্রেণির কাছে আবেদনময়ী ছিল। তা হলো একটি সাম্রাজ্যের শীর্ষে আসীন ব্রিটেনের দৃষ্টিভঙ্গি। এই সাম্রাজ্য লিবারেল সরকারগুলোর উপনিবেশবাদ বিরোধী নীতির দ্বারা হুমকির মুখে পড়লেও এটি জাতীয় গর্ব এবং মহত্ত্বের আরও সমৃদ্ধ উৎস হয়ে উঠতে পারে।
**রবার্ট এক্লেসহল, ''ইংলিশ কনজারভেটিজম সিন্স দ্য রেস্টোরেশন: অ্যান ইন্ট্রোডাকশন অ্যান্ড অ্যান্থোলজি'' (১৯৯০), পৃ. ১২০
* ...এমন একজন মানুষ যিনি কখনোই পরাজিত হন না। প্রতিটি বিপর্যয়, প্রতিটি পরাজয় তার কাছে কেবল নিজের অবস্থান পুনরুদ্ধারের সুযোগ ধরার জন্য অপেক্ষা করার একটি সতর্কবার্তা মাত্র।
** [[উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন]], ম্যালকম ম্যাককলের কাছে লেখা চিঠি (১১ আগস্ট ১৮৭৭)।
* বিকন্সফিল্ডবাদের পতন একটি ইতালীয় রোমান্সের কোনো বিশাল জাঁকজমকপূর্ণ দুর্গের অদৃশ্য হওয়ার মতো।
** [[উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন]], ১৮৮০ সালের লিবারেল বিজয় সম্পর্কে।
* মৃত্যুতেও তিনি জীবনে যেমন ছিলেন তেমনই রয়ে গেছেন। সব লোকদেখানো, যার কোনো সারবস্তু নেই।
** ডিসরেলির মৃত্যুর পর, যখন জানা যায় যে তিনি তার স্ত্রীর পাশে সমাহিত হওয়ার জন্য রাষ্ট্রীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া প্রত্যাখ্যান করেছিলেন, তখন [[উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন]] এটি বলেছিলেন।
*আমি যিনি... তার মতবাদকে মিথ্যা মনে করতাম, কিন্তু সেই মানুষটিকে তার মতবাদের চেয়েও বেশি মিথ্যা মনে করতাম। আমি বিশ্বাস করি যে তিনি জনমতকে নৈতিকভাবে অধঃপতিত করেছিলেন, অসুস্থ আকাঙ্ক্ষার সাথে দরকষাকষি করেছিলেন এবং আবেগ, কুসংস্কার ও স্বার্থপর আকাঙ্ক্ষাকে উদ্দীপ্ত করেছিলেন, যাতে তারা তার প্রভাব বজায় রাখতে পারে। তিনি এর অসাংবিধানিক প্রবণতাগুলোকে অনুমোদন করে রাজমুকুটকে দুর্বল করেছিলেন এবং গণতান্ত্রিক জনপ্রিয়তার জন্য যেকোনো মূল্য দিতে প্রস্তুত হয়ে সংবিধানকে দুর্বল করেছিলেন। যিনি ব্যক্তিগতভাবে তাকে [[রবার্ট স্টুয়ার্ট, ভিসকাউন্ট ক্যাসলেরেগ|ক্যাসলেরেগের]] পর থেকে সবচেয়ে নিকৃষ্ট এবং অনৈতিক মন্ত্রী বলে মনে করেন।
**মেরি গ্ল্যাডস্টোনের কাছে লেখা একটি চিঠিতে (৭ মে ১৮৮১) [[জন ডালবার্গ-অ্যাক্টন, ১ম ব্যারন অ্যাক্টন|লর্ড অ্যাক্টন]] কর্তৃক আরোপিত [[উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন|উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোনের]] মন্তব্য। লর্ড অ্যাক্টনের ''লেটারস অফ লর্ড অ্যাক্টন টু মেরি, ডটার অফ দ্য রাইট অনারেবল ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোন'', সম্পাদক হার্বার্ট পল (১৯০৪), পৃ. ২০২এ উদ্ধৃত।
*মি. জি. সংসদে ক্রস-ফাইটিং এবং ব্যক্তিগত রেষারেষির বেশিরভাগ অংশকেই ডিসরেলির চরিত্র এবং কর্মজীবনের সংক্রমণ বলে দায়ী করেছেন বলে মনে হলো। তিনি বলেছিলেন যে তিনি তার দল এবং সামগ্রিকভাবে রাজনীতির যে ভয়ানক ক্ষতি করেছেন তা তিনি গভীরভাবে অনুভব করেন... অতীতে টোরি দলের নীতি ছিল যার দ্বারা তারা ভালো-মন্দ নির্বিশেষে দাঁড়াত। এই সবকিছু ডিজি ধ্বংস করে দিয়েছেন।
**[[w:স্টুয়ার্ট রেন্ডেল, ১ম ব্যারন রেন্ডেল|লর্ড রেন্ডেলের]] কাছে [[উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন|উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোনের]] মন্তব্য, যা রেন্ডেলের ডায়েরিতে (১৪ জানুয়ারি ১৮৯৫) লিপিবদ্ধ আছে। ''দ্য পার্সোনাল পেপারস অফ লর্ড রেন্ডেল'' (১৯২০), পৃ. ১০৮এ উদ্ধৃত।
*লেখা, কথা বলা এবং কথোপকথনে সমালোচনা ও প্রশংসার ক্ষেত্রে আমি তার চেয়ে বড় কোনো পণ্ডিতকে কখনো চিনিনি। চমৎকার সাহিত্যিক রচনার দীর্ঘ অভ্যাস, এপিগ্রাম, রূপক, বৈপরীত্য এবং এমনকি অনুপ্রাস নিয়ে কাজ করার ক্ষেত্রে তার স্বাচ্ছন্দ্য তাকে এমন এক অনন্য ক্ষমতা দিয়েছিল যার মাধ্যমে তিনি এমন সব শব্দবন্ধ তৈরি ও প্রয়োগ করতেন যা তাৎক্ষণিকভাবে জনগণের মন অধিকার করত এবং রাষ্ট্রের প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলোর কাজগুলোর ওপর প্রশংসা বা দোষারোপ যুক্ত করত। লর্ড বিকন্সফিল্ডের অবশ্যই তার নীতি, চরিত্র এবং কর্মজীবনের মাধ্যমে তার দেশবাসী এবং বিদেশিদের কল্পনার কাছে আবেদন করার ক্ষমতা ছিল, যা এমনকি মৃত্যুও নিভিয়ে দিতে পারেনি।
**[[w:গ্র্যানভিল লেভেসন-গাওয়ার, ২য় আর্ল গ্র্যানভিল|লর্ড গ্র্যানভিল]], হাউস অফ লর্ডসে [https://hansard.parliament.uk/lords/1881-05-09/debates/f2eca739-e901-4aaf-9baa-06070437e534/TheLateEarlOfBeaconsfieldKg ভাষণ] (৯ মে ১৮৮১)।
*ইংল্যান্ডে নীতিভিত্তিক রাজনীতির শেষ পর্যায়টি বেঞ্জামিন ডিসরেলির আবির্ভাবের সাথে আসে। তিনি তার গভীর জ্ঞানের অধিকারী বাবা [[আইজ্যাক ডি'ইজরেলি|আইজ্যাক ডিসরেলি]]র কাছ থেকে অনুমানমূলকভাবে চিন্তা করতে শিখেছিলেন এবং [[হেনরি সেন্ট জন, ১ম ভিসকাউন্ট বোলিংব্রোক|বোলিংব্রোকের]] নীতিগুলোর ওপর তার রাজনৈতিক সংশয়বাদ গড়ে তুলেছিলেন। ডিসরেলি ব্যর্থ হয়েছিলেন কারণ রাজনীতি সম্পর্কে তার অন্তর্দৃষ্টি ''লেসে-ফেয়ারের'' চরম সাফল্যের সাথে মিলে গিয়েছিল। সেই ব্যবস্থার ক্ষণস্থায়ী অর্থনৈতিক সুবিধাগুলো যতদিন স্থায়ী ছিল ততদিন কোনো সমালোচনাই সহ্য করেনি। ডিসরেলি এমন একটি সতর্কতামূলক ঐক্যের জন্য কাজ করেছিলেন যা সেই মুহূর্তের জন্য কোনো অর্থনৈতিক প্রয়োজন ছিল না। স্যার [[রবার্ট পিল|রবার্ট পিলের]] [[রক্ষণশীলতাবাদ]]এ তিনি একটি মধ্যবিত্ত এবং অদূরদর্শী নীতি খুঁজে পেয়েছিলেন। রক্ষণশীল দল প্রায় আজকের মতোই একই অবস্থায় ছিল, কারণ মূল্যবোধের বিভ্রান্তির মাধ্যমে সম্পূর্ণভাবে প্রতিশ্রুতিহীন থাকার কারণে এটি মধ্যপন্থী মতামতের কাছে আবেদন করছিল। এটি লিবারেল পরিস্থিতিতে টোরি মান প্রয়োগ করার চেষ্টা করেছিল এবং অনিবার্যভাবেই পরিস্থিতির কাছে মানগুলোকে বলি দিয়েছিল। নেপোলিয়নীয় যুদ্ধের পর থেকে শাসক শ্রেণিগুলো নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছিল এবং ভবিষ্যতের দিকে ভ্রুক্ষেপ না করেই শাসনের নীতিগুলো দূরে সরিয়ে রাখা হয়েছিল। ডিসরেলি ক্রমবর্ধমান [[w:সিটি অফ লন্ডন|সিটি অফ লন্ডন]]কে হুইগদের সৃষ্টি হিসেবে দেখেছিলেন এবং তিনি [[w:সংরক্ষণবাদ|সংরক্ষণবাদ]]কে সেভাবেই বুঝেছিলেন যেভাবে [[অটো ফন বিসমার্ক|বিসমার্ক]] বুঝেছিলেন এবং পরে [[জোসেফ চেম্বারলেইন]] বুঝেছিলেন। এটি ছিল জাতীয় দৃষ্টিকোণ থেকে, প্রস্তুতকারকদের দৃষ্টিকোণ থেকে নয়। ডিসরেলির কাছে ব্যালেন্স শিটের আইটেমগুলো কেবল ততটুকুই গুরুত্বপূর্ণ ছিল যতটুকু তারা জনগণের চরিত্র গঠনে সাহায্য করেছিল। তিনি ট্রেড ইউনিয়নগুলোকে বৈধতা দিয়েছিলেন এবং কেউ সহজেই অনুমান করতে পারে যে তিনি সমাজতন্ত্রের মধ্যে বিদ্রোহী টোরিবাদের নেতৃত্বহীন শক্তির বহিঃপ্রকাশ দেখতে পেয়েছিলেন। এটা সন্দেহজনক যে আগস্ট ১৯৩০ সালে তিনি এমন একটি সরকারকে জাতীয় বলতেন যা এই শক্তিগুলোর বিরোধী ছিল। ডিসরেলি এমনকি সেই দিনগুলোতেও একটি জাতীয় এবং স্থির ভিত্তিতে শিল্পকে সমন্বিত করতেন। আধুনিক শিল্পায়নে ঐক্য অর্জনের চেষ্টা করায় তিনি তার সময়ের চেয়ে ষাট বছর এগিয়ে ছিলেন। [[স্ট্যানলি বল্ডউইন|মি. বল্ডউইনের]] তুলনায় এটা মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে, ডিসরেলির দুই জাতির তত্ত্ব রাজনৈতিক সম্প্রীতির ক্ষেত্রে একটি দুর্দান্ত পরিষেবা দিতে পারত, যদি পরবর্তী রক্ষণশীলরা মধ্যবিত্ত মতামতের কাছে আবেদন করার পথ বেছে না নিতেন।
**[[w:জন গ্রিন (রেডিও প্রযোজক)|জন গ্রিন]], ''মি. বল্ডউইন: আ স্টাডি ইন পোস্ট-ওয়ার কনজারভেটিজম'' (১৯৩৩), পৃ. ১৭৪-১৭৫
*[[w:ওডো রাসেল, ১ম ব্যারন অ্যাম্পথিল|লর্ড ও. রাসেল]] বলেছিলেন যে লর্ড বিকন্সফিল্ড বার্লিনে যে প্রভাব ফেলেছিলেন তা ছিল অত্যন্ত দুর্দান্ত এবং তিনি যে চরম দক্ষতার সাথে [[w:বার্লিন কংগ্রেস|কংগ্রেসের]] বেশিরভাগ কাজ পরিচালনা করেছিলেন তা অতিরিক্ত মূল্যায়ন করা অসম্ভব। অন্য প্রতিনিধিরা স্পষ্টতই তাকে ভয় পেতেন এবং সেখানে সমবেত বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে অন্য কারও প্রতি এত কৌতূহল বা এত সম্মান দেখানো হয়নি।
**[[w:এডওয়ার্ড ওয়াল্টার হ্যামিল্টন|এডওয়ার্ড ওয়াল্টার হ্যামিল্টন]], ডায়েরি এন্ট্রি (৪ নভেম্বর ১৮৮০), ''দ্য ডায়েরি অফ স্যার এডওয়ার্ড ওয়াল্টার হ্যামিল্টন, ১৮৮০-১৮৮৫। খণ্ড ১, ১৮৮০-১৮৮২'', সম্পাদক ডাডলি বাহলম্যান (১৯৭২), পৃ. ৭০এ উদ্ধৃত।
*আগের সময়ের জন্য ডিসরেলি নিশ্চিতভাবেই ধ্রুপদী উদাহরণ হবেন। তবে এটা বলা কঠিন হবে যে ডিসরেলি কখনো কোনো বুদ্ধিবৃত্তিক এজেন্ডা অনুসরণ করেছিলেন বা তার রাজনৈতিক উদ্যোগগুলোতে তার উদ্দেশ্যগুলো পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়েছিল। কী সম্ভব এবং কী প্রয়োজন, সে সম্পর্কে তার অসাধারণ তীক্ষ্ণ রাজনৈতিক প্রবৃত্তি ছিল। অর্থাৎ আপনি যদি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোকে যেমন আছে তেমনই রাখতে চান তবে কতটা পরিবর্তনের প্রয়োজন তা তিনি বুঝতে পারতেন। এই দিক থেকে ডিসরেলি হলেন ইংরেজি ইতিহাসের এডমন্ড বার্ক–থমাস ম্যাকোলে সংস্করণের জীবন্ত প্রতিমূর্তি: এটি এমন একটি গল্প যেখানে দেশটি শত শত বছর ধরে বড় ধরনের পরিবর্তন এড়াতে ধারাবাহিকভাবে এবং সফলভাবে ছোটখাটো সমন্বয় সাধন করে।<br>তবে অবশ্যই, "ছোটখাটো" এবং "বড়" বলতে আপনি কী বোঝাতে চাইছেন তার ওপর সবকিছু নির্ভর করে। ডিসরেলি ১৮৬৭ সালের দ্বিতীয় সংস্কার আইনের জন্য দায়ী ছিলেন যা ভোটার তালিকায় দশ লক্ষ ভোটার যোগ করেছিল। আমরা যদি ধরেও নিই যে এটিও ছিল রাজনৈতিক সেফটি ভালভ খোলার একটি হিসাব-নিকাশ করা পদক্ষেপ—যা আরও চরম সংস্কারের জন্য জনপ্রিয় দাবিগুলোকে প্রতিহত করার উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছিল—তবুও এটি স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি রাজনৈতিক বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দেয়। ডিসরেলি ছিলেন প্রথম রক্ষণশীল রাজনীতিবিদ যিনি ব্যাপক নির্বাচনী সমর্থনের সম্ভাবনাগুলো বুঝতে পেরেছিলেন এবং বুঝতে পেরেছিলেন যে গণতন্ত্রের কারণে একটি শাসক অভিজাত শ্রেণির মূল ক্ষমতা ক্ষুণ্ণ হওয়ার প্রয়োজন নেই। একজন বিশ্বশক্তি হিসেবে টিকে থাকতে হলে ব্রিটেনকে কতটা পরিবর্তন হতে হবে তা প্রাথমিক পর্যায়েই উপলব্ধি করার ক্ষেত্রেও তিনি তার মধ্য-ভিক্টোরীয় সমসাময়িকদের মধ্যে অসাধারণ ছিলেন।
**[[টনি জুড]], টনি জুড এবং টিমোথি স্নাইডারের ''থিংকিং দ্য টুয়েন্টিয়েথ সেঞ্চুরি'' (২০১২), অধ্যায় ২. লন্ডন এবং ভাষা: ইংরেজি লেখক।
*তার মৃত্যুর দিন পর্যন্ত "ইংল্যান্ডের জমির মালিকদের স্বার্থ" তার ভক্তির বস্তু ছিল। আর এর ওপরই তিনি প্রতিনিয়ত বজায় রেখেছিলেন যে ইংল্যান্ডের মহত্ত্ব গড়ে উঠেছে। এখান থেকেই [[মুক্ত বাণিজ্য]] এবং [[w:সংরক্ষণবাদ|সংরক্ষণবাদ]] সম্পর্কে তার মতামত এসেছে।
**[[w:টি. ই. কেবেল|টি. ই. কেবেল]], 'ভূমিকা', ''সিলেক্টেড স্পিচেস অফ দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অফ বিকন্সফিল্ড, খণ্ড ১'' (১৮৮২), পৃ. ১৫
*লর্ড বিকন্সফিল্ড গত একশ বছরের তিন মহান টোরি মন্ত্রীর একজন ছিলেন... বাকি দুজন হলেন স্যার [[রবার্ট পিল]] এবং [[উইলিয়াম পিট দ্য ইয়ঙ্গার|মি. পিট]]... পিট রাজা এবং অভিজাতদের মধ্যে বিবাদের প্রায় অবসান ঘটিয়েছিলেন এবং সংসদের হুইগ মতবাদের সাথে রাজতন্ত্রের টোরি মতবাদের সমন্বয় সাধন করেছিলেন। পিল সংস্কার বিল দ্বারা প্রতিষ্ঠিত নতুন শাসনব্যবস্থার সাথে টোরিবাদকে মানিয়ে নিয়েছিলেন এবং তার নাম সর্বদা মধ্যবিত্ত সংস্কারের অগ্রগতির সাথে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। লর্ড বিকন্সফিল্ড টোরিবাদকে পরবর্তী পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছিলেন এবং আমাদের সমাজ ব্যবস্থার সেই ব্যবধানটি বন্ধ করাকে তার জীবনের ব্রত বানিয়েছিলেন, যা তিনি মনে করতেন উনিশ শতকের দ্বিতীয় প্রান্তিকে ধীরে ধীরে প্রশস্ত হচ্ছিল। আর শ্রমিক শ্রেণিকে রাজতন্ত্র, চার্চ এবং অভিজাত শ্রেণির সাথে পুনর্মিলন করানো তার লক্ষ্য ছিল।
**[[w:টি. ই. কেবেল|টি. ই. কেবেল]], ''আ হিস্ট্রি অফ টোরিজম'' (১৮৮৬), পৃ. ৩৩৪-৩৩৫
*তিনি কখনোই [[w:১৮৩২ সালের সংস্কার আইন|১৮৩২ সালের সংস্কার বিল]] দ্বারা প্রতিষ্ঠিত নতুন শাসনব্যবস্থাকে আন্তরিকতার সাথে গ্রহণ করেননি। প্রাচীন ও বর্ণাঢ্য বংশোদ্ভূত হিসেবে তিনি একটি প্রকৃত অভিজাত শ্রেণির প্রতি সহানুভূতিশীল হতে পারতেন। একজন স্বনির্মিত মানুষ হিসেবে... তিনি শ্রমিকের প্রতি সহানুভূতিশীল হতে পারতেন। কিন্তু মহান "মধ্যস্বত্বভোগী" বা মহান মধ্যবিত্ত শ্রেণির প্রতি তার সহানুভূতি ছিল খুবই সামান্য, যাদের দীর্ঘকাল ধরে ইংরেজি জীবনের মেরুদণ্ড হিসেবে দেখা হতো। আমি মনে করি এখানেই তার সমগ্র নীতির চাবিকাঠি নিহিত... তিনি ১৮৩৯ সালে লুই ফিলিপের সিংহাসন সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে বলেছিলেন, "মধ্যবিত্ত রাজতন্ত্রের প্রতি আমার কোনো বিশ্বাস নেই"। তিনি দেখেছিলেন যে পুরোনো অভিজাত শাসনব্যবস্থায়, এর সমস্ত বাহ্যিক অসঙ্গতি এবং তার ব্যঙ্গ করা সমস্ত কল্পকাহিনী সত্ত্বেও, নির্দিষ্ট নীতিগুলোর প্রতিনিধিত্ব ছিল এবং ক্ষমতার বড় উপাদান ছিল। তিনি এমন একটি মহান জনপ্রিয় রাজতন্ত্রের স্থিতিশীলতা সম্পর্কেও একই বিশ্বাস করতেন যা মানুষের ভালোবাসা এবং আনুগত্যের ওপর প্রতিষ্ঠিত, যেমনটি তিনি [[w:টিউডর যুগ|টিউডর]] রাজতন্ত্রকে মনে করতেন। কিন্তু তিনি স্পষ্টতই শুধুমাত্র একটি আপসের ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত এবং শুধুমাত্র পুঁজিপতিদের স্বার্থপর প্রবৃত্তির কাছে আবেদন করা প্রতিষ্ঠানগুলোর স্থিতিশীলতায় বিশ্বাস করতেন না।
**[[w:টি. ই. কেবেল|টি. ই. কেবেল]], ''আ হিস্ট্রি অফ টোরিজম'' (১৮৮৬), পৃ. ৩৩৫-৩৩৬
*তিনি ছিলেন অভিজাতদের অভিজাত। রাজনৈতিক ক্ষমতাকে জন্ম ও সম্পত্তির নীতি থেকে বিচ্ছিন্ন করার কোনো ধারণাই তার ছিল না। তিনি সবসময় ইংল্যান্ডের গ্রামীণ ভদ্রলোকদের গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর স্বাভাবিক নেতা হিসেবে বলতেন। তার ভাষণ এবং লেখা উভয় ক্ষেত্রেই তিনি যাকে "আঞ্চলিক সংবিধান" বলতেন তার সুবিধাগুলো নিয়ে আলোচনা করতে পছন্দ করতেন। আর সম্ভবত তিনি প্রথম [[w:১৮৩২ সালের সংস্কার আইন|সংস্কার বিলের]] পরবর্তী পঞ্চাশ বছরে এতে যে অনুপ্রবেশ ঘটেছিল তার জন্য সবসময় যথেষ্ট ছাড় দেননি। অন্তত, এই বিষয়ে তার ভাষা আমার মনে এই ধারণাই তৈরি করেছে। ইংরেজি অভিজাতদের নিয়ে তার ব্যঙ্গ তাদের একটি খুব ছোট অংশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল, যদিও তা প্রায়শই সাধারণভাবে অভিজাতদের প্রতি অবজ্ঞা হিসেবে ভুল বোঝা হতো। এর চেয়ে বড় ভুল আর কিছু হতে পারে না। তিনি নিজেকে এমন একটি বংশলতিকার অধিকারী বলে বিশ্বাস করতেন যার তুলনায় খ্রিষ্টান জগতের প্রাচীনতম পরিবারগুলোর বংশলতিকাগুলোও যেন গতকালের জিনিস।
**[[w:টি. ই. কেবেল|টি. ই. কেবেল]], ''লর্ড বিকন্সফিল্ড অ্যান্ড আদার টোরি মেমোরিজ'' (১৯০৭), পৃ. ৬৫-৬৬
*তার চেহারার একটি উজ্জ্বল স্মৃতি আজও আমার মনে আছে—তার কালো কোঁকড়ানো চুল, তার কৃত্রিম আচার-আচরণ এবং তার কিছুটা অদ্ভুত পোশাক... তিনি তার অসাধারণ এবং জমকালো পোশাক দিয়ে আমার বিস্ময়—সম্ভবত আমার প্রশংসা—জাগিয়ে তুলেছিলেন। তিনি সবচেয়ে জমকালো রঙের এবং সবচেয়ে অদ্ভুত নকশার কোট পরতেন, যার সাথে প্রচুর সোনার সূচিকর্ম, মখমলের প্যান্ট এবং লাল গোলাপের নকশা করা জুতো থাকত।
**[[w:অস্টেন হেনরি লেয়ার্ড|অস্টেন হেনরি লেয়ার্ড]], ''অটোবায়োগ্রাফি অ্যান্ড লেটারস ফ্রম হিজ চাইল্ডহুড আনটিল হিজ অ্যাপয়েন্টমেন্ট অ্যাজ এইচ.এম. অ্যাম্বাসেডর অ্যাট মাদ্রিদ, খণ্ড ১'' (১৯০৩), পৃ. ১৮, ৪৯
*যে ঔপন্যাসিককে পুনরুজ্জীবিত করা হয়নি তিনি হলেন ডিসরেলি। তবে, তিনি মহান ঔপন্যাসিকদের একজন না হলেও তিনি এতটাই প্রাণবন্ত এবং বুদ্ধিমান যে অন্তত ''কনিংসবি'', ''সিবিল'' এবং ''ট্যানক্রেড'' ত্রয়ীতে তার স্থায়ী মূল্যায়ন প্রাপ্য। এই বইগুলোতে তার নিজের আগ্রহগুলো—একজন অত্যন্ত বুদ্ধিমান রাজনীতিবিদের আগ্রহ যার সমাজবিজ্ঞানীর মতো তার সময়ের সভ্যতা ও এর গতিবিধি বোঝার ক্ষমতা রয়েছে—খুবই পরিণত।
**[[এফ. আর. লিভিস]], ''দ্য গ্রেট ট্র্যাডিশন'' (১৯৪৮), পৃ. ১, টীকা ১
*খুব কম গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলই তাদের প্রতিপক্ষের সততা, দেশের প্রতিষ্ঠানের প্রতি ভক্তি এবং দেশপ্রেমকে এত সুশৃঙ্খল এবং নির্মমভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পেরেছে। এই যুক্তির দৃষ্টান্ত হিসেবে ১৮৭২ সালে ক্রিস্টাল প্যালেসে ডিসরেলির ভাষণ দিয়ে শুরু করা যুক্তিসঙ্গত, যা একজন রক্ষণশীল নেতার দেওয়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জনসমক্ষে দেওয়া ভাষণগুলোর একটি। তিনি যুক্তি দিয়েছিলেন... যে রক্ষণশীল দলের ত্রিমুখী উদ্দেশ্য হলো "দেশের প্রতিষ্ঠানগুলো বজায় রাখা..., ইংল্যান্ডের সাম্রাজ্য সমুন্নত রাখা... [এবং] জনগণের অবস্থার উন্নতি করা।" দ্বিতীয় রক্ষণশীল উদ্দেশ্যের ঘোষণার মাধ্যমেই দলটি সাম্রাজ্যের দল এবং বস্তুত সাম্রাজ্যবাদের দলে পরিণত হওয়ার প্রথম বড় পদক্ষেপ নিয়েছিল... ডিসরেলি কর্তৃক সাম্রাজ্যকে একটি অনন্য রক্ষণশীল কারণ হিসেবে বেছে নেওয়ার পরপরই যখন সাম্রাজ্যিক ও বৈদেশিক বিষয়ে লিবারেলদের দৃষ্টিভঙ্গির উল্লেখ করা হয়, তখন দলীয় সাহিত্যে একটি ক্রমবর্ধমান তীক্ষ্ণ সুর প্রবেশ করে।
**[[w:রবার্ট ম্যাকেঞ্জি (ভোটবিজ্ঞানী)|রবার্ট ম্যাকেঞ্জি]] এবং অ্যালান সিলভার, ''অ্যাঞ্জেলস ইন মার্বেল: ওয়ার্কিং ক্লাস কনজারভেটিভস ইন আরবান ইংল্যান্ড'' (১৯৬৮), পৃ. ৪৯-৫১
*[[w:বার্লিন কংগ্রেস|বার্লিন কংগ্রেস]] একভাবে প্রধানমন্ত্রীর কর্মজীবনের একটি উপযুক্ত চূড়ান্ত পরিণতি ছিল। [[w:মহান পূর্ব সংকট|পূর্বাঞ্চলীয় সংকটের]] শুরু থেকেই তিনি ব্রিটেনের মহত্ত্বের জন্য তার ভাবমূর্তির জন্য লড়াই করেছিলেন... তার দেশের প্রতি অনুভূতি সম্ভবত তার অন্য যেকোনো অনুভূতির মতোই শক্তিশালী এবং গভীর ছিল। বার্লিন থেকে ফিরে আসার পর ইংল্যান্ডে তাকে যে উৎসাহ ও স্নেহের সাথে গ্রহণ করা হয়েছিল তা এর আংশিক স্বীকৃতি ছিল। তিনি এবং স্যালিসবারি যদি সম্মানের সাথে শান্তি না-ও আনতেন, তবে অন্তত মর্যাদার সাথে শান্তি নিশ্চিত করেছিলেন। এটি পনেরো বছরের একটি সময়কালের সমাপ্তি চিহ্নিত করেছিল যে সময়ে ইংল্যান্ডের নীতি এবং অবস্থান প্রায়শই আত্মগোপন, বিব্রতকর অবস্থা এবং অপমানের দ্বারা চিহ্নিত ছিল। অনেকের জন্যই জাতীয় শক্তি এবং উদ্দেশ্যের একটি শক্তিশালী দাবি দীর্ঘ খরার পর স্বস্তির সুধা ছিল। যেকোনো একক ব্যক্তির কাজ হিসেবে এই দাবি যদি কারো অবদান হয়, তবে তা ছিল বিকন্সফিল্ডের।
**[[w:রিচার্ড মিলম্যান (ইতিহাসবিদ)|রিচার্ড মিলম্যান]], ''ব্রিটেন অ্যান্ড দ্য ইস্টার্ন কোয়েশ্চেন, ১৮৭৫-১৮৭৮'' (১৯৭৯), পৃ. ৪৬০-৪৬১
*'গ্ল্যাডস্টোন কেন একটি দূরবীনের মতো?' টোরি মহলে এই ধাঁধাটি খুব জনপ্রিয় ছিল। 'কারণ ডিসরেলি তাকে টেনে বের করেন, তার ভেতর দিয়ে দেখেন এবং তাকে বন্ধ করে দেন।'
**উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকল, ''দ্য লাইফ অফ বেঞ্জামিন ডিসরেলি, আর্ল অফ বিকন্সফিল্ড। খণ্ড ২: ১৮৬০-১৮৮১'' (১৯২৯), পৃ. ২৯৯
*তিনি একজন মহান রাষ্ট্রনায়ক ছিলেন। গণতন্ত্র সম্পর্কে তার দৃষ্টিভঙ্গি, তার সংস্কার বিল, আমেরিকান গৃহযুদ্ধ নিয়ে তার মতামতগুলো দেখুন। আর তার সাহস দেখুন! ইহুদিদের পক্ষ সমর্থন করে দেওয়া তার ভাষণ—[[প্রথম আর্ল রাসেল, জন রাসেল|লর্ড জন রাসেল]] ভাষণ দেওয়ার সময় ঠিক উল্টোদিকে বসে ছিলেন। তিনি সামনের সারিতে বসা তার প্রতিবেশীদের দিকে ফিরে বললেন, "কী সাহস! তার চারপাশে টোরি বেঞ্চগুলোতে এমন একজন মানুষও নেই যে তার প্রতিটি কথার বিরোধিতা করে না।"
**[[w:জন হার্টম্যান মরগান|জন হার্টম্যান মরগানের]] কাছে [[জন মর্লি|জন মর্লির]] মন্তব্য (২৯ জুন ১৯১৩), জে. এইচ. মরগানের ''জন, ভিসকাউন্ট মর্লি: অ্যান অ্যাপ্রিসিয়েশন অ্যান্ড সাম রেমিনিসেন্সেস'' (১৯২৪), পৃ. ৮৮এ উদ্ধৃত।
*লর্ড বিকন্সফিল্ডের রাজনীতির প্রকৃত দৃষ্টিভঙ্গি কী ছিল তা বলা খুব কঠিন। তবে আমার নিজের ধারণা হলো যে তিনি অভিজাততন্ত্র দ্বারা শাসনের ঐতিহ্যের প্রতি গভীরভাবে অনুরাগী ছিলেন। এর রোমান্টিক দিকটি তার কল্পনা ও প্রকৃতিকে আকৃষ্ট করেছিল। অন্তরে আমার মনে হয় তিনি একধরনের উচ্ছৃঙ্খল জনতার শাসনের চূড়ান্ত জয়কে ভয় পেতেন, যার আগমন বিলম্বিত করা সর্বদা তার উদ্দেশ্য ছিল। নিঃসন্দেহে তার শেষ বছরগুলোতে তিনি ভবিষ্যৎ সম্পর্কে অত্যন্ত হতাশাবাদী ছিলেন। ঠিক বা ভুল যা-ই হোক না কেন, ইংরেজি গণতন্ত্রের রাজনৈতিক বিচক্ষণতার ওপর তার বিশেষ কোনো আস্থা ছিল না, যার রায় নীতিহীন এবং চটকদার আন্দোলনকারীদের দ্বারা সহজেই প্রভাবিত হতে পারে বলে তিনি মনে করতেন।
**[[w:লেডি ডরোথি নেভিল|লেডি ডরোথি নেভিল]], ''লিভস ফ্রম দ্য নোট-বুকস অফ লেডি ডরোথি নেভিল'', সম্পাদক রালফ নেভিল (১৯০৭), পৃ. ৭৫
*আমার দৃষ্টিভঙ্গি সম্ভবত একজন ডিসরেলি ঘরানার রক্ষণশীলের দৃষ্টিভঙ্গি—একটি শক্তিশালী পররাষ্ট্র নীতি, জাতি যে মৌলিক মূল্যবোধগুলোতে বিশ্বাস করে তার প্রতি দৃঢ় আনুগত্য এবং সেই মূল্যবোধগুলো সংরক্ষণ করা ও ধ্বংসাত্মক না হওয়া। তবে এর সাথে সংস্কার যুক্ত থাকা—এমন সংস্কার যা কাজ করবে, ধ্বংস করবে না।
**[[রিচার্ড নিক্সন]], হেনরি পাওলুচির 'আমেরিকাস ভেরি ওন ডিসরেলিস'এ উদ্ধৃত, ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'' (১২ ডিসেম্বর ১৯৭২), পৃ. ৪৭
* সবার দ্বারা উপহাসের পাত্র হওয়ার পর ডিসরেলি যে ক্ষমতা অর্জন করেছিলেন, তার চেয়ে অসাধারণ দৃশ্য আর নেই। তার মৃত্যুর এত বছর পরও তিনি তা ধরে রেখেছেন এবং প্রয়োগ করছেন। আমার মনে হয় তার সবচেয়ে শক্তিশালী জাদুকরী ওষুধ ছিল তার তোষামোদ। তিনি তার সার্বভৌম, তার দল এবং স্বয়ং জাতিকে তার সমস্ত জমকালো বাগ্মিতা এবং সূক্ষ্ম পরামর্শ দিয়ে তোষামোদ করেছিলেন, যার তিনি একজন প্রশংসনীয় কারিগর ছিলেন।
** [[উইডা]], {{cite book|chapter=Joseph Chamberlain|chapter-url=https://archive.org/details/criticalstudies00ouiduoft/page/n184/mode/2up|title=Critical Studies|year=1900|pages=165–179}} (পৃ. ১৭৫ থেকে উদ্ধৃতি)।
*আমাদের সমস্ত প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে ডিসরেলিই একমাত্র যিনি একটি রাজনৈতিক বিশ্বাস প্রতিষ্ঠা করেছেন... ডিসরেলি, যিনি বাহাত্তর বছর আগে মারা গেছেন, তিনি আজও একটি মহান রাজনৈতিক আন্দোলনকে অনুপ্রাণিত করেন এবং এমন এক স্নেহপূর্ণ শ্রদ্ধার উদ্রেক করেন যা সময়ের সাথে কমার বদলে বরং বৃদ্ধি পায়... যারা তাকে খুব কমই চিনতেন বা যাদের কাছে তিনি কেবলই ইতিহাসের একটি চরিত্র ছিলেন, তারা তার লেখাগুলোতে—উপন্যাস, ভাষণ, প্রবন্ধ, বিশেষ করে তার প্রথম ও মধ্য বয়সের লেখাগুলোতে—বিশুদ্ধ শিক্ষা এবং আনন্দের এক ভান্ডার খুঁজে পেয়েছেন। নীতি ও অনুশীলন, চিন্তা ও কাজের মধ্যে পূর্বে লুকানো একটি ধারাবাহিকতা এবং সংযোগ সেখানে প্রকাশিত হয়েছে। [[w:যিহোশূয়|যিহোশূয়ের]] মতো তিনিও একই সাথে নবী এবং অধিনায়ক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলেন... ডিসরেলির দুটি বৈশিষ্ট্য যা নির্দিষ্টভাবে ইহুদি, তা তার চিন্তাভাবনার দীর্ঘস্থায়ী গুরুত্ব বোঝাতে সাহায্য করে। সেগুলো হলো সেই বৈশিষ্ট্য যা সিডোনিয়ার মধ্যে উদাহরণ হিসেবে দেখা যায়। সিডোনিয়া হলো ডিসরেলির উপন্যাসগুলোতে আত্ম-চিত্রায়ণের সবচেয়ে কাছাকাছি চরিত্র। সেগুলো হলো বুদ্ধিবৃত্তিক বিচ্ছিন্নতা এবং জাতিতত্ত্বে বিশ্বাস... আদর্শ ইংরেজ যুবক কনিংসবিকে সিডোনিয়া বলেন, "জাতিই সবকিছু।" এরপর তিনি ইহুদি এবং ইংরেজ "জাতিগুলোর" মধ্যে সমান্তরাল বিস্তারের দিকে এগিয়ে যান, যারা তাদের প্রবৃত্তি দ্বারা স্ব-স্ব ভাগ্যের পথে পরিচালিত হয়... এটা আমাদের কাছে কাল্পনিক এবং অনেকটা হিটলারের মতো শোনায়। তবে কেবল তখনই যদি আমরা বুঝতে ব্যর্থ হই যে ব্রিটেন এবং যিহূদার মধ্যে একটি সমান্তরাল তৈরি করার আকাঙ্ক্ষা ডিসরেলিকে "জাতি" বলতে প্ররোচিত করেছিল যেখানে আমরা হয়তো "রাষ্ট্র" বলতাম। ঘটনাক্রমে, "জাতি"র এমন অর্থ রয়েছে যা আমাদের দাদাদের কাছে ছিল না। "প্রবৃত্তি" শব্দটি আমরা ব্যবহার করতাম, কারণ জীববিজ্ঞান এবং নৃবিজ্ঞান আমাদের চিন্তাভাবনা ও ভাষার নতুন শ্রেণিবিভাগ দিয়েছে। ডিসরেলি দাবি করতেন যে তিনি "ফেরেশতাদের পক্ষে" আছেন। কিন্তু যখন তিনি "জাতির প্রবৃত্তির ওপর নির্ভর করা"র কথা বলতেন, তখন তিনি মূলত বিবর্তনের ধারণাগুলো নিয়েই কাজ করছিলেন।
**[[ইনোক পাওয়েল]], 'ডিসরেলি', ''অবজেক্টিভ'' (জানুয়ারি ১৯৫৪), ''রিফ্লেকশনস অফ আ স্টেটসম্যান: দ্য রাইটিংস অ্যান্ড স্পিচেস অফ ইনোক পাওয়েল'' (১৯৯১), পৃ. ২৮৫-২৮৬এ উদ্ধৃত।
*দুটি উপন্যাস ''কনিংসবি'' এবং ''সিবিলে''র প্রতিটিতে আরও দুটি বিষয় মূল রূপক—একটি পুনর্মিলিত জাতি এবং একটি উন্নীত শ্রমিক শ্রেণি—এর সাথে জড়িয়ে আছে। এই বিষয়গুলো ডিসরেলির রাজনৈতিক চিন্তাভাবনা থেকে কখনো দূরে ছিল ঘন ছিল না এবং পরবর্তী উপন্যাসগুলোতে... সেগুলো মূল বিষয় হয়ে উঠবে। এগুলো হলো জাতি এবং চার্চ... সম্ভবত এই কথাগুলোর মধ্যেই সেই রাজনৈতিক মিশন নিহিত যা অর্জনের জন্য বহুমুখী ও রহস্যময় চরিত্রের অধিকারী বেঞ্জামিন ডিসরেলি নিজেকে সত্যিই ডাকা হয়েছে বলে মনে করতেন: ইংরেজদের তাদের জাতীয়তাবাদ শেখানো... ডিসরেলি প্রবৃত্তির ওপর বিশ্বাসের খাঁটি টোরি সুর তুলে ধরেছেন—কোনো নিরাকার ও বিমূর্ত প্রবৃত্তি নয় বরং একটি সমজাতীয় মানুষের জাতীয় প্রবৃত্তি। যখন জিজ্ঞাসা করা হয় যে যারা রক্ষণশীল নীতি জানতে চায় তাদের কী উত্তর দেওয়া হবে, তখন একটি ''পাঞ্চ'' কার্টুনে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ডিসরেলি বলেন, "তাদের বলুন যে আমরা একটি প্রাচীন মানুষের মহৎ প্রবৃত্তির ওপর নির্ভর করব।"
**[[ইনোক পাওয়েল]], 'ডিসরেলিস ওয়ান নেশন', বিবিসি রেডিও (১৯ এপ্রিল ১৯৮১), ''রিফ্লেকশনস অফ আ স্টেটসম্যান: দ্য রাইটিংস অ্যান্ড স্পিচেস অফ ইনোক পাওয়েল'' (১৯৯১), পৃ. ২৮৮-২৯০এ উদ্ধৃত।
* এই তো সেই মানুষ, যিনি ঘোড়দৌড় চালিয়েছেন, যিনি সময় নিয়েছেন, যিনি সময়মতো সব করেছেন এবং যিনি এই কাজ সম্পন্ন করেছেন!
** [[w:ম্যাথিউ হোয়াইট রিডলি, ১ম ভিসকাউন্ট রিডলি|স্যার ম্যাথিউ রিডলি]] কর্তৃক [[w:১৮৬৭ সালের সংস্কার আইন|১৮৬৭ সালের সংস্কার আইন]] পাসের পর (১২ এপ্রিল ১৮৬৭) [[w:কার্লটন ক্লাব|কার্লটন ক্লাব]]এ ডিসরেলির সম্মানে পানপাত্র উত্তোলন। উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকল, ''দ্য লাইফ অফ বেঞ্জামিন ডিসরেলি, আর্ল অফ বিকন্সফিল্ড। খণ্ড ২। ১৮৬০-১৮৮১'' (১৯২৯), পৃ. ২৬৭এ উদ্ধৃত।
*ইংল্যান্ডের মহত্ত্বের প্রতি উদ্দীপনা ছিল তার জীবনের আবেগ... এই দেশের মানুষ বুঝতে পেরেছিল যে এই আকাঙ্ক্ষা কতটা জোরালোভাবে তার কাজগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করত। আর তারা তাকে ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার মাধ্যমে এর প্রতিদান দিয়েছিল। এটি নির্দিষ্ট গৃহীত নীতি সম্পর্কে তাদের মতামতের ওপর নির্ভর করত না বা এর সাথে কোনো সম্পর্কও ছিল না। মাই লর্ডস, এটিই ছিল তাদের অনুরাগের প্রতি তার মহান অধিকার—সর্বোপরি তিনি ইংল্যান্ডকে ঐক্যবদ্ধ, শক্তিশালী এবং মহান দেখতে চেয়েছিলেন।
**[[রবার্ট গ্যাসকোয়েন-সেসিল, ৩য় মার্কুইস অফ স্যালিসবারি|লর্ড স্যালিসবারি]], হাউস অফ লর্ডসে [https://api.parliament.uk/historic-hansard/lords/1881/may/09/the-late-earl-of-beaconsfield-kg ভাষণ] (৯ মে ১৮৮১)।
*দলের জন্য ডিসরেলির অন্যতম প্রধান উত্তরাধিকার ছিল "সাম্রাজ্যের দল" হিসেবে দলের অবস্থান পুনর্দখল করা... পামারস্টনের মৃত্যুর পর ডিসরেলি সাম্রাজ্যকে সমর্থন করার এবং ব্রিটেনের সম্মান বৃদ্ধির একটি সুযোগ দেখেছিলেন। আর তিনি এই সুযোগের প্রতিটি বিন্দু কাজে লাগিয়েছিলেন... দেশপ্রেমের জন্য ক্রমবর্ধমান জনগণের দাবি অনুভব করে, ডিসরেলি ১৮৭২ সালে ম্যানচেস্টার এবং ক্রিস্টাল প্যালেসে তার ভাষণগুলো ব্যবহার করে তার দলের জন্য একটি সাহসী সাম্রাজ্যিক দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছিলেন। ১৮৭৪ সালের পর পদে থাকাকালীন সাম্রাজ্যের প্রতি ডিসরেলির প্রতিশ্রুতি অব্যাহত ছিল। পরের বছর তিনি [[w:সুয়েজ কোম্পানি (১৮৫৮-১৯৯৭)|সুয়েজ ক্যানাল কোম্পানি]]র প্রায় অর্ধেক শেয়ার কেনার দুঃসাহসিক পদক্ষেপ নিয়েছিলেন... ১৮৭৬ সালে ডিসরেলি [[যুক্তরাজ্যের ভিক্টোরিয়া|ভিক্টোরিয়া]]কে "ভারতের সম্রাজ্ঞী" উপাধি দিয়ে তার "ফেয়ারি কুইন"এর সাথে তার উষ্ণ সম্পর্ক সুদৃঢ় করেছিলেন। [[উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন|গ্ল্যাডস্টোন]] এই পদক্ষেপকে স্পষ্টভাবে "অ-ইংরেজিসুলভ" বলে নিন্দা করেছিলেন। তবে এটি তাৎক্ষণিকভাবে রাজতন্ত্রের মর্যাদা বাড়িয়ে দিয়েছিল এবং ভারত সাম্রাজ্যের "মুকুটের রত্ন" হয়ে উঠেছিল।
**[[w:অ্যান্থনি সেলডন|অ্যান্থনি সেলডন]] এবং [[w:পিটার স্নোডন|পিটার স্নোডন]], ''দ্য কনজারভেটিভ পার্টি: অ্যান ইলাস্ট্রেটেড হিস্ট্রি'' (২০০৪), পৃ. ৩২
*ম্যানচেস্টারে [১৮৭২ সালে] ডিসরেলির উল্লেখযোগ্য অর্জন ছিল সামাজিক সংস্কার এবং সাম্রাজ্যের ওপর নতুন জোরের সাথে সাংবিধানিক রক্ষণশীলতাবাদের পুরোনো মতবাদগুলোকে সুবিধাজনকভাবে মিশ্রিত করা... সেখানে একটি আরও বেশি উল্লেখযোগ্য মতামত ছিল যারা একটি ইউরোপীয় শক্তি হিসেবে ব্রিটেনের পতনে হতবুদ্ধি এবং ক্ষুব্ধ ছিল এবং তাদের সান্ত্বনা ও আশ্বাসের খুব প্রয়োজন ছিল। "সান্ত্বনা" বা "ক্ষতিপূরণ"এর মতো শব্দ ব্যবহার না করেই ডিসরেলি "জাতীয়" জনসাধারণের কাছে সাম্রাজ্যকে ঠিক সেই উদ্দেশ্যেই প্রস্তাব করার খুব কাছাকাছি গিয়েছিলেন... ডিসরেলি [১৮৭২ সালে ক্রিস্টাল প্যালেসে] "টোরি দল, বা আমি যাকে জাতীয় দল বলার সাহস করব"এর "তিনটি মহান উদ্দেশ্য" বিশ্লেষণ করতে এগিয়ে যান। এগুলো হলো দেশের প্রতিষ্ঠানগুলো বজায় রাখা, সাম্রাজ্য সমুন্নত রাখা এবং জনগণের অবস্থার উন্নতি করা।
**[[w:রিচার্ড শ্যানন (ইতিহাসবিদ)|রিচার্ড শ্যানন]], ''দ্য এজ অফ ডিসরেলি, ১৮৬৮-১৮৮১: দ্য রাইজ অফ টোরি ডেমোক্র্যাসি'' (১৯৯২), পৃ. ১৪০-১৪১
*তারা বলে, এবং সত্যি কথাই বলে, লোকটি কী দারুণ অভিনেতা!—তবুও চূড়ান্ত ধারণাটি সম্পূর্ণ আন্তরিকতা এবং অসংরক্ষণের। গ্রান্ট ডাফ তাকে একজন ভিনদেশি বলে মেনে নেবেন। ইংল্যান্ডের সাথে তার কী সম্পর্ক বা ইংল্যান্ডের সাথে তার কী সম্পর্ক? ঠিক এখানেই তারা ভুল করে। হুইগ বা র্যাডিক্যাল বা টোরি হয়তো খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ নয়; কিন্তু এই শক্তিশালী ভেনিস—এই সাম্রাজ্যিক প্রজাতন্ত্র যেখানে কখনো সূর্য অস্ত যায় না—সেই দৃষ্টিভঙ্গি তাকে মুগ্ধ করে, অথবা আমি সম্পূর্ণ ভুল। ইংল্যান্ড হলো তার কল্পনার ইসরায়েল এবং সে সুযোগ পেলে মারা যাওয়ার আগেই সাম্রাজ্যিক মন্ত্রী হবে।
**[[w:জন স্কেলটন (লেখক)|জন স্কেলটন]] (১ নভেম্বর ১৮৬৭), ''দ্য টেবিল-টক অফ শার্লি'' (১৮৯৬), পৃ. ২৫৮
*তার যৌবনে ডিসরেলি এমন কিছু নীতি নির্ধারণ করেছিলেন যার ভিত্তিতে তার সময়ের ইংল্যান্ডের ভিত্তি হওয়া উচিত ছিল। আর তার সমসাময়িকদের বোঝাতে তার তুলনামূলক ব্যর্থতা... রাজনৈতিক প্রতিভার একটি শ্রেষ্ঠ উদাহরণের মাধ্যমে তার দেশকে সমৃদ্ধ করে রেখেছিল এবং তার বস্তি, নষ্ট শারীরিক গঠন, শিল্পে অস্থিরতা এবং শ্রেণিশত্রুতার কারণে দরিদ্র করে রেখেছিল। যদি কোনো ঈশ্বর তিরিশের দশকের শুরুতে ডিসরেলিকে একনায়ক বানাতে পারতেন, তবে আজ কোনো সামাজিক সমস্যা থাকত না। সেই মহান ব্যক্তি নতুন শিল্পায়িত রাষ্ট্রকে সেই নীতি ও অনুশীলনের ওপর গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন যা পুরোনো গ্রামীণ ও নগর ব্যবস্থাগুলোকে সজীব করেছিল—মালিক ও শ্রমিকের মধ্যে, পুঁজিপতি ও কর্মচারীর মধ্যে, গিল্ড ও গিল্ডের মধ্যে, কৃষিশ্রমিক ও শহরের শ্রমিকের মধ্যে স্বার্থের ঐক্য। অতীতের সামন্ততান্ত্রিক ধারণার মধ্যে যা সবচেয়ে ভালো ছিল তা উনিশ শতকের নতুন প্রগতিশীল শক্তিগুলোতে প্রয়োগ করা হতো। শিল্পের অভিজাতরা সামন্ততন্ত্রের অভিজাতদের ঐতিহ্য অনুসরণ করতেন এবং নিজেদের নতুন অনুগামীদের শোষক না হয়ে তাদের অভিভাবক হতেন।
**[[প্রথম আর্ল অফ বার্কেনহেড, এফ. ই. স্মিথ|এফ. ই. স্মিথ]], ''ইউনিয়নিস্ট পলিসি অ্যান্ড আদার এসেজ''এ "স্টেট টোরিজম অ্যান্ড সোশ্যাল রিফর্ম" (১৯১৩), পৃ. ৪১-৪২
*ক্রিস্টাল প্যালেসে "জাতীয় দল"এর "তিনটি মহান উদ্দেশ্য"—রাজতন্ত্র, হাউস অফ লর্ডস এবং চার্চ বজায় রাখা, "ইংল্যান্ডের সাম্রাজ্য সমুন্নত রাখা" এবং "জনগণের অবস্থার" উন্নতি করা—সম্পর্কে ডিসরেলির ঘোষণা প্রায় চল্লিশ বছর ধরে তার প্রচার করা টোরি মতবাদগুলোকে সংক্ষেপিত করেছিল। তিনি তার উদ্ভাবিত শর্তাবলীতে টোরিবাদকে সংজ্ঞায়িত করে তার নেতৃত্বের অপরিহার্যতা পুনরায় নিশ্চিত করছিলেন, তার অনুগামীদেরকে কেবল তার জানা সুরেই পা মেলাতে আহ্বান জানাচ্ছিলেন। রাজমুকুট ও সাম্রাজ্যের প্রতীকগুলোর ওপর জনপ্রিয় আবেগের কেন্দ্রীকরণ এবং জাতীয় দক্ষতার কাঠামোর মধ্যে জনপ্রিয় কল্যাণের বস্তুগত ভিত্তির প্রতি মনোযোগ দেওয়ার মাধ্যমে জাতীয় সংহতকরণের সন্ধান করে প্রাতিষ্ঠানিক ও সামাজিক ব্যবস্থা রক্ষার কৌশল প্রায় এক শতাব্দী ধরে গণভোটারদের কাছে রক্ষণশীল দলের আবেদনের প্রধান উপাদানগুলো সরবরাহ করবে।
**[[w:পল স্মিথ (ইতিহাসবিদ)|পল স্মিথ]], ''ডিসরেলি: আ ব্রিফ লাইফ'' (১৯৯৬), পৃ. ১৬৫
*তার উত্তরসূরিদের মতো ডিসরেলি সমাজকে একটি ট্রাস্টের দৃষ্টিকোণ থেকে দেখতেন। পারস্পরিক বাধ্যবাধকতা পালনের মাধ্যমে এর সংহতি আসে এবং এর শাসকরা যেখানে প্রয়োজন সেখানে জনগণের কল্যাণ প্রচারের জন্য সরকারের বিশাল যন্ত্র ব্যবহার করতে প্রস্তুত থাকে। স্থিতিশীলতা, জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সংরক্ষণ এবং জাতীয় মর্যাদা বৃদ্ধির জন্য কাজ করা শক্তি এবং অনুভূতির সাথে নিজেকে চিহ্নিত করা টোরিবাদের প্রয়োজন ছিল—এবং আছে।
**[[w:নরম্যান সেন্ট জন-স্টিভাস|নরম্যান সেন্ট জন-স্টিভাস]], ''দ্য টাইমস''এ লেখা চিঠি (২৮ অক্টোবর ১৯৮১), পৃ. ১৩
*নিঃসন্দেহে [[অটো ফন বিসমার্ক|বিসমার্ক]] এবং ডিসরেলি [[w:বার্লিন কংগ্রেস|বার্লিন কংগ্রেস]]এ আধিপত্য বিস্তার করেছিলেন। আর সমানভাবে কোনো সন্দেহ নেই যে ডিসরেলি বিসমার্ককে একজন আকর্ষণীয় এবং অদ্ভুত ব্যক্তিত্ব হিসেবে পেয়েছিলেন। বিসমার্কও ডিসরেলির সাথে অস্বাভাবিক আচরণ করেছিলেন। তিনি তার সাথে দেখা করেছিলেন, যা তিনি তার মহান মর্যাদা অর্জনের পর ''কখনো'' করেননি। আর তিনি তাকে একটি পারিবারিক নৈশভোজে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন, যা আক্ষরিক অর্থে অন্য কোনো বিদেশি রাষ্ট্রনায়ককে দেওয়া হয়নি।
**[[w:জোনাথন স্টেইনবার্গ|জোনাথন স্টেইনবার্গ]], ''বিসমার্ক: আ লাইফ'' (২০১১), পৃ. ৩৭২
*[[w:বার্লিন কংগ্রেস|কংগ্রেসের]] আসল সাফল্য ছিল [[অটো ফন বিসমার্ক|বিসমার্ক]] এবং বিকন্সফিল্ডের মধ্যকার ব্যক্তিগত সম্পর্ক। এতে কোনো সন্দেহ নেই যে রাশিয়ার সুবিধার জন্য ছাড় আদায় করতে বিসমার্ক "বুড়ো ইহুদি"কে তোষামোদ করেছিলেন। কিন্তু পারস্পরিক স্নেহ ছিল অকৃত্রিম। দুজন মানুষ একে অপরের মধ্যে সাধারণ গুণাবলি চিনতে পেরেছিলেন... প্রত্যেকেই অন্যের ভেতরের অভিনেতার প্রশংসা করেছিলেন এবং স্বভাবতই প্রত্যেকেই অন্যের কণ্ঠস্বরের সৌন্দর্য লক্ষ্য করেছিলেন। দুজনের মধ্যেই [[লর্ড বায়রন|বায়রনিক]] পর্যায়ে [[w:রোমান্টিসিজম|রোমান্টিক আন্দোলনের]] বিষণ্ণতা ছিল। দুজনই সুযোগ-সুবিধার মোহনীয় বলয়ে প্রবেশ করেছিলেন—বিসমার্ক একজন অমার্জিত [[w:জাঙ্কার (প্রুশিয়া)|জাঙ্কার]] হিসেবে, ডিসরেলি একজন ইহুদি হিসেবে। দুজনেরই রাজনৈতিক নৈতিকতার প্রতি গভীর অবজ্ঞা ছিল। ডিসরেলি নাকি বিসমার্ক নিজের সম্পর্কে বলেছিলেন: "আমার স্বভাব স্বপ্নীল এবং আবেগপ্রবণ। যারা আমাকে আঁকেন তারা সবাই আমাকে একটি হিংস্র অভিব্যক্তি দেওয়ার ভুল করেন"? প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর ডিসরেলি নাকি বিসমার্ক বলেছিলেন: "যাইহোক, আমি চর্বিযুক্ত খুঁটির চূড়ায় উঠেছি"? রাজনীতিতে দুজনই লিবারেলিজমকে ধ্বংস করতে [[w:সার্বজনীন ভোটাধিকার|সার্বজনীন ভোটাধিকার]] ব্যবহার করেছিলেন। অথবা ইংরেজি বাক্যাংশে, "হুইগদের ধ্বংস করতে"। দুজনই আন্তরিকভাবে সামাজিক সংস্কার সমর্থন করেছিলেন; ডিসরেলি একবার সুরক্ষামূলক শুল্ক রক্ষা করেছিলেন। দুজনই ঘরে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করতে বিদেশে সাফল্য ব্যবহার করেছিলেন। যখন বিসমার্ককে সাইপ্রাসে ব্রিটিশ দখলদারিত্বের কথা বলা হয়েছিল, তিনি চিৎকার করে বলেছিলেন: "এটাই প্রগতি! এটি জনপ্রিয় হবে: একটি জাতি প্রগতি ভালোবাসে!" বিকন্সফিল্ড তার মুখ থেকে কথাগুলো কেড়ে নেওয়ায় বিরক্ত হয়েছিলেন এবং বিরসভাবে মন্তব্য করেছিলেন: "তার প্রগতির ধারণাটি স্পষ্টতই কারও কাছ থেকে কিছু নেওয়ার মধ্যে নিহিত"—এই ধারণাটি বিকন্সফিল্ড টোরি নীতির ভিত্তি বানিয়েছিলেন।
**[[এ. জে. পি. টেলর]], ''বিসমার্ক: দ্য ম্যান অ্যান্ড দ্য স্টেটসম্যান'' (১৯৫৫), পৃ. ১৭৭-১৭৮
*ডিসরেলি রাজনীতিতে একজন শিল্পী ছিলেন, যার প্রধান অর্জন ছিল তার নিজের কর্মজীবন। কিন্তু রাজনৈতিক ক্ষমতার প্রকৃতি সম্পর্কে তার একটি কল্পনাপ্রসূত উপলব্ধি ছিল যা তার প্রজন্মের কেউ মেলাতে পারেনি... ডিসরেলি ক্ষমতার মহিমাকে বিশ্বের একটি অকৃত্রিম উপাদান হিসেবে দেখেছিলেন। তাই কিছু আড়ম্বর ও জাঁকজমকের সাথে এর কাছে যাওয়া কোনো নাটকীয় অর্থহীনতায় লিপ্ত হওয়া ছিল না—এমনকি এটি একটি প্রদর্শনী তা স্বীকার করেও। যখন তিনি সাম্রাজ্যিক মুকুটের রত্নগুলোর কথা বলতেন, তখন রক্ষণশীল সদস্যরা বলতেন যে এটি কেবল ডিজির ধরন। কিন্তু তিনি তাদের জন্য রোমান্টিকভাবে দেশপ্রেমিক বিশ্বাসগুলো কথায় প্রকাশ করছিলেন যা তারা নিজেরা কখনো প্রকাশ করতেন না... স্যার [[w:হেনরি মন্টগোমেরি লরেন্স|হেনরি লরেন্স]]... একবার লিখেছিলেন যে 'রোমান্স এবং বাস্তবের যথাযথ মিশ্রণই একজন মানুষকে সবচেয়ে ভালোভাবে জীবনে এগিয়ে নিয়ে যায়'। ডিসরেলি জানতেন সেই সঠিক মিশ্রণটি কী হওয়া উচিত। এই ভেতরের স্পর্শ এবং মুষ্টির নিশ্চয়তা, এই উপলক্ষের ওপর আধিপত্যই তাকে সমস্ত প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে গিয়ে এত ডিউক, জমিদার, সৈন্য, আইনজীবী, মদ্যপ্রস্তুতকারক এবং সাধারণ ভদ্রলোকদের রাজনৈতিক ধারণার নেতৃত্বে নিয়ে গিয়েছিল। তার দল, বোবাভাবে কিন্তু সত্যিকার অর্থে, অনুভব করেছিল যে ডিসরেলি জানতেন রাজনীতি ''কী নিয়ে''।
**[[w:আর্চিবল্ড প্যাটন থর্নটন|এ. পি. থর্নটন]], ''দ্য ইম্পেরিয়াল আইডিয়া অ্যান্ড ইটস এনিমিজ'' (১৯৫৯), পৃ. ৩২-৩৩
*লর্ড বিকন্সফিল্ড সাধারণ টোরি নেতাদের থেকে যে কারণে আলাদা ছিলেন তা হলো ইংরেজদের ওপর বিশ্বাস রাখার তার প্রস্তুতি, যাদের ওপর তারা বিশ্বাস করতেন না। আর বর্ণের বাধাগুলোর প্রতি তার সম্পূর্ণ উদাসীনতা, যা তাদের কাছে রাজনীতির আদি এবং অন্ত ছিল। '''ইংরেজ জনসাধারণের যে বাকশক্তিহীন অংশটিকে তারা দূরে সরিয়ে রেখেছিলেন, তাদের মধ্যে তিনি রক্ষণশীল কর্মজীবী মানুষকে চিনতে পেরেছিলেন। ঠিক যেমন একজন ভাস্কর পাথরের খণ্ডে বন্দী দেবদূতকে দেখতে পান।''' তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে সাধারণ ইংরেজ, এমনকি যখন তার একটি সংকীর্ণ আয় এবং একটি মিতব্যয়ী বাড়ি ছাড়া ব্যক্তিগতভাবে রক্ষা করার মতো কিছুই থাকে না, তখনও তার মধ্যে সবচেয়ে ধনী সমকক্ষ ব্যক্তির মতোই শক্তিশালী রক্ষণশীল প্রবৃত্তি থাকে।
**''[[দ্য টাইমস]]'' (১৮ এপ্রিল ১৮৮৩), পৃ. ১১
*মি. গ্ল্যাডস্টোন ডিসরেলিকে এ যাবতকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সংসদীয় রসবোধের অধিকারী হিসেবে স্থান দিয়েছেন। তিনি তার চরিত্রকে একটি বড় রহস্য হিসেবে দেখেছিলেন এবং এই রহস্য কখনোই সমাধান হবে না এই অনুভূতি তাকে কষ্ট দিয়েছিল।
**লিওনেল টলেমাশে, ''টকস উইথ মি. গ্ল্যাডস্টোন'' (১৮৯৮), পৃ. ১১১
* তিনি যা কিছু লিখেছেন তাতে তিনি এমন কিছু দেখানোর ভান করেছেন যা তার পাঠকদের কাছে অস্বাভাবিক এবং সেই কারণে মহান হিসেবে প্রতিভাত হওয়ার উদ্দেশ্যে লেখা হয়েছে। কারণ তিনি একজন উজ্জ্বল এবং প্রতিভাবান মানুষ ছিলেন, তাই তরুণদের ক্ষেত্রে তিনি তার উদ্দেশ্য সাধন করেছেন। তিনি তাদের বিস্ময়ে হতবাক করে দিয়েছেন এবং তাদের কল্পনায় তাদের নিজেদের চেয়ে আরও গৌরবময়, আরও ধনী, আরও রসিক, আরও উদ্যোগী একটি বিশ্বের ধারণা জাগিয়ে তুলেছেন। কিন্তু সেই গৌরব ছিল কার্ডবোর্ডের গৌরব এবং সম্পদ ছিল সোনালী রঙের প্রলেপের সম্পদ। সেই রসবোধ ছিল নাপিতদের রসবোধ এবং উদ্যোগ ছিল হাতুড়ে ডাক্তারদের উদ্যোগ।
** [[অ্যান্থনি ট্রোলপ]], আত্মজীবনী।
*ডিসরেলি "সমষ্টিবাদী" বা তারা এখন যেমন বলে, কিছুটা ভুলভাবে, "কর্পোরেটিস্ট" নীতিগুলোর জন্য একটি সাংকেতিক নাম হয়ে উঠেছেন। তিনি "[[w:ওয়েটস অ্যান্ড ড্রায়ারস|ওয়েটস]]"এর শুভংকর। এটি ইতিহাসের একটি গুরুতর বিকৃতি। এটা সত্য যে, তার রোমান্টিক যৌবনে তিনি একমাত্র বাক্যটি লিখেছিলেন যা তার বর্তমান সময়ের প্রশংসকদের বেশিরভাগই তার লেখা থেকে পড়েছেন—ধনী এবং দরিদ্রদের একটি জাতি সম্পর্কে। তার পিতৃত্ববাদ অবশ্য ভাসাভাসা ছিল। তিনি যখনই বিমূর্ত সামাজিক ন্যায়বিচারের নামে নয় বরং জাতীয় সংহতির নামে তথাকথিত "সুবিধাবঞ্চিত"দের প্রতিরক্ষার জন্য কর্তৃত্ববাদী ব্যবস্থা সমর্থন করতেন, তখন তিনি তা সমর্থন করতেন। তিনি যেটিতে বিশ্বাস করতেন তা হলো জাতি, যাকে তিনি সেই অজ্ঞতার দিনগুলোতে রেস (Race) বা জাত বলে ডাকতেন। এটি রক্ষণশীল চিন্তাভাবনায় তার একমাত্র, বৈধ, টিকে থাকা অবদান। তিনি একজন সাম্রাজ্যবাদী ছিলেন।
**[[টি. ই. উটলি]], 'পিলস মিসপ্লেসড ম্যান্টেল', ''দ্য টাইমস'' (৯ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৮), পৃ. ১৬
* বর্তমান লোকটি ভালো করবে এবং সে বিশেষত অনুগত থাকবে এবং সবদিক থেকে আমাকে খুশি করতে আগ্রহী হবে। সে খুবই অদ্ভুত, কিন্তু খুবই বুদ্ধিমান এবং সংবেদনশীল এবং খুবই আপসকারী।
** [[যুক্তরাজ্যের ভিক্টোরিয়া|রানি ভিক্টোরিয়া]], [[w:ভিক্টোরিয়া, প্রিন্সেস রয়্যাল এবং এমপ্রেস ফ্রেডেরিক|প্রুশিয়ার ক্রাউন প্রিন্সেসের]] কাছে লেখা চিঠি (২৯ ফেব্রুয়ারি ১৮৬৮)।
*ডিসরেলি একজন জাতিতাত্ত্বিক চিন্তাবিদ ছিলেন। তিনি জাতিকে "ইতিহাসের চাবিকাঠি" মনে করতেন। "সবই জাতি", তিনি লিখেছিলেন। সিডোনিয়া বলেছিলেন, "সবই জাতি; অন্য কোনো সত্য নেই"। তার জন্য জাতি সবকিছু ছাড়িয়ে গিয়েছিল: এটি ধর্মকে ব্যাখ্যা করেছিল; এটি রাজনীতিকে ব্যাখ্যা করেছিল। ডিসরেলি একজন সামাজিক বা ধর্মীয় চিন্তাবিদের চেয়ে অনেক বেশি জাতিতাত্ত্বিক চিন্তাবিদ ছিলেন... ডিসরেলির জাতিতাত্ত্বিক মতবাদ চূড়ান্ত পর্যায়ে গিয়েছিল। জাতি কেবল ইতিহাসের চাবিকাঠিই ছিল না, বরং কিছু জাতি অন্যদের চেয়ে অনেক শ্রেষ্ঠ ছিল। সেখানে প্রভু জাতি ছিল এবং বাকিরা ছিল। তাদের শ্রেষ্ঠত্ব কেবল সাংস্কৃতিক নয়, বরং একটি জৈবিক বিষয় ছিল এবং এটি রক্তের বিশুদ্ধতার ওপর নির্ভর করত। আন্তঃপ্রজনন জাতিগত অবক্ষয় ঘটাত। যদি এই মতবাদগুলো আজ অদ্ভুত মনে হয়, তবে আমাদের মনে রাখতে হবে যে এগুলো সেরা কারণগুলোর জন্যই প্রস্তাব করা হয়েছিল: একটি নিপীড়িত জনগোষ্ঠী, ইহুদিদের, মানবজাতির মূল্যায়নে উন্নীত করা। এবং তাদের শুধু সমতার স্তরে নয়, বরং জাতিগুলোর মধ্যে প্রায় অপ্রত্যাশিত শ্রেষ্ঠত্বের অবস্থানে উন্নীত করা। ডিসরেলি নিম্ন জাতিগুলো সম্পর্কে খুব কমই বলেছিলেন; তার উদ্দেশ্য ছিল প্রশংসা করা, অবজ্ঞা করা নয়। এতে কোনো বিদ্বেষপূর্ণ উদ্দেশ্য ছিল না। তবুও, ডিসরেলি বিশ্বাস করতেন যে জাতিতাত্ত্বিকভাবে চিন্তা করা মানে আধুনিক এবং বৈজ্ঞানিক হওয়া।
**[[w:জন ভিনসেন্ট (ইতিহাসবিদ)|জন ভিনসেন্ট]], ''ডিসরেলি'' (১৯৯০), পৃ. ২৭
*তিনি ১৮৩০-এর দশকে এবং আবার ১৮৭০-এর দশকে জাতীয় ঐকমত্যের দিকে তাকিয়েছিলেন; এর অর্থ এই নয় যে মাঝখানের দশকগুলো সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল। ১৮৪০-এর দশকে ইয়ং ইংল্যান্ড জাতীয় পরিচয়ের চেয়ে সামাজিক সংহতি নিয়ে বেশি কাজ করেছিল... শুধুমাত্র ১৮৭০-এর দশকেই সামাজিক সংহতি এবং জাতীয় পরিচয়ের দুটি থিম চূড়ান্তভাবে একত্রিত হয়েছিল... অন্য অনেক রক্ষণশীল দল অভিজাত দল থেকে গণদলে পরিণত হওয়ার গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছিল। আংশিকভাবে কারণ তাদের কোনো ব্র্যান্ড ইমেজ ছিল না, বা অন্তত জনপ্রিয় ভাষায় তুলে ধরার মতো কোনো ইমেজ ছিল না। রক্ষণশীলরা তাদের টিকে থাকার জন্য অন্য যেকোনো কিছুর চেয়ে ডিসরেলির মানসিক পদচারণার কাছে ঋণী।
**[[w:জন ভিনসেন্ট (ইতিহাসবিদ)|জন ভিনসেন্ট]], ''ডিসরেলি'' (১৯৯০), পৃ. ১১৬
*''[[সিবিল (উপন্যাস)|সিবিল]]''কে এখন ভবিষ্যতের একজন রক্ষণশীল প্রধানমন্ত্রীর সৃষ্টি হিসেবে পড়া যেতে পারে এবং তাই সংকীর্ণ অর্থে এটি একটি রাজনৈতিক উপন্যাস। এতে রাজনৈতিক ওকালতির উপাদানগুলো সত্যিই যেকোনো পাঠেই স্পষ্ট। এর কৌতূহল, এর পক্ষপাতিত্ব এবং এর সুবিধাবাদ কেবল এর চমৎকার সম্বোধনের সাথেই মেলে। উপন্যাসটি যদি কেবল রাজনৈতিক হতো তবে এটি আকর্ষণীয় হতো। ডিসরেলির লেখার স্টুকো কমনীয়তা এক ধরনের রাজনৈতিক যুক্তির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। ব্যক্তি এবং অনুভূতি সম্পর্কে তার বর্ণনাগুলোতে যা অসহনীয় তা তার রাজনৈতিক উড্ডয়নগুলোতে বরং একটি পছন্দসই আড়ম্বরে পরিণত হয়। শিল্পের চরম দুর্দশার বর্ণনাগুলো কোকটাউন নিয়ে [[চার্লস ডিকেন্স|চার্লস ডিকেন্সের]] বর্ণনার মতোই: চমৎকার রোমান্টিক সাধারণীকরণ—ট্রেন থেকে, হাস্টিংস থেকে, ছাপানো পাতা থেকে দেখা দৃশ্য—তবুও প্রায়ই হৃদয়গ্রাহী, ঠিক সমস্ত দূরদর্শী বাগ্মিতার মতো। কৃষি দরিদ্রদের অবস্থার অনুরূপ বিবরণ রয়েছে যা ''নর্থ অ্যান্ড সাউথের'' বিভ্রান্তিকর বৈপরীত্যের বিপরীতে মনে রাখা দরকার। আবার, সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরনে, ''সিবিল''এ টমি-শপের অবিচারগুলোর সবচেয়ে প্রাণবন্ত বর্ণনা রয়েছে এবং ট্রাক সিস্টেমের ব্যবহারিক পরিণতিগুলোর এমন বর্ণনা রয়েছে যা অন্য কোথাও পাওয়া যায় না। ডিসরেলির রাগ—নিজের পথ করে নেওয়া একজন বহিরাগতের সাধারণ রাগ—প্রায়শই তাকে তার আনুষ্ঠানিক পাঠ্যের বাইরে নিয়ে যায়। লন্ডনের রাজনৈতিক ও সামাজিক জীবনের বৈরী বর্ণনাগুলো আবারও সাধারণীকরণ। তবে এগুলোরও সন্দেহাতীতভাবে দরিদ্রদের মধ্যে অভিযানের মতো একই আলংকারিক তাৎপর্য রয়েছে। যে কেউ যেকোনো সামাজিক তথ্যের বিষয়ে ডিসরেলির অসমর্থিত কর্তৃত্বকে বিশ্বাস করতে প্রস্তুত থাকলে তিনি নিশ্চিতভাবেই ভুল মানুষ বেছে নিয়েছেন, ঠিক যেমন তিনি একইভাবে ডিকেন্সের ক্ষেত্রেও ভুল করতেন। তবে ডিসরেলি ডিকেন্সের মতোই কপটতার একজন খুব সূক্ষ্ম সাধারণীকরণকারী বিশ্লেষক এবং মানুষের ভোগান্তির প্রায় সমান সূক্ষ্ম সাধারণীকরণকারী বাগ্মী। উভয় কাজই, জোর দিয়ে বলতে হবে, সম্মানজনক।
**[[রেমন্ড উইলিয়ামস]], ''[[w:কালচার অ্যান্ড সোসাইটি|কালচার অ্যান্ড সোসাইটি]]'' (১৯৫৮), পৃ. ৯৭
*"জমির মালিকদের স্বার্থ" এবং এর সম্ভাবনাগুলো সবসময় ডিসরেলির কল্পনাকে প্রজ্বলিত করত... ডিসরেলির মধ্যে কৃষিজমির মালিকরা তাদের শ্রেণি এবং কারণের এমন সবচেয়ে বাগ্মী প্রবক্তা পেয়েছিলেন যা ইংল্যান্ড বা অন্য কোনো দেশ কখনো দেখেনি। ডিসরেলি তাদের মধ্যে ততটা বিশ্বাস করতেন যা তারা অনেকেই তার মধ্যে করতেন না এবং তিনি তা বলতে লজ্জা পেতেন আধুনিক করতেন না। ইংল্যান্ডের একটি রাজকীয় বাড়িতে সফরের শেষে তিনি বলেছিলেন, "বিদায়, আমার প্রিয় লর্ড, আপনি আমাকে সবচেয়ে সুন্দর দৃশ্য দেখিয়েছেন যা এই দ্বীপগুলো দিতে পারে—একজন মহান অভিজাত ব্যক্তি তার নিজের লোকেদের মধ্যে বাড়িতে বসবাস করছেন।" এর চেয়ে ভালো আর কী হতে পারে?
**[[w:রিচার্ড ভার্নি, ১৯শ ব্যারন উইলোবি ডি ব্রোক|লর্ড উইলোবি ডি ব্রোক]], ''দ্য পাসিং ইয়ার্স'' (১৯২৪), পৃ. ১১-১২, ১৭
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{কমন্স|Benjamin Disraeli|বেঞ্জামিন ডিসরেলি}}
* {{গুটেনবার্গ লেখক | id=Benjamin+Disraeli | name=বেঞ্জামিন ডিসরেলি}}
* [http://www.lang.nagoya-u.ac.jp/~matsuoka/Disraeli.html ডিসরেলি লিংকস] গ্র্যাজুয়েট স্কুল অফ ল্যাঙ্গুয়েজেস অ্যান্ড কালচারসএ (নাগোয়া বিশ্ববিদ্যালয়)
* [http://www.britannia.com/bios/disraeli.html সংক্ষিপ্ত জীবনী] ব্রিটানিকা.কমএ
* [http://onlinebooks.library.upenn.edu/webbin/book/search?amode=start&author=Disraeli%2c%20Benjamin অনলাইনে পড়ার লিংক] ডিসরেলি রচিত বই দ্য অনলাইন বুকস পেজএ
{{Conservative intellectuals}}
[[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের রাজনীতিবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের ইহুদি]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের ঔপন্যাসিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের প্রাবন্ধিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:লন্ডনের ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৮০৪-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৮৮১-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:রক্ষণশীল দল (যুক্তরাজ্য)-এর রাজনীতিবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের অ্যাংলিকান]]
[[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের জীবনীকার]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভিক্টোরীয় ঔপন্যাসিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:চ্যান্সেলর অফ দ্য এক্সচেকার]]
[[বিষয়শ্রেণী:বিরোধীদলীয় নেতা (যুক্তরাজ্য)]]
[[বিষয়শ্রেণী:হাউস অফ কমন্সের নেতা (যুক্তরাজ্য)]]
[[বিষয়শ্রেণী:হাউস অফ লর্ডসের নেতা (যুক্তরাজ্য)]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইহুদি ধর্ম থেকে খ্রিষ্টধর্মে ধর্মান্তরিত ব্যক্তি]]
0awxu530h2fw3nsacdro51hhywol9sm
83382
83381
2026-05-04T09:32:11Z
Dr. Mosaddek Khondoker
2987
[[Special:Contributions/Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] ([[User talk:Dr. Mosaddek Khondoker|আলাপ]])-এর সম্পাদিত [[Special:Diff/83381|83381]] নম্বর সংশোধনটি বাতিল করা হয়েছে
83382
wikitext
text/x-wiki
[[File:Disraeli.jpg|thumb|আমি সবচেয়ে খারাপের জন্য প্রস্তুত আছি, কিন্তু সবচেয়ে ভালোর জন্য আশা করি।]]
'''[[w:বেঞ্জামিন ডিসরাইলি|বেঞ্জামিন ডিসরাইলি, বেকনসফিল্ডের প্রথম আর্ল]]''' (২১ ডিসেম্বর ১৮০৪ – ১৯ এপ্রিল ১৮৮১) ছিলেন একজন ব্রিটিশ রাজনীতিক, ঔপন্যাসিক এবং প্রাবন্ধিক। তিনি দুইবার যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯ এপ্রিল তার মৃত্যুবার্ষিকী প্রিমরোজ ডে হিসেবে পরিচিত।
==উক্তি==
===১৮২০-এর দশক===
*ক্যাথেড্রাল হাই মাস বা গির্জার পবিত্র জমায়েত। ধূপের ধোঁয়া এবং একটি অর্কেস্ট্রার মাধ্যমে [[মোৎসার্ট|মোজার্টের]] অন্যতম মহৎ একটি পরিবেশনা, যার সামনে হয়তো সান কার্লোও ম্লান হয়ে যেত। এর প্রভাব ছিল অকল্পনীয়ভাবে বিশাল। আয়োজক যখন সামনে এলেন, আমি নিজেকে মাটিতে লুটিয়ে দিলাম।
** ঘেন্টে থাকাকালীন ডায়েরির এন্ট্রি (১ আগস্ট ১৮২৪), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের ''দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরাইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড। ভলিউম ১। ১৮০৪-১৮৫৯'' (১৯২৯), পৃষ্ঠা ৪৯-এ উদ্ধৃত।
*মোরালেসের আঁকা [[যিশু|যিশু খ্রিস্টের]] মাথা, রোমান প্রোকনসালের ছদ্ম চিঠির বর্ণনার সাথে হুবহু মিলে যায়। মোরালেস তার ডিভিনো উপাধির সত্যিই যোগ্য... সোনালি চুলগুলো যেন মুখের ওপর পড়তে বাধা পাচ্ছিল কেবল সেই তারার অর্ধেক অংশের জন্য যা এই মহিমা তৈরি করে: নিখুঁত সৌন্দর্যের একটি মুখ তৈরির জন্য যা কিছু প্রয়োজনীয় বলে মনে করা যায় তার সবই এখানে ছিল, কিন্তু এর চেহারায় পার্থিব কিছুই ছিল না। আপনি এই মাথাটিকে ভুল করে কোনো অ্যাপোলো বা অ্যাডোনিসের মাথা ভাবতে পারবেন না। মানুষের সৌন্দর্যে উজ্জ্বল চোখগুলো তবুও স্বর্গীয় আলোর দীপ্তিতে উজ্জ্বল, এবং কোনো নির্দিষ্ট বস্তুর ওপর স্থির নয়। মনে হয় যেন তারা পৃথিবীর দিকে তাকিয়ে আছে। নাকটি চমৎকারভাবে গড়া, এবং মাংসের আভাগুলো দেখে মনে হয় অমর।
** আইক্সে থাকাকালীন ডায়েরির এন্ট্রি (আনুমানিক ১৬ আগস্ট ১৮২৪), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের ''দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরাইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড। ভলিউম ১। ১৮০৪-১৮৫৯'' (১৯২৯), পৃষ্ঠা ৫২-৫৩-এ উদ্ধৃত।
*[[ইতালি|ইতালির]] কথা বলতে গিয়ে, রোমান্স অন্তত একবারের জন্য অতিরঞ্জন করতে ভুলে গেছে।
** আইজ্যাক ডিসরাইলিকে লেখা চিঠি (২ সেপ্টেম্বর ১৮২৬), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের ''দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরাইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড। ভলিউম ১। ১৮০৪-১৮৫৯'' (১৯২৯), পৃষ্ঠা ১০৪-এ উদ্ধৃত।
*ভেরোনা এমন সব ছবিতে ভরা যা কখনোই আঁকা হয়নি। প্রতিটি পদক্ষেপ আবেগ জাগিয়ে তোলে এবং অকৃত্রিম চিন্তার জন্ম দেয়। একটু ছোট হাঁটাহাঁটির মধ্যেই আপনি একটি রোমান অ্যাম্ফিথিয়েটার পার হতে পারেন, যা এখনো ব্যবহৃত হয়, তারপর মধ্যযুগের কোনো ছোট রাজপুত্রের দুর্গ, এবং যখন আপনি প্রাচীনকালের মহৎ উচ্চতার সাথে একজন স্ক্যালিগারের মিশ্র প্রাসাদের তুলনা করছেন, তখন আপনার চোখ হয়তো প্রাচ্যরীতির এবং চমৎকার অলংকারে সাজানো একটি গেটের ওপর পড়বে... বিভ্রমটি নিখুঁত, চোখ আধুনিক পোশাকে হেঁটে যাওয়া নাগরিকদের দিকে তাকালে কষ্ট পায়; আপনি কালো মখমল এবং সোনার চেইন, সাদা পালক এবং লাল মোজা খোঁজেন।
** আইজ্যাক ডিসরাইলিকে লেখা চিঠি (সেপ্টেম্বর ১৮২৬), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের ''দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরাইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড। ভলিউম ১। ১৮০৪-১৮৫৯'' (১৯২৯), পৃষ্ঠা ১০৭-এ উদ্ধৃত।
*চাঁদের আলোয় [[ভেনিস]] একটি জাদুকরী শহর; মুরিশ স্থাপত্যের ওপর রুপালি আলোর বন্যা, গাড়ি ও ঘোড়ার গাড়ির যেকোনো কর্কশ শব্দের সম্পূর্ণ অনুপস্থিতি, জলের ওপর অবিরাম সংগীত, মনের ওপর এমন এক প্রভাব ফেলে যা আমি নিশ্চিত, বিশ্বের অন্য কোনো শহরে অনুভব করা যায় না।
** আইজ্যাক ডিসরাইলিকে লেখা চিঠি (আনুমানিক ৮ সেপ্টেম্বর ১৮২৬), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের ''দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরাইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড। ভলিউম ১। ১৮০৪-১৮৫৯'' (১৯২৯), পৃষ্ঠা ১০৮-এ উদ্ধৃত।
*আমি ঘোষণা করছি যে ইংল্যান্ড, তার সমস্ত অসম্পূর্ণতা সত্ত্বেও, পুরো পৃথিবীর সমান মূল্যবান, এবং আমি আশা করি এটি মানববিদ্বেষ নয় যখন আমি অনুভব করি যে আমি আদালত ও শহরের চেয়ে হ্রদ এবং পাহাড় বেশি ভালোবাসি, এবং মানুষের চেয়ে গাছ বেশি ভালোবাসি।
** আইজ্যাক ডিসরাইলিকে লেখা চিঠি (১০ অক্টোবর ১৮২৬), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের ''দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরাইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড। ভলিউম ১। ১৮০৪-১৮৫৯'' (১৯২৯), পৃষ্ঠা ১১৩-এ উদ্ধৃত।
* আমি ধরে নিচ্ছি, আমাদের জাতীয় মূলমন্ত্র ব্যবহার করে বলা যায়, কিছু একটা ঘটে যাবে।
** ''[http://www.gutenberg.org/etext/7816 পোপানিলা]'' (১৮২৭), অধ্যায় ৭, "ভ্রেব্লুসিয়া"র মূলমন্ত্রের উল্লেখ করে।
====''ভিভিয়ান গ্রে'' (১৮২৬)====
* একটি পাবলিক স্কুলের ক্ষুদ্র জগত।
** বই ১, অধ্যায় ২
* যুদ্ধের সময় সামরিক সেবা কেবল বেপরোয়াদের জন্য উপযুক্ত, কিন্তু শান্তির সময় তা কেবল বোকাদের জন্যই উপযুক্ত।
** বই ১, অধ্যায় ৯
* তাড়াহুড়ো করে মহান মানুষ হওয়ার চেষ্টা করা থেকে সাবধান। দশ হাজারের মধ্যে এমন একটি চেষ্টা সফল হতে পারে: এই সম্ভাবনাগুলো বড্ড ভয়ংকর।
** বই ১, অধ্যায় ১০
* আমি সংজ্ঞা ঘৃণা করি।
** বই ২, অধ্যায় ৬
* ভয় আমাদের মানবতা অনুভব করতে শেখায়।
** বই ৩, অধ্যায় ৬
* এমন কোনো বিশ্বাসঘাতকতা বা নীচতা নেই যা একটি রাজনৈতিক দল করতে পারে না; কারণ রাজনীতিতে কোনো সম্মান নেই।
** বই ৩, অধ্যায় ৯
* অভিজ্ঞতা হলো চিন্তার সন্তান, আর চিন্তা হলো কাজের সন্তান। আমরা বই থেকে মানুষ চিনতে পারি না।
** বই ৫, অধ্যায় ১
* বৈচিত্র্যই হলো উপভোগের জননী।
** বই ৫, অধ্যায় ৪
* এমনকি বাড়াবাড়ির মধ্যেও পরিমিতি আছে।
** বই ৬, অধ্যায় ১
* রাজনীতিতে কোনো কিছুই তুচ্ছ নয়।
** বই ৬, অধ্যায় ৪
* '''মানুষ পরিস্থিতির দাস নয়, পরিস্থিতি মানুষের দাস। আমরা স্বাধীন প্রতিনিধি, এবং মানুষ বস্তুর চেয়ে বেশি শক্তিশালী।'''
** বই ৬, অধ্যায় ৭
* '''আমি আবার বলছি যে সমস্ত ক্ষমতাই একটি আস্থার মতো; এর প্রয়োগের জন্য আমাদের জবাবদিহি করতে হবে; জনগণের কাছ থেকেই এর উৎপত্তি, জনগণের জন্যই এটি, এবং এর অস্তিত্বও থাকতে হবে জনগণের জন্যই।'''
** বই ৬, অধ্যায় ৭
* শোক হলো এক মুহূর্তের যন্ত্রণা; আর শোককে প্রশ্রয় দেওয়া হলো সারা জীবনের একটি ভুল।
** বই ৬, অধ্যায় ৭
* মানুষের মেজাজই তার নিজের ভাগ্য।
** বই ৬, অধ্যায় ৭
* একজন অটল মানুষ ভাগ্যে বিশ্বাস করেন — একজন খামখেয়ালি মানুষ বিশ্বাস করেন সুযোগে।
** বই ৬, অধ্যায় ২২
* সব মহান ভ্রমণকারীদের মতো আমি যা দেখেছি তার চেয়ে বেশি মনে রেখেছি, এবং আমি যা দেখেছি তার চেয়ে বেশি মনে রেখেছি।
** বই ৮, অধ্যায় ৪
*যৌবনের বিভ্রমের পর আসে প্রাপ্তবয়স্ক জীবনের হতাশা: আসুন আশা করি যে বার্ধক্যের উত্তরাধিকার যেন হতাশা না হয়।
** বই ৮, অধ্যায় ৪
===১৮৩০-এর দশক===
*মানুষকে শাসন করতে হলে, আপনাকে হয় তাদের অর্জনে তাদের ছাড়িয়ে যেতে হবে, অথবা তাদের অবজ্ঞা করতে হবে।
** মাল্টা থেকে তার বাবাকে লেখা চিঠি (২৭ আগস্ট ১৮৩০), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের ''দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরাইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড। ভলিউম ১। ১৮০৪-১৮৫৯'' (১৯২৯), পৃষ্ঠা ১৫৮-এ উদ্ধৃত।
*এক সপ্তাহের জন্য আমি এমন এক দৃশ্যের মধ্যে ছিলাম যা ''[[আরব্য রজনী|আরব্য রজনী]]''র যেকোনো কিছুর সমান—এমন সব শোভাযাত্রা, এমন সব পোশাক, ঘোড়সওয়ারদের এমন মিছিল, উটের এমন কাফেলা। তারপর এমন একজনের কাছ থেকে খাতির পাওয়ার আনন্দ, যে প্রতিদিন প্রদেশের অর্ধেক মানুষের শিরশ্ছেদ করছিল। প্রতিদিন সকালে আমরা ঘুরতে যেতাম, কুচকাওয়াজ দেখতাম, এবং মিষ্টি দিয়ে নিজেদের পেট ভরাতাম; প্রতিদিন সন্ধ্যায় উজির বা কোনো পাশা আমাদের আস্তানায় নর্তকী ও গায়কদের পাঠাতেন।
** [[আলবেনিয়া]] থেকে বেঞ্জামিন অস্টেনকে লেখা চিঠি (অক্টোবর ১৮৩০), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের ''দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরাইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড। ভলিউম ১। ১৮০৪-১৮৫৯'' (১৯২৯), পৃষ্ঠা ১৬২-এ উদ্ধৃত।
*আমি একেবারে একজন তুর্কি, পাগড়ি পরি, ছয় ফুট লম্বা পাইপ খাই, আর ডিভানে পা গুটিয়ে বসি। [[w:Reşid Mehmed Pasha|মেহেমেত পাশা]] আমাকে বলেছিলেন যে তিনি আমাকে একজন ইংরেজ বলে মনে করেন না কারণ আমি খুব ধীরে হাঁটি: আসলে আমি দেখি যে এই শান্ত এবং বিলাসী মানুষের অভ্যাসগুলো শিষ্টাচার এবং উপভোগ সম্পর্কে আমার নিজের আগে থেকে থাকা ধারণার সাথে পুরোপুরি মিলে যায়, আর আমি গ্রিকদের আগের চেয়ে বেশি ঘৃণা করি। লেভান্টের সমৃদ্ধ এবং বিচিত্র পোশাক সম্পর্কে আপনার কোনো ধারণা নেই। আমাকে যখন গ্র্যান্ড উজিরের সামনে হাজির করা হয়েছিল, তখন আমি আমার বিচিত্র ওয়ার্ডরোব থেকে এমন একটা পোশাক বানিয়েছিলাম যা দেখে পোশাকের ব্যাপারে পাগল তুর্কিরাও পুরোপুরি হতবাক হয়ে গিয়েছিল।
** [[আলবেনিয়া]] থেকে বেঞ্জামিন অস্টেনকে লেখা চিঠি (অক্টোবর ১৮৩০), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের ''দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরাইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড। ভলিউম ১। ১৮০৪-১৮৫৯'' (১৯২৯), পৃষ্ঠা ১৬৩-এ উদ্ধৃত।
*এই মানুষের জীবন আমার রুচির সাথে দারুণভাবে মিলে যায়, যা স্বভাবতই কিছুটা অলস এবং বিষণ্ণ... বিলাসবহুল অটোমানে বিশ্রাম নেওয়া এবং চমৎকার পাইপ খাওয়া, প্রতিদিন এমন একটি স্নানের বিলাসিতা উপভোগ করা যার নিখুঁত হওয়ার জন্য আধ ডজন সেবকের প্রয়োজন; কারুকাজ করা [[w:Caïque|কাইক]] নৌকায় এমন তীর ধরে বাতাস উপভোগ করা যা চিরকালই এক চমৎকার দৃশ্য; আর ঘোড়ার পিঠে চড়ার চেয়ে বেশি কোনো পরিশ্রম না করা; আমার মনে হয়, এটি ক্লাবের সমস্ত কোলাহল, ড্রয়িং-রুমের সমস্ত বিরক্তি এবং আমাদের রাজনৈতিক বিতর্কের সমস্ত স্থূল অশালীনতার চেয়ে অনেক বেশি সংবেদনশীল জীবন।
** [[তুরস্ক|তুরস্কের]] [[ইস্তাম্বুল|কনস্টান্টিনোপল]] থেকে এডওয়ার্ড লিটন বুলওয়ারকে লেখা চিঠি (২৭ ডিসেম্বর ১৮৩০), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের ''দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরাইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড। ভলিউম ১। ১৮০৪-১৮৫৯'' (১৯২৯), পৃষ্ঠা ১৭৪-এ উদ্ধৃত।
*আমি হুইগ বা টোরি কোনোটাই নই। আমার রাজনীতি একটি শব্দে বর্ণনা করা যায়, এবং সেই শব্দটি হলো <small>ইংল্যান্ড</small>।
**''ইংল্যান্ড অ্যান্ড ফ্রান্স; অর, আ কিউর ফর দ্য মিনিস্ট্রিয়াল গ্যালোম্যানিয়া'' (১৮৩২), পৃষ্ঠা ১৩
*যে মন্ত্রিত্ব নিচু শ্রেণির মানুষের অবস্থার উন্নতির জন্য কোনো বড় পদক্ষেপ নেবে না, আমি তাকে সমর্থন দেওয়া থেকে বিরত থাকব।
** হাই উইকম্বের ভোটারদের প্রতি ভাষণ (১ অক্টোবর ১৮৩২), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের ''দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরাইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড। ভলিউম ১। ১৮০৪-১৮৫৯'' (১৯২৯), পৃষ্ঠা ২২১-এ উদ্ধৃত।
*সেই লোভী, স্বৈরাচারী এবং অযোগ্য দলের বিরুদ্ধে, যারা অসৎভাবে মিথ্যা অজুহাতে ক্ষমতা দখল করে, বোকার মতো মনে করে যে তারা অর্ধেক পদক্ষেপ দিয়ে তা ধরে রাখতে পারবে। এবং যারা তাদের সংক্ষিপ্ত কিন্তু বিপর্যয়কর কর্মজীবনে [[ব্রিটিশ সাম্রাজ্য|সাম্রাজ্যের]] প্রতিটি বড় স্বার্থকে এর কেন্দ্র থেকে নাড়িয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে। আয়ারল্যান্ড বিদ্রোহে, উপনিবেশগুলো আলোড়নে, আমাদের বৈদেশিক সম্পর্ক এমন এক অবিচ্ছেদ্য বিভ্রান্তির মধ্যে রয়েছে যে, আমাদের বলা হয় কেবল যুদ্ধই জটিল ভুলের গর্ডিয়ান গিঁট কাটতে পারে; কৃষক সন্দেহে, জাহাজের মালিক হতাশায়, আমাদের ব্যবসায়ীরা বাণিজ্যহীন, এবং আমাদের নির্মাতারা বাজারহীন, রাজস্ব কমছে, এবং সেনাবাহিনী বাড়ছে, ধনীরা তাদের অকেজো মূলধন জমা করছে, এবং আমাদের একসময়ের সন্তুষ্ট কুটিরগুলোতে নিঃস্বতা পড়ে আছে। ইংরেজরা, তোমাদের পূর্বপুরুষদের বীরত্বপূর্ণ শক্তিতে গড়ে ওঠা অতুলনীয় সাম্রাজ্যের দিকে তাকাও; সন্দেহ ও বিপদের এই প্রহরে নিজেদের জাগিয়ে তোলো; হুইগ এবং টোরির সেই সমস্ত রাজনৈতিক বুলি এবং দলীয় অপবাদ থেকে নিজেদের মুক্ত করো—দুটি নাম যার একটিই অর্থ, যা কেবল তোমাদের প্রতারণা করার জন্যই ব্যবহৃত হয়—এবং একটি মহান জাতীয় দল গঠনে ঐক্যবদ্ধ হও যা একাই দেশটিকে আসন্ন ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে পারে।
** হাই উইকম্বের ভোটারদের প্রতি ভাষণ (১ অক্টোবর ১৮৩২), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের ''দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরাইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড। ভলিউম ১। ১৮০৪-১৮৫৯'' (১৯২৯), পৃষ্ঠা ২২২-এ উদ্ধৃত।
* '''আমি আমাদের সংবিধানের ভালো সবকিছু সংরক্ষণের জন্য একজন রক্ষণশীল, আর খারাপ সবকিছু দূর করার জন্য একজন র্যাডিক্যাল।''' আমি সম্পত্তি সংরক্ষণ করতে এবং শৃঙ্খলাকে সম্মান করতে চাই, এবং আমি সমানভাবে অনেকের আবেগ বা অল্প কিছু মানুষের কুসংস্কারের কাছে আবেদন করার নিন্দা জানাই।
** হাই উইকম্বে নির্বাচনী প্রচারণার ভাষণ (২৭ নভেম্বর ১৮৩২), ''সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড'', ভলিউম ১ (১৮৮২)-এ উদ্ধৃত।
*আমি সেই মহান স্বার্থের সমর্থক হিসেবে এগিয়ে এসেছি যা সামাজিক কাঠামোর একমাত্র শক্ত ভিত্তি। আর এই দেশটির সুস্থ সমৃদ্ধি যে কৃষকের সুরক্ষিত শিল্পের ওপর নির্ভর করে সে বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে আমি সেই তাড়াহুড়ো এবং পরীক্ষামূলক আইন প্রণয়নের চেষ্টার বিরোধিতা করতে চাই যা এই একসময়ের গৌরবময় [[ব্রিটিশ সাম্রাজ্য|সাম্রাজ্যকে]] দ্রুত নাগরিক আলোড়নের যন্ত্রণার দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
** বাকিংহ্যামশায়ারের ভোটারদের প্রতি ভাষণ (১২ ডিসেম্বর ১৮৩২), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের ''দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরাইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড। ভলিউম ১। ১৮০৪-১৮৫৯'' (১৯২৯), পৃষ্ঠা ২২৫-এ উদ্ধৃত।
* "যত্ন কী?" রাজকুমারী হাসি মুখে জিজ্ঞাসা করলেন।<br>"এটি একজন দেবতা", চিকিৎসক উত্তর দিলেন, "অদৃশ্য, তবে সর্বশক্তিমান। এটি গাল থেকে সৌন্দর্য এবং নাড়ি থেকে সতেজতা চুরি করে নেয় — এটি ক্ষুধা কেড়ে নেয়, আর চুল ধূসর করে দেয়"।
** ''দ্য ওয়ান্ড্রাস টেল অব আলরয়'', পার্ট ৫, অধ্যায় ৫ (১৮৩৩)
* আমি সবচেয়ে খারাপের জন্য প্রস্তুত আছি, কিন্তু সবচেয়ে ভালোর জন্য আশা করি।
** ''দ্য ওয়ান্ড্রাস টেল অব আলরয়'', পার্ট ১০, অধ্যায় ৩
* হতাশা হলো বোকাদের উপসংহার।
** ''দ্য ওয়ান্ড্রাস টেল অব আলরয়'', পার্ট ১০, অধ্যায় ১৭
* সাফল্য হলো সাহসিকতার সন্তান।
** ''দ্য রাইজ অব ইস্কান্দার'' অধ্যায় ৪ (১৮৩৩)
* যদিও তারা তাদের শত্রুদের কাছে সিংহের মতো ছিল, তবে বন্ধুদের কাছে তারা মেষশাবকের মতো ছিল।
** ''দ্য ইনফার্নাল ম্যারেজ'', পার্ট ২, অধ্যায় ৪ (১৮৩৪)
* কখন সুযোগ লুফে নিতে হবে তা জানার পাশাপাশি, জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো কখন সুবিধা ছেড়ে দিতে হবে তা জানা।
** ''দ্য ইনফার্নাল ম্যারেজ'', পার্ট ৩ (১৮৩৪)
*আমি হুইগদের একটি জাতিবিরোধী দল হিসেবে দেখি... দলের নীতি এমন যে তা বিদেশে রাজ্যের সম্মান এবং দেশে জনগণের সুখ ধ্বংস করবে বলে বিশ্বাস করে, আমি হুইগদের বিরোধিতা করা, তাদের অস্বস্তি নিশ্চিত করা এবং সম্ভব হলে তাদের ধ্বংস করা আমার কর্তব্য বলে মনে করি।
** টনটনে ভাষণ (২৮ এপ্রিল ১৮৩৫), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের ''দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরাইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড। ভলিউম ১। ১৮০৪-১৮৫৯'' (১৯২৯), পৃষ্ঠা ২৮৬-এ উদ্ধৃত।
* '''হ্যাঁ, আমি একজন ইহুদি, আর যখন ডানহাতি সম্মানিত ভদ্রলোকের পূর্বপুরুষরা অজানা কোনো দ্বীপে নিষ্ঠুর অসভ্য ছিল, তখন আমার পূর্বপুরুষরা সলোমনের মন্দিরে পুরোহিত ছিলেন।'''
** ড্যানিয়েল ও'কনেলের উপহাসের জবাবে [http://www.victorianweb.org/history/pms/dizzy.html]। এর ব্যাপক প্রচলন থাকা সত্ত্বেও এটি সম্ভবত অতিকথা। যারা সতর্কতার সাথে একটি উৎসের সন্ধান করেছেন তাদের মন্তব্যে আলোচনা দেখুন, সু ব্রুটনের "না, বেঞ্জামিন ডিসরাইলি সেটি লেখেননি," ''সু ব্রুটনস ব্লগ অন কোটস অ্যান্ড মিসকোটস'' (৩০ এপ্রিল ২০১৬) [https://suebrewton.com/2016/04/30/no-benjamin-disraeli-did-not-write-that/]। এর প্রথম দিকের উল্লেখ পাওয়া যায় {{cite book |url=https://archive.org/details/russianmephistop00huntiala/page/106/mode/2up |title=দ্য রাশিয়ান মেফিস্টোফেলস |last=হান্টারবার্গ |first=ম্যাক্স |pages=১০৫-১০৬ |year=১৯০৯ |location=গ্লাসগো |publisher=জন জে. রে}}-এ।
* ইংল্যান্ডের রাষ্ট্রব্যবস্থা, যা আধুনিক যুগের সবচেয়ে সমৃদ্ধশালী সমাজ প্রতিষ্ঠা করেছে, এবং এমন একটি জাতির ভাগ্য নিয়ন্ত্রণ করেছে যা বহু শতাব্দী ধরে স্বাধীনতা, সম্পদ এবং গৌরব অর্জনে প্রগতিশীল অগ্রগতি করেছে, তা নিঃসন্দেহে রাজনৈতিক দর্শনে অনুমানের অন্যতম আকর্ষণীয় বিষয় উপস্থাপন করে। আর এটি এমন কিছু নয় যা অবহেলিত হয়েছে; এবং বিখ্যাত বিদেশিরাও ইংরেজি সংবিধান নিয়ে তাদের গবেষণায় আমাদের দেশীয় লেখকদের অনুকরণ করেছেন।
** {{cite book|url=https://books.google.com/books?id=QCtOAAAAcAAJ | title=ভিন্ডিকেশন অব দ্য ইংলিশ কনস্টিটিউশন ইন আ লেটার টু আ নোবেল অ্যান্ড লার্নড লর্ড | date=১৮৩৫ |pages=৩-৪}}
*ভৃত্য এবং পরিচারিকাদের গল্পগুজবে ব্যস্ত থাকায়, আপনি ভুলবশত আপনার ''মেমোয়ার্স অব দ্য অ্যাফেয়ার্স অব ইউরোপ''-এ এর সবচেয়ে বিশাল এবং উদীয়মান সাম্রাজ্য সম্পর্কে কোনো উল্লেখ করেননি। এই দুর্ভাগ্যজনক রচনাটি আপনার সাহিত্যিক ক্যারিয়ারের সমাপ্তি ঘটিয়েছিল; আপনি অক্ষম হতাশায় আপনার বৃথা কলমটি ছুড়ে ফেলেছিলেন; আর, আপনার দুর্বল বুদ্ধি সাহিত্যে ব্যর্থ হওয়ার পর, আপনার প্রবল উচ্চাকাঙ্ক্ষা রাজনীতিতে আশ্রয় নিয়েছিল।
**'লেটার ৭. টু [[জন রাসেল, প্রথম আর্ল রাসেল|লর্ড জন রাসেল]]' (৩০ জানুয়ারি ১৮৩৬), ''দ্য লেটারস অব রানিমেড'' (১৮৩৬), পৃষ্ঠা ৫৬
*আপনার লক্ষ্য হলো সবকিছুকে আপনার নিজস্ব নিচু স্তরে নামিয়ে আনা—সবকিছুকে আপনার বিদ্বেষপূর্ণ মানদণ্ডে নামিয়ে আনা... আপনার সমস্ত আচরণে এমন একটি নিচু এবং দীর্ঘকাল ধরে অবদমিত আত্মার কার্যকলাপ খুঁজে পাওয়া কঠিন নয় যা হঠাৎ করে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়েছে,—একটি দুর্বল বুদ্ধির কলঙ্ক প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য ক্ষমতার অবাধ প্রয়োগের মাধ্যমে চেষ্টা করা একটি প্রবল উচ্চাকাঙ্ক্ষার সংগ্রাম।
**'লেটার ৭. টু লর্ড জন রাসেল' (৩০ জানুয়ারি ১৮৩৬), ''দ্য লেটারস অব রানিমেড'' (১৮৩৬), পৃষ্ঠা ৬০-৬১
*কিন্তু, আমার লর্ড, আমাদের দর্শনার্থী কতটা হতবাক হবেন যখন তাকে একটি অত্যন্ত ছোট গুবরে পোকার মধ্যে রাষ্ট্রসচিবকে চিনতে বলা হবে;—হ্যাঁ, আমার লর্ড, যখন তিনি জানতে পারবেন যে আপনিই ইংলিশ হাউস অব কমন্সের নেতা, তখন আমাদের ভ্রমণকারী হয়তো বুঝতে শুরু করবেন কীভাবে মিশরীয়রা পূজা করত—<small>একটি পোকাকে।</small>
**'লেটার ৭. টু লর্ড জন রাসেল' (৩০ জানুয়ারি ১৮৩৬), ''দ্য লেটারস অব রানিমেড'' (১৮৩৬), পৃষ্ঠা ৬৪
*এই লোকটি, [[ড্যানিয়েল ও'কনেল|ও'কনেল]], পোপতন্ত্রের ভাড়ায় খাটা এক যন্ত্র; এবং সেই হিসেবে, তার মিশন হলো আপনাদের প্রোটেস্ট্যান্ট সমাজ ধ্বংস করা, আর সেই কারণেই সে ইংল্যান্ডের জন্য [[নেপোলিয়ন|নেপোলিয়নের]] চেয়েও ভয়ংকর এক শত্রু। আপনাদের সাম্রাজ্য এবং স্বাধীনতা আজ ওই সময়ের চেয়ে বেশি বিপদে আছে যখন আক্রমণকারী সেনাবাহিনী বোলোনে শিবির স্থাপন করেছিল।
**'লেটার ৮. টু দ্য পিপল' (২ ফেব্রুয়ারি ১৮৩৬), ''দ্য লেটারস অব রানিমেড'' (১৮৩৬), পৃষ্ঠা ৭২
*এখন ও'কনেলের রাজনৈতিক চরিত্র সম্পর্কে আমাদের স্পষ্ট ধারণা হয়েছে। আর আমি প্রায়ই অবাক হয়েছি যখন আমি তাদের কথা শুনেছি যারা তার ভণ্ডামির নিন্দা করেছে বা তার দক্ষতার প্রশংসা করেছে, যখন তারা বিজয়ী জননেতাকে একজন সাধারণ পুরোহিতের সামনে কাদায় নিজেকে ছোট করার কথা পড়েছে। এতে কোনো ভণ্ডামি বা চাতুরী ছিল না। এজেন্ট তার প্রধানকে চিনতে পেরেছিল, দাস তার প্রভুর সামনে মাথা নত করেছিল; আর যখন সে হুইস্কির গন্ধে এবং ধূপের সুবাসে মাখা সেই পবিত্র পোশাকে চুমু খেয়েছিল, তখন আমি নিশ্চিত যে তার আত্মা একই সাথে অকৃত্রিম ভক্তি এবং গভীর কৃতজ্ঞতায় পূর্ণ হয়েছিল।
**'লেটার ৮. টু দ্য পিপল' (২ ফেব্রুয়ারি ১৮৩৬), ''দ্য লেটারস অব রানিমেড'' (১৮৩৬), পৃষ্ঠা ৭২-৭৩
*এই মানুষদের শান্ত করা যাবে না। তারা আপনাদের শত্রু, কারণ তারা ইংল্যান্ডের শত্রু। তারা আমাদের স্বাধীন ও উর্বর দ্বীপকে ঘৃণা করে। তারা আমাদের শৃঙ্খলা, আমাদের সভ্যতা, আমাদের উদ্যোগী শিল্প, আমাদের অটল সাহস, আমাদের শালীন স্বাধীনতা, আমাদের বিশুদ্ধ ধর্মকে ঘৃণা করে। এই বন্য, বেপরোয়া, অলস, অনিশ্চিত এবং কুসংস্কারাচ্ছন্ন জাতির ইংরেজি চরিত্রের সাথে কোনো সহানুভূতি নেই। মানব সুখ সম্পর্কে তাদের আদর্শ হলো গোত্রগত দাঙ্গা এবং স্থূল মূর্তিপূজার এক পর্যায়ক্রমিক পরিবর্তন। তাদের ইতিহাস ধর্মান্ধতা এবং রক্তের এক অটুট বৃত্ত বর্ণনা করে। আর এখন বলা হচ্ছে যে তারা অপশাসনের শিকার হয়েছে! যারা এই দলীয় বুলি আওড়ায় তাদের মধ্যে কতজন আয়ারল্যান্ডের ইতিহাস পড়েছে? পোপতন্ত্রের প্রভাবে থাকা এক বন্য জনগোষ্ঠী, তা সত্ত্বেও এমনভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়েছে যে, তারা একটি উচ্চ সভ্য এবং প্রোটেস্ট্যান্ট সাম্রাজ্য সৃষ্টিতে অবদান রেখেছে। কেন, এটা কি রাজনৈতিক বিজ্ঞানের সেরা উদাহরণ নয়? [[নিকোলো মেকিয়াভেলি|ম্যাকিয়াভেলি]] কি এর চেয়ে বেশি কিছু শেখাতে পারতেন? আমার লর্ডরা, রোমান পুরোহিতদের নির্দেশে এই উপজাতিদের প্রতিনিধিরা কি আমাদের দেশের ওপর—ইংল্যান্ডের ওপর—অহংকারী এবং এখনও সাম্রাজ্যবাদী ইংল্যান্ডের ওপর একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করবে? আপনাদের পূর্বপুরুষদের সমস্ত স্মৃতির দোহাই দিয়ে এটি নিষিদ্ধ করুন!
**'লেটার ১৬. টু দ্য হাউস অব লর্ডস' (১৮ এপ্রিল ১৮৩৬), ''দ্য লেটারস অব রানিমেড'' (১৮৩৬), পৃষ্ঠা ১৪৫-১৪৬
* '''যদিও আমি এখন বসছি, তবে এমন সময় আসবে যখন আপনারা আমার কথা শুনবেন।'''
** হাউস অব কমন্সে [https://www.oxfordreference.com/view/10.1093/acref/9780191843730.001.0001/q-oro-ed5-00003685 প্রথম ভাষণ] (৭ ডিসেম্বর ১৮৩৭)। অন্যান্য এমপিরা চিৎকার করে ডিসরাইলিকে থামিয়ে দিচ্ছিলেন। তুলনা করুন: "আমার কথা শুনতে হবে", [[উইলিয়াম লয়েড গ্যারিসন]], ''স্যালুটরি অব দ্য লিবারেটর''
* [আমার কাছে মনে হয় যে] সোসাইটি অব এডুকেশন, দার্শনিকদের সেই স্কুল, তাদের সমস্ত প্রশংসিত বুদ্ধি এবং শিক্ষা থাকা সত্ত্বেও, দ্রুত একটি বর্বর যুগের ব্যবস্থায়, একটি পিতৃতান্ত্রিক সরকারের ব্যবস্থায় ফিরে যাচ্ছিল। '''যেখানেই একটি পিতৃতান্ত্রিক সরকার ছিল সেখানেই একটি রাষ্ট্রীয় শিক্ষা ব্যবস্থা পাওয়া গিয়েছিল। এটি আবিষ্কার করা হয়েছিল যে শর্তহীন আনুগত্য নিশ্চিত করার সর্বোত্তম উপায় হলো নার্সারি থেকে স্বৈরাচার শুরু করা।''' এমন একটি দেশ ছিল যেখানে শিক্ষা অফিসের একমাত্র যোগ্যতা তৈরি করেছিল। তাই, সেই দেশটিকে একটি আদর্শ স্কুল এবং প্রস্তাবিত শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য আদর্শ সমাজ হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে। সেই দেশটি ছিল চীন। এই পিতৃতান্ত্রিক সরকারগুলো পশ্চিমের চেয়ে পূর্বেই বেশি পাওয়া যেত, এবং ওয়াটারফোর্ডের মাননীয় সদস্য যদি জনশিক্ষার সবচেয়ে নিখুঁত কর্মসূচির জন্য [আমাকে] জিজ্ঞাসা করতেন, তিনি যদি [আমাকে] একাধারে সবচেয়ে গভীর এবং সবচেয়ে ব্যাপক একটি ব্যবস্থা নির্দেশ করতে বলতেন, তবে [আমাকে] অবশ্যই তাকে সেই শিক্ষা ব্যবস্থা দিতে হতো যা পারস্যে প্রচলিত ছিল। চীন এবং পারস্য ছেড়ে ইউরোপে এসে, [আমি] অস্ট্রিয়ায়, ইউরোপের চীনে এবং প্রুশিয়ার পিতৃতান্ত্রিক সরকারের অধীনে জাতীয় শিক্ষার একটি নিখুঁত ব্যবস্থা খুঁজে পেয়েছি। সত্য হলো এই যে, '''যেখানেই সবকিছু সরকারের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়, সেখানেই প্রজা একটি যন্ত্রে পরিণত হয়।'''
** হাউস অব কমন্সে দেওয়া ভাষণ, যা (তৃতীয় পুরুষে) রেকর্ড করা হয়েছে [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1839/jun/20/education-adjourned-debate#S3V0048P0_18390620_HOC_4 | ২০ জুন ১৮৩৯-এর কার্যবিবরণী]তে
* সাহস হলো আগুন, আর ভয় দেখানো হলো ধোঁয়া।
** ''কাউন্ট আলারকোস: আ ট্র্যাজেডি;'' অঙ্ক ৪, দৃশ্য ১ (১৮৩৯)
* বোকারা অবাক হয়, আর জ্ঞানীরা প্রশ্ন করে।
** ''কাউন্ট আলারকোস: আ ট্র্যাজেডি;'' অঙ্ক ৪, দৃশ্য ১ (১৮৩৯)
====''দ্য ইয়াং ডিউক'' (১৮৩১)====
* সফল না হওয়া পর্যন্ত প্রতিটি মানুষেরই অহংকারী হওয়ার অধিকার আছে।
** ১৮৫৩ সালের সংস্করণের 'অ্যাডভার্টাইসমেন্ট'-এ।
* একটি ''অজানা'' ঘোড়া, যার কথা কেউ ভাবেনি, এবং যাকে অসতর্ক সেন্ট জেমস তালিকায় খেয়ালও করেননি, সে দুর্দান্ত বিজয়ে গ্র্যান্ডস্ট্যান্ড পেরিয়ে ছুটে গেল।
** বই ১, অধ্যায় ৫।
* তারপর একটি প্রথম ভাষণ ছিল, যা এতটা অস্পষ্ট ছিল যে, শেষ পর্যন্ত তরুণ বক্তা সত্যিই তার কুমারীত্ব হারিয়েছিলেন কি না তা নিয়ে সন্দেহ ছিল।
** বই ১, অধ্যায় ৬।
* আমরা সত্যিই দোকানদারদের একটি জাতি।
** বই ১, অধ্যায় ১১।
* প্রতিদিন একই মানুষের প্রতি অমায়িক হতে গেলে একজনের স্নায়ু নষ্ট হয়ে যায়।
** বই ৩, অধ্যায় ২।
* বীরত্বের যুগ শেষ হয়ে গেছে। ড্রাগনের জায়গা নিয়েছে বিরক্তিকর মানুষেরা।
** বই ২, অধ্যায় ৫।
* আমাদের শেখান যে সম্পদ মানেই আভিজাত্য নয়; প্রাচুর্য মানেই জাঁকজমক নয়; এবং জাঁকজমক মানেই সৌন্দর্য নয়। আমাদের শেখান যে রুচি হলো একটি তাবিজ যা ঋণদাতাদের কোটি টাকার চেয়েও বড় অলৌকিক কাজ করতে পারে। আমাদের শেখান যে প্রতিযোগিতা করা মানেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা নয়, এবং অনুকরণ করা মানেই আবিষ্কার করা নয়। আমাদের শেখান যে ভান করা একটি বিরক্তিকর ব্যাপার। আমাদের শেখান যে বুদ্ধিমত্তা অত্যন্ত ভালো স্বভাবের, এবং শ্যাম্পেনের মতো, এটি কেবল চমকায়ই না, মিষ্টিও বটে। আমাদের শেখান যে বিদ্বেষ হলো অভদ্রতা। আমাদের শেখান যে ঈর্ষা আমাদের গায়ের রং নষ্ট করে, এবং দুশ্চিন্তা আমাদের শারীরিক গঠন ধ্বংস করে।
** বই ৩, অধ্যায় ১০।
* '''যখন মানুষ সত্যি কথা বলার জন্য উদ্বিগ্ন হয়, তখন বুঝতে হবে অপ্রীতিকর কিছু একটা আসতে চলেছে।'''
** বই ৪, অধ্যায় ৬।
* যদি কোনো মানুষ বিষণ্ণ থাকে, তবে তাকে নিজের মধ্যেই থাকতে দিন। সমাজে ঘ্যানঘ্যান করে বেড়ানোর, বা এর চেয়েও খারাপ, শোক চেপে রাখার মতো চেহারা করে ঘোরার অধিকার কারো নেই।
** বই ৫, অধ্যায় ১।
* একজন মানুষ হাউস অব কমন্সে খুব ভালোভাবে কথা বলতে পারেন, এবং হাউস অব লর্ডসে খুব সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হতে পারেন। দুটি ভিন্ন ধরনের শৈলী প্রয়োজন: আমি আমার ক্যারিয়ারের কোনো এক সময়, সময় পেলে, উভয়েরই একটি নমুনা দেওয়ার ইচ্ছা রাখি।
** বই ৫, অধ্যায় ৬।
====''কন্টারিনি ফ্লেমিং'' (১৮৩২)====
* '''[[প্রকৃতি]] [[শিক্ষা|শিক্ষার]] চেয়ে শক্তিশালী; [[সময়]] সবকিছুকে বিকশিত করবে।'''
** পর্ব ১, অধ্যায় ৮। তুলনা করুন: "La Nature a été en eux forte que l'éducation" (অনুবাদ: "শিক্ষা থেকে তাদের মধ্যে প্রকৃতি একটি শক্তিশালী শক্তি ছিল"), [[ভলতেয়ার]], ''ভি ডি মলিয়ের''।
* '''[[অনুভূতি]] দেখানোর জন্য কখনো ক্ষমা চাইবেন না, আমার [[বন্ধু]]। মনে রাখবেন যে আপনি যখন তা করেন, তখন আপনি [[সত্য|সত্যের]] জন্য ক্ষমা চান।'''
** পর্ব ১, অধ্যায় ১৩; কখনো কখনো সহজ ভাষায় বলা হয়: "অনুভূতি দেখানোর জন্য কখনো ক্ষমা চাইবেন না। আপনি যখন তা করেন, তখন আপনি সত্যের জন্য ক্ষমা চান।"
* কথা দিয়ে আমরা মানুষকে শাসন করি।
** পর্ব ১, অধ্যায় ২১।
* '''কোনো ইতিহাস পড়বেন না: কেবল জীবনী ছাড়া, কারণ তা হলো [[তত্ত্ব]] ছাড়া [[জীবন]]।'''
** পর্ব ১, অধ্যায় ২৩।
* একজন পর্যবেক্ষণকারী মনের জন্য বিনোদনই হলো পড়াশোনা।
** পর্ব ১, অধ্যায় ২৩।
* অস্তিত্বের অনুভূতিই হলো সবচেয়ে বড় [[সুখ]]।
** পর্ব ৩, অধ্যায় ১।
* '''[[ধৈর্য]] হলো [[প্রতিভা|প্রতিভার]] একটি প্রয়োজনীয় উপাদান।'''
** পর্ব ৪, অধ্যায় ৫।
* প্রাচ্যে [[রাজনীতি|রাজনীতির]] চর্চাকে একটি শব্দে সংজ্ঞায়িত করা যেতে পারে: ভান করা।
** পর্ব ৫, অধ্যায় ১০।
* '''সবকিছুই [[রহস্য]]; কিন্তু সে একজন [[দাসত্ব|দাস]] যে এই অন্ধকার পর্দা ভেদ করার জন্য সংগ্রাম করবে না।'''
** পর্ব ৫, অধ্যায় ১৮।
* যখন মানুষ বিশুদ্ধ থাকে, তখন [[আইন]] অকেজো হয়ে যায়; যখন মানুষ [[দুর্নীতি|দুর্নীতিগ্রস্ত]] হয়, তখন আইন ভাঙা হয়।
** পর্ব ৬, অধ্যায় ৩
====''হেনরিয়েটা টেম্পল'' (১৮৩৭) ====
* ঋণ হলো বোকামি এবং অপরাধের এক উর্বর মা।
** বই ২, অধ্যায় ১।
* আমরা যা আশা করি তা খুব কমই ঘটে; আমরা যা সবচেয়ে কম আশা করেছিলাম তা সাধারণত ঘটে যায়।
** বই ২, অধ্যায় ৪। তুলনা করুন: "আমি ঠিক সেই কথাগুলোই বলি যা সবচেয়ে বেশি আলোড়ন তোলে / আর সবচেয়ে মজার জিনিস হলো সেই জিনিসগুলো, যা কখনোই ঘটেনি", স্যাম ওয়াল্টার ফস, ''থিংস দ্যাট ডিডন্ট অকার''।
* প্রথম প্রেমের জাদুটাই হলো আমাদের এই অজ্ঞতা যে এটা কখনো শেষ হতে পারে।
** বই ৪, অধ্যায় ১। প্রায়ই ভুলভাবে উদ্ধৃত করা হয় "প্রথম প্রেমের জাদুটাই হলো আমাদের এই অজ্ঞতা যে এটা '''কখনোই''' শেষ হতে পারে না"।
* সময় হলো মহান চিকিৎসক।
** বই ৬, অধ্যায় ৯।
* মানুষ কোনো যুক্তিবাদী প্রাণী নয়। সে কেবল তখনই সত্যিকার অর্থে ভালো বা মহান হয় যখন সে আবেগ থেকে কাজ করে।
** বই ৬, অধ্যায় ১২।
* প্রকৃতি আমাদের দুটো কান দিয়েছে কিন্তু মুখ দিয়েছে মাত্র একটি।
** বই ৬, অধ্যায় ২৪।
===১৮৪০-এর দশক===
*আমি এটা বলতে লজ্জিত বা ভীত নই যে আমি চাই চার্টিস্টদের প্রতি উভয় পক্ষ থেকেই আরও বেশি সহানুভূতি দেখানো হতো... আমি এটা বলতে লজ্জিত নই যে আমি আমার লাখো সহকর্মীর সাথে সহানুভূতিশীল।
** হাউস অব কমন্সে দেওয়া ভাষণ (২৮ জানুয়ারি ১৮৪০), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের ''দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরাইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড। ভলিউম ১। ১৮০৪-১৮৫৯'' (১৯২৯), পৃষ্ঠা ৪৮৫-এ উদ্ধৃত।
*আমি আপনার সাথে পুরোপুরি একমত যে, কনজারভেটিভ পার্টি এবং র্যাডিক্যাল বা চরমপন্থী জনতার মধ্যে একটি ঐক্যই একমাত্র উপায় যার মাধ্যমে আমরা সাম্রাজ্য রক্ষা করতে পারি। তাদের স্বার্থ অভিন্ন; ঐক্যবদ্ধ হয়ে তারা জাতি গঠন করে; আর তাদের বিভাজন কেবল একটি নগণ্য সংখ্যালঘুকে জনগণের চটকদার নামে সম্পত্তি এবং ব্যক্তির সমস্ত অধিকার আক্রমণ করার সুযোগ দিয়েছে। আট বছর আগে আমি যখন প্রথম রাজনৈতিক জীবনে প্রবেশ করি, তখন থেকে একটি জাতীয় দল গঠনে সহায়তা করা ছাড়া অন্য কোনো লক্ষ্য বা উদ্দেশ্যে আমি কাজ করিনি।
** চার্লস অ্যাটউডকে লেখা চিঠি (৭ জুন ১৮৪০), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের ''দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরাইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড। ভলিউম ১। ১৮০৪-১৮৫৯'' (১৯২৯), পৃষ্ঠা ৪৮৬-এ উদ্ধৃত।
* অবাধ বাণিজ্য কোনো নীতি নয়; এটি একটি উপায়।
** আমদানি শুল্কের ওপর (২৫ এপ্রিল ১৮৪৩)। তুলনা করুন: "এটি একটি শর্ত যা আমাদের মুখোমুখি হয়, কোনো তত্ত্ব নয়" (গ্রোভার ক্লিভল্যান্ড, ''বার্ষিক বার্তা'', ১৮৮৭, শুল্কের প্রসঙ্গে); "সুরক্ষা কোনো নীতি নয়, বরং একটি উপায়" (নিচে)।
*আমরা সবাই শুনেছি কীভাবে অত্যন্ত বিশিষ্ট ব্যক্তি মিস্টার কবডেন এক স্মরণীয় ভাষণে বলেছেন যে, ইংল্যান্ড সামন্ততান্ত্রিক ব্যবস্থার শিকার। আমরা আরও শুনেছি কীভাবে তিনি সামন্ততান্ত্রিক ব্যবস্থার বর্বরতা এবং এর বর্বর অবশিষ্টাংশের কথা বলেছেন। এখন, আমাদের যদি সামন্ততান্ত্রিক ব্যবস্থার কোনো অবশিষ্টাংশ থেকে থাকে, তবে এর আরও বেশি অংশ অবশিষ্ট নেই বলে আমার আক্ষেপ হয়... এখন, সামন্ততান্ত্রিক ব্যবস্থার মূল নীতিটি কী, ভদ্রলোকেরা? এটি হলো সমস্ত সম্পত্তির মেয়াদ হবে তার দায়িত্ব পালন। কেন, যখন বিজয়ী উইলিয়াম জমির অংশগুলো ভাগ করেছিলেন এবং সামন্ততান্ত্রিক ব্যবস্থা চালু করেছিলেন, তখন তিনি প্রাপককে বলেছিলেন, "আপনি ওই জমি পাবেন, কিন্তু এর জন্য আপনাকে কিছু করতে হবে: আপনি দরিদ্রদের খাওয়াবেন; আপনি চার্চকে অনুদান দেবেন; যুদ্ধের সময় আপনি জমি রক্ষা করবেন; এবং আপনি ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করবেন ও বিনামূল্যে দরিদ্রদের জন্য সত্য বজায় রাখবেন।"
** শ্রুসবেরিতে দেওয়া ভাষণ (৯ মে ১৮৪৩), টি. ই. কেবেল সম্পাদিত ''সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, ভলিউম ১'' (১৮৮২), পৃষ্ঠা ৫০-৫১-এ উদ্ধৃত।
*সামন্ততান্ত্রিক ব্যবস্থার নীতি, যে নীতিটি বাস্তবে প্রয়োগ করা হয়েছিল, সেটি ছিল সবচেয়ে মহৎ, সবচেয়ে জাঁকজমকপূর্ণ, সবচেয়ে চমৎকার এবং কল্যাণকর নীতি, যা কোনো জ্ঞানী ব্যক্তি কল্পনা করেছিলেন বা কোনো দেশপ্রেমিক অনুশীলন করেছিলেন।
** শ্রুসবেরিতে দেওয়া ভাষণ (৯ মে ১৮৪৩), টি. ই. কেবেল সম্পাদিত ''সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, ভলিউম ১'' (১৮৮২), পৃষ্ঠা ৫১-এ উদ্ধৃত।
*এখন, আমি সেই ভদ্রলোকদের জিজ্ঞাসা করতে চাই যারা অ্যান্টি-কর্ন-ল লিগের সদস্য, যে ভদ্রলোকেরা বর্তমান সময়ে দেশের সরকারের ওপর কর্ন ল পুরোপুরি বাতিল করার জন্য চাপ দিচ্ছেন... আমি তাদের বিবেচনা করতে বলতে চাই... যে জমির উত্তরাধিকার আইন বর্তমান পরিস্থিতিতে কতদিন টিকবে—যদি এটি বাতিল হয়—যদি আমরা জমি ভাগ করার মহাদেশীয় ব্যবস্থায় ফিরে যাই—আমি জানতে চাই আপনারা দেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থাকে কতদিন টিকিয়ে রাখতে পারবেন। আমি যে চার্চের সম্পত্তির কথা উল্লেখ করেছি; আমি দরিদ্রদের যে সম্পত্তির ইঙ্গিত দিয়েছি; জমি থেকে উদ্ভূত সেই ঐতিহ্যবাহী রীতিনীতি এবং অনুষঙ্গগুলো, যা জাতীয় চরিত্র গঠন করে, যা দরিদ্রদের সম্পত্তির অংশ গঠন করে যা অবজ্ঞা করার মতো নয়, এবং যা রাজনৈতিক ক্ষমতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান—তারা আপনাদের বলবে "এটি যেতে দিন।" এর প্রতি আমার উত্তর হলো, "যদি এটি যায়, তবে এটি একটি বিপ্লব, একটি মহান, একটি ধ্বংসাত্মক বিপ্লব।" এই কারণে, ভদ্রলোকেরা, আমি বিশ্বাস করি সেই বিষয়ে, আপনাদের অনুভূতির বিশ্বস্ত প্রতিনিধিত্ব করে, যে আমি সবসময় সেই আইনকে সমর্থন করেছি যা, আমি মনে করি, দেশের কৃষি স্বার্থের প্রাধান্যকে তুলে ধরবে এবং বজায় রাখবে... আমি কেবল একটি বিস্তৃত এবং নিরাপদ পথ নিই—আর তা হলো, আমাদের যা বজায় রাখা উচিত তা হলো, ভূমি স্বার্থের প্রাধান্য; যে ভূমি স্বার্থের প্রাধান্যই ইংল্যান্ডকে তৈরি করেছে; যে এটি রাজনৈতিক ক্ষমতা এবং স্থিতিশীলতার একটি বিশাল উপাদান; যে আমরা যদি একটি আঞ্চলিক অভিজাততন্ত্র না পেতাম যা আমাদের সংবিধানে স্থিতিশীলতা দেয়, তবে আমরা হয়তো কখনো সেই মহান যুদ্ধ শুরু করতে পারতাম না, যার স্মৃতি অনেকেরই মনে আছে—আমরা হয়তো কখনো বিশ্বের সবচেয়ে বড় সামরিক প্রতিভাকে জয় করতে পারতাম না, যার হাতে ছিল সবচেয়ে বড় উপায়, এবং তাকে তার সিংহাসন থেকে টেনে নামাতে পারতাম না।
** শ্রুসবেরিতে দেওয়া ভাষণ (৯ মে ১৮৪৩), টি. ই. কেবেল সম্পাদিত ''সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, ভলিউম ১'' (১৮৮২), পৃষ্ঠা ৫২-৫৩-এ উদ্ধৃত।
*আর আমি এটাই বলতে চাই যে, যদি আমরা সেটা না করতাম, যদি আমাদের সেই আঞ্চলিক ক্ষমতা না থাকত, এবং আমাদের সংবিধানে জমির মালিকদের সেই প্রাধান্য না থাকত, তবে আমি জানি না কেন গ্রেট ব্রিটেন, সম্ভবত খুব সন্তুষ্ট এবং খুব সমৃদ্ধশালী হয়ে, ডেনমার্ক বা সুইডেনের চেয়ে বড় শক্তি হতো; কিন্তু আমি অন্তত তৃতীয় শ্রেণির শক্তির অধীনে থাকতে প্রস্তুত নই যদি আমি একটি প্রথম শ্রেণির সাম্রাজ্যের নাগরিক হতে পারি। আর আমার কথা যারা শুনছেন তাদের কেউ এই বিষয়ে আমার সাথে দ্বিমত পোষণ করতে পারবেন বলে আমি বিশ্বাস করি না। এটাই যথেষ্ট যে আপনারা শ্রপশায়ারে জন্মগ্রহণ করেছেন, যে আপনারা সেই প্রাচীন কাউন্টির একটি অংশ, যে আপনারা ঐতিহাসিক স্মৃতিতে পূর্ণ একটি কাউন্টিতে জন্মগ্রহণ করেছেন, এমন একটি কাউন্টি যা সরকারি বিষয়ে অন্য সবার চেয়ে এগিয়ে আছে, এমন একটি কাউন্টি যেখানে, যেমনটি [[এডওয়ার্ড হাইড, ক্ল্যারেনডনের প্রথম আর্ল|লর্ড ক্ল্যারেনডন]] বলেছেন, "ক্যাভালিয়ারদের রক্ত বেঁচে আছে।"
** শ্রুসবেরিতে দেওয়া ভাষণ (৯ মে ১৮৪৩), টি. ই. কেবেল সম্পাদিত ''সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, ভলিউম ১'' (১৮৮২), পৃষ্ঠা ৫৩-এ উদ্ধৃত।
*আমি বিশ্বাস করি ভূমি স্বার্থই আমাদের রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যবস্থার ভিত্তি হওয়া উচিত।
** শ্রুসবেরিতে দেওয়া ভাষণ (৯ মে ১৮৪৩), টি. ই. কেবেল সম্পাদিত ''সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, ভলিউম ১'' (১৮৮২), পৃষ্ঠা ৫৫-এ উদ্ধৃত।
*ইংরেজদের জাতীয় চরিত্রের ওপর আমার এখনও কিছুটা আস্থা আছে। আমি ভালো করেই জানি যে এর আগে দেশটি বড় ধরনের উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে গেছে... আপনারা দেখেছেন ইংল্যান্ডের রাজকীয়তাকে শিরশ্ছেদ করা হয়েছে; আপনারা দেখেছেন [[উইলিয়াম লড|আর্চবিশপ লডের]] রূপ ধরে চার্চকে শিরশ্ছেদ করা হয়েছে; আপনারা দেখেছেন [[টমাস ওয়েন্টওয়ার্থ, স্ট্র্যাফোর্ডের প্রথম আর্ল|স্ট্র্যাফোর্ডের]] রূপে প্রশাসনকে শিরশ্ছেদ করা হয়েছে—রাজা, মন্ত্রী এবং আর্চবিশপকে। আপনারা দেখেছেন হাউস অব লর্ডসকে একটি উপদ্রব হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। আপনারা দেখেছেন একজন সামরিক কর্মকর্তার দ্বারা অপমানজনকভাবে হাউস অব কমন্সকে বের করে দেওয়া হয়েছে। আপনারা দেখেছেন চার্চকে পুরোপুরি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এই সব ইংল্যান্ডে ঘটেছে। কিন্তু পঁচিশ বছর পেরিয়ে যাওয়ার আগেই, আপনারা আপনাদের পুরোনো আইন, পুরোনো অভ্যাস, পুরোনো ঐতিহ্য, পুরোনো বিশ্বাসে ফিরে গেছেন। ১৬[৫]৮ সালে [[অলিভার ক্রমওয়েল]] হোয়াইটহলে ঘুমিয়েছিলেন; ১৬৮[৫] সালে [[দ্বিতীয় চার্লস|দ্বিতীয় চার্লস]] তার উদাহরণ অনুসরণ করেছিলেন। আর এত বিস্ময়কর ঘটনার পর কেন এমন হলো তা আমি আপনাদের বলব, যদিও কোনো ঐতিহাসিক এটি লক্ষ্য করেননি; যদিও আপনারা দেখেছেন যে সামাজিক ব্যবস্থার প্রতিটি চিহ্নকে উপড়ে ফেলা হয়েছে এমন সব ক্ষতিকারক, লোভী এবং সূক্ষ্ম শত্রুদের দ্বারা যা কখনো উদ্ভাবিত হয়েছিল; যদিও জাহাজটি ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল, এবং রাজা, চার্চ এবং সংবিধান ভেসে গিয়েছিল, তবুও জাতি নিজের কাছে ফিরে এসেছিল? আমি কি আপনাদের বলব কীভাবে জাতি নিজের কাছে ফিরে এসেছিল, আর কীভাবে পুরোনো ইংল্যান্ড মহাপ্লাবনের পর জলের ওপরে মাথা তুলে দাঁড়িয়েছিল? এটাই ছিল কারণ—কারণ সেই ভয়াবহ বিপ্লবের সময় আপনারা কখনোই আপনাদের জমির সম্পত্তির মেয়াদ পরিবর্তন করেননি। আমি মনে করি, ভদ্রলোকেরা, এটাই আমার কথা প্রমাণ করে; এবং যদি আমরা অলিভার ক্রমওয়েলের মতো একজন জ্ঞানীর বুদ্ধিকে পরাস্ত করে থাকি, তবে আসুন আমরা মিস্টার কবডেনের সামনেও যেন থমকে না যাই। একরগুলো থেকে গিয়েছিল; জমিদারিগুলো থেকে গিয়েছিল। প্রজন্ম বদলে গিয়েছিল: পিউরিটান বাবার মৃত্যু হয়েছিল, এবং ক্যাভালিয়ার ছেলে তার জায়গা নিয়েছিল, আর সেই ক্ষমতা এবং প্রভাবের জোরে জাতি রাজ্যের প্রাচীন নীতিগুলোতে ফিরে গিয়েছিল। আর এই কারণেই, ভদ্রলোকেরা, আপনারা আপনাদের কর্ন ল বা শস্য আইনের বিরুদ্ধে একটি ক্ষোভ উঠতে দেখছেন। আপনাদের কর্ন ল কেবল আপনাদের আঞ্চলিক সম্পত্তির ওপর স্থির এবং প্রতিষ্ঠিত একটি বিশাল ব্যবস্থার বাইরের দেয়াল মাত্র। আর এই বাইরের দেয়ালের ওপর নিজেদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করার ক্ষেত্রে লিগারদের একমাত্র উদ্দেশ্য হলো যাতে তারা সহজেই ভেতরের দুর্গটি জয় করতে পারে।
** শ্রুসবেরিতে দেওয়া ভাষণ (৯ মে ১৮৪৩), টি. ই. কেবেল সম্পাদিত ''সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, ভলিউম ১'' (১৮৮২), পৃষ্ঠা ৫৬-৫৭-এ উদ্ধৃত।
* চরম দুর্দশায় থাকা সেই ঘনবসতিপূর্ণ জনগোষ্ঠী এমন একটি দ্বীপে বাস করত যেখানে একটি প্রতিষ্ঠিত চার্চ ছিল যা তাদের চার্চ ছিল না; এবং একটি আঞ্চলিক অভিজাততন্ত্র ছিল, যাদের মধ্যে সবচেয়ে ধনীরা দূরবর্তী রাজধানীগুলোতে বাস করত। এভাবে তাদের কাছে ছিল এক ক্ষুধার্ত জনগোষ্ঠী, এক অনুপস্থিত অভিজাততন্ত্র এবং এক ভিনদেশি চার্চ। সেই সাথে যুক্ত হয়েছিল বিশ্বের সবচেয়ে দুর্বল নির্বাহী ব্যবস্থা। এটাই ছিল আইরিশ সমস্যা।
** হাউস অব কমন্সে দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1844/feb/16/state-of-ireland-adjourned-debate-fourth ভাষণ] (১৬ ফেব্রুয়ারি ১৮৪৪)
* অন্যান্য অনেক ক্ষেত্রের মতোই এই ক্ষেত্রেও নোবেল লর্ড প্রথমে তার প্রতিপক্ষকে ধ্বংস করেন, এবং তারপর নিজের অবস্থান ধ্বংস করেন। নোবেল লর্ড হলেন সংসদীয় আলোচনার প্রিন্স রুপার্ট: তার আক্রমণ অপ্রতিরোধ্য, কিন্তু যখন তিনি তাড়া করে ফিরে আসেন তখন তিনি সবসময় দেখতে পান যে তার শিবির শত্রুর দখলে।
** হাউস অব কমন্সে দেওয়া ভাষণ (২৪ এপ্রিল ১৮৪৪), লর্ড স্ট্যানলির কথা উল্লেখ করে; তুলনা করুন: "উজ্জ্বল নেতা, অনিয়মিতভাবে মহান, / অকপট, অহংকারী, বেপরোয়া,—বিতর্কের রুপার্ট!", [[এডওয়ার্ড বুলওয়ার-লিটন]], ''দ্য নিউ টাইমন'' (১৮৪৬), প্রথম খণ্ড
*শ্রমিক শ্রেণির অবস্থা নিয়ে আমি যতটা গভীর আগ্রহ দেখিয়েছি, অন্য কোনো বিষয়ে ততটা দেখাইনি। হাউস অব কমন্সে 'জনগণের অবস্থার প্রশ্ন' নিয়ে আলোচনা হওয়ার অনেক আগে থেকেই আমি এই বিষয়ে আমার কলম ব্যবহার করেছিলাম। আমি অনেক দিন ধরেই সচেতন ছিলাম যে আমাদের সামাজিক ব্যবস্থার মূলে পচন ধরেছে। আমি দেখেছিলাম যে যখন বিপুল পরিমাণ সম্পদ জমা হচ্ছিল, যখন সম্পদ উপচে পড়ছিল, এবং যখন গ্রেট ব্রিটেন পুরো ইউরোপে বিশ্বের সবচেয়ে সমৃদ্ধশালী জাতি হিসেবে উদ্ধৃত হচ্ছিল, তখন সম্পদ সৃষ্টিকারী শ্রমিক শ্রেণি চরম দারিদ্র্যের মধ্যে ডুবে ছিল এবং ধীরে ধীরে গভীরতম অবক্ষয়ের দিকে তলিয়ে যাচ্ছিল।
**''শ্রপশায়ার কনজারভেটিভ'' (৩১ আগস্ট ১৮৪৪), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের ''দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরাইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড। ভলিউম ১। ১৮০৪-১৮৫৯'' (১৯২৯), পৃষ্ঠা ৬২৯-এ উদ্ধৃত।
* জ্ঞানই মানুষকে প্রভাবিত করে এবং তার সামাজিক অবস্থার সমতা বিধান করে; এটি রাজনৈতিক অবস্থান যা-ই হোক না কেন, সবাইকে এমন আবেগ দেয় যা অভিন্ন, এবং এমন উপভোগ দেয় যা সর্বজনীন।
** "দ্য ভ্যালু অব লিটারেচার টু মেন অব বিজনেস," ম্যানচেস্টার অ্যাথেনিয়ামে দেওয়া ভাষণ (২৩ অক্টোবর ১৮৪৪), ''সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড'', ভলিউম ২ (১৮৮২), পৃষ্ঠা ৬২৫-এ উদ্ধৃত।
* লন্ডন তার প্রেসের কাছে সবকিছু ঋণী: এটি সরকার এবং আইনের কেন্দ্র হওয়ার মতোই তার প্রেসের কাছে সমানভাবে ঋণী।
** প্রিন্টিং ট্রেড ফেস্টিভ্যালে দেওয়া ভাষণ (১৮৪৫)
* প্রেস কেবল স্বাধীনই নয়, এটি শক্তিশালীও। সেই ক্ষমতা আমাদের। মানুষ এটি উপভোগ করতে পেরে সবচেয়ে বেশি গর্বিত হতে পারে। এটি সম্রাটদের দ্বারা দেওয়া হয়নি, এটি আমাদের জন্য অভিজাতদের দ্বারা অর্জিত হয়নি; বরং এটি জনগণ থেকে উদ্ভূত হয়েছে, এবং একটি অমর প্রবৃত্তি নিয়ে এটি সর্বদা জনগণের জন্য কাজ করেছে।
** প্রিন্টিং ট্রেড ফেস্টিভ্যালে দেওয়া ভাষণ (১৮৪৫)
* মাননীয় জেন্টলম্যান হুইগদের স্নান করতে দেখেছিলেন, এবং তাদের জামাকাপড় নিয়ে চলে গিয়েছিলেন। তিনি তাদের উদারপন্থী অবস্থানের পূর্ণ উপভোগের মধ্যে ছেড়ে দিয়েছেন, এবং তিনি নিজেই তাদের পোশাকের একজন কঠোর রক্ষণশীল।
** স্যার [[রবার্ট পিল|রবার্ট পিলের]] কথা উল্লেখ করে হাউস অব কমন্সে দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1845/feb/28/opening-letters-at-the-post-office ভাষণ] (২৮ ফেব্রুয়ারি ১৮৪৫)।
* এতে কোনো সন্দেহ নেই যে বিরোধী দলের নেতা এবং ক্রাউনের মন্ত্রী হিসেবে রাইট অনারেবল জেন্টলম্যানের আচরণের মধ্যে একটি পার্থক্য রয়েছে। কিন্তু ওটা তো পুরোনো গল্প; বিয়ের আগের সময়ের সাথে বিয়ের পরের সময়ের এতটা তীব্র পার্থক্য করা ঠিক নয়। এটা সত্যি যে রাইট অনারেবল জেন্টলম্যানের আচরণ ভিন্ন। তার সেই সুরক্ষার কথা বলা ভাষণগুলো আমার মনে আছে। সেগুলো ছিল আমার শোনা সেরা ভাষণগুলোর মধ্যে অন্যতম। রাইট অনারেবল জেন্টলম্যানকে এমন কথা বলতে শোনা দারুণ ব্যাপার ছিল: "আমি সম্রাটদের বিশ্বাসভাজন হওয়ার চেয়ে ইংল্যান্ডের ভদ্রলোকদের নেতা হওয়াটাই বেশি পছন্দ করব"। সেটা একটা দারুণ ব্যাপার ছিল। এখন আমরা "ইংল্যান্ডের ভদ্রলোকদের" কথা খুব একটা শুনতে পাই না। কিন্তু তাতে কী? তাদের কাছে স্মৃতির আনন্দ আছে—স্মৃতিচারণের আকর্ষণ আছে। তারা ছিল তার প্রথম প্রেম, আর যদিও সে এখন আবেগের মুহূর্তের মতো তাদের কাছে হাঁটু গাড়ে না, তবুও তারা অতীত মনে করতে পারে; আর এই ধরনের অপরাধ আর তিরস্কারের দৃশ্যগুলো পুরোপুরি অর্থহীন আর বোকামি, কারণ আমরা জানি যে সব ক্ষেত্রেই, যখন প্রিয় বস্তু আর আকর্ষণ করে না, তখন অনুভূতির কাছে আবেদন করা বৃথা। আপনি জানেন যে এটি সত্য। প্রায় প্রতিটি মানুষই এর মধ্য দিয়ে গেছে। আমার মাননীয় জেন্টলম্যান তাদের শান্ত রাখার জন্য যা পারেন তা-ই করেন; কখনো তিনি অহংকারী নীরবতায় আশ্রয় নেন, আবার কখনো তিনি তাদের সাথে অহংকারী শীতলতার সাথে আচরণ করেন; আর মানব স্বভাব সম্পর্কে তাদের কোনো ধারণা থাকলে তারা ইশারাটা বুঝত আর মুখ বন্ধ রাখত। কিন্তু তারা তা করবে না। আর তখন কী হয়? এমন পরিস্থিতিতে কী ঘটে? রাইট অনারেবল জেন্টলম্যান হস্তক্ষেপ করতে বাধ্য হয়ে তার ভৃত্যকে পাঠান, যে সবচেয়ে ভদ্রভাবে বলে: "আমরা এখানে কোনো ঘ্যানঘ্যান সহ্য করতে পারি না"। আর স্যার, এটাই হলো সেই বিশাল কৃষি স্বার্থের ঠিক অবস্থা—সেই সুন্দরী যার সাথে সবাই প্রেম করেছিল আর একজন প্রতারণা করেছিল। এমন আকর্ষণে একটা দুর্ভাগ্য আছে, আর আমরা এখন মনে হয় তার ক্যারিয়ারের বিপর্যয়ের দিকে এগোচ্ছি। প্রটেকশন বা সুরক্ষার অবস্থা এখন ঠিক ১৮২৮ সালের প্রোটেস্ট্যান্ট ধর্মের মতোই মনে হচ্ছে। দেশ এর নৈতিকতা বুঝে নেবে। আমার পক্ষ থেকে বলতে পারি, যদি আমাদের অবাধ বাণিজ্য পেতেই হয়, তবে আমি, যে প্রতিভাকে সম্মান করে, চাইব যে এমন পদক্ষেপগুলো একজন মহান মানুষ আর একটি মহান দলের উদার বিশ্বাসের সাথে রাজনৈতিক চাতুরী দিয়ে খেলা করা কারো চেয়ে বরং [[রিচার্ড কবডেন|স্টকপোর্টের মাননীয় সদস্যের]] দ্বারা প্রস্তাবিত হোক। আমার জন্য, ফলাফল কী হবে তা নিয়ে আমি ভাবি না। আপনি যদি চান, তবে যে সংসদের সাথে আপনি বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন তাকে ভেঙে দিন। আমার জন্য অন্তত এই সুযোগটি রয়েছে—জনসমক্ষে এই বিশ্বাসটি প্রকাশ করার সুযোগ যে '''একটি রক্ষণশীল সরকার হলো একটি সুসংগঠিত ভণ্ডামি।''
** হাউস অব কমন্সে দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1845/mar/17/agricultural-interest ভাষণ] (১৭ মার্চ ১৮৪৫)
* সুরক্ষা কোনো নীতি নয়, বরং একটি উপায়।
** হাউস অব কমন্সে দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1845/mar/17/agricultural-interest ভাষণ] (১৭ মার্চ ১৮৪৫)
* স্যার, দলীয় সরকারের অভিযোগ করা খুবই সহজ, আর এই বিষয়ে মতামত গঠন করতে সক্ষম এমন ব্যক্তিরা থাকতে পারেন যারা সেই সরকারের প্রতি গভীর আপত্তি পোষণ করতে পারেন, এবং জানেন যে সেই আপত্তি কোথায় নিয়ে যায়। কিন্তু এমন আরও অনেকে আছেন যারা তাদের কাঁধ ঝাঁকান, এবং এই বিষয়ে এক অদ্ভুত ঢঙে কথা বলেন, যারা হয়তো ঠিক জানেন না যে এই আপত্তিগুলো কোথায় নিয়ে যায়। এই ব্যক্তিদের বোঝা উচিত যে, যদি তারা দলীয় সরকারের আপত্তি করেন, তবে তারা আসলে সংসদীয় সরকার ছাড়া আর কিছুরই আপত্তি করছেন না। '''দল ছাড়া একটি জনপ্রিয় সমাবেশ—৫০০ জন বিচ্ছিন্ন ব্যক্তি—একটি সংগঠিত সরকারের মন্ত্রীর বিরুদ্ধে পাঁচ বছর টিকতে পারবে না, যতক্ষণ না তারা একটি দাসসুলভ সেনেটে পরিণত হয়।'''
** হাউস অব কমন্সে দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1845/apr/11/maynooth-college ভাষণ] (১১ এপ্রিল ১৮৪৫)
* এই দেশে রাজনৈতিক জগতে এমন কিছু একটা মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে যা আয়ারল্যান্ডের ভূমিতে থাকা সমস্যার মতোই মারাত্মক—আমাদের এক বিশাল সংসদীয় মধ্যস্বত্বভোগী বা মিডলম্যান রয়েছে। একজন মধ্যস্বত্বভোগী বলতে কী বোঝায় তা সবারই জানা; সে এমন একজন মানুষ যে এক পক্ষকে বোকা বানায় এবং অন্য পক্ষকে লুটে নেয়, যতক্ষণ না সে এমন একটি অবস্থান অর্জন করে যার সে যোগ্য নয়। তখন সে চিৎকার করে বলে, "আসুন, আমাদের কোনো দলীয় প্রশ্ন না থাকুক, বরং মেয়াদের স্থায়িত্ব ঠিক করা যাক।"
** হাউস অব কমন্সে দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1845/apr/11/maynooth-college ভাষণ] (১১ এপ্রিল ১৮৪৫)
* এটি হলো চতুর্থ কোর্স, যা আমি বিশ্বাস করি রাইট অনারেবল জেন্টলম্যান ([[রবার্ট পিল|স্যার আর. পিল]]) ভবিষ্যতে ভুলবেন না। রাইট অনারেবল জেন্টলম্যান আমাদের নজিরগুলোতে ফিরে যেতে বলেন; তার কাছে একটি বিশাল পদক্ষেপ সবসময়ই একটি ছোট নজিরের ওপর ভিত্তি করে নেওয়া হয়। তিনি সব সময় বাষ্পীয় ইঞ্জিনকে চায়ের কেটলির সাথে তুলনা করেন। তার নজিরগুলো সাধারণত চায়ের কেটলির নজির হয়ে থাকে।
** হাউস অব কমন্সে দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1845/apr/11/maynooth-college ভাষণ] (১১ এপ্রিল ১৮৪৫)
* স্যার, খুব কম মানুষই উত্তরসূরিদের কাছে পৌঁছাতে পারে। আমাদের মধ্যে কে সেই গন্তব্যে পৌঁছাতে পারে তা আমি ভবিষ্যদ্বাণী করার সাহস পাই না। উত্তরসূরিরা হলো একটি অত্যন্ত সীমিত সমাবেশ। যে ভদ্রলোকেরা উত্তরসূরিদের কাছে পৌঁছান তারা গ্রহদের চেয়ে খুব একটা বেশি নয়।
** হাউস অব কমন্সে দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1846/jan/22/address-in-answer-to-the-speech ভাষণ] (২২ জানুয়ারি ১৮৪৬)
*সর্বোপরি, দলগুলোর মধ্যে সীমানা রেখা বজায় রাখুন; কারণ কেবল দলের স্বাধীনতা বজায় রাখার মাধ্যমেই আপনি সাধারণ মানুষের সততা এবং স্বয়ং সংসদের ক্ষমতা ও প্রভাব বজায় রাখতে পারেন।
** হাউস অব কমন্সে দেওয়া ভাষণ (২২ জানুয়ারি ১৮৪৬), টি. ই. কেবেল সম্পাদিত ''সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, ভলিউম ১'' (১৮৮২), পৃষ্ঠা ১১০-এ উদ্ধৃত।
*প্রথমত, ইংল্যান্ডের কথা বাদ দিয়ে সমস্ত দেশের দিকে তাকালে আমি বলব যে, জাতীয় শিল্পের দুটি প্রধান শাখার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা মন্ত্রীর প্রধান দায়িত্ব এবং রাষ্ট্রের প্রধান স্বার্থ; এটি এমন একটি নীতি যা গত দুইশ বছর ধরে সমস্ত মহান মন্ত্রীরা স্বীকার করে আসছেন... কেন আমাদের জাতীয় শিল্পের এই দুটি প্রধান শাখার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা উচিত, তার সাথে রাজনৈতিক বিবেচনার পাশাপাশি সামাজিক বিবেচনাও জড়িত, যা মানুষের সুখ, সমৃদ্ধি এবং নৈতিকতা, সেইসাথে রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতাকে প্রভাবিত করে। কিন্তু আমি এর চেয়েও এগিয়ে গিয়ে বলি; আমি বলি যে ইংল্যান্ডে আমরা আরও কিছু করতে বাধ্য—আমি আগে যা বলেছি তার পুনরাবৃত্তি করছি যে, এই দেশে বিশেষ কারণ রয়েছে কেন আমাদের কেবল আমাদের জাতীয় শিল্পের দুটি শাখার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা উচিত নয়, বরং কেন আমাদের কৃষিখাতকে... প্রাধান্য দেওয়া উচিত; আর এর কারণ হলো ইংল্যান্ডে আমাদের একটি আঞ্চলিক সংবিধান রয়েছে। আমরা জমির ওপর চার্চের রাজস্ব, বিচার ব্যবস্থা এবং দরিদ্রদের সম্পত্তি ছেড়ে দিয়েছি; আর এটি করা হয়েছে জমির মালিকদের অহংকার মেটাতে বা তাদের বিলাসিতাকে প্রশ্রয় দিতে নয়, বরং একটি আঞ্চলিক সংবিধানে আপনি এবং যাদের স্থলাভিষিক্ত আপনি হয়েছেন তারা স্বশাসনের একমাত্র নিরাপত্তা খুঁজে পেয়েছেন—সেই কেন্দ্রীকরণ ব্যবস্থার বিরুদ্ধে একমাত্র বাধা যা অন্যান্য দেশে শেকড় গেড়েছে।
**হাউস অব কমন্সে দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1846/feb/20/commercial-policy-customs-corn-laws ভাষণ] (২০ ফেব্রুয়ারি ১৮৪৬)
*তাহলে আমি বলি যে, যেমনটা অনুমান করার কারণ আমি আপনাদের দিয়েছি, যখন এই ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হবে, তখন ইংল্যান্ডে গমের দাম প্রতি কোয়ার্টারে ৩৫ শিলিং হবে, আর অন্যান্য শস্যের দামও সে অনুযায়ী হবে। এটি তখন আর ভাড়ার প্রশ্ন নয়, বরং এটি হলো ইংল্যান্ডের শস্য উৎপাদনকারী শ্রমকে সরিয়ে দেওয়ার প্রশ্ন, যাতে একটি বিস্তৃত এবং এমনকি সর্বজনীন স্কেলে বিদেশি শ্রম দ্বারা উৎপাদিত বিদেশি শস্য এই দেশে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া যায়। সেই সরিয়ে দেওয়া শ্রম কি নতুন কাজ খুঁজে পাবে? ... কিন্তু যদি কৃষিজাত পণ্যের ক্ষেত্রে সেই বড় ধরনের মন্দা দেখা দেয় যার আশঙ্কা করা হচ্ছে—এই বিশাল বিপ্লব, যেমনটা উপযুক্তভাবেই বলা হয়েছে, যদি ঘটে—যদি আমরা আর একটি কৃষিপ্রধান জাতি না থাকি, তবে সেই জনগণের কাজের সুযোগ এবং সমর্থন দেওয়ার জন্য কী সম্পদ আছে? বস্তুত, উৎখাত হওয়া কৃষি জনসংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশ, অর্থাৎ ৩৫ লাখ থেকে ৪০ লাখ মানুষের জন্য কী সম্পদ কর্মসংস্থান জোগাবে? ধরে নিন যে বিশ্বের কারখানা নীতিটি কার্যকর করা হয়েছে—ধরে নিন যে বৈরী শুল্ক সত্ত্বেও সেই ইতিমধ্যেই বিশাল শিল্পটি দ্বিগুণ হয়েছে, এবং আপনার ব্যবস্থা, আর্থিক ও অভ্যন্তরীণ উভয়ই, তুলা বাণিজ্যের সম্পদের ওপর টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে... তবে আপনি কেবল আপনার জনসংখ্যার ৩ লাখ মানুষের জন্য বর্ধিত কর্মসংস্থান খুঁজে পাবেন... এর পরিণতি কী হতে হবে? আমার মনে হয় সামাজিক দুর্দশা এবং রাজনৈতিক বিপর্যয়ের পূর্বাভাস দেওয়ার জন্য আমাদের কাছে যথেষ্ট ভালো ভিত্তি রয়েছে।
**হাউস অব কমন্সে দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1846/may/15/corn-importation-bill-adjourned-debate ভাষণ] (১৫ মে ১৮৪৬)
*আমাদের দেশবাসীর কাণ্ডজ্ঞানের ওপর, আমি বলব যে সাধারণ চেতনার ওপর আমার সেই আস্থা আছে যে, আমি বিশ্বাস করি তারা ট্রেজারি বেঞ্চের এই হকারদের মতো স্বৈরাচার—এই রাজনৈতিক ফেরিওয়ালাদের যারা তাদের দলকে সবচেয়ে সস্তা বাজারে কিনেছে এবং আমাদের সবচেয়ে দামি বাজারে বিক্রি করেছে, তাদের বেশিদিন সহ্য করবে না। আমি জানি, স্যার, অনেকেই বিশ্বাস করেন যে সেই সময় পেরিয়ে গেছে যখন কেউ ইংরেজ চরিত্রের সেই উচ্চ এবং সৎ আবেগগুলোর কাছে আবেদন করতে পারত যা একসময় এর প্রধান ভিত্তি এবং প্রধান উপাদান ছিল। আমি জানি, স্যার, আমরা এমন এক জনগণের কাছে আবেদন করছি যারা সাধারণ জুয়ায় মত্ত—যাদের একজন অদক্ষ এবং অদূরদর্শী মন্ত্রী উদ্দীপিত ও উৎসাহিত করেছেন। আমি জানি যে জনমন অর্থনৈতিক কল্পনায় কলুষিত; এমন এক বিকৃত বাসনা যে পরিশ্রম এবং কষ্ট ছাড়াই ধনীরা আরও ধনী হতে পারে। আমি জানি, স্যার, যে সাধারণ মানুষের প্রতি সমস্ত আস্থা হারিয়ে গেছে। কিন্তু, স্যার, আমি ইংরেজ চরিত্রের আদিম এবং স্থায়ী উপাদানগুলোর প্রতি বিশ্বাস রাখি। এখন, তাদের মাতাল অবস্থার মধ্যরাতে, তাদের এটা বলা বৃথা হতে পারে যে একটা তিক্ত জাগরণ হবে; এখন, তাদের অর্থনৈতিক উন্মাদনার বসন্তে, তাদের সতর্ক করা অর্থহীন হতে পারে যে একটা ঝামেলার ভাটা আসতে পারে। কিন্তু সেই অন্ধকার এবং অনিবার্য প্রহরটি আসবে। তখন, যখন তাদের আত্মা দুর্ভাগ্য দ্বারা নরম হবে, তখন তারা সেই নীতিগুলোতে ফিরে যাবে যা ইংল্যান্ডকে মহান করেছিল, এবং যা, আমাদের বিশ্বাসে, একাই ইংল্যান্ডকে মহান রাখতে পারে। তখন, হয়তো, তারা একটুও নির্দয়তা ছাড়াই তাদের কথা মনে রাখবে যারা, বিশ্বাসঘাতকতা এবং পরিত্যাগের শিকার হয়েও, সেই "ভালো পুরনো কারণের" জন্য লড়াই করতে লজ্জিত বা ভীত ছিল না—যে কারণের সাথে যুক্ত সবচেয়ে জনপ্রিয় নীতিগুলো, সবচেয়ে সম্পূর্ণ জাতীয় অনুভূতিগুলো—'''শ্রমের কারণ—জনগণের কারণ—ইংল্যান্ডের কারণ।'''
**হাউস অব কমন্সে দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1846/may/15/corn-importation-bill-adjourned-debate ভাষণ] (১৫ মে ১৮৪৬)
* তিনি এতই অহংকারী যে তিনি সমস্ত বড় প্রশ্নের সমাধানকারী হিসেবে ইতিহাসে জায়গা করে নিতে চান; কিন্তু একটি সংসদীয় সংবিধান এমন উচ্চাকাঙ্ক্ষার জন্য অনুকূল নয়; কাজগুলো দলের দ্বারা হওয়া উচিত, এমন ব্যক্তিদের দ্বারা নয় যারা দলকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে।
** [[জন ম্যানারস, রাটল্যান্ডের সপ্তম ডিউক|লর্ড জন ম্যানারসকে]] লেখা চিঠি, প্রধানমন্ত্রী স্যার রবার্ট পিলের কৌশলগুলোর উল্লেখ করে (১৭ ডিসেম্বর ১৮৪৬), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের ''দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরাইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড'' (ভলিউম ২) (১৯১৩), পৃষ্ঠা ৩৩৭-৩৩৮-এ উদ্ধৃত।
*সবকিছুই হলো জাতি বা রেস; এর বাইরে আর কোনো সত্য নেই।
**''ট্যানক্রেড; অর, দ্য নিউ ক্রুসেড'' (১৮৪৭), ভলিউম ১, অধ্যায় ২০: আ মডার্ন ট্রুবাদুর, পৃষ্ঠা ১৯১
*জনপ্রিয় নীতি এবং উদার দৃষ্টিভঙ্গির মধ্যে যে বিশাল সংগ্রাম, যা আমাদের যুগের বৈশিষ্ট্য, আমি আশা করি সেখানে আমাকে সবসময় ইংল্যান্ডের জনগণ এবং প্রতিষ্ঠানের পক্ষে পাওয়া যাবে। আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলোই আমাদের স্বাধীন করেছে, এবং কেবল সেগুলোই আমাদের সেভাবে রাখতে পারে; এর মাধ্যমেই তারা একটি সুবিধাজনক, অথচ দুর্বল করে দেওয়া কেন্দ্রীকরণ ব্যবস্থার কপট আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যে দেয়াল তৈরি করেছে, তা যদি বাধা না দেওয়া হয়, তবে তা জাতীয় চরিত্রের জন্য মারাত্মক প্রমাণিত হবে।
** বাকিংহ্যামশায়ারের ভোটারদের প্রতি ভাষণ (২৫ মে ১৮৪৭), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের ''দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরাইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড। ভলিউম ১। ১৮০৪-১৮৫৯'' (১৯২৯), পৃষ্ঠা ৮৩৭-এ উদ্ধৃত।
*আমার জন্য এটা বলার অপেক্ষা রাখে না যে আমি সেই সমস্ত পদক্ষেপকে সমর্থন করব, যার উদ্দেশ্য হলো শ্রমিক শ্রেণির কাজের সময় কমিয়ে—তাদের স্বাস্থ্যের উপায় উন্নত করে—এবং তাদের বুদ্ধিমত্তার বিকাশ ঘটিয়ে তাদের নৈতিক ও সামাজিক অবস্থার উন্নতি করা। এগুলো এমন কিছু লক্ষ্য যা মনে করতে আমার ভালো লাগে যে, আমি আমার কিছু বন্ধুদের সাথে মিলে এগুলোকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিলাম, যখন এগুলো সরকারের মনোযোগ আকর্ষণ করার আগে বা বিশাল সংসদীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা দ্বারা সমর্থিত হওয়ার অনেক আগে থেকেই ছিল।
** বাকিংহ্যামশায়ারের ভোটারদের প্রতি ভাষণ (২৫ মে ১৮৪৭), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের ''দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরাইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড। ভলিউম ১। ১৮০৪-১৮৫৯'' (১৯২৯), পৃষ্ঠা ৮৩৮-এ উদ্ধৃত।
*উদার দৃষ্টিভঙ্গি হলো তাদের দৃষ্টিভঙ্গি যারা কিছু নির্দিষ্ট বাধ্যবাধকতা এবং নিয়ম থেকে, সাধারণ বা জনপ্রিয় কল্যাণের জন্য প্রয়োজনীয় বলে মনে করা একটি নির্দিষ্ট নির্ভরতা এবং দায়িত্ব থেকে মুক্ত থাকতে চান। উদার দৃষ্টিভঙ্গি হলো ধনী এবং ক্ষমতাশালীদের জন্য অত্যন্ত সুবিধাজনক দৃষ্টিভঙ্গি। এগুলো উপভোগ নিশ্চিত করে এবং আত্মত্যাগের বিরোধী। উদাহরণস্বরূপ, উদার দৃষ্টিভঙ্গির অধিকারী একজন ব্যক্তি মনে করেন যে জমির মালিকানাকে বাণিজ্যিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করা উচিত এবং অন্য কোনোভাবে নয়। তিনি এর থেকে পাওয়া আয়ের দিকে তাকিয়ে থাকেন। এটা কোনো উদার দৃষ্টিভঙ্গি নয় যে জমির মালিকের বিনামূল্যে সাধারণ মানুষের মাঝে ন্যায়বিচার এবং সত্য বজায় রাখার দায়িত্ব নেওয়া উচিত। এটি, ভদ্রলোকেরা, একটি জনপ্রিয় নীতি, জনগণের সুবিধার জন্য সরকারের একটি নীতি, কোনো উদার দৃষ্টিভঙ্গি নয়। একটি দুর্বল আইনও একটি জনপ্রিয় নীতির ওপর প্রতিষ্ঠিত; উদার দৃষ্টিভঙ্গি এর প্রণয়নের সম্পূর্ণ বিরোধী।
** আইলসবেরিতে দেওয়া ভাষণ (২৬ জুন ১৮৪৭), টি. ই. কেবেল সম্পাদিত ''সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, ভলিউম ১'' (১৮৮২), পৃষ্ঠা ১৭৮-এ উদ্ধৃত।
*যেহেতু সরকারের জনপ্রিয় নীতিগুলো অনুসরণ করা ধনী এবং ক্ষমতাশালীদের স্বার্থের পক্ষে নয়, তাই মহান ব্যক্তিদের প্রজ্ঞা এবং যুগ যুগের অভিজ্ঞতা এই নীতিগুলোকে প্রতিষ্ঠানের আকারে লালন ও চিরস্থায়ী করার ব্যবস্থা করেছে। এভাবে, সাধারণ মানুষকে রক্ষা করা মহিমা একটি সিংহাসনে মূর্ত হয়েছে; যে বিশ্বাস তাদের সান্ত্বনা দেয় তা একটি জাতীয় চার্চের বেদির চারপাশে ঘোরে; আলোচনার চেতনা যা জনস্বাধীনতার মূল তা একটি মুক্ত সংসদের পরিবেশে প্রস্ফুটিত হয়। কিন্তু রাজতন্ত্রের বদলে, উদার দৃষ্টিভঙ্গির একজন ভদ্রলোক পছন্দ করবেন যে সর্বোচ্চ নির্বাহী ক্ষমতা তার নিজের শ্রেণির একজন ব্যক্তির হাতে ন্যস্ত করা হোক, যার উপাধি হবে প্রেসিডেন্ট, এবং সম্ভবত তিনি নিজেও প্রেসিডেন্ট হওয়ার সুযোগ পাবেন; একটি জাতীয় চার্চের বদলে তিনি নিজের ধর্মের মন্ত্রী বেছে নেওয়া এবং তার জন্য অর্থ প্রদান করা বেশি পছন্দ করবেন, যদি তার এমন কোনো ইচ্ছা থাকে; এবং যদিও তিনি প্রতিনিধি সরকারের তত্ত্বের বিরোধী নন, যদি প্রতিনিধিত্ব তার নিজস্ব শ্রেণির দ্বারা শোষিত হয়, তিনি বিষয়গুলোর প্রকৃত লেনদেন বেতনভোগী কমিশনার এবং বাছাই করা কমিটি দ্বারা পরিচালিত হতে উৎসাহিত করেন। এই মতামতগুলোর বিরুদ্ধে আমি সবসময় সংগ্রাম করেছি; আমি বিশ্বাস করি যে এগুলোর অধীনে সমস্ত জাতীয় মহিমা ম্লান হয়ে যেতে বাধ্য।
** আইলসবেরিতে দেওয়া ভাষণ (২৬ জুন ১৮৪৭), টি. ই. কেবেল সম্পাদিত ''সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, ভলিউম ১'' (১৮৮২), পৃষ্ঠা ১৭৮-১৭৯-এ উদ্ধৃত।
*'''প্রাসাদ কখনোই নিরাপদ নয়, যখন কুটির সুখী থাকে না।'''
** উইনইয়ার্ড হর্টিকালচারাল শোতে দেওয়া ভাষণ (১৮৪৮), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের ''দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরাইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড। ভলিউম ২। ১৮৬০-১৮৮১'' (১৯২৯), পৃষ্ঠা ৭০৯-এ উদ্ধৃত।
* নজিরের মূল্য নিয়ে আমি সরকারের সাথে পুরোপুরি দ্বিমত পোষণ করি। এই ক্ষেত্রে, অন্যান্য ক্ষেত্রের মতো, নজিরগুলো কেবল ধুলোমাখা কিছু বাক্যাংশ নয়, যা আমাদের সামনের প্রশ্নটিকে খুব একটা প্রভাবিত করে না। '''একটি নজির একটি নীতিকে সুরক্ষিত করে রাখে।'''
** হাউস অব কমন্সে দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1848/feb/22/expenditure-of-the-country ভাষণ] (২২ ফেব্রুয়ারি ১৮৪৮)
* [[উদারনীতিবাদ|উদারনীতিবাদের]] প্রতি আমার আপত্তি হলো এই—যে এটি জীবনের সর্বোচ্চ স্তরের ব্যবহারিক কাজে—অর্থাৎ রাজনীতিতে—রাজনৈতিক নীতির পরিবর্তে দার্শনিক ধারণার প্রবর্তন।
** হাউস অব কমন্সে দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1848/jun/05/expulsion-of-the-british-ambassador-from ভাষণ] (৫ জুন ১৮৪৮)
* মাননীয় জেন্টলম্যান অত্যন্ত অদ্ভুতভাবে বলেছেন যে, বর্তমান দিনে আমাদের শান্তির নিরাপত্তা হলো দেশগুলোর বাড়িতে থাকার ইচ্ছা। জাতীয়তা এবং জাতির মধ্যে একটি বড় পার্থক্য রয়েছে। '''জাতীয়তা হলো রাজনৈতিক স্বাধীনতার নীতি। জাতি হলো শারীরিক সাদৃশ্যের নীতি,''' আর এই মুহূর্তে আপনার কাছে জাতির নীতি রয়েছে—জাতীয়তার একেবারেই নয়—যা জার্মানি গ্রহণ করেছে, ঠিক যে দেশটির কথা ওয়েস্ট রাইডিংয়ের মাননীয় সদস্য উল্লেখ করেছেন।
** হাউস অব কমন্সে দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1848/aug/09/supply-navy-estimates ভাষণ] (৯ আগস্ট ১৮৪৮)
* আপনি দলীয় সরকার এবং সংসদীয় সরকারের মধ্যে কোনো একটি বেছে নিতে পারবেন না। আমি বলি, আপনার যদি কোনো দলীয় সরকার না থাকে তবে আপনার কোনো সংসদীয় সরকার থাকতে পারে না; আর তাই, যখন ভদ্রলোকেরা দলীয় সরকারের নিন্দা করেন, তখন তারা সরকারের সেই কাঠামোর ওপর আঘাত হানেন যা আমার মতে এই দেশকে মহান করেছে, এবং যা আমি আশা করি এটিকে মহান রাখবে।
** হাউস অব কমন্সে দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1848/aug/30/business-of-the-session ভাষণ] (৩০ আগস্ট ১৮৪৮)
*বর্তমান দিনে হাউস অব কমন্সে কনজারভেটিভ দলের নেতার কাজ হলো এই দেশের অভিজাতদের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা। এটাই একমাত্র প্রশ্ন যা ঝুঁকির মধ্যে আছে, যদিও জনসাধারণের আলোচনায় এটি নানা রূপ নিতে পারে।
** লর্ড স্ট্যানলিকে লেখা চিঠি (২৬ ডিসেম্বর ১৮৪৮), এম. জি. উইবে, জে. বি. কনাচার, জন ম্যাথুস এবং মেরি এস. মিলার সম্পাদিত ''বেঞ্জামিন ডিসরাইলি লেটারস, ভলিউম ফাইভ ১৮৪৮-১৮৫১'' (১৯৯৩), পৃষ্ঠা ১১৮-এ উদ্ধৃত।
* কিন্তু জাতির এই নীতিটি দুর্ভাগ্যবশত অন্যতম কারণ কেন আমি ভয় পাই যে যুদ্ধ হয়তো সবসময়ই থাকবে; কারণ জাতি বলতে পার্থক্য বোঝায়, পার্থক্য মানে শ্রেষ্ঠত্ব, আর শ্রেষ্ঠত্ব মানে আধিপত্য।
** হাউস অব কমন্সে দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1849/feb/01/address-in-answer-to-the-speech ভাষণ] (১ ফেব্রুয়ারি ১৮৪৯)
* কিন্তু তিনি আমাদের জন্য বীরদের উত্তরাধিকার রেখে গেছেন—তার মহান নামের স্মৃতি, এবং তার মহান উদাহরণের অনুপ্রেরণা।
** হাউস অব কমন্সে দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1849/feb/01/address-in-answer-to-the-speech ভাষণ] (১ ফেব্রুয়ারি ১৮৪৯)
*[ভূ]স্বার্থ... ভুলে যায়নি যে তাদের বিজয়ী জননেতারা জনসাধারণের ঘৃণা ও তিরস্কারের পাত্র হিসেবে তুলে ধরেছেন। তারা ভুলে যায়নি যে তাদের মহৎ শিল্প, যা প্রাচীনকালে দেবতাদের আবিষ্কার এবং বীরদের পেশা হিসেবে বিবেচিত হতো, তা ইংলিশ উদ্যোগের ওপর একটি বোঝা হিসেবে কলঙ্কিত এবং নিন্দিত হয়েছে। তারা ভুলে যায়নি যে তাদের পূর্বপুরুষদের বীরত্ব এবং ভক্তি দিয়ে তৈরি করা সাম্রাজ্যটি জনসাধারণের ঘৃণার পাত্র হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে, যা কেবল আমাদের আঞ্চলিক বাড়িগুলোর বিলাসিতা এবং লালসাকে প্রশ্রয় দেওয়ার জন্য তৈরি করা একটি ভারী এবং রক্তক্ষয়ী যন্ত্র... এটা মনে রাখা আপনাদের জন্য ভালো হবে যে এই লোকদের পূর্বপুরুষরাই আপনাদের স্বাধীনতার প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন; এবং এর আগে, তাদের পূর্বপুরুষরা ন্যায়বিচারের জন্য রক্ত দিয়েছেন। বিশ্বাস করুন যে এই লোকদের রক্ত, যারা জাহাজ-কর দিতে অস্বীকার করেছিল, তাদের নিয়ে খেলা করা যাবে না।
**হাউস অব কমন্সে দেওয়া ভাষণ (৮ মার্চ ১৮৪৯), টি. ই. কেবেল সম্পাদিত ''সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, ভলিউম ১'' (১৮৮২), পৃষ্ঠা ২৩৭-২৩৮-এ উদ্ধৃত।
====''কনিংসবি'' (১৮৪৪)====
* "শিষ্টাচার সহজ," কনিংসবি বলল, "কিন্তু জীবন কঠিন।"
** বই ৩, অধ্যায় ৪
* প্রাচীন বিশ্বের কাছে শিল্পের যে মূল্য ছিল, আধুনিক বিশ্বের কাছে বিজ্ঞানের মূল্য ঠিক তাই: এটি একটি বিশেষ ক্ষমতা। মানুষের মনে সুন্দরের জায়গা নিয়েছে প্রয়োজনীয় জিনিস.. যদি আমাদের তা ঘোষণা করার সাহস বা গ্রহণ করার মেজাজ থাকে, তবে বলার মতো অনেক বড় সত্য আছে।
** বই ৪, অধ্যায় ১
* "তাহলে তুমি দেখতে পাচ্ছ, আমার প্রিয় কনিংসবি, যারা পর্দার আড়ালে নেই তারা যা কল্পনা করে তার চেয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন ব্যক্তিরা এই পৃথিবী পরিচালনা করে।" (সিডোনিয়ার কথা)
** বই ৪, অধ্যায় ১৫
====''সিবিল'' (১৮৪৫)====
{{main|সিবিল (উপন্যাস)}}
* "আমি বরং খারাপ মদই পছন্দ করি," মিস্টার মাউন্টচেসনি বললেন; "মানুষ ভালো মদ খেতে খেতে খুব বিরক্ত হয়ে যায়।"
** বই ১, অধ্যায় ১
* '''আপনি যে তথ্যগুলো জানেন না সে বিষয়ে সচেতন হওয়া জ্ঞানের দিকে একটি বড় পদক্ষেপ।'''
** বই ১, অধ্যায় ৫
====''ট্যানক্রেড'' (১৮৪৭)====
* আপনারা যাকে সভ্যতা বলেন, তা-ই কি ইংল্যান্ডের সমৃদ্ধির কারণ? মানুষের সক্ষমতার সার্বজনীন বিকাশই কি প্রাচীনদের কাছে প্রায় অজানা একটি দ্বীপকে বিশ্বের ভাগ্যবিধাতা করে তুলেছে? স্পষ্টতই তা নয়। এর কারণ এখানকার মানুষরাই। এটি মূলত একটি [[জাতি|জাতির]] ব্যাপার.... সবকিছুই জাতির ওপর নির্ভর করে, এর বাইরে আর কোনো সত্য নেই।
** বই ১, অধ্যায় ১৩
* বিশ্বাস ছাড়া দায়িত্বের অস্তিত্ব থাকতে পারে না।
** বই ২, অধ্যায় ১
* সংখ্যাগরিষ্ঠতা সব সময় সেরা জবাব।
** বই ২, অধ্যায় ১
* কণ্ঠস্বরের চেয়ে মানুষের চরিত্রের আর কোনো নির্ভরযোগ্য নির্দেশক নেই।
** বই ২, অধ্যায় ১
* বিশ্বাস ছাড়া দায়িত্বের অস্তিত্ব থাকতে পারে না।
** বই ২, অধ্যায় ১১
* ওই মারাত্মক কৌতুক, যাকে বলা হয় প্রতিনিধিত্বশীল সরকার।
** বই ২, অধ্যায় ১৩
* জেরুজালেমের দৃশ্যই হলো পৃথিবীর ইতিহাস; এর চেয়েও বেশি, এটি পৃথিবী এবং স্বর্গের ইতিহাস।
** বই ৩, অধ্যায় ৪
* তিনি সতেজ ছিলেন এবং তার পূর্ণ বিশ্বাস ছিল যে "কিছু একটা ঘটে যাবে।"
** বই ৩, অধ্যায় ৬
* যখন কম কাজ হয়, তখন কথাও কম বলা হয়; নীরবতাই হলো সত্যের জননী।
** বই ৪, অধ্যায় ৪
* মানুষ যদি শুধু অপেক্ষা করতে পারে, তবে সবকিছুই তার কাছে আসে।
** বই ৪, অধ্যায় ৮
* আমরা ধ্বংসস্তূপের মাঝে নৈতিকতার কথা বলি।
** বই ৫, অধ্যায় ৫
* লন্ডন হলো একটি আধুনিক ব্যাবিলন।
** বই ৫, অধ্যায় ৫
* আমাদের কখনোই কোনো সুযোগ হাতছাড়া করা উচিত নয়। সুযোগ বিজয়ী এবং নবীদের চেয়েও বেশি শক্তিশালী।
** ''ট্যানক্রেড'', অধ্যায় ৪৬
* আমাদের নৈতিকতা বিভিন্ন কাউন্টি, বিভিন্ন শহর, বিভিন্ন রাস্তায়, এমনকি সংসদের বিভিন্ন আইনেই ভিন্ন হয়ে থাকে। লন্ডনে যা নৈতিক, মন্টাকিউটে তা অনৈতিক; জনতার কাছে যা অপরাধ, মুষ্টিমেয় মানুষের কাছে তা কেবলই একটি দোষ।
** ''ট্যানক্রেড'', অধ্যায় ৭
===১৮৫০-এর দশক===
*এই বিবেচনায় যে আমাদের সমস্ত প্রতিষ্ঠান জমি থেকেই উদ্ভূত—বিবেচনা করে যে সিংহাসন, রাজ্যের সম্পত্তি, আমাদের বিচারিক প্রতিষ্ঠানের মহান কাঠামো, দরিদ্রদের উত্তরাধিকার, আমাদের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের পবিত্র চূড়াগুলো, এই সবকিছুর উৎপত্তি একই উৎস থেকে; বিবেচনা করে যে, আসলে, আমাদের একটি আঞ্চলিক সংবিধান রয়েছে, তারা সর্বদা এই মত পোষণ করেছেন যে আমাদের আঞ্চলিক জনসংখ্যার শিল্প, সম্পত্তি এবং প্রভাব বজায় রাখা একজন ব্রিটিশ রাষ্ট্রনায়কের প্রথম দায়িত্ব। এই কারণেই তারা সর্বদা এই মত পোষণ করেছেন—একটি কঠোরভাবে সাংবিধানিক মত—যে আমাদের সমস্ত আইন প্রণয়নে যা ক্ষমতার বণ্টনকে নির্দেশ বা নিয়ন্ত্রণ করে, আমাদের ভূস্বার্থের প্রাধান্য নিয়ে আলোচনা করা উচিত। তারা এমনটা ভেবেছিলেন কারণ তারা সেই প্রাধান্যকে শৃঙ্খলা এবং স্বাধীনতার সর্বোত্তম নিরাপত্তা বলে মনে করেছিলেন, এবং এর পাশাপাশি, সেই রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য সর্বোত্তম নিরাপত্তা যা দেশগুলোর ইতিহাসে শৃঙ্খলা এবং স্বাধীনতার চেয়েও বিরল একটি গুণ। এই মতামতগুলো আমি জানি যে হাউস অব কমন্সে কিছুটা পুরোনো ফ্যাশনের বলে মনে করা হয়, তবে আমি বিশ্বাস করি যে এগুলো এখনো জনগণের বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠের ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ হারায়নি; এবং আমি বিনীতভাবে এগুলো ভাগ করে নেওয়ার এবং মেনে চলার সাহস করি।
** হাউস অব কমন্সে দেওয়া ভাষণ (১৯ ফেব্রুয়ারি ১৮৫০), টি. ই. কেবেল সম্পাদিত ''সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, ভলিউম ১'' (১৮৮২), পৃষ্ঠা ২৬৪-এ উদ্ধৃত।
* কেন, আমি বলি যে একটি শ্রেণির সুবিধার জন্য সম্প্রদায়কে কর দেওয়া কোনো সুরক্ষা নয়; এটি লুটপাট, এবং আমি এটি পুরোপুরি অস্বীকার করি; কিন্তু আমি আপনাদের অনুরোধ করছি প্রথমে সাধারণভাবে শ্রমের অধিকার এবং স্বার্থ রক্ষা করুন, যেসব দেশ আপনাদের পাল্টা শুল্ক দিয়ে মোকাবিলা করে তাদের কাছ থেকে কোনো অবাধ আমদানির অনুমতি না দিয়ে; এবং দ্বিতীয়ত, কৃষিজাত পণ্যের ক্ষেত্রে, অন্যান্য শ্রেণিরা যেসব বোঝা থেকে মুক্ত, মাটিকে সমপরিমাণ শুল্ক দিয়ে তার ক্ষতিপূরণ দিন। যাকে "সুরক্ষা" বলা হয় তার বিষয়ে এটি আমার দৃষ্টিভঙ্গি।
** হাউস অব কমন্সে দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1850/may/14/foreign-corn ভাষণ] (১৪ মে ১৮৫০)
*আমার মনে আছে—মাননীয় জেন্টলম্যানের বাধা আমাকে একজন মহান লেখকের কথা মনে করিয়ে দেয়, যিনি বলেছিলেন যে "কাজের মধ্যেই সৌন্দর্যের প্রকাশ ঘটে।" '''স্যার, আমি বলি যে কাজ করার নামই হলো ন্যায়বিচার। সত্য একটি বিরোধী দলকে অনুপ্রাণিত করবে, এবং আমি আশা করি এটি এই বিরোধী দলকেও অনুপ্রাণিত করবে।'''
** হাউস অব কমন্সে দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1851/feb/11/agricultural-distress ভাষণ] (২ ফেব্রুয়ারি ১৮ ৫১)
*হ্যাঁ! আমি জানি আমাকে কিসের মুখোমুখি হতে হবে। আমাকে একটি জোটের মুখোমুখি হতে হবে। এই সংমিশ্রণ সফল হতে পারে। এর আগে একটি জোট সফল হয়েছে। কিন্তু জোটগুলো, যদিও সফল হয়েছে, তারা সর্বদা এটি পেয়েছে যে তাদের বিজয় ক্ষণস্থায়ী হয়েছে। এটিও আমি জানি যে, '''ইংল্যান্ড জোট পছন্দ করে না।'''
** হাউস অব কমন্সে দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1852/dec/16/ways-and-means-financial-statement ভাষণ] (১৬ ডিসেম্বর ১৮৫২)
*দাসপ্রথা বাতিলের জন্য মধ্যবিত্তদের আন্দোলন পুণ্যময় ছিল, তবে তা বুদ্ধিমানের কাজ ছিল না। এটি একটি অজ্ঞ আন্দোলন ছিল। এটি বাণিজ্যের আইন এবং চুক্তির শর্তাবলি উভয় ক্ষেত্রেই জ্ঞানের অভাব দেখিয়েছিল; এবং এটি উপনিবেশগুলোকে ধ্বংস করেছে এবং দাস ব্যবসাকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে... ইংরেজদের দ্বারা দাসপ্রথা বাতিলের ইতিহাস এবং এর পরিণতি হবে অজ্ঞতা, অবিচার, ভুল, অপচয় এবং ধ্বংসের এমন এক আখ্যান যা মানবজাতির ইতিহাসে সহজে মিলবে না।
**''লর্ড জর্জ বেন্টিনক: আ পলিটিক্যাল বায়োগ্রাফি'' (১৮৫২), পৃষ্ঠা ৩২৪-৩২৫
*ইহুদিরা সেমিটিক নীতির প্রতিনিধিত্ব করে; আমাদের প্রকৃতির আধ্যাত্মিক সবকিছুর প্রতিনিধিত্ব করে। তারা ঐতিহ্যের রক্ষক, এবং ধর্মীয় উপাদানের সংরক্ষক। তারা আধুনিক যুগের সেই ক্ষতিকর মতবাদের—মানুষের স্বাভাবিক সমতার—মিথ্যা হওয়ার একটি জীবন্ত এবং সবচেয়ে আকর্ষণীয় প্রমাণ। কোনো নির্দিষ্ট জাতির রাজনৈতিক সমতা হলো পৌর ব্যবস্থার একটি বিষয় এবং এটি সম্পূর্ণভাবে রাজনৈতিক বিবেচনা এবং পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে; কিন্তু মানুষের স্বাভাবিক সমতা যা এখন প্রচলিত, এবং যা কসমোপলিটান ভ্রাতৃত্বের রূপ নিচ্ছে, এটি এমন একটি নীতি যা যদি এর ওপর কাজ করা সম্ভব হতো, তবে তা মহান জাতিগুলোকে দুর্বল করে দিত এবং বিশ্বের সমস্ত প্রতিভাকে ধ্বংস করে দিত। মহান অ্যাংলো-স্যাক্সন প্রজাতন্ত্রের ওপর এর পরিণতি কী হতো, উদাহরণস্বরূপ, যদি এর নাগরিকরা তাদের সংরক্ষণের সুস্থ নীতি থেকে সরে আসত, এবং তাদের কৃষ্ণাঙ্গ এবং রঙিন জনসংখ্যার সাথে মিশে যেত? সময়ের সাথে সাথে তারা এতটাই দুর্বল হয়ে পড়ত যে তাদের রাজ্যগুলো সম্ভবত সেই আদিবাসীদের দ্বারা পুনরায় বিজিত এবং দখল হতো যাদের তারা বহিষ্কার করেছে এবং যারা তখন তাদের থেকে শ্রেষ্ঠ হতো।
**''লর্ড জর্জ বেন্টিনক: আ পলিটিক্যাল বায়োগ্রাফি'' (১৮৫২), পৃষ্ঠা ৪৯৬
* কিন্তু বিদ্যমান সমাজ এই জাতিকে নিপীড়ন করা বেছে নিয়েছে যা তার পছন্দের মিত্রদের সরবরাহ করা উচিত ছিল, এবং এর পরিণতি কী হয়েছে?<br>ইউরোপে ধ্বংসাত্মক নীতির শেষ প্রাদুর্ভাবে এগুলো খুঁজে পাওয়া যেতে পারে। ঐতিহ্য এবং অভিজাততন্ত্রের বিরুদ্ধে, ধর্ম এবং সম্পত্তির বিরুদ্ধে একটি বিদ্রোহ সংঘটিত হয়। সেমিটিক নীতির ধ্বংস, ইহুদি ধর্মের মূলোৎপাটন, তা মোজাইক বা খ্রিস্টান রূপেই হোক না কেন, মানুষের স্বাভাবিক সমতা এবং সম্পত্তির বিলুপ্তি, গোপন সংগঠনগুলো দ্বারা ঘোষিত হয় যারা অস্থায়ী সরকার গঠন করে, এবং ইহুদি জাতির পুরুষদের তাদের প্রত্যেকটির শীর্ষে পাওয়া যায়। '''ঈশ্বরের লোকেরা নাস্তিকদের সাথে সহযোগিতা করে; সম্পত্তির সবচেয়ে দক্ষ সঞ্চয়কারীরা কমিউনিস্টদের সাথে মিত্রতা করে; অদ্ভুত এবং নির্বাচিত জাতি ইউরোপের সমস্ত ময়লা এবং নিচু জাতের হাত স্পর্শ করে! আর এই সবকিছুই কারণ তারা সেই অকৃতজ্ঞ খ্রিস্টধর্মকে ধ্বংস করতে চায় যা তাদের কাছে এমনকি তার নামের জন্যও ঋণী, এবং যাদের স্বৈরাচার তারা আর সহ্য করতে পারে না।'''
** ''লর্ড জর্জ বেন্টিনক: আ পলিটিক্যাল বায়োগ্রাফি'' (১৮৫২), পৃষ্ঠা ৪৯৭-৪৯৮। এই উদ্ধৃতির বোল্ড করা অংশের বিভিন্ন রূপ ভুলভাবে দায়ী করা হয়েছে বলে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে, যা কমিউনিজমের (যা তখনো একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক শক্তি ছিল না) আপাত অকালিক উল্লেখ, ইহুদিদের প্রতি নেতিবাচক ভাষা এবং ইহুদিবিদ্বেষী আন্দোলনকারীদের দ্বারা এই ধরনের পরিবর্তনের ব্যবহারের ওপর ভিত্তি করে করা হয়েছে যারা এটি যে রচনায় উপস্থিত হয়েছে তার একটি সঠিক উদ্ধৃতি দিতে ব্যর্থ হয়েছে। পল এফ. বোলার, জন জর্জের ''দে নেভার সেইড ইট: আ বুক অব ফেইক কোটস, মিসকোটস, অ্যান্ড মিসলিডিং অ্যাট্রিবিউশনস'' (১৯৯০) দেখুন।
*ইংল্যান্ডই হলো একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ ইউরোপীয় সম্প্রদায় যা এখনো ঐতিহ্যবাহী প্রভাব দ্বারা পরিচালিত হয়, এবং জাতিগুলোর লজ্জাহীন ধ্বংসাবশেষের মধ্যে কেবল সে-ই তার সম্মান, তার স্বাধীনতা, তার শৃঙ্খলা, তার কর্তৃত্ব এবং তার সম্পদ বজায় রেখেছে... কিন্তু বলা হয় যে ইংল্যান্ডের মতো একটি মহান জাতি, দীর্ঘকাল ধরে জনস্বাধীনতায় অভ্যস্ত আলোকিত লাখ লাখ মানুষের একটি সম্প্রদায় একটি অভিজাততন্ত্র দ্বারা শাসিত হওয়াটা যুগের চেতনার পরিপন্থী। এটি সত্য নয় যে শব্দটির সাধারণ অর্থে ইংল্যান্ড একটি অভিজাততন্ত্র দ্বারা শাসিত হয়। ইংল্যান্ড একটি অভিজাত নীতি দ্বারা শাসিত হয়। ইংল্যান্ডের অভিজাততন্ত্র সমস্ত অভিজাততন্ত্রকে শুষে নেয়, এবং প্রতিটি আদেশ এবং প্রতিটি শ্রেণির প্রতিটি মানুষকে গ্রহণ করে যে আমাদের সমাজের নীতির কাছে মাথা নত করে, যা হলো আকাঙ্ক্ষা এবং শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করা।
**''লর্ড জর্জ বেন্টিনক: আ পলিটিক্যাল বায়োগ্রাফি'' (১৮৫২), পৃষ্ঠা ৫৫৫-৫৫৭
*তিনি <nowiki>[</nowiki>লর্ড জর্জ বেন্টিনক<nowiki>]</nowiki> সেই উত্থান-পতন নিয়ে অনেক ভেবেছেন যা সমস্ত কেবল বিদেশি বাণিজ্যের সাথে যুক্ত থাকতে হবে, যা, যদিও এটি উৎসাহিত করা উচিত, এর ওপর কেবল নির্ভর করা উচিত নয়, যা আজকের দিনে প্রচলিত ছিল। চিরস্থায়ী শান্তির ধারণার ওপর ভিত্তি করে তৈরি একটি বাণিজ্যিক ব্যবস্থাকে ধ্বংসের পূর্ণ মনে করে, তিনি যুদ্ধকে মাঝে মাঝে অনিবার্য হিসেবে দেখতেন। তার নীতিটি মূলত [[সাম্রাজ্যবাদ|সাম্রাজ্যবাদী]] ছিল এবং [[w:কসমোপলিটান|কসমোপলিটান]] বা বিশ্বজনীন ছিল না।
**''লর্ড জর্জ বেন্টিনক: আ পলিটিক্যাল বায়োগ্রাফি'' (১৮৫২), পৃষ্ঠা ৫৭৯
*[[দেশপ্রেম|দেশপ্রেমিক]] এবং কসমোপলিটান নীতির মধ্যে যে বিশাল বিতর্ক সবেমাত্র শুরু হয়েছে এবং যার ফলাফলের ওপর একটি শক্তিশালী সম্প্রদায় হিসেবে এই দ্বীপের ভাগ্য নির্ভর করে, সেখানে লর্ড জর্জ বেন্টিনককে আমাদের দেশের ঐতিহ্যবাহী প্রভাবগুলোকে তাদের সবচেয়ে চিত্তাকর্ষক রূপে উপস্থাপন করার জন্য তৈরি করা হয়েছিল বলে মনে হয়েছিল।
**''লর্ড জর্জ বেন্টিনক: আ পলিটিক্যাল বায়োগ্রাফি'' (১৮৫২), পৃষ্ঠা ৫৮৩
* ছয় বছরের মধ্যে এই নিয়ে তৃতীয়বার, যে সময়ে আমি হাউস অব কমন্সে বিরোধী দলের নেতৃত্বে ছিলাম, আমি ট্রেজারি বেঞ্চে ঝড় তুলেছি: দুবার, নিষ্ফলভাবে, তৃতীয়বার আমার লেজে একটি টিনের কেটলি বাঁধা ছিল যা দৌড়কে আশাহীন করে তুলেছিল। তাই, আপনি অবাক হতে পারবেন না যে, আমি এই নিষ্ফল বিজয়গুলোতে একটু ক্লান্ত, যা আলমা, ইনকারম্যান এবং বালাক্লাভার মতো গৌরবময় হতে পারে তবে নিশ্চিতভাবেই এর চেয়ে বেশি কিছু নয়।
** লেডি লন্ডনডেরিকে লেখা চিঠি (২২ ফেব্রুয়ারি ১৮৫৪), ''বেঞ্জামিন ডিসরাইলি, লেটারস'': ১৮৫২-১৮৫৬ (১৯৯৭), পৃষ্ঠা ৪০৫-এ।
নিচে উইকিপিডিয়ার ওই লেখার বাংলা অনুবাদ দেওয়া হলো:
*আমি বলি যে, প্রাচ্য প্রশ্ন নামে পরিচিত বিষয়টির ব্যবস্থাপনায় প্রয়োগ করার জন্য নীতির দুটি পদ্ধতি রয়েছে। এটি মূলত ভৌগোলিক প্রশ্ন। অর্থাৎ সেই স্থানের দখল, যা বিশ্বের সাম্রাজ্যকে নিয়ন্ত্রণ করে—কনস্টান্টিনোপল শহর। মতামতের এমন একটি ধারা রয়েছে যাকে আমি ব্রিটিশ মতামত বলি। হাউসের নেতা (লর্ড জে. রাসেল) এবং স্বরাষ্ট্র দপ্তরের সেক্রেটারি অব স্টেট (ভিসকাউন্ট পামারস্টন) এটিকে সমর্থন করেন। তারা তুরস্কের টিকে থাকায় বিশ্বাস করেন। তারা মনে করেন যে, এটি একটি স্বাধীন এবং এমনকি প্রগতিশীল দেশ হিসেবে থাকতে পারে, এবং রাশিয়ার আগ্রাসনের বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী ও পর্যাপ্ত ঢাল গঠন করতে পারে। আর অন্য একটি ধারা রয়েছে, যাকে আমি রুশ নীতির ধারা বলি। তারা বিশ্বাস করে যে, তুরস্ক নিঃশেষিত হয়ে গেছে; আমরা যা করতে পারি তা হলো, ধীরে ধীরে খ্রিষ্টান জনগণকে মুক্তি দেওয়ার মাধ্যমে এর পতন হলে সম্পূর্ণ নৈরাজ্য রোধ করা এবং রাশিয়ার বসফরাস দখলের সম্ভাবনাকে বিবেচনা করা।<br>
**হাউস অব কমন্সে [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1854/mar/31/war-with-russia-the-queens-message ভাষণ] (২১ মার্চ ১৮৫৪)
*কম্পাসের চারটি বিন্দুর আদ্যক্ষরগুলো মিলে "নিউজ" বা খবর শব্দটি তৈরি করে। তাকে বুঝতে হবে যে খবর হলো যা উত্তর, পূর্ব, পশ্চিম এবং দক্ষিণ থেকে আসে। আর যদি এটি কম্পাসের কেবল একটি বিন্দু থেকে আসে, তবে এটি একটি শ্রেণিভিত্তিক প্রকাশনা, খবর নয়।<br>
** হাউস অব কমন্সে [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1855/mar/26/newspaper-stamp-duties-bill ভাষণ] (২৬ মার্চ ১৮৫৫)
*আমি ব্রিটিশ সৈনিকের আচরণের জন্য নেনা সাহেবকে আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করার তীব্র প্রতিবাদ করছি। <strong>আমি নৃশংসতার জবাব নৃশংসতা দিয়ে দেওয়ার প্রতিবাদ করি।</strong> (শুনুন, শুনুন।) আমি সম্প্রতি এমন কথা শুনেছি এবং এমন লেখা দেখেছি যা আমাকে ভাবতে বাধ্য করে যে, ইংল্যান্ডের মানুষের ধর্মীয় বিশ্বাসে হঠাৎ করে কোনো পরিবর্তন এসেছে। যিশুর নামের সামনে মাথা নত করার বদলে আমরা মোলোচের উপাসনা পুনরুজ্জীবিত করার প্রস্তুতি নিচ্ছি। (শুনুন, শুনুন।) আমি বিশ্বাস করতে পারি না যে, এমন মনোভাবকে প্রশ্রয় দেওয়া আমাদের কর্তব্য। আমার মনে হয় ভারতে যা ঘটেছে তা হলো একটি বড় ঐশ্বরিক শিক্ষা, যা থেকে আমরা লাভবান হতে পারি। আমরা যদি সাহসী এবং অনুসন্ধিৎসু মানুষের মতো এর মোকাবিলা করি, তবে আমরা আমাদের আধিপত্য জাহির করতে পারি এবং ভবিষ্যতে ভারতে এমন একটি সরকার প্রতিষ্ঠা করতে পারি যা আমাদের দেশের জন্য দীর্ঘস্থায়ী এবং সম্মানজনক বলে প্রমাণিত হতে পারে। (শুনুন, শুনুন।) আমি আশা করি যে, আসন্ন উপলক্ষে আমাদের চার্চের যাজকরা সুযোগটি কাজে লাগাবেন। তারা ঐশ্বরিক সহায়তার চেতনার মাধ্যমে মানুষের মনোবল বাড়ানোর পাশাপাশি জাতীয় মনে এই ধারণাটি গেঁথে দেবেন যে, এটি একটি খ্রিষ্টান দেশ। আর একজন খ্রিষ্টান যোদ্ধার বৈশিষ্ট্য কেবল সাহসী হওয়াই নয়, বরং দয়ালু হওয়াও বটে। (শুনুন, শুনুন।)<br>
**নিউপোর্ট প্যাগনেলে রয়্যাল বাকস এগ্রিকালচারাল অ্যাসোসিয়েশনের ২৫তম বার্ষিকীতে প্রদত্ত সিপাহী বিদ্রোহের ওপর ভাষণ (৩০ সেপ্টেম্বর ১৮৫৭), <em>দ্য টাইমস</em>-এ উদ্ধৃত (১ অক্টোবর ১৮৫৭), পৃষ্ঠা ১০
*চূড়ান্ততা, স্যার, রাজনীতির ভাষা নয়।<br>
** হাউস অব কমন্সে [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1859/feb/28/leave ভাষণ] (২৮ ফেব্রুয়ারি ১৮৫৯)
<h3>১৮৬০-এর দশক</h3>
*এটি দেখায় যে সঠিক হওয়ার চেয়ে সমালোচক হওয়া কতটা সহজ।<br>
** হাউস অব কমন্সে [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1860/jan/24/address-in-answer-to-her-majestys-speech ভাষণ] (২৪ জানুয়ারি ১৮৬০); আরও দেখুন লর্ড বায়রন, "নোটস টু ক্যান্টো টু" (১৮১২), <em>চাইল্ড হ্যারল্ড'স পিলগ্রিমেজ</em>: "সঠিক হওয়ার চেয়ে সমালোচক হওয়া কতটা সহজ।"
*চৌদ্দ বছর আগে আপনি, যিনি তখন দেশের ভদ্রলোকদের নেতা ছিলেন...একটি দৃশ্যত অপ্রতিরোধ্য বিপর্যয়ের মুহূর্তে আমাকে সাহায্য করার জন্য আবেদন করেছিলেন। আমি শেষ পর্যন্ত তা করতে রাজি হয়েছিলাম...কারণ, আমার প্রথম জীবন থেকেই ইংল্যান্ডের ভূমি মালিকদের স্বার্থের প্রতি আমার সহানুভূতি ছিল।<br>
**স্যার উইলিয়াম মাইলসকে লেখা চিঠি (১১ জুন ১৮৬০), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের <em>দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরেইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২, ১৮৬০-১৮৮১</em> (১৯২৯)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ২৩-২৪
*একটি জ্ঞানী সরকার, যারা ধর্মের সাথে মৈত্রী করে, তারা যেন সমাজকে পবিত্র করে এবং রাষ্ট্রকে পবিত্র করে। কিন্তু এটি কীভাবে করা সম্ভব? এটি আধুনিক রাজনীতির সেই সমস্যা যা রাষ্ট্রনায়কদের সবচেয়ে বেশি বিব্রত করেছে। বেতনভোগী যাজকত্ব এবং জটিল চুক্তিগুলোতে এই সমস্যার কোনো সমাধান পাওয়া যাবে না। কিন্তু ইংল্যান্ডে রাষ্ট্রের পাশে ধীরে ধীরে একটি রাজকীয় করপোরেশন গড়ে উঠেছে, যা ধনী, শক্তিশালী, স্বাধীন, দীর্ঘ ঐতিহ্যের পবিত্রতায় পূর্ণ। এটি কর্তৃপক্ষের প্রতি সহানুভূতিশীল এবং নাগরিক ক্ষমতার প্রতি সম্মানজনক। এটি ভূমিতে গভীরভাবে প্রোথিত, আমাদের সমস্ত রীতিনীতি ও প্রথার সাথে মিশে আছে। এটি আমাদের স্থানীয় সরকারের অন্যতম প্রধান গ্যারান্টি, এবং তাই আমাদের সাধারণ স্বাধীনতার অন্যতম প্রধান সুরক্ষা। চার্চ অব ইংল্যান্ড আমাদের ইতিহাসের অংশ, আমাদের জীবনের অংশ, ইংল্যান্ডেরই অংশ।<br>
**অয়েলসবেরিতে ভাষণ (১৪ নভেম্বর ১৮৬১), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের <em>দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরেইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২, ১৮৬০-১৮৮১</em> (১৯২৯)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৯৬
*তিনি মনে করেন যে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম হলো মালবাহী ঘোড়ার মতো, যাদের ওপর সবসময় বোঝা চাপানো যেতে পারে।<br>
** হাউস অব কমন্সে ভাষণ (৩ জুন ১৮৬২)
*এমন একটি সমাজ গড়ে তোলা, যা উদারনৈতিক মতামতের ওপর ভিত্তি করে নয়, কারণ যেকোনো ব্যক্তি তার পছন্দমতো এটি তৈরি করতে পারে। বরং এটি এমন জনপ্রিয় নীতির ওপর ভিত্তি করে তৈরি হবে, যা নাগরিক এবং ধর্মীয় উভয় ক্ষেত্রেই সমান অধিকার দাবি করে। দেশের প্রতিষ্ঠানগুলোকে টিকিয়ে রাখা, কারণ সেগুলো জাতির প্রয়োজন এবং আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন। সেগুলো আমাদের ব্যক্তিগত স্বৈরাচার এবং জনপ্রিয় ক্ষোভ উভয় থেকেই রক্ষা করে। গণতন্ত্র এবং অভিজাততন্ত্র উভয়কেই সমানভাবে প্রতিহত করা; এবং সেই মুক্ত অভিজাততন্ত্রের নীতিকে সমর্থন করা যা সাংবিধানিক সরকারের একমাত্র ভিত্তি এবং নিরাপত্তা। দেশের সম্মান রক্ষায় সজাগ ও তৎপর হওয়া, কিন্তু সেই অশান্ত কূটনীতি থেকে দূরে থাকা, যা কেবল অভ্যন্তরীণ উন্নয়ন থেকে জনগণের মনকে সরিয়ে দেয়। কর কমানো; মিতব্যয়িতার সাথে কিন্তু বিজ্ঞতার সাথে জনগণের অর্থ পরিচালনা করা। জনপ্রিয় শিক্ষাকে সমর্থন করা, কারণ এটি জনশৃঙ্খলার সেরা গ্যারান্টি। স্থানীয় সরকারকে রক্ষা করা; এবং মুকুটের বিশেষাধিকার এবং সিনেটের সুযোগ-সুবিধার মতোই শ্রমজীবী মানুষের অধিকার সম্পর্কেও সজাগ থাকা—এগুলোই একসময় টোরি রাষ্ট্রনায়কদের পরিচালিত করত। আর আমার দিক থেকে আমি বলতে পারি যে, টোরি পার্টি যদি এই নীতিগুলো অনুসরণ না করে, তবে আমি চাই না তারা কখনো ক্ষমতায় আসুক।<br>
** হাউস অব কমন্সে [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1862/aug/01/the-administration-of-viscount ভাষণ] (১ আগস্ট ১৮৬২)
*ইংরেজরা, কোনো ব্যতিক্রম ছাড়াই, বিশ্বের সবচেয়ে উৎসাহী জাতি। অনেক বেশি উত্তেজনাপ্রবণ জাতি রয়েছে। ফরাসি এবং ইতালীয়রা অনেক বেশি উত্তেজনাপ্রবণ। তবে গভীর ও প্রখর অনুভূতির ক্ষেত্রে বিশ্বের কোনো জাতিই ইংরেজদের সমকক্ষ নয়। আর অন্য সব বিষয়ের মধ্যে কোন বিষয়টি ইংরেজদের সবচেয়ে বেশি উৎসাহী করেছে? ধর্ম। তাদের অনুভূতির মাপকাঠিতে সুরগুলো কম, কিন্তু সেগুলো অনেক গভীর। শিল্প, স্বাধীনতা এবং ধর্ম এই গুরুগম্ভীর মাপকাঠি তৈরি করে। শিল্প, স্বাধীনতা, ধর্ম—এটাই ইংল্যান্ডের ইতিহাস।<br>
**উইকোম্বে ভাষণ (৩০ অক্টোবর ১৮৬২), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের <em>দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরেইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২, ১৮৬০-১৮৮১</em> (১৯২৯)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৯৮
*গৃহযুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র উপনিবেশ ছিল। আমাদের ভোলা উচিত নয় যে এ ধরনের সম্প্রদায় স্বাধীন হওয়ার পরও উপনিবেশ হতে পারে না।<br>
** হাউস অব কমন্সে [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1863/feb/05/address-to-her-majesty-on-the-lords ভাষণ] (৫ ফেব্রুয়ারি ১৮৬৩)
*অধ্যাপক এবং বাগ্মীরা প্রতিটি ঘটনার জন্য একটি সিস্টেম এবং প্রতিটি সুযোগের জন্য একটি নীতি খুঁজে পান। তবে আমি আশা করি আপনি ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের ভাগ্য অহংকারী এবং পণ্ডিতদের হাতে ছেড়ে দেবেন না। <strong>যে রাষ্ট্রনায়করা গড়েন এবং যে যোদ্ধারা অর্জন করেন, তারা কেবল ক্ষমতার প্রবৃত্তি দ্বারা প্রভাবিত হন এবং দেশপ্রেমের দ্বারা অনুপ্রাণিত হন। এই অনুভূতি এবং পদ্ধতিগুলোই সাম্রাজ্য গঠন করে।</strong><br>
**হাউস অব কমন্সে [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1863/feb/05/address-to-her-majesty-on-the-lords#column_96 ভাষণ] (৫ ফেব্রুয়ারি ১৮৬৩)
*টোরি পার্টি কেবল তখনই সঠিক অবস্থানে থাকে যখন এটি জনপ্রিয় নীতিগুলোর প্রতিনিধিত্ব করে। তখন এটি সত্যিই অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠে। তখন এটি সিংহাসন এবং বেদি, সাম্রাজ্যের মর্যাদা, জাতির স্বাধীনতা এবং জনসাধারণের অধিকার বজায় রাখতে পারে। টোরিবাদের প্রকৃত চরিত্রে নিচু, তুচ্ছ বা একচেটিয়া কিছুই নেই। এটি মূলত বিস্তৃত সহানুভূতি এবং মহৎ আকাঙ্ক্ষার ওপর নির্ভর করে, কারণ এটি মূলত জাতীয়।<br>
**একটি কনজারভেটিভ নৈশভোজে ভাষণ (২৬ জুন ১৮৬৩), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের <em>দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরেইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২, ১৮৬০-১৮৮১</em> (১৯২৯)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১১৪
*বর্তমানে বিশ্বের শান্তি রাষ্ট্রনায়কদের দ্বারা নয়, বরং পুঁজিবাদীদের দ্বারা রক্ষা করা হচ্ছে।<br>
**মিসেস সারাহ ব্রিজেস উইলিয়ামসকে লেখা চিঠি (১৭ অক্টোবর ১৮৬৩), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের <em>দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরেইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২, ১৮৬০-১৮৮১</em> (১৯২৯)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৭৩
*যদি কখনো আমার বা কোনো জননেতার, যার সাথে কাজ করার সম্মান আমার রয়েছে, এ দেশের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা চালানোর সুযোগ হয়, যেমনটি ওই মহান লর্ড এবং তার সহকর্মীরা করেছেন। তবে আমি বিশ্বাস করি যে, আমরা অন্তত এমনভাবে আলোচনা চালাব না, যাতে আমাদের পার্লামেন্টে এসে দেশকে জানাতে হয় যে আমাদের কোনো মিত্র নেই এবং তারপর ঘোষণা করতে হয় যে ইংল্যান্ড কখনো একা কাজ করতে পারে না। স্যার, এসব কথা কখনো একজন ব্রিটিশ মন্ত্রীর মুখ থেকে বের হওয়া উচিত নয়। এমনকি তার হৃদয়েও এসব অনুভূতি কখনো আসা উচিত নয়। আমি এগুলো প্রত্যাখ্যান করি, আমি এগুলোকে অস্বীকার করি। আমার মনে আছে এমন এক সময় ছিল যখন ইংল্যান্ড, তার বর্তমান সম্পদের দশ ভাগের এক ভাগও না থাকা সত্ত্বেও, একটি দেশপ্রেমিক উদ্দেশ্য দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে, অস্ত্রের সাহায্যে বিশ্বের বিরুদ্ধে সফলভাবে লড়াই করেছিল। এবং, স্যার, আমি বিশ্বাস করি যে এখন, যদি সুযোগ আসে, যদি তার স্বাধীনতা বা সম্মান আক্রান্ত হয়, বা তার সাম্রাজ্য বিপন্ন হয়, তবে ইংল্যান্ড তার শক্তির মহিমায় জেগে উঠবে। আর সেইসব উদ্দেশ্যের জন্য সফলভাবে লড়াই করবে যার জন্য মানুষ বাঁচে এবং জাতি সমৃদ্ধ হয়। কিন্তু আমি অন্তত কখনো মন্ত্রীদের নিজেদের ভুলের পরিণতি থেকে উদ্ধার করার জন্য যুদ্ধে যাওয়ার পক্ষে সম্মতি দেব না।<br>
**দ্বিতীয় শ্লেসউইগ যুদ্ধ নিয়ে হাউস অব কমন্সে ভাষণ (৪ জুলাই ১৮৬৪), <em>সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২</em>, সম্পাদক টি. ই. কেবেল (১৮৮২)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১২৬-১২৭
*কখনোই কোনো কিছু বিনা প্রমাণে সত্য বলে ধরে নেবেন না।<br>
** সল্টহিলে ভাষণ (৫ অক্টোবর ১৮৬৪)
*বর্তমান যুগের বৈশিষ্ট্য হলো একটি প্রবল বিশ্বাসপ্রবণতা।<br>
**অক্সফোর্ড ডায়োসেশন কনফারেন্সে ভাষণ (২৫ নভেম্বর ১৮৬৪), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের <em>দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরেইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২, ১৮৬০-১৮৮১</em> (১৯২৯)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১০৫
*ফরাসি বিপ্লব, যা এখনো শেষ হয়নি এবং যা নিশ্চিতভাবে মানব ইতিহাসে ঘটে যাওয়া সবচেয়ে বড় ঘটনা। কেবল রোমান সাম্রাজ্যের পতনের সাথেই এর তুলনা করা যেতে পারে... বর্তমান ইউরোপ এবং এক শতাব্দী আগের ইউরোপের দিকে তাকান। এটি একই ইউরোপ নয়। এর আকারই বদলে গেছে।<br>
** অক্সফোর্ড ডায়োসেশন কনফারেন্সে ভাষণ (২৫ নভেম্বর ১৮৬৪), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের <em>দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরেইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২, ১৮৬০-১৮৮১</em> (১৯২৯)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১০৭
*সবচেয়ে আশ্চর্যজনকভাবে স্বতঃস্ফূর্ত আত্মবিশ্বাসের সাথে এখন সমাজের সামনে কোন প্রশ্নটি রাখা হচ্ছে? প্রশ্নটি হলো—মানুষ কি বানর নাকি দেবদূত? <strong>আমার লর্ড, আমি দেবদূতদের পক্ষে।</strong><br>
** <em>বিকল্প</em>: প্রশ্নটি হলো— মানুষ কি বানর নাকি দেবদূত? আমার লর্ড, আমি দেবদূতদের পক্ষে। আমি ক্ষোভ এবং ঘৃণার সাথে এই নতুন তত্ত্বগুলো প্রত্যাখ্যান করছি।<br>
**<em>বিকল্প</em>: মানুষ কি বানর নাকি দেবদূত? এখন, আমি দেবদূতদের পক্ষে!<br>
** অক্সফোর্ড ডায়োসেশন কনফারেন্সে ভাষণ (২৫ নভেম্বর ১৮৬৪), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের <em>দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরেইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২, ১৮৬০-১৮৮১</em> (১৯২৯)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১০৮
*আমেরিকার গণতন্ত্রকে পুরোনো ইউরোপের গণতন্ত্রের সাথে গুলিয়ে ফেলা উচিত নয়। এটি কোনো অস্থির শহরের আবর্জনা নয়, বা এটি কোনো উত্তেজিত মধ্যবিত্ত শ্রেণির শেয়ার নিয়ে জল্পনাকল্পনা করে একে প্রগতি বলার অংশও নয়। এটি একটি আঞ্চলিক গণতন্ত্র, যদি আমি উল্টো দিকে থাকা মাননীয় ভদ্রলোকদের আঘাত না করে এই বিশেষণটি ব্যবহার করতে পারি। অ্যারিস্টটল, যিনি আমাদের জানা সবচেয়ে বুদ্ধিমান জিনিসগুলো শিখিয়েছেন, তিনি এর চেয়ে বেশি বুদ্ধিমান কোনো কথা বলেননি যে মাটির কৃষকরা বিদ্রোহ এবং সহিংস পথের দিকে সবচেয়ে কম ঝুঁকে থাকা শ্রেণি।<br>
**হাউস অব কমন্সে [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1865/mar/13/defences-of-canada-colonel-jervois#column_1572 ভাষণ] (১৩ মার্চ ১৮৬৫)
* <strong>এমন বিরল ঘটনা রয়েছে যখন একটি জাতির সহানুভূতি সেই কোমল অনুভূতির কাছাকাছি পৌঁছায়, যা সাধারণত ব্যক্তির নিজস্ব বলে মনে করা হয় এবং ব্যক্তিগত জীবনের একটি আনন্দের সুযোগ হিসেবে গণ্য হয়। আর এটি তেমনই একটি ঘটনা।</strong> যে কোনো পরিস্থিতিতেই আমরা ওয়াশিংটনে ঘটে যাওয়া বিপর্যয়ের জন্য শোক প্রকাশ করতাম; যেকোনো পরিস্থিতিতেই আমরা এটি যে উপায়ে ঘটানো হয়েছিল তার জন্য শিউরে উঠতাম। কিন্তু ভুক্তভোগীর চরিত্র এবং এমনকি তার শেষ মুহূর্তের আনুষঙ্গিক বিষয়গুলোতে এমন কিছু ঘরোয়া এবং নির্দোষ বিষয় রয়েছে, যা এটিকে ইতিহাসের সমস্ত জাঁকজমক এবং কূটনীতির আনুষ্ঠানিকতা থেকে বের করে আনে; এটি জাতিগুলোর হৃদয় ছুঁয়ে যায় এবং মানবজাতির পারিবারিক অনুভূতির কাছে আবেদন জানায়।<br>
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রয়াত রাষ্ট্রপতির নীতির বিষয়ে এই হাউসে এবং সাধারণভাবে দেশে বিভিন্ন ধরনের মতামত থাকলেও, সবাই একমত হবেন যে মানুষের নৈতিক গুণাবলি পরীক্ষা করার অন্যতম কঠিন পরীক্ষায় তিনি সরলতা এবং শক্তির সাথে তার দায়িত্ব পালন করেছেন... যখন এই ধরনের অপরাধ ঘটে, তখন জনসাধারণের মন বিষণ্ণ এবং বিভ্রান্তিতে পড়ে যায়। কারণ তারা এই ধরনের কাজের কারণ এবং পরিণতি উভয় বিষয়েই অজ্ঞ। কিন্তু অযৌক্তিক আতঙ্ক এবং হতাশার মধ্যে তাদের আশ্বস্ত করা আমাদের অন্যতম কর্তব্য। <strong>গুপ্তহত্যা কখনোই পৃথিবীর ইতিহাস পরিবর্তন করেনি।</strong> আমি সুদূর অতীতের কথা বলব না, যদিও একটি দুর্ঘটনা আমার চারপাশের সবার মন ও স্মৃতিতে এই মুহূর্তে প্রাচীনকালের সবচেয়ে স্মরণীয় ঘটনাটিকে সতেজ করে তুলেছে। কিন্তু জুলিয়াস সিজারের মতো মূল্যবান আত্মত্যাগও তার দেশের অমোঘ ভাগ্যকে শান্ত করতে পারেনি।<br>
** আব্রাহাম লিংকনের গুপ্তহত্যার পর হাউস অব কমন্সে বক্তব্য (১ মে ১৮৬৫)
*আপনার...একটি প্রাচীন, শক্তিশালী, সমৃদ্ধশালী চার্চ এবং নিখুঁত ধর্মীয় স্বাধীনতা রয়েছে। আপনার অক্ষুণ্ণ শৃঙ্খলা এবং সম্পূর্ণ স্বাধীনতা রয়েছে। আপনার রোমানদের মতো বিশাল ভূসম্পত্তি রয়েছে, যার সাথে এমন বাণিজ্যিক উদ্যোগ যুক্ত রয়েছে যা কার্থেজ এবং ভেনিস মিলেও কখনো সমান হতে পারেনি। আর আপনাকে মনে রাখতে হবে যে এই অদ্ভুত দেশটি, এই শক্তিশালী বৈপরীত্য নিয়ে, শক্তি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত নয়; এটি স্থায়ী সেনাবাহিনী দ্বারা নিয়ন্ত্রিত নয়। এটি ঐতিহ্যবাহী প্রভাবের এক অত্যন্ত অদ্ভুত ধারাবাহিকতার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত, যা প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম লালন করে এবং সংরক্ষণ করে কারণ তারা জানে যে এগুলো প্রথাগুলোকে রক্ষা করে এবং আইনের প্রতিনিধিত্ব করে। এবং এর সাথে, আপনি কী করেছেন? আপনি আধুনিক যুগের সবচেয়ে বড় সাম্রাজ্য তৈরি করেছেন। আপনি কল্পনাতীত পরিমাণ মূলধন সংগ্রহ করেছেন। আপনি ঋণের একটি পদ্ধতি তৈরি এবং বজায় রেখেছেন যা আরও বেশি আশ্চর্যজনক। এবং সর্বোপরি, আপনি শ্রম এবং শিল্পের এমন একটি বিশাল এবং জটিল প্রকল্প প্রতিষ্ঠা ও বজায় রেখেছেন, যার সাথে পৃথিবীর ইতিহাসে কোনো সমতুল্য কিছু নেই... যদি আপনি সমাজের এই অবস্থাটি ধ্বংস করেন, তবে মনে রাখবেন—<strong>ইংল্যান্ড আবার শুরু করতে পারবে না।</strong><br>
**হাউস অব কমন্সে [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1865/may/08/adjourned-debate-second-night#column_1703 ভাষণ] (৮ মে ১৮৬৫)
* সময় মূল্যবান, কিন্তু সত্য সময়ের চেয়েও বেশি মূল্যবান।<br>
** আইলেসবারিতে রয়্যাল অ্যান্ড সেন্ট্রাল বাকস অ্যাগ্রিকালচারাল অ্যাসোসিয়েশনে ভাষণ (২১ সেপ্টেম্বর ১৮৬৫), <em>উইট অ্যান্ড উইজডম অব বেঞ্জামিন ডিসরেইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড, কালেক্টেড ফ্রম হিজ রাইটিংস অ্যান্ড স্পিচেস</em> (১৮৮১)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৩৫৬
* অজ্ঞতা কখনোই কোনো সমস্যার সমাধান করতে পারে না।<br>
** হাউস অব কমন্সে ভাষণ (১৪ মে ১৮৬৬)
* ব্যক্তিরা সম্প্রদায় গঠন করতে পারে, কিন্তু কেবল প্রতিষ্ঠানগুলোই একটি জাতি গঠন করতে পারে।<br>
** লন্ডনের গিল্ডহলে ভাষণ (৯ নভেম্বর ১৮৬৬), <em>দ্য টাইমস</em>-এ উদ্ধৃত (১০ নভেম্বর ১৮৬৬), পৃষ্ঠা ৯
*টোরি পার্টি যদি জাতীয় অনুভূতির প্রতিনিধিত্ব না করে, তবে এটি কী? যদি এটি জাতীয় অনুভূতির প্রতিনিধিত্ব না করে, তবে টোরিবাদ কিছুই নয়। এটি একচেটিয়া অভিজাতদের বংশানুক্রমিক দলগুলোর ওপর নির্ভর করে না। এটি মহাজাগতিক নীতিগুলোর পক্ষে কথা বলে বা মহাজাগতিক শব্দ ব্যবহার করে হঠাৎ করে তৈরি হওয়া কৃত্রিম শক্তিকে নিজের দিকে টেনে ক্ষমতা অর্জনের চেষ্টা করে না। টোরি পার্টি দেশের প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিত্ব এবং সমর্থন না করলে কিছুই নয়।<br>
**ম্যানশন হাউসে ভাষণ (৭ আগস্ট ১৮৬৭), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের <em>দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরেইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২, ১৮৬০-১৮৮১</em> (১৯২৯)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ২৮৭
*আমাকে দেশের মন তৈরি করতে হয়েছিল, এবং আমাদের দলকে... শিক্ষিত করতে হয়েছিল... এই সংস্কার প্রশ্নে আমাকে সংসদ এবং দেশের মন তৈরি করতে হয়েছিল।<br>
**১৮৬৭ সালের সংস্কার বিলে ভাষণ, এডিনবরা, স্কটল্যান্ড (২৯ অক্টোবর ১৮৬৭), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের <em>দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরেইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২, ১৮৬০-১৮৮১</em> (১৯২৯)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ২৮৯
* একটি প্রগতিশীল দেশে পরিবর্তন অবিরত ঘটে; এবং আসল প্রশ্নটি এটি নয় যে আপনার অনিবার্য পরিবর্তনকে প্রতিহত করা উচিত কি না, বরং সেই পরিবর্তনটি জনগণের রীতিনীতি, প্রথা, আইন এবং ঐতিহ্যের প্রতি সম্মান জানিয়ে করা উচিত নাকি বিমূর্ত নীতি এবং খেয়ালখুশিমতো সাধারণ মতবাদের প্রতি সম্মান জানিয়ে করা উচিত। একটি হলো জাতীয় ব্যবস্থা; অন্যটি... একটি দার্শনিক ব্যবস্থা।<br>
** ১৮৬৭ সালের সংস্কার বিলে ভাষণ, এডিনবরা, স্কটল্যান্ড (২৯ অক্টোবর ১৮৬৭); উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের <em>দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরেইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২, ১৮৬০-১৮৮১</em> (১৯২৯)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ২৯১
*আমি সবসময় শ্রমজীবী মানুষের স্বার্থকে দেশের সবচেয়ে রক্ষণশীল স্বার্থ হিসেবে দেখেছি। শ্রমের অধিকার আমার কাছে সবসময় সম্পত্তির অধিকারের মতোই পবিত্র। আমি সবসময় ভেবেছি যে যারা রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা এবং এমনকি গৌরবে সবচেয়ে বেশি আগ্রহী, তারা হলো জনসাধারণের বিশাল অংশ। যারা ভালো আইনের অধীনে স্বাধীন মানুষের সুযোগ-সুবিধা উপভোগ করে খুশি এবং একই সাথে এমন একটি দেশের জন্য গর্বিত যা তার অধিবাসীদের সম্মানজনক নাম এবং বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তে গৌরবময় খ্যাতি দেয়।<br>
**এডিনবরায় ভাষণ (৩০ অক্টোবর ১৮৬৭), <em>দ্য চ্যান্সেলর অব দ্য এক্সচেকার ইন স্কটল্যান্ড; বিয়িং টু স্পিচেস ডেলিভারড বাই হিম ইন দ্য সিটি অব এডিনবরা অন ২৯ অ্যান্ড ৩০ অক্টোবর, ১৮৬৭</em> (১৮৬৭)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৩৬-৩৭
* আমি আমার সামনে একজন বিখ্যাত মন্ত্রীর মূর্তি দেখতে পাচ্ছি, যিনি বলেছিলেন যে আত্মবিশ্বাস হলো ধীরে ধীরে বেড়ে ওঠা একটি গাছ। তবে আমি বিশ্বাস করি, আত্মবিশ্বাসের বৃদ্ধি যতই ধীরে হোক না কেন, পরিপক্বতায় পৌঁছাতে আস্থার আরও বেশি সময় প্রয়োজন।<br>
** ৯ নভেম্বর ১৮৬৭-এর ভাষণ
*দেশের প্রতিষ্ঠানগুলো বজায় রাখার ক্ষেত্রে শ্রমজীবী শ্রেণির মতো আর কেউ এতটা আগ্রহী নয়। ধনী এবং ক্ষমতাবানরা যেকোনো পরিস্থিতিতে তাদের অধিকার বজায় রাখতে খুব বেশি অসুবিধার সম্মুখীন হবেন না। তবে জনসাধারণের সুযোগ-সুবিধাগুলো কেবল জনপ্রিয় প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমেই রক্ষা এবং সুরক্ষিত করা যেতে পারে।<br>
**একটি শ্রমিক ক্লাবকে লেখা চিঠি (১৮৬৭), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের <em>দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরেইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২, ১৮৬০-১৮৮১</em> (১৯২৯)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ২৯৭
*এখন, চার্চ এবং রাষ্ট্রের মধ্যে সংযোগ বলতে কী বোঝায়? ... আমি এর দ্বারা বুঝি যে ওই কর্তৃত্ব কেবল রাজনৈতিক হবে না; সেই সরকার কেবল শক্তি প্রয়োগের বিষয় হবে না, বরং এটি ঐশ্বরিক শক্তির প্রতি তার দায়িত্ব স্বীকার করবে। স্যার, আমরা রাজাদের ঐশ্বরিক অধিকারকে বাতিল করেছি, এবং সঠিকভাবে বাতিল করেছি। কারণ রাজাদের ঐশ্বরিক অধিকার ব্যক্তিদের দ্বারা অতিপ্রাকৃত ক্ষমতার অপব্যবহারের দিকে নিয়ে গিয়েছিল। কিন্তু একটি বুদ্ধিমান যুগ কখনোই সরকারের ঐশ্বরিক অধিকার বাতিল করবে না। সরকার যদি ঐশ্বরিক না হয়, তবে এটি কিছুই নয়। এটি কেবল পুলিশ-অফিস, কর-সংগ্রাহক, প্রহরী-কক্ষের ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়।<br>
**হাউস অব কমন্সে [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1868/apr/03/adjourned-debate#column_917 ভাষণ] (৩ এপ্রিল ১৮৬৮)
*এই ভূমির ওপর দিয়ে তিনি অশ্বারোহী এবং পদাতিক বাহিনী পরিচালনা করেছিলেন। এবং—অভিযানের সম্ভবত সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য অংশ হলো—তিনি ইউরোপের কামান বহনকারী এশিয়ার হাতিগুলোকে আফ্রিকার গিরিপথগুলোর ওপর দিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন, যা হয়তো আল্পস পর্বতমালার শিকারিকেও চমকে দিত। যখন তিনি এই সংকটময় মিলনস্থলের পাদদেশে পৌঁছান, তখন তিনি কোনো সম্মানহীন শত্রুর মুখোমুখি হননি। আমাদের যুদ্ধবিজ্ঞানের সম্পদের সামনে আবিসিনিয়ানদের বীরত্বপূর্ণ গুণাবলি ম্লান হয়ে গেলেও, সেই যুদ্ধের পর আমাদের সৈন্যদের একটি পর্বত দুর্গে আরোহণ করতে হয়েছিল। এর অন্তর্নিহিত শক্তি এমনই ছিল যে, এটি ন্যায্যভাবেই বলা যায় যে এটি পুরো বিশ্বের কাছে দুর্ভেদ্য হতো যদি এটিকে আক্রমণকারী ব্যক্তি নিজেই রক্ষা করত। কিন্তু এই সমস্ত বাধা, এই সমস্ত অসুবিধা এবং বিপদ স্যার রবার্ট নেপিয়ার অতিক্রম করেছিলেন। আর এমন একটি ঘটনা ঘটেছিল যা দশ বছর আগে, আমাদের কেউই স্বপ্নেও কল্পনা করতে পারেনি। আর যা সমস্ত পরিস্থিতিতে, একজন ইংরেজের জন্য বিশেষ আগ্রহের ঘটনা হওয়া উচিত—রাসেলসের পর্বতমালায় সেন্ট জর্জের পতাকা উত্তোলিত হয়েছিল।<br>
**আবিসিনিয়ান অভিযান নিয়ে হাউস অব কমন্সে ভাষণ (২ জুলাই ১৮৬৮), <em>সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২</em>, সম্পাদক টি. ই. কেবেল (১৮৮২)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১২৮-১২৯
* লন্ডনের বিশপ সম্পর্কে এটি লক্ষ করা যায় যে, যদিও দৃশ্যত কিছুটা কঠোর স্বভাবের, তবে তার বৈশিষ্ট্যের মধ্যে উৎসাহের একটি অদ্ভুত তহবিল রয়েছে। এটি এমন একটি গুণ যা ক্যান্টারবারির আর্চবিশপ বা ইংল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর কখনোই থাকা উচিত নয়। লন্ডনের বিশপ আন্তরিক সবকিছুর প্রতি সহানুভূতিশীল; কিন্তু যা আন্তরিক তা সর্বদা সত্য নয়; বিপরীতে ভুল প্রায়ই সত্যের চেয়ে বেশি আন্তরিক হয়।<br>
** ফ্রেডেরিক টেম্পলের কথা উল্লেখ করে রানি ভিক্টোরিয়াকে লেখা চিঠি (৪ নভেম্বর ১৮৬৮), <em>দ্য লেটারস অব কুইন ভিক্টোরিয়া</em>, দ্বিতীয় সিরিজ) (১৯২৬), সম্পাদক জর্জ আর্ল বাকল-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৫৫০
* যেখানে দক্ষতা নেই, সেখানে কোনো মিতব্যয়িতা থাকতে পারে না।<br>
** নির্বাচনী এলাকার ভোটারদের কাছে চিঠি (৩ অক্টোবর ১৮৬৮), <em>উইট অ্যান্ড উইজডম অব বেঞ্জামিন ডিসরেইলি, কালেক্টেড ফ্রম হিজ রাইটিংস অ্যান্ড স্পিচেস</em> (১৮৮১)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১১০
<h3>১৮৭০-এর দশক</h3>
* কাউকে ভুলে যাওয়া হয় না, যখন তাকে মনে রাখা সুবিধাজনক হয়।<br>
** লর্ড স্ট্যানহোপকে লেখা চিঠি (১৭ জুলাই ১৮৭০), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের <em>দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরেইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড</em>, খণ্ড ৫ (১৯২০)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১২৩-১২৫
*আমার কোনো সন্দেহ নেই যে, মহান উদারনৈতিক দলের প্রতিনিধি হিসেবে যারা সেই চুক্তির আলোচনা করেছিলেন, তারা ইংল্যান্ডের নীতির ঐতিহ্য দ্বারা প্রভাবিত ছিলেন। তারা ইউরোপের সাধারণ সুবিধার জন্য সেই চুক্তির আলোচনা করেছিলেন, কিন্তু ইংল্যান্ডের জন্য এর বিধানগুলোর গুরুত্ব সম্পর্কে সুস্পষ্ট উপলব্ধি রেখেছিলেন। এই দেশের সরকার সর্বদা এটি মনে করেছে যে এটি ইংল্যান্ডের স্বার্থে যে ডাঙ্কিরক এবং ওস্টেন্ড থেকে উত্তর সাগরের দ্বীপগুলো পর্যন্ত প্রসারিত ইউরোপীয় উপকূলের দেশগুলো স্বাধীন এবং সমৃদ্ধ সম্প্রদায়গুলোর দখলে থাকা উচিত। যারা শান্তির শিল্প অনুশীলন করে, স্বাধীনতার অধিকার উপভোগ করে এবং বাণিজ্যের সেই কাজগুলো অনুসরণ করে যা মানুষের সভ্যতার দিকে নিয়ে যায়। আর এটি এমন কোনো বড় সামরিক শক্তির দখলে থাকা উচিত নয়, যার অস্তিত্বের অন্যতম নীতি অবশ্যই ইউরোপে একটি প্রভাব বিস্তার করার লক্ষ্য হতে হবে।<br>
**হাউস অব কমন্সে [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1870/aug/01/the-war-observations#column_1289 ভাষণ] (১ আগস্ট ১৮৭০)
*তারা [উপন্যাসগুলো] জাতির শাসনে কল্পনাকে যুক্তির চেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ নয় এমন একটি গুণ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। তারা একটি জনপ্রিয় অনুভূতির ওপর অনেক বেশি বিশ্বাস করেছিল, যা একটি বীরত্বপূর্ণ ঐতিহ্যের ওপর ভিত্তি করে ছিল এবং একটি মুক্ত অভিজাততন্ত্রের উচ্চ চেতনার দ্বারা সমর্থিত ছিল। তাদের অর্থনৈতিক নীতিগুলো অযৌক্তিক ছিল না। কিন্তু তারা জনসাধারণের স্বাস্থ্য এবং জ্ঞানকে জাতির সম্পদের অন্তত মূল্যবান অংশ হিসেবে দেখেছিল। জাতির মতবাদ দাবি করে তারা মানুষের সমতা এবং অনুরূপ বিমূর্ত মতবাদগুলোর সম্পূর্ণ বিরোধী ছিল, যা একটি সন্তোষজনক বিকল্প তৈরি না করেই প্রাচীন সমাজকে ধ্বংস করেছে। জনপ্রিয় সহানুভূতি এবং জনপ্রিয় সুযোগ-সুবিধার ওপর নির্ভর করে, তারা বিশ্বাস করত যে কোনো সমাজই টেকসই হতে পারে না যদি না এটি আনুগত্য এবং ধর্মীয় শ্রদ্ধার নীতির ওপর নির্মিত হয়। লেখক এবং তার সাথে যারা কাজ করেছিলেন, তারা তাই অ্যাংলিকান চার্চকে একটি প্রধান মাধ্যম হিসেবে দেখেছিলেন যার দ্বারা এই ফলাফলগুলো বাস্তবায়িত হতে পারে। ইংল্যান্ডে খুব কমই বড় জিনিস অবশিষ্ট ছিল, এবং চার্চ ছিল তাদের মধ্যে একটি।<br>
**'জেনারেল প্রিফেস' (অক্টোবর ১৮৭০), <em>লোথেয়ার</em> (১৮৭৫ সংস্করণ), পৃষ্ঠা ১৪-১৫
*কনিংসবি প্রকাশের এক বছরেরও কিছু সময় পরে, ডক্টর নিউম্যানের বিচ্ছেদ চার্চ অব ইংল্যান্ডে এমন একটি আঘাত হেনেছিল, যার কারণে এটি এখনো টলমল করছে। সেই অসাধারণ ঘটনার জন্য "ক্ষমা চাওয়া" হয়েছে, তবে তা কখনো ব্যাখ্যা করা হয়নি। এটি একটি ভুল এবং একটি দুর্ভাগ্য ছিল। অ্যাংলিকান চার্চের ঐতিহ্য শক্তিশালী ছিল। জেরুজালেমের চার্চের ওপর ভিত্তি করে, গ্যালিলির ঐশ্বরিক বিদ্যালয় দ্বারা পরিবর্তিত হয়ে, এটি সত্যের সেই শিলাটি খুঁজে পেত যা ঈশ্বর সেমিটিক জাতির মাধ্যমে সেন্ট পিটারকে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তার বদলে, বিচ্ছিন্নতাবাদীরা মধ্যযুগীয় কুসংস্কারে আশ্রয় নিয়েছিল, যা সাধারণত কেবল পৌত্তলিক অনুষ্ঠান এবং বিশ্বাসের মূর্ত রূপ।<br>
**'জেনারেল প্রিফেস' (অক্টোবর ১৮৭০), <em>লোথেয়ার</em> (১৮৭৫ সংস্করণ), পৃষ্ঠা ১৫
* আমার মনে হয় যে লেখক নিজের বই নিয়ে কথা বলেন, তিনি সেই মায়ের মতোই খারাপ যিনি নিজের সন্তানদের নিয়ে কথা বলেন।<br>
** গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক লর্ড রেক্টর হিসেবে ডিসরেইলির অভিষেকের সময় প্রদত্ত ভোজসভায় ভাষণ (১৯ নভেম্বর ১৮৭০), <em>উইট অ্যান্ড উইজডম অব বেঞ্জামিন ডিসরেইলি, কালেক্টেড ফ্রম হিজ রাইটিংস অ্যান্ড স্পিচেস</em> (১৮৮১)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১৬
*এই যুদ্ধ জার্মান বিপ্লবকে তুলে ধরে, যা গত শতাব্দীর ফরাসি বিপ্লবের চেয়েও বড় একটি রাজনৈতিক ঘটনা — আমি বলছি না যে এটি একটি বড়, বা ততটাই বড়, সামাজিক ঘটনা। এর সামাজিক পরিণতি কী হতে পারে তা ভবিষ্যতেই দেখা যাবে। আমাদের পররাষ্ট্রবিষয়ক পরিচালনার একটি নীতিও, যা ছয় মাস আগে পর্যন্ত সমস্ত রাষ্ট্রনায়করা নির্দেশিকা হিসেবে মেনে নিয়েছিলেন, আর নেই। এমন কোনো কূটনৈতিক ঐতিহ্য নেই যা ভেসে যায়নি। আপনার কাছে একটি নতুন বিশ্ব, কাজ করছে নতুন প্রভাব। মোকাবিলা করার জন্য নতুন এবং অজানা বস্তু ও বিপদ রয়েছে... ক্ষমতার ভারসাম্য পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে, এবং যে দেশটি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং এই বড় পরিবর্তনের প্রভাব সবচেয়ে বেশি অনুভব করেছে, সেটি হলো ইংল্যান্ড।<br>
**ফ্রাঙ্কো-প্রুশিয়ান যুদ্ধ নিয়ে হাউস অব কমন্সে [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1871/feb/09/address-to-her-majesty-on-her-most ভাষণ], যা জার্মান একত্রীকরণের দিকে পরিচালিত করেছিল (৯ ফেব্রুয়ারি ১৮৭১)
*মাননীয় ভদ্রলোক ইংল্যান্ডের মানুষকে বুঝিয়েছেন যে আইরিশ রাজনীতির ক্ষেত্রে তিনি [[পরশ পাথর|পরশ পাথরের]] (ফিলোসফারস স্টোন) অধিকারী। বেশ, স্যার, আয়ারল্যান্ডের শান্তি ও তৃপ্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে তিনি এই হাউসে একটি বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ফিরে এসেছেন। তাকে কি কিছু দিতে কার্পণ্য করা হয়েছে? সময়, শ্রম, নিষ্ঠা—যা চাওয়া হয়েছে তা-ই দেওয়া হয়েছে, যা প্রস্তাব করা হয়েছে তা-ই পাস করা হয়েছে। তার প্রভাবে এবং তার অনুরোধে আমরা সম্পত্তি বাজেয়াপ্তকরণকে বৈধ করেছি, পবিত্র জিনিস অপবিত্রকরণকে পবিত্র করেছি এবং উচ্চ দেশদ্রোহিতাকে ক্ষমা করেছি; আমরা চার্চ ধ্বংস করেছি, সম্পত্তির ভিত নাড়িয়ে দিয়েছি এবং কারাগার খালি করেছি। আর এখন তিনি একটি সংসদীয় কমিটির কাছে না এসে একটি কাউন্টি পরিচালনা করতে পারছেন না! মাননীয় ভদ্রলোক, তার সমস্ত বীরত্বপূর্ণ কাজ এবং বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠতার পর, সরকারকে হাস্যকর করে তুলছেন।<br>
**হাউস অব কমন্সে [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1871/feb/27/motion-for-a-select-committee#column_1007 ভাষণ] (২৭ ফেব্রুয়ারি ১৮৭১)
* এটি একটি ক্ষমা প্রার্থনা, কোনো ব্যাখ্যা নয়; এবং ক্ষমা প্রার্থনা কেবল তার জন্যই প্রযোজ্য যা তারা পরিবর্তন করে না।<br>
** হাউস অব কমন্সে [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1871/jul/28/parliament-order-of-business ভাষণ] (২৮ জুলাই ১৮৭১)
* প্রচার ছাড়া কোনো জনচেতনা থাকতে পারে না, এবং জনচেতনা ছাড়া প্রতিটি জাতি ধ্বংস হতে বাধ্য।<br>
** হাউস অব কমন্সে [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1871/aug/08/third-reading ভাষণ] (৮ আগস্ট ১৮৭১)
*ভদ্রমহোদয়গণ, কনজারভেটিভ পার্টির কর্মসূচি হলো দেশের সংবিধান বজায় রাখা।<br>
**ম্যানচেস্টারের কনজারভেটিভদের উদ্দেশ্যে ভাষণ (৩ এপ্রিল ১৮৭২), <em>সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২</em>, সম্পাদক টি. ই. কেবেল (১৮৮২)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৪৯১
*সংবিধান প্রতিষ্ঠার পর, এখন প্রায় দুই শতাব্দী হয়ে গেছে, ইংল্যান্ড কখনোই কোনো বিপ্লবের সম্মুখীন হয়নি। যদিও এমন কোনো দেশ নেই যেখানে এত ধারাবাহিক এবং উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয়েছে। এমনটি কীভাবে সম্ভব? কারণ আপনার পূর্বপুরুষদের প্রজ্ঞা মানব আবেগের বাইরে সর্বোচ্চ ক্ষমতার পুরস্কার রেখেছিল। দলগুলোর লড়াই যাই হোক না কেন, দলগুলোর দ্বন্দ্ব যাই হোক না কেন, জনসাধারণের মনের উত্তেজনা এবং উৎসাহ যাই হোক না কেন, এই দেশে সর্বদা এমন কিছু ছিল যাকে ঘিরে সমস্ত শ্রেণি এবং দল একত্রিত হতে পারে। যা আইনের মহিমা, ন্যায়বিচারের প্রশাসনের প্রতিনিধিত্ব করে, এবং একই সাথে প্রতিটি মানুষের অধিকার এবং সম্মানের উৎসের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।<br>
**ম্যানচেস্টারের কনজারভেটিভদের উদ্দেশ্যে ভাষণ (৩ এপ্রিল ১৮৭২), <em>সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২</em>, সম্পাদক টি. ই. কেবেল (১৮৮২)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৪৯২
*ভদ্রমহোদয়গণ, আমি একটি দলের মানুষ। <strong>আমি বিশ্বাস করি যে, কোনো দল ছাড়া সংসদীয় সরকার অসম্ভব</strong>। আমি সংসদীয় সরকারকে বিশ্বের সবচেয়ে মহৎ সরকার হিসেবে দেখি এবং অবশ্যই এটি ইংল্যান্ডের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত।<br>
**ম্যানচেস্টারের কনজারভেটিভদের উদ্দেশ্যে ভাষণ (৩ এপ্রিল ১৮৭২), <em>সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২</em>, সম্পাদক টি. ই. কেবেল (১৮৮২)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৪৯২-৪৯৩
*ভদ্রমহোদয়গণ, মুকুটের প্রভাব কেবল রাজনৈতিক বিষয়েই সীমাবদ্ধ নয়। ইংল্যান্ড একটি ঘরোয়া দেশ। এখানে বাড়িটিকে সম্মান করা হয় এবং পরিবারটিকে পবিত্র মনে করা হয়। জাতি একটি পরিবার দ্বারা প্রতিনিধিত্ব করে—রাজপরিবার। এবং যদি সেই পরিবারটিকে দায়িত্ববোধ এবং জনস্বার্থের অনুভূতি দিয়ে শিক্ষিত করা হয়, তবে তারা একটি জাতির ওপর যে উপকারী প্রভাব ফেলতে পারে, তা বাড়িয়ে বলা কঠিন। এটি কেবল রীতিনীতির ওপর প্রভাব নয়। এটি কেবল পরিমার্জন এবং ভালো রুচির জন্য একটি মডেল নয়—তারা জনগণের বুদ্ধি এবং হৃদয়কে সমানভাবে প্রভাবিত করে। জনসাধারণের প্রতিকূলতার সময়, বা জনসাধারণের যেকোনো গুরুতর পরিস্থিতিতে, জাতি পরিবার এবং সিংহাসনের চারপাশে একত্রিত হয়, এবং এর চেতনা জনসাধারণের স্নেহের প্রকাশ দ্বারা উদ্দীপ্ত এবং টিকিয়ে রাখা হয়।<br>
**ম্যানচেস্টারের কনজারভেটিভদের উদ্দেশ্যে ভাষণ (৩ এপ্রিল ১৮৭২), <em>সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২</em>, সম্পাদক টি. ই. কেবেল (১৮৮২)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৪৯৪
*আমি স্বীকার করছি যে আমি এটি বিশ্বাস করতে ইচ্ছুক যে একজন ইংরেজ ভদ্রলোক—ব্যবসায় জন্মগ্রহণ করা, নিজের জমিদারি পরিচালনা করা, নিজের কাউন্টির বিষয়াদি দেখাশোনা করা, তার সমসাময়িক সমস্ত শ্রেণির মানুষের সাথে মেশা, কখনো শিকারের মাঠে, কখনো রেলওয়ের নির্দেশনায়, অকৃত্রিম, আড়ম্বরহীন, নিজের পূর্বপুরুষদের নিয়ে গর্বিত, যদি তারা আমাদের সাধারণ দেশের মহিমায় অবদান রেখে থাকে—তিনি সামগ্রিকভাবে একজন সিনেটর গঠন করার সম্ভাবনা বেশি রাখেন যা ইংরেজ মতামত এবং ইংরেজ রুচির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে, এখন পর্যন্ত উৎপাদিত যেকোনো বিকল্পের চেয়ে।<br>
**ম্যানচেস্টারের কনজারভেটিভদের উদ্দেশ্যে ভাষণ (৩ এপ্রিল ১৮৭২), <em>সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২</em>, সম্পাদক টি. ই. কেবেল (১৮৮২)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৪৯৯
*ধর্মীয় শিক্ষা সাধারণত জাতি এবং মানুষের স্বভাবের প্রবৃত্তি দ্বারা দাবি করা হয়।<br>
**ম্যানচেস্টারের কনজারভেটিভদের উদ্দেশ্যে ভাষণ (৩ এপ্রিল ১৮৭২), <em>সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২</em>, সম্পাদক টি. ই. কেবেল (১৮৮২)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৫০৫
*আপনাদের আক্রমণ করা হয়েছিল। আপনাদের লুণ্ঠন করা হয়েছিল এবং জয় করা হয়েছিল। তারপরও এই সমস্ত কলঙ্ক এবং উত্থান-পতনের মধ্যে ধীরে ধীরে সেই ইংরেজ জাতি গঠিত হয়েছিল যা একটি খুব ভিন্ন পরিস্থিতি তৈরি করেছে। আপনার ভূখণ্ড আক্রমণ করার বদলে, আজ এটি প্রবাদতুল্যভাবে একমাত্র "অক্ষুণ্ণ ভূমি"—"জ্ঞানী ও স্বাধীনদের অক্ষুণ্ণ ভূমি"। লুণ্ঠিত হওয়ার বদলে, আপনি বিশ্বের সমস্ত পুঁজি আপনার তীরে আকৃষ্ট করেছেন। বিজিত হওয়ার বদলে, আপনার পতাকা অনেক জলে ভাসে এবং আপনার ধ্বজা প্রতিটি অঞ্চলে ওড়ে। এটি বলা যেতে পারে যে এই অর্জনগুলো দেশের অধিবাসী জাতির কারণে হয়েছে, এর প্রতিষ্ঠানের কারণে নয়। ভদ্রমহোদয়গণ, রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে একটি জাতির অভিজ্ঞতার প্রতিফলন থাকে। আপনারা একটি শ্রেণিভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করেছেন যা জীবনকে শক্তি এবং বৈচিত্র্য দেয়। তবে কোনো শ্রেণিরই কোনো একক একচেটিয়া সুবিধা নেই এবং আইনের চোখে সবাই সমান। আপনাদের একটি প্রকৃত অভিজাততন্ত্র রয়েছে, যারা এটি পাওয়ার যোগ্য তাদের সবার জন্যই এটি উন্মুক্ত। আপনাদের কেবল একটি মধ্যবিত্ত শ্রেণি নেই, বরং মধ্যবিত্ত শ্রেণির একটি স্তরবিন্যাস রয়েছে। এতে সম্পদ, পরিমার্জন, শিল্প, শক্তি এবং উদ্যোগের প্রতিটি স্তর যথাযথভাবে প্রতিনিধিত্ব করে।<br>
**ম্যানচেস্টারের কনজারভেটিভদের উদ্দেশ্যে ভাষণ (৩ এপ্রিল ১৮৭২), <em>সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২</em>, সম্পাদক টি. ই. কেবেল (১৮৮২)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৫০৬-৫০৭
*আর এখন, ভদ্রমহোদয়গণ, দেশের বিশাল জনগোষ্ঠীর অবস্থা কী? প্রথমত, ভদ্রমহোদয়গণ, তারা শতাব্দী ধরে সেই সুবিধা পুরোপুরি উপভোগ করে আসছে যা ইউরোপের অন্য কোনো দেশ কখনো পুরোপুরি অর্জন করতে পারেনি—ব্যক্তিগত স্বাধীনতার সম্পূর্ণ অধিকার।<br>
**ম্যানচেস্টারের কনজারভেটিভদের উদ্দেশ্যে ভাষণ (৩ এপ্রিল ১৮৭২), <em>সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২</em>, সম্পাদক টি. ই. কেবেল (১৮৮২)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৫০৭
* <strong>বাড়তি সম্পদ এবং বাড়তি অবসর হলো মানুষের দুটি সভ্য করার উপাদান।</strong><br>
**ম্যানচেস্টারের কনজারভেটিভদের উদ্দেশ্যে ভাষণ (৩ এপ্রিল ১৮৭২), <em>সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২</em>, সম্পাদক টি. ই. কেবেল (১৮৮২)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৫০৭
*আমি আমার মতামত প্রকাশ করতে চাই যে একজন কৃষি শ্রমিকের তার অবস্থার উন্নতির জন্য ট্রেড ইউনিয়নে যোগ দেওয়ার ততটাই অধিকার রয়েছে যতটা অধিকার একজন কারখানার শ্রমিক বা ধাতব শ্রমিকের রয়েছে। যদি তার জোটবদ্ধ হওয়ার কারণগুলো স্বাভাবিক হয়—অর্থাৎ, যদি সেগুলো তার নিজের অনুভূতি এবং তার নিজের অবস্থার প্রয়োজনীয়তা থেকে উদ্ভূত হয়, তবে জোটটি এমন ফলাফলে শেষ হবে যা নিয়োগকর্তা এবং কর্মচারী উভয়ের জন্যই পারস্পরিকভাবে উপকারী হবে।<br>
**ম্যানচেস্টারের কনজারভেটিভদের উদ্দেশ্যে ভাষণ (৩ এপ্রিল ১৮৭২), <em>সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২</em>, সম্পাদক টি. ই. কেবেল (১৮৮২)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৫০৭-৫০৮
*বিশুদ্ধ বাতাস, বিশুদ্ধ জল, অস্বাস্থ্যকর বাসস্থানের পরিদর্শন, খাদ্যে ভেজাল মেশানো, এগুলো এবং এর মতো অনেক বিষয় আইনসভার দ্বারা বৈধভাবে মোকাবিলা করা যেতে পারে... সবকিছুর পর, একজন মন্ত্রীর প্রথম বিবেচনা হওয়া উচিত জনগণের স্বাস্থ্য।<br>
**ম্যানচেস্টারের কনজারভেটিভদের উদ্দেশ্যে ভাষণ (৩ এপ্রিল ১৮৭২), <em>সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২</em>, সম্পাদক টি. ই. কেবেল (১৮৮২)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৫১১-৫১২
*মহামান্য রানির নতুন মন্ত্রীরা তাদের কর্মজীবন শুরু করেছিলেন এমন একদল মানুষের মতো যারা কোনো প্রলাপ সৃষ্টিকারী ওষুধের প্রভাবে রয়েছেন। আয়ারল্যান্ডের লুণ্ঠন ও নৈরাজ্যে তৃপ্ত না হয়ে, তারা দেশের প্রতিটি প্রতিষ্ঠান ও স্বার্থ, প্রতিটি শ্রেণি ও পেশাকে আক্রমণ করতে শুরু করলেন... সময় যত গড়িয়েছে, এটি বুঝতে অসুবিধা হয়নি যে সরকার শক্তির জায়গায় অপচয়কে প্রতিস্থাপন করছে। অস্বাভাবিক উদ্দীপনা কমে আসছিল। তাদের পাগলামিগুলো ক্লান্তিতে শেষ হয়েছিল। কেউ কেউ বিষণ্ণতায় আশ্রয় নিয়েছিলেন এবং <strong>তাদের বিশিষ্ট প্রধান হুমকি ও দীর্ঘশ্বাসের মধ্যে ওঠানামা করতেন।</strong> আমি ট্রেজারি বেঞ্চের বিপরীতে বসে থাকার সময়, মন্ত্রীরা আমাকে দক্ষিণ আমেরিকার উপকূলে খুব অস্বাভাবিক নয় এমন একটি সামুদ্রিক ল্যান্ডস্কেপের কথা মনে করিয়ে দিয়েছিল। আপনি ক্লান্ত আগ্নেয়গিরির একটি সারি দেখতে পাচ্ছেন। একটি বিবর্ণ চূড়ায়ও কোনো শিখা জ্বলজ্বল করছে না। তবে পরিস্থিতি এখনো বিপজ্জনক। মাঝে মাঝে ভূমিকম্প হয় এবং সর্বদাই সমুদ্রের অন্ধকার গর্জন শোনা যায়।<br>
**উইলিয়াম গ্ল্যাডস্টোনের লিবারেল সরকারের কথা উল্লেখ করে ম্যানচেস্টারের কনজারভেটিভদের উদ্দেশ্যে ভাষণ (৩ এপ্রিল ১৮৭২), <em>সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২</em>, সম্পাদক টি. ই. কেবেল (১৮৮২)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৫১৩, ৫১৬
*"পররাষ্ট্র বিষয়ক" শব্দটি শুনলেই একজন ইংরেজ নিশ্চিত হন যে আমি এমন কিছু নিয়ে কথা বলতে যাচ্ছি যার সাথে তার কোনো সম্পর্ক নেই।<br>
**ম্যানচেস্টারের কনজারভেটিভদের উদ্দেশ্যে ভাষণ (৩ এপ্রিল ১৮৭২), <em>সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২</em>, সম্পাদক টি. ই. কেবেল (১৮৮২)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৫১৬
*আমি স্বীকার করছি যে ইউরোপের ক্ষেত্রে ইংল্যান্ডের নীতি একটি সংরক্ষণের নীতি হওয়া উচিত, তবে তা হতে হবে একটি গর্বিত সংরক্ষণ। যেসব রাষ্ট্রনায়ক—সেই সব বিভ্রান্ত রাষ্ট্রনায়ক যারা ইংল্যান্ডের শক্তির ক্ষয় এবং এর সম্পদের হ্রাসের ইঙ্গিত দিয়েছেন, তাদের উত্তরে আমি এখানে আমার আত্মবিশ্বাসী দৃঢ় বিশ্বাস প্রকাশ করছি যে আমাদের ইতিহাসে এমন কোনো মুহূর্ত আসেনি যখন ইংল্যান্ডের শক্তি এত মহান ছিল এবং এর সম্পদ এত বিশাল ও অক্ষয় ছিল।<br>
**ম্যানচেস্টারের কনজারভেটিভদের উদ্দেশ্যে ভাষণ (৩ এপ্রিল ১৮৭২), <em>সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২</em>, সম্পাদক টি. ই. কেবেল (১৮৮২)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৫২২
*আমি কেবল আমাদের নৌবহর ও সেনাবাহিনী, আমাদের শক্তিশালী গোলন্দাজ বাহিনী, আমাদের সঞ্চিত মূলধন এবং আমাদের সীমাহীন ঋণের ওপর নির্ভর করি না। আমি তার জনগণের সেই অটুট চেতনার ওপর নির্ভর করি, যা আমি বিশ্বাস করি যে, তাদের সাম্রাজ্যবাদী দেশ নিয়ে কখনোই এতটা গর্বিত ছিল না। ভদ্রমহোদয়গণ, আমি সর্বোপরি সেই চেতনার ওপরই আস্থা রাখি।<br>
**ম্যানচেস্টারের কনজারভেটিভদের উদ্দেশ্যে ভাষণ (৩ এপ্রিল ১৮৭২), <em>সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২</em>, সম্পাদক টি. ই. কেবেল (১৮৮২)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৫২২
*ভদ্রমহোদয়গণ, টোরি পার্টি যদি জাতীয় দল না হয়, তবে এটি কিছুই নয়।<br>
**লন্ডনের ক্রিস্টাল প্যালেসে ন্যাশনাল ইউনিয়ন অব কনজারভেটিভ অ্যান্ড কনস্টিটিউশনাল অ্যাসোসিয়েশনের উদ্দেশ্যে ভাষণ (২৪ জুন ১৮৭২), <em>সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২</em>, সম্পাদক টি. ই. কেবেল (১৮৮২)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৫২৪
*ভদ্রমহোদয়গণ, একদল জনপ্রতিনিধি...এমনভাবে ক্ষমতার হাল ধরেছেন যার সম্মান আমি এক মুহূর্তের জন্যও প্রশ্নবিদ্ধ করি না। তবে তারা আমাদের রাজনৈতিক জীবনে একটি নতুন ব্যবস্থা চালু করেছেন। মহাদেশের দর্শন ও রাজনীতি দ্বারা অনেকাংশে প্রভাবিত হয়ে তারা জাতীয় নীতির পরিবর্তে মহাজাগতিক নীতি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেছেন। এবং তারা এই নতুন রাজনৈতিক প্রকল্পের নাম দিয়েছেন "উদারতাবাদ (লিবারেলিজম)"... তবে উদারতাবাদের সুর ও প্রবণতা বেশিক্ষণ লুকিয়ে রাখা যায় না। সংস্কারের নামে দেশের প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর আক্রমণ করা এবং প্রগতির অজুহাতে এ দেশের জনগণের রীতিনীতি ও প্রথার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করাই এর লক্ষ্য। এই নতুন ব্যবস্থা চালুর পর যে চল্লিশ বছর পেরিয়ে গেছে...সেখানে প্রকৃত অবস্থা ছিল এই: এক দলের চেষ্টা এ দেশে মহাজাগতিক ধারণা প্রতিষ্ঠা করা, আর অন্য দলের চেষ্টা...সেই জাতীয় নীতিগুলোতে ফিরে যাওয়া ও তা পুনরায় গ্রহণ করা, যার কৃতিত্ব তারা দেশের মহত্ত্ব ও গৌরবকে দেয়।<br>
**লন্ডনের ক্রিস্টাল প্যালেসে ন্যাশনাল ইউনিয়ন অব কনজারভেটিভ অ্যান্ড কনস্টিটিউশনাল অ্যাসোসিয়েশনের উদ্দেশ্যে ভাষণ (২৪ জুন ১৮৭২), <em>সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২</em>, সম্পাদক টি. ই. কেবেল (১৮৮২)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৫২৪
*আমি সবসময় এই মত পোষণ করেছি যে টোরি পার্টির তিনটি মহান লক্ষ্য রয়েছে। প্রথমটি হলো দেশের প্রতিষ্ঠানগুলো রক্ষা করা—কোনো রাজনৈতিক কুসংস্কারের কারণে নয়। বরং আমরা বিশ্বাস করি যে, এই প্রতিষ্ঠানগুলো সেই নীতিগুলোর প্রতীক, যার ওপর ইংল্যান্ডের মতো একটি সমাজ কেবল নিরাপদে নির্ভর করতে পারে। স্বাধীনতা, শৃঙ্খলা, আইন এবং ধর্মের নীতিগুলোকে কোনো ব্যক্তির মতামত বা জনতার খেয়ালখুশি ও আবেগের ওপর ছেড়ে দেওয়া উচিত নয়। বরং এগুলোকে স্থায়ীত্ব ও শক্তির রূপ দেওয়া উচিত। আমরা রাজতন্ত্রের সাথে সেই ধারণাগুলোকে যুক্ত করি যা এটি প্রতিনিধিত্ব করে—আইনের মহিমা, ন্যায়বিচারের প্রয়োগ, দয়া ও সম্মানের উৎস। আমরা জানি যে রাষ্ট্রের বিভিন্ন স্তর ও তাদের সুযোগ-সুবিধার মধ্যেই জনগণের স্বাধীনতা ও সুশাসনের সর্বোত্তম নিরাপত্তা নিহিত রয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি যে একটি প্রতিষ্ঠিত চার্চ দ্বারাই জাতীয় ধর্মবিশ্বাস রক্ষা করা সম্ভব, এবং কোনো সমাজই নিরাপদ নয় যদি সেখানে বিশ্ব পরিচালনার ক্ষেত্রে ঈশ্বরের ভূমিকা এবং মানুষের ভবিষ্যৎ দায়িত্ববোধের সর্বজনীন স্বীকৃতি না থাকে।<br>
**লন্ডনের ক্রিস্টাল প্যালেসে ন্যাশনাল ইউনিয়ন অব কনজারভেটিভ অ্যান্ড কনস্টিটিউশনাল অ্যাসোসিয়েশনের উদ্দেশ্যে ভাষণ (২৪ জুন ১৮৭২), <em>সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২</em>, সম্পাদক টি. ই. কেবেল (১৮৮২)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৫২৫
*হাউস অব লর্ডসের ওপর লিবারেলিজমের আক্রমণ মূলত এই দেশের ভূমি আইনের বিরুদ্ধে তাদের কুসংস্কারের কারণেই হয়েছে। কিন্তু আমার মতে, এবং আমার চেয়ে জ্ঞানী ব্যক্তিদের মতে, এবং এই দেশ ছাড়াও অন্যান্য দেশের মানুষের মতে, ইংল্যান্ডের স্বাধীনতা অনেকাংশে এর ভূমিস্বত্ব ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল—এই সত্যের ওপর যে এমন একটি শ্রেণি রয়েছে যারা স্বৈরাচারী এবং উন্মত্ত জনতা উভয়কেই সমানভাবে মোকাবিলা করতে পারে, যাদের চারপাশে জনগণ সবসময় একত্রিত হতে পারে এবং যারা মাটির সাথে তাদের নিবিড় সম্পর্কের কারণে দেশপ্রেমিক হতে বাধ্য। তো, ভদ্রমহোদয়গণ, দেশের এই প্রতিষ্ঠানগুলো—রাজতন্ত্র এবং লর্ডস স্পিরিচুয়াল অ্যান্ড টেম্পোরাল—যতটুকু সম্পর্কিত, আমি মনে করি আমরা কোনো অতিরঞ্জন ছাড়াই বলতে পারি যে জনমত এই প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষেই রয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ টোরি পার্টির অন্যতম প্রধান মতবাদ। আর এর অস্তিত্ব গত চল্লিশ বছর ধরে লিবারেল পার্টি দ্বারা নিরবচ্ছিন্নভাবে সমালোচিত হয়ে আসছে।<br>
**লন্ডনের ক্রিস্টাল প্যালেসে ন্যাশনাল ইউনিয়ন অব কনজারভেটিভ অ্যান্ড কনস্টিটিউশনাল অ্যাসোসিয়েশনের উদ্দেশ্যে ভাষণ (২৪ জুন ১৮৭২), <em>সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২</em>, সম্পাদক টি. ই. কেবেল (১৮৮২)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৫২৭
*১৮৩২ সালের সেই মহান পরিবর্তনের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য, বা অন্তত একটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য ছিল, যারা এই পরিবর্তন এনেছিলেন তারা ইংল্যান্ডের ব্যারনদের সমান প্রাচীন সব ভোটাধিকার বিলুপ্ত করেছিলেন। আর সেগুলো বাতিল করার সময় তারা কোনো বিকল্প প্রস্তাব করেননি। প্রতিনিধিত্ব নিয়ে যে অসন্তোষ পরে কমবেশি আমাদের সমাজে ছড়িয়ে পড়ে, তা ওই সময় থেকেই শুরু। সবাই স্বীকার করবেন যে, সেই অসন্তোষ এখন দূর হয়েছে। ১৮৬৭-৮ সালের সংসদীয় সংস্কার আইনের মাধ্যমে এর অবসান ঘটে। ওই আইনটি এই বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছিল যে এ দেশের বিশাল জনগোষ্ঠী "রক্ষণশীল"... আমি শব্দটি এর সবচেয়ে খাঁটি এবং উচ্চতম অর্থে ব্যবহার করছি। আমি বলতে চাই যে ইংল্যান্ডের জনগণ, এবং বিশেষ করে ইংল্যান্ডের শ্রমিক শ্রেণি, একটি মহান দেশের অংশ হওয়ার জন্য গর্বিত। তারা এর মহত্ত্ব বজায় রাখতে চায়—তারা একটি সাম্রাজ্যবাদী দেশের অংশ হওয়ার জন্য গর্বিত, এবং তারা তাদের সাম্রাজ্য বজায় রাখার সংকল্পবদ্ধ—তারা সামগ্রিকভাবে বিশ্বাস করে যে ইংল্যান্ডের মহত্ত্ব এবং সাম্রাজ্যের কারণ এই দেশের প্রাচীন প্রতিষ্ঠানগুলো।<br>
**লন্ডনের ক্রিস্টাল প্যালেসে ন্যাশনাল ইউনিয়ন অব কনজারভেটিভ অ্যান্ড কনস্টিটিউশনাল অ্যাসোসিয়েশনের উদ্দেশ্যে ভাষণ (২৪ জুন ১৮৭২), <em>সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২</em>, সম্পাদক টি. ই. কেবেল (১৮৮২)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৫২৭-৫২৮
*এমন কিছু মানুষ আছেন যারা হয়তো শ্রমিক শ্রেণির মানুষ হতে পারেন, বা অন্ততপক্ষে সে রকম হওয়ার ভান করেন। যাদের নিঃসন্দেহে রাজধানীর শ্রমিক শ্রেণির একটি নির্দিষ্ট অংশের ওপর প্রভাব রয়েছে। তারা জ্যাকোবিনিজমের কথা বলেন... আমি দৃঢ়তার সাথে বলছি যে ইংল্যান্ডের শ্রমিক শ্রেণির বিশাল অংশ এ ধরনের মনোভাব পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করে। এগুলোর প্রতি তাদের কোনো সহানুভূতি নেই। তারা মনেপ্রাণে ইংরেজ। তারা মহাজাগতিক নীতি প্রত্যাখ্যান করে। তারা জাতীয় নীতিতে অবিচল থাকে। তারা রাজ্য ও সাম্রাজ্যের মহত্ত্ব বজায় রাখার পক্ষে এবং আমাদের শাসকের প্রজা ও এমন একটি সাম্রাজ্যের সদস্য হওয়ার জন্য গর্বিত। তাই, এই দেশের রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যাপারে, যা বজায় রাখা টোরি পার্টির অন্যতম প্রধান মতবাদ, জনমতকে আমি যতটুকু বুঝতে পারি, জাতির অনুভূতি টোরি পার্টির সাথেই আছে।<br>
**লন্ডনের ক্রিস্টাল প্যালেসে ন্যাশনাল ইউনিয়ন অব কনজারভেটিভ অ্যান্ড কনস্টিটিউশনাল অ্যাসোসিয়েশনের উদ্দেশ্যে ভাষণ (২৪ জুন ১৮৭২), <em>সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২</em>, সম্পাদক টি. ই. কেবেল (১৮৮২)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৫২৮
*ভদ্রমহোদয়গণ, টোরি পার্টির আরেকটি দ্বিতীয় মহান উদ্দেশ্য রয়েছে। প্রথমটি যদি দেশের প্রতিষ্ঠানগুলো রক্ষা করা হয়, তবে দ্বিতীয়টি আমার মতে ইংল্যান্ডের সাম্রাজ্য বজায় রাখা। আপনি যদি চল্লিশ বছর আগে উদারতাবাদের আগমনের পর থেকে এই দেশের ইতিহাসের দিকে তাকান, তবে দেখতে পাবেন যে ইংল্যান্ডের সাম্রাজ্যকে টুকরো টুকরো করার জন্য উদারতাবাদের চেষ্টার চেয়ে এতটা ধারাবাহিক, সূক্ষ্ম, শক্তি সমর্থিত এবং যোগ্যতা ও তীক্ষ্ণতার সাথে পরিচালিত আর কোনো প্রচেষ্টা হয়নি।<br>
**লন্ডনের ক্রিস্টাল প্যালেসে ন্যাশনাল ইউনিয়ন অব কনজারভেটিভ অ্যান্ড কনস্টিটিউশনাল অ্যাসোসিয়েশনের উদ্দেশ্যে ভাষণ (২৪ জুন ১৮৭২), <em>সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২</em>, সম্পাদক টি. ই. কেবেল (১৮৮২)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৫২৯-৫৩০
*ভদ্রমহোদয়গণ, টোরি পার্টির আরেকটি মহান উদ্দেশ্য, যা সাম্রাজ্য বজায় রাখা বা আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলো রক্ষা করার চেয়ে কোনো অংশে কম নয়, তা হলো জনগণের অবস্থার উন্নতি... যারা বিপুল মানুষের উন্নতি ও তাদের অবস্থার উন্নতির কথা ভাবেন, তাদের কাছে এটি স্পষ্ট হওয়া উচিত যে, যতক্ষণ না তাদের কাজের সময় কমানো এবং তাদের শ্রমকে মানবিক করা যায়, ততক্ষণ পর্যন্ত কোনো গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ অর্জন করা সম্ভব নয়। আসল চ্যালেঞ্জ হলো অর্থনৈতিক সত্যের সেই নীতিগুলো লঙ্ঘন না করেই এ ধরনের ফলাফল অর্জন করা, যার ওপর সমস্ত রাষ্ট্রের সমৃদ্ধি নির্ভর করে।<br>
**লন্ডনের ক্রিস্টাল প্যালেসে ন্যাশনাল ইউনিয়ন অব কনজারভেটিভ অ্যান্ড কনস্টিটিউশনাল অ্যাসোসিয়েশনের উদ্দেশ্যে ভাষণ (২৪ জুন ১৮৭২), <em>সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২</em>, সম্পাদক টি. ই. কেবেল (১৮৮২)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৫৩১
*একজন রাষ্ট্রনায়কের জন্য জনগণের স্বাস্থ্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল... এর সাথে জনগণের বাসস্থানের অবস্থা জড়িত, যার নৈতিক পরিণতি শারীরিক পরিণতির চেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। এর সাথে প্রকৃতির কিছু প্রধান উপাদান—বাতাস, আলো এবং জল উপভোগ করার বিষয়টি জড়িত। এর সাথে তাদের শিল্পের নিয়মকানুন, তাদের শ্রমের পরিদর্শন জড়িত। এর সাথে তাদের খাদ্যের বিশুদ্ধতা জড়িত। আর এটি তাদের সেসব অভ্যাসের সাথে সম্পর্কিত যার মাধ্যমে আপনি তাদের অতিরিক্ত ও নিষ্ঠুরতার অভ্যাস থেকে বিরত রাখতে পারেন। এখন, এসব বিষয়ে লিবারেল পার্টির—যে দলটি টোরি পার্টির বিরোধিতা করেছিল, যখন তারা দুর্বল থাকা অবস্থাতেও জনগণের শ্রম কমানোর পক্ষে কথা বলেছিল, এবং সেই ফ্যাক্টরি আইনগুলো প্রবর্তন ও সমর্থন করেছিল, যে নীতিগুলো তারা ক্ষমতায় থাকার সংক্ষিপ্ত সময়ে দেশের অন্যান্য সব ব্যবসায় সম্প্রসারিত করেছিল—তাদের অনুভূতি কী? এই মহান লিবারেল পার্টির—যারা এ দেশের সরকারে জাতীয় নীতির পরিবর্তে মহাজাগতিক নীতি স্থাপন করতে চায়—এই বিষয়ে তাদের মতামত কী? কেন ল্যাঙ্কাশায়ার কাউন্টির বিশাল রাজধানীতে আমি যে মতামত প্রকাশ করেছিলাম তা লিবারেল প্রেস উপহাসের পাত্র বানিয়েছে। এক শীর্ষস্থানীয় সদস্য...কিছুদিন আগে সেগুলোকে "পয়োনিষ্কাশনের নীতি" বলে নিন্দা করেছেন। আচ্ছা, এটি লিবারেল সংসদ সদস্যের কাছে "পয়োনিষ্কাশনের নীতি" হতে পারে। কিন্তু ইংল্যান্ডের শ্রমজীবী জনগণের কাছে, যারা জ্বরকে তাদের ঘরের অন্যতম সদস্য হিসেবে দেখেছে—যারা বছরের পর বছর ধরে তাদের সন্তানদের অসুস্থ হতে দেখেছে, যাদের সহানুভূতি ও বস্তুগত সহায়তার দিকে তারা আশা ও আত্মবিশ্বাসের সাথে তাকিয়ে থেকেছে, তাদের কাছে এটি "পয়োনিষ্কাশনের নীতি" নয়, বরং এটি জীবন-মরণের প্রশ্ন।<br>
**লন্ডনের ক্রিস্টাল প্যালেসে ন্যাশনাল ইউনিয়ন অব কনজারভেটিভ অ্যান্ড কনস্টিটিউশনাল অ্যাসোসিয়েশনের উদ্দেশ্যে ভাষণ (২৪ জুন ১৮৭২), <em>সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২</em>, সম্পাদক টি. ই. কেবেল (১৮৮২)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৫৩২-৫৩৩
*সেই সময় ঘনিয়ে এসেছে...যখন ইংল্যান্ডকে জাতীয় ও মহাজাগতিক নীতির মধ্যে একটি বেছে নিতে হবে। বিষয়টি কোনো সাধারণ বিষয় নয়। প্রশ্নটি হলো আপনি কি এমন একটি আরামদায়ক ইংল্যান্ড হতে চান, যা মহাদেশীয় নীতির ওপর ভিত্তি করে তৈরি হবে এবং সময়মতো একটি অনিবার্য পরিণতির মুখোমুখি হবে, নাকি আপনি একটি মহান দেশে—একটি সাম্রাজ্যবাদী দেশে—এমন একটি দেশে পরিণত হবেন যেখানে আপনার সন্তানরা যখন বড় হবে, তখন তারা সর্বোচ্চ মর্যাদায় পৌঁছাবে। তারা কেবল দেশবাসীর কাছেই সম্মান পাবে না, বরং সারা বিশ্বের কাছে সম্মান আদায় করে নেবে।<br>
**লন্ডনের ক্রিস্টাল প্যালেসে ন্যাশনাল ইউনিয়ন অব কনজারভেটিভ অ্যান্ড কনস্টিটিউশনাল অ্যাসোসিয়েশনের উদ্দেশ্যে ভাষণ (২৪ জুন ১৮৭২), <em>সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২</em>, সম্পাদক টি. ই. কেবেল (১৮৮২)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৫৩৪
*আপনাদের নির্ভর করার মতো কেবল নিজেদের শক্তি এবং একটি প্রাচীন জাতির মহান প্রবৃত্তি ছাড়া আর কিছুই নেই। আপনাদের এমনভাবে কাজ করতে হবে যেন সবকিছু আপনাদের ব্যক্তিগত প্রচেষ্টার ওপর নির্ভরশীল। <strong>সাফল্যের রহস্য হলো উদ্দেশ্যের অবিচলতা।</strong> নিজেদের ঘরে ফিরে যান এবং সেখানে এই সত্যগুলো শেখান, যা শিগগিরই দেশের বিবেকে খোদিত হবে। প্রত্যেককে অনুভব করান যে তার নিজের প্রচেষ্টার ওপর কতটা নির্ভর করছে... এই চেতনায় কাজ করুন এবং আপনারা সফল হবেন। আপনারা আপনাদের দেশকে বর্তমান অবস্থায় বজায় রাখবেন। কিন্তু আপনারা তার চেয়েও বেশি কিছু করবেন। আপনারা আপনাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে একটি স্বাধীন, সমৃদ্ধ, শক্তিশালী এবং গৌরবময় দেশ রেখে যাবেন।<br>
**লন্ডনের ক্রিস্টাল প্যালেসে ন্যাশনাল ইউনিয়ন অব কনজারভেটিভ অ্যান্ড কনস্টিটিউশনাল অ্যাসোসিয়েশনের উদ্দেশ্যে ভাষণ (২৪ জুন ১৮৭২), <em>সিলেক্টেড স্পিচেস অব দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২</em>, সম্পাদক টি. ই. কেবেল (১৮৮২)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৫৩৪-৫৩৫
* একটি বিশ্ববিদ্যালয় হওয়া উচিত আলো, স্বাধীনতা এবং শিক্ষার স্থান।<br>
** হাউস অব কমন্সে [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1873/mar/11/second-reading-adjourned-debate ভাষণ] (১১ মার্চ ১৮৭৩)
* আপনারা চার্চগুলো লুট করেছেন। আপনারা দেশের প্রতিটি করপোরেশন এবং এনডাওমেন্টকে হুমকি দিয়েছেন। আপনারা সবার বিষয়ে নাক গলিয়েছেন। আপনারা প্রতিটি পেশার সমালোচনা করেছেন এবং প্রতিটি ব্যবসাকে বিরক্ত করেছেন। কারোর সম্পত্তির কোনো নিশ্চয়তা নেই এবং কেউ জানে না আগামীকাল তাকে কী দায়িত্ব পালন করতে হবে। সহগামী এনডাওমেন্টের তুলনায় এটি হলো বাজেয়াপ্তকরণের নীতি।<br>
** হাউস অব কমন্সে [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1873/mar/11/second-reading-adjourned-debate ভাষণ] (১১ মার্চ ১৮৭৩)
* গত প্রায় পাঁচ বছর ধরে বর্তমান মন্ত্রীরা দেশের প্রতিটি ব্যবসাকে বিরক্ত করেছেন, প্রতিটি পেশাকে অতিষ্ঠ করেছেন এবং প্রতিটি শ্রেণি, প্রতিষ্ঠান ও সম্পত্তির ওপর আক্রমণ বা হুমকি দিয়েছেন। মাঝে মাঝে তারা এমন কিছু কাজ করে এই গৃহযুদ্ধের অবস্থা পরিবর্তন করেছেন, যা জনমতকে ক্ষুব্ধ করেছে। অথবা এমন ভুল করেছেন যা সবসময় অসম্মানজনক এবং কখনো কখনো ধ্বংসাত্মক হয়েছে। এই সবকিছুর নাম তারা দিয়েছেন নীতি, এবং মনে হয় এ নিয়ে তারা বেশ গর্বিত; কিন্তু আমার মনে হয় দেশটি এই লুণ্ঠন ও ভুলের অধ্যায় বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।<br>
** লর্ড গ্রে ডি উইলটনকে লেখা চিঠি (৩ অক্টোবর ১৮৭৩), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের <em>দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরেইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড</em>, খণ্ড ৫ (১৯২০)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ২৬২
* রাজা লুই ফিলিপ একবার আমাকে বলেছিলেন যে রাজনৈতিক জীবনে ব্রিটিশ জাতির এই দুর্দান্ত সাফল্যের কারণ হলো রাতের খাবারের পর তাদের রাজনীতি নিয়ে আলোচনা করার অভ্যাস।<br>
** <em>ওই</em>.
*যেহেতু মি. গ্ল্যাডস্টোন আমাকে এই বিষয়ে এত গভীরভাবে চ্যালেঞ্জ ও চাপ দিয়েছেন, তাই আমি সাহস করে বলতে চাই যে, আমি বিশ্বাস করি না এমন কোনো দেশে আপনি একটি সাশ্রয়ী সরকার পেতে পারেন, যেখানে প্রধান মন্ত্রী বিদেশে দেশের স্বার্থকে অবহেলা করে গর্ববোধ করেন... ইংল্যান্ডে আমাদের সবচেয়ে সাশ্রয়ী সরকার ছিল ডিউক অব ওয়েলিংটনের সরকার। কেন ওই সরকার এত সাশ্রয়ী ছিল? কারণ এ দেশে শাসন করা যেকোনো মন্ত্রীর চেয়ে ডিউক অব ওয়েলিংটন বিদেশে ইংল্যান্ডের স্বার্থ এবং ব্যবসার দিকে সর্বোচ্চ মনোযোগ দিয়েছিলেন। (শুনুন, শুনুন।) তিনি এতটাই সফলভাবে এবং একনিষ্ঠভাবে এগুলোর দিকে মনোযোগ দিয়েছিলেন যে, তার শাসনামলে আমরা কোনো ব্যয়বহুল যুদ্ধে জড়িয়ে পড়িনি; আমরা এমন কোনো সমস্যায় পড়িনি যার জন্য আমাদের ব্যয়বহুল সালিশির আশ্রয় নিতে হয়েছিল... এবং আমি আবার বলছি, এটি মূলত তার পররাষ্ট্র বিষয়ক মনোযোগ এবং পররাষ্ট্র বিষয়ক জ্ঞানের কারণেই সম্ভব হয়েছিল... যার ফলে তিনি একটি সাশ্রয়ী সরকার গঠন করতে পেরেছিলেন এবং সম্প্রতি আমাদের অভ্যাসমতো বর্ধিত অস্ত্রের জন্য আবেদন করতে হয়নি। (শুনুন, শুনুন।) এখন, মি. গ্ল্যাডস্টোনের মিতব্যয়িতার দৃষ্টিভঙ্গি, বা বরং তার দলের এবং যে দর্শনের তিনি প্রতিনিধিত্ব করেন, তা অন্যরকম। তিনি বলেন, "ইংরেজ জনগণ বিদেশে তাদের বিষয় নিয়ে ভাবে না—আমি নিজেও তা খুব একটা ভাবি না—কিন্তু আমাকে মিতব্যয়ী হতে হবে (হাসি); আমাকে ডকইয়ার্ডের কর্মীদের ছাঁটাই করতে হবে; আমাকে কেরানিদের কমাতে হবে; আমাকে রানির স্টোর বিক্রি করতে হবে (হাসি); আমাকে রানির সেবাগুলো অনাহারে রাখতে হবে; ডকইয়ার্ড এবং অস্ত্রাগারে জমা হওয়া সমস্ত কাঠ আমাকে বিক্রি করতে হবে; নৌবাহিনীর সমস্ত নোঙর আমাকে বিক্রি করতে হবে (হাসি); আমাকে বিক্রি করতে হবে"—গত বছর আমরা এগুলো বিক্রি করছিলাম—"মহামান্য রানির নৌবাহিনীর অর্ধেক জাহাজ।" (উল্লাস এবং হাসি) ... তো, ভদ্রমহোদয়গণ, এটাই সেই মিতব্যয়িতা যা নিয়ে মি. গ্ল্যাডস্টোন এত গর্বিত।<br>
**নিউপোর্ট প্যাগনেলের সোয়ান হোটেলের ফার্মার্স অর্ডিনারিতে ভাষণ (৪ ফেব্রুয়ারি ১৮৭৪), <em>দ্য টাইমস</em>-এ উদ্ধৃত (৫ ফেব্রুয়ারি ১৮৭৪), পৃষ্ঠা ৫
* এই দেশের জনগণের শিক্ষার ওপর এই দেশের ভাগ্য নির্ভর করছে।<br>
** হাউস অব কমন্সে [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1874/jun/15/motion-for-a-select-committee ভাষণ] (১৫ জুন ১৮৭৪)
*আমাদের একটি ইম্পেরিয়াল পার্লামেন্ট এবং একটি লোকাল পার্লামেন্ট থাকা উচিত কি না, অথবা যেমনটি প্রস্তাব করা হয়েছে—এবং এটি সম্ভবত অনেক সমস্যার সমাধান হতে পারে, যদিও এটি আরও বড় সমস্যার দিকে নিয়ে যাবে—আমাদের একটি ইম্পেরিয়াল এবং তিনটি লোকাল পার্লামেন্ট থাকতে হবে কি না; একটি বিষয় খুব স্পষ্ট—আমাদের সমান ক্ষমতার প্রতিযোগী কর্তৃপক্ষ থাকবে। এবং আমরা দেখতে পাব যে রাষ্ট্রের কর্মকর্তারা সম্পূর্ণ ভিন্ন নীতিতে কাজ করছেন এবং একে অপরের প্রতি শত্রুভাবাপন্ন পরিস্থিতি তৈরি করছেন।<br>
**হাউস অব কমন্সে [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1874/jul/02/motion-for-a-committee-adjourned-debate#column_952 ভাষণ] (২ জুলাই ১৮৭৪)
*আমাকে বলতেই হবে যে আইরিশ জনগণের এই দৃঢ় সংকল্পের চেয়ে আমার কাছে আর কিছু বিস্ময়কর মনে হয় না যে, তারা পৃথিবীকে জানাতে চায় যে তারা একটি বিজিত জাতি। আমি সবসময় অবাক হয়েছি যে এমন মেধাবী, এত অনুভূতিশীল, এমন আকর্ষণীয় গুণাবলি সম্পন্ন একটি জাতি—আমি নিশ্চিত তারা আমাকে এই কথা বলার জন্য ক্ষমা করবেন; আমার মন্তব্যটি একটি সাধারণ মন্তব্য, ব্যক্তিগত নয়—কীভাবে আত্মসম্মানের এত অভাব থাকতে পারে। আমি অস্বীকার করি যে আইরিশ জনগণ বিজিত, যেমনটা তারা গর্ব করে আমাদের বলতে চায়; আমি অস্বীকার করি যে তাদের এই গর্বের কোনো ভিত্তি আছে... আমি অস্বীকার করি যে আইরিশরা এমন এক প্রাচীন জাতি, যারা সমস্ত প্রাচীন জাতির চেয়ে বেশি বিজিত হয়েছে। আমি অস্বীকার করি যে আইরিশরা ইংরেজদের চেয়ে বেশি, বা এমনকি তাদের সমান বিজিত হয়েছে। আপনি কখনো কোনো ইংরেজকে ঘুরে বেড়াতে এবং তার পরাধীনতার বড়াই করতে শুনবেন না। সে কখনো কখনো উইলিয়াম দ্য কনকারারের সাথে আসার বা বরং তার পূর্বপুরুষদের আসার বড়াই করে। আইরিশরা নরম্যানদের দ্বারা বিজিত হয়েছিল এবং আমরাও। আর আধুনিক সময়ে আমি অস্বীকার করব না যে অলিভার ক্রোমওয়েল আয়ারল্যান্ড জয় করেছিলেন, কিন্তু সেটি তিনি ইংল্যান্ড জয় করার পরেই করেছিলেন। উইলিয়াম থ্রি আয়ারল্যান্ড জয় করতে সফল হতেন না যদি তিনি আগে ইংল্যান্ড জয় না করতেন।<br>
**হাউস অব কমন্সে [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1874/jul/02/motion-for-a-committee-adjourned-debate#column_958 ভাষণ] (২ জুলাই ১৮৭৪)
*আমি এর বিরোধিতা করছি কারণ আমি চাই বিশ্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংকটে—এমন একটি সংকট যা হয়তো আমাদের কারও কারও ধারণার চেয়েও কাছাকাছি চলে এসেছে—একটি ঐক্যবদ্ধ জাতি হিসেবে সবাইকে এক মহান জাতীয়তায় আবদ্ধ দেখতে। এবং আমি অনুভব করি যে আমরা যদি এই নীতি অনুমোদন করি—যদি আমরা সংসদীয় বুক থেকে এই সমস্ত "বিপজ্জনক জিনিস" পরিষ্কার না করি—তবে আমরা রাজ্যের বিভাজন এবং সাম্রাজ্যের ধ্বংস ডেকে আনব। <br>
**আইরিশ হোম রুলের বিরুদ্ধে হাউস অব কমন্সে [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1874/jul/02/motion-for-a-committee-adjourned-debate#column_963 ভাষণ] (২ জুলাই ১৮৭৪)
* আমি সবসময় অনুভব করেছি যে সভ্যতার জন্য সর্বোত্তম সুরক্ষা হলো বাসস্থান। সঠিকভাবে নিযুক্ত এবং উপযোগী বাসস্থানের ওপর মানবজাতির উন্নতি অন্য যেকোনো কিছুর চেয়ে বেশি নির্ভরশীল। এ ধরনের বাসস্থান সব ঘরোয়া গুণের আঁতুড়ঘর। উপযোগী বাড়ি ছাড়া সেই গুণাবলির চর্চা অসম্ভব।<br>
** শ্যাফটসবার্গ পার্ক এস্টেট উদ্বোধনের সময় ভাষণ (১৮ জুলাই ১৮৭৪), <em>উইট অ্যান্ড উইজডম অব বেঞ্জামিন ডিসরেইলি, কালেক্টেড ফ্রম হিজ রাইটিংস অ্যান্ড স্পিচেস</em> (১৮৮১)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৩৮
*এই সংকটময় মুহূর্তে আপনার মহারানির কর্তৃত্ব এবং ক্ষমতার জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যে, খালটি ইংল্যান্ডের হওয়া উচিত।<br>
**রানি ভিক্টোরিয়াকে চিঠি (১৮ নভেম্বর ১৮৭৫), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের <em>দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরেইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২, ১৮৬০-১৮৮১</em> (১৯২৯)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৭৮৩
*এটি এইমাত্র নিষ্পত্তি হয়েছে: ম্যাডাম, আপনি এটি পেয়েছেন। ফরাসি সরকারকে কৌশলে হারানো হয়েছে।<br>
**সুয়েজ খাল নিয়ে রানি ভিক্টোরিয়াকে চিঠি (২৪ নভেম্বর ১৮৭৫), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের <em>দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরেইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২, ১৮৬০-১৮৮১</em> (১৯২৯)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৭৮৮
*আমাদের অফিসারদের ভারতের অধিবাসীদের সম্পর্কে কথা বলার অভ্যাসের চেয়ে জঘন্য আর কিছু নেই—যাদের অনেকেই মহান জাতি থেকে এসেছেন—তাদের "নিগ্রো" বলা হয়। এটি অজ্ঞতা এবং পাশবিকতা—এবং নিশ্চিতভাবেই খুব ক্ষতিকারক।<br>
**লর্ড সালিসবারিকে চিঠি (১৩ ডিসেম্বর ১৮৭৫), মাইকেল বেন্টলির <em>লর্ড স্যালিসবারি'স ওয়ার্ল্ড: কনজারভেটিভ এনভায়রনমেন্টস ইন লেট-ভিক্টোরিয়ান ব্রিটেন</em> (২০০১)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ২২৪, নোট ১০
*কেবলমাত্র পদবি বাড়ানোর মাধ্যমেই আপনি প্রায়শই জাতিগুলোর কল্পনাকে স্পর্শ করতে এবং সন্তুষ্ট করতে পারেন; এবং এটি এমন একটি উপাদান যা সরকারগুলোর অবজ্ঞা করা উচিত নয়।<br>
**রয়্যাল টাইটেলস অ্যাক্ট নিয়ে হাউস অব কমন্সে [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1876/mar/09/second-reading-1 ভাষণ], যা রানি ভিক্টোরিয়াকে "ভারতের সম্রাজ্ঞী" উপাধি দিয়েছিল (৯ মার্চ ১৮৭৬)
* আমি মৃত: মৃত, কিন্তু এলিসিয়ান ফিল্ডসে আছি।<br>
** হাউস অব লর্ডসে স্বাগত জানানোর পর লর্ড অ্যাবারডেয়ারকে করা মন্তব্য (১৮৭৬), স্ট্যানলি উইনট্রবের <em>ডিসরেইলি: আ বায়োগ্রাফি</em> (১৯৯৩)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৫৬৩
*ইউরোপের পূর্বাঞ্চলের ভাগ্য কী হতে পারে, তা নিয়ে জল্পনাকল্পনা করা আমার জন্য অহংকার হবে... তবে আমি নিশ্চিত যে, যতদিন ইংল্যান্ড এমন ইংরেজ দলগুলোর দ্বারা শাসিত হবে যারা আমাদের সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার ভিত্তিগুলো বোঝে এবং যারা সেই সাম্রাজ্য বজায় রাখতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, ততদিন বিশ্বের ওই অংশে আমাদের প্রভাবকে কখনোই উদাসীনতার সাথে দেখা যাবে না... বর্তমান পরিস্থিতি এমন যে, এর জন্য অত্যন্ত সতর্ক পর্যবেক্ষণ এবং সাবধানী ব্যবস্থাপনার প্রয়োজন। কিন্তু যারা মনে করে যে ইংল্যান্ড কখনো অন্ধ কুসংস্কার থেকে বা মানবতার সর্বোচ্চ আকাঙ্ক্ষার প্রতি সহানুভূতির অভাব থেকে তুরস্ককে সমর্থন করবে বা এই মুহূর্তে সমর্থন করছে, তারা প্রতারিত হচ্ছে। এই সংকটময় মুহূর্তে আমাদের কর্তব্য হলো ইংল্যান্ডের সাম্রাজ্য বজায় রাখা। আর আমরা এমন কোনো পদক্ষেপে কখনোই রাজি হব না, যা আমাদের সাম্রাজ্যের অস্তিত্বকে বিপন্ন করে, যদিও এটি সাময়িকভাবে আপেক্ষিক শান্তি ও মিথ্যা সমৃদ্ধি আনতে পারে।<br>
**হাউস অব কমন্সে [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1876/aug/11/turkey-the-alleged-atrocities-in ভাষণ] (১১ আগস্ট ১৮৭৬)
*এমন সময়ে বিপদ হলো স্বার্থান্বেষী রাজনীতিকরা এই ধরনের মহৎ আবেগের সুযোগ নিতে পারে এবং তাদের নিজেদের খারাপ উদ্দেশ্য পূরণের জন্য তা ব্যবহার করতে পারে। আমার মনে হয় না এমন কোনো ভাষা আছে যা এ ধরনের আচরণের যথেষ্ট কঠোর নিন্দা করতে পারে। যে ব্যক্তি এ ধরনের সময়ে নিজের ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের জন্য এমন জোরালো আবেগকে কাজে লাগায়, এমন কোনো পথের পরামর্শ দেয় যা সে জানে যে দেশের স্বার্থের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে এবং মানবজাতির কল্যাণের অনুকূল নয়, সে এমন একজন মানুষ যার আচরণের নিন্দা কোনো ভাষাতেই যথেষ্ট নয়। সে দেশপ্রেমের নীতিকে অপমান করে, যা স্বাধীন সম্প্রদায়ের মূল ভিত্তি। সে আরও বেশি কিছু করে—সে মানবতার সাধারণ কল্যাণকে সবচেয়ে ক্ষতিকারক উপায়ে প্রভাবিত করে। এই মুহূর্তে যদি কোনো মানুষ এ ধরনের আচরণ করে, তবে ইংল্যান্ডের জনগণের উচিত তার তীব্র নিন্দা করা; কারণ, এটি যে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ডেকে আনতে পারে, তা ন্যায্যভাবেই ওই বুলগেরীয় নৃশংসতার চেয়েও খারাপ বলে বর্ণনা করা যেতে পারে যা এখন সবার মনোযোগ কেড়েছে।<br>
**বুলগেরীয় নৃশংসতার বিরুদ্ধে গ্ল্যাডস্টোনের প্রচারণার ওপর; আইলেসবারিতে রয়্যাল অ্যান্ড সেন্ট্রাল বাকস অ্যাগ্রিকালচারাল অ্যাসোসিয়েশনের বার্ষিক সভায় ভাষণ (২০ সেপ্টেম্বর ১৮৭৬), <em>দ্য টাইমস</em>-এ উদ্ধৃত (২১ সেপ্টেম্বর ১৮৭৬), পৃষ্ঠা ৬
*আমি সংশোধনীতে যা দেখতে পাচ্ছি, তা কোনো মহান নীতির ঘোষণা নয়। আমি এই নীতিগুলোকে যতটা সম্মান করি, অন্য কেউ তা করে না। এর মূলে রয়েছে যেকোনো মূল্যে শান্তির নীতি, যা এ দেশের একটি নির্দিষ্ট দল সমর্থন করে। এটি একটি বিপজ্জনক মতবাদ, যা আমি বিশ্বাস করি এই মুহূর্তে আমার সামনের সারিতে থাকা লোকদেরও অনুপ্রাণিত করছে, যদিও তাদের অনেকেই হয়তো এটি সম্পর্কে অসচেতন। সেই ক্ষতিকর মতবাদটি এ দেশের মানুষকে সব রূপে তাড়া করে বেড়ায়। কখনো এটি একটি কমিটি; কখনো এটি একটি চিঠি; কখনো এটি ঠিকানার একটি সংশোধনী; কখনো এটি সরবরাহ বন্ধ করার একটি প্রস্তাব। এই শতাব্দীর মধ্যে যা কিছু ঘটেছে, তার মধ্যে এই মতবাদটি সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করেছে। এটি সবচেয়ে নিষ্ঠুর বিজেতাদের চেয়েও বেশি যুদ্ধের জন্ম দিয়েছে। এটি সেই রাজনৈতিক ভারসাম্যকে বিঘ্নিত করেছে এবং প্রায় ধ্বংস করে দিয়েছে, যা জাতিগুলোর স্বাধীনতা এবং বিশ্বের কল্যাণের জন্য খুব প্রয়োজনীয়। এটি কখনো কখনো ইংল্যান্ডের গৌরবকেও সাময়িকভাবে ম্লান করে দিয়েছে। এবং, আমার লর্ডস, আজ রাতে আপনাদের একটি সুযোগ রয়েছে, যা আমি আশা করি আপনারা হারাবেন না, এই মতামতগুলোকে, এই ক্ষতিকর মতবাদগুলোকে ইংল্যান্ডের সমকক্ষদের নিন্দার মাধ্যমে কলঙ্কিত করার।<br>
**হাউস অব লর্ডসে ভাষণ (১০ ডিসেম্বর ১৮৭৬), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের <em>দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরেইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২, ১৮৬০-১৮৮১</em> (১৯২৯)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১২৭৩
*বলা হয়েছে যে এ দেশের মানুষ [পূর্বাঞ্চলীয় প্রশ্নে] জড়িত মানবিক ও পরোপকারী বিষয়গুলোতে গভীরভাবে আগ্রহী। সবাই এ ধরনের অনুভূতির প্রশংসা করবে। কিন্তু আমি ভুল হতে পারি যদি এ দেশের মানুষের পক্ষ থেকে এর চেয়েও গভীর কোনো অনুভূতি না থাকে, যার প্রতি আমি সন্দেহ করতে পারি না যে আপনার লর্ডশিপরা সর্বদাই সহানুভূতিশীল হবেন। আর তা হলো—<strong>ইংল্যান্ডের সাম্রাজ্য বজায় রাখার সংকল্প।</strong><br>
**হাউস অব লর্ডসে ভাষণ (২০ ফেব্রুয়ারি ১৮৭৭), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের <em>দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরেইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২, ১৮৬০-১৮৮১</em> (১৯২৯)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৯৯৪
* জনগণের স্বাস্থ্যই হলো সেই ভিত্তি যার ওপর তাদের সব সুখ এবং একটি রাষ্ট্র হিসেবে তাদের সব ক্ষমতা নির্ভর করে।<br>
** ২৪ জুন ১৮৭৭-এর ভাষণ
*তাহলে সেই নীতি কী ছিল? এটি ছিল শর্তসাপেক্ষ নিরপেক্ষতার নীতি। পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে আমরা বিশ্বাস করিনি যে আসন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া ইংল্যান্ড বা তুরস্কের সম্মান বা স্বার্থের জন্য ভালো হবে; কিন্তু আমরা নিরপেক্ষতা পালনের জন্য জোর দিলেও, আমরা একই সাথে ঘোষণা করেছিলাম যে যদি ব্রিটিশ স্বার্থে আঘাত হানা হয় বা হুমকি দেওয়া হয়, তবে সেই নিরপেক্ষতা বজায় থাকবে না। মহাজাগতিক সমালোচকরা, যারা নিজের দেশ ছাড়া অন্য সব দেশের বন্ধু, তারা এই নীতিকে স্বার্থপর নীতি বলে নিন্দা করেছেন। আমার লর্ড মেয়র, এটি দেশপ্রেমের মতোই স্বার্থপর।<br>
**লন্ডনের গিল্ডহলে ভাষণ (৯ নভেম্বর ১৮৭৭), <em>দ্য টাইমস</em>-এ উদ্ধৃত (১০ নভেম্বর ১৮৭৭), পৃষ্ঠা ১০
*সব বিষয়ে তার মতামত বেশ মৌলিক। তবে তার মধ্যে কোনো জোরজবরদস্তি নেই, বৈপরীত্য তৈরির কোনো চেষ্টা নেই। তিনি সেভাবেই কথা বলেন যেভাবে মন্টাইন লেখেন। যখন তিনি সাইপ্রাস সম্পর্কে শুনলেন, তখন তিনি বললেন: "আপনারা একটি বুদ্ধিমানের কাজ করেছেন। এটিই প্রগতি। এটি জনপ্রিয় হবে; একটি জাতি প্রগতি পছন্দ করে।" প্রগতি সম্পর্কে তার ধারণা স্পষ্টতই কোনো কিছু দখল করা। তিনি বলেছিলেন যে তিনি আয়োনিয়ান দ্বীপপুঞ্জ ছেড়ে দেওয়াকে আমাদের পতনের প্রথম লক্ষণ হিসেবে দেখেছিলেন। সাইপ্রাস আমাদের আবারও সঠিক পথে নিয়ে এসেছে।<br>
**বার্লিনে অটো ফন বিসমার্কের সাথে তার সাক্ষাতের বিষয়ে রানি ভিক্টোরিয়াকে লেখা চিঠি (৫ জুলাই ১৮৭৮), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের <em>দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরেইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২, ১৮৬০-১৮৮১</em> (১৯২৯)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১২০৪
*আমরা একটি শান্তি নিয়ে এসেছি। এবং আমরা বিশ্বাস করি আমরা <strong>সম্মানের সাথে একটি শান্তি</strong> নিয়ে এসেছি। আর আমি বিশ্বাস করি যে এরপর দেশে সমৃদ্ধি আসবে।<br>
**বার্লিন কংগ্রেস থেকে আসার পর ইংল্যান্ডের ডোভারে ভাষণ (১৬ জুলাই ১৮৭৮), <em>দ্য টাইমস</em>-এ উদ্ধৃত (১৭ জুলাই ১৮৭৮), পৃষ্ঠা ৫
*লর্ড স্যালিসবারি এবং আমি আপনাদের জন্য শান্তি ফিরিয়ে এনেছি। তবে আমি আশা করি, এমন এক শান্তি যা সম্মানের সাথে আমাদের শাসককে সন্তুষ্ট করতে পারে এবং দেশের কল্যাণে সহায়ক হতে পারে।<br>
**ডোভার থেকে আসার পর ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের জানালা থেকে (১৬ জুলাই ১৮৭৮), 'রিটার্ন অব লর্ড বেকনসফিল্ড অ্যান্ড লর্ড স্যালিসবারি', <em>দ্য টাইমস</em> (১৭ জুলাই ১৮৭৮)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৫
*আপনি কাকে একটি পাগলাটে সম্মেলনে প্রবেশ করার সম্ভাবনা বেশি বলে মনে করেন? একদল ইংরেজ ভদ্রলোক যারা তাদের শাসকের অনুগ্রহ এবং তাদের সহকর্মীদের আস্থার দ্বারা সম্মানিত হয়ে পাঁচ বছর ধরে আপনাদের বিষয়গুলো পরিচালনা করছেন। আমি আশা করি দূরদর্শিতার সাথে এবং কোনো সাফল্য ছাড়াই নয়। নাকি <strong>একজন বাগ্মী ব্যক্তি, যিনি নিজের কথার অতিরিক্ত প্রবাহে নেশাগ্রস্ত এবং অহংকারী কল্পনায় এমনভাবে মগ্ন যে সব সময় তার বিরোধীকে হেয় করার এবং নিজেকে মহিমান্বিত করার জন্য অসংখ্য ও অসংগতিপূর্ণ যুক্তির ধারাবাহিকতা তৈরি করতে পারেন</strong>?<br>
**সাইপ্রাস চুক্তিকে একটি "পাগলাটে চুক্তি" বলার জন্য উইলিয়াম গ্ল্যাডস্টোনকে আক্রমণ করে নাইটসব্রিজে তাকে দেওয়া একটি ভোজসভায় ভাষণ (২৭ জুলাই ১৮৭৮), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের <em>দ্য লাইফ অব বেঞ্জামিন ডিসরেইলি, আর্ল অব বেকনসফিল্ড, খণ্ড ২, ১৮৬০-১৮৮১</em> (১৯২৯)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১২২৮-৯
*অভিনন্দনমূলক আক্ষেপের একটি সিরিজ।<br>
** বার্লিন চুক্তির ওপর লর্ড হার্টিংটনের প্রস্তাব (৩০ জুলাই ১৮৭৮)
*বিশ্বের সরকার শাসক ও রাষ্ট্রনায়কদের দ্বারা পরিচালিত হয়, কোনো বেনামি অনুচ্ছেদ লেখক দ্বারা নয়, বা <strong>দায়িত্বহীন তুচ্ছ ব্যক্তিদের পাগলাটে বকবকানির দ্বারা নয়।</strong><br>
**লন্ডনের গিল্ডহলে ভাষণ (১০ নভেম্বর ১৮৭৮), <em>দ্য টাইমস</em>-এ উদ্ধৃত (১১ নভেম্বর ১৮৭৮), পৃষ্ঠা ১০
*আমাদের সম্প্রতি জানানো হয়েছে যে আমাদের পরিণতি জেনোয়া, ভেনিস এবং নেদারল্যান্ডসের মতো হবে। কিন্তু...ইংল্যান্ড এবং তাদের অবস্থার মধ্যে একটি বড় পার্থক্য রয়েছে... আমরা সমৃদ্ধির যুগগুলোতে ৩৪ মিলিয়ন মানুষের একটি জাতি তৈরি করেছি—এমন একটি জাতি যারা নাগরিক জীবনের দুটি সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ—ন্যায়বিচার এবং স্বাধীনতা দীর্ঘকাল ধরে উপভোগ করছে... এই চরিত্রের একটি জাতি তাদের সাম্রাজ্য ছেড়ে দেওয়ার চেয়ে তা তৈরি করতে বেশি সক্ষম। আর আমি আত্মবিশ্বাসী বোধ করি যদি ইংল্যান্ড নিজের প্রতি সত্য থাকে; যদি ইংরেজ জনগণ নিজেদের পূর্বপুরুষদের যোগ্য প্রমাণ করে; যদি তারা তাদের পূর্বপুরুষদের সাহস এবং সংকল্প এখনো ধারণ করে, তবে তাদের সম্মান কখনোই কলঙ্কিত হবে না এবং তাদের ক্ষমতা কখনোই কমবে না।<br>
**লন্ডনের গিল্ডহলে ভাষণ (১০ নভেম্বর ১৮৭৮), <em>দ্য টাইমস</em>-এ উদ্ধৃত (১১ নভেম্বর ১৮৭৮), পৃষ্ঠা ১০। উইলিয়াম গ্ল্যাডস্টোন <em>দ্য নর্থ আমেরিকান রিভিউ</em>-এ লিখেছিলেন: "কেবলমাত্র আমেরিকা আগামী দিনে আমাদের কাছ থেকে সেই বাণিজ্যিক শ্রেষ্ঠত্ব কেড়ে নিতে পারে, এবং সম্ভবত তা-ই করবে... ভেনিস, বা জেনোয়া, বা নেদারল্যান্ডস যেমন আমাদের বিরুদ্ধে কোনো অধিকার পায়নি, তেমনি তার বিরুদ্ধে আমাদেরও কোনো অধিকার নেই" ('কিন বিয়ন্ড সি', দ্য নর্থ আমেরিকান রিভিউ খণ্ড ১২৭, নং ২৬৪ (সেপ্টেম্বর - অক্টোবর, ১৮৭৮), পৃষ্ঠা ১৮০)
* জুলুরা খুব উল্লেখযোগ্য জাতি: তারা আমাদের সেনাপতিদের পরাস্ত করে, তারা আমাদের বিশপদের ধর্মান্তরিত করে, তারা একটি মহান ইউরোপীয় রাজবংশের ভাগ্য নির্ধারণ করেছে।<br>
** আফ্রিকায় বোনাপার্ট বংশের নেপোলিয়ন, প্রিন্স ইম্পেরিয়ালের মৃত্যুর খবর শোনার পর (১৮৭৯); জেমস অ্যান্থনি ফ্রুডের <em>লর্ড বেকনসফিল্ড</em> (১৮৯০)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ২১৩
*আমি মনে করি, কেউই অস্বীকার করতে পারবে না যে কৃষিখাতে বিষণ্ণতা খুব বেশি। যদিও আমি কষ্টের সময়গুলোর কথা মনে করতে পারি, তবে সেগুলোর কোনোটিই বর্তমানের সমতুল্য নয়... এতে কোনো সন্দেহ নেই যে বিদেশি প্রতিযোগিতা দেশের কৃষির ওপর একটি অত্যন্ত ক্ষতিকর প্রভাব ফেলেছে। তবে, দেশকে পুরোপুরি সতর্ক করা হয়েছিল যে, আমরা যদি আমাদের শিল্প ব্যবস্থায় একটি বড় বিপ্লব ঘটাই, তবে এটি হবে তার অন্যতম পরিণতি। আমি উল্লেখ করতে পারি যে আমাদের হাতে থাকা রিটার্নের সবচেয়ে বড় ফল হলো, বিদেশি কৃষিজাত পণ্যের বিপুল পরিমাণ আমদানি আমাদের জনগণের বর্ধিত চাহিদার চেয়ে অনেক বেশি হয়েছে, এবং এই কারণেই কম দাম বজায় রয়েছে... এটি অনেকাংশেই এই বিষণ্ণতার কারণ।<br>
** কৃষি বিষণ্ণতা নিয়ে হাউস অব লর্ডসে ভাষণ (২৮ মার্চ ১৮৭৯), <em>দ্য টাইমস</em> (২৯ মার্চ ১৮৭৯)-এ রিপোর্ট করা হয়েছে, পৃষ্ঠা ৮
*এটি অস্বীকার করা যায় না যে জাতীয় সমৃদ্ধির একটি বিশাল অবস্থা স্থানীয় শিল্পের সুরক্ষার পক্ষে আইন প্রণয়নের সাথে বেশ সামঞ্জস্যপূর্ণ। সেই প্রস্তাবটি বহু বছর আগে অস্বীকার করা হয়েছিল; কিন্তু ফ্রান্স এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের—সম্ভবত অস্তিত্ব থাকা দুটি সবচেয়ে সমৃদ্ধশালী সম্প্রদায়ের—যে অভিজ্ঞতা আমাদের রয়েছে, তার পরিপ্রেক্ষিতে এটি এখন প্রশ্নাতীত। আচ্ছা, আমার লর্ডস, বহু বছর আগে—প্রায় ৪০ বছর—এই দেশ, যাকে কেউ এক মুহূর্তের জন্যও বলতে পারবে না যে এটি সুরক্ষার পুরোনো ব্যবস্থার সাথে উন্নতি করেনি, তারা তাদের বাণিজ্য পরিচালনার নীতিগুলো সংশোধন করা প্রয়োজন বলে মনে করেছিল...যে প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়েছিল তা হলো—মুক্ত আমদানির মাধ্যমে আমাদের শত্রু শুল্কের সাথে লড়াই করতে হবে। আমি তাদের মধ্যে ছিলাম যারা এই নীতিটিকে ভয়ের চোখে দেখত। আমি বিশ্বাস করতাম যে এটি খুবই বিপজ্জনক।<br>
**কৃষি বিষণ্ণতা নিয়ে হাউস অব লর্ডসে ভাষণ (২৯ এপ্রিল ১৮৭৯), <em>দ্য টাইমস</em> (৩০ এপ্রিল ১৮৭৯)-এ রিপোর্ট করা হয়েছে, পৃষ্ঠা ৮
*পারস্পরিক আদানপ্রদান হলো বিনিময়। আমি সবসময় বুঝতাম যে বিনিময় সভ্যতার শেষ চেষ্টা। মানবীয় বিনিময়ের এই অবস্থাই সভ্যতাকে বর্বরতা থেকে আলাদা করেছে। আর পারস্পরিক আদানপ্রদান যদি কেবলই বিনিময় হয়, তবে আমি আশঙ্কা করি যে এটি আমাদের সংকট থেকে উদ্ধার করতে খুব একটা সাহায্য করবে না। ... ৪০ বছর আগের আমার কিছু পুরোনো কথার উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি যখন আমাকে উপহাস করেন, তখন আমাকে অবশ্যই তাকে মনে করিয়ে দিতে হবে যে, তখন আমাদের কাছে এমন কিছু উপাদান ছিল যার ভিত্তিতে পারস্পরিক আদানপ্রদানের চুক্তি নিয়ে আলোচনা করা যেত। সে সময় স্যার [[রবার্ট পিল|রবার্ট পিলের]] বড় পরিবর্তনগুলো ঘটলেও শুল্কতালিকায় ১৬৮টি পণ্য ছিল। সেগুলো ছিল এমন উপাদান যা দিয়ে আপনারা আলোচনা করতে পারতেন। যদি সেটি একটি বিজ্ঞ এবং কাঙ্ক্ষিত নীতি হতো, তবে পারস্পরিক আদানপ্রদানের বাণিজ্যিক চুক্তি হতে পারত। আপনাদের শুল্কতালিকায় এখন কতগুলো পণ্য আছে? বাইশটি। যারা পারস্পরিক আদানপ্রদানের চুক্তির আলোচনার কথা বলেন... তাদের কাছে কি সেই চুক্তির আলোচনার জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান আছে? আপনারা সুযোগটি হারিয়েছেন। আমি এই মুহূর্তে তর্কে জড়াতে চাই না। তবে ইংল্যান্ড এই নীতি অনুসরণ করতে পারে না।
** কৃষি মন্দা নিয়ে হাউস অফ লর্ডসে দেওয়া ভাষণ (২৯ এপ্রিল ১৮৭৯), ''দ্য টাইমস''এ প্রকাশিত (৩০ এপ্রিল ১৮৭৯), পৃ. ৮
*শান্তি বজায় থাকবে বলে ধরে নেওয়ার পাশাপাশি আমি আরও ধরে নিচ্ছি যে কোনো পরাশক্তি তার দায়িত্ব থেকে পিছপা হবে না। উদাহরণস্বরূপ, যদি বিশ্বে এমন কোনো দেশ থাকে যা অন্যতম বিশাল ও ধনী সাম্রাজ্য এবং সেই দেশ যদি তার বিচ্ছিন্ন ভৌগোলিক অবস্থানের ভুল ব্যাখ্যার কারণে মহাদেশীয় ইউরোপের অনুভূতি ও ভাগ্যের প্রতি উদাসীন থাকে, তবে আমার বিশ্বাস এমন পদক্ষেপ শেষ পর্যন্ত তাকে কেবল সাধারণ লুণ্ঠনের বস্তুতে পরিণত করবে। আমার বিশ্বাস, যতদিন ইউরোপের পরিষদগুলোতে ইংল্যান্ডের ক্ষমতা ও পরামর্শ অনুভূত হবে, ততদিন শান্তি বজায় থাকবে। আর এই শান্তি দীর্ঘ সময়ের জন্য বজায় থাকবে। তাদের উপস্থিতি ছাড়া যুদ্ধ অনিবার্য বলে আমার মনে হয়, যেমনটি আগেও ঘটেছে এবং সম্প্রতি খুব ঘন ঘন ঘটেছে। আমি লন্ডনের নাগরিকদের কাছে আত্মবিশ্বাসের সাথে এই বিষয়ে কথা বলছি। কারণ আমি জানি তারা এমন মানুষ যারা তাদের পূর্বপুরুষদের গড়া সাম্রাজ্য নিয়ে লজ্জিত নয়। কারণ আমি জানি তারা মানবতাবাদের অন্যতম মহৎ অনুভূতি নিয়ে লজ্জিত নয়, যা এখন দার্শনিকদের দ্বারা নিন্দিত। সেই অনুভূতি হলো [[দেশপ্রেম]]। কারণ আমি জানি তারা এমন বিশ্বাসে প্রতারিত হবে না যে তাদের সাম্রাজ্য বজায় রাখতে গিয়ে তারা তাদের স্বাধীনতা হারাতে পারে। রোমের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিকে যখন জিজ্ঞেস করা হয়েছিল তার রাজনীতি কী, তখন তিনি উত্তর দিয়েছিলেন, ''ইম্পেরিয়াম এট লিবারটাস'' (সাম্রাজ্য এবং স্বাধীনতা)। এটি কোনো ব্রিটিশ মন্ত্রণালয়ের জন্য খারাপ কর্মসূচি হবে না। এটি এমন একটি কর্মসূচি যা থেকে মহারানির উপদেষ্টারা পিছপা হন না।
** [[w:গিল্ডহল, লন্ডন|গিল্ডহল, লন্ডন]]এ দেওয়া ভাষণ (৯ নভেম্বর ১৮৭৯), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকল, ''দ্য লাইফ অফ বেঞ্জামিন ডিসরেলি, আর্ল অফ বিকন্সফিল্ড'', খণ্ড ২ (১৯২৯), পৃ. ১৩৬৬-১৩৬৭এ উদ্ধৃত।
====''[[w:লোথেয়ার (উপন্যাস)|লোথেয়ার]]'' (১৮৭০)====
* রাজাদের ঐশ্বরিক অধিকার হয়তো দুর্বল স্বৈরশাসকদের জন্য একটি অজুহাত ছিল। কিন্তু সরকারের ঐশ্বরিক অধিকার মানব প্রগতির মূলভিত্তি। এটি ছাড়া সরকার পুলিশে পরিণত হয় এবং একটি জাতি জনতায় অধঃপতিত হয়।
** ভূমিকা।
* লন্ডন হলো প্রতিটি পাখির জন্য একটি আশ্রয়স্থল।
** অধ্যায় ১১।
* '''গণতন্ত্র যাদেরকে রাজনীতিবিদে পরিণত করে পদাবনতি ঘটিয়েছে, সেইসব রাষ্ট্রনায়কদের নিয়ে বিশ্ব ক্লান্ত।'''
** অধ্যায় ১৭।
* বিজ্ঞানের সাধনা কেবল অমীমাংসিত বিষয়ের দিকে নিয়ে যায়।
** অধ্যায় ১৭।
* যখন একজন মানুষ তার অতীতের গল্প বলার বয়সে পৌঁছায়, তখন সেটি তার অবসরে যাওয়ার সংকেত।
** অধ্যায় ২৮।
* বই মারাত্মক। এগুলো মানবজাতির জন্য অভিশাপ। বিদ্যমান বইগুলোর দশভাগের নয়ভাগই আজেবাজে কথা। আর বুদ্ধিদীপ্ত বইগুলো হলো সেই আজেবাজে কথার খণ্ডন। মানুষের সবচেয়ে বড় দুর্ভাগ্য হলো মুদ্রণযন্ত্রের আবিষ্কার।
** অধ্যায় ২৯।
* আমি সবসময় ভেবেছি যে প্রতিটি নারীর বিয়ে করা উচিত, কিন্তু কোনো পুরুষের নয়।
** অধ্যায় ৩০।
* '''আপনি কি জানেন সমালোচক কারা? তারা হলো সেইসব মানুষ যারা সাহিত্য ও শিল্পে ব্যর্থ হয়েছে।'''
** অধ্যায় ৩৫। তুলনা করুন: "পর্যালোচকরা সাধারণত এমন লোক যারা সুযোগ পেলে কবি, ইতিহাসবিদ বা জীবনীকার হতে পারত। তারা এক বা অন্য ক্ষেত্রে তাদের মেধা প্রমাণের চেষ্টা করেছে এবং ব্যর্থ হয়েছে। তাই তারা সমালোচকে পরিণত হয়", [[স্যামুয়েল টেলর কোলরিজ]], ''লেকচারস অন শেক্সপিয়ার অ্যান্ড মিলটন'', পৃ. ৩৬। ১৮১১-১৮১২ সালে প্রদত্ত। "কিছু বিরল ব্যতিক্রম ছাড়া পর্যালোচকরা অত্যন্ত বোকা এবং ক্ষতিকারক প্রকৃতির হয়। একজন দেউলিয়া চোর যেমন হতাশায় চোর-ধরায় পরিণত হয়, তেমনি একজন ব্যর্থ লেখক সমালোচকে পরিণত হয়", [[পার্সি বিশি শেলি]], ''ফ্র্যাগমেন্টস অফ অ্যাডোনেইস''।
* '''হিউগো বোহুন বলেছিলেন, "একজন সম্মত হওয়ার মতো ব্যক্তি সম্পর্কে আমার ধারণা হলো এমন একজন ব্যক্তি যিনি আমার সাথে একমত হন।"'''
** অধ্যায় ৩৫।
* আপনি না থাকলে আমাদের প্রথম পরিচয়ের সময় আমি যেমন ছিলাম তেমনই থেকে যেতাম। আমি থাকতাম একজন কুসংস্কারাচ্ছন্ন ও সংকীর্ণমনা সত্তা, যার সহানুভূতি ছিল সীমাবদ্ধ এবং জ্ঞান ছিল ভ্রান্ত। আমি সেকেলে তুচ্ছ বিষয়ে আমার জীবন নষ্ট করতাম এবং পরিবর্তন ও প্রগতির এই বিস্ময়কর যুগে বেঁচে থাকার সুযোগ সম্পর্কে সম্পূর্ণ উদাসীন থাকতাম।
** অধ্যায় ৪৯।
* কাজ সবসময় সুখ বয়ে আনতে নাও পারে, তবে কাজ ছাড়া কোনো সুখ নেই।
===১৮৮০-এর দশক===
*একটি বিপদ, যা তার চূড়ান্ত ফলাফলে মহামারী এবং দুর্ভিক্ষের চেয়ে খুব একটা কম বিপর্যয়কর নয়, সেই দেশকে (আয়ারল্যান্ড) বিভ্রান্ত করছে। এর জনসংখ্যার একটি অংশ সেই সাংবিধানিক বন্ধন ছিন্ন করার চেষ্টা করছে যা একে গ্রেট ব্রিটেনের সাথে যুক্ত করেছে। এই বন্ধন উভয় দেশের ক্ষমতা ও সমৃদ্ধির অনুকূলে কাজ করেছে। আশা করা যায় যে আলো ও নেতৃত্বের অধিকারী সকল মানুষ এই ধ্বংসাত্মক মতবাদকে প্রতিহত করবেন। এই জাতির শক্তি সেই অনুভূতির ঐক্যের ওপর নির্ভরশীল যা সমগ্র যুক্তরাজ্য এবং এর বিস্তৃত উপনিবেশগুলোর মধ্যে ছড়িয়ে থাকা উচিত।
**[[w:১৮৮০ যুক্তরাজ্যের সাধারণ নির্বাচন|নির্বাচনী]] ভাষণ। আয়ারল্যান্ডের লর্ড লেফটেন্যান্ট [[w:জন স্পেন্সার-চার্চিল, মার্লবোরোর ৭ম ডিউক|মার্লবোরোর ডিউকের]] কাছে লেখা চিঠি (৮ মার্চ ১৮৮০), ''দ্য টাইমস'' (৯ মার্চ ১৮৮০), পৃ. ৮এ উদ্ধৃত।
*এমন অনেকেই আছেন যারা এই রাজ্যের সাম্রাজ্যিক চরিত্রের যৌক্তিকতাকে চ্যালেঞ্জ করেন। তারা পচনের নীতির মাধ্যমে আমাদের উপনিবেশগুলোকে দুর্বল করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছেন। তারা হয়তো এখন যুক্তরাজ্যের ভাঙনের মধ্যে এমন একটি উপায় দেখতে পাচ্ছেন যা কেবল তাদের উদ্দেশ্য সাধনই করবে না, বরং তা ত্বরান্বিত করবে। সংসদের আসন্ন বিলুপ্তি জাতিকে এমন একটি গতিপথ বেছে নেওয়ার সুযোগ দেবে যা এর ভাগ্যকে গভীরভাবে প্রভাবিত করবে এবং এর নিয়তি নির্ধারণ করবে। এই শতাব্দীতে এমন সংকটপূর্ণ মুহূর্ত খুব কমই এসেছে। ইংল্যান্ডের ক্ষমতা এবং ইউরোপের শান্তি অনেকাংশেই দেশের এই রায়ের ওপর নির্ভর করবে।
**[[w:১৮৮০ যুক্তরাজ্যের সাধারণ নির্বাচন|নির্বাচনী]] ভাষণ। আয়ারল্যান্ডের লর্ড লেফটেন্যান্ট মার্লবোরোর ডিউকের কাছে লেখা চিঠি (৮ মার্চ ১৮৮০), ''দ্য টাইমস'' (৯ মার্চ ১৮৮০), পৃ. ৮এ উদ্ধৃত।
*মহারানির বর্তমান মন্ত্রীরা এযাবৎ সেই শান্তি নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছেন, যা সমস্ত সভ্য দেশের কল্যাণের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় এবং আমাদের নিজেদের স্বার্থের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু অহস্তক্ষেপের নিষ্ক্রিয় নীতির মাধ্যমে এই অবর্ণনীয় আশীর্বাদ লাভ করা সম্ভব নয়। ইউরোপের পরিষদগুলোতে ইংল্যান্ডের উপস্থিতির ওপর শান্তি নির্ভর করে, আধিপত্যের কথা না হয় বাদই দিলাম। আশা করি নির্বাচন ওয়েস্টমিনস্টারে এমন একটি সংসদ ফিরিয়ে আনবে যা ইংল্যান্ডের ক্ষমতার অযোগ্য নয় এবং তা বজায় রাখতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ!
**[[w:১৮৮০ যুক্তরাজ্যের সাধারণ নির্বাচন|নির্বাচনী]] ভাষণ। আয়ারল্যান্ডের লর্ড লেফটেন্যান্ট [[w:জন স্পেন্সার-চার্চিল, মার্লবোরোর ৭ম ডিউক|মার্লবোরোর ডিউকের]] কাছে লেখা চিঠি (৮ মার্চ ১৮৮০), ''দ্য টাইমস'' (৯ মার্চ ১৮৮০), পৃ. ৮এ উদ্ধৃত।
*[[w:চার্লস ব্র্যাডল|ব্র্যাডল]] সবচেয়ে বেশি শোরগোল করেন, তবে [[w:ক্ষতিপূরণ আইন (বিক্ষোভ)|আইরিশ উচ্ছেদ বিল]] অনেক বেশি গুরুতর বিষয়। যদি উচ্ছেদ আইন পাস হয়, তবে আর বেশি মৌসুম বাকি থাকবে না। এটি একটি বৈপ্লবিক যুগ এবং সম্ভাবনা রয়েছে যে, এমনকি আপনি এবং আমি হয়তো দুর্দান্ত লন্ডন মৌসুমের চূড়ান্ত বিলুপ্তি দেখে যেতে পারি, যা ছিল আমাদের যৌবনের বিস্ময় ও প্রশংসার বস্তু।
**লেডি চেস্টারফিল্ডের কাছে চিঠি (২৭ জুন ১৮৮০), মার্কুইস অফ জেটল্যান্ড (সম্পাদিত), ''দ্য লেটারস অফ ডিসরেলি টু লেডি ব্র্যাডফোর্ড অ্যান্ড লেডি চেস্টারফিল্ড। খণ্ড ২, ১৮৭৬ থেকে ১৮৮১'' (১৯২৯), পৃ. ২৭৯এ উদ্ধৃত।
*এখানে সবকিছুই অন্ধকার। একের পর এক ঝড় আমাদের সমস্ত আশাকে ধ্বংস করে দিয়েছে যা প্রতিশ্রুতিতে পূর্ণ ছিল। একটি প্রচুর খড়ের ফসল পানিতে তলিয়ে গেছে এবং কৃষকদের বছরের পর বছর ধরে পাওয়া সেরা গম মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে। এটি একটি বিজিত দেশের মতো ধ্বংস ও তাণ্ডবের দৃশ্য। এটি সেই তিক্ত পেয়ালার শেষ বিন্দু যা জমির মালিক শ্রেণিকে গিলতে হবে। রাজনীতির কথা বললে, গ্ল্যাডস্টোন আবহাওয়ার মতোই অভিজাতদের জন্য মারাত্মক হবেন। আর তিনি যদি আরও তরুণ হতেন, তবে রাজমুকুটও নিরাপদ থাকত কাটত না।
**লেডি চেস্টারফিল্ডের কাছে চিঠি (১৯ জুলাই ১৮৮০), মার্কুইস অফ জেটল্যান্ড (সম্পাদিত), ''দ্য লেটারস অফ ডিসরেলি টু লেডি ব্র্যাডফোর্ড অ্যান্ড লেডি চেস্টারফিল্ড। খণ্ড ২, ১৮৭৬ থেকে ১৮৮১'' (১৯২৯), পৃ. ২৮২এ উদ্ধৃত।
*বর্তমান পরিস্থিতি আমাকে কাঁপিয়ে তোলে। পুরোনো ইংল্যান্ড যেন টুকরো টুকরো হয়ে যাচ্ছে। আমার বিশ্বাস, আগামীকাল যদি কোনো বিদেশি শক্তি কনস্টান্টিনোপল দখল করে নেয়, তবে আমরা এক পাও নড়ব না। আমরা কি পারতাম? আয়ারল্যান্ডে বিপ্লব চলছে, দক্ষিণ আফ্রিকায় বিদ্রোহ এবং ইংল্যান্ডের র্যাডিক্যাল ও জ্যাকোবিনরা রাষ্ট্রের মেরুদণ্ডস্বরূপ জমির মালিক শ্রেণিকে ধ্বংস করতে এতটাই বদ্ধপরিকর যে, বাইরের বিপদ ও অপমানের দিকে নজর দেওয়ার মতো শক্তি কারও নেই। আমি কখনোই ভাবিনি যে আমার সময়ে এমন দিন আসতে পারে!
**লেডি চেস্টারফিল্ডের কাছে চিঠি (২২ ডিসেম্বর ১৮৮০), মার্কুইস অফ জেটল্যান্ড (সম্পাদিত), ''দ্য লেটারস অফ ডিসরেলি টু লেডি ব্র্যাডফোর্ড অ্যান্ড লেডি চেস্টারফিল্ড। খণ্ড ২, ১৮৭৬ থেকে ১৮৮১'' (১৯২৯), পৃ. ৩০৪-৩০৫এ উদ্ধৃত।
*আমি প্রতিদিন চিঠি পাই যেখানে আমাকে একটি ইশতেহার লিখতে এবং একটি ভাষণ দিতে বলা হয়। তারা বলে যে আমিই একমাত্র ব্যক্তি যে এটি কার্যকরভাবে করতে পারে। আরও অনেক কিছু। আমি কেন করব? আমি সাধারণ নির্বাচনের আগে দেশবাসীকে আয়ারল্যান্ড সম্পর্কে সতর্ক করেছিলাম। আমি তাদের সতর্ক থাকতে বলেছিলাম, নইলে সেখানে এমন কিছু ঘটবে যা "দুর্ভিক্ষ বা মহামারীর চেয়েও খারাপ" হবে। সেটাই ঘটেছে। আর তারপর থেকে আয়ারল্যান্ডের বিপ্লবের পর ইংল্যান্ড, ওয়েলস এবং স্কটল্যান্ডে নির্বাচন হয়েছে। তারা সেই নির্বুদ্ধিতা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার নীতিকে সমর্থন করেছে যা এই সমস্ত বিপর্যয় ডেকে এনেছে।
**লেডি চেস্টারফিল্ডের কাছে চিঠি (২২ ডিসেম্বর ১৮৮০), মার্কুইস অফ জেটল্যান্ড (সম্পাদিত), ''দ্য লেটারস অফ ডিসরেলি টু লেডি ব্র্যাডফোর্ড অ্যান্ড লেডি চেস্টারফিল্ড। খণ্ড ২, ১৮৭৬ থেকে ১৮৮১'' (১৯২৯), পৃ. ৩০৫এ উদ্ধৃত।
*এখন আমাকে বলতেই হবে যে কোনো কিছুই আমাকে [[w:থ্রি এফ|৩ এফ]] সমর্থন করতে প্ররোচিত করবে না। এটি সম্পূর্ণ বাজে কথা। একটি দীর্ঘ সংসদীয় জীবনে এবং আমি সংসদে আসার অনেক আগে থেকেই গভীরভাবে বিশ্বাস করতাম যে, এই দেশের মহত্ত্ব ও চরিত্র আমাদের ভূমিস্বত্ব ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। বাকি সবগুলোকে আমি অগুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করি এবং সবসময় তাই মনে করেছি। আমার আশঙ্কা, সুযোগ হাতছাড়া হয়ে গেছে। আমি যে কক্ষে এখন বসে আছি, সেখানে আমি আনুষ্ঠানিকভাবে এবং এমনকি গম্ভীরভাবে সতর্ক করেছিলাম যে এই দেশের ভূমি ব্যবস্থা বিপ্লবী দলের দ্বারা আক্রান্ত এবং অধিকৃত হবে।
**লর্ড স্যালিসবারির কাছে চিঠি (২৭ ডিসেম্বর ১৮৮০), উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকল, ''দ্য লাইফ অফ বেঞ্জামিন ডিসরেলি, আর্ল অফ বিকন্সফিল্ড। খণ্ড ২। ১৮৬০-১৮৮১'' (১৯২৯), পৃ. ১৪৬৮এ উদ্ধৃত।
*মাই লর্ডস, ভারতের চাবিকাঠি মার্ভ, হেরাত বা কান্দাহার নয়। '''ভারতের চাবিকাঠি হলো লন্ডন।''' সার্বভৌমত্বের মহিমা, আপনাদের সংসদের চেতনা ও প্রাণশক্তি এবং একটি স্বাধীন, উদ্ভাবনী ও দৃঢ়প্রতিজ্ঞ জনগণের অফুরন্ত সম্পদ। এগুলোই ভারতের চাবিকাঠি।
**হাউস অফ লর্ডসে [https://api.parliament.uk/historic-hansard/lords/1881/mar/04/candahar-resolution ভাষণ] (৪ মার্চ ১৮৮১)।
*এটি পরিবর্তন করার জন্য একটি অত্যন্ত কঠিন দেশ, মি. হাইন্ডম্যান। সত্যিই খুব কঠিন দেশ। এখানে সাফল্যের চেয়ে হতাশার আশঙ্কাই বেশি।
**তার মৃত্যুর কয়েক সপ্তাহ আগে [[w:হেনরি হাইন্ডম্যান|হেনরি হাইন্ডম্যানের]] প্রতি মন্তব্য (মার্চ ১৮৮১ সালের দিকে), এইচ. এম. হাইন্ডম্যান, ''দ্য রেকর্ড অফ অ্যান অ্যাডভেঞ্চারাস লাইফ'' (১৯১১), পৃ. ২৪৪-২৪৫এ উদ্ধৃত।
* আমি ভুল ব্যাকরণ বলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে স্মরণীয় হতে চাই না।
** সংসদে তার শেষ ভাষণের (৩১ মার্চ ১৮৮১) [[w:হ্যানসার্ড|হ্যানসার্ড]] প্রমাণপত্র সংশোধন করার সময়, তার মৃত্যুর কিছু আগে। ''হার্পারস'', খণ্ড ৬৩ (১৮৮১)এ উদ্ধৃত। উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের ''দ্য লাইফ অফ বেঞ্জামিন ডিসরেলি, আর্ল অফ বিকন্সফিল্ড'', খণ্ড ১ (১৯২৯)এ উদ্ধৃতিটি "আমি ভুল ব্যাকরণ বলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে স্মরণীয় হব না" হিসেবে দেওয়া হয়েছে।
==== ''[[w:এন্ডিমিয়ন (উপন্যাস)|এন্ডিমিয়ন]]'' (১৮৮০) ====
* কিছুই ঘটছে না, তবে সবাই কোনো না কোনো কিছু নিয়ে ভয় পাচ্ছে।
** অধ্যায় ২।
* '''হতাশা কখনও কখনও প্রতিভার মতোই একটি শক্তিশালী অনুপ্রেরণাদাতা।'''
** অধ্যায় ৮।
* তার খ্রিষ্টধর্ম ছিল বলিষ্ঠ।
** অধ্যায় ১৪।
* "কিন্তু তারা তাদের সম্পদের যোগ্য," তিনি যোগ করলেন, "কেউ তাদের প্রতি ঈর্ষা করে না। আমি ঘোষণা করছি, যখন আমি সেই ট্রাফল খাচ্ছিলাম, তখন আমি আমার হৃদয়ে এক ধরনের উষ্ণতা অনুভব করেছি যা বদহজম না হলে আমার মনে হয় অবশ্যই কৃতজ্ঞতা হবে। যদিও এটি এমন একটি বিষয় যা আমি বিশ্বাস করতাম না।"
** অধ্যায় ২৩।
* আমি দীর্ঘ ধ্যানের মাধ্যমে নিজেকে এই বিশ্বাসে নিয়ে এসেছি যে, একটি স্থির উদ্দেশ্য নিয়ে একজন মানুষ অবশ্যই তা অর্জন করতে পারে। এবং এমন কোনো কিছুই একটি ইচ্ছাশক্তিকে প্রতিহত করতে পারে না যা তার পূরণের জন্য নিজের অস্তিত্বকেও বাজি রাখে।
** অধ্যায় ২৬।
* আপনাকে নিয়ে যত বেশি আলোচনা হবে, আপনি তত কম ক্ষমতাশালী হবেন।
** অধ্যায় ৩৬।
* একটি সাধারণ নিয়ম হিসেবে জীবনের সবচেয়ে সফল মানুষ হলেন সেই ব্যক্তি যার কাছে সেরা তথ্য রয়েছে।
** অধ্যায় ৩৬।
* কুয়াশাচ্ছন্ন এবং একটি শক্তিশালী মধ্যবিত্ত শ্রেণি সম্পন্ন একটি বিচ্ছিন্ন দেশের জন্য গম্ভীর রাষ্ট্রনায়ক প্রয়োজন।
** অধ্যায় ৩৭।
* অ্যাথানাসিয়ান মতবাদ হলো মানুষের প্রতিভা দ্বারা উৎসারিত সবচেয়ে চমৎকার ধর্মীয় গীতিকবিতা।
** অধ্যায় ৫২।
* প্রতিকূলতার মতো কোনো শিক্ষা নেই।
** অধ্যায় ৬১।
* কৌশল ছাড়া আপনি কিছুই শিখতে পারবেন না।
** অধ্যায় ৬১।
* আমাদের সংখ্যাগরিষ্ঠতার বিষয়ে বললে... একজনই যথেষ্ট।
** অধ্যায় ৬৪।
* পৃথিবী একটি চাকা এবং সবকিছুই সঠিক পথে ফিরে আসবে।
** অধ্যায় ৭০।
* ক্ষমতার অধিকার ও বণ্টনই হলো প্রকৃত রাজনীতি।
** অধ্যায় ৭১।
* '''ওয়ালডেনশেয়ার বললেন, "সে বিষয়ে বলতে গেলে, বুদ্ধিমান মানুষেরা সবাই একই ধর্মের অনুসারী।" <br> যুবরাজ জিজ্ঞেস করলেন, "দয়া করে বলবেন, সেটি কী?" <br> "বুদ্ধিমান মানুষেরা তা কখনো বলেন না।"'''
** অধ্যায় ৮১। স্যার অ্যান্থনি অ্যাশলি কুপার (১৬২১-১৬৮৩) সম্পর্কে একটি গল্প প্রচলিত আছে। তিনি ধর্ম প্রসঙ্গে বলেছিলেন, "এই বিষয়গুলো নিয়ে মানুষের কথা ও বিশ্বাসে ভিন্নতা রয়েছে। তবে বুদ্ধিমান মানুষেরা আসলে এক ধর্মেরই অনুসারী।" "কী ধর্ম?" এমন প্রশ্নের উত্তরে আর্ল বলেছিলেন, "বুদ্ধিমান মানুষেরা তা কখনো বলেন না।" বার্নেটের ''হিস্ট্রি অফ মাই ওন টাইমস'', খণ্ড ১, পৃ. ১৭৫, টীকা (১৮৩৩ সংস্করণ)এ বর্ণিত।
* রাজনীতির মতো কোনো জুয়া নেই।
** অধ্যায় ৮২।
* আপনি যদি খুব চতুর না হন, তবে আপনার আপসকারী হওয়া উচিত।
** অধ্যায় ৮৫।
* তিন শতাংশের মিষ্টি সারল্য।
** অধ্যায় ৯৬। তুলনা করুন: "তিন শতাংশের মার্জিত সারল্য", [[লর্ড স্টোয়েল|লর্ড স্টোয়েলের]], ''লাইভস অফ দ্য লর্ড চ্যান্সেলরস'' (ক্যাম্পবেল), খণ্ড ১০, অধ্যায় ২১২।
==তথ্যসূত্রযুক্ত কিন্তু তারিখবিহীন==
* আপনার বয়স বাড়ার সাথে সাথে আপনি দেখতে পাবেন যে জননেতাদের মধ্যে সাহসিকতা পাওয়া সবচেয়ে বিরল গুণ।
** গোয়েন্ডোলেন সেসিলের ''লাইফ অফ রবার্ট মার্কুইস অফ স্যালিসবারি: ১৮৬৮-১৮৮০'', খণ্ড ২ (১৯২১), পৃ. ২০৫এ উদ্ধৃত।
* মিস স্যান্ডস আমাকে বলেছিলেন যে রানি ভিক্টোরিয়া, যিনি পরবর্তীকালে ডিসরেলির প্রতি মুগ্ধ হয়েছিলেন, একদিন তাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন তার আসল ধর্ম কী। তিনি উত্তর দিয়েছিলেন, "ম্যাডাম, '''আমি ওল্ড টেস্টামেন্ট এবং নিউ টেস্টামেন্টের মাঝখানের ফাঁকা পৃষ্ঠাটি।"'''
** হার্বার্ট হেনরি অ্যাসকুইথের ''লেটারস অফ দ্য আর্ল অফ অক্সফোর্ড অ্যান্ড অ্যাসকুইথ টু আ ফ্রেন্ড'', খণ্ড ২ (১৯৩৩), পৃ. ৯৪এ উদ্ধৃত।
* আমরা দেবতাদের সন্তান। আমরা যখন নিজেদেরকে পরিস্থিতির প্রভু মনে করি, তখনই আমরা এর সবচেয়ে বড় দাসে পরিণত হই। জীবনের এই চমকপ্রদ প্রহসনে এরপর কী ঘটতে পারে তা কেবল নিয়তিই জানে।
** রোসিনা বুলওয়ার লিটনের কাছে লেখা তারিখবিহীন চিঠি, আন্দ্রে মরোয়ার ''ডিসরেলি: আ পিকচার অফ দ্য ভিক্টোরিয়ান এজ'' (১৯২৭), পৃ. ১১৪এ উদ্ধৃত।
* '''মজার হোন। কখনও নিষ্ঠুর গল্প বলবেন না। সর্বোপরি কখনও দীর্ঘ গল্প বলবেন না।'''
** সংসদ সদস্যের এক তরুণ ছেলেকে উপদেশ দেওয়ার অনুরোধের প্রেক্ষিতে। উইলফ্রিড মেনেলের ''বেঞ্জামিন ডিসরেলি: অ্যান আনকনভেনশনাল বায়োগ্রাফি'' (১৯০৩), পৃ. ৮৩এ উদ্ধৃত।
* তিনি [[w:রেজিনাল্ড ব্রেট, ২য় ভিসকাউন্ট এশার|লর্ড এশার]]কে বলেছিলেন যে, [[যুক্তরাজ্যের ভিক্টোরিয়া|রানি]]র সাথে কথা বলার সময় তিনি একটি সহজ নিয়ম মেনে চলতেন: "আমি কখনও অস্বীকার করি না। আমি কখনও বিরোধিতা করি না। আমি মাঝে মাঝে ভুলে যাই।"
** উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের ''দ্য লাইফ অফ বেঞ্জামিন ডিসরেলি, আর্ল অফ বিকন্সফিল্ড'', খণ্ড ৬ (১৯২০), পৃ. ৪৬৩ এবং হেনরি ডব্লিউ. লুসির ''মেমোরিজ অফ এইট পার্লামেন্টস'' (১৯০৮), পৃ. ৬৬এ উদ্ধৃত।
* যদি গ্ল্যাডস্টোন টেমস নদীতে পড়ে যান, তবে তা একটি দুর্ভাগ্য হবে। আর যদি কেউ তাকে টেনে তোলে, তবে আমার মনে হয় সেটি একটি বিপর্যয় হবে।
** এক ব্যক্তি ডিসরেলিকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, "দুর্ভাগ্য এবং বিপর্যয়ের মধ্যে পার্থক্য কী?" তার উত্তরে তিনি এটি বলেছিলেন। উইলফ্রিড মেনেলের বেঞ্জামিন ডিসরেলি: অ্যান আনকনভেনশনাল বায়োগ্রাফি (১৯০৩), পৃ. ১৪৬এ উদ্ধৃত।
* কোনো পুরুষ বিয়ে করার আগে পর্যন্ত হাউস অফ কমন্সে নিয়মিত উপস্থিত থাকেন না।
** ডিসরেলির ধারণাকৃত তত্ত্ব, স্যার উইলিয়াম ফ্রেজারের ''ডিসরেলি অ্যান্ড হিজ ডে'' (১৮৯১), পৃ. ১৪২এ উদ্ধৃত।
* তার মধ্যে একটিও ক্ষমার যোগ্য ত্রুটি নেই।
** [[উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন|উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন]] সম্পর্কে। উইলিয়াম এস. ওয়ালশের ''হ্যান্ডি-বুক অফ লিটারারি কিউরিওসিটিজ'' (১৮৯২), পৃ. ৩৫৭এ আরোপিত।
* যেখানে জ্ঞানের শেষ, সেখানে ধর্মের শুরু।
** মন্তব্য, জন গর্ডন স্টুয়ার্ট ড্রিসডেল এবং জন জেমস ড্রিসডেলের ''দ্য প্রোটোপ্লাজমিক থিওরি অফ লাইফ'' (১৮৭৪), পৃ. ২৭৯ (টীকা)এ আরোপিত।
*সবাই তোষামোদ পছন্দ করে। আর রাজপরিবারের কাছে গেলে আপনার উচিত তা বেশি করে করা।
** ম্যাথু আর্নল্ডের কাছে লেখা একটি চিঠিতে, স্ট্যানলি ওয়েইন্ট্রবের ''ভিক্টোরিয়া. বায়োগ্রাফি অফ আ কুইন'' (১৯৮৭), পৃ. ৪১২এ উদ্ধৃত।
* তরুণ প্রিন্স লিওপোল্ডের নাকটি রূপকথার রাজপুত্রের মতো, যাকে কোনো এক দুষ্ট ডাইনি জাদু করেছে।
**[https://odysee.com/@BelgianCongo:3/Leopold-II-Het-Hele-Verhaal-Aflevering-1:1 লিওপোল্ড ২, দ্য হোল স্টোরি] বেলজিয়ামের রাজা দ্বিতীয় লিওপোল্ড সম্পর্কে বেঞ্জামিন ডিসরেলি।
{{Misattributed begin}}
== ভুলভাবে আরোপিত ==
* তিন ধরনের মিথ্যা আছে: মিথ্যা, ডাহা মিথ্যা এবং পরিসংখ্যান।
** "চ্যাপ্টারস ফ্রম মাই অটোবায়োগ্রাফি ২০", ''নর্থ আমেরিকান রিভিউ'' নং ৬১৮ (৫ জুলাই ১৯০৭) [http://www.gutenberg.org/ebooks/19987]এ [[মার্ক টোয়েন#ভুলভাবে আরোপিত|মার্ক টোয়েন]] কর্তৃক ডিসরেলির ওপর আরোপিত। তার এই আরোপ অবিশ্বস্ত বলে বিবেচিত হয় এবং এর আসল উৎপত্তি অনিশ্চিত। এই ধরনের বাক্যাংশের প্রথম দিকের পরিচিত প্রকাশনাগুলোর মধ্যে একটি হলো [[লিওনার্ড এইচ. কোর্টনি#সারাটোগা স্প্রিংস-এ আমার সহকর্মীদের প্রতি (১৮৯৫)|লিওনার্ড এইচ. কোর্টনি]]র প্রকাশনা। দেখুন [[w:মিথ্যা, ডাহা মিথ্যা এবং পরিসংখ্যান|মিথ্যা, ডাহা মিথ্যা এবং পরিসংখ্যান]]।
* অধ্যবসায় হলো সৌভাগ্যের জননী।
** আসলে এটি [[মিগেল দে থের্ভান্তেস সাভেদ্রা|মিগেল দে থের্ভান্তেস সাভেদ্রার]] ''ডন কুইক্সোট'', খণ্ড ১, বই ৪, অধ্যায় ১৯ থেকে নেওয়া।
* যদি পরিবর্তন করার প্রয়োজন না থাকে, তবে পরিবর্তন না করাই প্রয়োজন।
** এটি [[এডমন্ড বার্ক]], [[w:উইলিয়াম জেরার্ড হ্যামিল্টন|উইলিয়াম জেরার্ড হ্যামিল্টন]], [[জর্জ বার্নার্ড শ]], [[জন এফ. কেনেডি]] (যিনি এটি উদ্ধৃত করেছিলেন) এবং বেঞ্জামিন ডিসরেলির ওপর আরোপিত। এটি মূলত [[১৬৪১-১১-২২]] তারিখে হাউস অফ কমন্সে দেওয়া একটি ভাষণে [[w:লুসিয়াস ক্যারি, ২য় ভিসকাউন্ট ফকল্যান্ড|লুসিয়াস ক্যারি, ২য় ভিসকাউন্ট ফকল্যান্ড]] বলেছিলেন।
* বিপদের ভয়কে তা প্রতিরোধের প্রেরণা হতে দিন। যে অন্যথায় ভয় পায়, সে বিপদকে সুবিধা দেয়।
** [[ফ্রান্সিস কোয়ার্লেস|ফ্রান্সিস কোয়ার্লেসের]] ''এনচিরিডিয়ন'' (১৬৪০) থেকে নেওয়া।
* পরিমিতিবোধকে এমন একটি গুণ বলা হয়েছে যা মহান ব্যক্তিদের উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে সীমাবদ্ধ করে এবং সাধারণ মানুষকে তাদের ভাগ্যের অভাব ও যোগ্যতার অভাবের জন্য সান্ত্বনা দেয়।
** এটি ডিসরেলির নয়, বরং [[ফ্রঁসোয়া দ্য লা রোশফুকো|লা রোশফুকো]]এর কথা। এটি তার ''রিফ্লেকশনস''এর ৩০৮ নম্বর প্রবচন।
* বেশি দেখা, বেশি ভোগা এবং বেশি পড়াশোনা করা হলো শিক্ষার তিনটি স্তম্ভ।
** [[w:শ্যারন টার্নার|শ্যারন টার্নার]]এর ''আ ভিন্ডিকেশন অফ দ্য জেনুইননেস অফ দ্য অ্যানসিয়েন্ট ব্রিটিশ পোয়েমস অফ অ্যানিউরিন, ট্যালিয়েসিন, ল্লিওয়ার্চ হেন এবং মার্ডিন'' (১৮০৩)এ উদ্ধৃত একটি [[w:ওয়েলশ ট্রায়াড|ওয়েলশ ট্রায়াড]]এ লেখা আছে, "শিক্ষার তিনটি স্তম্ভ হলো বেশি দেখা, বেশি ভোগা এবং বেশি পড়াশোনা করা"। আইজ্যাক ডি'ইজরেলি তার ''দ্য অ্যামেনিটিজ অফ লিটারেচার'' (১৮৪১)এ টার্নারের কাছ থেকে এটি উদ্ধৃত করেছিলেন। পরে বাবার সাথে ছেলের বিভ্রান্তির কারণে এটি বেঞ্জামিন ডিসরেলির ওপর ভুলভাবে আরোপিত হয়েছে।
* একটি নতুন পদক্ষেপ নেওয়া, একটি নতুন কথা বলাকে মানুষ সবচেয়ে বেশি ভয় পায়।
** এটি [[ফিয়োদর দস্তয়েভ্স্কি|দস্তয়েভ্স্কির]] ''[[অপরাধ ও শাস্তি]]''এর প্রথম খণ্ড, প্রথম অধ্যায় থেকে এসেছে।
* জীবনের সবচেয়ে পছন্দের আনন্দগুলো পরিমিতিবোধের বৃত্তের মধ্যেই থাকে।
** আসলে এটি [[মার্টিন ফারকুহার টুপার|মার্টিন টুপার]]এর ''প্রোভারবিয়াল ফিলোসফি''এর একটি লাইন।
* যারা পিচ স্পর্শ করে তারা কলঙ্কিত হবে।
** আসলে এটি [[উইলিয়াম শেকসপিয়ার|উইলিয়াম শেকসপিয়ারের]] [[w:মাচ অ্যাডু অ্যাবাউট নাথিং|মাচ অ্যাডু অ্যাবাউট নাথিং]] (৩.৩)এ [[w:ডগবেরি|ডগবেরি]] বলেছিলেন। কেজেভি বাইবেলে (ইক্লেসিয়াস্টিকাস ১৩:১) রয়েছে "যে পিচ স্পর্শ করে সে তাতে কলঙ্কিত হবে"।
* [[জন মন্টেগু, ৪র্থ আর্ল অফ স্যান্ডউইচ]]: "ফুট, আমি প্রায়ই ভেবেছি কোন বিপর্যয় আপনার শেষ ডেকে আনবে। তবে আমার মনে হয়, আপনাকে হয় পক্সে নয়তো ফাঁসির দড়িতে মরতে হবে।" <br /> [[স্যামুয়েল ফুট]]: "মাই লর্ড, সেটি দুটি সম্ভাবনার একটির ওপর নির্ভর করবে। আমি আপনার লর্ডশিপের উপপত্নীকে আলিঙ্গন করব নাকি আপনার লর্ডশিপের নীতিগুলোকে আলিঙ্গন করব।"
** গ্ল্যাডস্টোন থেকে ডিসরেলির ওপর ভুলভাবে আরোপিত{{fix cite}}।* এই ছাদের নিচে রথসচাইল্ড পরিবারের প্রধানরা আছেন। এই নামটি ইউরোপের প্রতিটি রাজধানীতে এবং বিশ্বের প্রতিটি অংশে বিখ্যাত। আপনি যদি চান, আমরা যুক্তরাষ্ট্রকে দুই ভাগে ভাগ করব। এক ভাগ আপনার জন্য, জেমস এবং এক ভাগ আপনার জন্য, লিওনেল। নেপোলিয়ন ঠিক তাই করবেন যা আমি তাকে করার পরামর্শ দেব। এবং বিসমার্ককে এমন একটি নেশাগ্রস্ত কর্মসূচি প্রস্তাব করা হবে যা তাকে আমাদের আজ্ঞাবহ দাসে পরিণত করবে।
** বার্নার্ড গ্লাসম্যানের ''বেঞ্জামিন ডিসরেলি: দ্য ফ্যাব্রিকেটেড জিউ ইন মিথ অ্যান্ড মেমোরি'' (২০০৩), পৃ. ১৮৫তে একটি ভুল আরোপ হিসেবে প্রতিবেদন করা হয়েছে।
=== [[আইজ্যাক ডি'ইজরেলি]] ===
:''তার বাবা [[আইজ্যাক ডি'ইজরেলি|আইজ্যাক ডি'ইজরেলির]] বেশ কয়েকটি উদ্ধৃতি ব্যাপকভাবে বেঞ্জামিনের ওপর ভুলভাবে আরোপিত হয়েছে''।
* একজন লেখকের যা করা হয়েছে সে সম্পর্কে জ্ঞান যত বেশি বিস্তৃত হবে, কী করতে হবে তা জানার ক্ষমতাও তার তত বেশি হবে।
** আইজ্যাক ডি'ইজরেলি, ''কিউরিওসিটিজ অফ লিটারেচার''।
* অকপটতা হলো সমালোচনার সবচেয়ে উজ্জ্বল রত্ন।
** আইজ্যাক ডি'ইজরেলি, ''দ্য কিউরিওসিটিজ অফ লিটারেচার'', "লিটারারি জার্নালস"।
* প্রতিভার প্রতিটি সৃষ্টি অবশ্যই উৎসাহের সৃষ্টি হতে হবে।
** আইজ্যাক ডি'ইজরেলি, ''দ্য কিউরিওসিটিজ অফ লিটারেচার'', "সলিটিউড"।
* মাঝারি মানের মানুষ ''কথা বলতে'' পারে। কিন্তু ''পর্যবেক্ষণ করা'' প্রতিভার কাজ।
** আইজ্যাক ডি'ইজরেলি, ''দ্য কিউরিওসিটিজ অফ লিটারেচার'', "মেন অফ জিনিয়াস ডেফিশিয়েন্ট ইন কনভারসেশন"।
* কুম্ভীলকদের অন্তত সংরক্ষণের গুণ রয়েছে।
** আইজ্যাক ডি'ইজরেলি, ''কিউরিওসিটিজ অফ লিটারেচার'', "অফ সাপ্রেসরস অ্যান্ড ডিলাপিডেটরস অফ ম্যানুস্ক্রিপ্টস"।
* মানুষকে প্রতারিত করে শাসন করার শিল্প।
** আইজ্যাক ডি'ইজরেলির ''কিউরিওসিটিজ অফ লিটারেচার''এ রয়েছে, "দৃঢ় মিথ্যা এবং ছদ্মবেশী সত্যের মধ্যে একটি পার্থক্য আছে যা 'মানুষকে প্রতারিত করে শাসন করার শিল্প'এ দক্ষ লেখকদের জানা আছে। ঠিক যেমন ভুলভাবে বোঝা রাজনীতিকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে"।
* জ্ঞানীদের প্রজ্ঞা এবং যুগ যুগের অভিজ্ঞতা উদ্ধৃতির মাধ্যমে সংরক্ষণ করা যেতে পারে।
** আইজ্যাক ডি'ইজরেলি, ''কিউরিওসিটিজ অফ লিটারেচার'', "কোটেশন"।
**''বিকল্প:'' জ্ঞানীদের প্রজ্ঞা এবং যুগ যুগের অভিজ্ঞতা উদ্ধৃতির মাধ্যমে স্থায়ী হয়।
* যখনই আমরা কোনো জোরালো আবেদনের মাধ্যমে মনকে প্রস্তুত করতে চাই, তখন একটি প্রারম্ভিক উদ্ধৃতি হলো এমন এক সুর যা সেই ধ্বনিগুলোর সূচনা করে যেগুলো আমরা মেলাতে যাচ্ছি।
** আইজ্যাক ডি'ইজরেলি, ''কিউরিওসিটিজ অফ লিটারেচার'', "কোটেশন"।
{{Misattributed end}}
== বেঞ্জামিন ডিসরেলি সম্পর্কে উদ্ধৃতি ==
:<small>পারিবারিক নাম অনুযায়ী বর্ণনানুক্রমিক</small>
* তিনি প্রশংসা-পত্রের একটি খণ্ড পূর্ণ করার জন্য যথেষ্ট অসাধারণ ছিলেন। গতকাল কেউ একজন আমাকে লিখেছিলেন যে গত ১৮০০ বছরে কোনো ইহুদি বিশ্বে এত বড় ভূমিকা পালন করেননি। সেন্ট পলের পর থেকে কোনো ইহুদি এমনটা করেননি। আর এটি অত্যন্ত চমকপ্রদ।
** [[জন ডালবার্গ-অ্যাক্টন, ১ম ব্যারন অ্যাক্টন|লর্ড অ্যাক্টন]], মিসেস ড্রিউ'র কাছে চিঠি (২৪ এপ্রিল ১৮৮১)
*টোরিবাদ, যা আমরা জানি, বেঞ্জামিন ডিসরেলির প্রতিভার দ্বারা আলোকিত, ব্যাখ্যায়িত এবং এই দেশের একটি বড় অংশের জন্য একটি সুসমাচারে পরিণত হয়েছিল। আমাদের মহান দলের জন্য কাজ করা বেশিরভাগ মানুষই এই রাষ্ট্রনায়কের কাছ থেকে তাদের বিশ্বাসের ভিত্তি স্থাপন করেছেন এবং অনুপ্রেরণা পেয়েছেন।
**[[স্ট্যানলি বল্ডউইন]], সিটি অফ লন্ডন কনজারভেটিভ অ্যান্ড ইউনিয়নিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের শতবর্ষী নৈশভোজে দেওয়া ভাষণ (২ জুলাই ১৯৩৬), ''সার্ভিস অফ আওয়ার লাইভস'' (১৯৩৭), পৃ. ৩৭-৩৮এ উদ্ধৃত।
* ডের অল্টে জুড, দাস ইস্ত ডের মান!
** বুড়ো ইহুদি, তিনিই সেই মানুষ!
** বার্লিন কংগ্রেসে ডিসরেলির পারফরম্যান্স সম্পর্কে [[অটো ফন বিসমার্ক]]। [http://www.time.com/time/magazine/article/0,9171,721804,00.html]
*ডিসরেলির আচরণ, পোশাক এবং কথোপকথন সম্পর্কে আমরা যে গল্পগুলো পড়ি তা বারবার আমাদের সেই গম্ভীর ও শান্ত বুর্জোয়া ইংল্যান্ডের কথা মনে করিয়ে দেয় না যা তিনি শাসন করার জন্য নিয়তিবদ্ধ ছিলেন। বরং এটি আমাদের সেই ইংল্যান্ডের কথা মনে করিয়ে দেয় যা তার মৃত্যুর দশ বছর পর বিকশিত হয়েছিল। এটি ছিল ''[[w:দ্য ইয়েলো বুক|দ্য ইয়েলো বুক]]'' এবং [[অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ডের]] ইংল্যান্ড। ওয়াইল্ড তার ঋণ স্বীকার করেছিলেন। এটি কোনো দুর্ঘটনা ছিল গঠন ছিল না যে তিনি তার সবচেয়ে অসামান্য বইগুলোর একটির শিরোনাম হিসেবে ''[[w:দ্য পিকচার অফ ডোরিয়ান গ্রে|ডোরিয়ান গ্রে]]'' বেছে নিয়েছিলেন। এবং তার নিজের বিখ্যাত প্রবচনগুলো ডিসরেলির কোনো উপন্যাসের পাতায় অনায়াসেই দেখা যেতে পারত।
**[[w:রবার্ট ব্লেক, ব্যারন ব্লেক|রবার্ট ব্লেক]], ''ডিসরেলি'' (১৯৬৬), পৃ. ৭৭-৭৮
*ডিসরেলি এমন কিছু বৈশিষ্ট্য যোগ করেছিলেন যা সম্পূর্ণ তার নিজস্ব। এটি দিয়ে তিনি [[রক্ষণশীল দল (যুক্তরাজ্য)|রক্ষণশীল দল]]কে চিহ্নিত করেছিলেন এবং এটি [[w:গ্ল্যাডস্টোনিয়ান লিবারেলিজম|গ্ল্যাডস্টোনিয়ান লিবারেলিজমের]] সাথে বৈসাদৃশ্যকে বাড়িয়ে তুলেছিল। এর মধ্যে ছিল সাম্রাজ্যের প্রতি বিশ্বাস, একটি কঠোর ও "অর্থহীন নয়" এমন পররাষ্ট্র নীতি গ্রহণ এবং বিশ্বে ব্রিটেনের মহত্ত্বের দাবি। ডিসরেলি ইংরেজি জাতীয়তাবাদ ছাড়া অন্য সমস্ত জাতীয়তাবাদের প্রতি সহানুভূতিহীন ছিলেন। এটি তার নিজের অ-ইংরেজ হওয়ার সাথে বেশ সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল। আয়ারল্যান্ড, বলকান বা অন্য কোথাও তিনি এমন কোনো কারণ দেখেননি যা তিনি ইংরেজি স্বার্থ বলে মনে করতেন, তা তথাকথিত উচ্চতর নৈতিক আইনের দ্বারা অগ্রাহ্য হতে পারে যা জাতিদের মুক্তির জন্য সংগ্রাম করতে উৎসাহিত করে। ... তার দৃষ্টিভঙ্গি রক্ষণশীল দলকে আগামী বহু বছরের জন্য চূড়ান্তভাবে পরিচালিত করেছিল। তিনি যে ঐতিহ্য শুরু করেছিলেন তা শতাব্দীর শেষ প্রান্তিকে শ্রমিক শ্রেণির সমর্থন জয়ে সবচেয়ে বড় নির্বাচনী সম্পদ ছিল।
**[[w:রবার্ট ব্লেক, ব্যারন ব্লেক|রবার্ট ব্লেক]], ''ডিসরেলি'' (১৯৬৬), পৃ. ৭৬০
*ডিসরেলি উপস্থাপনার শিল্পে পারদর্শী ছিলেন। তিনি একজন ইমপ্রেসারিও এবং একজন অভিনেতা ব্যবস্থাপক ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন চমৎকার সংসদ সদস্য, আমাদের ইতিহাসে সেরা আধ ডজনের মধ্যে একজন। তিনি জানতেন ছাপ, শৈলী, রঙের ওপর কতটা নির্ভর করে। আর রাজনীতিতে যুক্তি, শীতল কারণ বা বিকল্পগুলোর শান্ত মূল্যায়নের ভূমিকা কতটা সামান্য। এই কারণেই রাজনীতিবিদরা তার প্রশংসা করেন।
**[[w:রবার্ট ব্লেক, ব্যারন ব্লেক|রবার্ট ব্লেক]], ''ডিসরেলি'' (১৯৬৬), পৃ. ৭৬৪
*ডিসরেলি অনেক দিক থেকেই খুব "অ-ভিক্টোরীয়" ব্যক্তিত্ব ছিলেন... তার সংশয়বাদ ডিসরেলিকে প্রায় যেকোনো সমসাময়িক রাজনীতিবিদের চেয়ে কম "সেকেলে" ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছে। নৈতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক দিক থেকে গ্ল্যাডস্টোন তার চেয়ে শ্রেষ্ঠ ছিলেন... কিন্তু গ্ল্যাডস্টোন ডিসরেলির চেয়ে অনেক বেশি তার সময়ের মানুষ ছিলেন। তাকে অন্য কোনো যুগে বেঁচে থাকার কল্পনা করা কঠিন, যেখানে ডিসরেলিকে আজ অথবা লর্ড নর্থের যুগে বেঁচে থাকার কল্পনা করা বেশ সহজ। এই কালজয়ী বৈশিষ্ট্যই তার সেরা উপন্যাসগুলোকে স্থায়ী আকর্ষণ দেয় এবং তার রসবোধকে একশ বছর আগের মতোই আজকেও সমান কার্যকর করে তোলে। তার মধ্যে শ্যাম্পেনের মতো এক উজ্জ্বলতা রয়েছে যা রাষ্ট্রনায়কদের মধ্যে প্রায় অতুলনীয়।
**[[w:রবার্ট ব্লেক, ব্যারন ব্লেক|রবার্ট ব্লেক]], ''ডিসরেলি'' (১৯৬৬), পৃ. ৭৬৫
*এখন, মি. ডিসরেলি এমন একজন মানুষ যিনি তার দলের জন্য জাদুকরের কাজ করেন। তিনি এমন একজন যাকে রেড ইন্ডিয়ানদের কোনো উপজাতির মধ্যে "রহস্যময় মানুষ" বলা হতো। তিনি তাদের জন্য শব্দবন্ধ উদ্ভাবন করেন... মি. ডিসরেলি মেধা, প্রতিভা, কাজের দুর্দান্ত ক্ষমতা, উদ্দেশ্যের চমৎকার দৃঢ়তা এবং বিরল সাহসের অধিকারী একজন মানুষ। তার ক্ষমতা যদি কোনো মহৎ নীতি বা আদর্শের দ্বারা পরিচালিত হতো, তবে তিনি একজন রাষ্ট্রনায়ক হতেন।
**[[জন ব্রাইট]], বার্মিংহাম টাউন হলে দেওয়া ভাষণ (১২ জুলাই ১৮৬৫), জর্জ বার্নেট স্মিথ, ''দ্য লাইফ অ্যান্ড স্পিচেস অফ দ্য রাইট অনারেবল জন ব্রাইট, এমপি, খণ্ড ২'' (১৮৮১), পৃ. ১৯২এ উদ্ধৃত।
*ডিসরেলি সত্য প্রচার ও কাজ করার পরিবর্তে নিজেকে আলাদা করার এক তীব্র উচ্চাকাঙ্ক্ষায় আচ্ছন্ন ছিলেন। "আমরা এখানে খ্যাতির জন্য আসি!" তিনি অনেক বছর আগে আমাকে বলেছিলেন। এবং তিনি নিজেকে আলাদা করেছেন, তবে একটি নিচু স্তরে এবং এমন কোনো ফলাফল ছাড়া যা নিয়ে সন্তুষ্টির সাথে পেছনে ফিরে তাকানো যায়।
**[[জন ব্রাইট]], ডায়েরি (১ মার্চ ১৮৬৭), জি. এম. ট্রেভেলিয়ান, ''দ্য লাইফ অফ জন ব্রাইট'' (১৯১৩), পৃ. ৩৭১এ উদ্ধৃত।
*বেঞ্জামিন ডিসরেলি একজন মহান মানুষ ছিলেন। তার প্রজন্মের রাষ্ট্রনায়কদের মধ্যে একমাত্র তিনিই [[w:ম্যানচেস্টার লিবারেলিজম|ম্যানচেস্টার স্কুলের]] ভুলগুলো এবং এর দ্বারা প্রবর্তিত জাতীয় নীতির বিচ্যুতি বুঝতে পেরেছিলেন। একটি [[মুক্ত বাণিজ্য]] নীতির দ্বারা হয়তো কারখানার মালিক, শ্রমিক এবং বিনিয়োগকারীর তাৎক্ষণিক স্বার্থ রক্ষা করা সম্ভব। কিন্তু তিনি জানতেন যে দীর্ঘমেয়াদে এই নীতি জাতিকে বিশ্বব্যাপী এমন শক্তির দয়ায় ছেড়ে দেবে যা এর নিয়ন্ত্রণের বাইরে।
**[[আর্থার ব্রায়ান্ট]], ''ইংলিশ সাগা, ১৮৪০-১৯৪০'' (১৯৪০), পৃ. ৯২
*সামাজিক কর্তব্যের পালনের ওপর ভিত্তি করে না থাকা ব্যক্তিগত সম্পদের ধারণা তার কাছে ঘৃণ্য ছিল কারণ এটি প্রকৃতির পরিপন্থী ছিল। ''[[লেসে-ফেয়ার]]'' অর্থনীতিবিদদের দোষ ছিল যে তারা মূলধনকে রাজনৈতিক ও সামাজিক কার্যকলাপ থেকে বিচ্ছিন্ন একটি অর্থনৈতিক পণ্য হিসেবে বিবেচনা করতেন। তারা এর ব্যবহারকে সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত বিষয় হিসেবে দেখতেন। ডিসরেলি মূলধনকে কেবল মূল্যের পণ্য হিসেবে নয়, বরং রাজনৈতিক ও সামাজিক ক্ষমতা হিসেবে দেখেছিলেন। তিনি এটিকে একটি ট্রাস্ট হিসেবে ব্যবহার করার পক্ষপাতী ছিলেন। তাই তিনি এর অধিকারকে স্থায়ীভাবে সামাজিক বাধ্যবাধকতার সাথে যুক্ত দেখতে চেয়েছিলেন। জমির মালিকানা এই ধরনের সংযোগ দিতে সক্ষম ছিল। কিন্তু স্টক ও শেয়ারের মালিকানা তা পারত না। এই সমস্ত কারণেই সমাজতন্ত্র একটি রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হওয়ার অনেক আগে ডিসরেলি একজন সমাজতান্ত্রিক ছিলেন।
**[[আর্থার ব্রায়ান্ট]], ''ইংলিশ সাগা, ১৮৪০-১৯৪০'' (১৯৪০), পৃ. ৯৬
*তিনি ইংল্যান্ডের ইতিহাস ও প্রতিষ্ঠানের চেতনায় গভীরভাবে উদ্বুদ্ধ ছিলেন... ডিসরেলির মনের গভীরে সবসময় নির্দিষ্ট প্রাচীন ইংরেজি আদর্শ লুকিয়ে ছিল। একটি [[w:টিউডর যুগ|টিউডর যুগের]] এবং অন্যটি মধ্যযুগীয়। একটি ঐক্যবদ্ধ জাতি এবং অবিচ্ছেদ্য সুযোগ-সুবিধা ও অধিকারসম্পন্ন পুরুষ ও নারীদের নিয়ে গঠিত একটি অবিচ্ছিন্ন সম্প্রদায়ের আদর্শ। সমাজ সম্পর্কে তার ধারণা মূলত ধর্মীয় এবং মানবিক ছিল। এটি ছিল মানব প্রয়োজন এবং অধিকারের সর্বজনীন স্বীকৃতির ওপর ভিত্তি করে একটি সুশৃঙ্খল স্তরবিন্যাস। তিনি রাজতন্ত্রের মর্যাদা, রোমান্স এবং ব্যক্তিগত প্রভাব পুনরুদ্ধার করতে চেয়েছিলেন। তিনি অভিজাত ও ভদ্রলোকদের দায়িত্ব, চার্চের নৈতিক কর্তৃত্ব এবং সর্বোপরি কৃষক ও শ্রমিকদের মর্যাদা, নৈপুণ্যের গর্ব ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনতে চেয়েছিলেন।
**[[আর্থার ব্রায়ান্ট]], ''ইংলিশ সাগা, ১৮৪০-১৯৪০'' (১৯৪০), পৃ. ৯৬-৯৭
*আপনার সম্পর্কে আমার কাছে সবচেয়ে বিস্ময়কর যে বিষয়টি মনে হয় তা হলো, আপনি খ্যাতির চেয়ে ক্ষমতার প্রতি বেশি অনুরাগী।
**[[এডওয়ার্ড বুলওয়ার-লিটন]], ''ডিসরেলিস রেমিনিসেন্সেস'', সম্পাদক হেলেন এম. সোয়ার্টজ এবং মারভিন সোয়ার্টজ (১৯৭৫), পৃ. ১২০এ উদ্ধৃত।
*এটি ছিল ইংরেজ রাষ্ট্রনায়কদের মধ্যে অন্যতম অসাধারণ এক ব্যক্তির মৃত্যুর বার্ষিকী, যিনি অগণিত মানুষের সত্যিকারের শোকের মধ্য দিয়ে বিদায় নিয়েছিলেন। লর্ড বিকন্সফিল্ডের সাথে কাজ করা তার কর্তব্য এবং সৌভাগ্য ছিল ... এবং তিনি কামনা করেছিলেন যে লর্ড বিকন্সফিল্ডকে এখন তার কবর থেকে ফিরিয়ে আনা হোক যাতে তিনি আমাদের বর্তমান বিক্ষুব্ধ ও বিপদগ্রস্ত দেশকে তার দীর্ঘ জীবনের পরামর্শ ও অভিজ্ঞতা দিতে পারেন। লর্ড বিকন্সফিল্ডের দুর্দান্ত গুণটি ছিল তার দেশের প্রতি অকৃত্রিম ও প্রবল ভালোবাসা, এর মহত্ত্বের প্রতি ভালোবাসা এবং এর প্রাচীন সম্মানের প্রতি ঈর্ষা। তার মধ্যে বিদেশি প্রথা ও বিশ্বজনীন ধ্যানধারণার প্রতি কোনো দুর্বলতা ছিল না।
**[[w:হেনরি হার্বার্ট, ৪র্থ আর্ল অফ কার্নারভন|লর্ড কার্নারভন]], লেস্টারের ফ্লোরাল-হলে লেস্টার এবং লেস্টারশায়ার কনজারভেটিভ ক্লাবের প্রথম নৈশভোজে দেওয়া ভাষণ (১৯ এপ্রিল ১৮৮২), ''দ্য টাইমস'' (২০ এপ্রিল ১৮৮২), পৃ. ৬এ উদ্ধৃত।
*উনিশ শতকের শেষের দিকের মহান ইউরোপীয় ব্যক্তিত্বরা ছিলেন ডিসরেলি এবং [[অটো ফন বিসমার্ক|বিসমার্ক]]। তারা সমাজসেবা রাষ্ট্র, জনপ্রিয় শিক্ষা এবং সাম্রাজ্যবাদের মাধ্যমে "দুই জাতি"কে এক করার চেষ্টা করেছিলেন। তারা "শ্রমিকদের কোনো দেশ নেই" এই কটূক্তি খণ্ডন করেছিলেন এবং "জাতীয় শ্রম", "জাতীয় সমাজতন্ত্র" এবং এমনকি "জাতীয় সাম্যবাদ"এর পথ প্রশস্ত করেছিলেন।
**[[ই. এইচ. কার]], ''[[w:দ্য টোয়েন্টি ইয়ার্স ক্রাইসিস|দ্য টোয়েন্টি ইয়ার্স ক্রাইসিস, ১৯১৯-১৯৩৯: অ্যান ইন্ট্রোডাকশন টু দ্য স্টাডি অফ ইন্টারন্যাশনাল রিলেশনস]]'' (১৯৩৯), পৃ. ২৯০
*আমি মনে করি আমি এখানে বা অন্য কোথাও আমার রক্ষণশীল বন্ধুদের কাছে এর চেয়ে বড় অপরাধ করতে পারব না যদি আমি তাদের বলি যে তারা প্রগতিশীল দল নয়। তারা হয়তো অতীতে বৈপ্লবিক পরিবর্তনের দাবিতে একমত হননি, কিন্তু তারা বিশেষ অর্থে সামাজিক সংস্কারের মহান প্রবক্তা। এবং তাদের শিক্ষক কে ছিলেন? তাদের নেতা কে ছিলেন? তিনি ছিলেন মি. ডিসরেলি, যিনি তার মহান উপন্যাস ''[[সিবিল (উপন্যাস)|সিবিল]]''এ তার মতবাদের বীজ বপন করেছিলেন। যদিও তিনি তার দলকে শেখাতে ধীরগতির ছিলেন, তারা তার নির্দেশনায় এবং পরবর্তীতে [[লর্ড র্যান্ডলফ চার্চিল]] এবং অন্যদের নির্দেশনায় এত উন্নতি করেছিল যে তারা এখন এমন একটি অবস্থানে পৌঁছেছে যেখানে তারা ন্যায্যভাবে দাবি করতে পারে যে এই দেশের আইনি বইয়ে এখন যে মহান সামাজিক সংস্কারগুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে তা তাদের প্রচেষ্টা এবং তাদের আইনের কারণেই সম্ভব হয়েছে।
**[[জোসেফ চেম্বারলেইন]], ম্যানচেস্টার লিবারেল ইউনিয়নিস্ট অ্যাসোসিয়েশনে দেওয়া ভাষণ (১৭ নভেম্বর ১৮৯৮), ''দ্য টাইমস'' (১৮ নভেম্বর ১৮৯৮), পৃ. ১২এ উদ্ধৃত।
*লর্ড বিকন্সফিল্ড ছিলেন মি. গ্ল্যাডস্টোনের ঘোর শত্রু এবং সবাই তাকে 'ডিজি' বলে ডাকত। যাইহোক, এই সময় (১৮৮০) মি. গ্ল্যাডস্টোনের কাছে 'ডিজি' পুরোপুরি পরাজিত হয়েছিলেন। তাই আমাদের সবাইকে বিরোধী দলে ফেলে দেওয়া হয়েছিল এবং দেশটি খুব দ্রুত ধ্বংস হতে শুরু করেছিল। সবাই বলছিল এটি 'কুকুরের কাছে যাচ্ছে'। আর এরপর এই সবকিছুর ওপর লর্ড বিকন্সফিল্ড খুব অসুস্থ হয়ে পড়েন। তার দীর্ঘ অসুস্থতা ছিল। আর যেহেতু তিনি খুব বৃদ্ধও ছিলেন, তাই এটি তাকে মেরে ফেলে। আমি খুব উদ্বেগের সাথে দিনের পর দিন তার অসুস্থতা অনুসরণ করতাম। কারণ সবাই বলছিল যে তিনি তার দেশের জন্য কতটা ক্ষতি হবেন এবং কীভাবে অন্য কেউ মি. গ্ল্যাডস্টোনকে আমাদের সবার ওপর তার দুষ্ট ইচ্ছা প্রয়োগ করা থেকে আটকাতে পারবে না। আমি সবসময় নিশ্চিত ছিলাম লর্ড বিকন্সফিল্ড মারা যাবেন। আর অবশেষে সেই দিনটি আসে যখন আমি দেখেছি সব মানুষের মুখ খুব বিষণ্ণ ছিল কারণ তারা বলেছিল যে, একজন মহান ও চমৎকার রাষ্ট্রনায়ক, যিনি আমাদের দেশকে ভালোবাসতেন এবং রাশিয়ানদের অবজ্ঞা করতেন, র্যাডিক্যালদের অকৃতজ্ঞতার কারণে ভগ্নহৃদয়ে মারা গেছেন।
**[[উইনস্টন চার্চিল]], ''[[w:মাই আর্লি লাইফ|মাই আর্লি লাইফ]]'' (১৯৩০), পৃ. ২২
*[[w:অগাস্টা স্ট্যানলি|লেডি অগাস্টা স্ট্যানলি]], যিনি রাজদরবারের বিষয়ে একজন কর্তৃপক্ষ, আমাকে বলেছিলেন যে ডিজি প্রতিদিন রানিকে তার সেরা উপন্যাস শৈলীতে চিঠি লেখেন। তিনি তার নিজের উদ্দেশ্য সাধনের জন্য প্রতিটি রাজনৈতিক খবরের টুকরো সাজিয়ে লেখেন এবং তাকে খুশি করার জন্য প্রতিটি সামাজিক গালগল্পকে আকর্ষণীয় করে তোলেন। তিনি ঘোষণা করেন যে তিনি জীবনে কখনো এমন চিঠি পাননি, যা সম্ভবত সত্য। এবং তিনি এর আগে কখনো ''সবকিছু'' জানতেন না!
**লেডি স্যালিসবারির কাছে [[w:জর্জ ভিলিয়ার্স, ৪র্থ আর্ল অফ ক্ল্যারেন্ডন|আর্ল অফ ক্ল্যারেন্ডন]] (২৬ জুন ১৮৬৪), হার্বার্ট ম্যাক্সওয়েল, ''দ্য লাইফ অ্যান্ড লেটারস অফ জর্জ উইলিয়াম ফ্রেডেরিক, ফোর্থ আর্ল অফ ক্ল্যারেন্ডন, কেজি, জিসিবি. খণ্ড ২'' (১৯১৩), পৃ. ৩৪৬এ উদ্ধৃত।
*পেন্ডারের সাথে হাঁটা... তার নিজের বন্ধুরা, যারা বর্তমান সময় পর্যন্ত কট্টর লিবারেল... তারা বিশ্বাস করে যে গ্ল্যাডস্টোন, অর্ধেক উচ্চাকাঙ্ক্ষার বশবর্তী হয়ে এবং অর্ধেক আবেগপ্রবণ সহানুভূতির কারণে, রাষ্ট্রের সমস্ত প্রভাব নিয়োগকর্তাদের বিরুদ্ধে নিক্ষেপ করতে প্রস্তুত। কিন্তু তারা গ্ল্যাডস্টোনকে অপছন্দ করলেও ডিসরেলি সম্পর্কে সমানভাবে সন্দেহপ্রবণ ও ভীত। তারা তাকে পুঁজিবাদী শ্রেণির শত্রু মনে করে।
**[[w:এডওয়ার্ড স্ট্যানলি, ১৫শ আর্ল অফ ডার্বি|লর্ড ডার্বি]], ডায়েরি এন্ট্রি (১৮ সেপ্টেম্বর ১৮৭৩), ''আ সিলেকশন ফ্রম দ্য ডায়েরিজ অফ এডওয়ার্ড হেনরি স্ট্যানলি, ১৫শ আর্ল অফ ডার্বি (১৮২৬-৯৩) বিটুইন সেপ্টেম্বর ১৮৬৯ অ্যান্ড মার্চ ১৮৭৮'', সম্পাদক জন ভিনসেন্ট (১৯৯৪), পৃ. ১৪৪এ উদ্ধৃত।
*মধ্যবিত্ত শ্রেণির পুরুষদের প্রতি তার এক অদ্ভুত অপছন্দ রয়েছে, যদিও তারাই আমাদের দলের শক্তি।
**[[w:এডওয়ার্ড স্ট্যানলি, ১৫শ আর্ল অফ ডার্বি|লর্ড ডার্বি]], ডায়েরি এন্ট্রি (৯ জুলাই ১৮৭৭), ''আ সিলেকশন ফ্রম দ্য ডায়েরিজ অফ এডওয়ার্ড হেনরি স্ট্যানলি, ১৫শ আর্ল অফ ডার্বি (১৮২৬-৯৩) বিটুইন সেপ্টেম্বর ১৮৬৯ অ্যান্ড মার্চ ১৮৭৮'', সম্পাদক জন ভিনসেন্ট (১৯৯৪), পৃ. ৪১৬এ উদ্ধৃত।
*শতাব্দীর শুরুতে, ডিসরেলির মতে, রক্ষণশীল দল তার দার্শনিক শেকড় থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে শুকিয়ে গিয়েছিল। একের পর এক লিবারেল মন্ত্রণালয়... সম্মানজনক প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর আক্রমণকে ন্যায্যতা দেওয়ার জন্য "বিশ্বজনীন" নীতি ধার করেছিল। তবে এখন মানুষ বিদেশি মতবাদ এবং বেপরোয়া আইন নিয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়েছিল। রক্ষণশীলরা পুনরুদ্ধারে নামতে প্রস্তুত ছিল কারণ তারা নিজেদেরকে একটি জাতীয় দল হিসেবে পুনর্গঠিত করেছিল যা সম্পত্তিবান এবং শ্রমিক উভয় শ্রেণির দেশপ্রেমিক অনুভূতিকে পুষ্ট করতে সক্ষম ছিল... ডিসরেলি এবার এমন একটি দৃষ্টিভঙ্গি যুক্ত করেছিলেন, যা সমস্ত শ্রেণির কাছে আবেদনময়ী ছিল। তা হলো একটি সাম্রাজ্যের শীর্ষে আসীন ব্রিটেনের দৃষ্টিভঙ্গি। এই সাম্রাজ্য লিবারেল সরকারগুলোর উপনিবেশবাদ বিরোধী নীতির দ্বারা হুমকির মুখে পড়লেও এটি জাতীয় গর্ব এবং মহত্ত্বের আরও সমৃদ্ধ উৎস হয়ে উঠতে পারে।
**রবার্ট এক্লেসহল, ''ইংলিশ কনজারভেটিজম সিন্স দ্য রেস্টোরেশন: অ্যান ইন্ট্রোডাকশন অ্যান্ড অ্যান্থোলজি'' (১৯৯০), পৃ. ১২০
* ...এমন একজন মানুষ যিনি কখনোই পরাজিত হন না। প্রতিটি বিপর্যয়, প্রতিটি পরাজয় তার কাছে কেবল নিজের অবস্থান পুনরুদ্ধারের সুযোগ ধরার জন্য অপেক্ষা করার একটি সতর্কবার্তা মাত্র।
** [[উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন]], ম্যালকম ম্যাককলের কাছে লেখা চিঠি (১১ আগস্ট ১৮৭৭)।
* বিকন্সফিল্ডবাদের পতন একটি ইতালীয় রোমান্সের কোনো বিশাল জাঁকজমকপূর্ণ দুর্গের অদৃশ্য হওয়ার মতো।
** [[উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন]], ১৮৮০ সালের লিবারেল বিজয় সম্পর্কে।
* মৃত্যুতেও তিনি জীবনে যেমন ছিলেন তেমনই রয়ে গেছেন। সব লোকদেখানো, যার কোনো সারবস্তু নেই।
** ডিসরেলির মৃত্যুর পর, যখন জানা যায় যে তিনি তার স্ত্রীর পাশে সমাহিত হওয়ার জন্য রাষ্ট্রীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া প্রত্যাখ্যান করেছিলেন, তখন [[উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন]] এটি বলেছিলেন।
*আমি যিনি... তার মতবাদকে মিথ্যা মনে করতাম, কিন্তু সেই মানুষটিকে তার মতবাদের চেয়েও বেশি মিথ্যা মনে করতাম। আমি বিশ্বাস করি যে তিনি জনমতকে নৈতিকভাবে অধঃপতিত করেছিলেন, অসুস্থ আকাঙ্ক্ষার সাথে দরকষাকষি করেছিলেন এবং আবেগ, কুসংস্কার ও স্বার্থপর আকাঙ্ক্ষাকে উদ্দীপ্ত করেছিলেন, যাতে তারা তার প্রভাব বজায় রাখতে পারে। তিনি এর অসাংবিধানিক প্রবণতাগুলোকে অনুমোদন করে রাজমুকুটকে দুর্বল করেছিলেন এবং গণতান্ত্রিক জনপ্রিয়তার জন্য যেকোনো মূল্য দিতে প্রস্তুত হয়ে সংবিধানকে দুর্বল করেছিলেন। যিনি ব্যক্তিগতভাবে তাকে [[রবার্ট স্টুয়ার্ট, ভিসকাউন্ট ক্যাসলেরেগ|ক্যাসলেরেগের]] পর থেকে সবচেয়ে নিকৃষ্ট এবং অনৈতিক মন্ত্রী বলে মনে করেন।
**মেরি গ্ল্যাডস্টোনের কাছে লেখা একটি চিঠিতে (৭ মে ১৮৮১) [[জন ডালবার্গ-অ্যাক্টন, ১ম ব্যারন অ্যাক্টন|লর্ড অ্যাক্টন]] কর্তৃক আরোপিত [[উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন|উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোনের]] মন্তব্য। লর্ড অ্যাক্টনের ''লেটারস অফ লর্ড অ্যাক্টন টু মেরি, ডটার অফ দ্য রাইট অনারেবল ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোন'', সম্পাদক হার্বার্ট পল (১৯০৪), পৃ. ২০২এ উদ্ধৃত।
*মি. জি. সংসদে ক্রস-ফাইটিং এবং ব্যক্তিগত রেষারেষির বেশিরভাগ অংশকেই ডিসরেলির চরিত্র এবং কর্মজীবনের সংক্রমণ বলে দায়ী করেছেন বলে মনে হলো। তিনি বলেছিলেন যে তিনি তার দল এবং সামগ্রিকভাবে রাজনীতির যে ভয়ানক ক্ষতি করেছেন তা তিনি গভীরভাবে অনুভব করেন... অতীতে টোরি দলের নীতি ছিল যার দ্বারা তারা ভালো-মন্দ নির্বিশেষে দাঁড়াত। এই সবকিছু ডিজি ধ্বংস করে দিয়েছেন।
**[[w:স্টুয়ার্ট রেন্ডেল, ১ম ব্যারন রেন্ডেল|লর্ড রেন্ডেলের]] কাছে [[উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন|উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোনের]] মন্তব্য, যা রেন্ডেলের ডায়েরিতে (১৪ জানুয়ারি ১৮৯৫) লিপিবদ্ধ আছে। ''দ্য পার্সোনাল পেপারস অফ লর্ড রেন্ডেল'' (১৯২০), পৃ. ১০৮এ উদ্ধৃত।
*লেখা, কথা বলা এবং কথোপকথনে সমালোচনা ও প্রশংসার ক্ষেত্রে আমি তার চেয়ে বড় কোনো পণ্ডিতকে কখনো চিনিনি। চমৎকার সাহিত্যিক রচনার দীর্ঘ অভ্যাস, এপিগ্রাম, রূপক, বৈপরীত্য এবং এমনকি অনুপ্রাস নিয়ে কাজ করার ক্ষেত্রে তার স্বাচ্ছন্দ্য তাকে এমন এক অনন্য ক্ষমতা দিয়েছিল যার মাধ্যমে তিনি এমন সব শব্দবন্ধ তৈরি ও প্রয়োগ করতেন যা তাৎক্ষণিকভাবে জনগণের মন অধিকার করত এবং রাষ্ট্রের প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলোর কাজগুলোর ওপর প্রশংসা বা দোষারোপ যুক্ত করত। লর্ড বিকন্সফিল্ডের অবশ্যই তার নীতি, চরিত্র এবং কর্মজীবনের মাধ্যমে তার দেশবাসী এবং বিদেশিদের কল্পনার কাছে আবেদন করার ক্ষমতা ছিল, যা এমনকি মৃত্যুও নিভিয়ে দিতে পারেনি।
**[[w:গ্র্যানভিল লেভেসন-গাওয়ার, ২য় আর্ল গ্র্যানভিল|লর্ড গ্র্যানভিল]], হাউস অফ লর্ডসে [https://hansard.parliament.uk/lords/1881-05-09/debates/f2eca739-e901-4aaf-9baa-06070437e534/TheLateEarlOfBeaconsfieldKg ভাষণ] (৯ মে ১৮৮১)।
*ইংল্যান্ডে নীতিভিত্তিক রাজনীতির শেষ পর্যায়টি বেঞ্জামিন ডিসরেলির আবির্ভাবের সাথে আসে। তিনি তার গভীর জ্ঞানের অধিকারী বাবা [[আইজ্যাক ডি'ইজরেলি|আইজ্যাক ডিসরেলি]]র কাছ থেকে অনুমানমূলকভাবে চিন্তা করতে শিখেছিলেন এবং [[হেনরি সেন্ট জন, ১ম ভিসকাউন্ট বোলিংব্রোক|বোলিংব্রোকের]] নীতিগুলোর ওপর তার রাজনৈতিক সংশয়বাদ গড়ে তুলেছিলেন। ডিসরেলি ব্যর্থ হয়েছিলেন কারণ রাজনীতি সম্পর্কে তার অন্তর্দৃষ্টি ''লেসে-ফেয়ারের'' চরম সাফল্যের সাথে মিলে গিয়েছিল। সেই ব্যবস্থার ক্ষণস্থায়ী অর্থনৈতিক সুবিধাগুলো যতদিন স্থায়ী ছিল ততদিন কোনো সমালোচনাই সহ্য করেনি। ডিসরেলি এমন একটি সতর্কতামূলক ঐক্যের জন্য কাজ করেছিলেন যা সেই মুহূর্তের জন্য কোনো অর্থনৈতিক প্রয়োজন ছিল না। স্যার [[রবার্ট পিল|রবার্ট পিলের]] [[রক্ষণশীলতাবাদ]]এ তিনি একটি মধ্যবিত্ত এবং অদূরদর্শী নীতি খুঁজে পেয়েছিলেন। রক্ষণশীল দল প্রায় আজকের মতোই একই অবস্থায় ছিল, কারণ মূল্যবোধের বিভ্রান্তির মাধ্যমে সম্পূর্ণভাবে প্রতিশ্রুতিহীন থাকার কারণে এটি মধ্যপন্থী মতামতের কাছে আবেদন করছিল। এটি লিবারেল পরিস্থিতিতে টোরি মান প্রয়োগ করার চেষ্টা করেছিল এবং অনিবার্যভাবেই পরিস্থিতির কাছে মানগুলোকে বলি দিয়েছিল। নেপোলিয়নীয় যুদ্ধের পর থেকে শাসক শ্রেণিগুলো নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছিল এবং ভবিষ্যতের দিকে ভ্রুক্ষেপ না করেই শাসনের নীতিগুলো দূরে সরিয়ে রাখা হয়েছিল। ডিসরেলি ক্রমবর্ধমান [[w:সিটি অফ লন্ডন|সিটি অফ লন্ডন]]কে হুইগদের সৃষ্টি হিসেবে দেখেছিলেন এবং তিনি [[w:সংরক্ষণবাদ|সংরক্ষণবাদ]]কে সেভাবেই বুঝেছিলেন যেভাবে [[অটো ফন বিসমার্ক|বিসমার্ক]] বুঝেছিলেন এবং পরে [[জোসেফ চেম্বারলেইন]] বুঝেছিলেন। এটি ছিল জাতীয় দৃষ্টিকোণ থেকে, প্রস্তুতকারকদের দৃষ্টিকোণ থেকে নয়। ডিসরেলির কাছে ব্যালেন্স শিটের আইটেমগুলো কেবল ততটুকুই গুরুত্বপূর্ণ ছিল যতটুকু তারা জনগণের চরিত্র গঠনে সাহায্য করেছিল। তিনি ট্রেড ইউনিয়নগুলোকে বৈধতা দিয়েছিলেন এবং কেউ সহজেই অনুমান করতে পারে যে তিনি সমাজতন্ত্রের মধ্যে বিদ্রোহী টোরিবাদের নেতৃত্বহীন শক্তির বহিঃপ্রকাশ দেখতে পেয়েছিলেন। এটা সন্দেহজনক যে আগস্ট ১৯৩০ সালে তিনি এমন একটি সরকারকে জাতীয় বলতেন যা এই শক্তিগুলোর বিরোধী ছিল। ডিসরেলি এমনকি সেই দিনগুলোতেও একটি জাতীয় এবং স্থির ভিত্তিতে শিল্পকে সমন্বিত করতেন। আধুনিক শিল্পায়নে ঐক্য অর্জনের চেষ্টা করায় তিনি তার সময়ের চেয়ে ষাট বছর এগিয়ে ছিলেন। [[স্ট্যানলি বল্ডউইন|মি. বল্ডউইনের]] তুলনায় এটা মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে, ডিসরেলির দুই জাতির তত্ত্ব রাজনৈতিক সম্প্রীতির ক্ষেত্রে একটি দুর্দান্ত পরিষেবা দিতে পারত, যদি পরবর্তী রক্ষণশীলরা মধ্যবিত্ত মতামতের কাছে আবেদন করার পথ বেছে না নিতেন।
**[[w:জন গ্রিন (রেডিও প্রযোজক)|জন গ্রিন]], ''মি. বল্ডউইন: আ স্টাডি ইন পোস্ট-ওয়ার কনজারভেটিজম'' (১৯৩৩), পৃ. ১৭৪-১৭৫
*[[w:ওডো রাসেল, ১ম ব্যারন অ্যাম্পথিল|লর্ড ও. রাসেল]] বলেছিলেন যে লর্ড বিকন্সফিল্ড বার্লিনে যে প্রভাব ফেলেছিলেন তা ছিল অত্যন্ত দুর্দান্ত এবং তিনি যে চরম দক্ষতার সাথে [[w:বার্লিন কংগ্রেস|কংগ্রেসের]] বেশিরভাগ কাজ পরিচালনা করেছিলেন তা অতিরিক্ত মূল্যায়ন করা অসম্ভব। অন্য প্রতিনিধিরা স্পষ্টতই তাকে ভয় পেতেন এবং সেখানে সমবেত বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে অন্য কারও প্রতি এত কৌতূহল বা এত সম্মান দেখানো হয়নি।
**[[w:এডওয়ার্ড ওয়াল্টার হ্যামিল্টন|এডওয়ার্ড ওয়াল্টার হ্যামিল্টন]], ডায়েরি এন্ট্রি (৪ নভেম্বর ১৮৮০), ''দ্য ডায়েরি অফ স্যার এডওয়ার্ড ওয়াল্টার হ্যামিল্টন, ১৮৮০-১৮৮৫। খণ্ড ১, ১৮৮০-১৮৮২'', সম্পাদক ডাডলি বাহলম্যান (১৯৭২), পৃ. ৭০এ উদ্ধৃত।
*আগের সময়ের জন্য ডিসরেলি নিশ্চিতভাবেই ধ্রুপদী উদাহরণ হবেন। তবে এটা বলা কঠিন হবে যে ডিসরেলি কখনো কোনো বুদ্ধিবৃত্তিক এজেন্ডা অনুসরণ করেছিলেন বা তার রাজনৈতিক উদ্যোগগুলোতে তার উদ্দেশ্যগুলো পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়েছিল। কী সম্ভব এবং কী প্রয়োজন, সে সম্পর্কে তার অসাধারণ তীক্ষ্ণ রাজনৈতিক প্রবৃত্তি ছিল। অর্থাৎ আপনি যদি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোকে যেমন আছে তেমনই রাখতে চান তবে কতটা পরিবর্তনের প্রয়োজন তা তিনি বুঝতে পারতেন। এই দিক থেকে ডিসরেলি হলেন ইংরেজি ইতিহাসের এডমন্ড বার্ক–থমাস ম্যাকোলে সংস্করণের জীবন্ত প্রতিমূর্তি: এটি এমন একটি গল্প যেখানে দেশটি শত শত বছর ধরে বড় ধরনের পরিবর্তন এড়াতে ধারাবাহিকভাবে এবং সফলভাবে ছোটখাটো সমন্বয় সাধন করে।<br>তবে অবশ্যই, "ছোটখাটো" এবং "বড়" বলতে আপনি কী বোঝাতে চাইছেন তার ওপর সবকিছু নির্ভর করে। ডিসরেলি ১৮৬৭ সালের দ্বিতীয় সংস্কার আইনের জন্য দায়ী ছিলেন যা ভোটার তালিকায় দশ লক্ষ ভোটার যোগ করেছিল। আমরা যদি ধরেও নিই যে এটিও ছিল রাজনৈতিক সেফটি ভালভ খোলার একটি হিসাব-নিকাশ করা পদক্ষেপ—যা আরও চরম সংস্কারের জন্য জনপ্রিয় দাবিগুলোকে প্রতিহত করার উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছিল—তবুও এটি স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি রাজনৈতিক বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দেয়। ডিসরেলি ছিলেন প্রথম রক্ষণশীল রাজনীতিবিদ যিনি ব্যাপক নির্বাচনী সমর্থনের সম্ভাবনাগুলো বুঝতে পেরেছিলেন এবং বুঝতে পেরেছিলেন যে গণতন্ত্রের কারণে একটি শাসক অভিজাত শ্রেণির মূল ক্ষমতা ক্ষুণ্ণ হওয়ার প্রয়োজন নেই। একজন বিশ্বশক্তি হিসেবে টিকে থাকতে হলে ব্রিটেনকে কতটা পরিবর্তন হতে হবে তা প্রাথমিক পর্যায়েই উপলব্ধি করার ক্ষেত্রেও তিনি তার মধ্য-ভিক্টোরীয় সমসাময়িকদের মধ্যে অসাধারণ ছিলেন।
**[[টনি জুড]], টনি জুড এবং টিমোথি স্নাইডারের ''থিংকিং দ্য টুয়েন্টিয়েথ সেঞ্চুরি'' (২০১২), অধ্যায় ২. লন্ডন এবং ভাষা: ইংরেজি লেখক।
*তার মৃত্যুর দিন পর্যন্ত "ইংল্যান্ডের জমির মালিকদের স্বার্থ" তার ভক্তির বস্তু ছিল। আর এর ওপরই তিনি প্রতিনিয়ত বজায় রেখেছিলেন যে ইংল্যান্ডের মহত্ত্ব গড়ে উঠেছে। এখান থেকেই [[মুক্ত বাণিজ্য]] এবং [[w:সংরক্ষণবাদ|সংরক্ষণবাদ]] সম্পর্কে তার মতামত এসেছে।
**[[w:টি. ই. কেবেল|টি. ই. কেবেল]], 'ভূমিকা', ''সিলেক্টেড স্পিচেস অফ দ্য লেট রাইট অনারেবল দ্য আর্ল অফ বিকন্সফিল্ড, খণ্ড ১'' (১৮৮২), পৃ. ১৫
*লর্ড বিকন্সফিল্ড গত একশ বছরের তিন মহান টোরি মন্ত্রীর একজন ছিলেন... বাকি দুজন হলেন স্যার [[রবার্ট পিল]] এবং [[উইলিয়াম পিট দ্য ইয়ঙ্গার|মি. পিট]]... পিট রাজা এবং অভিজাতদের মধ্যে বিবাদের প্রায় অবসান ঘটিয়েছিলেন এবং সংসদের হুইগ মতবাদের সাথে রাজতন্ত্রের টোরি মতবাদের সমন্বয় সাধন করেছিলেন। পিল সংস্কার বিল দ্বারা প্রতিষ্ঠিত নতুন শাসনব্যবস্থার সাথে টোরিবাদকে মানিয়ে নিয়েছিলেন এবং তার নাম সর্বদা মধ্যবিত্ত সংস্কারের অগ্রগতির সাথে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। লর্ড বিকন্সফিল্ড টোরিবাদকে পরবর্তী পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছিলেন এবং আমাদের সমাজ ব্যবস্থার সেই ব্যবধানটি বন্ধ করাকে তার জীবনের ব্রত বানিয়েছিলেন, যা তিনি মনে করতেন উনিশ শতকের দ্বিতীয় প্রান্তিকে ধীরে ধীরে প্রশস্ত হচ্ছিল। আর শ্রমিক শ্রেণিকে রাজতন্ত্র, চার্চ এবং অভিজাত শ্রেণির সাথে পুনর্মিলন করানো তার লক্ষ্য ছিল।
**[[w:টি. ই. কেবেল|টি. ই. কেবেল]], ''আ হিস্ট্রি অফ টোরিজম'' (১৮৮৬), পৃ. ৩৩৪-৩৩৫
*তিনি কখনোই [[w:১৮৩২ সালের সংস্কার আইন|১৮৩২ সালের সংস্কার বিল]] দ্বারা প্রতিষ্ঠিত নতুন শাসনব্যবস্থাকে আন্তরিকতার সাথে গ্রহণ করেননি। প্রাচীন ও বর্ণাঢ্য বংশোদ্ভূত হিসেবে তিনি একটি প্রকৃত অভিজাত শ্রেণির প্রতি সহানুভূতিশীল হতে পারতেন। একজন স্বনির্মিত মানুষ হিসেবে... তিনি শ্রমিকের প্রতি সহানুভূতিশীল হতে পারতেন। কিন্তু মহান "মধ্যস্বত্বভোগী" বা মহান মধ্যবিত্ত শ্রেণির প্রতি তার সহানুভূতি ছিল খুবই সামান্য, যাদের দীর্ঘকাল ধরে ইংরেজি জীবনের মেরুদণ্ড হিসেবে দেখা হতো। আমি মনে করি এখানেই তার সমগ্র নীতির চাবিকাঠি নিহিত... তিনি ১৮৩৯ সালে লুই ফিলিপের সিংহাসন সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে বলেছিলেন, "মধ্যবিত্ত রাজতন্ত্রের প্রতি আমার কোনো বিশ্বাস নেই"। তিনি দেখেছিলেন যে পুরোনো অভিজাত শাসনব্যবস্থায়, এর সমস্ত বাহ্যিক অসঙ্গতি এবং তার ব্যঙ্গ করা সমস্ত কল্পকাহিনী সত্ত্বেও, নির্দিষ্ট নীতিগুলোর প্রতিনিধিত্ব ছিল এবং ক্ষমতার বড় উপাদান ছিল। তিনি এমন একটি মহান জনপ্রিয় রাজতন্ত্রের স্থিতিশীলতা সম্পর্কেও একই বিশ্বাস করতেন যা মানুষের ভালোবাসা এবং আনুগত্যের ওপর প্রতিষ্ঠিত, যেমনটি তিনি [[w:টিউডর যুগ|টিউডর]] রাজতন্ত্রকে মনে করতেন। কিন্তু তিনি স্পষ্টতই শুধুমাত্র একটি আপসের ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত এবং শুধুমাত্র পুঁজিপতিদের স্বার্থপর প্রবৃত্তির কাছে আবেদন করা প্রতিষ্ঠানগুলোর স্থিতিশীলতায় বিশ্বাস করতেন না।
**[[w:টি. ই. কেবেল|টি. ই. কেবেল]], ''আ হিস্ট্রি অফ টোরিজম'' (১৮৮৬), পৃ. ৩৩৫-৩৩৬
*তিনি ছিলেন অভিজাতদের অভিজাত। রাজনৈতিক ক্ষমতাকে জন্ম ও সম্পত্তির নীতি থেকে বিচ্ছিন্ন করার কোনো ধারণাই তার ছিল না। তিনি সবসময় ইংল্যান্ডের গ্রামীণ ভদ্রলোকদের গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর স্বাভাবিক নেতা হিসেবে বলতেন। তার ভাষণ এবং লেখা উভয় ক্ষেত্রেই তিনি যাকে "আঞ্চলিক সংবিধান" বলতেন তার সুবিধাগুলো নিয়ে আলোচনা করতে পছন্দ করতেন। আর সম্ভবত তিনি প্রথম [[w:১৮৩২ সালের সংস্কার আইন|সংস্কার বিলের]] পরবর্তী পঞ্চাশ বছরে এতে যে অনুপ্রবেশ ঘটেছিল তার জন্য সবসময় যথেষ্ট ছাড় দেননি। অন্তত, এই বিষয়ে তার ভাষা আমার মনে এই ধারণাই তৈরি করেছে। ইংরেজি অভিজাতদের নিয়ে তার ব্যঙ্গ তাদের একটি খুব ছোট অংশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল, যদিও তা প্রায়শই সাধারণভাবে অভিজাতদের প্রতি অবজ্ঞা হিসেবে ভুল বোঝা হতো। এর চেয়ে বড় ভুল আর কিছু হতে পারে না। তিনি নিজেকে এমন একটি বংশলতিকার অধিকারী বলে বিশ্বাস করতেন যার তুলনায় খ্রিষ্টান জগতের প্রাচীনতম পরিবারগুলোর বংশলতিকাগুলোও যেন গতকালের জিনিস।
**[[w:টি. ই. কেবেল|টি. ই. কেবেল]], ''লর্ড বিকন্সফিল্ড অ্যান্ড আদার টোরি মেমোরিজ'' (১৯০৭), পৃ. ৬৫-৬৬
*তার চেহারার একটি উজ্জ্বল স্মৃতি আজও আমার মনে আছে—তার কালো কোঁকড়ানো চুল, তার কৃত্রিম আচার-আচরণ এবং তার কিছুটা অদ্ভুত পোশাক... তিনি তার অসাধারণ এবং জমকালো পোশাক দিয়ে আমার বিস্ময়—সম্ভবত আমার প্রশংসা—জাগিয়ে তুলেছিলেন। তিনি সবচেয়ে জমকালো রঙের এবং সবচেয়ে অদ্ভুত নকশার কোট পরতেন, যার সাথে প্রচুর সোনার সূচিকর্ম, মখমলের প্যান্ট এবং লাল গোলাপের নকশা করা জুতো থাকত।
**[[w:অস্টেন হেনরি লেয়ার্ড|অস্টেন হেনরি লেয়ার্ড]], ''অটোবায়োগ্রাফি অ্যান্ড লেটারস ফ্রম হিজ চাইল্ডহুড আনটিল হিজ অ্যাপয়েন্টমেন্ট অ্যাজ এইচ.এম. অ্যাম্বাসেডর অ্যাট মাদ্রিদ, খণ্ড ১'' (১৯০৩), পৃ. ১৮, ৪৯
*যে ঔপন্যাসিককে পুনরুজ্জীবিত করা হয়নি তিনি হলেন ডিসরেলি। তবে, তিনি মহান ঔপন্যাসিকদের একজন না হলেও তিনি এতটাই প্রাণবন্ত এবং বুদ্ধিমান যে অন্তত ''কনিংসবি'', ''সিবিল'' এবং ''ট্যানক্রেড'' ত্রয়ীতে তার স্থায়ী মূল্যায়ন প্রাপ্য। এই বইগুলোতে তার নিজের আগ্রহগুলো—একজন অত্যন্ত বুদ্ধিমান রাজনীতিবিদের আগ্রহ যার সমাজবিজ্ঞানীর মতো তার সময়ের সভ্যতা ও এর গতিবিধি বোঝার ক্ষমতা রয়েছে—খুবই পরিণত।
**[[এফ. আর. লিভিস]], ''দ্য গ্রেট ট্র্যাডিশন'' (১৯৪৮), পৃ. ১, টীকা ১
*খুব কম গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলই তাদের প্রতিপক্ষের সততা, দেশের প্রতিষ্ঠানের প্রতি ভক্তি এবং দেশপ্রেমকে এত সুশৃঙ্খল এবং নির্মমভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পেরেছে। এই যুক্তির দৃষ্টান্ত হিসেবে ১৮৭২ সালে ক্রিস্টাল প্যালেসে ডিসরেলির ভাষণ দিয়ে শুরু করা যুক্তিসঙ্গত, যা একজন রক্ষণশীল নেতার দেওয়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জনসমক্ষে দেওয়া ভাষণগুলোর একটি। তিনি যুক্তি দিয়েছিলেন... যে রক্ষণশীল দলের ত্রিমুখী উদ্দেশ্য হলো "দেশের প্রতিষ্ঠানগুলো বজায় রাখা..., ইংল্যান্ডের সাম্রাজ্য সমুন্নত রাখা... [এবং] জনগণের অবস্থার উন্নতি করা।" দ্বিতীয় রক্ষণশীল উদ্দেশ্যের ঘোষণার মাধ্যমেই দলটি সাম্রাজ্যের দল এবং বস্তুত সাম্রাজ্যবাদের দলে পরিণত হওয়ার প্রথম বড় পদক্ষেপ নিয়েছিল... ডিসরেলি কর্তৃক সাম্রাজ্যকে একটি অনন্য রক্ষণশীল কারণ হিসেবে বেছে নেওয়ার পরপরই যখন সাম্রাজ্যিক ও বৈদেশিক বিষয়ে লিবারেলদের দৃষ্টিভঙ্গির উল্লেখ করা হয়, তখন দলীয় সাহিত্যে একটি ক্রমবর্ধমান তীক্ষ্ণ সুর প্রবেশ করে।
**[[w:রবার্ট ম্যাকেঞ্জি (ভোটবিজ্ঞানী)|রবার্ট ম্যাকেঞ্জি]] এবং অ্যালান সিলভার, ''অ্যাঞ্জেলস ইন মার্বেল: ওয়ার্কিং ক্লাস কনজারভেটিভস ইন আরবান ইংল্যান্ড'' (১৯৬৮), পৃ. ৪৯-৫১
*[[w:বার্লিন কংগ্রেস|বার্লিন কংগ্রেস]] একভাবে প্রধানমন্ত্রীর কর্মজীবনের একটি উপযুক্ত চূড়ান্ত পরিণতি ছিল। [[w:মহান পূর্ব সংকট|পূর্বাঞ্চলীয় সংকটের]] শুরু থেকেই তিনি ব্রিটেনের মহত্ত্বের জন্য তার ভাবমূর্তির জন্য লড়াই করেছিলেন... তার দেশের প্রতি অনুভূতি সম্ভবত তার অন্য যেকোনো অনুভূতির মতোই শক্তিশালী এবং গভীর ছিল। বার্লিন থেকে ফিরে আসার পর ইংল্যান্ডে তাকে যে উৎসাহ ও স্নেহের সাথে গ্রহণ করা হয়েছিল তা এর আংশিক স্বীকৃতি ছিল। তিনি এবং স্যালিসবারি যদি সম্মানের সাথে শান্তি না-ও আনতেন, তবে অন্তত মর্যাদার সাথে শান্তি নিশ্চিত করেছিলেন। এটি পনেরো বছরের একটি সময়কালের সমাপ্তি চিহ্নিত করেছিল যে সময়ে ইংল্যান্ডের নীতি এবং অবস্থান প্রায়শই আত্মগোপন, বিব্রতকর অবস্থা এবং অপমানের দ্বারা চিহ্নিত ছিল। অনেকের জন্যই জাতীয় শক্তি এবং উদ্দেশ্যের একটি শক্তিশালী দাবি দীর্ঘ খরার পর স্বস্তির সুধা ছিল। যেকোনো একক ব্যক্তির কাজ হিসেবে এই দাবি যদি কারো অবদান হয়, তবে তা ছিল বিকন্সফিল্ডের।
**[[w:রিচার্ড মিলম্যান (ইতিহাসবিদ)|রিচার্ড মিলম্যান]], ''ব্রিটেন অ্যান্ড দ্য ইস্টার্ন কোয়েশ্চেন, ১৮৭৫-১৮৭৮'' (১৯৭৯), পৃ. ৪৬০-৪৬১
*'গ্ল্যাডস্টোন কেন একটি দূরবীনের মতো?' টোরি মহলে এই ধাঁধাটি খুব জনপ্রিয় ছিল। 'কারণ ডিসরেলি তাকে টেনে বের করেন, তার ভেতর দিয়ে দেখেন এবং তাকে বন্ধ করে দেন।'
**উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকল, ''দ্য লাইফ অফ বেঞ্জামিন ডিসরেলি, আর্ল অফ বিকন্সফিল্ড। খণ্ড ২: ১৮৬০-১৮৮১'' (১৯২৯), পৃ. ২৯৯
*তিনি একজন মহান রাষ্ট্রনায়ক ছিলেন। গণতন্ত্র সম্পর্কে তার দৃষ্টিভঙ্গি, তার সংস্কার বিল, আমেরিকান গৃহযুদ্ধ নিয়ে তার মতামতগুলো দেখুন। আর তার সাহস দেখুন! ইহুদিদের পক্ষ সমর্থন করে দেওয়া তার ভাষণ—[[প্রথম আর্ল রাসেল, জন রাসেল|লর্ড জন রাসেল]] ভাষণ দেওয়ার সময় ঠিক উল্টোদিকে বসে ছিলেন। তিনি সামনের সারিতে বসা তার প্রতিবেশীদের দিকে ফিরে বললেন, "কী সাহস! তার চারপাশে টোরি বেঞ্চগুলোতে এমন একজন মানুষও নেই যে তার প্রতিটি কথার বিরোধিতা করে না।"
**[[w:জন হার্টম্যান মরগান|জন হার্টম্যান মরগানের]] কাছে [[জন মর্লি|জন মর্লির]] মন্তব্য (২৯ জুন ১৯১৩), জে. এইচ. মরগানের ''জন, ভিসকাউন্ট মর্লি: অ্যান অ্যাপ্রিসিয়েশন অ্যান্ড সাম রেমিনিসেন্সেস'' (১৯২৪), পৃ. ৮৮এ উদ্ধৃত।
*লর্ড বিকন্সফিল্ডের রাজনীতির প্রকৃত দৃষ্টিভঙ্গি কী ছিল তা বলা খুব কঠিন। তবে আমার নিজের ধারণা হলো যে তিনি অভিজাততন্ত্র দ্বারা শাসনের ঐতিহ্যের প্রতি গভীরভাবে অনুরাগী ছিলেন। এর রোমান্টিক দিকটি তার কল্পনা ও প্রকৃতিকে আকৃষ্ট করেছিল। অন্তরে আমার মনে হয় তিনি একধরনের উচ্ছৃঙ্খল জনতার শাসনের চূড়ান্ত জয়কে ভয় পেতেন, যার আগমন বিলম্বিত করা সর্বদা তার উদ্দেশ্য ছিল। নিঃসন্দেহে তার শেষ বছরগুলোতে তিনি ভবিষ্যৎ সম্পর্কে অত্যন্ত হতাশাবাদী ছিলেন। ঠিক বা ভুল যা-ই হোক না কেন, ইংরেজি গণতন্ত্রের রাজনৈতিক বিচক্ষণতার ওপর তার বিশেষ কোনো আস্থা ছিল না, যার রায় নীতিহীন এবং চটকদার আন্দোলনকারীদের দ্বারা সহজেই প্রভাবিত হতে পারে বলে তিনি মনে করতেন।
**[[w:লেডি ডরোথি নেভিল|লেডি ডরোথি নেভিল]], ''লিভস ফ্রম দ্য নোট-বুকস অফ লেডি ডরোথি নেভিল'', সম্পাদক রালফ নেভিল (১৯০৭), পৃ. ৭৫
*আমার দৃষ্টিভঙ্গি সম্ভবত একজন ডিসরেলি ঘরানার রক্ষণশীলের দৃষ্টিভঙ্গি—একটি শক্তিশালী পররাষ্ট্র নীতি, জাতি যে মৌলিক মূল্যবোধগুলোতে বিশ্বাস করে তার প্রতি দৃঢ় আনুগত্য এবং সেই মূল্যবোধগুলো সংরক্ষণ করা ও ধ্বংসাত্মক না হওয়া। তবে এর সাথে সংস্কার যুক্ত থাকা—এমন সংস্কার যা কাজ করবে, ধ্বংস করবে না।
**[[রিচার্ড নিক্সন]], হেনরি পাওলুচির 'আমেরিকাস ভেরি ওন ডিসরেলিস'এ উদ্ধৃত, ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'' (১২ ডিসেম্বর ১৯৭২), পৃ. ৪৭
* সবার দ্বারা উপহাসের পাত্র হওয়ার পর ডিসরেলি যে ক্ষমতা অর্জন করেছিলেন, তার চেয়ে অসাধারণ দৃশ্য আর নেই। তার মৃত্যুর এত বছর পরও তিনি তা ধরে রেখেছেন এবং প্রয়োগ করছেন। আমার মনে হয় তার সবচেয়ে শক্তিশালী জাদুকরী ওষুধ ছিল তার তোষামোদ। তিনি তার সার্বভৌম, তার দল এবং স্বয়ং জাতিকে তার সমস্ত জমকালো বাগ্মিতা এবং সূক্ষ্ম পরামর্শ দিয়ে তোষামোদ করেছিলেন, যার তিনি একজন প্রশংসনীয় কারিগর ছিলেন।
** [[উইডা]], {{cite book|chapter=Joseph Chamberlain|chapter-url=https://archive.org/details/criticalstudies00ouiduoft/page/n184/mode/2up|title=Critical Studies|year=1900|pages=165–179}} (পৃ. ১৭৫ থেকে উদ্ধৃতি)।
*আমাদের সমস্ত প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে ডিসরেলিই একমাত্র যিনি একটি রাজনৈতিক বিশ্বাস প্রতিষ্ঠা করেছেন... ডিসরেলি, যিনি বাহাত্তর বছর আগে মারা গেছেন, তিনি আজও একটি মহান রাজনৈতিক আন্দোলনকে অনুপ্রাণিত করেন এবং এমন এক স্নেহপূর্ণ শ্রদ্ধার উদ্রেক করেন যা সময়ের সাথে কমার বদলে বরং বৃদ্ধি পায়... যারা তাকে খুব কমই চিনতেন বা যাদের কাছে তিনি কেবলই ইতিহাসের একটি চরিত্র ছিলেন, তারা তার লেখাগুলোতে—উপন্যাস, ভাষণ, প্রবন্ধ, বিশেষ করে তার প্রথম ও মধ্য বয়সের লেখাগুলোতে—বিশুদ্ধ শিক্ষা এবং আনন্দের এক ভান্ডার খুঁজে পেয়েছেন। নীতি ও অনুশীলন, চিন্তা ও কাজের মধ্যে পূর্বে লুকানো একটি ধারাবাহিকতা এবং সংযোগ সেখানে প্রকাশিত হয়েছে। [[w:যিহোশূয়|যিহোশূয়ের]] মতো তিনিও একই সাথে নবী এবং অধিনায়ক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলেন... ডিসরেলির দুটি বৈশিষ্ট্য যা নির্দিষ্টভাবে ইহুদি, তা তার চিন্তাভাবনার দীর্ঘস্থায়ী গুরুত্ব বোঝাতে সাহায্য করে। সেগুলো হলো সেই বৈশিষ্ট্য যা সিডোনিয়ার মধ্যে উদাহরণ হিসেবে দেখা যায়। সিডোনিয়া হলো ডিসরেলির উপন্যাসগুলোতে আত্ম-চিত্রায়ণের সবচেয়ে কাছাকাছি চরিত্র। সেগুলো হলো বুদ্ধিবৃত্তিক বিচ্ছিন্নতা এবং জাতিতত্ত্বে বিশ্বাস... আদর্শ ইংরেজ যুবক কনিংসবিকে সিডোনিয়া বলেন, "জাতিই সবকিছু।" এরপর তিনি ইহুদি এবং ইংরেজ "জাতিগুলোর" মধ্যে সমান্তরাল বিস্তারের দিকে এগিয়ে যান, যারা তাদের প্রবৃত্তি দ্বারা স্ব-স্ব ভাগ্যের পথে পরিচালিত হয়... এটা আমাদের কাছে কাল্পনিক এবং অনেকটা হিটলারের মতো শোনায়। তবে কেবল তখনই যদি আমরা বুঝতে ব্যর্থ হই যে ব্রিটেন এবং যিহূদার মধ্যে একটি সমান্তরাল তৈরি করার আকাঙ্ক্ষা ডিসরেলিকে "জাতি" বলতে প্ররোচিত করেছিল যেখানে আমরা হয়তো "রাষ্ট্র" বলতাম। ঘটনাক্রমে, "জাতি"র এমন অর্থ রয়েছে যা আমাদের দাদাদের কাছে ছিল না। "প্রবৃত্তি" শব্দটি আমরা ব্যবহার করতাম, কারণ জীববিজ্ঞান এবং নৃবিজ্ঞান আমাদের চিন্তাভাবনা ও ভাষার নতুন শ্রেণিবিভাগ দিয়েছে। ডিসরেলি দাবি করতেন যে তিনি "ফেরেশতাদের পক্ষে" আছেন। কিন্তু যখন তিনি "জাতির প্রবৃত্তির ওপর নির্ভর করা"র কথা বলতেন, তখন তিনি মূলত বিবর্তনের ধারণাগুলো নিয়েই কাজ করছিলেন।
**[[ইনোক পাওয়েল]], 'ডিসরেলি', ''অবজেক্টিভ'' (জানুয়ারি ১৯৫৪), ''রিফ্লেকশনস অফ আ স্টেটসম্যান: দ্য রাইটিংস অ্যান্ড স্পিচেস অফ ইনোক পাওয়েল'' (১৯৯১), পৃ. ২৮৫-২৮৬এ উদ্ধৃত।
*দুটি উপন্যাস ''কনিংসবি'' এবং ''সিবিলে''র প্রতিটিতে আরও দুটি বিষয় মূল রূপক—একটি পুনর্মিলিত জাতি এবং একটি উন্নীত শ্রমিক শ্রেণি—এর সাথে জড়িয়ে আছে। এই বিষয়গুলো ডিসরেলির রাজনৈতিক চিন্তাভাবনা থেকে কখনো দূরে ছিল ঘন ছিল না এবং পরবর্তী উপন্যাসগুলোতে... সেগুলো মূল বিষয় হয়ে উঠবে। এগুলো হলো জাতি এবং চার্চ... সম্ভবত এই কথাগুলোর মধ্যেই সেই রাজনৈতিক মিশন নিহিত যা অর্জনের জন্য বহুমুখী ও রহস্যময় চরিত্রের অধিকারী বেঞ্জামিন ডিসরেলি নিজেকে সত্যিই ডাকা হয়েছে বলে মনে করতেন: ইংরেজদের তাদের জাতীয়তাবাদ শেখানো... ডিসরেলি প্রবৃত্তির ওপর বিশ্বাসের খাঁটি টোরি সুর তুলে ধরেছেন—কোনো নিরাকার ও বিমূর্ত প্রবৃত্তি নয় বরং একটি সমজাতীয় মানুষের জাতীয় প্রবৃত্তি। যখন জিজ্ঞাসা করা হয় যে যারা রক্ষণশীল নীতি জানতে চায় তাদের কী উত্তর দেওয়া হবে, তখন একটি ''পাঞ্চ'' কার্টুনে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ডিসরেলি বলেন, "তাদের বলুন যে আমরা একটি প্রাচীন মানুষের মহৎ প্রবৃত্তির ওপর নির্ভর করব।"
**[[ইনোক পাওয়েল]], 'ডিসরেলিস ওয়ান নেশন', বিবিসি রেডিও (১৯ এপ্রিল ১৯৮১), ''রিফ্লেকশনস অফ আ স্টেটসম্যান: দ্য রাইটিংস অ্যান্ড স্পিচেস অফ ইনোক পাওয়েল'' (১৯৯১), পৃ. ২৮৮-২৯০এ উদ্ধৃত।
* এই তো সেই মানুষ, যিনি ঘোড়দৌড় চালিয়েছেন, যিনি সময় নিয়েছেন, যিনি সময়মতো সব করেছেন এবং যিনি এই কাজ সম্পন্ন করেছেন!
** [[w:ম্যাথিউ হোয়াইট রিডলি, ১ম ভিসকাউন্ট রিডলি|স্যার ম্যাথিউ রিডলি]] কর্তৃক [[w:১৮৬৭ সালের সংস্কার আইন|১৮৬৭ সালের সংস্কার আইন]] পাসের পর (১২ এপ্রিল ১৮৬৭) [[w:কার্লটন ক্লাব|কার্লটন ক্লাব]]এ ডিসরেলির সম্মানে পানপাত্র উত্তোলন। উইলিয়াম ফ্লাভেল মনপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকল, ''দ্য লাইফ অফ বেঞ্জামিন ডিসরেলি, আর্ল অফ বিকন্সফিল্ড। খণ্ড ২। ১৮৬০-১৮৮১'' (১৯২৯), পৃ. ২৬৭এ উদ্ধৃত।
*ইংল্যান্ডের মহত্ত্বের প্রতি উদ্দীপনা ছিল তার জীবনের আবেগ... এই দেশের মানুষ বুঝতে পেরেছিল যে এই আকাঙ্ক্ষা কতটা জোরালোভাবে তার কাজগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করত। আর তারা তাকে ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার মাধ্যমে এর প্রতিদান দিয়েছিল। এটি নির্দিষ্ট গৃহীত নীতি সম্পর্কে তাদের মতামতের ওপর নির্ভর করত না বা এর সাথে কোনো সম্পর্কও ছিল না। মাই লর্ডস, এটিই ছিল তাদের অনুরাগের প্রতি তার মহান অধিকার—সর্বোপরি তিনি ইংল্যান্ডকে ঐক্যবদ্ধ, শক্তিশালী এবং মহান দেখতে চেয়েছিলেন।
**[[রবার্ট গ্যাসকোয়েন-সেসিল, ৩য় মার্কুইস অফ স্যালিসবারি|লর্ড স্যালিসবারি]], হাউস অফ লর্ডসে [https://api.parliament.uk/historic-hansard/lords/1881/may/09/the-late-earl-of-beaconsfield-kg ভাষণ] (৯ মে ১৮৮১)।
*দলের জন্য ডিসরেলির অন্যতম প্রধান উত্তরাধিকার ছিল "সাম্রাজ্যের দল" হিসেবে দলের অবস্থান পুনর্দখল করা... পামারস্টনের মৃত্যুর পর ডিসরেলি সাম্রাজ্যকে সমর্থন করার এবং ব্রিটেনের সম্মান বৃদ্ধির একটি সুযোগ দেখেছিলেন। আর তিনি এই সুযোগের প্রতিটি বিন্দু কাজে লাগিয়েছিলেন... দেশপ্রেমের জন্য ক্রমবর্ধমান জনগণের দাবি অনুভব করে, ডিসরেলি ১৮৭২ সালে ম্যানচেস্টার এবং ক্রিস্টাল প্যালেসে তার ভাষণগুলো ব্যবহার করে তার দলের জন্য একটি সাহসী সাম্রাজ্যিক দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছিলেন। ১৮৭৪ সালের পর পদে থাকাকালীন সাম্রাজ্যের প্রতি ডিসরেলির প্রতিশ্রুতি অব্যাহত ছিল। পরের বছর তিনি [[w:সুয়েজ কোম্পানি (১৮৫৮-১৯৯৭)|সুয়েজ ক্যানাল কোম্পানি]]র প্রায় অর্ধেক শেয়ার কেনার দুঃসাহসিক পদক্ষেপ নিয়েছিলেন... ১৮৭৬ সালে ডিসরেলি [[যুক্তরাজ্যের ভিক্টোরিয়া|ভিক্টোরিয়া]]কে "ভারতের সম্রাজ্ঞী" উপাধি দিয়ে তার "ফেয়ারি কুইন"এর সাথে তার উষ্ণ সম্পর্ক সুদৃঢ় করেছিলেন। [[উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন|গ্ল্যাডস্টোন]] এই পদক্ষেপকে স্পষ্টভাবে "অ-ইংরেজিসুলভ" বলে নিন্দা করেছিলেন। তবে এটি তাৎক্ষণিকভাবে রাজতন্ত্রের মর্যাদা বাড়িয়ে দিয়েছিল এবং ভারত সাম্রাজ্যের "মুকুটের রত্ন" হয়ে উঠেছিল।
**[[w:অ্যান্থনি সেলডন|অ্যান্থনি সেলডন]] এবং [[w:পিটার স্নোডন|পিটার স্নোডন]], ''দ্য কনজারভেটিভ পার্টি: অ্যান ইলাস্ট্রেটেড হিস্ট্রি'' (২০০৪), পৃ. ৩২
*ম্যানচেস্টারে [১৮৭২ সালে] ডিসরেলির উল্লেখযোগ্য অর্জন ছিল সামাজিক সংস্কার এবং সাম্রাজ্যের ওপর নতুন জোরের সাথে সাংবিধানিক রক্ষণশীলতাবাদের পুরোনো মতবাদগুলোকে সুবিধাজনকভাবে মিশ্রিত করা... সেখানে একটি আরও বেশি উল্লেখযোগ্য মতামত ছিল যারা একটি ইউরোপীয় শক্তি হিসেবে ব্রিটেনের পতনে হতবুদ্ধি এবং ক্ষুব্ধ ছিল এবং তাদের সান্ত্বনা ও আশ্বাসের খুব প্রয়োজন ছিল। "সান্ত্বনা" বা "ক্ষতিপূরণ"এর মতো শব্দ ব্যবহার না করেই ডিসরেলি "জাতীয়" জনসাধারণের কাছে সাম্রাজ্যকে ঠিক সেই উদ্দেশ্যেই প্রস্তাব করার খুব কাছাকাছি গিয়েছিলেন... ডিসরেলি [১৮৭২ সালে ক্রিস্টাল প্যালেসে] "টোরি দল, বা আমি যাকে জাতীয় দল বলার সাহস করব"এর "তিনটি মহান উদ্দেশ্য" বিশ্লেষণ করতে এগিয়ে যান। এগুলো হলো দেশের প্রতিষ্ঠানগুলো বজায় রাখা, সাম্রাজ্য সমুন্নত রাখা এবং জনগণের অবস্থার উন্নতি করা।
**[[w:রিচার্ড শ্যানন (ইতিহাসবিদ)|রিচার্ড শ্যানন]], ''দ্য এজ অফ ডিসরেলি, ১৮৬৮-১৮৮১: দ্য রাইজ অফ টোরি ডেমোক্র্যাসি'' (১৯৯২), পৃ. ১৪০-১৪১
*তারা বলে, এবং সত্যি কথাই বলে, লোকটি কী দারুণ অভিনেতা!—তবুও চূড়ান্ত ধারণাটি সম্পূর্ণ আন্তরিকতা এবং অসংরক্ষণের। গ্রান্ট ডাফ তাকে একজন ভিনদেশি বলে মেনে নেবেন। ইংল্যান্ডের সাথে তার কী সম্পর্ক বা ইংল্যান্ডের সাথে তার কী সম্পর্ক? ঠিক এখানেই তারা ভুল করে। হুইগ বা র্যাডিক্যাল বা টোরি হয়তো খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ নয়; কিন্তু এই শক্তিশালী ভেনিস—এই সাম্রাজ্যিক প্রজাতন্ত্র যেখানে কখনো সূর্য অস্ত যায় না—সেই দৃষ্টিভঙ্গি তাকে মুগ্ধ করে, অথবা আমি সম্পূর্ণ ভুল। ইংল্যান্ড হলো তার কল্পনার ইসরায়েল এবং সে সুযোগ পেলে মারা যাওয়ার আগেই সাম্রাজ্যিক মন্ত্রী হবে।
**[[w:জন স্কেলটন (লেখক)|জন স্কেলটন]] (১ নভেম্বর ১৮৬৭), ''দ্য টেবিল-টক অফ শার্লি'' (১৮৯৬), পৃ. ২৫৮
*তার যৌবনে ডিসরেলি এমন কিছু নীতি নির্ধারণ করেছিলেন যার ভিত্তিতে তার সময়ের ইংল্যান্ডের ভিত্তি হওয়া উচিত ছিল। আর তার সমসাময়িকদের বোঝাতে তার তুলনামূলক ব্যর্থতা... রাজনৈতিক প্রতিভার একটি শ্রেষ্ঠ উদাহরণের মাধ্যমে তার দেশকে সমৃদ্ধ করে রেখেছিল এবং তার বস্তি, নষ্ট শারীরিক গঠন, শিল্পে অস্থিরতা এবং শ্রেণিশত্রুতার কারণে দরিদ্র করে রেখেছিল। যদি কোনো ঈশ্বর তিরিশের দশকের শুরুতে ডিসরেলিকে একনায়ক বানাতে পারতেন, তবে আজ কোনো সামাজিক সমস্যা থাকত না। সেই মহান ব্যক্তি নতুন শিল্পায়িত রাষ্ট্রকে সেই নীতি ও অনুশীলনের ওপর গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন যা পুরোনো গ্রামীণ ও নগর ব্যবস্থাগুলোকে সজীব করেছিল—মালিক ও শ্রমিকের মধ্যে, পুঁজিপতি ও কর্মচারীর মধ্যে, গিল্ড ও গিল্ডের মধ্যে, কৃষিশ্রমিক ও শহরের শ্রমিকের মধ্যে স্বার্থের ঐক্য। অতীতের সামন্ততান্ত্রিক ধারণার মধ্যে যা সবচেয়ে ভালো ছিল তা উনিশ শতকের নতুন প্রগতিশীল শক্তিগুলোতে প্রয়োগ করা হতো। শিল্পের অভিজাতরা সামন্ততন্ত্রের অভিজাতদের ঐতিহ্য অনুসরণ করতেন এবং নিজেদের নতুন অনুগামীদের শোষক না হয়ে তাদের অভিভাবক হতেন।
**[[প্রথম আর্ল অফ বার্কেনহেড, এফ. ই. স্মিথ|এফ. ই. স্মিথ]], ''ইউনিয়নিস্ট পলিসি অ্যান্ড আদার এসেজ''এ "স্টেট টোরিজম অ্যান্ড সোশ্যাল রিফর্ম" (১৯১৩), পৃ. ৪১-৪২
*ক্রিস্টাল প্যালেসে "জাতীয় দল"এর "তিনটি মহান উদ্দেশ্য"—রাজতন্ত্র, হাউস অফ লর্ডস এবং চার্চ বজায় রাখা, "ইংল্যান্ডের সাম্রাজ্য সমুন্নত রাখা" এবং "জনগণের অবস্থার" উন্নতি করা—সম্পর্কে ডিসরেলির ঘোষণা প্রায় চল্লিশ বছর ধরে তার প্রচার করা টোরি মতবাদগুলোকে সংক্ষেপিত করেছিল। তিনি তার উদ্ভাবিত শর্তাবলীতে টোরিবাদকে সংজ্ঞায়িত করে তার নেতৃত্বের অপরিহার্যতা পুনরায় নিশ্চিত করছিলেন, তার অনুগামীদেরকে কেবল তার জানা সুরেই পা মেলাতে আহ্বান জানাচ্ছিলেন। রাজমুকুট ও সাম্রাজ্যের প্রতীকগুলোর ওপর জনপ্রিয় আবেগের কেন্দ্রীকরণ এবং জাতীয় দক্ষতার কাঠামোর মধ্যে জনপ্রিয় কল্যাণের বস্তুগত ভিত্তির প্রতি মনোযোগ দেওয়ার মাধ্যমে জাতীয় সংহতকরণের সন্ধান করে প্রাতিষ্ঠানিক ও সামাজিক ব্যবস্থা রক্ষার কৌশল প্রায় এক শতাব্দী ধরে গণভোটারদের কাছে রক্ষণশীল দলের আবেদনের প্রধান উপাদানগুলো সরবরাহ করবে।
**[[w:পল স্মিথ (ইতিহাসবিদ)|পল স্মিথ]], ''ডিসরেলি: আ ব্রিফ লাইফ'' (১৯৯৬), পৃ. ১৬৫
*তার উত্তরসূরিদের মতো ডিসরেলি সমাজকে একটি ট্রাস্টের দৃষ্টিকোণ থেকে দেখতেন। পারস্পরিক বাধ্যবাধকতা পালনের মাধ্যমে এর সংহতি আসে এবং এর শাসকরা যেখানে প্রয়োজন সেখানে জনগণের কল্যাণ প্রচারের জন্য সরকারের বিশাল যন্ত্র ব্যবহার করতে প্রস্তুত থাকে। স্থিতিশীলতা, জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সংরক্ষণ এবং জাতীয় মর্যাদা বৃদ্ধির জন্য কাজ করা শক্তি এবং অনুভূতির সাথে নিজেকে চিহ্নিত করা টোরিবাদের প্রয়োজন ছিল—এবং আছে।
**[[w:নরম্যান সেন্ট জন-স্টিভাস|নরম্যান সেন্ট জন-স্টিভাস]], ''দ্য টাইমস''এ লেখা চিঠি (২৮ অক্টোবর ১৯৮১), পৃ. ১৩
*নিঃসন্দেহে [[অটো ফন বিসমার্ক|বিসমার্ক]] এবং ডিসরেলি [[w:বার্লিন কংগ্রেস|বার্লিন কংগ্রেস]]এ আধিপত্য বিস্তার করেছিলেন। আর সমানভাবে কোনো সন্দেহ নেই যে ডিসরেলি বিসমার্ককে একজন আকর্ষণীয় এবং অদ্ভুত ব্যক্তিত্ব হিসেবে পেয়েছিলেন। বিসমার্কও ডিসরেলির সাথে অস্বাভাবিক আচরণ করেছিলেন। তিনি তার সাথে দেখা করেছিলেন, যা তিনি তার মহান মর্যাদা অর্জনের পর ''কখনো'' করেননি। আর তিনি তাকে একটি পারিবারিক নৈশভোজে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন, যা আক্ষরিক অর্থে অন্য কোনো বিদেশি রাষ্ট্রনায়ককে দেওয়া হয়নি।
**[[w:জোনাথন স্টেইনবার্গ|জোনাথন স্টেইনবার্গ]], ''বিসমার্ক: আ লাইফ'' (২০১১), পৃ. ৩৭২
*[[w:বার্লিন কংগ্রেস|কংগ্রেসের]] আসল সাফল্য ছিল [[অটো ফন বিসমার্ক|বিসমার্ক]] এবং বিকন্সফিল্ডের মধ্যকার ব্যক্তিগত সম্পর্ক। এতে কোনো সন্দেহ নেই যে রাশিয়ার সুবিধার জন্য ছাড় আদায় করতে বিসমার্ক "বুড়ো ইহুদি"কে তোষামোদ করেছিলেন। কিন্তু পারস্পরিক স্নেহ ছিল অকৃত্রিম। দুজন মানুষ একে অপরের মধ্যে সাধারণ গুণাবলি চিনতে পেরেছিলেন... প্রত্যেকেই অন্যের ভেতরের অভিনেতার প্রশংসা করেছিলেন এবং স্বভাবতই প্রত্যেকেই অন্যের কণ্ঠস্বরের সৌন্দর্য লক্ষ্য করেছিলেন। দুজনের মধ্যেই [[লর্ড বায়রন|বায়রনিক]] পর্যায়ে [[w:রোমান্টিসিজম|রোমান্টিক আন্দোলনের]] বিষণ্ণতা ছিল। দুজনই সুযোগ-সুবিধার মোহনীয় বলয়ে প্রবেশ করেছিলেন—বিসমার্ক একজন অমার্জিত [[w:জাঙ্কার (প্রুশিয়া)|জাঙ্কার]] হিসেবে, ডিসরেলি একজন ইহুদি হিসেবে। দুজনেরই রাজনৈতিক নৈতিকতার প্রতি গভীর অবজ্ঞা ছিল। ডিসরেলি নাকি বিসমার্ক নিজের সম্পর্কে বলেছিলেন: "আমার স্বভাব স্বপ্নীল এবং আবেগপ্রবণ। যারা আমাকে আঁকেন তারা সবাই আমাকে একটি হিংস্র অভিব্যক্তি দেওয়ার ভুল করেন"? প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর ডিসরেলি নাকি বিসমার্ক বলেছিলেন: "যাইহোক, আমি চর্বিযুক্ত খুঁটির চূড়ায় উঠেছি"? রাজনীতিতে দুজনই লিবারেলিজমকে ধ্বংস করতে [[w:সার্বজনীন ভোটাধিকার|সার্বজনীন ভোটাধিকার]] ব্যবহার করেছিলেন। অথবা ইংরেজি বাক্যাংশে, "হুইগদের ধ্বংস করতে"। দুজনই আন্তরিকভাবে সামাজিক সংস্কার সমর্থন করেছিলেন; ডিসরেলি একবার সুরক্ষামূলক শুল্ক রক্ষা করেছিলেন। দুজনই ঘরে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করতে বিদেশে সাফল্য ব্যবহার করেছিলেন। যখন বিসমার্ককে সাইপ্রাসে ব্রিটিশ দখলদারিত্বের কথা বলা হয়েছিল, তিনি চিৎকার করে বলেছিলেন: "এটাই প্রগতি! এটি জনপ্রিয় হবে: একটি জাতি প্রগতি ভালোবাসে!" বিকন্সফিল্ড তার মুখ থেকে কথাগুলো কেড়ে নেওয়ায় বিরক্ত হয়েছিলেন এবং বিরসভাবে মন্তব্য করেছিলেন: "তার প্রগতির ধারণাটি স্পষ্টতই কারও কাছ থেকে কিছু নেওয়ার মধ্যে নিহিত"—এই ধারণাটি বিকন্সফিল্ড টোরি নীতির ভিত্তি বানিয়েছিলেন।
**[[এ. জে. পি. টেলর]], ''বিসমার্ক: দ্য ম্যান অ্যান্ড দ্য স্টেটসম্যান'' (১৯৫৫), পৃ. ১৭৭-১৭৮
*ডিসরেলি রাজনীতিতে একজন শিল্পী ছিলেন, যার প্রধান অর্জন ছিল তার নিজের কর্মজীবন। কিন্তু রাজনৈতিক ক্ষমতার প্রকৃতি সম্পর্কে তার একটি কল্পনাপ্রসূত উপলব্ধি ছিল যা তার প্রজন্মের কেউ মেলাতে পারেনি... ডিসরেলি ক্ষমতার মহিমাকে বিশ্বের একটি অকৃত্রিম উপাদান হিসেবে দেখেছিলেন। তাই কিছু আড়ম্বর ও জাঁকজমকের সাথে এর কাছে যাওয়া কোনো নাটকীয় অর্থহীনতায় লিপ্ত হওয়া ছিল না—এমনকি এটি একটি প্রদর্শনী তা স্বীকার করেও। যখন তিনি সাম্রাজ্যিক মুকুটের রত্নগুলোর কথা বলতেন, তখন রক্ষণশীল সদস্যরা বলতেন যে এটি কেবল ডিজির ধরন। কিন্তু তিনি তাদের জন্য রোমান্টিকভাবে দেশপ্রেমিক বিশ্বাসগুলো কথায় প্রকাশ করছিলেন যা তারা নিজেরা কখনো প্রকাশ করতেন না... স্যার [[w:হেনরি মন্টগোমেরি লরেন্স|হেনরি লরেন্স]]... একবার লিখেছিলেন যে 'রোমান্স এবং বাস্তবের যথাযথ মিশ্রণই একজন মানুষকে সবচেয়ে ভালোভাবে জীবনে এগিয়ে নিয়ে যায়'। ডিসরেলি জানতেন সেই সঠিক মিশ্রণটি কী হওয়া উচিত। এই ভেতরের স্পর্শ এবং মুষ্টির নিশ্চয়তা, এই উপলক্ষের ওপর আধিপত্যই তাকে সমস্ত প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে গিয়ে এত ডিউক, জমিদার, সৈন্য, আইনজীবী, মদ্যপ্রস্তুতকারক এবং সাধারণ ভদ্রলোকদের রাজনৈতিক ধারণার নেতৃত্বে নিয়ে গিয়েছিল। তার দল, বোবাভাবে কিন্তু সত্যিকার অর্থে, অনুভব করেছিল যে ডিসরেলি জানতেন রাজনীতি ''কী নিয়ে''।
**[[w:আর্চিবল্ড প্যাটন থর্নটন|এ. পি. থর্নটন]], ''দ্য ইম্পেরিয়াল আইডিয়া অ্যান্ড ইটস এনিমিজ'' (১৯৫৯), পৃ. ৩২-৩৩
*লর্ড বিকন্সফিল্ড সাধারণ টোরি নেতাদের থেকে যে কারণে আলাদা ছিলেন তা হলো ইংরেজদের ওপর বিশ্বাস রাখার তার প্রস্তুতি, যাদের ওপর তারা বিশ্বাস করতেন না। আর বর্ণের বাধাগুলোর প্রতি তার সম্পূর্ণ উদাসীনতা, যা তাদের কাছে রাজনীতির আদি এবং অন্ত ছিল। '''ইংরেজ জনসাধারণের যে বাকশক্তিহীন অংশটিকে তারা দূরে সরিয়ে রেখেছিলেন, তাদের মধ্যে তিনি রক্ষণশীল কর্মজীবী মানুষকে চিনতে পেরেছিলেন। ঠিক যেমন একজন ভাস্কর পাথরের খণ্ডে বন্দী দেবদূতকে দেখতে পান।''' তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে সাধারণ ইংরেজ, এমনকি যখন তার একটি সংকীর্ণ আয় এবং একটি মিতব্যয়ী বাড়ি ছাড়া ব্যক্তিগতভাবে রক্ষা করার মতো কিছুই থাকে না, তখনও তার মধ্যে সবচেয়ে ধনী সমকক্ষ ব্যক্তির মতোই শক্তিশালী রক্ষণশীল প্রবৃত্তি থাকে।
**''[[দ্য টাইমস]]'' (১৮ এপ্রিল ১৮৮৩), পৃ. ১১
*মি. গ্ল্যাডস্টোন ডিসরেলিকে এ যাবতকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সংসদীয় রসবোধের অধিকারী হিসেবে স্থান দিয়েছেন। তিনি তার চরিত্রকে একটি বড় রহস্য হিসেবে দেখেছিলেন এবং এই রহস্য কখনোই সমাধান হবে না এই অনুভূতি তাকে কষ্ট দিয়েছিল।
**লিওনেল টলেমাশে, ''টকস উইথ মি. গ্ল্যাডস্টোন'' (১৮৯৮), পৃ. ১১১
* তিনি যা কিছু লিখেছেন তাতে তিনি এমন কিছু দেখানোর ভান করেছেন যা তার পাঠকদের কাছে অস্বাভাবিক এবং সেই কারণে মহান হিসেবে প্রতিভাত হওয়ার উদ্দেশ্যে লেখা হয়েছে। কারণ তিনি একজন উজ্জ্বল এবং প্রতিভাবান মানুষ ছিলেন, তাই তরুণদের ক্ষেত্রে তিনি তার উদ্দেশ্য সাধন করেছেন। তিনি তাদের বিস্ময়ে হতবাক করে দিয়েছেন এবং তাদের কল্পনায় তাদের নিজেদের চেয়ে আরও গৌরবময়, আরও ধনী, আরও রসিক, আরও উদ্যোগী একটি বিশ্বের ধারণা জাগিয়ে তুলেছেন। কিন্তু সেই গৌরব ছিল কার্ডবোর্ডের গৌরব এবং সম্পদ ছিল সোনালী রঙের প্রলেপের সম্পদ। সেই রসবোধ ছিল নাপিতদের রসবোধ এবং উদ্যোগ ছিল হাতুড়ে ডাক্তারদের উদ্যোগ।
** [[অ্যান্থনি ট্রোলপ]], আত্মজীবনী।
*ডিসরেলি "সমষ্টিবাদী" বা তারা এখন যেমন বলে, কিছুটা ভুলভাবে, "কর্পোরেটিস্ট" নীতিগুলোর জন্য একটি সাংকেতিক নাম হয়ে উঠেছেন। তিনি "[[w:ওয়েটস অ্যান্ড ড্রায়ারস|ওয়েটস]]"এর শুভংকর। এটি ইতিহাসের একটি গুরুতর বিকৃতি। এটা সত্য যে, তার রোমান্টিক যৌবনে তিনি একমাত্র বাক্যটি লিখেছিলেন যা তার বর্তমান সময়ের প্রশংসকদের বেশিরভাগই তার লেখা থেকে পড়েছেন—ধনী এবং দরিদ্রদের একটি জাতি সম্পর্কে। তার পিতৃত্ববাদ অবশ্য ভাসাভাসা ছিল। তিনি যখনই বিমূর্ত সামাজিক ন্যায়বিচারের নামে নয় বরং জাতীয় সংহতির নামে তথাকথিত "সুবিধাবঞ্চিত"দের প্রতিরক্ষার জন্য কর্তৃত্ববাদী ব্যবস্থা সমর্থন করতেন, তখন তিনি তা সমর্থন করতেন। তিনি যেটিতে বিশ্বাস করতেন তা হলো জাতি, যাকে তিনি সেই অজ্ঞতার দিনগুলোতে রেস (Race) বা জাত বলে ডাকতেন। এটি রক্ষণশীল চিন্তাভাবনায় তার একমাত্র, বৈধ, টিকে থাকা অবদান। তিনি একজন সাম্রাজ্যবাদী ছিলেন।
**[[টি. ই. উটলি]], 'পিলস মিসপ্লেসড ম্যান্টেল', ''দ্য টাইমস'' (৯ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৮), পৃ. ১৬
* বর্তমান লোকটি ভালো করবে এবং সে বিশেষত অনুগত থাকবে এবং সবদিক থেকে আমাকে খুশি করতে আগ্রহী হবে। সে খুবই অদ্ভুত, কিন্তু খুবই বুদ্ধিমান এবং সংবেদনশীল এবং খুবই আপসকারী।
** [[যুক্তরাজ্যের ভিক্টোরিয়া|রানি ভিক্টোরিয়া]], [[w:ভিক্টোরিয়া, প্রিন্সেস রয়্যাল এবং এমপ্রেস ফ্রেডেরিক|প্রুশিয়ার ক্রাউন প্রিন্সেসের]] কাছে লেখা চিঠি (২৯ ফেব্রুয়ারি ১৮৬৮)।
*ডিসরেলি একজন জাতিতাত্ত্বিক চিন্তাবিদ ছিলেন। তিনি জাতিকে "ইতিহাসের চাবিকাঠি" মনে করতেন। "সবই জাতি", তিনি লিখেছিলেন। সিডোনিয়া বলেছিলেন, "সবই জাতি; অন্য কোনো সত্য নেই"। তার জন্য জাতি সবকিছু ছাড়িয়ে গিয়েছিল: এটি ধর্মকে ব্যাখ্যা করেছিল; এটি রাজনীতিকে ব্যাখ্যা করেছিল। ডিসরেলি একজন সামাজিক বা ধর্মীয় চিন্তাবিদের চেয়ে অনেক বেশি জাতিতাত্ত্বিক চিন্তাবিদ ছিলেন... ডিসরেলির জাতিতাত্ত্বিক মতবাদ চূড়ান্ত পর্যায়ে গিয়েছিল। জাতি কেবল ইতিহাসের চাবিকাঠিই ছিল না, বরং কিছু জাতি অন্যদের চেয়ে অনেক শ্রেষ্ঠ ছিল। সেখানে প্রভু জাতি ছিল এবং বাকিরা ছিল। তাদের শ্রেষ্ঠত্ব কেবল সাংস্কৃতিক নয়, বরং একটি জৈবিক বিষয় ছিল এবং এটি রক্তের বিশুদ্ধতার ওপর নির্ভর করত। আন্তঃপ্রজনন জাতিগত অবক্ষয় ঘটাত। যদি এই মতবাদগুলো আজ অদ্ভুত মনে হয়, তবে আমাদের মনে রাখতে হবে যে এগুলো সেরা কারণগুলোর জন্যই প্রস্তাব করা হয়েছিল: একটি নিপীড়িত জনগোষ্ঠী, ইহুদিদের, মানবজাতির মূল্যায়নে উন্নীত করা। এবং তাদের শুধু সমতার স্তরে নয়, বরং জাতিগুলোর মধ্যে প্রায় অপ্রত্যাশিত শ্রেষ্ঠত্বের অবস্থানে উন্নীত করা। ডিসরেলি নিম্ন জাতিগুলো সম্পর্কে খুব কমই বলেছিলেন; তার উদ্দেশ্য ছিল প্রশংসা করা, অবজ্ঞা করা নয়। এতে কোনো বিদ্বেষপূর্ণ উদ্দেশ্য ছিল না। তবুও, ডিসরেলি বিশ্বাস করতেন যে জাতিতাত্ত্বিকভাবে চিন্তা করা মানে আধুনিক এবং বৈজ্ঞানিক হওয়া।
**[[w:জন ভিনসেন্ট (ইতিহাসবিদ)|জন ভিনসেন্ট]], ''ডিসরেলি'' (১৯৯০), পৃ. ২৭
*তিনি ১৮৩০-এর দশকে এবং আবার ১৮৭০-এর দশকে জাতীয় ঐকমত্যের দিকে তাকিয়েছিলেন; এর অর্থ এই নয় যে মাঝখানের দশকগুলো সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল। ১৮৪০-এর দশকে ইয়ং ইংল্যান্ড জাতীয় পরিচয়ের চেয়ে সামাজিক সংহতি নিয়ে বেশি কাজ করেছিল... শুধুমাত্র ১৮৭০-এর দশকেই সামাজিক সংহতি এবং জাতীয় পরিচয়ের দুটি থিম চূড়ান্তভাবে একত্রিত হয়েছিল... অন্য অনেক রক্ষণশীল দল অভিজাত দল থেকে গণদলে পরিণত হওয়ার গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছিল। আংশিকভাবে কারণ তাদের কোনো ব্র্যান্ড ইমেজ ছিল না, বা অন্তত জনপ্রিয় ভাষায় তুলে ধরার মতো কোনো ইমেজ ছিল না। রক্ষণশীলরা তাদের টিকে থাকার জন্য অন্য যেকোনো কিছুর চেয়ে ডিসরেলির মানসিক পদচারণার কাছে ঋণী।
**[[w:জন ভিনসেন্ট (ইতিহাসবিদ)|জন ভিনসেন্ট]], ''ডিসরেলি'' (১৯৯০), পৃ. ১১৬
*''[[সিবিল (উপন্যাস)|সিবিল]]''কে এখন ভবিষ্যতের একজন রক্ষণশীল প্রধানমন্ত্রীর সৃষ্টি হিসেবে পড়া যেতে পারে এবং তাই সংকীর্ণ অর্থে এটি একটি রাজনৈতিক উপন্যাস। এতে রাজনৈতিক ওকালতির উপাদানগুলো সত্যিই যেকোনো পাঠেই স্পষ্ট। এর কৌতূহল, এর পক্ষপাতিত্ব এবং এর সুবিধাবাদ কেবল এর চমৎকার সম্বোধনের সাথেই মেলে। উপন্যাসটি যদি কেবল রাজনৈতিক হতো তবে এটি আকর্ষণীয় হতো। ডিসরেলির লেখার স্টুকো কমনীয়তা এক ধরনের রাজনৈতিক যুক্তির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। ব্যক্তি এবং অনুভূতি সম্পর্কে তার বর্ণনাগুলোতে যা অসহনীয় তা তার রাজনৈতিক উড্ডয়নগুলোতে বরং একটি পছন্দসই আড়ম্বরে পরিণত হয়। শিল্পের চরম দুর্দশার বর্ণনাগুলো কোকটাউন নিয়ে [[চার্লস ডিকেন্স|চার্লস ডিকেন্সের]] বর্ণনার মতোই: চমৎকার রোমান্টিক সাধারণীকরণ—ট্রেন থেকে, হাস্টিংস থেকে, ছাপানো পাতা থেকে দেখা দৃশ্য—তবুও প্রায়ই হৃদয়গ্রাহী, ঠিক সমস্ত দূরদর্শী বাগ্মিতার মতো। কৃষি দরিদ্রদের অবস্থার অনুরূপ বিবরণ রয়েছে যা ''নর্থ অ্যান্ড সাউথের'' বিভ্রান্তিকর বৈপরীত্যের বিপরীতে মনে রাখা দরকার। আবার, সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরনে, ''সিবিল''এ টমি-শপের অবিচারগুলোর সবচেয়ে প্রাণবন্ত বর্ণনা রয়েছে এবং ট্রাক সিস্টেমের ব্যবহারিক পরিণতিগুলোর এমন বর্ণনা রয়েছে যা অন্য কোথাও পাওয়া যায় না। ডিসরেলির রাগ—নিজের পথ করে নেওয়া একজন বহিরাগতের সাধারণ রাগ—প্রায়শই তাকে তার আনুষ্ঠানিক পাঠ্যের বাইরে নিয়ে যায়। লন্ডনের রাজনৈতিক ও সামাজিক জীবনের বৈরী বর্ণনাগুলো আবারও সাধারণীকরণ। তবে এগুলোরও সন্দেহাতীতভাবে দরিদ্রদের মধ্যে অভিযানের মতো একই আলংকারিক তাৎপর্য রয়েছে। যে কেউ যেকোনো সামাজিক তথ্যের বিষয়ে ডিসরেলির অসমর্থিত কর্তৃত্বকে বিশ্বাস করতে প্রস্তুত থাকলে তিনি নিশ্চিতভাবেই ভুল মানুষ বেছে নিয়েছেন, ঠিক যেমন তিনি একইভাবে ডিকেন্সের ক্ষেত্রেও ভুল করতেন। তবে ডিসরেলি ডিকেন্সের মতোই কপটতার একজন খুব সূক্ষ্ম সাধারণীকরণকারী বিশ্লেষক এবং মানুষের ভোগান্তির প্রায় সমান সূক্ষ্ম সাধারণীকরণকারী বাগ্মী। উভয় কাজই, জোর দিয়ে বলতে হবে, সম্মানজনক।
**[[রেমন্ড উইলিয়ামস]], ''[[w:কালচার অ্যান্ড সোসাইটি|কালচার অ্যান্ড সোসাইটি]]'' (১৯৫৮), পৃ. ৯৭
*"জমির মালিকদের স্বার্থ" এবং এর সম্ভাবনাগুলো সবসময় ডিসরেলির কল্পনাকে প্রজ্বলিত করত... ডিসরেলির মধ্যে কৃষিজমির মালিকরা তাদের শ্রেণি এবং কারণের এমন সবচেয়ে বাগ্মী প্রবক্তা পেয়েছিলেন যা ইংল্যান্ড বা অন্য কোনো দেশ কখনো দেখেনি। ডিসরেলি তাদের মধ্যে ততটা বিশ্বাস করতেন যা তারা অনেকেই তার মধ্যে করতেন না এবং তিনি তা বলতে লজ্জা পেতেন আধুনিক করতেন না। ইংল্যান্ডের একটি রাজকীয় বাড়িতে সফরের শেষে তিনি বলেছিলেন, "বিদায়, আমার প্রিয় লর্ড, আপনি আমাকে সবচেয়ে সুন্দর দৃশ্য দেখিয়েছেন যা এই দ্বীপগুলো দিতে পারে—একজন মহান অভিজাত ব্যক্তি তার নিজের লোকেদের মধ্যে বাড়িতে বসবাস করছেন।" এর চেয়ে ভালো আর কী হতে পারে?
**[[w:রিচার্ড ভার্নি, ১৯শ ব্যারন উইলোবি ডি ব্রোক|লর্ড উইলোবি ডি ব্রোক]], ''দ্য পাসিং ইয়ার্স'' (১৯২৪), পৃ. ১১-১২, ১৭
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{কমন্স|Benjamin Disraeli|বেঞ্জামিন ডিসরেলি}}
* {{গুটেনবার্গ লেখক | id=Benjamin+Disraeli | name=বেঞ্জামিন ডিসরেলি}}
* [http://www.lang.nagoya-u.ac.jp/~matsuoka/Disraeli.html ডিসরেলি লিংকস] গ্র্যাজুয়েট স্কুল অফ ল্যাঙ্গুয়েজেস অ্যান্ড কালচারসএ (নাগোয়া বিশ্ববিদ্যালয়)
* [http://www.britannia.com/bios/disraeli.html সংক্ষিপ্ত জীবনী] ব্রিটানিকা.কমএ
* [http://onlinebooks.library.upenn.edu/webbin/book/search?amode=start&author=Disraeli%2c%20Benjamin অনলাইনে পড়ার লিংক] ডিসরেলি রচিত বই দ্য অনলাইন বুকস পেজএ
{{Conservative intellectuals}}
[[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের রাজনীতিবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের ইহুদি]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের ঔপন্যাসিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের প্রাবন্ধিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:লন্ডনের ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৮০৪-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৮৮১-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:রক্ষণশীল দল (যুক্তরাজ্য)-এর রাজনীতিবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের অ্যাংলিকান]]
[[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের জীবনীকার]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভিক্টোরীয় ঔপন্যাসিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:চ্যান্সেলর অফ দ্য এক্সচেকার]]
[[বিষয়শ্রেণী:বিরোধীদলীয় নেতা (যুক্তরাজ্য)]]
[[বিষয়শ্রেণী:হাউস অফ কমন্সের নেতা (যুক্তরাজ্য)]]
[[বিষয়শ্রেণী:হাউস অফ লর্ডসের নেতা (যুক্তরাজ্য)]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইহুদি ধর্ম থেকে খ্রিষ্টধর্মে ধর্মান্তরিত ব্যক্তি]]
j761p731dpjlr60jtt9ga5m78al7v1s
বৃন্দাবন
0
12910
83352
78660
2026-05-03T19:29:02Z
Tuhin
172
/* উক্তি */
83352
wikitext
text/x-wiki
'''[[w:বৃন্দাবন|বৃন্দাবন]]''' হলো ভারতের [[উত্তরপ্রদেশ]] রাজ্যের [[w:মথুরা জেলা|মথুরা জেলার]] একটি ঐতিহাসিক শহর। এটি [[w:বৈষ্ণবধর্ম|বৈষ্ণবধর্মের]] অন্যতম পবিত্রতম স্থান। এটি [[w:ব্রজ|ব্রজভূমি]] অঞ্চলে অবস্থিত এবং [[হিন্দুধর্ম]] অনুসারে এখানেই [[কৃষ্ণ|শ্রীকৃষ্ণ]] তার শৈশবের বেশিরভাগ সময় অতিবাহিত করেছিলেন।
== উক্তি ==
* আমার অতীতের মধ্যে কৃষ্ণ আছেন। আমার স্বপ্নে আমি বাঁশিবাদকদের একটি বিশাল মহাবিদ্যালয় পুনর্নির্মাণের স্বপ্ন দেখি, এক সত্যিকারের বৃন্দাবন যেখানে শিক্ষার্থীরা বাঁশিতে ভরা ব্যাগ নিয়ে শিখতে এবং অধ্যয়ন করতে আসবে, মাটির কুঁড়েঘরে বাস করবে এবং সাধারণ লঙ্গরে খাবার খাবে। একটি আধুনিক বৃন্দাবন যেখান থেকে প্রতিদিন হাজার হাজার বাঁশির সুর ধ্বনিত হবে। কারণ এছাড়া আর কী আছে? যখন আমার শ্বাস ফুরিয়ে যাবে এবং আমি আর বাঁশি বাজাতে পারব না, তখন আমি পেছনে কী রেখে যাব? কিছু নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষার্থী! আপনি যখন পেছনে কিছু রেখে যান না, তখন মৃত্যুর সময় আপনি কাঁদেন। তবে আমি এখনও স্বপ্ন দেখি, আমি স্বপ্ন দেখার সাহস করি যে আমার শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে আমার বাঁশি কৃষ্ণের স্মৃতি হিসেবে বেঁচে থাকবে।
** [[হরিপ্রসাদ চৌরাসিয়া]]; ''[http://www.hariprasadchaurasia.com/discography-3/ ডিস্কোগ্রাফি]'' অফিসিয়াল ওয়েবসাইট, ১৯ ডিসেম্বর ২০১৩।
* তিন জগতের সমস্ত তীর্থ ভ্রমণের ফল কেবল বৃন্দাবনের পবিত্র ভূমি স্পর্শ করলেই অর্জিত হয়।
** শ্রীিল রূপ গোস্বামী রচিত ভক্তি-রসামৃত-সিন্ধু।
* যে ব্যক্তি বৃন্দাবন দেখেনি কিন্তু তার বৃন্দাবন দেখার তীব্র আকাঙ্ক্ষা রয়েছে, সে যেখানেই মারা যাক না কেন, বৃন্দাবনেই পুনর্জন্ম গ্রহণ করবে।
** শ্রীল রূপ গোস্বামী রচিত মথুরা মাহাত্ম্য।
* হে বন্ধু, দেবকী নন্দন কৃষ্ণের পাদপদ্মের অমূল্য সম্পদ লাভ করে বৃন্দাবন এই পৃথিবীর মহিমা ছড়িয়ে দিচ্ছে। গোবিন্দের বাঁশির সুর শুনে ময়ূরগুলো মত্ত হয়ে নৃত্য করে এবং পাহাড়ের ওপর থেকে অন্যান্য প্রাণীরা যখন তাদের দেখে, তখন তারা সবাই স্তব্ধ হয়ে যায়।
** শ্রীমদভাগবত (১০.২১.১০)।
* হিন্দুদের বেথলেহেম এখন আক্রমণকারীদের সামনে সম্পূর্ণ ধরাশায়ী হয়ে পড়ে। ১লা মার্চ ভোরে আফগান অশ্বারোহী বাহিনী প্রাচীরহীন এবং অপ্রস্তুত মথুরা নগরীতে ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং তাদের প্রভুর আদেশ বা গতকালের লড়াইয়ে পাওয়া কঠোর আঘাতের কারণে তারা কোনো দয়া দেখানোর মেজাজে ছিল না। চার ঘণ্টা ধরে প্রতিরোধহীন হিন্দু জনসংখ্যার ওপর নির্বিচারে গণহত্যা এবং ধর্ষণ চালানো হয়। তাদের সবাই ছিল অসামরিক ব্যক্তি এবং তাদের মধ্যে অনেক পুরোহিত ছিল। ইসলামি বীরদের দ্বারা দেবমূর্তিগুলো ভাঙা হয়েছিল এবং পোলো-বলের মতো লাথি মারা হয়েছিল... মথুরার ধ্বংসাবশেষ থেকে বেরিয়ে জাহান খান চারপাশের এলাকায় ঘুরে বেড়ান এবং নির্দেশ অনুযায়ী সর্বত্র লুণ্ঠন করেন। মথুরার সাত মাইল উত্তরে অবস্থিত বৃন্দাবনও রক্ষা পায়নি কারণ এখানকার অসংখ্য মন্দির এর সম্পদের ইঙ্গিত দিচ্ছিল। এখানে বিষ্ণুর উপাসকদের মধ্যে সবচেয়ে শান্তিবাদী ধারার নিরীহ সন্ন্যাসীদের ওপর আরেকটি ব্যাপক গণহত্যা চালানো হয় (আনুমানিক ৬ই মার্চ)। বৃন্দাবন পরিদর্শনের পর একজন মুসলমান ডায়েরি লেখক যেমনটি লিপিবদ্ধ করেছেন: 'যেদিকেই তাকাবেন আপনি নিহতদের স্তূপ দেখতে পাবেন। চারপাশে পড়ে থাকা লাশের সংখ্যা এবং ঝরানো রক্তের পরিমাণের কারণে আপনি কেবল অনেক কষ্টে নিজের পথ বেছে নিতে পারবেন। একটি জায়গায় পৌঁছে আমরা একটি স্তূপে প্রায় দুইশ মৃত শিশু পড়ে থাকতে দেখেছি। মৃতদেহগুলোর একটিরও মাথা ছিল না' বাতাসে দুর্গন্ধ ও নিঃসরণ এমন ছিল যে মুখ খোলা বা এমনকি শ্বাস নেওয়াও কষ্টকর ছিল।'...
** বৃন্দাবনে আহমেদ শাহ দুররানি সম্পর্কে: যদুনাথ সরকার, ফল অফ দ্য মুঘল এম্পায়ার, ভলিউম ২, চতুর্থ সংস্করণ, নয়াদিল্লি, ১৯৯১, পৃষ্ঠা ৭০-৭১।
* অধ্যাপক আর. নাথ ১৬৬৯ সালের এপ্রিল মাসে আওরঙ্গজেবের ফরমান উদ্ধৃত করে গোবিন্দ দেব মন্দিরের বিষয়টি তুলে ধরেছেন। এতে বলা হয়েছিল, ... ইসলাম প্রতিষ্ঠা করতে আগ্রহী হয়ে (আওরঙ্গজেব) সমস্ত প্রদেশের গভর্নরদের নির্দেশ দিয়েছিলেন যেন তারা কাফেরদের স্কুল ও মন্দিরগুলো ধ্বংস করে এবং অত্যন্ত জরুরি ভিত্তিতে এই অবিশ্বাসীদের ধর্মশিক্ষা ও প্রকাশ্য ধর্মীয় চর্চা বন্ধ করে দেয়। এই ফরমান জারির এক বছরের মধ্যেই গোবিন্দ দেবের বিশাল মন্দিরটি মূর্তিপূজা বিরোধী ধ্বংসলীলার শিকারে পরিণত হয়। এর গর্ভগৃহ এবং উপরিভাগ প্রায় সম্পূর্ণ ধ্বংস করা হয়েছিল। প্রধান হলঘরটিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দ্বারশাখার খোদাই করা মূর্তিগুলো আক্ষরিক অর্থেই বিকৃত করা হয়েছিল।
** বৃন্দাবনের গোবিন্দ দেব মন্দির সম্পর্কে। নাথ, আর., হিস্ট্রি অফ মোগল আর্কিটেকচার; গোরাড়িয়া, পি. (২০০২), হিন্দু মসজিদ থেকে উদ্ধৃত।
* মন্দিরের আরও একটি অনন্য বৈশিষ্ট্য রয়েছে। গ্রাউস কর্তৃক উদ্ধৃত ক্যালকাটা রিভিউ-এর একটি নিবন্ধ অনুসারে: আওরঙ্গজেব প্রায়ই দক্ষিণ-পূর্ব দিগন্তে অনেক দূরে একটি উজ্জ্বল আলো জ্বলতে দেখতেন এবং এই বিষয়ে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন যে, এটি বৃন্দাবনের এক বিশাল এবং জাঁকজমকপূর্ণ মন্দিরে জ্বলতে থাকা একটি আলো। এর প্রেক্ষিতে তিনি এটি নিভিয়ে ফেলার সিদ্ধান্ত নেন এবং শীঘ্রই সেখানে সৈন্য পাঠান যারা মন্দিরটি যতটা সম্ভব লুটপাট ও ধ্বংস করে এবং ধ্বংসাবশেষের ওপর একটি মসজিদের দেয়াল তৈরি করে যেখানে অপবিত্রতা পূর্ণ করতে সম্রাট স্বয়ং প্রার্থনা করেছিলেন বলে বলা হয়।
** বৃন্দাবনের গোবিন্দ দেব মন্দির সম্পর্কে। গ্রাউস, এফ. এস., ক্যালকাটা রিভিউ; গোরাড়িয়া, পি. (২০০২), হিন্দু মসজিদ থেকে উদ্ধৃত।
* হেনরি হার্ডি কোল লিখেছেন: আমি নিশ্চিত নই যে ওপরের দেয়ালের সংস্কার সঠিক কি না এবং আমি মনে করি এই উপরিভাগটি যেমন ছিল তেমনই রেখে দেওয়া ভালো ছিল যেমনটা আমি প্রথমবার দেখেছিলাম, আওরঙ্গজেবের ধ্বংসাত্মক হাতের সমস্ত প্রমাণসহ।
** বৃন্দাবনের গোবিন্দ দেব মন্দির সম্পর্কে। কোল, হেনরি হার্ডি, ইলাস্ট্রিয়াস বিল্ডিংস নিয়ার মথুরা অ্যান্ড আগ্রা; গোরাড়িয়া, পি. (২০০২), হিন্দু মসজিদ থেকে উদ্ধৃত।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:উত্তরপ্রদেশের শহর]]
4m6e1zmk2dpk2q2y8yj93xh39wqa5yi
উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন
0
12996
83332
83300
2026-05-03T13:34:52Z
NusJaS
273
83332
wikitext
text/x-wiki
[[File:William Ewart Gladstone CDV 1861 for infobox.jpg|thumb|right|[[স্বাধীনতা|স্বাধীনতার]] প্রতি সহানুভূতি থাকা উচিত এবং এটিকে সুযোগ দেওয়ার ইচ্ছা থাকা উচিত, যা কোনো কাল্পনিক ধারণার ওপর ভিত্তি করে নয়, বরং বহু প্রজন্মের দীর্ঘ [[অভিজ্ঞতা|অভিজ্ঞতার]] ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে...]]
'''[[w:উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন|উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন]]''' (২৯ ডিসেম্বর ১৮০৯ – ১৯ মে ১৮৯৮) একজন ব্রিটিশ লিবারেল রাজনীতিবিদ এবং প্রধানমন্ত্রী (১৮৬৮–১৮৭৪, ১৮৮০–১৮৮৫, ১৮৮৬ এবং ১৮৯২–১৮৯৪) ছিলেন। তিনি একজন উল্লেখযোগ্য রাজনৈতিক সংস্কারক ছিলেন। তিনি তাঁর জনতাবাদী ভাষণের জন্য পরিচিত ছিলেন। এছাড়া তিনি দীর্ঘকাল ধরে [[বেঞ্জামিন ডিসরাইলি|বেঞ্জামিন ডিসরাইলির]] প্রধান রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন।
== উক্তি ==
[[File:Gladstone 1830s WH Mote ILN.jpg|thumb|right|আমি অভিজ্ঞতা থেকে ''নিশ্চিত'' যে, জীবনের শুরুতে কঠোরভাবে হিসাব রাখার সুবিধা অনেক।]]
=== ১৮৪০-এর দশক ===
*আমি আগেই আমার মতামত প্রকাশ করেছি যে, আফিম বাণিজ্য দমনের জন্য নোবেল লর্ডের হস্তক্ষেপ করা উচিত ছিল। [[চীন|চীনাদের]] কোনো বাড়াবাড়ির কারণে এই যুদ্ধ সমর্থনযোগ্য ছিল না। আমি ইতোমধ্যে বলেছি যে, চীনারা নিঃসন্দেহে অনেক অযৌক্তিক শব্দ ব্যবহার, অহংকার এবং কিছু বাড়াবাড়ির জন্য দোষী ছিল। তবে আমার মতে, ন্যায়বিচার তাদের পক্ষেই আছে। তারা পৌত্তলিক এবং অর্ধ-সভ্য বর্বর হওয়া সত্ত্বেও তাদের মধ্যে ন্যায়বিচার রয়েছে। অন্যদিকে আমরা আলোকিত এবং সভ্য [[খ্রিস্টধর্ম|খ্রিস্টান]] হয়েও ন্যায়বিচার ও ধর্ম উভয়ের পরিপন্থী উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করছি।
**[[w:প্রথম আফিম যুদ্ধ|প্রথম আফিম যুদ্ধের]] বিরুদ্ধে হাউস অফ কমন্সে দেওয়া [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1840/apr/08/war-with-china-adjourned-debate#column_819 ভাষণ] (৮ এপ্রিল ১৮৪০)
*মাননীয় ভদ্রলোক যুক্তি দিয়েছেন, সরকারের প্রস্তাবিত পরিকল্পনা গ্রহণ করলে ভোক্তারা সুবিধা পাবে, রাজস্ব বাড়বে এবং প্রস্তুতকারকদের শিল্পের প্রসার ঘটবে। কিন্তু স্যার, আমরা যুক্তি দিচ্ছি যে, রাজস্বের সামান্য সুবিধা এবং ভোক্তাদের প্রায় অদৃশ্য ত্রাণের বিনিময়ে ব্রিটিশ প্রস্তুতকারকদের নিশ্চিত স্বার্থের ক্ষতি করা হচ্ছে। আপনাকে মানবতার একটি মহান নীতি বর্জন করতে বলা হচ্ছে। এই নীতিটি আইনসভার সবচেয়ে পবিত্র অনুমোদন লাভ করেছে; এট হলো দাস বাণিজ্য এবং [[দাসত্ব|দাসপ্রথার]] বিরুদ্ধে বিরোধিতার নীতি।
**হাউস অফ কমন্সে দেওয়া [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1841/may/10/sugar-duties-ways-and-means-adjourned#column_161 ভাষণ] (১০ মে ১৮৪১)। গ্ল্যাডস্টোন বিদেশি এবং ঔপনিবেশিক চিনির ওপর শুল্ক সমতা করার বিরোধী ছিলেন, কারণ তিনি বিশ্বাস করতেন যে এটি দাস বাণিজ্যকে উৎসাহিত করবে।
*আমি রাষ্ট্রে একটি বিবেক এবং একটি ক্যাথলিক বিবেকের ধারণা আঁকড়ে ধরেছিলাম। তবে এই ধারণাটি সাধারণ মানুষের মনে এতটাই দুর্বল হয়ে পড়েছে যে, জনস্বার্থের আন্দোলনে এটি একেবারেই অকেজো। আমি জানি না এই নীতির ওপর ভিত্তি করে কেউ [[w:মেনুথ কলেজ আইন ১৮৪৫|মেনুথ বিলের]] বিরোধিতা করছে কি না। যখন আমি নিজেকে জাহাজের শেষ ব্যক্তি হিসেবে আবিষ্কার করেছি, তখন আমি মনে করি আমি এটি ছেড়ে যেতে মুক্ত।
**[[জন হেনরি নিউম্যান|জন হেনরি নিউম্যানকে]] লেখা চিঠি (১৯ এপ্রিল ১৮৪৫), পিটার সি. এর্ব (২০১৩) সম্পাদিত ''দ্য করেস্পন্ডেন্স অফ হেনরি এডওয়ার্ড ম্যানিং অ্যান্ড উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন: ভলিউম টু, ১৮৪৪–১৮৫৩'' গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১৪১
* '''[[আয়ারল্যান্ড]], আয়ারল্যান্ড! পশ্চিমের ঐ মেঘ! ঐ আসন্ন ঝড়!''' নিষ্ঠুর, বদ্ধমূল এবং অর্ধেক প্রায়শ্চিত্ত করা অন্যায়ের ওপর [[ঈশ্বর|ঈশ্বরের]] প্রতিষেধক! আয়ারল্যান্ড আমাদের ওপর সেই মহান সামাজিক এবং ধর্মীয় প্রশ্নগুলো চাপিয়ে দেয়। ঈশ্বর আমাদের সেগুলোর মুখোমুখি হওয়ার এবং সেগুলো সমাধান করার [[সাহস]] দিন।
** তাঁর স্ত্রী ক্যাথরিন গ্ল্যাডস্টোনকে লেখা চিঠি (১২ অক্টোবর ১৮৪৫), জন মর্লির ''দ্য লাইফ অফ উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন, ভলিউম ওয়ান'' (১৯০৩) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৩৮৩
=== ১৮৫০-এর দশক ===
*আমি বিশ্বাস করি, দাস বাণিজ্য হলো মানব ইতিহাসের সবচেয়ে জঘন্য অপরাধ, যা কোনো খ্রিস্টান বা পৌত্তলিক দেশের ইতিহাসকে কলঙ্কিত করে।
**হাউস অফ কমন্সে দেওয়া [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1850/mar/19/slave-trade#column_1158 ভাষণ] (১৯ মার্চ ১৮৫০)
*এটি সরকারের একটি ব্যবস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত ঈশ্বরের অস্বীকৃতি।
**''আ লেটার টু দ্য আর্ল অফ অ্যাবারডিন, অন দ্য স্টেট প্রসিকিউশনস অফ দ্য নিয়াপলিটান গভর্নমেন্ট'' (৭ এপ্রিল ১৮৫১), পৃষ্ঠা ৯
*আমি বিশ্বাস করি, আমরা আঞ্চলিক অধিগ্রহণের প্রাচীন দ্বন্দ্বের পরিবর্তে অন্য একটি দ্বন্দ্ব প্রতিষ্ঠা করতে কাজ করছি। এটি হলো জাতিগুলোর মধ্যে একটি শান্তিপূর্ণ এবং ভ্রাতৃত্বপূর্ণ দ্বন্দ্ব, যা শিল্প ও কলার একটি সৎ এবং মহৎ প্রতিযোগিতা।
**''অ্যান এক্সামিনেশন অফ দি অফিশিয়াল রিপ্লাই অফ দ্য নিয়াপলিটান গভর্নমেন্ট'' (১৮৫২), পৃষ্ঠা ৫০
*যদি এটি সত্য হয় যে, অতীতের কোনো এক সময়ে ইংল্যান্ড তার দৃষ্টান্তের মাধ্যমে বিশ্বের সামরিক সংগ্রামগুলোকে উদ্দীপিত করতে সম্পূর্ণ প্রভাব বিস্তার করেছিল, তবে এখন এবং ভবিষ্যতেও তার এগিয়ে আসা উচিত। তার দেখানো উচিত যে সে অভিজ্ঞতার ভারী পাঠ থেকে লাভবান হয়েছে। যদি বিধাতার পরিকল্পনায় তাকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়, তবে সে শান্তি, শিল্প এবং বাণিজ্যের ফলপ্রসূ পথে জাতিগুলোর পতাকাবাহী হতে পারে।
**''অ্যান এক্সামিনেশন অফ দি অফিশিয়াল রিপ্লাই অফ দ্য নিয়াপলিটান গভর্নমেন্ট'' (১৮৫২), পৃষ্ঠা ৫০
*আমরা পরোক্ষ [[কর|করারোপ]] থেকে তাদের ছাড় আরও প্রসারিত করার মাধ্যমে [[ইংল্যান্ড|ইংল্যান্ডের]] মহান শ্রমজীবী সম্প্রদায়ের প্রতি ন্যায়বিচার করার চেষ্টা করেছি। তবে আমরা এক শ্রেণিকে অন্য শ্রেণির বিরুদ্ধে দাঁড় করানোর কোনো ইচ্ছা দ্বারা পরিচালিত হইনি। আমরা অনুভব করেছি যে, শ্রেণি ও শ্রেণির মধ্যে কোনো বৈষম্য না করে আমরা আমাদের নিজস্ব সম্মান সবচেয়ে ভালোভাবে বজায় রাখতে পারব। এটি সংসদের মতামত পূরণে এবং দেশের স্বার্থকে উন্নীত করতে সহায়তা করবে। আমরা সমান এবং নিরপেক্ষ হাতে বোঝা ও সুবিধা বণ্টন করাকে পবিত্র লক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করেছি। আমরা বিশ্বাস করি, এই ধরনের প্রস্তাবগুলোর মাধ্যমে আমরা দেশের বস্তুগত সম্পদের বিকাশে অবদান রাখতে পারব। এছাড়া এই মহান জাতির বিভিন্ন শ্রেণিকে আগের চেয়ে আরও ঘনিষ্ঠভাবে সেই সিংহাসন এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে যুক্ত করতে পারব, যার অধীনে বাস করা তাদের জন্য আনন্দের।
**হাউস অফ কমন্সে দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1853/apr/18/the-financial-statement-the-budget#column_1422 ভাষণ] (১৮ এপ্রিল ১৮৫৩)
*আমরা যখন সাধারণ যুদ্ধের কথা বলি, তখন আমরা স্বাধীনতার পথে প্রকৃত অগ্রগতি বোঝাই না। বলপ্রয়োগের মাধ্যমে অর্জিত মানুষের প্রকৃত, নৈতিক এবং সামাজিক অগ্রগতিও বোঝাই না। এটি উদ্দেশ্য হতে পারে, তবে সাধারণ যুদ্ধের ফল খুব কমই এমন হয়! আমরা এর দ্বারা বোঝাই যে প্রকৃতির চেহারা মানুষের রক্তে রঞ্জিত হয়। আমরা বোঝাই যে কর বৃদ্ধি পায় এবং শিল্প হ্রাস পায়। আমরা জানি এর অর্থ হলো অযৌক্তিক এবং অকথ্য বোঝা পরবর্তী প্রজন্মের ওপর চাপানো হয়। আমরা জানি এর অর্থ হলো নৈতিক অবক্ষয়, পরিবারগুলো ভেঙে যাওয়া এবং যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়া প্রতিটি দেশে লালসা লাগামহীন হয়ে ওঠা।
**ম্যানচেস্টারে দেওয়া ভাষণ (১২ অক্টোবর ১৮৫৩), ''দ্য টাইমস'' (১৩ অক্টোবর ১৮৫৩)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৭
*যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে আমাদের দাবি করা সমস্ত শর্তগুলো মূলত মেনে নেওয়া হয়েছে। আমার মাননীয় বন্ধু বলেছেন আরও ভালো শর্ত নিশ্চিত করার জন্য আমাদের অবশ্যই একটি সাফল্য অর্জন করতে হবে। তবে এটি জনমত নয়। সাধারণ মানুষের অনুভূতি হলো, শর্তের বিষয়ে কোনো বড় সমস্যা নেই, বরং আপনার যা প্রয়োজন তা হলো আরও সামরিক সাফল্য। এটি কেবল সমর্থনযোগ্য নয়, বরং এটি জঘন্য, অখ্রিস্টান, অনৈতিক এবং অমানবিক। আপনি যাকে সাফল্য বলেন, কেবল তার জন্য যুদ্ধ করার কোনো অধিকার আপনার নেই। আপনি যখন যুদ্ধের উদ্দেশ্যগুলো অর্জন করেছেন, তারপরও যদি সামরিক গৌরব অর্জনের জন্য এটি চালিয়ে যান, তবে আপনি ঈশ্বরের ন্যায়বিচারের সাথে প্রতারণা করছেন। তাঁর হাতে সেনাবাহিনীর ভাগ্য ঠিক সেভাবেই অর্পিত, যেভাবে দোলনায় ঘুমন্ত শিশুর ভাগ্য থাকে। আপনি তাঁর ক্রোধ আপনার ওপর নামিয়ে আনার জন্য তাঁকে প্রলুব্ধ করছেন। যদি এটাই সাহস হয়, তবে আমার অন্তত এমন পথে চলার কোনো সাহস নেই। আমি বিশ্বাস করি এটি সমানভাবে দোষী এবং মূর্খতার কাজ।
**[[w:ক্রিমীয় যুদ্ধ|ক্রিমীয় যুদ্ধ]] সম্পর্কে হাউস অফ কমন্সে দেওয়া [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1855/may/24/prosecution-of-the-war ভাষণ] (২৪ মে ১৮৫৫)
*[[ইউরোপ|ইউরোপের]] মহান আন্তর্জাতিক নীতি এবং আইনকে স্থায়ীভাবে বজায় রাখার একটিমাত্র উপায় রয়েছে। [[ফ্রান্স]], ইংল্যান্ড বা [[রাশিয়া|রাশিয়ার]] মতো শক্তিশালী কোনো শক্তি যদি আক্রমণাত্মক নীতির দিকে ঝুঁকে পড়ে, তবে তাকে সীমার মধ্যে রাখার একটিমাত্র পথ আছে। সেটি বড় নৌবহর বা শারীরিক শক্তির অন্য কোনো প্রদর্শনী বজায় রাখার মাধ্যমে নয়, বরং ইউরোপের কার্যকর সম্প্রীতি বজায় রাখার মাধ্যমে। আমি মনে করি শারীরিক শক্তির বিষয়টি সত্যিই একটি নগণ্য অংশ।
**হাউস অফ কমন্সে দেওয়া [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1855/aug/03/the-negotiations-at-vienna#column_1810 ভাষণ] (৩ আগস্ট ১৮৫৫)
*একটি নীতি খুব প্রয়োজনীয় হয়ে পড়েছে। ১৮৪১ সালে স্যার [[রবার্ট পিল]] যে সাধারণ নীতি সমর্থন করার জন্য দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন, তা হলো বিদেশে শান্তি, অর্থনীতি, আর্থিক ভারসাম্য, অপব্যবহারের অবিচল প্রতিরোধ এবং দেশে ব্যবহারিক উন্নতির প্রচার। এর সাথে অপ্রয়োজনীয়ভাবে উত্থাপিত সংস্কারের প্রশ্নগুলোর প্রতি অনীহা ছিল।
**হুইটওয়েল এলউইনকে লেখা চিঠি (২ ডিসেম্বর ১৮৫৬), জন মর্লির ''দ্য লাইফ অফ উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন, ভলিউম ওয়ান'' (১৯০৩) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৫৫৩
*ব্যয়ের চেয়ে আয়ের স্থিতিশীল উদ্বৃত্ত বজায় রাখা, পরোক্ষ কর অত্যধিক হলে জনগণের স্বস্তির জন্য তা হ্রাস করা, আমাদের আর্থিক ব্যবস্থাকে সহজ করা এবং আয়করের অস্থায়ী চরিত্র চিহ্নিত করে ও একে আইনের উপকারী পরিবর্তনের সাথে যুক্ত করে এর প্রতি সমর্থন জোগাড় করা। এই লক্ষ্যগুলোই পনেরো বছর ধরে আমাদের জীবনের কাজ ছিল।
**স্মারকলিপি (১৪ ফেব্রুয়ারি ১৮৫৭), জন ব্রুক এবং মেরি সোরেনসেন (সম্পাদিত), ''দ্য প্রাইম মিনিস্টারস পেপারস: ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোন. থ্রি: অটোবায়োগ্রাফিক্যাল মেমোরেন্ডা ১৮৪৫–১৮৬৬'' (১৯৭৮) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ২১৫
[[File:Destroying Chinese war junks, by E. Duncan (1843).jpg|thumb|[[যুদ্ধ]] মানবজাতির জন্য একটি ভয়ঙ্কর অভিশাপ। কিন্তু এটি এমন হওয়ায় যুগের [[প্রজ্ঞা]] এটিকে কঠোর [[আইন]] ও [[প্রথা|প্রথার]] মধ্যে আবদ্ধ করেছে। এছাড়া এটি মানুষের বন্য [[আবেগ|আবেগকে]] নিয়ন্ত্রণ করতে কিছু আনুষ্ঠানিকতা পালনের দাবি করেছে, যাতে সম্পূর্ণ [[বিবেচনা]] এবং চরম [[প্রয়োজনীয়তা]] ছাড়া এই অভিশাপ মুক্ত হতে না পারে। আপনি এই সমস্ত সতর্কতাগুলো পরিহার করেছেন।]]
* স্যার, চীনের সাথে যুদ্ধ হচ্ছে না, কিন্তু সেখানে কী হচ্ছে? সেখানে শত্রুতা চলছে। রক্তপাত হচ্ছে। শক্তিমানরা দুর্বলদের পদদলিত করছে। দুর্বলরা শক্তিমানদের ওপর ভয়ংকর এবং ঘৃণ্য প্রতিশোধ নিচ্ছে। আপনি এখন এই হাউসে একজন চীনা রুটিওয়ালা সম্পর্কে মর্মান্তিক বিবরণ দিচ্ছেন, যে রুটিতে বিষ মিশিয়েছিল। আপনি ব্রিটিশদের মাথা কাটার ঘোষণা এবং একটি ডাকবাহী স্টিমারে হামলার কথা বলছেন। আপনি মনে করেন এগুলো আপনার মামলাকে শক্তিশালী করবে। কিন্তু এগুলো আপনার অপরাধকে আরও গভীর করে তোলে। এগুলো আপনাকে আরও সম্পূর্ণভাবে ভুলের দিকে ঠেলে দেয়। '''যুদ্ধ মানবজাতির জন্য একটি ভয়ঙ্কর অভিশাপ। কিন্তু এটি এমন হওয়ায় যুগের প্রজ্ঞা এটিকে কঠোর আইন ও প্রথার মধ্যে আবদ্ধ করেছে। এছাড়া এটি মানুষের বন্য আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করতে কিছু আনুষ্ঠানিকতা পালনের দাবি করেছে, যাতে সম্পূর্ণ বিবেচনা এবং চরম প্রয়োজনীয়তা ছাড়া এই অভিশাপ মুক্ত হতে না পারে। আপনি এই সমস্ত সতর্কতাগুলো পরিহার করেছেন।''' আপনি একজন কনসালকে একজন কূটনীতিক বানিয়েছেন। সেই পরিবর্তিত কনসাল এখন ইংল্যান্ডের পুরো শক্তি একটি প্রতিরক্ষাহীন জাতির বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে স্বাধীন। যুদ্ধ মানুষের জন্য অভিশাপ হলেও এর কিছু ইতিবাচক দিক রয়েছে। এর সাথে বীরত্বপূর্ণ আত্মত্যাগ এবং অসীম সাহসের কাজ জড়িত। আপনি মাঠে সমান শত্রুর মুখোমুখি হচ্ছেন এবং আপনি যখন জীবন বা মৃত্যুর চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেন, তখন আপনি অন্তত একটি ন্যায্য লড়াইয়ে অবতীর্ণ হন। কিন্তু আপনি চীনে গিয়ে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছেন, যারা আপনার সামনে নারী বা শিশুর মতো দাঁড়িয়ে আছে। তারা আপনাকে প্রতিরোধ করার চেষ্টা করে। তারা তাদের সৈন্য জড়ো করে। তারা তাদের বন্দুক লোড করে। তারা যুদ্ধে একজন মানুষকে হত্যা করে এবং অন্যজনকে আহত করে। কিন্তু তারা যখন এই কাজগুলো করে, তখন আপনি হয়তো হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেন। তারা মাঠে আপনার মোকাবিলা করতে অক্ষম। তাদের মুখোমুখি হওয়ার জন্য আপনার কোনো সমান ক্ষেত্র নেই। এই ধরনের যুদ্ধে আপনি কোনো গৌরব অর্জন করতে পারবেন না। যারা ব্রিটিশ পতাকাকে এ ধরনের কাজে ব্যবহার করে, তারাই একে কলঙ্কিত করে। জাতীয় পতাকার প্রতি আমাদের যে আনুগত্য রয়েছে, সে সম্পর্কে তাদের কাছ থেকে আমাদের অলংকারিক অতিরঞ্জন শোনার কোনো কারণ নেই। চীনের যুদ্ধের অবস্থা এমনই। এই মানুষগুলোর আপনাকে উন্মুক্ত প্রতিরোধ করার কোনো উপায় নেই। তারা আপনার সামনে নারী ও শিশুর মতো। আপনি যখন তাদের সাথে যুদ্ধ করেন, তখন তারা কী করে? তারা তাদের শত্রুদের ধ্বংস করার জন্য সেই শোচনীয় এবং ঘৃণ্য কৌশলগুলোর আশ্রয় নেয়, যা তাদের দুর্বলতা তাদের শেখায়। বিশ্বের ইতিহাসে এমন ঘটনা এই প্রথম নয়। আপনি কি কখনও সেই দাসদের বিদ্রোহের কথা পড়েননি, যা যুদ্ধ বলা হতো এবং যা ইতিহাসে দাসদের যুদ্ধ হিসেবে লিপিবদ্ধ আছে? এটি কি সর্বজনবিদিত নয় যে, ইতিহাসে লিপিবদ্ধ সমস্ত যুদ্ধের মধ্যে সেগুলো সবচেয়ে ভয়ঙ্কর, হিংস্র এবং ধ্বংসাত্মক ছিল? কেন? কারণ যারা পদদলিত হয়েছিল, তারা তাদের অত্যাচারীদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেওয়ার আবেগকে তৃপ্ত করতে কোনো সীমা মানেনি। তাদের বাড়াবাড়ি যতই ভুল হোক না কেন, যারা তাদের উসকে দিয়েছিল, তাদের পক্ষ থেকে এটি অভিযোগের ন্যায্য বিষয় হতে পারে না। এই যুদ্ধের কারণে হওয়া নিষ্ঠুরতা এবং অমানবিকতার প্রতিটি বিবরণ আমার কষ্ট ও লজ্জাকে আরও বাড়িয়ে তোলে। আমি বিশ্বাস করি, এই হাউস এই দুঃখজনক প্রতিযোগিতার উৎসের দিকে ফিরে তাকালে একই কষ্ট ও লজ্জা অনুভব করবে।
**[[w:দ্বিতীয় আফিম যুদ্ধ|দ্বিতীয় আফিম যুদ্ধের]] বিরুদ্ধে [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1857/mar/03/resolution-moved-resumed-debate-fourth#column_1802 হাউস অফ কমন্সে দেওয়া ভাষণ] (৩ মার্চ ১৮৫৭)
*এমন এক সময়ে যখন আবেগগুলো এতটাই বিভক্ত, আমি বিশ্বাস করি প্রত্যেক মানুষ তার ভোট দেওয়ার সময় এটি মনে রাখবে যে তার একটি মাত্র ভোটের ওপর নির্ভর করতে পারে যে [[চীন|চীনে]] আমি যে দুঃখকষ্ট, অপরাধ এবং অমানবিকতার ভয় করছি, তা বন্ধ করা হবে কি না। আমরা এখন সংকটের মধ্যে আছি। ইংল্যান্ড এখনও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ নয়। কিন্তু যদি একটি প্রতিকূল ভোট দেওয়া হয়, তবে ইংল্যান্ড প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হবে। এরপর আপনাদের সাথে, আমাদের সাথে, আমাদের প্রত্যেকের সাথে এটি দেখানোর দায়িত্ব থাকবে যে, এই হাউসটি বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন এবং স্বাধীনতার শ্রেষ্ঠ মন্দির। এটি সেই চিরস্থায়ী ন্যায়বিচারেরও মন্দির, যা ছাড়া স্বাধীনতা কেবল একটি নাম বা মানবজাতির জন্য একটি অভিশাপ হয়ে দাঁড়াবে। আমি বিশ্বাস করি আজ রাতে যখন আপনি, স্যার, আপনার আসন থেকে ভোটের ফলাফল ঘোষণা করবেন, তখন আপনার কথাগুলো কেবল শান্তি ও ক্ষমার বার্তা হিসেবে নয়, বরং ব্রিটিশ ন্যায়বিচার ও প্রজ্ঞার বার্তা হিসেবে বিশ্বের দূরতম প্রান্তে পৌঁছে যাবে।
**[[w:দ্বিতীয় আফিম যুদ্ধ|দ্বিতীয় আফিম যুদ্ধের]] বিরুদ্ধে হাউস অফ কমন্সে দেওয়া [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1857/mar/03/resolution-moved-resumed-debate-fourth#column_1808 ভাষণ] (৩ মার্চ ১৮৫৭)
* সংখ্যাগরিষ্ঠের দ্বারা সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক ততটাই একটি উপায়, যতটা গ্যাসের মাধ্যমে আলো জ্বালানো।
** ''স্টাডিজ অন হোমার অ্যান্ড দ্য হোমারিক এজ'' (অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১৮৫৮), পৃষ্ঠা ১১৬।
[[File:Gladstone-by-Watts-1859.jpg|thumb|right|আমি বলতে সাহস করছি যে, ব্যক্তিগত অযোগ্যতা বা রাজনৈতিক বিপদের কোনো বিবেচনায় যিনি সম্ভবত অক্ষম নন, এমন প্রত্যেক ব্যক্তি নৈতিকভাবে সংবিধানের আওতায় আসার অধিকারী।]]
* '''আমার আর্থিক বিশ্বাসে [[অর্থনীতি]] হলো প্রথম এবং প্রধান বিষয় (অর্থনীতি যেমনটা আমি বুঝি)।''' প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ করের মধ্যে বিতর্ক একটি গৌণ, তবে গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে।
** লিভারপুলে ফিন্যান্সিয়াল রিফর্ম অ্যাসোসিয়েশনের তাঁর ভাই রবার্টসনকে লেখা চিঠি (১৮৫৯), এফ. ডব্লিউ. হার্স্টের ''গ্ল্যাডস্টোন অ্যাজ ফাইন্যান্সিয়ার অ্যান্ড ইকোনমিস্ট'' (১৯৩১) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ২৪১
*১৮৫৩ সাল থেকে পরিস্থিতি কেমন ছিল? এই সত্যটি এড়িয়ে যাওয়া অর্থহীন যে, কেবল সরকারি বিভাগ বা মন্ত্রিসভার মধ্যেই নয়, বরং পুরো দেশজুড়ে এবং এই হাউসের আশেপাশেও জনসচেতনতার অভাব দেখা গেছে। সময়ের সাথে সাথে সামান্য পরীক্ষার মাধ্যমেই জনগণের তহবিলের ওপর সব ধরনের ব্যয় অনুমোদিত হয়েছে। এই বা সেই ব্যয়ের জন্য প্রত্যেক মানুষের আবেদন এত সহজে মেনে নেওয়া হয়েছে যে, এই ধারা আরও পাঁচ বা দশ বছর চলতে থাকলে দেশের অর্থনীতি সম্পূর্ণ বিশৃঙ্খলার মধ্যে পড়বে।
**বেঞ্জামিন ডিসরাইলির বাজেটের বিরুদ্ধে হাউস অফ কমন্সে দেওয়া [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1859/jul/21/financial-policy-of-the-late-government ভাষণ] (২১ জুলাই ১৮৫৯)
=== ১৮৬০-এর দশক ===
* '''আমি অভিজ্ঞতা থেকে ''নিশ্চিত'' যে, জীবনের শুরুতে কঠোরভাবে হিসাব রাখার সুবিধা অনেক।''' এটি ব্যাকরণ শেখার মতো, যা একবার শিখলে পরে আর বারবার দেখার প্রয়োজন হয় না।
** মিসেস গ্ল্যাডস্টোনকে লেখা চিঠি (১৪ জানুয়ারি ১৮৬০), এফ. ডব্লিউ. হার্স্টের ''গ্ল্যাডস্টোন অ্যাজ ফাইন্যান্সিয়ার অ্যান্ড ইকোনমিস্ট'' (১৯৩১) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ২৪২
*মহান লক্ষ্য হলো এই আইনের নৈতিক ও রাজনৈতিক তাৎপর্য এবং এর কাঙ্ক্ষিত ফল হিসেবে দুই দেশকে স্বার্থ ও স্নেহের মাধ্যমে একত্রিত করা। ব্রিটিশ বাণিজ্যের প্রসারের খাতিরে আপনি বা আমি কেউই এই [[w:কবডেন-শেভালিয়ার চুক্তি|চুক্তির]] ওপর আপাতত কোনো অতিমূল্য আরোপ করছি না। আমি যা খুঁজছি তা হলো সামাজিক কল্যাণ, দুই দেশের সম্পর্কের উন্নতি এবং ইউরোপের শান্তিতে এর প্রভাব।
**[[রিচার্ড কবডেন|রিচার্ড কবডেনকে]] লেখা চিঠি (আনুমানিক ১৮৬০), এইচ. সি. জি. ম্যাথিউয়ের ''গ্ল্যাডস্টোন, ১৮০৯–১৮৭৪'' (১৯৮৬) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১১৩
*স্যার, একসময় ইংল্যান্ড এবং ফ্রান্সের সরকারের মধ্যে বন্ধুত্বের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক স্থাপিত হয়েছিল। এটি ছিল পরবর্তী স্টুয়ার্টদের রাজত্বকালে। এটি আমাদের ইতিহাসে একটি অন্ধকার দিক চিহ্নিত করে, কারণ এটি একদিকে আধিপত্যবাদী উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং অন্যদিকে ভিত্তিহীন ও জঘন্য অধীনতার চেতনায় গঠিত একটি ঐক্য ছিল। কিন্তু স্যার, সেটি জাতিগুলোর ঐক্য ছিল না, সেটি ছিল সরকারের ঐক্য। এটি সরকারের ঐক্য নয়, এটি জাতিগুলোর ঐক্য হতে যাচ্ছে।
**[[w:কবডেন-শেভালিয়ার চুক্তি|অ্যাংলো-ফ্রেঞ্চ বাণিজ্যিক চুক্তি]] সম্পর্কে হাউস অফ কমন্সে দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1860/feb/10/customs-acts-committee-the-financial#column_836 ভাষণ] (১০ ফেব্রুয়ারি ১৮৬০)
*আমাদের প্রস্তাবগুলোর মধ্যে রয়েছে আমাদের শুল্কে একটি বড় সংস্কার, করের একটি বড় মওকুফ এবং সবশেষে ফ্রান্সের সাথে সেই বাণিজ্যিক চুক্তি। এ ধরনের পথ অনুসরণ করে আপনি জনগণের মধ্যে আশীর্বাদ ছড়িয়ে দিতে পারবেন। এই আশীর্বাদগুলো আপনার নিষ্পত্তির সবচেয়ে শক্তিশালী এবং স্বাস্থ্যকর আশীর্বাদগুলোর মধ্যে অন্যতম। কারণ এ ধরনের আইনে আপনি মানুষের জন্য যান্ত্রিক সাহায্য তৈরি করছেন না। তাদের নিজেদের যা করা উচিত, তা তাদের জন্য করার চেষ্টা করছেন না। বরং আপনি তাদের স্বাধীনতা সংকুচিত না করে তাদের সুযোগ বাড়াচ্ছেন। আপনি তাদের শ্রমের মূল্য দিচ্ছেন, তাদের দায়িত্ববোধকে জাগ্রত করছেন এবং তাদের সম্মানজনক আত্মনির্ভরশীলতাকে দুর্বল করছেন না।
**হাউস অফ কমন্সে দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1860/feb/10/customs-acts-committee-the-financial#column_871 ভাষণ] (১০ ফেব্রুয়ারি ১৮৬০)
*আমার নিজের দিক থেকে আমি গভীরভাবে নিশ্চিত যে, দেশের বৈধ চাহিদার বাইরে সরকারি ব্যয়ের সমস্ত বাড়াবাড়ি কেবল আর্থিক অপচয় নয়। এটি তুলনামূলকভাবে একটি তুচ্ছ বিষয় হলেও, এটি একটি বড় রাজনৈতিক এবং নৈতিক অন্যায়। আর্থিক অপচয়ের একটি বৈশিষ্ট্য হলো এটি নীরবে এবং গোপনে এগিয়ে আসে। এটি একটি বিশাল আকার ধারণ না করা পর্যন্ত অদৃশ্য এবং অনুভূত হয় না। অবশেষে আমরা এটিকে দেখতে পাই। সম্ভবত এটি এখন মহান ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে অন্তত একটির ক্ষেত্রে বিদ্যমান। এর দিকটি এত ভয়ানক এবং হুমকিস্বরূপ যে এটি জাতীয় অস্তিত্বের ভিত্তিকেই হুমকির মুখে ফেলে বলে মনে হয়।
**হাউস অফ কমন্সে দেওয়া [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1861/apr/15/first-night#column_595 ভাষণ] (১৫ এপ্রিল ১৮৬১)
*[[w:এডওয়ার্ড হর্সম্যান|স্ট্রাউডের মাননীয় সদস্য]] এই বাজেট সম্পর্কে বলেছেন, এটি সংবিধানে একটি মারাত্মক আঘাত। আমি জানতে চাই এটি কোন সংবিধানে মারাত্মক আঘাত হানে? আমার মতে এটি কোনো মারাত্মক আঘাত হানে না। বরং এটি সাম্প্রতিক অনুশীলনের যেকোনো কিছু পরিবর্তন করার ক্ষেত্রে সেই ভালো পুরোনো সংবিধান পুনরুদ্ধারের দিকে এগিয়ে যায়। এই সংবিধান স্যাক্সন সময়ে এর শিকড় গেড়েছিল, প্লান্টাজেনেটদের অধীনে বৃদ্ধি পেয়েছিল, টিউডরদের কঠোর শাসন সহ্য করেছিল এবং স্টুয়ার্টদের আগ্রাসন প্রতিরোধ করেছিল। এখন ব্রান্সউইক হাউসের শাসনে এটি নিখুঁত পরিপক্বতায় পৌঁছেছে।
**হাউস অফ কমন্সে দেওয়া [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1861/may/16/second-reading-second-night#column_2133 ভাষণ] (১৬ মে ১৮৬১)
* [[যুক্তরাষ্ট্রে দাসপ্রথা|দাসপ্রথা]] সম্পর্কে আমাদের নিজস্ব মতামত থাকতে পারে। আমরা [[দক্ষিণ যুক্তরাষ্ট্র|দক্ষিণের]] পক্ষে বা বিপক্ষে থাকতে পারি। তবে এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, [[জেফারসন ডেভিস]] এবং [[কনফেডারেট স্টেটস অফ আমেরিকা|দক্ষিণের অন্যান্য নেতারা]] একটি সেনাবাহিনী তৈরি করেছেন। তারা দৃশ্যত একটি নৌবাহিনী তৈরি করছেন এবং তারা এর চেয়েও বেশি কিছু করেছেন, ''তারা একটি জাতি তৈরি করেছেন''। উত্তর থেকে তাদের বিচ্ছিন্নতার বিষয়ে আমরা নিশ্চিতভাবে দক্ষিণের রাজ্যগুলোর সাফল্য আশা করতে পারি। আমি বিশ্বাস না করে পারি না যে, এই ঘটনাটি ভবিষ্যতের যেকোনো সম্ভাব্য ঘটনার মতোই নিশ্চিত।
** আমেরিকান গৃহযুদ্ধ নিয়ে টাউন হল, নিউক্যাসল আপন টাইনে দেওয়া ভাষণ (৭ অক্টোবর ১৮৬২), ''দ্য টাইমস'' (৯ অক্টোবর ১৮৬২)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৭-৮
* আমি বোঝাতে চাই যে, ব্যয়ের তথাকথিত বৃদ্ধির সাথে সাথে এমন একটি চেতনাও গড়ে ওঠে, যা অজান্তে জনগণের চেতনাকে প্রভাবিত করে। এটি সংসদের চেতনা, সরকারি বিভাগগুলোর চেতনা এবং সম্ভবত যাদের সংসদে প্রাক্কলন জমা দেওয়ার দায়িত্ব রয়েছে, তাদের চেতনাকেও প্রভাবিত করে।
** হাউস অফ কমন্সে দেওয়া ভাষণ (১৬ এপ্রিল ১৮৬৩), [[জন মর্লি|জন মর্লির]] ''দ্য লাইফ অফ উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন. ভলিউম টু'' (১৯০৩) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৬২
[[File:William Ewart Gladstone - Project Gutenberg eText 13103.jpg|thumb|right| [[ভুল|ভুলের]] বিরোধিতা করলেই যে কেউ [[সঠিক]] হবে, আমাদের মানসিক গঠনে তার খুব কম নিশ্চয়তাই রয়েছে।]]
* কিন্তু ব্যয়ের এই চেতনাকে কীভাবে দূর করা যায়? প্রচারের মাধ্যমে নয়, আপনার প্রচারের মাধ্যমেও তা সম্ভব হবে বলে আমি সন্দেহ করি। আমি গভীরভাবে সন্দেহ করি, যতদিন আমাদের আয়কর থাকবে, ততদিন এই চেতনা পুরোনো অর্থনীতির চেতনার জায়গা নিতে পারবে কি না। এর মধ্যেই গভীর ব্যবহারিক মুহূর্তের প্রশ্নগুলো লুকিয়ে আছে।
** রিচার্ড কবডেনকে লেখা চিঠি (৫ জানুয়ারি ১৮৬৪), [[জন মর্লি|জন মর্লির]] ''দ্য লাইফ অফ উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন ভলিউম টু'' (১৯০৩) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৬২
* '''আমি বলতে সাহস করছি যে, ব্যক্তিগত অযোগ্যতা বা রাজনৈতিক বিপদের কোনো বিবেচনায় যিনি সম্ভবত অক্ষম নন, এমন প্রত্যেক ব্যক্তি নৈতিকভাবে সংবিধানের আওতায় আসার অধিকারী।''' অধিকারের জন্য উপযুক্ততা থাকলে কাউকে সংবিধানের বাইরে রাখা যায় না। আমি শ্রমিক শ্রেণির একটি নির্বাচিত অংশের ক্ষেত্রে এটি প্রমাণ করতে পারি। বর্তমান পরিস্থিতি ভালো আছে, এই অজুহাতে তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা যায় না। আমি আরও দাবি করি, যারা এ ধরনের মতামত প্রকাশ করেছেন এবং যাদের আমি শ্রমিক শ্রেণির সদস্য বলে জানি, তারা নাগরিকত্বের দায়িত্ব পালনের যোগ্য। তারা সেই দায়িত্ব পালনের অধিকার ভালোভাবে এবং ন্যায্যভাবে পাওয়ার অধিকারী।
** হাউস অফ কমন্সে দেওয়া [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1864/may/11/second-reading#column_324 ভাষণ] (১১ মে ১৮৬৪)
*কোন গুণগুলো একজন মানুষকে ভোটাধিকারের মতো সুবিধা প্রয়োগের যোগ্য করে তোলে? আত্মনিয়ন্ত্রণ, শৃঙ্খলার প্রতি সম্মান, কষ্টের মধ্যে ধৈর্য, আইনের প্রতি আস্থা এবং ঊর্ধ্বতনদের প্রতি সম্মান।
**হাউস অফ কমন্সে দেওয়া [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1864/may/11/second-reading#column_325 ভাষণ] (১১ মে ১৮৬৪)
*তাঁর দেবী যুক্তির বিষয়ে আমি কেবল এটিই বুঝি যে, মহাদেশে যা [[ফরাসি বিপ্লব|ফরাসি বিপ্লবের]] নীতি হিসেবে পরিচিত, তার গ্রহণ। ইংল্যান্ডে আমরা এগুলো চাইও না এবং এগুলো খুব একটা পছন্দও করি না।
**[[জুসেপ্পে গারিবালদি|জুসেপ্পে গারিবালদির]] ব্রিটেন সফরের পর হেনরি এডওয়ার্ড ম্যানিংকে লেখা চিঠি (আনুমানিক জুলাই ১৮৬৪), পিটার সি. এর্ব (২০১৩) সম্পাদিত ''দ্য করেস্পন্ডেন্স অফ হেনরি এডওয়ার্ড ম্যানিং অ্যান্ড উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন: ভলিউম থ্রি, ১৮৬১–১৮৭৫'' গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ২৮
* অবশেষে, আমার বন্ধুরা, আমি আপনাদের মাঝে এসেছি। এবং আমি এসেছি... ''মুক্তভাবে''।
**দক্ষিণ ল্যাঙ্কাশায়ারের নির্বাচকদের উদ্দেশে দেওয়া ভাষণ। (১৮ জুলাই ১৮৬৫)
*আমি লিবারেল সরকারের একজন সদস্য। আমি লিবারেল দলের সাথে যুক্ত। জীবনে প্রবেশ করার সময় আমি যে সত্যিকারের রক্ষণশীল উদ্দেশ্য এবং আকাঙ্ক্ষাগুলো ধারণ করেছিলাম, তা থেকে আমি কখনো বিচ্যুত হইনি। আমি আমার দেশের প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি আগের চেয়ে আরও বেশি অনুরক্ত হয়ে পড়েছি। ছোটবেলায় সিফোর্থের বালির পাহাড়ে বা [[লিভারপুল|লিভারপুলের]] রাস্তায় ঘুরে বেড়ানোর সময়ও আমার এতটা অনুরাগ ছিল না। কিন্তু অভিজ্ঞতা আমাকে শিক্ষা দিয়েছে। আমি শিখেছি যে বিশ্বাসের নীতিতে প্রজ্ঞা রয়েছে এবং অবিশ্বাসের নীতিতে মূর্খতা রয়েছে। আমি সময়ের লক্ষণগুলো গ্রহণ করতে অস্বীকার করিনি। আমি লিবারেল আইনের প্রভাব পর্যবেক্ষণ করেছি। যদি আমাদের বলা হয় যে দেশের সমস্ত অনুভূতি সর্বোত্তম এবং বিস্তৃত অর্থে রক্ষণশীল, অর্থাৎ মানুষ দেশ এবং দেশের আইন ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে মূল্য দেয়, তবে সততা আমাদের স্বীকার করতে বাধ্য করে যে এই ফলাফল লিবারেল আইনের মাধ্যমেই আনা হয়েছে।
**লিভারপুলে দেওয়া ভাষণ (১৮ জুলাই ১৮৬৫), ''দ্য টাইমস'' (১৯ জুলাই ১৮৬৫)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১১।
*ভদ্রমহোদয়গণ, বিশ্বে ইংল্যান্ডের অবস্থান একটি অদ্ভুত অবস্থান। ইংল্যান্ড হয়তো অন্য যেকোনো ইউরোপীয় দেশের চেয়ে অতীত যুগের সবচেয়ে মহৎ এবং শ্রদ্ধেয় ঐতিহ্য উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছে। একই সাথে অতীতের তার ঐতিহ্যগুলো এতই সমৃদ্ধ এবং ফলপ্রসূ যে আমাদের সমস্ত মন এবং চরিত্র বহুলাংশে সেগুলো দ্বারা গঠিত হয়েছে। ভৌগোলিকভাবে সে একদিকে ইউরোপ এবং অন্যদিকে [[যুক্তরাষ্ট্র|আমেরিকার]] মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছে। সে সেই [[সামন্তবাদ|সামন্ততান্ত্রিক]] প্রতিষ্ঠানগুলোর মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছে, যেখানে ইউরোপীয় সমাজ গঠিত হয়েছিল এবং যা তাকে শ্রেণির একটি স্তরবিন্যাস দিয়েছে। অন্যদিকে সে আমেরিকায় সমাজের ভিত্তি গঠনকারী সমতার নীতিগুলোর মাঝখানেও দাঁড়িয়ে আছে।
**লিভারপুল লিবারেল অ্যাসোসিয়েশনের উদ্দেশে দেওয়া ভাষণ (৬ এপ্রিল ১৮৬৬), ''দ্য টাইমস'' (৭ এপ্রিল ১৮৬৬)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৯
*মাঝে মাঝে বলা হয় যে আমরা যে ব্যবস্থাটির প্রস্তাব করছি, তা একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা। "[[গণতন্ত্র]]" শব্দের খুব ভিন্ন অর্থ রয়েছে। গণতন্ত্র মানে যদি স্বাধীনতা হয়, গণতন্ত্র মানে যদি প্রত্যেক মানুষকে তার নিজস্ব পরিমণ্ডলে প্রতিটি সুবিধা এবং প্রতিটি ভোটাধিকার প্রসারিত করা হয়, যা সে নিজের সুবিধার জন্য এবং রাষ্ট্রের নিরাপত্তার সাথে প্রয়োগ করতে পারে, তবে আমি স্বীকার করতে বাধ্য যে গণতন্ত্র শব্দটিতে আমাদের শঙ্কিত হওয়ার খুব বেশি কিছু নেই। (হর্ষধ্বনি) কিন্তু গণতন্ত্র মানে যদি জ্ঞানের বিরুদ্ধে অজ্ঞতাকে সিংহাসনে বসানো হয়, পুণ্যের বিরুদ্ধে পাপকে প্রতিষ্ঠা করা হয়, পদমর্যাদাকে অবজ্ঞা করা হয়, আমাদের পূর্বপুরুষরা আমাদের জন্য যা করেছেন তা ভুলে যাওয়া হয়, আমরা যে উত্তরাধিকার উপভোগ করছি তার প্রতি উদাসীনতা বা শীতলতা দেখানো হয়, তবে ভদ্রমহোদয়গণ, আমি একা এবং আমি বিশ্বাস করি যাদের আমি সম্বোধন করার সম্মান পেয়েছি তারা সবাই সেই অর্থে গণতন্ত্রের শত্রু।
**লিভারপুল লিবারেল অ্যাসোসিয়েশনের উদ্দেশে দেওয়া ভাষণ (৬ এপ্রিল ১৮৬৬), ''দ্য টাইমস'' (৭ এপ্রিল ১৮৬৬)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৯
*স্যার, লিবারেল দলের ক্ষেত্রে আমার অবস্থান সব দিক থেকেই [[জন রাসেল, প্রথম আর্ল রাসেল|আর্ল রাসেলের]] বিপরীত। তাঁর যে দাবিগুলো রয়েছে, আমার তা নেই। যাদের সাথে আমি যুক্ত ছিলাম, তাদের কাছ থেকে বিতাড়িত হয়ে আমি আপনাদের মাঝে এসেছি। আমি স্বীকার করি, কোনো স্বেচ্ছাচারী কাজের কারণে নয়, বরং দৃঢ় প্রত্যয়ের ধীর এবং অপ্রতিরোধ্য শক্তির কারণেই আমি বিতাড়িত হয়েছি। আইনি পরিভাষায় বলতে গেলে, আমি আপনাদের মাঝে ''ইন পপারিস ফরমা'' হিসেবে এসেছি। বিশ্বস্ত এবং সম্মানজনক সেবা ছাড়া আপনাদের দেওয়ার মতো আমার আর কিছুই ছিল না। আপনারা আমাকে দয়া, প্রশ্রয় এবং উদারতার সাথে গ্রহণ করেছেন। আমি বলতে পারি যে আপনারা কিছুটা আত্মবিশ্বাসের সাথেই আমাকে গ্রহণ করেছেন। আমাদের মধ্যে সম্পর্ক এমন একটি রূপ নিয়েছে যে আপনারা কখনোই আমার কাছে ঋণী হতে পারবেন না, বরং আমাকে চিরকাল আপনাদের কাছে ঋণী থাকতে হবে।
**রিপ্রেজেন্টেশন অফ দ্য পিপল বিলের দ্বিতীয় পাঠে হাউস অফ কমন্সে দেওয়া [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1866/apr/27/adjourned-debate-eighth-night#column_130 ভাষণ] (২৭ এপ্রিল ১৮৬৬)
*আমার কাছে মনে হয়েছিল যে, বর্তমান সরকারের অধীনে সরকারি ব্যয় সংক্রান্ত এমন একটি ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে, যাকে আমি সবাইকে খুশি রাখার ব্যবস্থা বলে থাকি। এর মানে হলো এক শহর থেকে অন্য শহরে যাওয়া, এই সম্প্রদায় যা চায় তা দেওয়া, ঐ সম্প্রদায় যা চায় তা দেওয়া এবং অন্য সম্প্রদায় যা চায় তা দেওয়া। সেই বিশাল জনসাধারণকে দৃষ্টির বাইরে রাখা, যাদের দুর্ভাগ্যবশত এই স্থানীয় এবং বিশেষ দাবিগুলোর বিরুদ্ধে রক্ষা করার জন্য সর্বদা কোনো কণ্ঠস্বর এবং আইনজীবী প্রস্তুত থাকে না। তবে এটি আমাদের জন্য সবচেয়ে গর্বের বিষয় যে আমরা তাদের আইনজীবী এবং চ্যাম্পিয়ন হতে চাই।
**ল্যাঙ্কাশায়ারের লেইগে দেওয়া ভাষণ (২০ অক্টোবর ১৮৬৮), ''দ্য টাইমস'' (২১ অক্টোবর ১৮৬৮)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১১
*আপনি যদি সেবা পেতে চান, তবে যারা আপনাকে সেবা দিতে চায় এবং যারা চায় না, তাদের মধ্যে পার্থক্য করতে হবে। দক্ষিণ ল্যাঙ্কাশায়ার এবং সাধারণভাবে দেশের ভোটাররা যদি ব্যয় করার এই পদ্ধতিটি চলতে দিতে সন্তুষ্ট থাকে, তবে আপনাদের অস্পষ্ট এবং সাধারণ প্রতিশ্রুতিগুলো নিয়ে সন্তুষ্ট থাকা অর্থহীন। এই মহাদেশীয় ব্যবস্থাটি সমগ্র জনগণের ব্যয়ে নির্দিষ্ট শ্রেণি এবং অংশের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করে। যদি এটি সেই ব্যবস্থা হয় যার ভিত্তিতে সরকারি অর্থ পরিচালনা করা হবে, তবে ভালো বছরেও কর মওকুফের সমস্ত আশা ছেড়ে দেওয়ার জন্য আপনাদের প্রস্তুত থাকতে হবে। খারাপ বছরে আয়করের স্থির বৃদ্ধির জন্য আপনাদের অপেক্ষা করতে হবে।
**ল্যাঙ্কাশায়ারের লেইগে দেওয়া ভাষণ (২০ অক্টোবর ১৮৬৮), ''দ্য টাইমস'' (২১ অক্টোবর ১৮৬৮)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১১
*আমরা দেখতে পাচ্ছি এবং জানি যে, আয়ারল্যান্ডে রাষ্ট্রের ক্ষমতা এবং প্রভাবকে অন্যের বিরুদ্ধে একটি ধর্মকে সমর্থন করার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করার চেষ্টা করা হয়েছে। এটি দেশের জন্য একটি প্লেগ এবং অভিশাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটি মানুষকে মানুষ থেকে, শ্রেণিকে শ্রেণি থেকে, রাজ্যকে রাজ্য থেকে বিভক্ত করেছে। এই মহান, প্রাচীন এবং মহৎ সাম্রাজ্যে এর প্রভাব এমন হয়েছে যে, এটি এখন বিশ্ববাসীর সামনে আমাদের একটি বিভক্ত দেশ হিসেবে তুলে ধরেছে। এই তিনটি রাজ্যের মধ্যে দুটিতে আমরা সত্যই আন্তরিকভাবে ঐক্যবদ্ধ এবং যুক্ত। তবে তৃতীয়টি মানবজাতির সামনে একটি বেদনাদায়ক দৃশ্য উপস্থাপন করে, যা নিজেদের মধ্যে বিভেদ ও ধ্বংসের দ্বারা পূর্ণ। এটি এই রাজ্যের সিংহাসন এবং সংবিধানের ক্ষেত্রেও বিচ্ছিন্নতা এবং দূরত্বের সৃষ্টি করেছে।
**ওয়েভারট্রির অ্যাসেম্বলি-রুমে দেওয়া ভাষণ (১৪ নভেম্বর ১৮৬৮), ''দ্য টাইমস'' (১৬ নভেম্বর ১৮৬৮)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৫
* "কয়লা খনি শ্রমিকদের মজুরি বাড়ানোর" জন্য আমার ক্ষমতায় থাকা একমাত্র উপায়টি ছিল বাণিজ্যের সেই সমস্ত বিধিনিষেধগুলো ভেঙে ফেলার চেষ্টা করা, যা তাদের শ্রমের পণ্যের জন্য প্রাপ্ত মূল্যকে হ্রাস করার প্রবণতা রাখে। এছাড়া তাদের ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় পণ্যগুলোর ওপর যতটা সম্ভব কর কমানোর চেষ্টা করা। এর বাইরে আমি দূরদর্শিতার দিকে তাকাই, যা স্কটল্যান্ড এবং কিছু বিদেশি দেশের মতো এই দেশে এখনও এত ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েনি। আপনাদের মনে করিয়ে দেওয়ার প্রয়োজন নেই যে, এর প্রয়োগ সহজ করার জন্য সরকারকে আইন প্রণয়নের মাধ্যমে ক্ষমতায়ন করা হয়েছে, যাতে [[w:জেনারেল পোস্ট অফিস|পি.ও.]] বিভাগের মাধ্যমে তারা সঞ্চয়ের গ্রহীতা এবং অভিভাবক হতে পারে।
** ড্যানিয়েল জোন্স নামে একজন বেকার খনি শ্রমিককে লেখা চিঠি, যিনি বেকারত্ব এবং কম মজুরির বিষয়ে অভিযোগ করেছিলেন (২০ অক্টোবর ১৮৬৯), এইচ. সি. জি. ম্যাথিউয়ের ''দ্য গ্ল্যাডস্টোন ডায়েরিজ: উইথ ক্যাবিনেট মিনিটস অ্যান্ড প্রাইম-মিনিস্টারিয়াল করেস্পন্ডেন্স: ১৮৬৯-জুন ১৮৭১'' ভলিউম ৭ (১৯৮২) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা lxxiv
=== ১৮৭০-এর দশক ===
* [[w:হেফাস্টাস|হেফাইস্তোস]] হোমারের বর্ণনায় দ্বৈত রূপ ধারণ করেছেন। তিনি প্রকৃতির একটি শক্তি হিসেবে আগুনের উপাদানের প্রতিনিধিত্ব করেন। পাশাপাশি তিনি এমন একজন দেবতার রূপ ধারণ করেন, যিনি এমন একটি সময়ের শিল্পের দেবতা ছিলেন, যখন আগুনের সাহায্যে উৎপাদিত ধাতুর কাজই একমাত্র পরিচিত চারুকলা ছিল।
** ''জুভেন্টাস মুন্ডি: দ্য গডস অ্যান্ড মেন অফ দ্য হিরোয়িক এজ'' (১৮৭০) [https://archive.org/stream/juventusmundigod00glad_1#page/288/mode/2up পৃষ্ঠা ২৮৯।]
*মানুষের সম্মতি ছাড়া এক সার্বভৌমত্ব থেকে অন্য সার্বভৌমত্বে তাদের আনুগত্য এবং নাগরিকত্ব হস্তান্তর করা ইউরোপের কিছু অতীত ঘটনার জন্য একটি বড় কলঙ্ক হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটি অনেক যুদ্ধ এবং অশান্তির জন্ম দিয়েছে। ন্যায়বিচারের বিবেচনার সাথে এর সমন্বয় করা কঠিন এবং আধুনিক সভ্যতার অনুভূতির কাছে এটি বিকর্ষণীয়।
**[[w:গ্র্যানভিল লেভেসন-গাওয়ার, ২য় আর্ল গ্র্যানভিল|লর্ড গ্র্যানভিলকে]] লেখা চিঠি (২৪ সেপ্টেম্বর ১৮৭০), হ্যারল্ড টেম্পারলি এবং লিলিয়ান এম. পেনসনের ''ফাউন্ডেশনস অফ ব্রিটিশ ফরেন পলিসি ফ্রম পিট (১৭৯২) টু স্যালিসবারি (১৯০২) অর ডকুমেন্টস, ওল্ড অ্যান্ড নিউ'' (১৯৩৮) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৩২৫–৩২৬
*আমি এই ধারণায় খুব নিপীড়িত বোধ করছি যে, মানুষের এই পণ্যদ্রব্যের মতো হস্তান্তর কোনো সম্মিলিত ইউরোপীয় কণ্ঠস্বর ছাড়াই এগিয়ে যাবে, যদি তারা কথা বলতে ইচ্ছুক হয়।
**জার্মানির [[w:আলসাস-লরেন|আলসাস-লরেন]] অধিগ্রহণের বিষয়ে [[w:গ্র্যানভিল লেভেসন-গাওয়ার, ২য় আর্ল গ্র্যানভিল|লর্ড গ্র্যানভিলকে]] লেখা চিঠি (৩০ সেপ্টেম্বর ১৮৭০), আগাথা র্যাম (সম্পাদিত) এর ''দ্য গ্ল্যাডস্টোন–গ্র্যানভিল করেস্পন্ডেন্স'' [১৯৫২] (১৯৯৮) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১৩৫
*নৈতিক শক্তি এবং ইউরোপীয় রাজনীতিতে তাদের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের ওপর আমার গভীর বিশ্বাস রয়েছে। সম্ভবত সেই কারণেই আমি স্বীকার করতে মুক্ত যে এটি মাঝে মাঝে বিভ্রান্তিকরও হতে পারে।
**[[w:গ্র্যানভিল লেভেসন-গাওয়ার, ২য় আর্ল গ্র্যানভিল|লর্ড গ্র্যানভিলকে]] লেখা চিঠি (৮ অক্টোবর ১৮৭০), হ্যারল্ড টেম্পারলি এবং লিলিয়ান এম. পেনসনের ''ফাউন্ডেশনস অফ ব্রিটিশ ফরেন পলিসি ফ্রম পিট (১৭৯২) টু স্যালিসবারি (১৯০২) অর ডকুমেন্টস, ওল্ড অ্যান্ড নিউ'' (১৯৩৮) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৩২৩
*সামগ্রিকভাবে এটি আশা করা যুক্তিসঙ্গত বলে মনে হয় যে, আমাদের টিউটনিক কাজিনদের [জার্মানি] ব্যবহারিক চরিত্র এবং তাদের অভ্যন্তরীণ দুঃখের বিশাল পরিমাণ তাদের শান্তি ও শুভেচ্ছার মেজাজে স্থির হতে সহায়তা করবে। কিন্তু তারা তা করুক বা না করুক, এটি আশঙ্কা করা বৃথা যে তাদের সামনে বিশ্বব্যাপী বিজয় বা নিরঙ্কুশ আধিপত্যের কোনো পেশা রয়েছে। এছাড়া এটিও আশঙ্কা করা বৃথা যে ইউরোপীয় পরিবার তার অবাধ্য এবং গোলমালকারী সদস্যদের অদ্ভুত আচরণ সংশোধন করার জন্য যথেষ্ট শক্তিশালী নয়।
*‘জার্মানি, ফ্রান্স, অ্যান্ড ইংল্যান্ড’, ''এডিনবার্গ রিভিউ'' (অক্টোবর ১৮৭০), ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোনের ''গ্লিনিংস অফ পাস্ট ইয়ারস, ১৮৪৩–৭৮. ভলিউম ফোর. ফরেন'' (১৮৭৯) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ২৪৯
*এটি নিশ্চিত যে একটি নতুন [[আন্তর্জাতিক আইন|জাতিগুলোর আইন]] ধীরে ধীরে মনের ওপর নিয়ন্ত্রণ নিচ্ছে এবং বিশ্বের অনুশীলনকে প্রভাবিত করছে। এটি এমন একটি আইন যা স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি দেয়, আগ্রাসনকে ভ্রুকুটি করে এবং বিরোধের রক্তক্ষয়ী নিষ্পত্তির বদলে শান্তিপূর্ণ সমাধানের পক্ষে থাকে। এটি অস্থায়ী নয়, বরং স্থায়ী সমন্বয়ের লক্ষ্য রাখে। সর্বোপরি এটি সভ্য মানবজাতির সাধারণ রায়কে সর্বোচ্চ কর্তৃত্বের বিচারালয় হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। এটি ফ্রান্সের আগ্রাসনকে নিন্দা করেছে এবং প্রয়োজন হলে [[জার্মানি|জার্মানির]] লোভকেও নিন্দা করবে। “''সেকিউরাস জুডিকেট অরবিস টেরারাম।''” সমস্ত জাতির জন্য পথভ্রষ্ট হওয়া কঠিন। তাদের সার্বজনীন পরিষদ তাদের আংশিক আবেগের ঊর্ধ্বে বসে থাকে, যারা স্বার্থ দ্বারা বিভ্রান্ত এবং কলহ দ্বারা বিরক্ত হয়। '''আমাদের সময়ের সবচেয়ে বড় বিজয়, বিদ্যুৎ এবং বাষ্পের চেয়ে উচ্চতর অঞ্চলের একটি বিজয় হবে ইউরোপীয় নীতির নিয়ামক ধারণা হিসেবে জনস্বার্থের এই ধারণার সিংহাসনারোহণ।''' এটি সমস্ত ভূমির সাধারণ এবং মূল্যবান উত্তরাধিকার হবে, যা যেকোনো ক্ষণস্থায়ী মতামতের চেয়ে শ্রেষ্ঠ।
**‘জার্মানি, ফ্রান্স, অ্যান্ড ইংল্যান্ড’, ''এডিনবার্গ রিভিউ'' (অক্টোবর ১৮৭০), ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোনের ''গ্লিনিংস অফ পাস্ট ইয়ারস, ১৮৪৩–৭৮. ভলিউম ফোর. ফরেন'' (১৮৭৯) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ২৫৬–২৫৭
* আমি বলতে আগ্রহী যে বর্তমান আন্দোলনের অনেক উদ্যোক্তার বৃহত্তর উদ্দেশ্যগুলোর কোনো সন্দেহ বাদ দিলেও, নির্বাচনী কার্যক্রমে নারীদের ব্যক্তিগত উপস্থিতি এবং হস্তক্ষেপ একটি ব্যবহারিক মন্দ কাজ হবে। এটি কেবল সবচেয়ে গুরুতর নয়, বরং এটি একটি অসহনীয় চরিত্রের কাজ হবে।
** উইমেনস ডিজেবিলিটিস বিলের ওপর হাউস অফ কমন্সে দেওয়া [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1871/may/03/second-reading ভাষণ] (৩ মে ১৮৭১)
*লন্ডনে বিশেষ করে শ্রেণির স্বার্থগুলো কেন্দ্রীভূত ছিল না। সেখানে সম্পদই সর্বশক্তিমান ছিল। বর্তমান বছরে তাদের কর্মকাণ্ডের কারণে সম্পদ মারাত্মক অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে, কারণ সরকার সংসদকে সুপারিশ করেছে যে ইংলিশ সেনাবাহিনীতে ক্ষমতা আর সম্পদের পুরস্কার হবে না, বরং তা হবে যোগ্যতার পুরস্কার।
**[[w:কার্ডওয়েল সংস্কার|কার্ডওয়েল সংস্কারের]] ওপর হুইটবিতে দেওয়া ভাষণ (২ সেপ্টেম্বর ১৮৭১), ''দ্য টাইমস'' (৪ সেপ্টেম্বর ১৮৭১)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১২
*[[মুক্ত বাণিজ্য|বাণিজ্যের স্বাধীনতা]] প্রতিষ্ঠা এবং বাণিজ্য থেকে সম্ভাব্য প্রতিটি বিধিনিষেধ ও বোঝা দূর করার সাধারণ প্রবৃত্তি যুক্তরাজ্যকে আজ এই অসাধারণ অবস্থানে নিয়ে আসার প্রধান চালিকাশক্তি হয়েছে। আমি যদি বলি যে গত ৩০ বছরে আমাদের জনসংখ্যা প্রায় ২৫ বা ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, আর একই সময়ে আমাদের বাণিজ্য প্রায় ৪০০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, তবে আমি খুব বিনয়ের সাথেই এই কথাটি তুলে ধরছি।
**ওয়েকফিল্ডে দেওয়া ভাষণ (৫ সেপ্টেম্বর ১৮৭১), ''দ্য টাইমস'' (৬ সেপ্টেম্বর ১৮৭১)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৩
*আমার শিরায় স্কটিশ রক্ত ছাড়া আর এক ফোঁটা রক্তও নেই। আমার হৃদয়ের একটি বড় অংশ সবসময় স্কটল্যান্ডের ছিল এবং ভবিষ্যতেও স্কটল্যান্ডের থাকবে।
**শহরের স্বাধীনতা লাভের পর অ্যাবারডিনে দেওয়া ভাষণ (২৬ সেপ্টেম্বর ১৮৭১), ''দ্য টাইমস'' (২৭ সেপ্টেম্বর ১৮৭১)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৬
*যারা আপনাকে মানুষের জীবনের কষ্টগুলো দূর করার জন্য আইনসভার দিকে তাকাতে শেখায়, তারা আপনার বন্ধু নয়, তারা আপনার শত্রু। যদিও তাদের উদ্দেশ্য হয়তো খারাপ নয়। মানুষের সুখ বা দুঃখ মূলত নির্ভর করে তার নিজস্ব মন, বিবেক এবং ব্যক্তিগত চরিত্রের ওপর। (হর্ষধ্বনি) আমাদের সামনে যে সামাজিক সমস্যাগুলো আছে, সেগুলো অনেক এবং ভয়ংকর। সরকার তার সর্বোচ্চ চেষ্টা করুক, আইনসভা আপনার সেবায় দিনরাত কাজ করুক। কিন্তু সবচেয়ে ভালো ফলাফল অর্জন করার পরও, একজন ইংরেজ বাবা সুখী পরিবারের বাবা হতে পারবেন কি না এবং একটি ঐক্যবদ্ধ বাড়ির কেন্দ্র হতে পারবেন কি না, সেই প্রশ্নটি মূলত তার নিজের ওপরই নির্ভর করবে। (হর্ষধ্বনি) আর যারা শহরের বাসিন্দাদের প্রতিশ্রুতি দেয় যে তাদের প্রত্যেকের মুক্ত বাতাসে পর্যাপ্ত জায়গাসহ একটি বাড়ি ও বাগান থাকবে, যারা বলে যে পাইকারি দামে খুচরা জিনিস কেনার বাজার থাকবে—আমি বলব না যে তারা প্রতারক, কারণ আমি নিশ্চিত যে তারা আন্তরিক। তবে আমি বলব তারা হাতুড়ে ডাক্তার (হর্ষধ্বনি)। তারা একটি নকল পরোপকারের দ্বারা বিভ্রান্ত ও প্রতারিত। যখন তাদের উচিত আপনাকে বাস্তবসম্মত সুযোগ দেওয়া, এমনকি সেগুলো যদি সাধারণও হয়, তখন তারা হয়তো নিজেদের অজান্তেই আপনাকে ধর্মান্ধতার মাধ্যমে প্রতারিত করার চেষ্টা করছে। তারা আপনাকে এমন একটি ফল দিচ্ছে, যার স্বাদ নিতে গেলে সেটি আপনার মুখে ছাইয়ের মতো মনে হবে। (হর্ষধ্বনি)
**ব্ল্যাকহিথে দেওয়া ভাষণ (২৮ অক্টোবর ১৮৭১), ''দ্য টাইমস'' (৩০ অক্টোবর ১৮৭১)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৩
* আয়কর বাতিলের ধারণাটি আমার কাছে অত্যন্ত আকর্ষণীয়। এর কারণ হলো এটি জনস্বার্থের অর্থনীতির দিকে ধাবিত করে এবং অন্যান্য যৌক্তিক কারণও রয়েছে।
** এইচ. সি. ই. চাইল্ডার্সকে লেখা চিঠি (৩ এপ্রিল ১৮৭৩)
*যদি [[w:ফিজি|এই দ্বীপগুলোকে]] অধিভুক্ত করা হয়, তবে সেগুলো আমাদের কাছে সবচেয়ে মারাত্মক রূপে উপস্থিত হবে। এটি জাতিগত পার্থক্য থেকে উদ্ভূত একটি অসুবিধা, যা ইতিমধ্যে আমাদের কিছু ঔপনিবেশিক সম্পত্তিতে ঘটেছে। যেখানে উন্নত জাতির সংখ্যা বেশি এবং কম উন্নত বা সভ্য জাতির সংখ্যা কম, সেখানে এই অসুবিধা খুব কমই অনুভূত হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, [[পুয়ের্তো রিকো|পোর্তো রিকোতে]] বিপুল সংখ্যক [[কৃষ্ণাঙ্গ|নিগ্রো]] থাকা সত্ত্বেও শ্বেতাঙ্গদের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি ছিল এবং কোনো অসুবিধা ছাড়াই দাসদের [[দাসমুক্তি|মুক্তি]] কার্যকর করা হয়েছিল। তবে [[জ্যামাইকা]] পোর্তো রিকোর মতো ছিল না। জ্যামাইকায় কম উন্নত জাতির তুলনায় শ্বেতাঙ্গদের সংখ্যা অত্যন্ত কম ছিল।
**হাউস অফ কমন্সে দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1873/jun/13/resolution#column_951 ভাষণ] (১৩ জুন ১৮৭৩)
*আপনার ভাষা [[ওয়েলশ ভাষা|একটি প্রাচীন ভাষা]]। এই ভাষাটি একটি প্রাচীন ইতিহাস, একটি প্রাচীন সংগীত এবং একটি প্রাচীন সাহিত্যের সাথে যুক্ত। আমি বলি যে এটি অতীতের একটি শ্রদ্ধেয় ধ্বংসাবশেষ। বর্তমান বা অন্য যেকোনো সময়ে পৃথিবীতে এর চেয়ে বড় মূর্খতা আর নেই যে অতীতকে অবমূল্যায়ন করা এবং বর্তমান প্রজন্মের সাথে অতীতের সেই প্রজন্মের সংযোগগুলো ছিন্ন করা, যারা চলে গেছে এবং যাদের হিসাব নেওয়া হয়েছে। আমরা যদি সত্যই সভ্যতার অগ্রগতিকে উন্নীত করতে চাই, তবে আমাদের কখনোই অতীতকে অবহেলা বা অবমূল্যায়ন করা উচিত নয় এবং এর প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন বন্ধ করা উচিত নয়। বিশ্বাস করুন, যে ব্যক্তি তার মৃত পূর্বপুরুষদের যথাযথ মূল্যায়ন করে না, সে তার দেশের সম্মান বা মর্যাদা বাড়াতে খুব কমই অবদান রাখতে পারে। আপনাদের প্রশংসনীয় এবং দেশপ্রেমিক প্রচেষ্টাগুলো সাধারণ [[ইংরেজ জাতি|ইংরেজ জনগণের]] কাছে আরও বেশি করে বোঝা এবং সম্মানিত হবে। আপনাদের সেই সভাগুলোতে সমৃদ্ধি এবং সম্মান থাকবে, যার মাধ্যমে আপনারা আপনাদের দেশ, [[ওয়েলস|প্রিন্সিপালিটি অফ ওয়েলসের]] প্রাচীন ইতিহাস, কাজ এবং সাহিত্যকে সংরক্ষণ ও স্মরণ করার চেষ্টা করেন।
**মোল্ডে [[w:আইসটেডফড|আইসটেডফডের]] উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতি গ্ল্যাডস্টোনের দেওয়া উদ্বোধনী ভাষণ (১৯ আগস্ট ১৮৭৩), ''দ্য টাইমস'' (২০ আগস্ট ১৮৭৩)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৫
*নিজের জন্য আমি বলেছিলাম যে, কেবল শিক্ষায় নয়, বরং শিক্ষাসহ সব ক্ষেত্রে, আমি আইনি যন্ত্রপাতির চেয়ে স্বেচ্ছাসেবী যন্ত্রপাতি বেশি পছন্দ করি, যখন কাজটি যেকোনোভাবেই ভালোভাবে করা যায়।
**জন ব্রাইটকে লেখা চিঠি (২১ আগস্ট ১৮৭৩), জন মর্লির ''দ্য লাইফ অফ উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন, ভলিউম টু'' (১৯০৩) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৬৪৬
*ব্যক্তিগত দাসত্ব যতই শোচনীয় হোক না কেন, তা ল্যাটিন চার্চকে সন্তুষ্ট করবে না। রাষ্ট্রকেও অবশ্যই দাস হতে হবে।
**''দ্য ভ্যাটিকান ডিক্রিস ইন দেয়ার বিয়ারিং অন সিভিল অ্যালিজিয়েন্স: আ পলিটিক্যাল এক্সপোজিশন'' (নভেম্বর ১৮৭৪), মাইকেল ডি সেমলিয়েনের ''অল রোডস লিড টু রোম? দ্য ইকিউমেনিক্যাল মুভমেন্ট'' (২০০৪) গ্রন্থে উদ্ধৃত
*জাতিগুলোর ইতিহাস হলো তাদের সরকারের ইতিহাস, যা একটি বিষণ্ণ অধ্যায়। আমি দুঃখের সাথে এই মত পোষণ করি, যদিও চমৎকার গুণের অধিকারী ব্যক্তিরা উচ্চ পর্যায়ে থাকেন, তবে বৃহত্তর পরিসরে এই গুণগুলো সাধারণত সাধারণ মানুষের মধ্যেই পাওয়া যায়। জাতিগুলোর ইতিহাস হলো মানব ইতিহাসের সবচেয়ে অনৈতিক অংশগুলোর একটি।
**[[w:ওলগা নোভিকফ|ওলগা নোভিকফকে]] লেখা চিঠি (১৮৭৬), ওলগা নোভিকফের ''রাশিয়ান মেমোরিজ'' (১৯১৬) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ২১৯
* [[সংশয়বাদ|সংশয়বাদের]] অযৌক্তিক বাড়াবাড়ি এবং অস্পষ্টতার বিরুদ্ধে একটি যুক্তিসঙ্গত প্রতিক্রিয়া সহজেই অন্ধবিশ্বাসের প্রতিদ্বন্দ্বী [[মূর্খতা|মূর্খতায়]] পরিণত হতে পারে। আমি এটি স্বীকার করি। '''[[ভুল|ভুলের]] বিরোধিতা করলেই যে কেউ [[সঠিক]] হবে, আমাদের মানসিক গঠনে তার খুব কম নিশ্চয়তাই রয়েছে।'''
** ''হোমারিক সিনক্রোনিজম : অ্যান এনকোয়ারি ইনটু দ্য টাইম অ্যান্ড প্লেস অফ হোমার'' (১৮৭৬), ভূমিকা
*বাণিজ্যের কার্যক্রম কেবল বস্তুগত লক্ষ্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। জাতিগুলোর মধ্যে বন্ধুত্ব সুসংহত করার ক্ষেত্রে এর চেয়ে শক্তিশালী আর কোনো মাধ্যম নেই। মানুষের আবেগ দমন করা এবং সেই লালসা ও আকাঙ্ক্ষাগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করা যুদ্ধের অন্যতম প্রধান কারণ। এই বিজ্ঞান যা আপনি প্রচার করতে চান, তা বুঝতে ও প্রয়োগ করতে এটি সরাসরি সম্পর্কিত।
**[[অ্যাডাম স্মিথ|অ্যাডাম স্মিথের]] ''দ্য ওয়েলথ অফ নেশনসের'' শতবর্ষ পূর্তিতে [[w:পলিটিকাল ইকোনমি ক্লাব|পলিটিকাল ইকোনমি ক্লাবের]] উদ্দেশে দেওয়া [https://archive.org/details/revisedreportofp00poli ভাষণ] (৩১ মে ১৮৭৬)
*সেই [ক্রিমীয়] যুদ্ধের প্রভাব ছিল ইউরোপীয় বিবেকের প্রতিষ্ঠা করা। এটি ইউরোপীয় শক্তিগুলোর সম্মিলিত গ্যারান্টি এবং সমন্বিত সাধারণ পদক্ষেপের মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছিল, যা একক শক্তির ব্যক্তিগত পদক্ষেপের বিকল্প হিসেবে কাজ করেছিল। এই নীতির গুরুত্ব অতিরঞ্জিত করা অসম্ভব।
**হাউস অফ কমন্সে দেওয়া [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1876/jul/31/resolution#column_184 ভাষণ] (৩১ জুলাই ১৮৭৬)
*আমি দেখতে পেয়ে আনন্দিত যে এই উপলক্ষে কত অল্পবয়সী ছেলে এবং মেয়ে সম্মানের স্বীকৃতি পেতে এগিয়ে এসেছে। যদি তাদের জন্য কোনো কার্যকরী ভালো কিছু করতে হয়, তবে তা তাদের শিক্ষা, উৎসাহ প্রদান এবং তাদের নিজেদের সাহায্য করতে সাহায্য করার মাধ্যমে করতে হবে। '''যারা আপনাদের নিজস্ব বিষয়গুলো আপনাদের হাত থেকে কেড়ে নেওয়ার এবং আপনাদের জন্য সবকিছু করার ভান করে, আমি বলব না যে তারা প্রতারক। আমি এমনকি বলব না যে তারা হাতুড়ে ডাক্তার। তবে আমি বলব যে তারা ভুল পথে চালিত মানুষ।''' এই প্রতিষ্ঠানগুলোকে সমর্থন এবং সহায়তা করার একমাত্র সঠিক ও স্বাস্থ্যকর বর্ণনা হলো এটি, যা স্বাধীনতা এবং আত্মনির্ভরশীলতা শেখায়। আমি যখন বলি যে আপনাদের নিজেদের সাহায্য করা উচিত—এবং আমি জীবনের সর্বস্তরের প্রত্যেক মানুষকে প্রতিবেশীদের কাছ থেকে পাওয়ার চেয়ে আত্মনির্ভরশীলতার ওপর বেশি নির্ভর করতে উৎসাহিত করব—তখন এমন একজন আছেন যিনি আমাদের সবাইকে সাহায্য করেন। তাঁর সাহায্য ছাড়া আমাদের প্রতিটি প্রচেষ্টা বৃথা। সর্বশক্তিমান [[ঈশ্বর|ঈশ্বরের]] অনুগ্রহ উপলব্ধি করার জন্য এই ফুল, উদ্ভিদ এবং ফলগুলোর সৌন্দর্য ও উপযোগিতা দেখার চেয়ে ভালো আর কিছু হতে পারে না, যা তিনি আমাদের স্বাচ্ছন্দ্য এবং সুবিধার জন্য পৃথিবীতে সৃষ্টি করেন।
**হাওয়ার্ডেন অ্যামেচার হর্টিকালচারাল সোসাইটির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণ (১৭ আগস্ট ১৮৭৬), "মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন অন কটেজ গার্ডেনিং", ''দ্য টাইমস'' (১৮ আগস্ট ১৮৭৬)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৯
[[File:William Ewart Gladstone by Alfred Edward Emslie.jpg|thumb|right|[[স্বার্থপরতা]] মানবজাতির সবচেয়ে বড় [[অভিশাপ]]।]]
* তুর্কিদের এখন তাদের অপব্যবহারগুলো একমাত্র সম্ভাব্য উপায়ে, অর্থাৎ নিজেদের সরিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে দূর করতে দিন। আমি আশা করি তাদের জাপতিয়েহ এবং তাদের মুদির, তাদের বিমবাশি এবং ইউজবাশি, তাদের কাইমাকাম এবং তাদের [[w:পাশা|পাশারা]] ব্যাগ-ব্যাগেজ নিয়ে সেই প্রদেশ থেকে পরিষ্কার হয়ে যাবে, যা তারা ধ্বংস এবং অপবিত্র করেছে। এই পূর্ণাঙ্গ মুক্তিই একমাত্র ক্ষতিপূরণ, যা আমরা সেই স্তূপীকৃত মৃতদেহগুলোর জন্য করতে পারি। এটি সেই গৃহিণী, কুমারী এবং শিশুদের লঙ্ঘিত বিশুদ্ধতার ক্ষতিপূরণ। এটি সেই সভ্যতার ক্ষতিপূরণ, যা অপমানিত এবং লজ্জিত হয়েছে। এটি ঈশ্বরের আইনের, বা আপনি চাইলে [[আল্লাহ|আল্লাহর]] আইনের, এবং বৃহত্তর মানবজাতির নৈতিক অনুভূতির ক্ষতিপূরণ। ইউরোপীয় জেলে এমন কোনো অপরাধী নেই, [[w:পলিনেশিয়া|দক্ষিণ সাগর দ্বীপপুঞ্জে]] এমন কোনো অপরাধী নেই, যার ক্ষোভ সেই কাজের বর্ণনায় ফুটবে না, যা করা হয়েছে, যা খুব দেরিতে পরীক্ষা করা হয়েছে, কিন্তু যার কোনো প্রতিশোধ নেওয়া হয়নি। এটি সমস্ত ঘৃণ্য এবং ভয়ংকর আবেগগুলো রেখে গেছে, যা এর জন্ম দিয়েছে এবং যা রক্তে ভেজা মাটিতে এবং অপরাধ ও লজ্জার প্রতিটি অনুমেয় কাজে দূষিত বাতাসে আরেকটি খুনে ফসলের জন্ম দিতে পারে। এমন কাজ একবার করা আমাদের জাতির সেই অংশের জন্য একটি চরম কলঙ্ক, যারা এটি করেছে। তাদের পুনরাবৃত্তির জন্য দরজা সামান্য খোলা রাখলেও সেই লজ্জা পুরো পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়বে!
* আমাকে খুব সংক্ষেপে একটি রূপরেখা তৈরি করার চেষ্টা করতে দিন যে, [[তুর্কি জাতি|তুর্কি জাতি]] কী ছিল এবং এখন কী আছে। এটি কেবল [[ইসলাম|মোহাম্মদীয়বাদের]] প্রশ্ন নয়, বরং একটি জাতির অদ্ভুত চরিত্রের সাথে যুক্ত মোহাম্মদীয়বাদের প্রশ্ন। তারা [[ভারতে ইসলাম|ভারতের]] মৃদু মোহাম্মদীয় নয়, [[সিরিয়া|সিরিয়ার]] শৌর্যবান [[w:সালাদিন|সালাদিনদের]] মতোও নয়, কিংবা [[স্পেন|স্পেনের]] সুসংস্কৃত [[মুর জাতি|মুরও]] নয়। সামগ্রিকভাবে, যেদিন তারা প্রথম ইউরোপে প্রবেশ করেছিল, সেদিন থেকেই তারা মানবতার চরম মানবতাবিরোধী উদাহরণ ছিল। তারা যেখানেই গেছে, রক্তের এক বিস্তৃত রেখা তাদের পেছনে চিহ্ন রেখে গেছে এবং তাদের আধিপত্য যতদূর পৌঁছেছে, সভ্যতা সেখান থেকে হারিয়ে গেছে। তারা সব জায়গাতেই আইনের শাসনের পরিবর্তে বলপ্রয়োগের শাসনের প্রতিনিধিত্ব করেছে। তবে একটি বৌদ্ধিক উপাদানের সাহায্য ছাড়া বলপ্রয়োগের শাসন বজায় রাখা যায় না। এর ফলে বিশ্বের ইতিহাসে যা বিরল, তা-ই ঘটেছিল—নিষ্ঠুরতা, স্বৈরাচার এবং লুণ্ঠনের মাঝেও এক ধরনের সহনশীলতা গড়ে উঠেছিল। খ্রিস্টানদের জীবনের একটি বড় অংশ অবজ্ঞার সাথে একা ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল এবং একদল [[গ্রিক জাতি|গ্রিককে]] [[ইস্তাম্বুল|কনস্টান্টিনোপলে]] আকৃষ্ট করা হয়েছিল। এই গ্রিকরা মনের উপাদানে তুর্কি ইসলামের ঘাটতি কিছুটা হলেও পূরণ করেছিল!
** {{cite book|last=গ্ল্যাডস্টোন|first= উইলিয়াম ইওয়ার্ট|author2=|title= Bulgarian Horrors and the Question of the East |trans-title= বুলগেরিয়ান হররস অ্যান্ড দ্য কোশ্চেন অফ দ্য ইস্ট |publisher= জন মারে |location= লন্ডন |year= ১৮৭৬|chapter= |url= http://www.archive.org/details/bulgarianhorrors00gladiala |page= ৩১ |accessdate= ২ সেপ্টেম্বর ২০১৩}}
*মহানগরের প্রেসে তুরস্কের পক্ষে একটি সন্দেহজনক এবং তীক্ষ্ণ সমাবেশ রয়েছে। এটি মূলত তথাকথিত উচ্চ স্তরের দশ হাজার মানুষের ধারণা এবং মতামতের প্রতিনিধিত্ব করে। আমার স্মৃতিতে এ ধরনের কোনো শরীর থেকে এমন কোনো প্ররোচনা আসেনি, যা গত অর্ধশতাব্দীতে ইংল্যান্ডের খ্যাতি এবং সুখে এত বেশি অবদান রাখা মহান পদক্ষেপগুলোকে উৎসাহিত করেছে এবং অবশেষে অর্জন করেছে। তারা ভিন্নমতাবলম্বী, রোমান ক্যাথলিক এবং ইহুদিদের মুক্ত করেনি। তারা সংসদের সংস্কার করেনি। তারা নিগ্রো দাসদের মুক্ত করেনি। তারা কর্ন আইন বাতিল করেনি। তারা প্রেস থেকে কর তুলে নেয়নি। তারা আইরিশ প্রতিষ্ঠিত চার্চ বাতিল করেনি। তারা ইতালীয় স্বাধীনতা এবং পুনর্গঠনের কাজকে উৎসাহিত করেনি। তবুও এই সমস্ত কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং এগুলো তাদের অন্যান্য সংস্থার দ্বারাই সম্পন্ন হয়েছে, এমনকি তাদের বিরোধিতা সত্ত্বেও।
**[[w:ওলগা নোভিকফ|ওলগা নোভিকফকে]] লেখা চিঠি (১৭ অক্টোবর ১৮৭৬), জন মর্লির ''দ্য লাইফ অফ উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন, ভলিউম টু'' (১৯০৩) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৫৫৭
*তুরস্কে প্রচলিত ব্যবস্থা এবং পুরোনো নিগ্রো দাসপ্রথার মধ্যে প্রকৃতপক্ষে অনেক মিল রয়েছে। কিছু দিক থেকে এটি নিগ্রো দাসপ্রথার চেয়ে কম খারাপ, আবার কিছু দিক থেকে অনেক বেশি খারাপ। এটি এই দিক থেকে খারাপ যে, নিগ্রো দাসপ্রথার ক্ষেত্রে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন একটি জাতি নিম্ন ক্ষমতাসম্পন্ন একটি জাতির ওপর শাসন করত। কিন্তু এই ব্যবস্থার ক্ষেত্রে দুর্ভাগ্যবশত একটি নিম্ন ক্ষমতাসম্পন্ন জাতি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন একটি জাতির ওপর শাসন করে।
**হাওয়ার্ডেনে দেওয়া ভাষণ (১৬ জানুয়ারি ১৮৭৭), ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোনের ''[https://en.m.wikisource.org/wiki/The_Sclavonic_Provinces_of_the_Ottoman_Empire দ্য স্কলাভোনিক প্রভিন্সেস অফ দ্য অটোমান অ্যাম্পায়ার]'' (১৮৭৭) গ্রন্থে উদ্ধৃত
*স্যার, এমন একদিন ছিল যখন ইংল্যান্ড স্বাধীনতার আশা ছিল। বিশ্বের যেখানেই কোনো উচ্চ আকাঙ্ক্ষা পোষণ করা হতো বা কোনো মহৎ আঘাত হানা হতো, নিপীড়িতদের চোখ সবসময় ইংল্যান্ডের দিকেই ফিরত। ইংল্যান্ড ছিল অনেক সুযোগ-সুবিধা এবং সুখের প্রিয় আবাসভূমি। এটা সবার জানা ছিল যে, যেসব মানুষ নিজেদের জন্য একটি মহৎ কাঠামো তৈরি করেছিল, তারা অন্যদের জন্যও একই অমূল্য সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য প্রস্তুত থাকবে। আপনি আমার সাথে তুরস্কের বিষয়ে প্রতিষ্ঠিত ঐতিহ্য এবং নীতি নিয়ে কথা বলছেন। আমি একটি পুরোনো, বৃহত্তর এবং মহৎ প্রতিষ্ঠিত ঐতিহ্যের কাছে আবেদন করছি। এটি এমন একটি ঐতিহ্য, যা ব্রিটিশ স্বার্থকে উপেক্ষা করে না, বরং সম্মান এবং ন্যায়বিচারের নির্দেশগুলো মেনে সেই স্বার্থের প্রচার করতে শেখায়।
**হাউস অফ কমন্সে দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1877/may/07/postponement-of-orders-of-the-day#column_437 ভাষণ] (৭ মে ১৮৭৭)
*আমার মত হলো এবং অনেক দিন ধরেই আছে যে, গ্রিক শিল্পের মতো লিবারেল দলের গুরুত্বপূর্ণ নীতি হলো কাজ করা। আমি বিশ্বাস করি কাজ ছাড়া অন্য কোনো কিছুই একে দলের নামের যোগ্য করে তুলতে পারবে না।
**[[w:গ্র্যানভিল লেভেসন-গাওয়ার, ২য় আর্ল গ্র্যানভিল|লর্ড গ্র্যানভিলকে]] লেখা চিঠি (১৯ মে ১৮৭৭), আগাথা র্যাম (সম্পাদিত) এর ''দ্য গ্ল্যাডস্টোন–গ্র্যানভিল করেস্পন্ডেন্স, ১৮৭৬–১৮৮৬'' (১৯৬২) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৪০
*আমি মনে করি আপনি দেখতে পাবেন যে রক্ষণশীলতার প্রধান ধারণা হলো বিশ্রামের মিশরীয় নীতি। কিন্তু আমাদের লিবারেল দলে আমরা গ্রিক জীবন এবং গতির ধারণা পেয়েছি।
**বার্মিংহামে দেওয়া ভাষণ (৩১ মে ১৮৭৭), ''দ্য টাইমস'' (১ জুন ১৮৭৭)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১০
*[[w:ননকনফর্মিস্ট (প্রোটেস্ট্যান্টবাদ)|ননকনফর্মিটি]]... এখনও এত বড় মাত্রায় ব্রিটিশ লিবারেলিজমের মেরুদণ্ড সরবরাহ করে।
**‘দ্য কাউন্টি ফ্র্যাঞ্চাইজ, অ্যান্ড মিস্টার লো দেয়ারঅন’, ''দ্য নাইনটিন্থ সেঞ্চুরি'' (নভেম্বর ১৮৭৭), ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোনের ''গ্লিনিংস অফ পাস্ট ইয়ারস, ১৮৪৩-১৮৭৮, ভলিউম ওয়ান'' (১৮৭৯) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১৫৮
*[[স্কটল্যান্ড|স্কটল্যান্ডের]] সাথে সম্পর্কিত সমস্ত কিছুর প্রতি আমি এক অদ্ভুত সহানুভূতি অনুভব করি। স্কটল্যান্ডের স্থানীয় অধিবাসীরা এবং যাদের শিরায় স্কটিশ রক্ত রয়েছে, বিশেষ করে আমার মতো যাদের শিরায় কেবলই স্কটিশ রক্ত বইছে, তারা কখনোই নিজেদের উৎপত্তিস্থল ভুলে যাওয়ার মতো নয়। তারা এর মহৎ গুণাবলি সম্পর্কে জানে। তারা এর চরিত্রের দৃঢ়তা সম্পর্কেও সচেতন।
**ওয়েস্টমিনস্টার প্যালেস হোটেলে দেওয়া ভাষণ (২৩ মে ১৮৭৮), ''দ্য টাইমস'' (২৪ মে ১৮৭৮)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১২
*'''স্বাধীনতা কখনোই নিরাপদ নয়।'''
**কাউন্টেস রাসেলের কাছে বলা এবং তার ডায়েরিতে লিপিবদ্ধ, ডেসমন্ড ম্যাককার্থি এবং আগাথা রাসেল সম্পাদিত ''লেডি জন রাসেল: আ মেমোয়ার (১৯১০)''। পৃষ্ঠা ২৫২
*অসম ক্ষমতার যুক্তিটি সম্প্রদায়ের অধিকসংখ্যক শ্রেণির বিরুদ্ধে ততটা অভিন্নভাবে বলা যায় না, যতটা মনে করা যেতে পারে। নৈতিক কারণ হোক বা অন্য কোনো কারণেই হোক, নির্দিষ্ট কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নে উচ্চশ্রেণির তুলনায় সাধারণ মানুষের রায় অনেক বেশি ন্যায্য হয়।
**‘পোস্টস্ক্রিপ্টাম অন দ্য কাউন্টি ফ্র্যাঞ্চাইজ’, ''দ্য নাইনটিন্থ সেঞ্চুরি'' (জুলাই ১৮৭৮), ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোনের ''গ্লিনিংস অফ পাস্ট ইয়ারস, ১৮৪৩-১৮৭৮, ভলিউম ওয়ান'' (১৮৭৯) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১৯৮
* '''ব্রিটিশ সংবিধান হলো প্রগতিশীল [[ইতিহাস|ইতিহাসের]] গর্ভ এবং দীর্ঘ গর্ভাবস্থা থেকে উদ্ভূত সবচেয়ে সূক্ষ্ম জীব। ঠিক তেমনি, [[যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান|আমেরিকান সংবিধানও]] আমার দেখা মতে মানুষের মস্তিষ্ক এবং [[উদ্দেশ্য|উদ্দেশ্য]] দ্বারা তৈরি সবচেয়ে বিস্ময়কর কাজ।'''
**[https://books.google.com/books?id=R5M2AQAAMAAJ&pg=PA179 ''কিন বিয়ন্ড সি''], ''দ্য নর্থ আমেরিকান রিভিউে'' প্রকাশিত, পৃষ্ঠা ১৭৯-২০২
*একমাত্র আমেরিকা আগামী সময়ে আমাদের কাছ থেকে সেই বাণিজ্যিক শ্রেষ্ঠত্ব ছিনিয়ে নিতে পারে এবং সম্ভবত তা করবেও। আমার কোনো অধিকার নেই এবং আমি সে সম্ভাবনায় বচসা করার কোনো ইচ্ছাও পোষণ করি না। আমাদের বিরুদ্ধে আমেরিকার যতটা অধিকার রয়েছে, তার চেয়ে বেশি অধিকার আমাদের বিরুদ্ধে ভেনিস, জেনোয়া বা হল্যান্ডের ছিল না।
*''কিন বিয়ন্ড সি'', ''দ্য নর্থ আমেরিকান রিভিউ'' ভলিউম ১২৭, নম্বর ২৬৪ (সেপ্টেম্বর-অক্টোবর, ১৮৭৮), পৃষ্ঠা ১৮০
*ইংরেজরা সমতায় বিশ্বাসী নয়। তারা ১৭৭৬ সালের ৪ জুলাইয়ের সেই বিখ্যাত [[স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র|ঘোষণাপত্রের]] সাথে একমত নয় যে, সব মানুষ জন্মগতভাবে সমান। বরং তারা এই প্রস্তাবের বিপরীতটাই বিশ্বাস করে। অন্তত বাস্তবে তারা অসমতায় বিশ্বাসী। কখনো কখনো এমনকি না জেনেও তারা এমনটা করে। ব্রিটিশ সমাজের একেবারে ভিত্তি থেকে শুরু করে এর সমস্ত দৃঢ় স্তরবিন্যাসের মাধ্যমে তাদের স্বাভাবিক প্রবণতা হলো ওপরের দিকে তাকানো। শাসক হলেন এই ব্যবস্থার সর্বোচ্চ শিখর। রোমান দেবতাদের মধ্যে জুপিটারের মতো তিনি এই ব্যবস্থায় অদ্বিতীয়। ব্রিটিশ সংবিধানের প্রজ্ঞা হলো এর প্রধানের ব্যক্তিত্বকে এত উঁচুতে স্থাপন করা যে, কেউ কোনো অবস্থাতেই তার সাথে পাল্লা দেওয়ার বা সে স্বপ্ন দেখার প্রলোভনে পড়বে না।
**''কিন বিয়ন্ড সি'', ''দ্য নর্থ আমেরিকান রিভিউ'' ভলিউম ১২৭, নম্বর ২৬৪ (সেপ্টেম্বর-অক্টোবর, ১৮৭৮), পৃষ্ঠা ২০২
* '''জাতীয় অন্যায় হলো জাতীয় পতনের সবচেয়ে নিশ্চিত পথ।'''
** প্লামস্টিডে দেওয়া ভাষণ (৩০ নভেম্বর ১৮৭৮), ''কংগ্রেশনাল রেকর্ড'', ভলিউম ৫৭, পৃষ্ঠা ৪৫০৩-এ উদ্ধৃত
* '''বিবেকের রোগ বিশ্বের সমস্ত দেশের সমস্ত চিকিৎসকের অনুশীলনের বাইরে।'''
** প্লামস্টিডে দেওয়া ভাষণ (৩০ নভেম্বর ১৮৭৮), ''দ্য অ্যানুয়াল রেজিস্টার অফ ওয়ার্ল্ড ইভেন্টস: আ রিভিউ অফ দ্য ইয়ার'', ভলিউম ১২০, পৃষ্ঠা ২০৮-এ উদ্ধৃত
* আমি মনে করি রক্ষণশীল দলের নীতি হলো [[স্বাধীনতা]] এবং [[জনগণ|জনগণের]] প্রতি [[ঈর্ষা|ঈর্ষা]], যা কেবল [[ভয়]] দ্বারা যোগ্য। কিন্তু আমি মনে করি '''লিবারেল দলের নীতি হলো জনগণের প্রতি [[আস্থা]], যা কেবল [[প্রজ্ঞা]] দ্বারা যোগ্য'''।
** অক্সফোর্ডে পামারস্টন ক্লাবের উদ্বোধনে দেওয়া ভাষণ (ডিসেম্বর ১৮৭৮), [http://query.nytimes.com/gst/abstract.html?res=9C03E4DB123EE73BBC4153DFB4668382669FDE ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'' (৯ ফেব্রুয়ারি ১৮৭৯)-এর "গ্ল্যাডস্টোনস কোনানড্রামস; দ্য স্টেটসম্যান আনসারস সানড্রি ইন্টারেস্টিং কোশ্চেনস"]-এ উদ্ধৃত
*একটি সরকারের, বিশেষ করে বৈদেশিক বিষয়ে, সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হলো জনগণের মনকে শান্ত করা। তাদের বিপদের দিকে ঠেলে দেওয়ার জন্য গৌরবের মিথ্যা ভূত দাঁড় করানো নয়। তারা বিশ্বের বাকি সব মানুষের চেয়ে ভালো, এই বিশ্বাসে পরিচালিত করে তাদের দুর্বলতাগুলোকে তোষামোদ করা নয়। বরং এমন একটি নীতির ওপর এগিয়ে যাওয়া, যা জাতিগুলোর ভ্রাতৃত্ব এবং তাদের মধ্যে জনসাধারণের অধিকারের নিরঙ্কুশ সমতাকে স্বীকৃতি দেয়। সর্বোপরি, দেশের জনমতে এমন একটি শান্ত এবং বিবেচনাপূর্ণ মেজাজ তৈরি এবং বজায় রাখার চেষ্টা করা, যাতে কেউ এটিকে বিরক্ত করতে না পারে।
**এডিনবার্গে দেওয়া ভাষণ (২৫ নভেম্বর ১৮৭৯), ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোনের ''মিডলোথিয়ান স্পিচেস ১৮৭৯'' (লিসেস্টার ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১৯৭১) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৩৭।
*যারা আপনাকে সবসময় বলে যে ইংল্যান্ডের শক্তি তার মর্যাদার ওপর, বা তার সাম্রাজ্য সম্প্রসারণের ওপর, বা সমুদ্রের ওপারে তার সম্পদের ওপর নির্ভর করে, আমি তাদের সেই অলস স্বপ্নগুলো দূর করতে চাই। বিশ্বাস করুন, গ্রেট ব্রিটেন এবং আয়ারল্যান্ডের শক্তি যুক্তরাজ্যের মধ্যেই নিহিত রয়েছে।
**এডিনবার্গে দেওয়া ভাষণ (২৫ নভেম্বর ১৮৭৯), ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোনের ''মিডলোথিয়ান স্পিচেস ১৮৭৯'' (লিসেস্টার ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১৯৭১) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৪৬।
[[File:Acgladstone2.jpg|thumb|right|জাতীয় অন্যায় হলো জাতীয় পতনের সবচেয়ে নিশ্চিত পথ।]]
* যাকে আমরা অসভ্য বলি, তার অধিকারের কথা স্মরণ করুন। মনে রাখবেন যে তার বিনম্র বাড়ির সুখ এবং শীতের বরফের মধ্যে আফগানিস্তানের পাহাড়ি গ্রামগুলোতে জীবনের পবিত্রতা, সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের চোখে আপনার মতোই পবিত্র। মনে রাখবেন যে তিনি আপনাদের একই রক্তমাংসে মানুষ হিসেবে একত্রিত করেছেন। তিনি আপনাদের পারস্পরিক ভালোবাসার আইন দ্বারা আবদ্ধ করেছেন। সেই পারস্পরিক ভালোবাসা এই দ্বীপের তীরে সীমাবদ্ধ নয়। এটি খ্রিস্টান সভ্যতার সীমানায় সীমাবদ্ধ নয়। এটি পৃথিবীর পুরো পৃষ্ঠের ওপর দিয়ে যায় এবং এর বিস্তৃত পরিধিতে সর্বশ্রেষ্ঠদের সাথে ক্ষুদ্রতমদেরও গ্রহণ করে।
** স্কটল্যান্ডের ডালকিথে ফরেস্টার্স হলে দেওয়া ভাষণ (২৬ নভেম্বর ১৮৭৯), [[w:মিডলোথিয়ান প্রচারাভিযান|মিডলোথিয়ান প্রচারাভিযানের]] অংশ হিসেবে; "মিস্টার গ্ল্যাডস্টোনস ভিজিট টু মিড-লোথিয়ান: মিটিং অ্যাট দ্য ফরেস্টার্স হল" (২৭ নভেম্বর ১৮৭৯), ''দ্য স্কটসম্যান'', পৃষ্ঠা ৬-এ প্রকাশিত; এছাড়া [[জন মর্লি|জন মর্লির]] ''লাইফ অফ গ্ল্যাডস্টোন'' (১৯০৩) গ্রন্থে উদ্ধৃত, ২, (পৃষ্ঠা ৫৯৫)
* '''এখানে আমার বৈদেশিক নীতির প্রথম নীতি রয়েছে: দেশে সুশাসন।''' আমার বৈদেশিক নীতির দ্বিতীয় নীতি হলো এটি, বিশ্বের জাতিগুলোর জন্য শান্তির আশীর্বাদ সংরক্ষণ করা এর লক্ষ্য হওয়া উচিত। বিশেষ করে যখন আমরা খ্রিস্টান হিসেবে আমাদের বহন করা পবিত্র নামটি স্মরণ করি, তখন অন্তত লজ্জার খাতিরে বিশ্বের খ্রিস্টান জাতিগুলোর জন্য এটি করা উচিত। এটি আমার দ্বিতীয় নীতি।
** স্কটল্যান্ডের ওয়েস্ট ক্যাল্ডারে দেওয়া ভাষণ (২৭ নভেম্বর ১৮৭৯), ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোনের ''মিডলোথিয়ান স্পিচেস ১৮৭৯'' (লিসেস্টার ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১৯৭১) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১১৫।
*আমার মতে তৃতীয় যৌক্তিক নীতিটি হলো এটি। যাকে [[w:ইউরোপের কনসার্ট|ইউরোপের কনসার্ট]] বলা হয়, তার চাষ এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করা উচিত। ইউরোপীয় শক্তিগুলোকে ঐক্যবদ্ধ রাখা উচিত। আর কেন? কারণ সবাইকে একত্রিত রাখার মাধ্যমে আপনি একে অপরের স্বার্থপর লক্ষ্যগুলোকে নিরপেক্ষ করতে এবং বেঁধে রাখতে পারেন। আমি এখানে ইংল্যান্ড বা তাদের কাউকেই তোষামোদ করতে আসিনি। তাদের স্বার্থপর লক্ষ্য রয়েছে, যেমন দুর্ভাগ্যবশত আমরা সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে দেখিয়েছি যে আমাদেরও স্বার্থপর লক্ষ্য ছিল। তবে সাধারণ পদক্ষেপ স্বার্থপর লক্ষ্যগুলোর জন্য মারাত্মক। সাধারণ পদক্ষেপের অর্থ হলো সাধারণ লক্ষ্য। ইউরোপীয় শক্তিগুলোকে আপনি কেবল তাদের সকলের সাধারণ মঙ্গলের সাথে যুক্ত লক্ষ্যগুলোর জন্যই একত্রিত করতে পারেন। ভদ্রমহোদয়গণ, এটিই আমার বৈদেশিক নীতির তৃতীয় নীতি।
**স্কটল্যান্ডের ওয়েস্ট ক্যাল্ডারে দেওয়া ভাষণ (২৭ নভেম্বর ১৮৭৯), ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোনের ''মিডলোথিয়ান স্পিচেস ১৮৭৯'' (লিসেস্টার ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১৯৭১) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১১৫-১১৬।
* আমার চতুর্থ নীতিটি হলো, '''আপনাদের অপ্রয়োজনীয় এবং জটিল সংযোগগুলো এড়িয়ে চলা উচিত।'' আপনারা এগুলো নিয়ে বড়াই করতে পারেন, এগুলো নিয়ে দম্ভ করতে পারেন। আপনারা বলতে পারেন যে আপনারা দেশের জন্য সম্মান নিয়ে আসছেন। আপনারা বলতে পারেন যে একজন ইংরেজ এখন জাতিগুলোর মধ্যে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে। কিন্তু ভদ্রমহোদয়গণ, এই সবের মানে কী? '''এর মানে হলো, আপনারা আপনাদের শক্তি বৃদ্ধি না করেই আপনাদের সংযোগ বৃদ্ধি করছেন। আর যদি আপনারা শক্তি বৃদ্ধি না করে সংযোগ বৃদ্ধি করেন, তবে আপনারা শক্তি হ্রাস করছেন, শক্তি বিলুপ্ত করছেন। আপনারা আসলে সাম্রাজ্যকে হ্রাস করছেন এবং একে বৃদ্ধি করছেন না।'' আপনারা একে তার দায়িত্ব পালনে কম সক্ষম করে তুলছেন। আপনারা একে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য কম মূল্যবান উত্তরাধিকার হিসেবে পরিণত করছেন।
** স্কটল্যান্ডের ওয়েস্ট ক্যাল্ডারে দেওয়া ভাষণ (২৭ নভেম্বর ১৮৭৯), ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোনের ''মিডলোথিয়ান স্পিচেস ১৮৭৯'' (লিসেস্টার ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১৯৭১) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১১৬।
*আমার পঞ্চম নীতি হলো সমস্ত জাতির সমান অধিকার স্বীকার করা। আপনি অন্য একটি জাতির চেয়ে একটি জাতির প্রতি বেশি সহানুভূতিশীল হতে পারেন। কিছু নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে আপনাকে অবশ্যই একটি জাতির চেয়ে অন্য জাতির প্রতি বেশি সহানুভূতিশীল হতে হবে। নিয়ম হিসেবে আপনি সেই জাতিগুলোর প্রতি সবচেয়ে বেশি সহানুভূতিশীল হবেন, যাদের সাথে আপনার ভাষা, রক্ত এবং ধর্মে সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে বা যাদের পরিস্থিতি সেই সময়ে সহানুভূতির জন্য সবচেয়ে শক্তিশালী দাবি বলে মনে হয়। কিন্তু অধিকারের দিক থেকে সবাই সমান। তাদের মধ্যে কাউকে নৈতিক সন্দেহ বা গুপ্তচরবৃত্তির অধীনে রাখার বা ক্রমাগত নিন্দার পাত্র করার কোনো অধিকার আপনার নেই। আপনি যদি তা করেন এবং বিশেষ করে যদি আপনি তাদের সবার ওপর নিজের জন্য শ্রেষ্ঠত্ব বা অহংকারী শ্রেষ্ঠত্ব দাবি করেন, তবে আপনি চাইলে আপনার দেশপ্রেম নিয়ে কথা বলতে পারেন। তবে আপনি আপনার দেশের একজন ভুল বিচারক বন্ধু। অন্য লোকেদের কাছে আপনার দেশের সম্মান এবং শ্রদ্ধার ভিত্তি দুর্বল করার মাধ্যমে আপনি বাস্তবে এর মারাত্মক ক্ষতি করছেন।
**স্কটল্যান্ডের ওয়েস্ট ক্যাল্ডারে দেওয়া ভাষণ (২৭ নভেম্বর ১৮৭৯), ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোনের ''মিডলোথিয়ান স্পিচেস ১৮৭৯'' (লিসেস্টার ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১৯৭১) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১১৬-১১৭।
*[আমার ষষ্ঠ নীতি হলো] ইংল্যান্ডের বৈদেশিক নীতি সব সময় স্বাধীনতার ভালোবাসা দ্বারা অনুপ্রাণিত হওয়া উচিত। '''[[স্বাধীনতা|স্বাধীনতার]] প্রতি সহানুভূতি থাকা উচিত এবং এটিকে সুযোগ দেওয়ার ইচ্ছা থাকা উচিত। এটি কোনো কাল্পনিক ধারণার ওপর ভিত্তি করে নয়, বরং এই সুখী দ্বীপের তীরে বহু প্রজন্মের দীর্ঘ অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে হওয়া উচিত। স্বাধীনতায় আপনি [[আনুগত্য]] এবং [[শৃঙ্খলা|শৃঙ্খলার]] সবচেয়ে দৃঢ় ভিত্তি স্থাপন করেন। এটি ব্যক্তির [[চরিত্র|চরিত্র]] বিকাশের দৃঢ় ভিত্তি এবং বৃহত্তর জাতির [[সুখ|সুখের]] জন্য সর্বোত্তম ব্যবস্থা।'''
**স্কটল্যান্ডের ওয়েস্ট ক্যাল্ডারে দেওয়া ভাষণ (২৭ নভেম্বর ১৮৭৯), ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোনের ''মিডলোথিয়ান স্পিচেস ১৮৭৯'' (লিসেস্টার ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১৯৭১) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১১৭।
*ভদ্রমহোদয়গণ, বৈদেশিক নীতির সমস্ত নীতির মধ্যে আমি জাতিগুলোর সমতার নীতিকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিই। কারণ এই নীতিটিকে স্বীকৃতি না দিলে জনস্বার্থ বলে কিছু থাকে না। আর আন্তর্জাতিক জনস্বার্থ ছাড়া বস্তুত শক্তি প্রয়োগ ব্যতীত মানবজাতির লেনদেন নিষ্পত্তির জন্য কোনো হাতিয়ার থাকে না। এর ফলে, আমার মতে জাতিগুলোর মধ্যে সমতার নীতি একটি খ্রিস্টান সভ্যতার একেবারে মূলে এবং ভিত্তিতে নিহিত রয়েছে। যখন এই নীতির সাথে আপস করা হয় বা একে পরিত্যাগ করা হয়, তখন এর সাথে মানবজাতির জন্য আমাদের প্রশান্তি এবং অগ্রগতির আশাও চলে যেতে হবে।
**স্কটল্যান্ডের ওয়েস্ট ক্যাল্ডারে দেওয়া ভাষণ (২৭ নভেম্বর ১৮৭৯), ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোনের ''মিডলোথিয়ান স্পিচেস ১৮৭৯'' (লিসেস্টার ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১৯৭১) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১২৩।
*রোমানদের মুখে "স্বাধীনতা এবং সাম্রাজ্য" শব্দ দুটির অর্থ কী ছিল? তাদের অর্থ ছিল কেবল এটি, নিজেদের জন্য স্বাধীনতা এবং বাকি মানবজাতির ওপর সাম্রাজ্য।
**স্কটল্যান্ডের ওয়েস্ট ক্যাল্ডারে দেওয়া ভাষণ (২৭ নভেম্বর ১৮৭৯), ''দ্য টাইমস'' (২৮ নভেম্বর ১৮৭৮)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১০। রক্ষণশীল প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন ডিসরাইলি তাঁর নীতিকে "ইম্পেরিয়াম এট লিবার্টাস" হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন।
* চ্যান্সেলর অফ দ্য এক্সচেকারের সাহসের সাথে অর্থনীতিকে বিস্তারিতভাবে সমর্থন করা উচিত। যখন তিনি অর্থনীতিকে বিস্তারিতভাবে সমর্থন করতে পিছপা হন, তখন এটি একজন ভীরু চ্যান্সেলরের লক্ষণ। যখন এটি কেবল দুই বা তিন হাজার পাউন্ডের প্রশ্ন, তখন তিনি বলেন এটি কোনো ব্যাপার না। মোমবাতির শেষাংশ এবং পনিরের টুকরো বাঁচানোর জন্য তাকে হয়তো উপহাস করা হয়। কিন্তু তিনি যদি দেশের স্বার্থে মোমবাতির শেষাংশ এবং পনিরের টুকরো বাঁচানোর জন্য প্রস্তুত না থাকেন, তবে তিনি তার পদের যোগ্য নন। কোনো চ্যান্সেলর অফ দ্য এক্সচেকার তার পদের যোগ্য নন, যদি তিনি জনগণের তহবিল পরিচালনা করার সময় নিজের জনপ্রিয়তাকে কোনোভাবে বিবেচনায় নেন। আমার মতে, চ্যান্সেলর অফ দ্য এক্সচেকার হলেন জনগণের বিশ্বস্ত এবং গোপনীয় রক্ষক। তিনি যা কিছু ব্যয় করতে সম্মত হন, তার সবকিছুর ক্ষেত্রে একটি পবিত্র বাধ্যবাধকতার অধীনে থাকেন।
** এডিনবার্গে দেওয়া ভাষণ (২৯ নভেম্বর ১৮৭৯), এফ. ডব্লিউ. হার্স্টের ''গ্ল্যাডস্টোন অ্যাজ ফাইন্যান্সিয়ার অ্যান্ড ইকোনমিস্ট'' (১৯৩১) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ২৪৩
*সেই চ্যান্সেলর অফ দ্য এক্সচেকার হলেন সেই ব্যক্তি, যিনি আমাদের মধ্যে আর্থিক সততার যা কিছু আছে তা দুর্নীতিগ্রস্ত করতে আসেন। তিনি আমাদের মনে সেই প্রলোভনসঙ্কুল এবং বিষাক্ত ধারণাগুলো ঢুকিয়ে দিতে আসেন যে ঘাটতি থাকলে খুব বেশি কিছু যায় আসে না এবং বাণিজ্যের অবস্থা ভালো না থাকলে মানুষকে কর দিতে বলা অত্যন্ত অপ্রীতিকর। সেটি কি স্যার [[রবার্ট পিল|রবার্ট পিলের]] অনুশীলন ছিল? তিনি সংসদে এসে হাউস অফ কমন্সে তার জায়গায় দাঁড়িয়ে পরিসংখ্যানগুলো নির্দেশ করে তাদের বলেছিলেন, আমি আপনাদের জিজ্ঞাসা করছি, আপনারা কি ঘাটতি সহ্য করার এবং বছর বছর ঋণের মাধ্যমে বিধান করার "শোচনীয় উপায়" অবলম্বন করবেন? যাকে তিনি "শোচনীয় উপায়" হিসেবে নিন্দা করেছিলেন, তা এখন স্থায়ী আইনে পরিণত হয়েছে। এটি প্রায় বর্তমান সরকারের আর্থিক সুসমাচার হয়ে দাঁড়িয়েছে।
**এডিনবার্গে দেওয়া ভাষণ (২৯ নভেম্বর ১৮৭৯), ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোনের ''মিডলোথিয়ান স্পিচেস ১৮৭৯'' (লিসেস্টার ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১৯৭১) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১৫২
*ভারত সরকার একটি জাতির দ্বারা গৃহীত সবচেয়ে কঠিন এবং সম্ভবত সবচেয়ে মহৎ দায়িত্ব।
**গ্লাসগোতে দেওয়া ভাষণ (৫ ডিসেম্বর ১৮৭৯), মাইকেল বেলফোরের ''ব্রিটেন অ্যান্ড জোসেফ চেম্বারলেইন'' (১৯৮৫) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ২১৩
=== ১৮৮০-এর দশক ===
* ১৮৪২ সালের পূর্বে [[মুক্ত বাণিজ্য|মুক্ত বাণিজ্যের]] এমন কোনো অংশ ছিল না, যা আমাদের বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন। ... তাই আমি ১৮৪৩ সালকে নতুন ট্যারিফ নামে পরিচিত লিবারেল আইনের প্রথম কিস্তির প্রথম কার্যকরী বছর হিসেবে ধরছি। দ্বিতীয় কিস্তি ছিল ১৮৪৫ সালের নতুন ট্যারিফ। তৃতীয় কিস্তি ছিল ১৮৪৯ সালের শুরুতে কর্ন ল বাতিল করা এবং একই সাথে সেই বছরের সংসদীয় অধিবেশনে ন্যাভিগেশন ল বাতিল করা। চতুর্থটি ছিল ১৮৫৩ সালের নতুন ট্যারিফ, যার সাথে সাবান শুল্ক এবং অন্যান্য পরিবর্তন বাতিল করা হয়েছিল। পঞ্চম এবং সর্বশেষ বড় কিস্তি ১৮৬০ সালের কাস্টমস অ্যাক্ট দ্বারা মঞ্জুর করা হয়েছিল, যা শেষ পর্যন্ত নিম্নলিখিত নীতিগুলোকে প্রায় সর্বজনীন রূপ দিয়েছিল:<br>১. কাঁচামাল, খাদ্য বা উৎপাদিত পণ্যের ওপর কোনো সুরক্ষামূলক শুল্ক আরোপ করা উচিত নয়।<br>২. কাস্টমস শুল্ক হিসেবে রাজস্ব আদায়ের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ যথাসম্ভব কম সংখ্যক নিবন্ধের ওপর থেকে সংগ্রহ করা উচিত।
** 'ফ্রি ট্রেড, রেলওয়েজ, অ্যান্ড দ্য গ্রোথ অব কমার্স', ''দ্য নাইনটিন্থ সেঞ্চুরি'', নং. ৩৬ (ফেব্রুয়ারি ১৮৮০), ''দ্য নাইনটিন্থ সেঞ্চুরি'', খণ্ড ৭ (জানুয়ারি-জুন ১৮৮০), পৃষ্ঠা ৩৭৪-এ উদ্ধৃত
* রক্ষণশীলতা একটি সর্বজনীন বিষ কি না, অথবা কোনো নতুন শিল্পে প্রাথমিক বিনিয়োগকে রক্ষা করার জন্য কয়েক বছর ধরে মঞ্জুর করা হলে এটি খাদ্যের মতো কাজ করতে পারে কি না, সে বিষয়ে আমি এখন জিজ্ঞাসা করছি না। আমরা অন্তত এটিকে সেই প্রশমিত রূপে কখনো দেখিনি বা জানিনি। আমাদের কাছে এটি কেবল জনকল্যাণের ন্যায্য দাবির বিরুদ্ধে শ্রেণির সবচেয়ে স্বার্থপর প্রবৃত্তিগুলোকে রক্ষা করেছে। এটি তাদেরকে এমন শক্তিশালী ঘাঁটি প্রদান করেছে, যেখান থেকে আমাদের উৎপাদকরা প্রয়োজনের সময় খুব সাধারণভাবে বেরিয়ে এসেছে। তারা মাথা থেকে পা পর্যন্ত ক্ষমতা ও প্রভাবে সজ্জিত ছিল, যা মূলত সম্প্রদায়ের খরচে অর্জিত হয়েছিল। তারা প্রকৃতি, স্বাধীনতা এবং ন্যায়ের বিরুদ্ধে এক বিকৃত সাহসিকতার সাথে যুদ্ধ করার জন্য এটি করেছিল।
** 'ফ্রি ট্রেড, রেলওয়েজ, অ্যান্ড দ্য গ্রোথ অব কমার্স', ''দ্য নাইনটিন্থ সেঞ্চুরি'', নং. ৩৬ (ফেব্রুয়ারি ১৮৮০), ''দ্য নাইনটিন্থ সেঞ্চুরি'', খণ্ড ৭ (জানুয়ারি-জুন ১৮৮০), পৃষ্ঠা ৩৭৭-এ উদ্ধৃত
* আমাদেরকে জাতীয় স্বাধীনতার বিস্তৃত এবং অটল শক্তির ওপর নির্ভর করতে হবে। আমরা এমন কোনো শ্রেণিকে স্বীকৃতি দিতে অস্বীকার করি, তারা অভিজাত হোক বা ভদ্রলোক হোক বা আপনি যা-ই বলুন না কেন, যারা জাতির ইচ্ছার বিরুদ্ধে এই জাতির ভাগ্য নিয়ন্ত্রণের অধিকারী।
** প্যাথহেড, স্কটল্যান্ডে দেওয়া ভাষণ (২৩ মার্চ ১৮৮০), ''পলিটিক্যাল স্পিচেস ইন স্কটল্যান্ড, মার্চ অ্যান্ড এপ্রিল ১৮৮০'' (১৮৮০), পৃষ্ঠা ২৬৮-এ উদ্ধৃত
* যে মনোভাবগুলো আমাদেরকে অ্যালাবামা মামলার সালিশিতে পক্ষ হতে পরিচালিত করেছিল, তা এখনো আমাদের সাথে আগের মতোই আছে। আমরা নিরুৎসাহিত হইনি। আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালের রায়ে আমাদেরকে জরিমানা করা হয়েছিল এবং কঠোরভাবে জরিমানা করা হয়েছিল, এই ঘটনায় আমাদের অনুভূতি দমে যায়নি। যদিও আমরা ভাবতে পারি যে রায়টি তার পরিসরে কঠোর এবং তার ভিত্তিতে অন্যায্য ছিল, তবুও ইংল্যান্ড এবং আমেরিকার মতো দুটি মহান জাতি যখন শান্তির সাথে একটি বিচারিক ট্রাইব্যুনালে এই বেদনাদায়ক পার্থক্যগুলো নিষ্পত্তি করতে যায়, তখন স্থাপিত উদাহরণের নৈতিক মূল্যের তুলনায় আমরা এই দেশের ওপর আরোপিত জরিমানাকে অতি নগণ্য বলে মনে করি। এই দুটি জাতি জাতীয় সম্মানকে স্পর্শ করে এমন যেকোনো বিষয়ে বিশ্বের সবচেয়ে উগ্র এবং সবচেয়ে ঈর্ষান্বিত জাতিগুলোর অন্যতম। তারা তলোয়ারের মাধ্যমে মীমাংসার আশ্রয় নেওয়ার পরিবর্তে এই পথ বেছে নিয়েছিল।
** হাউস অব কমন্সে দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1880/jun/15/motion-for-an-address#column_106 ভাষণ] (১৫ জুন ১৮৮০)
* তিনি যেভাবে বেঁচে ছিলেন, সেভাবেই মারা গেছেন। সবই লোকদেখানো, যার কোনো বাস্তবতা বা অকৃত্রিমতা ছিল না।
** [[বেঞ্জামিন ডিসরায়েলি|বেঞ্জামিন ডিসরায়েলির]] একটি সাধারণ অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পাদনের নির্দেশনার বিষয়ে ১৮৮১ সালের মে মাসে তার সচিব এডওয়ার্ড হ্যামিল্টনকে বলেছিলেন। ডিসরায়েলিকে তার স্ত্রীর গ্রামীণ গির্জার কবরস্থানে সমাহিত করা হয়েছিল। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী গ্ল্যাডস্টোন একটি রাষ্ট্রীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া এবং ওয়েস্টমিনস্টার অ্যাবেতে দাফনের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। ফিলিপ ম্যাগনাস রচিত ''গ্ল্যাডস্টোন: আ বায়োগ্রাফি'' (১৯৫৪)-এর ১১তম অধ্যায়ে উদ্ধৃত
* আমি কোনোভাবেই খুব একটা ব্যথিত নই, তবে মিশরে জাতীয় অনুভূতি এবং দলের এই দ্রুত বিকাশে আমি অনেক বেশি অবাক হয়েছি। ... 'মিশরীয়দের জন্য মিশর' হলো সেই অনুভূতি যাকে আমি সুযোগ দিতে চাই। যদি এটি প্রাধান্য লাভ করতে পারে, তবে আমি মনে করি এটি 'মিশরীয় প্রশ্নের' সবচেয়ে ভালো এবং একমাত্র ভালো সমাধান হবে।
** লর্ড গ্র্যানভিলের কাছে চিঠি (৪ জানুয়ারি ১৮৮২), এইচ. সি. জি. ম্যাথিউ সম্পাদিত ''দ্য গ্ল্যাডস্টোন ডায়েরিজ, উইথ ক্যাবিনেট মিনিটস অ্যান্ড প্রাইম-মিনিস্টেরিয়াল করেস্পন্ডেন্স: ভলিউম ১০: জানুয়ারি ১৮৮১-জুন ১৮৮৩'' (১৯৯০), পৃষ্ঠা ৬৮-এ উদ্ধৃত
* মহাশয়, তিনটি নীতি আছে, যা অন্য সবগুলোর চেয়ে বড়। আমার মতে, সমস্ত ভালো অর্থব্যবস্থা এগুলোর ওপর ভিত্তি করে হওয়া উচিত। এর মধ্যে প্রথমটি হলো, চার্জ যা-ই হোক না কেন, তা পরিশোধ করা যাবে বলে সবসময় একটি নিশ্চয়তা থাকতে হবে। আমি বিশ্বাস করি এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দ্বিতীয়টি হলো, শান্তি ও সমৃদ্ধির সময়ে দেশের জনগণের তাদের ঋণ কমানো উচিত। এবং তৃতীয় বিষয়টি হলো তাদের ব্যয় কমানো উচিত।
** হাউস অব কমন্সে দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1882/apr/24/ways-and-means-financial-statement#column_1298 ভাষণ] (২৪ এপ্রিল ১৮৮২)
* "বয়কটিং" বলতে কী বোঝায়? প্রথমত, এটি একটি সম্মিলিত ভয়ভীতি প্রদর্শন। দ্বিতীয়ত, এটি ধ্বংস এবং অনাহারের ভয় দেখিয়ে পছন্দের ব্যক্তিগত স্বাধীনতাকে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত একটি সম্মিলিত ভয়ভীতি প্রদর্শন।
** হাউস অব কমন্সে দেওয়া [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1882/may/24/committee-adjourned-debate#column_1551 ভাষণ] (২৪ মে ১৮৮২)
* উইলিসেস রুমে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত সভায় গৃহীত প্রস্তাবগুলো গ্রহণ করার সম্মান আমি পেয়েছি, যা আপনার লর্ডশিপ আমার কাছে ফরোয়ার্ড করার অনুগ্রহ করেছেন। আমি আপনার লর্ডশিপকে আশ্বস্ত করতে পারি যে সেই প্রস্তাবগুলোর বিষয়বস্তু মহামান্য রানির সরকারের আন্তরিক মনোযোগ আকর্ষণ করছে। সরকার দাসপ্রথা এবং দাস ব্যবসা দমনের বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য প্রতিটি সুযোগ কাজে লাগাবে।
** ব্রিটিশ অ্যান্ড ফরেন অ্যান্টি-স্ল্যাভারি সোসাইটির সভার সভাপতি লর্ড শ্যাফটসবারির কাছে লেখা চিঠি (২২ নভেম্বর ১৮৮২), ''দ্য টাইমস'' (২৭ নভেম্বর ১৮৮২), পৃষ্ঠা ৪-এ উদ্ধৃত
* আমি যা আশা করি এবং আকাঙ্ক্ষা করি, যার জন্য আমি পরিশ্রম করি এবং অন্তরে ধারণ করি, তা হলো আয়ারল্যান্ডে কর্তৃত্বের বিকেন্দ্রীকরণ। আমরা চার্চকে অপ্রতিষ্ঠিত করেছি এবং ভাড়াটিয়া শ্রেণিকে অনেক ক্ষোভ থেকে মুক্তি দিয়েছি। আমরা এখন এমন একটি অবস্থা তৈরি করতে যাচ্ছি যা সবচেয়ে বিনীত আইরিশ নাগরিককেও উপলব্ধি করাবে যে তিনি একটি শাসক সংস্থা এবং সরকার তার দ্বারা এবং তার জন্যই পরিচালিত হবে।
** [[জর্জ ক্লেমঁসো|জর্জ ক্লেমঁসোর]] কাছে লেখা চিঠি (শীতকাল ১৮৮২), বার্নার্ড হেনরি হল্যান্ড রচিত ''দ্য লাইফ অব স্পেন্সার কম্পটন, এইটথ ডিউক অব ডেভনশায়ার, ভলিউম ১'' (১৯১১), পৃষ্ঠা ৩৮৩-এ উদ্ধৃত
* আপনারা কি মনে করেন যে আমরা অজ্ঞ? মি. ব্র্যাডলফের মামলাটি উত্থাপিত হওয়ার পর থেকে অনুষ্ঠিত প্রতিটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনে আপনারা ভোট পেয়েছেন এবং আমরা সেগুলো হারিয়েছি। আপনারা এ বিষয়ে পুরোপুরি অবগত আছেন। আমরাও এ বিষয়ে কম অবগত নই। কিন্তু আপনারা যদি পুরোপুরি অবগত থাকেন, তবে আমাদেরকে কি কিছু কৃতিত্ব দেওয়া উচিত নয়? আমরা আপনাদেরকে আরও কঠিন পরিস্থিতিতে একই জিনিস দিচ্ছি। আনুমানিক সততা এবং উদ্দেশ্যের বিশুদ্ধতার জন্য কি আমাদেরকে কিছু কৃতিত্ব দেওয়া উচিত নয়? মহাশয়, লিবারেল পার্টি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং এই কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এর ইতিহাসে এটি প্রথমবার নয়। এটি আবার সেই পুরোনো গল্প। ধর্মীয় সহনশীলতার প্রসার এবং অযোগ্যতা হ্রাস ও অপসারণের বিষয়ে যে বিতর্কই দেখা দিয়েছে, লিবারেল পার্টি আগেও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং সম্ভবত এখন আবার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তবুও এটি এমন কোনো দল নয়, যার সামগ্রিকভাবে গত অর্ধ শতাব্দীতে জনগণের স্নেহ এবং অনুমোদনের ওপর সামান্যতম বা সবচেয়ে দুর্বল দখল রয়েছে। দেশের প্রোটেস্ট্যান্ট মতবাদ থেকে কারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে? এটি সেই দল ছিল, যারা ব্যক্তিদের কাছ থেকে মূল্যবান সহায়তা পেয়েছিল, কিন্তু কেবল সেইসব ব্যক্তিরাই এর জন্য তাদের জনপ্রিয়তা হারিয়েছিল। এটি সেই দল ছিল যারা মহান রোমান ক্যাথলিক বিতর্কের ক্ষেত্রে স্বাধীনতার লড়াই করেছিল, যখন প্রোটেস্ট্যান্টবাদের নাম বর্তমানে ঈশ্বরবাদের মতো ততটা প্রভাবের সাথে ডাকা হয়েছিল এবং পিটিশনগুলো বর্তমানের মতোই অবাধে ঢেলে দেওয়া হয়েছিল। ১৮২৯ সালের আইনের ধাক্কা সামলে নিয়েছিল প্রোটেস্ট্যান্টবাদ। এরপর শুরু হয় খ্রিস্টধর্মের যুদ্ধ, এবং বলা হয় যে লিবারেল পার্টির দ্বারা দেশের খ্রিস্টধর্ম বলিদান করা হয়েছে। কক্ষের অপর দিকের ভদ্রলোকেরা মনে হয় যা কিছু ঘটেছে তা ভুলে গেছেন। তারা পার্লামেন্টে ইহুদিদের প্রবেশের বিষয়ে নিজেদেরকে নিয়ে গর্ব করছেন, যেন তারা নিখুঁত সততার সাথে এটি প্রতিহত করেননি। আমি তাদের সম্মানের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ করছি না এবং কোনো অযোগ্য উদ্দেশ্য আরোপ করছি না। যেন তারা বর্তমান অনুষ্ঠানে যতটা সংকল্প প্রদর্শন করছেন, ততটা সংকল্প নিয়ে এটি প্রতিহত করেননি। '''মহাশয়, আমি এটাই আশা করি, লিবারেল পার্টি ভয় বা অনুগ্রহের কারণে পিছপা হবে না, বরং সমতা ও ন্যায়ের পথ বলে বিশ্বাস করে এমন পথে অবিচলভাবে কাজ করে যাবে। একজন মানুষের জন্য সে যা ন্যায্য বলে মনে করে তার জন্য কষ্টভোগ করার চেয়ে বড় সম্মান আর নেই। এবং একটি দলের জন্য এমন নীতিগুলো কার্যকর করার প্রচেষ্টায় কষ্টভোগ করার চেয়ে বড় সম্মান আর নেই, যা তারা ন্যায্য বলে বিশ্বাস করে।'''
** নাস্তিক চার্লস ব্র্যাডলফকে সংসদে তার আসন গ্রহণের অনুমতি দেওয়ার সমর্থনে হাউস অব কমন্সে দেওয়া একটি [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1883/apr/26/second-reading-adjourned-debate-second ভাষণের] (২৬ এপ্রিল ১৮৮৩) অংশ।
* আমি নিশ্চিত যে প্রতিটি ধর্মীয় এবং রাজনৈতিক ভিত্তির ওপর, '''সত্য ও বিজ্ঞ পথ হলো ধর্মীয় স্বাধীনতাকে অর্ধেক, এক-চতুর্থাংশ বা ভগ্নাংশ হিসেবে বিবেচনা করা নয়; বরং এটিকে সম্পূর্ণভাবে বিবেচনা করা এবং দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ধর্মীয় পার্থক্যের ভিত্তিতে মানুষের মধ্যে কোনো পার্থক্য না রাখা।'''
** নাস্তিক চার্লস ব্র্যাডলফকে সংসদে তার আসন গ্রহণের অনুমতি দেওয়ার সমর্থনে হাউস অব কমন্সে দেওয়া একটি [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1883/apr/26/second-reading-adjourned-debate-second ভাষণের] (২৬ এপ্রিল ১৮৮৩) অংশ।
* আমাকে অবশ্যই বেদনাদায়কভাবে আমার মতামত রেকর্ড করতে হবে যে অনেক মানুষের মনে ধর্মের প্রতি গভীর আঘাত করা হয়েছে। নির্দেশিত মনে নয়, বরং এমন মনে যারা অশিক্ষিত বা আংশিকভাবে শিক্ষিত, যাদের আমাদের বিবেচনার ওপর বড় দাবি রয়েছে। দুর্ভাগ্যবশত নেওয়া পদক্ষেপগুলোর কারণে এটি হয়েছে। নর্দাম্পটনের নির্বাচনী এলাকার দ্বারা নির্বাচিত ব্যক্তির বিরুদ্ধে যে প্রতিরোধ দেওয়া হয়েছে, তার কারণে অনেক মনে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, যা সম্প্রদায়ের একটি অংশ অন্যায় বলে বিশ্বাস করে। যখন তারা ধর্মের পেশা এবং ধর্মের স্বার্থকে বাহ্যিকভাবে অন্যায়ের সাথে যুক্ত হতে দেখে, তখন তারা ধর্ম সম্পর্কে প্রশ্ন করতে পরিচালিত হয়, যা তারা অন্যায়ের সাথে যুক্ত বলে দেখে। অবিশ্বাস এমন একটি সহানুভূতি আকর্ষণ করে যা এটি অন্যথায় উপভোগ করতে পারত না। এবং এর ফলাফল হলো সেই বিশ্বাস এবং ধর্মীয় বিশ্বাসকে দুর্বল করা, যার ক্ষতি আমি এমন একটি অবর্ণনীয় বিপর্যয় বলে মনে করি যা কোনো মানুষ বা জাতির ওপর নেমে আসতে পারে।
** নাস্তিক চার্লস ব্র্যাডলফকে সংসদে তার আসন গ্রহণের অনুমতি দেওয়ার সমর্থনে হাউস অব কমন্সে দেওয়া একটি [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1883/apr/26/second-reading-adjourned-debate-second ভাষণের] (২৬ এপ্রিল ১৮৮৩) অংশ।
* বিদেশি উৎপাদক যে কারণে তার উৎপাদিত পণ্য বাজারে সস্তায় পায়, তা হলো বিদেশি পণ্য সংগ্রহ করা হয় এবং প্রচুর পরিমাণে আনা হয় এবং বাজারে বিশাল আকারে পাঠানো হয়। এটাই হলো সস্তা পরিবহনের রহস্য। আমাদেরকে আমাদের উৎপাদনের পাউন্ডগুলোকে টনে পরিণত করার চেষ্টা করতে হবে অথবা বেশ কয়েকজন উৎপাদককে একত্রিত করতে হবে। আপনারা ক্ষুদ্র কৃষকরা যদি সম্মিলিতভাবে রেলওয়ে কোম্পানিগুলোকে প্রচুর পরিমাণে পণ্য সরবরাহ করতে পারেন, তবে তারা আপনাদেরকে ভালো শর্ত দেবে।
** হাওয়ার্ডেনে দেওয়া ভাষণ (৫ জানুয়ারি ১৮৮৪), এফ. ডব্লিউ. হার্স্ট রচিত ''গ্ল্যাডস্টোন অ্যাজ ফাইন্যান্সিয়ার অ্যান্ড ইকোনমিস্ট'' (১৯৩১), পৃষ্ঠা ২৫৮-এ উদ্ধৃত
* আদর্শিক পরিপূর্ণতা ইংরেজি আইনের প্রকৃত ভিত্তি নয়। আমরা অর্জনযোগ্য বিষয়ের দিকে তাকাই। আমরা বাস্তবসম্মত বিষয়ের দিকে তাকাই। ইউটোপিয়ায় সম্ভবত কী অর্জন করা যেতে পারে, সে সম্পর্কে আশাবাদী বর্ণনাগুলোর দ্বারা বিভ্রান্ত হওয়ার চেয়ে আমাদের কাছে যথেষ্ট পরিমাণ ইংরেজি জ্ঞান রয়েছে। এটি আমাদেরকে এমন একটি পথ থেকে দূরে সরিয়ে দেয় যা ইংল্যান্ডের জনগণের জন্য দারুণ মঙ্গল সাধন করতে সক্ষম হওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়।
** রিপ্রেজেন্টেশন অব দ্য পিপল বিলের ওপর বিতর্কের সময় হাউস অব কমন্সে দেওয়া [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1884/feb/28/motion-for-leave ভাষণ] (২৮ ফেব্রুয়ারি ১৮৮৪)
* মাননীয় ভদ্রলোক বারবার এই ঘোষণার উদ্ধৃতি দিয়েছেন, মিশরের বাইরে [বিদ্রোহ] রাখতে হলে সুদানে এটি দমন করা প্রয়োজন। এবং এটাই হলো সেই কাজ যা মাননীয় ভদ্রলোক ইংল্যান্ডের ওপর চাপিয়ে দিতে চান। এখন আমি মাননীয় ভদ্রলোকদের বলছি যে, এই কাজটির অর্থ হলো সুদান পুনর্দখল করা। আমি মুহূর্তের জন্য জলবায়ু, দূরত্ব, অসুবিধা, বিশাল ব্যয় এবং ভয়াবহ প্রাণহানির সমস্ত প্রশ্ন সরিয়ে রাখছি। মাননীয় ভদ্রলোকের পরিকল্পনায় এর চেয়েও খারাপ কিছু জড়িত আছে। এটি হবে মুক্ত হতে সংগ্রাম করা একটি জাতির বিরুদ্ধে বিজয়ের যুদ্ধ। ["না, না!"] '''হ্যাঁ, এরা এমন মানুষ যারা মুক্ত হওয়ার জন্য সংগ্রাম করছে, এবং তারা মুক্ত হওয়ার জন্য ন্যায্যভাবেই সংগ্রাম করছে।'''
** মাহদিস্ট যুদ্ধের সময় হাউস অব কমন্সে দেওয়া [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1884/may/12/vote-of-censure ভাষণ] (১২ মে ১৮৮৪)।
[[File:William Ewart Gladstone by Rupert Potter.jpg|thumb|right|আমাদের উৎপাদনের পাউন্ডগুলোকে টনে পরিণত করার চেষ্টা করতে হবে অথবা বেশ কয়েকজন উৎপাদককে একত্রিত করতে হবে।]]
* ধীর পরিবর্তন এবং বিকাশের একটি প্রক্রিয়া চলছে, যা মূলত এমন দিকে যাচ্ছে যা আমি সন্দেহের চোখে দেখি। "টোরি গণতন্ত্র" হলো সেই দিকের একটি প্রিয় ধারণা। এটি আমি যে কনজারভেটিভ পার্টিতে বেড়ে উঠেছি তার মতো নয়, ঠিক যেমন এটি লিবারেলিজমের মতো নয়। বস্তুত এটি আরও কম। এটি হলো ডেম্যাগোগিজম। এটি সবচেয়ে খারাপ উপায়ে প্রয়োগ করা হয়, সেই শান্তিকামী, আইন-শ্রদ্ধাশীল, অর্থনৈতিক উপাদানগুলোকে দমন করার জন্য, যা পুরোনো রক্ষণশীলতাকে উন্নত করেছিল। এটি রাগান্বিত আবেগের প্ররোচনায় বেঁচে থাকে এবং গোপনে আগের মতোই শ্রেণির স্বার্থের মন্দ নীতির সাথে একগুঁয়েভাবে যুক্ত থাকে। আজকের লিবারেলিজম তুলনামূলক ভালো, তবে তা ভালো হওয়ার থেকে অনেক দূরে। এর প্রিয় ধারণাটি হলো তারা যাকে নির্মাণ বলে ডাকে, অর্থাৎ প্রতিটি মানুষের কাজ রাষ্ট্রের হাতে তুলে নেওয়া। এই দুটোরই আমাকে দূরে সরিয়ে দেওয়ার মতো অনেক কিছু আছে এবং এগুলো আমাকে অনেক বছর ধরে দূরে সরিয়ে রেখেছে।
** [[লর্ড অ্যাক্টন|লর্ড অ্যাক্টনের]] কাছে লেখা চিঠি (১১ ফেব্রুয়ারি ১৮৮৫), জন মর্লে রচিত ''দ্য লাইফ অব উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন, ভলিউম ৩'' (১৯০৩), পৃষ্ঠা ১৭২-এ উদ্ধৃত
* আমার এমন আশাও আছে যে, জনগণের মধ্যে দৃঢ়ভাবে অবস্থান করা ন্যায়বিচারের বোধ কখনো জেনেশুনে উগ্র জাতীয়তাবাদের শয়তানের সাথে হাত মেলাবে না।
** [[লর্ড অ্যাক্টন|লর্ড অ্যাক্টনের]] কাছে লেখা চিঠি (১১ ফেব্রুয়ারি ১৮৮৫), জন মর্লে রচিত ''দ্য লাইফ অব উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন, ভলিউম ৩'' (১৯০৩), পৃষ্ঠা ১৭৩-এ উদ্ধৃত
* একজন প্রতিষ্ঠিত যাজক সবসময় একটি টোরি কর্পস ডি'আর্মি হবেন।
** স্যার [[উইলিয়াম হারকোর্ট|উইলিয়াম হারকোর্টের]] কাছে লেখা চিঠি (৩ জুলাই ১৮৮৫), এইচ. সি. জি. ম্যাথিউ সম্পাদিত, ''দ্য গ্ল্যাডস্টোন ডায়েরিজ, ভলিউম ১০: জানুয়ারি ১৮৮১-জুন ১৮৮৩'' (১৯৯০), পৃষ্ঠা ১৬৯-এ উদ্ধৃত
* আমাদের নীতির নিয়ম হলো, স্বেচ্ছাসেবী প্রচেষ্টার মাধ্যমে যে কাজ ভালোভাবে বা আরও ভালোভাবে করা যায়, রাষ্ট্রের তা করা উচিত নয়। এবং আমি এমন কিছু ''জানি না'' যে, এর নৈতিক বা এমনকি এর সাহিত্যিক দিকগুলোতেও [[শিক্ষা|শিক্ষার]] জন্য রাষ্ট্রের কাজ এখনো ''ধর্মীয় গোষ্ঠী'' বা ''জনহিতকর ব্যক্তিদের'' কাজের চেয়ে তার ''শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছে''। এমনকি ''উল্লেখযোগ্যভাবে বর্ধিত ব্যয়ের'' ''অর্থনৈতিক'' বিবেচনাগুলোও পুরোপুরি নগণ্য বলে মনে হয় না।
** [http://oll.libertyfund.org/EBooks/Smith_0306.pdf লিবারেল ইশতেহার (সেপ্টেম্বর ১৮৮৫)]
* জনকল্যাণমূলক অর্থনীতির যে বিস্মৃতি ঘটেছে, তার জন্য আমি গভীরভাবে শোকাহত। আতঙ্কের বিষয়টিকে বিলাসবহুল করে তোলার যে বর্তমান প্রবণতা রয়েছে, যা মানুষ একটি চাঞ্চল্যকর উপন্যাস বা উচ্চ মশলাযুক্ত রান্নার মতো উপভোগ করে বলে মনে হয়, এবং উভয় পক্ষেরই [[সমাজতন্ত্র|সমাজতন্ত্রের]] দিকে ঝোঁক রয়েছে, যাকে আমি মৌলিকভাবে অপছন্দ করি।
** ডিউক অব আর্গাইলের কাছে লেখা চিঠি (৩০ সেপ্টেম্বর ১৮৮৫), জন মর্লে রচিত ''দ্য লাইফ অব উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন, ভলিউম ৩'' (১৯০৩), পৃষ্ঠা ২২১-এ উদ্ধৃত
* সমাজতন্ত্র। এই জায়গায় আমি আপনার সাথে একমত। আমি সবসময় এর বিরোধিতা করেছি। এটি এখন উভয় দলকে এমনভাবে আঁকড়ে ধরছে যা আমি খুব অপছন্দ করি। এবং দুর্ভাগ্যবশত [[রবার্ট গাসকোয়েন-সেসিল, থার্ড মার্কুইস অব স্যালিসবারি|লর্ড স্যালিসবারি]] এর একজন নেতা হয়ে উঠেছেন। তাকে বাধা দেওয়ার মতো কোনো লর্ড হার্টিংটন নেই (ডারওয়েনে তার ভাষণ দেখুন)।
** লর্ড সাউথেস্কের কাছে লেখা চিঠি (২৭ অক্টোবর ১৮৮৫)
* আমি তাদেরকে আমার নিজের পরামর্শ গোপন রাখার উদ্দেশ্যের কথা জানাতাম। এবং আমি একজন '''পুরোনো সংসদীয় অভিজ্ঞ ব্যক্তি''' হিসেবে তাদেরকে একই কাজ করার সুপারিশ করার সাহস করব।
** হাউস অব কমন্সে দেওয়া [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1886/jan/21/first-eight ভাষণ] (২১ জানুয়ারি ১৮৮৬)
* আমি যে নীতি নির্ধারণ করছি, তা কেবল আয়ারল্যান্ডের জন্য ব্যতিক্রমীভাবে নির্ধারণ করছি না। এটি হলো সেই একই নীতি যার ওপর ভিত্তি করে, আমার স্মরণে, দেশের ব্যাপক সুবিধার জন্য, আমরা শুধু পরিবর্তনই করিনি, বরং উপনিবেশগুলো পরিচালনা করার পদ্ধতিতে বিপ্লব এনেছি। ... ইংল্যান্ড সেই সময়ে উপনিবেশগুলোর জন্য ভালো আইন পাস করার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু উপনিবেশগুলো বলেছিল, "আমরা আপনাদের ভালো আইন চাই না। আমরা আমাদের নিজস্ব আইন চাই।" আমরা সেই নীতির যৌক্তিকতা স্বীকার করেছিলাম, এবং এটি এখন সমুদ্রের ওপার থেকে আমাদের কাছে ফিরে আসছে। আমাদের বিবেচনা করতে হবে যে এটি আয়ারল্যান্ডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য কি না। ... আমি চাই যে, আমাদের নিজস্ব ক্ষেত্রে আমরা দৃঢ় এবং নির্ভীক হাতে তা অনুশীলন করব যা আমরা প্রায়শই প্রচার করেছি, অর্থাৎ সেই মতবাদ যা আমরা প্রায়শই অন্যদের মধ্যে গেঁথে দিয়েছি। তা হলো, স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন দেওয়া মানে ঐক্যকে দুর্বল বা ক্ষুণ্ণ করার উপায় নয়, বরং এটি ঐক্যকে শক্তিশালী ও সুসংহত করার উপায়।
** আইরিশ হোম রুল বিল উত্থাপন করার সময় হাউস অব কমন্সে দেওয়া [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1886/apr/08/motion-for-leave-first-night#column_1081 ভাষণ] (৮ এপ্রিল ১৮৮৬)
* সরকারের বিরোধিতাকারী পক্ষে প্রচুর পরিমাণে অবস্থান, উপাধি, সম্পদ, সামাজিক প্রভাব, পেশা বা তাদের বড় অংশ পাওয়া যায়, এককথায় শ্রেণির চেতনা এবং ক্ষমতা। এগুলোই হলো বিরোধী পক্ষের প্রধান অংশ। শুধু তাই নয়। পুরোনো দিনের নাইটদের যেমন স্কয়ার ছিল, তেমনি শ্রেণির বিশাল বাহিনীতে প্রতিটি তালিকাভুক্ত সৈনিকের সাধারণত নির্ভরশীল ব্যক্তি থাকে। বিরোধী বাহিনী তাহলে শ্রেণি এবং শ্রেণির ওপর নির্ভরশীলদের নিয়ে গঠিত। কিন্তু এই শক্তিশালী বাহিনীটি এর উপাদানগুলোর একটি বড় অংশে একই রকম। এই বাহিনীটি গত ৬০ বছরের বড় প্রতিটি রাজনৈতিক লড়াইয়ে অংশ নিয়েছে এবং পরাজিত হয়েছে। এই বড় বিতর্কের আগে আমাদের বড় বিতর্ক ছিল, যেমন মুক্ত বাণিজ্য, নৌচলাচলের স্বাধীনতা, জনশিক্ষা, নাগরিক বিষয়ে ধর্মীয় সমতা, বর্তমান ভিত্তিতে ভোটাধিকারের সম্প্রসারণ। এই এবং অন্যান্য অনেক বড় ইস্যুতে শ্রেণিগুলো ধারাবাহিকভাবে ভুল পক্ষে লড়াই করেছে এবং ধারাবাহিকভাবে এমন একটি শক্তির কাছে পরাজিত হয়েছে যাকে একত্রিত করা কঠিন, কিন্তু একত্রিত হলে অপ্রতিরোধ্য। এটি হলো জাতির ন্যায়পরায়ণতা।
** মিডলোথিয়ানের ভোটারদের উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণ, ''ডেইলি রিভিউ'' (৩ মে ১৮৮৬), ''দ্য টাইমস'' (৪ মে ১৮৮৬), পৃষ্ঠা ৫-এ উদ্ধৃত।
* একদিকে স্বাধীনতা ও মর্যাদার সাথে দান করা এবং অন্যদিকে স্বীকৃতি ও কৃতজ্ঞতার সাথে দান করার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। বাধ্য হয়ে দান করা মানে অবমাননার সাথে দান করা। আপনি যে পথেই যান না কেন ক্ষোভের সাথে দান করা, এই পার্থক্যটি আমাদের চোখে মৌলিক। এবং এটি কেবল আমরা কেন কাজ করেছি তার প্রধান কারণ নয়, বরং আমরা এখন কেন কাজ করেছি তারও প্রধান কারণ। আমি যদি ঠিক বুঝি, তবে এটি আমাদের ইতিহাসের অন্যতম সোনালি মুহূর্ত। এটি এমন একটি সুযোগ যা আসতে পারে এবং যেতে পারে, কিন্তু খুব কমই ফিরে আসে। অথবা, যদি তারা ফিরেও আসে, তবে তারা দীর্ঘ বিরতিতে এবং এমন পরিস্থিতিতে ফিরে আসে যা কোনো মানুষ পূর্বাভাস দিতে পারে না।
** আইরিশ হোম রুল বিলের দ্বিতীয় পাঠের সময় হাউস অব কমন্সে দেওয়া [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1886/jun/07/second-reading-adjourned-debate ভাষণ] (৭ জুন ১৮৮৬)
* আয়ারল্যান্ড আপনাদের কাঠগড়ায় প্রত্যাশিত, আশাবাদী এবং প্রায় প্রার্থনাকারী হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। তার কথাগুলো সত্য ও শান্ত। সে অতীতের এক আশীর্বাদপূর্ণ বিস্মৃতি চায়, এবং সেই বিস্মৃতিতে আমাদের স্বার্থ তার চেয়েও গভীর। ...সে ভবিষ্যতের জন্য একটি আশীর্বাদও চায়। এবং ভবিষ্যতের জন্য সেই আশীর্বাদটি, যদি আমরা খুব ভুল না করে থাকি, সম্মানের ক্ষেত্রে আমাদের জন্য একটি আশীর্বাদ হবে, ঠিক যতটা তা সুখ, সমৃদ্ধি এবং শান্তির ক্ষেত্রে তার জন্য একটি আশীর্বাদ হবে। মহাশয়, এটিই তার প্রার্থনা। আমি আপনাদের অনুরোধ করছি, চিন্তা করুন। ভালোভাবে চিন্তা করুন, বিজ্ঞতার সাথে চিন্তা করুন। মুহূর্তের জন্য নয়, বরং যে বছরগুলো আসছে তার জন্য চিন্তা করুন, এই বিলটি প্রত্যাখ্যান করার আগে।
** আইরিশ হোম রুল বিলের দ্বিতীয় পাঠের সময় হাউস অব কমন্সে দেওয়া [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1886/jun/07/second-reading-adjourned-debate ভাষণ] (৭ জুন ১৮৮৬)
* যদি আমাদেরকে এতে প্রবেশ করতে বাধ্য করা হয়, তবে আমি আপনাদেরকে এটি বলতে বাধ্য। আমাদের বিরুদ্ধে আপনাদের অবস্থান, বড়, ধনী এবং অভিজাতদের দৃঢ় সংঘবদ্ধতা এবং জনগণের প্রকৃত প্রকৃত অনুভূতির বিরুদ্ধে আমি জানি না কারা আমাদের সত্য উন্মোচন করতে বাধ্য করছে। এবং আমি আপনাদেরকে এটি বলছি যে, আমি যতদূর বিচার করতে পারি এবং যতদূর আমার জ্ঞান আছে, বিশিষ্ট আইরিশদের উপস্থিতিতে বলতে আমার কষ্ট হচ্ছে যে মানুষের ইতিহাসে ইউনিয়ন গঠনের চেয়ে কালো বা জঘন্য লেনদেন আমার জানা নেই।
** লিভারপুলে দেওয়া ভাষণ (২৮ জুন ১৮৮৬), ''দ্য টাইমস'' (২৯ জুন ১৮৮৬), পৃষ্ঠা ১১-এ উদ্ধৃত
* আমি এই কথা বলার সাহস করব যে, সমস্ত বড় বিষয়ের মধ্যে, সবচেয়ে বড় এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ওপর, যেখানে সত্য, ন্যায়বিচার এবং মানবতাকে সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর প্রধান বিবেচনা হওয়া উচিত, ভদ্রমহোদয়গণ, সেখানে আমি সারা বিশ্বে '''শ্রেণির বিরুদ্ধে জনগণকে সমর্থন করব।'''
** লিভারপুলে দেওয়া ভাষণ (২৮ জুন ১৮৮৬), ''দ্য টাইমস'' (২৯ জুন ১৮৮৬), পৃষ্ঠা ১১-এ উদ্ধৃত
* বাস্তব বিপদের ক্ষেত্রে ইংল্যান্ড এবং স্কটল্যান্ডের মানুষ সম্ভবত বিশ্বের সবচেয়ে সাহসী মানুষ। অন্তত, পৃথিবীতে এমন কোনো জাতি নেই যাদের কাছে তারা আত্মসমর্পণ করতে প্রস্তুত বা যাদের কাছে কেউ তাদের সাহসিকতার খেতাব সমর্পণ করতে বলবে। কিন্তু আমি দুঃখের সাথে বলছি যে এই মামলার আরেকটি দিক রয়েছে। কাল্পনিক বিপদের জন্য পৃথিবীতে এমন কোনো জাতি নেই যারা অযৌক্তিক এবং অলস কল্পনার শিকার হওয়ার ক্ষেত্রে ইংরেজদের মতো যেকোনো মাত্রায় কাছাকাছি। এটি সারা বিশ্বে সর্বজনীন। আমরা ফরাসিদেরকে একটি উত্তেজিত জাতি বলে মনে করি। কিন্তু একজন ইংরেজ কাল্পনিক বিপদের মোকাবিলা করার সময় ভয় এবং ক্ষোভের যে আবেগে আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে, তা দেখে ফরাসিরা বিস্ময়ে দাঁড়িয়ে থাকে।
** লিভারপুলে দেওয়া ভাষণ (২৮ জুন ১৮৮৬), ''দ্য টাইমস'' (২৯ জুন ১৮৮৬), পৃষ্ঠা ১১-এ উদ্ধৃত
* তারা [হোম রুলের বিরোধীরা] বলে যে এটি কী ভয়ানক ঘটনা হবে যখন তারা যা ভবিষ্যদ্বাণী করেছে তা সব সত্যি হবে। এটি কখনো সত্যি হবে না। কিন্তু তবুও, যা কিছু ঘটেছে তার পর আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে সশস্ত্র বাহিনী ছাড়া আর কোনো প্রতিকার থাকবে না। এই ভদ্রলোকেরা সশস্ত্র বাহিনী দিয়ে আয়ারল্যান্ডকে ধরে রাখার ধারণা নিয়ে চরমভাবে হতবাক হয়েছেন। (হাসি।) আমি জানতে চাই আপনারা এখন একে কীভাবে ধরে রেখেছেন? (দীর্ঘ উল্লাস।) আমি জানতে চাই আপনারা এই ছিয়াশি বছর ধরে একে কীভাবে ধরে রেখেছিলেন? (একটি কণ্ঠস্বর। "জবরদস্তি।") আপনারা একে সশস্ত্র বাহিনীর সাহায্যে ধরে রেখেছেন। নিজেদের কাছে বাস্তবতাকে গোপন করবেন না। আপনারা যে কারণের ওপর বিচার করবেন তার অপরিহার্য বৈশিষ্ট্যগুলো থেকে চোখ বন্ধ করবেন না। '''জোর করে আপনারা একে ধরে রেখেছেন। জোর করে আপনারা একে ধরে রাখছেন। আমরা আপনাদেরকে ভালোবাসা দিয়ে একে ধরে রাখার অনুরোধ করছি।''' (উচ্চকণ্ঠ এবং দীর্ঘ উল্লাস, এই সময়ে দর্শকরা উঠে দাঁড়িয়ে তাদের রুমাল নাড়ায়, এবং "গ্র্যান্ড ওল্ড ম্যানের" জন্য তিনটি উল্লাস চাওয়া হয় এবং দেওয়া হয়।)
** লিভারপুলে দেওয়া ভাষণ (২৮ জুন ১৮৮৬), ''দ্য টাইমস'' (২৯ জুন ১৮৮৬), পৃষ্ঠা ১১-এ উদ্ধৃত
* আমি জোর দিয়ে বলছি যে ওয়েলশ জাতীয়তা ঠিক ততটাই বাস্তব যতটা ইংরেজি জাতীয়তা। এটি হয়তো ততটা বড় বাস্তবতা নয় কারণ এটি এত বড় দেশজুড়ে বিস্তৃত নয়, তবে ওয়েলসের ঐতিহ্য এবং ইতিহাসের সাথে, ওয়েলসের ভাষার সাথে (শুনুন, শুনুন), ওয়েলসের ধর্মের সাথে (উল্লাস), ওয়েলসের অনুভূতির সাথে, আমি মনে করি ওয়েলশ জাতীয়তা স্কটল্যান্ডের জাতীয়তার মতোই সত্য, যার সাথে আমি রক্তে একচেটিয়াভাবে যুক্ত।
** সোয়ানসিতে দেওয়া ভাষণ (৪ জুন ১৮৮৭), ''দ্য টাইমস'' (৬ জুন ১৮৮৭), পৃষ্ঠা ১০-এ উদ্ধৃত
* একটি জনসভা কী? এটি কোনো নৈরাজ্যবাদী সমাবেশ নয়। এটি কোনো দাঙ্গা নয়। এটি হলো যৌক্তিক প্রাণীদের একটি সমাবেশ। যদি আমন্ত্রণটি সাধারণ হয়, তবে সেখানে প্রতিটি মানুষের যাওয়ার অধিকার রয়েছে, এবং সরকারি প্রতিবেদকের যাওয়ার অধিকার রয়েছে। তবে কেবল অন্যদের মতো এবং সাধারণ আইনের অধীন। কিন্তু সভার উদ্যোক্তাদের কাছে সরকারি প্রতিবেদককে সুবিধা প্রদানের আবেদন করার পরিবর্তে... যদি সহিংসতার পথ বেছে নেওয়া হয়, তবে আমি বলব যে আইনের এজেন্টরাই আইন ভেঙেছে। আইরিশ জনগণকে আইন মেনে চলার কর্তব্য সম্পর্কে বলা, অথবা তাদের আইন মেনে চলতে বাধ্য করার জন্য জবরদস্তিমূলক বিল আনা অর্থহীন, যদি সেই সরকার নিজেই এই কথা বলে এবং এই বিলগুলো আনে, যাদের এজেন্টরা সুশৃঙ্খল জনসভায় সহিংসভাবে বিঘ্ন ঘটিয়ে আইন লঙ্ঘন করে এবং যারা এই বেআইনি পদক্ষেপে মন্ত্রীদের দ্বারা সমর্থিত হয়।
** নটিংহ্যামে দেওয়া ভাষণ (১৮ অক্টোবর ১৮৮৭) [[w:Mitchelstown#Mitchelstown_Massacre|মিচেলসটাউন গণহত্যার]] কথা উল্লেখ করে, ''দ্য টাইমস'' (১৯ অক্টোবর ১৮৮৭), পৃষ্ঠা ৬-এ উদ্ধৃত
* আমি বলেছি এবং আমি আবার বলছি, "মিচেলসটাউনের কথা মনে রেখো"।
** নটিংহ্যামে দেওয়া ভাষণ (১৮ অক্টোবর ১৮৮৭), ''দ্য টাইমস'' (১৯ অক্টোবর ১৮৮৭), পৃষ্ঠা ৬-এ উদ্ধৃত
* জনকল্যাণমূলক অর্থনীতি জনকল্যাণমূলক গুণাবলির অংশ।
** ওয়েলবির কাছে লেখা চিঠি (২৬ অক্টোবর ১৮৮৭), অ্যান্থনি হাওয়ে রচিত ''ফ্রি ট্রেড অ্যান্ড লিবারেল ইংল্যান্ড ১৮৪৬-১৯৪৬'' (১৯৯৭), পৃষ্ঠা ১৯-এ উদ্ধৃত
* যে জবরদস্তি চালু করা হয়েছে তা অপরাধের বিরুদ্ধে কোনো জবরদস্তি নয়...এটি একত্রীকরণের বিরুদ্ধে একটি জবরদস্তি। এবং একত্রীকরণ, যা আয়ারল্যান্ডের ইতিহাসের প্রতিটি পৃষ্ঠায় জ্বলজ্বল করছে, এটিই একমাত্র অস্ত্র যার দ্বারা একটি দরিদ্র, নিঃস্ব এবং দুর্বল জনগোষ্ঠী রাষ্ট্র এবং ধনীদের আধিপত্যকারী ক্ষমতার বিরুদ্ধে, যাদের পেছনে ইংল্যান্ডের সমর্থন রয়েছে, সামান্য মাত্রায় হলেও নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।
** লন্ডনে দেওয়া ভাষণ (৯ মে ১৮৮৮), ''দ্য টাইমস'' (১০ মে ১৮৮৮), পৃষ্ঠা ৮-এ উদ্ধৃত।
* এই জবরদস্তি আইন দাবি করে যে এটি প্রধানত ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে পরিচালিত একটি আইন, এবং ষড়যন্ত্র একটি খারাপ জিনিস। কিন্তু ষড়যন্ত্রের নামে আমরা বলি যে এটি একত্রীকরণের বিরুদ্ধে পরিচালিত। একত্রীকরণ সবসময় খুব ভালো জিনিস নয়, তবে একত্রীকরণ হলো অনেক ক্ষেত্রে একমাত্র উপায় যার সাহায্যে দুর্বলেরা শক্তিশালীদের বিরুদ্ধে, দরিদ্ররা ধনীদের বিরুদ্ধে নিজেদের রক্ষা করতে পারে।
** লন্ডনে দেওয়া ভাষণ (৩০ জুন ১৮৮৮), ''দ্য টাইমস'' (২ জুলাই ১৮৮৮), পৃষ্ঠা ৭-এ উদ্ধৃত।
* ভদ্রমহিলা ও ভদ্রমহোদয়গণ, আপনাদের "মেন অব হারলেচের" কথা চিন্তা করুন। আমার বিচারে, একটি জাতীয় সঙ্গীতের উদ্দেশ্যে এবং পুরোনো "গড সেভ দ্য কুইন" বা অন্য কিছুর অবমাননা না করে, এটি সম্ভবত বিশ্বের সেরা জাতীয় সঙ্গীত।
** রেক্সামে ইস্টেডফোডে দেওয়া ভাষণ (৮ সেপ্টেম্বর ১৮৮৮), এ. ডব্লিউ. হাটন এবং এইচ. জে. কোহেন সম্পাদিত, ''দ্য স্পিচেস অব দ্য রাইট অনারেবল ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোন অন হোম রুল, ক্রিমিনাল ল, ওয়েলশ অ্যান্ড আইরিশ ন্যাশনালিটি, ন্যাশনাল ডেবট অ্যান্ড দ্য কুইনস রেইন. ১৮৮৮-১৮৯১'' (১৯০২), পৃষ্ঠা ৫৬-এ উদ্ধৃত
* জাতীয়তার নীতি এবং প্রাচীনত্বের প্রতি শ্রদ্ধার নীতি, যাকে আমি স্থানীয় দেশপ্রেম বলতে পারি, তা শুধু নিজেই একটি মহৎ জিনিস নয়, এর একটি বিশাল অর্থনৈতিক মূল্যও রয়েছে। ... আপনার দেশের প্রতি সংযুক্তি, ব্রিটিশ নাগরিকদের মধ্যে ব্রিটেনের প্রতি সংযুক্তি, এবং সেইসাথে ওয়েলশ বংশোদ্ভূতদের মধ্যে ওয়েলসের প্রতি সংযুক্তি, এগুলোর মধ্যে কিছুটা শক্তি এবং এর বিকাশের জন্য উৎসাহ উভয়ই রয়েছে, এবং একইভাবে নৈতিক মানের কিছু উপাদানও রয়েছে; কারণ ওয়েলশম্যান যেখানেই যাক না কেন, সে নামটিকে অপমান করতে চাইবে না। এটি একটি পরিচিত পর্যবেক্ষণ যে, ইউরোপের চরম পূর্বাঞ্চলেও, যেখানে স্বৈরাচারী সরকারের পরিবর্তে স্বাধীন প্রতিষ্ঠানগুলো প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, এর অনিবার্য প্রভাব হলো দেশের পরিশ্রমী কার্যকলাপে একটি বিশাল উদ্দীপনা প্রদান করা।
** রেক্সামে ইস্টেডফোডে দেওয়া ভাষণ (৮ সেপ্টেম্বর ১৮৮৮), এ. ডব্লিউ. হাটন এবং এইচ. জে. কোহেন সম্পাদিত, ''দ্য স্পিচেস অব দ্য রাইট অনারেবল ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোন অন হোম রুল, ক্রিমিনাল ল, ওয়েলশ অ্যান্ড আইরিশ ন্যাশনালিটি, ন্যাশনাল ডেবট অ্যান্ড দ্য কুইনস রেইন. ১৮৮৮-১৮৯১'' (১৯০২), পৃষ্ঠা ৫৮-এ উদ্ধৃত
* আত্মরক্ষার জন্য ওয়েলশরা ইংরেজদের বিরুদ্ধে খুব ভালো এবং খুব কঠিন লড়াই করেছিল, এবং এর ফলাফল কী হয়েছিল? ইংরেজরা আপনাদের অঞ্চলকে বড় বড় দুর্গ দিয়ে ঘিরে রাখতে বাধ্য হয়েছিল। এবং এর প্রভাব এমন হয়েছে যে, আমি যতদূর হিসাব করতে পারি, ট্যুইডের দক্ষিণে সমগ্র দ্বীপে দুর্গগুলোর মহান ধ্বংসাবশেষের অর্ধেকেরও বেশি হলো সেই দুর্গগুলো যা ওয়েলসকে ঘিরে রয়েছে। এটি দেখায় যে ওয়েলসে এমন লোকেরা বাস করত যারা তাদের স্বাধীনতাকে মূল্যায়ন করত এবং তার জন্য সংগ্রাম করতে প্রস্তুত ছিল।
** রেক্সামে ইস্টেডফোডে দেওয়া ভাষণ (৮ সেপ্টেম্বর ১৮৮৮), এ. ডব্লিউ. হাটন এবং এইচ. জে. কোহেন সম্পাদিত, ''দ্য স্পিচেস অব দ্য রাইট অনারেবল ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোন অন হোম রুল, ক্রিমিনাল ল, ওয়েলশ অ্যান্ড আইরিশ ন্যাশনালিটি, ন্যাশনাল ডেবট অ্যান্ড দ্য কুইনস রেইন. ১৮৮৮-১৮৯১'' (১৯০২), পৃষ্ঠা ৬১-এ উদ্ধৃত
* লিবারেল পার্টির আন্তরিকতার বিষয়ে বলতে গেলে, আমি কিছু আস্থার সাথে গত ৫০ বছর ধরে সেই দলের পরিশ্রমের কথা উল্লেখ করছি, যা সাধারণ মানুষের ব্যয়ে বিশেষ স্বার্থের সুবিধার জন্য প্রণীত অনেক অযৌক্তিক কর এবং বিধিনিষেধ থেকে মূলধন এবং সব ধরনের হস্তশিল্প উভয়কেই মুক্ত করার জন্য করা হয়েছিল। এই পরিশ্রমগুলোর ফলে শ্রমজীবী সম্প্রদায়ের অবস্থার একটি অভিন্ন নয়, বরং একটি খুব সাধারণ এবং খুব বড় উন্নতি হয়েছে।
** বেকার শ্রমিকদের দ্বারা তার কাছে জমা দেওয়া স্মারকলিপির উত্তর (১৮ ডিসেম্বর ১৮৮৮), ''দ্য টাইমস'' (২০ ডিসেম্বর ১৮৮৮), পৃষ্ঠা ৭-এ উদ্ধৃত
* আমরা রানির দাস এবং সেইসাথে জনগণেরও দাস। ... আমি এটি বলতে লজ্জিত নই যে আমার বার্ধক্যে আমি এমন যেকোনো সুযোগ পেয়ে আনন্দিত যা আমাকে এটি সাক্ষ্য দিতে সক্ষম করে যে, আমার মতামত সম্পর্কে যাই ভাবা হোক না কেন, সাধারণ রাজনীতিতে আমার প্রস্তাবগুলো সম্পর্কে যাই ভাবা হোক না কেন, ব্রিটিশ রাজতন্ত্রের বিশিষ্ট প্রতিনিধির জন্য আমি এতদিন ধরে যে কাজ করেছি তা আমি ভুলি না।
** হাউস অব কমন্সে দেওয়া [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1889/jul/25/the-royal-grants#S3V0338P0_18890725_HOC_142 ভাষণ] (২৫ জুলাই ১৮৮৯)
* এই [[ধর্মঘট|ধর্মঘটের]] বিশেষত্ব হলো... অনেকগুলো আলাদা পেশার মানুষ, যাদের একে অপরের সঙ্গে কোনও সম্পর্ক নেই... তারা দেখিয়েছে যে তারা একযোগে আন্দোলন করতে চায়। আপনি নিশ্চিন্ত থাকতে পারেন, এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক বাস্তবতা এবং ভবিষ্যতের জন্যও ব্যাপক তাৎপর্যপূর্ণ। আমি বিশ্বাস করি এই শিক্ষা [[আয়ারল্যান্ড]] থেকে নেওয়া হয়েছে, এবং এটি বর্তমান সরকারের কারণে ও আয়ারল্যান্ডে তাদের দমনমূলক আইner ফল। একই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ, যাদের মধ্যে কোনও পারস্পরিক সংযোগ নেই, তাদের এমন একটি উদ্দেশ্যে একত্র হতে বাধ্য করা হয়েছে, যেটিকে তারা সবার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করে। আমি যথেষ্ট মনে করি যে লন্ডনের শ্রমজীবী মানুষরাও এই শিক্ষা আয়ারল্যান্ড থেকে নিয়েছে।
** চেশায়ারে দেওয়া ভাষণ (২৩ সেপ্টেম্বর ১৮৮৯) লন্ডন ডক ধর্মঘটের ওপর, ''দ্য টাইমস'' (২৪ সেপ্টেম্বর ১৮৮৯), পৃষ্ঠা ১০-এ উদ্ধৃত
* একজন আলোকিত নিরপেক্ষ পর্যবেক্ষক মানবতার সাধারণ স্বার্থে এই উল্লেখযোগ্য ধর্মঘট এবং এই ধর্মঘটের ফলাফলগুলো মনে করতে আগ্রহী হবেন, যা পুঁজির মোকাবিলায় শ্রমের অবস্থাকে কিছুটা শক্তিশালী করার প্রবণতা দেখিয়েছে। এটি হলো আমাদের এমন একটি রেকর্ড যাকে সন্তোষজনক এবং একটি বাস্তব সামাজিক অগ্রগতি হিসেবে দেখা উচিত। এটি একটি বৃহত্তর, আরও অভিন্ন এবং ন্যায্য সম্পর্কের আরও দৃঢ় প্রতিষ্ঠার দিকে ঝুঁকছে। এটি শিল্পের ফলগুলোর বিভাজনের একটি ন্যায্য নীতির দিকে ঝুঁকছে।
** চেশায়ারে দেওয়া ভাষণ (২৩ সেপ্টেম্বর ১৮৮৯) লন্ডন ডক ধর্মঘটের ওপর, ''দ্য টাইমস'' (২৪ সেপ্টেম্বর ১৮৮৯), পৃষ্ঠা ১০-এ উদ্ধৃত
* কিন্তু শ্রমিককে অন্য একটি [[বিপদ]] থেকে সতর্ক থাকতে দিন। আমরা এমন একটি সময়ে বাস করি যখন এই প্রবণতা দেখা যায় যে সরকারের এটি এবং ওটি করা উচিত এবং সরকারের সবকিছু করা উচিত। সরকারের এমন অনেক কিছু করা উচিত, এ বিষয়ে আমার কোনো সন্দেহ নেই। পূর্ববর্তী সময়গুলোতে সরকার অনেক কিছু অবহেলা করেছে এবং সম্ভবত এখনো তারা কিছু অবহেলা করে। তবে অন্য দিকে একটি বিপদ রয়েছে। মানুষের নিজের যা করা উচিত তা যদি সরকার নিজের হাতে তুলে নেয়, তবে তিনি যে সমস্ত সুবিধা পেয়েছেন বা এর থেকে যে সমস্ত সুবিধা পেতে পারেন, তার চেয়ে এটি তার ওপর বেশি [[ক্ষতি]] সাধন করবে। পুরো বিষয়টির মূল কথা হলো, জনগণের মনে আত্মনির্ভরশীলতার চেতনা এবং সত্যিকারের ও অকৃত্রিম স্বাধীন চেতনা বজায় রাখা উচিত। জনগণের ব্যাপক অংশের মনে এবং শ্রেণির প্রতিটি সদস্যের মনে এই চেতনা বজায় রাখা উচিত। যদি সে তার আত্মত্যাগ হারিয়ে ফেলে, যদি সে নিজের ওপর নির্ভর না করে ধনীদের ওপর কাপুরুষোচিতভাবে নির্ভর করতে শেখে, তবে আপনি এর ওপর নির্ভর করতে পারেন যে সে এমন ক্ষতি ডেকে আনে যার কোনো ক্ষতিপূরণ করা যায় না।
** চেশায়ারে সল্টনি লিটারারি ইনস্টিটিউট কর্তৃক নির্মিত সল্টনির রিডিং অ্যান্ড রিক্রিয়েশন রুমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেওয়া ভাষণ (২৬ অক্টোবর ১৮৮৯), ''দ্য টাইমস'' পত্রিকায় "মি. গ্ল্যাডস্টোন অন দ্য ওয়ার্কিং ক্লাসেসে" (২৮ অক্টোবর ১৮৮৯), পৃষ্ঠা ৮-এ উদ্ধৃত
* লিবারেল পার্টির গুরুতর বিভাজন ১৮৮৬ সালে শুরু হয়নি। দীর্ঘ সময় ধরে ধনী এবং ক্ষমতাবানরা লিবারেল পার্টির শরীর থেকে নিজেদেরকে আলাদা করছিল এবং টোরিবাদ, স্থবিরতা এবং প্রতিরোধে তাদের সবচেয়ে স্বাভাবিক সম্পৃক্ততা খুঁজে পাচ্ছিল। তাদের অনেকের কাছে এটি ঈশ্বরের আশীর্বাদস্বরূপ ছিল যখন হোম রুল আবির্ভূত হয় এবং তারা মনে মনে যা করার জন্য একটি অজুহাতের আকাঙ্ক্ষা করছিল, তা প্রকাশ্যে বা এমনকি আড়ম্বরপূর্ণভাবে করার জন্য তাদের একটি যুক্তিসঙ্গত অজুহাত সরবরাহ করে।
** ম্যানচেস্টারে ন্যাশনাল লিবারেল ফেডারেশনে দেওয়া ভাষণ (৩ ডিসেম্বর ১৮৮৯), ''দ্য টাইমস'' (৪ ডিসেম্বর ১৮৮৯), পৃষ্ঠা ৬-এ উদ্ধৃত
* সামাজিক ক্ষয়ক্ষতির কারণে আমরা দ্রুত ব্যক্তিদের বিচার করব না। এই সামাজিক ক্ষতিগুলো তাদের পূর্বপুরুষদের কাছ থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত একটি অবস্থান ধারণ করার কারণে শরীর হিসেবে তাদের ওপর বর্তাতে পারে। তাদের এই অবস্থানের সমগ্র প্রকৃতি শনাক্ত করার মতো শক্তি এবং গভীর প্রজ্ঞা ছিল না।
** 'মেমোরিয়ালস অব আ সাউদার্ন প্লান্টার', ''দ্য নাইনটিন্থ সেঞ্চুরি'', খণ্ড ২৬, সংখ্যা ১৫৪ (ডিসেম্বর ১৮৮৯), পৃষ্ঠা ৯৮৪-৯৮৬
=== ১৮৯০-এর দশক ===
[[File:Gladstone.jpg|thumb|right|[[স্বাধীনতা|স্বাধীনতার]] মধ্যে আপনি [[আনুগত্য]] এবং [[শৃঙ্খলা]] উভয়েরই সবচেয়ে দৃঢ় ভিত্তি স্থাপন করেন। এটি ব্যক্তির [[চরিত্র]] বিকাশের জন্য সবচেয়ে দৃঢ় ভিত্তি এবং সামগ্রিকভাবে জাতির [[সুখ|সুখের]] জন্য সেরা বিধান।]]
* আমি মনে করি আমাদের অবশ্যই স্বীকার করতে হবে যে গত ২৫ বছরে মুক্ত বাণিজ্যের মতবাদগুলো কতটা ভিত্তি হারিয়েছে। এটি একটি বড় এবং ভারী হতাশা। আমার কোনো সন্দেহ নেই যে এই ভয়ানক সামরিকবাদ, যা ইনকিউবাস বা ভ্যাম্পায়ারের মতো ইউরোপের ওপর চেপে বসে আছে, তা এই ক্ষতির বেশিরভাগের জন্য দায়ী।
** পিকাডিলির প্রিন্সেস হলে দেওয়া ভাষণ (১২ মে ১৮৯০), ''দ্য টাইমস'' (১৩ মে ১৮৯০), পৃষ্ঠা ১১-এ উদ্ধৃত
* আসুন আমরা নিজেদের কাছে এই বিষয়টি গোপন না করি: বর্তমান সময়ে এই দেশটি প্রায় একাই মুক্ত বাণিজ্যের দুর্গ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। ... আমি আত্মবিশ্বাসের সাথে প্রত্যাশা করি, দীর্ঘমেয়াদে এই মুক্ত বাণিজ্যের মতবাদগুলো পৃথিবীতে এর বাইরে আর কোনো অর্থ বহন করবে না। প্রতিটি মানুষ এবং প্রতিটি দেশ কৃত্রিম হস্তক্ষেপ বা বাধা ছাড়াই, ঈশ্বর তাদেরকে যে ক্ষমতা এবং উপহার দিয়েছেন তা সর্বোত্তমভাবে কাজে লাগাবে। এটি হলো আমাদের বিশ্বাসের সারসংক্ষেপ, আলফা এবং ওমেগা।
** পিকাডিলির প্রিন্সেস হলে দেওয়া ভাষণ (১২ মে ১৮৯০), ''দ্য টাইমস'' (১৩ মে ১৮৯০), পৃষ্ঠা ১১-এ উদ্ধৃত
* আমি সারা জীবন একজন শিক্ষার্থী ছিলাম এবং আমি এখনো একজন শিক্ষার্থী। ... আমার এমন কিছু ধারণা আছে যা একজন লিবারেল রাজনীতিবিদের জন্য ভালো উপাদান সরবরাহ করে বলে মনে নাও হতে পারে। আমি শুধু পরিবর্তনের জন্য পরিবর্তন পছন্দ করি না, আমি কেবল তখনই পরিবর্তন পছন্দ করি যখন খারাপ কিছুকে ভালো কিছুতে বা ভালো কিছুকে আরও ভালো কিছুতে পরিবর্তন করার প্রয়োজন হয়। ... আমার লিবারেলিজমের ভিত্তি হলো এটি। আমি তরুণ বয়স থেকেই এই শিক্ষা নিচ্ছি। আমি স্বাধীনতার একজন প্রেমিক। এবং আমি নিজের জন্য যে স্বাধীনতাকে মূল্য দিই, আমি প্রতিটি মানুষের জন্য তার সামর্থ্য এবং সুযোগের অনুপাতে সেই স্বাধীনতাকে মূল্য দিই। এটি এমন একটি ভিত্তি যার ওপর আমি অযৌক্তিক পরিবর্তনের প্রতি অপছন্দ এবং প্রাচীন সবকিছুর প্রতি গভীর শ্রদ্ধার সাথে একত্রে কাজ করা সম্পূর্ণ বাস্তবসম্মত বলে মনে করি, তবে শর্ত হলো সেই শ্রদ্ধা যেন তার যোগ্য হয়।
** নরউইচে দেওয়া ভাষণ (১৬ মে ১৮৯০), জন মর্লে রচিত ''দ্য লাইফ অব উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন, ভলিউম ২'' (১৯০৩), পৃষ্ঠা ১৭৮-১৭৯-এ উদ্ধৃত
* '''সমস্ত [[স্বার্থপরতা]] মানবজাতির একটি বড় [[অভিশাপ]]''', এবং যখন আমাদের নিজেদের চেয়ে কম সুখী অন্য মানুষদের প্রতি সত্যিকারের সহানুভূতি থাকে, তখন তা স্বার্থপরতা থেকে মুক্তির সূচনার মতো ভালো লক্ষণ।
** হাওয়ার্ডেনে দেওয়া ভাষণ (২৮ মে ১৮৯০), ''দ্য টাইমস'' (২৯ মে ১৮৯০), পৃষ্ঠা ১২-এ উদ্ধৃত
* [[মিতব্যয়িতা|মিতব্যয়িতার]] চর্চা এই দেশের মানুষের সবচেয়ে স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে একটি নয়। এটি নিঃসন্দেহে ইংল্যান্ডের তুলনায় স্কটল্যান্ডের সীমান্তের ওপারে বেশি বিদ্যমান, তবে এটি ইংল্যান্ডেই বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং সৌভাগ্যবশত খুব বেশি বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমি এটা বলতে পেরে আনন্দিত যে, রাষ্ট্রের পক্ষে বুদ্ধিমান আইনের মাধ্যমে এটি কার্যকর করা সম্ভব হয়েছে। যাকে "ঠাকুমার আইন" বলা হয় তার মাধ্যমে নয়, যার প্রতি আমার নিজের অনেক সন্দেহ রয়েছে, বরং নীতিগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক আইনের মাধ্যমে। অর্থাৎ এমন আইন যা আপনার সেভিংস ব্যাংকের মতো জনগণকে নিজেদের সাহায্য করতে সক্ষম করে সাহায্য করে।
** সিটি টার্মিনাস হোটেলে সাউথ-ইস্টার্ন এবং মেট্রোপলিটন রেলওয়ে কোম্পানিগুলোর সাথে যুক্ত প্রভিডেন্ট সেভিংস ব্যাংকের আমানতকারীদের বার্ষিক সভায় দেওয়া ভাষণ (১৮ জুন ১৮৯০), ''দ্য টাইমস'' (১৯ জুন ১৮৯০), পৃষ্ঠা ৬-এ উদ্ধৃত
* আমি স্কচম্যান নাম দাবি করতে ধীর নই, এবং নিঃসন্দেহে, এমনকি আমি যদি এটি দাবি করতে ধীরও হতাম, তবুও আমার চোখের সামনে এই বাস্তবতা রয়েছে যে স্কটিশ বংশপরিচয় থেকে প্রাপ্ত ছাড়া আমার শিরায় আর কোনো রক্ত প্রবাহিত হয় না।
** ডান্ডিতে দেওয়া ভাষণ (২৯ অক্টোবর ১৮৯০), ''দ্য টাইমস'' (৩০ অক্টোবর ১৮৯০), পৃষ্ঠা ৪-এ উদ্ধৃত
* দেশের অর্থব্যবস্থা দেশের স্বাধীনতার সাথে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। এটি একটি শক্তিশালী লিভারেজ যার দ্বারা ধীরে ধীরে ইংরেজি স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে। অনেক শতাব্দী ধরে প্রাচীনকালের গভীরে ফিরে গিয়ে এটি ইংরেজি স্বাধীনতার মূলে অবস্থান করছে। এবং হাউস অব কমন্স যদি কোনোভাবে সরকারি অর্থের অনুদান নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে, তবে এর ওপর নির্ভর করুন যে তুলনামূলকভাবে আপনার স্বাধীনতার মূল্য খুব সামান্য হবে।
** হেস্টিংসে দেওয়া ভাষণ (১৭ মার্চ ১৮৯১), এ. ডব্লিউ. হাটন এবং এইচ. জে. কোহেন সম্পাদিত, ''দ্য স্পিচেস অব দ্য রাইট অনারেবল ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোন অন হোম রুল, ক্রিমিনাল ল, ওয়েলশ অ্যান্ড আইরিশ ন্যাশনালিটি, ন্যাশনাল ডেবট অ্যান্ড দ্য কুইনস রেইন. ১৮৮৮-১৮৯১'' (১৯০২), পৃষ্ঠা ৩৪৩-এ উদ্ধৃত
* আমি পরবর্তী একটি শব্দের নাম বলছি যা এই দিনগুলোতে উচ্চারণ করতে কিছুটা সাহসের প্রয়োজন—শব্দটি হলো অর্থনীতি। এটি আমার প্রাথমিক জীবনের দূরবর্তী সময় থেকে আসা একটি প্রতিধ্বনির মতো। আমি ভয় পাচ্ছি যে দেশের সম্পদ এবং স্বাচ্ছন্দ্যের বিশাল তুলনামূলক প্রসার অন্তত এর আরও কঠোর এবং চরম আকারে জনকল্যাণমূলক অর্থনীতিকে দুঃখজনকভাবে সমর্থন হারিয়েছে।
** নিউক্যাসলে ন্যাশনাল লিবারেল ফেডারেশনে দেওয়া ভাষণ (২ অক্টোবর ১৮৯১), এ. ডব্লিউ. হাটন এবং এইচ. জে. কোহেন সম্পাদিত, ''দ্য স্পিচেস অব দ্য রাইট অনারেবল ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোন অন হোম রুল, ক্রিমিনাল ল, ওয়েলশ অ্যান্ড আইরিশ ন্যাশনালিটি, ন্যাশনাল ডেবট অ্যান্ড দ্য কুইনস রেইন. ১৮৮৮-১৮৯১'' (১৯০২), পৃষ্ঠা ৩৭৭-এ উদ্ধৃত
* পার্লামেন্টে শ্রমিকের প্রতিনিধিত্ব প্রসারিত করার জন্য লিবারেল পার্টির একটি বড় প্রচেষ্টা থাকা উচিত। ... এবং আমরা দৃঢ়ভাবে বলছি যে দলের উচ্চ এবং অপরিহার্য দায়িত্বগুলোর মধ্যে একটি হলো জেলা পরিষদ এবং প্যারিশ পরিষদ প্রতিষ্ঠার জন্য এগিয়ে যাওয়া, এবং এর মাধ্যমে দেশের শ্রমজীবী মানুষদের দোরগোড়ায় স্বায়ত্তশাসন পৌঁছে দেওয়া। উপরন্তু আমি সাহসের সাথে যোগ করব যে উপযুক্ত সংস্থাগুলোকে ন্যায্য এবং উপযুক্ত শর্তে জমি অধিগ্রহণ করতে সক্ষম করার জন্য বাধ্যতামূলক ক্ষমতা প্রণয়ন করা তাদের দায়িত্ব হবে। এর উদ্দেশ্য হলো গ্রামীণ জনগণকে জমির সাথে, জমির ব্যবহার এবং লাভের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কে স্থাপন করা। যে জমি তারা এত দিন ধরে অন্যদের সুবিধার জন্য চাষ করেছে, কিন্তু নিজেদের জন্য প্রায় বৃথাই করেছে।
** নিউক্যাসলে ন্যাশনাল লিবারেল ফেডারেশনে দেওয়া ভাষণ যেখানে নিউক্যাসল কর্মসূচির রূপরেখা দেওয়া হয়েছে (২ অক্টোবর ১৮৯১), এ. ডব্লিউ. হাটন এবং এইচ. জে. কোহেন সম্পাদিত, ''দ্য স্পিচেস অব দ্য রাইট অনারেবল ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোন অন হোম রুল, ক্রিমিনাল ল, ওয়েলশ অ্যান্ড আইরিশ ন্যাশনালিটি, ন্যাশনাল ডেবট অ্যান্ড দ্য কুইনস রেইন. ১৮৮৮-১৮৯১'' (১৯০২), পৃষ্ঠা ৩৮৩-৩৮৪, ৩৮৬-এ উদ্ধৃত
* ভূমি আইনের সেই সংস্কার, জমির হস্তান্তরের ন্যায্য সুবিধাগুলোর সাথে বর্তমান উত্তরাধিকার ব্যবস্থার সেই বিলুপ্তি এই দেশের গ্রামাঞ্চলে বসবাসকারী মানুষদের প্রতি সাধারণ ন্যায়বিচার করার জন্য একেবারে প্রয়োজনীয়। আমরা এখন তাদের যেমন এক আদমশুমারি থেকে অন্য আদমশুমারিতে হ্রাস পেতে দেখছি, এর পরিবর্তে, আমি আমার দিক থেকে, এবং আমি বিশ্বাস করি আপনারাও আমার সাথে, সমগ্র ভূমির ওপর তাদের বর্তমান সংখ্যায় নয়, বরং ক্রমবর্ধমান সংখ্যায় বজায় রাখা দেখতে আন্তরিকভাবে আকাঙ্ক্ষা করবেন।
** নিউক্যাসলে ন্যাশনাল লিবারেল ফেডারেশনে দেওয়া ভাষণ যেখানে নিউক্যাসল কর্মসূচির রূপরেখা দেওয়া হয়েছে (২ অক্টোবর ১৮৯১), এ. ডব্লিউ. হাটন এবং এইচ. জে. কোহেন সম্পাদিত, ''দ্য স্পিচেস অব দ্য রাইট অনারেবল ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোন অন হোম রুল, ক্রিমিনাল ল, ওয়েলশ অ্যান্ড আইরিশ ন্যাশনালিটি, ন্যাশনাল ডেবট অ্যান্ড দ্য কুইনস রেইন. ১৮৮৮-১৮৯১'' (১৯০২), পৃষ্ঠা ৩৮৬-এ উদ্ধৃত
* এটি একটি দুঃখজনক ঘটনা যে, আমাদের সভ্যতার মাঝে এবং উনবিংশ শতাব্দীর শেষে, দীর্ঘ এবং সম্মানজনক জীবনের শেষে পরিশ্রমী শ্রমিককে কেবল ওয়ার্কহাউসই প্রস্তাব করা যেতে পারে। আমি এখন বিস্তারিতভাবে প্রশ্নে প্রবেশ করছি না। আমি বলছি না যে এটি একটি সহজ প্রশ্ন। আমি বলছি না যে এটি এক মুহূর্তের মধ্যে সমাধান হয়ে যাবে। তবে আমি এই কথা বলি যে, একটি দীর্ঘ এবং দোষহীন জীবনের শেষে সমাজ যতক্ষণ না পরিশ্রমী শ্রমিককে ওয়ার্কহাউসের চেয়ে ভালো কিছু প্রস্তাব করতে সক্ষম হবে, ততক্ষণ সমাজ তার দরিদ্র সদস্যদের প্রতি দায়িত্ব পালন করতে পারবে না।
** লন্ডনে দেওয়া ভাষণ (১১ ডিসেম্বর ১৮৯১), ''দ্য টাইমস'' (১২ ডিসেম্বর ১৮৯১), পৃষ্ঠা ৭-এ উদ্ধৃত
* আমি মনে করি আমার রাজনীতিতে আসা সমস্ত পরিবর্তনকে একটি বাক্যে তুলে ধরতে পারব। আমি স্বাধীনতাকে অবিশ্বাস এবং অপছন্দ করতে শিখেছি, আমি এটিকে বিশ্বাস করতে শিখেছি। এটাই হলো আমার সমস্ত পরিবর্তনের চাবিকাঠি।
** [[জন মর্লে|জন মর্লেকে]] দেওয়া মন্তব্য (২৭ ডিসেম্বর ১৮৯১), জন মর্লে রচিত ''দ্য লাইফ অব উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন. ভলিউম ৩ (১৮৮০-১৮৯৮)'' (১৯০৩), পৃষ্ঠা ৪৭৪-৪৭৫-এ উদ্ধৃত
* [[এডমন্ড বার্ক|বার্কের]] একটি কথা রয়েছে যার সাথে আমাকে পুরোপুরি দ্বিমত পোষণ করতে হবে। "সম্পত্তি মন্থর এবং নিষ্ক্রিয়।" ঠিক তার বিপরীত। সম্পত্তি সতর্ক, সক্রিয়, নিদ্রাহীন। যদি কখনো মনে হয় যে এটি ঘুমাচ্ছে, তবে নিশ্চিত থাকুন যে এর একটি চোখ খোলা আছে।
** [[জন মর্লে|জন মর্লেকে]] দেওয়া মন্তব্য (৩১ ডিসেম্বর ১৮৯১), জন মর্লে রচিত ''দ্য লাইফ অব উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন. ভলিউম ৩ (১৮৮০-১৮৯৮)'' (১৯০৩), পৃষ্ঠা ৪৬৯-এ উদ্ধৃত
* রক্ষণশীলতা এবং [[সামরিকবাদ]] একটি অপবিত্র অথচ বৈধ বিবাহে আবদ্ধ হয়েছে। এবং আমার দৃঢ় বিশ্বাস যে একে অপরকে স্বাধীনতার শত্রু হিসেবে দেখে।
** [[w:Antonio Starabba, Marchese di Rudinì|মার্চেস ডি রুদিনির]] কাছে লেখা চিঠি (৩০ এপ্রিল ১৮৯২), ভিলফেডো প্যারেটো রচিত ''লিবার্টে ইকোনোমিক এট লেস এভেন্টমেন্টস ডি'ইতালি'' (১৯৭০), পৃষ্ঠা ৪৯-এ উদ্ধৃত
* আপনাদের বলা হয়েছে যে শিক্ষা, সেই আলোকায়ন, সেই অবসর, সেই উচ্চ মর্যাদা, সেই রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা বিরোধী শিবিরে সজ্জিত। এবং আমি দুঃখের সাথে বলছি যে এর একটি বড় অংশকে আমি অস্বীকার করতে পারি না। তবে আমি এটি অস্বীকার করতে না পারলেও, আমি বেদনাদায়কভাবে প্রতিফলিত করি। গত ৫০ বছরের প্রায় প্রতিটি বড় রাজনৈতিক বিতর্কে, তা ভোটাধিকারকে প্রভাবিত করুক, বা তা বাণিজ্যকে প্রভাবিত করুক, বা তা ধর্মকে প্রভাবিত করুক, বা তা দাসত্বের খারাপ এবং জঘন্য প্রতিষ্ঠানকে প্রভাবিত করুক, বা তারা যে বিষয়েই স্পর্শ করুক না কেন, এই অবসরপ্রাপ্ত শ্রেণি, এই শিক্ষিত শ্রেণি, এই ধনী শ্রেণি, এই উপাধিধারী শ্রেণিগুলো ভুল করেছে।
** এডিনবার্গে দেওয়া ভাষণ (৩০ জুন ১৮৯২), ''দ্য টাইমস'' (১ জুলাই ১৮৯২), পৃষ্ঠা ১২-এ উদ্ধৃত
* আসুন আমরা হাতের ভালো কাজ নিয়ে এগিয়ে যাই এবং আসুন আমরা আমাদের বিশ্বাস স্থাপন করি স্কোয়ার এবং পিয়ারদের ওপর নয়, এবং উপাধি বা একরের ওপর নয়। আমি আরও এগিয়ে গিয়ে বলব যে, মানুষ হিসেবে মানুষের ওপর নয়, বরং সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের ওপর বিশ্বাস স্থাপন করি, যিনি ন্যায়বিচারের ঈশ্বর, এবং যিনি আমাদের জীবনের পথপ্রদর্শক এবং নিয়ন্ত্রক হিসেবে ন্যায়, সমতা এবং স্বাধীনতার নীতি নির্ধারণ করেছেন।
** এডিনবার্গে দেওয়া ভাষণ (৩০ জুন ১৮৯২), ''দ্য টাইমস'' (১ জুলাই ১৮৯২), পৃষ্ঠা ১২-এ উদ্ধৃত
* আপনার কাউন্টিতে অনেক খনি শ্রমিক যারা বাধ্যতামূলক আট ঘণ্টা বিল চায়, তারা সমস্ত খনি শ্রমিকের জন্য এই বিল সমর্থন করতে আপনার অস্বীকৃতির কারণে নটিংহ্যামের আপনার বিভাগে আপনার বিরোধিতা করছে। ... প্রশ্ন হলো নটিংহ্যামশায়ারের খনি শ্রমিকরা বা তাদের একটি অংশ তাদের আট ঘণ্টা প্রশ্নের খাতিরে লিবারেল এবং আইরিশ লক্ষ্যের একজন শত্রুকে আপনার চেয়ে বেশি পছন্দ করবে কি না, যার প্রতি সারা দেশের মানুষ সহানুভূতিশীল। আমি দীর্ঘকাল ধরে ইংরেজ শ্রমজীবী শ্রেণির একটি বৈশিষ্ট্য হিসেবে এটি জানি যে তারা জানে কীভাবে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি এবং স্পষ্ট স্বার্থকে আরও ব্যাপক এবং গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যের জন্য উৎসর্গ করতে হয়। ঠিক একইভাবে আমেরিকান গৃহযুদ্ধের সময় ল্যাঙ্কাশায়ারের জনসংখ্যা হাসিমুখে তুলা দুর্ভিক্ষের মোকাবিলা করেছিল কারণ তারা দাসপ্রথাকে ঘৃণা করত এবং কারণ আমেরিকা ছিল শ্রমের আবাসস্থল।
** হেনরি ব্রডহার্স্টের কাছে লেখা চিঠি (১ জুলাই ১৮৯২), ''দ্য টাইমস'' (৪ জুলাই ১৮৯২), পৃষ্ঠা ৬-এ উদ্ধৃত
* কাউন্টিতে নির্বাচন চলছিল। ... আমি স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে (অন্য সব স্নাতকের মতো) নরেইসের পক্ষে ভিড়ের মধ্যে ঘোরাফেরা করছিলাম। আমি সংস্কারই বিপ্লব এই প্রতিষ্ঠিত পাঠ্যের ওপর একজন শ্রমজীবী মানুষের, সম্ভবত চল্লিশ শিলিং ফ্রিহোল্ডারের কাছে আমার বক্তব্য পেশ করছিলাম। আমার মতবাদকে সমর্থন করার জন্য আমি বলেছিলাম, “কেন, বিদেশের বিপ্লবগুলোর দিকে তাকান”, অর্থাৎ ফ্রান্স এবং বেলজিয়ামের বিপ্লব। লোকটি আমার দিকে কড়া চোখে তাকিয়ে ঠিক এই কথাগুলো বলেছিল: “সব বিদেশ চুলোয় যাক। বিদেশের সাথে পুরোনো ইংল্যান্ডের কী সম্পর্ক?” একটি বিনীত উৎস থেকে আমি এই একবারই গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা পাইনি।
** 'মাই আর্লিয়ার পলিটিক্যাল ওপিনিয়ন্স. (১) দ্য ডিসেন্ট' (১২ জুলাই ১৮৯২), জন ব্রুক এবং মেরি সোরেনসেন সম্পাদিত, ''দ্য প্রাইম মিনিস্টারস পেপারস: ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোন. ১: অটোবায়োগ্রাফিকা'' (১৯৭১), পৃষ্ঠা ৩৭-এ উদ্ধৃত
* [আমি ছিলাম] তার তেইশ বছর বয়সী একজন তরুণ, যে তার বয়সের তুলনায় ছোট ছিল, যে পৃথিবীর কিছুই দেখেনি বললেই চলে, যে রাজনীতিতে পদত্যাগ করেছিল, কিন্তু যার আকাঙ্ক্ষা ছিল ঈশ্বরের পরিচর্যার জন্য। এই আকাঙ্ক্ষার অবশিষ্টাংশ দুর্ভাগ্যজনকভাবে কাজ করেছিল। এগুলো আমাকে কেবল রাষ্ট্রের ধর্মীয় চরিত্রকেই একটি অসংযত উপায়ে এবং মাত্রায় মহিমান্বিত করতে পরিচালিত করেনি, যা বাস্তবে নিম্ন স্তরে ছিল, বরং কনজারভেটিভ পার্টির ধর্মীয় লক্ষ্যকেও মহিমান্বিত করেছিল। আমার চোখে, সংস্কার আইনে অ্যান্টি-ক্রাইস্টের একটি নির্দিষ্ট উপাদান ছিল এবং সেই আইনটি আন্তরিকভাবে ঘৃণিত হয়েছিল। ... স্যার রবার্ট পিলের (দ্বিতীয়) সরকারের অধীনেই আমি কেবল শিখেছিলাম যে চার্চের জন্য রক্ষণশীল কার্যালয় কতটা ক্ষমতাহীন [এবং] অনুর্বর ছিল।
** 'মাই আর্লিয়ার পলিটিক্যাল ওপিনিয়ন্স. (২) দ্য এক্সট্রিকেশন' (১৬ জুলাই ১৮৯২), জন ব্রুক এবং মেরি সোরেনসেন সম্পাদিত, ''দ্য প্রাইম মিনিস্টারস পেপারস: ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোন. ১: অটোবায়োগ্রাফিকা'' (১৯৭১), পৃষ্ঠা ৪০-এ উদ্ধৃত
* আমি শ্রমিক শ্রেণির কিছু অংশকে ক্ষমতার আভাস পেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত হতে দেখে বিরক্ত বোধ করছি, ঠিক যেমন অন্য শ্রেণিগুলো এর বাস্তবতায় কলুষিত ও বিকৃত হয়েছে। এবং আমি তাদের একটি অংশকে আয়ারল্যান্ডকে পুরোপুরি পেছনের সারিতে ঠেলে দিতে প্রস্তুত দেখে বিরক্ত বোধ করছি, যে আয়ারল্যান্ড দাবির দিক থেকে অনেক এগিয়ে আছে। দুর্বল, দুর্বল, দুর্বল মানব স্বভাব।
** আট ঘণ্টা কাজের দিন প্রশ্নের ওপর [[জন মর্লে|জন মর্লের]] কাছে লেখা চিঠি (২২ আগস্ট ১৮৯২), ডি. এ. হ্যামার রচিত ''লিবারেল পলিটিকস ইন দ্য এজ অব গ্ল্যাডস্টোন অ্যান্ড রোজবেরি: আ স্টাডি ইন লিডারশিপ অ্যান্ড পলিসি'' (১৯৭২), পৃষ্ঠা ২২৬-২২৭-এ উদ্ধৃত
* আমি দুঃখ প্রকাশ না করে পারছি না যে মাননীয় এবং সাহসী ভদ্রলোক প্রশ্নটি উত্থাপন করাকে তার দায়িত্ব বলে মনে করেছেন। এটি এমন পরিস্থিতিতে করা হয়েছে যা স্বাভাবিকভাবেই বাণিজ্যের অবস্থার সেই ওঠানামাগুলোর মধ্যে একটির অন্তর্গত, যা যতই দুর্ভাগ্যজনক এবং দুঃখজনক হোক না কেন, সময়ে সময়ে বারবার ঘটে। নিঃসন্দেহে আমি মনে করি এ ধরনের প্রশ্ন, প্রশ্নকর্তার উদ্দেশ্য যা-ই হোক না কেন, মানুষের মনে এমন একটি ধারণা তৈরি করার বা মানুষকে পরামর্শ দেওয়ার প্রবণতা রাখে যে, এই ওঠানামাগুলো নির্বাহী সরকারের পদক্ষেপ দ্বারা সংশোধন করা যেতে পারে। এমন যেকোনো কিছু যা এ ধরনের ধারণায় অবদান রাখে তা শ্রমজীবী জনগোষ্ঠীর ওপর ক্ষতি সাধন করে।
** হাওয়ার্ড ভিনসেন্ট এমপির একটি প্রশ্নের উত্তরে হাউস অব কমন্সে দেওয়া [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1893/sep/01/the-unemployed#S4V0016P0_18930901_HOC_190 ভাষণ] (১ সেপ্টেম্বর ১৮৯৩), যিনি গ্ল্যাডস্টোনকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন বেকারত্বের "কারণে সাধারণ মানুষের যে পরিণতি হবে তা প্রশমিত করার জন্য সরকার কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তাব করছে কি না।"
* [[দ্বিতীয় চার্লস|দ্বিতীয় চার্লস]] বা [[গ্রেট ব্রিটেনের দ্বিতীয় জর্জ|দ্বিতীয় জর্জের]] তুলনায় [[যুক্তরাজ্যের তৃতীয় জর্জ|তৃতীয় জর্জ]] তার ব্যক্তিগত চরিত্রে সুবিধাজনক অবস্থানে আছেন। কিন্তু তৃতীয় জর্জ যদি স্বাধীনতা ও সংসদীয় সরকার দমনে সফল হতেন, তবে আমরা ফরাসি বিপ্লবের মতো ততটা খারাপ না হলেও একই ধরনের একটি বিপ্লবের সম্মুখীন হতাম। ভালো নীতির সেই অযোগ্য প্রতিনিধি [[জন উইলকস|উইলকসের]] কারণে আমরা এ ধরনের বিপর্যয় থেকে রক্ষা পেয়েছি।
** লিওনেল টলেমাচে দেওয়া মন্তব্য (২৯ জানুয়ারি ১৮৯৪), লিওনেল টলেমাচে রচিত ''টকস উইথ মি. গ্ল্যাডস্টোন'' (১৮৯৮), পৃষ্ঠা ১২১-এ উদ্ধৃত
* আমি আপনার সাথে একমত যে আমি আপনাকে দুটি অদ্ভুত একাক্ষরবিশিষ্ট বিশেষণে [পাগল এবং মাতাল] যে পরিকল্পনার বর্ণনা দিয়েছিলাম, তার সাথে যুক্ত লিবারেল পার্টির ওপর একটি গুরুতর বিপর্যয় নেমে আসছে। ... লিবারেলিজম এর জন্য কষ্ট না পেয়ে জিঙ্গোইজমের পোশাক পরতে পারে না... [গত ষাট বছর ধরে আমার জীবন ছিল] অর্থনীতি ও শান্তির জন্য আমার সাধ্যমতো কাজ করার একটি অবিরাম প্রচেষ্টা। শুধু এই দেশের শান্তি নয়, বরং বিশ্বের শান্তি... এটি এখন অর্থনীতি নয়, বরং শান্তি যা পরিস্থিতির মূল সুর সরবরাহ করে... যদি বিষয়টি আদৌ করতে হয়, তবে যারা এটিকে ''সঠিক'' বলে মনে করেন তাদের দ্বারাই এটি করা হোক।
** বর্ধিত নৌ অনুমানের প্রতি তার বিরোধিতার ব্যাখ্যা দিয়ে এ. জে. মুন্ডেল্লার কাছে লেখা চিঠি (৫ ফেব্রুয়ারি ১৮৯৪), পিটার স্ট্যানস্কি রচিত ''অ্যাম্বিশনস অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিস: দ্য স্ট্রাগল ফর দ্য লিডারশিপ অব দ্য লিবারেল পার্টি ইন দ্য ১৮৯০স'' (১৯৬৪), পৃষ্ঠা ৩৫ এবং অ্যান্থনি হাওয়ে রচিত ''ফ্রি ট্রেড অ্যান্ড লিবারেল ইংল্যান্ড ১৮৪৬-১৯৪৬'' (১৯৯৭), পৃষ্ঠা ১৭৬-এ উদ্ধৃত
* গত ষাট বছরের স্বাধীনতামূলক শ্রমে অংশ নিতে পেরে আমি কৃতজ্ঞ। কিন্তু আমি পুরোপুরি অনিশ্চিত যে, আমাকে যদি এখন আমার জীবন শুরু করতে হতো, তবে আগামী ষাট বছরের খুব ভিন্ন সমস্যাগুলোর আমি কীভাবে মোকাবিলা করতে পারতাম। একটি বিষয়ে আমি নিশ্চিত, এবং সবসময় নিশ্চিত ছিলাম—তা হলো, রাষ্ট্রের মাধ্যমে মানুষকে পুনর্জীবিত করা যায় না, এবং এই অন্ধকারাচ্ছন্ন পৃথিবীর ভয়ানক দুঃখকষ্টগুলো কার্যকরভাবে মোকাবিলা করা যায় না। কিছু ক্ষেত্রে এবং কিছু খুব গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে, আমি আমার প্রথম বিশ বছরের মানুষ এবং ধারণাগুলোর অসম্ভব পুনরুজ্জীবনের জন্য আকাঙ্ক্ষা করি, যা অবিলম্বে প্রথম সংস্কার আইন অনুসরণ করেছিল।
** জর্জ উইলিয়াম এরস্কিন রাসেলের কাছে লেখা চিঠি (৬ মার্চ ১৮৯৪), জি. ডব্লিউ. ই. রাসেল রচিত ''ওয়ান লুক ব্যাক'' (১৯১১), পৃষ্ঠা ২৬৫-এ উদ্ধৃত
* সত্যিকারের দেশপ্রেমিকের জন্য এখন সময় এসেছে জনসাধারণকে মনে করিয়ে দেওয়ার যে তাদের বর্তমান রাজনৈতিক উন্নয়ন এর চেয়ে কম বিস্তৃত এবং মহৎ কোনো নীতির কারণে হয়নি। শ্রেণি, ধর্ম বা দেশের পার্থক্য ছাড়াই সকলের জন্য স্বাধীনতার ভালোবাসা, এবং যেকোনো সংকীর্ণ স্বার্থের ঊর্ধ্বে সমগ্রের স্বার্থকে দৃঢ়ভাবে অগ্রাধিকার দেওয়া।
** স্যার জন কাওয়ানের কাছে লেখা চিঠি (১৭ মার্চ ১৮৯৪), ''দ্য টাইমস'' (২২ মার্চ ১৮৯৪), পৃষ্ঠা ৮-এ উদ্ধৃত
* নৌ অনুমানের বিষয়ে আমার সহকর্মীদের 'পাগল এবং মাতাল' প্রকল্পটিকে ''আমি'' যা বলি। ... এই প্রকল্পটি (আমার মতে জঘন্য সামরিকবাদে সবচেয়ে অবাঞ্ছিত অবদান, যা এখনো পর্যন্ত যেকোনো মহলে করা হয়েছে, সম্ভবত ক্রিস্পিয়ান ইতালি ছাড়া)।
** 'ওয়ে ওপেনড ফর রিটায়ারমেন্ট' (১৯ মার্চ ১৮৯৪), জন ব্রুক এবং মেরি সোরেনসেন সম্পাদিত, ''দ্য প্রাইম মিনিস্টারস পেপারস: ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোন. ১: অটোবায়োগ্রাফিকা'' (১৯৭১), পৃষ্ঠা ১২১-এ উদ্ধৃত
* ১৮৮০ সালে মিডলোথিয়ান পথ দেখিয়ে, জাতি মহৎভাবে ন্যায়বিচারের আহ্বানে সাড়া দিয়েছিল এবং ব্যাপকভাবে মানুষের ভ্রাতৃত্বকে স্বীকৃতি দিয়েছিল। এটি ছিল জাতি, শ্রেণি নয়।
** '১৮৭৯-৯৪' (১১ জুলাই ১৮৯৪), জন ব্রুক এবং মেরি সোরেনসেন সম্পাদিত, ''দ্য প্রাইম মিনিস্টারস পেপারস: ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোন. ১: অটোবায়োগ্রাফিকা'' (১৯৭১), পৃষ্ঠা ১১৩-এ উদ্ধৃত
* আমি নৈতিক এবং অর্থনৈতিক উভয় ক্ষেত্রেই একজন মুক্ত ব্যবসায়ী। কারণ আমি মনে করি মানুষের লোভ এবং স্বার্থপরতা রক্ষাকারী ব্যবস্থার প্রতিটি সুতোর সাথে বোনা।
** 'প্রোটেকশনিজম, ১৮৪০-১৮৬০' (১২ জুলাই ১৮৯৪), জন ব্রুক এবং মেরি সোরেনসেন সম্পাদিত, ''দ্য প্রাইম মিনিস্টারস পেপারস: ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোন. ১: অটোবায়োগ্রাফিকা'' (১৯৭১), পৃষ্ঠা ৭৪-এ উদ্ধৃত
* এর মানে হলো যুদ্ধ!
** কিয়েল খালের উদ্বোধনে জার্মান নৌবহর দেখে মন্তব্য (প্রায় ২০ জুন ১৮৯৫), এইচ. সি. জি. ম্যাথিউ রচিত ''গ্ল্যাডস্টোন, ১৮৭৫-১৮৯৮'' (১৯৯৫), পৃষ্ঠা ৩৫২, টীকাতে উদ্ধৃত
* আমি এর [টিকা] বাধ্যতামূলক হওয়ার ধারণাটি অপছন্দ করি। যখন এটি একেবারে প্রয়োজনীয় না হয় তখন রাষ্ট্র পিতা-মাতা এবং সন্তানের মধ্যে হস্তক্ষেপ করবে এই ধারণাটি আমার পছন্দ নয়। রাষ্ট্র সাধারণত একটি খুব খারাপ নার্স।
** লিওনেল টলেমাচে দেওয়া মন্তব্য (৮ জানুয়ারি ১৮৯৬), লিওনেল টলেমাচে রচিত ''টকস উইথ মি. গ্ল্যাডস্টোন'' (১৮৯৮), পৃষ্ঠা ১৬০-এ উদ্ধৃত
* আমি গণতন্ত্র বা বিজ্ঞানকে ততটা ভয় পাই না যতটা অর্থের ভালোবাসাকে ভয় পাই। এটি আমার কাছে একটি ক্রমবর্ধমান মন্দ বলে মনে হচ্ছে। এছাড়াও, সেই ভয়ানক সামরিক চেতনার বৃদ্ধি থেকে একটি বিপদ রয়েছে।
** লিওনেল টলেমাচে দেওয়া মন্তব্য (৮ জানুয়ারি ১৮৯৬), লিওনেল টলেমাচে রচিত ''টকস উইথ মি. গ্ল্যাডস্টোন'' (১৮৯৮), পৃষ্ঠা ১৬৬-১৬৭-এ উদ্ধৃত
* উপনিবেশগুলো মাতৃভূমির শক্তি বৃদ্ধি করে, এই ধারণাটি আমার কাছে মধ্যযুগে বিদ্যমান যেকোনো কুসংস্কারের মতোই অন্ধকার কুসংস্কার বলে মনে হয়।
** লিওনেল টলেমাচে দেওয়া মন্তব্য (১৩ জানুয়ারি ১৮৯৬), লিওনেল টলেমাচে রচিত ''টকস উইথ মি. গ্ল্যাডস্টোন'' (১৮৯৮), পৃষ্ঠা ১৩৬-এ উদ্ধৃত
* আর্মেনিয়ার সেবা করা মানে সভ্যতার সেবা করা।
** ১ মে ১৮৯৬ সালে হাওয়ার্ডেন থেকে লেখা একটি চিঠি, মেসরোব জ্যাকব শেঠ রচিত ''আর্মেনিয়ানস ইন ইন্ডিয়া, ফ্রম দ্য আর্লিয়েস্ট টাইমস টু দ্য প্রেজেন্ট ডে: আ ওয়ার্ক অব অরিজিনাল রিসার্চ'' (এশিয়ান এডুকেশনাল সার্ভিসেস, ১৯৩৭), পৃষ্ঠা ৯১–-এ উদ্ধৃত
* [''দ্য জুবিলি অব ফ্রি ট্রেডের'' প্রকাশনা] একটি মহান সাহসিকতার কাজ। কারণ কোবডেনীয় বিশ্বাস সব ক্ষেত্রেই একটি ভারী ছাড়ে রয়েছে—শান্তি, সংকোচন, মুক্ত বাণিজ্য এবং এর বাকি সব, যা আমার খুব দুঃখের সাথে স্বীকার করতে হবে।
** টমাস ফিশার আনউইনের কাছে লেখা চিঠি (২ জুন ১৮৯৬), অ্যান্থনি হাওয়ে রচিত ''ফ্রি ট্রেড অ্যান্ড লিবারেল ইংল্যান্ড ১৮৪৬-১৯৪৬'' (১৯৯৭), পৃষ্ঠা ১৯২-এ উদ্ধৃত
* আমরা আমাদের হাতে থাকা কাজটিকে এই ভিত্তিতে পরিচালনা করি না যে তারা আমাদের সহখ্রিস্টান। এটি মোহামেডানিজমের বিরুদ্ধে কোনো ক্রুসেড নয়। ... তাছাড়া আমি বলব যে এটি তুর্কি সাম্রাজ্যের মোহামেডানদের সার্বজনীন নিন্দার কোনো ঘোষণাও নয়। বরং...এমন ভালো ও উদার মোহামেডানও আছেন, যারা এই অপকর্মগুলোকে তাদের সাধ্যমতো প্রতিহত করেছেন। ... যদিও এটা সত্যি যে যাদের পক্ষে আমরা পদক্ষেপ নিচ্ছি তারা খ্রিস্টান। তবে আমি দৃঢ়ভাবে বলছি... যদি তারা খ্রিস্টান না হয়ে মোহামেডান, হিন্দু, বৌদ্ধ, কনফুসীয়—যাই হতেন না কেন, আমাদের সমর্থনের ওপর তাদের ঠিক একই দাবি থাকত। আর যেসব উদ্দেশ্য আজ আমাদের এখানে নিয়ে এসেছে, সেগুলো একই শক্তি এবং একই পবিত্রতার সাথে আমাদের ওপর বর্তাত, যা আমরা এই মুহূর্তে স্বীকার করছি। ... আমরা যে ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছি তা ব্রিটিশ বা ইউরোপীয় নয়, বরং তা মানবিক। এর চেয়ে সংকীর্ণ কোনো কিছুই এক মুহূর্তের জন্যও সঠিকভাবে এর প্রতিনিধিত্ব করার দাবি করতে পারে না। (উল্লাস।)
** আর্মেনীয় নৃশংসতার ওপর লিভারপুলের হেংলারস সার্কাসে দেওয়া ভাষণ (২৪ সেপ্টেম্বর ১৮৯৬), ''দ্য টাইমস'' (২৫ সেপ্টেম্বর ১৮৯৬), পৃষ্ঠা ৫-এ উদ্ধৃত
* মহান ঘাতক।
** গ্ল্যাডস্টোন ২৪ সেপ্টেম্বর ১৮৯৬ সালে লিভারপুলে এক ভাষণে দ্বিতীয় আব্দুল হামিদকে ১৮৯৪-১৮৯৬ সালের আর্মেনীয় নৃশংসতার জন্য নিন্দা জানিয়েছিলেন। মাইকেল পার্ট্রিজ রচিত ''গ্ল্যাডস্টোন'' (২০০৩), আইএসবিএন ৯৭৮০৪১৫২১৬২৭২, পৃষ্ঠা ২৩৫-এ উদ্ধৃত
* আমি মৌলিকভাবে একজন মৃত মানুষ। আমি মৌলিকভাবে একজন [[রবার্ট পিল|পিল]]–[[রিচার্ড কোবডেন|কোবডেন]] মানুষ।
** [[জেমস ব্রাইস, ফার্স্ট ভিসকাউন্ট ব্রাইস|জেমস ব্রাইসের]] কাছে লেখা চিঠি (৫ ডিসেম্বর ১৮৯৬), অ্যান্ড্রু ম্যারিসন সম্পাদিত, ''ফ্রি ট্রেড অ্যান্ড ইটস রিসেপশন ১৮১৫-১৯৬০: ফ্রিডম অ্যান্ড ট্রেড: ভলিউম ওয়ান'' (২০০২), পৃষ্ঠা ২০৯-এ উদ্ধৃত
* আমি আপনাকে আশ্বস্ত করার সাহস করছি যে আমি আপনার এবং আপনার বন্ধুদের দ্বারা গঠিত নকশাটিকে আন্তরিক আগ্রহের সাথে দেখি। এবং বিশেষ করে যাকে [[কালেক্টিভিজম|সমষ্টিবাদ]] বলা হয় তার বিপরীতে ব্যক্তি স্বাধীনতা এবং আত্মনির্ভরশীলতার পক্ষে আপনি যে সমস্ত প্রচেষ্টা চালাতে পারেন তার সাফল্য কামনা করছি।
** ''এসেজ ইন লিবারেলিজমের'' মুখবন্ধ লিখতে না পারার বিষয়ে এফ. ডব্লিউ. হার্স্টের কাছে লেখা চিঠি (২ জানুয়ারি ১৮৯৭), এফ. ডব্লিউ. হার্স্ট রচিত ''ইন দ্য গোল্ডেন ডেজ'' (১৯৪৭), পৃষ্ঠা ১৫৮-এ উদ্ধৃত
* তুর্কি সরকারের আশাহীনতা আমাকে এটি দেখতে আনন্দিত করবে যে এটি যে দেশগুলোকে নির্যাতন করে সেখান থেকে তা বিতাড়িত হচ্ছে। অটোমান সরকারের চেয়ে বেশি শোচনীয় এবং নিন্দনীয় আর কিছুই হতে পারে না। গ্রিক এবং স্লাভদের মধ্যে ঈর্ষা এবং অন্য অঞ্চল দখলের জন্য ইতিমধ্যে বিদ্যমান রাজ্যগুলোর পরিকল্পনা করা দুঃখজনক। বুলগেরিয়ানদের জন্য বুলগেরিয়া এবং সার্বিয়ানদের জন্য সার্বিয়ার মতো মেসিডোনিয়ানদের জন্য মেসিডোনিয়া কেন হবে না?
** ''দ্য টাইমস'' পত্রিকায় (৬ ফেব্রুয়ারি ১৮৯৭) প্রকাশিত ''মি. গ্ল্যাডস্টোন অ্যান্ড দ্য বলকান কনফেডারেশনে'' উদ্ধৃত চিঠি
* হাউস অব লর্ডস প্যারিশ কাউন্সিল বিলে একটি মারাত্মক অঙ্গচ্ছেদ ঘটিয়েছিল। তারা (নিয়োগকর্তাদের দায়বদ্ধতার ওপর আমাদের পদক্ষেপ প্রত্যাখ্যান করার পর) বড় বিষয়গুলোতে জনমতের সাথে তীব্র সংঘাতে জড়িয়ে পড়েছিল। ... ১৮৯৪ সালের জানুয়ারি বা ফেব্রুয়ারিতে যখন এটি ঘটেছিল তখন আমি বিয়ারিটজে ছিলাম। আমি লন্ডনে আমার সহকর্মীদের কাছে বিলুপ্তির পরামর্শ দিয়েছিলাম। ... কিন্তু...আমি বিষয়টি বাদ দিতে বাধ্য হয়েছিলাম। ... এর ফলে জনপ্রিয় সরকারের কাছে অত্যাবশ্যকীয় গুরুত্বের একটি ইস্যু নির্ণায়কভাবে উত্থাপন করার জন্য আমার মতে চমৎকার একটি সুযোগ হাতছাড়া হয়ে যায়। এমন একটি সুযোগ যা সঠিকভাবে ব্যবহার করা হলে লিবারেল পার্টিকে এক বা সম্ভবত দুটি পার্লামেন্টের পূর্ণ মেয়াদের জন্য একটি নির্ণায়ক প্রাধান্য দিত, যা নাগালের মধ্যে থাকা বিশাল জনসাধারণের সুবিধার বাইরে ছিল। ১৮৩১-৩২ সালে ভয়ংকর এবং ১৮৬০-১ সালে ভয়াবহ লর্ডস ও কমন্সের মধ্যে বড় বিতর্ক, ১৮৮৪ সালে রানির বিজ্ঞ সহায়তায় সুখকরভাবে এড়ানো গিয়েছিল... তা একটি ব্যবহারিক নিষ্পত্তিতে পৌঁছাত। এবং আয়ারল্যান্ডের সাথে সাত শ বছরের আরও গুরুতর বিতর্ক... হোম রুলের একটি পদক্ষেপের মাধ্যমে একটি সম্পূর্ণ নিষ্পত্তির কাছাকাছি পৌঁছাত।
** 'ক্রাইসিস অব ১৮৯৪ অ্যাজ টু দ্য লর্ডস অ্যান্ড ডিসোলিউশন' (১৩ ফেব্রুয়ারি ১৮৯৭), জন ব্রুক এবং মেরি সোরেনসেন সম্পাদিত, ''দ্য প্রাইম মিনিস্টারস পেপারস: ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোন. ১: অটোবায়োগ্রাফিকা'' (১৯৭১), পৃষ্ঠা ১১৬-১১৭-এ উদ্ধৃত
* ১৮৩৪ সালে সরকার নতুন দরিদ্র আইন অ্যাক্ট দ্বারা নিজেদের উচ্চ সম্মানজনক কাজ করেছিল, যা ইংরেজ কৃষকদের তাদের স্বাধীনতার সম্পূর্ণ ক্ষতি থেকে উদ্ধার করেছিল।
** 'আর্লি পার্লামেন্টারি লাইফ ১৮৩২-৫২. ১৮৩৩-৪ ইন দ্য ওল্ড হাউস অব কমন্স' (৩ জুন ১৮৯৭), জন ব্রুক এবং মেরি সোরেনসেন সম্পাদিত, ''দ্য প্রাইম মিনিস্টারস পেপারস: ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোন. ১: অটোবায়োগ্রাফিকা'' (১৯৭১), পৃষ্ঠা ৫৫-এ উদ্ধৃত
{{disputed begin}}
== বিতর্কিত ==
* যতদিন এই বইটি থাকবে, পৃথিবীতে শান্তি আসবে না।
** হাউস অব কমন্সে একটি কুরআন তুলে ধরে বলেছিলেন; রফিক জাকারিয়া রচিত ''মুহাম্মদ অ্যান্ড দ্য কুরআন'' (পেঙ্গুইন বুকস, ১৯৯১), পৃষ্ঠা ৫৯-এ উদ্ধৃত।
*** বৈকল্পিক: "যতদিন এই অভিশপ্ত [[কুরআন|বইটির]] একটি অনুলিপি টিকে থাকবে ততদিন পৃথিবীতে কোনো ন্যায়বিচার হতে পারে না।" পল জি. লরেন সম্পাদিত, ''দ্য চায়না হ্যান্ডস লিগ্যাসি: এথিকস অ্যান্ড ডিপ্লোমেসি'' (ওয়েস্টভিউ প্রেস, ১৯৮৭), পৃষ্ঠা ১৩৬-এ উদ্ধৃত।
*** "গ্ল্যাডস্টোন...কুরআনটিকে একটি আলমারিতে ছুড়ে ফেলে বলেছিলেন, 'যতদিন এটি থাকবে ততদিন পৃথিবীতে কোনো শান্তি থাকবে না।'" এলিয়েজার বি'রি রচিত ''আর্মি অফিসার্স ইন আরব পলিটিকস অ্যান্ড সোসাইটি'' (১৯৭০), পৃষ্ঠা ৩৬৭-এ প্রতিবেদন করা হয়েছে।
এই উক্তিটি ১৯১৫ সালের একটি জার্মান নথিতে "[https://www.jstor.org/stable/1568984?seq=1#page_scan_tab_contents ক্রিগসুরকুন্ডেন. ১৭. ফতোয়া ডেস শেইখ এস-সাইজিদ হিবেট এড-দিন এশ-শহরাস্তানি এন-নেদশেফি উবার ডাই ফ্রয়েন্ডশ্যাফট ডের মুসলিমে মিট ডেন ডয়েচেন]"-এ [https://books.google.ca/books?id=qCXBAgAAQBAJ&pg=PA42&dq=gladstone+%22was+defiled%22&hl=en&sa=X&redir_esc=y#v=onepage&q=gladstone%20%22was%20defiled%22&f=false জাল করা হয়েছিল], এমন এক সময়ে যখন জার্মানরা আরবি দেশগুলোকে ব্রিটিশদের পরিবর্তে তাদের পক্ষ নিতে প্ররোচিত করার চেষ্টা করছিল। 'উক্তিটি' ১৯৫০-এর দশকে [https://books.google.ca/books?id=PkRMDwAAQBAJ&pg=PA463&dq=%22Gladstone%22+%22muslim+brotherhood%22&hl=en&sa=X&redir_esc=y#v=onepage&q=%22Gladstone%22%20%22muslim%20brotherhood%22&f=false 'আবিষ্কৃত' হয়েছিল এবং মুসলিম ব্রাদারহুড এবং মিশরীয় প্রেসে] মিশর থেকে ব্রিটিশ প্রভাব দূর করার অভিযানের অংশ হিসেবে ব্যাপকভাবে পুনরাবৃত্তি করা হয়েছিল। এর কোনো বিশ্বাসযোগ্য সমসাময়িক রেকর্ড নেই এবং হ্যান্সার্ডে এই বক্তব্যের কোনো রেকর্ড নেই।
[[File:W E Gladstone and Dorothy Drew.jpg|thumb|right|আমরা এমন এক [[সময়|সময়ের]] অপেক্ষায় আছি যখন [[ভালোবাসা|ভালোবাসার]] [[শক্তি]] ক্ষমতার ভালোবাসাকে প্রতিস্থাপন করবে। তখন আমাদের পৃথিবী [[শান্তি|শান্তির]] আশীর্বাদ জানতে পারবে।]]
* আমাকে দেখান কীভাবে একটি জাতি বা সম্প্রদায় তাদের মৃতদের যত্ন নেয়। আমি ঠিক তার মানুষের সহানুভূতি, দেশের আইনের প্রতি তাদের সম্মান এবং উচ্চ আদর্শের প্রতি তাদের আনুগত্য পরিমাপ করব।
** ''দ্য আমেরিকান সিমেট্রি''-তে (মার্চ ১৯৩৮) "সাকসেসফুল সিমেট্রি অ্যাডভারটাইজিংয়ে" আরোপিত, পৃষ্ঠা ১৩; ''রেসপেক্টফুলি কোটেড: আ ডিকশনারি অব কোটেশনস'' (১৯৮৯)-এ যাচাইহীন হিসেবে প্রতিবেদন করা হয়েছে
* '''আমরা এমন এক [[সময়|সময়ের]] অপেক্ষায় আছি যখন [[ভালোবাসা|ভালোবাসার]] [[শক্তি]] ক্ষমতার ভালোবাসাকে প্রতিস্থাপন করবে। তখন আমাদের পৃথিবী [[শান্তি|শান্তির]] আশীর্বাদ জানতে পারবে।'''
** ''[https://books.google.com/books?id=T8YVAQAAIAAJ&q=%22Then+will+our+world+know+the+blessings+of+peace.%22&dq=%22Then+will+our+world+know+the+blessings+of+peace.%22&hl=en&sa=X&ved=0ahUKEwj1iNCMvcHLAhUMcz4KHXvcCt84MhDoAQgfMAE দ্য ন্যাশনাল এলিমেন্টারি প্রিন্সিপাল]'' (১৯৪৮) খণ্ড ২৮, পৃষ্ঠা ৩৪-এ আরোপিত। অনুরূপ একটি বক্তব্য [[জিমি হেনড্রিক্স|জিমি হেনড্রিক্সের]] সাথেও যুক্ত হয়েছে: "'''যখন ভালোবাসার শক্তি ক্ষমতার ভালোবাসাকে জয় করবে তখন পৃথিবী শান্তি জানতে পারবে।'''" অনুরূপ একটি উক্তি [[শ্রী চিন্ময়|শ্রী চিন্ময়ের]] ''মাই হার্ট শ্যাল গিভ আ ওয়াননেস-ফিস্ট'' (১৯৯৩)-এ পাওয়া যায়: "'''আমার বইগুলোর একটাই বার্তা আছে: হৃদয়ের ভালোবাসার শক্তিকে অবশ্যই মনের ক্ষমতার ভালোবাসাকে প্রতিস্থাপন করতে হবে।''' যদি আমার কাছে ভালোবাসার শক্তি থাকে, তবে আমি পুরো বিশ্বকে আমার নিজের বলে দাবি করব ... '''বিশ্বশান্তি অর্জন করা যেতে পারে যখন ভালোবাসার শক্তি ক্ষমতার ভালোবাসাকে প্রতিস্থাপন করে।'''" চিন্ময়ের একটি আরও পুরোনো বক্তব্য ''মেডিটেশনস: ফুড ফর দ্য সোল'' (১৯৭০)-এ পাওয়া যায়: "'''যখন ভালোবাসার শক্তি ক্ষমতার ভালোবাসাকে প্রতিস্থাপন করবে, তখন [[মানবজাতি|মানুষের]] একটি নতুন [[নাম]] হবে: [[ঈশ্বর]]।'''"
{{Disputed end}}
{{Misattributed begin}}
== ভুলভাবে আরোপিত ==
* নৈতিকভাবে ভুল এমন কোনো কিছুই রাজনৈতিকভাবে সঠিক হতে পারে না।
** গ্ল্যাডস্টোনের কোনো উদ্ধৃতি পাওয়া যায়নি। ১৮৩৭ সালে [https://en.wikipedia.org/wiki/Hannah_More হান্নাহ মোর] তার [https://books.google.com/books?id=lv5JAAAAcAAJ&pg=PA179&lpg=PA179&dq=%E2%80%9CNothing+that+is+morally+wrong+can+be+politically+right.%E2%80%9D&source=bl&ots=ne_BjY9onV&sig=8RyZJKi_o7AvvR3N9WcQUU5Q0TI&hl=en&sa=X&ei=84mhVIufIoahyASOrYCoAw&ved=0CEMQ6AEwBw#v=onepage&q=%E2%80%9CNothing%20that%20is%20morally%20wrong%20can%20be%20politically%20right.%E2%80%9D&f=false ''হিন্টস টুয়ার্ডস ফর্মিং দ্য ক্যারেক্টার অব আ ইয়াং প্রিন্সেস''], ''দ্য ওয়ার্কস অব হান্নাহ মোর'', ভলিউম ৪, ১৭৯ পৃষ্ঠায় নিম্নলিখিত কথাটি বলেছিলেন: "সামগ্রিকভাবে, আমাদের এটি জোর দিয়ে বলতে দ্বিধা করা উচিত নয় যে, দীর্ঘ ঘটনাবলির ধারায়, '''নৈতিকভাবে ভুল এমন কোনো কিছুই রাজনৈতিকভাবে সঠিক হতে পারে না।''' অন্যায্য এমন কোনো কিছুই শেষ পর্যন্ত সফল হতে পারে না।"
* লন্ডন দেখার সেরা উপায় হলো বাসের ছাদ থেকে দেখা।
** গ্ল্যাডস্টোনের কোনো পরিচিত সরাসরি উদ্ধৃতি নেই। প্রথম ১৯০০-এর দশকের শুরুতে আরোপিত (যেমন: ''হাইওয়েজ অ্যান্ড বাইওয়েজ ইন লন্ডন'', ১৯০৩, এমিলি কনস্ট্যান্স বেয়ার্ড কুক, ম্যাকমিলান অ্যান্ড কোং) কিন্তু অন্যান্য লেখকদের দ্বারা ১৮০০-এর দশকের শেষের দিকের লন্ডন গাইডগুলোতে উপস্থিত হয়, যেমন:
::: লন্ডন দেখার সেরা উপায় হলো অমনিবাস লাইনের মাধ্যমে।
:::: জন বি. গোরম্যান রচিত ''আ ট্যুর অ্যারাউন্ড দ্য ওয়ার্ল্ড ইন ১৮৮৪: অর স্কেচেস অব ট্রাভেল ইন দ্য ইস্টার্ন অ্যান্ড ওয়েস্টার্ন হেমিস্ফিয়ারস'' (১৮৮৬)
* [অর্থ] জনগণের পকেটে ফলপ্রসূ হওয়া উচিত।
** প্রায়শই গ্ল্যাডস্টোনের বলে মনে করা হয়। ১৮৬৭ সালের বাজেটের বিতর্কের সময়, ল্যাং গ্ল্যাডস্টোনের কাছে ১৮৩২ সালে [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1832/feb/06/finance-deficiency-in-the-revenue লর্ড সিডেনহ্যামের] বাক্যাংশটি ব্যবহারের কথা উল্লেখ করেছিলেন, যার জবাবে গ্ল্যাডস্টোন [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1867/apr/04/ways-and-means-tue-financial-statement উত্তর দিয়েছিলেন]: "...'''যখন আপনি অর্থের "ফলপ্রসূ" হওয়ার কথা বলেন—আমি শব্দটি গ্রহণ করছি, যা মূলত অত্যন্ত উচ্চ কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে এসেছে'''—জনসাধারণের সুবিধার জন্য, ঋণ হ্রাসে প্রযুক্ত অর্থ থেকে জনসাধারণ যে সুবিধা পায় তার চেয়ে প্রত্যক্ষ এবং আরও সম্পূর্ণ সুবিধা আর কোনোটি নয়।" শব্দবন্ধটি আগে ঘটেছিল, অন্যদের মধ্যে:
::: আমাদের কি বর্তমান পরিস্থিতিতে রাজ্যের কোষাগারে একটি সংযোজন তৈরি করতে জাতির সম্পদ এবং উৎপাদনশীল পুঁজি থেকে ৩০ লক্ষ অর্থ বরাদ্দ করা উচিত? জাতীয় শিল্প বজায় রাখা তহবিলগুলোকে উৎসর্গ করে কি আমাদের সরকারি ঋণ হ্রাস করা উচিত? আমাদের ঋণ পরিশোধের জন্য জনগণের কাছ থেকে ৩০ লক্ষ মূলধন কেড়ে নেওয়া কি উচিত, যা সরকারের হাতে থাকার চেয়ে তাদের হাতে অনেক বেশি ফলপ্রসূ হবে?
:::: [http://hansard.millbanksystems.com/lords/1819/jun/21/cash-payments-bill দ্য মার্কুইস অব ল্যান্সডাউন (২১ জুন ১৮১৯)]
::: তিনি টনটনের সদস্য তার মাননীয় বন্ধুর কাছে এটি তুলে ধরেছিলেন, স্টকের কাল্পনিক মূল্য বাড়ানোর খাতিরে, যে পেষণকারী কর ঋণের ভিত্তি তৈরি করে এমন মূলধনকে দখল করে নিয়েছে তা সহ্য করা উচিত কি না। তিনি তার শক্তিশালী মনের কাছে এটি তুলে ধরেছিলেন, সব কেড়ে নিয়ে, তাদের ধ্বংস করে এবং রাজস্ব বিলুপ্ত করার চেয়ে যা তাদের সাথে বৃদ্ধি পায় এবং ফলপ্রসূ হয় তা জনগণের পকেটে রেখে দেওয়া ভালো কি না।
:::: [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1821/jun/14/agricultural-horse-tax লর্ড মিল্টন (১৪ জুন ১৮২১)]
::: সিনকিং ফান্ড হিসেবে পঞ্চাশ লক্ষ উদ্বৃত্ত প্রয়োগের ক্ষেত্রে মাননীয় ভদ্রলোক একটি আপত্তি জানিয়েছিলেন, এটি জনগণের কাছ থেকে নেওয়া হচ্ছে, যা ঋণ হ্রাসের চেয়ে তাদের পকেটে জাতীয় সুবিধার জন্য অনেক বেশি ফলপ্রসূ হবে।
:::: [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1823/feb/28/reduction-of-taxation উইলিয়াম হাসকিসন (২৮ ফেব্রুয়ারি ১৮২৩)]
::: এটি মি. পিটের ব্যবস্থার একটি বড় ত্রুটি ছিল যে, চার বা পাঁচ শতাংশ সুদে দাঁড়িয়ে থাকা ঋণ কেনার জন্য জনগণের ওপর কর আরোপ করা উচিত, যখন এটি স্পষ্ট ছিল যে সেই অর্থ যদি জনগণের পকেটে ফলপ্রসূ হওয়ার জন্য রেখে দেওয়া হয়, তবে তা দেশের জন্য অসীম বেশি উপকারী হবে।
:::: [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1827/jun/01/the-budget লর্ড মিল্টন (১ জুন ১৮২৭)]
{{Misattributed end}}
== গ্ল্যাডস্টোন সম্পর্কে উক্তি ==
:<small>বংশগত পদবি অনুযায়ী বর্ণানুক্রমিক।</small>
[[File:Jan Vilímek - William Ewart Gladstone HL.jpg|thumb|right|আমি মি. গ্ল্যাডস্টোনের চেহারায় বিপরীত গুণাবলির মিশ্রণ দেখেছিলাম। সেখানে ভেড়ার মতো শান্তি ও ভদ্রতা ছিল এবং সিংহের মতো শক্তি ও সংকল্প ছিল। ~ [[ফ্রেডেরিক ডগলাস]] ]]
[[File:Elliott & Fry10a.jpg|thumb|right|আপনি যদি লোকটিকে শুধু শার্ট পরিয়ে একটি প্রান্তরে রেখে দেন, তবে সে যা খুশি তাই হতে পারবে। ~ [[টি. এইচ. হাক্সলি]] ]]
[[File:Gladstone.png|thumb|right|তার [[শক্তি|শক্তির]] ত্রুটিগুলো তার ওপর বাড়ছে। সমস্ত কালো খুবই কালো, সমস্ত সাদা খুবই সাদা। ~ লর্ড রোজবেরি]]
=== এ-এল ===
* যদি কোনো টোরি না থাকত, তবে আমার ভয় হয় যে তিনি তাদের উদ্ভাবন করতেন।
** মিসেস ড্রুর কাছে লেখা চিঠিতে [[লর্ড অ্যাক্টন]] (২৪ এপ্রিল ১৮৮১)
* আমি বলতে পারি যে, একজন শ্রমজীবী মানুষ হিসেবে, আমার সহানুভূতি, সমর্থন এবং স্নেহের ওপর মি. গ্ল্যাডস্টোনের চেয়ে বেশি দাবি আর কোনো মানুষের নেই বলে আমি মনে করি। যখন ১৮৮০ সালের নির্বাচন আসে তখন আমরা তাকে পরিচালনার শীর্ষে বসিয়েছিলাম। যদিও দুর্বল মানসিকতার লিবারেল এবং টোরিরা আমাকে ঠাট্টা করেছিল যে তিনি কখনো ভোটাধিকার স্বীকার করবেন না, তবে তার সততায়, জনগণের প্রতি তার ন্যায়বিচারের বোধে এবং জনগণের প্রতি তার ভালোবাসায় আমার বিশ্বাস এই উপহাসগুলোর দ্বারা সামান্যতমও টলেনি। আমি পুরোপুরি নিশ্চিত ছিলাম যে তিনি আমার শ্রেণিকে ভোটাধিকার দেবেন। এই মহান রাষ্ট্রনায়কের আবক্ষ মূর্তি উন্মোচন করার জন্য এই আবরণটি সরিয়ে নিয়ে আমি বিরোধিতার ভয় ছাড়াই বলতে পারি যে, তিনি হাজার হাজার মানুষের, হ্যাঁ, হাজার হাজার মানুষের স্নেহে বেঁচে আছেন, যারা আমাদের গ্রামাঞ্চলে সাধারণ কুঁড়েঘরে বাস করে। এবং আমি বিশ্বাস করি যখনই একজন বিজ্ঞ স্রষ্টা তাকে এই কর্মক্ষেত্র থেকে সরিয়ে নেবেন, তখন তারা গভীর অনুভূতির সাথে তার ক্ষতির জন্য শোক করবে। আমি বিশ্বাস করি না যে মি. গ্ল্যাডস্টোন বা অন্য কোনো জীবিত প্রাণী ভুল থেকে মুক্ত। তবে এই বিষয়ে আমি নিশ্চিত যে, যখনই তিনি কোনো ভুল করেছেন এবং তা বুঝতে পেরেছেন, তখন তিনি তা স্বীকার করার মতো সম্মানিত এবং পুরুষোচিত হয়েছেন এবং তা সংশোধনের জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন।
** জোসেফ আর্চ, বিংলি লিবারেল ক্লাবে মি. গ্ল্যাডস্টোনের আবক্ষ মূর্তি উন্মোচনের সময় ভাষণ (১৮৯৩), জোসেফ আর্চ রচিত ''দ্য স্টোরি অব হিজ লাইফ, টোল্ড বাই হিমসেলফ'', কাউন্টেস অব ওয়ারউইক সম্পাদিত (১৮৯৮), পৃষ্ঠা ৩৭৯-৩৮০-এ উদ্ধৃত
* মি. গ্ল্যাডস্টোন একবার আমাকে বলেছিলেন: “আপনাকে যদি কখনো সরকার গঠন করতে হয়, তবে আপনাকে আপনার স্নায়ুকে ইস্পাত করতে হবে এবং কসাইয়ের মতো কাজ করতে হবে”। এটি একটি অত্যন্ত যুক্তিসঙ্গত পরামর্শ (যা আমি অভিজ্ঞতা থেকে শিখেছি)।
** [[এইচ. এইচ. অ্যাসকুইথ]], ''স্টাডিজ অ্যান্ড স্কেচেস'' (১৯২৪), পৃষ্ঠা ২০৫-২০৬
* '''তার কাছে মানব প্রকৃতির উচ্চতর অংশের ওপর একটি বাস্তব বিশ্বাস আছে, এবং এটি মহৎ শক্তির একটি উৎস। তিনি তার সমস্ত হৃদয়, আত্মা এবং শক্তি দিয়ে বিশ্বাস করেন যে সত্যের মতো কিছু আছে। তার কাছে একজন শহীদের আত্মা এবং একজন আইনজীবীর বুদ্ধি রয়েছে।'''
** "মি. গ্ল্যাডস্টোনে" [[ওয়াল্টার ব্যাগেহট]], ''ন্যাশনাল রিভিউ'' (জুলাই ১৮৬০)
* মি. গ্ল্যাডস্টোনের ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা এমন ছিল যা [[উইলিয়াম পিট দ্য ইয়ংগার|মি. পিটের]] সময়ের পর থেকে আর দেখা যায়নি এবং হয়তো আর কখনো দেখা যাবে না। অবশ্যই এটি খুব কমই দেখা যাবে। একজন খারাপ বক্তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে তিনি একজন প্রার্থী হিসেবে কীভাবে কাজ করেছিলেন। “ওহ,” তিনি উত্তর দিয়েছিলেন, “যখন আমি জানি না কী বলতে হবে, তখন আমি ‘গ্ল্যাডস্টোন’ বলি, আর তখন তারা নিশ্চিতভাবে উল্লাস করে, এবং আমি ভাবার সময় পাই।” আসলে, সেই জনপ্রিয়তা নির্বাচনী এলাকা এবং সদস্যদের উভয়ের জন্যই গাইড হিসেবে কাজ করেছিল। প্রার্থীরা শুধু বলেছিল যে তারা মি. গ্ল্যাডস্টোনের পক্ষে ভোট দেবে, আর নির্বাচনী এলাকাগুলো শুধু তাদেরই বেছে নিয়েছিল যারা এমনটি বলেছিল। এমনকি সংখ্যালঘুদের কেবল গ্ল্যাডস্টোন-বিরোধী হিসেবে বর্ণনা করা যেতে পারে, ঠিক যেমন সংখ্যাগরিষ্ঠদের কেবল গ্ল্যাডস্টোন-সমর্থক হিসেবে বর্ণনা করা যেতে পারে।
** [[ওয়াল্টার ব্যাগেহট]], 'ইন্ট্রোডাকশন টু দ্য সেকেন্ড এডিশন' (২০ জুন ১৮৭২), ''দ্য ইংলিশ কনস্টিটিউশন'' (১৮৮২), পৃষ্ঠা ১৮
* মি. গ্ল্যাডস্টোন ছিলেন সবচেয়ে বড় আলোচনার পরিষদের সর্বশ্রেষ্ঠ সদস্য যা বিশ্ব আজ পর্যন্ত দেখেছে।
** [[আর্থার বেলফোর]], হাউস অব কমন্সে
*উদারপন্থীদের নেতা কে? তিনি<br>যিনি আমাদের জন্য দাঁড়িয়েছেন,<br>জয় ও পরাজয়ের মধ্য দিয়ে দাঁড়িয়েছেন<br>জনগণের মঙ্গলের জন্য;<br>আমরা জনগণ, আমাদের একটি মন আছে,<br>এটি ভালভাবেই জানা যাবে,<br>গ্ল্যাডস্টোন, তিনিই এখনও আমাদের নেতৃত্ব দেবেন,<br>তিনি, এবং কেবল তিনিই।<br>আমাদের ভোট আছে এবং তাদের আমাদের কথা শুনতে দিন;<br>গ্ল্যাডস্টোন, কেবল তিনিই আমাদের নেতৃত্ব দেবেন।<br> কেন? কারণ তিনি আমাদের অন্যায় অনুভব করেন<br>এবং আমাদের অধিকার জয় করবেন;<br>কেন? কারণ তিনি আমাদের জন্য লড়াই করেন<br>ক্ষমতার বাইরে এবং ভেতরে। [...]<br>ভোটাররা তাদের বলুন, যাদের আমাদের প্রয়োজন হবে,<br>গ্ল্যাডস্টোন, কেবল তিনিই আমাদের নেতৃত্ব দেবেন।
**ডব্লিউ. সি. বেনেট, ‘গ্ল্যাডস্টোন, হি অ্যালোন শ্যাল লিড আস’, ''দ্য ওয়াটারফোর্ড নিউজ অ্যান্ড জেনারেল অ্যাডভারটাইজার'', খণ্ড ২০, নং ২৭ (১৫ মে ১৮৬৮), পৃ. ৪
*সর্বদা শক্তির এই বিশাল সমাবেশ ছিল। তার জীবনের প্রতিটি কাজে উদ্দেশ্য একটি চুল্লির মতো গর্জন করত। তিনি একবার কোনো বিষয়ে নিজেকে বোঝাতে পারলে, সেটি আর তার মতামত থাকত না। সেটি একটি মহাজাগতিক সত্যে পরিণত হতো এবং প্রতিটি সঠিক মনের মানুষের দায়িত্ব হতো তা সমুন্নত রাখা। তিনি নিশ্চিত ছিলেন এবং তা বলতেন। তিনি বিশ্বাস করতেন ইংরেজ জনগণের ইচ্ছা ছিল [[w:আইরিশ হোমরুল আন্দোলন|আয়ারল্যান্ডে হোমরুল]] প্রদান করা। তিনি তাদের জন্য সেই ইচ্ছা পূরণের নিযুক্ত হাতিয়ার ছিলেন। ঈশ্বর তাকে সেই কাজের জন্য স্বাস্থ্য এবং জীবনীশক্তি দিয়েছিলেন। এইভাবে তার বিবেক ব্যক্তিগত উচ্চাকাঙ্ক্ষা থেকে সর্বদা মুক্ত ছিল। তিনি নিজের ধারণার জন্য কাজ করছিলেন না বরং তার বাইরের কোনো মহান কারণের জন্য কাজ করছিলেন। মিসেস গ্ল্যাডস্টোন আমার মাকে বলেছিলেন, যারা একসময় তার বন্ধু ছিল তাদের বিচ্ছিন্নতা ও অভিশাপ তাকে কখনোই বলতে বাধ্য করেনি, "আমি যদি এটি না করতাম!" তিনি যে তিক্ততা জাগিয়েছিলেন তার জন্য তিনি অনুতপ্ত হতে পারতেন। কিন্তু তিনি কখনও সেই পদক্ষেপগুলোর জন্য অনুতপ্ত হননি যা এর কারণ ছিল।
**[[ই. এফ. বেনসন]], ''অ্যাজ উই ওয়্যার: আ ভিক্টোরিয়ান পিপ-শো'' (১৯৩০), পৃ. ১০৮-১০৯
*সেই মহাদেশের [উত্তর আমেরিকা] মানুষের কাছে আপনার ব্যক্তিত্ব স্বাধীনতার কারণের সাথে একাত্ম হয়ে গেছে। আপনি তাদের কাছে রাষ্ট্রনায়কের সর্বোচ্চ আদর্শের মূর্ত প্রতীক।
**[[w:এডওয়ার্ড ব্লেক|এডওয়ার্ড ব্লেক]] গ্ল্যাডস্টোনকে লেখা চিঠি (২ মার্চ ১৮৯৪), ই. এফ. বিয়াগিনির ''ব্রিটিশ ডেমোক্রেসি অ্যান্ড আইরিশ ন্যাশনালিজম, ১৮৭৬–১৯০৬'' (২০০৭) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ১৬০
*'''হাউস অফ কমন্সে এমন কে আছেন যিনি সমস্ত রাজনৈতিক প্রশ্নের জ্ঞানে তার সমকক্ষ? কে আন্তরিকতায় তার সমকক্ষ? কে বাগ্মিতায় তার সমকক্ষ? কে সাহস এবং তার দৃঢ় বিশ্বাসের প্রতি বিশ্বস্ততায় তার সমকক্ষ?''' এই ভদ্রলোকেরা যারা বলছেন তারা তাকে অনুসরণ করবেন না, তাদের যদি এমন কেউ সমকক্ষ থাকে, তবে তাকে দেখান। যদি তারা এমন কোনো রাষ্ট্রনায়ককে নির্দেশ করতে পারেন যিনি মিস্টার গ্ল্যাডস্টোনের মর্যাদাকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারেন, তবে তাকে সামনে আনুন।
**[[জন ব্রাইট]], বার্মিংহামে দেওয়া ভাষণ (২২ এপ্রিল ১৮৬৭), জর্জ বার্নেট স্মিথের ''দ্য লাইফ অ্যান্ড স্পিচেস অফ দ্য রাইট অনারেবল জন ব্রাইট, এম.পি. খণ্ড ৪'' (১৮৮৬) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ৫২৯–৫৩০
*মহান উদারপন্থী নেতার ভাষণের বিস্ময়কর বাগ্মিতা, মর্মস্পর্শী আবেগ এবং জ্বলন্ত উদ্দীপনা দেশের আত্মাকে গভীরভাবে আলোড়িত করেছিল। আমি যদি বলি গ্রেট ব্রিটেনের [[w:ননকনফর্মিস্ট (প্রোটেস্ট্যান্ট মতবাদ)|ননকনফর্মিস্টরা]] একজন পুরুষ এবং একজন নারী হিসেবে তার পাশে দাঁড়িয়েছিলেন, তবে তা অতিরঞ্জিত হবে না। তারা তাকে জাতিসমূহের রক্ষকর্তা, জনগণের অনুপ্রাণিত নেতা, অন্যায় ও নিপীড়নের শক্তির সাথে লড়াই করা এবং তাদের জয় করা এক অপরাজেয় শক্তির দৈত্য হিসেবে দেখেছিলেন। তার দেশ ছিল বিশ্ব। প্রতিটি বর্ণ ও ধর্মের মানুষ ছিল তার ভাই। বহু শতাব্দীতে এমন কোনো জাতি এমন একজন সন্তানের অধিকারী হয় না যিনি এতটা সর্বজনীন এবং প্রায় অক্ষয় প্রশংসার অধিকারী হন, যা সেই দিনগুলোতে উইলিয়াম এওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোনের ওপর বর্ষিত হয়েছিল। আমি প্রায়ই অনুভব করেছি, এই সময়ে অনেক মানুষ মহান নেতার জন্য মৃত্যুবরণ করাকে সম্মানের মনে করত এবং একটি আনন্দদায়ক আত্মত্যাগ হিসেবে গণ্য করত।
**[[w:হেনরি ব্রডহার্স্ট|হেনরি ব্রডহার্স্ট]], ''দ্য স্টোরি অফ হিজ লাইফ ফ্রম আ স্টোনম্যাসনস বেঞ্চ টু দ্য ট্রেজারি বেঞ্চ'' (১৯০১), পৃ. ৮৮
*তার কণ্ঠস্বর ছিল সমৃদ্ধ, অনুরণিত এবং সুন্দরভাবে নিয়ন্ত্রিত। তার অঙ্গভঙ্গির মাধুর্য ও বৈচিত্র্য এবং তার চোখের ঝলকানির সাথে দর্শকদের কাছ থেকে আসা কোনো বাধায় তিনি যে সহজ ক্ষমতা দেখিয়েছিলেন, তা কেবল তাকে কথা বলতে দেখলেই বোঝা যায়। সম্মতি বা অসম্মতির অভিব্যক্তি দ্বারা প্রস্তাবিত কোনো যুক্তি তিনি তাৎক্ষণিকভাবে অনুসরণ করতেন। তার প্রস্তুতি ছিল আশ্চর্যজনক। আমরা যারা সংসদে তার কথা শুনেছিলাম, তারা ভাবতাম যে বিতর্কে হঠাৎ কোনো প্রশ্ন উঠলে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে যে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দিতেন, তা তার মনের দ্রুততা প্রকাশ করত। এটি তার পূর্বনির্ধারিত বিস্তৃত আলোচনার চেয়ে তার পুরো প্রকৃতির লড়াকু শক্তিকে আরও ভালোভাবে ফুটিয়ে তুলত। এই তাৎক্ষণিক বিস্ফোরণগুলোতে একটি আগুন, একটি আবেগ, বর্ণনার একটি ঘনীভূত শক্তি ছিল যা তার অনুগামীদের জাগিয়ে তুলত এবং তার বিরোধীদের ভয় দেখাত। অন্যায়, মিথ্যা বা নিষ্ঠুরতার প্রতি প্রায়শই জ্বলন্ত ক্ষোভ থাকত। কিন্তু কোনো ব্যক্তিগত আক্রোশ, বিদ্বেষ বা প্রতিশোধপরায়ণতার কোনো চিহ্ন থাকত না।
**[[জেমস ব্রাইস, ১ম ভিসকাউন্ট ব্রাইস|জেমস ব্রাইস]], 'প্রিফেস' (অক্টোবর ১৯১৬), আর্থার টিলনে ব্যাসেট, ''গ্ল্যাডস্টোনস স্পিচেস: ডেসক্রিপটিভ ইনডেক্স অ্যান্ড বিব্লিওগ্রাফি'' (১৯১৬), পৃ. ৬-৭
*তার যুক্তিগুলো মাঝে মাঝে সূক্ষ্ম হতে পারে। সেগুলো কখনোই তুচ্ছ নয়। তিনি আকাশে উঁচুতে ওড়া ঈগলের মতো। তিনি দূরের জিনিসগুলো এবং কাছের জিনিসগুলো দেখতে পান। মাটিতে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষের চেয়ে তিনি সেগুলোর পারষ্পরিক সম্পর্ক আরও সত্যরূপে দেখতে পান। তার চিন্তাভাবনা অনুসরণ করার সময়, স্থায়ী নৈতিক মানদণ্ড দ্বারা মতামত এবং প্রস্তাবগুলো যাচাই করার ক্ষমতা গভীরভাবে অনুভব করা যায়। তার কাছে নৈতিক মূল্যবোধগুলো সর্বদা বাস্তব এবং চূড়ান্ত মূল্যবোধ ছিল। তিনি নৈতিক নীতিগুলোকে প্রতিটি প্রশ্নে ব্যবহৃত সত্যিকারের সন্ধানী আলো মনে করতেন।
**[[জেমস ব্রাইস, ১ম ভিসকাউন্ট ব্রাইস|জেমস ব্রাইস]], 'প্রিফেস' (অক্টোবর ১৯১৬), আর্থার টিলনে ব্যাসেট, ''গ্ল্যাডস্টোনস স্পিচেস: ডেসক্রিপটিভ ইনডেক্স অ্যান্ড বিব্লিওগ্রাফি'' (১৯১৬), পৃ. ৮
*তিনি প্রথম নেতৃস্থানীয় ইংরেজ হিসেবে পশ্চিমা দেশগুলোর সহানুভূতি ইতালীয় স্বাধীনতার জন্য সংগ্রামকারীদের পক্ষে জয় করেছিলেন। তিনিই সেই রাষ্ট্রনায়ক যিনি গৃহযুদ্ধের কারণে আমেরিকার সাথে সৃষ্ট বিরোধের অবসান ঘটিয়েছিলেন। তিনি দেশগুলোর মধ্যে আগের চেয়ে আরও ভালো সম্পর্ক তৈরি করা সম্ভব করেছিলেন। এই সেবাগুলোর কোনোটির জন্যই সে সময় তাকে খুব একটা কৃতিত্ব দেওয়া হয়নি, ঠিক যেমনটা প্রাচ্য প্রশ্নে তার ভূমিকার ক্ষেত্রেও হয়নি। কিন্তু ইতিহাস এগুলো ভুলবে না।
**[[জেমস ব্রাইস, ১ম ভিসকাউন্ট ব্রাইস|জেমস ব্রাইস]], 'প্রিফেস' (অক্টোবর ১৯১৬), আর্থার টিলনে ব্যাসেট, ''গ্ল্যাডস্টোনস স্পিচেস: ডেসক্রিপটিভ ইনডেক্স অ্যান্ড বিব্লিওগ্রাফি'' (১৯১৬), পৃ. ১০
*[[অবাধ বাণিজ্য]], [[w:কোবডেন-শেভালিয়ার চুক্তি|ফ্রান্সের সাথে একটি বাণিজ্যিক চুক্তি]], [[w:জ্ঞানের ওপর কর#জ্ঞানের ওপর করের সমাপ্তি|কাগজের শুল্ক বাতিল]], ব্যয় ও কর হ্রাস, [[w:আইরিশ চার্চ আইন ১৮৬৯|আইরিশ চার্চের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি বাতিল]], [[w:প্রাথমিক শিক্ষা আইন ১৮৭০|১৮৭০ সালের শিক্ষা আইন]], [[w:ব্যালট আইন ১৮৭২|ব্যালট আইন]], [[w:ননকনফর্মিস্ট (প্রোটেস্ট্যান্ট মতবাদ)|ননকনফর্মিস্টদের]] জন্য [[w:বিশ্ববিদ্যালয় পরীক্ষা আইন ১৮৭১|বিশ্ববিদ্যালয় উন্মুক্তকরণ]] এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে [[w:সিভিল সার্ভিস (যুক্তরাজ্য)|সিভিল সার্ভিসে]] প্রবেশ, [[w:কার্ডওয়েল সংস্কার|কার্ডওয়েলের সেনাবাহিনী সংস্কার]], [[w:অ্যালাবামা দাবি|অ্যালাবামা সালিশি]] এবং [[ফ্রাঙ্কো-প্রুশীয় যুদ্ধ|ফ্রাঙ্কো-প্রুশীয় যুদ্ধে]] নিরপেক্ষতা। এটি ছিল একটি চিত্তাকর্ষক রেকর্ড। তবে সবই স্বীকৃত উদারপন্থী ধারণার নিয়মের মধ্যে ছিল।
**[[w:অ্যালান বুলক|অ্যালান বুলক]] এবং [[w:মরিস শক|মরিস শক]], ‘ইন্ট্রোডাকশন’, ''দ্য লিবারেল ট্র্যাডিশন: ফ্রম ফক্স টু কেইনস'' (১৯৫৬; ১৯৬৭), পৃ. ৩৮
*গ্ল্যাডস্টোন সারা জীবন জাতীয় স্বাধীনতা অর্জনের জন্য সংগ্রামরত জনগণের প্রতি গভীর সহানুভূতি অনুভব করেছিলেন। এটি তার পররাষ্ট্র নীতি বিষয়ক দৃষ্টিভঙ্গির আরেকটি ভিত্তি তৈরি করে। বলকান এবং আয়ারল্যান্ডের সমস্যার ক্ষেত্রে তার উত্তর ছিল "স্বায়ত্তশাসনের ক্ষমতা"। ১৮৮০ সালে তুরস্কের খ্রিস্টান প্রজাদের সম্পর্কে তিনি বলেছিলেন, "সেই লোকদের স্বাধীনতা এবং স্বাধীনতার সুবিধা দিন। সেটিই স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে একটি বাধা তৈরি করার উপায়। দুর্গগুলো ধূলিসাৎ হতে পারে। চুক্তিগুলো পায়ের নিচে পিষ্ট হতে পারে। স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে সত্যিকারের বাধা মানব হৃদয় এবং মনে রয়েছে।" তার এই সহানুভূতি থেকে গ্ল্যাডস্টোনের কাছে এটি স্পষ্ট হয়েছিল যে সমস্ত জাতির সমান অধিকার উপভোগ করা উচিত। এর থেকেই তিনি সাম্রাজ্যবাদের নিন্দা করেছিলেন। এটি সমতার পরিবর্তে আধিপত্য ঘোষণা করেছিল। এটি সম্প্রসারণের আগ্রহে অন্যান্য জাতির অধিকারগুলোকে সরিয়ে দিয়ে তাদের বিদেশি শাসনের অধীনে এনেছিল।
**[[w:অ্যালান বুলক|অ্যালান বুলক]] এবং [[w:মরিস শক|মরিস শক]], ‘ইন্ট্রোডাকশন’, ''দ্য লিবারেল ট্র্যাডিশন: ফ্রম ফক্স টু কেইনস'' (১৯৫৬; ১৯৬৭), পৃ. ৩৯-৪০
*আপনার জীবন ছিল মহান। আমার জানা সবচেয়ে মহৎ এবং সেরা। এটি একটি অনুপ্রেরণা এবং একটি বিজয় ছিল। এটি লক্ষ লক্ষ নারী-পুরুষের জন্য অগণিত সুবিধায় ফলপ্রসূ হয়েছিল। আমি সত্যই অনুভব করি, উপযুক্ত শব্দটি সমবেদনা বা অভিনন্দন নয়, বরং কৃতজ্ঞতা। এই পরম কৃতজ্ঞতা যে এমন একজন মানুষকে আমাদের দেওয়া হয়েছিল। তিনি জানতেন কীভাবে তার উপহারগুলোকে মানবতার সর্বোচ্চ সেবায় পরিচালনা এবং ব্যবহার করতে হয়।
**[[w:থমাস বার্ট|থমাস বার্ট]] গ্ল্যাডস্টোনকে লেখা চিঠি (৬ মার্চ ১৮৯৪), ই. এফ. বিয়াগিনির ''লিবার্টি, রিট্রেঞ্চমেন্ট অ্যান্ড রিফর্ম: পপুলার লিবারেলিজম ইন দি এজ অফ গ্ল্যাডস্টোন, ১৮৬০–১৮৮০'' (১৯৯২) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ৪২৫
*তার বিস্ময়কর প্রতিভা তাকে অর্থায়নকে জনপ্রিয় করতে সক্ষম করেছিল। এটি জনগণের বোঝার উপযোগী হয়েছিল। তিনি দেশকে এর গুরুত্ব উপলব্ধি করতে শিখিয়েছিলেন। তার কাজ একটি উল্লেখযোগ্য বার্ষিক উদ্বৃত্তের শক্ত পাথরের ওপর ভিত্তি করে ছিল। এটি কঠোর অর্থনীতির কম সহজে সুরক্ষিত ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত ছিল। শুল্ক ট্যারিফ সম্পূর্ণ এবং চূড়ান্তভাবে পরিষ্কার করা হয়েছিল। খাদ্যের ওপর অবশিষ্ট শুল্ক বাতিল করা হয়েছিল। অন্যান্য দেশের সাথে বাণিজ্যিক সম্পর্ক প্রসারিত হয়েছিল। মাদকদ্রব্য ছাড়া অন্যান্য সমস্ত অবশিষ্ট আবগারি শুল্ক বাতিল করা হয়েছিল। কর ব্যবস্থাকে রাজস্বের ভিত্তিতে স্থাপন করা হয়েছিল। এটি সমস্ত শ্রেণির মানুষের ব্যবহৃত কয়েকটি নিবন্ধের ওপর ঘনীভূত হয়েছিল। এক কথায়, কর সহজ করার মাধ্যমে এবং এর ভিত্তি সংকুচিত করার মাধ্যমে এর ভিত্তি শক্তিশালী হয়েছিল। এটি ভোক্তার জন্য হালকা এবং করদাতার জন্য কম বোঝা হয়েছিল। এটি বাণিজ্য ও শিল্পের জন্য কম সীমাবদ্ধ ছিল। এটি সংগ্রহে সস্তা এবং কম বিরক্তিকর ছিল। এটি আরও পুনরুদ্ধারকারী এবং রাজকোষের জন্য বেশি লাভজনক ছিল।
**[[w:সিডনি বাক্সটন, ১ম আর্ল বাক্সটন|সিডনি বাক্সটন]], ''মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন অ্যাজ চ্যান্সেলর অফ দি এক্সচেকার: আ স্টাডি'' (১৯০১), পৃ. ১৬৭-১৬৮
*তার ব্যক্তিত্বের অসাধারণ তীব্রতা আমাদের অধঃপতিত প্রজন্মের জন্য উপলব্ধি করা আরও কঠিন। তার বিস্ময়কর শারীরিক ও বৌদ্ধিক শক্তি, আধ্যাত্মিক ও যৌন যন্ত্রণা, উচ্চ নৈতিক গাম্ভীর্য যা তার সময়ের প্রতিটি ঈশ্বর প্রদত্ত মুহূর্তের ব্যবহার নির্ধারণ করত, তা তার সমসাময়িকদের কাছে আশ্চর্যজনক ছিল। কিন্তু সেগুলো আমাদের কাছে প্রায় আক্ষরিক অর্থেই অচিন্তনীয়। আমরা তো নিন্দাবাদ এবং তুচ্ছতায় বড় হয়েছি। শুধু গ্ল্যাডস্টোন সম্পর্কে চিন্তাভাবনা করা আধুনিক পাঠকের জন্য গভীরভাবে বিনম্র করার মতো।
**[[w:জন ক্যাম্পবেল (জীবনীকার)|জন ক্যাম্পবেল]], 'ব্রিংগিং গড ইনটু পলিটিক্স', ''দ্য টাইমস'' (২৭ নভেম্বর ১৯৮৬), পৃ. ১৭
*তার ভাষণগুলো এখনও তাদের সামাজিক চরমপন্থা এবং নিছক নৈতিক শক্তি দিয়ে অবাক করে দিতে পারে।
**[[w:জন ক্যাম্পবেল (জীবনীকার)|জন ক্যাম্পবেল]], 'আ ম্যান হু কুড মেক মিসেস থ্যাচার লুক লেজি', ''দ্য টাইমস'' (৭ এপ্রিল ১৯৯০), পৃ. ৩৮
* প্রায় একটি বর্ণালীর মতো মানুষের ছায়ামূর্তি। রূপ ও আচার-অনুষ্ঠান এবং বাইরের আবরণ ছাড়া তার মধ্যে কিছুই নেই।
** [[থমাস কার্লাইল]], চিঠি (মার্চ ১৮৭৩)
*আমিও [গ্ল্যাডস্টোনের ''জোসেফ চেম্বারলেইন''] দ্বিতীয় খণ্ডটি পড়ছি... গ্ল্যাডস্টোনের সাথে যেভাবে আচরণ করা হয়েছে তার আমি বিশেষভাবে প্রশংসা করি। বৃদ্ধ লোকটির দুষ্টতা, তার ধূর্ততা ও বিশ্বাসঘাতকতা এবং সময় থাকতে নিজের পথ করে নেওয়ার সংকল্প স্পষ্টভাবে দেখা যায়। আমি যখন এটি পড়ি তখন আমার পুরনো ক্ষোভ আবার জ্বলে ওঠে।
**[[নেভিল চেম্বারলেইন]], বিবৃতি (২৮ এপ্রিল ১৯৩৩), কিথ ফেইলিংয়ের ''দ্য লাইফ অফ নেভিল চেম্বারলেইন'' (১৯৪৬) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ২৩৪
* তারা আমাকে বলেছিলেন কীভাবে মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন মজা করার জন্য [[হোমার]] পড়তেন। আমি ভেবেছিলাম এটি তার জন্য ঠিকই ছিল।
** [[উইনস্টন চার্চিল]], ''মাই আর্লি লাইফ: আ রোভিং কমিশন'' [১৯৩০] (১৯৪৪), পৃ. ৩১
*এমনকি মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন যখন [[w:আয়ারল্যান্ড সরকার আইন ১৮৯৩|হোমরুল বিলের]] দ্বিতীয় পাঠ শেষ করেছিলেন, তখন আমি বিশিষ্ট অপরিচিতদের গ্যালারিতে প্রবেশ করতে সক্ষম হয়েছিলাম। সেই দৃশ্য এবং এর কিছু ঘটনা আমার ভালোভাবে মনে আছে। মহান বৃদ্ধ লোকটিকে একসাথে হিংস্র এবং জাঁকজমকপূর্ণ একটি বিশাল সাদা ঈগলের মতো লাগছিল। তার বাক্যগুলো রাজকীয়ভাবে বের হচ্ছিল। সবাই উল্লাস করতে বা উপহাস করতে আগ্রহী হয়ে তার ঠোঁট এবং অঙ্গভঙ্গির দিকে তাকিয়ে ছিল। উদারপন্থী দল কীভাবে সর্বদা সমর্থন করা প্রতিটি কারণকে বিজয়ের দিকে নিয়ে গিয়েছিল, সে সম্পর্কে তিনি একটি অসাধারণ পর্বের চূড়ায় ছিলেন। তিনি একটি ভুল করে বসলেন। তিনি চিৎকার করে বললেন, "এবং এমন কোনো কারণ নেই ([[w:আইরিশ হোমরুল আন্দোলন|হোমরুল]]), যার জন্য উদারপন্থী দল এত কষ্ট পেয়েছে বা ''এত নিচে নেমেছে''।" কীভাবে টোরিরা লাফিয়ে উঠল এবং আনন্দে গর্জন করে উঠল! কিন্তু মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন তার ডান হাত নেড়ে থাবার মতো আঙুল ছড়িয়ে কোলাহল শান্ত করলেন। তিনি আবার শুরু করলেন, "কিন্তু আমরা আবার উঠে দাঁড়িয়েছি..."
** [[উইনস্টন চার্চিল]], ''মাই আর্লি লাইফ: আ রোভিং কমিশন'' [১৯৩০] (১৯৪৪), পৃ. ৪২
*তিনি রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে নবী হয়ে উঠেছিলেন। ভিক্টোরিয়ান খ্রিস্টধর্মের [[w:আয়াতুল্লাহ|আয়াতুল্লাহ]]।
**[[w:পিটার ক্লার্ক (ইতিহাসবিদ)|পিটার ক্লার্ক]], ''আ কোয়েশ্চন অফ লিডারশিপ: গ্ল্যাডস্টোন টু থ্যাচার'' (১৯৯১), পৃ. ৩২
*[[w:আইরিশ প্রশ্ন|আইরিশ প্রশ্নে]] গ্ল্যাডস্টোনের অসাধারণ স্বচ্ছতা এবং ক্ষমতার ভাষণ। তার ভঙ্গি সবচেয়ে আন্তরিক ছিল। তার মনের প্রবণতা রাজকীয়, তীক্ষ্ণ, বিজয়ী এবং অপ্রতিরোধ্য। তিনি মানুষের একজন সেনাপতি। কথায় সরল, স্পষ্ট এবং আক্রমণাত্মক। বিশাল নৈতিক ভরবেগ ছিল। এটি একটি প্রতিযোগিতা ছিল। শ্রোতা অনুভব করেছিলেন তিনি ন্যায়পরায়ণতা, মানবতা এবং ঈশ্বরের জন্য একটি লড়াই প্রত্যক্ষ করছেন।
**[[w:জন ক্লিফোর্ড (মন্ত্রী)|জন ক্লিফোর্ড]], ডায়েরি এন্ট্রি (১১ মে ১৮৮৭), জেমস মার্চেন্টের ''ড. জন ক্লিফোর্ড, সি. এইচ. লাইফ, লেটারস অ্যান্ড রেমিনিসেন্স'' (১৯২৪) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ৮০
*আমি আপনাকে আগেই বলেছি যে গ্ল্যাডস্টোন এই ব্যবসায়ে অনেক হৃদয় দেখিয়েছেন। আমাদের অস্ত্রশস্ত্রের পেছনে অর্থের অপচয়ের প্রতি তার তীব্র অনীহা রয়েছে। আমাদের প্রতি তার অনেক বেশি সহানুভূতি রয়েছে। ব্রিটেনের অন্য যেকোনো ক্ষমতাধর ব্যক্তির চেয়ে আপনার এবং আমার সাথে তার অনেক বেশি মিল রয়েছে।
**[[রিচার্ড কোবডেন]] ফ্রান্সের সাথে তার অবাধ বাণিজ্য চুক্তির আলোচনার বিষয়ে জন ব্রাইটকে (১৮৬০), ডব্লিউ. ই. উইলিয়ামসের ''দ্য রাইজ অফ গ্ল্যাডস্টোন টু দ্য লিডারশিপ অফ দ্য লিবারেল পার্টি, ১৮৫৯ টু ১৮৬৮'' (১৯৩৪) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ২০
*হাউস অফ কমন্সে আমি ব্যক্তিগতভাবে যাদের শুনেছি তাদের মধ্যে তিনি ছিলেন সবচেয়ে মহান বাগ্মী। প্রকৃতপক্ষে প্রায় একমাত্র বাগ্মী ছিলেন মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন। এই মহান এবং বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব যখন হাউস অফ কমন্সে ছিলেন, তখন হাউসের চোখ অন্য কারো দিকে থাকত না। বেঞ্চে তার নড়াচড়া অস্থির এবং আগ্রহী ছিল। নিজের পায়ে দাঁড়ানোর সময় তার আচরণ একটি সাধারণ প্রশ্নের উত্তর দেওয়া, একটি জটিল বিল ব্যাখ্যা করা বা তীব্র ঘোষণার মধ্যে গর্জন করার ক্ষেত্রে জাদুকরী ছিল। তার নাটকীয় অঙ্গভঙ্গি, তার প্রশস্ত পরিধি এবং চিহ্নিত [[w:উত্তর ইংল্যান্ডের ইংরেজি ভাষা|উত্তরাঞ্চলীয় উচ্চারণ]] সহ তার গভীর এবং স্পন্দিত কণ্ঠস্বর, তার জ্বলজ্বলে চোখ, ধারণা ও শব্দের ওপর তার প্রায় অবিশ্বাস্য নিয়ন্ত্রণ—সব মিলে একটি অপ্রতিরোধ্য আকর্ষণ এবং ক্ষমতার সংমিশ্রণ তৈরি করেছিল। আমরা যারা তার শেষ বছরগুলোতে তার বিপরীতে বসেছিলাম, তারা তার মধ্যে একটি বৃদ্ধ ঈগলের প্রতিচ্ছবি দেখতে পেতাম, যে তার দৃষ্টিতে নির্ভীক এবং তার শক্তিতে এখনও উল্লাসিত। কখনও কখনও শিকারের কোনো ডানাযুক্ত প্রাণীর মতো, যে কোনো প্রতিরক্ষাহীন শিকারের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ছে। আবার কখনও একটি বাঘের মতো, যে হঠাৎ তার আস্তানা থেকে জেগে উঠেছে এবং রাগে ঘুরে বেড়াচ্ছে। মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন আমার কাছে বাগ্মিতা এবং অলঙ্কারশাস্ত্রের প্রতিটি শিল্পের উস্তাদ বলে মনে হয়েছিল। তিনি ইচ্ছামতো আবেগী বা শান্ত, গম্ভীর বা চঞ্চল, স্পষ্ট বা জড়িত, গুরুতর বা রসিক (এক ধরনের ভারী পরিহাসের সাথে), প্ররোচনামূলক বা নিন্দামূলক হতে পারতেন। এটি সত্য যে তার প্রচুর শব্দভাণ্ডার কখনও কখনও অপ্রতিরোধ্য ছিল এবং তার সূক্ষ্মতা কখনও কখনও প্রায় শয়তানের মতো ছিল।
**[[জর্জ কার্জন, কেডলস্টনের ১ম মার্কুইস কার্জন|লর্ড কার্জন]], ''[[উইকিসংকলন:মডার্ন পার্লামেন্টারি এলোকোয়েন্স|মডার্ন পার্লামেন্টারি এলোকোয়েন্স: দ্য রিড লেকচার, ডেলিভারড বিফোর দ্য ইউনিভার্সিটি অফ ক্যামব্রিজ, নভেম্বর ৬, ১৯১৩]]'' (১৯১৪), পৃ. ২৩-২৪
*একজন আইরিশ হিসেবে আমি অনুভব করি, গতকাল মারা যাওয়া মহান ইংরেজের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে যোগ দেওয়ার একটি বিশেষ অধিকার আমার আছে। কারণ সবাই একমত হবেন যে, তার কঠোর ও দুর্দান্ত জীবনের শেষ এবং সবচেয়ে গৌরবময় বছরগুলো আমাদের জাতির প্রতি তার ভালোবাসা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত ছিল। তিনি আয়ারল্যান্ডের সেবা করার এবং তাকে স্বাধীনতা ও শান্তি দেওয়ার আগ্রহী এবং এমনকি আবেগময় আকাঙ্ক্ষা পোষণ করতেন। তার প্রকৃতির দুর্দান্ত গুণাবলীর কারণে, যা তাকে চিরস্থায়ী তারুণ্য দিয়েছিল বলে মনে হয়, যে কারণের জন্য তিনি একবার নিজেকে উৎসর্গ করেছিলেন তার প্রতি মিস্টার গ্ল্যাডস্টোনের বিশ্বাস কখনও টলেনি বা তার উৎসাহও কখনও ঠান্ডা হয়নি। অসুবিধা এবং অগ্রসর বয়সের ভার তার উদ্দেশ্যের প্রান্ত ভোঁতা করতে বা তার দুর্দান্ত সাহসকে দমিয়ে রাখতে সমানভাবে অকার্যকর ছিল। এমনকি যখন তিনি ব্যথায় ভুগছিলেন এবং যখন মৃত্যুর ছায়া তাকে অন্ধকার করে দিচ্ছিল, তখন তার হৃদয় এখনও আয়ারল্যান্ডের জনগণের জন্য আকাঙ্ক্ষা করছিল। তার শেষ জনসাধারণের ভাষণ ছিল আয়ারল্যান্ডের প্রতি সহানুভূতি এবং তার ভবিষ্যতের আশার বার্তা। তিনি গভীর প্রকৃতির মানুষ ছিলেন। তিনি জনগণকে একটি প্রজ্ঞাপূর্ণ এবং অধ্যবসায়ী ভালোবাসার সাথে ভালোবাসতেন। মানুষের প্রতি তার ভালোবাসা এবং মানবিক অগ্রগতির হাতিয়ার হিসেবে জনগণের সম্মতির ওপর ভিত্তি করে স্বাধীনতা এবং সরকারের কার্যকারিতার ওপর তার চিরস্থায়ী বিশ্বাস তারুণ্যের উৎসাহের ফল ছিল না। এটি দীর্ঘ বছরের গভীর শেকড়যুক্ত বিকাশ ছিল এবং এটি মানুষ এবং বিষয়াবলির প্রায় অতুলনীয় অভিজ্ঞতা থেকে তার শক্তি অর্জন করেছিল। '''আমি তার সম্পর্কে যা কিছু জেনেছি বা পড়েছি, তার ক্ষেত্রে বছর পেরিয়ে যাওয়া তার সহানুভূতিকে সংকুচিত করতে বা তার হৃদয়কে সংকুচিত করতে কোনো প্রভাব ফেলেনি বলে মনে হয়। যুবকরা তার পাশে বৃদ্ধ বোধ করত।''' এবং শেষ পর্যন্ত কোনো উদার কারণ, কোনো ভুক্তভোগী মানুষ তার কাছে বৃথা আবেদন করেনি। সেই গৌরবময় কণ্ঠস্বর যা বহুবার স্বাধীনতার বন্ধুদের অনুপ্রাণিত করেছিল এবং তাদের বিজয়ের দিকে পরিচালিত করেছিল, তা শেষ পর্যন্ত যেকোনো জাতি বা গোত্রের দুর্বল ও নিপীড়িতদের সেবায় নিয়োজিত ছিল। '''মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন তার সময়ের সবচেয়ে মহান ইংরেজ ছিলেন।''' তিনি তার নিজের লোকদের ততটাই ভালোবাসতেন যতটা কোনো ইংরেজ কখনও বাসত। কিন্তু তার নিজের লোকদের হৃদয়ের সাথে যোগাযোগের মাধ্যমে তিনি অন্যান্য লোকদের বোঝার এবং তাদের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করার সেই বৃহত্তর এবং মহান উপহারটি অর্জন করেছিলেন। তিনি তাদের দুঃখকষ্টে প্রবেশ করতেন এবং তাদের নিপীড়ন অনুভব করতেন। তিনি দুর্দান্ত সাহসের সাথে নিজের অত্যন্ত প্রিয় ইংল্যান্ডের ক্ষেত্রেও তাকে নিন্দা করতে দ্বিধা করেননি যখন তিনি ভেবেছিলেন সে অন্যদের প্রতি অন্যায় করছে। এর মাধ্যমে তিনি তার নিজের লোকদের মধ্যে নির্ভীকভাবে বিদ্বেষ এবং অজনপ্রিয়তার মুখোমুখি হয়েছিলেন, যা সহ্য করা তার জন্য তিক্ত ছিল। আর তাই তিনি একজন ব্রিটিশ রাষ্ট্রনায়কের চেয়ে অনেক বড় কিছু হয়ে উঠেছিলেন এবং মানবজাতির সর্বশ্রেষ্ঠ নেতাদের মধ্যে জায়গা করে নিয়েছিলেন। একটি বস্তুবাদী যুগের বাধা এবং নিন্দাবাদের মাঝে তিনি কখনই "আদর্শ" এর ওপর তার দখল হারাননি। আর তাই এমনটি হয়েছিল যে সভ্য বিশ্ব জুড়ে যখনই কোনো জাতি বা গোষ্ঠীর মানুষ নিপীড়নের শিকার হচ্ছিল, তখন তাদের চিন্তাভাবনা গ্ল্যাডস্টোনের দিকে ঘুরে যেত। যখন সেই শক্তিশালী কণ্ঠস্বর তাদের পক্ষে উত্থাপিত হতো, তখন ইউরোপ এবং সভ্য বিশ্ব শুনত। দীর্ঘ হতাশায় মরিয়া হয়ে ওঠা মানুষের হৃদয়ে নতুন আশার সঞ্চার হতো।
**[[w:জন ডিলন|জন ডিলন]], হাউস অফ কমন্সে দেওয়া ভাষণ (২০ মে ১৮৯৮)
*ভবিষ্যৎ বংশধররা সেই নীতিহীন উন্মাদ গ্ল্যাডস্টোনের প্রতি সুবিচার করবে। তিনি ঈর্ষা, প্রতিশোধপরায়ণতা, ভণ্ডামি এবং কুসংস্কারের একটি অসাধারণ মিশ্রণ ছিলেন। তার একটি নিয়ন্ত্রক বৈশিষ্ট্য ছিল। তিনি প্রধানমন্ত্রী বা বিরোধীদলীয় নেতা, প্রচার, প্রার্থনা, বক্তৃতা বা লেখালেখি যাই করুন না কেন—তিনি কখনই একজন ভদ্রলোক ছিলেন না!
**[[বেঞ্জামিন ডিসরায়েলি]], লর্ড ডার্বিকে লেখা চিঠি (অক্টোবর ১৮৭৬), উইলিয়াম ফ্ল্যাভেল মনীপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের ''দ্য লাইফ অফ বেঞ্জামিন ডিসরায়েলি, আর্ল অফ বেকনসফিল্ড. খণ্ড ২. ১৮৬০–১৮৮১'' (১৯২৯) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ৯৩৯
*সার্বভৌম ক্ষমতার অনুগ্রহ এবং তাদের সহকর্মীদের আস্থায় সম্মানিত ইংরেজ ভদ্রলোকদের একটি দল, যারা আপনার বিষয়গুলো পাঁচ বছর ধরে পরিচালনা করছে, আমি আশা করি বিচক্ষণতার সাথে এবং সম্পূর্ণ সফলতার সাথে, তাদের কি আপনি একটি উন্মাদ সম্মেলনে প্রবেশ করার সবচেয়ে বেশি সম্ভাবনা আছে বলে বিশ্বাস করেন? নাকি '''একজন পরিশীলিত আলঙ্কারিক, নিজের কথার প্রাচুর্যে মত্ত এবং একটি অহংকারী কল্পনার অধিকারী যিনি সর্বদা একজন প্রতিপক্ষকে অপমান করার জন্য এবং নিজেকে মহিমান্বিত করার জন্য যুক্তিগুলোর একটি অন্তহীন এবং অসামঞ্জস্যপূর্ণ ধারা তৈরি করতে পারেন?'''
**[[বেঞ্জামিন ডিসরায়েলি]], নাইটস্রিজে তাকে দেওয়া একটি ভোজে দেওয়া ভাষণ। গ্ল্যাডস্টোন [[w:সাইপ্রাস কনভেনশন|সাইপ্রাস কনভেনশনকে]] "উন্মাদ চুক্তি" বলার জন্য তিনি এই আক্রমণ করেছিলেন (২৭ জুলাই ১৮৭৮), উইলিয়াম ফ্ল্যাভেল মনীপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের ''দ্য লাইফ অফ বেঞ্জামিন ডিসরায়েলি, আর্ল অফ বেকনসফিল্ড'', খণ্ড ২. ১৮৬০–১৮৮১ (১৯২৯) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ১২২৮-৯
*[[হেনরি টেম্পল, ৩য় ভিসকাউন্ট পামারস্টন|লর্ড পামারস্টনের]] "বিপজ্জনক লোকটি" শেষ পর্যন্ত সেই রাষ্ট্রনায়কের ভবিষ্যদ্বাণী যাচাই করে তার চূড়ান্ত উন্মাদনা প্রমাণ করেছে।
**[[বেঞ্জামিন ডিসরায়েলি]], রানি ভিক্টোরিয়াকে লেখা চিঠি (১৯ সেপ্টেম্বর ১৮৭৮), রবার্ট ব্লেকের ''ডিসরায়েলি'' (১৮৬৬) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ৬০৬
*গ্ল্যাডস্টোন সম্পর্কে আপনি যা বলেন তা সবচেয়ে ন্যায়সঙ্গত। কী অস্থিরতা! কী অহংকার! এবং তার কী অসুখী অবস্থা হতে হবে! বলা সহজ যে তিনি পাগল। দেখে তা-ই মনে হয়। তার সম্পর্কে আমার তত্ত্ব অপরিবর্তিত। তিনি শুরু থেকেই একজন অবিরাম ভণ্ড। এ ধরনের মানুষ ৭০ বছর বয়সে পাগল হয় না।
**[[বেঞ্জামিন ডিসরায়েলি]], লেডি ব্র্যাডফোর্ডকে লেখা চিঠি (৩ অক্টোবর ১৮৭৯), উইলিয়াম ফ্ল্যাভেল মনীপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের ''দ্য লাইফ অফ বেঞ্জামিন ডিসরায়েলি, আর্ল অফ বেকনসফিল্ড. খণ্ড ২. ১৮৬০–১৮৮১'' (১৯২৯) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ১০৫২-১০৫৩
* '''আমি মিস্টার গ্ল্যাডস্টোনের মুখে বিপরীত গুণাবলীর মিশ্রণ দেখেছিলাম। সেখানে একটি ভেড়ার শান্তি ও ভদ্রতা ছিল, সাথে একটি সিংহের শক্তি ও সংকল্প ছিল।''' গভীর আন্তরিকতা তার সমস্ত বৈশিষ্ট্যে প্রকাশ পেয়েছিল। তিনি তার বক্তৃতা শুরু করেছিলেন একটি শান্ত এবং প্ররোচনামূলক সুরে। বিলের বিরুদ্ধে তার যুক্তি পরিসংখ্যানের ওপর ভিত্তি করে ছিল, যা তিনি বিস্ময়কর সাবলীলতার সাথে পরিচালনা করেছিলেন। তিনি দেখিয়েছিলেন সরকার আয়ারল্যান্ডে যে সংখ্যক অপরাধের জন্য ফোর্স বিল দাবি করছে তা ইংল্যান্ডের বিশাল শ্রেণির অপরাধের চেয়ে বেশি ছিল না। তাই এক দেশের চেয়ে অন্য দেশে ফোর্স বিলের কোনো কারণ ছিল না। তার তথ্য এবং পরিসংখ্যানগুলো একটি নিপুণ এবং বিশ্বাসযোগ্য পদ্ধতিতে উপস্থাপন করার পর, তিনি তার কণ্ঠস্বর উঁচু করে সরাসরি মিস্টার [[w:আর্থার জেমস বেলফোর|বেলফোরের]] দিকে আঙুল তুলে প্রায় হুমকিস্বরূপ এবং মর্মান্তিক সুরে চিৎকার করে উঠলেন, "আপনারা কিসের জন্য লড়ছেন?" এর প্রভাব ছিল রোমাঞ্চকর। তার বক্তৃতা ছিল [[স্বাধীনতা|স্বাধীনতার]] প্রতি ইংরেজদের ভালোবাসার এক চমৎকার আবেদন। তিনি বসে পড়ার পর হাউসটি সাথে সাথে ফাঁকা হয়ে গেল। '''মিস্টার গ্ল্যাডস্টোনের কথা শোনার পর সদস্য বা দর্শকদের মধ্যে অন্য কারও কণ্ঠস্বর শোনার কোনো ইচ্ছা ছিল বলে মনে হয়নি।'''
** [[ফ্রেডেরিক ডগলাস]], ''লাইফ অ্যান্ড টাইমস অফ ফ্রেডেরিক ডগলাস'' (১৮৯২), তৃতীয় খণ্ড, অধ্যায় ৮: "ইউরোপিয়ান ট্যুর"
* রাতের খাবারে আমরা [[জন হেনরি নিউম্যান|নিউম্যানকে]] নিয়ে কথা বলছিলাম। তার ''ড্রিম অফ জেরন্টিয়াস'' গ্ল্যাডস্টোন খুব উঁচুতে রাখেন। এত উঁচুতে যে তিনি ''ডিভিনা কমেডিয়ার'' সাথে একই নিঃশ্বাসে এর কথা বলেন। এক পর্যায়ে তিনি জিজ্ঞেস করলেন, "একশ বছর পর তার কোন লেখাগুলো পড়া হবে?" হেনরি স্মিথ বললেন, "অবশ্যই তার স্তোত্র, 'লিড কাইন্ডলি লাইট,' এবং 'দ্য পার্টিং অফ ফ্রেন্ডস,' লিটলমোর ছেড়ে যাওয়ার আগে তিনি যে ধর্মোপদেশ দিয়েছিলেন।" গ্ল্যাডস্টোন বললেন, "আমি আরও এগিয়ে যাব। আমি মনে করি তার সমস্ত প্যারোশিয়াল ধর্মোপদেশ পড়া হবে।"
** স্যার [[w:এম. ই. গ্রান্ট ডাফ|মাউন্টস্টুয়ার্ট এলফিনস্টোন গ্রান্ট ডাফ]], ''নোটস ফ্রম আ ডায়েরি, ১৮৫১-১৯০১: ১৮৭৩-১৮৮১'' (১৮৯৮), পৃ. ১৪০
*ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোন ১৮৬৮ থেকে ১৮৯৪ সালের মধ্যে তিনি যে দলের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তাকে একত্রিত করার জন্য বিভিন্ন কৌশল ব্যবহার করেছিলেন। তিনি আইরিশ চার্চের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি বাতিল করে এবং চার্চ অব ইংল্যান্ডের অবশিষ্ট কিছু সুযোগ-সুবিধা দূর করে [[w:ননকনফর্মিস্ট (প্রোটেস্ট্যান্ট মতবাদ)|ননকনফর্মিস্টদের]] সমর্থন সুসংহত করেছিলেন। তবুও অবাধ বাণিজ্য ছিল তার সবচেয়ে স্থায়ী থিম। তিনি দৃঢ়ভাবে সুরক্ষাবাদী শুল্কের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক বিষয়টিকে স্বায়ত্তশাসিত নাগরিকদের সমাজের উদার আদর্শের সাথে যুক্ত করেছিলেন, যারা মৌলিক অধিকারের অধিকারে সমান ছিল।
**রবার্ট এক্লেশাল, ''ব্রিটিশ লিবারেলিজম: লিবারেল থট ফ্রম দ্য ১৬৪০স টু দ্য ১৯৮০স'' (১৯৮৬), পৃ. ২৬
*আমার কাছে এবং হাজার হাজার মানুষের কাছে মিস্টার গ্ল্যাডস্টোনের হাউস অফ কমন্সে লিবারেল দলের নেতৃত্ব গ্রহণ করা একটি নতুন যুগের সূচনার প্রতিশ্রুতি বলে মনে হয়েছিল। এটা জানা ছিল যে পামারস্টন পার্লামেন্টে জনগণের প্রতিনিধিত্ব সংশোধন এবং সম্প্রসারণের পক্ষে যতটা ছিলেন, গ্ল্যাডস্টোন ঠিক ততটাই এর পক্ষে ছিলেন। শ্রমজীবী শ্রেণি তার প্রধানমন্ত্রী পদে আসীন হওয়াকে আনন্দ এবং আশার সাথে স্বাগত জানিয়েছিল।
**[[w:থমাস ফ্রস্ট (লেখক)|থমাস ফ্রস্ট]], ''ফোর্টি ইয়ারস রেমিনিসেন্স: লিটারারি অ্যান্ড পলিটিক্যাল'' (১৮৮০), পৃ. ২৯১
*আমরা কী বোকা ছিলাম যে গ্ল্যাডস্টোনের হোমরুল বিল মেনে নিইনি। সাম্রাজ্য এখন আইরিশ ফ্রি স্টেট আমাদের এত কষ্ট দিচ্ছে এবং আমাদের টুকরো টুকরো করে ফেলছে না।
**[[যুক্তরাজ্যের পঞ্চম জর্জ|পঞ্চম জর্জ]], [[র্যামসে ম্যাকডোনাল্ড|র্যামসে ম্যাকডোনাল্ডের]] কাছে মন্তব্য, যেমনটি ম্যাকডোনাল্ডের ডায়েরিতে উল্লেখ করা হয়েছে (৬ জুলাই ১৯৩০), কেনেথ রোজের ''কিং জর্জ ভি'' (১৯৮৩) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ২৪০
*অন্য যেকোনো মানুষের যা করতে ষোল ঘণ্টা লাগত, গ্ল্যাডস্টোন তা চার ঘণ্টায় করতে পারতেন। তিনি দিনে ষোল ঘণ্টা কাজ করতেন।
**[[w:স্যার জেমস গ্রাহাম, ২য় ব্যারোনেট|স্যার জেমস গ্রাহাম]] (''আনুমানিক''. ১৮৪১), ডি. সি. ল্যাথবারির ''করেসপন্ডেন্স অন চার্চ অ্যান্ড রিলিজিয়ন অফ উইলিয়াম এওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন, খণ্ড ১'' (১৯১০) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ২৫৯
* গত রাতে আমি গ্ল্যাডস্টোনের সাথে দেখা করেছি। এটি আমার কাছে সবসময় একটি স্মরণীয় রাত হয়ে থাকবে। সেখানে স্টাবস ছিলেন এবং গোল্ডউইন স্মিথ এবং হামফ্রে স্যান্ডউইথ এবং ম্যাকেঞ্জি ওয়ালেস ছিলেন, যার রাশিয়া সম্পর্কিত মহান বইটি এত আলোড়ন সৃষ্টি করেছে, পাশাপাশি আরও কয়েকজন চমৎকার মানুষ। তবে গ্ল্যাডস্টোনের উপস্থিতিতে মানুষ সবকিছু ভুলে যায়। তার নিখুঁত স্বাভাবিকতা এবং শিষ্টাচার, তার কথোপকথনের মনোমুগ্ধকর সাবলীলতা, তার অকৃত্রিম বিনয়, সমস্ত মহৎ ও ভালো জিনিসের প্রতি তার উষ্ণ উদ্দীপনা। আমি আমার নেতার জন্য খুব গর্ববোধ করছিলাম। সেই প্রধান যাকে আমি সবসময় ভালো ও খারাপ খবরের মধ্য দিয়ে আঁকড়ে ধরে রেখেছি। কারণ, '''তিনি এই বা সেই বিষয়ে জ্ঞানী বা নির্বোধ বলে মনে হতে পারেন, তিনি সর্বদা আত্মার দিক থেকে মহৎ ছিলেন।''' তিনি আমার প্রতি খুব আন্তরিক ছিলেন এবং আমরা যে নতুন ঐতিহাসিক স্কুল তৈরি করার আশা করছিলাম তা নিয়ে কথা বলেছিলেন। তিনি মন্টিনিগ্রোবাসী এবং তাদের স্বাধীনতার সংগ্রামের কথা কী আবেগের সাথে বলেছিলেন তা যদি আপনি দেখতে পারতেন! তিনি কীভাবে আমাদেরকে তাদের দীর্ঘ স্বাধীনতার লড়াই সম্পর্কে লিখতে বলেছিলেন! '''এবং সারা সন্ধ্যা ধরে আমাদের মধ্যে তার শ্রেষ্ঠত্ব স্মরণ করিয়ে দেওয়ার মতো একটি শব্দও ছিল না। সহজ, স্বাভাবিক, তার সমকক্ষদের মধ্যে একজন সমান মানুষ। তিনি সবার কথা শুনছিলেন, সবাইকে বের করে আনছিলেন। এমন একটি শক্তি এবং বিনয়ের সাথে যা তার সমস্ত ক্ষমতার চেয়ে আমাদের বেশি স্পর্শ করেছিল।'''
**[[জন রিচার্ড গ্রিন]] মিস স্টপফোর্ডকে লেখা চিঠি (২১ ফেব্রুয়ারি ১৮৭৭), লেসলি স্টিফেনের ''লেটারস অফ জন রিচার্ড গ্রিন'' (১৯০১) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ৪৪৬
*আমি দেখতে পাচ্ছি যে ডিসরায়েলির সম্পূর্ণ রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির চেয়ে গ্ল্যাডস্টোনের "মানবতাবাদী" দৃষ্টিভঙ্গিতে অনেক বেশি প্রকৃত প্রজ্ঞা থাকতে পারে। জাতিগুলোর সাথে জাতিগুলোর সহানুভূতি, জাতিগুলোর মধ্যে একটি সাধারণ মানবতার অনুভূতি, স্বাধীনতা এবং স্বনির্ভরতার পর জাতিগুলোর আকাঙ্ক্ষা, এগুলো ''সত্যিকারের'' রাজনৈতিক শক্তি। আর শুধু গ্ল্যাডস্টোন এগুলোকে শক্তি হিসেবে স্বীকার করেন এবং ডিসরায়েলি এগুলোকে অস্বীকার করেন বলেই জার্মানি বা ইতালি গড়ার মতো সমান্তরাল প্রশ্নগুলোতে একজন সঠিক পক্ষে এবং অন্যজন ভুল পক্ষে ছিলেন। আমি মনে করি স্লেভ গড়ার ক্ষেত্রেও এমনটাই হবে।
**[[জন রিচার্ড গ্রিন]] মিস স্টপফোর্ডকে লেখা চিঠি (২৩ ফেব্রুয়ারি ১৮৭৭), লেসলি স্টিফেনের ''লেটারস অফ জন রিচার্ড গ্রিন'' (১৯০১) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ৪৪৭
*আমার দেখা সবচেয়ে মহান রাষ্ট্রনায়ক।
**[[এডওয়ার্ড গ্রে, ফ্যালোডনের ১ম ভিসকাউন্ট গ্রে|এডওয়ার্ড গ্রে]], থমাস জোনসের ''আ ডায়েরি উইথ লেটারস, ১৯৩১–১৯৫০'' (১৯৫৪) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ২৩
*মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন সবসময় যে প্রতিভার জন্য সবচেয়ে বেশি বিখ্যাত হয়ে থাকবেন তা হলো একজন বাগ্মী এবং বিতার্কিকের প্রতিভা। তিনি সরাসরি হৃদয় থেকে কথা বলতেন। তিনি নিশ্চিত ছিলেন তার দর্শকরা যদি তার জানা বিষয়গুলো জানত, তবে তিনি যেমন অনুভব করেছিলেন তারাও তেমনি অনুভব করত। তিনি যেমন বিশ্বাস করেছিলেন তারাও তেমনি বিশ্বাস করত। এর চেয়েও বেশি কার্যকরী ছিল তার বিষয়ের প্রতি তিনি যে আবেগ ঢেলে দিয়েছিলেন এবং যে আন্তরিকতার সাথে তিনি তার কারণের পক্ষে আবেদন করেছিলেন। এর প্রভাব ছিল যাদের তিনি সম্বোধন করছিলেন তাদের মধ্যে অসাধারণ উদ্দীপনা জাগানো, তাদের আবেগে শিহরিত করা এবং তাদের মন্ত্রমুগ্ধ করে রাখা।
**[[w:এডওয়ার্ড ওয়াল্টার হ্যামিল্টন|এডওয়ার্ড ওয়াল্টার হ্যামিল্টন]], ''মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন: আ মনোগ্রাফ'' (১৮৯৮), পৃ. ১, ১৩-১৪
*তার রাজনৈতিক সাহস যত মহানই হোক না কেন, তার আরও উচ্চতর মানের সাহস ছিল—তার দৃঢ় বিশ্বাসের সাহস। তার কাছে অধিকারই ছিল শক্তি। তিনি যদি একবার নিজেকে একটি নির্দিষ্ট পথের সততা এবং ন্যায়বিচার সম্পর্কে নিশ্চিত করতে পারতেন, তবে তার নির্ভীকতা কোনো সীমা জানত না। এই দৃঢ় বিশ্বাস, যা প্রায় অকাট্যতার বোধের সমতুল্য ছিল, তা অন্যদের মধ্যেও বিশ্বাস জাগিয়ে তুলত। তিনি তার সহকর্মীদের ওপর এত বেশি প্রভাব বিস্তার করেছিলেন তার এটি অন্যতম প্রধান কারণ ছিল।
**[[w:এডওয়ার্ড ওয়াল্টার হ্যামিল্টন|এডওয়ার্ড ওয়াল্টার হ্যামিল্টন]], ''মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন: আ মনোগ্রাফ'' (১৮৯৮), পৃ. ২০, ২৪
*তিনি অস্ত্রশস্ত্রের পেছনে জনগণের অর্থের অযথা ব্যয় বলে মনে করতেন এবং এর জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করেছিলেন। একইভাবে ভূখণ্ড সংযুক্ত করার প্রতি তার গভীর অনীহা ছিল। এটি কারণ ছিল, তিনি অনুভব করেছিলেন একটি সরকার বিচক্ষণতার সাথে যে দায়িত্বগুলো গ্রহণ করতে পারে তার একটি সীমা ছিল। এমন একটি বিন্দু ছিল যেখানে প্রশাসনের শক্তি অতিরিক্ত চাপে পড়বে।
**[[w:এডওয়ার্ড ওয়াল্টার হ্যামিল্টন|এডওয়ার্ড ওয়াল্টার হ্যামিল্টন]], ''মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন: আ মনোগ্রাফ'' (১৮৯৮), পৃ. ৭৫-৭৬
*ধর্মই সেই গভীর উদ্দেশ্যগুলোকে অনুপ্রাণিত করেছিল যা তার আচরণকে পরিচালিত করেছিল। প্রকৃতপক্ষে, এটি তার ব্যক্তিগত এবং সেইসাথে জনসাধারণের সমগ্র জীবনকে প্রাণবন্ত করে তুলেছিল। এটি তার কাছে একটি দুর্দান্ত নিয়ন্ত্রক শক্তি এবং তার কাজগুলোর প্রধান নীতি ছিল। [[খ্রিস্টধর্ম|খ্রিস্টধর্মের]] সত্যতা তার কাছে সবচেয়ে নিশ্চিত বাস্তবতা ছিল। খ্রিষ্টের চার্চের সবচেয়ে বিশ্বস্ত প্রতিনিধি হিসেবে বিবেচনা করে, [[w:চার্চ অব ইংল্যান্ড|ইংলিশ চার্চের]] জীবন এবং লক্ষ্যের প্রতি তার দৃঢ় বিশ্বাস ছিল। তিনি ধর্মান্ধতা এবং সাম্প্রদায়িকতা থেকে মুক্ত ছিলেন। যেখানেই খ্রিস্টধর্মের মৌলিক মতবাদগুলো আন্তরিকভাবে ধারণ করা হতো, সেখানেই তিনি সমস্ত সম্প্রদায়ের সদস্যদের প্রতি তার সহানুভূতি প্রকাশ করতে প্রস্তুত ছিলেন। খুব কম সাধারণ মানুষই এত অধ্যবসায় এবং শ্রদ্ধার সাথে তাদের [[বাইবেল]] অধ্যয়ন করেছেন। খ্রিস্টধর্মের নৈতিক শিক্ষাগুলো কেবল মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন স্বীকার করেননি, বরং তিনি সেগুলো অনুশীলনও করেছিলেন। এই পেশার কারণে, অনুশীলনের দ্বারা অনুসৃত হয়ে তিনি অন্যায় ও নিষ্ঠুরতার প্রতি এমন অসহিষ্ণুতা, ভুক্তভোগী ও নিপীড়িতদের প্রতি এমন সহানুভূতি, শান্তি ও স্বাধীনতার প্রতি এমন ভালোবাসা প্রদর্শন করেছিলেন।
**[[w:এডওয়ার্ড ওয়াল্টার হ্যামিল্টন|এডওয়ার্ড ওয়াল্টার হ্যামিল্টন]], ''মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন: আ মনোগ্রাফ'' (১৮৯৮), পৃ. ১৫৪-১৫৮
*তিনি নিঃসন্দেহে উচ্চ নীতির দ্বারা অনুপ্রাণিত ছিলেন। এবং তিনি উচ্চ নীতির কাছে আবেদন করেছিলেন। স্বাধীনতা, সহনশীলতা এবং অগ্রগতির প্রচার, তার সহকর্মীদের ভাগ্যের উন্নয়ন, দুঃখকষ্টের উপশম, জাতির সম্পদগুলোর প্রজ্ঞাপূর্ণ ব্যবহার—সংক্ষেপে, আরও ভালো প্রশাসনের প্রচারই ছিল তার লক্ষ্য। মানুষের মধ্যে তিনি যা সবচেয়ে বেশি দেখতে চেয়েছিলেন তা হলো ''চরিত্র''; এবং ব্যবস্থায়, ''সমতা''।
**[[w:এডওয়ার্ড ওয়াল্টার হ্যামিল্টন|এডওয়ার্ড ওয়াল্টার হ্যামিল্টন]], ''মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন: আ মনোগ্রাফ'' (১৮৯৮), পৃ. ১৭৫-১৭৬
*ঈশ্বর তার মঙ্গল করুন! যে মহান কাজে তিনি হাত দিয়েছেন তা সম্পন্ন করার জন্য তাকে যেন বাঁচিয়ে রাখা হয়।
**[[কিয়ার হার্ডি]], ''আরড্রোসান অ্যান্ড সল্টকোটস হেরাল্ড'' (২৭ মে ১৮৮৭), পিটার জে. জ্যাগার (সম্পাদিত) এর ''গ্ল্যাডস্টোন'' (১৯৯৮) গ্রন্থে কেনেথ ও. মরগান, ‘গ্ল্যাডস্টোন, ওয়েলস অ্যান্ড দ্য নিউ র্যাডিক্যালিজম’-এ উদ্ধৃত, পৃ. ১২৩
*গ্ল্যাডস্টোনের কাজ [[সমাজতন্ত্র|সমাজতন্ত্রকে]] সম্ভব করেছে—না, সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রয়োজনীয়, অপরিহার্য পথিকৃৎ হয়েছে।
**[[কিয়ার হার্ডি]], ''লেবার লিডার'' (২৮ মে ১৮৯৮), পিটার জে. জ্যাগার (সম্পাদিত) এর ''গ্ল্যাডস্টোন'' (১৯৯৮) গ্রন্থে কেনেথ ও. মরগান, ‘গ্ল্যাডস্টোন, ওয়েলস অ্যান্ড দ্য নিউ র্যাডিক্যালিজম’ বইয়ে উদ্ধৃত, পৃ. ১২৩ এবং ডেভিড হাওয়েল, ''ব্রিটিশ ওয়ার্কারস অ্যান্ড দি ইন্ডিপেনডেন্ট লেবার পার্টি, ১৮৮৮–১৯০৬'' (১৯৮৪), পৃ. ৩৬৬
*গত বিশ বছরে ইংল্যান্ড জার্মান পথে ভ্রমণ করেছে। সমসাময়িক ইংরেজি সাহিত্যে [[অটো ফন বিসমার্ক|বিসমার্কের]] সহানুভূতিশীল আচরণের কোনো অভাব নেই। তবে তরুণ প্রজন্মের দ্বারা গ্ল্যাডস্টোনের নাম তার [[w:ভিক্টোরীয় নৈতিকতা|ভিক্টোরীয় নৈতিকতা]] এবং সরল কল্পনাবাদের ওপর কটাক্ষ ছাড়া খুব কমই উল্লেখ করা হয়, এর চেয়ে স্পষ্টভাবে সম্ভবত আর কিছুই এই পরিবর্তন দেখায় না।
**[[ফ্রিডরিখ হাইক]], ''[[দ্য রোড টু সার্ফডম]]'' (১৯৪৪), পৃ. ১৩৬
*আমার কাছে মনে হয় এই ধরনের সরল যুক্তিবাদিতার জন্য সবচেয়ে ভালো নাম হলো যুক্তিবাদী গঠনবাদ। কেউ যদি মনে করেন যে এই দৃষ্টিভঙ্গিকে 'গঠনবাদ' বলে চিহ্নিত করে আমি আবারও আমার বিরোধীদের কাছে একটি ভালো শব্দ তুলে দিচ্ছি, তবে আমি বলব যে এই শব্দটি ঊনবিংশ শতাব্দীর অন্যতম মহান উদারপন্থী ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোন ঠিক এই অর্থেই ব্যবহার করেছিলেন। তিনি এটিকে সেই মনোভাবের নাম হিসেবে ব্যবহার করেছিলেন যার জন্য অতীতে আমার কাছে 'প্রকৌশল ধরনের মন' এর চেয়ে ভালো কোনো শব্দ ছিল না।
**[[ফ্রিডরিখ হাইক]], 'কাইন্ডস অফ র্যাশনালিজম' (২৭ এপ্রিল ১৯৬৪), ''[[স্টাডিজ ইন ফিলোসফি, পলিটিকস অ্যান্ড ইকোনমিকস]]'' (১৯৬৭), পৃ. ৮৫
*সেই সময় ব্রিটেনে উদারনৈতিক আন্দোলনের প্রধান ব্যক্তিত্ব হিসেবে ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোনও আবির্ভূত হয়েছিলেন। তিনি প্রথমে চ্যান্সেলর অব দি এক্সচেকার এবং পরে লিবারেল প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ব্যাপকভাবে উদার নীতির জীবন্ত মূর্ত প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হন। বিশেষ করে ১৮৬৫ সালে পামারস্টনের মৃত্যুর পর পররাষ্ট্র নীতির ক্ষেত্রে [[জন ব্রাইট]] তার প্রধান সহযোগী ছিলেন। তার সাথে ব্রিটিশ উদারনীতির পুরোনো সম্পর্কটি শক্তিশালী নৈতিক ও ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গির সাথে পুনরায় পুনরুজ্জীবিত হয়েছিল।
**[[ফ্রিডরিখ হাইক]], ‘লিবারেলিজম’ (১৯৭৩), ''[[নিউ স্টাডিজ ইন ফিলোসফি, পলিটিকস, ইকোনমিকস অ্যান্ড দ্য হিস্ট্রি অফ আইডিয়াস]]'' (১৯৮৫), পৃ. ১২৯
*[গ্ল্যাডস্টোন] আধুনিক জ্ঞানালোকের সাথে একটি চিরস্থায়ী সততাকে তার মধ্যে একত্রিত করেছেন বলে মনে হয়েছিল।
**[[w:টিম হিলি (রাজনীতিবিদ)|টিম হিলি]], ই. এফ. বিয়াগিনির ''ব্রিটিশ ডেমোক্রেসি অ্যান্ড আইরিশ ন্যাশনালিজম, ১৮৭৬–১৯০৬'' (২০০৭) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ১৪৮
*মিস্টার গ্ল্যাডস্টোনের মৃত্যুর পর তার নিজের হাতে লেখা নিচের নোটটি পাওয়া যায়: "''অর্থায়নের নিয়ম'': (১) আপনার নিজের পথে অর্থ প্রদান করা; (২) আপনার ঋণ হ্রাস করা; (৩) অর্থনীতি অনুশীলন করা।"
**[[w:ফ্রান্সিস হার্স্ট|ফ্রান্সিস হার্স্ট]], ''প্রিন্সিপালস অফ প্রসপারিটি'' (১৯৪৪), পৃ. ১১১
*গ্ল্যাডস্টোনিয়ান নীতিকে [[ম্যাকিয়াভেলি|ম্যাকিয়াভেলি]] এবং [[অটো ফন বিসমার্ক|বিসমার্কের]] নীতি এবং প্রতিটি পররাষ্ট্র দপ্তরের অনুশীলনের বিপরীত হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা যেতে পারে। সেই অনুশীলন এই নীতির ওপর এগিয়ে যায় যে রাষ্ট্রের কারণগুলো সবকিছুকে সমর্থন করে। তাই '''গ্ল্যাডস্টোন এই নীতির ওপর এগিয়ে গিয়েছিলেন রাষ্ট্রের কারণগুলো এমন কোনো কিছুকে সমর্থন করে না যা মানুষের বিবেক দ্বারা ইতিমধ্যে সমর্থিত নয়।''' রাষ্ট্রনায়ক তার কাছে এমন একজন ব্যক্তি যিনি কেবল বৈষয়িক স্বার্থ নয়, তার দেশের সম্মান বজায় রাখার দায়িত্বও পালন করেন। তিনি বিশ্বের একজন নাগরিক কারণ তিনি তার জাতির প্রতিনিধিত্ব করেন, যা বিশ্ব সম্প্রদায়ের একটি সদস্য। তাকে অধিকার এবং কর্তব্যগুলোকে স্বীকৃতি দিতে হবে, ঠিক যেমন অন্য প্রতিটি মানব সংস্থার প্রতিটি প্রতিনিধিকে অধিকার এবং কর্তব্যগুলোকে স্বীকৃতি দিতে হবে। মানবিক বাধ্যবাধকতাগুলো শেষ হয়ে যাওয়ার বাইরে কোনো রেখা আঁকা নেই। এমন কোনো উপসাগর নেই যার ওপারে মানুষের দুর্ভোগের কথা শোনা যায় না, যার বাইরে গণহত্যা এবং নির্যাতন ঘৃণ্য হওয়া বন্ধ হয়ে যায়। আবারও একজন দেশপ্রেমিক হিসেবে, একজন মানুষের স্বীকৃতি দেওয়া উচিত যে একটি জাতি কেবল মানচিত্র লাল করে বা সমস্ত নজিরের বাইরে তার বাণিজ্য সম্প্রসারিত করেই মহান হয়ে উঠতে পারে না। বরং ন্যায়বিচারের চ্যাম্পিয়ন, নিপীড়িতদের সাহায্যকারী, স্বাধীনতার প্রতিষ্ঠিত বাড়ি হিসেবেও মহান হতে পারে। আফিম যুদ্ধের নিন্দা থেকে শুরু করে নিয়াপলিটান কারাগারগুলোর উন্মোচন পর্যন্ত, কনস্টান্টিনোপল গণহত্যার পর তার শেষ উপস্থিতি পর্যন্ত, এটিই ছিল সেই বার্তা যা গ্ল্যাডস্টোন জানাতে চেয়েছিলেন। তিনি তার সময়ের চেয়ে এগিয়ে ছিলেন। তিনি সর্বদা তার নিজের মন্ত্রিসভায় তার নীতি বজায় রাখতে সক্ষম হননি। এবং তার অবসরের পর বিশ্ব নিশ্চিতভাবে পুরোনো পথে ফিরে গেছে বলে মনে হয়েছিল।
**[[লিওনার্ড ট্রেলনি হবহোউস]], ''লিবারেলিজম'' (১৯১১), পৃ. ৪৫-৪৬
*যখন মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন উত্তরে গিয়েছিলেন, আপনার ভালো করেই মনে আছে যখন খবরের কাগজ থেকে শ্রমিকের কাছে খবর পৌঁছেছিল যে এটি খনি এবং কল, কারখানা এবং ওয়ার্কশপগুলোতে ছড়িয়ে পড়েছে। তারা সেই একমাত্র ব্রিটিশ মন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানাতে বেরিয়ে এসেছিল যিনি ইংরেজ জনগণকে একটি অধিকার দিয়েছিলেন কারণ তাদের এটি পাওয়া উচিত ছিল। তিনি যখন টাইন নদীর ধারে গিয়েছিলেন, তখন পুরো দেশ শুনেছিল যে কীভাবে বিশ মাইল তীর মানুষের দ্বারা সারিবদ্ধ ছিল যারা তাকে অভ্যর্থনা জানাতে এসেছিল। পুরুষরা চিমনির আগুনে দাঁড়িয়েছিল। কারখানার ছাদগুলো ভিড় ছিল। খনি শ্রমিকরা খনি থেকে উঠে এসেছিল। নারীরা তাদের সন্তানদের তীরে তুলে ধরেছিল যাতে পরবর্তী জীবনে বলা যেতে পারে যে তারা জনগণের চ্যান্সেলরকে যেতে দেখেছে। নদীটি জমির মতো ঢাকা পড়েছিল। যে লোকটি দাঁড় টানতে পারত সে মিস্টার গ্ল্যাডস্টোনকে উল্লাস জানাতে উঠে এসেছিল। লর্ড পামারস্টন যখন ব্র্যাডফোর্ডে গিয়েছিলেন, তখন রাস্তাগুলো শান্ত ছিল এবং শ্রমজীবী মানুষ নিজেদের ওপর নীরবতা আরোপ করেছিল। যখন মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন টাইন নদীতে উপস্থিত হয়েছিলেন তখন তিনি এমন উল্লাস শুনেছিলেন যা অন্য কোনো ইংরেজ মন্ত্রী কখনও শোনেননি। জনগণ তার প্রতি কৃতজ্ঞ ছিল। রুক্ষ খনি শ্রমিকরা যারা আগে কখনও কোনো জনসাধারণের মানুষের কাছে যায়নি, তারা হাজার হাজার সংখ্যায় তার গাড়ির চারপাশে ভিড় করেছিল। এবং মিস্টার গ্ল্যাডস্টোনের সাথে হাত মেলাতে একসাথে হাজার হাজার হাত প্রসারিত হয়েছিল।
**[[জর্জ হোলিওকে]], 'দ্য লিবারেল সিচুয়েশন, অর দ্য পার্লামেন্টারি ট্রিটমেন্ট অফ দ্য পিপল. ২.', ''নিউক্যাসেল উইকলি ক্রনিকল'' (১৮ মার্চ ১৮৬৫), পৃ. ৪, ইউজেনিও এফ. বিয়াগিনি এবং অ্যালাস্টেয়ার জে. রেইড (সম্পাদিত), ''কারেন্টস অফ র্যাডিক্যালিজম: পপুলার র্যাডিক্যালিজম, অর্গানাইজড লেবার অ্যান্ড পার্টি পলিটিকস ইন ব্রিটেন, ১৮৫০–১৯১৪'' (১৯৯১) গ্রন্থে ইউজেনিও এফ. বিয়াগিনির ‘পপুলার লিবারেলস, গ্ল্যাডস্টোনিয়ান ফাইন্যান্স অ্যান্ড দ্য ডিবেট অন ট্যাক্সেশন, ১৮৬০-১৮৭৪’-এ উদ্ধৃত, পৃ. ১৪২
*আমাদের মহান উদারপন্থী নেতা মিস্টার গ্ল্যাডস্টোনের প্রতি আমার গভীর বিশ্বাস আমাকে আমাদের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আরও বেশি নিরাপদ বোধ করায়। তিনি স্পষ্টতই নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিগুলোকে বিশ্বস্তভাবে রাখা এবং উদ্ধার করা প্রতিশ্রুতি হিসেবে বিবেচনা করেন।
**[[w:জর্জ হাওয়েল (ট্রেড ইউনিয়নবাদী)|জর্জ হাওয়েল]] থেকে [[w:এডমন্ড বিয়েলস|এডমন্ড বিয়েলস]] (১০ মার্চ ১৮৬৯), এফ. এম. লেভেন্থাল, ''রেসপেক্টেবল র্যাডিক্যাল: জর্জ হাওয়েল অ্যান্ড ভিক্টোরিয়ান ওয়ার্কিং ক্লাস পলিটিকস'' (১৯৭১) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ১১৫
* '''আপনি যদি সেই লোকটিকে কেবল তার শার্ট পরিয়ে একটি ময়দানে রেখে দেন, তবে সে যা খুশি তা-ই হয়ে উঠবে।'''
** [[টি. এইচ. হাক্সলি]], ''[[রবার্ট গ্যাসকোয়েন-সেসিল, ৩য় মার্কুইস অফ সালিসবারি|লর্ড রবার্ট সেসিলের]] গোল্ডফিল্ডস ডায়েরি,'' সম্পাদিত আর্নেস্ট স্কট (১৯৪৫) গ্রন্থে উদ্ধৃত
*গ্ল্যাডস্টোন খুব আকর্ষণীয়। তার শিষ্টাচার চরম। তার চোখ একজন প্রতিভাবান মানুষের। এবং তিনি যা বলছেন তার প্রতি তার আপাত আত্মসমর্পণ ত্রুটিহীন। তিনি আমার ওপর একটি দুর্দান্ত ছাপ ফেলেছিলেন। আমি এখানে যাকে দেখেছি তার চেয়ে বড়। যদিও এটি হয়তো আমার সরলতা এবং রাষ্ট্রনায়কদের সাথে অপরিচিতির কারণে হতে পারে।
**[[হেনরি জেমস]] উইলিয়াম জেমসকে লেখা চিঠি (২৯ মার্চ ১৮৭৭), ''দ্য কমপ্লিট লেটারস অফ হেনরি জেমস, ১৮৭৬–১৮৭৮, খণ্ড ১'', সম্পাদিত পিয়েরে এ. ওয়াকার এবং গ্রেগ ডব্লিউ. জাকারিয়াস (২০১২) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ৮৩
*তিনি জোর দিয়ে বলেছিলেন, এমন একটি বিশ্ব সম্প্রদায়ে ব্রিটিশদের অন্যান্য দেশের কাজগুলোকে ঈর্ষার চেয়ে বেশি বোঝার দৃষ্টিতে দেখা উচিত। মানব পরিবারকে নিজের দেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য একই মানদণ্ড দ্বারা বিচার করতে হবে। ব্রিটিশদেরও যুদ্ধকে একইভাবে দেখা উচিত। ফ্রন্টলাইনের অপর প্রান্তে তাদের মানব ভাইদের কী ঘটছে তা নিয়ে তাদের ''উদ্বিগ্ন'' হওয়া উচিত। মানব অভিজ্ঞতা এবং মানব মর্যাদার সার্বজনীনতার আসল অর্থটি তাদের অন্তরে গ্রহণ করা উচিত। ডালকিথের ফরেস্টারস হলে সমবেত নারীদের তিনি বলেছিলেন ব্রিটেনের বোঝাটি ছিল অনেক পাহাড় এবং উপত্যকাকে রক্তে ভাসিয়ে দেওয়ার ফলাফল। জুলুরা কেবল দেশপ্রেমিক ব্রিটিশদের মতোই কাজ করছিল, নিজেদের দেশ রক্ষা করছিল। আফগানিস্তানে, টোরিদের নির্বিচার আক্রমণ বন্য ধ্বংস ডেকে এনেছিল।
**রবার্ট কেলি, 'মিডলোথিয়ান: আ স্টাডি ইন পলিটিকস অ্যান্ড আইডিয়াস', ''ভিক্টোরিয়ান স্টাডিজ'', খণ্ড ৪, নং ২ (ডিসেম্বর ১৯৬০), পৃ. ১৩৬-১৩৭
*অবশ্যই একজন খ্রিস্টান ধর্মতত্ত্ববিদ কেবল এটাই বলবেন যে গ্ল্যাডস্টোন ভ্রাতৃত্বের পুরোনো বার্তাটি নতুন করে প্রচার করেছিলেন। তিনি ব্রিটিশদের একটি খ্রিস্টান পররাষ্ট্র নীতি দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। যাই হোক না কেন, গ্ল্যাডস্টোন গোষ্ঠীগত অনুভূতির ক্ষমতা সম্পর্কে গভীরভাবে উপলব্ধি করেছিলেন। কারণ তিনি কেবল এই জোর দিয়েই তার কাঙ্ক্ষিত সাড়া জাগানোর চেষ্টা করেছিলেন সমস্ত মানুষ একই সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত। তিনি প্রথমে অনুভব করেছিলেন জাগ্রত জাতিসত্তাগুলোর গোষ্ঠীগত অনুভূতিকে স্বায়ত্তশাসনে প্রকাশ করতে হবে। এবং তারপর যদি এই গোষ্ঠীগত অনুভূতিগুলো সমস্ত মানবজাতিকে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য প্রসারিত না হয় তবে সেগুলো অনিবার্যভাবে ঈর্ষা, অহংকার, বিদ্বেষ, আবেগ এবং যুদ্ধ ডেকে আনবে। যেমনটি তারা করেছিল। সার্বজনীনতা এবং অন্তর্ভুক্তি ছিল মূল কথা। তিনি সর্বদা একটি আন্তঃনির্ভরশীল সমগ্রের মধ্যে সমস্ত কিছুকে অন্তর্ভুক্ত করে বিশাল চিত্রটি উল্লেখ করে ব্যাখ্যা করতেন। এই কারণে, দেশে হোক বা বিদেশে, তার প্রতিপক্ষ সর্বদা সেই শ্রেণি বা সরকার ছিল যারা বাদ দেওয়ার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিল, যারা মানবজাতির ঐক্যকে অস্বীকার করেছিল।
**রবার্ট কেলি, 'মিডলোথিয়ান: আ স্টাডি ইন পলিটিকস অ্যান্ড আইডিয়াস', ''ভিক্টোরিয়ান স্টাডিজ'', খণ্ড ৪, নং ২ (ডিসেম্বর ১৯৬০), পৃ. ১৪০
* '''গ্ল্যাডস্টোনের হাতায় সবসময় তুরুপের তাস থাকার ব্যাপারে আমার কোনো আপত্তি নেই। তবে সর্বশক্তিমান সেটি সেখানে রেখেছেন বলে তার বিশ্বাসের প্রতি আমার আপত্তি আছে।'''
** [[w:হেনরি ল্যাবউচেরে|হেনরি ল্যাবউচেরে]], [[w:হেসকেথ পিয়ারসন|হেসকেথ পিয়ারসনের]] ''লাইভস অফ দ্য উইটস'' (১৯৬২) গ্রন্থে উদ্ধৃত
*মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন আমার পরিচিত যেকোনো রাজনীতিবিদের চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা ছিলেন। তিনি যাদের সাথে কাজ করতেন তাদের বেশিরভাগের চেয়ে বয়সে অনেক বড় ছিলেন। কিন্তু শরীর, আত্মা এবং চেতনায় সবচেয়ে কনিষ্ঠ ছিলেন। আমি এখন তার কণ্ঠস্বর শুনতে পাচ্ছি এবং তাকে দেখতে পাচ্ছি। যদিও আমি যা লিখব তার কোনো কিছুই একজন পাঠকের কাছে তার কথার অসাধারণ আবেগগত প্রভাব পৌঁছে দেবে না। কেবল [‘অনুপ্রাণিত’] শব্দটিই আঠারো বছর বয়সী সেই ছেলেটির মনে রেখে যাওয়া ছাপটি দেয় যে তার কথা শুনছিল।
**[[জর্জ ল্যান্সবারি]], ''লুকিং ব্যাকওয়ার্ডস—অ্যান্ড ফরওয়ার্ডস'' (১৯৩৭), পৃ. ৮৫
*বছরের পর বছর ধরে আমি মিস্টার গ্ল্যাডস্টোনের রাজনৈতিক তীর্থে উপাসনা করেছি।
**[[w:জর্জ ল্যান্সবারি|জর্জ ল্যান্সবারি]], ''মাই লাইফ'' (১৯৩৮), পৃ. ৮৬
* সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ চ্যান্সেলর।
** [[w:নাইজেল লসন|নাইজেল লসন]], ''দ্য ভিউ ফ্রম নং ১১: মেমোয়ারস অফ আ টোরি র্যাডিক্যাল'' (১৯৯২), পৃ. ২৭৯
*গ্ল্যাডস্টোন গরিবদের অসুবিধা বুঝতে পারেননি, কিন্তু ডিসরায়েলি পেরেছিলেন। গ্ল্যাডস্টোন সাধারণ মানুষের স্তরে নেমে আসতে পারেননি। সেটাই ছিল তার সমস্যা।
**[[ডেভিড লয়েড জর্জ|ডেভিড লয়েড জর্জের]] [[w:এ. জে. সিলভেস্টার|এ. জে. সিলভেস্টারের]] কাছে মন্তব্য, যেমনটি সিলভেস্টারের ডায়েরিতে উল্লেখ করা হয়েছে (১৮ এপ্রিল ১৯৩৩), এ. জে. সিলভেস্টারের ''লাইফ উইথ লয়েড জর্জ: দ্য ডায়েরি অফ এ. জে. সিলভেস্টার ১৯৩১-৪৫'', সম্পাদিত কলিন ক্রস (১৯৭৫) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ৯৫
*[ডেভিড লয়েড জর্জ] গ্ল্যাডস্টোনের কথা বলেছিলেন। এবং তিনি [লয়েড জর্জ] কীভাবে হাউস অফ কমন্সে তার খুব শুরুর দিকে ক্লার্জি ডিসিপ্লিন বিলে তাকে আক্রমণ করেছিলেন তা বলেছিলেন। পরে যখন তিনি [লয়েড জর্জ] ওয়েলসে গিয়েছিলেন এবং গ্ল্যাডস্টোনের ওপর তার আক্রমণের জন্য আরও উপযুক্ত লোকেরা তাকে তিরস্কার করেছিল, তখন তিনি বলেছিলেন: 'আমি আপনাদের সেই একই উত্তর দিচ্ছি যা ক্রোমওয়েল দিয়েছিলেন, "আমি যদি যুদ্ধে রাজার সাথে দেখা করি, তবে আমি তাকে লক্ষ্য করে আমার পিস্তল ছুঁড়ব"।' [লয়েড জর্জ] বলেছেন তিনি মনে করেন একজন চার্চম্যান হিসেবে গ্ল্যাডস্টোনের [[w:ইংলিশ ডিসেন্টার|ডিসেন্টারদের]] প্রতি মৌলিক অপছন্দ ছিল। 'আমি তাকে প্রশংসা করি, কিন্তু আমি তাকে কখনও পছন্দ করিনি', সর্বদা [লয়েড জর্জের] যোগ্য মন্তব্য।
**[[ডেভিড লয়েড জর্জ|ডেভিড লয়েড জর্জের]] [[w:ফ্রান্সিস স্টিভেনসন|ফ্রান্সিস স্টিভেনসনের]] কাছে মন্তব্য, যেমনটি স্টিভেনসনের ডায়েরিতে উল্লেখ করা হয়েছে (১৬ নভেম্বর ১৯৩৪), ফ্রান্সিস স্টিভেনসনের ''লয়েড জর্জ: আ ডায়েরি'', সম্পাদিত এ. জে. পি. টেলর (১৯৭১) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ২৯১
*হাউস অফ কমন্সে আমার সদস্যপদের প্রথম চার বছর গ্ল্যাডস্টোন আমার নেতা ছিলেন, এটি আমার অহংকার। ব্রিটিশ রাজনীতিতে গ্ল্যাডস্টোন ছিলেন সবচেয়ে মহান এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব। সেই বৃদ্ধ মানুষের স্মৃতি, চরিত্র, অর্জন এবং অনুপ্রেরণার একটি গৌরবময় পুনরুত্থান হবে। তিনি যে মতবাদগুলোতে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন, তা আমরা আজ ব্যাপকভাবে অবহেলা করার ফলে ভুগছি। তা হলো শান্তির মতবাদ।
**[[ডেভিড লয়েড জর্জ|ডেভিড লয়েড জর্জের]] [[w:এ. জে. সিলভেস্টার|এ. জে. সিলভেস্টারের]] কাছে মন্তব্য, যেমনটি সিলভেস্টারের ডায়েরিতে উল্লেখ করা হয়েছে (২৪ এপ্রিল ১৯৪০), এ. জে. সিলভেস্টারের ''লাইফ উইথ লয়েড জর্জ: দ্য ডায়েরি অফ এ. জে. সিলভেস্টার ১৯৩১-৪৫'', সম্পাদিত কলিন ক্রস (১৯৭৫) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ২৫৭
=== এম–জেড ===
* '''তার এমন এক ধরনের ভাষার ওপর বিশাল দখল রয়েছে যা গম্ভীর এবং রাজকীয়। কিন্তু এর অর্থ অস্পষ্ট এবং অনিশ্চিত। একজন দর্শকের জন্য এই ক্ষমতাটি সবচেয়ে বিপজ্জনক।'''
** [[থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকলে, ১ম ব্যারন ম্যাকলে|থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকলে]], "গ্ল্যাডস্টোন অন চার্চ অ্যান্ড স্টেট," ''এডিনবার্গ রিভিউ'' (এপ্রিল ১৮৩৯)
*যে মানুষটি প্রায় ত্রিশ বছর ধরে উদারনীতিবাদের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তিনি অবসর নিয়েছিলেন। রাজনীতি তাকে আর চিনতে পারেনি। উদারনীতিবাদের এই ক্ষতি পর্যাপ্তভাবে পরিমাপ করা অসম্ভব। এই মুহূর্তে আমরা তিনি উদারনীতিবাদের জন্য যা করেছেন তার কোনো চূড়ান্ত বিচার করার চেষ্টাও করতে পারি না। কেবল আমরা বলতে পারি যে ইংল্যান্ডের সমস্ত মহান রাষ্ট্রনায়কদের মধ্যে এমন কেউ নেই যিনি অন্যায্য সুযোগ-সুবিধা ধ্বংস করতে এবং জনগণের জন্য তাদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে তার মতো এতটা অর্জন করেছেন। আমরা কি এর চেয়ে বেশি কিছু বলতে পারি? মানুষের একজন শাসকের পক্ষে এর চেয়ে মহৎ বা বৃহত্তর কোনো রেকর্ড রেখে যাওয়া কি সম্ভব? সম্ভবত নেতা চলে যাওয়ার পরই আমরা কেবল দেখতে পাচ্ছি যে তিনি জাতির জীবনে কতটা কমান্ডিং স্থান দখল করেছিলেন এবং তার অবসরের ফলে অগ্রগতির কারণ কতটা ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে।
**[[w:ফিলিপ জেমস ম্যাকডোনেল|ফিলিপ জেমস ম্যাকডোনেল]], ‘দ্য হিস্টোরিক বেসিস অফ লিবারেলিজম’, ''এসেস ইন লিবারেলিজম বাই সিক্স অক্সফোর্ড মেন'' (১৮৯৭) গ্রন্থে, পৃ. ২৬৬–২৬৭
*মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন একেবারে অনন্য ব্যক্তিত্বের অধিকারী ছিলেন। তার অঙ্গভঙ্গি, বিতর্কে তার বিস্ময়কর দক্ষতা, গভীরতম আবেগ নাড়া দেওয়ার তার ক্ষমতা, তার একনিষ্ঠতার ধারণা, সঠিক কাজ করার আকাঙ্ক্ষা এবং ঈশ্বরের সামনে একটি ভালো বিবেক বজায় রাখার আকাঙ্ক্ষা। এই সবই হাউস অফ কমন্সে তাকে একটি মহান নৈতিক এবং বৌদ্ধিক প্রভাব হিসেবে গড়ে তুলতে একসাথে কাজ করেছিল। এটি এমন একটি সত্য যা নিয়ে প্রতিটি সদস্য তাদের ধর্ম বা দল নির্বিশেষে যথাযথভাবেই গর্বিত ছিলেন। আমি তখন মানুষের উপাসক ছিলাম না এবং এখনও নই। কিন্তু আচরণ এবং যোগ্যতায় খুব বিনয়ী পদমর্যাদার ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রায়শই ব্যবহৃত "মহান মানুষ" অভিব্যক্তিটি আমার বিচারে প্রধানত মিস্টার গ্ল্যাডস্টোনের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। তিনি আমাদের সাথে থাকা অবস্থায় তার এই উপাধির দাবি তার সমর্থকরা যতটা দ্বিধাহীনভাবে স্বীকার করেছিলেন, তার রাজনৈতিক বিরোধীরাও ঠিক ততটাই স্বীকার করেছিলেন।
**[[w:জে. জি. সুইফট ম্যাকনিল|জে. জি. সুইফট ম্যাকনিল]], ''হোয়াট আই হ্যাভ সিন অ্যান্ড হার্ড'' (১৯২৫), পৃ. ২৪৪–২৪৫
*মহান ইংরেজ [[হোরেশিও নেলসন|নেলসন]], [[পার্সি বিশি শেলি|শেলি]], গ্ল্যাডস্টোনের মতো কোনো মানুষের দল কখনও এতটা "অ-ইংরেজ" ছিল না। তারা যুদ্ধে, সাহিত্যে, ব্যবহারিক বিষয়ে সর্বোচ্চ ছিলেন। তবুও তাদের শক্তির বৈশিষ্ট্যগুলোতে কোনো প্রমাণ ছিল না যে তাদের মধ্যে ইংরেজ রক্তের গুণাবলী রয়েছে। তবে সাধারণ স্টক থেকে এ ধরনের বিভ্রান্তিকর বৈচিত্র্যের নেতৃত্ব মেনে নেওয়ার ক্ষেত্রে ইংরেজ কেবল মহাবিশ্বের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করার পরিবর্তে এটিকে মেনে নেওয়ার তার সাধারণ ক্ষমতাই প্রদর্শন করছে।
** [[w:চার্লস মাস্টারম্যান|সি. এফ. জি. মাস্টারম্যান]], ''দ্য কন্ডিশন অফ ইংল্যান্ড'' (১৯০৯)
*১৮৮০ সালের মার্চ মাসে তিনি প্রকৃত নির্বাচনী লড়াইয়ের জন্য ফিরে আসেন। ভিড় করা হলে, অস্বস্তিকর, আবছা আলোয় তিনি খনি শ্রমিকদের এবং অন্যান্য শ্রমিকদের মন্ত্রমুগ্ধ করে রেখেছিলেন, যারা অনুসারীদের মতো আনুগত্য নিয়ে তার কথা শুনতে এসেছিল। গ্ল্যাডস্টোনের সেই ভাবমূর্তি যা তখন জনপ্রিয় মনে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। তিনি ছিলেন বাগ্মী, ধার্মিক নবী, স্বাধীনতা এবং ন্যায়বিচারের বন্ধু। তার মৃত্যুর পর দীর্ঘকাল এটি টিকে ছিল এবং এটি প্রায়শই তার প্রতিভাবান সহকর্মীদের পুরো দল এবং দলের সমস্ত নীতিমালার চেয়ে বেশি শক্তিশালী ছিল। [[w:১৯৫৫ সালের যুক্তরাজ্যের সাধারণ নির্বাচন|১৯৫৫ সালে]] শটল্যান্ডের একজন বৃদ্ধা কনজারভেটিভদের ভোট দেওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন। কিন্তু মানিব্যাগের জন্য বাড়ি ফিরে তিনি তার বাবার মিস্টার গ্ল্যাডস্টোনের ছবি দেখেন এবং [[জো গ্রিমন্ড|মিস্টার গ্রিমন্ডকে]] ভোট দিতে কেন্দ্রে যান।
**[[w:আর. বি. ম্যাকক্যালাম|আর. বি. ম্যাকক্যালাম]], ''দ্য লিবারেল পার্টি ফ্রম আর্ল গ্রে টু অ্যাসকুইথ'' (১৯৬৩), পৃ. ৯০ + টীকা ১
*আমি মনে করি এটি আমি ধরে নিতে পারি যে মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন হলেন রানি ভিক্টোরিয়ার রাজত্বকালে আবির্ভূত সবচেয়ে মহান ইংরেজ রাষ্ট্রনায়ক। এটি প্রকৃতপক্ষে আমার কাছে একটি বাস্তব সত্য বলে মনে হয় এবং কোনো সমালোচনার বিষয় নয়।
**[[w:জাস্টিন হান্টলি ম্যাকার্থি|জাস্টিন হান্টলি ম্যাকার্থি]], ''দ্য স্টোরি অফ গ্ল্যাডস্টোনস লাইফ'' (১৮৯৮), পৃ. ১
*মিস্টার গ্ল্যাডস্টোনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে (উল্লাস)। আন্তরিকতার প্রশ্নে তাকে নিয়ে কথা বলে কী লাভ? (উল্লাস)। তার সরকারি জীবনের প্রতিটি বছর একগুচ্ছ ব্যবস্থার দ্বারা চিহ্নিত ছিল। কোনো বছরই সেগুলো ছাড়া ছিল না। কিছু বড়, কিছু ছোট, কিন্তু সবগুলোই জনগণের মঙ্গলের লক্ষ্যে ছিল। এই দেশের মানুষের মঙ্গলের জন্য এবং বিশেষ করে দরিদ্র শ্রেণির জন্য ছিল। এই ব্যবস্থাগুলো এমনকি তাকে প্রস্তাবও করা হয়নি। সেগুলো ছিল তার নিজের মন, ইচ্ছা এবং উদ্দেশ্যের ফসল। তার দেশবাসীর কাছে তার কাছ থেকে অবাধ উপহার, যা প্রস্তাবিত বা নির্দেশিত হয়নি। (জোরে উল্লাস)... গ্ল্যাডস্টোনকে এমন প্রথম রাষ্ট্রনায়ক বলে মনে হয়েছিল যিনি একটি মহান আধুনিক রাষ্ট্রনায়কের ধারণার কাছাকাছি এসেছিলেন। ... আমরা যদি তার পাশে না দাঁড়াই...তাহলে আমাদের একইভাবে সেবা করার মতো কাউকে আমরা সহজে খুঁজে পাব না। (জোরে উল্লাস)।
**[[জন স্টুয়ার্ট মিল]], ওয়েস্টমিনস্টার রিফর্ম সভায় দেওয়া ভাষণ, ''দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফে'' (১৩ এপ্রিল ১৮৬৬) রিপোর্ট করা হয়েছে, জন ভিনসেন্টের ''দ্য ফরমেশন অফ দ্য ব্রিটিশ লিবারেল পার্টি, ১৮৫৭–১৮৬৮'' [১৯৬৬] (১৯৭২) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ১৯৪
*উদারপন্থী দলের কথা বলছেন? এটা তো মিস্টার জি-কে নিয়ে গঠিত। তার পর এর অস্তিত্ব বিলুপ্ত হবে এবং সব বিশৃঙ্খলা দেখা দেবে।
**[[জন মর্লি]], স্যার এডওয়ার্ড হ্যামিল্টনের ডায়েরিতে (১৩ জানুয়ারি ১৮৯১) উদ্ধৃত, ডি. এ. হামারের ''লিবারেল পলিটিকস ইন দি এজ অফ গ্ল্যাডস্টোন অ্যান্ড রোজবেরি: আ স্টাডি ইন লিডারশিপ অ্যান্ড পলিসি'' (১৯৭২) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ১৪১
*[১৮৬৮ সালের] ১ ডিসেম্বরের বিকেলে তিনি হাওয়ার্ডেনে উইন্ডসরের বার্তাটি পেয়েছিলেন। মিস্টার [[w:এভলিন অ্যাশলে|এভলিন অ্যাশলে]] বলেন, "আমি তার কোটটি আমার বাহুতে নিয়ে তার পাশে দাঁড়িয়েছিলাম, যখন তিনি শার্টের হাতায় একটি গাছ কাটার জন্য কুঠার চালাচ্ছিলেন। একজন টেলিগ্রাম বার্তা বাহক এলো। তিনি টেলিগ্রামটি নিলেন, খুললেন এবং পড়লেন। তারপর আমার হাতে দিলেন এবং কেবল দুটি শব্দ বললেন, 'খুব তাৎপর্যপূর্ণ,' এবং সাথে সাথে তার কাজ আবার শুরু করলেন। বার্তাটিতে কেবল বলা হয়েছিল যে জেনারেল গ্রে সেদিন সন্ধ্যায় উইন্ডসর থেকে আসবেন। এর অর্থ অবশ্যই ছিল যে রানির কাছ থেকে মিস্টার গ্ল্যাডস্টোনকে তার প্রথম সরকার গঠনের দায়িত্ব দিয়ে একটি নির্দেশ আসছিল... কয়েক মিনিট পর আঘাত করা বন্ধ হলো এবং মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন তার কুঠারের হাতলে বিশ্রাম নিয়ে উপরে তাকালেন। তার কণ্ঠস্বরে গভীর আন্তরিকতা এবং চেহারায় প্রচণ্ড তীব্রতার সাথে তিনি চিৎকার করে বললেন, ‘'''আয়ারল্যান্ডকে শান্ত করাই আমার মিশন।'''’ তারপর তিনি তার কাজ আবার শুরু করলেন এবং গাছটি নিচে না পড়া পর্যন্ত আর একটি কথাও বললেন না।"
**[[জন মর্লি]], ''দ্য লাইফ অফ উইলিয়াম এওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন, খণ্ড ২ (১৮৫৯-১৮৮০)'' (১৯০৩), পৃ. ২৫২
*তিনি প্রায়শই পর্যবেক্ষকের কাছে "অধিকৃত" বলে মনে হতেন। তিনি যদি খুব ভালো মানুষ না হতেন, তবে তিনি খুব খারাপ মানুষ হতেন।
**[[w:জে. এইচ. মরগান|জে. এইচ. মরগান]], ''[[জন মর্লি, ব্ল্যাকবার্নের ১ম ভিসকাউন্ট মর্লি|জন ভিসকাউন্ট মর্লি]] অ্যান অ্যাপ্রিসিয়েশন অ্যান্ড সাম রেমিনিসেন্সেস'', ১৯২৪, পৃ. ১৪৩
*আমি বলেছিলাম যে মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন আয়ারল্যান্ড সম্পর্কে ভালো জানেন, এবং যোগ করেছিলাম, “আমার সময়ে আয়ারল্যান্ডের জন্য যা কিছু করা হয়েছে তার প্রায় সবই মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন করেছেন—গ্ল্যাডস্টোন ''যোগ'' [[w:ফেনিয়ান|ফেনিয়ানবাদ]], এবং ''যোগ'' আপনি।”
**[[w:রিচার্ড ব্যারি ও'ব্রায়েন|রিচার্ড ব্যারি ও'ব্রায়েন]], [[চার্লস স্টুয়ার্ট পার্নেল|চার্লস স্টুয়ার্ট পার্নেলের]] কাছে মন্তব্য, রিচার্ড ব্যারি ও'ব্রায়েনের ''দ্য লাইফ অফ চার্লস স্টুয়ার্ট পার্নেল, ১৮৪৬-১৮৯১, খণ্ড ২'' (১৮৯৮) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ৩৩৫–৩৩৬
*এই প্রজন্মের মানুষ তাকে হাউস অফ কমন্সের সবচেয়ে মহান সংসদ সদস্য হিসেবে স্থান দিতে একমত হবেন।
**[[w:টি. পি. ও'কনর|টি. পি. ও'কনর]], ''ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোন, স্টেটসম্যান, ওরেটর, স্কলার অ্যান্ড থিওলজিয়ান'' (১৯০৮), ডেভিড বেবিংটন এবং রজার সুইফট (সম্পাদিত), ''গ্ল্যাডস্টোন সেন্টেনারি এসেস'' (২০০০) গ্রন্থে অ্যালান ও'ডে, ‘গ্ল্যাডস্টোন অ্যান্ড আইরিশ ন্যাশনালিজম’-এ উদ্ধৃত, পৃ. ১৭১
*তাহলে তিনি এমনটিই ছিলেন। তার প্রতিটি গুণাবলীতে একটি বিস্ময় এবং একটি লক্ষণ। তার বিশাল বৌদ্ধিক ক্ষমতায়, তার অদম্য সাহসে, তার অবিরাম শক্তিতে, তার প্রচণ্ড শারীরিক কার্যকলাপ এবং শক্তিতে, তার রাজনৈতিক আবেগের তীব্রতা এবং উদ্দীপনায়, তার উদ্দেশ্যের দৃঢ়তা এবং ঝড়ে তিনি একজন একক এবং নির্জন মানুষের চেয়ে একটি মূর্ত ঘূর্ণিঝড়ের মতো ছিলেন, যা তার সময়ের মধ্য দিয়ে প্রবল, অপ্রতিরোধ্য, নির্দয়ভাবে ছুটে চলছিল। এবং যে মানুষটি তাকে ভালোবেসে বা ঘৃণা করে দেখেছে এবং জেনেছে, সে নিজেকে বলতে পারে যে এই পৃথিবীতে আমরা আর কখনও তার মতো কাউকে দেখতে পাব না।
**[[w:টি. পি. ও'কনর|টি. পি. ও'কনর]], ''ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোন, স্টেটসম্যান, ওরেটর, স্কলার অ্যান্ড থিওলজিয়ান'' (১৯০৮), ডেভিড বেবিংটন এবং রজার সুইফট (সম্পাদিত), ''গ্ল্যাডস্টোন সেন্টেনারি এসেস'' (২০০০) গ্রন্থে অ্যালান ও'ডে, ‘গ্ল্যাডস্টোন অ্যান্ড আইরিশ ন্যাশনালিজম’-এ উদ্ধৃত, পৃ. ১৭১
*গ্ল্যাডস্টোন শীঘ্রই তার নিজের পথ পেয়ে যাবেন। আর যখনই তিনি আমার জায়গা পাবেন, আমাদের অদ্ভুত ঘটনা ঘটবে... তিনি একজন বিপজ্জনক মানুষ, তাকে অক্সফোর্ডে রাখুন, এবং তিনি আংশিকভাবে মুখবন্ধ থাকবেন। কিন্তু তাকে অন্য কোথাও পাঠান, এবং তিনি বন্য হয়ে ছুটবেন।
** [[হেনরি টেম্পল, ৩য় ভিসকাউন্ট পামারস্টন|লর্ড পামারস্টন]], সংসদের বিলুপ্তির সময় লর্ড শাফটসবারির কাছে মন্তব্য (জুলাই ১৮৬৫), ই. হডারের ''দ্য লাইফ অ্যান্ড ওয়ার্ক অফ দ্য সেভেনথ আর্ল অফ শাফটসবারি, খণ্ড ৩'' (১৮৮৬) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ১৮৭–১৮৮
* এই চিঠিগুলো যেমনটি দেখায়, যে মানুষটিকে [[জন ডালবার্গ-অ্যাক্টন, ১ম ব্যারন অ্যাক্টন|লর্ড অ্যাক্টন]] অন্য সবার চেয়ে বেশি সম্মান করতেন এবং শ্রদ্ধা করতেন তিনি হলেন মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন। মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন তার বৈশিষ্ট্যমূলক বিনয়ের সাথে সর্বদা ঐতিহাসিক বিষয়ে লর্ড অ্যাক্টনের বিচারের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করতেন। অন্যদিকে, লর্ড অ্যাক্টন, যিনি অত্যন্ত অতি-সমালোচক ছিলেন এবং বীর-উপাসনার ঠিক বিপরীত ছিলেন। যদি কখনও কোনো প্রতিমা ধ্বংসকারী থেকে থাকেন, তবে তিনি মিস্টার গ্ল্যাডস্টোনকে জীবিত বা মৃত প্রথম ইংরেজ রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে বিবেচনা করতেন।
** [[w:হার্বার্ট পল|হার্বার্ট পল]], পরিচায়ক স্মৃতিচারণ, ''লেটারস অফ লর্ড অ্যাক্টন টু মেরি, ডটার অফ দ্য রাইট অনারেবল ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোন'' (১৯০৪) [https://books.google.com/books?id=nV0wAAAAIAAJ&pg=PR60 পৃ. ৬০]
*আপনি সম্ভবত শুনেছেন আমরা ট্যারিফের বিষয়ে আলোচনা শেষ করেছি। আমি আপনার ছেলের অর্জিত পার্থক্যের জন্য, যে পদ্ধতিতে তিনি সেই আলোচনাগুলোতে এবং অফিসে নিয়োগের পর থেকে অন্যান্য সমস্ত আলোচনায় নিজেকে পরিচালিত করেছেন, তার জন্য আপনাকে আন্তরিকভাবে অভিনন্দন জানানোর প্রলোভন থেকে নিজেকে আটকাতে পারছি না, তা শুধু আমার নিজের অনুভূতির তৃপ্তির জন্যই হোক না কেন। সংসদের ইতিহাসে কখনও সক্ষমতা, বিস্তৃত জ্ঞান, মেজাজ এবং বিচক্ষণতার এমন প্রশংসনীয় সংমিশ্রণ প্রদর্শিত হয়নি। আপনার ছেলে যে বৌদ্ধিক প্রচেষ্টা করেছেন তার স্বাভাবিক এবং ন্যায়সঙ্গত সাফল্যের দ্বারা আপনার পিতৃসুলভ অনুভূতিগুলো সর্বোচ্চ মাত্রায় তৃপ্ত হতে হবে। এবং একজন বাবা হিসেবে আপনি অত্যন্ত আনন্দিত হবেন এই ভেবে যে, তার ক্ষেত্রে এ ধরনের প্রচেষ্টা করার ক্ষমতা হৃদয়ের পবিত্রতা এবং আচরণের সততার সাথে মিলিত হয়েছে।
**[[রবার্ট পিল]] [[w:স্যার জন গ্ল্যাডস্টোন, ১ম ব্যারোনেট|জন গ্ল্যাডস্টোনকে]] লেখা চিঠি (১৬ জুন ১৮৪২), জন মর্লির ''দ্য লাইফ অফ উইলিয়াম এওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন, খণ্ড ১'' (১৯০৩) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ২৫৭
*একবার মধ্যাহ্নভোজে গ্ল্যাডস্টোন তরুণ প্রজন্মের ওপর এক তীব্র আক্রমণে মেতে উঠেছিলেন। তিনি [[ধ্রুপদী প্রাচীনত্ব|ধ্রুপদী সাহিত্য]] সম্পর্কে তাদের সমস্ত জ্ঞানের অভাবের ওপর অবজ্ঞা বর্ষণ করেছিলেন। এবং তার বিষয়টি বোঝাতে এবং এখনকার শোচনীয় অজ্ঞতা দেখাতে তিনি হঠাৎ আমার দিকে ফিরলেন। আমার বয়স তখন তেরো এবং আমি [[w:ইটন কলেজ|ইটনে]] ছিলাম। কিন্তু ধ্রুপদী সাহিত্য সম্পর্কে আমার জ্ঞান শূন্য ছিল। তিনি আমাকে [[হোরেস|হোরেসের]] একটি উদ্ধৃতিতে কোনো শব্দাংশের পরিমাণ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছিলেন। আমি কখনও উদ্ধৃতিটি শুনিনি এবং এটি দীর্ঘ বা ছোট সে সম্পর্কে আমার কোনো ধারণা ছিল না। কিন্তু যেহেতু আমার কাছ থেকে স্পষ্টতই কিছু বলার আশা করা হয়েছিল তাই আমি বললাম "দীর্ঘ"। তিনি টেবিলে আঘাত করলেন এবং বিজয়ের সুরে চিৎকার করে উঠলেন, "সবাই তা-ই বলে", এবং আমার মনে হলো যেন আমি ভুল করে কোনো বিজয়ীকে সমর্থন করেছি। তারপর তিনি তার মহিমান্বিত ভঙ্গিতে চালিয়ে গেলেন, "তবে এটি ভুল, সম্পূর্ণ ভুল; এটি ছোট, দীর্ঘ নয়।" এবং এর জন্য খুব জোরালো কারণ দেওয়ার পর তিনি এগিয়ে গেলেন: "পরের বার যখন আপনি হোরেসের [[ওডস (হোরেস)|ওডস]] করবেন, তখন আপনি উঠে দাঁড়িয়ে মাস্টারকে জিজ্ঞাসা করবেন এটি ছোট নাকি দীর্ঘ। এবং তিনি যখন উত্তর দেবেন, যেমনটি তিনি নিঃসন্দেহে দেবেন, যে এটি দীর্ঘ, তখন আপনি বলবেন "না, স্যার, আপনি ভুল।" এবং আমি এইমাত্র যে কারণগুলো দিয়েছি তা আপনি পুনরাবৃত্তি করবেন।" আমি নিজেকে তেরো বছরের এক ফ্যাকাশে যুবক হিসেবে দেখতে পাচ্ছিলাম, যে দাঁড়িয়ে আছে এবং ধ্রুপদী মাস্টারের জন্য একটি ফাঁদ পাতছে, এবং তারপর ব্যাখ্যার জগাখিচুড়ি তৈরি করছে। আমি বেশ অনিবার্য ফলাফলটিও আগে থেকে দেখতে পাচ্ছিলাম, যা ধৃষ্টতার জন্য একটি উত্তম প্রহার হবে। আমি কখনই তার পরামর্শটি পালন করিনি।
**[[w:ফ্রেডেরিক পনসনবি, ১ম ব্যারন সিসনবি|ফ্রেডেরিক পনসনবি]], ''রেকালেকশনস অফ থ্রি রেইনস'' (১৯৫১), পৃ. ৩-৪
*দুর্গত ও নিপীড়িত জাতিগুলোর পক্ষে মিস্টার গ্ল্যাডস্টোনের দীর্ঘ ও উদ্যমী প্রচেষ্টা দেখায় যে তার মহান উপহারগুলো কেবল তার নিজের দেশবাসীর জন্যই নয়, সাধারণ মানবতার জন্যও একচেটিয়াভাবে ব্যবহৃত হয়নি।
**[[w:জর্জ পটার (ট্রেড ইউনিয়নবাদী)|জর্জ পটার]], ''লাইফ অফ ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোন'' (১৮৮৫), ই. এফ. বিয়াগিনির ''ব্রিটিশ ডেমোক্রেসি অ্যান্ড আইরিশ ন্যাশনালিজম, ১৮৭৬–১৯০৬'' (২০০৭) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ৩৯
*বিনা পরিশ্রমে—আমার কাছে এমনটিই মনে হয়েছিল—মহান বাগ্মী তার দর্শকদের প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে ধরে রেখেছিলেন। আমি এত দূরে দাঁড়িয়েছিলাম যে বৈশিষ্ট্যগুলো অস্পষ্ট ছিল, কিন্তু বিস্ময়কর কণ্ঠস্বরের সুর এবং চুম্বকত্বে মন্ত্রমুগ্ধ হয়েছিলাম। আমি আগে কখনো এই লোকটির মতো কোনো বক্তার কথা শুনিনি। তিনি যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছিলেন তার গুণাগুণ সম্পর্কে আমি সামান্যই জানতাম এবং কম পরোয়া করতাম। আমি কেবল একটি মহান মানবিক ব্যক্তিত্বের উপস্থিতি সম্পর্কে সচেতন ছিলাম যার জাদুতে আমি ছিলাম এবং যার কাছ থেকে আমি কোনোভাবেই বাঁচতে পারছিলাম না। শব্দের জাদুটি তার বিস্ময়কর কণ্ঠে ছিল। এবং তিনি যা বলেছিলেন তা যদি আমার কাছে অবোধ্যও হতো, তবুও তার কণ্ঠস্বর অনুপ্রেরণা এবং উত্তরণের ক্ষমতার মতো কিছু একটা নিয়ে এসেছিল।
**[[w:ফ্রেডেরিক রজার্স (বুকবাইন্ডার)|ফ্রেডেরিক রজার্স]], ব্ল্যাকহিথে গ্ল্যাডস্টোনের ১৮৭১ সালের অক্টোবরের বক্তৃতার কথা স্মরণ করে, ''লেবার, লাইফ অ্যান্ড লিটারেচার: সাম মেমোরিস অফ সিক্সটি ইয়ারস'' (১৯১৩) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ২৫
* '''তার [[শক্তি|শক্তির]] ত্রুটিগুলো তার ওপর বাড়তে থাকে। সব কালো খুব কালো, সব সাদা খুব সাদা।'''
** [[w:আর্কিবল্ড প্রিমরোজ, ৫ম আর্ল অফ রোজবেরি|লর্ড রোজবেরি]], ডায়েরি এন্ট্রি (৪ আগস্ট ১৮৮৭)
*একসময় রাস্কিন এবং মিস্টার জি.র মধ্যে সামান্য বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বৈরথের মতো কিছু একটা ঘটেছিল, যখন রাস্কিন সরাসরি তার আয়োজককে "সমতা বিধানকারী" হিসেবে আক্রমণ করেছিলেন। "আপনি দেখেন আপনি মনে করেন একজন মানুষ অন্যের মতোই ভালো এবং সব মানুষ রাজনৈতিক প্রশ্নে সঠিকভাবে বিচার করতে সমানভাবে পারদর্শী। অথচ আমি অভিজাততন্ত্রে বিশ্বাসী।" এবং সরাসরি মিস্টার গ্ল্যাডস্টোনের কাছ থেকে উত্তর এল, "'''ওহ ডিয়ার, না! আমি এ ধরনের কিছুই নই। আমি অভিজাত নীতিতে একজন দৃঢ় বিশ্বাসী—সেরাদের শাসন। আমি একজন চরম অসমতাবাদী'''।" এটি এমন একটি স্বীকারোক্তি যা রাস্কিন তীব্র আনন্দের সাথে গ্রহণ করেছিলেন এবং বিজয়ীভাবে হাততালি দিয়েছিলেন।
**[[জন রাস্কিন]] এবং গ্ল্যাডস্টোনের মধ্যে কথোপকথনের একটি বিবরণ, জন মর্লির ''দ্য লাইফ অফ উইলিয়াম এওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন, খণ্ড ২'' (১৯০৩), পৃ. ৫৮২ এবং জন রাস্কিনের ''লেটারস টু এম. জি. অ্যান্ড এইচ. জি.'' (১৯০৩) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ২৬-২৭
*দর্শকের পরামর্শে [[w:হাওয়ার্ডেন ক্যাসেল (অষ্টাদশ শতক)|হাওয়ার্ডেনে]] একটি খেলা খেলা হয়েছিল (যদি তা সঠিক শব্দ হয়)। প্রত্যেক ব্যক্তিকে বলতে হয়েছিল যে তারা অতীত বা ভবিষ্যতের কোন দিনটিতে বাঁচতে বেছে নেবে। এটি শর্ত ছিল যে তার বর্তমান জ্ঞান থাকতে হবে এবং এরপর সে বর্তমান অস্তিত্বে ফিরে আসবে। মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন বলেছিলেন [[প্রাচীন গ্রিস|প্রাচীন গ্রিসের]] একটি দিন যখন [[অ্যাথেন্স]] তার সর্বোচ্চ গৌরবে ছিল। দর্শক বলেছিলেন তিনি [[w:পেন্টেকোস্ট|পেন্টেকোস্টের]] দিনটি বেছে নেবেন। এতে মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন কিছুটা লজ্জিত হয়ে তার আগের পছন্দ প্রত্যাহার করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন তিনি "প্রভুর সাথে একটি দিন" নির্বাচন করবেন।
**[[w:এডওয়ার্ড রাসেল, ১ম ব্যারন রাসেল অফ লিভারপুল|ই. আর. রাসেল]], ''দ্যাট রিমাইন্ডস মি—'' (১৯০০), পৃ. ১২৩-১২৪
* '''তিনিই প্রথম চ্যান্সেলর অব দি এক্সচেকার যিনি বাজেটকে আকর্ষণীয় করে তুলেছিলেন।''' বলা হতো, "তিনি দোকানের কথা বলতেন একজন দশম মিউজের মতো।" তিনি সবচেয়ে নীরস ব্যয় এবং লাভের প্রশ্নগুলোতে তার উজ্জ্বল বাগ্মিতার সমস্ত সম্পদ প্রয়োগ করতে পারতেন। তিনি বিয়ারকে রোমান্টিক এবং চিনিকে সিরিয়াস করতে পারতেন। তিনি আর্থিক ভবিষ্যতের সবচেয়ে বিস্তৃত দিগন্ত পরিষ্কার করতে পারতেন। তবুও পেনি স্ট্যাম্প এবং আধা-ফারথিংয়ের আর্থিক যোগ্যতার মতো ক্ষুদ্রতম বিষয়গুলোতে সর্বোচ্চ মনোযোগ দিতে নিচে নামতে পারতেন।
** [[w:জর্জ উইলিয়াম এরস্কিন রাসেল|জি. ডব্লিউ. ই. রাসেল]], [http://www.gutenberg.org/files/11665/11665-8.txt ''কালেকশনস অ্যান্ড রেকালেকশনস''] (১৮৯৮): অধ্যায় ১২: পার্লামেন্টারি ওরেটরি
*জীবিতদের তালিকা থেকে এই শতাব্দীর সবচেয়ে বিশিষ্ট রাজনৈতিক নামটি প্রত্যাহার করা হয়েছে। তিনি যা চেয়েছিলেন তা হলো মহান আদর্শের অর্জন। সেগুলো সঠিক বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে থাকুক বা না থাকুক, সেগুলো সর্বশ্রেষ্ঠ এবং বিশুদ্ধতম নৈতিক আকাঙ্ক্ষা থেকে ছাড়া আর কিছুই থেকে আসতে পারে না। তিনি তার দেশবাসীর দ্বারা সম্মানিত কারণ এত বছর ধরে, এতগুলো উত্থান-পতন এবং দ্বন্দ্বের মধ্য দিয়ে তারা তার কর্মের এই একটি বৈশিষ্ট্যকে স্বীকৃতি দিয়েছে যা তাকে কখনই ছাড়েনি, তাকে রঙিন করা বন্ধ করেনি। তিনি বিশেষ করে তাদের কাছে যারা তার শেষ বছরগুলোর ইতিহাস গভীর আগ্রহের সাথে অনুসরণ করেছেন। একজন মহান খ্রিস্টান রাষ্ট্রনায়কের স্মৃতি রেখে যাবেন, যা অগত্যা উঁচুতে স্থাপিত হয়েছে, যেখান থেকে তার চরিত্র, তার উদ্দেশ্য এবং তার উদ্দেশ্যগুলোর দৃশ্য এমনভাবে অবস্থিত ছিল যাতে এটি সমগ্র বিশ্বকে আঘাত করতে পারে। তিনি যে প্রজন্মে বাস করতেন তার রাজনৈতিক চিন্তাধারা এবং সামাজিক চিন্তাধারায় এটি একটি গভীর এবং সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর প্রভাব রেখে যাবে। তিনি দীর্ঘকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবেন, তিনি যে কারণগুলোতে যুক্ত ছিলেন বা তিনি যে রাজনৈতিক প্রকল্পগুলোর পক্ষে ছিলেন তার জন্য এতটা নয়, বরং একজন মহান খ্রিস্টান মানুষ হিসেবে, যার সমকক্ষ ইতিহাস খুব কমই প্রদান করে।
**[[রবার্ট গ্যাসকোয়েন-সেসিল, ৩য় মার্কুইস অফ সালিসবারি|লর্ড স্যালিসবেরি]], [https://api.parliament.uk/historic-hansard/lords/1898/may/20/death-of-mr-gladstone#S4V0058P0_18980520_HOL_59 হাউস অফ লর্ডসে দেওয়া ভাষণ (২০ মে ১৮৯৮)]
*এমন একজন ব্যক্তি ছিলেন যিনি কেবল অতুলনীয় সুযোগের সাথে উচ্চ ক্ষমতাকে একত্রিত করেননি, বরং কীভাবে বাজেটকে রাজনৈতিক বিজয়ে পরিণত করতে হয় তাও জানতেন। তিনি অর্থনৈতিক উদারনীতির সবচেয়ে বড় ইংরেজ অর্থদাতা হিসেবে ইতিহাসে দাঁড়িয়ে আছেন, গ্ল্যাডস্টোন। গ্ল্যাডস্টোনিয়ান অর্থায়ন ছিল 'প্রাকৃতিক স্বাধীনতা,' [[অবাধ নীতি|লেসে-ফেয়ার]] এবং [[অবাধ বাণিজ্য|অবাধ বাণিজ্যের]] ব্যবস্থার অর্থায়ন। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল ব্যক্তিগত ক্রিয়াকলাপের আর্থিক বাধা দূর করা। আর এর জন্য সরকারি ব্যয় কম রাখা প্রয়োজন ছিল। ব্যয় সংকোচন ছিল সেদিনের বিজয়ী স্লোগান। সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ ছিল সেই রাজস্ব সংগ্রহ করা যা এখনও এমনভাবে সংগ্রহ করতে হবে যাতে সমস্ত কর না থাকলে অর্থনৈতিক আচরণ যতটা বিচ্যুত হতো, তার চেয়ে যতটা সম্ভব কম বিচ্যুত হয় ('কেবলমাত্র রাজস্বের জন্য কর')। আর যেহেতু লাভের উদ্দেশ্য এবং সঞ্চয়ের প্রবণতাকে সমস্ত শ্রেণির অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হতো, এর অর্থ বিশেষ করে এই ছিল যে করের ফলে ব্যবসার নিট উপার্জনে যতটা সম্ভব কম হস্তক্ষেপ করা উচিত। পরোক্ষ করের বিষয়ে ন্যূনতম হস্তক্ষেপের নীতিকে গ্ল্যাডস্টোন ব্যাখ্যা করেছিলেন এই বলে যে করকে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নিবন্ধের ওপর ঘনীভূত করা উচিত এবং বাকিগুলো বিনামূল্যে ছেড়ে দেওয়া উচিত। সবশেষে আমরা ভারসাম্যপূর্ণ বাজেটের নীতিটি পাই।
**[[জোসেফ শুম্পেটার]], ''হিস্ট্রি অফ ইকোনমিক অ্যানালাইসিস'' (১৯৫৪), পৃ. ৪০২-৪০৪
*আমি সন্দেহ করতে পারি না যে সঠিক মাননীয় ভদ্রলোক, অবাধ বাণিজ্যের প্রবক্তা, অচিরেই চিন্তার সবচেয়ে অবাধ স্বাধীনতার প্রবক্তা হয়ে উঠবেন।
**[[w:রিচার্ড লালর শেইল|রিচার্ড লালর শেইল]], [[w:লেডি হিউলে ট্রাস্ট#ডিসেন্টারস চ্যাপেল আইন ১৮৪৪|ডিসেন্টিং চ্যাপেলস বিল]] নিয়ে বিতর্কের সময় হাউস অফ কমন্সে [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1844/jun/06/dissenters-chapels-bill#S3V0075P0_18440606_HOC_20 ভাষণ] (৬ জুন ১৮৪৪)
*আমি এমনকি গ্ল্যাডস্টোনের সেই ছোট ঝলকটিকেও ঈর্ষা করি যা আপনি অ্যাবেরিস্টউইথে আসার সময় পেয়েছিলেন। আমি নিশ্চিত যে সেই ঐতিহাসিক দিনগুলোতে একজন কানাডীয় যুবক হিসেবে গ্ল্যাডস্টোন আমার কাছে কী অর্থ বহন করতেন সে সম্পর্কে আপনার কোনো ধারণা নেই। আমার দাদা একজন কঠোর প্রেসবাইটেরিয়ান এবং সমানভাবে কঠোর লিবারেল ছিলেন। আমি নিশ্চিত যে তার কাছে গ্ল্যাডস্টোনের বক্তৃতা প্রায় বাইবেলের সমতুল্য ছিল। আমি সেই পরিবেশে বড় হয়েছি এবং প্রাথমিক প্রশিক্ষণটি সত্যিই কখনও কাটিয়ে উঠিনি। আসলে, আমি এটি কাটিয়ে উঠতে চাইনি কারণ এটি একটি দুর্দান্ত দৃষ্টিভঙ্গি, যা এর মানবতা এবং ন্যায়বিচারের অনুভূতিতে সমৃদ্ধ।
**[[w:জেমস টি. শটওয়েল|জেমস টি. শটওয়েল]] থেকে [[w:থমাস জোনস (সরকারি কর্মচারী)|থমাস জোনস]] (৬ জানুয়ারি ১৯৫০), থমাস জোনসের ''আ ডায়েরি উইথ লেটারস, ১৯৩১–১৯৫০'' (১৯৫৪) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ৫৪৭
*শনিবার বিকেলে গ্রিনউইচে দাঁড়িয়ে আমি যখন আধুনিক সময়ের সবচেয়ে মহান বাগ্মী এবং রাষ্ট্রনায়কের জ্বলন্ত কথাগুলো শুনছিলাম, তখন আমার মনে হলো যেন আমি রাজনীতির এক পবিত্র অঞ্চলে উন্নীত হয়েছি। যেখানে টোরিরা দুর্নীতি করতে পারে না বা জিঙ্গোরা ভেঙে পড়তে এবং চিৎকার করতে পারে না।
**''রেফারি''-তে (১৮৭৭) [[w:জর্জ রবার্ট সিমস|জর্জ রবার্ট সিমস]], গ্রিনউইচে গ্ল্যাডস্টোনের ১৮৭১ সালের বক্তৃতার কথা স্মরণ করে, ফ্রেডেরিক রজার্সের ''লেবার, লাইফ অ্যান্ড লিটারেচার: সাম মেমোরিস অফ সিক্সটি ইয়ারস'' (১৯১৩) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ২৫-২৬
*শ্রমিকদের স্বাভাবিক ধর্ম গ্ল্যাডস্টোনিয়ানবাদ, এই প্রায় সার্বজনীন 'সাধারণ ধারণা'।
**[[w:জন স্ট্রেচি (সাংবাদিক)|জন স্ট্রেচি]], ‘ইনফ্রিঞ্জিং আ পলিটিক্যাল প্যাটেন্ট’, ''দ্য নাইনটিনথ সেঞ্চুরি'' ৩৭ (ফেব্রুয়ারি ১৮৯৫), পৃ. ২০৮
*আমরা সবাই একমত হতে পারি যে [[চার্লস জর্জ গর্ডন|গর্ডনকে]] মুক্তি দিতে ব্যর্থ হওয়া গ্ল্যাডস্টোনের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে অপমানজনক পর্ব ছিল।
**[[এ. জে. পি. টেলর]], 'আ ক্র্যাকড হিরো', ''দ্য ম্যানচেস্টার গার্ডিয়ান'' (২৯ অক্টোবর ১৯৫৪), পৃ. ৪
*স্যার, আমি কেবল আপনাকে বলতে পারি যে আমি তাকে যতই গভীরভাবে অবিশ্বাস করি না কেন এবং সামগ্রিকভাবে তার বাগ্মিতার বাহ্যিক গুণাবলীকে আমি যতই হালকাভাবে মূল্যায়ন করি না কেন, আমি কখনও মানুষের ওপর তার প্রভাব দেখে বিস্মিত না হয়ে তাকে কয়েক মিনিটের জন্যও শুনিনি। একজন [[w:কোভেনান্টার|কোভেনান্টারের]] মতো কঠোর অথচ একজন কৌতুক অভিনেতার মতো মোবাইল সেই সাদা-তপ্ত মুখ। সেই অস্থির জ্বলজ্বলে চোখ। সেই বিস্ময়কর কণ্ঠস্বর, উত্তরের সুর যার সমৃদ্ধি বাড়িয়ে তোলে, যেমন কাঠের স্পর্শ একটি দুর্লভ পুরোনো ওয়াইনের মাধুর্য বের করে আনে। তার বাচনের নিপুণ তাল। তার ভঙ্গির প্রাণবন্ত শক্তি। তার অঙ্গভঙ্গির সূক্ষ্ম সজীবতা। স্যার, যখন আমি চোখ এবং কানের মাধ্যমে আক্রমণকারীদের এই কম্প্যাক্ট ফ্যালানক্স দ্বারা আক্রান্ত হই, তখন কী আশ্চর্য যে ইন্দ্রিয়ের ঝড়ো ঘাঁটিগুলো মনের প্রধান শিবিরে তাদের নিজস্ব আত্মসমর্পণের ছোঁয়াচ ছড়িয়ে দেবে। এবং আমার বিচারের বিরুদ্ধে, আমার বিবেকের অবজ্ঞায়, না, আমার ইচ্ছার অবজ্ঞায়, আমাকে চিৎকার করে বলতে হবে: "এটি সত্যিই সত্য এবং প্রজ্ঞার কণ্ঠস্বর। এই লোকটি তার সঙ্গীদের চেয়ে সৎ এবং বিচক্ষণ। তাকে বিশ্বাস করতে হবে। তাকে মানতে হবে।"
**[[w:হেনরি ডাফ ট্রেইল|হেনরি ডাফ ট্রেইল]], ''দ্য নিউ লুসিয়ান, বিয়িং আ সিরিজ অফ ডায়ালগস অফ দ্য ডেড'' (১৮৮৪), পৃ. ১৭৯
* '''তিনি আমার সাথে এমনভাবে কথা বলেন যেন আমি কোনো জনসভা।'''
** [[যুক্তরাজ্যের ভিক্টোরিয়া|রানি ভিক্টোরিয়া]], জি. ডব্লিউ. ই. রাসেলের ''কালেকশনস অ্যান্ড রেকালেকশনস'' (১৮৯৮) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ১৪০
* বেচারা, তিনি খুব চালাক ছিলেন এবং দেশের উন্নতি ও অগ্রগতির জন্য ধারণায় পূর্ণ ছিলেন। তিনি ব্যক্তিগতভাবে আমার প্রতি সবসময় সবচেয়ে অনুগত ছিলেন এবং রাজপরিবারের জন্য যেকোনো কিছু করতে প্রস্তুত ছিলেন। কিন্তু হায়! আমি নিশ্চিত যে অনিচ্ছাকৃতভাবেই তিনি মাঝে মাঝে বেশ ক্ষতি করেছিলেন। তার কথা বলার এবং জনতাকে তার সাথে নিয়ে যাওয়ার এক চমৎকার ক্ষমতা ছিল।
** রানি ভিক্টোরিয়া, গ্ল্যাডস্টোনের মৃত্যুর খবরে ডায়েরি এন্ট্রি, ১৯ মে ১৮৯৮
*গ্ল্যাডস্টোনের জীবন পড়ছি। এটা লক্ষ করা আকর্ষণীয় যে যখন, দশ বছরের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার পর, তিনি নিশ্চিত হয়েছিলেন রাষ্ট্রকে একটি অবিশ্বাসী রাষ্ট্র হতে হবে এবং ধর্মীয় সত্য প্রচারের জন্য ব্যবহার করা যাবে না। তিনি সরাসরি এমন একজন ''[[অবাধ নীতি|লেসে-ফেয়ার]]'' গণতন্ত্রীতে পরিণত হয়েছিলেন যিনি অবিচলভাবে সরকারের কার্যকারিতা হ্রাস করার নীতি আঁকড়ে ধরেছিলেন। এবং কোনো ব্যক্তি আগে থেকে রাজি না হওয়া পর্যন্ত কিছুই না করার নীতি আঁকড়ে ধরেছিলেন। তাই তার জাতীয়তার মতবাদ এবং শেষ পর্যন্ত [[w:আইরিশ হোমরুল আন্দোলন|আইরিশ হোমরুল]]। এর সাথে যুক্ত করুন বুদ্ধিবৃত্তিক বিশ্বাসের অকৃত্রিম পরিবর্তন, শহরের শ্রমিকদের অপরিপক্ব গণতন্ত্রের সাথে একমত হওয়ার শক্তিশালী আবেগ এবং একজন পুনরুজ্জীবনকারী প্রচারক হিসেবে তার অসামান্য প্রতিভার কারণে, এর নেতৃত্ব দেওয়া। আপনি ১৮৬৯-৮০ সালের গ্ল্যাডস্টোনকে পাবেন। ১৮৮০ সালের পর শহরের শ্রমিকদের নতুন গণতন্ত্রের সামষ্টিকবাদী প্রবণতার প্রতি তার সহানুভূতি ছিল না। এবং তিনি একজন প্রতিক্রিয়াশীল হয়ে উঠেছিলেন, নতুন ধর্মমতের ভয়ে এবং নতুন প্রেরিতদের ঘৃণা করে করুণভাবে [[w:ননকনফর্মিস্ট (প্রোটেস্ট্যান্ট মতবাদ)|ননকনফর্মিস্ট]] মধ্যবিত্তদের কাছে আবেদন করেছিলেন। তার আত্মা তার নিজস্ব নীতিগুলোতে মোড়ানো ছিল—ধর্মীয় এবং অর্থনৈতিক—প্রতিটি জলরোধী বগিতে সেট করা। তিনি কখনই ধারণার নতুন ক্রম উপলব্ধি করতে পারেননি। তাছাড়া তিনি সামাজিকভাবে একজন অভিজাত ছিলেন এবং ধন-সম্পদ ও রাজনৈতিক ক্ষমতায় ''পারভেনু''কে অপছন্দ করতেন। যেমন [[জোসেফ চেম্বারলেইন|চেম্বারলেইন]]।
**[[w:বিয়াট্রিস ওয়েব|বিয়াট্রিস ওয়েব]], ডায়েরি এন্ট্রি (৩ নভেম্বর ১৯০৩), বিয়াট্রিস ওয়েবের ''আওয়ার পার্টনারশিপ'', সম্পাদিত বারবারা ড্রেক এবং মার্গারেট আই. কোল (১৯৪৮) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ২৭৫
* আহ, অক্সফোর্ড ওপরে, কিন্তু লিভারপুল নিচে।
** গ্ল্যাডস্টোনের বাজেটে কমন্সে একজন নামহীন হুইগের মন্তব্য (ফেব্রুয়ারি ১৮৬০), ''ন্যাশনাল রিভিউ''-তে (জুলাই ১৮৬০) [[ওয়াল্টার ব্যাজেট|ওয়াল্টার ব্যাজেটের]] "মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন" হিসেবে রিপোর্ট করা হয়েছে।
*গ্ল্যাডস্টোন আইরিশ সমস্যার সমাধান করতে ব্যর্থ হলেও—যদিও তিনি এটিকে শীতল করার জন্য অনেক কিছু করেছিলেন—আমার সময়ের কোনো রাজনীতিবিদ তাকে সমালোচনা করার মতো অবস্থানে নেই। তিনি খুব প্রয়োজনীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য অনেক সময় এবং প্রচেষ্টা উৎসর্গ করেছিলেন। উদাহরণস্বরূপ, পৃষ্ঠপোষকতার পরিবর্তে প্রতিযোগিতার জন্য সিভিল সার্ভিস উন্মুক্ত করা। সেনাবাহিনীর কমিশন কেনার ব্যবস্থা বাতিল করা। তার দৃষ্টান্তেই বিচার ব্যবস্থা নাটকীয়ভাবে সংস্কার করা হয়েছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের ধর্মীয় পরীক্ষার ভিত্তিতে আমাদের মহান বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে প্রবেশের সমাপ্তি ঘটেছিল। তিনি [[w:উইলিয়াম এডওয়ার্ড ফরস্টার|ফরস্টারের]] [[w:প্রাথমিক শিক্ষা আইন ১৮৭০|শিক্ষা আইনের]] মাধ্যমে জাতীয় শিক্ষায় দুর্দান্ত অগ্রগতির প্রধান রূপকার ছিলেন। প্রথমবারের মতো প্রাথমিক শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করেছিলেন। তিনি ডিসরায়েলির পূর্বদেশীয় নীতিতে ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন। এবং [[w:মিডলোথিয়ান প্রচারাভিযান|মিডলোথিয়ান প্রচারাভিযান]], যা সম্ভবত আমাদের ইতিহাসে রাজনৈতিক বক্তৃতার সর্বশ্রেষ্ঠ সিরিজ। এটি কেবল শ্রোতাদের পর শ্রোতাদেরই মুগ্ধ করেনি, বরং উদীয়মান জাতিগুলোর অধিকারের সমস্যার একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করেছে। এটি যুক্তিসঙ্গত যে পূর্ববর্তী বা পরবর্তী কোনো প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে এতটা অর্জন করতে পারেননি।
**[[হ্যারল্ড উইলসন]], হাওয়ার্ডেনে বক্তৃতা (১৯৮৬), পিটার জে. জ্যাগার (সম্পাদিত) এর ''গ্ল্যাডস্টোন'' (১৯৯৮) গ্রন্থে পিটার জে. জ্যাগার, ‘ইন্ট্রোডাকশন’-এ উদ্ধৃত, পৃ. ১২
*তিনিই সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ রাষ্ট্রনায়ক এবং আমি যখন বড় হব, তখন আমিও একজন মহান রাষ্ট্রনায়ক হওয়ার ইচ্ছে রাখি।
**[[উড্রো উইলসন]], ১৬ বছর বয়সে উইলসনের ডেস্কের ওপরে থাকা গ্ল্যাডস্টোনের ছবি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা একজন চাচাতো ভাইয়ের কাছে মন্তব্য (১৮৭৩), উইলিয়াম বার্কসডেল মেনার্ডের ''উড্রো উইলসন: প্রিন্সটন টু দ্য প্রেসিডেন্সি'' (২০০৮) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ৭
=== ''রেমিনিসেন্স অফ লর্ড কিলব্র্যাকেন'' (১৯৩১) ===
:<small>[[w:আর্থার গডলি, ১ম ব্যারন কিলব্র্যাকেন|লর্ড কিলব্র্যাকেন]] দ্বারা</small>
*সত্য হলো, আমি বিশ্বাস করি, রাজনৈতিক প্রশ্নগুলো সাধারণত তার মনে ন্যায়-অন্যায়ের নৈতিক প্রশ্ন হিসেবে দেখা দিত। তিনি প্রথম দেখায় এটি উপলব্ধি করতে অসুবিধা বোধ করতেন যে তার নিজের মতামতের বিপরীত কোনো মতামত কোনো সামান্য নৈতিক অবক্ষয় ছাড়াই ধারণ করা যেতে পারে।
**পৃ. ৭৯-৮০
*আমি মনে করি সামাজিক ও রাজনৈতিক বিষয়গুলো নিয়ে কোনো গুরুতর চিন্তাভাবনা করা আমার পরিচিত ব্যক্তিদের মধ্যে মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন ছিলেন সবচেয়ে শক্তিশালী সমাজতন্ত্র-বিরোধী। এটি বেশ সত্য, যেমনটি প্রায়শই বলা হয়েছে, "আমরা সবাই একটি নির্দিষ্ট পর্যায় পর্যন্ত সমাজতান্ত্রিক।" তবে মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন সেই পর্যায়টি আরও নিচে নির্ধারণ করেছিলেন, এবং যারা এর ওপরে গিয়েছিল তাদের বিরুদ্ধে আমার পরিচিত অন্য যেকোনো রাজনীতিবিদ বা কর্মকর্তার চেয়ে বেশি সোচ্চার ছিলেন। অবাধ বাণিজ্যের প্রতি তার দৃঢ় বিশ্বাস ছিল তার এই গভীর বিশ্বাসের একটি ফলাফল যে ব্যক্তির অবাধ ক্রিয়াকলাপে সরকারের হস্তক্ষেপ, তা করের মাধ্যমেই হোক বা অন্য কোনোভাবেই হোক, তা ন্যূনতম রাখা উচিত। সত্যি কথা বলতে কি, উদারনীতিবাদ সম্পর্কে তার ধারণা ছিল সমাজতন্ত্রের অবসান।
**পৃ. ৮৩-৮৪
*প্রয়োজনীয় সত্যটি ছিল তার সমস্ত আবেগের অসাধারণ তীব্রতা এবং প্রচণ্ডতা। আমরা যদি এক মুহূর্তের জন্য মানুষ সম্পর্কে চিন্তা করি, তারা অভ্যন্তরীণ শক্তি দ্বারা পরিচালিত হয় যা অশ্বক্ষমতার এককে পরিমাপ করা যায়। এবং আমরা যদি একজন সাধারণ মানুষের চিত্র ১০০ এবং একজন ব্যতিক্রমীভাবে উদ্যমী ব্যক্তির চিত্র ২০০ ধরি, তবে মিস্টার গ্ল্যাডস্টোনের অশ্বক্ষমতা ছিল কমপক্ষে ১,০০০। এবং এই বিশাল শক্তি যেকোনো দিকে এবং যেকোনো ছোট বা বড় উদ্দেশ্যে চালিত হতে পারে। সাধারণ মানুষ অলসভাবে এবং দুর্বলভাবে তাদের নিজ নিজ লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের দিকে ধাবিত হওয়া বিভিন্ন এবং অসংখ্য উদ্দেশ্য তার মধ্যে জ্বলন্ত তলোয়ার ছিল। এটি তাকে প্রায় অপ্রতিরোধ্য শক্তির সাথে সেই লক্ষ্যের দিকে ধাবিত করেছিল যার ওপর সেই মুহূর্তে তার পুরো মন নিবদ্ধ ছিল। এটি যোগ করার দরকার নেই যে এই তীব্র প্রাকৃতিক প্রচণ্ডতা, যা কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রিত এবং নির্দেশিত হয়েছিল, তা তার আধিপত্যের গোপন রহস্য ছিল। এটি সেই অসীম উৎসাহের গোপন রহস্য ছিল যা তিনি প্রায় সকলের মধ্যে জাগিয়ে তুলেছিলেন। তারা তাকে চিনত এবং হাজার হাজার মানুষের মধ্যে যারা তার মুখ দেখেনি বা তার কণ্ঠ শোনেনি।
**পৃ. ১২৩-১২৪
*একজন মানুষ হিসেবে, মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন নিজের একটি শ্রেণিতে ছিলেন। তিনি একজন অসাধারণ ভালো মানুষ ছিলেন। কিন্তু আমি মনে করি আমি তার মতো আরও ভালো কাউকে চিনতাম। তার বৌদ্ধিক উপহারগুলো বিস্ময়কর ছিল, কিন্তু খাঁটি বুদ্ধিমত্তার জন্য আমি অন্যদের চিনতাম যাদের আমি সমান বা উচ্চতর স্থান দেব। যা তাকে মানবজাতির বাকি অংশের থেকে আলাদা করেছিল তা হলো, প্রথমত, আমি যে বিশাল চালিকা শক্তির কথা বলেছিলাম তার সাথে এই গুণাবলীর সংমিশ্রণ। দ্বিতীয়ত, তিনি এই শক্তিশালী শক্তির ওপর যে কঠোর এবং কার্যকর নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছিলেন। এবং তৃতীয়ত, তার মনের আশ্চর্যজনকভাবে ব্যবহারযোগ্য গুণমান, যা সর্বদা তার নির্দেশে ছিল, সর্বদা পরিস্থিতি অনুযায়ী উঠত। এটি ব্যর্থভাবে তাকে অন্তহীন চিন্তাভাবনা, যুক্তি এবং শব্দ সরবরাহ করত। সম্ভবত চিন্তার এমন কিছু ক্ষেত্র ছিল যেখানে তিনি সহজে বা স্বাধীনভাবে চলাফেরা করতেন না, তবে সেগুলো এমন ছিল যে তাকে খুব কমই সেগুলোর সাথে নিজেকে জড়াতে হতো। এবং দ্রুত উপলব্ধি এবং একটি কঠিন বিষয়ের অন্তর্দৃষ্টির ক্ষেত্রে তিনি অপ্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন, যদি তা তার স্বাভাবিক দৃষ্টিসীমার মধ্যে পড়ে।
**পৃ. ১২৭
*আমি মনে করি বলা যেতে পারে যে তিনি স্বাভাবিক এবং অকৃত্রিমভাবে কেবল দুটি [রাষ্ট্রীয় বিভাগে] আগ্রহী ছিলেন। তা হলো ট্রেজারি এবং বোর্ড অফ ট্রেড। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাকে...পররাষ্ট্র বিষয়ক নিয়ে ভাবতে বাধ্য করা হয়েছিল...কিন্তু তার কাছে এটি সাধারণত একটি কাজের মতো ছিল। এবং তুরস্ক বা অন্য কোথাও "নিপীড়িত জাতিগুলোর" প্রতি তার উদার এবং প্রশংসনীয় আগ্রহ কার্যকর হওয়ার মতো ঘটনাগুলো ছাড়া, তার সমালোচনা এবং পরামর্শগুলো কম ছিল এবং প্রায় সবসময়ই [[শান্তি|শান্তি]], [[w:অ-হস্তক্ষেপবাদ|অ-হস্তক্ষেপ]] এবং ''[[অবাধ নীতি|লেসে-ফেয়ার]]'' এর দিকে ছিল... আমি তাকে কখনও এমন কোনো কথা বলতে শুনিনি যা নৌবাহিনী বা সেনাবাহিনীর প্রতি সামান্যতম আগ্রহ দেখায়, শুধু এইটুকু ছাড়া যে এগুলোর ব্যয়, যা তিনি সবসময় কমাতে আগ্রহী ছিলেন, তা প্রাক্কলনকে প্রভাবিত করত। প্রাচীন বা আধুনিক কোনো ব্রিটিশ অস্ত্রের কীর্তি নিয়ে তাকে গর্ব বা সন্তুষ্টির সাথে উল্লেখ করতে আমার মনে পড়ে না, যদিও তিনি তুর্কিদের সাথে তাদের যুদ্ধে "মন্টেনি-''গ্রিনদের''" সম্পর্কে প্রায়শই বাগ্মী ছিলেন, যেমনটি তিনি সবসময় তাদের ডাকতেন। যদি কখনও কোনো রাষ্ট্রনায়ক "শান্তির মানুষ" হিসেবে পরিচিত হওয়ার যোগ্য হন, তবে মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন সেই মানুষটি ছিলেন।
**পৃ. ১৩৫
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{commonscat|William Gladstone}}
* [http://hansard.millbanksystems.com/people/mr-we-gladstone/ হ্যানসার্ড ১৮০৩–২০০৫: উইলিয়াম গ্ল্যাডস্টোনের সংসদে অবদান]
* [http://www.attackingthedevil.co.uk/reviews/glad1.php ''রিভিউ অফ রিভিউজে'' ডব্লিউ. টি. স্টেড রচিত "মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন" চরিত্র চিত্রণ (১৮৯২)]
* [http://www.britannica.com/EBchecked/topic/234729/William-Ewart-Gladstone ''এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকাে'' উইলিয়াম এওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন নিবন্ধ]
* [http://www.badley.info/history/Gladstone-William-Ewart-Great-Britain.biog.html উইলিয়াম এওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন কালপঞ্জি বিশ্ব ইতিহাস ডেটাবেস]
* {{গুটেনবার্গ লেখক| id=W.+E.+Gladstone|name=উইলিয়াম এওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন}}
* [http://www.pm.gov.uk/output/Page145.asp ডাউনিং স্ট্রিট ওয়েবসাইটে উইলিয়াম এওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন সম্পর্কে আরও জানুন]
* [http://www.liberalhistory.org.uk/item_single.php?item_id=7&item=biography লিবারেল ডেমোক্র্যাট হিস্ট্রি গ্রুপ থেকে উইলিয়াম এওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন ১৮০৯–৯৮, জীবনী]
* [http://www.bbc.co.uk/radio4/factual/gramophones_grooves.shtml বিবিসি রেডিও – প্রোগ্রাম টুতে গ্ল্যাডস্টোনের কণ্ঠস্বরের রেকর্ডিং রয়েছে]
[[বিষয়শ্রেণী:১৮০৯-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৮৯৮-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের রাজনীতিবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের শিক্ষাবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের ধর্মতত্ত্ববিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:লিবারেল পার্টির (যুক্তরাজ্য) রাজনীতিবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]]
[[বিষয়শ্রেণী:বিরোধীদলীয় নেতা (যুক্তরাজ্য)]]
ttemssm7s94rdjbugkecmhlgy5nygkq
83334
83332
2026-05-03T13:39:43Z
NusJaS
273
83334
wikitext
text/x-wiki
[[File:William Ewart Gladstone CDV 1861 for infobox.jpg|thumb|right|[[স্বাধীনতা|স্বাধীনতার]] প্রতি সহানুভূতি থাকা উচিত এবং এটিকে সুযোগ দেওয়ার ইচ্ছা থাকা উচিত, যা কোনো কাল্পনিক ধারণার ওপর ভিত্তি করে নয়, বরং বহু প্রজন্মের দীর্ঘ [[অভিজ্ঞতা|অভিজ্ঞতার]] ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে...]]
'''[[w:উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন|উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন]]''' (২৯ ডিসেম্বর ১৮০৯ – ১৯ মে ১৮৯৮) একজন ব্রিটিশ লিবারেল রাজনীতিবিদ এবং প্রধানমন্ত্রী (১৮৬৮–১৮৭৪, ১৮৮০–১৮৮৫, ১৮৮৬ এবং ১৮৯২–১৮৯৪) ছিলেন। তিনি একজন উল্লেখযোগ্য রাজনৈতিক সংস্কারক ছিলেন। তিনি তাঁর জনতাবাদী ভাষণের জন্য পরিচিত ছিলেন। এছাড়া তিনি দীর্ঘকাল ধরে [[বেঞ্জামিন ডিসরাইলি|বেঞ্জামিন ডিসরাইলির]] প্রধান রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন।
== উক্তি ==
[[File:Gladstone 1830s WH Mote ILN.jpg|thumb|right|আমি অভিজ্ঞতা থেকে ''নিশ্চিত'' যে, জীবনের শুরুতে কঠোরভাবে হিসাব রাখার সুবিধা অনেক।]]
=== ১৮৪০-এর দশক ===
*আমি আগেই আমার মতামত প্রকাশ করেছি যে, আফিম বাণিজ্য দমনের জন্য নোবেল লর্ডের হস্তক্ষেপ করা উচিত ছিল। [[চীন|চীনাদের]] কোনো বাড়াবাড়ির কারণে এই যুদ্ধ সমর্থনযোগ্য ছিল না। আমি ইতোমধ্যে বলেছি যে, চীনারা নিঃসন্দেহে অনেক অযৌক্তিক শব্দ ব্যবহার, অহংকার এবং কিছু বাড়াবাড়ির জন্য দোষী ছিল। তবে আমার মতে, ন্যায়বিচার তাদের পক্ষেই আছে। তারা পৌত্তলিক এবং অর্ধ-সভ্য বর্বর হওয়া সত্ত্বেও তাদের মধ্যে ন্যায়বিচার রয়েছে। অন্যদিকে আমরা আলোকিত এবং সভ্য [[খ্রিস্টধর্ম|খ্রিস্টান]] হয়েও ন্যায়বিচার ও ধর্ম উভয়ের পরিপন্থী উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করছি।
**[[w:প্রথম আফিম যুদ্ধ|প্রথম আফিম যুদ্ধের]] বিরুদ্ধে হাউস অফ কমন্সে দেওয়া [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1840/apr/08/war-with-china-adjourned-debate#column_819 ভাষণ] (৮ এপ্রিল ১৮৪০)
*মাননীয় ভদ্রলোক যুক্তি দিয়েছেন, সরকারের প্রস্তাবিত পরিকল্পনা গ্রহণ করলে ভোক্তারা সুবিধা পাবে, রাজস্ব বাড়বে এবং প্রস্তুতকারকদের শিল্পের প্রসার ঘটবে। কিন্তু স্যার, আমরা যুক্তি দিচ্ছি যে, রাজস্বের সামান্য সুবিধা এবং ভোক্তাদের প্রায় অদৃশ্য ত্রাণের বিনিময়ে ব্রিটিশ প্রস্তুতকারকদের নিশ্চিত স্বার্থের ক্ষতি করা হচ্ছে। আপনাকে মানবতার একটি মহান নীতি বর্জন করতে বলা হচ্ছে। এই নীতিটি আইনসভার সবচেয়ে পবিত্র অনুমোদন লাভ করেছে; এট হলো দাস বাণিজ্য এবং [[দাসত্ব|দাসপ্রথার]] বিরুদ্ধে বিরোধিতার নীতি।
**হাউস অফ কমন্সে দেওয়া [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1841/may/10/sugar-duties-ways-and-means-adjourned#column_161 ভাষণ] (১০ মে ১৮৪১)। গ্ল্যাডস্টোন বিদেশি এবং ঔপনিবেশিক চিনির ওপর শুল্ক সমতা করার বিরোধী ছিলেন, কারণ তিনি বিশ্বাস করতেন যে এটি দাস বাণিজ্যকে উৎসাহিত করবে।
*আমি রাষ্ট্রে একটি বিবেক এবং একটি ক্যাথলিক বিবেকের ধারণা আঁকড়ে ধরেছিলাম। তবে এই ধারণাটি সাধারণ মানুষের মনে এতটাই দুর্বল হয়ে পড়েছে যে, জনস্বার্থের আন্দোলনে এটি একেবারেই অকেজো। আমি জানি না এই নীতির ওপর ভিত্তি করে কেউ [[w:মেনুথ কলেজ আইন ১৮৪৫|মেনুথ বিলের]] বিরোধিতা করছে কি না। যখন আমি নিজেকে জাহাজের শেষ ব্যক্তি হিসেবে আবিষ্কার করেছি, তখন আমি মনে করি আমি এটি ছেড়ে যেতে মুক্ত।
**[[জন হেনরি নিউম্যান|জন হেনরি নিউম্যানকে]] লেখা চিঠি (১৯ এপ্রিল ১৮৪৫), পিটার সি. এর্ব (২০১৩) সম্পাদিত ''দ্য করেস্পন্ডেন্স অফ হেনরি এডওয়ার্ড ম্যানিং অ্যান্ড উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন: ভলিউম টু, ১৮৪৪–১৮৫৩'' গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১৪১
* '''[[আয়ারল্যান্ড]], আয়ারল্যান্ড! পশ্চিমের ঐ মেঘ! ঐ আসন্ন ঝড়!''' নিষ্ঠুর, বদ্ধমূল এবং অর্ধেক প্রায়শ্চিত্ত করা অন্যায়ের ওপর [[ঈশ্বর|ঈশ্বরের]] প্রতিষেধক! আয়ারল্যান্ড আমাদের ওপর সেই মহান সামাজিক এবং ধর্মীয় প্রশ্নগুলো চাপিয়ে দেয়। ঈশ্বর আমাদের সেগুলোর মুখোমুখি হওয়ার এবং সেগুলো সমাধান করার [[সাহস]] দিন।
** তাঁর স্ত্রী ক্যাথরিন গ্ল্যাডস্টোনকে লেখা চিঠি (১২ অক্টোবর ১৮৪৫), জন মর্লির ''দ্য লাইফ অফ উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন, ভলিউম ওয়ান'' (১৯০৩) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৩৮৩
=== ১৮৫০-এর দশক ===
*আমি বিশ্বাস করি, দাস বাণিজ্য হলো মানব ইতিহাসের সবচেয়ে জঘন্য অপরাধ, যা কোনো খ্রিস্টান বা পৌত্তলিক দেশের ইতিহাসকে কলঙ্কিত করে।
**হাউস অফ কমন্সে দেওয়া [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1850/mar/19/slave-trade#column_1158 ভাষণ] (১৯ মার্চ ১৮৫০)
*এটি সরকারের একটি ব্যবস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত ঈশ্বরের অস্বীকৃতি।
**''আ লেটার টু দ্য আর্ল অফ অ্যাবারডিন, অন দ্য স্টেট প্রসিকিউশনস অফ দ্য নিয়াপলিটান গভর্নমেন্ট'' (৭ এপ্রিল ১৮৫১), পৃষ্ঠা ৯
*আমি বিশ্বাস করি, আমরা আঞ্চলিক অধিগ্রহণের প্রাচীন দ্বন্দ্বের পরিবর্তে অন্য একটি দ্বন্দ্ব প্রতিষ্ঠা করতে কাজ করছি। এটি হলো জাতিগুলোর মধ্যে একটি শান্তিপূর্ণ এবং ভ্রাতৃত্বপূর্ণ দ্বন্দ্ব, যা শিল্প ও কলার একটি সৎ এবং মহৎ প্রতিযোগিতা।
**''অ্যান এক্সামিনেশন অফ দি অফিশিয়াল রিপ্লাই অফ দ্য নিয়াপলিটান গভর্নমেন্ট'' (১৮৫২), পৃষ্ঠা ৫০
*যদি এটি সত্য হয় যে, অতীতের কোনো এক সময়ে ইংল্যান্ড তার দৃষ্টান্তের মাধ্যমে বিশ্বের সামরিক সংগ্রামগুলোকে উদ্দীপিত করতে সম্পূর্ণ প্রভাব বিস্তার করেছিল, তবে এখন এবং ভবিষ্যতেও তার এগিয়ে আসা উচিত। তার দেখানো উচিত যে সে অভিজ্ঞতার ভারী পাঠ থেকে লাভবান হয়েছে। যদি বিধাতার পরিকল্পনায় তাকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়, তবে সে শান্তি, শিল্প এবং বাণিজ্যের ফলপ্রসূ পথে জাতিগুলোর পতাকাবাহী হতে পারে।
**''অ্যান এক্সামিনেশন অফ দি অফিশিয়াল রিপ্লাই অফ দ্য নিয়াপলিটান গভর্নমেন্ট'' (১৮৫২), পৃষ্ঠা ৫০
*আমরা পরোক্ষ [[কর|করারোপ]] থেকে তাদের ছাড় আরও প্রসারিত করার মাধ্যমে [[ইংল্যান্ড|ইংল্যান্ডের]] মহান শ্রমজীবী সম্প্রদায়ের প্রতি ন্যায়বিচার করার চেষ্টা করেছি। তবে আমরা এক শ্রেণিকে অন্য শ্রেণির বিরুদ্ধে দাঁড় করানোর কোনো ইচ্ছা দ্বারা পরিচালিত হইনি। আমরা অনুভব করেছি যে, শ্রেণি ও শ্রেণির মধ্যে কোনো বৈষম্য না করে আমরা আমাদের নিজস্ব সম্মান সবচেয়ে ভালোভাবে বজায় রাখতে পারব। এটি সংসদের মতামত পূরণে এবং দেশের স্বার্থকে উন্নীত করতে সহায়তা করবে। আমরা সমান এবং নিরপেক্ষ হাতে বোঝা ও সুবিধা বণ্টন করাকে পবিত্র লক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করেছি। আমরা বিশ্বাস করি, এই ধরনের প্রস্তাবগুলোর মাধ্যমে আমরা দেশের বস্তুগত সম্পদের বিকাশে অবদান রাখতে পারব। এছাড়া এই মহান জাতির বিভিন্ন শ্রেণিকে আগের চেয়ে আরও ঘনিষ্ঠভাবে সেই সিংহাসন এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে যুক্ত করতে পারব, যার অধীনে বাস করা তাদের জন্য আনন্দের।
**হাউস অফ কমন্সে দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1853/apr/18/the-financial-statement-the-budget#column_1422 ভাষণ] (১৮ এপ্রিল ১৮৫৩)
*আমরা যখন সাধারণ যুদ্ধের কথা বলি, তখন আমরা স্বাধীনতার পথে প্রকৃত অগ্রগতি বোঝাই না। বলপ্রয়োগের মাধ্যমে অর্জিত মানুষের প্রকৃত, নৈতিক এবং সামাজিক অগ্রগতিও বোঝাই না। এটি উদ্দেশ্য হতে পারে, তবে সাধারণ যুদ্ধের ফল খুব কমই এমন হয়! আমরা এর দ্বারা বোঝাই যে প্রকৃতির চেহারা মানুষের রক্তে রঞ্জিত হয়। আমরা বোঝাই যে কর বৃদ্ধি পায় এবং শিল্প হ্রাস পায়। আমরা জানি এর অর্থ হলো অযৌক্তিক এবং অকথ্য বোঝা পরবর্তী প্রজন্মের ওপর চাপানো হয়। আমরা জানি এর অর্থ হলো নৈতিক অবক্ষয়, পরিবারগুলো ভেঙে যাওয়া এবং যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়া প্রতিটি দেশে লালসা লাগামহীন হয়ে ওঠা।
**ম্যানচেস্টারে দেওয়া ভাষণ (১২ অক্টোবর ১৮৫৩), ''দ্য টাইমস'' (১৩ অক্টোবর ১৮৫৩)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৭
*যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে আমাদের দাবি করা সমস্ত শর্তগুলো মূলত মেনে নেওয়া হয়েছে। আমার মাননীয় বন্ধু বলেছেন আরও ভালো শর্ত নিশ্চিত করার জন্য আমাদের অবশ্যই একটি সাফল্য অর্জন করতে হবে। তবে এটি জনমত নয়। সাধারণ মানুষের অনুভূতি হলো, শর্তের বিষয়ে কোনো বড় সমস্যা নেই, বরং আপনার যা প্রয়োজন তা হলো আরও সামরিক সাফল্য। এটি কেবল সমর্থনযোগ্য নয়, বরং এটি জঘন্য, অখ্রিস্টান, অনৈতিক এবং অমানবিক। আপনি যাকে সাফল্য বলেন, কেবল তার জন্য যুদ্ধ করার কোনো অধিকার আপনার নেই। আপনি যখন যুদ্ধের উদ্দেশ্যগুলো অর্জন করেছেন, তারপরও যদি সামরিক গৌরব অর্জনের জন্য এটি চালিয়ে যান, তবে আপনি ঈশ্বরের ন্যায়বিচারের সাথে প্রতারণা করছেন। তাঁর হাতে সেনাবাহিনীর ভাগ্য ঠিক সেভাবেই অর্পিত, যেভাবে দোলনায় ঘুমন্ত শিশুর ভাগ্য থাকে। আপনি তাঁর ক্রোধ আপনার ওপর নামিয়ে আনার জন্য তাঁকে প্রলুব্ধ করছেন। যদি এটাই সাহস হয়, তবে আমার অন্তত এমন পথে চলার কোনো সাহস নেই। আমি বিশ্বাস করি এটি সমানভাবে দোষী এবং মূর্খতার কাজ।
**[[w:ক্রিমীয় যুদ্ধ|ক্রিমীয় যুদ্ধ]] সম্পর্কে হাউস অফ কমন্সে দেওয়া [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1855/may/24/prosecution-of-the-war ভাষণ] (২৪ মে ১৮৫৫)
*[[ইউরোপ|ইউরোপের]] মহান আন্তর্জাতিক নীতি এবং আইনকে স্থায়ীভাবে বজায় রাখার একটিমাত্র উপায় রয়েছে। [[ফ্রান্স]], ইংল্যান্ড বা [[রাশিয়া|রাশিয়ার]] মতো শক্তিশালী কোনো শক্তি যদি আক্রমণাত্মক নীতির দিকে ঝুঁকে পড়ে, তবে তাকে সীমার মধ্যে রাখার একটিমাত্র পথ আছে। সেটি বড় নৌবহর বা শারীরিক শক্তির অন্য কোনো প্রদর্শনী বজায় রাখার মাধ্যমে নয়, বরং ইউরোপের কার্যকর সম্প্রীতি বজায় রাখার মাধ্যমে। আমি মনে করি শারীরিক শক্তির বিষয়টি সত্যিই একটি নগণ্য অংশ।
**হাউস অফ কমন্সে দেওয়া [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1855/aug/03/the-negotiations-at-vienna#column_1810 ভাষণ] (৩ আগস্ট ১৮৫৫)
*একটি নীতি খুব প্রয়োজনীয় হয়ে পড়েছে। ১৮৪১ সালে স্যার [[রবার্ট পিল]] যে সাধারণ নীতি সমর্থন করার জন্য দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন, তা হলো বিদেশে শান্তি, অর্থনীতি, আর্থিক ভারসাম্য, অপব্যবহারের অবিচল প্রতিরোধ এবং দেশে ব্যবহারিক উন্নতির প্রচার। এর সাথে অপ্রয়োজনীয়ভাবে উত্থাপিত সংস্কারের প্রশ্নগুলোর প্রতি অনীহা ছিল।
**হুইটওয়েল এলউইনকে লেখা চিঠি (২ ডিসেম্বর ১৮৫৬), জন মর্লির ''দ্য লাইফ অফ উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন, ভলিউম ওয়ান'' (১৯০৩) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৫৫৩
*ব্যয়ের চেয়ে আয়ের স্থিতিশীল উদ্বৃত্ত বজায় রাখা, পরোক্ষ কর অত্যধিক হলে জনগণের স্বস্তির জন্য তা হ্রাস করা, আমাদের আর্থিক ব্যবস্থাকে সহজ করা এবং আয়করের অস্থায়ী চরিত্র চিহ্নিত করে ও একে আইনের উপকারী পরিবর্তনের সাথে যুক্ত করে এর প্রতি সমর্থন জোগাড় করা। এই লক্ষ্যগুলোই পনেরো বছর ধরে আমাদের জীবনের কাজ ছিল।
**স্মারকলিপি (১৪ ফেব্রুয়ারি ১৮৫৭), জন ব্রুক এবং মেরি সোরেনসেন (সম্পাদিত), ''দ্য প্রাইম মিনিস্টারস পেপারস: ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোন. থ্রি: অটোবায়োগ্রাফিক্যাল মেমোরেন্ডা ১৮৪৫–১৮৬৬'' (১৯৭৮) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ২১৫
[[File:Destroying Chinese war junks, by E. Duncan (1843).jpg|thumb|[[যুদ্ধ]] মানবজাতির জন্য একটি ভয়ঙ্কর অভিশাপ। কিন্তু এটি এমন হওয়ায় যুগের [[প্রজ্ঞা]] এটিকে কঠোর [[আইন]] ও [[প্রথা|প্রথার]] মধ্যে আবদ্ধ করেছে। এছাড়া এটি মানুষের বন্য [[আবেগ|আবেগকে]] নিয়ন্ত্রণ করতে কিছু আনুষ্ঠানিকতা পালনের দাবি করেছে, যাতে সম্পূর্ণ [[বিবেচনা]] এবং চরম [[প্রয়োজনীয়তা]] ছাড়া এই অভিশাপ মুক্ত হতে না পারে। আপনি এই সমস্ত সতর্কতাগুলো পরিহার করেছেন।]]
* স্যার, চীনের সাথে যুদ্ধ হচ্ছে না, কিন্তু সেখানে কী হচ্ছে? সেখানে শত্রুতা চলছে। রক্তপাত হচ্ছে। শক্তিমানরা দুর্বলদের পদদলিত করছে। দুর্বলরা শক্তিমানদের ওপর ভয়ংকর এবং ঘৃণ্য প্রতিশোধ নিচ্ছে। আপনি এখন এই হাউসে একজন চীনা রুটিওয়ালা সম্পর্কে মর্মান্তিক বিবরণ দিচ্ছেন, যে রুটিতে বিষ মিশিয়েছিল। আপনি ব্রিটিশদের মাথা কাটার ঘোষণা এবং একটি ডাকবাহী স্টিমারে হামলার কথা বলছেন। আপনি মনে করেন এগুলো আপনার মামলাকে শক্তিশালী করবে। কিন্তু এগুলো আপনার অপরাধকে আরও গভীর করে তোলে। এগুলো আপনাকে আরও সম্পূর্ণভাবে ভুলের দিকে ঠেলে দেয়। '''যুদ্ধ মানবজাতির জন্য একটি ভয়ঙ্কর অভিশাপ। কিন্তু এটি এমন হওয়ায় যুগের প্রজ্ঞা এটিকে কঠোর আইন ও প্রথার মধ্যে আবদ্ধ করেছে। এছাড়া এটি মানুষের বন্য আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করতে কিছু আনুষ্ঠানিকতা পালনের দাবি করেছে, যাতে সম্পূর্ণ বিবেচনা এবং চরম প্রয়োজনীয়তা ছাড়া এই অভিশাপ মুক্ত হতে না পারে। আপনি এই সমস্ত সতর্কতাগুলো পরিহার করেছেন।''' আপনি একজন কনসালকে একজন কূটনীতিক বানিয়েছেন। সেই পরিবর্তিত কনসাল এখন ইংল্যান্ডের পুরো শক্তি একটি প্রতিরক্ষাহীন জাতির বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে স্বাধীন। যুদ্ধ মানুষের জন্য অভিশাপ হলেও এর কিছু ইতিবাচক দিক রয়েছে। এর সাথে বীরত্বপূর্ণ আত্মত্যাগ এবং অসীম সাহসের কাজ জড়িত। আপনি মাঠে সমান শত্রুর মুখোমুখি হচ্ছেন এবং আপনি যখন জীবন বা মৃত্যুর চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেন, তখন আপনি অন্তত একটি ন্যায্য লড়াইয়ে অবতীর্ণ হন। কিন্তু আপনি চীনে গিয়ে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছেন, যারা আপনার সামনে নারী বা শিশুর মতো দাঁড়িয়ে আছে। তারা আপনাকে প্রতিরোধ করার চেষ্টা করে। তারা তাদের সৈন্য জড়ো করে। তারা তাদের বন্দুক লোড করে। তারা যুদ্ধে একজন মানুষকে হত্যা করে এবং অন্যজনকে আহত করে। কিন্তু তারা যখন এই কাজগুলো করে, তখন আপনি হয়তো হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেন। তারা মাঠে আপনার মোকাবিলা করতে অক্ষম। তাদের মুখোমুখি হওয়ার জন্য আপনার কোনো সমান ক্ষেত্র নেই। এই ধরনের যুদ্ধে আপনি কোনো গৌরব অর্জন করতে পারবেন না। যারা ব্রিটিশ পতাকাকে এ ধরনের কাজে ব্যবহার করে, তারাই একে কলঙ্কিত করে। জাতীয় পতাকার প্রতি আমাদের যে আনুগত্য রয়েছে, সে সম্পর্কে তাদের কাছ থেকে আমাদের অলংকারিক অতিরঞ্জন শোনার কোনো কারণ নেই। চীনের যুদ্ধের অবস্থা এমনই। এই মানুষগুলোর আপনাকে উন্মুক্ত প্রতিরোধ করার কোনো উপায় নেই। তারা আপনার সামনে নারী ও শিশুর মতো। আপনি যখন তাদের সাথে যুদ্ধ করেন, তখন তারা কী করে? তারা তাদের শত্রুদের ধ্বংস করার জন্য সেই শোচনীয় এবং ঘৃণ্য কৌশলগুলোর আশ্রয় নেয়, যা তাদের দুর্বলতা তাদের শেখায়। বিশ্বের ইতিহাসে এমন ঘটনা এই প্রথম নয়। আপনি কি কখনও সেই দাসদের বিদ্রোহের কথা পড়েননি, যা যুদ্ধ বলা হতো এবং যা ইতিহাসে দাসদের যুদ্ধ হিসেবে লিপিবদ্ধ আছে? এটি কি সর্বজনবিদিত নয় যে, ইতিহাসে লিপিবদ্ধ সমস্ত যুদ্ধের মধ্যে সেগুলো সবচেয়ে ভয়ঙ্কর, হিংস্র এবং ধ্বংসাত্মক ছিল? কেন? কারণ যারা পদদলিত হয়েছিল, তারা তাদের অত্যাচারীদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেওয়ার আবেগকে তৃপ্ত করতে কোনো সীমা মানেনি। তাদের বাড়াবাড়ি যতই ভুল হোক না কেন, যারা তাদের উসকে দিয়েছিল, তাদের পক্ষ থেকে এটি অভিযোগের ন্যায্য বিষয় হতে পারে না। এই যুদ্ধের কারণে হওয়া নিষ্ঠুরতা এবং অমানবিকতার প্রতিটি বিবরণ আমার কষ্ট ও লজ্জাকে আরও বাড়িয়ে তোলে। আমি বিশ্বাস করি, এই হাউস এই দুঃখজনক প্রতিযোগিতার উৎসের দিকে ফিরে তাকালে একই কষ্ট ও লজ্জা অনুভব করবে।
**[[w:দ্বিতীয় আফিম যুদ্ধ|দ্বিতীয় আফিম যুদ্ধের]] বিরুদ্ধে [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1857/mar/03/resolution-moved-resumed-debate-fourth#column_1802 হাউস অফ কমন্সে দেওয়া ভাষণ] (৩ মার্চ ১৮৫৭)
*এমন এক সময়ে যখন আবেগগুলো এতটাই বিভক্ত, আমি বিশ্বাস করি প্রত্যেক মানুষ তার ভোট দেওয়ার সময় এটি মনে রাখবে যে তার একটি মাত্র ভোটের ওপর নির্ভর করতে পারে যে [[চীন|চীনে]] আমি যে দুঃখকষ্ট, অপরাধ এবং অমানবিকতার ভয় করছি, তা বন্ধ করা হবে কি না। আমরা এখন সংকটের মধ্যে আছি। ইংল্যান্ড এখনও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ নয়। কিন্তু যদি একটি প্রতিকূল ভোট দেওয়া হয়, তবে ইংল্যান্ড প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হবে। এরপর আপনাদের সাথে, আমাদের সাথে, আমাদের প্রত্যেকের সাথে এটি দেখানোর দায়িত্ব থাকবে যে, এই হাউসটি বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন এবং স্বাধীনতার শ্রেষ্ঠ মন্দির। এটি সেই চিরস্থায়ী ন্যায়বিচারেরও মন্দির, যা ছাড়া স্বাধীনতা কেবল একটি নাম বা মানবজাতির জন্য একটি অভিশাপ হয়ে দাঁড়াবে। আমি বিশ্বাস করি আজ রাতে যখন আপনি, স্যার, আপনার আসন থেকে ভোটের ফলাফল ঘোষণা করবেন, তখন আপনার কথাগুলো কেবল শান্তি ও ক্ষমার বার্তা হিসেবে নয়, বরং ব্রিটিশ ন্যায়বিচার ও প্রজ্ঞার বার্তা হিসেবে বিশ্বের দূরতম প্রান্তে পৌঁছে যাবে।
**[[w:দ্বিতীয় আফিম যুদ্ধ|দ্বিতীয় আফিম যুদ্ধের]] বিরুদ্ধে হাউস অফ কমন্সে দেওয়া [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1857/mar/03/resolution-moved-resumed-debate-fourth#column_1808 ভাষণ] (৩ মার্চ ১৮৫৭)
* সংখ্যাগরিষ্ঠের দ্বারা সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক ততটাই একটি উপায়, যতটা গ্যাসের মাধ্যমে আলো জ্বালানো।
** ''স্টাডিজ অন হোমার অ্যান্ড দ্য হোমারিক এজ'' (অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১৮৫৮), পৃষ্ঠা ১১৬।
[[File:Gladstone-by-Watts-1859.jpg|thumb|right|আমি বলতে সাহস করছি যে, ব্যক্তিগত অযোগ্যতা বা রাজনৈতিক বিপদের কোনো বিবেচনায় যিনি সম্ভবত অক্ষম নন, এমন প্রত্যেক ব্যক্তি নৈতিকভাবে সংবিধানের আওতায় আসার অধিকারী।]]
* '''আমার আর্থিক বিশ্বাসে [[অর্থনীতি]] হলো প্রথম এবং প্রধান বিষয় (অর্থনীতি যেমনটা আমি বুঝি)।''' প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ করের মধ্যে বিতর্ক একটি গৌণ, তবে গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে।
** লিভারপুলে ফিন্যান্সিয়াল রিফর্ম অ্যাসোসিয়েশনের তাঁর ভাই রবার্টসনকে লেখা চিঠি (১৮৫৯), এফ. ডব্লিউ. হার্স্টের ''গ্ল্যাডস্টোন অ্যাজ ফাইন্যান্সিয়ার অ্যান্ড ইকোনমিস্ট'' (১৯৩১) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ২৪১
*১৮৫৩ সাল থেকে পরিস্থিতি কেমন ছিল? এই সত্যটি এড়িয়ে যাওয়া অর্থহীন যে, কেবল সরকারি বিভাগ বা মন্ত্রিসভার মধ্যেই নয়, বরং পুরো দেশজুড়ে এবং এই হাউসের আশেপাশেও জনসচেতনতার অভাব দেখা গেছে। সময়ের সাথে সাথে সামান্য পরীক্ষার মাধ্যমেই জনগণের তহবিলের ওপর সব ধরনের ব্যয় অনুমোদিত হয়েছে। এই বা সেই ব্যয়ের জন্য প্রত্যেক মানুষের আবেদন এত সহজে মেনে নেওয়া হয়েছে যে, এই ধারা আরও পাঁচ বা দশ বছর চলতে থাকলে দেশের অর্থনীতি সম্পূর্ণ বিশৃঙ্খলার মধ্যে পড়বে।
**বেঞ্জামিন ডিসরাইলির বাজেটের বিরুদ্ধে হাউস অফ কমন্সে দেওয়া [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1859/jul/21/financial-policy-of-the-late-government ভাষণ] (২১ জুলাই ১৮৫৯)
=== ১৮৬০-এর দশক ===
* '''আমি অভিজ্ঞতা থেকে ''নিশ্চিত'' যে, জীবনের শুরুতে কঠোরভাবে হিসাব রাখার সুবিধা অনেক।''' এটি ব্যাকরণ শেখার মতো, যা একবার শিখলে পরে আর বারবার দেখার প্রয়োজন হয় না।
** মিসেস গ্ল্যাডস্টোনকে লেখা চিঠি (১৪ জানুয়ারি ১৮৬০), এফ. ডব্লিউ. হার্স্টের ''গ্ল্যাডস্টোন অ্যাজ ফাইন্যান্সিয়ার অ্যান্ড ইকোনমিস্ট'' (১৯৩১) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ২৪২
*মহান লক্ষ্য হলো এই আইনের নৈতিক ও রাজনৈতিক তাৎপর্য এবং এর কাঙ্ক্ষিত ফল হিসেবে দুই দেশকে স্বার্থ ও স্নেহের মাধ্যমে একত্রিত করা। ব্রিটিশ বাণিজ্যের প্রসারের খাতিরে আপনি বা আমি কেউই এই [[w:কবডেন-শেভালিয়ার চুক্তি|চুক্তির]] ওপর আপাতত কোনো অতিমূল্য আরোপ করছি না। আমি যা খুঁজছি তা হলো সামাজিক কল্যাণ, দুই দেশের সম্পর্কের উন্নতি এবং ইউরোপের শান্তিতে এর প্রভাব।
**[[রিচার্ড কবডেন|রিচার্ড কবডেনকে]] লেখা চিঠি (আনুমানিক ১৮৬০), এইচ. সি. জি. ম্যাথিউয়ের ''গ্ল্যাডস্টোন, ১৮০৯–১৮৭৪'' (১৯৮৬) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১১৩
*স্যার, একসময় ইংল্যান্ড এবং ফ্রান্সের সরকারের মধ্যে বন্ধুত্বের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক স্থাপিত হয়েছিল। এটি ছিল পরবর্তী স্টুয়ার্টদের রাজত্বকালে। এটি আমাদের ইতিহাসে একটি অন্ধকার দিক চিহ্নিত করে, কারণ এটি একদিকে আধিপত্যবাদী উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং অন্যদিকে ভিত্তিহীন ও জঘন্য অধীনতার চেতনায় গঠিত একটি ঐক্য ছিল। কিন্তু স্যার, সেটি জাতিগুলোর ঐক্য ছিল না, সেটি ছিল সরকারের ঐক্য। এটি সরকারের ঐক্য নয়, এটি জাতিগুলোর ঐক্য হতে যাচ্ছে।
**[[w:কবডেন-শেভালিয়ার চুক্তি|অ্যাংলো-ফ্রেঞ্চ বাণিজ্যিক চুক্তি]] সম্পর্কে হাউস অফ কমন্সে দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1860/feb/10/customs-acts-committee-the-financial#column_836 ভাষণ] (১০ ফেব্রুয়ারি ১৮৬০)
*আমাদের প্রস্তাবগুলোর মধ্যে রয়েছে আমাদের শুল্কে একটি বড় সংস্কার, করের একটি বড় মওকুফ এবং সবশেষে ফ্রান্সের সাথে সেই বাণিজ্যিক চুক্তি। এ ধরনের পথ অনুসরণ করে আপনি জনগণের মধ্যে আশীর্বাদ ছড়িয়ে দিতে পারবেন। এই আশীর্বাদগুলো আপনার নিষ্পত্তির সবচেয়ে শক্তিশালী এবং স্বাস্থ্যকর আশীর্বাদগুলোর মধ্যে অন্যতম। কারণ এ ধরনের আইনে আপনি মানুষের জন্য যান্ত্রিক সাহায্য তৈরি করছেন না। তাদের নিজেদের যা করা উচিত, তা তাদের জন্য করার চেষ্টা করছেন না। বরং আপনি তাদের স্বাধীনতা সংকুচিত না করে তাদের সুযোগ বাড়াচ্ছেন। আপনি তাদের শ্রমের মূল্য দিচ্ছেন, তাদের দায়িত্ববোধকে জাগ্রত করছেন এবং তাদের সম্মানজনক আত্মনির্ভরশীলতাকে দুর্বল করছেন না।
**হাউস অফ কমন্সে দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1860/feb/10/customs-acts-committee-the-financial#column_871 ভাষণ] (১০ ফেব্রুয়ারি ১৮৬০)
*আমার নিজের দিক থেকে আমি গভীরভাবে নিশ্চিত যে, দেশের বৈধ চাহিদার বাইরে সরকারি ব্যয়ের সমস্ত বাড়াবাড়ি কেবল আর্থিক অপচয় নয়। এটি তুলনামূলকভাবে একটি তুচ্ছ বিষয় হলেও, এটি একটি বড় রাজনৈতিক এবং নৈতিক অন্যায়। আর্থিক অপচয়ের একটি বৈশিষ্ট্য হলো এটি নীরবে এবং গোপনে এগিয়ে আসে। এটি একটি বিশাল আকার ধারণ না করা পর্যন্ত অদৃশ্য এবং অনুভূত হয় না। অবশেষে আমরা এটিকে দেখতে পাই। সম্ভবত এটি এখন মহান ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে অন্তত একটির ক্ষেত্রে বিদ্যমান। এর দিকটি এত ভয়ানক এবং হুমকিস্বরূপ যে এটি জাতীয় অস্তিত্বের ভিত্তিকেই হুমকির মুখে ফেলে বলে মনে হয়।
**হাউস অফ কমন্সে দেওয়া [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1861/apr/15/first-night#column_595 ভাষণ] (১৫ এপ্রিল ১৮৬১)
*[[w:এডওয়ার্ড হর্সম্যান|স্ট্রাউডের মাননীয় সদস্য]] এই বাজেট সম্পর্কে বলেছেন, এটি সংবিধানে একটি মারাত্মক আঘাত। আমি জানতে চাই এটি কোন সংবিধানে মারাত্মক আঘাত হানে? আমার মতে এটি কোনো মারাত্মক আঘাত হানে না। বরং এটি সাম্প্রতিক অনুশীলনের যেকোনো কিছু পরিবর্তন করার ক্ষেত্রে সেই ভালো পুরোনো সংবিধান পুনরুদ্ধারের দিকে এগিয়ে যায়। এই সংবিধান স্যাক্সন সময়ে এর শিকড় গেড়েছিল, প্লান্টাজেনেটদের অধীনে বৃদ্ধি পেয়েছিল, টিউডরদের কঠোর শাসন সহ্য করেছিল এবং স্টুয়ার্টদের আগ্রাসন প্রতিরোধ করেছিল। এখন ব্রান্সউইক হাউসের শাসনে এটি নিখুঁত পরিপক্বতায় পৌঁছেছে।
**হাউস অফ কমন্সে দেওয়া [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1861/may/16/second-reading-second-night#column_2133 ভাষণ] (১৬ মে ১৮৬১)
* [[যুক্তরাষ্ট্রে দাসপ্রথা|দাসপ্রথা]] সম্পর্কে আমাদের নিজস্ব মতামত থাকতে পারে। আমরা [[দক্ষিণ যুক্তরাষ্ট্র|দক্ষিণের]] পক্ষে বা বিপক্ষে থাকতে পারি। তবে এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, [[জেফারসন ডেভিস]] এবং [[কনফেডারেট স্টেটস অফ আমেরিকা|দক্ষিণের অন্যান্য নেতারা]] একটি সেনাবাহিনী তৈরি করেছেন। তারা দৃশ্যত একটি নৌবাহিনী তৈরি করছেন এবং তারা এর চেয়েও বেশি কিছু করেছেন, ''তারা একটি জাতি তৈরি করেছেন''। উত্তর থেকে তাদের বিচ্ছিন্নতার বিষয়ে আমরা নিশ্চিতভাবে দক্ষিণের রাজ্যগুলোর সাফল্য আশা করতে পারি। আমি বিশ্বাস না করে পারি না যে, এই ঘটনাটি ভবিষ্যতের যেকোনো সম্ভাব্য ঘটনার মতোই নিশ্চিত।
** আমেরিকান গৃহযুদ্ধ নিয়ে টাউন হল, নিউক্যাসল আপন টাইনে দেওয়া ভাষণ (৭ অক্টোবর ১৮৬২), ''দ্য টাইমস'' (৯ অক্টোবর ১৮৬২)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৭-৮
* আমি বোঝাতে চাই যে, ব্যয়ের তথাকথিত বৃদ্ধির সাথে সাথে এমন একটি চেতনাও গড়ে ওঠে, যা অজান্তে জনগণের চেতনাকে প্রভাবিত করে। এটি সংসদের চেতনা, সরকারি বিভাগগুলোর চেতনা এবং সম্ভবত যাদের সংসদে প্রাক্কলন জমা দেওয়ার দায়িত্ব রয়েছে, তাদের চেতনাকেও প্রভাবিত করে।
** হাউস অফ কমন্সে দেওয়া ভাষণ (১৬ এপ্রিল ১৮৬৩), [[জন মর্লি|জন মর্লির]] ''দ্য লাইফ অফ উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন. ভলিউম টু'' (১৯০৩) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৬২
[[File:William Ewart Gladstone - Project Gutenberg eText 13103.jpg|thumb|right| [[ভুল|ভুলের]] বিরোধিতা করলেই যে কেউ [[সঠিক]] হবে, আমাদের মানসিক গঠনে তার খুব কম নিশ্চয়তাই রয়েছে।]]
* কিন্তু ব্যয়ের এই চেতনাকে কীভাবে দূর করা যায়? প্রচারের মাধ্যমে নয়, আপনার প্রচারের মাধ্যমেও তা সম্ভব হবে বলে আমি সন্দেহ করি। আমি গভীরভাবে সন্দেহ করি, যতদিন আমাদের আয়কর থাকবে, ততদিন এই চেতনা পুরোনো অর্থনীতির চেতনার জায়গা নিতে পারবে কি না। এর মধ্যেই গভীর ব্যবহারিক মুহূর্তের প্রশ্নগুলো লুকিয়ে আছে।
** রিচার্ড কবডেনকে লেখা চিঠি (৫ জানুয়ারি ১৮৬৪), [[জন মর্লি|জন মর্লির]] ''দ্য লাইফ অফ উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন ভলিউম টু'' (১৯০৩) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৬২
* '''আমি বলতে সাহস করছি যে, ব্যক্তিগত অযোগ্যতা বা রাজনৈতিক বিপদের কোনো বিবেচনায় যিনি সম্ভবত অক্ষম নন, এমন প্রত্যেক ব্যক্তি নৈতিকভাবে সংবিধানের আওতায় আসার অধিকারী।''' অধিকারের জন্য উপযুক্ততা থাকলে কাউকে সংবিধানের বাইরে রাখা যায় না। আমি শ্রমিক শ্রেণির একটি নির্বাচিত অংশের ক্ষেত্রে এটি প্রমাণ করতে পারি। বর্তমান পরিস্থিতি ভালো আছে, এই অজুহাতে তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা যায় না। আমি আরও দাবি করি, যারা এ ধরনের মতামত প্রকাশ করেছেন এবং যাদের আমি শ্রমিক শ্রেণির সদস্য বলে জানি, তারা নাগরিকত্বের দায়িত্ব পালনের যোগ্য। তারা সেই দায়িত্ব পালনের অধিকার ভালোভাবে এবং ন্যায্যভাবে পাওয়ার অধিকারী।
** হাউস অফ কমন্সে দেওয়া [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1864/may/11/second-reading#column_324 ভাষণ] (১১ মে ১৮৬৪)
*কোন গুণগুলো একজন মানুষকে ভোটাধিকারের মতো সুবিধা প্রয়োগের যোগ্য করে তোলে? আত্মনিয়ন্ত্রণ, শৃঙ্খলার প্রতি সম্মান, কষ্টের মধ্যে ধৈর্য, আইনের প্রতি আস্থা এবং ঊর্ধ্বতনদের প্রতি সম্মান।
**হাউস অফ কমন্সে দেওয়া [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1864/may/11/second-reading#column_325 ভাষণ] (১১ মে ১৮৬৪)
*তাঁর দেবী যুক্তির বিষয়ে আমি কেবল এটিই বুঝি যে, মহাদেশে যা [[ফরাসি বিপ্লব|ফরাসি বিপ্লবের]] নীতি হিসেবে পরিচিত, তার গ্রহণ। ইংল্যান্ডে আমরা এগুলো চাইও না এবং এগুলো খুব একটা পছন্দও করি না।
**[[জুসেপ্পে গারিবালদি|জুসেপ্পে গারিবালদির]] ব্রিটেন সফরের পর হেনরি এডওয়ার্ড ম্যানিংকে লেখা চিঠি (আনুমানিক জুলাই ১৮৬৪), পিটার সি. এর্ব (২০১৩) সম্পাদিত ''দ্য করেস্পন্ডেন্স অফ হেনরি এডওয়ার্ড ম্যানিং অ্যান্ড উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন: ভলিউম থ্রি, ১৮৬১–১৮৭৫'' গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ২৮
* অবশেষে, আমার বন্ধুরা, আমি আপনাদের মাঝে এসেছি। এবং আমি এসেছি... ''মুক্তভাবে''।
**দক্ষিণ ল্যাঙ্কাশায়ারের নির্বাচকদের উদ্দেশে দেওয়া ভাষণ। (১৮ জুলাই ১৮৬৫)
*আমি লিবারেল সরকারের একজন সদস্য। আমি লিবারেল দলের সাথে যুক্ত। জীবনে প্রবেশ করার সময় আমি যে সত্যিকারের রক্ষণশীল উদ্দেশ্য এবং আকাঙ্ক্ষাগুলো ধারণ করেছিলাম, তা থেকে আমি কখনো বিচ্যুত হইনি। আমি আমার দেশের প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি আগের চেয়ে আরও বেশি অনুরক্ত হয়ে পড়েছি। ছোটবেলায় সিফোর্থের বালির পাহাড়ে বা [[লিভারপুল|লিভারপুলের]] রাস্তায় ঘুরে বেড়ানোর সময়ও আমার এতটা অনুরাগ ছিল না। কিন্তু অভিজ্ঞতা আমাকে শিক্ষা দিয়েছে। আমি শিখেছি যে বিশ্বাসের নীতিতে প্রজ্ঞা রয়েছে এবং অবিশ্বাসের নীতিতে মূর্খতা রয়েছে। আমি সময়ের লক্ষণগুলো গ্রহণ করতে অস্বীকার করিনি। আমি লিবারেল আইনের প্রভাব পর্যবেক্ষণ করেছি। যদি আমাদের বলা হয় যে দেশের সমস্ত অনুভূতি সর্বোত্তম এবং বিস্তৃত অর্থে রক্ষণশীল, অর্থাৎ মানুষ দেশ এবং দেশের আইন ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে মূল্য দেয়, তবে সততা আমাদের স্বীকার করতে বাধ্য করে যে এই ফলাফল লিবারেল আইনের মাধ্যমেই আনা হয়েছে।
**লিভারপুলে দেওয়া ভাষণ (১৮ জুলাই ১৮৬৫), ''দ্য টাইমস'' (১৯ জুলাই ১৮৬৫)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১১।
*ভদ্রমহোদয়গণ, বিশ্বে ইংল্যান্ডের অবস্থান একটি অদ্ভুত অবস্থান। ইংল্যান্ড হয়তো অন্য যেকোনো ইউরোপীয় দেশের চেয়ে অতীত যুগের সবচেয়ে মহৎ এবং শ্রদ্ধেয় ঐতিহ্য উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছে। একই সাথে অতীতের তার ঐতিহ্যগুলো এতই সমৃদ্ধ এবং ফলপ্রসূ যে আমাদের সমস্ত মন এবং চরিত্র বহুলাংশে সেগুলো দ্বারা গঠিত হয়েছে। ভৌগোলিকভাবে সে একদিকে ইউরোপ এবং অন্যদিকে [[যুক্তরাষ্ট্র|আমেরিকার]] মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছে। সে সেই [[সামন্তবাদ|সামন্ততান্ত্রিক]] প্রতিষ্ঠানগুলোর মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছে, যেখানে ইউরোপীয় সমাজ গঠিত হয়েছিল এবং যা তাকে শ্রেণির একটি স্তরবিন্যাস দিয়েছে। অন্যদিকে সে আমেরিকায় সমাজের ভিত্তি গঠনকারী সমতার নীতিগুলোর মাঝখানেও দাঁড়িয়ে আছে।
**লিভারপুল লিবারেল অ্যাসোসিয়েশনের উদ্দেশে দেওয়া ভাষণ (৬ এপ্রিল ১৮৬৬), ''দ্য টাইমস'' (৭ এপ্রিল ১৮৬৬)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৯
*মাঝে মাঝে বলা হয় যে আমরা যে ব্যবস্থাটির প্রস্তাব করছি, তা একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা। "[[গণতন্ত্র]]" শব্দের খুব ভিন্ন অর্থ রয়েছে। গণতন্ত্র মানে যদি স্বাধীনতা হয়, গণতন্ত্র মানে যদি প্রত্যেক মানুষকে তার নিজস্ব পরিমণ্ডলে প্রতিটি সুবিধা এবং প্রতিটি ভোটাধিকার প্রসারিত করা হয়, যা সে নিজের সুবিধার জন্য এবং রাষ্ট্রের নিরাপত্তার সাথে প্রয়োগ করতে পারে, তবে আমি স্বীকার করতে বাধ্য যে গণতন্ত্র শব্দটিতে আমাদের শঙ্কিত হওয়ার খুব বেশি কিছু নেই। (হর্ষধ্বনি) কিন্তু গণতন্ত্র মানে যদি জ্ঞানের বিরুদ্ধে অজ্ঞতাকে সিংহাসনে বসানো হয়, পুণ্যের বিরুদ্ধে পাপকে প্রতিষ্ঠা করা হয়, পদমর্যাদাকে অবজ্ঞা করা হয়, আমাদের পূর্বপুরুষরা আমাদের জন্য যা করেছেন তা ভুলে যাওয়া হয়, আমরা যে উত্তরাধিকার উপভোগ করছি তার প্রতি উদাসীনতা বা শীতলতা দেখানো হয়, তবে ভদ্রমহোদয়গণ, আমি একা এবং আমি বিশ্বাস করি যাদের আমি সম্বোধন করার সম্মান পেয়েছি তারা সবাই সেই অর্থে গণতন্ত্রের শত্রু।
**লিভারপুল লিবারেল অ্যাসোসিয়েশনের উদ্দেশে দেওয়া ভাষণ (৬ এপ্রিল ১৮৬৬), ''দ্য টাইমস'' (৭ এপ্রিল ১৮৬৬)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৯
*স্যার, লিবারেল দলের ক্ষেত্রে আমার অবস্থান সব দিক থেকেই [[জন রাসেল, প্রথম আর্ল রাসেল|আর্ল রাসেলের]] বিপরীত। তাঁর যে দাবিগুলো রয়েছে, আমার তা নেই। যাদের সাথে আমি যুক্ত ছিলাম, তাদের কাছ থেকে বিতাড়িত হয়ে আমি আপনাদের মাঝে এসেছি। আমি স্বীকার করি, কোনো স্বেচ্ছাচারী কাজের কারণে নয়, বরং দৃঢ় প্রত্যয়ের ধীর এবং অপ্রতিরোধ্য শক্তির কারণেই আমি বিতাড়িত হয়েছি। আইনি পরিভাষায় বলতে গেলে, আমি আপনাদের মাঝে ''ইন পপারিস ফরমা'' হিসেবে এসেছি। বিশ্বস্ত এবং সম্মানজনক সেবা ছাড়া আপনাদের দেওয়ার মতো আমার আর কিছুই ছিল না। আপনারা আমাকে দয়া, প্রশ্রয় এবং উদারতার সাথে গ্রহণ করেছেন। আমি বলতে পারি যে আপনারা কিছুটা আত্মবিশ্বাসের সাথেই আমাকে গ্রহণ করেছেন। আমাদের মধ্যে সম্পর্ক এমন একটি রূপ নিয়েছে যে আপনারা কখনোই আমার কাছে ঋণী হতে পারবেন না, বরং আমাকে চিরকাল আপনাদের কাছে ঋণী থাকতে হবে।
**রিপ্রেজেন্টেশন অফ দ্য পিপল বিলের দ্বিতীয় পাঠে হাউস অফ কমন্সে দেওয়া [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1866/apr/27/adjourned-debate-eighth-night#column_130 ভাষণ] (২৭ এপ্রিল ১৮৬৬)
*আমার কাছে মনে হয়েছিল যে, বর্তমান সরকারের অধীনে সরকারি ব্যয় সংক্রান্ত এমন একটি ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে, যাকে আমি সবাইকে খুশি রাখার ব্যবস্থা বলে থাকি। এর মানে হলো এক শহর থেকে অন্য শহরে যাওয়া, এই সম্প্রদায় যা চায় তা দেওয়া, ঐ সম্প্রদায় যা চায় তা দেওয়া এবং অন্য সম্প্রদায় যা চায় তা দেওয়া। সেই বিশাল জনসাধারণকে দৃষ্টির বাইরে রাখা, যাদের দুর্ভাগ্যবশত এই স্থানীয় এবং বিশেষ দাবিগুলোর বিরুদ্ধে রক্ষা করার জন্য সর্বদা কোনো কণ্ঠস্বর এবং আইনজীবী প্রস্তুত থাকে না। তবে এটি আমাদের জন্য সবচেয়ে গর্বের বিষয় যে আমরা তাদের আইনজীবী এবং চ্যাম্পিয়ন হতে চাই।
**ল্যাঙ্কাশায়ারের লেইগে দেওয়া ভাষণ (২০ অক্টোবর ১৮৬৮), ''দ্য টাইমস'' (২১ অক্টোবর ১৮৬৮)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১১
*আপনি যদি সেবা পেতে চান, তবে যারা আপনাকে সেবা দিতে চায় এবং যারা চায় না, তাদের মধ্যে পার্থক্য করতে হবে। দক্ষিণ ল্যাঙ্কাশায়ার এবং সাধারণভাবে দেশের ভোটাররা যদি ব্যয় করার এই পদ্ধতিটি চলতে দিতে সন্তুষ্ট থাকে, তবে আপনাদের অস্পষ্ট এবং সাধারণ প্রতিশ্রুতিগুলো নিয়ে সন্তুষ্ট থাকা অর্থহীন। এই মহাদেশীয় ব্যবস্থাটি সমগ্র জনগণের ব্যয়ে নির্দিষ্ট শ্রেণি এবং অংশের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করে। যদি এটি সেই ব্যবস্থা হয় যার ভিত্তিতে সরকারি অর্থ পরিচালনা করা হবে, তবে ভালো বছরেও কর মওকুফের সমস্ত আশা ছেড়ে দেওয়ার জন্য আপনাদের প্রস্তুত থাকতে হবে। খারাপ বছরে আয়করের স্থির বৃদ্ধির জন্য আপনাদের অপেক্ষা করতে হবে।
**ল্যাঙ্কাশায়ারের লেইগে দেওয়া ভাষণ (২০ অক্টোবর ১৮৬৮), ''দ্য টাইমস'' (২১ অক্টোবর ১৮৬৮)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১১
*আমরা দেখতে পাচ্ছি এবং জানি যে, আয়ারল্যান্ডে রাষ্ট্রের ক্ষমতা এবং প্রভাবকে অন্যের বিরুদ্ধে একটি ধর্মকে সমর্থন করার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করার চেষ্টা করা হয়েছে। এটি দেশের জন্য একটি প্লেগ এবং অভিশাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটি মানুষকে মানুষ থেকে, শ্রেণিকে শ্রেণি থেকে, রাজ্যকে রাজ্য থেকে বিভক্ত করেছে। এই মহান, প্রাচীন এবং মহৎ সাম্রাজ্যে এর প্রভাব এমন হয়েছে যে, এটি এখন বিশ্ববাসীর সামনে আমাদের একটি বিভক্ত দেশ হিসেবে তুলে ধরেছে। এই তিনটি রাজ্যের মধ্যে দুটিতে আমরা সত্যই আন্তরিকভাবে ঐক্যবদ্ধ এবং যুক্ত। তবে তৃতীয়টি মানবজাতির সামনে একটি বেদনাদায়ক দৃশ্য উপস্থাপন করে, যা নিজেদের মধ্যে বিভেদ ও ধ্বংসের দ্বারা পূর্ণ। এটি এই রাজ্যের সিংহাসন এবং সংবিধানের ক্ষেত্রেও বিচ্ছিন্নতা এবং দূরত্বের সৃষ্টি করেছে।
**ওয়েভারট্রির অ্যাসেম্বলি-রুমে দেওয়া ভাষণ (১৪ নভেম্বর ১৮৬৮), ''দ্য টাইমস'' (১৬ নভেম্বর ১৮৬৮)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৫
* "কয়লা খনি শ্রমিকদের মজুরি বাড়ানোর" জন্য আমার ক্ষমতায় থাকা একমাত্র উপায়টি ছিল বাণিজ্যের সেই সমস্ত বিধিনিষেধগুলো ভেঙে ফেলার চেষ্টা করা, যা তাদের শ্রমের পণ্যের জন্য প্রাপ্ত মূল্যকে হ্রাস করার প্রবণতা রাখে। এছাড়া তাদের ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় পণ্যগুলোর ওপর যতটা সম্ভব কর কমানোর চেষ্টা করা। এর বাইরে আমি দূরদর্শিতার দিকে তাকাই, যা স্কটল্যান্ড এবং কিছু বিদেশি দেশের মতো এই দেশে এখনও এত ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েনি। আপনাদের মনে করিয়ে দেওয়ার প্রয়োজন নেই যে, এর প্রয়োগ সহজ করার জন্য সরকারকে আইন প্রণয়নের মাধ্যমে ক্ষমতায়ন করা হয়েছে, যাতে [[w:জেনারেল পোস্ট অফিস|পি.ও.]] বিভাগের মাধ্যমে তারা সঞ্চয়ের গ্রহীতা এবং অভিভাবক হতে পারে।
** ড্যানিয়েল জোন্স নামে একজন বেকার খনি শ্রমিককে লেখা চিঠি, যিনি বেকারত্ব এবং কম মজুরির বিষয়ে অভিযোগ করেছিলেন (২০ অক্টোবর ১৮৬৯), এইচ. সি. জি. ম্যাথিউয়ের ''দ্য গ্ল্যাডস্টোন ডায়েরিজ: উইথ ক্যাবিনেট মিনিটস অ্যান্ড প্রাইম-মিনিস্টারিয়াল করেস্পন্ডেন্স: ১৮৬৯-জুন ১৮৭১'' ভলিউম ৭ (১৯৮২) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা lxxiv
=== ১৮৭০-এর দশক ===
* [[w:হেফাস্টাস|হেফাইস্তোস]] হোমারের বর্ণনায় দ্বৈত রূপ ধারণ করেছেন। তিনি প্রকৃতির একটি শক্তি হিসেবে আগুনের উপাদানের প্রতিনিধিত্ব করেন। পাশাপাশি তিনি এমন একজন দেবতার রূপ ধারণ করেন, যিনি এমন একটি সময়ের শিল্পের দেবতা ছিলেন, যখন আগুনের সাহায্যে উৎপাদিত ধাতুর কাজই একমাত্র পরিচিত চারুকলা ছিল।
** ''জুভেন্টাস মুন্ডি: দ্য গডস অ্যান্ড মেন অফ দ্য হিরোয়িক এজ'' (১৮৭০) [https://archive.org/stream/juventusmundigod00glad_1#page/288/mode/2up পৃষ্ঠা ২৮৯।]
*মানুষের সম্মতি ছাড়া এক সার্বভৌমত্ব থেকে অন্য সার্বভৌমত্বে তাদের আনুগত্য এবং নাগরিকত্ব হস্তান্তর করা ইউরোপের কিছু অতীত ঘটনার জন্য একটি বড় কলঙ্ক হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটি অনেক যুদ্ধ এবং অশান্তির জন্ম দিয়েছে। ন্যায়বিচারের বিবেচনার সাথে এর সমন্বয় করা কঠিন এবং আধুনিক সভ্যতার অনুভূতির কাছে এটি বিকর্ষণীয়।
**[[w:গ্র্যানভিল লেভেসন-গাওয়ার, ২য় আর্ল গ্র্যানভিল|লর্ড গ্র্যানভিলকে]] লেখা চিঠি (২৪ সেপ্টেম্বর ১৮৭০), হ্যারল্ড টেম্পারলি এবং লিলিয়ান এম. পেনসনের ''ফাউন্ডেশনস অফ ব্রিটিশ ফরেন পলিসি ফ্রম পিট (১৭৯২) টু স্যালিসবারি (১৯০২) অর ডকুমেন্টস, ওল্ড অ্যান্ড নিউ'' (১৯৩৮) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৩২৫–৩২৬
*আমি এই ধারণায় খুব নিপীড়িত বোধ করছি যে, মানুষের এই পণ্যদ্রব্যের মতো হস্তান্তর কোনো সম্মিলিত ইউরোপীয় কণ্ঠস্বর ছাড়াই এগিয়ে যাবে, যদি তারা কথা বলতে ইচ্ছুক হয়।
**জার্মানির [[w:আলসাস-লরেন|আলসাস-লরেন]] অধিগ্রহণের বিষয়ে [[w:গ্র্যানভিল লেভেসন-গাওয়ার, ২য় আর্ল গ্র্যানভিল|লর্ড গ্র্যানভিলকে]] লেখা চিঠি (৩০ সেপ্টেম্বর ১৮৭০), আগাথা র্যাম (সম্পাদিত) এর ''দ্য গ্ল্যাডস্টোন–গ্র্যানভিল করেস্পন্ডেন্স'' [১৯৫২] (১৯৯৮) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১৩৫
*নৈতিক শক্তি এবং ইউরোপীয় রাজনীতিতে তাদের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের ওপর আমার গভীর বিশ্বাস রয়েছে। সম্ভবত সেই কারণেই আমি স্বীকার করতে মুক্ত যে এটি মাঝে মাঝে বিভ্রান্তিকরও হতে পারে।
**[[w:গ্র্যানভিল লেভেসন-গাওয়ার, ২য় আর্ল গ্র্যানভিল|লর্ড গ্র্যানভিলকে]] লেখা চিঠি (৮ অক্টোবর ১৮৭০), হ্যারল্ড টেম্পারলি এবং লিলিয়ান এম. পেনসনের ''ফাউন্ডেশনস অফ ব্রিটিশ ফরেন পলিসি ফ্রম পিট (১৭৯২) টু স্যালিসবারি (১৯০২) অর ডকুমেন্টস, ওল্ড অ্যান্ড নিউ'' (১৯৩৮) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৩২৩
*সামগ্রিকভাবে এটি আশা করা যুক্তিসঙ্গত বলে মনে হয় যে, আমাদের টিউটনিক কাজিনদের [জার্মানি] ব্যবহারিক চরিত্র এবং তাদের অভ্যন্তরীণ দুঃখের বিশাল পরিমাণ তাদের শান্তি ও শুভেচ্ছার মেজাজে স্থির হতে সহায়তা করবে। কিন্তু তারা তা করুক বা না করুক, এটি আশঙ্কা করা বৃথা যে তাদের সামনে বিশ্বব্যাপী বিজয় বা নিরঙ্কুশ আধিপত্যের কোনো পেশা রয়েছে। এছাড়া এটিও আশঙ্কা করা বৃথা যে ইউরোপীয় পরিবার তার অবাধ্য এবং গোলমালকারী সদস্যদের অদ্ভুত আচরণ সংশোধন করার জন্য যথেষ্ট শক্তিশালী নয়।
*‘জার্মানি, ফ্রান্স, অ্যান্ড ইংল্যান্ড’, ''এডিনবার্গ রিভিউ'' (অক্টোবর ১৮৭০), ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোনের ''গ্লিনিংস অফ পাস্ট ইয়ারস, ১৮৪৩–৭৮. ভলিউম ফোর. ফরেন'' (১৮৭৯) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ২৪৯
*এটি নিশ্চিত যে একটি নতুন [[আন্তর্জাতিক আইন|জাতিগুলোর আইন]] ধীরে ধীরে মনের ওপর নিয়ন্ত্রণ নিচ্ছে এবং বিশ্বের অনুশীলনকে প্রভাবিত করছে। এটি এমন একটি আইন যা স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি দেয়, আগ্রাসনকে ভ্রুকুটি করে এবং বিরোধের রক্তক্ষয়ী নিষ্পত্তির বদলে শান্তিপূর্ণ সমাধানের পক্ষে থাকে। এটি অস্থায়ী নয়, বরং স্থায়ী সমন্বয়ের লক্ষ্য রাখে। সর্বোপরি এটি সভ্য মানবজাতির সাধারণ রায়কে সর্বোচ্চ কর্তৃত্বের বিচারালয় হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। এটি ফ্রান্সের আগ্রাসনকে নিন্দা করেছে এবং প্রয়োজন হলে [[জার্মানি|জার্মানির]] লোভকেও নিন্দা করবে। “''সেকিউরাস জুডিকেট অরবিস টেরারাম।''” সমস্ত জাতির জন্য পথভ্রষ্ট হওয়া কঠিন। তাদের সার্বজনীন পরিষদ তাদের আংশিক আবেগের ঊর্ধ্বে বসে থাকে, যারা স্বার্থ দ্বারা বিভ্রান্ত এবং কলহ দ্বারা বিরক্ত হয়। '''আমাদের সময়ের সবচেয়ে বড় বিজয়, বিদ্যুৎ এবং বাষ্পের চেয়ে উচ্চতর অঞ্চলের একটি বিজয় হবে ইউরোপীয় নীতির নিয়ামক ধারণা হিসেবে জনস্বার্থের এই ধারণার সিংহাসনারোহণ।''' এটি সমস্ত ভূমির সাধারণ এবং মূল্যবান উত্তরাধিকার হবে, যা যেকোনো ক্ষণস্থায়ী মতামতের চেয়ে শ্রেষ্ঠ।
**‘জার্মানি, ফ্রান্স, অ্যান্ড ইংল্যান্ড’, ''এডিনবার্গ রিভিউ'' (অক্টোবর ১৮৭০), ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোনের ''গ্লিনিংস অফ পাস্ট ইয়ারস, ১৮৪৩–৭৮. ভলিউম ফোর. ফরেন'' (১৮৭৯) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ২৫৬–২৫৭
* আমি বলতে আগ্রহী যে বর্তমান আন্দোলনের অনেক উদ্যোক্তার বৃহত্তর উদ্দেশ্যগুলোর কোনো সন্দেহ বাদ দিলেও, নির্বাচনী কার্যক্রমে নারীদের ব্যক্তিগত উপস্থিতি এবং হস্তক্ষেপ একটি ব্যবহারিক মন্দ কাজ হবে। এটি কেবল সবচেয়ে গুরুতর নয়, বরং এটি একটি অসহনীয় চরিত্রের কাজ হবে।
** উইমেনস ডিজেবিলিটিস বিলের ওপর হাউস অফ কমন্সে দেওয়া [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1871/may/03/second-reading ভাষণ] (৩ মে ১৮৭১)
*লন্ডনে বিশেষ করে শ্রেণির স্বার্থগুলো কেন্দ্রীভূত ছিল না। সেখানে সম্পদই সর্বশক্তিমান ছিল। বর্তমান বছরে তাদের কর্মকাণ্ডের কারণে সম্পদ মারাত্মক অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে, কারণ সরকার সংসদকে সুপারিশ করেছে যে ইংলিশ সেনাবাহিনীতে ক্ষমতা আর সম্পদের পুরস্কার হবে না, বরং তা হবে যোগ্যতার পুরস্কার।
**[[w:কার্ডওয়েল সংস্কার|কার্ডওয়েল সংস্কারের]] ওপর হুইটবিতে দেওয়া ভাষণ (২ সেপ্টেম্বর ১৮৭১), ''দ্য টাইমস'' (৪ সেপ্টেম্বর ১৮৭১)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১২
*[[মুক্ত বাণিজ্য|বাণিজ্যের স্বাধীনতা]] প্রতিষ্ঠা এবং বাণিজ্য থেকে সম্ভাব্য প্রতিটি বিধিনিষেধ ও বোঝা দূর করার সাধারণ প্রবৃত্তি যুক্তরাজ্যকে আজ এই অসাধারণ অবস্থানে নিয়ে আসার প্রধান চালিকাশক্তি হয়েছে। আমি যদি বলি যে গত ৩০ বছরে আমাদের জনসংখ্যা প্রায় ২৫ বা ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, আর একই সময়ে আমাদের বাণিজ্য প্রায় ৪০০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, তবে আমি খুব বিনয়ের সাথেই এই কথাটি তুলে ধরছি।
**ওয়েকফিল্ডে দেওয়া ভাষণ (৫ সেপ্টেম্বর ১৮৭১), ''দ্য টাইমস'' (৬ সেপ্টেম্বর ১৮৭১)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৩
*আমার শিরায় স্কটিশ রক্ত ছাড়া আর এক ফোঁটা রক্তও নেই। আমার হৃদয়ের একটি বড় অংশ সবসময় স্কটল্যান্ডের ছিল এবং ভবিষ্যতেও স্কটল্যান্ডের থাকবে।
**শহরের স্বাধীনতা লাভের পর অ্যাবারডিনে দেওয়া ভাষণ (২৬ সেপ্টেম্বর ১৮৭১), ''দ্য টাইমস'' (২৭ সেপ্টেম্বর ১৮৭১)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৬
*যারা আপনাকে মানুষের জীবনের কষ্টগুলো দূর করার জন্য আইনসভার দিকে তাকাতে শেখায়, তারা আপনার বন্ধু নয়, তারা আপনার শত্রু। যদিও তাদের উদ্দেশ্য হয়তো খারাপ নয়। মানুষের সুখ বা দুঃখ মূলত নির্ভর করে তার নিজস্ব মন, বিবেক এবং ব্যক্তিগত চরিত্রের ওপর। (হর্ষধ্বনি) আমাদের সামনে যে সামাজিক সমস্যাগুলো আছে, সেগুলো অনেক এবং ভয়ংকর। সরকার তার সর্বোচ্চ চেষ্টা করুক, আইনসভা আপনার সেবায় দিনরাত কাজ করুক। কিন্তু সবচেয়ে ভালো ফলাফল অর্জন করার পরও, একজন ইংরেজ বাবা সুখী পরিবারের বাবা হতে পারবেন কি না এবং একটি ঐক্যবদ্ধ বাড়ির কেন্দ্র হতে পারবেন কি না, সেই প্রশ্নটি মূলত তার নিজের ওপরই নির্ভর করবে। (হর্ষধ্বনি) আর যারা শহরের বাসিন্দাদের প্রতিশ্রুতি দেয় যে তাদের প্রত্যেকের মুক্ত বাতাসে পর্যাপ্ত জায়গাসহ একটি বাড়ি ও বাগান থাকবে, যারা বলে যে পাইকারি দামে খুচরা জিনিস কেনার বাজার থাকবে—আমি বলব না যে তারা প্রতারক, কারণ আমি নিশ্চিত যে তারা আন্তরিক। তবে আমি বলব তারা হাতুড়ে ডাক্তার (হর্ষধ্বনি)। তারা একটি নকল পরোপকারের দ্বারা বিভ্রান্ত ও প্রতারিত। যখন তাদের উচিত আপনাকে বাস্তবসম্মত সুযোগ দেওয়া, এমনকি সেগুলো যদি সাধারণও হয়, তখন তারা হয়তো নিজেদের অজান্তেই আপনাকে ধর্মান্ধতার মাধ্যমে প্রতারিত করার চেষ্টা করছে। তারা আপনাকে এমন একটি ফল দিচ্ছে, যার স্বাদ নিতে গেলে সেটি আপনার মুখে ছাইয়ের মতো মনে হবে। (হর্ষধ্বনি)
**ব্ল্যাকহিথে দেওয়া ভাষণ (২৮ অক্টোবর ১৮৭১), ''দ্য টাইমস'' (৩০ অক্টোবর ১৮৭১)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৩
* আয়কর বাতিলের ধারণাটি আমার কাছে অত্যন্ত আকর্ষণীয়। এর কারণ হলো এটি জনস্বার্থের অর্থনীতির দিকে ধাবিত করে এবং অন্যান্য যৌক্তিক কারণও রয়েছে।
** এইচ. সি. ই. চাইল্ডার্সকে লেখা চিঠি (৩ এপ্রিল ১৮৭৩)
*যদি [[w:ফিজি|এই দ্বীপগুলোকে]] অধিভুক্ত করা হয়, তবে সেগুলো আমাদের কাছে সবচেয়ে মারাত্মক রূপে উপস্থিত হবে। এটি জাতিগত পার্থক্য থেকে উদ্ভূত একটি অসুবিধা, যা ইতিমধ্যে আমাদের কিছু ঔপনিবেশিক সম্পত্তিতে ঘটেছে। যেখানে উন্নত জাতির সংখ্যা বেশি এবং কম উন্নত বা সভ্য জাতির সংখ্যা কম, সেখানে এই অসুবিধা খুব কমই অনুভূত হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, [[পুয়ের্তো রিকো|পোর্তো রিকোতে]] বিপুল সংখ্যক [[কৃষ্ণাঙ্গ|নিগ্রো]] থাকা সত্ত্বেও শ্বেতাঙ্গদের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি ছিল এবং কোনো অসুবিধা ছাড়াই দাসদের [[দাসমুক্তি|মুক্তি]] কার্যকর করা হয়েছিল। তবে [[জ্যামাইকা]] পোর্তো রিকোর মতো ছিল না। জ্যামাইকায় কম উন্নত জাতির তুলনায় শ্বেতাঙ্গদের সংখ্যা অত্যন্ত কম ছিল।
**হাউস অফ কমন্সে দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1873/jun/13/resolution#column_951 ভাষণ] (১৩ জুন ১৮৭৩)
*আপনার ভাষা [[ওয়েলশ ভাষা|একটি প্রাচীন ভাষা]]। এই ভাষাটি একটি প্রাচীন ইতিহাস, একটি প্রাচীন সংগীত এবং একটি প্রাচীন সাহিত্যের সাথে যুক্ত। আমি বলি যে এটি অতীতের একটি শ্রদ্ধেয় ধ্বংসাবশেষ। বর্তমান বা অন্য যেকোনো সময়ে পৃথিবীতে এর চেয়ে বড় মূর্খতা আর নেই যে অতীতকে অবমূল্যায়ন করা এবং বর্তমান প্রজন্মের সাথে অতীতের সেই প্রজন্মের সংযোগগুলো ছিন্ন করা, যারা চলে গেছে এবং যাদের হিসাব নেওয়া হয়েছে। আমরা যদি সত্যই সভ্যতার অগ্রগতিকে উন্নীত করতে চাই, তবে আমাদের কখনোই অতীতকে অবহেলা বা অবমূল্যায়ন করা উচিত নয় এবং এর প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন বন্ধ করা উচিত নয়। বিশ্বাস করুন, যে ব্যক্তি তার মৃত পূর্বপুরুষদের যথাযথ মূল্যায়ন করে না, সে তার দেশের সম্মান বা মর্যাদা বাড়াতে খুব কমই অবদান রাখতে পারে। আপনাদের প্রশংসনীয় এবং দেশপ্রেমিক প্রচেষ্টাগুলো সাধারণ [[ইংরেজ জাতি|ইংরেজ জনগণের]] কাছে আরও বেশি করে বোঝা এবং সম্মানিত হবে। আপনাদের সেই সভাগুলোতে সমৃদ্ধি এবং সম্মান থাকবে, যার মাধ্যমে আপনারা আপনাদের দেশ, [[ওয়েলস|প্রিন্সিপালিটি অফ ওয়েলসের]] প্রাচীন ইতিহাস, কাজ এবং সাহিত্যকে সংরক্ষণ ও স্মরণ করার চেষ্টা করেন।
**মোল্ডে [[w:আইসটেডফড|আইসটেডফডের]] উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতি গ্ল্যাডস্টোনের দেওয়া উদ্বোধনী ভাষণ (১৯ আগস্ট ১৮৭৩), ''দ্য টাইমস'' (২০ আগস্ট ১৮৭৩)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৫
*নিজের জন্য আমি বলেছিলাম যে, কেবল শিক্ষায় নয়, বরং শিক্ষাসহ সব ক্ষেত্রে, আমি আইনি যন্ত্রপাতির চেয়ে স্বেচ্ছাসেবী যন্ত্রপাতি বেশি পছন্দ করি, যখন কাজটি যেকোনোভাবেই ভালোভাবে করা যায়।
**জন ব্রাইটকে লেখা চিঠি (২১ আগস্ট ১৮৭৩), জন মর্লির ''দ্য লাইফ অফ উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন, ভলিউম টু'' (১৯০৩) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৬৪৬
*ব্যক্তিগত দাসত্ব যতই শোচনীয় হোক না কেন, তা ল্যাটিন চার্চকে সন্তুষ্ট করবে না। রাষ্ট্রকেও অবশ্যই দাস হতে হবে।
**''দ্য ভ্যাটিকান ডিক্রিস ইন দেয়ার বিয়ারিং অন সিভিল অ্যালিজিয়েন্স: আ পলিটিক্যাল এক্সপোজিশন'' (নভেম্বর ১৮৭৪), মাইকেল ডি সেমলিয়েনের ''অল রোডস লিড টু রোম? দ্য ইকিউমেনিক্যাল মুভমেন্ট'' (২০০৪) গ্রন্থে উদ্ধৃত
*জাতিগুলোর ইতিহাস হলো তাদের সরকারের ইতিহাস, যা একটি বিষণ্ণ অধ্যায়। আমি দুঃখের সাথে এই মত পোষণ করি, যদিও চমৎকার গুণের অধিকারী ব্যক্তিরা উচ্চ পর্যায়ে থাকেন, তবে বৃহত্তর পরিসরে এই গুণগুলো সাধারণত সাধারণ মানুষের মধ্যেই পাওয়া যায়। জাতিগুলোর ইতিহাস হলো মানব ইতিহাসের সবচেয়ে অনৈতিক অংশগুলোর একটি।
**[[w:ওলগা নোভিকফ|ওলগা নোভিকফকে]] লেখা চিঠি (১৮৭৬), ওলগা নোভিকফের ''রাশিয়ান মেমোরিজ'' (১৯১৬) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ২১৯
* [[সংশয়বাদ|সংশয়বাদের]] অযৌক্তিক বাড়াবাড়ি এবং অস্পষ্টতার বিরুদ্ধে একটি যুক্তিসঙ্গত প্রতিক্রিয়া সহজেই অন্ধবিশ্বাসের প্রতিদ্বন্দ্বী [[মূর্খতা|মূর্খতায়]] পরিণত হতে পারে। আমি এটি স্বীকার করি। '''[[ভুল|ভুলের]] বিরোধিতা করলেই যে কেউ [[সঠিক]] হবে, আমাদের মানসিক গঠনে তার খুব কম নিশ্চয়তাই রয়েছে।'''
** ''হোমারিক সিনক্রোনিজম : অ্যান এনকোয়ারি ইনটু দ্য টাইম অ্যান্ড প্লেস অফ হোমার'' (১৮৭৬), ভূমিকা
*বাণিজ্যের কার্যক্রম কেবল বস্তুগত লক্ষ্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। জাতিগুলোর মধ্যে বন্ধুত্ব সুসংহত করার ক্ষেত্রে এর চেয়ে শক্তিশালী আর কোনো মাধ্যম নেই। মানুষের আবেগ দমন করা এবং সেই লালসা ও আকাঙ্ক্ষাগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করা যুদ্ধের অন্যতম প্রধান কারণ। এই বিজ্ঞান যা আপনি প্রচার করতে চান, তা বুঝতে ও প্রয়োগ করতে এটি সরাসরি সম্পর্কিত।
**[[অ্যাডাম স্মিথ|অ্যাডাম স্মিথের]] ''দ্য ওয়েলথ অফ নেশনসের'' শতবর্ষ পূর্তিতে [[w:পলিটিকাল ইকোনমি ক্লাব|পলিটিকাল ইকোনমি ক্লাবের]] উদ্দেশে দেওয়া [https://archive.org/details/revisedreportofp00poli ভাষণ] (৩১ মে ১৮৭৬)
*সেই [ক্রিমীয়] যুদ্ধের প্রভাব ছিল ইউরোপীয় বিবেকের প্রতিষ্ঠা করা। এটি ইউরোপীয় শক্তিগুলোর সম্মিলিত গ্যারান্টি এবং সমন্বিত সাধারণ পদক্ষেপের মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছিল, যা একক শক্তির ব্যক্তিগত পদক্ষেপের বিকল্প হিসেবে কাজ করেছিল। এই নীতির গুরুত্ব অতিরঞ্জিত করা অসম্ভব।
**হাউস অফ কমন্সে দেওয়া [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1876/jul/31/resolution#column_184 ভাষণ] (৩১ জুলাই ১৮৭৬)
*আমি দেখতে পেয়ে আনন্দিত যে এই উপলক্ষে কত অল্পবয়সী ছেলে এবং মেয়ে সম্মানের স্বীকৃতি পেতে এগিয়ে এসেছে। যদি তাদের জন্য কোনো কার্যকরী ভালো কিছু করতে হয়, তবে তা তাদের শিক্ষা, উৎসাহ প্রদান এবং তাদের নিজেদের সাহায্য করতে সাহায্য করার মাধ্যমে করতে হবে। '''যারা আপনাদের নিজস্ব বিষয়গুলো আপনাদের হাত থেকে কেড়ে নেওয়ার এবং আপনাদের জন্য সবকিছু করার ভান করে, আমি বলব না যে তারা প্রতারক। আমি এমনকি বলব না যে তারা হাতুড়ে ডাক্তার। তবে আমি বলব যে তারা ভুল পথে চালিত মানুষ।''' এই প্রতিষ্ঠানগুলোকে সমর্থন এবং সহায়তা করার একমাত্র সঠিক ও স্বাস্থ্যকর বর্ণনা হলো এটি, যা স্বাধীনতা এবং আত্মনির্ভরশীলতা শেখায়। আমি যখন বলি যে আপনাদের নিজেদের সাহায্য করা উচিত—এবং আমি জীবনের সর্বস্তরের প্রত্যেক মানুষকে প্রতিবেশীদের কাছ থেকে পাওয়ার চেয়ে আত্মনির্ভরশীলতার ওপর বেশি নির্ভর করতে উৎসাহিত করব—তখন এমন একজন আছেন যিনি আমাদের সবাইকে সাহায্য করেন। তাঁর সাহায্য ছাড়া আমাদের প্রতিটি প্রচেষ্টা বৃথা। সর্বশক্তিমান [[ঈশ্বর|ঈশ্বরের]] অনুগ্রহ উপলব্ধি করার জন্য এই ফুল, উদ্ভিদ এবং ফলগুলোর সৌন্দর্য ও উপযোগিতা দেখার চেয়ে ভালো আর কিছু হতে পারে না, যা তিনি আমাদের স্বাচ্ছন্দ্য এবং সুবিধার জন্য পৃথিবীতে সৃষ্টি করেন।
**হাওয়ার্ডেন অ্যামেচার হর্টিকালচারাল সোসাইটির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণ (১৭ আগস্ট ১৮৭৬), "মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন অন কটেজ গার্ডেনিং", ''দ্য টাইমস'' (১৮ আগস্ট ১৮৭৬)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৯
[[File:William Ewart Gladstone by Alfred Edward Emslie.jpg|thumb|right|[[স্বার্থপরতা]] মানবজাতির সবচেয়ে বড় [[অভিশাপ]]।]]
* তুর্কিদের এখন তাদের অপব্যবহারগুলো একমাত্র সম্ভাব্য উপায়ে, অর্থাৎ নিজেদের সরিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে দূর করতে দিন। আমি আশা করি তাদের জাপতিয়েহ এবং তাদের মুদির, তাদের বিমবাশি এবং ইউজবাশি, তাদের কাইমাকাম এবং তাদের [[w:পাশা|পাশারা]] ব্যাগ-ব্যাগেজ নিয়ে সেই প্রদেশ থেকে পরিষ্কার হয়ে যাবে, যা তারা ধ্বংস এবং অপবিত্র করেছে। এই পূর্ণাঙ্গ মুক্তিই একমাত্র ক্ষতিপূরণ, যা আমরা সেই স্তূপীকৃত মৃতদেহগুলোর জন্য করতে পারি। এটি সেই গৃহিণী, কুমারী এবং শিশুদের লঙ্ঘিত বিশুদ্ধতার ক্ষতিপূরণ। এটি সেই সভ্যতার ক্ষতিপূরণ, যা অপমানিত এবং লজ্জিত হয়েছে। এটি ঈশ্বরের আইনের, বা আপনি চাইলে [[আল্লাহ|আল্লাহর]] আইনের, এবং বৃহত্তর মানবজাতির নৈতিক অনুভূতির ক্ষতিপূরণ। ইউরোপীয় জেলে এমন কোনো অপরাধী নেই, [[w:পলিনেশিয়া|দক্ষিণ সাগর দ্বীপপুঞ্জে]] এমন কোনো অপরাধী নেই, যার ক্ষোভ সেই কাজের বর্ণনায় ফুটবে না, যা করা হয়েছে, যা খুব দেরিতে পরীক্ষা করা হয়েছে, কিন্তু যার কোনো প্রতিশোধ নেওয়া হয়নি। এটি সমস্ত ঘৃণ্য এবং ভয়ংকর আবেগগুলো রেখে গেছে, যা এর জন্ম দিয়েছে এবং যা রক্তে ভেজা মাটিতে এবং অপরাধ ও লজ্জার প্রতিটি অনুমেয় কাজে দূষিত বাতাসে আরেকটি খুনে ফসলের জন্ম দিতে পারে। এমন কাজ একবার করা আমাদের জাতির সেই অংশের জন্য একটি চরম কলঙ্ক, যারা এটি করেছে। তাদের পুনরাবৃত্তির জন্য দরজা সামান্য খোলা রাখলেও সেই লজ্জা পুরো পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়বে!
* আমাকে খুব সংক্ষেপে একটি রূপরেখা তৈরি করার চেষ্টা করতে দিন যে, [[তুর্কি জাতি|তুর্কি জাতি]] কী ছিল এবং এখন কী আছে। এটি কেবল [[ইসলাম|মোহাম্মদীয়বাদের]] প্রশ্ন নয়, বরং একটি জাতির অদ্ভুত চরিত্রের সাথে যুক্ত মোহাম্মদীয়বাদের প্রশ্ন। তারা [[ভারতে ইসলাম|ভারতের]] মৃদু মোহাম্মদীয় নয়, [[সিরিয়া|সিরিয়ার]] শৌর্যবান [[w:সালাদিন|সালাদিনদের]] মতোও নয়, কিংবা [[স্পেন|স্পেনের]] সুসংস্কৃত [[মুর জাতি|মুরও]] নয়। সামগ্রিকভাবে, যেদিন তারা প্রথম ইউরোপে প্রবেশ করেছিল, সেদিন থেকেই তারা মানবতার চরম মানবতাবিরোধী উদাহরণ ছিল। তারা যেখানেই গেছে, রক্তের এক বিস্তৃত রেখা তাদের পেছনে চিহ্ন রেখে গেছে এবং তাদের আধিপত্য যতদূর পৌঁছেছে, সভ্যতা সেখান থেকে হারিয়ে গেছে। তারা সব জায়গাতেই আইনের শাসনের পরিবর্তে বলপ্রয়োগের শাসনের প্রতিনিধিত্ব করেছে। তবে একটি বৌদ্ধিক উপাদানের সাহায্য ছাড়া বলপ্রয়োগের শাসন বজায় রাখা যায় না। এর ফলে বিশ্বের ইতিহাসে যা বিরল, তা-ই ঘটেছিল—নিষ্ঠুরতা, স্বৈরাচার এবং লুণ্ঠনের মাঝেও এক ধরনের সহনশীলতা গড়ে উঠেছিল। খ্রিস্টানদের জীবনের একটি বড় অংশ অবজ্ঞার সাথে একা ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল এবং একদল [[গ্রিক জাতি|গ্রিককে]] [[ইস্তাম্বুল|কনস্টান্টিনোপলে]] আকৃষ্ট করা হয়েছিল। এই গ্রিকরা মনের উপাদানে তুর্কি ইসলামের ঘাটতি কিছুটা হলেও পূরণ করেছিল!
** {{cite book|last=গ্ল্যাডস্টোন|first= উইলিয়াম ইওয়ার্ট|author2=|title= Bulgarian Horrors and the Question of the East |trans-title= বুলগেরিয়ান হররস অ্যান্ড দ্য কোশ্চেন অফ দ্য ইস্ট |publisher= জন মারে |location= লন্ডন |year= ১৮৭৬|chapter= |url= http://www.archive.org/details/bulgarianhorrors00gladiala |page= ৩১ |accessdate= ২ সেপ্টেম্বর ২০১৩}}
*মহানগরের প্রেসে তুরস্কের পক্ষে একটি সন্দেহজনক এবং তীক্ষ্ণ সমাবেশ রয়েছে। এটি মূলত তথাকথিত উচ্চ স্তরের দশ হাজার মানুষের ধারণা এবং মতামতের প্রতিনিধিত্ব করে। আমার স্মৃতিতে এ ধরনের কোনো শরীর থেকে এমন কোনো প্ররোচনা আসেনি, যা গত অর্ধশতাব্দীতে ইংল্যান্ডের খ্যাতি এবং সুখে এত বেশি অবদান রাখা মহান পদক্ষেপগুলোকে উৎসাহিত করেছে এবং অবশেষে অর্জন করেছে। তারা ভিন্নমতাবলম্বী, রোমান ক্যাথলিক এবং ইহুদিদের মুক্ত করেনি। তারা সংসদের সংস্কার করেনি। তারা নিগ্রো দাসদের মুক্ত করেনি। তারা কর্ন আইন বাতিল করেনি। তারা প্রেস থেকে কর তুলে নেয়নি। তারা আইরিশ প্রতিষ্ঠিত চার্চ বাতিল করেনি। তারা ইতালীয় স্বাধীনতা এবং পুনর্গঠনের কাজকে উৎসাহিত করেনি। তবুও এই সমস্ত কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং এগুলো তাদের অন্যান্য সংস্থার দ্বারাই সম্পন্ন হয়েছে, এমনকি তাদের বিরোধিতা সত্ত্বেও।
**[[w:ওলগা নোভিকফ|ওলগা নোভিকফকে]] লেখা চিঠি (১৭ অক্টোবর ১৮৭৬), জন মর্লির ''দ্য লাইফ অফ উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন, ভলিউম টু'' (১৯০৩) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৫৫৭
*তুরস্কে প্রচলিত ব্যবস্থা এবং পুরোনো নিগ্রো দাসপ্রথার মধ্যে প্রকৃতপক্ষে অনেক মিল রয়েছে। কিছু দিক থেকে এটি নিগ্রো দাসপ্রথার চেয়ে কম খারাপ, আবার কিছু দিক থেকে অনেক বেশি খারাপ। এটি এই দিক থেকে খারাপ যে, নিগ্রো দাসপ্রথার ক্ষেত্রে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন একটি জাতি নিম্ন ক্ষমতাসম্পন্ন একটি জাতির ওপর শাসন করত। কিন্তু এই ব্যবস্থার ক্ষেত্রে দুর্ভাগ্যবশত একটি নিম্ন ক্ষমতাসম্পন্ন জাতি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন একটি জাতির ওপর শাসন করে।
**হাওয়ার্ডেনে দেওয়া ভাষণ (১৬ জানুয়ারি ১৮৭৭), ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোনের ''[https://en.m.wikisource.org/wiki/The_Sclavonic_Provinces_of_the_Ottoman_Empire দ্য স্কলাভোনিক প্রভিন্সেস অফ দ্য অটোমান অ্যাম্পায়ার]'' (১৮৭৭) গ্রন্থে উদ্ধৃত
*স্যার, এমন একদিন ছিল যখন ইংল্যান্ড স্বাধীনতার আশা ছিল। বিশ্বের যেখানেই কোনো উচ্চ আকাঙ্ক্ষা পোষণ করা হতো বা কোনো মহৎ আঘাত হানা হতো, নিপীড়িতদের চোখ সবসময় ইংল্যান্ডের দিকেই ফিরত। ইংল্যান্ড ছিল অনেক সুযোগ-সুবিধা এবং সুখের প্রিয় আবাসভূমি। এটা সবার জানা ছিল যে, যেসব মানুষ নিজেদের জন্য একটি মহৎ কাঠামো তৈরি করেছিল, তারা অন্যদের জন্যও একই অমূল্য সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য প্রস্তুত থাকবে। আপনি আমার সাথে তুরস্কের বিষয়ে প্রতিষ্ঠিত ঐতিহ্য এবং নীতি নিয়ে কথা বলছেন। আমি একটি পুরোনো, বৃহত্তর এবং মহৎ প্রতিষ্ঠিত ঐতিহ্যের কাছে আবেদন করছি। এটি এমন একটি ঐতিহ্য, যা ব্রিটিশ স্বার্থকে উপেক্ষা করে না, বরং সম্মান এবং ন্যায়বিচারের নির্দেশগুলো মেনে সেই স্বার্থের প্রচার করতে শেখায়।
**হাউস অফ কমন্সে দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1877/may/07/postponement-of-orders-of-the-day#column_437 ভাষণ] (৭ মে ১৮৭৭)
*আমার মত হলো এবং অনেক দিন ধরেই আছে যে, গ্রিক শিল্পের মতো লিবারেল দলের গুরুত্বপূর্ণ নীতি হলো কাজ করা। আমি বিশ্বাস করি কাজ ছাড়া অন্য কোনো কিছুই একে দলের নামের যোগ্য করে তুলতে পারবে না।
**[[w:গ্র্যানভিল লেভেসন-গাওয়ার, ২য় আর্ল গ্র্যানভিল|লর্ড গ্র্যানভিলকে]] লেখা চিঠি (১৯ মে ১৮৭৭), আগাথা র্যাম (সম্পাদিত) এর ''দ্য গ্ল্যাডস্টোন–গ্র্যানভিল করেস্পন্ডেন্স, ১৮৭৬–১৮৮৬'' (১৯৬২) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৪০
*আমি মনে করি আপনি দেখতে পাবেন যে রক্ষণশীলতার প্রধান ধারণা হলো বিশ্রামের মিশরীয় নীতি। কিন্তু আমাদের লিবারেল দলে আমরা গ্রিক জীবন এবং গতির ধারণা পেয়েছি।
**বার্মিংহামে দেওয়া ভাষণ (৩১ মে ১৮৭৭), ''দ্য টাইমস'' (১ জুন ১৮৭৭)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১০
*[[w:ননকনফর্মিস্ট (প্রোটেস্ট্যান্টবাদ)|ননকনফর্মিটি]]... এখনও এত বড় মাত্রায় ব্রিটিশ লিবারেলিজমের মেরুদণ্ড সরবরাহ করে।
**‘দ্য কাউন্টি ফ্র্যাঞ্চাইজ, অ্যান্ড মিস্টার লো দেয়ারঅন’, ''দ্য নাইনটিন্থ সেঞ্চুরি'' (নভেম্বর ১৮৭৭), ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোনের ''গ্লিনিংস অফ পাস্ট ইয়ারস, ১৮৪৩-১৮৭৮, ভলিউম ওয়ান'' (১৮৭৯) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১৫৮
*[[স্কটল্যান্ড|স্কটল্যান্ডের]] সাথে সম্পর্কিত সমস্ত কিছুর প্রতি আমি এক অদ্ভুত সহানুভূতি অনুভব করি। স্কটল্যান্ডের স্থানীয় অধিবাসীরা এবং যাদের শিরায় স্কটিশ রক্ত রয়েছে, বিশেষ করে আমার মতো যাদের শিরায় কেবলই স্কটিশ রক্ত বইছে, তারা কখনোই নিজেদের উৎপত্তিস্থল ভুলে যাওয়ার মতো নয়। তারা এর মহৎ গুণাবলি সম্পর্কে জানে। তারা এর চরিত্রের দৃঢ়তা সম্পর্কেও সচেতন।
**ওয়েস্টমিনস্টার প্যালেস হোটেলে দেওয়া ভাষণ (২৩ মে ১৮৭৮), ''দ্য টাইমস'' (২৪ মে ১৮৭৮)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১২
*'''স্বাধীনতা কখনোই নিরাপদ নয়।'''
**কাউন্টেস রাসেলের কাছে বলা এবং তার ডায়েরিতে লিপিবদ্ধ, ডেসমন্ড ম্যাককার্থি এবং আগাথা রাসেল সম্পাদিত ''লেডি জন রাসেল: আ মেমোয়ার (১৯১০)''। পৃষ্ঠা ২৫২
*অসম ক্ষমতার যুক্তিটি সম্প্রদায়ের অধিকসংখ্যক শ্রেণির বিরুদ্ধে ততটা অভিন্নভাবে বলা যায় না, যতটা মনে করা যেতে পারে। নৈতিক কারণ হোক বা অন্য কোনো কারণেই হোক, নির্দিষ্ট কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নে উচ্চশ্রেণির তুলনায় সাধারণ মানুষের রায় অনেক বেশি ন্যায্য হয়।
**‘পোস্টস্ক্রিপ্টাম অন দ্য কাউন্টি ফ্র্যাঞ্চাইজ’, ''দ্য নাইনটিন্থ সেঞ্চুরি'' (জুলাই ১৮৭৮), ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোনের ''গ্লিনিংস অফ পাস্ট ইয়ারস, ১৮৪৩-১৮৭৮, ভলিউম ওয়ান'' (১৮৭৯) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১৯৮
* '''ব্রিটিশ সংবিধান হলো প্রগতিশীল [[ইতিহাস|ইতিহাসের]] গর্ভ এবং দীর্ঘ গর্ভাবস্থা থেকে উদ্ভূত সবচেয়ে সূক্ষ্ম জীব। ঠিক তেমনি, [[যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান|আমেরিকান সংবিধানও]] আমার দেখা মতে মানুষের মস্তিষ্ক এবং [[উদ্দেশ্য|উদ্দেশ্য]] দ্বারা তৈরি সবচেয়ে বিস্ময়কর কাজ।'''
**[https://books.google.com/books?id=R5M2AQAAMAAJ&pg=PA179 ''কিন বিয়ন্ড সি''], ''দ্য নর্থ আমেরিকান রিভিউে'' প্রকাশিত, পৃষ্ঠা ১৭৯-২০২
*একমাত্র আমেরিকা আগামী সময়ে আমাদের কাছ থেকে সেই বাণিজ্যিক শ্রেষ্ঠত্ব ছিনিয়ে নিতে পারে এবং সম্ভবত তা করবেও। আমার কোনো অধিকার নেই এবং আমি সে সম্ভাবনায় বচসা করার কোনো ইচ্ছাও পোষণ করি না। আমাদের বিরুদ্ধে আমেরিকার যতটা অধিকার রয়েছে, তার চেয়ে বেশি অধিকার আমাদের বিরুদ্ধে ভেনিস, জেনোয়া বা হল্যান্ডের ছিল না।
*''কিন বিয়ন্ড সি'', ''দ্য নর্থ আমেরিকান রিভিউ'' ভলিউম ১২৭, নম্বর ২৬৪ (সেপ্টেম্বর-অক্টোবর, ১৮৭৮), পৃষ্ঠা ১৮০
*ইংরেজরা সমতায় বিশ্বাসী নয়। তারা ১৭৭৬ সালের ৪ জুলাইয়ের সেই বিখ্যাত [[স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র|ঘোষণাপত্রের]] সাথে একমত নয় যে, সব মানুষ জন্মগতভাবে সমান। বরং তারা এই প্রস্তাবের বিপরীতটাই বিশ্বাস করে। অন্তত বাস্তবে তারা অসমতায় বিশ্বাসী। কখনো কখনো এমনকি না জেনেও তারা এমনটা করে। ব্রিটিশ সমাজের একেবারে ভিত্তি থেকে শুরু করে এর সমস্ত দৃঢ় স্তরবিন্যাসের মাধ্যমে তাদের স্বাভাবিক প্রবণতা হলো ওপরের দিকে তাকানো। শাসক হলেন এই ব্যবস্থার সর্বোচ্চ শিখর। রোমান দেবতাদের মধ্যে জুপিটারের মতো তিনি এই ব্যবস্থায় অদ্বিতীয়। ব্রিটিশ সংবিধানের প্রজ্ঞা হলো এর প্রধানের ব্যক্তিত্বকে এত উঁচুতে স্থাপন করা যে, কেউ কোনো অবস্থাতেই তার সাথে পাল্লা দেওয়ার বা সে স্বপ্ন দেখার প্রলোভনে পড়বে না।
**''কিন বিয়ন্ড সি'', ''দ্য নর্থ আমেরিকান রিভিউ'' ভলিউম ১২৭, নম্বর ২৬৪ (সেপ্টেম্বর-অক্টোবর, ১৮৭৮), পৃষ্ঠা ২০২
* '''জাতীয় অন্যায় হলো জাতীয় পতনের সবচেয়ে নিশ্চিত পথ।'''
** প্লামস্টিডে দেওয়া ভাষণ (৩০ নভেম্বর ১৮৭৮), ''কংগ্রেশনাল রেকর্ড'', ভলিউম ৫৭, পৃষ্ঠা ৪৫০৩-এ উদ্ধৃত
* '''বিবেকের রোগ বিশ্বের সমস্ত দেশের সমস্ত চিকিৎসকের অনুশীলনের বাইরে।'''
** প্লামস্টিডে দেওয়া ভাষণ (৩০ নভেম্বর ১৮৭৮), ''দ্য অ্যানুয়াল রেজিস্টার অফ ওয়ার্ল্ড ইভেন্টস: আ রিভিউ অফ দ্য ইয়ার'', ভলিউম ১২০, পৃষ্ঠা ২০৮-এ উদ্ধৃত
* আমি মনে করি রক্ষণশীল দলের নীতি হলো [[স্বাধীনতা]] এবং [[জনগণ|জনগণের]] প্রতি [[ঈর্ষা|ঈর্ষা]], যা কেবল [[ভয়]] দ্বারা যোগ্য। কিন্তু আমি মনে করি '''লিবারেল দলের নীতি হলো জনগণের প্রতি [[আস্থা]], যা কেবল [[প্রজ্ঞা]] দ্বারা যোগ্য'''।
** অক্সফোর্ডে পামারস্টন ক্লাবের উদ্বোধনে দেওয়া ভাষণ (ডিসেম্বর ১৮৭৮), [http://query.nytimes.com/gst/abstract.html?res=9C03E4DB123EE73BBC4153DFB4668382669FDE ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'' (৯ ফেব্রুয়ারি ১৮৭৯)-এর "গ্ল্যাডস্টোনস কোনানড্রামস; দ্য স্টেটসম্যান আনসারস সানড্রি ইন্টারেস্টিং কোশ্চেনস"]-এ উদ্ধৃত
*একটি সরকারের, বিশেষ করে বৈদেশিক বিষয়ে, সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হলো জনগণের মনকে শান্ত করা। তাদের বিপদের দিকে ঠেলে দেওয়ার জন্য গৌরবের মিথ্যা ভূত দাঁড় করানো নয়। তারা বিশ্বের বাকি সব মানুষের চেয়ে ভালো, এই বিশ্বাসে পরিচালিত করে তাদের দুর্বলতাগুলোকে তোষামোদ করা নয়। বরং এমন একটি নীতির ওপর এগিয়ে যাওয়া, যা জাতিগুলোর ভ্রাতৃত্ব এবং তাদের মধ্যে জনসাধারণের অধিকারের নিরঙ্কুশ সমতাকে স্বীকৃতি দেয়। সর্বোপরি, দেশের জনমতে এমন একটি শান্ত এবং বিবেচনাপূর্ণ মেজাজ তৈরি এবং বজায় রাখার চেষ্টা করা, যাতে কেউ এটিকে বিরক্ত করতে না পারে।
**এডিনবার্গে দেওয়া ভাষণ (২৫ নভেম্বর ১৮৭৯), ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোনের ''মিডলোথিয়ান স্পিচেস ১৮৭৯'' (লিসেস্টার ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১৯৭১) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৩৭।
*যারা আপনাকে সবসময় বলে যে ইংল্যান্ডের শক্তি তার মর্যাদার ওপর, বা তার সাম্রাজ্য সম্প্রসারণের ওপর, বা সমুদ্রের ওপারে তার সম্পদের ওপর নির্ভর করে, আমি তাদের সেই অলস স্বপ্নগুলো দূর করতে চাই। বিশ্বাস করুন, গ্রেট ব্রিটেন এবং আয়ারল্যান্ডের শক্তি যুক্তরাজ্যের মধ্যেই নিহিত রয়েছে।
**এডিনবার্গে দেওয়া ভাষণ (২৫ নভেম্বর ১৮৭৯), ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোনের ''মিডলোথিয়ান স্পিচেস ১৮৭৯'' (লিসেস্টার ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১৯৭১) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৪৬।
[[File:Acgladstone2.jpg|thumb|right|জাতীয় অন্যায় হলো জাতীয় পতনের সবচেয়ে নিশ্চিত পথ।]]
* যাকে আমরা অসভ্য বলি, তার অধিকারের কথা স্মরণ করুন। মনে রাখবেন যে তার বিনম্র বাড়ির সুখ এবং শীতের বরফের মধ্যে আফগানিস্তানের পাহাড়ি গ্রামগুলোতে জীবনের পবিত্রতা, সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের চোখে আপনার মতোই পবিত্র। মনে রাখবেন যে তিনি আপনাদের একই রক্তমাংসে মানুষ হিসেবে একত্রিত করেছেন। তিনি আপনাদের পারস্পরিক ভালোবাসার আইন দ্বারা আবদ্ধ করেছেন। সেই পারস্পরিক ভালোবাসা এই দ্বীপের তীরে সীমাবদ্ধ নয়। এটি খ্রিস্টান সভ্যতার সীমানায় সীমাবদ্ধ নয়। এটি পৃথিবীর পুরো পৃষ্ঠের ওপর দিয়ে যায় এবং এর বিস্তৃত পরিধিতে সর্বশ্রেষ্ঠদের সাথে ক্ষুদ্রতমদেরও গ্রহণ করে।
** স্কটল্যান্ডের ডালকিথে ফরেস্টার্স হলে দেওয়া ভাষণ (২৬ নভেম্বর ১৮৭৯), [[w:মিডলোথিয়ান প্রচারাভিযান|মিডলোথিয়ান প্রচারাভিযানের]] অংশ হিসেবে; "মিস্টার গ্ল্যাডস্টোনস ভিজিট টু মিড-লোথিয়ান: মিটিং অ্যাট দ্য ফরেস্টার্স হল" (২৭ নভেম্বর ১৮৭৯), ''দ্য স্কটসম্যান'', পৃষ্ঠা ৬-এ প্রকাশিত; এছাড়া [[জন মর্লি|জন মর্লির]] ''লাইফ অফ গ্ল্যাডস্টোন'' (১৯০৩) গ্রন্থে উদ্ধৃত, ২, (পৃষ্ঠা ৫৯৫)
* '''এখানে আমার বৈদেশিক নীতির প্রথম নীতি রয়েছে: দেশে সুশাসন।''' আমার বৈদেশিক নীতির দ্বিতীয় নীতি হলো এটি, বিশ্বের জাতিগুলোর জন্য শান্তির আশীর্বাদ সংরক্ষণ করা এর লক্ষ্য হওয়া উচিত। বিশেষ করে যখন আমরা খ্রিস্টান হিসেবে আমাদের বহন করা পবিত্র নামটি স্মরণ করি, তখন অন্তত লজ্জার খাতিরে বিশ্বের খ্রিস্টান জাতিগুলোর জন্য এটি করা উচিত। এটি আমার দ্বিতীয় নীতি।
** স্কটল্যান্ডের ওয়েস্ট ক্যাল্ডারে দেওয়া ভাষণ (২৭ নভেম্বর ১৮৭৯), ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোনের ''মিডলোথিয়ান স্পিচেস ১৮৭৯'' (লিসেস্টার ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১৯৭১) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১১৫।
*আমার মতে তৃতীয় যৌক্তিক নীতিটি হলো এটি। যাকে [[w:ইউরোপের কনসার্ট|ইউরোপের কনসার্ট]] বলা হয়, তার চাষ এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করা উচিত। ইউরোপীয় শক্তিগুলোকে ঐক্যবদ্ধ রাখা উচিত। আর কেন? কারণ সবাইকে একত্রিত রাখার মাধ্যমে আপনি একে অপরের স্বার্থপর লক্ষ্যগুলোকে নিরপেক্ষ করতে এবং বেঁধে রাখতে পারেন। আমি এখানে ইংল্যান্ড বা তাদের কাউকেই তোষামোদ করতে আসিনি। তাদের স্বার্থপর লক্ষ্য রয়েছে, যেমন দুর্ভাগ্যবশত আমরা সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে দেখিয়েছি যে আমাদেরও স্বার্থপর লক্ষ্য ছিল। তবে সাধারণ পদক্ষেপ স্বার্থপর লক্ষ্যগুলোর জন্য মারাত্মক। সাধারণ পদক্ষেপের অর্থ হলো সাধারণ লক্ষ্য। ইউরোপীয় শক্তিগুলোকে আপনি কেবল তাদের সকলের সাধারণ মঙ্গলের সাথে যুক্ত লক্ষ্যগুলোর জন্যই একত্রিত করতে পারেন। ভদ্রমহোদয়গণ, এটিই আমার বৈদেশিক নীতির তৃতীয় নীতি।
**স্কটল্যান্ডের ওয়েস্ট ক্যাল্ডারে দেওয়া ভাষণ (২৭ নভেম্বর ১৮৭৯), ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোনের ''মিডলোথিয়ান স্পিচেস ১৮৭৯'' (লিসেস্টার ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১৯৭১) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১১৫-১১৬।
* আমার চতুর্থ নীতিটি হলো, '''আপনাদের অপ্রয়োজনীয় এবং জটিল সংযোগগুলো এড়িয়ে চলা উচিত।'' আপনারা এগুলো নিয়ে বড়াই করতে পারেন, এগুলো নিয়ে দম্ভ করতে পারেন। আপনারা বলতে পারেন যে আপনারা দেশের জন্য সম্মান নিয়ে আসছেন। আপনারা বলতে পারেন যে একজন ইংরেজ এখন জাতিগুলোর মধ্যে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে। কিন্তু ভদ্রমহোদয়গণ, এই সবের মানে কী? '''এর মানে হলো, আপনারা আপনাদের শক্তি বৃদ্ধি না করেই আপনাদের সংযোগ বৃদ্ধি করছেন। আর যদি আপনারা শক্তি বৃদ্ধি না করে সংযোগ বৃদ্ধি করেন, তবে আপনারা শক্তি হ্রাস করছেন, শক্তি বিলুপ্ত করছেন। আপনারা আসলে সাম্রাজ্যকে হ্রাস করছেন এবং একে বৃদ্ধি করছেন না।'' আপনারা একে তার দায়িত্ব পালনে কম সক্ষম করে তুলছেন। আপনারা একে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য কম মূল্যবান উত্তরাধিকার হিসেবে পরিণত করছেন।
** স্কটল্যান্ডের ওয়েস্ট ক্যাল্ডারে দেওয়া ভাষণ (২৭ নভেম্বর ১৮৭৯), ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোনের ''মিডলোথিয়ান স্পিচেস ১৮৭৯'' (লিসেস্টার ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১৯৭১) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১১৬।
*আমার পঞ্চম নীতি হলো সমস্ত জাতির সমান অধিকার স্বীকার করা। আপনি অন্য একটি জাতির চেয়ে একটি জাতির প্রতি বেশি সহানুভূতিশীল হতে পারেন। কিছু নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে আপনাকে অবশ্যই একটি জাতির চেয়ে অন্য জাতির প্রতি বেশি সহানুভূতিশীল হতে হবে। নিয়ম হিসেবে আপনি সেই জাতিগুলোর প্রতি সবচেয়ে বেশি সহানুভূতিশীল হবেন, যাদের সাথে আপনার ভাষা, রক্ত এবং ধর্মে সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে বা যাদের পরিস্থিতি সেই সময়ে সহানুভূতির জন্য সবচেয়ে শক্তিশালী দাবি বলে মনে হয়। কিন্তু অধিকারের দিক থেকে সবাই সমান। তাদের মধ্যে কাউকে নৈতিক সন্দেহ বা গুপ্তচরবৃত্তির অধীনে রাখার বা ক্রমাগত নিন্দার পাত্র করার কোনো অধিকার আপনার নেই। আপনি যদি তা করেন এবং বিশেষ করে যদি আপনি তাদের সবার ওপর নিজের জন্য শ্রেষ্ঠত্ব বা অহংকারী শ্রেষ্ঠত্ব দাবি করেন, তবে আপনি চাইলে আপনার দেশপ্রেম নিয়ে কথা বলতে পারেন। তবে আপনি আপনার দেশের একজন ভুল বিচারক বন্ধু। অন্য লোকেদের কাছে আপনার দেশের সম্মান এবং শ্রদ্ধার ভিত্তি দুর্বল করার মাধ্যমে আপনি বাস্তবে এর মারাত্মক ক্ষতি করছেন।
**স্কটল্যান্ডের ওয়েস্ট ক্যাল্ডারে দেওয়া ভাষণ (২৭ নভেম্বর ১৮৭৯), ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোনের ''মিডলোথিয়ান স্পিচেস ১৮৭৯'' (লিসেস্টার ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১৯৭১) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১১৬-১১৭।
*[আমার ষষ্ঠ নীতি হলো] ইংল্যান্ডের বৈদেশিক নীতি সব সময় স্বাধীনতার ভালোবাসা দ্বারা অনুপ্রাণিত হওয়া উচিত। '''[[স্বাধীনতা|স্বাধীনতার]] প্রতি সহানুভূতি থাকা উচিত এবং এটিকে সুযোগ দেওয়ার ইচ্ছা থাকা উচিত। এটি কোনো কাল্পনিক ধারণার ওপর ভিত্তি করে নয়, বরং এই সুখী দ্বীপের তীরে বহু প্রজন্মের দীর্ঘ অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে হওয়া উচিত। স্বাধীনতায় আপনি [[আনুগত্য]] এবং [[শৃঙ্খলা|শৃঙ্খলার]] সবচেয়ে দৃঢ় ভিত্তি স্থাপন করেন। এটি ব্যক্তির [[চরিত্র|চরিত্র]] বিকাশের দৃঢ় ভিত্তি এবং বৃহত্তর জাতির [[সুখ|সুখের]] জন্য সর্বোত্তম ব্যবস্থা।'''
**স্কটল্যান্ডের ওয়েস্ট ক্যাল্ডারে দেওয়া ভাষণ (২৭ নভেম্বর ১৮৭৯), ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোনের ''মিডলোথিয়ান স্পিচেস ১৮৭৯'' (লিসেস্টার ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১৯৭১) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১১৭।
*ভদ্রমহোদয়গণ, বৈদেশিক নীতির সমস্ত নীতির মধ্যে আমি জাতিগুলোর সমতার নীতিকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিই। কারণ এই নীতিটিকে স্বীকৃতি না দিলে জনস্বার্থ বলে কিছু থাকে না। আর আন্তর্জাতিক জনস্বার্থ ছাড়া বস্তুত শক্তি প্রয়োগ ব্যতীত মানবজাতির লেনদেন নিষ্পত্তির জন্য কোনো হাতিয়ার থাকে না। এর ফলে, আমার মতে জাতিগুলোর মধ্যে সমতার নীতি একটি খ্রিস্টান সভ্যতার একেবারে মূলে এবং ভিত্তিতে নিহিত রয়েছে। যখন এই নীতির সাথে আপস করা হয় বা একে পরিত্যাগ করা হয়, তখন এর সাথে মানবজাতির জন্য আমাদের প্রশান্তি এবং অগ্রগতির আশাও চলে যেতে হবে।
**স্কটল্যান্ডের ওয়েস্ট ক্যাল্ডারে দেওয়া ভাষণ (২৭ নভেম্বর ১৮৭৯), ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোনের ''মিডলোথিয়ান স্পিচেস ১৮৭৯'' (লিসেস্টার ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১৯৭১) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১২৩।
*রোমানদের মুখে "স্বাধীনতা এবং সাম্রাজ্য" শব্দ দুটির অর্থ কী ছিল? তাদের অর্থ ছিল কেবল এটি, নিজেদের জন্য স্বাধীনতা এবং বাকি মানবজাতির ওপর সাম্রাজ্য।
**স্কটল্যান্ডের ওয়েস্ট ক্যাল্ডারে দেওয়া ভাষণ (২৭ নভেম্বর ১৮৭৯), ''দ্য টাইমস'' (২৮ নভেম্বর ১৮৭৮)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১০। রক্ষণশীল প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন ডিসরাইলি তাঁর নীতিকে "ইম্পেরিয়াম এট লিবার্টাস" হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন।
* চ্যান্সেলর অফ দ্য এক্সচেকারের সাহসের সাথে অর্থনীতিকে বিস্তারিতভাবে সমর্থন করা উচিত। যখন তিনি অর্থনীতিকে বিস্তারিতভাবে সমর্থন করতে পিছপা হন, তখন এটি একজন ভীরু চ্যান্সেলরের লক্ষণ। যখন এটি কেবল দুই বা তিন হাজার পাউন্ডের প্রশ্ন, তখন তিনি বলেন এটি কোনো ব্যাপার না। মোমবাতির শেষাংশ এবং পনিরের টুকরো বাঁচানোর জন্য তাকে হয়তো উপহাস করা হয়। কিন্তু তিনি যদি দেশের স্বার্থে মোমবাতির শেষাংশ এবং পনিরের টুকরো বাঁচানোর জন্য প্রস্তুত না থাকেন, তবে তিনি তার পদের যোগ্য নন। কোনো চ্যান্সেলর অফ দ্য এক্সচেকার তার পদের যোগ্য নন, যদি তিনি জনগণের তহবিল পরিচালনা করার সময় নিজের জনপ্রিয়তাকে কোনোভাবে বিবেচনায় নেন। আমার মতে, চ্যান্সেলর অফ দ্য এক্সচেকার হলেন জনগণের বিশ্বস্ত এবং গোপনীয় রক্ষক। তিনি যা কিছু ব্যয় করতে সম্মত হন, তার সবকিছুর ক্ষেত্রে একটি পবিত্র বাধ্যবাধকতার অধীনে থাকেন।
** এডিনবার্গে দেওয়া ভাষণ (২৯ নভেম্বর ১৮৭৯), এফ. ডব্লিউ. হার্স্টের ''গ্ল্যাডস্টোন অ্যাজ ফাইন্যান্সিয়ার অ্যান্ড ইকোনমিস্ট'' (১৯৩১) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ২৪৩
*সেই চ্যান্সেলর অফ দ্য এক্সচেকার হলেন সেই ব্যক্তি, যিনি আমাদের মধ্যে আর্থিক সততার যা কিছু আছে তা দুর্নীতিগ্রস্ত করতে আসেন। তিনি আমাদের মনে সেই প্রলোভনসঙ্কুল এবং বিষাক্ত ধারণাগুলো ঢুকিয়ে দিতে আসেন যে ঘাটতি থাকলে খুব বেশি কিছু যায় আসে না এবং বাণিজ্যের অবস্থা ভালো না থাকলে মানুষকে কর দিতে বলা অত্যন্ত অপ্রীতিকর। সেটি কি স্যার [[রবার্ট পিল|রবার্ট পিলের]] অনুশীলন ছিল? তিনি সংসদে এসে হাউস অফ কমন্সে তার জায়গায় দাঁড়িয়ে পরিসংখ্যানগুলো নির্দেশ করে তাদের বলেছিলেন, আমি আপনাদের জিজ্ঞাসা করছি, আপনারা কি ঘাটতি সহ্য করার এবং বছর বছর ঋণের মাধ্যমে বিধান করার "শোচনীয় উপায়" অবলম্বন করবেন? যাকে তিনি "শোচনীয় উপায়" হিসেবে নিন্দা করেছিলেন, তা এখন স্থায়ী আইনে পরিণত হয়েছে। এটি প্রায় বর্তমান সরকারের আর্থিক সুসমাচার হয়ে দাঁড়িয়েছে।
**এডিনবার্গে দেওয়া ভাষণ (২৯ নভেম্বর ১৮৭৯), ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোনের ''মিডলোথিয়ান স্পিচেস ১৮৭৯'' (লিসেস্টার ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১৯৭১) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১৫২
*ভারত সরকার একটি জাতির দ্বারা গৃহীত সবচেয়ে কঠিন এবং সম্ভবত সবচেয়ে মহৎ দায়িত্ব।
**গ্লাসগোতে দেওয়া ভাষণ (৫ ডিসেম্বর ১৮৭৯), মাইকেল বেলফোরের ''ব্রিটেন অ্যান্ড জোসেফ চেম্বারলেইন'' (১৯৮৫) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ২১৩
=== ১৮৮০-এর দশক ===
* ১৮৪২ সালের পূর্বে [[মুক্ত বাণিজ্য|মুক্ত বাণিজ্যের]] এমন কোনো অংশ ছিল না, যা আমাদের বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন। ... তাই আমি ১৮৪৩ সালকে নতুন ট্যারিফ নামে পরিচিত লিবারেল আইনের প্রথম কিস্তির প্রথম কার্যকরী বছর হিসেবে ধরছি। দ্বিতীয় কিস্তি ছিল ১৮৪৫ সালের নতুন ট্যারিফ। তৃতীয় কিস্তি ছিল ১৮৪৯ সালের শুরুতে কর্ন ল বাতিল করা এবং একই সাথে সেই বছরের সংসদীয় অধিবেশনে ন্যাভিগেশন ল বাতিল করা। চতুর্থটি ছিল ১৮৫৩ সালের নতুন ট্যারিফ, যার সাথে সাবান শুল্ক এবং অন্যান্য পরিবর্তন বাতিল করা হয়েছিল। পঞ্চম এবং সর্বশেষ বড় কিস্তি ১৮৬০ সালের কাস্টমস অ্যাক্ট দ্বারা মঞ্জুর করা হয়েছিল, যা শেষ পর্যন্ত নিম্নলিখিত নীতিগুলোকে প্রায় সর্বজনীন রূপ দিয়েছিল:<br>১. কাঁচামাল, খাদ্য বা উৎপাদিত পণ্যের ওপর কোনো সুরক্ষামূলক শুল্ক আরোপ করা উচিত নয়।<br>২. কাস্টমস শুল্ক হিসেবে রাজস্ব আদায়ের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ যথাসম্ভব কম সংখ্যক নিবন্ধের ওপর থেকে সংগ্রহ করা উচিত।
** 'ফ্রি ট্রেড, রেলওয়েজ, অ্যান্ড দ্য গ্রোথ অব কমার্স', ''দ্য নাইনটিন্থ সেঞ্চুরি'', নং. ৩৬ (ফেব্রুয়ারি ১৮৮০), ''দ্য নাইনটিন্থ সেঞ্চুরি'', খণ্ড ৭ (জানুয়ারি-জুন ১৮৮০), পৃষ্ঠা ৩৭৪-এ উদ্ধৃত
* রক্ষণশীলতা একটি সর্বজনীন বিষ কি না, অথবা কোনো নতুন শিল্পে প্রাথমিক বিনিয়োগকে রক্ষা করার জন্য কয়েক বছর ধরে মঞ্জুর করা হলে এটি খাদ্যের মতো কাজ করতে পারে কি না, সে বিষয়ে আমি এখন জিজ্ঞাসা করছি না। আমরা অন্তত এটিকে সেই প্রশমিত রূপে কখনো দেখিনি বা জানিনি। আমাদের কাছে এটি কেবল জনকল্যাণের ন্যায্য দাবির বিরুদ্ধে শ্রেণির সবচেয়ে স্বার্থপর প্রবৃত্তিগুলোকে রক্ষা করেছে। এটি তাদেরকে এমন শক্তিশালী ঘাঁটি প্রদান করেছে, যেখান থেকে আমাদের উৎপাদকরা প্রয়োজনের সময় খুব সাধারণভাবে বেরিয়ে এসেছে। তারা মাথা থেকে পা পর্যন্ত ক্ষমতা ও প্রভাবে সজ্জিত ছিল, যা মূলত সম্প্রদায়ের খরচে অর্জিত হয়েছিল। তারা প্রকৃতি, স্বাধীনতা এবং ন্যায়ের বিরুদ্ধে এক বিকৃত সাহসিকতার সাথে যুদ্ধ করার জন্য এটি করেছিল।
** 'ফ্রি ট্রেড, রেলওয়েজ, অ্যান্ড দ্য গ্রোথ অব কমার্স', ''দ্য নাইনটিন্থ সেঞ্চুরি'', নং. ৩৬ (ফেব্রুয়ারি ১৮৮০), ''দ্য নাইনটিন্থ সেঞ্চুরি'', খণ্ড ৭ (জানুয়ারি-জুন ১৮৮০), পৃষ্ঠা ৩৭৭-এ উদ্ধৃত
* আমাদেরকে জাতীয় স্বাধীনতার বিস্তৃত এবং অটল শক্তির ওপর নির্ভর করতে হবে। আমরা এমন কোনো শ্রেণিকে স্বীকৃতি দিতে অস্বীকার করি, তারা অভিজাত হোক বা ভদ্রলোক হোক বা আপনি যা-ই বলুন না কেন, যারা জাতির ইচ্ছার বিরুদ্ধে এই জাতির ভাগ্য নিয়ন্ত্রণের অধিকারী।
** প্যাথহেড, স্কটল্যান্ডে দেওয়া ভাষণ (২৩ মার্চ ১৮৮০), ''পলিটিক্যাল স্পিচেস ইন স্কটল্যান্ড, মার্চ অ্যান্ড এপ্রিল ১৮৮০'' (১৮৮০), পৃষ্ঠা ২৬৮-এ উদ্ধৃত
* যে মনোভাবগুলো আমাদেরকে অ্যালাবামা মামলার সালিশিতে পক্ষ হতে পরিচালিত করেছিল, তা এখনো আমাদের সাথে আগের মতোই আছে। আমরা নিরুৎসাহিত হইনি। আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালের রায়ে আমাদেরকে জরিমানা করা হয়েছিল এবং কঠোরভাবে জরিমানা করা হয়েছিল, এই ঘটনায় আমাদের অনুভূতি দমে যায়নি। যদিও আমরা ভাবতে পারি যে রায়টি তার পরিসরে কঠোর এবং তার ভিত্তিতে অন্যায্য ছিল, তবুও ইংল্যান্ড এবং আমেরিকার মতো দুটি মহান জাতি যখন শান্তির সাথে একটি বিচারিক ট্রাইব্যুনালে এই বেদনাদায়ক পার্থক্যগুলো নিষ্পত্তি করতে যায়, তখন স্থাপিত উদাহরণের নৈতিক মূল্যের তুলনায় আমরা এই দেশের ওপর আরোপিত জরিমানাকে অতি নগণ্য বলে মনে করি। এই দুটি জাতি জাতীয় সম্মানকে স্পর্শ করে এমন যেকোনো বিষয়ে বিশ্বের সবচেয়ে উগ্র এবং সবচেয়ে ঈর্ষান্বিত জাতিগুলোর অন্যতম। তারা তলোয়ারের মাধ্যমে মীমাংসার আশ্রয় নেওয়ার পরিবর্তে এই পথ বেছে নিয়েছিল।
** হাউস অব কমন্সে দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1880/jun/15/motion-for-an-address#column_106 ভাষণ] (১৫ জুন ১৮৮০)
* তিনি যেভাবে বেঁচে ছিলেন, সেভাবেই মারা গেছেন। সবই লোকদেখানো, যার কোনো বাস্তবতা বা অকৃত্রিমতা ছিল না।
** [[বেঞ্জামিন ডিসরায়েলি|বেঞ্জামিন ডিসরায়েলির]] একটি সাধারণ অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পাদনের নির্দেশনার বিষয়ে ১৮৮১ সালের মে মাসে তার সচিব এডওয়ার্ড হ্যামিল্টনকে বলেছিলেন। ডিসরায়েলিকে তার স্ত্রীর গ্রামীণ গির্জার কবরস্থানে সমাহিত করা হয়েছিল। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী গ্ল্যাডস্টোন একটি রাষ্ট্রীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া এবং ওয়েস্টমিনস্টার অ্যাবেতে দাফনের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। ফিলিপ ম্যাগনাস রচিত ''গ্ল্যাডস্টোন: আ বায়োগ্রাফি'' (১৯৫৪)-এর ১১তম অধ্যায়ে উদ্ধৃত
* আমি কোনোভাবেই খুব একটা ব্যথিত নই, তবে মিশরে জাতীয় অনুভূতি এবং দলের এই দ্রুত বিকাশে আমি অনেক বেশি অবাক হয়েছি। ... 'মিশরীয়দের জন্য মিশর' হলো সেই অনুভূতি যাকে আমি সুযোগ দিতে চাই। যদি এটি প্রাধান্য লাভ করতে পারে, তবে আমি মনে করি এটি 'মিশরীয় প্রশ্নের' সবচেয়ে ভালো এবং একমাত্র ভালো সমাধান হবে।
** লর্ড গ্র্যানভিলের কাছে চিঠি (৪ জানুয়ারি ১৮৮২), এইচ. সি. জি. ম্যাথিউ সম্পাদিত ''দ্য গ্ল্যাডস্টোন ডায়েরিজ, উইথ ক্যাবিনেট মিনিটস অ্যান্ড প্রাইম-মিনিস্টেরিয়াল করেস্পন্ডেন্স: ভলিউম ১০: জানুয়ারি ১৮৮১-জুন ১৮৮৩'' (১৯৯০), পৃষ্ঠা ৬৮-এ উদ্ধৃত
* মহাশয়, তিনটি নীতি আছে, যা অন্য সবগুলোর চেয়ে বড়। আমার মতে, সমস্ত ভালো অর্থব্যবস্থা এগুলোর ওপর ভিত্তি করে হওয়া উচিত। এর মধ্যে প্রথমটি হলো, চার্জ যা-ই হোক না কেন, তা পরিশোধ করা যাবে বলে সবসময় একটি নিশ্চয়তা থাকতে হবে। আমি বিশ্বাস করি এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দ্বিতীয়টি হলো, শান্তি ও সমৃদ্ধির সময়ে দেশের জনগণের তাদের ঋণ কমানো উচিত। এবং তৃতীয় বিষয়টি হলো তাদের ব্যয় কমানো উচিত।
** হাউস অব কমন্সে দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1882/apr/24/ways-and-means-financial-statement#column_1298 ভাষণ] (২৪ এপ্রিল ১৮৮২)
* "বয়কটিং" বলতে কী বোঝায়? প্রথমত, এটি একটি সম্মিলিত ভয়ভীতি প্রদর্শন। দ্বিতীয়ত, এটি ধ্বংস এবং অনাহারের ভয় দেখিয়ে পছন্দের ব্যক্তিগত স্বাধীনতাকে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত একটি সম্মিলিত ভয়ভীতি প্রদর্শন।
** হাউস অব কমন্সে দেওয়া [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1882/may/24/committee-adjourned-debate#column_1551 ভাষণ] (২৪ মে ১৮৮২)
* উইলিসেস রুমে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত সভায় গৃহীত প্রস্তাবগুলো গ্রহণ করার সম্মান আমি পেয়েছি, যা আপনার লর্ডশিপ আমার কাছে ফরোয়ার্ড করার অনুগ্রহ করেছেন। আমি আপনার লর্ডশিপকে আশ্বস্ত করতে পারি যে সেই প্রস্তাবগুলোর বিষয়বস্তু মহামান্য রানির সরকারের আন্তরিক মনোযোগ আকর্ষণ করছে। সরকার দাসপ্রথা এবং দাস ব্যবসা দমনের বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য প্রতিটি সুযোগ কাজে লাগাবে।
** ব্রিটিশ অ্যান্ড ফরেন অ্যান্টি-স্ল্যাভারি সোসাইটির সভার সভাপতি লর্ড শ্যাফটসবারির কাছে লেখা চিঠি (২২ নভেম্বর ১৮৮২), ''দ্য টাইমস'' (২৭ নভেম্বর ১৮৮২), পৃষ্ঠা ৪-এ উদ্ধৃত
* আমি যা আশা করি এবং আকাঙ্ক্ষা করি, যার জন্য আমি পরিশ্রম করি এবং অন্তরে ধারণ করি, তা হলো আয়ারল্যান্ডে কর্তৃত্বের বিকেন্দ্রীকরণ। আমরা চার্চকে অপ্রতিষ্ঠিত করেছি এবং ভাড়াটিয়া শ্রেণিকে অনেক ক্ষোভ থেকে মুক্তি দিয়েছি। আমরা এখন এমন একটি অবস্থা তৈরি করতে যাচ্ছি যা সবচেয়ে বিনীত আইরিশ নাগরিককেও উপলব্ধি করাবে যে তিনি একটি শাসক সংস্থা এবং সরকার তার দ্বারা এবং তার জন্যই পরিচালিত হবে।
** [[জর্জ ক্লেমঁসো|জর্জ ক্লেমঁসোর]] কাছে লেখা চিঠি (শীতকাল ১৮৮২), বার্নার্ড হেনরি হল্যান্ড রচিত ''দ্য লাইফ অব স্পেন্সার কম্পটন, এইটথ ডিউক অব ডেভনশায়ার, ভলিউম ১'' (১৯১১), পৃষ্ঠা ৩৮৩-এ উদ্ধৃত
* আপনারা কি মনে করেন যে আমরা অজ্ঞ? মি. ব্র্যাডলফের মামলাটি উত্থাপিত হওয়ার পর থেকে অনুষ্ঠিত প্রতিটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনে আপনারা ভোট পেয়েছেন এবং আমরা সেগুলো হারিয়েছি। আপনারা এ বিষয়ে পুরোপুরি অবগত আছেন। আমরাও এ বিষয়ে কম অবগত নই। কিন্তু আপনারা যদি পুরোপুরি অবগত থাকেন, তবে আমাদেরকে কি কিছু কৃতিত্ব দেওয়া উচিত নয়? আমরা আপনাদেরকে আরও কঠিন পরিস্থিতিতে একই জিনিস দিচ্ছি। আনুমানিক সততা এবং উদ্দেশ্যের বিশুদ্ধতার জন্য কি আমাদেরকে কিছু কৃতিত্ব দেওয়া উচিত নয়? মহাশয়, লিবারেল পার্টি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং এই কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এর ইতিহাসে এটি প্রথমবার নয়। এটি আবার সেই পুরোনো গল্প। ধর্মীয় সহনশীলতার প্রসার এবং অযোগ্যতা হ্রাস ও অপসারণের বিষয়ে যে বিতর্কই দেখা দিয়েছে, লিবারেল পার্টি আগেও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং সম্ভবত এখন আবার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তবুও এটি এমন কোনো দল নয়, যার সামগ্রিকভাবে গত অর্ধ শতাব্দীতে জনগণের স্নেহ এবং অনুমোদনের ওপর সামান্যতম বা সবচেয়ে দুর্বল দখল রয়েছে। দেশের প্রোটেস্ট্যান্ট মতবাদ থেকে কারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে? এটি সেই দল ছিল, যারা ব্যক্তিদের কাছ থেকে মূল্যবান সহায়তা পেয়েছিল, কিন্তু কেবল সেইসব ব্যক্তিরাই এর জন্য তাদের জনপ্রিয়তা হারিয়েছিল। এটি সেই দল ছিল যারা মহান রোমান ক্যাথলিক বিতর্কের ক্ষেত্রে স্বাধীনতার লড়াই করেছিল, যখন প্রোটেস্ট্যান্টবাদের নাম বর্তমানে ঈশ্বরবাদের মতো ততটা প্রভাবের সাথে ডাকা হয়েছিল এবং পিটিশনগুলো বর্তমানের মতোই অবাধে ঢেলে দেওয়া হয়েছিল। ১৮২৯ সালের আইনের ধাক্কা সামলে নিয়েছিল প্রোটেস্ট্যান্টবাদ। এরপর শুরু হয় খ্রিস্টধর্মের যুদ্ধ, এবং বলা হয় যে লিবারেল পার্টির দ্বারা দেশের খ্রিস্টধর্ম বলিদান করা হয়েছে। কক্ষের অপর দিকের ভদ্রলোকেরা মনে হয় যা কিছু ঘটেছে তা ভুলে গেছেন। তারা পার্লামেন্টে ইহুদিদের প্রবেশের বিষয়ে নিজেদেরকে নিয়ে গর্ব করছেন, যেন তারা নিখুঁত সততার সাথে এটি প্রতিহত করেননি। আমি তাদের সম্মানের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ করছি না এবং কোনো অযোগ্য উদ্দেশ্য আরোপ করছি না। যেন তারা বর্তমান অনুষ্ঠানে যতটা সংকল্প প্রদর্শন করছেন, ততটা সংকল্প নিয়ে এটি প্রতিহত করেননি। '''মহাশয়, আমি এটাই আশা করি, লিবারেল পার্টি ভয় বা অনুগ্রহের কারণে পিছপা হবে না, বরং সমতা ও ন্যায়ের পথ বলে বিশ্বাস করে এমন পথে অবিচলভাবে কাজ করে যাবে। একজন মানুষের জন্য সে যা ন্যায্য বলে মনে করে তার জন্য কষ্টভোগ করার চেয়ে বড় সম্মান আর নেই। এবং একটি দলের জন্য এমন নীতিগুলো কার্যকর করার প্রচেষ্টায় কষ্টভোগ করার চেয়ে বড় সম্মান আর নেই, যা তারা ন্যায্য বলে বিশ্বাস করে।'''
** নাস্তিক চার্লস ব্র্যাডলফকে সংসদে তার আসন গ্রহণের অনুমতি দেওয়ার সমর্থনে হাউস অব কমন্সে দেওয়া একটি [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1883/apr/26/second-reading-adjourned-debate-second ভাষণের] (২৬ এপ্রিল ১৮৮৩) অংশ।
* আমি নিশ্চিত যে প্রতিটি ধর্মীয় এবং রাজনৈতিক ভিত্তির ওপর, '''সত্য ও বিজ্ঞ পথ হলো ধর্মীয় স্বাধীনতাকে অর্ধেক, এক-চতুর্থাংশ বা ভগ্নাংশ হিসেবে বিবেচনা করা নয়; বরং এটিকে সম্পূর্ণভাবে বিবেচনা করা এবং দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ধর্মীয় পার্থক্যের ভিত্তিতে মানুষের মধ্যে কোনো পার্থক্য না রাখা।'''
** নাস্তিক চার্লস ব্র্যাডলফকে সংসদে তার আসন গ্রহণের অনুমতি দেওয়ার সমর্থনে হাউস অব কমন্সে দেওয়া একটি [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1883/apr/26/second-reading-adjourned-debate-second ভাষণের] (২৬ এপ্রিল ১৮৮৩) অংশ।
* আমাকে অবশ্যই বেদনাদায়কভাবে আমার মতামত রেকর্ড করতে হবে যে অনেক মানুষের মনে ধর্মের প্রতি গভীর আঘাত করা হয়েছে। নির্দেশিত মনে নয়, বরং এমন মনে যারা অশিক্ষিত বা আংশিকভাবে শিক্ষিত, যাদের আমাদের বিবেচনার ওপর বড় দাবি রয়েছে। দুর্ভাগ্যবশত নেওয়া পদক্ষেপগুলোর কারণে এটি হয়েছে। নর্দাম্পটনের নির্বাচনী এলাকার দ্বারা নির্বাচিত ব্যক্তির বিরুদ্ধে যে প্রতিরোধ দেওয়া হয়েছে, তার কারণে অনেক মনে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, যা সম্প্রদায়ের একটি অংশ অন্যায় বলে বিশ্বাস করে। যখন তারা ধর্মের পেশা এবং ধর্মের স্বার্থকে বাহ্যিকভাবে অন্যায়ের সাথে যুক্ত হতে দেখে, তখন তারা ধর্ম সম্পর্কে প্রশ্ন করতে পরিচালিত হয়, যা তারা অন্যায়ের সাথে যুক্ত বলে দেখে। অবিশ্বাস এমন একটি সহানুভূতি আকর্ষণ করে যা এটি অন্যথায় উপভোগ করতে পারত না। এবং এর ফলাফল হলো সেই বিশ্বাস এবং ধর্মীয় বিশ্বাসকে দুর্বল করা, যার ক্ষতি আমি এমন একটি অবর্ণনীয় বিপর্যয় বলে মনে করি যা কোনো মানুষ বা জাতির ওপর নেমে আসতে পারে।
** নাস্তিক চার্লস ব্র্যাডলফকে সংসদে তার আসন গ্রহণের অনুমতি দেওয়ার সমর্থনে হাউস অব কমন্সে দেওয়া একটি [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1883/apr/26/second-reading-adjourned-debate-second ভাষণের] (২৬ এপ্রিল ১৮৮৩) অংশ।
* বিদেশি উৎপাদক যে কারণে তার উৎপাদিত পণ্য বাজারে সস্তায় পায়, তা হলো বিদেশি পণ্য সংগ্রহ করা হয় এবং প্রচুর পরিমাণে আনা হয় এবং বাজারে বিশাল আকারে পাঠানো হয়। এটাই হলো সস্তা পরিবহনের রহস্য। আমাদেরকে আমাদের উৎপাদনের পাউন্ডগুলোকে টনে পরিণত করার চেষ্টা করতে হবে অথবা বেশ কয়েকজন উৎপাদককে একত্রিত করতে হবে। আপনারা ক্ষুদ্র কৃষকরা যদি সম্মিলিতভাবে রেলওয়ে কোম্পানিগুলোকে প্রচুর পরিমাণে পণ্য সরবরাহ করতে পারেন, তবে তারা আপনাদেরকে ভালো শর্ত দেবে।
** হাওয়ার্ডেনে দেওয়া ভাষণ (৫ জানুয়ারি ১৮৮৪), এফ. ডব্লিউ. হার্স্ট রচিত ''গ্ল্যাডস্টোন অ্যাজ ফাইন্যান্সিয়ার অ্যান্ড ইকোনমিস্ট'' (১৯৩১), পৃষ্ঠা ২৫৮-এ উদ্ধৃত
* আদর্শিক পরিপূর্ণতা ইংরেজি আইনের প্রকৃত ভিত্তি নয়। আমরা অর্জনযোগ্য বিষয়ের দিকে তাকাই। আমরা বাস্তবসম্মত বিষয়ের দিকে তাকাই। ইউটোপিয়ায় সম্ভবত কী অর্জন করা যেতে পারে, সে সম্পর্কে আশাবাদী বর্ণনাগুলোর দ্বারা বিভ্রান্ত হওয়ার চেয়ে আমাদের কাছে যথেষ্ট পরিমাণ ইংরেজি জ্ঞান রয়েছে। এটি আমাদেরকে এমন একটি পথ থেকে দূরে সরিয়ে দেয় যা ইংল্যান্ডের জনগণের জন্য দারুণ মঙ্গল সাধন করতে সক্ষম হওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়।
** রিপ্রেজেন্টেশন অব দ্য পিপল বিলের ওপর বিতর্কের সময় হাউস অব কমন্সে দেওয়া [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1884/feb/28/motion-for-leave ভাষণ] (২৮ ফেব্রুয়ারি ১৮৮৪)
* মাননীয় ভদ্রলোক বারবার এই ঘোষণার উদ্ধৃতি দিয়েছেন, মিশরের বাইরে [বিদ্রোহ] রাখতে হলে সুদানে এটি দমন করা প্রয়োজন। এবং এটাই হলো সেই কাজ যা মাননীয় ভদ্রলোক ইংল্যান্ডের ওপর চাপিয়ে দিতে চান। এখন আমি মাননীয় ভদ্রলোকদের বলছি যে, এই কাজটির অর্থ হলো সুদান পুনর্দখল করা। আমি মুহূর্তের জন্য জলবায়ু, দূরত্ব, অসুবিধা, বিশাল ব্যয় এবং ভয়াবহ প্রাণহানির সমস্ত প্রশ্ন সরিয়ে রাখছি। মাননীয় ভদ্রলোকের পরিকল্পনায় এর চেয়েও খারাপ কিছু জড়িত আছে। এটি হবে মুক্ত হতে সংগ্রাম করা একটি জাতির বিরুদ্ধে বিজয়ের যুদ্ধ। ["না, না!"] '''হ্যাঁ, এরা এমন মানুষ যারা মুক্ত হওয়ার জন্য সংগ্রাম করছে, এবং তারা মুক্ত হওয়ার জন্য ন্যায্যভাবেই সংগ্রাম করছে।'''
** মাহদিস্ট যুদ্ধের সময় হাউস অব কমন্সে দেওয়া [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1884/may/12/vote-of-censure ভাষণ] (১২ মে ১৮৮৪)।
[[File:William Ewart Gladstone by Rupert Potter.jpg|thumb|right|আমাদের উৎপাদনের পাউন্ডগুলোকে টনে পরিণত করার চেষ্টা করতে হবে অথবা বেশ কয়েকজন উৎপাদককে একত্রিত করতে হবে।]]
* ধীর পরিবর্তন এবং বিকাশের একটি প্রক্রিয়া চলছে, যা মূলত এমন দিকে যাচ্ছে যা আমি সন্দেহের চোখে দেখি। "টোরি গণতন্ত্র" হলো সেই দিকের একটি প্রিয় ধারণা। এটি আমি যে কনজারভেটিভ পার্টিতে বেড়ে উঠেছি তার মতো নয়, ঠিক যেমন এটি লিবারেলিজমের মতো নয়। বস্তুত এটি আরও কম। এটি হলো ডেম্যাগোগিজম। এটি সবচেয়ে খারাপ উপায়ে প্রয়োগ করা হয়, সেই শান্তিকামী, আইন-শ্রদ্ধাশীল, অর্থনৈতিক উপাদানগুলোকে দমন করার জন্য, যা পুরোনো রক্ষণশীলতাকে উন্নত করেছিল। এটি রাগান্বিত আবেগের প্ররোচনায় বেঁচে থাকে এবং গোপনে আগের মতোই শ্রেণির স্বার্থের মন্দ নীতির সাথে একগুঁয়েভাবে যুক্ত থাকে। আজকের লিবারেলিজম তুলনামূলক ভালো, তবে তা ভালো হওয়ার থেকে অনেক দূরে। এর প্রিয় ধারণাটি হলো তারা যাকে নির্মাণ বলে ডাকে, অর্থাৎ প্রতিটি মানুষের কাজ রাষ্ট্রের হাতে তুলে নেওয়া। এই দুটোরই আমাকে দূরে সরিয়ে দেওয়ার মতো অনেক কিছু আছে এবং এগুলো আমাকে অনেক বছর ধরে দূরে সরিয়ে রেখেছে।
** [[লর্ড অ্যাক্টন|লর্ড অ্যাক্টনের]] কাছে লেখা চিঠি (১১ ফেব্রুয়ারি ১৮৮৫), জন মর্লে রচিত ''দ্য লাইফ অব উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন, ভলিউম ৩'' (১৯০৩), পৃষ্ঠা ১৭২-এ উদ্ধৃত
* আমার এমন আশাও আছে যে, জনগণের মধ্যে দৃঢ়ভাবে অবস্থান করা ন্যায়বিচারের বোধ কখনো জেনেশুনে উগ্র জাতীয়তাবাদের শয়তানের সাথে হাত মেলাবে না।
** [[লর্ড অ্যাক্টন|লর্ড অ্যাক্টনের]] কাছে লেখা চিঠি (১১ ফেব্রুয়ারি ১৮৮৫), জন মর্লে রচিত ''দ্য লাইফ অব উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন, ভলিউম ৩'' (১৯০৩), পৃষ্ঠা ১৭৩-এ উদ্ধৃত
* একজন প্রতিষ্ঠিত যাজক সবসময় একটি টোরি কর্পস ডি'আর্মি হবেন।
** স্যার [[উইলিয়াম হারকোর্ট|উইলিয়াম হারকোর্টের]] কাছে লেখা চিঠি (৩ জুলাই ১৮৮৫), এইচ. সি. জি. ম্যাথিউ সম্পাদিত, ''দ্য গ্ল্যাডস্টোন ডায়েরিজ, ভলিউম ১০: জানুয়ারি ১৮৮১-জুন ১৮৮৩'' (১৯৯০), পৃষ্ঠা ১৬৯-এ উদ্ধৃত
* আমাদের নীতির নিয়ম হলো, স্বেচ্ছাসেবী প্রচেষ্টার মাধ্যমে যে কাজ ভালোভাবে বা আরও ভালোভাবে করা যায়, রাষ্ট্রের তা করা উচিত নয়। এবং আমি এমন কিছু ''জানি না'' যে, এর নৈতিক বা এমনকি এর সাহিত্যিক দিকগুলোতেও [[শিক্ষা|শিক্ষার]] জন্য রাষ্ট্রের কাজ এখনো ''ধর্মীয় গোষ্ঠী'' বা ''জনহিতকর ব্যক্তিদের'' কাজের চেয়ে তার ''শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছে''। এমনকি ''উল্লেখযোগ্যভাবে বর্ধিত ব্যয়ের'' ''অর্থনৈতিক'' বিবেচনাগুলোও পুরোপুরি নগণ্য বলে মনে হয় না।
** [http://oll.libertyfund.org/EBooks/Smith_0306.pdf লিবারেল ইশতেহার (সেপ্টেম্বর ১৮৮৫)]
* জনকল্যাণমূলক অর্থনীতির যে বিস্মৃতি ঘটেছে, তার জন্য আমি গভীরভাবে শোকাহত। আতঙ্কের বিষয়টিকে বিলাসবহুল করে তোলার যে বর্তমান প্রবণতা রয়েছে, যা মানুষ একটি চাঞ্চল্যকর উপন্যাস বা উচ্চ মশলাযুক্ত রান্নার মতো উপভোগ করে বলে মনে হয়, এবং উভয় পক্ষেরই [[সমাজতন্ত্র|সমাজতন্ত্রের]] দিকে ঝোঁক রয়েছে, যাকে আমি মৌলিকভাবে অপছন্দ করি।
** ডিউক অব আর্গাইলের কাছে লেখা চিঠি (৩০ সেপ্টেম্বর ১৮৮৫), জন মর্লে রচিত ''দ্য লাইফ অব উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন, ভলিউম ৩'' (১৯০৩), পৃষ্ঠা ২২১-এ উদ্ধৃত
* সমাজতন্ত্র। এই জায়গায় আমি আপনার সাথে একমত। আমি সবসময় এর বিরোধিতা করেছি। এটি এখন উভয় দলকে এমনভাবে আঁকড়ে ধরছে যা আমি খুব অপছন্দ করি। এবং দুর্ভাগ্যবশত [[রবার্ট গাসকোয়েন-সেসিল, থার্ড মার্কুইস অব স্যালিসবারি|লর্ড স্যালিসবারি]] এর একজন নেতা হয়ে উঠেছেন। তাকে বাধা দেওয়ার মতো কোনো লর্ড হার্টিংটন নেই (ডারওয়েনে তার ভাষণ দেখুন)।
** লর্ড সাউথেস্কের কাছে লেখা চিঠি (২৭ অক্টোবর ১৮৮৫)
* আমি তাদেরকে আমার নিজের পরামর্শ গোপন রাখার উদ্দেশ্যের কথা জানাতাম। এবং আমি একজন '''পুরোনো সংসদীয় অভিজ্ঞ ব্যক্তি''' হিসেবে তাদেরকে একই কাজ করার সুপারিশ করার সাহস করব।
** হাউস অব কমন্সে দেওয়া [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1886/jan/21/first-eight ভাষণ] (২১ জানুয়ারি ১৮৮৬)
* আমি যে নীতি নির্ধারণ করছি, তা কেবল আয়ারল্যান্ডের জন্য ব্যতিক্রমীভাবে নির্ধারণ করছি না। এটি হলো সেই একই নীতি যার ওপর ভিত্তি করে, আমার স্মরণে, দেশের ব্যাপক সুবিধার জন্য, আমরা শুধু পরিবর্তনই করিনি, বরং উপনিবেশগুলো পরিচালনা করার পদ্ধতিতে বিপ্লব এনেছি। ... ইংল্যান্ড সেই সময়ে উপনিবেশগুলোর জন্য ভালো আইন পাস করার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু উপনিবেশগুলো বলেছিল, "আমরা আপনাদের ভালো আইন চাই না। আমরা আমাদের নিজস্ব আইন চাই।" আমরা সেই নীতির যৌক্তিকতা স্বীকার করেছিলাম, এবং এটি এখন সমুদ্রের ওপার থেকে আমাদের কাছে ফিরে আসছে। আমাদের বিবেচনা করতে হবে যে এটি আয়ারল্যান্ডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য কি না। ... আমি চাই যে, আমাদের নিজস্ব ক্ষেত্রে আমরা দৃঢ় এবং নির্ভীক হাতে তা অনুশীলন করব যা আমরা প্রায়শই প্রচার করেছি, অর্থাৎ সেই মতবাদ যা আমরা প্রায়শই অন্যদের মধ্যে গেঁথে দিয়েছি। তা হলো, স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন দেওয়া মানে ঐক্যকে দুর্বল বা ক্ষুণ্ণ করার উপায় নয়, বরং এটি ঐক্যকে শক্তিশালী ও সুসংহত করার উপায়।
** আইরিশ হোম রুল বিল উত্থাপন করার সময় হাউস অব কমন্সে দেওয়া [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1886/apr/08/motion-for-leave-first-night#column_1081 ভাষণ] (৮ এপ্রিল ১৮৮৬)
* সরকারের বিরোধিতাকারী পক্ষে প্রচুর পরিমাণে অবস্থান, উপাধি, সম্পদ, সামাজিক প্রভাব, পেশা বা তাদের বড় অংশ পাওয়া যায়, এককথায় শ্রেণির চেতনা এবং ক্ষমতা। এগুলোই হলো বিরোধী পক্ষের প্রধান অংশ। শুধু তাই নয়। পুরোনো দিনের নাইটদের যেমন স্কয়ার ছিল, তেমনি শ্রেণির বিশাল বাহিনীতে প্রতিটি তালিকাভুক্ত সৈনিকের সাধারণত নির্ভরশীল ব্যক্তি থাকে। বিরোধী বাহিনী তাহলে শ্রেণি এবং শ্রেণির ওপর নির্ভরশীলদের নিয়ে গঠিত। কিন্তু এই শক্তিশালী বাহিনীটি এর উপাদানগুলোর একটি বড় অংশে একই রকম। এই বাহিনীটি গত ৬০ বছরের বড় প্রতিটি রাজনৈতিক লড়াইয়ে অংশ নিয়েছে এবং পরাজিত হয়েছে। এই বড় বিতর্কের আগে আমাদের বড় বিতর্ক ছিল, যেমন মুক্ত বাণিজ্য, নৌচলাচলের স্বাধীনতা, জনশিক্ষা, নাগরিক বিষয়ে ধর্মীয় সমতা, বর্তমান ভিত্তিতে ভোটাধিকারের সম্প্রসারণ। এই এবং অন্যান্য অনেক বড় ইস্যুতে শ্রেণিগুলো ধারাবাহিকভাবে ভুল পক্ষে লড়াই করেছে এবং ধারাবাহিকভাবে এমন একটি শক্তির কাছে পরাজিত হয়েছে যাকে একত্রিত করা কঠিন, কিন্তু একত্রিত হলে অপ্রতিরোধ্য। এটি হলো জাতির ন্যায়পরায়ণতা।
** মিডলোথিয়ানের ভোটারদের উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণ, ''ডেইলি রিভিউ'' (৩ মে ১৮৮৬), ''দ্য টাইমস'' (৪ মে ১৮৮৬), পৃষ্ঠা ৫-এ উদ্ধৃত।
* একদিকে স্বাধীনতা ও মর্যাদার সাথে দান করা এবং অন্যদিকে স্বীকৃতি ও কৃতজ্ঞতার সাথে দান করার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। বাধ্য হয়ে দান করা মানে অবমাননার সাথে দান করা। আপনি যে পথেই যান না কেন ক্ষোভের সাথে দান করা, এই পার্থক্যটি আমাদের চোখে মৌলিক। এবং এটি কেবল আমরা কেন কাজ করেছি তার প্রধান কারণ নয়, বরং আমরা এখন কেন কাজ করেছি তারও প্রধান কারণ। আমি যদি ঠিক বুঝি, তবে এটি আমাদের ইতিহাসের অন্যতম সোনালি মুহূর্ত। এটি এমন একটি সুযোগ যা আসতে পারে এবং যেতে পারে, কিন্তু খুব কমই ফিরে আসে। অথবা, যদি তারা ফিরেও আসে, তবে তারা দীর্ঘ বিরতিতে এবং এমন পরিস্থিতিতে ফিরে আসে যা কোনো মানুষ পূর্বাভাস দিতে পারে না।
** আইরিশ হোম রুল বিলের দ্বিতীয় পাঠের সময় হাউস অব কমন্সে দেওয়া [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1886/jun/07/second-reading-adjourned-debate ভাষণ] (৭ জুন ১৮৮৬)
* আয়ারল্যান্ড আপনাদের কাঠগড়ায় প্রত্যাশিত, আশাবাদী এবং প্রায় প্রার্থনাকারী হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। তার কথাগুলো সত্য ও শান্ত। সে অতীতের এক আশীর্বাদপূর্ণ বিস্মৃতি চায়, এবং সেই বিস্মৃতিতে আমাদের স্বার্থ তার চেয়েও গভীর। ...সে ভবিষ্যতের জন্য একটি আশীর্বাদও চায়। এবং ভবিষ্যতের জন্য সেই আশীর্বাদটি, যদি আমরা খুব ভুল না করে থাকি, সম্মানের ক্ষেত্রে আমাদের জন্য একটি আশীর্বাদ হবে, ঠিক যতটা তা সুখ, সমৃদ্ধি এবং শান্তির ক্ষেত্রে তার জন্য একটি আশীর্বাদ হবে। মহাশয়, এটিই তার প্রার্থনা। আমি আপনাদের অনুরোধ করছি, চিন্তা করুন। ভালোভাবে চিন্তা করুন, বিজ্ঞতার সাথে চিন্তা করুন। মুহূর্তের জন্য নয়, বরং যে বছরগুলো আসছে তার জন্য চিন্তা করুন, এই বিলটি প্রত্যাখ্যান করার আগে।
** আইরিশ হোম রুল বিলের দ্বিতীয় পাঠের সময় হাউস অব কমন্সে দেওয়া [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1886/jun/07/second-reading-adjourned-debate ভাষণ] (৭ জুন ১৮৮৬)
* যদি আমাদেরকে এতে প্রবেশ করতে বাধ্য করা হয়, তবে আমি আপনাদেরকে এটি বলতে বাধ্য। আমাদের বিরুদ্ধে আপনাদের অবস্থান, বড়, ধনী এবং অভিজাতদের দৃঢ় সংঘবদ্ধতা এবং জনগণের প্রকৃত প্রকৃত অনুভূতির বিরুদ্ধে আমি জানি না কারা আমাদের সত্য উন্মোচন করতে বাধ্য করছে। এবং আমি আপনাদেরকে এটি বলছি যে, আমি যতদূর বিচার করতে পারি এবং যতদূর আমার জ্ঞান আছে, বিশিষ্ট আইরিশদের উপস্থিতিতে বলতে আমার কষ্ট হচ্ছে যে মানুষের ইতিহাসে ইউনিয়ন গঠনের চেয়ে কালো বা জঘন্য লেনদেন আমার জানা নেই।
** লিভারপুলে দেওয়া ভাষণ (২৮ জুন ১৮৮৬), ''দ্য টাইমস'' (২৯ জুন ১৮৮৬), পৃষ্ঠা ১১-এ উদ্ধৃত
* আমি এই কথা বলার সাহস করব যে, সমস্ত বড় বিষয়ের মধ্যে, সবচেয়ে বড় এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ওপর, যেখানে সত্য, ন্যায়বিচার এবং মানবতাকে সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর প্রধান বিবেচনা হওয়া উচিত, ভদ্রমহোদয়গণ, সেখানে আমি সারা বিশ্বে '''শ্রেণির বিরুদ্ধে জনগণকে সমর্থন করব।'''
** লিভারপুলে দেওয়া ভাষণ (২৮ জুন ১৮৮৬), ''দ্য টাইমস'' (২৯ জুন ১৮৮৬), পৃষ্ঠা ১১-এ উদ্ধৃত
* বাস্তব বিপদের ক্ষেত্রে ইংল্যান্ড এবং স্কটল্যান্ডের মানুষ সম্ভবত বিশ্বের সবচেয়ে সাহসী মানুষ। অন্তত, পৃথিবীতে এমন কোনো জাতি নেই যাদের কাছে তারা আত্মসমর্পণ করতে প্রস্তুত বা যাদের কাছে কেউ তাদের সাহসিকতার খেতাব সমর্পণ করতে বলবে। কিন্তু আমি দুঃখের সাথে বলছি যে এই মামলার আরেকটি দিক রয়েছে। কাল্পনিক বিপদের জন্য পৃথিবীতে এমন কোনো জাতি নেই যারা অযৌক্তিক এবং অলস কল্পনার শিকার হওয়ার ক্ষেত্রে ইংরেজদের মতো যেকোনো মাত্রায় কাছাকাছি। এটি সারা বিশ্বে সর্বজনীন। আমরা ফরাসিদেরকে একটি উত্তেজিত জাতি বলে মনে করি। কিন্তু একজন ইংরেজ কাল্পনিক বিপদের মোকাবিলা করার সময় ভয় এবং ক্ষোভের যে আবেগে আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে, তা দেখে ফরাসিরা বিস্ময়ে দাঁড়িয়ে থাকে।
** লিভারপুলে দেওয়া ভাষণ (২৮ জুন ১৮৮৬), ''দ্য টাইমস'' (২৯ জুন ১৮৮৬), পৃষ্ঠা ১১-এ উদ্ধৃত
* তারা [হোম রুলের বিরোধীরা] বলে যে এটি কী ভয়ানক ঘটনা হবে যখন তারা যা ভবিষ্যদ্বাণী করেছে তা সব সত্যি হবে। এটি কখনো সত্যি হবে না। কিন্তু তবুও, যা কিছু ঘটেছে তার পর আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে সশস্ত্র বাহিনী ছাড়া আর কোনো প্রতিকার থাকবে না। এই ভদ্রলোকেরা সশস্ত্র বাহিনী দিয়ে আয়ারল্যান্ডকে ধরে রাখার ধারণা নিয়ে চরমভাবে হতবাক হয়েছেন। (হাসি।) আমি জানতে চাই আপনারা এখন একে কীভাবে ধরে রেখেছেন? (দীর্ঘ উল্লাস।) আমি জানতে চাই আপনারা এই ছিয়াশি বছর ধরে একে কীভাবে ধরে রেখেছিলেন? (একটি কণ্ঠস্বর। "জবরদস্তি।") আপনারা একে সশস্ত্র বাহিনীর সাহায্যে ধরে রেখেছেন। নিজেদের কাছে বাস্তবতাকে গোপন করবেন না। আপনারা যে কারণের ওপর বিচার করবেন তার অপরিহার্য বৈশিষ্ট্যগুলো থেকে চোখ বন্ধ করবেন না। '''জোর করে আপনারা একে ধরে রেখেছেন। জোর করে আপনারা একে ধরে রাখছেন। আমরা আপনাদেরকে ভালোবাসা দিয়ে একে ধরে রাখার অনুরোধ করছি।''' (উচ্চকণ্ঠ এবং দীর্ঘ উল্লাস, এই সময়ে দর্শকরা উঠে দাঁড়িয়ে তাদের রুমাল নাড়ায়, এবং "গ্র্যান্ড ওল্ড ম্যানের" জন্য তিনটি উল্লাস চাওয়া হয় এবং দেওয়া হয়।)
** লিভারপুলে দেওয়া ভাষণ (২৮ জুন ১৮৮৬), ''দ্য টাইমস'' (২৯ জুন ১৮৮৬), পৃষ্ঠা ১১-এ উদ্ধৃত
* আমি জোর দিয়ে বলছি যে ওয়েলশ জাতীয়তা ঠিক ততটাই বাস্তব যতটা ইংরেজি জাতীয়তা। এটি হয়তো ততটা বড় বাস্তবতা নয় কারণ এটি এত বড় দেশজুড়ে বিস্তৃত নয়, তবে ওয়েলসের ঐতিহ্য এবং ইতিহাসের সাথে, ওয়েলসের ভাষার সাথে (শুনুন, শুনুন), ওয়েলসের ধর্মের সাথে (উল্লাস), ওয়েলসের অনুভূতির সাথে, আমি মনে করি ওয়েলশ জাতীয়তা স্কটল্যান্ডের জাতীয়তার মতোই সত্য, যার সাথে আমি রক্তে একচেটিয়াভাবে যুক্ত।
** সোয়ানসিতে দেওয়া ভাষণ (৪ জুন ১৮৮৭), ''দ্য টাইমস'' (৬ জুন ১৮৮৭), পৃষ্ঠা ১০-এ উদ্ধৃত
* একটি জনসভা কী? এটি কোনো নৈরাজ্যবাদী সমাবেশ নয়। এটি কোনো দাঙ্গা নয়। এটি হলো যৌক্তিক প্রাণীদের একটি সমাবেশ। যদি আমন্ত্রণটি সাধারণ হয়, তবে সেখানে প্রতিটি মানুষের যাওয়ার অধিকার রয়েছে, এবং সরকারি প্রতিবেদকের যাওয়ার অধিকার রয়েছে। তবে কেবল অন্যদের মতো এবং সাধারণ আইনের অধীন। কিন্তু সভার উদ্যোক্তাদের কাছে সরকারি প্রতিবেদককে সুবিধা প্রদানের আবেদন করার পরিবর্তে... যদি সহিংসতার পথ বেছে নেওয়া হয়, তবে আমি বলব যে আইনের এজেন্টরাই আইন ভেঙেছে। আইরিশ জনগণকে আইন মেনে চলার কর্তব্য সম্পর্কে বলা, অথবা তাদের আইন মেনে চলতে বাধ্য করার জন্য জবরদস্তিমূলক বিল আনা অর্থহীন, যদি সেই সরকার নিজেই এই কথা বলে এবং এই বিলগুলো আনে, যাদের এজেন্টরা সুশৃঙ্খল জনসভায় সহিংসভাবে বিঘ্ন ঘটিয়ে আইন লঙ্ঘন করে এবং যারা এই বেআইনি পদক্ষেপে মন্ত্রীদের দ্বারা সমর্থিত হয়।
** নটিংহ্যামে দেওয়া ভাষণ (১৮ অক্টোবর ১৮৮৭) [[w:Mitchelstown#Mitchelstown_Massacre|মিচেলসটাউন গণহত্যার]] কথা উল্লেখ করে, ''দ্য টাইমস'' (১৯ অক্টোবর ১৮৮৭), পৃষ্ঠা ৬-এ উদ্ধৃত
* আমি বলেছি এবং আমি আবার বলছি, "মিচেলসটাউনের কথা মনে রেখো"।
** নটিংহ্যামে দেওয়া ভাষণ (১৮ অক্টোবর ১৮৮৭), ''দ্য টাইমস'' (১৯ অক্টোবর ১৮৮৭), পৃষ্ঠা ৬-এ উদ্ধৃত
* জনকল্যাণমূলক অর্থনীতি জনকল্যাণমূলক গুণাবলির অংশ।
** ওয়েলবির কাছে লেখা চিঠি (২৬ অক্টোবর ১৮৮৭), অ্যান্থনি হাওয়ে রচিত ''ফ্রি ট্রেড অ্যান্ড লিবারেল ইংল্যান্ড ১৮৪৬-১৯৪৬'' (১৯৯৭), পৃষ্ঠা ১৯-এ উদ্ধৃত
* যে জবরদস্তি চালু করা হয়েছে তা অপরাধের বিরুদ্ধে কোনো জবরদস্তি নয়...এটি একত্রীকরণের বিরুদ্ধে একটি জবরদস্তি। এবং একত্রীকরণ, যা আয়ারল্যান্ডের ইতিহাসের প্রতিটি পৃষ্ঠায় জ্বলজ্বল করছে, এটিই একমাত্র অস্ত্র যার দ্বারা একটি দরিদ্র, নিঃস্ব এবং দুর্বল জনগোষ্ঠী রাষ্ট্র এবং ধনীদের আধিপত্যকারী ক্ষমতার বিরুদ্ধে, যাদের পেছনে ইংল্যান্ডের সমর্থন রয়েছে, সামান্য মাত্রায় হলেও নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।
** লন্ডনে দেওয়া ভাষণ (৯ মে ১৮৮৮), ''দ্য টাইমস'' (১০ মে ১৮৮৮), পৃষ্ঠা ৮-এ উদ্ধৃত।
* এই জবরদস্তি আইন দাবি করে যে এটি প্রধানত ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে পরিচালিত একটি আইন, এবং ষড়যন্ত্র একটি খারাপ জিনিস। কিন্তু ষড়যন্ত্রের নামে আমরা বলি যে এটি একত্রীকরণের বিরুদ্ধে পরিচালিত। একত্রীকরণ সবসময় খুব ভালো জিনিস নয়, তবে একত্রীকরণ হলো অনেক ক্ষেত্রে একমাত্র উপায় যার সাহায্যে দুর্বলেরা শক্তিশালীদের বিরুদ্ধে, দরিদ্ররা ধনীদের বিরুদ্ধে নিজেদের রক্ষা করতে পারে।
** লন্ডনে দেওয়া ভাষণ (৩০ জুন ১৮৮৮), ''দ্য টাইমস'' (২ জুলাই ১৮৮৮), পৃষ্ঠা ৭-এ উদ্ধৃত।
* ভদ্রমহিলা ও ভদ্রমহোদয়গণ, আপনাদের "মেন অব হারলেচের" কথা চিন্তা করুন। আমার বিচারে, একটি জাতীয় সঙ্গীতের উদ্দেশ্যে এবং পুরোনো "গড সেভ দ্য কুইন" বা অন্য কিছুর অবমাননা না করে, এটি সম্ভবত বিশ্বের সেরা জাতীয় সঙ্গীত।
** রেক্সামে ইস্টেডফোডে দেওয়া ভাষণ (৮ সেপ্টেম্বর ১৮৮৮), এ. ডব্লিউ. হাটন এবং এইচ. জে. কোহেন সম্পাদিত, ''দ্য স্পিচেস অব দ্য রাইট অনারেবল ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোন অন হোম রুল, ক্রিমিনাল ল, ওয়েলশ অ্যান্ড আইরিশ ন্যাশনালিটি, ন্যাশনাল ডেবট অ্যান্ড দ্য কুইনস রেইন. ১৮৮৮-১৮৯১'' (১৯০২), পৃষ্ঠা ৫৬-এ উদ্ধৃত
* জাতীয়তার নীতি এবং প্রাচীনত্বের প্রতি শ্রদ্ধার নীতি, যাকে আমি স্থানীয় দেশপ্রেম বলতে পারি, তা শুধু নিজেই একটি মহৎ জিনিস নয়, এর একটি বিশাল অর্থনৈতিক মূল্যও রয়েছে। ... আপনার দেশের প্রতি সংযুক্তি, ব্রিটিশ নাগরিকদের মধ্যে ব্রিটেনের প্রতি সংযুক্তি, এবং সেইসাথে ওয়েলশ বংশোদ্ভূতদের মধ্যে ওয়েলসের প্রতি সংযুক্তি, এগুলোর মধ্যে কিছুটা শক্তি এবং এর বিকাশের জন্য উৎসাহ উভয়ই রয়েছে, এবং একইভাবে নৈতিক মানের কিছু উপাদানও রয়েছে; কারণ ওয়েলশম্যান যেখানেই যাক না কেন, সে নামটিকে অপমান করতে চাইবে না। এটি একটি পরিচিত পর্যবেক্ষণ যে, ইউরোপের চরম পূর্বাঞ্চলেও, যেখানে স্বৈরাচারী সরকারের পরিবর্তে স্বাধীন প্রতিষ্ঠানগুলো প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, এর অনিবার্য প্রভাব হলো দেশের পরিশ্রমী কার্যকলাপে একটি বিশাল উদ্দীপনা প্রদান করা।
** রেক্সামে ইস্টেডফোডে দেওয়া ভাষণ (৮ সেপ্টেম্বর ১৮৮৮), এ. ডব্লিউ. হাটন এবং এইচ. জে. কোহেন সম্পাদিত, ''দ্য স্পিচেস অব দ্য রাইট অনারেবল ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোন অন হোম রুল, ক্রিমিনাল ল, ওয়েলশ অ্যান্ড আইরিশ ন্যাশনালিটি, ন্যাশনাল ডেবট অ্যান্ড দ্য কুইনস রেইন. ১৮৮৮-১৮৯১'' (১৯০২), পৃষ্ঠা ৫৮-এ উদ্ধৃত
* আত্মরক্ষার জন্য ওয়েলশরা ইংরেজদের বিরুদ্ধে খুব ভালো এবং খুব কঠিন লড়াই করেছিল, এবং এর ফলাফল কী হয়েছিল? ইংরেজরা আপনাদের অঞ্চলকে বড় বড় দুর্গ দিয়ে ঘিরে রাখতে বাধ্য হয়েছিল। এবং এর প্রভাব এমন হয়েছে যে, আমি যতদূর হিসাব করতে পারি, ট্যুইডের দক্ষিণে সমগ্র দ্বীপে দুর্গগুলোর মহান ধ্বংসাবশেষের অর্ধেকেরও বেশি হলো সেই দুর্গগুলো যা ওয়েলসকে ঘিরে রয়েছে। এটি দেখায় যে ওয়েলসে এমন লোকেরা বাস করত যারা তাদের স্বাধীনতাকে মূল্যায়ন করত এবং তার জন্য সংগ্রাম করতে প্রস্তুত ছিল।
** রেক্সামে ইস্টেডফোডে দেওয়া ভাষণ (৮ সেপ্টেম্বর ১৮৮৮), এ. ডব্লিউ. হাটন এবং এইচ. জে. কোহেন সম্পাদিত, ''দ্য স্পিচেস অব দ্য রাইট অনারেবল ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোন অন হোম রুল, ক্রিমিনাল ল, ওয়েলশ অ্যান্ড আইরিশ ন্যাশনালিটি, ন্যাশনাল ডেবট অ্যান্ড দ্য কুইনস রেইন. ১৮৮৮-১৮৯১'' (১৯০২), পৃষ্ঠা ৬১-এ উদ্ধৃত
* লিবারেল পার্টির আন্তরিকতার বিষয়ে বলতে গেলে, আমি কিছু আস্থার সাথে গত ৫০ বছর ধরে সেই দলের পরিশ্রমের কথা উল্লেখ করছি, যা সাধারণ মানুষের ব্যয়ে বিশেষ স্বার্থের সুবিধার জন্য প্রণীত অনেক অযৌক্তিক কর এবং বিধিনিষেধ থেকে মূলধন এবং সব ধরনের হস্তশিল্প উভয়কেই মুক্ত করার জন্য করা হয়েছিল। এই পরিশ্রমগুলোর ফলে শ্রমজীবী সম্প্রদায়ের অবস্থার একটি অভিন্ন নয়, বরং একটি খুব সাধারণ এবং খুব বড় উন্নতি হয়েছে।
** বেকার শ্রমিকদের দ্বারা তার কাছে জমা দেওয়া স্মারকলিপির উত্তর (১৮ ডিসেম্বর ১৮৮৮), ''দ্য টাইমস'' (২০ ডিসেম্বর ১৮৮৮), পৃষ্ঠা ৭-এ উদ্ধৃত
* আমরা রানির দাস এবং সেইসাথে জনগণেরও দাস। ... আমি এটি বলতে লজ্জিত নই যে আমার বার্ধক্যে আমি এমন যেকোনো সুযোগ পেয়ে আনন্দিত যা আমাকে এটি সাক্ষ্য দিতে সক্ষম করে যে, আমার মতামত সম্পর্কে যাই ভাবা হোক না কেন, সাধারণ রাজনীতিতে আমার প্রস্তাবগুলো সম্পর্কে যাই ভাবা হোক না কেন, ব্রিটিশ রাজতন্ত্রের বিশিষ্ট প্রতিনিধির জন্য আমি এতদিন ধরে যে কাজ করেছি তা আমি ভুলি না।
** হাউস অব কমন্সে দেওয়া [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1889/jul/25/the-royal-grants#S3V0338P0_18890725_HOC_142 ভাষণ] (২৫ জুলাই ১৮৮৯)
* এই [[ধর্মঘট|ধর্মঘটের]] বিশেষত্ব হলো... অনেকগুলো আলাদা পেশার মানুষ, যাদের একে অপরের সঙ্গে কোনও সম্পর্ক নেই... তারা দেখিয়েছে যে তারা একযোগে আন্দোলন করতে চায়। আপনি নিশ্চিন্ত থাকতে পারেন, এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক বাস্তবতা এবং ভবিষ্যতের জন্যও ব্যাপক তাৎপর্যপূর্ণ। আমি বিশ্বাস করি এই শিক্ষা [[আয়ারল্যান্ড]] থেকে নেওয়া হয়েছে, এবং এটি বর্তমান সরকারের কারণে ও আয়ারল্যান্ডে তাদের দমনমূলক আইner ফল। একই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ, যাদের মধ্যে কোনও পারস্পরিক সংযোগ নেই, তাদের এমন একটি উদ্দেশ্যে একত্র হতে বাধ্য করা হয়েছে, যেটিকে তারা সবার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করে। আমি যথেষ্ট মনে করি যে লন্ডনের শ্রমজীবী মানুষরাও এই শিক্ষা আয়ারল্যান্ড থেকে নিয়েছে।
** চেশায়ারে দেওয়া ভাষণ (২৩ সেপ্টেম্বর ১৮৮৯) লন্ডন ডক ধর্মঘটের ওপর, ''দ্য টাইমস'' (২৪ সেপ্টেম্বর ১৮৮৯), পৃষ্ঠা ১০-এ উদ্ধৃত
* একজন আলোকিত নিরপেক্ষ পর্যবেক্ষক মানবতার সাধারণ স্বার্থে এই উল্লেখযোগ্য ধর্মঘট এবং এই ধর্মঘটের ফলাফলগুলো মনে করতে আগ্রহী হবেন, যা পুঁজির মোকাবিলায় শ্রমের অবস্থাকে কিছুটা শক্তিশালী করার প্রবণতা দেখিয়েছে। এটি হলো আমাদের এমন একটি রেকর্ড যাকে সন্তোষজনক এবং একটি বাস্তব সামাজিক অগ্রগতি হিসেবে দেখা উচিত। এটি একটি বৃহত্তর, আরও অভিন্ন এবং ন্যায্য সম্পর্কের আরও দৃঢ় প্রতিষ্ঠার দিকে ঝুঁকছে। এটি শিল্পের ফলগুলোর বিভাজনের একটি ন্যায্য নীতির দিকে ঝুঁকছে।
** চেশায়ারে দেওয়া ভাষণ (২৩ সেপ্টেম্বর ১৮৮৯) লন্ডন ডক ধর্মঘটের ওপর, ''দ্য টাইমস'' (২৪ সেপ্টেম্বর ১৮৮৯), পৃষ্ঠা ১০-এ উদ্ধৃত
* কিন্তু শ্রমিককে অন্য একটি [[বিপদ]] থেকে সতর্ক থাকতে দিন। আমরা এমন একটি সময়ে বাস করি যখন এই প্রবণতা দেখা যায় যে সরকারের এটি এবং ওটি করা উচিত এবং সরকারের সবকিছু করা উচিত। সরকারের এমন অনেক কিছু করা উচিত, এ বিষয়ে আমার কোনো সন্দেহ নেই। পূর্ববর্তী সময়গুলোতে সরকার অনেক কিছু অবহেলা করেছে এবং সম্ভবত এখনো তারা কিছু অবহেলা করে। তবে অন্য দিকে একটি বিপদ রয়েছে। মানুষের নিজের যা করা উচিত তা যদি সরকার নিজের হাতে তুলে নেয়, তবে তিনি যে সমস্ত সুবিধা পেয়েছেন বা এর থেকে যে সমস্ত সুবিধা পেতে পারেন, তার চেয়ে এটি তার ওপর বেশি [[ক্ষতি]] সাধন করবে। পুরো বিষয়টির মূল কথা হলো, জনগণের মনে আত্মনির্ভরশীলতার চেতনা এবং সত্যিকারের ও অকৃত্রিম স্বাধীন চেতনা বজায় রাখা উচিত। জনগণের ব্যাপক অংশের মনে এবং শ্রেণির প্রতিটি সদস্যের মনে এই চেতনা বজায় রাখা উচিত। যদি সে তার আত্মত্যাগ হারিয়ে ফেলে, যদি সে নিজের ওপর নির্ভর না করে ধনীদের ওপর কাপুরুষোচিতভাবে নির্ভর করতে শেখে, তবে আপনি এর ওপর নির্ভর করতে পারেন যে সে এমন ক্ষতি ডেকে আনে যার কোনো ক্ষতিপূরণ করা যায় না।
** চেশায়ারে সল্টনি লিটারারি ইনস্টিটিউট কর্তৃক নির্মিত সল্টনির রিডিং অ্যান্ড রিক্রিয়েশন রুমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেওয়া ভাষণ (২৬ অক্টোবর ১৮৮৯), ''দ্য টাইমস'' পত্রিকায় "মি. গ্ল্যাডস্টোন অন দ্য ওয়ার্কিং ক্লাসেসে" (২৮ অক্টোবর ১৮৮৯), পৃষ্ঠা ৮-এ উদ্ধৃত
* লিবারেল পার্টির গুরুতর বিভাজন ১৮৮৬ সালে শুরু হয়নি। দীর্ঘ সময় ধরে ধনী এবং ক্ষমতাবানরা লিবারেল পার্টির শরীর থেকে নিজেদেরকে আলাদা করছিল এবং টোরিবাদ, স্থবিরতা এবং প্রতিরোধে তাদের সবচেয়ে স্বাভাবিক সম্পৃক্ততা খুঁজে পাচ্ছিল। তাদের অনেকের কাছে এটি ঈশ্বরের আশীর্বাদস্বরূপ ছিল যখন হোম রুল আবির্ভূত হয় এবং তারা মনে মনে যা করার জন্য একটি অজুহাতের আকাঙ্ক্ষা করছিল, তা প্রকাশ্যে বা এমনকি আড়ম্বরপূর্ণভাবে করার জন্য তাদের একটি যুক্তিসঙ্গত অজুহাত সরবরাহ করে।
** ম্যানচেস্টারে ন্যাশনাল লিবারেল ফেডারেশনে দেওয়া ভাষণ (৩ ডিসেম্বর ১৮৮৯), ''দ্য টাইমস'' (৪ ডিসেম্বর ১৮৮৯), পৃষ্ঠা ৬-এ উদ্ধৃত
* সামাজিক ক্ষয়ক্ষতির কারণে আমরা দ্রুত ব্যক্তিদের বিচার করব না। এই সামাজিক ক্ষতিগুলো তাদের পূর্বপুরুষদের কাছ থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত একটি অবস্থান ধারণ করার কারণে শরীর হিসেবে তাদের ওপর বর্তাতে পারে। তাদের এই অবস্থানের সমগ্র প্রকৃতি শনাক্ত করার মতো শক্তি এবং গভীর প্রজ্ঞা ছিল না।
** 'মেমোরিয়ালস অব আ সাউদার্ন প্লান্টার', ''দ্য নাইনটিন্থ সেঞ্চুরি'', খণ্ড ২৬, সংখ্যা ১৫৪ (ডিসেম্বর ১৮৮৯), পৃষ্ঠা ৯৮৪-৯৮৬
=== ১৮৯০-এর দশক ===
[[File:Gladstone.jpg|thumb|right|[[স্বাধীনতা|স্বাধীনতার]] মধ্যে আপনি [[আনুগত্য]] এবং [[শৃঙ্খলা]] উভয়েরই সবচেয়ে দৃঢ় ভিত্তি স্থাপন করেন। এটি ব্যক্তির [[চরিত্র]] বিকাশের জন্য সবচেয়ে দৃঢ় ভিত্তি এবং সামগ্রিকভাবে জাতির [[সুখ|সুখের]] জন্য সেরা বিধান।]]
* আমি মনে করি আমাদের অবশ্যই স্বীকার করতে হবে যে গত ২৫ বছরে মুক্ত বাণিজ্যের মতবাদগুলো কতটা ভিত্তি হারিয়েছে। এটি একটি বড় এবং ভারী হতাশা। আমার কোনো সন্দেহ নেই যে এই ভয়ানক সামরিকবাদ, যা ইনকিউবাস বা ভ্যাম্পায়ারের মতো ইউরোপের ওপর চেপে বসে আছে, তা এই ক্ষতির বেশিরভাগের জন্য দায়ী।
** পিকাডিলির প্রিন্সেস হলে দেওয়া ভাষণ (১২ মে ১৮৯০), ''দ্য টাইমস'' (১৩ মে ১৮৯০), পৃষ্ঠা ১১-এ উদ্ধৃত
* আসুন আমরা নিজেদের কাছে এই বিষয়টি গোপন না করি: বর্তমান সময়ে এই দেশটি প্রায় একাই মুক্ত বাণিজ্যের দুর্গ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। ... আমি আত্মবিশ্বাসের সাথে প্রত্যাশা করি, দীর্ঘমেয়াদে এই মুক্ত বাণিজ্যের মতবাদগুলো পৃথিবীতে এর বাইরে আর কোনো অর্থ বহন করবে না। প্রতিটি মানুষ এবং প্রতিটি দেশ কৃত্রিম হস্তক্ষেপ বা বাধা ছাড়াই, ঈশ্বর তাদেরকে যে ক্ষমতা এবং উপহার দিয়েছেন তা সর্বোত্তমভাবে কাজে লাগাবে। এটি হলো আমাদের বিশ্বাসের সারসংক্ষেপ, আলফা এবং ওমেগা।
** পিকাডিলির প্রিন্সেস হলে দেওয়া ভাষণ (১২ মে ১৮৯০), ''দ্য টাইমস'' (১৩ মে ১৮৯০), পৃষ্ঠা ১১-এ উদ্ধৃত
* আমি সারা জীবন একজন শিক্ষার্থী ছিলাম এবং আমি এখনো একজন শিক্ষার্থী। ... আমার এমন কিছু ধারণা আছে যা একজন লিবারেল রাজনীতিবিদের জন্য ভালো উপাদান সরবরাহ করে বলে মনে নাও হতে পারে। আমি শুধু পরিবর্তনের জন্য পরিবর্তন পছন্দ করি না, আমি কেবল তখনই পরিবর্তন পছন্দ করি যখন খারাপ কিছুকে ভালো কিছুতে বা ভালো কিছুকে আরও ভালো কিছুতে পরিবর্তন করার প্রয়োজন হয়। ... আমার লিবারেলিজমের ভিত্তি হলো এটি। আমি তরুণ বয়স থেকেই এই শিক্ষা নিচ্ছি। আমি স্বাধীনতার একজন প্রেমিক। এবং আমি নিজের জন্য যে স্বাধীনতাকে মূল্য দিই, আমি প্রতিটি মানুষের জন্য তার সামর্থ্য এবং সুযোগের অনুপাতে সেই স্বাধীনতাকে মূল্য দিই। এটি এমন একটি ভিত্তি যার ওপর আমি অযৌক্তিক পরিবর্তনের প্রতি অপছন্দ এবং প্রাচীন সবকিছুর প্রতি গভীর শ্রদ্ধার সাথে একত্রে কাজ করা সম্পূর্ণ বাস্তবসম্মত বলে মনে করি, তবে শর্ত হলো সেই শ্রদ্ধা যেন তার যোগ্য হয়।
** নরউইচে দেওয়া ভাষণ (১৬ মে ১৮৯০), জন মর্লে রচিত ''দ্য লাইফ অব উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন, ভলিউম ২'' (১৯০৩), পৃষ্ঠা ১৭৮-১৭৯-এ উদ্ধৃত
* '''সমস্ত [[স্বার্থপরতা]] মানবজাতির একটি বড় [[অভিশাপ]]''', এবং যখন আমাদের নিজেদের চেয়ে কম সুখী অন্য মানুষদের প্রতি সত্যিকারের সহানুভূতি থাকে, তখন তা স্বার্থপরতা থেকে মুক্তির সূচনার মতো ভালো লক্ষণ।
** হাওয়ার্ডেনে দেওয়া ভাষণ (২৮ মে ১৮৯০), ''দ্য টাইমস'' (২৯ মে ১৮৯০), পৃষ্ঠা ১২-এ উদ্ধৃত
* [[মিতব্যয়িতা|মিতব্যয়িতার]] চর্চা এই দেশের মানুষের সবচেয়ে স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে একটি নয়। এটি নিঃসন্দেহে ইংল্যান্ডের তুলনায় স্কটল্যান্ডের সীমান্তের ওপারে বেশি বিদ্যমান, তবে এটি ইংল্যান্ডেই বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং সৌভাগ্যবশত খুব বেশি বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমি এটা বলতে পেরে আনন্দিত যে, রাষ্ট্রের পক্ষে বুদ্ধিমান আইনের মাধ্যমে এটি কার্যকর করা সম্ভব হয়েছে। যাকে "ঠাকুমার আইন" বলা হয় তার মাধ্যমে নয়, যার প্রতি আমার নিজের অনেক সন্দেহ রয়েছে, বরং নীতিগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক আইনের মাধ্যমে। অর্থাৎ এমন আইন যা আপনার সেভিংস ব্যাংকের মতো জনগণকে নিজেদের সাহায্য করতে সক্ষম করে সাহায্য করে।
** সিটি টার্মিনাস হোটেলে সাউথ-ইস্টার্ন এবং মেট্রোপলিটন রেলওয়ে কোম্পানিগুলোর সাথে যুক্ত প্রভিডেন্ট সেভিংস ব্যাংকের আমানতকারীদের বার্ষিক সভায় দেওয়া ভাষণ (১৮ জুন ১৮৯০), ''দ্য টাইমস'' (১৯ জুন ১৮৯০), পৃষ্ঠা ৬-এ উদ্ধৃত
* আমি স্কচম্যান নাম দাবি করতে ধীর নই, এবং নিঃসন্দেহে, এমনকি আমি যদি এটি দাবি করতে ধীরও হতাম, তবুও আমার চোখের সামনে এই বাস্তবতা রয়েছে যে স্কটিশ বংশপরিচয় থেকে প্রাপ্ত ছাড়া আমার শিরায় আর কোনো রক্ত প্রবাহিত হয় না।
** ডান্ডিতে দেওয়া ভাষণ (২৯ অক্টোবর ১৮৯০), ''দ্য টাইমস'' (৩০ অক্টোবর ১৮৯০), পৃষ্ঠা ৪-এ উদ্ধৃত
* দেশের অর্থব্যবস্থা দেশের স্বাধীনতার সাথে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। এটি একটি শক্তিশালী লিভারেজ যার দ্বারা ধীরে ধীরে ইংরেজি স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে। অনেক শতাব্দী ধরে প্রাচীনকালের গভীরে ফিরে গিয়ে এটি ইংরেজি স্বাধীনতার মূলে অবস্থান করছে। এবং হাউস অব কমন্স যদি কোনোভাবে সরকারি অর্থের অনুদান নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে, তবে এর ওপর নির্ভর করুন যে তুলনামূলকভাবে আপনার স্বাধীনতার মূল্য খুব সামান্য হবে।
** হেস্টিংসে দেওয়া ভাষণ (১৭ মার্চ ১৮৯১), এ. ডব্লিউ. হাটন এবং এইচ. জে. কোহেন সম্পাদিত, ''দ্য স্পিচেস অব দ্য রাইট অনারেবল ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোন অন হোম রুল, ক্রিমিনাল ল, ওয়েলশ অ্যান্ড আইরিশ ন্যাশনালিটি, ন্যাশনাল ডেবট অ্যান্ড দ্য কুইনস রেইন. ১৮৮৮-১৮৯১'' (১৯০২), পৃষ্ঠা ৩৪৩-এ উদ্ধৃত
* আমি পরবর্তী একটি শব্দের নাম বলছি যা এই দিনগুলোতে উচ্চারণ করতে কিছুটা সাহসের প্রয়োজন—শব্দটি হলো অর্থনীতি। এটি আমার প্রাথমিক জীবনের দূরবর্তী সময় থেকে আসা একটি প্রতিধ্বনির মতো। আমি ভয় পাচ্ছি যে দেশের সম্পদ এবং স্বাচ্ছন্দ্যের বিশাল তুলনামূলক প্রসার অন্তত এর আরও কঠোর এবং চরম আকারে জনকল্যাণমূলক অর্থনীতিকে দুঃখজনকভাবে সমর্থন হারিয়েছে।
** নিউক্যাসলে ন্যাশনাল লিবারেল ফেডারেশনে দেওয়া ভাষণ (২ অক্টোবর ১৮৯১), এ. ডব্লিউ. হাটন এবং এইচ. জে. কোহেন সম্পাদিত, ''দ্য স্পিচেস অব দ্য রাইট অনারেবল ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোন অন হোম রুল, ক্রিমিনাল ল, ওয়েলশ অ্যান্ড আইরিশ ন্যাশনালিটি, ন্যাশনাল ডেবট অ্যান্ড দ্য কুইনস রেইন. ১৮৮৮-১৮৯১'' (১৯০২), পৃষ্ঠা ৩৭৭-এ উদ্ধৃত
* পার্লামেন্টে শ্রমিকের প্রতিনিধিত্ব প্রসারিত করার জন্য লিবারেল পার্টির একটি বড় প্রচেষ্টা থাকা উচিত। ... এবং আমরা দৃঢ়ভাবে বলছি যে দলের উচ্চ এবং অপরিহার্য দায়িত্বগুলোর মধ্যে একটি হলো জেলা পরিষদ এবং প্যারিশ পরিষদ প্রতিষ্ঠার জন্য এগিয়ে যাওয়া, এবং এর মাধ্যমে দেশের শ্রমজীবী মানুষদের দোরগোড়ায় স্বায়ত্তশাসন পৌঁছে দেওয়া। উপরন্তু আমি সাহসের সাথে যোগ করব যে উপযুক্ত সংস্থাগুলোকে ন্যায্য এবং উপযুক্ত শর্তে জমি অধিগ্রহণ করতে সক্ষম করার জন্য বাধ্যতামূলক ক্ষমতা প্রণয়ন করা তাদের দায়িত্ব হবে। এর উদ্দেশ্য হলো গ্রামীণ জনগণকে জমির সাথে, জমির ব্যবহার এবং লাভের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কে স্থাপন করা। যে জমি তারা এত দিন ধরে অন্যদের সুবিধার জন্য চাষ করেছে, কিন্তু নিজেদের জন্য প্রায় বৃথাই করেছে।
** নিউক্যাসলে ন্যাশনাল লিবারেল ফেডারেশনে দেওয়া ভাষণ যেখানে নিউক্যাসল কর্মসূচির রূপরেখা দেওয়া হয়েছে (২ অক্টোবর ১৮৯১), এ. ডব্লিউ. হাটন এবং এইচ. জে. কোহেন সম্পাদিত, ''দ্য স্পিচেস অব দ্য রাইট অনারেবল ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোন অন হোম রুল, ক্রিমিনাল ল, ওয়েলশ অ্যান্ড আইরিশ ন্যাশনালিটি, ন্যাশনাল ডেবট অ্যান্ড দ্য কুইনস রেইন. ১৮৮৮-১৮৯১'' (১৯০২), পৃষ্ঠা ৩৮৩-৩৮৪, ৩৮৬-এ উদ্ধৃত
* ভূমি আইনের সেই সংস্কার, জমির হস্তান্তরের ন্যায্য সুবিধাগুলোর সাথে বর্তমান উত্তরাধিকার ব্যবস্থার সেই বিলুপ্তি এই দেশের গ্রামাঞ্চলে বসবাসকারী মানুষদের প্রতি সাধারণ ন্যায়বিচার করার জন্য একেবারে প্রয়োজনীয়। আমরা এখন তাদের যেমন এক আদমশুমারি থেকে অন্য আদমশুমারিতে হ্রাস পেতে দেখছি, এর পরিবর্তে, আমি আমার দিক থেকে, এবং আমি বিশ্বাস করি আপনারাও আমার সাথে, সমগ্র ভূমির ওপর তাদের বর্তমান সংখ্যায় নয়, বরং ক্রমবর্ধমান সংখ্যায় বজায় রাখা দেখতে আন্তরিকভাবে আকাঙ্ক্ষা করবেন।
** নিউক্যাসলে ন্যাশনাল লিবারেল ফেডারেশনে দেওয়া ভাষণ যেখানে নিউক্যাসল কর্মসূচির রূপরেখা দেওয়া হয়েছে (২ অক্টোবর ১৮৯১), এ. ডব্লিউ. হাটন এবং এইচ. জে. কোহেন সম্পাদিত, ''দ্য স্পিচেস অব দ্য রাইট অনারেবল ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোন অন হোম রুল, ক্রিমিনাল ল, ওয়েলশ অ্যান্ড আইরিশ ন্যাশনালিটি, ন্যাশনাল ডেবট অ্যান্ড দ্য কুইনস রেইন. ১৮৮৮-১৮৯১'' (১৯০২), পৃষ্ঠা ৩৮৬-এ উদ্ধৃত
* এটি একটি দুঃখজনক ঘটনা যে, আমাদের সভ্যতার মাঝে এবং উনবিংশ শতাব্দীর শেষে, দীর্ঘ এবং সম্মানজনক জীবনের শেষে পরিশ্রমী শ্রমিককে কেবল ওয়ার্কহাউসই প্রস্তাব করা যেতে পারে। আমি এখন বিস্তারিতভাবে প্রশ্নে প্রবেশ করছি না। আমি বলছি না যে এটি একটি সহজ প্রশ্ন। আমি বলছি না যে এটি এক মুহূর্তের মধ্যে সমাধান হয়ে যাবে। তবে আমি এই কথা বলি যে, একটি দীর্ঘ এবং দোষহীন জীবনের শেষে সমাজ যতক্ষণ না পরিশ্রমী শ্রমিককে ওয়ার্কহাউসের চেয়ে ভালো কিছু প্রস্তাব করতে সক্ষম হবে, ততক্ষণ সমাজ তার দরিদ্র সদস্যদের প্রতি দায়িত্ব পালন করতে পারবে না।
** লন্ডনে দেওয়া ভাষণ (১১ ডিসেম্বর ১৮৯১), ''দ্য টাইমস'' (১২ ডিসেম্বর ১৮৯১), পৃষ্ঠা ৭-এ উদ্ধৃত
* আমি মনে করি আমার রাজনীতিতে আসা সমস্ত পরিবর্তনকে একটি বাক্যে তুলে ধরতে পারব। আমি স্বাধীনতাকে অবিশ্বাস এবং অপছন্দ করতে শিখেছি, আমি এটিকে বিশ্বাস করতে শিখেছি। এটাই হলো আমার সমস্ত পরিবর্তনের চাবিকাঠি।
** [[জন মর্লে|জন মর্লেকে]] দেওয়া মন্তব্য (২৭ ডিসেম্বর ১৮৯১), জন মর্লে রচিত ''দ্য লাইফ অব উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন. ভলিউম ৩ (১৮৮০-১৮৯৮)'' (১৯০৩), পৃষ্ঠা ৪৭৪-৪৭৫-এ উদ্ধৃত
* [[এডমন্ড বার্ক|বার্কের]] একটি কথা রয়েছে যার সাথে আমাকে পুরোপুরি দ্বিমত পোষণ করতে হবে। "সম্পত্তি মন্থর এবং নিষ্ক্রিয়।" ঠিক তার বিপরীত। সম্পত্তি সতর্ক, সক্রিয়, নিদ্রাহীন। যদি কখনো মনে হয় যে এটি ঘুমাচ্ছে, তবে নিশ্চিত থাকুন যে এর একটি চোখ খোলা আছে।
** [[জন মর্লে|জন মর্লেকে]] দেওয়া মন্তব্য (৩১ ডিসেম্বর ১৮৯১), জন মর্লে রচিত ''দ্য লাইফ অব উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন. ভলিউম ৩ (১৮৮০-১৮৯৮)'' (১৯০৩), পৃষ্ঠা ৪৬৯-এ উদ্ধৃত
* রক্ষণশীলতা এবং [[সামরিকবাদ]] একটি অপবিত্র অথচ বৈধ বিবাহে আবদ্ধ হয়েছে। এবং আমার দৃঢ় বিশ্বাস যে একে অপরকে স্বাধীনতার শত্রু হিসেবে দেখে।
** [[w:Antonio Starabba, Marchese di Rudinì|মার্চেস ডি রুদিনির]] কাছে লেখা চিঠি (৩০ এপ্রিল ১৮৯২), ভিলফেডো প্যারেটো রচিত ''লিবার্টে ইকোনোমিক এট লেস এভেন্টমেন্টস ডি'ইতালি'' (১৯৭০), পৃষ্ঠা ৪৯-এ উদ্ধৃত
* আপনাদের বলা হয়েছে যে শিক্ষা, সেই আলোকায়ন, সেই অবসর, সেই উচ্চ মর্যাদা, সেই রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা বিরোধী শিবিরে সজ্জিত। এবং আমি দুঃখের সাথে বলছি যে এর একটি বড় অংশকে আমি অস্বীকার করতে পারি না। তবে আমি এটি অস্বীকার করতে না পারলেও, আমি বেদনাদায়কভাবে প্রতিফলিত করি। গত ৫০ বছরের প্রায় প্রতিটি বড় রাজনৈতিক বিতর্কে, তা ভোটাধিকারকে প্রভাবিত করুক, বা তা বাণিজ্যকে প্রভাবিত করুক, বা তা ধর্মকে প্রভাবিত করুক, বা তা দাসত্বের খারাপ এবং জঘন্য প্রতিষ্ঠানকে প্রভাবিত করুক, বা তারা যে বিষয়েই স্পর্শ করুক না কেন, এই অবসরপ্রাপ্ত শ্রেণি, এই শিক্ষিত শ্রেণি, এই ধনী শ্রেণি, এই উপাধিধারী শ্রেণিগুলো ভুল করেছে।
** এডিনবার্গে দেওয়া ভাষণ (৩০ জুন ১৮৯২), ''দ্য টাইমস'' (১ জুলাই ১৮৯২), পৃষ্ঠা ১২-এ উদ্ধৃত
* আসুন আমরা হাতের ভালো কাজ নিয়ে এগিয়ে যাই এবং আসুন আমরা আমাদের বিশ্বাস স্থাপন করি স্কোয়ার এবং পিয়ারদের ওপর নয়, এবং উপাধি বা একরের ওপর নয়। আমি আরও এগিয়ে গিয়ে বলব যে, মানুষ হিসেবে মানুষের ওপর নয়, বরং সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের ওপর বিশ্বাস স্থাপন করি, যিনি ন্যায়বিচারের ঈশ্বর, এবং যিনি আমাদের জীবনের পথপ্রদর্শক এবং নিয়ন্ত্রক হিসেবে ন্যায়, সমতা এবং স্বাধীনতার নীতি নির্ধারণ করেছেন।
** এডিনবার্গে দেওয়া ভাষণ (৩০ জুন ১৮৯২), ''দ্য টাইমস'' (১ জুলাই ১৮৯২), পৃষ্ঠা ১২-এ উদ্ধৃত
* আপনার কাউন্টিতে অনেক খনি শ্রমিক যারা বাধ্যতামূলক আট ঘণ্টা বিল চায়, তারা সমস্ত খনি শ্রমিকের জন্য এই বিল সমর্থন করতে আপনার অস্বীকৃতির কারণে নটিংহ্যামের আপনার বিভাগে আপনার বিরোধিতা করছে। ... প্রশ্ন হলো নটিংহ্যামশায়ারের খনি শ্রমিকরা বা তাদের একটি অংশ তাদের আট ঘণ্টা প্রশ্নের খাতিরে লিবারেল এবং আইরিশ লক্ষ্যের একজন শত্রুকে আপনার চেয়ে বেশি পছন্দ করবে কি না, যার প্রতি সারা দেশের মানুষ সহানুভূতিশীল। আমি দীর্ঘকাল ধরে ইংরেজ শ্রমজীবী শ্রেণির একটি বৈশিষ্ট্য হিসেবে এটি জানি যে তারা জানে কীভাবে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি এবং স্পষ্ট স্বার্থকে আরও ব্যাপক এবং গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যের জন্য উৎসর্গ করতে হয়। ঠিক একইভাবে আমেরিকান গৃহযুদ্ধের সময় ল্যাঙ্কাশায়ারের জনসংখ্যা হাসিমুখে তুলা দুর্ভিক্ষের মোকাবিলা করেছিল কারণ তারা দাসপ্রথাকে ঘৃণা করত এবং কারণ আমেরিকা ছিল শ্রমের আবাসস্থল।
** হেনরি ব্রডহার্স্টের কাছে লেখা চিঠি (১ জুলাই ১৮৯২), ''দ্য টাইমস'' (৪ জুলাই ১৮৯২), পৃষ্ঠা ৬-এ উদ্ধৃত
* কাউন্টিতে নির্বাচন চলছিল। ... আমি স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে (অন্য সব স্নাতকের মতো) নরেইসের পক্ষে ভিড়ের মধ্যে ঘোরাফেরা করছিলাম। আমি সংস্কারই বিপ্লব এই প্রতিষ্ঠিত পাঠ্যের ওপর একজন শ্রমজীবী মানুষের, সম্ভবত চল্লিশ শিলিং ফ্রিহোল্ডারের কাছে আমার বক্তব্য পেশ করছিলাম। আমার মতবাদকে সমর্থন করার জন্য আমি বলেছিলাম, “কেন, বিদেশের বিপ্লবগুলোর দিকে তাকান”, অর্থাৎ ফ্রান্স এবং বেলজিয়ামের বিপ্লব। লোকটি আমার দিকে কড়া চোখে তাকিয়ে ঠিক এই কথাগুলো বলেছিল: “সব বিদেশ চুলোয় যাক। বিদেশের সাথে পুরোনো ইংল্যান্ডের কী সম্পর্ক?” একটি বিনীত উৎস থেকে আমি এই একবারই গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা পাইনি।
** 'মাই আর্লিয়ার পলিটিক্যাল ওপিনিয়ন্স. (১) দ্য ডিসেন্ট' (১২ জুলাই ১৮৯২), জন ব্রুক এবং মেরি সোরেনসেন সম্পাদিত, ''দ্য প্রাইম মিনিস্টারস পেপারস: ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোন. ১: অটোবায়োগ্রাফিকা'' (১৯৭১), পৃষ্ঠা ৩৭-এ উদ্ধৃত
* [আমি ছিলাম] তার তেইশ বছর বয়সী একজন তরুণ, যে তার বয়সের তুলনায় ছোট ছিল, যে পৃথিবীর কিছুই দেখেনি বললেই চলে, যে রাজনীতিতে পদত্যাগ করেছিল, কিন্তু যার আকাঙ্ক্ষা ছিল ঈশ্বরের পরিচর্যার জন্য। এই আকাঙ্ক্ষার অবশিষ্টাংশ দুর্ভাগ্যজনকভাবে কাজ করেছিল। এগুলো আমাকে কেবল রাষ্ট্রের ধর্মীয় চরিত্রকেই একটি অসংযত উপায়ে এবং মাত্রায় মহিমান্বিত করতে পরিচালিত করেনি, যা বাস্তবে নিম্ন স্তরে ছিল, বরং কনজারভেটিভ পার্টির ধর্মীয় লক্ষ্যকেও মহিমান্বিত করেছিল। আমার চোখে, সংস্কার আইনে অ্যান্টি-ক্রাইস্টের একটি নির্দিষ্ট উপাদান ছিল এবং সেই আইনটি আন্তরিকভাবে ঘৃণিত হয়েছিল। ... স্যার রবার্ট পিলের (দ্বিতীয়) সরকারের অধীনেই আমি কেবল শিখেছিলাম যে চার্চের জন্য রক্ষণশীল কার্যালয় কতটা ক্ষমতাহীন [এবং] অনুর্বর ছিল।
** 'মাই আর্লিয়ার পলিটিক্যাল ওপিনিয়ন্স. (২) দ্য এক্সট্রিকেশন' (১৬ জুলাই ১৮৯২), জন ব্রুক এবং মেরি সোরেনসেন সম্পাদিত, ''দ্য প্রাইম মিনিস্টারস পেপারস: ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোন. ১: অটোবায়োগ্রাফিকা'' (১৯৭১), পৃষ্ঠা ৪০-এ উদ্ধৃত
* আমি শ্রমিক শ্রেণির কিছু অংশকে ক্ষমতার আভাস পেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত হতে দেখে বিরক্ত বোধ করছি, ঠিক যেমন অন্য শ্রেণিগুলো এর বাস্তবতায় কলুষিত ও বিকৃত হয়েছে। এবং আমি তাদের একটি অংশকে আয়ারল্যান্ডকে পুরোপুরি পেছনের সারিতে ঠেলে দিতে প্রস্তুত দেখে বিরক্ত বোধ করছি, যে আয়ারল্যান্ড দাবির দিক থেকে অনেক এগিয়ে আছে। দুর্বল, দুর্বল, দুর্বল মানব স্বভাব।
** আট ঘণ্টা কাজের দিন প্রশ্নের ওপর [[জন মর্লে|জন মর্লের]] কাছে লেখা চিঠি (২২ আগস্ট ১৮৯২), ডি. এ. হ্যামার রচিত ''লিবারেল পলিটিকস ইন দ্য এজ অব গ্ল্যাডস্টোন অ্যান্ড রোজবেরি: আ স্টাডি ইন লিডারশিপ অ্যান্ড পলিসি'' (১৯৭২), পৃষ্ঠা ২২৬-২২৭-এ উদ্ধৃত
* আমি দুঃখ প্রকাশ না করে পারছি না যে মাননীয় এবং সাহসী ভদ্রলোক প্রশ্নটি উত্থাপন করাকে তার দায়িত্ব বলে মনে করেছেন। এটি এমন পরিস্থিতিতে করা হয়েছে যা স্বাভাবিকভাবেই বাণিজ্যের অবস্থার সেই ওঠানামাগুলোর মধ্যে একটির অন্তর্গত, যা যতই দুর্ভাগ্যজনক এবং দুঃখজনক হোক না কেন, সময়ে সময়ে বারবার ঘটে। নিঃসন্দেহে আমি মনে করি এ ধরনের প্রশ্ন, প্রশ্নকর্তার উদ্দেশ্য যা-ই হোক না কেন, মানুষের মনে এমন একটি ধারণা তৈরি করার বা মানুষকে পরামর্শ দেওয়ার প্রবণতা রাখে যে, এই ওঠানামাগুলো নির্বাহী সরকারের পদক্ষেপ দ্বারা সংশোধন করা যেতে পারে। এমন যেকোনো কিছু যা এ ধরনের ধারণায় অবদান রাখে তা শ্রমজীবী জনগোষ্ঠীর ওপর ক্ষতি সাধন করে।
** হাওয়ার্ড ভিনসেন্ট এমপির একটি প্রশ্নের উত্তরে হাউস অব কমন্সে দেওয়া [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1893/sep/01/the-unemployed#S4V0016P0_18930901_HOC_190 ভাষণ] (১ সেপ্টেম্বর ১৮৯৩), যিনি গ্ল্যাডস্টোনকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন বেকারত্বের "কারণে সাধারণ মানুষের যে পরিণতি হবে তা প্রশমিত করার জন্য সরকার কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তাব করছে কি না।"
* [[দ্বিতীয় চার্লস|দ্বিতীয় চার্লস]] বা [[গ্রেট ব্রিটেনের দ্বিতীয় জর্জ|দ্বিতীয় জর্জের]] তুলনায় [[যুক্তরাজ্যের তৃতীয় জর্জ|তৃতীয় জর্জ]] তার ব্যক্তিগত চরিত্রে সুবিধাজনক অবস্থানে আছেন। কিন্তু তৃতীয় জর্জ যদি স্বাধীনতা ও সংসদীয় সরকার দমনে সফল হতেন, তবে আমরা ফরাসি বিপ্লবের মতো ততটা খারাপ না হলেও একই ধরনের একটি বিপ্লবের সম্মুখীন হতাম। ভালো নীতির সেই অযোগ্য প্রতিনিধি [[জন উইলকস|উইলকসের]] কারণে আমরা এ ধরনের বিপর্যয় থেকে রক্ষা পেয়েছি।
** লিওনেল টলেমাচে দেওয়া মন্তব্য (২৯ জানুয়ারি ১৮৯৪), লিওনেল টলেমাচে রচিত ''টকস উইথ মি. গ্ল্যাডস্টোন'' (১৮৯৮), পৃষ্ঠা ১২১-এ উদ্ধৃত
* আমি আপনার সাথে একমত যে আমি আপনাকে দুটি অদ্ভুত একাক্ষরবিশিষ্ট বিশেষণে [পাগল এবং মাতাল] যে পরিকল্পনার বর্ণনা দিয়েছিলাম, তার সাথে যুক্ত লিবারেল পার্টির ওপর একটি গুরুতর বিপর্যয় নেমে আসছে। ... লিবারেলিজম এর জন্য কষ্ট না পেয়ে জিঙ্গোইজমের পোশাক পরতে পারে না... [গত ষাট বছর ধরে আমার জীবন ছিল] অর্থনীতি ও শান্তির জন্য আমার সাধ্যমতো কাজ করার একটি অবিরাম প্রচেষ্টা। শুধু এই দেশের শান্তি নয়, বরং বিশ্বের শান্তি... এটি এখন অর্থনীতি নয়, বরং শান্তি যা পরিস্থিতির মূল সুর সরবরাহ করে... যদি বিষয়টি আদৌ করতে হয়, তবে যারা এটিকে ''সঠিক'' বলে মনে করেন তাদের দ্বারাই এটি করা হোক।
** বর্ধিত নৌ অনুমানের প্রতি তার বিরোধিতার ব্যাখ্যা দিয়ে এ. জে. মুন্ডেল্লার কাছে লেখা চিঠি (৫ ফেব্রুয়ারি ১৮৯৪), পিটার স্ট্যানস্কি রচিত ''অ্যাম্বিশনস অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিস: দ্য স্ট্রাগল ফর দ্য লিডারশিপ অব দ্য লিবারেল পার্টি ইন দ্য ১৮৯০স'' (১৯৬৪), পৃষ্ঠা ৩৫ এবং অ্যান্থনি হাওয়ে রচিত ''ফ্রি ট্রেড অ্যান্ড লিবারেল ইংল্যান্ড ১৮৪৬-১৯৪৬'' (১৯৯৭), পৃষ্ঠা ১৭৬-এ উদ্ধৃত
* গত ষাট বছরের স্বাধীনতামূলক শ্রমে অংশ নিতে পেরে আমি কৃতজ্ঞ। কিন্তু আমি পুরোপুরি অনিশ্চিত যে, আমাকে যদি এখন আমার জীবন শুরু করতে হতো, তবে আগামী ষাট বছরের খুব ভিন্ন সমস্যাগুলোর আমি কীভাবে মোকাবিলা করতে পারতাম। একটি বিষয়ে আমি নিশ্চিত, এবং সবসময় নিশ্চিত ছিলাম—তা হলো, রাষ্ট্রের মাধ্যমে মানুষকে পুনর্জীবিত করা যায় না, এবং এই অন্ধকারাচ্ছন্ন পৃথিবীর ভয়ানক দুঃখকষ্টগুলো কার্যকরভাবে মোকাবিলা করা যায় না। কিছু ক্ষেত্রে এবং কিছু খুব গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে, আমি আমার প্রথম বিশ বছরের মানুষ এবং ধারণাগুলোর অসম্ভব পুনরুজ্জীবনের জন্য আকাঙ্ক্ষা করি, যা অবিলম্বে প্রথম সংস্কার আইন অনুসরণ করেছিল।
** জর্জ উইলিয়াম এরস্কিন রাসেলের কাছে লেখা চিঠি (৬ মার্চ ১৮৯৪), জি. ডব্লিউ. ই. রাসেল রচিত ''ওয়ান লুক ব্যাক'' (১৯১১), পৃষ্ঠা ২৬৫-এ উদ্ধৃত
* সত্যিকারের দেশপ্রেমিকের জন্য এখন সময় এসেছে জনসাধারণকে মনে করিয়ে দেওয়ার যে তাদের বর্তমান রাজনৈতিক উন্নয়ন এর চেয়ে কম বিস্তৃত এবং মহৎ কোনো নীতির কারণে হয়নি। শ্রেণি, ধর্ম বা দেশের পার্থক্য ছাড়াই সকলের জন্য স্বাধীনতার ভালোবাসা, এবং যেকোনো সংকীর্ণ স্বার্থের ঊর্ধ্বে সমগ্রের স্বার্থকে দৃঢ়ভাবে অগ্রাধিকার দেওয়া।
** স্যার জন কাওয়ানের কাছে লেখা চিঠি (১৭ মার্চ ১৮৯৪), ''দ্য টাইমস'' (২২ মার্চ ১৮৯৪), পৃষ্ঠা ৮-এ উদ্ধৃত
* নৌ অনুমানের বিষয়ে আমার সহকর্মীদের 'পাগল এবং মাতাল' প্রকল্পটিকে ''আমি'' যা বলি। ... এই প্রকল্পটি (আমার মতে জঘন্য সামরিকবাদে সবচেয়ে অবাঞ্ছিত অবদান, যা এখনো পর্যন্ত যেকোনো মহলে করা হয়েছে, সম্ভবত ক্রিস্পিয়ান ইতালি ছাড়া)।
** 'ওয়ে ওপেনড ফর রিটায়ারমেন্ট' (১৯ মার্চ ১৮৯৪), জন ব্রুক এবং মেরি সোরেনসেন সম্পাদিত, ''দ্য প্রাইম মিনিস্টারস পেপারস: ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোন. ১: অটোবায়োগ্রাফিকা'' (১৯৭১), পৃষ্ঠা ১২১-এ উদ্ধৃত
* ১৮৮০ সালে মিডলোথিয়ান পথ দেখিয়ে, জাতি মহৎভাবে ন্যায়বিচারের আহ্বানে সাড়া দিয়েছিল এবং ব্যাপকভাবে মানুষের ভ্রাতৃত্বকে স্বীকৃতি দিয়েছিল। এটি ছিল জাতি, শ্রেণি নয়।
** '১৮৭৯-৯৪' (১১ জুলাই ১৮৯৪), জন ব্রুক এবং মেরি সোরেনসেন সম্পাদিত, ''দ্য প্রাইম মিনিস্টারস পেপারস: ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোন. ১: অটোবায়োগ্রাফিকা'' (১৯৭১), পৃষ্ঠা ১১৩-এ উদ্ধৃত
* আমি নৈতিক এবং অর্থনৈতিক উভয় ক্ষেত্রেই একজন মুক্ত ব্যবসায়ী। কারণ আমি মনে করি মানুষের লোভ এবং স্বার্থপরতা রক্ষাকারী ব্যবস্থার প্রতিটি সুতোর সাথে বোনা।
** 'প্রোটেকশনিজম, ১৮৪০-১৮৬০' (১২ জুলাই ১৮৯৪), জন ব্রুক এবং মেরি সোরেনসেন সম্পাদিত, ''দ্য প্রাইম মিনিস্টারস পেপারস: ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোন. ১: অটোবায়োগ্রাফিকা'' (১৯৭১), পৃষ্ঠা ৭৪-এ উদ্ধৃত
* এর মানে হলো যুদ্ধ!
** কিয়েল খালের উদ্বোধনে জার্মান নৌবহর দেখে মন্তব্য (প্রায় ২০ জুন ১৮৯৫), এইচ. সি. জি. ম্যাথিউ রচিত ''গ্ল্যাডস্টোন, ১৮৭৫-১৮৯৮'' (১৯৯৫), পৃষ্ঠা ৩৫২, টীকাতে উদ্ধৃত
* আমি এর [টিকা] বাধ্যতামূলক হওয়ার ধারণাটি অপছন্দ করি। যখন এটি একেবারে প্রয়োজনীয় না হয় তখন রাষ্ট্র পিতা-মাতা এবং সন্তানের মধ্যে হস্তক্ষেপ করবে এই ধারণাটি আমার পছন্দ নয়। রাষ্ট্র সাধারণত একটি খুব খারাপ নার্স।
** লিওনেল টলেমাচে দেওয়া মন্তব্য (৮ জানুয়ারি ১৮৯৬), লিওনেল টলেমাচে রচিত ''টকস উইথ মি. গ্ল্যাডস্টোন'' (১৮৯৮), পৃষ্ঠা ১৬০-এ উদ্ধৃত
* আমি গণতন্ত্র বা বিজ্ঞানকে ততটা ভয় পাই না যতটা অর্থের ভালোবাসাকে ভয় পাই। এটি আমার কাছে একটি ক্রমবর্ধমান মন্দ বলে মনে হচ্ছে। এছাড়াও, সেই ভয়ানক সামরিক চেতনার বৃদ্ধি থেকে একটি বিপদ রয়েছে।
** লিওনেল টলেমাচে দেওয়া মন্তব্য (৮ জানুয়ারি ১৮৯৬), লিওনেল টলেমাচে রচিত ''টকস উইথ মি. গ্ল্যাডস্টোন'' (১৮৯৮), পৃষ্ঠা ১৬৬-১৬৭-এ উদ্ধৃত
* উপনিবেশগুলো মাতৃভূমির শক্তি বৃদ্ধি করে, এই ধারণাটি আমার কাছে মধ্যযুগে বিদ্যমান যেকোনো কুসংস্কারের মতোই অন্ধকার কুসংস্কার বলে মনে হয়।
** লিওনেল টলেমাচে দেওয়া মন্তব্য (১৩ জানুয়ারি ১৮৯৬), লিওনেল টলেমাচে রচিত ''টকস উইথ মি. গ্ল্যাডস্টোন'' (১৮৯৮), পৃষ্ঠা ১৩৬-এ উদ্ধৃত
* [[আর্মেনিয়া|আর্মেনিয়ার]] সেবা করা মানে সভ্যতার সেবা করা।
** ১ মে, ১৮৯৬, হাওয়ার্ডেন থেকে লেখা একটি চিঠি, উদ্ধৃত হয়েছে: {{cite book|author=মেসরভ জ্যাকব সেথ|title=Armenians in India, from the Earliest Times to the Present Day: A Work of Original Research|trans-title= 'আর্মেনিয়ানস ইন ইন্ডিয়া, ফ্রম দ্য আর্লিয়েস্ট টাইমস টু দ্য প্রেজেন্ট ডে: আ ওয়ার্ক অব অরিজিনাল রিসার্চ|url=https://books.google.com/books?id=BlreO8bmK30C&pg=PA91|year=1937|publisher=Asian Educational Services|isbn=978-81-206-0812-2|pages=৯১–}}
* [''দ্য জুবিলি অব ফ্রি ট্রেডের'' প্রকাশনা] একটি মহান সাহসিকতার কাজ। কারণ কোবডেনীয় বিশ্বাস সব ক্ষেত্রেই একটি ভারী ছাড়ে রয়েছে—শান্তি, সংকোচন, মুক্ত বাণিজ্য এবং এর বাকি সব, যা আমার খুব দুঃখের সাথে স্বীকার করতে হবে।
** টমাস ফিশার আনউইনের কাছে লেখা চিঠি (২ জুন ১৮৯৬), অ্যান্থনি হাওয়ে রচিত ''ফ্রি ট্রেড অ্যান্ড লিবারেল ইংল্যান্ড ১৮৪৬-১৯৪৬'' (১৯৯৭), পৃষ্ঠা ১৯২-এ উদ্ধৃত
* আমরা আমাদের হাতে থাকা কাজটিকে এই ভিত্তিতে পরিচালনা করি না যে তারা আমাদের সহখ্রিস্টান। এটি মোহামেডানিজমের বিরুদ্ধে কোনো ক্রুসেড নয়। ... তাছাড়া আমি বলব যে এটি তুর্কি সাম্রাজ্যের মোহামেডানদের সার্বজনীন নিন্দার কোনো ঘোষণাও নয়। বরং...এমন ভালো ও উদার মোহামেডানও আছেন, যারা এই অপকর্মগুলোকে তাদের সাধ্যমতো প্রতিহত করেছেন। ... যদিও এটা সত্যি যে যাদের পক্ষে আমরা পদক্ষেপ নিচ্ছি তারা খ্রিস্টান। তবে আমি দৃঢ়ভাবে বলছি... যদি তারা খ্রিস্টান না হয়ে মোহামেডান, হিন্দু, বৌদ্ধ, কনফুসীয়—যাই হতেন না কেন, আমাদের সমর্থনের ওপর তাদের ঠিক একই দাবি থাকত। আর যেসব উদ্দেশ্য আজ আমাদের এখানে নিয়ে এসেছে, সেগুলো একই শক্তি এবং একই পবিত্রতার সাথে আমাদের ওপর বর্তাত, যা আমরা এই মুহূর্তে স্বীকার করছি। ... আমরা যে ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছি তা ব্রিটিশ বা ইউরোপীয় নয়, বরং তা মানবিক। এর চেয়ে সংকীর্ণ কোনো কিছুই এক মুহূর্তের জন্যও সঠিকভাবে এর প্রতিনিধিত্ব করার দাবি করতে পারে না। (উল্লাস।)
** আর্মেনীয় নৃশংসতার ওপর লিভারপুলের হেংলারস সার্কাসে দেওয়া ভাষণ (২৪ সেপ্টেম্বর ১৮৯৬), ''দ্য টাইমস'' (২৫ সেপ্টেম্বর ১৮৯৬), পৃষ্ঠা ৫-এ উদ্ধৃত
* মহান ঘাতক।
** গ্ল্যাডস্টোন ২৪ সেপ্টেম্বর ১৮৯৬ সালে লিভারপুলে এক ভাষণে দ্বিতীয় আব্দুল হামিদকে ১৮৯৪-১৮৯৬ সালের আর্মেনীয় নৃশংসতার জন্য নিন্দা জানিয়েছিলেন। মাইকেল পার্ট্রিজ রচিত ''গ্ল্যাডস্টোন'' (২০০৩), আইএসবিএন ৯৭৮০৪১৫২১৬২৭২, পৃষ্ঠা ২৩৫-এ উদ্ধৃত
* আমি মৌলিকভাবে একজন মৃত মানুষ। আমি মৌলিকভাবে একজন [[রবার্ট পিল|পিল]]–[[রিচার্ড কোবডেন|কোবডেন]] মানুষ।
** [[জেমস ব্রাইস, ফার্স্ট ভিসকাউন্ট ব্রাইস|জেমস ব্রাইসের]] কাছে লেখা চিঠি (৫ ডিসেম্বর ১৮৯৬), অ্যান্ড্রু ম্যারিসন সম্পাদিত, ''ফ্রি ট্রেড অ্যান্ড ইটস রিসেপশন ১৮১৫-১৯৬০: ফ্রিডম অ্যান্ড ট্রেড: ভলিউম ওয়ান'' (২০০২), পৃষ্ঠা ২০৯-এ উদ্ধৃত
* আমি আপনাকে আশ্বস্ত করার সাহস করছি যে আমি আপনার এবং আপনার বন্ধুদের দ্বারা গঠিত নকশাটিকে আন্তরিক আগ্রহের সাথে দেখি। এবং বিশেষ করে যাকে [[কালেক্টিভিজম|সমষ্টিবাদ]] বলা হয় তার বিপরীতে ব্যক্তি স্বাধীনতা এবং আত্মনির্ভরশীলতার পক্ষে আপনি যে সমস্ত প্রচেষ্টা চালাতে পারেন তার সাফল্য কামনা করছি।
** ''এসেজ ইন লিবারেলিজমের'' মুখবন্ধ লিখতে না পারার বিষয়ে এফ. ডব্লিউ. হার্স্টের কাছে লেখা চিঠি (২ জানুয়ারি ১৮৯৭), এফ. ডব্লিউ. হার্স্ট রচিত ''ইন দ্য গোল্ডেন ডেজ'' (১৯৪৭), পৃষ্ঠা ১৫৮-এ উদ্ধৃত
* তুর্কি সরকারের আশাহীনতা আমাকে এটি দেখতে আনন্দিত করবে যে এটি যে দেশগুলোকে নির্যাতন করে সেখান থেকে তা বিতাড়িত হচ্ছে। অটোমান সরকারের চেয়ে বেশি শোচনীয় এবং নিন্দনীয় আর কিছুই হতে পারে না। গ্রিক এবং স্লাভদের মধ্যে ঈর্ষা এবং অন্য অঞ্চল দখলের জন্য ইতিমধ্যে বিদ্যমান রাজ্যগুলোর পরিকল্পনা করা দুঃখজনক। বুলগেরিয়ানদের জন্য বুলগেরিয়া এবং সার্বিয়ানদের জন্য সার্বিয়ার মতো মেসিডোনিয়ানদের জন্য মেসিডোনিয়া কেন হবে না?
** ''দ্য টাইমস'' পত্রিকায় (৬ ফেব্রুয়ারি ১৮৯৭) প্রকাশিত ''মি. গ্ল্যাডস্টোন অ্যান্ড দ্য বলকান কনফেডারেশনে'' উদ্ধৃত চিঠি
* হাউস অব লর্ডস প্যারিশ কাউন্সিল বিলে একটি মারাত্মক অঙ্গচ্ছেদ ঘটিয়েছিল। তারা (নিয়োগকর্তাদের দায়বদ্ধতার ওপর আমাদের পদক্ষেপ প্রত্যাখ্যান করার পর) বড় বিষয়গুলোতে জনমতের সাথে তীব্র সংঘাতে জড়িয়ে পড়েছিল। ... ১৮৯৪ সালের জানুয়ারি বা ফেব্রুয়ারিতে যখন এটি ঘটেছিল তখন আমি বিয়ারিটজে ছিলাম। আমি লন্ডনে আমার সহকর্মীদের কাছে বিলুপ্তির পরামর্শ দিয়েছিলাম। ... কিন্তু...আমি বিষয়টি বাদ দিতে বাধ্য হয়েছিলাম। ... এর ফলে জনপ্রিয় সরকারের কাছে অত্যাবশ্যকীয় গুরুত্বের একটি ইস্যু নির্ণায়কভাবে উত্থাপন করার জন্য আমার মতে চমৎকার একটি সুযোগ হাতছাড়া হয়ে যায়। এমন একটি সুযোগ যা সঠিকভাবে ব্যবহার করা হলে লিবারেল পার্টিকে এক বা সম্ভবত দুটি পার্লামেন্টের পূর্ণ মেয়াদের জন্য একটি নির্ণায়ক প্রাধান্য দিত, যা নাগালের মধ্যে থাকা বিশাল জনসাধারণের সুবিধার বাইরে ছিল। ১৮৩১-৩২ সালে ভয়ংকর এবং ১৮৬০-১ সালে ভয়াবহ লর্ডস ও কমন্সের মধ্যে বড় বিতর্ক, ১৮৮৪ সালে রানির বিজ্ঞ সহায়তায় সুখকরভাবে এড়ানো গিয়েছিল... তা একটি ব্যবহারিক নিষ্পত্তিতে পৌঁছাত। এবং আয়ারল্যান্ডের সাথে সাত শ বছরের আরও গুরুতর বিতর্ক... হোম রুলের একটি পদক্ষেপের মাধ্যমে একটি সম্পূর্ণ নিষ্পত্তির কাছাকাছি পৌঁছাত।
** 'ক্রাইসিস অব ১৮৯৪ অ্যাজ টু দ্য লর্ডস অ্যান্ড ডিসোলিউশন' (১৩ ফেব্রুয়ারি ১৮৯৭), জন ব্রুক এবং মেরি সোরেনসেন সম্পাদিত, ''দ্য প্রাইম মিনিস্টারস পেপারস: ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোন. ১: অটোবায়োগ্রাফিকা'' (১৯৭১), পৃষ্ঠা ১১৬-১১৭-এ উদ্ধৃত
* ১৮৩৪ সালে সরকার নতুন দরিদ্র আইন অ্যাক্ট দ্বারা নিজেদের উচ্চ সম্মানজনক কাজ করেছিল, যা ইংরেজ কৃষকদের তাদের স্বাধীনতার সম্পূর্ণ ক্ষতি থেকে উদ্ধার করেছিল।
** 'আর্লি পার্লামেন্টারি লাইফ ১৮৩২-৫২. ১৮৩৩-৪ ইন দ্য ওল্ড হাউস অব কমন্স' (৩ জুন ১৮৯৭), জন ব্রুক এবং মেরি সোরেনসেন সম্পাদিত, ''দ্য প্রাইম মিনিস্টারস পেপারস: ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোন. ১: অটোবায়োগ্রাফিকা'' (১৯৭১), পৃষ্ঠা ৫৫-এ উদ্ধৃত
{{disputed begin}}
== বিতর্কিত ==
* যতদিন এই বইটি থাকবে, পৃথিবীতে শান্তি আসবে না।
** হাউস অব কমন্সে একটি কুরআন তুলে ধরে বলেছিলেন; রফিক জাকারিয়া রচিত ''মুহাম্মদ অ্যান্ড দ্য কুরআন'' (পেঙ্গুইন বুকস, ১৯৯১), পৃষ্ঠা ৫৯-এ উদ্ধৃত।
*** বৈকল্পিক: "যতদিন এই অভিশপ্ত [[কুরআন|বইটির]] একটি অনুলিপি টিকে থাকবে ততদিন পৃথিবীতে কোনো ন্যায়বিচার হতে পারে না।" পল জি. লরেন সম্পাদিত, ''দ্য চায়না হ্যান্ডস লিগ্যাসি: এথিকস অ্যান্ড ডিপ্লোমেসি'' (ওয়েস্টভিউ প্রেস, ১৯৮৭), পৃষ্ঠা ১৩৬-এ উদ্ধৃত।
*** "গ্ল্যাডস্টোন...কুরআনটিকে একটি আলমারিতে ছুড়ে ফেলে বলেছিলেন, 'যতদিন এটি থাকবে ততদিন পৃথিবীতে কোনো শান্তি থাকবে না।'" এলিয়েজার বি'রি রচিত ''আর্মি অফিসার্স ইন আরব পলিটিকস অ্যান্ড সোসাইটি'' (১৯৭০), পৃষ্ঠা ৩৬৭-এ প্রতিবেদন করা হয়েছে।
এই উক্তিটি ১৯১৫ সালের একটি জার্মান নথিতে "[https://www.jstor.org/stable/1568984?seq=1#page_scan_tab_contents ক্রিগসুরকুন্ডেন. ১৭. ফতোয়া ডেস শেইখ এস-সাইজিদ হিবেট এড-দিন এশ-শহরাস্তানি এন-নেদশেফি উবার ডাই ফ্রয়েন্ডশ্যাফট ডের মুসলিমে মিট ডেন ডয়েচেন]"-এ [https://books.google.ca/books?id=qCXBAgAAQBAJ&pg=PA42&dq=gladstone+%22was+defiled%22&hl=en&sa=X&redir_esc=y#v=onepage&q=gladstone%20%22was%20defiled%22&f=false জাল করা হয়েছিল], এমন এক সময়ে যখন জার্মানরা আরবি দেশগুলোকে ব্রিটিশদের পরিবর্তে তাদের পক্ষ নিতে প্ররোচিত করার চেষ্টা করছিল। 'উক্তিটি' ১৯৫০-এর দশকে [https://books.google.ca/books?id=PkRMDwAAQBAJ&pg=PA463&dq=%22Gladstone%22+%22muslim+brotherhood%22&hl=en&sa=X&redir_esc=y#v=onepage&q=%22Gladstone%22%20%22muslim%20brotherhood%22&f=false 'আবিষ্কৃত' হয়েছিল এবং মুসলিম ব্রাদারহুড এবং মিশরীয় প্রেসে] মিশর থেকে ব্রিটিশ প্রভাব দূর করার অভিযানের অংশ হিসেবে ব্যাপকভাবে পুনরাবৃত্তি করা হয়েছিল। এর কোনো বিশ্বাসযোগ্য সমসাময়িক রেকর্ড নেই এবং হ্যান্সার্ডে এই বক্তব্যের কোনো রেকর্ড নেই।
[[File:W E Gladstone and Dorothy Drew.jpg|thumb|right|আমরা এমন এক [[সময়|সময়ের]] অপেক্ষায় আছি যখন [[ভালোবাসা|ভালোবাসার]] [[শক্তি]] ক্ষমতার ভালোবাসাকে প্রতিস্থাপন করবে। তখন আমাদের পৃথিবী [[শান্তি|শান্তির]] আশীর্বাদ জানতে পারবে।]]
* আমাকে দেখান কীভাবে একটি জাতি বা সম্প্রদায় তাদের মৃতদের যত্ন নেয়। আমি ঠিক তার মানুষের সহানুভূতি, দেশের আইনের প্রতি তাদের সম্মান এবং উচ্চ আদর্শের প্রতি তাদের আনুগত্য পরিমাপ করব।
** ''দ্য আমেরিকান সিমেট্রি''-তে (মার্চ ১৯৩৮) "সাকসেসফুল সিমেট্রি অ্যাডভারটাইজিংয়ে" আরোপিত, পৃষ্ঠা ১৩; ''রেসপেক্টফুলি কোটেড: আ ডিকশনারি অব কোটেশনস'' (১৯৮৯)-এ যাচাইহীন হিসেবে প্রতিবেদন করা হয়েছে
* '''আমরা এমন এক [[সময়|সময়ের]] অপেক্ষায় আছি যখন [[ভালোবাসা|ভালোবাসার]] [[শক্তি]] ক্ষমতার ভালোবাসাকে প্রতিস্থাপন করবে। তখন আমাদের পৃথিবী [[শান্তি|শান্তির]] আশীর্বাদ জানতে পারবে।'''
** ''[https://books.google.com/books?id=T8YVAQAAIAAJ&q=%22Then+will+our+world+know+the+blessings+of+peace.%22&dq=%22Then+will+our+world+know+the+blessings+of+peace.%22&hl=en&sa=X&ved=0ahUKEwj1iNCMvcHLAhUMcz4KHXvcCt84MhDoAQgfMAE দ্য ন্যাশনাল এলিমেন্টারি প্রিন্সিপাল]'' (১৯৪৮) খণ্ড ২৮, পৃষ্ঠা ৩৪-এ আরোপিত। অনুরূপ একটি বক্তব্য [[জিমি হেনড্রিক্স|জিমি হেনড্রিক্সের]] সাথেও যুক্ত হয়েছে: "'''যখন ভালোবাসার শক্তি ক্ষমতার ভালোবাসাকে জয় করবে তখন পৃথিবী শান্তি জানতে পারবে।'''" অনুরূপ একটি উক্তি [[শ্রী চিন্ময়|শ্রী চিন্ময়ের]] ''মাই হার্ট শ্যাল গিভ আ ওয়াননেস-ফিস্ট'' (১৯৯৩)-এ পাওয়া যায়: "'''আমার বইগুলোর একটাই বার্তা আছে: হৃদয়ের ভালোবাসার শক্তিকে অবশ্যই মনের ক্ষমতার ভালোবাসাকে প্রতিস্থাপন করতে হবে।''' যদি আমার কাছে ভালোবাসার শক্তি থাকে, তবে আমি পুরো বিশ্বকে আমার নিজের বলে দাবি করব ... '''বিশ্বশান্তি অর্জন করা যেতে পারে যখন ভালোবাসার শক্তি ক্ষমতার ভালোবাসাকে প্রতিস্থাপন করে।'''" চিন্ময়ের একটি আরও পুরোনো বক্তব্য ''মেডিটেশনস: ফুড ফর দ্য সোল'' (১৯৭০)-এ পাওয়া যায়: "'''যখন ভালোবাসার শক্তি ক্ষমতার ভালোবাসাকে প্রতিস্থাপন করবে, তখন [[মানবজাতি|মানুষের]] একটি নতুন [[নাম]] হবে: [[ঈশ্বর]]।'''"
{{Disputed end}}
{{Misattributed begin}}
== ভুলভাবে আরোপিত ==
* নৈতিকভাবে ভুল এমন কোনো কিছুই রাজনৈতিকভাবে সঠিক হতে পারে না।
** গ্ল্যাডস্টোনের কোনো উদ্ধৃতি পাওয়া যায়নি। ১৮৩৭ সালে [https://en.wikipedia.org/wiki/Hannah_More হান্নাহ মোর] তার [https://books.google.com/books?id=lv5JAAAAcAAJ&pg=PA179&lpg=PA179&dq=%E2%80%9CNothing+that+is+morally+wrong+can+be+politically+right.%E2%80%9D&source=bl&ots=ne_BjY9onV&sig=8RyZJKi_o7AvvR3N9WcQUU5Q0TI&hl=en&sa=X&ei=84mhVIufIoahyASOrYCoAw&ved=0CEMQ6AEwBw#v=onepage&q=%E2%80%9CNothing%20that%20is%20morally%20wrong%20can%20be%20politically%20right.%E2%80%9D&f=false ''হিন্টস টুয়ার্ডস ফর্মিং দ্য ক্যারেক্টার অব আ ইয়াং প্রিন্সেস''], ''দ্য ওয়ার্কস অব হান্নাহ মোর'', ভলিউম ৪, ১৭৯ পৃষ্ঠায় নিম্নলিখিত কথাটি বলেছিলেন: "সামগ্রিকভাবে, আমাদের এটি জোর দিয়ে বলতে দ্বিধা করা উচিত নয় যে, দীর্ঘ ঘটনাবলির ধারায়, '''নৈতিকভাবে ভুল এমন কোনো কিছুই রাজনৈতিকভাবে সঠিক হতে পারে না।''' অন্যায্য এমন কোনো কিছুই শেষ পর্যন্ত সফল হতে পারে না।"
* লন্ডন দেখার সেরা উপায় হলো বাসের ছাদ থেকে দেখা।
** গ্ল্যাডস্টোনের কোনো পরিচিত সরাসরি উদ্ধৃতি নেই। প্রথম ১৯০০-এর দশকের শুরুতে আরোপিত (যেমন: ''হাইওয়েজ অ্যান্ড বাইওয়েজ ইন লন্ডন'', ১৯০৩, এমিলি কনস্ট্যান্স বেয়ার্ড কুক, ম্যাকমিলান অ্যান্ড কোং) কিন্তু অন্যান্য লেখকদের দ্বারা ১৮০০-এর দশকের শেষের দিকের লন্ডন গাইডগুলোতে উপস্থিত হয়, যেমন:
::: লন্ডন দেখার সেরা উপায় হলো অমনিবাস লাইনের মাধ্যমে।
:::: জন বি. গোরম্যান রচিত ''আ ট্যুর অ্যারাউন্ড দ্য ওয়ার্ল্ড ইন ১৮৮৪: অর স্কেচেস অব ট্রাভেল ইন দ্য ইস্টার্ন অ্যান্ড ওয়েস্টার্ন হেমিস্ফিয়ারস'' (১৮৮৬)
* [অর্থ] জনগণের পকেটে ফলপ্রসূ হওয়া উচিত।
** প্রায়শই গ্ল্যাডস্টোনের বলে মনে করা হয়। ১৮৬৭ সালের বাজেটের বিতর্কের সময়, ল্যাং গ্ল্যাডস্টোনের কাছে ১৮৩২ সালে [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1832/feb/06/finance-deficiency-in-the-revenue লর্ড সিডেনহ্যামের] বাক্যাংশটি ব্যবহারের কথা উল্লেখ করেছিলেন, যার জবাবে গ্ল্যাডস্টোন [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1867/apr/04/ways-and-means-tue-financial-statement উত্তর দিয়েছিলেন]: "...'''যখন আপনি অর্থের "ফলপ্রসূ" হওয়ার কথা বলেন—আমি শব্দটি গ্রহণ করছি, যা মূলত অত্যন্ত উচ্চ কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে এসেছে'''—জনসাধারণের সুবিধার জন্য, ঋণ হ্রাসে প্রযুক্ত অর্থ থেকে জনসাধারণ যে সুবিধা পায় তার চেয়ে প্রত্যক্ষ এবং আরও সম্পূর্ণ সুবিধা আর কোনোটি নয়।" শব্দবন্ধটি আগে ঘটেছিল, অন্যদের মধ্যে:
::: আমাদের কি বর্তমান পরিস্থিতিতে রাজ্যের কোষাগারে একটি সংযোজন তৈরি করতে জাতির সম্পদ এবং উৎপাদনশীল পুঁজি থেকে ৩০ লক্ষ অর্থ বরাদ্দ করা উচিত? জাতীয় শিল্প বজায় রাখা তহবিলগুলোকে উৎসর্গ করে কি আমাদের সরকারি ঋণ হ্রাস করা উচিত? আমাদের ঋণ পরিশোধের জন্য জনগণের কাছ থেকে ৩০ লক্ষ মূলধন কেড়ে নেওয়া কি উচিত, যা সরকারের হাতে থাকার চেয়ে তাদের হাতে অনেক বেশি ফলপ্রসূ হবে?
:::: [http://hansard.millbanksystems.com/lords/1819/jun/21/cash-payments-bill দ্য মার্কুইস অব ল্যান্সডাউন (২১ জুন ১৮১৯)]
::: তিনি টনটনের সদস্য তার মাননীয় বন্ধুর কাছে এটি তুলে ধরেছিলেন, স্টকের কাল্পনিক মূল্য বাড়ানোর খাতিরে, যে পেষণকারী কর ঋণের ভিত্তি তৈরি করে এমন মূলধনকে দখল করে নিয়েছে তা সহ্য করা উচিত কি না। তিনি তার শক্তিশালী মনের কাছে এটি তুলে ধরেছিলেন, সব কেড়ে নিয়ে, তাদের ধ্বংস করে এবং রাজস্ব বিলুপ্ত করার চেয়ে যা তাদের সাথে বৃদ্ধি পায় এবং ফলপ্রসূ হয় তা জনগণের পকেটে রেখে দেওয়া ভালো কি না।
:::: [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1821/jun/14/agricultural-horse-tax লর্ড মিল্টন (১৪ জুন ১৮২১)]
::: সিনকিং ফান্ড হিসেবে পঞ্চাশ লক্ষ উদ্বৃত্ত প্রয়োগের ক্ষেত্রে মাননীয় ভদ্রলোক একটি আপত্তি জানিয়েছিলেন, এটি জনগণের কাছ থেকে নেওয়া হচ্ছে, যা ঋণ হ্রাসের চেয়ে তাদের পকেটে জাতীয় সুবিধার জন্য অনেক বেশি ফলপ্রসূ হবে।
:::: [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1823/feb/28/reduction-of-taxation উইলিয়াম হাসকিসন (২৮ ফেব্রুয়ারি ১৮২৩)]
::: এটি মি. পিটের ব্যবস্থার একটি বড় ত্রুটি ছিল যে, চার বা পাঁচ শতাংশ সুদে দাঁড়িয়ে থাকা ঋণ কেনার জন্য জনগণের ওপর কর আরোপ করা উচিত, যখন এটি স্পষ্ট ছিল যে সেই অর্থ যদি জনগণের পকেটে ফলপ্রসূ হওয়ার জন্য রেখে দেওয়া হয়, তবে তা দেশের জন্য অসীম বেশি উপকারী হবে।
:::: [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1827/jun/01/the-budget লর্ড মিল্টন (১ জুন ১৮২৭)]
{{Misattributed end}}
== গ্ল্যাডস্টোন সম্পর্কে উক্তি ==
:<small>বংশগত পদবি অনুযায়ী বর্ণানুক্রমিক।</small>
[[File:Jan Vilímek - William Ewart Gladstone HL.jpg|thumb|right|আমি মি. গ্ল্যাডস্টোনের চেহারায় বিপরীত গুণাবলির মিশ্রণ দেখেছিলাম। সেখানে ভেড়ার মতো শান্তি ও ভদ্রতা ছিল এবং সিংহের মতো শক্তি ও সংকল্প ছিল। ~ [[ফ্রেডেরিক ডগলাস]] ]]
[[File:Elliott & Fry10a.jpg|thumb|right|আপনি যদি লোকটিকে শুধু শার্ট পরিয়ে একটি প্রান্তরে রেখে দেন, তবে সে যা খুশি তাই হতে পারবে। ~ [[টি. এইচ. হাক্সলি]] ]]
[[File:Gladstone.png|thumb|right|তার [[শক্তি|শক্তির]] ত্রুটিগুলো তার ওপর বাড়ছে। সমস্ত কালো খুবই কালো, সমস্ত সাদা খুবই সাদা। ~ লর্ড রোজবেরি]]
=== এ-এল ===
* যদি কোনো টোরি না থাকত, তবে আমার ভয় হয় যে তিনি তাদের উদ্ভাবন করতেন।
** মিসেস ড্রুর কাছে লেখা চিঠিতে [[লর্ড অ্যাক্টন]] (২৪ এপ্রিল ১৮৮১)
* আমি বলতে পারি যে, একজন শ্রমজীবী মানুষ হিসেবে, আমার সহানুভূতি, সমর্থন এবং স্নেহের ওপর মি. গ্ল্যাডস্টোনের চেয়ে বেশি দাবি আর কোনো মানুষের নেই বলে আমি মনে করি। যখন ১৮৮০ সালের নির্বাচন আসে তখন আমরা তাকে পরিচালনার শীর্ষে বসিয়েছিলাম। যদিও দুর্বল মানসিকতার লিবারেল এবং টোরিরা আমাকে ঠাট্টা করেছিল যে তিনি কখনো ভোটাধিকার স্বীকার করবেন না, তবে তার সততায়, জনগণের প্রতি তার ন্যায়বিচারের বোধে এবং জনগণের প্রতি তার ভালোবাসায় আমার বিশ্বাস এই উপহাসগুলোর দ্বারা সামান্যতমও টলেনি। আমি পুরোপুরি নিশ্চিত ছিলাম যে তিনি আমার শ্রেণিকে ভোটাধিকার দেবেন। এই মহান রাষ্ট্রনায়কের আবক্ষ মূর্তি উন্মোচন করার জন্য এই আবরণটি সরিয়ে নিয়ে আমি বিরোধিতার ভয় ছাড়াই বলতে পারি যে, তিনি হাজার হাজার মানুষের, হ্যাঁ, হাজার হাজার মানুষের স্নেহে বেঁচে আছেন, যারা আমাদের গ্রামাঞ্চলে সাধারণ কুঁড়েঘরে বাস করে। এবং আমি বিশ্বাস করি যখনই একজন বিজ্ঞ স্রষ্টা তাকে এই কর্মক্ষেত্র থেকে সরিয়ে নেবেন, তখন তারা গভীর অনুভূতির সাথে তার ক্ষতির জন্য শোক করবে। আমি বিশ্বাস করি না যে মি. গ্ল্যাডস্টোন বা অন্য কোনো জীবিত প্রাণী ভুল থেকে মুক্ত। তবে এই বিষয়ে আমি নিশ্চিত যে, যখনই তিনি কোনো ভুল করেছেন এবং তা বুঝতে পেরেছেন, তখন তিনি তা স্বীকার করার মতো সম্মানিত এবং পুরুষোচিত হয়েছেন এবং তা সংশোধনের জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন।
** জোসেফ আর্চ, বিংলি লিবারেল ক্লাবে মি. গ্ল্যাডস্টোনের আবক্ষ মূর্তি উন্মোচনের সময় ভাষণ (১৮৯৩), জোসেফ আর্চ রচিত ''দ্য স্টোরি অব হিজ লাইফ, টোল্ড বাই হিমসেলফ'', কাউন্টেস অব ওয়ারউইক সম্পাদিত (১৮৯৮), পৃষ্ঠা ৩৭৯-৩৮০-এ উদ্ধৃত
* মি. গ্ল্যাডস্টোন একবার আমাকে বলেছিলেন: “আপনাকে যদি কখনো সরকার গঠন করতে হয়, তবে আপনাকে আপনার স্নায়ুকে ইস্পাত করতে হবে এবং কসাইয়ের মতো কাজ করতে হবে”। এটি একটি অত্যন্ত যুক্তিসঙ্গত পরামর্শ (যা আমি অভিজ্ঞতা থেকে শিখেছি)।
** [[এইচ. এইচ. অ্যাসকুইথ]], ''স্টাডিজ অ্যান্ড স্কেচেস'' (১৯২৪), পৃষ্ঠা ২০৫-২০৬
* '''তার কাছে মানব প্রকৃতির উচ্চতর অংশের ওপর একটি বাস্তব বিশ্বাস আছে, এবং এটি মহৎ শক্তির একটি উৎস। তিনি তার সমস্ত হৃদয়, আত্মা এবং শক্তি দিয়ে বিশ্বাস করেন যে সত্যের মতো কিছু আছে। তার কাছে একজন শহীদের আত্মা এবং একজন আইনজীবীর বুদ্ধি রয়েছে।'''
** "মি. গ্ল্যাডস্টোনে" [[ওয়াল্টার ব্যাগেহট]], ''ন্যাশনাল রিভিউ'' (জুলাই ১৮৬০)
* মি. গ্ল্যাডস্টোনের ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা এমন ছিল যা [[উইলিয়াম পিট দ্য ইয়ংগার|মি. পিটের]] সময়ের পর থেকে আর দেখা যায়নি এবং হয়তো আর কখনো দেখা যাবে না। অবশ্যই এটি খুব কমই দেখা যাবে। একজন খারাপ বক্তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে তিনি একজন প্রার্থী হিসেবে কীভাবে কাজ করেছিলেন। “ওহ,” তিনি উত্তর দিয়েছিলেন, “যখন আমি জানি না কী বলতে হবে, তখন আমি ‘গ্ল্যাডস্টোন’ বলি, আর তখন তারা নিশ্চিতভাবে উল্লাস করে, এবং আমি ভাবার সময় পাই।” আসলে, সেই জনপ্রিয়তা নির্বাচনী এলাকা এবং সদস্যদের উভয়ের জন্যই গাইড হিসেবে কাজ করেছিল। প্রার্থীরা শুধু বলেছিল যে তারা মি. গ্ল্যাডস্টোনের পক্ষে ভোট দেবে, আর নির্বাচনী এলাকাগুলো শুধু তাদেরই বেছে নিয়েছিল যারা এমনটি বলেছিল। এমনকি সংখ্যালঘুদের কেবল গ্ল্যাডস্টোন-বিরোধী হিসেবে বর্ণনা করা যেতে পারে, ঠিক যেমন সংখ্যাগরিষ্ঠদের কেবল গ্ল্যাডস্টোন-সমর্থক হিসেবে বর্ণনা করা যেতে পারে।
** [[ওয়াল্টার ব্যাগেহট]], 'ইন্ট্রোডাকশন টু দ্য সেকেন্ড এডিশন' (২০ জুন ১৮৭২), ''দ্য ইংলিশ কনস্টিটিউশন'' (১৮৮২), পৃষ্ঠা ১৮
* মি. গ্ল্যাডস্টোন ছিলেন সবচেয়ে বড় আলোচনার পরিষদের সর্বশ্রেষ্ঠ সদস্য যা বিশ্ব আজ পর্যন্ত দেখেছে।
**[[আর্থার বেলফোর]], [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1898/may/20/mr-gladstone-funeral-and-monument#column_121 হাউস অব কমন্সে বক্তৃতা] (২০ মে ১৮৯৮)
*উদারপন্থীদের নেতা কে? তিনি<br>যিনি আমাদের জন্য দাঁড়িয়েছেন,<br>জয় ও পরাজয়ের মধ্য দিয়ে দাঁড়িয়েছেন<br>জনগণের মঙ্গলের জন্য;<br>আমরা জনগণ, আমাদের একটি মন আছে,<br>এটি ভালভাবেই জানা যাবে,<br>গ্ল্যাডস্টোন, তিনিই এখনও আমাদের নেতৃত্ব দেবেন,<br>তিনি, এবং কেবল তিনিই।<br>আমাদের ভোট আছে এবং তাদের আমাদের কথা শুনতে দিন;<br>গ্ল্যাডস্টোন, কেবল তিনিই আমাদের নেতৃত্ব দেবেন।<br> কেন? কারণ তিনি আমাদের অন্যায় অনুভব করেন<br>এবং আমাদের অধিকার জয় করবেন;<br>কেন? কারণ তিনি আমাদের জন্য লড়াই করেন<br>ক্ষমতার বাইরে এবং ভেতরে। [...]<br>ভোটাররা তাদের বলুন, যাদের আমাদের প্রয়োজন হবে,<br>গ্ল্যাডস্টোন, কেবল তিনিই আমাদের নেতৃত্ব দেবেন।
**ডব্লিউ. সি. বেনেট, ‘গ্ল্যাডস্টোন, হি অ্যালোন শ্যাল লিড আস’, ''দ্য ওয়াটারফোর্ড নিউজ অ্যান্ড জেনারেল অ্যাডভারটাইজার'', খণ্ড ২০, নং ২৭ (১৫ মে ১৮৬৮), পৃ. ৪
*সর্বদা শক্তির এই বিশাল সমাবেশ ছিল। তার জীবনের প্রতিটি কাজে উদ্দেশ্য একটি চুল্লির মতো গর্জন করত। তিনি একবার কোনো বিষয়ে নিজেকে বোঝাতে পারলে, সেটি আর তার মতামত থাকত না। সেটি একটি মহাজাগতিক সত্যে পরিণত হতো এবং প্রতিটি সঠিক মনের মানুষের দায়িত্ব হতো তা সমুন্নত রাখা। তিনি নিশ্চিত ছিলেন এবং তা বলতেন। তিনি বিশ্বাস করতেন ইংরেজ জনগণের ইচ্ছা ছিল [[w:আইরিশ হোমরুল আন্দোলন|আয়ারল্যান্ডে হোমরুল]] প্রদান করা। তিনি তাদের জন্য সেই ইচ্ছা পূরণের নিযুক্ত হাতিয়ার ছিলেন। ঈশ্বর তাকে সেই কাজের জন্য স্বাস্থ্য এবং জীবনীশক্তি দিয়েছিলেন। এইভাবে তার বিবেক ব্যক্তিগত উচ্চাকাঙ্ক্ষা থেকে সর্বদা মুক্ত ছিল। তিনি নিজের ধারণার জন্য কাজ করছিলেন না বরং তার বাইরের কোনো মহান কারণের জন্য কাজ করছিলেন। মিসেস গ্ল্যাডস্টোন আমার মাকে বলেছিলেন, যারা একসময় তার বন্ধু ছিল তাদের বিচ্ছিন্নতা ও অভিশাপ তাকে কখনোই বলতে বাধ্য করেনি, "আমি যদি এটি না করতাম!" তিনি যে তিক্ততা জাগিয়েছিলেন তার জন্য তিনি অনুতপ্ত হতে পারতেন। কিন্তু তিনি কখনও সেই পদক্ষেপগুলোর জন্য অনুতপ্ত হননি যা এর কারণ ছিল।
**[[ই. এফ. বেনসন]], ''অ্যাজ উই ওয়্যার: আ ভিক্টোরিয়ান পিপ-শো'' (১৯৩০), পৃ. ১০৮-১০৯
*সেই মহাদেশের [উত্তর আমেরিকা] মানুষের কাছে আপনার ব্যক্তিত্ব স্বাধীনতার কারণের সাথে একাত্ম হয়ে গেছে। আপনি তাদের কাছে রাষ্ট্রনায়কের সর্বোচ্চ আদর্শের মূর্ত প্রতীক।
**[[w:এডওয়ার্ড ব্লেক|এডওয়ার্ড ব্লেক]] গ্ল্যাডস্টোনকে লেখা চিঠি (২ মার্চ ১৮৯৪), ই. এফ. বিয়াগিনির ''ব্রিটিশ ডেমোক্রেসি অ্যান্ড আইরিশ ন্যাশনালিজম, ১৮৭৬–১৯০৬'' (২০০৭) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ১৬০
*'''হাউস অফ কমন্সে এমন কে আছেন যিনি সমস্ত রাজনৈতিক প্রশ্নের জ্ঞানে তার সমকক্ষ? কে আন্তরিকতায় তার সমকক্ষ? কে বাগ্মিতায় তার সমকক্ষ? কে সাহস এবং তার দৃঢ় বিশ্বাসের প্রতি বিশ্বস্ততায় তার সমকক্ষ?''' এই ভদ্রলোকেরা যারা বলছেন তারা তাকে অনুসরণ করবেন না, তাদের যদি এমন কেউ সমকক্ষ থাকে, তবে তাকে দেখান। যদি তারা এমন কোনো রাষ্ট্রনায়ককে নির্দেশ করতে পারেন যিনি মিস্টার গ্ল্যাডস্টোনের মর্যাদাকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারেন, তবে তাকে সামনে আনুন।
**[[জন ব্রাইট]], বার্মিংহামে দেওয়া ভাষণ (২২ এপ্রিল ১৮৬৭), জর্জ বার্নেট স্মিথের ''দ্য লাইফ অ্যান্ড স্পিচেস অফ দ্য রাইট অনারেবল জন ব্রাইট, এম.পি. খণ্ড ৪'' (১৮৮৬) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ৫২৯–৫৩০
*মহান উদারপন্থী নেতার ভাষণের বিস্ময়কর বাগ্মিতা, মর্মস্পর্শী আবেগ এবং জ্বলন্ত উদ্দীপনা দেশের আত্মাকে গভীরভাবে আলোড়িত করেছিল। আমি যদি বলি গ্রেট ব্রিটেনের [[w:ননকনফর্মিস্ট (প্রোটেস্ট্যান্ট মতবাদ)|ননকনফর্মিস্টরা]] একজন পুরুষ এবং একজন নারী হিসেবে তার পাশে দাঁড়িয়েছিলেন, তবে তা অতিরঞ্জিত হবে না। তারা তাকে জাতিসমূহের রক্ষকর্তা, জনগণের অনুপ্রাণিত নেতা, অন্যায় ও নিপীড়নের শক্তির সাথে লড়াই করা এবং তাদের জয় করা এক অপরাজেয় শক্তির দৈত্য হিসেবে দেখেছিলেন। তার দেশ ছিল বিশ্ব। প্রতিটি বর্ণ ও ধর্মের মানুষ ছিল তার ভাই। বহু শতাব্দীতে এমন কোনো জাতি এমন একজন সন্তানের অধিকারী হয় না যিনি এতটা সর্বজনীন এবং প্রায় অক্ষয় প্রশংসার অধিকারী হন, যা সেই দিনগুলোতে উইলিয়াম এওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোনের ওপর বর্ষিত হয়েছিল। আমি প্রায়ই অনুভব করেছি, এই সময়ে অনেক মানুষ মহান নেতার জন্য মৃত্যুবরণ করাকে সম্মানের মনে করত এবং একটি আনন্দদায়ক আত্মত্যাগ হিসেবে গণ্য করত।
**[[w:হেনরি ব্রডহার্স্ট|হেনরি ব্রডহার্স্ট]], ''দ্য স্টোরি অফ হিজ লাইফ ফ্রম আ স্টোনম্যাসনস বেঞ্চ টু দ্য ট্রেজারি বেঞ্চ'' (১৯০১), পৃ. ৮৮
*তার কণ্ঠস্বর ছিল সমৃদ্ধ, অনুরণিত এবং সুন্দরভাবে নিয়ন্ত্রিত। তার অঙ্গভঙ্গির মাধুর্য ও বৈচিত্র্য এবং তার চোখের ঝলকানির সাথে দর্শকদের কাছ থেকে আসা কোনো বাধায় তিনি যে সহজ ক্ষমতা দেখিয়েছিলেন, তা কেবল তাকে কথা বলতে দেখলেই বোঝা যায়। সম্মতি বা অসম্মতির অভিব্যক্তি দ্বারা প্রস্তাবিত কোনো যুক্তি তিনি তাৎক্ষণিকভাবে অনুসরণ করতেন। তার প্রস্তুতি ছিল আশ্চর্যজনক। আমরা যারা সংসদে তার কথা শুনেছিলাম, তারা ভাবতাম যে বিতর্কে হঠাৎ কোনো প্রশ্ন উঠলে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে যে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দিতেন, তা তার মনের দ্রুততা প্রকাশ করত। এটি তার পূর্বনির্ধারিত বিস্তৃত আলোচনার চেয়ে তার পুরো প্রকৃতির লড়াকু শক্তিকে আরও ভালোভাবে ফুটিয়ে তুলত। এই তাৎক্ষণিক বিস্ফোরণগুলোতে একটি আগুন, একটি আবেগ, বর্ণনার একটি ঘনীভূত শক্তি ছিল যা তার অনুগামীদের জাগিয়ে তুলত এবং তার বিরোধীদের ভয় দেখাত। অন্যায়, মিথ্যা বা নিষ্ঠুরতার প্রতি প্রায়শই জ্বলন্ত ক্ষোভ থাকত। কিন্তু কোনো ব্যক্তিগত আক্রোশ, বিদ্বেষ বা প্রতিশোধপরায়ণতার কোনো চিহ্ন থাকত না।
**[[জেমস ব্রাইস, ১ম ভিসকাউন্ট ব্রাইস|জেমস ব্রাইস]], 'প্রিফেস' (অক্টোবর ১৯১৬), আর্থার টিলনে ব্যাসেট, ''গ্ল্যাডস্টোনস স্পিচেস: ডেসক্রিপটিভ ইনডেক্স অ্যান্ড বিব্লিওগ্রাফি'' (১৯১৬), পৃ. ৬-৭
*তার যুক্তিগুলো মাঝে মাঝে সূক্ষ্ম হতে পারে। সেগুলো কখনোই তুচ্ছ নয়। তিনি আকাশে উঁচুতে ওড়া ঈগলের মতো। তিনি দূরের জিনিসগুলো এবং কাছের জিনিসগুলো দেখতে পান। মাটিতে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষের চেয়ে তিনি সেগুলোর পারষ্পরিক সম্পর্ক আরও সত্যরূপে দেখতে পান। তার চিন্তাভাবনা অনুসরণ করার সময়, স্থায়ী নৈতিক মানদণ্ড দ্বারা মতামত এবং প্রস্তাবগুলো যাচাই করার ক্ষমতা গভীরভাবে অনুভব করা যায়। তার কাছে নৈতিক মূল্যবোধগুলো সর্বদা বাস্তব এবং চূড়ান্ত মূল্যবোধ ছিল। তিনি নৈতিক নীতিগুলোকে প্রতিটি প্রশ্নে ব্যবহৃত সত্যিকারের সন্ধানী আলো মনে করতেন।
**[[জেমস ব্রাইস, ১ম ভিসকাউন্ট ব্রাইস|জেমস ব্রাইস]], 'প্রিফেস' (অক্টোবর ১৯১৬), আর্থার টিলনে ব্যাসেট, ''গ্ল্যাডস্টোনস স্পিচেস: ডেসক্রিপটিভ ইনডেক্স অ্যান্ড বিব্লিওগ্রাফি'' (১৯১৬), পৃ. ৮
*তিনি প্রথম নেতৃস্থানীয় ইংরেজ হিসেবে পশ্চিমা দেশগুলোর সহানুভূতি ইতালীয় স্বাধীনতার জন্য সংগ্রামকারীদের পক্ষে জয় করেছিলেন। তিনিই সেই রাষ্ট্রনায়ক যিনি গৃহযুদ্ধের কারণে আমেরিকার সাথে সৃষ্ট বিরোধের অবসান ঘটিয়েছিলেন। তিনি দেশগুলোর মধ্যে আগের চেয়ে আরও ভালো সম্পর্ক তৈরি করা সম্ভব করেছিলেন। এই সেবাগুলোর কোনোটির জন্যই সে সময় তাকে খুব একটা কৃতিত্ব দেওয়া হয়নি, ঠিক যেমনটা প্রাচ্য প্রশ্নে তার ভূমিকার ক্ষেত্রেও হয়নি। কিন্তু ইতিহাস এগুলো ভুলবে না।
**[[জেমস ব্রাইস, ১ম ভিসকাউন্ট ব্রাইস|জেমস ব্রাইস]], 'প্রিফেস' (অক্টোবর ১৯১৬), আর্থার টিলনে ব্যাসেট, ''গ্ল্যাডস্টোনস স্পিচেস: ডেসক্রিপটিভ ইনডেক্স অ্যান্ড বিব্লিওগ্রাফি'' (১৯১৬), পৃ. ১০
*[[অবাধ বাণিজ্য]], [[w:কোবডেন-শেভালিয়ার চুক্তি|ফ্রান্সের সাথে একটি বাণিজ্যিক চুক্তি]], [[w:জ্ঞানের ওপর কর#জ্ঞানের ওপর করের সমাপ্তি|কাগজের শুল্ক বাতিল]], ব্যয় ও কর হ্রাস, [[w:আইরিশ চার্চ আইন ১৮৬৯|আইরিশ চার্চের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি বাতিল]], [[w:প্রাথমিক শিক্ষা আইন ১৮৭০|১৮৭০ সালের শিক্ষা আইন]], [[w:ব্যালট আইন ১৮৭২|ব্যালট আইন]], [[w:ননকনফর্মিস্ট (প্রোটেস্ট্যান্ট মতবাদ)|ননকনফর্মিস্টদের]] জন্য [[w:বিশ্ববিদ্যালয় পরীক্ষা আইন ১৮৭১|বিশ্ববিদ্যালয় উন্মুক্তকরণ]] এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে [[w:সিভিল সার্ভিস (যুক্তরাজ্য)|সিভিল সার্ভিসে]] প্রবেশ, [[w:কার্ডওয়েল সংস্কার|কার্ডওয়েলের সেনাবাহিনী সংস্কার]], [[w:অ্যালাবামা দাবি|অ্যালাবামা সালিশি]] এবং [[ফ্রাঙ্কো-প্রুশীয় যুদ্ধ|ফ্রাঙ্কো-প্রুশীয় যুদ্ধে]] নিরপেক্ষতা। এটি ছিল একটি চিত্তাকর্ষক রেকর্ড। তবে সবই স্বীকৃত উদারপন্থী ধারণার নিয়মের মধ্যে ছিল।
**[[w:অ্যালান বুলক|অ্যালান বুলক]] এবং [[w:মরিস শক|মরিস শক]], ‘ইন্ট্রোডাকশন’, ''দ্য লিবারেল ট্র্যাডিশন: ফ্রম ফক্স টু কেইনস'' (১৯৫৬; ১৯৬৭), পৃ. ৩৮
*গ্ল্যাডস্টোন সারা জীবন জাতীয় স্বাধীনতা অর্জনের জন্য সংগ্রামরত জনগণের প্রতি গভীর সহানুভূতি অনুভব করেছিলেন। এটি তার পররাষ্ট্র নীতি বিষয়ক দৃষ্টিভঙ্গির আরেকটি ভিত্তি তৈরি করে। বলকান এবং আয়ারল্যান্ডের সমস্যার ক্ষেত্রে তার উত্তর ছিল "স্বায়ত্তশাসনের ক্ষমতা"। ১৮৮০ সালে তুরস্কের খ্রিস্টান প্রজাদের সম্পর্কে তিনি বলেছিলেন, "সেই লোকদের স্বাধীনতা এবং স্বাধীনতার সুবিধা দিন। সেটিই স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে একটি বাধা তৈরি করার উপায়। দুর্গগুলো ধূলিসাৎ হতে পারে। চুক্তিগুলো পায়ের নিচে পিষ্ট হতে পারে। স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে সত্যিকারের বাধা মানব হৃদয় এবং মনে রয়েছে।" তার এই সহানুভূতি থেকে গ্ল্যাডস্টোনের কাছে এটি স্পষ্ট হয়েছিল যে সমস্ত জাতির সমান অধিকার উপভোগ করা উচিত। এর থেকেই তিনি সাম্রাজ্যবাদের নিন্দা করেছিলেন। এটি সমতার পরিবর্তে আধিপত্য ঘোষণা করেছিল। এটি সম্প্রসারণের আগ্রহে অন্যান্য জাতির অধিকারগুলোকে সরিয়ে দিয়ে তাদের বিদেশি শাসনের অধীনে এনেছিল।
**[[w:অ্যালান বুলক|অ্যালান বুলক]] এবং [[w:মরিস শক|মরিস শক]], ‘ইন্ট্রোডাকশন’, ''দ্য লিবারেল ট্র্যাডিশন: ফ্রম ফক্স টু কেইনস'' (১৯৫৬; ১৯৬৭), পৃ. ৩৯-৪০
*আপনার জীবন ছিল মহান। আমার জানা সবচেয়ে মহৎ এবং সেরা। এটি একটি অনুপ্রেরণা এবং একটি বিজয় ছিল। এটি লক্ষ লক্ষ নারী-পুরুষের জন্য অগণিত সুবিধায় ফলপ্রসূ হয়েছিল। আমি সত্যই অনুভব করি, উপযুক্ত শব্দটি সমবেদনা বা অভিনন্দন নয়, বরং কৃতজ্ঞতা। এই পরম কৃতজ্ঞতা যে এমন একজন মানুষকে আমাদের দেওয়া হয়েছিল। তিনি জানতেন কীভাবে তার উপহারগুলোকে মানবতার সর্বোচ্চ সেবায় পরিচালনা এবং ব্যবহার করতে হয়।
**[[w:থমাস বার্ট|থমাস বার্ট]] গ্ল্যাডস্টোনকে লেখা চিঠি (৬ মার্চ ১৮৯৪), ই. এফ. বিয়াগিনির ''লিবার্টি, রিট্রেঞ্চমেন্ট অ্যান্ড রিফর্ম: পপুলার লিবারেলিজম ইন দি এজ অফ গ্ল্যাডস্টোন, ১৮৬০–১৮৮০'' (১৯৯২) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ৪২৫
*তার বিস্ময়কর প্রতিভা তাকে অর্থায়নকে জনপ্রিয় করতে সক্ষম করেছিল। এটি জনগণের বোঝার উপযোগী হয়েছিল। তিনি দেশকে এর গুরুত্ব উপলব্ধি করতে শিখিয়েছিলেন। তার কাজ একটি উল্লেখযোগ্য বার্ষিক উদ্বৃত্তের শক্ত পাথরের ওপর ভিত্তি করে ছিল। এটি কঠোর অর্থনীতির কম সহজে সুরক্ষিত ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত ছিল। শুল্ক ট্যারিফ সম্পূর্ণ এবং চূড়ান্তভাবে পরিষ্কার করা হয়েছিল। খাদ্যের ওপর অবশিষ্ট শুল্ক বাতিল করা হয়েছিল। অন্যান্য দেশের সাথে বাণিজ্যিক সম্পর্ক প্রসারিত হয়েছিল। মাদকদ্রব্য ছাড়া অন্যান্য সমস্ত অবশিষ্ট আবগারি শুল্ক বাতিল করা হয়েছিল। কর ব্যবস্থাকে রাজস্বের ভিত্তিতে স্থাপন করা হয়েছিল। এটি সমস্ত শ্রেণির মানুষের ব্যবহৃত কয়েকটি নিবন্ধের ওপর ঘনীভূত হয়েছিল। এক কথায়, কর সহজ করার মাধ্যমে এবং এর ভিত্তি সংকুচিত করার মাধ্যমে এর ভিত্তি শক্তিশালী হয়েছিল। এটি ভোক্তার জন্য হালকা এবং করদাতার জন্য কম বোঝা হয়েছিল। এটি বাণিজ্য ও শিল্পের জন্য কম সীমাবদ্ধ ছিল। এটি সংগ্রহে সস্তা এবং কম বিরক্তিকর ছিল। এটি আরও পুনরুদ্ধারকারী এবং রাজকোষের জন্য বেশি লাভজনক ছিল।
**[[w:সিডনি বাক্সটন, ১ম আর্ল বাক্সটন|সিডনি বাক্সটন]], ''মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন অ্যাজ চ্যান্সেলর অফ দি এক্সচেকার: আ স্টাডি'' (১৯০১), পৃ. ১৬৭-১৬৮
*তার ব্যক্তিত্বের অসাধারণ তীব্রতা আমাদের অধঃপতিত প্রজন্মের জন্য উপলব্ধি করা আরও কঠিন। তার বিস্ময়কর শারীরিক ও বৌদ্ধিক শক্তি, আধ্যাত্মিক ও যৌন যন্ত্রণা, উচ্চ নৈতিক গাম্ভীর্য যা তার সময়ের প্রতিটি ঈশ্বর প্রদত্ত মুহূর্তের ব্যবহার নির্ধারণ করত, তা তার সমসাময়িকদের কাছে আশ্চর্যজনক ছিল। কিন্তু সেগুলো আমাদের কাছে প্রায় আক্ষরিক অর্থেই অচিন্তনীয়। আমরা তো নিন্দাবাদ এবং তুচ্ছতায় বড় হয়েছি। শুধু গ্ল্যাডস্টোন সম্পর্কে চিন্তাভাবনা করা আধুনিক পাঠকের জন্য গভীরভাবে বিনম্র করার মতো।
**[[w:জন ক্যাম্পবেল (জীবনীকার)|জন ক্যাম্পবেল]], 'ব্রিংগিং গড ইনটু পলিটিক্স', ''দ্য টাইমস'' (২৭ নভেম্বর ১৯৮৬), পৃ. ১৭
*তার ভাষণগুলো এখনও তাদের সামাজিক চরমপন্থা এবং নিছক নৈতিক শক্তি দিয়ে অবাক করে দিতে পারে।
**[[w:জন ক্যাম্পবেল (জীবনীকার)|জন ক্যাম্পবেল]], 'আ ম্যান হু কুড মেক মিসেস থ্যাচার লুক লেজি', ''দ্য টাইমস'' (৭ এপ্রিল ১৯৯০), পৃ. ৩৮
* প্রায় একটি বর্ণালীর মতো মানুষের ছায়ামূর্তি। রূপ ও আচার-অনুষ্ঠান এবং বাইরের আবরণ ছাড়া তার মধ্যে কিছুই নেই।
** [[থমাস কার্লাইল]], চিঠি (মার্চ ১৮৭৩)
*আমিও [গ্ল্যাডস্টোনের ''জোসেফ চেম্বারলেইন''] দ্বিতীয় খণ্ডটি পড়ছি... গ্ল্যাডস্টোনের সাথে যেভাবে আচরণ করা হয়েছে তার আমি বিশেষভাবে প্রশংসা করি। বৃদ্ধ লোকটির দুষ্টতা, তার ধূর্ততা ও বিশ্বাসঘাতকতা এবং সময় থাকতে নিজের পথ করে নেওয়ার সংকল্প স্পষ্টভাবে দেখা যায়। আমি যখন এটি পড়ি তখন আমার পুরনো ক্ষোভ আবার জ্বলে ওঠে।
**[[নেভিল চেম্বারলেইন]], বিবৃতি (২৮ এপ্রিল ১৯৩৩), কিথ ফেইলিংয়ের ''দ্য লাইফ অফ নেভিল চেম্বারলেইন'' (১৯৪৬) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ২৩৪
* তারা আমাকে বলেছিলেন কীভাবে মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন মজা করার জন্য [[হোমার]] পড়তেন। আমি ভেবেছিলাম এটি তার জন্য ঠিকই ছিল।
** [[উইনস্টন চার্চিল]], ''মাই আর্লি লাইফ: আ রোভিং কমিশন'' [১৯৩০] (১৯৪৪), পৃ. ৩১
*এমনকি মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন যখন [[w:আয়ারল্যান্ড সরকার আইন ১৮৯৩|হোমরুল বিলের]] দ্বিতীয় পাঠ শেষ করেছিলেন, তখন আমি বিশিষ্ট অপরিচিতদের গ্যালারিতে প্রবেশ করতে সক্ষম হয়েছিলাম। সেই দৃশ্য এবং এর কিছু ঘটনা আমার ভালোভাবে মনে আছে। মহান বৃদ্ধ লোকটিকে একসাথে হিংস্র এবং জাঁকজমকপূর্ণ একটি বিশাল সাদা ঈগলের মতো লাগছিল। তার বাক্যগুলো রাজকীয়ভাবে বের হচ্ছিল। সবাই উল্লাস করতে বা উপহাস করতে আগ্রহী হয়ে তার ঠোঁট এবং অঙ্গভঙ্গির দিকে তাকিয়ে ছিল। উদারপন্থী দল কীভাবে সর্বদা সমর্থন করা প্রতিটি কারণকে বিজয়ের দিকে নিয়ে গিয়েছিল, সে সম্পর্কে তিনি একটি অসাধারণ পর্বের চূড়ায় ছিলেন। তিনি একটি ভুল করে বসলেন। তিনি চিৎকার করে বললেন, "এবং এমন কোনো কারণ নেই ([[w:আইরিশ হোমরুল আন্দোলন|হোমরুল]]), যার জন্য উদারপন্থী দল এত কষ্ট পেয়েছে বা ''এত নিচে নেমেছে''।" কীভাবে টোরিরা লাফিয়ে উঠল এবং আনন্দে গর্জন করে উঠল! কিন্তু মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন তার ডান হাত নেড়ে থাবার মতো আঙুল ছড়িয়ে কোলাহল শান্ত করলেন। তিনি আবার শুরু করলেন, "কিন্তু আমরা আবার উঠে দাঁড়িয়েছি..."
** [[উইনস্টন চার্চিল]], ''মাই আর্লি লাইফ: আ রোভিং কমিশন'' [১৯৩০] (১৯৪৪), পৃ. ৪২
*তিনি রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে নবী হয়ে উঠেছিলেন। ভিক্টোরিয়ান খ্রিস্টধর্মের [[w:আয়াতুল্লাহ|আয়াতুল্লাহ]]।
**[[w:পিটার ক্লার্ক (ইতিহাসবিদ)|পিটার ক্লার্ক]], ''আ কোয়েশ্চন অফ লিডারশিপ: গ্ল্যাডস্টোন টু থ্যাচার'' (১৯৯১), পৃ. ৩২
*[[w:আইরিশ প্রশ্ন|আইরিশ প্রশ্নে]] গ্ল্যাডস্টোনের অসাধারণ স্বচ্ছতা এবং ক্ষমতার ভাষণ। তার ভঙ্গি সবচেয়ে আন্তরিক ছিল। তার মনের প্রবণতা রাজকীয়, তীক্ষ্ণ, বিজয়ী এবং অপ্রতিরোধ্য। তিনি মানুষের একজন সেনাপতি। কথায় সরল, স্পষ্ট এবং আক্রমণাত্মক। বিশাল নৈতিক ভরবেগ ছিল। এটি একটি প্রতিযোগিতা ছিল। শ্রোতা অনুভব করেছিলেন তিনি ন্যায়পরায়ণতা, মানবতা এবং ঈশ্বরের জন্য একটি লড়াই প্রত্যক্ষ করছেন।
**[[w:জন ক্লিফোর্ড (মন্ত্রী)|জন ক্লিফোর্ড]], ডায়েরি এন্ট্রি (১১ মে ১৮৮৭), জেমস মার্চেন্টের ''ড. জন ক্লিফোর্ড, সি. এইচ. লাইফ, লেটারস অ্যান্ড রেমিনিসেন্স'' (১৯২৪) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ৮০
*আমি আপনাকে আগেই বলেছি যে গ্ল্যাডস্টোন এই ব্যবসায়ে অনেক হৃদয় দেখিয়েছেন। আমাদের অস্ত্রশস্ত্রের পেছনে অর্থের অপচয়ের প্রতি তার তীব্র অনীহা রয়েছে। আমাদের প্রতি তার অনেক বেশি সহানুভূতি রয়েছে। ব্রিটেনের অন্য যেকোনো ক্ষমতাধর ব্যক্তির চেয়ে আপনার এবং আমার সাথে তার অনেক বেশি মিল রয়েছে।
**[[রিচার্ড কোবডেন]] ফ্রান্সের সাথে তার অবাধ বাণিজ্য চুক্তির আলোচনার বিষয়ে জন ব্রাইটকে (১৮৬০), ডব্লিউ. ই. উইলিয়ামসের ''দ্য রাইজ অফ গ্ল্যাডস্টোন টু দ্য লিডারশিপ অফ দ্য লিবারেল পার্টি, ১৮৫৯ টু ১৮৬৮'' (১৯৩৪) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ২০
*হাউস অফ কমন্সে আমি ব্যক্তিগতভাবে যাদের শুনেছি তাদের মধ্যে তিনি ছিলেন সবচেয়ে মহান বাগ্মী। প্রকৃতপক্ষে প্রায় একমাত্র বাগ্মী ছিলেন মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন। এই মহান এবং বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব যখন হাউস অফ কমন্সে ছিলেন, তখন হাউসের চোখ অন্য কারো দিকে থাকত না। বেঞ্চে তার নড়াচড়া অস্থির এবং আগ্রহী ছিল। নিজের পায়ে দাঁড়ানোর সময় তার আচরণ একটি সাধারণ প্রশ্নের উত্তর দেওয়া, একটি জটিল বিল ব্যাখ্যা করা বা তীব্র ঘোষণার মধ্যে গর্জন করার ক্ষেত্রে জাদুকরী ছিল। তার নাটকীয় অঙ্গভঙ্গি, তার প্রশস্ত পরিধি এবং চিহ্নিত [[w:উত্তর ইংল্যান্ডের ইংরেজি ভাষা|উত্তরাঞ্চলীয় উচ্চারণ]] সহ তার গভীর এবং স্পন্দিত কণ্ঠস্বর, তার জ্বলজ্বলে চোখ, ধারণা ও শব্দের ওপর তার প্রায় অবিশ্বাস্য নিয়ন্ত্রণ—সব মিলে একটি অপ্রতিরোধ্য আকর্ষণ এবং ক্ষমতার সংমিশ্রণ তৈরি করেছিল। আমরা যারা তার শেষ বছরগুলোতে তার বিপরীতে বসেছিলাম, তারা তার মধ্যে একটি বৃদ্ধ ঈগলের প্রতিচ্ছবি দেখতে পেতাম, যে তার দৃষ্টিতে নির্ভীক এবং তার শক্তিতে এখনও উল্লাসিত। কখনও কখনও শিকারের কোনো ডানাযুক্ত প্রাণীর মতো, যে কোনো প্রতিরক্ষাহীন শিকারের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ছে। আবার কখনও একটি বাঘের মতো, যে হঠাৎ তার আস্তানা থেকে জেগে উঠেছে এবং রাগে ঘুরে বেড়াচ্ছে। মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন আমার কাছে বাগ্মিতা এবং অলঙ্কারশাস্ত্রের প্রতিটি শিল্পের উস্তাদ বলে মনে হয়েছিল। তিনি ইচ্ছামতো আবেগী বা শান্ত, গম্ভীর বা চঞ্চল, স্পষ্ট বা জড়িত, গুরুতর বা রসিক (এক ধরনের ভারী পরিহাসের সাথে), প্ররোচনামূলক বা নিন্দামূলক হতে পারতেন। এটি সত্য যে তার প্রচুর শব্দভাণ্ডার কখনও কখনও অপ্রতিরোধ্য ছিল এবং তার সূক্ষ্মতা কখনও কখনও প্রায় শয়তানের মতো ছিল।
**[[জর্জ কার্জন, কেডলস্টনের ১ম মার্কুইস কার্জন|লর্ড কার্জন]], ''[[উইকিসংকলন:মডার্ন পার্লামেন্টারি এলোকোয়েন্স|মডার্ন পার্লামেন্টারি এলোকোয়েন্স: দ্য রিড লেকচার, ডেলিভারড বিফোর দ্য ইউনিভার্সিটি অফ ক্যামব্রিজ, নভেম্বর ৬, ১৯১৩]]'' (১৯১৪), পৃ. ২৩-২৪
*একজন আইরিশ হিসেবে আমি অনুভব করি, গতকাল মারা যাওয়া মহান ইংরেজের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে যোগ দেওয়ার একটি বিশেষ অধিকার আমার আছে। কারণ সবাই একমত হবেন যে, তার কঠোর ও দুর্দান্ত জীবনের শেষ এবং সবচেয়ে গৌরবময় বছরগুলো আমাদের জাতির প্রতি তার ভালোবাসা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত ছিল। তিনি আয়ারল্যান্ডের সেবা করার এবং তাকে স্বাধীনতা ও শান্তি দেওয়ার আগ্রহী এবং এমনকি আবেগময় আকাঙ্ক্ষা পোষণ করতেন। তার প্রকৃতির দুর্দান্ত গুণাবলীর কারণে, যা তাকে চিরস্থায়ী তারুণ্য দিয়েছিল বলে মনে হয়, যে কারণের জন্য তিনি একবার নিজেকে উৎসর্গ করেছিলেন তার প্রতি মিস্টার গ্ল্যাডস্টোনের বিশ্বাস কখনও টলেনি বা তার উৎসাহও কখনও ঠান্ডা হয়নি। অসুবিধা এবং অগ্রসর বয়সের ভার তার উদ্দেশ্যের প্রান্ত ভোঁতা করতে বা তার দুর্দান্ত সাহসকে দমিয়ে রাখতে সমানভাবে অকার্যকর ছিল। এমনকি যখন তিনি ব্যথায় ভুগছিলেন এবং যখন মৃত্যুর ছায়া তাকে অন্ধকার করে দিচ্ছিল, তখন তার হৃদয় এখনও আয়ারল্যান্ডের জনগণের জন্য আকাঙ্ক্ষা করছিল। তার শেষ জনসাধারণের ভাষণ ছিল আয়ারল্যান্ডের প্রতি সহানুভূতি এবং তার ভবিষ্যতের আশার বার্তা। তিনি গভীর প্রকৃতির মানুষ ছিলেন। তিনি জনগণকে একটি প্রজ্ঞাপূর্ণ এবং অধ্যবসায়ী ভালোবাসার সাথে ভালোবাসতেন। মানুষের প্রতি তার ভালোবাসা এবং মানবিক অগ্রগতির হাতিয়ার হিসেবে জনগণের সম্মতির ওপর ভিত্তি করে স্বাধীনতা এবং সরকারের কার্যকারিতার ওপর তার চিরস্থায়ী বিশ্বাস তারুণ্যের উৎসাহের ফল ছিল না। এটি দীর্ঘ বছরের গভীর শেকড়যুক্ত বিকাশ ছিল এবং এটি মানুষ এবং বিষয়াবলির প্রায় অতুলনীয় অভিজ্ঞতা থেকে তার শক্তি অর্জন করেছিল। '''আমি তার সম্পর্কে যা কিছু জেনেছি বা পড়েছি, তার ক্ষেত্রে বছর পেরিয়ে যাওয়া তার সহানুভূতিকে সংকুচিত করতে বা তার হৃদয়কে সংকুচিত করতে কোনো প্রভাব ফেলেনি বলে মনে হয়। যুবকরা তার পাশে বৃদ্ধ বোধ করত।''' এবং শেষ পর্যন্ত কোনো উদার কারণ, কোনো ভুক্তভোগী মানুষ তার কাছে বৃথা আবেদন করেনি। সেই গৌরবময় কণ্ঠস্বর যা বহুবার স্বাধীনতার বন্ধুদের অনুপ্রাণিত করেছিল এবং তাদের বিজয়ের দিকে পরিচালিত করেছিল, তা শেষ পর্যন্ত যেকোনো জাতি বা গোত্রের দুর্বল ও নিপীড়িতদের সেবায় নিয়োজিত ছিল। '''মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন তার সময়ের সবচেয়ে মহান ইংরেজ ছিলেন।''' তিনি তার নিজের লোকদের ততটাই ভালোবাসতেন যতটা কোনো ইংরেজ কখনও বাসত। কিন্তু তার নিজের লোকদের হৃদয়ের সাথে যোগাযোগের মাধ্যমে তিনি অন্যান্য লোকদের বোঝার এবং তাদের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করার সেই বৃহত্তর এবং মহান উপহারটি অর্জন করেছিলেন। তিনি তাদের দুঃখকষ্টে প্রবেশ করতেন এবং তাদের নিপীড়ন অনুভব করতেন। তিনি দুর্দান্ত সাহসের সাথে নিজের অত্যন্ত প্রিয় ইংল্যান্ডের ক্ষেত্রেও তাকে নিন্দা করতে দ্বিধা করেননি যখন তিনি ভেবেছিলেন সে অন্যদের প্রতি অন্যায় করছে। এর মাধ্যমে তিনি তার নিজের লোকদের মধ্যে নির্ভীকভাবে বিদ্বেষ এবং অজনপ্রিয়তার মুখোমুখি হয়েছিলেন, যা সহ্য করা তার জন্য তিক্ত ছিল। আর তাই তিনি একজন ব্রিটিশ রাষ্ট্রনায়কের চেয়ে অনেক বড় কিছু হয়ে উঠেছিলেন এবং মানবজাতির সর্বশ্রেষ্ঠ নেতাদের মধ্যে জায়গা করে নিয়েছিলেন। একটি বস্তুবাদী যুগের বাধা এবং নিন্দাবাদের মাঝে তিনি কখনই "আদর্শ" এর ওপর তার দখল হারাননি। আর তাই এমনটি হয়েছিল যে সভ্য বিশ্ব জুড়ে যখনই কোনো জাতি বা গোষ্ঠীর মানুষ নিপীড়নের শিকার হচ্ছিল, তখন তাদের চিন্তাভাবনা গ্ল্যাডস্টোনের দিকে ঘুরে যেত। যখন সেই শক্তিশালী কণ্ঠস্বর তাদের পক্ষে উত্থাপিত হতো, তখন ইউরোপ এবং সভ্য বিশ্ব শুনত। দীর্ঘ হতাশায় মরিয়া হয়ে ওঠা মানুষের হৃদয়ে নতুন আশার সঞ্চার হতো।
**[[w:জন ডিলন|জন ডিলন]], হাউস অফ কমন্সে দেওয়া ভাষণ (২০ মে ১৮৯৮)
*ভবিষ্যৎ বংশধররা সেই নীতিহীন উন্মাদ গ্ল্যাডস্টোনের প্রতি সুবিচার করবে। তিনি ঈর্ষা, প্রতিশোধপরায়ণতা, ভণ্ডামি এবং কুসংস্কারের একটি অসাধারণ মিশ্রণ ছিলেন। তার একটি নিয়ন্ত্রক বৈশিষ্ট্য ছিল। তিনি প্রধানমন্ত্রী বা বিরোধীদলীয় নেতা, প্রচার, প্রার্থনা, বক্তৃতা বা লেখালেখি যাই করুন না কেন—তিনি কখনই একজন ভদ্রলোক ছিলেন না!
**[[বেঞ্জামিন ডিসরায়েলি]], লর্ড ডার্বিকে লেখা চিঠি (অক্টোবর ১৮৭৬), উইলিয়াম ফ্ল্যাভেল মনীপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের ''দ্য লাইফ অফ বেঞ্জামিন ডিসরায়েলি, আর্ল অফ বেকনসফিল্ড. খণ্ড ২. ১৮৬০–১৮৮১'' (১৯২৯) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ৯৩৯
*সার্বভৌম ক্ষমতার অনুগ্রহ এবং তাদের সহকর্মীদের আস্থায় সম্মানিত ইংরেজ ভদ্রলোকদের একটি দল, যারা আপনার বিষয়গুলো পাঁচ বছর ধরে পরিচালনা করছে, আমি আশা করি বিচক্ষণতার সাথে এবং সম্পূর্ণ সফলতার সাথে, তাদের কি আপনি একটি উন্মাদ সম্মেলনে প্রবেশ করার সবচেয়ে বেশি সম্ভাবনা আছে বলে বিশ্বাস করেন? নাকি '''একজন পরিশীলিত আলঙ্কারিক, নিজের কথার প্রাচুর্যে মত্ত এবং একটি অহংকারী কল্পনার অধিকারী যিনি সর্বদা একজন প্রতিপক্ষকে অপমান করার জন্য এবং নিজেকে মহিমান্বিত করার জন্য যুক্তিগুলোর একটি অন্তহীন এবং অসামঞ্জস্যপূর্ণ ধারা তৈরি করতে পারেন?'''
**[[বেঞ্জামিন ডিসরায়েলি]], নাইটস্রিজে তাকে দেওয়া একটি ভোজে দেওয়া ভাষণ। গ্ল্যাডস্টোন [[w:সাইপ্রাস কনভেনশন|সাইপ্রাস কনভেনশনকে]] "উন্মাদ চুক্তি" বলার জন্য তিনি এই আক্রমণ করেছিলেন (২৭ জুলাই ১৮৭৮), উইলিয়াম ফ্ল্যাভেল মনীপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের ''দ্য লাইফ অফ বেঞ্জামিন ডিসরায়েলি, আর্ল অফ বেকনসফিল্ড'', খণ্ড ২. ১৮৬০–১৮৮১ (১৯২৯) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ১২২৮-৯
*[[হেনরি টেম্পল, ৩য় ভিসকাউন্ট পামারস্টন|লর্ড পামারস্টনের]] "বিপজ্জনক লোকটি" শেষ পর্যন্ত সেই রাষ্ট্রনায়কের ভবিষ্যদ্বাণী যাচাই করে তার চূড়ান্ত উন্মাদনা প্রমাণ করেছে।
**[[বেঞ্জামিন ডিসরায়েলি]], রানি ভিক্টোরিয়াকে লেখা চিঠি (১৯ সেপ্টেম্বর ১৮৭৮), রবার্ট ব্লেকের ''ডিসরায়েলি'' (১৮৬৬) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ৬০৬
*গ্ল্যাডস্টোন সম্পর্কে আপনি যা বলেন তা সবচেয়ে ন্যায়সঙ্গত। কী অস্থিরতা! কী অহংকার! এবং তার কী অসুখী অবস্থা হতে হবে! বলা সহজ যে তিনি পাগল। দেখে তা-ই মনে হয়। তার সম্পর্কে আমার তত্ত্ব অপরিবর্তিত। তিনি শুরু থেকেই একজন অবিরাম ভণ্ড। এ ধরনের মানুষ ৭০ বছর বয়সে পাগল হয় না।
**[[বেঞ্জামিন ডিসরায়েলি]], লেডি ব্র্যাডফোর্ডকে লেখা চিঠি (৩ অক্টোবর ১৮৭৯), উইলিয়াম ফ্ল্যাভেল মনীপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের ''দ্য লাইফ অফ বেঞ্জামিন ডিসরায়েলি, আর্ল অফ বেকনসফিল্ড. খণ্ড ২. ১৮৬০–১৮৮১'' (১৯২৯) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ১০৫২-১০৫৩
* '''আমি মিস্টার গ্ল্যাডস্টোনের মুখে বিপরীত গুণাবলীর মিশ্রণ দেখেছিলাম। সেখানে একটি ভেড়ার শান্তি ও ভদ্রতা ছিল, সাথে একটি সিংহের শক্তি ও সংকল্প ছিল।''' গভীর আন্তরিকতা তার সমস্ত বৈশিষ্ট্যে প্রকাশ পেয়েছিল। তিনি তার বক্তৃতা শুরু করেছিলেন একটি শান্ত এবং প্ররোচনামূলক সুরে। বিলের বিরুদ্ধে তার যুক্তি পরিসংখ্যানের ওপর ভিত্তি করে ছিল, যা তিনি বিস্ময়কর সাবলীলতার সাথে পরিচালনা করেছিলেন। তিনি দেখিয়েছিলেন সরকার আয়ারল্যান্ডে যে সংখ্যক অপরাধের জন্য ফোর্স বিল দাবি করছে তা ইংল্যান্ডের বিশাল শ্রেণির অপরাধের চেয়ে বেশি ছিল না। তাই এক দেশের চেয়ে অন্য দেশে ফোর্স বিলের কোনো কারণ ছিল না। তার তথ্য এবং পরিসংখ্যানগুলো একটি নিপুণ এবং বিশ্বাসযোগ্য পদ্ধতিতে উপস্থাপন করার পর, তিনি তার কণ্ঠস্বর উঁচু করে সরাসরি মিস্টার [[w:আর্থার জেমস বেলফোর|বেলফোরের]] দিকে আঙুল তুলে প্রায় হুমকিস্বরূপ এবং মর্মান্তিক সুরে চিৎকার করে উঠলেন, "আপনারা কিসের জন্য লড়ছেন?" এর প্রভাব ছিল রোমাঞ্চকর। তার বক্তৃতা ছিল [[স্বাধীনতা|স্বাধীনতার]] প্রতি ইংরেজদের ভালোবাসার এক চমৎকার আবেদন। তিনি বসে পড়ার পর হাউসটি সাথে সাথে ফাঁকা হয়ে গেল। '''মিস্টার গ্ল্যাডস্টোনের কথা শোনার পর সদস্য বা দর্শকদের মধ্যে অন্য কারও কণ্ঠস্বর শোনার কোনো ইচ্ছা ছিল বলে মনে হয়নি।'''
** [[ফ্রেডেরিক ডগলাস]], ''লাইফ অ্যান্ড টাইমস অফ ফ্রেডেরিক ডগলাস'' (১৮৯২), তৃতীয় খণ্ড, অধ্যায় ৮: "ইউরোপিয়ান ট্যুর"
* রাতের খাবারে আমরা [[জন হেনরি নিউম্যান|নিউম্যানকে]] নিয়ে কথা বলছিলাম। তার ''ড্রিম অফ জেরন্টিয়াস'' গ্ল্যাডস্টোন খুব উঁচুতে রাখেন। এত উঁচুতে যে তিনি ''ডিভিনা কমেডিয়ার'' সাথে একই নিঃশ্বাসে এর কথা বলেন। এক পর্যায়ে তিনি জিজ্ঞেস করলেন, "একশ বছর পর তার কোন লেখাগুলো পড়া হবে?" হেনরি স্মিথ বললেন, "অবশ্যই তার স্তোত্র, 'লিড কাইন্ডলি লাইট,' এবং 'দ্য পার্টিং অফ ফ্রেন্ডস,' লিটলমোর ছেড়ে যাওয়ার আগে তিনি যে ধর্মোপদেশ দিয়েছিলেন।" গ্ল্যাডস্টোন বললেন, "আমি আরও এগিয়ে যাব। আমি মনে করি তার সমস্ত প্যারোশিয়াল ধর্মোপদেশ পড়া হবে।"
** স্যার [[w:এম. ই. গ্রান্ট ডাফ|মাউন্টস্টুয়ার্ট এলফিনস্টোন গ্রান্ট ডাফ]], ''নোটস ফ্রম আ ডায়েরি, ১৮৫১-১৯০১: ১৮৭৩-১৮৮১'' (১৮৯৮), পৃ. ১৪০
*ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোন ১৮৬৮ থেকে ১৮৯৪ সালের মধ্যে তিনি যে দলের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তাকে একত্রিত করার জন্য বিভিন্ন কৌশল ব্যবহার করেছিলেন। তিনি আইরিশ চার্চের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি বাতিল করে এবং চার্চ অব ইংল্যান্ডের অবশিষ্ট কিছু সুযোগ-সুবিধা দূর করে [[w:ননকনফর্মিস্ট (প্রোটেস্ট্যান্ট মতবাদ)|ননকনফর্মিস্টদের]] সমর্থন সুসংহত করেছিলেন। তবুও অবাধ বাণিজ্য ছিল তার সবচেয়ে স্থায়ী থিম। তিনি দৃঢ়ভাবে সুরক্ষাবাদী শুল্কের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক বিষয়টিকে স্বায়ত্তশাসিত নাগরিকদের সমাজের উদার আদর্শের সাথে যুক্ত করেছিলেন, যারা মৌলিক অধিকারের অধিকারে সমান ছিল।
**রবার্ট এক্লেশাল, ''ব্রিটিশ লিবারেলিজম: লিবারেল থট ফ্রম দ্য ১৬৪০স টু দ্য ১৯৮০স'' (১৯৮৬), পৃ. ২৬
*আমার কাছে এবং হাজার হাজার মানুষের কাছে মিস্টার গ্ল্যাডস্টোনের হাউস অফ কমন্সে লিবারেল দলের নেতৃত্ব গ্রহণ করা একটি নতুন যুগের সূচনার প্রতিশ্রুতি বলে মনে হয়েছিল। এটা জানা ছিল যে পামারস্টন পার্লামেন্টে জনগণের প্রতিনিধিত্ব সংশোধন এবং সম্প্রসারণের পক্ষে যতটা ছিলেন, গ্ল্যাডস্টোন ঠিক ততটাই এর পক্ষে ছিলেন। শ্রমজীবী শ্রেণি তার প্রধানমন্ত্রী পদে আসীন হওয়াকে আনন্দ এবং আশার সাথে স্বাগত জানিয়েছিল।
**[[w:থমাস ফ্রস্ট (লেখক)|থমাস ফ্রস্ট]], ''ফোর্টি ইয়ারস রেমিনিসেন্স: লিটারারি অ্যান্ড পলিটিক্যাল'' (১৮৮০), পৃ. ২৯১
*আমরা কী বোকা ছিলাম যে গ্ল্যাডস্টোনের হোমরুল বিল মেনে নিইনি। সাম্রাজ্য এখন আইরিশ ফ্রি স্টেট আমাদের এত কষ্ট দিচ্ছে এবং আমাদের টুকরো টুকরো করে ফেলছে না।
**[[যুক্তরাজ্যের পঞ্চম জর্জ|পঞ্চম জর্জ]], [[র্যামসে ম্যাকডোনাল্ড|র্যামসে ম্যাকডোনাল্ডের]] কাছে মন্তব্য, যেমনটি ম্যাকডোনাল্ডের ডায়েরিতে উল্লেখ করা হয়েছে (৬ জুলাই ১৯৩০), কেনেথ রোজের ''কিং জর্জ ভি'' (১৯৮৩) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ২৪০
*অন্য যেকোনো মানুষের যা করতে ষোল ঘণ্টা লাগত, গ্ল্যাডস্টোন তা চার ঘণ্টায় করতে পারতেন। তিনি দিনে ষোল ঘণ্টা কাজ করতেন।
**[[w:স্যার জেমস গ্রাহাম, ২য় ব্যারোনেট|স্যার জেমস গ্রাহাম]] (''আনুমানিক''. ১৮৪১), ডি. সি. ল্যাথবারির ''করেসপন্ডেন্স অন চার্চ অ্যান্ড রিলিজিয়ন অফ উইলিয়াম এওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন, খণ্ড ১'' (১৯১০) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ২৫৯
* গত রাতে আমি গ্ল্যাডস্টোনের সাথে দেখা করেছি। এটি আমার কাছে সবসময় একটি স্মরণীয় রাত হয়ে থাকবে। সেখানে স্টাবস ছিলেন এবং গোল্ডউইন স্মিথ এবং হামফ্রে স্যান্ডউইথ এবং ম্যাকেঞ্জি ওয়ালেস ছিলেন, যার রাশিয়া সম্পর্কিত মহান বইটি এত আলোড়ন সৃষ্টি করেছে, পাশাপাশি আরও কয়েকজন চমৎকার মানুষ। তবে গ্ল্যাডস্টোনের উপস্থিতিতে মানুষ সবকিছু ভুলে যায়। তার নিখুঁত স্বাভাবিকতা এবং শিষ্টাচার, তার কথোপকথনের মনোমুগ্ধকর সাবলীলতা, তার অকৃত্রিম বিনয়, সমস্ত মহৎ ও ভালো জিনিসের প্রতি তার উষ্ণ উদ্দীপনা। আমি আমার নেতার জন্য খুব গর্ববোধ করছিলাম। সেই প্রধান যাকে আমি সবসময় ভালো ও খারাপ খবরের মধ্য দিয়ে আঁকড়ে ধরে রেখেছি। কারণ, '''তিনি এই বা সেই বিষয়ে জ্ঞানী বা নির্বোধ বলে মনে হতে পারেন, তিনি সর্বদা আত্মার দিক থেকে মহৎ ছিলেন।''' তিনি আমার প্রতি খুব আন্তরিক ছিলেন এবং আমরা যে নতুন ঐতিহাসিক স্কুল তৈরি করার আশা করছিলাম তা নিয়ে কথা বলেছিলেন। তিনি মন্টিনিগ্রোবাসী এবং তাদের স্বাধীনতার সংগ্রামের কথা কী আবেগের সাথে বলেছিলেন তা যদি আপনি দেখতে পারতেন! তিনি কীভাবে আমাদেরকে তাদের দীর্ঘ স্বাধীনতার লড়াই সম্পর্কে লিখতে বলেছিলেন! '''এবং সারা সন্ধ্যা ধরে আমাদের মধ্যে তার শ্রেষ্ঠত্ব স্মরণ করিয়ে দেওয়ার মতো একটি শব্দও ছিল না। সহজ, স্বাভাবিক, তার সমকক্ষদের মধ্যে একজন সমান মানুষ। তিনি সবার কথা শুনছিলেন, সবাইকে বের করে আনছিলেন। এমন একটি শক্তি এবং বিনয়ের সাথে যা তার সমস্ত ক্ষমতার চেয়ে আমাদের বেশি স্পর্শ করেছিল।'''
**[[জন রিচার্ড গ্রিন]] মিস স্টপফোর্ডকে লেখা চিঠি (২১ ফেব্রুয়ারি ১৮৭৭), লেসলি স্টিফেনের ''লেটারস অফ জন রিচার্ড গ্রিন'' (১৯০১) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ৪৪৬
*আমি দেখতে পাচ্ছি যে ডিসরায়েলির সম্পূর্ণ রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির চেয়ে গ্ল্যাডস্টোনের "মানবতাবাদী" দৃষ্টিভঙ্গিতে অনেক বেশি প্রকৃত প্রজ্ঞা থাকতে পারে। জাতিগুলোর সাথে জাতিগুলোর সহানুভূতি, জাতিগুলোর মধ্যে একটি সাধারণ মানবতার অনুভূতি, স্বাধীনতা এবং স্বনির্ভরতার পর জাতিগুলোর আকাঙ্ক্ষা, এগুলো ''সত্যিকারের'' রাজনৈতিক শক্তি। আর শুধু গ্ল্যাডস্টোন এগুলোকে শক্তি হিসেবে স্বীকার করেন এবং ডিসরায়েলি এগুলোকে অস্বীকার করেন বলেই জার্মানি বা ইতালি গড়ার মতো সমান্তরাল প্রশ্নগুলোতে একজন সঠিক পক্ষে এবং অন্যজন ভুল পক্ষে ছিলেন। আমি মনে করি স্লেভ গড়ার ক্ষেত্রেও এমনটাই হবে।
**[[জন রিচার্ড গ্রিন]] মিস স্টপফোর্ডকে লেখা চিঠি (২৩ ফেব্রুয়ারি ১৮৭৭), লেসলি স্টিফেনের ''লেটারস অফ জন রিচার্ড গ্রিন'' (১৯০১) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ৪৪৭
*আমার দেখা সবচেয়ে মহান রাষ্ট্রনায়ক।
**[[এডওয়ার্ড গ্রে, ফ্যালোডনের ১ম ভিসকাউন্ট গ্রে|এডওয়ার্ড গ্রে]], থমাস জোনসের ''আ ডায়েরি উইথ লেটারস, ১৯৩১–১৯৫০'' (১৯৫৪) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ২৩
*মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন সবসময় যে প্রতিভার জন্য সবচেয়ে বেশি বিখ্যাত হয়ে থাকবেন তা হলো একজন বাগ্মী এবং বিতার্কিকের প্রতিভা। তিনি সরাসরি হৃদয় থেকে কথা বলতেন। তিনি নিশ্চিত ছিলেন তার দর্শকরা যদি তার জানা বিষয়গুলো জানত, তবে তিনি যেমন অনুভব করেছিলেন তারাও তেমনি অনুভব করত। তিনি যেমন বিশ্বাস করেছিলেন তারাও তেমনি বিশ্বাস করত। এর চেয়েও বেশি কার্যকরী ছিল তার বিষয়ের প্রতি তিনি যে আবেগ ঢেলে দিয়েছিলেন এবং যে আন্তরিকতার সাথে তিনি তার কারণের পক্ষে আবেদন করেছিলেন। এর প্রভাব ছিল যাদের তিনি সম্বোধন করছিলেন তাদের মধ্যে অসাধারণ উদ্দীপনা জাগানো, তাদের আবেগে শিহরিত করা এবং তাদের মন্ত্রমুগ্ধ করে রাখা।
**[[w:এডওয়ার্ড ওয়াল্টার হ্যামিল্টন|এডওয়ার্ড ওয়াল্টার হ্যামিল্টন]], ''মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন: আ মনোগ্রাফ'' (১৮৯৮), পৃ. ১, ১৩-১৪
*তার রাজনৈতিক সাহস যত মহানই হোক না কেন, তার আরও উচ্চতর মানের সাহস ছিল—তার দৃঢ় বিশ্বাসের সাহস। তার কাছে অধিকারই ছিল শক্তি। তিনি যদি একবার নিজেকে একটি নির্দিষ্ট পথের সততা এবং ন্যায়বিচার সম্পর্কে নিশ্চিত করতে পারতেন, তবে তার নির্ভীকতা কোনো সীমা জানত না। এই দৃঢ় বিশ্বাস, যা প্রায় অকাট্যতার বোধের সমতুল্য ছিল, তা অন্যদের মধ্যেও বিশ্বাস জাগিয়ে তুলত। তিনি তার সহকর্মীদের ওপর এত বেশি প্রভাব বিস্তার করেছিলেন তার এটি অন্যতম প্রধান কারণ ছিল।
**[[w:এডওয়ার্ড ওয়াল্টার হ্যামিল্টন|এডওয়ার্ড ওয়াল্টার হ্যামিল্টন]], ''মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন: আ মনোগ্রাফ'' (১৮৯৮), পৃ. ২০, ২৪
*তিনি অস্ত্রশস্ত্রের পেছনে জনগণের অর্থের অযথা ব্যয় বলে মনে করতেন এবং এর জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করেছিলেন। একইভাবে ভূখণ্ড সংযুক্ত করার প্রতি তার গভীর অনীহা ছিল। এটি কারণ ছিল, তিনি অনুভব করেছিলেন একটি সরকার বিচক্ষণতার সাথে যে দায়িত্বগুলো গ্রহণ করতে পারে তার একটি সীমা ছিল। এমন একটি বিন্দু ছিল যেখানে প্রশাসনের শক্তি অতিরিক্ত চাপে পড়বে।
**[[w:এডওয়ার্ড ওয়াল্টার হ্যামিল্টন|এডওয়ার্ড ওয়াল্টার হ্যামিল্টন]], ''মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন: আ মনোগ্রাফ'' (১৮৯৮), পৃ. ৭৫-৭৬
*ধর্মই সেই গভীর উদ্দেশ্যগুলোকে অনুপ্রাণিত করেছিল যা তার আচরণকে পরিচালিত করেছিল। প্রকৃতপক্ষে, এটি তার ব্যক্তিগত এবং সেইসাথে জনসাধারণের সমগ্র জীবনকে প্রাণবন্ত করে তুলেছিল। এটি তার কাছে একটি দুর্দান্ত নিয়ন্ত্রক শক্তি এবং তার কাজগুলোর প্রধান নীতি ছিল। [[খ্রিস্টধর্ম|খ্রিস্টধর্মের]] সত্যতা তার কাছে সবচেয়ে নিশ্চিত বাস্তবতা ছিল। খ্রিষ্টের চার্চের সবচেয়ে বিশ্বস্ত প্রতিনিধি হিসেবে বিবেচনা করে, [[w:চার্চ অব ইংল্যান্ড|ইংলিশ চার্চের]] জীবন এবং লক্ষ্যের প্রতি তার দৃঢ় বিশ্বাস ছিল। তিনি ধর্মান্ধতা এবং সাম্প্রদায়িকতা থেকে মুক্ত ছিলেন। যেখানেই খ্রিস্টধর্মের মৌলিক মতবাদগুলো আন্তরিকভাবে ধারণ করা হতো, সেখানেই তিনি সমস্ত সম্প্রদায়ের সদস্যদের প্রতি তার সহানুভূতি প্রকাশ করতে প্রস্তুত ছিলেন। খুব কম সাধারণ মানুষই এত অধ্যবসায় এবং শ্রদ্ধার সাথে তাদের [[বাইবেল]] অধ্যয়ন করেছেন। খ্রিস্টধর্মের নৈতিক শিক্ষাগুলো কেবল মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন স্বীকার করেননি, বরং তিনি সেগুলো অনুশীলনও করেছিলেন। এই পেশার কারণে, অনুশীলনের দ্বারা অনুসৃত হয়ে তিনি অন্যায় ও নিষ্ঠুরতার প্রতি এমন অসহিষ্ণুতা, ভুক্তভোগী ও নিপীড়িতদের প্রতি এমন সহানুভূতি, শান্তি ও স্বাধীনতার প্রতি এমন ভালোবাসা প্রদর্শন করেছিলেন।
**[[w:এডওয়ার্ড ওয়াল্টার হ্যামিল্টন|এডওয়ার্ড ওয়াল্টার হ্যামিল্টন]], ''মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন: আ মনোগ্রাফ'' (১৮৯৮), পৃ. ১৫৪-১৫৮
*তিনি নিঃসন্দেহে উচ্চ নীতির দ্বারা অনুপ্রাণিত ছিলেন। এবং তিনি উচ্চ নীতির কাছে আবেদন করেছিলেন। স্বাধীনতা, সহনশীলতা এবং অগ্রগতির প্রচার, তার সহকর্মীদের ভাগ্যের উন্নয়ন, দুঃখকষ্টের উপশম, জাতির সম্পদগুলোর প্রজ্ঞাপূর্ণ ব্যবহার—সংক্ষেপে, আরও ভালো প্রশাসনের প্রচারই ছিল তার লক্ষ্য। মানুষের মধ্যে তিনি যা সবচেয়ে বেশি দেখতে চেয়েছিলেন তা হলো ''চরিত্র''; এবং ব্যবস্থায়, ''সমতা''।
**[[w:এডওয়ার্ড ওয়াল্টার হ্যামিল্টন|এডওয়ার্ড ওয়াল্টার হ্যামিল্টন]], ''মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন: আ মনোগ্রাফ'' (১৮৯৮), পৃ. ১৭৫-১৭৬
*ঈশ্বর তার মঙ্গল করুন! যে মহান কাজে তিনি হাত দিয়েছেন তা সম্পন্ন করার জন্য তাকে যেন বাঁচিয়ে রাখা হয়।
**[[কিয়ার হার্ডি]], ''আরড্রোসান অ্যান্ড সল্টকোটস হেরাল্ড'' (২৭ মে ১৮৮৭), পিটার জে. জ্যাগার (সম্পাদিত) এর ''গ্ল্যাডস্টোন'' (১৯৯৮) গ্রন্থে কেনেথ ও. মরগান, ‘গ্ল্যাডস্টোন, ওয়েলস অ্যান্ড দ্য নিউ র্যাডিক্যালিজম’-এ উদ্ধৃত, পৃ. ১২৩
*গ্ল্যাডস্টোনের কাজ [[সমাজতন্ত্র|সমাজতন্ত্রকে]] সম্ভব করেছে—না, সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রয়োজনীয়, অপরিহার্য পথিকৃৎ হয়েছে।
**[[কিয়ার হার্ডি]], ''লেবার লিডার'' (২৮ মে ১৮৯৮), পিটার জে. জ্যাগার (সম্পাদিত) এর ''গ্ল্যাডস্টোন'' (১৯৯৮) গ্রন্থে কেনেথ ও. মরগান, ‘গ্ল্যাডস্টোন, ওয়েলস অ্যান্ড দ্য নিউ র্যাডিক্যালিজম’ বইয়ে উদ্ধৃত, পৃ. ১২৩ এবং ডেভিড হাওয়েল, ''ব্রিটিশ ওয়ার্কারস অ্যান্ড দি ইন্ডিপেনডেন্ট লেবার পার্টি, ১৮৮৮–১৯০৬'' (১৯৮৪), পৃ. ৩৬৬
*গত বিশ বছরে ইংল্যান্ড জার্মান পথে ভ্রমণ করেছে। সমসাময়িক ইংরেজি সাহিত্যে [[অটো ফন বিসমার্ক|বিসমার্কের]] সহানুভূতিশীল আচরণের কোনো অভাব নেই। তবে তরুণ প্রজন্মের দ্বারা গ্ল্যাডস্টোনের নাম তার [[w:ভিক্টোরীয় নৈতিকতা|ভিক্টোরীয় নৈতিকতা]] এবং সরল কল্পনাবাদের ওপর কটাক্ষ ছাড়া খুব কমই উল্লেখ করা হয়, এর চেয়ে স্পষ্টভাবে সম্ভবত আর কিছুই এই পরিবর্তন দেখায় না।
**[[ফ্রিডরিখ হাইক]], ''[[দ্য রোড টু সার্ফডম]]'' (১৯৪৪), পৃ. ১৩৬
*আমার কাছে মনে হয় এই ধরনের সরল যুক্তিবাদিতার জন্য সবচেয়ে ভালো নাম হলো যুক্তিবাদী গঠনবাদ। কেউ যদি মনে করেন যে এই দৃষ্টিভঙ্গিকে 'গঠনবাদ' বলে চিহ্নিত করে আমি আবারও আমার বিরোধীদের কাছে একটি ভালো শব্দ তুলে দিচ্ছি, তবে আমি বলব যে এই শব্দটি ঊনবিংশ শতাব্দীর অন্যতম মহান উদারপন্থী ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোন ঠিক এই অর্থেই ব্যবহার করেছিলেন। তিনি এটিকে সেই মনোভাবের নাম হিসেবে ব্যবহার করেছিলেন যার জন্য অতীতে আমার কাছে 'প্রকৌশল ধরনের মন' এর চেয়ে ভালো কোনো শব্দ ছিল না।
**[[ফ্রিডরিখ হাইক]], 'কাইন্ডস অফ র্যাশনালিজম' (২৭ এপ্রিল ১৯৬৪), ''[[স্টাডিজ ইন ফিলোসফি, পলিটিকস অ্যান্ড ইকোনমিকস]]'' (১৯৬৭), পৃ. ৮৫
*সেই সময় ব্রিটেনে উদারনৈতিক আন্দোলনের প্রধান ব্যক্তিত্ব হিসেবে ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোনও আবির্ভূত হয়েছিলেন। তিনি প্রথমে চ্যান্সেলর অব দি এক্সচেকার এবং পরে লিবারেল প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ব্যাপকভাবে উদার নীতির জীবন্ত মূর্ত প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হন। বিশেষ করে ১৮৬৫ সালে পামারস্টনের মৃত্যুর পর পররাষ্ট্র নীতির ক্ষেত্রে [[জন ব্রাইট]] তার প্রধান সহযোগী ছিলেন। তার সাথে ব্রিটিশ উদারনীতির পুরোনো সম্পর্কটি শক্তিশালী নৈতিক ও ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গির সাথে পুনরায় পুনরুজ্জীবিত হয়েছিল।
**[[ফ্রিডরিখ হাইক]], ‘লিবারেলিজম’ (১৯৭৩), ''[[নিউ স্টাডিজ ইন ফিলোসফি, পলিটিকস, ইকোনমিকস অ্যান্ড দ্য হিস্ট্রি অফ আইডিয়াস]]'' (১৯৮৫), পৃ. ১২৯
*[গ্ল্যাডস্টোন] আধুনিক জ্ঞানালোকের সাথে একটি চিরস্থায়ী সততাকে তার মধ্যে একত্রিত করেছেন বলে মনে হয়েছিল।
**[[w:টিম হিলি (রাজনীতিবিদ)|টিম হিলি]], ই. এফ. বিয়াগিনির ''ব্রিটিশ ডেমোক্রেসি অ্যান্ড আইরিশ ন্যাশনালিজম, ১৮৭৬–১৯০৬'' (২০০৭) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ১৪৮
*মিস্টার গ্ল্যাডস্টোনের মৃত্যুর পর তার নিজের হাতে লেখা নিচের নোটটি পাওয়া যায়: "''অর্থায়নের নিয়ম'': (১) আপনার নিজের পথে অর্থ প্রদান করা; (২) আপনার ঋণ হ্রাস করা; (৩) অর্থনীতি অনুশীলন করা।"
**[[w:ফ্রান্সিস হার্স্ট|ফ্রান্সিস হার্স্ট]], ''প্রিন্সিপালস অফ প্রসপারিটি'' (১৯৪৪), পৃ. ১১১
*গ্ল্যাডস্টোনিয়ান নীতিকে [[ম্যাকিয়াভেলি|ম্যাকিয়াভেলি]] এবং [[অটো ফন বিসমার্ক|বিসমার্কের]] নীতি এবং প্রতিটি পররাষ্ট্র দপ্তরের অনুশীলনের বিপরীত হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা যেতে পারে। সেই অনুশীলন এই নীতির ওপর এগিয়ে যায় যে রাষ্ট্রের কারণগুলো সবকিছুকে সমর্থন করে। তাই '''গ্ল্যাডস্টোন এই নীতির ওপর এগিয়ে গিয়েছিলেন রাষ্ট্রের কারণগুলো এমন কোনো কিছুকে সমর্থন করে না যা মানুষের বিবেক দ্বারা ইতিমধ্যে সমর্থিত নয়।''' রাষ্ট্রনায়ক তার কাছে এমন একজন ব্যক্তি যিনি কেবল বৈষয়িক স্বার্থ নয়, তার দেশের সম্মান বজায় রাখার দায়িত্বও পালন করেন। তিনি বিশ্বের একজন নাগরিক কারণ তিনি তার জাতির প্রতিনিধিত্ব করেন, যা বিশ্ব সম্প্রদায়ের একটি সদস্য। তাকে অধিকার এবং কর্তব্যগুলোকে স্বীকৃতি দিতে হবে, ঠিক যেমন অন্য প্রতিটি মানব সংস্থার প্রতিটি প্রতিনিধিকে অধিকার এবং কর্তব্যগুলোকে স্বীকৃতি দিতে হবে। মানবিক বাধ্যবাধকতাগুলো শেষ হয়ে যাওয়ার বাইরে কোনো রেখা আঁকা নেই। এমন কোনো উপসাগর নেই যার ওপারে মানুষের দুর্ভোগের কথা শোনা যায় না, যার বাইরে গণহত্যা এবং নির্যাতন ঘৃণ্য হওয়া বন্ধ হয়ে যায়। আবারও একজন দেশপ্রেমিক হিসেবে, একজন মানুষের স্বীকৃতি দেওয়া উচিত যে একটি জাতি কেবল মানচিত্র লাল করে বা সমস্ত নজিরের বাইরে তার বাণিজ্য সম্প্রসারিত করেই মহান হয়ে উঠতে পারে না। বরং ন্যায়বিচারের চ্যাম্পিয়ন, নিপীড়িতদের সাহায্যকারী, স্বাধীনতার প্রতিষ্ঠিত বাড়ি হিসেবেও মহান হতে পারে। আফিম যুদ্ধের নিন্দা থেকে শুরু করে নিয়াপলিটান কারাগারগুলোর উন্মোচন পর্যন্ত, কনস্টান্টিনোপল গণহত্যার পর তার শেষ উপস্থিতি পর্যন্ত, এটিই ছিল সেই বার্তা যা গ্ল্যাডস্টোন জানাতে চেয়েছিলেন। তিনি তার সময়ের চেয়ে এগিয়ে ছিলেন। তিনি সর্বদা তার নিজের মন্ত্রিসভায় তার নীতি বজায় রাখতে সক্ষম হননি। এবং তার অবসরের পর বিশ্ব নিশ্চিতভাবে পুরোনো পথে ফিরে গেছে বলে মনে হয়েছিল।
**[[লিওনার্ড ট্রেলনি হবহোউস]], ''লিবারেলিজম'' (১৯১১), পৃ. ৪৫-৪৬
*যখন মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন উত্তরে গিয়েছিলেন, আপনার ভালো করেই মনে আছে যখন খবরের কাগজ থেকে শ্রমিকের কাছে খবর পৌঁছেছিল যে এটি খনি এবং কল, কারখানা এবং ওয়ার্কশপগুলোতে ছড়িয়ে পড়েছে। তারা সেই একমাত্র ব্রিটিশ মন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানাতে বেরিয়ে এসেছিল যিনি ইংরেজ জনগণকে একটি অধিকার দিয়েছিলেন কারণ তাদের এটি পাওয়া উচিত ছিল। তিনি যখন টাইন নদীর ধারে গিয়েছিলেন, তখন পুরো দেশ শুনেছিল যে কীভাবে বিশ মাইল তীর মানুষের দ্বারা সারিবদ্ধ ছিল যারা তাকে অভ্যর্থনা জানাতে এসেছিল। পুরুষরা চিমনির আগুনে দাঁড়িয়েছিল। কারখানার ছাদগুলো ভিড় ছিল। খনি শ্রমিকরা খনি থেকে উঠে এসেছিল। নারীরা তাদের সন্তানদের তীরে তুলে ধরেছিল যাতে পরবর্তী জীবনে বলা যেতে পারে যে তারা জনগণের চ্যান্সেলরকে যেতে দেখেছে। নদীটি জমির মতো ঢাকা পড়েছিল। যে লোকটি দাঁড় টানতে পারত সে মিস্টার গ্ল্যাডস্টোনকে উল্লাস জানাতে উঠে এসেছিল। লর্ড পামারস্টন যখন ব্র্যাডফোর্ডে গিয়েছিলেন, তখন রাস্তাগুলো শান্ত ছিল এবং শ্রমজীবী মানুষ নিজেদের ওপর নীরবতা আরোপ করেছিল। যখন মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন টাইন নদীতে উপস্থিত হয়েছিলেন তখন তিনি এমন উল্লাস শুনেছিলেন যা অন্য কোনো ইংরেজ মন্ত্রী কখনও শোনেননি। জনগণ তার প্রতি কৃতজ্ঞ ছিল। রুক্ষ খনি শ্রমিকরা যারা আগে কখনও কোনো জনসাধারণের মানুষের কাছে যায়নি, তারা হাজার হাজার সংখ্যায় তার গাড়ির চারপাশে ভিড় করেছিল। এবং মিস্টার গ্ল্যাডস্টোনের সাথে হাত মেলাতে একসাথে হাজার হাজার হাত প্রসারিত হয়েছিল।
**[[জর্জ হোলিওকে]], 'দ্য লিবারেল সিচুয়েশন, অর দ্য পার্লামেন্টারি ট্রিটমেন্ট অফ দ্য পিপল. ২.', ''নিউক্যাসেল উইকলি ক্রনিকল'' (১৮ মার্চ ১৮৬৫), পৃ. ৪, ইউজেনিও এফ. বিয়াগিনি এবং অ্যালাস্টেয়ার জে. রেইড (সম্পাদিত), ''কারেন্টস অফ র্যাডিক্যালিজম: পপুলার র্যাডিক্যালিজম, অর্গানাইজড লেবার অ্যান্ড পার্টি পলিটিকস ইন ব্রিটেন, ১৮৫০–১৯১৪'' (১৯৯১) গ্রন্থে ইউজেনিও এফ. বিয়াগিনির ‘পপুলার লিবারেলস, গ্ল্যাডস্টোনিয়ান ফাইন্যান্স অ্যান্ড দ্য ডিবেট অন ট্যাক্সেশন, ১৮৬০-১৮৭৪’-এ উদ্ধৃত, পৃ. ১৪২
*আমাদের মহান উদারপন্থী নেতা মিস্টার গ্ল্যাডস্টোনের প্রতি আমার গভীর বিশ্বাস আমাকে আমাদের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আরও বেশি নিরাপদ বোধ করায়। তিনি স্পষ্টতই নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিগুলোকে বিশ্বস্তভাবে রাখা এবং উদ্ধার করা প্রতিশ্রুতি হিসেবে বিবেচনা করেন।
**[[w:জর্জ হাওয়েল (ট্রেড ইউনিয়নবাদী)|জর্জ হাওয়েল]] থেকে [[w:এডমন্ড বিয়েলস|এডমন্ড বিয়েলস]] (১০ মার্চ ১৮৬৯), এফ. এম. লেভেন্থাল, ''রেসপেক্টেবল র্যাডিক্যাল: জর্জ হাওয়েল অ্যান্ড ভিক্টোরিয়ান ওয়ার্কিং ক্লাস পলিটিকস'' (১৯৭১) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ১১৫
* '''আপনি যদি সেই লোকটিকে কেবল তার শার্ট পরিয়ে একটি ময়দানে রেখে দেন, তবে সে যা খুশি তা-ই হয়ে উঠবে।'''
** [[টি. এইচ. হাক্সলি]], ''[[রবার্ট গ্যাসকোয়েন-সেসিল, ৩য় মার্কুইস অফ সালিসবারি|লর্ড রবার্ট সেসিলের]] গোল্ডফিল্ডস ডায়েরি,'' সম্পাদিত আর্নেস্ট স্কট (১৯৪৫) গ্রন্থে উদ্ধৃত
*গ্ল্যাডস্টোন খুব আকর্ষণীয়। তার শিষ্টাচার চরম। তার চোখ একজন প্রতিভাবান মানুষের। এবং তিনি যা বলছেন তার প্রতি তার আপাত আত্মসমর্পণ ত্রুটিহীন। তিনি আমার ওপর একটি দুর্দান্ত ছাপ ফেলেছিলেন। আমি এখানে যাকে দেখেছি তার চেয়ে বড়। যদিও এটি হয়তো আমার সরলতা এবং রাষ্ট্রনায়কদের সাথে অপরিচিতির কারণে হতে পারে।
**[[হেনরি জেমস]] উইলিয়াম জেমসকে লেখা চিঠি (২৯ মার্চ ১৮৭৭), ''দ্য কমপ্লিট লেটারস অফ হেনরি জেমস, ১৮৭৬–১৮৭৮, খণ্ড ১'', সম্পাদিত পিয়েরে এ. ওয়াকার এবং গ্রেগ ডব্লিউ. জাকারিয়াস (২০১২) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ৮৩
*তিনি জোর দিয়ে বলেছিলেন, এমন একটি বিশ্ব সম্প্রদায়ে ব্রিটিশদের অন্যান্য দেশের কাজগুলোকে ঈর্ষার চেয়ে বেশি বোঝার দৃষ্টিতে দেখা উচিত। মানব পরিবারকে নিজের দেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য একই মানদণ্ড দ্বারা বিচার করতে হবে। ব্রিটিশদেরও যুদ্ধকে একইভাবে দেখা উচিত। ফ্রন্টলাইনের অপর প্রান্তে তাদের মানব ভাইদের কী ঘটছে তা নিয়ে তাদের ''উদ্বিগ্ন'' হওয়া উচিত। মানব অভিজ্ঞতা এবং মানব মর্যাদার সার্বজনীনতার আসল অর্থটি তাদের অন্তরে গ্রহণ করা উচিত। ডালকিথের ফরেস্টারস হলে সমবেত নারীদের তিনি বলেছিলেন ব্রিটেনের বোঝাটি ছিল অনেক পাহাড় এবং উপত্যকাকে রক্তে ভাসিয়ে দেওয়ার ফলাফল। জুলুরা কেবল দেশপ্রেমিক ব্রিটিশদের মতোই কাজ করছিল, নিজেদের দেশ রক্ষা করছিল। আফগানিস্তানে, টোরিদের নির্বিচার আক্রমণ বন্য ধ্বংস ডেকে এনেছিল।
**রবার্ট কেলি, 'মিডলোথিয়ান: আ স্টাডি ইন পলিটিকস অ্যান্ড আইডিয়াস', ''ভিক্টোরিয়ান স্টাডিজ'', খণ্ড ৪, নং ২ (ডিসেম্বর ১৯৬০), পৃ. ১৩৬-১৩৭
*অবশ্যই একজন খ্রিস্টান ধর্মতত্ত্ববিদ কেবল এটাই বলবেন যে গ্ল্যাডস্টোন ভ্রাতৃত্বের পুরোনো বার্তাটি নতুন করে প্রচার করেছিলেন। তিনি ব্রিটিশদের একটি খ্রিস্টান পররাষ্ট্র নীতি দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। যাই হোক না কেন, গ্ল্যাডস্টোন গোষ্ঠীগত অনুভূতির ক্ষমতা সম্পর্কে গভীরভাবে উপলব্ধি করেছিলেন। কারণ তিনি কেবল এই জোর দিয়েই তার কাঙ্ক্ষিত সাড়া জাগানোর চেষ্টা করেছিলেন সমস্ত মানুষ একই সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত। তিনি প্রথমে অনুভব করেছিলেন জাগ্রত জাতিসত্তাগুলোর গোষ্ঠীগত অনুভূতিকে স্বায়ত্তশাসনে প্রকাশ করতে হবে। এবং তারপর যদি এই গোষ্ঠীগত অনুভূতিগুলো সমস্ত মানবজাতিকে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য প্রসারিত না হয় তবে সেগুলো অনিবার্যভাবে ঈর্ষা, অহংকার, বিদ্বেষ, আবেগ এবং যুদ্ধ ডেকে আনবে। যেমনটি তারা করেছিল। সার্বজনীনতা এবং অন্তর্ভুক্তি ছিল মূল কথা। তিনি সর্বদা একটি আন্তঃনির্ভরশীল সমগ্রের মধ্যে সমস্ত কিছুকে অন্তর্ভুক্ত করে বিশাল চিত্রটি উল্লেখ করে ব্যাখ্যা করতেন। এই কারণে, দেশে হোক বা বিদেশে, তার প্রতিপক্ষ সর্বদা সেই শ্রেণি বা সরকার ছিল যারা বাদ দেওয়ার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিল, যারা মানবজাতির ঐক্যকে অস্বীকার করেছিল।
**রবার্ট কেলি, 'মিডলোথিয়ান: আ স্টাডি ইন পলিটিকস অ্যান্ড আইডিয়াস', ''ভিক্টোরিয়ান স্টাডিজ'', খণ্ড ৪, নং ২ (ডিসেম্বর ১৯৬০), পৃ. ১৪০
* '''গ্ল্যাডস্টোনের হাতায় সবসময় তুরুপের তাস থাকার ব্যাপারে আমার কোনো আপত্তি নেই। তবে সর্বশক্তিমান সেটি সেখানে রেখেছেন বলে তার বিশ্বাসের প্রতি আমার আপত্তি আছে।'''
** [[w:হেনরি ল্যাবউচেরে|হেনরি ল্যাবউচেরে]], [[w:হেসকেথ পিয়ারসন|হেসকেথ পিয়ারসনের]] ''লাইভস অফ দ্য উইটস'' (১৯৬২) গ্রন্থে উদ্ধৃত
*মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন আমার পরিচিত যেকোনো রাজনীতিবিদের চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা ছিলেন। তিনি যাদের সাথে কাজ করতেন তাদের বেশিরভাগের চেয়ে বয়সে অনেক বড় ছিলেন। কিন্তু শরীর, আত্মা এবং চেতনায় সবচেয়ে কনিষ্ঠ ছিলেন। আমি এখন তার কণ্ঠস্বর শুনতে পাচ্ছি এবং তাকে দেখতে পাচ্ছি। যদিও আমি যা লিখব তার কোনো কিছুই একজন পাঠকের কাছে তার কথার অসাধারণ আবেগগত প্রভাব পৌঁছে দেবে না। কেবল [‘অনুপ্রাণিত’] শব্দটিই আঠারো বছর বয়সী সেই ছেলেটির মনে রেখে যাওয়া ছাপটি দেয় যে তার কথা শুনছিল।
**[[জর্জ ল্যান্সবারি]], ''লুকিং ব্যাকওয়ার্ডস—অ্যান্ড ফরওয়ার্ডস'' (১৯৩৭), পৃ. ৮৫
*বছরের পর বছর ধরে আমি মিস্টার গ্ল্যাডস্টোনের রাজনৈতিক তীর্থে উপাসনা করেছি।
**[[w:জর্জ ল্যান্সবারি|জর্জ ল্যান্সবারি]], ''মাই লাইফ'' (১৯৩৮), পৃ. ৮৬
* সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ চ্যান্সেলর।
** [[w:নাইজেল লসন|নাইজেল লসন]], ''দ্য ভিউ ফ্রম নং ১১: মেমোয়ারস অফ আ টোরি র্যাডিক্যাল'' (১৯৯২), পৃ. ২৭৯
*গ্ল্যাডস্টোন গরিবদের অসুবিধা বুঝতে পারেননি, কিন্তু ডিসরায়েলি পেরেছিলেন। গ্ল্যাডস্টোন সাধারণ মানুষের স্তরে নেমে আসতে পারেননি। সেটাই ছিল তার সমস্যা।
**[[ডেভিড লয়েড জর্জ|ডেভিড লয়েড জর্জের]] [[w:এ. জে. সিলভেস্টার|এ. জে. সিলভেস্টারের]] কাছে মন্তব্য, যেমনটি সিলভেস্টারের ডায়েরিতে উল্লেখ করা হয়েছে (১৮ এপ্রিল ১৯৩৩), এ. জে. সিলভেস্টারের ''লাইফ উইথ লয়েড জর্জ: দ্য ডায়েরি অফ এ. জে. সিলভেস্টার ১৯৩১-৪৫'', সম্পাদিত কলিন ক্রস (১৯৭৫) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ৯৫
*[ডেভিড লয়েড জর্জ] গ্ল্যাডস্টোনের কথা বলেছিলেন। এবং তিনি [লয়েড জর্জ] কীভাবে হাউস অফ কমন্সে তার খুব শুরুর দিকে ক্লার্জি ডিসিপ্লিন বিলে তাকে আক্রমণ করেছিলেন তা বলেছিলেন। পরে যখন তিনি [লয়েড জর্জ] ওয়েলসে গিয়েছিলেন এবং গ্ল্যাডস্টোনের ওপর তার আক্রমণের জন্য আরও উপযুক্ত লোকেরা তাকে তিরস্কার করেছিল, তখন তিনি বলেছিলেন: 'আমি আপনাদের সেই একই উত্তর দিচ্ছি যা ক্রোমওয়েল দিয়েছিলেন, "আমি যদি যুদ্ধে রাজার সাথে দেখা করি, তবে আমি তাকে লক্ষ্য করে আমার পিস্তল ছুঁড়ব"।' [লয়েড জর্জ] বলেছেন তিনি মনে করেন একজন চার্চম্যান হিসেবে গ্ল্যাডস্টোনের [[w:ইংলিশ ডিসেন্টার|ডিসেন্টারদের]] প্রতি মৌলিক অপছন্দ ছিল। 'আমি তাকে প্রশংসা করি, কিন্তু আমি তাকে কখনও পছন্দ করিনি', সর্বদা [লয়েড জর্জের] যোগ্য মন্তব্য।
**[[ডেভিড লয়েড জর্জ|ডেভিড লয়েড জর্জের]] [[w:ফ্রান্সিস স্টিভেনসন|ফ্রান্সিস স্টিভেনসনের]] কাছে মন্তব্য, যেমনটি স্টিভেনসনের ডায়েরিতে উল্লেখ করা হয়েছে (১৬ নভেম্বর ১৯৩৪), ফ্রান্সিস স্টিভেনসনের ''লয়েড জর্জ: আ ডায়েরি'', সম্পাদিত এ. জে. পি. টেলর (১৯৭১) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ২৯১
*হাউস অফ কমন্সে আমার সদস্যপদের প্রথম চার বছর গ্ল্যাডস্টোন আমার নেতা ছিলেন, এটি আমার অহংকার। ব্রিটিশ রাজনীতিতে গ্ল্যাডস্টোন ছিলেন সবচেয়ে মহান এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব। সেই বৃদ্ধ মানুষের স্মৃতি, চরিত্র, অর্জন এবং অনুপ্রেরণার একটি গৌরবময় পুনরুত্থান হবে। তিনি যে মতবাদগুলোতে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন, তা আমরা আজ ব্যাপকভাবে অবহেলা করার ফলে ভুগছি। তা হলো শান্তির মতবাদ।
**[[ডেভিড লয়েড জর্জ|ডেভিড লয়েড জর্জের]] [[w:এ. জে. সিলভেস্টার|এ. জে. সিলভেস্টারের]] কাছে মন্তব্য, যেমনটি সিলভেস্টারের ডায়েরিতে উল্লেখ করা হয়েছে (২৪ এপ্রিল ১৯৪০), এ. জে. সিলভেস্টারের ''লাইফ উইথ লয়েড জর্জ: দ্য ডায়েরি অফ এ. জে. সিলভেস্টার ১৯৩১-৪৫'', সম্পাদিত কলিন ক্রস (১৯৭৫) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ২৫৭
=== এম–জেড ===
* '''তার এমন এক ধরনের ভাষার ওপর বিশাল দখল রয়েছে যা গম্ভীর এবং রাজকীয়। কিন্তু এর অর্থ অস্পষ্ট এবং অনিশ্চিত। একজন দর্শকের জন্য এই ক্ষমতাটি সবচেয়ে বিপজ্জনক।'''
** [[থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকলে, ১ম ব্যারন ম্যাকলে|থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকলে]], "গ্ল্যাডস্টোন অন চার্চ অ্যান্ড স্টেট," ''এডিনবার্গ রিভিউ'' (এপ্রিল ১৮৩৯)
*যে মানুষটি প্রায় ত্রিশ বছর ধরে উদারনীতিবাদের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তিনি অবসর নিয়েছিলেন। রাজনীতি তাকে আর চিনতে পারেনি। উদারনীতিবাদের এই ক্ষতি পর্যাপ্তভাবে পরিমাপ করা অসম্ভব। এই মুহূর্তে আমরা তিনি উদারনীতিবাদের জন্য যা করেছেন তার কোনো চূড়ান্ত বিচার করার চেষ্টাও করতে পারি না। কেবল আমরা বলতে পারি যে ইংল্যান্ডের সমস্ত মহান রাষ্ট্রনায়কদের মধ্যে এমন কেউ নেই যিনি অন্যায্য সুযোগ-সুবিধা ধ্বংস করতে এবং জনগণের জন্য তাদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে তার মতো এতটা অর্জন করেছেন। আমরা কি এর চেয়ে বেশি কিছু বলতে পারি? মানুষের একজন শাসকের পক্ষে এর চেয়ে মহৎ বা বৃহত্তর কোনো রেকর্ড রেখে যাওয়া কি সম্ভব? সম্ভবত নেতা চলে যাওয়ার পরই আমরা কেবল দেখতে পাচ্ছি যে তিনি জাতির জীবনে কতটা কমান্ডিং স্থান দখল করেছিলেন এবং তার অবসরের ফলে অগ্রগতির কারণ কতটা ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে।
**[[w:ফিলিপ জেমস ম্যাকডোনেল|ফিলিপ জেমস ম্যাকডোনেল]], ‘দ্য হিস্টোরিক বেসিস অফ লিবারেলিজম’, ''এসেস ইন লিবারেলিজম বাই সিক্স অক্সফোর্ড মেন'' (১৮৯৭) গ্রন্থে, পৃ. ২৬৬–২৬৭
*মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন একেবারে অনন্য ব্যক্তিত্বের অধিকারী ছিলেন। তার অঙ্গভঙ্গি, বিতর্কে তার বিস্ময়কর দক্ষতা, গভীরতম আবেগ নাড়া দেওয়ার তার ক্ষমতা, তার একনিষ্ঠতার ধারণা, সঠিক কাজ করার আকাঙ্ক্ষা এবং ঈশ্বরের সামনে একটি ভালো বিবেক বজায় রাখার আকাঙ্ক্ষা। এই সবই হাউস অফ কমন্সে তাকে একটি মহান নৈতিক এবং বৌদ্ধিক প্রভাব হিসেবে গড়ে তুলতে একসাথে কাজ করেছিল। এটি এমন একটি সত্য যা নিয়ে প্রতিটি সদস্য তাদের ধর্ম বা দল নির্বিশেষে যথাযথভাবেই গর্বিত ছিলেন। আমি তখন মানুষের উপাসক ছিলাম না এবং এখনও নই। কিন্তু আচরণ এবং যোগ্যতায় খুব বিনয়ী পদমর্যাদার ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রায়শই ব্যবহৃত "মহান মানুষ" অভিব্যক্তিটি আমার বিচারে প্রধানত মিস্টার গ্ল্যাডস্টোনের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। তিনি আমাদের সাথে থাকা অবস্থায় তার এই উপাধির দাবি তার সমর্থকরা যতটা দ্বিধাহীনভাবে স্বীকার করেছিলেন, তার রাজনৈতিক বিরোধীরাও ঠিক ততটাই স্বীকার করেছিলেন।
**[[w:জে. জি. সুইফট ম্যাকনিল|জে. জি. সুইফট ম্যাকনিল]], ''হোয়াট আই হ্যাভ সিন অ্যান্ড হার্ড'' (১৯২৫), পৃ. ২৪৪–২৪৫
*মহান ইংরেজ [[হোরেশিও নেলসন|নেলসন]], [[পার্সি বিশি শেলি|শেলি]], গ্ল্যাডস্টোনের মতো কোনো মানুষের দল কখনও এতটা "অ-ইংরেজ" ছিল না। তারা যুদ্ধে, সাহিত্যে, ব্যবহারিক বিষয়ে সর্বোচ্চ ছিলেন। তবুও তাদের শক্তির বৈশিষ্ট্যগুলোতে কোনো প্রমাণ ছিল না যে তাদের মধ্যে ইংরেজ রক্তের গুণাবলী রয়েছে। তবে সাধারণ স্টক থেকে এ ধরনের বিভ্রান্তিকর বৈচিত্র্যের নেতৃত্ব মেনে নেওয়ার ক্ষেত্রে ইংরেজ কেবল মহাবিশ্বের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করার পরিবর্তে এটিকে মেনে নেওয়ার তার সাধারণ ক্ষমতাই প্রদর্শন করছে।
** [[w:চার্লস মাস্টারম্যান|সি. এফ. জি. মাস্টারম্যান]], ''দ্য কন্ডিশন অফ ইংল্যান্ড'' (১৯০৯)
*১৮৮০ সালের মার্চ মাসে তিনি প্রকৃত নির্বাচনী লড়াইয়ের জন্য ফিরে আসেন। ভিড় করা হলে, অস্বস্তিকর, আবছা আলোয় তিনি খনি শ্রমিকদের এবং অন্যান্য শ্রমিকদের মন্ত্রমুগ্ধ করে রেখেছিলেন, যারা অনুসারীদের মতো আনুগত্য নিয়ে তার কথা শুনতে এসেছিল। গ্ল্যাডস্টোনের সেই ভাবমূর্তি যা তখন জনপ্রিয় মনে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। তিনি ছিলেন বাগ্মী, ধার্মিক নবী, স্বাধীনতা এবং ন্যায়বিচারের বন্ধু। তার মৃত্যুর পর দীর্ঘকাল এটি টিকে ছিল এবং এটি প্রায়শই তার প্রতিভাবান সহকর্মীদের পুরো দল এবং দলের সমস্ত নীতিমালার চেয়ে বেশি শক্তিশালী ছিল। [[w:১৯৫৫ সালের যুক্তরাজ্যের সাধারণ নির্বাচন|১৯৫৫ সালে]] শটল্যান্ডের একজন বৃদ্ধা কনজারভেটিভদের ভোট দেওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন। কিন্তু মানিব্যাগের জন্য বাড়ি ফিরে তিনি তার বাবার মিস্টার গ্ল্যাডস্টোনের ছবি দেখেন এবং [[জো গ্রিমন্ড|মিস্টার গ্রিমন্ডকে]] ভোট দিতে কেন্দ্রে যান।
**[[w:আর. বি. ম্যাকক্যালাম|আর. বি. ম্যাকক্যালাম]], ''দ্য লিবারেল পার্টি ফ্রম আর্ল গ্রে টু অ্যাসকুইথ'' (১৯৬৩), পৃ. ৯০ + টীকা ১
*আমি মনে করি এটি আমি ধরে নিতে পারি যে মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন হলেন রানি ভিক্টোরিয়ার রাজত্বকালে আবির্ভূত সবচেয়ে মহান ইংরেজ রাষ্ট্রনায়ক। এটি প্রকৃতপক্ষে আমার কাছে একটি বাস্তব সত্য বলে মনে হয় এবং কোনো সমালোচনার বিষয় নয়।
**[[w:জাস্টিন হান্টলি ম্যাকার্থি|জাস্টিন হান্টলি ম্যাকার্থি]], ''দ্য স্টোরি অফ গ্ল্যাডস্টোনস লাইফ'' (১৮৯৮), পৃ. ১
*মিস্টার গ্ল্যাডস্টোনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে (উল্লাস)। আন্তরিকতার প্রশ্নে তাকে নিয়ে কথা বলে কী লাভ? (উল্লাস)। তার সরকারি জীবনের প্রতিটি বছর একগুচ্ছ ব্যবস্থার দ্বারা চিহ্নিত ছিল। কোনো বছরই সেগুলো ছাড়া ছিল না। কিছু বড়, কিছু ছোট, কিন্তু সবগুলোই জনগণের মঙ্গলের লক্ষ্যে ছিল। এই দেশের মানুষের মঙ্গলের জন্য এবং বিশেষ করে দরিদ্র শ্রেণির জন্য ছিল। এই ব্যবস্থাগুলো এমনকি তাকে প্রস্তাবও করা হয়নি। সেগুলো ছিল তার নিজের মন, ইচ্ছা এবং উদ্দেশ্যের ফসল। তার দেশবাসীর কাছে তার কাছ থেকে অবাধ উপহার, যা প্রস্তাবিত বা নির্দেশিত হয়নি। (জোরে উল্লাস)... গ্ল্যাডস্টোনকে এমন প্রথম রাষ্ট্রনায়ক বলে মনে হয়েছিল যিনি একটি মহান আধুনিক রাষ্ট্রনায়কের ধারণার কাছাকাছি এসেছিলেন। ... আমরা যদি তার পাশে না দাঁড়াই...তাহলে আমাদের একইভাবে সেবা করার মতো কাউকে আমরা সহজে খুঁজে পাব না। (জোরে উল্লাস)।
**[[জন স্টুয়ার্ট মিল]], ওয়েস্টমিনস্টার রিফর্ম সভায় দেওয়া ভাষণ, ''দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফে'' (১৩ এপ্রিল ১৮৬৬) রিপোর্ট করা হয়েছে, জন ভিনসেন্টের ''দ্য ফরমেশন অফ দ্য ব্রিটিশ লিবারেল পার্টি, ১৮৫৭–১৮৬৮'' [১৯৬৬] (১৯৭২) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ১৯৪
*উদারপন্থী দলের কথা বলছেন? এটা তো মিস্টার জি-কে নিয়ে গঠিত। তার পর এর অস্তিত্ব বিলুপ্ত হবে এবং সব বিশৃঙ্খলা দেখা দেবে।
**[[জন মর্লি]], স্যার এডওয়ার্ড হ্যামিল্টনের ডায়েরিতে (১৩ জানুয়ারি ১৮৯১) উদ্ধৃত, ডি. এ. হামারের ''লিবারেল পলিটিকস ইন দি এজ অফ গ্ল্যাডস্টোন অ্যান্ড রোজবেরি: আ স্টাডি ইন লিডারশিপ অ্যান্ড পলিসি'' (১৯৭২) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ১৪১
*[১৮৬৮ সালের] ১ ডিসেম্বরের বিকেলে তিনি হাওয়ার্ডেনে উইন্ডসরের বার্তাটি পেয়েছিলেন। মিস্টার [[w:এভলিন অ্যাশলে|এভলিন অ্যাশলে]] বলেন, "আমি তার কোটটি আমার বাহুতে নিয়ে তার পাশে দাঁড়িয়েছিলাম, যখন তিনি শার্টের হাতায় একটি গাছ কাটার জন্য কুঠার চালাচ্ছিলেন। একজন টেলিগ্রাম বার্তা বাহক এলো। তিনি টেলিগ্রামটি নিলেন, খুললেন এবং পড়লেন। তারপর আমার হাতে দিলেন এবং কেবল দুটি শব্দ বললেন, 'খুব তাৎপর্যপূর্ণ,' এবং সাথে সাথে তার কাজ আবার শুরু করলেন। বার্তাটিতে কেবল বলা হয়েছিল যে জেনারেল গ্রে সেদিন সন্ধ্যায় উইন্ডসর থেকে আসবেন। এর অর্থ অবশ্যই ছিল যে রানির কাছ থেকে মিস্টার গ্ল্যাডস্টোনকে তার প্রথম সরকার গঠনের দায়িত্ব দিয়ে একটি নির্দেশ আসছিল... কয়েক মিনিট পর আঘাত করা বন্ধ হলো এবং মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন তার কুঠারের হাতলে বিশ্রাম নিয়ে উপরে তাকালেন। তার কণ্ঠস্বরে গভীর আন্তরিকতা এবং চেহারায় প্রচণ্ড তীব্রতার সাথে তিনি চিৎকার করে বললেন, ‘'''আয়ারল্যান্ডকে শান্ত করাই আমার মিশন।'''’ তারপর তিনি তার কাজ আবার শুরু করলেন এবং গাছটি নিচে না পড়া পর্যন্ত আর একটি কথাও বললেন না।"
**[[জন মর্লি]], ''দ্য লাইফ অফ উইলিয়াম এওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন, খণ্ড ২ (১৮৫৯-১৮৮০)'' (১৯০৩), পৃ. ২৫২
*তিনি প্রায়শই পর্যবেক্ষকের কাছে "অধিকৃত" বলে মনে হতেন। তিনি যদি খুব ভালো মানুষ না হতেন, তবে তিনি খুব খারাপ মানুষ হতেন।
**[[w:জে. এইচ. মরগান|জে. এইচ. মরগান]], ''[[জন মর্লি, ব্ল্যাকবার্নের ১ম ভিসকাউন্ট মর্লি|জন ভিসকাউন্ট মর্লি]] অ্যান অ্যাপ্রিসিয়েশন অ্যান্ড সাম রেমিনিসেন্সেস'', ১৯২৪, পৃ. ১৪৩
*আমি বলেছিলাম যে মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন আয়ারল্যান্ড সম্পর্কে ভালো জানেন, এবং যোগ করেছিলাম, “আমার সময়ে আয়ারল্যান্ডের জন্য যা কিছু করা হয়েছে তার প্রায় সবই মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন করেছেন—গ্ল্যাডস্টোন ''যোগ'' [[w:ফেনিয়ান|ফেনিয়ানবাদ]], এবং ''যোগ'' আপনি।”
**[[w:রিচার্ড ব্যারি ও'ব্রায়েন|রিচার্ড ব্যারি ও'ব্রায়েন]], [[চার্লস স্টুয়ার্ট পার্নেল|চার্লস স্টুয়ার্ট পার্নেলের]] কাছে মন্তব্য, রিচার্ড ব্যারি ও'ব্রায়েনের ''দ্য লাইফ অফ চার্লস স্টুয়ার্ট পার্নেল, ১৮৪৬-১৮৯১, খণ্ড ২'' (১৮৯৮) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ৩৩৫–৩৩৬
*এই প্রজন্মের মানুষ তাকে হাউস অফ কমন্সের সবচেয়ে মহান সংসদ সদস্য হিসেবে স্থান দিতে একমত হবেন।
**[[w:টি. পি. ও'কনর|টি. পি. ও'কনর]], ''ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোন, স্টেটসম্যান, ওরেটর, স্কলার অ্যান্ড থিওলজিয়ান'' (১৯০৮), ডেভিড বেবিংটন এবং রজার সুইফট (সম্পাদিত), ''গ্ল্যাডস্টোন সেন্টেনারি এসেস'' (২০০০) গ্রন্থে অ্যালান ও'ডে, ‘গ্ল্যাডস্টোন অ্যান্ড আইরিশ ন্যাশনালিজম’-এ উদ্ধৃত, পৃ. ১৭১
*তাহলে তিনি এমনটিই ছিলেন। তার প্রতিটি গুণাবলীতে একটি বিস্ময় এবং একটি লক্ষণ। তার বিশাল বৌদ্ধিক ক্ষমতায়, তার অদম্য সাহসে, তার অবিরাম শক্তিতে, তার প্রচণ্ড শারীরিক কার্যকলাপ এবং শক্তিতে, তার রাজনৈতিক আবেগের তীব্রতা এবং উদ্দীপনায়, তার উদ্দেশ্যের দৃঢ়তা এবং ঝড়ে তিনি একজন একক এবং নির্জন মানুষের চেয়ে একটি মূর্ত ঘূর্ণিঝড়ের মতো ছিলেন, যা তার সময়ের মধ্য দিয়ে প্রবল, অপ্রতিরোধ্য, নির্দয়ভাবে ছুটে চলছিল। এবং যে মানুষটি তাকে ভালোবেসে বা ঘৃণা করে দেখেছে এবং জেনেছে, সে নিজেকে বলতে পারে যে এই পৃথিবীতে আমরা আর কখনও তার মতো কাউকে দেখতে পাব না।
**[[w:টি. পি. ও'কনর|টি. পি. ও'কনর]], ''ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোন, স্টেটসম্যান, ওরেটর, স্কলার অ্যান্ড থিওলজিয়ান'' (১৯০৮), ডেভিড বেবিংটন এবং রজার সুইফট (সম্পাদিত), ''গ্ল্যাডস্টোন সেন্টেনারি এসেস'' (২০০০) গ্রন্থে অ্যালান ও'ডে, ‘গ্ল্যাডস্টোন অ্যান্ড আইরিশ ন্যাশনালিজম’-এ উদ্ধৃত, পৃ. ১৭১
*গ্ল্যাডস্টোন শীঘ্রই তার নিজের পথ পেয়ে যাবেন। আর যখনই তিনি আমার জায়গা পাবেন, আমাদের অদ্ভুত ঘটনা ঘটবে... তিনি একজন বিপজ্জনক মানুষ, তাকে অক্সফোর্ডে রাখুন, এবং তিনি আংশিকভাবে মুখবন্ধ থাকবেন। কিন্তু তাকে অন্য কোথাও পাঠান, এবং তিনি বন্য হয়ে ছুটবেন।
** [[হেনরি টেম্পল, ৩য় ভিসকাউন্ট পামারস্টন|লর্ড পামারস্টন]], সংসদের বিলুপ্তির সময় লর্ড শাফটসবারির কাছে মন্তব্য (জুলাই ১৮৬৫), ই. হডারের ''দ্য লাইফ অ্যান্ড ওয়ার্ক অফ দ্য সেভেনথ আর্ল অফ শাফটসবারি, খণ্ড ৩'' (১৮৮৬) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ১৮৭–১৮৮
* এই চিঠিগুলো যেমনটি দেখায়, যে মানুষটিকে [[জন ডালবার্গ-অ্যাক্টন, ১ম ব্যারন অ্যাক্টন|লর্ড অ্যাক্টন]] অন্য সবার চেয়ে বেশি সম্মান করতেন এবং শ্রদ্ধা করতেন তিনি হলেন মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন। মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন তার বৈশিষ্ট্যমূলক বিনয়ের সাথে সর্বদা ঐতিহাসিক বিষয়ে লর্ড অ্যাক্টনের বিচারের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করতেন। অন্যদিকে, লর্ড অ্যাক্টন, যিনি অত্যন্ত অতি-সমালোচক ছিলেন এবং বীর-উপাসনার ঠিক বিপরীত ছিলেন। যদি কখনও কোনো প্রতিমা ধ্বংসকারী থেকে থাকেন, তবে তিনি মিস্টার গ্ল্যাডস্টোনকে জীবিত বা মৃত প্রথম ইংরেজ রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে বিবেচনা করতেন।
** [[w:হার্বার্ট পল|হার্বার্ট পল]], পরিচায়ক স্মৃতিচারণ, ''লেটারস অফ লর্ড অ্যাক্টন টু মেরি, ডটার অফ দ্য রাইট অনারেবল ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোন'' (১৯০৪) [https://books.google.com/books?id=nV0wAAAAIAAJ&pg=PR60 পৃ. ৬০]
*আপনি সম্ভবত শুনেছেন আমরা ট্যারিফের বিষয়ে আলোচনা শেষ করেছি। আমি আপনার ছেলের অর্জিত পার্থক্যের জন্য, যে পদ্ধতিতে তিনি সেই আলোচনাগুলোতে এবং অফিসে নিয়োগের পর থেকে অন্যান্য সমস্ত আলোচনায় নিজেকে পরিচালিত করেছেন, তার জন্য আপনাকে আন্তরিকভাবে অভিনন্দন জানানোর প্রলোভন থেকে নিজেকে আটকাতে পারছি না, তা শুধু আমার নিজের অনুভূতির তৃপ্তির জন্যই হোক না কেন। সংসদের ইতিহাসে কখনও সক্ষমতা, বিস্তৃত জ্ঞান, মেজাজ এবং বিচক্ষণতার এমন প্রশংসনীয় সংমিশ্রণ প্রদর্শিত হয়নি। আপনার ছেলে যে বৌদ্ধিক প্রচেষ্টা করেছেন তার স্বাভাবিক এবং ন্যায়সঙ্গত সাফল্যের দ্বারা আপনার পিতৃসুলভ অনুভূতিগুলো সর্বোচ্চ মাত্রায় তৃপ্ত হতে হবে। এবং একজন বাবা হিসেবে আপনি অত্যন্ত আনন্দিত হবেন এই ভেবে যে, তার ক্ষেত্রে এ ধরনের প্রচেষ্টা করার ক্ষমতা হৃদয়ের পবিত্রতা এবং আচরণের সততার সাথে মিলিত হয়েছে।
**[[রবার্ট পিল]] [[w:স্যার জন গ্ল্যাডস্টোন, ১ম ব্যারোনেট|জন গ্ল্যাডস্টোনকে]] লেখা চিঠি (১৬ জুন ১৮৪২), জন মর্লির ''দ্য লাইফ অফ উইলিয়াম এওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন, খণ্ড ১'' (১৯০৩) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ২৫৭
*একবার মধ্যাহ্নভোজে গ্ল্যাডস্টোন তরুণ প্রজন্মের ওপর এক তীব্র আক্রমণে মেতে উঠেছিলেন। তিনি [[ধ্রুপদী প্রাচীনত্ব|ধ্রুপদী সাহিত্য]] সম্পর্কে তাদের সমস্ত জ্ঞানের অভাবের ওপর অবজ্ঞা বর্ষণ করেছিলেন। এবং তার বিষয়টি বোঝাতে এবং এখনকার শোচনীয় অজ্ঞতা দেখাতে তিনি হঠাৎ আমার দিকে ফিরলেন। আমার বয়স তখন তেরো এবং আমি [[w:ইটন কলেজ|ইটনে]] ছিলাম। কিন্তু ধ্রুপদী সাহিত্য সম্পর্কে আমার জ্ঞান শূন্য ছিল। তিনি আমাকে [[হোরেস|হোরেসের]] একটি উদ্ধৃতিতে কোনো শব্দাংশের পরিমাণ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছিলেন। আমি কখনও উদ্ধৃতিটি শুনিনি এবং এটি দীর্ঘ বা ছোট সে সম্পর্কে আমার কোনো ধারণা ছিল না। কিন্তু যেহেতু আমার কাছ থেকে স্পষ্টতই কিছু বলার আশা করা হয়েছিল তাই আমি বললাম "দীর্ঘ"। তিনি টেবিলে আঘাত করলেন এবং বিজয়ের সুরে চিৎকার করে উঠলেন, "সবাই তা-ই বলে", এবং আমার মনে হলো যেন আমি ভুল করে কোনো বিজয়ীকে সমর্থন করেছি। তারপর তিনি তার মহিমান্বিত ভঙ্গিতে চালিয়ে গেলেন, "তবে এটি ভুল, সম্পূর্ণ ভুল; এটি ছোট, দীর্ঘ নয়।" এবং এর জন্য খুব জোরালো কারণ দেওয়ার পর তিনি এগিয়ে গেলেন: "পরের বার যখন আপনি হোরেসের [[ওডস (হোরেস)|ওডস]] করবেন, তখন আপনি উঠে দাঁড়িয়ে মাস্টারকে জিজ্ঞাসা করবেন এটি ছোট নাকি দীর্ঘ। এবং তিনি যখন উত্তর দেবেন, যেমনটি তিনি নিঃসন্দেহে দেবেন, যে এটি দীর্ঘ, তখন আপনি বলবেন "না, স্যার, আপনি ভুল।" এবং আমি এইমাত্র যে কারণগুলো দিয়েছি তা আপনি পুনরাবৃত্তি করবেন।" আমি নিজেকে তেরো বছরের এক ফ্যাকাশে যুবক হিসেবে দেখতে পাচ্ছিলাম, যে দাঁড়িয়ে আছে এবং ধ্রুপদী মাস্টারের জন্য একটি ফাঁদ পাতছে, এবং তারপর ব্যাখ্যার জগাখিচুড়ি তৈরি করছে। আমি বেশ অনিবার্য ফলাফলটিও আগে থেকে দেখতে পাচ্ছিলাম, যা ধৃষ্টতার জন্য একটি উত্তম প্রহার হবে। আমি কখনই তার পরামর্শটি পালন করিনি।
**[[w:ফ্রেডেরিক পনসনবি, ১ম ব্যারন সিসনবি|ফ্রেডেরিক পনসনবি]], ''রেকালেকশনস অফ থ্রি রেইনস'' (১৯৫১), পৃ. ৩-৪
*দুর্গত ও নিপীড়িত জাতিগুলোর পক্ষে মিস্টার গ্ল্যাডস্টোনের দীর্ঘ ও উদ্যমী প্রচেষ্টা দেখায় যে তার মহান উপহারগুলো কেবল তার নিজের দেশবাসীর জন্যই নয়, সাধারণ মানবতার জন্যও একচেটিয়াভাবে ব্যবহৃত হয়নি।
**[[w:জর্জ পটার (ট্রেড ইউনিয়নবাদী)|জর্জ পটার]], ''লাইফ অফ ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোন'' (১৮৮৫), ই. এফ. বিয়াগিনির ''ব্রিটিশ ডেমোক্রেসি অ্যান্ড আইরিশ ন্যাশনালিজম, ১৮৭৬–১৯০৬'' (২০০৭) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ৩৯
*বিনা পরিশ্রমে—আমার কাছে এমনটিই মনে হয়েছিল—মহান বাগ্মী তার দর্শকদের প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে ধরে রেখেছিলেন। আমি এত দূরে দাঁড়িয়েছিলাম যে বৈশিষ্ট্যগুলো অস্পষ্ট ছিল, কিন্তু বিস্ময়কর কণ্ঠস্বরের সুর এবং চুম্বকত্বে মন্ত্রমুগ্ধ হয়েছিলাম। আমি আগে কখনো এই লোকটির মতো কোনো বক্তার কথা শুনিনি। তিনি যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছিলেন তার গুণাগুণ সম্পর্কে আমি সামান্যই জানতাম এবং কম পরোয়া করতাম। আমি কেবল একটি মহান মানবিক ব্যক্তিত্বের উপস্থিতি সম্পর্কে সচেতন ছিলাম যার জাদুতে আমি ছিলাম এবং যার কাছ থেকে আমি কোনোভাবেই বাঁচতে পারছিলাম না। শব্দের জাদুটি তার বিস্ময়কর কণ্ঠে ছিল। এবং তিনি যা বলেছিলেন তা যদি আমার কাছে অবোধ্যও হতো, তবুও তার কণ্ঠস্বর অনুপ্রেরণা এবং উত্তরণের ক্ষমতার মতো কিছু একটা নিয়ে এসেছিল।
**[[w:ফ্রেডেরিক রজার্স (বুকবাইন্ডার)|ফ্রেডেরিক রজার্স]], ব্ল্যাকহিথে গ্ল্যাডস্টোনের ১৮৭১ সালের অক্টোবরের বক্তৃতার কথা স্মরণ করে, ''লেবার, লাইফ অ্যান্ড লিটারেচার: সাম মেমোরিস অফ সিক্সটি ইয়ারস'' (১৯১৩) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ২৫
* '''তার [[শক্তি|শক্তির]] ত্রুটিগুলো তার ওপর বাড়তে থাকে। সব কালো খুব কালো, সব সাদা খুব সাদা।'''
** [[w:আর্কিবল্ড প্রিমরোজ, ৫ম আর্ল অফ রোজবেরি|লর্ড রোজবেরি]], ডায়েরি এন্ট্রি (৪ আগস্ট ১৮৮৭)
*একসময় রাস্কিন এবং মিস্টার জি.র মধ্যে সামান্য বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বৈরথের মতো কিছু একটা ঘটেছিল, যখন রাস্কিন সরাসরি তার আয়োজককে "সমতা বিধানকারী" হিসেবে আক্রমণ করেছিলেন। "আপনি দেখেন আপনি মনে করেন একজন মানুষ অন্যের মতোই ভালো এবং সব মানুষ রাজনৈতিক প্রশ্নে সঠিকভাবে বিচার করতে সমানভাবে পারদর্শী। অথচ আমি অভিজাততন্ত্রে বিশ্বাসী।" এবং সরাসরি মিস্টার গ্ল্যাডস্টোনের কাছ থেকে উত্তর এল, "'''ওহ ডিয়ার, না! আমি এ ধরনের কিছুই নই। আমি অভিজাত নীতিতে একজন দৃঢ় বিশ্বাসী—সেরাদের শাসন। আমি একজন চরম অসমতাবাদী'''।" এটি এমন একটি স্বীকারোক্তি যা রাস্কিন তীব্র আনন্দের সাথে গ্রহণ করেছিলেন এবং বিজয়ীভাবে হাততালি দিয়েছিলেন।
**[[জন রাস্কিন]] এবং গ্ল্যাডস্টোনের মধ্যে কথোপকথনের একটি বিবরণ, জন মর্লির ''দ্য লাইফ অফ উইলিয়াম এওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন, খণ্ড ২'' (১৯০৩), পৃ. ৫৮২ এবং জন রাস্কিনের ''লেটারস টু এম. জি. অ্যান্ড এইচ. জি.'' (১৯০৩) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ২৬-২৭
*দর্শকের পরামর্শে [[w:হাওয়ার্ডেন ক্যাসেল (অষ্টাদশ শতক)|হাওয়ার্ডেনে]] একটি খেলা খেলা হয়েছিল (যদি তা সঠিক শব্দ হয়)। প্রত্যেক ব্যক্তিকে বলতে হয়েছিল যে তারা অতীত বা ভবিষ্যতের কোন দিনটিতে বাঁচতে বেছে নেবে। এটি শর্ত ছিল যে তার বর্তমান জ্ঞান থাকতে হবে এবং এরপর সে বর্তমান অস্তিত্বে ফিরে আসবে। মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন বলেছিলেন [[প্রাচীন গ্রিস|প্রাচীন গ্রিসের]] একটি দিন যখন [[অ্যাথেন্স]] তার সর্বোচ্চ গৌরবে ছিল। দর্শক বলেছিলেন তিনি [[w:পেন্টেকোস্ট|পেন্টেকোস্টের]] দিনটি বেছে নেবেন। এতে মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন কিছুটা লজ্জিত হয়ে তার আগের পছন্দ প্রত্যাহার করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন তিনি "প্রভুর সাথে একটি দিন" নির্বাচন করবেন।
**[[w:এডওয়ার্ড রাসেল, ১ম ব্যারন রাসেল অফ লিভারপুল|ই. আর. রাসেল]], ''দ্যাট রিমাইন্ডস মি—'' (১৯০০), পৃ. ১২৩-১২৪
* '''তিনিই প্রথম চ্যান্সেলর অব দি এক্সচেকার যিনি বাজেটকে আকর্ষণীয় করে তুলেছিলেন।''' বলা হতো, "তিনি দোকানের কথা বলতেন একজন দশম মিউজের মতো।" তিনি সবচেয়ে নীরস ব্যয় এবং লাভের প্রশ্নগুলোতে তার উজ্জ্বল বাগ্মিতার সমস্ত সম্পদ প্রয়োগ করতে পারতেন। তিনি বিয়ারকে রোমান্টিক এবং চিনিকে সিরিয়াস করতে পারতেন। তিনি আর্থিক ভবিষ্যতের সবচেয়ে বিস্তৃত দিগন্ত পরিষ্কার করতে পারতেন। তবুও পেনি স্ট্যাম্প এবং আধা-ফারথিংয়ের আর্থিক যোগ্যতার মতো ক্ষুদ্রতম বিষয়গুলোতে সর্বোচ্চ মনোযোগ দিতে নিচে নামতে পারতেন।
** [[w:জর্জ উইলিয়াম এরস্কিন রাসেল|জি. ডব্লিউ. ই. রাসেল]], [http://www.gutenberg.org/files/11665/11665-8.txt ''কালেকশনস অ্যান্ড রেকালেকশনস''] (১৮৯৮): অধ্যায় ১২: পার্লামেন্টারি ওরেটরি
*জীবিতদের তালিকা থেকে এই শতাব্দীর সবচেয়ে বিশিষ্ট রাজনৈতিক নামটি প্রত্যাহার করা হয়েছে। তিনি যা চেয়েছিলেন তা হলো মহান আদর্শের অর্জন। সেগুলো সঠিক বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে থাকুক বা না থাকুক, সেগুলো সর্বশ্রেষ্ঠ এবং বিশুদ্ধতম নৈতিক আকাঙ্ক্ষা থেকে ছাড়া আর কিছুই থেকে আসতে পারে না। তিনি তার দেশবাসীর দ্বারা সম্মানিত কারণ এত বছর ধরে, এতগুলো উত্থান-পতন এবং দ্বন্দ্বের মধ্য দিয়ে তারা তার কর্মের এই একটি বৈশিষ্ট্যকে স্বীকৃতি দিয়েছে যা তাকে কখনই ছাড়েনি, তাকে রঙিন করা বন্ধ করেনি। তিনি বিশেষ করে তাদের কাছে যারা তার শেষ বছরগুলোর ইতিহাস গভীর আগ্রহের সাথে অনুসরণ করেছেন। একজন মহান খ্রিস্টান রাষ্ট্রনায়কের স্মৃতি রেখে যাবেন, যা অগত্যা উঁচুতে স্থাপিত হয়েছে, যেখান থেকে তার চরিত্র, তার উদ্দেশ্য এবং তার উদ্দেশ্যগুলোর দৃশ্য এমনভাবে অবস্থিত ছিল যাতে এটি সমগ্র বিশ্বকে আঘাত করতে পারে। তিনি যে প্রজন্মে বাস করতেন তার রাজনৈতিক চিন্তাধারা এবং সামাজিক চিন্তাধারায় এটি একটি গভীর এবং সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর প্রভাব রেখে যাবে। তিনি দীর্ঘকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবেন, তিনি যে কারণগুলোতে যুক্ত ছিলেন বা তিনি যে রাজনৈতিক প্রকল্পগুলোর পক্ষে ছিলেন তার জন্য এতটা নয়, বরং একজন মহান খ্রিস্টান মানুষ হিসেবে, যার সমকক্ষ ইতিহাস খুব কমই প্রদান করে।
**[[রবার্ট গ্যাসকোয়েন-সেসিল, ৩য় মার্কুইস অফ সালিসবারি|লর্ড স্যালিসবেরি]], [https://api.parliament.uk/historic-hansard/lords/1898/may/20/death-of-mr-gladstone#S4V0058P0_18980520_HOL_59 হাউস অফ লর্ডসে দেওয়া ভাষণ (২০ মে ১৮৯৮)]
*এমন একজন ব্যক্তি ছিলেন যিনি কেবল অতুলনীয় সুযোগের সাথে উচ্চ ক্ষমতাকে একত্রিত করেননি, বরং কীভাবে বাজেটকে রাজনৈতিক বিজয়ে পরিণত করতে হয় তাও জানতেন। তিনি অর্থনৈতিক উদারনীতির সবচেয়ে বড় ইংরেজ অর্থদাতা হিসেবে ইতিহাসে দাঁড়িয়ে আছেন, গ্ল্যাডস্টোন। গ্ল্যাডস্টোনিয়ান অর্থায়ন ছিল 'প্রাকৃতিক স্বাধীনতা,' [[অবাধ নীতি|লেসে-ফেয়ার]] এবং [[অবাধ বাণিজ্য|অবাধ বাণিজ্যের]] ব্যবস্থার অর্থায়ন। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল ব্যক্তিগত ক্রিয়াকলাপের আর্থিক বাধা দূর করা। আর এর জন্য সরকারি ব্যয় কম রাখা প্রয়োজন ছিল। ব্যয় সংকোচন ছিল সেদিনের বিজয়ী স্লোগান। সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ ছিল সেই রাজস্ব সংগ্রহ করা যা এখনও এমনভাবে সংগ্রহ করতে হবে যাতে সমস্ত কর না থাকলে অর্থনৈতিক আচরণ যতটা বিচ্যুত হতো, তার চেয়ে যতটা সম্ভব কম বিচ্যুত হয় ('কেবলমাত্র রাজস্বের জন্য কর')। আর যেহেতু লাভের উদ্দেশ্য এবং সঞ্চয়ের প্রবণতাকে সমস্ত শ্রেণির অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হতো, এর অর্থ বিশেষ করে এই ছিল যে করের ফলে ব্যবসার নিট উপার্জনে যতটা সম্ভব কম হস্তক্ষেপ করা উচিত। পরোক্ষ করের বিষয়ে ন্যূনতম হস্তক্ষেপের নীতিকে গ্ল্যাডস্টোন ব্যাখ্যা করেছিলেন এই বলে যে করকে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নিবন্ধের ওপর ঘনীভূত করা উচিত এবং বাকিগুলো বিনামূল্যে ছেড়ে দেওয়া উচিত। সবশেষে আমরা ভারসাম্যপূর্ণ বাজেটের নীতিটি পাই।
**[[জোসেফ শুম্পেটার]], ''হিস্ট্রি অফ ইকোনমিক অ্যানালাইসিস'' (১৯৫৪), পৃ. ৪০২-৪০৪
*আমি সন্দেহ করতে পারি না যে সঠিক মাননীয় ভদ্রলোক, অবাধ বাণিজ্যের প্রবক্তা, অচিরেই চিন্তার সবচেয়ে অবাধ স্বাধীনতার প্রবক্তা হয়ে উঠবেন।
**[[w:রিচার্ড লালর শেইল|রিচার্ড লালর শেইল]], [[w:লেডি হিউলে ট্রাস্ট#ডিসেন্টারস চ্যাপেল আইন ১৮৪৪|ডিসেন্টিং চ্যাপেলস বিল]] নিয়ে বিতর্কের সময় হাউস অফ কমন্সে [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1844/jun/06/dissenters-chapels-bill#S3V0075P0_18440606_HOC_20 ভাষণ] (৬ জুন ১৮৪৪)
*আমি এমনকি গ্ল্যাডস্টোনের সেই ছোট ঝলকটিকেও ঈর্ষা করি যা আপনি অ্যাবেরিস্টউইথে আসার সময় পেয়েছিলেন। আমি নিশ্চিত যে সেই ঐতিহাসিক দিনগুলোতে একজন কানাডীয় যুবক হিসেবে গ্ল্যাডস্টোন আমার কাছে কী অর্থ বহন করতেন সে সম্পর্কে আপনার কোনো ধারণা নেই। আমার দাদা একজন কঠোর প্রেসবাইটেরিয়ান এবং সমানভাবে কঠোর লিবারেল ছিলেন। আমি নিশ্চিত যে তার কাছে গ্ল্যাডস্টোনের বক্তৃতা প্রায় বাইবেলের সমতুল্য ছিল। আমি সেই পরিবেশে বড় হয়েছি এবং প্রাথমিক প্রশিক্ষণটি সত্যিই কখনও কাটিয়ে উঠিনি। আসলে, আমি এটি কাটিয়ে উঠতে চাইনি কারণ এটি একটি দুর্দান্ত দৃষ্টিভঙ্গি, যা এর মানবতা এবং ন্যায়বিচারের অনুভূতিতে সমৃদ্ধ।
**[[w:জেমস টি. শটওয়েল|জেমস টি. শটওয়েল]] থেকে [[w:থমাস জোনস (সরকারি কর্মচারী)|থমাস জোনস]] (৬ জানুয়ারি ১৯৫০), থমাস জোনসের ''আ ডায়েরি উইথ লেটারস, ১৯৩১–১৯৫০'' (১৯৫৪) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ৫৪৭
*শনিবার বিকেলে গ্রিনউইচে দাঁড়িয়ে আমি যখন আধুনিক সময়ের সবচেয়ে মহান বাগ্মী এবং রাষ্ট্রনায়কের জ্বলন্ত কথাগুলো শুনছিলাম, তখন আমার মনে হলো যেন আমি রাজনীতির এক পবিত্র অঞ্চলে উন্নীত হয়েছি। যেখানে টোরিরা দুর্নীতি করতে পারে না বা জিঙ্গোরা ভেঙে পড়তে এবং চিৎকার করতে পারে না।
**''রেফারি''-তে (১৮৭৭) [[w:জর্জ রবার্ট সিমস|জর্জ রবার্ট সিমস]], গ্রিনউইচে গ্ল্যাডস্টোনের ১৮৭১ সালের বক্তৃতার কথা স্মরণ করে, ফ্রেডেরিক রজার্সের ''লেবার, লাইফ অ্যান্ড লিটারেচার: সাম মেমোরিস অফ সিক্সটি ইয়ারস'' (১৯১৩) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ২৫-২৬
*শ্রমিকদের স্বাভাবিক ধর্ম গ্ল্যাডস্টোনিয়ানবাদ, এই প্রায় সার্বজনীন 'সাধারণ ধারণা'।
**[[w:জন স্ট্রেচি (সাংবাদিক)|জন স্ট্রেচি]], ‘ইনফ্রিঞ্জিং আ পলিটিক্যাল প্যাটেন্ট’, ''দ্য নাইনটিনথ সেঞ্চুরি'' ৩৭ (ফেব্রুয়ারি ১৮৯৫), পৃ. ২০৮
*আমরা সবাই একমত হতে পারি যে [[চার্লস জর্জ গর্ডন|গর্ডনকে]] মুক্তি দিতে ব্যর্থ হওয়া গ্ল্যাডস্টোনের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে অপমানজনক পর্ব ছিল।
**[[এ. জে. পি. টেলর]], 'আ ক্র্যাকড হিরো', ''দ্য ম্যানচেস্টার গার্ডিয়ান'' (২৯ অক্টোবর ১৯৫৪), পৃ. ৪
*স্যার, আমি কেবল আপনাকে বলতে পারি যে আমি তাকে যতই গভীরভাবে অবিশ্বাস করি না কেন এবং সামগ্রিকভাবে তার বাগ্মিতার বাহ্যিক গুণাবলীকে আমি যতই হালকাভাবে মূল্যায়ন করি না কেন, আমি কখনও মানুষের ওপর তার প্রভাব দেখে বিস্মিত না হয়ে তাকে কয়েক মিনিটের জন্যও শুনিনি। একজন [[w:কোভেনান্টার|কোভেনান্টারের]] মতো কঠোর অথচ একজন কৌতুক অভিনেতার মতো মোবাইল সেই সাদা-তপ্ত মুখ। সেই অস্থির জ্বলজ্বলে চোখ। সেই বিস্ময়কর কণ্ঠস্বর, উত্তরের সুর যার সমৃদ্ধি বাড়িয়ে তোলে, যেমন কাঠের স্পর্শ একটি দুর্লভ পুরোনো ওয়াইনের মাধুর্য বের করে আনে। তার বাচনের নিপুণ তাল। তার ভঙ্গির প্রাণবন্ত শক্তি। তার অঙ্গভঙ্গির সূক্ষ্ম সজীবতা। স্যার, যখন আমি চোখ এবং কানের মাধ্যমে আক্রমণকারীদের এই কম্প্যাক্ট ফ্যালানক্স দ্বারা আক্রান্ত হই, তখন কী আশ্চর্য যে ইন্দ্রিয়ের ঝড়ো ঘাঁটিগুলো মনের প্রধান শিবিরে তাদের নিজস্ব আত্মসমর্পণের ছোঁয়াচ ছড়িয়ে দেবে। এবং আমার বিচারের বিরুদ্ধে, আমার বিবেকের অবজ্ঞায়, না, আমার ইচ্ছার অবজ্ঞায়, আমাকে চিৎকার করে বলতে হবে: "এটি সত্যিই সত্য এবং প্রজ্ঞার কণ্ঠস্বর। এই লোকটি তার সঙ্গীদের চেয়ে সৎ এবং বিচক্ষণ। তাকে বিশ্বাস করতে হবে। তাকে মানতে হবে।"
**[[w:হেনরি ডাফ ট্রেইল|হেনরি ডাফ ট্রেইল]], ''দ্য নিউ লুসিয়ান, বিয়িং আ সিরিজ অফ ডায়ালগস অফ দ্য ডেড'' (১৮৮৪), পৃ. ১৭৯
* '''তিনি আমার সাথে এমনভাবে কথা বলেন যেন আমি কোনো জনসভা।'''
** [[যুক্তরাজ্যের ভিক্টোরিয়া|রানি ভিক্টোরিয়া]], জি. ডব্লিউ. ই. রাসেলের ''কালেকশনস অ্যান্ড রেকালেকশনস'' (১৮৯৮) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ১৪০
* বেচারা, তিনি খুব চালাক ছিলেন এবং দেশের উন্নতি ও অগ্রগতির জন্য ধারণায় পূর্ণ ছিলেন। তিনি ব্যক্তিগতভাবে আমার প্রতি সবসময় সবচেয়ে অনুগত ছিলেন এবং রাজপরিবারের জন্য যেকোনো কিছু করতে প্রস্তুত ছিলেন। কিন্তু হায়! আমি নিশ্চিত যে অনিচ্ছাকৃতভাবেই তিনি মাঝে মাঝে বেশ ক্ষতি করেছিলেন। তার কথা বলার এবং জনতাকে তার সাথে নিয়ে যাওয়ার এক চমৎকার ক্ষমতা ছিল।
** রানি ভিক্টোরিয়া, গ্ল্যাডস্টোনের মৃত্যুর খবরে ডায়েরি এন্ট্রি, ১৯ মে ১৮৯৮
*গ্ল্যাডস্টোনের জীবন পড়ছি। এটা লক্ষ করা আকর্ষণীয় যে যখন, দশ বছরের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার পর, তিনি নিশ্চিত হয়েছিলেন রাষ্ট্রকে একটি অবিশ্বাসী রাষ্ট্র হতে হবে এবং ধর্মীয় সত্য প্রচারের জন্য ব্যবহার করা যাবে না। তিনি সরাসরি এমন একজন ''[[অবাধ নীতি|লেসে-ফেয়ার]]'' গণতন্ত্রীতে পরিণত হয়েছিলেন যিনি অবিচলভাবে সরকারের কার্যকারিতা হ্রাস করার নীতি আঁকড়ে ধরেছিলেন। এবং কোনো ব্যক্তি আগে থেকে রাজি না হওয়া পর্যন্ত কিছুই না করার নীতি আঁকড়ে ধরেছিলেন। তাই তার জাতীয়তার মতবাদ এবং শেষ পর্যন্ত [[w:আইরিশ হোমরুল আন্দোলন|আইরিশ হোমরুল]]। এর সাথে যুক্ত করুন বুদ্ধিবৃত্তিক বিশ্বাসের অকৃত্রিম পরিবর্তন, শহরের শ্রমিকদের অপরিপক্ব গণতন্ত্রের সাথে একমত হওয়ার শক্তিশালী আবেগ এবং একজন পুনরুজ্জীবনকারী প্রচারক হিসেবে তার অসামান্য প্রতিভার কারণে, এর নেতৃত্ব দেওয়া। আপনি ১৮৬৯-৮০ সালের গ্ল্যাডস্টোনকে পাবেন। ১৮৮০ সালের পর শহরের শ্রমিকদের নতুন গণতন্ত্রের সামষ্টিকবাদী প্রবণতার প্রতি তার সহানুভূতি ছিল না। এবং তিনি একজন প্রতিক্রিয়াশীল হয়ে উঠেছিলেন, নতুন ধর্মমতের ভয়ে এবং নতুন প্রেরিতদের ঘৃণা করে করুণভাবে [[w:ননকনফর্মিস্ট (প্রোটেস্ট্যান্ট মতবাদ)|ননকনফর্মিস্ট]] মধ্যবিত্তদের কাছে আবেদন করেছিলেন। তার আত্মা তার নিজস্ব নীতিগুলোতে মোড়ানো ছিল—ধর্মীয় এবং অর্থনৈতিক—প্রতিটি জলরোধী বগিতে সেট করা। তিনি কখনই ধারণার নতুন ক্রম উপলব্ধি করতে পারেননি। তাছাড়া তিনি সামাজিকভাবে একজন অভিজাত ছিলেন এবং ধন-সম্পদ ও রাজনৈতিক ক্ষমতায় ''পারভেনু''কে অপছন্দ করতেন। যেমন [[জোসেফ চেম্বারলেইন|চেম্বারলেইন]]।
**[[w:বিয়াট্রিস ওয়েব|বিয়াট্রিস ওয়েব]], ডায়েরি এন্ট্রি (৩ নভেম্বর ১৯০৩), বিয়াট্রিস ওয়েবের ''আওয়ার পার্টনারশিপ'', সম্পাদিত বারবারা ড্রেক এবং মার্গারেট আই. কোল (১৯৪৮) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ২৭৫
* আহ, অক্সফোর্ড ওপরে, কিন্তু লিভারপুল নিচে।
** গ্ল্যাডস্টোনের বাজেটে কমন্সে একজন নামহীন হুইগের মন্তব্য (ফেব্রুয়ারি ১৮৬০), ''ন্যাশনাল রিভিউ''-তে (জুলাই ১৮৬০) [[ওয়াল্টার ব্যাজেট|ওয়াল্টার ব্যাজেটের]] "মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন" হিসেবে রিপোর্ট করা হয়েছে।
*গ্ল্যাডস্টোন আইরিশ সমস্যার সমাধান করতে ব্যর্থ হলেও—যদিও তিনি এটিকে শীতল করার জন্য অনেক কিছু করেছিলেন—আমার সময়ের কোনো রাজনীতিবিদ তাকে সমালোচনা করার মতো অবস্থানে নেই। তিনি খুব প্রয়োজনীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য অনেক সময় এবং প্রচেষ্টা উৎসর্গ করেছিলেন। উদাহরণস্বরূপ, পৃষ্ঠপোষকতার পরিবর্তে প্রতিযোগিতার জন্য সিভিল সার্ভিস উন্মুক্ত করা। সেনাবাহিনীর কমিশন কেনার ব্যবস্থা বাতিল করা। তার দৃষ্টান্তেই বিচার ব্যবস্থা নাটকীয়ভাবে সংস্কার করা হয়েছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের ধর্মীয় পরীক্ষার ভিত্তিতে আমাদের মহান বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে প্রবেশের সমাপ্তি ঘটেছিল। তিনি [[w:উইলিয়াম এডওয়ার্ড ফরস্টার|ফরস্টারের]] [[w:প্রাথমিক শিক্ষা আইন ১৮৭০|শিক্ষা আইনের]] মাধ্যমে জাতীয় শিক্ষায় দুর্দান্ত অগ্রগতির প্রধান রূপকার ছিলেন। প্রথমবারের মতো প্রাথমিক শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করেছিলেন। তিনি ডিসরায়েলির পূর্বদেশীয় নীতিতে ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন। এবং [[w:মিডলোথিয়ান প্রচারাভিযান|মিডলোথিয়ান প্রচারাভিযান]], যা সম্ভবত আমাদের ইতিহাসে রাজনৈতিক বক্তৃতার সর্বশ্রেষ্ঠ সিরিজ। এটি কেবল শ্রোতাদের পর শ্রোতাদেরই মুগ্ধ করেনি, বরং উদীয়মান জাতিগুলোর অধিকারের সমস্যার একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করেছে। এটি যুক্তিসঙ্গত যে পূর্ববর্তী বা পরবর্তী কোনো প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে এতটা অর্জন করতে পারেননি।
**[[হ্যারল্ড উইলসন]], হাওয়ার্ডেনে বক্তৃতা (১৯৮৬), পিটার জে. জ্যাগার (সম্পাদিত) এর ''গ্ল্যাডস্টোন'' (১৯৯৮) গ্রন্থে পিটার জে. জ্যাগার, ‘ইন্ট্রোডাকশন’-এ উদ্ধৃত, পৃ. ১২
*তিনিই সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ রাষ্ট্রনায়ক এবং আমি যখন বড় হব, তখন আমিও একজন মহান রাষ্ট্রনায়ক হওয়ার ইচ্ছে রাখি।
**[[উড্রো উইলসন]], ১৬ বছর বয়সে উইলসনের ডেস্কের ওপরে থাকা গ্ল্যাডস্টোনের ছবি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা একজন চাচাতো ভাইয়ের কাছে মন্তব্য (১৮৭৩), উইলিয়াম বার্কসডেল মেনার্ডের ''উড্রো উইলসন: প্রিন্সটন টু দ্য প্রেসিডেন্সি'' (২০০৮) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ৭
=== ''রেমিনিসেন্স অফ লর্ড কিলব্র্যাকেন'' (১৯৩১) ===
:<small>[[w:আর্থার গডলি, ১ম ব্যারন কিলব্র্যাকেন|লর্ড কিলব্র্যাকেন]] দ্বারা</small>
*সত্য হলো, আমি বিশ্বাস করি, রাজনৈতিক প্রশ্নগুলো সাধারণত তার মনে ন্যায়-অন্যায়ের নৈতিক প্রশ্ন হিসেবে দেখা দিত। তিনি প্রথম দেখায় এটি উপলব্ধি করতে অসুবিধা বোধ করতেন যে তার নিজের মতামতের বিপরীত কোনো মতামত কোনো সামান্য নৈতিক অবক্ষয় ছাড়াই ধারণ করা যেতে পারে।
**পৃ. ৭৯-৮০
*আমি মনে করি সামাজিক ও রাজনৈতিক বিষয়গুলো নিয়ে কোনো গুরুতর চিন্তাভাবনা করা আমার পরিচিত ব্যক্তিদের মধ্যে মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন ছিলেন সবচেয়ে শক্তিশালী সমাজতন্ত্র-বিরোধী। এটি বেশ সত্য, যেমনটি প্রায়শই বলা হয়েছে, "আমরা সবাই একটি নির্দিষ্ট পর্যায় পর্যন্ত সমাজতান্ত্রিক।" তবে মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন সেই পর্যায়টি আরও নিচে নির্ধারণ করেছিলেন, এবং যারা এর ওপরে গিয়েছিল তাদের বিরুদ্ধে আমার পরিচিত অন্য যেকোনো রাজনীতিবিদ বা কর্মকর্তার চেয়ে বেশি সোচ্চার ছিলেন। অবাধ বাণিজ্যের প্রতি তার দৃঢ় বিশ্বাস ছিল তার এই গভীর বিশ্বাসের একটি ফলাফল যে ব্যক্তির অবাধ ক্রিয়াকলাপে সরকারের হস্তক্ষেপ, তা করের মাধ্যমেই হোক বা অন্য কোনোভাবেই হোক, তা ন্যূনতম রাখা উচিত। সত্যি কথা বলতে কি, উদারনীতিবাদ সম্পর্কে তার ধারণা ছিল সমাজতন্ত্রের অবসান।
**পৃ. ৮৩-৮৪
*প্রয়োজনীয় সত্যটি ছিল তার সমস্ত আবেগের অসাধারণ তীব্রতা এবং প্রচণ্ডতা। আমরা যদি এক মুহূর্তের জন্য মানুষ সম্পর্কে চিন্তা করি, তারা অভ্যন্তরীণ শক্তি দ্বারা পরিচালিত হয় যা অশ্বক্ষমতার এককে পরিমাপ করা যায়। এবং আমরা যদি একজন সাধারণ মানুষের চিত্র ১০০ এবং একজন ব্যতিক্রমীভাবে উদ্যমী ব্যক্তির চিত্র ২০০ ধরি, তবে মিস্টার গ্ল্যাডস্টোনের অশ্বক্ষমতা ছিল কমপক্ষে ১,০০০। এবং এই বিশাল শক্তি যেকোনো দিকে এবং যেকোনো ছোট বা বড় উদ্দেশ্যে চালিত হতে পারে। সাধারণ মানুষ অলসভাবে এবং দুর্বলভাবে তাদের নিজ নিজ লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের দিকে ধাবিত হওয়া বিভিন্ন এবং অসংখ্য উদ্দেশ্য তার মধ্যে জ্বলন্ত তলোয়ার ছিল। এটি তাকে প্রায় অপ্রতিরোধ্য শক্তির সাথে সেই লক্ষ্যের দিকে ধাবিত করেছিল যার ওপর সেই মুহূর্তে তার পুরো মন নিবদ্ধ ছিল। এটি যোগ করার দরকার নেই যে এই তীব্র প্রাকৃতিক প্রচণ্ডতা, যা কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রিত এবং নির্দেশিত হয়েছিল, তা তার আধিপত্যের গোপন রহস্য ছিল। এটি সেই অসীম উৎসাহের গোপন রহস্য ছিল যা তিনি প্রায় সকলের মধ্যে জাগিয়ে তুলেছিলেন। তারা তাকে চিনত এবং হাজার হাজার মানুষের মধ্যে যারা তার মুখ দেখেনি বা তার কণ্ঠ শোনেনি।
**পৃ. ১২৩-১২৪
*একজন মানুষ হিসেবে, মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন নিজের একটি শ্রেণিতে ছিলেন। তিনি একজন অসাধারণ ভালো মানুষ ছিলেন। কিন্তু আমি মনে করি আমি তার মতো আরও ভালো কাউকে চিনতাম। তার বৌদ্ধিক উপহারগুলো বিস্ময়কর ছিল, কিন্তু খাঁটি বুদ্ধিমত্তার জন্য আমি অন্যদের চিনতাম যাদের আমি সমান বা উচ্চতর স্থান দেব। যা তাকে মানবজাতির বাকি অংশের থেকে আলাদা করেছিল তা হলো, প্রথমত, আমি যে বিশাল চালিকা শক্তির কথা বলেছিলাম তার সাথে এই গুণাবলীর সংমিশ্রণ। দ্বিতীয়ত, তিনি এই শক্তিশালী শক্তির ওপর যে কঠোর এবং কার্যকর নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছিলেন। এবং তৃতীয়ত, তার মনের আশ্চর্যজনকভাবে ব্যবহারযোগ্য গুণমান, যা সর্বদা তার নির্দেশে ছিল, সর্বদা পরিস্থিতি অনুযায়ী উঠত। এটি ব্যর্থভাবে তাকে অন্তহীন চিন্তাভাবনা, যুক্তি এবং শব্দ সরবরাহ করত। সম্ভবত চিন্তার এমন কিছু ক্ষেত্র ছিল যেখানে তিনি সহজে বা স্বাধীনভাবে চলাফেরা করতেন না, তবে সেগুলো এমন ছিল যে তাকে খুব কমই সেগুলোর সাথে নিজেকে জড়াতে হতো। এবং দ্রুত উপলব্ধি এবং একটি কঠিন বিষয়ের অন্তর্দৃষ্টির ক্ষেত্রে তিনি অপ্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন, যদি তা তার স্বাভাবিক দৃষ্টিসীমার মধ্যে পড়ে।
**পৃ. ১২৭
*আমি মনে করি বলা যেতে পারে যে তিনি স্বাভাবিক এবং অকৃত্রিমভাবে কেবল দুটি [রাষ্ট্রীয় বিভাগে] আগ্রহী ছিলেন। তা হলো ট্রেজারি এবং বোর্ড অফ ট্রেড। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাকে...পররাষ্ট্র বিষয়ক নিয়ে ভাবতে বাধ্য করা হয়েছিল...কিন্তু তার কাছে এটি সাধারণত একটি কাজের মতো ছিল। এবং তুরস্ক বা অন্য কোথাও "নিপীড়িত জাতিগুলোর" প্রতি তার উদার এবং প্রশংসনীয় আগ্রহ কার্যকর হওয়ার মতো ঘটনাগুলো ছাড়া, তার সমালোচনা এবং পরামর্শগুলো কম ছিল এবং প্রায় সবসময়ই [[শান্তি|শান্তি]], [[w:অ-হস্তক্ষেপবাদ|অ-হস্তক্ষেপ]] এবং ''[[অবাধ নীতি|লেসে-ফেয়ার]]'' এর দিকে ছিল... আমি তাকে কখনও এমন কোনো কথা বলতে শুনিনি যা নৌবাহিনী বা সেনাবাহিনীর প্রতি সামান্যতম আগ্রহ দেখায়, শুধু এইটুকু ছাড়া যে এগুলোর ব্যয়, যা তিনি সবসময় কমাতে আগ্রহী ছিলেন, তা প্রাক্কলনকে প্রভাবিত করত। প্রাচীন বা আধুনিক কোনো ব্রিটিশ অস্ত্রের কীর্তি নিয়ে তাকে গর্ব বা সন্তুষ্টির সাথে উল্লেখ করতে আমার মনে পড়ে না, যদিও তিনি তুর্কিদের সাথে তাদের যুদ্ধে "মন্টেনি-''গ্রিনদের''" সম্পর্কে প্রায়শই বাগ্মী ছিলেন, যেমনটি তিনি সবসময় তাদের ডাকতেন। যদি কখনও কোনো রাষ্ট্রনায়ক "শান্তির মানুষ" হিসেবে পরিচিত হওয়ার যোগ্য হন, তবে মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন সেই মানুষটি ছিলেন।
**পৃ. ১৩৫
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{commonscat|William Gladstone}}
* [http://hansard.millbanksystems.com/people/mr-we-gladstone/ হ্যানসার্ড ১৮০৩–২০০৫: উইলিয়াম গ্ল্যাডস্টোনের সংসদে অবদান]
* [http://www.attackingthedevil.co.uk/reviews/glad1.php ''রিভিউ অফ রিভিউজে'' ডব্লিউ. টি. স্টেড রচিত "মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন" চরিত্র চিত্রণ (১৮৯২)]
* [http://www.britannica.com/EBchecked/topic/234729/William-Ewart-Gladstone ''এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকাে'' উইলিয়াম এওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন নিবন্ধ]
* [http://www.badley.info/history/Gladstone-William-Ewart-Great-Britain.biog.html উইলিয়াম এওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন কালপঞ্জি বিশ্ব ইতিহাস ডেটাবেস]
* {{গুটেনবার্গ লেখক| id=W.+E.+Gladstone|name=উইলিয়াম এওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন}}
* [http://www.pm.gov.uk/output/Page145.asp ডাউনিং স্ট্রিট ওয়েবসাইটে উইলিয়াম এওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন সম্পর্কে আরও জানুন]
* [http://www.liberalhistory.org.uk/item_single.php?item_id=7&item=biography লিবারেল ডেমোক্র্যাট হিস্ট্রি গ্রুপ থেকে উইলিয়াম এওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন ১৮০৯–৯৮, জীবনী]
* [http://www.bbc.co.uk/radio4/factual/gramophones_grooves.shtml বিবিসি রেডিও – প্রোগ্রাম টুতে গ্ল্যাডস্টোনের কণ্ঠস্বরের রেকর্ডিং রয়েছে]
[[বিষয়শ্রেণী:১৮০৯-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৮৯৮-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের রাজনীতিবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের শিক্ষাবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের ধর্মতত্ত্ববিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:লিবারেল পার্টির (যুক্তরাজ্য) রাজনীতিবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]]
[[বিষয়শ্রেণী:বিরোধীদলীয় নেতা (যুক্তরাজ্য)]]
jjg7ujjmp9f9aheglrxvseo7kvwuk7g
রবার্ট জি. ইঙ্গারসোল
0
13381
83380
83250
2026-05-04T09:29:29Z
Dr. Mosaddek Khondoker
2987
/* উদ্ধৃতি */
83380
wikitext
text/x-wiki
[[File:Robert G. Ingersoll - Brady-Handy.jpg|thumb|right|[[ভালোবাসা]] একটি স্বাভাবিক বিষয়। সব [[অনুষ্ঠান|অনুষ্ঠানের]] পেছনে পবিত্র শিখা জ্বলে। এটি চিরকাল জ্বলবে। পৃথিবীর [[ইতিহাস|ইতিহাসে]] এমন কোনো সময় ছিল না যখন এই মশাল নিভে গিয়েছিল। সব যুগে, সব জলবায়ুতে, সব মানুষের মধ্যে সত্য, খাঁটি ও নিঃস্বার্থ ভালোবাসা ছিল।]]
'''[[w:রবার্ট জি. ইঙ্গারসোল|রবার্ট গ্রিন ইঙ্গারসোল]]''' (১১ আগষ্ট ১৮৩৩ – ২১ জুলাই ১৮৯৯) ছিলেন একজন আইনজীবী, [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গৃহযুদ্ধ|গৃহযুদ্ধের]] অভিজ্ঞ সৈনিক, রাজনৈতিক নেতা এবং [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের]] একজন [[w:বক্তা|বক্তা]]। তিনি মুক্তচিন্তার সোনালী যুগে এই ভূমিকা পালন করেন। তিনি তার বিস্তৃত সংস্কৃতি এবং [[w:অজ্ঞেয়বাদ|অজ্ঞেয়বাদের]] পক্ষে বলার জন্য জন্য পরিচিত ছিলেন। তাকে "'''দ্য গ্রেট অ্যাগনোস্টিক'''" ডাকনাম দেওয়া হয়েছিল।
== উক্তি ==
[[File:Paradiso Canto 31 (148200393).jpg|thumb|right|সব ধর্মমতকে সম্পূর্ণভাবে বর্জন করা এবং সব ধর্মের সত্যকে অস্বীকার করার পরও আমার [[হৃদয়|হৃদয়ে]] বা ঠোঁটে আশাবাদী, প্রেমময় এবং কোমল [[আত্মা|আত্মাদের]] জন্য কোনো অবজ্ঞা নেই। তারা বিশ্বাস করেন এই সব মতভেদ থেকে একটি নিখুঁত [[সম্প্রীতি]] তৈরি হবে। প্রতিটি [[মন্দের|মন্দ]] কোনো না কোনো রহস্যময় উপায়ে একটি [[ভালো|ভালোতে]] পরিণত হবে। সবার [[উপরে|সবকিছুর]] উপরে এমন একজন আছেন যিনি কোনো না কোনোভাবে মানুষের প্রতিটি [[সন্তান|সন্তানকে]] পুনরুদ্ধার এবং মহিমান্বিত করবেন...]]
[[File:Eugène Delaplanche - La Musique.jpg|thumb|right|[[সঙ্গীত]] হলো ভালোবাসার [[কণ্ঠস্বর]]।]]
[[File:William-Adolphe Bouguereau (1825-1905) - Rest (1879).jpg|thumb|right| [[ন্যায়বিচার]] হলো একমাত্র [[উপাসনা]]।<br>[[ভালোবাসা]] হলো একমাত্র পুরোহিত।<br>[[অজ্ঞতা]] হলো একমাত্র [[দাসত্ব]]।<br>[[সুখ]] হলো একমাত্র [[মঙ্গল]]। <br> সুখী হওয়ার [[সময়]] হলো [[বর্তমান|এখন]],<br>সুখী হওয়ার জায়গা হলো এখানে,<br>সুখী হওয়ার উপায় হলো অন্যদের সুখী করা।]]
[[File:Artist’s impression of the black hole inside NGC 300 X-1 (ESO 1004a).jpg|thumb|right|[[বর্তমান]] হলো সমস্ত [[অতীত|অতীতের]] একটি [[প্রয়োজনীয়]] ফল। এটি সমস্ত [[ভবিষ্যৎ|ভবিষ্যতের]] প্রয়োজনীয় [[কারণ]]।]]
[[File:Blue Marble Western Hemisphere.jpg|thumb|দীর্ঘ সময়কালের তুলনা করে আমরা অগ্রগতি আরও স্পষ্টভাবে বুঝতে পারি।]]
[[File:Mikuláš Galanda - Mother Galanda.jpg|thumb|right|বর্তমান হলো সন্তান। এটি সমস্ত অতীতের প্রয়োজনীয় সন্তান এবং সমস্ত ভবিষ্যতের মা।]]
[[File:Crepuscular rays in ggp 2.jpg|thumb|right|স্বাধীন হওয়া অনেক ভালো। ভয়ের দুর্গ ও ব্যারিকেড ছেড়ে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে হাসিমুখে ভবিষ্যতের মুখোমুখি হওয়া উচিত। মাঝে মাঝে নিজেকে অবহেলায় সঁপে দেওয়া অনেক ভালো। ঢেউ ও স্রোতের সাথে এবং বিশ্বের অন্ধ শক্তির সাথে ভেসে চলা উচিত...]]
[[File:La Vérité, par Jules Joseph Lefebvre.jpg|thumb|right|আমরা যত বেশি মিথ্যা ধ্বংস করব, সত্যের জন্য তত বেশি জায়গা তৈরি হবে।]]
[[File:Pedro_Berruguete_Saint_Dominic_Presiding_over_an_Auto-da-fe_1495.jpg|thumb|right|মানুষকে [[ঈশ্বর|ঈশ্বরের]] উপাসনা করার [[উদ্দেশ্য|উদ্দেশ্যে]] তৈরি সমস্ত [[আইন]] একই আত্মা থেকে জন্ম নিয়েছে। এই আত্মা ''[[w:অটো ডি ফে|অটো দ্য ফে]]''র আগুন জ্বালিয়েছিল এবং ইনকুইজিশনের অন্ধকূপগুলো ভালোবেসে তৈরি করেছিল।]]
[[File:This morning we caught a rainbow.jpg|thumb|right|আমাদের [[ঈশ্বর|ঈশ্বরের]] [[ক্ষমা|ক্ষমার]] প্রয়োজন নেই। আমাদের একে অপরের এবং নিজেদের ক্ষমার প্রয়োজন।]]
[[File:LuMaxArt_Golden_Family_With_World_Religions.jpg|thumb|right|প্রতিটি মানুষ সুখী হতে চায়। তারা খাদ্য, ছাদ ও পোশাক দিয়ে শরীরের চাহিদা মেটাতে চায়। নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী ভালোবাসা, প্রজ্ঞা, দর্শন, শিল্প এবং গান দিয়ে মনের ক্ষুধা মেটাতে চায়।]]
[[File:Caspar David Friedrich - Wanderer above the sea of fog.jpg|thumb|right|আমি মনস্থির করেছি, যদি কোনো [[ঈশ্বর]] থাকেন, তবে তিনি দয়ালুদের প্রতি [[দয়া|দয়ালু]] হবেন। <br/> এই বিশ্বাসের ওপর আমি দাঁড়িয়ে আছি।]]
[[File:Cristo Redentor viewed from the base.jpg|thumb|right|[[প্রকৃতি|প্রকৃতিতে]] কোনো পুরস্কার বা [[শাস্তি]] নেই। এখানে কেবল [[পরিণতি]] রয়েছে। [[যিশু|খ্রিষ্টের]] [[জীবন]] এর উদাহরণ, [[নৈতিক]] [[শক্তি]] এবং পরোপকারের [[বীরত্ব|বীরত্বের]] জন্য মূল্যবান।]]
* নারী-পুরুষ আইনের দ্বারা গুণী হয় না। আইন নিজে কোনো গুণ তৈরি করে না। এটি ভালোবাসার ভিত্তি বা উৎসও নয়। আইনের উচিত গুণকে রক্ষা করা। চুক্তি মেনে চললে স্ত্রীর ও স্বামী তার দায়িত্ব পালন করলে স্বামীকে আইনের রক্ষা করা উচিত। '''তবে ভালোবাসার মৃত্যু হলো বিয়ের সমাপ্তি। [[ভালোবাসা]] একটি স্বাভাবিক বিষয়। সব [[অনুষ্ঠান|অনুষ্ঠানের]] পেছনে পবিত্র শিখা জ্বলে। এটি চিরকাল জ্বলবে। পৃথিবীর [[ইতিহাস|ইতিহাসে]] এমন কোনো সময় ছিল না যখন এই মশাল নিভে গিয়েছিল। সব যুগে, সব জলবায়ুতে, সব মানুষের মধ্যে সত্য, খাঁটি ও নিঃস্বার্থ ভালোবাসা ছিল।'''
** ''দ্য রাইটিংস অফ রবার্ট জি. ইঙ্গারসোল'' (১৯০০), ড্রেসডেন সংস্করণ, প্রকাশক: সি.পি. ফ্যারেল, [http://books.google.de/books?id=MOjuNv04TUcC&pg=PA426&lpg=PA426&dq=Love+is+natural.+Back+of+all+ceremony+burns+and+will+forever+burn+the+sacred+flame.+There+has+been+no+time+in+the+world's+history+when+that+torch+was+extinguished.+In+all+ages,+in+all+climes,+among+all+people,+there+has+been+true,+pure,+and+unselfish+love.&source=bl&ots=7Shzo7cSUF&sig=ZHs4Bs7Z_AvZF4UG-emVhGR2gTM&hl=de&sa=X&ei=6rP7UdGNI8iFtAbe64GIDw&ved=0CEAQ6AEwAg#v=onepage&q=Love%20is%20natural.%20Back%20of%20all%20ceremony%20burns%20and%20will%20forever%20burn%20the%20sacred%20flame.%20There%20has%20been%20no%20time%20in%20the%20world's%20history%20when%20that%20torch%20was%20extinguished.%20In%20all%20ages%2C%20in%20all%20climes%2C%20among%20all%20people%2C%20there%20has%20been%20true%2C%20pure%2C%20and%20unselfish%20love.&f=false অধ্যায়: ইজ ডিভোর্স রং (১৮৮৯), পৃষ্ঠা ৪২৬]
* '''আমি ধারণা ধার করি না। আমার নিজস্ব একটি কারখানা আছে।'''
** দ্য লেটারস অফ রবার্ট জি. ইঙ্গারসোল (ফিলোসফিক্যাল লাইব্রেরি, ১৯৫১) পৃষ্ঠা ৫৭৮
* '''একটি সত্য কখনো অলৌকিক ঘটনার সাথে অংশীদারিত্বে যায় না। সত্যের জন্য অলৌকিকতার সাহায্যের প্রয়োজন নেই। একটি সত্য মহাবিশ্বের অন্য প্রতিটি সত্যের সাথে মিলে যাবে। এটি অন্যান্য সমস্ত সত্যের ফসল। একটি মিথ্যা কেবল তার সাথে মানানসই করার উদ্দেশ্যে তৈরি আরেকটি মিথ্যার সাথেই মানানসই হবে।'''
** দ্য ওয়ার্কস অফ রবার্ট জি. ইঙ্গারসোল, খণ্ড ২ (১২ খণ্ডে): "লেচারস" ; "সাম মিসটেকস অফ মোজেস", ৬ "মানডে", পৃষ্ঠা ৫৯
* '''[[স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র]] এই মহান [[সত্য|সত্যটি]] ঘোষণা করে যে, সমস্ত [[ক্ষমতা]] [[জনগণ|জনগণের]] কাছ থেকে আসে। এটি একটি কুখ্যাত মতবাদের অস্বীকার ছিল। এটি একটি [[জাতি|জাতির]] প্রথম অস্বীকার ছিল। মতবাদটি ছিল যে, [[ঈশ্বর]] একজনকে অন্যদের শাসন করার অধিকার দেন।''' এটি [[মানবতা|মানবজাতির]] [[মর্যাদা|মর্যাদার]] প্রথম মহান দাবি ছিল। এটি শাসিতদের ক্ষমতার উৎস বলে ঘোষণা করেছিল। এটি আসলে যেকোনো এবং সমস্ত [[ঈশ্বর|ঈশ্বরের]] [[কর্তৃত্ব|কর্তৃত্বকে]] অস্বীকার করেছিল। দাসত্বের যুগ পেরিয়ে এবং চাবুক ও শেকলের ক্লান্তিকর শতাব্দী ধরে ঈশ্বরকে বিশ্বের স্বীকৃত শাসক হিসেবে বিবেচনা করা হতো। মানুষকে সিংহাসনে বসানো মানে ঈশ্বরকে সিংহাসনচ্যুত করা।
** ''[http://www.infidels.org/library/historical/robert_ingersoll/individuality.html ইন্ডিভিজুয়ালিটি]'' (১৮৭৩)।
* '''একজন [[সৎ]] [[দেবতা|ঈশ্বর]] হলো [[মানুষ|মানুষের]] সবচেয়ে মহৎ [[কাজ]]।'''
** এটি [[অ্যালেকজান্ডার পোপ|অ্যালেকজান্ডার পোপের]] "অ্যান অনেস্ট ম্যানস দ্য নোবেলেস্ট ওয়ার্ক অফ গড" থেকে নেওয়া হয়েছে। "দ্য গডস" (১৮৭৬) প্রবন্ধের মূলমন্ত্র হিসেবে এটি ''দ্য গডস অ্যান্ড আদার লেকচারস'' (১৮৭৯) এ প্রকাশিত হয়েছিল।
* '''[[দিন|দিনের]] পর দিন ধর্মীয় ধারণাগুলোর তীব্রতা কমে যাচ্ছে। দিন দিন বই ও ধর্মমত থেকে পুরোনো চেতনা মরে যাচ্ছে।''' আদি [[গির্জা|গির্জার]] জ্বলন্ত উৎসাহ এবং নিভৃতে থাকা উদ্দীপনা চলে গেছে। এগুলো আর কখনো ফিরে আসবে না। আচার-অনুষ্ঠানগুলো টিকে আছে, কিন্তু মানুষের হৃদয় থেকে প্রাচীন [[বিশ্বাস]] বিলীন হয়ে যাচ্ছে। জীর্ণ যুক্তিগুলো বিশ্বাস জন্মাতে ব্যর্থ হয়। একসময় যেসব নিন্দা একটি জাতির মুখ ফ্যাকাশে করে দিত, সেগুলো এখন আমাদের মধ্যে কেবল উপহাস ও বিতৃষ্ণার সৃষ্টি করে। [[সময়|সময়]] গড়ানোর সাথে সাথে [[অলৌকিক ঘটনা|অলৌকিক ঘটনাগুলো]] তুচ্ছ ও ছোট হয়ে যায়। আমাদের পূর্বপুরুষরা যেসব প্রমাণ চূড়ান্ত বলে মনে করতেন, সেগুলো আমাদের সন্তুষ্ট করতে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়।
** "দ্য গডস" (১৮৭৬), যা ''দ্য গডস অ্যান্ড আদার লেকচারস'' (১৮৭৯) এ প্রকাশিত হয়েছিল।
* '''সব ধর্মমতকে সম্পূর্ণভাবে বর্জন করা এবং সব [[ধর্ম|ধর্মের]] সত্যকে অস্বীকার করার পরও আমার [[হৃদয়|হৃদয়ে]] বা ঠোঁটে আশাবাদী, প্রেমময় ও কোমল [[আত্মা|আত্মাদের]] জন্য কোনো [[অবজ্ঞা]] নেই। তারা বিশ্বাস করেন এই সব [[মতভেদ]] থেকে একটি [[নিখুঁত]] [[সম্প্রীতি]] তৈরি হবে। প্রতিটি [[মন্দের|মন্দ]] কোনো না কোনো রহস্যময় উপায়ে একটি [[ভালো|ভালোতে]] পরিণত হবে। সবার উপরে এমন একজন আছেন যিনি কোনো না কোনোভাবে মানুষের প্রতিটি [[সন্তান|সন্তানকে]] পুনরুদ্ধার ও মহিমান্বিত করবেন। কিন্তু যারা হৃদয়হীনভাবে প্রমাণ করার চেষ্টা করেন যে মুক্তি প্রায় অসম্ভব, নরকবাস প্রায় [[নিশ্চিত|নিশ্চিত]], [[মহাবিশ্ব|মহাবিশ্বের]] মহাসড়ক [[নরক|নরকের]] দিকে নিয়ে যায়, যারা [[জীবন|জীবনকে]] [[ভয়]] এবং [[মৃত্যু|মৃত্যুকে]] বিভীষিকা দিয়ে ভরিয়ে তোলেন, যারা দোলনাকে অভিশাপ দেন এবং সমাধিকে উপহাস করেন, তাদের প্রতি [[করুণা]], [[অবজ্ঞা]] ও [[ঘৃণা|ঘৃণার]] অনুভূতি ছাড়া আর কিছু পোষণ করা অসম্ভব।'''
** "দ্য গডস" (১৮৭৬), যা ''দ্য গডস অ্যান্ড আদার লেকচারস'' (১৮৭৯) এ প্রকাশিত হয়েছিল।
* '''[[যুক্তি]], পর্যবেক্ষণ ও অভিজ্ঞতা হলো [[বিজ্ঞান|বিজ্ঞানের]] পবিত্র ত্রিত্ব। এগুলো আমাদের শিখিয়েছে যে [[সুখ]] হলো একমাত্র [[মঙ্গল]]। সুখী হওয়ার [[সময়]] হলো [[বর্তমান|এখন]] এবং সুখী হওয়ার উপায় হলো অন্যদের সুখী করা। আমাদের জন্য এটাই যথেষ্ট।''' এই [[বিশ্বাস|বিশ্বাসে]] আমরা বাঁচতে ও মরতে সন্তুষ্ট। যদি কোনোভাবে [[প্রকৃতি|প্রকৃতির]] চেয়ে উচ্চতর ও স্বাধীন কোনো শক্তির অস্তিত্ব প্রমাণিত হয়, তবে তখন হাঁটু গেড়ে বসার যথেষ্ট সময় থাকবে। ততক্ষণ পর্যন্ত আসুন আমরা সোজা হয়ে দাঁড়াই।
** "দ্য গডস" (১৮৭৬), যা ''দ্য গডস অ্যান্ড আদার লেকচারস'' (১৮৭৯) এ প্রকাশিত; এটি তার "ক্রিড" বা মতবাদ হিসেবে পরিচিতি পাওয়া ধারণাটির প্রাথমিক সংস্করণগুলোর একটি। কিছু ভিন্নরূপ:
** '''[[ন্যায়বিচার]] হলো একমাত্র [[উপাসনা]]।<br>[[ভালোবাসা]] হলো একমাত্র পুরোহিত।<br>[[অজ্ঞতা]] হলো একমাত্র [[দাসত্ব]]।<br>সুখ হলো একমাত্র মঙ্গল।<br>সুখী হওয়ার সময় হলো এখন,<br>সুখী হওয়ার জায়গা হলো এখানে,<br>সুখী হওয়ার উপায় হলো অন্যদের সুখী করা।'''<br> [[প্রজ্ঞা]] হলো সুখের বিজ্ঞান।
*** ক্রিস্টোফার মর্লি সম্পাদিত ''ফ্যামিলিয়ার কোটেশনস'' (১৯৩৭), পৃষ্ঠা ৬০৩-এ উদ্ধৃত
** '''সুখ হলো একমাত্র মঙ্গল। <br> সুখী হওয়ার জায়গা হলো এখানে। <br> সুখী হওয়ার সময় হলো এখন। <br> সুখী হওয়ার উপায় হলো অন্যদের সুখী করা।'''
*** ভিন্নরূপ, যা তিনি একজন ভক্তের জন্য একটি পাণ্ডুলিপির কপিতে লিখেছিলেন (২৬ মার্চ ১৮৯৭) * '''একজন সশস্ত্র যোদ্ধার মতো, পালকযুক্ত নাইটের মতো, [[জেমস জি. ব্লেইন]] আমেরিকান কংগ্রেসের হল ধরে এগিয়ে গিয়েছিলেন। তিনি তার দেশের প্রত্যেক বিশ্বাসঘাতক এবং তার সুনাম ক্ষুণ্নকারী প্রত্যেকের নির্লজ্জ কপালের দিকে তার উজ্জ্বল বর্শা পূর্ণ ও নিখুঁতভাবে নিক্ষেপ করেছিলেন।'''
** [[জেমস জি. ব্লেইন|ব্লেইনকে]] রাষ্ট্রপতির জন্য মনোনীত করার ভাষণ, [[w:১৮৭৬ রিপাবলিকান ন্যাশনাল কনভেনশন|রিপাবলিকান ন্যাশনাল কনভেনশনে]] (১৫ জুন ১৮৭৬)।{{fix cite}}
* '''তারা বলে আপনার পূর্বপুরুষদের ধর্মই যথেষ্ট ভালো। একজন বাবার কেন তার ছেলের তৈরি করা উন্নত লাঙলে আপত্তি থাকবে? তারা আমাকে বলে, আপনি কি মৃত সব [[ধর্মতত্ত্ববিদ|ধর্মতত্ত্ববিদের]] চেয়ে বেশি জানেন? একজন সম্পূর্ণ বিনয়ী মানুষ হিসেবে আমি বলি, আমার মনে হয় আমি জানি।''' এখন আমরা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি যে প্রতিটি মানুষের চিন্তা করার অধিকার রয়েছে। [[ঈশ্বর]] কি একটি পাখিকে ডানা দেবেন এবং ওড়াকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করবেন? তিনি কি আমাকে মস্তিষ্ক দেবেন এবং চিন্তাকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করবেন? '''যেকোনো ঈশ্বর যিনি তার সন্তানদের সৎ চিন্তার প্রকাশের জন্য অভিশাপ দেবেন, তিনি একজন ভদ্র [[চোর]] হওয়ারও যোগ্য নন। যখন আমি একটি [[বই]] পড়ি এবং তা বিশ্বাস করি না, তখন আমার তা বলা উচিত। আমি তাই করব এবং একজন মানুষের মতো [[পরিণতি|পরিণতিগুলো]] মেনে নেব।'''
** পিটসবার্গ অপেরা হাউসে উপস্থাপিত ''রিলিজিয়াস ইনটলারেন্স'' বিষয়ক ভাষণ (১৪ অক্টোবর ১৮৭৯)।{{fix cite}}
* বিশ্বের [[অগ্রগতি|অগ্রগতিকে]] কে অতিরঞ্জিত করতে পারে, যদি [[কুসংস্কার|কুসংস্কারে]] নষ্ট হওয়া সমস্ত [[অর্থ]] মানবজাতিকে আলোকিত, উন্নত এবং সভ্য করতে ব্যবহার করা যেত?
** [http://www.archive.org/stream/somemistakesmose00ingeuoft/somemistakesmose00ingeuoft_djvu.txt "সাম মিসটেকস অফ মোজেস" (১৮৭৯)] খণ্ড ২, "ফ্রি স্কুলস"।
* '''গির্জাগুলো রাজনৈতিক সংগঠনে পরিণত হচ্ছে...''' সম্ভবত এমন দিন আসতে বেশি দেরি নেই যখন গির্জাগুলো ধর্মতাত্ত্বিক প্রশ্নগুলোর মতোই রাজনৈতিক প্রশ্নগুলোতেও তীব্রভাবে বিভক্ত হবে। যখন সেই দিন আসবে, যদি ক্ষমতার ভারসাম্য ধরে রাখার জন্য পর্যাপ্ত [[উদারপন্থী|উদারপন্থীরা]] না থাকে, তবে এই সরকার ধ্বংস হয়ে যাবে। মানুষের [[স্বাধীনতা]] কোনো গির্জার হাতে নিরাপদ নয়। যেখানেই বাইবেল এবং [[তলোয়ার]] অংশীদারত্বে থাকে, সেখানেই মানুষ দাস। '''মানুষকে [[ঈশ্বর|ঈশ্বরের]] উপাসনা করার [[উদ্দেশ্য|উদ্দেশ্যে]] তৈরি সমস্ত [[আইন]] একই আত্মা থেকে জন্ম নিয়েছে। এই আত্মা ''[[w:অটো ডি ফে|অটো দ্য ফে]]''র আগুন জ্বালিয়েছিল এবং ইনকুইজিশনের অন্ধকূপগুলো ভালোবেসে তৈরি করেছিল।''' [[ব্লাসফেমি|ব্লাসফেমিকে]] সংজ্ঞায়িত এবং শাস্তি প্রদানকারী সমস্ত আইন নির্লজ্জ [[ধর্মান্ধ|ধর্মান্ধদের]] দ্বারা পাস করা হয়েছিল। এগুলো অবিলম্বে [[সৎ]] মানুষদের দ্বারা বাতিল করা উচিত। বাইবেল সম্পর্কে আপনার সৎ ধারণা দেওয়া, প্রাচীন ইহুদিদের [[অজ্ঞতা|অজ্ঞতা]] নিয়ে [[হাসা|হাসাহাসি]] করা, সাবাথ উপভোগ করা, অথবা [[যিহোবা|যিহোবা]] সম্পর্কে আপনার মতামত দেওয়াকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়। '''একজন [[অসীম]] [[ঈশ্বর|ঈশ্বরের]] উচিত রাজ্য আইনসভার সাথে অংশীদারত্বে না গিয়ে নিজেকে রক্ষা করতে সক্ষম হওয়া।''' অবশ্যই তার এমন কাজ করা উচিত নয় যে তাকে উপহাস করা থেকে বিরত রাখতে আইনের প্রয়োজন হয়। জরিমানা এবং কারাদণ্ডের হুমকি দিয়ে [[উইলিয়াম শেক্সপিয়র|শেক্সপিয়রকে]] উপহাস থেকে রক্ষা করার কথা কেউ ভাবে না। আমার মনে হয় যে ঈশ্বর এমন একটি বই লিখতে পারতেন যা তার সন্তানদের [[হাসি|হাসির]] উদ্রেক করবে না। আসলে, আমার মনে হয় এটা বলা নিরাপদ যে একজন বাস্তব ঈশ্বর এমন একটি কাজ তৈরি করতে পারতেন যা মানবজাতির প্রশংসা অর্জন করতে পারে। ইহুদি ঈশ্বরের সাহিত্যিক সুনাম রক্ষার জন্য আইন পাসের চেয়ে রাজনীতিবিদদের অবশ্যই আরও ভালোভাবে নিয়োগ করা যেত।
** [http://www.positiveatheism.org/hist/ingermm1.htm ''সাম মিসটেকস অফ মোজেস'' (১৮৭৯)] খণ্ড ৩, "দ্য পলিটিশিয়ানস"।
* আর এই একই ঈশ্বর কেন আমাকে শেখান কীভাবে আমার সন্তানদের মানুষ করতে হবে, যখন তাকে তার নিজের সন্তানদের ডুবিয়ে মারতে হয়েছিল?
** [http://www.positiveatheism.org/hist/ingermm2.htm#XVIII ''সাম মিসটেকস অফ মোজেস'' (১৮৭৯)]] খণ্ড ১৮, "ড্যাম্পনেস"।
* আমি বরং একজন ফরাসি কৃষক হতাম এবং কাঠের জুতো পরতাম। আমি বরং দরজার ওপর লতাগুল্ম ঘেরা একটি কুঁড়েঘরে থাকতাম, যেখানে শরতের রোদে আঙুর বড় হতো এবং পাকতো। আমি বরং আমার স্ত্রীর পাশে এবং কোলের ওপর সন্তানদের নিয়ে সেই কৃষক হতাম, যারা আমাকে ভালোবেসে জড়িয়ে ধরত। আমি বরং সেই গরিব ফরাসি কৃষক হতাম এবং শেষে যারা আমাকে ভালোবাসত তাদের অনুসরণ করে ধুলোর চিরন্তন বিশ্রামে হারিয়ে যেতাম। আমি বরং শক্তি এবং হত্যার সেই সাম্রাজ্যবাদী প্রতিমূর্তির চেয়ে হাজার গুণ বেশি সেই ফরাসি কৃষক হতাম। আমি দশ হাজার হাজার গুণ বেশি তা-ই হতে চাইতাম।
** [[নেপোলিয়ন|নেপোলিয়নের]] সমাধিতে স্বগতোক্তি (১৮৮২); এটি ভুলভাবে রিপোর্ট করা হয়েছিল বলে উল্লেখ করা হয়েছে: "আমি বরং বিশ্বের সাথে শান্তিতে বসবাসকারী সবচেয়ে বিনীত কৃষক হতে চাই... সর্বশ্রেষ্ঠ খ্রিষ্টান হওয়ার চেয়ে" বিলি সানডের দ্বারা (২৬ মে ১৯১২), পল এফ. বোয়লার, জুনিয়র এবং জন জর্জের ''দে নেভার সেইড ইট: আ বুক অফ ফেক কোটস, মিসকোটস, অ্যান্ড মিসলিডিং অ্যাট্রিবিউশনস'' (১৯৮৯), পৃষ্ঠা ৫২-৫৩ এ যেমন রিপোর্ট করা হয়েছে।
* '''[[জীবন|জীবনের]] কালো মেঘে [[ভালোবাসা]] হলো একমাত্র রংধনু। এটি সকাল এবং বিকালের [[তারা]]। এটি শিশুর ওপর আলো ছড়ায় এবং শান্ত সমাধির ওপর তার দীপ্তি ছড়ায়। এটি [[শিল্প|শিল্পের]] জননী, [[কবি]], [[দেশপ্রেমিক]] এবং [[দার্শনিক|দার্শনিকের]] অনুপ্রেরণাদাতা। এটি প্রতিটি হৃদয়ের [[বাতাস]] এবং [[আলো]]। এটি প্রতিটি [[বাড়ি|বাড়ির]] নির্মাতা, প্রতিটি চুলায় প্রতিটি [[আগুন|আগুনের]] প্রজ্বলক।''' এটি প্রথম অমরত্বের [[স্বপ্ন]] দেখেছিল। '''এটি [[বিশ্ব|বিশ্বকে]] সুরে ভরিয়ে দেয়। কারণ [[সঙ্গীত]] হলো ভালোবাসার [[কণ্ঠস্বর]]। ভালোবাসা হলো সেই [[যাদু|জাদুকর]], যে মূল্যহীন জিনিসগুলোকে [[আনন্দ|আনন্দে]] পরিণত করে এবং সাধারণ মাটি দিয়ে রাজকীয় রাজা ও রানি তৈরি করে। এটি সেই বিস্ময়কর [[ফুল|ফুলের]], অর্থাৎ হৃদয়ের সুগন্ধ। সেই পবিত্র [[আবেগ]], সেই ঐশ্বরিক আবেশ ছাড়া আমরা পশুদের চেয়েও অধম। কিন্তু এর উপস্থিতিতে [[পৃথিবী]] হলো [[স্বর্গ]], এবং আমরা হলাম [[দেবতা]]।'''
** ''অর্থোডক্সি'' (১৮৮৪)।
* '''আমরা যত বেশি মিথ্যা ধ্বংস করব, সত্যের জন্য তত বেশি জায়গা তৈরি হবে।'''
** "অর্থোডক্সি" (১৮৮৪)। ''দ্য কমপ্লিট ওয়ার্কস অফ রবার্ট জি. ইঙ্গারসোল'' (১৯০২) খণ্ড ২, পৃষ্ঠা ৩৪৩
* ক্ষমতার ব্যবহারের মতো আর কিছুই মানুষের আসল চরিত্র প্রকাশ করে না। দুর্বলদের জন্য নম্র হওয়া সহজ। বেশিরভাগ মানুষ প্রতিকূলতা সহ্য করতে পারে। কিন্তু আপনি যদি জানতে চান একজন মানুষ আসলে কেমন, তবে তাকে ক্ষমতা দিন। এটি হলো সর্বোচ্চ পরীক্ষা।
** "মোটলি অ্যান্ড মোনার্ক", ''দ্য নর্থ আমেরিকান রিভিউ'', ডিসেম্বর ১৮৮৫
* অতিরিক্ত প্রশংসা মনোযোগ আকর্ষণ করে। এটি প্রায়শই এমন হাজারো ত্রুটি [[আলো|আলোতে]] নিয়ে আসে যা সাধারণ চোখে কখনো ধরা পড়ত না। '''যদি আমাদের অন্যান্য সব বইয়ের মতো বাইবেল পড়ার অনুমতি দেওয়া হতো, তবে আমরা এর [[সৌন্দর্য|সৌন্দর্যের]] প্রশংসা করতাম, এর যোগ্য [[চিন্তা|চিন্তাগুলোকে]] মূল্যায়ন করতাম। আমরা এর সমস্ত [[উদ্ভট]], অদ্ভুত ও নিষ্ঠুর বিষয়গুলোর ব্যাখ্যা দিতাম এই বলে যে এর লেখকরা অসভ্য ও বর্বর যুগে বাস করতেন।''' কিন্তু আমাদের বলা হয় যে এটি অনুপ্রাণিত পুরুষদের দ্বারা লেখা হয়েছিল। এতে [[ঈশ্বর|ঈশ্বরের]] ইচ্ছা রয়েছে। এটি এর সব অংশে নিখুঁত, খাঁটি ও সত্য। এটি সমস্ত নৈতিক ও ধর্মীয় সত্যের উৎস ও মানদণ্ড। এটি সমস্ত মানবিক আশার তারা ও নোঙর। এটি মানুষের একমাত্র পথপ্রদর্শক, [[প্রকৃতি|প্রকৃতির]] [[রাত|রাতে]] একমাত্র মশাল। '''এই দাবিগুলো প্রতিটি পরিচিত এবং লিপিবদ্ধ তথ্যের সাথে এত বেশি সাংঘর্ষিক এবং স্পষ্টতই এত উদ্ভট যে প্রতিটি স্বাধীন ও পক্ষপাতহীন [[আত্মা]] বিদ্রোহের পতাকা তুলতে বাধ্য হয়।'''
** ''[http://www.gutenberg.org/files/38802/38802-h/38802-h.htm সাম মিসটেকস অফ মোজেস (১৮৭৯)]'' মুখবন্ধ
* '''আমি [[গির্জা]] যেভাবে প্রচার করে সেই [[ক্ষমা|ক্ষমায়]] বিশ্বাস করি না। আমাদের [[ঈশ্বর|ঈশ্বরের]] ক্ষমার প্রয়োজন নেই। আমাদের একে অপরের এবং নিজেদের ক্ষমার প্রয়োজন।''' যদি আমি মিস্টার স্মিথকে লুণ্ঠন করি এবং ঈশ্বর আমাকে ক্ষমা করে দেন, তবে তা স্মিথকে কীভাবে সাহায্য করবে? আমি যদি অপবাদ দিয়ে কোনো বেচারা মেয়েকে কোনো কল্পিত অপরাধের কুষ্ঠরোগে ঢেকে দিই, এবং সে একটি ঝলসানো ফুলের মতো শুকিয়ে যায় এবং পরে আমি ঈশ্বরের ক্ষমা পাই, তবে তা তাকে কীভাবে সাহায্য করবে? যদি অন্য কোনো বিশ্ব থাকে, তবে আমাদের এই বিশ্বে যাদের প্রতি অন্যায় করেছি তাদের সাথে হিসাব মেটাতে হবে। সেখানে কোনো দেউলিয়া আদালত নেই। প্রতিটি পয়সা পরিশোধ করতে হবে।
** [http://www.gutenberg.org/files/38801/38801-h/38801-h.htm "হোয়াট মাস্ট উই ডু টু বি সেভড?" (১৮৮০)] খণ্ড ১১, "হোয়াট ডু ইউ প্রপোজ?"
* '''আমি বিশ্বাস করতে পারি না যে এই [[মহাবিশ্ব|মহাবিশ্বে]] এমন কোনো সত্তা আছে যে একটি মানব আত্মাকে অনন্ত [[যন্ত্রণা|যন্ত্রণার]] জন্য সৃষ্টি করেছে। আমি বরং চাইব প্রতিটি ঈশ্বর নিজেকে ধ্বংস করে ফেলুক। আমি বরং চাইব আমরা সবাই অনন্ত বিশৃঙ্খলা, অন্ধকার ও তারাহীন রাতে হারিয়ে যাই। তবুও আমি চাই না যে একটি আত্মাও অনন্ত যন্ত্রণা ভোগ করুক।'''
**[http://www.gutenberg.org/files/38801/38801-h/38801-h.htm ''হোয়াট মাস্ট উই ডু টু বি সেভড?'' (১৮৮০)] খণ্ড ১০, "দ্য ইভানজেলিকাল অ্যালায়েন্স।"
*'''আমি মনস্থির করেছি, যদি কোনো [[ঈশ্বর]] থাকেন, তবে তিনি দয়ালুদের প্রতি [[দয়া|দয়ালু]] হবেন। <br> এই বিশ্বাসের ওপর আমি দাঁড়িয়ে আছি।''' <br> তিনি ক্ষমাশীলদের নির্যাতন করবেন না। <br> এই বিশ্বাসের ওপর আমি দাঁড়িয়ে আছি। <br> প্রতিটি মানুষের নিজের প্রতি সত্য হওয়া উচিত। এমন কোনো বিশ্ব বা তারা নেই যেখানে [[সততা]] একটি [[অপরাধ]]। <br> এই বিশ্বাসের ওপর আমি দাঁড়িয়ে আছি। <br> সৎ মানুষ, ভালো নারী ও সুখী শিশুর এই পৃথিবীতে বা পরকালে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। <br> এই বিশ্বাসের ওপর আমি দাঁড়িয়ে আছি।
**[http://www.gutenberg.org/files/38801/38801-h/38801-h.htm ''হোয়াট মাস্ট উই ডু টু বি সেভড?'' (১৮৮০)] খণ্ড ১১, "হোয়াট ডু ইউ প্রপোজ?"
* "ওহ," কিন্তু তারা আমাকে বলে, "আপনি অমরত্ব কেড়ে নিচ্ছেন।" আমি তা করছি না। '''আমরা যদি অমর হই তবে তা প্রকৃতির একটি সত্য। এর জন্য আমরা পুরোহিত বা বাইবেলের কাছে ঋণী নই। অবিশ্বাস দ্বারা এটি ধ্বংস করা যায় না।'''
**[http://www.gutenberg.org/files/38801/38801-h/38801-h.htm "হোয়াট মাস্ট উই ডু টু বি সেভড?" (১৮৮০)] খণ্ড ১১, "হোয়াট ডু ইউ প্রপোজ?"
* নীরব রাতের ওপারে কি আছে <br> একটি অন্তহীন দিন?<br>[[মৃত্যু]] কি এমন একটি [[দরজা]] যা [[আলো|আলোর]] দিকে নিয়ে যায়?<br> '''আমরা তা বলতে পারি না।'''
**[http://www.gutenberg.org/files/38804/38804-h/38804-h.htm "দ্য ডেভিল" (১৮৯৯)] খণ্ড ৯, "কনক্লুশন: ডিক্ল্যারেশন অফ দ্য ফ্রি" তুলনা করুন: "দ্য ডোর অফ ডার্কনেস", ''দ্য রুবাইয়াত'', স্তবক ৬৪।
* [[জীবন]] হলো দুটি অনন্তকালের ঠান্ডা ও অনুর্বর চূড়ার মাঝখানের একটি সরু উপত্যকা। আমরা বৃথাই উচ্চতার ওপারে দেখার চেষ্টা করি। আমরা উচ্চস্বরে কাঁদি। একমাত্র উত্তর হলো আমাদের কান্নার প্রতিধ্বনি। নিরুত্তর মৃতদের শব্দহীন ঠোঁট থেকে কোনো কথা আসে না। '''কিন্তু মৃত্যুর রাতে আশা একটি তারা দেখতে পায় এবং শোনার চেষ্টায় থাকা ভালোবাসা ডানা ঝাপটানোর শব্দ শুনতে পায়।'''
**[http://www.gutenberg.org/files/38812/38812-h/38812-h.htm "আ ট্রাইব টু ইবান সি. ইঙ্গারসোল" (১৮৭৯)]
* '''[[প্রকৃতি|প্রকৃতিতে]] কোনো পুরস্কার বা [[শাস্তি]] নেই। এখানে কেবল [[পরিণতি]] রয়েছে।''' [[যিশু|খ্রিষ্টের]] জীবন এর উদাহরণ, [[নৈতিক]] [[শক্তি]] ও পরোপকারের [[বীরত্ব|বীরত্বের]] জন্য মূল্যবান।
**''"দ্য ক্রিশ্চিয়ান রিলিজিয়ন"'' [[w:নর্থ আমেরিকান রিভিউ|দ্য নর্থ আমেরিকান রিভিউ]], আগষ্ট ১৮৮১[http://books.google.com/books?id=OPmfAAAAMAAJ&q=%22There+are+in+nature+neither+rewards+nor+punishments+there+are+consequences%22&pg=PA14#v=onepage][http://ebooks.library.cornell.edu/cgi/t/text/pageviewer-idx?c=nora&cc=nora&view=image&seq=121&idno=nora0133-2]
** ভিন্নরূপ:
** '''আমাদের মনে রাখতে হবে যে প্রকৃতিতে কোনো পুরস্কার বা শাস্তি নেই, কেবল পরিণতি রয়েছে।''' খ্রিষ্টের জীবন ও মৃত্যু কোনো প্রায়শ্চিত্ত গঠন করে না। এগুলো উদাহরণ, নৈতিক শক্তি ও পরোপকারের বীরত্বের জন্য মূল্যবান। খ্রিষ্টের জীবন যতটা কল্যাণের দিকে অনুকরণের সৃষ্টি করে, মানবজাতির কাছে এটি ততটাই মূল্যবান।
*** [http://www.infidels.org/library/historical/robert_ingersoll/some_reasons_why.html ''সাম রিজনস হোয়াই'' (১৮৯৫)] এ প্রকাশিত
** '''প্রকৃতিতে কোনো পুরস্কার বা শাস্তি নেই, কেবল পরিণতি রয়েছে।'''
*** ''লেটারস অ্যান্ড এসেজ, ৩য় সিরিজ। সাম রিজনস হোয়াই'', ৮।
* '''প্রতিটি সম্প্রদায় হলো এই কথার প্রমাণ যে [[ঈশ্বর]] মানুষের কাছে তার ইচ্ছা স্পষ্টভাবে প্রকাশ করেননি। প্রতিটি পাঠকের কাছে বাইবেল একটি ভিন্ন [[অর্থ]] বহন করে।''' [[ওহী]] নামে পরিচিত এই [[বই|বইটির]] অর্থ নিয়ে যুগে যুগে [[যুদ্ধ]] হয়েছে। শতাব্দী ধরে [[তলোয়ার]] ও আগুনের ব্যবহার হয়েছে। যদি এটি একজন অসীম ঈশ্বরের লেখা হয়, তবে তাকে অবশ্যই জানতে হবে যে এই ফলাফলগুলো অনুসরণ করবে। আর এটি জেনেও তাকে অবশ্যই [[সব|সবকিছুর]] জন্য দায়ী হতে হবে।
**[http://www.gutenberg.org/files/38802/38802-h/38802-h.htm#link0002 সাম মিসটেকস অফ মোজেস (১৮৭৯)]।
* যেসব পুরুষ ঘোষণা করে যে নারী বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে পুরুষের চেয়ে নিকৃষ্ট, তারা নিজেদের প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করে তাদের ঘোষণাকে প্রমাণিত করতে পারে না এবং পারবেও না।
** হেলেন হ্যামিল্টন গার্ডনারের ''মেন, উইমেন অ্যান্ড গডস'' (১৮৮৫) এর মুখবন্ধ
* '''প্রতিটি মানুষকে সেই সব অধিকার দিন যা আপনি নিজের জন্য দাবি করেন।'''
** "দ্য লিমিটেশনস অফ টলারেশন" (৮ মে ১৮৮৮), ''দ্য ওয়ার্কস অফ রবার্ট জি. ইঙ্গারসোল'', খণ্ড ৭ এ প্রকাশিত
* খুব কম ধনী মানুষই তাদের নিজস্ব [[সম্পত্তি|সম্পত্তির]] মালিক। সম্পত্তিই তাদের মালিক।
** ম্যাককিনলে লিগে দেওয়া ভাষণ, নিউইয়র্ক (২৯ অক্টোবর ১৮৯৬){{fix cite}}
* '''বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আমরা আমাদের [[মতামত|মতামতের]] উত্তরাধিকারী হই।''' আমরা অভ্যাস এবং মানসিক রীতিনীতির উত্তরাধিকারী। আমাদের পোশাকের ফ্যাশনের মতো আমাদের [[বিশ্বাস|বিশ্বাসগুলোও]] নির্ভর করে আমরা কোথায় জন্মগ্রহণ করেছি তার ওপর। আমরা আমাদের পারিপার্শ্বিক অবস্থা দ্বারা গঠিত হই এবং নিজস্ব আকৃতি পাই।
** [http://www.positiveatheism.org/hist/ingag.htm "হোয়াই আই অ্যাম অ্যান অ্যাগনোস্টিক।" (১৮৯৬)]
* '''[[বর্তমান]] হলো সমস্ত [[অতীত|অতীতের]] একটি [[প্রয়োজনীয়]] ফল। এটি সমস্ত [[ভবিষ্যৎ|ভবিষ্যতের]] প্রয়োজনীয় [[কারণ]]।'''
** [http://www.positiveatheism.org/hist/ingwhatrel.htm হোয়াট ইজ রিলিজিয়ন? (১৮৯৯) ইঙ্গারসোলের শেষ জনসভা ভাষণ, ২ জুন ১৮৯৯ বোস্টনে আমেরিকান [[w:ফ্রি রিলিজিয়াস অ্যাসোসিয়েশন|ফ্রি রিলিজিয়াস অ্যাসোসিয়েশন]] এর সামনে দেওয়া হয়েছিল। সূত্র: দ্য ওয়ার্কস অফ রবার্ট জি. ইঙ্গারসোল, ড্রেসডেন মেমোরিয়াল সংস্করণ খণ্ড ৪, পৃষ্ঠা ৪৭৭-৫০৮, ক্লিফ ওয়াকার দ্বারা সম্পাদিত।]
* '''ধর্ম কখনো মানবজাতিকে সংস্কার করতে পারে না, কারণ ধর্ম হলো দাসত্ব। স্বাধীন হওয়া অনেক ভালো। ভয়ের দুর্গ ও ব্যারিকেড ছেড়ে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে হাসিমুখে ভবিষ্যতের মুখোমুখি হওয়া উচিত। মাঝে মাঝে নিজেকে অবহেলায় সঁপে দেওয়া অনেক ভালো। ঢেউ ও স্রোতের সাথে এবং বিশ্বের অন্ধ শক্তির সাথে ভেসে চলা উচিত। চিন্তা করা এবং স্বপ্ন দেখা উচিত। শ্বাস নেওয়া জীবনের শৃঙ্খলা ও সীমাবদ্ধতাগুলো ভুলে যাওয়া উচিত। লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ভুলে যাওয়া উচিত। মস্তিষ্কের চিত্রশালায় বিশ্রাম নেওয়া উচিত। অতীতের আলিঙ্গন ও চুম্বনগুলো আরও একবার অনুভব করা উচিত। জীবনের সকালকে ফিরিয়ে আনা উচিত। মৃতদের রূপ ও চেহারা আবার দেখা উচিত। আগামী বছরগুলোর জন্য সুন্দর ছবি আঁকা উচিত। সমস্ত ঈশ্বর, তাদের প্রতিশ্রুতি ও হুমকি ভুলে যাওয়া উচিত। আপনার শিরায় জীবনের আনন্দময় স্রোত অনুভব করা উচিত এবং সামরিক সঙ্গীত, আপনার নির্ভীক হৃদয়ের ছন্দময় স্পন্দন শোনা উচিত। তারপর সমস্ত দরকারী কাজ করার জন্য নিজেকে জাগিয়ে তোলা উচিত। চিন্তা ও কর্মের মাধ্যমে আপনার মস্তিষ্কের আদর্শে পৌঁছানো উচিত। আপনার কল্পনাগুলোকে ডানা দেওয়া উচিত, যাতে তারা রাসায়নিক মৌমাছির মতো সাধারণ জিনিসগুলোর আগাছায় শিল্পের অমৃত খুঁজে পেতে পারে। তথ্যের জন্য প্রশিক্ষিত এবং অবিচল চোখ দিয়ে দেখা উচিত। দূরের সাথে বর্তমানকে যুক্ত করে এমন সূক্ষ্ম সুতোগুলো খুঁজে বের করা উচিত। জ্ঞান বৃদ্ধি করা উচিত। দুর্বলের থেকে বোঝা কমানো উচিত। মস্তিষ্কের বিকাশ করা উচিত। অধিকার রক্ষা করা উচিত। আত্মার জন্য একটি প্রাসাদ তৈরি করা উচিত। এটাই আসল ধর্ম। এটাই আসল উপাসনা।'''
** [http://www.positiveatheism.org/hist/ingwhatrel.htm হোয়াট ইজ রিলিজিয়ন? (১৮৯৯) ইঙ্গারসোলের শেষ জনসভা ভাষণ, ২ জুন ১৮৯৯ বোস্টনে আমেরিকান ফ্রি রিলিজিয়াস অ্যাসোসিয়েশন এর সামনে দেওয়া হয়েছিল। সূত্র: দ্য ওয়ার্কস অফ রবার্ট জি. ইঙ্গারসোল, ড্রেসডেন মেমোরিয়াল সংস্করণ খণ্ড ৪, পৃষ্ঠা ৪৭৭-৫০৮, ক্লিফ ওয়াকার দ্বারা সম্পাদিত।]
* '''বর্তমান হলো সন্তান। এটি সমস্ত অতীতের প্রয়োজনীয় সন্তান এবং সমস্ত ভবিষ্যতের মা।'''
** [http://www.infidels.org/library/historical/robert_ingersoll/how_to_reform_mankind.html হাউ টু রিফর্ম ম্যানকাইন্ড (১৮৯৬), অধ্যায় ১।] [http://books.google.de/books/about/How_to_Reform_Mankind.html?id=u-IpAAAACAAJ&redir_esc=y কিসিঞ্জার পাবলিশিং, এলএলসি দ্বারা পুনঃপ্রকাশিত, ২০০৫।]
* '''প্রতিটি মানুষ সুখী হতে চায়। তারা খাদ্য, ছাদ ও পোশাক দিয়ে শরীরের চাহিদা মেটাতে চায়। নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী ভালোবাসা, প্রজ্ঞা, দর্শন, শিল্প এবং গান দিয়ে মনের ক্ষুধা মেটাতে চায়।'''
** [http://www.infidels.org/library/historical/robert_ingersoll/how_to_reform_mankind.html হাউ টু রিফর্ম ম্যানকাইন্ড (১৮৯৬), অধ্যায় ১।] [http://books.google.de/books/about/How_to_Reform_Mankind.html?id=u-IpAAAACAAJ&redir_esc=y কিসিঞ্জার পাবলিশিং, এলএলসি দ্বারা পুনঃপ্রকাশিত, ২০০৫।]
* শ্রমজীবী মানুষের জন্য এরই মধ্যে এত কিছু অর্জিত হয়েছে যে আমি ভবিষ্যতের জন্য দারুণ আশাবাদী। অনেক দেশে কাজের সময় কমানো হয়েছে এবং তা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো হয়েছে। একটা সময় ছিল যখন মানুষ দিনে পনেরো বা ষোলো ঘণ্টা কাজ করত। এখন সাধারণত দিনের কাজ দশ ঘণ্টার বেশি নয়। কাজের সময় আরও কমানোর প্রবণতা রয়েছে। '''দীর্ঘ সময়কালের তুলনা করে আমরা অগ্রগতি আরও স্পষ্টভাবে বুঝতে পারি।''' ১৮৬০ সালে শ্রমিক ও কারিগরদের বার্ষিক গড় আয় ছিল প্রায় আড়াইশো পঁচাশি ডলার। এখন তা প্রায় পাঁচশো ডলার। আজকের একটি ডলার দিয়ে ১৮৬০ সালের তুলনায় জীবনের বেশি প্রয়োজনীয় জিনিস, বেশি [[খাদ্য]], [[পোশাক]] ও [[জ্বালানি]] কেনা যাবে। এই তথ্যগুলো ভবিষ্যতের জন্য অনেক আশাব্যঞ্জক।
** [[রবার্ট জি. ইঙ্গারসোল]], [https://www.infidels.org/library/historical/robert_ingersoll/how_to_reform_mankind.html হাউ টু রিফর্ম ম্যানকাইন্ড (১৮৯৬)], অধ্যায় ৬ দ্য লেবার কোয়েশ্চন * '''আমি সেই মহান গির্জার অন্তর্ভুক্ত যা [[বিশ্ব|বিশ্বকে]] তার তারকায় আলোকিত আইলের মধ্যে ধারণ করে। এটি প্রতিটি জাতি এবং জলবায়ুর মহান ও ভালো মানুষদের দাবি করে। এটি [[আনন্দ|আনন্দের]] সাথে প্রতিটি ধর্মমতে সোনার দানা খুঁজে পায় এবং প্রতিটি আত্মায় মঙ্গলের বীজগুলোকে [[আলো]] ও [[ভালোবাসা|ভালোবাসায়]] ভরিয়ে দেয়।'''
** [[রবার্ট জি. ইঙ্গারসোল]], ফেইথ অ্যান্ড অ্যাগনোস্টিসিজম বিষয়ে রেভারেন্ড হেনরি এম. ফিল্ডের সাথে আলোচনায় একটি ঘোষণা, তার রচনাগুলোর ফ্যারেল সংস্করণের খণ্ড ৬-এ উদ্ধৃত, এছাড়া কেট লুইস রবার্টস সম্পাদিত ''হয়েটস নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস'' (১৯২২), পৃষ্ঠা ৬৬৩-এ পাওয়া যায়।
* বিদায়, ভদ্রমহোদয়গণ! আমি ইলিনয়ের গভর্নর হতে চাইছি না। আমার গঠনে এমন কিছু আছে, যা আমি ধর্ম সম্পর্কে আমার দৃষ্টিভঙ্গি হিসেবে বিশ্বের কাছে ঘোষণা করেছি। কোনো পরিস্থিতিতেই, এমনকি আমার জীবনের বিনিময়েও আমি আমার অবস্থান ত্যাগ করতে চাই না। তা করার চেয়ে আমি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি হওয়া প্রত্যাখ্যান করব। '''আমার ধর্মীয় বিশ্বাস সম্পূর্ণ আমার নিজের। এটি আমার, ইলিনয় রাজ্যের নয়। আমি বিশ্বের সম্রাট হওয়ার জন্যও আমার হৃদয়ের একটি অনুভূতিকে দমন করব না।'''
** ইলিনয়ের গভর্নর হিসেবে রিপাবলিকান মনোনয়ন প্রত্যাখ্যান করার সময়, [http://www.positiveatheism.org/hist/lewis/lewing01.htm "ইঙ্গারসোল দ্য ম্যাগনিফিসেন্ট" (১১ আগষ্ট ১৯৫৪) জোসেফ লুইস দ্বারা] উদ্ধৃত
* '''আমি এমন যেকোনো মানুষের চেয়ে নিকৃষ্ট যার অধিকার আমি পদদলিত করি। জাতি বা বর্ণের দুর্ঘটনার কারণে মানুষ শ্রেষ্ঠ হয় না। তারাই শ্রেষ্ঠ যাদের সবচেয়ে ভালো [[হৃদয়]] এবং সবচেয়ে ভালো [[মস্তিষ্ক]] রয়েছে।'''
** ''লিবার্টি''।
* শ্রেষ্ঠ মানুষ নিকৃষ্টদের জন্য আশীর্বাদ। তিনি অন্ধের চোখ, দুর্বলের শক্তি এবং প্রতিরক্ষাহীনদের ঢাল। তিনি পতিতদের ওপর ঝুঁকে সোজা হয়ে দাঁড়ান। অন্যদের ওপরে তুলেই তিনি ওপরে ওঠেন।
** ''লিবার্টি''।
* ব্রহ্মচর্য হলো অশালীনতার সারাংশ।
** [http://www.archive.org/stream/thegreatcontrove00ingeuoft/thegreatcontrove00ingeuoft_djvu.txt রোম, অর রিজন?, পৃষ্ঠা ৬১]
* অতীতের যুগে আমাদের পূর্বপুরুষরা সত্যিই বিশ্বাস করতেন যে বলপ্রয়োগ করে আপনি একজন মানুষকে বোঝাতে পারবেন। আপনি বলপ্রয়োগ করে মস্তিষ্কের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে পারবেন না। তবে আমি আপনাকে বলব আপনি বলপ্রয়োগ করে কী করতে পারেন এবং কী করেছেন। আপনি লাখ লাখ কপট মানুষ তৈরি করতে পারেন।
** [https://www.gutenberg.org/files/8389/8389-h/8389-h.htm#liberty ইঙ্গারসোলস লেকচার অন লিবার্টি অফ ম্যান, উইম্যান অ্যান্ড চাইল্ড]
* ব্লাসফেমি হলো একটি তালা যা কপটতা সমস্ত সৎ মানুষের ঠোঁটে লাগানোর চেষ্টা করে।
** ব্রুকলিন, নিউইয়র্কে দেওয়া ''ব্লাসফেমি'' বক্তৃতা, ২২ ফেব্রুয়ারি ১৮৮৫ সালে ইঙ্গারসোলের ইউরোপ যাত্রার আগে (পুনরুৎপাদিত [https://books.google.com/books?id=4O1cDwAAQBAJ&pg=PA105&lpg=PA105&dq=Blasphemy+is+a+padlock+which+hypocrisy+tries+to+put+on+the+lips+of+all+honest+men.&source=bl&ots=I7KMCNvJ0B&sig=xOulmfPwJpuZQWqe8dBvtiJ_lms&hl=en&sa=X&ved=2ahUKEwiiuuaE6ZreAhWyOn0KHdsaAd8Q6AEwAHoECAcQAQ#v=onepage&q=Blasphemy%20is%20a%20padlock%20which%20hypocrisy%20tries%20to%20put%20on%20the%20lips%20of%20all%20honest%20men.&f=false পৃষ্ঠা ১০৫])।
=== হেরেটিকস অ্যান্ড হেরেসিজ (১৮৭৪) ===
:<small>[http://www.positiveatheism.org/hist/ingerh_h.htm অনলাইনে সম্পূর্ণ পাঠ্য]</small>
[[File:William-Adolphe Bouguereau (1825-1905) - Compassion (1897).jpg|thumb|right|যার নিজের কোনো মতামত আছে এবং তা সততার সাথে প্রকাশ করে, সে-ই ধর্মদ্রোহী হওয়ার দোষে দুষ্ট হবে।]]
* '''যার নিজের কোনো [[মতামত]] আছে এবং তা সততার সাথে প্রকাশ করে, সে-ই ধর্মদ্রোহী হওয়ার দোষে দুষ্ট হবে।''' ধর্মদ্রোহিতা হলো সংখ্যালঘুরা যা বিশ্বাস করে। এটি দুর্বলের মতবাদকে শক্তিশালীদের দেওয়া একটি নাম।
* দাবি করা হয় যে [[ঈশ্বর]] [[বাইবেল]] নামে একটি বই লিখেছেন। এটি সাধারণত স্বীকার করা হয় যে এই বইটি বোঝা কিছুটা কঠিন। যে পর্যন্ত গির্জার কাছে এই বইয়ের সমস্ত অনুলিপি ছিল এবং লোকেদের এটি পড়ার অনুমতি ছিল না, সে পর্যন্ত বিশ্বে তুলনামূলকভাবে ধর্মদ্রোহিতা কম ছিল। কিন্তু যখন এটি ছাপা হলো এবং পড়া হলো, তখন লোকেরা সততার সাথে এর অর্থ নিয়ে ভিন্নমত পোষণ করতে শুরু করল। কয়েকজন স্বাধীন এবং যথেষ্ট সাহসী ছিল বিশ্বকে তাদের আসল চিন্তাভাবনা জানাতে। এই মানুষগুলোকে নির্মূল করার জন্য গির্জা তার সমস্ত ক্ষমতা ব্যবহার করেছিল। প্রোটেস্ট্যান্ট এবং ক্যাথলিকরা মানুষের মনকে দাস করার কাজে একে অপরের সাথে পাল্লা দিয়েছিল। যুগে যুগে সৎ মানুষদের পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেওয়ার কুখ্যাত প্রচেষ্টায় তারা একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল।
* যেকোনো গোঁড়া গির্জাকে ক্ষমতা দিন, আর আজ তারা ধর্মদ্রোহিতাকে চাবুক, শেকল এবং আগুন দিয়ে শাস্তি দেবে। যে পর্যন্ত একটি গির্জা মনে করে যে মুক্তির জন্য একটি নির্দিষ্ট বিশ্বাস অপরিহার্য, সে পর্যন্ত তার ক্ষমতা থাকলে সে হত্যা করবে এবং পোড়াবে।
* '''প্রতিটি গির্জা ভান করে যে ঈশ্বরের কাছ থেকে তার কাছে ওহী এসেছে। এই ওহী গির্জার মাধ্যমে লোকেদের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। গির্জা তার পুরোহিতদের মাধ্যমে কাজ করে এবং সাধারণ মরণশীলদের অবশ্যই ওহী নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হবে। এই ওহী ঈশ্বরের কাছ থেকে নয়, বরং গির্জার কাছ থেকে আসে।''' লোকেরা যদি এই অযৌক্তিক দাবির কাছে নতি স্বীকার করত, তবে অবশ্যই কেবল একটি গির্জা থাকত। আর সেই গির্জা কখনো উন্নতি করতে পারত না। এটি পিছিয়ে যেতে পারত, কারণ ভুলে যাওয়ার জন্য চিন্তা করা বা তদন্ত করার প্রয়োজন নেই। '''ধর্মদ্রোহিতা ছাড়া কোনো অগ্রগতি হতে পারত না।'''
* [[ধর্মতত্ত্ববিদ|ধর্মতত্ত্ববিদদের]] মতে আমাদের সবার পিতা ঈশ্বর তার সন্তানদের কাছে একটি চিঠি লিখেছেন। সন্তানরা সবসময় এই চিঠির অর্থ নিয়ে কিছুটা ভিন্নমত পোষণ করেছে। এই সৎ ভিন্নমতগুলোর ফলে এই ভাইয়েরা একে অপরের হৃদয় ছিন্ন করতে শুরু করে। প্রতিটি দেশে, যেখানে ঈশ্বরের এই চিঠি পড়া হয়েছে, যাদের কাছে এবং যাদের জন্য এটি লেখা হয়েছিল, সেই সন্তানরা ঘৃণা ও বিদ্বেষে পূর্ণ হয়ে উঠেছে। তারা একে অপরকে এবং একে অপরের স্ত্রী ও সন্তানদের কারারুদ্ধ ও হত্যা করেছে। ঈশ্বরের নামে প্রতিটি সম্ভাব্য অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, প্রতিটি কল্পনাযোগ্য ক্ষোভ ঘটানো হয়েছে। সাহসী মানুষ, কোমল ও স্নেহময়ী নারী, সুন্দরী মেয়ে এবং বকবক করা শিশুদের [[যিশু]] [[খ্রিষ্ট|খ্রিষ্টের]] নামে নির্মূল করা হয়েছে।
[[File:Joan_of_arc_burning_at_stake.jpg|thumb|right|ধর্মদ্রোহীরা বৃথা চিন্তা করেনি এবং কষ্টভোগ ও মৃত্যুবরণ করেনি। প্রতিটি ধর্মদ্রোহী হলো [[আলো|আলোর]] এক একটি রশ্মি।]]
* '''আমি বলি না এবং আমি বিশ্বাস করি না যে [[খ্রিষ্টান|খ্রিষ্টানরা]] তাদের ধর্মমতের মতো খারাপ। গির্জা এবং গোঁড়ামির পরও লাখ লাখ নারী-পুরুষ [[মানব]] [[হৃদয়|হৃদয়ের]] সর্বোচ্চ এবং সবচেয়ে উদার প্ররোচনাগুলোর প্রতি সত্য থেকেছে।''' তারা তাদের বিশ্বাসের প্রতি সত্য ছিল। তারা আত্মত্যাগ এবং ধৈর্যের সাথে মানুষের মুক্তির জন্য কাজ করেছে এবং কষ্ট পেয়েছে। আত্মত্যাগের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে তারা বিশ্বাস করত যে ব্যক্তিগত প্রচেষ্টার মাধ্যমে তারা অন্তত কয়েকটি আত্মাকে নরকের অসীম ছায়া থেকে উদ্ধার করতে পারে। তারা হাসিমুখে প্রতিটি কষ্ট সহ্য করেছে এবং প্রতিটি বিপদকে উপহাস করেছে। তারপরও এই সবকিছুর পরও তারা বিশ্বাস করত যে সৎ ভুল একটি অপরাধ। তারা জানত যে বাইবেল এমনটাই ঘোষণা করেছে এবং তারা বিশ্বাস করত যে সমস্ত অবিশ্বাসীরা চিরতরে হারিয়ে যাবে। তারা বিশ্বাস করত যে ধর্ম ঈশ্বরের কাছ থেকে এসেছে এবং সমস্ত ধর্মদ্রোহিতা [[শয়তান|শয়তানের]] কাছ থেকে এসেছে। তারা নিজেদের এবং তাদের সন্তানদের আত্মা রক্ষার্থে ধর্মদ্রোহীদের হত্যা করেছিল। তারা তাদের হত্যা করেছিল কারণ তাদের ধারণা অনুযায়ী তারা ঈশ্বরের শত্রু ছিল। আর কারণ বাইবেল শেখায় যে অবিশ্বাসীর রক্ত স্বর্গের কাছে একটি অত্যন্ত গ্রহণযোগ্য বলিদান।
* '''[[প্রকৃতি]] কখনো একজন প্রেমময় মাকে তার সন্তানকে গঙ্গা নদীতে ফেলে দিতে প্ররোচিত করেনি। প্রকৃতি কখনো শিশুদের দীক্ষাস্নান নিয়ে [[মতামত|মতামতের]] পার্থক্যের জন্য একে অপরকে নির্মূল করতে পুরুষদের প্ররোচিত করেনি। এই [[অপরাধ|অপরাধগুলো]] এমন ধর্মগুলোর দ্বারা উৎপাদিত হয়েছে যা সমস্ত অযৌক্তিক, নিষ্ঠুর এবং জঘন্য জিনিসে পূর্ণ।''' এই ধর্মগুলো মূলত অজ্ঞতা, [[স্বৈরাচার]] ও কপটতা দ্বারা উৎপাদিত হয়েছিল। মহাবিশ্বের অসীম শাসক এবং স্রষ্টা ধর্মদ্রোহী এবং অবিশ্বাসীদের ধ্বংস করার নির্দেশ দিয়েছেন, এই ধারণার অধীনে গির্জা এই সমস্ত অপরাধ সংঘটিত করেছে:<br> '''কেবল একজন [[ঈশ্বর]] আছেন, এমন চিন্তার জন্য নারী ও পুরুষদের পুড়িয়ে মারা হয়েছে। ঈশ্বর বলতে কেউ নেই, এমন চিন্তার জন্যও তাদের পোড়ানো হয়েছে'''; পবিত্র আত্মা ঈশ্বরের চেয়ে ছোট; ঈশ্বর তার ছেলের চেয়ে কিছুটা বয়স্ক; বিশ্বাস ছাড়াই ভালো কাজ একজন মানুষকে বাঁচাতে পারে, এমন জোর দেওয়ার জন্য; ভালো কাজ ছাড়াই বিশ্বাস কাজ করবে, এমন চিন্তার জন্য; একজন পুরোহিত একটি মিষ্টি শিশুর মাথা না ভেজানোর কারণে সে চিরকাল পুড়বে না, এমন ঘোষণার জন্য; ঈশ্বরের যেন নাক আছে, এমন কথা বলার জন্য; খ্রিষ্টের নিজের বাবা ছিলেন, তা অস্বীকার করার জন্য; সঠিকভাবে যোগ করা তিনজন ব্যক্তি একজনের চেয়ে বেশি হয়, এমন তর্কের জন্য; পার্গাটরিতে বিশ্বাস করার জন্য; নরকের বাস্তবতা অস্বীকার করার জন্য; পুরোহিতরা পাপ ক্ষমা করতে পারেন, এমন ভান করার জন্য; ঈশ্বর একটি সারমর্ম, এমন প্রচারের জন্য; ডাইনিরা লাঠিতে চড়ে বাতাসে ওড়ে, তা অস্বীকার করার জন্য; মানব হৃদয়ের সম্পূর্ণ অবক্ষয় সন্দেহ করার জন্য; অপ্রতিরোধ্য অনুগ্রহ, পূর্বনিয়তি ও বিশেষ মুক্তি নিয়ে হাসাহাসি করার জন্য; একজন মৃত মানুষের শরীর থেকে ভালো রুটি তৈরি করা যেতে পারে, তা অস্বীকার করার জন্য; পোপ ঈশ্বরের জন্য এবং ঈশ্বরের জায়গায় এই বিশ্ব পরিচালনা করছেন না, এমন ভান করার জন্য; একটি বিকল্প প্রায়শ্চিত্তের কার্যকারিতা নিয়ে বিরোধ করার জন্য; কুমারী মেরি অন্যান্য মানুষের মতো জন্মগ্রহণ করেছিলেন, এমন চিন্তার জন্য; একজন পুরুষের পাঁজর একটি ভালো আকারের নারী তৈরি করার জন্য যথেষ্ট ছিল না, এমন চিন্তার জন্য; ঈশ্বর একটি কলমের জন্য তার আঙুল ব্যবহার করেছিলেন, তা অস্বীকার করার জন্য; প্রার্থনাগুলোর উত্তর দেওয়া হয় না, অবিশ্বাসকে শাস্তি দেওয়ার জন্য রোগ পাঠানো হয় না, এমন দাবি করার জন্য; বাইবেলের কর্তৃত্ব অস্বীকার করার জন্য; তাদের কাছে একটি বাইবেল থাকার জন্য; মাসে যোগ দেওয়ার জন্য এবং যোগ দিতে অস্বীকার করার জন্য; একটি সারপ্লাইস পরার জন্য; একটি ক্রস বহন করার জন্য এবং তা অস্বীকার করার জন্য; একজন ক্যাথলিক হওয়ার জন্য এবং একজন প্রোটেস্ট্যান্ট হওয়ার জন্য; একজন এপিস্কোপ্যালিয়ান, একজন প্রেসবিটারিয়ান, একজন ব্যাপটিস্ট হওয়ার জন্য এবং একজন কোয়েকার হওয়ার জন্য। '''সংক্ষেপে, প্রতিটি পুণ্য একটি অপরাধে পরিণত হয়েছে এবং প্রতিটি অপরাধ একটি পুণ্যে পরিণত হয়েছে। গির্জা সততাকে পুড়িয়েছে এবং কপটতাকে পুরস্কৃত করেছে। আর এই সবকিছু হয়েছে কারণ এটি একটি বই দ্বারা নির্দেশিত হয়েছিল। এটি এমন একটি বই যা পুরুষদের অন্তর্নিহিতভাবে বিশ্বাস করতে শেখানো হয়েছিল, এর ভেতরের একটি শব্দ জানার অনেক আগে থেকেই। তাদের শেখানো হয়েছিল যে এই বইয়ের সত্যতা নিয়ে সন্দেহ করা, এমনকি এটি পরীক্ষা করাও এত বড় অপরাধ যে এটি এই বিশ্বে বা পরকালেও ক্ষমা করা যাবে না।'''
* মানুষ আর কতকাল একটি বইয়ের উপাসনা করবে? তারা আর কতকাল বর্বর অতীতের অজ্ঞ কিংবদন্তির সামনে ধুলোয় গড়াগড়ি খাবে? মৃত্যুর চেয়েও গভীর অন্ধকারে তারা আর কতকাল ছায়ার পেছনে ছুটবে?
* '''ধর্মদ্রোহীরা বৃথা চিন্তা করেনি এবং কষ্টভোগ ও মৃত্যুবরণ করেনি। প্রতিটি ধর্মদ্রোহী হলো [[আলো|আলোর]] এক একটি রশ্মি।'''
* ধর্মদ্রোহিতা হলো চিরন্তন ভোর, সকালের তারা, দিনের উজ্জ্বল বার্তাবাহক। ধর্মদ্রোহিতা হলো সর্বশেষ ও সর্বোত্তম চিন্তা। এটি একটি চিরস্থায়ী নতুন বিশ্ব, অজানা সমুদ্র, যার দিকে সব সাহসী মানুষ যাত্রা করে। এটি অগ্রগতির চিরন্তন দিগন্ত। <br> '''ধর্মদ্রোহিতা একটি নতুন চিন্তার প্রতি মস্তিষ্কের আতিথেয়তা প্রসারিত করে।<br> ধর্মদ্রোহিতা হলো একটি দোলনা; গোঁড়ামি হলো একটি কফিন।'''
* '''মানুষ কেন চিন্তা করতে ভয় পাবে, এবং সে তার চিন্তাভাবনা প্রকাশ করতে কেন ভয় পাবে?'''<br> এটা কি সম্ভব যে একজন অসীম দেবতা চান না মানুষ তার চারপাশের ঘটনাগুলো অনুসন্ধান করুক? এটা কি সম্ভব যে একজন ঈশ্বর মানুষকে হুমকি দেওয়া এবং ভয় দেখানোর মধ্যে আনন্দ পান? এমন একটি ক্ষেত্রে একজন ঈশ্বর কতটা গৌরব, কতটা সম্মান ও খ্যাতি অর্জন করতে পারেন! এক ফোঁটা জলের দিকে সমুদ্রের গর্জন; একটি মোমবাতির প্রতি একটি তারার ঈর্ষা; একটি জোনাকির প্রতি [[সূর্য|সূর্যের]] ঈর্ষা।
* '''এত [[সময়|সময়ে]] পুরো [[বিশ্ব|বিশ্বের]] জানা উচিত যে আসল [[বাইবেল]] এখনও লেখা হয়নি, তবে তা লেখা হচ্ছে। আর মানবজাতি তার অধঃপতন শুরু না করা পর্যন্ত বা অস্তিত্বহীন না হওয়া পর্যন্ত এটি কখনোই শেষ হবে না।'''<br> আসল বাইবেল অনুপ্রাণিত পুরুষদের কাজ নয়, নবীদের, প্রেরিতদের, ইভানজেলিস্টদের বা খ্রিষ্টদের কাজও নয়। প্রতিটি মানুষ যিনি একটি [[তথ্য]] খুঁজে পান, তিনি যেন এই বিশাল বইটিতে একটি শব্দ যোগ করেন। এটি [[ভবিষ্যদ্বাণী]], [[অলৌকিক ঘটনা]] বা [[লক্ষণ|লক্ষণগুলোর]] দ্বারা প্রমাণিত নয়। এটি [[বিশ্বাস]], [[অজ্ঞতা]], সহজবিশ্বাস বা [[ভয়|ভয়ের]] কাছে কোনো আবেদন করে না। অবিশ্বাসের জন্য এর কোনো [[শাস্তি]] নেই এবং [[কপটতা|কপটতার]] জন্য কোনো পুরস্কার নেই। এটি প্রদর্শনের নামে মানুষের কাছে আবেদন করে। এর লুকানোর কিছু নেই। এটি পড়া হওয়ার, খণ্ডিত হওয়ার, অনুসন্ধান করা এবং বোঝা যাওয়ার ভয় নেই। এটি পবিত্র বা অলৌকিক হওয়ার ভান করে না। এটি কেবল সত্য বলে দাবি করে। এটি সবার যাচাই-বাছাইকে চ্যালেঞ্জ করে এবং প্রতিটি পাঠককে নিজের জন্য প্রতিটি লাইন যাচাই করতে অনুরোধ করে। এটিকে ব্লাসফেমি করা অসম্ভব। এই বইটি মানুষের চারপাশের সবকিছুর কাছে আবেদন করে। '''বিদ্যমান প্রতিটি জিনিস এর [[নিখুঁত|নিখুঁততার]] সাক্ষ্য দেয়। পৃথিবী, তার আগুনের হৃদয় ও তুষারের মুকুট নিয়ে; তার বন ও সমভূমি, তার শিলা ও সমুদ্র নিয়ে; তার প্রতিটি ঢেউ ও মেঘ নিয়ে; তার প্রতিটি পাতা এবং কুঁড়ি ও ফুল নিয়ে, এর প্রতিটি শব্দকে নিশ্চিত করে। আর অসীম রসাতলে জ্বলজ্বল করা গম্ভীর তারাগুলো হলো এর [[সত্য|সত্যের]] চিরন্তন সাক্ষী।'''
===[http://www.infidels.org/library/historical/robert_ingersoll/centennial_oration.html সেন্টেনিয়াল ওরেশন (৪ জুলাই ১৮৭৬)]===
*<p>একশো বছর আগে, আমাদের পূর্বপুরুষরা [[রাজনীতি]] থেকে [[দেবতা|দেবতাদের]] বিদায় করেছিলেন।</p><p>'''[[স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র]] হলো সবচেয়ে মহান, সাহসী এবং গভীর রাজনৈতিক দলিল, যা কখনো কোনো [[জনগণ|জনগণের]] প্রতিনিধিদের দ্বারা স্বাক্ষরিত হয়েছিল।''' এটি শারীরিক ও নৈতিক [[সাহস]] এবং রাজনৈতিক [[প্রজ্ঞা|প্রজ্ঞার]] মূর্ত প্রতীক।</p>
* প্রাচীনকালে কোনো রাজনৈতিক উৎসাহী ব্যক্তি মাঝে মাঝে এমন কথা বলতেন। কিন্তু বিশ্বের [[ইতিহাস|ইতিহাসে]] প্রথমবারের মতো একটি জাতির প্রতিনিধিরা, একটি বাস্তব, জীবন্ত, শ্বাসপ্রশ্বাস নেওয়া, আশাবাদী মানুষের প্রতিনিধিরা ঘোষণা করেছিলেন যে সমস্ত মানুষ সমানভাবে সৃষ্ট। এক ধাক্কায়, কলমের এক টানে তারা মানুষ এবং মানুষের মধ্যে আভিজাত্য, পুরোহিততন্ত্র এবং রাজতন্ত্রের তৈরি করা সমস্ত নিষ্ঠুর, হৃদয়হীন বাধা ভেঙে দিয়েছিলেন। তারা এক অমর আঘাতের মাধ্যমে সেই কুখ্যাত জাতপাতের চেতনাকে ধ্বংস করেছিলেন, যা একজন ঈশ্বরকে প্রায় একটি পশুতে এবং একটি পশুকে প্রায় একজন দেবতায় পরিণত করে। এক কথায়, এক আঘাতে তারা শতাব্দীর পর শতাব্দীর [[যুদ্ধ]], শতাব্দীর পর শতাব্দীর [[কপটতা]], শতাব্দীর পর শতাব্দীর অবিচারের দ্বারা করা সমস্ত কিছু মুছে দিয়েছিলেন এবং পুরোপুরি ধ্বংস করে দিয়েছিলেন।
* আমাদের পূর্বপুরুষরা এই বিশ্বে প্রথম ধর্মনিরপেক্ষ [[সরকার]] প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সেটি মনে রাখবেন। প্রথম ধর্মনিরপেক্ষ সরকার; প্রথম সরকার যা বলেছিল যে প্রতিটি গির্জার ঠিক একই অধিকার রয়েছে, এর বেশি কিছু নয়। প্রতিটি ধর্মের একই অধিকার রয়েছে, এর বেশি কিছু নয়। অন্য কথায়, আমাদের পূর্বপুরুষরা ছিলেন প্রথম মানুষ, যাদের এই জ্ঞান, এই [[প্রতিভা]] ছিল যে কোনো গির্জাকে [[তলোয়ার]] রাখার অনুমতি দেওয়া উচিত নয়। একে কেবল তার নৈতিক প্রভাব প্রয়োগ করার অনুমতি দেওয়া উচিত।
* '''সবার [[অধিকার]] সমান: চিরন্তন শান্তিতে স্থির এবং ভারসাম্যপূর্ণ ন্যায়বিচার মানুষের কাজের ওজন মাপা সোনার দাঁড়িপাল্লা থেকে [[কুসংস্কার]] এবং জাতপাতের ধুলো ঝেড়ে ফেলবে। কোনো জাতি, কোনো বর্ণ, কোনো পূর্ববর্তী অবস্থা মানুষের অধিকার পরিবর্তন করতে পারে না।'''
===মাই রিভিউয়ার্স রিভিউড (২৭ জুন ১৮৭৭-এর বক্তৃতা, সান ফ্রান্সিসকো, ক্যালিফোর্নিয়া)===
* একশো বছর ধরে নরক ধীরে ধীরে ঠান্ডা হচ্ছে, শিখাগুলো ধীরে ধীরে মরে যাচ্ছে, গন্ধক প্রায় শেষ হয়ে গেছে, আগুন আরও নিচু এবং নিচুতে জ্বলছে এবং জলবায়ু ধীরে ধীরে পরিবর্তিত হচ্ছে। পরিবর্তনটি এরই মধ্যে এত দূর প্রভাব ফেলেছে যে, আমি যদি আজ রাতে সেখানে যেতাম তবে আমি একটি ওভারকোট এবং এক বাক্স দেশলাই নিয়ে যেতাম।
* তারা বলে যে মানুষের অনন্ত ভবিষ্যৎ তার বিশ্বাসের ওপর নির্ভর করে। আমি তা অস্বীকার করি। মস্তিষ্কের সততার সাথে পৌঁছানো একটি সিদ্ধান্ত কখনো অপরাধ হতে পারে না। আর যে ব্যক্তি বলে যে এটি অপরাধ, সে নিজে তা মনে করে না। যে ঈশ্বর এটিকে অপরাধ হিসেবে শাস্তি দেন তিনি কেবল একজন কুখ্যাত স্বৈরশাসক। আমার কথা বলতে গেলে, আমি হাজারবার ধ্বংসের দিকে যেতে এবং বিশ্বের সাহসী, মহান চিন্তাবিদদের সাথে এর যন্ত্রণা ভোগ করতে চাইব, একজন ঈশ্বরের সঙ্গ বজায় রেখে স্বর্গে যাওয়ার চেয়ে, যিনি সৎ বিশ্বাসের জন্য তার সন্তানদের অভিশাপ দেবেন।
* আমি নারীর অধিকারের জন্য, স্ত্রীদের অধিকারের জন্য এবং তার চেয়েও বড় কথা, ছোট শিশুদের অধিকারের জন্য আবেদন করেছি। আমি বলেছি যে তাদের স্নেহ, ভালোবাসা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত করা যেতে পারে এবং আমার হৃদয় দারিদ্র্য ও অপরাধের সমস্ত সন্তানদের প্রতি ধাবিত হয়। সরু রাস্তায় এবং সাব-সেলারগুলোতে বসবাসকারী শিশুদের প্রতি, একটি নিষ্ঠুর পিতার পায়ের শব্দ শুনলে দৌড়ে পালানো এবং লুকানো শিশুদের প্রতি, এমনকি একজন মায়ের মুখে তাদের নাম উচ্চারিত হলে ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়া শিশুদের প্রতি। জীবনের বিস্তীর্ণ, রূঢ় সমুদ্রে ভেসে থাকা সমস্ত ছোট শিশুদের প্রতি আমার হৃদয় ধাবিত হয়। আমি বলেছি যে আমার হৃদয় তাদের প্রত্যেকের প্রতি ধাবিত হয়। আমি বাবা-মা'কে তাদের নিজেদের রক্তমাংসে গড়া সন্তানদের প্রহার করা বন্ধ করতে বলেছি। আমি তাদের বলেছি, যখন আপনার সন্তান ভুল করে, তখন তাকে আপনার হাত দিয়ে জড়িয়ে ধরুন। তাকে আপনার হৃদয়ের স্পন্দন অনুভব করতে দিন। একটি ক্লাবের চেয়ে চুমু দিয়ে আপনার সন্তানকে নিয়ন্ত্রণ করা অনেক সহজ।
* ধর্মীয় সংবাদমাধ্যম এবং তাদের মিম্বরে বসে মন্ত্রীরা আমাকে একজন দানব, শৃঙ্খলার শত্রু, পিশাচ এবং একজন কুখ্যাত মানুষ হিসেবে নিন্দা করেছেন। তবে আমি এর কোনো অভিযোগ করছি না। '''কয়েক বছর আগে তারা আমাকে খুঁটিতে বেঁধে পুড়িয়ে মারত এবং আমাকে শিখা ও ধোঁয়ার ভেতর দিয়ে তাদের কপট মুখের দিকে তাকাতে বাধ্য করা হতো। তারা এখন তা করতে পারে না, পারলে করত।'''
* আত্মা অমর কি না তা প্রকৃতির একটি সত্য এবং এটি কোনো বই দ্বারা পরিবর্তন করা যায় না। আমি যদি অমর হই, তবে আমি অমর। আমি যদি না হই, কোনো বই আমাকে তা করতে পারবে না। আমার আবার বেঁচে থাকাটা আমার বেঁচে থাকার চেয়ে বেশি আশ্চর্যের কিছু নয়।
* আমি এই কথাগুলো বলা মাত্রই বিভিন্ন ভদ্রলোক আমাকে উত্তর দেওয়ার তাগিদ অনুভব করলেন। '''আমি বলতে চাই যে পৃথিবীতে যদি আমি কোনো কিছু পছন্দ করি, তা হলো ন্যায্যতা। আর এটি আমার এত পছন্দ হওয়ার একটি কারণ হলো আমি এটি খুব কমই পেয়েছি।'''
* আমি চাইলে অত্যন্ত জঘন্য ও ঘৃণ্য কথা বলতে পারি। আমি অনেক ধর্মীয় পত্রিকা ও আলোচনা পড়েছি এবং আমার মনে হয় আমি এখন আমাদের ভাষার সব কুখ্যাত শব্দগুলো জানি।
* তবে, অধিবিদ্যার বিজ্ঞান নিয়ে কোনো সময় নষ্ট করার যৌক্তিকতা নেই। '''আমি আপনাকে অধিবিদ্যার আমার সংজ্ঞা দেব: দু'জন বোকা একসাথে হয়; প্রত্যেকে এমন কিছু স্বীকার করে যা কেউই প্রমাণ করতে পারে না, এবং এরপর তারা দুজনেই বলে, "অতএব আমরা অনুমান করি।"''' অধিবিদ্যা বলতে এইটুকুই।
* বিশ্বের প্রতিটি কুসংস্কার যা এখন পবিত্র বলে গণ্য করা হয়, তা মা-বাবা, বাড়ির স্মৃতি দ্বারা পবিত্র করা হয়েছে। আমি জানি যারা ভালোবাসত তাদের স্মৃতি দ্বারা পবিত্র হলেও প্রতিটি কুসংস্কার দূরে ছুঁড়ে ফেলতে মহৎ, সাহসী ও কোমল মানুষদের কতটা মূল্য দিতে হয়েছে।
* আমি ভলতেয়ারকে পছন্দ করি, কারণ অর্ধ শতাব্দী ধরে তিনি ইউরোপের বুদ্ধিবৃত্তিক সম্রাট ছিলেন। আমি তাকে পছন্দ করি, কারণ আল্পসের পাদদেশে তার সিংহাসন থেকে তিনি খ্রিষ্টজগতের প্রতিটি কপট মানুষের দিকে অবজ্ঞার আঙুল তুলেছিলেন।
* '''সবচেয়ে বড় প্রশ্নটি এটি নয় যে, কে ঠিকভাবে মারা গেছে, বরং কে ঠিকভাবে বেঁচে ছিল? মরার চেয়ে বেঁচে থাকার মধ্যে অসীম দায়িত্ব রয়েছে'''। মৃত্যুর মুহূর্তটি জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বহীন মুহূর্ত। তখন কিছুই করা যায় না। আপনি আপনার উইলে তাকে স্মরণ করা ছাড়া কোনো বন্ধুর জন্যও কোনো উপকার করতে পারবেন না।
* প্রথম প্রেসবিটারিয়ান ছিলেন একজন ধর্মদ্রোহী। প্রথম ব্যাপটিস্ট ছিলেন একজন ধর্মদ্রোহী। প্রথম কংগ্রিগেশনালিস্ট ছিলেন একজন ধর্মদ্রোহী। প্রথম খ্রিষ্টান একজন ব্লাসফেমার হিসেবে নিন্দিত হয়েছিলেন। তারপরও এই ধর্মদ্রোহীরা যখন কোনো এলাকায় সংখ্যাগরিষ্ঠ হওয়ার জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যায় পৌঁছায়, তখনই নিজেদের গোঁড়া বলে ডাকতে শুরু করে। এর চেয়ে চরম কোনো ধৃষ্টতা কি হতে পারে?
* আমি ঘটনাচক্রে ছয় বা সাতজন ব্যাপটিস্ট এল্ডারের সঙ্গে ছিলাম—'''কীভাবে আমি এমন খারাপ সঙ্গে জড়িয়ে পড়লাম, তা জানি না''',—এবং তাদের মধ্যে একজন জিজ্ঞাসা করলেন বাপ্তিস্ম সম্পর্কে আমি কী ভাবি। আসলে, আমি কখনো এটি নিয়ে খুব বেশি ভাবিনি; এ সম্পর্কে খুব বেশি জানিও না; আমি কিছু বলতে চাইনি, কিন্তু তারা জোর করেছিল। আমি বলেছিলাম, "আচ্ছা, আমি আপনাকে আমার মতামত দেব—সাবান দিয়ে বাপ্তিস্ম একটি ভালো জিনিস।"
* পরবর্তী ভদ্রলোক যিনি আমার কথার উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করেছেন, তিনি হলেন রেভারেন্ড স্যামুয়েল রবিনসন। '''তিনি তার "গোস্টস অ্যাগেইনস্ট গড অর ইঙ্গারসোল অ্যাগেইনস্ট অনেস্টি" শিরোনামের উপদেশে এই কাজটি করেছেন।''' '''আমি অনুমান করি তিনি উভয় ক্ষেত্রেই নিজেকে আসামী বলে কল্পনা করেন।'''
* অতীতের সাহসী মানুষরা নির্যাতনের যন্ত্রপাতি সহ্য করেছিলেন। তাদের র্যাকে টানটান করা হয়েছিল; তাদের পা লোহার বুটে পিষে ফেলা হয়েছিল; তারা নির্বাসনের তীরে দাঁড়িয়ে অশ্রুসজল চোখে বাড়ি ও জন্মভূমির দিকে তাকিয়েছিলেন। তাদের তাদের চুলা থেকে, তাদের স্ত্রীদের কাছ থেকে, তাদের সন্তানদের কাছ থেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তাদের পাবলিক স্কোয়ারে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল; তাদের খুঁটিতে শেকল দিয়ে বাঁধা হয়েছিল এবং তাদের ছাই অগণিত ঘৃণার হাত দ্বারা ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। আমি সন্তুষ্ট। '''ভয়ের শিষ্যরা আমাকে স্পর্শ করতে পারবে না।'''
* এই ভদ্রলোক একজন "বস্তুবাদী দানব" এর সাহায্যে এক পয়সা অবদান রাখতেও ঘৃণা করতেন। '''যখন আমি সেই বিবৃতিটি দেখলাম, তখন আমি আপনাকে বলব আমি কী করেছি। আমি জানতাম লোকটির বিবেক তার বুকে মোচড় দিয়ে উঠছে এই ভেবে যে সে আমার সহায়তার জন্য, একটি ভূতে অবিশ্বাসী "বস্তুবাদী দানবের" সহায়তার জন্য এক ডলার অবদান রেখেছে। আমি তাকে একটি চিঠি লিখেছিলাম এবং আমি বলেছিলাম: "আমার প্রিয় মহাশয়: ভূতে অবিশ্বাসীর সহায়তায় অবদান রাখার অপরাধ থেকে আপনার বিবেককে মুক্তি দেওয়ার জন্য, আপনি আমার বক্তৃতায় অংশ নিতে যে পরিমাণ অর্থ প্রদান করেছিলেন তা আমি এতদ্বারা সংযুক্ত করছি।"''' তারপর আমি তাকে একটু ভালো উপদেশ দিয়েছিলাম। আমি তাকে দয়ালু, সদয় হওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলাম এবং অত্যন্ত দুঃখ প্রকাশ করেছিলাম যে কোনো ব্যক্তি দেড় ঘণ্টা ধরে আমার কথা শুনতে পারে এবং সব মানুষের একই রকম চিন্তা করার অধিকার আছে তা নিয়ে সন্তুষ্ট হয়ে যেতে পারে না। এই লোকটি টাকা পাওয়ার কথা অস্বীকার করেছিল, কিন্তু খামের একটি দাগের মাধ্যমে তার কাছে এটি খুঁজে পাওয়া গিয়েছিল।
* সাদা কোয়েকার শিশুদের কারা দাস হিসেবে বিক্রি করেছিল? প্রোটেস্ট্যান্টরা। কোয়েকারদের জিভ কারা কেটেছিল? অসম্ভব অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত নারী-পুরুষ ও শিশুদের কারা পুড়িয়ে ধ্বংস করেছিল? প্রোটেস্ট্যান্টরা। '''প্রোটেস্ট্যান্টরা ঠিক তাদের ক্ষমতার সমপরিমাণ নির্যাতন করেছে। ক্যাথলিকরাও একই কাজ করেছে।'''
* '''বিশ্বের ইতিহাসে ওল্ড স্কুল প্রেসবিটারিয়ানিজমের চেয়েও খারাপ কোনো ধর্ম কখনো থেকে থাকতে পারে। তবে নরখাদকতা থেকে সভ্যতা পর্যন্ত যদি এমন কিছু থেকে থাকে, তবে আমি কখনো এর কথা শুনিনি।'''
* ধর্মীয় সংবাদপত্রের সম্পাদকরা কেন এত বিদ্বেষপরায়ণ, কেন তারা অপবাদ দিয়ে যুক্তির উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করে, তা আমার কাছে একটি রহস্য। এটা কি এই কারণে যে তারা অনুভব করে রাজদণ্ড ধীরে ধীরে তাদের হাত থেকে পিছলে যাচ্ছে? '''এটি কি শক্তিহীন রাগের ফল? এটি কি এই কারণে যে প্রতিটি গোঁড়া মস্তিষ্কে বুদ্ধিবৃত্তিক হীনমন্যতার একটি সনদ লেখা হচ্ছে?'''
* '''যদি এই "পবিত্র" বইটি মানুষকে তার ভাইকে দাস করতে শেখায়, তবে এটি অনুপ্রাণিত নয়। যে ঈশ্বর দাসত্ব প্রতিষ্ঠা করবেন, তিনি যেকোনো শয়তানের মতোই নিষ্ঠুর ও নির্দয়।'''
* এটি সবচেয়ে দয়ালু ঈশ্বরের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত এক ধরনের দাসত্ব। এই সবের জন্য দেওয়া কারণ হলো, যাদের তারা দাস বানিয়েছিল তারা ছিল পৌত্তলিক। আপনি তাদের দাস বানাতে পারেন কারণ তারা গোঁড়া নয়। আপনি যদি এমন কাউকে খুঁজে পান যে আমাকে অর্থাৎ ইহুদিদের ঈশ্বরকে বিশ্বাস করে না, তবে আপনি তার স্ত্রীকে তার বাহু থেকে এবং তার শিশুকে দোলনা থেকে চুরি করতে পারেন। আপনি যদি এমন কোনো নারীকে খুঁজে পান যে হিব্রু যিহোবাকে বিশ্বাস করে না, তবে আপনি তার বুক থেকে তার বকবক করা শিশুকে চুরি করতে পারেন। কেউ কি এর চেয়ে বেশি কুখ্যাত কোনো কিছু কল্পনা করতে পারে? কেউ কি এই বিশ্বের সাহিত্যে একটি শয়তানের প্রতিও আরোপিত এর চেয়ে ভয়ানক শব্দ খুঁজে পেতে পারে?
* “যদি তার মনিব তাকে একজন স্ত্রী দিয়ে থাকে, এবং সে তার পুত্র বা কন্যার জন্ম দেয়; তবে স্ত্রী এবং তার সন্তানরা তার মনিবের হবে, এবং সে একাই চলে যাবে...দাসটিকে তার স্ত্রী এবং সন্তানদের ছেড়ে দিলে স্বাধীনতা দেওয়া হয়। স্ত্রী এবং সন্তানের স্বার্থে তাকে অবশ্যই দাসত্বে থাকতে হবে। এটি সবচেয়ে দয়ালু ঈশ্বরের আরেকটি আইন। এই ঈশ্বর এমনকি ভালোবাসাকেও একটি শিকলে পরিণত করেন। শিশুদের তিনি হাতকড়া ও শেকল হিসেবে ব্যবহার করেন এবং স্ত্রীরা কারাগারের রক্ষক হয়ে ওঠে। '''যে ব্যক্তি বিশ্বাস করে যে এমন জঘন্য আইনগুলো একজন অসীম জ্ঞানী ও দয়ালু ঈশ্বরের দ্বারা তৈরি করা হয়েছিল, সে আমার বিচারে উন্মাদ বা সম্পূর্ণ অবক্ষয়গ্রস্ত।'''
* '''ঈশ্বরের কাছে একজন মানুষকে বিনামূল্যের জন্য ধৈর্য ধরে কাজ করতে দেখাটা নিশ্চয়ই অনেক আনন্দের বিষয়। একজন দাসকে তার স্ত্রী ও সন্তানের সাথে নিলামে বিক্রি হতে দেখে পরমেশ্বর অবশ্যই সন্তুষ্ট হন। যদি এই দাসটি দাসত্ব থেকে পালিয়ে যায় এবং তাকে ধাওয়া করা হয়, তবে রক্তপিপাসু কুকুরের ঘেউ ঘেউ শব্দ এই সবচেয়ে দয়ালু ঈশ্বরের কানে কতটা সুরেলা শোনাবে। এর সবটাই কেবল কুখ্যাত। এই মহাবিশ্বের সিংহাসনে এমন কোনো দানব বসে নেই।'''
* নটরডেম ক্যাথেড্রালে এগুলোর মধ্যে একটির প্রচারিত একটি উপদেশের কথা আমি কোথাও পড়েছি। এই বৃদ্ধ পুরোহিত অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে বলেছিলেন যে, একজন ভিক্ষুকের আত্মা ঈশ্বরের কাছে তার সবচেয়ে ধনী মানুষের আত্মার মতোই প্রিয়। এবং যিশু খ্রিষ্ট একজন রাজপুত্রের জন্য যতটা মারা গিয়েছিলেন একজন ভিক্ষুকের জন্যও ততটা মারা গিয়েছিলেন। একজন ফরাসি কৃষক, পরিশ্রমে রুক্ষ হয়ে চিৎকার করে বলেছিল: "আমি যিশু খ্রিষ্টের জন্য তিনটি উল্লাস প্রস্তাব করছি।" আমি এমন জিনিসগুলো পছন্দ করি। আমি এগুলো শুনতে পছন্দ করি। আমি এগুলো পুনরাবৃত্তি করতে পছন্দ করি।
* আমাদের সন্তানদের ভয় দেখাতে এবং নারীদের বুদ্ধিমত্তাকে পঙ্গু করার জন্য পুরোহিতদের অর্থ প্রদান করা হলো অর্থের অপচয়।
* শত শত বছর ধরে সমস্ত খ্রিষ্টানরা দাবি করেছিল যে পৃথিবী ছয় দিনে তৈরি হয়েছিল, প্রতিটি আক্ষরিক চব্বিশ ঘণ্টার দিন। এবং সপ্তম দিনে প্রভু তার শ্রম থেকে বিশ্রাম নিয়েছিলেন। ভূতাত্ত্বিকরা গির্জাকে এই অবস্থান থেকে বিতাড়িত করেছেন। আর এখন দাবি করা হয় যে বাইবেলে উল্লিখিত দিনগুলো হলো সময়কাল। এটি একটি সাধারণ এড়ানো, যা কোনোভাবেই ধর্মগ্রন্থ দ্বারা সমর্থিত নয়। বাইবেল স্পষ্টভাবে এবং পরিষ্কারভাবে বলে যে বিশ্ব ছয় দিনে তৈরি হয়েছিল। এর মলাটের ভেতরে এর চেয়ে পরিষ্কার কোনো বিবৃতি নেই।
* আর তাদের সাবাথ পালন করার কারণ ছিল যে স্রষ্টা সপ্তম দিনে বিশ্রাম নিয়েছিলেন—কোনো সময়কালে নয়। '''আপনি যদি ছয় দিনের পরিবর্তে ছয় সময়কালের কথা বলেন, তবে আপনার সাবাথের কী হবে?''' বাইবেলে সাবাথ পালনের একমাত্র কারণ দেওয়া হয়েছে যে ঈশ্বর এটি পালন করেছিলেন। তিনি সেদিন তার কাজ থেকে বিশ্রাম নিয়েছিলেন এবং সতেজ হয়েছিলেন। এই কারণটি সরিয়ে নিলে, সেই দিনের পবিত্রতার কোনো ভিত্তি ধর্মগ্রন্থে থাকে না।
* যখন সৃষ্টির মোজাইক বর্ণনার চরম অযৌক্তিকতা সমস্ত চিন্তাশীল মানুষের কাছে স্পষ্ট হয়ে ওঠে, তখন গির্জা বাইবেলের পাঠ পরিবর্তন করে। তখন ভান করা হয়েছিল যে সৃষ্টির "দিনগুলো" হলো বিশাল সময়কাল। যখন এটা দেখানো হয়েছিল যে পৃথিবীর চারপাশে সূর্যের ঘোরা একেবারেই অসম্ভব, তখন যিহোশূয় কর্তৃক সারা দিন সূর্যের স্থির থাকার বিবরণটিকে একটি রূপক অর্থে পরিবর্তন করা হয়েছিল। বলা হয়েছিল যে যিহোশূয় কেবল তার দিনের সাধারণ কথা বলার রীতির সাথে সামঞ্জস্য রেখেছিলেন। এবং যখন তিনি বলেছিলেন যে সূর্য স্থির দাঁড়িয়েছে, তখন তিনি কেবল এই ধারণাটি বোঝাতে চেয়েছিলেন যে পৃথিবী তার অক্ষের চারপাশে ঘোরা বন্ধ করে দিয়েছে। বিশ্বে কি এমন কোনো সংবেদনশীল মানুষ আছেন যিনি এই অজ্ঞতাবশত মিথ্যায় বিশ্বাস করেন?
* প্রতি ঘণ্টায় এক হাজার মাইল বেগে ঘুরতে থাকা পৃথিবী থেমে গিয়েছিল। এই বিশাল গোলকের গতি তাৎক্ষণিকভাবে তাপে পরিণত হতো। বর্তমান সময়ের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানী গণনা করে দেখেছেন যে, পৃথিবীকে থামাতে কঠিন কয়লার তৈরি এই পৃথিবীর সমান একটি বিশ্বকে পুড়িয়ে যে পরিমাণ তাপ উৎপন্ন করা যায়, সেই পরিমাণ তাপ উৎপন্ন হবে। '''তারপরও এই সমস্ত শক্তি কেবল কয়েকজন দরিদ্র বর্বরকে পরাজিত করার তুচ্ছ উদ্দেশ্যে ব্যয় করা হয়েছিল। এত সামান্য একটি বস্তু অর্জনের জন্য এত বেশি শক্তির প্রয়োগ, সান ফ্রান্সিসকো শহরের পাদ্রিদের যুক্তির উত্তর দেওয়ার জন্য একজন মহান মানুষের সমস্ত বুদ্ধিমত্তাকে কাজে লাগানোর মতোই অর্থহীন হতো।'''
* দাবিকৃত উদ্দেশ্যের জন্য গ্রহগুলোকে তাদের বিশাল গতিপথে থামানোর ক্ষেত্রে সেই অসীম শক্তির অপচয় হতো এমন একটি পোকা ধ্বংস করার জন্য একটি ক্রুপ বন্দুক ব্যবহার করার মতো, যার কাছে এক ফোঁটা জলই হলো "একটি অসীম পৃথিবী।" '''সাধারণ বুদ্ধির মানুষের পক্ষে কেবল এমন অজ্ঞতাপূর্ণ মিথ্যাগুলোকে সমর্থন করাই নয়, বরং যারা তা করে না তাদের কীভাবে বদনাম করা সম্ভব?''' বাইবেলের জ্যোতির্বিদ্যায় বিশ্বাস করার চেয়ে মানুষের বুদ্ধিমত্তাকে অবক্ষয়কারী আর কিছু হতে পারে কি?
* পৃথিবী যে সমতল হতে হবে তা দেখানোর জন্য কসমসের দেওয়া মহান যুক্তিটি হলো এই যে, বাইবেলে বলা হয়েছে যখন খ্রিষ্ট দ্বিতীয়বার মহিমায় আসবেন, তখন পুরো বিশ্ব তাকে দেখবে। '''কসমস বলেছিলেন, "এখন যদি পৃথিবী গোল হয়, তবে প্রভু এলে পৃথিবীর অন্য দিকের লোকেরা কীভাবে তাকে দেখতে পাবে?"''' এটি প্রশ্নটির সমাধান করে দিয়েছিল।
* '''বাইবেলকে কেবল সত্য হিসেবে নয়, সমস্ত সত্যের সেরা হিসেবেও বিবেচনা করা হতো। সামনে আনা যেকোনো নতুন তত্ত্ব অবিলম্বে ওহীর আলোতে বা বলা যায় অন্ধকারে পরীক্ষা করা হতো। আর যদি সেই পরীক্ষা অনুযায়ী এটি মিথ্যা হয়, তবে এটির নিন্দা করা হতো এবং এটি সামনে আনা ব্যক্তিকে প্রত্যাহার করতে বাধ্য করা হতো। ধর্মগ্রন্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে প্রমাণিত প্রতিটি তত্ত্ব আবিষ্কার করা অনেক ভালো হতো।'''
* স্যার থমাস মুর বলেছিলেন যে ডাইনিবিদ্যা ছেড়ে দেওয়া মানে বাইবেলকেই ছেড়ে দেওয়া। একশো বছর আগে প্রায় সব বিশিষ্ট ধর্মতত্ত্ববিদরাই এই ধারণা পোষণ করতেন। '''আমার বিচারে, তারা সঠিক ছিলেন। ডাইনিবিদ্যা ছেড়ে দেওয়া মানে, অন্তত অনেকখানি, অতিপ্রাকৃতকে ছেড়ে দেওয়া। ছোট ছোট ভূতগুলোকে কেবল ছুঁড়ে ফেলা মানুষের মনকে বড় ভূতগুলোকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য প্রস্তুত করে।''' সঠিকভাবে বলা যায় এমন প্রায় সব ধর্মমত ও ধর্মের প্রতিষ্ঠাতারাই ভালো ও মন্দ আত্মার অস্তিত্ব শিখিয়েছেন। তারা অন্ধকারকে শয়তান এবং আলোকে ফেরেশতা দিয়ে ভরিয়ে তুলেছেন। তারা নরককে রাক্ষস এবং স্বর্গকে সরাফ দিয়ে ভিড় করিয়েছেন। যে মুহূর্তে এই ভালো ও মন্দ আত্মাগুলো, এই ফেরেশতা ও পিশাচগুলো মানুষের কল্পনা থেকে অদৃশ্য হয়ে যায় এবং অতিপ্রাকৃত উপায়ের চেয়ে প্রাকৃতিক উপায়ে ঘটনাগুলোর ব্যাখ্যা করা হয়, সে মুহূর্তেই বস্তুবাদের নামে পরিচিত হওয়ার দিকে একটি বড় পদক্ষেপ নেওয়া হয়। '''যে পর্যন্ত গির্জা ডাইনিবিদ্যায় বিশ্বাস করে, সে পর্যন্ত তা একটি পরিবর্তিত রূপে থাকে। মন্দ আত্মাগুলো আগের মতো বেশি নেই এবং আরও বেশি ঘটনা প্রাকৃতিক উপায়ে ব্যাখ্যা করা হয়। আত্মাগুলোর ওপর বিশ্বাস যতটুকু হারিয়েছে, ঠিক ততটুকুই গির্জা তার ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব হারিয়েছে।''' মানুষ যখন ভালো বা মন্দ আত্মার প্রত্যক্ষ ক্রিয়ার কারণে কোনো ঘটনার সংঘটনকে দায়ী করা বন্ধ করে দেয় এবং পরিচিত প্রাঙ্গণ থেকে যুক্তি দেখাতে শুরু করে, তখন কুসংস্কারের শৃঙ্খল দুর্বল হতে শুরু করে।
* এবং এরপর প্রভু শয়তানকে ইয়োবের সম্পত্তি এবং সন্তানদের ধ্বংস করার ক্ষমতা দিয়েছিলেন। '''কিছুক্ষণ পরে এই উচ্চ চুক্তিকারী পক্ষগুলো আবার মিলিত হয়েছিল। এবং প্রভুকে তার সাফল্যে কিছুটা উচ্ছ্বসিত বলে মনে হয়েছিল এবং তিনি আবার ইয়োবের পাপহীনতার দিকে শয়তানের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন। তারপর শয়তান তাকে তার শরীর স্পর্শ করতে বলেছিল এবং সে তাকে অভিশাপ দেবে। এবং এরপর ইয়োবের শরীরের ওপর শয়তানকে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছিল এবং সে তার শরীর ফোঁড়ায় ঢেকে দিয়েছিল। তারপরও এই সবকিছুর মধ্যে ইয়োব তার ঠোঁট দিয়ে পাপ করেননি। ধৈর্যের উৎকর্ষ দেখানোর জন্য এবং এই প্রমাণ করার জন্য এই বইটি লেখা হয়েছে বলে মনে হয় যে, অবশেষে ঈশ্বর তাদের সবাইকে পুরস্কৃত করবেন যারা সাহসের সাথে এবং কোনো অভিযোগ ছাড়াই স্বর্গের কষ্টগুলো সহ্য করবে।''' ইয়োবের পুত্র ও কন্যাদের হত্যা করা হয়েছিল। এবং তারপর ইয়োবকে পুরস্কৃত করার জন্য প্রভু তাকে অন্যান্য সন্তান, অন্যান্য পুত্র এবং অন্যান্য কন্যা দিয়েছিলেন—যাদের তিনি হারিয়েছিলেন তাদের নয়, বরং অন্যদের। এবং লেখকের মতে, এটি যথেষ্ট ক্ষতিপূরণ করেছে। '''ভালোবাসা সম্পর্কে আমরা এখন যে ধারণাটি পোষণ করি তা কি এমনই? যদি আমার একটি সন্তান থাকে, সেই সন্তানটি যতই বিকলাঙ্গ হোক না কেন, এবং যদি সে মারা যায়, তবে অন্য একটি আরও সুন্দর সন্তান এনে কেউ আমার ক্ষতি পূরণ করতে পারবে না। আমি তাকেই চাই যাকে আমি ভালোবাসতাম এবং যাকে আমি হারিয়েছি।'''
* "অতএব, গির্জা যেমন খ্রিষ্টের অধীন, তেমনি স্ত্রীরাও যেন সব বিষয়ে তাদের স্বামীদের অধীন হয়।"— ইফিষীয় ৫। এমনকি ত্রাণকর্তাও নারী-পুরুষকে সমতার জায়গায় রাখেননি। একজন স্বামী তার স্ত্রীকে তালাক দিতে পারত, কিন্তু স্ত্রী তার স্বামীকে তালাক দিতে পারত না। প্রতিটি মহৎ নারীর এমন প্রেরিতদের এবং এমন ধারণাগুলোকে অবজ্ঞা করা উচিত। ওল্ড টেস্টামেন্ট অনুযায়ী, নারীকে ক্ষমা চাইতে হতো এবং পুত্র-কন্যার জন্ম দেওয়ার অপরাধ থেকে নিজেকে শুদ্ধ করতে হতো। ভালোবাসা এবং মাতৃত্বকে অপরাধ বানানো অত্যন্ত জঘন্য।
* <sup>১০.</sup> “যখন তুমি তোমার শত্রুদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যাবে, এবং প্রভু তোমার ঈশ্বর তাদেরকে তোমার হাতে সমর্পণ করবেন, এবং তুমি তাদের বন্দি করবে, <sup>১১.</sup> “এবং বন্দিদের মধ্যে একটি সুন্দর নারী দেখতে পাবে, এবং তার প্রতি তোমার আকাঙ্ক্ষা থাকবে, যে তুমি তাকে তোমার স্ত্রী হিসেবে চাইবে, <sup>১২.</sup> “তখন তুমি তাকে তোমার বাড়িতে নিয়ে আসবে; এবং সে তার মাথা মুণ্ডন করবে, এবং তার নখ কাটবে।”<sup>'''— দ্বিতীয় বিবরণ ২১.'''</sup> '''এটি বর্বরতা, তা স্বর্গ থেকে বা নরক থেকে, কোনো ঈশ্বর থেকে বা কোনো শয়তান থেকে, নতুন জেরুজালেমের সোনার রাস্তা থেকে বা ধ্বংসের একেবারে সদোম থেকে আসুক না কেন। এটি সম্পূর্ণ এবং নিছক বর্বরতা।'''
* <sup>২৩.</sup> “কিন্তু প্রভু তোমার ঈশ্বর তাদের তোমার হাতে সমর্পণ করবেন, এবং তাদের ধ্বংস না হওয়া পর্যন্ত এক শক্তিশালী ধ্বংসের সাথে তাদের ধ্বংস করবেন। <sup>২৪.</sup> “এবং তিনি তাদের রাজাদের তোমার হাতে সমর্পণ করবেন, '''এবং তুমি স্বর্গের নিচ থেকে তাদের নাম ধ্বংস করবে; তুমি তাদের ধ্বংস না করা পর্যন্ত কোনো মানুষ তোমার সামনে দাঁড়াতে পারবে না।”<sup>— দ্বিতীয় বিবরণ ৭.</sup>''' '''যদি এই কথাগুলো কোনো শয়তানের মুখ থেকে আসত, যদি এগুলো কোনো ক্রুদ্ধ এবং অসীম বিদ্বেষপরায়ণ পিশাচ দ্বারা বলা হতো, তবে আমি অবাক হতাম না। কিন্তু এই জিনিসগুলো একজন অসীম দয়ালু ঈশ্বরের প্রতি আরোপিত হয়েছে।'''
* '''অনন্ত শাস্তিতে কি দয়া বলে কিছু থাকতে পারে? তারপরও এই একই দেবতা আমাকে বলেন, “মন্দের প্রতিরোধ কোরো না; যারা তোমাকে অবজ্ঞা করে তাদের জন্য প্রার্থনা করো; তোমার শত্রুদের ভালোবাসো, কিন্তু আমি আমার শত্রুদের চিরকাল অভিশাপ দেব।” আমার মনে হয় দেবতাদেরও তারা যা প্রচার করে তা অনুশীলন করা উচিত।'''
=== দ্য লিবার্টি অফ ম্যান, উইম্যান অ্যান্ড চাইল্ড (১৮৭৭) ===
:<small>[http://www.positiveatheism.org/hist/ingermwc.htm অনলাইনে সম্পূর্ণ পাঠ্য]</small>
* '''অজ্ঞতা ছাড়া অন্য কোনো [[দাসত্ব]] নেই। [[স্বাধীনতা]] হলো [[বুদ্ধিমত্তা|বুদ্ধিমত্তার]] সন্তান।''' <br> মানুষের [[ইতিহাস]] কেবল দাসত্ব, অবিচার এবং নিষ্ঠুরতার ইতিহাস। পাশাপাশি এটি সেই উপায়গুলোর ইতিহাস যার মাধ্যমে সে মৃত এবং নির্জন বছরগুলোর মধ্য দিয়ে ধীরে ধীরে এবং বেদনাদায়কভাবে অগ্রসর হয়েছে।
* [[স্বাধীনতা|স্বাধীনতার]] শত্রুরা কোনো কিছুই করতে বাকি রাখেনি। মানুষের অধিকার ধ্বংস করার জন্য প্রতিটি কলা ও কৌশল, প্রতিটি নিষ্ঠুরতা এবং ক্ষোভ অনুশীলন ও সংঘটিত করা হয়েছে। এই মহান সংগ্রামে প্রতিটি [[অপরাধ]] পুরস্কৃত হয়েছে এবং প্রতিটি [[পুণ্য|পুণ্যকে]] শাস্তি দেওয়া হয়েছে। পড়া, লেখা, চিন্তা করা এবং তদন্ত করা সবই অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়েছে।<br> প্রতিটি [[বিজ্ঞান]] একঘরে হয়ে গেছে। <br> সমস্ত বেদি এবং সমস্ত সিংহাসন মানবজাতির সামনের দিকে অগ্রসর হওয়া বন্ধ করার জন্য ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল। '''রাজা বলেছিলেন যে মানবজাতিকে নিজেদের জন্য কাজ করা উচিত নয়। পুরোহিত বলেছিলেন যে মানবজাতির নিজেদের জন্য চিন্তা করা উচিত নয়। একজন হাতের জন্য শেকল তৈরি করেছিলেন, অন্যজন আত্মার জন্য।'''
* মাত্র কয়েক বছর আগে মানব মনে এক দুর্দান্ত জাগরণ ঘটেছিল। মানুষ জিজ্ঞাসা করতে শুরু করে, কোন অধিকারে একজন মুকুট পরা ডাকাত তাদের দিয়ে নিজের কাজ করায়? যে মানুষটি এই প্রশ্নটি করেছিলেন তাকে দেশদ্রোহী বলা হতো। অন্যরা জিজ্ঞাসা করেছিল, কোন অধিকারে একজন পোশাক পরা কপট আমার চিন্তাভাবনা শাসন করে? এমন লোকেদের নাস্তিক বলা হতো। পুরোহিত এবং রাজা বলেছিলেন, তদন্তের এই চেতনা কোথায় গিয়ে থামবে? তারা তখনও বলেছিল এবং এখনও বলে যে, মানুষের মুক্ত হওয়া বিপজ্জনক। আমি তা অস্বীকার করি। বুদ্ধিবৃত্তিক সমুদ্রে প্রতিটি পালের জন্য যথেষ্ট জায়গা রয়েছে। বুদ্ধিবৃত্তিক বাতাসে প্রতিটি ডানার জন্য যথেষ্ট স্থান রয়েছে। <br> '''যে ব্যক্তি নিজের চিন্তাভাবনা নিজে করে না সে একজন দাস, এবং সে নিজের এবং তার সহকর্মীদের প্রতি একজন দেশদ্রোহী।'''
* '''অজানার উপস্থিতিতে দাঁড়িয়ে, সবার চিন্তা করার সমান অধিকার রয়েছে, এবং সবাই উৎপত্তি এবং ভাগ্যের মহান প্রশ্নগুলোতে সমানভাবে আগ্রহী। আমি যা দাবি করি, যার জন্য আমি আবেদন করি, তা হলো [[চিন্তা]] এবং প্রকাশের স্বাধীনতা। ব্যস, এইটুকুই। আমি একেবারে সত্য কী তা বলার ভান করি না, বরং আমি যা সত্য বলে মনে করি তা বলি। আমি সমস্ত [[সত্য]] বলার ভান করি না।''' <br> আমি দাবি করি না যে আমি [[চিন্তা|চিন্তার]] উচ্চতার স্তরে ভেসেছি, অথবা আমি জিনিসগুলোর একেবারে গভীরে নেমেছি। '''আমি কেবল দাবি করি যে আমার যে ধারণাগুলো আছে, সেগুলো প্রকাশ করার অধিকার আমার আছে। আর যে ব্যক্তি আমার কাছে সেই অধিকার অস্বীকার করে সে একজন বুদ্ধিবৃত্তিক চোর এবং ডাকাত। ব্যস, এইটুকুই।'''
* '''ভালো পুরুষরা, ভালো নারীরা চিন্তার রাজ্যে চাবুক এবং কশাঘাত নিয়ে ক্লান্ত। তারা শিউরে উঠে শেকল এবং আগুনের কথা মনে করে। তারা মুক্ত, এবং তারা অন্যদের স্বাধীনতা দেয়'''; যে কেউ এমন কোনো অধিকার দাবি করে যা সে তার সহকর্মীদের দিতে ইচ্ছুক নয়, সে অসৎ এবং কুখ্যাত।
* আপনি [[নির্যাতন|নির্যাতনের]] মাধ্যমে [[মস্তিষ্ক|মস্তিষ্কের]] সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে পারবেন না। সামাজিক একঘরে করার মাধ্যমেও নয়। তবে আমি আপনাকে বলব আপনি এগুলো দিয়ে কী করতে পারেন এবং কী করেছেন। আপনি লাখ লাখ কপট মানুষ তৈরি করতে পারেন। আপনি একজন মানুষকে দিয়ে বলাতে পারেন যে সে তার [[মন]] পরিবর্তন করেছে; কিন্তু সে একই [[মতামত|মতামতে]] স্থির থাকে। তার সারা গায়ে শেকল পরান; লোহার বুটে তার পা পিষে ফেলুন; পবিত্র র্যাকে তাকে শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত টানটান করুন; চাইলে তাকে পুড়িয়ে দিন, কিন্তু তার ছাই একই মতামতেই স্থির থাকবে।
* '''পুরোনো সময়ে যার কথা আমি বলেছি, তারা সব মানুষকে ঠিক একইভাবে চিন্তা করাতে চেয়েছিল। বিশ্বের সমস্ত যান্ত্রিক চাতুর্য দুটি ঘড়িকে ঠিক একইভাবে চালাতে পারে না, আর আপনি কীভাবে কোটি কোটি মানুষকে একইভাবে চিন্তা ও অনুভব করাবেন? তারা মস্তিষ্ক ও স্বভাব, [[শিক্ষা]] ও আকাঙ্ক্ষায়, পরিস্থিতি ও পারিপার্শ্বিকতায় আলাদা। প্রত্যেকেই আবেগপূর্ণ মাংসের একটি জীবন্ত পোশাকে আবৃত—কীভাবে আপনি তাদের একইভাবে চিন্তা ও অনুভব করাবেন?''' যদি কোনো অসীম ঈশ্বর থাকেন, যিনি আমাদের তৈরি করেছেন এবং চান যে আমরা একইভাবে চিন্তা করি, তবে তিনি কেন একজনকে এক চামচ মস্তিষ্ক এবং অন্যজনকে একটি দুর্দান্ত বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ দিলেন? কেন আমাদের গোঁড়ামি থেকে [[প্রতিভা]] পর্যন্ত সমস্ত স্তরের বুদ্ধিমত্তা রয়েছে, যদি এটি উদ্দেশ্য হয়ে থাকে যে সবাইকে একইভাবে চিন্তা এবং অনুভব করতে হবে?
* '''পৃথিবীতে কখনোই মুক্ত নারী-পুরুষের কোনো প্রজন্ম আসেনি। এখনো একটি ধর্মমত লেখার সময় আসেনি।''' শেকল ভাঙা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন, যে পর্যন্ত অন্ধকূপগুলোকে মন্দির হিসেবে গণ্য না করা হয়। অপেক্ষা করুন যে পর্যন্ত গাম্ভীর্যকে [[প্রজ্ঞা]] হিসেবে ভুল না করা হয়, যে পর্যন্ত মানসিক [[ভয়|ভয়]] শ্রদ্ধা হিসেবে পরিচিত হওয়া বন্ধ না করে। অপেক্ষা করুন যে পর্যন্ত জীবিতদের মৃতদের সমান বলে বিবেচনা না করা হয়, যে পর্যন্ত দোলনা কফিনের চেয়ে অগ্রাধিকার না পায়। অন্যরা কী বিশ্বাস করতে পারে তার তোয়াক্কা না করে আমরা যা জানি তা বলার মতো সময় না আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। অপেক্ষা করুন যে পর্যন্ত [[শিক্ষক|শিক্ষকরা]] প্রচারকদের স্থান গ্রহণ না করেন, যে পর্যন্ত অনুসারীরা তদন্তকারী না হন। '''একটি ধর্মমত লেখার আগে [[বিশ্ব|বিশ্বের]] মুক্ত হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।<br> এই ধর্মমতে কেবল একটি শব্দ থাকবে — [[স্বাধীনতা]]।'''
* আমি জানি না বিশ্বের মস্তিষ্ক থেকে কী আবিষ্কার, কী উদ্ভাবন, কী চিন্তাভাবনা লাফিয়ে উঠতে পারে। আমি জানি না আগামী বছরগুলোতে [[গৌরব|গৌরবের]] কী পোশাক বোনা হতে পারে। আমি [[চিন্তা|চিন্তার]] ময়দানে জেতা বিজয়গুলোর [[স্বপ্ন]] দেখতে পারি না। তবে আমি জানি যে, ভবিষ্যতের অসীম সমুদ্র থেকে আসা, মানুষের জন্য, নারীর জন্য এবং শিশুর জন্য স্বাধীনতার চেয়ে সমৃদ্ধ কোনো উপহার, দুর্লভ কোনো আশীর্বাদ এই "সময়ের তীর ও চরে" কখনো স্পর্শ করবে না।
=== ''শিকাগো টাইমস'' এর সাথে সাক্ষাৎকার, ১৪ ফেব্রুয়ারি ১৮৮১। ===
* খ্রিষ্টধর্ম বলতে আমি দান, দয়া, সদয়তা, ক্ষমা বুঝি না। আমি কোনো স্বাভাবিক পুণ্য বুঝি না, কারণ খ্রিষ্টের জন্মের আগে শত শত কোটি কোটি মানুষের দ্বারা সমস্ত স্বাভাবিক পুণ্য বিদ্যমান ছিল এবং অনুশীলন করা হয়েছিল। অবশ্যই যিশুর জন্মের আগে, এমনকি তার মৃত্যুর আগে জেরুজালেমে খ্রিষ্টের দিনে কিছু ভালো মানুষ ছিলেন। খ্রিষ্টধর্ম বলতে আমি মুক্তি, প্রায়শ্চিত্ত, একটি খারাপ মানুষের জন্য একটি ভালো মানুষের মৃত্যু এবং খারাপ মানুষটির সম্পূর্ণ রসিদ পাওয়ার ধারণাগুলো বুঝি। খ্রিষ্টধর্ম বলতে আমি সেই ব্যবস্থাকে বুঝি যা জোর দিয়ে বলে যে পরবর্তী বিশ্বে কয়েকজন চিরকাল সুখী হবে, আর অনেকেই চিরকাল দুঃখী হবে। খ্রিষ্টধর্ম, যেভাবে আমি ব্যাখ্যা করেছি, তা অবশ্যই আইন দ্বারা সুরক্ষিত, সংরক্ষিত এবং টেকসই হতে হবে। এটি তলোয়ার দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল—বলা যায়, শারীরিক শক্তি দ্বারা—এবং একই উপায়ে এটি সংরক্ষণ করা আবশ্যক।
* '''খ্রিষ্টধর্ম, নিজেকে রক্ষা করার জন্য, সততার কপালে কুখ্যাতির চিহ্ন লাগিয়ে দেয়। খ্রিষ্টধর্ম এমন প্রতিটি মস্তিষ্ককে একটি "সি" অক্ষর দিয়ে চিহ্নিত করে, যা "দোষী" (কনভিক্ট) বোঝায়, যে মস্তিষ্ক জালিয়াতিগুলো আবিষ্কার করার মতো যথেষ্ট মহান।'''
* তারা ঠিক এমন আচরণই করে, যেমনটা ডেলাওয়্যারে বড় হওয়া যে কেউ চাবুক মারার খুঁটি এবং পিলোরির ছায়ায় করবে। আমাদের মনে রাখতে হবে যে ডেলাওয়্যার ছিল একটি দাস রাষ্ট্র। বাইবেল জনগণের কাছে অত্যন্ত প্রিয় হয়ে উঠেছিল কারণ এটি সেই অদ্ভুত প্রথাটিকে সমর্থন করেছিল।
* চাবুক মারার খুঁটির প্রতি আমার আপত্তি হলো এটি এমন একটি শাস্তি যা কোনো ভদ্রলোক দিতে পারেন না। যিনি শাস্তি দেন, তাকে অবশ্যই শাস্তি গ্রহণকারী ব্যক্তির মতোই অবনত হতে হবে।
* এখন সমস্যা হলো বেশিরভাগ স্ত্রীকে মারধর করার ঘটনা চরম দরিদ্রদের মধ্যে ঘটে। তাই স্ত্রী যদি তার স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করে, তবে সে নিজের মুখ থেকে শেষ রুটির টুকরোটি কেড়ে নেয়।
* স্ত্রী-প্রহারের আরেকটি ভালো প্রতিকার হলো ক্যাথলিক গির্জার বিলুপ্তি।
* আমাদের এই ধারণাটিও বাদ দেওয়া উচিত যে বিয়ে হলো একটি ধর্মীয় সংস্কার, এবং এমন কোনো ঈশ্বর আছেন যিনি একজন স্বামী ও স্ত্রীকে একসাথে বাস করতে দেখে খুশি হন, যদিও স্বামীটি তার স্ত্রীকে মারধর করেই তার বেশিরভাগ পার্থিব আনন্দ পান।
* '''ডেলাওয়্যার সেরা সুযোগগুলো পায়নি। আপনাকে অবশ্যই মনে রাখতে হবে, এটি নিউ জার্সির পাশে অবস্থিত, যেটি এর অগ্রগতির পথে একটি বেশ বড় বাধা।'''
* এটি ঠিক মেরিল্যান্ডের পরেই, যা আরেকটি বাধা। আমি সেদিন শুনেছিলাম যে ঈশ্বর প্রথমে ঝিনুকগুলোকে পা দিয়ে তৈরি করেছিলেন এবং পরে সেগুলো খুলে নিয়েছিলেন। কারণ তিনি জানতেন যে ডেলাওয়্যারের লোকেরা কোনো কিছু ধরার জন্য দৌড়ানোর চেয়ে না খেয়ে মরতে বেশি পছন্দ করবে।
* '''কোনো কিছুই আমাকে এই লোকটির প্রতি অবিচার করতে প্ররোচিত করতে পারে না, যদিও সে নিজের যে ক্ষতি করেছে তার চেয়ে বেশি আমি আর কিছু করতে পারব না।'''
=== সাম রিজনস হোয়াই (১৮৮১) ===
* একটি খ্রিষ্টান জাতির কখনো বর্বরদের অধিকারের প্রতি সামান্যতম সম্মান ছিল না। অন্য সম্প্রদায়ের অধিকারের প্রতি কোনো খ্রিষ্টান সম্প্রদায়েরও কোনো সম্মান নেই। প্রাচীনকালে সম্প্রদায়গুলো আগুন এবং তলোয়ার দিয়ে আলোচনা করত। আর এখনো, প্রায় প্রতিদিনই এমন কিছু ঘটে যা দেখায় যে ইনকুইজিশনে যে পুরোনো চেতনা ছিল তা এখনো খ্রিষ্টানদের বুকে ঘুমিয়ে আছে।
* যে ব্যক্তি নিজেকে ঈশ্বরের প্রিয় পাত্র বলে মনে করে, সে অন্য লোকেদের অবজ্ঞার চোখে দেখে। যখন একজন মানুষ বিশ্বাস করে যে সে ঈশ্বরের কাছ থেকে নিখুঁত সত্য পেয়েছে, তখন সেই মানুষের মধ্যে আপসের কোনো মনোভাব থাকে না। মানব প্রকৃতির অসম্পূর্ণতা থেকে জন্ম নেওয়া বিনয় তার নেই। তার মধ্যে ধর্মতাত্ত্বিক নিশ্চিততার ঔদ্ধত্য এবং অজ্ঞ আশ্বাসের কারণে জন্ম নেওয়া স্বৈরতন্ত্র রয়েছে। নিজেকে ঈশ্বরের দাস বলে বিশ্বাস করে, সে তার প্রভুর অনুকরণ করে, এবং সমস্ত স্বৈরশাসকের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ হলো ক্ষমতায় থাকা একজন দাস।
* যখন একজন মানুষ সত্যিই বিশ্বাস করে যে চিরকাল সুখী হওয়ার জন্য একটি নির্দিষ্ট কাজ করা অপরিহার্য, অথবা অনন্ত আনন্দ নিশ্চিত করার জন্য একটি নির্দিষ্ট বিশ্বাস অপরিহার্য, তখন সেই মানুষের মধ্যে কোনো ছাড় দেওয়ার মানসিকতা থাকে না। সে সমগ্র বিশ্বকে সাধু ও পাপী, বিশ্বাসী ও অবিশ্বাসী, ঈশ্বরের ভেড়া ও শয়তানের ছাগল, মহিমান্বিত হবে এমন মানুষ এবং অভিশপ্ত হবে এমন মানুষের মধ্যে ভাগ করে। খ্রিষ্ট যদি সত্যিই বলে থাকেন, "আমি শান্তি আনতে আসিনি, বরং তলোয়ার আনতে এসেছি," তবে এটি নিউ টেস্টামেন্টের একমাত্র ভবিষ্যদ্বাণী যা অক্ষরে অক্ষরে পূর্ণ হয়েছে।
* '''কেউ কেউ আমাদের বলেন যে ঈশ্বরের ইচ্ছা হলো আমরা তার উপাসনা করি। কীসের জন্য? তিনি উপাসনা কেন চান? অন্যরা আমাদের বলেন যে তার জন্য আমাদের কিছু বলিদান করা উচিত। কীসের জন্য? তার কি অভাব আছে? আমরা কি তাকে সাহায্য করতে পারি? তিনি কি অসুখী? তিনি কি সমস্যায় আছেন?'''
* ধরুন, আমি এই বাইবেলটি সততার সাথে, ন্যায্যভাবে পড়ি এবং যখন আমি শেষ করি তখন আমি বলতে বাধ্য হই, "বইটি সত্য নয়।" এটি যদি সৎ ফলাফল হয়, তবে আপনি বলতে বাধ্য হবেন যে, হয় ঈশ্বর আমাকে কোনো ওহী পাঠাননি, অথবা এটি যে সত্য নয়, সেই ওহীটি আমাকে দেওয়া হয়েছে এবং এর দ্বারা আমি বাধ্য। '''যদি বইটি এবং আমার মস্তিষ্ক উভয়ই একই অসীম ঈশ্বরের কাজ হয়, তবে বইটি এবং মস্তিষ্ক একমত না হওয়াটা কার দোষ? হয় ঈশ্বরের এমন একটি বই লেখা উচিত ছিল যা আমার মস্তিষ্কের সাথে মানানসই হয়, অথবা আমার মস্তিষ্কটি এমনভাবে তৈরি করা উচিত ছিল যা তার বইয়ের সাথে মানানসই হয়।'''
* তিনি কয়েকজনকে বেছে নিয়েছিলেন, ইব্রাহিমের বংশধরদের। তিনি একটি নিখুঁত স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন—যেখানে কোনো স্কুল ছিল না, কোনো দর্শন ছিল না, কোনো শিল্প ছিল না, কোনো সঙ্গীত ছিল না—কেবল নির্বাক পশুদের বলিদান—কেবল একজন দাসের হীন উপাসনা ছাড়া আর কিছুই ছিল না। ভূতত্ত্বের ওপর, জ্যোতির্বিদ্যার ওপর কোনো কথা ছিল না। এমনকি চিকিৎসা বিজ্ঞানের ওপরও কিছু ছিল না। এভাবেই ঈশ্বর সিনাই পর্বতের চূড়ায় মোশির সাথে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটিয়েছিলেন। তিনি কুষ্ঠরোগের উপস্থিতি নিশ্চিত করার এবং এর বিস্তার রোধ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন, কিন্তু যিহোবার মনে কখনো মোশিকে এটা বলার কথা আসেনি যে এটি কীভাবে নিরাময় করা যায়। তিনি তাদের কী খাওয়া যেতে পারে সে সম্পর্কে কয়েকটি কথা বলেছিলেন—অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে চার পাওয়ালা পাখি নিষেধ করেছিলেন এবং রান্নার বিষয়ে একটি কথা বলেছিলেন। সিনাই পর্বতের বজ্রপাত এবং বিদ্যুতের ঝলকানি থেকে তিনি এই বিশাল এবং বিস্ময়কর সত্যটি ঘোষণা করেছিলেন: "তুমি কোনো ছাগলছানাকে তার মায়ের দুধে সিদ্ধ করবে না।"
* বাইবেলের অনুপ্রেরণায় বিশ্বাসী ব্যক্তিটি বলতে বাধ্য হয় যে, এমন একটা সময় ছিল যখন দাসত্ব সঠিক ছিল, যখন নারীরা তাদের শিশুদের বিক্রি করতে পারত, যখন বহুবিবাহ ছিল সর্বোচ্চ রূপের পুণ্য, যখন দয়ার তলোয়ার দিয়ে নির্মূল করার যুদ্ধ চালানো হতো, যখন ধর্মীয় সহনশীলতা ছিল একটি অপরাধ, এবং যখন একটি সৎ চিন্তা প্রকাশ করার জন্য মৃত্যু ছিল ন্যায্য শাস্তি। '''তাকে জেদ করতে বাধ্য করা হয় যে যিহোবা তখন যতটা খারাপ ছিলেন এখনও ততটাই খারাপ; তিনি তখন যতটা ভালো ছিলেন এখনও ততটাই ভালো। একসময়, আমি যে অপরাধগুলোর কথা উল্লেখ করেছি সেগুলো ঈশ্বরের নির্দেশ ছিল; এখন সেগুলো নিষিদ্ধ। একসময়, ঈশ্বর এগুলোর পক্ষে ছিলেন; এখন শয়তান তাদের রক্ষক। অন্য কথায়, শয়তান আজ সেই একই মতামত পোষণ করে যা ঈশ্বর চার হাজার বছর আগে পোষণ করতেন। শয়তান এখন ততটাই ভালো যতটা যিহোবা তখন ছিলেন, এবং ঈশ্বর তখন ততটাই খারাপ ছিলেন যতটা শয়তান এখন।'''
* '''বলা যেতে পারে যে বাইবেলের খারাপ জিনিসগুলোর দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করা অন্যায্য। এর জবাবে বলা যেতে পারে যে একজন ঐশ্বরিক সত্তার উচিত নয় তার বইয়ে খারাপ জিনিস রাখা।'''
* ওল্ড টেস্টামেন্টের প্রতি আমার সবচেয়ে বড় আপত্তি হলো ঈশ্বরের নির্দেশিত নিষ্ঠুরতাগুলো। মৃত্যুর সাথে এই সমস্ত নিষ্ঠুরতা শেষ হয়েছিল। '''যিহোবার প্রতিশোধ সমাধির কাছে গিয়ে থেমে গিয়েছিল। তিনি কখনো মৃতদের শাস্তি দেওয়ার হুমকি দেননি। আদিপুস্তকের প্রথম ভুল থেকে শুরু করে মালাখির শেষ অভিশাপ পর্যন্ত এমন একটি কথাও নেই যেখানে সামান্যতম ইঙ্গিত রয়েছে যে ঈশ্বর অন্য জগতে তার প্রতিশোধ নেবেন। অনন্ত যন্ত্রণার মতবাদটি প্রচার করার জন্য নিউ টেস্টামেন্টকে সংরক্ষিত রাখা হয়েছিল।''' সার্বজনীন পরোপকারের শিক্ষক সময় এবং অনন্তকালের মাঝের পর্দা ছিঁড়ে ফেলেছিলেন এবং মানুষের আতঙ্কিত দৃষ্টিকে নরকের ভয়ঙ্কর খাদের দিকে স্থির করেছিলেন। অহিংসার বুকের ভেতর সেই পোকা কুণ্ডলী পাকিয়ে ছিল যা কখনো মরে না। এর তুলনায় ওল্ড টেস্টামেন্টের দাসত্ব, নির্মূলের যুদ্ধ, অভিশাপ এবং শাস্তির মতবাদগুলো ছিল দয়ালু এবং ন্যায়সঙ্গত।
* এই প্রাণীগুলোকে হত্যার বিষয়ে অত্যন্ত সূক্ষ্ম নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। প্রতিটি পুরোহিত কসাই হয়ে উঠেছিলেন, প্রতিটি উপাসনালয় কসাইখানায় পরিণত হয়েছিল। একটি পরিশীলিত আত্মার কাছে ক্রমাগত নির্দোষ রক্তপাতের চেয়ে বেশি জঘন্য, হৃদয়কে কঠিন করার জন্য এর চেয়ে ভালোভাবে হিসাব করা আর কিছুই হতে পারে না। এই ভয়ানক ব্যবস্থাটি খ্রিষ্টের বলিদানে শেষ হয়েছিল। তার রক্ত অন্য সবার জায়গা নিয়েছিল। আর রক্তপাতের প্রয়োজন নেই। আইন অবশেষে সন্তুষ্ট, পরিতৃপ্ত এবং পরিপূর্ণ হয়েছে।
* পাপ সংঘটন রোধ করার জন্য মোজাইক ব্যবস্থাটি খ্রিষ্টান ব্যবস্থার চেয়ে বেশি উপযুক্ত ছিল। সেই ব্যবস্থার অধীনে, আপনি যদি কোনো পাপ করেন, তবে আপনাকে একটি বলিদান আনতে হতো—ঘুঘু, ভেড়া বা বলদ। এখন, '''যখন কোনো পাপ সংঘটিত হয়, তখন খ্রিষ্টান বলে, "লিখে রাখুন," "স্লেটে লিখে রাখুন, আমি যদি শোধ না করি তবে ত্রাণকর্তা করবেন।" এভাবেই, বদমায়েশি বাকিতে বিক্রি হয় এবং ধর্মের ঋণ ব্যবস্থা পাপে অপব্যয় বাড়ায়।''' মোজাইক ব্যবস্থাটি অনেক ভালো ব্যবসায়িক নীতির ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছিল। ঋণটি পরিশোধ করতে হতো এবং যে মানুষটির ঋণ ছিল তাকেই তা করতে হতো। আমাদের বলা হয় যে পাপী ঈশ্বরের কাছে ঋণী, এবং এই বাধ্যবাধকতা ত্রাণকর্তা দ্বারা মুক্তি পায়। এমন একটি লেনদেন সম্পর্কে সবচেয়ে ভালো যা বলা যেতে পারে তা হলো ঋণটি স্থানান্তরিত হয়, পরিশোধ করা হয় না। আসলে, পাপী সেই ব্যক্তির কাছে ঋণী যার সে ক্ষতি করেছে। আপনি যদি কোনো মানুষের ক্ষতি করেন, তবে কেবল ঈশ্বরের ক্ষমা পাওয়াই যথেষ্ট নয়—আপনাকে মানুষটির ক্ষমা পেতে হবে, আপনাকে নিজের ক্ষমা পেতে হবে। যদি কোনো মানুষ তার হাত আগুনে রাখে এবং ঈশ্বর তাকে ক্ষমা করেন, তবে তার হাতটি ঠিক ততটাই জ্বলবে।
* যখন খ্রিষ্ট ক্যালভারির দিকে যাচ্ছিলেন, তখন যদি কোনো সাহসী আত্মা তাকে ধর্মপরায়ণ জনতার হাত থেকে উদ্ধার করত, তবে কেবল তার যন্ত্রণার জন্যই সে অভিশপ্ত হতো না, বরং কোনো মানুষের মুক্তি অসম্ভব করে তুলত। খ্রিষ্টান বিশ্ব প্রায় দুই হাজার বছর ধরে প্রায়শ্চিত্তের ব্যাখ্যা দেওয়ার চেষ্টা করছে। এবং প্রতিটি প্রচেষ্টা একটি স্বীকৃতিতে শেষ হয়েছে যে এটি বোঝা যায় না, এবং একটি ঘোষণায় শেষ হয়েছে যে এটি অবশ্যই বিশ্বাস করতে হবে। ক্ষমার প্রতিশ্রুতি এবং আশা কি কখনো পাপ সংঘটন রোধ করেছে? মানুষদের কি এই শিক্ষা দিয়ে আরও ভালো করা যেতে পারে যে পাপ এখানে সুখ দেয়; একটি পুণ্যময় জীবনযাপন করা মানে ক্রস বহন করা; মানুষ শেষ পাপ এবং শেষ নিঃশ্বাসের মাঝখানে অনুতপ্ত হতে পারে; এবং অনুতাপ আত্মার প্রতিটি দাগ ধুয়ে দেয়?
* তারা আমাদের বলে, তিনি একটি ওহী করতে এসেছিলেন, আর তিনি কী ওহী করেছিলেন? "তোমার প্রতিবেশীকে নিজের মতো ভালোবাসো"? সেটি তো ওল্ড টেস্টামেন্টে ছিল। "তোমার সমস্ত হৃদয় দিয়ে ঈশ্বরকে ভালোবাসো"? সেটিও ওল্ড টেস্টামেন্টে ছিল। "মন্দের বদলে ভালো ফিরিয়ে দাও"? খ্রিষ্টের জন্মের সাতশো বছর আগে বুদ্ধ এমনটা বলেছিলেন। "অন্যদের সাথে তেমন আচরণ করো যেমন তুমি চাও যে তারা তোমার সাথে করুক"? সেটি ছিল লাও-ৎসের মতবাদ। তিনি কি কর্মের কোনো নিয়ম দিতে এসেছিলেন? [[জরাথুস্ট্রবাদ|জরাথুস্ত্র]] অনেক আগেই এটি করেছিলেন: "যখনই তুমি সন্দেহ করবে কোনো কাজ ভালো না খারাপ, তখন তা থেকে বিরত থেকো।"
===''দ্য গ্রেট ইনফিডেলস'' (১৮৮১) ===
[[File:Polyptyque de la Vanité terrestre et de la Rédemption céleste-Hans Memling mg 9960.jpg|thumb|right|অসীম [[শাস্তি]] হলো অসীম [[নিষ্ঠুরতা]], অন্তহীন অবিচার এবং চিরস্থায়ী নীচতা। কোনো চিরন্তন কারারক্ষীর উপাসনা করা সবচেয়ে নিকৃষ্ট আত্মাকেও কঠোর, অবদমিত ও কলুষিত করে। [[মহাবিশ্ব|মহাবিশ্বে]] একটি দুঃখিত ও ভগ্ন [[হৃদয়]] থাকা পর্যন্ত কোনো ভালো সত্তা পুরোপুরি সুখী হতে পারে না।]]
[[File:Robert G. Ingersoll - Brady-Handy.jpg|thumb|right|নিয়ম অনুযায়ী শহিদত্ব শহিদের [[আন্তরিকতা]] প্রমাণ করে। এটি কখনোই তার [[চিন্তা|চিন্তার]] সঠিকতা প্রমাণ করে না। বিষয়বস্তু নিজ থেকেই সত্য বা মিথ্যা হয়। [[মতামত]] দ্বারা [[সত্য]] প্রভাবিত হতে পারে না। শহিদত্বের মাধ্যমে একে পরিবর্তন, প্রতিষ্ঠা বা প্রভাবিত করা যায় না। কোনো [[ভুল|ভুলকে]] যতই আন্তরিকভাবে বিশ্বাস করা হোক না কেন, তা কখনো সত্যে পরিণত হতে পারে না।]]
:<small>[http://www.infidels.org/library/historical/robert_ingersoll/great_infidels.html অনলাইনে সম্পূর্ণ পাঠ্য]</small>
* '''নারী-পুরুষকে সাহসী ও মহিমান্বিত করে তোলার প্রবণতায় আমি বিশ্বাস করি না। বিশেষ করে তাদের যদি বলা হয় যে নির্দিষ্ট কিছু বিষয়ে তাদের এমন কিছু [[ধারণা]] রয়েছে যা প্রকাশ করা উচিত নয়। তাদের বর্ম হিসেবে ভান করে জীবন কাটাতে হবে। তারা চুপ থাকলে প্রতিবেশীরা তাদের সম্পর্কে অনেক ভালো ভাববে। সর্বোপরি এমন একজন [[ঈশ্বর]] আছেন, যিনি নিজের বিশ্বাস সততার সাথে প্রকাশকারীকে অবজ্ঞা করেন।''' আমার মতে, দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত নিজের সৎ মতামত প্রকাশ করার শিক্ষা পেলে মানুষ ব্যবসা, রাজনীতি, শিল্পকলা এবং সুন্দর ও মহৎ সব কিছুতেই আরও সৎ হবে।
* এটি অবিশ্বাস্য যে কেবল নির্বোধরাই পরিত্রাণের বিষয়ে পুরোপুরি নিশ্চিত থাকে। এটিও অবিশ্বাস্য যে আপনার মস্তিষ্কের ধারণক্ষমতা যত বেশি হবে, আপনার সুযোগ তত কমবে। সৎ চিন্তায় কোনো বিপদ থাকতে পারে না। পৃথিবী যদি আজকের চেয়েও সামনের দিকে অগ্রসর হয়, তবে যারা নিজেদের প্রকৃত মতামত প্রকাশ করেন, তাদেরই এর নেতৃত্ব দিতে হবে।
* গোঁড়া খ্রিষ্টানদের মূল্যায়নে আমি একজন অপরাধী। কারণ আমি প্রেমময় মা, বাবা, ভাই, বোন, স্বামী, স্ত্রী এবং প্রেমিকদের কাছ থেকে অনন্ত শোক ও যন্ত্রণার বিশ্বাস থেকে স্বাভাবিকভাবে উদ্ভূত সান্ত্বনা কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করছি। নিষ্পাপ আনন্দের মাঠে যাজকদের প্রতিষ্ঠিত ঈশ্বরকে আমি ছিঁড়ে, ভেঙে এবং বাতাসে ছড়িয়ে দিতে চাই। এই ঈশ্বর মতবাদ নামক লাঠি এবং অতিকথা নামক পুরোনো কাপড় দিয়ে তৈরি। আমি কফিন থেকে তার বিভীষিকা এবং দোলনা থেকে তার অভিশাপ কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করব। এক অসীম দানবের প্রজ্বলিত প্রতিশোধের আগুন নিভিয়ে দেব। <br> নরকের আভা থেকে কি স্বর্গের আলো ধার করা জরুরি? <br> '''অসীম শাস্তি হলো অসীম নিষ্ঠুরতা, অন্তহীন অবিচার এবং চিরস্থায়ী নীচতা। কোনো চিরন্তন কারারক্ষীর উপাসনা করা সবচেয়ে নিকৃষ্ট আত্মাকেও কঠোর, অবদমিত ও কলুষিত করে। মহাবিশ্বে একটি দুঃখিত ও ভগ্ন হৃদয় থাকা পর্যন্ত কোনো ভালো সত্তা পুরোপুরি সুখী হতে পারে না।'''
* [[নরক|নরকের]] ঈশ্বরকে ঘৃণা, অবজ্ঞা এবং তিরস্কার করা উচিত। অনন্ত যন্ত্রণার হুমকি দেওয়া ঈশ্বরকে ভালোবাসা নয়, বরং ঘৃণা করা উচিত। উপাসনা নয়, বরং অভিশাপ দেওয়া উচিত। এমন ঈশ্বর দ্বারা পরিচালিত স্বর্গ অবশ্যই সবচেয়ে নিচু নরকের নিচে হবে। আমি এমন কোনো স্বর্গের অংশ হতে চাই না যেখানে পরিত্রাণপ্রাপ্তরা আনন্দের চিৎকারে নরকের কান্না ও দীর্ঘশ্বাস ডুবিয়ে দেবে। যেখানে সুখ দুঃখকে ভুলে যাবে। যেখানে হারিয়ে যাওয়াদের কান্না কেবল হাসি ও দ্বিগুণ আনন্দ বাড়িয়ে তুলবে।
* '''নরকের [[ধারণা]] জন্ম নিয়েছে [[অজ্ঞতা]], নিষ্ঠুরতা, [[ভয়]], [[ভীরুতা]] এবং [[প্রতিশোধ]] থেকে।''' এই ধারণা প্রমাণ করে যে আমাদের দূরবর্তী পূর্বপুরুষরা সবচেয়ে নিচু স্তরের পশু ছিল। কেবল গুহা, আস্তানা থেকে, কেবল নিষ্ঠুর দাঁত ভরা মুখ থেকে, কেবল ভয় ও ঘৃণার হৃদয় থেকে, কেবল ক্ষুধা ও কামনার বিবেক থেকে এবং কেবল সবচেয়ে নিচু ও অবদমিত অবস্থা থেকেই এই সবচেয়ে নিষ্ঠুর, হৃদয়হীন এবং পাশবিক মতবাদ আসতে পারে।
* প্রথা বা মতবাদকে আক্রমণকারীকে এমন মৃতদের নামের তালিকার মুখোমুখি হতে হবে যারা সেই প্রথাকে সমর্থন করত বা মতবাদে বিশ্বাস করত। তাকে খুব বিজয়ী ও অবজ্ঞাপূর্ণ উপায়ে জিজ্ঞাসা করা হয় যে সে অতীতের সব মহান ও সম্মানিত ব্যক্তির চেয়ে বেশি জানে কি না। প্রতিটি মতবাদের রক্ষকের স্মৃতিতে এমন সব "মহান" ব্যক্তির নাম খোদাই করা থাকে যাদের কাজ বা কথাকে তার মতবাদের প্রমাণ হিসেবে বিকৃত করা যেতে পারে।
* '''সত্য হলো, প্রায় প্রতিটি সম্প্রদায়ের পক্ষে কিছু মহান ব্যক্তির নাম উচ্চারণ করা যেতে পারে।'''
* বাস্তব বিষয় হলো, খুব কম মানুষই সব বিষয়ে সঠিক হয়।
* '''মহৎ [[গুণাবলি]] ত্রুটিগুলো থেকে মনোযোগ সরিয়ে নিতে পারে, তবে সেগুলো পবিত্র করতে পারে না। হীরা দ্বারা বেষ্টিত নুড়ি পাথর সাধারণ পাথরই থেকে যায় এবং নুড়ি দিয়ে বেষ্টিত হীরা সর্বদা রত্নই থাকে।''' যতক্ষণ না কেউ কোনো ব্যক্তির সব ধারণা ও বিশ্বাস গ্রহণ করতে ইচ্ছুক হয়, ততক্ষণ তার নাম উচ্চারণ করে কোনো যুক্তি খণ্ডন করার চেষ্টা করা উচিত নয়। নামের চেয়ে কারণ ও তথ্য দেওয়াই ভালো। কোনো যুক্তির জোর তার রচয়িতার নামের ওপর নির্ভর করা উচিত নয়। তথ্যের কোনো বংশপরিচয়ের প্রয়োজন নেই। যুক্তির কোনো কুলচিহ্ন নেই। মৃতদের ভুল দেখে জীবিতদের ভীত হওয়া উচিত নয়।
* '''পৃথিবীতে জন্ম নেওয়া শ্রেষ্ঠ মানুষগুলো খুব কমই জানতেন। অসংখ্য ভুলের সাথে মিশ্রিত কিছু [[তথ্য]] তাদের কাছে ছিল।''' কিছু ক্ষেত্রে তারা তাদের সঙ্গীদের ছাড়িয়ে গিয়েছিলেন, আবার অন্য ক্ষেত্রে তারা মানবজাতির সাধারণ স্তরের নিচে নেমে গিয়েছিলেন।
* মহান ব্যক্তিদের বোকামি ও দুর্বলতা নিয়ে খণ্ড খণ্ড বই লেখা যেতে পারে। একজন সম্পূর্ণ মানুষ, যাঁর প্রখর বুদ্ধি এবং স্বাভাবিক যুক্তি রয়েছে, তিনি একজন মহান চিত্রশিল্পী, কবি বা ভাস্করের মতোই বিরল। আপনি যদি আপনার বন্ধুকে বলেন যে সে চিত্রশিল্পী নয় এবং কবিতার জন্য তার কোনো প্রতিভা নেই, তবে সে সম্ভবত আপনার কথার সত্যতা স্বীকার করবে। এতে সে বিন্দুমাত্র অপমানিত বোধ করবে না। কিন্তু আপনি যদি তাকে বলেন যে সে [[যুক্তিবিদ]] নয়, তথ্যের মূল্য সম্পর্কে তার তেমন কোনো ধারণা নেই, প্রমাণ কী তা সম্পর্কে তার কোনো বাস্তব ধারণা নেই এবং তার জীবনে কখনো কোনো মৌলিক চিন্তা আসেনি, তবে সে আপনার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করবে।
* '''অধিকাংশ মানুষই অনুসারী এবং তারা পরোক্ষভাবে অন্যদের বিচারের ওপর নির্ভর করে।''' তারা [[গাম্ভীর্য|গাম্ভীর্যকে]] [[প্রজ্ঞা]] ভেবে ভুল করে। তারা একটি গম্ভীর মুখমণ্ডলকে সবচেয়ে পণ্ডিত বইয়ের শিরোনাম পৃষ্ঠা এবং ভূমিকা হিসেবে বিবেচনা করে। '''তাই তারা সহজেই বিভিন্ন রূপ, অদ্ভুত পোশাক এবং গম্ভীর অনুষ্ঠান দ্বারা প্রভাবিত হয়।''' পিতা-মাতার শিক্ষা, প্রতিবেশীদের রীতিনীতি এবং সাধারণ মানুষের কথা যখন কোনো [[বিশ্বাস]] বা মতবাদকে অনুমোদন ও সমর্থন করে, তখন তা যতই [[অযৌক্তিক]] হোক না কেন, সবচেয়ে শক্তিশালী ব্যক্তির পক্ষেও তার আত্মার দুর্গ ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। প্রতিটি দেশে প্রতিটি ধর্মের প্রতিরক্ষায় একই যুক্তি উপস্থাপন করা হবে।
[[File:Roma-bruno.jpg|thumb|right|মধ্যযুগের [[রাত]] এক হাজার বছর ধরে স্থায়ী ছিল। এই সর্বজনীন অন্ধকারের দিগন্তকে সমৃদ্ধ করা প্রথম [[তারা]] ছিলেন [[জর্দানো ব্রুনো]]। তিনি ছিলেন ভোরের বার্তাবাহক।]]
* [[বিশ্ব|বিশ্বের]] [[ইতিহাস|ইতিহাসের]] সব শহিদ কোনো [[মতামত|মতামতের]] সঠিকতা প্রমাণের জন্য যথেষ্ট নয়। '''নিয়ম অনুযায়ী শহিদত্ব শহিদের [[আন্তরিকতা]] প্রমাণ করে। এটি কখনোই তার [[চিন্তা|চিন্তার]] সঠিকতা প্রমাণ করে না। বিষয়বস্তু নিজ থেকেই সত্য বা মিথ্যা হয়। সত্য মতামত দ্বারা প্রভাবিত হতে পারে না। শহিদত্বের মাধ্যমে একে পরিবর্তন, প্রতিষ্ঠা বা প্রভাবিত করা যায় না। কোনো ভুলকে যতই আন্তরিকভাবে বিশ্বাস করা হোক না কেন, তা কখনো সত্যে পরিণত হতে পারে না।'''
* ফাঁসির মঞ্চে দাঁড়ানো খুনি তার দুই পাশে থাকা যাজকদের নিয়ে হাসিমুখে জনতাকে স্বর্গে তার সাথে দেখা করতে বলে। নিজের বাড়িকে নরকে পরিণত করা মানুষটি বিন্দুমাত্র কাঁপুনি ছাড়াই মৃত্যুর মুখোমুখি হয়, শর্ত থাকে যে সে খ্রিষ্টের দেবত্ব বা পবিত্র আত্মার চিরন্তন প্রক্রিয়ার বিষয়ে কখনো সন্দেহ প্রকাশ করেনি। যে রাজা নিষ্ঠুর ও অকেজো যুদ্ধ করেছেন, যিনি দেশকে বিধবা ও পিতৃহীন সন্তান, বিকলাঙ্গ ও রোগাক্রান্ত মানুষে ভরিয়ে দিয়েছেন এবং যিনি তার সেরা ও সবচেয়ে সাহসী প্রজাদের উচ্চাকাঙ্ক্ষার কাছে উৎসর্গ করতে সফল হয়েছেন, তিনি একজন সন্তের মতো মারা যান।
* সম্রাট [[w:প্রথম কনস্টান্টিন|কনস্টান্টিন]] খ্রিষ্টধর্মকে ক্ষমতায় এনেছিলেন। ৩২৫ সালে তিনি তাঁর স্ত্রী ফাউস্তা এবং জ্যেষ্ঠ পুত্র ক্রিসপাসকে খুন করেছিলেন। একই বছর তিনি [[যিশু|যিশুখ্রিষ্ট]] মানুষ নাকি ঈশ্বরের পুত্র তা সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য নিসিয়ার কাউন্সিল ডেকেছিলেন। কাউন্সিল সিদ্ধান্ত নেয় যে খ্রিষ্ট পিতার সমতুল্য। ত্রাণকর্তার দেবত্ব নিয়ে বিরক্তিকর প্রশ্ন সমাধানের জন্য আমরা একজন স্ত্রী-খুনির কাছে ঋণী।
* '''মধ্যযুগের [[রাত]] এক হাজার বছর ধরে স্থায়ী ছিল। এই সর্বজনীন অন্ধকারের দিগন্তকে সমৃদ্ধ করা প্রথম [[তারা]] ছিলেন [[জর্দানো ব্রুনো]]। তিনি ছিলেন ভোরের বার্তাবাহক।'''
* [[টমাস পেইন]] না থাকলে আমি আজ রাতে এখানে এই বক্তৃতা দিতে পারতাম না। <br> এই মানুষটিকে অপবাদ দেওয়া এখনো ফ্যাশনেবল। তবুও [[উইলিয়াম এলারি চ্যানিং|চ্যানিং]], [[থিওডোর পার্কার]], লংফেলো, এমারসন এবং বস্তুত বিশ্বের সব উদারপন্থী একেশ্বরবাদী ও [[সর্বজনীনতাবাদী|সর্বজনীনতাবাদীরা]] টমাস পেইনের মতামত গ্রহণ করেছেন।
* '''আসুন আমরা সৎ হই। রোমের সব যাজক কি মানুষের মানসিক সম্পদ [[জর্দানো ব্রুনো|ব্রুনোর]] মতো বৃদ্ধি করেছিলেন? ফ্রান্সের সব যাজক কি বিশ্বের সভ্যতার জন্য [[দ্যনি দিদরো|দিদরো]] এবং [[ভলতেয়ার|ভলতেয়ারের]] মতো মহান কাজ করেছিলেন? স্কটল্যান্ডের সব যাজক কি মানবজ্ঞানের ভাণ্ডারে [[ডেভিড হিউম|ডেভিড হিউমের]] মতো অবদান রেখেছিলেন? পেন্টেকস্টের দিন থেকে সর্বশেষ নির্বাচন পর্যন্ত সব ধর্মযাজক, সন্ন্যাসী, বিশপ, কার্ডিনাল এবং পোপ কি মানবস্বাধীনতার জন্য [[টমাস পেইন|টমাস পেইনের]] মতো কাজ করেছেন? কিংবা বিজ্ঞানের জন্য [[চার্লস ডারউইন|চার্লস ডারউইনের]] মতো কাজ করেছেন?'''
* অবিশ্বাসীরা ছিলেন সাহসী ও চিন্তাশীল মানুষ। তারা সমগ্র বিশ্বের [[ফুল]], [[স্বাধীনতা]] ও [[ভালোবাসা|ভালোবাসার]] আশীর্বাদপুষ্ট দিনের পথিকৃৎ এবং বার্তাবাহক। তারা অযোগ্য অতীতের উদার আত্মা, আমাদের জাতির দ্রষ্টা ও নবী। তারা মহান বীর আত্মা, চিন্তার যুদ্ধক্ষেত্রে গর্বিত বিজয়ী এবং অনাগত সব বছরের পাওনাদার।
=== একটি শিশুর কবরে (১৮৮২) ===
[[File:Entrée de cimetière (1825) - Caspar স্বাধীন Friedrich (Galerie Neue Meister, Dresden).jpg |thumb|right|যেখানে [[মৃত্যু]] রাজা, সেখানে [[প্রেম|প্রেমহীন]] অনন্ত জীবন পাওয়ার চেয়ে আমি বরং সেখানে [[বসবাস]] ও প্রেম করতে চাই।]]
:<small>[http://www.positiveatheism.org/hist/ingsabsup.htm#CHILD শোকগাথা (৮ জানুয়ারি ১৮৮২)]</small>
* '''[[শব্দ]] দিয়ে [[শোক|শোককে]] ঢেকে রাখা কতটা বৃথা তা আমি জানি। তবুও আমি প্রতিটি কবর থেকে এর [[ভয়]] দূর করতে চাই।''' এই পৃথিবীতে জীবন ও মৃত্যু সমান রাজা। এখানে মৃতেরা যা কিছুর মুখোমুখি হয়েছে, সবারই সাহসের সাথে তার মুখোমুখি হওয়া উচিত। ভবিষ্যৎ ছিল ভয়ে পরিপূর্ণ, যা হৃদয়হীন অতীত দ্বারা কলঙ্কিত ও কলুষিত হয়েছে।
* যা সবার কাছে আসবে, তাকে আমাদের কেন ভয় পাওয়া উচিত?<br> আমরা বলতে পারি না, আমরা জানি না, কোনটি বৃহত্তর আশীর্বাদ। [[জীবন]] নাকি [[মৃত্যু]]। আমরা জানি না কবর এই জীবনের শেষ, নাকি অন্য কোনো জীবনের দরজা, অথবা এখানের রাত অন্য কোথাও ভোর কি না। শিশুটি কোনো শব্দ শেখার আগেই মায়ের কোলে মারা গেলে সে বেশি ভাগ্যবান, নাকি সে বেশি ভাগ্যবান যে জীবনের অসমান রাস্তার পুরোটা পাড়ি দিয়ে লাঠি ও ক্রাচে ভর করে কষ্ট করে শেষ ধীর পদক্ষেপগুলো নেয়, তাও আমরা বলতে পারি না।
* প্রতিটি দোলনা আমাদের জিজ্ঞাসা করে, "কোথা থেকে?" এবং প্রতিটি কফিন জিজ্ঞাসা করে, "কোথায়?" মৃতদেহের পাশে কাঁদতে থাকা এক দরিদ্র অসভ্য মানুষও এসব প্রশ্নের ঠিক ততটাই বুদ্ধিদীপ্ত উত্তর দিতে পারে, যতটা সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ধর্মমতের পোশাক পরিহিত যাজক দিতে পারেন।
* '''যেখানে একটি জীবনের দিগন্ত একটি কবরকে স্পর্শ করেছে, সেখানে দাঁড়িয়ে কোনো মানুষের বেদনা ও কান্নায় ভরা ভবিষ্যতের ভবিষ্যদ্বাণী করার অধিকার নেই।''' এমনও হতে পারে যে মৃত্যুই জীবনকে তার সমস্ত মূল্য দেয়। আমরা যাদের বুকে জড়িয়ে ধরি, তারা যদি কখনো মারা না যেত, তবে হয়তো পৃথিবী থেকে সেই ভালোবাসা শুকিয়ে যেত। হয়তো এই সাধারণ ভাগ্য আমাদের হৃদয়ের মাঝখানের পথ থেকে স্বার্থপরতা ও ঘৃণার আগাছা মাড়িয়ে দেয়। '''যেখানে মৃত্যু রাজা, সেখানে প্রেমহীন অনন্ত জীবন পাওয়ার চেয়ে আমি বরং সেখানে বসবাস ও প্রেম করতে চাই।'''
** পরিমার্জিত রূপ: যেখানে মৃত্যু রাজা, সেখানে প্রেমহীন অনন্ত জীবন পাওয়ার চেয়ে আমি বরং সেখানে বসবাস ও প্রেম করতে চাই।
* '''মৃতেরা কষ্ট পায় না। তারা যদি আবার বাঁচে, তবে তাদের জীবন নিশ্চিতভাবেই আমাদের জীবনের মতো ভালো হবে। আমাদের কোনো ভয় নেই।''' আমরা সবাই একই মায়ের সন্তান এবং একই ভাগ্য আমাদের সবার জন্য অপেক্ষা করছে।<br> '''আমাদেরও ধর্ম আছে এবং তা হলো: জীবিতদের জন্য সাহায্য, মৃতদের জন্য আশা।'''
=== "টু দ্য ইন্ডিয়ানাপোলিস ক্লার্জি।" ''দ্য আইকনোক্রাস্ট'' (ইন্ডিয়ানাপোলিস, ইন্ডিয়ানা) (১৮৮৩) ===
* একইভাবে যখন লেখা হয় যে তিনি মন্দির থেকে অর্থ বিনিময়কারীদের তাড়িয়ে দিয়েছিলেন, তখন এটি এমন একজনের কাজ ছিল, যাঁর মন্দিরের প্রতি সম্মান ছিল, কিন্তু সেখানে শেখানো ধর্মের প্রতি নয়। প্রথমদিকে খ্রিষ্ট তাঁর সময়ের ধর্মে বিশ্বাস করতেন বলে মনে হতো। কিন্তু পরে এর ত্রুটিগুলো দেখে তিনি এটি সংস্কার করতে চেয়েছিলেন। সবশেষে এর ভয়াবহতা বুঝতে পেরে তিনি এর ধ্বংসসাধনে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন।
* এখানে একটি উল্লেখযোগ্য তথ্য রয়েছে: '''পল নতুন নিয়মের কোনো অলৌকিক ঘটনার উল্লেখ করেননি। তিনি অলৌকিকভাবে জনতাকে খাওয়ানো, লাজারাসের পুনরুত্থান বা বিধবার ছেলের কথা কিছুই বলেননি। তিনি খোঁড়া, বিকলাঙ্গ ও অন্ধদের সুস্থ হওয়ার কথা কখনো শোনেননি। আর যদি শুনেও থাকেন, তবে একটি পত্রে যুক্ত করার মতো গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি এগুলোকে মনে করেননি।'''
* প্রথমে বিশ্বাস করা হতো যে খ্রিষ্ট সরাসরি ডেভিডের বংশধর। তখন খ্রিষ্টের শিষ্যরা অবশ্যই ইহুদি ছিলেন। ডেভিডের বংশের মাধ্যমে মসিহের আগমন প্রত্যাশিত ছিল। এ কারণে ডেভিডের বংশধর জোসেফের বংশতালিকা দেওয়া হয়েছিল। অনেক পরে খ্রিষ্টানদের মনে এই ধারণা আসে যে খ্রিষ্ট পবিত্র আত্মার সন্তান। বংশতালিকা দেওয়ার সময় যদি তারা সত্যিই বিশ্বাস করতেন যে খ্রিষ্ট পবিত্র আত্মার সন্তান, তবে খ্রিষ্ট যে ডেভিডের সাথে সম্পর্কিত তা প্রমাণের জন্য কেন তারা জোসেফের বংশতালিকা দেবেন? অন্যকথায়, ঈশ্বরের পুত্র কেন একজন অসভ্য রাজার রক্ত শরীরে থাকার গৌরব নিতে চাইবেন? এর একটাই উত্তর আছে। ইহুদিরা ডেভিডের মাধ্যমে মসিহকে প্রত্যাশা করত। তাই খ্রিষ্ট যে মসিহ, তা প্রমাণের জন্য তারা জোসেফের বংশতালিকা দিয়েছিল। পরে খ্রিষ্ট ঈশ্বরের পুত্র হওয়ার ধারণাটি জনপ্রিয় হয় এবং তখন খ্রিষ্টের বংশতালিকায় "যেমনটি মনে করা হয়েছিল" কথাগুলো যুক্ত করা হয়।
* তিনি পানিকে মদে পরিণত করেছিলেন কি না, তা মোটেও গুরুত্বপূর্ণ নয়। তিনি বাস্তবে যা বলেছিলেন এবং যা করেছিলেন, তার তুলনায় তাঁর সব অলৌকিক ঘটনা শুধুই ধুলো ও অন্ধকারের মতো। '''লাজারাস পুনরুত্থিত হয়েছিলেন কি না, তা নির্বিশেষে আমাদের একে অপরের প্রতি সদয় হওয়া উচিত। খ্রিষ্ট বেঁচে ছিলেন কি না, তা নির্বিশেষে আমাদের ন্যায়পরায়ণ ও ক্ষমাশীল হওয়া উচিত। পৃথিবীর সব অলৌকিক ঘটনা পুণ্য, নৈতিকতা বা ন্যায়ের কোনো কাজে আসে না। অলৌকিক ঘটনাগুলো কুসংস্কার, অজ্ঞতা, ভয় এবং বোকামির অন্তর্গত। গসপেল কে লিখেছে তাতেও কিছু যায় আসে না। এগুলোর ভেতরে থাকা সত্যটুকুই কেবল মূল্যবান এবং এর বেশি কিছু নয়।'''
* ...মানুষ খ্রিষ্টের জন্য আমি কেবল প্রশংসা ও শ্রদ্ধা অনুভব করি। আমি মনে করি তিনি অনেক বিষয়ে ভুল ছিলেন। ঈশ্বরের মঙ্গলময়তার ওপর তাঁর নির্ভরতা ছিল নিখুঁত। '''তিনি বিশ্বাস করতেন যে স্বর্গের পিতা তাঁকে রক্ষা করবেন। তিনি ভেবেছিলেন, ঈশ্বর যদি মাঠের লিলি ফুলকে সৌন্দর্যে সাজাতে পারেন এবং চড়ুই পাখির জন্য খাবারের ব্যবস্থা করতে পারেন, তবে তিনি অবশ্যই একজন নিখুঁত, ন্যায়পরায়ণ ও প্রেমময় মানুষকে রক্ষা করবেন। এই বিষয়ে তিনি ভুল ছিলেন। মৃত্যুর অন্ধকারে আচ্ছন্ন হয়ে তিনি চিৎকার করে বলেছিলেন: "কেন তুমি আমায় পরিত্যাগ করেছ?"'''
* আমার কাছে এটি সবসময় বিস্ময়ের বিষয় যে খ্রিষ্ট তাঁর দেশের প্রতি মানুষের বাধ্যবাধকতা নিয়ে কিছু বলেননি। রাজাদের ইচ্ছা ও আকাঙ্ক্ষার বিরুদ্ধে মানুষের অধিকার সম্পর্কে তিনি কিছু বলেননি। তাঁর সময়ে প্রায় সর্বত্র প্রচলিত মানবদাসত্বের ভয়ংকর ব্যবস্থা নিয়ে তিনি কিছু বলেননি। তিনি যা বলেননি তা তাঁর বলা কথার চেয়েও অনেক বেশি আশ্চর্যজনক। এটি বিস্ময়কর যে তিনি মদ্যপান, শিক্ষা, দর্শন, প্রকৃতি বা শিল্পকলা নিয়ে কিছু বলেননি। তিনি বাড়ির পক্ষে কিছু বলেননি, কেবল তাদের পুরস্কৃত করার প্রস্তাব ছাড়া যারা তাদের স্ত্রী ও পরিবার ত্যাগ করবে।
* তিনি যা শিখিয়েছিলেন এবং যা শেখাননি তার ফলস্বরূপ তাঁর অনুসারীরা দাসত্ব বা বহুগামিতায় কোনো ক্ষতি দেখেনি। '''তারা এই পৃথিবীকে ছোট করে দেখেছিল এবং পরকালের গুরুত্বকে অতিরঞ্জিত করেছিল। তারা দাসদের সান্ত্বনা দিয়েছিল এই বলে যে অল্প সময়ের মধ্যেই সে তার শিকলের বদলে ডানা পাবে। তারা বন্দিকে সান্ত্বনা দিয়ে বলেছিল যে কয়েক দিনের মধ্যেই সে তার অন্ধকার কারাগার ছেড়ে স্বর্গের কুঞ্জে চলে যাবে। তাঁর অনুসারীরা বিশ্বাস করত যে তিনি বলেছিলেন, "যে বিশ্বাস করে না সে অভিশপ্ত হবে।" এই অনুচ্ছেদটি ছিল সেই ক্রুশ যেখানে বুদ্ধিবৃত্তিক স্বাধীনতাকে ক্রুশবিদ্ধ করা হয়েছিল।''' খ্রিষ্ট যদি আমাদের স্বাস্থ্যের নিয়ম দিতেন, প্রাকৃতিক উপায়ে কীভাবে রোগ নিরাময় করতে হয় তা বলতেন, বন্দিদের মুক্ত করতেন, মানুষকে তাদের ন্যায্য ক্ষমতায় ভূষিত করতেন, চার্চের ওপরে বাড়ি স্থাপন করতেন, সমস্ত মানসিক শৃঙ্খল ভেঙে দিতেন, ভয়ের সমস্ত গুহা ও আস্তানা আলোয় ভরিয়ে দিতেন এবং ভবিষ্যৎকে সাধারণ আনন্দে পূর্ণ করতেন, তবে তিনি সত্যিই এই পৃথিবীর ত্রাণকর্তা হতেন।
* কাগজের আবিষ্কারক সব আদি পিতাদের চেয়ে মানবজাতির জন্য বেশি কাজ করেছেন এবং তিনি কোনো খ্রিষ্টান ছিলেন না। লাঙ্গল, কাস্তে, দোলনা, ফসল কাটার যন্ত্রের আবিষ্কারকেরা, ওয়াগন, কোচ, লোকোমোটিভের আবিষ্কারকেরা, স্কিফ, পাল তোলা জাহাজ, বাষ্পীয় জাহাজের আবিষ্কারকেরা, যারা তাঁত তৈরি করেছেন—সংক্ষেপে, সব প্রয়োজনীয় জিনিসের আবিষ্কারকেরা মহান চিন্তাবিদ, কবি, সুরকার, অভিনেতা, চিত্রশিল্পী এবং ভাস্করদের সাথে যুক্ত হয়ে সভ্যতার স্থপতি। যারা প্রয়োজনীয় জিনিস আবিষ্কার করেছেন এবং যারা প্রয়োজনীয় জিনিসগুলোকে সুন্দর করেছেন, তারাই মানবজাতির প্রকৃত সভ্যতার রূপকার। যাজকেরা সব যুগেই বাধা এবং হোঁচট খাওয়ার পাথর হিসেবে কাজ করেছেন। তারা মানুষকে তার যুক্তি ব্যবহার করতে বাধা দিয়েছেন। '''তারা সাহসের কাছে ভূতের গল্প বলেছেন, যতক্ষণ না সাহস ভয়ে পরিণত হয়েছে। তারা মানুষকে বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে বিকশিত হতে না দেওয়ার জন্য এবং বিশ্বকে শৈশবের অবস্থায় রাখার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করেছেন, যাতে তারা নিজেরাই মহান, সৎ এবং জ্ঞানী হিসেবে বিবেচিত হতে পারেন। তারা সবসময় জানত যে তাদের প্রজ্ঞার খ্যাতি মানুষের অজ্ঞতার ওপর নির্ভর করে।'''
* আমি আমেরিকার সভ্যতার জন্য আংশিকভাবে এই ঘটনাটিকে দায়ী করি যে আমাদের পূর্বপুরুষেরা চার্চ ও রাষ্ট্রকে সম্পূর্ণ আলাদা করার জন্য যথেষ্ট জ্ঞানী এবং একে অপরের প্রতি যথেষ্ট ঈর্ষাপরায়ণ ছিলেন। তারা চার্চকে একজন বিপজ্জনক কর্ত্রী হিসেবে বিবেচনা করতেন, যিনি একজন রাষ্ট্রপতিকে শাসন করার উপযুক্ত নন। এই বিচ্ছেদ অর্জন করা হয়েছিল কারণ জেফারসন এবং পেইনের মতো মানুষেরা সে সময় জনগণের কাউন্সিলে বিশিষ্ট ছিলেন। '''আমাদের দেশে একটি বিশেষত্ব রয়েছে। কেবল তাদেরই মানবস্বাধীনতার দায়িত্ব দেওয়া যেতে পারে যারা পরকালে ফেরেশতা হতে যাচ্ছে না।''' যতক্ষণ পাপীদের কথা শোনার সুযোগ থাকে, ততক্ষণ স্বাধীনতা নিরাপদ।
* মাঝে মাঝে আমার সন্দেহ হয় যে আমাদের নিজস্ব সভ্যতা পুরোপুরি নিখুঁত নয়। যখন আমি দেখি কারাগারগুলো মানুষে পরিপূর্ণ, অনেক মানুষের সেখানে থাকা উচিত, বড় শহরগুলোর অভাব, ময়লা এবং অবক্ষয়, গ্রেট ব্রিটেন এবং পুরো ইউরোপের উৎপাদন কেন্দ্রগুলোতে অনাহার, যখন আমি দেখি নারীরা ভারবাহী পশুর মতো কাজ করছে এবং ছোট শিশুরা কেবল শিক্ষা নয়, বাতাস, আলো ও খাবার থেকেও বঞ্চিত হচ্ছে, তখন আমার মনে সন্দেহ জাগে যে খ্রিষ্টীয় সভ্যতা সম্পূর্ণ এবং অপ্রতিরোধ্য সাফল্য অর্জন করতে পারেনি।
* আমি কুসংস্কারের ওপর নির্ভর করি না, বরং জ্ঞানের ওপর নির্ভর করি। অলৌকিক ঘটনার ওপর নয়, বরং তথ্যের ওপর। মৃতদের ওপর নয়, বরং জীবিতদের ওপর। যখন আমরা পুরোপুরি সভ্য হব, তখন আমরা কেবল অবজ্ঞা নয়, বরং করুণার সাথে বিশ্বের কুসংস্কারগুলোর দিকে ফিরে তাকাব।
* '''যাকে খ্রিষ্টধর্ম বলা হয়, তা সব দেশে এবং সব সময়ে জনশান্তি বিনষ্টকারী ছিল। ধর্ম হিসেবে পরিচিত বিষয়টির মতো আর কোনো কিছুই দেশগুলোকে এত বিচ্ছিন্ন করেনি এবং মানবজাতির স্বাভাবিক ন্যায়বিচারকে ধ্বংস করেনি। এই ধারণা যে সব মানুষকে একই ঈশ্বরের উপাসনা করতে হবে এবং একই মতবাদে বিশ্বাস করতে হবে, তা হাজার হাজার বছর ধরে মানুষের হৃদয় থেকে করুণার ফুলকে রক্তাক্ত হাতে ছিঁড়ে ফেলেছে।'''
* সর্বোপরি, একজন সৃষ্টিকর্তার সন্ধান করে কী লাভ? এতে সমস্যার সমাধান হয় না। আপনি আপনার সৃষ্টিকর্তাকে এমন কিছু হিসেবে ছেড়ে যান, যার নিজেরও একজন সৃষ্টিকর্তার প্রয়োজন আছে। আপনার সিঁড়ির নিচের অংশটি শূন্যের ওপর দাঁড়িয়ে আছে এবং ওপরের অংশটিও শূন্যে হেলান দিয়ে আছে। আপনি কোনো সমাধানে পৌঁছাননি। "ঈশ্বর" শব্দটি কেবল আমাদের অজ্ঞতা থেকে জন্ম নিয়েছে। আমরা যত দূর পারি যাই এবং বলি বাকি পথ হলো "ঈশ্বর"। আমরা যত দূর পারি দেখি এবং দিগন্তের ওপারে যেখানে আমাদের জানা মতে অন্ধত্ব ছাড়া আর কিছুই নেই, সেখানে আমরা আমাদের দেবতাকে স্থাপন করি। আমরা একটি বৃত্তের অতি ক্ষুদ্র অংশ দেখি এবং বলি বাকিটা হলো "ঈশ্বর"।
* জীবন, পদার্থ বা যাকে আমরা মন বলি তার উৎপত্তি কেউ জানে না। কোথা থেকে এবং কোথায়—এই প্রশ্নগুলোর উত্তর কোনো মানুষ দিতে পারে না। এসব প্রশ্নের সামনে সব বুদ্ধিমান মানুষই সমান। একজন অসভ্য মানুষ ঠিক ততটুকুই জানে, যতটুকু একজন বিজ্ঞানী জানেন। একজন বোকা ঠিক ততটুকুই জানে, যতটুকু একজন দার্শনিক জানেন। কেবল যারা মনে করে যে তাদের কাছে কোনো অতিপ্রাকৃত তথ্য আছে, তারাই এসব প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার ভান করে। অজানা, অসম্ভব ও অগাধ বিষয়টি সম্পূর্ণরূপে "অনুপ্রাণিতদের" দখলে থাকে।
* আমি দেখেছি যারা অমরত্বে বিশ্বাস করে বা অন্তত দাবি করে যে তারা বিশ্বাস করে, তারা অন্য যেকোনো মানুষের মতোই মৃত্যুকে ভয় পায়। আমি দেখেছি সবচেয়ে ধর্মপ্রাণ খ্রিষ্টানও তার মৃতদের ওপর ততটাই তিক্তভাবে কাঁদে, যতটা সেই মানুষটি কাঁদে যে বলে মৃত্যুতেই সব শেষ। আপনি দেখেন প্রতিশ্রুতিগুলো অনেক দূরে এবং মৃতেরা অনেক কাছে। তবুও, আমি বলছি না যে মানুষ অমর নয়; কিন্তু আমি বলছি যে বাইবেলে এমন কিছু নেই যা প্রমাণ করে যে সে অমর। আমরা কীভাবে অমরত্ব হারিয়েছি তা দেখানো ছাড়া পুরোনো নিয়মে এ বিষয়ে কোনো শব্দ নেই।
* আমি বুঝতে পারি না কেন আমরা একজন অসীম ঈশ্বরের কাছ থেকে এই জগতের চেয়ে অন্য জগতে ভালো কিছু আশা করব। তিনি যদি এখানে অবিচার চলতে দেন, তবে তিনি আগামী জগতেও কেন একই জিনিস চলতে দেবেন না?
* কিছু মানুষ জোর দিয়ে বলেছে যে এই জীবন আত্মত্যাগী নারী ও পুরুষ তৈরি করার জন্য এক ধরনের স্কুল। অর্থাৎ, চরিত্র গঠনের জন্য। '''পরিসংখ্যান দেখায় যে বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ পাঁচ বছরের কম বয়সে মারা যায়। আমরা এমন একজন স্কুলশিক্ষক সম্পর্কে কী ভাবব, যিনি প্রথম দিনেই তার অধিকাংশ ছাত্রকে হত্যা করেন?''' যদি এই মতবাদ সত্য হয় এবং স্বর্গে যদি পুরুষত্ব তৈরি করা না যায়, তবে যারা শৈশবে মারা যায় তারা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যবান।
* কিন্তু আমাদের যেসব তত্ত্বই থাকুক না কেন, শেষ পর্যন্ত আমাদের বাস্তব তথ্যের ওপর নির্ভর করতে হবে। '''আমরা এমন এক পৃথিবীতে আছি যেখানে পাপ, বিকৃতি, দুর্বলতা এবং রোগ বংশগত। এই বিশাল এবং গম্ভীর সত্যের উপস্থিতিতে শরীরের ধর্মের উত্থান ঘটে।''' প্রতিটি মানুষের এই পৃথিবীর দুর্দশা বাড়াতে অস্বীকার করা উচিত।
* এখানে বা পরকালে স্বর্গ বা নরক থাকুক বা না থাকুক, এই পৃথিবীকে বর্তমানের চেয়ে একটু ভালো করার জন্য প্রতিটি ভালো মানুষের যথেষ্ট কাজ রয়েছে। জিনিসের উৎপত্তি এবং মানুষের ভাগ্য খোঁজার বৃথা চেষ্টায় লাখ লাখ জীবন নষ্ট হয়েছে। এই পৃথিবীকে অবহেলা করা হয়েছে। আমাদের শেখানো হয়েছে যে জীবন কেবল মৃত্যুর প্রস্তুতির জন্য হওয়া উচিত।
* আমার কাছে এই ধারণার চেয়ে অসীম অযৌক্তিক কোনো মতবাদ নেই যে এই জীবন একটি পরীক্ষামূলক অবস্থা। অর্থাৎ, এখানে কাটানো কয়েকটি মুহূর্ত একটি মানবাত্মার চিরন্তন ভাগ্য নির্ধারণ করে। এর চেয়ে বেশি নির্দয় এবং অবিচারপূর্ণ কোনো কিছুই ভাবা যায় না। আমি সেই মতবাদ ধ্বংস করার জন্য সব চেষ্টা করছি। সম্ভব হলে আমি মানুষের হৃদয় থেকে নরকের ছায়া দূর করতে চাই। কেন এখানে কোনো জীবন ব্যর্থ হয়েছে? ঈশ্বর যদি অসীম প্রজ্ঞা ও দয়ার সত্তা হন, তবে কেন তিনি ব্যর্থতা তৈরি করেন? অসভ্য মানুষ দিয়ে পৃথিবী পূর্ণ করার জন্য অসীম প্রজ্ঞার কী অজুহাত আছে? একটি দুর্বল এবং রোগাক্রান্ত মস্তিষ্ক দিয়ে তৈরি করার জন্য, যক্ষ্মা, স্ক্রোফুলা বা উন্মাদনার উত্তরাধিকারী হওয়ার সুযোগ দেওয়ার জন্য কেন একজনকে ঈশ্বরের প্রতি কৃতজ্ঞ বোধ করতে হবে? দাস হিসেবে বেঁচে থাকা এবং মারা যাওয়া একজনকে কেন ঈশ্বরকে ধন্যবাদ জানাতে হবে?
==="দ্য ব্রুকলিন ডিভাইনস।" ''ব্রুকলিন ইউনিয়ন'' (ব্রুকলিন, নিউ ইয়র্ক), ১৮৮৩।===
* মাত্র কয়েক বছর আগে বিজ্ঞান ছিল কুসংস্কারের ভাড়াটে কর্মী। বিজ্ঞানীরা তাদের আবিষ্কৃত প্রতিটি তথ্যের জন্য ক্ষমা চাইতেন। টুপি হাতে তারা জীবাশ্ম আবিষ্কারের জন্য যাজকদের কাছে এবং প্রকৃতিতে কোনো আবিষ্কারের জন্য ঈশ্বরের কাছে ক্ষমা চাইতেন।
* এখন সবকিছু বদলে গেছে এবং যাজক ছাড়া সবাই তা জানে। এখন ধর্ম বিজ্ঞানের কাছে মাথা নত করছে। ধর্ম পুরোনো পাঠ্যের নতুন অর্থ খুঁজে বের করছে। আমাদের বলা হয় যে ঈশ্বর সাধারণ মানুষের ভাষায় কথা বলেছিলেন। তিনি কোনো বিজ্ঞান শেখাচ্ছিলেন না। তিনি কেবল তাঁর সন্তানদের ভুলেই থাকতে দেননি, বরং তাদের সেখানেই রেখেছিলেন। এখন এটি স্বীকার করা হয় যে বাইবেল প্রাকৃতিক তথ্যের কোনো প্রশ্নের জন্য প্রামাণিক নয়; এটি কেবল নৈতিকতা ও আধ্যাত্মিক উপায়ে অনুপ্রাণিত। ব্রুকলিনের যাজক ছাড়া সবাই দেখতে পায় যে বাইবেল আর প্রামাণিক হিসেবে বিবেচিত হয় না। '''কোনো তথ্যের বিরোধ মেটাতে কেউ আর কোনো অনুচ্ছেদের আবেদন করে না।''' বিশ্বের সবচেয়ে বুদ্ধিমান মানুষেরা অনুপ্রেরণার ধারণা নিয়ে হাসাহাসি করেন।
* আমি দেখতে পাচ্ছি যে রেভারেন্ড ডা. এডি যাজকদের মিম্বর থেকে অবিশ্বাসীদের যুক্তির উত্তর না দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন এবং এই চমৎকার কারণটি দেখিয়েছেন: '''শ্রোতারা মূল যুক্তি পড়ার চেয়ে উত্তর থেকে বেশি সন্দেহ পাবে। তাই রেভারেন্ড ডা. হকিন্স স্বীকার করেছেন যে তিনি আরও অবিশ্বাস সৃষ্টি না করে অবিশ্বাসীদের আক্রমণ থেকে খ্রিষ্টধর্মকে রক্ষা করতে পারবেন না।'''
* এই "পার্থিব" মানুষেরা জঙ্গল পরিষ্কার করেছে, জমি চাষ করেছে, শহর, বাষ্পীয় জাহাজ, টেলিগ্রাফ তৈরি করেছে এবং পৃথিবীতে যা কিছু মূল্যবান ও বিস্ময়কর তা তৈরি করেছে। তবুও প্রচারকেরা তাদের নিন্দা করেন। "পার্থিব" মানুষ না থাকলে প্রচারকেরা কীভাবে চলতেন? কে চার্চ বানাত? '''কে অনুদানের বাক্স ও প্লেট পূর্ণ করত এবং (সবচেয়ে গুরুতর প্রশ্ন) কে বেতন দিত?'''
* যাজকেরা থিয়েটারকে প্রতিদ্বন্দ্বী আকর্ষণ হিসেবে দেখেন এবং তাদের অধিকাংশ ঘৃণাই ব্যবসায়িক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে জন্ম নেয়। তারা মনে করেন অন্যান্য সব জায়গা বন্ধ করে মানুষকে চার্চে নিয়ে যাওয়া উচিত। আমার মতে থিয়েটার ভালো করেছে, আর চার্চ ক্ষতি করেছে। নাটক কখনোই কাউকে পুড়িয়ে মারার ওপর জোর দেয়নি।
* মিম্বরে ভণ্ডদের উপাসনা করা হয়েছে; মঞ্চে তাদের উপহাস এবং ঘৃণার পাত্র করা হয়েছে।
* '''যাজকেরা সব সময় দুর্ভিক্ষ, দুঃখ-কষ্ট ও মহামারির ওপর প্রবল বিশ্বাস রেখেছেন। তারা জানেন যে একজন মানুষ ভোজের চেয়ে এক টুকরো রুটি বা উচ্ছিষ্টের জন্য ঈশ্বরকে হাজার গুণ বেশি ধন্যবাদ জানাতে পারে।'''
* তারা মনে করে আমাদের আরও "আধ্যাত্মিক" হওয়া উচিত; অর্থাৎ, অন্যদের পরিশ্রমে বেঁচে থাকতে ইচ্ছুক হওয়া; ভিক্ষা চাইতে ইচ্ছুক হওয়া এবং '''ততক্ষণে বলা, "পাওয়ার চেয়ে দেওয়াই বেশি আশীর্বাদের।" যদি তাই হয়, তবে টাকা ফেরত দিচ্ছেন না কেন?'''
* ধনী ব্যক্তি যদি উপদেশকে অনুগ্রহের মাধ্যম মনে করত, জলপ্রপাতের ঠিক ওপরে থাকা কোনো ব্যক্তিকে যাজকের ছুড়ে দেওয়া দড়ির মতো মনে করত; '''সে যদি এটিকে জীবন রক্ষাকারী নৌকা বা বাতিঘর হিসেবে বিবেচনা করত, তবে সে তার গাড়ির চালককে বাইরে থাকতে দিত না।''' সে যদি সত্যিই বিশ্বাস করত যে গাড়ির চালকের একটি অমর আত্মা আছে, যা চিরন্তন আনন্দের অধিকারী এবং চিরস্থায়ী যন্ত্রণার সম্মুখীন হতে পারে, তবে সে ওই গাড়ির চালকের ডাক ও নির্বাচন নিশ্চিত করার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করত। '''বাস্তবে ধনী ব্যক্তি এখন চাকরদের তেমন পরোয়া করে না।''' তাদের পরিত্রাণের পরিকল্পনার অন্তর্ভুক্ত করা হয় না, কেবল একটি কাজের লট হিসেবে ছাড়া। '''চার্চ একটি ক্লাবে পরিণত হয়েছে। এটি একটি সামাজিক ব্যাপার এবং ধনী ব্যক্তিরা চার্চে দেখা হওয়া দরিদ্রদের সাথে সপ্তাহের দিনগুলোতে মিশতে চায় না। যেহেতু তারা চিরকাল স্বর্গে একসাথে থাকার আশা করে, তাই তারা এখানে আলাদা থাকতে পারে। সেখানে পরিচিত হওয়ার জন্য অবশ্যই যথেষ্ট সময় থাকবে।'''
* আরেকটি বিষয় হলো চার্চগুলোর জাঁকজমক। চার্চ সম্পূর্ণভাবে ধনীদের ওপর নির্ভরশীল। '''দরিদ্র মানুষ এমন জাঁকজমকপূর্ণ ভবনে নিজেদের বেমানান মনে করে। তারা কাছের কোনো আসনে বসে পড়ে; দরিদ্র আত্মীয়দের মতো তারা চেয়ারের একেবারে ধারে বসে থাকে। খ্রিষ্টের টেবিলে তারা লবণের নিচে থাকে। তারা প্রতিনিয়ত অপমানিত হয়।''' যখন চাঁদা চাওয়া হয়, তখন তারা কোটিপতিদের দেওয়া হাজার হাজার টাকার সাথে তাদের সামান্য অর্থ তুলনা করতে লজ্জা বোধ করে। অনুদানের প্লেটে রুপার সাথে পয়সা মিশতে লজ্জা পায়। এর ফলে তাদের অধিকাংশই চার্চ এড়িয়ে চলে। '''জনসমক্ষে ঈশ্বরের উপাসনা করতে অনেক খরচ হয়।''' ভালো ও ফ্যাশনেবল পোশাক প্রয়োজন।
* কেবল যখন আমরা কোনো দেবতার ধারণা, প্রকৃতিতে নিষ্ঠুরতা বা মঙ্গলময়তার ধারণা বাতিল করি, তখনই আমরা জীবনের কষ্টগুলো ধৈর্যের সাথে সহ্য করতে সক্ষম হই।
* আমিও বলছি না যে মানুষ অমর নয়। সেই বিষয়ে আমি স্বীকার করি যে আমি জানি না এবং সেই বিষয়ে বিশ্বের সব যাজকের ঘোষণা আমাকে কোনো আলো দেয় না। এমনকি তারা আমার তথ্যে কিছু যোগ করার প্রবণতাও দেখায় না, কারণ আমি জানি যে তারা জানে যে তারা জানে না।
* বিশ্বের বুদ্ধিমান মানুষেরা গোঁড়া খ্রিষ্টধর্মে বিশ্বাস করে না। এটি আজ বুদ্ধিবৃত্তিক অবক্ষয়ের লক্ষণ। '''রক্ষণশীল যাজকেরা বোকা।'''
* '''গোঁড়া ধর্ম বোয়া কনস্ট্রিক্টর সাপের মতো; যা কিছু এড়িয়ে যেতে পারে না তা সে গিলে ফেলবে।'''
* তারা পুরোনো পাঠ্যের নতুন পড়া খুঁজে পাবে। তারা পুরোনো নিয়মে নতুন করে বিরামচিহ্ন বসাবে এবং বিশ্লেষণ করবে। '''তারা দেখতে পাবে যে "সমতল" মানে "একটু গোলাকার;" "ছয় দিন" মানে "ছয় দীর্ঘ সময়;" "বন্যা" শব্দটির অনুবাদ হওয়া উচিত ছিল "স্যাঁতসেঁতে," "শিশির," বা "হুমকিপূর্ণ বৃষ্টি..."'''
* '''তারা মতবাদের শব্দ পরিবর্তন করবে না; তারা কেবল নতুন অর্থ দেবে এবং আজকের সর্বোচ্চ সমালোচনা হলো তা যা স্বীকার করে ও এড়িয়ে যায়। অন্যকথায়, মানুষ যেমন পরিবর্তিত হবে চার্চগুলোও তেমনি পরিবর্তিত হবে। তারা তা বিক্রির জন্য রাখবে যা বিক্রি করা যায়। এরই মধ্যে পুরোনো পণ্যগুলোর "দাম কমানো" হয়েছে।'''
* এমন একটা সময় ছিল যখন একজন প্রকাশ্য ও ঘোষিত অবিশ্বাসী একটি বিস্ময় ছিল। '''সেই সময় চার্চের প্রচুর ক্ষমতা ছিল; এটি প্রতিশোধ নিতে পারত; এটি ধ্বংস করতে পারত। চার্চ তখনই খুঁটি ছেড়ে দিয়েছিল যখন অনেক মানুষ পুড়িয়ে মারার বিরোধিতা করেছিল।'''
* সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আধুনিক আবিষ্কারের ফলে এবং অগণিত প্রভাবের ফলে মানুষের চিন্তা গোঁড়া ধর্মের ভিত্তি অনুসন্ধানের দিকে ঘুরে গেছে। অন্যান্য ধর্মকে সমালোচনার চুল্লিতে রাখা হয়েছিল এবং খাদ ছাড়া আর কিছুই পাওয়া যায়নি। '''অবশেষে বুদ্ধিমানদের মনে আমাদের নিজেদের ধর্ম পরীক্ষা করার কথা আসে এবং এই পরীক্ষা প্রচুর আগ্রহ ও মন্তব্য তৈরি করেছে।''' মানুষ শুনতে চায় এবং তারা শুনতে চায় কারণ তারা এরই মধ্যে নিজেরাই এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে যে মতবাদগুলো ভুলের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
* খ্রিষ্টধর্ম হলো এটি: শাস্ত্রের অনুপ্রেরণা, প্রায়শ্চিত্ত, খ্রিষ্টের জীবন, মৃত্যু ও পুনরুত্থানে বিশ্বাস, খ্রিষ্টের বিশ্বাসীদের জন্য চিরন্তন পুরস্কার এবং বাকিদের জন্য চিরন্তন শাস্তি। এখন খ্রিষ্টধর্ম থেকে এর অলৌকিক ঘটনা, প্রায়শ্চিত্ত ও মানুষের পতনের অযৌক্তিকতা এবং শাস্ত্রের অনুপ্রেরণা সরিয়ে নিন, আর আমি যেমনটা বুঝি তাতে আমার কোনো আপত্তি নেই। আমি মূলত সেই খ্রিষ্টধর্মে বিশ্বাস করি যা খ্রিষ্ট শিখিয়েছিলেন বলে মনে করি, অর্থাৎ দয়া, ভদ্রতা, ক্ষমা। আমি শত্রুদের ভালোবাসায় বিশ্বাস করি না; আমার বন্ধুদের ভালোবাসতেই বেশ কষ্ট হয়।
* নৈতিকতা মেঘ থেকে আসে না; এটি মানুষের অভাব এবং অভিজ্ঞতা থেকে জন্ম নেয়। আমাদের কোনো অনুপ্রেরণা বা অনুপ্রাণিত কাজের প্রয়োজন নেই। পরিশ্রমী মানুষ জানে যে অলস ব্যক্তির তার শ্রমের ফসল কেড়ে নেওয়ার কোনো অধিকার নেই এবং অলস ব্যক্তিও জানে যে তার এই কাজ করার অধিকার নেই। আমরা বাইবেলে পেয়েছি বলে এটি ভুল নয়, তবে আমি অনুমান করি এটি বাইবেলে রাখা হয়েছিল কারণ এটি ভুল।
* '''আমার কাছে সবসময় এটি একটু কৌতূহলের বিষয় বলে মনে হয়েছে যে এখানে আনন্দকে এত অবজ্ঞার চোখে দেখা হয় এবং পরকালে চিরন্তন পুরস্কার হিসেবে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। কেন স্বর্গের মতো এখানেও খুশি হওয়া যায় না? কেন এখানে আনন্দ করা যায় না?''' কেন এখনই—অর্থাৎ আজই স্বর্গে যাওয়া যায় না? কেন এই পৃথিবীর রোদ এবং এর ভেতরের সব ভালো জিনিস উপভোগ করা যায় না? এটি যথেষ্ট খারাপ; এতটাই খারাপ যে আমি বিশ্বাস করি না এটি কোনো কল্যাণময় দেবতা তৈরি করেছেন। তবে এতে যেটুকু ভালো আছে, তা কেন পাব না?
* আমিও বিশ্বাস করি না যে মানুষের শেষ উদ্দেশ্য হলো ঈশ্বরের মহিমা কীর্তন করা। '''কীভাবে অসীমকে মহিমান্বিত করা যায়? তিনি কি খ্যাতি চান?... গড়পড়তা একজন প্রেসবাইটেরিয়ানের চাটুকারিতা তিনি কেন চাইবেন? তাঁর কাজ মেথডিস্ট এপিসকোপাল চার্চ অনুমোদন করেছে জেনে তাঁর কী লাভ হবে? এমনকি তিনি ধর্মীয় সাপ্তাহিক পত্রিকা বা ধর্মীয় কলেজগুলোর সভাপতিদের সম্পর্কে কী পরোয়া করেন?''' আমি বুঝতে পারি না আমরা কীভাবে ঈশ্বরকে সাহায্য বা আঘাত করতে পারি। যদি কোনো অসীম সত্তা থাকেন, তবে আমরা যা কিছু করি তা নিশ্চিতভাবেই তাঁকে প্রভাবিত করতে পারে না। আমরা একে অপরকে প্রভাবিত করতে পারি এবং তাই মানুষের উচিত মানুষের বিরুদ্ধে পাপ না করার বিষয়ে সতর্ক থাকা।
=== ''অর্থোডক্সি'' (১৮৮৪) ===
* আপনিও মনে করতে পারবেন এবং আমিও পারি, যখন পুরোনো অ্যালোপ্যাথি চিকিৎসকেরা সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী ছিলেন। মানুষের কোনো সমস্যা হলে তারা রক্ত বের করে দিতেন। রোগীর শয্যাপাশে ডাক পড়লে তারা ল্যান্সেটের ডগায় রোগীকে মৃত্যুর দুয়ারে নিয়ে যেতেন এবং তারপর তাকে ফিরিয়ে আনতে নিজেদের সব কৌশল প্রয়োগ করতেন। '''কয়েক বছর আগেও একজন চিকিৎসকের আক্রমণ সহ্য করার জন্য কতটা নিখুঁত শারীরিক গঠন প্রয়োজন ছিল, তা কল্পনা করা কঠিন।'''
* ১৪৭৩ সালে কোপার্নিকাস জন্মগ্রহণ করেন। ১৫৪৩ সালে তাঁর মহান কাজ প্রকাশিত হয়। '''১৬১৬ সালে পোপ এবং ক্যাথলিক চার্চ কোপার্নিকাসের ব্যবস্থাকে নিন্দা করেছিল। অন্য যেকোনো বিষয়ের মতো এই বিষয়েও চার্চ প্রায় সঠিক ছিল।''' কোপার্নিকাসের ব্যবস্থা নিন্দিত হয়েছিল। আপনার কী মনে হয়, চার্চ কতদিন এর বিরোধিতা করেছিল? আমি বলছি। ১৮২১ সালে পোপ সপ্তম পায়াস এটি প্রত্যাহার করেছিলেন। '''কোপার্নিকাসের মৃত্যুর পর ২৭৮ বছর ধরে চার্চ জোর দিয়েছিল যে তাঁর ব্যবস্থা মিথ্যা এবং পুরোনো বাইবেলের জ্যোতির্বিজ্ঞানই সত্য।'''
* এই শতাব্দীকে ডারউইনের শতাব্দী বলা হবে। তিনি পৃথিবীতে আসা শ্রেষ্ঠ মানুষদের একজন ছিলেন। তিনি সব ধর্মীয় শিক্ষকের চেয়ে জীবনের ঘটনাগুলোর বেশি ব্যাখ্যা দিয়েছেন। '''একদিকে চার্লস ডারউইনের নাম লিখুন এবং অন্যদিকে আজ পর্যন্ত জন্ম নেওয়া সব ধর্মতত্ত্ববিদের নাম লিখুন, আপনি দেখতে পাবেন সেই একটি নাম থেকেই বিশ্বের জন্য এদের সবার চেয়ে বেশি আলো এসেছে।'''
* '''চার্চ শেখায় যে মানুষকে নিখুঁতভাবে সৃষ্টি করা হয়েছিল এবং ছয় হাজার বছর ধরে তার অবনতি হয়েছে। ডারউইন এই মতবাদের মিথ্যা প্রমাণ করেছেন। তিনি দেখান যে মানুষ হাজার হাজার বছর ধরে স্থিরভাবে অগ্রসর হয়েছে; ইডেন গার্ডেন একটি অজ্ঞতাপূর্ণ অতিকথা; আদি পাপের মতবাদের কোনো ভিত্তি নেই; প্রায়শ্চিত্ত একটি অযৌক্তিকতা; সাপ প্রলুব্ধ করেনি এবং মানুষের "পতন" হয়নি। চার্লস ডারউইন গোঁড়া খ্রিষ্টধর্মের ভিত্তি ধ্বংস করে দিয়েছেন।''' আমরা যা জানি যে তা ঘটতে পারত না এবং ঘটেনি, তাতে বিশ্বাস করা ছাড়া আর কিছুই অবশিষ্ট নেই। ধর্ম ও বিজ্ঞান শত্রু। একটি কুসংস্কার, অন্যটি তথ্য। একটি মিথ্যার ওপর নির্ভর করে, অন্যটি সত্যের ওপর। একটি ভয় ও বিশ্বাসের ফলাফল, অন্যটি অনুসন্ধান ও যুক্তির।
* তারা এসবের কী উত্তর দেয়? তারা বলে ঈশ্বর এর "অনুমতি" দেন। আমি যদি আপনার পাশে দাঁড়িয়ে দেখি যে একজন গুন্ডা একটি শিশুর মাথা ফাটিয়ে দিচ্ছে এবং আমার কাছে তা ঠেকানোর সম্পূর্ণ ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও আমি তা না করি, তবে আপনি আমাকে কী বলবেন? আপনি সত্যি করে বলবেন যে আমি ওই খুনির মতোই খারাপ। এই ঈশ্বরের পক্ষে কি এটি প্রতিরোধ করা সম্ভব? যদি তিনি না করেন তবে তিনি একজন দানব; তিনি কোনো ঈশ্বর নন। '''কিন্তু তারা বলে তিনি এর "অনুমতি" দেন। কেন? যাতে আমরা স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারি। কেন? যাতে ঈশ্বর বুঝতে পারেন যে কারা ভালো আর কারা খারাপ। তিনি যখন আমাদের তৈরি করছিলেন তখন কি তিনি তা জানতেন না? তিনি কী তৈরি করছেন তা কি তিনি ঠিকমতো জানতেন না?'''
* '''বিশ্বে এখন এমন কোনো বুদ্ধিমান নারী বা পুরুষ কি আছেন যিনি ইডেন গার্ডেনের গল্পে বিশ্বাস করেন? যদি আপনি এমন কাউকে পান যে এটি বিশ্বাস করে, তবে তার কপালে আঘাত করুন এবং আপনি একটি প্রতিধ্বনি শুনতে পাবেন। তার ভেতরে কিছু একটা ভাড়ার জন্য খালি পড়ে আছে।'''
* এখন কি কেউ সাপের গল্প বিশ্বাস করে? এই ঊনবিংশ শতাব্দীতে দাঁড়িয়ে যারা এই শিশুসুলভ কল্পকাহিনিতে বিশ্বাস করে, তাদের জন্য আমার করুণা হয়। অ্যাডাম ও ইভ কেন অমান্য করেছিল? কারণ তারা প্রলুব্ধ হয়েছিল। কার দ্বারা? শয়তান। শয়তানকে কে তৈরি করেছে? ঈশ্বর। ঈশ্বর কেন তাকে তৈরি করেছিলেন? তিনি কেন অ্যাডাম ও ইভকে এই সাপের কথা বলেননি? '''তিনি অ্যাডাম ও ইভকে পাহারা দেওয়ার বদলে শয়তানকে কেন পাহারা দেননি? তাদের বের করে দেওয়ার বদলে তিনি শয়তানকে ভেতরে ঢোকা থেকে কেন আটকালেন না? একজন নারী ও পুরুষ তৈরি করার আগে কেন তিনি বন্যা দিয়ে শয়তানকে ডুবিয়ে মারলেন না? তবুও, যারা নিজেদের বুদ্ধিমান বলে দাবি করে—কলেজের অধ্যাপক এবং প্রাচীন প্রতিষ্ঠানের সভাপতিরা—তারা শিশু এবং তরুণদের শেখায় যে ইডেন গার্ডেনের গল্প একটি নিখুঁত ঐতিহাসিক সত্য। আমি চ্যালেঞ্জ করছি এর চেয়ে শিশুসুলভ কিছু ভাবার জন্য। এই ঈশ্বর, ইডেনে অপেক্ষা করছিলেন—কী ঘটবে তা সব সময় জানতেন—তা ঘটার জন্যই ইচ্ছাকৃতভাবে তাদের তৈরি করেছিলেন, তারপর তিনি কী করেন? আমাদের সবাইকে দায়ী করেন, অথচ আমরা সেখানে ছিলাম না।'''
* '''নির্বাচকমণ্ডলীর জন্মের আগেই এখানে একজন প্রতিনিধি উপস্থিত। আমি কোনো প্রতিনিধির কাছে দায়বদ্ধ হওয়ার আগে তার পক্ষে বা বিপক্ষে ভোট দেওয়ার সুযোগ চাই। আমি যদি সেখানে থাকতাম এবং সব পরিস্থিতি জানতাম, তবে আমি "না" ভোট দিতাম! তবুও, আমাকে দায়ী করা হচ্ছে।'''
* '''যে ঈশ্বর এমন একটি আত্মা তৈরি করতে পারেন না যা সম্পূর্ণ দূষিত নয়, আমি বিনয়ের সাথে প্রস্তাব করছি, তার এই কাজ থেকে অবসর নেওয়া উচিত। ঈশ্বর যদি আমাদের তৈরি করে থাকেন, এটা জেনেও যে আমরা সম্পূর্ণ দূষিত, তবে "পুনর্জন্ম" নেওয়ার জন্য কেন আমাদের সেই একই সত্তার কাছে যেতে হবে?'''
* চার্চ জোর দেয় যে আমাদের অবশ্যই "পুনর্জন্ম" নিতে হবে এবং যারা এই দ্বিতীয় জন্মের অধীন নয় তারা সবাই অনন্ত আগুনের উত্তরাধিকারী। আরেকটি অ্যাডাম ও ইভ তৈরি করা কি আরও ভালো হতো না? নোয়া এবং তার লোকেদের পরিবর্তন করা কি আরও ভালো হতো না, যাতে এর পরে আর দ্বিতীয় জন্মের প্রয়োজন না হয়? মানবজীবনের সব উৎস শুদ্ধ করা কেন হলো না? কেন পৃথিবীকে দূষিত এবং দানবীয় মানুষ দিয়ে পূর্ণ হতে দেওয়া হলো, যাদের প্রত্যেককে আবার তৈরি করতে হবে, সংস্কার করতে হবে এবং পুনর্জন্ম নিতে হবে?
* শয়তান যদি দাসত্ব নিয়ে কিছু লিখত, তবে সে কোন পক্ষ নিত? প্রতিটি যাজককে উত্তর দিতে দিন। আপনি যদি জানতেন শয়তান মানবদাসত্ব নিয়ে একটি বই লিখেছে, তবে আপনার মতে সে দাসত্বকে সমর্থন করত নাকি এর নিন্দা করত? বইটি দাসত্বকে সমর্থন করলে, এটি কি প্রমাণ হিসেবে ধরবেন যে বইটি শয়তান লিখেছে? '''অথচ আপনার কাছে দাসত্বকে সমর্থনকারী একটি কাজ রয়েছে এবং আপনি বলছেন যে এটি একজন অসীম মঙ্গলময় ঈশ্বর লিখেছেন!'''
* '''একজন খ্রিষ্টান কেন এমন একজন মানুষকে হত্যা করতে দ্বিধা করবে, যাকে তার ঈশ্বর অভিশাপ দেওয়ার জন্য অপেক্ষা করছেন? একজন খ্রিষ্টান কেন একজন অবিশ্বাসীর প্রতি—যে বাইবেল প্রত্যাখ্যান করেছে—করুণা করবে, যখন সে জানে যে ঈশ্বর চিরকাল নির্দয় থাকবেন?'''
* রোমের কোনো বাইবেল ছিল না। ঈশ্বর রোমান সাম্রাজ্যের পরোয়া করতেন না। তিনি মানুষগুলোকে দৈবক্রমে আসতে দিয়েছিলেন। তাঁর সময় ইহুদিদের নিয়ে ব্যয় হচ্ছিল। তবুও রোম ঈশ্বরের মনোনীত মানুষসহ বিশ্বকে জয় করেছিল। '''যাদের কাছে বাইবেল ছিল তারা এমন লোকেদের কাছে পরাজিত হয়েছিল যাদের কাছে বাইবেল ছিল না।'''
* খ্রিষ্টানরা একটি ঘটনাকে কারণ ভেবে ভুল করে এবং সততার সাথে কল্পনা করে যে বাইবেল আধুনিক স্বাধীনতা ও আইনের ভিত্তি। তারা শারীরিক অবস্থা ভুলে যায়, বাণিজ্যের হিসাব করে না, আবিষ্কার ও উদ্ভাবনের পরোয়া করে না এবং অজ্ঞতাবশত তাদের অনুপ্রাণিত বইকে কৃতিত্ব দেয়।
* আমি যিশুখ্রিষ্টের অলৌকিক উৎপত্তিতে বিশ্বাস করতে পারি না। আমি বিশ্বাস করি তিনি জোসেফ ও মেরির সন্তান ছিলেন; জোসেফ ও মেরি বৈধভাবে বিবাহিত ছিলেন; তিনি সেই মিলনের বৈধ সন্তান ছিলেন। তিনি অন্তত দেড়শ বছর মৃত থাকার আগ পর্যন্ত কেউ এর বিপরীত বিশ্বাস করেনি। ম্যাথু, মার্ক বা লুক কেউই স্বপ্নেও ভাবেননি যে তিনি ঐশ্বরিক উৎপত্তির অধিকারী। '''তিনি ম্যাথু, মার্ক বা লুককে বা তাদের সামনে উপস্থিত কাউকে বলেননি যে তিনি ঈশ্বরের পুত্র, বা তিনি অলৌকিকভাবে গর্ভে এসেছিলেন। তিনি এমন কিছু বলেননি।'''
* তাছাড়া, ঈশ্বর অনেক বিষয়ে তাঁর মত পরিবর্তন করে থাকতে পারেন; তিনি অন্তত চার্চের মতে দাসত্ব এবং বহুগামিতার বিষয়ে মত পরিবর্তন করেছেন। তবুও তাঁর চার্চ এখন তরবারি দিয়ে উটাহে বহুগামিতা ধ্বংস করতে চায়। তারা কেন পুরোনো নিয়মের কপি দিয়ে সেখানে মিশনারি পাঠায় না?
* পুনরুত্থান। আমি এ বিষয়ে এমনভাবে কথা বলতে চাই যেমনটা আমরা যেকোনো সাধারণ লেনদেনের বিষয়ে বলে থাকি। প্রথমত, আমি বিশ্বাস করি না যে কখনো কোনো অলৌকিক ঘটনা ঘটেছে এবং যদি ঘটেও থাকে, তবে আপনি তা প্রমাণ করতে পারবেন না। কেন? কারণ এটা বিশ্বাস করা আরও বেশি যুক্তিসংগত যে মানুষেরা এই বিষয়ে ভুল করেছিল, এর চেয়ে যে ঘটনাটি সত্যিই ঘটেছিল। এবং কেন? কারণ, মানব অভিজ্ঞতা অনুসারে আমরা জানি যে মানুষেরা সব সময় সত্য বলবে না, এবং আমরা নিজেরা কখনো কোনো অলৌকিক ঘটনা দেখিনি। আমাদের অভিজ্ঞতার দ্বারাই পরিচালিত হতে হবে। যদি আমরা আমাদের অভিজ্ঞতা দিয়ে বিচার করি, তবে আমাদের বলতে হবে যে অলৌকিক ঘটনা কখনো ঘটেনি—সাক্ষীরা ভুল করেছিল।
* মৃত মানুষদের পুনরুত্থান সম্পর্কে একটি আশ্চর্যের বিষয় হলো—'''আমরা আর তাদের কথা শুনতে পাই না'''। তাদের কী হয়েছিল? যদি এই শহরে এমন একজন মানুষ থাকত যাকে মৃতদের মধ্য থেকে পুনরুত্থিত করা হয়েছিল, তবে আমি আজ রাতে তাকে দেখতে যেতাম। আমি বলতাম, “যখন তুমি ফিরে আসার খবর পেলে, তখন তুমি কোথায় ছিলে? ওটা কেমন দেশ? সেখানে একজন যুবকের জন্য কেমন সুযোগ আছে? তোমার কেমন লেগেছিল? তুমি কি সেখানে তোমার হারিয়ে যাওয়া বন্ধুদের সাথে দেখা করেছিলে? সেখানে কি এমন কোনো পৃথিবী আছে যেখানে মৃত্যু নেই, ব্যথা নেই, চোখের জল নেই? সেখানে কি এমন কোনো দেশ আছে যেখানে কোনো কবর নেই এবং যেখানে কখনো বিদায় শব্দটি শোনা যায় না?”
* আসুন আমরা সৎ হই। ধরুন একজন মানুষ এই শহরে এসে একটি অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার মিছিলের মুখোমুখি হলেন এবং বললেন, “কে মারা গেছে?” এবং তারা উত্তর দিল, “একজন বিধবার ছেলে; তার একমাত্র অবলম্বন।” ধরুন তিনি মিছিলকে বললেন, “থামো!” এবং আন্ডারটেকারকে বললেন, “কফিনটা বের করো, ওই ঢাকনাটা খোলো। যুবক, আমি তোমাকে বলছি, ওঠো!” এবং মৃত যুবকটি কফিন থেকে বেরিয়ে এল এবং কিছুক্ষণ পরেই তার মাকে জড়িয়ে ধরল। ধরুন এই অপরিচিত লোকটি আপনার কবরস্থানে গিয়ে দেখল একজন নারী তার দুই হাতে দুটি ছোট বাচ্চাকে ধরে রেখেছে, আর একটি নতুন কবরে তার চোখের জল পড়ছে, এবং লোকটি তাকে জিজ্ঞাসা করল, “এখানে কাকে কবর দেওয়া হয়েছে?” এবং নারীটি উত্তর দিল, “আমার স্বামীকে;” এবং লোকটি চিৎকার করে বলল, “আমি তোমাকে বলছি, ওহে কবর, তোমার মৃতকে ছেড়ে দাও!” এবং স্বামী উঠে দাঁড়াল, এবং কিছুক্ষণ পরেই তার স্ত্রীর ঠোঁটে চুমু খেল এবং ছোট বাচ্চারা তার গলা জড়িয়ে ধরল; '''আপনার কি মনে হয় এই শহরের মানুষ তাকে হত্যা করবে? আপনার কি মনে হয় কেউ তাকে ক্রুশবিদ্ধ করতে চাইবে? আপনার কি বরং মনে হয় না যে ওই কবরস্থানে যারাই তাদের প্রিয়জনকে হারিয়েছে, তারা সবাই তার কাছে যাবে, এমনকি হাঁটুর ওপর ভর করে তার কাছে ভিক্ষা চাইবে যেন তাদের মৃতদের ফিরিয়ে দেওয়া হয়? আপনি কি বিশ্বাস করেন যে মৃত্যুর অধিপতি এমন কোনো মানুষকে কখনো ক্রুশবিদ্ধ করা হয়েছিল?'''
* যেসব গল্প তখন খ্রিষ্টধর্মকে শক্তিশালী করেছিল, সেগুলো এখন একে দুর্বল করে।
* খ্রিষ্ট যদি অলৌকিক ঘটনা দিয়ে তার সঙ্গীদের বোঝাতে চাইতেন, তবে তিনি কেন এমন কিছু করলেন না যা কোনোভাবেই নকল করা যেত না? '''একটি শুকিয়ে যাওয়া হাত সুস্থ করার বদলে, তিনি কেন এমন একজন মানুষকে খুঁজে বের করলেন না যার হাত কেটে ফেলা হয়েছিল এবং সেখানে একটি নতুন হাত গজালেন না?'''
* অলৌকিক ঘটনাগুলো দূর করুন, এবং খ্রিষ্টের অতিপ্রাকৃত চরিত্র ধ্বংস হয়ে যায়। তিনি যা ছিলেন তাই হয়ে যান—একজন মানুষ। বিস্ময়কর ঘটনাগুলো দূর করুন, এবং খ্রিষ্টের শিক্ষা আর প্রামাণিক থাকে না। তখন এগুলোর যৌক্তিকতা এবং এগুলোতে থাকা সত্যটুকুই কেবল মূল্যবান হয়, এর বেশি কিছু নয়। অলৌকিক ঘটনাগুলো দূর করুন, এবং তখন আমরা আমাদের যুক্তির মানদণ্ড দিয়ে খ্রিষ্টের কথাগুলো বিচার করতে পারব। আমরা আর বুদ্ধিবৃত্তিক দাস থাকব না, যারা একজন তথাকথিত ঈশ্বরের আদেশের বাধ্য হয়ে অযৌক্তিক কিছু বিশ্বাস করে।
* মার্ক বলেছেন: “কাজেই, প্রভু তাদের সাথে কথা বলার পর স্বর্গে উঠে গেলেন এবং ঈশ্বরের ডানপাশে বসলেন।” '''মানুষের চোখকে বিস্মিত করা সবচেয়ে বিস্ময়কর দৃশ্য সম্পর্কে তিনি কেবল এটুকু বলেছেন। এই অলৌকিক ঘটনা এতটাই বড় যে তা বিশ্বাসযোগ্যতাকে পূর্ণ করে ফেলতে পারত; তবুও আমাদের কাছে কেবল এই একটি, দরিদ্র, সামান্য অনুচ্ছেদই রয়েছে।'''
* '''চার্চকে অবশ্যই শয়তানে বিশ্বাস ত্যাগ করা চলবে না। গোঁড়ামি নরকের আগুন নেভানোর ঝুঁকি নিতে পারে না।''' শয়তানে বিশ্বাস ত্যাগ করুন, এবং নতুন নিয়মের অধিকাংশ অলৌকিক ঘটনা অসম্ভব হয়ে পড়ে, এমনকি যদি আমরা অতিপ্রাকৃতকে স্বীকারও করি। যদি শয়তান না থাকে, তবে ইডেন গার্ডেনে প্রথম প্রলোভনকারী কে ছিল? যদি নরক না থাকে, তবে আমরা কী থেকে রক্ষা পেলাম; প্রায়শ্চিত্তের উদ্দেশ্য কী? খ্রিষ্টীয় ঢালের সামনের দিকে ঈশ্বর, আর পেছনের দিকে শয়তান। '''শয়তান নেই, নরক নেই। নরক নেই, প্রায়শ্চিত্ত নেই। প্রায়শ্চিত্ত নেই, প্রচার নেই, গসপেল নেই।'''
* '''আমাদের বলা হয় “ঈশ্বর পৃথিবীকে এতটা ভালোবেসেছেন” যে তিনি প্রায় সবাইকেই অভিশাপ দিতে যাচ্ছেন।'''
* মাত্র কিছুদিন আগে, ওহাইওতে যখন বিশাল বন্যা এসেছিল, যা সেই ঈশ্বরের পাঠানো যিনি বিশ্ব শাসন করছেন এবং দেশগুলোর বিষয়ে বিশেষ মনোযোগ দিচ্ছেন, ঠিক ভোরের আলোতে তারা দেখল একটি বাড়ি ভেসে যাচ্ছে এবং তার ওপরে একজন মানুষ। কয়েকজন মানুষ উদ্ধারের জন্য গেল। তারা সেখানে একজন নারী, একজন মাকে দেখতে পেল এবং তারা তার জীবন বাঁচাতে চাইল। সে বলল: “না, আমি যেখানে আছি সেখানেই থাকব। এই বাড়িতে আমার তিন মৃত শিশু রয়েছে; আমি তাদের ছেড়ে যাব না।” '''এমন সীমাহীন ভালোবাসার কথা ভাবুন—যা হতাশা এবং মৃত্যুর চেয়েও শক্তিশালী এবং গভীর! তবুও, খ্রিষ্ট ধর্ম বলে যে, যদি ওই নারী, ওই মা, তাদের মতবাদে বিশ্বাস না করত, তবে ঈশ্বর তার আত্মাকে অনন্ত আগুনে পাঠাতেন!'''
* অনন্ত যন্ত্রণার মতবাদটিই এই খ্রিষ্টধর্ম নিয়ে আমার সমস্যার কারণ। আমি এর অসীম হৃদয়হীনতার কারণে এটি প্রত্যাখ্যান করি। আমি তাদের বারবার বলতে পারি যে, আমাদের সর্বশেষ যুদ্ধের সময় খ্রিষ্টানরা, যারা জানত যে তারা গুলিবিদ্ধ হলে সরাসরি স্বর্গে যাবে, তারা গিয়ে তাদের জায়গায় যুদ্ধ করার জন্য খারাপ লোকদের ভাড়া করেছিল, তারা সম্পূর্ণ রাজি ছিল যে এই লোকগুলো নরকে যাক যদি তারা নিজেরা বাড়িতে থাকতে পারে।
* '''ধর্মতত্ত্ববিদ, ভণ্ড, ভবিষ্যদ্বক্তা, যাজক, পুরোহিত, পোপ, বিশপরা এর সুযোগ নিয়েছে। তারা কবরের পাশে দাঁড়িয়ে স্বর্গের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তারা কবরের পাশে দাঁড়িয়ে যন্ত্রণায় ভরা ভবিষ্যতের ভবিষ্যদ্বাণী করেছে। তারা জীবনের রাজপথে তাদের টোল-গেট স্থাপন করেছে এবং ভয়ের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করেছে।'''
=== ধর্ম অবমাননার জন্য [[w:চার্লস বি. রেনল্ডস|চার্লস বি. রেনল্ডসের]] বিচার (১৮৮৭) ===
[[File:THISUserBelievesInFreedom.JPG|thumb|right|আমি এমন একটি পৃথিবীতে থাকতে চাইব না যেখানে আমি আমার সৎ মতামত প্রকাশ করতে পারি না। যারা অন্যদের কথা বলার অধিকার অস্বীকার করে, তারা সৎ মানুষের সাথে বসবাস করার যোগ্য নয়।]]
[[File:Statue of Liberty close.JPG|thumb|right|এই পৃথিবীতে যদি আলোচনা এবং বোঝার মতো কোনো বিষয় থাকে, তবে তা হলো বুদ্ধিবৃত্তিক [[স্বাধীনতা|স্বাধীনতার]] প্রশ্ন। এটি ছাড়া আমরা কেবল রঙিন কাদা। এটি ছাড়া আমরা দরিদ্র, দুর্দশাগ্রস্ত ভূমিদাস ও [[দাস]]।]]
:<small>[http://www.infidels.org/library/historical/robert_ingersoll/blasphemy_trial.html ধর্ম অবমাননার জন্য সি. বি. রেনল্ডসের বিচারে জুরির কাছে আপিল (মে ১৮৮৭)] [http://www.gutenberg.org/files/38103/38103-h/38103-h.htm প্রজেক্ট গুটেনবার্গে অনলাইনে সম্পূর্ণ পাঠ্য] · অভিযুক্ত সি. বি. রেনল্ডসকে "ধর্ম অবমাননা"র অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছিল এবং নিউ জার্সির মরিসটাউন জুরির সামনে আনা হয়েছিল। জুরি তাকে "দোষী" সাব্যস্ত করে এবং ২৫ ডলার জরিমানা করে। বিচারক কর্তৃক রেনল্ডসের ওপর আরোপিত জরিমানা এবং খরচ ইনগারসোল নিজেই পরিশোধ করেছিলেন।</small>
[[File:Free-speech-flag.svg|thumb|right|আমি [[বাকস্বাধীনতা|বাকস্বাধীনতাকে]] রক্ষা করব। কেন? কারণ বলপ্রয়োগ করে কোনো আক্রমণের জবাব দেওয়া যায় না। আঘাত, কারাদণ্ড বা জরিমানার মাধ্যমে কোনো যুক্তি খণ্ডন করা যায় না। আপনি মানুষটিকে বন্দি করতে পারেন, কিন্তু যুক্তি স্বাধীন। আপনি মানুষটিকে মাটিতে ফেলে দিতে পারেন, কিন্তু তার বক্তব্য অটল থাকে।]]
[[File:La Vérité, par Jules Joseph Lefebvre.jpg|thumb|right|সত্য ছাড়া আর কিছুই পবিত্র নয়। সত্য বলতে আমি বুঝি যা একজন মানুষ আন্তরিক ও সৎভাবে বিশ্বাস করে।]]
[[File:NYC 14 1 (6628744017).jpg|thumb|right|মানুষের তৈরি আইনের চেয়েও উচ্চতর একটি আইন রয়েছে। এই দরিদ্র পৃথিবীতে বাস্তব সত্যগুলো এবং নির্দিষ্ট কাজের চূড়ান্ত পরিণতি সবকিছুর ঊর্ধ্বে। এই উচ্চতর আইন হলো প্রগতির নিশ্বাস এবং সভ্যতার প্রসারিত ডানা, যার অধীনে আমরা আমাদের স্বাধীনতা উপভোগ করি।]]
[[File:Eduardo Zamacois y Zabala - Regreso al convento.jpg|thumb|right|রসবোধ মানবমস্তিষ্কের অন্যতম মূল্যবান সম্পদ। এটি মনের মশাল, যা আলো ছড়ায়। রসবোধ হলো স্বাভাবিকতা ও বিচক্ষণতার মাধ্যমে সত্য যাচাইয়ের সবচেয়ে সহজ উপায়। একজন মানুষের থেকে সব রসবোধ কেড়ে নিলে সে কেবল একজন গোঁড়া ব্যক্তিতে পরিণত হবে।]]
[[File:Baby love.jpg|thumb|right|পৃথিবীতে বা মানুষের কল্পনায় এমন কোনো নিখুঁত ছবি নেই, যেখানে একজন মা তার ভালোবাসার ফল একটি সন্তানকে রোমাঞ্চিত ও আনন্দিত বাহুতে ধরে রাখেন।]]
[[File:Welcome to the land of freedom 51996u.jpg|thumb|right|আমি স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। এটাই আমার ধর্ম। আমি নিজের জন্য যেসব অধিকার দাবি করি, অন্য সবার জন্যও তা সমানভাবে নিশ্চিত করতে চাই। আমি অন্য কাউকে অধিকার প্রদান করি না, বরং ঘোষণা করি যে আমার প্রতিটি মতবাদ আক্রমণ করার এবং আমার প্রতিটি যুক্তির জবাব দেওয়ার অধিকার তার রয়েছে। অর্থাৎ, তার নিরঙ্কুশ বাকস্বাধীনতা থাকতে হবে।]]
[[File:Golden statue.jpg|thumb|right|এই পৃথিবীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো স্বাধীনতা। খাদ্য, পোশাক, সোনা, বাড়ি বা জমির চেয়ে এটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ। [[শিল্পকলা]] বা [[বিজ্ঞান|বিজ্ঞানের]] চেয়ে এটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সব ধর্মের চেয়ে মানুষের [[স্বাধীনতা]] বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]]
[[File:Prometheus by Gustave Moreau.jpg|thumb|right|আপনার সৎ সহকর্মীদের জন্য শিকল তৈরি করা এবং অন্ধকূপ নির্মাণ করা হলো [[ধর্ম অবমাননা]]। অনন্ত [[যন্ত্রণা|যন্ত্রণার]] মতবাদ দিয়ে [[শিশু|শিশুদের]] [[আত্মা|আত্মাকে]] কলুষিত করা ধর্ম অবমাননা। নিজের [[বিবেক|বিবেককে]] লঙ্ঘন করাও ধর্ম অবমাননা।]]
[[File:Statue at Rockefeller Centre.jpg|thumb|right|যেকোনো বইয়ের চেয়ে মানুষের স্বাধীনতা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। মানুষের অধিকার যেকোনো ধর্ম বা অনুপ্রাণিত হোক বা না হোক, যেকোনো ধর্মগ্রন্থের চেয়ে বেশি পবিত্র।]]
[[File:Freedom tree, St Helier - geograph.ci - 150.jpg|thumb|right|চোখের জন্য যেমন আলো এবং হৃদয়ের জন্য যেমন ভালোবাসা, তেমনি মানুষের আত্মার জন্য স্বাধীনতা অপরিহার্য। এটি ছাড়া দমবন্ধ অবস্থা, অবক্ষয় এবং মৃত্যু নেমে আসে।]]
[[File:LibertyTreePlanting.jpg|thumb|right|স্বাধীনতা হলো প্রগতির শর্ত। স্বাধীনতা ছাড়া কেবল বর্বরতা অবশিষ্ট থাকে। স্বাধীনতা ছাড়া কোনো সভ্যতা টিকতে পারে ওয়েবসাইটে পারে না।]]
[[File:Double-alaskan-rainbow.jpg|thumb|right|মানুষের ভাষা থেকে [[স্বাধীনতা]] শব্দটি সরিয়ে নিলে বাকি সব শব্দ দরিদ্র, জীর্ণ এবং অর্থহীন ধ্বনিতে পরিণত হয়। কিন্তু এই শব্দটি উপলব্ধি করতে পারলে পৃথিবী একটি [[স্বর্গ|স্বর্গে]] পরিণত হয়।]]
* জুরি হিসেবে আপনাদের যে প্রশ্নটির বিচার করতে হবে তা হলো একজন মানুষের নিজের সৎ [[চিন্তা]] প্রকাশ করার অধিকার আছে কি না। সেই [[কারণ|কারণে]] এর চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কোনো মামলা জুরির কাছে পেশ করা যেতে পারে না। এবং শুরুতেই আমার পক্ষে এটা স্বীকার করে নেওয়া ভালো হতে পারে যে, এর চেয়ে বেশি গভীর আগ্রহ নিয়ে আমি আর কোনো মামলা নিতে পারতাম না। আমার মতে, '''আমি এমন একটি পৃথিবীতে থাকতে চাইব না যেখানে আমি আমার সৎ মতামত প্রকাশ করতে পারি না। যারা অন্যদের কথা বলার অধিকার অস্বীকার করে, তারা সৎ মানুষের সাথে বসবাস করার যোগ্য নয়।''' <br> আমি যেকোনো মানুষ, মানুষের দল, চার্চ বা রাষ্ট্রের মানুষের মুখে তালা দেওয়ার এবং জিহ্বাকে অপরাধী বানানোর অধিকার অস্বীকার করি। আমি মস্তিষ্কের সন্তানদের হত্যা করার জন্য কর্তৃপক্ষের হেরোডের অধিকারকে তীব্রভাবে অস্বীকার করি। <br> '''একজন মানুষের হাত দিয়ে কাজ করার, জমি চাষ করার এবং বীজ বপন করার অধিকার আছে। আর সেই মানুষের ফসল কাটারও অধিকার আছে। আমাদের যদি সেই অধিকার না থাকে, তবে যারা তাদের সহকর্মীদের কাছ থেকে এই অধিকারগুলো কেড়ে নেয় তারা ছাড়া বাকি সবাই দাস।'''
* '''আপনার যদি হাত দিয়ে কাজ করার এবং নিজের ও সন্তানদের জন্য ফসল সংগ্রহ করার অধিকার থাকে, তবে কি আপনার মস্তিষ্ক চাষ করার অধিকার নেই? আপনার কি পড়ার, পর্যবেক্ষণ করার এবং তদন্ত করার অধিকার নেই? আর যখন আপনি সেভাবে পড়বেন এবং তদন্ত করবেন, তখন কি আপনার সেই ফসল কাটার অধিকার নেই? আর সেই ফসল কাটা বলতে কী বোঝায়? এর অর্থ হলো আপনি যা জেনেছেন তা সহজভাবে প্রকাশ করা, অর্থাৎ আপনার সহকর্মীদের কাছে আপনার চিন্তাভাবনা তুলে ধরা।'''
* '''এই পৃথিবীতে যদি আলোচনা এবং বোঝার মতো কোনো বিষয় থাকে, তবে তা হলো বুদ্ধিবৃত্তিক স্বাধীনতা। এটি ছাড়া আমরা কেবল রঙিন কাদা। এটি ছাড়া আমরা দরিদ্র, দুর্দশাগ্রস্ত ভূমিদাস ও দাস।'''
* মস্তিষ্ক আপনার ইচ্ছার বিরুদ্ধেই চিন্তা করে। '''আপনার কি সেই চিন্তা প্রকাশ করা উচিত? অন্যদের মতামত প্রকাশের সুযোগ থাকলে আপনারও নিশ্চিতভাবে করা উচিত। আপনারও সম্পূর্ণ একই অধিকার রয়েছে। যে ব্যক্তি আপনার কাছ থেকে এটি কেড়ে নেয়, সে একজন ডাকাত।'''
* '''হাজার হাজার বছর ধরে মানুষ জোর করে অন্যদের নিজেদের মতো চিন্তা করাতে চেয়েছে। তারা কি সফল হয়েছে? না। তারা কি সফল হবে? না। কেন? কারণ পাশবিক বল কোনো যুক্তি হতে পারে না।'''
* কোনো গোঁড়া চার্চ কখনোই এমন ক্ষমতা পায়নি যা দিয়ে তারা জোর করে এবং আগুন দিয়ে মানুষকে নিজেদের মতো চিন্তা করাতে চায়নি।
* মানুষকে একভাবে চিন্তা করতে বাধ্য করার জন্য পৃথিবীতে কী করা হয়েছে, তা আমি আপনাদের বোঝাতে চাই। '''আমার মনে হয় যদি এমন কোনো অসীম সত্তা থাকেন যিনি চান আমরা একভাবে চিন্তা করি, তবে তিনি আমাদের একই রকম তৈরি করতেন।''' তিনি কেন তা করলেন না? তিনি কেন আপনার মস্তিষ্ক এমনভাবে তৈরি করলেন যাতে আপনি কোনোভাবেই একজন মেথডিস্ট হতে না পারেন? কেন তিনি আপনারটি এমনভাবে তৈরি করলেন যাতে আপনি ক্যাথলিক হতে না পারেন? আর তিনি কেন অন্যজনের মস্তিষ্ক এমনভাবে তৈরি করলেন যাতে সে অবিশ্বাসী হয়ে যায়? কেন তিনি অন্যজনের মস্তিষ্ক এমনভাবে তৈরি করলেন যাতে সে মুসলমান হয়ে যায়? যদি তিনি চাইতেন যে আমরা সবাই একই রকম বিশ্বাস করি? <br> সর্বোপরি, সম্ভবত '''প্রকৃতি যথেষ্ট ভালো, মহান এবং বিশাল, যা আমাদের স্বাধীনতার জন্ম দেওয়া বৈচিত্র্য প্রদান করে।''' সর্বোপরি, আমাদের সবার জন্য অন্য সবার কথায় সায় দেওয়া হয়তো সবচেয়ে ভালো হতো না। সবাই যদি সবার কথায় হ্যাঁ বলত, তবে পৃথিবীটা কত বোকা হয়ে যেত। <br> '''এই পৃথিবীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো স্বাধীনতা। খাদ্য, পোশাক, সোনা, বাড়ি বা জমির চেয়ে এটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ। শিল্পকলা বা বিজ্ঞানের চেয়ে এটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সব ধর্মের চেয়ে মানুষের স্বাধীনতা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।'''
* '''প্রতিটি যুগে চার্চ যখন ক্ষমতায় ছিল, তখন সে কীভাবে নিজেকে রক্ষা করেছে? সব সময় ধর্ম অবমাননার বিরুদ্ধে, যুক্তির বিরুদ্ধে এবং মুক্তবাকের বিরুদ্ধে আইন তৈরি করে। আর এমন কোনো আইন কখনো ছিল না যা সেই বইটিকে কলঙ্কিত করেনি যেখানে এটি লেখা ছিল এবং যা এটি পাস করা মানুষদের বর্বরতায় প্রত্যয়ন করেনি।'''
* একটি আইন তৈরি করে এবং ধর্ম অবমাননার সংজ্ঞা দিয়ে চার্চ আলোচনা রোধ করতে চেয়েছে, যুক্তি রোধ করতে চেয়েছে এবং মানুষকে তার সৎ মতামত দেওয়া থেকে বিরত রাখতে চেয়েছে। নিশ্চিতভাবেই '''একটি মতবাদ বা ধর্মবিশ্বাস তখনই নিরাপদ থাকে, যখন এটি এমন একটি আইন দ্বারা ঘেরা থাকে যা আপনাকে এর বিরুদ্ধে কথা বলতে বাধা দেয়। দাসত্বের নীরবতায় এর অস্তিত্ব থাকে। ঠোঁট তালাবদ্ধ থাকে বলেই এটি বেঁচে থাকে।''' মানুষ দাস বলেই এটি বেঁচে থাকে।
* '''আমি স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। এটাই আমার ধর্ম। আমি নিজের জন্য যেসব অধিকার দাবি করি, অন্য সবার জন্যও তা সমানভাবে নিশ্চিত করতে চাই। আমি অন্য কাউকে অধিকার প্রদান করি না, বরং ঘোষণা করি যে আমার প্রতিটি মতবাদ আক্রমণ করার এবং আমার প্রতিটি যুক্তির জবাব দেওয়ার অধিকার তার রয়েছে। অর্থাৎ, তার নিরঙ্কুশ বাকস্বাধীনতা থাকতে হবে।'''
* আমি যাকে "বুদ্ধিবৃত্তিক আতিথেয়তা" বলি, আমি তাতে বিশ্বাসী। একজন মানুষ আপনার দরজায় এল। আপনি যদি একজন ভদ্রলোক হন এবং তাকে ভালো মানুষ মনে হয়, তবে আপনি হাসিমুখে তাকে গ্রহণ করবেন। আপনি তার স্বাস্থ্যের খবর জিজ্ঞাসা করবেন। আপনি বলবেন: "একটি চেয়ার নিন; আপনি কি তৃষ্ণার্ত, আপনি কি ক্ষুধার্ত, আপনি কি আমার সাথে রুটি খাবেন না?" একজন অতিথিপরায়ণ ভালো মানুষ এটাই করে, সে তার ওপর কুকুর লেলিয়ে দেয় না। এখন, একটি নতুন চিন্তাকে আমাদের কীভাবে গ্রহণ করা উচিত? আমি বলি যে মস্তিষ্ককে অতিথিপরায়ণ হতে হবে এবং নতুন চিন্তাকে বলতে হবে: "ভেতরে এসো; বসো; আমি তোমাকে জেরা করতে চাই; আমি জানতে চাই তুমি ভালো নাকি খারাপ; যদি ভালো হও, থাকো; যদি খারাপ হও, আমি তোমাকে আঘাত করতে চাই না, সম্ভবত তুমি ভাবছ তুমি ঠিক আছ, কিন্তু তোমার সঙ্গের চেয়ে তোমার চলে যাওয়াই ভালো, এবং আমি তোমার জায়গায় অন্য একটি ধারণা গ্রহণ করব।"
* যে মানুষ চিন্তা করেছে, সে কেবল জানে না যে সে কতটা কম জানে, বরং সে এটাও জানে যে অন্য প্রতিটি মানুষ কতটা কম জানে এবং সর্বোপরি, পৃথিবী কতটা অজ্ঞ হতে পারে।
* এখন, ভদ্রমহোদয়গণ, ধর্ম অবমাননা কী? অবশ্যই কেউ জানে না এটি কী, যদি না সে বিবেচনা করে যে সে কোথায় আছে। '''এক দেশে যা ধর্ম অবমাননা, অন্য দেশে তা ধর্মীয় উপদেশ হতে পারে। এটি নির্ভর করে আপনি কোথায় আছেন এবং কারা ক্ষমতায় আছে তার ওপর।''' আমেরিকান খ্রিষ্টানদের ধৃষ্টতা এবং গোঁড়ামির দিকে আমি আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। আমরা অন্য দেশগুলোতে মিশনারি পাঠাই। কী কারণে? তাদের ধর্ম মিথ্যা, তাদের দেবতারা পৌরাণিক ও দানব, তাদের ত্রাণকর্তা ও প্রেরিতরা ভণ্ড এবং আমাদের ধর্ম সত্য, তা তাদের বলার জন্য। আপনি মরিসটাউন থেকে একজন প্রেসবাইটেরিয়ানকে তুরস্কে পাঠান। সে সেখানে গিয়ে মুসলমানদের বলে, তার কাছে এটি একটি প্রচারপত্রে লেখা থাকে এবং সে তা বিতরণ করে। যাতে লেখা থাকে, কোরান একটি মিথ্যা, মুহাম্মদ ঈশ্বরের নবী ছিলেন না, গ্যাব্রিয়েল ([[জিবরাঈল|জিবরাইল]]) ফেরেশতা এত বড় নন যে তার চোখের মধ্যে চারশো লিগ (ভূমিতে ১,৯৩১ কিমি) দূরত্ব রয়েছে, এটি সম্পূর্ণ ভুল, এত বড় ফেরেশতা কখনোই ছিল না। তখন মুসলমানরা কী করবে? ধরুন তুর্কিদের নিউ জার্সির এই আইনের মতো একটি আইন ছিল। তারা মরিসটাউনের মিশনারিকে জেলে ঢোকাচ্ছে এবং সে বাড়িতে খবর পাঠাচ্ছে, তখন মরিসটাউনের মানুষ কী বলবে? সত্যি করে বলুন তো, আপনি কী মনে করেন তারা কী বলবে? তারা বলবে, "দেখো ওই বেচারা, অসভ্য মানুষগুলোকে। আমরা সত্যে সজ্জিত একজন মানুষকে সেখানে পাঠিয়েছি, অথচ তারা তাদের মূর্তিপূজার ধর্মে এতটাই অন্ধ, কুসংস্কারে এতটাই ডুবে আছে যে, তারা সত্যিই ওই লোকটিকে জেলে পাঠিয়েছে।" ভদ্রমহোদয়গণ, এটি কি আরও মিশনারির প্রয়োজনীয়তা প্রমাণ করে না? আমি বলব, হ্যাঁ।
* '''যদি আপনি কেবল একটি চিন্তাকে বন্দি করতে পারতেন, তবে বুদ্ধিবৃত্তিক স্বৈরাচার সফল হতে পারত। আপনি যদি কেবল একটি যুক্তিকে দাগকাটা পোশাক পরাতে পারতেন, আপনি যদি একটি ভালো ও উজ্জ্বল তথ্যকে অজ্ঞতার অন্ধকূপে আটকে রাখতে পারতেন, যাতে তার আলো আর কখনো মানুষের মনে প্রবেশ করতে না পারে, তবে আপনি মানবপ্রগতি থামাতে সফল হতে পারতেন। অন্যথায়, না।'''
* '''"প্রত্যেক ব্যক্তি স্বাধীনভাবে সমস্ত বিষয়ে তার মতামত বলতে, লিখতে বা প্রকাশ করতে পারে এবং সেই অধিকার অপব্যবহারের জন্য দায়ী থাকবে।"''' এটি ইউনিয়নের প্রায় প্রতিটি রাজ্যের সংবিধানে রয়েছে। '''এর উদ্দেশ্য হলো মানহানিকর শব্দগুলোকে আওতায় আনা। এমন একটি ক্ষেত্রে আওতায় আনা যেখানে একজন মানুষ বাকস্বাধীনতা উপভোগ করার ভান করে তার প্রতিবেশীকে মিথ্যাভাবে আক্রমণ করে বা অভিযুক্ত করে। অবশ্যই তাকে সেই অপব্যবহারের জন্য দায়ী করা উচিত।'''
* '''যেকোনো আইনের চেয়েও উচ্চতর একটি সংবিধান রয়েছে। যেকোনো সংবিধানের চেয়েও উচ্চতর একটি আইন রয়েছে। এটি মানববিবেকের আইন।''' মানুষের মতো মানুষ কোনো আইনসভার আদেশে তার বিবেককে কলুষিত ও দূষিত করবে না। '''সবকিছুর ঊর্ধ্বে একজনকে তার আত্মসম্মান বজায় রাখতে হবে এবং তা করার একটাই উপায় আছে, তা হলো আপনার সর্বোচ্চ আদর্শ অনুযায়ী জীবনযাপন করা।'''
* '''মানুষের তৈরি আইনের চেয়েও উচ্চতর একটি আইন রয়েছে। এই দরিদ্র পৃথিবীতে বাস্তব সত্যগুলো এবং নির্দিষ্ট কাজের চূড়ান্ত পরিণতি সবকিছুর ঊর্ধ্বে। এই উচ্চতর আইন হলো প্রগতির নিশ্বাস এবং সভ্যতার প্রসারিত ডানা, যার অধীনে আমরা আমাদের স্বাধীনতা উপভোগ করি।''' এটি মনে রাখবেন। কখনো কোনো আইনসভা এত মহান হয়নি, '''কখনো কোনো সংবিধান এত পবিত্র হয়নি, যা একজন সভ্য মানুষকে একজন কৃষ্ণাঙ্গ মানুষ এবং তার স্বাধীনতার মাঝখানে দাঁড়াতে বাধ্য করতে পারে। কখনো কোনো সংবিধান এত মহান হয়নি যা আমাকে কোনো মানুষ এবং তার সৎ চিন্তা প্রকাশ করার অধিকারের মাঝখানে দাঁড়াতে বাধ্য করতে পারে। এমন সংবিধান মানবাত্মার জন্য অপমানজনক।''' আমি একটি বন্য পশুর গর্জনের চেয়ে বেশি একে পরোয়া করব না।
* '''আমি ঠিক এখানে বলতে চাই, অনেক মানুষ অন্য মানুষের ঈশ্বরকে অভিশাপ দিয়েছে।''' ক্যাথলিকরা প্রোটেস্ট্যান্টদের ঈশ্বরকে অভিশাপ দিয়েছে। প্রেসবাইটেরিয়ানরা ক্যাথলিকদের ঈশ্বরকে অভিশাপ দিয়েছে, তাদের মূর্তিপূজার জন্য অভিযুক্ত করেছে, তাদের মূর্তিগুলোকে অভিশাপ দিয়েছে এবং তাদের অনুষ্ঠান নিয়ে হেসেছে। বিশ্বের সব ধর্মের মধ্যেই এই প্রশংসা বিনিময় করা হয়েছে। তবে আমি আজ এখানে বলছি যে '''উন্মাদ ছাড়া কোনো মানুষ কখনো তার বিশ্বাস করা ঈশ্বরকে অভিশাপ দেয়নি। কোনো মানুষ কখনো তার নিজের ঈশ্বরের ধারণাকে অভিশাপ দেয়নি। সে সবসময় অন্য কারও ধারণাকে অভিশাপ দেয়। কোনো মানুষ এখনো তার বিশ্বাস অনুযায়ী অসীম প্রজ্ঞা এবং অসীম মঙ্গলকে অভিশাপ দেয়নি এবং আপনারা তা জানেন।''' এই জুরির প্রতিটি মানুষ তা জানে। সে অনুভব করে যে এটি অবশ্যই একটি পরম নিশ্চিত বিষয়। তাহলে তারা কী অভিশাপ দিয়েছে? এমন কোনো ঈশ্বরকে যা তারা বিশ্বাস করত না। শুধু এতটুকুই। একজন মানুষের কি সেই অধিকার আছে? আমি বলি, হ্যাঁ। জুপিটার সম্পর্কে তার মতামত দেওয়ার অধিকার তার আছে এবং মরিসটাউনে এমন কেউ নেই যে তাকে সেই অধিকার অস্বীকার করবে। কিন্তু কয়েক হাজার বছর আগে জুপিটারকে অভিশাপ দেওয়া তার জন্য খুব বিপজ্জনক হতো। অথচ জুপিটার তখন যতটা শক্তিশালী ছিল, এখনো ঠিক ততটাই শক্তিশালী, কিন্তু রোমানরা এখন শক্তিশালী নয় এবং জুপিটারের ক্ষেত্রে এতটুকুই বলার আছে। রোমানরা। <br> তাই এমন একটা সময় ছিল যখন আপনি গ্রিকদের দেবতা জিউসকে অভিশাপ দিতে পারতেন এবং সক্রেটিসের মতো তারা আপনাকে হেমলক পান করতে বাধ্য করত। অথচ এখন সবাই এই দেবতাকে অভিশাপ দিতে পারে। কেন? দেবতা কি মারা গেছেন? না। তিনি আগের মতোই বেঁচে আছেন। তাহলে কী ঘটেছে? গ্রিকরা পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছে। শুধু এতটুকুই। আমাদের এখানকার সব চার্চেও এমনটাই হয়। যখনই কোনো চার্চ সংখ্যালঘুতে থাকে, তখন এটি মুক্তবাকের জন্য সোচ্চার হয়। এটি যখন সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়, তখন না। আমি বিশ্বাস করি না বিশ্বের ইতিহাস দেখাবে যে কোনো গোঁড়া চার্চ সংখ্যাগরিষ্ঠ হওয়ার পর বিশ্বের স্বাধীন ঠোঁটের মুখোমুখি হওয়ার সাহস পেয়েছিল। এটি কনস্টেবলের জন্য লোক পাঠায়। আর এটা কি বিস্ময়কর নয় যে তারা সর্বজনীন ক্ষমার বাণী প্রচার করার সময় এমনটা করে? যখন তারা বলে, "যদি কেউ তোমার এক গালে আঘাত করে তবে তাকে অন্য গালটিও বাড়িয়ে দাও। কিন্তু সে যদি তোমার ধর্ম নিয়ে হাসে, তবে তাকে কারাগারে পাঠাও"? এটাই কি মতবাদ? এটাই কি আইন?
* আমি কখনোই এমন কোনো ধর্ম মানব না যা আমি রক্ষা করতে পারব না, অর্থাৎ যা আমি রক্ষা করতে পারব বলে মনে করি না। আমি ভুল হতে পারি, কারণ কোনো মানুষ সম্পূর্ণ নিশ্চিত নয় যে সে জানে। আমরা সবাই তা বুঝি। '''যে কারও ভুল হতে পারে। প্রতিটি ব্যক্তির দিগন্ত খুব সংকীর্ণ এবং তার দরিদ্র আকাশে তারা খুব কম এবং খুব ছোট।'''
* '''বলপ্রয়োগের মাধ্যমে আপনি ভণ্ড তৈরি করতে পারেন। এমন মানুষ যারা দাঁত বের করে আপনার সাথে একমত হবে এবং মনে মনে আপনাকে ঘৃণা করবে। আমরা আর ভণ্ড চাই না।''' প্রতিটি সম্প্রদায়েই আমাদের যথেষ্ট ভণ্ড রয়েছে। '''আপনি কীভাবে আরও ভণ্ড হওয়া ঠেকাতে পারবেন? বাতাস মুক্ত রেখে এবং আপনাদের আইনের বই থেকে এর মতো করুণ ও জঘন্য আইনগুলো মুছে ফেলে।'''
* কেন, ভদ্রমহোদয়গণ, '''রসবোধ মানবমস্তিষ্কের অন্যতম মূল্যবান সম্পদ। এটি মনের মশাল, যা আলো ছড়ায়। রসবোধ হলো স্বাভাবিকতা ও বিচক্ষণতার মাধ্যমে সত্য যাচাইয়ের সবচেয়ে সহজ উপায়। একজন মানুষের থেকে সব রসবোধ কেড়ে নিলে সে কেবল একজন গোঁড়া ব্যক্তিতে পরিণত হবে।'''
* '''যেসব জিনিসকে হেসে এই পৃথিবী থেকে উড়িয়ে দেওয়া যায়, সেগুলো এখানে থাকা উচিত নয়।'''
* '''ধর্মগুলো এক দিনের জন্য। এগুলো মেঘের মতো। মানবতা হলো অনন্ত নীলিমা। ধর্মগুলো হলো সমুদ্রের ঢেউ। এই ঢেউগুলো নির্ভর করে বাতাসের শক্তি এবং দিকের ওপর, অর্থাৎ আবেগের ওপর। কিন্তু মানবতা হলো বিশাল সমুদ্র। আর তাই আমাদের ধর্মগুলো দিন দিন পরিবর্তিত হয় এবং এটা আশীর্বাদ যে তারা তা করে। কেন? কারণ আমরা বড় হচ্ছি এবং আমরা দিন দিন একটু বেশি সভ্য হচ্ছি।''' এবং '''যে মানুষ অন্য মানুষকে তার মতামত প্রকাশ করতে দিতে ইচ্ছুক নয়, সে সভ্য মানুষ নয়''', এবং আপনারা তা জানেন। '''যে মানুষ অন্য সবার জন্য সেই অধিকারগুলো দেয় না যা সে নিজের জন্য দাবি করে, সে সৎ মানুষ নয়।'''
* তাই আমি বলি, '''আসুন আমরা একে অপরকে আমাদের কাজ দিয়ে বিচার করি, তত্ত্ব দিয়ে নয়, আমরা কী বিশ্বাস করি তা দিয়ে নয়, কারণ এটি খুব বেশি নির্ভর করে আমরা কোথায় জন্মগ্রহণ করেছি তার ওপর।'''
* '''আপনি যদি আপনার প্রতিবেশীর মতামত জানতে চান, তবে আপনি তার সৎ মতামত চাইবেন। আপনি প্রতারিত হতে চাইবেন না। আপনি কোনো ভণ্ডের সাথে কথা বলতে চাইবেন না। আপনি সরাসরি তার সৎ মনের কথা জানতে চাইবেন। এবং তারপর আপনি তাকে বিচার করবেন, সে কী বলে তা দিয়ে নয় বরং সে কী করে তা দিয়ে।'''
* '''সংখ্যাগরিষ্ঠের সাথে চলা খুব সহজ। নৌকা যেদিকে যাচ্ছে সেদিকে চলা সহজ। স্রোতের সাথে ভাসা সহজ। কিন্তু যখন আপনি স্রোতের বিপরীতে সাঁতার কাটতে যাবেন এবং তীরের মানুষরা আপনার দিকে পাথর ছুড়বে, তখন আপনি এই পৃথিবীতে প্রচুর ব্যায়াম করার সুযোগ পাবেন।'''
* '''আমাদের এখন জ্যোতির্বিজ্ঞান নামের একটি বিজ্ঞান আছে। সেই বিজ্ঞান অন্য সব কিছুর চেয়ে মানুষের চিন্তার দিগন্তকে প্রসারিত করতে বেশি সাহায্য করেছে।''' আমরা এখন একটি অসীম মহাবিশ্বে বাস করি। আমরা জানি যে সূর্য আমাদের পৃথিবীর চেয়ে দশ লাখ গুণ বড় এবং আমরা জানি যে আমাদের সূর্যের চেয়ে লাখ লাখ গুণ বড় অন্যান্য মহান জ্যোতিষ্ক রয়েছে। আমরা জানি যে এমন গ্রহ আছে যেগুলো এত দূরে যে আলো প্রতি সেকেন্ডে এক লাখ পঁচাশি হাজার মাইল বেগে ভ্রমণ করেও পৃথিবী নামক এই বালুকণা, এই চোখের জলে পৌঁছাতে পনেরো হাজার বছর সময় নেয়। আমরা এখন জানি যে মহাশূন্যের সব মাঠ নক্ষত্রমণ্ডলী দিয়ে ভরা। '''যদি সেই আইন কার্যকর করা হতো, তবে সেই বিজ্ঞান এখন মানুষের মনের সম্পদ হতো না। সেই বিজ্ঞান বাইবেলের পরিপন্থী এবং সত্য দাবি করার জন্য আপনি অপরাধী হয়ে যাবেন।''' কত টাকার বিনিময়ে, কত সম্পদের বিনিময়ে বিশ্ব মানুষের মস্তিষ্ক থেকে জ্যোতির্বিজ্ঞান মুছে ফেলতে চাইবে? আমরা ওই আইন সত্ত্বেও তারার গল্প জেনেছি।
* আমি বুদ্ধিবৃত্তিক আতিথেয়তায় বিশ্বাস করি। আমি সেই মানুষদের ভালোবাসি যাদের মনে একটু দিগন্ত আছে, একটু আকাশ আছে, একটু সুযোগ আছে। আমি এমন কিছুকে ঘৃণা করি যা সংকীর্ণ এবং সংকুচিত, জীর্ণ এবং নিচু এবং হামাগুড়ি দেওয়া এবং যা ধুলোয় বেঁচে থাকতে ইচ্ছুক। আমি এমন একটি বায়ুমণ্ডল তৈরি করতে বিশ্বাস করি যেখানে সবকিছু প্রস্ফুটিত হবে। আমি শুভকামনা, সুস্বাস্থ্য, ভালো সাহচর্য, ভালো অনুভূতিতে বিশ্বাস করি এবং যদি পৃথিবীতে বা স্বর্গে কোনো ঈশ্বর থাকেন, আসুন আশা করি যে তিনি উদার এবং মহান হবেন। আপনি কি দেখতে পাচ্ছেন না এর প্রভাব কী হবে? আপনি মেথডিস্ট বলে আমি আপনাকে অভিশাপ দিচ্ছি না, আপনি ক্যাথলিক বলে আমি আপনাকে অভিশাপ দিচ্ছি না, বা আপনি অবিশ্বাসী বলে আমি আপনাকে অভিশাপ দিচ্ছি না। একজন ভালো মানুষ এসবের চেয়েও বড়। '''সবচেয়ে মহৎ কাজ হলো সর্বোচ্চ এবং শ্রেষ্ঠ অর্থে একজন মানুষ হওয়া।'''
* অভিযুক্ত ব্যক্তির এই অভিযোগপত্রে উল্লেখিত প্রতিটি শব্দ বলার অধিকার ছিল। তার নিজের সৎ চিন্তা প্রকাশ করার অধিকার ছিল, তার কথার সাথে অন্য কোনো মানুষ একমত হোক বা না হোক, এবং সে যেভাবে কথাগুলো বলেছে তা অন্য কেউ সমর্থন করুক বা না করুক। আমি তার কথা বলার অধিকার রক্ষা করি, সে যা বলেছে তাতে আমার বিশ্বাস থাকুক বা না থাকুক, অথবা তার কথার যৌক্তিকতা থাকুক বা না থাকুক। আমার মতবাদের বিরুদ্ধে কথা বলা কোনো মানুষকে আমি ঠিক ততটাই আনন্দের সাথে রক্ষা করব, যতটা আমার সময়ের জনপ্রিয় কুসংস্কারের বিরুদ্ধে কথা বলা কাউকে করতাম। আমার বিশ্বাসের ওপর আক্রমণ কতটা অন্যায্য বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে চতুর ছিল তাতে আমার কিছু যায় আসে না। আর যে বিশ্বাসের ওপর আক্রমণ করা হয়েছে তা কতটা পবিত্র তাতেও কিছু আসে যায় না, '''আমি বাকস্বাধীনতা রক্ষা করব। আর কেন? কারণ কোনো আক্রমণের জবাব শক্তি প্রয়োগ করে দেওয়া যায় না, কোনো যুক্তিকে আঘাত, কারাবাস বা জরিমানার মাধ্যমে খণ্ডন করা যায় না। আপনি মানুষটিকে বন্দি করতে পারেন, কিন্তু যুক্তি মুক্ত; আপনি মানুষটিকে মাটিতে ফেলে দিতে পারেন, কিন্তু তার বক্তব্য টিকে থাকে।'''
* এই মামলার অভিযুক্ত ব্যক্তি নির্দিষ্ট কিছু বিশ্বাসকে আক্রমণ করেছে, যা খ্রিষ্টান বিশ্ব পবিত্র বলে মনে করে। তবুও, সর্বোপরি, '''সত্য ছাড়া আর কিছুই পবিত্র নয়, এবং সত্য বলতে আমি বুঝি একজন মানুষ যা আন্তরিক ও সততার সাথে বিশ্বাস করে।'''
* '''পৃথিবীতে বা মানুষের কল্পনায় এমন কোনো নিখুঁত চিত্র নেই, যেখানে একজন মা তার রোমাঞ্চিত ও আনন্দিত কোলে ভালোবাসার ফলস্বরূপ একটি সন্তানকে জড়িয়ে ধরে আছেন।'''
* কল্পনা, বসন্তের আবহের মতো, পৃথিবীর প্রতিটি বীজকে স্বর্গের নীলিমা খোঁজার আহ্বান জানায় এবং মুকুল, ফুল ও ফলের ফিসফিসানি শোনায়। '''কল্পনা চিন্তার প্রতিটি ক্ষেত্র থেকে রসদ সংগ্রহ করে এবং অনেক জীবনের সম্পদ একজনের কোলে ঢেলে দেয়।'''
* সর্বোপরি, '''সহানুভূতি হলো প্রতিভা। যে মানুষটি সত্যিই অন্যের প্রতি সহানুভূতিশীল, সে তাকে বুঝতে পারে। যে মানুষ কোনো ধর্মের প্রতি সহানুভূতিশীল, সে তাৎক্ষণিকভাবে তার ভেতরের ভালো দিকটি দেখতে পায়, এবং যে মানুষ সত্যের প্রতি সহানুভূতিশীল, সে একটি মতবাদের ভেতরে থাকা মন্দ দিকটি দেখতে পায়।'''
* '''মানুষের অধিকার সংরক্ষণের জন্য, মানুষের সুরক্ষার জন্য তৈরি কোনো আইন চিরতরে হারিয়ে যাওয়ার জন্য বেশি দিন ঘুমিয়ে থাকতে পারে না। কিন্তু যে আইন মানুষের কোনো স্বাভাবিক অধিকার কেড়ে নেয়, সেই আইন যদি ঘুমিয়ে পড়ে তবে তা আর জাগে না, তা মৃত্যুর ঘুমে ঘুমিয়ে থাকে।'''
* যখন কোনো আইন ব্যক্তিগত অধিকারে হস্তক্ষেপ করে, তখন রাষ্ট্রের কখনোই একে নিষ্ক্রিয় হতে দেওয়া উচিত নয়। যখন এটি বৃহত্তর জনসাধারণের অধিকারকে আক্রমণ করে এবং একে সুপ্ত অবস্থায় চলে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়, তখন কোনো ব্যক্তিকে শাস্তি দেওয়ার উদ্দেশ্যে একে আর জাগানো যায় না।
* যাইহোক, এটুকু বলাই যথেষ্ট হতে পারে যে, যেখানেই গির্জার ক্ষমতা ছিল, সেখানেই যেকোনো মানুষের জন্য তার সৎ চিন্তা প্রকাশ করা অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়েছে। কোনো গির্জাই কখনো চায়নি যে কোনো বিরোধী তার মনের কথা প্রকাশ করুক। ক্ষমতায় থাকা প্রতিটি গির্জাই তাদের মতবাদ টিকিয়ে রাখার উদ্দেশ্যে পাশবিক শক্তি বা তলোয়ারের আশ্রয় নিয়েছে। কারোরই খোলা মাঠে দাঁড়ানোর সাহস ছিল না। গির্জা কেবল নাস্তিক ও অবিশ্বাসীদের ঈশ্বরনিন্দুক বলেই সন্তুষ্ট হয়নি। প্রতিটি গির্জাই প্রায় অন্যান্য সব গির্জাকে ঈশ্বরনিন্দুক হিসেবে অভিযুক্ত করেছে। প্রতিটি পথপ্রদর্শককে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ক্যাথলিকরা [[মার্টিন লুথার]]কে ঈশ্বরনিন্দুক বলেছিল, এবং মার্টিন লুথার [[কোপার্নিকাস]]কে ঈশ্বরনিন্দুক বলেছিলেন। ধার্মিক অজ্ঞতা সবসময় বুদ্ধিমত্তাকে এক ধরনের ঈশ্বরনিন্দা হিসেবে বিবেচনা করে। বিশ্বের সেরা কয়েকজন মানুষ, সেরা কয়েকজনকে ঈশ্বরনিন্দার অপরাধে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল, অর্থাৎ, তাদের সহকর্মী মানুষের উপকার করার চেষ্টার অপরাধে।
* যতদিন গির্জার মানুষের মুখ বন্ধ করার ক্ষমতা থাকবে, ততদিনই এই বিশ্বকে কুসংস্কার শাসন করবে, এর বেশি নয়।
* '''ঈশ্বরনিন্দা হলো সেই শব্দ যা সংখ্যাগরিষ্ঠরা সংখ্যালঘুদের কানে ফিসফিস করে বলে।'''
* '''ঈশ্বরনিন্দা হলো একটি নতুন আবিষ্কৃত সত্য সম্পর্কে একটি পুরনো ভুলের মন্তব্য।''' <br> ঈশ্বরনিন্দা হলো এই বছরের মুকুল সম্পর্কে গত বছরের একটি শুকনো পাতার মন্তব্য। <br> '''ঈশ্বরনিন্দা হলো ধর্মীয় কুসংস্কারের প্রাচীর।''' <br> ঈশ্বরনিন্দা হলো হৃদয়হীনদের বর্ম। <br> এবং এখন আমাকে বলতে দিন যে, এই আইনে ঈশ্বরনিন্দার অপরাধ যেমন উল্লেখ করা হয়েছে তা অসম্ভব। '''কোনো মানুষ একটি বইয়ের ঈশ্বরনিন্দা করতে পারে না। কোনো মানুষ তার সৎ চিন্তার কথা বলে ঈশ্বরনিন্দা করতে পারে না। কোনো মানুষ ঈশ্বর, বা পবিত্র আত্মা, বা ঈশ্বরের পুত্রের ঈশ্বরনিন্দা করতে পারে না। অসীমের ঈশ্বরনিন্দা করা যায় না।'''
* ঈশ্বরনিন্দা কী? আমি আপনাকে একটি সংজ্ঞা দেব; আমি এই বিষয়ে আমার চিন্তা তুলে ধরব। '''প্রকৃত ঈশ্বরনিন্দা কী? <br> অন্য মানুষের অবৈতনিক শ্রমের ওপর বেঁচে থাকা ঈশ্বরনিন্দা। <br> আপনার সহকর্মীকে দাস বানানো, তার শরীরে শিকল পরানো ঈশ্বরনিন্দা। <br> মানুষের মনকে দাস বানানো, মগজে হাতকড়া পরানো, ঠোঁটে তালা লাগানো ঈশ্বরনিন্দা। <br> আপনি যাকে সত্য বলে বিশ্বাস করেন তা অস্বীকার করা, যাকে মিথ্যা বলে বিশ্বাস করেন তা সত্য বলে স্বীকার করা ঈশ্বরনিন্দা। <br> অজ্ঞ ও কুসংস্কারাচ্ছন্ন জনতার হাততালি পাওয়ার জন্য দুর্বল ও অরক্ষিতদের আঘাত করা ঈশ্বরনিন্দা। <br> অজ্ঞ সংখ্যাগরিষ্ঠের নির্দেশে বুদ্ধিমান সংখ্যালঘুদের নির্যাতন করা ঈশ্বরনিন্দা। <br> আপনার সৎ সহকর্মীদের জন্য শিকল তৈরি করা, অন্ধকূপ নির্মাণ করা ঈশ্বরনিন্দা। <br> চিরন্তন যন্ত্রণার মতবাদ দিয়ে শিশুদের আত্মাকে দূষিত করা ঈশ্বরনিন্দা। <br> আপনার বিবেক লঙ্ঘন করা ঈশ্বরনিন্দা। <br> যে জুরি অন্যায় রায় দেয়, এবং যে বিচারক অন্যায় শাস্তি ঘোষণা করে, তারা ঈশ্বরনিন্দুক। <br> যে ব্যক্তি তার ভালো বিচারবোধ এবং সৎ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে গিয়ে জনমতের কাছে মাথানত করে, সে ঈশ্বরনিন্দুক।''' <br> আমাদের সহকর্মীদের কেন ভয় পাওয়া উচিত? চিন্তা ও তার প্রকাশের ক্ষেত্রে প্রতিটি মানুষের কেন সমগ্র বিশ্বের সমান অধিকার থাকবে না? চিন্তার সৎ আদান-প্রদান থেকে কী ক্ষতি হতে পারে?
* আমি আপনাকে ঈশ্বরনিন্দার সংজ্ঞা দিয়েছি, আর এখন প্রশ্ন ওঠে, উপাসনা কী? '''উপাসক কে? প্রার্থনা কী? প্রকৃত ধর্ম কী? আমাকে এই প্রশ্নগুলোর উত্তর দিতে দিন। <br> ভালো, সৎ ও বিশ্বস্ত কাজই হলো উপাসনা।''' যে মানুষ মাঠে লাঙল চাষ করে ও বন কাটে; যে মানুষ খনিতে কাজ করে, যে মানুষ বিশাল সমুদ্রে বাতাস ও ঢেউয়ের সাথে যুদ্ধ করে বিশ্বের বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করে; এই মানুষেরা উপাসক। যে মানুষ তার স্ত্রীকে হাত ধরে বনে নিয়ে যায়, যে তার জন্য একটি কুঁড়েঘর বানায়, যে প্রান্তরে একটি বাড়ি তৈরি করে, যে একটি মহাদেশকে জনবহুল, সভ্য ও আবাদ করতে সাহায্য করে, সে একজন উপাসক। <br> '''শ্রমই একমাত্র প্রার্থনা যার উত্তর প্রকৃতি দেয়; এটিই একমাত্র প্রার্থনা যা উত্তরের যোগ্য ভালো, সৎ, মহৎ কাজ।''' যে নারীর স্বামী নর্দমায় নেমে গেছে, অবক্ষয় ও নোংরামিতে নেমে গেছে; যে নারী তাকে অনুসরণ করে এবং কাদা থেকে তুলে এনে তার মহৎ হৃদয়ে জড়িয়ে ধরে, যতক্ষণ না সে পুনরায় মানুষ হয়, এই নারী একজন উপাসক। তার কাজই উপাসনা। <br> যে গরিব মানুষ ও নারী দিনরাত কাজ করে যেন তারা তাদের সন্তানদের শিক্ষা দিতে পারে, যাতে তারা তাদের বাবা-মায়ের চেয়ে ভালো জীবন পায়; যে বাবা-মা জীবনের স্বাচ্ছন্দ্য থেকে নিজেদের বঞ্চিত করে যেন তারা তাদের সন্তানদের উচ্চতর স্থানে যেতে সাহায্য করার জন্য কিছু জমাতে পারে তারা উপাসক; এবং যে সন্তানরা এই উপাসনার সুফল ভোগ করার পর তাদের বাবা-মায়ের জন্য লজ্জিত হয়, তারা ঈশ্বরনিন্দুক। <br> '''যে মানুষটি তার অসুস্থ স্ত্রীর বিছানার পাশে বসে থাকে, যে স্ত্রী সময়ের আগেই বৃদ্ধ ও ধূসর হয়ে গেছে, যে স্বামী তার বিছানার পাশে বসে তার পাতলা, ফ্যাকাশে হাতটি ঠিক ততটাই স্নেহের সাথে ধরে রাখে এবং ততটাই আনন্দে ও আবেগের সাথে চুম্বন করে যতটা টোলপড়া অবস্থায় করত সেটাই উপাসনা; সেই মানুষটি একজন উপাসক; সেটাই প্রকৃত ধর্ম।'''
* '''যে মানুষের [[আনন্দ]] বাড়ায়, সে একজন উপাসক। যে মানুষের [[দুর্দশা]] বাড়ায়, সে একজন ঈশ্বরনিন্দুক।'''
* '''ভদ্রমহোদয়গণ, আপনারা আমাকে কখনোই বিশ্বাস করাতে পারবেন না কোনো আইনই আমাকে কখনো বোঝাতে পারবে না যে, এই মহাবিশ্বে এমন কোনো অসীম সত্তা আছে যে একজন সৎ মানুষকে ঘৃণা করে। আমার পক্ষে এটি বিশ্বাস করা অসম্ভব যে এমন কোনো ঈশ্বর আছে, বা থাকতে পারে, যে এমন কোনো আত্মাকে ঘৃণা করে যার নিজের চিন্তা প্রকাশ করার সাহস আছে।''' কোনো মানুষের প্রতি সৎ হওয়ার জন্য তাকে এই পৃথিবীতে বা পরকালে শাস্তি দেওয়া উচিত, এই কথাটিও পুরো বিশ্ব আমাকে বোঝাতে পারবে না। '''যদি আপনারা মানুষদের তাদের চিন্তা প্রকাশ করার জন্য, তাদের সঙ্গীদের আলোকিত করার চেষ্টার জন্য কারাগারে পাঠান, তবে কারাগার একটি সম্মানের জায়গা হয়ে উঠবে, এবং শিকার সেখান থেকে দাগী বা কলঙ্কিত হয়ে নয়, বরং গৌরবের পোশাকে আচ্ছাদিত হয়ে বেরিয়ে আসবে।''' <br> আসুন আমরা আরও এক ধাপ এগোই। <br> '''পবিত্র কী? আমি উত্তর দিই যে মানুষের সুখ পবিত্র, মানুষের অধিকার পবিত্র। মানুষের শরীর ও আত্মা এগুলো পবিত্র। মানুষের স্বাধীনতা যেকোনো বইয়ের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ; মানুষের অধিকার যেকোনো ধর্মের চেয়ে পবিত্র যেকোনো ধর্মগ্রন্থের চেয়ে, তা অনুপ্রাণিত হোক বা না হোক।''' <br> আমরা সত্য চাই, এবং কেউ কি মনে করে যে সমস্ত সত্য একটি বইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ পুরো বিশ্বের রহস্য একটি খণ্ডে ব্যাখ্যা করা হয়েছে? <br> যা কিছু আছে যা মানুষকে তথ্য দেয় যা অতীত দ্বারা উৎপাদিত হয়েছে যা এখন বিদ্যমান সবকিছু একজন বুদ্ধিমান মানুষের বিবেচনা করা উচিত। এই বিশ্বের সমস্ত জানা সত্য সমস্ত দর্শন, সমস্ত কবিতা, সমস্ত চিত্রকর্ম, সমস্ত মূর্তি, সমস্ত চিত্তাকর্ষক সংগীত শিশুদের আধো বোল, মায়েদের ঘুমপাড়ানি গান, সৎ মানুষের কথা, কর্তব্যের ডাক এসব মিলিয়ে বিশ্বের বাইবেল তৈরি করে। যা কিছু মহৎ, সত্য এবং মুক্ত, আপনি এই মহান বইটিতে পাবেন। <br> '''যদি আমরা নিজেদের প্রতি সত্য হতে চাই, যদি আমরা আমাদের সহকর্মী মানুষের উপকার করতে চাই যদি আমরা সম্মানজনক জীবনযাপন করতে চাই তবে আমরা প্রতিটি মানুষকে সেই সমস্ত অধিকার দেব যা আমরা নিজেদের জন্য দাবি করি।'''
* '''যে গির্জা কোনো মানুষকে কেবল এই কারণে কারাবন্দি করে যে সে এর মতবাদের বিরুদ্ধে যুক্তি দিয়েছে, তা বিশ্বকে কেবল এটাই বোঝাবে যে তারা সেই যুক্তির উত্তর দিতে পারে না।'''
* '''চোখের কাছে যেমন আলো, হৃদয়ের কাছে যেমন ভালোবাসা, মানুষের আত্মার কাছে স্বাধীনতা ঠিক তেমনই। এটি ছাড়া দমবন্ধ অবস্থা, অবক্ষয় এবং মৃত্যু নেমে আসে।'''
* '''স্বাধীনতা হলো অগ্রগতির শর্ত। স্বাধীনতা ছাড়া কেবল অসভ্যতাই অবশিষ্ট থাকে। স্বাধীনতা ছাড়া কোনো সভ্যতা থাকতে পারে না।''' <br> যদি অন্য কোনো মানুষের চিন্তা করার অধিকার না থাকে, তবে সে ভুল চিন্তা করছে এমনটি ভাবার অধিকারও আপনার নেই। যদি প্রত্যেক মানুষের চিন্তা করার অধিকার না থাকে, তবে নিউ জার্সির জনগণের কোনো আইন তৈরি করার বা কোনো সংবিধান গ্রহণ করার অধিকার ছিল না কোনো জুরির রায় দেওয়ার অধিকার নেই, এবং কোনো আদালতের শাস্তি দেওয়ার অধিকার নেই। <br> অন্য কথায়, চিন্তার স্বাধীনতা ছাড়া কোনো মানুষের বিচার করার অধিকার নেই। '''স্বাধীনতা ছাড়া প্রকৃত ধর্ম বলে কিছু থাকা অসম্ভব। স্বাধীনতা ছাড়া বিবেক বলতে কিছু থাকতে পারে না, ন্যায়বিচার নামের কোনো শব্দ থাকতে পারে না। সমস্ত মানবীয় কাজ ভালো ও মন্দ সবকিছুরই ভিত্তি হলো মানব স্বাধীনতার ধারণা, আর স্বাধীনতা ছাড়া কোনো পাপ থাকতে পারে না, এবং কোনো পুণ্যও থাকতে পারে না। <br> স্বাধীনতা ছাড়া কোনো উপাসনা, কোনো ঈশ্বরনিন্দা কোনো ভালোবাসা, কোনো ঘৃণা, কোনো ন্যায়বিচার, কোনো অগ্রগতি থাকতে পারে না। <br> মানুষের ভাষা থেকে স্বাধীনতা শব্দটি সরিয়ে নিন এবং অন্যান্য সমস্ত শব্দ দরিদ্র, শুষ্ক, অর্থহীন শব্দে পরিণত হবে। কিন্তু সেই শব্দটি উপলব্ধি করলে সেই শব্দটি বুঝতে পারলে বিশ্ব একটি স্বর্গে পরিণত হয়।'''
==='রোম, অর রিজন? আ রিপ্লাই টু কার্ডিনাল ম্যানিং। পার্ট ১। ''দ্য নর্থ আমেরিকান রিভিউ'' (১৮৮৮)===
* সংখ্যাগরিষ্ঠরা সবসময় সঠিক হয় না। যদি কিছু জানা যায় যদি কিছু জানা সম্ভব হয় আমরা নিশ্চিত যে মানুষের বিশাল দল অনেক সময় ভুল করেছে।
* মানবজাতির অগ্রগতিতে সংখ্যালঘুরাই সঠিকের সবচেয়ে কাছাকাছি থেকেছে। এমন অনেক শতাব্দী ছিল যেখানে মনে হতো আলো কেবল মুষ্টিমেয় মানুষের কাছ থেকে আসছে, যখন বাকি বিশ্ব অন্ধকারে ডুবে ছিল। কোনো এক মহান মানুষ পথ দেখান তিনি হয়ে ওঠেন ভোরের তারা, আগত দিনের নবী। পরবর্তীতে লক্ষ লক্ষ মানুষ তার দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করে। কিন্তু এর ওপরে এবং বাইরে আরও উচ্চতা রয়েছে; সেখানে অন্যান্য পথপ্রদর্শক রয়েছেন, এবং নতুনের তুলনায় পুরনো দিন রাতে পরিণত হয়। তাই আমরা বলতে পারি না যে সাফল্য ঐশ্বরিক উৎস বা অতিপ্রাকৃত সহায়তা প্রমাণ করে।
* যাইহোক, বাস্তবে কোনো গির্জাই সবকিছু তার বিপক্ষে রেখে মাথা তুলে দাঁড়াতে পারে না। কিছু একটা এর অনুকূলে থাকে, নয়তো এর অস্তিত্ব থাকত না। যদি এটি সফল হয় এবং বৃদ্ধি পায়, তবে এটি সম্পূর্ণ নিশ্চিত যে পরিস্থিতি অনুকূল। যদি এটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে, তবে এটি কেবল এটাই দেখায় যে পরিস্থিতি অত্যন্ত অনুকূল, এবং বিরোধী শক্তিগুলো দুর্বল ও সহজে পরাজিত হওয়ার মতো।
* সম্ভবত এটি বলা নিরাপদ যে এক সময়, বা মানুষের বিকাশের একটি পর্যায়ে, সবকিছুই অলৌকিক ছিল। কিছুক্ষণ পর, মন ধীরে ধীরে বিকশিত হওয়ার সাথে সাথে একই পরিস্থিতিতে ঘটা নির্দিষ্ট কিছু ঘটনাকে 'প্রাকৃতিক' বলা হতো, এবং কেউ কোনো বিশেষ হস্তক্ষেপ সন্দেহ করত না। অলৌকিকতার ক্ষেত্র ধীরে ধীরে ছোট হতে থাকে আর প্রাকৃতিকের ক্ষেত্র বড় হয়; অর্থাৎ, সাধারণ জিনিস প্রাকৃতিক হয়ে যায়, কিন্তু অস্বাভাবিক জিনিসগুলো তখনও অলৌকিক বলে বিবেচিত হতো। সূর্য ওঠা এবং অস্ত যাওয়া মানুষের বিস্ময় জাগানো বন্ধ করে দেয় এতে অলৌকিক কিছু ছিল না; কিন্তু সূর্যগ্রহণ ছিল অলৌকিক। মানুষ তখন জানত না যে গ্রহণ পর্যায়ক্রমিক, সূর্য ওঠার মতোই নির্দিষ্ট নিয়মে এটি ঘটে। এই সিদ্ধান্তে পৌঁছতে অনেক প্রজন্মের বহু পর্যবেক্ষণের প্রয়োজন হয়েছিল। সাধারণ বৃষ্টি 'প্রাকৃতিক' হয়ে ওঠে, বন্যা 'অলৌকিক' থেকে যায়। '''তবে সবকিছু এই কথায় সংক্ষেপ করা যায়: সাধারণ মানুষ যা সচরাচর ঘটে তাকে প্রাকৃতিক এবং যা সচরাচর ঘটে না তাকে অতিপ্রাকৃত মনে করে। শিক্ষিত মানুষ আর শিক্ষিত বলতে আমি উন্নত মানুষকে বুঝি সে নিশ্চিত যে সমস্ত ঘটনাই প্রাকৃতিক, এবং অতিপ্রাকৃত বলে কিছু নেই বা থাকতে পারে না।'''
* সাধারণত, একজন মানুষ কতটা অহংকারী তা তার বুদ্ধিমত্তার অভাবের ওপর নির্ভর করে। জাতি এবং সম্প্রদায়ের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। '''অসভ্য মানুষ এতটাই অহংকারী হয় যে সে মনে করে কোনো অসীম সত্তা সারাক্ষণ তার জন্য কিছু করছে বা কিছু করতে ব্যর্থ হচ্ছে। কিন্তু মানুষ যখন সভ্যতার মাপকাঠিতে ওপরে ওঠে, যখন সে সত্যিই মহান হয়, তখন সে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছায় যে প্রকৃতিতে কোনো কিছুই তার জন্য ঘটে না। সে এতটাই মহান নয় যে গ্রহের গতিবিধি ব্যাহত করতে পারে।'''
* ক্যাথলিক গির্জার সাফল্য কি একটি বিস্ময়? যদি এই গির্জার ঐশ্বরিক উৎস থাকে, যদি এটি কোনো অসীম সত্তার বিশেষ যত্ন, সুরক্ষা এবং নির্দেশনায় থাকে, তবে কি এর সাফল্যের চেয়ে ব্যর্থতাই বেশি বিস্ময়কর নয়? আঠারো শতাব্দী ধরে এটি নির্যাতন ও ধর্মপ্রচার করেছে, কিন্তু পৃথিবীর মুক্তি এখনও অনেক দূরে। এটাই হলো ফলাফল, এবং এখন প্রশ্ন উঠতে পারে যে ক্যাথলিক ধর্মে বিশ্বকে ধর্মান্তরিত করার চেষ্টা করার কোনো মূল্য আছে কি না।
* বাইবেল অনুযায়ী, প্রেরিতদের সমগ্র বিশ্বে গিয়ে সুসমাচার প্রচারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তবুও তাদের কেউ, বা তাদের ধর্মান্তরিতদের কেউ, বা ঈশ্বরের কোনো প্রতিনিধিও পনেরোশো বছর পর্যন্ত পশ্চিম গোলার্ধের অস্তিত্ব সম্পর্কে জানত না।
* হাজার হাজার 'সন্ত' মানবজাতির সবচেয়ে বিদ্বেষপূর্ণ মানুষ ছিলেন। বিশ্বের ইতিহাস যদি কিছু প্রমাণ করে, তবে তা প্রমাণ করে যে ক্যাথলিক গির্জা বহু শতাব্দী ধরে মানবজাতির মধ্যে বিদ্যমান সবচেয়ে নির্দয় প্রতিষ্ঠান ছিল।
* ক্যাথলিক ধর্মের বিরুদ্ধে আমার কোনো প্রোটেস্ট্যান্ট কুসংস্কার নেই, আর প্রোটেস্ট্যান্ট ধর্মের বিরুদ্ধেও আমার কোনো ক্যাথলিক কুসংস্কার নেই। আমি সব ধর্মকে হয় কোনো কুসংস্কার ছাড়াই অথবা একই কুসংস্কার নিয়ে বিবেচনা করি। '''আমার বিশ্বাস অনুযায়ী, এগুলো সবই মানুষের তৈরি, এবং সবগুলোরই ভিত্তি হলো এই বিশ্ব সম্পর্কে অজ্ঞতা এবং পরকাল সম্পর্কে ভয়।''' সমস্ত ঈশ্বর মানুষেরই তৈরি। '''তারা সবাই সমান শক্তিশালী এবং সমান অকেজো।'''
* * এই গির্জা, যা 'সব ভালো জিনিসে ফলপ্রসূ', এমন সব অপরাধ আবিষ্কার করেছে যেন তারা শাস্তি দিতে পারে। এই গির্জা মানুষকে 'ধর্মদ্রোহিতার সন্দেহে' বিচার করেছে সন্দেহভাজন হওয়ার অপরাধে তাদের কারাবন্দি করেছে পৃথিবীতে তাদের যা কিছু ছিল সব কেড়ে নিয়ে অন্ধকূপে পচতে দিয়েছে, কারণ তারা কেবল সন্দেহভাজন হওয়ার অপরাধে দোষী ছিল। এটি ক্যানন লয়ের একটি অংশ ছিল। ক্যাথলিক গির্জার 'অজেয় স্থিতিশীলতা' নিয়ে কথা বলার সময় পার হয়ে গেছে।
* '''মানুষ নিশ্চিত হয়েছিল অজ্ঞ, বোকা এবং বিশ্বাসপ্রবণ হওয়ায় যে গির্জাই স্বর্গ ও নরকের চাবি ধারণ করে। মানুষের মধ্যে এ যাবৎকালের সবচেয়ে ভয়ংকর মানসিক স্বৈরাচারের ভিত্তি এভাবেই রচিত হয়েছিল।''' '''ক্যাথলিক গির্জা তার ক্ষমতার সর্বোচ্চ সীমা পর্যন্ত মানুষকে দাসে পরিণত করেছিল।''' এটি সম্ভাব্য সব ধরনের প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছিল; এটি মানব হৃদয়ের প্রতিটি ভালো প্রবৃত্তি বিকৃত করেছিল; এটি প্রতিটি পাপকে পুরস্কৃত করেছিল; ক্ষমতার সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছানোর জন্য এটি এমন কোনো চাতুরী বাদ দেয়নি যা চতুরতা দিয়ে উদ্ভাবন করা সম্ভব। এটি অভিযুক্তদের স্বীকারোক্তি আদায়ে নির্যাতন করত; সাক্ষীদের মিথ্যা সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করার জন্য নির্যাতন করত; সন্তানদের দিয়ে বাবা-মাকে দোষী সাব্যস্ত করার উদ্দেশ্যে শিশুদের নির্যাতন করত; এটি মানুষকে তাদের নিজস্ব নির্দোষতা প্রমাণ করতে বাধ্য করত; এটি সীমাহীন কারাবাস দিত; এটি অপেক্ষা করার মতো বিদ্বেষপূর্ণ ধৈর্য রাখত; এটি অভিযুক্তদের বিচার ছাড়াই ফেলে রাখত, এবং মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত তাদের অন্ধকূপেই রেখে দিত। '''এমন কোনো অপরাধ নেই যা ক্যাথলিক গির্জা করেনি, এমন কোনো নিষ্ঠুরতা নেই যা তারা চর্চা করেনি, এমন কোনো বিশ্বাসঘাতকতা নেই যা তারা পুরস্কৃত করেনি, এবং এমন কোনো পুণ্য নেই যাকে তারা নির্যাতন করেনি। এটি ছিল মানবাধিকারের সবচেয়ে বড় এবং শক্তিশালী শত্রু। মানুষের সন্তানদের দাস বানানোর জন্য সংগঠন, চাতুর্য, ধার্মিকতা, আত্মত্যাগ, বীরত্ব, বিশ্বাসঘাতকতা, ধর্মান্ধতা এবং পাশবিক শক্তি যা কিছু করতে পারে, তার সবই এটি করেছে। এটি ছিল বুদ্ধিমত্তার শত্রু, স্বাধীনতার আততায়ী এবং অগ্রগতির ধ্বংসকারী।'''
* তবুও, আমি স্বীকার করি যে সবচেয়ে কুখ্যাত পোপ, সবচেয়ে হৃদয়হীন ও পৈশাচিক বিশপ, সন্ন্যাসী এবং যাজকরাও দয়া, দান ও ন্যায়ের আদর্শ ছিলেন যখন তাদের অর্থোডক্স ঈশ্বরের সাথে তাদের উপাস্য ঈশ্বরের সাথে তুলনা করা হয়। এই পোপরা, এই বিশপরা, এই যাজকরা কেবল কয়েক বছরের জন্য নির্যাতন করতে পারতেন তারা কেবল কয়েক মুহূর্তের জন্য পোড়াতে পারতেন কিন্তু তাদের ঈশ্বর চিরকাল বন্দি রাখার এবং পোড়ানোর হুমকি দিয়েছেন; এবং ইনকুইজিশনের চেয়ে নরক যেমন খারাপ, ঠিক তেমনি তারাও যত খারাপ ছিলেন, তাদের ঈশ্বর তার চেয়েও বেশি খারাপ।
* খ্রিষ্টের 'প্রায় দুইশো আটান্নজন' প্রতিনিধির মধ্যে সম্ভবত কিছু ভালো মানুষ ছিলেন। '''এমনকি সব খারাপ মানুষ বেছে নেওয়ার উদ্দেশ্য থাকলেও এমনটি ঘটত, কারণ মানুষ ভালো বা মন্দ কোনোটাতেই নিখুঁত হতে পারে না'''; কিন্তু যদি তাদের স্বয়ং খ্রিষ্ট বেছে নিয়ে থাকেন, যদি তাদের এমন একটি গির্জা বেছে নিয়ে থাকে যার ঐশ্বরিক উৎপত্তি এবং ঐশ্বরিক নির্দেশনা রয়েছে, তবে একজন খারাপ লোক নির্বাচনের কোনো ব্যাখ্যা থাকতে পারে না। যদি একজন ভণ্ড ব্যক্তি যথাযথভাবে পোপ নির্বাচিত হন একজন খুনি, একজন শ্বাসরোধকারী, একজন অনাহারকারী তবে এটি প্রমাণ করে যে সমস্ত পোপ কেবল মানুষের দ্বারাই নির্বাচিত হয়েছিলেন এবং ঐশ্বরিক নির্দেশনার দাবি কেবল ধর্মান্ধতা থেকে জন্ম নিয়েছে এবং অজ্ঞতা থেকে উচ্চারিত হয়েছে।
* দুটি জিনিস একই মহাবিশ্বে অস্তিত্ব রাখতে পারে না একজন অসীম ঈশ্বর এবং একজন শহীদ।
* "যে কেউ মুক্তি পেতে চায়, তাকে সবার আগে ক্যাথলিক বিশ্বাস ধারণ করতে হবে।" সবার আগে তার ভালো, সৎ, দয়ালু, দানশীল এবং ন্যায়পরায়ণ হওয়া জরুরি নয়। আচরণের চেয়ে মতবাদ বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো তার ক্যাথলিক বিশ্বাস ধারণ করা। হাজার হাজার বছর ছিল যখন সেই বিশ্বাস ধারণ করার কোনো প্রয়োজন ছিল না, কারণ তখন সেই বিশ্বাসের কোনো অস্তিত্বই ছিল না; তবুও সেই সময়টিতে পুণ্য এখনকার মতোই গুরুত্বপূর্ণ ছিল, সবসময় যতটা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে ঠিক ততটাই। '''মানবজাতির সবচেয়ে মহৎ লক্ষ লক্ষ মানুষ এই মতবাদের কথা কখনোই শোনেনি। লাখ লাখ সাহসী এবং সেরা মানুষ এটি শুনেছেন, পরীক্ষা করেছেন এবং প্রত্যাখ্যান করেছেন।''' লাখ লাখ সবচেয়ে কুখ্যাত ব্যক্তি এটি বিশ্বাস করেছেন, এবং তাদের বিশ্বাসের কারণে, বা তাদের বিশ্বাস সত্ত্বেও, তারা লাখ লাখ সহকর্মীকে হত্যা করেছেন। '''আমরা জানি মানুষ এই বিশ্বাস নিয়েও ততটাই দুষ্ট হতে পারে, আছে এবং ভবিষ্যতেও হবে, যতটা এটি ছাড়াও হতে পারে।'''
===ইজ ডিভোর্স রং? (১৮৮৯)===
* পৃথিবীর বেশিরভাগ অংশই সমাধি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়, এবং জীবিতরা মৃতদের দ্বারা নির্যাতিত হয়। পুরোনো ধ্যান-ধারণাগুলো যে পরিস্থিতিতে তৈরি হয়েছিল তা অনেক আগেই পার হয়ে যাওয়ার পরও প্রায়শই টিকে থাকার চেষ্টা করে। অনেকেই প্রাচীনকে উপাসনা করতে কোথায় নিয়ে যাচ্ছে তা জিজ্ঞাসা না করে এবং নিজেরা ঠিক কোথায় যেতে চায় তা না জেনেই পুরোনো পথ অনুসরণ করতে আগ্রহী।
* '''নিউ টেস্টামেন্টে প্রেরিতদের পরিবার সম্পর্কে কিছুই বলা হয়নি; পারিবারিক জীবন, বাড়ির পবিত্রতা সম্পর্কে কিছুই নেই; শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা, মনের উন্নতি এবং বিকাশ সম্পর্কে কিছুই বলা হয়নি।''' এই জিনিসগুলো ভুলে যাওয়া হয়েছিল, কারণ প্রত্যাশিত ঘটনার উপস্থিতিতে সন অব ম্যান কখন আসবে তার জন্য প্রস্তুত থাকা ছাড়া আর কোনো কিছুকেই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়নি। অনুভূতি এমনই ছিল যে খ্রিষ্ট স্বয়ং তাদের পুরস্কৃত করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন যারা তাদের স্ত্রী ও সন্তানদের ত্যাগ করবে। মানুষের ভালোবাসার কথা অবজ্ঞার সাথে বলা হয়েছিল। "মৃতদের তাদের মৃতদের দাফন করতে দাও। এতে তোমার কী? তুমি আমাকে অনুসরণ করো।" তারা কেবল এসব বিশ্বাসই করেনি, সে অনুযায়ী কাজও করেছিল; এবং ফলস্বরূপ, জীবনের সমস্ত সম্পর্ক অস্বীকার বা এড়িয়ে যাওয়া হয়েছিল এবং তাদের বাধ্যবাধকতাগুলো উপেক্ষিত হয়েছিল।
* যাজক বিবাহিত পুরুষটিকে বলেছিলেন: "মনে রেখো তুমি আজীবনের জন্য আটকা পড়েছ। এই দরজা কেবল একবার খোলে। দাম্পত্যের এই গুহার সামনে পায়ের ছাপগুলো কেবল একমুখী।" এটি ছিল বিবাহ করার জন্য এক ধরনের শাস্তি। ধর্মতাত্ত্বিকরা অনুভব করতেন যে বিবাহের চুক্তি, ঈশ্বরের আদেশের পরিপন্থী না হলেও অন্তত তার উপদেশের পরিপন্থী ছিল এবং ন্যায়ের খাতিরে বিবাহিতদের কোনো না কোনোভাবে কষ্ট ভোগ করা উচিত। বিবাহবিচ্ছেদ হতে পারে না, একটি ভুল সংশোধন করা যেতে পারে না এই বাস্তবতাকে সতর্কবাণী হিসেবে তুলে ধরা হতো। প্রতিটি বিয়ের আসরে এই কঙ্কালটি তার মাংসহীন আঙুল দিয়ে বর-কনের দিকে নির্দেশ করত।
* '''বিবাহ হলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, সবচেয়ে পবিত্র চুক্তি যা মানুষ করতে পারে। আমরা এটিকে কোনো চুক্তি, বা ধর্মানুষ্ঠান, বা উভয়ই বলি না কেন, এটি ঠিক একই থাকে। এবং এই চুক্তিটি কোনো ম্যাজিস্ট্রেট বা যাজকের সামনে করা হোক না কেন, তা একেবারেই সমান।'''
* পৃথিবীতে কি ঘৃণা বা বিরক্তির সন্তান, কামনা ও ঘৃণার সন্তান থাকা উচিত, নাকি পারস্পরিক ভালোবাসার কাঙ্ক্ষিত শিশু থাকা উচিত? এমন কি সম্ভব যে একজন অসীম জ্ঞানী এবং দয়ালু ঈশ্বর জোর দিয়ে বলেন যে একজন অসহায় নারীকে একজন নিষ্ঠুর পাষণ্ডের স্ত্রী হিসেবেই থাকতে হবে? এটি কি স্বর্গের আনন্দ বাড়াতে পারে, বা কোনো বীণাকে সুরে রাখতে সাহায্য করতে পারে?
* '''বিয়েগুলো পুরুষ ও নারী দ্বারা সম্পন্ন হয়; সমাজ দ্বারা নয়; রাষ্ট্র দ্বারা নয়; গির্জা দ্বারা নয়; অতিপ্রাকৃত সত্তাদের দ্বারা নয়।''' এতদিনে আমাদের জানা উচিত যে এমন কোনো কিছুই নৈতিক নয় যা সংবেদনশীল প্রাণীদের কল্যাণের দিকে পরিচালিত করে না; এমন কোনো কিছুই পুণ্য নয় যার ফলাফল ভালো নয়। '''আমরা এখন জানি, যদি আমরা কিছু জেনে থাকি, তবে সঠিক কাজ করার সমস্ত কারণ এবং ভুল কাজের বিরুদ্ধে সমস্ত কারণ এই পৃথিবীতেই রয়েছে।'''
* আমার কাছে, আমাদের ভাষার সবচেয়ে কোমল শব্দ, আমাদের জ্ঞানের মধ্যে সবচেয়ে মর্মস্পর্শী সত্য হলো মাতৃত্ব। '''এই পবিত্র শব্দের চারপাশে মানবজাতির আনন্দ ও দুঃখ, যন্ত্রণা এবং পরমানন্দ জড়িয়ে আছে। মা মৃত্যুর ছায়ায় হাঁটেন যেন তিনি আরেকটি জীবন দিতে পারেন।''' ভালোবাসার বেদিতে তিনি নিজের জীবন বন্ধক রাখেন। পৃথিবী যখন সভ্য হবে, কোনো স্ত্রী তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে মা হবেন না।
=== আ ক্রিসমাস সারমন (১৮৯০) ===
* অর্থোডক্স মতবাদ অনুযায়ী, খ্রিষ্টধর্ম এই বার্তা নিয়ে এসেছিল যে মানবজাতি সম্পূর্ণ দুর্নীতিগ্রস্ত, সমস্ত মানুষ বিপথগামী, এবং যারা এই নতুন ধর্ম গ্রহণ করতে বা বিশ্বাস করতে ব্যর্থ হবে, তারা অনন্ত আগুনে যন্ত্রণায় ভুগবে। এগুলো "মহা আনন্দের খবর" ছিল না। কোনো বিশাল জাহাজের যাত্রীদের যদি বলা হতো যে জাহাজটি ডুবতে চলেছে, কয়েকজন বাঁচবে এবং প্রায় সবাই তলিয়ে যাবে, তবে কি তারা এটাকে "মহা আনন্দের খবর" বলত?
* যখনই কোনো অর্থোডক্স সম্পাদক কোনো অবিশ্বাসীকে আক্রমণ করেন, তখন দয়া, দানশীলতা এবং ভালোবাসার অভাব দেখা যায়।
* '''অনন্ত শাস্তির মতবাদ হলো সমস্ত কলঙ্কের সেরা কলঙ্ক। আমি যেমন প্রায়ই বলেছি, যে মানুষ অনন্ত যন্ত্রণায়, অন্তহীন ব্যথার ন্যায়বিচারে বিশ্বাস করে, সে অন্তত দুটি রোগে ভুগছে হৃদয়ের প্রস্তরীভবন এবং মস্তিষ্কের পচন।'''
* যদি এই মতবাদ সত্য হয়, তবে ঈশ্বর কখনোই নরক থেকে কোনো আত্মাকে মুক্তি দেবেন না ক্ষমার ক্ষমতা কখনোই প্রয়োগ করা হবে না। ঈশ্বর কতটা খুশি হবেন এবং বেঁচে যাওয়া সকলে কতটা খুশি হবেন, যখন তারা জানবেন যে কোটি কোটি সন্তান, তাদের বাবা, মা, ভাই, বোন, স্ত্রী এবং সন্তানরা অনন্ত অন্ধকূপে বন্দি রয়েছে, এবং ক্ষমার বাক্য কখনোই উচ্চারিত হবে না!
* '''ডাক্তারের ব্যক্তিগত আক্রমণের ব্যাপারে আমার কী বলার আছে? কিছুই না। একজন মানুষ আমাকে শয়তান বলতে পারে, বা শয়তান বলে ডাকতে পারে, অথবা সে বলতে পারে যে আমি সত্যি বলতে অক্ষম, বা আমি মিথ্যা বলি, তবুও এতে কিছুই প্রমাণ হয় না। আমার যুক্তিগুলো অকাট্য রয়ে যায়। আমি ডক্টর বাকলিকে গালিগালাজ করতে পারি না, আমার ভালো মানসিক আচরণ আছে। আমি যে আদর্শের প্রতিনিধিত্ব করি তা কোনো অজ্ঞ বা বিদ্বেষপূর্ণ ব্যক্তির দ্বারা কলঙ্কিত হওয়ার মতো নয়, এটি অনেক মহান, অনেক পবিত্র।'''
* একজন যাজক আমাকে বলেন যে আমি নরকে যাচ্ছি আমি চিরকাল শাস্তি পেতে বাধ্য এবং এরপর আমি তাকে বলি: "কোনো নরক নেই আপনি ভুল করছেন; আপনার বাইবেল অনুপ্রাণিত নয়; কোনো মানুষ চিরকাল যন্ত্রণা ভোগ করবে না;" এবং এরপর, '''আহত দৃষ্টিতে তিনি আমাকে এই প্রশ্নটি করেন: "আপনি আমাকে আঘাত দিয়ে কথা বলছেন কেন?"''' এটি তার মনেই আসে না যে আমাকে অনন্ত দুঃখের শাস্তি দেওয়ার বিষয়ে তার সিদ্ধান্তের আপত্তি জানানোর আমার বিন্দুমাত্র অধিকার রয়েছে।
* বিন্দুমাত্র কল্পনাশক্তি থাকা যে কারো পক্ষেই বুঝতে পারা খুব সহজ যে অন্যরা তার থেকে কতটা আলাদা। কোনো মানুষের সাথে আমার মতবিরোধ আছে বলেই আমি তাকে কোনো খারাপ উদ্দেশ্যে দায়ী করি না।
* এই সমস্ত কুসংস্কারের পেছনে আপনি কিছু স্বার্থ দেখতে পাবেন। '''আমি বলছি না যে এটি প্রতিটি ক্ষেত্রে সত্য, তবে আমি বলছি যে যাজকরা যদি ভেড়ার মাংস পছন্দ না করত, তবে ঈশ্বরের কাছে কখনোই মেষশাবক উৎসর্গ করা হতো না। মন্দিরে এমন কিছুই নেওয়া হতো না যা যাজক ব্যবহার করতে পারত না, এবং সবসময় এমনটাই হতো যে ঈশ্বরের প্রতিনিধিরা যা পছন্দ করত ঈশ্বর সেটাই চাইতেন।''' এখন, আমি বলব না যে সব যাজকই কেবল "রাজস্বের জন্য" যাজক ছিলেন, তবে আমাকে বলতেই হবে যে পৃথিবীর ইতিহাস দেখায় যে যাজক শ্রেণি রাজস্বহীন ধর্মের চেয়ে ধর্মহীন রাজস্ব বেশি পছন্দ করে।
* গির্জা আঠারোশো বছর ধরে মাঠে আধিপত্য বিস্তার করেছে। এর বেশিরভাগ সময় ধরে এটি বিশ্বের তলোয়ার ও অর্থের থলি নিয়ন্ত্রণ করেছে। বহু শতাব্দী ধরে এটি কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় এবং স্কুলগুলো নিয়ন্ত্রণ করেছে। এর হাতে সম্পদ ও সম্মান প্রদানের ক্ষমতা ছিল। এই বিশ্ব সম্পর্কিত স্বর্গ ও নরকের অর্থাৎ, সমৃদ্ধি ও দুর্ভাগ্যের চাবি তাদের কাছেই ছিল। এটি শত্রুদের এমনকি কবর পর্যন্ত তাড়া করেছে। এটি সেরা রক্ত দিয়ে ফাঁসির মঞ্চ লাল করেছে এবং বহু শতাব্দী ধরে নির্যাতনের তলোয়ার ভিজিয়ে রেখেছে। এর অন্ধকূপে হাজার হাজার মানুষ মারা গেছে। এর অপবাদের কারণে লাখ লাখ মানুষের সম্মান ধ্বংস হয়েছে। এটি লাখ লাখ বিধবা ও এতিম তৈরি করেছে এবং এটি কেবল এই পৃথিবী শাসনই করেনি, বরং এটি অনন্তকালের চাবি ধরে রাখার ভান করেছে, এবং এই ভানের আড়ালে এটি অগণিত লক্ষ লক্ষ মানুষকে অনন্ত আগুনের শাস্তি দিয়েছে।
* যখন আমরা বিবেচনা করি যে রেভারেন্ড মিস্টার ডিক্সন একজন যাজক এবং বিশ্বাস করেন যে তিনি জনগণের কাছে একটি ঐশ্বরিক বার্তা পৌঁছে দেওয়ার জন্য আদিষ্ট হয়েছেন, তখন তিনি নিচের এই দাবিটি করলে আমি অবাক হই না: "ঈশ্বর যদি একটি ঐশ্বরিক বার্তা বলার জন্য বালামের গাধাকে বেছে নিতে পারেন, তবে তিনি কেন কর্নেলকে কাজে লাগাতে পারবেন না তা আমি বুঝতে পারছি না।" কোনো মানুষের পক্ষে নিজেকে সঠিক প্রমাণ করা এবং নিজের পেশাকে রক্ষা করাটা স্বাভাবিক। '''তবে মিস্টার ডিক্সন মনে রাখবেন যে ঈশ্বরের নবীর চেয়ে গাধাটি অনেক বেশি শ্রেষ্ঠ ছিল, এবং যুক্তি পুরোপুরি গাধার পক্ষেই ছিল। এবং তাছাড়া, গাধার আধ্যাত্মিক দূরদৃষ্টি নবীর চেয়ে অনেক বেশি ছিল। গাধাই দেবদূতকে দেখেছিল যখন নবীর দৃষ্টি ঝাপসা ছিল।'''
* আমার কাছে এটি সম্ভব বলে মনে হয় না যে কোনো ঈশ্বর মানুষকে এতটাই ভালোবাসেন যে তারা যেন রক্ষা পায় সে জন্য তিনি মৃত্যুবরণ করেন, আর তারা মারা যাওয়ার পরপরই তিনি তার সন্তানদের পরিত্যাগ করেন। আমার কাছে মনে হয় একজন অসীম ঈশ্বর কোনো আত্মা পরকালে পৌঁছানোর পর তার জন্য কিছু করতে পারেন।
* '''গির্জা কখনোই মিষ্টি কথা এবং দাতব্য কাজের মাধ্যমে শত্রুদের তাড়া করার অভ্যাস করেনি। সত্যি কথা বলতে, এটি সবসময়ই নির্দয় ছিল। এটি ক্ষমার কথা প্রচার করেছে, কিন্তু কখনোই ক্ষমা করেনি। খ্রিষ্টান বিশ্বের ইতিহাসে এমন কোনো দৃষ্টান্ত নেই যেখানে গির্জা এমন কোনো ব্যক্তির দিকে বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে যে তাদের মতবাদের সত্যতা অস্বীকার করেছে। গির্জায় আপস করার কোনো মনোভাব কোনো পরিবেশ নেই। স্বাভাবিক কারণেই এমন কিছু থাকতে পারে না, কারণ গির্জা দাবি করে যে তারা সম্পূর্ণ সঠিক স্বর্গে যাওয়ার একটাই রাস্তা আছে। এটি শর্তহীন আত্মসমর্পণ দাবি করে। এটি কোনো বিরুদ্ধবাদ সহ্য করবে না। এটি পরম সত্য ধারণ করার দাবি করে। এই কারণগুলোতে এটি ধারাবাহিকভাবে আপস করতে পারে না, ঠিক যেমন কোনো গণিতবিদ এমন কারো সাথে একমত হতে গুণের নামতা পরিবর্তন করতে পারেন না যে অস্বীকার করে যে পাঁচ পাঁচে পঁচিশ হয়।'''
* আমার মনে পড়ে না নিউ টেস্টামেন্টে কোনো একটি বিজ্ঞানের কথাও উল্লেখ আছে। যতদূর আমার মনে পড়ে শিক্ষার বিষয়ে একটি শব্দও নেই কোনো বিজ্ঞান সম্পর্কে কিছু নেই, শিল্পকলা সম্পর্কেও কিছু নেই। '''নিউ টেস্টামেন্টের লেখকরা সম্ভবত মনে করেছিলেন যে পৃথিবীর শেষ ঘনিয়ে এসেছে। এই পৃথিবী সম্পূর্ণভাবে পরকালের জন্য উৎসর্গ করা হবে।''' এই জীবনের বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলার মতো কিছু ছিল না। সব মানুষকে তাৎক্ষণিকভাবে অন্য জীবনের জন্য প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছিল।
* নৈতিকতার সাথে খ্রিষ্টধর্ম যা কিছু যোগ করেছে তার সবই মূল্যহীন এবং অকেজো। কেবল তাই নয় এটি ক্ষতিকরও হয়েছে। নৈতিকতা থেকে খ্রিষ্টধর্মকে সরিয়ে নিন, দেখবেন কেবল প্রয়োজনীয় জিনিসই অবশিষ্ট রয়েছে, কিন্তু খ্রিষ্টধর্ম থেকে নৈতিকতা সরিয়ে নিন, দেখবেন কেবল অকেজো জিনিসগুলোই পড়ে আছে।
* আমরা সবাই জানি যে বাইবেল দাসপ্রথাকে এর সবচেয়ে খারাপ এবং সবচেয়ে নিষ্ঠুর রূপে সমর্থন করে; আর দাসপ্রথা সমর্থনকারী বাইবেলের ওপর প্রতিষ্ঠিত একটি ধর্ম মানব ভ্রাতৃত্ববোধের শিক্ষা দিয়েছে এবং তা প্রতিষ্ঠা করেছে, এমন কথা কীভাবে বলা যেতে পারে তা আমার কল্পনারও অতীত।
* আমি সানন্দে স্বীকার করি যে কিছু শিক্ষার জন্য আমরা খ্রিষ্টধর্মের কাছে ঋণী, এবং কুসংস্কারের অযৌক্তিকতা নিয়ে আলোচনা করার মাধ্যমেই মানব মন বিকশিত হয়েছে। অবশ্যই লক্ষ লক্ষ মানুষ মানসিক ব্যায়াম করার সুযোগ পেয়েছে, এবং এই অযৌক্তিকতা, বৈপরীত্য এবং অসম্ভব জিনিসগুলো পরীক্ষা করার ফলেও তাদের মন কিছুটা প্রসারিত হয়ে থাকতে পারে।
* শত শত বছর ধরে বাইবেলই ছিল মানদণ্ড, এবং বিজ্ঞানে যখনই বাইবেলের বিপরীত কিছু দাবি করা হতো, গির্জা সাথে সাথে সেই বিজ্ঞানীকে নিন্দা করত। আমি স্বীকার করি মানদণ্ড পরিবর্তন হয়েছে, '''এবং যাজকরা এখন খুব ব্যস্ত''', এটা প্রমাণ করার চেষ্টায় নয় যে বিজ্ঞান বাইবেলের সাথে একমত নয়, বরং বাইবেল যে বিজ্ঞানের সাথে একমত তা প্রমাণ করার চেষ্টায়।
* খ্রিষ্টান কালপঞ্জি প্রথম মানুষের বয়স উল্লেখ করে, এবং তারপর বাবা থেকে ছেলে হয়ে বন্যা পর্যন্ত ধারা বর্ণনা করে, এবং বন্যা থেকে খ্রিষ্টের আগমন পর্যন্ত হিসাব দেয়, যা দেখায় যে মানুষ পৃথিবীতে মাত্র ছয় হাজার বছর ধরে আছে। '''এই কালপঞ্জি চরম অযৌক্তিক, এবং আমি বিশ্বাস করি না বিশ্বে এমন কোনো বুদ্ধিমান, সুশিক্ষিত খ্রিষ্টান আছেন যিনি বিষয়টি নিয়ে পড়াশোনা করার পর বলবেন যে খ্রিষ্টান কালপঞ্জি সঠিক।'''
* যদি একজন অসীম ঈশ্বর আমাদের সবাইকে সৃষ্টি করে থাকেন, তবে তিনি ঠিকই জানতেন আমরা কী করব। তিনি যদি আমাদের স্বাধীন ইচ্ছাশক্তি দিয়ে থাকেন তবে তা ফলাফল পরিবর্তন করে না, কারণ তিনি জানতেন আমরা কীভাবে স্বাধীন ইচ্ছা ব্যবহার করব। এখন, তিনি যদি জানতেন যে কোটি কোটি মানুষ প্রতিকার নিতে অস্বীকৃতি জানাবে এবং ফলস্বরূপ অনন্ত যন্ত্রণায় ভুগবে, তবে তাদের সৃষ্টি করলেন কেন? তিনি যদি তাদের ধুলো হিসেবেই রেখে দিতেন তবে পৃথিবীতে অনেক কম দুঃখ-কষ্ট থাকত। একজন ঈশ্বরের ব্যর্থ হওয়ার কী অধিকার আছে? কেন তিনি ধুলোকে একটি সংবেদনশীল প্রাণীতে পরিণত করবেন, যখন তিনি জানতেন যে সেই প্রাণীটি অন্তহীন যন্ত্রণার উত্তরাধিকারী হবে?
* রেভারেন্ড মিস্টার হ্যামিল্টন, কল্পনায় আমার মৃত্যুর যন্ত্রণা উপভোগ করে বলেন: "দুর্দান্ত অহংকারীর হৃদয়ের তন্ত্রীতে মৃত্যুর হিমশীতল আঙুল ছোঁয়ার জন্য বিশ্বকে সর্বোচ্চ কয়েকটা বছর অপেক্ষা করতে দিন, এবং তার মতো যারা তার আগে গেছে তাদের বেশিরভাগই যেমন করেছে, সেও অন্য সুরে গান গাইবে।" এমন একটি বাক্য লেখার প্রেরণা জোগাতে পারে এমন মনোভাবকে আমি কীভাবে বর্ণনা করব? মাননীয় যাজক "তার শত্রুদের ভালোবাসেন", অথচ মৃত্যুর হিমশীতল আঙুল আমার হৃদয়ের তন্ত্রী ছোঁয়ার সময় আমি যে যন্ত্রণা ভোগ করব তার কথা ভেবে তিনি আনন্দে মেতে ওঠেন! অথচ আমি তার কোনো ক্ষতি করিনি।
* গুড সামারিটান কোনো হিব্রু ছিলেন না। তিনি "নির্বাচিত মানুষদের" একজন ছিলেন না। তিনি ছিলেন একজন দরিদ্র, "দুর্দশাগ্রস্ত বিধর্মী", যিনি ওল্ড টেস্টামেন্টের যিহোবা সম্পর্কে কিছুই জানতেন না, এবং যিনি "পরিত্রাণের পরিকল্পনা" সম্পর্কে কখনোই শোনেননি। আর তবুও, খ্রিষ্টের মতে, তিনি লেভিটদের চেয়ে যিহোবার যাজক, যারা "নির্বাচিত মানুষদের" মধ্যে সর্বোচ্চ তাদের চেয়ে অনেক বেশি দানশীল ছিলেন। এই গল্প থেকে এটা কি পুরোপুরি স্পষ্ট নয় যে খ্রিষ্টধর্ম প্রতিষ্ঠার আগে থেকেই বিশ্বে দানশীলতা ছিল?
* ডক্টর বাকলি, যিনি, আমার জানামতে, ধর্মতত্ত্বের একজন ডাক্তার এবং আমার মনে হয় এমন ধর্মতত্ত্বের জন্য একজন ডাক্তারেরই প্রয়োজন...
* === হোয়াই আই অ্যাম অ্যান অ্যাগনস্টিক (১৮৯৬) ===
* তারা জানত যে বহু শতাব্দী আগে ঈশ্বর তাঁর সিংহাসন ছেড়ে একটি শিশু হিসেবে এই দরিদ্র পৃথিবীতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন যেন তিনি মানুষের জন্য কয়েকজনকে বাঁচানোর জন্য মৃত্যুবরণ করে কষ্ট ভোগ করতে পারেন। তারা এটাও জানত যে মানুষের হৃদয় চরমভাবে দুর্নীতিগ্রস্ত ছিল, তাই মানুষ স্বভাবতই অন্যায় ভালোবাসত এবং ঈশ্বরকে সমস্ত শক্তি দিয়ে ঘৃণা করত। একই সাথে তারা জানত যে ঈশ্বর মানুষকে তাঁর নিজস্ব রূপে সৃষ্টি করেছেন এবং তিনি তাঁর কাজে পুরোপুরি সন্তুষ্ট ছিলেন।
* তারা মহাপ্লাবন সম্পর্কে সব জানত জানত যে ঈশ্বর আটজন ছাড়া তাঁর সমস্ত সন্তানদের বৃদ্ধ এবং শিশু নতজানু পিতৃপুরুষ এবং টোলপড়া শিশু যুবক এবং হাসিখুশি কুমারী প্রেমময়ী মা এবং হাসিখুশি শিশু সবাইকে ডুবিয়ে মেরেছিলেন কারণ তাঁর দয়া অনন্তকাল স্থায়ী। তারাও জানত যে তিনি পশু ও পাখিদের ডুবিয়ে মেরেছিলেন যা কিছু হাঁটত, হামাগুড়ি দিত বা উড়ত সবকিছুকে কারণ তাঁর কাজের প্রতি তাঁর ভালোবাসা প্রবল।
* যে যাজকরা এসব পুনর্জাগরণ অনুষ্ঠানে প্রচার করতেন, তারা আন্তরিক ছিলেন। তারা উদ্যোগী ও সৎ ছিলেন। তারা দার্শনিক ছিলেন না। তাদের কাছে বিজ্ঞান ছিল এক অস্পষ্ট ভয়ের নাম এক বিপজ্জনক শত্রু। '''তারা খুব বেশি কিছু জানত না, তবে তারা অনেক বেশি বিশ্বাস করত।''' তাদের কাছে নরক ছিল এক জ্বলন্ত বাস্তবতা তারা ধোঁয়া ও শিখা দেখতে পেত। শয়তান কোনো মিথ ছিল না। সে ছিল একজন বাস্তব ব্যক্তি, ঈশ্বরের একজন প্রতিদ্বন্দ্বী, মানবজাতির শত্রু। তারা ভেবেছিল এই জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো নিজের আত্মাকে বাঁচানো প্রত্যেকের উচিত ইন্দ্রিয়সুখকে প্রতিহত করা ও অবজ্ঞা করা, এবং নতুন জেরুজালেমের সোনালি দরজার দিকে স্থির দৃষ্টি রাখা। '''তারা ভারসাম্যহীন, আবেগপ্রবণ, হিস্টেরিক, ধর্মান্ধ, ঘৃণাপূর্ণ, প্রেমময় এবং উন্মাদ ছিল।''' তারা সত্যিই বিশ্বাস করত যে বাইবেল ঈশ্বরের প্রকৃত বাক্য ভুল বা বৈপরীত্য ছাড়া একটি বই। তারা এর নিষ্ঠুরতাকে ন্যায়বিচার, এর অযৌক্তিকতাকে রহস্য, এর অলৌকিক ঘটনাগুলোকে বাস্তব এবং এর নির্বোধ অংশগুলোকে গভীরভাবে আধ্যাত্মিক বলে মনে করত।
* '''সত্যি কথা হলো অনন্ত শাস্তির প্রতি এই বিশ্বাসই প্রকৃত নির্যাতনকারী হিসেবে কাজ করেছে।''' ...এটি লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবনকে অন্ধকার করে দিয়েছে। এটি দোলনাকেও কফিনের মতো ভয়ংকর করে তুলেছে। এটি জাতিগুলোকে দাস বানিয়েছে এবং অগণিত হাজার মানুষের রক্ত ঝরিয়েছে। এটি সবচেয়ে জ্ঞানী, সাহসী এবং সেরাদের আত্মত্যাগ করতে বাধ্য করেছে। এটি ন্যায়বিচারের ধারণাকে ধ্বংস করেছে, হৃদয় থেকে দয়া দূর করেছে, মানুষকে পিশাচে পরিণত করেছে এবং মস্তিষ্ক থেকে যুক্তি তাড়িয়ে দিয়েছে। বিষাক্ত সাপের মতো এটি প্রতিটি অর্থোডক্স মতবাদে হামাগুড়ি দেয়, কুণ্ডলী পাকায় এবং হিসহিস শব্দ করে। '''এটি মানুষকে চিরন্তন শিকার এবং ঈশ্বরকে চিরন্তন পিশাচে পরিণত করে। এটি এক অসীম ভয়াবহতা। যে গির্জায় এটি শেখানো হয় তা জনজীবনের জন্য একটি অভিশাপ। যে প্রচারক এটি শেখান তিনি মানবজাতির শত্রু। এই খ্রিষ্টান মতবাদের নিচে অসভ্যতা আর নামতে পারে না। এটি চরম বিদ্বেষ, ঘৃণা এবং প্রতিশোধের উদাহরণ। নরকের ভয়াবহতার সাথে এর স্রষ্টা ঈশ্বরের উপস্থিতি ছাড়া আর কিছুই যুক্ত করা সম্ভব নয়।'''
* মিলটনের শেখানো ধর্মতত্ত্ব পিউরিটানদের হৃদয়ের প্রিয় ছিল। এটি নিউ ইংল্যান্ড দ্বারা গৃহীত হয়েছিল, এবং এটি হাজার হাজার মানুষের আত্মাকে বিষাক্ত ও জীবনকে ধ্বংস করেছিল। শেকসপিয়রের প্রতিভাও মিলটনের ধর্মতত্ত্বকে কাব্যিক করতে পারেনি। বিশ্ব সাহিত্যে, '''‘পবিত্র গ্রন্থগুলোর’ বাইরে''', এর চেয়ে নিখুঁত অযৌক্তিক আর কিছুই নেই।
* '''আমরা সবাই সেই সুন্দর স্তোত্রটি জানি যা এই আনন্দদায়ক লাইনটি দিয়ে শুরু হয়: "কবর থেকে শোনো, এক বিষণ্ণ সুর।" শিশুদের জন্য এর চেয়ে উপযুক্ত আর কিছুই হতে পারে না। দোলনা থেকে দেখা যায় এমন জায়গায় কফিন রাখা ভালো। একজন মা যখন তার সন্তানকে দুধ পান করান, তখন তার পায়ের কাছে একটি খোলা কবর থাকা উচিত। এতে শিশুটি গম্ভীর, চিন্তাশীল, ধার্মিক এবং দুঃখী হয়ে উঠবে।'''
* আমি ওল্ড টেস্টামেন্ট ছেড়ে দিয়েছি এর ভুল, এর অযৌক্তিকতা, এর অজ্ঞতা এবং এর নিষ্ঠুরতার কারণে। আমি নিউ টেস্টামেন্ট ছেড়ে দিয়েছি কারণ এটি ওল্ড টেস্টামেন্টের সত্যতা নিশ্চিত করত। আমি এটি ছেড়ে দিয়েছি এর অলৌকিক ঘটনা, এর বৈপরীত্যের কারণে, কারণ খ্রিষ্ট এবং তার শিষ্যরা শয়তানের অস্তিত্বে বিশ্বাস করতেন তাদের সাথে কথা বলতেন, চুক্তি করতেন, মানুষ এবং পশুদের শরীর থেকে তাদের তাড়াতেন। কেবল এইটুকুই যথেষ্ট। আমরা জানি, যদি আমরা কিছু জেনে থাকি, যে শয়তান বলতে কিছুর অস্তিত্ব নেই''' খ্রিষ্ট কখনোই তাদের তাড়াননি, এবং যদি তিনি তা করার ভান করে থাকেন, তবে তিনি হয় অজ্ঞ, অসৎ বা উন্মাদ ছিলেন।''' শয়তান সম্পর্কে এই গল্পগুলো নিউ টেস্টামেন্টের মানবিক, অজ্ঞ উৎপত্তি প্রমাণ করে।
* সমস্ত ধর্মতাত্ত্বিক সমস্ত "বিশেষ সৃষ্টির" বিশ্বাসী মানুষ পুরোপুরি ভুল ছিলেন। ইডেনের বাগান বিলুপ্ত হয়ে গেছে, আদম ও ইভ ধুলোয় মিশে গেছে, সাপ ঘাসে লুকিয়ে পড়েছে, এবং যিহোবা একটি শোচনীয় মিথ হয়ে গেছে।
* যুদ্ধরত একটি পৃথিবীর চেয়ে ভয়ংকর আর কী হতে পারে? প্রতিটি পাতা একটি যুদ্ধক্ষেত্র প্রতিটি ফুল একটি গলগোথা প্রতিটি জলের ফোঁটায় তাড়া করা, ধরা এবং মৃত্যু। গাছের বাকলের নিচে জীবনের জন্য অপেক্ষায় রয়েছে আরেক জীবন। প্রতিটি ঘাসের পাতায় এমন কিছু আছে যা হত্যা করে যা কষ্ট পায়। সবখানেই দুর্বলদের ওপর বেঁচে আছে সবলরা নিকৃষ্টদের ওপর শ্রেষ্ঠরা। সবখানেই দুর্বলরা, নগণ্যরা, সবলদের ওপর বেঁচে আছে নিকৃষ্টরা শ্রেষ্ঠদের ওপর সর্বোচ্চরা সর্বনিম্নদের খাদ্য জীবাণুর জন্য মানুষের আত্মত্যাগ। সর্বত্রই হত্যা। '''সবখানেই ব্যথা, রোগ এবং মৃত্যু যে মৃত্যু বাঁকা শরীর আর সাদা চুলের জন্য অপেক্ষা করে না, বরং শিশু আর সুখী তরুণদের কেড়ে নেয়। যে মৃত্যু অসহায়, টোলপড়া শিশুর কাছ থেকে মাকে কেড়ে নেয় যে মৃত্যু বিশ্বকে দুঃখ আর কান্নায় ভরিয়ে দেয়। অর্থোডক্স খ্রিষ্টানরা কীভাবে এসব ব্যাখ্যা করবে?'''
* '''ধর্মতাত্ত্বিকরা বলেন যে আমরা যাকে খারাপ বলি তা আমাদের উপকারের জন্যই আমরা পাপ ও দুঃখের এই পৃথিবীতে চরিত্র গঠনের জন্য এসেছি। যদি এটি সত্য হয় তবে আমি প্রশ্ন করি শিশু কেন মারা যায়?''' লক্ষ লক্ষ শিশু কয়েকবার শ্বাস নিয়েই মায়ের কোলে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। তাদের চরিত্র গঠনের কোনো সুযোগই দেওয়া হয় না।
* ধরুন আমাদের দেশে এমন একজন লোক আছেন যিনি বাতাস, বৃষ্টি এবং বজ্রপাত নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন, এবং ধরুন আমরা তাকে এসব নিয়ন্ত্রণের জন্যই নির্বাচিত করেছি, আর ধরুন তিনি পুরো রাজ্যগুলোকে শুকিয়ে এবং মরে যেতে দেন, এবং একই সাথে সমুদ্রে বৃষ্টি নষ্ট করেন। ধরুন তিনি বাতাসকে শহর ধ্বংস করার অনুমতি দেন এবং হাজার হাজার নারী-পুরুষকে পিষে আকারহীন করে দেন, এবং বজ্রপাতকে মা ও শিশুদের জীবন কেড়ে নেওয়ার অনুমতি দেন। আমরা কী বলব? '''আমরা এমন একজন অসভ্য মানুষ সম্পর্কে কী ভাবব? আর তবুও, ধর্মতাত্ত্বিকদের মতে, ঈশ্বর ঠিক এই পথই অনুসরণ করেছেন।'''
=== দ্য ট্রুথ (১৮৯৬) ===
* প্রোটেস্ট্যান্টরা বলে যে এটি পড়া, বোঝা এবং এই ওহি বিশ্বাস করা প্রতিটি মানুষের কর্তব্য একজন মানুষের উচিত তার যুক্তি ব্যবহার করা; কিন্তু সে যদি সততার সাথে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছায় যে বাইবেল ঈশ্বরের কোনো ওহি নয়, এবং এই সিদ্ধান্ত নিয়েই মারা যায়, তবে সে চিরকাল যন্ত্রণায় ভুগবে। তারা বলে: "পড়ো," এবং তারপর যোগ করে: "বিশ্বাস করো, নইলে জাহান্নামে যাও।" "বাইবেল তোমার কাছে যতই অযৌক্তিক মনে হোক না কেন, তোমাকে বিশ্বাস করতেই হবে। অলৌকিক ঘটনাগুলো যতই অসম্ভব মনে হোক না কেন, তোমাকে বিশ্বাস করতেই হবে। আইনগুলো যতই নিষ্ঠুর হোক না কেন, তোমার হৃদয়কে অবশ্যই সেগুলো অনুমোদন করতে হবে!" গির্জা একেই বলে চিন্তার স্বাধীনতা। আমরা ঈশ্বরের ভ্রুকুটি ও হুমকির অধীনে বাইবেল পড়ি। আমরা নরকের আলোয় পড়ি।
* মানুষকে যুক্তির মানদণ্ড ত্যাগ করতে বাধ্য করার জন্য গির্জা পুরোপুরি পরকালে অনন্ত যন্ত্রণার হুমকির ওপর নির্ভর করে না, বরং অনন্ত আনন্দের পুরস্কারও তুলে ধরে। যারা বিশ্বাস করে, তাদের জন্য এটি স্বর্গের অন্তহীন পরমানন্দের প্রতিশ্রুতি দেয়। এটি যদি ভয় দেখাতে না পারে, তবে ঘুষ দেবে।
* কিন্তু গির্জা বলে ওঠে: "প্রভু যিশু খ্রিষ্টের ওপর বিশ্বাস রাখো, তবেই তুমি রক্ষা পাবে।" এই বিশ্বাস ছাড়া কোনো মুক্তি নেই। মুক্তি হলো বিশ্বাসের পুরস্কার। বিশ্বাস হলো, এবং চিরকাল হতে হবে, প্রমাণের ফলাফল। প্রতিশ্রুত পুরস্কার কোনো প্রমাণ নয়। এটি কোনো বুদ্ধিবৃত্তিক আলো ছড়ায় না। এটি কোনো সত্য প্রতিষ্ঠা করে না, কোনো আপত্তির উত্তর দেয় না এবং কোনো সন্দেহ দূর করে না। বিশ্বাসের জন্য পুরস্কার দেওয়া কি সৎ কাজ?
* '''যাঁরা বিশ্বাস করবেন তাঁদের পুরস্কৃত করার খ্রিষ্টের প্রতিশ্রুতি হলো একটি ঘুষ।''' এটি প্রমাণের জায়গায় প্রতিশ্রুতি বসানোর একটি চেষ্টা। যে ব্যক্তি বলে যে সে বিশ্বাস করে, এবং কেবল পুরস্কারের আশায় তা করে, সে তার আত্মাকে কলুষিত করে।
* তারা আকাশে একজন দানব একজন প্রভু একজন স্বৈরাচারী বসিয়ে রাখে এবং তাদের সহকর্মীদের দাস বানানোর চেষ্টা করে। তারা ভূমিদাসদের দাসসুলভ গুণাবলি শেখায়। '''তারা পুরুষালি মানুষের সাহসকে ঘৃণা করে। যারা চিন্তা করে, তাদের তারা ঘৃণা করে। তারা প্রতিশোধ নিতে চায়। তারা নরকের কাল্পনিক আগুনে হাত গরম করে।''' আমি তাদের দেখাই যে নরক বলে কিছু নেই এবং তারা তাদের সান্ত্বনা ধ্বংস করার জন্য আমাকে নিন্দা করে।
* কোনো ধর্মতাত্ত্বিক সেমিনারিতে, যদি কোনো অধ্যাপক মতবাদের সাথে অসংগতিপূর্ণ কোনো সত্য খুঁজে পান, তবে তাকে তা গোপন রাখতে হবে, অস্বীকার করতে হবে, অথবা নিজের চাকরি হারাতে হবে। মানসিক সততা একটি অপরাধ, কাপুরুষতা এবং ভণ্ডামি হলো পুণ্য।
* তারা জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের এমনভাবে আক্রমণ করত যেন তারা অপরাধী ভূতত্ত্ববিদদের আক্রমণ করত যেন তারা আততায়ী। তারা চিকিৎসকদের ঈশ্বরের শত্রু বলে মনে করত এমন মানুষ যারা ঈশ্বরের ইচ্ছা ব্যর্থ করার চেষ্টা করছিল। জীববিজ্ঞানী, নৃবিজ্ঞানী, প্রত্নতত্ত্ববিদ, প্রাচীন শিলালিপি পাঠকারী, চাপা পড়া শহর খননকারীরা সবাই ধর্মতাত্ত্বিকদের ঘৃণার পাত্র ছিলেন। তাদের ভয় ছিল এই মানুষগুলো বাইবেলের সাথে অসংগতিপূর্ণ কোনো কিছু খুঁজে পেতে পারে।
* '''ধর্মতাত্ত্বিকরা দাবির ওপর নির্ভর করেন। তাদের কাছে কোনো প্রমাণ নেই। তারা দাবি করেন যে তাদের অনুপ্রাণিত বই যুক্তির ঊর্ধ্বে এবং প্রমাণের ওপর নির্ভরশীল নয়। তারা সম্ভাবনা উপমা অনুমান নিয়ে কথা বলেন কিন্তু তারা কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করেন না। তারা বলেন তারা জানেন যে খ্রিষ্ট বেঁচে ছিলেন, ঠিক যেমন তারা জানেন যে সিজার বেঁচে ছিলেন। তারা হয়তো যোগ করতে পারেন যে তারা জানেন মোশি সিনাই পর্বতে যিহোবার সাথে কথা বলেছিলেন ঠিক যেমন তারা জানেন ব্রিগহাম ইয়াং উটায় ঈশ্বরের সাথে কথা বলেছিলেন। উভয় ক্ষেত্রেই প্রমাণ একই, কোনোটিতেই কোনো প্রমাণ নেই। তারা কীভাবে প্রমাণ করেন যে খ্রিষ্ট মৃতদের মধ্য থেকে পুনরুত্থিত হয়েছিলেন? তারা বইয়ে একটি বর্ণনা পান। বইটি কে লিখেছে? তারা তা জানেন না। এটা কেমন প্রমাণ? কোনো প্রমাণ নয়, যদি না বইয়ে লেখা সব কথা সত্য হয়।'''
* যাজক যখন সেমিনারি ত্যাগ করেন, '''তখন তিনি সত্যের খোঁজ করেন না। সত্য তার কাছে আছে'''। তার কাছে ঈশ্বরের তরফ থেকে আসা ওহি রয়েছে, এবং সেই ওহির সাথে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি মতবাদ তার কাছে আছে। তার কাজ হলো সেই ওহির পাশে দাঁড়ানো এবং সেই মতবাদকে রক্ষা করা। ওহি ও মতবাদের বিরুদ্ধে কোনো যুক্তি তিনি পড়বেন না, শুনবেন না। তার ধর্মের বিরুদ্ধে যাওয়া সমস্ত সত্য তিনি অস্বীকার করবেন।
* '''তাই, যাজকরা বলেন যে তারা দানশীলতা শেখান। এটা স্বাভাবিক। তারা ভিক্ষে করে বেঁচে থাকেন। সব ভিক্ষুকই শেখায় যে অন্যদের দান করা উচিত।'''
* তারা আনন্দের শত্রু। তারা নাচকে অন্যতম মারাত্মক পাপ হিসেবে নিন্দা করেন। তারা ওয়াল্টজের দুষ্টামি পোলকার দূষণ দেখে হতবাক হন। তারা থিয়েটারের শত্রু। '''তারা অভিনেতা-অভিনেত্রীদের বদনাম করেন। তারা তাদের ঘৃণা করেন কারণ তারা প্রতিদ্বন্দ্বী।'''
* তারা জোর দিয়ে বলেন যে ঈশ্বরের গৌরবের জন্য, স্বামী-স্ত্রী একে অপরকে ঘৃণা করলেও তাদের একসাথে থাকতে বাধ্য করা উচিত। তারা সমস্ত কল্পকাহিনি ঘৃণা করেন এবং বাইবেল ভালোবাসেন।
* এই মানুষগুলো বিজ্ঞানের বুদ্ধিবৃত্তিক অগ্রগতির শত্রু। তারা মহান চিন্তাবিদদের নিয়ে উপহাস করেন এবং বদনাম করেন। "পবিত্র শাস্ত্রের" সাথে সাংঘর্ষিক সবকিছু তারা অস্বীকার করেন। তারা এখনও জোশুয়ার জ্যোতির্বিজ্ঞান এবং মোশির ভূতত্ত্বে বিশ্বাস করেন। '''তারা অতীতের অলৌকিক ঘটনাগুলোতে বিশ্বাস করেন এবং বর্তমানের প্রমাণগুলো অস্বীকার করেন'''। তারা সত্যের শত্রু জ্ঞানের শত্রু। এই পৃথিবীতে সুখী হওয়ার আকাঙ্ক্ষাকে তারা দুষ্ট ও জাগতিক মনে করেন কিন্তু পরকালে সুখী হওয়ার আকাঙ্ক্ষাকে পুণ্যবান ও আধ্যাত্মিক মনে করেন।
* '''প্রতিটি অর্থোডক্স গির্জাই ভুল এবং মিথ্যার ওপর প্রতিষ্ঠিত। প্রতিটি ভালো অর্থোডক্স যাজক যা জানেন না তা দাবি করেন এবং যা জানেন তা অস্বীকার করেন।'''
* খ্রিষ্টানের ঈশ্বর হলেন একজন সিংহাসনে বসা অনুমান একটি হয়তো একটি ধারণা।
=== আ থ্যাংকসগিভিং সারমন (১৮৯৭) ===
* খ্রিষ্ট বা তাঁর কোনো প্রেরিত কি দরকারি জ্ঞানের ভাণ্ডারে কিছু যোগ করেছিলেন? তারা কি কোনো বিজ্ঞান, কোনো শিল্পকলার পক্ষে একটি কথাও বলেছিলেন? তারা কি তাদের সহকর্মীদের শিখিয়েছিলেন কীভাবে জীবিকা নির্বাহ করতে হয়, কীভাবে প্রকৃতির বাধা অতিক্রম করতে হয়, কীভাবে রোগ প্রতিরোধ করতে হয় কীভাবে নিজেদের ব্যথা, দুর্ভিক্ষ, দুর্দশা এবং ছেঁড়া কাপড় থেকে রক্ষা করতে হয়? '''তারা কি প্রকৃতির কোনো ঘটনার ব্যাখ্যা দিয়েছিলেন?''' মানুষের জীবনকে প্রভাবিত করে এমন কোনো সত্যের? তারা কি তদন্ত অধ্যয়ন চিন্তার পক্ষে কিছু বলেছিলেন? তারা কি আত্মনির্ভরশীলতা, শিল্প সৎ প্রচেষ্টার সুসমাচার শিখিয়েছিলেন? '''কোনো কৃষক, মেকানিক বা বিজ্ঞানী কি নিউ টেস্টামেন্টে একটি দরকারী তথ্যও খুঁজে পেতে পারেন?''' পবিত্র বইটিতে এমন কিছু আছে কি যা ভূতত্ত্ববিদ, জ্যোতির্বিজ্ঞানী, জীববিজ্ঞানী, চিকিৎসক, উদ্ভাবক যেকোনো দরকারী জিনিসের নির্মাতাকে সাহায্য করতে পারে?
* '''এটি শিখিয়েছিল যে এই জীবনের মূল কাজ হলো মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত হওয়া।''' এটি জোর দিয়েছিল যে মুক্তির জন্য একটি নির্দিষ্ট বিশ্বাস প্রয়োজন, এবং যারা বিশ্বাস করতে ব্যর্থ হবে, বা সামান্য সন্দেহ করবে তারা অনন্ত যন্ত্রণায় ভুগবে। গির্জার মতে, মানুষের স্বাভাবিক ইচ্ছা, উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং আবেগ সবই দুষ্ট এবং দুর্নীতিগ্রস্ত ছিল। ঈশ্বরকে ভালোবাসা, আত্মত্যাগ চর্চা করা, ইচ্ছা দমন করা, সম্পদ তুচ্ছ করা, সমৃদ্ধি ঘৃণা করা, স্ত্রী ও সন্তানদের ত্যাগ করা, শিকড় ও বেরি খেয়ে বেঁচে থাকা, প্রার্থনা জপ করা, ছেঁড়া কাপড় পরা, নোংরায় বাস করা এবং হৃদয় থেকে ভালোবাসা তাড়িয়ে দেওয়া বহু শতাব্দী ধরে এগুলো ছিল সর্বোচ্চ এবং সবচেয়ে নিখুঁত পুণ্য, এবং যারা এগুলো চর্চা করত তারা ছিল সাধু। সাধুরা তাদের সহকর্মীদের সাহায্য করতেন না। সহকর্মীরাই তাদের সাহায্য করত। '''তারা অন্যদের জন্য শ্রম দিতেন না। তারা ছিল ভিক্ষুক পরজীবী কীট। তারা উন্মাদ ছিল। তারা খ্রিষ্টের শিক্ষা অনুসরণ করেছিল। তারা আগামীকালের জন্য কোনো চিন্তা করত না। তারা অন্য জগতে সুখী হওয়ার জন্য নিজেদের শরীর ছিন্নভিন্ন করেছিল নিজেদের শরীর ক্ষতবিক্ষত করেছিল এবং নিজেদের মন ধ্বংস করেছিল। জীবনের যাত্রাপথে তারা তাদের দৃষ্টি কবরের দিকেই রেখেছিল।'''
* রোগ শয়তানের কারণে হতো এবং কেবল যাজক, পচে যাওয়া হাড় এবং পবিত্র জল দিয়েই তা নিরাময় করা যেত। ডাক্তাররা ছিলেন যাজকদের প্রতিদ্বন্দ্বী। তারা রাজস্ব অন্যদিকে ঘুরিয়ে দিতেন। গির্জা শারীরবিদ্যার অধ্যয়নের বিরোধিতা করেছিল মৃতদেহ ব্যবচ্ছেদের বিরুদ্ধে ছিল। রোগ নিরাময়ের কোনো অধিকার মানুষের ছিল না ঈশ্বর তাঁর যাজকদের মাধ্যমেই তা করবেন। রোগ প্রতিরোধের কোনো অধিকার মানুষের ছিল না রোগগুলো ঈশ্বরের বিচার হিসেবে পাঠানো হতো। গির্জা ইনোকুলেশন টিকাদান এবং ক্লোরোফর্ম ও ইথারের ব্যবহারের বিরোধিতা করেছিল। এটি ঘোষণা করা হয়েছিল যে একজন নারীর পক্ষে মাতৃত্বের যন্ত্রণা কমানো পাপ, অপরাধ। গির্জা ঘোষণা করেছিল যে নারীকে দয়াময় যিহোবার অভিশাপ বহন করতেই হবে। গির্জা কী করেছে? '''এটি শিখিয়েছিল যে উন্মাদদের মধ্যে শয়তান বাস করত। উন্মাদনা কোনো রোগ ছিল না। এটি ভূত দ্বারা সৃষ্ট। এটি প্রার্থনা দিয়ে সারানো যেত''' উপহার, তাবিজ এবং মন্ত্র দিয়ে। এগুলোর সবকিছুর জন্যই টাকা দিতে হতো। এটি গির্জাকে সমৃদ্ধ করেছিল। এই ধারণাগুলো কেবল ক্যাথলিকরাই নয়, প্রোটেস্ট্যান্টরাও সততার সাথে লালন করত লুথার, ক্যালভিন, নক্স এবং ওয়েসলি।
* এটি ডাইনিবিদ্যার ভয়ংকর মতবাদ শিখিয়েছিল। এটি অন্ধকারকে ভূতে বাতাসে শয়তানে এবং পৃথিবীটিকে দুঃখ ও লজ্জায় ভরিয়ে দিয়েছিল। এটি পুরুষ, নারী এবং শিশুদের তাদের সহকর্মীদের ক্ষতি করার জন্য শয়তানের সাথে জোট বাঁধার অভিযোগে অভিযুক্ত করেছিল। সমুদ্রে ঝড় তোলা বৃষ্টি থামানো এবং তুষারপাত আনার জন্য বৃদ্ধ নারীদের দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল। নিজেদের নেকড়ে, সাপ এবং ব্যাঙে পরিণত করার জন্য মেয়েদের দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল। রোগ ছড়ানোর জন্য নিজেদের আত্মা বিক্রি করার জন্য এবং বিয়ার টক করার জন্য এই ডাইনিদের পোড়ানো হয়েছিল। এই সব কাজ করা হয়েছিল শয়তানের সাহায্যে যে ঈশ্বরের মেষশাবক, বিশ্বাসীদের নির্যাতন করতে চেয়েছিল। '''শয়তান অনেকভাবেই গির্জাকে কলঙ্কিত করার চেষ্টা করেছিল। সে কখনো কখনো যাজকের রূপ ধরে অপরাধ করত।'''
* '''গির্জা কী করেছে? এটি স্ত্রীকে দাস বানিয়েছিল স্বামীর সম্পত্তি, এবং এটি স্বামীকে স্ত্রীর চেয়ে ঠিক ততটাই উঁচুতে স্থান দিয়েছিল যতটা উঁচুতে খ্রিষ্ট স্বামীর চেয়ে ছিলেন। এটি শিখিয়েছিল যে একজন সন্ন্যাসিনী একজন মায়ের চেয়ে বিশুদ্ধ, মহৎ। এটি লক্ষ লক্ষ পবিত্র এবং বিবেকবান মেয়েকে জীবনের আনন্দ ত্যাগ করতে রাতের ও মৃত্যুর বোনা ঘোমটা পরতে, মৃতদের পোশাক পরতে বাধ্য করেছিল তাদের বিশ্বাস করতে বাধ্য করেছিল যে তারা খ্রিষ্টের কনে। আমার দিক থেকে বলতে গেলে, আঠারোশো বছর ধরে মৃত একজন মানুষের কনে হওয়ার চেয়ে আমি বিধবা হতেই বেশি পছন্দ করব। সেই হতভাগা প্রতারিত মেয়েরা কল্পনা করত যে তারা কোনো এক রহস্যময় উপায়ে ঈশ্বরের সাথে আধ্যাত্মিক বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ। সব পার্থিব আকাঙ্ক্ষা তাদের হৃদয় থেকে দূর করা হয়েছিল। তারা উপবাস প্রার্থনা আত্ম-দোষারোপ দিয়ে তাদের জীবন ভরিয়ে দিয়েছিল। তারা বাবা-মাকে ভুলে গিয়ে অদৃশ্যকে তাদের ভালোবাসা দিয়েছিল। তারা ছিল কুসংস্কারের শিকার, কয়েদি ঈশ্বরের কারাগারের বন্দি। বিবেকবান, ভালো, সৎ উন্মাদ। এই প্রেমময় নারীরা তাদের হৃদয় দিয়েছিল এক কল্পমূর্তিকে, তাদের জীবন দিয়েছিল এক স্বপ্নকে।'''
* যাজকরা, ধর্মতাত্ত্বিকরা নারীদের তাদের ভদ্রতার তাদের প্রশংসা পাওয়ার ভালোবাসার সুযোগ নিয়েছেন। তারা তাদের আশা ও ভয়ের ওপর বেঁচে থেকেছেন। ভ্যাম্পায়ারের মতো তারা তাদের রক্ত শুষে খেয়েছেন। তারা তাদের বিশ্বের পাপের জন্য দায়ী করেছেন। তারা তাদের দাসসুলভ গুণাবলি শিখিয়েছেন নম্রতা, বিনয় অন্ধ আনুগত্য। তারা তাদের মনকে ভুল, রহস্য এবং অযৌক্তিকতা দিয়ে খাইয়েছেন। তারা তাদের মস্তিষ্ককে দুর্বল ও সংকুচিত করার চেষ্টা করেছেন, যতক্ষণ না তাদের কাছে প্রমাণ ও বিশ্বাসের মধ্যে ঘটনা ও আস্থার মধ্যে কোনো সম্ভাব্য সংযোগ না থাকে।
* গির্জা মহামারিগুলোকে ভালো ঈশ্বরের বার্তাবাহক হিসেবে বিবেচনা করত। '''"ব্ল্যাক ডেথ" অনন্ত পিতার দ্বারাই পাঠানো হয়েছিল, যাঁর দয়া কিছু মানুষকে বাঁচিয়েছিল এবং যাঁর ন্যায়বিচার বাকিদের হত্যা করেছিল।''' এই অভিশাপ থামাতে, তারা হাঁটু গেড়ে এবং মাথা নত করে মিছিল এবং প্রার্থনা করে ধূপ জ্বালিয়ে এবং মানত করে ঈশ্বরের মন গলানোর চেষ্টা করেছিল। ''তারা কারণটি দূর করার চেষ্টা করেনি। কারণটি ছিলেন স্বয়ং ঈশ্বর।'' তারা বিশুদ্ধ জল চায়নি, চেয়েছিল পবিত্র জল। বিশ্বাস ও ময়লা একসাথে বেঁচে ছিল বা বরং মারা গিয়েছিল। ধর্ম ও ছেঁড়া কাপড়, ধার্মিকতা ও দূষণ একে অপরের সঙ্গী ছিল। পবিত্রতা তার দুর্গন্ধ ধরে রেখেছিল।
* আমরা জানি যে তারা লক্ষ লক্ষ মানুষকে বিশ্বাস করিয়েছিল যে ব্রহ্মচর্য হলো সবচেয়ে বড় পুণ্য নারীরা হলো চিরন্তন প্রলোভন, প্রকৃত পবিত্রতার শত্রু সন্ন্যাসী ও যাজকরা বাবাদের চেয়ে মহৎ, সন্ন্যাসিনীরা মায়েদের চেয়ে বিশুদ্ধ। আমরা জানি যে তারা ট্রিনিটির পবিত্র অযৌক্তিকতা শিখিয়েছিল যে ঈশ্বর একসময় ফিলিস্তিনে ছুতারের কাজ করতেন। আমরা জানি যে তারা জ্ঞানকে পবিত্র এবং অপবিত্র এই দুই ভাগে ভাগ করেছিল শিখিয়েছিল যে ওহি হলো পবিত্র আর যুক্তি হলো ঈশ্বরনিন্দা বিশ্বাস হলো পবিত্র এবং সত্য হলো মিথ্যা।
* তারা ভেবেছিল পৃথিবীটা সমতল অনেকটা থালার মতো যার বয়স প্রায় পাঁচ হাজার বছর, এবং তারাগুলো হলো রাতের সৌন্দর্য বাড়ানোর জন্য তৈরি ছোট ছোট আলোর স্ফুলিঙ্গ। '''আসল কথা হলো খ্রিষ্টান বিশ্বে কোনো জ্যোতির্বিজ্ঞানী আসার পনেরোশো বছর আগে থেকেই খ্রিষ্টধর্ম বিদ্যমান ছিল'''। খ্রিষ্টের কোনো অনুসারী পৃথিবীর আকার জানতেন না।
* আমি সেই মহান বিজ্ঞানীদের ধন্যবাদ জানাই যারা ভিত্তিমূলে পৌঁছাতে পেরেছেন, সবচেয়ে নিচু পাথরে যারা সত্যের ওপর ভিত্তি করে গড়ে তুলেছেন সেই মহান বিজ্ঞানীরা, যাদের উপস্থিতিতে ধর্মতাত্ত্বিকদের নির্বোধ মনে হয় এবং যারা বিদ্বেষ অনুভব করে। '''বিজ্ঞানীরা কখনোই তাদের সহকর্মীদের নির্যাতন করেননি, কারাবন্দি করেননি।''' তারা কোনো শিকল তৈরি করেননি, কোনো অন্ধকূপ নির্মাণ করেননি, কোনো ফাঁসির মঞ্চ তৈরি করেননি লাল গরম চিমটা দিয়ে কোনো মাংস ছিঁড়ে নেননি যাতাকলে কোনো হাড় ভাঙেননি লোহার জুতায় কোনো হাড় গুঁড়ো করেননি চোখ উপড়ে ফেলেননি জিভ ছিঁড়ে নেননি এবং কোনো আগুন জ্বালাননি। তারা অনুপ্রাণিত হওয়ার ভান করেননি নবী বা সাধু হওয়ার দাবি করেননি বা পুনর্জন্ম নেওয়ার দাবিও করেননি। তারা কেবল বুদ্ধিমান এবং সৎ মানুষ ছিলেন। তারা বলপ্রয়োগ বা ভয়ের আশ্রয় নেননি। '''তারা মানুষদের নির্যাতন, চাবুক এবং শিকল দিয়ে শাসন করার মতো দাস মনে করেননি, বা শিশুদের মতো বোকা বানানোর জন্য বিভ্রম, বোকা মতবাদের দোলনায় দোলানোর জন্য এবং মিথ্যার ঘুমপাড়ানি গান দিয়ে শান্ত করার মতো কিছু ভাবেননি।''' তারা কাউকে আহত করেননি তারা নিরাময় করেছেন। তারা কাউকে হত্যা করেননি তারা জীবন দীর্ঘায়িত করেছেন। তারা কাউকে দাস বানাননি তারা শিকল ভেঙেছেন এবং মানুষকে স্বাধীন করেছেন। তারা জ্ঞানের বীজ বপন করেছিলেন, এবং লক্ষ লক্ষ মানুষ সেই ফসল ঘরে তুলেছে, তুলছে এবং ভবিষ্যতেও তুলবে।
=== দ্য চিলড্রেন অফ দ্য স্টেজ (১৮৯৯)===
:<small>[http://www.infidels.org/library/historical/robert_ingersoll/stage_children.html অনলাইনে সম্পূর্ণ পাঠ্য]</small>
* '''যে [[হাত]]গুলো [[সাহায্য]] করে তা প্রার্থনা করা ঠোঁটের চেয়েও পবিত্র।'''
== হোয়াট উড ইউ সাবস্টিটিউট ফর দ্য বাইবেল অ্যাজ আ মোরাল গাইড? (১৯০০) ===
[[File:Sacrifice of Isaac-Caravaggio (Uffizi).jpg |thumb|right|বাইবেলে অনেক [[ভালো]] উপদেশ, অনেক জ্ঞানী কথা এবং অনেক ভালো নিয়ম ও আইন রয়েছে, এবং এগুলো মিশে আছে খারাপ উপদেশ, বোকা কথা, [[অযৌক্তিক]] [[নিয়ম]]গুলো ও নিষ্ঠুর [[আইন]]গুলোর সাথে।]]
[[File:Tissot The Brazen Serpent.jpg|thumb|right|আমাদের অবশ্যই মনে রাখতে হবে যে বাইবেল হলো বহু শতাব্দী ব্যবধানে লেখা অনেকগুলো বইয়ের একটি সংকলন, এবং এটি আংশিকভাবে একটি [[জাতি]]র বিকাশ তুলে ধরে এবং আংশিকভাবে তাদের [[ইতিহাস]] বর্ণনা করে।]]
:<small> ''দ্য বোস্টন ইনভেস্টিগেটরে''র জন্য লেখা (অজানা তারিখ), এছাড়াও প্রকাশিত [http://books.google.com/books?id=3g4EAAAAYAAJ& ''দ্য ওয়ার্কস অফ রবার্ট জি. ইঙ্গারসোল'', ভলিউম ১১ : ''মিসেলেনি'' (১৯০০)], পৃষ্ঠা ৫৩৭ - [http://www.mgvnet.com/troglodyte/ingersoll/substitute_bible.html অনলাইনে সম্পূর্ণ প্রবন্ধ] </small>
[[File:Merson Rest on the Flight into Egypt.jpg|thumb|right|আমরা মানবজাতির অভিজ্ঞতা, মানবজাতির প্রকৃত ইতিহাস চাই। আমরা বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশের ইতিহাস, নৈতিকতার বিকাশ, [[ন্যায়বিচার]]এর ধারণা, [[বিবেক]], [[দানশীলতা]]র এবং আত্মত্যাগের ইতিহাস চাই। মানুষের [[মন]] যে পথ ও রাস্তাগুলো দিয়ে হেঁটেছে তা আমরা জানতে চাই।]]
* আপনি আমাকে জিজ্ঞাসা করেছেন "একটি নৈতিক পথপ্রদর্শক হিসেবে বাইবেলের পরিবর্তে আমি কী বিকল্প দেব।" আমি জানি অনেকেই বাইবেলকে একমাত্র নৈতিক পথপ্রদর্শক হিসেবে বিবেচনা করে এবং বিশ্বাস করে যে কেবল সেই বইটিতেই নৈতিকতার প্রকৃত ও নিখুঁত মানদণ্ড পাওয়া যায়। '''বাইবেলে অনেক [[ভালো]] উপদেশ, অনেক জ্ঞানী কথা এবং অনেক ভালো নিয়ম ও আইন রয়েছে, এবং এগুলো মিশে আছে খারাপ উপদেশ, বোকা কথা, অযৌক্তিক নিয়ম ও নিষ্ঠুর আইনের সাথে। <br> কিন্তু আমাদের অবশ্যই মনে রাখতে হবে যে বাইবেল হলো বহু শতাব্দী ব্যবধানে লেখা অনেকগুলো বইয়ের একটি সংকলন, এবং এটি আংশিকভাবে একটি জাতির বিকাশ তুলে ধরে এবং আংশিকভাবে তাদের ইতিহাস বর্ণনা করে।''' আমাদের এটাও মনে রাখতে হবে যে লেখকরা অনেক বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন। এই লেখকদের অনেকেরই সঠিক বা ভুল, পাপ বা পুণ্য সম্পর্কে কিছু বলার ছিল না।
* [[বুক অফ জব|জবের]] গল্প যেকোনো ভালো মানুষের হৃদয়কে নাড়া দেয়। এই বইটিতে কিছু কবিতা, কিছু করুণ রস এবং কিছু দর্শন রয়েছে, তবে জব নামের এই নাটকের গল্পটি চরম মাত্রায় হৃদয়হীন। ঈশ্বর এবং শয়তানের মধ্যে একটি ছোট বাজি নিষ্পত্তির জন্য জবের সন্তানদের হত্যা করা হয়। পরবর্তীতে, জব অবিচল থাকায়, নিহত সন্তানদের পরিবর্তে অন্য সন্তানদের দেওয়া হয়। তবে, নিহত হওয়া সন্তানদের জন্য কিছুই করা হয়নি।
* সব মিলিয়ে, ওল্ড টেস্টামেন্টকে একটি নৈতিক পথপ্রদর্শক হিসেবে বিবেচনা করা যায় না। [[যিহোবা]] কোনো নৈতিক ঈশ্বর ছিলেন না। তাঁর মধ্যে সমস্ত দোষ ছিল, এবং সমস্ত গুণের অভাব ছিল। তিনি সাধারণত তাঁর হুমকিগুলো বাস্তবায়ন করতেন, কিন্তু তিনি কখনোই সততার সাথে কোনো প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেননি। একই সাথে, আমাদের অবশ্যই মনে রাখতে হবে যে ওল্ড টেস্টামেন্ট একটি স্বাভাবিক উৎপাদন, এটি এমন সব অসভ্য মানুষের দ্বারা লেখা হয়েছিল যারা ধীরে ধীরে আলোর দিকে হামাগুড়ি দিচ্ছিল। তাদের বলা মহৎ কথাগুলোর জন্য আমাদের অবশ্যই তাদের কৃতিত্ব দিতে হবে, এবং আমাদের এতটা দয়ালু হতে হবে যেন তাদের দোষ এমনকি তাদের অপরাধগুলোও ক্ষমা করে দিতে পারি।
* আমি স্বীকার করি যে নিউ টেস্টামেন্টে অনেক ভালো জিনিস রয়েছে, এবং যদি আমরা সেই বইটি থেকে অনন্ত যন্ত্রণার, অসীম প্রতিশোধের, প্রায়শ্চিত্তের, নরবলির, রক্ত ঝরানোর প্রয়োজনীয়তার মতবাদগুলো বাদ দিই; যদি আমরা প্রতিরোধ না করার মতবাদ, শত্রুদের ভালোবাসার মতবাদ, এই ধারণা যে সমৃদ্ধি আসে পাপ থেকে, দারিদ্র্য হলো স্বর্গের প্রস্তুতি এসব ছুড়ে ফেলে দিই এবং আচরণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য কেবল ভালো, বিবেকসম্পন্ন অংশগুলো নিই, তবে আমরা একটি মোটামুটি ভালো নৈতিক পথপ্রদর্শক তৈরি করতে পারি সংকীর্ণ, কিন্তু নৈতিক। <br> অবশ্য, অনেক গুরুত্বপূর্ণ জিনিস বাদ পড়ে যাবে। আপনার কাছে মানবাধিকার নিয়ে কিছু থাকবে না, পরিবারের পক্ষে কিছু থাকবে না, শিক্ষার জন্য কিছু থাকবে না, তদন্তের জন্য, চিন্তা ও যুক্তির জন্য কিছুই থাকবে না, তবে তারপরও আপনি একটি মোটামুটি ভালো নৈতিক পথপ্রদর্শক পাবেন। অন্যদিকে, আপনি যদি বোকা অংশগুলো, চরম অংশগুলো নেন, তবে আপনি এমন একটি মতবাদ তৈরি করতে পারেন যা একটি পাগলা গারদকে সন্তুষ্ট করবে। '''যদি আপনি নিষ্ঠুর অংশগুলো নেন, সেই পদগুলো যা চিরন্তন ঘৃণা শেখায়, সেই পদগুলো যা সাপের মতো কুণ্ডলী পাকায় ও হিসহিস করে, তবে আপনি এমন একটি মতবাদ তৈরি করতে পারেন যা একটি হায়েনার হৃদয়কেও নাড়া দেবে।''' এমন হতে পারে যে কোনো বইতেই নিউ টেস্টামেন্টের চেয়ে ভালো কোনো অংশ নেই, তবে নিশ্চিতভাবে কোনো বইতেই এর চেয়ে খারাপ অংশও নেই। ভালোবাসার ফুলের নিচে আপনি পাবেন ঘৃণার কাঁটা; যে ঠোঁট চুম্বন করে, সেখানে আপনি পাবেন কোবরার বিষ। বাইবেল কোনো নৈতিক পথপ্রদর্শক নয়। যে কোনো মানুষ বিশ্বস্ততার সাথে এর সমস্ত শিক্ষা অনুসরণ করে সে সমাজের শত্রু এবং সম্ভবত তার শেষ দিনগুলো একটি কারাগার বা পাগলা গারদে কাটাবে।
* '''তাহলে নৈতিক পথপ্রদর্শক কী, বা কাকে বলা যেতে পারে? সবচেয়ে ছোট সম্ভাব্য উত্তর হলো একটি শব্দ: বুদ্ধিমত্তা।''' আমরা মানবজাতির অভিজ্ঞতা, মানবজাতির প্রকৃত ইতিহাস চাই। আমরা বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশের ইতিহাস, নৈতিকতার বিকাশ, ন্যায়বিচারের ধারণা, বিবেক, দানশীলতা এবং আত্মত্যাগের ইতিহাস চাই। মানুষের মন যে পথ ও রাস্তাগুলো দিয়ে হেঁটেছে তা আমরা জানতে চাই। সাধারণভাবে এই তথ্যগুলো, রূপরেখায় থাকা এই ইতিহাসগুলো, পৌঁছানো ফলাফলগুলো, তৈরি করা সিদ্ধান্তগুলো, বিকশিত হওয়া নীতিগুলো, একত্রে মিলে সম্ভাব্য সেরা নৈতিক পথপ্রদর্শক তৈরি করতে পারে। আমরা "অনুপ্রাণিত বই" বা বিশ্বের ধর্মগুলোর ওপর নির্ভর করতে পারি না। এই ধর্মগুলো অতিপ্রাকৃতের ওপর ভিত্তি করে তৈরি, এবং সেগুলোর মতে আমরা কোনো অতিপ্রাকৃত সত্তা বা সত্তাদের উপাসনা ও আনুগত্য করতে বাধ্য। '''এই সমস্ত ধর্ম বুদ্ধিবৃত্তিক স্বাধীনতার সাথে অসংগতিপূর্ণ। এগুলো চিন্তা, তদন্ত এবং মানসিক সততার শত্রু। এগুলো মানুষের পুরুষত্ব নষ্ট করে। এগুলো বিশ্বাস, বিশ্বাসপ্রবণতা, এবং তারা যাকে আস্থা বলে তার জন্য অনন্ত পুরস্কারের প্রতিশ্রুতি দেয়। এটি কেবল অযৌক্তিকই নয়, বরং এটি অনৈতিকও।'''
* '''এই ধর্মগুলো দাসসুলভ গুণাবলি শেখায়। এগুলো নির্জীব জিনিসগুলোকে পবিত্র, এবং মিথ্যাকে অলঙ্ঘনীয় করে তোলে। এগুলো কৃত্রিম অপরাধ তৈরি করে।''' শুক্রবারে মাংস খাওয়া, রোববারে আনন্দ করা, উপবাসের দিনে খাওয়া, লেন্টের সময় খুশি থাকা, একজন যাজকের সাথে তর্ক করা, প্রমাণ চাওয়া, কোনো মতবাদ অস্বীকার করা, নিজের সৎ মতামত প্রকাশ করা এসব কাজই হলো পাপ, কোনো ঈশ্বরের বিরুদ্ধে অপরাধ। [[যিহোবা]], [[মুহাম্মদ]] বা [[যিশু|খ্রিষ্ট]] সম্পর্কে নিজের সৎ মতামত দেওয়া আপনার প্রতিবেশীকে বিদ্বেষপূর্ণভাবে অপবাদ দেওয়ার চেয়ে অনেক বেশি খারাপ। অলৌকিক ঘটনা নিয়ে প্রশ্ন তোলা বা সন্দেহ করা জানা তথ্য অস্বীকার করার চেয়ে অনেক বেশি খারাপ। কেবল বাধ্য, বিশ্বাসপ্রবণ, চাটুকার, নতজানু, নম্র, প্রশ্ন না করা এবং প্রকৃত বিশ্বাসীদেরই নৈতিক, পুণ্যবান হিসেবে গণ্য করা হয়। কেবল সৎ, উদার এবং দরকারী হওয়াই যথেষ্ট নয়; প্রমাণ ও তথ্য দ্বারা পরিচালিত হওয়াই যথেষ্ট নয়। এর পাশাপাশি, আপনাকে অবশ্যই বিশ্বাস করতে হবে। '''এগুলো নৈতিকতার শত্রু। এগুলো পুণ্য সম্পর্কে সমস্ত স্বাভাবিক ধারণাকে ধ্বংস করে দেয়।'''
* '''সমস্ত "অনুপ্রাণিত বই" যা শেখায় যে অতিপ্রাকৃত যা আদেশ করে তা-ই সঠিক, এবং সঠিক কারণ তা আদেশ করা হয়েছে, এবং অতিপ্রাকৃত যা নিষেধ করে তা-ই ভুল, এবং ভুল কারণ তা নিষেধ করা হয়েছে এগুলো চরমভাবে অদার্শনিক।''' এবং সমস্ত "অনুপ্রাণিত বই" যা শেখায় যে কেবল তারাই যারা অতিপ্রাকৃতের আদেশ অমান্য করে না তারা সত্যই পুণ্যবান, বা হতে পারে, এবং প্রশ্নহীন বিশ্বাস অনন্ত আনন্দ দিয়ে পুরস্কৃত হবে এগুলো চরমভাবে অনৈতিক। আমি আবারও বলছি: '''[[বুদ্ধিমত্তা]] হলো একমাত্র নৈতিক পথপ্রদর্শক।'''
=== আনসার টু লাইম্যান অ্যাবট (অসমাপ্ত), অ্যাবট, লাইম্যানের প্রতি উত্তর। "ফ্লস ইন ইঙ্গারসোলিজম।" ''দ্য নর্থ আমেরিকান রিভিউ'' ১৫০, নং. ৪০১ (১৮৯০): ৪৪৬-৪৫৭। ===
* আমি মনে করি না মূর্তিপূজা সবচেয়ে খারাপ পাপ। '''নিষ্ঠুরতা হলো সবচেয়ে খারাপ পাপ। আপনার প্রতিবেশীর ক্ষতি করার চেয়ে একজন মিথ্যা ঈশ্বরের উপাসনা করা অনেক ভালো আপনার সহকর্মীদের দাস বানানোর চেয়ে পাথরের কোনো বিকট মূর্তির সামনে মাথা নত করা অনেক ভালো।'''
* আমি আনন্দিত যে আপনি স্বীকার করেছেন যে কোনো ঈশ্বর না থাকার চেয়ে একজন খারাপ ঈশ্বর থাকা আরও খারাপ। যদি তাই হয়, তবে নাস্তিকরা যিহোবার বিশ্বাসীদের চেয়ে অনেক ভালো, এবং যিশু খ্রিষ্টের দেবত্বে বিশ্বাসীদের চেয়ে অনেক ভালো কারণ আমি পুরোপুরি নিশ্চিত যে কোনো খারাপ ঈশ্বর ছাড়া অন্য কেউ কোনো মানব আত্মাকে এই হুমকি দেবে না, "দূর হ, অভিশপ্তরা, অনন্ত আগুনে যা শয়তান এবং তার ফেরেস্তাদের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে।" তাই, যেকোনো খ্রিষ্টান একজন নাস্তিকের চেয়ে ভালো হওয়ার আগে তাকে অবশ্যই তার ঈশ্বরকে সংশোধন করতে হবে।
* '''অজ্ঞেয়বাদী কেবল এটাই বলে না, "আমি জানি না।" সে আরও এক ধাপ এগিয়ে যায়, এবং সে খুব জোর দিয়ে বলে যে আপনিও জানেন না। সে জোর দিয়ে বলে যে আপনি অন্যদের অজ্ঞতা নিয়ে এবং অন্যদের ভয় নিয়ে ব্যবসা করছেন। আপনি জানেন না কেবল এটুকু বলেই সে সন্তুষ্ট হয় না, সে প্রমাণ করে যে আপনি জানেন না''', এবং সে আপনাকে সত্যের ক্ষেত্র থেকে তাড়িয়ে দেয় সে আপনাকে যুক্তির রাজ্য থেকে তাড়িয়ে দেয় সে আপনাকে আলো থেকে তাড়িয়ে অনুমানের অন্ধকারে নিয়ে যায় স্বপ্ন এবং ছায়ার জগতে নিয়ে যায়, এবং সে আপনাকে শেষ পর্যন্ত বলতে বাধ্য করে যে আপনার বিশ্বাসের বাস্তবে কোনো ভিত্তি নেই।
* '''গির্জা মানুষের মনকে ন্যায়বিচার, দয়া এবং সত্যের নীতির দিকে ফেরায়নি এটি ন্যায়বিচারের ভিত্তি ধ্বংস করেছে। এটি কফিনের পাশে সান্ত্বনা দেয় না এটি শোকাহতদের ভয়ে ভরিয়ে দেয়। এটি কখনোই "পৃথিবীতে শান্তি"র সুসমাচার প্রচার করেনি এটি কখনোই "মানুষের প্রতি সদিচ্ছা" প্রচার করেনি।'''
* আমি বলছি না যে এই বিশ্বাস সত্য কি না তা আমি জানি না। আমি স্পষ্টভাবে এবং পরিষ্কারভাবে বলছি যে আমি জানি এটি সত্য নয়। আমি স্বীকার করি যে কোনো অসীম ব্যক্তিত্ব আছে কি না তা আমি জানি না, কারণ আমি জানি না যে আমার মন একটি নিখুঁত মানদণ্ড। কিন্তু আমার মন অনুযায়ী, এমন কোনো ব্যক্তিত্ব নেই; এবং আমার মন অনুযায়ী, এমন কোনো অসীম ব্যক্তিত্ব থাকার কথা ভাবা একটি চরম অযৌক্তিকতা। '''কিন্তু আমি মানব প্রকৃতি সম্পর্কে কিছু জানি; আমি মানবজাতির ইতিহাস সম্পর্কে কিছুটা জানি; এবং আমি এটা জানার জন্য যথেষ্ট জানি যে খ্রিষ্টান বিশ্বাস হিসেবে যা পরিচিত তা সত্য নয়। আমি সব সন্দেহের ঊর্ধ্বে পুরোপুরি নিশ্চিত যে সমস্ত অলৌকিক ঘটনা মিথ্যা। আমি ঠিক ততটাই ভালোভাবে জানি যতটা আমি জানি যে আমি বেঁচে আছি অন্যরা বেঁচে আছে যে আপনি যাকে আপনার বিশ্বাস বলেন, তা সত্য নয়।'''
* "স্রষ্টার প্রতি প্রশংসার সেই চমৎকার গীতিনাট্য যা দিয়ে জেনেসিস শুরু হয়" তা চমৎকার সব ভুলে ভরা, এবং এটি পুরোপুরি অযৌক্তিক। '''"প্রথম পাপ এবং এর পরিণতি নিয়ে সেই সুন্দর কিংবদন্তিটি" সম্ভবত এ পর্যন্ত লেখা সবচেয়ে জঘন্য গল্প, এবং যিহোবার দ্বারা সেই প্রথম জুটির প্রতি আচরণ স্বৈরাচারী সরকারগুলোর নিষ্ঠুরতার ইতিহাসেও নজিরবিহীন। এই কুখ্যাত বর্ণনা অনুযায়ী, ঈশ্বর পৃথিবীর মায়েদের অভিশাপ দিয়েছিলেন এবং মাতৃত্বের যন্ত্রণা বাড়িয়ে দিয়েছিলেন। কেবল তাই নয়, তিনি নারীকে দাসে পরিণত করেছিলেন, এবং পুরুষকে করে তুলেছিলেন এমন কিছু, যদি সম্ভব হয়, যা আরও নিচু একজন মনিব।'''
== আরোপিত ==
* '''এই বীরেরা মৃত। তারা স্বাধীনতার জন্য মারা গেছেন তারা আমাদের জন্য মারা গেছেন।''' তারা বিশ্রামে আছেন। তারা সেই দেশে ঘুমাচ্ছেন যাকে তারা স্বাধীন করেছিলেন, সেই পতাকার নিচে যাকে তারা নিষ্কলঙ্ক করেছিলেন, গম্ভীর পাইন গাছের নিচে, বিষণ্ণ হেমলকের নিচে, অশ্রুসিক্ত উইলোর নিচে, জড়িয়ে থাকা লতাগুল্মের নিচে। তারা মেঘের ছায়ায় ঘুমাচ্ছেন, রোদ বা ঝড়ের প্রতি উদাসীন হয়ে, প্রত্যেকেই বিশ্রামের জানালাবিহীন প্রাসাদে। পৃথিবী হয়তো অন্যান্য যুদ্ধের কারণে লাল হয়ে উঠবে তারা শান্তিতে আছেন। যুদ্ধের ডামাডোলে, সংঘাতের গর্জনে, তারা মৃত্যুর প্রশান্তি খুঁজে পেয়েছেন।
** ''মেমোরিয়াল ডে ভিশন''। ''বারলেটস ফ্যামিলিয়ার কোটেশনস'', ১০ম সংস্করণ (১৯১৯)-এ উল্লেখিত।
{{Misattributed begin}}
=== ভুলভাবে আরোপিত ===
* আমাদের পূর্বপুরুষরা ঈশ্বরকে রাজনীতি থেকে বিদায় করেছিলেন... স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র এই মহৎ সত্যটি ঘোষণা করে যে সমস্ত ক্ষমতা জনগণের কাছ থেকেই আসে। এটি ছিল একটি প্রত্যাখ্যান, এবং একটি জাতির প্রথম প্রত্যাখ্যান, সেই কুখ্যাত মতবাদের যেখানে ঈশ্বর একজনকে অন্যের ওপর শাসন করার অধিকার দেন... আমাদের পিতারা এই পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠিত প্রথম ধর্মনিরপেক্ষ সরকার প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
** [[w:ডেভিড বার্টন (লেখক)|ডেভিড বার্টন]] কর্তৃক ''অরিজিনাল ইনটেন্ট'' (১৯৯৬) বইয়ে ভুলভাবে উদ্ধৃত, ''ইন্ডিভিজুয়ালিটি'' (১৮৭৩)-এর কিছু অংশ ১৮৭৬ সালের সেন্টেনিয়াল ওরেশনের একটি ভুল উদ্ধৃতির সাথে যুক্ত করা হয়েছে (উপরে দেখুন)।
{{Misattributed end}}
== ইঙ্গারসোল সম্পর্কে উক্তি ==*[[রবার্ট জি. ইঙ্গারসোল]] এবং [[ওয়েন্ডেল ফিলিপস]] তাদের সময়ের সেরা দুই বাগ্মী ছিলেন, এবং সম্ভবত সর্বকালের। তাদের শক্তি এসেছিল স্বাধীনতা, সত্য, ন্যায়বিচার, এবং আলো ও সুখী মানুষে ভরা একটি পৃথিবীর প্রতি তাদের আবেগ থেকে। এই ঐশ্বরিক আবেগ না থাকলে তাদের কেউই অমর অর্জনের মহৎ শিখরে উঠতে পারতেন না। পবিত্র আগুন তাদের ভেতরে জ্বলত এবং যখন তারা জেগে উঠতেন তখন তা তাদের চোখে জ্বলজ্বল করত এবং তাদের অনুপ্রাণিত ঠোঁট থেকে বাগ্মিতার স্রোতে গড়িয়ে পড়ত। ইঙ্গারসোল এবং ফিলিপস যদি অর্থের বিনিময়ে আইন পেশায় তাদের জীবন উৎসর্গ করতেন তবে তাদের ভেতরের সেই ঐশ্বরিক আগুন ছাই হয়ে যেত এবং তারা সাধারণত্বের মাঝেই মারা যেতেন।
**[[ইউজিন ভি. ডেবস]], "দ্য সিক্রেট অফ এফিশিয়েন্ট এক্সপ্রেশন" (১৯১১)
* আমি এইমাত্র আমার ঘরে এসেছি, প্রিয় লিভি, আমার মনে হয় এটি ছিল আমার জীবনের স্মরণীয় রাত। জর্জের শপথ, আমি জন্মের পর থেকে কখনো এতটা আলোড়িত হইনি। আমি চারটি বক্তৃতা শুনেছি যা আমি কখনো ভুলতে পারব না... এর মধ্যে একটি হলো সেই অসাধারণ বৃদ্ধ মানুষ, কর্নেল বব ইঙ্গারসোলের ওহ, পৃথিবীর সৃষ্টির পর থেকে ইংরেজি শব্দের এর চেয়ে নিখুঁত সমন্বয় আর কখনো হয়নি। আমার আত্মা, তিনি দেখতে কতটা সুদর্শন ছিলেন, যখন তিনি সেই টেবিলের ওপর দাঁড়িয়েছিলেন, চিৎকার করা ৫০০ মানুষের মাঝে, এবং তার ঠোঁট থেকে গলিত রূপো ঢেলে দিচ্ছিলেন! '''প্রভু, মানুষের কথা বলার ক্ষমতা কতটা চমৎকার একটি বাদ্যযন্ত্র হতে পারে যখন এটি কোনো মাস্টারের দ্বারা বাজানো হয়! এই সব বক্তৃতা ছাপার অক্ষরে হয়তো নিরস মনে হতে পারে, কিন্তু যখন সেগুলো উচ্চারিত হচ্ছিল তখন তার চারপাশে বিদ্যুৎ কেমন ঝলমলে ছিল, এবং এর প্রতিক্রিয়ায় জনতা কেমন গর্জন করছিল!''' এটি একটি দুর্দান্ত রাত ছিল, একটি স্মরণীয় রাত।
** [[মার্ক টোয়েন]], তার স্ত্রী "লিভি"-কে লেখা [http://etext.virginia.edu/railton/onstage/babies.html চিঠিতে (১৪ নভেম্বর ১৮৭৯)]।
* রবার্ট ইঙ্গারসোলের ভাঙার জন্য<br>কোনো মূর্তি বা প্রতিমা তৈরি কোরো না।
** [[অ্যামব্রোস বিয়ার্স]], "ডেকালগ", ''দ্য ডেভিলস ডিকশনারি'' (১৯০৬)।
* '''রবার্ট ইঙ্গারসোল ছিলেন একজন [[রম্যরচনাকার]], প্রথা-বিরোধক এবং [[মানবতা]]র [[প্রেমিক]]।''' <br> বলা হয়ে থাকে যে মানুষ এবং নিম্ন স্তরের প্রাণীদের মধ্যে পার্থক্য হলো মানুষের [[হাসি|হাসার]] ক্ষমতা আছে। <br> আপনি যখন হাসেন তখন আপনি শিথিল হন, এবং যখন আপনি শিথিল হন তখন আপনি পেশি, স্নায়ু এবং মস্তিষ্কের কোষগুলোকে [[স্বাধীনতা]] দেন। মানুষের মস্তিষ্ক যখন টানটান থাকে তখন সে খুব কমই তার [[যুক্তি]] ব্যবহার করতে পারে। রসবোধ এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি করে যেখানে যুক্তি কাজ করতে পারে। <br> '''ইঙ্গারসোল জানতেন যে তাকে মানুষের [[মস্তিষ্ক]]এর কাছে আবেদন করতে হবে।'''
** [[অ্যালিস মুর হাবার্ড]], ''অ্যান আমেরিকান বাইবেল'' (১৯১২), ভূমিকা।
* '''রবার্ট ইঙ্গারসোল যেকোনো [[রাজনৈতিক]] এবং [[সামাজিক]] [[সম্মান]]এর চেয়ে [[মানবতা]]কে দাসত্ব এবং [[ভয়]] থেকে মুক্ত করার সুযোগকে বেশি পছন্দ করতেন। তিনি [[সত্য]]এর চেয়ে পবিত্র আর কিছুই জানতেন না।''' জনপ্রিয় প্রশংসা বা অনুমোদন পাওয়ার চেয়ে তিনি তার নিজস্ব যুক্তি ব্যবহার করতে বেশি পছন্দ করতেন। তার প্রখর বুদ্ধি, পরিষ্কার মস্তিষ্ক এবং নির্দয় [[ব্যঙ্গ]] [[কুসংস্কার]]এর রাজাকে ক্ষমতাচ্যুত করেছিল এবং তাকে যুক্তির আদালতে একটি পুতুলে পরিণত করেছিল।
** [[অ্যালিস মুর হাবার্ড]], ''অ্যান আমেরিকান বাইবেল'' (১৯১২), ভূমিকা।
*আঙ্কেল ড্যানই প্রথম রবার্ট ইঙ্গারসোল পড়ে শুনিয়ে বাইবেলের গল্পের ওপর আমার বিশ্বাস ভেঙে দিয়েছিলেন। "বাতাস চলাচলের ব্যাপারে নোয়াহর কত বাজে ধারণাই না ছিল!" আমার মনে আছে তিনি বলছিলেন। "আর্ক-এ থাকা এত মানুষ এবং প্রাণী কীভাবে বেঁচে থাকতে পারে যদি কেবল ঘুঘুটিকে উড়ে যাওয়ার সুযোগ দেওয়ার জন্যই একমাত্র জানালাটি খোলা হয়!" আমি ইঙ্গারসোলের সাবলীল সুন্দর ভাষা এবং তার ধারণাগুলো দেখে এতটাই মুগ্ধ হয়েছিলাম যে, আমার হাতে আসা তার লেখা সবকিছুই আমি পড়তে শুরু করি। ইঙ্গারসোল, যিনি "মহান অজ্ঞেয়বাদী" হিসেবে পরিচিত ছিলেন, সারা দেশে অর্থোডক্স যাজকদের দ্বারা আক্রান্ত হয়েছিলেন। তিনি গৃহযুদ্ধে একজন কর্নেল ছিলেন এবং একজন শীর্ষস্থানীয় রিপাবলিকান আইনজীবী হিসেবে তিনি উচ্চ রাজনৈতিক পদে অধিষ্ঠিত হতে পারতেন। কিন্তু তার নির্ভীক অজ্ঞেয়বাদী বক্তৃতাগুলো তা অসম্ভব করে তুলেছিল। তার লেখাগুলো প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে ব্যাপকভাবে পঠিত হয়েছে এবং আমেরিকান চিন্তাধারাকে দারুণভাবে প্রভাবিত করেছে। ডেবস ছাড়া আর কোনো বাগ্মী আমাকে ইঙ্গারসোলের মতো আকর্ষণ করেনি। ডেবসের উপমা এবং কল্পনাগুলো ইঙ্গারসোলের মতোই ছিল যে মানুষ মাঝে মাঝে বলত তিনি ইঙ্গারসোলকে অনুকরণ করেছেন। অবশ্যই, এটি সত্য ছিল না, তবে ডেবস কথা বলার আগে ইঙ্গারসোলের লেখায় নিজেকে নিমজ্জিত করতেন এবং প্রায়শই ইঙ্গারসোলকে উদ্ধৃত করতেন। ইঙ্গারসোল, অবশ্যই, শ্রেণি সংগ্রাম সম্পর্কে কিছুই জানতেন না। তার প্রধান উদ্বেগ ছিল মানুষের মনকে কুসংস্কার থেকে মুক্ত করা তিনি কেবল ধর্মে একজন বিপ্লবী ছিলেন।
**[[এলা রিভ ব্লুর]] ''উই আর মেনি: অ্যান অটোবায়োগ্রাফি'' (১৯৪০)
== বহিঃসংযোগ ==
{{Wikipedia}}
{{commonscat}}
* [http://www.secularhumanism.org/index.php?section=ingersoll&page=bio SecularHumanism.org-এ সংক্ষিপ্ত জীবনী]
* [http://www.bigeye.com/rgicreed.htm আর জি ইঙ্গারসোলের ধর্মমত]
* [http://www.infidels.org/library/historical/robert_ingersoll/index.html ইঙ্গারসোলের সম্পূর্ণ কাজ]
* [http://www.positiveatheism.org/tochingr.htm পজিটিভ অ্যাথিজম-এ ইঙ্গারসোল থেকে নির্বাচিত অংশ]
*
[[বিষয়শ্রেণী:মানবতাবাদী]]
[[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক নেতা]]
[[বিষয়শ্রেণী:রাজনৈতিক নেতা]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৮৩৩-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৮৯৯-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাকস্বাধীনতা কর্মী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ধর্মের সমালোচক]]
[[বিষয়শ্রেণী:রিপাবলিকান পার্টির (যুক্তরাষ্ট্র) সদস্য]]
tfq2re9xxp1zrn79phcgbht85qk2pap
রন পল
0
13385
83371
83170
2026-05-03T23:09:58Z
MS Sakib
35
/* বহিঃসংযোগ */
83371
wikitext
text/x-wiki
[[File:Ronpaul1.jpg|right|thumb|২০০৭ সালে রন পল]]
[[File:RonPaul5-19-07ATX-a-2661.jpg|right|thumb|ব্যক্তিগত নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি কেবল স্বাধীনতার ফলস্বরূপ আসতে পারে।]]
[[File:Ron_Paul_2007.jpg|right|thumb|আমরা দীর্ঘদিন ধরে অনেক কিছুর জন্য সরকারের ওপর নির্ভর করেছি। এর ফলে জনগণ হিসেবে আমরা আমাদের স্বাধীনতা সম্পর্কে কম সতর্ক হয়ে পড়েছি।]]
[[File:Flickr - The U.S. Army - Bulldogs show diversity, win top honors.jpg|right|thumb|নিজেদের সামনের দরজা খোলা রেখে বিদেশে সন্ত্রাসীদের সাথে যুদ্ধ করার কোনো মানে হয় না।]]
[[File:Declaration of Independence (1819), by John Trumbull.jpg|right|thumb|আমেরিকা পৃথিবীর সবচেয়ে নৈতিক জাতি। এটি নৈতিক নীতিগুলোর ওপর প্রতিষ্ঠিত।]]
[[File:B-2 Spirit original.jpg|right|thumb|সামরিক শক্তি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় আমাদের অবশ্যই নৈতিক নীতিগুলো প্রয়োগ করতে হবে।]]
[[File:Scene at the Signing of the Constitution of the United States.jpg|right|thumb|প্রায় সব রাজনৈতিক বিষয়ে আমেরিকার জনগণের অত্যন্ত বৈচিত্র্যময় মতামত রয়েছে। আর প্রতিষ্ঠাতারা চেয়েছিলেন বিভিন্ন রাজ্য সরকারগুলো সেই মতামতগুলোকে সবচেয়ে সঠিকভাবে প্রতিফলিত করুক।]]
[[File:Handcuffs01 2003-06-02.jpg|thumb|মাদক ব্যবহারকারীদের ১৪% হলো কৃষ্ণাঙ্গ। অথচ গ্রেপ্তার হওয়াদের মধ্যে ৩৬ শতাংশ কৃষ্ণাঙ্গ। আর শেষ পর্যন্ত যারা কারাগারে যায় তাদের ৬৩% হলো কৃষ্ণাঙ্গ। এটি পরিবর্তন করতে হবে।]]
[[File:Ferguson Day 6, Picture 44.png|right|thumb|মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অর্ধেকেরও বেশি মানুষ হলো দরিদ্র কৃষ্ণাঙ্গ। আমাদের দেশে বর্ণবাদের এই একটি জায়গা, একটি অবশিষ্টাংশ আদালত ব্যবস্থায় রয়ে গেছে। এটি মাদক আইন প্রয়োগ এবং মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার ক্ষেত্রে দেখা যায়।]]
[[File:Mitt Romney, 2006.jpg|right|thumb|কতজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে? ২০০-এর বেশি। আমি ভাবি তাদের মধ্যে কতজন সংখ্যালঘু ছিল? আপনারা জানেন, আপনি যদি ধনী হন, তবে সাধারণত আপনার মৃত্যুদণ্ড হবে না।]]
[[File:Seal of the United States Census Bureau.svg|thumb|আদমশুমারির সবচেয়ে খারাপ দিকগুলোর একটি হলো জাতি দ্বারা মানুষকে শ্রেণিবদ্ধ করার দিকে এর মনোযোগ। যখন সরকার আমাদের বলে যে তারা কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীকে সাহায্য করার জন্য তথ্য চায়, তখন তারা ধরে নেয় যে নির্দিষ্ট শারীরিক বৈশিষ্ট্যের অধিকারী প্রত্যেক ব্যক্তির একই আগ্রহ রয়েছে বা তারা সরকারের কাছ থেকে একই জিনিস চায়। এটি একটি অন্তর্নিহিতভাবে বর্ণবাদী এবং আপত্তিকর ধারণা।]]
[[File:Seal of the United States Census Bureau (B&W).png|thumb|অন্যান্য অনেক ফেডারেল নীতি ও কর্মসূচির মতো আদমশুমারি বর্ণবাদকে উসকে দেয়। এটি আমেরিকানদের ফেডারেল সুবিধার ভাগের জন্য একে অপরের সাথে লড়াই করা জাতিগত গোষ্ঠীর সদস্য হিসেবে নিজেদের দেখতে উৎসাহিত করে।]]
[[File:Diversity and Unity.jpg|thumb|একটি মুক্ত সমাজে প্রতিটি নাগরিক একটি গোষ্ঠী বা শিকার মানসিকতা গড়ে তোলার পরিবর্তে ব্যক্তি হিসেবে নিজের সম্পর্কে একটি ধারণা অর্জন করে। এটি ব্যক্তিগত দায়িত্ব এবং ব্যক্তিগত অহংকারের অনুভূতি তৈরি করে। এর ফলে গায়ের রং অপ্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠে। মূলত হৃদয়ের একটি পাপ সংশোধনের জন্য সরকারের দিকে তাকানোর পরিবর্তে, আমাদের বোঝা উচিত যে বর্ণবাদ কমানোর জন্য গোষ্ঠীগত চিন্তাভাবনা থেকে ব্যক্তিবাদের ওপর জোর দেওয়া প্রয়োজন।]]
[[File:Black and white handshake MOD 45148076.jpg|right|thumb|স্বাধীনতা মানে মুক্ত বাজার পুঁজিবাদ। এটি ব্যক্তিগত অর্জন এবং যোগ্যতাকে পুরস্কৃত করে। এটি গায়ের রং, লিঙ্গ বা জাতিসত্তাকে পুরস্কৃত করে না।]]
[[File:Bundesarchiv Bild 146-1969-054-53A, Nürnberg, Reichsparteitag.jpg|right|thumb|বর্ণবাদীরা বিশ্বাস করে যে একই বাহ্যিক শারীরিক বৈশিষ্ট্যের অধিকারী সমস্ত ব্যক্তি একরকম। সমষ্টিবাদী হিসেবে বর্ণবাদীরা কেবল গোষ্ঠীর পরিভাষায় চিন্তা করে।]]
[[File:Inmates Orleans Parish Prison.jpg|right|thumb|আমাদের দেশে বর্ণবাদের একমাত্র অবশিষ্টাংশ আদালত ব্যবস্থায় রয়ে গেছে। এটি মাদক আইন প্রয়োগ এবং মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার ক্ষেত্রে দেখা যায়।]]
[[File:1943 Colored Waiting Room Sign.jpg|right|thumb|সেটি প্রাচীন ইতিহাস। এটি অতীত হয়ে গেছে এবং শেষ হয়ে গেছে।]]
'''[[w:রন পল|রোনাল্ড আর্নেস্ট "রন" পল]]''' (জন্ম ২০ আগষ্ট ১৯৩৫) হলেন একজন আমেরিকান লেখক, কর্মী, চিকিৎসক এবং অবসরপ্রাপ্ত রাজনীতিবিদ। তিনি ১৯৭৬ থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত এবং আবার ১৯৭৯ থেকে ১৯৮৫ সাল পর্যন্ত [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি সভা|মার্কিন প্রতিনিধি]] হিসেবে কাজ করেছেন। তিনি [[w:টেক্সাসের ২২তম কংগ্রেশনাল জেলা|টেক্সাসের ২২তম কংগ্রেশনাল জেলার]] প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এরপর তিনি ১৯৯৭ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত [[w:টেক্সাসের ১৪তম কংগ্রেশনাল জেলা|টেক্সাসের ১৪তম কংগ্রেশনাল জেলার]] প্রতিনিধিত্ব করেছেন। তিনি তিনবার [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি]] হওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। তিনি [[w:লিবার্টারিয়ান পার্টি (যুক্তরাষ্ট্র)|লিবার্টারিয়ান পার্টির]] মনোনীত প্রার্থী হিসেবে [[w:রন পল ১৯৮৮ সালের রাষ্ট্রপতি প্রচার|১৯৮৮ সালে]] এবং [[w:রিপাবলিকান পার্টি (যুক্তরাষ্ট্র)|রিপাবলিকান পার্টির]] প্রার্থী হিসেবে [[w:রন পল ২০০৮ সালের রাষ্ট্রপতি প্রচার|২০০৮ সালে]] এবং [[w:রন পল ২০১২ সালের রাষ্ট্রপতি প্রচার|২০১২ সালে]] প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।
পল নিজেকে একজন [[w:সংবিধানবিদ|সংবিধানবিদ]] হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি [[w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল সরকার|ফেডারেল সরকারের]] [[w:রাজস্ব নীতি|রাজস্ব নীতিগুলোর]] সমালোচক। তিনি বিশেষ করে [[w:ফেডারেল রিজার্ভ|ফেডারেল রিজার্ভের]] অস্তিত্ব এবং [[w:কর নীতি|কর নীতির]] সমালোচনা করেন। এর পাশাপাশি তিনি [[w:সামরিক-শিল্প কমপ্লেক্স|সামরিক-শিল্প কমপ্লেক্স]], [[w:মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ|মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ]] এবং [[w:সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ|সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধেরও]] সমালোচক। তিনি [[w:প্যাট্রিয়ট অ্যাক্ট|ইউএসএ প্যাট্রিয়ট অ্যাক্ট]] এবং [[w:বৈশ্বিক নজরদারি প্রকাশ (২০১৩–বর্তমান)|এনএসএ নজরদারি কর্মসূচির]] মতো [[w:গণ নজরদারি|গণ নজরদারি]] নীতিগুলোরও একজন সোচ্চার সমালোচক ছিলেন। ১৯৭৬ সালে পল [[w:ফাউন্ডেশন ফর র্যাশনাল ইকোনমিক্স অ্যান্ড এডুকেশন|ফাউন্ডেশন ফর র্যাশনাল ইকোনমিক্স অ্যান্ড এডুকেশন]] (ফ্রি) গঠন করেন। ১৯৮৫ সালে তাকে রক্ষণশীল পিএসি [[w:সিটিজেনস ফর আ সাউন্ড ইকোনমি|সিটিজেনস ফর আ সাউন্ড ইকোনমির]] প্রথম চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনীত করা হয়। এই দুটিই ছিল [[w:মুক্ত-বাজার|মুক্ত-বাজার]] গোষ্ঠী। এগুলো [[w:সীমিত সরকার|সীমিত সরকারের]] ওপর নিবদ্ধ ছিল। তিনি সিনেটর [[র্যান্ড পল|র্যান্ড পলের]] বাবা।
== উদ্ধৃতি ==
* যুদ্ধ জনপ্রিয় নয়। স্বল্প মেয়াদে এটি জনপ্রিয় মনে হতে পারে। যখন মনে হয় তাৎক্ষণিক বিজয় এসেছে এবং সবাই উল্লাস করছে, তখন এমন মনে হতে পারে। কিন্তু যুদ্ধ জনপ্রিয় নয়। '''যুদ্ধ জনপ্রিয় নয়। মানুষ নিহত হয় এবং বডি ব্যাগগুলো ফিরে আসে।''' যুদ্ধ খুব অজনপ্রিয়। আর এটি করা রাজনৈতিকভাবে বুদ্ধিমত্তার কাজ নয়।
** ''আ ফরেন পলিসি অফ ফ্রিডম: পিস, কমার্স, অ্যান্ড অনেস্ট ফ্রেন্ডশিপ'', পৃষ্ঠা ২০৬।
=== ১৯৮০-এর দশক ===
* আয়কর ছাড়া এমন একটি সরকার থাকতে পারে না। কিন্তু আমরা এমন একটি সরকার চাই না। এটি এমন ধরনের সরকার নয় যা দেশের প্রতিষ্ঠাতারা পরিকল্পনা করেছিলেন। এটি সংবিধানে লেখা ছিল না। ১৯১৩ সাল থেকে আমাদের কেবল একটি আয়কর রয়েছে। কিন্তু আপনি যদি একটি কল্যাণ রাষ্ট্র চান, আপনি যদি বিশ্বে পুলিশিং করতে চান এবং জাপান ও জার্মানির প্রতিরক্ষার জন্য অর্থ প্রদান করতে চান, তবে সোভিয়েত ইউনিয়নকে বিদেশি সহায়তা দিন। আপনার কেবল আয়করেরই প্রয়োজন নেই। যখন ঘাটতি জমা হয় তখন টাকা ছাপানোর জন্য আপনার ফেডারেল রিজার্ভেরও প্রয়োজন। তাই আমরা মনে করি যে সরকার ছোট হওয়া উচিত। সরকার ছোট হলে আপনার আয়করের প্রয়োজন নেই।
** https://www.youtube.com/watch?v=anmlPvmd1Ew
* একটি মুক্ত সমাজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো সহিংসতার সূচনার প্রত্যাখ্যান। এখানে ব্যক্তিগত অধিকারগুলোকে সর্বোচ্চ সম্মানে দেখা হয়। সমস্ত শক্তির সূচনা হলো অন্য কারও অধিকারের লঙ্ঘন। এটি কোনো ব্যক্তি বা রাষ্ট্র দ্বারা শুরু হোক না কেন, কোনো ব্যক্তি বা ব্যক্তিদের গোষ্ঠীর সুবিধার জন্য হোক না কেন। এমনকি এটি অন্য কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর সুবিধার জন্য বলে মনে করা হলেও এটি অধিকারের লঙ্ঘন। প্রতিরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় কেবল সহিংসতার বৈধ ব্যবহার হতে পারে।
** ''[http://www.dailypaul.com/taxonomy/term/21 ফ্রিডম আন্ডার সিজ]'' (১৯৮৭)।
* ওয়াশিংটনে আমাদের প্রতিনিধিদের নৈতিক এবং সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা হলো আমাদের স্বাধীনতা রক্ষা করা। বিশ্বকে আদর করা নয়, বিজয়ের সম্ভাবনা নেই এমন যুদ্ধ শুরু করা নয়। আর এগুলো আমাদের জনগণের জন্য দেউলিয়াত্ব এবং অর্থনৈতিক অস্থিরতা নিয়ে আসে।
** ''[http://www.ronpaullibrary.org/freedom_under_siege.php ফ্রিডম আন্ডার সিজ]'' (১৯৮৭)।
* ২০০ বছর পর, ব্যক্তির জীবন, স্বাধীনতা এবং সুখের সাধনার অধিকারের সাংবিধানিক সুরক্ষা প্রায় শেষ হয়ে গেছে। অধিকার বর্ণনাকারী আজকের বর্তমান পরিভাষাগুলো এই দুঃখজনক পরিবর্তনের প্রতিফলন ঘটায়। রাজনীতিবিদ এবং যারা বিশেষ সুযোগ-সুবিধা চান তাদের জন্য এগুলো উল্লেখ করা সাধারণ ব্যাপার। যেমন: কৃষ্ণাঙ্গ অধিকার, হিস্পানিক অধিকার, প্রতিবন্ধী অধিকার, কর্মচারী অধিকার, ছাত্র অধিকার, সংখ্যালঘু অধিকার, নারীর অধিকার, সমকামী অধিকার, শিশুর অধিকার, এশিয়ান-আমেরিকান অধিকার, ইহুদি অধিকার, এইডস শিকারদের অধিকার, দারিদ্র্য অধিকার, গৃহহীন অধিকার ইত্যাদি। এই সমস্ত পরিভাষা বাদ দেওয়া না হলে এবং আমরা কেবল ব্যক্তির অধিকার আছে বলে স্বীকৃতি না দিলে, আমরা যে বিশৃঙ্খলার মধ্যে রয়েছি তার সমাধান পাওয়া যাবে না। আমরা যত বেশি অধিকারের সংজ্ঞা নিয়ে অভাবে ভুগব, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সমস্যাগুলো তত খারাপ হবে।
** [https://web.archive.org/web/20111229190300/http://www.buzzfeed.com/ccbaxter/22-facts-that-dont-jibe-with-ron-paul-being-a-rac-41xp ''ফ্রিডম আন্ডার সিজ''] (১৯৮৭)।
* ...কেন আমেরিকান জনগণ সরকারি স্বাস্থ্য কর্মসূচির জন্য সামান্যতম বিবেচনা করবে। তারা চায় না সরকার তাদের অটোমোবাইল বা তাদের ভিডিওক্যাসেট রেকর্ডার বা তাদের খাবার সরবরাহ করুক। স্বাস্থ্যসেবা সরবরাহের সর্বোত্তম উপায় হলো একটি মুক্ত সমাজে আমরা যেভাবে সমস্ত পণ্য এবং পরিষেবা সরবরাহ করি।
** [http://www.youtube.com/watch?v=vjH9PoDpATI টেলিভিশন সাক্ষাৎকার] (১৯৮৭)।
* গরিব মানুষ কল্যাণ ব্যবস্থা থেকে সুবিধা পায় বলে মনে করা একটি ভুল। এটি সম্পূর্ণ একটি প্রতারণা। বেশিরভাগ কল্যাণ এই দেশের ধনীদের কাছে যায়: সামরিক-শিল্প কমপ্লেক্স, ব্যাংকার, বিদেশি স্বৈরশাসকদের কাছে যায়। এটি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের বাইরে। সরকারের কাছে এমন পরিষেবা বা পণ্য রয়েছে যা তারা দিতে পারে, এই ধারণাটি সম্পূর্ণ একটি প্রহসন। সরকারের কাছে কিছুই নেই। তারা কিছুই তৈরি করতে পারে না, তারা কখনো তৈরি করেনি। তারা কেবল একটি গোষ্ঠী থেকে চুরি করতে পারে এবং স্বাধীনতার নীতিগুলো ধ্বংস করে অন্য গোষ্ঠীকে দিতে পারে। আমাদের সেই ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করা উচিত।
** [http://www.youtube.com/watch?v=vjH9PoDpATI টেলিভিশন সাক্ষাৎকার] (১৯৮৭)।
* ১৯৮০ সালের পর থেকে কর রাজস্ব ৫৯ শতাংশ বেড়েছে। এটা কি আমাদের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির কারণে? না। কার্টারের চার বছরে আমাদের প্রবৃদ্ধি ছিল ৩৭.২ শতাংশ। রিগ্যানের পাঁচ বছর আমাদের ৩০.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি দিয়েছে। ১৯৮১ সালের পর থেকে চারটি বড় রিপাবলিকান কর বৃদ্ধির কারণে নতুন রাজস্ব এসেছে। সব রিপাবলিকান সঠিকভাবে কার্টারের ৩৮ বিলিয়ন ডলার ঘাটতির জন্য তাকে তিরস্কার করেছিলেন। কিন্তু তারা ২২০ বিলিয়ন ডলার ঘাটতি উপেক্ষা করেন বা সমর্থন করেন। রিগ্যান দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে সরকারি ব্যয় প্রতি বছর ১০.৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। আর ফেডারেল বেতনভোগী আমলাদের সংখ্যা আড়াই লাখ বেড়েছে। বড় সরকারকে এমনভাবে বৈধ করা হয়েছে যা ডেমোক্র্যাটরা কখনো করতে পারত না। ১৯৮৬ সালের নির্বাচনী প্রচারণায় রোনাল্ড রিগ্যানের কৃষি ভর্তুকি, কল্যাণ, যুদ্ধ ইত্যাদিতে তার উচ্চ ব্যয়ের বড়াই শোনাটা দুঃখজনক ছিল। আইআরএস আরও বড়, ধনী, শক্তিশালী এবং অহংকারী হয়ে উঠেছে। আমাদের দেশের প্রতিষ্ঠাতাদের [[w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র|কথায়]], আমাদের সরকার "আমাদের জনগণকে হয়রানি করতে এবং তাদের সম্পদ খেয়ে ফেলতে" কর আদায়কারীদের "ঝাঁক পাঠিয়েছে।" তার কর্মকর্তারা নির্দোষ [[w:জর্জ ভি. হ্যানসেন|জর্জ হ্যানসেনকে]] জেলে পাঠিয়েছেন। অথচ রাষ্ট্রপতি এই মহান আমেরিকানকে ক্ষমা করতে অস্বীকার করেছেন, যার একমাত্র অপরাধ ছিল সংবিধান রক্ষা করা। রিগ্যানের নতুন কর "সংস্কার" আইআরএসকে আরও ক্ষমতা দেয়। করগুলোকে আরও ন্যায্য বা সহজ করার পরিবর্তে, এটি প্রতারণামূলকভাবে সরকারের অপচয়ের জন্য আরও রাজস্ব বাড়ায়। আমি নিজেকে এমন নীতিগুলো থেকে পুরোপুরি আলাদা করতে চাই যা আমাদের নজিরবিহীন ঘাটতি, ব্যাপক মুদ্রাস্ফীতি, নির্বিচার সামরিক ব্যয়, একটি অযৌক্তিক ও অসাংবিধানিক বৈদেশিক নীতি, দ্রুত বর্ধনশীল বিদেশি সহায়তা, আন্তর্জাতিক ব্যাংকিংয়ের মহিমা এবং আমাদের ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও গোপনীয়তার ওপর আক্রমণ দিয়েছে।
** [http://www.textfiles.com/politics/ron_paul.txt আরএনসি চেয়ারম্যানের কাছে চিঠি] [[w:ফ্র্যাঙ্ক জে. ফারেনকপফ, জুনিয়র|ফ্র্যাঙ্ক ফারেনকপফ]] (মার্চ ১৯৮৭)।
* '''প্রশ্ন''': মাদক ব্যবসা বন্ধ করার ক্ষেত্রে আপনার সমাধান হলো বিশ্বের মাদকের কাছে হাল ছেড়ে দেওয়া। আমি বলি শূন্য সহনশীলতা, আমরা সাহায্যের জন্য [[w:মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ|সামরিক বাহিনী ব্যবহার করি]], আমরা এটিকে দেশে প্রবেশ করা থেকে আটকাই, আমরা উৎস থেকেই এটি বন্ধ করে দিই। সেই লড়াইয়ে হাল ছাড়বেন কেন?<br>'''রন পল''': আমরা একটি সামাজিক ও চিকিৎসা সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে স্বৈরতান্ত্রিক পদ্ধতির হাল ছেড়ে দিই। আর '''আমরা সমস্যা সমাধানের জন্য [[w:স্বেচ্ছাসেবকবাদ (রাজনীতি)|স্বেচ্ছাসেবকবাদ]], স্ব-দায়িত্ব, পরিবার, বন্ধুবান্ধব এবং গির্জার ধারণাটিকে সমর্থন করি। আমরা এমনটা বলি না যে কোনো একচেটিয়া সরকার আপনাকে নিজের যত্ন নিতে এবং আরও ভালো মানুষ হতে বাধ্য করবে'''। এটি একটি হাস্যকর ধারণা। এটি কখনো কাজ করেনি, কখনো কাজ করবে না। সরকার আপনাকে আরও ভালো মানুষ বানাতে পারে না। এটি আপনাকে ভালো অভ্যাস অনুসরণ করতে বাধ্য করতে পারে না। তারা আপনাকে কেন ডায়েটে রাখে না? আপনার ওজন কিছুটা বেশি, এবং আমার মনে হয় আপনার সরকারি সাহায্য প্রয়োজন!
** ''দ্য [[w:মর্টন ডাউনি, জুনিয়র|মর্টন ডাউনি জুনিয়র]] শো'', ৪ জুলাই ১৯৮৮ [https://www.youtube.com/watch?v=GCxDrfs4GtM&t=854 ''youtube.com'']
=== ১৯৯০-এর দশক ===
* '''আমরা দীর্ঘদিন ধরে অনেক কিছুর জন্য সরকারের ওপর নির্ভর করেছি। এর ফলে জনগণ হিসেবে আমরা আমাদের স্বাধীনতা সম্পর্কে কম সতর্ক হয়ে পড়েছি।''' যতদিন সরকার সংখ্যাগরিষ্ঠের জন্য [[w:বিপুল দান|দান]] প্রদান করবে, ততদিন বিশেষ স্বার্থান্বেষী লবিস্টরা কল্যাণ কর্মসূচির পুনর্বণ্টন চালিয়ে যেতে সফল হবে। এটি কংগ্রেসের আইনী সময়ের বেশিরভাগ দখল করে।
** প্রতিনিধি সভায় ভাষণ, ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৯৭
* [[w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বাধ্যতামূলক সামরিক চাকরি|খসড়াকে]] দাসত্ব এবং অনৈচ্ছিক দাসত্ব বলা উচিত।<br>'''হাওয়ার্ড ফিলিপস''': এটি [[w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী|১৩শ সংশোধনী]] লঙ্ঘন করে। এটি অনৈচ্ছিক দাসত্ব নিষিদ্ধ করে।<br>'''রন পল''': হ্যাঁ। যে যুক্তিটি আমি সবসময় সবচেয়ে বেশি অপছন্দ করেছি তা হলো, আপনার বয়স ১৮ বছর হলে আপনি আপনার দেশের কাছে ঋণী। আমি সবসময় ভেবেছি কেন ৫৮ বছর বয়সী একজন লোক যার দশ লাখ টাকা আছে এবং যে চাকরি করেনি, সে কেন এই দেশের কাছে বেশি ঋণী নয়? হয়তো তার সামনের সারিতে থাকা উচিত। ১৮ বছর বয়সী এখনো কিছু পায়নি, আর তাকে গিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিতে হবে।
** [[w:কনজারভেটিভ রাউন্ডটেবিল|কনজারভেটিভ রাউন্ডটেবিল]], মে ১৯৯৭ [http://www.youtube.com/watch?v=_suZvyB69YM]
* সংখ্যালঘু মালিকানাধীন বেশিরভাগ নির্মাণ প্রতিষ্ঠান ছোট কোম্পানি হওয়ার কারণে, ডেভিস-বেকন আইন সংখ্যালঘু মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোকে ফেডারেল নির্মাণ চুক্তির জন্য প্রতিযোগিতা করা থেকে বিরত রাখে। কর্মসংস্থানের এই বৈষম্য ইতিবাচক পদক্ষেপের চাহিদা তৈরি করে। এটি আরেকটি অনুপযুক্ত এবং অনুচিত বড় সরকারি কর্মসূচি। '''ডেভিস-বেকনের বর্ণবাদী প্রভাবগুলো কেবল কাকতালীয় নয়। আসলে, প্রতিনিধি ক্লেটন অলগুডের মতো ডেভিস-বেকনের অনেক মূল সমর্থক নির্মাণ শিল্প থেকে সস্তা রঙিন শ্রম দূরে রাখার উপায় হিসেবে ডেভিস-বেকন সমর্থন করার বড়াই করেছিলেন।'''
**[https://web.archive.org/web/20120119214747/http://www.ronpaularchive.com/1997/10/repeal-of-the-davis-bacon-law/ ''রিপিল অফ দ্য ডেভিস-বেকন ল''] (২৩ অক্টোবর ১৯৯৭)।
* মুহূর্তের আবেগে মানুষ প্রায়শই বেপরোয়া কথা বলে এবং কাজ করে। ব্যক্তির জন্য এর গভীর পরিণতি হতে পারে। কিন্তু যখন একজন একক ব্যক্তি দুঃখের মুখে আবেগের বশবর্তী হয়ে অযৌক্তিকভাবে কাজ করে, তখন এর পরিণতি কেবল সেই ব্যক্তি এবং তার পরিবারকেই বহন করতে হয়। কিন্তু যখন সরকার কোনো ট্র্যাজেডির প্রতিক্রিয়ায় বেপরোয়া আচরণ করে, তখন এর পরিণতি সবাই অনুভব করতে পারে। রাজনীতিবিদরা এতে জড়ালে এটি বিশেষ করে সত্য হয়। '''আমরা ১৯৯৬ সালের জুলাই মাসের কথা স্মরণ করতে পারি। তখন কয়েকশো মানুষ বহনকারী একটি বিমান হঠাৎ এবং রহস্যজনকভাবে লং আইল্যান্ডের উপকূলে বিধ্বস্ত হয়েছিল। কয়েক দিনের মধ্যে কংগ্রেস ব্যয়বহুল নতুন নিরাপত্তা ব্যবস্থার আহ্বান জানিয়ে জরুরি আইন পাস করেছিল। এর মধ্যে একটি বিতর্কিত "স্ক্রিনিং" পদ্ধতি অন্তর্ভুক্ত ছিল। এই পদ্ধতি এয়ারলাইনগুলোকে কেবল এমন যাত্রীদের আটকে রাখার আহ্বান জানায় যারা নির্দিষ্ট মানদণ্ড পূরণ করে। এটি বর্ণবাদী এবং জেনোফোবিকের কাছাকাছি।'''
** [https://web.archive.org/web/20120119215614/http://www.ronpaularchive.com/1998/01/emotion-should-never-dictate-policy/ ''ইমোশন শুড নেভার ডিকটেট পলিসি''] (১২ জানুয়ারি ১৯৯৮)।
:'''রন পল''': আগামীকালের জন্য আমার একটি প্রস্তুত বিবৃতি রয়েছে। এতে আমি রাষ্ট্রপতির করা একটি অনেক বেশি গুরুতর কাজের সমাধান করি। আর তা হলো সুদান এবং আফগানিস্তানে অবৈধ বোমা হামলা। কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়াই এতে ৭০ কোটি ডলার ব্যয় করা হয়েছে।<br>
:'''রিপোর্টার''': আপনি কি এটিকে বিশেষভাবে বিরক্তিকর মনে করেন?<br>
:'''রন পল''': এটি কেবল বিরক্তিকর নয়, এটি অবৈধ, এটি অসাংবিধানিক, এটি যুদ্ধের একটি কাজ। আর বর্তমানে অভিশংসনের বিষয়ে যা কিছু আলোচনা হচ্ছে তার চেয়ে এটি অনেক বেশি গুরুতর বিষয়।<br>
:'''রিপোর্টার''': কিন্তু এটি কি জাতীয় নিরাপত্তার বিষয় নয়?<br>
:'''রন পল''': জাতীয় নিরাপত্তার সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই! আসলে, <b>এটি হতে দেওয়ার মাধ্যমে আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা আরও বিপন্ন হয়। কারণ, এটি যুদ্ধ শুরু করার সম্ভাবনা রয়েছে। এর ফলে আমাদের সামরিক বাহিনীর সদস্যরা নিহত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর কারণে সন্ত্রাসীদের দ্বারা আমাদের ওপর আরও হামলার সম্ভাবনা রয়েছে।</b><br>
:'''রিপোর্টার''': আপনি অভিশংসনের বিষয়ে কীভাবে ভোট দেবেন?<br>
:'''রন পল''': আমি অভিশংসনের পক্ষে ভোট দেব।<br>
:'''রিপোর্টার''': চারটে অনুচ্ছেদের জন্যই?<br>
:'''রন পল''': হ্যাঁ। তবে নিরুৎসাহের সাথে কারণ আমি বিশ্বাস করি অভিযোগগুলো অনেক বেশি মৃদু। আমি যে বিষয়গুলোতে স্পর্শ করতে চাই সেগুলো স্পর্শ করা হয়নি। <b>আমি চাই কংগ্রেস রাষ্ট্রপতিদের যুদ্ধ পরিচালনার বিষয়টি সমাধান করুক। মনিকা লিউইনস্কির চেয়ে আমার কাছে এটি অনেক বেশি গুরুতর। আমাকে বলতে দিন।</b>
** রাষ্ট্রপতি ক্লিনটনের অভিশংসন সংক্রান্ত সংবাদ সম্মেলন, ১৯৯৮।
* ...কয়েক বছর আগে, ১৯৮০-এর দশকে, বিশ্বে শান্তি এবং গণতন্ত্র আনার প্রচেষ্টায় আমরা [[w:মুজাহিদ|আফগানিস্তানের মুক্তিযোদ্ধাদের]] সহায়তা করেছিলাম। আর আমাদের অসীম প্রজ্ঞায় আমরা [[বিন লাদেন|বিন লাদেনকে]] অর্থ, প্রযুক্তি এবং প্রশিক্ষণ দিয়েছিলাম। আর এখন, এই বছর, আমরা ঘোষণা করেছি যে [[w:১৯৯৮ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস বোমা হামলা|আফ্রিকায় বোমা হামলার]] জন্য বিন লাদেন দায়ী ছিল। তাহলে আমাদের প্রতিক্রিয়া কী, কারণ আমরা আমাদের রাষ্ট্রপতিকে খুব সহজেই যুদ্ধ চালিয়ে যেতে দিই? রাষ্ট্রপতির প্রতিক্রিয়া কী ছিল? কেউ কেউ এমনও বলেন যে এটি জাতীয় নিরাপত্তার কারণ ছাড়া অন্য কোনো কারণে হতে পারে। তাই তিনি গিয়ে আফগানিস্তানে [[w:আফগানিস্তান ও সুদানে বোমা হামলা (আগস্ট ১৯৯৮)|বোমা হামলা]] করেন। তিনি গিয়ে সুদানে বোমা হামলা করেন। আর এখন রেকর্ড দেখায় যে খুব সম্ভবত [[w:আল-শিফা ফার্মাসিউটিক্যাল কারখানা|সুদানের ফার্মাসিউটিক্যাল কারখানাটি]] ঠিক তা-ই ছিল, একটি ফার্মাসিউটিক্যাল কারখানা। আমার সহকর্মীরা জানেন, এই বিলের শেষে আমরা একটি ইঙ্গিত পাই কেন আমরা মানবিক কারণে [[w:রুয়ান্ডা গণহত্যা|রুয়ান্ডায়]] যাই না। আমার মনে হয় এর সাথে অর্থের কোনো সম্পর্ক আছে, এবং আমার মনে হয় এর সাথে তেলের কোনো সম্পর্ক আছে। তারা পশ্চিমা দেশগুলোর কাছে [[সাদ্দাম হোসেন|সাদ্দাম হোসেনের]] পাওনা অর্থ পরীক্ষা করতে এবং ব্যবস্থা নিতে বলছে। কার কাছে পাওনা? তারা আমার কাছে কোনো টাকা পাওনা নয়। তবে আমি বাজি ধরতে পারি যে নিউইয়র্কে এমন অনেক ব্যাংক রয়েছে যারা অনেক টাকা পাওনা। আর এটি লক্ষ্যগুলোর একটি। <br/> [[w:ডানা রোরবাচার|'''ডানা রোরবাচার''']]: এই রেজোলিউশনটি ঠিক সঠিক সূত্র। গণতন্ত্রকে সমর্থন করুন। স্বৈরতন্ত্রের বিরোধিতা করুন। আগ্রাসন এবং দমন-পীড়নের বিরোধিতা করুন। আমাদের ভুক্তভোগীদের শক্তিশালী করা উচিত যাতে তারা নিজেদের রক্ষা করতে পারে। এই জিনিসগুলো আমেরিকার দর্শনের সাথে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ, এবং এটি একটি বাস্তববাদী পদ্ধতিও। মুজাহিদদের প্রতি আমাদের সমর্থন সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন ঘটিয়েছিল। হ্যাঁ, এর জন্য একটি মূল্য দিতে হয়েছিল। কারণ সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর আমরা চলে এসেছিলাম। আর আমরা মুজাহিদদের সেই উপাদানগুলোকে সমর্থন করিনি যারা কিছুটা স্বাধীনতা এবং পশ্চিমা মূল্যবোধের পক্ষে ছিল। যারা এই স্বাধীনতাপন্থী বৈদেশিক নীতির প্রচেষ্টার বিরোধিতা করে, তারা আমাদের আফগানিস্তানের সেই যুদ্ধ থেকে দূরে থাকতে বলত। তারা কখনোই বিশ্বের বিভিন্ন অংশে সোভিয়েত আগ্রাসনের মোকাবিলা করত না। মিস্টার স্পিকার, ভদ্রলোক কি মনে করেন না যে, যারা ইরাকে তাদের একনায়কতন্ত্রের বিরুদ্ধে স্বাধীনতার জন্য লড়াই করছে তাদের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া আমাদের জন্য সঠিক নয়? <br/> '''রন পল''': মিস্টার স্পিকার, আমার সময় ফিরে পেয়ে আমি বলি, আমার মনে হয় এটি করা একেবারেই সঠিক হবে, যতক্ষণ না এটি ভদ্রলোকের মানিব্যাগ থেকে আসে। আমরা এই দেশের কোনো করদাতার মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে টাকা বের করে আনব না এবং বলব না, দেখুন, বিন লাদেন একজন দুর্দান্ত লোক। আমি আপনার আরও টাকা চাই। ১৯৮০-এর দশকে আমরা এটাই করেছিলাম। কংগ্রেস এটাই করেছিল। তারা করদাতাদের কাছে গিয়েছিল, তাদের মাথায় বন্দুক ঠেকিয়েছিল এবং বলেছিল, আপনি টাকা দিন, কারণ আমরা মনে করি বিন লাদেন একজন মুক্তিযোদ্ধা। <br/> '''ডানা রোরবাচার''': ঠিক আছে, ভদ্রলোক যদি আরও কিছু মেনে নেন, তবে এটি সঠিকভাবে পরিচালিত হয়নি। <br/> '''রন পল''': মিস্টার স্পিকার, আবার আমার সময় ফিরে পেয়ে বলি, নীতিটি ত্রুটিপূর্ণ। নীতিটি ত্রুটিপূর্ণ।
** [[w:ইরাক লিবারেশন অ্যাক্ট|ইরাক লিবারেশন অ্যাক্ট ১৯৯৮]] নিয়ে বিতর্ক, ৫ অক্টোবর ১৯৯৮ [http://www.house.gov/paul/congrec/congrec98/cr100598.htm]
* ইরাকে আমাদের বোকামিপূর্ণ নীতি মার্কিন ভূখণ্ডের ওপর সন্ত্রাসী হামলাকে আমন্ত্রণ জানায়। এটি ইসলামি মৌলবাদীদের আমাদের বিরুদ্ধে উসকে দেয়।
** মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি সভা, ২ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৯ [http://www.youtube.com/watch?v=hd8jPKwArsM]
* যখন একজন ব্যক্তি যুদ্ধ শুরু করতে পারে, তার সংজ্ঞা অনুযায়ী, তখন আর কোনো প্রজাতন্ত্রের অস্তিত্ব থাকে না।
** ''ওয়ার পাওয়ার অথরিটি শুড বি রিটার্নড টু কংগ্রেস'', ৯ মার্চ ১৯৯৯ [http://www.house.gov/paul/congrec/congrec99/cr030999.htm]
* গর্ভপাত ইউথানাসিয়ার দিকে নিয়ে যায়। আমি তা বিশ্বাস করি।
** কংগ্রেসের উদ্দেশ্যে ভাষণ, ২৭ অক্টোবর ১৯৯৯। ''কংগ্রেশনাল রেকর্ড খণ্ড ১৪৫, পার্ট ১৯, ২৬ অক্টোবর ১৯৯৯ থেকে ৩ নভেম্বর ১৯৯৯।''
* অর্থ এবং ঋণের বৃদ্ধি সঞ্চয় এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি উভয়কেই ছাড়িয়ে গেছে। এই মুদ্রাস্ফীতির চাপগুলো সম্পদের দামে কেন্দ্রীভূত হয়েছে, ভোক্তা মূল্যস্ফীতিতে নয়। এটি মুদ্রানীতিকে খুব সহজ করে রেখেছে। সম্পদের দামের এই বৃদ্ধি অভ্যন্তরীণ ঋণ এবং ব্যয়কে ইন্ধন জুগিয়েছে। সরকারি নীতি এবং সিকিউরিটাইজেশন বৃদ্ধি মূলত এই বুদবুদের জন্য দায়ী। ফেডারেল রিজার্ভের শিথিল মুদ্রানীতি ছাড়াও, সরকার-স্পন্সরকৃত এন্টারপ্রাইজ ফ্যানি মে এবং ফ্রেডি ম্যাক সমস্যাটিতে অবদান রেখেছে। ১৯৯৭ থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত তাদের ব্যালেন্স শিট চারগুণ বৃদ্ধি পাওয়ায় ১৯৯৮ সালে নতুন বাড়ি ঋণ দেড় ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি হয়েছে। এর দুই-তৃতীয়াংশ ছিল পুনঃঅর্থায়ন যা গড়ে গ্রাহকদের পকেটে অতিরিক্ত ১৫ হাজার ডলার দিয়েছে। এটি পৃথক প্রতিষ্ঠানের জন্য ঝুঁকি কমায় এবং সামগ্রিকভাবে সিস্টেমের জন্য ঝুঁকি বাড়ায়।
** ''কনফারেন্স রিপোর্ট অন এস. ৯০০, গ্রাম-লিচ-ব্লাইলি অ্যাক্ট'', ৮ নভেম্বর ১৯৯৯ [http://www.house.gov/paul/congrec/congrec99/cr110899-glb.htm]
===২০০০-এর দশক===
====২০০১-২০০৫====
* শুভ সকাল, মিস্টার [[অ্যালান গ্রিনস্প্যান|গ্রিনস্প্যান]]। আমি বুঝতে পেরেছি যে আপনি গত শরতে আমার বন্ধুত্বপূর্ণ পরামর্শ গ্রহণ করেননি। আমি ভেবেছিলাম হয়তো আপনার অন্য কোনো কাজ খোঁজা উচিত, কিন্তু আমি দেখতে পাচ্ছি আপনি আপনার চাকরি রেখে দিয়েছেন।
** মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি সভার আর্থিক পরিষেবা কমিটির সামনে শুনানি, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০০০ [http://commdocs.house.gov/committees/bank/hba62930.000/hba62930_0.HTM#53]
* ডাক্তার, নিয়োগকর্তা বা ব্যাংকারদের সাথে তাদের সম্পর্কের ওপর গুপ্তচরবৃত্তি করে সমস্ত আমেরিকানদের অপরাধী হিসেবে আচরণ করার কোনো অধিকার ফেডারেল সরকারের নেই।
** [http://www.house.gov/paul/congrec/congrec2000/ss051800.htm সাবকমিটি অন গভর্নমেন্ট ম্যানেজমেন্ট, ইনফরমেশন অ্যান্ড টেকনোলজি] (১৮ মে ২০০০)।
* '''প্রতিষ্ঠাতাদের কল্পনা করা একটি মুক্ত সমাজে, স্কুলগুলো বাবা-মায়ের কাছে দায়বদ্ধ থাকে, ফেডারেল আমলাদের কাছে নয়'''।
** কংগ্রেশনাল এডুকেশন প্ল্যান নিয়ে বিবৃতি, ২৩ মে ২০০১ [http://www.house.gov/paul/congrec/congrec2001/cr052301.htm]
* সবশেষে, ইরাকে যুদ্ধের বিরুদ্ধে একটি বাধ্যতামূলক নৈতিক যুক্তি রয়েছে। সামরিক শক্তি কেবল আত্মরক্ষার জন্যই ন্যায়সঙ্গত। নগ্ন আগ্রাসন হলো স্বৈরশাসক এবং দুর্বৃত্ত রাষ্ট্রগুলোর কাজ। এটি একটি নতুন "প্রিএমপ্টিভ ফার্স্ট স্ট্রাইক" মতবাদের বিপদ। আমেরিকা পৃথিবীর সবচেয়ে নৈতিক জাতি। এটি নৈতিক নীতিগুলোর ওপর প্রতিষ্ঠিত। সামরিক শক্তি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় আমাদের অবশ্যই নৈতিক নীতিগুলো প্রয়োগ করতে হবে।
** [http://www.house.gov/paul/congrec/congrec2002/cr090402.htm মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি সভা] (৪ সেপ্টেম্বর ২০০২)।
* যুদ্ধের সময় দেশীয় নিরাপত্তার দাবি করা নাগরিক স্বাধীনতা এবং গোপনীয়তার অধিকার রক্ষার ক্ষেত্রে অসতর্কতাকে আমন্ত্রণ জানায়। প্রায়শই লোকেরা কেবল কর্তৃত্ববাদের বেদিতে তাদের স্বাধীনতা উৎসর্গ করতে খুব বেশি আগ্রহী থাকে। তারা মনে করে নিরাপদ এবং সুরক্ষিত থাকার জন্য এটি প্রয়োজনীয়। সন্ত্রাসীদের থেকে নিজেদের রক্ষা করার সময় আমরা যদি স্বেচ্ছায় আমাদের লালিত কিছু স্বাধীনতা ছেড়ে দিই, তবে সন্ত্রাসীদের কাছে এর চেয়ে আনন্দের আর কিছুই হবে না।
** মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি সভা, ১২ সেপ্টেম্বর ২০০১ [http://www.house.gov/paul/congrec/congrec2001/cr091201.htm]
* আমরা যদি শত্রুকে সংজ্ঞায়িত করতে না পারি বা না করি, তবে এমন যুদ্ধ করার ব্যয় অন্তহীন হবে। আমরা কতজন আমেরিকান সৈন্য হারাতে প্রস্তুত? আমরা কত টাকা খরচ করতে প্রস্তুত? আমাদের দেশে এবং অন্য দেশে কত নিরপরাধ বেসামরিক মানুষকে আমরা নিহত হতে দেখতে ইচ্ছুক? আমরা কতজন আমেরিকান বেসামরিক মানুষকে বিপন্ন করব? আমরা আমাদের নাগরিক স্বাধীনতার কতটা ছেড়ে দিতে প্রস্তুত? আমরা কতটা সমৃদ্ধি বিসর্জন দেব? আমি রাষ্ট্রপতি বুশকে সমর্থন করি এবং এই দেশকে রক্ষা করার দায়িত্ব পালনের জন্য কর্তৃত্ব এবং অর্থের পক্ষে ভোট দিয়েছিলাম। তবে মৃত্যু এবং ধ্বংসের মাত্রা এবং বৃদ্ধির সম্ভাবনাগুলো অবশ্যই সতর্কতার সাথে বিবেচনায় নিতে হবে।
** মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি সভা, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০০১ [http://www.house.gov/paul/congrec/congrec2001/cr092501.htm]
* আমাদের ফেডারেল সরকার একটি অত্যন্ত সীমিত সাংবিধানিক প্রজাতন্ত্র হিসেবে কাজ করার উদ্দেশ্যে তৈরি হয়েছিল। এর পরিবর্তে এটি কার্যত সমাজতান্ত্রিক লেভিয়াথানে পরিণত হয়েছে যা ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডলার পুনর্বণ্টন করে। অগণিত বিশেষ স্বার্থান্বেষী মহল যখন অর্থের জন্য লড়াই করে তখন আমরা অবাক হতে পারি না। প্রচারাভিযানে অর্থের সমস্যার একমাত্র সত্যিকারের সমাধান হলো একটি সঠিক সাংবিধানিক সরকারে ফিরে আসা যা অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণ করে না। বড় সরকার এবং প্রচারাভিযানের বড় অর্থ একে অপরের সাথে যুক্ত।
** ''[http://www.house.gov/paul/tst/tst2002/tst020402.htm হোয়াই ইজ দেয়ার সো মাচ মানি ইন পলিটিক্স?]'' (৪ ফেব্রুয়ারি ২০০২)।
* দীর্ঘ প্রতীক্ষিত "ক্যাম্পেইন ফাইন্যান্স রিফর্ম" ভোটটি অবশেষে গত সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। প্রতিনিধি সভা শেষ পর্যন্ত ব্যবস্থাটি পাস করেছে। বিতর্কটি দুর্নীতি পরিষ্কার করার বিষয়ে কপট এবং উচ্চ-মনা কথায় পূর্ণ ছিল। আর এগুলো বলছিলেন উভয় দলের সেই রাজনীতিবিদরাই যারা কর্পোরেট ভর্তুকি এবং কল্যাণমূলক শুকরের মাংসে কোটি কোটি ডলার বিতরণ করেন। বড় অঙ্কের ব্যয় করা, চিরস্থায়ী ক্ষমতায় থাকা রাজনীতিবিদদের এই যুক্তি দেওয়া দেখতে বেশ দর্শনীয় ছিল যে নিজেদের থেকে নিজেদের রক্ষা করার জন্য নতুন আইনের প্রয়োজন!
** ''[http://www.ronpaullibrary.org/document.php?id=240 ডোন্ট বিলিভ দ্য হাইপ- "ক্যাম্পেইন ফাইন্যান্স রিফর্ম" সার্ভস এন্ট্রেঞ্চড ইন্টারেস্টস]'' (১৮ ফেব্রুয়ারি ২০০২)।
* আমরা খুব কমই শুনতে পাই যে ইরাক কখনো যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কোনো আগ্রাসন চালায়নি। গত ১২ বছর ধরে একটানা বোমা হামলা এবং লাখ লাখ শিশুর মৃত্যুর জন্য দায়ী নিষেধাজ্ঞা চাপিয়ে ইরাকের বিরুদ্ধে আমাদের আগ্রাসন নিয়ে গণমাধ্যমে কেউ প্রশ্ন তোলে না। কেবল স্বৈরশাসকরাই জনগণের সম্মতি ছাড়া কোনো জাতিকে যুদ্ধে নিয়ে যেতে পারে। কংগ্রেসের যুদ্ধ ঘোষণা ছাড়া ইরাকের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত যুদ্ধ অবৈধ। এটি বুদ্ধিহীনতার কাজ। কারণ এর ফলে অনেক অপ্রত্যাশিত পরিণতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এটি অনৈতিক এবং অন্যায্য। কারণ মার্কিন নিরাপত্তার সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই এবং ইরাক আমাদের বিরুদ্ধে আগ্রাসন শুরু করেনি। আমাদের বুঝতে হবে যে যখন আমরা বাণিজ্যিক স্বার্থের দ্বারা চালিত এবং কংগ্রেস কর্তৃক সাংবিধানিকভাবে অনুমোদিত নয় এমন একটি বড় সংঘাতের ঝুঁকি নিই, তখন আমেরিকান জনগণ কম সুরক্ষিত হয়ে পড়ে। এই পরিস্থিতিতে বিজয় সবসময় অধরা থেকে যায় এবং অপ্রত্যাশিত পরিণতি অনিবার্য।
** [http://www.house.gov/paul/congrec/congrec2002/cr022602.htm ''বিফোর উই বম্ব ইরাক''] (২৬ ফেব্রুয়ারি ২০০২)।
* পুঁজিবাদের নিন্দা করা উচিত নয়, কারণ আমাদের কখনো পুঁজিবাদ ছিল না। পুঁজিবাদের একটি ব্যবস্থায় মজবুত অর্থ থাকে। কোনো কেন্দ্রীয় ব্যাংক দ্বারা কারসাজি করা ফিয়াট অর্থ থাকে না। পুঁজিবাদ স্বেচ্ছামূলক চুক্তি এবং সুদের হারকে মূল্যায়ন করে যা সঞ্চয় দ্বারা নির্ধারিত হয়। এটি কেন্দ্রীয় ব্যাংক দ্বারা তৈরি ঋণ নয়। একীভূতকরণ, অধিগ্রহণ এবং স্টক বিক্রয় সম্পর্কিত অবোধ্য নিয়ম, এর পাশাপাশি [[মজুরি]] নিয়ন্ত্রণ, [[মূল্য নিয়ন্ত্রণ]], সুরক্ষাবাদ, কর্পোরেট ভর্তুকি, বাণিজ্যের আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাপনা, জটিল ও শাস্তিমূলক কর্পোরেট কর, সামরিক-শিল্প কমপ্লেক্সকে বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত সরকারি চুক্তি, এবং কর্পোরেট স্বার্থ ও বিদেশি বিনিয়োগ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত একটি বৈদেশিক নীতি। এই সব মিলিয়ে একে পুঁজিবাদ বলা যায় না! এর সাথে যোগ করুন কৃষি, শিক্ষা, চিকিৎসা, বীমা, ব্যাংকিং এবং কল্যাণের কেন্দ্রীভূত ফেডারেল অব্যবস্থাপনা। এটা পুঁজিবাদ নয়!
** [http://www.house.gov/paul/congrec/congrec2002/cr070902.htm ''হ্যাজ ক্যাপিটালিজম ফেইলড?''] (৯ জুলাই ২০০২)।
* বর্ণবাদ কেবল সমষ্টিবাদের একটি কুৎসিত রূপ। এই মানসিকতা মানুষকে কেবল গোষ্ঠীর সদস্য হিসেবে দেখে এবং কখনো ব্যক্তি হিসেবে দেখে না। বর্ণবাদীরা বিশ্বাস করে যে একই বাহ্যিক শারীরিক বৈশিষ্ট্যের অধিকারী সমস্ত ব্যক্তি একরকম। সমষ্টিবাদী হিসেবে বর্ণবাদীরা কেবল গোষ্ঠীর পরিভাষায় চিন্তা করে। আমেরিকানদের একটি গোষ্ঠী মানসিকতা গ্রহণে উৎসাহিত করে তথাকথিত 'বৈচিত্র্য'র সমর্থকরা আসলে বর্ণবাদকে স্থায়ী করে। জাতিগত গোষ্ঠী পরিচয়ের প্রতি তাদের তীব্র মনোযোগ অন্তর্নিহিতভাবেই বর্ণবাদী। কারণ এটি ব্যক্তিদের কেবল জাতিগত গোষ্ঠীর সদস্য হিসেবে দেখে। রক্ষণশীল এবং স্বাধীনতাপন্থীদের উচিত এর বিরুদ্ধে লড়াই করা। তাদের এই মিথকে চ্যালেঞ্জ করা উচিত যে সমষ্টিবাদী উদারপন্থীরা বর্ণবাদ সম্পর্কে বেশি চিন্তা করে। আধুনিক উদারনীতিবাদ, তা যতই সদিচ্ছাপূর্ণ হোক না কেন, একই সমষ্টিবাদী চিন্তাভাবনার একটি উপজাত যা বর্ণবাদকে চিহ্নিত করে। গোষ্ঠীর চিন্তাভাবনার ওপর ক্রমাগত জোর দেওয়া কেবল জাতিগত উত্তেজনাকে উসকে দেয়। বর্ণবাদের আসল প্রতিষেধক হলো স্বাধীনতা। স্বাধীনতা মানে একটি সীমিত, সাংবিধানিক সরকার থাকা যা গোষ্ঠীর দাবির পরিবর্তে ব্যক্তিগত অধিকার রক্ষার জন্য নিবেদিত। স্বাধীনতা মানে মুক্ত বাজার পুঁজিবাদ। এটি ব্যক্তিগত অর্জন এবং যোগ্যতাকে পুরস্কৃত করে। এটি গায়ের রং, লিঙ্গ বা জাতিসত্তাকে পুরস্কৃত করে না। একটি মুক্ত বাজারে বৈষম্যকারী ব্যবসাগুলো গ্রাহক, সদিচ্ছা এবং মূল্যবান কর্মচারী হারায়। অন্যদিকে সবচেয়ে যোগ্য কর্মচারীদের বেছে নিয়ে এবং সমস্ত ইচ্ছুক ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করে যুক্তিবাদী ব্যবসাগুলো উন্নতি লাভ করে। আরও গুরুত্বপূর্ণভাবে, একটি মুক্ত সমাজে প্রতিটি নাগরিক একটি গোষ্ঠী বা শিকার মানসিকতা গড়ে তোলার পরিবর্তে ব্যক্তি হিসেবে নিজের সম্পর্কে একটি ধারণা অর্জন করে। এটি ব্যক্তিগত দায়িত্ব এবং ব্যক্তিগত অহংকারের অনুভূতি তৈরি করে। এর ফলে গায়ের রং অপ্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠে। মূলত হৃদয়ের একটি পাপ সংশোধনের জন্য সরকারের দিকে তাকানোর পরিবর্তে, আমাদের বোঝা উচিত যে বর্ণবাদ কমানোর জন্য গোষ্ঠীগত চিন্তাভাবনা থেকে ব্যক্তিবাদের ওপর জোর দেওয়া প্রয়োজন।
** [https://web.archive.org/web/20120127094927/http://www.ronpaularchive.com/2002/12/what-really-divides-us/ ''হোয়াট রিয়েলি ডিভাইডস আস''] (২৩ ডিসেম্বর ২০০২)।
* কেবল একটি [[w:স্বার্থ গোষ্ঠী|বিশেষ স্বার্থ]] রয়েছে যার জন্য আমাদের কাজ করা উচিত। এটি আমাদের প্রায় সমস্ত সমস্যার সমাধান করবে। আর তা হলো আমাদের স্বাধীনতা।
** [[w:প্যাট্রিয়ট অ্যাক্ট|প্যাট্রিয়ট অ্যাক্টের]] ওপর বক্তৃতা, ২০০৩ [http://www.youtube.com/watch?v=6O7D7nDF0U8]
* বিশ্বকে পুলিশিং করার বা জাতি গঠনে নিজেদের জড়িত করার কোনো সাংবিধানিক কর্তৃত্ব আমাদের নেই। আমাদের মতো গণতন্ত্রের জন্য বিশ্বকে নিরাপদ করারও কোনো অধিকার নেই। আমাদের প্রতিষ্ঠাতারা এর বিরুদ্ধে পরামর্শ দিয়েছিলেন এবং প্রাথমিক রাষ্ট্রপতিরা সেই পরামর্শ অনুসরণ করেছিলেন। আমরা যদি আমাদের আদর্শে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, তবে তা ছড়িয়ে দেওয়ার সর্বোত্তম উপায় হলো একটি ভালো উদাহরণ স্থাপন করা যাতে অন্যরা স্বেচ্ছায় আমাদের অনুকরণ করতে পারে। বলপ্রয়োগ কাজ করবে না। তাছাড়া আমাদের কাছে টাকাও নেই।
**[http://www.lewrockwell.com/paul/paul129.html মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি সভায় ভাষণ] (১৬ সেপ্টেম্বর ২০০৩)।
* কাগজের আর্থিক মানের মানে হলো ছাপানোর প্রেস বা ফেডারেল ঘাটতিগুলোতে কোনো বিধিনিষেধ নেই। ১৯৭১ সালে এম৩ ছিল ৭৭৬ বিলিয়ন ডলার। আজ এটি ৮.৯ ট্রিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। এটি ১১০০% বৃদ্ধি। ১৯৭১ সালে আমাদের জাতীয় ঋণ ছিল ৪০৮ বিলিয়ন ডলার। আজ এটি ৬.৮ ট্রিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। এটি ১৬০০% বৃদ্ধি। সেই সময় থেকে আমাদের ডলার তার ক্রয়ক্ষমতার প্রায় ৮০% হারিয়েছে। সাধারণ জ্ঞান আমাদের বলে যে এই প্রক্রিয়াটি টেকসই নয় এবং কিছু একটা ছাড় দিতে হবে। এখন পর্যন্ত ওয়াশিংটনে কেউ আগ্রহী বলে মনে হচ্ছে না।
** ''পেপার মানি অ্যান্ড টিরানি'', ৫ সেপ্টেম্বর ২০০৩ [http://www.house.gov/paul/congrec/congrec2003/cr090503.htm]
* হাস্যকরভাবে, ব্যাপক বন্ধকের ডিফল্টের ঝুঁকি স্থানান্তর করে, সরকার আবাসনের বাজারে একটি বেদনাদায়ক পতনের সম্ভাবনা বাড়ায়। এর কারণ হলো ফ্যানি এবং ফ্রেডিকে দেওয়া বিশেষ সুযোগ-সুবিধাগুলো আবাসনের বাজারকে বিকৃত করেছে। এটি তাদের এমন মূলধন আকর্ষণ করতে দিয়েছে যা তারা বিশুদ্ধ বাজারের পরিস্থিতিতে আকর্ষণ করতে পারত না। ফলস্বরূপ, মূলধন এর সবচেয়ে উত্পাদনশীল ব্যবহার থেকে আবাসনে সরানো হয়। এটি সমগ্র বাজারের কার্যকারিতা হ্রাস করে এবং এইভাবে সমস্ত আমেরিকানদের জীবনযাত্রার মান হ্রাস করে। আবাসনের বাজারে সরকারের হস্তক্ষেপের ফলে অর্থনীতির দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতি হওয়া সত্ত্বেও, অন্যান্য ব্যবহারের জন্য মূলধন সরানোর সরকারের নীতি আবাসনে একটি স্বল্পমেয়াদী উচ্ছ্বাস তৈরি করে। সমস্ত কৃত্রিমভাবে তৈরি বুদবুদের মতো আবাসনের দামের উচ্ছ্বাস চিরকাল স্থায়ী হতে পারে না। আবাসনের দাম কমে গেলে, বাড়ির মালিকরা অসুবিধার সম্মুখীন হবেন কারণ তাদের ইকুইটি মুছে যাবে। তদুপরি, বন্ধকী ঋণের ধারকদেরও ক্ষতি হবে। সরকারি নীতি সক্রিয়ভাবে আবাসনে অতিরিক্ত বিনিয়োগকে উৎসাহিত না করলে এই ক্ষতিগুলো যতটা হতো তার চেয়ে বেশি হবে।
** ''ফ্যানি মে অ্যান্ড ফ্রেডি ম্যাক সাবসিডিজ ডিস্টর্ট দ্য হাউজিং মার্কেট'', ১০ সেপ্টেম্বর ২০০৩ [http://www.house.gov/paul/congrec/congrec2003/cr091003.htm]
* যুদ্ধ কখনো অর্থনৈতিকভাবে উপকারী নয়। কেবল যারা যুদ্ধের ব্যয় থেকে লাভবান হওয়ার অবস্থানে রয়েছে তাদের জন্যই এটি উপকারী।
** ''কন্সক্রিপশন - দ্য টেরিবল প্রাইস অফ ওয়ার'', ২১ নভেম্বর ২০০৩ [http://www.house.gov/paul/congrec/congrec2003/cr112103.htm]
* বলা হয় যে আমরা বিশ্বজুড়ে শান্তি প্রচারের জন্য যুদ্ধ করি। অথচ বিশ্বকে আরও ভালো জায়গা হিসেবে গড়ে তোলার ব্যর্থ প্রচেষ্টার বিপরীতে এই মূল্য খুব কমই ওজন করা হয়। স্বাধীনতার কারণ প্রচারের জন্য বাধ্যতামূলক সামরিক চাকরিকে ন্যায়সঙ্গত করা মানুষের দ্বারা কল্পনা করা সবচেয়ে অদ্ভুত ধারণাগুলোর একটি! স্বাধীনভাবে বেঁচে থাকার মূল্য হিসেবে মৃত্যু এবং গুরুতর আঘাতের ঝুঁকি নিয়ে জোরপূর্বক দাসত্বের কোনো মানে হয় না। প্রশ্নবিদ্ধ মূল্যের কোনো কারণের জন্য অন্যের জীবন উৎসর্গ করার অধিকার কার আছে? এটি যতই ভালো উদ্দেশ্য নিয়ে হোক না কেন, এটি অনাগ্রহী ব্যক্তিদের ওপর বলপ্রয়োগকে ন্যায়সঙ্গত করতে পারে না। বলা হয় যে ১৮ বছর বয়সী ছেলেটি তার দেশের কাছে ঋণী। বাজে কথা! এটা খুব সহজেই যুক্তি দেওয়া যেতে পারে যে একজন ৫০ বছর বয়সী [[w:চিকেনহক (রাজনীতি)|চিকেনহক]] দেশের কাছে ১৮ বছর বয়সীর চেয়ে অনেক বেশি ঋণী। কারণ সে যুদ্ধকে উৎসাহিত করে এবং নিরীহ তরুণদের বিপদে ফেলে। অথচ কোনো যৌক্তিকতা নেই এমন একটি কারণের জন্য ১৮ বছর বয়সীর স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া হচ্ছে।
** ''কন্সক্রিপশন - দ্য টেরিবল প্রাইস অফ ওয়ার'', ২১ নভেম্বর ২০০৩ [http://www.house.gov/paul/congrec/congrec2003/cr112103.htm]
* একটি মুক্ত সমাজে মূল্যবোধগুলো স্বেচ্ছায় গ্রহণ করা হয়। জোর করে নয় এবং অবশ্যই আইন দ্বারা নয়... '''প্রতিবার যখন আমরা ব্যক্তিগত আচরণ নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি আইন লিখি, তখন আমরা বোঝাই যে কাউকে বন্দুক নিয়ে আসতে হবে'''। কারণ আপনি যদি [[পতাকা অবমাননা|পতাকার অবমাননা]] করেন, তবে আপনাকে সেই ব্যক্তিকে শাস্তি দিতে হবে। তো আপনি কীভাবে তা করবেন? আপনি তাকে গ্রেপ্তার করার জন্য সরকারের একজন এজেন্টকে পাঠাবেন, সম্ভবত ব্যুরো অফ অ্যালকোহল, টোব্যাকো অ্যান্ড ফ্ল্যাগসের একজন কর্মচারীকে। এটি অনেকভাবেই বন্দুকের সাথে দেশপ্রেমের মতো। যদি আপনার কাজগুলো "দেশপ্রেমিকের" আনুষ্ঠানিক সংজ্ঞার সাথে খাপ না খায়, তবে আমরা কাউকে আপনাকে গ্রেপ্তার করতে পাঠাব।
** {{citation
|title=দ্য ফ্ল্যাগ বার্নিং অ্যামেন্ডমেন্ট
|date=২০০৩-০৬-০৩
|url=http://www.house.gov/paul/congrec/congrec2003/cr060303.htm}}
* ধর্মবিরোধী অভিজাতদের চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো আমেরিকাকে একটি সম্পূর্ণ ধর্মনিরপেক্ষ জাতিতে রূপান্তরিত করা। এমন একটি জাতি যা আইনগত ও সাংস্কৃতিকভাবে খ্রিষ্টধর্মের প্রতি পক্ষপাতদুষ্ট।
* গির্জা এবং রাষ্ট্রের মধ্যে কঠোর পৃথকীকরণের ধারণার সংবিধানের পাঠ্য বা আমাদের প্রতিষ্ঠাতাদের লেখার কোনো ভিত্তি নেই। উল্টো, আমাদের প্রতিষ্ঠাতাদের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি তাদের ধর্মীয় বিশ্বাস দ্বারা জোরালোভাবে প্রভাবিত ছিল।
** {{citation
|title=দ্য ওয়ার অন রিলিজিয়ন
|journal=LewRockwell.com
|date=২০০৩-১২-৩০
|url=http://www.lewrockwell.com/paul/paul148.html}}
* ধর্মনিরপেক্ষ, সমকামী-সমর্থক বামপন্থীদের কথা শোনা দুর্দান্ত কমেডির মতো। তারা কার্যত প্রতিটি ক্ষেত্রে রাজ্যের অধিকারের প্রতি এত বৈরী, হঠাৎ করেই কেন্দ্রীভূত সরকারের স্বৈরতন্ত্র আবিষ্কার করে। স্থানীয় শাসনের সদ্য প্রস্তুত রক্ষকরা নিজেদের এই দাবি করতে দেখেন: "ওয়াশিংটন কেন ম্যাসাচুসেটস এবং ক্যালিফোর্নিয়ার জন্য বিয়ের মানদণ্ড নির্ধারণ করবে? সেই রাজ্যগুলোর জনগণ নিজেদের সিদ্ধান্ত নিজেরাই নিতে দিন।" ঠিক এই যুক্তিটিই রক্ষণশীল এবং স্বাধীনতাপন্থীরা কয়েক দশক ধরে দিয়ে আসছেন! ওয়াশিংটন কেন শিক্ষা, গর্ভপাত, পরিবেশ এবং শ্রমের নিয়মগুলো রাজ্যগুলোতে চাপিয়ে দেবে? প্রায় সব রাজনৈতিক বিষয়ে আমেরিকার জনগণের অত্যন্ত বৈচিত্র্যময় মতামত রয়েছে। আর প্রতিষ্ঠাতারা চেয়েছিলেন বিভিন্ন রাজ্য সরকারগুলো সেই মতামতগুলোকে সবচেয়ে সঠিকভাবে প্রতিফলিত করুক। এটিই [[w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের দশম সংশোধনী|১০ম সংশোধনীর]] তাৎপর্য, যা বামপন্থীরা বিশেষ করে কয়েক দশক ধরে অপব্যবহার করেছে।
** {{citation
|title=এলিমিনেট ফেডারেল কোর্ট জুরিসডিকশন
|date=২০০৪-০৩-০২
|url=http://www.lewrockwell.com/paul/paul160.html}}
* সমস্ত ব্যক্তিগত সম্পত্তির মালিকদের অধিকার অবশ্যই সম্মান করতে হবে, এমনকি যাদের কাজগুলো শালীন লোকেরা জঘন্য বলে মনে করে তাদের অধিকারও। এটি যদি আমরা একটি মুক্ত সমাজ বজায় রাখতে চাই... কাজগুলো বর্ণবাদ দ্বারা অনুপ্রাণিত কি না তা দেখতে ফেডারেল আমলারা এবং বিচারকরা মন পড়তে পারেন না। তাই, কোনো নিয়োগকর্তা [[w:১৯৬৪ সালের নাগরিক অধিকার আইন|১৯৬৪ সালের নাগরিক অধিকার আইন]] লঙ্ঘন করছেন না তা নিশ্চিত করার একমাত্র উপায় ছিল এটি নিশ্চিত করা যে একটি ব্যবসার কর্মীদের জাতিগত গঠন একজন আমলা বা বিচারকের সংজ্ঞায়িত সম্ভাব্য কর্মচারীদের জাতিগত গঠনের সাথে মিলে যায়... জাতিগত কোটা জাতিগত সম্প্রীতিতে অবদান রাখেনি বা একটি বর্ণান্ধ সমাজের লক্ষ্যকে এগিয়ে নেয়নি। পরিবর্তে, এই কোটাগুলো জাতিগত বিভাজনকে উৎসাহিত করেছে এবং জাতিগত কলহকে উসকে দিয়েছে... ১৯৬৪ সালের নাগরিক অধিকার আইনের কারণে নয়, বরং এর সত্ত্বেও জাতিগুলোর মধ্যে সম্পর্কের উন্নতি হয়েছে।
** {{citation
|title=দ্য ট্রাবল উইথ দ্য '৬৪ সিভিল রাইটস অ্যাক্ট
|journal=LewRockwell.com
|date=২০০৪-০৬-০৩
|url=http://www.lewrockwell.com/paul/paul188.html}}
* মিস্টার স্পিকার, আমি আবারও একটি খুব সহজ কারণে বার্ষিক বাজেট রেজোলিউশনের বিরুদ্ধে ভোট দিতে বাধ্য হচ্ছি: এটি সরকারকে আরও বড় করে তোলে। [...] আমাদের বুঝতে হবে যে সরকার যত বেশি ব্যয় করে, তত বেশি স্বাধীনতা হারিয়ে যায়। কেবল ব্যয়ের স্তর নিয়ে বিতর্ক করার পরিবর্তে, বাজেটের মাধ্যমে অর্থায়ন করা বিভাগ, সংস্থা এবং কর্মসূচিগুলোর আদৌ অস্তিত্ব থাকা উচিত কি না তা নিয়ে আমাদের বিতর্ক করা উচিত। আমার রিপাবলিকান সহকর্মীদের বিশেষ করে এটি জানা উচিত। দুর্ভাগ্যবশত, জিওপি নীতি ত্যাগ করার এবং এনটাইটেলমেন্ট ভিড়ের তোষণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কিন্তু এই পদ্ধতি হিতে বিপরীত হবে। কারণ ডেমোক্র্যাটরা সবসময় রিপাবলিকানদের চেয়েও বেশি ব্যয় করার প্রস্তাব দেবে। রিপাবলিকানরা যখন মেডিকেয়ারে ৫০০ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করার প্রস্তাব দেবে, তখন ডেমোক্র্যাটরা ৬০০ বিলিয়ন ডলারের প্রস্তাব দেবে। কেন নয়? যাই হোক, এটি সবই মজার টাকা, আর এটি তাদের পুনর্নির্বাচিত হতে সাহায্য করে। [...] কংগ্রেস যদি বিদেশে সাম্রাজ্য এবং দেশে আয়া রাষ্ট্র গড়ার চেষ্টা বন্ধ করত, তবে দেশীয়, বিদেশি এবং সামরিক ব্যয় বৃদ্ধির প্রয়োজন হতো না।
** ''অপোজ দ্য স্পেন্ডথ্রিফট ২০০৫ ফেডারেল বাজেট রেজোলিউশন'', ২৫ মার্চ ২০০৪ [http://www.house.gov/paul/congrec/congrec2004/cr032504.htm]
* আইনি বিষয়গুলো একপাশে রাখলে, আমেরিকান জনগণ এবং সরকারের উচিত নয় আমাদের সামরিক বা গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর দ্বারা নির্যাতনের ব্যবহার মেনে নেওয়া। একটি শালীন সমাজ কখনো নির্যাতন গ্রহণ করে না বা ন্যায়সঙ্গত বলে মনে করে না। এটি নির্যাতনকারী এবং ভুক্তভোগী উভয়কেই অমানবিক করে তোলে, তবে খুব কমই নির্ভরযোগ্য গোয়েন্দা তথ্য তৈরি করে। দুর্বৃত্ত আমেরিকান সৈন্য বা এজেন্টদের দ্বারা নির্যাতন সমস্ত আমেরিকানকে ঝুঁকিতে ফেলে। বিশেষ করে বিশ্বজুড়ে কয়েক ডজন বিপজ্জনক জায়গায় অবস্থান করা আমাদের সাধারণ সৈন্যদের। ঈশ্বর না করুন সন্ত্রাসীরা আমেরিকান সৈন্য বা ভ্রমণকারীদের জিম্মি করুক এবং আবু গারিবের কোনো অসুস্থ প্রতিশোধ হিসেবে তাদের নির্যাতন করুক।
** ''টরচার, ওয়ার, অ্যান্ড প্রেসিডেনশিয়াল পাওয়ার্স'', ১৫ জুন ২০০৪ [http://www.lewrockwell.com/paul/paul185.html]
* আমি গত সপ্তাহে একটি সংশোধনী পেশ করেছিলাম যা একটি ব্যয়ের বিলে এই অনুপ্রবেশকারী জরিপের জন্য তহবিল বাতিল করত। হাউসের মেঝেতে আমি ব্যাখ্যা করেছিলাম যে সম্ভবত আমেরিকান জনগণ বিগ ব্রাদারের দ্বারা হুমকির সম্মুখীন হওয়া পছন্দ করে না। সংশোধনীটি উদাসীনতা বা বৈরিতার সম্মুখীন হয়েছিল। কারণ কংগ্রেসের বেশিরভাগ সদস্য নাগরিকদের ব্যক্তিগত বিষয়ে সরকারি গুপ্তচরবৃত্তির বিষয়ে পাত্তা দেন না বা সক্রিয়ভাবে তা সমর্থন করেন। '''আদমশুমারির সবচেয়ে খারাপ দিকগুলোর একটি হলো জাতি দ্বারা মানুষকে শ্রেণিবদ্ধ করার দিকে এর মনোযোগ। যখন সরকার আমাদের বলে যে তারা কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীকে সাহায্য করার জন্য তথ্য চায়, তখন তারা ধরে নেয় যে নির্দিষ্ট শারীরিক বৈশিষ্ট্যের অধিকারী প্রত্যেক ব্যক্তির একই আগ্রহ রয়েছে বা তারা সরকারের কাছ থেকে একই জিনিস চায়। এটি একটি অন্তর্নিহিতভাবে বর্ণবাদী এবং আপত্তিকর ধারণা। অন্যান্য অনেক ফেডারেল নীতি ও কর্মসূচির মতো আদমশুমারি বর্ণবাদকে উসকে দেয়। এটি আমেরিকানদের ফেডারেল সুবিধার ভাগের জন্য একে অপরের সাথে লড়াই করা জাতিগত গোষ্ঠীর সদস্য হিসেবে নিজেদের দেখতে উৎসাহিত করে।'''
** [https://web.archive.org/web/20120127122559/http://www.ronpaularchive.com/2004/07/none-of-your-business ''নান অফ ইয়োর বিজনেস!''] (১২ জুলাই ২০০৪)।
* ১৯৬৪ সালের নাগরিক অধিকার আইন ফেডারেল সরকারকে দেশের প্রতিটি ব্যবসার নিয়োগ, কর্মচারী সম্পর্ক এবং গ্রাহক সেবা অনুশীলনের ওপর নজিরবিহীন ক্ষমতা দিয়েছিল। এর ফলস্বরূপ ব্যক্তিগত সম্পত্তি এবং চুক্তির অধিকারের ব্যাপক লঙ্ঘন হয়েছিল, যা একটি মুক্ত সমাজের ভিত্তি। ব্যক্তিগত সম্পত্তির মালিকরা তাদের পছন্দমতো সম্পত্তি ব্যবহার করার এবং সমস্ত পক্ষের জন্য পারস্পরিকভাবে গ্রহণযোগ্য শর্তগুলোর সাথে চুক্তি গঠন (বা গঠন না করা) করার অধিকার রাখে। ফেডারেল সরকারের এই অধিকারে হস্তক্ষেপ করার কোনো বৈধ কর্তৃত্ব নেই।<br />১৯৬৪ সালের নাগরিক অধিকার আইন কেবল সংবিধান লঙ্ঘন করেনি এবং ব্যক্তিগত স্বাধীনতা হ্রাস করেনি। এটি জাতিগত সম্প্রীতি এবং একটি বর্ণান্ধ সমাজের প্রচারের ঘোষিত লক্ষ্যগুলো অর্জন করতেও ব্যর্থ হয়েছে।
** ২০০৪-০৭-০৩ নাগরিক অধিকার আইনের ৪০তম বার্ষিকী উদ্যাপনকারী হাউস রেজোলিউশনের বিরোধিতায় কংগ্রেসের উদ্দেশ্যে ভাষণ, উদ্ধৃত {{citation
|title=সিভিল রাইটস অ্যাক্ট
|journal=RonPaul.com
|url=http://www.ronpaul.com/on-the-issues/civil-rights-act/}}
* আমেরিকার প্রতিষ্ঠাতারা বুঝতে পেরেছিলেন যে অভ্যন্তরীণ স্বৈরতন্ত্রের হুমকি বিদেশ থেকে আসা যেকোনো হুমকির মতোই বড়। আমরা যদি তাদের উত্তরাধিকারের যোগ্য হতে চাই, তবে আমাদের অবশ্যই সমাজের ওপর ক্রমবর্ধমান রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণের দিকে এই ছুটে চলা প্রতিরোধ করতে হবে। অন্যথায়, আমাদের নিজস্ব সরকার যেকোনো বিদেশি সন্ত্রাসীর চেয়ে আমাদের স্বাধীনতার জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠবে।
** {{citation
|title=ফ্রিডম ভার্সেস সিকিউরিটি: আ ফলস চয়েস
|date=২০০৪-০৫-৩১
|url=http://www.house.gov/paul/tst/tst2004/tst053104.htm}}
* ফেডারেল কর্মকর্তারা, তা বিচারক, আমলা বা কংগ্রেসম্যানই হোক না কেন, জনগণের ওপর বিয়ের একটি নতুন সংজ্ঞা চাপিয়ে দেওয়া সামাজিক প্রকৌশলের একটি কাজ যা স্বাধীনতার প্রতি গভীরভাবে বৈরী।
** {{citation
|title=প্রোটেক্টিং ম্যারেজ ফ্রম জুডিশিয়াল টিরানি
|journal=LewRockwell.com
|date=২০০৪-০৭-২২
|url=http://www.lewrockwell.com/paul/paul197.html}}
* যখন ফেডারেল সরকার প্রতি বছর তার সংগৃহীত কর রাজস্বের চেয়ে বেশি ব্যয় করে, তখন তার কাছে তিনটি বিকল্প থাকে: সে কর বাড়াতে পারে, টাকা ছাপাতে পারে, বা টাকা ধার করতে পারে। এই কাজগুলো রাজনীতিবিদদের উপকৃত করতে পারলেও, এই তিনটি বিকল্পই গড় আমেরিকানদের জন্য খারাপ। ঘাটতি মানে হলো ভবিষ্যৎ কর বৃদ্ধি, বিশুদ্ধ এবং সহজ। ঘাটতি ব্যয়কে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ওপর কর হিসেবে দেখা উচিত, এবং যে রাজনীতিবিদরা ঘাটতি তৈরি করে তাদের কর বৃদ্ধিকারী হিসেবে প্রকাশ করা উচিত।
** [http://www.lewrockwell.com/paul/paul238.html ''ডেফিসিটস মেক ইউ পুওরার''] (১৫ মার্চ ২০০৫)।
====২০০৬-২০০৯====
* যারা জীবন-সমর্থনকারী সংস্কৃতি চান তাদের অবশ্যই মেনে নিতে হবে যে আমরা কখনোই ৩০ কোটি আমেরিকানকে আমাদের সাথে একমত হতে রাজি করাতে পারব না। একটি জীবন-সমর্থনকারী সংস্কৃতি কেবল নিচ থেকে তৈরি করা যেতে পারে, ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিতে। অনেক দিন ধরে আমরা এই যুদ্ধটিকে কেবল রাজনৈতিক হিসেবে দেখেছি। কিন্তু কোনো রাজনৈতিক বিজয় একটি অবক্ষয়গ্রস্ত সমাজকে পরিবর্তন করতে পারে না। সুপ্রিম কোর্টের কোনো রায় একাই জীবনের প্রতি বেশি সম্মান জাগিয়ে তুলতে পারে না। আর সুপ্রিম কোর্টের কোনো বিচারপতি আমাদের স্বাধীনতা রক্ষা করতে পারবেন না যদি আমরা নিজেরা সেগুলোর জন্য লড়াই না করি।
** ''ফেডারেলিজম সোশ্যাল পলিসি'', ৩০ জানুয়ারি ২০০৬ [http://www.house.gov/paul/tst/tst2006/tst013006.htm]
* '''অ্যারন রুশো''': এমন কোনো আইন কি আছে যা মানুষকে [[w:আইআরএস ফর্ম ৯৯০#১০৪০|১০৪০]] ফাইল করতে বাধ্য করে?<br>'''রন পল''': স্পষ্টভাবে নয়, তবে এটি অবশ্যই উহ্য রয়েছে।<br>'''অ্যারন রুশো''': ঠিক আছে, জোর করে উহ্য করা হয়েছে?<br>'''রন পল''': হ্যাঁ।<br>'''অ্যারন রুশো''': কিন্তু কোনো আইন কি আছে?<br>'''রন পল''': আমি কোনো আইনের কথা বলতে পারব না, না। কিন্তু আপনি জানেন, তারা যদি মনে করে এটি আইন, এবং তাদের কাছে সমস্ত বন্দুক রয়েছে, তবে এটি একটি স্বৈরতান্ত্রিক পদ্ধতি।
** ''[[w:আমেরিকা: ফ্রিডম টু ফ্যাসিজম|আমেরিকা: ফ্রিডম টু ফ্যাসিজম]]'', ২০০৬ [http://video.google.com/videoplay?docid=5355374476580235299&hl=en]
* এইচএমও এবং পরিচালিত যত্নের পুরো ব্যবস্থাটি পুনর্বিবেচনা করার সময় এসেছে। কর্পোরেটিজমের এই পুরো অপ্রয়োজনীয় স্তর মুনাফা কেড়ে নেয় এবং যত্নের মান খারাপ করে। তবে এইচএমওগুলো মুক্ত বাজারে গড়ে ওঠেনি। এগুলো স্বাস্থ্যসেবায় সরকারের হস্তক্ষেপে তৈরি হয়েছে যা ১৯৭০-এর দশকের। সংগঠিত চিকিৎসা, রাজনীতিবিদ এবং ওষুধ সংস্থাগুলোর যোগসাজশের মাধ্যমে এই অ-বাজার প্রতিষ্ঠানগুলো চিকিৎসা সেবার ওপর নিয়ন্ত্রণ অর্জন করেছে। এর লক্ষ্য আমেরিকাকে "বিনামূল্যের" সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবার দিকে নিয়ে যাওয়া।
** ''ডায়াগনজিং আওয়ার হেলথ কেয়ার ওজ'', ২৫ সেপ্টেম্বর ২০০৬ [http://www.house.gov/paul/tst/tst2006/tst092506.htm]
*'''অ্যারন রুশো''': আপনি কি মনে করেন আমেরিকা দিন দিন একটি [[w:পুলিশ রাষ্ট্র|পুলিশ রাষ্ট্রে]] পরিণত হচ্ছে?<br>'''রন পল''': হ্যাঁ, আমি মনে করি আমরা সেই দিকেই এগোচ্ছি। কারণ অনুমতি ছাড়া আমরা তেমন কিছু করতে পারি না। পুলিশ রাষ্ট্রের অনুপস্থিতি হলো মানুষ স্বাধীন। আপনি যদি কোনো অপরাধ না করেন তবে আপনি যা চান তা করতে পারেন। কিন্তু আজ আপনি একটি ব্যবসা খুলতে পারবেন না, আপনি জমি উন্নয়ন করতে পারবেন না, আপনি ব্যাংকে যেতে পারবেন না, আপনি ডাক্তারের কাছে যেতে পারবেন না সরকার না জানলে যে আপনি কী করছেন। তারা চিকিৎসা গোপনীয়তা নিয়ে কথা বলে, তা চলে গেছে। আর্থিক গোপনীয়তা, তা চলে গেছে। সম্পত্তির মালিকানার অধিকার, তা মূলত চলে গেছে। তাই প্রায় সবকিছুর জন্যই আপনাকে সরকারের কাছ থেকে অনুমতি নিতে হবে। আর পুলিশ রাষ্ট্রের সংজ্ঞা যদি এটি হয় যে সরকার অনুমতি না দিলে আপনি কিছুই করতে পারবেন না, তবে আমরা সেই পথেই আছি। এটি এমন কিছু যা নিয়ে মানুষ শেষ পর্যন্ত ক্লান্ত এবং বিরক্ত হয়ে বলবে, আর না। আমি আশা করি তারা এমনটা বলবে।
** ''[[w:আমেরিকা: ফ্রিডম টু ফ্যাসিজম|আমেরিকা: ফ্রিডম টু ফ্যাসিজম]]'', ২০০৬ [http://video.google.com/videoplay?docid=5355374476580235299&hl=en]
* আমেরিকান জনগণকে দুটি জঘন্য বিকল্প দেওয়া হয়েছে। একটি হলো [[w:কর্পোরেটিজম|কর্পোরেটিজম]], একটি [[ফ্যাসিবাদ|ফ্যাসিবাদী]] ধরনের পদ্ধতি, অথবা [[সমাজতন্ত্র]]। আমরা এই দেশে [[w:মুক্ত বাজার|মুক্ত বাজারের]] মাধ্যমে অনেক পরিষেবা সরবরাহ করি। আর যখন আপনি এটি মুক্ত বাজারের মাধ্যমে করেন তখন দাম কমে যায়। কিন্তু [[w:চিকিৎসা|চিকিৎসার]] ক্ষেত্রে দাম বেড়ে যায়। প্রযুক্তি খরচ কমাতে সাহায্য করে না, এটি কমার বদলে বেড়ে যায়। কিন্তু আপনি যদি আমাদের প্রায় সমস্ত শিল্পের দিকে তাকান যেগুলো অনেক বেশি স্বাধীন, সেখানে প্রযুক্তি দাম কমায়। একটু ভাবুন মোবাইল ফোনের দাম কীভাবে কমে যাচ্ছে। গরিব মানুষের কাছে মোবাইল ফোন, টেলিভিশন এবং কম্পিউটার আছে। সবকিছুর দাম কমে যায়। কিন্তু চিকিৎসায় এগুলো বেড়ে যায়, আর এর একটি কারণ আছে। কারণ সরকার এর সাথে জড়িত... আমি মনে করি [সরকারি সম্পৃক্ততা ছাড়া দাম কমে যাবে]। তবে সম্ভবত আপনি যা ভাবছেন তার চেয়ে অনেক বেশি। কারণ আপনাকে সেবা সরবরাহের ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা করতে হবে। উদাহরণস্বরূপ, আপনার যদি গলা ব্যথা থাকে এবং আপনাকে আমার কাছে আসতে হয়, তবে আপনাকে অপেক্ষমাণ কক্ষে অপেক্ষা করতে হবে। তারপর চেকআপ করতে হবে, এবং তারপর একটি প্রেসক্রিপশন নিতে হবে। এর ফলে আপনার ১০০ ডলার খরচ হবে। আপনার যদি সত্যিকারের প্রতিযোগিতা থাকত, তবে আপনি একজন নার্সের কাছে যেতে পারতেন। তিনি ১/১০ খরচে খুব দ্রুত এটি করতে পারতেন, এবং তাকে আপনাকে পেনিসিলিনের জন্য একটি প্রেসক্রিপশন দিতে দিন। দেখুন, ডাক্তার এবং চিকিৎসা পেশা লাইসেন্সিংয়ের মাধ্যমে ব্যবস্থাটিকে একচেটিয়া করে তুলেছে। আর এটি কোনো দুর্ঘটনা নয়। কারণ তারা এই ধারণাটি পছন্দ করে যে আপনাকে চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে এবং এই বিপুল মূল্য দিতে হবে। আর রোগীরা এটি বুঝতে পারে। মস্তিষ্কের অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হলে তারা কোনো নার্সের কাছে যাবে না...
** লরা নয়ের সাক্ষাৎকার, [[w:নিউ হ্যাম্পশায়ার পাবলিক রেডিও|এনএইচপিআর]], ৫ জুন ২০০৭ [http://info.nhpr.org/node/13016]
* একদিন আমি একটি অপারেটিং রুমে গিয়েছিলাম, কেবল একজন পর্যবেক্ষক হিসেবে। একজন [[w:রেসিডেন্সি (চিকিৎসা)|মেডিকেল রেসিডেন্ট]] হিসেবে আমরা সাধারণত এটি করতাম। তারা এই [[w:হিস্টেরেক্টমি|হিস্টেরেক্টমিটি]] সম্পাদন করছিল, যা একটি সিজারিয়ান সেকশন ছিল। তারা প্রায় ২ পাউন্ড ওজনের একটি ভ্রূণ বের করে আনে। এটি শ্বাস নিচ্ছিল এবং কাঁদছিল। এটিকে একটি বালতিতে রাখা হয়েছিল এবং ঘরের এক কোণে রাখা হয়েছিল। ঘরের সবাই ভান করেছিল যে তারা এটি শুনতে পায়নি। আর বাচ্চাটি মারা যায়। আমি সেই ঘর থেকে একজন ভিন্ন মানুষ হয়ে বেরিয়ে এসেছিলাম... [[w:রো বনাম ওয়েড|রো বনাম ওয়েড]] হলো দেশের নৈতিক পরিবেশের প্রতিফলন। কারণ আইনটিকে অমান্য করা হচ্ছিল, এবং তারপর আইনটি পরিবর্তন করা হয়েছিল। আইনটি সংস্কৃতির সাথে কিছুটা তাল মিলিয়ে চলেছিল। তাই আমরা আইনি ক্ষেত্রে কাজ করলেও এবং রাজনৈতিকভাবে কাজ করলেও, আমি শেষ পর্যন্ত বিশ্বাস করি এটি ব্যক্তিগত নৈতিকতার একটি বিষয়। এটি কেবল আইনের অভাবের চেয়েও বেশি দেশের প্রতিফলন। কেবল আইন পরিবর্তন করাই যথেষ্ট হবে না। আমাদের শেষ পর্যন্ত এমন একটি সমাজ তৈরি করতে হবে যা যথেষ্ট নৈতিক, যেখানে ভ্রূণ আইনি সুরক্ষা পাওয়ার যোগ্য।
** [[w:ন্যাশনাল রাইট টু লাইফ কমিটি|ন্যাশনাল রাইট টু লাইফ]] কনভেনশন, ক্যানসাস সিটি, মিসৌরি, ১৫ জুন ২০০৭ [http://www.youtube.com/watch?v=KXZpuIXEzWk]
* '''জ্যান মিকেলসন''': কোনো প্রার্থী এই বিষয়ে কী ধরনের চিন্তাভাবনা করেছেন তা জানার জন্য আমার অন্যতম লিটমাস পরীক্ষার প্রশ্ন হলো, আমার পরীক্ষার প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা। পরীক্ষার প্রশ্নটি হলো: আপনি কি মনে করেন যে রো বনাম ওয়েড দেশের আইন?<br>'''রন পল''': আচ্ছা, তারা একে দেশের আইন বলে। তবে আমি এটি বাতিল করে তা পরিষ্কার করতে চাই। আমি মনে করি এটি আদালতগুলো তাদের সীমানা অতিক্রম করার একটি চমৎকার উদাহরণ। এই সহিংস কাজের বিরুদ্ধে টেক্সাসের একটি আইন ছিল। এটি ফেডারেল আদালত এবং সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল। তারা রাষ্ট্রীয় আইন বাতিল করেছিল, যা বৈধ হওয়া উচিত ছিল। তারপর তারা তৃতীয় ত্রৈমাসিকেও ভ্রূণ হত্যা বৈধ করার পক্ষে রায় দিয়েছিল। কিন্তু এটি অর্জনের দ্রুততম উপায় সাংবিধানিক সংশোধনীর মাধ্যমে নয়। কিংবা বাতিল করার জন্য পর্যাপ্ত বিচারপতি পাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করার মাধ্যমেও নয়। আপনি কংগ্রেসে একটি আইন পাস করতে পারেন। এটি ফেডারেল আদালতগুলোর এখতিয়ার অস্বীকার করে। তাই আইওয়া বা টেক্সাস বা কোনো রাজ্য যদি গর্ভপাতের বিরুদ্ধে আইন পাস করে, তবে আপনি এটিকে ফেডারেল আদালতে নিয়ে যেতে পারবেন না। রাজ্যগুলো এই বিষয়টি ঠিক করবে, যেমন তারা সহিংসতার সমস্ত বিষয় ঠিক করে: হত্যা, মানুষ মারা, চুরি। এই সমস্ত জিনিসগুলোকে রাজ্যের বিষয় বলে মনে করা হয়।
** [[w:ডব্লিউএইচও (এএম)|জ্যান মিকেলসনের]] সাক্ষাৎকার, ৯ আগষ্ট ২০০৭ [http://www.mickelson.libsyn.com/index.php?post_year=2007&post_month=08]
* '''জন লফটন''': আপনি কি মনে করেন গর্ভপাত হলো হত্যা?<br>'''রন পল''': হ্যাঁ, কিন্তু আমাদের রাষ্ট্রীয় আইনগুলোতে, যা হত্যার বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগ করে, সেখানে মাত্রা রয়েছে। আপনার কাছে ১ম, ২য় এবং ৩য় মাত্রার হত্যা রয়েছে। আমি মনে করি যে কেউ পরের দিন একটি বড়ি খায় সে সম্ভবত ততটা ভয়ানক হত্যা করছে না। যখন আপনি কাউকে মেঝেতে শুয়ে থাকতে দেখেন এবং কেউ একটি বন্দুক নিয়ে তার মাথায় ঠেকায়। আমি এগুলো সমান মনে করি না...<br>'''জন লফটন''': গর্ভপাতকারী এবং যে ব্যক্তি গর্ভপাত করে তার জন্য কী শাস্তি হওয়া উচিত বলে আপনি মনে করেন?<br>'''রন পল''': এটি ঠিক কী হওয়া উচিত তা জানার মতো প্রজ্ঞা আমার নেই... যে মেয়েটি গিয়ে গর্ভপাত করে, সে এর একজন অংশগ্রহণকারী, আমি মনে করি না তার মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্য... তবে কিছু গর্ভপাতকারী রয়েছে যাদের একটি বেশ কঠোর শাস্তি দেওয়া খুব কঠিন হবে না। কারণ, আপনি জানেন, একটি ব্যাপার আমাকে সবচেয়ে বেশি বিরক্ত করে। তা হলো একজন গর্ভপাতকারী তৃতীয় ত্রৈমাসিকে একটি জীবন্ত কার্যকর ভ্রূণ হত্যা করে অর্থ উপার্জন করতে পারে। তারা এটি নিয়ে কিছুই ভাবে না, এবং তারা এটি করে জীবিকা নির্বাহ করে। অথচ, জন্মের এক মিনিট পর, সেই একই মা, যে হয়তো শিশুটিকে ফেলে দিতে পারে, তাকে সঠিকভাবে কাজ করতে ডাকা হয়। আসলে তাকে হত্যার দায়ে অভিযুক্ত করা হয়। তাই এই অসামঞ্জস্যতা সমাধান করতে হবে।
** [[w:দ্য আমেরিকান ভিউ|''দ্য আমেরিকান ভিউ'']], ২৫ আগষ্ট ২০০৭ [http://theamericanview.com/index.php?id=898]
* '''অ্যাডাম কারি''': একজন নারী হিসেবে নিজের শরীরের প্রতি অধিকার। আপনি যা চান তা নিজের শরীরে ঢোকানো বা বের করার অধিকার কি আপনার নেই?<br>'''রন পল''': ধর্ষণের ব্যতিক্রম ছাড়া, আপনার শারীরিক সম্পর্কের পরিণতিগুলোর দায়িত্ব রয়েছে। কিন্তু আপনি যদি সেই যুক্তিটিকে তার যৌক্তিক উপসংহারে নিয়ে যান, তবে আমিও মনে করি আপনার সম্পত্তির প্রতি আপনার অধিকার রয়েছে। আপনার বাড়িই হলো আপনার দুর্গ। আমি চাই না সেখানে কোনো ক্যামেরা বা কিছু থাকুক। কিন্তু কিছু বাবা-মা হয়তো তাদের সন্তানদের হত্যা করে। আমরা সেখানে ক্যামেরা বসাই না। আমরা বাবা-মায়ের অধিকার কেড়ে নিই না কারণ এক কোটি ৪০ লাখ মানুষের মধ্যে একজন হয়তো তার সন্তানকে হত্যা করতে পারে। কিন্তু, যদি আমরা জানতে পারি যে কিছু বাবা-মা তাদের বাড়িতে তাদের সন্তানদের হত্যা করছে, তবে হঠাৎ করে এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। তাই বাড়ির পবিত্রতা শিশুদের হত্যার অনুমতি দেয় না। [...] জন্মের ঠিক আগে গর্ভপাত করার জন্য আমাকে অনেক টাকা দেওয়া যেতে পারে। কিন্তু যদি আমি জন্মের এক মিনিট পর এটি করি তবে হত্যার জন্য আমাকে কারাগারে যেতে হবে। আর একসময় একটি [http://www.lifesite.net/ldn/2006/nov/06110205.html মামলা] হয়েছিল যেখানে গর্ভপাতকারী গর্ভপাত করেছিল, কিন্তু শিশুটি জীবিত জন্মেছিল। তাই সে শিশুটিকে ডুবিয়ে মেরেছিল। আমি মনে করি সে একটি অপরাধের জন্য দোষী সাব্যস্ত হয়েছিল। কিন্তু যদি সে কেবল শিশুটিকে আগে হত্যা করতে পারত... এ কারণেই এই [[w:ইনট্যাক্ট ডাইলাটেশন অ্যান্ড এক্সট্রাকশন|আংশিক জন্ম গর্ভপাত]] তৈরি হয়েছে। কারণ আপনি কখনোই চাননি শিশুটি জীবিত জন্ম নিক।
** [[w:অ্যাডাম কারি|অ্যাডাম কারি]]র সাক্ষাৎকার, ২৪ অক্টোবর ২০০৭ [http://m.podshow.com/media/21/episodes/84569/dailysourcecode-84569-10-24-2007.mp3]
* '''প্রশ্ন''': একজন ডাক্তার হিসেবে, যখন কেউ বলে যে স্বাস্থ্যসেবা একটি অধিকার, অথবা ভালো চিকিৎসা সেবা পাওয়ার অধিকার মানুষের রয়েছে, তখন এটি কি আপনার কাছে অর্থবহ? <br/> '''রন পল''': এটি ভুল। কারণ অন্য কারও শ্রমের ফলের ওপর আপনার কোনো অধিকার নেই। আপনার কোনো বাড়ির অধিকার নেই, আপনার কোনো চাকরির অধিকার নেই, আপনার চিকিৎসা সেবার কোনো অধিকার নেই। আপনার জীবনের অধিকার আছে, আপনার স্বাধীনতার অধিকার আছে, আপনি যা উপার্জন করেন তা রাখার অধিকার আপনার আছে। আর এটিই সমৃদ্ধি তৈরি করে। তাই আপনি সমান ন্যায়বিচার চান। আর এটি নিয়ে তর্ক করা আমার জন্য কঠিন নয়। কারণ আপনি যদি সত্যিই সহানুভূতিশীল হন এবং আপনি মানুষের প্রতি যত্নবান হন, তবে সমাজ যত বেশি স্বাধীন হবে তা তত বেশি সমৃদ্ধ হবে। আর আপনার চিকিৎসা সেবা পাওয়ার সম্ভাবনা তত বেশি হবে... আপনি যখন এটি কেন্দ্রীয় অর্থনৈতিক পরিকল্পনার হাতে তুলে দেবেন, তখন তারা ভুল করতে বাধ্য। আমলা এবং বিশেষ স্বার্থান্বেষী মহল ও হ্যালিবার্টনরা টাকা কামাবে। তা যুদ্ধই হোক বা ক্যাটরিনাই হোক, এই প্রতিযোগিতামূলক নয় এমন চুক্তিগুলোতে আমলারা অনেক টাকা কামায় আর আপনার ভাগে জোটে অদক্ষতা।
** ''অল থিংস কনসিডারড'', এনপিআর, ২৫ জুলাই ২০০৭ [http://www.npr.org/templates/story/story.php?storyId=12224561]
* '''জন স্টসেল''': আপনার দল একটি প্রেসক্রিপশন ড্রাগ প্রোগ্রাম তৈরি করেছে, আপনি এর বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছেন। বয়স্কদের কি এই ওষুধের প্রয়োজন নেই?<br>'''রন পল''': হ্যাঁ, সেকারণেই আমি এর বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছি, কারণ এই সরকারি প্রোগ্রামগুলো কাজ করতে ব্যর্থ হয়েছে। অনেক বয়স্ক লোক সেই প্রোগ্রাম নিয়ে খুব রেগে ছিল এবং এখনও আছে, কারণ এটি খুব জটিল এবং কঠিন।<br>'''জন স্টসেল''': কিন্তু অনেকে এটি পছন্দ করে, আরে, আমি আমার ওষুধের দাম পাচ্ছি, সেগুলো বিনামূল্যে।<br>'''রন পল''': আপনি কি জানেন অন্য কারা এটি পছন্দ করে? ওষুধ কোম্পানিগুলো। তারা বেশ কয়েক মিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে। তারা সবচেয়ে বেশি লবিং করেছে। মুনাফাখোররাই মূলত সেই প্রোগ্রামটিকে ধাক্কা দিয়েছিল। তবে আপনার কাছে এটি না থাকলে লোকেরা তাদের ওষুধ পাবে না, এমন ধারণা করা উচিত নয়। বাজার দাম কমানোর জন্য ডিজাইন করা হয়েছে, দাম বাড়ানোর জন্য নয়।
** ''[[w:২০/২০|২০/২০]]'' জন স্টসেলের অপ্রচারিত সাক্ষাৎকার, ৭ ডিসেম্বর ২০০৭ [http://www.abcnews.go.com/2020/Stossel/story?id=3970423] [http://www.youtube.com/watch?v=xzvtQy_zKHk]
* '''আমরা যারা অহস্তক্ষেপবাদী তারা বিচ্ছিন্নতাবাদী নই'''। আসল বিচ্ছিন্নতাবাদী তারাই যারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও জনগণের ওপর নিষেধাজ্ঞা ও অবরোধ আরোপ করে। কারণ তারা তাদের নেতাদের অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক নীতিগুলোর সাথে একমত নয়। '''আসল বিচ্ছিন্নতাবাদী তারাই যারা কূটনীতি, সম্পৃক্ততা এবং একটি ইতিবাচক উদাহরণ স্থাপনের মাধ্যমে পরিবর্তনের চেষ্টা করার পরিবর্তে গণতন্ত্র প্রচারের জন্য বিদেশে বলপ্রয়োগ করতে বেছে নেয়'''।
** "আমি একই বৈদেশিক নীতির সমর্থন করি যা ফাউন্ডিং ফাদাররা করতেন", ''ইউনিয়ন লিডারের'' কাছে খোলা চিঠি [http://www.unionleader.com/article.aspx?articleId=cc287b0f-941c-4b07-88e9-9e992810f700], ''ইউনিয়ন লিডার'' (২০০৭)
* আমি মনে করি স্টেম সেল গবেষণা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমি মনে করি চিকিৎসায় এর দুর্দান্ত ভবিষ্যৎ রয়েছে। আমি মনে করি উত্তরগুলো এখনও আসেনি। কেউ কেউ বলে এটিই নিখুঁত উত্তর, আর অন্যরা বলে এটি ভালো নয় এবং এটি করা উচিত নয়। এটি এখনও জানা যায়নি। আমি আপনাকে বলব: রাজনীতিবিদ এবং আমলা এবং [[w:খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন|এফডিএ]]-ও জানে না। আর আমি মনে করি না এটি সেখানে নির্ধারণ করা উচিত। এটি বাজারে নির্ধারণ করা উচিত। ওয়াশিংটনে এ পর্যন্ত আমাদের কাছে কেবল দুটি বিকল্প ছিল, হয় এটি নিষিদ্ধ করা বা এতে ভর্তুকি দেওয়া। আমার অবস্থান হলো আমাদের কোনোটিই করা উচিত নয়। আপনি কী করতে পারেন এবং কী করতে পারবেন না তার নিয়মকানুন এবং আইন তৈরি করা রাজ্যগুলোর ওপর ছেড়ে দেওয়া উচিত। যদিও আমি খুব জোরালোভাবে জীবন-সমর্থনকারী এবং আমার মতে সবচেয়ে খারাপ জিনিসটি হলো গবেষণার জন্য ব্যবহৃত শিশু তৈরি করা। কিন্তু একজন প্রসূতি বিশেষজ্ঞ হিসেবে অনেক অনুষ্ঠানে আমাকে [[w:ফ্যালোপিয়ান টিউব|ফ্যালোপিয়ান টিউবে]] গর্ভাবস্থা থাকা একজন নারীর ওপর অস্ত্রোপচার করতে হয়েছে। ভ্রূণটি ছোট, এবং জীবিত, এবং হৃৎপিণ্ড স্পন্দিত হয়। কিন্তু আপনি যদি তার ওপর অস্ত্রোপচার না করেন, তবে ভ্রূণ মারা যায় এবং রোগী মারা যায়। কারণ [[w:এক্টোপিক প্রেগন্যান্সি|এক্টোপিক প্রেগন্যান্সির]] ক্ষেত্রে [[w:অবস্টেট্রিকাল হেমোরেজ|হেমোরেজ]] একটি খুব, খুব সংকটময় সময়। আমি কোনো কারণ দেখছি না কেন আপনি গবেষণার জন্য সেই ভ্রূণের টিস্যু ব্যবহার করতে পারবেন না।
** পলিটিকো টিভি, মে ২০০৭ [http://www.youtube.com/watch?v=dojI3UYIcGg]
* অবশ্যই [[w:প্যাট্রিয়ট অ্যাক্ট|প্যাট্রিয়ট অ্যাক্ট]] কখনো পাস হতো না। কারণ এটি আমাদের কাছে উপলব্ধ ছিল না... এটি প্রায় ৪০০ পৃষ্ঠার ছিল এবং হাউসের মেঝেতে বিতর্ক হওয়ার এক ঘণ্টারও কম সময়ের আগে এটি উপলব্ধ হয়েছিল... কংগ্রেস সদস্যরা ভয় পেয়েছিলেন, "আমি যদি কিছু না করি, আমার লোকেরা রাগ করবে, কারণ তারা চায় আমরা কিছু করি"। আর মানুষ আতঙ্কিত। যখন তারা আতঙ্কিত হয়, তখন তারা আমাদের কাছে তাদের স্বাধীনতা ছেড়ে দিতে অনেক বেশি ইচ্ছুক হয়। কিন্তু তাদের স্বাধীনতা ছেড়ে দিলে তারা নিরাপদ হবে না। এটাই এর আসল দুঃখজনক দিক।
** লরা নয়ের সাক্ষাৎকার, [[w:নিউ হ্যাম্পশায়ার পাবলিক রেডিও|এনএইচপিআর]], ৫ জুন ২০০৭ [http://info.nhpr.org/node/13016]
* আমাদের সাংবিধানিক প্রজাতন্ত্রের এই অপরিহার্য নীতিটি সাম্রাজ্যবাদী ওয়াশিংটনের দ্বারা চরমভাবে পদদলিত হচ্ছে। এটি স্থানীয় সরকারগুলোকে এর অবৈধ এবং অসাংবিধানিক নীতিগুলো গ্রহণ করার জন্য ভয় দেখায়।
** জোসেফ মুরতাঘের সাক্ষাৎকার, ২৮ জুন ২০০৭ [http://www.muckrakerreport.com/id447.html]
* আমি বর্ণবাদী নই। আসলে রোজা পার্কস আমার নায়কদের একজন। মার্টিন লুথার কিং একজন নায়ক—কারণ তারা আইন অমান্য, অহিংসার স্বাধীনতাপন্থী নীতি অনুশীলন করেছিলেন।<br />'''বর্ণবাদ কেবল [[সমষ্টিবাদ|সমষ্টিবাদের]] একটি কুৎসিত রূপ। এই মানসিকতা মানুষকে কেবল গোষ্ঠীর সদস্য হিসেবে দেখে এবং কখনো ব্যক্তি হিসেবে দেখে না'''। বর্ণবাদীরা বিশ্বাস করে যে একই বাহ্যিক শারীরিক বৈশিষ্ট্যের অধিকারী সমস্ত ব্যক্তি একরকম। সমষ্টিবাদী হিসেবে বর্ণবাদীরা কেবল গোষ্ঠীর পরিভাষায় চিন্তা করে। আমেরিকানদের একটি গোষ্ঠী মানসিকতা গ্রহণে উৎসাহিত করে তথাকথিত "বৈচিত্র্য"র সমর্থকরা আসলে বর্ণবাদকে স্থায়ী করে। জাতিগত গোষ্ঠী পরিচয়ের প্রতি তাদের মোহ অন্তর্নিহিতভাবেই বর্ণবাদী। বর্ণবাদের আসল প্রতিষেধক হলো স্বাধীনতা। স্বাধীনতা মানে একটি সীমিত, সাংবিধানিক সরকার থাকা যা গোষ্ঠীর দাবির পরিবর্তে ব্যক্তিগত অধিকার রক্ষার জন্য নিবেদিত। স্বাধীনতা মানে মুক্ত বাজার পুঁজিবাদ। এটি ব্যক্তিগত অর্জন এবং যোগ্যতাকে পুরস্কৃত করে। এটি গায়ের রং, লিঙ্গ বা জাতিসত্তাকে পুরস্কৃত করে না।
** [http://www.youtube.com/watch?v=i3EADdr-5AY ''গভর্নমেন্ট অ্যান্ড রেসিজম''] (১৬ এপ্রিল ২০০৭)।
* আমি বিশ্বাস করতে চাই যে আমাদের যদি একটি স্বাধীন সমাজ থাকত, তবে এটি কৃষ্ণাঙ্গ ও শ্বেতাঙ্গ এবং সবাইকে সমানভাবে যত্ন নিত। কারণ আমরা সবাই ব্যক্তি। আমার কাছে এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু আমাদের যদি আইনের অধীনে সমান ন্যায়বিচার থাকত, তবে আমি মনে করি এটি একটি বড় উন্নতি হতো। যদি আমাদের সম্ভবত মাদকের ওপর বেশিরভাগ ফেডারেল আইন এবং এই মাদক আইনগুলোর মাধ্যমে কৃষ্ণাঙ্গদের সাথে কতটা অন্যায্য আচরণ করা হয় তা বাতিল করা হতো, তবে এটি একটি বিশাল উন্নতি হতো।
** [http://www.channels.com/episodes/13077589?page=2 ইয়োর লিগ্যাসি অন রেস], [http://www.presidency.ucsb.edu/ws/index.php?pid=75913#axzz1hrPWCrSG রিপাবলিকান ক্যান্ডিডেটস "অল-আমেরিকান প্রেসিডেনশিয়াল ফোরাম"] (২০০৭)
* ব্যক্তিগত স্বাধীনতা রক্ষার জন্য ডিজাইন করা একটি ব্যবস্থায় কোনো গোষ্ঠীর জন্য কোনো শাস্তি এবং কোনো সুবিধা থাকবে না। আজ আমি মনে করি শহরের ভেতরের লোক এবং সংখ্যালঘুদের মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অন্যায্যভাবে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে। <br />উদাহরণস্বরূপ, মাদক ব্যবহারকারীদের ১৪% হলো কৃষ্ণাঙ্গ। অথচ গ্রেপ্তার হওয়াদের মধ্যে ৩৬ শতাংশ কৃষ্ণাঙ্গ। আর শেষ পর্যন্ত যারা কারাগারে যায় তাদের ৬৩% হলো কৃষ্ণাঙ্গ। এটি পরিবর্তন করতে হবে। <br />আমাদের আরও আদালত এবং আরও কারাগার রাখার দরকার নেই। আমাদের মাদকের বিরুদ্ধে পুরো যুদ্ধ বাতিল করতে হবে। এটি কাজ করছে না। আমরা ১৯৭০-এর দশকের শুরু থেকে এরই মধ্যে ৪০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি ব্যয় করেছি। আর এটি নষ্ট হওয়া অর্থ। মাদক নিষিদ্ধ করা কাজ করেনি। মাদকের ওপর নিষেধাজ্ঞা কাজ করে না। তাই আমাদের সম্বিত ফিরে পেতে হবে। আর, অবশ্যই, এটি একটি রোগ। আমরা অ্যালকোহলিকদের সাথে এমন আচরণ করি না। এটি একটি রোগ, এবং আমাদের উচিত এর প্রতি নিজেদের অভিমুখী করা। এভাবে আপনি আইনের অধীনে সমান ন্যায়বিচার পেতে পারেন।
** [http://www.tigerdroppings.com/rant/p/30724045/Stands-on-race-Paul-can-not-deny.aspx মর্গান স্টেট ইউনিভার্সিটিতে জিওপি প্রেসিডেনশিয়াল ফোরাম], ২৭ সেপ্টেম্বর ২০০৭
* [[ইরাক যুদ্ধ|যুদ্ধের]] সবচেয়ে জোরালো সমর্থকদের কেউ কেউ ঘোষণা করেন যে আমরা একটি খ্রিষ্টান জাতি। তবুও তারা তাদের ধর্মীয় বিশ্বাস ব্যবহার করে যুদ্ধকে ন্যায়সঙ্গত করতে। তারা দাবি করে যে মধ্যপ্রাচ্য পুনর্নির্মাণ করা এবং মুসলিম কাফেরদের আক্রমণ করা আমাদের খ্রিষ্টান দায়িত্ব। স্পষ্টতই আমি অন্য একটি বাইবেল থেকে পড়ছি। আমার “[[w:বিয়াটিটিউডস|শান্তিস্থাপনকারীদের]] ধন্য” সম্পর্কে কিছু মনে আছে। আমার বিশ্বাস একপাশে রাখলে, প্রায় এক হাজার বছরের খ্রিষ্টান শিক্ষা “[[ন্যায়যুদ্ধ তত্ত্ব|দ্য জাস্ট ওয়ার থিওরি]]” ধারণাকে শক্তিশালী করে। এই খ্রিষ্টান তত্ত্বটি যুদ্ধে খ্রিষ্টানদের অংশগ্রহণকে ন্যায়সঙ্গত করতে প্রয়োজনীয় [[w:জাস্ট ওয়ার|ছয়টি মানদণ্ডের]] ওপর জোর দেয়... ইরাক যুদ্ধ এই প্রয়োজনীয়তাগুলোর প্রায় সবকটি পূরণ করতে ব্যর্থ হয়। এই অসামঞ্জস্যতা খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের মধ্যে ক্ষোভ ও বিভাজন তৈরি করেছে। কেউ কেউ ক্ষুব্ধ কারণ খ্রিষ্টীয় দায়িত্ববোধ থেকে যুদ্ধটি করা হচ্ছে। অথচ সমস্ত খ্রিষ্টানদের কাছ থেকে এর অভিন্ন সমর্থন নেই। অন্যরা ক্ষুব্ধ কারণ তারা খ্রিষ্টধর্মকে শান্তি ও ক্ষমার ধর্ম হিসেবে দেখে, যুদ্ধ এবং শত্রুদের ধ্বংস হিসেবে নয়।
** ''হোয়াই আর আমেরিকানস সো অ্যাংরি?'', ২৯ জুন ২০০৬ [http://www.house.gov/paul/congrec/congrec2006/cr062906.htm]
* আমি ওয়াশিংটনে বড় সরকারও পছন্দ করি না। আমাদের ফেডারেল সরকারের ওপর কোনো সুপার সরকার থাকা তো দূরের কথা, যেমন [[w:নর্থ আমেরিকান ইউনিয়ন|নর্থ আমেরিকান ইউনিয়ন]], বা জাতিসংঘ, বা এসব সংস্থার কোনোটি। এর মানে হলো আরও বেশি সরকার এবং ব্যক্তিগত সার্বভৌমত্বের ওপর আরও বেশি আক্রমণ, যা আসল সমস্যা।
** আইওয়ার জন্য টিভি স্পেশাল, ডিসেম্বর ২০০৭ [http://www.youtube.com/watch?v=uQNWHmiGj-k]
* আমরা বিশ্বজুড়ে ঘুরে বেড়াই, গণতন্ত্র ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য লড়াই করি এবং তাদের কীভাবে বাঁচতে হবে তা বলি। তবে আসলে আমাদের কোনো গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা নেই... এটি খুব কঠিন করার জন্য আইন তৈরি করা হয়েছে। কারণ রিপাবলিকান এবং ডেমোক্র্যাটরা প্রতিযোগিতার সন্ধান করছে না, তারা এটিকে একচেটিয়া করতে চায়। তাই অনেক দিক থেকে আমরা অন্যান্য কিছু ব্যবস্থার চেয়ে কম গণতান্ত্রিক। যেখানে তাদের একাধিক দল রয়েছে, এবং এখানে যত মানুষ প্রতিনিধিত্ব করতে পারে তার চেয়ে বেশি মানুষের প্রতিনিধিত্ব সেখানে রয়েছে।
** লরা নয়ের সাক্ষাৎকার, [[w:নিউ হ্যাম্পশায়ার পাবলিক রেডিও|এনএইচপিআর]], ৫ জুন ২০০৭ [http://info.nhpr.org/node/13016]
* আমরা ইরানের প্রতি আমাদের তীক্ষ্ণ বাগাড়ম্বর বাড়াচ্ছি, আমরা এই অঞ্চলে অতিরিক্ত ক্যারিয়ার গ্রুপ এবং প্যাট্রিয়ট মিসাইল মোতায়েন করছি। আর যদিও ইরান ৯/১১-এর পর থেকে দু'বার গুরুতর সংলাপ প্রতিষ্ঠার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সাথে [http://www.pbs.org/wgbh/pages/frontline/showdown/themes/grandbargain.html যোগাযোগ] করেছে, কিন্তু দু'বারই তাদের প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে...<br>'''[[কন্ডোলিজা রাইস]]''': ...যখন আমাদের একটি ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ [[w:পারস্য উপসাগর|উপসাগরে]] যায়, বা [[w:এমআইএম-১০৪_প্যাট্রিয়ট#পিএসি-৩|পিএসি-৩]] প্রদান করে, যা একটি প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা, তখন তা কেবল এটা প্রদর্শন করার জন্য যে যুক্তরাষ্ট্র উপসাগরে তার স্বার্থ এবং তার মিত্রদের স্বার্থ রক্ষায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। আর, কংগ্রেসম্যান, এটি এমন একটি অবস্থান যা আমেরিকান রাষ্ট্রপতিরা প্রায় ৬০ বছর ধরে ধরে রেখেছেন। আমি কেবল উল্লেখ করতে চাই যে এগুলো হলো ইরানি কার্যকলাপের প্রতি বিচ্ছিন্ন প্রতিক্রিয়া যা সত্যিই গভীরভাবে উদ্বেগজনক, কেবল আমাদের জন্য নয়, বাকি বিশ্বের জন্যও। এখন তেহরান সম্পর্কে বলি, আমরা তাদের সাথে কথা বলতে পারি কি না। আমি মে মাসে আমেরিকার ২৭ বছরের নীতি বদলানোর প্রস্তাব দিয়েছিলাম। আমি আমার প্রতিপক্ষের সাথে যেকোনো জায়গায়, যেকোনো সময় দেখা করার প্রস্তাব দিয়েছিলাম। আমি ইরান যে বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলতে চায় সেগুলো নিয়ে কথা বলার প্রস্তাব দিয়েছিলাম। যদি তারা কেবল একটি কাজ করত। আর তা হলো, [[w:আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়|আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়]] যে দাবি করছে তা মেনে চলা। তারা যেন সমৃদ্ধকরণ এবং পুনঃপ্রক্রিয়াকরণ বন্ধ করে, যাতে আমরা যখন কথা বলছি তখন তারা পারমাণবিক অস্ত্র পাওয়ার সক্ষমতা বাড়াতে না পারে। তাই আমার মনে হয়, কংগ্রেসম্যান, প্রশ্নটি এটি নয় যে আমরা কেন তেহরানের সাথে কথা বলব না, প্রশ্নটি হলো তারা কেন আমাদের সাথে কথা বলবে না।
** স্টেট ডিপার্টমেন্ট বার্ষিক বাজেট অনুরোধ, বৈদেশিক বিষয়ক কমিটি, ২ ফেব্রুয়ারি ২০০৭ [http://www.youtube.com/watch?v=zYa9EFcvsrE]
* যখন মানুষ সমস্যায় থাকে তখন তাদের সাহায্য করার বিষয়ে আমি মনে করি সবারই একই উদ্বেগ রয়েছে। প্রশ্ন হলো এটি বলপ্রয়োগ, নাকি স্বেচ্ছামূলক উপায়, নাকি স্থানীয় সরকারের মাধ্যমে করা উচিত। আর আমি ফেডারেল সরকারের এটি করা থেকে সরে আসি। কারণ এতে কেন্দ্রীয় অর্থনৈতিক পরিকল্পনা জড়িত। তাই আমরা যদি ভদ্রলোকের নৈতিক ভিত্তিও মেনে নিই, তবুও ব্যবহারিক উপায়ে এটি সম্পূর্ণ ব্যর্থ। আমরা যে পরিমাণ টাকা নিয়েছি তা দিয়ে যদি প্রতিটি পরিবারকে ২০ হাজার ডলার করে দিতাম, তবে আমরা যেভাবে এটি করেছি তার চেয়ে তারা সবাই ভালো থাকত। আমরা এই সব ট্রেলার বাড়ি কিনেছিলাম এবং সেগুলো খোলা আকাশের নিচে পড়ে ছিল। তাই পুরো জিনিসটিই পাগলামি, এটি একটি সম্পূর্ণ অপচয়। তাছাড়া আমি এই ফেডারেল সরকারি কর্মসূচিগুলো পছন্দ করি না। এর কারণ হলো এটি আমার মতো লোকেদের সমুদ্র সৈকতে নির্মাণ করতে উৎসাহিত করে। মেক্সিকো উপসাগরে সৈকতে আমার একটি বাড়ি আছে। কিন্তু আমি কেন আমার নিজের দায়িত্ব গ্রহণ করি না, বাজার আমাকে কেন বলে না যে বিমার হার কত হওয়া উচিত? কারণ এটি খুব বেশি হবে। কিন্তু, যেহেতু আমরা এটিতে ভর্তুকি চাই, তাই আমরা অ্যারিজোনার জনগণকে আমার বিমায় ভর্তুকি দিতে বলি যাতে আমি আরও বেশি বিপদ নিতে পারি। আমার বাড়ি ভেঙে পড়ে, আর তারপর অ্যারিজোনার জনগণ এটি পুনর্নির্মাণ করে?! [[w:হারিকেন ক্যাটরিনা|ক্যাটরিনার]] সময়ে আমার বক্তব্য, যা ছিল একটি বেশ ঝুঁকিপূর্ণ রাজনৈতিক বক্তব্য: আমার ঝুঁকি নেওয়ার জন্য অ্যারিজোনার জনগণকে কেন টাকা দিতে হবে... আপনি যদি ঝুঁকিপূর্ণ আচরণে ভর্তুকি না দেন তবে কম লোক বিপদের সম্মুখীন হবে... আমার মনে হয় এটি একটি খুব গুরুতর ভুল বলে মনে করা যে কেন্দ্রীয় অর্থনৈতিক পরিকল্পনা এবং যারা ঝুঁকি নেয় না তাদের কাছ থেকে যারা ঝুঁকি নেয় তাদের কাছে জোরপূর্বক সম্পদ স্থানান্তর করা একটি সঠিক উপায়।
** ''দ্য [[w:চার্লস গোয়েট|চার্লস গোয়েট]] শো'', ৩০ মার্চ ২০০৭ [http://www.youtube.com/watch?v=O6RMVUOaeA8]
* '''নিল ক্যাভুটো''': হ্যাঁ, কিন্তু আপনি তা পারেন না, কংগ্রেসম্যান। আমাদের এখানে বেশ ভালো একটি অর্থনীতি চলছে, তাই না? আমাদের উৎপাদনশীলতা বাড়ছে। খুচরা বিক্রি শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। ১৯তম ত্রৈমাসিকেও কর্পোরেট আয় দুই অঙ্কে বেড়েছে, তাই না? বাজার সর্বোচ্চ চূড়ার দিকে ছুটছে। এগুলো তো আর শূন্যে ঘটছে না, তাই না? <br/> '''রন পল''': হ্যাঁ, সেটা ভালো কথা। কিন্তু যখন আপনাকে ঋণ নিতে হয়, তখন আপনি জানেন... আমি যদি প্রতি মাসে দশ লাখ ডলার ঋণ নিই, তবে আমার ব্যক্তিগত আর্থিক অবস্থাও খুব ভালো হবে। তবে কোনো একদিন বিল পরিশোধের সময় আসবে। এই দেশেও বিল পরিশোধের সময় আসবে। তখন আমাদের এর মূল্য চোকাতে হবে। আমরা এই যুদ্ধের ব্যয়ভার বহন করতে পারি না। আমরা এনটাইটেলমেন্ট ব্যবস্থার ব্যয়ভারও বহন করতে পারি না। <br/> '''নিল ক্যাভুটো''': দেখুন কংগ্রেসম্যান, ১০ বছর আগে যখন সংখ্যাগুলো একইভাবে শক্তিশালী ছিল, তখন কি আপনি এই কথা বলেছিলেন... <br/> '''রন পল''': পেছনে ফিরে গিয়ে যাচাই করুন। <br/> '''নিল ক্যাভুটো''': ...আর তখনো আমরা বেশ ভালো পরিমাণেই ঋণ নিচ্ছিলাম। <br/> '''রন পল''': ঠিক বলেছেন। এর মানে হলো ডলারের বুদ্বুদ আগের চেয়ে অনেক বড় হয়েছে। <br/> '''নিল ক্যাভুটো''': তাহলে কী হতে চলেছে? <br/> '''রন পল''': এরই মধ্যে ন্যাসডাক বুদ্বুদ ভেঙে পড়েছে। আবাসন বুদ্বুদ ভেঙে পড়ার মাঝপথে রয়েছে। তাই ডলারের বুদ্বুদও ভেঙে পড়বে। আমাদের সাধ্যের মধ্যে বাঁচতে হবে। আপনি হঠাৎ করে টাকা ছাপাতে পারেন না এবং টাকা ছাপিয়ে সমৃদ্ধি আনা যায় বলেও ভাবতে পারেন না।
** [[w:নিল ক্যাভুটো|নিল ক্যাভুটোর]] সাথে ''ইউর ওয়ার্ল্ড'', ফক্স নিউজ, ১৫ মে ২০০৭ [http://www.newshounds.us/2007/05/16/rep_ron_paul_tells_fox_newsrepublicans_the_truth_they_dont_like_hearing_it.php] [http://www.youtube.com/watch?v=MU2RK0TNbXk]
* সোনা-সমর্থিত ডলার মানের মতো [[w:ব্রেটন উডস ব্যবস্থা|ব্রেটন উডসের]] অ-প্রাতিষ্ঠানিক উপাদানগুলো হারিয়ে গেছে। তবে [[w:বিশ্বব্যাংক|বিশ্বব্যাংক]] এবং [[w:আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল|আইএমএফ]] কাজ চালিয়ে যাচ্ছে... পশ্চিমা সরকারগুলো বিশ্বব্যাংকে অর্থায়নের জন্য তাদের নাগরিকদের ওপর করারোপ করে। এই অর্থ দুর্নীতিগ্রস্ত তৃতীয় বিশ্বের স্বৈরশাসকদের ঋণ দেওয়া হয়। তারা এই তহবিল নিয়ে পালিয়ে যায়। এরপর ঋণ পরিশোধের দাবি করা হয়। আত্মসাতের জন্য দায়ী সরকারি কর্মকর্তাদের বদলে দরিদ্র তৃতীয় বিশ্বের নাগরিকদের ওপর করারোপ করে তা আদায় করা হয়। এটি মূলত দরিদ্রদের কাছ থেকে ধনীদের কাছে সম্পদের বৈশ্বিক হস্তান্তর। সারা বিশ্বের করদাতাদের তৃতীয় বিশ্বের স্বৈরশাসক এবং বিশ্বব্যাংকের উচ্চ বেতনের আমলাদের বিলাসবহুল জীবনযাপনের ব্যয়ভার বহন করতে বাধ্য করা হয়। এই আমলারা এমনকি আয়করও দেন না।
** বিশ্বব্যাংকের শুনানি, ২২ মে ২০০৭ [http://www.house.gov/paul/congrec/congrec2007/cr052307.htm] [http://www.youtube.com/watch?v=qNZdba8hDDY]
* আইআরএসের তত্ত্বটি আমার কাছে বেশ আপত্তিকর। কারণ ধরে নেওয়া হয় যে সরকার হিসেবে আমি আপনার আয়ের ১০০ শতাংশের মালিক। আমি আপনাকে ৫, ১০ বা ২০ শতাংশ রাখার অনুমতি দিই। আপনি দুর্বল। আপনি বিক্রি হয়ে গেছেন। সরকার চাইলে ৮০ শতাংশ নিতে পারে। একসময় তারা এটি করেছিল।
** ক্যান্ডিডেটস@গুগল সাক্ষাৎকার, ১৩ জুলাই ২০০৭ [http://www.youtube.com/watch?v=yCM_wQy4YVg]
* জনকল্যাণবাদ, অতিরিক্ত ব্যয়, ঘাটতি এবং সমাজতন্ত্র আমাদের বিভক্ত করে। কারণ সবাইকে ওয়াশিংটনে যেতে হয়। যাদের সবচেয়ে বেশি প্রভাব রয়েছে, যারা সেরা তদবিরকারী, তারা যায় এবং দখল করে। চিকিৎসাবিষয়ক শিল্প কমপ্লেক্স, ব্যাংকিং শিল্প বা সামরিক শিল্প কমপ্লেক্স যাই হোক না কেন, শেষ পর্যন্ত তারাই আমাদের সরকার নিয়ন্ত্রণ করে... দীর্ঘকাল ধরে রক্ষণশীল এবং সংবিধানপন্থীরা যুক্তিতে হেরে গেছে। তারা নৈতিক উচ্চস্থান হারিয়েছে। কারণ যারা জিনিসপত্র বিলিয়ে দিতে চায়, তারা কোথা থেকে চুরি করে তা নিয়ে কথা বলে না। তারা জিনিসপত্র দিতে এবং মানুষের যত্ন নিতে চায়। তারা নৈতিক উচ্চস্থান লাভ করে এবং দয়ালু হিসেবে পরিচিত হয়। আর স্বাধীনতায় বিশ্বাসী আমাদের দয়ার অভাব রয়েছে। কিন্তু সত্য হলো, মানুষের জানা একটিমাত্র দয়ালু ব্যবস্থা রয়েছে। আর তা হলো স্বাধীনতা এবং ব্যক্তিগত দায়িত্ব। তখন পর্যাপ্ত সম্পদ থাকবে। পরিবার, বন্ধু এবং প্রতিবেশীদের যত্ন নেওয়ার জন্য এই দয়া ব্যবহার করার ব্যক্তিগত দায়িত্ব আমাদের সবার থাকবে। তখন এত সম্পদ থাকবে যে আমরা সারা বিশ্বে এই সম্পদ ছড়িয়ে দিতে পারব।
** নিউ হ্যাম্পশায়ার হোমস্কুল মিট অ্যান্ড গ্রিট, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০০৭ [http://www.youtube.com/watch?v=WA0-OIdm6Z8]
* '''রন পল''': যা ঘটছে তা হলো দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত শ্রেণি থেকে ধনীদের কাছে সম্পদ হস্তান্তর করা হচ্ছে। আমাদের আর্থিক ব্যবস্থার কারণে এটি ঘটে। যখন আপনি মুদ্রাস্ফীতি ঘটান বা কোনো মুদ্রা ধ্বংস করেন, তখন মধ্যবিত্ত শ্রেণি নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। তাই ফেডারেল রিজার্ভ ব্যবস্থার তৈরি করা অর্থ যারা প্রথমে ব্যবহার করার সুযোগ পায়, তারা লাভবান হয়। ফলে অর্থ ব্যাংক এবং ওয়াল স্ট্রিটের দিকে ধাবিত হয়। এ কারণেই আগের চেয়ে অনেক বেশি শতকোটিপতি তৈরি হয়েছে। আজ অনেক মানুষের জন্য এই দেশ মন্দার মাঝে রয়েছে... যতক্ষণ আমরা সাধ্যের বাইরে জীবনযাপন করব, ততক্ষণ আমাদের সাধ্যের নিচে বাঁচতে হবে। আমরা আমাদের সাধ্যের বাইরে জীবনযাপন করেছি। কারণ আমরা এমন একটি পররাষ্ট্রনীতিতে অর্থায়ন করছি যা অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। একই সাথে দেশের ভেতরের ব্যয়ও রয়েছে। আমরা শূন্য থেকে অর্থ তৈরির ওপর নির্ভর করছি। এটি মুদ্রার অবমূল্যায়ন ছাড়া আর কিছু নয়। এটি জালিয়াতি... তাই, আপনি যদি একটি সুস্থ অর্থনীতি চান, তবে আপনাকে আর্থিক তত্ত্ব অধ্যয়ন করতে হবে এবং আমরা কেন ভুগছি তা খুঁজে বের করতে হবে। সবাই সমানভাবে ভোগে না, তা না হলে এটি এত খারাপ হতো না। সবসময় দরিদ্র মানুষ এবং যারা অবসরকালীন আয়ের ওপর নির্ভরশীল, তারাই সবচেয়ে বেশি ভোগে। কিন্তু রাজনীতিবিদ এবং যারা প্রথমে অর্থ ব্যবহারের সুযোগ পায়, যেমন সামরিক শিল্প কমপ্লেক্স, তারা প্রচুর অর্থ উপার্জন করে এবং এর থেকে লাভবান হয়।<br>'''জন ম্যাককেইন''': সবাই কর দিচ্ছে এবং সম্পদ সম্পদ তৈরি করে। বাস্তব সত্যটি হলো রন, আমি আপনাকে "[[w:দ্য ওয়েলথ অব নেশনস|ওয়েলথ অব নেশনস]]" পড়ার পরামর্শ দেব। কারণ এটি এ সম্পর্কেই লেখা। একটি গতিশীল অর্থনীতি সম্পদ তৈরি করে। মানুষ কর দেয়। রাজস্ব এখন সর্বকালের সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে।
** রিপাবলিকান পার্টির বিতর্ক, ডিয়ারবর্ন, মিশিগান, ৯ অক্টোবর ২০০৭ [http://www.freep.com/apps/pbcs.dll/article?AID=/20071009/NEWS02/71009073]
* '''রন পল''': ...আপনাকে রূপান্তরটি বিকাশ করতে হবে। শেষ পর্যন্ত পরবর্তী পদক্ষেপটি হবে [[w:ফেডারেল রিজার্ভ সিস্টেম|ফেডকে]] ঋণ নগদীকরণ থেকে নিষিদ্ধ করা। এটিই আসল ক্ষতিকর দিক। রাজনীতিবিদেরা যুদ্ধ এবং কল্যাণের জন্য ব্যয় করেন। তাদের দায়িত্বশীলতার সাথে এটি করতে হয় না।<br>'''প্রশ্ন''': ঋণ নগদীকরণ বলতে আপনি কি বোঝাতে চাইছেন যে তারা কেবল তাদের হাতে থাকা নগদ অর্থই ব্যয় করতে পারবে। তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা না থাকলে তারা কোনো চেক লিখতে পারবে না? <br>'''রন পল''': ঠিক বলেছেন। আর এটাই এর মূল চাবিকাঠি। কারণ যখন ফেড আসে এবং মূলধন ও [[w:বাজার তারল্য|তারল্যের]] অভাব দেখা দেয়, আর রাজনীতিবিদেরা খুব বেশি ব্যয় করেন, তখন ফেড এক দিনে ২০, ৩০, ৫০ বিলিয়ন ডলার তৈরি করতে পারে। ঠিক যেমনটা তারা এই [[w:রিয়েল এস্টেট বুদ্বুদ|আবাসন বুদ্বুদের]] পতন থেকে উদ্ধার করার চেষ্টায় করেছিল। তাই তারা প্রতিনিয়ত শূন্য থেকে অর্থ তৈরি করে। শেষ পর্যন্ত তা বন্ধ করতে হবে। কারণ এটি ডলারের মূল্য কমিয়ে দেয়।
** [[w:ফক্স বিজনেস নেটওয়ার্ক|ফক্স বিজনেস নেটওয়ার্ক]], ১৬ অক্টোবর ২০০৭ [http://www.youtube.com/watch?v=JXfDHXpP87o]
* '''হাওয়ার্ড ফাইনম্যান''': যারা নীতিগত কারণে কর দেয় না, তারা কি গান্ধী এবং মার্টিন লুথার কিংয়ের মতো বীর?<br>'''রন পল''': আমার মনে হয় তারা যদি সংবিধান রক্ষা করে এবং তারা কী করছে তা জানে। এই অর্থ বিশ্বের কোনো প্রকৃত খারাপ কাজে সমর্থন দিচ্ছে। আগাম যুদ্ধ? আমার মতে এটি বেশ ক্ষতিকর। একটি সরকারি ব্যবস্থায় এত অপচয় যা আমাদের স্বাধীনতাকে লঙ্ঘন করেছে? হ্যাঁ, আমি মনে করি এটি অনেক দিক দিয়েই বীরত্বপূর্ণ কাজ। যারা স্বাধীনতা বলে বিশ্বাস করে, তা রক্ষার জন্য মানুষ নিজেদের স্বাধীনতা ঝুঁকিতে ফেলতে প্রস্তুত।
** [[w:হাওয়ার্ড ফাইনম্যান|হাওয়ার্ড ফাইনম্যানের]] নেওয়া ''নিউজউইক'' সাক্ষাৎকার, ডিসেম্বর ২০০৭ [http://youtube.com/watch?v=K5tgVJiXRjw]
* '''প্রশ্ন''': আপনি সেই [[w:সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী|নিরাপত্তা বেষ্টনী]] ধ্বংস করতে চান...<br>'''রন পল''': কিন্তু নিরাপত্তা বেষ্টনী কাজ করে না。<br>'''প্রশ্ন''': আমাকে বলুন কেন এটি কাজ করে না。<br>'''রন পল''': এটি কিছু মানুষের জন্য কাজ করে। কিন্তু সামগ্রিকভাবে এটি শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়। কারণ আপনার কাছে যা আছে তার চেয়ে বেশি অর্থ আপনি ব্যয় করেন। তারপর আপনি আকণ্ঠ ঋণ নেন। নিরাপত্তা বেষ্টনী সচল রাখার জন্যই এখন আমাদের বছরে ৮০০ বিলিয়ন ডলার ঋণ নিতে হয়। ডলারের পতন হলে এটি ধসে পড়বে। এই ঋণ ছাড়া আপনি যুদ্ধও করতে পারবেন না। ডলারের পতন হলে আপনি আজকের বয়স্কদের যত্ন নিতে পারবেন না। তারা পিছিয়ে পড়ছে। তাদের জীবনযাত্রার ব্যয় প্রায় ১০ শতাংশ বাড়ছে। যদিও সরকার এটি অস্বীকার করে। আমরা তাদের জীবনযাত্রার ব্যয় ২ শতাংশ বাড়িয়ে দিই。<br>'''প্রশ্ন''': তাহলে আপনি কি মনে করেন [[w:স্বর্ণমান|স্বর্ণমান]] এটি ঠিক করবে?<br>'''রন পল''': স্বর্ণমান আপনাকে টাকা ছাপানো এবং মধ্যবিত্ত শ্রেণিকে ধ্বংস করা থেকে বিরত রাখবে। যেসব দেশে লাগামহীন মুদ্রাস্ফীতি রয়েছে, সেখানে কোনো মধ্যবিত্ত শ্রেণি নেই। মেক্সিকোতে কোনো মধ্যবিত্ত শ্রেণি নেই। সেখানে বিশাল একটি দরিদ্র শ্রেণি এবং অনেক ধনী মানুষ রয়েছে। আজ আমাদের একটি বর্ধনশীল দরিদ্র শ্রেণি রয়েছে। আগের চেয়ে অনেক বেশি শতকোটিপতি রয়েছে। তাই আমরা তৃতীয় বিশ্বের মর্যাদার দিকে এগিয়ে যাচ্ছি...<br>'''প্রশ্ন''': আপনি যে নিরাপত্তা বেষ্টনীর কথা বলছেন তা কারা? সেসব কর্মসূচি এবং সেসব সংস্থা থেকে কারা লাভবান হয়?<br>'''রন পল''': সবাই স্বল্পমেয়াদে কিছু সময়ের জন্য লাভবান হয়। সরকার যদি একটি ভাড়াটে বাড়ি তৈরি করে, তবে কেউ হয়তো সেখানে ১৫ বা ২০ বছর বাস করতে পারে। কিন্তু আপনি হিসাব করেন না যে এর জন্য কে অর্থ প্রদান করেছে। কেউ হয়তো পথে চাকরি হারিয়েছে, কারও মুদ্রাস্ফীতি হয়েছে, অন্য কেউ কষ্ট পেয়েছে। কিন্তু তারপর প্রায় ২০ বছর পর ভাড়াটে বাড়িটি ধসে পড়ে। কারণ এটি ব্যক্তিগত মালিকানাধীন নয়। তাই শেষ পর্যন্ত সবাই কষ্ট পায়। কিন্তু তাৎক্ষণিক ভুক্তভোগীদের চিহ্নিত করা যায় না। কারণ আপনি জানেন না কে চাকরি হারিয়েছে এবং কার মুদ্রাস্ফীতি হয়েছে। ভুক্তভোগীরা অদৃশ্য। অল্পসংখ্যক মানুষ যারা লাভবান হয়, যারা সরকারের কাছ থেকে কিছু সাহায্য পায়, সবাই দেখে এবং বলে, "ওহ! দেখো আমরা কী করেছি!" কিন্তু এর বদলে আমরা কী হারিয়েছি, তা তারা কখনোই বলে না। আর আপনি এই প্রশ্ন না করা পর্যন্ত আমরা দেউলিয়া হয়ে যাব। আমরা এর প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছি। ডলারের মান কমছে। আমাদের জীবনযাত্রার মান কমছে। আমরা সেই মানুষগুলোকেই আঘাত করছি যাদের অনেকেই সাহায্য করতে চায়, বিশেষ করে উদারপন্থীরা...
** [[w:কেডব্লিউকিউডব্লিউ|কেডব্লিউকিউডব্লিউতে]] ম্যাক ম্যাককয়ের নেওয়া সাক্ষাৎকার, ১৭ ডিসেম্বর ২০০৭ [http://ca.youtube.com/watch?v=x3lxo9WIR6w]
* '''নিল ক্যাভুটো''': ...আপনার প্রচারকাজে ওয়েস্ট পাম বিচের একজন শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদীর কাছ থেকে ৫০০ ডলার অনুদান পেয়েছে। আপনার প্রচার শিবির ইঙ্গিত দিয়েছে যে এটি ফেরত দেওয়ার কোনো ইচ্ছা আপনার নেই। আপনি ওটা দিয়ে কী করতে যাচ্ছেন?<br>'''রন পল''': এটি হয়তো এরই মধ্যে খরচ হয়ে গেছে। কেন তাকে ফেরত দিয়ে খারাপ কাজে ব্যবহার করতে দেব?<br>'''নিল ক্যাভুটো''': ...এই ডন ব্ল্যাক অনুদানটি দিয়েছেন এবং "স্টর্মফ্রন্ট, হোয়াইট প্রাইড ওয়ার্ল্ডওয়াইড" নামের একটি সাইট চালাতেন। এখন আপনি তা জানেন। ঘটনার পর আপনি পরিচিত হয়েছেন। তবুও কি আপনি তা ফেরত দেবেন না?<br>'''রন পল''': দেখুন, আমি যদি তার অর্থ খরচ করে থাকি এবং হয়তো আপনি আমাকে যে অর্থ পাঠিয়েছেন তা নিয়ে তাকে ফেরত দিই, তবে আমার কাছে তা অর্থহীন মনে হয়। তার উদ্দেশ্য প্রচারে আমি তাকে অর্থ দেব কেন?<br>'''নিল ক্যাভুটো''': ...হিলারি ক্লিনটনকে এটি করতে হয়েছিল। আরও অনেক প্রার্থীকে এটি করতে হয়েছিল। আপনি কি মনে করেন এটি কেবল একটি খারাপ চর্চা?<br>'''রন পল''': আমি মনে করি এটি তোষামোদ করা। আমি মনে করি এটি রাজনৈতিক শুদ্ধতার ভান করা... যারা অনুদান পায়, সামরিক শিল্প কমপ্লেক্স থেকে বিশেষ সুবিধা পেতে চায়, তাদের সম্পর্কে কী বলবেন? তারা বিনিয়োগ করে। তারা অর্থ সংগ্রহ করে, জমা করে এবং সেখানে লাখ লাখ ডলার পাঠায়। তারা করদাতাদের সম্পদ লুট করতে চায়। এটাই আসল ক্ষতিকর দিক। যা সরকারে প্রভাব কেনে। আমার মতে এটিই সেই দুর্নীতি যা সংশোধন করা উচিত... আপনি আসল বিষয়টাই এড়িয়ে যাচ্ছেন। কারণ এটি সরকারের অনৈতিকতা, এটি সরকারের বিশেষ স্বার্থ, এটি অবৈধ যুদ্ধ করা...<br>'''নিল ক্যাভুটো''': ঠিক আছে。<br>'''রন পল''': ...এবং অর্থায়ন করা, মানুষের ওপর করারোপ করা, মুদ্রাস্ফীতির মাধ্যমে মানুষকে ধ্বংস করা এবং দেশের এই সমৃদ্ধিকে ক্ষুণ্ন করা।
** [[w:নিল ক্যাভুটো|নিল ক্যাভুটোর]] সাথে ''ইউর ওয়ার্ল্ড'', ফক্স নিউজ, ১৯ ডিসেম্বর ২০০৭ [http://www.foxnews.com/story/0,2933,317536,00.html] [http://www.youtube.com/watch?v=CrRtZaG63o8]
* বিশেষ স্বার্থ এবং বিজয়ের উন্মাদ দর্শন ইতিহাসজুড়ে অধিকাংশ যুদ্ধকে পরিচালিত করেছে। আমাদের নিজেদের বিপ্লবের মতো স্বাধীনতার কারণ খুব কমই চালিকাশক্তি হয়েছে। সাম্প্রতিক দশকগুলোতে আমাদের নীতিগুলো নিও-কনজারভেটিভ সাম্রাজ্যের চরমপন্থা, সামরিক শিল্প কমপ্লেক্সে মুনাফা অর্জন, ভুল আন্তর্জাতিকতাবাদ, প্রাকৃতিক সম্পদ নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কিত বাণিজ্যবাদী ধারণা এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন সরকারের প্রতি অন্ধ আনুগত্য দ্বারা পরিচালিত হয়েছে।
** [http://www.house.gov/paul/congrec/congrec2007/cr021407.htm ''ইরাক যুদ্ধের প্রস্তাবনার ওপর বিবৃতি''] (১৪ ফেব্রুয়ারি ২০০৭)।
* মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকা "গণতন্ত্র সমর্থন করে" বলে ক্লান্তিকর দাবিটি ক্রমশ স্পষ্ট হচ্ছে। ৫০ বছর আগে এটি মিথ্যা ছিল। তখন আমরা ইরানের তেল জাতীয়করণ রোধ করতে ঘৃণিত [[মোহাম্মদ রেজা পাহলভি|ইরানের শাহকে]] সমর্থন ও অর্থায়ন করেছিলাম। আজ যখন আমরা পাকিস্তানে একজন অনির্বাচিত সামরিক স্বৈরশাসককে সমর্থন দিই, তখনো এটি মিথ্যা। মাত্র দুটি উদাহরণ দিলাম। আগামীকাল যদি পুরো মধ্যপ্রাচ্যে সৎ গণতান্ত্রিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, তবে অনেক দেশই যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বৈরী ধর্মীয় কট্টরপন্থী নেতাদের নির্বাচিত করবে। এটি পুরোনো কথা হোক বা না হোক, আরবের সাধারণ মানুষ সত্যিই আমেরিকাকে পছন্দ করে না। তাই আমাদের গণতন্ত্র নিয়ে এই প্রহসন বন্ধ করা উচিত। আমেরিকার দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থ রক্ষা করে এমন একটি সুসংগত পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করা শুরু করা উচিত।
** [http://www.house.gov/paul/tst/tst2007/tst022607.htm ''মধ্যপ্রাচ্যে ভণ্ডামি''] (২৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৭)।
* আমাদের সৈন্যদের দেশে ফিরিয়ে আনা তাদের প্রতি সমর্থনের অভাব প্রমাণ করবে বলে যে ধ্রুবক যুক্তি দেওয়া হয়, তা অবশ্যই আমেরিকান জনগণের ওপর চাপিয়ে দেওয়া সবচেয়ে বিস্ময়কর বিকৃতিগুলোর একটি।
** [http://www.house.gov/paul/congrec/congrec2007/cr032007.htm ''আসন্ন ইরাক যুদ্ধ অর্থায়ন বিল''] (২০ মার্চ ২০০৭)।
* তারা সব সময় [ [[w:বিচ্ছিন্নতাবাদ|বিচ্ছিন্নতাবাদী]] শব্দটি ] ব্যবহার করে। তারা খুব নেতিবাচক হওয়ার জন্যই এমনটি করে। দেশে অল্পসংখ্যক মানুষ আছে যারা বলে, "বেশ ভালো। আমি শব্দটি পছন্দ করি।" আমি ব্যক্তিগতভাবে শব্দটি পছন্দ করি না। কারণ আমি মোটেও মনে করি না যে আমি বিচ্ছিন্নতাবাদী। কারণ জোট গঠনে জড়িয়ে না পড়া এবং অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার উপদেশের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠাতারা বলেছিলেন মানুষের সাথে বন্ধুত্ব করতে, মানুষের সাথে বাণিজ্য করতে, তাদের সাথে যোগাযোগ করতে এবং তাদের সাথে মিলেমিশে থাকতে। আর এটি সংবিধানের অধীনেও অনুমোদিত। তবে সামরিক জোট থেকে দূরে থাকতে হবে। পরিহাসের বিষয় হলো, আমরা যারা কম হস্তক্ষেপকারী হতে চাই এবং আমাদের সৈন্যদের দেশে রাখতে চাই, তারা আমাদের বিচ্ছিন্নতাবাদী বলে অভিযুক্ত করে। তবুও আপনি যদি গত ছয় বছরের নীতির ফলাফলগুলো দেখেন, তবে আমরা দেখতে পাব যে আমরা আগের চেয়ে বেশি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছি। তাই যারা আমাদের বিচ্ছিন্নতাবাদী বলে অভিযুক্ত করে, তাদের নীতিই প্রকৃত কূটনৈতিক বিচ্ছিন্নতাবাদ বলে আমি দাবি করি। তারা সিরিয়ার সাথে কথা বলতে ইচ্ছুক নয়। তারা ইরানের সাথে কথা বলতে ইচ্ছুক নয়। যেসব দেশের দায়িত্বে সন্দেহজনক মানুষ থাকতে পারে, তাদের সাথে তারা বাণিজ্য করতে ইচ্ছুক নয়। আমরা আক্ষরিক অর্থেই নিজেদের বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছি। আগের চেয়ে আমাদের বন্ধু কম এবং শত্রু বেশি। তাই একদিক থেকে এটি তাদের অভিযোগের অন্যতম অনাকাঙ্ক্ষিত পরিণতি। আমি বিশ্বাস করি তারাই প্রকৃত বিচ্ছিন্নতাবাদী।
** [[w:স্কট হর্টন|স্কট হর্টনের]] নেওয়া সাক্ষাৎকার, ৪ এপ্রিল ২০০৭ [http://www.antiwar.com/horton/?articleid=10798]
* আমাদের দেশে নিজেদের সীমান্ত নিয়ে চিন্তা করা উচিত। সারা বিশ্বের সীমান্ত এবং সিরিয়া ও ইরাকের মধ্যকার সীমান্ত নিয়ে চিন্তা করা উচিত নয়। এর সাথে আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার কোনো সম্পর্ক নেই। আমাদের নিজস্ব জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করতে হবে। আমাদের সামরিক বাহিনী এখন বিশৃঙ্খল অবস্থায় রয়েছে। কারণ আমাদের অতিরিক্ত ব্যবহার করা হয়েছে। একদিন আমাদের জেগে উঠতে হবে। আমার ভয় হয় যে দেউলিয়া না হওয়া পর্যন্ত আমরা হয়তো জাগব না। আমরা এরই মধ্যে সেই সময়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি।
** এমএসএনবিসি, এপ্রিল ২০০৭ [http://www.youtube.com/watch?v=lxSe69YehvY]
* ইরাক এবং দেশের ভেতরে ভুল পদক্ষেপের জন্য অনেকেই রাষ্ট্রপতির সমালোচনা করবেন। তবুও কংগ্রেসের যোগসাজশেই আমরা আগাম যুদ্ধ, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, নির্যাতন, হেবিয়াস কর্পাস প্রত্যাখ্যান, পরোয়ানা ছাড়া তল্লাশি, অযৌক্তিক সরকারি গোপনীয়তা, অসাধারণ প্রত্যর্পণ এবং আমেরিকান জনগণের ওপর অনিয়ন্ত্রিত গুপ্তচরবৃত্তির জাতিতে পরিণত হয়েছি। সেখানে যুদ্ধ করার সাথে দেশের ভেতরে স্বাধীনতা রক্ষার কোনো সম্পর্ক নেই। বরং এর উল্টোটাই সত্য হতে পারে।
** [http://www.house.gov/paul/tst/tst2007/tst043007.htm ''ইরাক যুদ্ধে অর্থায়নে আবারও ভুল করা''], ৩০ এপ্রিল ২০০৭
* বিতর্কের রাতে, আমাকে যখন [[w:২০০৮ সালে রন পলের রাষ্ট্রপতি প্রচার|বাধা দেওয়া হয়েছিল]], তখন সমস্যাটি ছিল এমন যে, আমি যা বলেছি তাতে কোনো না কোনোভাবে আমি ভুক্তভোগীদেরই দোষারোপ করছি। যা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। এটি অনেকটা এমন যে কেউ খুন বা ধর্ষিত হয়েছে, আর আমরা বলছি, চলো খুঁজে বের করি কে এই কাজ করেছে এবং তার উদ্দেশ্য কী ছিল। অপরাধের ক্ষেত্রে সবাই এমনটাই করে। এটি স্বাভাবিক। আর বলা হচ্ছে যে সে ধর্ষণ বা খুনের শিকার ব্যক্তিকেই দোষারোপ করছে। এটি সত্য হতে পারে না। আমার মতো একজন ব্যক্তি এবং আরও অনেকেই এই অবস্থান নিয়েছেন যে আমরা আমেরিকা বা আমেরিকানদের দোষারোপ করি। আমি একজন আমেরিকান। আপনারা সবাই আমেরিকান। আর আমাদের সাথে যা ঘটেছে তার জন্য আপনাদের দোষ দেওয়া, আর যারা এসে আমাদের হত্যা করেছে তাদের দোষ না দেওয়াটা হাস্যকর। আমাদের পররাষ্ট্রনীতির এর সাথে কোনো সম্পর্ক নেই, এমন ধারণা অবিশ্বাস্য। আর [[রুডি জুলিয়ানি|জুলিয়ানি]] এটা কখনো শোনেননি, এটি অবিশ্বাস্য। এটি অনেকটা এমন বলার মতো যে একটি দেশ বছরের পর বছর ধরে [[w:ইরাকের ওপর নিষেধাজ্ঞা|নিষেধাজ্ঞার]] অধীনে আক্রান্ত হতে পারে, লাখ লাখ মানুষ মারা যেতে পারে, আর ওহ, তারা পরোয়া করে না, তারা এ নিয়ে ভাবেওনি।
** [[w:জাতীয় প্রেসক্লাব (যুক্তরাষ্ট্র)|জাতীয় প্রেসক্লাবে]] [[মাইকেল শয়ারের]] সাথে সংবাদ সম্মেলন, ২৪ মে ২০০৭ [http://thenewliberty.com/?p=184]
* আমাদের দেশে অনেক ভালো দিক রয়েছে। আমাদের তা প্রচার করা উচিত। কিন্তু কখনো বন্দুকের নল দিয়ে নয়। আমাদের ভালো মানদণ্ড স্থাপন করে এটি করা উচিত। মানুষকে অনুপ্রাণিত করা উচিত। তারা যেন আমাদের অনুকরণ করতে চায়। কিন্তু নিওকনরা যেমনটা প্রচার করে, সশস্ত্র বাহিনীর মাধ্যমে আপনি আমাদের ভালো দিক চাপিয়ে দিতে পারেন না। এটি কাজ করে না।
** রিপাবলিকান পার্টির রাষ্ট্রপতির বিতর্ক, ম্যানচেস্টার, নিউ হ্যাম্পশায়ার, ৫ জুন ২০০৭ [http://transcripts.cnn.com/TRANSCRIPTS/0706/05/se.01.html]
* প্রায়শই অন্য দেশের বিষয়ে আমাদের নাক গলানো এবং হস্তক্ষেপ করার অনাকাঙ্ক্ষিত পরিণতি দেখা যায়। কখনো কখনো যেসব দেশে আমরা হস্তক্ষেপ করি, কেবল সেখানেই এটি ঘটে। আমরা হয়তো কোনো একটি দলকে সমর্থন করি, আর এটি কাজ করে না। এটি আমাদের বিরুদ্ধেই ব্যবহৃত হয়। এর একটি [[w:ব্লোব্যাক (গোয়েন্দা)|ব্লোব্যাক]] প্রভাব রয়েছে, যা নিয়ে [[w:সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি|সিআইএ]] কথা বলে। এটি পরে আমাদের তাড়িত করতে ফিরে আসে। উদাহরণস্বরূপ, ১৯৫৩ সালে আমাদের সরকার মোসাদেগ সরকারকে [[w:১৯৫৩ সালের ইরানের অভ্যুত্থান|ক্ষমতাচ্যুত করে]] এবং আমরা ইরানে [[মোহাম্মদ রেজা পাহলভি|শাহকে]] বসাই। এরপর ২৫ বছর ধরে সেখানে আমাদের একজন স্বৈরাচারী বন্ধু ছিল। জনগণ তাকে ঘৃণা করত। অবশেষে তারা তাকে ক্ষমতাচ্যুত করে। এরপর থেকেই তারা আমাদের প্রতি ক্ষুব্ধ। ১৯৭৯ সালে [[w:ইরানের জিম্মি সংকট|জিম্মি করার]] ঘটনার সাথে এর অনেক সম্পর্ক ছিল। আর আমাদের এটি উপেক্ষা করার অর্থ হলো ইতিহাসকে উপেক্ষা করা... সাদ্দাম হোসেনকে সমর্থন করে এবং তাকে ইরানে আক্রমণ করতে [[w:ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময় ইরাকের প্রতি মার্কিন সমর্থন|উৎসাহিত করে]] আমরা ইরানীদের খেপিয়ে তুলেছি। তারা কেন আমাদের ওপর ক্ষুব্ধ হবে না? তবে বারবার এই অন-অফ জিনিসটাই আমাকে সবচেয়ে বেশি বিরক্ত করে। প্রথমে আমরা [[ওসামা বিন লাদেনের]] মিত্র, তারপর সে আমাদের প্রধান শত্রু। আমাদের সিআইএ কট্টর ইসলামপন্থীদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য [[w:মাদ্রাসা|মাদ্রাসা]] তৈরি করেছিল এবং অর্থ দিয়েছিল। সৌদি আরবে কমিউনিজমের বিরুদ্ধে [[w:মুজাহিদ|লড়াই করার]] জন্য... কিন্তু এখন তারা আমাদের ওপর আক্রমণ করছে... মুসলিম এবং আরবদের দীর্ঘ স্মৃতি রয়েছে। আমেরিকানদের দুর্ভাগ্যবশত খুব ছোট স্মৃতি রয়েছে। তারা আমাদের এমন পররাষ্ট্রনীতি মনে রাখে না যা হয়তো তাদের খেপিয়ে তুলেছে... [[w:যুক্তরাষ্ট্রের স্থপতিরা|প্রতিষ্ঠাতারা]] একেবারেই সঠিক ছিলেন: বিদেশি দেশগুলোর অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ থেকে দূরে থাকুন, নিজেদের চরকায় তেল দিন, আমাদের সৈন্যদের দেশে ফিরিয়ে আনুন এবং একটি শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রাখুন। আমি মনে করি আমাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এখন আগের চেয়ে অনেক দুর্বল।
** [[w:নিউ হ্যাম্পশায়ার পাবলিক রেডিও|এনএইচপিআরে]] লরা নয়ের নেওয়া সাক্ষাৎকার, ৫ জুন ২০০৭ [http://info.nhpr.org/node/13016]
*'''লরা নয়''': যখন এটি [[w:দারফুর সংঘাত|সুদানের দারফুরে গণহত্যার]] মতো একটি [[w:মানবিক সংকট|মানবিক সংকট]], তখন এই অহস্তক্ষেপবাদী দর্শন কীভাবে কাজ করে?<br>'''রন পল''': ...এটি স্বেচ্ছায় করা উচিত। বন্দুক নিয়ে এসে মানুষের ওপর কর বসানো এবং বলা আমার কোনো অধিকার নেই—নৈতিক বা সাংবিধানিক অধিকার নেই: "আমি ভালো কাজ করতে চাই বলে অর্থ নেব" … সেখানে বিভিন্ন দল যুদ্ধ করছে, এটি একটি গৃহযুদ্ধ... আপনি সোমালিয়ার ক্ষেত্রেও একই যুক্তি দিতে পারতেন … আর আমেরিকান জনগণ উদার। আমরা কেন বিশ্বকে খাওয়াতে সাহায্য করতে পারি না, তার কোনো কারণ নেই এবং আমরা তা করিও। তবে ভালো কাজ করার জন্য বিদেশে অর্থ পাঠাতে আমাদের জনগণের বিরুদ্ধে সহিংসতা ব্যবহার করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।
** [[w:নিউ হ্যাম্পশায়ার পাবলিক রেডিও|এনএইচপিআরে]] লরা নয়ের নেওয়া সাক্ষাৎকার, ৫ জুন ২০০৭ [http://info.nhpr.org/node/13016]
* স্পষ্টতই, কোনো দেশ বা মানুষকে পৃথিবীর বুক থেকে মুছে ফেলার হুমকিপূর্ণ ভাষা সব সভ্য মানুষেরই নিন্দা করা উচিত। আমিও এমন যেকোনো ভাষার নিন্দা জানাই। কিন্তু কেন ইরানের ওপর আগাম পারমাণবিক হামলার হুমকি দেওয়া, যেমনটা অনেকেই এখানে দিয়েছেন, একই ধরনের নিন্দার যোগ্য হবে না? কেউ কি বিশ্বাস করেন যে ইরানে পারমাণবিক অস্ত্র ফেললে কোনো জাতি পৃথিবীর বুক থেকে মুছে যাবে না? যখন বলা হয় যে ইরানের বিষয়ে পারমাণবিক হামলাসহ কোনো কিছুই বাতিল করা হয়নি, তখন যারা এটি বলছেন তারা কি গণহত্যার হুমকি দিচ্ছেন না? আর আমরা অবাক হই কেন বাকি বিশ্ব আমাদের ভণ্ডামির দায়ে অভিযুক্ত করে। বাকি বিশ্বকে বলে, “আমরা যা বলি তা করো, আমরা যা করি তা নয়।”
** [http://www.govtrack.us/congress/bill.xpd?bill=hc110-21 এইচ কন রেস ২১]-এর ওপর বিবৃতি, ২০ জুন ২০০৭ [http://www.house.gov/paul/congrec/congrec2007/cr062007b.htm]
* এই অপ্রয়োজনীয়, অসাংবিধানিক, অঘোষিত যুদ্ধগুলোতে আমরা যা অর্জন করতে পারি, তার চেয়ে শান্তিতে আমরা অনেক বেশি অর্জন করতে পারি।
** আইওয়ার ডেস মইনেসে রিপাবলিকান পার্টির বিতর্ক, ৫ আগস্ট ২০০৭ [http://www.cfr.org/publication/13981/republican_debate_transcript_iowa.html]
* খ্রিষ্ট এখানে আধ্যাত্মিক কারণে এসেছিলেন, কোনো ধর্মনিরপেক্ষ যুদ্ধ, সীমানা বা ভূগোলের জন্য নয়। অথচ আমরা এখন ঈশ্বরের নামে আমাদের এত আক্রমণাত্মক কার্যকলাপ উৎসর্গ করছি। কিন্তু ঈশ্বর তো শান্তির রাজকুমার। আমি আমার ঈশ্বর এবং খ্রিষ্টের মাধ্যমে এটাই দেখতে পাই। আমি শান্তির পক্ষে ভোট দিই।
** ভ্যালুজ ভোটার প্রেসিডেন্সিয়াল বিতর্ক, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০০৭ [http://www.renewamerica.us/archives/transcript.php?id=429] [http://www.youtube.com/watch?v=_hCKZmkF0VU]
* আমি সঠিক নাকি ভুল, তাতে সত্যিই কিছু যায় আসে না। [[ইরাক যুদ্ধ|যুদ্ধ]] শেষ হতে চলেছে। কারণ ডলারের অবমূল্যায়নের ফলে আমাদের এখানে এমন রাজনৈতিক এবং আর্থিক বিপর্যয় দেখা দেবে যে, আমরা আর এর ব্যয়ভার বহন করতে পারব না। এভাবেই সাধারণত সাম্রাজ্যের পতন ঘটে। নিজেদের সাম্রাজ্য টিকিয়ে রাখতে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করে। আমরা ১৩০টি দেশে রয়েছি। বিশ্বজুড়ে আমাদের ৭০০টি ঘাঁটি রয়েছে। আর এর শেষ হতে চলেছে। আমি চাই এটি আরও সুন্দরভাবে এবং শান্তিতে শেষ হোক। সংবিধান অনুসরণ করা হোক এবং আরও যুক্তিসংগত পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করা হোক।
** উলফ ব্লিটজারের সাথে ''[[w:লেট এডিশন উইথ উলফ ব্লিটজার|লেট এডিশন]]'', সিএনএন, ২ ডিসেম্বর ২০০৭ [http://www.youtube.com/watch?v=LTj3STZqviY]
* নিরাপত্তা এবং পার্থিব আরামের আকাঙ্ক্ষার চেয়ে স্বাধীনতা আবারও আমাদের কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে হবে। ব্যক্তিগত নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি কেবল স্বাধীনতার ফলাফল হিসেবেই আসতে পারে। কোনো স্বৈরাচারী সরকার তা দিতে পারে না... একটি পুলিশি রাষ্ট্রের ভিত্তি স্থাপন করা হয়েছে। আর দেরি হওয়ার আগেই প্রতিরোধ গড়ে তোলা জরুরি... কেন্দ্রীয় পরিকল্পনা বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে দেউলিয়া। এটি আমাদের দেশকে দেউলিয়া করেছে এবং আমাদের নৈতিক নীতিগুলোকে ক্ষুণ্ন করেছে। ব্যক্তিগত স্বাধীনতা এবং মর্যাদার প্রতি সম্মান প্রদর্শনই হলো সরকারি বলপ্রয়োগের একমাত্র উত্তর। যে বলপ্রয়োগ রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিকভাবে ক্ষমতাধরদের সেবা করে। আমাদের পরিকল্পনাকারী এবং শাসকেরা প্রতিভাবান নন, বরং তারা বিভ্রান্তিকারী এবং স্বৈরশাসক হতে ইচ্ছুক। তারা সব সময় মানবিক বাগ্মীতার আড়ালে নিজেদের কাজ করেন... কোনো রক্তক্ষয়ী সংঘাত ছাড়াই সোভিয়েত ব্যবস্থার পতন দ্রুত এবং নাটকীয়ভাবে ঘটেছিল... তবে স্বাধীনতার অনুসারীদের কাছে এটি কোনো আশ্চর্যের বিষয় ছিল না। যারা কয়েক দশক ধরে বুঝতে পেরেছিলেন যে সমাজতন্ত্রের পতন অনিবার্য... আর সেভাবেই কল্যাণ বা যুদ্ধ রাষ্ট্রের পতন ঘটবে... একটি মুক্ত সমাজ এই মূল নীতির ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে যে সরকার, রাষ্ট্রপতি, কংগ্রেস, আদালত এবং আমলারা আমাদের প্রত্যেকের জন্য কোনটি সবচেয়ে ভালো তা জানতে অক্ষম... রেফারি হিসেবে সরকার সঠিক। কিন্তু যে সরকার সমাজের প্রতিটি দিক পরিচালনা করার জন্য ইচ্ছামতো বলপ্রয়োগ করে, তা স্বাধীনতার জন্য হুমকিস্বরূপ... সব সভ্য সমাজ যেসব মূল্যবোধ খোঁজে, তা অর্জনের জন্য একটি আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণের সময় এসেছে। কেবল একটি মুক্ত সমাজেই মানুষের পুণ্য খোঁজার, শ্রেষ্ঠত্বের জন্য চেষ্টা করার, তাদের অর্থনৈতিক মঙ্গল উন্নত করার এবং ব্যক্তিগত সুখ অর্জনের সেরা সুযোগ থাকে... সভ্যতার যোগ্য লক্ষ্যগুলো কেবল স্বাধীনতাকামী মানুষেরাই অর্জন করতে পারে। যখন সরকার বলপ্রয়োগ করে, তখন স্বাধীনতা বলিদান করা হয় এবং লক্ষ্যগুলো হারিয়ে যায়। স্বাধীনতাই হলো সব সৃজনশীল শক্তির উৎস। আমি যদি আপনাদের রাষ্ট্রপতি হই, তবে আমি এই লক্ষ্যগুলোই খুঁজব। আমি এই ধারণা প্রত্যাখ্যান করি যে আমাদের জীবন পরিচালনা করতে, অর্থনীতির পরিকল্পনা করতে বা বিশ্বে পুলিশগিরি করতে একজন রাষ্ট্রপতির প্রয়োজন... সরকারকে আরও গোপন এবং শক্তিশালী করার চেয়ে ব্যক্তিগত স্বাধীনতা এবং গোপনীয়তা রক্ষা করা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
** ২০০৮ সালের প্রেসিডেন্সিয়াল এক্সপ্লোরেটরি কমিটির ঘোষণামূলক ভিডিও ভাষণ, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০০৭ [http://blog.4president.org/2008/2007/02/ron_paul_video_.html] [http://www.youtube.com/watch?v=FPlPT4bncq8]
* আমি কীভাবে নির্বাচনে অংশ নিতে পারি এবং বলতে পারি যে আমি একজন দুর্বল রাষ্ট্রপতি হতে চাই? আমাদের একজন শক্তিশালী রাষ্ট্রপতি প্রয়োজন। এমন একজন শক্তিশালী রাষ্ট্রপতি যিনি রাষ্ট্রপতির নেওয়া উচিত নয় এমন ক্ষমতা গ্রহণের প্রলোভন প্রতিরোধ করতে পারেন।
** নিউ হ্যাম্পশায়ার লিবার্টি ফোরাম, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৭ [http://www.homelandstupidity.us/2007/02/25/ron-paul-grassroots-support-proved/]
* বর্ণবাদ কেবল সামষ্টিকতাবাদের একটি কুৎসিত রূপ। এই মানসিকতা মানুষকে কঠোরভাবে ব্যক্তি হিসেবে না দেখে গোষ্ঠীর সদস্য হিসেবে দেখে। বর্ণবাদীরা বিশ্বাস করে যে একই বাহ্যিক শারীরিক বৈশিষ্ট্যের অধিকারী সব মানুষ একই রকম। সামষ্টিকতাবাদী হিসেবে বর্ণবাদীরা কেবল গোষ্ঠীর কথা চিন্তা করে।
** [http://archive.lewrockwell.com/paul/paul381.html "সরকার এবং বর্ণবাদ"]-এ যেমনটি উদ্ধৃত করা হয়েছে (১৮ এপ্রিল ২০০৭)।
* বর্ণবাদের প্রকৃত প্রতিষেধক হলো স্বাধীনতা। স্বাধীনতা মানে গোষ্ঠী দাবির বদলে ব্যক্তিগত অধিকার রক্ষায় নিবেদিত একটি সীমিত, সাংবিধানিক সরকার থাকা। স্বাধীনতা মানে মুক্তবাজার পুঁজিবাদ, যা ত্বকের রং, লিঙ্গ বা জাতিসত্তা নয়, বরং ব্যক্তিগত অর্জন এবং যোগ্যতাকে পুরস্কৃত করে।
** [http://archive.lewrockwell.com/paul/paul381.html "সরকার এবং বর্ণবাদ"]-এ যেমনটি উদ্ধৃত করা হয়েছে (১৮ এপ্রিল ২০০৭)।
* নিরাপত্তা দিয়ে স্বাধীনতা সংজ্ঞায়িত হয় না। সরকারি হস্তক্ষেপ ছাড়া নাগরিকদের বাঁচার সক্ষমতা দিয়ে স্বাধীনতা সংজ্ঞায়িত হয়। সরকার ঝুঁকিমুক্ত পৃথিবী তৈরি করতে পারে না। আমরা এমন কোনো কাল্পনিক স্থানে বাস করতে চাইও না। কেবল একটি সর্বগ্রাসীবাদী সমাজই পরম নিরাপত্তাকে একটি যোগ্য আদর্শ হিসেবে দাবি করতে পারে। কারণ এর জন্য নাগরিকদের জীবনের ওপর সম্পূর্ণ রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন। ভয়ংকর কিছু ঘটলে এবং একটি মিথ্যা সরকারি নিরাপত্তার চাদর ডাক দিলে, আমরা যদি তখনো স্বাধীনতায় বিশ্বাস করি, তবেই তার অর্থ থাকে।
** [http://www.house.gov/paul/tst/tst2007/tst042307.htm ''নিরাপত্তা এবং স্বাধীনতা''], ২৩ এপ্রিল ২০০৭
* যেহেতু ফেডারেল ঘৃণা অপরাধ আইন চিন্তাকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করে, তাই এগুলো একটি মুক্ত সমাজের সাথে বেমানান।
** [http://www.freerepublic.com/focus/f-news/1830822/posts ''অসাংবিধানিক আইন স্বাধীনতার জন্য হুমকিস্বরূপ''], ৭ মে ২০০৭
* আদি আমেরিকান দেশপ্রেমিকরা ছিলেন সেই ব্যক্তিরা, যারা রাজা জর্জের নিপীড়ক ক্ষমতাকে বলপ্রয়োগ করে প্রতিহত করার মতো সাহসী ছিলেন। আমি দেশপ্রেমের এই সংজ্ঞা গ্রহণ করি যে এটি নিপীড়ক রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা প্রতিহত করার প্রচেষ্টা। প্রকৃত দেশপ্রেমিক দায়িত্ববোধ দ্বারা এবং নিজের, নিজের পরিবার ও দেশের ভবিষ্যতের স্বার্থে সরকারের ক্ষমতার অপব্যবহার প্রতিহত করতে অনুপ্রাণিত হন। তিনি এই ধারণা প্রত্যাখ্যান করেন যে দেশপ্রেম মানে রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য। [...] আমাদের অধিকারের অবৈধ এবং অসাংবিধানিক জবরদখল প্রতিহত করা প্রয়োজন। প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনতে আমাদের প্রত্যেকেরই বেছে নিতে হবে যে আমাদের কোন পথ অবলম্বন করা উচিত: শিক্ষা, প্রচলিত রাজনৈতিক পদক্ষেপ, বা এমনকি শান্তিপূর্ণ নাগরিক অবাধ্যতা। '''তবে এমন যেন না বলা হয় যে আমরা কিছুই করিনি।''' কল্যাণ বা যুদ্ধ রাষ্ট্রের ক্ষমতা ভালোবাসে এমন মানুষেরা যেন স্বৈরাচারের ভিন্নমতাবলম্বীদের দেশপ্রেমহীন বা যত্নহীন বলে আখ্যায়িত না করে। নিরাপত্তা এবং সুরক্ষার অন্ধ আকাঙ্ক্ষা বা মানিয়ে নেওয়ার চেয়ে দেশপ্রেম ভিন্নমতের সাথেই বেশি ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। একটি মুক্ত সমাজের চমৎকার পুরস্কারগুলো বুঝতে পারলে আমরা এর প্রচারে নির্লজ্জ হয়ে উঠি। আমরা পুরোপুরি উপলব্ধি করি যে সর্বোচ্চ সম্পদ তৈরি হয় এবং শান্তির সবচেয়ে বড় সুযোগ আসে এমন একটি সমাজ থেকে যা ব্যক্তিগত স্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধাশীল।
** [http://www.house.gov/paul/congrec/congrec2007/cr0522107.htm ''দেশপ্রেমের নামে (কারা দেশপ্রেমিক?)''], ২২ মে ২০০৭ [http://www.lewrockwell.com/paul/paul388.html]
* দুর্ভাগ্যবশত, অভিবাসন বিতর্কে খুব কমই আলোচনা করা হয় যে মার্কিন সরকার অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশকারী মানুষদের কী প্রণোদনা দেয়। আমরা ভালো করেই জানি, যখন সরকার কোনো কিছুতে ভর্তুকি দেয়, তখন আমরা তা আরও বেশি পাই। সরকার অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে আসা মানুষদের ফুড স্ট্যাম্প এবং বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবাসহ অসংখ্য ফেডারেল কল্যাণ সুবিধা প্রদান করে। এটি কি অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে আসা থেকে মানুষকে নিরুৎসাহিত করার কোনো উপায়? [...] আমাদের সীমান্ত সুরক্ষা উন্নত করার মাধ্যমে অভিবাসন সংস্কার শুরু হওয়া উচিত। তবুও গত সপ্তাহে খবর প্রকাশিত হয়েছে যে ফেডারেল সরকার ইরাকিদের নিজেদের সীমান্ত আরও ভালোভাবে রক্ষা করার প্রশিক্ষণ দিতে ইরাকে আমাদের সেরা প্রশিক্ষিত ১২০ জন বর্ডার প্যাট্রোল এজেন্ট পাঠানোর [http://www.azcentral.com/arizonarepublic/local/articles/0519borderpatrol0519.html অনুমোদন দিয়েছে]! এমন এক সময়ে এই ঘটনা ঘটছে যখন [[w:অপারেশন জাম্প স্টার্ট|অপারেশন জাম্প স্টার্টে]] অংশগ্রহণকারী ন্যাশনাল গার্ডের সৈন্যদের অ্যারিজোনা, নিউ মেক্সিকো এবং টেক্সাসের সীমান্ত সুরক্ষার দায়িত্ব থেকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে এবং ইরাক ও আফগানিস্তানে মোতায়েন করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে! এটি একটি ক্ষোভের বিষয় এবং এর ফলে আমাদের সীমান্তগুলো অবৈধ প্রবেশের জন্য আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠবে, এমনকি সন্ত্রাসীদের জন্যও।
** [http://www.house.gov/paul/tst/tst2007/tst052507.htm ''অভিবাসন ‘আপস’ আমাদের সার্বভৌমত্ব বিক্রি করে দেয়''], ২৮ মে ২০০৭
* নিরাপদ সীমান্ত ছাড়া কোনো জাতিই জাতি নয়। আমাদের নিজেদের সামনের দরজা যখন খোলা, তখন বিদেশে সন্ত্রাসীদের সাথে যুদ্ধ করার কোনো মানে হয় না।
** রনপল২০০৮ ডটকম, মে ২০০৭ [http://www.ronpaul2008.com/issues/border-security-and-immigration-reform/]
* আপনারা জানেন, আমরা [[w:ট্রান্সপোর্টেশন সিকিউরিটি অ্যাডমিনিস্ট্রেশন|টিএসএ]] চারগুণ বাড়িয়েছি। আর আমরা এমন আরও মানুষকে নিয়োগ দিয়েছি, যাদের দেখে পরীক্ষা করা হচ্ছে এমন অধিকাংশ আমেরিকানের চেয়ে আমার কাছে বেশি সন্দেহজনক মনে হয়। তাদের দেখে আমার খুব একটা আমেরিকান মনে হয় না। আমি যদি খুঁজতাম, তবে তাদের দেখে সন্দেহজনক মনে হতো... মানে তাদের অনেকেই তো ঠিকমতো ইংরেজিও বলতে পারে না। আমি তাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ করছি না, তবে এটি বেশ পরিহাসের বিষয়।
** মাইকেল শয়ারের (২ জুন ২০০৭) "[http://www.salon.com/news/feature/2007/06/02/ron_paul/ রন পল খুব ভালোভাবে এগোচ্ছেন]" ''স্যালন ডটকমে'' উদ্ধৃত।
* আচ্ছা, প্রথমে আমার মনে হয়েছিল এটি খুব অনুপযুক্ত প্রশ্ন। আপনি জানেন, প্রেসিডেন্সি কোনো বৈজ্ঞানিক বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য নয়। আর আমার মনে হয় এটি একটি ''তত্ত্ব''—বিবর্তনের তত্ত্ব। আর আমি এটিকে তত্ত্ব হিসেবে গ্রহণ করি না। তবে এটি সত্যিই আমাকে বিরক্ত করে না। আমার জীবনের পার্থক্য তৈরি করার জন্য, এর ''সঠিক'' উৎস বোঝা আমার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়। আমি মনে করি আমি যে সৃষ্টিকর্তাকে চিনি, তিনি আমাদের সৃষ্টি করেছেন, আমাদের প্রত্যেককে এবং মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেছেন। আর এর সুনির্দিষ্ট সময় এবং পদ্ধতি সম্পর্কে... আপনি জানেন, আমি শুধু মনে করি না যে আমরা এমন পর্যায়ে আছি যেখানে কারও কাছেই কোনো পক্ষের নিখুঁত প্রমাণ রয়েছে।
** {{citation
|title=বিবর্তনের ওপর রন পল
|journal=ওয়ানগুডমুভ
|date=২১-১২-২০০৭
|url=http://onegoodmove.org/1gm/1gmarchive/2007/12/ron_paul_on_evo.html
|accessdate=০১-০৯-২০১১}}
** তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে তিনি বিবর্তন তত্ত্বটিকে সত্য নাকি মিথ্যা বলে বিশ্বাস করেন।
* মিথ্যার সাম্রাজ্যে সত্য বলা মানে রাষ্ট্রদ্রোহিতা।
** [[w:দ্য রেভল্যুশন: আ ম্যানিফেস্টো|দ্য রেভল্যুশন: আ ম্যানিফেস্টো]], ২০০৮ [http://www.dailypaul.com/node/40804]
* আমাকে দেখতে দিন আমি ঠিক বলছি কি না। আমাদের চীন থেকে ১০ বিলিয়ন ডলার ঋণ নিতে হবে। তারপর আমরা তা মোশাররফকে দেব, যে একজন সামরিক স্বৈরশাসক এবং একটি নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করেছে। তারপর আমরা যুদ্ধে যাব। ইরাকে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার নামে আমরা এতগুলো জীবন হারাব। মানে, এখানে কী হচ্ছে?
** সাউথ ক্যারোলিনার মার্টল বিচে ফক্স নিউজে রিপাবলিকান পার্টির বিতর্ক, ১০ জানুয়ারি ২০০৮ [http://www.latimes.com/news/politics/la-na-debatetrans11jan11,0,7962304.story?page=23] [http://youtube.com/watch?v=Wuu-ElI56Mw]
* আমরা দক্ষিণ হারিয়েছি, এটি সবচেয়ে বড় ভুল ধারণাগুলোর একটি। আমরা সেখানে গিয়েছিলাম এবং সেখানে আমাদের অন্যতম শত্রু ইরানীদের স্বার্থ রক্ষা করেছিলাম। আমরা শিয়াদের মদদ দিয়েছিলাম, আমরা সুন্নিদের ক্ষমতাচ্যুত করেছিলাম। আর ব্রিটিশরা তা ধরে রাখতে পারেনি, তারা চলে গিয়েছিল। তাই দক্ষিণ ইরাকে এখন বেশি শান্তি এবং কম হত্যাযজ্ঞ চলছে। কারণ হঠাৎ করেই আমরা স্থানীয় নিয়ন্ত্রণ আরও স্বাভাবিকভাবে বিকশিত হওয়ার সুযোগ দিয়েছি। যুদ্ধবাজ নেতা এবং স্থানীয় মানুষজন দায়িত্বে রয়েছে। তারা ইরানের সাথে বেশি মিত্রভাবাপন্ন। তবে এটি কোনো বিপর্যয় নয়। সে কারণেই আমাদের ইরানীদের সাথে আরও সম্মানজনক আচরণ করা উচিত: তেল বিক্রি করার ওপর তাদের যদি আরও বেশি নিয়ন্ত্রণ থাকত, তবে তারা তা দিয়ে কী করত, পান করত? সে কারণেই ক্ষমতার ভারসাম্য এবং আত্মনিয়ন্ত্রণের ধারণাটি তাদের দ্বারা কাজ করা উচিত, আমাদের দ্বারা নয়। যতদিন আমরা এটি করব, ততদিন ক্ষোভ থাকবে এবং এটাই আমাদের প্রতি ঘৃণার উৎস।
** ইউটিউব, ২২ জানুয়ারি ২০০৮ [http://www.youtube.com/watch?v=ht8CQuOjxjs]
* ইরাকে আক্রমণ এবং দখলের ভুল ঢাকতে গিয়ে আরও আমেরিকান জীবনের অপ্রয়োজনীয় বলিদানের দাবি করার মধ্যে নৈতিকতা কোথায়? এটা কি খুব অদ্ভুত মনে হয় না যে আমরা যে ইরাকি সরকারকে সমর্থন করি, তারা ইরানীদের মিত্র, যারা আমাদের ঘোষিত শত্রু? ইরাকে ইরানীদের মিত্রদের সমর্থন করে আমরা কি এখন ইরানীদের সমর্থন করছি না? [[নুরি আল-মালিকি|মালিকি]] যদি আমাদের মিত্র হয় এবং [[মাহমুদ আহমাদিনেজাদ|আহমাদিনেজাদের]] সাথে তার কূটনৈতিক সম্পর্ক থাকে, তবে আমরা কেন পারি না? ... আমরা কেন আশা করব না যে সম্প্রতি আমরা যে ৮০,০০০ সুন্নিকে অস্ত্র দিয়েছি, তারা একদিন আমাদের দিকে তাদের অস্ত্র তাক করবে না? কারণ তারা এবং [[w:মাহদি আর্মি|মাহদি আর্মি]] যেকোনো এবং সমস্ত বিদেশি দখলদারিকে ঘৃণা করে। ... যেহেতু কেউ যুদ্ধ জয়ের সংজ্ঞা দিতে পারে না, তাই আমরা ঠিক কার আত্মসমর্পণের আশা করছি?
** ডেভিড পেট্রায়াস এবং রায়ান ক্রোকার হাউস ফরেন রিলেশনস কমিটির শুনানি, ৯ এপ্রিল ২০০৮ [http://www.youtube.com/watch?v=jWr5Wl-mev0]
* যে দয়ালু উদারপন্থী বলেছিলেন যে আমাদের সবার যত্ন নিতে হবে—এবং তাদের উদ্দেশ্য ভালো—তারা দরিদ্রদের দেওয়ার জন্য যত বেশি ঋণ নেয়, মানুষ তত বেশি দরিদ্র হয়। কারণ তারা তাল মিলিয়ে চলতে পারে না।
** ''দ্য [[গ্লেন বেক]] প্রোগ্রাম'', ২৩ জানুয়ারি ২০০৮ [http://www.glennbeck.com/content/articles/article/196/4897/]
* '''প্রশ্ন''': ...আপনি বিশ্বাস করেন যে ফেড থাকা উচিত নয়... বিষয়টি বুঝিয়ে বলুন。<br>'''রন পল''': প্রথম কারণ হলো, এটি সংবিধানে অনুমোদিত নয়। এটি একটি অবৈধ প্রতিষ্ঠান। দ্বিতীয় কারণ হলো, এটি একটি অনৈতিক প্রতিষ্ঠান। কারণ আমরা একটি গোপন সংস্থার হাতে শূন্য থেকে অর্থ তৈরির অধিকার তুলে দিয়েছি। আপনি বা আমি যদি এটি করতাম, তবে আমাদের জালিয়াত বলা হতো। তাহলে আমরা জালিয়াতিকে কেন বৈধ করেছি? তবে অর্থনৈতিক কারণগুলো অপ্রতিরোধ্য: ফেডারেল রিজার্ভ এমন একটি প্রতিষ্ঠান যা মূল্য ধ্বংস করে। এই স্টেশনটি মুক্তবাজার পুঁজিবাদ নিয়ে কথা বলে। আর যদি একটি গোপন ব্যাংক শূন্য থেকে অর্থ ও ঋণ তৈরি করে, তবে আপনি মুক্তবাজার পুঁজিবাদ পেতে পারেন না। তারা কেন্দ্রীয় পরিকল্পনাকারী হয়ে ওঠে। সুদের হার কী হওয়া উচিত, অর্থের সরবরাহ কী হওয়া উচিত, তা তারা নির্ধারণ করে...<br>'''প্রশ্ন''': কীভাবে স্বর্ণমান এটির সমাধান করে?<br>'''রন পল''': এটি একটি স্থিতিশীল মুদ্রা এবং স্থিতিশীল মূল্য বজায় রাখে। ফেড যদি স্থিতিশীল দামের বদলে স্থিতিশীল অর্থের ওপর বেশি মনোযোগ দিত... তারা স্টক, পণ্য এবং বাড়িতে নতুন অর্থ ঢেলে দেয়। তারপর পরিস্থিতি উদ্ধার করতে তাদের আসতে হয়। তারা বুদ্বুদ তৈরি করে, তারপর এটি উদ্ধার করতে আসে। আর তারা মূল্য নির্ধারণ করার চেষ্টা ছাড়া আর কিছুই করে না। পুঁজিবাদ নির্ভর করে, আর মূলধন আসে সঞ্চয় থেকে। কিন্তু এই দেশে কোনো সঞ্চয় নেই। তাই এসবই কৃত্রিম। এটি ভুল নির্দেশনা এবং ভুল বিনিয়োগ ও সব অতিরিক্ত ঋণ তৈরি করে। আর এর সব সময় একটি সংশোধন প্রয়োজন হয়। ফেড প্রতিষ্ঠার পর থেকে ডলার তার মূল্যের প্রায় ৯৭ শতাংশ হারিয়েছে। আপনার সঞ্চয়কে উৎসাহিত করার কথা। কিন্তু কোনো কিছুর মূল্য কমে গেলে ডলার কেন সঞ্চয় করবেন? এতে কোনো উৎসাহই নেই। [...] সোনা ছয় হাজার বছরের পুরোনো, এবং এটি এখনো তার ক্রয়ক্ষমতা ধরে রেখেছে। সোনার হিসাবে তেলের দাম সত্যিই খুব স্থিতিশীল। [...] রক্ষণশীল এবং উদারপন্থী উভয়ই বড় সরকারকে উন্নত করতে চায়। আর এটি মধ্যবিত্ত শ্রেণির ওপর করারোপ করার একটি লোভনীয় উপায়।
** [[w:সেন্টার ফর আমেরিকান প্রগ্রেস|ফাইজ শাকিরের]] সাথে [[w:সিএনবিসি|সিএনবিসির]] বিতর্ক, ২০ মার্চ ২০০৭ [http://www.youtube.com/watch?v=k94VWPjUQSM]
* আপনি [[সমাজতন্ত্র|সমাজতন্ত্রের]] মাধ্যমে মুক্তবাজার রক্ষা করতে পারেন না। আমি জানি না [[w:২০০৮ সালের ইমারজেন্সি ইকোনমিক স্ট্যাবিলাইজেশন অ্যাক্ট|এই ধারণাটি]] কোথা থেকে এল। আপনি মুক্তবাজার, স্থিতিশীল অর্থ এবং ভারসাম্যপূর্ণ বাজেটের প্রসার ঘটিয়ে মুক্তবাজার রক্ষা করতে পারেন। কেউ আসল সমস্যার সমাধান করতে চায় না। এর মূল কারণ হলো, আমরা একটি সাম্রাজ্য চালানোর জন্য বিদেশে বছরে এক ট্রিলিয়ন ডলার ব্যয় করছি। আর এর শেষ হতে চলেছে। এই দেশ দেউলিয়া হয়ে গেছে, আর আমরা তা স্বীকার করব না। তবে শেষ পর্যন্ত ডলার ধসে পড়বে। আমরা আমাদের সৈন্যদের দেশে ফিরিয়ে আনব। আমরা আমাদের সাধ্যের মধ্যে বাঁচব। তবে ডলার ধসে পড়ার অপেক্ষা করার চেয়ে আমাদের এটি যুক্তিসঙ্গতভাবে করা উচিত। আর আমরা এটাই করছি, আমরা আমাদের ডলার ধ্বংস করার দ্বারপ্রান্তে রয়েছি। তারপর, আপনি ভাবছেন যে আমাদের এখন সমস্যা আছে। তখনকার সমস্যাগুলো আরও খারাপ হবে। এটি [[w:ভাইমার প্রজাতন্ত্রের মুদ্রাস্ফীতি|ভাইমার প্রজাতন্ত্র]] বা তৃতীয় বিশ্বের দেশের মতো দেখাবে। আর অনেক মানুষ তা জানে এবং তারা মৃত্যুভয়ে ভীত। তবে আরও সরকারি কর্মসূচি, আরও মুদ্রাস্ফীতি এবং আরও [[w:তারল্যের ফাঁদ|হেলিকপ্টার]] দিয়ে সবকিছু টিকিয়ে রেখে আমাদের সমস্যাটিকে আরও খারাপ করার প্রয়োজন নেই। এটি কাজ করবে না।
** [[w:ফক্স বিজনেস নেটওয়ার্ক|ফক্স বিজনেস নেটওয়ার্ক]], ১৪ অক্টোবর ২০০৮ [http://www.youtube.com/watch?v=_qzUtPq8pLE]
*নির্বাচন শেষ হওয়ার পর, আমাদের দেশ ভবিষ্যতের দিকে আশার দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। আমার নিজেরও কিছু আশা আছে। আমি আমাদের প্রথম আফ্রিকান-আমেরিকান নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন জানাই। মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র আজকের দিনটি দেখে নিশ্চয়ই গর্বিত হতেন। বৈচিত্র্যকে গ্রহণ করার মাধ্যমে আমরা শক্তিশালী হয়েছি। আমি আশাবাদী যে আমরা অতীতের উত্তেজনা এবং অন্যায়গুলো দূর করে একটি আরও ন্যায়পরায়ণ এবং বর্ণহীন সমাজ হয়ে উঠতে পারব। আমি আশা করি এই নতুন প্রশাসন আমাদের একত্রিত করতে সাহায্য করবে, আর বিভাজন করবে না। আমি সবসময় দেখেছি যে প্রাচীর ভেঙে ফেলার সেরা উপায় হলো স্বাধীনতা। একটি মুক্ত সমাজ ব্যক্তিদের গুরুত্বের ওপর জোর দেয়, তারা কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর অংশ বলে নয়। সমান বিচার অর্জনের এটিই একমাত্র উপায়।
**[https://web.archive.org/web/20120119202026/http://www.ronpaularchive.com/2008/11/hopes-for-the-future/ ''ভবিষ্যতের জন্য আশা''] (নভেম্বর ২০০৮)।
* যদিও এটি স্পষ্ট যে [[w:কিনসিয়ান অর্থনীতি|কিনসিয়ানরা]] সবাই ভুল ছিল এবং হস্তক্ষেপবাদ ও কেন্দ্রীয় অর্থনৈতিক পরিকল্পনা কাজ করে না, তবুও এই জগাখিচুড়ি থেকে বেরিয়ে আসার জন্য আমরা কার পরামর্শ শুনছি? দুর্ভাগ্যবশত, এরা হলো কিনসিয়ান, সমাজতন্ত্রী এবং বড় সরকারের সমর্থকেরা। কাদের উপেক্ষা করা হচ্ছে? [[w:অস্ট্রিয়ান স্কুল|অস্ট্রিয়ান]] মুক্তবাজারের অর্থনীতিবিদেরা—যারা কেবল মহামন্দার ভবিষ্যদ্বাণীই করেননি, বরং আজ আমরা যে বিপদের মুখোমুখি হচ্ছি তারও ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন। সংকটটি যদি অনুমানযোগ্য এবং ব্যাখ্যাযোগ্য হয়, তবে কেন কেউ শোনেনি? এর কারণ হলো অনেক রাজনীতিবিদ বিশ্বাস করতেন যে বিনামূল্যে খাওয়াদাওয়া সম্ভব এবং একটি নতুন অর্থনৈতিক দৃষ্টান্ত এসে গেছে। তবে আমরা এটি আগেও শুনেছি—যেমন [[w:পরশপাথর|পরশপাথর]], যা সিসাকে সোনায় পরিণত করতে পারে। কাজ ছাড়া সমৃদ্ধি হলো যুগের স্বপ্ন।
** [http://www.house.gov/apps/list/speech/tx14_paul/statement_11_20_08.shtml ''অস্ট্রিয়ানরা সঠিক ছিল''], ২০ নভেম্বর ২০০৮ [http://www.youtube.com/watch?v=8PIEGK0IbA4]
* আমি নিশ্চিত যে বাকি বিশ্বের চেয়ে ক্যাপিটল হিলে আমার অফিসের ১০ মাইল ব্যাসার্ধের মধ্যে আমেরিকান স্বাধীনতার জন্য বেশি হুমকি রয়েছে।
** [http://antiwar.com/paul/?articleid=14259 টেক্সাস স্ট্রেইট টক: বাধ্যতামূলক নিয়োগ পুনর্বহাল করার বিষয়ে] (১৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৯)
* আমাদের উপস্থিতি আল কায়েদাকে সংখ্যায় বাড়তে এবং আরও আত্মঘাতী হামলাকারীদের অনুপ্রাণিত করতে কাজ করবে। ইরাক, আফগানিস্তান বা পাকিস্তানে অনির্দিষ্টকালের উপস্থিতি আমাদের আর্থিক সম্পদ হ্রাস করবে, আমাদের জাতীয় প্রতিরক্ষাকে ক্ষুণ্ন করবে, আমাদের সামরিক বাহিনীকে হতাশ করবে এবং আমাদের আর্থিক সংকটকে বাড়িয়ে তুলবে। ওসামা বিন লাদেন যেমনটি পরিকল্পনা করেছিলেন, ঠিক সেভাবেই তিনি এসব স্বাগত জানাবেন। এটি আসলে তার প্রত্যাশার চেয়েও বেশি। [...] আফগানিস্তান এবং পাকিস্তানে যুদ্ধ আরও বড় হবে, যদি না ডলার ডলারভিত্তিক বিশ্ব আর্থিক ব্যবস্থার পথ অনুসরণ করে এবং [[w:অতিমুদ্রাস্ফীতি|লাগামহীন মুদ্রাস্ফীতিতে]] ধসে পড়ে। এই ক্ষেত্রে, অর্থনীতির নিয়ম এবং ইতিহাসের বাস্তবতা কাগজের টুকরো দিয়ে অর্থায়িত একটি বিশ্ব সাম্রাজ্য বজায় রাখার উন্মাদনা কাটিয়ে উঠতে শ্রেষ্ঠ প্রমাণ হবে। আমাদের পারমাণবিক অস্ত্রাগার দ্বারা সমর্থিত সামরিক দক্ষতা একটি মুদ্রা সংকটের ট্র্যাজেডি কাটিয়ে উঠতে যথেষ্ট হবে না। সোভিয়েত পারমাণবিক অস্ত্র তার সাম্রাজ্য বা কমিউনিস্ট অর্থনীতি রক্ষা করতে পারেনি।
** ''[https://www.youtube.com/watch?v=WuPeExhmuQQ এর শেষ কাছাকাছি নয়''], (৪ মার্চ ২০০৯)
*কল্পনা করুন [...] যে হাজার হাজার সশস্ত্র বিদেশি সৈন্য সামরিক যানে করে প্রতিনিয়ত আমেরিকার রাস্তায় টহল দিচ্ছে। কল্পনা করুন তারা "আমাদের নিরাপদ রাখার" বা "গণতন্ত্রের প্রচার" বা "তাদের কৌশলগত স্বার্থ রক্ষার" দায়িত্ব নিয়ে এখানে এসেছে। কল্পনা করুন যে তারা মার্কিন আইনের বাইরে কাজ করে এবং সংবিধান তাদের ওপর প্রযোজ্য নয়। কল্পনা করুন যে মাঝে মাঝে তারা ভুল করে বা খারাপ তথ্যের ভিত্তিতে কাজ করে এবং দুর্ঘটনাবশত নারী ও শিশুসহ নিরীহ আমেরিকানদের হত্যা করে বা আতঙ্কিত করে। অধিকাংশ সময়ই এর কোনো প্রতিক্রিয়া বা পরিণতি হয় না। কল্পনা করুন যে তারা আমাদের মাটিতে চেকপয়েন্ট স্থাপন করেছে এবং পুরো এলাকার বাড়িঘরগুলোতে নিয়মিত তল্লাশি এবং তছনছ করে। কল্পনা করুন যদি আমেরিকানরা এই বিদেশি সৈন্যদের ভয় পেত এবং বিপুলভাবে মনে করত যে তাদের উপস্থিতি ছাড়াই আমেরিকা ভালো থাকবে। কল্পনা করুন যদি কিছু আমেরিকান টেক্সাসে তাদের থাকা নিয়ে এতই ক্ষুব্ধ হতো যে, তারা আমাদের মাটি এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য তাদের সাথে লড়াই করতে একজোট হতো। কারণ সরকারের নেতৃত্ব তা করতে অস্বীকার করেছে বা অক্ষম হয়েছে। কল্পনা করুন যে ওই আমেরিকানদের তাদের প্রতিরক্ষামূলক কাজের জন্য সন্ত্রাসী বা বিদ্রোহী বলা হচ্ছে এবং নিয়মিতভাবে হত্যা করা হচ্ছে, বা বন্দি করে আমাদের মাটিতেই বিদেশি সৈন্যদের দ্বারা নির্যাতন করা হচ্ছে। কল্পনা করুন যে দখলদারদের মনোভাব ছিল এমন যে, যদি তারা কেবল যথেষ্ট পরিমাণ আমেরিকানদের হত্যা করে, তবে প্রতিরোধ বন্ধ হয়ে যাবে। কিন্তু এর বদলে, প্রতিটি নিহত আমেরিকানের জন্য আরও দশজন তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র তুলে নেবে, যার ফলে চিরস্থায়ী রক্তপাত হবে। [...] বাস্তবতা হলো, বিদেশি মাটিতে আমাদের সামরিক উপস্থিতি সেখানে বসবাসকারী মানুষের কাছে ঠিক ততটাই আপত্তিকর, যতটা টেক্সাসে সশস্ত্র চীনা সৈন্য মোতায়েন থাকলে আমাদের কাছে হতো।
** [http://www.lewrockwell.com/paul/paul512.html ''রন পলের লেখা ইমাজিন''] (১১ মার্চ ২০০৯)।
* আজ রাতে আমার বিশেষ আদেশের শিরোনাম হলো 'বর্তমান পরিস্থিতি নাকি কেবল একটি দুঃস্বপ্ন'। <br />সবকিছু কি একটি দুঃস্বপ্ন বা খারাপ স্বপ্ন হতে পারে? এটি কি আমার কল্পনা নাকি আমরা আমাদের মন হারিয়েছি? এটি অবাস্তব, এটি বিশ্বাসযোগ্য নয়। '''একটি বিশাল অযৌক্তিকতা, একটি বড় প্রতারণা, হাস্যকর ধারণার ওপর ভিত্তি করে একটি বিশাল বিভ্রম এবং এমন ধারণার ওপর ভিত্তি করে যার সময় কখনোই আসা উচিত নয়। সরলতাকে চরমভাবে বিকৃত এবং জটিল করা হয়েছে। উন্মাদনাকে যুক্তি হিসেবে চালিয়ে দেওয়া হয়েছে। পঞ্জি এবং ম্যাডফের নৈতিকতার সাথে মিথ্যার ওপর নির্মিত বিশাল পরিকল্পনা। খারাপ কাজকে পুণ্য হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। অজ্ঞতাকে প্রজ্ঞা হিসেবে চালিয়ে দেওয়া হয়েছে। মানবিকতার নামে ধ্বংস এবং দারিদ্র্য। সহিংসতা, পরিবর্তনের হাতিয়ার। আগাম যুদ্ধগুলোকে শান্তির পথ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। সরকারি বন্দুক দিয়ে সহনশীলতা প্রদান করা হয়েছে। প্রগতির আড়ালে প্রতিক্রিয়াশীল দৃষ্টিভঙ্গি। প্রজাতন্ত্রের জায়গা নিচ্ছে সাম্রাজ্য। দাসত্বকে স্বাধীনতা হিসেবে বিক্রি করা হয়েছে। সাধারণত্বের বিনিময়ে শ্রেষ্ঠত্ব এবং পুণ্য বিক্রি করা হয়েছে। পুঁজিবাদ বাঁচাতে সমাজতন্ত্র। সংবিধান, আইনের শাসন বা নৈতিকতা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত নয়, এমন একটি সরকার। আমরা যখন বিশৃঙ্খলার দিকে এগিয়ে যাচ্ছি, তখন ছোটখাটো রাজনীতি নিয়ে ঝগড়া করছি।''' যে দর্শন আমাদের ধ্বংস করে, তা এমনকি সংজ্ঞায়িতও নয়। <br />আমরা বাস্তব থেকে বিচ্ছিন্ন একটি মানসিক বিকারগ্রস্ত জাতিতে পরিণত হয়েছি। প্রজ্ঞার জায়গা নিচ্ছে জ্ঞানের ভান করা অজ্ঞতা। গাছে টাকা ধরে না, আর সরকারের টাকা ছাপানোর যন্ত্র বা ক্রমবর্ধমান ঘাটতি থেকে সমৃদ্ধি আসে না। আমরা এখন জনগণের অর্থের সীমাহীন ব্যয়ের মাঝে রয়েছি। অতিরিক্ত করারোপ, একটি ব্যর্থ কল্যাণ-যুদ্ধ ব্যবস্থায় ব্যয় করা ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডলারের ঘাটতি। স্বজনপ্রীতির মহামারি। কাগজের টাকার সীমাহীন সরবরাহকে সম্পদের সমান মনে করা হচ্ছে। একটি কেন্দ্রীয় ব্যাংক যা গোপনে, বিনা বাধায়, কোনো প্রতিবাদ ছাড়াই ইচ্ছাকৃতভাবে মুদ্রার মূল্য ধ্বংস করে। অথচ ওয়াল স্ট্রিট, সামরিক-শিল্প কমপ্লেক্স এবং ডেট্রয়েটের ছদ্ম-পুঁজিবাদীরা একে উৎসাহিত করে। <br />আমরা বিশ্বজুড়ে ১৩০টি দেশে ৭০০টি ঘাঁটিতে থাকা সৈন্য দিয়ে আমাদের বিশ্ব সাম্রাজ্যের পুলিশিং করি। মধ্যপ্রাচ্য এবং মধ্য এশিয়ায় এখন একটি বিপজ্জনক যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ছে। একবিংশ শতাব্দীর নির্যাতনকারী হিসেবে আমরা পরিচিত হওয়ার সাথে সাথে হাজার হাজার নিরীহ মানুষ নিহত হচ্ছে। আমরা ধরে নিই যে এরই মধ্যে জানা নির্যাতনের ছবিগুলো জনগণের চোখ থেকে আড়াল করে রাখলে, আমাদের কেবল একটি উদার এবং ভালো মানুষ হিসেবেই মনে রাখা হবে। আমাদের শত্রুরা যদি কেবল আমরা স্বাধীন এবং ধনী বলেই আমাদের আক্রমণ করতে চায়, তবে নির্যাতনের প্রমাণ অপ্রাসঙ্গিক হবে। এসবের সবচেয়ে দুঃখজনক অংশটি হলো আমরা ভুলে গেছি কী আমেরিকাকে মহান, ভালো এবং সমৃদ্ধ করেছিল। আমাদের দ্রুত আমাদের স্মৃতি সতেজ করতে হবে এবং আবারও স্বাধীনতার প্রতি আমাদের ভালোবাসা, বোঝাপড়া এবং আত্মবিশ্বাসকে পুনরুজ্জীবিত করতে হবে। বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় বর্তমান অবস্থা বজায় রাখা সম্ভব নয়। কিছু বৈপ্লবিক চিন্তাভাবনা ছাড়া সহিংসতা এবং স্বাধীনতা হারানো অনিবার্য। এখন জমায়েত হওয়া জনতার উন্মাদনা থেকে আমাদের বাঁচতে হবে। <br />সুখবর হলো শান্তিপূর্ণ এবং বুদ্ধিবৃত্তিক উপায়ে পরিবর্তন সম্ভব। আর সৌভাগ্যবশত যারা এ বিষয়ে সচেতন, তাদের সংখ্যা জ্যামিতিক হারে বাড়ছে। অবশ্যই এটি একটি দুঃস্বপ্ন, একটি খারাপ স্বপ্ন হতে পারে এবং আমি মারাত্মকভাবে ভুল করছি, অতিরঞ্জিত করছি এবং আমার উদ্বেগ ভিত্তিহীন হতে পারে। আমি তেমনটাই আশা করি। কিন্তু যদি তা না হয়, তবে খুব বেশি দূরে নয় এমন ভবিষ্যতে বৈপ্লবিক পরিবর্তনের জন্য আমাদের নিজেদের প্রস্তুত করা উচিত। <br />আমি আমার বাকি সময়টুকু ফেরত দিচ্ছি।
** ''[https://www.youtube.com/watch?v=zdXh6ASMfpc এটি কি বাস্তবতা নাকি কেবল একটি দুঃস্বপ্ন?''] (১৯ মে ২০০৯)
* মহামন্দা থেকে শুরু করে সত্তরের দশকের স্ট্যাগফ্লেশন, আবাসন বুদ্বুদের কারণে সৃষ্ট বর্তমান অর্থনৈতিক সংকট—গত এক শতাব্দী ধরে এই দেশ যে অর্থনৈতিক মন্দার শিকার হয়েছে, তার প্রতিটির সূত্রপাত ফেডারেল রিজার্ভের নীতি থেকে। ফেড অর্থনীতিকে সহজ অর্থে ভাসিয়ে দেওয়ার একটি ধারাবাহিক নীতি অনুসরণ করেছে। এর ফলে সম্পদের ভুল বণ্টন হয়েছে এবং একটি কৃত্রিম 'বুম' বা উত্থান দেখা দিয়েছে। এরপর ফেডের তৈরি করা বুদ্বুদ ফেটে গেলে মন্দা বা মহামন্দা দেখা দিয়েছে।
** [http://www.lewrockwell.com/paul/paul504.html মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের সামনে, ফেডারেল রিজার্ভ বোর্ড বাতিল আইন, এইচ.আর. ৮৩৩ উপস্থাপনকালে।] (৯ ফেব্রুয়ারি ২০০৯)
* এটিই সবচেয়ে বড়।
** ''ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস'', ২২ মার্চ ২০০৯ [http://www.ft.com/cms/s/0/ee3e07f0-16b2-11de-9a72-0000779fd2ac.html]
* '''প্রশ্ন''': যে কারণে আমরা এখানে এসেছি, তার মধ্যে একটি কারণ বেছে নিতে বললে আপনি কোনটি বলবেন?<br>'''রন পল''': সহজ অর্থ। ফেডারেল রিজার্ভ কৃত্রিমভাবে সুদের হার কমিয়ে দিয়েছে। তারা মানুষ, বিনিয়োগকারী, সঞ্চয়কারীদের প্রতারিত করে বিশ্বাস করিয়েছে যে প্রচুর সঞ্চয় রয়েছে। আমাদের আরও বেশি বিনিয়োগ করা উচিত, আরও বাড়ি, আরও গাড়ি তৈরি করা উচিত। এটি হলো ভুল বিনিয়োগ। যা অর্থের সরবরাহের মুদ্রাস্ফীতির মতোই বিপজ্জনক। সাধারণত এর ফলে উচ্চমূল্য দেখা দেয়।
** [[w:ফক্স বিজনেস নেটওয়ার্ক|ফক্স বিজনেস নেটওয়ার্ক]], ২৪ মার্চ ২০০৯ [http://www.youtube.com/watch?v=hkJ1sa9mxCU]
* '''প্রশ্ন''': আফগানিস্তানে যুদ্ধের অর্থায়নের জন্য একটি করের বিষয়ে কী বলবেন?<br>'''রন পল''': ওহ না... আমাদের এসব কোনো যুদ্ধের প্রয়োজন নেই... আপনি কর বাড়াবেন না, তাতে তাদের কেবল উৎসাহ বাড়বে। আমাদের যা করতে হবে তা হলো তাদের কাছ থেকে এই সমস্ত অর্থ কেড়ে নেওয়া এবং বলা, সৈন্যদের দেশে ফিরিয়ে আনুন...
** [[w:ওয়াশিংটন জার্নাল|ওয়াশিংটন জার্নাল]], সি-স্প্যান, ৩ ডিসেম্বর ২০০৯ [http://www.youtube.com/watch?v=_sL0ivIil3w]
===২০১১===
* '''[[ক্রিস ম্যাথিউস]]:''' আমি আপনাকে এটি জিজ্ঞাসা করি: ৬৪ সালের নাগরিক অধিকার বিল। আপনি কি মনে করেন যে একজন চাকরিদাতা, টেক্সাসে দোকান চালানো কোনো ব্যক্তির বলার অধিকার আছে, "তুমি যদি কৃষ্ণাঙ্গ হও, তবে আমার দোকানে ঢুকবে না"। ৬৪ সালের ঠিক আগে এটিই ছিল স্বাধীনতাবাদী মতবাদ। এটি কি ভারসাম্যপূর্ণ সমাজ ছিল?<br />'''রন পল:''' আমি বিশ্বাস করি যে সম্পত্তির অধিকার রক্ষা করা উচিত। টিভিতে থাকার আপনার অধিকার সম্পত্তির অধিকার দ্বারা সুরক্ষিত, কারণ কেউ ওই স্টেশনের মালিক। আমি আপনার ''স্টেশনে'' ঢুকতে পারি না। তাই আপনার বাকস্বাধীনতা ''সম্পত্তি'' দ্বারা সুরক্ষিত। আপনার চার্চের অধিকার ''সম্পত্তি'' দ্বারা সুরক্ষিত। তাই মানুষের এটিকে সম্মান এবং রক্ষা করা উচিত। এই ''কৌশল'', ক্রিস, এটি সম্পূর্ণ অবাস্তব। আপনি বলছেন আমি সম্পত্তির অধিকার এবং রাজ্যের অধিকারের পক্ষে, তাই আমি একজন ''বর্ণবাদী''। মানে এটি একেবারেই অদ্ভুত। দাঁড়ান, ক্রিস। দাঁড়ান, ক্রিস। যারা বলে যে যদি আইনটি থাকত এবং আপনি তা করতে পারতেন, কে তা ''করবে''? কোন বোকা তা করবে?<br />'''ক্রিস ম্যাথিউস:''' দক্ষিণাঞ্চলের সবাই। আমি কলেজে পড়ার সময় দক্ষিণাঞ্চল দিয়ে যাওয়ার সময় এসব সাইনবোর্ড দেখেছি। অবশ্যই তারা এটি করেছিল। আপনিও তাদের এটি করতে দেখেছেন বলে মনে করতে পারবেন।<br />'''রন পল:''' হ্যাঁ, আমি এটাও জানি যে [[w:জিম ক্রো আইন|জিম ক্রো আইনগুলো]] অবৈধ ছিল এবং আমরা সেই একই আইনের অধীনে সেগুলো থেকে মুক্তি পেয়েছি। আর এসবই ভালো। সরকার — <br />'''ক্রিস ম্যাথিউস:''' কিন্তু আপনি ওই আইনের বিপক্ষে ভোট দিতেন।<br />'''রন পল:''' ক্ষমা করবেন?<br />'''ক্রিস ম্যাথিউস:''' আপনি ওই আইনের বিপক্ষে ভোট দিতেন। আপনি ৬৪ সালের নাগরিক অধিকার বিলের পক্ষে ভোট দিতেন না।<br />'''রন পল:''' হ্যাঁ, তবে না — আমি ''জিম ক্রো আইন'' থেকে মুক্তি পাওয়ার বিপক্ষে ভোট দিতাম না।<br />'''ক্রিস ম্যাথিউস:''' কিন্তু আপনি এর পক্ষে ভোট দিতেন — আপনি জানেন আপনি — ওহ, আসুন। সত্যি বলতে কংগ্রেসম্যান, আপনি ৬৪ সালের নাগরিক অধিকার বিলের পক্ষে ছিলেন না।<br />'''রন পল:''' কারণ — সম্পত্তির অধিকারের উপাদানের কারণে, এটি জিম ক্রো আইন থেকে মুক্তি দিয়েছিল বলে নয়।
* '''ক্রিস ম্যাথিউস:''' আমি আপনাকে এটি জিজ্ঞাসা করি: লুইজিয়ানার বেকারে পিস কর্পস প্রশিক্ষণের সময় আমি একবার লন্ড্রোম্যাটে গিয়েছিলাম। একটি লন্ড্রোম্যাটে কাচের ওপর লেখা ছিল: "লন্ড্রোম্যাটে কেবল শ্বেতাঙ্গদের জন্য", কেবল লন্ড্রোম্যাট মেশিন ব্যবহার করার জন্য। এটি ছিল একটি স্থানীয় দোকান, যেখানে কৃষ্ণাঙ্গদের প্রবেশ নিষেধ ছিল। আপনি বলছেন এটি আইনি হওয়া উচিত?<br />'''রন পল:''' এটি — এটি প্রাচীন ইতিহাস। এটি প্রাচীন ইতিহাস। এটি অনেক আগেই শেষ হয়ে গেছে।
** {{citation
|title=হার্ডবল
|publisher=এমএসএনবিসি
|date=০৩-০৫-২০১১}}, {{citation
|title=হার্ডবলে রন পল
|journal=নিউজবাস্টারস ডটঅর্গ
|url=http://newsbusters.org/blogs/noel-sheppard/2011/05/14/ron-paul-accuses-chris-matthews-making-him-look-racist-bringing-civil}}-এ যেমনটি উদ্ধৃত করা হয়েছে।
* '''ক্রিস ওয়ালেস''': আপনি সংবিধান নিয়ে অনেক কথা বলেন। আপনি বলেন [[w:সামাজিক নিরাপত্তা (যুক্তরাষ্ট্র)|সামাজিক নিরাপত্তা]], [[w:মেডিকেয়ার (যুক্তরাষ্ট্র)|মেডিকেয়ার]], [[w:মেডিকেইড|মেডিকেইড]] সবই অসাংবিধানিক。<br />'''রন পল''': প্রযুক্তিগতভাবে, এগুলো তাই। … [সংবিধানে] কোনো কর্তৃত্ব নেই। অনুচ্ছেদ ১, ধারা ৮ বলে না যে আমি মানুষের জন্য একটি বিমা কর্মসূচি তৈরি করতে পারি। আপনি সংবিধানের কোন অংশ থেকে এটি পাচ্ছেন? উদারপন্থীরাই এই সাধারণ কল্যাণ ধারা ব্যবহার করে। … এটি এমন একটি চরম উদার দৃষ্টিভঙ্গি যা আমাদের স্কুলগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে ভুলভাবে শেখানো হয়েছে এবং আমাদের এটি উল্টে দিতে হবে—ঠিক যে ধারণাটি আপনি উপস্থাপন করছেন。<br />'''ক্রিস ওয়ালেস''': কংগ্রেসম্যান, এটি কেবল একটি উদার দৃষ্টিভঙ্গি নয়। এটি ১৯৩৭ সালের সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্ত ছিল। যখন তারা বলেছিল যে সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১, ধারা ৮-এর অধীনে সামাজিক নিরাপত্তা সাংবিধানিক।<br />'''রন পল''': আর সংবিধান এবং আদালত বলেছিল যে দাসত্বও আইনি, এবং আমাদের তা উল্টে দিতে হয়েছিল।
** {{citation
|title=ফক্স নিউজ সানডে
|date=১৫-০৫-২০১১}}, {{citation
|title=রন পল সামাজিক নিরাপত্তা এবং মেডিকেয়ারকে অসাংবিধানিক বলেছেন, তাদের 'দাসত্বের' সাথে তুলনা করেছেন
|journal=থিংক প্রগ্রেস
|date=১৫-০৫-২০১১
|first=ইয়ান
|last=মিলহিসার
|url=http://thinkprogress.org/politics/2011/05/15/166363/paul-ss-medicare-slavery/
|accessdate=২৮-০৮-২০১১}}-এ যেমনটি উদ্ধৃত করা হয়েছে।
*তবে না, আমি বৈজ্ঞানিক প্রমাণ দিয়ে এমনটা মনে করি না -- আমি গতকাল মৃত্যুদণ্ডের ওপর একটি নিবন্ধ পড়েছি। তারা ৬৮ শতাংশ ক্ষেত্রে ভুল করে। আর এটি খুব বর্ণবাদীও। আমার মনে হয় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মানুষের অর্ধেকেরও বেশি হলো দরিদ্র কৃষ্ণাঙ্গ। এটি একমাত্র জায়গা, '''আমাদের দেশে বর্ণবাদের একমাত্র অবশিষ্টাংশ হলো আদালত ব্যবস্থায়, মাদক আইন প্রয়োগে এবং মৃত্যুদণ্ড প্রয়োগে'''। আমি জানিও না, তবে আমি অবাক হই এদের মধ্যে কতজনের, কতজনের ফাঁসি হয়েছে? ২০০-এর বেশি, আমি অবাক হই এদের মধ্যে কতজন সংখ্যালঘু ছিল? আপনি জানেন, আপনি যদি ধনী হন, তবে সাধারণত আপনার মৃত্যুদণ্ড হয় না।
**''কনকর্ড মনিটর সম্পাদকীয় বোর্ডের সাথে সাক্ষাৎকার'', (১৮ আগস্ট ২০১১)
*'''পল:''' ''আমি ওগুলো লিখিনি, আমি ওগুলো অস্বীকার করি...''<br />'''প্রশ্ন:''' তাহলে আপনি ওগুলো পড়েছেন, কিন্তু কিছু করেননি。<br />'''পল:''' ''আমি ওইসব জিনিস কখনোই পড়িনি''। আমি সম্ভবত ওগুলো লেখার দশ বছর পর এ সম্পর্কে জানতে পেরেছি...প্রায় বিশ বছর হয়ে গেল মানুষ আমাকে এ নিয়ে বিরক্ত করছে。<br />'''প্রশ্ন:''' আচ্ছা, আপনি কি বলবেন না যে এটি একটি বৈধ প্রশ্ন?<br />'''পল:''' যখন আপনি উত্তর পাবেন, তখন এটা বৈধ যে আপনি আমার দেওয়া উত্তরটি গ্রহণ করবেন। আপনি কি জানেন উত্তরটা কী? "'''''আমি ওগুলো লিখিনি, লেখার সময় আমি ওগুলো পড়িনি এবং আমি ওগুলো অস্বীকার করি।'''''"
** [http://www.washingtonpost.com/blogs/fact-checker/post/ron-paul-and-the-racist-newsletters-fact-checker-biography/2011/12/21/gIQAKNiwBP_blog.html রন পল সিএনএন সাক্ষাৎকার থেকে বেরিয়ে যান] (২১ ডিসেম্বর ২০১১)
===২০১২===
* '''প্রশ্ন: "'''কংগ্রেসম্যান পল, আপনি এই সব প্রার্থীর, বিশেষ করে সিনেটর স্যান্টোরামের আর্থিক রক্ষণশীলতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। আপনার একটি নতুন টেলিভিশন বিজ্ঞাপন রয়েছে যেখানে তাকে ভণ্ড বলা হয়েছে। কেন?"
** '''উত্তর: "কারণ সে একজন ভণ্ড।''' আমার কাছে এটা বেশ আশ্চর্যের লাগে যে মানুষ যখন নির্বাচনে দাঁড়ায় তখন তারা সত্যিই আর্থিকভাবে রক্ষণশীল হয়। যখন তারা ক্ষমতায় থাকে, তখন তারা অন্য কিছুর পক্ষে ভোট দেয়। আর তারপর যখন তারা নিজেদের ব্যাখ্যা করে, তখন বলে 'ওহ! আমি ওটা বাতিল করতে চাই।' তাই সিনেটর নো চাইল্ড লেফট বিহাইন্ডের পক্ষে ভোট দিয়েছিলেন। তিনি এর পক্ষে ভোট দিয়েছিলেন, কিন্তু এখন তিনি এটি বাতিল করার চেষ্টায় নির্বাচন করছেন!.....এতে বিশ্বাসযোগ্যতা হারায়।"
***[https://www.youtube.com/watch?v=YZPexbzJUU4 ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১২]
===২০১৫===
*'''একটি মুক্তবাজার অর্থনীতিতে, ভোক্তাই হলো রাজা''': শ্রমিক ইউনিয়নগুলো জিনিসপত্র চালায় না, ব্যবসায়ীরা জিনিসপত্র চালায় না, ব্যাংকাররা জিনিসপত্র চালায় না, রাজনীতিবিদেরা জিনিসপত্র চালায় না, তবে একটি ব্যবসার সাফল্য নির্ভর করে মানুষ কীভাবে তাদের অর্থ ব্যয় করে তার ওপর।
**"নির্বাচিত প্রতিনিধিদের বদলে নাগরিকরা নিজেরাই আইন তৈরি করে, এমন প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র সম্পর্কে আপনার মতামত কী?" প্রশ্নের উত্তরে। https://www.youtube.com/watch?v=p-nfaTZNWcI (১৪ মে ২০১৫)
===২০১৬===
*আমি এই ধারণা নিয়ে কাজ করি যে অধিকাংশ মানুষ সত্যিই [[শান্তি]] চায়। এই কারণে, মানুষকে বোকার মতো [[যুদ্ধ|যুদ্ধে]] রাজি করানোর জন্য মিথ্যার পাশাপাশি অনেক [[প্রচারণা]], ভীতি প্রদর্শন এবং ভয় দেখানোর প্রয়োজন হয়। এই সপ্তাহে, [[w:ফিলিপ এম. ব্রিডলাভ|ন্যাটোর কমান্ডার এবং মার্কিন জেনারেল ফিলিপ ব্রিডলাভের]] [https://theintercept.com/2016/07/01/nato-general-emails/ ইমেইলগুলো নিয়ে খবর প্রকাশিত হয়েছে]। দৃশ্যত ব্রিডলাভ [[w:বারাক ওবামা|ওবামার]] বিরুদ্ধে আড়ালে চক্রান্ত করছিলেন। ওবামা [[w:রাশিয়া|রাশিয়ার]] সাথে ততটা সংঘাতপূর্ণ ছিলেন না যতটা ব্রিডলাভ চেয়েছিলেন। ওবামা এবং [[ইউক্রেন|ইউক্রেনে]] যা ঘটছিল তা নিয়ে মার্কিন জনমতের ওপর চাপ প্রয়োগের জন্য সব ধরনের পেছনের চ্যানেল ব্যবহার করা হয়েছিল। কেউ ভাবতে পারেন যে এটি মিডিয়ায় একটি বড় খবর হবে। কিন্তু [[w:দ্য ইন্টারসেপ্ট|দ্য ইন্টারসেপ্ট]] [https://theintercept.com/2016/07/01/nato-general-emails/ খবরটি প্রকাশ] করার পর কয়েকটি অন্যান্য আউটলেট এটি প্রকাশ করে এবং তারপর এটি পৃথিবীর বুক থেকে হারিয়ে যায়!<BR> '''স্নায়ুযুদ্ধের পর ওয়ারশ চুক্তির মতোই [[ন্যাটো|ন্যাটোরও]] ভেঙে যাওয়া উচিত ছিল।''' ভেঙে যাওয়ার বদলে ন্যাটো পূর্ব ইউরোপের দেশগুলোকে গ্রাস করতে থাকে, যেগুলো আগে [[w:ওয়ারশ চুক্তি|ওয়ারশ চুক্তির]] অংশ ছিল। "শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন" এবং ইউক্রেনকে ন্যাটোতে অন্তর্ভুক্ত করার ফলে তারা ঠিক রাশিয়ার সীমান্তে চলে আসবে। ন্যাটো শান্তির বন্ধু নয়। আমাদের এর কোনো প্রয়োজন নেই।
**[http://www.ronpaullibertyreport.com/archives/ron-paul-nato-is-not-a-friend-of-peace ''ন্যাটো শান্তির বন্ধু নয়''] (৫ জুলাই ২০১৬)
*'''ইসরায়েলের জন্য ৩৮ বিলিয়ন ডলারের সহায়তা এমন অর্থ যা আমরা এমন একটি ধনী এবং শক্তিশালী দেশকে দেওয়ার সামর্থ্য রাখি না, যার নিজেদের মর্যাদা বজায় রাখার জন্য কোনো সহায়তার প্রয়োজন নেই।'''<br>গত সপ্তাহে ইসরায়েলের জন্য রেকর্ড ভাঙা মার্কিন সহায়তা প্যাকেজের ঘোষণা প্রমাণ করে যে আমাদের হস্তক্ষেপবাদী পররাষ্ট্রনীতি কতটা বিপজ্জনকভাবে বোকামিপূর্ণ এবং বাস্তবতাবিবর্জিত। আগামী দশ বছরে, মার্কিন করদাতাদের ইসরায়েলকে সামরিক সহায়তা হিসেবে প্রায় ৩৮ বিলিয়ন ডলার দিতে বাধ্য করা হবে। এটি এমন একটি অর্থ যা আমরা এমন একটি দেশকে দেওয়ার সামর্থ্য রাখি না, যার মধ্যপ্রাচ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক বাহিনী হিসেবে নিজেদের মর্যাদা বজায় রাখার জন্য কোনো সহায়তার প্রয়োজন নেই।
**[http://www.ronpaullibertyreport.com/archives/why-are-we-sending-38-billion-to-rich-and-powerful-israel ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ সালের প্রবন্ধ "আমরা কেন ধনী এবং শক্তিশালী ইসরায়েলকে ৩৮ বিলিয়ন ডলার পাঠাচ্ছি?" রন পল লিবার্টি রিপোর্টে]
===২০১৮===
* [[w:যুক্তরাষ্ট্রের সংস্কৃতি|আমেরিকান সংস্কৃতির]] বর্তমান অবস্থা দেখে আপনি কি হতবাক? আচ্ছা, এটি কোনো দুর্ঘটনা নয়। আপনি সম্ভবত '{{w|সাংস্কৃতিক মার্ক্সবাদ}}ে'র কথা শুনেছেন, কিন্তু আপনি কি জানেন এর মানে কী?
** ''[[w:দ্য হিল (সংবাদপত্র)|দ্য হিলের]]'' এমিলি বার্নবাউম কর্তৃক ''[http://thehill.com/homenews/house/395176-ron-paul-tweets-racist-cartoon-faces-backlash রন পলের বর্ণবাদী কার্টুন টুইট, সমালোচনার মুখে]'' (২ জুলাই ২০১৮)-তে যেমনটি উদ্ধৃত করা হয়েছে। পরে [https://twitter.com/RonPaul/status/1013804224382201856 টুইটটির] ছবি পরিবর্তন করা হয়েছিল।
===২০১৯===
*আক্রমণাত্মক এবং নিওকন-অনুমোদিত একটি পররাষ্ট্রনীতি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ. বুশের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডিক চেনিকে অনেকেই "প্রকৃত" প্রেসিডেন্ট হিসেবে দেখতেন। বুশকে চেনির হাতের কৌতূহলহীন পুতুলের মতো দেখা হতো। ট্রাম্পের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা [[জন আর. বোল্টন|জন বোল্টন]] কি এই প্রশাসনে সেই ভূমিকা নিয়েছেন? বোল্টন কি নতুন চেনি?
**[https://www.youtube.com/watch?v=hcLxSTn8dPk ''রন পল প্রশ্ন করেন: জন বোল্টন কি নতুন ডিক চেনি? রন পল এবং ড্যানিয়েল ম্যাকঅ্যাডামস, রন পল লিবার্টি রিপোর্ট,''] ভিডিও: ১৮ মিনিট, ১০ সেকেন্ড, (৬ মার্চ ২০১৯)
* তারা তখনই কেবল সত্য কথা বলে যখন তারা স্বীকার করে যে তারা মিথ্যা বলছে।
**[https://www.youtube.com/watch?v=yAiNqq14UF4 ''ওমান উপসাগরে সম্ভাব্য ইরানি ফলস ফ্ল্যাগ, যুক্তরাষ্ট্র এরই মধ্যে মিথ্যা বলতে গিয়ে ধরা পড়েছে এবং ইসরায়েলের সিরিয়ায় হামলা, রায়ান ক্রিস্টিয়ান, দ্য লাস্ট আমেরিকান ভ্যাগাবন্ড,''] ভিডিও: ১ ঘণ্টা ১৪ মিনিট, ১৮ সেকেন্ড, (১৩ জুন ২০১৯)
**[https://www.youtube.com/watch?v=9XDoDTYhLL4 ''ইরানের সাথে যুদ্ধ সম্পর্কে আরও জানুন, রন পল এবং ড্যানিয়েল ম্যাকঅ্যাডামস, রন পল লিবার্টি রিপোর্ট,'' অ্যাডাম গ্রিনের নো মোর নিউজে রন পল লিবার্টি রিপোর্ট থেকে নেওয়া সাউন্ডবাইট] ভিডিও: ৩৭ মিনিট, ৩৪ সেকেন্ড, (১৭ জুন ২০১৯)
*মনে হচ্ছে উপসাগরে ট্যাংকার হামলার পেছনে ইরান দায়ী বলে পম্পেওর প্রমাণ করার চেষ্টা ব্যর্থ হচ্ছে। ঘটনা ঘটার সাথে সাথেই আমরা এর ওপর নজর রাখছিলাম।
**[https://twitter.com/RonPaul/status/1139522608817422336 (১৪ জুন ২০১৯)]
*গত সপ্তাহে দুটি ট্যাংকার জাহাজে দৃশ্যত হামলার পেছনে ইরান ছিল বলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেওর তাড়াহুড়ো করে নেওয়া সিদ্ধান্ত, নিওকনদের আশামতো ইরানের বিরুদ্ধে বিশ্বজনমতকে ঐক্যবদ্ধ করতে পারেনি। এর বদলে ওয়াশিংটনের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ মিত্রদের মধ্যেও এটি প্রবল সন্দেহের মুখে পড়েছে। ব্যাপকভাবে অতিরঞ্জিত করা এবং প্রতিনিয়ত হুমকি দেওয়ার নিওকনদের অভ্যাস কি শেষ পর্যন্ত বিশ্বমঞ্চে যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বাসযোগ্যতা ধ্বংস করে দিয়েছে?
**[https://www.youtube.com/watch?time_continue=3&v=wYeMBpAkOko ''বিশ্বাসযোগ্যতার সংকট: ইরান হামলা নিয়ে কেউ পম্পেওকে বিশ্বাস করে না, লিবার্টি রিপোর্ট,''] (১৭ জুন ২০১৯)
*আমি যে কারণে কিছু আশাবাদ বজায় রাখি তা হলো আমি মনে করি [[দর্শন|দার্শনিকভাবে]] আমরা বেশ ভালো অবস্থায় আছি... মানুষ...[[সত্য|সত্যটি]] জানতে চায়...
*[[রাজনীতি|রাজনীতির]] চেয়ে দর্শন অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তবে আমাদের রাজনীতি নিয়ে কাজ করতে হবে কারণ রাজনীতি হলো দর্শনের মাপকাঠি... আমাদের... সত্যটি বের করে আনার চেষ্টা করা গুরুত্বপূর্ণ...
**''অতীতের প্রতিফলন এবং ভবিষ্যতের প্রত্যাশা, রন পল লিবার্টি রিপোর্ট''], ইউটিউব (৩১ ডিসেম্বর ২০১৯)
*যে ধরনের মানুষেরা [[সরকার|সরকারি ব্যবস্থার]] দিকে ঝুঁকে পড়ে, তারা হতাশা থেকে এটি করছে এবং তাদের কাছে সত্যিই কোনো উত্তর নেই। আর শেষ পর্যন্ত... [তারা] ব্যর্থ হবে।
*মানুষ সত্য খুঁজছে এবং আমি বিশ্বাস করি শেষ পর্যন্ত সত্যেরই জয় হবে।
**''অতীতের প্রতিফলন এবং ভবিষ্যতের প্রত্যাশা, রন পল লিবার্টি রিপোর্ট''], ইউটিউব (৩১ ডিসেম্বর ২০১৯)
=== ২০২০ ===
* [[ট্রাম্প প্রশাসন|ট্রাম্প প্রশাসনের]] প্রধান আতঙ্ক সৃষ্টিকারী ব্যক্তি নিঃসন্দেহে [[অ্যান্থনি ফাউচি]]। তিনি {{w|ন্যাশনাল ইনস্টিটিউটস অব হেলথ|ন্যাশনাল ইনস্টিটিউটস অব হেলথের}} অধীনস্থ {{w|ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অ্যালার্জি অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস|ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অ্যালার্জি অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেসের}} প্রধান। ফাউচি সব গণমাধ্যমে আছেন। তিনি আরও বেশি আতঙ্ক ছড়াতে সরাসরি মিথ্যা কথা বলছেন। তিনি কংগ্রেসে সাক্ষ্য দিয়েছেন যে [[করোনাভাইরাস|করোনাভাইরাসের]] [[w:2019–20 coronavirus pandemic#Deaths|মৃত্যুর হার]] {{w|সিজনাল ফ্লু|সিজনাল ফ্লুর}} চেয়ে দশগুণ বেশি। এই দাবির কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। {{w|ফেস দ্য নেশন|ফেস দ্য নেশনে}} ফাউচি ইতিমধ্যে [[২০২০ সালের শেয়ারবাজার ধস|ধসে পড়া অর্থনীতিকে]] আরও ক্ষতিগ্রস্ত করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন। তিনি বলেছেন, "এই মুহূর্তে ব্যক্তিগতভাবে আমি কোনো রেস্তোরাঁয় যাব না।" তিনি পুরো দেশ ১৪ দিনের জন্য বন্ধ করার জোর দিয়েছেন। কিসের জন্য? এমন একটি ভাইরাস যা এখন পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে মাত্র ৫,০০০ জনের বেশি এবং [[যুক্তরাষ্ট্রে ২০২০ সালের করোনাভাইরাস মহামারী|যুক্তরাষ্ট্রে]] ১০০ জনেরও কম মানুষকে হত্যা করেছে? এর বিপরীতে, যক্ষ্মা একটি পুরোনো রোগ যা আজকাল খুব একটা আলোচনা হয় না। এটি ২০১৭ সালে প্রায় ১৬ লাখ মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে। এটি নিয়ে আতঙ্ক কোথায়? বরং, ফাউচি এবং অন্যান্য আতঙ্ক সৃষ্টিকারীরা যা দাবি করছেন তা সম্ভবত রোগটিকে আরও খারাপ করবে। তারা যে সামরিক আইনের স্বপ্ন দেখেন তা মানুষকে বাইরে বা সমুদ্রসৈকতে যাওয়ার বদলে ঘরের ভেতরে আটকে রাখবে। অথচ রোদ এবং বিশুদ্ধ বাতাস রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করত। এই আতঙ্ক সৃষ্টিকারীদের তৈরি করা আতঙ্ক সম্ভবত রোগ ছড়াতে সাহায্য করছে। কারণ টয়লেট পেপারের শেষ রোলের জন্য বিশাল ভিড় ওয়ালমার্ট এবং কস্টকোর দিকে ছুটে যাচ্ছে। […] মানুষের নিজেদের জিজ্ঞাসা করা উচিত এই [[২০১৯–২০ করোনাভাইরাস মহামারী|করোনাভাইরাস "মহামারী"]] একটি বড় প্রতারণা হতে পারে কি না। যারা এই আতঙ্ক থেকে আর্থিকভাবে বা রাজনৈতিকভাবে লাভবান হতে চায়, তারা এই রোগের প্রকৃত বিপদকে ব্যাপকভাবে অতিরঞ্জিত করেছে। এর মানে এই নয় যে রোগটি ক্ষতিকারক নয়। কোনো সন্দেহ নেই যে করোনাভাইরাসে মানুষ মারা যাবে। ঝুঁকিপূর্ণ বিভাগে থাকা ব্যক্তিদের তাদের সংক্রমণের ঝুঁকি সীমাবদ্ধ করতে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। কিন্তু আমরা এই সিনেমা আগে দেখেছি। সরকার আমাদের আরও স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়ার অজুহাত হিসেবে একটি হুমকিকে অতিরঞ্জিত করে। তবে "হুমকি" শেষ হয়ে গেলে তারা কখনোই আমাদের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দেয় না।
** ''[https://web.archive.org/web/20200316154041/http:/ronpaulinstitute.org/archives/featured-articles/2020/march/16/the-coronavirus-hoax/ দ্য করোনাভাইরাস হোক্স]'' (১৬ মার্চ ২০২০), ''{{w|রন পল ইনস্টিটিউট ফর পিস অ্যান্ড প্রসপারিটি}}''। [১৬ মার্চ ২০২১ সাল পর্যন্ত, এই উক্তির তারিখ থেকে এক বছর পর, করোনাভাইরাসে বিশ্বজুড়ে ২৬ লাখ ৬০ হাজার এবং যুক্তরাষ্ট্রে ৫ লাখ ৩৩ হাজারের বেশি মানুষ মারা গিয়েছিল।]
====''এন্ড দ্য শাটডাউন; ইটস টাইম ফর রেসারেকশন!''====
:<small>''[https://web.archive.org/web/20200408023019/http://ronpaulinstitute.org/archives/featured-articles/2020/april/06/end-the-shutdown-it-s-time-for-resurrection/ এন্ড দ্য শাটডাউন; ইটস টাইম ফর রেসারেকশন!]'' (৬ এপ্রিল ২০২০), ''{{w|রন পল ইনস্টিটিউট ফর পিস অ্যান্ড প্রসপারিটি}}''।</small>
* লক্ষ লক্ষ খ্রিষ্টানের কাছে ইস্টার হলো যিশু খ্রিষ্টের পুনরুত্থান উদ্যাপনের সময়। অন্যরা হয়তো বসন্তের আগমন এবং নতুন জীবনের প্রতিশ্রুতি উদ্যাপন করতে পারে। যেকোনো বিশ্বাসই থাকুক না কেন, করোনাভাইরাসের কারণে কয়েক সপ্তাহ ধরে বাধ্যতামূলক "ঘরে থাকার" নির্দেশ এবং মার্কিন অর্থনীতি সম্পূর্ণ বন্ধ থাকার পর, এই আত্মঘাতী উন্মাদনা বন্ধ করতে হবে। আমেরিকান হিসেবে আমাদের এত সুযোগ দেওয়া স্বাধীনতা আমাদের পুনরুদ্ধার করতে হবে। এটি করার জন্য আমাদের প্রথমে বুঝতে হবে যে মূলধারার গণমাধ্যম এই উন্মাদনার বেশিরভাগই তৈরি করছে। তারা দীর্ঘকাল ধরে সত্য অনুসন্ধান এবং প্রতিবেদন করার চেয়ে চাঞ্চল্যকর খবরকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। সরকারি আমলারাও এই ভাইরাসের হুমকিকে অতিরঞ্জিত করছেন। ভীত মানুষ স্বেচ্ছায় তাদের হাতে যে ক্ষমতা ও নিয়ন্ত্রণ তুলে দিচ্ছে তা তারা উপভোগ করছেন বলে মনে হচ্ছে। এমনকি একজন "করোনাভাইরাস" আমলা আমাদের বলেছেন যে আমরা আর মুদির দোকানে যেতে পারব না! তাহলে কি আমরা না খেয়েই থাকব? এই ভাইরাস বিপজ্জনক হতে পারে তা বিশ্বাস করা অবশ্যই সম্ভব। কিন্তু একই সাথে এটিও তুলে ধরা যায় যে আমাদের সমাজে চরম পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে যেমন ঘরে থাকার নির্দেশ, অঘোষিত সামরিক আইন জারি ইত্যাদি। অথচ এই রোগটি ঠিক কতটা মারাত্মক সে সম্পর্কে খুব কম জ্ঞান রয়েছে।
* ২৪শে মার্চ, [[সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন|সিডিসি]] একটি সতর্কতা জারি করে বলেছিল যে ডাক্তারদের "সম্ভাব্য কোভিড-১৯" বা "সম্ভবত কোভিড-১৯" কে কোভিড-১৯ মৃত্যু হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা উচিত। সম্ভবত এটি এই বছর নিউমোনিয়ায় মৃত্যুর আপাত হ্রাস এবং একই সাথে কোভিড-১৯ এ মৃত্যুর বৃদ্ধির বিষয়টি ব্যাখ্যা করে, যেমনটি কিছু গবেষক প্রতিবেদন করেছেন। গত সপ্তাহে বিবিসি প্রতিবেদন করেছে যে, "বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে, কোভিড-১৯ রোগীর যেকোনো মৃত্যুকে, ডাক্তার প্রত্যক্ষ কারণ হিসেবে যাই বিশ্বাস করুক না কেন, প্রকাশ্য প্রতিবেদনের জন্য কোভিড-১৯ মৃত্যু হিসেবে গণনা করা হয়।" কোভিড-১৯ আসলে কতটা মারাত্মক তা নির্ধারণ করার এটি কি কোনো বৈজ্ঞানিক উপায় বলে মনে হয়?
* সবচেয়ে বিপজ্জনক বিষয় হলো এই ভাইরাস শেষ পর্যন্ত অদৃশ্য হয়ে গেলেও আমাদের নাগরিক স্বাধীনতার ওপর আক্রমণ সম্ভবত আর আগের অবস্থায় ফিরে আসবে না। এখন থেকে, যখনই স্থানীয় কর্মকর্তা, কাউন্টি কর্মকর্তা, রাজ্যের গভর্নর বা ফেডারেল আমলারা সিদ্ধান্ত নেবেন যে সংবিধান স্থগিত করার যথেষ্ট কারণ আছে, তারা তা করতে দ্বিধা করবেন না। যে কেউ "আমাদের নিজেদের ভালোর জন্য" সংবিধান স্থগিত করার চ্যালেঞ্জ করবে, তাকে "অদেশপ্রেমিক" আখ্যা দেওয়া হবে এবং সম্ভবত কর্তৃপক্ষের কাছে রিপোর্ট করা হবে। করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে ভিটামিন ডি এর সুরক্ষা বাড়াতে রোদে উপভোগ করতে বাইরে যাওয়ার সাহস করা আমেরিকানদের রিপোর্ট করার জন্য আমরা ইতিমধ্যেই সারা দেশে হটলাইন চালু হতে দেখেছি। আমাদের বলা হয়, সংবিধান বাতিল করার পেছনে সরকারের যুক্তি আছে। কারণ আমরা কোভিড-১৯ ভাইরাস সৃষ্ট একটি জরুরি অবস্থার মধ্যে আছি। কিন্তু মানুষ কি ভুলে যায় যে আমরা "জরুরি অবস্থার" মধ্যে থাকাকালীনই সংবিধান লেখা ও গৃহীত হয়েছিল? সংবিধান প্রণেতারা কি অধিকারের বিলে একটি ১১তম সংশোধনী যোগ করতে ব্যর্থ হয়েছিলেন, যেখানে বলা হয়েছে, "ওহ, বলে রাখি, আমরা অসুস্থ হলে এর কোনোটিই গণ্য হবে না"? অবশ্যই না! যারা আমাদের সংবিধান লিখেছিলেন তারা বুঝেছিলেন যে এই অধিকারগুলো সরকার দেয়নি, বরং আমাদের স্রষ্টা দিয়েছেন। সুতরাং কখন বা কোন পরিস্থিতিতে সেগুলো স্থগিত করা যেতে পারে তা কখনোই প্রশ্ন ছিল না। সরকারের এগুলো স্থগিত করার কোনো অধিকারই ছিল না কারণ তারা প্রথমে এগুলো দেয়নি।
* সারা দেশে হঠাৎ করে ক্ষমতা প্রদর্শন করা হাজার হাজার ছোট-বড় স্বৈরাচারীর চেয়ে করোনাভাইরাস থেকে আমাদের দেশের ঝুঁকি অনেক কম। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই হাস্যকর শাটডাউন শেষ করলে ভালো করবেন। এতে আমেরিকানরা তাদের জীবন চালিয়ে যেতে এবং কাজে ফিরতে পারবে। পরের বার ব্যালট বাক্সে যাওয়ার সময় আমেরিকানদের উচিত সেই স্বৈরাচারীদের কথা মনে রাখা যারা তাদের তালাবদ্ধ করে রেখেছিল। আসুন আমরা শাটডাউন শেষ করার দাবি জানাই যাতে আমরা আমাদের অর্থনীতি, আমাদের জীবন এবং আমাদের স্বাধীনতা পুনরুদ্ধার করতে পারি!
=== ২০২২ ===
* আমাদের মধ্যে যারা [[স্বাধীনতা]]র মূল্য দেয়, তাদের জন্য এই গত দুই বছর একটি দুঃস্বপ্ন ছিল। মনে হচ্ছে আমরা ২০২০ সালের শুরুতে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম এবং ১৯৮৪ সালে জেগে উঠেছি! তারা বলেছিল যে আমরা যদি কেবল একটি মাস্ক পরি এবং দুই সপ্তাহ বাড়িতে থাকি, তবে আমরা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে যেতে পারব। দুই সপ্তাহ এসেছিল এবং চলেও গিয়েছিল। স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে যাওয়ার পরিবর্তে তারা আরও বিধিনিষেধ যোগ করেছিল। গত দুই বছর হলো লক্ষ্যমাত্রা পরিবর্তন করার গল্প। অ্যান্টনি ফাউচির মতো "বিশেষজ্ঞরা" প্রতিনিয়ত নিজেদের কথারই বিরোধিতা করেছেন। ২০২০ সালের এপ্রিলের শুরুতে, আমি "নেক্সট ইন করোনাভাইরাস টাইরানি: ফোর্সড ভ্যাকসিনেশনস অ্যান্ড ডিজিটাল সার্টিফিকেটস" শিরোনামের একটি নিবন্ধে সতর্ক করেছিলাম। সেখানে বলেছিলাম "দুই সপ্তাহ" দলের চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো আমেরিকানদের ওপর ভ্যাকসিন এবং একটি "ভ্যাকসিন পাসপোর্ট" চাপিয়ে দেওয়া। আমার উদ্বেগগুলো সেসময় কেবল আরেকটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে উড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এক বছরেরও কম সময়ের মধ্যে সেই "ষড়যন্ত্র তত্ত্ব" ষড়যন্ত্রের বাস্তবে পরিণত হয়েছে। এ বিষয়ে সঠিক প্রমাণিত হওয়ায় আমি খুশি নই। ভ্যাকসিন পাসপোর্ট চালু হওয়া শুরু থেকেই আমার সবচেয়ে খারাপ দুঃস্বপ্ন ছিল। সমাজে অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অবশ্যই "আপনার কাগজপত্র দেখাতে হবে" এই ধারণাটি একটি মুক্ত সমাজের সম্পূর্ণ বিরোধী। এটি অমানবিক।
**[https://www.lewrockwell.com/2022/01/ron-paul/taking-back-our-liberty-in-2022/ টেকিং ব্যাক আওয়ার লিবার্টি ইন ২০২২], ''লিউইকরকওয়েল.অর্গ'', ৪ জানুয়ারি ২০২২
=== ২০২৩ ===
*একটি অভ্যুত্থান হয়েছে। একটি প্রজাতন্ত্রে বিশ্বাসী সরকারের সাথে আমাদের কোনো মিল নেই। আমাদের কাছে সৎ অর্থ নেই। আমাদের কোনো সততা নেই।
**১২ এপ্রিল ২০২৩ [https://twitter.com/CitizenFreePres/status/1646224444434833408 সাক্ষাৎকার]
{{Disputed begin}}
== বিতর্কিত ==
=== নিউজলেটার ===
তার নিউজলেটার সম্পর্কে রন পল সিএনএনের গ্লোরিয়া বোরগারকে বলেছিলেন, "আমি সেগুলো লিখিনি, আমি সেসময় সেগুলো পড়িনি এবং আমি সেগুলো অস্বীকার করি। আমি কখনোই ওইসব পড়িনি।" লিবার্টারিয়ান কর্মী এবং রন পলের একজন কর্মী ''রিজন'' পত্রিকাকে বলেছিলেন যে সেগুলো [[লিউ রকওয়েল|লিউ রকওয়েলের]] দ্বারা ছদ্মনামে লেখা হয়েছিল। তবে রকওয়েল এটি অস্বীকার করেন।
* {{citation
| date = ১৬ জানুয়ারি ২০০৮
| title = Who Wrote Ron Paul's Newsletters?
| trans-title = রন পলের নিউজলেটার কে লিখেছিলেন?
| first1 = জুলিয়ান
| last1 = সানচেজ
| first2 = ডেভিড
| last2 = উইগেল
| magazine = রিজন
| issn = 0048-6906
| url = http://reason.com/archives/2008/01/16/who-wrote-ron-pauls-newsletter
}}
====''রন পল পলিটিক্যাল রিপোর্ট''====
* বাব্বা, সেই সাম্যবাদ-সমর্থক চরিত্রহীন [[মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র|মার্টিন লুথার কিংয়ের]] জন্য একটি জাতীয় ছুটি থাকাটা আমাকে সত্যিই পোড়ায়। একজন কংগ্রেসম্যান হিসেবে আমি বারবার এই জঘন্য কাজের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছি। কী এক কুখ্যাতি যে [[রোনাল্ড রেগান]] এটি অনুমোদন করেছিলেন! আমাদের বার্ষিক শ্বেতাঙ্গ ঘৃণা দিবসের জন্য আমরা তাকে ধন্যবাদ জানাতে পারি।
** {{citation
| year = ১৯৯০
| month = ফেব্রুয়ারি
| title = The Coming Race War
| trans-title = আসন্ন বর্ণযুদ্ধ
| periodical = রন পল পলিটিক্যাল রিপোর্ট
| page = ৭
| url = http://www.tnr.com/sites/default/files/February1990.pdf
}}, উদ্ধৃত {{citation
| date = ৮ জানুয়ারি ২০১২
| title = Ron Paul Did Not Vote for MLK Day
| trans-title = রন পল এমএলকে দিবসের জন্য ভোট দেননি
| first = টা-নেহিসি
| last = কোটস
| journal = দ্য রুট
| url = http://www.theroot.com/buzz/ron-paul-did-not-vote-mlk-day
}}
* আমি গোপনীয়তার সময়টা খুব মিস করি। বাকি সমাজের কথা বাদ দিলেও সমকামীদের অবস্থা অনেক ভালো ছিল যখন সামাজিক চাপ তাদের কার্যকলাপ লুকিয়ে রাখতে বাধ্য করত। তারাও ততটা অবাধ হতে পারত না। এতে কি অবাক হওয়ার কিছু আছে যে তারা "গোপন অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসার" পর এবং অত্যন্ত অবাধ সমকামিতা শুরু করার পর {{w|AIDS|এইডস}} মহামারী শুরু হয়েছিল? চিকিৎসা বা নৈতিকভাবে আমি তা বিশ্বাস করি না।
** {{citation
| year = ১৯৯০
| month = জুন
| periodical = রন পল পলিটিক্যাল রিপোর্ট
| page = ৬
| url = http://www.tnr.com/sites/default/files/PR_June90_p6.pdf
}}, উদ্ধৃত {{citation
| date = ২৩ ডিসেম্বর ২০১১
| title = TNR Exclusive: A Collection of Ron Paul's Most Incendiary Newsletters
| trans-title = টিএনআর এক্সক্লুসিভ: রন পলের সবচেয়ে উত্তেজক নিউজলেটারের সংগ্রহ
| journal = নিউ রিপাবলিক
| url = http://www.tnr.com/article/politics/98883/ron-paul-incendiary-newsletters-exclusive
}}
* সম্প্রতি "রেভারেন্ড" [[আল শার্পটন|আল শার্পটনের]] নেতৃত্বে একদল কৃষ্ণাঙ্গ বিক্ষোভকারী স্ট্যাচু অব লিবার্টি দখল করে বন্ধ করে দেয়। তারা নিউইয়র্কের নাম পরিবর্তন করে মার্টিন লুথার কিং সিটি রাখার দাবি জানায় 'এটি আমাদের লোকদের জন্য পুনরুদ্ধার করার জন্য।'<br />হুম। রেভারেন্ড আলের সাথে একমত হতে আমার খারাপ লাগছে, তবে হয়তো নাম পরিবর্তন করা দরকার। ওয়েলফেয়ারিয়া? জুভিলি? রেপটাউন? ডার্টবার্গ? লেজিওপোলিস?<br />কিন্তু আল, স্ট্যাচু অব লিবার্টি? পরের বার, ফুড স্ট্যাম্প ব্যুরো বা কোনো ক্র্যাক হাউসে এই বিক্ষোভ করুন।
** {{citation
| year = ১৯৯০
| month = অক্টোবর
| title = King City?
| trans-title = কিং সিটি?
| periodical = রন পল পলিটিক্যাল রিপোর্ট
| page = ৪
| url = http://www.tnr.com/sites/default/files/PR_Oct90_p4.pdf
}}, উদ্ধৃত {{citation
| date = ৩ জানুয়ারি ২০১২
| first = অ্যান্ডি
| last = ক্রোল
| title = 10 Extreme Claims in Ron Paul's Controversial Newsletters
| trans-title = রন পলের বিতর্কিত নিউজলেটারে ১০টি চরম দাবি
| journal = মাদার জোন্স
| issn = 0362-8841
| url = http://motherjones.com/politics/2012/01/ron-paul-newsletter-iowa-caucus-republican?page=2
}}
* তিনি দলের প্রকৃত সদস্য না হলেও একজন সাম্যবাদী-সমর্থক ছিলেন। তিনিই সেই ব্যক্তি যিনি জোরপূর্বক পৃথকীকরণের মন্দের বদলে জোরপূর্বক একত্রীকরণের মন্দ নিয়ে এসেছিলেন।<br />এফবিআইয়ের নথি দেখায় যে কিং কেবল একজন বিশ্বমানের ব্যভিচারীই ছিলেন না, বরং তিনি অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়ে এবং ছেলেদেরও প্রলুব্ধ করতেন। রেভারেন্ড রালফ ডেভিড অ্যাবারনেথি তার মৃত্যুর আগে প্রকাশ করেছিলেন যে বহু বছর আগে কিং তাকে কুপ্রস্তাব দিয়েছিলেন।<br />আর আমরা কি এই "খ্রিষ্টান মন্ত্রী" এবং মিথ্যাবাদী সমাজতান্ত্রিক লম্পটকে এমন একটি ছুটি দিয়ে সম্মান জানাব যা তাকে [[জর্জ ওয়াশিংটন|জর্জ ওয়াশিংটনের]] সমকক্ষ করে তোলে?
** {{citation
| year = ১৯৯০
| month = ডিসেম্বর
| periodical = রন পল পলিটিক্যাল রিপোর্ট
| page = ৮
| url = http://www.tnr.com/sites/default/files/PR_Dec90_p8.pdf
}}, উদ্ধৃত {{citation
| date = ২৩ ডিসেম্বর ২০১১
| title = TNR Exclusive: A Collection of Ron Paul's Most Incendiary Newsletters
| trans-title = টিএনআর এক্সক্লুসিভ: রন পলের সবচেয়ে উত্তেজক নিউজলেটারের সংগ্রহ
| journal = নিউ রিপাবলিক
| url = http://www.tnr.com/article/politics/98883/ron-paul-incendiary-newsletters-exclusive
}}
** [[মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র|মার্টিন লুথার কিং জুনিয়রকে]] নির্দেশ করে
* ওয়াশিংটন ডিসি হাস্যকরভাবে যাকে 'ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থা' বলে তার অদক্ষতার কথা বিবেচনা করে, আমি মনে করি আমরা নিরাপদে ধরে নিতে পারি যে সেই শহরের ৯৫ শতাংশ কৃষ্ণাঙ্গ পুরুষ আধা-অপরাধী বা পুরোপুরি অপরাধী... আমাদের প্রতিনিয়তই বলা হয় যে কৃষ্ণাঙ্গ পুরুষদের ভয় পাওয়া খারাপ, [কিন্তু] এটি মোটেও অযৌক্তিক নয়। কৃষ্ণাঙ্গ পুরুষরা তাদের সংখ্যার তুলনায় অনেক বেশি মাত্রায় খুন, ধর্ষণ, ডাকাতি, ছিনতাই এবং চুরির মতো অপরাধ করে।
** ১৯৯২, উদ্ধৃত {{cite web
| title = 1978-1996: Texas Representative Ron Paul’s Newsletters Contain a Host of Bigoted Claims and Observations
| trans-title = ১৯৭৮-১৯৯৬: টেক্সাসের প্রতিনিধি রন পলের নিউজলেটারে অসংখ্য ধর্মান্ধ দাবি এবং পর্যবেক্ষণ রয়েছে
| work = হিস্ট্রি কমন্স
| url = http://www.historycommons.org/context.jsp?item=a7896paulnewsletter#a7896paulnewsletter
}}
* যদি আপনি কখনো কোনো কৃষ্ণাঙ্গ কিশোরের দ্বারা ছিনতাইয়ের শিকার হয়ে থাকেন, তবে আপনি জানবেন যে তারা কতটা অবিশ্বাস্যভাবে দ্রুতগামী হতে পারে।
** {{citation
| year = ১৯৯২
| title = Terrorist Update
| trans-title = টেররিস্ট আপডেট
| periodical = রন পল পলিটিক্যাল রিপোর্ট
}}, উদ্ধৃত {{cite news
| date = ২৩ মে ১৯৯৬
| title = Newsletter excerpts offer ammunition to Paul's opponent
| trans-title = নিউজলেটারের অংশগুলো পলের প্রতিপক্ষের জন্য রসদ জোগায়
| first = অ্যালান
| last = বার্নস্টেইন
| newspaper = হিউস্টন ক্রনিকল
| page = এ৩৩
| url = http://www.chron.com/CDA/archives/archive.mpl/1996_1343749/campaign-96-u-s-house-newsletter-excerpts-offer-am.html
}} এবং {{citation
| date = ২৪ ডিসেম্বর ২০১১
| title = Newt Gingrich Presses Ron Paul to Explain Racist Newsletters
| trans-title = নিউইট গিংরিচ রন পলকে বর্ণবাদী নিউজলেটার ব্যাখ্যা করার জন্য চাপ দেন
| periodical = এবিসি নিউজ
| url = http://abcnews.go.com/blogs/politics/2011/12/newt-gingrich-presses-ron-paul-to-explain-racist-newsletters/
}}
* দাঙ্গা শুরু হওয়ার তিন দিন পর কৃষ্ণাঙ্গদের তাদের কল্যাণ ভাতা নেওয়ার সময় এলে লস অ্যাঞ্জেলেসে কেবল শৃঙ্খলা ফিরে এসেছিল। "দরিদ্ররা" তাদের সাহায্য পাওয়ার জন্য পোস্ট অফিসে লাইনে দাঁড়িয়েছিল (যেহেতু কোনো ডেলিভারি ছিল না) এবং তারপর ধীরগতির পরিষেবার অভিযোগ করেছিল।<br />যদি চেকগুলো কখনোই না আসত তাহলে কী হতো? নিঃসন্দেহে কৃষ্ণাঙ্গরা অব্যাহত লুটপাটের মাধ্যমে কল্যাণ রাষ্ট্রকে পুরোপুরি বেসরকারি করে ফেলত। কিন্তু তাদের পাওনা বুঝিয়ে দেওয়ায় সহিংসতা কমে গিয়েছিল।
** {{citation
| date = ১৫ জুন ১৯৯২
| periodical = রন পল পলিটিক্যাল রিপোর্ট
| volume = ৬
| issue = ৬
| page = ৬-৭
| url = http://www.tnr.com/sites/default/files/PR_June92_p6.pdf
}}, উদ্ধৃত {{citation
| date = ৩ জানুয়ারি ২০১২
| first = অ্যান্ডি
| last = ক্রোল
| title = 10 Extreme Claims in Ron Paul's Controversial Newsletters
| trans-title = রন পলের বিতর্কিত নিউজলেটারে ১০টি চরম দাবি
| journal = মাদার জোন্স
| issn = 0362-8841
| url = http://motherjones.com/politics/2012/01/ron-paul-newsletter-iowa-caucus-republican?page=2
}} এবং {{citation
| date = ২৩ ডিসেম্বর ২০১১
| title = TNR Exclusive: A Collection of Ron Paul's Most Incendiary Newsletters
| trans-title = টিএনআর এক্সক্লুসিভ: রন পলের সবচেয়ে উত্তেজক নিউজলেটারের সংগ্রহ
| journal = নিউ রিপাবলিক
| url = http://www.tnr.com/article/politics/98883/ron-paul-incendiary-newsletters-exclusive
}}
** {{w|ওয়াটস দাঙ্গা|ওয়াটস দাঙ্গাকে}} নির্দেশ করে
* উদারপন্থিরা চায় শ্বেতাঙ্গ আমেরিকা যেন কৃষ্ণাঙ্গ অপরাধ এবং কল্যাণের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নেয়। [...] জুরির রায়, বাস্কেটবল খেলা, এমনকি সংগীতও কৃষ্ণাঙ্গদের ক্ষোভ উসকে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট বলে মনে হয়।
** {{citation
| year = ১৯৯২
| month = জুলাই
| periodical = রন পল পলিটিক্যাল রিপোর্ট
| page = ৩
| url = http://www.tnr.com/sites/default/files/PR_July92_p3.pdf
}}, উদ্ধৃত {{citation
| date = ৩ জানুয়ারি ২০১২
| first = অ্যান্ডি
| last = ক্রোল
| title = 10 Extreme Claims in Ron Paul's Controversial Newsletters
| trans-title = রন পলের বিতর্কিত নিউজলেটারে ১০টি চরম দাবি
| journal = মাদার জোন্স
| issn = 0362-8841
| url = http://motherjones.com/politics/2012/01/ron-paul-newsletter-iowa-caucus-republican?page=2
}}
* শহুরে যুবকদের মধ্যে এটি এক ধরনের হিপ-হপ ব্যাপার যারা সন্দেহহীন শ্বেতাঙ্গদের পিয়ানোর মতো বাজায়। যুবকরা কেবল তাদের পছন্দের একটি গাড়ির কাছে হেঁটে যায়, বন্দুক বের করে, পরিবারকে বের হয়ে যেতে বলে, তাদের গহনা ও মানিব্যাগ চুরি করে এবং গাড়িটি ধ্বংস করার জন্য নিয়ে যায়। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে এ ধরনের ঘটনা ব্যাপকভাবে বেড়েছে।
* আপনি কী করতে পারেন? আরও বেশি সংখ্যক আমেরিকান গাড়িতে বন্দুক রাখছেন। আমার পরিচিত একজন প্রাক্তন পুলিশ অফিসার পরামর্শ দেন যে যদি আপনাকে কোনো যুবকের ওপর বন্দুক ব্যবহার করতে হয়, তবে আপনার অবিলম্বে ঘটনাস্থল ত্যাগ করা উচিত এবং যত তাড়াতাড়ি সম্ভব মোছা বন্দুকটি ফেলে দেওয়া উচিত। এমন একটি বন্দুক অবশ্যই আপনার নামে নিবন্ধিত হতে পারে না, বরং এটি ব্যক্তিগতভাবে কেনা (উদাহরণস্বরূপ, বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে)।<br />সত্যি বলতে আমি জানি না এই ধরনের পরামর্শের কী অর্থ বের করব। তবে টেক্সাসের জ্যাকসনে আমার ছোট্ট শহরেও, আমি আমার পরিবারের সবাইকে আত্মরক্ষার জন্য বন্দুক ব্যবহার করতে জানতে অনুরোধ করেছি। কারণ পশুরা আসছে।
** {{citation
| year = ১৯৯২
| month = অক্টোবর
| title = Blast 'Em?
| trans-title = ব্লাস্ট এম?
| periodical = রন পল পলিটিক্যাল রিপোর্ট
| page = ২
| url = http://www.tnr.com/sites/default/files/PR_Oct92_p2.pdf
}}
====''রন পল সারভাইভাল রিপোর্ট''====
* শ্বেতাঙ্গরা মারা যাচ্ছে, তারা নিজেদের শূন্যস্থান পূরণ করছে না। প্রায় ৩ কোটি ২০ লাখ জনসংখ্যার কৃষ্ণাঙ্গরা আগামী ৬০ বছরে দ্বিগুণ হবে। এবং হিস্পানিক জনসংখ্যা তিনগুণ হবে。<br />আমি জানি এই প্রবণতা নিয়ে চিন্তা করা অভদ্রতা হিসেবে বিবেচিত হয়। যুক্তি দেওয়া হয় যে, চামড়ার নিচে আমরা সবাই সমান। এই দাবির সত্যতা যাই হোক না কেন, এটি একটি বাস্তব সত্য যে, একটি মিশ্র অর্থনীতির গণতন্ত্রে শ্বেতাঙ্গ জনগোষ্ঠী ছাড়া প্রায় প্রতিটি বর্ণ ও জাতিগোষ্ঠী তাদের নিজস্ব গোষ্ঠীর স্বার্থে ভোট দেয়। শ্বেতাঙ্গরা এমন প্রার্থীদের ভোট দেয় না যারা শ্বেতাঙ্গদের স্বার্থ রক্ষার প্রতিশ্রুতি দেয়, অথচ কৃষ্ণাঙ্গ এবং হিস্পানিকরা দেয়।
** {{citation
| year = ১৯৯৩
| month = জানুয়ারি
| title = The Disappearing White Majority
| trans-title = হারিয়ে যাওয়া শ্বেতাঙ্গ সংখ্যাগরিষ্ঠতা
| periodical = রন পল সারভাইভাল রিপোর্ট
| page = ৭
| url = http://www.tnr.com/sites/default/files/January1993.pdf
}}, উদ্ধৃত {{citation
| date = ২৩ ডিসেম্বর ২০১১
| title = TNR Exclusive: A Collection of Ron Paul's Most Incendiary Newsletters
| trans-title = টিএনআর এক্সক্লুসিভ: রন পলের সবচেয়ে উত্তেজক নিউজলেটারের সংগ্রহ
| journal = নিউ রিপাবলিক
| url = http://www.tnr.com/article/politics/98883/ron-paul-incendiary-newsletters-exclusive
}}
* যাই হোক, সান ফ্রান্সিসকোর সমকামীরা সুবুদ্ধির নির্দেশ মেনে চলে না। [...] প্রথমত, এই পুরুষরা সত্যিই তাদের পঞ্চাশের কোঠার পর বেঁচে থাকার কোনো কারণ দেখে না। তারা বিবাহিত নয়, তাদের কোনো সন্তান নেই, এবং তাদের জীবন নতুন যৌন সঙ্গীদের কেন্দ্র করে আবর্তিত। এই পরিস্থিতিগুলো কারও বার্ধক্যকে সবচেয়ে সুখী করে তোলে না। দ্বিতীয়ত, যেহেতু যৌনতাই তাদের জীবনের কেন্দ্রবিন্দু, তাই তারা এটিকে যতটা সম্ভব আনন্দদায়ক করতে চায়। যার অর্থ হলো অরক্ষিত যৌন সম্পর্ক। তৃতীয়ত, অসুস্থ হওয়ার সাথে যে মনোযোগ এবং করুণা আসে তা তারা উপভোগ করে।
** {{citation
| year = ১৯৯৪
| month = জানুয়ারি
| title = AIDS Dementia
| trans-title = এইডস ডিমেনশিয়া
| periodical = রন পল সারভাইভাল রিপোর্ট
| page = ৫
| url = http://www.tnr.com/sites/default/files/SR_Jan94_p5.pdf
}}, উদ্ধৃত {{citation
| date = ২৩ ডিসেম্বর ২০১১
| title = TNR Exclusive: A Collection of Ron Paul's Most Incendiary Newsletters
| trans-title = টিএনআর এক্সক্লুসিভ: রন পলের সবচেয়ে উত্তেজক নিউজলেটারের সংগ্রহ
| journal = নিউ রিপাবলিক
| url = http://www.tnr.com/article/politics/98883/ron-paul-incendiary-newsletters-exclusive
}}
* যারা পায়ুকাম করে না, যারা রক্ত সঞ্চালন করে না, এবং যারা সুচ বিনিময় করে না, তারা কার্যত এইডস না হওয়ার বিষয়ে নিশ্চিত হতে পারে। যদি না তাদের উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কোনো বিদ্বেষপূর্ণ সমকামী দ্বারা সংক্রামিত করা হয়, যেমনটি হয়েছিল {{w|Kimberly Bergalis|কিম্বার্লি বার্গালিসের}} ক্ষেত্রে। উল্লেখ্য: আরও বেশি সংখ্যক রোগী জিজ্ঞাসা করেন যে তাদের চিকিৎসক এবং ডেন্টিস্ট বিবাহিত এবং তাদের সন্তান আছে কি না।
** {{citation
| year = ১৯৯৪
| month = সেপ্টেম্বর
| title = Avoiding AIDS
| trans-title = অ্যাভয়েডিং এইডস
| periodical = রন পল সারভাইভাল রিপোর্ট
| page = ২
| url = http://www.tnr.com/sites/default/files/September1994.pdf
}}, উদ্ধৃত {{citation
| date = ২৩ ডিসেম্বর ২০১১
| title = TNR Exclusive: A Collection of Ron Paul's Most Incendiary Newsletters
| trans-title = টিএনআর এক্সক্লুসিভ: রন পলের সবচেয়ে উত্তেজক নিউজলেটারের সংগ্রহ
| journal = নিউ রিপাবলিক
| url = http://www.tnr.com/article/politics/98883/ron-paul-incendiary-newsletters-exclusive
}}
{{Disputed end}}
== পল সম্পর্কে উক্তি ==
* আপনি কি জানেন আরও বেশি আমেরিকান কোনটি? বিচ্ছিন্নতাবাদ গুঁড়িয়ে দিতে যুদ্ধ করা।
** অ্যালাহপান্ডিট, ২০ এপ্রিল ২০০৯, [http://hotair.com/archives/2009/04/20/ron-paul-you-know-whats-very-american-secession/ "রন পল: ইউ নো হোয়াটস "ভেরি আমেরিকান"? সিসেসন"], ''হট এয়ার''
* ...সমস্ত প্রচার ও প্রেসিডেন্ট পর্যায়ের উৎসাহ প্রদান সত্ত্বেও সত্যটি হলো একটি বেআইনি যুদ্ধকে সমর্থন করতে গিয়ে সম্মানিত নারী-পুরুষরা মারা যাচ্ছেন এবং পরিবারগুলো ধ্বংস হচ্ছে। প্রথমত, বুশের উচিত হয়নি আমাদের সামরিক বাহিনীকে এই অবস্থানে ফেলা। দুর্ভাগ্যবশত মানুষ এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি উপেক্ষা করে যতক্ষণ না তারা তাদের সন্তান, ভাইবোন এবং স্বামী-স্ত্রীকে বডি ব্যাগে বাড়ি ফিরতে দেখে। আমাদের যদি তাকে নির্বাচিত করার সাহস থাকে তবে রন পল এই পাগলামির অবসান ঘটাবেন। আমরা যদি এর বদলে ভান করা প্রার্থীদের কাউকে নির্বাচিত করি তবে ঈশ্বর যেন আমাদের প্রতি সদয় হন।
** টম অ্যামব্রোস, ওয়ার্ল্ডনেটডেইলির প্রাক্তন মন্তব্য সম্পাদক, ৩ নভেম্বর ২০০৭ [http://www.newswithviews.com/guest_opinion/guest111.htm]
* অসাংবিধানিক ব্যয় বলে তিনি যা মনে করেন তার বিরোধিতা করার জন্য তিনি জিওপি নেতাদের কাছ থেকে অনিচ্ছাকৃত সম্মানও অর্জন করেছিলেন। যখন [[নিউইট গিংরিচ]] একটি অগোছালো বাজেট আপস সমর্থন করার জন্য দলীয় সদস্যদের ওপর চাপ দিচ্ছিলেন, তখন তিনি পলকে বাজেট সমর্থন করার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়েছিলেন, এবং "রন পল অব্যাহতি" শব্দটি কংগ্রেসের শব্দভান্ডারে প্রবেশ করেছিল। দলের বিরুদ্ধে যাওয়ার এই বিশেষ সুবিধা অর্জন করতে অন্যান্য সদস্যদের কী করতে হয়েছিল? এমন একটি ভোটের রেকর্ড যেখানে সব ধরনের অপ্রয়োজনীয় ফেডারেল খরচের বিরোধিতা করা হয়েছিল, এমনকি তাদের নিজের নির্বাচনী জেলাতেও। অন্য কাউকে এই অব্যাহতি দেওয়া হয়নি।
** ''দ্য আমেরিকান কনজারভেটিভ'', ১৮ জুন ২০০৭ [http://www.amconmag.com/2007/2007_06_18/cover.html]
* শেষ পর্যন্ত কিছুই হয়নি। মূলত, বিতর্কের রাতে আমি সেখানে ছিলাম, এবং রন পল কী বলেছিলেন বলে আমি ''ভেবেছিলাম'' তার প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলাম, যা মূলত ৯/১১ হামলার জন্য আমেরিকাকে দায়ী করা ছিল। পরের দিন সবাই এটি নিয়ে কথা বলেছিল, প্রতিবেদনগুলো বেরিয়েছিল, মানুষ প্রতিলিপিগুলো পড়েছিল, এবং তিনি আসলে তা বলেননি। তিনি আমেরিকান নীতি এবং সেখানে আমেরিকান নীতির প্রভাব নিয়ে কথা বলছিলেন। আর বাস্তবতা হলো আমরা কখনোই কোনো প্রস্তাব উত্থাপন করিনি, কখনোই কোনো পিটিশন হয়নি এবং সেদিন সকালে আমরা মূলত বিষয়টি বাদ দিয়েছিলাম। [...] আমি রন পলকে আমন্ত্রণ জানিয়েছি, আমি সব প্রার্থীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছি। প্রত্যেক প্রার্থীকে ম্যাকিন্যাকে আসার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। যদি তিনি আসতে পারেন, আমরা তাকে পেয়ে খুশি হব। [...] আসলে আমি যুক্তি দেব যে তাদের আমাকে রন পল প্রচারণার সম্মানসূচক জাতীয় সহ-সভাপতি করা উচিত। কারণ আমি যা শুরু করেছি তা সম্ভবত তার পরিচিতি দ্বিগুণ করেছে এবং তাকে নিজের চেষ্টায় যতটা প্রচার পেতেন তার চেয়ে বেশি প্রচার এনে দিয়েছে। তাই এই দৃষ্টিকোণ থেকে আপনাদের উচিত আমাকে বাজে ইমেইল পাঠানোর বদলে ফুল পাঠানো, আমাকে একটু রেহাই দিন। [...] রিপাবলিকান মনোনীত প্রার্থী যেই হোক না কেন, আমি তাকে সমর্থন করতে মাঠে থাকব, আর যদি তিনি রন পল হন তবে আমি একেবারে সামনের সারিতে থাকব।
** সল অনুজিস, ৭ জুন ২০০৭ [http://video.google.com/videoplay?docid=-2233526069704133605&q=ron+paul]
* ...আমাদের প্রভু কি আমাদের বলেন না যে আমাদের হ্যাঁ হ্যাঁ হতে হবে এবং আমাদের না না হতে হবে? অন্য কথায়, প্রকৃত বিশ্বাসীদের তাদের কথার প্রতি সত্য থাকতে হবে। তাহলে একজন প্রকৃত খ্রিষ্টান কীভাবে ঈশ্বর এবং আমেরিকান জনগণের সামনে মার্কিন সংবিধান সংরক্ষণ, রক্ষা এবং সুরক্ষিত করার প্রতিশ্রুতি দিতে পারেন এবং তারপর ফিরে গিয়ে সেই প্রতিশ্রুতি উপেক্ষা করতে পারেন? রন পল তার খ্রিষ্টান বিশ্বাস নিয়ে বাঁচেন এবং সংবিধানের প্রতি তার শপথকে গুরুত্ব সহকারে নেন।
** চাক ব্যাল্ডউইন, ৬ নভেম্বর ২০০৭ [http://newswithviews.com/baldwin/baldwin412.htm]
* এ পর্যন্ত ঘোষিত সব প্রার্থীর মধ্যে কেবল পলই বিশ্বাসযোগ্যভাবে রেগান-গোল্ডওয়াটার বিপ্লবের উত্তরাধিকার দাবি করতে পারেন।
** রাডলি বাল্কো, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০০৭ [http://www.foxnews.com/story/0,2933,252847,00.html]
* একজন রক্ষণশীল হওয়ার জন্য আমাদের দেশে এখন সোনার মানদণ্ড রয়েছে, এবং তা হলেন ডক্টর রন পল... এমন কেউ যার দিকে আমি সবসময় তাকিয়েছি, সেই বড় বোর্ডে, যেখানে ভোটগুলো ছিল। কোনো নির্দিষ্ট বিলের ওপর কীভাবে ভোট দেব তা নিয়ে যদি কখনো আমার মনে সন্দেহ তৈরি হয়, তবে উত্তরটি সহজ ছিল। আপনি সেই বোর্ডের দিকে তাকাবেন, দেখবেন রন পল কোনো একটি বিষয়ে কোথায় দাঁড়িয়ে আছেন, আর আপনি জানবেন সেটাই সঠিক জায়গা।
** [[বব বার]], ৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৮ [http://www.youtube.com/watch?v=lKt2s0LjUHY]
* আমি মনে করি আপনি আমাদের একজন প্রতিষ্ঠাতা পিতার সবচেয়ে কাছাকাছি প্রার্থী।
** [[গ্লেন বেক]], ২৩ জানুয়ারি ২০০৮ [http://www.glennbeck.com/content/articles/article/196/4897/]
* আমি মনে করি রন পল অর্থনীতির বিষয়ে সঠিক। আমি মনে করি তিনি ফেড সম্পর্কে সঠিক, তিনি স্বর্ণের বিষয়ে সঠিক। তিনি সরকারের আকার সম্পর্কে সঠিক। তিনি পররাষ্ট্র বিষয়ক ক্ষেত্রেও সঠিক, এই অর্থে যে: আমরা এখন যে পরিস্থিতিতে আছি, আমাদের সেখানে থাকা উচিত নয়। তবে এটি কেবল ইরাক যুদ্ধের কারণে নয়, এটি অনেক আগে শুরু হয়েছিল, আপনি এর শেষ গতিপথ প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পর্যন্ত টানতে পারেন। [...] আপনি যখন এমন একজন লিবার্টারিয়ান খুঁজে পান যিনি বলবেন: নিজেদের এই পরিস্থিতিতে ফেলতে আমাদের ২০০ বছরেরও বেশি সময় লেগেছে, আমি মনে করি আমাদের এখন মোড় ঘোরানো দরকার। আমরা পরিষ্কারভাবে এখনই সমস্ত বিদেশি জোট ছিন্ন করতে পারি না, আমরা পরিষ্কারভাবে বিশ্বজুড়ে আমাদের সমস্ত সৈন্য প্রত্যাহার করতে পারি না। আমরা এসব করতে পারি না। কিন্তু আমরা যা করতে পারি তা হলো এমন একটি গতিপথ নির্ধারণ করা যেখানে আমেরিকা ধীরে ধীরে পিছিয়ে আসবে, আমেরিকা সঠিক কাজ করবে, এবং আমরা আমাদের সৈন্যদের দেশে ফিরিয়ে আনব এবং আমরা বলব যে আমরা আর বিশ্বের পুলিশ নই। [...] আমাদের তা করার জন্য প্রধান যে জিনিসটি দরকার, তা হলো অর্থ এবং শক্তির বিষয়ে স্বনির্ভর হওয়া। তাই আমি একজন লিবার্টারিয়ানের কাছ থেকে এটাই শুনতে চাই, আমি শুনতে চাই: এটি ৫০ বছরের পরিকল্পনা। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, সবাই ২ বছর, ৬ বছর, ৪ বছরের দিকে তাকিয়ে আছে। আর তা করে আপনি কখনোই কিছু অর্জন করতে পারবেন না।
** [[গ্লেন বেক]], ৮ আগস্ট ২০০৮ [http://www.libertymaven.com/2008/08/08/glenn-beck-on-libertarianism-foreign-policy-and-ron-paul-08082008-audio/1386/]
* পল "ইসলামোফ্যাসিস্ট" শব্দটিকে অপপ্রচার হিসেবে উপহাস করেছেন। তিনি ইঙ্গিত করেছেন যে যারা এটি ব্যবহার করেন তারা যুদ্ধবাজ এবং মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত ছড়াতে চান। এটি দেখায় যে তিনি আমেরিকান জনসাধারণের বিশাল অংশের চিন্তাভাবনা থেকে কতটা দূরে আছেন।
** টম বেভান, ১২ অক্টোবর ২০০৭ [http://www.realclearpolitics.com/articles/2007/10/dr_pauls_malpractice.html]
* পল এবং তার মতো অন্যান্য লিবার্টারিয়ানরা বিদেশি সন্ত্রাসীদের আমেরিকা-বিরোধী কাজের "ব্যাখ্যা" দিতে যে ধরনের যুক্তি দেখান, উদারপন্থিরাও সাধারণ অপরাধীদের জঘন্য কাজের "ব্যাখ্যা" দিতে একই যুক্তি ব্যবহার করেন। যেকোনো সমাজবিজ্ঞান বা অপরাধবিজ্ঞানের পাঠ্যবই পড়ুন, আপনি অপরাধের "কারণ ব্যাখ্যার" দীর্ঘ তালিকা পাবেন: দারিদ্র্য, অবহেলা, দুর্বল প্যারেন্টিং, বাজে স্কুল, দুর্বল "সামাজিকীকরণ," অপর্যাপ্ত প্রসবপূর্ব যত্ন, ক্ষুধা, রোগ, উৎপীড়ন, বর্ণবাদ, পুলিশের নিষ্ঠুরতা, সামাজিক কলঙ্ক, চিকিৎসাবিহীন মনস্তাত্ত্বিক ব্যাধি, ভুক্তভোগীহীন-অপরাধ আইন... আপনি নাম বলুন। [...] রন পল আমেরিকার সেই ক্ষতিকর দৃষ্টিভঙ্গির সবচেয়ে দৃশ্যমান প্রবক্তা হয়ে উঠেছেন। আমার মনে হয়, ৯/১১-এর জন্য তার "প্রত্যাঘাতের" অজুহাত এবং তার "ব্যাখ্যা" আসলে একটি "অজুহাত" ছাড়া আর কিছুই নয় তাকে যেকোনো আমেরিকান সরকারি পদের জন্য সম্পূর্ণ অযোগ্য ঘোষণা করার জন্য যথেষ্ট। আর মার্কিন সামরিক বাহিনীর প্রধান সেনাপতির ভূমিকা তো দূরের কথা।
** রবার্ট বিডিনোটো, ২৬ নভেম্বর ২০০৭। [http://bidinotto.journalspace.com/?entryid=637]
* তিনি আমাদের ককাসের একজন দুর্দান্ত সদস্য।
** [[জন বোয়েনার]], ২২ জুন ২০০৯ [http://www.huffingtonpost.com/2009/06/22/ron-paul-the-worlds-most_n_217971.html]
* পল পুঁজিপতি-বিরোধী নন... পল গির্জা ও রাষ্ট্রের পৃথকীকরণের বিরোধিতা করেন... রন পল কৃষ্ণাঙ্গদের ঘৃণা করেন... তিনি একজন ঘৃণা ছড়ানো প্রেসিডেন্ট প্রার্থী যিনি এই গ্রহের সবচেয়ে নির্লজ্জ, ঘৃণ্য বর্ণবাদীদের সাথে যুক্ত... পলের অস্পষ্ট যুক্তিতে, সমস্ত অভিবাসী দেশের কল্যাণ, শিক্ষা এবং জরুরি স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা শুষে নেওয়ার জন্য এখানে এসেছে। এটি যদি পলের ওপর নির্ভর করত, তবে কেবল অনথিভুক্ত নয়, বরং নথিভুক্ত অভিবাসীদের জন্যও সেই ব্যবস্থাগুলো বাতিল করা হতো... তিনি এমন একজন প্রার্থী যিনি অভিবাসীদের ঘৃণা করেন।
** আউরা বোগাডো, ১৪ নভেম্বর ২০০৭ [http://web.archive.org/web/20080116023924/http://tothecurb.wordpress.com/2007/11/15/dont-believe-the-hype-ron-paul-is-not-your-savior/]
* প্রতিনিধি পলের দার্শনিক ধারাবাহিকতার রেকর্ড সাম্প্রতিক কংগ্রেসের ইতিহাসে অতুলনীয়। তিনি প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই সরকারকে সীমিত করার চেষ্টা করেন। আপস করতে তার অস্বীকৃতি কিংবদন্তিতুল্য।
** জন ব্র্যাডি এবং বব ম্যাকঅ্যাডাম, দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল [http://www.ronpaulforcongress.com/html/saying.html]
* বেশিরভাগ — হয়তো সবাই — লিবার্টারিয়ান আত্মরক্ষার অধিকার স্বীকার করেন। তবে আধুনিক বিশ্বে মিলিশিয়াদের দ্বারা এটি করা সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন একটি সামরিক-শিল্প কমপ্লেক্স, যার সাথে সমস্ত অবশ্যম্ভাবী পরিণতি জড়িত। [...] রন পল একজন পেন্সিল হেড, যিনি দুষ্ট বোকাদের একটি জ্যাকারির নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
** রিক ব্রুকহিসার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০০৭ [http://corner.nationalreview.com/post/?q=ODZlZDE2NzM4NDkzNDZhYmI4ZjFkYTk5NDIyZDI2MGY=]
* এই শরতে আর্থিক সংকট যখন শিরোনাম জুড়ে তীব্র আকার ধারণ করেছিল তখন [[বারাক ওবামা]] বা জন ম্যাককেইন কারো কাছেই বলার মতো খুব বেশি কিছু ছিল না। নিজেদের প্রচারণার কৌশল নষ্ট করার পরিবর্তে তারা নিরাপদে খেলেছিলেন, যেমনটা বেশিরভাগ রাজনীতিকই করে থাকেন। কিন্তু ন্যায়ের খাতিরে আমাদের স্মরণ করা উচিত যে এমন একজন প্রার্থী ছিলেন যিনি ভবিষ্যতের অনেক আগে থেকেই আমাদের এই দুর্দশার কথা বেশ নির্ভুলভাবে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন। রন পল রিপাবলিকান প্রাইমারির সময় প্রায় প্রতিটি বক্তৃতায় বুদবুদ, বেপরোয়া ঋণ বৃদ্ধি এবং বর্তমান নীতির "অস্থায়িত্ব" নিয়ে কথা বলেছেন। তাহলে তার দেওয়া সাধারণ জ্ঞানের সমাধানগুলোর কেন আরও বেশি চাহিদা নেই? কারণ আর্থিক আতঙ্কের সময় সাধারণ জ্ঞান খুব একটা কাজে আসে না।
** ক্রিস্টোফার ক্যাল্ডওয়েল, ১৫ ডিসেম্বর ২০০৮ [http://weeklystandard.com/Content/Public/Articles/000/000/015/921taekw.asp?pg=1]
* কেউ কেউ বলেন রন পল একজন দেশপ্রেমিকের মতো ভাবেন, কিন্তু আমি বলি দেশপ্রেমিকরা রন পলের মতো ভাবেন।
** [[লেভেন্ট ক্যানিয়াস]], ১ ডিসেম্বর ২০১১ [http://www.youtube.com/user/StAnger561to770?feature=mhee]
* আমি যখন প্রথম পলকে মুদ্রানীতি নিয়ে কথা বলতে শুনেছিলাম, তখন আমার নিজেকে একজন জিম্মি মনে হয়েছিল, ঘরের একমাত্র ব্যক্তি যে এই কর্মসূচিতে বিশ্বাস করেনি। তারপর, ধীরে ধীরে, অনেক জিম্মির মতো আমিও মন খুলতে শুরু করি এবং শুনতে থাকি। আমরা যখন রেনোতে পৌঁছলাম, তখন অপরিচিত কিছু চিন্তা মাথায় আসতে শুরু করল: কেন আমাদের মুদ্রার স্থায়িত্ব নিয়ে চিন্তা করা উচিত নয়? ডলার আসলে কিসের ওপর নির্ভরশীল? আর স্বর্ণমান যদি পাগলামি হয়, তবে হেজ ফান্ড কি তার চেয়েও বেশি পাগলামি নয়? আমি প্যাটি হার্স্টে পরিণত হয়েছিলাম, এই আদর্শের জন্য অস্ত্র তুলে নিতে প্রস্তুত, অথবা অন্তত আমার অ্যাকাউন্ট্যান্টকে ফোন করে তাকে ক্রুগার্যান্ড কিনতে বলার জন্য প্রস্তুত হয়েছিলাম।
** [[টাকার কার্লসন]], ২১ ডিসেম্বর ২০০৭ [http://www.tnr.com/politics/story.html?id=83665295-1de6-4571-af9c-0a90f6d1fde0]
* ...পুরো বোর্ডের কূটনীতিকদের চেয়ে সামরিক ব্যান্ডগুলোতে বেশি সংগীতশিল্পী রয়েছে। তাই, আমরা এই বিশাল রাষ্ট্রীয় জাহাজটিকে সরানোর চেষ্টা করছি, মিস্টার পল, এবং আমরা এটি করার জন্য আপনার সাহায্য চাইছি। আর আমাদের সময় শেষ হওয়ার ঝুঁকি নিয়েও আমি কেবল এটুকু বলতে চাই, গত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রচারণার সময় আমি এমন কোনো প্রার্থীকে দেখিনি যার সমর্থকরা আপনার মতো এত উৎসাহী... মানে, আমার তো মনে হয় আমি যেখানেই গিয়েছি, আক্ষরিক অর্থেই তারা আপনার ব্যানার হাতে হাইওয়ে দিয়ে দৌড়াচ্ছিল। আমার কখনোই আপনাকে তা বলার সুযোগ হয়নি, তবে আপনার বার্তা স্পষ্টতই অনেক মানুষের হৃদয়ে সাড়া জাগিয়েছিল।
** [[হিলারি ক্লিনটন]], ২২ এপ্রিল ২০০৯ [http://www.youtube.com/watch?v=bvPsIuEp3Uc]
* রন পল খুবই বুদ্ধিমান, তাই আমি তার সাথে খুব বেশি সময় ধরে কথা বলতে চাই না এই ভয়ে যে তিনি আমাকে বিশ্বাস করিয়ে ফেলতে পারেন। কিন্তু পররাষ্ট্র নীতির বিষয়ে আমি তার সাথে এর চেয়ে বেশি দ্বিমত পোষণ করতে পারি না কারণ তিনি বিশ্বাস করেন যে আমরা যদি কেবল পাগলদের একা ছেড়ে দিই তবে তারা আমাদের আক্রমণ করবে না।
** [[অ্যান কুল্টার]], ৮ ফেব্রুয়ারি ২০০৮ [http://www.ronpaulforums.com/showthread.php?t=116578]
* আমি রনকে অনেক, অনেক দিন ধরে চিনি — আমি রন পলকে 'বিবেক' হিসেবে ভাবতে পছন্দ করি। আপনার সবসময় একটি বিবেক থাকা উচিত।
** [[টম ডিলে]], ২৫ অক্টোবর ২০০৭ [http://www.pittsburghlive.com/x/pittsburghtrib/news/cityregion/s_534701.html]
* অন্তত ডেমোক্র্যাটরা আমেরিকান স্বার্থ রক্ষার জন্য বিদেশে কিছু সৈন্য রেখে দেবে, আর পল তাদের সবাইকে সরিয়ে নেবেন এবং ইসলামি কট্টরপন্থিদের আমাদের স্বার্থ ও সব জায়গার মিত্রদের দখল করতে দেবেন। এমনকি তিনি দেশের ভেতরের সমস্ত সামরিক ঘাঁটি বন্ধ করারও পক্ষে, যা মূলত দেশকে প্রতিরক্ষাহীন করে তুলবে।
** জে.আর. ডিকম্যান, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০০৮ [http://www.theconservativevoice.com/article/30595.html]
* আমি সবসময় ভেবেছি যে রক্ষণশীলদের দুটি ধরন রয়েছে: এক ধরন যারা অর্থ অনুসরণ করে এবং অন্য ধরন যারা নীতির রক্ষণশীল। পল একজন নীতির রক্ষণশীল। তিনি নিজের অবস্থানে অবিচল থেকেছেন এবং তিনি একজন সৎ মানুষ।
** রনি ডাগার, অক্টোবর ২০০১ [http://www.texasmonthly.com/blogs/standupdesk/2007/08/doctor-is-in-part-2.php]
* আমি রন পলের প্রচারণা পছন্দ করি এবং আমি মনে করি তার প্রেসিডেন্ট পদে প্রার্থী হওয়া আমেরিকা ও এই দেশের রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার জন্য ভালো। আমি কেন এমনটা মনে করি? কারণ রন পলের মতো মানুষ সিস্টেমকে নাড়া দেয়। আর পল অনেক সঠিক অবস্থান নিয়েছেন, যেমন ইরাক যুদ্ধের বিরোধিতা, ইসরায়েল এবং বাকি বিশ্বে বিদেশি সহায়তার বিরোধিতা, এবং একই সাথে তিনি আমেরিকান জনগণের নাগরিক স্বাধীনতাকে সমর্থন করে একটি আপসহীন অবস্থান নিয়েছেন।
** [[ডেভিড ডিউক]], ৯ জানুয়ারি ২০০৮। [http://www.davidduke.com/mp3/dukeradio080109.mp3]
* এই সম্ভাব্য প্রেসিডেন্ট কি সাহসী নাকি পাগল?
** ''দ্য ইকোনমিস্ট'', ১৯ জুলাই ২০০৭ [http://www.economist.com/world/na/displaystory.cfm?story_id=9514241]
* পরিবেশগত দিক থেকে, এখানে রন পল বলছেন যে তিনি তেল, গ্যাস এবং কয়লা কোম্পানিগুলোকে দেওয়া সমস্ত ভর্তুকি বন্ধ করবেন। আপনি কি কল্পনা করতে পারেন আল গোর এমন কথা বলছেন? মিস্টার গ্লোবাল ওয়ার্মিং নিজেও এমন কঠোর ব্যবস্থার আহ্বান জানাবেন না... রন পল সেটাই করার আহ্বান জানাচ্ছেন, কর্পোরেট কল্যাণ সমর্থন করা বন্ধ করার। এগুলো র্যালফ নাডারের মতো কথা।
** জশুয়া ফ্র্যাঙ্ক, ১৩ ডিসেম্বর ২০০৭ [http://www.scotthortonshow.com/2007/12/13/antiwar-radio-joshua-frank-3/]
* আমি মনে করি রন পল সম্ভবত সত্য কথা বলছেন, কিন্তু কেউ শুনছে না।
** [[কিঙ্কি ফ্রিডম্যান]], ৫ অক্টোবর ২০০৭ [http://transcripts.cnn.com/TRANSCRIPTS/0710/05/sitroom.02.html]
* আমি দৃঢ়ভাবে রন পলকে সমর্থন করি। আমাদের হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসে এমন আরও অনেক প্রতিনিধি খুব বেশি প্রয়োজন যারা একটি নীতিগত উপায়ে সম্পত্তির অধিকার এবং ধর্মীয় স্বাধীনতার গুরুত্ব বোঝেন।
** [[মিল্টন ফ্রিডম্যান]], নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ [http://www.youtube.com/watch?v=FgF-s1voM_Y]
* আমি বলতে চাইছি, গিয়ে কোনো ভাঙা জিনিস ঠিক করো, তুমি গাইনোকোলজিস্ট জারজ। যিশু খ্রিষ্ট! ঠিক আছে? রন পলের কথা অনেক হয়েছে!
** বি.টি.আর. ঘোস্ট, [https://listenonrepeat.com/watch/?v=iXv04-Vm4yo ''ঘোস্ট র্যান্টস অন রন পল''] (২০১১)।
* পলের একটি সুসংগত রাজনৈতিক [[বিশ্বদৃষ্টিভঙ্গি]] রয়েছে এবং তিনি কোনো রকম ভান ছাড়াই স্পষ্টভাবে এবং ক্ষমাপ্রার্থনা ছাড়াই তার অবস্থান ব্যক্ত করেন। আর এই দৃষ্টিভঙ্গি প্রাকৃতিকভাবেই বৃহত্তর দ্বিমত নিশ্চিত করে যা বেশিরভাগ প্রার্থীকে চালিত করে এমন সবাইকে-খুশি-করার অস্পষ্টতার রূপ থেকে আলাদা। [...] যখন [[বারাক ওবামা]] প্রচলিত জ্ঞানকে চ্যালেঞ্জ করার ভাষা নিয়ে খেলা করেন, পলের প্রচারণা — ভালো বা মন্দের জন্য — আসলে তা করে, এবং তা অত্যন্ত সিরিয়াস, চিন্তাশীল এবং সুসংগত উপায়ে করে। [...] খুব কম প্রার্থীই পৃষ্ঠতলের কৌশল, নৈরাশ্যজনক স্টান্ট এবং কারসাজির কৌশলগুলো এত দৃঢ়তার সাথে এড়িয়ে চলেন। খুব কম প্রার্থী রাজনীতিতে একটি আরও সুসংগত, চিন্তাশীল, ধারাবাহিকভাবে নীতিগত আদর্শ ধারণ করেন, যা প্রকৃত বিশ্বাস এবং স্ফটিক-স্বচ্ছ রাজনৈতিক মূল্যবোধের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। [...] পলের কথাগুলো যে তিনি সত্যিই বিশ্বাস করেন তা নিয়ে কখনোই কোনো সন্দেহ থাকে না [...] পলই একমাত্র গুরুতর প্রার্থী যিনি উচ্চতর সামরিক শক্তির মাধ্যমে বিশ্ব শাসন করার এবং একটি সাম্রাজ্য হিসেবে কাজ করার আমেরিকার আসক্তিকে আক্রমণাত্মকভাবে চ্যালেঞ্জ করছেন — কোনো নির্দিষ্ট নীতির (যেমন ইরাক যুদ্ধ) বিরোধিতা করে নয়, বরং এই নীতিগুলোর অপরীক্ষিত মূল ভিত্তিগুলোকে প্রশ্নবিদ্ধ করে, সেই আদর্শ যা বিশ্বে আমাদের ভূমিকা সংজ্ঞায়িত করছে। এর মাধ্যমে পলের প্রচারণার ক্ষমতা আমেরিকার সাম্রাজ্যিক শাসন সর্বস্তরে — অর্থনীতি, নৈতিকতা, নিরাপত্তা, স্বাধীনতা — যে ধ্বংসলীলা চালায় তা নিয়ে একটি জরুরি বিতর্কের সুযোগ তৈরি করে, যা তার সাফল্যের প্রশংসা করার যোগ্য।
** গ্লেন গ্রিনওয়াল্ড, ৬ নভেম্বর ২০০৭ [http://www.salon.com/opinion/greenwald/2007/11/06/paul/index.html]
* আমি এই লোকটিকে ভালোবাসি। ডক্টর পলই আমার জানা একমাত্র প্রার্থী যিনি সেই সময় সেখানে থাকলে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানে স্বাক্ষর করতেন।
** আর্লো গুথরি, ২৯ জানুয়ারি ২০০৮ [http://biz.yahoo.com/bw/080129/20080129006217.html]
* ...আপনাদের নির্বাচনে আমি যাকে সত্যিই ভোট দিতাম তিনি হলেন রন পল।
** ড্যানিয়েল হান্নান, ২৬ মার্চ ২০০৯ [http://www.foxnews.com/story/0,2933,510781,00.html] [http://www.youtube.com/watch?v=94lW6Y4tBXs]
* আমি কখনোই আপনাকে অপছন্দ করিনি। একজন মানুষ হিসেবে আমি আপনাকে পছন্দ করি, আমি মনে করি আপনি আপনার বিশ্বাসে খুবই নীতিবান। আমি এই মুহূর্তে কেবল পররাষ্ট্র নীতি ইস্যুতে আপনার সাথে একমত নই, এটাই সব। কিন্তু এর মানে এই নয় যে আমরা একে অপরকে পছন্দ করতে পারি না... আমি অনেক অর্থনৈতিক ইস্যুতে আপনার সাথে একমত।
** [[শন হ্যানিটি]], ২ জানুয়ারি ২০০৮ [http://youtube.com/watch?v=JVuPHaqILtU]
* তিনি সত্যিই আমার মেজাজ খারাপ করে দিয়েছিলেন যখন তিনি দাবি করে যাচ্ছিলেন যে ১১ সেপ্টেম্বরে আমরা আক্রান্ত হওয়ার কারণ আমাদের নিজেদেরই দোষ ছিল ... [রন পলের মন্তব্যগুলো] হাস্যকর এবং অগ্রহণযোগ্য ছিল।
** [[মাইক হাকাবি]], ৬ সেপ্টেম্বর ২০০৭ [http://thehill.com/campaign-2008/huckabee-pauls-debate-comments-ludicrous-and-unacceptable-2007-09-06.html]
* আপনি জানেন, ৯/১১-এর আগে যুক্তরাষ্ট্র সর্বশেষ যে দুটি জাতিকে রক্ষা করেছিল তারা দুটি মুসলিম জাতি ছিল। সুতরাং, আমার বন্ধু রন পলকে বলছি: সবার আগে আমেরিকাকে দোষারোপ করবেন না।
** ডানকান হান্টার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০০৭ [http://www.afa.net/debate/]
* ...অধিকাংশ ইস্যুতে আমি রন পলের দৃষ্টিভঙ্গির সাথে একমত। আমি সংবিধানে বিশ্বাস করি, আমি ছোট সরকারে বিশ্বাস করি। রন পল পুরোপুরি জীবন-সমর্থক। তবে, আমি রন পলের পররাষ্ট্র নীতির সাথে দ্বিমত পোষণ করি, আমি মনে করি এটি খুবই সরল। কিন্তু, ঐতিহ্যগতভাবে রক্ষণশীলরা যা বিশ্বাস করত তার অনেকটাই কাছাকাছি তিনি অবস্থান করেন।
** টেরি জেফরি, ৩১ জানুয়ারি ২০০৮ [http://www.youtube.com/watch?v=Olfc33td05w]
* আর তারপর আছেন লিবার্টারিয়ান কংগ্রেসম্যান রন পল যাকে আপনার সেই বারটেন্ডার চাচার মতো মনে হয় যার কাছে সবকিছু নিয়ে একটি বড় তত্ত্ব আছে: তার কিছু ধারণা উজ্জ্বল, অন্যগুলো অদ্ভুত। তাকে উল্লেখ করার কারণ তার অদ্ভুত মুহূর্তটি — এই প্রস্তাব দেওয়া যে আল-কায়েদা ১১ সেপ্টেম্বরে আক্রমণ করেছিল কারণ যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে নাক গলাচ্ছিল, ইরাকে বোমা ফেলছিল — গিউলিয়ানিকে একটি ঐতিহাসিক সুবিধা এনে দিয়েছিল... তবে পলকে ইতিহাসে পরিণত করার আগেই গিউলিয়ানির একটি ভালো বিতর্ক হচ্ছিল।
** জো ক্লেইন, ১৭ মে ২০০৭ [http://www.time.com/time/magazine/article/0,9171,1622571,00.html]
* তিনি ফেডারেল সরকারের মাধ্যমে দরিদ্রদের সাহায্য করার প্রচেষ্টার বিরোধী... রন পলের মৌলিক অবস্থান হলো আমেরিকা-বিরোধী, আসুন সততার সাথে এটা স্বীকার করি। তিনি গত এক শতাব্দী ধরে আমেরিকা বিশ্বজুড়ে বা দেশে যে নীতিই অনুসরণ করুক না কেন তা পছন্দ করেন না... রিপাবলিকান পার্টি শেষ পর্যন্ত এমন কাউকে গুরুত্ব সহকারে নেবে না যে মনে করে আমরা ৯/১১-এর জন্য দায়ী, এবং যে মনে করে বিশ্বজুড়ে আমাদের কোনো গুরুতর হুমকি নেই, এবং বিশ্বজুড়ে যারা স্বাধীনতা ও শালীনতার পক্ষে দাঁড়ায় তাদের সাহায্য করার জন্য আমাদের কোনো গুরুতর বাধ্যবাধকতা নেই।
** [[উইলিয়াম ক্রিস্টল]], ২৫ ডিসেম্বর ২০০৭ [http://youtube.com/watch?v=0rduigENzHo]
* এই স্নায়বিক হাসি এবং একজন সত্য কথা বলা মানুষকে উপহাস করা, সেই ব্যক্তি যিনি সেই বিতর্কগুলোতে অন্য যে কারো চেয়ে বেশি সত্য বলেছেন, যিনি শত্রু তৈরি করতে এবং সত্য বলতে ভয় পেতেন না, তিনি ছিলেন রন পল। আর তারা তাকে নিয়ে হাসছিল: "সে হাসির পাত্র হওয়ার যোগ্য"। না [[মিট রমনি]], আপনি হাসির পাত্র হওয়ার যোগ্য, আপনি অভিজাত, ওহ আমি শব্দটি ব্যবহার করতে পারব না।
** মার্ক লারসেন, ২৯ জানুয়ারি ২০০৮ [http://youtube.com/watch?v=6lAFfLy05_Y]
* এদিকে, [রিপাবলিকানরা] ইতস্তত করতে করতে, এই গত সপ্তাহান্তে আমরা আরও ২৩ জন সৈন্য হারিয়েছি। দুই দলের সহকর্মীদের দ্বারা এই ফ্লোরে সমর্থিত একটি ওভার-দ্য-হরাইজন ফোর্সে কৌশলগত প্রত্যাহারের কোনো কৌশল ছাড়াই এই পাগলামি এখানে আর কতদিন চলবে? রন পলই কেন রিপাবলিকান পক্ষের একমাত্র প্রেসিডেন্ট প্রার্থী যার এটি নিয়ে কথা বলার সাহস আছে এবং তাকে অদেশপ্রেমিক বলা বা শ্রোতাদের দ্বারা উপহাসিত হওয়ার ভয় নেই? এই কক্ষটি এমন একটি কক্ষ হওয়া উচিত যেখানে আমাদের ক্ষমতার সামনে সত্য বলার সুযোগ রয়েছে।
** জন লারসন, ২৫ জুন ২০০৭ [http://www.courant.com/news/local/hcu-larson-ronpaul-0626,0,4905017.story]
* রন পলকে নিয়ে কথা বলার জন্য এখানে আমাদের কাছে খুব বেশি সময় নেই কারণ সময় কমে আসছে। দেখি, আমার কাছে সাত সেকেন্ড আছে, ছয় সেকেন্ড। আমি কী বলতে পারি? আহ... রন পল। রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট প্রার্থী, রন পল।
** [[রাশ লিম্বো]], ১২ অক্টোবর ২০০৭ [http://www.rushlimbaugh.com/home/daily/site_101207/content/01125112.guest.html]
* আমি রন পলকে ভালোবাসি। আমি ভাবিনি তিনি প্রেসিডেন্ট হওয়ার যোগ্য, কিন্তু রন পল এমন একজন মানুষ যিনি স্বাধীনতার পক্ষে দাঁড়ান।
** [[রাশ লিম্বো]], ৪ মার্চ ২০০৯ [http://www.rushlimbaugh.com/home/daily/site_030409/content/01125104.guest.html]
* সিভিল রাইটস অ্যাক্ট যা আমেরিকান নাগরিক স্বাধীনতা সম্প্রসারিত করেছিল, তাকে প্যাট্রিয়ট অ্যাক্টের সমকক্ষ করে যা একে সংকুচিত করেছিল, এই যুক্তিতে যে দুটোই এমন ফেডারেল আইন যেখানে শাস্তি রয়েছে, রন পল এমন একজন ব্যক্তির নৈতিক বোকামি প্রদর্শন করেছেন যিনি ঘোষণা করেন যে কোনো ব্যক্তি যে একজন বৃদ্ধাকে বাসের পথ থেকে সরিয়ে দেয় সে ঠিক ততটাই খারাপ যে একজন বৃদ্ধাকে বাসের পথে ঠেলে দেয়, কারণ দুজনেই বৃদ্ধাদের ঠেলে দেওয়ার ক্ষেত্রে সমান দোষী।
** মাইকেল লিন্ড, ৩ জানুয়ারি ২০১২ [http://www.salon.com/2012/01/03/race_liberty_and_ron_paul/]
* রন পলকে জেনে এবং তার সাথে কথা বলে আমার মনে হয় তিনি খুব ন্যায্য মানুষ আমি কেবল মনে করি যে অনেক মানুষ লিবার্টারিয়ান প্ল্যাটফর্ম বোঝে না।<br />আমি রন পলের পুরো দর্শন পড়েছি, রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে তিনি কী বলছেন এবং কেন লোকেরা তাকে আক্রমণ করছে তা-ও আমি বুঝতে পারি।<br />যাদের কাছে টাকা আছে তাদের ভয় দেখালে তারা আপনাকে আক্রমণ করবে এবং তারা প্রসঙ্গের বাইরে গিয়ে আক্রমণ করবে।<br />তিনি যা বলছেন তা সত্যিই ক্ষমতার মালিকদের জন্য হুমকিস্বরূপ এবং তারা সেটাকেই ভয় পায়।
** নেলসন লিন্ডার, অস্টিনের এনএএসিপি সভাপতি, [http://www.therightperspective.org/2011/12/24/ron-paul-no-racist-naacp-austin-president/ রন পল ইজ নো রেসিস্ট: এনএএসিপি প্রেসিডেন্ট]
* তাকে আমার এমন ধরনের মানুষ বলে মনে হয় না যে আমেরিকান জনমতের এমন উপাদানগুলোতে প্রবেশ করছে যা লিবার্টারিয়ান দিকনির্দেশনার দিকে একটি টেকসই পদক্ষেপের দিকে নিয়ে যেতে পারে।
** ব্রিঙ্ক লিন্ডসে, ৬ ডিসেম্বর ২০০৭ [http://www.thenation.com/doc/20071224/hayes]
* আমি এটি সম্পূর্ণ গুরুত্ব সহকারে বলছি, রন পল [আমার প্রো-স্টক মার্কেট প্রার্থী]।
** ডোনাল্ড লাস্কিন, ৩ মে ২০০৭ [http://youtube.com/watch?v=peBGJwE9NXo]
* রন পল ফ্লোরে আরও ঋণ, আরও বরাদ্দ, আরও ব্যয়, বাজারে আরও ঋণের সমালোচনা করছেন। এটাই সমস্যার কারণ। রন পল ঠিক বলেছেন। আমি কথাটা বলেই দিলাম।
** মিশেল মালকিন, ৩ অক্টোবর ২০০৮ [http://michellemalkin.com/2008/10/03/liveblogging-crap-sandwich-20-the-house-bailout-debate/]
* আপনি [[w:Ron_Paul_presidential_campaign%2C_2008#May_15.2C_2007:_South_Carolina|বলতে]] পারেন না যে আমরা নো-ফ্লাই জোনের ওপর ইরাকে সৈন্য পাঠিয়েছি বলে এমনটা হয়েছে, কারণ তারা '৯৩ সালেও একই ভবন উড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল, নো-ফ্লাই জোন নিয়ে এই সমস্ত ছোটখাটো যুদ্ধের আগেই। আপনি সেই নির্দিষ্ট যুক্তিটি দিতে পারেন না।
** ক্রিস ম্যাথিউস, ১৬ মে ২০০৭ [http://www.fair.org/index.php?page=3108] [http://mediamatters.org/items/200705170007]
* অনেকেই আপনার মতো ভাবে, তবে আমি তাদের একজন এটা বলার সাহস আমার নেই।
** ক্রিস ম্যাথিউস, ৯ অক্টোবর ২০০৭ [http://www.msnbc.msn.com/id/21221663/]
* আপনি কংগ্রেসে সবচেয়ে সৎ মানুষের জন্য কাজ করছেন।
** [[জন ম্যাককেইন]] (কেন্ট স্নাইডারকে), ১৯৮৮ [http://www.texasmonthly.com/preview/2007-08-01/feature2]
* আমি ভেবেছিলাম মেয়র গিউলিয়ানির [[w:Ron_Paul_presidential_campaign%2C_2008#May_15.2C_2007:_South_Carolina|হস্তক্ষেপ]] সেখানে উপযুক্ত ছিল, এবং সত্যি বলতে, খুব, খুব চমৎকার ছিল। আমি এর সত্যিই প্রশংসা করেছি। কারণ আমাদের কখনোই, কখনোই বিশ্বাস করা উচিত নয় যে আমরা এই সংঘাত ডেকে এনেছি। এটি একটি অশুভ শক্তি যা আমরা যার পক্ষে দাঁড়াই এবং বিশ্বাস করি তার সবকিছু ধ্বংস করার চেষ্টা করছে। এবং এটি একটি অতীন্দ্রিয় সংগ্রাম। এ কারণেই আমি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হতে চাই।
** [[জন ম্যাককেইন]], ১৫ মে ২০০৭ [http://www.foxnews.com/story/0,2933,272892,00.html]
* রন পল কেবল জীবন-সমর্থক হওয়ার কথাই বলেন না, তিনি সেই অনুযায়ী কাজও করেন। তার ভোটাধিকারের রেকর্ড সত্যিই নিখুঁত এবং তিনি নিঃসন্দেহে আমাদের সাংবিধানিক প্রজাতন্ত্র এবং সবার বাঁচার অধিকার বোঝেন।
** নর্মা ম্যাককোরভে ("জেন রো"), ২২ জানুয়ারি ২০০৮ [http://people.ronpaul2008.com/campaign-updates/2008/01/22/jane-roe-endorses-ron-paul-on-roe-v-wade-anniversary/]
* পারসন অব দ্য ইয়ার: রন পল, একজন চিকিৎসক-রাজনীতিক। তিনি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনী প্রচারণায় সত্যের সিরামের একটি ডোজ ইনজেক্ট করেছিলেন। ইরাক নিয়ে পলের স্পষ্ট কথা, এবং সংবিধান নিয়ে তার স্পষ্ট কথা, যেমনটি বুকানন উল্লেখ করেছেন, এবং সরকারের সীমানা তাকে একটি ইন্টারনেট সেনসেশনে পরিণত করেছে। আসলে পল জাতির জীবনে একটি স্বাধীন শক্তিতে পরিণত হয়েছেন।
** জন ম্যাকলাফলিন, ২৩ ডিসেম্বর ২০০৭ [http://www.youtube.com/watch?v=ys0HgHLpy98]
* তিনি অনেকটা [[উইলিয়াম গোল্ডিং|লর্ড অব দ্য ফ্লাইসের]] পিগির মতো ছিলেন [[w:Ron_Paul_presidential_campaign%2C_2008#May_15.2C_2007:_South_Carolina|সেই বিতর্কে]], তাই না? আমার তো মনে হয়েছিল ওরা তাকে পাথর ছুঁড়ে মারবে।
** স্টেফানি মিলার, ২২ জুন ২০০৭ [http://www.stephaniemiller.com/blog.php?Date=20070622]
* এটা কি কোনো আশ্চর্যের বিষয় যে নব্য-নাৎসিরা তার প্রচারণায় ভিড় জমাচ্ছে? কিন্তু পল ইরাক যুদ্ধের বিরুদ্ধে এবং তিনি স্বাধীনতা চান! সুতরাং তা অবশ্যই তার বর্ণবাদকে ঠিক প্রমাণ করে।
** [[মার্কোস মউলিটাস]], ২৬ ডিসেম্বর ২০০৭ [http://www.dailykos.com/storyonly/2007/12/26/85617/090]
* ক্যাপিটল হিলে ৫৩৫ জন লোক রয়েছেন যাদের কাজ হলো আমাদের সবাইকে নিয়ন্ত্রণ করে এমন আইন লেখা, এবং তিনি তাদের একজন। ক্যাপিটল হিলে ৫৩৫ জন লোক রয়েছেন যাদের কাজ সংবিধান রক্ষা করা, এবং তিনি তাদের একজন। ৫৩৫ জন লোক রয়েছেন যাদের কাজ আমাদের স্বাধীনতা রক্ষা করা, এবং তিনি তাদের একজন। কিন্তু তার হৃদয়ে, এবং তার মাথায়, তার চরিত্রে, এবং তার বুদ্ধিমত্তায়, তিনি যা করেছেন, এবং তিনি যা হবেন, আমাদের সময়ের [[থমাস জেফারসন]], রন পল, আমাদেরই একজন।
** অ্যান্ড্রু নাপোলিটানো, ফিউচার অব ফ্রিডম ফাউন্ডেশন, ৩ জুন ২০০৭ [http://youtube.com/watch?v=t8QwTKKSvR8]
* এই সাহসী এবং শান্ত কংগ্রেসম্যান এই দেশে স্বাধীনতার রক্ষক হিসেবে বিশ্বব্যাপী নিজের নাম করেছেন... সর্বত্র আমলাদের ক্ষমতা কমানোর একজন অধ্যবসায়ী যোদ্ধা হিসেবে... এবং এমন একজন রাজনীতিক যাকে বিশেষ স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী দ্বারা কেনা যায় না।
** ম্যাক্সওয়েল নিউটন, নিউ ইয়র্ক পোস্ট [http://www.jarrodhunt.com/10-year-old-video-of-ron-paul-same-message-as-today/]
* মিস্টার পল কথা বলার পর মনে হয়েছিল অর্ধেক ঘর দুয়োধ্বনি দিয়েছিল, কিন্তু বাকি অর্ধেক করতালি দিয়েছিল। যখন এক হাজার রিপাবলিকান একটি ঘরে থাকেন এবং মঞ্চের আটজনের মধ্যে একজন একটি নাটকীয় বিষয়ে তীব্র সংখ্যালঘু দৃষ্টিভঙ্গি নেন এবং অর্ধেক ঘর তাকে উৎসাহিত করতে থাকে, তখন বুঝতে হবে কিছু একটা ঘটছে। রন পলের সমর্থন তার ব্যক্তিত্ব, ইতিহাস বা অনুভূত ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে নয়। তার যেটুকু সমর্থন আছে তা তার দৃষ্টিভঙ্গির কারণে। তিনি কথা বলার সময় আপনি ব্যাকগ্রাউন্ডে অন্যান্য প্রার্থীদের হাসতে শুনতে পেতেন। তাদের এই হাসি বন্ধ করে গুরুতরভাবে যুক্ত হওয়া উচিত।
** [[পেগি নুনান]], ৮ সেপ্টেম্বর ২০০৭ [http://online.wsj.com/article/SB118919705126820905.html]
* [[বর্ণবাদ]], [[সমকামভীতি]] এবং [[এইডস]], [[ইসরায়েল]], বিল্ডারবার্গ গ্রুপ এবং ত্রিপক্ষীয় কমিশন সম্পর্কে ষড়যন্ত্র তত্ত্ব। আরিয়ান নেশন, ইউএসএ'র কাজের আরেকটি দিন? সত্যিই এমন মনে হচ্ছে। তবে না, এগুলো রন পলের ১৯৯৯ সালের আগের, ইন্টারনেট-পূর্ব নিউজলেটারের কিছু উপাদান, সেই রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট প্রার্থী যিনি এখন নিজেকে একজন লিবার্টারিয়ান হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করেন। [...] রন পল দাবি করেন যে নিউজলেটারটি তার নামে প্রকাশিত হয়েছিল, কিন্তু অন্যদের দ্বারা লেখা হয়েছিল এবং তিনি পূর্ণকালীন কাজ করছিলেন বলে কী লেখা হচ্ছে তাতে খুব বেশি মনোযোগ দেননি। চমৎকার আত্মপক্ষ সমর্থন। তার মানে তিনি সেই লেখকদের তার নামে লিখতে এতটা বিশ্বাস করেছিলেন যে তারা কী লিখেছে তা তিনি যাচাই পর্যন্ত করেননি?
** [[জোহান নরবার্গ]], ৯ জানুয়ারি ২০০৮। [http://www.johannorberg.net/?page=displayblog&month=1&year=2008#2514]
* ...বর্তমান রাজনৈতিক মেরুকরণের উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে এই ভোটার বিপ্লবের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। আমি বিশ্বাস করি এটি প্রতিনিধি রন পলকে সমর্থনকারী সাংবিধানিক সম্প্রদায়ের উত্থানের মাধ্যমে অনুভূত হয়েছিল। আমি বিশ্বাস করি এটি আমাদের বর্তমান প্রেসিডেন্ট বাছাই নিয়ে ইভাঞ্জেলিক্যাল এবং রক্ষণশীলদের হতাশার মধ্যে অনুভূত হয়েছিল... আমেরিকায় রন পলের মতো কিছু ভালো কংগ্রেসম্যান এবং সিনেটর রয়েছেন... একটি ভোটার বিপ্লব এমন রাজনীতিকদের নিয়ে আসবে যারা ব্যাপক এবং আমূল পরিবর্তন আনবেন, যেমন অসাংবিধানিক আইআরএস বাতিল করা এবং এর পরিবর্তে একটি ন্যায্য কর ব্যবস্থা চালু করা। এরাই সেই ধরনের নেতা যারা সত্যিকারেরভাবে আমাদের প্রতিষ্ঠাতাদের প্রতিষ্ঠিত আমেরিকার প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ, সরকারের অপচয় ব্যাপকভাবে কমান, পর্ক ব্যারেল খরচ অবিলম্বে বন্ধ করেন, রাজনৈতিক সুবিধা এবং লবিস্টদের প্রত্যাখ্যান করেন, অন্য দেশগুলো (যেমন চীন) থেকে ঋণ নেওয়া বন্ধ করেন, সাম্রাজ্যবাদ এবং জাতি গঠন বন্ধ করেন, বিদেশে অনেক সরকারি সহায়তার প্রবাহ কমান এবং আমেরিকান বাণিজ্যে উৎপাদন ও গৌরব ফিরিয়ে আনেন...
** [[চাক নরিস]], ১৫ সেপ্টেম্বর ২০০৮ [http://www.worldnetdaily.com/index.php?fa=PAGE.view&pageId=75313]
* আমি মনে করি রন পলকেই আমার সবচেয়ে বেশি পছন্দ... পররাষ্ট্র নীতির বিষয়ে তার সাথেই আমি একমাত্র একমত।
** রবার্ট নোভাক, ৩১ অক্টোবর ২০০৭ [http://www.huffingtonpost.com/2007/10/31/prince-of-darkness-almos_n_70617.html]
* রন পল যদি সাধারণ নির্বাচনে পৌঁছান তবে আমি তাকে নিয়ে চিন্তা করব।
** [[বারাক ওবামা]], ৮ নভেম্বর ২০০৭ [http://blogs.rockymountainnews.com/denver/sprengelmeyer/archives/2007/11/obama_on_paul_a_diplomatic_dod.html]
* রন পলের লিবার্টারিয়ানিজমে স্থানীয়তাবাদ এবং বর্ণবাদের জন্য প্রচুর জায়গা রয়েছে কারণ এর বেশিরভাগই প্যাট বুকানন-শৈলীর শ্বেতাঙ্গদের সুযোগ-সুবিধার একটি সোনালি যুগে আমেরিকাকে ফিরে যাওয়ার আহ্বানের মতো শোনায়। পল লিবার্টারিয়ানদের মতো ভবিষ্যতের চিন্তাবিদ নন যারা আসন্ন "সিঙ্গুলারিটি" নিয়ে হাসিখুশি স্তুতিগান লেখেন, যখন আমরা সবাই অমর সাইবোর্গে পরিণত হব। তিনি একজন গোল্ডবাগ। তিনি গভীরভাবে ধার্মিক, গর্ভপাতবিরোধী, ছোট-শহরের গ্রামীণ চিকিৎসক যিনি মূলত চান সরকার যেন ১৮৩৭ সালের মতো কাজ করে।
** অ্যালেক্স পারিন, ২২ ডিসেম্বর ২০১১ [http://www.salon.com/2011/12/22/ron_paul_and_his_racist_newsletters/]
* রন পল কংগ্রেসে আমাদের হিরো।
** [http://fame.org/ ল্যারি পার্কস], ৬ ডিসেম্বর ২০০৭ [http://youtube.com/watch?v=Mx7zeOFhPlw]
* রন পল একজন অসামান্য নেতা যিনি একটি শক্তিশালী জাতীয় প্রতিরক্ষার জন্য লড়াই করছেন। বিমান বাহিনীর একজন প্রাক্তন কর্মকর্তা হিসেবে তিনি আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর চাহিদাগুলো খুব ভালোভাবে জানেন, এবং তিনি সবসময় তাদের প্রথম স্থানে রাখেন। আমাদের দেশের জন্য লড়াই চালিয়ে যেতে তাকে আমাদের দরকার।
** [[রোনাল্ড রেগান]], মার্কিন প্রেসিডেন্ট [http://www.ronpaulforcongress.com/html/saying.html]
* রন পল যদি মনোনয়নের কাছাকাছি আসেন, আমি নিশ্চিতভাবে তাকে সমর্থন করব। আমেরিকান রাজনীতিতে আমি কেবল তাকেই দেখেছি যার কাছে বিশ্বে কী ঘটছে সে সম্পর্কে ধারণা আছে বলে মনে হয়।
** জিম রজার্স, ২৯ অক্টোবর ২০০৭ [http://web.archive.org/web/20071020020642/http://www.ft.com/cms/893ac9c8-757e-11dc-b7cb-0000779fd2ac.html]
* তিনি যা করেছেন — তার সমর্থকরা যা করেছেন — তা বিস্ময়কর... একটি শক্তিশালী বার্তা নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা একজন মানুষের ক্ষমতাকে আপনি উড়িয়ে দিতে পারবেন না... ওয়াশিংটনের ভেতরের লোকেরা বুঝতে পারে না এর অর্থ কী।"
** এড রলিন্স, ৬ নভেম্বর ২০০৭ [http://blog.washingtonpost.com/the-trail/2007/11/06/post_184.html]
* ...রন পলই একমাত্র ব্যক্তি যিনি একজন রাজনীতিকের বদলে একজন মানুষের মতো কথা বলেছিলেন — একজন প্রেসিডেন্ট প্রার্থীর জন্য এটি কোনো ছোট কাজ নয়... আজ রাতে তিনি নিশ্চিতভাবেই বুদ্ধিমানের মতো কথা বলছিলেন।
** অ্যান্ড্রু রোমানো, ৩০ জানুয়ারি ২০০৮ [http://www.blog.newsweek.com/blogs/stumper/archive/2008/01/30/four-thoughts-on-tonight-s-republican-debate.aspx]
* আমরা সবাই খুশি হতাম যদি আমরা কেবল দেশে ফিরে আসতে পারতাম এবং বিশ্বের বাকি অংশ নিয়ে চিন্তা না করতাম, যেমনটা রন পল বলেন। কিন্তু সমস্যা হলো, তারা ৯/১১-তে আমাদের ওপর হামলা করেছিল। আমরা এখানেই ছিলাম; তারা আমাদের আক্রমণ করেছে। আমরা ইসলামি বিশ্বকে আধুনিকতার দিকে নিয়ে যেতে সাহায্য করতে চাই যাতে তারা চরমপন্থা প্রত্যাখ্যান করতে পারে...
** [[মিট রমনি]], ৫ আগস্ট ২০০৭ [http://www.cfr.org/publication/13981/republican_debate_transcript_iowa.html]
* তিনি আমাদের প্রথম দিন যা তুলেছিলাম তার কাছাকাছি চলে আসছেন... তাই আমি আনন্দিত যে তিনি এগিয়ে যাওয়ার জন্য তার প্রয়োজনীয় তহবিল সংগ্রহ করতে পেরেছেন...
** [[মিট রমনি]], ৬ নভেম্বর ২০০৭ [http://www.foxnews.com/story/0,2933,308404,00.html]
* আমি রাজনৈতিকভাবে এটি বলতে চাই না, তবে রন পল যখন বেন বার্নানকের দিকে তার সমস্ত রিভলবার থেকে গুলি ছুঁড়ছিলেন, তখন এখানে অনেক লোক তার প্রশংসা করছিল। ফেড কেবল সহজীকরণ সরঞ্জামগুলোই ব্যবহার করে বলে মনে হয়। আর মুদ্রাস্ফীতির ফ্রন্টে, অনেক ব্যবসায়ী সাবটাইটেলগুলো পড়ছিলেন এবং তারা ফিরে গিয়ে চেক করেছিলেন। দুর্বল ডলারের ক্ষেত্রে এটি আমদানি মূল্যকে প্রভাবিত করে কিন্তু দেশীয় মূল্যকে নয়, এটি এক ধরনের অসংগতি [...] আমি কেবল মনে করি আপনি ব্যবসায়ীরা যেভাবে ভাবেন তা বোঝেন না। ব্যবসায়ীরা আপনার বিশ্লেষণ নিয়ে মাথা ঘামায় না। তারা অর্থ উপার্জনের বিষয়ে চিন্তা করে। আর তারা পরিষ্কারভাবে বুঝতে পারে যে ফেড এই সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য কেবল একটাই কাজ করেছে আর তা হলো সহজ করা, এবং তারা অর্থ উপার্জন করছে। কিন্তু আপনি যদি এই লোকদের জিজ্ঞাসা করেন, আপনি কি মনে করেন ডিসেম্বরে আসলেই সুদের হার কমবে, আমি যাদের সাথে কথা বলি তাদের অর্ধেক লোক বলে আমরা ডিসেম্বরে পৌঁছাতে পৌঁছাতে, হেডলাইন মুদ্রাস্ফীতি সম্ভবত এমন পর্যায়ে পৌঁছাবে যে ফেড সহজ করতে পারবে না।
** রিক স্যান্টেলি, ৮ নভেম্বর ২০০৭ [http://www.youtube.com/watch?v=WvirM1goFq4]
* আমি আপনাকে বলি রন, রিপাবলিকান প্রাইমারিতে এমন অনেকেই আছেন যারা রোনাল্ড রেগানের অবস্থান নেওয়ার চেষ্টা করছেন... কিন্তু অর্থনৈতিক ইস্যুগুলোর কথা এলে আপনিই একমাত্র ব্যক্তি যিনি সত্যিই সেই একই বার্তা দিচ্ছেন যা রোনাল্ড রেগান ৩০ বছর ধরে দিয়েছিলেন।
** জো স্কারবোরো, ২২ আগস্ট ২০০৭ [http://web.archive.org/20071102041631/ronpauldaily.blogspot.com/2007/08/ron-paul-on-morning-joe.html] ([http://video.google.com/videoplay?docid=-4770988975023965161 কেস ইন পয়েন্ট])
* আমি ভেবেছিলাম মিস্টার পল গত রাতের বিতর্কে ঠিক এটাই ধরেছেন। এই যুদ্ধ আমেরিকার জন্য বিপজ্জনক কারণ এটি লিঙ্গসমতার ওপর ভিত্তি করে নয়, যেমনটা মিস্টার গিউলিয়ানি বলেছিলেন, বা অন্য কোনো ধরনের স্বাধীনতার ওপর ভিত্তি করে নয়, বরং সহজভাবে আমরা ইসলামি বিশ্বে যা করি তার কারণে — কারণ ‘আমরা ওখানে আছি,' মূলত যেমনটা মিস্টার পল বিতর্কে বলেছিলেন।
** মাইকেল শিউয়ার, ১৯ মে ২০০৭ [http://www.antiwar.com/blog/2007/05/19/former-head-of-cias-osama-unit-backs-up-rep-ron-paul/]
* [রন পল হলেন] গ্যাং অব ৫৩৫-এর একমাত্র ব্যতিক্রম।
** উইলিয়াম সাইমন, কোষাগারের সচিব [http://www.house.gov/paul/bio.shtml]
* তিনি হয়তো শেষ পর্যন্ত এমন কেউ হয়ে উঠেছেন যা তার সবসময় হওয়ার কথা ছিল: মার্কিন কংগ্রেসের সবচেয়ে সম্মানিত সদস্য। তিনি প্রেসিডেন্ট পদের জন্য একমাত্র রিপাবলিকান প্রার্থী যিনি সত্যিই তা যা অন্যরা হওয়ার ভান করে, অর্থাৎ, একজন রক্ষণশীল। [...] এখন পর্যন্ত, জিওপি পলকে সেখানে নেই এমন ভান করে দমিয়ে রাখতে পেরেছে। তবে নীরব আচরণ এই নম্রভাষী মানুষটিকে আর আটকাতে পারবে না। তিনি বহুবার সঠিক প্রমাণিত হয়েছেন।
** জোসেফ সোব্রান, ২৬ জুন ২০০৭ [http://buchanan.org/blog/?p=787]
* আমি মনে করি রন পল এই দৌড়ে তার বৈধতা প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
** মাইকেল স্টিল, ১৯ ডিসেম্বর ২০০৭ [http://youtube.com/watch?v=OBawj7SqEWM]
* তিনি অসাধারণ... এই লোকটি - তিনি একজন রিপাবলিকান - এবং তিনি বলেন শুনুন, আমি যখন প্রেসিডেন্ট হব, আমি আমাদের ইরাক থেকে বের করে আনব, আমি আমাদের বিশ্বের সব জায়গা থেকে বের করে আনব, কারণ এই সব বাজে মধ্যপ্রাচ্যের দেশে থেকে আমাদের কী লাভ হয়েছে? কারণ তারা আমাদের ঘৃণা করে, আমি এই সব যুদ্ধ থেকে আমাদের বের করে আনব, এবং আমাদের কাজ শেষ। আর তিনি বলেন, আমি কোনো বিচ্ছিন্নতাবাদী নই, যেখানে প্রয়োজন সেখানে আমি সামরিক বাহিনী ব্যবহার করতে ভয় পাই না। কিন্তু এই সব দীর্ঘস্থায়ী বাজে যুদ্ধে বসে থেকে অর্থনীতিকে নিঃশেষ করার মানে কী - আর আমরা যদি থাকি বা চলে যাই, একই বাজে জিনিস ঘটবে: কিছুই না! তাই চলুন আমরা চলে যাই। আর মানুষ এই লোকটিকে ভালোবাসে যখন তিনি কথা বলেন, তার কথায় যুক্তি আছে।
** [[হাওয়ার্ড স্টার্ন]], ৭ জানুয়ারি ২০০৮ [http://wnd.com/news/article.asp?ARTICLE_ID=59580]
* কংগ্রেসম্যান রন পল সম্পর্কে সবচেয়ে মজার বিষয় হলো, আপনার একটি ধারাবাহিকভাবে নীতিগত সততা রয়েছে বলে মনে হয়। আহ, আমেরিকানরা সাধারণত এর পক্ষে যায় না...
** [[জন স্টুয়ার্ট]], ৪ জুন ২০০৭ [http://www.comedycentral.com/motherload/player.jhtml?ml_video=87974&ml_collection=&ml_gateway=&ml_gateway_id=&ml_comedian=&ml_runtime=&ml_context=show&ml_origin_url=%2Fextras%2Findecision2008%2Fvideos%2Fcandidates%2Findex.jhtml%3FplayVideo%3D87974&ml_playlist=&lnk=&is_large=true]
* আমি মনে করি না তিনি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হতে পারবেন, কিন্তু আমি মনে করি তিনিই একমাত্র ব্যক্তি যিনি সত্যিই মুদ্রানীতি, অর্থনৈতিক নীতি, রাষ্ট্রের সঠিক ভূমিকা এবং বিশ্বে যুক্তরাষ্ট্রের সঠিক ভূমিকা বোঝেন। অন্যদিকে, আমাদের চোখের সামনে পৃথিবী বেশ নাটকীয়ভাবে বদলে যাচ্ছে। আমি এই মুহূর্তে কোনো কিছুই উড়িয়ে দেব না। তবে আপনি যদি আমাকে জিজ্ঞাসা করেন কে ক্ষমতার সামনে সত্য বলছেন, তবে তিনি রন পল।
** ডেভিড স্টকম্যান, ১১ জুলাই ২০১০ [http://www.thedailybeast.com/blogs-and-stories/2010-07-11/reagan-budget-guru-david-stockman-on-obamas-shoddy-economic-team/]
* মিস্টার পল প্রেসিডেন্ট হতে যাচ্ছেন না। তিনি জাতীয় জরিপগুলোতে পিছিয়ে আছেন, এর একটি বড় কারণ হলো একটি কার্যকর পররাষ্ট্র নীতির অভাব তাকে আজকের সন্ত্রাসীদের বিশ্বে একজন অগুরুত্বপূর্ণ প্রার্থী করে তুলেছে... তার কিছু অদ্ভুত দৃষ্টিভঙ্গি (ধরুন, "উত্তর আমেরিকান ইউনিয়ন" তৈরির ষড়যন্ত্রে তার বিশ্বাস) এবং তার ভয়ংকর যুদ্ধবিরোধী কথা অন্যান্য প্রার্থীদের তাকে বাতিল করার সুযোগ করে দিয়েছে।
** কিম্বার্লি স্ট্রাসেল, ১৪ ডিসেম্বর ২০০৭ [http://opinionjournal.com/columnists/kstrasselpw/?id=110010994]
* সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সত্যিকারের যুদ্ধের গুরুতর সমর্থকদের এখন যে প্রশ্নটি জিজ্ঞাসা করা উচিত তা হলো: ইরাকে লড়াই চালিয়ে যাওয়া কি এই প্রবণতাটিকে বিপরীত করতে সাহায্য করবে নাকি আগামী কয়েক দশকের জন্য তা আরও পোক্ত করবে? যুদ্ধ কি আমাদের কম নিরাপদ এবং বিশ্বকে অনেক কম সুরক্ষিত করছে? প্রত্যাহার বা অব্যাহত সম্পৃক্ততা কি জিনিসগুলো ভালো করবে? আমার মনে হয়, অন্তত এই প্রশ্নটি ইরাক বিতর্কে টেবিলে থাকা উচিত। আর তবুও রিপাবলিকানরা - রন পল ছাড়া - এটি নিয়ে কথা বলতেও চায় না। যতদিন তারা তা না করবে, ততদিন তারা জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর কোনো দল নয়।
** [[অ্যান্ড্রু সুলিভান]], ১৬ মে ২০০৭ [http://andrewsullivan.theatlantic.com/the_daily_dish/2007/05/blowback.html]
* তার কাছে সবচেয়ে নতুন এবং সবচেয়ে পুরোনো প্রচারণার বার্তা রয়েছে: স্বাধীনতা গুরুত্বপূর্ণ। আমি এতে মোটেও অবাক হই না যে জিওপি এস্টাবলিশমেন্ট — যা এখন এই দেশে ব্যক্তিগত স্বাধীনতার বিরুদ্ধে সবচেয়ে শক্তিশালী শক্তিগুলোর একটি — তার বার্তা নিয়ে এতটাই আতঙ্কিত। তাদের আতঙ্কিত হওয়াই স্বাভাবিক।
** [[অ্যান্ড্রু সুলিভান]], ২৬ অক্টোবর ২০০৭ [http://andrewsullivan.theatlantic.com/the_daily_dish/2007/10/the-coming-ron-.html]
* ...তিনি ৯/১১-এর সন্ত্রাসী হামলার পক্ষে যুক্তি দিচ্ছেন এবং প্রকৃতপক্ষে তা সমর্থন করছেন, আমাদের পররাষ্ট্র নীতিতে এবং এখানে দেশের মাটিতে ও মধ্যপ্রাচ্যে আমরা যেভাবে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিচালনা করি তাতে প্রচুর ভুল খুঁজে বের করে, যা তিনি বিশ্বাস করেন হাজার হাজার নির্দোষ আমেরিকানকে হত্যার মতো সন্ত্রাসী হামলাকে ন্যায়সংগত প্রমাণ করে... আমরা যদি আমি যে নিবন্ধটি উল্লেখ করেছি তার প্রতি আমেরিকা-ঘৃণাকারী পলের সমর্থকদের প্রতিক্রিয়াগুলো পরীক্ষা করি, আমরা সেখানে কোনো মস্তিষ্ক খুঁজে পাব না, কেবল আবেগপূর্ণ লাথি পাব... পলের একজন ভক্ত মনে করেছিলেন যে পলই সবচেয়ে স্মার্ট প্রার্থী কারণ অন্য প্রার্থীদের মতো নয়, শত্রুকে পরাস্ত করতে তিনি প্রথমে শত্রুকে নিয়ে পড়াশোনা করতে এবং তাকে জানতে চান। না, কে স্মার্ট আর কে নয় তা নিয়ে কথা বললে, তিনি তার প্রতিপক্ষ রুডি গিউলিয়ানির ছায়ার কাছেও নেই। একজন ছন্নছাড়া ব্যক্তি গিউলিয়ানির সাথে তুলনীয় নয় যিনি পিছন ফিরে না তাকিয়ে জরিপগুলোতে এগিয়ে যাচ্ছেন। একজন কট্টর ভক্তকে হতাশ করার জন্য দুঃখিত... পল নিজেকে মার্কিন সংবিধানের একমাত্র প্রয়োগকারী বলে দাবি করেন। তার অনুসারীরা এটি বিশ্বাস করে প্রতারিত হয়। তিনি তা নন - তিনি সংবিধান লঙ্ঘনকারী না হলেও একজন অবমাননাকারী... উল্লেখ্য যে এই আইনের অধীনে, জাতিসংঘের প্রতি আমাদের আর্থিক বাধ্যবাধকতা, জাতিসংঘের আহ্বানে বিশ্বের সমস্যা জর্জরিত স্থানগুলোতে সৈন্য পাঠানো অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে সংবিধান দ্বারা বাধ্যতামূলক... এই দূর থেকে তার প্রতি আমার প্রাথমিক পরামর্শ এবং আমি আশা করি তার মুষ্টিমেয় অনুসারীরাও তা বুঝতে পারবে তা হলো, সংবিধান লঙ্ঘন করে জাতিসংঘকে আক্রমণ করে করদাতাদের চ্যাম্পিয়ন হিসেবে আপনি জনসাধারণের প্রশংসার জন্য তৃষ্ণার্ত হলেও জনসাধারণের উপহাসের পাত্র হবেন না। এটি কোনো অর্থ বহন করে না।
** এডউইন এ. সুমকাদ, জাতিসংঘে নিযুক্ত প্রাক্তন উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি, ৩০ জুন ২০০৭ [http://ronpaulforums.com/showthread.php?t=5469]
* "সৎ রাজনীতিক" বাক্যাংশটি একটি পরস্পরবিরোধী শব্দ; তবুও এই অর্থে যে পল কখনোই তার ঘোষিত নীতির বিরুদ্ধে ভোট দেন না -- যা লিবার্টারিয়ান এবং যার মধ্যে এই বিশ্বাস অন্তর্ভুক্ত রয়েছে যে আমাদের ফেডারেল সরকারের অনেকটাই, আইআরএস থেকে শুরু করে শিক্ষা বিভাগ পর্যন্ত, এবং তাদের সমর্থনকারী বিশাল করগুলো বাতিল করা উচিত -- বাক্যাংশটি তাকে বর্ণনা করে... একই বিশ্বাস যার কারণে তিনি কংগ্রেসে প্রতিটি বরাদ্দ বিলের বিরুদ্ধে ভোট দেন তা তার ব্যক্তিগত জীবনেও প্রসারিত। উদাহরণস্বরূপ, তিনি তার কংগ্রেসনাল পেনশন প্রত্যাখ্যান করতে চান। তিনি তার সন্তানদের ফেডারেল-ভর্তুকিযুক্ত শিক্ষা ঋণ নিতে দেননি। তিনি আসলে প্রতি বছর তার কংগ্রেসনাল অফিস থেকে অর্থ ফেরত দেন -- গত বছর প্রায় ৫০,০০০ ডলার।
** ''টেক্সাস মান্থলি'', অক্টোবর ২০০১ [http://www.texasmonthly.com/preview/2001-10-01/feature7]
* আমি রন পলের সাথে একমত, আমরা [[ইরাক|সেখানে]] মার্চ করে ঢুকেছিলাম, আমরা মার্চ করে বেরিয়ে আসতে পারি।
** [[জেসি ভেনচুরা]], ১ এপ্রিল ২০০৮ [http://www.huffingtonpost.com/2008/04/01/jesse-ventura-unloads-th_n_94565.html]
* তিনি পারলে রন পল সরকারের তিন-চতুর্থাংশ বাতিল করতেন, যার অর্থ হলো রন পল যা বলেন তার প্রায় তিন-চতুর্থাংশ "অবাস্তব স্বপ্নদর্শী" বিভাগে পড়ে। তার মানে এক-চতুর্থাংশ বাকি থাকে -- কিন্তু তার কর্মসূচির ওই ভগ্নাংশটুকু, কোনো শ্লেষ না করেই বলা যায়, অর্থের বিষয়ে সঠিক।
** নিকোলাস ভন হফম্যান, ৩১ জানুয়ারি ২০০৮ [http://www.thenation.com/doc/20080218/howl]
* কলোরাডোর প্রতিনিধি টম ট্যানক্রেডো, বর্তমান মার্কিন অভিবাসন নীতির সবচেয়ে স্পষ্টবাদী বিরোধী, ১৪ শতাংশ নিয়ে চতুর্থ স্থানে ছিলেন। উইসকনসিনের প্রাক্তন গভর্নর টমি জি. থম্পসন ৭ শতাংশ নিয়ে ষষ্ঠ স্থানে ছিলেন।
** ওয়াশিংটন পোস্ট, ১২ আগস্ট ২০০৭ [http://www.washingtonpost.com/wp-dyn/content/article/2007/08/11/AR2007081101382_2.html?hpid=topnews] (আরও দেখুন [http://www.lewrockwell.com/blog/lewrw/archives/017532.html])
* থমাস জেফারসন বেঁচে আছেন। তিনি রন পল।
** ডাগ উইড, ৭ জুলাই ২০১০ [http://www.youtube.com/watch?v=4RiBWVxbH8c]
* তার মুখপাত্রের পক্ষে শ্বেতাঙ্গ বর্ণবাদকে একটি "ছোট মতাদর্শ" বলা এবং দাবি করা যে শ্বেতাঙ্গ কর্মীরা পলকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করে তাদের "অর্থ অপচয়" করছে তা হাস্যকর। পল হলেন স্টর্মফ্রন্ট ধরনের একজন শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদী যিনি তার রাজনৈতিক অবস্থানের কারণে সবসময় তার বর্ণবাদী দৃষ্টিভঙ্গি এবং বিশ্ব ইহুদিবাদ সম্পর্কে তার দৃষ্টিভঙ্গি গোপন রেখেছেন।
** বিল হোয়াইট, ১৯ ডিসেম্বর ২০০৭ [http://lonestartimes.com/2007/12/19/rpb3/] [http://themedium.blogs.nytimes.com/2007/12/24/the-ron-paul-vid-lash/]
* ম্যাককেইন হলেন গতকালের ম্যাভেরিক। এটি হলো গুরুতর ম্যাভেরিকিজম, রন পল।
** [[জর্জ উইল]], ২৮ অক্টোবর ২০০৭ [http://rawstory.com/news/2007/George_Will_Ron_Pauls_serious_maverickism_1029.html]
* গিউলিয়ানি বাণিজ্য-সমর্থক। পল একজন বিচ্ছিন্নতাবাদী।
** [http://www.jb-williams.com/ জেবি উইলিয়ামস], ৯ নভেম্বর ২০০৭ [http://www.nationalledger.com/artman/publish/article_272617141.shtml]
* প্রতিষ্ঠাতারা যা জানতেন তা হলো আপনি যে কাউকে সেখানে বসাতে পারেন, আপনি তাদের অনিয়ন্ত্রিত ক্ষমতা দেবেন, আর তারা দানবে পরিণত হবে। আর সেকারণেই আমি ততটাই ভয় পাই যদি হিলারির কাছে ম্যাট ড্রাজকে বন্দি করার ক্ষমতা থাকে, যতটা গিউলিয়ানির কাছে এই ক্ষমতাগুলো থাকলে পেতাম... রন পল সবসময় এই বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলেছেন, আর এটি দেখতে আশ্চর্যজনক যে, তিনি বিপরীত পক্ষে আছেন, কিন্তু তিনি যা বলছেন তার প্রতি আমার অনেক সম্মান আছে। আর উভয় দলেরই এমন সমর্থকরা আছেন যারা তার ব্যাপারে আগ্রহী কারণ তিনি বলছেন যে, আমাদের সাম্রাজ্যের প্রয়োজন নেই, আসুন আমরা বিশ্বজুড়ে অন্যান্য জাতিকে নিপীড়ন করা ছেড়ে দিই এবং কেবল একটি প্রজাতন্ত্র হিসেবে থাকি।
** নাওমি উলফ, ৭ নভেম্বর ২০০৭ [http://www.youtube.com/watch?v=PITb4fHmbZ4]
* লবিস্টরা তার অফিসে যাওয়ারও কষ্ট করে না। যদি তাদের পরিকল্পনা সংবিধানের অধীনে ফেডারেল সরকারের উল্লিখিত ক্ষমতার মধ্যে না পড়ে, তবে তারা খুব ভালো করেই জানে যে রন পল এটিকে সমর্থন করার কোনো সুযোগ নেই।
** থমাস উডস, ২৬ মার্চ ২০০৭ [http://www.lewrockwell.com/woods/woods63.html]
* রন পল যখন বলেছিলেন যে মুদ্রাস্ফীতি হলো লুকানো কর, তখন আমি পর্দার দিকে তাকিয়ে চিৎকার করে বলেছিলাম, "তিনি ঠিক বলেছেন! অনুসরণ করুন: এটি একটি মূল মন্তব্য!" এর পরিবর্তে মডারেটর, অন্যান্য প্রার্থীরা এবং জনতা কেবল তার দিকে তাকিয়ে ছিল এবং সম্ভবত তাদের চিজ বার্গারের সাথে একটি বেকড আলু চেয়েছিল।
** গ্রেগ জ্যানেটি, ৭ নভেম্বর ২০০৭ [http://kob.com/article/stories/S249459.shtml?cat=500]
== আরও দেখুন ==
* [[মিল্টন ফ্রিডম্যান]]
* [[ফ্রিডরিখ হায়েক]]
* [[হ্যান্স-হারম্যান হোপ্পে]]
* [[কার্টিস ইয়ারভিন]]
== বহিঃসংযোগ ==
{{wikipedia}}
* [http://www.ronpaulquotes.com রন পলের কংগ্রেসনাল বক্তৃতা এবং বিবৃতি ১৯৯৮-২০০৯।]
[[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি সভার সদস্য]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৫-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:লিবার্টারিয়ান পার্টির (যুক্তরাষ্ট্র) রাজনীতিবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী, ২০১২]]
[[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী, ২০০৮]]
[[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী, ১৯৮৮]]
[[বিষয়শ্রেণী:রিপাবলিকান পার্টির (যুক্তরাষ্ট্র) রাজনীতিবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:যুদ্ধবিরোধী কর্মী]]
[[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের প্রাবন্ধিক]]
l7jjxhxx2fmzbhxs45cm4s5pk13jmq1
83379
83371
2026-05-04T09:29:23Z
Dr. Mosaddek Khondoker
2987
/* উদ্ধৃতি */
83379
wikitext
text/x-wiki
[[File:Ronpaul1.jpg|right|thumb|২০০৭ সালে রন পল]]
[[File:RonPaul5-19-07ATX-a-2661.jpg|right|thumb|ব্যক্তিগত নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি কেবল স্বাধীনতার ফলস্বরূপ আসতে পারে।]]
[[File:Ron_Paul_2007.jpg|right|thumb|আমরা দীর্ঘদিন ধরে অনেক কিছুর জন্য সরকারের ওপর নির্ভর করেছি। এর ফলে জনগণ হিসেবে আমরা আমাদের স্বাধীনতা সম্পর্কে কম সতর্ক হয়ে পড়েছি।]]
[[File:Flickr - The U.S. Army - Bulldogs show diversity, win top honors.jpg|right|thumb|নিজেদের সামনের দরজা খোলা রেখে বিদেশে সন্ত্রাসীদের সাথে যুদ্ধ করার কোনো মানে হয় না।]]
[[File:Declaration of Independence (1819), by John Trumbull.jpg|right|thumb|আমেরিকা পৃথিবীর সবচেয়ে নৈতিক জাতি। এটি নৈতিক নীতিগুলোর ওপর প্রতিষ্ঠিত।]]
[[File:B-2 Spirit original.jpg|right|thumb|সামরিক শক্তি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় আমাদের অবশ্যই নৈতিক নীতিগুলো প্রয়োগ করতে হবে।]]
[[File:Scene at the Signing of the Constitution of the United States.jpg|right|thumb|প্রায় সব রাজনৈতিক বিষয়ে আমেরিকার জনগণের অত্যন্ত বৈচিত্র্যময় মতামত রয়েছে। আর প্রতিষ্ঠাতারা চেয়েছিলেন বিভিন্ন রাজ্য সরকারগুলো সেই মতামতগুলোকে সবচেয়ে সঠিকভাবে প্রতিফলিত করুক।]]
[[File:Handcuffs01 2003-06-02.jpg|thumb|মাদক ব্যবহারকারীদের ১৪% হলো কৃষ্ণাঙ্গ। অথচ গ্রেপ্তার হওয়াদের মধ্যে ৩৬ শতাংশ কৃষ্ণাঙ্গ। আর শেষ পর্যন্ত যারা কারাগারে যায় তাদের ৬৩% হলো কৃষ্ণাঙ্গ। এটি পরিবর্তন করতে হবে।]]
[[File:Ferguson Day 6, Picture 44.png|right|thumb|মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অর্ধেকেরও বেশি মানুষ হলো দরিদ্র কৃষ্ণাঙ্গ। আমাদের দেশে বর্ণবাদের এই একটি জায়গা, একটি অবশিষ্টাংশ আদালত ব্যবস্থায় রয়ে গেছে। এটি মাদক আইন প্রয়োগ এবং মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার ক্ষেত্রে দেখা যায়।]]
[[File:Mitt Romney, 2006.jpg|right|thumb|কতজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে? ২০০-এর বেশি। আমি ভাবি তাদের মধ্যে কতজন সংখ্যালঘু ছিল? আপনারা জানেন, আপনি যদি ধনী হন, তবে সাধারণত আপনার মৃত্যুদণ্ড হবে না।]]
[[File:Seal of the United States Census Bureau.svg|thumb|আদমশুমারির সবচেয়ে খারাপ দিকগুলোর একটি হলো জাতি দ্বারা মানুষকে শ্রেণিবদ্ধ করার দিকে এর মনোযোগ। যখন সরকার আমাদের বলে যে তারা কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীকে সাহায্য করার জন্য তথ্য চায়, তখন তারা ধরে নেয় যে নির্দিষ্ট শারীরিক বৈশিষ্ট্যের অধিকারী প্রত্যেক ব্যক্তির একই আগ্রহ রয়েছে বা তারা সরকারের কাছ থেকে একই জিনিস চায়। এটি একটি অন্তর্নিহিতভাবে বর্ণবাদী এবং আপত্তিকর ধারণা।]]
[[File:Seal of the United States Census Bureau (B&W).png|thumb|অন্যান্য অনেক ফেডারেল নীতি ও কর্মসূচির মতো আদমশুমারি বর্ণবাদকে উসকে দেয়। এটি আমেরিকানদের ফেডারেল সুবিধার ভাগের জন্য একে অপরের সাথে লড়াই করা জাতিগত গোষ্ঠীর সদস্য হিসেবে নিজেদের দেখতে উৎসাহিত করে।]]
[[File:Diversity and Unity.jpg|thumb|একটি মুক্ত সমাজে প্রতিটি নাগরিক একটি গোষ্ঠী বা শিকার মানসিকতা গড়ে তোলার পরিবর্তে ব্যক্তি হিসেবে নিজের সম্পর্কে একটি ধারণা অর্জন করে। এটি ব্যক্তিগত দায়িত্ব এবং ব্যক্তিগত অহংকারের অনুভূতি তৈরি করে। এর ফলে গায়ের রং অপ্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠে। মূলত হৃদয়ের একটি পাপ সংশোধনের জন্য সরকারের দিকে তাকানোর পরিবর্তে, আমাদের বোঝা উচিত যে বর্ণবাদ কমানোর জন্য গোষ্ঠীগত চিন্তাভাবনা থেকে ব্যক্তিবাদের ওপর জোর দেওয়া প্রয়োজন।]]
[[File:Black and white handshake MOD 45148076.jpg|right|thumb|স্বাধীনতা মানে মুক্ত বাজার পুঁজিবাদ। এটি ব্যক্তিগত অর্জন এবং যোগ্যতাকে পুরস্কৃত করে। এটি গায়ের রং, লিঙ্গ বা জাতিসত্তাকে পুরস্কৃত করে না।]]
[[File:Bundesarchiv Bild 146-1969-054-53A, Nürnberg, Reichsparteitag.jpg|right|thumb|বর্ণবাদীরা বিশ্বাস করে যে একই বাহ্যিক শারীরিক বৈশিষ্ট্যের অধিকারী সমস্ত ব্যক্তি একরকম। সমষ্টিবাদী হিসেবে বর্ণবাদীরা কেবল গোষ্ঠীর পরিভাষায় চিন্তা করে।]]
[[File:Inmates Orleans Parish Prison.jpg|right|thumb|আমাদের দেশে বর্ণবাদের একমাত্র অবশিষ্টাংশ আদালত ব্যবস্থায় রয়ে গেছে। এটি মাদক আইন প্রয়োগ এবং মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার ক্ষেত্রে দেখা যায়।]]
[[File:1943 Colored Waiting Room Sign.jpg|right|thumb|সেটি প্রাচীন ইতিহাস। এটি অতীত হয়ে গেছে এবং শেষ হয়ে গেছে।]]
'''[[w:রন পল|রোনাল্ড আর্নেস্ট "রন" পল]]''' (জন্ম ২০ আগষ্ট ১৯৩৫) হলেন একজন আমেরিকান লেখক, কর্মী, চিকিৎসক এবং অবসরপ্রাপ্ত রাজনীতিবিদ। তিনি ১৯৭৬ থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত এবং আবার ১৯৭৯ থেকে ১৯৮৫ সাল পর্যন্ত [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি সভা|মার্কিন প্রতিনিধি]] হিসেবে কাজ করেছেন। তিনি [[w:টেক্সাসের ২২তম কংগ্রেশনাল জেলা|টেক্সাসের ২২তম কংগ্রেশনাল জেলার]] প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এরপর তিনি ১৯৯৭ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত [[w:টেক্সাসের ১৪তম কংগ্রেশনাল জেলা|টেক্সাসের ১৪তম কংগ্রেশনাল জেলার]] প্রতিনিধিত্ব করেছেন। তিনি তিনবার [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি]] হওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। তিনি [[w:লিবার্টারিয়ান পার্টি (যুক্তরাষ্ট্র)|লিবার্টারিয়ান পার্টির]] মনোনীত প্রার্থী হিসেবে [[w:রন পল ১৯৮৮ সালের রাষ্ট্রপতি প্রচার|১৯৮৮ সালে]] এবং [[w:রিপাবলিকান পার্টি (যুক্তরাষ্ট্র)|রিপাবলিকান পার্টির]] প্রার্থী হিসেবে [[w:রন পল ২০০৮ সালের রাষ্ট্রপতি প্রচার|২০০৮ সালে]] এবং [[w:রন পল ২০১২ সালের রাষ্ট্রপতি প্রচার|২০১২ সালে]] প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।
পল নিজেকে একজন [[w:সংবিধানবিদ|সংবিধানবিদ]] হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি [[w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল সরকার|ফেডারেল সরকারের]] [[w:রাজস্ব নীতি|রাজস্ব নীতিগুলোর]] সমালোচক। তিনি বিশেষ করে [[w:ফেডারেল রিজার্ভ|ফেডারেল রিজার্ভের]] অস্তিত্ব এবং [[w:কর নীতি|কর নীতির]] সমালোচনা করেন। এর পাশাপাশি তিনি [[w:সামরিক-শিল্প কমপ্লেক্স|সামরিক-শিল্প কমপ্লেক্স]], [[w:মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ|মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ]] এবং [[w:সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ|সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধেরও]] সমালোচক। তিনি [[w:প্যাট্রিয়ট অ্যাক্ট|ইউএসএ প্যাট্রিয়ট অ্যাক্ট]] এবং [[w:বৈশ্বিক নজরদারি প্রকাশ (২০১৩–বর্তমান)|এনএসএ নজরদারি কর্মসূচির]] মতো [[w:গণ নজরদারি|গণ নজরদারি]] নীতিগুলোরও একজন সোচ্চার সমালোচক ছিলেন। ১৯৭৬ সালে পল [[w:ফাউন্ডেশন ফর র্যাশনাল ইকোনমিক্স অ্যান্ড এডুকেশন|ফাউন্ডেশন ফর র্যাশনাল ইকোনমিক্স অ্যান্ড এডুকেশন]] (ফ্রি) গঠন করেন। ১৯৮৫ সালে তাকে রক্ষণশীল পিএসি [[w:সিটিজেনস ফর আ সাউন্ড ইকোনমি|সিটিজেনস ফর আ সাউন্ড ইকোনমির]] প্রথম চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনীত করা হয়। এই দুটিই ছিল [[w:মুক্ত-বাজার|মুক্ত-বাজার]] গোষ্ঠী। এগুলো [[w:সীমিত সরকার|সীমিত সরকারের]] ওপর নিবদ্ধ ছিল। তিনি সিনেটর [[র্যান্ড পল|র্যান্ড পলের]] বাবা।
== উক্তি ==
* যুদ্ধ জনপ্রিয় নয়। স্বল্প মেয়াদে এটি জনপ্রিয় মনে হতে পারে। যখন মনে হয় তাৎক্ষণিক বিজয় এসেছে এবং সবাই উল্লাস করছে, তখন এমন মনে হতে পারে। কিন্তু যুদ্ধ জনপ্রিয় নয়। '''যুদ্ধ জনপ্রিয় নয়। মানুষ নিহত হয় এবং বডি ব্যাগগুলো ফিরে আসে।''' যুদ্ধ খুব অজনপ্রিয়। আর এটি করা রাজনৈতিকভাবে বুদ্ধিমত্তার কাজ নয়।
** ''আ ফরেন পলিসি অফ ফ্রিডম: পিস, কমার্স, অ্যান্ড অনেস্ট ফ্রেন্ডশিপ'', পৃষ্ঠা ২০৬।
=== ১৯৮০-এর দশক ===
* আয়কর ছাড়া এমন একটি সরকার থাকতে পারে না। কিন্তু আমরা এমন একটি সরকার চাই না। এটি এমন ধরনের সরকার নয় যা দেশের প্রতিষ্ঠাতারা পরিকল্পনা করেছিলেন। এটি সংবিধানে লেখা ছিল না। ১৯১৩ সাল থেকে আমাদের কেবল একটি আয়কর রয়েছে। কিন্তু আপনি যদি একটি কল্যাণ রাষ্ট্র চান, আপনি যদি বিশ্বে পুলিশিং করতে চান এবং জাপান ও জার্মানির প্রতিরক্ষার জন্য অর্থ প্রদান করতে চান, তবে সোভিয়েত ইউনিয়নকে বিদেশি সহায়তা দিন। আপনার কেবল আয়করেরই প্রয়োজন নেই। যখন ঘাটতি জমা হয় তখন টাকা ছাপানোর জন্য আপনার ফেডারেল রিজার্ভেরও প্রয়োজন। তাই আমরা মনে করি যে সরকার ছোট হওয়া উচিত। সরকার ছোট হলে আপনার আয়করের প্রয়োজন নেই।
** https://www.youtube.com/watch?v=anmlPvmd1Ew
* একটি মুক্ত সমাজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো সহিংসতার সূচনার প্রত্যাখ্যান। এখানে ব্যক্তিগত অধিকারগুলোকে সর্বোচ্চ সম্মানে দেখা হয়। সমস্ত শক্তির সূচনা হলো অন্য কারও অধিকারের লঙ্ঘন। এটি কোনো ব্যক্তি বা রাষ্ট্র দ্বারা শুরু হোক না কেন, কোনো ব্যক্তি বা ব্যক্তিদের গোষ্ঠীর সুবিধার জন্য হোক না কেন। এমনকি এটি অন্য কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর সুবিধার জন্য বলে মনে করা হলেও এটি অধিকারের লঙ্ঘন। প্রতিরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় কেবল সহিংসতার বৈধ ব্যবহার হতে পারে।
** ''[http://www.dailypaul.com/taxonomy/term/21 ফ্রিডম আন্ডার সিজ]'' (১৯৮৭)।
* ওয়াশিংটনে আমাদের প্রতিনিধিদের নৈতিক এবং সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা হলো আমাদের স্বাধীনতা রক্ষা করা। বিশ্বকে আদর করা নয়, বিজয়ের সম্ভাবনা নেই এমন যুদ্ধ শুরু করা নয়। আর এগুলো আমাদের জনগণের জন্য দেউলিয়াত্ব এবং অর্থনৈতিক অস্থিরতা নিয়ে আসে।
** ''[http://www.ronpaullibrary.org/freedom_under_siege.php ফ্রিডম আন্ডার সিজ]'' (১৯৮৭)।
* ২০০ বছর পর, ব্যক্তির জীবন, স্বাধীনতা এবং সুখের সাধনার অধিকারের সাংবিধানিক সুরক্ষা প্রায় শেষ হয়ে গেছে। অধিকার বর্ণনাকারী আজকের বর্তমান পরিভাষাগুলো এই দুঃখজনক পরিবর্তনের প্রতিফলন ঘটায়। রাজনীতিবিদ এবং যারা বিশেষ সুযোগ-সুবিধা চান তাদের জন্য এগুলো উল্লেখ করা সাধারণ ব্যাপার। যেমন: কৃষ্ণাঙ্গ অধিকার, হিস্পানিক অধিকার, প্রতিবন্ধী অধিকার, কর্মচারী অধিকার, ছাত্র অধিকার, সংখ্যালঘু অধিকার, নারীর অধিকার, সমকামী অধিকার, শিশুর অধিকার, এশিয়ান-আমেরিকান অধিকার, ইহুদি অধিকার, এইডস শিকারদের অধিকার, দারিদ্র্য অধিকার, গৃহহীন অধিকার ইত্যাদি। এই সমস্ত পরিভাষা বাদ দেওয়া না হলে এবং আমরা কেবল ব্যক্তির অধিকার আছে বলে স্বীকৃতি না দিলে, আমরা যে বিশৃঙ্খলার মধ্যে রয়েছি তার সমাধান পাওয়া যাবে না। আমরা যত বেশি অধিকারের সংজ্ঞা নিয়ে অভাবে ভুগব, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সমস্যাগুলো তত খারাপ হবে।
** [https://web.archive.org/web/20111229190300/http://www.buzzfeed.com/ccbaxter/22-facts-that-dont-jibe-with-ron-paul-being-a-rac-41xp ''ফ্রিডম আন্ডার সিজ''] (১৯৮৭)।
* ...কেন আমেরিকান জনগণ সরকারি স্বাস্থ্য কর্মসূচির জন্য সামান্যতম বিবেচনা করবে। তারা চায় না সরকার তাদের অটোমোবাইল বা তাদের ভিডিওক্যাসেট রেকর্ডার বা তাদের খাবার সরবরাহ করুক। স্বাস্থ্যসেবা সরবরাহের সর্বোত্তম উপায় হলো একটি মুক্ত সমাজে আমরা যেভাবে সমস্ত পণ্য এবং পরিষেবা সরবরাহ করি।
** [http://www.youtube.com/watch?v=vjH9PoDpATI টেলিভিশন সাক্ষাৎকার] (১৯৮৭)।
* গরিব মানুষ কল্যাণ ব্যবস্থা থেকে সুবিধা পায় বলে মনে করা একটি ভুল। এটি সম্পূর্ণ একটি প্রতারণা। বেশিরভাগ কল্যাণ এই দেশের ধনীদের কাছে যায়: সামরিক-শিল্প কমপ্লেক্স, ব্যাংকার, বিদেশি স্বৈরশাসকদের কাছে যায়। এটি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের বাইরে। সরকারের কাছে এমন পরিষেবা বা পণ্য রয়েছে যা তারা দিতে পারে, এই ধারণাটি সম্পূর্ণ একটি প্রহসন। সরকারের কাছে কিছুই নেই। তারা কিছুই তৈরি করতে পারে না, তারা কখনো তৈরি করেনি। তারা কেবল একটি গোষ্ঠী থেকে চুরি করতে পারে এবং স্বাধীনতার নীতিগুলো ধ্বংস করে অন্য গোষ্ঠীকে দিতে পারে। আমাদের সেই ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করা উচিত।
** [http://www.youtube.com/watch?v=vjH9PoDpATI টেলিভিশন সাক্ষাৎকার] (১৯৮৭)।
* ১৯৮০ সালের পর থেকে কর রাজস্ব ৫৯ শতাংশ বেড়েছে। এটা কি আমাদের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির কারণে? না। কার্টারের চার বছরে আমাদের প্রবৃদ্ধি ছিল ৩৭.২ শতাংশ। রিগ্যানের পাঁচ বছর আমাদের ৩০.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি দিয়েছে। ১৯৮১ সালের পর থেকে চারটি বড় রিপাবলিকান কর বৃদ্ধির কারণে নতুন রাজস্ব এসেছে। সব রিপাবলিকান সঠিকভাবে কার্টারের ৩৮ বিলিয়ন ডলার ঘাটতির জন্য তাকে তিরস্কার করেছিলেন। কিন্তু তারা ২২০ বিলিয়ন ডলার ঘাটতি উপেক্ষা করেন বা সমর্থন করেন। রিগ্যান দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে সরকারি ব্যয় প্রতি বছর ১০.৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। আর ফেডারেল বেতনভোগী আমলাদের সংখ্যা আড়াই লাখ বেড়েছে। বড় সরকারকে এমনভাবে বৈধ করা হয়েছে যা ডেমোক্র্যাটরা কখনো করতে পারত না। ১৯৮৬ সালের নির্বাচনী প্রচারণায় রোনাল্ড রিগ্যানের কৃষি ভর্তুকি, কল্যাণ, যুদ্ধ ইত্যাদিতে তার উচ্চ ব্যয়ের বড়াই শোনাটা দুঃখজনক ছিল। আইআরএস আরও বড়, ধনী, শক্তিশালী এবং অহংকারী হয়ে উঠেছে। আমাদের দেশের প্রতিষ্ঠাতাদের [[w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র|কথায়]], আমাদের সরকার "আমাদের জনগণকে হয়রানি করতে এবং তাদের সম্পদ খেয়ে ফেলতে" কর আদায়কারীদের "ঝাঁক পাঠিয়েছে।" তার কর্মকর্তারা নির্দোষ [[w:জর্জ ভি. হ্যানসেন|জর্জ হ্যানসেনকে]] জেলে পাঠিয়েছেন। অথচ রাষ্ট্রপতি এই মহান আমেরিকানকে ক্ষমা করতে অস্বীকার করেছেন, যার একমাত্র অপরাধ ছিল সংবিধান রক্ষা করা। রিগ্যানের নতুন কর "সংস্কার" আইআরএসকে আরও ক্ষমতা দেয়। করগুলোকে আরও ন্যায্য বা সহজ করার পরিবর্তে, এটি প্রতারণামূলকভাবে সরকারের অপচয়ের জন্য আরও রাজস্ব বাড়ায়। আমি নিজেকে এমন নীতিগুলো থেকে পুরোপুরি আলাদা করতে চাই যা আমাদের নজিরবিহীন ঘাটতি, ব্যাপক মুদ্রাস্ফীতি, নির্বিচার সামরিক ব্যয়, একটি অযৌক্তিক ও অসাংবিধানিক বৈদেশিক নীতি, দ্রুত বর্ধনশীল বিদেশি সহায়তা, আন্তর্জাতিক ব্যাংকিংয়ের মহিমা এবং আমাদের ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও গোপনীয়তার ওপর আক্রমণ দিয়েছে।
** [http://www.textfiles.com/politics/ron_paul.txt আরএনসি চেয়ারম্যানের কাছে চিঠি] [[w:ফ্র্যাঙ্ক জে. ফারেনকপফ, জুনিয়র|ফ্র্যাঙ্ক ফারেনকপফ]] (মার্চ ১৯৮৭)।
* '''প্রশ্ন''': মাদক ব্যবসা বন্ধ করার ক্ষেত্রে আপনার সমাধান হলো বিশ্বের মাদকের কাছে হাল ছেড়ে দেওয়া। আমি বলি শূন্য সহনশীলতা, আমরা সাহায্যের জন্য [[w:মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ|সামরিক বাহিনী ব্যবহার করি]], আমরা এটিকে দেশে প্রবেশ করা থেকে আটকাই, আমরা উৎস থেকেই এটি বন্ধ করে দিই। সেই লড়াইয়ে হাল ছাড়বেন কেন?<br>'''রন পল''': আমরা একটি সামাজিক ও চিকিৎসা সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে স্বৈরতান্ত্রিক পদ্ধতির হাল ছেড়ে দিই। আর '''আমরা সমস্যা সমাধানের জন্য [[w:স্বেচ্ছাসেবকবাদ (রাজনীতি)|স্বেচ্ছাসেবকবাদ]], স্ব-দায়িত্ব, পরিবার, বন্ধুবান্ধব এবং গির্জার ধারণাটিকে সমর্থন করি। আমরা এমনটা বলি না যে কোনো একচেটিয়া সরকার আপনাকে নিজের যত্ন নিতে এবং আরও ভালো মানুষ হতে বাধ্য করবে'''। এটি একটি হাস্যকর ধারণা। এটি কখনো কাজ করেনি, কখনো কাজ করবে না। সরকার আপনাকে আরও ভালো মানুষ বানাতে পারে না। এটি আপনাকে ভালো অভ্যাস অনুসরণ করতে বাধ্য করতে পারে না। তারা আপনাকে কেন ডায়েটে রাখে না? আপনার ওজন কিছুটা বেশি, এবং আমার মনে হয় আপনার সরকারি সাহায্য প্রয়োজন!
** ''দ্য [[w:মর্টন ডাউনি, জুনিয়র|মর্টন ডাউনি জুনিয়র]] শো'', ৪ জুলাই ১৯৮৮ [https://www.youtube.com/watch?v=GCxDrfs4GtM&t=854 ''youtube.com'']
=== ১৯৯০-এর দশক ===
* '''আমরা দীর্ঘদিন ধরে অনেক কিছুর জন্য সরকারের ওপর নির্ভর করেছি। এর ফলে জনগণ হিসেবে আমরা আমাদের স্বাধীনতা সম্পর্কে কম সতর্ক হয়ে পড়েছি।''' যতদিন সরকার সংখ্যাগরিষ্ঠের জন্য [[w:বিপুল দান|দান]] প্রদান করবে, ততদিন বিশেষ স্বার্থান্বেষী লবিস্টরা কল্যাণ কর্মসূচির পুনর্বণ্টন চালিয়ে যেতে সফল হবে। এটি কংগ্রেসের আইনী সময়ের বেশিরভাগ দখল করে।
** প্রতিনিধি সভায় ভাষণ, ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৯৭
* [[w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বাধ্যতামূলক সামরিক চাকরি|খসড়াকে]] দাসত্ব এবং অনৈচ্ছিক দাসত্ব বলা উচিত।<br>'''হাওয়ার্ড ফিলিপস''': এটি [[w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী|১৩শ সংশোধনী]] লঙ্ঘন করে। এটি অনৈচ্ছিক দাসত্ব নিষিদ্ধ করে।<br>'''রন পল''': হ্যাঁ। যে যুক্তিটি আমি সবসময় সবচেয়ে বেশি অপছন্দ করেছি তা হলো, আপনার বয়স ১৮ বছর হলে আপনি আপনার দেশের কাছে ঋণী। আমি সবসময় ভেবেছি কেন ৫৮ বছর বয়সী একজন লোক যার দশ লাখ টাকা আছে এবং যে চাকরি করেনি, সে কেন এই দেশের কাছে বেশি ঋণী নয়? হয়তো তার সামনের সারিতে থাকা উচিত। ১৮ বছর বয়সী এখনো কিছু পায়নি, আর তাকে গিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিতে হবে।
** [[w:কনজারভেটিভ রাউন্ডটেবিল|কনজারভেটিভ রাউন্ডটেবিল]], মে ১৯৯৭ [https://www.youtube.com/watch?v=_suZvyB69YM]
* সংখ্যালঘু মালিকানাধীন বেশিরভাগ নির্মাণ প্রতিষ্ঠান ছোট কোম্পানি হওয়ার কারণে, ডেভিস-বেকন আইন সংখ্যালঘু মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোকে ফেডারেল নির্মাণ চুক্তির জন্য প্রতিযোগিতা করা থেকে বিরত রাখে। কর্মসংস্থানের এই বৈষম্য ইতিবাচক পদক্ষেপের চাহিদা তৈরি করে। এটি আরেকটি অনুপযুক্ত এবং অনুচিত বড় সরকারি কর্মসূচি। '''ডেভিস-বেকনের বর্ণবাদী প্রভাবগুলো কেবল কাকতালীয় নয়। আসলে, প্রতিনিধি ক্লেটন অলগুডের মতো ডেভিস-বেকনের অনেক মূল সমর্থক নির্মাণ শিল্প থেকে সস্তা রঙিন শ্রম দূরে রাখার উপায় হিসেবে ডেভিস-বেকন সমর্থন করার বড়াই করেছিলেন।'''
**[https://web.archive.org/web/20120119214747/http://www.ronpaularchive.com/1997/10/repeal-of-the-davis-bacon-law/ ''রিপিল অফ দ্য ডেভিস-বেকন ল''] (২৩ অক্টোবর ১৯৯৭)।
* মুহূর্তের আবেগে মানুষ প্রায়শই বেপরোয়া কথা বলে এবং কাজ করে। ব্যক্তির জন্য এর গভীর পরিণতি হতে পারে। কিন্তু যখন একজন একক ব্যক্তি দুঃখের মুখে আবেগের বশবর্তী হয়ে অযৌক্তিকভাবে কাজ করে, তখন এর পরিণতি কেবল সেই ব্যক্তি এবং তার পরিবারকেই বহন করতে হয়। কিন্তু যখন সরকার কোনো ট্র্যাজেডির প্রতিক্রিয়ায় বেপরোয়া আচরণ করে, তখন এর পরিণতি সবাই অনুভব করতে পারে। রাজনীতিবিদরা এতে জড়ালে এটি বিশেষ করে সত্য হয়। '''আমরা ১৯৯৬ সালের জুলাই মাসের কথা স্মরণ করতে পারি। তখন কয়েকশো মানুষ বহনকারী একটি বিমান হঠাৎ এবং রহস্যজনকভাবে লং আইল্যান্ডের উপকূলে বিধ্বস্ত হয়েছিল। কয়েক দিনের মধ্যে কংগ্রেস ব্যয়বহুল নতুন নিরাপত্তা ব্যবস্থার আহ্বান জানিয়ে জরুরি আইন পাস করেছিল। এর মধ্যে একটি বিতর্কিত "স্ক্রিনিং" পদ্ধতি অন্তর্ভুক্ত ছিল। এই পদ্ধতি এয়ারলাইনগুলোকে কেবল এমন যাত্রীদের আটকে রাখার আহ্বান জানায় যারা নির্দিষ্ট মানদণ্ড পূরণ করে। এটি বর্ণবাদী এবং জেনোফোবিকের কাছাকাছি।'''
** [https://web.archive.org/web/20120119215614/http://www.ronpaularchive.com/1998/01/emotion-should-never-dictate-policy/ ''ইমোশন শুড নেভার ডিকটেট পলিসি''] (১২ জানুয়ারি ১৯৯৮)।
:'''রন পল''': আগামীকালের জন্য আমার একটি প্রস্তুত বিবৃতি রয়েছে। এতে আমি রাষ্ট্রপতির করা একটি অনেক বেশি গুরুতর কাজের সমাধান করি। আর তা হলো সুদান এবং আফগানিস্তানে অবৈধ বোমা হামলা। কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়াই এতে ৭০ কোটি ডলার ব্যয় করা হয়েছে।<br>
:'''রিপোর্টার''': আপনি কি এটিকে বিশেষভাবে বিরক্তিকর মনে করেন?<br>
:'''রন পল''': এটি কেবল বিরক্তিকর নয়, এটি অবৈধ, এটি অসাংবিধানিক, এটি যুদ্ধের একটি কাজ। আর বর্তমানে অভিশংসনের বিষয়ে যা কিছু আলোচনা হচ্ছে তার চেয়ে এটি অনেক বেশি গুরুতর বিষয়।<br>
:'''রিপোর্টার''': কিন্তু এটি কি জাতীয় নিরাপত্তার বিষয় নয়?<br>
:'''রন পল''': জাতীয় নিরাপত্তার সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই! আসলে, <b>এটি হতে দেওয়ার মাধ্যমে আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা আরও বিপন্ন হয়। কারণ, এটি যুদ্ধ শুরু করার সম্ভাবনা রয়েছে। এর ফলে আমাদের সামরিক বাহিনীর সদস্যরা নিহত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর কারণে সন্ত্রাসীদের দ্বারা আমাদের ওপর আরও হামলার সম্ভাবনা রয়েছে।</b><br>
:'''রিপোর্টার''': আপনি অভিশংসনের বিষয়ে কীভাবে ভোট দেবেন?<br>
:'''রন পল''': আমি অভিশংসনের পক্ষে ভোট দেব।<br>
:'''রিপোর্টার''': চারটে অনুচ্ছেদের জন্যই?<br>
:'''রন পল''': হ্যাঁ। তবে নিরুৎসাহের সাথে কারণ আমি বিশ্বাস করি অভিযোগগুলো অনেক বেশি মৃদু। আমি যে বিষয়গুলোতে স্পর্শ করতে চাই সেগুলো স্পর্শ করা হয়নি। <b>আমি চাই কংগ্রেস রাষ্ট্রপতিদের যুদ্ধ পরিচালনার বিষয়টি সমাধান করুক। মনিকা লিউইনস্কির চেয়ে আমার কাছে এটি অনেক বেশি গুরুতর। আমাকে বলতে দিন।</b>
** রাষ্ট্রপতি ক্লিনটনের অভিশংসন সংক্রান্ত সংবাদ সম্মেলন, ১৯৯৮।
* ...কয়েক বছর আগে, ১৯৮০-এর দশকে, বিশ্বে শান্তি এবং গণতন্ত্র আনার প্রচেষ্টায় আমরা [[w:মুজাহিদ|আফগানিস্তানের মুক্তিযোদ্ধাদের]] সহায়তা করেছিলাম। আর আমাদের অসীম প্রজ্ঞায় আমরা [[বিন লাদেন|বিন লাদেনকে]] অর্থ, প্রযুক্তি এবং প্রশিক্ষণ দিয়েছিলাম। আর এখন, এই বছর, আমরা ঘোষণা করেছি যে [[w:১৯৯৮ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস বোমা হামলা|আফ্রিকায় বোমা হামলার]] জন্য বিন লাদেন দায়ী ছিল। তাহলে আমাদের প্রতিক্রিয়া কী, কারণ আমরা আমাদের রাষ্ট্রপতিকে খুব সহজেই যুদ্ধ চালিয়ে যেতে দিই? রাষ্ট্রপতির প্রতিক্রিয়া কী ছিল? কেউ কেউ এমনও বলেন যে এটি জাতীয় নিরাপত্তার কারণ ছাড়া অন্য কোনো কারণে হতে পারে। তাই তিনি গিয়ে আফগানিস্তানে [[w:আফগানিস্তান ও সুদানে বোমা হামলা (আগস্ট ১৯৯৮)|বোমা হামলা]] করেন। তিনি গিয়ে সুদানে বোমা হামলা করেন। আর এখন রেকর্ড দেখায় যে খুব সম্ভবত [[w:আল-শিফা ফার্মাসিউটিক্যাল কারখানা|সুদানের ফার্মাসিউটিক্যাল কারখানাটি]] ঠিক তা-ই ছিল, একটি ফার্মাসিউটিক্যাল কারখানা। আমার সহকর্মীরা জানেন, এই বিলের শেষে আমরা একটি ইঙ্গিত পাই কেন আমরা মানবিক কারণে [[w:রুয়ান্ডা গণহত্যা|রুয়ান্ডায়]] যাই না। আমার মনে হয় এর সাথে অর্থের কোনো সম্পর্ক আছে, এবং আমার মনে হয় এর সাথে তেলের কোনো সম্পর্ক আছে। তারা পশ্চিমা দেশগুলোর কাছে [[সাদ্দাম হোসেন|সাদ্দাম হোসেনের]] পাওনা অর্থ পরীক্ষা করতে এবং ব্যবস্থা নিতে বলছে। কার কাছে পাওনা? তারা আমার কাছে কোনো টাকা পাওনা নয়। তবে আমি বাজি ধরতে পারি যে নিউইয়র্কে এমন অনেক ব্যাংক রয়েছে যারা অনেক টাকা পাওনা। আর এটি লক্ষ্যগুলোর একটি। <br/> [[w:ডানা রোরবাচার|'''ডানা রোরবাচার''']]: এই রেজোলিউশনটি ঠিক সঠিক সূত্র। গণতন্ত্রকে সমর্থন করুন। স্বৈরতন্ত্রের বিরোধিতা করুন। আগ্রাসন এবং দমন-পীড়নের বিরোধিতা করুন। আমাদের ভুক্তভোগীদের শক্তিশালী করা উচিত যাতে তারা নিজেদের রক্ষা করতে পারে। এই জিনিসগুলো আমেরিকার দর্শনের সাথে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ, এবং এটি একটি বাস্তববাদী পদ্ধতিও। মুজাহিদদের প্রতি আমাদের সমর্থন সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন ঘটিয়েছিল। হ্যাঁ, এর জন্য একটি মূল্য দিতে হয়েছিল। কারণ সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর আমরা চলে এসেছিলাম। আর আমরা মুজাহিদদের সেই উপাদানগুলোকে সমর্থন করিনি যারা কিছুটা স্বাধীনতা এবং পশ্চিমা মূল্যবোধের পক্ষে ছিল। যারা এই স্বাধীনতাপন্থী বৈদেশিক নীতির প্রচেষ্টার বিরোধিতা করে, তারা আমাদের আফগানিস্তানের সেই যুদ্ধ থেকে দূরে থাকতে বলত। তারা কখনোই বিশ্বের বিভিন্ন অংশে সোভিয়েত আগ্রাসনের মোকাবিলা করত না। মিস্টার স্পিকার, ভদ্রলোক কি মনে করেন না যে, যারা ইরাকে তাদের একনায়কতন্ত্রের বিরুদ্ধে স্বাধীনতার জন্য লড়াই করছে তাদের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া আমাদের জন্য সঠিক নয়? <br/> '''রন পল''': মিস্টার স্পিকার, আমার সময় ফিরে পেয়ে আমি বলি, আমার মনে হয় এটি করা একেবারেই সঠিক হবে, যতক্ষণ না এটি ভদ্রলোকের মানিব্যাগ থেকে আসে। আমরা এই দেশের কোনো করদাতার মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে টাকা বের করে আনব না এবং বলব না, দেখুন, বিন লাদেন একজন দুর্দান্ত লোক। আমি আপনার আরও টাকা চাই। ১৯৮০-এর দশকে আমরা এটাই করেছিলাম। কংগ্রেস এটাই করেছিল। তারা করদাতাদের কাছে গিয়েছিল, তাদের মাথায় বন্দুক ঠেকিয়েছিল এবং বলেছিল, আপনি টাকা দিন, কারণ আমরা মনে করি বিন লাদেন একজন মুক্তিযোদ্ধা। <br/> '''ডানা রোরবাচার''': ঠিক আছে, ভদ্রলোক যদি আরও কিছু মেনে নেন, তবে এটি সঠিকভাবে পরিচালিত হয়নি। <br/> '''রন পল''': মিস্টার স্পিকার, আবার আমার সময় ফিরে পেয়ে বলি, নীতিটি ত্রুটিপূর্ণ। নীতিটি ত্রুটিপূর্ণ।
** [[w:ইরাক লিবারেশন অ্যাক্ট|ইরাক লিবারেশন অ্যাক্ট ১৯৯৮]] নিয়ে বিতর্ক, ৫ অক্টোবর ১৯৯৮ [http://www.house.gov/paul/congrec/congrec98/cr100598.htm]
* ইরাকে আমাদের বোকামিপূর্ণ নীতি মার্কিন ভূখণ্ডের ওপর সন্ত্রাসী হামলাকে আমন্ত্রণ জানায়। এটি ইসলামি মৌলবাদীদের আমাদের বিরুদ্ধে উসকে দেয়।
** মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি সভা, ২ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৯ [https://www.youtube.com/watch?v=hd8jPKwArsM]
* যখন একজন ব্যক্তি যুদ্ধ শুরু করতে পারে, তার সংজ্ঞা অনুযায়ী, তখন আর কোনো প্রজাতন্ত্রের অস্তিত্ব থাকে না।
** ''ওয়ার পাওয়ার অথরিটি শুড বি রিটার্নড টু কংগ্রেস'', ৯ মার্চ ১৯৯৯ [http://www.house.gov/paul/congrec/congrec99/cr030999.htm]
* গর্ভপাত ইউথানাসিয়ার দিকে নিয়ে যায়। আমি তা বিশ্বাস করি।
** কংগ্রেসের উদ্দেশ্যে ভাষণ, ২৭ অক্টোবর ১৯৯৯। ''কংগ্রেশনাল রেকর্ড খণ্ড ১৪৫, পার্ট ১৯, ২৬ অক্টোবর ১৯৯৯ থেকে ৩ নভেম্বর ১৯৯৯।''
* অর্থ এবং ঋণের বৃদ্ধি সঞ্চয় এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি উভয়কেই ছাড়িয়ে গেছে। এই মুদ্রাস্ফীতির চাপগুলো সম্পদের দামে কেন্দ্রীভূত হয়েছে, ভোক্তা মূল্যস্ফীতিতে নয়। এটি মুদ্রানীতিকে খুব সহজ করে রেখেছে। সম্পদের দামের এই বৃদ্ধি অভ্যন্তরীণ ঋণ এবং ব্যয়কে ইন্ধন জুগিয়েছে। সরকারি নীতি এবং সিকিউরিটাইজেশন বৃদ্ধি মূলত এই বুদবুদের জন্য দায়ী। ফেডারেল রিজার্ভের শিথিল মুদ্রানীতি ছাড়াও, সরকার-স্পন্সরকৃত এন্টারপ্রাইজ ফ্যানি মে এবং ফ্রেডি ম্যাক সমস্যাটিতে অবদান রেখেছে। ১৯৯৭ থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত তাদের ব্যালেন্স শিট চারগুণ বৃদ্ধি পাওয়ায় ১৯৯৮ সালে নতুন বাড়ি ঋণ দেড় ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি হয়েছে। এর দুই-তৃতীয়াংশ ছিল পুনঃঅর্থায়ন যা গড়ে গ্রাহকদের পকেটে অতিরিক্ত ১৫ হাজার ডলার দিয়েছে। এটি পৃথক প্রতিষ্ঠানের জন্য ঝুঁকি কমায় এবং সামগ্রিকভাবে সিস্টেমের জন্য ঝুঁকি বাড়ায়।
** ''কনফারেন্স রিপোর্ট অন এস. ৯০০, গ্রাম-লিচ-ব্লাইলি অ্যাক্ট'', ৮ নভেম্বর ১৯৯৯ [http://www.house.gov/paul/congrec/congrec99/cr110899-glb.htm]
===২০০০-এর দশক===
====২০০১-২০০৫====
* শুভ সকাল, মিস্টার [[অ্যালান গ্রিনস্প্যান|গ্রিনস্প্যান]]। আমি বুঝতে পেরেছি যে আপনি গত শরতে আমার বন্ধুত্বপূর্ণ পরামর্শ গ্রহণ করেননি। আমি ভেবেছিলাম হয়তো আপনার অন্য কোনো কাজ খোঁজা উচিত, কিন্তু আমি দেখতে পাচ্ছি আপনি আপনার চাকরি রেখে দিয়েছেন।
** মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি সভার আর্থিক পরিষেবা কমিটির সামনে শুনানি, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০০০ [http://commdocs.house.gov/committees/bank/hba62930.000/hba62930_0.HTM#53]
* ডাক্তার, নিয়োগকর্তা বা ব্যাংকারদের সাথে তাদের সম্পর্কের ওপর গুপ্তচরবৃত্তি করে সমস্ত আমেরিকানদের অপরাধী হিসেবে আচরণ করার কোনো অধিকার ফেডারেল সরকারের নেই।
** [http://www.house.gov/paul/congrec/congrec2000/ss051800.htm সাবকমিটি অন গভর্নমেন্ট ম্যানেজমেন্ট, ইনফরমেশন অ্যান্ড টেকনোলজি] (১৮ মে ২০০০)।
* '''প্রতিষ্ঠাতাদের কল্পনা করা একটি মুক্ত সমাজে, স্কুলগুলো বাবা-মায়ের কাছে দায়বদ্ধ থাকে, ফেডারেল আমলাদের কাছে নয়'''।
** কংগ্রেশনাল এডুকেশন প্ল্যান নিয়ে বিবৃতি, ২৩ মে ২০০১ [http://www.house.gov/paul/congrec/congrec2001/cr052301.htm]
* সবশেষে, ইরাকে যুদ্ধের বিরুদ্ধে একটি বাধ্যতামূলক নৈতিক যুক্তি রয়েছে। সামরিক শক্তি কেবল আত্মরক্ষার জন্যই ন্যায়সঙ্গত। নগ্ন আগ্রাসন হলো স্বৈরশাসক এবং দুর্বৃত্ত রাষ্ট্রগুলোর কাজ। এটি একটি নতুন "প্রিএমপ্টিভ ফার্স্ট স্ট্রাইক" মতবাদের বিপদ। আমেরিকা পৃথিবীর সবচেয়ে নৈতিক জাতি। এটি নৈতিক নীতিগুলোর ওপর প্রতিষ্ঠিত। সামরিক শক্তি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় আমাদের অবশ্যই নৈতিক নীতিগুলো প্রয়োগ করতে হবে।
** [http://www.house.gov/paul/congrec/congrec2002/cr090402.htm মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি সভা] (৪ সেপ্টেম্বর ২০০২)।
* যুদ্ধের সময় দেশীয় নিরাপত্তার দাবি করা নাগরিক স্বাধীনতা এবং গোপনীয়তার অধিকার রক্ষার ক্ষেত্রে অসতর্কতাকে আমন্ত্রণ জানায়। প্রায়শই লোকেরা কেবল কর্তৃত্ববাদের বেদিতে তাদের স্বাধীনতা উৎসর্গ করতে খুব বেশি আগ্রহী থাকে। তারা মনে করে নিরাপদ এবং সুরক্ষিত থাকার জন্য এটি প্রয়োজনীয়। সন্ত্রাসীদের থেকে নিজেদের রক্ষা করার সময় আমরা যদি স্বেচ্ছায় আমাদের লালিত কিছু স্বাধীনতা ছেড়ে দিই, তবে সন্ত্রাসীদের কাছে এর চেয়ে আনন্দের আর কিছুই হবে না।
** মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি সভা, ১২ সেপ্টেম্বর ২০০১ [http://www.house.gov/paul/congrec/congrec2001/cr091201.htm]
* আমরা যদি শত্রুকে সংজ্ঞায়িত করতে না পারি বা না করি, তবে এমন যুদ্ধ করার ব্যয় অন্তহীন হবে। আমরা কতজন আমেরিকান সৈন্য হারাতে প্রস্তুত? আমরা কত টাকা খরচ করতে প্রস্তুত? আমাদের দেশে এবং অন্য দেশে কত নিরপরাধ বেসামরিক মানুষকে আমরা নিহত হতে দেখতে ইচ্ছুক? আমরা কতজন আমেরিকান বেসামরিক মানুষকে বিপন্ন করব? আমরা আমাদের নাগরিক স্বাধীনতার কতটা ছেড়ে দিতে প্রস্তুত? আমরা কতটা সমৃদ্ধি বিসর্জন দেব? আমি রাষ্ট্রপতি বুশকে সমর্থন করি এবং এই দেশকে রক্ষা করার দায়িত্ব পালনের জন্য কর্তৃত্ব এবং অর্থের পক্ষে ভোট দিয়েছিলাম। তবে মৃত্যু এবং ধ্বংসের মাত্রা এবং বৃদ্ধির সম্ভাবনাগুলো অবশ্যই সতর্কতার সাথে বিবেচনায় নিতে হবে।
** মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি সভা, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০০১ [http://www.house.gov/paul/congrec/congrec2001/cr092501.htm]
* আমাদের ফেডারেল সরকার একটি অত্যন্ত সীমিত সাংবিধানিক প্রজাতন্ত্র হিসেবে কাজ করার উদ্দেশ্যে তৈরি হয়েছিল। এর পরিবর্তে এটি কার্যত সমাজতান্ত্রিক লেভিয়াথানে পরিণত হয়েছে যা ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডলার পুনর্বণ্টন করে। অগণিত বিশেষ স্বার্থান্বেষী মহল যখন অর্থের জন্য লড়াই করে তখন আমরা অবাক হতে পারি না। প্রচারাভিযানে অর্থের সমস্যার একমাত্র সত্যিকারের সমাধান হলো একটি সঠিক সাংবিধানিক সরকারে ফিরে আসা যা অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণ করে না। বড় সরকার এবং প্রচারাভিযানের বড় অর্থ একে অপরের সাথে যুক্ত।
** ''[http://www.house.gov/paul/tst/tst2002/tst020402.htm হোয়াই ইজ দেয়ার সো মাচ মানি ইন পলিটিক্স?]'' (৪ ফেব্রুয়ারি ২০০২)।
* দীর্ঘ প্রতীক্ষিত "ক্যাম্পেইন ফাইন্যান্স রিফর্ম" ভোটটি অবশেষে গত সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। প্রতিনিধি সভা শেষ পর্যন্ত ব্যবস্থাটি পাস করেছে। বিতর্কটি দুর্নীতি পরিষ্কার করার বিষয়ে কপট এবং উচ্চ-মনা কথায় পূর্ণ ছিল। আর এগুলো বলছিলেন উভয় দলের সেই রাজনীতিবিদরাই যারা কর্পোরেট ভর্তুকি এবং কল্যাণমূলক শুকরের মাংসে কোটি কোটি ডলার বিতরণ করেন। বড় অঙ্কের ব্যয় করা, চিরস্থায়ী ক্ষমতায় থাকা রাজনীতিবিদদের এই যুক্তি দেওয়া দেখতে বেশ দর্শনীয় ছিল যে নিজেদের থেকে নিজেদের রক্ষা করার জন্য নতুন আইনের প্রয়োজন!
** ''[http://www.ronpaullibrary.org/document.php?id=240 ডোন্ট বিলিভ দ্য হাইপ- "ক্যাম্পেইন ফাইন্যান্স রিফর্ম" সার্ভস এন্ট্রেঞ্চড ইন্টারেস্টস]'' (১৮ ফেব্রুয়ারি ২০০২)।
* আমরা খুব কমই শুনতে পাই যে ইরাক কখনো যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কোনো আগ্রাসন চালায়নি। গত ১২ বছর ধরে একটানা বোমা হামলা এবং লাখ লাখ শিশুর মৃত্যুর জন্য দায়ী নিষেধাজ্ঞা চাপিয়ে ইরাকের বিরুদ্ধে আমাদের আগ্রাসন নিয়ে গণমাধ্যমে কেউ প্রশ্ন তোলে না। কেবল স্বৈরশাসকরাই জনগণের সম্মতি ছাড়া কোনো জাতিকে যুদ্ধে নিয়ে যেতে পারে। কংগ্রেসের যুদ্ধ ঘোষণা ছাড়া ইরাকের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত যুদ্ধ অবৈধ। এটি বুদ্ধিহীনতার কাজ। কারণ এর ফলে অনেক অপ্রত্যাশিত পরিণতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এটি অনৈতিক এবং অন্যায্য। কারণ মার্কিন নিরাপত্তার সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই এবং ইরাক আমাদের বিরুদ্ধে আগ্রাসন শুরু করেনি। আমাদের বুঝতে হবে যে যখন আমরা বাণিজ্যিক স্বার্থের দ্বারা চালিত এবং কংগ্রেস কর্তৃক সাংবিধানিকভাবে অনুমোদিত নয় এমন একটি বড় সংঘাতের ঝুঁকি নিই, তখন আমেরিকান জনগণ কম সুরক্ষিত হয়ে পড়ে। এই পরিস্থিতিতে বিজয় সবসময় অধরা থেকে যায় এবং অপ্রত্যাশিত পরিণতি অনিবার্য।
** [http://www.house.gov/paul/congrec/congrec2002/cr022602.htm ''বিফোর উই বম্ব ইরাক''] (২৬ ফেব্রুয়ারি ২০০২)।
* পুঁজিবাদের নিন্দা করা উচিত নয়, কারণ আমাদের কখনো পুঁজিবাদ ছিল না। পুঁজিবাদের একটি ব্যবস্থায় মজবুত অর্থ থাকে। কোনো কেন্দ্রীয় ব্যাংক দ্বারা কারসাজি করা ফিয়াট অর্থ থাকে না। পুঁজিবাদ স্বেচ্ছামূলক চুক্তি এবং সুদের হারকে মূল্যায়ন করে যা সঞ্চয় দ্বারা নির্ধারিত হয়। এটি কেন্দ্রীয় ব্যাংক দ্বারা তৈরি ঋণ নয়। একীভূতকরণ, অধিগ্রহণ এবং স্টক বিক্রয় সম্পর্কিত অবোধ্য নিয়ম, এর পাশাপাশি [[মজুরি]] নিয়ন্ত্রণ, [[মূল্য নিয়ন্ত্রণ]], সুরক্ষাবাদ, কর্পোরেট ভর্তুকি, বাণিজ্যের আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাপনা, জটিল ও শাস্তিমূলক কর্পোরেট কর, সামরিক-শিল্প কমপ্লেক্সকে বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত সরকারি চুক্তি, এবং কর্পোরেট স্বার্থ ও বিদেশি বিনিয়োগ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত একটি বৈদেশিক নীতি। এই সব মিলিয়ে একে পুঁজিবাদ বলা যায় না! এর সাথে যোগ করুন কৃষি, শিক্ষা, চিকিৎসা, বীমা, ব্যাংকিং এবং কল্যাণের কেন্দ্রীভূত ফেডারেল অব্যবস্থাপনা। এটা পুঁজিবাদ নয়!
** [http://www.house.gov/paul/congrec/congrec2002/cr070902.htm ''হ্যাজ ক্যাপিটালিজম ফেইলড?''] (৯ জুলাই ২০০২)।
* বর্ণবাদ কেবল সমষ্টিবাদের একটি কুৎসিত রূপ। এই মানসিকতা মানুষকে কেবল গোষ্ঠীর সদস্য হিসেবে দেখে এবং কখনো ব্যক্তি হিসেবে দেখে না। বর্ণবাদীরা বিশ্বাস করে যে একই বাহ্যিক শারীরিক বৈশিষ্ট্যের অধিকারী সমস্ত ব্যক্তি একরকম। সমষ্টিবাদী হিসেবে বর্ণবাদীরা কেবল গোষ্ঠীর পরিভাষায় চিন্তা করে। আমেরিকানদের একটি গোষ্ঠী মানসিকতা গ্রহণে উৎসাহিত করে তথাকথিত 'বৈচিত্র্য'র সমর্থকরা আসলে বর্ণবাদকে স্থায়ী করে। জাতিগত গোষ্ঠী পরিচয়ের প্রতি তাদের তীব্র মনোযোগ অন্তর্নিহিতভাবেই বর্ণবাদী। কারণ এটি ব্যক্তিদের কেবল জাতিগত গোষ্ঠীর সদস্য হিসেবে দেখে। রক্ষণশীল এবং স্বাধীনতাপন্থীদের উচিত এর বিরুদ্ধে লড়াই করা। তাদের এই মিথকে চ্যালেঞ্জ করা উচিত যে সমষ্টিবাদী উদারপন্থীরা বর্ণবাদ সম্পর্কে বেশি চিন্তা করে। আধুনিক উদারনীতিবাদ, তা যতই সদিচ্ছাপূর্ণ হোক না কেন, একই সমষ্টিবাদী চিন্তাভাবনার একটি উপজাত যা বর্ণবাদকে চিহ্নিত করে। গোষ্ঠীর চিন্তাভাবনার ওপর ক্রমাগত জোর দেওয়া কেবল জাতিগত উত্তেজনাকে উসকে দেয়। বর্ণবাদের আসল প্রতিষেধক হলো স্বাধীনতা। স্বাধীনতা মানে একটি সীমিত, সাংবিধানিক সরকার থাকা যা গোষ্ঠীর দাবির পরিবর্তে ব্যক্তিগত অধিকার রক্ষার জন্য নিবেদিত। স্বাধীনতা মানে মুক্ত বাজার পুঁজিবাদ। এটি ব্যক্তিগত অর্জন এবং যোগ্যতাকে পুরস্কৃত করে। এটি গায়ের রং, লিঙ্গ বা জাতিসত্তাকে পুরস্কৃত করে না। একটি মুক্ত বাজারে বৈষম্যকারী ব্যবসাগুলো গ্রাহক, সদিচ্ছা এবং মূল্যবান কর্মচারী হারায়। অন্যদিকে সবচেয়ে যোগ্য কর্মচারীদের বেছে নিয়ে এবং সমস্ত ইচ্ছুক ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করে যুক্তিবাদী ব্যবসাগুলো উন্নতি লাভ করে। আরও গুরুত্বপূর্ণভাবে, একটি মুক্ত সমাজে প্রতিটি নাগরিক একটি গোষ্ঠী বা শিকার মানসিকতা গড়ে তোলার পরিবর্তে ব্যক্তি হিসেবে নিজের সম্পর্কে একটি ধারণা অর্জন করে। এটি ব্যক্তিগত দায়িত্ব এবং ব্যক্তিগত অহংকারের অনুভূতি তৈরি করে। এর ফলে গায়ের রং অপ্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠে। মূলত হৃদয়ের একটি পাপ সংশোধনের জন্য সরকারের দিকে তাকানোর পরিবর্তে, আমাদের বোঝা উচিত যে বর্ণবাদ কমানোর জন্য গোষ্ঠীগত চিন্তাভাবনা থেকে ব্যক্তিবাদের ওপর জোর দেওয়া প্রয়োজন।
** [https://web.archive.org/web/20120127094927/http://www.ronpaularchive.com/2002/12/what-really-divides-us/ ''হোয়াট রিয়েলি ডিভাইডস আস''] (২৩ ডিসেম্বর ২০০২)।
* কেবল একটি [[w:স্বার্থ গোষ্ঠী|বিশেষ স্বার্থ]] রয়েছে যার জন্য আমাদের কাজ করা উচিত। এটি আমাদের প্রায় সমস্ত সমস্যার সমাধান করবে। আর তা হলো আমাদের স্বাধীনতা।
** [[w:প্যাট্রিয়ট অ্যাক্ট|প্যাট্রিয়ট অ্যাক্টের]] ওপর বক্তৃতা, ২০০৩ [https://www.youtube.com/watch?v=6O7D7nDF0U8]
* বিশ্বকে পুলিশিং করার বা জাতি গঠনে নিজেদের জড়িত করার কোনো সাংবিধানিক কর্তৃত্ব আমাদের নেই। আমাদের মতো গণতন্ত্রের জন্য বিশ্বকে নিরাপদ করারও কোনো অধিকার নেই। আমাদের প্রতিষ্ঠাতারা এর বিরুদ্ধে পরামর্শ দিয়েছিলেন এবং প্রাথমিক রাষ্ট্রপতিরা সেই পরামর্শ অনুসরণ করেছিলেন। আমরা যদি আমাদের আদর্শে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, তবে তা ছড়িয়ে দেওয়ার সর্বোত্তম উপায় হলো একটি ভালো উদাহরণ স্থাপন করা যাতে অন্যরা স্বেচ্ছায় আমাদের অনুকরণ করতে পারে। বলপ্রয়োগ কাজ করবে না। তাছাড়া আমাদের কাছে টাকাও নেই।
**[http://www.lewrockwell.com/paul/paul129.html মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি সভায় ভাষণ] (১৬ সেপ্টেম্বর ২০০৩)।
* কাগজের আর্থিক মানের মানে হলো ছাপানোর প্রেস বা ফেডারেল ঘাটতিগুলোতে কোনো বিধিনিষেধ নেই। ১৯৭১ সালে এম৩ ছিল ৭৭৬ বিলিয়ন ডলার। আজ এটি ৮.৯ ট্রিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। এটি ১১০০% বৃদ্ধি। ১৯৭১ সালে আমাদের জাতীয় ঋণ ছিল ৪০৮ বিলিয়ন ডলার। আজ এটি ৬.৮ ট্রিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। এটি ১৬০০% বৃদ্ধি। সেই সময় থেকে আমাদের ডলার তার ক্রয়ক্ষমতার প্রায় ৮০% হারিয়েছে। সাধারণ জ্ঞান আমাদের বলে যে এই প্রক্রিয়াটি টেকসই নয় এবং কিছু একটা ছাড় দিতে হবে। এখন পর্যন্ত ওয়াশিংটনে কেউ আগ্রহী বলে মনে হচ্ছে না।
** ''পেপার মানি অ্যান্ড টিরানি'', ৫ সেপ্টেম্বর ২০০৩ [http://www.house.gov/paul/congrec/congrec2003/cr090503.htm]
* হাস্যকরভাবে, ব্যাপক বন্ধকের ডিফল্টের ঝুঁকি স্থানান্তর করে, সরকার আবাসনের বাজারে একটি বেদনাদায়ক পতনের সম্ভাবনা বাড়ায়। এর কারণ হলো ফ্যানি এবং ফ্রেডিকে দেওয়া বিশেষ সুযোগ-সুবিধাগুলো আবাসনের বাজারকে বিকৃত করেছে। এটি তাদের এমন মূলধন আকর্ষণ করতে দিয়েছে যা তারা বিশুদ্ধ বাজারের পরিস্থিতিতে আকর্ষণ করতে পারত না। ফলস্বরূপ, মূলধন এর সবচেয়ে উত্পাদনশীল ব্যবহার থেকে আবাসনে সরানো হয়। এটি সমগ্র বাজারের কার্যকারিতা হ্রাস করে এবং এইভাবে সমস্ত আমেরিকানদের জীবনযাত্রার মান হ্রাস করে। আবাসনের বাজারে সরকারের হস্তক্ষেপের ফলে অর্থনীতির দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতি হওয়া সত্ত্বেও, অন্যান্য ব্যবহারের জন্য মূলধন সরানোর সরকারের নীতি আবাসনে একটি স্বল্পমেয়াদী উচ্ছ্বাস তৈরি করে। সমস্ত কৃত্রিমভাবে তৈরি বুদবুদের মতো আবাসনের দামের উচ্ছ্বাস চিরকাল স্থায়ী হতে পারে না। আবাসনের দাম কমে গেলে, বাড়ির মালিকরা অসুবিধার সম্মুখীন হবেন কারণ তাদের ইকুইটি মুছে যাবে। তদুপরি, বন্ধকী ঋণের ধারকদেরও ক্ষতি হবে। সরকারি নীতি সক্রিয়ভাবে আবাসনে অতিরিক্ত বিনিয়োগকে উৎসাহিত না করলে এই ক্ষতিগুলো যতটা হতো তার চেয়ে বেশি হবে।
** ''ফ্যানি মে অ্যান্ড ফ্রেডি ম্যাক সাবসিডিজ ডিস্টর্ট দ্য হাউজিং মার্কেট'', ১০ সেপ্টেম্বর ২০০৩ [http://www.house.gov/paul/congrec/congrec2003/cr091003.htm]
* যুদ্ধ কখনো অর্থনৈতিকভাবে উপকারী নয়। কেবল যারা যুদ্ধের ব্যয় থেকে লাভবান হওয়ার অবস্থানে রয়েছে তাদের জন্যই এটি উপকারী।
** ''কন্সক্রিপশন - দ্য টেরিবল প্রাইস অফ ওয়ার'', ২১ নভেম্বর ২০০৩ [http://www.house.gov/paul/congrec/congrec2003/cr112103.htm]
* বলা হয় যে আমরা বিশ্বজুড়ে শান্তি প্রচারের জন্য যুদ্ধ করি। অথচ বিশ্বকে আরও ভালো জায়গা হিসেবে গড়ে তোলার ব্যর্থ প্রচেষ্টার বিপরীতে এই মূল্য খুব কমই ওজন করা হয়। স্বাধীনতার কারণ প্রচারের জন্য বাধ্যতামূলক সামরিক চাকরিকে ন্যায়সঙ্গত করা মানুষের দ্বারা কল্পনা করা সবচেয়ে অদ্ভুত ধারণাগুলোর একটি! স্বাধীনভাবে বেঁচে থাকার মূল্য হিসেবে মৃত্যু এবং গুরুতর আঘাতের ঝুঁকি নিয়ে জোরপূর্বক দাসত্বের কোনো মানে হয় না। প্রশ্নবিদ্ধ মূল্যের কোনো কারণের জন্য অন্যের জীবন উৎসর্গ করার অধিকার কার আছে? এটি যতই ভালো উদ্দেশ্য নিয়ে হোক না কেন, এটি অনাগ্রহী ব্যক্তিদের ওপর বলপ্রয়োগকে ন্যায়সঙ্গত করতে পারে না। বলা হয় যে ১৮ বছর বয়সী ছেলেটি তার দেশের কাছে ঋণী। বাজে কথা! এটা খুব সহজেই যুক্তি দেওয়া যেতে পারে যে একজন ৫০ বছর বয়সী [[w:চিকেনহক (রাজনীতি)|চিকেনহক]] দেশের কাছে ১৮ বছর বয়সীর চেয়ে অনেক বেশি ঋণী। কারণ সে যুদ্ধকে উৎসাহিত করে এবং নিরীহ তরুণদের বিপদে ফেলে। অথচ কোনো যৌক্তিকতা নেই এমন একটি কারণের জন্য ১৮ বছর বয়সীর স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া হচ্ছে।
** ''কন্সক্রিপশন - দ্য টেরিবল প্রাইস অফ ওয়ার'', ২১ নভেম্বর ২০০৩ [http://www.house.gov/paul/congrec/congrec2003/cr112103.htm]
* একটি মুক্ত সমাজে মূল্যবোধগুলো স্বেচ্ছায় গ্রহণ করা হয়। জোর করে নয় এবং অবশ্যই আইন দ্বারা নয়... '''প্রতিবার যখন আমরা ব্যক্তিগত আচরণ নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি আইন লিখি, তখন আমরা বোঝাই যে কাউকে বন্দুক নিয়ে আসতে হবে'''। কারণ আপনি যদি [[পতাকা অবমাননা|পতাকার অবমাননা]] করেন, তবে আপনাকে সেই ব্যক্তিকে শাস্তি দিতে হবে। তো আপনি কীভাবে তা করবেন? আপনি তাকে গ্রেপ্তার করার জন্য সরকারের একজন এজেন্টকে পাঠাবেন, সম্ভবত ব্যুরো অফ অ্যালকোহল, টোব্যাকো অ্যান্ড ফ্ল্যাগসের একজন কর্মচারীকে। এটি অনেকভাবেই বন্দুকের সাথে দেশপ্রেমের মতো। যদি আপনার কাজগুলো "দেশপ্রেমিকের" আনুষ্ঠানিক সংজ্ঞার সাথে খাপ না খায়, তবে আমরা কাউকে আপনাকে গ্রেপ্তার করতে পাঠাব।
** {{citation
|title=দ্য ফ্ল্যাগ বার্নিং অ্যামেন্ডমেন্ট
|date=২০০৩-০৬-০৩
|url=http://www.house.gov/paul/congrec/congrec2003/cr060303.htm}}
* ধর্মবিরোধী অভিজাতদের চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো আমেরিকাকে একটি সম্পূর্ণ ধর্মনিরপেক্ষ জাতিতে রূপান্তরিত করা। এমন একটি জাতি যা আইনগত ও সাংস্কৃতিকভাবে খ্রিষ্টধর্মের প্রতি পক্ষপাতদুষ্ট।
* গির্জা এবং রাষ্ট্রের মধ্যে কঠোর পৃথকীকরণের ধারণার সংবিধানের পাঠ্য বা আমাদের প্রতিষ্ঠাতাদের লেখার কোনো ভিত্তি নেই। উল্টো, আমাদের প্রতিষ্ঠাতাদের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি তাদের ধর্মীয় বিশ্বাস দ্বারা জোরালোভাবে প্রভাবিত ছিল।
** {{citation
|title=দ্য ওয়ার অন রিলিজিয়ন
|journal=LewRockwell.com
|date=২০০৩-১২-৩০
|url=http://www.lewrockwell.com/paul/paul148.html}}
* ধর্মনিরপেক্ষ, সমকামী-সমর্থক বামপন্থীদের কথা শোনা দুর্দান্ত কমেডির মতো। তারা কার্যত প্রতিটি ক্ষেত্রে রাজ্যের অধিকারের প্রতি এত বৈরী, হঠাৎ করেই কেন্দ্রীভূত সরকারের স্বৈরতন্ত্র আবিষ্কার করে। স্থানীয় শাসনের সদ্য প্রস্তুত রক্ষকরা নিজেদের এই দাবি করতে দেখেন: "ওয়াশিংটন কেন ম্যাসাচুসেটস এবং ক্যালিফোর্নিয়ার জন্য বিয়ের মানদণ্ড নির্ধারণ করবে? সেই রাজ্যগুলোর জনগণ নিজেদের সিদ্ধান্ত নিজেরাই নিতে দিন।" ঠিক এই যুক্তিটিই রক্ষণশীল এবং স্বাধীনতাপন্থীরা কয়েক দশক ধরে দিয়ে আসছেন! ওয়াশিংটন কেন শিক্ষা, গর্ভপাত, পরিবেশ এবং শ্রমের নিয়মগুলো রাজ্যগুলোতে চাপিয়ে দেবে? প্রায় সব রাজনৈতিক বিষয়ে আমেরিকার জনগণের অত্যন্ত বৈচিত্র্যময় মতামত রয়েছে। আর প্রতিষ্ঠাতারা চেয়েছিলেন বিভিন্ন রাজ্য সরকারগুলো সেই মতামতগুলোকে সবচেয়ে সঠিকভাবে প্রতিফলিত করুক। এটিই [[w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের দশম সংশোধনী|১০ম সংশোধনীর]] তাৎপর্য, যা বামপন্থীরা বিশেষ করে কয়েক দশক ধরে অপব্যবহার করেছে।
** {{citation
|title=এলিমিনেট ফেডারেল কোর্ট জুরিসডিকশন
|date=২০০৪-০৩-০২
|url=http://www.lewrockwell.com/paul/paul160.html}}
* সমস্ত ব্যক্তিগত সম্পত্তির মালিকদের অধিকার অবশ্যই সম্মান করতে হবে, এমনকি যাদের কাজগুলো শালীন লোকেরা জঘন্য বলে মনে করে তাদের অধিকারও। এটি যদি আমরা একটি মুক্ত সমাজ বজায় রাখতে চাই... কাজগুলো বর্ণবাদ দ্বারা অনুপ্রাণিত কি না তা দেখতে ফেডারেল আমলারা এবং বিচারকরা মন পড়তে পারেন না। তাই, কোনো নিয়োগকর্তা [[w:১৯৬৪ সালের নাগরিক অধিকার আইন|১৯৬৪ সালের নাগরিক অধিকার আইন]] লঙ্ঘন করছেন না তা নিশ্চিত করার একমাত্র উপায় ছিল এটি নিশ্চিত করা যে একটি ব্যবসার কর্মীদের জাতিগত গঠন একজন আমলা বা বিচারকের সংজ্ঞায়িত সম্ভাব্য কর্মচারীদের জাতিগত গঠনের সাথে মিলে যায়... জাতিগত কোটা জাতিগত সম্প্রীতিতে অবদান রাখেনি বা একটি বর্ণান্ধ সমাজের লক্ষ্যকে এগিয়ে নেয়নি। পরিবর্তে, এই কোটাগুলো জাতিগত বিভাজনকে উৎসাহিত করেছে এবং জাতিগত কলহকে উসকে দিয়েছে... ১৯৬৪ সালের নাগরিক অধিকার আইনের কারণে নয়, বরং এর সত্ত্বেও জাতিগুলোর মধ্যে সম্পর্কের উন্নতি হয়েছে।
** {{citation
|title=দ্য ট্রাবল উইথ দ্য '৬৪ সিভিল রাইটস অ্যাক্ট
|journal=LewRockwell.com
|date=২০০৪-০৬-০৩
|url=http://www.lewrockwell.com/paul/paul188.html}}
* মিস্টার স্পিকার, আমি আবারও একটি খুব সহজ কারণে বার্ষিক বাজেট রেজোলিউশনের বিরুদ্ধে ভোট দিতে বাধ্য হচ্ছি: এটি সরকারকে আরও বড় করে তোলে। [...] আমাদের বুঝতে হবে যে সরকার যত বেশি ব্যয় করে, তত বেশি স্বাধীনতা হারিয়ে যায়। কেবল ব্যয়ের স্তর নিয়ে বিতর্ক করার পরিবর্তে, বাজেটের মাধ্যমে অর্থায়ন করা বিভাগ, সংস্থা এবং কর্মসূচিগুলোর আদৌ অস্তিত্ব থাকা উচিত কি না তা নিয়ে আমাদের বিতর্ক করা উচিত। আমার রিপাবলিকান সহকর্মীদের বিশেষ করে এটি জানা উচিত। দুর্ভাগ্যবশত, জিওপি নীতি ত্যাগ করার এবং এনটাইটেলমেন্ট ভিড়ের তোষণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কিন্তু এই পদ্ধতি হিতে বিপরীত হবে। কারণ ডেমোক্র্যাটরা সবসময় রিপাবলিকানদের চেয়েও বেশি ব্যয় করার প্রস্তাব দেবে। রিপাবলিকানরা যখন মেডিকেয়ারে ৫০০ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করার প্রস্তাব দেবে, তখন ডেমোক্র্যাটরা ৬০০ বিলিয়ন ডলারের প্রস্তাব দেবে। কেন নয়? যাই হোক, এটি সবই মজার টাকা, আর এটি তাদের পুনর্নির্বাচিত হতে সাহায্য করে। [...] কংগ্রেস যদি বিদেশে সাম্রাজ্য এবং দেশে আয়া রাষ্ট্র গড়ার চেষ্টা বন্ধ করত, তবে দেশীয়, বিদেশি এবং সামরিক ব্যয় বৃদ্ধির প্রয়োজন হতো না।
** ''অপোজ দ্য স্পেন্ডথ্রিফট ২০০৫ ফেডারেল বাজেট রেজোলিউশন'', ২৫ মার্চ ২০০৪ [http://www.house.gov/paul/congrec/congrec2004/cr032504.htm]
* আইনি বিষয়গুলো একপাশে রাখলে, আমেরিকান জনগণ এবং সরকারের উচিত নয় আমাদের সামরিক বা গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর দ্বারা নির্যাতনের ব্যবহার মেনে নেওয়া। একটি শালীন সমাজ কখনো নির্যাতন গ্রহণ করে না বা ন্যায়সঙ্গত বলে মনে করে না। এটি নির্যাতনকারী এবং ভুক্তভোগী উভয়কেই অমানবিক করে তোলে, তবে খুব কমই নির্ভরযোগ্য গোয়েন্দা তথ্য তৈরি করে। দুর্বৃত্ত আমেরিকান সৈন্য বা এজেন্টদের দ্বারা নির্যাতন সমস্ত আমেরিকানকে ঝুঁকিতে ফেলে। বিশেষ করে বিশ্বজুড়ে কয়েক ডজন বিপজ্জনক জায়গায় অবস্থান করা আমাদের সাধারণ সৈন্যদের। ঈশ্বর না করুন সন্ত্রাসীরা আমেরিকান সৈন্য বা ভ্রমণকারীদের জিম্মি করুক এবং আবু গারিবের কোনো অসুস্থ প্রতিশোধ হিসেবে তাদের নির্যাতন করুক।
** ''টরচার, ওয়ার, অ্যান্ড প্রেসিডেনশিয়াল পাওয়ার্স'', ১৫ জুন ২০০৪ [http://www.lewrockwell.com/paul/paul185.html]
* আমি গত সপ্তাহে একটি সংশোধনী পেশ করেছিলাম যা একটি ব্যয়ের বিলে এই অনুপ্রবেশকারী জরিপের জন্য তহবিল বাতিল করত। হাউসের মেঝেতে আমি ব্যাখ্যা করেছিলাম যে সম্ভবত আমেরিকান জনগণ বিগ ব্রাদারের দ্বারা হুমকির সম্মুখীন হওয়া পছন্দ করে না। সংশোধনীটি উদাসীনতা বা বৈরিতার সম্মুখীন হয়েছিল। কারণ কংগ্রেসের বেশিরভাগ সদস্য নাগরিকদের ব্যক্তিগত বিষয়ে সরকারি গুপ্তচরবৃত্তির বিষয়ে পাত্তা দেন না বা সক্রিয়ভাবে তা সমর্থন করেন। '''আদমশুমারির সবচেয়ে খারাপ দিকগুলোর একটি হলো জাতি দ্বারা মানুষকে শ্রেণিবদ্ধ করার দিকে এর মনোযোগ। যখন সরকার আমাদের বলে যে তারা কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীকে সাহায্য করার জন্য তথ্য চায়, তখন তারা ধরে নেয় যে নির্দিষ্ট শারীরিক বৈশিষ্ট্যের অধিকারী প্রত্যেক ব্যক্তির একই আগ্রহ রয়েছে বা তারা সরকারের কাছ থেকে একই জিনিস চায়। এটি একটি অন্তর্নিহিতভাবে বর্ণবাদী এবং আপত্তিকর ধারণা। অন্যান্য অনেক ফেডারেল নীতি ও কর্মসূচির মতো আদমশুমারি বর্ণবাদকে উসকে দেয়। এটি আমেরিকানদের ফেডারেল সুবিধার ভাগের জন্য একে অপরের সাথে লড়াই করা জাতিগত গোষ্ঠীর সদস্য হিসেবে নিজেদের দেখতে উৎসাহিত করে।'''
** [https://web.archive.org/web/20120127122559/http://www.ronpaularchive.com/2004/07/none-of-your-business ''নান অফ ইয়োর বিজনেস!''] (১২ জুলাই ২০০৪)।
* ১৯৬৪ সালের নাগরিক অধিকার আইন ফেডারেল সরকারকে দেশের প্রতিটি ব্যবসার নিয়োগ, কর্মচারী সম্পর্ক এবং গ্রাহক সেবা অনুশীলনের ওপর নজিরবিহীন ক্ষমতা দিয়েছিল। এর ফলস্বরূপ ব্যক্তিগত সম্পত্তি এবং চুক্তির অধিকারের ব্যাপক লঙ্ঘন হয়েছিল, যা একটি মুক্ত সমাজের ভিত্তি। ব্যক্তিগত সম্পত্তির মালিকরা তাদের পছন্দমতো সম্পত্তি ব্যবহার করার এবং সমস্ত পক্ষের জন্য পারস্পরিকভাবে গ্রহণযোগ্য শর্তগুলোর সাথে চুক্তি গঠন (বা গঠন না করা) করার অধিকার রাখে। ফেডারেল সরকারের এই অধিকারে হস্তক্ষেপ করার কোনো বৈধ কর্তৃত্ব নেই।<br />১৯৬৪ সালের নাগরিক অধিকার আইন কেবল সংবিধান লঙ্ঘন করেনি এবং ব্যক্তিগত স্বাধীনতা হ্রাস করেনি। এটি জাতিগত সম্প্রীতি এবং একটি বর্ণান্ধ সমাজের প্রচারের ঘোষিত লক্ষ্যগুলো অর্জন করতেও ব্যর্থ হয়েছে।
** ২০০৪-০৭-০৩ নাগরিক অধিকার আইনের ৪০তম বার্ষিকী উদ্যাপনকারী হাউস রেজোলিউশনের বিরোধিতায় কংগ্রেসের উদ্দেশ্যে ভাষণ, উদ্ধৃত {{citation
|title=সিভিল রাইটস অ্যাক্ট
|journal=RonPaul.com
|url=http://www.ronpaul.com/on-the-issues/civil-rights-act/}}
* আমেরিকার প্রতিষ্ঠাতারা বুঝতে পেরেছিলেন যে অভ্যন্তরীণ স্বৈরতন্ত্রের হুমকি বিদেশ থেকে আসা যেকোনো হুমকির মতোই বড়। আমরা যদি তাদের উত্তরাধিকারের যোগ্য হতে চাই, তবে আমাদের অবশ্যই সমাজের ওপর ক্রমবর্ধমান রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণের দিকে এই ছুটে চলা প্রতিরোধ করতে হবে। অন্যথায়, আমাদের নিজস্ব সরকার যেকোনো বিদেশি সন্ত্রাসীর চেয়ে আমাদের স্বাধীনতার জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠবে।
** {{citation
|title=ফ্রিডম ভার্সেস সিকিউরিটি: আ ফলস চয়েস
|date=২০০৪-০৫-৩১
|url=http://www.house.gov/paul/tst/tst2004/tst053104.htm}}
* ফেডারেল কর্মকর্তারা, তা বিচারক, আমলা বা কংগ্রেসম্যানই হোক না কেন, জনগণের ওপর বিয়ের একটি নতুন সংজ্ঞা চাপিয়ে দেওয়া সামাজিক প্রকৌশলের একটি কাজ যা স্বাধীনতার প্রতি গভীরভাবে বৈরী।
** {{citation
|title=প্রোটেক্টিং ম্যারেজ ফ্রম জুডিশিয়াল টিরানি
|journal=LewRockwell.com
|date=২০০৪-০৭-২২
|url=http://www.lewrockwell.com/paul/paul197.html}}
* যখন ফেডারেল সরকার প্রতি বছর তার সংগৃহীত কর রাজস্বের চেয়ে বেশি ব্যয় করে, তখন তার কাছে তিনটি বিকল্প থাকে: সে কর বাড়াতে পারে, টাকা ছাপাতে পারে, বা টাকা ধার করতে পারে। এই কাজগুলো রাজনীতিবিদদের উপকৃত করতে পারলেও, এই তিনটি বিকল্পই গড় আমেরিকানদের জন্য খারাপ। ঘাটতি মানে হলো ভবিষ্যৎ কর বৃদ্ধি, বিশুদ্ধ এবং সহজ। ঘাটতি ব্যয়কে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ওপর কর হিসেবে দেখা উচিত, এবং যে রাজনীতিবিদরা ঘাটতি তৈরি করে তাদের কর বৃদ্ধিকারী হিসেবে প্রকাশ করা উচিত।
** [http://www.lewrockwell.com/paul/paul238.html ''ডেফিসিটস মেক ইউ পুওরার''] (১৫ মার্চ ২০০৫)।
====২০০৬-২০০৯====
* যারা জীবন-সমর্থনকারী সংস্কৃতি চান তাদের অবশ্যই মেনে নিতে হবে যে আমরা কখনোই ৩০ কোটি আমেরিকানকে আমাদের সাথে একমত হতে রাজি করাতে পারব না। একটি জীবন-সমর্থনকারী সংস্কৃতি কেবল নিচ থেকে তৈরি করা যেতে পারে, ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিতে। অনেক দিন ধরে আমরা এই যুদ্ধটিকে কেবল রাজনৈতিক হিসেবে দেখেছি। কিন্তু কোনো রাজনৈতিক বিজয় একটি অবক্ষয়গ্রস্ত সমাজকে পরিবর্তন করতে পারে না। সুপ্রিম কোর্টের কোনো রায় একাই জীবনের প্রতি বেশি সম্মান জাগিয়ে তুলতে পারে না। আর সুপ্রিম কোর্টের কোনো বিচারপতি আমাদের স্বাধীনতা রক্ষা করতে পারবেন না যদি আমরা নিজেরা সেগুলোর জন্য লড়াই না করি।
** ''ফেডারেলিজম সোশ্যাল পলিসি'', ৩০ জানুয়ারি ২০০৬ [http://www.house.gov/paul/tst/tst2006/tst013006.htm]
* '''অ্যারন রুশো''': এমন কোনো আইন কি আছে যা মানুষকে [[w:আইআরএস ফর্ম ৯৯০#১০৪০|১০৪০]] ফাইল করতে বাধ্য করে?<br>'''রন পল''': স্পষ্টভাবে নয়, তবে এটি অবশ্যই উহ্য রয়েছে।<br>'''অ্যারন রুশো''': ঠিক আছে, জোর করে উহ্য করা হয়েছে?<br>'''রন পল''': হ্যাঁ।<br>'''অ্যারন রুশো''': কিন্তু কোনো আইন কি আছে?<br>'''রন পল''': আমি কোনো আইনের কথা বলতে পারব না, না। কিন্তু আপনি জানেন, তারা যদি মনে করে এটি আইন, এবং তাদের কাছে সমস্ত বন্দুক রয়েছে, তবে এটি একটি স্বৈরতান্ত্রিক পদ্ধতি।
** ''[[w:আমেরিকা: ফ্রিডম টু ফ্যাসিজম|আমেরিকা: ফ্রিডম টু ফ্যাসিজম]]'', ২০০৬ [http://video.google.com/videoplay?docid=5355374476580235299&hl=en]
* এইচএমও এবং পরিচালিত যত্নের পুরো ব্যবস্থাটি পুনর্বিবেচনা করার সময় এসেছে। কর্পোরেটিজমের এই পুরো অপ্রয়োজনীয় স্তর মুনাফা কেড়ে নেয় এবং যত্নের মান খারাপ করে। তবে এইচএমওগুলো মুক্ত বাজারে গড়ে ওঠেনি। এগুলো স্বাস্থ্যসেবায় সরকারের হস্তক্ষেপে তৈরি হয়েছে যা ১৯৭০-এর দশকের। সংগঠিত চিকিৎসা, রাজনীতিবিদ এবং ওষুধ সংস্থাগুলোর যোগসাজশের মাধ্যমে এই অ-বাজার প্রতিষ্ঠানগুলো চিকিৎসা সেবার ওপর নিয়ন্ত্রণ অর্জন করেছে। এর লক্ষ্য আমেরিকাকে "বিনামূল্যের" সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবার দিকে নিয়ে যাওয়া।
** ''ডায়াগনজিং আওয়ার হেলথ কেয়ার ওজ'', ২৫ সেপ্টেম্বর ২০০৬ [http://www.house.gov/paul/tst/tst2006/tst092506.htm]
*'''অ্যারন রুশো''': আপনি কি মনে করেন আমেরিকা দিন দিন একটি [[w:পুলিশ রাষ্ট্র|পুলিশ রাষ্ট্রে]] পরিণত হচ্ছে?<br>'''রন পল''': হ্যাঁ, আমি মনে করি আমরা সেই দিকেই এগোচ্ছি। কারণ অনুমতি ছাড়া আমরা তেমন কিছু করতে পারি না। পুলিশ রাষ্ট্রের অনুপস্থিতি হলো মানুষ স্বাধীন। আপনি যদি কোনো অপরাধ না করেন তবে আপনি যা চান তা করতে পারেন। কিন্তু আজ আপনি একটি ব্যবসা খুলতে পারবেন না, আপনি জমি উন্নয়ন করতে পারবেন না, আপনি ব্যাংকে যেতে পারবেন না, আপনি ডাক্তারের কাছে যেতে পারবেন না সরকার না জানলে যে আপনি কী করছেন। তারা চিকিৎসা গোপনীয়তা নিয়ে কথা বলে, তা চলে গেছে। আর্থিক গোপনীয়তা, তা চলে গেছে। সম্পত্তির মালিকানার অধিকার, তা মূলত চলে গেছে। তাই প্রায় সবকিছুর জন্যই আপনাকে সরকারের কাছ থেকে অনুমতি নিতে হবে। আর পুলিশ রাষ্ট্রের সংজ্ঞা যদি এটি হয় যে সরকার অনুমতি না দিলে আপনি কিছুই করতে পারবেন না, তবে আমরা সেই পথেই আছি। এটি এমন কিছু যা নিয়ে মানুষ শেষ পর্যন্ত ক্লান্ত এবং বিরক্ত হয়ে বলবে, আর না। আমি আশা করি তারা এমনটা বলবে।
** ''[[w:আমেরিকা: ফ্রিডম টু ফ্যাসিজম|আমেরিকা: ফ্রিডম টু ফ্যাসিজম]]'', ২০০৬ [http://video.google.com/videoplay?docid=5355374476580235299&hl=en]
* আমেরিকান জনগণকে দুটি জঘন্য বিকল্প দেওয়া হয়েছে। একটি হলো [[w:কর্পোরেটিজম|কর্পোরেটিজম]], একটি [[ফ্যাসিবাদ|ফ্যাসিবাদী]] ধরনের পদ্ধতি, অথবা [[সমাজতন্ত্র]]। আমরা এই দেশে [[w:মুক্ত বাজার|মুক্ত বাজারের]] মাধ্যমে অনেক পরিষেবা সরবরাহ করি। আর যখন আপনি এটি মুক্ত বাজারের মাধ্যমে করেন তখন দাম কমে যায়। কিন্তু [[w:চিকিৎসা|চিকিৎসার]] ক্ষেত্রে দাম বেড়ে যায়। প্রযুক্তি খরচ কমাতে সাহায্য করে না, এটি কমার বদলে বেড়ে যায়। কিন্তু আপনি যদি আমাদের প্রায় সমস্ত শিল্পের দিকে তাকান যেগুলো অনেক বেশি স্বাধীন, সেখানে প্রযুক্তি দাম কমায়। একটু ভাবুন মোবাইল ফোনের দাম কীভাবে কমে যাচ্ছে। গরিব মানুষের কাছে মোবাইল ফোন, টেলিভিশন এবং কম্পিউটার আছে। সবকিছুর দাম কমে যায়। কিন্তু চিকিৎসায় এগুলো বেড়ে যায়, আর এর একটি কারণ আছে। কারণ সরকার এর সাথে জড়িত... আমি মনে করি [সরকারি সম্পৃক্ততা ছাড়া দাম কমে যাবে]। তবে সম্ভবত আপনি যা ভাবছেন তার চেয়ে অনেক বেশি। কারণ আপনাকে সেবা সরবরাহের ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা করতে হবে। উদাহরণস্বরূপ, আপনার যদি গলা ব্যথা থাকে এবং আপনাকে আমার কাছে আসতে হয়, তবে আপনাকে অপেক্ষমাণ কক্ষে অপেক্ষা করতে হবে। তারপর চেকআপ করতে হবে, এবং তারপর একটি প্রেসক্রিপশন নিতে হবে। এর ফলে আপনার ১০০ ডলার খরচ হবে। আপনার যদি সত্যিকারের প্রতিযোগিতা থাকত, তবে আপনি একজন নার্সের কাছে যেতে পারতেন। তিনি ১/১০ খরচে খুব দ্রুত এটি করতে পারতেন, এবং তাকে আপনাকে পেনিসিলিনের জন্য একটি প্রেসক্রিপশন দিতে দিন। দেখুন, ডাক্তার এবং চিকিৎসা পেশা লাইসেন্সিংয়ের মাধ্যমে ব্যবস্থাটিকে একচেটিয়া করে তুলেছে। আর এটি কোনো দুর্ঘটনা নয়। কারণ তারা এই ধারণাটি পছন্দ করে যে আপনাকে চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে এবং এই বিপুল মূল্য দিতে হবে। আর রোগীরা এটি বুঝতে পারে। মস্তিষ্কের অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হলে তারা কোনো নার্সের কাছে যাবে না...
** লরা নয়ের সাক্ষাৎকার, [[w:নিউ হ্যাম্পশায়ার পাবলিক রেডিও|এনএইচপিআর]], ৫ জুন ২০০৭ [http://info.nhpr.org/node/13016]
* একদিন আমি একটি অপারেটিং রুমে গিয়েছিলাম, কেবল একজন পর্যবেক্ষক হিসেবে। একজন [[w:রেসিডেন্সি (চিকিৎসা)|মেডিকেল রেসিডেন্ট]] হিসেবে আমরা সাধারণত এটি করতাম। তারা এই [[w:হিস্টেরেক্টমি|হিস্টেরেক্টমিটি]] সম্পাদন করছিল, যা একটি সিজারিয়ান সেকশন ছিল। তারা প্রায় ২ পাউন্ড ওজনের একটি ভ্রূণ বের করে আনে। এটি শ্বাস নিচ্ছিল এবং কাঁদছিল। এটিকে একটি বালতিতে রাখা হয়েছিল এবং ঘরের এক কোণে রাখা হয়েছিল। ঘরের সবাই ভান করেছিল যে তারা এটি শুনতে পায়নি। আর বাচ্চাটি মারা যায়। আমি সেই ঘর থেকে একজন ভিন্ন মানুষ হয়ে বেরিয়ে এসেছিলাম... [[w:রো বনাম ওয়েড|রো বনাম ওয়েড]] হলো দেশের নৈতিক পরিবেশের প্রতিফলন। কারণ আইনটিকে অমান্য করা হচ্ছিল, এবং তারপর আইনটি পরিবর্তন করা হয়েছিল। আইনটি সংস্কৃতির সাথে কিছুটা তাল মিলিয়ে চলেছিল। তাই আমরা আইনি ক্ষেত্রে কাজ করলেও এবং রাজনৈতিকভাবে কাজ করলেও, আমি শেষ পর্যন্ত বিশ্বাস করি এটি ব্যক্তিগত নৈতিকতার একটি বিষয়। এটি কেবল আইনের অভাবের চেয়েও বেশি দেশের প্রতিফলন। কেবল আইন পরিবর্তন করাই যথেষ্ট হবে না। আমাদের শেষ পর্যন্ত এমন একটি সমাজ তৈরি করতে হবে যা যথেষ্ট নৈতিক, যেখানে ভ্রূণ আইনি সুরক্ষা পাওয়ার যোগ্য।
** [[w:ন্যাশনাল রাইট টু লাইফ কমিটি|ন্যাশনাল রাইট টু লাইফ]] কনভেনশন, ক্যানসাস সিটি, মিসৌরি, ১৫ জুন ২০০৭ [https://www.youtube.com/watch?v=KXZpuIXEzWk]
* '''জ্যান মিকেলসন''': কোনো প্রার্থী এই বিষয়ে কী ধরনের চিন্তাভাবনা করেছেন তা জানার জন্য আমার অন্যতম লিটমাস পরীক্ষার প্রশ্ন হলো, আমার পরীক্ষার প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা। পরীক্ষার প্রশ্নটি হলো: আপনি কি মনে করেন যে রো বনাম ওয়েড দেশের আইন?<br>'''রন পল''': আচ্ছা, তারা একে দেশের আইন বলে। তবে আমি এটি বাতিল করে তা পরিষ্কার করতে চাই। আমি মনে করি এটি আদালতগুলো তাদের সীমানা অতিক্রম করার একটি চমৎকার উদাহরণ। এই সহিংস কাজের বিরুদ্ধে টেক্সাসের একটি আইন ছিল। এটি ফেডারেল আদালত এবং সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল। তারা রাষ্ট্রীয় আইন বাতিল করেছিল, যা বৈধ হওয়া উচিত ছিল। তারপর তারা তৃতীয় ত্রৈমাসিকেও ভ্রূণ হত্যা বৈধ করার পক্ষে রায় দিয়েছিল। কিন্তু এটি অর্জনের দ্রুততম উপায় সাংবিধানিক সংশোধনীর মাধ্যমে নয়। কিংবা বাতিল করার জন্য পর্যাপ্ত বিচারপতি পাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করার মাধ্যমেও নয়। আপনি কংগ্রেসে একটি আইন পাস করতে পারেন। এটি ফেডারেল আদালতগুলোর এখতিয়ার অস্বীকার করে। তাই আইওয়া বা টেক্সাস বা কোনো রাজ্য যদি গর্ভপাতের বিরুদ্ধে আইন পাস করে, তবে আপনি এটিকে ফেডারেল আদালতে নিয়ে যেতে পারবেন না। রাজ্যগুলো এই বিষয়টি ঠিক করবে, যেমন তারা সহিংসতার সমস্ত বিষয় ঠিক করে: হত্যা, মানুষ মারা, চুরি। এই সমস্ত জিনিসগুলোকে রাজ্যের বিষয় বলে মনে করা হয়।
** [[w:ডব্লিউএইচও (এএম)|জ্যান মিকেলসনের]] সাক্ষাৎকার, ৯ আগষ্ট ২০০৭ [http://www.mickelson.libsyn.com/index.php?post_year=2007&post_month=08]
* '''জন লফটন''': আপনি কি মনে করেন গর্ভপাত হলো হত্যা?<br>'''রন পল''': হ্যাঁ, কিন্তু আমাদের রাষ্ট্রীয় আইনগুলোতে, যা হত্যার বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগ করে, সেখানে মাত্রা রয়েছে। আপনার কাছে ১ম, ২য় এবং ৩য় মাত্রার হত্যা রয়েছে। আমি মনে করি যে কেউ পরের দিন একটি বড়ি খায় সে সম্ভবত ততটা ভয়ানক হত্যা করছে না। যখন আপনি কাউকে মেঝেতে শুয়ে থাকতে দেখেন এবং কেউ একটি বন্দুক নিয়ে তার মাথায় ঠেকায়। আমি এগুলো সমান মনে করি না...<br>'''জন লফটন''': গর্ভপাতকারী এবং যে ব্যক্তি গর্ভপাত করে তার জন্য কী শাস্তি হওয়া উচিত বলে আপনি মনে করেন?<br>'''রন পল''': এটি ঠিক কী হওয়া উচিত তা জানার মতো প্রজ্ঞা আমার নেই... যে মেয়েটি গিয়ে গর্ভপাত করে, সে এর একজন অংশগ্রহণকারী, আমি মনে করি না তার মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্য... তবে কিছু গর্ভপাতকারী রয়েছে যাদের একটি বেশ কঠোর শাস্তি দেওয়া খুব কঠিন হবে না। কারণ, আপনি জানেন, একটি ব্যাপার আমাকে সবচেয়ে বেশি বিরক্ত করে। তা হলো একজন গর্ভপাতকারী তৃতীয় ত্রৈমাসিকে একটি জীবন্ত কার্যকর ভ্রূণ হত্যা করে অর্থ উপার্জন করতে পারে। তারা এটি নিয়ে কিছুই ভাবে না, এবং তারা এটি করে জীবিকা নির্বাহ করে। অথচ, জন্মের এক মিনিট পর, সেই একই মা, যে হয়তো শিশুটিকে ফেলে দিতে পারে, তাকে সঠিকভাবে কাজ করতে ডাকা হয়। আসলে তাকে হত্যার দায়ে অভিযুক্ত করা হয়। তাই এই অসামঞ্জস্যতা সমাধান করতে হবে।
** [[w:দ্য আমেরিকান ভিউ|''দ্য আমেরিকান ভিউ'']], ২৫ আগষ্ট ২০০৭ [http://theamericanview.com/index.php?id=898]
* '''অ্যাডাম কারি''': একজন নারী হিসেবে নিজের শরীরের প্রতি অধিকার। আপনি যা চান তা নিজের শরীরে ঢোকানো বা বের করার অধিকার কি আপনার নেই?<br>'''রন পল''': ধর্ষণের ব্যতিক্রম ছাড়া, আপনার শারীরিক সম্পর্কের পরিণতিগুলোর দায়িত্ব রয়েছে। কিন্তু আপনি যদি সেই যুক্তিটিকে তার যৌক্তিক উপসংহারে নিয়ে যান, তবে আমিও মনে করি আপনার সম্পত্তির প্রতি আপনার অধিকার রয়েছে। আপনার বাড়িই হলো আপনার দুর্গ। আমি চাই না সেখানে কোনো ক্যামেরা বা কিছু থাকুক। কিন্তু কিছু বাবা-মা হয়তো তাদের সন্তানদের হত্যা করে। আমরা সেখানে ক্যামেরা বসাই না। আমরা বাবা-মায়ের অধিকার কেড়ে নিই না কারণ এক কোটি ৪০ লাখ মানুষের মধ্যে একজন হয়তো তার সন্তানকে হত্যা করতে পারে। কিন্তু, যদি আমরা জানতে পারি যে কিছু বাবা-মা তাদের বাড়িতে তাদের সন্তানদের হত্যা করছে, তবে হঠাৎ করে এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। তাই বাড়ির পবিত্রতা শিশুদের হত্যার অনুমতি দেয় না। [...] জন্মের ঠিক আগে গর্ভপাত করার জন্য আমাকে অনেক টাকা দেওয়া যেতে পারে। কিন্তু যদি আমি জন্মের এক মিনিট পর এটি করি তবে হত্যার জন্য আমাকে কারাগারে যেতে হবে। আর একসময় একটি [http://www.lifesite.net/ldn/2006/nov/06110205.html মামলা] হয়েছিল যেখানে গর্ভপাতকারী গর্ভপাত করেছিল, কিন্তু শিশুটি জীবিত জন্মেছিল। তাই সে শিশুটিকে ডুবিয়ে মেরেছিল। আমি মনে করি সে একটি অপরাধের জন্য দোষী সাব্যস্ত হয়েছিল। কিন্তু যদি সে কেবল শিশুটিকে আগে হত্যা করতে পারত... এ কারণেই এই [[w:ইনট্যাক্ট ডাইলাটেশন অ্যান্ড এক্সট্রাকশন|আংশিক জন্ম গর্ভপাত]] তৈরি হয়েছে। কারণ আপনি কখনোই চাননি শিশুটি জীবিত জন্ম নিক।
** [[w:অ্যাডাম কারি|অ্যাডাম কারি]]র সাক্ষাৎকার, ২৪ অক্টোবর ২০০৭ [http://m.podshow.com/media/21/episodes/84569/dailysourcecode-84569-10-24-2007.mp3]
* '''প্রশ্ন''': একজন ডাক্তার হিসেবে, যখন কেউ বলে যে স্বাস্থ্যসেবা একটি অধিকার, অথবা ভালো চিকিৎসা সেবা পাওয়ার অধিকার মানুষের রয়েছে, তখন এটি কি আপনার কাছে অর্থবহ? <br/> '''রন পল''': এটি ভুল। কারণ অন্য কারও শ্রমের ফলের ওপর আপনার কোনো অধিকার নেই। আপনার কোনো বাড়ির অধিকার নেই, আপনার কোনো চাকরির অধিকার নেই, আপনার চিকিৎসা সেবার কোনো অধিকার নেই। আপনার জীবনের অধিকার আছে, আপনার স্বাধীনতার অধিকার আছে, আপনি যা উপার্জন করেন তা রাখার অধিকার আপনার আছে। আর এটিই সমৃদ্ধি তৈরি করে। তাই আপনি সমান ন্যায়বিচার চান। আর এটি নিয়ে তর্ক করা আমার জন্য কঠিন নয়। কারণ আপনি যদি সত্যিই সহানুভূতিশীল হন এবং আপনি মানুষের প্রতি যত্নবান হন, তবে সমাজ যত বেশি স্বাধীন হবে তা তত বেশি সমৃদ্ধ হবে। আর আপনার চিকিৎসা সেবা পাওয়ার সম্ভাবনা তত বেশি হবে... আপনি যখন এটি কেন্দ্রীয় অর্থনৈতিক পরিকল্পনার হাতে তুলে দেবেন, তখন তারা ভুল করতে বাধ্য। আমলা এবং বিশেষ স্বার্থান্বেষী মহল ও হ্যালিবার্টনরা টাকা কামাবে। তা যুদ্ধই হোক বা ক্যাটরিনাই হোক, এই প্রতিযোগিতামূলক নয় এমন চুক্তিগুলোতে আমলারা অনেক টাকা কামায় আর আপনার ভাগে জোটে অদক্ষতা।
** ''অল থিংস কনসিডারড'', এনপিআর, ২৫ জুলাই ২০০৭ [http://www.npr.org/templates/story/story.php?storyId=12224561]
* '''জন স্টসেল''': আপনার দল একটি প্রেসক্রিপশন ড্রাগ প্রোগ্রাম তৈরি করেছে, আপনি এর বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছেন। বয়স্কদের কি এই ওষুধের প্রয়োজন নেই?<br>'''রন পল''': হ্যাঁ, সেকারণেই আমি এর বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছি, কারণ এই সরকারি প্রোগ্রামগুলো কাজ করতে ব্যর্থ হয়েছে। অনেক বয়স্ক লোক সেই প্রোগ্রাম নিয়ে খুব রেগে ছিল এবং এখনও আছে, কারণ এটি খুব জটিল এবং কঠিন।<br>'''জন স্টসেল''': কিন্তু অনেকে এটি পছন্দ করে, আরে, আমি আমার ওষুধের দাম পাচ্ছি, সেগুলো বিনামূল্যে।<br>'''রন পল''': আপনি কি জানেন অন্য কারা এটি পছন্দ করে? ওষুধ কোম্পানিগুলো। তারা বেশ কয়েক মিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে। তারা সবচেয়ে বেশি লবিং করেছে। মুনাফাখোররাই মূলত সেই প্রোগ্রামটিকে ধাক্কা দিয়েছিল। তবে আপনার কাছে এটি না থাকলে লোকেরা তাদের ওষুধ পাবে না, এমন ধারণা করা উচিত নয়। বাজার দাম কমানোর জন্য ডিজাইন করা হয়েছে, দাম বাড়ানোর জন্য নয়।
** ''[[w:২০/২০|২০/২০]]'' জন স্টসেলের অপ্রচারিত সাক্ষাৎকার, ৭ ডিসেম্বর ২০০৭ [http://www.abcnews.go.com/2020/Stossel/story?id=3970423] [https://www.youtube.com/watch?v=xzvtQy_zKHk]
* '''আমরা যারা অহস্তক্ষেপবাদী তারা বিচ্ছিন্নতাবাদী নই'''। আসল বিচ্ছিন্নতাবাদী তারাই যারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও জনগণের ওপর নিষেধাজ্ঞা ও অবরোধ আরোপ করে। কারণ তারা তাদের নেতাদের অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক নীতিগুলোর সাথে একমত নয়। '''আসল বিচ্ছিন্নতাবাদী তারাই যারা কূটনীতি, সম্পৃক্ততা এবং একটি ইতিবাচক উদাহরণ স্থাপনের মাধ্যমে পরিবর্তনের চেষ্টা করার পরিবর্তে গণতন্ত্র প্রচারের জন্য বিদেশে বলপ্রয়োগ করতে বেছে নেয়'''।
** "আমি একই বৈদেশিক নীতির সমর্থন করি যা ফাউন্ডিং ফাদাররা করতেন", ''ইউনিয়ন লিডারের'' কাছে খোলা চিঠি [http://www.unionleader.com/article.aspx?articleId=cc287b0f-941c-4b07-88e9-9e992810f700], ''ইউনিয়ন লিডার'' (২০০৭)
* আমি মনে করি স্টেম সেল গবেষণা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমি মনে করি চিকিৎসায় এর দুর্দান্ত ভবিষ্যৎ রয়েছে। আমি মনে করি উত্তরগুলো এখনও আসেনি। কেউ কেউ বলে এটিই নিখুঁত উত্তর, আর অন্যরা বলে এটি ভালো নয় এবং এটি করা উচিত নয়। এটি এখনও জানা যায়নি। আমি আপনাকে বলব: রাজনীতিবিদ এবং আমলা এবং [[w:খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন|এফডিএ]]-ও জানে না। আর আমি মনে করি না এটি সেখানে নির্ধারণ করা উচিত। এটি বাজারে নির্ধারণ করা উচিত। ওয়াশিংটনে এ পর্যন্ত আমাদের কাছে কেবল দুটি বিকল্প ছিল, হয় এটি নিষিদ্ধ করা বা এতে ভর্তুকি দেওয়া। আমার অবস্থান হলো আমাদের কোনোটিই করা উচিত নয়। আপনি কী করতে পারেন এবং কী করতে পারবেন না তার নিয়মকানুন এবং আইন তৈরি করা রাজ্যগুলোর ওপর ছেড়ে দেওয়া উচিত। যদিও আমি খুব জোরালোভাবে জীবন-সমর্থনকারী এবং আমার মতে সবচেয়ে খারাপ জিনিসটি হলো গবেষণার জন্য ব্যবহৃত শিশু তৈরি করা। কিন্তু একজন প্রসূতি বিশেষজ্ঞ হিসেবে অনেক অনুষ্ঠানে আমাকে [[w:ফ্যালোপিয়ান টিউব|ফ্যালোপিয়ান টিউবে]] গর্ভাবস্থা থাকা একজন নারীর ওপর অস্ত্রোপচার করতে হয়েছে। ভ্রূণটি ছোট, এবং জীবিত, এবং হৃৎপিণ্ড স্পন্দিত হয়। কিন্তু আপনি যদি তার ওপর অস্ত্রোপচার না করেন, তবে ভ্রূণ মারা যায় এবং রোগী মারা যায়। কারণ [[w:এক্টোপিক প্রেগন্যান্সি|এক্টোপিক প্রেগন্যান্সির]] ক্ষেত্রে [[w:অবস্টেট্রিকাল হেমোরেজ|হেমোরেজ]] একটি খুব, খুব সংকটময় সময়। আমি কোনো কারণ দেখছি না কেন আপনি গবেষণার জন্য সেই ভ্রূণের টিস্যু ব্যবহার করতে পারবেন না।
** পলিটিকো টিভি, মে ২০০৭ [https://www.youtube.com/watch?v=dojI3UYIcGg]
* অবশ্যই [[w:প্যাট্রিয়ট অ্যাক্ট|প্যাট্রিয়ট অ্যাক্ট]] কখনো পাস হতো না। কারণ এটি আমাদের কাছে উপলব্ধ ছিল না... এটি প্রায় ৪০০ পৃষ্ঠার ছিল এবং হাউসের মেঝেতে বিতর্ক হওয়ার এক ঘণ্টারও কম সময়ের আগে এটি উপলব্ধ হয়েছিল... কংগ্রেস সদস্যরা ভয় পেয়েছিলেন, "আমি যদি কিছু না করি, আমার লোকেরা রাগ করবে, কারণ তারা চায় আমরা কিছু করি"। আর মানুষ আতঙ্কিত। যখন তারা আতঙ্কিত হয়, তখন তারা আমাদের কাছে তাদের স্বাধীনতা ছেড়ে দিতে অনেক বেশি ইচ্ছুক হয়। কিন্তু তাদের স্বাধীনতা ছেড়ে দিলে তারা নিরাপদ হবে না। এটাই এর আসল দুঃখজনক দিক।
** লরা নয়ের সাক্ষাৎকার, [[w:নিউ হ্যাম্পশায়ার পাবলিক রেডিও|এনএইচপিআর]], ৫ জুন ২০০৭ [http://info.nhpr.org/node/13016]
* আমাদের সাংবিধানিক প্রজাতন্ত্রের এই অপরিহার্য নীতিটি সাম্রাজ্যবাদী ওয়াশিংটনের দ্বারা চরমভাবে পদদলিত হচ্ছে। এটি স্থানীয় সরকারগুলোকে এর অবৈধ এবং অসাংবিধানিক নীতিগুলো গ্রহণ করার জন্য ভয় দেখায়।
** জোসেফ মুরতাঘের সাক্ষাৎকার, ২৮ জুন ২০০৭ [http://www.muckrakerreport.com/id447.html]
* আমি বর্ণবাদী নই। আসলে রোজা পার্কস আমার নায়কদের একজন। মার্টিন লুথার কিং একজন নায়ক—কারণ তারা আইন অমান্য, অহিংসার স্বাধীনতাপন্থী নীতি অনুশীলন করেছিলেন।<br />'''বর্ণবাদ কেবল [[সমষ্টিবাদ|সমষ্টিবাদের]] একটি কুৎসিত রূপ। এই মানসিকতা মানুষকে কেবল গোষ্ঠীর সদস্য হিসেবে দেখে এবং কখনো ব্যক্তি হিসেবে দেখে না'''। বর্ণবাদীরা বিশ্বাস করে যে একই বাহ্যিক শারীরিক বৈশিষ্ট্যের অধিকারী সমস্ত ব্যক্তি একরকম। সমষ্টিবাদী হিসেবে বর্ণবাদীরা কেবল গোষ্ঠীর পরিভাষায় চিন্তা করে। আমেরিকানদের একটি গোষ্ঠী মানসিকতা গ্রহণে উৎসাহিত করে তথাকথিত "বৈচিত্র্য"র সমর্থকরা আসলে বর্ণবাদকে স্থায়ী করে। জাতিগত গোষ্ঠী পরিচয়ের প্রতি তাদের মোহ অন্তর্নিহিতভাবেই বর্ণবাদী। বর্ণবাদের আসল প্রতিষেধক হলো স্বাধীনতা। স্বাধীনতা মানে একটি সীমিত, সাংবিধানিক সরকার থাকা যা গোষ্ঠীর দাবির পরিবর্তে ব্যক্তিগত অধিকার রক্ষার জন্য নিবেদিত। স্বাধীনতা মানে মুক্ত বাজার পুঁজিবাদ। এটি ব্যক্তিগত অর্জন এবং যোগ্যতাকে পুরস্কৃত করে। এটি গায়ের রং, লিঙ্গ বা জাতিসত্তাকে পুরস্কৃত করে না।
** [http://www.youtube.com/watch?v=i3EADdr-5AY ''গভর্নমেন্ট অ্যান্ড রেসিজম''] (১৬ এপ্রিল ২০০৭)।
* আমি বিশ্বাস করতে চাই যে আমাদের যদি একটি স্বাধীন সমাজ থাকত, তবে এটি কৃষ্ণাঙ্গ ও শ্বেতাঙ্গ এবং সবাইকে সমানভাবে যত্ন নিত। কারণ আমরা সবাই ব্যক্তি। আমার কাছে এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু আমাদের যদি আইনের অধীনে সমান ন্যায়বিচার থাকত, তবে আমি মনে করি এটি একটি বড় উন্নতি হতো। যদি আমাদের সম্ভবত মাদকের ওপর বেশিরভাগ ফেডারেল আইন এবং এই মাদক আইনগুলোর মাধ্যমে কৃষ্ণাঙ্গদের সাথে কতটা অন্যায্য আচরণ করা হয় তা বাতিল করা হতো, তবে এটি একটি বিশাল উন্নতি হতো।
** [http://www.channels.com/episodes/13077589?page=2 ইয়োর লিগ্যাসি অন রেস], [http://www.presidency.ucsb.edu/ws/index.php?pid=75913#axzz1hrPWCrSG রিপাবলিকান ক্যান্ডিডেটস "অল-আমেরিকান প্রেসিডেনশিয়াল ফোরাম"] (২০০৭)
* ব্যক্তিগত স্বাধীনতা রক্ষার জন্য ডিজাইন করা একটি ব্যবস্থায় কোনো গোষ্ঠীর জন্য কোনো শাস্তি এবং কোনো সুবিধা থাকবে না। আজ আমি মনে করি শহরের ভেতরের লোক এবং সংখ্যালঘুদের মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অন্যায্যভাবে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে। <br />উদাহরণস্বরূপ, মাদক ব্যবহারকারীদের ১৪% হলো কৃষ্ণাঙ্গ। অথচ গ্রেপ্তার হওয়াদের মধ্যে ৩৬ শতাংশ কৃষ্ণাঙ্গ। আর শেষ পর্যন্ত যারা কারাগারে যায় তাদের ৬৩% হলো কৃষ্ণাঙ্গ। এটি পরিবর্তন করতে হবে। <br />আমাদের আরও আদালত এবং আরও কারাগার রাখার দরকার নেই। আমাদের মাদকের বিরুদ্ধে পুরো যুদ্ধ বাতিল করতে হবে। এটি কাজ করছে না। আমরা ১৯৭০-এর দশকের শুরু থেকে এরই মধ্যে ৪০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি ব্যয় করেছি। আর এটি নষ্ট হওয়া অর্থ। মাদক নিষিদ্ধ করা কাজ করেনি। মাদকের ওপর নিষেধাজ্ঞা কাজ করে না। তাই আমাদের সম্বিত ফিরে পেতে হবে। আর, অবশ্যই, এটি একটি রোগ। আমরা অ্যালকোহলিকদের সাথে এমন আচরণ করি না। এটি একটি রোগ, এবং আমাদের উচিত এর প্রতি নিজেদের অভিমুখী করা। এভাবে আপনি আইনের অধীনে সমান ন্যায়বিচার পেতে পারেন।
** [http://www.tigerdroppings.com/rant/p/30724045/Stands-on-race-Paul-can-not-deny.aspx মর্গান স্টেট ইউনিভার্সিটিতে জিওপি প্রেসিডেনশিয়াল ফোরাম], ২৭ সেপ্টেম্বর ২০০৭
* [[ইরাক যুদ্ধ|যুদ্ধের]] সবচেয়ে জোরালো সমর্থকদের কেউ কেউ ঘোষণা করেন যে আমরা একটি খ্রিষ্টান জাতি। তবুও তারা তাদের ধর্মীয় বিশ্বাস ব্যবহার করে যুদ্ধকে ন্যায়সঙ্গত করতে। তারা দাবি করে যে মধ্যপ্রাচ্য পুনর্নির্মাণ করা এবং মুসলিম কাফেরদের আক্রমণ করা আমাদের খ্রিষ্টান দায়িত্ব। স্পষ্টতই আমি অন্য একটি বাইবেল থেকে পড়ছি। আমার “[[w:বিয়াটিটিউডস|শান্তিস্থাপনকারীদের]] ধন্য” সম্পর্কে কিছু মনে আছে। আমার বিশ্বাস একপাশে রাখলে, প্রায় এক হাজার বছরের খ্রিষ্টান শিক্ষা “[[ন্যায়যুদ্ধ তত্ত্ব|দ্য জাস্ট ওয়ার থিওরি]]” ধারণাকে শক্তিশালী করে। এই খ্রিষ্টান তত্ত্বটি যুদ্ধে খ্রিষ্টানদের অংশগ্রহণকে ন্যায়সঙ্গত করতে প্রয়োজনীয় [[w:জাস্ট ওয়ার|ছয়টি মানদণ্ডের]] ওপর জোর দেয়... ইরাক যুদ্ধ এই প্রয়োজনীয়তাগুলোর প্রায় সবকটি পূরণ করতে ব্যর্থ হয়। এই অসামঞ্জস্যতা খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের মধ্যে ক্ষোভ ও বিভাজন তৈরি করেছে। কেউ কেউ ক্ষুব্ধ কারণ খ্রিষ্টীয় দায়িত্ববোধ থেকে যুদ্ধটি করা হচ্ছে। অথচ সমস্ত খ্রিষ্টানদের কাছ থেকে এর অভিন্ন সমর্থন নেই। অন্যরা ক্ষুব্ধ কারণ তারা খ্রিষ্টধর্মকে শান্তি ও ক্ষমার ধর্ম হিসেবে দেখে, যুদ্ধ এবং শত্রুদের ধ্বংস হিসেবে নয়।
** ''হোয়াই আর আমেরিকানস সো অ্যাংরি?'', ২৯ জুন ২০০৬ [http://www.house.gov/paul/congrec/congrec2006/cr062906.htm]
* আমি ওয়াশিংটনে বড় সরকারও পছন্দ করি না। আমাদের ফেডারেল সরকারের ওপর কোনো সুপার সরকার থাকা তো দূরের কথা, যেমন [[w:নর্থ আমেরিকান ইউনিয়ন|নর্থ আমেরিকান ইউনিয়ন]], বা জাতিসংঘ, বা এসব সংস্থার কোনোটি। এর মানে হলো আরও বেশি সরকার এবং ব্যক্তিগত সার্বভৌমত্বের ওপর আরও বেশি আক্রমণ, যা আসল সমস্যা।
** আইওয়ার জন্য টিভি স্পেশাল, ডিসেম্বর ২০০৭ [https://www.youtube.com/watch?v=uQNWHmiGj-k]
* আমরা বিশ্বজুড়ে ঘুরে বেড়াই, গণতন্ত্র ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য লড়াই করি এবং তাদের কীভাবে বাঁচতে হবে তা বলি। তবে আসলে আমাদের কোনো গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা নেই... এটি খুব কঠিন করার জন্য আইন তৈরি করা হয়েছে। কারণ রিপাবলিকান এবং ডেমোক্র্যাটরা প্রতিযোগিতার সন্ধান করছে না, তারা এটিকে একচেটিয়া করতে চায়। তাই অনেক দিক থেকে আমরা অন্যান্য কিছু ব্যবস্থার চেয়ে কম গণতান্ত্রিক। যেখানে তাদের একাধিক দল রয়েছে, এবং এখানে যত মানুষ প্রতিনিধিত্ব করতে পারে তার চেয়ে বেশি মানুষের প্রতিনিধিত্ব সেখানে রয়েছে।
** লরা নয়ের সাক্ষাৎকার, [[w:নিউ হ্যাম্পশায়ার পাবলিক রেডিও|এনএইচপিআর]], ৫ জুন ২০০৭ [http://info.nhpr.org/node/13016]
* আমরা ইরানের প্রতি আমাদের তীক্ষ্ণ বাগাড়ম্বর বাড়াচ্ছি, আমরা এই অঞ্চলে অতিরিক্ত ক্যারিয়ার গ্রুপ এবং প্যাট্রিয়ট মিসাইল মোতায়েন করছি। আর যদিও ইরান ৯/১১-এর পর থেকে দু'বার গুরুতর সংলাপ প্রতিষ্ঠার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সাথে [http://www.pbs.org/wgbh/pages/frontline/showdown/themes/grandbargain.html যোগাযোগ] করেছে, কিন্তু দু'বারই তাদের প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে...<br>'''[[কন্ডোলিজা রাইস]]''': ...যখন আমাদের একটি ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ [[w:পারস্য উপসাগর|উপসাগরে]] যায়, বা [[w:এমআইএম-১০৪_প্যাট্রিয়ট#পিএসি-৩|পিএসি-৩]] প্রদান করে, যা একটি প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা, তখন তা কেবল এটা প্রদর্শন করার জন্য যে যুক্তরাষ্ট্র উপসাগরে তার স্বার্থ এবং তার মিত্রদের স্বার্থ রক্ষায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। আর, কংগ্রেসম্যান, এটি এমন একটি অবস্থান যা আমেরিকান রাষ্ট্রপতিরা প্রায় ৬০ বছর ধরে ধরে রেখেছেন। আমি কেবল উল্লেখ করতে চাই যে এগুলো হলো ইরানি কার্যকলাপের প্রতি বিচ্ছিন্ন প্রতিক্রিয়া যা সত্যিই গভীরভাবে উদ্বেগজনক, কেবল আমাদের জন্য নয়, বাকি বিশ্বের জন্যও। এখন তেহরান সম্পর্কে বলি, আমরা তাদের সাথে কথা বলতে পারি কি না। আমি মে মাসে আমেরিকার ২৭ বছরের নীতি বদলানোর প্রস্তাব দিয়েছিলাম। আমি আমার প্রতিপক্ষের সাথে যেকোনো জায়গায়, যেকোনো সময় দেখা করার প্রস্তাব দিয়েছিলাম। আমি ইরান যে বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলতে চায় সেগুলো নিয়ে কথা বলার প্রস্তাব দিয়েছিলাম। যদি তারা কেবল একটি কাজ করত। আর তা হলো, [[w:আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়|আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়]] যে দাবি করছে তা মেনে চলা। তারা যেন সমৃদ্ধকরণ এবং পুনঃপ্রক্রিয়াকরণ বন্ধ করে, যাতে আমরা যখন কথা বলছি তখন তারা পারমাণবিক অস্ত্র পাওয়ার সক্ষমতা বাড়াতে না পারে। তাই আমার মনে হয়, কংগ্রেসম্যান, প্রশ্নটি এটি নয় যে আমরা কেন তেহরানের সাথে কথা বলব না, প্রশ্নটি হলো তারা কেন আমাদের সাথে কথা বলবে না।
** স্টেট ডিপার্টমেন্ট বার্ষিক বাজেট অনুরোধ, বৈদেশিক বিষয়ক কমিটি, ২ ফেব্রুয়ারি ২০০৭ [https://www.youtube.com/watch?v=zYa9EFcvsrE]
* যখন মানুষ সমস্যায় থাকে তখন তাদের সাহায্য করার বিষয়ে আমি মনে করি সবারই একই উদ্বেগ রয়েছে। প্রশ্ন হলো এটি বলপ্রয়োগ, নাকি স্বেচ্ছামূলক উপায়, নাকি স্থানীয় সরকারের মাধ্যমে করা উচিত। আর আমি ফেডারেল সরকারের এটি করা থেকে সরে আসি। কারণ এতে কেন্দ্রীয় অর্থনৈতিক পরিকল্পনা জড়িত। তাই আমরা যদি ভদ্রলোকের নৈতিক ভিত্তিও মেনে নিই, তবুও ব্যবহারিক উপায়ে এটি সম্পূর্ণ ব্যর্থ। আমরা যে পরিমাণ টাকা নিয়েছি তা দিয়ে যদি প্রতিটি পরিবারকে ২০ হাজার ডলার করে দিতাম, তবে আমরা যেভাবে এটি করেছি তার চেয়ে তারা সবাই ভালো থাকত। আমরা এই সব ট্রেলার বাড়ি কিনেছিলাম এবং সেগুলো খোলা আকাশের নিচে পড়ে ছিল। তাই পুরো জিনিসটিই পাগলামি, এটি একটি সম্পূর্ণ অপচয়। তাছাড়া আমি এই ফেডারেল সরকারি কর্মসূচিগুলো পছন্দ করি না। এর কারণ হলো এটি আমার মতো লোকেদের সমুদ্র সৈকতে নির্মাণ করতে উৎসাহিত করে। মেক্সিকো উপসাগরে সৈকতে আমার একটি বাড়ি আছে। কিন্তু আমি কেন আমার নিজের দায়িত্ব গ্রহণ করি না, বাজার আমাকে কেন বলে না যে বিমার হার কত হওয়া উচিত? কারণ এটি খুব বেশি হবে। কিন্তু, যেহেতু আমরা এটিতে ভর্তুকি চাই, তাই আমরা অ্যারিজোনার জনগণকে আমার বিমায় ভর্তুকি দিতে বলি যাতে আমি আরও বেশি বিপদ নিতে পারি। আমার বাড়ি ভেঙে পড়ে, আর তারপর অ্যারিজোনার জনগণ এটি পুনর্নির্মাণ করে?! [[w:হারিকেন ক্যাটরিনা|ক্যাটরিনার]] সময়ে আমার বক্তব্য, যা ছিল একটি বেশ ঝুঁকিপূর্ণ রাজনৈতিক বক্তব্য: আমার ঝুঁকি নেওয়ার জন্য অ্যারিজোনার জনগণকে কেন টাকা দিতে হবে... আপনি যদি ঝুঁকিপূর্ণ আচরণে ভর্তুকি না দেন তবে কম লোক বিপদের সম্মুখীন হবে... আমার মনে হয় এটি একটি খুব গুরুতর ভুল বলে মনে করা যে কেন্দ্রীয় অর্থনৈতিক পরিকল্পনা এবং যারা ঝুঁকি নেয় না তাদের কাছ থেকে যারা ঝুঁকি নেয় তাদের কাছে জোরপূর্বক সম্পদ স্থানান্তর করা একটি সঠিক উপায়।
** ''দ্য [[w:চার্লস গোয়েট|চার্লস গোয়েট]] শো'', ৩০ মার্চ ২০০৭ [https://www.youtube.com/watch?v=O6RMVUOaeA8]
* '''নিল ক্যাভুটো''': হ্যাঁ, কিন্তু আপনি তা পারেন না, কংগ্রেসম্যান। আমাদের এখানে বেশ ভালো একটি অর্থনীতি চলছে, তাই না? আমাদের উৎপাদনশীলতা বাড়ছে। খুচরা বিক্রি শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। ১৯তম ত্রৈমাসিকেও কর্পোরেট আয় দুই অঙ্কে বেড়েছে, তাই না? বাজার সর্বোচ্চ চূড়ার দিকে ছুটছে। এগুলো তো আর শূন্যে ঘটছে না, তাই না? <br/> '''রন পল''': হ্যাঁ, সেটা ভালো কথা। কিন্তু যখন আপনাকে ঋণ নিতে হয়, তখন আপনি জানেন... আমি যদি প্রতি মাসে দশ লাখ ডলার ঋণ নিই, তবে আমার ব্যক্তিগত আর্থিক অবস্থাও খুব ভালো হবে। তবে কোনো একদিন বিল পরিশোধের সময় আসবে। এই দেশেও বিল পরিশোধের সময় আসবে। তখন আমাদের এর মূল্য চোকাতে হবে। আমরা এই যুদ্ধের ব্যয়ভার বহন করতে পারি না। আমরা এনটাইটেলমেন্ট ব্যবস্থার ব্যয়ভারও বহন করতে পারি না। <br/> '''নিল ক্যাভুটো''': দেখুন কংগ্রেসম্যান, ১০ বছর আগে যখন সংখ্যাগুলো একইভাবে শক্তিশালী ছিল, তখন কি আপনি এই কথা বলেছিলেন... <br/> '''রন পল''': পেছনে ফিরে গিয়ে যাচাই করুন। <br/> '''নিল ক্যাভুটো''': ...আর তখনো আমরা বেশ ভালো পরিমাণেই ঋণ নিচ্ছিলাম। <br/> '''রন পল''': ঠিক বলেছেন। এর মানে হলো ডলারের বুদ্বুদ আগের চেয়ে অনেক বড় হয়েছে। <br/> '''নিল ক্যাভুটো''': তাহলে কী হতে চলেছে? <br/> '''রন পল''': এরই মধ্যে ন্যাসডাক বুদ্বুদ ভেঙে পড়েছে। আবাসন বুদ্বুদ ভেঙে পড়ার মাঝপথে রয়েছে। তাই ডলারের বুদ্বুদও ভেঙে পড়বে। আমাদের সাধ্যের মধ্যে বাঁচতে হবে। আপনি হঠাৎ করে টাকা ছাপাতে পারেন না এবং টাকা ছাপিয়ে সমৃদ্ধি আনা যায় বলেও ভাবতে পারেন না।
** [[w:নিল ক্যাভুটো|নিল ক্যাভুটোর]] সাথে ''ইউর ওয়ার্ল্ড'', ফক্স নিউজ, ১৫ মে ২০০৭ [http://www.newshounds.us/2007/05/16/rep_ron_paul_tells_fox_newsrepublicans_the_truth_they_dont_like_hearing_it.php] [https://www.youtube.com/watch?v=MU2RK0TNbXk]
* সোনা-সমর্থিত ডলার মানের মতো [[w:ব্রেটন উডস ব্যবস্থা|ব্রেটন উডসের]] অ-প্রাতিষ্ঠানিক উপাদানগুলো হারিয়ে গেছে। তবে [[w:বিশ্বব্যাংক|বিশ্বব্যাংক]] এবং [[w:আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল|আইএমএফ]] কাজ চালিয়ে যাচ্ছে... পশ্চিমা সরকারগুলো বিশ্বব্যাংকে অর্থায়নের জন্য তাদের নাগরিকদের ওপর করারোপ করে। এই অর্থ দুর্নীতিগ্রস্ত তৃতীয় বিশ্বের স্বৈরশাসকদের ঋণ দেওয়া হয়। তারা এই তহবিল নিয়ে পালিয়ে যায়। এরপর ঋণ পরিশোধের দাবি করা হয়। আত্মসাতের জন্য দায়ী সরকারি কর্মকর্তাদের বদলে দরিদ্র তৃতীয় বিশ্বের নাগরিকদের ওপর করারোপ করে তা আদায় করা হয়। এটি মূলত দরিদ্রদের কাছ থেকে ধনীদের কাছে সম্পদের বৈশ্বিক হস্তান্তর। সারা বিশ্বের করদাতাদের তৃতীয় বিশ্বের স্বৈরশাসক এবং বিশ্বব্যাংকের উচ্চ বেতনের আমলাদের বিলাসবহুল জীবনযাপনের ব্যয়ভার বহন করতে বাধ্য করা হয়। এই আমলারা এমনকি আয়করও দেন না।
** বিশ্বব্যাংকের শুনানি, ২২ মে ২০০৭ [http://www.house.gov/paul/congrec/congrec2007/cr052307.htm] [https://www.youtube.com/watch?v=qNZdba8hDDY]
* আইআরএসের তত্ত্বটি আমার কাছে বেশ আপত্তিকর। কারণ ধরে নেওয়া হয় যে সরকার হিসেবে আমি আপনার আয়ের ১০০ শতাংশের মালিক। আমি আপনাকে ৫, ১০ বা ২০ শতাংশ রাখার অনুমতি দিই। আপনি দুর্বল। আপনি বিক্রি হয়ে গেছেন। সরকার চাইলে ৮০ শতাংশ নিতে পারে। একসময় তারা এটি করেছিল।
** ক্যান্ডিডেটস@গুগল সাক্ষাৎকার, ১৩ জুলাই ২০০৭ [https://www.youtube.com/watch?v=yCM_wQy4YVg]
* জনকল্যাণবাদ, অতিরিক্ত ব্যয়, ঘাটতি এবং সমাজতন্ত্র আমাদের বিভক্ত করে। কারণ সবাইকে ওয়াশিংটনে যেতে হয়। যাদের সবচেয়ে বেশি প্রভাব রয়েছে, যারা সেরা তদবিরকারী, তারা যায় এবং দখল করে। চিকিৎসাবিষয়ক শিল্প কমপ্লেক্স, ব্যাংকিং শিল্প বা সামরিক শিল্প কমপ্লেক্স যাই হোক না কেন, শেষ পর্যন্ত তারাই আমাদের সরকার নিয়ন্ত্রণ করে... দীর্ঘকাল ধরে রক্ষণশীল এবং সংবিধানপন্থীরা যুক্তিতে হেরে গেছে। তারা নৈতিক উচ্চস্থান হারিয়েছে। কারণ যারা জিনিসপত্র বিলিয়ে দিতে চায়, তারা কোথা থেকে চুরি করে তা নিয়ে কথা বলে না। তারা জিনিসপত্র দিতে এবং মানুষের যত্ন নিতে চায়। তারা নৈতিক উচ্চস্থান লাভ করে এবং দয়ালু হিসেবে পরিচিত হয়। আর স্বাধীনতায় বিশ্বাসী আমাদের দয়ার অভাব রয়েছে। কিন্তু সত্য হলো, মানুষের জানা একটিমাত্র দয়ালু ব্যবস্থা রয়েছে। আর তা হলো স্বাধীনতা এবং ব্যক্তিগত দায়িত্ব। তখন পর্যাপ্ত সম্পদ থাকবে। পরিবার, বন্ধু এবং প্রতিবেশীদের যত্ন নেওয়ার জন্য এই দয়া ব্যবহার করার ব্যক্তিগত দায়িত্ব আমাদের সবার থাকবে। তখন এত সম্পদ থাকবে যে আমরা সারা বিশ্বে এই সম্পদ ছড়িয়ে দিতে পারব।
** নিউ হ্যাম্পশায়ার হোমস্কুল মিট অ্যান্ড গ্রিট, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০০৭ [https://www.youtube.com/watch?v=WA0-OIdm6Z8]
* '''রন পল''': যা ঘটছে তা হলো দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত শ্রেণি থেকে ধনীদের কাছে সম্পদ হস্তান্তর করা হচ্ছে। আমাদের আর্থিক ব্যবস্থার কারণে এটি ঘটে। যখন আপনি মুদ্রাস্ফীতি ঘটান বা কোনো মুদ্রা ধ্বংস করেন, তখন মধ্যবিত্ত শ্রেণি নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। তাই ফেডারেল রিজার্ভ ব্যবস্থার তৈরি করা অর্থ যারা প্রথমে ব্যবহার করার সুযোগ পায়, তারা লাভবান হয়। ফলে অর্থ ব্যাংক এবং ওয়াল স্ট্রিটের দিকে ধাবিত হয়। এ কারণেই আগের চেয়ে অনেক বেশি শতকোটিপতি তৈরি হয়েছে। আজ অনেক মানুষের জন্য এই দেশ মন্দার মাঝে রয়েছে... যতক্ষণ আমরা সাধ্যের বাইরে জীবনযাপন করব, ততক্ষণ আমাদের সাধ্যের নিচে বাঁচতে হবে। আমরা আমাদের সাধ্যের বাইরে জীবনযাপন করেছি। কারণ আমরা এমন একটি পররাষ্ট্রনীতিতে অর্থায়ন করছি যা অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। একই সাথে দেশের ভেতরের ব্যয়ও রয়েছে। আমরা শূন্য থেকে অর্থ তৈরির ওপর নির্ভর করছি। এটি মুদ্রার অবমূল্যায়ন ছাড়া আর কিছু নয়। এটি জালিয়াতি... তাই, আপনি যদি একটি সুস্থ অর্থনীতি চান, তবে আপনাকে আর্থিক তত্ত্ব অধ্যয়ন করতে হবে এবং আমরা কেন ভুগছি তা খুঁজে বের করতে হবে। সবাই সমানভাবে ভোগে না, তা না হলে এটি এত খারাপ হতো না। সবসময় দরিদ্র মানুষ এবং যারা অবসরকালীন আয়ের ওপর নির্ভরশীল, তারাই সবচেয়ে বেশি ভোগে। কিন্তু রাজনীতিবিদ এবং যারা প্রথমে অর্থ ব্যবহারের সুযোগ পায়, যেমন সামরিক শিল্প কমপ্লেক্স, তারা প্রচুর অর্থ উপার্জন করে এবং এর থেকে লাভবান হয়।<br>'''জন ম্যাককেইন''': সবাই কর দিচ্ছে এবং সম্পদ সম্পদ তৈরি করে। বাস্তব সত্যটি হলো রন, আমি আপনাকে "[[w:দ্য ওয়েলথ অব নেশনস|ওয়েলথ অব নেশনস]]" পড়ার পরামর্শ দেব। কারণ এটি এ সম্পর্কেই লেখা। একটি গতিশীল অর্থনীতি সম্পদ তৈরি করে। মানুষ কর দেয়। রাজস্ব এখন সর্বকালের সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে।
** রিপাবলিকান পার্টির বিতর্ক, ডিয়ারবর্ন, মিশিগান, ৯ অক্টোবর ২০০৭ [http://www.freep.com/apps/pbcs.dll/article?AID=/20071009/NEWS02/71009073]
* '''রন পল''': ...আপনাকে রূপান্তরটি বিকাশ করতে হবে। শেষ পর্যন্ত পরবর্তী পদক্ষেপটি হবে [[w:ফেডারেল রিজার্ভ সিস্টেম|ফেডকে]] ঋণ নগদীকরণ থেকে নিষিদ্ধ করা। এটিই আসল ক্ষতিকর দিক। রাজনীতিবিদেরা যুদ্ধ এবং কল্যাণের জন্য ব্যয় করেন। তাদের দায়িত্বশীলতার সাথে এটি করতে হয় না।<br>'''প্রশ্ন''': ঋণ নগদীকরণ বলতে আপনি কি বোঝাতে চাইছেন যে তারা কেবল তাদের হাতে থাকা নগদ অর্থই ব্যয় করতে পারবে। তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা না থাকলে তারা কোনো চেক লিখতে পারবে না? <br>'''রন পল''': ঠিক বলেছেন। আর এটাই এর মূল চাবিকাঠি। কারণ যখন ফেড আসে এবং মূলধন ও [[w:বাজার তারল্য|তারল্যের]] অভাব দেখা দেয়, আর রাজনীতিবিদেরা খুব বেশি ব্যয় করেন, তখন ফেড এক দিনে ২০, ৩০, ৫০ বিলিয়ন ডলার তৈরি করতে পারে। ঠিক যেমনটা তারা এই [[w:রিয়েল এস্টেট বুদ্বুদ|আবাসন বুদ্বুদের]] পতন থেকে উদ্ধার করার চেষ্টায় করেছিল। তাই তারা প্রতিনিয়ত শূন্য থেকে অর্থ তৈরি করে। শেষ পর্যন্ত তা বন্ধ করতে হবে। কারণ এটি ডলারের মূল্য কমিয়ে দেয়।
** [[w:ফক্স বিজনেস নেটওয়ার্ক|ফক্স বিজনেস নেটওয়ার্ক]], ১৬ অক্টোবর ২০০৭ [https://www.youtube.com/watch?v=JXfDHXpP87o]
* '''হাওয়ার্ড ফাইনম্যান''': যারা নীতিগত কারণে কর দেয় না, তারা কি গান্ধী এবং মার্টিন লুথার কিংয়ের মতো বীর?<br>'''রন পল''': আমার মনে হয় তারা যদি সংবিধান রক্ষা করে এবং তারা কী করছে তা জানে। এই অর্থ বিশ্বের কোনো প্রকৃত খারাপ কাজে সমর্থন দিচ্ছে। আগাম যুদ্ধ? আমার মতে এটি বেশ ক্ষতিকর। একটি সরকারি ব্যবস্থায় এত অপচয় যা আমাদের স্বাধীনতাকে লঙ্ঘন করেছে? হ্যাঁ, আমি মনে করি এটি অনেক দিক দিয়েই বীরত্বপূর্ণ কাজ। যারা স্বাধীনতা বলে বিশ্বাস করে, তা রক্ষার জন্য মানুষ নিজেদের স্বাধীনতা ঝুঁকিতে ফেলতে প্রস্তুত।
** [[w:হাওয়ার্ড ফাইনম্যান|হাওয়ার্ড ফাইনম্যানের]] নেওয়া ''নিউজউইক'' সাক্ষাৎকার, ডিসেম্বর ২০০৭ [https://youtube.com/watch?v=K5tgVJiXRjw]
* '''প্রশ্ন''': আপনি সেই [[w:সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী|নিরাপত্তা বেষ্টনী]] ধ্বংস করতে চান...<br>'''রন পল''': কিন্তু নিরাপত্তা বেষ্টনী কাজ করে না。<br>'''প্রশ্ন''': আমাকে বলুন কেন এটি কাজ করে না。<br>'''রন পল''': এটি কিছু মানুষের জন্য কাজ করে। কিন্তু সামগ্রিকভাবে এটি শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়। কারণ আপনার কাছে যা আছে তার চেয়ে বেশি অর্থ আপনি ব্যয় করেন। তারপর আপনি আকণ্ঠ ঋণ নেন। নিরাপত্তা বেষ্টনী সচল রাখার জন্যই এখন আমাদের বছরে ৮০০ বিলিয়ন ডলার ঋণ নিতে হয়। ডলারের পতন হলে এটি ধসে পড়বে। এই ঋণ ছাড়া আপনি যুদ্ধও করতে পারবেন না। ডলারের পতন হলে আপনি আজকের বয়স্কদের যত্ন নিতে পারবেন না। তারা পিছিয়ে পড়ছে। তাদের জীবনযাত্রার ব্যয় প্রায় ১০ শতাংশ বাড়ছে। যদিও সরকার এটি অস্বীকার করে। আমরা তাদের জীবনযাত্রার ব্যয় ২ শতাংশ বাড়িয়ে দিই。<br>'''প্রশ্ন''': তাহলে আপনি কি মনে করেন [[w:স্বর্ণমান|স্বর্ণমান]] এটি ঠিক করবে?<br>'''রন পল''': স্বর্ণমান আপনাকে টাকা ছাপানো এবং মধ্যবিত্ত শ্রেণিকে ধ্বংস করা থেকে বিরত রাখবে। যেসব দেশে লাগামহীন মুদ্রাস্ফীতি রয়েছে, সেখানে কোনো মধ্যবিত্ত শ্রেণি নেই। মেক্সিকোতে কোনো মধ্যবিত্ত শ্রেণি নেই। সেখানে বিশাল একটি দরিদ্র শ্রেণি এবং অনেক ধনী মানুষ রয়েছে। আজ আমাদের একটি বর্ধনশীল দরিদ্র শ্রেণি রয়েছে। আগের চেয়ে অনেক বেশি শতকোটিপতি রয়েছে। তাই আমরা তৃতীয় বিশ্বের মর্যাদার দিকে এগিয়ে যাচ্ছি...<br>'''প্রশ্ন''': আপনি যে নিরাপত্তা বেষ্টনীর কথা বলছেন তা কারা? সেসব কর্মসূচি এবং সেসব সংস্থা থেকে কারা লাভবান হয়?<br>'''রন পল''': সবাই স্বল্পমেয়াদে কিছু সময়ের জন্য লাভবান হয়। সরকার যদি একটি ভাড়াটে বাড়ি তৈরি করে, তবে কেউ হয়তো সেখানে ১৫ বা ২০ বছর বাস করতে পারে। কিন্তু আপনি হিসাব করেন না যে এর জন্য কে অর্থ প্রদান করেছে। কেউ হয়তো পথে চাকরি হারিয়েছে, কারও মুদ্রাস্ফীতি হয়েছে, অন্য কেউ কষ্ট পেয়েছে। কিন্তু তারপর প্রায় ২০ বছর পর ভাড়াটে বাড়িটি ধসে পড়ে। কারণ এটি ব্যক্তিগত মালিকানাধীন নয়। তাই শেষ পর্যন্ত সবাই কষ্ট পায়। কিন্তু তাৎক্ষণিক ভুক্তভোগীদের চিহ্নিত করা যায় না। কারণ আপনি জানেন না কে চাকরি হারিয়েছে এবং কার মুদ্রাস্ফীতি হয়েছে। ভুক্তভোগীরা অদৃশ্য। অল্পসংখ্যক মানুষ যারা লাভবান হয়, যারা সরকারের কাছ থেকে কিছু সাহায্য পায়, সবাই দেখে এবং বলে, "ওহ! দেখো আমরা কী করেছি!" কিন্তু এর বদলে আমরা কী হারিয়েছি, তা তারা কখনোই বলে না। আর আপনি এই প্রশ্ন না করা পর্যন্ত আমরা দেউলিয়া হয়ে যাব। আমরা এর প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছি। ডলারের মান কমছে। আমাদের জীবনযাত্রার মান কমছে। আমরা সেই মানুষগুলোকেই আঘাত করছি যাদের অনেকেই সাহায্য করতে চায়, বিশেষ করে উদারপন্থীরা...
** [[w:কেডব্লিউকিউডব্লিউ|কেডব্লিউকিউডব্লিউতে]] ম্যাক ম্যাককয়ের নেওয়া সাক্ষাৎকার, ১৭ ডিসেম্বর ২০০৭ [https://ca.youtube.com/watch?v=x3lxo9WIR6w]
* '''নিল ক্যাভুটো''': ...আপনার প্রচারকাজে ওয়েস্ট পাম বিচের একজন শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদীর কাছ থেকে ৫০০ ডলার অনুদান পেয়েছে। আপনার প্রচার শিবির ইঙ্গিত দিয়েছে যে এটি ফেরত দেওয়ার কোনো ইচ্ছা আপনার নেই। আপনি ওটা দিয়ে কী করতে যাচ্ছেন?<br>'''রন পল''': এটি হয়তো এরই মধ্যে খরচ হয়ে গেছে। কেন তাকে ফেরত দিয়ে খারাপ কাজে ব্যবহার করতে দেব?<br>'''নিল ক্যাভুটো''': ...এই ডন ব্ল্যাক অনুদানটি দিয়েছেন এবং "স্টর্মফ্রন্ট, হোয়াইট প্রাইড ওয়ার্ল্ডওয়াইড" নামের একটি সাইট চালাতেন। এখন আপনি তা জানেন। ঘটনার পর আপনি পরিচিত হয়েছেন। তবুও কি আপনি তা ফেরত দেবেন না?<br>'''রন পল''': দেখুন, আমি যদি তার অর্থ খরচ করে থাকি এবং হয়তো আপনি আমাকে যে অর্থ পাঠিয়েছেন তা নিয়ে তাকে ফেরত দিই, তবে আমার কাছে তা অর্থহীন মনে হয়। তার উদ্দেশ্য প্রচারে আমি তাকে অর্থ দেব কেন?<br>'''নিল ক্যাভুটো''': ...হিলারি ক্লিনটনকে এটি করতে হয়েছিল। আরও অনেক প্রার্থীকে এটি করতে হয়েছিল। আপনি কি মনে করেন এটি কেবল একটি খারাপ চর্চা?<br>'''রন পল''': আমি মনে করি এটি তোষামোদ করা। আমি মনে করি এটি রাজনৈতিক শুদ্ধতার ভান করা... যারা অনুদান পায়, সামরিক শিল্প কমপ্লেক্স থেকে বিশেষ সুবিধা পেতে চায়, তাদের সম্পর্কে কী বলবেন? তারা বিনিয়োগ করে। তারা অর্থ সংগ্রহ করে, জমা করে এবং সেখানে লাখ লাখ ডলার পাঠায়। তারা করদাতাদের সম্পদ লুট করতে চায়। এটাই আসল ক্ষতিকর দিক। যা সরকারে প্রভাব কেনে। আমার মতে এটিই সেই দুর্নীতি যা সংশোধন করা উচিত... আপনি আসল বিষয়টাই এড়িয়ে যাচ্ছেন। কারণ এটি সরকারের অনৈতিকতা, এটি সরকারের বিশেষ স্বার্থ, এটি অবৈধ যুদ্ধ করা...<br>'''নিল ক্যাভুটো''': ঠিক আছে。<br>'''রন পল''': ...এবং অর্থায়ন করা, মানুষের ওপর করারোপ করা, মুদ্রাস্ফীতির মাধ্যমে মানুষকে ধ্বংস করা এবং দেশের এই সমৃদ্ধিকে ক্ষুণ্ন করা।
** [[w:নিল ক্যাভুটো|নিল ক্যাভুটোর]] সাথে ''ইউর ওয়ার্ল্ড'', ফক্স নিউজ, ১৯ ডিসেম্বর ২০০৭ [http://www.foxnews.com/story/0,2933,317536,00.html] [https://www.youtube.com/watch?v=CrRtZaG63o8]
* বিশেষ স্বার্থ এবং বিজয়ের উন্মাদ দর্শন ইতিহাসজুড়ে অধিকাংশ যুদ্ধকে পরিচালিত করেছে। আমাদের নিজেদের বিপ্লবের মতো স্বাধীনতার কারণ খুব কমই চালিকাশক্তি হয়েছে। সাম্প্রতিক দশকগুলোতে আমাদের নীতিগুলো নিও-কনজারভেটিভ সাম্রাজ্যের চরমপন্থা, সামরিক শিল্প কমপ্লেক্সে মুনাফা অর্জন, ভুল আন্তর্জাতিকতাবাদ, প্রাকৃতিক সম্পদ নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কিত বাণিজ্যবাদী ধারণা এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন সরকারের প্রতি অন্ধ আনুগত্য দ্বারা পরিচালিত হয়েছে।
** [http://www.house.gov/paul/congrec/congrec2007/cr021407.htm ''ইরাক যুদ্ধের প্রস্তাবনার ওপর বিবৃতি''] (১৪ ফেব্রুয়ারি ২০০৭)।
* মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকা "গণতন্ত্র সমর্থন করে" বলে ক্লান্তিকর দাবিটি ক্রমশ স্পষ্ট হচ্ছে। ৫০ বছর আগে এটি মিথ্যা ছিল। তখন আমরা ইরানের তেল জাতীয়করণ রোধ করতে ঘৃণিত [[মোহাম্মদ রেজা পাহলভি|ইরানের শাহকে]] সমর্থন ও অর্থায়ন করেছিলাম। আজ যখন আমরা পাকিস্তানে একজন অনির্বাচিত সামরিক স্বৈরশাসককে সমর্থন দিই, তখনো এটি মিথ্যা। মাত্র দুটি উদাহরণ দিলাম। আগামীকাল যদি পুরো মধ্যপ্রাচ্যে সৎ গণতান্ত্রিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, তবে অনেক দেশই যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বৈরী ধর্মীয় কট্টরপন্থী নেতাদের নির্বাচিত করবে। এটি পুরোনো কথা হোক বা না হোক, আরবের সাধারণ মানুষ সত্যিই আমেরিকাকে পছন্দ করে না। তাই আমাদের গণতন্ত্র নিয়ে এই প্রহসন বন্ধ করা উচিত। আমেরিকার দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থ রক্ষা করে এমন একটি সুসংগত পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করা শুরু করা উচিত।
** [http://www.house.gov/paul/tst/tst2007/tst022607.htm ''মধ্যপ্রাচ্যে ভণ্ডামি''] (২৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৭)।
* আমাদের সৈন্যদের দেশে ফিরিয়ে আনা তাদের প্রতি সমর্থনের অভাব প্রমাণ করবে বলে যে ধ্রুবক যুক্তি দেওয়া হয়, তা অবশ্যই আমেরিকান জনগণের ওপর চাপিয়ে দেওয়া সবচেয়ে বিস্ময়কর বিকৃতিগুলোর একটি।
** [http://www.house.gov/paul/congrec/congrec2007/cr032007.htm ''আসন্ন ইরাক যুদ্ধ অর্থায়ন বিল''] (২০ মার্চ ২০০৭)।
* তারা সব সময় [ [[w:বিচ্ছিন্নতাবাদ|বিচ্ছিন্নতাবাদী]] শব্দটি ] ব্যবহার করে। তারা খুব নেতিবাচক হওয়ার জন্যই এমনটি করে। দেশে অল্পসংখ্যক মানুষ আছে যারা বলে, "বেশ ভালো। আমি শব্দটি পছন্দ করি।" আমি ব্যক্তিগতভাবে শব্দটি পছন্দ করি না। কারণ আমি মোটেও মনে করি না যে আমি বিচ্ছিন্নতাবাদী। কারণ জোট গঠনে জড়িয়ে না পড়া এবং অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার উপদেশের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠাতারা বলেছিলেন মানুষের সাথে বন্ধুত্ব করতে, মানুষের সাথে বাণিজ্য করতে, তাদের সাথে যোগাযোগ করতে এবং তাদের সাথে মিলেমিশে থাকতে। আর এটি সংবিধানের অধীনেও অনুমোদিত। তবে সামরিক জোট থেকে দূরে থাকতে হবে। পরিহাসের বিষয় হলো, আমরা যারা কম হস্তক্ষেপকারী হতে চাই এবং আমাদের সৈন্যদের দেশে রাখতে চাই, তারা আমাদের বিচ্ছিন্নতাবাদী বলে অভিযুক্ত করে। তবুও আপনি যদি গত ছয় বছরের নীতির ফলাফলগুলো দেখেন, তবে আমরা দেখতে পাব যে আমরা আগের চেয়ে বেশি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছি। তাই যারা আমাদের বিচ্ছিন্নতাবাদী বলে অভিযুক্ত করে, তাদের নীতিই প্রকৃত কূটনৈতিক বিচ্ছিন্নতাবাদ বলে আমি দাবি করি। তারা সিরিয়ার সাথে কথা বলতে ইচ্ছুক নয়। তারা ইরানের সাথে কথা বলতে ইচ্ছুক নয়। যেসব দেশের দায়িত্বে সন্দেহজনক মানুষ থাকতে পারে, তাদের সাথে তারা বাণিজ্য করতে ইচ্ছুক নয়। আমরা আক্ষরিক অর্থেই নিজেদের বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছি। আগের চেয়ে আমাদের বন্ধু কম এবং শত্রু বেশি। তাই একদিক থেকে এটি তাদের অভিযোগের অন্যতম অনাকাঙ্ক্ষিত পরিণতি। আমি বিশ্বাস করি তারাই প্রকৃত বিচ্ছিন্নতাবাদী।
** [[w:স্কট হর্টন|স্কট হর্টনের]] নেওয়া সাক্ষাৎকার, ৪ এপ্রিল ২০০৭ [http://www.antiwar.com/horton/?articleid=10798]
* আমাদের দেশে নিজেদের সীমান্ত নিয়ে চিন্তা করা উচিত। সারা বিশ্বের সীমান্ত এবং সিরিয়া ও ইরাকের মধ্যকার সীমান্ত নিয়ে চিন্তা করা উচিত নয়। এর সাথে আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার কোনো সম্পর্ক নেই। আমাদের নিজস্ব জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করতে হবে। আমাদের সামরিক বাহিনী এখন বিশৃঙ্খল অবস্থায় রয়েছে। কারণ আমাদের অতিরিক্ত ব্যবহার করা হয়েছে। একদিন আমাদের জেগে উঠতে হবে। আমার ভয় হয় যে দেউলিয়া না হওয়া পর্যন্ত আমরা হয়তো জাগব না। আমরা এরই মধ্যে সেই সময়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি।
** এমএসএনবিসি, এপ্রিল ২০০৭ [https://www.youtube.com/watch?v=lxSe69YehvY]
* ইরাক এবং দেশের ভেতরে ভুল পদক্ষেপের জন্য অনেকেই রাষ্ট্রপতির সমালোচনা করবেন। তবুও কংগ্রেসের যোগসাজশেই আমরা আগাম যুদ্ধ, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, নির্যাতন, হেবিয়াস কর্পাস প্রত্যাখ্যান, পরোয়ানা ছাড়া তল্লাশি, অযৌক্তিক সরকারি গোপনীয়তা, অসাধারণ প্রত্যর্পণ এবং আমেরিকান জনগণের ওপর অনিয়ন্ত্রিত গুপ্তচরবৃত্তির জাতিতে পরিণত হয়েছি। সেখানে যুদ্ধ করার সাথে দেশের ভেতরে স্বাধীনতা রক্ষার কোনো সম্পর্ক নেই। বরং এর উল্টোটাই সত্য হতে পারে।
** [http://www.house.gov/paul/tst/tst2007/tst043007.htm ''ইরাক যুদ্ধে অর্থায়নে আবারও ভুল করা''], ৩০ এপ্রিল ২০০৭
* বিতর্কের রাতে, আমাকে যখন [[w:২০০৮ সালে রন পলের রাষ্ট্রপতি প্রচার|বাধা দেওয়া হয়েছিল]], তখন সমস্যাটি ছিল এমন যে, আমি যা বলেছি তাতে কোনো না কোনোভাবে আমি ভুক্তভোগীদেরই দোষারোপ করছি। যা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। এটি অনেকটা এমন যে কেউ খুন বা ধর্ষিত হয়েছে, আর আমরা বলছি, চলো খুঁজে বের করি কে এই কাজ করেছে এবং তার উদ্দেশ্য কী ছিল। অপরাধের ক্ষেত্রে সবাই এমনটাই করে। এটি স্বাভাবিক। আর বলা হচ্ছে যে সে ধর্ষণ বা খুনের শিকার ব্যক্তিকেই দোষারোপ করছে। এটি সত্য হতে পারে না। আমার মতো একজন ব্যক্তি এবং আরও অনেকেই এই অবস্থান নিয়েছেন যে আমরা আমেরিকা বা আমেরিকানদের দোষারোপ করি। আমি একজন আমেরিকান। আপনারা সবাই আমেরিকান। আর আমাদের সাথে যা ঘটেছে তার জন্য আপনাদের দোষ দেওয়া, আর যারা এসে আমাদের হত্যা করেছে তাদের দোষ না দেওয়াটা হাস্যকর। আমাদের পররাষ্ট্রনীতির এর সাথে কোনো সম্পর্ক নেই, এমন ধারণা অবিশ্বাস্য। আর [[রুডি জুলিয়ানি|জুলিয়ানি]] এটা কখনো শোনেননি, এটি অবিশ্বাস্য। এটি অনেকটা এমন বলার মতো যে একটি দেশ বছরের পর বছর ধরে [[w:ইরাকের ওপর নিষেধাজ্ঞা|নিষেধাজ্ঞার]] অধীনে আক্রান্ত হতে পারে, লাখ লাখ মানুষ মারা যেতে পারে, আর ওহ, তারা পরোয়া করে না, তারা এ নিয়ে ভাবেওনি।
** [[w:জাতীয় প্রেসক্লাব (যুক্তরাষ্ট্র)|জাতীয় প্রেসক্লাবে]] [[মাইকেল শয়ারের]] সাথে সংবাদ সম্মেলন, ২৪ মে ২০০৭ [http://thenewliberty.com/?p=184]
* আমাদের দেশে অনেক ভালো দিক রয়েছে। আমাদের তা প্রচার করা উচিত। কিন্তু কখনো বন্দুকের নল দিয়ে নয়। আমাদের ভালো মানদণ্ড স্থাপন করে এটি করা উচিত। মানুষকে অনুপ্রাণিত করা উচিত। তারা যেন আমাদের অনুকরণ করতে চায়। কিন্তু নিওকনরা যেমনটা প্রচার করে, সশস্ত্র বাহিনীর মাধ্যমে আপনি আমাদের ভালো দিক চাপিয়ে দিতে পারেন না। এটি কাজ করে না।
** রিপাবলিকান পার্টির রাষ্ট্রপতির বিতর্ক, ম্যানচেস্টার, নিউ হ্যাম্পশায়ার, ৫ জুন ২০০৭ [http://transcripts.cnn.com/TRANSCRIPTS/0706/05/se.01.html]
* প্রায়শই অন্য দেশের বিষয়ে আমাদের নাক গলানো এবং হস্তক্ষেপ করার অনাকাঙ্ক্ষিত পরিণতি দেখা যায়। কখনো কখনো যেসব দেশে আমরা হস্তক্ষেপ করি, কেবল সেখানেই এটি ঘটে। আমরা হয়তো কোনো একটি দলকে সমর্থন করি, আর এটি কাজ করে না। এটি আমাদের বিরুদ্ধেই ব্যবহৃত হয়। এর একটি [[w:ব্লোব্যাক (গোয়েন্দা)|ব্লোব্যাক]] প্রভাব রয়েছে, যা নিয়ে [[w:সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি|সিআইএ]] কথা বলে। এটি পরে আমাদের তাড়িত করতে ফিরে আসে। উদাহরণস্বরূপ, ১৯৫৩ সালে আমাদের সরকার মোসাদেগ সরকারকে [[w:১৯৫৩ সালের ইরানের অভ্যুত্থান|ক্ষমতাচ্যুত করে]] এবং আমরা ইরানে [[মোহাম্মদ রেজা পাহলভি|শাহকে]] বসাই। এরপর ২৫ বছর ধরে সেখানে আমাদের একজন স্বৈরাচারী বন্ধু ছিল। জনগণ তাকে ঘৃণা করত। অবশেষে তারা তাকে ক্ষমতাচ্যুত করে। এরপর থেকেই তারা আমাদের প্রতি ক্ষুব্ধ। ১৯৭৯ সালে [[w:ইরানের জিম্মি সংকট|জিম্মি করার]] ঘটনার সাথে এর অনেক সম্পর্ক ছিল। আর আমাদের এটি উপেক্ষা করার অর্থ হলো ইতিহাসকে উপেক্ষা করা... সাদ্দাম হোসেনকে সমর্থন করে এবং তাকে ইরানে আক্রমণ করতে [[w:ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময় ইরাকের প্রতি মার্কিন সমর্থন|উৎসাহিত করে]] আমরা ইরানীদের খেপিয়ে তুলেছি। তারা কেন আমাদের ওপর ক্ষুব্ধ হবে না? তবে বারবার এই অন-অফ জিনিসটাই আমাকে সবচেয়ে বেশি বিরক্ত করে। প্রথমে আমরা [[ওসামা বিন লাদেনের]] মিত্র, তারপর সে আমাদের প্রধান শত্রু। আমাদের সিআইএ কট্টর ইসলামপন্থীদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য [[w:মাদ্রাসা|মাদ্রাসা]] তৈরি করেছিল এবং অর্থ দিয়েছিল। সৌদি আরবে কমিউনিজমের বিরুদ্ধে [[w:মুজাহিদ|লড়াই করার]] জন্য... কিন্তু এখন তারা আমাদের ওপর আক্রমণ করছে... মুসলিম এবং আরবদের দীর্ঘ স্মৃতি রয়েছে। আমেরিকানদের দুর্ভাগ্যবশত খুব ছোট স্মৃতি রয়েছে। তারা আমাদের এমন পররাষ্ট্রনীতি মনে রাখে না যা হয়তো তাদের খেপিয়ে তুলেছে... [[w:যুক্তরাষ্ট্রের স্থপতিরা|প্রতিষ্ঠাতারা]] একেবারেই সঠিক ছিলেন: বিদেশি দেশগুলোর অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ থেকে দূরে থাকুন, নিজেদের চরকায় তেল দিন, আমাদের সৈন্যদের দেশে ফিরিয়ে আনুন এবং একটি শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রাখুন। আমি মনে করি আমাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এখন আগের চেয়ে অনেক দুর্বল।
** [[w:নিউ হ্যাম্পশায়ার পাবলিক রেডিও|এনএইচপিআরে]] লরা নয়ের নেওয়া সাক্ষাৎকার, ৫ জুন ২০০৭ [http://info.nhpr.org/node/13016]
*'''লরা নয়''': যখন এটি [[w:দারফুর সংঘাত|সুদানের দারফুরে গণহত্যার]] মতো একটি [[w:মানবিক সংকট|মানবিক সংকট]], তখন এই অহস্তক্ষেপবাদী দর্শন কীভাবে কাজ করে?<br>'''রন পল''': ...এটি স্বেচ্ছায় করা উচিত। বন্দুক নিয়ে এসে মানুষের ওপর কর বসানো এবং বলা আমার কোনো অধিকার নেই—নৈতিক বা সাংবিধানিক অধিকার নেই: "আমি ভালো কাজ করতে চাই বলে অর্থ নেব" … সেখানে বিভিন্ন দল যুদ্ধ করছে, এটি একটি গৃহযুদ্ধ... আপনি সোমালিয়ার ক্ষেত্রেও একই যুক্তি দিতে পারতেন … আর আমেরিকান জনগণ উদার। আমরা কেন বিশ্বকে খাওয়াতে সাহায্য করতে পারি না, তার কোনো কারণ নেই এবং আমরা তা করিও। তবে ভালো কাজ করার জন্য বিদেশে অর্থ পাঠাতে আমাদের জনগণের বিরুদ্ধে সহিংসতা ব্যবহার করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।
** [[w:নিউ হ্যাম্পশায়ার পাবলিক রেডিও|এনএইচপিআরে]] লরা নয়ের নেওয়া সাক্ষাৎকার, ৫ জুন ২০০৭ [http://info.nhpr.org/node/13016]
* স্পষ্টতই, কোনো দেশ বা মানুষকে পৃথিবীর বুক থেকে মুছে ফেলার হুমকিপূর্ণ ভাষা সব সভ্য মানুষেরই নিন্দা করা উচিত। আমিও এমন যেকোনো ভাষার নিন্দা জানাই। কিন্তু কেন ইরানের ওপর আগাম পারমাণবিক হামলার হুমকি দেওয়া, যেমনটা অনেকেই এখানে দিয়েছেন, একই ধরনের নিন্দার যোগ্য হবে না? কেউ কি বিশ্বাস করেন যে ইরানে পারমাণবিক অস্ত্র ফেললে কোনো জাতি পৃথিবীর বুক থেকে মুছে যাবে না? যখন বলা হয় যে ইরানের বিষয়ে পারমাণবিক হামলাসহ কোনো কিছুই বাতিল করা হয়নি, তখন যারা এটি বলছেন তারা কি গণহত্যার হুমকি দিচ্ছেন না? আর আমরা অবাক হই কেন বাকি বিশ্ব আমাদের ভণ্ডামির দায়ে অভিযুক্ত করে। বাকি বিশ্বকে বলে, “আমরা যা বলি তা করো, আমরা যা করি তা নয়।”
** [http://www.govtrack.us/congress/bill.xpd?bill=hc110-21 এইচ কন রেস ২১]-এর ওপর বিবৃতি, ২০ জুন ২০০৭ [http://www.house.gov/paul/congrec/congrec2007/cr062007b.htm]
* এই অপ্রয়োজনীয়, অসাংবিধানিক, অঘোষিত যুদ্ধগুলোতে আমরা যা অর্জন করতে পারি, তার চেয়ে শান্তিতে আমরা অনেক বেশি অর্জন করতে পারি।
** আইওয়ার ডেস মইনেসে রিপাবলিকান পার্টির বিতর্ক, ৫ আগস্ট ২০০৭ [http://www.cfr.org/publication/13981/republican_debate_transcript_iowa.html]
* খ্রিষ্ট এখানে আধ্যাত্মিক কারণে এসেছিলেন, কোনো ধর্মনিরপেক্ষ যুদ্ধ, সীমানা বা ভূগোলের জন্য নয়। অথচ আমরা এখন ঈশ্বরের নামে আমাদের এত আক্রমণাত্মক কার্যকলাপ উৎসর্গ করছি। কিন্তু ঈশ্বর তো শান্তির রাজকুমার। আমি আমার ঈশ্বর এবং খ্রিষ্টের মাধ্যমে এটাই দেখতে পাই। আমি শান্তির পক্ষে ভোট দিই।
** ভ্যালুজ ভোটার প্রেসিডেন্সিয়াল বিতর্ক, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০০৭ [http://www.renewamerica.us/archives/transcript.php?id=429] [https://www.youtube.com/watch?v=_hCKZmkF0VU]
* আমি সঠিক নাকি ভুল, তাতে সত্যিই কিছু যায় আসে না। [[ইরাক যুদ্ধ|যুদ্ধ]] শেষ হতে চলেছে। কারণ ডলারের অবমূল্যায়নের ফলে আমাদের এখানে এমন রাজনৈতিক এবং আর্থিক বিপর্যয় দেখা দেবে যে, আমরা আর এর ব্যয়ভার বহন করতে পারব না। এভাবেই সাধারণত সাম্রাজ্যের পতন ঘটে। নিজেদের সাম্রাজ্য টিকিয়ে রাখতে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করে। আমরা ১৩০টি দেশে রয়েছি। বিশ্বজুড়ে আমাদের ৭০০টি ঘাঁটি রয়েছে। আর এর শেষ হতে চলেছে। আমি চাই এটি আরও সুন্দরভাবে এবং শান্তিতে শেষ হোক। সংবিধান অনুসরণ করা হোক এবং আরও যুক্তিসংগত পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করা হোক।
** উলফ ব্লিটজারের সাথে ''[[w:লেট এডিশন উইথ উলফ ব্লিটজার|লেট এডিশন]]'', সিএনএন, ২ ডিসেম্বর ২০০৭ [https://www.youtube.com/watch?v=LTj3STZqviY]
* নিরাপত্তা এবং পার্থিব আরামের আকাঙ্ক্ষার চেয়ে স্বাধীনতা আবারও আমাদের কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে হবে। ব্যক্তিগত নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি কেবল স্বাধীনতার ফলাফল হিসেবেই আসতে পারে। কোনো স্বৈরাচারী সরকার তা দিতে পারে না... একটি পুলিশি রাষ্ট্রের ভিত্তি স্থাপন করা হয়েছে। আর দেরি হওয়ার আগেই প্রতিরোধ গড়ে তোলা জরুরি... কেন্দ্রীয় পরিকল্পনা বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে দেউলিয়া। এটি আমাদের দেশকে দেউলিয়া করেছে এবং আমাদের নৈতিক নীতিগুলোকে ক্ষুণ্ন করেছে। ব্যক্তিগত স্বাধীনতা এবং মর্যাদার প্রতি সম্মান প্রদর্শনই হলো সরকারি বলপ্রয়োগের একমাত্র উত্তর। যে বলপ্রয়োগ রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিকভাবে ক্ষমতাধরদের সেবা করে। আমাদের পরিকল্পনাকারী এবং শাসকেরা প্রতিভাবান নন, বরং তারা বিভ্রান্তিকারী এবং স্বৈরশাসক হতে ইচ্ছুক। তারা সব সময় মানবিক বাগ্মীতার আড়ালে নিজেদের কাজ করেন... কোনো রক্তক্ষয়ী সংঘাত ছাড়াই সোভিয়েত ব্যবস্থার পতন দ্রুত এবং নাটকীয়ভাবে ঘটেছিল... তবে স্বাধীনতার অনুসারীদের কাছে এটি কোনো আশ্চর্যের বিষয় ছিল না। যারা কয়েক দশক ধরে বুঝতে পেরেছিলেন যে সমাজতন্ত্রের পতন অনিবার্য... আর সেভাবেই কল্যাণ বা যুদ্ধ রাষ্ট্রের পতন ঘটবে... একটি মুক্ত সমাজ এই মূল নীতির ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে যে সরকার, রাষ্ট্রপতি, কংগ্রেস, আদালত এবং আমলারা আমাদের প্রত্যেকের জন্য কোনটি সবচেয়ে ভালো তা জানতে অক্ষম... রেফারি হিসেবে সরকার সঠিক। কিন্তু যে সরকার সমাজের প্রতিটি দিক পরিচালনা করার জন্য ইচ্ছামতো বলপ্রয়োগ করে, তা স্বাধীনতার জন্য হুমকিস্বরূপ... সব সভ্য সমাজ যেসব মূল্যবোধ খোঁজে, তা অর্জনের জন্য একটি আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণের সময় এসেছে। কেবল একটি মুক্ত সমাজেই মানুষের পুণ্য খোঁজার, শ্রেষ্ঠত্বের জন্য চেষ্টা করার, তাদের অর্থনৈতিক মঙ্গল উন্নত করার এবং ব্যক্তিগত সুখ অর্জনের সেরা সুযোগ থাকে... সভ্যতার যোগ্য লক্ষ্যগুলো কেবল স্বাধীনতাকামী মানুষেরাই অর্জন করতে পারে। যখন সরকার বলপ্রয়োগ করে, তখন স্বাধীনতা বলিদান করা হয় এবং লক্ষ্যগুলো হারিয়ে যায়। স্বাধীনতাই হলো সব সৃজনশীল শক্তির উৎস। আমি যদি আপনাদের রাষ্ট্রপতি হই, তবে আমি এই লক্ষ্যগুলোই খুঁজব। আমি এই ধারণা প্রত্যাখ্যান করি যে আমাদের জীবন পরিচালনা করতে, অর্থনীতির পরিকল্পনা করতে বা বিশ্বে পুলিশগিরি করতে একজন রাষ্ট্রপতির প্রয়োজন... সরকারকে আরও গোপন এবং শক্তিশালী করার চেয়ে ব্যক্তিগত স্বাধীনতা এবং গোপনীয়তা রক্ষা করা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
** ২০০৮ সালের প্রেসিডেন্সিয়াল এক্সপ্লোরেটরি কমিটির ঘোষণামূলক ভিডিও ভাষণ, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০০৭ [http://blog.4president.org/2008/2007/02/ron_paul_video_.html] [https://www.youtube.com/watch?v=FPlPT4bncq8]
* আমি কীভাবে নির্বাচনে অংশ নিতে পারি এবং বলতে পারি যে আমি একজন দুর্বল রাষ্ট্রপতি হতে চাই? আমাদের একজন শক্তিশালী রাষ্ট্রপতি প্রয়োজন। এমন একজন শক্তিশালী রাষ্ট্রপতি যিনি রাষ্ট্রপতির নেওয়া উচিত নয় এমন ক্ষমতা গ্রহণের প্রলোভন প্রতিরোধ করতে পারেন।
** নিউ হ্যাম্পশায়ার লিবার্টি ফোরাম, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৭ [http://www.homelandstupidity.us/2007/02/25/ron-paul-grassroots-support-proved/]
* বর্ণবাদ কেবল সামষ্টিকতাবাদের একটি কুৎসিত রূপ। এই মানসিকতা মানুষকে কঠোরভাবে ব্যক্তি হিসেবে না দেখে গোষ্ঠীর সদস্য হিসেবে দেখে। বর্ণবাদীরা বিশ্বাস করে যে একই বাহ্যিক শারীরিক বৈশিষ্ট্যের অধিকারী সব মানুষ একই রকম। সামষ্টিকতাবাদী হিসেবে বর্ণবাদীরা কেবল গোষ্ঠীর কথা চিন্তা করে।
** [http://archive.lewrockwell.com/paul/paul381.html "সরকার এবং বর্ণবাদ"]-এ যেমনটি উদ্ধৃত করা হয়েছে (১৮ এপ্রিল ২০০৭)।
* বর্ণবাদের প্রকৃত প্রতিষেধক হলো স্বাধীনতা। স্বাধীনতা মানে গোষ্ঠী দাবির বদলে ব্যক্তিগত অধিকার রক্ষায় নিবেদিত একটি সীমিত, সাংবিধানিক সরকার থাকা। স্বাধীনতা মানে মুক্তবাজার পুঁজিবাদ, যা ত্বকের রং, লিঙ্গ বা জাতিসত্তা নয়, বরং ব্যক্তিগত অর্জন এবং যোগ্যতাকে পুরস্কৃত করে।
** [http://archive.lewrockwell.com/paul/paul381.html "সরকার এবং বর্ণবাদ"]-এ যেমনটি উদ্ধৃত করা হয়েছে (১৮ এপ্রিল ২০০৭)।
* নিরাপত্তা দিয়ে স্বাধীনতা সংজ্ঞায়িত হয় না। সরকারি হস্তক্ষেপ ছাড়া নাগরিকদের বাঁচার সক্ষমতা দিয়ে স্বাধীনতা সংজ্ঞায়িত হয়। সরকার ঝুঁকিমুক্ত পৃথিবী তৈরি করতে পারে না। আমরা এমন কোনো কাল্পনিক স্থানে বাস করতে চাইও না। কেবল একটি সর্বগ্রাসীবাদী সমাজই পরম নিরাপত্তাকে একটি যোগ্য আদর্শ হিসেবে দাবি করতে পারে। কারণ এর জন্য নাগরিকদের জীবনের ওপর সম্পূর্ণ রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন। ভয়ংকর কিছু ঘটলে এবং একটি মিথ্যা সরকারি নিরাপত্তার চাদর ডাক দিলে, আমরা যদি তখনো স্বাধীনতায় বিশ্বাস করি, তবেই তার অর্থ থাকে।
** [http://www.house.gov/paul/tst/tst2007/tst042307.htm ''নিরাপত্তা এবং স্বাধীনতা''], ২৩ এপ্রিল ২০০৭
* যেহেতু ফেডারেল ঘৃণা অপরাধ আইন চিন্তাকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করে, তাই এগুলো একটি মুক্ত সমাজের সাথে বেমানান।
** [http://www.freerepublic.com/focus/f-news/1830822/posts ''অসাংবিধানিক আইন স্বাধীনতার জন্য হুমকিস্বরূপ''], ৭ মে ২০০৭
* আদি আমেরিকান দেশপ্রেমিকরা ছিলেন সেই ব্যক্তিরা, যারা রাজা জর্জের নিপীড়ক ক্ষমতাকে বলপ্রয়োগ করে প্রতিহত করার মতো সাহসী ছিলেন। আমি দেশপ্রেমের এই সংজ্ঞা গ্রহণ করি যে এটি নিপীড়ক রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা প্রতিহত করার প্রচেষ্টা। প্রকৃত দেশপ্রেমিক দায়িত্ববোধ দ্বারা এবং নিজের, নিজের পরিবার ও দেশের ভবিষ্যতের স্বার্থে সরকারের ক্ষমতার অপব্যবহার প্রতিহত করতে অনুপ্রাণিত হন। তিনি এই ধারণা প্রত্যাখ্যান করেন যে দেশপ্রেম মানে রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য। [...] আমাদের অধিকারের অবৈধ এবং অসাংবিধানিক জবরদখল প্রতিহত করা প্রয়োজন। প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনতে আমাদের প্রত্যেকেরই বেছে নিতে হবে যে আমাদের কোন পথ অবলম্বন করা উচিত: শিক্ষা, প্রচলিত রাজনৈতিক পদক্ষেপ, বা এমনকি শান্তিপূর্ণ নাগরিক অবাধ্যতা। '''তবে এমন যেন না বলা হয় যে আমরা কিছুই করিনি।''' কল্যাণ বা যুদ্ধ রাষ্ট্রের ক্ষমতা ভালোবাসে এমন মানুষেরা যেন স্বৈরাচারের ভিন্নমতাবলম্বীদের দেশপ্রেমহীন বা যত্নহীন বলে আখ্যায়িত না করে। নিরাপত্তা এবং সুরক্ষার অন্ধ আকাঙ্ক্ষা বা মানিয়ে নেওয়ার চেয়ে দেশপ্রেম ভিন্নমতের সাথেই বেশি ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। একটি মুক্ত সমাজের চমৎকার পুরস্কারগুলো বুঝতে পারলে আমরা এর প্রচারে নির্লজ্জ হয়ে উঠি। আমরা পুরোপুরি উপলব্ধি করি যে সর্বোচ্চ সম্পদ তৈরি হয় এবং শান্তির সবচেয়ে বড় সুযোগ আসে এমন একটি সমাজ থেকে যা ব্যক্তিগত স্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধাশীল।
** [http://www.house.gov/paul/congrec/congrec2007/cr0522107.htm ''দেশপ্রেমের নামে (কারা দেশপ্রেমিক?)''], ২২ মে ২০০৭ [http://www.lewrockwell.com/paul/paul388.html]
* দুর্ভাগ্যবশত, অভিবাসন বিতর্কে খুব কমই আলোচনা করা হয় যে মার্কিন সরকার অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশকারী মানুষদের কী প্রণোদনা দেয়। আমরা ভালো করেই জানি, যখন সরকার কোনো কিছুতে ভর্তুকি দেয়, তখন আমরা তা আরও বেশি পাই। সরকার অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে আসা মানুষদের ফুড স্ট্যাম্প এবং বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবাসহ অসংখ্য ফেডারেল কল্যাণ সুবিধা প্রদান করে। এটি কি অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে আসা থেকে মানুষকে নিরুৎসাহিত করার কোনো উপায়? [...] আমাদের সীমান্ত সুরক্ষা উন্নত করার মাধ্যমে অভিবাসন সংস্কার শুরু হওয়া উচিত। তবুও গত সপ্তাহে খবর প্রকাশিত হয়েছে যে ফেডারেল সরকার ইরাকিদের নিজেদের সীমান্ত আরও ভালোভাবে রক্ষা করার প্রশিক্ষণ দিতে ইরাকে আমাদের সেরা প্রশিক্ষিত ১২০ জন বর্ডার প্যাট্রোল এজেন্ট পাঠানোর [http://www.azcentral.com/arizonarepublic/local/articles/0519borderpatrol0519.html অনুমোদন দিয়েছে]! এমন এক সময়ে এই ঘটনা ঘটছে যখন [[w:অপারেশন জাম্প স্টার্ট|অপারেশন জাম্প স্টার্টে]] অংশগ্রহণকারী ন্যাশনাল গার্ডের সৈন্যদের অ্যারিজোনা, নিউ মেক্সিকো এবং টেক্সাসের সীমান্ত সুরক্ষার দায়িত্ব থেকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে এবং ইরাক ও আফগানিস্তানে মোতায়েন করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে! এটি একটি ক্ষোভের বিষয় এবং এর ফলে আমাদের সীমান্তগুলো অবৈধ প্রবেশের জন্য আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠবে, এমনকি সন্ত্রাসীদের জন্যও।
** [http://www.house.gov/paul/tst/tst2007/tst052507.htm ''অভিবাসন ‘আপস’ আমাদের সার্বভৌমত্ব বিক্রি করে দেয়''], ২৮ মে ২০০৭
* নিরাপদ সীমান্ত ছাড়া কোনো জাতিই জাতি নয়। আমাদের নিজেদের সামনের দরজা যখন খোলা, তখন বিদেশে সন্ত্রাসীদের সাথে যুদ্ধ করার কোনো মানে হয় না।
** রনপল২০০৮ ডটকম, মে ২০০৭ [http://www.ronpaul2008.com/issues/border-security-and-immigration-reform/]
* আপনারা জানেন, আমরা [[w:ট্রান্সপোর্টেশন সিকিউরিটি অ্যাডমিনিস্ট্রেশন|টিএসএ]] চারগুণ বাড়িয়েছি। আর আমরা এমন আরও মানুষকে নিয়োগ দিয়েছি, যাদের দেখে পরীক্ষা করা হচ্ছে এমন অধিকাংশ আমেরিকানের চেয়ে আমার কাছে বেশি সন্দেহজনক মনে হয়। তাদের দেখে আমার খুব একটা আমেরিকান মনে হয় না। আমি যদি খুঁজতাম, তবে তাদের দেখে সন্দেহজনক মনে হতো... মানে তাদের অনেকেই তো ঠিকমতো ইংরেজিও বলতে পারে না। আমি তাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ করছি না, তবে এটি বেশ পরিহাসের বিষয়।
** মাইকেল শয়ারের (২ জুন ২০০৭) "[http://www.salon.com/news/feature/2007/06/02/ron_paul/ রন পল খুব ভালোভাবে এগোচ্ছেন]" ''স্যালন ডটকমে'' উদ্ধৃত।
* আচ্ছা, প্রথমে আমার মনে হয়েছিল এটি খুব অনুপযুক্ত প্রশ্ন। আপনি জানেন, প্রেসিডেন্সি কোনো বৈজ্ঞানিক বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য নয়। আর আমার মনে হয় এটি একটি ''তত্ত্ব''—বিবর্তনের তত্ত্ব। আর আমি এটিকে তত্ত্ব হিসেবে গ্রহণ করি না। তবে এটি সত্যিই আমাকে বিরক্ত করে না। আমার জীবনের পার্থক্য তৈরি করার জন্য, এর ''সঠিক'' উৎস বোঝা আমার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়। আমি মনে করি আমি যে সৃষ্টিকর্তাকে চিনি, তিনি আমাদের সৃষ্টি করেছেন, আমাদের প্রত্যেককে এবং মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেছেন। আর এর সুনির্দিষ্ট সময় এবং পদ্ধতি সম্পর্কে... আপনি জানেন, আমি শুধু মনে করি না যে আমরা এমন পর্যায়ে আছি যেখানে কারও কাছেই কোনো পক্ষের নিখুঁত প্রমাণ রয়েছে।
** {{citation
|title=বিবর্তনের ওপর রন পল
|journal=ওয়ানগুডমুভ
|date=২১-১২-২০০৭
|url=http://onegoodmove.org/1gm/1gmarchive/2007/12/ron_paul_on_evo.html
|accessdate=০১-০৯-২০১১}}
** তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে তিনি বিবর্তন তত্ত্বটিকে সত্য নাকি মিথ্যা বলে বিশ্বাস করেন।
* মিথ্যার সাম্রাজ্যে সত্য বলা মানে রাষ্ট্রদ্রোহিতা।
** [[w:দ্য রেভল্যুশন: আ ম্যানিফেস্টো|দ্য রেভল্যুশন: আ ম্যানিফেস্টো]], ২০০৮ [http://www.dailypaul.com/node/40804]
* আমাকে দেখতে দিন আমি ঠিক বলছি কি না। আমাদের চীন থেকে ১০ বিলিয়ন ডলার ঋণ নিতে হবে। তারপর আমরা তা মোশাররফকে দেব, যে একজন সামরিক স্বৈরশাসক এবং একটি নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করেছে। তারপর আমরা যুদ্ধে যাব। ইরাকে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার নামে আমরা এতগুলো জীবন হারাব। মানে, এখানে কী হচ্ছে?
** সাউথ ক্যারোলিনার মার্টল বিচে ফক্স নিউজে রিপাবলিকান পার্টির বিতর্ক, ১০ জানুয়ারি ২০০৮ [http://www.latimes.com/news/politics/la-na-debatetrans11jan11,0,7962304.story?page=23] [https://youtube.com/watch?v=Wuu-ElI56Mw]
* আমরা দক্ষিণ হারিয়েছি, এটি সবচেয়ে বড় ভুল ধারণাগুলোর একটি। আমরা সেখানে গিয়েছিলাম এবং সেখানে আমাদের অন্যতম শত্রু ইরানীদের স্বার্থ রক্ষা করেছিলাম। আমরা শিয়াদের মদদ দিয়েছিলাম, আমরা সুন্নিদের ক্ষমতাচ্যুত করেছিলাম। আর ব্রিটিশরা তা ধরে রাখতে পারেনি, তারা চলে গিয়েছিল। তাই দক্ষিণ ইরাকে এখন বেশি শান্তি এবং কম হত্যাযজ্ঞ চলছে। কারণ হঠাৎ করেই আমরা স্থানীয় নিয়ন্ত্রণ আরও স্বাভাবিকভাবে বিকশিত হওয়ার সুযোগ দিয়েছি। যুদ্ধবাজ নেতা এবং স্থানীয় মানুষজন দায়িত্বে রয়েছে। তারা ইরানের সাথে বেশি মিত্রভাবাপন্ন। তবে এটি কোনো বিপর্যয় নয়। সে কারণেই আমাদের ইরানীদের সাথে আরও সম্মানজনক আচরণ করা উচিত: তেল বিক্রি করার ওপর তাদের যদি আরও বেশি নিয়ন্ত্রণ থাকত, তবে তারা তা দিয়ে কী করত, পান করত? সে কারণেই ক্ষমতার ভারসাম্য এবং আত্মনিয়ন্ত্রণের ধারণাটি তাদের দ্বারা কাজ করা উচিত, আমাদের দ্বারা নয়। যতদিন আমরা এটি করব, ততদিন ক্ষোভ থাকবে এবং এটাই আমাদের প্রতি ঘৃণার উৎস।
** ইউটিউব, ২২ জানুয়ারি ২০০৮ [https://www.youtube.com/watch?v=ht8CQuOjxjs]
* ইরাকে আক্রমণ এবং দখলের ভুল ঢাকতে গিয়ে আরও আমেরিকান জীবনের অপ্রয়োজনীয় বলিদানের দাবি করার মধ্যে নৈতিকতা কোথায়? এটা কি খুব অদ্ভুত মনে হয় না যে আমরা যে ইরাকি সরকারকে সমর্থন করি, তারা ইরানীদের মিত্র, যারা আমাদের ঘোষিত শত্রু? ইরাকে ইরানীদের মিত্রদের সমর্থন করে আমরা কি এখন ইরানীদের সমর্থন করছি না? [[নুরি আল-মালিকি|মালিকি]] যদি আমাদের মিত্র হয় এবং [[মাহমুদ আহমাদিনেজাদ|আহমাদিনেজাদের]] সাথে তার কূটনৈতিক সম্পর্ক থাকে, তবে আমরা কেন পারি না? ... আমরা কেন আশা করব না যে সম্প্রতি আমরা যে ৮০,০০০ সুন্নিকে অস্ত্র দিয়েছি, তারা একদিন আমাদের দিকে তাদের অস্ত্র তাক করবে না? কারণ তারা এবং [[w:মাহদি আর্মি|মাহদি আর্মি]] যেকোনো এবং সমস্ত বিদেশি দখলদারিকে ঘৃণা করে। ... যেহেতু কেউ যুদ্ধ জয়ের সংজ্ঞা দিতে পারে না, তাই আমরা ঠিক কার আত্মসমর্পণের আশা করছি?
** ডেভিড পেট্রায়াস এবং রায়ান ক্রোকার হাউস ফরেন রিলেশনস কমিটির শুনানি, ৯ এপ্রিল ২০০৮ [https://www.youtube.com/watch?v=jWr5Wl-mev0]
* যে দয়ালু উদারপন্থী বলেছিলেন যে আমাদের সবার যত্ন নিতে হবে—এবং তাদের উদ্দেশ্য ভালো—তারা দরিদ্রদের দেওয়ার জন্য যত বেশি ঋণ নেয়, মানুষ তত বেশি দরিদ্র হয়। কারণ তারা তাল মিলিয়ে চলতে পারে না।
** ''দ্য [[গ্লেন বেক]] প্রোগ্রাম'', ২৩ জানুয়ারি ২০০৮ [http://www.glennbeck.com/content/articles/article/196/4897/]
* '''প্রশ্ন''': ...আপনি বিশ্বাস করেন যে ফেড থাকা উচিত নয়... বিষয়টি বুঝিয়ে বলুন。<br>'''রন পল''': প্রথম কারণ হলো, এটি সংবিধানে অনুমোদিত নয়। এটি একটি অবৈধ প্রতিষ্ঠান। দ্বিতীয় কারণ হলো, এটি একটি অনৈতিক প্রতিষ্ঠান। কারণ আমরা একটি গোপন সংস্থার হাতে শূন্য থেকে অর্থ তৈরির অধিকার তুলে দিয়েছি। আপনি বা আমি যদি এটি করতাম, তবে আমাদের জালিয়াত বলা হতো। তাহলে আমরা জালিয়াতিকে কেন বৈধ করেছি? তবে অর্থনৈতিক কারণগুলো অপ্রতিরোধ্য: ফেডারেল রিজার্ভ এমন একটি প্রতিষ্ঠান যা মূল্য ধ্বংস করে। এই স্টেশনটি মুক্তবাজার পুঁজিবাদ নিয়ে কথা বলে। আর যদি একটি গোপন ব্যাংক শূন্য থেকে অর্থ ও ঋণ তৈরি করে, তবে আপনি মুক্তবাজার পুঁজিবাদ পেতে পারেন না। তারা কেন্দ্রীয় পরিকল্পনাকারী হয়ে ওঠে। সুদের হার কী হওয়া উচিত, অর্থের সরবরাহ কী হওয়া উচিত, তা তারা নির্ধারণ করে...<br>'''প্রশ্ন''': কীভাবে স্বর্ণমান এটির সমাধান করে?<br>'''রন পল''': এটি একটি স্থিতিশীল মুদ্রা এবং স্থিতিশীল মূল্য বজায় রাখে। ফেড যদি স্থিতিশীল দামের বদলে স্থিতিশীল অর্থের ওপর বেশি মনোযোগ দিত... তারা স্টক, পণ্য এবং বাড়িতে নতুন অর্থ ঢেলে দেয়। তারপর পরিস্থিতি উদ্ধার করতে তাদের আসতে হয়। তারা বুদ্বুদ তৈরি করে, তারপর এটি উদ্ধার করতে আসে। আর তারা মূল্য নির্ধারণ করার চেষ্টা ছাড়া আর কিছুই করে না। পুঁজিবাদ নির্ভর করে, আর মূলধন আসে সঞ্চয় থেকে। কিন্তু এই দেশে কোনো সঞ্চয় নেই। তাই এসবই কৃত্রিম। এটি ভুল নির্দেশনা এবং ভুল বিনিয়োগ ও সব অতিরিক্ত ঋণ তৈরি করে। আর এর সব সময় একটি সংশোধন প্রয়োজন হয়। ফেড প্রতিষ্ঠার পর থেকে ডলার তার মূল্যের প্রায় ৯৭ শতাংশ হারিয়েছে। আপনার সঞ্চয়কে উৎসাহিত করার কথা। কিন্তু কোনো কিছুর মূল্য কমে গেলে ডলার কেন সঞ্চয় করবেন? এতে কোনো উৎসাহই নেই। [...] সোনা ছয় হাজার বছরের পুরোনো, এবং এটি এখনো তার ক্রয়ক্ষমতা ধরে রেখেছে। সোনার হিসাবে তেলের দাম সত্যিই খুব স্থিতিশীল। [...] রক্ষণশীল এবং উদারপন্থী উভয়ই বড় সরকারকে উন্নত করতে চায়। আর এটি মধ্যবিত্ত শ্রেণির ওপর করারোপ করার একটি লোভনীয় উপায়।
** [[w:সেন্টার ফর আমেরিকান প্রগ্রেস|ফাইজ শাকিরের]] সাথে [[w:সিএনবিসি|সিএনবিসির]] বিতর্ক, ২০ মার্চ ২০০৭ [https://www.youtube.com/watch?v=k94VWPjUQSM]
* আপনি [[সমাজতন্ত্র|সমাজতন্ত্রের]] মাধ্যমে মুক্তবাজার রক্ষা করতে পারেন না। আমি জানি না [[w:২০০৮ সালের ইমারজেন্সি ইকোনমিক স্ট্যাবিলাইজেশন অ্যাক্ট|এই ধারণাটি]] কোথা থেকে এল। আপনি মুক্তবাজার, স্থিতিশীল অর্থ এবং ভারসাম্যপূর্ণ বাজেটের প্রসার ঘটিয়ে মুক্তবাজার রক্ষা করতে পারেন। কেউ আসল সমস্যার সমাধান করতে চায় না। এর মূল কারণ হলো, আমরা একটি সাম্রাজ্য চালানোর জন্য বিদেশে বছরে এক ট্রিলিয়ন ডলার ব্যয় করছি। আর এর শেষ হতে চলেছে। এই দেশ দেউলিয়া হয়ে গেছে, আর আমরা তা স্বীকার করব না। তবে শেষ পর্যন্ত ডলার ধসে পড়বে। আমরা আমাদের সৈন্যদের দেশে ফিরিয়ে আনব। আমরা আমাদের সাধ্যের মধ্যে বাঁচব। তবে ডলার ধসে পড়ার অপেক্ষা করার চেয়ে আমাদের এটি যুক্তিসঙ্গতভাবে করা উচিত। আর আমরা এটাই করছি, আমরা আমাদের ডলার ধ্বংস করার দ্বারপ্রান্তে রয়েছি। তারপর, আপনি ভাবছেন যে আমাদের এখন সমস্যা আছে। তখনকার সমস্যাগুলো আরও খারাপ হবে। এটি [[w:ভাইমার প্রজাতন্ত্রের মুদ্রাস্ফীতি|ভাইমার প্রজাতন্ত্র]] বা তৃতীয় বিশ্বের দেশের মতো দেখাবে। আর অনেক মানুষ তা জানে এবং তারা মৃত্যুভয়ে ভীত। তবে আরও সরকারি কর্মসূচি, আরও মুদ্রাস্ফীতি এবং আরও [[w:তারল্যের ফাঁদ|হেলিকপ্টার]] দিয়ে সবকিছু টিকিয়ে রেখে আমাদের সমস্যাটিকে আরও খারাপ করার প্রয়োজন নেই। এটি কাজ করবে না।
** [[w:ফক্স বিজনেস নেটওয়ার্ক|ফক্স বিজনেস নেটওয়ার্ক]], ১৪ অক্টোবর ২০০৮ [https://www.youtube.com/watch?v=_qzUtPq8pLE]
*নির্বাচন শেষ হওয়ার পর, আমাদের দেশ ভবিষ্যতের দিকে আশার দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। আমার নিজেরও কিছু আশা আছে। আমি আমাদের প্রথম আফ্রিকান-আমেরিকান নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন জানাই। মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র আজকের দিনটি দেখে নিশ্চয়ই গর্বিত হতেন। বৈচিত্র্যকে গ্রহণ করার মাধ্যমে আমরা শক্তিশালী হয়েছি। আমি আশাবাদী যে আমরা অতীতের উত্তেজনা এবং অন্যায়গুলো দূর করে একটি আরও ন্যায়পরায়ণ এবং বর্ণহীন সমাজ হয়ে উঠতে পারব। আমি আশা করি এই নতুন প্রশাসন আমাদের একত্রিত করতে সাহায্য করবে, আর বিভাজন করবে না। আমি সবসময় দেখেছি যে প্রাচীর ভেঙে ফেলার সেরা উপায় হলো স্বাধীনতা। একটি মুক্ত সমাজ ব্যক্তিদের গুরুত্বের ওপর জোর দেয়, তারা কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর অংশ বলে নয়। সমান বিচার অর্জনের এটিই একমাত্র উপায়।
**[https://web.archive.org/web/20120119202026/http://www.ronpaularchive.com/2008/11/hopes-for-the-future/ ''ভবিষ্যতের জন্য আশা''] (নভেম্বর ২০০৮)।
* যদিও এটি স্পষ্ট যে [[w:কিনসিয়ান অর্থনীতি|কিনসিয়ানরা]] সবাই ভুল ছিল এবং হস্তক্ষেপবাদ ও কেন্দ্রীয় অর্থনৈতিক পরিকল্পনা কাজ করে না, তবুও এই জগাখিচুড়ি থেকে বেরিয়ে আসার জন্য আমরা কার পরামর্শ শুনছি? দুর্ভাগ্যবশত, এরা হলো কিনসিয়ান, সমাজতন্ত্রী এবং বড় সরকারের সমর্থকেরা। কাদের উপেক্ষা করা হচ্ছে? [[w:অস্ট্রিয়ান স্কুল|অস্ট্রিয়ান]] মুক্তবাজারের অর্থনীতিবিদেরা—যারা কেবল মহামন্দার ভবিষ্যদ্বাণীই করেননি, বরং আজ আমরা যে বিপদের মুখোমুখি হচ্ছি তারও ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন। সংকটটি যদি অনুমানযোগ্য এবং ব্যাখ্যাযোগ্য হয়, তবে কেন কেউ শোনেনি? এর কারণ হলো অনেক রাজনীতিবিদ বিশ্বাস করতেন যে বিনামূল্যে খাওয়াদাওয়া সম্ভব এবং একটি নতুন অর্থনৈতিক দৃষ্টান্ত এসে গেছে। তবে আমরা এটি আগেও শুনেছি—যেমন [[w:পরশপাথর|পরশপাথর]], যা সিসাকে সোনায় পরিণত করতে পারে। কাজ ছাড়া সমৃদ্ধি হলো যুগের স্বপ্ন।
** [http://www.house.gov/apps/list/speech/tx14_paul/statement_11_20_08.shtml ''অস্ট্রিয়ানরা সঠিক ছিল''], ২০ নভেম্বর ২০০৮ [https://www.youtube.com/watch?v=8PIEGK0IbA4]
* আমি নিশ্চিত যে বাকি বিশ্বের চেয়ে ক্যাপিটল হিলে আমার অফিসের ১০ মাইল ব্যাসার্ধের মধ্যে আমেরিকান স্বাধীনতার জন্য বেশি হুমকি রয়েছে।
** [http://antiwar.com/paul/?articleid=14259 টেক্সাস স্ট্রেইট টক: বাধ্যতামূলক নিয়োগ পুনর্বহাল করার বিষয়ে] (১৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৯)
* আমাদের উপস্থিতি আল কায়েদাকে সংখ্যায় বাড়তে এবং আরও আত্মঘাতী হামলাকারীদের অনুপ্রাণিত করতে কাজ করবে। ইরাক, আফগানিস্তান বা পাকিস্তানে অনির্দিষ্টকালের উপস্থিতি আমাদের আর্থিক সম্পদ হ্রাস করবে, আমাদের জাতীয় প্রতিরক্ষাকে ক্ষুণ্ন করবে, আমাদের সামরিক বাহিনীকে হতাশ করবে এবং আমাদের আর্থিক সংকটকে বাড়িয়ে তুলবে। ওসামা বিন লাদেন যেমনটি পরিকল্পনা করেছিলেন, ঠিক সেভাবেই তিনি এসব স্বাগত জানাবেন। এটি আসলে তার প্রত্যাশার চেয়েও বেশি। [...] আফগানিস্তান এবং পাকিস্তানে যুদ্ধ আরও বড় হবে, যদি না ডলার ডলারভিত্তিক বিশ্ব আর্থিক ব্যবস্থার পথ অনুসরণ করে এবং [[w:অতিমুদ্রাস্ফীতি|লাগামহীন মুদ্রাস্ফীতিতে]] ধসে পড়ে। এই ক্ষেত্রে, অর্থনীতির নিয়ম এবং ইতিহাসের বাস্তবতা কাগজের টুকরো দিয়ে অর্থায়িত একটি বিশ্ব সাম্রাজ্য বজায় রাখার উন্মাদনা কাটিয়ে উঠতে শ্রেষ্ঠ প্রমাণ হবে। আমাদের পারমাণবিক অস্ত্রাগার দ্বারা সমর্থিত সামরিক দক্ষতা একটি মুদ্রা সংকটের ট্র্যাজেডি কাটিয়ে উঠতে যথেষ্ট হবে না। সোভিয়েত পারমাণবিক অস্ত্র তার সাম্রাজ্য বা কমিউনিস্ট অর্থনীতি রক্ষা করতে পারেনি।
** ''[https://www.youtube.com/watch?v=WuPeExhmuQQ এর শেষ কাছাকাছি নয়''], (৪ মার্চ ২০০৯)
*কল্পনা করুন [...] যে হাজার হাজার সশস্ত্র বিদেশি সৈন্য সামরিক যানে করে প্রতিনিয়ত আমেরিকার রাস্তায় টহল দিচ্ছে। কল্পনা করুন তারা "আমাদের নিরাপদ রাখার" বা "গণতন্ত্রের প্রচার" বা "তাদের কৌশলগত স্বার্থ রক্ষার" দায়িত্ব নিয়ে এখানে এসেছে। কল্পনা করুন যে তারা মার্কিন আইনের বাইরে কাজ করে এবং সংবিধান তাদের ওপর প্রযোজ্য নয়। কল্পনা করুন যে মাঝে মাঝে তারা ভুল করে বা খারাপ তথ্যের ভিত্তিতে কাজ করে এবং দুর্ঘটনাবশত নারী ও শিশুসহ নিরীহ আমেরিকানদের হত্যা করে বা আতঙ্কিত করে। অধিকাংশ সময়ই এর কোনো প্রতিক্রিয়া বা পরিণতি হয় না। কল্পনা করুন যে তারা আমাদের মাটিতে চেকপয়েন্ট স্থাপন করেছে এবং পুরো এলাকার বাড়িঘরগুলোতে নিয়মিত তল্লাশি এবং তছনছ করে। কল্পনা করুন যদি আমেরিকানরা এই বিদেশি সৈন্যদের ভয় পেত এবং বিপুলভাবে মনে করত যে তাদের উপস্থিতি ছাড়াই আমেরিকা ভালো থাকবে। কল্পনা করুন যদি কিছু আমেরিকান টেক্সাসে তাদের থাকা নিয়ে এতই ক্ষুব্ধ হতো যে, তারা আমাদের মাটি এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য তাদের সাথে লড়াই করতে একজোট হতো। কারণ সরকারের নেতৃত্ব তা করতে অস্বীকার করেছে বা অক্ষম হয়েছে। কল্পনা করুন যে ওই আমেরিকানদের তাদের প্রতিরক্ষামূলক কাজের জন্য সন্ত্রাসী বা বিদ্রোহী বলা হচ্ছে এবং নিয়মিতভাবে হত্যা করা হচ্ছে, বা বন্দি করে আমাদের মাটিতেই বিদেশি সৈন্যদের দ্বারা নির্যাতন করা হচ্ছে। কল্পনা করুন যে দখলদারদের মনোভাব ছিল এমন যে, যদি তারা কেবল যথেষ্ট পরিমাণ আমেরিকানদের হত্যা করে, তবে প্রতিরোধ বন্ধ হয়ে যাবে। কিন্তু এর বদলে, প্রতিটি নিহত আমেরিকানের জন্য আরও দশজন তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র তুলে নেবে, যার ফলে চিরস্থায়ী রক্তপাত হবে। [...] বাস্তবতা হলো, বিদেশি মাটিতে আমাদের সামরিক উপস্থিতি সেখানে বসবাসকারী মানুষের কাছে ঠিক ততটাই আপত্তিকর, যতটা টেক্সাসে সশস্ত্র চীনা সৈন্য মোতায়েন থাকলে আমাদের কাছে হতো।
** [http://www.lewrockwell.com/paul/paul512.html ''রন পলের লেখা ইমাজিন''] (১১ মার্চ ২০০৯)।
* আজ রাতে আমার বিশেষ আদেশের শিরোনাম হলো 'বর্তমান পরিস্থিতি নাকি কেবল একটি দুঃস্বপ্ন'। <br />সবকিছু কি একটি দুঃস্বপ্ন বা খারাপ স্বপ্ন হতে পারে? এটি কি আমার কল্পনা নাকি আমরা আমাদের মন হারিয়েছি? এটি অবাস্তব, এটি বিশ্বাসযোগ্য নয়। '''একটি বিশাল অযৌক্তিকতা, একটি বড় প্রতারণা, হাস্যকর ধারণার ওপর ভিত্তি করে একটি বিশাল বিভ্রম এবং এমন ধারণার ওপর ভিত্তি করে যার সময় কখনোই আসা উচিত নয়। সরলতাকে চরমভাবে বিকৃত এবং জটিল করা হয়েছে। উন্মাদনাকে যুক্তি হিসেবে চালিয়ে দেওয়া হয়েছে। পঞ্জি এবং ম্যাডফের নৈতিকতার সাথে মিথ্যার ওপর নির্মিত বিশাল পরিকল্পনা। খারাপ কাজকে পুণ্য হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। অজ্ঞতাকে প্রজ্ঞা হিসেবে চালিয়ে দেওয়া হয়েছে। মানবিকতার নামে ধ্বংস এবং দারিদ্র্য। সহিংসতা, পরিবর্তনের হাতিয়ার। আগাম যুদ্ধগুলোকে শান্তির পথ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। সরকারি বন্দুক দিয়ে সহনশীলতা প্রদান করা হয়েছে। প্রগতির আড়ালে প্রতিক্রিয়াশীল দৃষ্টিভঙ্গি। প্রজাতন্ত্রের জায়গা নিচ্ছে সাম্রাজ্য। দাসত্বকে স্বাধীনতা হিসেবে বিক্রি করা হয়েছে। সাধারণত্বের বিনিময়ে শ্রেষ্ঠত্ব এবং পুণ্য বিক্রি করা হয়েছে। পুঁজিবাদ বাঁচাতে সমাজতন্ত্র। সংবিধান, আইনের শাসন বা নৈতিকতা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত নয়, এমন একটি সরকার। আমরা যখন বিশৃঙ্খলার দিকে এগিয়ে যাচ্ছি, তখন ছোটখাটো রাজনীতি নিয়ে ঝগড়া করছি।''' যে দর্শন আমাদের ধ্বংস করে, তা এমনকি সংজ্ঞায়িতও নয়। <br />আমরা বাস্তব থেকে বিচ্ছিন্ন একটি মানসিক বিকারগ্রস্ত জাতিতে পরিণত হয়েছি। প্রজ্ঞার জায়গা নিচ্ছে জ্ঞানের ভান করা অজ্ঞতা। গাছে টাকা ধরে না, আর সরকারের টাকা ছাপানোর যন্ত্র বা ক্রমবর্ধমান ঘাটতি থেকে সমৃদ্ধি আসে না। আমরা এখন জনগণের অর্থের সীমাহীন ব্যয়ের মাঝে রয়েছি। অতিরিক্ত করারোপ, একটি ব্যর্থ কল্যাণ-যুদ্ধ ব্যবস্থায় ব্যয় করা ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডলারের ঘাটতি। স্বজনপ্রীতির মহামারি। কাগজের টাকার সীমাহীন সরবরাহকে সম্পদের সমান মনে করা হচ্ছে। একটি কেন্দ্রীয় ব্যাংক যা গোপনে, বিনা বাধায়, কোনো প্রতিবাদ ছাড়াই ইচ্ছাকৃতভাবে মুদ্রার মূল্য ধ্বংস করে। অথচ ওয়াল স্ট্রিট, সামরিক-শিল্প কমপ্লেক্স এবং ডেট্রয়েটের ছদ্ম-পুঁজিবাদীরা একে উৎসাহিত করে। <br />আমরা বিশ্বজুড়ে ১৩০টি দেশে ৭০০টি ঘাঁটিতে থাকা সৈন্য দিয়ে আমাদের বিশ্ব সাম্রাজ্যের পুলিশিং করি। মধ্যপ্রাচ্য এবং মধ্য এশিয়ায় এখন একটি বিপজ্জনক যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ছে। একবিংশ শতাব্দীর নির্যাতনকারী হিসেবে আমরা পরিচিত হওয়ার সাথে সাথে হাজার হাজার নিরীহ মানুষ নিহত হচ্ছে। আমরা ধরে নিই যে এরই মধ্যে জানা নির্যাতনের ছবিগুলো জনগণের চোখ থেকে আড়াল করে রাখলে, আমাদের কেবল একটি উদার এবং ভালো মানুষ হিসেবেই মনে রাখা হবে। আমাদের শত্রুরা যদি কেবল আমরা স্বাধীন এবং ধনী বলেই আমাদের আক্রমণ করতে চায়, তবে নির্যাতনের প্রমাণ অপ্রাসঙ্গিক হবে। এসবের সবচেয়ে দুঃখজনক অংশটি হলো আমরা ভুলে গেছি কী আমেরিকাকে মহান, ভালো এবং সমৃদ্ধ করেছিল। আমাদের দ্রুত আমাদের স্মৃতি সতেজ করতে হবে এবং আবারও স্বাধীনতার প্রতি আমাদের ভালোবাসা, বোঝাপড়া এবং আত্মবিশ্বাসকে পুনরুজ্জীবিত করতে হবে। বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় বর্তমান অবস্থা বজায় রাখা সম্ভব নয়। কিছু বৈপ্লবিক চিন্তাভাবনা ছাড়া সহিংসতা এবং স্বাধীনতা হারানো অনিবার্য। এখন জমায়েত হওয়া জনতার উন্মাদনা থেকে আমাদের বাঁচতে হবে। <br />সুখবর হলো শান্তিপূর্ণ এবং বুদ্ধিবৃত্তিক উপায়ে পরিবর্তন সম্ভব। আর সৌভাগ্যবশত যারা এ বিষয়ে সচেতন, তাদের সংখ্যা জ্যামিতিক হারে বাড়ছে। অবশ্যই এটি একটি দুঃস্বপ্ন, একটি খারাপ স্বপ্ন হতে পারে এবং আমি মারাত্মকভাবে ভুল করছি, অতিরঞ্জিত করছি এবং আমার উদ্বেগ ভিত্তিহীন হতে পারে। আমি তেমনটাই আশা করি। কিন্তু যদি তা না হয়, তবে খুব বেশি দূরে নয় এমন ভবিষ্যতে বৈপ্লবিক পরিবর্তনের জন্য আমাদের নিজেদের প্রস্তুত করা উচিত। <br />আমি আমার বাকি সময়টুকু ফেরত দিচ্ছি।
** ''[https://www.youtube.com/watch?v=zdXh6ASMfpc এটি কি বাস্তবতা নাকি কেবল একটি দুঃস্বপ্ন?''] (১৯ মে ২০০৯)
* মহামন্দা থেকে শুরু করে সত্তরের দশকের স্ট্যাগফ্লেশন, আবাসন বুদ্বুদের কারণে সৃষ্ট বর্তমান অর্থনৈতিক সংকট—গত এক শতাব্দী ধরে এই দেশ যে অর্থনৈতিক মন্দার শিকার হয়েছে, তার প্রতিটির সূত্রপাত ফেডারেল রিজার্ভের নীতি থেকে। ফেড অর্থনীতিকে সহজ অর্থে ভাসিয়ে দেওয়ার একটি ধারাবাহিক নীতি অনুসরণ করেছে। এর ফলে সম্পদের ভুল বণ্টন হয়েছে এবং একটি কৃত্রিম 'বুম' বা উত্থান দেখা দিয়েছে। এরপর ফেডের তৈরি করা বুদ্বুদ ফেটে গেলে মন্দা বা মহামন্দা দেখা দিয়েছে।
** [http://www.lewrockwell.com/paul/paul504.html মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের সামনে, ফেডারেল রিজার্ভ বোর্ড বাতিল আইন, এইচ.আর. ৮৩৩ উপস্থাপনকালে।] (৯ ফেব্রুয়ারি ২০০৯)
* এটিই সবচেয়ে বড়।
** ''ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস'', ২২ মার্চ ২০০৯ [https://www.ft.com/cms/s/0/ee3e07f0-16b2-11de-9a72-0000779fd2ac.html]
* '''প্রশ্ন''': যে কারণে আমরা এখানে এসেছি, তার মধ্যে একটি কারণ বেছে নিতে বললে আপনি কোনটি বলবেন?<br>'''রন পল''': সহজ অর্থ। ফেডারেল রিজার্ভ কৃত্রিমভাবে সুদের হার কমিয়ে দিয়েছে। তারা মানুষ, বিনিয়োগকারী, সঞ্চয়কারীদের প্রতারিত করে বিশ্বাস করিয়েছে যে প্রচুর সঞ্চয় রয়েছে। আমাদের আরও বেশি বিনিয়োগ করা উচিত, আরও বাড়ি, আরও গাড়ি তৈরি করা উচিত। এটি হলো ভুল বিনিয়োগ। যা অর্থের সরবরাহের মুদ্রাস্ফীতির মতোই বিপজ্জনক। সাধারণত এর ফলে উচ্চমূল্য দেখা দেয়।
** [[w:ফক্স বিজনেস নেটওয়ার্ক|ফক্স বিজনেস নেটওয়ার্ক]], ২৪ মার্চ ২০০৯ [https://www.youtube.com/watch?v=hkJ1sa9mxCU]
* '''প্রশ্ন''': আফগানিস্তানে যুদ্ধের অর্থায়নের জন্য একটি করের বিষয়ে কী বলবেন?<br>'''রন পল''': ওহ না... আমাদের এসব কোনো যুদ্ধের প্রয়োজন নেই... আপনি কর বাড়াবেন না, তাতে তাদের কেবল উৎসাহ বাড়বে। আমাদের যা করতে হবে তা হলো তাদের কাছ থেকে এই সমস্ত অর্থ কেড়ে নেওয়া এবং বলা, সৈন্যদের দেশে ফিরিয়ে আনুন...
** [[w:ওয়াশিংটন জার্নাল|ওয়াশিংটন জার্নাল]], সি-স্প্যান, ৩ ডিসেম্বর ২০০৯ [https://www.youtube.com/watch?v=_sL0ivIil3w]
===২০১১===
* '''[[ক্রিস ম্যাথিউস]]:''' আমি আপনাকে এটি জিজ্ঞাসা করি: ৬৪ সালের নাগরিক অধিকার বিল। আপনি কি মনে করেন যে একজন চাকরিদাতা, টেক্সাসে দোকান চালানো কোনো ব্যক্তির বলার অধিকার আছে, "তুমি যদি কৃষ্ণাঙ্গ হও, তবে আমার দোকানে ঢুকবে না"। ৬৪ সালের ঠিক আগে এটিই ছিল স্বাধীনতাবাদী মতবাদ। এটি কি ভারসাম্যপূর্ণ সমাজ ছিল?<br />'''রন পল:''' আমি বিশ্বাস করি যে সম্পত্তির অধিকার রক্ষা করা উচিত। টিভিতে থাকার আপনার অধিকার সম্পত্তির অধিকার দ্বারা সুরক্ষিত, কারণ কেউ ওই স্টেশনের মালিক। আমি আপনার ''স্টেশনে'' ঢুকতে পারি না। তাই আপনার বাকস্বাধীনতা ''সম্পত্তি'' দ্বারা সুরক্ষিত। আপনার চার্চের অধিকার ''সম্পত্তি'' দ্বারা সুরক্ষিত। তাই মানুষের এটিকে সম্মান এবং রক্ষা করা উচিত। এই ''কৌশল'', ক্রিস, এটি সম্পূর্ণ অবাস্তব। আপনি বলছেন আমি সম্পত্তির অধিকার এবং রাজ্যের অধিকারের পক্ষে, তাই আমি একজন ''বর্ণবাদী''। মানে এটি একেবারেই অদ্ভুত। দাঁড়ান, ক্রিস। দাঁড়ান, ক্রিস। যারা বলে যে যদি আইনটি থাকত এবং আপনি তা করতে পারতেন, কে তা ''করবে''? কোন বোকা তা করবে?<br />'''ক্রিস ম্যাথিউস:''' দক্ষিণাঞ্চলের সবাই। আমি কলেজে পড়ার সময় দক্ষিণাঞ্চল দিয়ে যাওয়ার সময় এসব সাইনবোর্ড দেখেছি। অবশ্যই তারা এটি করেছিল। আপনিও তাদের এটি করতে দেখেছেন বলে মনে করতে পারবেন।<br />'''রন পল:''' হ্যাঁ, আমি এটাও জানি যে [[w:জিম ক্রো আইন|জিম ক্রো আইনগুলো]] অবৈধ ছিল এবং আমরা সেই একই আইনের অধীনে সেগুলো থেকে মুক্তি পেয়েছি। আর এসবই ভালো। সরকার — <br />'''ক্রিস ম্যাথিউস:''' কিন্তু আপনি ওই আইনের বিপক্ষে ভোট দিতেন।<br />'''রন পল:''' ক্ষমা করবেন?<br />'''ক্রিস ম্যাথিউস:''' আপনি ওই আইনের বিপক্ষে ভোট দিতেন। আপনি ৬৪ সালের নাগরিক অধিকার বিলের পক্ষে ভোট দিতেন না।<br />'''রন পল:''' হ্যাঁ, তবে না — আমি ''জিম ক্রো আইন'' থেকে মুক্তি পাওয়ার বিপক্ষে ভোট দিতাম না।<br />'''ক্রিস ম্যাথিউস:''' কিন্তু আপনি এর পক্ষে ভোট দিতেন — আপনি জানেন আপনি — ওহ, আসুন। সত্যি বলতে কংগ্রেসম্যান, আপনি ৬৪ সালের নাগরিক অধিকার বিলের পক্ষে ছিলেন না।<br />'''রন পল:''' কারণ — সম্পত্তির অধিকারের উপাদানের কারণে, এটি জিম ক্রো আইন থেকে মুক্তি দিয়েছিল বলে নয়।
* '''ক্রিস ম্যাথিউস:''' আমি আপনাকে এটি জিজ্ঞাসা করি: লুইজিয়ানার বেকারে পিস কর্পস প্রশিক্ষণের সময় আমি একবার লন্ড্রোম্যাটে গিয়েছিলাম। একটি লন্ড্রোম্যাটে কাচের ওপর লেখা ছিল: "লন্ড্রোম্যাটে কেবল শ্বেতাঙ্গদের জন্য", কেবল লন্ড্রোম্যাট মেশিন ব্যবহার করার জন্য। এটি ছিল একটি স্থানীয় দোকান, যেখানে কৃষ্ণাঙ্গদের প্রবেশ নিষেধ ছিল। আপনি বলছেন এটি আইনি হওয়া উচিত?<br />'''রন পল:''' এটি — এটি প্রাচীন ইতিহাস। এটি প্রাচীন ইতিহাস। এটি অনেক আগেই শেষ হয়ে গেছে।
** {{citation
|title=হার্ডবল
|publisher=এমএসএনবিসি
|date=০৩-০৫-২০১১}}, {{citation
|title=হার্ডবলে রন পল
|journal=নিউজবাস্টারস ডটঅর্গ
|url=http://newsbusters.org/blogs/noel-sheppard/2011/05/14/ron-paul-accuses-chris-matthews-making-him-look-racist-bringing-civil}}-এ যেমনটি উদ্ধৃত করা হয়েছে।
* '''ক্রিস ওয়ালেস''': আপনি সংবিধান নিয়ে অনেক কথা বলেন। আপনি বলেন [[w:সামাজিক নিরাপত্তা (যুক্তরাষ্ট্র)|সামাজিক নিরাপত্তা]], [[w:মেডিকেয়ার (যুক্তরাষ্ট্র)|মেডিকেয়ার]], [[w:মেডিকেইড|মেডিকেইড]] সবই অসাংবিধানিক。<br />'''রন পল''': প্রযুক্তিগতভাবে, এগুলো তাই। … [সংবিধানে] কোনো কর্তৃত্ব নেই। অনুচ্ছেদ ১, ধারা ৮ বলে না যে আমি মানুষের জন্য একটি বিমা কর্মসূচি তৈরি করতে পারি। আপনি সংবিধানের কোন অংশ থেকে এটি পাচ্ছেন? উদারপন্থীরাই এই সাধারণ কল্যাণ ধারা ব্যবহার করে। … এটি এমন একটি চরম উদার দৃষ্টিভঙ্গি যা আমাদের স্কুলগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে ভুলভাবে শেখানো হয়েছে এবং আমাদের এটি উল্টে দিতে হবে—ঠিক যে ধারণাটি আপনি উপস্থাপন করছেন。<br />'''ক্রিস ওয়ালেস''': কংগ্রেসম্যান, এটি কেবল একটি উদার দৃষ্টিভঙ্গি নয়। এটি ১৯৩৭ সালের সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্ত ছিল। যখন তারা বলেছিল যে সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১, ধারা ৮-এর অধীনে সামাজিক নিরাপত্তা সাংবিধানিক।<br />'''রন পল''': আর সংবিধান এবং আদালত বলেছিল যে দাসত্বও আইনি, এবং আমাদের তা উল্টে দিতে হয়েছিল।
** {{citation
|title=ফক্স নিউজ সানডে
|date=১৫-০৫-২০১১}}, {{citation
|title=রন পল সামাজিক নিরাপত্তা এবং মেডিকেয়ারকে অসাংবিধানিক বলেছেন, তাদের 'দাসত্বের' সাথে তুলনা করেছেন
|journal=থিংক প্রগ্রেস
|date=১৫-০৫-২০১১
|first=ইয়ান
|last=মিলহিসার
|url=http://thinkprogress.org/politics/2011/05/15/166363/paul-ss-medicare-slavery/
|accessdate=২৮-০৮-২০১১}}-এ যেমনটি উদ্ধৃত করা হয়েছে।
*তবে না, আমি বৈজ্ঞানিক প্রমাণ দিয়ে এমনটা মনে করি না -- আমি গতকাল মৃত্যুদণ্ডের ওপর একটি নিবন্ধ পড়েছি। তারা ৬৮ শতাংশ ক্ষেত্রে ভুল করে। আর এটি খুব বর্ণবাদীও। আমার মনে হয় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মানুষের অর্ধেকেরও বেশি হলো দরিদ্র কৃষ্ণাঙ্গ। এটি একমাত্র জায়গা, '''আমাদের দেশে বর্ণবাদের একমাত্র অবশিষ্টাংশ হলো আদালত ব্যবস্থায়, মাদক আইন প্রয়োগে এবং মৃত্যুদণ্ড প্রয়োগে'''। আমি জানিও না, তবে আমি অবাক হই এদের মধ্যে কতজনের, কতজনের ফাঁসি হয়েছে? ২০০-এর বেশি, আমি অবাক হই এদের মধ্যে কতজন সংখ্যালঘু ছিল? আপনি জানেন, আপনি যদি ধনী হন, তবে সাধারণত আপনার মৃত্যুদণ্ড হয় না।
**''কনকর্ড মনিটর সম্পাদকীয় বোর্ডের সাথে সাক্ষাৎকার'', (১৮ আগস্ট ২০১১)
*'''পল:''' ''আমি ওগুলো লিখিনি, আমি ওগুলো অস্বীকার করি...''<br />'''প্রশ্ন:''' তাহলে আপনি ওগুলো পড়েছেন, কিন্তু কিছু করেননি。<br />'''পল:''' ''আমি ওইসব জিনিস কখনোই পড়িনি''। আমি সম্ভবত ওগুলো লেখার দশ বছর পর এ সম্পর্কে জানতে পেরেছি...প্রায় বিশ বছর হয়ে গেল মানুষ আমাকে এ নিয়ে বিরক্ত করছে。<br />'''প্রশ্ন:''' আচ্ছা, আপনি কি বলবেন না যে এটি একটি বৈধ প্রশ্ন?<br />'''পল:''' যখন আপনি উত্তর পাবেন, তখন এটা বৈধ যে আপনি আমার দেওয়া উত্তরটি গ্রহণ করবেন। আপনি কি জানেন উত্তরটা কী? "'''''আমি ওগুলো লিখিনি, লেখার সময় আমি ওগুলো পড়িনি এবং আমি ওগুলো অস্বীকার করি।'''''"
** [http://www.washingtonpost.com/blogs/fact-checker/post/ron-paul-and-the-racist-newsletters-fact-checker-biography/2011/12/21/gIQAKNiwBP_blog.html রন পল সিএনএন সাক্ষাৎকার থেকে বেরিয়ে যান] (২১ ডিসেম্বর ২০১১)
===২০১২===
* '''প্রশ্ন: "'''কংগ্রেসম্যান পল, আপনি এই সব প্রার্থীর, বিশেষ করে সিনেটর স্যান্টোরামের আর্থিক রক্ষণশীলতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। আপনার একটি নতুন টেলিভিশন বিজ্ঞাপন রয়েছে যেখানে তাকে ভণ্ড বলা হয়েছে। কেন?"
** '''উত্তর: "কারণ সে একজন ভণ্ড।''' আমার কাছে এটা বেশ আশ্চর্যের লাগে যে মানুষ যখন নির্বাচনে দাঁড়ায় তখন তারা সত্যিই আর্থিকভাবে রক্ষণশীল হয়। যখন তারা ক্ষমতায় থাকে, তখন তারা অন্য কিছুর পক্ষে ভোট দেয়। আর তারপর যখন তারা নিজেদের ব্যাখ্যা করে, তখন বলে 'ওহ! আমি ওটা বাতিল করতে চাই।' তাই সিনেটর নো চাইল্ড লেফট বিহাইন্ডের পক্ষে ভোট দিয়েছিলেন। তিনি এর পক্ষে ভোট দিয়েছিলেন, কিন্তু এখন তিনি এটি বাতিল করার চেষ্টায় নির্বাচন করছেন!.....এতে বিশ্বাসযোগ্যতা হারায়।"
***[https://www.youtube.com/watch?v=YZPexbzJUU4 ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১২]
===২০১৫===
*'''একটি মুক্তবাজার অর্থনীতিতে, ভোক্তাই হলো রাজা''': শ্রমিক ইউনিয়নগুলো জিনিসপত্র চালায় না, ব্যবসায়ীরা জিনিসপত্র চালায় না, ব্যাংকাররা জিনিসপত্র চালায় না, রাজনীতিবিদেরা জিনিসপত্র চালায় না, তবে একটি ব্যবসার সাফল্য নির্ভর করে মানুষ কীভাবে তাদের অর্থ ব্যয় করে তার ওপর।
**"নির্বাচিত প্রতিনিধিদের বদলে নাগরিকরা নিজেরাই আইন তৈরি করে, এমন প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র সম্পর্কে আপনার মতামত কী?" প্রশ্নের উত্তরে। https://www.youtube.com/watch?v=p-nfaTZNWcI (১৪ মে ২০১৫)
===২০১৬===
*আমি এই ধারণা নিয়ে কাজ করি যে অধিকাংশ মানুষ সত্যিই [[শান্তি]] চায়। এই কারণে, মানুষকে বোকার মতো [[যুদ্ধ|যুদ্ধে]] রাজি করানোর জন্য মিথ্যার পাশাপাশি অনেক [[প্রচারণা]], ভীতি প্রদর্শন এবং ভয় দেখানোর প্রয়োজন হয়। এই সপ্তাহে, [[w:ফিলিপ এম. ব্রিডলাভ|ন্যাটোর কমান্ডার এবং মার্কিন জেনারেল ফিলিপ ব্রিডলাভের]] [https://theintercept.com/2016/07/01/nato-general-emails/ ইমেইলগুলো নিয়ে খবর প্রকাশিত হয়েছে]। দৃশ্যত ব্রিডলাভ [[w:বারাক ওবামা|ওবামার]] বিরুদ্ধে আড়ালে চক্রান্ত করছিলেন। ওবামা [[w:রাশিয়া|রাশিয়ার]] সাথে ততটা সংঘাতপূর্ণ ছিলেন না যতটা ব্রিডলাভ চেয়েছিলেন। ওবামা এবং [[ইউক্রেন|ইউক্রেনে]] যা ঘটছিল তা নিয়ে মার্কিন জনমতের ওপর চাপ প্রয়োগের জন্য সব ধরনের পেছনের চ্যানেল ব্যবহার করা হয়েছিল। কেউ ভাবতে পারেন যে এটি মিডিয়ায় একটি বড় খবর হবে। কিন্তু [[w:দ্য ইন্টারসেপ্ট|দ্য ইন্টারসেপ্ট]] [https://theintercept.com/2016/07/01/nato-general-emails/ খবরটি প্রকাশ] করার পর কয়েকটি অন্যান্য আউটলেট এটি প্রকাশ করে এবং তারপর এটি পৃথিবীর বুক থেকে হারিয়ে যায়!<BR> '''স্নায়ুযুদ্ধের পর ওয়ারশ চুক্তির মতোই [[ন্যাটো|ন্যাটোরও]] ভেঙে যাওয়া উচিত ছিল।''' ভেঙে যাওয়ার বদলে ন্যাটো পূর্ব ইউরোপের দেশগুলোকে গ্রাস করতে থাকে, যেগুলো আগে [[w:ওয়ারশ চুক্তি|ওয়ারশ চুক্তির]] অংশ ছিল। "শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন" এবং ইউক্রেনকে ন্যাটোতে অন্তর্ভুক্ত করার ফলে তারা ঠিক রাশিয়ার সীমান্তে চলে আসবে। ন্যাটো শান্তির বন্ধু নয়। আমাদের এর কোনো প্রয়োজন নেই।
**[http://www.ronpaullibertyreport.com/archives/ron-paul-nato-is-not-a-friend-of-peace ''ন্যাটো শান্তির বন্ধু নয়''] (৫ জুলাই ২০১৬)
*'''ইসরায়েলের জন্য ৩৮ বিলিয়ন ডলারের সহায়তা এমন অর্থ যা আমরা এমন একটি ধনী এবং শক্তিশালী দেশকে দেওয়ার সামর্থ্য রাখি না, যার নিজেদের মর্যাদা বজায় রাখার জন্য কোনো সহায়তার প্রয়োজন নেই।'''<br>গত সপ্তাহে ইসরায়েলের জন্য রেকর্ড ভাঙা মার্কিন সহায়তা প্যাকেজের ঘোষণা প্রমাণ করে যে আমাদের হস্তক্ষেপবাদী পররাষ্ট্রনীতি কতটা বিপজ্জনকভাবে বোকামিপূর্ণ এবং বাস্তবতাবিবর্জিত। আগামী দশ বছরে, মার্কিন করদাতাদের ইসরায়েলকে সামরিক সহায়তা হিসেবে প্রায় ৩৮ বিলিয়ন ডলার দিতে বাধ্য করা হবে। এটি এমন একটি অর্থ যা আমরা এমন একটি দেশকে দেওয়ার সামর্থ্য রাখি না, যার মধ্যপ্রাচ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক বাহিনী হিসেবে নিজেদের মর্যাদা বজায় রাখার জন্য কোনো সহায়তার প্রয়োজন নেই।
**[http://www.ronpaullibertyreport.com/archives/why-are-we-sending-38-billion-to-rich-and-powerful-israel ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ সালের প্রবন্ধ "আমরা কেন ধনী এবং শক্তিশালী ইসরায়েলকে ৩৮ বিলিয়ন ডলার পাঠাচ্ছি?" রন পল লিবার্টি রিপোর্টে]
===২০১৮===
* [[w:যুক্তরাষ্ট্রের সংস্কৃতি|আমেরিকান সংস্কৃতির]] বর্তমান অবস্থা দেখে আপনি কি হতবাক? আচ্ছা, এটি কোনো দুর্ঘটনা নয়। আপনি সম্ভবত '{{w|সাংস্কৃতিক মার্ক্সবাদ}}ে'র কথা শুনেছেন, কিন্তু আপনি কি জানেন এর মানে কী?
** ''[[w:দ্য হিল (সংবাদপত্র)|দ্য হিলের]]'' এমিলি বার্নবাউম কর্তৃক ''[http://thehill.com/homenews/house/395176-ron-paul-tweets-racist-cartoon-faces-backlash রন পলের বর্ণবাদী কার্টুন টুইট, সমালোচনার মুখে]'' (২ জুলাই ২০১৮)-তে যেমনটি উদ্ধৃত করা হয়েছে। পরে [https://twitter.com/RonPaul/status/1013804224382201856 টুইটটির] ছবি পরিবর্তন করা হয়েছিল।
===২০১৯===
*আক্রমণাত্মক এবং নিওকন-অনুমোদিত একটি পররাষ্ট্রনীতি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ. বুশের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডিক চেনিকে অনেকেই "প্রকৃত" প্রেসিডেন্ট হিসেবে দেখতেন। বুশকে চেনির হাতের কৌতূহলহীন পুতুলের মতো দেখা হতো। ট্রাম্পের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা [[জন আর. বোল্টন|জন বোল্টন]] কি এই প্রশাসনে সেই ভূমিকা নিয়েছেন? বোল্টন কি নতুন চেনি?
**[https://www.youtube.com/watch?v=hcLxSTn8dPk ''রন পল প্রশ্ন করেন: জন বোল্টন কি নতুন ডিক চেনি? রন পল এবং ড্যানিয়েল ম্যাকঅ্যাডামস, রন পল লিবার্টি রিপোর্ট,''] ভিডিও: ১৮ মিনিট, ১০ সেকেন্ড, (৬ মার্চ ২০১৯)
* তারা তখনই কেবল সত্য কথা বলে যখন তারা স্বীকার করে যে তারা মিথ্যা বলছে।
**[https://www.youtube.com/watch?v=yAiNqq14UF4 ''ওমান উপসাগরে সম্ভাব্য ইরানি ফলস ফ্ল্যাগ, যুক্তরাষ্ট্র এরই মধ্যে মিথ্যা বলতে গিয়ে ধরা পড়েছে এবং ইসরায়েলের সিরিয়ায় হামলা, রায়ান ক্রিস্টিয়ান, দ্য লাস্ট আমেরিকান ভ্যাগাবন্ড,''] ভিডিও: ১ ঘণ্টা ১৪ মিনিট, ১৮ সেকেন্ড, (১৩ জুন ২০১৯)
**[https://www.youtube.com/watch?v=9XDoDTYhLL4 ''ইরানের সাথে যুদ্ধ সম্পর্কে আরও জানুন, রন পল এবং ড্যানিয়েল ম্যাকঅ্যাডামস, রন পল লিবার্টি রিপোর্ট,'' অ্যাডাম গ্রিনের নো মোর নিউজে রন পল লিবার্টি রিপোর্ট থেকে নেওয়া সাউন্ডবাইট] ভিডিও: ৩৭ মিনিট, ৩৪ সেকেন্ড, (১৭ জুন ২০১৯)
*মনে হচ্ছে উপসাগরে ট্যাংকার হামলার পেছনে ইরান দায়ী বলে পম্পেওর প্রমাণ করার চেষ্টা ব্যর্থ হচ্ছে। ঘটনা ঘটার সাথে সাথেই আমরা এর ওপর নজর রাখছিলাম।
**[https://twitter.com/RonPaul/status/1139522608817422336 (১৪ জুন ২০১৯)]
*গত সপ্তাহে দুটি ট্যাংকার জাহাজে দৃশ্যত হামলার পেছনে ইরান ছিল বলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেওর তাড়াহুড়ো করে নেওয়া সিদ্ধান্ত, নিওকনদের আশামতো ইরানের বিরুদ্ধে বিশ্বজনমতকে ঐক্যবদ্ধ করতে পারেনি। এর বদলে ওয়াশিংটনের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ মিত্রদের মধ্যেও এটি প্রবল সন্দেহের মুখে পড়েছে। ব্যাপকভাবে অতিরঞ্জিত করা এবং প্রতিনিয়ত হুমকি দেওয়ার নিওকনদের অভ্যাস কি শেষ পর্যন্ত বিশ্বমঞ্চে যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বাসযোগ্যতা ধ্বংস করে দিয়েছে?
**[https://www.youtube.com/watch?time_continue=3&v=wYeMBpAkOko ''বিশ্বাসযোগ্যতার সংকট: ইরান হামলা নিয়ে কেউ পম্পেওকে বিশ্বাস করে না, লিবার্টি রিপোর্ট,''] (১৭ জুন ২০১৯)
*আমি যে কারণে কিছু আশাবাদ বজায় রাখি তা হলো আমি মনে করি [[দর্শন|দার্শনিকভাবে]] আমরা বেশ ভালো অবস্থায় আছি... মানুষ...[[সত্য|সত্যটি]] জানতে চায়...
*[[রাজনীতি|রাজনীতির]] চেয়ে দর্শন অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তবে আমাদের রাজনীতি নিয়ে কাজ করতে হবে কারণ রাজনীতি হলো দর্শনের মাপকাঠি... আমাদের... সত্যটি বের করে আনার চেষ্টা করা গুরুত্বপূর্ণ...
**''অতীতের প্রতিফলন এবং ভবিষ্যতের প্রত্যাশা, রন পল লিবার্টি রিপোর্ট''], ইউটিউব (৩১ ডিসেম্বর ২০১৯)
*যে ধরনের মানুষেরা [[সরকার|সরকারি ব্যবস্থার]] দিকে ঝুঁকে পড়ে, তারা হতাশা থেকে এটি করছে এবং তাদের কাছে সত্যিই কোনো উত্তর নেই। আর শেষ পর্যন্ত... [তারা] ব্যর্থ হবে।
*মানুষ সত্য খুঁজছে এবং আমি বিশ্বাস করি শেষ পর্যন্ত সত্যেরই জয় হবে।
**''অতীতের প্রতিফলন এবং ভবিষ্যতের প্রত্যাশা, রন পল লিবার্টি রিপোর্ট''], ইউটিউব (৩১ ডিসেম্বর ২০১৯)
=== ২০২০ ===
* [[ট্রাম্প প্রশাসন|ট্রাম্প প্রশাসনের]] প্রধান আতঙ্ক সৃষ্টিকারী ব্যক্তি নিঃসন্দেহে [[অ্যান্থনি ফাউচি]]। তিনি {{w|ন্যাশনাল ইনস্টিটিউটস অব হেলথ|ন্যাশনাল ইনস্টিটিউটস অব হেলথের}} অধীনস্থ {{w|ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অ্যালার্জি অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস|ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অ্যালার্জি অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেসের}} প্রধান। ফাউচি সব গণমাধ্যমে আছেন। তিনি আরও বেশি আতঙ্ক ছড়াতে সরাসরি মিথ্যা কথা বলছেন। তিনি কংগ্রেসে সাক্ষ্য দিয়েছেন যে [[করোনাভাইরাস|করোনাভাইরাসের]] [[w:2019–20 coronavirus pandemic#Deaths|মৃত্যুর হার]] {{w|সিজনাল ফ্লু|সিজনাল ফ্লুর}} চেয়ে দশগুণ বেশি। এই দাবির কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। {{w|ফেস দ্য নেশন|ফেস দ্য নেশনে}} ফাউচি ইতিমধ্যে [[২০২০ সালের শেয়ারবাজার ধস|ধসে পড়া অর্থনীতিকে]] আরও ক্ষতিগ্রস্ত করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন। তিনি বলেছেন, "এই মুহূর্তে ব্যক্তিগতভাবে আমি কোনো রেস্তোরাঁয় যাব না।" তিনি পুরো দেশ ১৪ দিনের জন্য বন্ধ করার জোর দিয়েছেন। কিসের জন্য? এমন একটি ভাইরাস যা এখন পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে মাত্র ৫,০০০ জনের বেশি এবং [[যুক্তরাষ্ট্রে ২০২০ সালের করোনাভাইরাস মহামারী|যুক্তরাষ্ট্রে]] ১০০ জনেরও কম মানুষকে হত্যা করেছে? এর বিপরীতে, যক্ষ্মা একটি পুরোনো রোগ যা আজকাল খুব একটা আলোচনা হয় না। এটি ২০১৭ সালে প্রায় ১৬ লাখ মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে। এটি নিয়ে আতঙ্ক কোথায়? বরং, ফাউচি এবং অন্যান্য আতঙ্ক সৃষ্টিকারীরা যা দাবি করছেন তা সম্ভবত রোগটিকে আরও খারাপ করবে। তারা যে সামরিক আইনের স্বপ্ন দেখেন তা মানুষকে বাইরে বা সমুদ্রসৈকতে যাওয়ার বদলে ঘরের ভেতরে আটকে রাখবে। অথচ রোদ এবং বিশুদ্ধ বাতাস রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করত। এই আতঙ্ক সৃষ্টিকারীদের তৈরি করা আতঙ্ক সম্ভবত রোগ ছড়াতে সাহায্য করছে। কারণ টয়লেট পেপারের শেষ রোলের জন্য বিশাল ভিড় ওয়ালমার্ট এবং কস্টকোর দিকে ছুটে যাচ্ছে। […] মানুষের নিজেদের জিজ্ঞাসা করা উচিত এই [[২০১৯–২০ করোনাভাইরাস মহামারী|করোনাভাইরাস "মহামারী"]] একটি বড় প্রতারণা হতে পারে কি না। যারা এই আতঙ্ক থেকে আর্থিকভাবে বা রাজনৈতিকভাবে লাভবান হতে চায়, তারা এই রোগের প্রকৃত বিপদকে ব্যাপকভাবে অতিরঞ্জিত করেছে। এর মানে এই নয় যে রোগটি ক্ষতিকারক নয়। কোনো সন্দেহ নেই যে করোনাভাইরাসে মানুষ মারা যাবে। ঝুঁকিপূর্ণ বিভাগে থাকা ব্যক্তিদের তাদের সংক্রমণের ঝুঁকি সীমাবদ্ধ করতে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। কিন্তু আমরা এই সিনেমা আগে দেখেছি। সরকার আমাদের আরও স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়ার অজুহাত হিসেবে একটি হুমকিকে অতিরঞ্জিত করে। তবে "হুমকি" শেষ হয়ে গেলে তারা কখনোই আমাদের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দেয় না।
** ''[https://web.archive.org/web/20200316154041/http:/ronpaulinstitute.org/archives/featured-articles/2020/march/16/the-coronavirus-hoax/ দ্য করোনাভাইরাস হোক্স]'' (১৬ মার্চ ২০২০), ''{{w|রন পল ইনস্টিটিউট ফর পিস অ্যান্ড প্রসপারিটি}}''। [১৬ মার্চ ২০২১ সাল পর্যন্ত, এই উক্তির তারিখ থেকে এক বছর পর, করোনাভাইরাসে বিশ্বজুড়ে ২৬ লাখ ৬০ হাজার এবং যুক্তরাষ্ট্রে ৫ লাখ ৩৩ হাজারের বেশি মানুষ মারা গিয়েছিল।]
====''এন্ড দ্য শাটডাউন; ইটস টাইম ফর রেসারেকশন!''====
:<small>''[https://web.archive.org/web/20200408023019/http://ronpaulinstitute.org/archives/featured-articles/2020/april/06/end-the-shutdown-it-s-time-for-resurrection/ এন্ড দ্য শাটডাউন; ইটস টাইম ফর রেসারেকশন!]'' (৬ এপ্রিল ২০২০), ''{{w|রন পল ইনস্টিটিউট ফর পিস অ্যান্ড প্রসপারিটি}}''।</small>
* লক্ষ লক্ষ খ্রিষ্টানের কাছে ইস্টার হলো যিশু খ্রিষ্টের পুনরুত্থান উদ্যাপনের সময়। অন্যরা হয়তো বসন্তের আগমন এবং নতুন জীবনের প্রতিশ্রুতি উদ্যাপন করতে পারে। যেকোনো বিশ্বাসই থাকুক না কেন, করোনাভাইরাসের কারণে কয়েক সপ্তাহ ধরে বাধ্যতামূলক "ঘরে থাকার" নির্দেশ এবং মার্কিন অর্থনীতি সম্পূর্ণ বন্ধ থাকার পর, এই আত্মঘাতী উন্মাদনা বন্ধ করতে হবে। আমেরিকান হিসেবে আমাদের এত সুযোগ দেওয়া স্বাধীনতা আমাদের পুনরুদ্ধার করতে হবে। এটি করার জন্য আমাদের প্রথমে বুঝতে হবে যে মূলধারার গণমাধ্যম এই উন্মাদনার বেশিরভাগই তৈরি করছে। তারা দীর্ঘকাল ধরে সত্য অনুসন্ধান এবং প্রতিবেদন করার চেয়ে চাঞ্চল্যকর খবরকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। সরকারি আমলারাও এই ভাইরাসের হুমকিকে অতিরঞ্জিত করছেন। ভীত মানুষ স্বেচ্ছায় তাদের হাতে যে ক্ষমতা ও নিয়ন্ত্রণ তুলে দিচ্ছে তা তারা উপভোগ করছেন বলে মনে হচ্ছে। এমনকি একজন "করোনাভাইরাস" আমলা আমাদের বলেছেন যে আমরা আর মুদির দোকানে যেতে পারব না! তাহলে কি আমরা না খেয়েই থাকব? এই ভাইরাস বিপজ্জনক হতে পারে তা বিশ্বাস করা অবশ্যই সম্ভব। কিন্তু একই সাথে এটিও তুলে ধরা যায় যে আমাদের সমাজে চরম পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে যেমন ঘরে থাকার নির্দেশ, অঘোষিত সামরিক আইন জারি ইত্যাদি। অথচ এই রোগটি ঠিক কতটা মারাত্মক সে সম্পর্কে খুব কম জ্ঞান রয়েছে।
* ২৪শে মার্চ, [[সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন|সিডিসি]] একটি সতর্কতা জারি করে বলেছিল যে ডাক্তারদের "সম্ভাব্য কোভিড-১৯" বা "সম্ভবত কোভিড-১৯" কে কোভিড-১৯ মৃত্যু হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা উচিত। সম্ভবত এটি এই বছর নিউমোনিয়ায় মৃত্যুর আপাত হ্রাস এবং একই সাথে কোভিড-১৯ এ মৃত্যুর বৃদ্ধির বিষয়টি ব্যাখ্যা করে, যেমনটি কিছু গবেষক প্রতিবেদন করেছেন। গত সপ্তাহে বিবিসি প্রতিবেদন করেছে যে, "বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে, কোভিড-১৯ রোগীর যেকোনো মৃত্যুকে, ডাক্তার প্রত্যক্ষ কারণ হিসেবে যাই বিশ্বাস করুক না কেন, প্রকাশ্য প্রতিবেদনের জন্য কোভিড-১৯ মৃত্যু হিসেবে গণনা করা হয়।" কোভিড-১৯ আসলে কতটা মারাত্মক তা নির্ধারণ করার এটি কি কোনো বৈজ্ঞানিক উপায় বলে মনে হয়?
* সবচেয়ে বিপজ্জনক বিষয় হলো এই ভাইরাস শেষ পর্যন্ত অদৃশ্য হয়ে গেলেও আমাদের নাগরিক স্বাধীনতার ওপর আক্রমণ সম্ভবত আর আগের অবস্থায় ফিরে আসবে না। এখন থেকে, যখনই স্থানীয় কর্মকর্তা, কাউন্টি কর্মকর্তা, রাজ্যের গভর্নর বা ফেডারেল আমলারা সিদ্ধান্ত নেবেন যে সংবিধান স্থগিত করার যথেষ্ট কারণ আছে, তারা তা করতে দ্বিধা করবেন না। যে কেউ "আমাদের নিজেদের ভালোর জন্য" সংবিধান স্থগিত করার চ্যালেঞ্জ করবে, তাকে "অদেশপ্রেমিক" আখ্যা দেওয়া হবে এবং সম্ভবত কর্তৃপক্ষের কাছে রিপোর্ট করা হবে। করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে ভিটামিন ডি এর সুরক্ষা বাড়াতে রোদে উপভোগ করতে বাইরে যাওয়ার সাহস করা আমেরিকানদের রিপোর্ট করার জন্য আমরা ইতিমধ্যেই সারা দেশে হটলাইন চালু হতে দেখেছি। আমাদের বলা হয়, সংবিধান বাতিল করার পেছনে সরকারের যুক্তি আছে। কারণ আমরা কোভিড-১৯ ভাইরাস সৃষ্ট একটি জরুরি অবস্থার মধ্যে আছি। কিন্তু মানুষ কি ভুলে যায় যে আমরা "জরুরি অবস্থার" মধ্যে থাকাকালীনই সংবিধান লেখা ও গৃহীত হয়েছিল? সংবিধান প্রণেতারা কি অধিকারের বিলে একটি ১১তম সংশোধনী যোগ করতে ব্যর্থ হয়েছিলেন, যেখানে বলা হয়েছে, "ওহ, বলে রাখি, আমরা অসুস্থ হলে এর কোনোটিই গণ্য হবে না"? অবশ্যই না! যারা আমাদের সংবিধান লিখেছিলেন তারা বুঝেছিলেন যে এই অধিকারগুলো সরকার দেয়নি, বরং আমাদের স্রষ্টা দিয়েছেন। সুতরাং কখন বা কোন পরিস্থিতিতে সেগুলো স্থগিত করা যেতে পারে তা কখনোই প্রশ্ন ছিল না। সরকারের এগুলো স্থগিত করার কোনো অধিকারই ছিল না কারণ তারা প্রথমে এগুলো দেয়নি।
* সারা দেশে হঠাৎ করে ক্ষমতা প্রদর্শন করা হাজার হাজার ছোট-বড় স্বৈরাচারীর চেয়ে করোনাভাইরাস থেকে আমাদের দেশের ঝুঁকি অনেক কম। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই হাস্যকর শাটডাউন শেষ করলে ভালো করবেন। এতে আমেরিকানরা তাদের জীবন চালিয়ে যেতে এবং কাজে ফিরতে পারবে। পরের বার ব্যালট বাক্সে যাওয়ার সময় আমেরিকানদের উচিত সেই স্বৈরাচারীদের কথা মনে রাখা যারা তাদের তালাবদ্ধ করে রেখেছিল। আসুন আমরা শাটডাউন শেষ করার দাবি জানাই যাতে আমরা আমাদের অর্থনীতি, আমাদের জীবন এবং আমাদের স্বাধীনতা পুনরুদ্ধার করতে পারি!
=== ২০২২ ===
* আমাদের মধ্যে যারা [[স্বাধীনতা]]র মূল্য দেয়, তাদের জন্য এই গত দুই বছর একটি দুঃস্বপ্ন ছিল। মনে হচ্ছে আমরা ২০২০ সালের শুরুতে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম এবং ১৯৮৪ সালে জেগে উঠেছি! তারা বলেছিল যে আমরা যদি কেবল একটি মাস্ক পরি এবং দুই সপ্তাহ বাড়িতে থাকি, তবে আমরা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে যেতে পারব। দুই সপ্তাহ এসেছিল এবং চলেও গিয়েছিল। স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে যাওয়ার পরিবর্তে তারা আরও বিধিনিষেধ যোগ করেছিল। গত দুই বছর হলো লক্ষ্যমাত্রা পরিবর্তন করার গল্প। অ্যান্টনি ফাউচির মতো "বিশেষজ্ঞরা" প্রতিনিয়ত নিজেদের কথারই বিরোধিতা করেছেন। ২০২০ সালের এপ্রিলের শুরুতে, আমি "নেক্সট ইন করোনাভাইরাস টাইরানি: ফোর্সড ভ্যাকসিনেশনস অ্যান্ড ডিজিটাল সার্টিফিকেটস" শিরোনামের একটি নিবন্ধে সতর্ক করেছিলাম। সেখানে বলেছিলাম "দুই সপ্তাহ" দলের চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো আমেরিকানদের ওপর ভ্যাকসিন এবং একটি "ভ্যাকসিন পাসপোর্ট" চাপিয়ে দেওয়া। আমার উদ্বেগগুলো সেসময় কেবল আরেকটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে উড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এক বছরেরও কম সময়ের মধ্যে সেই "ষড়যন্ত্র তত্ত্ব" ষড়যন্ত্রের বাস্তবে পরিণত হয়েছে। এ বিষয়ে সঠিক প্রমাণিত হওয়ায় আমি খুশি নই। ভ্যাকসিন পাসপোর্ট চালু হওয়া শুরু থেকেই আমার সবচেয়ে খারাপ দুঃস্বপ্ন ছিল। সমাজে অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অবশ্যই "আপনার কাগজপত্র দেখাতে হবে" এই ধারণাটি একটি মুক্ত সমাজের সম্পূর্ণ বিরোধী। এটি অমানবিক।
**[https://www.lewrockwell.com/2022/01/ron-paul/taking-back-our-liberty-in-2022/ টেকিং ব্যাক আওয়ার লিবার্টি ইন ২০২২], ''লিউইকরকওয়েল.অর্গ'', ৪ জানুয়ারি ২০২২
=== ২০২৩ ===
*একটি অভ্যুত্থান হয়েছে। একটি প্রজাতন্ত্রে বিশ্বাসী সরকারের সাথে আমাদের কোনো মিল নেই। আমাদের কাছে সৎ অর্থ নেই। আমাদের কোনো সততা নেই।
**১২ এপ্রিল ২০২৩ [https://twitter.com/CitizenFreePres/status/1646224444434833408 সাক্ষাৎকার]
{{Disputed begin}}
== বিতর্কিত ==
=== নিউজলেটার ===
তার নিউজলেটার সম্পর্কে রন পল সিএনএনের গ্লোরিয়া বোরগারকে বলেছিলেন, "আমি সেগুলো লিখিনি, আমি সেসময় সেগুলো পড়িনি এবং আমি সেগুলো অস্বীকার করি। আমি কখনোই ওইসব পড়িনি।" লিবার্টারিয়ান কর্মী এবং রন পলের একজন কর্মী ''রিজন'' পত্রিকাকে বলেছিলেন যে সেগুলো [[লিউ রকওয়েল|লিউ রকওয়েলের]] দ্বারা ছদ্মনামে লেখা হয়েছিল। তবে রকওয়েল এটি অস্বীকার করেন।
* {{citation
| date = ১৬ জানুয়ারি ২০০৮
| title = Who Wrote Ron Paul's Newsletters?
| trans-title = রন পলের নিউজলেটার কে লিখেছিলেন?
| first1 = জুলিয়ান
| last1 = সানচেজ
| first2 = ডেভিড
| last2 = উইগেল
| magazine = রিজন
| issn = 0048-6906
| url = http://reason.com/archives/2008/01/16/who-wrote-ron-pauls-newsletter
}}
====''রন পল পলিটিক্যাল রিপোর্ট''====
* বাব্বা, সেই সাম্যবাদ-সমর্থক চরিত্রহীন [[মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র|মার্টিন লুথার কিংয়ের]] জন্য একটি জাতীয় ছুটি থাকাটা আমাকে সত্যিই পোড়ায়। একজন কংগ্রেসম্যান হিসেবে আমি বারবার এই জঘন্য কাজের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছি। কী এক কুখ্যাতি যে [[রোনাল্ড রেগান]] এটি অনুমোদন করেছিলেন! আমাদের বার্ষিক শ্বেতাঙ্গ ঘৃণা দিবসের জন্য আমরা তাকে ধন্যবাদ জানাতে পারি।
** {{citation
| year = ১৯৯০
| month = ফেব্রুয়ারি
| title = The Coming Race War
| trans-title = আসন্ন বর্ণযুদ্ধ
| periodical = রন পল পলিটিক্যাল রিপোর্ট
| page = ৭
| url = http://www.tnr.com/sites/default/files/February1990.pdf
}}, উদ্ধৃত {{citation
| date = ৮ জানুয়ারি ২০১২
| title = Ron Paul Did Not Vote for MLK Day
| trans-title = রন পল এমএলকে দিবসের জন্য ভোট দেননি
| first = টা-নেহিসি
| last = কোটস
| journal = দ্য রুট
| url = http://www.theroot.com/buzz/ron-paul-did-not-vote-mlk-day
}}
* আমি গোপনীয়তার সময়টা খুব মিস করি। বাকি সমাজের কথা বাদ দিলেও সমকামীদের অবস্থা অনেক ভালো ছিল যখন সামাজিক চাপ তাদের কার্যকলাপ লুকিয়ে রাখতে বাধ্য করত। তারাও ততটা অবাধ হতে পারত না। এতে কি অবাক হওয়ার কিছু আছে যে তারা "গোপন অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসার" পর এবং অত্যন্ত অবাধ সমকামিতা শুরু করার পর {{w|AIDS|এইডস}} মহামারী শুরু হয়েছিল? চিকিৎসা বা নৈতিকভাবে আমি তা বিশ্বাস করি না।
** {{citation
| year = ১৯৯০
| month = জুন
| periodical = রন পল পলিটিক্যাল রিপোর্ট
| page = ৬
| url = http://www.tnr.com/sites/default/files/PR_June90_p6.pdf
}}, উদ্ধৃত {{citation
| date = ২৩ ডিসেম্বর ২০১১
| title = TNR Exclusive: A Collection of Ron Paul's Most Incendiary Newsletters
| trans-title = টিএনআর এক্সক্লুসিভ: রন পলের সবচেয়ে উত্তেজক নিউজলেটারের সংগ্রহ
| journal = নিউ রিপাবলিক
| url = http://www.tnr.com/article/politics/98883/ron-paul-incendiary-newsletters-exclusive
}}
* সম্প্রতি "রেভারেন্ড" [[আল শার্পটন|আল শার্পটনের]] নেতৃত্বে একদল কৃষ্ণাঙ্গ বিক্ষোভকারী স্ট্যাচু অব লিবার্টি দখল করে বন্ধ করে দেয়। তারা নিউইয়র্কের নাম পরিবর্তন করে মার্টিন লুথার কিং সিটি রাখার দাবি জানায় 'এটি আমাদের লোকদের জন্য পুনরুদ্ধার করার জন্য।'<br />হুম। রেভারেন্ড আলের সাথে একমত হতে আমার খারাপ লাগছে, তবে হয়তো নাম পরিবর্তন করা দরকার। ওয়েলফেয়ারিয়া? জুভিলি? রেপটাউন? ডার্টবার্গ? লেজিওপোলিস?<br />কিন্তু আল, স্ট্যাচু অব লিবার্টি? পরের বার, ফুড স্ট্যাম্প ব্যুরো বা কোনো ক্র্যাক হাউসে এই বিক্ষোভ করুন।
** {{citation
| year = ১৯৯০
| month = অক্টোবর
| title = King City?
| trans-title = কিং সিটি?
| periodical = রন পল পলিটিক্যাল রিপোর্ট
| page = ৪
| url = http://www.tnr.com/sites/default/files/PR_Oct90_p4.pdf
}}, উদ্ধৃত {{citation
| date = ৩ জানুয়ারি ২০১২
| first = অ্যান্ডি
| last = ক্রোল
| title = 10 Extreme Claims in Ron Paul's Controversial Newsletters
| trans-title = রন পলের বিতর্কিত নিউজলেটারে ১০টি চরম দাবি
| journal = মাদার জোন্স
| issn = 0362-8841
| url = http://motherjones.com/politics/2012/01/ron-paul-newsletter-iowa-caucus-republican?page=2
}}
* তিনি দলের প্রকৃত সদস্য না হলেও একজন সাম্যবাদী-সমর্থক ছিলেন। তিনিই সেই ব্যক্তি যিনি জোরপূর্বক পৃথকীকরণের মন্দের বদলে জোরপূর্বক একত্রীকরণের মন্দ নিয়ে এসেছিলেন।<br />এফবিআইয়ের নথি দেখায় যে কিং কেবল একজন বিশ্বমানের ব্যভিচারীই ছিলেন না, বরং তিনি অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়ে এবং ছেলেদেরও প্রলুব্ধ করতেন। রেভারেন্ড রালফ ডেভিড অ্যাবারনেথি তার মৃত্যুর আগে প্রকাশ করেছিলেন যে বহু বছর আগে কিং তাকে কুপ্রস্তাব দিয়েছিলেন।<br />আর আমরা কি এই "খ্রিষ্টান মন্ত্রী" এবং মিথ্যাবাদী সমাজতান্ত্রিক লম্পটকে এমন একটি ছুটি দিয়ে সম্মান জানাব যা তাকে [[জর্জ ওয়াশিংটন|জর্জ ওয়াশিংটনের]] সমকক্ষ করে তোলে?
** {{citation
| year = ১৯৯০
| month = ডিসেম্বর
| periodical = রন পল পলিটিক্যাল রিপোর্ট
| page = ৮
| url = http://www.tnr.com/sites/default/files/PR_Dec90_p8.pdf
}}, উদ্ধৃত {{citation
| date = ২৩ ডিসেম্বর ২০১১
| title = TNR Exclusive: A Collection of Ron Paul's Most Incendiary Newsletters
| trans-title = টিএনআর এক্সক্লুসিভ: রন পলের সবচেয়ে উত্তেজক নিউজলেটারের সংগ্রহ
| journal = নিউ রিপাবলিক
| url = http://www.tnr.com/article/politics/98883/ron-paul-incendiary-newsletters-exclusive
}}
** [[মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র|মার্টিন লুথার কিং জুনিয়রকে]] নির্দেশ করে
* ওয়াশিংটন ডিসি হাস্যকরভাবে যাকে 'ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থা' বলে তার অদক্ষতার কথা বিবেচনা করে, আমি মনে করি আমরা নিরাপদে ধরে নিতে পারি যে সেই শহরের ৯৫ শতাংশ কৃষ্ণাঙ্গ পুরুষ আধা-অপরাধী বা পুরোপুরি অপরাধী... আমাদের প্রতিনিয়তই বলা হয় যে কৃষ্ণাঙ্গ পুরুষদের ভয় পাওয়া খারাপ, [কিন্তু] এটি মোটেও অযৌক্তিক নয়। কৃষ্ণাঙ্গ পুরুষরা তাদের সংখ্যার তুলনায় অনেক বেশি মাত্রায় খুন, ধর্ষণ, ডাকাতি, ছিনতাই এবং চুরির মতো অপরাধ করে।
** ১৯৯২, উদ্ধৃত {{cite web
| title = 1978-1996: Texas Representative Ron Paul’s Newsletters Contain a Host of Bigoted Claims and Observations
| trans-title = ১৯৭৮-১৯৯৬: টেক্সাসের প্রতিনিধি রন পলের নিউজলেটারে অসংখ্য ধর্মান্ধ দাবি এবং পর্যবেক্ষণ রয়েছে
| work = হিস্ট্রি কমন্স
| url = http://www.historycommons.org/context.jsp?item=a7896paulnewsletter#a7896paulnewsletter
}}
* যদি আপনি কখনো কোনো কৃষ্ণাঙ্গ কিশোরের দ্বারা ছিনতাইয়ের শিকার হয়ে থাকেন, তবে আপনি জানবেন যে তারা কতটা অবিশ্বাস্যভাবে দ্রুতগামী হতে পারে।
** {{citation
| year = ১৯৯২
| title = Terrorist Update
| trans-title = টেররিস্ট আপডেট
| periodical = রন পল পলিটিক্যাল রিপোর্ট
}}, উদ্ধৃত {{cite news
| date = ২৩ মে ১৯৯৬
| title = Newsletter excerpts offer ammunition to Paul's opponent
| trans-title = নিউজলেটারের অংশগুলো পলের প্রতিপক্ষের জন্য রসদ জোগায়
| first = অ্যালান
| last = বার্নস্টেইন
| newspaper = হিউস্টন ক্রনিকল
| page = এ৩৩
| url = http://www.chron.com/CDA/archives/archive.mpl/1996_1343749/campaign-96-u-s-house-newsletter-excerpts-offer-am.html
}} এবং {{citation
| date = ২৪ ডিসেম্বর ২০১১
| title = Newt Gingrich Presses Ron Paul to Explain Racist Newsletters
| trans-title = নিউইট গিংরিচ রন পলকে বর্ণবাদী নিউজলেটার ব্যাখ্যা করার জন্য চাপ দেন
| periodical = এবিসি নিউজ
| url = http://abcnews.go.com/blogs/politics/2011/12/newt-gingrich-presses-ron-paul-to-explain-racist-newsletters/
}}
* দাঙ্গা শুরু হওয়ার তিন দিন পর কৃষ্ণাঙ্গদের তাদের কল্যাণ ভাতা নেওয়ার সময় এলে লস অ্যাঞ্জেলেসে কেবল শৃঙ্খলা ফিরে এসেছিল। "দরিদ্ররা" তাদের সাহায্য পাওয়ার জন্য পোস্ট অফিসে লাইনে দাঁড়িয়েছিল (যেহেতু কোনো ডেলিভারি ছিল না) এবং তারপর ধীরগতির পরিষেবার অভিযোগ করেছিল।<br />যদি চেকগুলো কখনোই না আসত তাহলে কী হতো? নিঃসন্দেহে কৃষ্ণাঙ্গরা অব্যাহত লুটপাটের মাধ্যমে কল্যাণ রাষ্ট্রকে পুরোপুরি বেসরকারি করে ফেলত। কিন্তু তাদের পাওনা বুঝিয়ে দেওয়ায় সহিংসতা কমে গিয়েছিল।
** {{citation
| date = ১৫ জুন ১৯৯২
| periodical = রন পল পলিটিক্যাল রিপোর্ট
| volume = ৬
| issue = ৬
| page = ৬-৭
| url = http://www.tnr.com/sites/default/files/PR_June92_p6.pdf
}}, উদ্ধৃত {{citation
| date = ৩ জানুয়ারি ২০১২
| first = অ্যান্ডি
| last = ক্রোল
| title = 10 Extreme Claims in Ron Paul's Controversial Newsletters
| trans-title = রন পলের বিতর্কিত নিউজলেটারে ১০টি চরম দাবি
| journal = মাদার জোন্স
| issn = 0362-8841
| url = http://motherjones.com/politics/2012/01/ron-paul-newsletter-iowa-caucus-republican?page=2
}} এবং {{citation
| date = ২৩ ডিসেম্বর ২০১১
| title = TNR Exclusive: A Collection of Ron Paul's Most Incendiary Newsletters
| trans-title = টিএনআর এক্সক্লুসিভ: রন পলের সবচেয়ে উত্তেজক নিউজলেটারের সংগ্রহ
| journal = নিউ রিপাবলিক
| url = http://www.tnr.com/article/politics/98883/ron-paul-incendiary-newsletters-exclusive
}}
** {{w|ওয়াটস দাঙ্গা|ওয়াটস দাঙ্গাকে}} নির্দেশ করে
* উদারপন্থিরা চায় শ্বেতাঙ্গ আমেরিকা যেন কৃষ্ণাঙ্গ অপরাধ এবং কল্যাণের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নেয়। [...] জুরির রায়, বাস্কেটবল খেলা, এমনকি সংগীতও কৃষ্ণাঙ্গদের ক্ষোভ উসকে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট বলে মনে হয়।
** {{citation
| year = ১৯৯২
| month = জুলাই
| periodical = রন পল পলিটিক্যাল রিপোর্ট
| page = ৩
| url = http://www.tnr.com/sites/default/files/PR_July92_p3.pdf
}}, উদ্ধৃত {{citation
| date = ৩ জানুয়ারি ২০১২
| first = অ্যান্ডি
| last = ক্রোল
| title = 10 Extreme Claims in Ron Paul's Controversial Newsletters
| trans-title = রন পলের বিতর্কিত নিউজলেটারে ১০টি চরম দাবি
| journal = মাদার জোন্স
| issn = 0362-8841
| url = http://motherjones.com/politics/2012/01/ron-paul-newsletter-iowa-caucus-republican?page=2
}}
* শহুরে যুবকদের মধ্যে এটি এক ধরনের হিপ-হপ ব্যাপার যারা সন্দেহহীন শ্বেতাঙ্গদের পিয়ানোর মতো বাজায়। যুবকরা কেবল তাদের পছন্দের একটি গাড়ির কাছে হেঁটে যায়, বন্দুক বের করে, পরিবারকে বের হয়ে যেতে বলে, তাদের গহনা ও মানিব্যাগ চুরি করে এবং গাড়িটি ধ্বংস করার জন্য নিয়ে যায়। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে এ ধরনের ঘটনা ব্যাপকভাবে বেড়েছে।
* আপনি কী করতে পারেন? আরও বেশি সংখ্যক আমেরিকান গাড়িতে বন্দুক রাখছেন। আমার পরিচিত একজন প্রাক্তন পুলিশ অফিসার পরামর্শ দেন যে যদি আপনাকে কোনো যুবকের ওপর বন্দুক ব্যবহার করতে হয়, তবে আপনার অবিলম্বে ঘটনাস্থল ত্যাগ করা উচিত এবং যত তাড়াতাড়ি সম্ভব মোছা বন্দুকটি ফেলে দেওয়া উচিত। এমন একটি বন্দুক অবশ্যই আপনার নামে নিবন্ধিত হতে পারে না, বরং এটি ব্যক্তিগতভাবে কেনা (উদাহরণস্বরূপ, বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে)।<br />সত্যি বলতে আমি জানি না এই ধরনের পরামর্শের কী অর্থ বের করব। তবে টেক্সাসের জ্যাকসনে আমার ছোট্ট শহরেও, আমি আমার পরিবারের সবাইকে আত্মরক্ষার জন্য বন্দুক ব্যবহার করতে জানতে অনুরোধ করেছি। কারণ পশুরা আসছে।
** {{citation
| year = ১৯৯২
| month = অক্টোবর
| title = Blast 'Em?
| trans-title = ব্লাস্ট এম?
| periodical = রন পল পলিটিক্যাল রিপোর্ট
| page = ২
| url = http://www.tnr.com/sites/default/files/PR_Oct92_p2.pdf
}}
====''রন পল সারভাইভাল রিপোর্ট''====
* শ্বেতাঙ্গরা মারা যাচ্ছে, তারা নিজেদের শূন্যস্থান পূরণ করছে না। প্রায় ৩ কোটি ২০ লাখ জনসংখ্যার কৃষ্ণাঙ্গরা আগামী ৬০ বছরে দ্বিগুণ হবে। এবং হিস্পানিক জনসংখ্যা তিনগুণ হবে。<br />আমি জানি এই প্রবণতা নিয়ে চিন্তা করা অভদ্রতা হিসেবে বিবেচিত হয়। যুক্তি দেওয়া হয় যে, চামড়ার নিচে আমরা সবাই সমান। এই দাবির সত্যতা যাই হোক না কেন, এটি একটি বাস্তব সত্য যে, একটি মিশ্র অর্থনীতির গণতন্ত্রে শ্বেতাঙ্গ জনগোষ্ঠী ছাড়া প্রায় প্রতিটি বর্ণ ও জাতিগোষ্ঠী তাদের নিজস্ব গোষ্ঠীর স্বার্থে ভোট দেয়। শ্বেতাঙ্গরা এমন প্রার্থীদের ভোট দেয় না যারা শ্বেতাঙ্গদের স্বার্থ রক্ষার প্রতিশ্রুতি দেয়, অথচ কৃষ্ণাঙ্গ এবং হিস্পানিকরা দেয়।
** {{citation
| year = ১৯৯৩
| month = জানুয়ারি
| title = The Disappearing White Majority
| trans-title = হারিয়ে যাওয়া শ্বেতাঙ্গ সংখ্যাগরিষ্ঠতা
| periodical = রন পল সারভাইভাল রিপোর্ট
| page = ৭
| url = http://www.tnr.com/sites/default/files/January1993.pdf
}}, উদ্ধৃত {{citation
| date = ২৩ ডিসেম্বর ২০১১
| title = TNR Exclusive: A Collection of Ron Paul's Most Incendiary Newsletters
| trans-title = টিএনআর এক্সক্লুসিভ: রন পলের সবচেয়ে উত্তেজক নিউজলেটারের সংগ্রহ
| journal = নিউ রিপাবলিক
| url = http://www.tnr.com/article/politics/98883/ron-paul-incendiary-newsletters-exclusive
}}
* যাই হোক, সান ফ্রান্সিসকোর সমকামীরা সুবুদ্ধির নির্দেশ মেনে চলে না। [...] প্রথমত, এই পুরুষরা সত্যিই তাদের পঞ্চাশের কোঠার পর বেঁচে থাকার কোনো কারণ দেখে না। তারা বিবাহিত নয়, তাদের কোনো সন্তান নেই, এবং তাদের জীবন নতুন যৌন সঙ্গীদের কেন্দ্র করে আবর্তিত। এই পরিস্থিতিগুলো কারও বার্ধক্যকে সবচেয়ে সুখী করে তোলে না। দ্বিতীয়ত, যেহেতু যৌনতাই তাদের জীবনের কেন্দ্রবিন্দু, তাই তারা এটিকে যতটা সম্ভব আনন্দদায়ক করতে চায়। যার অর্থ হলো অরক্ষিত যৌন সম্পর্ক। তৃতীয়ত, অসুস্থ হওয়ার সাথে যে মনোযোগ এবং করুণা আসে তা তারা উপভোগ করে।
** {{citation
| year = ১৯৯৪
| month = জানুয়ারি
| title = AIDS Dementia
| trans-title = এইডস ডিমেনশিয়া
| periodical = রন পল সারভাইভাল রিপোর্ট
| page = ৫
| url = http://www.tnr.com/sites/default/files/SR_Jan94_p5.pdf
}}, উদ্ধৃত {{citation
| date = ২৩ ডিসেম্বর ২০১১
| title = TNR Exclusive: A Collection of Ron Paul's Most Incendiary Newsletters
| trans-title = টিএনআর এক্সক্লুসিভ: রন পলের সবচেয়ে উত্তেজক নিউজলেটারের সংগ্রহ
| journal = নিউ রিপাবলিক
| url = http://www.tnr.com/article/politics/98883/ron-paul-incendiary-newsletters-exclusive
}}
* যারা পায়ুকাম করে না, যারা রক্ত সঞ্চালন করে না, এবং যারা সুচ বিনিময় করে না, তারা কার্যত এইডস না হওয়ার বিষয়ে নিশ্চিত হতে পারে। যদি না তাদের উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কোনো বিদ্বেষপূর্ণ সমকামী দ্বারা সংক্রামিত করা হয়, যেমনটি হয়েছিল {{w|Kimberly Bergalis|কিম্বার্লি বার্গালিসের}} ক্ষেত্রে। উল্লেখ্য: আরও বেশি সংখ্যক রোগী জিজ্ঞাসা করেন যে তাদের চিকিৎসক এবং ডেন্টিস্ট বিবাহিত এবং তাদের সন্তান আছে কি না।
** {{citation
| year = ১৯৯৪
| month = সেপ্টেম্বর
| title = Avoiding AIDS
| trans-title = অ্যাভয়েডিং এইডস
| periodical = রন পল সারভাইভাল রিপোর্ট
| page = ২
| url = http://www.tnr.com/sites/default/files/September1994.pdf
}}, উদ্ধৃত {{citation
| date = ২৩ ডিসেম্বর ২০১১
| title = TNR Exclusive: A Collection of Ron Paul's Most Incendiary Newsletters
| trans-title = টিএনআর এক্সক্লুসিভ: রন পলের সবচেয়ে উত্তেজক নিউজলেটারের সংগ্রহ
| journal = নিউ রিপাবলিক
| url = http://www.tnr.com/article/politics/98883/ron-paul-incendiary-newsletters-exclusive
}}
{{Disputed end}}
== পল সম্পর্কে উক্তি ==
* আপনি কি জানেন আরও বেশি আমেরিকান কোনটি? বিচ্ছিন্নতাবাদ গুঁড়িয়ে দিতে যুদ্ধ করা।
** অ্যালাহপান্ডিট, ২০ এপ্রিল ২০০৯, [http://hotair.com/archives/2009/04/20/ron-paul-you-know-whats-very-american-secession/ "রন পল: ইউ নো হোয়াটস "ভেরি আমেরিকান"? সিসেসন"], ''হট এয়ার''
* ...সমস্ত প্রচার ও প্রেসিডেন্ট পর্যায়ের উৎসাহ প্রদান সত্ত্বেও সত্যটি হলো একটি বেআইনি যুদ্ধকে সমর্থন করতে গিয়ে সম্মানিত নারী-পুরুষরা মারা যাচ্ছেন এবং পরিবারগুলো ধ্বংস হচ্ছে। প্রথমত, বুশের উচিত হয়নি আমাদের সামরিক বাহিনীকে এই অবস্থানে ফেলা। দুর্ভাগ্যবশত মানুষ এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি উপেক্ষা করে যতক্ষণ না তারা তাদের সন্তান, ভাইবোন এবং স্বামী-স্ত্রীকে বডি ব্যাগে বাড়ি ফিরতে দেখে। আমাদের যদি তাকে নির্বাচিত করার সাহস থাকে তবে রন পল এই পাগলামির অবসান ঘটাবেন। আমরা যদি এর বদলে ভান করা প্রার্থীদের কাউকে নির্বাচিত করি তবে ঈশ্বর যেন আমাদের প্রতি সদয় হন।
** টম অ্যামব্রোস, ওয়ার্ল্ডনেটডেইলির প্রাক্তন মন্তব্য সম্পাদক, ৩ নভেম্বর ২০০৭ [http://www.newswithviews.com/guest_opinion/guest111.htm]
* অসাংবিধানিক ব্যয় বলে তিনি যা মনে করেন তার বিরোধিতা করার জন্য তিনি জিওপি নেতাদের কাছ থেকে অনিচ্ছাকৃত সম্মানও অর্জন করেছিলেন। যখন [[নিউইট গিংরিচ]] একটি অগোছালো বাজেট আপস সমর্থন করার জন্য দলীয় সদস্যদের ওপর চাপ দিচ্ছিলেন, তখন তিনি পলকে বাজেট সমর্থন করার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়েছিলেন, এবং "রন পল অব্যাহতি" শব্দটি কংগ্রেসের শব্দভান্ডারে প্রবেশ করেছিল। দলের বিরুদ্ধে যাওয়ার এই বিশেষ সুবিধা অর্জন করতে অন্যান্য সদস্যদের কী করতে হয়েছিল? এমন একটি ভোটের রেকর্ড যেখানে সব ধরনের অপ্রয়োজনীয় ফেডারেল খরচের বিরোধিতা করা হয়েছিল, এমনকি তাদের নিজের নির্বাচনী জেলাতেও। অন্য কাউকে এই অব্যাহতি দেওয়া হয়নি।
** ''দ্য আমেরিকান কনজারভেটিভ'', ১৮ জুন ২০০৭ [http://www.amconmag.com/2007/2007_06_18/cover.html]
* শেষ পর্যন্ত কিছুই হয়নি। মূলত, বিতর্কের রাতে আমি সেখানে ছিলাম, এবং রন পল কী বলেছিলেন বলে আমি ''ভেবেছিলাম'' তার প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলাম, যা মূলত ৯/১১ হামলার জন্য আমেরিকাকে দায়ী করা ছিল। পরের দিন সবাই এটি নিয়ে কথা বলেছিল, প্রতিবেদনগুলো বেরিয়েছিল, মানুষ প্রতিলিপিগুলো পড়েছিল, এবং তিনি আসলে তা বলেননি। তিনি আমেরিকান নীতি এবং সেখানে আমেরিকান নীতির প্রভাব নিয়ে কথা বলছিলেন। আর বাস্তবতা হলো আমরা কখনোই কোনো প্রস্তাব উত্থাপন করিনি, কখনোই কোনো পিটিশন হয়নি এবং সেদিন সকালে আমরা মূলত বিষয়টি বাদ দিয়েছিলাম। [...] আমি রন পলকে আমন্ত্রণ জানিয়েছি, আমি সব প্রার্থীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছি। প্রত্যেক প্রার্থীকে ম্যাকিন্যাকে আসার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। যদি তিনি আসতে পারেন, আমরা তাকে পেয়ে খুশি হব। [...] আসলে আমি যুক্তি দেব যে তাদের আমাকে রন পল প্রচারণার সম্মানসূচক জাতীয় সহ-সভাপতি করা উচিত। কারণ আমি যা শুরু করেছি তা সম্ভবত তার পরিচিতি দ্বিগুণ করেছে এবং তাকে নিজের চেষ্টায় যতটা প্রচার পেতেন তার চেয়ে বেশি প্রচার এনে দিয়েছে। তাই এই দৃষ্টিকোণ থেকে আপনাদের উচিত আমাকে বাজে ইমেইল পাঠানোর বদলে ফুল পাঠানো, আমাকে একটু রেহাই দিন। [...] রিপাবলিকান মনোনীত প্রার্থী যেই হোক না কেন, আমি তাকে সমর্থন করতে মাঠে থাকব, আর যদি তিনি রন পল হন তবে আমি একেবারে সামনের সারিতে থাকব।
** সল অনুজিস, ৭ জুন ২০০৭ [http://video.google.com/videoplay?docid=-2233526069704133605&q=ron+paul]
* ...আমাদের প্রভু কি আমাদের বলেন না যে আমাদের হ্যাঁ হ্যাঁ হতে হবে এবং আমাদের না না হতে হবে? অন্য কথায়, প্রকৃত বিশ্বাসীদের তাদের কথার প্রতি সত্য থাকতে হবে। তাহলে একজন প্রকৃত খ্রিষ্টান কীভাবে ঈশ্বর এবং আমেরিকান জনগণের সামনে মার্কিন সংবিধান সংরক্ষণ, রক্ষা এবং সুরক্ষিত করার প্রতিশ্রুতি দিতে পারেন এবং তারপর ফিরে গিয়ে সেই প্রতিশ্রুতি উপেক্ষা করতে পারেন? রন পল তার খ্রিষ্টান বিশ্বাস নিয়ে বাঁচেন এবং সংবিধানের প্রতি তার শপথকে গুরুত্ব সহকারে নেন।
** চাক ব্যাল্ডউইন, ৬ নভেম্বর ২০০৭ [http://newswithviews.com/baldwin/baldwin412.htm]
* এ পর্যন্ত ঘোষিত সব প্রার্থীর মধ্যে কেবল পলই বিশ্বাসযোগ্যভাবে রেগান-গোল্ডওয়াটার বিপ্লবের উত্তরাধিকার দাবি করতে পারেন।
** রাডলি বাল্কো, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০০৭ [http://www.foxnews.com/story/0,2933,252847,00.html]
* একজন রক্ষণশীল হওয়ার জন্য আমাদের দেশে এখন সোনার মানদণ্ড রয়েছে, এবং তা হলেন ডক্টর রন পল... এমন কেউ যার দিকে আমি সবসময় তাকিয়েছি, সেই বড় বোর্ডে, যেখানে ভোটগুলো ছিল। কোনো নির্দিষ্ট বিলের ওপর কীভাবে ভোট দেব তা নিয়ে যদি কখনো আমার মনে সন্দেহ তৈরি হয়, তবে উত্তরটি সহজ ছিল। আপনি সেই বোর্ডের দিকে তাকাবেন, দেখবেন রন পল কোনো একটি বিষয়ে কোথায় দাঁড়িয়ে আছেন, আর আপনি জানবেন সেটাই সঠিক জায়গা।
** [[বব বার]], ৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৮ [https://www.youtube.com/watch?v=lKt2s0LjUHY]
* আমি মনে করি আপনি আমাদের একজন প্রতিষ্ঠাতা পিতার সবচেয়ে কাছাকাছি প্রার্থী।
** [[গ্লেন বেক]], ২৩ জানুয়ারি ২০০৮ [http://www.glennbeck.com/content/articles/article/196/4897/]
* আমি মনে করি রন পল অর্থনীতির বিষয়ে সঠিক। আমি মনে করি তিনি ফেড সম্পর্কে সঠিক, তিনি স্বর্ণের বিষয়ে সঠিক। তিনি সরকারের আকার সম্পর্কে সঠিক। তিনি পররাষ্ট্র বিষয়ক ক্ষেত্রেও সঠিক, এই অর্থে যে: আমরা এখন যে পরিস্থিতিতে আছি, আমাদের সেখানে থাকা উচিত নয়। তবে এটি কেবল ইরাক যুদ্ধের কারণে নয়, এটি অনেক আগে শুরু হয়েছিল, আপনি এর শেষ গতিপথ প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পর্যন্ত টানতে পারেন। [...] আপনি যখন এমন একজন লিবার্টারিয়ান খুঁজে পান যিনি বলবেন: নিজেদের এই পরিস্থিতিতে ফেলতে আমাদের ২০০ বছরেরও বেশি সময় লেগেছে, আমি মনে করি আমাদের এখন মোড় ঘোরানো দরকার। আমরা পরিষ্কারভাবে এখনই সমস্ত বিদেশি জোট ছিন্ন করতে পারি না, আমরা পরিষ্কারভাবে বিশ্বজুড়ে আমাদের সমস্ত সৈন্য প্রত্যাহার করতে পারি না। আমরা এসব করতে পারি না। কিন্তু আমরা যা করতে পারি তা হলো এমন একটি গতিপথ নির্ধারণ করা যেখানে আমেরিকা ধীরে ধীরে পিছিয়ে আসবে, আমেরিকা সঠিক কাজ করবে, এবং আমরা আমাদের সৈন্যদের দেশে ফিরিয়ে আনব এবং আমরা বলব যে আমরা আর বিশ্বের পুলিশ নই। [...] আমাদের তা করার জন্য প্রধান যে জিনিসটি দরকার, তা হলো অর্থ এবং শক্তির বিষয়ে স্বনির্ভর হওয়া। তাই আমি একজন লিবার্টারিয়ানের কাছ থেকে এটাই শুনতে চাই, আমি শুনতে চাই: এটি ৫০ বছরের পরিকল্পনা। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, সবাই ২ বছর, ৬ বছর, ৪ বছরের দিকে তাকিয়ে আছে। আর তা করে আপনি কখনোই কিছু অর্জন করতে পারবেন না।
** [[গ্লেন বেক]], ৮ আগস্ট ২০০৮ [http://www.libertymaven.com/2008/08/08/glenn-beck-on-libertarianism-foreign-policy-and-ron-paul-08082008-audio/1386/]
* পল "ইসলামোফ্যাসিস্ট" শব্দটিকে অপপ্রচার হিসেবে উপহাস করেছেন। তিনি ইঙ্গিত করেছেন যে যারা এটি ব্যবহার করেন তারা যুদ্ধবাজ এবং মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত ছড়াতে চান। এটি দেখায় যে তিনি আমেরিকান জনসাধারণের বিশাল অংশের চিন্তাভাবনা থেকে কতটা দূরে আছেন।
** টম বেভান, ১২ অক্টোবর ২০০৭ [http://www.realclearpolitics.com/articles/2007/10/dr_pauls_malpractice.html]
* পল এবং তার মতো অন্যান্য লিবার্টারিয়ানরা বিদেশি সন্ত্রাসীদের আমেরিকা-বিরোধী কাজের "ব্যাখ্যা" দিতে যে ধরনের যুক্তি দেখান, উদারপন্থিরাও সাধারণ অপরাধীদের জঘন্য কাজের "ব্যাখ্যা" দিতে একই যুক্তি ব্যবহার করেন। যেকোনো সমাজবিজ্ঞান বা অপরাধবিজ্ঞানের পাঠ্যবই পড়ুন, আপনি অপরাধের "কারণ ব্যাখ্যার" দীর্ঘ তালিকা পাবেন: দারিদ্র্য, অবহেলা, দুর্বল প্যারেন্টিং, বাজে স্কুল, দুর্বল "সামাজিকীকরণ," অপর্যাপ্ত প্রসবপূর্ব যত্ন, ক্ষুধা, রোগ, উৎপীড়ন, বর্ণবাদ, পুলিশের নিষ্ঠুরতা, সামাজিক কলঙ্ক, চিকিৎসাবিহীন মনস্তাত্ত্বিক ব্যাধি, ভুক্তভোগীহীন-অপরাধ আইন... আপনি নাম বলুন। [...] রন পল আমেরিকার সেই ক্ষতিকর দৃষ্টিভঙ্গির সবচেয়ে দৃশ্যমান প্রবক্তা হয়ে উঠেছেন। আমার মনে হয়, ৯/১১-এর জন্য তার "প্রত্যাঘাতের" অজুহাত এবং তার "ব্যাখ্যা" আসলে একটি "অজুহাত" ছাড়া আর কিছুই নয় তাকে যেকোনো আমেরিকান সরকারি পদের জন্য সম্পূর্ণ অযোগ্য ঘোষণা করার জন্য যথেষ্ট। আর মার্কিন সামরিক বাহিনীর প্রধান সেনাপতির ভূমিকা তো দূরের কথা।
** রবার্ট বিডিনোটো, ২৬ নভেম্বর ২০০৭। [http://bidinotto.journalspace.com/?entryid=637]
* তিনি আমাদের ককাসের একজন দুর্দান্ত সদস্য।
** [[জন বোয়েনার]], ২২ জুন ২০০৯ [http://www.huffingtonpost.com/2009/06/22/ron-paul-the-worlds-most_n_217971.html]
* পল পুঁজিপতি-বিরোধী নন... পল গির্জা ও রাষ্ট্রের পৃথকীকরণের বিরোধিতা করেন... রন পল কৃষ্ণাঙ্গদের ঘৃণা করেন... তিনি একজন ঘৃণা ছড়ানো প্রেসিডেন্ট প্রার্থী যিনি এই গ্রহের সবচেয়ে নির্লজ্জ, ঘৃণ্য বর্ণবাদীদের সাথে যুক্ত... পলের অস্পষ্ট যুক্তিতে, সমস্ত অভিবাসী দেশের কল্যাণ, শিক্ষা এবং জরুরি স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা শুষে নেওয়ার জন্য এখানে এসেছে। এটি যদি পলের ওপর নির্ভর করত, তবে কেবল অনথিভুক্ত নয়, বরং নথিভুক্ত অভিবাসীদের জন্যও সেই ব্যবস্থাগুলো বাতিল করা হতো... তিনি এমন একজন প্রার্থী যিনি অভিবাসীদের ঘৃণা করেন।
** আউরা বোগাডো, ১৪ নভেম্বর ২০০৭ [http://web.archive.org/web/20080116023924/http://tothecurb.wordpress.com/2007/11/15/dont-believe-the-hype-ron-paul-is-not-your-savior/]
* প্রতিনিধি পলের দার্শনিক ধারাবাহিকতার রেকর্ড সাম্প্রতিক কংগ্রেসের ইতিহাসে অতুলনীয়। তিনি প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই সরকারকে সীমিত করার চেষ্টা করেন। আপস করতে তার অস্বীকৃতি কিংবদন্তিতুল্য।
** জন ব্র্যাডি এবং বব ম্যাকঅ্যাডাম, দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল [http://www.ronpaulforcongress.com/html/saying.html]
* বেশিরভাগ — হয়তো সবাই — লিবার্টারিয়ান আত্মরক্ষার অধিকার স্বীকার করেন। তবে আধুনিক বিশ্বে মিলিশিয়াদের দ্বারা এটি করা সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন একটি সামরিক-শিল্প কমপ্লেক্স, যার সাথে সমস্ত অবশ্যম্ভাবী পরিণতি জড়িত। [...] রন পল একজন পেন্সিল হেড, যিনি দুষ্ট বোকাদের একটি জ্যাকারির নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
** রিক ব্রুকহিসার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০০৭ [http://corner.nationalreview.com/post/?q=ODZlZDE2NzM4NDkzNDZhYmI4ZjFkYTk5NDIyZDI2MGY=]
* এই শরতে আর্থিক সংকট যখন শিরোনাম জুড়ে তীব্র আকার ধারণ করেছিল তখন [[বারাক ওবামা]] বা জন ম্যাককেইন কারো কাছেই বলার মতো খুব বেশি কিছু ছিল না। নিজেদের প্রচারণার কৌশল নষ্ট করার পরিবর্তে তারা নিরাপদে খেলেছিলেন, যেমনটা বেশিরভাগ রাজনীতিকই করে থাকেন। কিন্তু ন্যায়ের খাতিরে আমাদের স্মরণ করা উচিত যে এমন একজন প্রার্থী ছিলেন যিনি ভবিষ্যতের অনেক আগে থেকেই আমাদের এই দুর্দশার কথা বেশ নির্ভুলভাবে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন। রন পল রিপাবলিকান প্রাইমারির সময় প্রায় প্রতিটি বক্তৃতায় বুদবুদ, বেপরোয়া ঋণ বৃদ্ধি এবং বর্তমান নীতির "অস্থায়িত্ব" নিয়ে কথা বলেছেন। তাহলে তার দেওয়া সাধারণ জ্ঞানের সমাধানগুলোর কেন আরও বেশি চাহিদা নেই? কারণ আর্থিক আতঙ্কের সময় সাধারণ জ্ঞান খুব একটা কাজে আসে না।
** ক্রিস্টোফার ক্যাল্ডওয়েল, ১৫ ডিসেম্বর ২০০৮ [http://weeklystandard.com/Content/Public/Articles/000/000/015/921taekw.asp?pg=1]
* কেউ কেউ বলেন রন পল একজন দেশপ্রেমিকের মতো ভাবেন, কিন্তু আমি বলি দেশপ্রেমিকরা রন পলের মতো ভাবেন।
** [[লেভেন্ট ক্যানিয়াস]], ১ ডিসেম্বর ২০১১ [https://www.youtube.com/user/StAnger561to770?feature=mhee]
* আমি যখন প্রথম পলকে মুদ্রানীতি নিয়ে কথা বলতে শুনেছিলাম, তখন আমার নিজেকে একজন জিম্মি মনে হয়েছিল, ঘরের একমাত্র ব্যক্তি যে এই কর্মসূচিতে বিশ্বাস করেনি। তারপর, ধীরে ধীরে, অনেক জিম্মির মতো আমিও মন খুলতে শুরু করি এবং শুনতে থাকি। আমরা যখন রেনোতে পৌঁছলাম, তখন অপরিচিত কিছু চিন্তা মাথায় আসতে শুরু করল: কেন আমাদের মুদ্রার স্থায়িত্ব নিয়ে চিন্তা করা উচিত নয়? ডলার আসলে কিসের ওপর নির্ভরশীল? আর স্বর্ণমান যদি পাগলামি হয়, তবে হেজ ফান্ড কি তার চেয়েও বেশি পাগলামি নয়? আমি প্যাটি হার্স্টে পরিণত হয়েছিলাম, এই আদর্শের জন্য অস্ত্র তুলে নিতে প্রস্তুত, অথবা অন্তত আমার অ্যাকাউন্ট্যান্টকে ফোন করে তাকে ক্রুগার্যান্ড কিনতে বলার জন্য প্রস্তুত হয়েছিলাম।
** [[টাকার কার্লসন]], ২১ ডিসেম্বর ২০০৭ [http://www.tnr.com/politics/story.html?id=83665295-1de6-4571-af9c-0a90f6d1fde0]
* ...পুরো বোর্ডের কূটনীতিকদের চেয়ে সামরিক ব্যান্ডগুলোতে বেশি সংগীতশিল্পী রয়েছে। তাই, আমরা এই বিশাল রাষ্ট্রীয় জাহাজটিকে সরানোর চেষ্টা করছি, মিস্টার পল, এবং আমরা এটি করার জন্য আপনার সাহায্য চাইছি। আর আমাদের সময় শেষ হওয়ার ঝুঁকি নিয়েও আমি কেবল এটুকু বলতে চাই, গত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রচারণার সময় আমি এমন কোনো প্রার্থীকে দেখিনি যার সমর্থকরা আপনার মতো এত উৎসাহী... মানে, আমার তো মনে হয় আমি যেখানেই গিয়েছি, আক্ষরিক অর্থেই তারা আপনার ব্যানার হাতে হাইওয়ে দিয়ে দৌড়াচ্ছিল। আমার কখনোই আপনাকে তা বলার সুযোগ হয়নি, তবে আপনার বার্তা স্পষ্টতই অনেক মানুষের হৃদয়ে সাড়া জাগিয়েছিল।
** [[হিলারি ক্লিনটন]], ২২ এপ্রিল ২০০৯ [https://www.youtube.com/watch?v=bvPsIuEp3Uc]
* রন পল খুবই বুদ্ধিমান, তাই আমি তার সাথে খুব বেশি সময় ধরে কথা বলতে চাই না এই ভয়ে যে তিনি আমাকে বিশ্বাস করিয়ে ফেলতে পারেন। কিন্তু পররাষ্ট্র নীতির বিষয়ে আমি তার সাথে এর চেয়ে বেশি দ্বিমত পোষণ করতে পারি না কারণ তিনি বিশ্বাস করেন যে আমরা যদি কেবল পাগলদের একা ছেড়ে দিই তবে তারা আমাদের আক্রমণ করবে না।
** [[অ্যান কুল্টার]], ৮ ফেব্রুয়ারি ২০০৮ [http://www.ronpaulforums.com/showthread.php?t=116578]
* আমি রনকে অনেক, অনেক দিন ধরে চিনি — আমি রন পলকে 'বিবেক' হিসেবে ভাবতে পছন্দ করি। আপনার সবসময় একটি বিবেক থাকা উচিত।
** [[টম ডিলে]], ২৫ অক্টোবর ২০০৭ [http://www.pittsburghlive.com/x/pittsburghtrib/news/cityregion/s_534701.html]
* অন্তত ডেমোক্র্যাটরা আমেরিকান স্বার্থ রক্ষার জন্য বিদেশে কিছু সৈন্য রেখে দেবে, আর পল তাদের সবাইকে সরিয়ে নেবেন এবং ইসলামি কট্টরপন্থিদের আমাদের স্বার্থ ও সব জায়গার মিত্রদের দখল করতে দেবেন। এমনকি তিনি দেশের ভেতরের সমস্ত সামরিক ঘাঁটি বন্ধ করারও পক্ষে, যা মূলত দেশকে প্রতিরক্ষাহীন করে তুলবে।
** জে.আর. ডিকম্যান, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০০৮ [http://www.theconservativevoice.com/article/30595.html]
* আমি সবসময় ভেবেছি যে রক্ষণশীলদের দুটি ধরন রয়েছে: এক ধরন যারা অর্থ অনুসরণ করে এবং অন্য ধরন যারা নীতির রক্ষণশীল। পল একজন নীতির রক্ষণশীল। তিনি নিজের অবস্থানে অবিচল থেকেছেন এবং তিনি একজন সৎ মানুষ।
** রনি ডাগার, অক্টোবর ২০০১ [http://www.texasmonthly.com/blogs/standupdesk/2007/08/doctor-is-in-part-2.php]
* আমি রন পলের প্রচারণা পছন্দ করি এবং আমি মনে করি তার প্রেসিডেন্ট পদে প্রার্থী হওয়া আমেরিকা ও এই দেশের রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার জন্য ভালো। আমি কেন এমনটা মনে করি? কারণ রন পলের মতো মানুষ সিস্টেমকে নাড়া দেয়। আর পল অনেক সঠিক অবস্থান নিয়েছেন, যেমন ইরাক যুদ্ধের বিরোধিতা, ইসরায়েল এবং বাকি বিশ্বে বিদেশি সহায়তার বিরোধিতা, এবং একই সাথে তিনি আমেরিকান জনগণের নাগরিক স্বাধীনতাকে সমর্থন করে একটি আপসহীন অবস্থান নিয়েছেন।
** [[ডেভিড ডিউক]], ৯ জানুয়ারি ২০০৮। [http://www.davidduke.com/mp3/dukeradio080109.mp3]
* এই সম্ভাব্য প্রেসিডেন্ট কি সাহসী নাকি পাগল?
** ''দ্য ইকোনমিস্ট'', ১৯ জুলাই ২০০৭ [http://www.economist.com/world/na/displaystory.cfm?story_id=9514241]
* পরিবেশগত দিক থেকে, এখানে রন পল বলছেন যে তিনি তেল, গ্যাস এবং কয়লা কোম্পানিগুলোকে দেওয়া সমস্ত ভর্তুকি বন্ধ করবেন। আপনি কি কল্পনা করতে পারেন আল গোর এমন কথা বলছেন? মিস্টার গ্লোবাল ওয়ার্মিং নিজেও এমন কঠোর ব্যবস্থার আহ্বান জানাবেন না... রন পল সেটাই করার আহ্বান জানাচ্ছেন, কর্পোরেট কল্যাণ সমর্থন করা বন্ধ করার। এগুলো র্যালফ নাডারের মতো কথা।
** জশুয়া ফ্র্যাঙ্ক, ১৩ ডিসেম্বর ২০০৭ [http://www.scotthortonshow.com/2007/12/13/antiwar-radio-joshua-frank-3/]
* আমি মনে করি রন পল সম্ভবত সত্য কথা বলছেন, কিন্তু কেউ শুনছে না।
** [[কিঙ্কি ফ্রিডম্যান]], ৫ অক্টোবর ২০০৭ [http://transcripts.cnn.com/TRANSCRIPTS/0710/05/sitroom.02.html]
* আমি দৃঢ়ভাবে রন পলকে সমর্থন করি। আমাদের হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসে এমন আরও অনেক প্রতিনিধি খুব বেশি প্রয়োজন যারা একটি নীতিগত উপায়ে সম্পত্তির অধিকার এবং ধর্মীয় স্বাধীনতার গুরুত্ব বোঝেন।
** [[মিল্টন ফ্রিডম্যান]], নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ [https://www.youtube.com/watch?v=FgF-s1voM_Y]
* আমি বলতে চাইছি, গিয়ে কোনো ভাঙা জিনিস ঠিক করো, তুমি গাইনোকোলজিস্ট জারজ। যিশু খ্রিষ্ট! ঠিক আছে? রন পলের কথা অনেক হয়েছে!
** বি.টি.আর. ঘোস্ট, [https://listenonrepeat.com/watch/?v=iXv04-Vm4yo ''ঘোস্ট র্যান্টস অন রন পল''] (২০১১)।
* পলের একটি সুসংগত রাজনৈতিক [[বিশ্বদৃষ্টিভঙ্গি]] রয়েছে এবং তিনি কোনো রকম ভান ছাড়াই স্পষ্টভাবে এবং ক্ষমাপ্রার্থনা ছাড়াই তার অবস্থান ব্যক্ত করেন। আর এই দৃষ্টিভঙ্গি প্রাকৃতিকভাবেই বৃহত্তর দ্বিমত নিশ্চিত করে যা বেশিরভাগ প্রার্থীকে চালিত করে এমন সবাইকে-খুশি-করার অস্পষ্টতার রূপ থেকে আলাদা। [...] যখন [[বারাক ওবামা]] প্রচলিত জ্ঞানকে চ্যালেঞ্জ করার ভাষা নিয়ে খেলা করেন, পলের প্রচারণা — ভালো বা মন্দের জন্য — আসলে তা করে, এবং তা অত্যন্ত সিরিয়াস, চিন্তাশীল এবং সুসংগত উপায়ে করে। [...] খুব কম প্রার্থীই পৃষ্ঠতলের কৌশল, নৈরাশ্যজনক স্টান্ট এবং কারসাজির কৌশলগুলো এত দৃঢ়তার সাথে এড়িয়ে চলেন। খুব কম প্রার্থী রাজনীতিতে একটি আরও সুসংগত, চিন্তাশীল, ধারাবাহিকভাবে নীতিগত আদর্শ ধারণ করেন, যা প্রকৃত বিশ্বাস এবং স্ফটিক-স্বচ্ছ রাজনৈতিক মূল্যবোধের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। [...] পলের কথাগুলো যে তিনি সত্যিই বিশ্বাস করেন তা নিয়ে কখনোই কোনো সন্দেহ থাকে না [...] পলই একমাত্র গুরুতর প্রার্থী যিনি উচ্চতর সামরিক শক্তির মাধ্যমে বিশ্ব শাসন করার এবং একটি সাম্রাজ্য হিসেবে কাজ করার আমেরিকার আসক্তিকে আক্রমণাত্মকভাবে চ্যালেঞ্জ করছেন — কোনো নির্দিষ্ট নীতির (যেমন ইরাক যুদ্ধ) বিরোধিতা করে নয়, বরং এই নীতিগুলোর অপরীক্ষিত মূল ভিত্তিগুলোকে প্রশ্নবিদ্ধ করে, সেই আদর্শ যা বিশ্বে আমাদের ভূমিকা সংজ্ঞায়িত করছে। এর মাধ্যমে পলের প্রচারণার ক্ষমতা আমেরিকার সাম্রাজ্যিক শাসন সর্বস্তরে — অর্থনীতি, নৈতিকতা, নিরাপত্তা, স্বাধীনতা — যে ধ্বংসলীলা চালায় তা নিয়ে একটি জরুরি বিতর্কের সুযোগ তৈরি করে, যা তার সাফল্যের প্রশংসা করার যোগ্য।
** গ্লেন গ্রিনওয়াল্ড, ৬ নভেম্বর ২০০৭ [http://www.salon.com/opinion/greenwald/2007/11/06/paul/index.html]
* আমি এই লোকটিকে ভালোবাসি। ডক্টর পলই আমার জানা একমাত্র প্রার্থী যিনি সেই সময় সেখানে থাকলে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানে স্বাক্ষর করতেন।
** আর্লো গুথরি, ২৯ জানুয়ারি ২০০৮ [http://biz.yahoo.com/bw/080129/20080129006217.html]
* ...আপনাদের নির্বাচনে আমি যাকে সত্যিই ভোট দিতাম তিনি হলেন রন পল।
** ড্যানিয়েল হান্নান, ২৬ মার্চ ২০০৯ [http://www.foxnews.com/story/0,2933,510781,00.html] [https://www.youtube.com/watch?v=94lW6Y4tBXs]
* আমি কখনোই আপনাকে অপছন্দ করিনি। একজন মানুষ হিসেবে আমি আপনাকে পছন্দ করি, আমি মনে করি আপনি আপনার বিশ্বাসে খুবই নীতিবান। আমি এই মুহূর্তে কেবল পররাষ্ট্র নীতি ইস্যুতে আপনার সাথে একমত নই, এটাই সব। কিন্তু এর মানে এই নয় যে আমরা একে অপরকে পছন্দ করতে পারি না... আমি অনেক অর্থনৈতিক ইস্যুতে আপনার সাথে একমত।
** [[শন হ্যানিটি]], ২ জানুয়ারি ২০০৮ [https://youtube.com/watch?v=JVuPHaqILtU]
* তিনি সত্যিই আমার মেজাজ খারাপ করে দিয়েছিলেন যখন তিনি দাবি করে যাচ্ছিলেন যে ১১ সেপ্টেম্বরে আমরা আক্রান্ত হওয়ার কারণ আমাদের নিজেদেরই দোষ ছিল ... [রন পলের মন্তব্যগুলো] হাস্যকর এবং অগ্রহণযোগ্য ছিল।
** [[মাইক হাকাবি]], ৬ সেপ্টেম্বর ২০০৭ [http://thehill.com/campaign-2008/huckabee-pauls-debate-comments-ludicrous-and-unacceptable-2007-09-06.html]
* আপনি জানেন, ৯/১১-এর আগে যুক্তরাষ্ট্র সর্বশেষ যে দুটি জাতিকে রক্ষা করেছিল তারা দুটি মুসলিম জাতি ছিল। সুতরাং, আমার বন্ধু রন পলকে বলছি: সবার আগে আমেরিকাকে দোষারোপ করবেন না।
** ডানকান হান্টার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০০৭ [http://www.afa.net/debate/]
* ...অধিকাংশ ইস্যুতে আমি রন পলের দৃষ্টিভঙ্গির সাথে একমত। আমি সংবিধানে বিশ্বাস করি, আমি ছোট সরকারে বিশ্বাস করি। রন পল পুরোপুরি জীবন-সমর্থক। তবে, আমি রন পলের পররাষ্ট্র নীতির সাথে দ্বিমত পোষণ করি, আমি মনে করি এটি খুবই সরল। কিন্তু, ঐতিহ্যগতভাবে রক্ষণশীলরা যা বিশ্বাস করত তার অনেকটাই কাছাকাছি তিনি অবস্থান করেন।
** টেরি জেফরি, ৩১ জানুয়ারি ২০০৮ [https://www.youtube.com/watch?v=Olfc33td05w]
* আর তারপর আছেন লিবার্টারিয়ান কংগ্রেসম্যান রন পল যাকে আপনার সেই বারটেন্ডার চাচার মতো মনে হয় যার কাছে সবকিছু নিয়ে একটি বড় তত্ত্ব আছে: তার কিছু ধারণা উজ্জ্বল, অন্যগুলো অদ্ভুত। তাকে উল্লেখ করার কারণ তার অদ্ভুত মুহূর্তটি — এই প্রস্তাব দেওয়া যে আল-কায়েদা ১১ সেপ্টেম্বরে আক্রমণ করেছিল কারণ যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে নাক গলাচ্ছিল, ইরাকে বোমা ফেলছিল — গিউলিয়ানিকে একটি ঐতিহাসিক সুবিধা এনে দিয়েছিল... তবে পলকে ইতিহাসে পরিণত করার আগেই গিউলিয়ানির একটি ভালো বিতর্ক হচ্ছিল।
** জো ক্লেইন, ১৭ মে ২০০৭ [http://www.time.com/time/magazine/article/0,9171,1622571,00.html]
* তিনি ফেডারেল সরকারের মাধ্যমে দরিদ্রদের সাহায্য করার প্রচেষ্টার বিরোধী... রন পলের মৌলিক অবস্থান হলো আমেরিকা-বিরোধী, আসুন সততার সাথে এটা স্বীকার করি। তিনি গত এক শতাব্দী ধরে আমেরিকা বিশ্বজুড়ে বা দেশে যে নীতিই অনুসরণ করুক না কেন তা পছন্দ করেন না... রিপাবলিকান পার্টি শেষ পর্যন্ত এমন কাউকে গুরুত্ব সহকারে নেবে না যে মনে করে আমরা ৯/১১-এর জন্য দায়ী, এবং যে মনে করে বিশ্বজুড়ে আমাদের কোনো গুরুতর হুমকি নেই, এবং বিশ্বজুড়ে যারা স্বাধীনতা ও শালীনতার পক্ষে দাঁড়ায় তাদের সাহায্য করার জন্য আমাদের কোনো গুরুতর বাধ্যবাধকতা নেই।
** [[উইলিয়াম ক্রিস্টল]], ২৫ ডিসেম্বর ২০০৭ [https://youtube.com/watch?v=0rduigENzHo]
* এই স্নায়বিক হাসি এবং একজন সত্য কথা বলা মানুষকে উপহাস করা, সেই ব্যক্তি যিনি সেই বিতর্কগুলোতে অন্য যে কারো চেয়ে বেশি সত্য বলেছেন, যিনি শত্রু তৈরি করতে এবং সত্য বলতে ভয় পেতেন না, তিনি ছিলেন রন পল। আর তারা তাকে নিয়ে হাসছিল: "সে হাসির পাত্র হওয়ার যোগ্য"। না [[মিট রমনি]], আপনি হাসির পাত্র হওয়ার যোগ্য, আপনি অভিজাত, ওহ আমি শব্দটি ব্যবহার করতে পারব না।
** মার্ক লারসেন, ২৯ জানুয়ারি ২০০৮ [https://youtube.com/watch?v=6lAFfLy05_Y]
* এদিকে, [রিপাবলিকানরা] ইতস্তত করতে করতে, এই গত সপ্তাহান্তে আমরা আরও ২৩ জন সৈন্য হারিয়েছি। দুই দলের সহকর্মীদের দ্বারা এই ফ্লোরে সমর্থিত একটি ওভার-দ্য-হরাইজন ফোর্সে কৌশলগত প্রত্যাহারের কোনো কৌশল ছাড়াই এই পাগলামি এখানে আর কতদিন চলবে? রন পলই কেন রিপাবলিকান পক্ষের একমাত্র প্রেসিডেন্ট প্রার্থী যার এটি নিয়ে কথা বলার সাহস আছে এবং তাকে অদেশপ্রেমিক বলা বা শ্রোতাদের দ্বারা উপহাসিত হওয়ার ভয় নেই? এই কক্ষটি এমন একটি কক্ষ হওয়া উচিত যেখানে আমাদের ক্ষমতার সামনে সত্য বলার সুযোগ রয়েছে।
** জন লারসন, ২৫ জুন ২০০৭ [http://www.courant.com/news/local/hcu-larson-ronpaul-0626,0,4905017.story]
* রন পলকে নিয়ে কথা বলার জন্য এখানে আমাদের কাছে খুব বেশি সময় নেই কারণ সময় কমে আসছে। দেখি, আমার কাছে সাত সেকেন্ড আছে, ছয় সেকেন্ড। আমি কী বলতে পারি? আহ... রন পল। রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট প্রার্থী, রন পল।
** [[রাশ লিম্বো]], ১২ অক্টোবর ২০০৭ [http://www.rushlimbaugh.com/home/daily/site_101207/content/01125112.guest.html]
* আমি রন পলকে ভালোবাসি। আমি ভাবিনি তিনি প্রেসিডেন্ট হওয়ার যোগ্য, কিন্তু রন পল এমন একজন মানুষ যিনি স্বাধীনতার পক্ষে দাঁড়ান।
** [[রাশ লিম্বো]], ৪ মার্চ ২০০৯ [http://www.rushlimbaugh.com/home/daily/site_030409/content/01125104.guest.html]
* সিভিল রাইটস অ্যাক্ট যা আমেরিকান নাগরিক স্বাধীনতা সম্প্রসারিত করেছিল, তাকে প্যাট্রিয়ট অ্যাক্টের সমকক্ষ করে যা একে সংকুচিত করেছিল, এই যুক্তিতে যে দুটোই এমন ফেডারেল আইন যেখানে শাস্তি রয়েছে, রন পল এমন একজন ব্যক্তির নৈতিক বোকামি প্রদর্শন করেছেন যিনি ঘোষণা করেন যে কোনো ব্যক্তি যে একজন বৃদ্ধাকে বাসের পথ থেকে সরিয়ে দেয় সে ঠিক ততটাই খারাপ যে একজন বৃদ্ধাকে বাসের পথে ঠেলে দেয়, কারণ দুজনেই বৃদ্ধাদের ঠেলে দেওয়ার ক্ষেত্রে সমান দোষী।
** মাইকেল লিন্ড, ৩ জানুয়ারি ২০১২ [http://www.salon.com/2012/01/03/race_liberty_and_ron_paul/]
* রন পলকে জেনে এবং তার সাথে কথা বলে আমার মনে হয় তিনি খুব ন্যায্য মানুষ আমি কেবল মনে করি যে অনেক মানুষ লিবার্টারিয়ান প্ল্যাটফর্ম বোঝে না।<br />আমি রন পলের পুরো দর্শন পড়েছি, রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে তিনি কী বলছেন এবং কেন লোকেরা তাকে আক্রমণ করছে তা-ও আমি বুঝতে পারি।<br />যাদের কাছে টাকা আছে তাদের ভয় দেখালে তারা আপনাকে আক্রমণ করবে এবং তারা প্রসঙ্গের বাইরে গিয়ে আক্রমণ করবে।<br />তিনি যা বলছেন তা সত্যিই ক্ষমতার মালিকদের জন্য হুমকিস্বরূপ এবং তারা সেটাকেই ভয় পায়।
** নেলসন লিন্ডার, অস্টিনের এনএএসিপি সভাপতি, [http://www.therightperspective.org/2011/12/24/ron-paul-no-racist-naacp-austin-president/ রন পল ইজ নো রেসিস্ট: এনএএসিপি প্রেসিডেন্ট]
* তাকে আমার এমন ধরনের মানুষ বলে মনে হয় না যে আমেরিকান জনমতের এমন উপাদানগুলোতে প্রবেশ করছে যা লিবার্টারিয়ান দিকনির্দেশনার দিকে একটি টেকসই পদক্ষেপের দিকে নিয়ে যেতে পারে।
** ব্রিঙ্ক লিন্ডসে, ৬ ডিসেম্বর ২০০৭ [http://www.thenation.com/doc/20071224/hayes]
* আমি এটি সম্পূর্ণ গুরুত্ব সহকারে বলছি, রন পল [আমার প্রো-স্টক মার্কেট প্রার্থী]।
** ডোনাল্ড লাস্কিন, ৩ মে ২০০৭ [https://youtube.com/watch?v=peBGJwE9NXo]
* রন পল ফ্লোরে আরও ঋণ, আরও বরাদ্দ, আরও ব্যয়, বাজারে আরও ঋণের সমালোচনা করছেন। এটাই সমস্যার কারণ। রন পল ঠিক বলেছেন। আমি কথাটা বলেই দিলাম।
** মিশেল মালকিন, ৩ অক্টোবর ২০০৮ [http://michellemalkin.com/2008/10/03/liveblogging-crap-sandwich-20-the-house-bailout-debate/]
* আপনি [[w:Ron_Paul_presidential_campaign%2C_2008#May_15.2C_2007:_South_Carolina|বলতে]] পারেন না যে আমরা নো-ফ্লাই জোনের ওপর ইরাকে সৈন্য পাঠিয়েছি বলে এমনটা হয়েছে, কারণ তারা '৯৩ সালেও একই ভবন উড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল, নো-ফ্লাই জোন নিয়ে এই সমস্ত ছোটখাটো যুদ্ধের আগেই। আপনি সেই নির্দিষ্ট যুক্তিটি দিতে পারেন না।
** ক্রিস ম্যাথিউস, ১৬ মে ২০০৭ [http://www.fair.org/index.php?page=3108] [http://mediamatters.org/items/200705170007]
* অনেকেই আপনার মতো ভাবে, তবে আমি তাদের একজন এটা বলার সাহস আমার নেই।
** ক্রিস ম্যাথিউস, ৯ অক্টোবর ২০০৭ [https://www.msnbc.msn.com/id/21221663/]
* আপনি কংগ্রেসে সবচেয়ে সৎ মানুষের জন্য কাজ করছেন।
** [[জন ম্যাককেইন]] (কেন্ট স্নাইডারকে), ১৯৮৮ [http://www.texasmonthly.com/preview/2007-08-01/feature2]
* আমি ভেবেছিলাম মেয়র গিউলিয়ানির [[w:Ron_Paul_presidential_campaign%2C_2008#May_15.2C_2007:_South_Carolina|হস্তক্ষেপ]] সেখানে উপযুক্ত ছিল, এবং সত্যি বলতে, খুব, খুব চমৎকার ছিল। আমি এর সত্যিই প্রশংসা করেছি। কারণ আমাদের কখনোই, কখনোই বিশ্বাস করা উচিত নয় যে আমরা এই সংঘাত ডেকে এনেছি। এটি একটি অশুভ শক্তি যা আমরা যার পক্ষে দাঁড়াই এবং বিশ্বাস করি তার সবকিছু ধ্বংস করার চেষ্টা করছে। এবং এটি একটি অতীন্দ্রিয় সংগ্রাম। এ কারণেই আমি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হতে চাই।
** [[জন ম্যাককেইন]], ১৫ মে ২০০৭ [http://www.foxnews.com/story/0,2933,272892,00.html]
* রন পল কেবল জীবন-সমর্থক হওয়ার কথাই বলেন না, তিনি সেই অনুযায়ী কাজও করেন। তার ভোটাধিকারের রেকর্ড সত্যিই নিখুঁত এবং তিনি নিঃসন্দেহে আমাদের সাংবিধানিক প্রজাতন্ত্র এবং সবার বাঁচার অধিকার বোঝেন।
** নর্মা ম্যাককোরভে ("জেন রো"), ২২ জানুয়ারি ২০০৮ [http://people.ronpaul2008.com/campaign-updates/2008/01/22/jane-roe-endorses-ron-paul-on-roe-v-wade-anniversary/]
* পারসন অব দ্য ইয়ার: রন পল, একজন চিকিৎসক-রাজনীতিক। তিনি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনী প্রচারণায় সত্যের সিরামের একটি ডোজ ইনজেক্ট করেছিলেন। ইরাক নিয়ে পলের স্পষ্ট কথা, এবং সংবিধান নিয়ে তার স্পষ্ট কথা, যেমনটি বুকানন উল্লেখ করেছেন, এবং সরকারের সীমানা তাকে একটি ইন্টারনেট সেনসেশনে পরিণত করেছে। আসলে পল জাতির জীবনে একটি স্বাধীন শক্তিতে পরিণত হয়েছেন।
** জন ম্যাকলাফলিন, ২৩ ডিসেম্বর ২০০৭ [https://www.youtube.com/watch?v=ys0HgHLpy98]
* তিনি অনেকটা [[উইলিয়াম গোল্ডিং|লর্ড অব দ্য ফ্লাইসের]] পিগির মতো ছিলেন [[w:Ron_Paul_presidential_campaign%2C_2008#May_15.2C_2007:_South_Carolina|সেই বিতর্কে]], তাই না? আমার তো মনে হয়েছিল ওরা তাকে পাথর ছুঁড়ে মারবে।
** স্টেফানি মিলার, ২২ জুন ২০০৭ [http://www.stephaniemiller.com/blog.php?Date=20070622]
* এটা কি কোনো আশ্চর্যের বিষয় যে নব্য-নাৎসিরা তার প্রচারণায় ভিড় জমাচ্ছে? কিন্তু পল ইরাক যুদ্ধের বিরুদ্ধে এবং তিনি স্বাধীনতা চান! সুতরাং তা অবশ্যই তার বর্ণবাদকে ঠিক প্রমাণ করে।
** [[মার্কোস মউলিটাস]], ২৬ ডিসেম্বর ২০০৭ [http://www.dailykos.com/storyonly/2007/12/26/85617/090]
* ক্যাপিটল হিলে ৫৩৫ জন লোক রয়েছেন যাদের কাজ হলো আমাদের সবাইকে নিয়ন্ত্রণ করে এমন আইন লেখা, এবং তিনি তাদের একজন। ক্যাপিটল হিলে ৫৩৫ জন লোক রয়েছেন যাদের কাজ সংবিধান রক্ষা করা, এবং তিনি তাদের একজন। ৫৩৫ জন লোক রয়েছেন যাদের কাজ আমাদের স্বাধীনতা রক্ষা করা, এবং তিনি তাদের একজন। কিন্তু তার হৃদয়ে, এবং তার মাথায়, তার চরিত্রে, এবং তার বুদ্ধিমত্তায়, তিনি যা করেছেন, এবং তিনি যা হবেন, আমাদের সময়ের [[থমাস জেফারসন]], রন পল, আমাদেরই একজন।
** অ্যান্ড্রু নাপোলিটানো, ফিউচার অব ফ্রিডম ফাউন্ডেশন, ৩ জুন ২০০৭ [https://youtube.com/watch?v=t8QwTKKSvR8]
* এই সাহসী এবং শান্ত কংগ্রেসম্যান এই দেশে স্বাধীনতার রক্ষক হিসেবে বিশ্বব্যাপী নিজের নাম করেছেন... সর্বত্র আমলাদের ক্ষমতা কমানোর একজন অধ্যবসায়ী যোদ্ধা হিসেবে... এবং এমন একজন রাজনীতিক যাকে বিশেষ স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী দ্বারা কেনা যায় না।
** ম্যাক্সওয়েল নিউটন, নিউ ইয়র্ক পোস্ট [http://www.jarrodhunt.com/10-year-old-video-of-ron-paul-same-message-as-today/]
* মিস্টার পল কথা বলার পর মনে হয়েছিল অর্ধেক ঘর দুয়োধ্বনি দিয়েছিল, কিন্তু বাকি অর্ধেক করতালি দিয়েছিল। যখন এক হাজার রিপাবলিকান একটি ঘরে থাকেন এবং মঞ্চের আটজনের মধ্যে একজন একটি নাটকীয় বিষয়ে তীব্র সংখ্যালঘু দৃষ্টিভঙ্গি নেন এবং অর্ধেক ঘর তাকে উৎসাহিত করতে থাকে, তখন বুঝতে হবে কিছু একটা ঘটছে। রন পলের সমর্থন তার ব্যক্তিত্ব, ইতিহাস বা অনুভূত ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে নয়। তার যেটুকু সমর্থন আছে তা তার দৃষ্টিভঙ্গির কারণে। তিনি কথা বলার সময় আপনি ব্যাকগ্রাউন্ডে অন্যান্য প্রার্থীদের হাসতে শুনতে পেতেন। তাদের এই হাসি বন্ধ করে গুরুতরভাবে যুক্ত হওয়া উচিত।
** [[পেগি নুনান]], ৮ সেপ্টেম্বর ২০০৭ [https://online.wsj.com/article/SB118919705126820905.html]
* [[বর্ণবাদ]], [[সমকামভীতি]] এবং [[এইডস]], [[ইসরায়েল]], বিল্ডারবার্গ গ্রুপ এবং ত্রিপক্ষীয় কমিশন সম্পর্কে ষড়যন্ত্র তত্ত্ব। আরিয়ান নেশন, ইউএসএ'র কাজের আরেকটি দিন? সত্যিই এমন মনে হচ্ছে। তবে না, এগুলো রন পলের ১৯৯৯ সালের আগের, ইন্টারনেট-পূর্ব নিউজলেটারের কিছু উপাদান, সেই রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট প্রার্থী যিনি এখন নিজেকে একজন লিবার্টারিয়ান হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করেন। [...] রন পল দাবি করেন যে নিউজলেটারটি তার নামে প্রকাশিত হয়েছিল, কিন্তু অন্যদের দ্বারা লেখা হয়েছিল এবং তিনি পূর্ণকালীন কাজ করছিলেন বলে কী লেখা হচ্ছে তাতে খুব বেশি মনোযোগ দেননি। চমৎকার আত্মপক্ষ সমর্থন। তার মানে তিনি সেই লেখকদের তার নামে লিখতে এতটা বিশ্বাস করেছিলেন যে তারা কী লিখেছে তা তিনি যাচাই পর্যন্ত করেননি?
** [[জোহান নরবার্গ]], ৯ জানুয়ারি ২০০৮। [http://www.johannorberg.net/?page=displayblog&month=1&year=2008#2514]
* ...বর্তমান রাজনৈতিক মেরুকরণের উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে এই ভোটার বিপ্লবের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। আমি বিশ্বাস করি এটি প্রতিনিধি রন পলকে সমর্থনকারী সাংবিধানিক সম্প্রদায়ের উত্থানের মাধ্যমে অনুভূত হয়েছিল। আমি বিশ্বাস করি এটি আমাদের বর্তমান প্রেসিডেন্ট বাছাই নিয়ে ইভাঞ্জেলিক্যাল এবং রক্ষণশীলদের হতাশার মধ্যে অনুভূত হয়েছিল... আমেরিকায় রন পলের মতো কিছু ভালো কংগ্রেসম্যান এবং সিনেটর রয়েছেন... একটি ভোটার বিপ্লব এমন রাজনীতিকদের নিয়ে আসবে যারা ব্যাপক এবং আমূল পরিবর্তন আনবেন, যেমন অসাংবিধানিক আইআরএস বাতিল করা এবং এর পরিবর্তে একটি ন্যায্য কর ব্যবস্থা চালু করা। এরাই সেই ধরনের নেতা যারা সত্যিকারেরভাবে আমাদের প্রতিষ্ঠাতাদের প্রতিষ্ঠিত আমেরিকার প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ, সরকারের অপচয় ব্যাপকভাবে কমান, পর্ক ব্যারেল খরচ অবিলম্বে বন্ধ করেন, রাজনৈতিক সুবিধা এবং লবিস্টদের প্রত্যাখ্যান করেন, অন্য দেশগুলো (যেমন চীন) থেকে ঋণ নেওয়া বন্ধ করেন, সাম্রাজ্যবাদ এবং জাতি গঠন বন্ধ করেন, বিদেশে অনেক সরকারি সহায়তার প্রবাহ কমান এবং আমেরিকান বাণিজ্যে উৎপাদন ও গৌরব ফিরিয়ে আনেন...
** [[চাক নরিস]], ১৫ সেপ্টেম্বর ২০০৮ [http://www.worldnetdaily.com/index.php?fa=PAGE.view&pageId=75313]
* আমি মনে করি রন পলকেই আমার সবচেয়ে বেশি পছন্দ... পররাষ্ট্র নীতির বিষয়ে তার সাথেই আমি একমাত্র একমত।
** রবার্ট নোভাক, ৩১ অক্টোবর ২০০৭ [http://www.huffingtonpost.com/2007/10/31/prince-of-darkness-almos_n_70617.html]
* রন পল যদি সাধারণ নির্বাচনে পৌঁছান তবে আমি তাকে নিয়ে চিন্তা করব।
** [[বারাক ওবামা]], ৮ নভেম্বর ২০০৭ [http://blogs.rockymountainnews.com/denver/sprengelmeyer/archives/2007/11/obama_on_paul_a_diplomatic_dod.html]
* রন পলের লিবার্টারিয়ানিজমে স্থানীয়তাবাদ এবং বর্ণবাদের জন্য প্রচুর জায়গা রয়েছে কারণ এর বেশিরভাগই প্যাট বুকানন-শৈলীর শ্বেতাঙ্গদের সুযোগ-সুবিধার একটি সোনালি যুগে আমেরিকাকে ফিরে যাওয়ার আহ্বানের মতো শোনায়। পল লিবার্টারিয়ানদের মতো ভবিষ্যতের চিন্তাবিদ নন যারা আসন্ন "সিঙ্গুলারিটি" নিয়ে হাসিখুশি স্তুতিগান লেখেন, যখন আমরা সবাই অমর সাইবোর্গে পরিণত হব। তিনি একজন গোল্ডবাগ। তিনি গভীরভাবে ধার্মিক, গর্ভপাতবিরোধী, ছোট-শহরের গ্রামীণ চিকিৎসক যিনি মূলত চান সরকার যেন ১৮৩৭ সালের মতো কাজ করে।
** অ্যালেক্স পারিন, ২২ ডিসেম্বর ২০১১ [http://www.salon.com/2011/12/22/ron_paul_and_his_racist_newsletters/]
* রন পল কংগ্রেসে আমাদের হিরো।
** [http://fame.org/ ল্যারি পার্কস], ৬ ডিসেম্বর ২০০৭ [https://youtube.com/watch?v=Mx7zeOFhPlw]
* রন পল একজন অসামান্য নেতা যিনি একটি শক্তিশালী জাতীয় প্রতিরক্ষার জন্য লড়াই করছেন। বিমান বাহিনীর একজন প্রাক্তন কর্মকর্তা হিসেবে তিনি আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর চাহিদাগুলো খুব ভালোভাবে জানেন, এবং তিনি সবসময় তাদের প্রথম স্থানে রাখেন। আমাদের দেশের জন্য লড়াই চালিয়ে যেতে তাকে আমাদের দরকার।
** [[রোনাল্ড রেগান]], মার্কিন প্রেসিডেন্ট [http://www.ronpaulforcongress.com/html/saying.html]
* রন পল যদি মনোনয়নের কাছাকাছি আসেন, আমি নিশ্চিতভাবে তাকে সমর্থন করব। আমেরিকান রাজনীতিতে আমি কেবল তাকেই দেখেছি যার কাছে বিশ্বে কী ঘটছে সে সম্পর্কে ধারণা আছে বলে মনে হয়।
** জিম রজার্স, ২৯ অক্টোবর ২০০৭ [http://web.archive.org/web/20071020020642/http://www.ft.com/cms/893ac9c8-757e-11dc-b7cb-0000779fd2ac.html]
* তিনি যা করেছেন — তার সমর্থকরা যা করেছেন — তা বিস্ময়কর... একটি শক্তিশালী বার্তা নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা একজন মানুষের ক্ষমতাকে আপনি উড়িয়ে দিতে পারবেন না... ওয়াশিংটনের ভেতরের লোকেরা বুঝতে পারে না এর অর্থ কী।"
** এড রলিন্স, ৬ নভেম্বর ২০০৭ [http://blog.washingtonpost.com/the-trail/2007/11/06/post_184.html]
* ...রন পলই একমাত্র ব্যক্তি যিনি একজন রাজনীতিকের বদলে একজন মানুষের মতো কথা বলেছিলেন — একজন প্রেসিডেন্ট প্রার্থীর জন্য এটি কোনো ছোট কাজ নয়... আজ রাতে তিনি নিশ্চিতভাবেই বুদ্ধিমানের মতো কথা বলছিলেন।
** অ্যান্ড্রু রোমানো, ৩০ জানুয়ারি ২০০৮ [http://www.blog.newsweek.com/blogs/stumper/archive/2008/01/30/four-thoughts-on-tonight-s-republican-debate.aspx]
* আমরা সবাই খুশি হতাম যদি আমরা কেবল দেশে ফিরে আসতে পারতাম এবং বিশ্বের বাকি অংশ নিয়ে চিন্তা না করতাম, যেমনটা রন পল বলেন। কিন্তু সমস্যা হলো, তারা ৯/১১-তে আমাদের ওপর হামলা করেছিল। আমরা এখানেই ছিলাম; তারা আমাদের আক্রমণ করেছে। আমরা ইসলামি বিশ্বকে আধুনিকতার দিকে নিয়ে যেতে সাহায্য করতে চাই যাতে তারা চরমপন্থা প্রত্যাখ্যান করতে পারে...
** [[মিট রমনি]], ৫ আগস্ট ২০০৭ [http://www.cfr.org/publication/13981/republican_debate_transcript_iowa.html]
* তিনি আমাদের প্রথম দিন যা তুলেছিলাম তার কাছাকাছি চলে আসছেন... তাই আমি আনন্দিত যে তিনি এগিয়ে যাওয়ার জন্য তার প্রয়োজনীয় তহবিল সংগ্রহ করতে পেরেছেন...
** [[মিট রমনি]], ৬ নভেম্বর ২০০৭ [http://www.foxnews.com/story/0,2933,308404,00.html]
* আমি রাজনৈতিকভাবে এটি বলতে চাই না, তবে রন পল যখন বেন বার্নানকের দিকে তার সমস্ত রিভলবার থেকে গুলি ছুঁড়ছিলেন, তখন এখানে অনেক লোক তার প্রশংসা করছিল। ফেড কেবল সহজীকরণ সরঞ্জামগুলোই ব্যবহার করে বলে মনে হয়। আর মুদ্রাস্ফীতির ফ্রন্টে, অনেক ব্যবসায়ী সাবটাইটেলগুলো পড়ছিলেন এবং তারা ফিরে গিয়ে চেক করেছিলেন। দুর্বল ডলারের ক্ষেত্রে এটি আমদানি মূল্যকে প্রভাবিত করে কিন্তু দেশীয় মূল্যকে নয়, এটি এক ধরনের অসংগতি [...] আমি কেবল মনে করি আপনি ব্যবসায়ীরা যেভাবে ভাবেন তা বোঝেন না। ব্যবসায়ীরা আপনার বিশ্লেষণ নিয়ে মাথা ঘামায় না। তারা অর্থ উপার্জনের বিষয়ে চিন্তা করে। আর তারা পরিষ্কারভাবে বুঝতে পারে যে ফেড এই সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য কেবল একটাই কাজ করেছে আর তা হলো সহজ করা, এবং তারা অর্থ উপার্জন করছে। কিন্তু আপনি যদি এই লোকদের জিজ্ঞাসা করেন, আপনি কি মনে করেন ডিসেম্বরে আসলেই সুদের হার কমবে, আমি যাদের সাথে কথা বলি তাদের অর্ধেক লোক বলে আমরা ডিসেম্বরে পৌঁছাতে পৌঁছাতে, হেডলাইন মুদ্রাস্ফীতি সম্ভবত এমন পর্যায়ে পৌঁছাবে যে ফেড সহজ করতে পারবে না।
** রিক স্যান্টেলি, ৮ নভেম্বর ২০০৭ [https://www.youtube.com/watch?v=WvirM1goFq4]
* আমি আপনাকে বলি রন, রিপাবলিকান প্রাইমারিতে এমন অনেকেই আছেন যারা রোনাল্ড রেগানের অবস্থান নেওয়ার চেষ্টা করছেন... কিন্তু অর্থনৈতিক ইস্যুগুলোর কথা এলে আপনিই একমাত্র ব্যক্তি যিনি সত্যিই সেই একই বার্তা দিচ্ছেন যা রোনাল্ড রেগান ৩০ বছর ধরে দিয়েছিলেন।
** জো স্কারবোরো, ২২ আগস্ট ২০০৭ [http://web.archive.org/20071102041631/ronpauldaily.blogspot.com/2007/08/ron-paul-on-morning-joe.html] ([http://video.google.com/videoplay?docid=-4770988975023965161 কেস ইন পয়েন্ট])
* আমি ভেবেছিলাম মিস্টার পল গত রাতের বিতর্কে ঠিক এটাই ধরেছেন। এই যুদ্ধ আমেরিকার জন্য বিপজ্জনক কারণ এটি লিঙ্গসমতার ওপর ভিত্তি করে নয়, যেমনটা মিস্টার গিউলিয়ানি বলেছিলেন, বা অন্য কোনো ধরনের স্বাধীনতার ওপর ভিত্তি করে নয়, বরং সহজভাবে আমরা ইসলামি বিশ্বে যা করি তার কারণে — কারণ ‘আমরা ওখানে আছি,' মূলত যেমনটা মিস্টার পল বিতর্কে বলেছিলেন।
** মাইকেল শিউয়ার, ১৯ মে ২০০৭ [http://www.antiwar.com/blog/2007/05/19/former-head-of-cias-osama-unit-backs-up-rep-ron-paul/]
* [রন পল হলেন] গ্যাং অব ৫৩৫-এর একমাত্র ব্যতিক্রম।
** উইলিয়াম সাইমন, কোষাগারের সচিব [http://www.house.gov/paul/bio.shtml]
* তিনি হয়তো শেষ পর্যন্ত এমন কেউ হয়ে উঠেছেন যা তার সবসময় হওয়ার কথা ছিল: মার্কিন কংগ্রেসের সবচেয়ে সম্মানিত সদস্য। তিনি প্রেসিডেন্ট পদের জন্য একমাত্র রিপাবলিকান প্রার্থী যিনি সত্যিই তা যা অন্যরা হওয়ার ভান করে, অর্থাৎ, একজন রক্ষণশীল। [...] এখন পর্যন্ত, জিওপি পলকে সেখানে নেই এমন ভান করে দমিয়ে রাখতে পেরেছে। তবে নীরব আচরণ এই নম্রভাষী মানুষটিকে আর আটকাতে পারবে না। তিনি বহুবার সঠিক প্রমাণিত হয়েছেন।
** জোসেফ সোব্রান, ২৬ জুন ২০০৭ [http://buchanan.org/blog/?p=787]
* আমি মনে করি রন পল এই দৌড়ে তার বৈধতা প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
** মাইকেল স্টিল, ১৯ ডিসেম্বর ২০০৭ [https://youtube.com/watch?v=OBawj7SqEWM]
* তিনি অসাধারণ... এই লোকটি - তিনি একজন রিপাবলিকান - এবং তিনি বলেন শুনুন, আমি যখন প্রেসিডেন্ট হব, আমি আমাদের ইরাক থেকে বের করে আনব, আমি আমাদের বিশ্বের সব জায়গা থেকে বের করে আনব, কারণ এই সব বাজে মধ্যপ্রাচ্যের দেশে থেকে আমাদের কী লাভ হয়েছে? কারণ তারা আমাদের ঘৃণা করে, আমি এই সব যুদ্ধ থেকে আমাদের বের করে আনব, এবং আমাদের কাজ শেষ। আর তিনি বলেন, আমি কোনো বিচ্ছিন্নতাবাদী নই, যেখানে প্রয়োজন সেখানে আমি সামরিক বাহিনী ব্যবহার করতে ভয় পাই না। কিন্তু এই সব দীর্ঘস্থায়ী বাজে যুদ্ধে বসে থেকে অর্থনীতিকে নিঃশেষ করার মানে কী - আর আমরা যদি থাকি বা চলে যাই, একই বাজে জিনিস ঘটবে: কিছুই না! তাই চলুন আমরা চলে যাই। আর মানুষ এই লোকটিকে ভালোবাসে যখন তিনি কথা বলেন, তার কথায় যুক্তি আছে।
** [[হাওয়ার্ড স্টার্ন]], ৭ জানুয়ারি ২০০৮ [http://wnd.com/news/article.asp?ARTICLE_ID=59580]
* কংগ্রেসম্যান রন পল সম্পর্কে সবচেয়ে মজার বিষয় হলো, আপনার একটি ধারাবাহিকভাবে নীতিগত সততা রয়েছে বলে মনে হয়। আহ, আমেরিকানরা সাধারণত এর পক্ষে যায় না...
** [[জন স্টুয়ার্ট]], ৪ জুন ২০০৭ [http://www.comedycentral.com/motherload/player.jhtml?ml_video=87974&ml_collection=&ml_gateway=&ml_gateway_id=&ml_comedian=&ml_runtime=&ml_context=show&ml_origin_url=%2Fextras%2Findecision2008%2Fvideos%2Fcandidates%2Findex.jhtml%3FplayVideo%3D87974&ml_playlist=&lnk=&is_large=true]
* আমি মনে করি না তিনি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হতে পারবেন, কিন্তু আমি মনে করি তিনিই একমাত্র ব্যক্তি যিনি সত্যিই মুদ্রানীতি, অর্থনৈতিক নীতি, রাষ্ট্রের সঠিক ভূমিকা এবং বিশ্বে যুক্তরাষ্ট্রের সঠিক ভূমিকা বোঝেন। অন্যদিকে, আমাদের চোখের সামনে পৃথিবী বেশ নাটকীয়ভাবে বদলে যাচ্ছে। আমি এই মুহূর্তে কোনো কিছুই উড়িয়ে দেব না। তবে আপনি যদি আমাকে জিজ্ঞাসা করেন কে ক্ষমতার সামনে সত্য বলছেন, তবে তিনি রন পল।
** ডেভিড স্টকম্যান, ১১ জুলাই ২০১০ [http://www.thedailybeast.com/blogs-and-stories/2010-07-11/reagan-budget-guru-david-stockman-on-obamas-shoddy-economic-team/]
* মিস্টার পল প্রেসিডেন্ট হতে যাচ্ছেন না। তিনি জাতীয় জরিপগুলোতে পিছিয়ে আছেন, এর একটি বড় কারণ হলো একটি কার্যকর পররাষ্ট্র নীতির অভাব তাকে আজকের সন্ত্রাসীদের বিশ্বে একজন অগুরুত্বপূর্ণ প্রার্থী করে তুলেছে... তার কিছু অদ্ভুত দৃষ্টিভঙ্গি (ধরুন, "উত্তর আমেরিকান ইউনিয়ন" তৈরির ষড়যন্ত্রে তার বিশ্বাস) এবং তার ভয়ংকর যুদ্ধবিরোধী কথা অন্যান্য প্রার্থীদের তাকে বাতিল করার সুযোগ করে দিয়েছে।
** কিম্বার্লি স্ট্রাসেল, ১৪ ডিসেম্বর ২০০৭ [http://opinionjournal.com/columnists/kstrasselpw/?id=110010994]
* সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সত্যিকারের যুদ্ধের গুরুতর সমর্থকদের এখন যে প্রশ্নটি জিজ্ঞাসা করা উচিত তা হলো: ইরাকে লড়াই চালিয়ে যাওয়া কি এই প্রবণতাটিকে বিপরীত করতে সাহায্য করবে নাকি আগামী কয়েক দশকের জন্য তা আরও পোক্ত করবে? যুদ্ধ কি আমাদের কম নিরাপদ এবং বিশ্বকে অনেক কম সুরক্ষিত করছে? প্রত্যাহার বা অব্যাহত সম্পৃক্ততা কি জিনিসগুলো ভালো করবে? আমার মনে হয়, অন্তত এই প্রশ্নটি ইরাক বিতর্কে টেবিলে থাকা উচিত। আর তবুও রিপাবলিকানরা - রন পল ছাড়া - এটি নিয়ে কথা বলতেও চায় না। যতদিন তারা তা না করবে, ততদিন তারা জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর কোনো দল নয়।
** [[অ্যান্ড্রু সুলিভান]], ১৬ মে ২০০৭ [http://andrewsullivan.theatlantic.com/the_daily_dish/2007/05/blowback.html]
* তার কাছে সবচেয়ে নতুন এবং সবচেয়ে পুরোনো প্রচারণার বার্তা রয়েছে: স্বাধীনতা গুরুত্বপূর্ণ। আমি এতে মোটেও অবাক হই না যে জিওপি এস্টাবলিশমেন্ট — যা এখন এই দেশে ব্যক্তিগত স্বাধীনতার বিরুদ্ধে সবচেয়ে শক্তিশালী শক্তিগুলোর একটি — তার বার্তা নিয়ে এতটাই আতঙ্কিত। তাদের আতঙ্কিত হওয়াই স্বাভাবিক।
** [[অ্যান্ড্রু সুলিভান]], ২৬ অক্টোবর ২০০৭ [http://andrewsullivan.theatlantic.com/the_daily_dish/2007/10/the-coming-ron-.html]
* ...তিনি ৯/১১-এর সন্ত্রাসী হামলার পক্ষে যুক্তি দিচ্ছেন এবং প্রকৃতপক্ষে তা সমর্থন করছেন, আমাদের পররাষ্ট্র নীতিতে এবং এখানে দেশের মাটিতে ও মধ্যপ্রাচ্যে আমরা যেভাবে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিচালনা করি তাতে প্রচুর ভুল খুঁজে বের করে, যা তিনি বিশ্বাস করেন হাজার হাজার নির্দোষ আমেরিকানকে হত্যার মতো সন্ত্রাসী হামলাকে ন্যায়সংগত প্রমাণ করে... আমরা যদি আমি যে নিবন্ধটি উল্লেখ করেছি তার প্রতি আমেরিকা-ঘৃণাকারী পলের সমর্থকদের প্রতিক্রিয়াগুলো পরীক্ষা করি, আমরা সেখানে কোনো মস্তিষ্ক খুঁজে পাব না, কেবল আবেগপূর্ণ লাথি পাব... পলের একজন ভক্ত মনে করেছিলেন যে পলই সবচেয়ে স্মার্ট প্রার্থী কারণ অন্য প্রার্থীদের মতো নয়, শত্রুকে পরাস্ত করতে তিনি প্রথমে শত্রুকে নিয়ে পড়াশোনা করতে এবং তাকে জানতে চান। না, কে স্মার্ট আর কে নয় তা নিয়ে কথা বললে, তিনি তার প্রতিপক্ষ রুডি গিউলিয়ানির ছায়ার কাছেও নেই। একজন ছন্নছাড়া ব্যক্তি গিউলিয়ানির সাথে তুলনীয় নয় যিনি পিছন ফিরে না তাকিয়ে জরিপগুলোতে এগিয়ে যাচ্ছেন। একজন কট্টর ভক্তকে হতাশ করার জন্য দুঃখিত... পল নিজেকে মার্কিন সংবিধানের একমাত্র প্রয়োগকারী বলে দাবি করেন। তার অনুসারীরা এটি বিশ্বাস করে প্রতারিত হয়। তিনি তা নন - তিনি সংবিধান লঙ্ঘনকারী না হলেও একজন অবমাননাকারী... উল্লেখ্য যে এই আইনের অধীনে, জাতিসংঘের প্রতি আমাদের আর্থিক বাধ্যবাধকতা, জাতিসংঘের আহ্বানে বিশ্বের সমস্যা জর্জরিত স্থানগুলোতে সৈন্য পাঠানো অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে সংবিধান দ্বারা বাধ্যতামূলক... এই দূর থেকে তার প্রতি আমার প্রাথমিক পরামর্শ এবং আমি আশা করি তার মুষ্টিমেয় অনুসারীরাও তা বুঝতে পারবে তা হলো, সংবিধান লঙ্ঘন করে জাতিসংঘকে আক্রমণ করে করদাতাদের চ্যাম্পিয়ন হিসেবে আপনি জনসাধারণের প্রশংসার জন্য তৃষ্ণার্ত হলেও জনসাধারণের উপহাসের পাত্র হবেন না। এটি কোনো অর্থ বহন করে না।
** এডউইন এ. সুমকাদ, জাতিসংঘে নিযুক্ত প্রাক্তন উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি, ৩০ জুন ২০০৭ [http://ronpaulforums.com/showthread.php?t=5469]
* "সৎ রাজনীতিক" বাক্যাংশটি একটি পরস্পরবিরোধী শব্দ; তবুও এই অর্থে যে পল কখনোই তার ঘোষিত নীতির বিরুদ্ধে ভোট দেন না -- যা লিবার্টারিয়ান এবং যার মধ্যে এই বিশ্বাস অন্তর্ভুক্ত রয়েছে যে আমাদের ফেডারেল সরকারের অনেকটাই, আইআরএস থেকে শুরু করে শিক্ষা বিভাগ পর্যন্ত, এবং তাদের সমর্থনকারী বিশাল করগুলো বাতিল করা উচিত -- বাক্যাংশটি তাকে বর্ণনা করে... একই বিশ্বাস যার কারণে তিনি কংগ্রেসে প্রতিটি বরাদ্দ বিলের বিরুদ্ধে ভোট দেন তা তার ব্যক্তিগত জীবনেও প্রসারিত। উদাহরণস্বরূপ, তিনি তার কংগ্রেসনাল পেনশন প্রত্যাখ্যান করতে চান। তিনি তার সন্তানদের ফেডারেল-ভর্তুকিযুক্ত শিক্ষা ঋণ নিতে দেননি। তিনি আসলে প্রতি বছর তার কংগ্রেসনাল অফিস থেকে অর্থ ফেরত দেন -- গত বছর প্রায় ৫০,০০০ ডলার।
** ''টেক্সাস মান্থলি'', অক্টোবর ২০০১ [http://www.texasmonthly.com/preview/2001-10-01/feature7]
* আমি রন পলের সাথে একমত, আমরা [[ইরাক|সেখানে]] মার্চ করে ঢুকেছিলাম, আমরা মার্চ করে বেরিয়ে আসতে পারি।
** [[জেসি ভেনচুরা]], ১ এপ্রিল ২০০৮ [http://www.huffingtonpost.com/2008/04/01/jesse-ventura-unloads-th_n_94565.html]
* তিনি পারলে রন পল সরকারের তিন-চতুর্থাংশ বাতিল করতেন, যার অর্থ হলো রন পল যা বলেন তার প্রায় তিন-চতুর্থাংশ "অবাস্তব স্বপ্নদর্শী" বিভাগে পড়ে। তার মানে এক-চতুর্থাংশ বাকি থাকে -- কিন্তু তার কর্মসূচির ওই ভগ্নাংশটুকু, কোনো শ্লেষ না করেই বলা যায়, অর্থের বিষয়ে সঠিক।
** নিকোলাস ভন হফম্যান, ৩১ জানুয়ারি ২০০৮ [http://www.thenation.com/doc/20080218/howl]
* কলোরাডোর প্রতিনিধি টম ট্যানক্রেডো, বর্তমান মার্কিন অভিবাসন নীতির সবচেয়ে স্পষ্টবাদী বিরোধী, ১৪ শতাংশ নিয়ে চতুর্থ স্থানে ছিলেন। উইসকনসিনের প্রাক্তন গভর্নর টমি জি. থম্পসন ৭ শতাংশ নিয়ে ষষ্ঠ স্থানে ছিলেন।
** ওয়াশিংটন পোস্ট, ১২ আগস্ট ২০০৭ [http://www.washingtonpost.com/wp-dyn/content/article/2007/08/11/AR2007081101382_2.html?hpid=topnews] (আরও দেখুন [http://www.lewrockwell.com/blog/lewrw/archives/017532.html])
* থমাস জেফারসন বেঁচে আছেন। তিনি রন পল।
** ডাগ উইড, ৭ জুলাই ২০১০ [https://www.youtube.com/watch?v=4RiBWVxbH8c]
* তার মুখপাত্রের পক্ষে শ্বেতাঙ্গ বর্ণবাদকে একটি "ছোট মতাদর্শ" বলা এবং দাবি করা যে শ্বেতাঙ্গ কর্মীরা পলকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করে তাদের "অর্থ অপচয়" করছে তা হাস্যকর। পল হলেন স্টর্মফ্রন্ট ধরনের একজন শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদী যিনি তার রাজনৈতিক অবস্থানের কারণে সবসময় তার বর্ণবাদী দৃষ্টিভঙ্গি এবং বিশ্ব ইহুদিবাদ সম্পর্কে তার দৃষ্টিভঙ্গি গোপন রেখেছেন।
** বিল হোয়াইট, ১৯ ডিসেম্বর ২০০৭ [http://lonestartimes.com/2007/12/19/rpb3/] [https://themedium.blogs.nytimes.com/2007/12/24/the-ron-paul-vid-lash/]
* ম্যাককেইন হলেন গতকালের ম্যাভেরিক। এটি হলো গুরুতর ম্যাভেরিকিজম, রন পল।
** [[জর্জ উইল]], ২৮ অক্টোবর ২০০৭ [http://rawstory.com/news/2007/George_Will_Ron_Pauls_serious_maverickism_1029.html]
* গিউলিয়ানি বাণিজ্য-সমর্থক। পল একজন বিচ্ছিন্নতাবাদী।
** [http://www.jb-williams.com/ জেবি উইলিয়ামস], ৯ নভেম্বর ২০০৭ [http://www.nationalledger.com/artman/publish/article_272617141.shtml]
* প্রতিষ্ঠাতারা যা জানতেন তা হলো আপনি যে কাউকে সেখানে বসাতে পারেন, আপনি তাদের অনিয়ন্ত্রিত ক্ষমতা দেবেন, আর তারা দানবে পরিণত হবে। আর সেকারণেই আমি ততটাই ভয় পাই যদি হিলারির কাছে ম্যাট ড্রাজকে বন্দি করার ক্ষমতা থাকে, যতটা গিউলিয়ানির কাছে এই ক্ষমতাগুলো থাকলে পেতাম... রন পল সবসময় এই বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলেছেন, আর এটি দেখতে আশ্চর্যজনক যে, তিনি বিপরীত পক্ষে আছেন, কিন্তু তিনি যা বলছেন তার প্রতি আমার অনেক সম্মান আছে। আর উভয় দলেরই এমন সমর্থকরা আছেন যারা তার ব্যাপারে আগ্রহী কারণ তিনি বলছেন যে, আমাদের সাম্রাজ্যের প্রয়োজন নেই, আসুন আমরা বিশ্বজুড়ে অন্যান্য জাতিকে নিপীড়ন করা ছেড়ে দিই এবং কেবল একটি প্রজাতন্ত্র হিসেবে থাকি।
** নাওমি উলফ, ৭ নভেম্বর ২০০৭ [https://www.youtube.com/watch?v=PITb4fHmbZ4]
* লবিস্টরা তার অফিসে যাওয়ারও কষ্ট করে না। যদি তাদের পরিকল্পনা সংবিধানের অধীনে ফেডারেল সরকারের উল্লিখিত ক্ষমতার মধ্যে না পড়ে, তবে তারা খুব ভালো করেই জানে যে রন পল এটিকে সমর্থন করার কোনো সুযোগ নেই।
** থমাস উডস, ২৬ মার্চ ২০০৭ [http://www.lewrockwell.com/woods/woods63.html]
* রন পল যখন বলেছিলেন যে মুদ্রাস্ফীতি হলো লুকানো কর, তখন আমি পর্দার দিকে তাকিয়ে চিৎকার করে বলেছিলাম, "তিনি ঠিক বলেছেন! অনুসরণ করুন: এটি একটি মূল মন্তব্য!" এর পরিবর্তে মডারেটর, অন্যান্য প্রার্থীরা এবং জনতা কেবল তার দিকে তাকিয়ে ছিল এবং সম্ভবত তাদের চিজ বার্গারের সাথে একটি বেকড আলু চেয়েছিল।
** গ্রেগ জ্যানেটি, ৭ নভেম্বর ২০০৭ [http://kob.com/article/stories/S249459.shtml?cat=500]
== আরও দেখুন ==
* [[মিল্টন ফ্রিডম্যান]]
* [[ফ্রিডরিখ হায়েক]]
* [[হ্যান্স-হারম্যান হোপ্পে]]
* [[কার্টিস ইয়ারভিন]]
== বহিঃসংযোগ ==
{{wikipedia}}
* [http://www.ronpaulquotes.com রন পলের কংগ্রেসনাল বক্তৃতা এবং বিবৃতি ১৯৯৮-২০০৯।]
[[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি সভার সদস্য]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৫-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:লিবার্টারিয়ান পার্টির (যুক্তরাষ্ট্র) রাজনীতিবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী, ২০১২]]
[[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী, ২০০৮]]
[[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী, ১৯৮৮]]
[[বিষয়শ্রেণী:রিপাবলিকান পার্টির (যুক্তরাষ্ট্র) রাজনীতিবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:যুদ্ধবিরোধী কর্মী]]
[[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের প্রাবন্ধিক]]
9tporqeccopv1sojil8u50jeupa13ae
নিখিল ভারত মুসলিম লীগ
0
13700
83360
83319
2026-05-03T20:19:37Z
Mehedi Abedin
50
83360
wikitext
text/x-wiki
[[File:All India Muslim league conference 1906 attendees in Dhaka.jpg|right|350px|thumb|১৯০৬ সালে ঢাকার নবাব পরিবারের আহসান মঞ্জিল প্রাসাদে অনুষ্ঠিত নিখিল ভারত মোহামেডান এডুকেশনাল কনফারেন্স, যা মুসলিম লীগের ভিত্তি স্থাপন করেছিল।]]
'''[[w:নিখিল ভারত মুসলিম লীগ|নিখিল ভারত মুসলিম লীগ]]''' (মুসলিম লীগ নামেই সমধিক পরিচিত) ছিল ২০শ শতাব্দীর শুরুর দিকে ব্রিটিশ ভারতীয় সাম্রাজ্যে প্রতিষ্ঠিত একটি রাজনৈতিক দল। একটি পৃথক মুসলিম-সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্র পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠার জন্য দলটির জোরালো ওকালতি শেষ পর্যন্ত ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ সাম্রাজ্য কর্তৃক ব্রিটিশ ভারত বিভক্তির দিকে পরিচালিত করে।
== উক্তি ==
* মুসলিম লীগ সব সময়ই তুলনামূলকভাবে একটি অত্যন্ত দুর্বল সংগঠন ছিল। মূলত ১৯০৬ সালে ইসলামি রাজপুত্র এবং অভিজাতদের দ্বারা "ভারতের মুসলমানদের মধ্যে ব্রিটিশ সরকারের প্রতি আনুগত্যের বোধ জাগ্রত করার জন্য" (এর লক্ষ্যের বিবৃতি থেকে উদ্ধৃত) এটি তৈরি করা হয়েছিল যা ১৯৩০-এর দশকে জিন্নাহর নেতৃত্বে শিক্ষিত মুসলিম মধ্যবিত্ত শ্রেণি এটি দখল করে এবং অল্প সময়ের জন্য কংগ্রেস পার্টির সাথে জোটে ছিল। তবে এর মূল লক্ষ্য সব সময়ই ব্রিটিশবিরোধী হওয়ার পরিবর্তে হিন্দুবিরোধী ছিল।
** তারিক আলি - ‘দ্য ডুয়েল: পাকিস্তান অন দ্য ফ্লাইট পাথ অফ আমেরিকান পাওয়ার’ (২০০৮)।
* সুদেতেন জার্মানদের স্বার্থে চেকোস্লোভাকিয়ার বিরুদ্ধে হিটলারের গুণ্ডামিমূলক কৌশলের পাঠ মুসলিম লীগের নেতারা গভীরভাবে অধ্যয়ন করেছেন এবং সেই কৌশল থেকে শিক্ষাও নিয়েছেন বলে মনে হয়। ১৯৩৭ সালে করাচিতে অনুষ্ঠিত লীগের অধিবেশনে তাদের হুমকিমূলক বক্তৃতাগুলো দেখুন।
** [http://books.google.com/books?id=f_pDAAAAIAAJ বি. আর. আম্বেদকর, পাকিস্তান অর দ্য পার্টিশন অফ ইন্ডিয়া (১৯৪৬)]
* * [[সমাজ|সমাজের]] উচ্চস্তরের একজন মার্জিত সভাপতি হিসেবে তার লালন-পালন খুব কমই তাকে রাগ ও [[কুসংস্কার|কুসংস্কারের]] বশবর্তী হতে দিত। তিনি একজন একনিষ্ঠ কংগ্রেস সদস্যও ছিলেন যার [[ধর্মনিরপেক্ষতা|ধর্মনিরপেক্ষতার]] প্রতি গভীর অঙ্গীকার ছিল। পরবর্তী [[জীবন|জীবনে]] তাকে "সাম্প্রদায়িক" তকমা পাওয়ার মোকাবিলা করতে হয়েছিল কারণ তিনি আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষিত তরুণ [[মুসলিম|মুসলমানদের]] আকৃষ্ট করার চেষ্টা করেছিলেন। এটি কংগ্রেসের কাছে তৎকালীন মুসলিম লীগের সাম্প্রদায়িক চিন্তাধারা দ্বারা প্রভাবিত একটি ক্যাম্পাস হিসেবে বিবেচিত হত।
** ফখরুদ্দিন আলী আহমেদ সম্পর্কে। [http://books.google.co.in/books?id=ToBFJZiRsxMC&pg=PA47 শারদা দুবে: ফার্স্ট অ্যামাং ইকুয়ালস প্রেসিডেন্ট অফ ইন্ডিয়া (২০০৯), পৃ. ৫৬]
* * বিশ্বের অনেক দেশের ইতিহাসের এটি একটি দুঃখজনক শিক্ষা যে বাইরের আক্রমণকারীদের তুলনায় দেশের অভ্যন্তরে থাকা শত্রুভাবাপন্ন উপাদানগুলো জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অনেক বড় হুমকি হয়ে দাঁড়ায়। এটি কি সত্য যে সমস্ত পাকিস্তানপন্থী উপাদান পাকিস্তানে চলে গেছে? উত্তরপ্রদেশের নেতৃত্বে হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রদেশগুলোর মুসলমানরাই শুরু থেকেই পাকিস্তান আন্দোলনের অগ্রসেনা হিসেবে কাজ করেছিল। এবং দেশভাগের পরেও তারা এখানে শক্তভাবে অবস্থান করছে। সেই নির্বাচনগুলোতে মুসলিম লীগ পাকিস্তানের সৃষ্টিকে তাদের নির্বাচনী মূল ভিত্তি বানিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল। কংগ্রেসও সারা দেশে কিছু মুসলিম প্রার্থী দাঁড় করিয়েছিল। কিন্তু প্রায় প্রতিটি জায়গায় মুসলমানরা মুসলিম লীগ প্রার্থীদের ভোট দিয়েছিল এবং কংগ্রেসের মুসলিম প্রার্থীরা শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়েছিল। উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশ এর ব্যতিক্রম ছিল। এর অর্থ কেবল এই যে কোটি কোটি মুসলমান যারা এখনও এখানে আছেন তারা সবাই মিলে পাকিস্তানের পক্ষে ভোট দিয়েছিলেন। যারা এখানে রয়ে গেছেন তারা কি অন্তত এরপর পরিবর্তিত হয়েছেন? ১৯৪৬-৪৭ সালে নজিরবিহীনভাবে ব্যাপক দাঙ্গা, লুটপাট, অগ্নিসংযোগ, ধর্ষণ এবং সব ধরণের তাণ্ডবের জন্ম দেওয়া তাদের সেই পুরনো শত্রুতা এবং খুনি মনোভাব কি অন্তত এখন থেমেছে? পাকিস্তান সৃষ্টির পর তারা রাতারাতি দেশপ্রেমিক হয়ে গেছে বলে নিজেদের বিভ্রান্ত করা হবে আত্মঘাতী। উল্টো পাকিস্তান সৃষ্টির ফলে মুসলিম হুমকি শতগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে যা আমাদের দেশের ওপর তাদের ভবিষ্যৎ সমস্ত আক্রমণাত্মক পরিকল্পনার ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে।
** এম. এস. গোলওয়ালকর, বাঞ্চ অফ থটস
* * নিখিল ভারত মুসলিম লীগকে সাম্প্রদায়িক হিসেবে আখ্যায়িত করার যেকোনো প্রচেষ্টা ভুল হবে। এটি সত্য যে এটি সেই দলেরই ধারাবাহিকতা যা সাম্প্রদায়িক ভিত্তিতে ভারত বিভাজন সম্পন্ন করেছিল। তা সত্ত্বেও কংগ্রেস পার্টি এবং ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্ক্সবাদী) এর মতো প্রবলভাবে ধর্মনিরপেক্ষ দলগুলো কেরল রাজ্য পরিচালনাকারী জোটে মুসলিম লীগকে অন্তর্ভুক্ত করতে কখনোই দ্বিধা করেনি। কোনো প্রকৃত সাম্প্রদায়িক এমন সুযোগ পেত না।
** [https://web.archive.org/web/20190310235845/http://koenraadelst.bharatvani.org/articles/hinduism/sitaramgoel.html কোয়েনরাদ এলস্ট, ইন্ডিয়াজ অনলি কমিউনালিস্ট]
* "আমি পাঞ্জাব, উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশ, সিন্ধু এবং বেলুচিস্তানকে একটি একক রাষ্ট্রে একীভূত দেখতে চাই। ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অভ্যন্তরে বা ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বাইরে একটি সুসংহত উত্তর-পশ্চিম ভারতীয় মুসলিম রাষ্ট্র গঠনই আমার কাছে মুসলমানদের বিশেষ করে উত্তর-পশ্চিম ভারতের মুসলমানদের চূড়ান্ত ভাগ্য বলে মনে হয়।"
** [http://www.columbia.edu/itc/mealac/pritchett/00islamlinks/txt_iqbal_1930.html ১৯৩০ সালের ২৯ ডিসেম্বর নিখিল ভারত মুসলিম লীগের অধিবেশনে স্যার মুহাম্মদ ইকবালের সভাপতির ভাষণ]
* এই রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বাস্তবতা সত্ত্বেও প্রাথমিক ভারতীয় জাতীয়তাবাদীরা উদীয়মান আর্থ-সামাজিক এবং রাজনৈতিক আলোচনায় অন্তর্ভুক্তি ও সহনশীলতার চেতনা জাগিয়ে তোলার চেষ্টা করেছিলেন। তবে স্বাধীনতা আন্দোলন বিকশিত হওয়ার সাথে সাথে মুসলিম লীগ সম্পূর্ণভাবে তার ইসলামি উৎসের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ একটি আদর্শ তুলে ধরে এবং দেশে এই সম্প্রদায়ের রাজনৈতিক আধিপত্য বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেয়। ব্রিটিশদের প্রবর্তিত আধুনিকায়নের শক্তিগুলোর সাথে মুসলিম লীগের আপস করতে অস্বীকৃতি বা ব্যর্থতা একে জাতীয় মূলধারা থেকে দূরে একটি ভিন্ন পথে আরও ঠেলে দেয়।
**মীনাক্ষী জৈন, "পাওয়ার ইকুয়েশনস ইন এইটিনথ অ্যান্ড আর্লি নাইনটিনথ সেঞ্চুরি ইন্ডিয়া: দ্য এম্পিরিক্যাল ব্যাকড্রপ টু ন্যাশনালিজম", ইন্টারন্যাশনাল ফোরাম ফর ইন্ডিয়াস হেরিটেজ, ২০০৩।
* যখন আমরা বলি 'এই পতাকা (মুসলিম লীগের পতাকা) হলো ইসলামের পতাকা' তখন '''তারা মনে করে আমরা রাজনীতিতে ধর্ম নিয়ে আসছি যা এমন একটি সত্য যার জন্য আমরা গর্বিত'''। ইসলাম আমাদের একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান দেয়। এটি কেবল ধর্মই নয় বরং এর মধ্যে আইন, দর্শন এবং রাজনীতিও রয়েছে। প্রকৃতপক্ষে এতে একজন মানুষের সকাল থেকে রাত পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সবকিছুই বিদ্যমান। যখন আমরা ইসলামের কথা বলি তখন আমরা একে একটি সর্বব্যাপী শব্দ হিসেবে গ্রহণ করি। আমরা কারো কোনো অমঙ্গল কামনা করি না। আমাদের ইসলামি বিধানের ভিত্তি হলো আমরা স্বাধীনতা, সাম্য এবং ভ্রাতৃত্বের পক্ষে দাঁড়াই।
** মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ, ১৯৩৮ সালের জানুয়ারিতে গয়া মুসলিম লীগ কনফারেন্সে ভাষণ।
* প্রতিটি দল সহিংসতার জন্য অন্য পক্ষকে অভিযুক্ত করেছিল। জিন্নাহ "ভাইসরয়, মিস্টার গান্ধী এবং কংগ্রেসকে" দায়ী করেন। নেহেরু কলকাতায় "যা কিছু ঘটেছে তার সবকিছুর জন্য" মুসলিম লীগের ওপর দায় চাপিয়ে দেন।
** গান্ধীর এক্সপেরিমেন্টস উইথ ট্রুথ: এসেনশিয়াল রাইটিংস বাই অ্যান্ড অ্যাবাউট মহাত্মা গান্ধী। রিচার্ড এল. জনসন, [http://books.google.co.in/books?id=dRQcKsx-YgQC&pg=PA46 গান্ধীর এক্সপেরিমেন্টস উইথ ট্রুথ: এসেনশিয়াল রাইটিংস বাই অ্যান্ড অ্যাবাউট মহাত্মা গান্ধী] পৃষ্ঠা ৪৬ এ।
* হে মুসলমানগণ, জাগো, সজাগ হও! হিন্দুদের সাথে একই স্কুলে পড়ো না। হিন্দুদের তৈরি কোনো পণ্য স্পর্শ করো না। হিন্দুদের কোনো চাকরি দিও না। কোনো হিন্দুর অধীনে কোনো অসম্মানজনক পদ গ্রহণ করো না। তোমরা অজ্ঞ, কিন্তু যদি তোমরা জ্ঞান অর্জন করো তবে তোমরা সকল হিন্দুকে জাহান্নামে পাঠিয়ে দিতে পারো। এই প্রদেশে তোমরাই জনসংখ্যার সংখ্যাগরিষ্ঠ। হিন্দুদের নিজস্ব কোনো সম্পদ নেই এবং তারা কেবল তোমাদের সম্পদ লুণ্ঠন করেই নিজেদের ধনী করেছে। তোমরা যদি পর্যাপ্তরূপে আলোকিত হও তবে হিন্দুরা না খেয়ে মরবে এবং শীঘ্রই মোহামেডান (মুসলমান) হয়ে যাবে।
** লাল ইশতেহার [ঢাকার নবাব সলিমুল্লাহর] যা ১৯০৬ সালের ডিসেম্বরে ঢাকায় প্রথম মুসলিম লীগ বৈঠকের পর সারা বাংলায় প্রচার করা হয়েছিল। আর.সি. মজুমদার (সম্পাদিত), হিস্ট্রি অ্যান্ড কালচার অফ দ্য ইন্ডিয়ান পিপল, ভলিউম ১১, বোম্বে, ১৯৭৮, পৃষ্ঠা ৫৪-তে উদ্ধৃত।
* কলকাতার হত্যাকাণ্ডের পর ১৯৪৬ সালের অক্টোবরে 'নোয়াখালী দাঙ্গা' হয়েছিল। সেখানে তফসিলি জাতিসহ হিন্দুদের হত্যা করা হয় এবং শত শত লোককে ইসলামে ধর্মান্তরিত করা হয়। হিন্দু নারীদের ধর্ষণ ও অপহরণ করা হয়। আমার সম্প্রদায়ের মানুষও জীবন ও সম্পদের ক্ষতির শিকার হয়েছে। এই ঘটনার পরপরই আমি ত্রিপুরা ও ফেনী সফর করি এবং দাঙ্গাকবলিত কিছু এলাকা দেখি। হিন্দুদের ভয়াবহ ভোগান্তি আমাকে শোকে অভিভূত করেছিল, কিন্তু তবুও আমি মুসলিম লীগের সাথে সহযোগিতার নীতি বজায় রেখেছিলাম।
** পাকিস্তান সরকারের আইন ও শ্রম মন্ত্রী [[w:যোগেন্দ্রনাথ মণ্ডল|যোগেন্দ্রনাথ মণ্ডলের]] পদত্যাগপত্রের অংশবিশেষ, ৮ অক্টোবর ১৯৫০। [https://en.wikisource.org/wiki/Resignation_letter_of_Jogendra_Nath_Mandal]
[https://biblio.wiki/wiki/Resignation_letter_of_Jogendra_Nath_Mandal]
* এই পৃষ্ঠাগুলোতে শিখ এবং হিন্দুদের ওপর সংঘটিত নৃশংসতার যে বিবরণ দেওয়া হয়েছে তা সম্পূর্ণ নয় এমনকি বাস্তবে যা ঘটেছিল তার একটি মোটামুটি বড় অংশও নয়। এগুলো সমগ্র পশ্চিম [[পাঞ্জাব]] এবং পশ্চিম পাকিস্তানের অন্যান্য এলাকার কিছু গ্রাম ও শহরে যা ঘটেছিল তার প্রতিনিধি মূলক কিছু ঘটনা মাত্র। হাজার হাজার গ্রাম এবং শত শত শহরে এই ধরণের ঘটনা ঘটছে কল্পনা করুন এবং কেবল তখনই আপনি বাস্তবতার কাছাকাছি সেই অনুপাত অনুধাবন করতে পারবেন যা চূড়ান্ত বিশ্লেষণে তার পূর্ণ ভয়াবহতায় ভাষায় প্রকাশ করা অসম্ভব। এখানে ব্যবহৃত তথ্যগুলো এই ভয়াবহতার শিকার ব্যক্তিদের বর্ণনা থেকে নেওয়া হয়েছে যা কর্তৃপক্ষের কাছে করা অভিযোগ, নির্ভরযোগ্য সংবাদপত্রের প্রতিবেদন এবং পূর্ব পাঞ্জাবের শরণার্থী শিবিরগুলোতে অত্যন্ত বিশ্বস্ততার সাথে রেকর্ড করা ও বর্ণনাকারীদের স্বাক্ষরিত বিবৃতি থেকে সংগৃহীত।
** গুরবচন সিং তালিব, মুসলিম লীগ অ্যাটাক অন দ্য শিখস অ্যান্ড হিন্দুস ইন পাঞ্জাব, ১৯৪৭ (১৯৫০)।
* এই সব ঘটনা এমন এক সময় ঘটেছিল যখন ভারতে [[w:মহাত্মা গান্ধী|মহাত্মা গান্ধী]] ভারতীয় মুসলমানদের জন্য আরও ভালো আচরণের দাবিতে তার শেষ অনশন শুরু করেছিলেন। মহাত্মার সেই মহানুভবতার প্রতি পাকিস্তানের প্রতিক্রিয়া ছিল এমনই। ঠিক যখন দিল্লিতে মুসলমানদের নিরাপদ করা হচ্ছিল, তখন করাচিতে ৮০০ শিখকে গণহত্যা করা হয় এবং সব হিন্দুর সম্পদ লুট করা হয়।
** গুরবচন সিং তালিব, ‘মুসলিম লীগ অ্যাটাক অন দ্য শিখস অ্যান্ড হিন্দুস ইন পাঞ্জাব, ১৯৪৭’ (১৯৫০)।
* ভারত ছাড়ো আন্দোলনের একটি অনিচ্ছাকৃত ভালো দিক ছিল: এটি একটি হীন আপস প্রস্তাবকে টেবিল থেকে সরিয়ে দিয়েছিল। গান্ধী এবং কংগ্রেসের অনেক নেতা সাম্প্রদায়িক ভিত্তিতে দেশভাগের ধারণা গ্রহণে অনিচ্ছুক ছিলেন এবং মুসলিম লীগকে সন্তুষ্ট করার জন্য ক্রমবর্ধমান অযৌক্তিক সমাধান দেওয়া হচ্ছিল। চূড়ান্ত তুষ্টিকরণ প্রস্তাবটি ছিল ক্ষমতা পুরোপুরি মুসলিম লীগের হাতে তুলে দিয়ে ভারতকে ঐক্যবদ্ধ রাখা। মাওলানা আজাদ এই প্রস্তাব দিয়েছিলেন এবং গান্ধী ১৯৪২ সালের ৬ আগস্ট এটি অনুমোদন করেন।
** মহাত্মা গান্ধী। কোয়েনরাদ এলস্ট (২০১৮), ‘হোয়াই আই কিলড দ্য মহাত্মা: আনকভারিং গডসেস ডিফেন্স’-এ উদ্ধৃত।
* এটি বাড়িয়ে বলা যে ‘মুসলিম সম্প্রদায় ক্রমাগত মুসলিম লীগকে সমর্থন করেছিল।’ ... কেবল ১৯৪৬ সালের শুরুতে অনুষ্ঠিত নির্বাচনগুলোতেই মুসলিম ভোট নাটকীয়ভাবে মুসলিম লীগের দিকে ঝুঁকেছিল যা ৮৬.৬ শতাংশ ভোট দখল করেছিল অর্থাৎ পাকিস্তানের সৃষ্টির জন্য একটি জোরালো ম্যান্ডেট। অন্যদিকে ১৯৩৭ সালে যে ৯১ শতাংশ মুসলিম ভোটার লীগকে সমর্থন করতে অস্বীকার করেছিল তাদের মধ্য থেকে জিন্নাহর কার্যকর বিরোধিতা করার মতো কোনো বিশ্বাসযোগ্য রাজনৈতিক শক্তি গড়ে ওঠেনি। যদিও হিন্দু মহাসভাকে কংগ্রেস একটি রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে কোণঠাসা করে দিয়েছিল কিন্তু মুসলিম অভিজাতদের কোনো অংশ থেকেই লীগের বিরুদ্ধে অনুরূপ কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। মুসলিম নেতৃত্বাধীন বহুধর্মীয় দলগুলো (যেমন পাঞ্জাবে সিকান্দার হায়াত খানের ইউনিয়নিস্ট এবং বাংলায় ফজলুল হকের কৃষক প্রজা পার্টি) মুসলিম লীগ মুসলমানদের জন্য যে বিশেষ সুযোগ-সুবিধা দাবি করেছিল এবং অর্জন করেছিল তার মোটেও বিরোধিতা করেনি। স্ট্রাগল ফর ফ্রিডমে আর.সি. মজুমদার উল্লেখ করেছেন যে ১৯৩০-৩২ সালের গোলটেবিল বৈঠকে মুসলমানদের সাময়িক অনৈক্যের পর সব মতের মুসলমানরা জোর দিয়েছিলেন যে তাদের দাবিগুলো অবশ্যই পূরণ করতে হবে। মজুমদার তার বইতে আরও ব্যাখ্যা করেছেন যে লীগের বিরোধিতা করার পাশাপাশি তারা অন্তত পরোক্ষভাবে লীগের কিছু সাম্প্রদায়িক নীতিকে সমর্থন করেছিলেন এবং তাদের সেই সক্রিয় সমর্থনই ১৯৩৭ সালের পরাজয়ের পর 'লীগে নতুন প্রাণের সঞ্চার করেছিল'। একইভাবে রক্ষণশীল উলেমাগণ পাকিস্তান প্রকল্পের বিরোধিতা করেছিলেন কারণ তাদের লক্ষ্য ছিল ভারতের কোনো অংশের পরিবর্তে সমগ্র ভারত নিয়ন্ত্রণ করা কিন্তু তারা লীগের অন্যান্য অধিকাংশ সাম্প্রদায়িক দাবি সমর্থন করেছিলেন যা পাকিস্তানের দাবির মূলে থাকা সাম্প্রদায়িক দৃষ্টিভঙ্গিকে আরও শক্তিশালী করেছিল। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে ‘জাতীয়তাবাদী মুসলিম’ হিসেবে স্বাগত জানানো এই ব্যক্তিরা গান্ধী এবং নেহেরুকে কংগ্রেসের মধ্যে সমস্ত সোচ্চার হিন্দু কণ্ঠস্বর দমনে সহায়তা করেছিলেন। এভাবে লীগের নীতিগুলোর প্রতি মুসলিম সমর্থন লীগের নিজস্ব ভোটের শতাংশের চেয়েও উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি ছিল।
** আর. সি. মজুমদার। কোয়েনরাদ এলস্ট (২০১৮), ‘হোয়াই আই কিলড দ্য মহাত্মা: আনকভারিং গডসেস ডিফেন্স’-এ উদ্ধৃত।
* ‘আমাদের বড় লড়াই হলো আমাদের ২২ কোটি হিন্দু শত্রুর সাথে যারা সংখ্যাগরিষ্ঠ (...) যদি তারা শক্তিশালী হয়ে ওঠে তবে এই হিন্দুরা মুসলিম ভারত এবং ধীরে ধীরে এমনকি মিশর, তুরস্ক, কাবুল, মক্কা গিলে ফেলবে (...) তাই মুসলিম লীগে যোগ দিয়ে লড়াই চালিয়ে যাওয়া প্রতিটি ধর্মপ্রাণ মুসলমানের অপরিহার্য কর্তব্য যাতে হিন্দুরা এখানে প্রতিষ্ঠিত হতে না পারে এবং ইংরেজরা চলে যাওয়ার সাথে সাথেই ভারতে একটি মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠিত হতে পারে।’
** বি.আর. আম্বেদকর: পাকিস্তান, পৃষ্ঠা ২৭৩-এ উদ্ধৃত মাওলানা আজাদ সোবহানি। আনন্দবাজার পত্রিকায় প্রকাশিত আজাদ সোবহানির ভাষণ। এলস্ট, কোয়েনরাড (২০১৮), হোয়াই আই কিলড দ্য মহাত্মা: আনকভারিং গডসেস ডিফেন্স, নিউ দিল্লি: রূপা, ২০১৮ থেকে উদ্ধৃত।
* "১৯৩৮ সালে ইউরোপে একটি সংক্ষিপ্ত সফর শেষে নেহেরু যখন ফিরে আসেন তখন তিনি ভারতে মুসলিম লীগের প্রচার পদ্ধতির সাথে জার্মানির নাৎসিদের প্রচার পদ্ধতির সাদৃশ্য দেখে বিস্মিত হয়েছিলেন: 'লীগ নেতারা গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে ফ্যাসিবাদী তিরস্কারের প্রতিধ্বনি করতে শুরু করেছিলেন... নাৎসিরা একটি নেতিবাচক নীতির সাথে যুক্ত ছিল। লীগও ঠিক তাই ছিল। লীগ ছিল হিন্দুবিরোধী, কংগ্রেস বিরোধী, জাতিবিরোধী... নাৎসিরা ইহুদিদের বিরুদ্ধে ঘৃণার চিৎকার তুলেছিল আর লীগ হিন্দুদের বিরুদ্ধে তাদের চিৎকার তুলেছিল।'"
**(বি.আর. নন্দ: গান্ধী অ্যান্ড হিজ ক্রিটিকস, ওইউপি, দিল্লি ১৯৯৩ (১৯৮৫), পৃষ্ঠা ৮৮) এলস্ট, কে. ওয়াজ গুরু গোলওয়ালকর আ নাৎসি?, ১৯৯৯ থেকে উদ্ধৃত। [https://web.archive.org/web/20100706155844/http://koenraadelst.bharatvani.org/articles/fascism/golwalkar.html] এছাড়াও এলস্ট, কে. (২০১০), দ্য স্যাফ্রন স্বস্তিকা: দ্য নোশন অফ "হিন্দু ফ্যাসিবাদ"-এ বর্ণিত।
* মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলের অমুসলিমদের ওপর আক্রমণের ক্ষেত্রে মুসলিম লীগের এই দ্বিমুখী কৌশল ছিল। প্রথমত এটি তার দ্বিজাতি তত্ত্ব এবং হিন্দুদের প্রতি ও পাঞ্জাবে শিখদের প্রতিও চরম বিরোধিতার প্রচার চালাচ্ছিল। দ্বিতীয়ত মুসলিম লীগ মুসলমানদের শারীরিকভাবে এবং সামরিকভাবে এই ধরণের লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত করছিল যার ফলে যখন আক্রমণ শুরু হয় তখন হিন্দু ও শিখরা অপ্রস্তুত অবস্থায় ধরা পড়ে এবং নিহতের সংখ্যায়, আহতের সংখ্যায়, নারীদের অপহরণ ও লাঞ্ছনায়, সম্পত্তি লুণ্ঠন এবং ঘরবাড়ি ও ধর্মীয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। হিন্দু ও শিখদের পক্ষ থেকে যে পাল্টা আক্রমণ এসেছিল তা ছিল বিলম্বিত এবং তা তখনই ঘটেছিল যখন মুসলিম আক্রমণ ক্রমাগত হতে থাকে এবং তাদের অস্তিত্বের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ায়। ১৯৪৭ সালের আগস্টের আগে যেখানেই এই ধরণের পাল্টা আক্রমণ হয়েছে তা এমনকি মুসলিম লীগের উদ্দেশ্যই সাধন করেছিল কারণ এটি ভারতে সেই গৃহযুদ্ধের পরিবেশ তৈরি করেছিল যা মুসলিম লীগ তার কর্মসূচি ও নীতি এগিয়ে নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় মনে করেছিল। এর ফলে তারা নৃশংসতার গল্প ছড়িয়ে দিতে পারত এবং অন্য জায়গার মুসলমানদের হিন্দু ও শিখদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়তে প্ররোচিত করতে পারত যেমনটি তারা প্রকৃতপক্ষে ১৯৪৬ সালের ডিসেম্বরে এবং ১৯৪৭ সালের জানুয়ারিতে উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশে করেছিল। মুসলিম লীগের লক্ষ্য ও পদ্ধতি ঠিক এমনই ছিল।
** তালিব, এস. জি. এস. (১৯৫০)[https://web.archive.org/web/20100620015130/http://www.bharatvani.org/books/mla/index.htm মুসলিম লীগ অ্যাটাক অন শিখস অ্যান্ড হিন্দুস ইন দ্য পাঞ্জাব, ১৯৪৭]। অমৃতসর: শিরোমণি গুরুদ্বারা প্রবন্ধক কমিটি। [https://www.allaboutsikhs.com/sikh-literature/books-gst/muslim-league-attack-on-sikhs-and-hindus-in-the-punjab-1947-sind/] [https://www.sikhiwiki.org/index.php/Muslim_League_Attack_on_Sikhs_and_Hindus_in_the_Punjab_1947] [https://voibooks.bitbucket.io/mla/index.html]
* মুসলিম লীগ নেতারা দীর্ঘকাল ধরে মুসলিম এবং অমুসলিম ভারতের মধ্যে জনসংখ্যা বিনিময়ের পক্ষে সওয়াল করেছিলেন। যারা একটি মুসলিম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে ছিলেন তারা এর অনিবার্য ফলাফল হিসেবে জনসংখ্যা বিনিময়েরও সমর্থন করেছিলেন।
** তালিব, এস. জি. এস. (১৯৫০)। [https://web.archive.org/web/20100620015130/http://www.bharatvani.org/books/mla/index.htm মুসলিম লীগ অ্যাটাক অন শিখস অ্যান্ড হিন্দুস ইন দ্য পাঞ্জাব, ১৯৪৭]। অমৃতসর: শিরোমণি গুরুদ্বারা প্রবন্ধক কমিটি। [https://www.allaboutsikhs.com/sikh-literature/books-gst/muslim-league-attack-on-sikhs-and-hindus-in-the-punjab-1947-sind/] [https://www.sikhiwiki.org/index.php/Muslim_League_Attack_on_Sikhs_and_Hindus_in_the_Punjab_1947] [http://www.bharatvani.org/books/mla/index.htm] [https://voibooks.bitbucket.io/mla/index.html] পৃষ্ঠা ২১৬।
* মুসলিম লীগ তার রাজনৈতিক সাফল্যের জন্য আততায়ীর ছুরি, খুনির বুলেট এবং হাজার হাজার অগ্নিসংযোগকারী, অসহায় নারী ও শিশুদের হত্যাকারী, দস্যু ও সব ধরণের দুষ্কৃতিকারীদের মাঠে নামানোর ওপর নির্ভরশীল ছিল। এই ‘বাহিনী’ ওপরতলার একদল বুদ্ধিমান এবং ঠান্ডা মাথার পরিকল্পনাকারী নেতাদের দ্বারা পরিচালিত ছিল যারা ইচ্ছাকৃতভাবে তাদের সহধর্মীদের মনে অন্যদের প্রতি ধর্মীয় ঘৃণা জাগিয়ে তুলত, সেই ঘৃণাকে একটি সহিংস উন্মাদনায় রূপ দিত এবং তারপরে এই ঘৃণা-অনুপ্রাণিত জনতাকে এমন অসহায় হিন্দু ও শিখদের ওপর লেলিয়ে দিত যারা নির্দিষ্ট এলাকায় সংখ্যালঘু ছিল এবং তাই সহজেই দমে যেত। এভাবে মুসলিম লীগ ভারতের জন্য একটি ঐক্যবদ্ধ সরকার প্রতিষ্ঠা করা অসম্ভব করে তুলতে চেয়েছিল এবং এমন একটি পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে চেয়েছিল যাতে দেশের রাজনৈতিক বিভাজন অনিবার্য হয়ে ওঠে।
** তালিব, এস. জি. এস. (১৯৫০)। [https://web.archive.org/web/20100620015130/http://www.bharatvani.org/books/mla/index.htm মুসলিম লীগ অ্যাটাক অন শিখস অ্যান্ড হিন্দুস ইন দ্য পাঞ্জাব, ১৯৪৭]। অমৃতসর: শিরোমণি গুরুদ্বারা প্রবন্ধক কমিটি। [https://www.allaboutsikhs.com/sikh-literature/books-gst/muslim-league-attack-on-sikhs-and-hindus-in-the-punjab-1947-sind/] [https://www.sikhiwiki.org/index.php/Muslim_League_Attack_on_Sikhs_and_Hindus_in_the_Punjab_1947] [http://www.bharatvani.org/books/mla/index.htm] [https://voibooks.bitbucket.io/mla/index.html] পৃষ্ঠা ২৪২।
* এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে যে ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান বিচ্ছিন্ন করার জন্য অবিবেচকের মতো সহিংসতা ছড়িয়ে দেওয়ার সময় মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর নেতৃত্বে মুসলিম লীগ পার্টি মুসলমানদের মধ্যে গোপন প্যামফ্লেট বিলি করেছিল যেখানে বলা হয়েছিল ‘‘একজন মুসলমানের পাঁচজন হিন্দুর অধিকার পাওয়া উচিত অর্থাৎ প্রতিটি মুসলমান পাঁচজন হিন্দুর সমান।’’
** খোসলা জিডি (১৯৮৯) স্টার্ন রেকনিং: আ সার্ভে অফ ইভেন্টস লিডিং আপ টু অ্যান্ড ফলোয়িং দ্য পার্টিশন অফ ইন্ডিয়া, অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস, দিল্লি, পৃষ্ঠা ৩১৩ [https://archive.org/details/stern-reckoning/page/313/mode/2up] এম.এ. খান ইসলামিক জিহাদ: আ লেগাসি অফ ফোর্সড কনভার্সন, ইম্পেরিয়ালিজম অ্যান্ড স্লেভারি (২০১১) থেকে উদ্ধৃত।
* [যদি ব্রিটিশরা ভারত ছেড়ে চলে যায়] তবে ভারতের শাসনভার সেই সম্প্রদায়ের হাতে চলে যাবে যারা আমাদের তুলনায় প্রায় চার গুণ বড় … তখন আমাদের জীবন, আমাদের সম্পত্তি, আমাদের সম্মান এবং আমাদের বিশ্বাস সবই বড় বিপদের মুখে পড়বে। … সেই সময়ের জন্য দুর্ভোগ যখন আমরা আমাদের প্রতিবেশীদের প্রজা হয়ে যাব এবং আওরঙ্গজেব … এবং তার আগে চলে যাওয়া অন্যান্য মুসলমান বিজেতা ও শাসকদের প্রকৃত বা কাল্পনিক পাপের জন্য তাদের কাছে জবাবদিহি করতে হবে।
** নবাব ওয়াকার-উল-মুলক কাম্বোহ ওরফে মুশতাক হোসেন জুবেরি, অল ইন্ডিয়া মুসলিম লীগের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা, বালকৃষ্ণ এস. লেসনস ফ্রম হিন্দু হিস্ট্রি ইন ১০ এপিসোডস (২০২০)-এ উদ্ধৃত।
* মুসলিম লীগ যা পাকিস্তানের ক্ষমতাসীন দল তারা তাদের ন্যাশনাল গার্ড নামে পরিচিত স্বেচ্ছাসেবকদের হিন্দুদের আতঙ্কিত করতে এবং তাদের দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিকত্বে নামিয়ে আনতে এগিয়ে যাওয়ার জন্য নিয়োজিত ও নির্দেশিত করেছিল। মুসলিম লীগ নিজেই ছিল জাতিগত ঘৃণার ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত একটি ফ্যাসিবাদী সংগঠন এবং তাদের স্বেচ্ছাসেবক সংগঠনটি হিটলারের স্টর্ম-ট্রুপারদের নীতি ও মডেলে পরিচালিত হতো। স্বাধীনতার প্রথম ঝোঁকে পাকিস্তানের সাধারণ মুসলমানরা অনুভব করতে শুরু করেছিল যে তারা একটি উচ্চতর শ্রেণি এবং একটি শাসক জাতি।
** লাহিরী পি. সি. (১৯৬৪)। ইন্ডিয়া পার্টিশনড অ্যান্ড মাইনরিটিজ ইন পাকিস্তান। পৃষ্ঠা ৮ কামরা এ. জে. (২০০০) দ্য প্রলোনড পার্টিশন অ্যান্ড ইটস পোগ্রোমস : টেস্টিমনিস অন ভায়োলেন্স এগেইনস্ট হিন্দুস ইন ইস্ট বেঙ্গল ১৯৪৬-৬৪ পৃষ্ঠা ৯-এ উদ্ধৃত।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:পাকিস্তানের ইতিহাস]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতের ইতিহাস]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতে ইসলাম]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রাজনৈতিক দল]]
s0o4mp2oirrxpizbo6fmeys58jvz6jz
এআর-১৫ স্টাইল রাইফেল
0
13829
83384
82076
2026-05-04T09:36:33Z
Dr. Mosaddek Khondoker
2987
83384
wikitext
text/x-wiki
[[File:Stag2wi .jpg|thumb]]
'''[[w:এআর-১৫ স্টাইল রাইফেল|এআর-১৫ স্টাইল রাইফেল]]''' হলো হালকা ওজনের আধা-স্বয়ংক্রিয় রাইফেল। এটি [[w:কোল্ট এআর-১৫|কোল্ট এআর-১৫]] এর নকশার ওপর ভিত্তি করে তৈরি। আগ্নেয়াস্ত্র শিল্পের বাণিজ্য সমিতি [[w:ন্যাশনাল শুটিং স্পোর্টস ফাউন্ডেশন|ন্যাশনাল শুটিং স্পোর্টস ফাউন্ডেশন]] এবং কিছু আগ্নেয়াস্ত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এআর-১৫ স্টাইল রাইফেলকে '''আধুনিক স্পোর্টিং রাইফেল''' (এমএসআর) বলে অভিহিত করে।
== উক্তি ==
=== ১৯৬২ ===
* মূল্যায়নে অংশগ্রহণকারী ভিয়েতনামী ইউনিট কমান্ডার এবং মার্কিন উপদেষ্টারা ভিয়েতনামে ব্যবহারের জন্য এআর-১৫ রাইফেলকে বেশি কাঙ্ক্ষিত অস্ত্র বলে মনে করেন। তারা একে এম১ রাইফেল, বিএআর (ব্রাউনিং অটোমেটিক রাইফেল), থম্পসন সাব-মেশিন গান এবং এম১ কার্বাইনের চেয়ে ভালো মনে করেন। এর কারণগুলো হলো:<br>(ক) এম১ রাইফেল, বিএআর, এম১ কার্বাইন বা সাব-মেশিন গানের চেয়ে এআর-১৫ ব্যবহারে ভিয়েতনামী সৈন্যদের প্রশিক্ষণ দেওয়া সহজ।<br>(খ) এআর-১৫-এর শারীরিক বৈশিষ্ট্য ভিয়েতনামী সৈন্যদের ছোট আকৃতির সাথে বেশ মানানসই (পরিশিষ্ট ১৭-এর ১ এবং ২ নং ছবি দেখুন)।<br>(গ) যুদ্ধক্ষেত্র এবং গ্যারিসন উভয় স্থানেই এম১ রাইফেল, বিএআর, সাব-মেশিন গান বা এম১ কার্বাইনের চেয়ে এআর-১৫ রক্ষণাবেক্ষণ করা সহজ।<br>(ঘ) এআর-১৫-এর দৃঢ়তা ও স্থায়িত্ব এম১ রাইফেলের সমতুল্য। এটি বিএআর, সাবমেশিন গান এবং এম১ কার্বাইনের চেয়ে উন্নত।<br>(ঙ) ভিয়েতনামী বাহিনীর বর্তমানে ব্যবহৃত চারটি প্রধান অস্ত্রের যেকোনোটির চেয়ে এআর-১৫ কম লজিস্টিক বোঝা চাপায়।<br>(চ) ভিয়েতনামী বাহিনীর ব্যবহৃত বর্তমান যেকোনো অস্ত্রের চেয়ে এআর-১৫ কৌশলগতভাবে বেশি বহুমুখী।<br>(ছ) আধা-স্বয়ংক্রিয় ফায়ারিংয়ে এআর-১৫-এর নির্ভুলতা এম১ রাইফেলের সমতুল্য এবং এম১ কার্বাইনের চেয়ে উন্নত বলে বিবেচিত হয়।<br>(জ) স্বয়ংক্রিয় ফায়ারিংয়ে এআর-১৫-এর নির্ভুলতা ব্রাউনিং অটোমেটিক রাইফেলের সমতুল্য এবং সাব-মেশিন গানের চেয়ে উন্নত বলে বিবেচিত হয়।
** {{cite web |title=Report of Task 13A: Test of ArmaLite Rifle AR-15 |trans-title=টাস্ক ১৩এ-এর প্রতিবেদন: আরমালাইট রাইফেল এআর-১৫ এর পরীক্ষা |date=২০ আগষ্ট ১৯৬২ |accessdate=৪ অক্টোবর ২০১৮ |author=[[w:অ্যাডভান্সড রিসার্চ প্রজেক্টস এজেন্সি|অ্যাডভান্সড রিসার্চ প্রজেক্টস এজেন্সি]] |url=http://www.dtic.mil/dtic/tr/fulltext/u2/343778.pdf}}
=== ১৯৬৬ ===
* আপনি এই এআর-১৫ দেখছেন, এটি দুর্দান্ত এবং ভয়ংকর,<br>এবং এটি প্রেম বা মজার জন্য তৈরি হয়নি।<br>তবুও এই এআর-১৫ দলের একটি অংশ।<br>এটি সত্যিই এক ভয়ংকর অস্ত্র।
** [[w:আরসিএ|আরসিএ]]-তে "এসএসজিটি ব্যারি স্যাডলার অফ দ্য গ্রিন বেরেটস সিংস দ্য এ টিম" অ্যালবামের "ওয়ান সন-অফ-এ-গান অফ আ গান" গানে [[w:ব্যারি স্যাডলার|ব্যারি স্যাডলার]] ({{cite news |magazine=[[w:টাইম (ম্যাগাজিন)|টাইম]] |first1=উইল |last1=ড্রাবোল্ড |first2=অ্যালেক্স |last2=ফিটজপ্যাট্রিক |title=The Florida School Shooter Used An AR-15 Rifle. Here's What to Know About the Gun |trans-title=ফ্লোরিডার স্কুল শুটার একটি এআর-১৫ রাইফেল ব্যবহার করেছিল। বন্দুকটি সম্পর্কে যা জানা দরকার |date=২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ |accessdate=২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |url=http://time.com/5160267/gun-used-florida-school-shooting-ar-15/}})।
=== ১৯৮১ ===
* [[w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আর্মি ফোর্সেস কমান্ড|কন্টিনেন্টাল আর্মি কমান্ডের]] কমান্ডিং জেনারেল দূরদর্শী [[w:উইলার্ড জি. ওয়াইম্যান|উইলার্ড জি. ওয়াইম্যান]] ছোট গুলির "সুবিধা" কাজে লাগানোর জন্য [[ইউজিন স্টোনার|স্টোনারকে]] নিখুঁতভাবে একটি রাইফেলের নকশা করতে বলেছিলেন। এম-১৬ এর পূর্বসূরি এআর-১৫-এ .৩০-ক্যালিবার গুলির পরিবর্তে .২২-ক্যালিবার গুলি ব্যবহার করা হতো। .৩০-ক্যালিবার দীর্ঘকাল ধরে [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী|সেনাবাহিনীর]] মানদণ্ড ছিল। ১৯২৮ সালের শুরুতেই একটি আর্মি "ক্যালিবার বোর্ড" মেরিল্যান্ডের অ্যাবারডিনে ফায়ারিং পরীক্ষা চালায়। এরপর তারা ছোট গোলাবারুদের দিকে যাওয়ার সুপারিশ করেছিল...
** {{cite news |authorlink=জেমস ফ্যালোস |first=জেমস |last=ফ্যালোস |title=M-16: A Bureaucratic Horror Story |trans-title=এম-১৬: একটি আমলাতান্ত্রিক ভীতিকর গল্প |date=জুন ১৯৮১ |accessdate=৪ অক্টোবর ২০১৮ |magazine=[[w:দ্য আটলান্টিক|দ্য আটলান্টিক]] |url=https://www.theatlantic.com/magazine/archive/1981/06/m-16-a-bureaucratic-horror-story/545153/}}
=== ২০০৯ ===
* গত কয়েক বছরে বন্দুক শিল্পটি কেবল [[একে-৪৭]] এবং এআর-১৫ ধরনের অ্যাসাল্ট রাইফেল বিক্রেতা নির্মাতাদের দ্বারা ক্রমশ নিয়ন্ত্রিত হয়ে উঠেছে। অস্ত্র নির্মাতারা এদেরকে আরও বেশি আকর্ষণীয় ও কম প্রাণঘাতী হিসেবে উপস্থাপন করতে "কালো রাইফেল" নামে নতুন নামকরণ করেছে। এছাড়াও রয়েছে নতুন উচ্চ ক্ষমতার হ্যান্ডগান। এগুলোর মধ্যে রয়েছে রাইফেলের মতো ভেদন ক্ষমতাসম্পন্ন রিভলবার থেকে শুরু করে একে-৪৭ পিস্তল এবং অ্যান্টি-আর্মার ৫০ ক্যালিবারের স্নাইপার রাইফেল। আমার কথা বিশ্বাস হচ্ছে না? ''শটগান নিউজে''র একটি কপি তুলে নিন এবং "প্রথাগত" শিকারের রাইফেলের বিজ্ঞাপনের সংখ্যার (খুব সামান্য) সাথে [[অ্যাসাল্ট রাইফেল|অ্যাসাল্ট রাইফেলের]] (বাকি সব) বিজ্ঞাপনের সংখ্যার তুলনা করুন। সামরিক শৈলীর অস্ত্রগুলো হলো সেইসব বন্দুক, যেগুলো তাক থেকে খুব দ্রুত বিক্রি হয়ে মানুষের ঘরে পৌঁছাচ্ছে। এই মানুষগুলো [[বারাক ওবামা|ওবামা]] প্রশাসনের প্রতিনিধিত্বকারী "পরিবর্তন" নিয়ে ভীত।
** {{cite news |first=জশ |last=সুগারম্যান |authorlink=জশ সুগারম্যান |title=NRA Members Spontaneously Combust |trans-title=এনআরএ সদস্যরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে জ্বলে ওঠে |date=১৫ মার্চ ২০০৯ |accessdate=১৭ অক্টোবর ২০১৮ |publisher=[[w:হাফপোস্ট|হাফপোস্ট]] |url=https://www.huffingtonpost.com/entry/nra-members-spontaneously_b_166444}}
* আমেরিকায় তৈরি বন্দুকই এখন একমাত্র ভোগ্যপণ্য। এগুলো স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার জন্য কোনো ফেডারেল সংস্থা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত নয়...<br>ভোক্তা পণ্যগুলোর মধ্যে বন্দুকের অনন্য অবস্থানের কথা তুলে ধরা হলে, এই শিল্প এবং এর সমর্থক গোষ্ঠী যেমন [[ন্যাশনাল রাইফেল অ্যাসোসিয়েশন|এনআরএ]] এবং ন্যাশনাল শুটিং স্পোর্টস ফাউন্ডেশন (এনএসএসএফ) একটি সুপরিচিত বুলি আউড়ে থাকে। তারা দাবি করে যে তারা আসলে আমেরিকার সবচেয়ে নিয়ন্ত্রিত শিল্প। তারা ডিলার ও প্রস্তুতকারকদের লাইসেন্সিং, ফেডারেল আইনের অধীনে বন্দুক কেনার জন্য ন্যূনতম প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, লাইসেন্সপ্রাপ্ত ডিলারের কাছ থেকে অস্ত্র কেনার জন্য সমস্ত ক্রেতাদের বাধ্যতামূলক ব্র্যাডি ব্যাকগ্রাউন্ড চেকের কথা উল্লেখ করে। এছাড়াও এটিএফ (অ্যালকোহল, টোব্যাকো, ফায়ারআর্মস অ্যান্ড এক্সপ্লোসিভস ব্যুরো) বছরে একবার ডিলারের বিক্রির রেকর্ড পরীক্ষা করতে পারে। তবে সংস্থাটির কাছে এমন সুবিধা খুব কমই ব্যবহার করার মতো জনবল রয়েছে। তবুও এগুলো বিক্রির মানদণ্ড, পণ্যের নিরাপত্তার মানদণ্ড নয়। অন্যান্য ভোগ্যপণ্যের জন্য নিয়মিতভাবে প্রদত্ত এবং আমেরিকান জনসাধারণের দ্বারা প্রত্যাশিত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের ক্ষমতা এটিএফ-এর নেই...<br>আর বন্দুক শিল্প যেহেতু বেসমারিক বাজারের জন্য ক্রমশ প্রাণঘাতী '''সামরিক শৈলীর অস্ত্র''' দিয়ে তাদের অনন্য মর্যাদাকে কাজে লাগিয়ে চলেছে, তাই এই বৈষম্য কেবল আরও স্পষ্ট হয়ে উঠতে পারে।
** {{cite news |first=জশ |last=সুগারম্যান |authorlink=জশ সুগারম্যান |title=Gunmakers Now Last Unregulated Industry |trans-title=অস্ত্র নির্মাতারাই এখন সর্বশেষ অনিয়ন্ত্রিত শিল্প |date=২৩ জুলাই ২০০৯ |accessdate=১৭ অক্টোবর ২০১৮ |publisher=[[w:হাফপোস্ট|হাফপোস্ট]] |url=https://www.huffingtonpost.com/entry/gunmakers-now-last-unregu_b_219173}}
=== ২০১০ ===
* আপনার ম্যান কার্ডটি পুনরায় ইস্যু করা হয়েছে বলে ধরে নিন। এটি পেশাদারদের জন্য যথেষ্ট ভালো হলে আপনার জন্যও যথেষ্ট ভালো হবে। বুশমাস্টার। বিশ্বের সেরা বাণিজ্যিক এআর-প্ল্যাটফর্ম রাইফেল।
** [[w:বুশমাস্টার ফায়ারআর্মস ইন্টারন্যাশনাল|বুশমাস্টার ফায়ারআর্মস ইন্টারন্যাশনালের]] বিজ্ঞাপন, ২০১০ থেকে ২০১২ ({{cite news |title=Bushmaster Firearms, Your Man Card Is Revoked |trans-title=বুশমাস্টার ফায়ারআর্মস, আপনার ম্যান কার্ড বাতিল করা হয়েছে |first=হ্যামিল্টন |last=নোলান |agency= [[w:গকার|গকার]] |date=১৭ ডিসেম্বর ২০১২ |accessdate=২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |url=http://gawker.com/5969150/bushmaster-firearms-your-man-card-is-revoked}}; {{cite news |title=Gunmaker’s ads influenced Adam Lanza to buy AR-15 assault rifle for Sandy Hook massacre, lawyer says |trans-title=অস্ত্র নির্মাতার বিজ্ঞাপনগুলো অ্যাডাম ল্যাঞ্জাকে স্যান্ডি হুক গণহত্যার জন্য এআর-১৫ অ্যাসাল্ট রাইফেল কিনতে প্রভাবিত করেছিল, দাবি আইনজীবীর |first1=এশা |last1=রায় |first2=ল্যারি |last2=ম্যাকশেন |newspaper=[[w:নিউ ইয়র্ক ডেইলি নিউজ|নিউ ইয়র্ক ডেইলি নিউজ]] |date=১৪ নভেম্বর ২০১৭ |accessdate=২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |url=http://www.nydailynews.com/news/national/lawyer-gun-maker-not-blame-sandy-hook-ar-15-ads-article-1.3632565}}; {{cite news |title=Not man enough? Buy a gun |trans-title=যথেষ্ট পুরুষ নন? বন্দুক কিনুন |first=পল |last=ওয়াল্ডম্যান |agency=[[w:সিএনএন|সিএনএন]] |date=২১ ডিসেম্বর ২০১২ |accessdate=২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |url=https://www.cnn.com/2012/12/20/opinion/waldman-guns-manhood/index.html}}; {{cite journal |title=Consider Your Man Card Reissued: Masculine Honor and Gun Violence |trans-title=আপনার ম্যান কার্ড পুনরায় ইস্যু করা হয়েছে বলে ধরে নিন: পৌরুষের সম্মান এবং বন্দুক সহিংসতা |first=অ্যামি |last=শাফেলটন |date=২৪ আগষ্ট ২০১৫ |doi=10.1111/edth.12123 |journal=এডুকেশনাল থিওরি |volume=৬৫ |issue=৪ |pages=৩৮৭–৪০৩}}; {{cite news |title=Remington’s Bankruptcy Stalls Ruling in Sandy Hook Families’ Suit |trans-title=রেমিংটনের দেউলিয়াত্ব স্যান্ডি হুক পরিবারের মামলায় রায় স্থগিত করেছে |newspaper=[[w:দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস]] |url=https://www.nytimes.com/2018/04/01/nyregion/remington-sandy-hook-shooting.html |first=ক্রিস্টিন |last1=হাসি |first2=রিক |last2=রোজাস |date=১ এপ্রিল ২০১৮ |accessdate=২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮}}; {{cite news |title=Sandy Hook families cannot hold gun company liable in massacre, judge rules |trans-title=স্যান্ডি হুক পরিবারগুলো গণহত্যার জন্য বন্দুক কোম্পানিকে দায়ী করতে পারবে না, বিচারকের রায় |newspaper=[[w:দ্য গার্ডিয়ান|দ্য গার্ডিয়ান]] |first=লোয়েস |last=বেকেট |date=১৪ অক্টোবর ২০১৬ |accessdate=২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |url=https://www.theguardian.com/us-news/2016/oct/14/sandy-hook-massacre-families-gun-company-lawsuit-ruling}}; {{cite news |title=How Macho Ads for Assault Rifles Might Backfire |trans-title=অ্যাসাল্ট রাইফেলের পৌরুষদীপ্ত বিজ্ঞাপনগুলো কীভাবে বুমেরাং হতে পারে |first=এরিক |last=লারসন |date=১৩ জুন ২০১৬ |accessdate=২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |agency=[[w:ব্লুমবার্গ নিউজ|ব্লুমবার্গ নিউজ]] |url=https://www.bloomberg.com/news/articles/2016-06-13/how-macho-ads-for-assault-rifles-might-backfire}}; {{cite news |date=১৭ ডিসেম্বর ২০১২ |accessdate=২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |title=Bushmaster Rifle Ad Reminds Us To Ask More About Masculinity And Gun Violence |trans-title=বুশমাস্টার রাইফেলের বিজ্ঞাপন আমাদের পৌরুষ এবং বন্দুক সহিংসতা সম্পর্কে আরও প্রশ্ন করতে মনে করিয়ে দেয় |first=এমা |last=গ্রে |agency=[[w:হাফপোস্ট|হাফপোস্ট]] |url=https://www.huffingtonpost.com/emma-gray/bushmaster-rifle-ad-masculinity-gun-violence-newtown-adam-lanza_b_2317924.html}}; {{cite news |title=Toxic gaming culture can’t fully explain the Jacksonville Madden shooting |trans-title=বিষাক্ত গেমিং সংস্কৃতি জ্যাকসনভিল ম্যাডেন শুটিংকে পুরোপুরি ব্যাখ্যা করতে পারে না |first=ক্যাথরিন |last=ক্রস |date=৩০ আগষ্ট ২০১৮ |accessdate=২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |url=https://www.theverge.com/2018/8/30/17799582/jacksonville-madden-tournament-shooting-toxic-gaming-culture |publisher=[[w:ভক্স মিডিয়া|ভক্স মিডিয়া]] |work=[[w:দ্য ভার্জ|দ্য ভার্জ]]}})।
* ভিয়েতনাম থেকে পাওয়া গোপন প্রতিবেদনগুলোতে এআর-১৫-কে উচ্চ নম্বর দেওয়া হচ্ছিল এবং এটি চমক সৃষ্টি করেছিল। মাঠপর্যায়ের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল যে এআর-১৫ থেকে ছোড়া গুলি যখন কোনো মানুষের গায়ে লাগে, তখন তা ধ্বংসাত্মক ক্ষতের সৃষ্টি করে।<br>এর কারণ সম্ভবত দুটি ছিল। প্রথমত, প্রাথমিক এআর-১৫ বুলেটের ধাতব জ্যাকেটটি আঘাত হানার পর টুকরো টুকরো হয়ে যাওয়ার প্রবণতা ছিল। এটি শিকারের শরীরে খণ্ডিত অংশ ঢুকিয়ে দিত। সেনাবাহিনীতে এটিকে আকর্ষণীয় এবং উদ্বেগজনক উভয়ভাবেই দেখা হয়েছিল। গোপন চিঠিপত্রে কিছু কর্মকর্তা আঘাত করার অনুভূত বৈশিষ্ট্য দেখে রোমাঞ্চিত হয়েছিলেন। একজন বিশিষ্ট সেনা চিকিৎসক একে "বিস্ফোরক প্রভাব" হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন। অন্যদিকে, কেউ কেউ ভেবেছিলেন .২২৩ রাউন্ডটি আন্তর্জাতিক কনভেনশনের অধীনে অবৈধ হতে পারে কি না। দ্বিতীয়ত, বুলেটগুলো প্রায়শই শিকারের ভেতরে আড়াআড়িভাবে ঘুরে যেত। এই ঘটনাটি ইয়াও (yaw) নামে পরিচিত। এক দিক থেকে স্পিডবোট হঠাৎ ঘুরে গেলে হ্রদের পৃষ্ঠে যেমন দেখা যায়, ইয়াওর প্রভাবও কিছুটা সেরকম। এক্ষেত্রে শক্তির সঞ্চালন মানবদেহের ভেতরে একটি শকওয়েভ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। এটি বুলেটের সরাসরি পথে না থাকা টিস্যুগুলোতেও প্রসারণ বা ফেটে যাওয়ার মতো ক্ষতের সৃষ্টি করতে পারে। ঘোরার মাধ্যমে বুলেটটি শিকারের ভেতর দিয়ে যাওয়ার সময় আরও বেশি টিস্যু পিষ্ট করে এবং কাটে। এর ফলে একটি বড় ক্ষতের চ্যানেল তৈরি হয়।
** {{cite book |title=The Gun |trans-title=দ্য গান |authorlink=w:সি. জে. শিভার্স |first=সি. জে. |last=শিভার্স |year=২০১০ |publisher=সায়মন অ্যান্ড শুস্টার |isbn=9780743270762}}
* [[w:আরমালাইট|আরমালাইট]] ছিল একটি নতুন এবং উদীয়মান কোম্পানি। এটি [[w:লকহিড কর্পোরেশন|লকহিড এয়ারক্রাফট কর্পোরেশনের]] পেটেন্ট কাউন্সেল জর্জ সুলিভানের হলিউডের গ্যারেজে একটি ওয়ার্কশপ হিসেবে শুরু হয়েছিল। সুলিভান ছিলেন একজন প্রকৌশলী। তিনি রাইফেলের চেহারা এবং অনুভূতি পরিবর্তনের জন্য নতুন উপকরণ প্রয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে মুগ্ধ ছিলেন। ১৯৫৩ সালে একটি শিল্প মধ্যাহ্নভোজে ফেয়ারচাইল্ড ইঞ্জিন অ্যান্ড এয়ারপ্লেন কর্পোরেশনের সেক্রেটারি পল ক্লিভল্যান্ডের সাথে তার দেখা হয়। এই জুটি হালকা ওজনের আগ্নেয়াস্ত্র এবং সেগুলো তৈরির নতুন উপায় নিয়ে আলোচনা করেন। ক্লিভল্যান্ড কথোপকথনের বিষয়টি ফেয়ারচাইল্ডের প্রেসিডেন্ট রিচার্ড বাউটেলকে জানান। বাউটেলও একজন বন্দুক অনুরাগী ছিলেন। বাউটেল এবং সুলিভান সহযোগিতা করতে সম্মত হন। এর ফলে ১৯৫৪ সালে ফেয়ারচাইল্ডের একটি ছোট বিভাগ হিসেবে আরমালাইট প্রতিষ্ঠিত হয়। তারা একজন প্রাক্তন মেরিন ইউজিন স্টোনারকে নকশাকার হিসেবে নিয়োগ দেয়।<br>প্রাথমিক সৃষ্টিগুলোর মধ্যে একটি ছিল এআর-১৫। এটি মূলত একজন সেনা জেনারেলের অনানুষ্ঠানিক অনুরোধে তৈরি করা হয়েছিল। তিনি এমন একটি প্রোটোটাইপ রাইফেল চেয়েছিলেন যা ছোট আকারের এবং উচ্চ-গতির রাউন্ড ফায়ার করতে পারবে। এআর-১৫ সামরিক বাহিনীর অন্য যেকোনো অস্ত্রের চেয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন দেখতে ছিল। এর একটি অ্যালুমিনিয়াম রিসিভার, প্লাস্টিকের আসবাবপত্র এবং একটি অদ্ভুত দেখতে বহনের হাতল ছিল। এটি ৩৯ ইঞ্চি লম্বা ছিল। আনলোড করা অবস্থায় এর ওজন ছিল প্রায় ৬.৫ পাউন্ড, যা একটি স্বয়ংক্রিয় এম১৪-এর ওজনের প্রায় অর্ধেক। এর চেহারাটি ছিল ছোট, গাঢ়, ছিপছিপে এবং কৃত্রিমভাবে ভবিষ্যৎমুখী। এটি মানুষের আবেগকে নাড়া দিয়েছিল। এর সমর্থকদের কাছে এআর-১৫ ছিল নতুন চিন্তার মূর্ত প্রতীক। সমালোচকরা একে একটি কুৎসিত খেলনা হিসেবে দেখেছিল। তবে যে পক্ষেই থাকুক না কেন, কেউ এর কৌতূহলোদ্দীপক ব্যালিস্টিকসকে অস্বীকার করেনি। স্টোনার তার এই অস্ত্রের জন্য একটি সরু কিন্তু শক্তিশালী নতুন কার্তুজ .২২৩-এর নকশা করেছিলেন। কার্তুজের প্রপেলান্ট এবং এআর-১৫-এর কুড়ি ইঞ্চির ব্যারেল একসাথে মিলে একটি ছোট বুলেটকে অতিদ্রুত গতিতে চালিত করত। এর গতি ছিল সেকেন্ডে বত্রিশশো ফুটেরও বেশি, যা শব্দের গতির প্রায় তিনগুণ।
** {{cite news |title=The Gun: A Violent History of the AK-47 |trans-title=দ্য গান: একে-৪৭ এর একটি সহিংস ইতিহাস |authorlink=w:সি. জে. শিভার্স |first=সি. জে. |last=শিভার্স |date=২৭ অক্টোবর ২০১০ |accessdate=৪ অক্টোবর ২০১৮ |magazine=[[w:এস্কয়ার (ম্যাগাজিন)|এস্কয়ার]] |url=https://www.theatlantic.com/magazine/archive/1981/06/m-16-a-bureaucratic-horror-story/545153/}}
* [[ন্যাশনাল রাইফেল অ্যাসোসিয়েশন]] এবং বন্দুক শিল্পের অন্যতম বড় প্রতিভা হলো বন্দুক বিক্রি বাড়ানোর জন্য বড় ঘটনাগুলোকে কাজে লাগানোর ক্ষমতা। যেমন: [[বিল ক্লিনটন]], ব্র্যাডি বিল, ফেডারেল [[অ্যাসাল্ট ওয়েপন|অ্যাসাল্ট ওয়েপনস]] "নিষেধাজ্ঞা", ওয়াই২কে, ১১ সেপ্টেম্বর এবং এখন অবশ্যই [[বারাক ওবামা]]। ঘটনা যাই হোক না কেন, সমাধান একই থাকে: বন্দুক কিনুন। শিল্প ও বন্দুক ভক্তদের ম্যাগাজিনগুলো থেকে কোনো ইঙ্গিত পেলে, সেটি অবশ্যই এআর-১৫ অ্যাসাল্ট রাইফেল হওয়া উচিত।
** {{cite news |first=জশ |last=সুগারম্যান |authorlink=জশ সুগারম্যান |title=The Collapse of the AR-15 Assault Weapon Market |trans-title=এআর-১৫ অ্যাসাল্ট অস্ত্র বাজারের পতন |date=৪ মে ২০১০ |accessdate=১৭ অক্টোবর ২০১৮ |publisher=[[w:হাফপোস্ট|হাফপোস্ট]] |url=https://www.huffingtonpost.com/entry/the-collapse-of-the-ar-15_b_485957}}
* বন্দুক কোম্পানিগুলোর একটি "পরিবার" হলো ফ্রিডম গ্রুপ। এটি সারবেরাস ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট (অন্যান্য অনেক কিছুর সাথে ক্রাইসলারের প্রাক্তন মালিক) দ্বারা একত্রিত হয়েছে। দীর্ঘ-হুমকির সম্মুখীন স্টক আইপিও (ইনিশিয়াল পাবলিক অফারিং)-এর প্রত্যাশায় তারা সম্প্রতি সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)-এ নতুন নথিপত্র জমা দিয়েছে। কিন্তু পরিস্থিতি খুব একটা ভালো নয়।<br>ফ্রিডম গ্রুপের কোম্পানিগুলো স্পোর্টিং অস্ত্র থেকে শুরু করে অ্যাসাল্ট অস্ত্র পর্যন্ত সবকিছুই পরিচালনা করে। বুশমাস্টার এবং ডিপিএমএস (এআর-১৫ ধরনের অ্যাসাল্ট রাইফেলের দুটি শীর্ষস্থানীয় নির্মাতা) ছাড়াও ফ্রিডম গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত কোম্পানি এবং ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে রয়েছে: রেমিংটন, মার্লিন, হ্যারিংটন অ্যান্ড রিচার্ডসন, নিউ ইংল্যান্ড ফায়ারআর্মস, এল.সি. স্মিথ, ডাকোটা আর্মস, অ্যাডভান্সড আর্মামেন্ট কর্পোরেশন এবং বার্নস বুলেটস। ফ্রিডম গ্রুপ জানিয়েছে যে শটগান (৩১ শতাংশ), গোলাবারুদ (৩৩ শতাংশ), প্রথাগত রাইফেল (৩৭ শতাংশ) এবং "'''আধুনিক স্পোর্টিং রাইফেল'''" (৪৮ শতাংশ)-এর ক্ষেত্রে তাদের অবস্থান মার্কিন বাজারে এক নম্বরে।
** {{cite news |first=জশ |last=সুগারম্যান |authorlink=জশ সুগারম্যান |title=Obama Gun Boom Comes to an Official End |trans-title=ওবামা বন্দুক বুমের আনুষ্ঠানিকভাবে সমাপ্তি |date=২০ মে ২০১০ |accessdate=১৭ অক্টোবর ২০১৮ |publisher=[[w:হাফপোস্ট|হাফপোস্ট]] |url=https://www.huffingtonpost.com/entry/obama-gun-boom-comes-to-a_b_583361}}
=== ২০১২ ===
* [[w:বুশমাস্টার এক্সএম-১৫|বুশমাস্টার]] হলো এআর-১৫ নামক এক ধরনের বন্দুকের একটি রূপ... এটি প্রায় [[ভিয়েতনাম যুদ্ধ|ভিয়েতনাম যুদ্ধের]] সময় সামরিক ব্যবহারের জন্য নকশা ও তৈরি করা হয়েছিল। এটি বিশ্বের সামরিক বাহিনীগুলোর তৈরি করা বিভিন্ন [[অ্যাসাল্ট রাইফেল|অ্যাসাল্ট রাইফেলের]] মধ্যে অন্যতম। তারা যখন বুঝতে পেরেছিল যে বেশিরভাগ সৈন্যই যুদ্ধে নিয়োজিত থাকার সময় নিখুঁত লক্ষ্য স্থির করে না বা দীর্ঘ দূরত্বে গুলি ছোড়ে না, বরং স্বল্প থেকে মাঝারি পরিসরে শত্রুর সাধারণ দিকে কেবল গুলি ছুড়তে থাকে, তখনই তারা এই অস্ত্র তৈরি করে। সামরিক বাহিনী যখন এই সত্যটি মেনে নেয় যে, সৈন্যরা মার্কসম্যান নয় এবং তারা সাধারণত অস্পষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে ঝাঁকে ঝাঁকে গুলি ছুড়তে প্রবণ। এছাড়া যুদ্ধক্ষেত্রের বেশিরভাগ আহত হওয়ার ঘটনাই আসলে কেউ আপনার দিকে সরাসরি তাক করার ফল নয়, বরং বুলেটের গতিপথে থাকার কারণে ঘটে। তখন বিশ্বের সামরিক বাহিনীগুলো বলেছিল, 'ঠিক আছে, আমাদের সৈন্যদের দেওয়ার জন্য আমাদের এমন এক ধরনের বন্দুক দরকার যা ঠিক এই কাজটিই করবে।'... এভাবেই অ্যাসাল্ট রাইফেলের উৎপত্তি হয়। ১৯৪৪ সালে জার্মানরা প্রথম এটি তৈরি করেছিল। এর নাম ছিল [[w:এসটিজি-৪৪|এসটিজি-৪৪]]। সোভিয়েত সেনাবাহিনীও খুব দ্রুত এর মতো একটি নকশা তৈরি করেছিল, যাকে [[একে-৪৭]] বলা হয়। এটি সম্ভবত বিশ্বের সবচেয়ে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত রাইফেল।
** স্যান্ডি হুক এলিমেন্টারি স্কুল শুটিংয়ে ব্যবহৃত [[w:বুশমাস্টার এক্সএম-১৫|বুশমাস্টার এক্সএম-১৫]] সম্পর্কে [[w:ভায়োলেন্স পলিসি সেন্টার|ভায়োলেন্স পলিসি সেন্টারের]] নীতি বিশ্লেষক [[টম ডিয়াজ]] ({{cite news |title=Assault-Style Weapons In The Civilian Market |trans-title=বেসামরিক বাজারে অ্যাসাল্ট-স্টাইলের অস্ত্র |date=২০ ডিসেম্বর ২০১২ |work=[[w:ফ্রেশ এয়ার|ফ্রেশ এয়ার]] |agency=[[w:এনপিআর|এনপিআর]] |url=https://www.npr.org/2012/12/20/167694808/assault-style-weapons-in-the-civilian-market}})।
* এম-১৬ এর জন্য সামরিক চুক্তি পাওয়া কোল্ট ম্যানুফ্যাকচারিং বুঝতে পেরেছিল যে এই রাইফেলের জন্য একটি বেসামরিক বাজারও থাকতে পারে। তাই তারা এআর-১৫ নামে একটি রাইফেল তৈরি করে। এটি আসলে রাইফেলের মূল উন্নয়নমূলক নাম ছিল। বেসামরিক বাজারে বিক্রি হওয়া এই রাইফেলগুলোর সাথে আমাদের সৈন্যদের এবং সারা বিশ্বের সৈন্যদের ইস্যু করা রাইফেলগুলোর মধ্যে একমাত্র পার্থক্য হলো খাঁটি সামরিক রাইফেলটি সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় ফায়ার করতে সক্ষম। এর মানে হলো আপনি যদি ট্রিগার টেনে ধরে রাখেন, তবে বন্দুকটি ম্যাগাজিন নামক গুলি রাখার স্থানে থাকা সমস্ত গোলাবারুদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত ফায়ার করতে থাকবে। ১৯৮০-এর দশকের মাঝামাঝি থেকে বেসামরিক ব্যবহারের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মেশিনগান কার্যকরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তাই এই বন্দুকগুলোকে আধা-স্বয়ংক্রিয় হিসেবে কনফিগার করা প্রয়োজন। এর মানে হলো প্রতিটি রাউন্ড ফায়ার করার জন্য আপনাকে ট্রিগার টানতে হবে। ফায়ারিংয়ের হার নিয়ে একটি প্রশ্ন রয়েছে, যা শিল্প ও [[ন্যাশনাল রাইফেল অ্যাসোসিয়েশন|এনআরএ]] এবং বেসামরিক মানুষের হাতে এই বন্দুক রাখার অন্যান্য সমর্থকরা করে থাকে। এটি অনেকটা এমন: আচ্ছা, সামরিক বন্দুকগুলো সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয়, তাই সেগুলো প্রযুক্তিগতভাবে মেশিনগান, কিন্তু বেসামরিক বন্দুকগুলো তা নয়। সেগুলো আধা-স্বয়ংক্রিয়, এবং তাই সেগুলো [[অ্যাসাল্ট রাইফেল]] নয়। এটি আসলে কোনো পার্থক্য ছাড়াই একটি পার্থক্য। ১৯৮০-এর দশকের গোড়ার দিকে বন্দুক পক্ষের অনেক লেখক এটি উল্লেখ করেছিলেন। এমনকি শিল্পটি দুর্ভাগ্যজনক ঘটনাগুলোর সাথে জড়িত হওয়ার আগ পর্যন্ত এগুলোকে অ্যাসাল্ট রাইফেল বলত... আমি যে কারণে একে কোনো পার্থক্য ছাড়াই একটি পার্থক্য বলছি তা হলো আধা-স্বয়ংক্রিয় ফায়ারিংয়ে খুব দ্রুত হারে ট্রিগার টানা যায় এবং এটি আসলে আরও নিখুঁত... স্বয়ংক্রিয় ফায়ারিংয়ে বন্দুকের উপরের দিকে ওঠার বা ভ্রমণ করার প্রবণতা থাকে। আপনি যদি শুটিং রেঞ্জগুলোতে যান যেখানে স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র ব্যবহার করা হয়, তবে আপনি প্রায়শই সিলিংয়ে বুলেটের গর্ত দেখতে পাবেন। কারণ ট্রিগার টানলে - ব্রররুপ - এর মতো চারিত্রিক শব্দের সাথে বন্দুকটি উপরের দিকে উঠে যাবে। আধা-স্বয়ংক্রিয় ফায়ারিংয়ে এমনটা হয় না। এই কারণেই সামরিক বাহিনী সৈন্যদের যখনই সম্ভব স্বয়ংক্রিয় না করে আধা-স্বয়ংক্রিয় ফায়ার করতে উৎসাহিত করে।
** [[টম ডিয়াজ]] ({{cite news |title=Assault-Style Weapons In The Civilian Market |trans-title=বেসামরিক বাজারে অ্যাসাল্ট-স্টাইলের অস্ত্র |date=২০ ডিসেম্বর ২০১২ |work=[[w:ফ্রেশ এয়ার|ফ্রেশ এয়ার]] |agency=[[w:এনপিআর|এনপিআর]] |url=https://www.npr.org/2012/12/20/167694808/assault-style-weapons-in-the-civilian-market}})।
* বন্দুক শিল্প এই সামরিক শৈলীর বন্দুকগুলো বাজারজাত করার জন্য একধরনের অভ্যন্তরীণ সৈন্যসত্তা, বিদ্রোহী অনুভূতি এবং উচ্চ-প্রযুক্তিগত আকাঙ্ক্ষার কাছে আবেদন তৈরি করেছে। এখন তারা এদের [[অ্যাসাল্ট রাইফেল]] বলে না। তারা কয়েকটি পরিভাষা ব্যবহার করে। তারা এদেরকে ট্যাকটিক্যাল রাইফেল বলে। তারা এদেরকে আধুনিক স্পোর্টিং রাইফেল বলে। আপনি এদেরকে কী নামে ডাকবেন তাতে ব্যক্তিগতভাবে আমার কিছু যায় আসে না। এগুলো মূলত অ্যাসাল্ট রাইফেল এবং এদের উদ্দেশ্য মানুষকে হত্যা করা।
** [[টম ডিয়াজ]] ({{cite news |title=Assault-Style Weapons In The Civilian Market |trans-title=বেসামরিক বাজারে অ্যাসাল্ট-স্টাইলের অস্ত্র |date=২০ ডিসেম্বর ২০১২ |accessdate=৬ অক্টোবর ২০১৮ |work=[[w:ফ্রেশ এয়ার|ফ্রেশ এয়ার]] |agency=[[w:এনপিআর|এনপিআর]] |url=https://www.npr.org/2012/12/20/167694808/assault-style-weapons-in-the-civilian-market}})।
* এর উদ্ভট পরিহাসটি কী? ন্যাশনাল শুটিং স্পোর্টস ফাউন্ডেশনের অবস্থান। তারা [[অ্যাসাল্ট ওয়েপন|অ্যাসাল্ট অস্ত্রকে]] আধুনিক স্পোর্টিং রাইফেল হিসেবে রিব্র্যান্ড করার কাজটিতে নেতৃত্ব দিয়েছে।
** [[w:কানেটিকাট|কানেটিকাটের]] [[w:নিউটাউন, কানেটিকাট|নিউটাউনে]] [[স্যান্ডি হুক এলিমেন্টারি স্কুল শুটিং|স্যান্ডি হুক এলিমেন্টারি স্কুলে শুটিংয়ের]] পর [[জশ সুগারম্যান]] ({{cite news |last=অলিঙ্গার |first=ডেভিড |title=War comes home for founder of group fighting for assault weapons ban |trans-title=অ্যাসাল্ট অস্ত্র নিষেধাজ্ঞার জন্য লড়াই করা গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতার বাড়িতে যুদ্ধ ফিরে এসেছে |date=২১ ডিসেম্বর ২০১২ |accessdate=১৯ অক্টোবর ২০১৮ |newspaper=[[w:দ্য ডেনভার পোস্ট|দ্য ডেনভার পোস্ট]]|url=https://www.denverpost.com/2012/12/21/war-comes-home-for-founder-of-group-fighting-for-assault-weapons-ban/ }})।
* গত শুক্রবার, ২০ বছর বয়সী অ্যাডাম ল্যাঞ্জা একটি এআর-১৫ আধা-স্বয়ংক্রিয় রাইফেল দিয়ে [[স্যান্ডি হুক এলিমেন্টারি স্কুল শুটিং|স্যান্ডি হুক স্কুলে]] ২৬ জন শিক্ষার্থী এবং শিক্ষককে হত্যা করেছে। এর ফলে সৃষ্ট বিতর্কের বেশিরভাগ অংশই এই ধরনের অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ এবং সম্ভাব্য নিষেধাজ্ঞার উপায়গুলোর ওপর আলোকপাত করেছে। তো, আমেরিকায় আসলে কতগুলো অটো-লোডিং রাইফেল রয়েছে?<br>অরাজনৈতিক [[w:ভায়োলেন্স পলিসি সেন্টার|ভায়োলেন্স পলিসি সেন্টার]] তাদের ২০১১ সালের "দ্য মিলিটারাইজেশন অফ দ্য ইউ.এস. সিভিলিয়ান ফায়ারআর্মস মার্কেট" শীর্ষক প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে যে "বেসামরিক নাগরিকদের কাছে সামরিক সরঞ্জামযুক্ত আগ্নেয়াস্ত্র বিক্রি করা-অর্থাৎ সামরিক তালিকায় থাকা অস্ত্র বা সামরিক নকশার ওপর ভিত্তি করে তৈরি অস্ত্র বিক্রি করা-১৯৮০-এর দশক থেকে শিল্পের বেসামরিক নকশা এবং বিপণন কৌশলের মূল লক্ষ্য।" বিনিয়োগকারীদের কাছে দেওয়া ২০১১ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনে [[স্মিথ অ্যান্ড ওয়েসন]] হোল্ডিং কোম্পানি উল্লেখ করেছে যে "আধুনিক স্পোর্টিং রাইফেল"-এর জন্য একটি '''৪৮৯ মিলিয়ন ডলারের দেশীয়, অসামরিক বাজার''' রয়েছে। এটি অটো-লোডিং, অ্যাসাল্ট-শৈলীর রাইফেলের একটি সুভাষিত নাম। আধুনিক স্পোর্টিং রাইফেলগুলো সম্ভবত দেশীয় লং গান শিল্পের '''সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল অংশ'''। ফ্রিডম গ্রুপের সবচেয়ে সাম্প্রতিক বার্ষিক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০০৭ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত দেশীয় ভোক্তা লং গানের বিক্রি ৩ শতাংশ চক্রবৃদ্ধি বার্ষিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে আধুনিক স্পোর্টিং রাইফেলের বিক্রি ২৭ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।
** {{cite news |date=২০ ডিসেম্বর ২০১২ |title=How Many Assault Weapons Are There in America? How Much Would It Cost the Government To Buy Them Back? |trans-title=আমেরিকায় কতগুলো অ্যাসাল্ট অস্ত্র রয়েছে? সেগুলো ফেরত কিনতে সরকারের কত খরচ হবে? |first=জাস্টিন |last=পিটার্স |accessdate=৪ নভেম্বর ২০১৮ |magazine=[[w:স্লেট (ম্যাগাজিন)|স্লেট]] |url=http://www.slate.com/blogs/crime/2012/12/20/assault_rifle_stats_how_many_assault_rifles_are_there_in_america.html}}
* [[w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গণ গোলাগুলি|গণ গোলাগুলির]] পর সামরিক-শৈলীর রাইফেল এবং [[উচ্চ-ক্ষমতার ম্যাগাজিন|উচ্চ-ক্ষমতার অ্যামোনিশন ম্যাগাজিন]] নিষিদ্ধ করার আইনি প্রচেষ্টার আগে এগুলোর প্রবল চাহিদা জোগানকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে....<br>অনলাইন খুচরা বিক্রেতাদের কাছে আধা-স্বয়ংক্রিয় রাইফেল শেষ হয়ে যাচ্ছে। এগুলো বিভিন্নভাবে [[অ্যাসাল্ট ওয়েপন|অ্যাসাল্ট অস্ত্র]], ট্যাকটিক্যাল রাইফেল বা আধুনিক স্পোর্টিং রাইফেল এবং ১০ রাউন্ডের বেশি ধারণ করতে পারে এমন ম্যাগাজিন হিসেবে পরিচিত।<br>ইট-পাথরের তৈরি বন্দুকের দোকানগুলোও চাহিদা মেটাতে উন্মত্তভাবে কাজ করছে।
** {{cite news |title=Assault rifles are selling out |trans-title=অ্যাসাল্ট রাইফেল বিক্রি হয়ে যাচ্ছে |first=অ্যারন |last=স্মিথ |date=৩১ ডিসেম্বর ২০১২ |accessdate=৭ নভেম্বর ২০১৮ |agency=[[w:সিএনএন|সিএনএন]] |url=http://money.cnn.com/2012/12/31/news/companies/assault-rifles-gun-sales/index.html}}
=== ২০১৩ ===
* ''দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের'' স্টাইল গাইড এআর-১৫-কে একটি "আধুনিক অ্যাসাল্ট অস্ত্র" হিসেবে বর্ণনা করে।
** {{cite news |title=Is it fair to call them "assault weapons"’? |trans-title=এদের "অ্যাসাল্ট অস্ত্র" বলা কি যুক্তিসঙ্গত? |first=অ্যারন |last=ব্লেক |date=১৭ জানুয়ারি ২০১৩ |accessdate=২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |newspaper=[[w:দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট|দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট]] |url=https://www.washingtonpost.com/news/the-fix/wp/2013/01/17/is-it-fair-to-call-them-assault-weapons/}}
* [[অ্যাসাল্ট ওয়েপন|অ্যাসাল্ট অস্ত্রগুলো]] আমাদের যুদ্ধক্ষেত্রের জন্য তৈরি করা হয়েছিল এবং সেখানেই ব্যবহার করা উচিত, আমাদের রাস্তায় নয়। এআর-১৫ অ্যাসাল্ট রাইফেলগুলোতে [[উচ্চ-ক্ষমতার ম্যাগাজিন|১০০-রাউন্ডের ক্লিপ]] রাখা এবং চালানোর কোনো অবিচ্ছেদ্য অধিকার নেই।
** [[নিউ ইয়র্ক|নিউ ইয়র্কের]] সিনেটর [[চাক শুমার]], [[w:২০১৩ সালের অ্যাসাল্ট ওয়েপনস ব্যান|২০১৩ সালের অ্যাসাল্ট ওয়েপনস ব্যান]] প্রবর্তনের সময় ({{cite news |title=Feinstein floats assault weapons ban |trans-title=ফেইনস্টাইন অ্যাসাল্ট অস্ত্র নিষেধাজ্ঞার প্রস্তাব দিয়েছেন |first=জিঞ্জার |last=গিবসন |date=২৪ জানুয়ারি ২০১৩ |accessdate=৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |agency=[[w:পলিটিকো|পলিটিকো]] |url=https://www.politico.com/story/2013/01/dianne-feinstein-assault-weapons-ban-086684}})।
* বেসামরিক বাজারে ওই নকশাগুলোর বৈশিষ্ট্যের ভয়াবহ পরিণতি রয়েছে। তাই আপনি এটিকে যা খুশি বলতে পারেন - ট্যাকটিক্যাল রাইফেল, কালো রাইফেল, [[অ্যাসাল্ট রাইফেল]], আধুনিক স্পোর্টিং রাইফেল। যুদ্ধের জন্য সামরিক বাহিনী যা চেয়েছিল এর সেই সক্ষমতা রয়েছে... এটি একটি বাস্তবতা যে শিকার করা মারাত্মকভাবে হ্রাস পেয়েছে। তাই ওই ধরনের বন্দুকগুলো আগের মতো ভালোভাবে বিক্রি হয় না। আপনি যখন ব্যবসায় আছেন, তখন আপনাকে কিছু বিক্রি করতে হবে। এই অ্যাসাল্ট রাইফেল বা সামরিক শৈলীর রাইফেলগুলো বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর কাছে আবেদন তৈরি করে।
** [[টম ডিয়াজ]] ({{cite news |title=Why The AR-15 Is More Than Just A Gun |trans-title=কেন এআর-১৫ শুধু একটি বন্দুকের চেয়েও বেশি কিছু |date=২৪ জুন ২০১৩ |accessdate=৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |work=[[w:মর্নিং এডিশন|মর্নিং এডিশন]] |agency=[[w:এনপিআর|এনপিআর]] |authorlink=w:এইলসা চ্যাং |first=এইলসা |last=চ্যাং |url=https://www.npr.org/2013/06/24/194228925/why-the-ar-15-is-more-than-just-a-gun}})
* এটি একটি বাস্তবতা যে শিকার করা মারাত্মকভাবে হ্রাস পেয়েছে। তাই ওই ধরনের বন্দুকগুলো আগের মতো ভালোভাবে বিক্রি হয় না। আপনি যখন ব্যবসায় আছেন, তখন আপনাকে কিছু বিক্রি করতে হবে। এই [[অ্যাসাল্ট রাইফেল|অ্যাসাল্ট রাইফেল]] বা সামরিক শৈলীর রাইফেলগুলো বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর কাছে আবেদন তৈরি করে।
** [[টম ডিয়াজ]] ({{cite news |title=Why The AR-15 Is More Than Just A Gun |trans-title=কেন এআর-১৫ শুধু একটি বন্দুকের চেয়েও বেশি কিছু |date=২৪ জুন ২০১৩ |accessdate=৭ নভেম্বর ২০১৮ |work=[[w:মর্নিং এডিশন|মর্নিং এডিশন]] |agency=[[w:এনপিআর|এনপিআর]] |authorlink=w:এইলসা চ্যাং |first=এইলসা |last=চ্যাং |url=https://www.npr.org/2013/06/24/194228925/why-the-ar-15-is-more-than-just-a-gun}})
* এআর-শৈলীর আধুনিক স্পোর্টিং রাইফেলগুলো আমেরিকান আগ্নেয়াস্ত্র শিল্পের সাফল্যে একটি বড় অবদানকারী, এতে কোনো সন্দেহ নেই।
** [[w:ন্যাশনাল শুটিং স্পোর্টস ফাউন্ডেশন|ন্যাশনাল শুটিং স্পোর্টস ফাউন্ডেশনের]] মাইক বাজিনেট ({{cite news |title=Why The AR-15 Is More Than Just A Gun |trans-title=কেন এআর-১৫ শুধু একটি বন্দুকের চেয়েও বেশি কিছু |date=২৪ জুন ২০১৩ |accessdate=৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |work=[[w:মর্নিং এডিশন|মর্নিং এডিশন]] |agency=[[w:এনপিআর|এনপিআর]] |authorlink=w:এইলসা চ্যাং |first=এইলসা |last=চ্যাং |url=https://www.npr.org/2013/06/24/194228925/why-the-ar-15-is-more-than-just-a-gun}})।
* এআর-১৫ মূলত এমন একটি বন্দুক যা স্বল্প থেকে মাঝারি পরিসরে সর্বোচ্চ হতাহত, মৃত্যু এবং আঘাত করার জন্য নকশা করা হয়েছিল। এটি ঠিক সেই কাজটিই করে। আসল সমস্যাটি হলো আমরা এই ধরনের ফায়ারপাওয়ারকে কোনো [[২০১২ সালের অরোরা শুটিং|থিয়েটার]] বা [[স্যান্ডি হুক এলিমেন্টারি স্কুল শুটিং|প্রথম শ্রেণির ক্লাসে]] প্রবেশ করতে দিই। আপনি এখন যে নামগুলো দেখছেন তা হলো 'আধুনিক স্পোর্টিং রাইফেল', 'ট্যাকটিক্যাল রাইফেল'। এগুলো সবই '[[অ্যাসাল্ট ওয়েপন|অ্যাসাল্ট অস্ত্রের]]' সুভাষিত নাম। তারা বিপণনকারী ও ব্যবসা-এবং শিল্প হিসেবে অত্যন্ত যৌক্তিকভাবে কাজ করছে। সেলফোন কোম্পানিগুলো সেলফোনগুলোকে ভিন্ন দেখাতে এবং আরও আকর্ষণীয় করতে যা করে, তারাও ঠিক তাই করছে। পার্থক্য হলো তারা প্রাণঘাতী জিনিস বিক্রি করছে।
** [[টম ডিয়াজ]] ({{cite news |title=Run on Guns: AR-15s Sales Soar |trans-title=বন্দুকের ওপর দৌড়: এআর-১৫ এর বিক্রি বেড়েছে |first=মেগান |last=লিসন |date=২৫ এপ্রিল ২০১৩ |accessdate=৫ অক্টোবর ২০১৮ |agency=[[w:সিএনবিসি|সিএনবিসি]] |url=https://www.cnbc.com/id/100673826}})।
* ১৯৯৪ সালে এআর-১৫ একটি গতিরোধকের মুখোমুখি হয়েছিল। কংগ্রেস "[[অ্যাসাল্ট ওয়েপন|অ্যাসাল্ট অস্ত্র]]"-এর ওপর ১০ বছরের নিষেধাজ্ঞা পাস করে। আইনপ্রণেতারা এই অস্ত্রগুলোকে আধা-স্বয়ংক্রিয় রাইফেল হিসেবে সংজ্ঞায়িত করেছিলেন। এগুলোতে পিস্তল-ধরনের হ্যান্ডেল গ্রিপ এবং বেয়োনেট লগ নামক ধাতব মাউন্টের মতো দুই বা ততোধিক নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য ছিল, যেখানে বেয়োনেট সংযুক্ত করা যেত। যাদের কাছে আগে থেকেই এই ধরনের রাইফেল ছিল তাদের সেগুলো রাখার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।<br>এই নিষেধাজ্ঞা কিছু গ্রাহকের কাছে রাইফেলগুলোকে আরও কাঙ্ক্ষিত করে তুলেছিল। চাহিদা মেটাতে বন্দুক প্রস্তুতকারকরা বেয়োনেট লগের মতো নিষিদ্ধ বৈশিষ্ট্যগুলো সরিয়ে ফেলে এবং সেগুলোকে আইনি বিকল্প হিসেবে বাজারজাত করে।<br>ওয়াশিংটনের একটি গবেষণা ও বন্দুক-নিয়ন্ত্রণ সমর্থনকারী গোষ্ঠী ভায়োলেন্স পলিসি সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক [[জশ সুগারম্যান]] বলেন, "এটি দুর্ভাগ্যজনকভাবে একটি শিল্পব্যাপী ঘটনা ছিল যেখানে কোম্পানিগুলো আইন ফাঁকি দিয়ে বন্দুক বিক্রি করার ক্ষমতা নিয়ে প্রকাশ্যে বড়াই করছিল।"<br>শিল্পটি নিষেধাজ্ঞার সময় আনুমানিক এক মিলিয়ন পরিবর্তিত এআর-১৫-শৈলীর রাইফেল তৈরি করেছিল, যা তারা আগের দশকে মূল সংস্করণের উৎপাদনের চেয়ে বেশি করেছিল।
** {{cite news |title=The Most Wanted Gun in America |trans-title=আমেরিকার সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত বন্দুক |first=নাতাশা |last=সিঙ্গার |date=২ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ |accessdate=৫ অক্টোবর ২০১৮ |newspaper=[[w:দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস]] |url=https://www.nytimes.com/2013/02/03/business/the-ar-15-the-most-wanted-gun-in-america.html}}
* শিকারিরা খুব প্রায়শই "ট্যাকটিক্যাল কুলনেস ফ্যাক্টর" দ্বারা মুগ্ধ হবেন না, যা অনেক শুটারকে একটি নতুন বন্দুকের সন্ধানে দোকানে টেনে আনে... অন্যদিকে ট্যাকটিক্যাল কুলনেস ফ্যাক্টর অনেক প্রথমবারের বন্দুক ক্রেতাকে আকর্ষণ করে। তাদের মধ্যে অনেকেই অল্পবয়সী এবং আগ্নেয়াস্ত্রের সাথে অপরিচিত। এর ফলে তারা কী খুঁজবেন বা কী চান তা নিয়ে অনিশ্চিত হওয়ার প্রধান প্রার্থী হয়ে ওঠেন। শিকারের জনসংখ্যার অনেকের বিপরীতে, এই সম্ভাব্য ক্রেতারা সম্ভবত কেবল ট্যাকটিক্যাল বন্দুকের প্রতিই আগ্রহী হবেন। সামরিক-ধরনের চেহারা এবং বৈশিষ্ট্যগুলো তাদের কাছে একটি বড় বিক্রির কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠবে।
** ''শুটিং স্পোর্টস রিটেইলার'' ম্যাগাজিন, গ্রীষ্ম ২০১৩ বার্ষিক "হাউ টু সেল" ইস্যু ({{cite news |first=জশ |last=সুগারম্যান |authorlink=জশ সুগারম্যান |publisher=[[w:হাফপোস্ট|হাফপোস্ট]] |title=Gun Industry Hawks Militarized Products at Vegas SHOT Show |trans-title=ভেগাস শট শো-তে বন্দুক শিল্প সামরিকায়িত পণ্য বিক্রি করছে |date=১ জানুয়ারি ২০১৪ |accessdate=১৯ অক্টোবর ২০১৮ |url=https://www.huffingtonpost.com/josh-sugarmann/gun-industry-hawks-milita_b_4609747.html}}; {{cite web |title=Freedom Group’s Militarized Marketing |trans-title=ফ্রিডম গ্রুপের সামরিকায়িত বিপণন |publisher=[[w:ভায়োলেন্স পলিসি সেন্টার|ভায়োলেন্স পলিসি সেন্টার]] |accessdate=১৯ অক্টোবর ২০১৮ |url=http://www.vpc.org/studies/freedomgroup.pdf}} {{cite web |title=The Militarized Marketing of Bushmaster Assault Rifles |trans-title=বুশমাস্টার অ্যাসাল্ট রাইফেলের সামরিকায়িত বিপণন |date=এপ্রিল ২০১৮ |accessdate=১৯ অক্টোবর ২০১৮ |publisher=[[w:ভায়োলেন্স পলিসি সেন্টার|ভায়োলেন্স পলিসি সেন্টার]] |url=http://vpc.org/wp-content/uploads/2018/04/Bushmaster2018.pdf}})।
* আমেরিকান সামরিক বাহিনীর স্ট্যান্ডার্ড-ইস্যু রাইফেল এম-১৬ থেকে একটি বেসামরিক এআর-১৫ খুব সামান্যই আলাদা। সামরিক সংস্করণগুলো আধা-স্বয়ংক্রিয়। এগুলো তিন-রাউন্ডের বার্স্ট ফায়ার করার ক্ষমতা নিয়েও আসে। তবে এই বৈশিষ্ট্যটি খুব কমই ব্যবহৃত হয়।
** {{cite news |title=Another AR-15 Rampage? Here Are The Facts About America's Most Popular Rifle |trans-title=আরেকটি এআর-১৫ রামপেজ? আমেরিকার সবচেয়ে জনপ্রিয় রাইফেল সম্পর্কে তথ্যগুলো এখানে |first=ব্রায়ান |last=জোন্স |date=১ নভেম্বর ২০১৩ |accessdate=২৮ অক্টোবর ২০১৮ |agency=[[w:বিজনেস ইনসাইডার|বিজনেস ইনসাইডার]] |url=https://www.businessinsider.com/assault-rifle-weapon-ar-15-2013-11}}
=== ২০১৪ ===
* ২০১৪ সালের রিপাবলিকান প্রাইমারিতে প্রচারণার জন্য অনলাইন বন্দুকের র্যাফেল ড্র অন্যতম কার্যকর হাতিয়ার হয়ে উঠেছে....<br>সাউথ ক্যারোলাইনার স্টেট সিনেটর লি ব্রাইট, যিনি রিপাবলিকান প্রাইমারিতে সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহামকে চ্যালেঞ্জ করছেন, দুটি বন্দুক উপহার দিয়েছেন। একটি অনলাইনে এবং একটি সরাসরি মেইলের মাধ্যমে। অনলাইন ড্রয়ে পুরস্কার ছিল একটি এআর-১৫ রাইফেল....<br>কলোরাডোতে মিস্টার ব্রফি গভর্নর পদের দৌড়ে একমাত্র রিপাবলিকান ছিলেন না যিনি বন্দুকের র্যাফেল আয়োজন করেছিলেন। প্রাক্তন কংগ্রেসম্যান এবং প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী টম ট্যানক্রেডোও একটির আয়োজন করেছিলেন।<br>তার পিচম্যান, রকার এবং এন.আর.এ. বোর্ডের সদস্য টেড নুজেন্টের একটি অন্ধকার বার্তা ছিল। মিস্টার নুজেন্ট সমর্থকদের কাছে একটি ইমেইলে লিখেছিলেন, "খুব দেরি হওয়ার আগে আমাদের সবার জেগে ওঠা উচিত এবং একসাথে লড়াই করা উচিত।" "একটি আধা-স্বয়ংক্রিয় এআর-১৫ জিততে প্রবেশ করুন - আপনার কাজ শেষ হলে, টমকে আমাদের স্বাধীনতা সুরক্ষিত রাখতে সাহায্য করার জন্য ২৫ ডলার বা তার বেশি দান করার কথা বিবেচনা করুন।"
** {{cite news |title=G.O.P. Discovers Useful Voter Outreach Tool: Gun Sweepstakes |trans-title=জি.ও.পি. দরকারী ভোটার আউটরিচ টুল আবিষ্কার করেছে: বন্দুকের র্যাফেল ড্র |authorlink=w:জেরেমি ডব্লিউ. পিটার্স |first=জেরেমি ডব্লিউ. |last=পিটার্স |date=১৭ এপ্রিল ২০১৪ |accessdate=২৭ অক্টোবর ২০১৮ |newspaper=[[w:দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস]] |url=https://www.nytimes.com/2014/04/18/us/politics/gop-campaign-outreach-tool-gun-sweepstakes.html}}
* এআর-১৫ প্ল্যাটফর্ম সাধারণত একটি .২২৩-ক্যালিবার রাইফেল। এতে [[উচ্চ-ক্ষমতার ম্যাগাজিন|৩০-রাউন্ডের ম্যাগাজিন]] থাকে। এটি ব্যবহার ও পরিষ্কার করা সহজ এবং নির্ভরযোগ্য হওয়ায় এটি বেশ জনপ্রিয়।
** {{cite news |title=Military-style AR-15 rifles: 'The market is saturated' |trans-title=সামরিক-শৈলীর এআর-১৫ রাইফেল: 'বাজার পরিপূর্ণ' |first=জন |last=বয়েল |date=৩ ডিসেম্বর ২০১৪ |accessdate=২০ অক্টোবর ২০১৮ |newspaper=[[w:ইউএসএ টুডে|ইউএসএ টুডে]] |url=https://www.usatoday.com/story/news/nation/2014/12/03/military-style-ar-rifles-market-saturated/19836755/}}
=== ২০১৫ ===
* দ্য ট্রেস: একজন ভিকটিমকে কোন ধরনের বন্দুক দিয়ে গুলি করা হয়েছে, তা কি কোনো ব্যাপার?<br>ডেভিড এইচ. নিউম্যান: এটি অনেক বড় ব্যাপার। যদি এটি ছোট ক্যালিবারের বন্দুক হয়, তবে ক্ষতগুলো দৃশ্যত ছোট হয়। যদি এটি শটগানের ক্ষত হয়, তবে এটি চাক্ষুষভাবে আরও আকর্ষণীয়। আমি শিশুদের দেখেছি যাদের শটগান দিয়ে গুলি করা হয়েছে। আমার এক ছেলের কথা মনে আছে, আমার মনে হয় তার বয়স আট ছিল। সে এবং তার বন্ধু শটগান নিয়ে খেলছিল এবং তার বন্ধু তাকে মুখে গুলি করে। সে যখন আসে, তখন সে ভালোভাবেই বেঁচে ছিল, কিন্তু সে প্রচণ্ড ব্যথায় কাতরাচ্ছিল এবং সত্যিই তার মুখের কোনো আকৃতি ছিল না।<br>তবে এআর-১৫ বা [[একে-৪৭]] এর মতো উচ্চ-মাজল গতির অস্ত্রের ক্ষত সবচেয়ে খারাপ। এগুলো শরীরে প্রচুর পরিমাণ গতিশক্তি সঞ্চার করে। এগুলো অনেক বেশি ধ্বংসাত্মক। বাইরে থেকে দেখলে এই ক্ষত যেকোনো হ্যান্ডগানের ক্ষতের চেয়ে দুই, তিন বা চারগুণ বড় হয়।<br>এটি ভেতরে ঘটে যাওয়া ক্ষতির প্রতিফলন। উচ্চ-মাজল গতির অস্ত্র থেকে একটি বুলেট অন্ত্রে আঘাত করলে এটি বিস্ফোরণের মতো হয়। অন্যদিকে কম-মাজল গতির বুলেট অন্ত্রের ভেতর দিয়ে যাওয়া ছুরির মতো হতে পারে; এতে রক্তপাত হয়, তবে এটি পুরো এলাকাকে ধ্বংস করে না। উচ্চ-মাজল বুলেট পুরো শরীরের অংশকে ধ্বংস করে দেয়। স্ট্যান্ডার্ড-ইস্যু ক্যালিবার হ্যান্ডগান দিয়ে গুলি করা হাড়ের ক্ষেত্রে আপনি একটি ফাটল, হাড়ে একটি গর্ত এবং সম্ভবত কিছু স্থানচ্যুতি দেখতে পাবেন। কিন্তু একটি উচ্চ-মাজল অস্ত্র সেই হাড়টিকে শত শত আণুবীক্ষণিক টুকরোতে এমনভাবে চূর্ণবিচূর্ণ করে দেয় যে এটি মেরামত করা যায় না। আপনাকে মূলত আঘাতপ্রাপ্ত হাড়টি পরিষ্কার করে শরীর থেকে বের করে ফেলতে হবে; এটি এখন একটি অকেজো টিস্যু। আপনি বিশ্বাস করতে পারবেন না যে একটি বুলেট এত পরিমাণ ক্ষতি করতে পারে।
** ডেভিড এইচ. নিউম্যান, [[w:ইকাহন স্কুল অফ মেডিসিন অ্যাট মাউন্ট সিনাই|ইকাহন স্কুল অফ মেডিসিন অ্যাট মাউন্ট সিনাই]]ের জরুরি ঔষধ বিভাগের ক্লিনিকাল গবেষণার পরিচালক ({{cite web |title=When a Bullet Enters a Body: Gun Violence as Seen by a Trauma Surgeon |trans-title=বুলেট যখন শরীরে প্রবেশ করে: একজন ট্রমা সার্জনের দৃষ্টিতে বন্দুক সহিংসতা |first=মাইক |last=স্পাইস |date=২১ সেপ্টেম্বর ২০১৫ |accessdate=৫ অক্টোবর ২০১৮ |publisher=[[w:দ্য ট্রেস (ওয়েবসাইট)|দ্য ট্রেস]] |url=https://www.thetrace.org/2015/09/bullet-injuries-wounds-trauma-surgery/}})।
=== ২০১৬ ===
* '''শুটারের কাছে একটি শক্তিশালী রাইফেল এবং উচ্চ-ক্ষমতার ম্যাগাজিন ছিল'''<br>চিফ মিনা বলেছিলেন যে বন্দুকধারীর কাছে একটি এআর-১৫-ধরনের আধা-স্বয়ংক্রিয় রাইফেল এবং একটি ৯ মিলিমিটার হ্যান্ডগান ছিল।<br>এআর-১৫ প্রথমে সামরিক বাহিনীর জন্য তৈরি করা হয়েছিল। এটি [[ভিয়েতনাম যুদ্ধ|ভিয়েতনাম যুদ্ধে]] ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছিল। অ্যাসাল্ট-রাইফেল উৎসাহীদের কাছে এই রাইফেলটি ব্যাপকভাবে রয়েছে। রাইফেলটি দ্রুত একাধিক উচ্চ-গতির রাউন্ড ফায়ার করতে পারে। এটি [[২০১২ সালের অরোরা শুটিং|কলোরাডোর অরোরা]], [[স্যান্ডি হুক এলিমেন্টারি স্কুল শুটিং|কানেটিকাটের নিউটাউন]] এবং [[w:২০১৫ সান বার্নার্ডিনো অ্যাটাক|ক্যালিফোর্নিয়ার সান বার্নার্ডিনোসহ]] বেশ কয়েকটি গণ গোলাগুলিতে ব্যবহৃত হয়েছে।
** {{cite news |first1=জশ |last1=কেলার |first2=ইয়ারিনা |last2=মাইখ্যালিশিন |first3=অ্যাডাম |last3=পিয়ার্স |first4=ডেরেক |last4=ওয়াটকিন্স |newspaper=[[w:দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস]] |title=Why the Orlando Shooting Was So Deadly |trans-title=কেন অরল্যান্ডো শুটিং এত মারাত্মক ছিল |date=১২ জুন ২০১৬ |url=https://www.nytimes.com/interactive/2016/06/12/us/why-the-orlando-shooting-was-so-deadly.html}}
* অর্ধ শতাব্দী পর বিভিন্ন নির্মাতারা এআর-১৫ এবং এম-১৬ এর নানা সংস্করণ তৈরি করছে। এম-৪ কার্বাইনসহ এদের হালনাগাদ সংস্করণগুলো বেশিরভাগ আমেরিকান সার্ভিস সদস্য এবং অনেক মিত্রদের জন্য আদর্শ কাঁধে রেখে চালানোর অস্ত্র হিসেবে রয়ে গেছে।<br>বেসামরিক সংস্করণগুলোর অনেক ট্রেড এবং মডেলের নাম রয়েছে। তবে সেগুলোকে সাধারণত এআর-১৫ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। যদিও এই নামটি একটি স্থূল বর্ণনা এবং এটি নির্দেশ করে না যে রাইফেলের কোনো নির্দিষ্ট মডেল আধা-স্বয়ংক্রিয় এবং স্বয়ংক্রিয় উভয় ফায়ার করতে সক্ষম নাকি কেবল আধা-স্বয়ংক্রিয়।
** {{cite news |authorlink=সি. জে. শিভার্স |first=সি. জে. |last=শিভার্স |title=Orlando Gunman Used Assault Rifle With Military Roots, Police Say |trans-title=পুলিশের মতে, অরল্যান্ডো বন্দুকধারী সামরিক শিকড়যুক্ত অ্যাসাল্ট রাইফেল ব্যবহার করেছিল |date=১২ জুন ২০১৬ |accessdate=২০ অক্টোবর ২০১৮ |newspaper=[[w:দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস]] |url=https://www.nytimes.com/2016/06/13/us/orlando-gunman-used-assault-rifle-with-military-roots-police-say.html}}
* আমাদের শুটার তার এবং তার মায়ের অস্ত্রাগার থেকে বেছে নেওয়ার জন্য অনেক বন্দুক ছিল। সে এআর-১৫ বেছে নিয়েছিল। সে জানত যে এটি কতগুলো শট ফায়ার করতে পারে, এটি কতটা প্রাণঘাতী এবং এটি যতটা সম্ভব কম সময়ে বেশি মানুষকে হত্যা করার তার উদ্দেশ্য পূরণে কীভাবে সহায়ক হবে... এবং এর জন্য নির্মাতাদের দায়ী করা প্রয়োজন।
** [[স্যান্ডি হুক এলিমেন্টারি স্কুল শুটিং|স্যান্ডি হুক এলিমেন্টারি স্কুল শুটিংয়ের]] ভিকটিম ডিলান হকলির মা নিকোল হকলি, ফেব্রুয়ারি ২০১৬ সালে একটি সংবাদ সম্মেলনে ({{cite news |title=Sandy Hook families cannot hold gun company liable in massacre, judge rules |trans-title=স্যান্ডি হুক পরিবারগুলো গণহত্যার জন্য বন্দুক কোম্পানিকে দায়ী করতে পারবে না, বিচারকের রায় |newspaper=[[w:দ্য গার্ডিয়ান|দ্য গার্ডিয়ান]] |first=লোয়েস |last=বেকেট |date=১৪ অক্টোবর ২০১৬ |accessdate=২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |url=https://www.theguardian.com/us-news/2016/oct/14/sandy-hook-massacre-families-gun-company-lawsuit-ruling}}; {{cite news |title=The Sandy Hook Lawsuit: What It Means for Victims of Gun Violence |trans-title=স্যান্ডি হুক মামলা: বন্দুক সহিংসতার শিকারদের জন্য এর অর্থ কী |first=মিশেল |last=গোরম্যান |date=১৫ এপ্রিল ২০১৬ |accessdate=২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |magazine=[[w:নিউজউইক|নিউজউইক]] |url=https://www.newsweek.com/sandy-hook-lawsuit-gun-violence-victims-sanders-clinton-ar-15-448090}}; {{cite news |newspaper=[[w:শিকাগো ট্রিবিউন|শিকাগো ট্রিবিউন]] |title=Maker of rifle used in Sandy Hook shooting seeks dismissal of lawsuit |trans-title=স্যান্ডি হুক শুটিংয়ে ব্যবহৃত রাইফেলের নির্মাতা মামলা খারিজের আবেদন করেছে |date=২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ |accessdate=২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |url=http://www.chicagotribune.com/news/nationworld/ct-gunmaker-sandy-hook-lawsuit-20160222-story.html}}; {{cite news |title=Everything You Need to Know About AR-15-Style Rifles |trans-title=এআর-১৫-স্টাইলের রাইফেল সম্পর্কে আপনার যা জানা দরকার |first=টেসা |last=স্টুয়ার্ট |magazine=[[w:রোলিং স্টোন|রোলিং স্টোন]] |url=https://www.rollingstone.com/politics/politics-news/everything-you-need-to-know-about-ar-15-style-rifles-98996/ |date=১৩ জুন ২০১৬ |accessdate=২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮}}; {{cite news |date=২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ |accessdate=২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮|title=AR-15 gun maker seeks Newtown victim lawsuit dismissal |trans-title=এআর-১৫ বন্দুক নির্মাতা নিউটাউন ভিকটিম মামলা খারিজের আবেদন করেছে |agency=[[w:অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস|অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস]] |publisher=[[w:সিবিএস নিউজ|সিবিএস নিউজ]] |url=https://www.cbsnews.com/news/ar-15-gun-maker-seeks-newtown-victim-lawsuit-dismissal/}})।
* রবিবার ভোরে অরল্যান্ডোতে গণহত্যার পর বন্দুকপন্থী পণ্ডিতরা শক্তভাবে এই যুক্তি দিতে এসেছেন যে হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্রটি কোনো [[অ্যাসাল্ট রাইফেল]] নয়। বন্দুক লবি এই অস্ত্রগুলোকে "আধুনিক স্পোর্টিং রাইফেল" বলতে পছন্দ করে। এটি একটি চলমান শব্দার্থিক বিতর্কে ব্যবহৃত একটি সুভাষিত শব্দ। তবে ভুল করবেন না: অরল্যান্ডো আক্রমণকারী যা ব্যবহার করেছিল তা ছিল যুদ্ধের অস্ত্র। এটি যত দ্রুত সম্ভব বেশি মানুষকে হত্যা করার জন্য নকশা করা হয়েছিল। পালস নাইটক্লাবের বাইরে একজন পথচারীর ধারণ করা এই ভয়াবহ অডিওটি শুনুন, যেখানে ওমর মতিন ৯ সেকেন্ডে ২৪টি গুলি ছোড়ে।<br>ফেডারেল আইন প্রয়োগকারী সংস্থার একজন কর্মকর্তার মতে, মতিন ১০০ জনেরও বেশি মানুষকে হত্যা এবং পঙ্গু করার জন্য যে রাইফেলটি ব্যবহার করেছিল তা হলো একটি [[w:সিগ এমসিএক্স|সিগ সাউয়ার এমসিএক্স]]। মতিন ফ্লোরিডার পোর্ট সেন্ট লুসিতে তার বাসস্থানের কাছে ৪ জুন এআর-১৫ এর মতো দেখতে এই অস্ত্রটি বৈধভাবে কিনেছিল।
** {{cite news |title=This Is the Assault Rifle Used by the Orlando Mass Shooter |trans-title=অরল্যান্ডোর মাস শুটার ব্যবহৃত অ্যাসাল্ট রাইফেল এটি |first=মার্ক |last=ফোলম্যান |date=১৩ জুন ২০১৬ |accessdate=২০ অক্টোবর ২০১৮ |magazine=[[w:মাদার জোন্স|মাদার জোন্স]] |url=https://www.motherjones.com/politics/2016/06/assault-rifle-used-by-orlando-mass-shooter/}}
* একে-৪৭ এর বিরুদ্ধে আমাদের সৈন্যদের একটি সুবিধা দেওয়ার জন্য আমাদের বাবা [[ইউজিন স্টোনার]] একটি সামরিক অস্ত্র হিসেবে এআর-১৫ এবং পরবর্তী এম-১৬ এর নকশা করেছিলেন। কোনো গণ গোলাগুলির ঘটনা ঘটার অনেক আগেই তিনি মারা গিয়েছিলেন। তবে আমরা মনে করি, এই ঘটনাগুলোতে অন্য যেকোনো মানুষের মতো বা তার চেয়েও বেশি তিনি আতঙ্কিত ও ব্যথিত হতেন।
** ১২ জুন ২০১৬ এর [[w:পালস নাইটক্লাব শুটিং|অরল্যান্ডো নাইটক্লাব শুটিংয়ের]] পর ১৬ জুন ২০১৬ তারিখে ব্যক্তিগত পরিচয়ে গোপনীয়তার শর্তে [[w:এনবিসি নিউজ|এনবিসি নিউজকে]] দেওয়া [[ইউজিন স্টোনার|ইউজিন স্টোনারের]] পরিবারের বক্তব্য ({{cite news |agency=[[w:এনবিসি নিউজ|এনবিসি নিউজ]] |title=Family of AR-15 Inventor Eugene Stoner: He Didn't Intend It for Civilians |trans-title=এআর-১৫ আবিষ্কারক ইউজিন স্টোনারের পরিবার: তিনি এটি বেসামরিক নাগরিকদের জন্য তৈরি করেননি |first=টনি |last=ডোকোপিল |date=১৬ জুন ২০১৬ |accessdate=২৫ আগষ্ট ২০১৮ |url=https://www.nbcnews.com/news/us-news/family-ar-15-inventor-speaks-out-n593356}}; {{cite news |title=AR-15 Inventor's Family: This Was Meant to Be a Military Weapon |trans-title=এআর-১৫ আবিষ্কারকের পরিবার: এটি একটি সামরিক অস্ত্র হওয়ার কথা ছিল |first=স্যাম |last=ফ্রিজেল |date=১৬ জুন ২০১৬ |accessdate=২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |magazine=[[w:টাইম (ম্যাগাজিন)|টাইম]] |url=http://time.com/4371452/orlando-shooting-ar-15-military-civilian-family/}})।
* জেমস হোমস, অ্যাডাম ল্যাঞ্জা এবং ওমর মতিনের মধ্যে কী মিল রয়েছে? [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গণ গোলাগুলি|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে তিনটি সবচেয়ে প্রাণঘাতী গণ গোলাগুলির]] অপরাধী হওয়া ছাড়াও তাদের সবার এআর-১৫ অ্যাসাল্ট রাইফেলের প্রতি পছন্দ রয়েছে। [[২০১২ সালের অরোরা শুটিং|কলোরাডোর অরোরা শুটিং]], [[স্যান্ডি হুক এলিমেন্টারি স্কুল শুটিং|কানেটিকাটের নিউটাউন শুটিং]] এবং ফ্লোরিডার অরল্যান্ডোতে ৫০ জনকে হত্যা করা গণ গোলাগুলিতে এআর-১৫ অ্যাসাল্ট রাইফেল ব্যবহৃত হয়েছিল। অরল্যান্ডোর ঘটনাটি আনুষ্ঠানিকভাবে মার্কিন ইতিহাসের সবচেয়ে প্রাণঘাতী গণহত্যা... কেবল কোল্টই অফিসিয়াল এআর-১৫ তৈরি করলেও এর অনেক ভিন্ন রূপ এবং নকশা বিপুল সংখ্যক বন্দুক নির্মাতা তৈরি করে। এর মধ্যে কয়েকটির নাম হলো: [[w:বুশমাস্টার এক্সএম-১৫|বুশমাস্টার]], লেস বেয়ার, রেমিংটন, [[w:স্মিথ অ্যান্ড ওয়েসন এমঅ্যান্ডপি১৫|স্মিথ অ্যান্ড ওয়েসন]] (swhc, +0.00%), এবং স্টার্ম অ্যান্ড রুগার (rgr, -2.04%)। ট্যাকটিক্যালরিটেইলারের দাবি, ২০০০ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত এআর উৎপাদন খাত ২৯ জন এআর নির্মাতা থেকে বেড়ে প্রায় ৫০০ জনে দাঁড়িয়েছে, যা "আশ্চর্যজনকভাবে ১,৭০০% বৃদ্ধি।"
** {{cite news |title=What Makes the AR-15 So Appealing to Mass Shooters? |trans-title=মাস শুটারদের কাছে এআর-১৫ এত আকর্ষণীয় কেন? |url=http://fortune.com/2016/06/13/ar-15-mass-murderer-link/ |first=মেগান |last=ও’ডেয়া |magazine=[[w:ফরচুন (ম্যাগাজিন)|ফরচুন]] |date=১৩ জুন ২০১৬ |accessdate=১৯ অক্টোবর ২০১৮}}
* তাহলে মাস শুটারদের কাছে এআর-১৫ এত আকর্ষণীয় কেন?<br>এই প্রশ্নের উত্তর পেতে, সাধারণত এআর-১৫ কেন এত জনপ্রিয় তা দেখা সবচেয়ে ভালো...<br>মূলত এআর-১৫ হলো একটি বহুমুখী বেসামরিক-গ্রেডের আগ্নেয়াস্ত্র যা এর ব্যবহারের সহজতা, দুর্দান্ত ফায়ারপাওয়ার এবং একটি নির্দিষ্ট সাংস্কৃতিক ও নান্দনিক মূল্যের গর্ব করে...<br>তুলনামূলকভাবে সস্তা, সহজেই পাওয়া যায়, অত্যন্ত কাস্টমাইজযোগ্য এবং সহজেই পরিবর্তনযোগ্য (বৈধভাবে বা সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রে) হওয়ায় এআর-১৫ এর জনপ্রিয়তার কারণগুলো স্পষ্ট।
** {{cite news |title=What Makes the AR-15 So Appealing to Mass Shooters? |trans-title=মাস শুটারদের কাছে এআর-১৫ এত আকর্ষণীয় কেন? |url=http://fortune.com/2016/06/13/ar-15-mass-murderer-link/ |first=মেগান |last=ও’ডেয়া |magazine=[[w:ফরচুন (ম্যাগাজিন)|ফরচুন]] |date=১৩ জুন ২০১৬ |accessdate=১৯ অক্টোবর ২০১৮}}
* ২০ জুলাই ২০১২ সালে একজন [[w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গণ গোলাগুলি|গণ হত্যাকারী]] একটি [[w:স্মিথ অ্যান্ড ওয়েসন এমঅ্যান্ডপি১৫|স্মিথ অ্যান্ড ওয়েসন এমঅ্যান্ডপি১৫]] ব্যবহার করে [[২০১২ সালের অরোরা শুটিং|কলোরাডোর অরোরার একটি সিনেমা থিয়েটারে]] ১২ জনকে হত্যা এবং ৫৮ জনকে আহত করেছিল। ১৪ ডিসেম্বর ২০১২ সালে আরেকজন গণ হত্যাকারী তার মায়ের [[w:বুশমাস্টার এক্সএম-১৫|বুশমাস্টার এক্সএম১৫-ই২এস]] ব্যবহার করে [[স্যান্ডি হুক এলিমেন্টারি স্কুল শুটিং|কানেটিকাটের নিউটাউনে স্যান্ডি হুক এলিমেন্টারিতে]] ২০ শিশু এবং ৬ জন প্রাপ্তবয়স্ককে হত্যা করেছিল। চিঠি এবং সংখ্যার প্রত্যয়গুলো একটি সহজ সত্যকে গোপন করে-উভয় বন্দুকের ভেতরের অংশ ঠিক একটি এম-১৬ বা বেসামরিক ব্যবহারের জন্য পরিচিত এআর-১৫ এর মতো দেখতে। ঠিক আছে, এম-১৬ সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় মোডে ফায়ার করতে পারে, তবে এছাড়া সবই এক।<br>এই মাসেই [[w:পালস নাইটক্লাব শুটিং|অরল্যান্ডোতে]] একই ধরনের একটি আধা-স্বয়ংক্রিয় অ্যাসাল্ট অস্ত্র, একটি [[w:সিগ এমসিএক্স|সিগ সাউয়ার এমসিএক্স]] ৪৯ জনের জীবন কেড়ে নিতে সাহায্য করেছিল।
** {{cite news |last=কিংসবারি |first=অ্যালেক্স |title=Meet the must-have Bling for Your Gun |trans-title=আপনার বন্দুকের জন্য আবশ্যক ব্লিংয়ের সাথে পরিচিত হন |newspaper=[[w:বোস্টন গ্লোব|বোস্টন গ্লোব]] |date=১৬ জুন ২০১৬}}
* একটি দেখলে মনে হয় ভেতরে গ্রেনেড বিস্ফোরিত হয়েছে। অন্যটি দেখলে একটি খারাপ ছুরিকাঘাত বলে মনে হয়।
** আমেরিকান সার্জন, চিকিৎসা বিজ্ঞানের অধ্যাপক এবং সামরিক ভেটেরান ডা. [[পিটার রি]], হ্যান্ডগানের সাথে এআর-১৫ স্টাইল রাইফেলের [[w:গুলিবিদ্ধ ক্ষত|গুলিবিদ্ধ ক্ষতের]] তুলনা করছেন ({{cite news |first=সারা |last=ঝাং |date=১৭ জুন ২০১৬ |accessdate=২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |title=What an AR-15 can do to the Human Body |trans-title=একটি এআর-১৫ মানবদেহের কী করতে পারে |magazine=[[w:ওয়্যার্ড (ম্যাগাজিন)|ওয়্যার্ড]] |url=https://www.wired.com/2016/06/ar-15-can-human-body/}}; {{cite news |title=America’s Failure to Protect Its Children from School Shootings Is a National Disgrace |trans-title=স্কুল শুটিং থেকে শিশুদের রক্ষা করতে আমেরিকার ব্যর্থতা একটি জাতীয় লজ্জার বিষয় |first=জন |last=ক্যাসিডি |date=১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ |accessdate=২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |magazine=[[w:দ্য নিউ ইয়র্কার|দ্য নিউ ইয়র্কার]] |url=https://www.newyorker.com/news/our-columnists/americas-failure-to-protect-its-children-from-school-shootings-is-a-national-disgrace-parkland-florida}}; {{cite news |title=The one number that shows America’s problem with school shootings is unique |trans-title=একটি সংখ্যা যা দেখায় স্কুল শুটিং নিয়ে আমেরিকার সমস্যাটি অনন্য |first=অ্যামান্ডা |last=এরিকসন |date=১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ |accessdate=২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |newspaper=[[w:দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট|দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট]] |url=https://www.washingtonpost.com/news/worldviews/wp/2018/02/15/the-one-number-that-shows-americas-problem-with-school-shootings-is-unique/}})।
* বন্দুকটি খুব একটা নড়ে না। আপনি সেখানে বসে বুম বুম বুম করতে পারেন এবং আঙুল যতটা দ্রুত নাড়তে পারেন তত দ্রুত শট ছুড়তে পারেন।
** ডা. আর্নেস্ট ই. মুর, ট্রমা সার্জন এবং ''[[w:জার্নাল অফ ট্রমা অ্যান্ড অ্যাকিউট কেয়ার সার্জারি|জার্নাল অফ ট্রমা অ্যান্ড অ্যাকিউট কেয়ার সার্জারি]]ে''র সম্পাদক, এআর-১৫ স্টাইল রাইফেলের [[w:রিকয়েল|রিকয়েল]] সম্পর্কে বলছেন ({{cite news |first=সারা |last=ঝাং |date=১৭ জুন ২০১৬ |accessdate=২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |title=What an AR-15 can do to the Human Body |trans-title=একটি এআর-১৫ মানবদেহের কী করতে পারে |magazine=[[w:ওয়্যার্ড (ম্যাগাজিন)|ওয়্যার্ড]] |url=https://www.wired.com/2016/06/ar-15-can-human-body/}})।
* এই উচ্চ-গতির বুলেটগুলো তাদের গতিপথের কয়েক ইঞ্চি দূরের মাংসপেশির ক্ষতি করতে পারে। কারণ তারা ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে যায় অথবা [[w:পেনেট্রেটিং ট্রমা#ক্যাভিটেশন|ক্যাভিটেশন]] নামক একটি অবস্থার সৃষ্টি করে। আপনি যখন জলের ভেতর দিয়ে আঙুল চালনা করেন, তখন জল ঢেউ খেলে এবং কুঁকড়ে যায়। একটি উচ্চ-গতির বুলেট যখন শরীর ভেদ করে, তখন মানব টিস্যুও ঢেউ খেলে, তবে তা অনেক বেশি সহিংসভাবে। এআর-১৫ থেকে একটি বুলেট পায়ের ফিমোরাল ধমনী মিস করতে পারে, তবে ক্যাভিটেশন ধমনীটিকে ফাটিয়ে দিতে পারে, যার ফলে অতিরিক্ত রক্তপাতে মৃত্যু ঘটতে পারে। ক্ষতের চারপাশে প্রসারিত এবং ছেঁড়া টিস্যুর একটি অংশ মারা যেতে পারে। [[পিটার রি|রি]] বলেছেন, এই কারণেই একটি হ্যান্ডগানের ক্ষতের জন্য কেবল একটি সার্জারির প্রয়োজন হতে পারে, তবে একটি এআর-১৫ বুলেটের ক্ষতের জন্য তিন থেকে দশটি সার্জারির প্রয়োজন হতে পারে...<br>হ্যান্ডগানও অবশ্যই অনেক মানুষকে হত্যা করে। আমেরিকার বেশিরভাগ বন্দুকের মৃত্যুর জন্য হ্যান্ডগানই দায়ী। তবে একটি হ্যান্ডগানের একক বুলেট একটি এআর-১৫ এর বুলেটের মতো মারাত্মক হওয়ার সম্ভাবনা কম।
** {{cite news |first=সারা |last=ঝাং |date=১৭ জুন ২০১৬ |accessdate=২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |title=What an AR-15 can do to the Human Body |trans-title=একটি এআর-১৫ মানবদেহের কী করতে পারে |magazine=[[w:ওয়্যার্ড (ম্যাগাজিন)|ওয়্যার্ড]] |url=https://www.wired.com/2016/06/ar-15-can-human-body/}}
* [[w:পালস নাইটক্লাব শুটিং|অরল্যান্ডো]] এবং [[w:২০১৫ সান বার্নার্ডিনো অ্যাটাক|সান বার্নার্ডিনো]] গণ গোলাগুলির ঘটনাগুলো, বিশেষ করে প্যারিসের একই ধরনের গণহত্যার সাথে বিবেচনা করলে স্পষ্ট হয়ে যায় যে, '''সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো দ্বারা অনুপ্রাণিত ব্যক্তিরা সর্বোচ্চ প্রাণহানি, বিশৃঙ্খলা এবং ভয় সৃষ্টির হাতিয়ার হিসেবে সামরিক-শৈলীর আধা-স্বয়ংক্রিয় রাইফেল আগ্রহের সাথে গ্রহণ করেছে। এটি দ্রুত এবং নিখুঁতভাবে একাধিক রাউন্ড বুলেট ছুড়তে সক্ষম। আমরা প্রায় নিশ্চিতভাবেই আরও এমন আক্রমণ দেখতে পাব'''। অরল্যান্ডোর ঘটনাটি যেমনটি দেখায়, এগুলো প্রতিরোধ করা অত্যন্ত কঠিন। এমনকি যখন কোনো ব্যক্তি সন্দেহের অধীনে থাকে, তখনও তা কঠিন। কারণ এগুলো উল্লেখযোগ্য আগাম সমন্বয় বা পরিকল্পনা ছাড়াই সম্পন্ন করা যেতে পারে।
** {{cite news |title=The Terror of Our Guns |trans-title=আমাদের বন্দুকের আতঙ্ক |authorlink=w:ডেভিড ডি. কোল |first=ডেভিড |last=কোল |date=১৪ জুলাই ২০১৬ |magazine=[[w:দ্য নিউ ইয়র্ক রিভিউ অফ বুকস|দ্য নিউ ইয়র্ক রিভিউ অফ বুকস]]}}
* আমেরিকায় সাম্প্রতিক বেশ কয়েকটি [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গণ গোলাগুলি|গণ গোলাগুলিতে]] ব্যবহৃত বন্দুকের মডেল হলো এআর-১৫। এর মধ্যে রয়েছে [[স্যান্ডি হুক এলিমেন্টারি স্কুল শুটিং|২০১২ সালে কানেটিকাটের নিউটাউনে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গণহত্যা]] এবং এই বছরের জুনে [[w:পালস নাইটক্লাব শুটিং|ফ্লোরিডার অরল্যান্ডোতে পালস নাইটক্লাবে]] গণহত্যা।<br>মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নির্বাচনের সময় বন্দুকের বিক্রি বৃদ্ধি পাওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়। তবে আরও নাটকীয় ঢেউ সাধারণত [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গণ গোলাগুলি|গণ গোলাগুলির]] ঠিক পরেই আসে। কারণ ক্রেতারা তাদের নিজস্ব নিরাপত্তা নিয়ে বেশি উদ্বেগ অনুভব করেন এবং সরকার বিক্রি কমানোর প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারে বলে ভয় পান।<br>নিউটন ঘটনার পরের বছরে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বন্দুক প্রস্তুতকারক কোম্পানি স্টার্ম রুগার, রেমিংটন আউটডোর এবং [[স্মিথ অ্যান্ড ওয়েসন]] - রেকর্ড বিক্রিতে ৩৯০ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি মুনাফা অর্জন করে। প্রকাশ্যে লেনদেন করা স্টার্ম রুগার এবং স্মিথ অ্যান্ড ওয়েসনের শেয়ার একই বছরে ৭০ শতাংশেরও বেশি বেড়ে যায়।
** {{cite news |newspaper=[[w:দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট|দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট]] |title=Fear of Hillary Clinton victory sends gun manufacturer sales and profits soaring |trans-title=হিলারি ক্লিনটনের বিজয়ের আশঙ্কায় বন্দুক প্রস্তুতকারকের বিক্রি ও মুনাফা আকাশচুম্বী |first=ডেভিড |last=উসবোর্ন |date=২ নভেম্বর ২০১৬ |accessdate=৪ নভেম্বর ২০১৮ |url=https://www.independent.co.uk/news/world/americas/us-elections/presidential-election-gun-sales-hillary-clinton-sturm-ruger-stocks-profits-sales-a7393711.html}}
* এবং সম্ভবত এর ফলে আমরা শিখেছি যে "[[অ্যাসাল্ট রাইফেল]]" বলতে এমন একটি সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় বন্দুককে বোঝায় যা একবার ট্রিগার চাপলে অনেক রাউন্ড স্প্রে করে। অন্যদিকে আধা-স্বয়ংক্রিয় রূপগুলো (যেমন সেই [[w:সিগ এমসিএক্স|সিগ সাউয়ার]]) প্রতি ট্রিগার টানে একটি শট ফায়ার করে। অথবা এই পার্থক্য সামরিক ব্যবহারের জন্য ডিজাইন করা বন্দুকগুলোকে বেসামরিক নাগরিকদের জন্য সাধারণত সহজলভ্য বন্দুকগুলো থেকে আলাদা করে। অথবা "এআর-১৫-স্টাইল"-এর মতো একটি শব্দ প্রায়শই নির্দিষ্ট প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্যগুলোর নিখুঁতভাবে সম্মত সেটের চেয়ে বন্দুকের চেহারার দিকে বেশি নির্দেশ করে।
** ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে ''[[w:দ্য নিউ ইয়র্কার|দ্য নিউ ইয়র্কারে]]'' [[w:রব ওয়াকার|রব ওয়াকার]] ({{cite news |url=https://www.newyorker.com/culture/culture-desk/the-year-in-nine-objects |title=The Year in Nine Objects |trans-title=নয়টি বস্তুতে একটি বছর |last=ওয়াকার |first=রব |authorlink=w:রব ওয়াকার |date=৩০ ডিসেম্বর ২০১৬ |accessdate=১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ |magazine=[[w:দ্য নিউ ইয়র্কার|দ্য নিউ ইয়র্কার]] |issn=0028-792X}})।
=== ২০১৭ ===
* <p>সম্পূর্ণ প্রকাশের জন্য জানাচ্ছি, আমার কাছে ১২টি বন্দুক রয়েছে এবং আমি সবসময় একজন আগ্রহী ওয়াপিটি শিকারি ছিলাম। কিন্তু আমি [[w:কলাম্বাইন হাই স্কুল ম্যাসাকার|কলাম্বাইন স্কুল]] এবং [[২০১২ সালের অরোরা শুটিং|অরোরা থিয়েটার]] শুটিংয়ের ঘটনাও দেখেছি এবং আমার কাছে কোনো এআর-১৫ নেই।</p><p>'''একটি বিস্ময়কর তথ্য হলো যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুক হত্যাকাণ্ডের হার বিশ্বের অন্যান্য উচ্চ আয়ের দেশের তুলনায় ২৫ গুণ বেশি।''' ট্রমা সম্পর্কিত এই কমিটির জরিপের উদ্দেশ্য ছিল কর্মপরিকল্পনা তৈরি করতে ঐকমত্যের ক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করা।</p><p>প্রশংসনীয় হলেও, এই প্রক্রিয়াটি কেবল চলমান ব্যান্ডওয়াগনগুলোকে সমর্থন করার ঝুঁকি বহন করে। এই বিবেচনায়, আমি মতবিরোধের লক্ষণীয় ক্ষেত্রটির দিকে মনোযোগ দিতে চাই। আর তা হলো, '''বেসামরিক নাগরিকদের অ্যাসাল্ট রাইফেলে প্রবেশাধিকার। এই অস্ত্রগুলো শুটারকে ট্রিগার টানার সাথে সাথে ক্রমান্বয়ে মাঝারি শক্তির জীবন-নাশক মিসাইল ছুড়তে সাহায্য করে, যার ফলে অল্প সময়ের মধ্যে স্বল্প দূরত্বে একাধিক মৃত্যু ঘটে।'''</p><p>বিতর্কটি গোলাবারুদ নিয়ে নয়। ছোট গেম শিকারের জন্য একই বুলেট ব্যবহার করা হয়, তবে দীর্ঘ দূরত্বে। '''মৌলিক সমস্যাটি হলো রাইফেলের [[উচ্চ-ক্ষমতার ম্যাগাজিন|ম্যাগাজিন ক্ষমতা]], যা ৩০ বা ততোধিক বুলেট ধারণ করে দ্রুত শুটিং করতে সক্ষম করে।''' গণ গোলাগুলি, যা পাঁচ বা তার বেশি ভুক্তভোগী হিসেবে সংজ্ঞায়িত, বর্তমানে আমাদের দেশে একটি মহামারীতে রূপ নিয়েছে। আক্ষরিক অর্থেই এগুলো প্রতি সপ্তাহে ঘটে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। বন্দুক সহিংসতা নিয়ন্ত্রণের অস্থির বিষয়টি গণ গোলাগুলি হ্রাস করার জন্য অ্যাসাল্ট রাইফেলগুলো নির্মূল করার ওপর নির্ভর করে এবং এটি মৌলিকভাবে দ্বিতীয় সংশোধনীর "অস্ত্র রাখা এবং বহন করার" ব্যাখ্যার ওপর পর্যবসিত হয়। '''আমি বিশ্বাস করি না যে গণ গোলাগুলি কেবল এই কারণেই সম্ভব হচ্ছে যে, দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যক্তিদের এই অস্ত্রগুলোতে প্রবেশাধিকার রয়েছে, যা সামরিক বাহিনী দ্বারা এই মিশনটি সম্পন্ন করার জন্যই নকশা করা হয়েছিল, এই সত্যটি প্রতিষ্ঠা করার জন্য একটি এলোমেলো, সম্ভাব্য ট্রায়াল প্রয়োজন।'''</p>
** ডা. আর্নেস্ট ই. মুর, ট্রমা সার্জন, ''[[w:জার্নাল অফ ট্রমা অ্যান্ড অ্যাকিউট কেয়ার সার্জারি|জার্নাল অফ ট্রমা অ্যান্ড অ্যাকিউট কেয়ার সার্জারি]]ে''র সম্পাদক ({{cite news |author=[[w:আমেরিকান কলেজ অফ সার্জনস|আমেরিকান কলেজ অফ সার্জনস]] কমিটি অন ট্রমা ইনজুরি প্রিভেনশন অ্যান্ড কন্ট্রোল কমিটি |title=Survey of American College of Surgeons Committee on trauma members on firearm injury: Consensus and opportunities |trans-title=আগ্নেয়াস্ত্রের আঘাত সম্পর্কে আমেরিকান কলেজ অফ সার্জনস ট্রমা সদস্যদের ওপর জরিপ: ঐকমত্য এবং সুযোগ |journal=[[w:জার্নাল অফ ট্রমা অ্যান্ড অ্যাকিউট কেয়ার সার্জারি|জার্নাল অফ ট্রমা অ্যান্ড অ্যাকিউট কেয়ার সার্জারি]] |volume=৮২ |issue=৫ |pages=৮৭৭-৮৮৬ |date=মে ২০১৭ |doi=10.1097/TA.0000000000001405 |pmid=28240673 |url=https://journals.lww.com/jtrauma/fulltext/2017/05000/Survey_of_American_College_of_Surgeons_Committee.7.aspx}})
* উত্তর-পূর্ব পেনসিলভানিয়ার সবচেয়ে খারাপ [[w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গণ গোলাগুলি|গণহত্যাকে]] কোনো বাহ্যিক ট্রমা বা অভ্যন্তরীণ ভূত ন্যায্যতা দিতে পারে না। এটি আমেরিকার ইতিহাসের সবচেয়ে মারাত্মক সহিংসতার ঘটনাগুলোর মধ্যে অন্যতম।<br>[[w:জর্জ ব্যাংকস|ব্যাংকস]] গ্রাটারফোর্ডের স্টেট কারেকশনাল ইনস্টিটিউশনে কয়েকদিন ধরে তার সেলে একা বসে থাকে। সে সেইসব কল্পনা এবং বিভ্রমে নিমগ্ন থাকে, যা ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৮২-এর শুটিংয়ের আগে থেকে তার মানসিকতায় কাজ করছিল। সেই ঘটনায় [[w:উইলকস ব্যারে, পেনসিলভানিয়া|উইলকস ব্যারে]] এবং জেনকিন্স টাউনশিপে ১৩ জন মারা যায়, যাদের মধ্যে তার নিজের পাঁচ সন্তানও ছিল....<br>ব্যাংকস সামরিক ধাঁচের পোশাক এবং একটি টি-শার্ট পরেছিল যেখানে লেখা ছিল, "তাদের সবাইকে হত্যা করুন এবং ঈশ্বরকে তাদের বাছাই করতে দিন"। সে রেজিনা ক্লেমেন্স (২৯), ডরোথি লায়ন্স (২৯), শ্যারন ম্যাজিলো (২৪) এবং সুসান ইউহাসের (২৩) জীবন কেড়ে নিতে একটি এম-১৬ রাইফেল এবং একটি এআর-১৫ স্বয়ংক্রিয় রাইফেল ব্যবহার করেছিল; ছেলে কিসমায়ু (৫), বোয়েন্দে (৪) এবং ফোরারোডে (১); মেয়ে মন্টানজিমা (৬) এবং মারিতানিয়া (১); এবং আরও চারজন: লায়ন্সের মেয়ে ন্যান্সি (১১); ম্যাজিলোর ভাগ্নে স্কট (৭) এবং মা অ্যালিস (৪৭); এবং রেমন্ড হল (২৪), যিনি স্কুলহাউস লেনের অপরাধস্থলের রাস্তার ওপারে একটি পার্টিতে অতিথি ছিলেন।
** {{cite news |url=http://www.pennlive.com/midstate/index.ssf/2012/09/death_row_now_delusional_georg.html |agency=[[w:অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস|অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস]] |title=Decades on death row: Now delusional, George Banks killed 13 people, including 5 of his children in 1982 |trans-title=মৃত্যুদণ্ডাদেশে কয়েক দশক: এখন বিভ্রান্তিকর, জর্জ ব্যাংকস ১৯৮২ সালে তার ৫ সন্তানসহ ১৩ জনকে হত্যা করেছিল |newspaper=[[w:দ্য প্যাট্রিয়ট-নিউজ|দ্য প্যাট্রিয়ট-নিউজ]] |date=২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭ |accessdate=৬ নভেম্বর ২০১৮ |location=[[w:হ্যারিসবার্গ, পেনসিলভানিয়া|হ্যারিসবার্গ, পেনসিলভানিয়া]]}}
* আমি আরও বলতে চাই যে, কমিটির অন্যান্য সদস্যদের সাথে আমার ঝামেলা হতে পারে, আমেরিকার যুক্তরাষ্ট্রে কোনো বেসামরিক ব্যক্তির এআর-১৫ এর মতো আধা-স্বয়ংক্রিয় [[অ্যাসাল্ট রাইফেল]] কিনতে পারার বিষয়টি কতটা পাগলামো।
** আমেরিকান চিকিৎসক, [[w:স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়|স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের]] চিকিৎসা বিজ্ঞানের অধ্যাপক এবং অবসরপ্রাপ্ত [[w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিমান বাহিনী|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিমান বাহিনীর]] কর্নেল [[ডিন উইন্সলো]], ৭ নভেম্বর ২০১৭ সালে [[w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সিনেট কমিটি অন আর্মড সার্ভিসেস|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সিনেট কমিটি অন আর্মড সার্ভিসেসের]] সামনে তার নিশ্চিতকরণ শুনানিতে ({{cite news |title=Pentagon health nominee: It's 'insane' civilians can purchase assault weapons |trans-title=পেন্টাগনের স্বাস্থ্য মনোনীত ব্যক্তি: বেসামরিক নাগরিকরা অ্যাসাল্ট অস্ত্র কিনতে পারে এটা 'পাগলামো' |first=কনার |last=ও’ব্রায়েন |date=৭ নভেম্বর ২০১৭ |accessdate=২৯ আগষ্ট ২০১৮ |agency=[[w:পলিটিকো|পলিটিকো]] |url=https://www.politico.com/story/2017/11/07/trump-pentagon-nominee-insane-civilians-can-purchase-assault-weapons-244651}}; {{cite news |title=Trump DoD nominee: 'Insane' that civilians can buy assault rifles |trans-title=ট্রাম্প ডিনোমিনি: বেসামরিক নাগরিকরা অ্যাসাল্ট রাইফেল কিনতে পারে তা 'পাগলামো' |first=জ্যাচারি |last=কোহেন |date=৭ নভেম্বর ২০১৭ |accessdate=২৯ আগষ্ট ২০১৮ |agency=[[w:সিএনএন|সিএনএন]] |url=https://www.cnn.com/2017/11/07/politics/trump-pentagon-nominee-assault-rifles/index.html}}; {{cite news |title=Top Trump Pentagon nominee: It's 'insane' that civilians can buy semiautomatic assault rifles |trans-title=শীর্ষ ট্রাম্প পেন্টাগন মনোনীত ব্যক্তি: বেসামরিক নাগরিকরা আধা-স্বয়ংক্রিয় অ্যাসাল্ট রাইফেল কিনতে পারে তা 'পাগলামো' |first=এলিজাবেথ |last=ম্যাকলাফলিন |date=৭ নভেম্বর ২০১৭ |accessdate=২৯ আগষ্ট ২০১৮ |agency=[[w:এবিসি নিউজ|এবিসি নিউজ]] |url=https://abcnews.go.com/US/top-trump-pentagon-nominee-insane-civilians-buy-semi/story?id=50996546}}; {{cite news |authorlink=জেমস ফ্যালোস |first=জেমস |last=ফ্যালোস |date=১২ নভেম্বর ২০১৭ |title=More on the Military and Civilian History of the AR-15 |trans-title=এআর-১৫ এর সামরিক ও বেসামরিক ইতিহাস সম্পর্কে আরও কিছু |magazine=[[w:দ্য আটলান্টিক|দ্য আটলান্টিক]] |accessdate=২৯ আগষ্ট ২০১৮ |url=https://www.theatlantic.com/notes/2017/11/on-the-military-and-civilian-history-of-the-ar-15/545660/}}; {{cite news |title=I spoke my mind on guns. Then my Senate confirmation was put on hold |trans-title=আমি বন্দুক নিয়ে আমার মনের কথা বলেছি। তারপর আমার সিনেট নিশ্চিতকরণ আটকে দেওয়া হয়েছিল |authorlink=w:ডিন উইন্সলো |first=ডিন |last=উইন্সলো |date=২০ ডিসেম্বর ২০১৭ |accessdate=২৯ আগষ্ট ২০১৮ |newspaper=[[w:দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট|দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট]] |url=https://www.washingtonpost.com/opinions/i-spoke-my-mind-on-guns-it-torpedoed-my-appointment-in-the-trump-administration/2017/12/20/8f708f6c-e50d-11e7-833f-155031558ff4_story.html}})।
* আগ্নেয়াস্ত্র সম্পর্কে অন্য কিছু জানেন না এমন আমেরিকানরা এআর-১৫ নামের সাথে খুব ভালোভাবেই পরিচিত। এটি সেই আধা-স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র যা খুনিরা সাম্প্রতিক বছরগুলোর সবচেয়ে কুখ্যাত এবং উচ্চ-হতাহতের ঘটনাগুলোতে ব্যবহার করেছে: [[২০১২ সালের অরোরা শুটিং|কলোরাডোর অরোরা]]। [[স্যান্ডি হুক এলিমেন্টারি স্কুল শুটিং|কানেটিকাটের নিউটাউন]]। [[w:পালস নাইটক্লাব শুটিং|ফ্লোরিডার অরল্যান্ডো]]। [[w:২০১৫ সান বার্নার্ডিনো অ্যাটাক|ক্যালিফোর্নিয়ার সান বার্নার্ডিনো]]। এখন সংশোধিত সংস্করণগুলো ব্যবহার করে [[২০১৭ সালের লাস ভেগাস শুটিং|নেভাডার লাস ভেগাস]] এবং [[সাদারল্যান্ড স্প্রিংস চার্চ শুটিং|টেক্সাসের সাদারল্যান্ড স্প্রিংসে]] হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়েছে।
** [[জেমস ফ্যালোস]] ({{cite news |title=Why the AR-15 Is So Lethal |trans-title=কেন এআর-১৫ এত প্রাণঘাতী |authorlink=w:জেমস ফ্যালোস |first=জেমস |last=ফ্যালোস |date=৭ নভেম্বর ২০১৭ |accessdate=২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |magazine=[[w:দ্য আটলান্টিক|দ্য আটলান্টিক]] |url=https://www.theatlantic.com/politics/archive/2017/11/why-the-ar-15-is-so-lethal/545162/}})।
* একটি ছোট বুলেট ক্ষতের ব্যালিস্টিক্সে এত বেশি ফল দেয়। এই অস্ত্রগুলো যারা বেছে নেয়, তারা এই বিষয়টি জানে।
** [[জেমস ফ্যালোস]] ({{cite news |title=Why the AR-15 Is So Lethal |trans-title=কেন এআর-১৫ এত প্রাণঘাতী |authorlink=w:জেমস ফ্যালোস |first=জেমস |last=ফ্যালোস |date=৭ নভেম্বর ২০১৭ |accessdate=২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |magazine=[[w:দ্য আটলান্টিক|দ্য আটলান্টিক]] |url=https://www.theatlantic.com/politics/archive/2017/11/why-the-ar-15-is-so-lethal/545162/}})।
* ১৯৫০-এর দশকের শেষের দিকে ক্যালিফোর্নিয়ার ছোট স্টার্টআপ আরমালাইটে (যেখান থেকে এআর শব্দটি এসেছে) কাজ করা একজন প্রাক্তন মেরিন [[ইউজিন স্টোনার]] দ্বারা একটি বেসামরিক অস্ত্র হিসেবে '''এআর-১৫''' তৈরি করা হয়েছিল। বন্দুকটি তার হালকা ওজন, সহজে যত্ন নেওয়া এবং অতিরিক্ত উপাদানগুলোর সাথে অভিযোজনযোগ্যতার জন্য বৈপ্লবিক ছিল। ১৯৬০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে [[w:কোল্ট এআর-১৫|কোল্ট]] এর পেটেন্ট কেনার পর এটি মূলধারায় প্রবেশ করে এবং ভিয়েতনামের সৈন্যদের জন্য এম১৬ নামে একটি স্বয়ংক্রিয়-ফায়ার সংস্করণ তৈরি করে।
** {{cite news |title=America's rifle: Why so many people love the AR-15 |trans-title=আমেরিকার রাইফেল: কেন এত মানুষ এআর-১৫ পছন্দ করে |first=জন |last=শুপে |date=২৭ ডিসেম্বর ২০১৭ |accessdate=৬ নভেম্বর ২০১৮ |agency=[[w:এনবিসি নিউজ|এনবিসি নিউজ]] |url=https://www.nbcnews.com/news/us-news/america-s-rifle-why-so-many-people-love-ar-15-n831171}}
* এআর-১৫ বা এর একটি ভিন্ন রূপ বেশ কয়েকটি [[w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গণ গোলাগুলি|গণ গোলাগুলিতে]] ব্যবহৃত হয়েছিল বলে জানা গেছে - যার মধ্যে রয়েছে [[২০১২ সালের অরোরা শুটিং|কলোরাডোর অরোরা]]; [[স্যান্ডি হুক এলিমেন্টারি স্কুল শুটিং|কানেটিকাটের নিউটাউন]]; [[w:২০১৫ সান বার্নার্ডিনো অ্যাটাক|ক্যালিফোর্নিয়ার সান বার্নার্ডিনো]]; [[সাদারল্যান্ড স্প্রিংস চার্চ শুটিং|টেক্সাসের সাদারল্যান্ড স্প্রিংস]]; [[২০১৭ সালের লাস ভেগাস শুটিং|লাস ভেগাস]] এবং [[স্টোনম্যান ডগলাস হাই স্কুল শুটিং|ফ্লোরিডার পার্কল্যান্ড]], যেখানে মোট ১৫৪ জন নিহত হয়েছিল। এর ফলে সামরিক অ্যাসাল্ট রাইফেলের এই বেসামরিক সঙ্গীটি আধুনিক আমেরিকান শিল্পের একটি অত্যন্ত মেরুকরণকারী পণ্য। এআর-১৫ এবং এর আধা-স্বয়ংক্রিয় কাজিনরা - এগুলো ট্রিগারের প্রতিটি টানের জন্য একটি করে রাউন্ড গুলি করে - যারা এগুলোকে অতিরিক্ত, অদ্ভুত এবং বেসামরিক বাজারে কোনো স্থান নেই বলে মনে করে তাদের মধ্যে বিরক্তির জন্ম দেয়।<br>এটি একাধিক নিষেধাজ্ঞার প্রচেষ্টার কেন্দ্রবিন্দু, যা মানুষকে আরও বেশি কিনতে প্ররোচিত করেছে। এই ধরনের "'''প্যানিক বায়িং'''" প্রেসিডেন্ট [[বারাক ওবামা|বারাক ওবামার]] মেয়াদকালে এবং ২০১৬ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনী প্রচারণার সময় এআর-১৫ এর বিক্রি রেকর্ড পর্যায়ে নিয়ে যায়।
** {{cite news |title=America's rifle: Why so many people love the AR-15 |trans-title=আমেরিকার রাইফেল: কেন এত মানুষ এআর-১৫ পছন্দ করে |first=জন |last=শুপে |date=২৭ ডিসেম্বর ২০১৭ |accessdate=৬ নভেম্বর ২০১৮ |agency=[[w:এনবিসি নিউজ|এনবিসি নিউজ]] |url=https://www.nbcnews.com/news/us-news/america-s-rifle-why-so-many-people-love-ar-15-n831171}}
* ফেডারেল নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর থেকে এআর-স্টাইলের বন্দুকের উৎপাদন বেড়েছে। ২০০৪ সালে ১,০৭,০০০ তৈরি করা হয়েছিল। শিল্প বাণিজ্য সমিতি ন্যাশনাল শুটিং স্পোর্টস ফাউন্ডেশনের (এনএসএসএফ) মতে, ২০১৫ সালে এই সংখ্যাটি ছিল ১.২ মিলিয়ন....<br>এনএসএসএফ এর একটি অনুমান অনুযায়ী, '''বর্তমানে এই দেশে কেনা প্রতি পাঁচটি আগ্নেয়াস্ত্রের মধ্যে একটি হলো এআর-স্টাইলের রাইফেল'''। বন্দুক গোষ্ঠীর মতে, আমেরিকানদের এখন আনুমানিক ১৫ মিলিয়ন এআর-১৫ রয়েছে।
** {{cite news |title=America's rifle: Why so many people love the AR-15 |trans-title=আমেরিকার রাইফেল: কেন এত মানুষ এআর-১৫ পছন্দ করে |first=জন |last=শুপে |date=২৭ ডিসেম্বর ২০১৭ |accessdate=৬ নভেম্বর ২০১৮ |agency=[[w:এনবিসি নিউজ|এনবিসি নিউজ]] |url=https://www.nbcnews.com/news/us-news/america-s-rifle-why-so-many-people-love-ar-15-n831171}}
* আমরা যে সমস্যার সম্মুখীন তা হলো বন্দুক সহিংসতা। বন্দুক সহিংসতা আমেরিকার একটি অনন্য মহামারী। ১৯৬৮ সাল থেকে আমেরিকায় বন্দুকের গুলিতে ১.৫ মিলিয়ন মানুষ নিহত হয়েছে, যা আমেরিকার ইতিহাসে সমস্ত যুদ্ধের সম্মিলিত মৃত্যুর চেয়েও বেশি। মানুষ হত্যা করার জন্য অ্যাসাল্ট-শৈলীর রাইফেল ব্যবহার করা হচ্ছে: অরোরা: এআর-১৫, অরল্যান্ডো: সিগ সাউয়ার এমসিএক্স, লাস ভেগাস: এআর-১৫, সান্তা মনিকা কমিউনিটি কলেজ: এআর-১৫, স্যান্ডি হুক: এআর-১৫, উম্পকোয়া কমিউনিটি কলেজ: এআর-১৫, সান বার্নার্ডিনো: এআর-১৫, সাদারল্যান্ড স্প্রিংস: এআর-১৫। আমাদের পরিবর্তন হতে হবে। আমি উপাসনালয়ে নিরাপত্তার মাত্রা পরিবর্তনের কথা বলছি না, আমি বোঝাতে চাইছি বন্দুক, সহিংসতা এবং সন্ত্রাসকে আমরা যেভাবে দেখি তা পরিবর্তন করতে হবে। বেসামরিক নাগরিকদের '''সর্বোচ্চ হতাহতের জন্য তৈরি বন্দুকের''' মালিক হওয়ার ক্ষমতা ৫০ বছরে ১.৫ মিলিয়ন মৃত মানুষের মূল্যের সমান নয়।
** লরা মেয়ো, পাস্তর, কোভনেন্ট চার্চ, হিউস্টন, টেক্সাস ({{cite web |title=Gun Violence Prevention Congregational Toolkit |trans-title=গান ভায়োলেন্স প্রিভেনশন কংগ্রেগেশনাল টুলকিট |publisher=[[w:ব্যাপটিস্ট পিস ফেলোশিপ অফ নর্থ আমেরিকা|ব্যাপটিস্ট পিস ফেলোশিপ অফ নর্থ আমেরিকা]] |url=https://www.bpfna.org/equip/sm_files/PPF17Toolkit_BPFNA_Toolkit_FINAL.pdf}})
=== ২০১৮ ===
* ঠিক আছে। তাহলে পরিকল্পনা হলো এটি। আমি দুপুর ২:৪০ এর আগে উবারে করে যাব। সেখান থেকে আমি স্কুল ক্যাম্পাসে প্রবেশ করব, সিঁড়ি দিয়ে উঠব, আমার ব্যাগগুলো নামাব এবং আমার '''এআর''' বের করে মূল প্রাঙ্গণে মানুষ মারব। অপেক্ষা করুন, মানুষ মারা যাবে।
** [[w:নিকোলাস ক্রুজ|নিকোলাস ক্রুজ]], ৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, নিজে রেকর্ড করা সেল ফোনের ভিডিওতে ({{cite news |title= 'You're all going to die.' Nikolas Cruz made cellphone videos plotting Parkland attack. |trans-title= 'আপনারা সবাই মারা যাবেন।' নিকোলাস ক্রুজ পার্কল্যান্ড হামলার ষড়যন্ত্র করে সেলফোনের ভিডিও তৈরি করেছিল। |first1=ডেভিড |last1=ওভাল |first2=নিকোলাস |last2=নেহামাস |date=৩০ মে ২০১৮ |newspaper=[[w:দ্য মিয়ামি হেরাল্ড|দ্য মিয়ামি হেরাল্ড]] |url=https://www.miamiherald.com/news/local/community/broward/article212199899.html}}; {{cite news |title=Parkland shooter described plans on cellphone video |trans-title=পার্কল্যান্ড শুটার সেলফোনের ভিডিওতে পরিকল্পনার বর্ণনা দিয়েছে |first1=ডায়ান |last1=গ্যালাঘার |first2=মেরিডিথ |last2=এডওয়ার্ডস |first3=জামিয়েল |last3=লিঞ্চ |first4=স্টিভ |last4=আলমাসি |agency=[[w:সিএনএন|সিএনএন]] |date=৩০ মে ২০১৮ |url=https://www.cnn.com/2018/05/30/us/florida-parkland-nikolas-cruz-videos/index.html}}; {{cite news |title=Taunting Words of Teenager: 'You'll All Know Who I Am. You're All Going to Die.' |trans-title=কিশোরের বিদ্রূপাত্মক কথা: 'আপনারা সবাই জানবেন আমি কে। আপনারা সবাই মারা যাবেন।' |last=রোবলস |first=ফ্রান্সেস |newspaper=[[w:দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস]] |date=৩১ মে ২০১৮ |url=https://www.nytimes.com/2018/05/30/us/nikolas-cruz-parkland-video.html}})
* আজই সেই দিন। আজ থেকেই সব শুরু হবে। আমার গণহত্যার দিন শুরু হবে। স্কুলের সব বাচ্চারা দৌড়াবে, ভয় পাবে এবং লুকোবে। আমার শক্তির প্রকোপ থেকে তারা জানবে আমি কে....আমার এআর-১৫ এর শক্তিতে আপনারা সবাই জানবেন আমি কে।
** [[w:নিকোলাস ক্রুজ|নিকোলাস ক্রুজ]], ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, নিজে রেকর্ড করা সেল ফোনের ভিডিওতে ({{cite news |title= 'You're all going to die.' Nikolas Cruz made cellphone videos plotting Parkland attack. |trans-title= 'আপনারা সবাই মারা যাবেন।' নিকোলাস ক্রুজ পার্কল্যান্ড হামলার ষড়যন্ত্র করে সেলফোনের ভিডিও তৈরি করেছিল। |first1=ডেভিড |last1=ওভাল |first2=নিকোলাস |last2=নেহামাস |date=৩০ মে ২০১৮ |newspaper=[[w:দ্য মিয়ামি হেরাল্ড|দ্য মিয়ামি হেরাল্ড]] |url=https://www.miamiherald.com/news/local/community/broward/article212199899.html}}; {{cite news |title=Parkland shooter described plans on cellphone video |trans-title=পার্কল্যান্ড শুটার সেলফোনের ভিডিওতে পরিকল্পনার বর্ণনা দিয়েছে |first1=ডায়ান |last1=গ্যালাঘার |first2=মেরিডিথ |last2=এডওয়ার্ডস |first3=জামিয়েল |last3=লিঞ্চ |first4=স্টিভ |last4=আলমাসি |agency=[[w:সিএনএন|সিএনএন]] |date=৩০ মে ২০১৮ |url=https://www.cnn.com/2018/05/30/us/florida-parkland-nikolas-cruz-videos/index.html}}; {{cite news |title=Taunting Words of Teenager: 'You'll All Know Who I Am. You're All Going to Die.' |trans-title=কিশোরের বিদ্রূপাত্মক কথা: 'আপনারা সবাই জানবেন আমি কে। আপনারা সবাই মারা যাবেন।' |last=রোবলস |first=ফ্রান্সেস |newspaper=[[w:দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস]] |date=৩১ মে ২০১৮ |url=https://www.nytimes.com/2018/05/30/us/nikolas-cruz-parkland-video.html}})
* হ্যালো। আমার নাম নিক এবং আমি ২০১৮ সালের পরবর্তী স্কুল শুটার হতে যাচ্ছি। একটি এআর-১৫ এবং কয়েকটি ট্রেসার রাউন্ড দিয়ে অন্তত ২০ জনকে হত্যা করা আমার লক্ষ্য। আমার মনে হয় আমি এটি করতে পারব। স্থান হলো ফ্লোরিডার পার্কল্যান্ডের [[স্টোনম্যান ডগলাস হাই স্কুল শুটিং|স্টোনম্যান ডগলাস]]। এটি একটি বড় ঘটনা হতে যাচ্ছে। আর আপনারা যখন আমাকে খবরে দেখবেন, তখন সবাই জানবেন আমি কে (হাসি)। আপনারা সবাই মারা যাবেন। পিউ, পিউ-পিউ, পিউ, পিউ, পিউ, পিউ। হ্যাঁ। আর অপেক্ষা করতে পারছি না।
** [[w:নিকোলাস ক্রুজ|নিকোলাস ক্রুজ]], ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, নিজে রেকর্ড করা সেল ফোনের ভিডিওতে ({{cite news |title= 'You're all going to die.' Nikolas Cruz made cellphone videos plotting Parkland attack. |trans-title= 'আপনারা সবাই মারা যাবেন।' নিকোলাস ক্রুজ পার্কল্যান্ড হামলার ষড়যন্ত্র করে সেলফোনের ভিডিও তৈরি করেছিল। |first1=ডেভিড |last1=ওভাল |first2=নিকোলাস |last2=নেহামাস |date=৩০ মে ২০১৮ |newspaper=[[w:দ্য মিয়ামি হেরাল্ড|দ্য মিয়ামি হেরাল্ড]] |url=https://www.miamiherald.com/news/local/community/broward/article212199899.html}}; {{cite news |title=Parkland shooter described plans on cellphone video |trans-title=পার্কল্যান্ড শুটার সেলফোনের ভিডিওতে পরিকল্পনার বর্ণনা দিয়েছে |first1=ডায়ান |last1=গ্যালাঘার |first2=মেরিডিথ |last2=এডওয়ার্ডস |first3=জামিয়েল |last3=লিঞ্চ |first4=স্টিভ |last4=আলমাসি |agency=[[w:সিএনএন|সিএনএন]] |date=৩০ মে ২০১৮ |url=https://www.cnn.com/2018/05/30/us/florida-parkland-nikolas-cruz-videos/index.html}}; {{cite news |title=Taunting Words of Teenager: 'You'll All Know Who I Am. You're All Going to Die.' |trans-title=কিশোরের বিদ্রূপাত্মক কথা: 'আপনারা সবাই জানবেন আমি কে। আপনারা সবাই মারা যাবেন।' |last=রোবলস |first=ফ্রান্সেস |newspaper=[[w:দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস]] |date=৩১ মে ২০১৮ |url=https://www.nytimes.com/2018/05/30/us/nikolas-cruz-parkland-video.html}})
* এই সমস্ত সামরিক-শৈলীর আধা-স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রগুলোর মধ্যে আরও একটি মিল রয়েছে। সেগুলোকে বাড়ি-প্রতিরক্ষা এবং মার্কসম্যানশিপ অস্ত্র হিসেবে প্রচুর পরিমাণে বাজারজাত করা হয়েছে। গত দুই দশকে বন্দুক প্রস্তুতকারকদের জন্য এগুলো বিক্রি করা মুনাফার একটি '''প্রধান চালক''' হয়ে উঠেছে।
** {{Citation|newspaper=[[w:দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস]] |authorlink=w:রিচার্ড এ. অপেল জুনিয়র |first=রিচার্ড এ. |last=অপেল জুনিয়র |accessdate=৬ নভেম্বর ২০১৮ |date=১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ |url=https://www.nytimes.com/2018/02/15/us/ar15-mass-shootings-guns.html |title=In Florida, an AR-15 Is Easier to Buy Than a Handgun |trans-title=ফ্লোরিডায়, একটি হ্যান্ডগানের চেয়ে এআর-১৫ কেনা সহজ}}
* এআর-১৫ হলো সামরিক [[অ্যাসাল্ট রাইফেল|অ্যাসাল্ট রাইফেলের]] (এম১৬ বা এম৪) বেসামরিক সংস্করণ। এটি [[w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গণ গোলাগুলি|মার্কিন গণ গোলাগুলিতে]] সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত রাইফেলে পরিণত হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, [[স্টোনম্যান ডগলাস হাই স্কুল শুটিং|পার্কল্যান্ড]] এবং [[২০১৭ সালের লাস ভেগাস শুটিং|লাস ভেগাসের]] সাম্প্রতিক গোলাগুলি এই অস্ত্রের নকশার কার্যকারিতার প্রমাণ দেয়। এটি সামরিক বাহিনীর জন্য তৈরি করা হয়েছিল, যাতে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা স্বল্প সময়ের মধ্যে একাধিক শত্রুকে আরও ভালোভাবে পরাস্ত করতে পারে। বেসামরিক নাগরিকদের হাতে এটি কেবল কিছু ব্যক্তির জন্য একই উদ্দেশ্য সাধন করে তা নয়, এটি কীভাবে এবং কেন তৈরি করা হয়েছিল তা বিবেচনা করলে এটি অন্য কী উদ্দেশ্য সাধন করতে পারে তা স্পষ্ট নয়।<br>...যকৃতে একটি সাধারণ ৯ মিমি হ্যান্ডগানের ক্ষত ১-২ ইঞ্চি টিস্যু ধ্বংসের পথ তৈরি করবে। এর তুলনায় যকৃতে একটি এআর-১৫ রাউন্ড আক্ষরিক অর্থেই এটিকে চূর্ণবিচূর্ণ করে দেবে। অনেকটা তরমুজ কংক্রিটের ওপর ফেললে যেমন তরমুজটি ধ্বংস হয়ে যায়। [[স্যান্ডি হুক এলিমেন্টারি স্কুল শুটিং|স্যান্ডি হুক]] এবং পার্কল্যান্ডের মতো স্কুল শুটিংগুলোতে এআর-১৫ ব্যবহৃত হয়েছিল। সেখানে দেখা যাওয়া ক্ষতগুলোতে '''মৃত্যুর হার বেশি'''...<br>এআর-১৫ এর কার্যকারিতা [[উচ্চ-ক্ষমতার ম্যাগাজিন|বৃহৎ ক্ষমতার অ্যামোনিশন ম্যাগাজিনের]] দ্বারা আরও বেড়ে যায়। এটি পুনরায় লোড না করেই রাইফেলে ৩০ বা ততোধিক বুলেট খাওয়ানোর অনুমতি দেয়।<br>উচ্চ প্রাণহানির গণ গোলাগুলিগুলো মূলত একজন উন্মাদ ব্যক্তির সংমিশ্রণের ফলাফল, যে বিপুল সংখ্যক মানুষের জীবন শেষ করতে চায় এবং অ্যাসাল্ট রাইফেলে প্রবেশাধিকার পেতে সক্ষম।
** ডা. আর্নেস্ট ই. মুর, ট্রমা সার্জন, ''[[w:জার্নাল অফ ট্রমা অ্যান্ড অ্যাকিউট কেয়ার সার্জারি|জার্নাল অফ ট্রমা অ্যান্ড অ্যাকিউট কেয়ার সার্জারি]]ে''র সম্পাদক ({{cite news |first=আর্নেস্ট ই. |last=মুর |title=The Parkland shooter's AR-15 was designed to kill as efficiently as possible |trans-title=পার্কল্যান্ড শুটারের এআর-১৫ যতটা সম্ভব দক্ষতার সাথে হত্যা করার জন্য নকশা করা হয়েছিল |date=১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ |accessdate=২৫ আগষ্ট ২০১৮ |agency=[[w:এনবিসি নিউজ|এনবিসি নিউজ]] |url=https://www.nbcnews.com/think/opinion/parkland-shooter-s-ar-15-was-designed-kill-efficiently-possible-ncna848346}})।
* আমি সারাজীবন শিকার করেছি...তবে এআর-১৫ শিকারের জন্য নয়। এটি হত্যার জন্য।
** ফ্লোরিডার সিনেটর [[বিল নেলসন]], ২০১৮ সালে [[w:পার্কল্যান্ড, ফ্লোরিডা|ফ্লোরিডার পার্কল্যান্ডে]] [[স্টোনম্যান ডগলাস হাই স্কুল শুটিংয়ের]] পর, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ সালে [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটের]] ফ্লোরে ({{cite news |first=মার্ক |last=ফিশার |authorlink=w:মার্ক ফিশার |date=১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ |accessdate=২২ আগষ্ট ২০১৮ |newspaper=[[w:দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট|দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট]] |title=The AR-15: ‘America’s rifle’ or illegitimate killing machine? |trans-title=এআর-১৫: 'আমেরিকার রাইফেল' নাকি অবৈধ হত্যার যন্ত্র? |url=https://www.washingtonpost.com/politics/the-ar-15-americas-rifle-or-illegitimate-killing-machine/2018/02/15/743e66ca-1266-11e8-9065-e55346f6de81_story.html}}; {{cite news |newspaper=[[w:ইউএসএ টুডে|ইউএসএ টুডে]] |title=Florida shooting suspect bought gun legally, authorities say |trans-title=কর্তৃপক্ষের মতে, ফ্লোরিডা শুটিংয়ের সন্দেহভাজন বৈধভাবে বন্দুক কিনেছিল |first=বার্ট |last=জ্যানসেন |date=১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ |accessdate=২২ আগষ্ট ২০১৮ |url=https://www.usatoday.com/story/news/2018/02/15/florida-shooting-suspect-bought-gun-legally-authorities-say/340606002/}}; {{cite news |title=Florida Senators on Parkland School Shooting |trans-title=পার্কল্যান্ড স্কুল শুটিং নিয়ে ফ্লোরিডার সিনেটররা |date=১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ |agency=[[w:সি-স্প্যান|সি-স্প্যান]] |accessdate=২২ আগষ্ট ২০১৮ |url=https://www.c-span.org/video/?441042-15/florida-senators-parkland-school-shooting}}; {{cite news |agency=[[w:বিবিসি|বিবিসি]] |title=FL senator: 'AR-15 is not for hunting, it’s for killing' |trans-title=এফএল সিনেটর: 'এআর-১৫ শিকারের জন্য নয়, এটি হত্যার জন্য' |date=১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ |accessdate=২২ আগষ্ট ২০১৮ |url=https://www.bbc.com/news/live/world-us-canada-43066528}}) এবং [[w:ফক্স নিউজ|ফক্স নিউজ]]ের ''[[w:ফক্স অ্যান্ড ফ্রেন্ডস|ফক্স অ্যান্ড ফ্রেন্ডস]]ে'' একটি সাক্ষাৎকারে ({{cite news |title=AR-15s are not the problem, manufacturers say after rifle-wielding teenage gunman kills 17 people at Florida school |trans-title=এআর-১৫ কোনো সমস্যা নয়, ফ্লোরিডার স্কুলে রাইফেলধারী কিশোর বন্দুকধারী ১৭ জনকে হত্যা করার পর নির্মাতাদের দাবি |first=কেভিন |last=ব্রুনিংগার |date=১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ |accessdate=২২ আগষ্ট ২০১৮ |agency=[[w:সিএনবিসি|সিএনবিসি]] |url=https://www.cnbc.com/2018/02/15/ar-15s-not-the-problem-rifle-manufacturers-say-after-school-shooting.html}}) এবং পরের দিন পার্কল্যান্ডে একটি উপস্থিতিতে ({{cite news |title=VERBATIM: 'An AR-15 is not for hunting, it's for killing' |trans-title=শব্দে শব্দে: 'এআর-১৫ শিকারের জন্য নয়, এটি হত্যার জন্য' |agency=[[w:রয়টার্স|রয়টার্স]] |date=১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ |accessdate=২২ আগষ্ট ২০১৮ |url=https://www.reuters.com/video/2018/02/16/verbatim-an-ar-15-is-not-for-hunting-its?videoId=401778248}}; {{cite news |title='An AR-15 Is for Killing': Sen. Nelson Hopes FL Shooting Is the 'Turning Point' on Gun Control |trans-title='এআর-১৫ হত্যার জন্য': সেন. নেলসন আশা করেন এফএল শুটিং বন্দুক নিয়ন্ত্রণে 'টার্নিং পয়েন্ট' হবে |agency=[[w:ফক্স নিউজ|ফক্স নিউজ]] |date=১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ |accessdate=২২ আগষ্ট ২০১৮ |url=http://insider.foxnews.com/2018/02/16/bill-nelson-florida-school-shooting-could-be-turning-point-gun-control}})।
* বুধবারে দক্ষিণ ফ্লোরিডার একটি উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৭ জনকে হত্যা করার জন্য একজন বন্দুকধারী সামরিক-শৈলীর রাইফেল এআর-১৫ ব্যবহার করেছিল। এই অস্ত্রটি একইসাথে একটি প্রচণ্ড শক্তিশালী অস্ত্র, স্বাধীনতা ও ব্যক্তিবাদের প্রতীক এবং গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ নিয়ে হতাশাজনক উদ্বেগের বস্তু।<br>আপনি কোন রাজনৈতিক এবং সামাজিক শিবিরের অন্তর্ভুক্ত, তার ওপর নির্ভর করে এটি "আমেরিকার রাইফেল", "আপনার নিয়তি নিয়ন্ত্রণের" উপায় অথবা একটি হত্যার যন্ত্র যার বেসামরিক জীবনে কোনো বৈধ স্থান নেই।
** ''[[w:দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট|দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট]]ে''র সিনিয়র সম্পাদক [[w:মার্ক ফিশার|মার্ক ফিশার]] ({{cite news |first=মার্ক |last=ফিশার |authorlink=w:মার্ক ফিশার |date=১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ |accessdate=৬ নভেম্বর ২০১৮ |newspaper=[[w:দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট|দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট]] |title=The AR-15: ‘America’s rifle’ or illegitimate killing machine? |trans-title=এআর-১৫: 'আমেরিকার রাইফেল' নাকি অবৈধ হত্যার যন্ত্র? |url=https://www.washingtonpost.com/politics/the-ar-15-americas-rifle-or-illegitimate-killing-machine/2018/02/15/743e66ca-1266-11e8-9065-e55346f6de81_story.html}})।
* বেসামরিক বাজারে এআর-১৫ বছরের পর বছর ধরে খুব একটা বিক্রি হয়নি। আংশিকভাবে এর কারণ ছিল ভিয়েতনাম সংঘাতের সাথে এর সম্পর্ক, যা কারও মতে আমেরিকান শ্রেষ্ঠত্বের মডেল ছিল না। অনেক বন্দুক উৎসাহী এআর-১৫ পছন্দ করেননি কারণ এটি খুব হালকা ছিল। কেউ কেউ একে খেলনার মতো মনে করে বাতিল করে দিয়েছিল।<br>তবে ২০০৪ সালে প্রেসিডেন্ট [[জর্জ ডব্লিউ. বুশ]] ১৯৯৪ সালে প্রেসিডেন্ট [[বিল ক্লিনটনের]] অধীনে প্রণীত [[অ্যাসাল্ট ওয়েপন|অ্যাসাল্ট অস্ত্রের]] ওপর নিষেধাজ্ঞার অবসান ঘটালে এআর-১৫ নতুন জীবন পায়।<br>এবং ২০০৫ সালে বুশ একটি আইনে স্বাক্ষর করেন, যা অস্ত্র প্রস্তুতকারক এবং ডিলারদের তাদের পণ্য দিয়ে সংঘটিত অপরাধের দায় থেকে সুরক্ষা দেয়। [[ন্যাশনাল রাইফেল অ্যাসোসিয়েশন|এনআরএ]] একে "বিশ বছরের মধ্যে বন্দুকের পক্ষে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য আইন" বলে অভিহিত করেছে।<br>এআর-১৫ দ্রুত বিক্রি হয়ে যায়। [[বারাক ওবামা|ওবামা]] প্রশাসনের সময় বিক্রি আবার বেড়ে যায়। তখন দেশটিতে অনেকগুলো [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গণ গোলাগুলি|গণ গোলাগুলির]] ঘটনা ঘটেছিল। এর ফলে ডেমোক্র্যাটরা অ্যাসাল্ট অস্ত্রের ওপর নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহালের আহ্বান জানায়। এনআরএ এবং বন্দুক অধিকারের অনেক রিপাবলিকান সমর্থকদের লাগাতার প্রচারণায় এই ধারণা ছড়িয়ে পড়ে যে, প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা আমেরিকানদের আগ্নেয়াস্ত্র নিষিদ্ধ এবং বাজেয়াপ্ত করার উদ্দেশ্য নিয়েছেন। এর ফলে বিক্রিতে ব্যাপক উল্লম্ফন ঘটে। তবে ওবামা কখনোই এমন কোনো উদ্যোগ নেননি।
** ''[[w:দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট|দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট]]ে''র সিনিয়র সম্পাদক [[w:মার্ক ফিশার|মার্ক ফিশার]] ({{cite news |first=মার্ক |last=ফিশার |authorlink=w:মার্ক ফিশার |date=১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ |accessdate=৬ নভেম্বর ২০১৮ |newspaper=[[w:দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট|দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট]] |title=The AR-15: ‘America’s rifle’ or illegitimate killing machine? |trans-title=এআর-১৫: 'আমেরিকার রাইফেল' নাকি অবৈধ হত্যার যন্ত্র? |url=https://www.washingtonpost.com/politics/the-ar-15-americas-rifle-or-illegitimate-killing-machine/2018/02/15/743e66ca-1266-11e8-9065-e55346f6de81_story.html}})।
* এগুলো নির্ভুল এবং আপনি ট্রিগার টানার সাথে সাথেই এগুলো ফায়ার করতে পারে। সেই সাথে এগুলো অত্যন্ত কাস্টমাইজযোগ্য। বেশিরভাগ সাধারণ মানুষ বুঝতে পারে কীভাবে ফরওয়ার্ড ট্রিগার গ্রিপের মতো জিনিসপত্র ইনস্টল করতে হয়। এটি আপনাকে কোমরের উচ্চতায় বন্দুকটি ধরে রাখতে এবং বন্দুকটিকে স্থিতিশীল রেখে গুলি স্প্রে করতে সহায়তা করে। লেজার সাইটগুলো আপনি ব্যবহার করতে পারেন এবং আপনি এতে [[উচ্চ-ক্ষমতার ম্যাগাজিন|উচ্চ-ক্ষমতার ম্যাগাজিন]] যোগ করতে পারেন।
** [[w:ব্র্যাডি ক্যাম্পেইন টু প্রিভেন্ট গান ভায়োলেন্স|ব্র্যাডি ক্যাম্পেইন টু প্রিভেন্ট গান ভায়োলেন্স]] ({{cite news |title=Why the AR-15 keeps appearing at America's deadliest mass shootings |trans-title=আমেরিকার সবচেয়ে মারাত্মক গণ গোলাগুলিতে কেন বারবার এআর-১৫ ফিরে আসে |first1=উইলিয়াম |last1=কামিংস |first2=বার্ট |last2=জ্যানসেন |newspaper=[[w:ইউএসএ টুডে|ইউএসএ টুডে]] |date=১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ |accessdate=২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |url=https://eu.usatoday.com/story/news/nation/2018/02/14/ar-15-mass-shootings/339519002}}; {{cite news |title=The Controversy Surrounding the AR-15 Rifle Used In Florida Mass Shooting |trans-title=ফ্লোরিডা গণ গোলাগুলিতে ব্যবহৃত এআর-১৫ রাইফেল ঘিরে বিতর্ক |magazine=[[w:পিপল (ম্যাগাজিন)|পিপল]] |first=জেফ |last=ট্রুয়েসডেল |date=১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ |accessdate=২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |url=https://people.com/crime/florida-school-shooting-ar-15-rifle-controversy/}}; {{cite news |title=Florida Shooting Suspect Nikolas Cruz Bought AR-15 Rifle a Year Ago |trans-title=ফ্লোরিডা শুটিংয়ের সন্দেহভাজন নিকোলাস ক্রুজ এক বছর আগে এআর-১৫ রাইফেল কিনেছিল |first=মারিয়া |last=পেরেজ |date=১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ |accessdate=২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |magazine=[[w:নিউজউইক|নিউজউইক]] |url=https://www.newsweek.com/florida-parkland-school-shootings-nikolas-cruz-ar-15-us-808103}})।
* রাইফেলগুলোতে [[উচ্চ-ক্ষমতার ম্যাগাজিন|উচ্চ-ক্ষমতার ম্যাগাজিন]] যোগ করার ক্ষমতা অবশ্যই একটি কারণ, যা এগুলোকে [[w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গণ গোলাগুলি|গণহত্যা]] করতে চাওয়া মানুষদের কাছে আকর্ষণীয় করে তোলে। '''এমএসআর'ে''র ক্ষেত্রে একটি ৩০-রাউন্ডের ম্যাগাজিন মোটামুটি প্রমিত (যদিও কিছু অঙ্গরাজ্যে ক্ষমতা ১০ বা ১৫ রাউন্ডে সীমাবদ্ধ করে), তবে ১০০ রাউন্ড পর্যন্ত ধারণ করতে পারে এমন "ড্রামও" পাওয়া যায়।
** {{cite news |title=Why the AR-15 keeps appearing at America's deadliest mass shootings |trans-title=আমেরিকার সবচেয়ে মারাত্মক গণ গোলাগুলিতে কেন বারবার এআর-১৫ ফিরে আসে |first1=উইলিয়াম |last1=কামিংস |first2=বার্ট |last2=জ্যানসেন |newspaper=[[w:ইউএসএ টুডে|ইউএসএ টুডে]] |date=১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ |accessdate=২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |url=https://eu.usatoday.com/story/news/nation/2018/02/14/ar-15-mass-shootings/339519002}}
* যদিও [[রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র|সিডিসি]]-র জন্য বন্দুক সহিংসতা এবং এটি কীভাবে প্রতিরোধ করা যায় তা অধ্যয়ন করা বেআইনি, তবে এখনও কিছু তথ্য রয়েছে। একটি সত্য হলো যে এআর-১৫ গণ গোলাগুলির জন্য পছন্দের বন্দুক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। এটি এই সপ্তাহে [[স্টোনম্যান ডগলাস হাই স্কুল শুটিং|পার্কল্যান্ডের]] পাশাপাশি [[২০১৭ সালের লাস ভেগাস শুটিং|লাস ভেগাস]], [[স্যান্ডি হুক এলিমেন্টারি স্কুল শুটিং|স্যান্ডি হুক]], [[w:পালস নাইটক্লাব শুটিং|অরল্যান্ডো]] এবং এখন ট্র্যাজেডির সমার্থক হয়ে ওঠা অন্যান্য অনেক জায়গায় ব্যবহৃত হয়েছে। এদিকে কানসাসে একজন রিপাবলিকান কংগ্রেস পদপ্রার্থী তার প্রচারণার অংশ হিসেবে একটি এআর-১৫ উপহার দিচ্ছেন।<br>পর্নোগ্রাফির বিপরীতে, এআর-১৫ আনন্দ বা কল্পনার জন্য তৈরি কোনো পণ্য ছিল না, বরং ক্ষতি সর্বাধিক করার জন্য তৈরি হয়েছিল। এটি "উউন্ড ব্যালিস্টিকসের" একটি বিজয়।
** [[w:জেমস হ্যাম্বলিন|জেমস হ্যাম্বলিন]], এম. ডি. ({{cite news |title=If Porn Could Be Banned, Why Not AR-15s? |trans-title=যদি পর্ন নিষিদ্ধ করা যায়, তাহলে এআর-১৫ কেন নয়? |authorlink=w:জেমস হ্যাম্বলিন |first=জেমস |last=হ্যাম্বলিন |date=১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ |accessdate=২৫ অক্টোবর ২০১৮ |magazine=[[w:দ্য আটলান্টিক|দ্য আটলান্টিক]] |url=https://www.theatlantic.com/health/archive/2018/02/on-banning-porn-vs-guns/553433/}})।
* [[স্টোনম্যান ডগলাস হাই স্কুল শুটিং|ফ্লোরিডার পার্কল্যান্ডে মার্জোরি স্টোনম্যান ডগলাস হাই স্কুলে]] [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গণ গোলাগুলি|গণ গোলাগুলিতে]] ব্যবহৃত এআর-১৫ স্টাইল রাইফেলটি যে একটি [[w:স্মিথ অ্যান্ড ওয়েসন এমঅ্যান্ডপি১৫|স্মিথ অ্যান্ড ওয়েসন এমঅ্যান্ডপি১৫ অ্যাসাল্ট রাইফেল]] ছিল, এমন সংবাদের পর ভায়োলেন্স পলিসি সেন্টার (ভিপিসি) আজ ''আন্ডারস্ট্যান্ডিং দ্য স্মিথ অ্যান্ড ওয়েসন এমঅ্যান্ডপি১৫ সেমিঅটোমেটিক অ্যাসাল্ট রাইফেল'' প্রকাশ করেছে।<br>ভিপিসির পটভূমি অনুযায়ী, '''"স্মিথ অ্যান্ড ওয়েসন এমঅ্যান্ডপি১৫ অ্যাসাল্ট রাইফেল যুদ্ধের জন্য তৈরি এবং বেসামরিক নাগরিকদের কাছে মুনাফার জন্য নির্মমভাবে বাজারজাত করা একটি বন্দুকের স্পষ্ট ও বর্তমান বিপদের প্রমাণ দেয়।"'''<br>একই মডেলের [[অ্যাসাল্ট রাইফেল]] ২০১২ সালে [[২০১২ সালের অরোরা শুটিং|কলোরাডোর অরোরার একটি সিনেমা থিয়েটারে]] হামলায় ব্যবহৃত হয়েছিল, যেখানে ১২ জন নিহত হয়েছিল। এছাড়াও ২০১৫ সালে [[w:২০১৫ সান বার্নার্ডিনো অ্যাটাক|ক্যালিফোর্নিয়ার সান বার্নার্ডিনোর একটি কমিউনিটি সেন্টারে]] গণ গোলাগুলিতে এটি ব্যবহৃত হয়েছিল, যেখানে ১৪ জন মারা যায়।
** {{cite web |title=Backgrounder on Smith & Wesson M&P15 Assault Rifle Used in Mass Shooting at Marjory Stoneman Douglas High School in Parkland, Florida |trans-title=ফ্লোরিডার পার্কল্যান্ডে মার্জোরি স্টোনম্যান ডগলাস হাই স্কুলে গণ গোলাগুলিতে ব্যবহৃত স্মিথ অ্যান্ড ওয়েসন এমঅ্যান্ডপি১৫ অ্যাসাল্ট রাইফেলের পটভূমি |date=১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ |accessdate=১২ নভেম্বর ২০১৮ |publisher=[[w:ভায়োলেন্স পলিসি সেন্টার|ভায়োলেন্স পলিসি সেন্টার]]|location=[[ওয়াশিংটন, ডিসি]] |url=http://vpc.org/press/backgrounder-on-smith-wesson-mp15-assault-rifle-used-in-mass-shooting-at-marjory-stoneman-douglas-high-school-in-parkland-florida/}}; {{cite news |title=About the Smith & Wesson M&P15 rifle used in the mass shooting at Marjory Stoneman Douglas High School |trans-title=মার্জোরি স্টোনম্যান ডগলাস হাই স্কুলে গণ গোলাগুলিতে ব্যবহৃত স্মিথ অ্যান্ড ওয়েসন এমঅ্যান্ডপি১৫ রাইফেল সম্পর্কে |newspaper=দ্য উইসকনসিন গেজেট |date=১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ |accessdate=১২ নভেম্বর ২০১৮ |url=https://www.wisconsingazette.com/news/about-the-smith-wesson-m-p-rifle-used-in-the/article_c52badd6-1405-11e8-9e85-53175153250b.html}}
* ১৭ জনের প্রাণ নেওয়া [[স্টোনম্যান ডগলাস হাই স্কুল শুটিং|ফ্লোরিডা স্কুল শুটিংয়ে]] ব্যবহৃত এআর-১৫ রাইফেলের প্রস্তুতকারক আমেরিকান আউটডোর ব্র্যান্ডস-এর শেয়ার বৃহস্পতিবার বেড়েছে।<br>কোম্পানির শেয়ার ১.৪৯% বৃদ্ধিতে বন্ধ হয়েছে, যা কোম্পানির দিনে অতিরিক্ত ৮.৮ মিলিয়ন ডলার এনে দিয়েছে।<br>অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস জানিয়েছে যে অভিযুক্ত বন্দুকধারী নিকোলাস ক্রুজ বুধবার ফ্লোরিডার পার্কল্যান্ডের মার্জোরি স্টোনম্যান ডগলাস হাই স্কুলে তার কথিত শুটিং স্প্রির সময় একটি [[w:স্মিথ অ্যান্ড ওয়েসন এমঅ্যান্ডপি১৫|স্মিথ অ্যান্ড ওয়েসন এমঅ্যান্ডপি১৫]] রাইফেল - যা এআর-১৫ এর একটি ভিন্ন রূপ - ব্যবহার করেছিল।<br>১৮৫২ সালে প্রতিষ্ঠিত [[স্মিথ অ্যান্ড ওয়েসন]] ম্যাসাচুসেটসের স্প্রিংফিল্ড-ভিত্তিক একটি আমেরিকান আউটডোর ব্র্যান্ডসের হোল্ডিং....<br>আমেরিকান আউটডোর ব্র্যান্ডসের শেয়ার বুধবার শুটিংয়ের দিন ৫.৬% বেশি বন্ধ হয়েছে। গণ গোলাগুলির পর বন্দুক প্রস্তুতকারকের শেয়ার বৃদ্ধি পাওয়া অস্বাভাবিক নয় কারণ সম্ভাব্য বন্দুক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার ভয়ে মানুষ মজুদ করার সম্ভাবনা থাকে।<br>'''যুক্তরাষ্ট্রে গণ গোলাগুলিতে এমঅ্যান্ডপি১৫ ব্যবহৃত হওয়ার এটি তৃতীয় ঘটনা।'''<br>জেমস ই. হোমস, যিনি ২০১২ সালে [[২০১২ সালের অরোরা শুটিং|কলোরাডোর অরোরার সিনেমা থিয়েটার শুটিংয়ে]] ১২ জনকে হত্যা এবং ৭০ জনকে আহত করার দায়ে দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন, তিনি একটি স্মিথ অ্যান্ড ওয়েসন এমঅ্যান্ডপি১৫ রাইফেল ব্যবহার করেছিলেন। [[w:২০১৫ সান বার্নার্ডিনো অ্যাটাক|২০১৫ সালের সান বার্নার্ডিনো শুটিংয়ের]] পর আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তারা একটি অবৈধভাবে পরিবর্তিত স্মিথ অ্যান্ড ওয়েসন এমঅ্যান্ডপি১৫ স্পোর্ট রাইফেল উদ্ধার করেছিলেন, যেখানে ১৪ জন নিহত হয়েছিল।
** {{cite news |title=Stocks Rise for Maker of AR-15 Rifle Used in the Florida School Shooting |trans-title=ফ্লোরিডা স্কুল শুটিংয়ে ব্যবহৃত এআর-১৫ রাইফেল প্রস্তুতকারকের শেয়ার বেড়েছে |first=সারা |last=গ্রে |date=১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ |accessdate=১২ নভেম্বর ২০১৮ |magazine=[[w:টাইম (ম্যাগাজিন)|টাইম]] |url=http://time.com/5161406/gunmaker-florida-school-shooting-stock-up/}}
* এআর-১৫ এর মালিকানা কোনো সমস্যা নয়, সমস্যা হলো এর মালিক।
** [[ওকলাহোমা|ওকলাহোমার]] সিনেটর [[w:জেমস ল্যাঙ্কফোর্ড|জেমস ল্যাঙ্কফোর্ড]], ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ সালে [[w:এনবিসি নিউজ|এনবিসি নিউজ]]ের ''[[w:মিট দ্য প্রেস|মিট দ্য প্রেস]]ে'' ({{cite news |title=Meet the Press - February 18, 2018 |trans-title=মিট দ্য প্রেস - ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ |date=১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ |accessdate=১ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |url=https://www.nbcnews.com/meet-the-press/meet-press-february-18-2018-n849191 |agency=[[w:এনবিসি নিউজ|এনবিসি নিউজ]] |work=[[w:মিট দ্য প্রেস|মিট দ্য প্রেস]]}}; {{cite news |title=Congress wonders if this time will be different for gun control |trans-title=কংগ্রেস ভাবছে বন্দুক নিয়ন্ত্রণের জন্য এবার পরিস্থিতি ভিন্ন হবে কি না |first=লরেন |last=ফক্স |agency=[[w:সিএনএন|সিএনএন]] |date=২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ |accessdate=২২ আগষ্ট ২০১৮ |url=https://www.cnn.com/2018/02/20/politics/gun-control-congress-fight/index.html}}; {{cite news |date=১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ |title=Florida shooting sparks reactions from Republican senators on gun control |trans-title=ফ্লোরিডা শুটিং বন্দুক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে রিপাবলিকান সিনেটরদের প্রতিক্রিয়া উসকে দিয়েছে |first=ক্যাটলিন |last=শ্যালহর্ন |agency=[[w:ফক্স নিউজ|ফক্স নিউজ]] |accessdate=২২ আগষ্ট ২০১৮ |url=http://www.foxnews.com/politics/2018/02/19/florida-shooting-sparks-reactions-from-republican-senators-on-gun-control.html}})।
* ২১ বছরের নিচে কারও কাছে এআর-১৫ থাকা উচিত নয়।
** [[w:ক্যানসাস|ক্যানসাস]]ের সিনেটর [[প্যাট রবার্টস]] ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ তারিখে [[w:টোপিকা, ক্যানসাস|টোপিকা, ক্যানসাস]]ে রাজ্যের রাজধানীতে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে এই কথা বলেন ({{Cite news |url=https://www.washingtonpost.com/news/powerpost/wp/2018/02/22/nra-backed-sen-pat-roberts-nobody-under-21-should-have-an-ar-15/ |title=NRA-backed Sen. Pat Roberts: 'Nobody under 21 should have an AR-15' |trans-title=এনআরএ-সমর্থিত সেন. প্যাট রবার্টস: '২১ বছরের নিচে কারও কাছে এআর-১৫ থাকা উচিত নয়' |last=ও'কিফ |first=এড |date=২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ |newspaper=[[w:দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট|দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট]] |accessdate=২৩ আগস্ট ২০১৮ |issn=0190-8286}}; {{cite news |title=Is This the Moment for Gun Control? A Gridlocked Congress Is Under Pressure |trans-title=এটাই কি বন্দুক নিয়ন্ত্রণের মুহূর্ত? অচলাবস্থায় থাকা কংগ্রেস চাপের মুখে |first1=শেরিল |last1=গে স্টলবার্গ |first2=জোনাথন |last2=মার্টিন |first3=থমাস |last3=ক্যাপলান |date=২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ |accessdate=২৩ আগস্ট ২০১৮ |newspaper=[[w:দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস]] |url=https://www.nytimes.com/2018/02/25/us/politics/gun-control-congress-governors.html}}; {{cite news |title=Kansas Republican backs raising age to buy semiautomatic rifles |trans-title=আধা-স্বয়ংক্রিয় রাইফেল কেনার বয়স বাড়ানোর পক্ষে ক্যানসাসের রিপাবলিকানরা |first=সোফি |last=টাটাম |date=২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ |accessdate=২৩ আগস্ট ২০১৮ |agency=[[w:সিএনএন|সিএনএন]] |url=https://www.cnn.com/2018/02/22/politics/pat-roberts-age-limits-guns/index.html}}; {{cite news |title=The Latest: Ban Proposed on Young Buying Assault Rifles |trans-title=সর্বশেষ: তরুণদের অ্যাসল্ট রাইফেল কেনার উপর নিষেধাজ্ঞার প্রস্তাব |date=২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ |accessdate=২৩ আগস্ট ২০১৮ |agency=[[w:অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস|অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস]] |magazine=[[w:ইউ.এস. নিউজ অ্যান্ড ওয়ার্ল্ড রিপোর্ট|ইউ.এস. নিউজ অ্যান্ড ওয়ার্ল্ড রিপোর্ট]] |url=https://www.usnews.com/news/politics/articles/2018-02-22/the-latest-trump-says-guns-only-for-gun-adept-teachers}})।
* হঠাৎ করে আপনি এআর-১৫ কিনতে না পারলে আপনার কী ক্ষতি হবে? একটি এআর-১৫ কিনতে না পারার কারণে আপনার দ্বিতীয় সংশোধনীর অধিকার ক্ষুণ্ণ হচ্ছে বলে কি আপনার মনে হবে?
** [[w:ওহাইও|ওহাইও]]র গভর্নর [[জন ক্যাসিচ]] ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ তারিখে [[w:সিএনএন|সিএনএন]]ের ''[[w:স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন (টিভি ধারাবাহিক)|স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন]]'' অনুষ্ঠানে ({{cite news |agency=[[w:সিএনএন|সিএনএন]] |title=Transcript |trans-title=ট্রান্সক্রিপ্ট |work=[[w:স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন (টিভি ধারাবাহিক)|স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন]] |date=১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ |accessdate=২৪ আগস্ট ২০১৮ |url=http://transcripts.cnn.com/TRANSCRIPTS/1802/18/sotu.01.html}}; {{cite news |title=GOP Sen. Lankford has 'no issue' with stronger gun background checks |trans-title=কঠোর বন্দুক ব্যাকগ্রাউন্ড চেক নিয়ে জিওপি সিনেটর ল্যাংকফোর্ডের 'কোনো আপত্তি নেই' |first=কাইলানি |last=কোয়েনিগ |date=১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ |accessdate=২২ আগস্ট ২০১৮ |agency=[[w:এনবিসি নিউজ|এনবিসি নিউজ]] |work=[[w:মিট দ্য প্রেস|মিট দ্য প্রেস]] |url=https://www.nbcnews.com/politics/politics-news/gop-sen-lankford-open-stronger-gun-background-checks-n849176}}; {{cite news |title=Highlights: Students Call for Action Across Nation; Florida Lawmakers Fail to Take Up Assault Rifle Bill |trans-title=হাইলাইটস: সারা দেশে শিক্ষার্থীদের পদক্ষেপের আহ্বান; ফ্লোরিডার আইনপ্রণেতারা অ্যাসল্ট রাইফেল বিল পাসে ব্যর্থ |first1=জুলি |last1=টার্কউইটজ |first2=অ্যানেমোনা |last2=হার্টোকোলিস |date=২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ |accessdate=২৪ আগস্ট ২০১৮ |newspaper=[[w:দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস]] |url=https://www.nytimes.com/2018/02/20/us/gun-control-florida-shooting.html}})।
* এআর-১৫ [[অ্যাসল্ট রাইফেল]] তৈরি করা হয়েছিল সর্বোচ্চ আঘাতের প্রভাব সৃষ্টির জন্য। এর নকশাকারদের একজন একে এই নামেই অভিহিত করেছিলেন। এর ছোট বুলেটগুলোর মাথা সুচালো এবং ওজন চার গ্রামেরও কম। এগুলো শব্দের গতির প্রায় তিনগুণ বেগে ছুটে যায়। বুলেটটি শরীরে আঘাত করার সাথে সাথে এর গতিশক্তি মাংসে গহ্বর তৈরি করে। এটি মূলত একটি নিষ্ক্রিয় স্থান। এরপর এটি নিজের উপর ধসে পড়ে স্নায়ু, রক্তনালী এবং গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গসহ স্থিতিস্থাপকতাহীন টিস্যু ধ্বংস করে দেয়।
** {{cite news |date=২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ |title=All-American Killer: How the AR-15 Became Mass Shooters’ Weapon of Choice |trans-title=অল-আমেরিকান কিলার: কীভাবে এআর-১৫ গণহত্যাকারীদের পছন্দের অস্ত্রে পরিণত হলো |authorlink=w:টিম ডিকিনসন |first=টিম |last=ডিকিনসন |magazine=[[w:রোলিং স্টোন|রোলিং স্টোন]] |accessdate=৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |url=https://www.rollingstone.com/politics/politics-features/all-american-killer-how-the-ar-15-became-mass-shooters-weapon-of-choice-107819/}}
* এটি একটি নিখুঁত হত্যার যন্ত্র। হ্যান্ডগানের আঘাত অনেকটা বুলেটের সাহায্যে ছুরিকাঘাতের মতো। এটি পেরেকের মতো ভেতরে ঢুকে যায়। কিন্তু এআর-১৫ এর উচ্চ গতির রাউন্ডের সাহায্যে কাউকে গুলি করা অনেকটা কোক ক্যান দিয়ে গুলি করার মতো।
** ডা. [[পিটার রি]], মার্কিন সার্জন, চিকিৎসা অধ্যাপক এবং সামরিক অভিজ্ঞ ব্যক্তি ({{cite news |date=২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ |title=All-American Killer: How the AR-15 Became Mass Shooters’ Weapon of Choice |trans-title=অল-আমেরিকান কিলার: কীভাবে এআর-১৫ গণহত্যাকারীদের পছন্দের অস্ত্রে পরিণত হলো |authorlink=w:টিম ডিকিনসন |first=টিম |last=ডিকিনসন |magazine=[[w:রোলিং স্টোন|রোলিং স্টোন]] |accessdate=৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |url=https://www.rollingstone.com/politics/politics-features/all-american-killer-how-the-ar-15-became-mass-shooters-weapon-of-choice-107819/}})।
* একটি সাধারণ এআর-১৫ বুলেট হ্যান্ডগানের সাধারণ ৯ মিমি বুলেটের চেয়ে প্রায় তিনগুণ বেশি গতিতে ব্যারেল থেকে বের হয়। এটি প্রায় তিনগুণ বেশি শক্তি প্রয়োগ করে। একটি সরু খাল দিয়ে সর্বোচ্চ গতিতে চলমান সিগারেট বোটের মতো এআর-১৫ এর বুলেট শরীরের মধ্য দিয়ে চলে যায়। বুলেটের পাশের টিস্যু স্থিতিস্থাপক। এটি নৌকার কারণে সরে যাওয়া জলের ঢেউয়ের মতো বুলেটের কাছ থেকে দূরে সরে যায় এবং তারপর ফিরে এসে স্থির হয়। এই প্রক্রিয়াটিকে [[w:পেনেট্রেটিং ট্রমা#ক্যাভিটেশন|ক্যাভিটেশন]] বলা হয়। এটি স্থানচ্যুত টিস্যুকে ক্ষতিগ্রস্ত বা মৃত অবস্থায় ফেলে রাখে। উচ্চ গতির বুলেট টিস্যুর ব্যাপক ক্ষতি করে। এই ক্ষতি এর পথ থেকে কয়েক ইঞ্চি পর্যন্ত প্রসারিত হয়। ধমনীর ক্ষতি করে বিপর্যয়কর রক্তক্ষরণ ঘটাতে বুলেটটিকে সরাসরি ধমনীতে আঘাত করতে হয় না। এর প্রস্থান ক্ষত একটি কমলার মতো বড় হতে পারে। এআর-১৫ থেকে লিভারে সরাসরি আঘাত লাগলে সাধারণ হ্যান্ডগান-শটের আঘাতের চেয়ে অনেক বেশি গুরুতর ক্ষতি হয়। লিভারে হ্যান্ডগানের আঘাত সাধারণত বেঁচে থাকার যোগ্য। তবে বুলেট লিভারে প্রধান রক্ত সরবরাহে আঘাত করলে ভিন্ন কথা। লিভারের মাঝখানে এআর-১৫ বুলেটের ক্ষত এত বেশি রক্তপাত ঘটাবে যে রোগী সম্ভবত আমাদের চিকিৎসা নেওয়ার জন্য ট্রমা সেন্টারে পৌঁছাতে পারবে না। একজন রেডিওলজিস্ট হিসেবে আমি এখন সরাসরি উচ্চ গতির এআর-১৫ বন্দুকের ক্ষত দেখেছি। এই অভিজ্ঞতা আমাদের দেশের বেশিরভাগ রেডিওলজিস্টের কখনও হবে না। আমি প্রার্থনা করি এটিই যেন আমার দেখা এমন শেষ ক্ষত হয়। যুক্তরাষ্ট্রে বেসামরিক নাগরিকদের জন্য এআর-১৫ স্টাইলের অস্ত্র এবং [[উচ্চ-ক্ষমতাসম্পন্ন ম্যাগাজিন]] ব্যবহার চিরতরে নিষিদ্ধ হোক।
** ডা. হিদার শের, যিনি ২০১৭ সালের [[w:ফোর্ট লডারডেল বিমানবন্দরে গুলি|ফোর্ট লডারডেল বিমানবন্দর গুলি]] এবং ২০১৮ সালের [[স্টোনম্যান ডগলাস হাই স্কুলে গুলি]]র শিকারদের চিকিৎসা করেছিলেন ({{cite news |magazine=[[w:দ্য আটলান্টিক|দ্য আটলান্টিক]] |title=What I Saw Treating the Victims From Parkland Should Change the Debate on Guns |trans-title=পার্কল্যান্ড থেকে আসা ভুক্তভোগীদের চিকিৎসা করে আমি যা দেখেছি তা বন্দুক বিতর্ক পরিবর্তন করা উচিত |first=হিদার |last=শের |date=২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ |accessdate=২৫ আগস্ট ২০১৮ |url=https://www.theatlantic.com/politics/archive/2018/02/what-i-saw-treating-the-victims-from-parkland-should-change-the-debate-on-guns/553937/}}; {{cite news |title=Florida shooting: Doctor describes 'sledgehammer' injuries inflicted by AR-15 |trans-title=ফ্লোরিডা শ্যুটিং: এআর-১৫ দ্বারা সৃষ্ট 'স্লেজহ্যামার' আঘাতের বর্ণনা দিলেন চিকিৎসক |first=লুসি |last=পাশা-রবিনসন |date=২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ |url=https://www.independent.co.uk/news/world/americas/florida-shooting-school-injuries-ar-15-assault-rifle-hospital-treat-radiologist-parkland-victims-a8224681.html |newspaper=[[w:দি ইন্ডিপেন্ডেন্ট|দি ইন্ডিপেন্ডেন্ট]] |accessdate=২৬ আগস্ট ২০১৮}}; {{cite news |agency=[[w:ওয়াশিংটন মান্থলি|ওয়াশিংটন মান্থলি]] |title=It’s Not Just the Magazine Capacity That Makes the AR-15 So Deadly |trans-title=কেবলমাত্র ম্যাগাজিন ধারণক্ষমতাই এআর-১৫-কে এতটা মারাত্মক করে তোলে না |first=ন্যান্সি |last=লেটুরনো |date=২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ |accessdate=২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |url=https://washingtonmonthly.com/2018/02/22/its-not-just-the-magazine-capacity-that-makes-the-ar-15-so-deadly/}}; {{cite news |agency=[[w:গ্লোবাল নিউজ|গ্লোবাল নিউজ]] |date=২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ |accessdate=২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |title=The difference between an AR-15 and handgun can be seen in the bullet wounds |trans-title=এআর-১৫ এবং হ্যান্ডগানের মধ্যে পার্থক্য বুলেটের ক্ষতের মাধ্যমে দেখা যায় |first=জেসিকা |last=ভোমিয়েরো |url=https://globalnews.ca/news/4043345/ar-15-handgun-bullet-wounds-difference/}})।
* আফগানিস্তানে বেশিরভাগ রাতে আমি এম৪ কারবাইন ব্যবহার করতাম। আমার রাইফেলটি ফ্লোরিডার পার্কল্যান্ডের মার্জোরি স্টোনম্যান ডগলাস হাই স্কুলে আমার পরিচিত ছাত্র, শিক্ষক এবং কোচদের হত্যা করতে ব্যবহৃত '''এআর-১৫ স্টাইলের আধা-স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রের''' মতোই ছিল। আমি একসময় সেখানে বাস করতাম। আমি আমাদের দেশের মানুষদের রক্ষা করার জন্য যে প্রাথমিক অস্ত্র ব্যবহার করতাম, সেটি আমি যাদের রক্ষা করার শপথ নিয়েছিলাম সেই শিশুদের হত্যা করতে ব্যবহৃত হচ্ছে। আমি এটিকে সমর্থন করতে পারি না। এআর-১৫ বিনোদনমূলক শুটারদের জন্য অসাধারণ মার্কসম্যান হতে শেখার একটি চমৎকার প্ল্যাটফর্ম। দুর্ভাগ্যবশত, এটি নিরপরাধদের হত্যা করতে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের জন্যও একটি চমৎকার প্ল্যাটফর্ম।
** [[w:পার্কল্যান্ড, ফ্লোরিডা|পার্কল্যান্ড, ফ্লোরিডা]]র সাবেক বাসিন্দা এবং সেনা অভিজ্ঞ ব্যক্তি, ফ্লোরিডার প্রতিনিধি [[w:ব্রায়ান মাস্ট|ব্রায়ান মাস্ট]] ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ তারিখে ''[[w:দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস]]''এ একটি উপ-সম্পাদকীয়তে ({{cite news |authorlink=w:ব্রায়ান মাস্ট |last=মাস্ট |first=ব্রায়ান |date=২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ |title=I Appreciate Assault Weapons. And I Support a Ban |trans-title=আমি অ্যাসল্ট অস্ত্রের প্রশংসা করি। এবং আমি একটি নিষেধাজ্ঞার পক্ষে |url=https://www.nytimes.com/2018/02/23/opinion/brian-mast-assault-weapons-ban.html |newspaper=[[w:দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস]] |accessdate=১৮ জুলাই ২০১৮}}; {{cite news |title=Republican, veteran and gun rights supporter Brian Mast says assault weapons should be banned |trans-title=রিপাবলিকান, অভিজ্ঞ এবং বন্দুক অধিকার সমর্থক ব্রায়ান মাস্ট বলেছেন অ্যাসল্ট অস্ত্র নিষিদ্ধ করা উচিত |newspaper=[[w:টাম্পা বে টাইমস|টাম্পা বে টাইমস]] |first=অ্যালেক্স |last=লিয়ারি |date=২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ |accessdate=১৮ জুলাই ২০১৮ |url=http://www.tampabay.com/live-coverage/2018/02/24/republican-veteran-and-gun-rights-supporter-brian-mast-says-assault-weapons-should-be-banned/}}; {{cite news |title=Is This the Moment for Gun Control? A Gridlocked Congress Is Under Pressure |trans-title=এটাই কি বন্দুক নিয়ন্ত্রণের মুহূর্ত? অচলাবস্থায় থাকা কংগ্রেস চাপের মুখে |first1=শেরিল |last1=গে স্টলবার্গ |first2=জোনাথন |last2=মার্টিন |first3=থমাস |last3=ক্যাপলান |date=২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ |accessdate=২৩ আগস্ট ২০১৮ |newspaper=[[w:দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস]] |url=https://www.nytimes.com/2018/02/25/us/politics/gun-control-congress-governors.html}}; {{cite news |title=With AR-15s, Mass Shooters Attack With the Rifle Firepower Typically Used by Infantry Troops |trans-title=এআর-১৫ এর সাহায্যে, গণহত্যাকারীরা সাধারণত পদাতিক বাহিনীর ব্যবহৃত রাইফেলের ফায়ারপাওয়ার নিয়ে আক্রমণ করে |authorlink=w:সি. জে. শিভার্স |first1=সি. জে. |last1=শিভার্স |first2=ল্যারি |last2=বুকানন |first3=ডেনিস |last3=লু |first4=ক্যারেন |last4=ইউরিশ |date=২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ |accessdate=১৮ জুলাই ২০১৮ |newspaper=[[w:দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস]] |url=https://www.nytimes.com/interactive/2018/02/28/us/ar-15-rifle-mass-shootings.html}})।
* স্যান্ডার্স: [[ন্যাশনাল রাইফেল অ্যাসোসিয়েশন|এনআরএ]] থেকে আমার ভোটিং রেকর্ড ডি মাইনাস। আমি ১৯৮৮ সালে এখানে ভার্মন্টে কংগ্রেসের একটি নির্বাচনে হেরে গিয়েছিলাম। কারণ আমার বিশ্বাস, আমাদের এই দেশে অ্যাসল্ট অস্ত্র বিক্রি বা বিতরণ করা উচিত নয়। আমি অনেকদিন ধরেই অন রেকর্ডে বলছি যে, আমাদের ব্যাকগ্রাউন্ড চেক উল্লেখযোগ্যভাবে কঠোর করতে হবে। বন্দুক প্রদর্শনীর ফাঁকফোকরের অবসান ঘটাতে হবে। এই দেশে ৪০ শতাংশ বন্দুক কোনো ব্যাকগ্রাউন্ড চেক ছাড়াই বিক্রি হয়। আমাদের স্ট্র ম্যান বিধানটি নিয়ে কাজ করতে হবে। এর কারণে মানুষ বৈধভাবে বন্দুক কিনে তারপর বিতরণ করতে পারে। আমাদের এনআরএকে মোকাবিলা করতে হবে। আর এটাই আমার দৃষ্টিভঙ্গি। পার্কল্যান্ডে আমরা যে ট্র্যাজেডি দেখেছি তা অবর্ণনীয়। আমি এর বিরুদ্ধে যথাসাধ্য চেষ্টা করব। দেশের সব জায়গার অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের স্কুলে পাঠানোর সময় ভয় পান। এই সমস্যার সমাধান সহজে হবে না। কারও কাছে জাদুর সমাধান নেই। কিন্তু সন্তানদের রক্ষা করার জন্য আমাদের সাধ্যমতো সবকিছু করতে হবে।
টড: এর মানে কী? আপনি সাধ্যমতো সবকিছুর কথা বলেছেন। এর মানে কি এআর-১৫ কেনার বয়স বাড়ানো? এর মানে কি এআর-১৫ কেনা সীমিত করা?
স্যান্ডার্স: হ্যাঁ! দেখুন চক, আমি আপনাকে একটু আগেই বলেছি যে ৩০ বছর ধরে আমি বিশ্বাস করি এই দেশে আমাদের অ্যাসল্ট অস্ত্র বিক্রি করা উচিত নয়। এই অস্ত্রগুলো শিকারের জন্য নয়, এগুলো মানুষকে হত্যা করার জন্য। এগুলো সামরিক অস্ত্র। আমি জানি না কেন আমেরিকায় এই অস্ত্র পাঁচ মিলিয়ন ছড়িয়ে আছে। আমাদের অবশ্যই এটা করতে হবে। মানুষকে অস্ত্র কেনা থেকে বিরত করতে অবশ্যই কঠিন নিয়ম করতে হবে। আমাদের এমন লোক আছে যারা সন্ত্রাসী নজরদারি তালিকায় থাকার পরও অস্ত্র কিনতে পারে। এটা কি কারও কাছে যৌক্তিক মনে হয়? এখানে মূল কথা হলো, রিপাবলিকানদের বলতে হবে যে এনআরএকে ক্ষুব্ধ করার চেয়ে দেশের সন্তানদের রক্ষা করা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তারা কি এটা করতে প্রস্তুত, আমি সত্যিই আশা করি তারা প্রস্তুত।
** [[ভার্মন্ট]]ের সিনেটর [[বার্নি স্যান্ডার্স]] ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ তারিখে [[w:এনবিসি নিউজ|এনবিসি নিউজ]]ের [[w:চক টড|চক টড]]কে ''[[w:মিট দ্য প্রেস|মিট দ্য প্রেস]]'' অনুষ্ঠানে এই সাক্ষাৎকার দেন ({{cite news |title=Meet the Press -February 18, 2018 |trans-title=মিট দ্য প্রেস -১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ |date=১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ |accessdate=১ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |url=https://www.nbcnews.com/meet-the-press/meet-press-february-18-2018-n849191 |agency=[[w:এনবিসি নিউজ|এনবিসি নিউজ]] |work=[[w:মিট দ্য প্রেস|মিট দ্য প্রেস]]}})।
* এআর-১৫ যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ হাই স্কুল শ্যুটিংয়ে ব্যবহৃত হয়েছিল। এটি একটি আধা-স্বয়ংক্রিয় রাইফেল। এটি দিয়ে পার্কল্যান্ডের মার্জোরি স্টোনম্যান ডগলাস হাই স্কুলে গুলি চালানো হয়। এর বুলেট সফটবলের আকারের মতো প্রস্থান গর্ত তৈরি করতে পারে। হ্যান্ডগানের বুলেটের তুলনায় এটি ছিন্নভিন্ন টিস্যুর উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বড় পথ রেখে যায়। ট্রমা সার্জনদের জন্য এই আঘাতগুলো সারিয়ে তোলা কঠিন। আক্রান্তদের জন্য বেঁচে থাকার সম্ভাবনাও কম। এআর-১৫ এবং অনুরূপ রাইফেলগুলো প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ২,৮০০ থেকে ৩,০০০ ফুট গতিতে বুলেট নিক্ষেপ করে। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় ডেভিসের ট্রমা সার্জন ডা. ডেভিড শ্যাৎজ এর মতে, একটি ৯ মিলিমিটার হ্যান্ডগান প্রতি সেকেন্ডে ৭০০ থেকে ১,১০০ ফুট গতিতে বুলেট নিক্ষেপ করে। শ্যাৎজ জানান বুলেটগুলো [[w:পেনেট্রেটিং ট্রমা#স্থায়ী ক্যাভিটেশন|স্থায়ী গহ্বর]] তৈরি করে, যেখানে টিস্যু ধ্বংস হয়ে যায়। এছাড়াও বুলেটগুলো [[w:পেনেট্রেটিং ট্রমা#অস্থায়ী ক্যাভিটেশন|অস্থায়ী গহ্বর]] তৈরি করে। এগুলো বুলেটের "সোনিক ফোর্সের" কারণে এক সেকেন্ডের ভগ্নাংশের জন্য স্থায়ী গহ্বরের চারপাশের অংশে খুলে যায়। এআর-১৫ দ্বারা নিক্ষেপ করা .২২৩ ক্যালিবার বুলেটের কারণে সৃষ্ট গহ্বরগুলো হ্যান্ডগানের বুলেটের গহ্বরের তুলনায় অনেক বড় হয়।
** {{cite news |title=Mangled tissue and softball-sized exit wounds: Why AR-15 injuries are so devastating |trans-title=ছিন্নভিন্ন টিস্যু এবং সফটবল-আকারের প্রস্থান ক্ষত: এআর-১৫ এর আঘাত কেন এত ধ্বংসাত্মক |first=অ্যালেক্স |last=ডঘার্টি |date=২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ |accessdate=২৬ মার্চ ২০১৮ |newspaper=[[w:মায়ামি হেরাল্ড|মায়ামি হেরাল্ড]] |url=http://www.miamiherald.com/news/local/community/broward/article201949054.html}}
* গুগলে দ্রুত অনুসন্ধান করলেই দেখা যায় যে [[পি. জেমস ডেবনি]] আমেরিকান আউটডোর ব্র্যান্ডের সিইও এবং প্রেসিডেন্ট। গত বছর পর্যন্ত এটির নাম ছিল [[স্মিথ অ্যান্ড ওয়েসন]]। ডেবনি এই কোম্পানির নেতৃত্ব দেন। এই কোম্পানি এআর-১৫ অ্যাসল্ট রাইফেল তৈরি করেছিল। এই অস্ত্র ব্যবহার করে ক্রুজ ১৪ জন মার্জোরি স্টোনম্যান ডগলাস হাই স্কুলের শিক্ষার্থী এবং তিনজন স্টাফ সদস্যকে হত্যা করে। একজন উন্মাদ ব্যক্তি স্মিথ অ্যান্ড ওয়েসনের অ্যাসল্ট রাইফেল দিয়ে কলোরাডোর অরোরার একটি সিনেমা হলে ১২ জনকে হত্যা করার পরও ডেবনি অ্যাসল্ট রাইফেল বিক্রি চালিয়ে গেছেন। তিনি এটিকে শুধুই প্লাস্টিক বিক্রির মতো মনে করেছেন। কোম্পানির মুনাফার মধ্যে [[স্মিথ অ্যান্ড ওয়েসন এমঅ্যান্ডপি১৫|এমঅ্যান্ডপি১৫]] এর বিক্রিও অন্তর্ভুক্ত ছিল। এটি ২০১৫ সালে সান বার্নার্ডিনোর সন্ত্রাসী হামলায় ব্যবহৃত হয়েছিল। এতে ১৫ জনকে হত্যা করা হয়। ভ্যালেন্টাইনস ডে-তে মার্জোরি স্টোনম্যান ডগলাস হাই স্কুলে ১৪ জন শিক্ষার্থী এবং তিনজন স্টাফ সদস্যকে হত্যা করতে একজন উন্মাদ ব্যক্তি এমঅ্যান্ডপি১৫ ব্যবহার করার পর স্মিথ অ্যান্ড ওয়েসন সামান্য মুনাফা পেয়েছিল।
** {{cite news |title=He Made the Gun That Slaughtered Parkland’s Kids |trans-title=তিনিই সেই বন্দুক তৈরি করেছিলেন যা পার্কল্যান্ডের বাচ্চাদের হত্যা করেছিল |first=মাইকেল |last=ডেলি |date=২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ |accessdate=১২ নভেম্বর ২০১৮ |publisher=[[w:দ্য ডেইলি বিস্ট|দ্য ডেইলি বিস্ট]] |url=https://www.thedailybeast.com/he-made-the-gun-that-slaughtered-parklands-kids}}
* আমরা ডিকস স্পোর্টিং গুডস পার্কল্যান্ডের মর্মান্তিক ঘটনায় গভীরভাবে বিচলিত এবং শোকাহত। আমাদের প্রার্থনা সকল নিহত ব্যক্তি এবং তাদের প্রিয়জনদের সাথে আছে। কিন্তু শুধু চিন্তাভাবনা এবং প্রার্থনাই যথেষ্ট নয়। আমরা বিশ্বাস করি এই বিষয়ে কিছু করার সময় এসেছে। আজ থেকে ডিকস স্পোর্টিং গুডস নিম্নলিখিত বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ:
আমরা আর [[অ্যাসল্ট রাইফেল|অ্যাসল্ট-স্টাইল রাইফেল]] বিক্রি করব না। এগুলোকে আধুনিক স্পোর্টিং রাইফেলও বলা হয়। স্যান্ডি হুক গণহত্যার পর আমরা ইতোমধ্যে ডিকসের সমস্ত দোকান থেকে এগুলো সরিয়ে ফেলেছিলাম। এখন আমরা সমস্ত ৩৫টি ফিল্ড অ্যান্ড স্ট্রিম দোকান থেকে এগুলো বিক্রি করা বন্ধ করব।
আমরা ২১ বছরের কম বয়সী কারও কাছে আগ্নেয়াস্ত্র বিক্রি করব না।
আমরা আর [[উচ্চ-ক্ষমতাসম্পন্ন ম্যাগাজিন]] বিক্রি করব না।
আমরা কখনও বাম্প স্টক বিক্রি করিনি এবং করব না। এগুলো আধা-স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রগুলোকে আরও দ্রুত ফায়ার করার অনুমতি দেয়।
একই সাথে আমরা আমাদের নির্বাচিত কর্মকর্তাদের সাধারণ বন্দুক সংস্কার কার্যকর করার এবং নিম্নলিখিত নিয়মগুলো পাস করার জন্য অনুরোধ করছি:
অ্যাসল্ট-স্টাইল আগ্নেয়াস্ত্র নিষিদ্ধ করুন।
আগ্নেয়াস্ত্র কেনার ন্যূনতম বয়স ২১ এ উন্নীত করুন।
উচ্চ-ক্ষমতাসম্পন্ন ম্যাগাজিন এবং বাম্প স্টক নিষিদ্ধ করুন।
সার্বজনীন ব্যাকগ্রাউন্ড চেক প্রয়োজন, যার মধ্যে প্রাসঙ্গিক মানসিক স্বাস্থ্যের তথ্য এবং আইনের সাথে পূর্ববর্তী মিথস্ক্রিয়া অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
যারা আগ্নেয়াস্ত্র কিনতে নিষিদ্ধ তাদের একটি সম্পূর্ণ সার্বজনীন ডাটাবেস নিশ্চিত করুন।
ব্যক্তিগত বিক্রয় এবং বন্দুক প্রদর্শনীর ফাঁকফোকর বন্ধ করুন। এই ফাঁকফোকর ব্যাকগ্রাউন্ড চেকে বাধা দেয়।
** [[এডওয়ার্ড ডব্লিউ. স্ট্যাক]], চেয়ারম্যান এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, [[ডিকস স্পোর্টিং গুডস]] ({{cite news |title=Here's what Dick's Sporting Goods CEO Ed Stack wrote about his company's actions |trans-title=ডিকস স্পোর্টিং গুডস সিইও এড স্ট্যাক তার কোম্পানির কাজ সম্পর্কে যা লিখেছেন |newspaper=[[w:ইউএসএ টুডে|ইউএসএ টুডে]] |agency=[[w:অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস|অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস]] |date=২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ |accessdate=৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |url=https://www.usatoday.com/story/money/retail/2018/02/28/heres-what-dicks-sporting-goods-ceo-ed-stack-wrote-his-companys-actions/381452002/}}; {{cite news |title=Dick’s Sporting Goods joins chorus for gun control, stops selling assault-style rifles |trans-title=ডিকস স্পোর্টিং গুডস বন্দুক নিয়ন্ত্রণের দাবিতে যোগ দিয়েছে, অ্যাসল্ট-স্টাইলের রাইফেল বিক্রি বন্ধ করেছে |newspaper=[[w:দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট|দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট]] |first1=টড সি. |last1=ফ্র্যাঙ্কেল |first2=আভা |last2=ভট্টরাই |first3=রেচেল |last3=সিগেল |date=২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ |accessdate=৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |url=https://www.washingtonpost.com/business/economy/dicks-sporting-goods-joins-chorus-for-gun-control-stops-selling-assault-style-rifles/2018/02/28/8d19be20-1cba-11e8-ae5a-16e60e4605f3_story.html}}; {{cite press release |title=Media Statements |trans-title=মিডিয়া বিবৃতি |date=২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ |url=http://pressroom.dicks.com/press-information/media-statements.aspx |publisher=[[w:ডিকস স্পোর্টিং গুডস|ডিকস স্পোর্টিং গুডস]]}}; {{cite news |title=Walmart and Dick’s Raise Minimum Age for Gun Buyers to 21 |trans-title=ওয়ালমার্ট এবং ডিকস বন্দুক ক্রেতাদের ন্যূনতম বয়স ২১-এ উন্নীত করেছে |newspaper=[[w:দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস]] |first1=জুলি |last1=ক্রেসওয়েল |first2=মাইকেল |last2=কোরকেরি |date=২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ |accessdate=৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |url=https://www.nytimes.com/2018/02/28/business/walmart-and-dicks-major-gun-retailers-will-tighten-rules-on-guns-they-sell.html}}; {{cite news |title=Dick's Sporting Goods Will Stop Selling Assault-Style Rifles: 'Thoughts and Prayers Are Not Enough' |trans-title=ডিকস স্পোর্টিং গুডস অ্যাসল্ট-স্টাইল রাইফেল বিক্রি বন্ধ করবে: 'চিন্তাভাবনা এবং প্রার্থনাই যথেষ্ট নয়' |first1=লিন্ডসে |last1=কিম্বল |first2=স্টেফানি |last2=পেটিট |date=২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ |accessdate=৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |magazine=[[w:পিপল (ম্যাগাজিন)|পিপল]] |url=https://people.com/crime/dicks-sporting-goods-stop-selling-assault-rifles/}})।
* সামরিক বাহিনীর এম১৬ এবং এম৪ রাইফেলের সাথে বেসামরিক এআর-১৫ এর প্রধান কাঠামোগত পার্থক্য হলো অনেক সামরিক মডেলের "বার্স্ট" মোড। এটি এক ট্রিগার টানে তিনটি রাউন্ড ফায়ার করতে দেয়। এই রাইফেলগুলোর কয়েকটি সামরিক সংস্করণে একটি সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এটি ট্রিগার ছেড়ে দেওয়া বা ম্যাগাজিনের গুলি খালি না হওয়া পর্যন্ত ফায়ার করে।
তবে প্রকৃত আমেরিকান যুদ্ধে এই প্রযুক্তিগত পার্থক্যগুলোর গুরুত্ব কম। কয়েক দশক ধরে আমেরিকান সামরিক বাহিনী তাদের প্রচলিত সৈন্যদের প্রায় সব শ্যুটিং পরিস্থিতিতে স্বয়ংক্রিয় বা "বার্স্ট" মোডের পরিবর্তে আধা-স্বয়ংক্রিয় মোডে ফায়ার করতে প্রশিক্ষণ দিয়েছে। এতে একবার ট্রিগার টানলে একটি গুলি বের হয়। অস্ত্রগুলো এভাবে বেশি নির্ভুল এবং আরও মারাত্মক হয়।
[[ন্যাশনাল রাইফেল অ্যাসোসিয়েশন]] এবং অন্যান্য বন্দুক-পন্থী দলগুলো সামরিক এম৪ এবং এম১৬-এর সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় বৈশিষ্ট্যটি তুলে ধরে। কিন্তু আমেরিকান সামরিক বাহিনী ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময় সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় এম১৬ এর দীর্ঘ অভিজ্ঞতার পর ১৯৮০-এর দশকে বেশিরভাগ প্রচলিত সৈন্যদের সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় ফাংশন ছাড়াই এম১৬ এবং পরে এম৪ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। তাদের আরও নিয়ন্ত্রিত পদ্ধতিতে গুলি চালানোর প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
এর অর্থ হলো পার্কল্যান্ডের বন্দুকধারীর কাছে স্ট্যান্ডার্ড পদাতিক রাইফেল ব্যবহারকারী একজন আমেরিকান গ্রান্টের সমান ফায়ারপাওয়ার ছিল।
নিউ ইয়র্ক টাইমসের ফ্লোরিডার ক্লাসরুমের একটি ভিডিও বিশ্লেষণ করে ধারণা করা হয়েছে যে, অপরাধের সময় বন্দুকধারী প্রতি সেকেন্ডে দেড় রাউন্ড দ্রুত তার এআর-১৫ ফায়ার করেছিল। সামরিক বাহিনী সৈন্যদের প্রতি মিনিটে ১২ থেকে ১৫ রাউন্ড স্থিতিশীল হারে ফায়ার করার জন্য প্রশিক্ষণ দেয়। অর্থাৎ প্রতি চার বা পাঁচ সেকেন্ডে একটি রাউন্ড।
** {{cite news |title=With AR-15s, Mass Shooters Attack With the Rifle Firepower Typically Used by Infantry Troops |trans-title=এআর-১৫ এর সাহায্যে, গণহত্যাকারীরা সাধারণত পদাতিক বাহিনীর ব্যবহৃত রাইফেলের ফায়ারপাওয়ার নিয়ে আক্রমণ করে |authorlink1=w:সি. জে. শিভার্স |first1=সি. জে. |last1=শিভার্স |first2=ল্যারি |last2=বুকানন |first3=ডেনিস |last3=লু |first4=ক্যারেন |last4=ইউরিশ |date=২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ |accessdate=৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |newspaper=[[w:দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস]] |url=https://www.nytimes.com/interactive/2018/02/28/us/ar-15-rifle-mass-shootings.html}}
* হালকা, সুনির্দিষ্ট এবং অল্প রিকয়েল সহ, [[কোল্ট এআর-১৫|কোল্ট আর্মালাইট রাইফেল-১৫ স্পোর্টার]] ১৯৬০ সালের শুরুতে সামরিক বাহিনীর এম১৬ রাইফেলের প্রথম বেসামরিক সংস্করণ হিসেবে বাজারে আসে। এর সামরিক প্রতিরূপের মতোই এটিকে আলাদা করে তুলেছিল উদ্ভাবক [[ইউজিন স্টোনার]]ের পেটেন্ট করা গ্যাস অপারেটিং সিস্টেম। এটি দ্রুত ফায়ার এবং রিলোড করার অনুমতি দেয়। এই অস্ত্র সহজেই একটি [[উচ্চ-ক্ষমতাসম্পন্ন ম্যাগাজিন|২০-রাউন্ডের ম্যাগাজিন]] পরিচালনা করতে পারে। এটি সহজেই খোলা যায় এবং কোল্টের প্রাথমিক বিজ্ঞাপনগুলোর একটিতে এটি শিকারী, ক্যাম্পার এবং সংগ্রাহকদের কাছে বিপণন করা হয়েছিল।
[[ন্যাশনাল রাইফেল অ্যাসোসিয়েশন]] দ্বারা "আমেরিকার রাইফেল" হিসেবে পরিচিত, '''এআর-১৫ একটি নির্দিষ্ট অস্ত্রের চেয়ে একাধিক অস্ত্রের একটি পরিবার হিসেবে বেশি পরিচিত'''। যখন ১৯৭৭ সালে গ্যাস সিস্টেমের উপর স্টোনারের অধিকারের মেয়াদ শেষ হয়, তখন এটি কয়েক ডজন অস্ত্র প্রস্তুতকারকের জন্য একই প্রযুক্তি ব্যবহার করে নিজেদের মডেল তৈরি করার পথ খুলে দেয়। '''এআর-১৫ শব্দটি একটি সাধারণ নাম হয়ে উঠেছে। এর মধ্যে এমন অনেক অস্ত্র রয়েছে যেগুলো দেখতে এবং একইভাবে কাজ করে'''। এর মধ্যে রেমিংটন [[বুশমাস্টার এক্সএম-১৫|বুশমাস্টার]], [[স্মিথ অ্যান্ড ওয়েসন এমঅ্যান্ডপি১৫]] এবং স্প্রিংফিল্ড আর্মারি সেন্ট অন্তর্ভুক্ত।
পরবর্তী দশকগুলোতে আমেরিকান সামরিক বাহিনী সাইট, গ্রিপস এবং ফ্ল্যাশলাইটের মতো জিনিসপত্রের জন্য এম১৬ এর বাহ্যিক অংশে পরিবর্তন আনে। বেসামরিক বাজারও এটি অনুসরণ করে। আজ বন্দুক উত্সাহীরা এআর-১৫ কে আগ্নেয়াস্ত্রের ইরেক্টর সেট হিসেবে বিবেচনা করে।
** {{cite news |title=Once Banned, Now Loved and Loathed: How the AR-15 Became ‘America’s Rifle’ |trans-title=একসময় নিষিদ্ধ, এখন পছন্দনীয় এবং ঘৃণিত: কীভাবে এআর-১৫ 'আমেরিকার রাইফেল' হয়ে উঠল |newspaper=[[w:দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস]] |first1=আলী |last1=ওয়াটকিন্স |first2=জন |last2=ইসমায় |first3=থমাস |last3=গিবনস-নেফ |date=৩ মার্চ ২০১৮ |accessdate=১০ জুন ২০১৮ |url=https://www.nytimes.com/2018/03/03/us/politics/ar-15-americas-rifle.html}}
* এআর-১৫ অবিচ্ছেদ্যভাবে ট্র্যাজেডির সাথে যুক্ত। বন্দুকের আখ্যান এবং এর জনপ্রিয়তায় [[w:যুক্তরাষ্ট্রে গণহত্যা|গণহত্যা]] একটি কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
কখন এবং কীভাবে রাইফেলটি যুক্তরাষ্ট্রের সহিংস অপরাধের ইতিহাসে প্রবেশ করেছে তা পরিষ্কার নয়। ১৯৮২ সালে [[w:জর্জ ব্যাংকস|জর্জ ই. ব্যাংকস]] এই অস্ত্র দিয়ে ১৩ জনকে হত্যা করে। ১৯৯৭ সালে অন্যান্য আধা-স্বয়ংক্রিয় সামরিক-শৈলীর রাইফেলের মধ্যে একটি এআর-১৫ ক্যালিফোর্নিয়ার দিনের বেলার ডাকাতি [[w:নর্থ হলিউড শ্যুটআউট|নর্থ হলিউড শ্যুটআউট]]ে ব্যবহৃত হয়েছিল। এটি প্রায় এক ঘণ্টা ধরে চলে এবং সারা দেশে সরাসরি সম্প্রচারিত হয়। বন্দুকযুদ্ধের সময় পুলিশ কর্মকর্তারা স্থানীয় বন্দুকের দোকানে ছুটে যেতে বাধ্য হন। ডাকাতদের ফায়ারপাওয়ার এবং বডি আর্মারের সাথে লড়াই করতে তারা রাইফেল নিয়েছিলেন। এরপর থেকে সারা দেশের পুলিশ বিভাগগুলো অফিসারদের জন্য স্ট্যান্ডার্ড ইস্যু হিসেবে এআর-১৫ চালু করতে শুরু করে।
** {{cite news |title=Once Banned, Now Loved and Loathed: How the AR-15 Became ‘America’s Rifle’ |trans-title=একসময় নিষিদ্ধ, এখন পছন্দনীয় এবং ঘৃণিত: কীভাবে এআর-১৫ 'আমেরিকার রাইফেল' হয়ে উঠল |newspaper=[[w:দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস]] |first1=আলী |last1=ওয়াটকিন্স |first2=জন |last2=ইসমায় |first3=থমাস |last3=গিবনস-নেফ |date=৩ মার্চ ২০১৮ |accessdate=১০ জুন ২০১৮ |url=https://www.nytimes.com/2018/03/03/us/politics/ar-15-americas-rifle.html}}
* টিস্যুর ধ্বংসলীলা কল্পনার বাইরে। হাড়গুলো বিস্ফোরিত হয়, নরম টিস্যু সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায়। বুকে বা পেটে আঘাত অনেকটা বোমা বিস্ফোরণের মতো। পথচারীরা শুধু ভুক্তভোগীদের দেখেই মানসিকভাবে আঘাত পান। এটি জঘন্য এবং ভয়ানক। এটি দেখা শুধু একটি ভয়ঙ্কর ব্যাপার।
** ডা. জেরেমি ক্যানন, [[w:পেরেলম্যান স্কুল অব মেডিসিন অ্যাট দ্য ইউনিভার্সিটি অব পেনসিলভেনিয়া|পেরেলম্যান স্কুল অব মেডিসিন অ্যাট দ্য ইউনিভার্সিটি অব পেনসিলভেনিয়া]] ({{cite news |title=Wounds From Military-Style Rifles? ‘A Ghastly Thing to See’ |trans-title=সামরিক-স্টাইলের রাইফেল থেকে ক্ষত? 'দেখার মতো একটি ভয়ঙ্কর ব্যাপার' |first1=জিনা |last1=কোলতা |authorlink1=w:জিনা কোলতা |authorlink2=w:সি. জে. শিভার্স |first2=সি. জে. |last2=শিভার্স |date=৪ মার্চ ২০১৮ |accessdate=২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |newspaper=[[w:দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস]] |url=https://www.nytimes.com/2018/03/04/health/parkland-shooting-victims-ar15.html}})।
* আপনি দেখতে পাবেন অনেক অঙ্গ ছিন্নভিন্ন। প্রস্থান ক্ষত এক ফুট প্রশস্ত হতে পারে। আমি এমন লোক দেখেছি যাদের পেটের পুরো অংশ ধ্বংস হয়ে গেছে।
** ডা. মার্টিন শ্রেইবার, [[w:অরেগন হেলথ অ্যান্ড সায়েন্স ইউনিভার্সিটি|অরেগন হেলথ অ্যান্ড সায়েন্স ইউনিভার্সিটি]] ({{cite news |title=Wounds From Military-Style Rifles? ‘A Ghastly Thing to See’ |trans-title=সামরিক-স্টাইলের রাইফেল থেকে ক্ষত? 'দেখার মতো একটি ভয়ঙ্কর ব্যাপার' |first1=জিনা |last1=কোলতা |authorlink1=w:জিনা কোলতা |authorlink2=w:সি. জে. শিভার্স |first2=সি. জে. |last2=শিভার্স |date=৪ মার্চ ২০১৮ |accessdate=২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |newspaper=[[w:দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস]] |url=https://www.nytimes.com/2018/03/04/health/parkland-shooting-victims-ar15.html}})।
* আপনি সাধারণত একটি ছোট প্রবেশ ক্ষত দেখতে পাবেন। তারপর আপনি রোগীকে উল্টে একটি বিশাল প্রস্থান ক্ষত দেখতে পাবেন। তখন বুলেটটি টালমাটাল হতে থাকে এবং আরও বেশি ধ্বংসলীলা চালায়। যদি তাদের ধড়ে গুলি করা হয়, তবে প্রায়ই আমাদের করার তেমন কিছুই থাকে না। এই অস্ত্রগুলো মানুষকে হত্যা করার জন্যই তৈরি করা হয়েছে।
** ডা. জেফ্রি কার্বি, [[w:ইউনিভার্সিটি অব আলাবামা অ্যাট বার্মিংহাম|ইউনিভার্সিটি অব আলাবামা অ্যাট বার্মিংহাম]] ({{cite news |title=Wounds From Military-Style Rifles? ‘A Ghastly Thing to See’ |trans-title=সামরিক-স্টাইলের রাইফেল থেকে ক্ষত? 'দেখার মতো একটি ভয়ঙ্কর ব্যাপার' |first1=জিনা |last1=কোলতা |authorlink1=w:জিনা কোলতা |authorlink2=w:সি. জে. শিভার্স |first2=সি. জে. |last2=শিভার্স |date=৪ মার্চ ২০১৮ |accessdate=২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |newspaper=[[w:দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস]] |url=https://www.nytimes.com/2018/03/04/health/parkland-shooting-victims-ar15.html}})।
* একটি বুলেটের ভর, গতি, গঠন এবং এটি কোথায় আঘাত করে তার উপর ক্ষতের তীব্রতা নির্ভর করে। আমেরিকান সৈন্যদের দেওয়া এম৪ এবং এম১৬ রাইফেলের মতো এআর-১৫ হালকা ওজনের উচ্চ-গতির বুলেট ছুঁড়ে। এই বুলেট গুরুতর হাড় এবং নরম টিস্যুর ক্ষত তৈরি করতে পারে। এটি কাউকে আঘাত করলে "ইয়াওইং" বা পাশ ফিরে যেতে পারে। সার্জনরা বলেন, এই অস্ত্রগুলো যুদ্ধক্ষেত্রে দেখা যাওয়া একই ধরণের ভয়াবহ আঘাত তৈরি করে।
সামরিক-স্টাইলের অস্ত্রের বেসামরিক মালিকরা সফট-নোজড বা ফাঁপা পয়েন্ট গোলাবারুদও কিনতে পারেন। এগুলো প্রায়ই শিকারের জন্য ব্যবহৃত হয়। এগুলোর সম্পূর্ণ মেটাল জ্যাকেট থাকে না এবং আঘাতের পর প্রসারিত ও খণ্ডিত হতে পারে। এই ধরনের বুলেটগুলো ক্ষতের গর্ত প্রশস্ত করতে পারে। এগুলো বেশিরভাগ সামরিক ব্যবহারে নিষিদ্ধ।
** {{cite news |title=Wounds From Military-Style Rifles? ‘A Ghastly Thing to See’ |trans-title=সামরিক-স্টাইলের রাইফেল থেকে ক্ষত? 'দেখার মতো একটি ভয়ঙ্কর ব্যাপার' |first1=জিনা |last1=কোলতা |authorlink1=w:জিনা কোলতা |authorlink2=w:সি. জে. শিভার্স |first2=সি. জে. |last2=শিভার্স |date=৪ মার্চ ২০১৮ |accessdate=২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |newspaper=[[w:দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস]] |url=https://www.nytimes.com/2018/03/04/health/parkland-shooting-victims-ar15.html}}
* একটি এআর-১৫ দিয়ে ছয় মিনিট বিশ সেকেন্ড গুলি চলার পর আমার বন্ধু কারমেন আমাকে কখনও পিয়ানো অনুশীলন নিয়ে অভিযোগ করতে আসবে না। অ্যারন ফিস কখনও কায়রাকে "মিস সানশাইন" বলে ডাকবেন না। অ্যালেক্স শ্যাচটার কখনও তার ভাই রায়ানের সাথে স্কুলে ঢুকবে না। স্কট বেইগেল কখনও ক্যাম্পে ক্যামেরনের সাথে মজা করবেন না। হেলেনা রামসে কখনও ম্যাক্সের সাথে স্কুলের পরে ঘুরে বেড়াবে না। জিনা মন্টাল্টো কখনও লাঞ্চে তার বন্ধু লিয়ামকে হাত নেড়ে বিদায় জানাবে না। জোয়াকিন অলিভার কখনও স্যাম বা ডিলানের সাথে বাস্কেটবল খেলবে না। অ্যালাইনা পেটি কখনও না, কারা লাফেন কখনও না, ক্রিস হিক্সন কখনও না, লুক হোয়ার কখনও না, মার্টিন ডুক অ্যাঙ্গুইয়ানো কখনও না, পিটার ওয়াং কখনও না, অ্যালিসা আলহাদেফ কখনও না, জেমি গুটেনবার্গ কখনও না, জেমি পোল্যাক কখনও না।
[নীরবতা]
আমি এখানে আসার পর থেকে ছয় মিনিট বিশ সেকেন্ড পার হয়েছে। শ্যুটার গুলি করা বন্ধ করেছে এবং শীঘ্রই তার রাইফেল ফেলে দেবে। তারপর পালানোর সময় ছাত্রদের সাথে মিশে যাবে এবং গ্রেফতার হওয়ার আগে এক ঘণ্টা মুক্তভাবে ঘুরে বেড়াবে। এটা অন্য কারও কাজ হওয়ার আগে নিজেদের জীবন বাঁচাতে লড়াই করুন।
** [[w:এমা গঞ্জালেজ|এমা গঞ্জালেজ]], স্টোনম্যান ডগলাস হাই স্কুলে গুলিবর্ষণে বেঁচে যাওয়া ব্যক্তি, ২৪ মার্চ ২০১৮ তারিখে ওয়াশিংটন ডি.সিতে [[w:মার্চ ফর আওয়ার লাইভস|মার্চ ফর আওয়ার লাইভস]] অনুষ্ঠানে ({{cite news |title=What Emma González Said Without Words at the March for Our Lives Rally |trans-title=মার্চ ফর আওয়ার লাইভস র্যালিতে এমা গঞ্জালেজ যা বলেনি |first=লুই |last=লুসেরো ২য় |date=২৪ মার্চ ২০১৮ |accessdate=২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |newspaper=[[w:দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস]] |url=https://www.nytimes.com/2018/03/24/us/emma-gonzalez-march-for-our-lives.html}}; {{cite news |title=Emma González Kept America in Stunned Silence to Show How Quickly 17 People Died at Parkland |trans-title=পার্কল্যান্ডে কত দ্রুত ১৭ জন মারা গেছে তা দেখাতে এমা গঞ্জালেজ আমেরিকাকে হতবাক নীরবতায় রেখেছিল |magazine=[[w:টাইম (ম্যাগাজিন)|টাইম]] |first=ক্যাটি |last=রেইলি |date=২৪ মার্চ ২০১৮ |accessdate=২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |url=http://time.com/5214322/emma-gonzalez-march-for-our-lives-speech/}}; {{cite news |title=Emma Gonzalez stood on stage for 6 minutes - the length of the Parkland gunman's shooting spree |trans-title=এমা গঞ্জালেজ ৬ মিনিট মঞ্চে দাঁড়িয়েছিল - পার্কল্যান্ডের বন্দুকধারীর শ্যুটিং স্প্রির সময়কাল |first=ডাকিন |last=অ্যান্ডোন |agency=[[w:সিএনএন|সিএনএন]] |date=২৫ মার্চ ২০১৮ |accessdate=২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |url=https://www.cnn.com/2018/03/24/us/march-for-our-lives-emma-gonzalez/index.html}}; {{cite news |title=The 6 most memorable speeches at the March for Our Lives in D.C. |trans-title=ডি.সিতে মার্চ ফর আওয়ার লাইভস-এ ৬টি সবচেয়ে স্মরণীয় বক্তৃতা |first1=কায়লা |last1=এপস্টিন |first2=টেডি |last2=আমেনাবার |date=২৪ মার্চ ২০১৮ |accessdate=২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |newspaper=[[w:দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট|দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট]] |url=https://www.washingtonpost.com/news/local/wp/2018/03/24/the-6-most-memorable-speeches-at-the-march-for-our-lives-in-d-c/}})।
* [[স্মিথ অ্যান্ড ওয়েসন এমঅ্যান্ডপি১৫]] [[অ্যাসল্ট রাইফেল]] যুদ্ধের জন্য ডিজাইন করা একটি বন্দুকের সুস্পষ্ট এবং বর্তমান বিপদ প্রদর্শন করে। এটি বেসামরিক নাগরিকদের কাছে লাভের জন্য নির্মমভাবে বাজারজাত করা হয়েছে।
২০০৬ সালের শুরুতে [[স্মিথ অ্যান্ড ওয়েসন]] ঘোষণা দেয় যে তারা তাদের প্রথম এমঅ্যান্ডপি১৫ রাইফেল সরবরাহ শুরু করেছে। এমঅ্যান্ডপি (মিলিটারি ও পুলিশ) "ট্যাকটিক্যাল রাইফেল" ছিল প্রথম লম্বা বন্দুক যা দীর্ঘদিন ধরে হ্যান্ডগান প্রস্তুতকারক হিসেবে পরিচিত একটি কোম্পানি তৈরি করেছিল। ''শুটিং ইন্ডাস্ট্রি''-র মতে নতুন রাইফেলটি বিশেষভাবে বৈশ্বিক সামরিক এবং পুলিশ সদস্যদের, পাশাপাশি স্পোর্টিং শুটারদের চাহিদা মেটানোর জন্য তৈরি করা হয়েছিল।
হ্যান্ডগান কোম্পানির অ্যাসল্ট রাইফেলের দিকে মোড় নেওয়া বেসামরিক বাজারে বন্দুক শিল্পের নিরলস সামরিকীকরণের একটি স্পষ্ট উদাহরণ ছিল। ২০০৬ সাল নাগাদ সামরিক-শৈলীর আধা-স্বয়ংক্রিয় অ্যাসল্ট রাইফেলগুলো বেসামরিক বন্দুক বাজারের অন্যতম প্রধান ভিত্তি হয়ে ওঠে। স্মিথ অ্যান্ড ওয়েসন রাইফেল তৈরি করত না। কিন্তু তারা সামরিক, পুলিশ এবং বেসামরিক গ্রাহকদের কাছে এমঅ্যান্ডপি আধা-স্বয়ংক্রিয় হ্যান্ডগানের একটি লাইন সফলভাবে বাজারজাত করেছিল। এর কর্মকর্তারা তাদের নিজস্ব মিলিটারি এবং পুলিশ অ্যাসল্ট রাইফেলের লাইন প্রবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। এআর-১৫/এম-১৬ ডিজাইনের উপর ভিত্তি করে এই "ট্যাকটিক্যাল রাইফেলগুলো" বেসামরিক নাগরিকদের কাছে ব্যাপকভাবে বিক্রি করা হবে।
** {{cite web |publisher=[[w:ভায়োলেন্স পলিসি সেন্টার|ভায়োলেন্স পলিসি সেন্টার]] |title=Understanding the Smith & Wesson M&P 15 Semiautomatic Assault Rifle |trans-title=স্মিথ অ্যান্ড ওয়েসন এমঅ্যান্ডপি ১৫ সেমি-অটোম্যাটিক অ্যাসল্ট রাইফেল বোঝা |date=ফেব্রুয়ারি ২০১৮ |accessdate=৫ অক্টোবর ২০১৮ |url=http://vpc.org/wp-content/uploads/2018/02/FloridashootingSmithWesson.pdf}}
* দেশের বৃহত্তম বন্দুক লবি সংস্থার বিরুদ্ধে যাওয়াটা অবশ্যই এমন একটা কাজ যা করা দরকার ছিল। এর অর্থ হলো আমরা যাদের বিরুদ্ধে তর্ক করছি তাদের কাছে বন্দুক আছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে তাদের ভীষণ ভয় পাই। আমি গ্রীষ্মে [[মার্চ ফর আওয়ার লাইভস|রোড টু চেঞ্জ ট্যুর]]ের জন্য সারা দেশে ভ্রমণ করার সময় দেখেছি যে, আমাদের সাথে দ্বিমত পোষণকারী অনেকেই যখন বলে যে আমরা যদি তাদের '''এআর-১৫''' এর অন্য প্রান্তে দাঁড়াই তবেই তারা কথা বলতে চায়, তখন তারা আসলে এটাই বোঝাতে চায়।
** [[এমা গঞ্জালেজ]] ({{cite news |authorlink=এমা গঞ্জালেজ |first=এমা |last=গঞ্জালেজ |title=A Young Activist’s Advice: Vote, Shave Your Head and Cry Whenever You Need To |trans-title=একজন তরুণ কর্মীর পরামর্শ: ভোট দিন, মাথা ন্যাড়া করুন এবং যখনই দরকার হয় কাঁদুন |newspaper=[[w:দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস]] |date=৫ অক্টোবর ২০১৮ |accessdate=৫ অক্টোবর ২০১৮ |url=https://www.nytimes.com/2018/10/05/opinion/sunday/emma-gonzalez-parkland.html}})
* আমাদের জাতি আবারও এমন এক ভয়াবহ প্রাণহানির ঘটনায় শোকাহত যা অভাবনীয় হওয়া উচিত। তবুও এটি নিয়মিত হয়ে উঠছে। [[স্টোনম্যান ডগলাস হাই স্কুলে গুলি|গতকালকের হামলায়]] ব্যবহৃত এআর-১৫ স্টাইল অস্ত্রের মতো [[অ্যাসল্ট অস্ত্র]]গুলো একটি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে তৈরি সামরিক আগ্নেয়াস্ত্র। এর উদ্দেশ্য হলো যত কম সময়ে সম্ভব তত বেশি মানুষ হত্যা করা। গণহত্যাকারীরা এআর-১৫ এর মতো বন্দুক ব্যবহার করে কারণ এর সুনির্দিষ্ট অ্যান্টি-পার্সোনেল ডিজাইনের বৈশিষ্ট্য রয়েছে। আমরা এই আক্রমণগুলো সম্ভব করে তোলার সরঞ্জামগুলোর সমাধান না করে এগুলো থামানোর কার্যকরী সমাধান নিয়ে কথা বলতে পারি না। যতক্ষণ না অ্যাসল্ট অস্ত্র এবং [[উচ্চ-ক্ষমতাসম্পন্ন ম্যাগাজিন|উচ্চ-ক্ষমতাসম্পন্ন গোলাবারুদ ম্যাগাজিন]] নিষিদ্ধ করা হচ্ছে, ততক্ষণ এই হামলাগুলো আমাদের জনজীবনকে হুমকির মুখে ফেলবে এবং আমাদের জাতিকে সংজ্ঞায়িত করবে।
** [[w:জশ সুগারম্যান|জশ সুগারম্যান]], নির্বাহী পরিচালক, [[w:ভায়োলেন্স পলিসি সেন্টার|ভায়োলেন্স পলিসি সেন্টার]] ({{cite web |first=জশ |last=সুগারম্যান |date=১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ |accessdate=৫ অক্টোবর ২০১৮ |title=Violence Policy Center Statement on Mass Shooting at Marjory Stoneman Douglas High School in Parkland, Florida |trans-title=পার্কল্যান্ড, ফ্লোরিডার মার্জোরি স্টোনম্যান ডগলাস হাই স্কুলে গণহত্যা নিয়ে ভায়োলেন্স পলিসি সেন্টারের বিবৃতি |publisher=[[w:ভায়োলেন্স পলিসি সেন্টার|ভায়োলেন্স পলিসি সেন্টার]] |url=http://vpc.org/press/violence-policy-center-statement-on-mass-shooting-at-marjory-stoneman-douglas-high-school-in-parkland-florida/}})
* পরিবারের বন্দুকের মালিকানা কমার পরিপ্রেক্ষিতে এটা কোনো গোপন বিষয় নয় যে বন্দুক শিল্প তাদের বিপণন এবং বিক্রয়ের প্রচেষ্টায় আধা-স্বয়ংক্রিয় সামরিক-শৈলীর [[অ্যাসল্ট অস্ত্র]], বিশেষ করে এআর-১৫ ধরণের রাইফেলের দিকে মনোনিবেশ করেছে। লক্ষ্য বাজার হলো দুটি: বয়স্ক পুরুষ, যাদের কাছে ইতোমধ্যেই আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে এবং তাদের এই যুদ্ধক্ষেত্র থেকে প্রাপ্ত অস্ত্রগুলোর মধ্যে একটি বা আরও একটি কিনতে প্রলুব্ধ করা যেতে পারে। অন্যটি হলো তরুণ পুরুষ, যাদের শিকারের মতো ঐতিহ্যবাহী শ্যুটিং খেলাধুলায় আগ্রহ নেই। একটি বন্দুক শিল্প বাণিজ্য ম্যাগাজিনের ভাষায় তারা "ট্যাকটিক্যাল কুলনেস ফ্যাক্টর" নিয়ে আগ্রহী।
** {{cite web |title=The Militarized Marketing of Bushmaster Assault Rifles |trans-title=বুশমাস্টার অ্যাসল্ট রাইফেলের সামরিক বিপণন |date=এপ্রিল ২০১৮ |accessdate=১৯ অক্টোবর ২০১৮ |publisher=[[w:ভায়োলেন্স পলিসি সেন্টার|ভায়োলেন্স পলিসি সেন্টার]] |url=http://vpc.org/wp-content/uploads/2018/04/Bushmaster2018.pdf}}
* বৃহস্পতিবার থেকে একদল শিক্ষার্থী ম্যাসাচুসেটসের এক-চতুর্থাংশ জুড়ে পশ্চিম দিকে মার্চ করবে। এটি বন্দুক সহিংসতা সম্পর্কে কথোপকথন পরিবর্তন এবং জীবন বাঁচানোর একটি জাতীয়, যুব-নেতৃত্বাধীন প্রচারণার সর্বশেষ পদক্ষেপ।
কর্মীদের দুটি প্রধান লক্ষ্য রয়েছে। প্রথমটি হলো [[স্মিথ অ্যান্ড ওয়েসন]]কে [[স্মিথ অ্যান্ড ওয়েসন এমঅ্যান্ডপি১৫|এমঅ্যান্ডপি ১৫]] এর মতো সামরিক-শৈলীর অস্ত্র তৈরি বন্ধ করতে সম্মত করানো। এটি একটি এআর-১৫-শৈলীর রাইফেল যা সাম্প্রতিক বেশ কয়েকটি হাই-প্রোফাইল শ্যুটিংয়ে ব্যবহৃত হয়েছে। এর মধ্যে ফেব্রুয়ারিতে ফ্লোরিডার [[স্টোনম্যান ডগলাস হাই স্কুলে গুলি|পার্কল্যান্ড]], ২০১৫ সালে ক্যালিফোর্নিয়ার [[w:২০১৫ সান বার্নার্ডিনো হামলা|সান বার্নার্ডিনো]] এবং ২০১২ সালে কলোরাডোর [[২০১২ অরোরা গুলি|অরোরা]] অন্তর্ভুক্ত।
দ্বিতীয়টি হলো বন্দুক সহিংসতা এবং কোম্পানির আগ্নেয়াস্ত্র জড়িত অন্যান্য অপরাধগুলো অধ্যয়ন করার জন্য স্মিথ অ্যান্ড ওয়েসনের ৫ মিলিয়ন ডলার অনুদান দেওয়া।
** {{cite news |date=২৩ আগস্ট ২০১৮ |accessdate=১২ নভেম্বর ২০১৮ |title=Students March On Smith & Wesson To Demand Accountability On Gun Violence |trans-title=বন্দুক সহিংসতার জবাবদিহিতার দাবিতে স্মিথ অ্যান্ড ওয়েসনে শিক্ষার্থীদের মার্চ |first=নিক |last=উইং |publisher=[[w:হাফপোস্ট|হাফপোস্ট]] |url=https://www.huffingtonpost.com/entry/smith-wesson-student-gun-march_us_5b7d8c9ce4b0cd327df8f9ad}}
* ... আমরা সবাই আমাদের দেশে '''বন্দুক সহিংসতার মহামারির''' সমাধান খুঁজছি। '''মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান শহরগুলোতে অপরাধে ব্যবহৃত বেশিরভাগ বন্দুক হলো [[আমেরিকান আউটডোর ব্র্যান্ড কর্পোরেশন|এওবিসি]] বন্দুক।''' এওবিসি-এর এআর-১৫ স্টাইল রাইফেল ফ্লোরিডার [[স্টোনম্যান ডগলাস হাই স্কুলে গুলি|পার্কল্যান্ড]], ক্যালিফোর্নিয়ার [[w:২০১৫ সান বার্নার্ডিনো হামলা|সান বার্নার্ডিনো]] এবং কলোরাডোর [[২০১২ অরোরা গুলি|অরোরা]]র [[w:যুক্তরাষ্ট্রে গণহত্যা|গণহত্যা]]গুলোতে ব্যবহৃত হয়েছিল। এগুলো এওবিসি পণ্য জড়িত সাম্প্রতিক এবং সর্বোচ্চ প্রোফাইলের সহিংস ঘটনাগুলোর মধ্যে মাত্র কয়েকটি। এগুলো গুরুতর আর্থিক এবং সুনামের ঝুঁকি তৈরি করে। প্রতিটি ঘটনা মামলা, বয়কট, বিনিয়োগ প্রত্যাহার এবং বিক্ষোভের নতুন হুমকি নিয়ে আসে। এর সাথে সাথে বন্দুক কোম্পানিগুলো এবং বেসামরিক নাগরিকদের জন্য তাদের পণ্যগুলোকে নিরাপদ করতে এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণভাবে শিশুদের দ্বারা সেগুলোর অপব্যবহার রোধ করতে সহায়তা করার অক্ষমতা সম্পর্কে ক্ষতিকারক সংবাদের ঢেউ ওঠে।
** সিস্টার জুডি বায়রন, [[w:আদ্রিয়ান ডমিনিকান সিস্টার্স|আদ্রিয়ান ডমিনিকান সিস্টার্স]], নর্থওয়েস্ট কোয়ালিশন ফর রেসপন্সিবল ইনভেস্টমেন্টস-এর পরিচালক। ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে [[আমেরিকান আউটডোর ব্র্যান্ড কর্পোরেশন]] এর বার্ষিক শেয়ারহোল্ডারদের সভায় দেওয়া বক্তব্য ({{cite web |first=জুডি |last=বায়রন |date=২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |title=Judy Byron’s Remarks: AOBC AGM |trans-title=জুডি বায়রনের মন্তব্য: এওবিসি এজিএম |publisher=[[w:ইন্টারফেইথ সেন্টার অন কর্পোরেট রেসপনসিবিলিটি|ইন্টারফেইথ সেন্টার অন কর্পোরেট রেসপনসিবিলিটি]] |url=https://www.iccr.org/sites/default/files/page_attachments/aobc_judys_remarks_at_agmv2_0.pdf}})
* ফ্লোরিডার [[স্টোনম্যান ডগলাস হাই স্কুলে গুলি|পার্কল্যান্ড]]।
নেভাদার [[২০১৭ লাস ভেগাস গুলি|লাস ভেগাস]]।
টেক্সাসের [[সাদারল্যান্ড স্প্রিংস চার্চে গুলি|সাদারল্যান্ড স্প্রিংস]]।
এখন, পেনসিলভেনিয়ার [[w:পিটসবার্গ সিনাগগ গুলি|পিটসবার্গ]]। এই মার্কিন শহরগুলোতে সাম্প্রতিক প্রাণঘাতী [[w:যুক্তরাষ্ট্রে গণহত্যা|গণহত্যা]]গুলোতে অন্তত একটি সাধারণ বিষয় রয়েছে: এআর-১৫।
এই অস্ত্রটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ক্রমশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে ২০০৪ সালে ১৯৯৪ সালের ফেডারেল অস্ত্র নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর এটি দেশের আশেপাশের আরও অনেক গণহত্যায় ব্যবহৃত হয়েছে। শুধু উপরে তালিকাভুক্ত তিনটি নয়।
কীভাবে এবং কেন এমন হলো তা বোঝার জন্য, আমরা অস্ত্রটির একটি ঐতিহাসিক বিবরণ একত্রিত করেছি এবং গিফোর্ডসের একজন সিনিয়র পলিসি অ্যানালিস্ট এবং ব্যুরো অব অ্যালকোহল, টোব্যাকো, ফায়ারআর্মস, অ্যান্ড এক্সপ্লোসিভস-এর সাবেক বিশেষ এজেন্ট ডেভিড চিপম্যানের সাথে কথা বলেছি।
চিপম্যান বলেছিলেন যে তিনি বিশ্বাস করেন যে এআর-১৫ দুটি কারণে গণহত্যায় এত ঘনঘন ব্যবহৃত হয়েছে: জনপ্রিয়তা এবং প্রাণঘাতকতা।
চিপম্যান বলেন, "এটি একটি দ্বি-মুখী ব্যাপার: এআর-১৫ হলো অ্যাসল্ট রাইফেলের ৪-দরজা বিশিষ্ট সেডানের মতো। এটি ছিল আমেরিকার অস্ত্র... এর একটি আমেরিকানা দিক রয়েছে।"
তিনি বলেন, অনেকগুলো গণহত্যা এমন পর্যায়ে গেছে কারণ "এআর-১৫ ব্যবহৃত হয়েছিল"। তিনি যোগ করেন, অস্ত্রটি মানুষের শরীরের যে ক্ষতি করে তা হ্যান্ডগানের তুলনায় নগণ্য।
চিপম্যান বলেন, "আমি ইআর চিকিৎসকদের সাথে কথা বলেছি। রাইফেলের রাউন্ডগুলো মানুষের শরীরের জন্য খুব ধ্বংসাত্মক।"
** {{cite news |agency=[[w:বিজনেস ইনসাইডার|বিজনেস ইনসাইডার]] |title=The Pittsburgh synagogue shooter was reportedly armed with an AR-15 — here's how it became the weapon of choice for America's mass shooters |trans-title=পিটসবার্গ সিনাগগ শ্যুটার এআর-১৫ নিয়ে সশস্ত্র ছিল — কীভাবে এটি আমেরিকার গণহত্যাকারীদের পছন্দের অস্ত্র হয়ে উঠল |first=ড্যানিয়েল |last=ব্রাউন |date=২৭ অক্টোবর ২০১৮ |accessdate=২৮ অক্টোবর ২০১৮ |url=https://www.businessinsider.com/ar-15-semi-automatic-history-why-used-mass-shootings-2018-2}}
* ফেডারেল কর্তৃপক্ষের মতে, [[w:পিটসবার্গ সিনাগগ গুলি|পিটসবার্গ সিনাগগ শ্যুটিং]] এর অভিযুক্ত রবার্ট বোয়ার্স যুক্তরাষ্ট্রে ইহুদি সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে সবচেয়ে মারাত্মক হামলা বলে বিবেচিত ১১ জনকে হত্যা করার জন্য ব্যবহৃত বন্দুকগুলো বৈধভাবে কিনেছিলেন।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বোয়ার্স শনিবার সকালে পিটসবার্গের ট্রি অফ লাইফ সিনাগগে তার শ্যুটিং স্প্রিতে চারটি বন্দুক ব্যবহার করেছিলেন। একটি এআর-১৫ অ্যাসল্ট রাইফেল এবং তিনটি [[w:গ্লক|গ্লক]] .৩৫৭ হ্যান্ডগান।
অ্যালকোহল, টোব্যাকো, ফায়ারআর্মস এবং এক্সপ্লোসিভস ব্যুরোর ফিলাডেলফিয়া অফিস মঙ্গলবার জানিয়েছে, একটি তদন্তে উপসংহারে আসা হয়েছে যে বন্দুকগুলো "বোয়ার্স আইনত সংগ্রহ করেছিলেন এবং তার দখলে রেখেছিলেন"।
বোয়ার্স ফেডারেল আইনের অধীনে বন্দুকের মালিকানা থেকে নিষিদ্ধ কোনো বিভাগের মধ্যে পড়েননি। যেমন, দোষী সাব্যস্ত অপরাধী, গৃহকর্মী নির্যাতনকারী, অসম্মানজনকভাবে বরখাস্ত অভিজ্ঞ ব্যক্তি বা মানসিকভাবে অসুস্থ ব্যক্তি বা নির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞার আদেশের অধীনস্থ ব্যক্তি।
** {{cite news |title=Synagogue Suspect’s Guns Were All Purchased Legally, Inquiry Finds |trans-title=সিনাগগ সন্দেহভাজনের বন্দুকগুলো বৈধভাবে কেনা হয়েছিল, তদন্তে পাওয়া গেছে |newspaper=[[w:দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস]] |authorlink=রিচার্ড এ. ওপেল জুনিয়র |first=রিচার্ড এ. |last=ওপেল জুনিয়র |accessdate=২ নভেম্বর ২০১৮ |date=৩০ অক্টোবর ২০১৮ |url=https://www.nytimes.com/2018/10/30/us/ar15-gun-pittsburgh-shooting.html}}
* একটি [[w:পিটসবার্গ সিনাগগ গুলি|পিটসবার্গ সিনাগগ]], ফ্লোরিডার একটি [[স্টোনম্যান ডগলাস হাই স্কুলে গুলি|হাই স্কুল]], একটি [[সাদারল্যান্ড স্প্রিংস চার্চে গুলি|টেক্সাস চার্চ]], একটি [[২০১৭ লাস ভেগাস গুলি|লাস ভেগাস কনসার্ট]], একটি কানেকটিকাটের [[স্যান্ডি হুক এলিমেন্টারি স্কুলে গুলি|প্রাথমিক বিদ্যালয়]]। এগুলো হলো সাম্প্রতিক ইতিহাসে [[w:যুক্তরাষ্ট্রে গণহত্যা|আমেরিকার কিছু মারাত্মক গণহত্যার]] স্থান এবং এগুলোর সবকটিতে একটি সাধারণ বিষয় রয়েছে। প্রতিটি ভয়াবহ স্থানে ব্যবহৃত অস্ত্রের ধরন ছিল এআর-১৫ আধা-স্বয়ংক্রিয় রাইফেল।
** {{cite news |agency=[[w:সিবিএস নিউজ|সিবিএস নিউজ]] |work=[[w:৬০ মিনিটস|৬০ মিনিটস]] |title=Learning how to "Stop the Bleed" |trans-title=কীভাবে "রক্তপাত বন্ধ করতে হয়" তা শেখা |date=৪ নভেম্বর ২০১৮ |accessdate=৫ নভেম্বর ২০১৮ |first=ব্রিট |last=ম্যাকক্যান্ডলেস ফার্মার |url=https://www.cbsnews.com/news/learning-how-to-stop-the-bleed-after-a-mass-shooting-60-minutes/}}
* কীভাবে একটি এআর-১৫ বুলেট ৯-মিলিমিটার বুলেটের চেয়ে আলাদা তা বোঝার জন্য ৬০ মিনিট দলটি একজন প্রাক্তন প্যারামেডিক এবং গ্রিন বেরেট ডন ডেয়োর সাথে কথা বলেছিল। তিনি যুদ্ধক্ষেত্রে খুব কাছ থেকে ব্যাপক হতাহতের ঘটনা দেখেছিলেন। তিনি একটি গড় বয়স্ক মানুষের উরুর আকারের মতো শূকরের মাংসে রাউন্ড গুলি করে বুলেটের পার্থক্য দেখিয়েছিলেন। প্রথম নজরে দুটি রাউন্ড একই রকম দেখাচ্ছিল। উভয়ই একটি প্রবেশ ক্ষত রেখে গিয়েছিল যা মাংসে একটি ছোট গর্তের চেয়ে বেশি কিছু নয়।
তবে শূকরের মাংসটি উল্টালে পার্থক্যটি বিস্ময়কর। ৯-মিলিমিটারের প্রস্থান ক্ষতটি ছোট ছিল এবং আশেপাশের এলাকায় খুব বেশি ক্ষতি হয়নি। এআর-১৫ এর প্রস্থান ক্ষত একটি বিশাল গর্ত রেখে গেছে এবং আশেপাশের হাড় ভেঙে দিয়েছে। দেও বুঝিয়েছিলেন যে সেই হাড়ের টুকরোগুলো প্রজেক্টাইল হয়ে ওঠে এবং টিস্যুর আরও ক্ষতি করে।
একটি এআর-১৫ স্টাইল রাইফেলের বুলেট নরম টিস্যুর মধ্য দিয়ে একটি বড় গহ্বর উড়িয়ে দেওয়ার পর, রক্তচাপ রক্ত দিয়ে সেই গহ্বরটি পাম্প করে। এর ফলে এআর-১৫ গুলির অনেক ভুক্তভোগী উদ্ধারকর্মীরা পৌঁছানোর আগেই রক্তক্ষরণে মারা যায়।
** {{cite news |agency=[[w:সিবিএস নিউজ|সিবিএস নিউজ]] |work=[[w:৬০ মিনিটস|৬০ মিনিটস]] |title=Learning how to "Stop the Bleed" |trans-title=কীভাবে "রক্তপাত বন্ধ করতে হয়" তা শেখা |date=৪ নভেম্বর ২০১৮ |accessdate=৫ নভেম্বর ২০১৮ |first=ব্রিট |last=ম্যাকক্যান্ডলেস ফার্মার |url=https://www.cbsnews.com/news/learning-how-to-stop-the-bleed-after-a-mass-shooting-60-minutes/}}
* ভেতরে একটা বোমা ফাটল। আর আমাদের কাজ হলো সেখানে গিয়ে সেটা পরিষ্কার করা। একটা পর্যায়ে মনে হয় যেন হাম্পটি ডাম্পটিকে আবার একসাথে জোড়া লাগানো হচ্ছে। তার অঙ্গগুলো এখন বিভিন্ন টুকরো হয়ে গেছে এবং আপনাকে সেগুলোকে পুনর্গঠন করতে হবে। হাতটিতে নরম টিস্যু, ত্বক, পেশী ছিল না এবং স্নায়ুর কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। অন্ত্রটিকে আবার একসাথে যুক্ত করতে হবে। আঘাতের কিছু অংশ নিজেকে নিরাময় করতে হবে যাতে আপনি দেখতে পান যে সে একটি সাধারণ শিশুর মতো ঘুরে বেড়াতে পারে এবং যতটা সম্ভব স্বাভাবিক আচরণ করতে পারে।
** ডা. লিলিয়ান লিয়াও, [[w:সান আন্তোনিও, টেক্সাস|সান আন্তোনিও, টেক্সাস]]ের [[w:টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়|টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়]]ের [[w:ইউনিভার্সিটি হেলথ সিস্টেম|ইউনিভার্সিটি হাসপাতাল]]ের ট্রমা সার্জন। একজন [[সাদারল্যান্ড স্প্রিংস চার্চে গুলি]]র সারভাইভারের চিকিৎসা সম্পর্কে তিনি এমন কথা বলেন ({{cite news |agency=[[w:সিবিএস নিউজ|সিবিএস নিউজ]] |work=[[w:৬০ মিনিটস|৬০ মিনিটস]] |title=What makes the AR-15 style rifle the weapon of choice for mass shooters? |trans-title=কীভাবে এআর-১৫ স্টাইল রাইফেল গণহত্যাকারীদের পছন্দের অস্ত্র হয়ে ওঠে? |date=৪ নভেম্বর ২০১৮ |accessdate=৫ নভেম্বর ২০১৮ |first=স্কট |last=পেলি |authorlink=w:স্কট পেলি |url=https://www.cbsnews.com/news/learning-how-to-stop-the-bleed-after-a-mass-shooting-60-minutes/}})।
=== ২০১৯ ===
* পেনসিলভেনিয়ার আইনপ্রণেতারা [[w:পিটসবার্গ সিনাগগ গুলি|পিটসবার্গ সিনাগগ হামলা]]র শিকারদের স্মরণে রাজ্যের সাধারণ পরিষদের একটি যৌথ অধিবেশন করেছিলেন।
বুধবারের স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠানটি এমন একদিনে হয়েছিল, যার আগের দিন শহরের মেয়র নতুন বন্দুক নিয়ন্ত্রণ আইনে স্বাক্ষর করেছিলেন। এই আইনটি ২৭ অক্টোবরের শ্যুটিংয়ের পর প্রস্তাব করা হয়েছিল। সেখানে এক শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদী ১১ জন উপাসককে হত্যা করেছিল।
এই আইনের অধীনে সিনাগগের বন্দুকধারীর ব্যবহৃত এআর-১৫ অ্যাসল্ট-স্টাইলের রাইফেল নিষিদ্ধ করা হবে।
** {{cite news |title=Pennsylvania lawmakers remember Pittsburgh synagogue shooting attack |trans-title=পেনসিলভেনিয়ার আইনপ্রণেতারা পিটসবার্গ সিনাগগ শ্যুটিং হামলার কথা স্মরণ করেন |first=বেন |last=সেলস |date=১০ এপ্রিল ২০১৯ |agency=[[w:জুইশ টেলিগ্রাফিক এজেন্সি|জুইশ টেলিগ্রাফিক এজেন্সি]] |url=https://www.jta.org/quick-reads/pennsylvania-lawmakers-remember-pittsburgh-synagogue-shooting-attack}}
=== গণহত্যায় প্রচলন ===
* এআর-১৫-কে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি [[বারাক ওবামা]] "যুদ্ধের অস্ত্র" বলে আখ্যায়িত করেছিলেন। ফ্লোরিডার অরল্যান্ডোতে [[w:পালস নাইটক্লাবে গুলি|পালস নাইটক্লাব শ্যুটিং]]য়ের পর তিনি এটি বলেছিলেন। সেখানে ২০১৬ সালের জুনে ২৯ বছর বয়সী ওমর মতিন ৪৯ জনকে হত্যা করে এবং ৫৩ জনকে আহত করে। এটি সেই একই রাইফেল যা বারবার গণহত্যায় হত্যার অস্ত্র হিসেবে দেখা যাচ্ছে।
** {{cite news |title=How assault rifles have played a prominent role in US mass shootings |trans-title=মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গণহত্যায় অ্যাসল্ট রাইফেল কীভাবে একটি বিশিষ্ট ভূমিকা পালন করেছে |first=এম. এল. |last=নেস্টেল |date=৭ নভেম্বর ২০১৭ |accessdate=২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |agency=[[w:এবিসি নিউজ|এবিসি নিউজ]] |url=https://abcnews.go.com/US/assault-rifles-played-prominent-role-us-mass-shootings/story?id=50962470}}
* [[w:যুক্তরাষ্ট্রে গণহত্যা|দেশের গণহত্যার সমস্যা]] দিন দিন আরও খারাপ হচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। সর্বশেষ এবং সবচেয়ে গুরুতর শ্যুটিংগুলোতে একটি নতুন সাধারণ বিষয় দেখা যাচ্ছে: এআর-১৫ আধা-স্বয়ংক্রিয় অ্যাসল্ট রাইফেল।
এআর-১৫ তে সাধারণত [[উচ্চ-ক্ষমতাসম্পন্ন ম্যাগাজিন|বড় ম্যাগাজিন]] থাকে, হ্যান্ডগানের চেয়ে বেশি গতিতে রাউন্ড নিক্ষেপ করে এবং শিকারদের শরীরে আরও জটিল ক্ষত তৈরি করে।
১০টি মারাত্মক শ্যুটিংয়ের তালিকার পুরনো ঘটনাগুলোতে শ্যুটাররা হ্যান্ডগান ব্যবহার করেছিল। এর মধ্যে ভার্জিনিয়ার ব্ল্যাকসবার্গের ২০০৭ সালের ভার্জিনিয়া টেকের হামলাও রয়েছে, যেখানে ৩২ জন মারা যায়। (ব্যতিক্রম হলো ১৯৮৪ সালের সান ইসিদ্রো গণহত্যা, যেখানে বন্দুকধারী একটি শটগান এবং একটি উজি আধা-স্বয়ংক্রিয় কারবাইনও ব্যবহার করেছিল।)
কিন্তু সর্বশেষ ঘটনাগুলোতে আক্রমণকারীরা মূলত এআর-১৫ আধা-স্বয়ংক্রিয় রাইফেল ব্যবহার করেছিল। যেমন: [[স্যান্ডি হুক এলিমেন্টারি স্কুলে গুলি|নিউটাউন, কানেকটিকাট, ২০১২]]; [[w:২০১৫ সান বার্নার্ডিনো হামলা|সান বার্নার্ডিনো, ক্যালিফোর্নিয়া, ২০১৫]]; [[w:পালস নাইটক্লাবে গুলি|অরল্যান্ডো, ফ্লোরিডা, ২০১৬]]; [[২০১৭ লাস ভেগাস গুলি|লাস ভেগাস, ২০১৭]]; [[সাদারল্যান্ড স্প্রিংস চার্চে গুলি|সাদারল্যান্ড স্প্রিংস, টেক্সাস, ২০১৭]]।
এমন কয়েকটি তত্ত্ব রয়েছে যা থেকে বোঝা যায় কেন এআর-১৫ মারাত্মক হামলার সাথে যুক্ত হবে। এআর-১৫ রাইফেলগুলো ছোট কিন্তু উচ্চ-গতির .২২৩-ক্যালিবার রাউন্ড ছুঁড়ে যা প্রায়শই ভুক্তভোগীদের শরীরের ভেতরে ভেঙে যায়। এর ফলে বড় কিন্তু কম-গতির হ্যান্ডগান রাউন্ডের কারণে সৃষ্ট ক্ষতের চেয়ে বেশি ধ্বংসাত্মক আঘাত তৈরি হয়।
শ্যুটাররা সাধারণত [[উচ্চ-ক্ষমতাসম্পন্ন ম্যাগাজিন|৩০-রাউন্ডের ম্যাগাজিন]]সহ রাইফেল ব্যবহার করে। এগুলো তাদের নিরবচ্ছিন্নভাবে আরও রাউন্ড ফায়ার করার সুবিধা দেয়। এটি সাধারণত হ্যান্ডগানগুলোতে ব্যবহৃত ছোট ম্যাগাজিনগুলোর তুলনায় বেশি সুবিধাজনক।
** {{cite news |newspaper=[[w:লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস|লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস]] |first=ম্যাট |last=পিয়ার্স |date=১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ |accessdate=২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |title=Mass shootings are getting deadlier. And the latest ones all have something new in common: The AR-15 |trans-title=গণহত্যা আরও মারাত্মক হয়ে উঠছে। এবং সর্বশেষগুলোতে একটি নতুন সাধারণ বিষয় রয়েছে: এআর-১৫ |url=http://www.latimes.com/nation/la-na-ar-15-story.html}}
* গত ৩৫ বছরে এআর-১৫-শৈলীর রাইফেলগুলোর বৈশিষ্ট্যযুক্ত [[w:যুক্তরাষ্ট্রে গণহত্যা|যুক্তরাষ্ট্রের গণহত্যাগুলোর]] একটি তালিকা নিচে দেওয়া হলো, যা স্ট্যানফোর্ড জিওস্পেশিয়াল সেন্টার এবং স্ট্যানফোর্ড লাইব্রেরি এবং ইউএসএ টুডে গবেষণার সৌজন্যে প্রাপ্ত:
২৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮৪: টাইরন মিচেল, বয়স ২৮, লস অ্যাঞ্জেলেসের ৪৯তম স্ট্রিট এলিমেন্টারি স্কুলে আত্মহত্যা করার আগে দুজনকে হত্যা করতে এবং ১২ জনকে আহত করতে একটি এআর-১৫, একটি স্টোজার ১২-গেজ শটগান এবং একটি উইনচেস্টার ১২-গেজ শটগান ব্যবহার করেছিল।
৭ অক্টোবর, ২০০৭: টাইলার পিটারসন, বয়স ২০, আত্মহত্যা করার আগে উইসকনসিনের ক্র্যান্ডনের একটি অ্যাপার্টমেন্টে ছয়জনকে হত্যা এবং একজনকে আহত করতে একটি এআর-১৫ ব্যবহার করেছিল।
[[২০১২ অরোরা গুলি|২০ জুন, ২০১২]]: জেমস ইগান হোমস, বয়স ২৪, কলোরাডোর অরোরার একটি সিনেমা হলে ১২ জনকে হত্যা এবং ৫৮ জনকে আহত করতে একটি ১০০-রাউন্ড ম্যাগাজিনসহ একটি [[স্মিথ অ্যান্ড ওয়েসন এমঅ্যান্ডপি১৫|এআর-১৫-শৈলীর .২২৩-ক্যালিবার স্মিথ অ্যান্ড ওয়েসন রাইফেল]], একটি ১২-গেজ রেমিংটন শটগান এবং দুটি .৪০-ক্যালিবার গ্লক আধা-স্বয়ংক্রিয় পিস্তল ব্যবহার করেছিল।
[[স্যান্ডি হুক এলিমেন্টারি স্কুলে গুলি|১৪ ডিসেম্বর, ২০১২]]: অ্যাডাম লানজা, বয়স ২০, কানেকটিকাটের নিউটাউনে আত্মহত্যা করার আগে তার মা, ২০ জন শিক্ষার্থী এবং ছয়জন শিক্ষকসহ ২৭ জনকে হত্যা করতে একটি এআর-১৫-শৈলীর রাইফেল, একটি .২২৩-ক্যালিবার বুশমাস্টার ব্যবহার করেছিল।
৭ জুন, ২০১৩: জন জাওয়াহরি, বয়স ২৩, নিহত হওয়ার আগে ক্যালিফোর্নিয়ার সান্তা মনিকার একটি বাড়িতে পাঁচজনকে হত্যা এবং তিনজনকে আহত করতে একটি এআর-১৫-শৈলীর .২২৩-ক্যালিবার রাইফেল এবং একটি .৪৪-ক্যালিবার রেমিংটন রিভলভার ব্যবহার করেছিল।
১৯ মার্চ, ২০১৫: জাস্টিন ফাউলার, বয়স ২৪, নিহত হওয়ার আগে নিউ মেক্সিকোর লিটল ওয়াটারের একটি রাস্তায় একজনকে হত্যা এবং দুজনকে আহত করতে একটি এআর-১৫ ব্যবহার করেছিল।
৩১ মে, ২০১৫: জেফরি স্কট পিটস, বয়স ৩৬, নিহত হওয়ার আগে জর্জিয়ার কনয়ার্সের একটি দোকানে দুজনকে হত্যা এবং দুজনকে আহত করতে একটি এআর-১৫ এবং .৪৫-ক্যালিবার হ্যান্ডগান ব্যবহার করেছিল।
৩১ অক্টোবর, ২০১৫: নোয়াহ জ্যাকব হারফাম, বয়স ৩৩, নিহত হওয়ার আগে কলোরাডোর কলোরাডো স্প্রিংসের একটি রাস্তায় তিনজনকে হত্যা করতে একটি এআর-১৫, একটি .৩৫৭-ক্যালিবার রিভলভার এবং একটি ৯ মিমি আধা-স্বয়ংক্রিয় পিস্তল ব্যবহার করেছিল।
[[w:২০১৫ সান বার্নার্ডিনো হামলা|২ ডিসেম্বর, ২০১৫]]: সৈয়দ রিজওয়ান ফারুক এবং তাশফিন মালিক, বয়স ২৮ এবং ২৭, নিহত হওয়ার আগে ক্যালিফোর্নিয়ার সান বার্নার্ডিনোয় তার কর্মক্ষেত্রে ১৪ জনকে হত্যা এবং ২১ জনকে আহত করতে দুটি এআর-১৫-শৈলীর, .২২৩-ক্যালিবার রেমিংটন রাইফেল এবং দুটি ৯ মিমি হ্যান্ডগান ব্যবহার করেছিল।
[[w:পালস নাইটক্লাবে গুলি|১২ জুন, ২০১৬]]: ওমর মতিন, বয়স ২৯, নিহত হওয়ার আগে অরল্যান্ডোর একটি নাইটক্লাবে ৪৯ জনকে হত্যা এবং ৫০ জনকে আহত করতে একটি এআর-১৫ স্টাইলের রাইফেল (একটি সিগ সয়ার এমসিএক্স) এবং একটি ৯ মিমি গ্লক আধা-স্বয়ংক্রিয় পিস্তল ব্যবহার করেছিল।
১ অক্টোবর, ২০১৭: স্টিফেন প্যাডক, বয়স ৬৪, আত্মহত্যা করার আগে [[২০১৭ লাস ভেগাস গুলি|লাস ভেগাসের একটি সঙ্গীত উৎসবে]] ৫৮ জনকে হত্যা এবং শত শত লোককে আহত করতে একটি এআর-১৫ সহ প্রচুর বন্দুক ব্যবহার করেছিল।
৫ নভেম্বর, ২০১৭: ডেভিন কেলি, বয়স ২৬, নিহত হওয়ার আগে টেক্সাসের সাদারল্যান্ড স্প্রিংসের একটি [[সাদারল্যান্ড স্প্রিংস চার্চে গুলি|চার্চে]] ২৬ জনকে হত্যা করতে একটি এআর-১৫ স্টাইল রুগার রাইফেল ব্যবহার করেছিল।
[[স্টোনম্যান ডগলাস হাই স্কুলে গুলি|১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮]]: পুলিশের মতে ১৯ বছর বয়সী নিকোলাস ক্রুজ ফ্লোরিডার পার্কল্যান্ডের মার্জোরি স্টোনম্যান ডগলাস হাই স্কুলে অন্তত ১৭ জনকে হত্যা করতে একটি এআর-১৫-শৈলীর রাইফেল ব্যবহার করেছিল।
** {{cite news |title=Why mass shooters are increasingly using AR-15s |trans-title=কেন গণহত্যাকারীরা ক্রমশ এআর-১৫ ব্যবহার করছে |first1=বার্ট |last1=জানসেন |first2=উইলিয়াম |last2=কামিংস |newspaper=[[w:ইউএসএ টুডে|ইউএসএ টুডে]] |date=৬ নভেম্বর ২০১৭ |accessdate=৯ অক্টোবর ২০১৮ |url=https://www.usatoday.com/story/news/2017/11/06/ar-15-style-rifles-common-among-mass-shootings/838283001/}}; {{cite news |newspaper=[[w:ইউএসএ টুডে|ইউএসএ টুডে]] |title=Why the AR-15 keeps appearing at America's deadliest mass shootings |trans-title=আমেরিকার সবচেয়ে মারাত্মক গণহত্যাগুলোতে কেন এআর-১৫ বারবার দেখা যাচ্ছে |first1=উইলিয়াম |last1=কামিংস |first2=বার্ট |last2=জানসেন |date=১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ |accessdate=২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |url=https://www.usatoday.com/story/news/nation/2018/02/14/ar-15-mass-shootings/339519002/}}
* [[স্যান্ডি হুক এলিমেন্টারি স্কুলে গুলি|নিউটাউন]]। [[w:২০১৫ সান বার্নার্ডিনো হামলা|সান বার্নার্ডিনো]]। [[২০১৭ লাস ভেগাস গুলি|লাস ভেগাস]]। [[সাদারল্যান্ড স্প্রিংস চার্চে গুলি|সাদারল্যান্ড স্প্রিংস]]। আর এখন [[স্টোনম্যান ডগলাস হাই স্কুলে গুলি|পার্কল্যান্ড]]। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গত ছয় বছরের ছয়টি মারাত্মক [[w:যুক্তরাষ্ট্রে গণহত্যা|গণহত্যা]]র মধ্যে পাঁচটি। এগুলোর প্রত্যেকটিতে বন্দুকধারীর কাছে একটি এআর-১৫-শৈলীর আধা-স্বয়ংক্রিয় রাইফেল ছিল।
** {{cite news |newspaper=[[w:দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস]] |authorlink=w:রিচার্ড এ. ওপেল জুনিয়র |first=রিচার্ড এ. |last=ওপেল জুনিয়র |accessdate=২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |date=১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ |url=https://www.nytimes.com/2018/02/15/us/ar15-mass-shootings-guns.html |title=In Florida, an AR-15 Is Easier to Buy Than a Handgun |trans-title=ফ্লোরিডায় হ্যান্ডগানের চেয়ে এআর-১৫ কেনা সহজ}}
* কর্মকর্তারা ১৯ বছর বয়সী নিকোলাস ক্রুজের তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছেন। তার বিরুদ্ধে গত বুধবার বিকেলে তার সাবেক উচ্চ বিদ্যালয়ে গুলি চালিয়ে অন্তত ১৭ জনকে হত্যা এবং এক ডজনেরও বেশি লোককে আহত করার অভিযোগ রয়েছে। গণহত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র সম্পর্কে ইতোমধ্যে পরিচিত বিবরণ সামনে আসছে। পুলিশ সন্দেহ করছে ক্রুজ অন্তত একটি এআর-১৫-শৈলীর রাইফেল এবং "অসংখ্য ম্যাগাজিন" দিয়ে সজ্জিত ছিল। এটি [[স্টোনম্যান ডগলাস হাই স্কুলে গুলি|ফ্লোরিডার পার্কল্যান্ডের মার্জোরি স্টোনম্যান ডগলাস হাই স্কুলে মারাত্মক শ্যুটিং]]। এটি একটি উদ্বেগজনক প্রবণতা যোগ করে। গত কয়েক বছরের সবচেয়ে মারাত্মক [[w:যুক্তরাষ্ট্রে গণহত্যা|গণহত্যাগুলোর]] মধ্যে ১ অক্টোবরে [[২০১৭ লাস ভেগাস গুলি|লাস ভেগাস গণহত্যা]] এবং ৫ নভেম্বরে একটি [[সাদারল্যান্ড স্প্রিংস চার্চে গুলি|টেক্সাস চার্চে শ্যুটিং]] অন্তর্ভুক্ত। এই ঘটনাগুলোতে একাকী বন্দুকধারীরা ফ্লোরিডা স্কুলে ব্যবহৃত [[অ্যাসল্ট রাইফেল|অ্যাসল্ট-স্টাইলের রাইফেলগুলো]]র মতো অস্ত্রে সজ্জিত ছিল।
** {{cite news |first1=নিক |last1=উইং |first2=মলি |last2=রেইলি |publisher=[[w:হাফপোস্ট|হাফপোস্ট]] |date=১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ |accessdate=২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |url=https://www.huffingtonpost.co.uk/entry/ar-15-style-weapons_us_5a84cf09e4b0ab6daf45ab2d}}
* গত এক দশকে [[w:যুক্তরাষ্ট্রে গণহত্যা|যুক্তরাষ্ট্রের]] ১০টি মারাত্মক গণহত্যার মধ্যে ছয়টিতে এআর-১৫-শৈলীর আধা-স্বয়ংক্রিয় রাইফেল ব্যবহৃত হয়েছে। সর্বশেষ উদাহরণটি ছিল বুধবারের [[স্টোনম্যান ডগলাস হাই স্কুলে গুলি|ফ্লোরিডার পার্কল্যান্ডে হাই স্কুল শ্যুটিং]]। এতে ১৭ জন নিহত এবং ১৪ জন আহত হয়।
ফেডারেল আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তারা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে জানিয়েছেন, শ্যুটিংয়ে ব্যবহৃত বন্দুকটি ছিল একটি [[স্মিথ অ্যান্ড ওয়েসন এমঅ্যান্ডপি১৫|স্মিথ অ্যান্ড ওয়েসন এমঅ্যান্ডপি এআর-১৫]]। একই মডেলের অস্ত্র পূর্ববর্তী গণহত্যাগুলোতেও ব্যবহৃত হয়েছিল। এর মধ্যে [[২০১২ অরোরা গুলি|কলোরাডোর অরোরার সিনেমা হলে শ্যুটিং]] অন্তর্ভুক্ত, যেখানে ১২ জনের প্রাণহানি হয়। এছাড়া ক্যালিফোর্নিয়ার [[w:২০১৫ সান বার্নার্ডিনো হামলা|সান বার্নার্ডিনো]]র তাণ্ডবে ১৪ জনের প্রাণহানি হয়েছিল।
এই রাইফেল এবং এআর-১৫ এর অন্যান্য সংস্করণগুলো ভিয়েতনাম যুদ্ধের পর থেকে মার্কিন সামরিক বাহিনী কর্তৃক ব্যবহৃত সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় এম১৬ রাইফেলের বেসামরিক সমতুল্য। বন্দুক মালিকরা এগুলো পছন্দ করেন কারণ এগুলো সাধারণত কেনা সহজ। এগুলো প্রায়ই এক হাজার ডলারেরও কম দামে পাওয়া যায়। এগুলো বাম্প স্টকের মতো বেশ কিছু অ্যাক্সেসরিজ দিয়ে কাস্টমাইজ করা যায়, যা মূলত আধা-স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রগুলোকে সম্পূর্ণ-স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রে রূপান্তর করে। [[২০১৭ লাস ভেগাস গুলি|২০১৭ সালের লাস ভেগাস শ্যুটিংয়ে]] হামলাকারী একটি বাম্প স্টক ব্যবহার করেছিল। এতে ৫৮ জন নিহত হয়, যা এটিকে আধুনিক আমেরিকার ইতিহাসের সবচেয়ে মারাত্মক গণহত্যায় পরিণত করে।
সেসময় পর্যন্ত দেশের সবচেয়ে মারাত্মক গণহত্যা এক বছর আগে [[w:পালস নাইটক্লাবে গুলি|অরল্যান্ডোর পালস নাইটক্লাব]]ে ঘটেছিল। সেখানে হামলাকারী ৪৯ জনকে হত্যা করতে একটি [[এসআইজি এমসিএক্স|সিগ এমসিএক্স]] আধা-স্বয়ংক্রিয় রাইফেল ব্যবহার করেছিল। এটি নান্দনিকতা এবং উদ্দেশ্যের দিক থেকে এআর-১৫ এর মতোই। তুলনামূলক অস্ত্রগুলো [[স্যান্ডি হুক এলিমেন্টারি স্কুলে গুলি|স্যান্ডি হুক এলিমেন্টারি স্কুল]] (২৭ জন মৃত) এবং একটি [[সাদারল্যান্ড স্প্রিংস চার্চে গুলি|সাদারল্যান্ড স্প্রিংস, টেক্সাস, চার্চ]]ে (২৫ জন মৃত) ব্যবহৃত হয়েছিল।
এই ঘটনাগুলোতে বিপুল সংখ্যক প্রাণহানি দেখায় কীভাবে এআর-১৫-স্টাইলের বন্দুকগুলো এদের এম১৬ খুড়তুত ভাইয়ের মতো একই সাথে বিপুল সংখ্যক মানুষের মারাত্মক ক্ষতি করতে সক্ষম।
রং পিঙ্কাস, যিনি সশস্ত্র পেশাদারদের প্রশিক্ষণ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়েছেন, তিনি টাইমকে বলেন, "ব্যবহারিক উদ্দেশ্যে একজন সাধারণ দর্শক বা বন্দুক মালিক নয় এমন ব্যক্তির কাছে এটি খুব একই ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র।"
** {{cite news |magazine=[[w:টাইম (ম্যাগাজিন)|টাইম]] |first=অ্যারিক |last=জেনকিন্স |title=Many Mass Shootings in America Have 1 Thing in Common: AR-15 Rifles |trans-title=আমেরিকার অনেক গণহত্যায় ১টি সাধারণ বিষয় রয়েছে: এআর-১৫ রাইফেল |date=১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ |accessdate=২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |url=http://time.com/5160355/ar-15-rifle-florida-parkland-school-shooting/}}
* বুধবার ফ্লোরিডার একটি [[স্টোনম্যান ডগলাস হাই স্কুলে গুলি|হাই স্কুলে]] ১৭ জনকে হত্যার দায়ে অভিযুক্ত বন্দুকধারী একটি এআর-১৫ মডেলের রাইফেল ব্যবহার করেছিল। এই ধরনের বন্দুক গত এক দশকে [[w:যুক্তরাষ্ট্রে গণহত্যা|গণহত্যায়]] বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে। এআর-১৫ একটি আধা-স্বয়ংক্রিয় রাইফেল যা ব্যবহারকারীকে দ্রুত ফায়ার করতে এবং উচ্চ-ক্ষমতাসম্পন্ন ম্যাগাজিন ব্যবহার করতে দেয়। আধুনিক মার্কিন ইতিহাসে সবচেয়ে মারাত্মক পাঁচটি গণহত্যার মধ্যে চারটি ২০১২ সালের পর সংঘটিত হয়েছে। এই চারটি শ্যুটারই তাদের হামলায় এআর-১৫ মডেলের রাইফেল ব্যবহার করেছিল। এদের মধ্যে [[২০১৭ লাস ভেগাস গুলি|লাস ভেগাস]]ের স্টিফেন প্যাডক এবং [[স্যান্ডি হুক এলিমেন্টারি স্কুলে গুলি|কানেকটিকাটের নিউটাউন]]ের অ্যাডাম লানজা অন্তর্ভুক্ত। ন্যাশনাল শ্যুটিং স্পোর্টস ফাউন্ডেশনের (অস্ত্র শিল্পের বাণিজ্য সংস্থা) মতে এআর-১৫ মডেলের রাইফেল আজ সবচেয়ে জনপ্রিয় আগ্নেয়াস্ত্রের অন্যতম। বন্দুকের মালিকরা এগুলো পছন্দ করেন কারণ এগুলো সহজেই কাস্টমাইজ করা যায় এবং শিকার বা টার্গেট অনুশীলনের জন্য ব্যবহার করা যায়। সংস্থাটির মতে কিছু ডেমোক্র্যাটিক আইনপ্রণেতা এবং বন্দুক-নিয়ন্ত্রণ গোষ্ঠী এআর-১৫ মডেলের বন্দুকগুলোকে '''যুদ্ধের অস্ত্র''' বলে অ্যাখ্যা দিয়ে এগুলো নিষিদ্ধ বা সীমাবদ্ধ করতে চায়।
** {{cite news |title=AR-15 Model Rifle Again Used in a Mass Shooting |trans-title=গণহত্যায় আবারও ব্যবহৃত হলো এআর-১৫ মডেলের রাইফেল |first1=জুশা |last1=এলিনসন |first2=জোসেফ |last2=ডি আভিলা |date=১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ |newspaper=[[w:দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল|দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল]] |url=https://www.wsj.com/articles/ar-15-model-rifle-again-used-in-a-mass-shooting-1518741842 |accessdate=২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮}}
* একটি এআর-১৫ আবারও একটি [[w:যুক্তরাষ্ট্রে গণহত্যা|গণহত্যায়]] আবির্ভূত হয়েছে। বুধবার ফ্লোরিডার পার্কল্যান্ডের একটি [[স্টোনম্যান ডগলাস হাই স্কুলে গুলি|হাই স্কুলে]] এটি ব্যবহৃত হয়। গত কয়েক বছরের কিছু মারাত্মক শ্যুটিংয়ে এই এআর-স্টাইলের রাইফেলগুলো দেখা গেছে। এর মধ্যে [[২০১৭ লাস ভেগাস গুলি|লাস ভেগাস]]ের একটি কনসার্ট, [[w:পালস নাইটক্লাবে গুলি|অরল্যান্ডো]]র একটি নাইটক্লাব, [[সাদারল্যান্ড স্প্রিংস চার্চে গুলি|টেক্সাস]]ের একটি চার্চ এবং কানেকটিকাটের নিউটাউনের একটি [[স্যান্ডি হুক এলিমেন্টারি স্কুলে গুলি|প্রাথমিক বিদ্যালয়]] অন্তর্ভুক্ত।
** {{cite news |title=4 basic questions about the AR-15 |trans-title=এআর-১৫ সম্পর্কে ৪টি প্রাথমিক প্রশ্ন |first1=জুলি |last1=ভিটকভস্কায়া |first2=প্যাট্রিক |last2=মার্টিন |date=১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ |accessdate=২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |newspaper=[[w:দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট|দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট]] |url=https://www.washingtonpost.com/news/checkpoint/wp/2018/02/15/4-basic-questions-about-the-ar-15/}}
* গড়ে প্রতি বছর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ১৩,০০০ জনেরও বেশি মানুষ বন্দুকের গুলিতে মারা যায়। এর বেশিরভাগ ঘটনায় হ্যান্ডগান জড়িত থাকে। অন্যদিকে সামান্য একটি অংশে এআর-স্টাইলের আগ্নেয়াস্ত্র জড়িত থাকে। তবুও এআর অনেক হাই-প্রোফাইল শ্যুটিংয়ে একটি বিশাল ভূমিকা পালন করে। এর মধ্যে [[w:পালস নাইটক্লাবে গুলি|অরল্যান্ডো নাইটক্লাব শ্যুটিং]] এবং আধুনিক মার্কিন ইতিহাসের সবচেয়ে মারাত্মক [[w:যুক্তরাষ্ট্রে গণহত্যা|গণহত্যা]] অন্তর্ভুক্ত। [[২০১৭ লাস ভেগাস গুলি|লাস ভেগাসের একটি হোটেল]]ে লুকিয়ে থাকা এক বন্দুকধারীর হামলায় ৫৮ জন নিহত এবং শত শত আহত হয়েছিল।
** {{cite news |publisher=[[w:সিবিএস নিউজ|সিবিএস নিউজ]] |agency=[[w:অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস|অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস]] |date=১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ |accessdate=২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |title=In many U.S. states, 18 is old enough to buy a semiautomatic |trans-title=অনেক মার্কিন রাজ্যে আধা-স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র কেনার জন্য ১৮ বছরই যথেষ্ট |url=https://www.cbsnews.com/news/in-many-u-s-states-18-is-old-enough-to-buy-a-semiautomatic/}}
* এআর-১৫-স্টাইলের রাইফেলগুলো সাম্প্রতিক [[w:যুক্তরাষ্ট্রে গণহত্যা|গণহত্যাগুলোতে]] ব্যবহৃত হয়েছে। এর মধ্যে কলোরাডোর [[২০১২ অরোরা গুলি|অরোরা]], ক্যালিফোর্নিয়ার সান্তা মনিকা ও [[w:২০১৫ সান বার্নার্ডিনো হামলা|সান বার্নার্ডিনো]], ফ্লোরিডার [[w:পালস নাইটক্লাবে গুলি|অরল্যান্ডো]] এবং এখন [[স্টোনম্যান ডগলাস হাই স্কুলে গুলি|পার্কল্যান্ড]] অন্তর্ভুক্ত।
** {{cite news |magazine=[[w:টাইম (ম্যাগাজিন)|টাইম]] |first1=উইল |last1=ড্রাবোল্ড |first2=অ্যালেক্স |last2=ফিটজপ্যাট্রিক |title=The Florida School Shooter Used An AR-15 Rifle. Here's What to Know About the Gun |trans-title=ফ্লোরিডা স্কুল শ্যুটার একটি এআর-১৫ রাইফেল ব্যবহার করেছিল। বন্দুক সম্পর্কে এখানে যা জানা দরকার |date=২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ |accessdate=২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |url=http://time.com/5160267/gun-used-florida-school-shooting-ar-15/}}
* পিস্তলের তুলনায় শ্যুটিংয়ে [[অ্যাসল্ট রাইফেল]] খুব কম ব্যবহৃত হয়। এফবিআই পরিসংখ্যান অনুসারে ২০১৬ সালে যেকোনো ধরনের রাইফেল দিয়ে ৩৭৪ জনকে হত্যা করা হয়েছিল। সেখানে ৭,১০৫ জনকে একটি হ্যান্ডগান দিয়ে হত্যা করা হয়েছিল।
কিন্তু '''এআর-১৫ আমেরিকার কিছু কুখ্যাত সহিংস অপরাধে বারবার দেখা দিয়েছে'''। অ্যাডাম লানজা [[স্যান্ডি হুক এলিমেন্টারি স্কুলে গুলি|স্যান্ডি হুক]]ে ২০ জন শিশু এবং ছয়জন শিক্ষককে হত্যা করতে তার রাইফেল ব্যবহার করেছিল। স্টিফেন প্যাডক অক্টোবরে [[২০১৭ লাস ভেগাস গুলি|লাস ভেগাস স্ট্রিপ]]ে ৫৮ জন কনসার্ট দর্শকদের হত্যা করতে এবং শত শত লোককে আহত করতে একটি বর্ধিত এআর-স্টাইলের বন্দুক ব্যবহার করেছিল। এক মাস পর ডেভিন কেলি টেক্সাসের সাদারল্যান্ড স্প্রিংসের একটি [[সাদারল্যান্ড স্প্রিংস চার্চে গুলি|চার্চে]] রুগার এআর-১৫ ভ্যারিয়েন্ট দিয়ে ২৬ জন উপাসককে হত্যা করেছিল। ফ্লোরিডার পার্কল্যান্ডের মার্জোরি [[স্টোনম্যান ডগলাস হাই স্কুলে গুলি|স্টোনম্যান ডগলাস হাই স্কুল]]ে গত মাসের তাণ্ডব অ্যাসল্ট-স্টাইলের রাইফেল নিষিদ্ধ করার আহ্বান নতুন করে তোলে। এটি [[w:যুক্তরাষ্ট্রে গণহত্যা|গণহত্যা]]র পর একটি সাধারণ ব্যাপার।
** {{cite news |title=Once Banned, Now Loved and Loathed: How the AR-15 Became ‘America’s Rifle’ |trans-title=একসময় নিষিদ্ধ, এখন পছন্দনীয় এবং ঘৃণিত: কীভাবে এআর-১৫ 'আমেরিকার রাইফেল' হয়ে উঠল |newspaper=[[w:দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস]] |first1=আলী |last1=ওয়াটকিন্স |first2=জন |last2=ইসমায় |first3=থমাস |last3=গিবনস-নেফ |date=৩ মার্চ ২০১৮ |accessdate=৬ নভেম্বর ২০১৮ |url=https://www.nytimes.com/2018/03/03/us/politics/ar-15-americas-rifle.html}}
* পুরুষত্বের মানে হলো সহিংস আধিপত্য, যা বন্দুক প্রস্তুতকারকদের দৃষ্টি এড়িয়ে যায়নি। বুশমাস্টার '''এআর-১৫ রাইফেল তৈরি করেছে। এটি অনেক গণহত্যার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে'''। তারা "কনসিডার ইওর ম্যান কার্ড রিইস্যুড" ট্যাগলাইনের সাথে বন্দুকটির বিজ্ঞাপন দিয়েছিল।
** {{cite news |title=Toxic gaming culture can’t fully explain the Jacksonville Madden shooting |trans-title=জ্যাকসনভিলের ম্যাডেন শ্যুটিংয়ের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা টক্সিক গেমিং সংস্কৃতি দিতে পারে না |first=ক্যাথরিন |last=ক্রস |date=৩০ আগস্ট ২০১৮ |accessdate=২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |url=https://www.theverge.com/2018/8/30/17799582/jacksonville-madden-tournament-shooting-toxic-gaming-culture |publisher=[[w:ভক্স মিডিয়া|ভক্স মিডিয়া]] |work=[[w:দ্য ভার্জ|দ্য ভার্জ]]}}
=== গণহত্যায় পছন্দের অস্ত্র ===
* সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এআর-১৫ দেশের সবচেয়ে প্রিয় এবং সবচেয়ে নিন্দিত রাইফেলে পরিণত হয়েছে। বন্দুক নিয়ন্ত্রণ আইনজীবীদের কাছে বন্দুকটি কেন এত ঘৃণ্য তাতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। ফ্লোরিডার অরল্যান্ডোতে [[w:পালস নাইটক্লাবে গুলি|গে নাইটক্লাব হামলায়]] বন্দুকধারী ওমর মতিন প্রায় ৫০ জনকে হত্যা করতে [[এসআইজি এমসিএক্স|সিগ সয়ারের উৎপাদিত রাইফেলের]] একটি স্পিনঅফ ব্যবহার করেছিল। এই সামরিক-শৈলীর অস্ত্রটি আরও কয়েকটি গণহত্যায় '''পছন্দের অস্ত্র''' ছিল: কানেকটিকাটের নিউটাউনের একটি [[স্যান্ডি হুক এলিমেন্টারি স্কুলে গুলি|প্রাথমিক বিদ্যালয়]]; কলোরাডোর অরোরার একটি [[২০১২ অরোরা গুলি|সিনেমা হল]]; ক্যালিফোর্নিয়ার [[w:২০১৫ সান বার্নার্ডিনো হামলা|সান বার্নার্ডিনো]]তে স্বাস্থ্যকর্মীদের একটি ছুটির পার্টি এবং ওরেগনের উম্পকুয়া কমিউনিটি কলেজের ক্যাম্পাসে।
** {{cite news |first=অ্যালান |last=ফেউয়ার |date=১৩ জুন ২০১৬ |accessdate=২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |newspaper=[[w:দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস]] |title=AR-15 Rifles Are Beloved, Reviled and a Common Element in Mass Shootings |trans-title=এআর-১৫ রাইফেল প্রিয়, নিন্দিত এবং গণহত্যায় একটি সাধারণ উপাদান |url=https://www.nytimes.com/2016/06/14/nyregion/ar-15-rifles-are-beloved-reviled-and-a-common-element-in-mass-shootings.html}}
* তার '''পছন্দের হত্যার যন্ত্রটি ছিল একজন গণহত্যাকারীর সেরা বন্ধু'''। আর এর সমর্থনকারী ছিল একটি বন্দুক লবি, যারা দীর্ঘকাল ধরে রক্তপিপাসু উন্মাদদের হাত থেকে [[অ্যাসল্ট অস্ত্র]] দূরে রাখার প্রচেষ্টার বিরোধিতা করে আসছে। রবিবার ভোরে [[w:পালস নাইটক্লাবে গুলি|অরল্যান্ডো ক্লাবে]] অন্তত ৫০ জনকে হত্যা করা এবং ৫৩ জনকে আহত করা উন্মাদ ব্যক্তিটি একটি এআর-১৫-প্রকারের রাইফেল নিয়ে সজ্জিত ছিল।
** {{cite news |title=NRA’s fight to stop assault weapons ban enables killers behind shootings at Orlando nightclub, Newtown, and San Bernardino to use AR-15-type weapons |trans-title=অ্যাসল্ট অস্ত্রের নিষেধাজ্ঞা রোধে এনআরএ-র লড়াই অরল্যান্ডো নাইটক্লাব, নিউটাউন এবং সান বার্নার্ডিনোতে শ্যুটিংয়ের পেছনের খুনিদের এআর-১৫-প্রকারের অস্ত্র ব্যবহার করতে সক্ষম করে |first=দারেহ |last=গ্রেগোরিয়ান |newspaper=[[w:নিউ ইয়র্ক ডেইলি নিউজ|নিউ ইয়র্ক ডেইলি নিউজ]] |date=১৩ জুন ২০১৬ |accessdate=২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |url=http://www.nydailynews.com/news/national/orlando-club-shooter-ar-15-rifle-newtown-article-1.2670739}}
* আমেরিকা এআর-১৫ এর মতো সামরিক-শৈলীর আধা-স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রে অভ্যস্ত হয়ে উঠেছে। এর কারণ বোঝা কঠিন নয়। এই আগ্নেয়াস্ত্রগুলো বন্দুক মালিকদের কাছে ব্যাপকভাবে বাজারজাত করা হয়েছে। কিন্তু একই সময়ে এগুলো প্রায়ই '''গণহত্যাকারীদের পছন্দের অস্ত্র''' হয়ে থাকে।
** {{cite news |first=অ্যামি |last=পিচি |date=১৫ জুন ২০১৬ |title=America's rifle: The marketing of assault-style weapons |trans-title=আমেরিকার রাইফেল: অ্যাসল্ট-স্টাইল অস্ত্রের বিপণন |url=https://www.cbsnews.com/news/orlando-shooting-ar15-rifles-omar-mateen/ |publisher=[[w:সিবিএস নিউজ|সিবিএস নিউজ]] |work=[[w:সিবিএস মানিওয়াচ|সিবিএস মানিওয়াচ]] |accessdate=৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮}}
* এটি [[স্যান্ডি হুক এলিমেন্টারি স্কুলে গুলি|স্যান্ডি হুকে প্রথম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের হত্যা করতে]], [[২০১২ অরোরা গুলি|কলোরাডোর সিনেমা হলে ব্যাটম্যান ভক্তদের খুন করতে]], [[w:২০১৫ সান বার্নার্ডিনো হামলা|সান বার্নার্ডিনো]]তে একটি ছুটির পার্টিতে স্বাস্থ্যকর্মীদের হত্যা করতে ব্যবহৃত হয়েছিল। এখন এআর-১৫ আধা-স্বয়ংক্রিয় রাইফেলের একজন বংশধর (একটি সিগ সয়ার এমসিএক্স) ওমর মতিন নামের একজন সমকামী-বিদ্বেষী বন্দুকধারীর জন্য '''পছন্দের অস্ত্র''' হওয়ার সন্দেহজনক সম্মান পেয়েছে। তাকে মার্কিন ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ এক দিনের গণহত্যার জন্য দায়ী করা হচ্ছে।
** {{cite news |title=AR-15 Style Rifle Used in Orlando Massacre Has Bloody Pedigree |trans-title=অরল্যান্ডো গণহত্যায় ব্যবহৃত এআর-১৫ স্টাইল রাইফেলের একটি রক্তক্ষয়ী বংশতালিকা রয়েছে |first=কর্কি |last=সিমাসজকো |date=১৫ জুন ২০১৬ |accessdate=২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |publisher=[[w:এনবিসি নিউজ|এনবিসি নিউজ]] |url=https://www.nbcnews.com/storyline/orlando-nightclub-massacre/ar-15-rifle-used-orlando-massacre-has-bloody-pedigree-n590581}}
* এআর-১৫ হলো আমেরিকার সবচেয়ে জনপ্রিয় রাইফেল। এটি [[স্যান্ডি হুক এলিমেন্টারি স্কুলে গুলি|স্যান্ডি হুক]] থেকে শুরু করে [[২০১২ অরোরা গুলি|অরোরা]] এবং [[w:২০১৫ সান বার্নার্ডিনো হামলা|সান বার্নার্ডিনো]] পর্যন্ত গণহত্যাগুলোতেও '''পছন্দের অস্ত্র''' ছিল।
** {{cite news |first=সারাহ |last=ঝাং |title=What an AR-15 Can Do to the Human Body |trans-title=একটি এআর-১৫ মানুষের শরীরে যা করতে পারে |magazine=[[w:ওয়্যার্ড (ম্যাগাজিন)|ওয়্যার্ড]] |date=১৭ জুন ২০১৬ |accessdate=৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |url=https://www.wired.com/2016/06/ar-15-can-human-body/}}
* মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের সবচেয়ে মারাত্মক গণহত্যায় ব্যবহৃত রাইফেল এআর-১৫ হলো '''গণহত্যাকারীদের জন্য পছন্দের অস্ত্র'''। দুর্ভাগ্যবশত, এআর-১৫ এর কমপ্যাক্ট এবং সহজেই ব্যবহারযোগ্য প্রাণঘাতী ক্ষমতা একে গণহত্যায় পছন্দের অস্ত্রে পরিণত করেছে।
** {{cite news |agency=[[w:সিএনএন|সিএনএন]] |title=Why the AR-15 is the mass shooter's go-to weapon |trans-title=কেন এআর-১৫ গণহত্যাকারীদের পছন্দের অস্ত্র |first=অ্যারন |last=স্মিথ |date=২১ জুন ২০১৬ |accessdate=৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |url=http://money.cnn.com/2016/06/13/news/ar-15-assault-rifle/index.html}}
* এগুলো হালকা ওজনের, তুলনামূলকভাবে সস্তা এবং অত্যন্ত প্রাণঘাতী। এগুলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় পূর্ব ফ্রন্টে নাৎসি পদাতিক সৈন্যদের দ্বারা অনুপ্রাণিত। এগুলো এতটা ব্যবহারকারী-বান্ধব যে কিছু খুচরা বিক্রেতা শিশুদের জন্য এগুলোর সুপারিশ করে। তবুও এগুলোর নকশা এতটাই আক্রমণাত্মক যে একজন বিপণনকারী এগুলোর বহনকে "ম্যান কার্ড" বহন করার সাথে তুলনা করেছেন। যদিও সাহসীরা গোলাপি রঙের এআর-১৫ পেতে পারেন। গত কয়েকটি গণহত্যার ইঙ্গিত হিসেবে বলা যায় এআর-১৫ অ্যাসল্ট রাইফেলের আদলে তৈরি বন্দুকগুলো (যা তর্কযোগ্যভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে জনপ্রিয়, টেকসই এবং লাভজনক আগ্নেয়াস্ত্র) সেই সব '''অস্থির এবং হত্যাকারী পুরুষদের জন্য পছন্দের অস্ত্র হয়ে উঠেছে, যারা খুব অল্প সময়ে অনেক মানুষকে হত্যা করতে চায়'''।
** {{cite news |newspaper=[[w:ইউ.এস. নিউজ অ্যান্ড ওয়ার্ল্ড রিপোর্ট|ইউ.এস. নিউজ অ্যান্ড ওয়ার্ল্ড রিপোর্ট]] |title=How the AR-15 Became One of the Most Popular Guns in America, A brief history of the guns that have become the weapons of choice for mass shootings |trans-title=কীভাবে এআর-১৫ আমেরিকার অন্যতম জনপ্রিয় বন্দুক হয়ে উঠল, বন্দুকের একটি সংক্ষিপ্ত ইতিহাস যা গণহত্যার পছন্দের অস্ত্রে পরিণত হয়েছে |first=জোসেফ পি. |last=উইলিয়ামস |date=৭ নভেম্বর ২০১৭ |accessdate=৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |url=https://www.usnews.com/news/national-news/articles/2017-11-07/how-the-ar-15-assault-rifle-became-one-of-the-most-popular-guns-in-america}}
* এআর-১৫ স্টাইল রাইফেলগুলো রবিবারের [[সাদারল্যান্ড স্প্রিংস চার্চে গুলি|টেক্সাস চার্চ শ্যুটিং]], গত মাসের লাস ভেগাস কনসার্ট, গত বছরের [[w:পালস নাইটক্লাবে গুলি|অরল্যান্ডো নাইটক্লাব]] এবং ২০১২ সালের [[স্যান্ডি হুক এলিমেন্টারি স্কুলে গুলি|স্যান্ডি হুক এলিমেন্টারি স্কুল]]সহ অনেক সাম্প্রতিক গণহত্যায় '''পছন্দের অস্ত্র''' ছিল।
** {{Citation|title=Why mass shooters are increasingly using AR-15s |trans-title=কেন গণহত্যাকারীরা ক্রমশ এআর-১৫ ব্যবহার করছে |first1=বার্ট |last1=জানসেন |first2=উইলিয়াম |last2=কামিংস |newspaper=[[w:ইউএসএ টুডে|ইউএসএ টুডে]] |date=৬ নভেম্বর ২০১৭ |accessdate=৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |url=https://www.usatoday.com/story/news/2017/11/06/ar-15-style-rifles-common-among-mass-shootings/838283001/}}
* এনআরএ এআর-১৫-কে আমেরিকার সবচেয়ে জনপ্রিয় রাইফেল বলে অভিহিত করে। বুধবার ফ্লোরিডায় যে গণহত্যায় অন্তত ১৭ জন মারা গিয়েছিল তা যেন নিশ্চিত করেছিল যে এই রাইফেল এবং এর রূপগুলোও '''গণহত্যাকারীদের পছন্দের অস্ত্রে''' পরিণত হয়েছে।
** {{Citation|newspaper=[[w:দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস]] |authorlink=w:রিচার্ড এ. ওপেল জুনিয়র |first=রিচার্ড এ. |last=ওপেল জুনিয়র |accessdate=৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |date=১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ |url=https://www.nytimes.com/2018/02/15/us/ar15-mass-shootings-guns.html |title=In Florida, an AR-15 Is Easier to Buy Than a Handgun |trans-title=ফ্লোরিডায় হ্যান্ডগানের চেয়ে এআর-১৫ কেনা সহজ}}
* যদিও এআর-১৫ স্টাইলের রাইফেলগুলো '''আমেরিকার সাম্প্রতিক কিছু মারাত্মক গণহত্যার জন্য পছন্দের অস্ত্র''' হয়ে উঠেছে, তবুও এই সামরিক-শৈলীর বন্দুকগুলো প্রাত্যহিক বন্দুক সহিংসতায় তুলনামূলকভাবে খুব কম ব্যবহৃত হয়। এফবিআই তথ্যের উপর একটি গার্ডিয়ানের বিশ্লেষণ অনুসারে ২০১০ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে বন্দুকের হত্যার মাত্র ৩.৫৫% যেকোনো ধরনের রাইফেল দিয়ে করা হয়েছিল। বেশিরভাগ বন্দুক হত্যা এখনও হ্যান্ডগান দিয়েই করা হয়।
** {{cite news |first=লয়েস |last=বেকেট |date=১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ |accessdate=২ মার্চ ২০১৮ |title=Most Americans can buy an AR-15 rifle before they can buy beer |trans-title=অধিকাংশ আমেরিকান বিয়ার কেনার আগেই একটি এআর-১৫ রাইফেল কিনতে পারে |newspaper=[[দ্য গার্ডিয়ান]] |url=https://www.theguardian.com/us-news/2018/feb/16/americans-age-to-buy-ar15-assault-rifle-mass-shootings}}
* এআর-১৫-শৈলীর রাইফেলগুলো [[w:যুক্তরাষ্ট্রে গণহত্যা|গণহত্যাকারীদের]] জন্য এক প্রকার '''পছন্দের অস্ত্র''' হয়ে উঠেছে। গত বছর টেক্সাসের সাদারল্যান্ড স্প্রিংসে রবিবার সকালে [[সাদারল্যান্ড স্প্রিংস চার্চে গুলি|চার্চ সার্ভিসের]] সময় ২৬ জনকে হত্যা করতে এর একটি ব্যবহৃত হয়েছিল। এটি এক মাস আগে লাস ভেগাসে ৫৮ জন কনসার্ট দর্শকদের হত্যা করতে ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্রের মজুদের মধ্যে অন্যতম ছিল।
এআর-১৫-শৈলীর রাইফেলগুলো অরল্যান্ডো, ফ্লোরিডার [[w:পালস নাইটক্লাবে গুলি|পালস নাইটক্লাব]]; ক্যালিফোর্নিয়ার সান বার্নার্ডিনোর একটি কর্মচারী প্রশিক্ষণ এবং কানেকটিকাটের নিউটাউনের [[স্যান্ডি হুক এলিমেন্টারি স্কুলে গুলি|স্যান্ডি হুক এলিমেন্টারি স্কুল]]ের শ্যুটিংগুলোতেও ব্যবহৃত হয়েছিল।
** {{cite news |title=Why AR-15-style rifles are popular among mass shooters |trans-title=গণহত্যাকারীদের মধ্যে এআর-১৫-শৈলীর রাইফেলগুলো কেন এত জনপ্রিয় |first=হুইটনি |last=লয়েড |date=১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ |accessdate=২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |url=http://abcnews.go.com/US/ar-15-style-rifles-popular-mass-shooters/story?id=53111745 |agency=[[w:এবিসি নিউজ|এবিসি নিউজ]]}}
* আজকের ভুক্তভোগীদের আক্ষরিক আঘাত এবং প্রাণহানির সাথে এটা আরও অপমান যোগ করে যে, খুনি বন্দুক রাখার পক্ষে খুব বিপজ্জনক হিসেবে পরিচিত থাকা সত্ত্বেও, তার বাবা তাকে পুনরায় অস্ত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। রিপোর্টে জানা গেছে, আজ সকালে ব্যবহৃত এআর-১৫-ও এর অন্তর্ভুক্ত ছিল। এটি যুদ্ধের একটি অস্ত্র যা ঘটনাক্রমে এখন '''আমেরিকার অনেকগুলো গণহত্যায় পছন্দের অস্ত্র''' হয়ে উঠেছে।
** ক্রিস ব্রাউন, সহ-সভাপতি, [[w:ব্র্যাডি ক্যাম্পেইন টু প্রিভেন্ট গান ভায়োলেন্স|ব্র্যাডি ক্যাম্পেইন টু প্রিভেন্ট গান ভায়োলেন্স]]। তিনি [[w:ন্যাশভিল ওয়াফেল হাউস গুলি|ন্যাশভিল ওয়াফেল হাউস শ্যুটিং]]য়ের পর এই মন্তব্য করেন ({{cite press release |title=Brady Campaign Responds to Developments in Nashville Waffle House Shooting |trans-title=ব্র্যাডি ক্যাম্পেইন ন্যাশভিল ওয়াফেল হাউস শ্যুটিংয়ের উন্নয়নের প্রতিক্রিয়া জানায় |date=২২ এপ্রিল ২০১৮ |publisher=[[w:ব্র্যাডি ক্যাম্পেইন টু প্রিভেন্ট গান ভায়োলেন্স|ব্র্যাডি ক্যাম্পেইন টু প্রিভেন্ট গান ভায়োলেন্স]] |url=http://www.bradycampaign.org/brady-responds-to-developments-in-nashville-waffle-house-shooting}})।
* গত সপ্তাহে [[w:পিটসবার্গ সিনাগগ গুলি|পিটসবার্গ সিনাগগ]]ে গণহত্যার সাথে [[w:যুক্তরাষ্ট্রে গণহত্যা|সবচেয়ে মারাত্মক গণহত্যাগুলোর]] একটি সাধারণ বিষয় রয়েছে: এআর-১৫ আধা-স্বয়ংক্রিয় রাইফেল। এআর-১৫ এর বৈচিত্রগুলো একটি [[সাদারল্যান্ড স্প্রিংস চার্চে গুলি|টেক্সাস চার্চ]], একটি [[২০১৭ লাস ভেগাস গুলি|লাস ভেগাস কনসার্ট]], ফ্লোরিডার [[স্টোনম্যান ডগলাস হাই স্কুলে গুলি|মার্জোরি স্টোনম্যান ডগলাস হাই স্কুল]] এবং [[স্যান্ডি হুক এলিমেন্টারি স্কুলে গুলি|স্যান্ডি হুক এলিমেন্টারি স্কুল]]ে হত্যা করতে ব্যবহৃত হয়েছিল। এআর-১৫ স্টাইল রাইফেল আমেরিকার সবচেয়ে জনপ্রিয় রাইফেল। এর সংখ্যা ১১ মিলিয়নেরও বেশি। অপরাধে এগুলো খুব কমই ব্যবহৃত হয়। হ্যান্ডগান দিয়ে অনেক বেশি মানুষ নিহত হয়। তবে এআর-১৫ হলো '''আমাদের সবচেয়ে খারাপ গণহত্যাকারীদের পছন্দ'''। এআর-১৫ এর গোলাবারুদ শব্দের গতির তিনগুণ পর্যন্ত যায়।
** {{cite news |agency=[[w:সিবিএস নিউজ|সিবিএস নিউজ]] |work=[[w:৬০ মিনিটস|৬০ মিনিটস]] |title=What makes the AR-15 style rifle the weapon of choice for mass shooters? |trans-title=কীভাবে এআর-১৫ স্টাইল রাইফেল গণহত্যাকারীদের পছন্দের অস্ত্র হয়ে ওঠে? |date=৪ নভেম্বর ২০১৮ |accessdate=৫ নভেম্বর ২০১৮ |first=স্কট |last=পেলি |authorlink=w:স্কট পেলি |url=https://www.cbsnews.com/news/learning-how-to-stop-the-bleed-after-a-mass-shooting-60-minutes/}}
=== পুরুষদের জন্য বার্বি ডল ===
* এগুলো ছেলেদের জন্য বার্বি ডল।
** এডওয়ার্ড আভিলা, ar15.com ওয়েবসাইটের প্রতিষ্ঠাতা ({{cite news |title=Automatic for the people |trans-title=জনগণের জন্য স্বয়ংক্রিয় |first=জন |last=সোয়েইন |newspaper=[[w:দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ|দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ]] |location=[[লন্ডন]] |accessdate=৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |url=http://s.telegraph.co.uk/graphics/ar-15/}})
* স্মিথ অ্যান্ড ওয়েসন হলো এআর-১৫ এর সংস্করণ প্রস্তুতকারী অনেকগুলো আগ্নেয়াস্ত্র প্রস্তুতকারকের মধ্যে একটি। এরা এক ডজনেরও বেশি মডেল বাজারজাত করে যেগুলোর দাম প্রায় ৭০০ ডলার থেকে ২,০০০ ডলার পর্যন্ত।
অস্ত্রটি সংগ্রাহক, সামরিক অভিজ্ঞ ব্যক্তি এবং টার্গেট শুটারদের কাছে জনপ্রিয়। তারা বলেন এটি পরিচালনা করা সহজ এবং বিভিন্ন উপায়ে পরিবর্তন করা যায়। কিছু সৈন্য এটিকে "পুরুষদের জন্য বার্বি ডল" বলে কারণ এর বিভিন্ন ধরণের ব্যারেল, স্টক, ম্যাগাজিন এবং স্কোপসহ প্রচুর আনুষাঙ্গিক এবং প্রতিস্থাপনের অংশ রয়েছে।
** {{cite news |title=Aurora Gunman’s Arsenal: Shotgun, Semiautomatic Rifle and, at the End, a Pistol |trans-title=অরোরা বন্দুকধারীর অস্ত্রাগার: শটগান, আধা-স্বয়ংক্রিয় রাইফেল এবং, শেষে, একটি পিস্তল |first=জেমস |last=দাও |date=২৩ জুলাই ২০১২ |accessdate=২৩ অক্টোবর ২০১৮ |newspaper=[[w:দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস]] |url=https://www.nytimes.com/2012/07/24/us/aurora-gunmans-lethal-arsenal.html}}
* উত্সাহীরা এআর-১৫ রাইফেলটিকে হালকা ওজনের, টেকসই, নির্ভুল এবং অন্যান্য লম্বা বন্দুকের তুলনায় এর কিকে মৃদু বলে প্রশংসা করেন। তারা রাইফেলটিকে একটি গ্যাজেট গিকের স্বপ্ন হিসেবে বর্ণনা করেন। একজন বন্দুক বিক্রেতার মতে এটি আগ্নেয়াস্ত্রের "বার্বি ডল", কারণ এর প্রচুর আনুষাঙ্গিক রয়েছে যা এটিকে সহজেই কাস্টমাইজ করতে দেয়।
** {{cite news |title=Rifle Used in Killings, America’s Most Popular, Highlights Regulation Debate |trans-title=হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রাইফেল, আমেরিকার সবচেয়ে জনপ্রিয়, নিয়ন্ত্রণ বিতর্ককে তুলে ধরে |first=এরিকা |last=গুড |date=১৬ ডিসেম্বর ২০১২ |accessdate=৬ অক্টোবর ২০১৮ |newspaper=[[w:দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস]] |url=https://www.nytimes.com/2012/12/17/us/lanza-used-a-popular-ar-15-style-rifle-in-newtown.html}}
* এটি একজন পুরুষের বার্বি ডল। অনেকটা আগ্নেয়াস্ত্রের মিস্টার পটেটো হেডের মতো। কারণ আপনি এটি কাস্টমাইজ করতে অনেক আলাদা জিনিস অদলবদল করতে পারেন, যাতে শ্যুট করার সময় আরামদায়ক হয়।
** মাইক কলিন্স, রাইফেলের মালিক ({{cite news |title=Why The AR-15 Is More Than Just A Gun |trans-title=কেন এআর-১৫ কেবল একটি বন্দুকের চেয়েও বেশি |date=২৪ জুন ২০১৩ |accessdate=৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |work=[[w:মর্নিং এডিশন|মর্নিং এডিশন]] |agency=[[w:এনপিআর|এনপিআর]] |authorlink=w:আইলসা চ্যাং |first=আইলসা |last=চ্যাং |url=https://www.npr.org/2013/06/24/194228925/why-the-ar-15-is-more-than-just-a-gun}})
* বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সেই সব অ্যাড-অনগুলো মূলত প্রসাধন হিসেবে কাজ করে (ফোল্ডিং স্টক, বেয়োনেট মাউন্ট, পিস্তল গ্রিপ ইত্যাদি)। এই কারণেই কিছু এআর-১৫ উত্সাহী এগুলোকে পুরুষদের জন্য বার্বি ডল বলতে পছন্দ করেন।
** {{cite news |title=A GIF Guide to the Most Bannable Semi-Automatic Weapons |trans-title=সবচেয়ে নিষিদ্ধযোগ্য আধা-স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রগুলোর একটি জিআইএফ নির্দেশিকা |first=এলসপেথ |last=রিভ |date=৮ জানুয়ারি ২০১৩ |accessdate=৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |magazine=[[w:দ্য আটলান্টিক|দ্য আটলান্টিক]] |url=https://www.theatlantic.com/politics/archive/2013/01/gif-guide-most-bannable-semi-automatic-weapons/319722/}}
* উত্সাহীরা মাঝে মাঝে এআর-১৫-কে "পুরুষের বার্বি ডল" হিসেবে বর্ণনা করেন। এটি এমন একটি প্রায় অসীম নমনীয় সংগ্রহযোগ্য বস্তু যা মালিকরা ইনফ্রারেড স্কোপ, গ্রিপ, ফ্ল্যাশলাইট এবং অন্যান্য অ্যাড-অন দিয়ে সাজাতে পারেন।
** {{cite news |first=মার্ক |last=ফিশার |authorlink=w:মার্ক ফিশার |date=১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ |accessdate=৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |newspaper=[[w:দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট|দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট]] |title=The AR-15: ‘America’s rifle’ or illegitimate killing machine? |trans-title=এআর-১৫: 'আমেরিকার রাইফেল' নাকি অবৈধ হত্যার যন্ত্র? |url=https://www.washingtonpost.com/politics/the-ar-15-americas-rifle-or-illegitimate-killing-machine/2018/02/15/743e66ca-1266-11e8-9065-e55346f6de81_story.html}}
=== যুদ্ধের অস্ত্র ===
* অরল্যান্ডোতে নিরীহ বেসামরিক মানুষের আজকের সকালের গণহত্যাটি এআর-১৫ এর অনন্য প্রাণঘাতী ক্ষমতার আরও ভয়াবহ প্রমাণ। আজকের শ্যুটার কেন এই অস্ত্রটি বেছে নিয়েছিল তাতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। এর আগে অনেকেই এটি করেছে এবং নিঃসন্দেহে এটি আবার করা হবে।
এটি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর জন্য তৈরি করা হয়েছিল। এর উদ্দেশ্য ছিল ঠিক সেটাই করা যা আজ সকালে করা হয়েছে: সর্বোচ্চ দক্ষতা এবং সহজে প্রচুর সংখ্যক মানুষকে হত্যা করা।
এটি যুদ্ধে শত্রুকে হত্যা করার জন্য সেরা মানদণ্ড। ঠিক যেমন এটি নিরীহ বেসামরিক মানুষের গণহত্যার জন্য সেরা মানদণ্ড হয়ে উঠেছে। বন্দুক শিল্প ভান করে যে বেসামরিক এআর-১৫ সামরিক সংস্করণের চেয়ে অনেক আলাদা। কারণ এতে সিলেক্ট ফায়ার নেই। এটি একটি ভান: শিল্পটি জানে যে অস্ত্রটি আধা-স্বয়ংক্রিয় "এক-শট, এক-কিল" মোডে সবচেয়ে বেশি প্রাণঘাতী। তবুও এই কোম্পানিগুলো লাভের বিনিময়ে যৌক্তিকতা ত্যাগ করে বেসামরিক নাগরিকদের কাছে এটি বিক্রি চালিয়ে যাচ্ছে।
** জোশুয়া কোস্কফ, [[w:পালস নাইটক্লাবে গুলি|অরল্যান্ডো নাইটক্লাব শ্যুটিং]]য়ের পর [[স্যান্ডি হুক এলিমেন্টারি স্কুলে গুলি|স্যান্ডি হুক এলিমেন্টারি স্কুল শ্যুটিং]]য়ের শিকারদের পরিবারের আইনজীবী ({{cite news |title=Orlando shooting: Campaigners demand ban of AR-15 rifle – 'the gold standard for mass murder of innocent civilians' |trans-title=অরল্যান্ডো শ্যুটিং: প্রচারকারীরা এআর-১৫ রাইফেল নিষিদ্ধের দাবি জানিয়েছেন – 'নিরীহ বেসামরিক নাগরিকদের গণহত্যার জন্য সেরা মানদণ্ড' |first=অ্যান্ড্রু |last=বানকম্ব |date=১৩ জুন ২০১৬ |accessdate=২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |newspaper=[[w:দি ইন্ডিপেন্ডেন্ট|দি ইন্ডিপেন্ডেন্ট]] |url=https://www.independent.co.uk/news/world/americas/orlando-shooting-campaigners-demand-ban-of-ar-15-rifle-the-gold-standard-for-mass-murder-of-innocent-a7079386.html}}; {{cite news |date=১২ জুন ২০১৬ |title=Assault rifle used in Florida shooting drives gun control debate |trans-title=ফ্লোরিডা শ্যুটিংয়ে ব্যবহৃত অ্যাসল্ট রাইফেল বন্দুক নিয়ন্ত্রণের বিতর্ককে উসকে দিয়েছে |first=অ্যান্ডি |last=সুলিভান |accessdate=২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |agency=[[w:রয়টার্স|রয়টার্স]] |url=https://www.reuters.com/article/us-florida-shooting-weapon/assault-rifle-used-in-florida-shooting-drives-gun-control-debate-idUSKCN0YY13A}}; {{cite news |title=Everything You Need to Know About AR-15-Style Rifles |trans-title=এআর-১৫-শৈলীর রাইফেল সম্পর্কে আপনার যা জানা দরকার |first=টেসা |last=স্টুয়ার্ট |magazine=[[w:রোলিং স্টোন|রোলিং স্টোন]] |url=https://www.rollingstone.com/politics/politics-news/everything-you-need-to-know-about-ar-15-style-rifles-98996/ |date=১৩ জুন ২০১৬ |accessdate=২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮}})।
* এআর-১৫-কে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ওবামা "যুদ্ধের অস্ত্র" বলে আখ্যায়িত করেছিলেন। ফ্লোরিডার অরল্যান্ডোতে পালস নাইটক্লাব শ্যুটিংয়ের পর তিনি এটি বলেছিলেন। সেখানে ২০১৬ সালের জুনে ২৯ বছর বয়সী ওমর মতিন ৪৯ জনকে হত্যা করে এবং ৫৩ জনকে আহত করে। এটি সেই একই রাইফেল যা বারবার গণহত্যায় হত্যার অস্ত্র হিসেবে দেখা যাচ্ছে।
** {{cite news |title=How assault rifles have played a prominent role in US mass shootings |trans-title=মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গণহত্যায় অ্যাসল্ট রাইফেল কীভাবে একটি বিশিষ্ট ভূমিকা পালন করেছে |first=এম. এল. |last=নেস্টেল |date=৭ নভেম্বর ২০১৭ |accessdate=২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |agency=[[w:এবিসি নিউজ|এবিসি নিউজ]] |url=https://abcnews.go.com/US/assault-rifles-played-prominent-role-us-mass-shootings/story?id=50962470}}
* পরের দিন আমার ১৮ বছর পূর্ণ হয়। ঘুম থেকে উঠে শুনি আমার সবচেয়ে ভালো বন্ধু আর নেই। আমি বুঝতে পারছি না কেন আমি এখনও দোকানে গিয়ে যুদ্ধের অস্ত্র কিনতে পারি। একটি এআর। আমি আজ পড়ছিলাম যে একজন ২০ বছর বয়সী ব্যক্তি একটি দোকানে ঢুকে একটি মেয়াদোত্তীর্ণ আইডি দিয়ে পাঁচ মিনিটে একটি এআর-১৫ কিনেছে। এই ধরনের অস্ত্র কেনা এত সহজ কীভাবে হতে পারে? কলম্বাইনের পর আমরা কীভাবে এটা থামাইনি? স্যান্ডি হুকের পর? আমি এমন একজন মায়ের সাথে বসে আছি যিনি তার ছেলেকে হারিয়েছেন। এটা এখনও ঘটছে... আমাদের কিছু করা দরকার। সেই কারণেই আমরা এখানে আছি। তো আসুন আমরা তাদের জন্য শক্তিশালী হই যাদের কথা বলার মতো আর কোনো কণ্ঠস্বর নেই। আর দয়া করে এমন ঘটনা যেন আর কখনও না ঘটে।
** স্যাম জেইফ, [[w:মার্জোরি স্টোনম্যান ডগলাস হাই স্কুল|মার্জোরি স্টোনম্যান ডগলাস হাই স্কুল]]ের ছাত্র এবং [[স্টোনম্যান ডগলাস হাই স্কুলে গুলি|স্টোনম্যান ডগলাস হাই স্কুল শ্যুটিং]]য়ের সারভাইভার। তিনি ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ তারিখে [[w:হোয়াইট হাউস|হোয়াইট হাউস]]ে প্রেসিডেন্ট [[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]কে এসব কথা বলেন ({{cite news |title=Weeping Survivor of Florida School Shooting Confronts President Trump on Gun Control: ‘Please, Please!’ |trans-title=ফ্লোরিডা স্কুল শ্যুটিংয়ের ক্রন্দনরত সারভাইভার বন্দুক নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মুখোমুখি: 'দয়া করে, দয়া করে!' |magazine=[[w:পিপল (ম্যাগাজিন)|পিপল]] |date=২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ |accessdate=১ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |url=https://people.com/politics/florida-school-shooting-survivors-president-trump-listening-session/ |first=টিয়ারনি |last=ম্যাকাফি}}; {{cite news |title=Parkland Survivor to Trump: ‘I Don’t Understand Why I Can Still Go Into a Store and Buy a Weapon of War’ |trans-title=ট্রাম্পের প্রতি পার্কল্যান্ড সারভাইভার: 'আমি বুঝতে পারছি না কেন আমি এখনও দোকানে গিয়ে যুদ্ধের অস্ত্র কিনতে পারি' |first=জো |last=ডিপাওলো |date=২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ |accessdate=১ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |agency=[[w:মিডিয়াইট|মিডিয়াইট]] |url=https://www.mediaite.com/tv/parkland-survivor-to-trump-i-dont-understand-why-i-can-still-go-into-a-store-and-buy-a-weapon-of-war/}}; {{cite news |title=Parkland shooting survivor Samuel Zeif to Trump: "How did this not stop after Columbine?" |trans-title=ট্রাম্পের প্রতি পার্কল্যান্ড শ্যুটিং সারভাইভার স্যামুয়েল জেইফ: "কলম্বাইনের পর এটা কীভাবে থামেনি?" |first=জেন |last=কির্বি |date=২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ |accessdate=১ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |agency=[[w:ভক্স মিডিয়া|ভক্স]] |url=https://www.vox.com/2018/2/21/17038310/parkland-shooting-survivor-samuel-zeif-trump }})।
* এটি যুদ্ধক্ষেত্রের জন্য ডিজাইন করা যুদ্ধের একটি সরঞ্জাম যা সাধারণ মানুষের কাছে বাজারজাত করা হয় এবং বিক্রি করা হয়।
** মার্ক বার্ডেন, ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে একটি সংবাদ সম্মেলনে [[স্যান্ডি হুক এলিমেন্টারি স্কুলে গুলি|স্যান্ডি হুক এলিমেন্টারি স্কুল শ্যুটিং]]য়ের শিকার ড্যানিয়েল বার্ডেনের বাবা ({{cite news |newspaper=[[w:শিকাগো ট্রিবিউন|শিকাগো ট্রিবিউন]] |title=Maker of rifle used in Sandy Hook shooting seeks dismissal of lawsuit |trans-title=স্যান্ডি হুক শ্যুটিংয়ে ব্যবহৃত রাইফেলের প্রস্তুতকারক মামলা খারিজ চেয়েছেন |date=২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ |accessdate=২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |url=http://www.chicagotribune.com/news/nationworld/ct-gunmaker-sandy-hook-lawsuit-20160222-story.html}}; {{cite news |date=২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ |accessdate=২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮|title=AR-15 gun maker seeks Newtown victim lawsuit dismissal |trans-title=এআর-১৫ বন্দুক প্রস্তুতকারক নিউটাউন ভুক্তভোগীর মামলা খারিজ চেয়েছেন |agency=[[w:অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস|অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস]] |publisher=[[w:সিবিএস নিউজ|সিবিএস নিউজ]] |url=https://www.cbsnews.com/news/ar-15-gun-maker-seeks-newtown-victim-lawsuit-dismissal/}}; {{cite news |publisher=[[w:কোয়ার্টজ (প্রকাশনা)|কোয়ার্টজ]] |title=The AR-15 is the gun of choice for mass shootings and it’s easier to buy in Florida than a pistol |trans-title=গণহত্যার জন্য এআর-১৫ হলো পছন্দের বন্দুক এবং এটি ফ্লোরিডায় পিস্তলের চেয়ে সহজে কেনা যায় |first=ক্যাটলিন |last=হু |date=১২ জুন ২০১৬ |accessdate=২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |url=https://qz.com/704939/the-ar-15-is-the-gun-of-choice-for-mass-shootings-and-its-easier-to-buy-in-florida-than-a-pistol/}})।
* গোলাবারুদের ওপর নির্ভর করে অ্যাসল্ট-স্টাইল রাইফেলের স্পেসিফিকেশন আলাদা হয়। কিন্তু অনেক পরীক্ষায় দেখা যায়, একটি এআর-১৫ থেকে ছোড়া সাধারণ রাউন্ডের মাজল ভেলোসিটি প্রতি সেকেন্ডে ৩,২০০ ফুট। এটি ৫০০ গজ (এক-চতুর্থাংশ মাইলের বেশি) পর্যন্ত নির্ভুলভাবে আঘাত করতে পারে। এর কারণে এআর-১৫ বা অন্যান্য অ্যাসল্ট-স্টাইলের অস্ত্রের রাউন্ডগুলো ছোট-ক্যালিবার হ্যান্ডগান থেকে ছোড়া রাউন্ডের চেয়ে অনেক বেশি ধ্বংসাত্মক হয়।
** {{cite news |title=Here’s What You Need To Know About The Weapons Of War Used In Mass Shootings |trans-title=গণহত্যায় ব্যবহৃত যুদ্ধের অস্ত্র সম্পর্কে আপনার যা জানা দরকার |first1=নিক |last1=উইং |first2=মলি |last2=রেইলি |date=১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ |accessdate=২ মার্চ ২০১৮ |publisher=[[w:হাফপোস্ট|হাফপোস্ট]] |url=https://www.huffingtonpost.com/entry/ar-15-style-weapons_us_5a84cf09e4b0ab6daf45ab2d}}
== আরও দেখুন ==
* [[একে-৪৭]]
* [[অ্যাসল্ট রাইফেল]]
== বহিঃসংযোগ ==
{{wikipedia}}
{{Commons cat|AR-15}}
[[বিষয়শ্রেণী:অস্ত্র]]
qi6ni5vbfo8gfhw2m0t059bvvnf22uk
শেরি এস. টেপার
0
13832
83386
83188
2026-05-04T09:48:10Z
Dr. Mosaddek Khondoker
2987
83386
wikitext
text/x-wiki
[[File:Brocken-tanzawa.JPG|thumb|আমার [[মন|মনে]] হয়, [[দেবত্ব|দেবত্বের]] প্রকাশ ঘটে [[বৈচিত্র্য|বৈচিত্র্যের]] মাধ্যমে। [[সৃষ্টি]] যত বেশি বৈচিত্র্যময় হয়, আমাদের চারপাশের উদ্ভিদ এবং প্রাণিজগতের জীবগুলোও তত বেশি বৈচিত্র্যময় হয়। এতে আমাদের [[জীবন]] এবং [[প্রকৃতি|প্রকৃতিকে]] গভীরভাবে [[শিক্ষা|জানার]] এবং [[দেখা|দেখার]] সুযোগ বাড়ে।]]
'''[[w:শেরি এস. টেপার|শেরি স্টুয়ার্ট টেপার]]''' (১৬ জুলাই ১৯২৯ - ২২ অক্টোবর ২০১৬) ছিলেন [[w:কল্পবিজ্ঞান|কল্পবিজ্ঞান]], [[w:ভৌতিক কল্পকাহিনী|ভৌতিক]] এবং [[w:রহস্য কল্পকাহিনী|রহস্য]] উপন্যাসের একজন প্রখ্যাত লেখিকা। তার রচনায় প্রায়শই [[w:নারীবাদী|নারীবাদী]] দৃষ্টিভঙ্গি দেখা যেত। তিনি বেশ কয়েকটি ছদ্মনামে লিখতেন। এগুলোর মধ্যে রয়েছে '''এ. জে. অর্ড''', '''ই. ই. হোরল্যাক''' এবং '''বি. জে. অলিফ্যান্ট'''। তার প্রথম দিকের কাজগুলো '''শেরি এস. এবারহার্ট''' নামে প্রকাশিত হয়েছিল।
== উক্তি ==
[[File:Brocken Spectre at Peak Korzhenevskaya.jpg|thumb|আমি ''সবসময়'' এমন একটি [[বিশ্ব|বিশ্বে]] [[বাস করা|বসবাস করেছি]] যেখানে আমি [[ইতিহাস|ইতিহাসের]] একটি ক্ষুদ্র বিন্দু মাত্র। আমার জীবনটা এখানে ''সবচেয়ে'' গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়। আমি শুধু একটি চলমান ধারার অংশ। আর এই চলমান ধারাটি আমার কাছে একটি বিস্ময়কর ব্যাপার।]]
[[File:Double-alaskan-rainbow.jpg|thumb|[[সব]] [[সময়|সময়ই]] কোনো না কোনো একদিনে পূর্ণ থাকে।]]
* '''আমার [[মন|মনে]] হয়, [[দেবতা|দেবত্বের]] প্রকাশ ঘটে বৈচিত্র্যের মাধ্যমে। [[সৃষ্টি]] যত বেশি বৈচিত্র্যময় হয়, আমাদের চারপাশের উদ্ভিদ এবং প্রাণিজগতের জীবগুলোও তত বেশি বৈচিত্র্যময় হয়। এতে আমাদের [[জীবন]] এবং [[প্রকৃতি|প্রকৃতিকে]] গভীরভাবে [[জ্ঞান|জানার]] এবং [[দেখা|দেখার]] সুযোগ বাড়ে।''' আমরা যদি কেবল মানুষ হতাম এবং একটি মহাকাশযানে বাস করতাম, যেখানে খাবার দেওয়ার জন্য একটি শৈবালের খামার থাকত, তবে আমরা এত কিছু শিখতে আগ্রহী হতাম না। সব ধরনের বৈচিত্র্যে ঘেরা একটি পৃথিবীতে বাস করে আমরা যতটা শিখতে আগ্রহী হই, সেখানে তা হতাম না। আর যখন আমি দেখি এই বৈচিত্র্য প্রথমে ধ্বংস হচ্ছে এবং তারপর অর্ধেক হয়ে যাচ্ছে, তখন আমার খুব কষ্ট হয়। আমি কল্পনা করি যে আরও একশো বছরের মধ্যে এটি ৯০% কমে যেতে পারে এবং আমি যখন শিশু ছিলাম তখনকার তুলনায় মাত্র ১০% অবশিষ্ট থাকবে। এটি আমাকে খুব দুঃখ দেয় এবং হতাশ করে। কারণ আমাদের বৈচিত্র্য ''প্রয়োজন''। আমরা সেখান থেকেই এসেছি, আমরা সেখান থেকেই জন্মেছি। এটি আমাদের পৃথিবী, যে পৃথিবীতে আমরা আজকের এই অবস্থায় পৌঁছেছি।
** ''লোকাস'' ম্যাগাজিনে প্রকাশিত [http://www.locusmag.com/1998/Issues/09/Tepper.html "শেরি এস. টেপার: স্পিকিং টু দ্য ইউনিভার্স"] (সেপ্টেম্বর ১৯৯৮)
* শুধুমাত্র কিছু বিজ্ঞানী এবং কিছু কল্পবিজ্ঞান লেখকেরই দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে। '''আমি ''সবসময়'' এমন একটি বিশ্বে বসবাস করেছি যেখানে আমি ইতিহাসের একটি ক্ষুদ্র বিন্দু মাত্র। আমার জীবনটা এখানে ''সবচেয়ে'' গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়। আমি শুধু একটি চলমান ধারার অংশ। আর এই চলমান ধারাটি আমার কাছে একটি বিস্ময়কর ব্যাপার।''' জীবনের ইতিহাস এবং এই গ্রহের ইতিহাস চলতেই থাকা উচিত। মহাবিশ্বে এর চেয়ে বেশি অর্থবহ কিছু হতে পারে বলে আমি মনে করি না।
** ''লোকাস'' ম্যাগাজিনে প্রকাশিত "শেরি এস. টেপার: স্পিকিং টু দ্য ইউনিভার্স" (সেপ্টেম্বর ১৯৯৮)
=== ''[[w:দ্য ট্রু গেম|দ্য ট্রু গেম]]'' ===
==== ''[[w:দ্য ট্রু গেম|কিংস ব্লাড ফোর]]'' (১৯৮৩) ====
:<small> সমস্ত পৃষ্ঠা নম্বর এইস বুকস কর্তৃক প্রকাশিত গণবাজার পেপারব্যাক প্রথম সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে {{ISBN|0-441-44524-1}} </small>
:<small> সমস্ত ইলিপসিস বা বর্জনচিহ্ন বইয়ের অনুরূপ </small>
* তাই আমি শিখেছি যে মানুষ খুব বেশি পরোয়া না করেও যথেষ্ট [[দয়া|দয়ালু]] হতে পারে।
** অধ্যায় ২, “জার্নিং” (পৃষ্ঠা ৩৩)
* এটি আমাকে ভাবিয়ে তুলেছিল যে একজন দ্রষ্টা হওয়ার ভান করা হয়তো সহজ। সর্বোপরি কেউ যদি [[ভবিষ্যদ্বাণী|সুদূর ভবিষ্যতের দৃশ্য দেখার]] ভান করে, তবে সেগুলো সত্য হবে কি না তা অন্যরা কীভাবে জানবে?
** অধ্যায় ৫, “উইন্ডলো” (পৃষ্ঠা ৮৩)
* “আমি তোমাকে বলছি বাছা, কেউ যদি বলে, ‘দেবতারা বলেন...’ তবে মানুষ তা বিশ্বাস করবে। কেউ যদি বলে, ‘আমি একটি দৃশ্য দেখেছি...’ তবে তারা বিশ্বাস করবে। কেউ যদি বলে, ‘লুকানো সোনার ফলকে আমাকে এটি বলা হয়েছিল...’ তবে তারা বিশ্বাস করবে। কিন্তু কেউ যদি বলে, ‘[[ইতিহাস]] শিক্ষা দেয়,’ তবে তারা তা বিশ্বাস করবে না।”
** অধ্যায় ৫, “উইন্ডলো” (পৃষ্ঠা ৮৪)
* “বৎস, আমার কাছ থেকে শিক্ষা নাও। ছোটবেলায় তোমার লোকেরা যদি তোমাকে শেখাত যে জঙ্গলে দানব আছে, তবে তুমি তাদের কথা বিশ্বাস করতে। তারপর পরবর্তীতে কোনো কাঠুরিয়া যদি তোমাকে গাছের মাঝে নিয়ে গিয়ে বলত, ‘দেখো, এখানে ছায়া আর আলো, পাতা আর গাছের গুঁড়ি, পাখি আর পশু ছাড়া আর কিছুই নেই। দেখো, আমি তোমাকে দেখাচ্ছি। নিজের চোখে দেখো।’ তুমি তাকিয়ে কিছুই দেখতে না পেলেও বিশ্বাস করতে যে সেখানে দানব আছে। তুমি সেগুলোকে অদৃশ্য মনে করতে। অথবা ভাবতে সেগুলো তোমার পেছনে আছে, বা পাথরের নিচে লুকিয়ে আছে, বা কোনোভাবে গাছের ভেতরে আছে। কাঠুরিয়া যা-ই বলুক না কেন, তুমি তোমার [[ভয়|ভয়কে]] বিশ্বাস করতে। মানুষ সবসময় তাদের ভয়কে বিশ্বাস করে। কেবল শক্তিশালী, সাহসী, কৌতূহলীরাই জীবনে সত্যিকার অর্থে কী আছে তা খুঁজে বের করতে তাদের ভয়কে জয় করতে পারে...”
** অধ্যায় ৫, “উইন্ডলো” (পৃষ্ঠা ৮৯)
* তুমি অনেক দিন ধরে নার্সারিতে আছ, ছেলে। তরুণ, স্বপ্নদর্শী আর বাবুর্চিদের সাথে অনেক সময় কাটিয়েছ। তুমি যেখানেই থাকো না কেন, বেরিয়ে এসো! মোরগ সকালের ডাক দিচ্ছে এবং দ্য গ্রেট গেম শুরু হতে যাচ্ছে! এটি খেলো অথবা বোর্ড থেকে মুছে যাও।
** অধ্যায় ১২, “ম্যাভিন” (পৃষ্ঠা ১৭৫)
* “আপনি কি আমাদের [[দুশ্চিন্তা]] না করার পরামর্শ দেবেন?”<br>“ওহ, অবশ্যই চিন্তা করো,” উইন্ডলো বলল। “অবশ্যই করো। হ্যাঁ। এটি বুদ্ধিকে তীক্ষ্ণ করে। একটি ভালো দুশ্চিন্তা মস্তিষ্কের প্রতিরক্ষামূলক ক্ষমতার জন্য বিস্ময়কর কাজ করে। তবে, আমি তোমাকে না ঘুমিয়ে থাকার পরামর্শ দেব না।”
** অধ্যায় ১৩, “দ্য গ্রেট গেম” (পৃষ্ঠা ১৮৪)
* হয়তো, কোনো একদিন... বেশ। সব সময়ই কোনো না কোনো একদিনে পূর্ণ থাকে।
** অধ্যায় ১৪, “চ্যালেঞ্জ অ্যান্ড গেম” (পৃষ্ঠা ২০১)
==== ''[[w:দ্য ট্রু গেম|নেক্রোম্যান্সার নাইন]]'' (১৯৮৩) ====
:<small> সমস্ত পৃষ্ঠা নম্বর এইস বুকস কর্তৃক প্রকাশিত গণবাজার পেপারব্যাক প্রথম সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে {{ISBN|0-441-56853-X}} </small>
* যখনই আমি নিজেকে গুরুত্ব সহকারে নিতে শুরু করতাম, তিনি আমাকে বুঝিয়ে দিতেন যে তার বিশেষ স্টু বা ঝোলে আমি কতটা ক্ষুদ্র একটি সবজি ছিলাম।
** অধ্যায় ১, “নেক্রোম্যান্সার নাইন” (পৃষ্ঠা ৫)
* আমার বাবা বলেন, বেটান্ডের বাসিন্দা হিসেবে আমরা আমাদের [[আইন]] সহজে পরিবর্তন করি না। তবে আমরা আমাদের প্রয়োজন অনুযায়ী সেগুলোর ব্যাখ্যা করি।
** অধ্যায় ৩, “পেরিপ্লাস” (পৃষ্ঠা ৩৯)
* আমি তাকে ততটাই বিশ্বাস করতাম যতটা আমি তাকে লাথি মেরে চিমনির ওপরে তুলতে পারতাম।
** অধ্যায় ৩, “পেরিপ্লাস” (পৃষ্ঠা ৪২)
* “সেই জায়গায় যাওয়ার ব্যাপারে আমরা খুব বেশি [[ভয়|ভীত]] ছিলাম।”<br>“আপনি? ভীত?” আমি এতে সন্দেহ প্রকাশ করলাম।<br>“বৎস, আমার [[অহংকার|অহংকারকে]] [[সাহস]] ভেবে ভুল কোরো না। এটি সত্য যে আমি যা করতে পারি তার জন্য আমি বিখ্যাত। কিন্তু আমি বেশির ভাগ মানুষের মতোই অজানাকে ভয় পাই, তা সে গেমসম্যান হোক বা বোড়ে।”
** অধ্যায় ৮, “দ্য ম্যাজিশিয়ান্স” (পৃষ্ঠা ১০৬)
==== ''[[w:দ্য ট্রু গেম|উইজার্ডস ইলেভেন]]'' (১৯৮৪) ====
:<small> সমস্ত পৃষ্ঠা নম্বর এইস বুকস কর্তৃক প্রকাশিত গণবাজার পেপারব্যাক প্রথম সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে {{ISBN|0-441-90209-X}} (৩য় মুদ্রণ) </small>
* আমার কথা শোনার সময় না আসা পর্যন্ত তারা আমাকে অমূল্য সম্পদ মনে করত। আর তারপরে আমি যেন খাদে থাকা একটি ছোট ব্যাঙের মতো হয়ে যেতাম যা ''ওহ-অ্যাব, ওহ-অ্যাব, ওহ-অ্যাব'' শব্দ করছে। আমি বিষয়গুলোর কেন্দ্রে জড়িত থাকতে চেয়েছিলাম। কিন্তু... বেশ। ম্যাভিনের সাথে এ বিষয়ে কথা বলে কোনো লাভ হতো না। আমার মা খুব চতুর ছিলেন। যদিও আমি আমার জীবনের ব্যাপারে তাকে সম্পূর্ণ বিশ্বাস করতাম, কিন্তু আমার মানসিক সুস্থতার ব্যাপারে তাকে মোটেও বিশ্বাস করতাম না।
** অধ্যায় ১, “উইজার্ডস ইলেভেন” (পৃষ্ঠা ৩)
* [[বিবেক|বিবেকের]] ছুরিটি মোচড় দিয়ে উঠল এবং সেই ছুরির নিচে [[অপরাধবোধ|অপরাধবোধের]] সাপটি ছটফট করতে লাগল।
** অধ্যায় ৪, “দ্য গ্রেট নর্থ রোড” (পৃষ্ঠা ৫১)
* আমি ভাবছিলাম যে [[ক্ষমতা|ক্ষমতার]] সামান্য স্বাদ একজন মোটামুটি বুদ্ধিমান ব্যক্তিকেও এমন এক ধরনের বশংবদ ও তোষামোদকারী প্রাণীতে পরিণত করতে পারে।
** অধ্যায় ৪, “দ্য গ্রেট নর্থ রোড” (পৃষ্ঠা ৬৫)
* “আমি বিশ্বাস করতে পারছি না যে সে একজন [[মন্দ]] মানুষ।”<br>“বেশ, তুমি যদি তাকে মন্দ বলে বিশ্বাস না করো, তবে সে কেন মন্দ নয় তার একটি কারণ ভাবো।”
** অধ্যায় ৭, “রিভব্রিজ” (পৃষ্ঠা ৯৯)
* আমার প্রায়ই এমন ভালো ধারণাগুলো আসে যা ঠিক ততবারই উপেক্ষা করা হয়।
** অধ্যায় ৯, “নাটস, গ্রোলস, অ্যান্ড মিররম্যান” (পৃষ্ঠা ১১৬)
* তিনি আমাদের বলেছিলেন যে মানুষের জাতিগুলো বিশৃঙ্খলার মধ্যে পড়েছিল, তাই এর পরিবর্তে [[আইন|আইনের]] জাতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। তিনি আমাদের বলেছিলেন যে আইনের জাতিগুলো তখন ন্যায়বিচারের কথা ভুলে গিয়ে আইনকে একটি খেলা বা গেমে পরিণত হতে দেয়। এটি এমন একটি খেলা যেখানে সত্যের চেয়ে চাল এবং জয় বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আমাদের এই খেলার বদলে ন্যায়বিচার খুঁজতে বলেছিলেন। আইন এবং নিয়মগুলোই গেমিং তৈরি করেছিল। আর গেমিং অবিচার তৈরি করেছিল। আমরা কেবল নতুন কিছু চেষ্টা করতে পারি এবং আশা করতে পারি যে এটি আরও ভালো হবে।
** অধ্যায় ১৩, “ট্যালেন্ট থার্টিন” (পৃষ্ঠা ১৮৩)
==== ''[[w:দ্য ট্রু গেম|দ্য সং অব ম্যাভিন ম্যানিশেপড]]'' (১৯৮৫) ====
:<small> সমস্ত পৃষ্ঠা নম্বর এইস বুকস কর্তৃক প্রকাশিত গণবাজার পেপারব্যাক প্রথম সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে {{ISBN|0-441-77523-3}} (প্রথম মুদ্রণ) </small>
* এমন কিছু মানুষ আছে যাদের কোথাও না কোথাও দোষ খুঁজতেই হবে। তারা জীবিতদের মধ্যে যথেষ্ট দোষ খুঁজে না পেলে মৃতদের মধ্যে তা খুঁজবে।
** অধ্যায় ২ (পৃষ্ঠা ৩১)
* “আমার এটি উল্লেখ করার জন্য ক্ষমা করবেন। আপনি যদি বেশিরভাগ [[যৌবন|তরুণের]] মতো হন, তবে আপনি এটি উল্লেখ করা অপছন্দ করবেন।”<br>ম্যাভিন না হেসে পারলেন না। “আমি এটি উল্লেখ করা ঘৃণা করি। হ্যাঁ। সম্ভবত...” তিনি কথা চালিয়ে যাওয়ার আগে এক মুহূর্ত থামলেন, “এর কারণ হলো তরুণরা তাদের যোগ্যতার ব্যাপারে এতটা নিশ্চিত নয়।”<br>“এটি সবসময়ই থাকে,” দ্রষ্টা একমত হলেন। “তবে বয়স বাড়ার সাথে সাথে সেই অনুভূতি অগত্যা কমে যায় না। এটি কেবল কম ঘন ঘন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে। যখন কারো বয়স ষাট পার হয়, যেমন আমার হয়েছে, তখন বিশ্ব ধরে নেয় যে আমরা যোগ্যতা ছাড়া টিকে থাকতে পারতাম না। আপনার বয়সের কারো ক্ষেত্রে, এটি সবসময় নিছক ভাগ্য হতে পারে।”
** অধ্যায় ৪ (পৃষ্ঠা ৭১)
* অন্যরা কী করে, কী ভাবে বা কী বলে সে বিষয়ে তাকে মাথা ঘামানোর শিক্ষা আপনি দেননি। তাহলে সে কেন [[শিক্ষা|শিক্ষার]] প্রতি যত্নশীল হবে? কারণ শিক্ষা কি অন্যদের যত্নশীল হওয়ার বিষয় নিয়ে অধ্যয়ন নয়?
** অধ্যায় ৬ (পৃষ্ঠা ১০৯)
* “[[প্রজ্ঞা]],” অ্যাগিরুল গর্জন করে উঠল। “কষ্টদায়ক, তাই না? আমরা অনেক কিছু ধরে নিই এবং এর বিপরীত কিছু শিখতে বাধা দিই।”
** অধ্যায় ৮ (পৃষ্ঠা ১৫০)
* যদি কেউ ঘুমাতে না পারে এবং কেউ কাজ করতে না পারে, তবে বসে থেকে কী লাভ?
** অধ্যায় ৮ (পৃষ্ঠা ১৫০-১৫১)
* “ভালো কাজ করা কঠিন,” কণ্ঠস্বরটি ফিসফিস করে বলল।<br>“বাজে কথা,” সে বিড়বিড় করে বলল। “তোমাকে শুধু কাজটি করতে হবে।”
** অধ্যায় ৮ (পৃষ্ঠা ১৫৯)
==== ''[[w:দ্য ট্রু গেম|দ্য ফ্লাইট অব ম্যাভিন ম্যানিশেপড]]'' (১৯৮৫) ====
:<small> সমস্ত পৃষ্ঠা নম্বর এইস বুকস কর্তৃক প্রকাশিত গণবাজার পেপারব্যাক প্রথম সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে {{ISBN|0-441-24092-5}} (প্রথম মুদ্রণ) </small>
* “পরজীবী,” আন্ট সিক্স ফিসফিস করে বললেন, ঠিক ততটা জোরে যাতে সে শুনতে ভুল না করে। “নিজেদের কোনো দক্ষতা নেই, তাই অন্যদের সাধারণ জ্ঞান ব্যবহার করতে বাধা দিয়ে তাদের বেঁচে থাকতে হয়।”
** অধ্যায় ১ (পৃষ্ঠা ১৯)
* কখনো কখনো বোকা মানুষ এবং শিশুদের মধ্যে এক ধরণের পাশবিক উন্মাদনা উসকে দেওয়া যেতে পারে। প্রায়শই [[ধর্ম|ধর্মকে]] এর অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করা হয়। যখন এমন ঘটে, তখন অন্য কোথাও থাকাই বুদ্ধিমানের কাজ।
** অধ্যায় ৩ (পৃষ্ঠা ৪৫)
* আমি তোমাকে বলছি, এমন এক মানুষের [[উচ্চাকাঙ্ক্ষা|উচ্চাকাঙ্ক্ষার]] চেয়ে বিপজ্জনক আর কিছুই নেই, যে তার পথে কে দাঁড়িয়ে আছে তার পরোয়া করে না।
** অধ্যায় ৩ (পৃষ্ঠা ৪৮)
* ম্যাভিন মাথা নাড়লেন, কিন্তু কোনো রায় দেওয়া থেকে বিরত থাকলেন। তিনি এখানে-সেখানে দীর্ঘ ভ্রমণের সময় একটি জিনিস শিখেছিলেন। তা হলো, বিশ্বের বেশিরভাগ মানুষের কাছে প্রতিটি অপরিচিত জিনিসকে অগ্রহণযোগ্যভাবে অদ্ভুত বলে মনে করা হতো।
** অধ্যায় ৩ (পৃষ্ঠা ৫৫-৫৬)
* “ওহ, কিন্তু আমি এতটাই নোংরা হয়ে গেছি যা পরিষ্কার করার অযোগ্য...”<br>“বাজে কথা,” ম্যাভিন অধৈর্য হয়ে বললেন। “তুমি কল্পনার চেয়েও বোকা, কিন্তু আমি তোমার যে একমাত্র [[পাপ]] সম্পর্কে অবগত তা হলো এটিই, যুবক।”
** অধ্যায় ৩ (পৃষ্ঠা ৬৩)
* মার্সেড লাল হয়ে গেল। “আপনি আমাকে উপহাস করছেন, বার্তাবাহক।”<br>“আমি তোমাকে নির্দেশ দিচ্ছি, পুরোহিত। মনোযোগ দাও। যখন তুমি বিশ্বাস করো যে ঈশ্বরের কাছ থেকে বার্তাবাহকরা আসে, তখন তাদের সব কথা শোনাই বুদ্ধিমানের কাজ, কেবল তখনই নয় যখন তারা প্রচলিত মতবাদ আবৃত্তি করে।” তিনি প্রায় সাথে সাথেই নিজের জন্য লজ্জিত হলেন। সে এতটাই ফ্যাকাশে আর বিষণ্ণ হয়ে গেল। বেশ। এটি কেবল সেভাবেই ঘটেছিল যেমনটি তিনি শুরু থেকেই সন্দেহ করেছিলেন। ঈশ্বরের কীভাবে আচরণ করা উচিত তা ঈশ্বরকে বলে দেওয়ার একটি প্রবল প্রবণতা অনেক মানুষের মধ্যে ছিল। আর ধার্মিক লোকেরা বেশিরভাগের চেয়ে এই অভ্যাসে বেশি আসক্ত ছিল।
** অধ্যায় ৮ (পৃষ্ঠা ১৫২)
==== ''[[w:দ্য ট্রু গেম|দ্য সার্চ অব ম্যাভিন ম্যানিশেপড]]'' (১৯৮৫) ====
:<small> সমস্ত পৃষ্ঠা নম্বর এইস বুকস কর্তৃক প্রকাশিত গণবাজার পেপারব্যাক প্রথম সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে {{ISBN|0-441-75712-X}} (প্রথম মুদ্রণ) </small>
* “তিনি একজন দ্রষ্টা,” ম্যাভিন তার যুক্তির অভাব বুঝতে পেরে বিষণ্ণভাবে বললেন।<br>“ধুর। দ্রষ্টা। কখনো কখনো তারা এমন কিছু সম্পর্কে সবকিছু জানে যা নিয়ে কেউ মাথা ঘামায় না। প্রায়শই তারা গুরুত্বপূর্ণ কিছু সম্পর্কে কিছুই জানে না।”
** অধ্যায় ১ (পৃষ্ঠা ১৩)
* “এটি কীভাবে সম্ভব?”<br>“একজন উইজার্ড বা জাদুকরের কাছে যেকোনো কিছুই সম্ভব,” দরবেশ কিছুটা অবজ্ঞার সুরে বললেন। “অথবা তারা নিজেদেরকে তা-ই বিশ্বাস করতে শেখায়।”
** অধ্যায় ৪ (পৃষ্ঠা ৭৫)
* “প্রতিটি [[প্রতিশ্রুতি|প্রতিশ্রুতিই]] এমন,” এক মুহূর্তের জন্য পা গোনা থামিয়ে সে নিজের মনে ফিসফিস করে বলল। “প্রতিটি প্রতিশ্রুতির হাত, পা এবং কর্ষিকা থাকে যা অন্যান্য জিনিস এবং অন্যান্য জায়গায় পৌঁছে যায়। আপনি যখন প্রতিশ্রুতি দেন তখন আপনি এমন অদ্ভুত বাধা এবং প্রসারিত অংশগুলো দেখতে পান না। তারপর আপনি দেখতে পান যে আপনি এমন একটি বিশাল, অমসৃণ জিনিস তুলে নিয়েছেন যার অস্তিত্ব সম্পর্কে আপনি জানতেনই না, যতক্ষণ না আপনি সকালের আলোতে প্রথমবারের মতো এটি দেখতে পাচ্ছেন।”
** অধ্যায় ৬ (পৃষ্ঠা ৯৭-৯৮)
* তার বোঝাপড়া খুব একটা ভালো নয়, তবে তার [[ক্ষমতা]] এবং [[বিশ্বাসঘাতকতা|বিশ্বাসঘাতকতার]] অনুভূতি অটুট।
** অধ্যায় ৭ (পৃষ্ঠা ১২২)
* আমি অন্য কিছু আবিষ্কার করেছি, ডাওয়েসের থ্রোসেট। আর তা হলো পুরুষেরা নারীদের গহনা দেয় যখন তাদের একেবারেই কোনো ধারণা থাকে না যে কী তাদের খুশি করতে পারে এবং তারা সে সম্পর্কে চিন্তা করার জন্য সময় নিতেও রাজি থাকে না।
** অধ্যায় ৯ (পৃষ্ঠা ১৬৫)
==== ''[[w:দ্য ট্রু গেম|জিনিয়ান ফুটসিয়ার]]'' (১৯৮৫) ====
:<small> সমস্ত পৃষ্ঠা নম্বর ১৯৮৮ সালে কর্গি বুকস কর্তৃক প্রকাশিত গণবাজার পেপারব্যাক সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে {{ISBN|0-552-13189-X}} </small>
* মা গেমসম্যান জাতের হলেও তার কোনো ধরনের প্রতিভা আছে বলে মনে হয়নি। তিনি এতটাই [[সৌন্দর্য|সুন্দরী]] ছিলেন যে তার অন্য কিছু হওয়ার দরকার ছিল না।
** অধ্যায় ১ (পৃষ্ঠা ৮)
* আরও শেখা আমার কাছে কেবল সাধারণ ব্যাপার ছিল। কিন্তু [[ভ্রমণ|ভ্রমণ]] করাটা ছিল একটি চমৎকার আনন্দ।<br>অন্তত আমরা কিছু ভ্রমণ করার আগ পর্যন্ত আমি এমনটাই ভেবেছিলাম। তারপর দেখা গেল যে ভ্রমণের মানে হলো বাড়িতে যা করতে হয় তার সবকিছুই করা, অথচ তা করার জন্য কোনো সুবিধাই থাকে না।
** অধ্যায় ২ (পৃষ্ঠা ২৫)
* মেন্ডোস্ট খুব বেশি চিন্তাভাবনা করে না, তবে সে নিজেকে যেমনটা বিশ্বাস করে তার একটি স্পষ্ট চিত্র তার মনে রয়েছে।
** অধ্যায় ৪ (পৃষ্ঠা ৩৯)
* “আর এখন তোমাকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে তুমি কোন কষ্ট সহ্য করবে। তুমি যেমন ছিলে তেমন থাকার কষ্ট। নাকি তুমি যেমন আছো তেমন থাকার কষ্ট।”<br>আমি হাঁটু গেড়ে বসলাম। এর চেয়ে বেশি আমি যেতে পারলাম না। চায়ের কাপ ধরা হাতটি আবার দেখা গেল, তাতে একটি ভরা কাপ, যার বাষ্প আমার নাকে এসে লাগছিল। আমি সেটি ঢকঢক করে গিলে ফেললাম, আর এর মাঝে মাঝে ডুকরে কেঁদে উঠছিলাম। “আমি যেমন আছি তেমন থাকার কষ্ট? আমি বুঝতে পারছি না।”<br>“অবশ্যই তুমি বুঝতে পারছ। অপূর্ণ [[কৌতূহল|কৌতূহলের]] কষ্ট, অপূর্ণ [[উচ্চাকাঙ্ক্ষা|উচ্চাকাঙ্ক্ষার]] কষ্ট। প্রতিদান না পাওয়া [[ভালোবাসা|ভালোবাসার]] কষ্ট, অযোগ্য ভক্তির কষ্ট। প্রত্যাখ্যাত [[বন্ধুত্ব|বন্ধুত্বের]] কষ্ট, উপহাসের পাত্র হওয়া [[নেতৃত্ব|নেতৃত্বের]] কষ্ট। [[একাকীত্ব]] এবং [[কাজ|পরিশ্রমের]] কষ্ট। বোকা মেয়ে। তুমি কি ভেবেছিলে বেঁচে থাকা সহজ?”
** অধ্যায় ১৭ (পৃষ্ঠা ১৭৯)
==== ''[[w:দ্য ট্রু গেম|দরবেশ ডটার]]'' (১৯৮৬) ====
:<small> সমস্ত পৃষ্ঠা নম্বর ১৯৮৮ সালে কর্গি বুকস কর্তৃক প্রকাশিত গণবাজার পেপারব্যাক সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে {{ISBN|0-552-13190-3}} </small>
* “আমি বাধ্যবাধকতার চিন্তাভাবনা পছন্দ করি না।”<br>তিনি আমার দিকে তাকিয়ে মাথা নাড়লেন। “বাধ্যবাধকতা নয়, জিনিয়ান। বরং এটি হলো তথ্য। এটি এমন যেন আমাকে একটি মানচিত্র দেওয়া হয়েছে যা ভালো রাস্তা এবং জলাভূমি উভয়ই দেখায়। যদি কেউ জানে যে সেখানে জলাভূমি রয়েছে এবং তা এড়িয়ে চলে, তবে কি সেটি বাধ্যবাধকতা?”
** অধ্যায় ৩ (পৃষ্ঠা ৪২)
* “বেশ, বোকা ব্লুমিয়ানরা কেন সে কথা ভাবেনি?”<br>“আমার মনে হয় এর কারণ [[ধর্ম]], বন্ধু চান্স। অনেক ক্ষেত্রে ধর্ম চিন্তাভাবনা করতে বাধা দেয়, আর আমি বলব এখানেও তা-ই হয়েছে। তারা এই ধারণা নিয়ে শুরু করেছিল যে কারখানার মতো জটিল যেকোনো কিছুর অস্তিত্বের একটি ভালো কারণ থাকতে হবে। তারপর তারা তাদের সমস্যার একটি যুক্তিসঙ্গত সমাধান খোঁজার পরিবর্তে, একটি ভালো কারণ এবং এর জন্য দায়ী কোনো ঈশ্বর আবিষ্কার করতে তাদের সমস্ত সময় ব্যয় করেছে।”
** অধ্যায় ৫ (পৃষ্ঠা ৬৩)
* অতিরিক্ত বিদ্যালয় শিক্ষার এটাই সমস্যা। কেউ একজন গেমসমিস্ট্রেসদের অনুমোদিত উপায়ে লেবেলগুলো পরিচালনা করতে শেখে। কিন্তু সে বুঝতে পারে না যে জিনিসগুলো সবসময় বাস্তব জগতে লেবেল অনুযায়ী কাজ করে না। সে এটাও বুঝতে পারে না যে লেবেলগুলো অনেক সময় ভুল হয়।
** অধ্যায় ৮ (পৃষ্ঠা ১৩৮)
* “পুরোনোরা, ''গ্যানভার'' এবং বাকিরা, তারা ভান করে যে এর তাৎপর্য রয়েছে। ওহ, আমি সেই ভানটি মনে করতে পারি, দ্রষ্টা। আমার যৌবনে আমাকে অনেক কিছু দেখানো হয়েছিল। তারা আমাকে বলত, ‘দেখো এবং শেখো।’ তারা আমাকে বলত, ‘বাও।’ তাই আমি দেখতাম, কিন্তু তা কেবল বাজে কথা ছিল। তারা আমাকে এটা-ওটা দেখাত, কিন্তু এর কোনো অর্থ ছিল না। এটি ছিল কেবল ভান, আমাদের তরুণদের ''বিভ্রান্ত'' করতে এবং বশবর্তী রাখতে এমনটা করা হতো। এই চিহ্নের কোনো ক্ষমতা নেই। এটি কিছুই নয়। এটি কেবল একটি [[প্রতীক]]; আমাদের অবনতির প্রতীক।”
** অধ্যায় ৮ (পৃষ্ঠা ১৫৪)
* বিশ্ব কেন নিজেকে মৃত দেখতে চায় তা নিয়ে আমরা অবাক হচ্ছি কেন, যখন আমরা একে নিরাময়ের জন্য কিছুই করছি না?
** অধ্যায় ১০ (পৃষ্ঠা ২০৩)
* জিনিসগুলো প্রথমে দেখার জন্য সবসময় কাউকে না কাউকে থাকতে হয়।
** অধ্যায় ১০ (পৃষ্ঠা ২০৬)
* “একেবারেই না আসার চেয়ে দেরিতে আসা ভালো,” সারিবদ্ধ জনতার মধ্য থেকে একটি কণ্ঠস্বর ভেসে এল। “একাকী বিছানার চেয়ে দেরিতে আসা প্রেমিক ভালো।”
** অধ্যায় ১০ (পৃষ্ঠা ২০৬)
* আমাদের কাছে উত্তর আছে বলে আমরা যা ভেবেছিলাম তা আমাদের কাছে ছিল এবং আমরা আর দেখার কষ্ট করিনি।
** অধ্যায় ১০ (পৃষ্ঠা ২০৮)
==== ''[[w:দ্য ট্রু গেম|জিনিয়ান স্টার-আই]]'' (১৯৮৬) ====
:<small> সমস্ত পৃষ্ঠা নম্বর ১৯৮৮ সালে কর্গি বুকস কর্তৃক প্রকাশিত গণবাজার পেপারব্যাক সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে {{ISBN|0-552-13191-1}} </small>
* আমরা হয়তো কিছু করতে পারব। আমরা যদি খুব ভাগ্যবান হই, তবে এটি সঠিক কাজও হতে পারে।
** অধ্যায় ১, “দ্য গ্রেট মেজ” (পৃষ্ঠা ৬)
* আমি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রায়ই [[স্মৃতি]] নিয়ে চিন্তা করেছি। কেউ এটিকে খুব অবলীলায় গ্রহণ করে। কেউ এটিকে খুব অনায়াসে অভ্রান্ততার সাথে মনে রাখে। আর কেউ খুব ধাক্কা খেয়ে দেখতে পায়—অন্তত এটি আমার জন্য একটি ধাক্কা ছিল—যে স্মৃতি সত্য নয়।
** অধ্যায় ২, “মেমোরি” (পৃষ্ঠা ২৩)
* অস্তিত্বের সবকিছুই তুচ্ছ—এমনটা ভাবতে কারো ভালো লাগে না।
** অধ্যায় ২, “মেমোরি” (পৃষ্ঠা ২৪)
* এটি বলে চলল, “তুমি যদি অভিযোগ করো, তবে তোমাকেই বিচার করতে হবে।”<br>“তুমি তোমার অভিযোগকারীদের তোমার বিচারক হতে দিচ্ছ?” পিটার অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল।<br>“আর কাকে সন্তুষ্ট করা উচিত?” এটি জিজ্ঞেস করল। “যদি কারো অভিযোগকারীদের সন্তুষ্ট করা না যায়, তবে [[ন্যায়বিচার]] কী?”<br>“কারো অভিযোগকারীরা পাগল হতে পারে,” পিটার পরামর্শ দিল। আমরা কোথায় ছিলাম তা বিবেচনা করে আমি মনে করি এটি অত্যন্ত অবিবেচকের মতো কথা ছিল। “পাগল, এবং সন্তুষ্ট হতে অক্ষম।”
** অধ্যায় ২, “মেমোরি” (পৃষ্ঠা ৩৩)
* কখনো কখনো এতটাই ভিড় হয় যে বিরক্তি তৈরি হয়, আর এটি ভয় বা রাগের জন্ম দেয়। আর ভয়ের কারণে নিয়মকানুন তৈরির জন্য কাউন্সিলের সভা ডাকা হয়। নিয়মকানুনের কারণে তৈরি করা আইনগুলোর প্রতি আরও বিরক্তি তৈরি হয়।
** অধ্যায় ২, “মেমোরি” (পৃষ্ঠা ৩৭)
* ওরাকলের ব্রাদারহুডের একটি বিশাল উন্মত্ত জনতা তাদের ফিতা দুলিয়ে নাচছিল। তারা উদ্দেশ্যের চরমপন্থী প্যারোডিতে মন্ত্রোচ্চারণ এবং চিৎকার করছিল। এটি একটি উন্মত্ত [[নৈরাজ্যবাদ|নৈরাজ্য]] ছিল যা প্রতিটি কোণে চিৎকার করে বলা পরবর্তী উসকানিমূলক বক্তব্যের চেয়ে বেশি কিছু দেখতে পায়নি।
** অধ্যায় ৩, “দ্য ডেলাইট বেল” (পৃষ্ঠা ৪৮)
* সবচেয়ে লম্বা ফাদার ধর্মোপদেশ দিচ্ছিলেন। তিনি চকচকে সাদা পোশাক পরে আমাদের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন, মিষ্টি ধূপের ধোঁয়ায় ঘেরা। সেন্ট ফ্যালাসের কথা বলার সময় তিনি মাঝে মাঝে তার কুঁচকিতে হাত বোলাচ্ছিলেন। সেন্ট ফ্যালাস বেদির পেছনে মাথা উঁচু করে, বিশাল আকারে এমনভাবে দাঁড়িয়ে ছিলেন, যেন তিনি বিশ্বকে ধর্ষণ করতে প্রস্তুত। এ রকম স্মৃতিস্তম্ভ আমি প্রথম দেখিনি। যেখানেই মানুষ অজ্ঞ এবং [[ক্ষমতা|ক্ষমতার]] কাঙাল, সেখানেই আমি এসব দেখেছি। তবে এত বড় কখনো দেখিনি। ফাদার তার কুঁচকিতে হাত বোলাতে বোলাতে ধর্মোপদেশ দিচ্ছিলেন।<br>“সেন্ট ফ্যালাসের পবিত্র ফল,” তিনি বললেন।<br>“নোংরা মাটিতে রোপণ করা পরিষ্কার বীজ,” তিনি বললেন।<br>“নোংরা নারীর গর্ভ দ্বারা দূষিত,” তিনি বললেন।
** অধ্যায় ৫, “জিনিয়ানস স্টোরি: দ্য ফার্স্ট লেসন” (পৃষ্ঠা ৮৮-৮৯)
* “আমি সংবেদনশীল গাছটি চিনি না,” ক্যাট বিস্ময়ের সাথে বলল। “এটি কোথায় পাওয়া যেতে পারে?”<br>“এটি খুঁজে পাওয়া যাবে না,” মালী উত্তর দিল। “এটি বিলুপ্ত হয়ে গেছে।”
** অধ্যায় ৯, “জিনিয়ানস স্টোরি: দ্য সেভেন” (পৃষ্ঠা ১৪৭-১৪৮)
* এটি আমাকে কিছুটা উৎসাহিত করেছিল। নিজের শত্রুদের মধ্যে শত্রুতা সবসময়ই সান্ত্বনাদায়ক।
** অধ্যায় ১০, “পিটারস স্টোরি: হুলড্রা” (পৃষ্ঠা ১৫৭)
* তাদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করা হয়েছে, ওরাকল। গ্যানভার আমাকে বলেছে যে বিশ্বাসঘাতকতার শিকার হওয়া চরমপন্থীর [[প্রবল উৎসাহ|উন্মাদনার]] চেয়ে বড় রাগ আর নেই।
** অধ্যায় ১৫, “দ্য ড্যাগার অব ড্যাগারহক” (পৃষ্ঠা ২২৭)
* তিনি মৃতদের নিয়ে কাজ শেষ করে আনন্দিত। তিনি বলেন, জীবিতদের আমাদের মনোযোগ আরও বেশি প্রয়োজন। কে সে কথার সাথে তর্ক করতে পারে?
** অধ্যায় ১৬, “এন্ড অ্যান্ড বিগিনিং” (পৃষ্ঠা ২৩৪)
=== ''[[w:শেরি এস. টেপার|দ্য ম্যারিয়ান ট্রিলজি]]'' ===
==== ''[[w:শেরি এস. টেপার|ম্যারিয়ান, দ্য মেগাস, অ্যান্ড দ্য ম্যান্টিকোর]]'' (১৯৮৫) ====
:<small> সমস্ত পৃষ্ঠা নম্বর এইস বুকস কর্তৃক প্রকাশিত গণবাজার পেপারব্যাক প্রথম সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে {{ISBN|0-441-51944-X}} </small>
* “আমরা আত্মীয়, তাই মিত্র। আপনি আমাকে ক্ষমা করবেন যদি আমি ‘কিনসপারসন’ বা আত্মীয়স্বজন না বলি। আমি আমার ইংরেজি একটি বেশি মার্জিত পরিবেশে এবং একটি বেশি মার্জিত সময়ে শিখেছি।”
** অধ্যায় ১ (পৃষ্ঠা ১৭)
* আমি প্রায়ই ভেবেছি কেন কিছু পশ্চিমা ধর্মে [[রাগ|রাগকে]] [[পাপ]] হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এটি [[মন্দ|মন্দের]] বিরুদ্ধে এমন একটি চমৎকার ঢাল।
** অধ্যায় ২ (পৃষ্ঠা ৪৫)
* “আমাদের কাছে এটি খুব বেশি আগের কথা মনে হয় না। সম্ভবত এর কারণ হলো আমাদের শিশুরা আগুনের চারপাশে বসে পনেরো শতাব্দী আগে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলোর গল্প শোনে। এমন গল্পগুলোতে একটি তাৎক্ষণিকতা থাকে যা বই থেকে পাওয়া যায় না...”<br>“যে কারণে কিছু দেশ এত পুরোনো ক্ষোভ পুষে রাখে,” ম্যারিয়ান মন্তব্য করলেন। “শিশুরা তাদের দাদিদের কোলে বসে যা শেখে, তারা সে অনুযায়ী এমনভাবে কাজ করে যেন তা গতকাল ঘটেছে।”<br>তিনি গম্ভীরভাবে, এমনকি বিষণ্ণভাবে মাথা নাড়লেন। “হয়তো এটা সত্যি। যাদের মৌখিক ঐতিহ্যে পুরোনো অন্যায় এবং পুরোনো প্রতিশোধের কথা ভরা, তারা মনে হয় অনন্তকাল ধরে একই যুদ্ধ লড়ে যাচ্ছে। আইরিশরা যদি সবসময় তাদের প্রাচীন অন্যায় নিয়ে গান না গাইত—বা এটি নিয়ে কবিতা না লিখত... বেশ, আমরা প্রতিদিন সকালের সংবাদপত্রে এর ফলাফল দেখতে পাই।”
** অধ্যায় ৩ (পৃষ্ঠা ৬৭)
* একটি সত্য [[ধর্ম|ধর্মের]]—এবং এমন অনেক ধর্ম রয়েছে যা [[সত্য|সত্যের]] বিভিন্ন দিক শেয়ার করে—এবং একটি বিপজ্জনক কাল্ট বা ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে পার্থক্য কেবল এতটুকুই: একটিতে ব্যক্তিকে বড় হতে, বাঁচতে এবং শিখতে মুক্ত করা হয়। অন্যটিতে ব্যক্তিকে একটি [[উচ্চপদস্থ গোষ্ঠী|পদানুক্রমের]] ইচ্ছার অধীন করা হয়, সেই পদানুক্রমের উদ্দেশ্যগুলোর দাস বানানো হয় এবং সম্প্রদায় যা শেখাতে চায় তা ছাড়া অন্য কিছু শিখতে নিষেধ করা হয়। এর দেবতা সত্যই ঈশ্বর নাকি শয়তান, তা জানতে কেবল একটি ধর্মের সেবকদের নিয়ন্ত্রিত করার নিয়মগুলোর দিকে তাকালেই চলবে!
** অধ্যায় ৩ (পৃষ্ঠা ৬৯)
* “সবকিছুর উত্তর [[বই|বইগুলোতে]] রয়েছে,” তিনি তাকে বললেন। “অবশ্যই কোন বইগুলো এবং কোথায় খুঁজতে হবে, তা জানার মধ্যেই আসল বিষয়।”
** অধ্যায় ৭ (পৃষ্ঠা ১১৬)
* লায়নের তার নিজের কাজের ব্যাপারে খুব কমই [[সন্দেহ]] ছিল। তিনি একাধিকবার যেমনটি বলেছিলেন, “আমি ভুল করতে পারি, তবে আমি কখনো সন্দেহে থাকি না।”
** অধ্যায় ১০ (পৃষ্ঠা ১৬২)
* “আমি সবসময় তোমাকে সাহায্য করতে ইচ্ছুক ছিলাম,” সে উত্তর দিল, “যদি তুমি আমাকে দোষারোপ করা বন্ধ করে আমার কথা শুনতে, তবে তুমি তা জানতে পারতে।”
** অধ্যায় ১০ (পৃষ্ঠা ১৭১)
==== ''[[w:শেরি এস. টেপার|ম্যারিয়ান, দ্য ম্যাডাম, অ্যান্ড দ্য মোমেন্টারি গডস]]'' (১৯৮৮) ====
:<small> সমস্ত পৃষ্ঠা নম্বর এইস বুকস কর্তৃক প্রকাশিত গণবাজার পেপারব্যাক প্রথম সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে {{ISBN|0-441-51962-8}} </small>
* [[হতাশা|মোহমুক্তি]], [[কষ্ট]], অপ্রীতিকর বিস্ময়, সবকিছুই ছিল [[বয়ঃপ্রাপ্তি|বড় হয়ে ওঠার]] অংশ।
** অধ্যায় ১ (পৃষ্ঠা ৬)
* “এমনটা কীভাবে ঘটল?” সে বিশ্বের কাছে সাধারণভাবে জানতে চাইল।<br>“[[সফটওয়্যার]],” হার্ডওয়্যার পরামর্শক মত দিলেন।<br>“হার্ডওয়্যার,” সফটওয়্যার সাপোর্ট ব্যক্তিটি গর্জে উঠল।
** অধ্যায় ৫ (পৃষ্ঠা ৫১)
* যা নির্ধারিত ছিল তার সাথে বাস্তবে যা ঘটেছে তার কোনো সম্পর্ক ছিল না।
** অধ্যায় ৬ (পৃষ্ঠা ৬৭)
* “প্রতিদিন আমরা প্রাসাদের তিন ব্লকের মধ্যে থাকা সমস্ত জায়গা তল্লাশি করি। তারা আমাদের বলে যে আমরা [[নৈরাজ্যবাদ|নৈরাজ্যবাদী]] এবং [[বিপ্লব|বিপ্লবীদের]] খুঁজছি, যদিও আমরা কখনো কাউকে পাইনি। একবার একদল সংশয়বাদীকে পেয়েছিলাম, কিন্তু কেউ পরোয়া করেনি।”<br>“তারা কী সংশোধন করছিল?” সে সত্যিই কৌতূহলী হয়ে জিজ্ঞেস করল।<br>“জানি না। তাদের জিজ্ঞেস করিনি।”
** অধ্যায় ৮ (পৃষ্ঠা ৮৭)
* এটি কেমন ধরনের একটি [[মহাবিশ্ব]] হবে যদি আমরা একে অপরের জন্য ছোটখাটো [[দয়া|দয়ালু]] কাজ না করতে পারি?
** অধ্যায় ১৭ (পৃষ্ঠা ১২৩)
* “কখনো কখনো আমি [[হতাশা|হতাশ]] হয়ে পড়ি, এলাট। আমি কি কখনো তোমাকে অবাক করতে পারব?”<br>“হ্যাঁ। যদি তুমি কখনো আমার কথা শোনো, তবে এটি আমাকে ব্যাপকভাবে অবাক করবে।”
** অধ্যায় ১৮ (পৃষ্ঠা ১৩৭)
==== ''[[w:শেরি এস. টেপার|ম্যারিয়ান, দ্য ম্যাচবক্স, অ্যান্ড দ্য ম্যালাকাইট মাউস]]'' (১৯৮৯) ====
:<small> পৃষ্ঠা নম্বর এইস বুকস কর্তৃক প্রকাশিত গণবাজার পেপারব্যাক প্রথম সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে {{ISBN|0-441-51964-4}} </small>
* “অবশ্যই, গভর্নর বলছেন লোকটির ভুল হয়েছে।”<br>“গভর্নর বলছেন সে একটা বোকা গাধা,” হাওরভাতাত বিড়বিড় করে বললেন। “আমার মনে হয় লোকটার সফটওয়্যারের কোথাও কোনো ত্রুটি আছে।”
** অধ্যায় ২ (পৃষ্ঠা ১৩)
=== ''[[w:দ্য গেট টু উইমেনস কান্ট্রি|দ্য গেট টু উইমেনস কান্ট্রি]]'' (১৯৮৮) ===
:<small> সমস্ত পৃষ্ঠা নম্বর ব্যান্টাম স্পেকট্রা কর্তৃক প্রকাশিত গণবাজার পেপারব্যাক সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে {{ISBN|0-553-28064-3}} </small>
* মরগট এবং মায়রা তাকে বলত যে [[প্রতিশ্রুতি]] দেওয়ার বা [[পরিবর্তন|পরিবর্তন]] খোঁজার কোনো কারণ নেই, কারণ গ্রেট মাদার দরকষাকষি করতেন না। [[দেবতা|দেবতা]] [[নারী|নারীদের]] সুবিধার জন্য তার মত পরিবর্তন করতেন না। তার পথ ছিল অপরিবর্তনীয়। মন্দির সেবকদের মতে, “কোনো ভাবপ্রবণতা নেই, কোনো রোমান্স নেই, কোনো মিথ্যা আশা নেই, নিজেকে সান্ত্বনা দেওয়ার মতো মিথ্যা নেই, কেবল যা আছে তা-ই!” স্ট্যাভিয়া ভেবেছিল, এর ফলে নারীদের নিজস্ব উদ্যোগ নেওয়ার খুব কম জায়গাই অবশিষ্ট থাকে।
** অধ্যায় ২, পৃষ্ঠা ৯
* হেডিসে বা পাতালপুরীতে কোনো যৌন মিলন নেই।
** অধ্যায় ৭, পৃষ্ঠা ৫৭; বইটির বাকি অংশে ক্যাচ ফ্রেজটি প্রায়শই পুনরাবৃত্তি হয়েছে।
* আমরা আদেশ [[আদেশ পালন|মেনে চলি]], এবং অফিসার পাগল কি না তা আমরা জিজ্ঞেস করি না!
** অধ্যায় ৮, পৃষ্ঠা ৭৫
* মায়রা ক্ষুব্ধ এবং গোমড়ামুখো [[নীরবতা|নীরবতায়]] মগ্ন হলো। তার [[মা|মাতৃত্বের]] রোমান্টিক স্বপ্ন গভীর রাতের খাওয়ানো, ক্রমাগত ডায়াপার ধোয়া এবং এমন একটি [[শিশু|শিশুর]] কারণে তীক্ষ্ণ টুকরোতে পরিণত হয়েছিল, যে একটি তরুণ [[বীর|বীরের]] মতো নয় বরং একটি শিশুর মতোই দেখতে এবং আচরণ করতে জেদ ধরেছিল।
** অধ্যায় ১০, পৃষ্ঠা ৮৮
* চেরনন, [[সম্মান]] হলো কেবল একটি লেবেল যা তারা তোমাকে দিয়ে যা করাতে চায় তার জন্য ব্যবহার করে। তারা চায় তুমি থাকো, তাই তারা থাকাকে সম্মানজনক বলে।
** অধ্যায় ১৪, পৃষ্ঠা ১৪৯
* প্রতিটি পরিকল্পনার একটি নিশ্চিত অংশ হলো এটি ভেস্তে যাবে।
** অধ্যায় ১৫, পৃষ্ঠা ১৬৫
* আমার [[অজ্ঞতা|অজ্ঞতার]] মাত্রা আমাকে অত্যাচার করে।
** অধ্যায় ১৬, পৃষ্ঠা ১৭১
* “আমাদের ভ্রমণকারীদের একটি কথা আছে: ‘পুরুষের কাজের জন্য তোমার দলের নেতার কাছে যাও; নারীর কাজের জন্য উইমেনস কান্ট্রিতে যাও। আর কোনো [[বোকা|বোকার]] কাজের জন্য যোদ্ধাদের কাছে যাও।’”
** অধ্যায় ১৬, পৃষ্ঠা ১৭৩
* “নিজেদের দেখাও,” স্টিফন চিৎকার করে বলল। “কেবল [[ভীতু|ভীতুরাই]] অন্ধকারে লুকায়।”<br>“ভীতুরা অনেক কিছুই করে,” কণ্ঠস্বরটি বলল। “ভীতুরা তাদের কমান্ডারদের হত্যা করে এবং এটিকে দস্যুদের আক্রমণের মতো দেখায়। ভীতুরা গোপনে ষড়যন্ত্র করে। ভীতুরা বিদ্রোহের জন্ম দেয়। ভীতুরা নারীদের নির্যাতনের পরিকল্পনা করে।”
** অধ্যায় ৩৪, পৃষ্ঠা ৩০২
=== ''[[w:শেরি এস. টেপার|দ্য আরবাই ট্রিলজি]]'' ===
==== ''[[w:গ্রাস (উপন্যাস)|গ্রাস]]'' (১৯৮৯) ====
:<small> সমস্ত পৃষ্ঠা নম্বর ব্যান্টাম স্পেকট্রা কর্তৃক প্রকাশিত গণবাজার পেপারব্যাক সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে {{ISBN|0-553-28565-3}}, আগস্ট ১৯৯০, প্রথম মুদ্রণ </small>
* সিলভানের কাছে [[সত্য]] মানে সত্য এবং বাকি সবকিছু ছিল ঘোর [[ধর্মদ্রোহিতা]]। যদিও মাঝেমধ্যে কোনটি কী তা নির্ধারণ করতে গিয়ে তার খুব মানবিক অসুবিধা হতো।
** অধ্যায় ২, পৃষ্ঠা ৭
* ধনী লোকেরা এ ধরনের ঝামেলায় পড়ত না। তারা কখনো পড়েনি। কেবল গরিবরাই ফাঁদে পড়ত: [[অজ্ঞতা|অজ্ঞতার]] কারণে, [[ধর্ম|ধর্মের]] কারণে, এবং এমন লোকেদের তৈরি করা স্বঘোষিত ধার্মিক [[আইন|আইনগুলোর]] কারণে যারা শাস্তি ছাড়াই সেগুলো ভাঙত।
** অধ্যায় ৩, পৃষ্ঠা ৩২
* সব বাচ্চাই মনে করে অন্য কোনো [[পরিবার]] নিখুঁত।
** অধ্যায় ৬, পৃষ্ঠা ১০৩
* তারা জিনিস দেখে; তারা জিনিস শুনতে পায়; তারা আমাদের বলে। যখন আমাদের প্রয়োজন হয়, তখন আমরা দুই আর দুই যোগ করে চুয়াল্লিশ বানাই।
** অধ্যায় ৭, পৃষ্ঠা ১১৫
* ইউজেনি প্রায়ই এ কথা ভাবতেন। পুরুষেরা তাকে তার সম্পর্কে অনেক মিষ্টি কথা বলেছিল, কিন্তু এর আগে কখনো বলেনি যে তিনি গুরুত্বপূর্ণ। এটি ছিল তার পাওয়া সবচেয়ে সুন্দর [[প্রশংসা]]।
** অধ্যায় ৭, পৃষ্ঠা ১২০
* সমস্ত পুরুষই বিশ্বাস করত যে [[যৌন মিলন|বিছানায়]] তাদের নিজস্ব জাদু রয়েছে।
** অধ্যায় ৭, পৃষ্ঠা ১২০
* তোমাকে প্রথমে নিজেকে বলতে হবে যে বদমাশগুলো ভুল... শুধু সামান্য ভুল নয়, বরং অমার্জনীয়ভাবে, সম্পূর্ণভাবে এবং স্থানীয়ভাবে ভুল। তোমার কোনো কথা বা কাজ তাদের ভুল হওয়া ঠেকাতে পারবে না। তারা অনন্তকাল ভুল থাকার জন্যই অভিশপ্ত, আর এটাই ঈশ্বরের ইচ্ছা।
** অধ্যায় ৭, পৃষ্ঠা ১৪০-১৪১
* তিনি বলেছিলেন, “সেখানে তাদের এক ধরণের কমিটি রয়েছে, একটি অফিস। এর নাম হলো অ্যাকসেপ্টেবল ডকট্রিন বা গ্রহণযোগ্য মতবাদ। কমিটির প্রত্যেকে মূলত মানুষ কী বিশ্বাস করে তা নিয়েই সবচেয়ে বেশি চিন্তিত। তারাই জিনিসগুলো চালাচ্ছে; তাদের বলতে দিয়ো না যে তারা তা করছে না। [[সত্য]] এখানে প্রবেশ করে না। যদি তারা সিদ্ধান্ত নেয় যে কোনো কিছু একটি মতবাদ, তবে তারা এর বিপরীত সমস্ত প্রমাণ উপেক্ষা করবে এবং তোমার মুখের ওপর মিথ্যা বলবে। তুমি এ ধরনের লোকদের সাথে ঝামেলায় জড়াতে চাও না, তাই না? বিশেষ করে যদি তোমার কাছে জিজ্ঞাসা করার মতো প্রশ্ন থাকে। না।”
** অধ্যায় ১০, পৃষ্ঠা ১৯১
* যদি [[ঈশ্বর]] সত্যই শক্তিশালী হন, তবে তিনি এই মহামারী চলতে দেবেন না।
** অধ্যায় ১১, পৃষ্ঠা ২০৮
* “আজ শিকারে যাচ্ছেন না, স্যার?” টনি তার সবচেয়ে নিষ্পাপ কণ্ঠে জিজ্ঞেস করল। সে দুই আর দুই মেলাতে ব্যস্ত ছিল, কিন্তু ফলাফল নিয়ে তার অনুভূতি সম্পর্কে সে নিশ্চিত ছিল না।
** অধ্যায় ১১, পৃষ্ঠা ২৩৫
* পৃথিবীর ইতিহাস আমাদের বলে যে [[অতিরিক্ত জনসংখ্যা|সীমাহীন প্রজননের]] ধর্মীয় আদেশের পর কী ধরনের ভয়াবহতা দেখা দেয়।
** অধ্যায় ১২, পৃষ্ঠা ২৫০
* ''অনুতাপ বা [[অপরাধবোধ|অপরাধবোধের]] পেছনে তোমার সময় নষ্ট কোরো না। এর চেয়ে সমস্যা সমাধান করা ভালো!''
** অধ্যায় ১৫, পৃষ্ঠা ৩৩৮
* হাঁসের তৃতীয় পায়ের মতোই অকেজো।
** অধ্যায় ১৬, পৃষ্ঠা ৩৪৫
* “আমার তেমন আত্মবিশ্বাস নেই,” সে বলল। “আমাকে যা শেখানো হয়েছে তার অনেক কিছুরই কোনো মানে হয় না।”<br>“এটাই [[শিক্ষক|শিক্ষকতার]] প্রকৃতি। কিছু একটা ঘটে, এবং [[বুদ্ধিমত্তা]] প্রথমে তা অনুধাবন করে, তারপর সেটি নিয়ে একটি নিয়ম তৈরি করে, এরপর সেই নিয়মটি অন্যদের জানানোর চেষ্টা করে। খুব ছোট সত্তারা সব সময় এভাবেই কাজ করে। তবে, যখন [[তথ্য]] অন্যদের কাছে পৌঁছায়, ততক্ষণে নতুন জিনিস ঘটতে থাকে যার সাথে পুরোনো নিয়মটি খাপ খায় না। অবশেষে বুদ্ধিমত্তা নিয়ম তৈরি করা বন্ধ করতে এবং এর প্রবাহ বুঝতে শেখে।”
** অধ্যায় ১৬, পৃষ্ঠা ৩৫৪
* খুব ভালো কোনো কাজের নয়।
** অধ্যায় ১৬, পৃষ্ঠা ৩৫৫
* আমি সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেষ্টা করছি যে আমরা দয়ালু হওয়ার সামর্থ্য রাখি কি না। আরবাইরা [[দয়া|দয়ালু]] ছিল, কিন্তু [[মন্দ|মন্দের]] মুখোমুখি হলে, [[দয়া]] একটি মন্দে পরিণত হয়।
** অধ্যায় ১৬, পৃষ্ঠা ৩৫৮
* তারা এখনও শেখেনি যে [[প্রায়শ্চিত্ত|অনুতপ্ত]] হওয়া কখনো কখনো কোনো কাজেই আসে না।
** অধ্যায় ১৬, পৃষ্ঠা ৩৭৪
* ''মার্জোরি ভাবল:'' এটি সবসময় এমন কিছুতেই এসে দাঁড়ায়, তাই না। আমাদের বিবেক যা-ই বলুক না কেন, আমাদের যত মতবাদই শেখানো হোক না কেন, আমরা যত নৈতিক বিবেচনাই চিবিয়ে, গিলে এবং হজম করার চেষ্টা করি না কেন, শেষ পর্যন্ত আমাদের এমন অস্ত্র দিয়ে সজ্জিত হতে হয় যা যতটা সম্ভব মারাত্মক। আর তারপর আমাদের যুদ্ধে নামতে হয়...
** অধ্যায় ১৭, পৃষ্ঠা ৩৭৭
* [[অতীত|অতীতের]] সময় যতই দীর্ঘ হোক না কেন, তা কিছুই ছিল না। [[ভবিষ্যৎ|সামনের]] সময় যতই সংক্ষিপ্ত হোক না কেন, তা-ই ছিল সবকিছু।
** অধ্যায় ১৭, পৃষ্ঠা ৩৮৫
* সে [[মৃত্যু|মারা যাওয়ার]] বিষয়ে দার্শনিক মনোভাব পোষণ করার চেষ্টা করছিল, কিন্তু পারছিল না। সে [[ভয়|ভীত]] না হওয়ার চেষ্টা করছিল, কিন্তু সেটিও পারছিল না।
** অধ্যায় ১৭, পৃষ্ঠা ৩৮৮
* কেবল [[কর্তব্য]] যথেষ্ট ছিল না। এর চেয়ে আরও বেশি কিছু থাকা দরকার ছিল!
** অধ্যায় ২০, পৃষ্ঠা ৪৪৬
* তিনি অনেক তর্কবিতর্ক করতেন এবং যখন তার [[যুক্তি]] দুর্বল হতো তখন তিনি সবসময় তার গলার স্বর উঁচুতে নিয়ে যেতেন।
** অধ্যায় ২০, পৃষ্ঠা ৪৪৭
==== ''[[w:শেরি এস. টেপার|রেইজিং দ্য স্টোনস]]'' (১৯৯০) ====
:<small> সমস্ত পৃষ্ঠা নম্বর ব্যান্টাম স্পেকট্রা কর্তৃক প্রকাশিত গণবাজার পেপারব্যাক সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে {{ISBN|0-553-29116-5}}, সেপ্টেম্বর ১৯৯১, প্রথম মুদ্রণ </small>
* তার গলার স্বর বুঝিয়ে দিচ্ছিল যে, সে ঘটনাস্থলে আসার আগে যে কোনো জায়গায় যা কিছু ঘটে থাকতে পারে, তা কতটা গুরুত্বহীন।
** পর্ব ১, “হবস ল্যান্ড”, অধ্যায় ১ (পৃষ্ঠা ১৩)
* স্যাম বড় হয়ে কর্তব্যপরায়ণ এবং জেদি উভয়ই হয়েছিল। সে এমন একটি ছেলে ছিল যে ঝামেলা এড়াতে হ্যাঁ বলত, কিন্তু তারপর নিজের ইচ্ছেমতো কাজ করত।
** অধ্যায় ১ (পৃষ্ঠা ১৬)
* “সেই কিংবদন্তিগুলোতে অনেক বেশি পিতৃত্বের কথা রয়েছে,” স্যাল অসম্মতির সুরে মন্তব্য করলেন। “অনেক বেশি পিতৃত্ব, অনেক বেশি রাজত্ব, অনেক বেশি মৃত্যু এবং সহিংসতা, আর খুব কম মাতুলত্ব এবং সাধারণ দয়ালু জীবনযাপন।”
** অধ্যায় ২ (পৃষ্ঠা ৫৩)
* কিন্তু ভুরস্টড অনেক আগেই শিখেছিল যে [[নবী|নবীদের]] মধ্যে [[ধৈর্য]] বলতে কী বোঝায়: একটি [[রাগ]] যা তারা খুব কমই দমন করার চেষ্টা করে। নবীদের মতে, যদি কোনো মানুষ তার মিশনে ব্যর্থ হয়, তবে সে ব্যর্থ হয়েছে কারণ সর্বশক্তিমান [[ঈশ্বর]] তার ওপর অখুশি ছিলেন এবং এমনটাই চেয়েছিলেন। যদি ঈশ্বর তার ওপর খুশি থাকতেন, তবে সে ব্যর্থ হতে পারত না। যদি সে ব্যর্থ হয়, তবে ঈশ্বর তার ওপর অখুশি এবং নবীরাও তার ওপর অখুশি। এর সবকিছুই খুব যৌক্তিক ছিল।
** অধ্যায় ২ (পৃষ্ঠা ৭৯)
* থিওলজি প্যানেল বা ধর্মতত্ত্ব প্যানেল বলেছে, আসুন আমরা বিবেচনা করি: “ভুরস্টড কি একটি দাস রাষ্ট্র, নাকি এটি কেবল [[ধার্মিকতা|ধার্মিক]]?”
** অধ্যায় ৩ (পৃষ্ঠা ৮৩)
* ভুরস্টডের দাবি অনুযায়ী, পালিয়ে যাওয়া ঘর্মদের কি চুক্তি ভঙ্গকারী এবং ধর্মত্যাগী হিসেবে ফিরিয়ে দেওয়া উচিত? নাকি সাধারণ জ্ঞান এবং ভালো স্বভাবের নির্দেশ অনুসারে ঘর্মদের আশ্রয় দেওয়া উচিত? কোথায় মানবতার সমাপ্তি ঘটে এবং [[ধর্ম|ধর্মে]] হস্তক্ষেপ শুরু হয়?
** অধ্যায় ৩ (পৃষ্ঠা ৮৩)
* অন্য কোথাও হয়তো [[আলোচনা|আলোচনা]] কাজে লাগতে পারত। অন্যান্য ধর্মের ক্ষেত্রে এটি কাজে লাগতে পারত। তবে ভুরস্টডের ঈশ্বর ছিলেন এক ঈর্ষাপরায়ণ এবং প্রতিহিংসাপরায়ণ দেবতা যিনি [[খুন|হত্যা]], [[সন্ত্রাসবাদ]] এবং অভিশাপ দিয়ে শাসন করতেন। তার সাথে কেউ কীভাবে আলোচনা করতে পারে?
** অধ্যায় ৩ (পৃষ্ঠা ৮৩)
* যেখানে অন্যান্য দেবতারা জীবনকে একটি বাগান বানানোর পক্ষে কথা বলতে পারেন, সেখানে ভুরস্টডের ঈশ্বর কেবল [[মৃত্যু|মৃত্যুর]] পরেই বাগানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, বিশেষত সহিংস মৃত্যুর পরে। নবীদের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, এরপরই কেবল বিশ্বাসীরা সবুজ ঘাসের ওপর শুয়ে আঙুর চুষতে পারবে এবং [[কুমারিত্ব|কুমারীদের]] সাথে যৌন মিলন করতে পারবে।
** অধ্যায় ৩ (পৃষ্ঠা ৮৩-৮৪)
* অন্যান্য যেসব জাতি তাদের জীবনকে অতীতের ভুল এবং ভবিষ্যতের [[স্বর্গ|স্বর্গের]] ওপর কেন্দ্রীভূত করেছিল, তাদের মতো ভুরস্টড বর্তমানকে এক চিরস্থায়ী [[নরক|নরকে]] পরিণত করেছিল।
** অধ্যায় ৩ (পৃষ্ঠা ৮৪)
* বেশ কয়েক দিন ধরে তারা সরু গাছের গুঁড়িগুলো কাটল, ছাঁটল এবং স্তূপ করে রাখল। তারা এমন গুঁড়িগুলো বেছে নেওয়ার চেষ্টা করল যেগুলো সোজা এবং আকারে সমান। তারা বনের কোনো এলাকা পুরোপুরি পরিষ্কার না করার ব্যাপারে সতর্ক ছিল। জ্যাপের মা এই কাজটিকে গণহত্যার চেয়ে সামান্য কম অসম্মানজনক বলে মনে করতেন।
** অধ্যায় ৩ (পৃষ্ঠা ৯৬-৯৭)
* প্রতিটি কথোপকথন ক্ষমা প্রার্থনার মাধ্যমে শুরু করা তার স্বভাব ছিল, যাতে ক্ষমা গৃহীত হলে সে অপমানিত হতে পারে।
** অধ্যায় ৩ (পৃষ্ঠা ১০১)
* “অবশ্যই প্রথম দিকে ধারণা করা হতো যে অনেক দেবতা আছেন যারা বিভিন্ন জিনিস ঘটান। আর তাদের সন্তুষ্ট করতে বা অন্য কোনো দেবতা যা করেছেন তা বাতিল করতে বলতে, অথবা বিরল ক্ষেত্রে ধন্যবাদ জানাতে তাদের কাছে পৌঁছানো প্রয়োজন ছিল। যেহেতু তাদের সংখ্যা অনেক ছিল, তাই কোনো দেবতা ঝামেলা করলে অন্য কোনো দেবতার কাছে যাওয়ার সুযোগ সবসময়ই ছিল। আসলে এটি খুব একটা খারাপ অবস্থা ছিল না। ঠিক যেমন ব্যবস্থা আজ ফ্যানসিওরের রয়েছে। অবশ্যই, এটি তার নিজের ধ্বংসের বীজ বহন করত। কারণ মানব-দেবতাদের চারপাশে গড়ে ওঠা কিছু পুরোহিত তাদের নিজস্ব লোভ বা ক্ষমতার প্রয়োজনে বিভ্রান্ত হয়ে পড়েছিল।<br>“তাই, তাদের মধ্যে কেউ কেউ নবী হয়ে উঠেছিল। তাদের প্রত্যেকে তার নিজস্ব দেবতা—বা তার উদ্ভাবিত কোনো নতুন দেবতা—কী কারণে সবচেয়ে বড় বা সেরা বা একমাত্র, তা দাবি করত। কখনো কখনো তারা বলত ঈশ্বর হলেন সর্ব-মঙ্গলময় বা [[সর্বশক্তিমান|সর্বশক্তিমান]] বা সর্ব-কিছু-বা-অন্য-কিছু বা এমনকি, ঈশ্বরই জানেন, সর্ব-সবকিছু। আর এটি অনিবার্যভাবে [[দ্বৈতবাদ]] তৈরি করেছিল। কারণ ঈশ্বর যদি সর্ব-সবকিছু হন, তবে কেন এই বিপরীত জিনিসগুলো ঘটতেই থাকে? এর জন্য মানুষের প্রয়োজন ছিল বিপরীতমুখীতার জন্য দায়ী অন্য কোনো শক্তিকে অনুমান করা। তা কোনো উপ-দেবতা বা খারাপ ফেরেশতা বা মানুষ নিজেই হতে পারে যে কেবল পাপ করছে। এটি মানুষকে এই মহাজাগতিক যুদ্ধক্ষেত্রের ঠিক মাঝখানে ফেলে দিয়েছিল, এবং তাকে সবসময় বলা হয়েছিল যে যখন জিনিসগুলো ভুল হয় তখন এটি তার দোষ।<br>“আর মানুষ যতদিন মাঝখানে ছিল, ততদিন এক ধরনের দড়ি টানাটানি ছাড়া আর কিছুই ঘটতে পারেনি। মানুষ প্রতিনিয়ত ঈশ্বরের কাছে [[শান্তি|শান্তির]] জন্য প্রার্থনা করত, কিন্তু শান্তি কখনো আসেনি। তাই সে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যে তার ঈশ্বর অবশ্যই [[যুদ্ধ]] চান কারণ অপর পক্ষ পাপী। মানুষ এমন গুণাবলী উদ্ভাবন এবং প্রশংসা করেছে যার উদাহরণ কেবল যুদ্ধের পরিস্থিতিতেই দেওয়া যেতে পারে। যেমন বীরত্ব, শৌর্য এবং [[সম্মান]]। আর সে এ ধরনের কাজের জন্য নিজেকে লরেল পাতার মালা বা লুটের মাল বা পদক দিয়েছে। এভাবেই সে পাপ করার সময় ভালো আচরণ করার জন্য নিজেকে পুরস্কৃত করেছে। সে যখন আদিম ছিল তখন এটি করেছিল, এবং সভ্য হওয়ার পরও সে এটি চালিয়ে গিয়েছিল।”
** অধ্যায় ৩ (পৃষ্ঠা ১০৬-১০৭)
* “বেশিরভাগ একেশ্বরবাদই ছিল উপজাতীয়, যাজকীয়, শাস্তিমূলক ধর্ম। এগুলো হাজার হাজার বছর ধরে গণহত্যা ঘটিয়েছে, মাথার খুলির পিরামিড তৈরি করেছে এবং সংগঠিত হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে। তাই এক ব্যক্তির দেবতার সাথে অন্য ব্যক্তির দেবতার লড়াই করার প্রচুর সুযোগ ছিল। প্রতিটি উপজাতীয় ধর্ম দাবি করত যে তাদের দেবতাই হলেন একমাত্র সত্য ঈশ্বর। অবশ্যই, এর অর্থ কী তা নিয়ে প্রতিটি নবীর নিজস্ব ধারণা ছিল। আর এর ফলস্বরূপ মানুষ সবসময় ঈশ্বরের বিষয়ে বিভিন্ন মানুষের ধারণার মধ্যে টানাহেঁচড়ার শিকার হতো। এটি নির্ভর করত অতি সম্প্রতি কে যুদ্ধে জিতেছে বা প্রাসাদ অভ্যুত্থান বা রাজনৈতিক যুদ্ধে কে জিতেছে তার ওপর।<br>“এর মানে হলো মানবজাতিকে সবসময় এমন দেবতাদের গ্রহণ করতে বলা হতো যা তার নিজস্ব প্রকৃতির সাথে বেমানান ছিল। আমি বলতে চাই, যদি আপনার নবী যৌনভাবে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতেন, বা যদি তার পরবর্তী ব্যাখ্যাকারীরা ভুগতেন, তবে সেই ধর্ম [[কৌমার্য]] বা দমন বা এমনকি নারীদের প্রতি ঘৃণার দাবি জানাত। যদি নবী একজন [[সমকামভীতি|সমকামী বিদ্বেষী]] হতেন, তবে তিনি [[সমকামিতা|সমকামীদের]] ওপর নির্যাতনের প্রচার করতেন। আর যদি তিনি লম্পট এবং লোভী উভয়ই হতেন, তবে তিনি বহুগামিতার প্রচার করতেন। যদি তিনি বিলাসী হতেন, তবে তিনি আমাকে-টাকা-দাও-আর-ঈশ্বর-তোমাকে-ধনী-করবেন এই প্রচার করতেন। যদি তিনি নিজেকে নিপীড়িত মনে করতেন তবে তিনি প্রতিশোধের-ঈশ্বর, চলো-অন্যকে-মেরে-ফেলি প্রচার করতেন। আর সৎ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত [[বিশ্বজনীনতা|বিশ্বজনীনতাবাদীরা]] যতই ভান করুক না কেন যে সমস্ত দেবতাই বিভিন্ন রূপে এক ঈশ্বর, তারা মোটেও তা ছিল না। কারণ প্রতিটি নবী তার নিজের দুঃস্বপ্ন মোকাবিলার জন্য নিজের প্রতিমূর্তিতে ঈশ্বরকে তৈরি করেছেন।”
** অধ্যায় ৩ (পৃষ্ঠা ১০৭-১০৮)
* এটি আমাদের মন এবং অন্য কোনো বৈশিষ্ট্য নয় যা আমাদের ব্যক্তিত্ব এবং মূল্য দেয়। আমরা অন্যান্য জীবের সাথে [[বুদ্ধিমত্তা]] ভাগ করে নিই, এবং তারা আমাদের চেয়ে কোনো অংশে কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। এমনকি শনাক্তযোগ্য বুদ্ধিমত্তা ছাড়া প্রাণীরাও প্রয়োজনীয় ভূমিকা পালনের জন্য নিজেদের মানিয়ে নিয়েছে। ঈশ্বরকে আমাদের প্রতিমূর্তিতে বা আমাদের ঈশ্বরের প্রতিমূর্তিতে তৈরি করা ধর্মদ্রোহিতা।
** অধ্যায় ৪ (পৃষ্ঠা ১৫৫)
* নিখুঁত [[সত্য]] দেখার বা শেখার [[অহংকার|অহংকারের]] পাপ ছাড়া কোনো মনে অন্তর্নিহিত কোনো [[পাপ]] নেই। দ্বিতীয় বৃহত্তম পাপ হলো সেই সত্য খোঁজার চেষ্টা না করা যা একজনকে স্বীকার করতে হবে যে সে কখনোই নিখুঁতভাবে পাবে না।
** অধ্যায় ৪ (পৃষ্ঠা ১৫৫)
* মানুষ ভালো উদ্দেশ্য নিয়ে এলেও, তাদের আপনার মাথা নিয়ে খেলা করতে দেবেন না।
** অধ্যায় ৪ (পৃষ্ঠা ১৫৫)
* তারা এখনও তাদের ধর্মীয় সেবাকার্য নবীর বলা প্রথম কথাগুলো দিয়ে শুরু করে যা তাদের একটি শিক্ষা হিসেবে দেওয়া হয়েছিল। “আমি তোমাদের এই বলছি, [[লিঙ্গবৈষম্য|লিঙ্গবৈষম্যবাদী]] শূকর হয়ো না।”
** অধ্যায় ৪ (পৃষ্ঠা ১৫৬)
* অন্যান্য ব্যাখ্যার মতো এটি হাই বাইডিদের পোশাকের নির্দেশ দিতে ব্যবহৃত হতো। এর মধ্যে জেটল নামের একটি ছোট স্কার্ফ ছিল যা বেল্ট থেকে ঝুলানো থাকত। এর একপাশে লেখা থাকত “জিনিসপত্র ঘটে” এবং অন্যপাশে লেখা থাকত “নির্দোষ”।
** অধ্যায় ৪ (পৃষ্ঠা ১৫৬)
* যদিও সে খুব তরুণ ছিল, মাত্র বিশের কোঠায়, তার বিশাল ক্যারিশমা ছিল। শুধুমাত্র এই গুণটিই তাকে এমনভাবে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলেছিল যেভাবে অভিনেতারা এবং গণবক্তারা বিশ্বাসযোগ্য হয়। সে এতটাই অপ্রতিরোধ্যভাবে বিশ্বাসযোগ্য ছিল যে তাকে কখনোই প্রাসঙ্গিকতা প্রমাণ করতে বলা হয়নি।
** অধ্যায় ৫ (পৃষ্ঠা ১৬৩)
* বেশিরভাগ ছেলেই যখন প্রেমের সম্পর্কে জড়ানো শুরু করত বা প্রেমের সম্পর্কে জড়ানোর কথা ভাবত, তখন তারা বাড়ি থেকে চলে যেত। বাস্তবে কোনো কিছু না ঘটেই শুধু চিন্তাভাবনা করেই অনেকটা সময় পার করা যেত। এটি সেই সব বিবাহভিত্তিক সংস্কৃতির মতো ছিল না, যেখানে সব নারী তাদের কুমারিত্ব ধরে রাখার চেষ্টা করত এবং সব পুরুষ তা কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করত। সবাই হাঁপাত আর ছুটত। সবাই বেশি বয়স হওয়ার আগেই গ্রহণযোগ্য পরিস্থিতিতে গ্রহণযোগ্য সঙ্গীকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করত।
** অধ্যায় ৫ (পৃষ্ঠা ১৭৩)
* নবী ঘোষণা করেছিলেন যে নিখুঁত সত্যে বিশ্বাস করা একটি পাপ। কিন্তু স্ক্রুটেটররা দাবি করেছিলেন যে এটি ধর্মীয় সত্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। আর শতাব্দী ধরে তারা এর একটি ভালো সরবরাহ তৈরি করেছিলেন।
** অধ্যায় ৫ (পৃষ্ঠা ১৮৪)
* “তুমি কীভাবে জানলে যে আমরা ভুরস্টডার?” সে মসৃণ কণ্ঠে জিজ্ঞেস করল।<br>“তুমি বলেছ ‘প্রভু জানেন’,” লোকটি উত্তর দিল। “ভুরস্টডাররা এমনটা বলে। আমি আর্কাইভগুলোতে একটু-আধটু পড়াশোনা করি। এটি আমার এক ধরনের শখ। পুরোনো ধর্মগুলোর বিষয়ে পড়তে ভালো লাগে। ওই প্রভু-এটা, প্রভু-ওটা ধরনের কথাবার্তা পুরোনো উপজাতীয় ধর্মগুলোর অংশ, তাই না?” তার কণ্ঠস্বর বলে দিচ্ছিল পুরোনো এবং সেকেলে। পুরোনো, সেকেলে এবং সন্দেহজনক।
** অধ্যায় ৫ (পৃষ্ঠা ১৯৩)
* স্পিগি মৃদুস্বরে বলল, “আমার মনে হয় যখন মানুষের কোনো জাতি এতটা মানবকেন্দ্রিক হয়ে ওঠে যে তারা অন্যান্য জীবকে ছোট ভোগ্যপণ্য হিসেবে বিবেচনা করে, তখন এটি একটি অভ্যাসে পরিণত হতে পারে। ঘর্মদের পাশাপাশি অন্যান্য জীবন্ত প্রাণীদের অন্তর্ভুক্ত করাও সহজ হতে পারে। পশু। শিশু। নারী। সম্পূর্ণ গ্রহ। হয়তো তারাও এমন ভোগ্যপণ্যে পরিণত হবে যা ব্যবহার করে ফেলে দেওয়া হবে।”
** পর্ব ২, “ভুরস্টড”, অধ্যায় ২ (পৃষ্ঠা ২৮৪)
* নবীরা কাউকে বিশ্বাস করতেন না। এই উদ্দেশ্যে [[বিশ্বাস|বিশ্বাসের]] কোনো স্থান ছিল না।
** অধ্যায় ২ (পৃষ্ঠা ২৯১)
* “ক্যুপ মার্কার?” জ্যাপ পিরভাকে জিজ্ঞেস করেছিল। “উদ্দেশ্যটি কী?”<br>পিরভা যা করছিল তা থেকে চোখ না তুলেই উত্তর দিয়েছিল। “উদ্দেশ্যটি হলো তাদের সমাজ, তাদের ধর্ম, তাদের ভ্রাতৃত্ব,” সে বলেছিল। কথাগুলো তার মুখ থেকে অ্যাসিডের মতো ঝরছিল। “এটি খুনিদের একটি ক্লাব। আহাবার বা তিন কাউন্টির বাইরের কোনো অ্যাবোলিশনিস্ট বা ঘর্ম পুরুষ, নারী বা শিশুকে হত্যা করলে একজন মানুষ তার জন্য একটি ক্যুপ কাউন্টার বা পয়েন্ট পায়। তিন কাউন্টির মধ্যে বোমা ফাটানোর জন্যও বিশেষ কাউন্টার রয়েছে, এতে কে নিহত হলো বা অঙ্গহানি হলো তা বিবেচ্য নয়।”
** অধ্যায় ২ (পৃষ্ঠা ২৯৪)
* সময়ের সাথে সাথে, একটি খুব সুন্দর ব্যবস্থা গড়ে উঠেছিল। যারা ধর্মকে ধর্ম হিসেবে (সামাজিক নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা হিসেবে নয়, [[রাজনীতি]] হিসেবে নয়, [[যুদ্ধ]] হিসেবে নয়, বা দর্শনীয় বস্তু হিসেবে নয়) প্রকৃতই আগ্রহী ছিলেন, তারা সময়ে সময়ে মধ্যাহ্নভোজের সময় একত্রিত হয়ে তাদের পাণ্ডিত্যপূর্ণ গবেষণা একে অপরকে পড়ে শোনাতেন। অন্যদিকে কেরানি এবং সহকারীরা অন্তহীন এবং স্ব-উৎপাদিত কাগজপত্রের কাজ চালিয়ে যেতেন। অন্তত একে তা-ই বলা হতো, যদিও এতে খুব কমই বা একেবারেই কোনো কাগজ জড়িত ছিল না।
** অধ্যায় ৩ (পৃষ্ঠা ৩১৯)
* “কোনো সৈন্যবাহিনী নেই?”<br>“না। তারা সবসময় যুদ্ধের বদলে [[সন্ত্রাসবাদ|সন্ত্রাসবাদী]] কৌশলের পক্ষে কথা বলেছে। তাদের সবচেয়ে বড় গোষ্ঠী হলো তাদের বিশ্বস্তরা। তারা হলো উদ্দেশ্যের ভাই, যাদের নেতৃত্ব দেয় নবীদের মতো একদল চরমপন্থী। যদি তুমি কখনো কোনো বন্য মানুষের সাথে দেখা করতে চাও, তবে একজন [[নবী|নবীর]] সাথে দেখা করো। কিন্তু, উদ্দেশ্যের পাশাপাশি সম্ভবত আরও একশোটি ছোট দল রয়েছে। তাদের সবাই কোনো না কোনোভাবে সন্ত্রাসবাদের প্রতি নিবেদিত। এগুলোর কয়েকটিতে মাত্র আধা ডজন সদস্য রয়েছে। তাদের সম্পর্কে একটি ভালো জিনিস হলো, তারা কখনোই একসঙ্গে কাজ করতে পারেনি।”
** অধ্যায় ৩ (পৃষ্ঠা ৩২৭)
* এই মানুষগুলো এমন ধরনের যারা আমাদের হাতে মুক্ত হওয়ার চেয়ে তাদের দাস এবং পরিবারকে হত্যা করবে।
** অধ্যায় ৩ (পৃষ্ঠা ৩২৭)
* আপনাকে বুঝতে হবে যে তারা একটি [[পিউরিটানবাদ|পিউরিটান]] জাতি, কমান্ডার। ভুরস্টডারদের মধ্যে যৌনতা একটি অত্যন্ত শক্তিশালী নিষিদ্ধ বিষয়। তারা যখন পারে তখন এটিকে দেরি করায় এবং প্রতিরোধ করে। উদ্দেশ্যের নবীরা তাদের বলেন যে [[যৌনতা]] হলো [[ক্ষমতা]] এবং [[কৌমার্য|ব্রহ্মচর্য]] পালন করলে তাদের ক্ষমতা সঞ্চিত হয়। পুরোহিতেরা তাদের বলেন বিবাহিত যৌনতা ঠিক আছে, তবে কেবল ততটুকুই। পুরোহিত এবং নবী উভয়েই তাদের বলেন নারীদের দিকে না তাকাতে, নারীদের কথা না ভাবতে, যে নারীরা হলো [[শয়তান|শয়তানের]] মন্দ ফাঁদ। এবং বয়ঃসন্ধির পরের সমস্ত নারীই [[w:বোরকা|এমন পোশাক পরে যা তাদের চোখ ছাড়া সব ঢেকে রাখে]]।
** অধ্যায় ৩ (পৃষ্ঠা ৩২৮)
* “এটি হয়তো এমন কিছু তরুণ চরমপন্থী হবে যাদের বুদ্ধির চেয়ে শক্তি বেশি। আর তারা এটি করবে কারণ তারা প্রশ্নবিদ্ধ ধর্মটিকে এক ধরনের রোগ হিসেবে বিবেচনা করবে।”<br>“এটি কি সংক্রামক?”<br>“আপাতত তা-ই মনে হচ্ছে। অথবা হয়তো আমার বলা উচিত, এমনটাই সন্দেহ করা হচ্ছে।”<br>“এটি কুৎসিত হতে পারে। মানুষ [[উন্মাদনা|চরমপন্থী]] হয়ে ওঠে, তাই না? অপবিত্রদের বিরুদ্ধে চিৎকার করে এবং প্রলাপ বকে? সত্যের একমাত্র উৎস থাকার দাবি করে? ধর্মদ্রোহিতার জন্য মানুষকে মৃত্যুদণ্ড দেয়? মানুষকে খুঁটিতে বেঁধে পোড়ায়? তাদের পাইকারি হারে ওভেনে ঢোকায়?” রাসিয়েল মানব ইতিহাসের একজন ছাত্র ছিলেন, যার মধ্যে এর আরও বর্বর সময়কালগুলো অন্তর্ভুক্ত ছিল।
** অধ্যায় ৩ (পৃষ্ঠা ৩৩৬)
* “মূলত বিষয়টা হলো যে তুমি আমাদের কেউ নও। যদি তুমি আমাদের কেউ না হও, তবে তুমি একজন অবিশ্বাসী। যারা আমাদের অংশ নয়, তারা সবাই [[শয়তান|শয়তানের]] অংশ: তুমি, আহাবারের মানুষ, ফ্যানসিওরের মানুষ, সবাই। আমাদের উদ্দেশ্য হলো শয়তানকে, এর সবটুকুকে ধ্বংস করা। আমরাই ঈশ্বরের একমাত্র সত্যিকারের অনুসারী। সত্য আমাদের কাছে আছে। অনেক আগে ম্যানহোমে আমাদের কাছে এটি প্রকাশিত হয়েছিল।”...<br>“তুমিও সেটি বিশ্বাস করো?”<br>“অবশ্যই আমি তা বিশ্বাস করি। এটি আমার উদ্দেশ্য। এটি আমার বাবার উদ্দেশ্য ছিল, এবং তার আগে তার বাবার। এমনকি ম্যানহোমেও আমরা অবিশ্বাসীদের হত্যা করেছি।”
** অধ্যায় ৪ (পৃষ্ঠা ৩৬২; ধারাবাহিকতার খাতিরে কিছু আলোচনার বর্জন উপবৃত্ত দ্বারা বোঝানো হয়েছে)
* “মহৎ কাজ?” সে জিজ্ঞেস করল।<br>“সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের চূড়ান্ত বিজয়,” ফায়েদ হাসিমুখে বলল। “বইটিতে প্রকাশিত হয়েছে যে আমরা পুরো বিশ্বকে তরবারির মুখে রাখব।” ফায়েদ একটি চেয়ার মুছে বসল। “নবীরা এমনটাই বলেন, এবং যেহেতু তারা এটি বলেন, তাই আমিও তা-ই বলি।”
** অধ্যায় ৪ (পৃষ্ঠা ৩৭০)
* “তাহলে এখন কেন ভান করছ যে তুমি পরোয়া করতে?”<br>“কেন আমি যা চাই তা ভান করব না যদি এটি আমার জীবনকে সহজ করে? তুমি দেখো, আমরা বিশ্বস্তরা সেটি শিখেছি। কাজটিকে সহজ করার জন্য নিজেদের যা বলতে হবে, তা আমরা নিজেদের বলতে শিখি। আমরা বলতে শিখি, ‘ঈশ্বর এবং ভুরস্টডের জন্য,’ যখন আমরা টয়লেটে কোনো বৃদ্ধাকে বা শিশুভর্তি কোনো স্কুলমাঠে বোমা ফাটায়। তুমি দেখো, আমরা এটি নিজেদের জন্য অগত্যা করতাম না, তবে ঈশ্বর এবং ভুরস্টডের জন্য আমরা এটি করতে পারি।”
** অধ্যায় ৫ (পৃষ্ঠা ৩৯০)
* “কিন্তু এটি সত্য নয়,” স্যাম চুপ থাকতে না পেরে ফস করে বলে উঠল।<br>''“‘আমি দশবার যা বলি তা-ই সত্য।’”'' এটি আমাদের প্রবাদগুলোর একটি। আমরা তরুণদের মাথা এমন কথা দিয়ে পূরণ করতে শেখাই। [[প্রার্থনা]]। জপ। কোলাহলের অন্তহীন বৃত্ত। একই শব্দ বারবার পুনরাবৃত্তি করা হয় যতক্ষণ না তা মনকে পূর্ণ করে দেয়। ধর্মগ্রন্থগুলো বলে, ''‘সংকল্প হলো ঈশ্বরের অস্ত্র; চিন্তাভাবনা হলো [[সংকল্প|সংকল্পের]] শত্রু; কথা চিন্তাভাবনাকে দূরে রাখে; তাই কথা শিখুন।’'' এমনকি ম্যানহোমেও, আমাদের ছেলেরা চিন্তাভাবনার বিপদ থেকে দূরে থাকতে মুখস্থ বিদ্যা শিখেছিল। কোন ঈশ্বর চিন্তাভাবনা করে এবং সন্দেহ করে এমন অনুসারী চান? সর্বশক্তিমান বিশ্বস্ত চান, যারা আনুগত্য করে!”
** অধ্যায় ৫ (পৃষ্ঠা ৩৯০)
* আমি আওয়াহেহ নবীর সাথে দেখা করেছি। তিনি খুব ধার্মিক। তবে তিনি [[পাগলামি|পুরোপুরি পাগলও]]। আমার মনে হয় যখন তারা আপনাকে হত্যা করতে বা আঘাত করতে চায়, তখন ধর্মীয় [[সহনশীলতা|সহনশীলতা]] থেমে যায়। আফ্রিকা, যিনি আমার খালা, তিনি সবসময় বলতেন অহস্তক্ষেপ একটি দুই-দিকের রাস্তা।
** অধ্যায় ৫ (পৃষ্ঠা ৩৯৭)
* আমার মনে হয় কিছু মানুষ নির্দিষ্ট উপায়ে তৈরি হয়। আর তারা তাদের স্বভাবের সাথে মানানসই ধর্ম উদ্ভাবন করে। যেমন তারা ধর্মান্ধতা বা সহিংসতা বা অজ্ঞতার জন্য তৈরি। অথবা হয়তো [[অজ্ঞতা]] কেবল এক ধরনের [[ধর্মান্ধতা]]। মানুষ বলে তারা কোনো জটিল সত্য জানতে চায় না, কারণ তারা ইতিমধ্যে সহজ কিছুতে বিশ্বাস করে। এমন কিছু যা তাদের মনের জন্য সহজ।
** অধ্যায় ৫ (পৃষ্ঠা ৩৯৮)
* এ কারণেই তারা [[নবী|নবী]] হয়। অন্যথায় তুমি কেন একজন হতে চাইবে? তুমি কেন চিৎকার করে মাথা ফাটাবে এবং মানুষকে [[মৃত্যু|মৃত্যু]], [[নির্যাতন]] ও [[নরক|নরকের]] ভয় দেখাবে এবং নারীদের নিজেদের ঢেকে রাখতে বাধ্য করবে, যদি না তুমি পাগল হওয়ার জন্যই তৈরি হও? মূল কথা হলো, যদি কেউ জন্মগতভাবে পাগল হয় এবং তুমি না হও, তবে সে কেবল তোমাকে অনুসারী হওয়ার সুযোগ দেবে। যদি কোনো সাধারণ মানুষ পাগল মানুষের সাথে কথা বলার বা ভালো ব্যবহার করার চেষ্টা করে, তবে কোনো লাভ হয় না। এটি ফল পাড়ার মেশিনের সাথে ভালো ব্যবহার করার মতো। যদি তুমি এর পথে দাঁড়াও, তবে তুমি যত দ্রুতই কথা বলো না কেন বা যত ভালোই হও না কেন, এটি তোমার চোখ উপড়ে নেবে। [[শাস্তি]] কাজে আসে না, তাদের সাথে কথা বলা কাজে আসবে না এবং তাদের সাথে তর্ক করাও কাজে আসবে না, ঠিক যেমন একটি ফল পাড়ার মেশিনের সাথে তর্ক করা কোনো কাজে আসবে না।
** অধ্যায় ৫ (পৃষ্ঠা ৩৯৮-৩৯৯)
* আমরা ঘর্মদের একটি কথা আছে। ''যে মানুষ [[সত্য|সত্য]] বহন করার দাবি করে, সে একটি খালি বস্তা বহন করে।''
** অধ্যায় ৬ (পৃষ্ঠা ৪০৮)
* “আমার মনে হয় সে একজন [[মন্দ|দুষ্ট]] লোক।”<br>স্যাম নাছোড়বান্দা হয়ে বলল, “তুমি কি এতটাই নিশ্চিত যে সে দুষ্ট, লিলা? হয়তো এখান থেকে দূরে গেলে সে বদলে যেতে পারে।”<br>“আমরা ঘর্মদের একটি কথা আছে। ''পুকুর থেকে দূরে গেলে হয়তো ব্যাঙের পালক গজাবে।”''
** অধ্যায় ৬ (পৃষ্ঠা ৪০৮-৪০৯)
* আফ্রিকা ভাবতে লাগলেন, “এছাড়াও, যারা চলে গেছে তারা সাধারণত এমন মানুষ যারা মনে করত অন্যান্য সৃষ্টির চেয়ে মানুষ বেশি গুরুত্বপূর্ণ, এবং অন্যান্য মানুষের চেয়ে তারা নিজেরা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আমাকে-এবং-আমার-মূর্তিকে-উপাসনা করার ভক্ত। মানুষের প্রজনন পূজারী। এ ধরনের মানুষ আরও মানুষের জন্য জায়গা করে দিতে অন্যান্য প্রজাতিকে সানন্দে হত্যা করবে। এরা পুরোনো ‘বিশ্বকে পূর্ণ করো এবং ধ্বংস করো’ দর্শনের প্রবক্তা।”
** অধ্যায় ৭ (পৃষ্ঠা ৪৬৬)
* আমাদের জীবন অনেক কিছু নিয়ে তৈরি, শুধু একটি নয়। অনেক উত্তর, শুধু একটি নয়। পুরুষরাই সবকিছুর জন্য একটি উত্তর চায়। তারা সবসময় আইন তৈরি করছে, যেন তারা এমন একটি আইন তৈরি করতে পারে যা সব ক্ষেত্রে ন্যায়সঙ্গত হবে। তারা পারে না। তারা কখনোই পারেনি। আমার মনে হয় বড় হওয়ার সময় কোনো এক পর্যায়ে পুরুষরা লাইনচ্যুত হয়ে যায়। সৎ, বাস্তব এবং কিছুটা চিন্তাশীল কিছুতে স্থির হওয়ার পরিবর্তে, তারা এই ধরনের অনুসন্ধানগুলোতে বেরিয়ে পড়ে। তারা বীরদর্পে হেঁটে বেড়ায় এবং গর্জন করে, তাদের অস্ত্র নাড়ায় এবং তাদের যুদ্ধের স্লোগান চিৎকার করে বলে। তারা বলে যে তারা উচ্চতর কিছুর সন্ধান করছে, কিন্তু এটি সবসময়ই বেদনায় শেষ হয় বলে মনে হয়, তাই না?
** অধ্যায় ৭ (পৃষ্ঠা ৪৬৮-৪৬৯)
* যেমন, থাইকারে সেই হাই বাইডিরা একটি আইন তৈরি করেছিল যেখানে বলা ছিল হত্যা করা নিষেধ। তারা সেই সময়গুলোকে উপেক্ষা করেছিল যখন হত্যা করাই একমাত্র করুণাময় কাজ। কিন্তু তারপর তারা [[যুদ্ধ|যুদ্ধের]] জন্য ব্যতিক্রম তৈরি করেছিল, কারণ তারা যুদ্ধ পছন্দ করে। আমি সব জানি। আমরা নারীরা এ সম্পর্কে সব জানি।
** অধ্যায় ৭ (পৃষ্ঠা ৪৬৯)
* ফায়েদ: স্ত্রী-হত্যাকারী, নারী-হত্যাকারী, উদ্দেশ্যের অপরাধী, বিশ্বস্তদের একজন। সবচেয়ে প্রাচীন এবং রক্তক্ষয়ী ধর্মের প্রতি সে সত্যিই বিশ্বস্ত। আমার-উপাসনা। আমার লিঙ্গ-উপাসনা। আমার গোত্র-উপাসনা। আমার জাত-উপাসনা। অন্য সবকিছুর বিরুদ্ধে ক্রোধ এবং ধ্বংসের শপথ নেওয়া।
** অধ্যায় ৮ (পৃষ্ঠা ৫০২)
* আয়ার, আয়রন এবং ভুরস্টড, এই তিন জাতি ভুরস্টড নবীকে অনুসরণ করে ম্যানহোম থেকে চলে এসেছিল। ভুরস্টড তার যাজকদের সাথে, আয়ার তার পুরোহিতদের সাথে এবং আয়রন তার নবীদের সাথে: প্রথমটি দাসদের শাসন করার জন্য, দ্বিতীয়টি নারীদের শাসন করার জন্য, শেষেরটি পুরুষদের শাসন করার জন্য—পুরুষদের শাসন করার জন্য, বা পুরুষদের দ্বারা শাসন করার জন্য ব্যবহৃত হওয়ার জন্য। এটাই সবসময় পুরুষদের দেবতাদের, বৃদ্ধ পুরুষদের দেবতাদের উপায় ছিল। শাসন করার জন্য দেবতাদের ব্যবহার করা।
** অধ্যায় ৮ (পৃষ্ঠা ৫০৪)
* বৃদ্ধ পুরুষদের ধর্ম এবং বৃদ্ধ পুরুষদের কিংবদন্তিগুলো সবসময় অন্য কোথাও, অন্ধকারে থাকে, যাতে সেগুলো খুব স্পষ্টভাবে দেখা না যায়। যাতে সেগুলোকে খুব ঘনিষ্ঠভাবে পরীক্ষা করা না যায়। যাতে সেগুলো অন্ধকারে বংশবৃদ্ধি করতে পারে, তীব্র আকার ধারণ করতে পারে, জ্বলতে পারে এবং পচতে পারে।
** অধ্যায় ৮ (পৃষ্ঠা ৫০৫)
* একজন মানুষ একই সাথে দুই দিকে মুখ করে থাকতে পারে না। সে যদি পেছনের দিকে তাকায়, তবে সে সামনের দিকে তাকাতে পারবে না।
** অধ্যায় ৮ (পৃষ্ঠা ৫২০-৫২১)
* সে জানত যে প্রাচীন মন্দগুলো পেছনে ফেলে আসা যেতে পারে। কেউ মনে না রাখার সিদ্ধান্ত নিতে পারে। কাউকে পুরোনো রাগ এবং পুরোনো ঘৃণার কাদা-গর্ত খুঁড়তে হবে না। [[ভুলে যাওয়া|ভুলে যাওয়া]] সম্ভব ছিল।
** অধ্যায় ৮ (পৃষ্ঠা ৫২১)
==== ''[[w:শেরি এস. টেপার|সাইডশো]]'' (১৯৯২) ====
:<small> সমস্ত পৃষ্ঠা নম্বর ব্যান্টাম স্পেকট্রা কর্তৃক প্রকাশিত গণবাজার পেপারব্যাক সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে {{ISBN|0-553-56098-0}}, মার্চ ১৯৯৩, প্রথম মুদ্রণ </small>
:<small> সমস্ত ইটালিকস এবং ইলিপসিস বইয়ের অনুরূপ </small>
* সে ভাবল, পুরুষেরা সব সময়ই পবিত্রতা খুঁজতে পেরেছে যখন তারা চেয়েছে। কারণ বাড়িতে কোনো এক নারী তাদের দায়িত্বগুলো পালন করছিল। এ কারণেই বেশিরভাগ সাধুরা পুরুষ ছিলেন এবং নারী সাধুদের বেশিরভাগই কুমারী ছিলেন।
** অধ্যায় ২ (পৃষ্ঠা ৪০)
* তাদের অভিনয় যেমন ছিল তেমনই চমৎকার ছিল। কিন্তু সিজি যেমন বলেছিলেন, নিছক সুড়সুড়ি দেওয়া কৌতূহল এবং বিশ্বাসযোগ্যতা উভয়ের দ্বারাই সীমাবদ্ধ ছিল, যেখানে বিনোদনের কোনো সীমা ছিল না। “তুমি যদি মানুষকে যথেষ্ট ভালোভাবে বিনোদন দিতে পারো, তবে তুমি ভুয়া হলেও তারা পরোয়া করবে না,” আন্ট সিজি বলেছিলেন। “বেশিরভাগ মানুষই [[সত্য|সত্যের]] তোয়াক্কা করে না।” তিনি সাম্প্রতিক একজন প্রেসিডেন্টসহ কিছু রাজনীতিবিদের উদাহরণ দিয়েছিলেন। “বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভণ্ডরা খুব একটা চালাক নয়, কিন্তু তারা মানুষকে বিনোদন দিত, তাই কেউ পরোয়া করত না।”
** অধ্যায় ২ (পৃষ্ঠা ৫৩)
* একটি খারাপ পছন্দ থেকে ফিরে আসতে একজন শক্তিশালী মানুষের প্রয়োজন হয়।
** অধ্যায় ২ (পৃষ্ঠা ৫৭)
* ডারবেক হলো ধর্মীয় এবং রাজনৈতিক গোঁড়ামির ওপর ভিত্তি করে তৈরি একটি ধর্মতন্ত্র। ইচ্ছামতো মৃত্যুদণ্ড এবং নির্যাতন এই ধরনের ব্যবস্থার অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ।
** অধ্যায় ৬ (পৃষ্ঠা ১৬৬)
* অনিয়ন্ত্রিত ক্ষমতা থেকেই মন্দের উদ্ভব হয়।
** অধ্যায় ৭ (পৃষ্ঠা ২২৪)
* তারা প্রকাশ্যে তাদের নিষ্ঠুরতা প্রদর্শন করে। তারা এটিকে কূটনীতি বলে, এটিকে সময়োপযোগী পদক্ষেপ বলে, যেমনটা সরকারগুলো সবসময় করে এসেছে।
** অধ্যায় ৭ (পৃষ্ঠা ২২৪)
* “অত্যধিক জনবহুল গ্রহে এমন মহামারী স্বতঃস্ফূর্তভাবে দেখা যায় বলে জানা গেছে,” জোরি মন্তব্য করলেন। “যখন কোনো পরিবেশ তার ধারণক্ষমতা ছাড়িয়ে যায়, তখন মহামারী দেখা দিতে শুরু করে, যদিও এটি ঘটলে মানুষ সবসময় অবাক হয়।”
** অধ্যায় ৮ (পৃষ্ঠা ২৪২)
* ওহ, আমি জানি কাউন্সিল সম্পর্কে তোমরা এনফোর্সাররা কী ভাবো, এরটিগন। তা না জানার মতো বোকা আমরা নই। তোমরা আমাদের বেশিরভাগকেই উদ্ধত বোকা মনে করো। তোমরা ভাবো আমরা অলস যারা সারাদিন খাওয়া-দাওয়া এবং নিজেদের দুর্বল ছোটখাটো রীতিনীতি পালন করে কাটায়, যার কোনোটারই কোনো অর্থ নেই, কোনো কিছু অর্জন করে না। তোমরা একদম ঠিক, আমরা ঠিক তেমনই। কিন্তু আমাদের তো এটাই করতে বলা হয়েছিল। আমরা এ জন্যই এখানে আছি। সমস্ত সরকারি কর্মচারীরা সবসময় যা করে এসেছে: বাধা সৃষ্টিকারী, প্রতিরোধকারী, পরিবর্তনের পথরোধকারী, ঘটনার প্রবাহ বন্ধ করার জন্য নকশা করা ভালভ, বিপ্লবের বাধাদানকারী, বিবর্তনের বিলম্বকারী, বর্তমান অবস্থার সেবক।
** অধ্যায় ৮ (পৃষ্ঠা ২৪৯)
* “আমার তোমার বিশ্বাসের প্রয়োজন নেই। তুমি বিশ্বাস না করলেও আমি তোমাকে দিয়ে আমার ইচ্ছামতো কাজ করাতে পারি।” এটি একটি গোমড়ামুখো কণ্ঠস্বর ছিল। “ঈশ্বরকে কিছু প্রমাণ করতে হয় না, যদি ঈশ্বর মানুষকে দিয়ে যা চান তা করাতে পারেন।”
** অধ্যায় ৯ (পৃষ্ঠা ২৯৯)
* মন্দের উদ্দেশ্যে মন্দের দ্বারা ব্যবহৃত হওয়ার চেয়ে মরে যাওয়া ভালো।
** অধ্যায় ১০ (পৃষ্ঠা ৩১২)
* যে-ই... যে-ই এটি করে থাকুক না কেন, সে একজন দুষ্ট ব্যক্তি ছিল, একটি দুষ্ট জিনিস ছিল। আর তাকে, ফ্রিঞ্জকে, বিষয়গুলো ঠিক করার জন্য যা কিছু করার দরকার তা করতে হবে, বৈচিত্র্য গোল্লায় যাক!
** অধ্যায় ১০ (পৃষ্ঠা ৩২০)
* আমি পিটিশনগুলোর মাধ্যমে চিন্তাভাবনা উসকে দিতে চেয়েছিলাম, আলোচনা তৈরি করতে চেয়েছিলাম, কিন্তু আমি ব্যবস্থার ভেতরের জড়তাকে অবমূল্যায়ন করেছিলাম। আমি ভুলে গিয়েছিলাম যে আমলাতন্ত্র মানেই হলো জড়তা!
** অধ্যায় ১১ (পৃষ্ঠা ৩২৩)
* “আমরা ঠিক এভাবেই চিন্তা করেছি এবং কাজ করেছি। পুরুষদের আরও ভালো হওয়ার দরকার ছিল না! অন্তত, পশ্চিমা চিন্তাধারার দিক থেকে তার দরকার ছিল না! সে বীরদর্পে হেঁটে বেড়াত, গর্জন করত এবং নিজেকে বলত, সে যেমনই হোক না কেন, সে ঈশ্বরের প্রতিমূর্তিতে তৈরি হয়েছে! পৃথিবীতে দায়িত্বশীল হওয়ার চেয়ে স্বর্গের ওপর নির্ভর করা সহজ ছিল। কিন্তু মানুষ তো ঐশ্বরিকভাবে সৃষ্ট, তাই দুশ্চিন্তার কী আছে।”<br>''“আর তুমি বিশ্বাস করো না যে সে ছিল? মানুষ?”''<br>“সে এমন ছিল না যাকে আমি স্যাপিয়েন্স বলে মনে করতাম। আমার মতে, আমাদের মধ্যে খুব কম লোকই স্যাপিয়েন্স ছিল। হয়তো আমাদের কেউ ছিল না। হয়তো আমাদের স্যাপিয়েন্স হওয়ার সুযোগ ছিল, কিন্তু আমরা তা ফেলে দিয়েছি।”<br>''“মানবজাতি কবে এমনটা করেছিল?”''<br>“আমি মনে করি নেলার সময়। তখনই ওই করুণ মানুষেরা, যারা কোনো বাস্তবতা দেখেনি এবং কোনো বিজ্ঞান জানত না, তারা প্রজননের পবিত্রতা ঘোষণা করেছিল। আর যখন উদারপন্থীরা সন্তান জন্মদানের অধিকার সংরক্ষণ করছিল, তখন প্রতিক্রিয়াশীলরা আমাদের জিনপুলের ত্রুটিগুলো সংরক্ষণ করছিল। আমরা সৃষ্টির বাকি সমস্ত কিছুকে কলুষিত এবং ধ্বংস করতে পারতাম, কিন্তু আমাদের নিজস্ব জার্ম প্লাজম ছিল পবিত্র। আমাদের সংখ্যা যে বিলিয়ন বিলিয়ন ছিল তাতে কিছু যায় আসত না, তবে আমাদের নিজেদের মধ্যে যেকোনো পরিবর্তনের চেয়ে আমাদের স্যাপিয়েন্স বৈশিষ্ট্যটি আমাদের সংখ্যার কারণে অনেক বেশি হুমকির মুখে ছিল...”
** অধ্যায় ১১ (পৃষ্ঠা ৩২৪-৩২৫)
* এখানে পুরোহিত এবং নবীরা তা-ই করছেন যা পুরোহিত এবং নবীরা সবসময় করে এসেছেন। তারা তাদের লোকদের তারা যা আছে তা ছাড়া অন্য কিছু হতে নিষেধ করছেন! কোনো হস্তক্ষেপ নেই। ঈশ্বর, কী বোকামি!
** অধ্যায় ১১ (পৃষ্ঠা ৩২৫)
* জোরি একজন শিক্ষকের সুরে বলতে লাগলেন। “ক্যাফার্টি, আমাদের মতো বৃদ্ধ নারীদের এখানে মরার জন্য ফেলে রাখা হয়। যেসব পুরুষদের তারা মালিক নয়, তাদের সামনে মারা যাওয়া তাদের জন্য মানানসই হতো না—আর অবশ্যই তাদের মালিকরা তাদের দিকে তাকাতে চায় না—তাই তারা এখানে মারা যায়, যেখানে কেউ তাদের দেখতে পায় না। থ্রাসিসের ধর্ম হত্যা করতে নিষেধ করে। তাদের কেবল কোনো খাবার বা জল দেওয়া হয় না এবং থ্রাসিয়ান ঈশ্বরের দয়ায় ছেড়ে দেওয়া হয়।”
** অধ্যায় ১১ (পৃষ্ঠা ৩৩২)
* “যদি আমরা পারি।”<br>“তুমি পারো বা না পারো তাতে কিছু যায় আসে না। তোমাকে অবশ্যই করতে হবে।”<br>রাগ তাকে গ্রাস করল। “এটি যৌক্তিক নয়। এটি সম্পূর্ণ খেয়ালী। কাউকে এমন কিছু করতে বলা যা সে হয়তো করতে পারবে না।”<br>“আমরা ফাইলস দেখেছি।” কণ্ঠস্বরটি বিকট হাসিতে ফেটে পড়ল। “দেবতারা প্রায়ই মানুষকে এমন কিছু করতে বলেন যা তারা করতে পারে না বা যা বিপজ্জনক বা কষ্টদায়ক বা ঘৃণ্য। আর যখন মানুষ ব্যর্থ হয়, দেবতারা তাদের শাস্তি দেন। আমি কি তাদের চেয়ে ছোট কোনো দেবতা হব?”
** অধ্যায় ১১ (পৃষ্ঠা ৩৫০)
* “অনুষ্ঠানটি,” আন্ট সিজি বলতে চাইতেন, “চালিয়ে যাওয়াটা হয়তো বাধ্যতামূলক নয়, কিন্তু এটি না চললে আমরা মুদি জিনিসপত্র কিনতে পারব না!”
** অধ্যায় ১২ (পৃষ্ঠা ৩৬০)
* মানুষের নিয়তি আসলে কী ছিল তা জানলে আমাদের কত সময় এবং প্রচেষ্টা বেঁচে যেত, তা ভেবে দেখো। আমাদের সময়ের কথা ভাবো, সমস্ত মৌলবাদী ফ্যাসিবাদীদের সাথে নাগরিক অধিকার রক্ষাকারীদের দ্বন্দ্ব; সমস্ত উদারপন্থীদের গরিবদের দিকে আমাদের টাকা ছুড়ে মারা বনাম রক্ষণশীলদের নিজেদের দিকে আমাদের টাকা ছুড়ে মারা; সমস্ত নারী বনাম পুরুষ বিতর্ক, সমস্ত যৌন, রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক বিপ্লব। কী চমৎকার হতো যদি আমরা জানতাম কী গুরুত্বপূর্ণ এবং কী নয়!
** অধ্যায় ১২ (পৃষ্ঠা ৩৬০)
* “ওহ, হ্যাঁ,” নেল বিড়বিড় করে বললেন। “আমাদের বিশ্বে অতিরিক্ত জনসংখ্যা বাড়ানোর একমাত্র অজুহাত ছিল যে স্বর্গে এতে কিছু যায় আসবে না।” সে হাসার চেষ্টা করল কিন্তু পারল না। হাসিটা কান্নায় পরিণত হলো।
** অধ্যায় ১২ (পৃষ্ঠা ৩৬০-৩৬১)
* “আমরা এনফোর্সারদের একটি কথা আছে: ‘সঠিক সাহায্য সাহায্য করে, এবং পর্যাপ্ত সাহায্য সাহায্য করে, কিন্তু ঠিক সময়ে সাহায্য সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে।’”
** অধ্যায় ১৩ (পৃষ্ঠা ৩৯৯)
* ওরিমান ব্রীজ তার দেবত্ব নিয়েও চিন্তাভাবনা করেছিলেন। তার অনুসারীদের ব্রীজিয়ান বলা হবে। তিনি নিজের মতো করে আচরণ এবং রীতিনীতির দাবি জানাবেন। তিনি নিয়ম তৈরি করবেন, জটিল নিয়ম, এবং সেগুলোর অনেকগুলোই, যা মেনে চলতে প্রচুর সময়, কষ্ট এবং ব্যথা লাগবে। তার লোকেরা যে তাকে সত্যিই ভালোবাসে তা জানার একমাত্র উপায় হলো যদি তারা অনেক কষ্টদায়ক নিয়ম মেনে চলে। সবকিছুর জন্যই অনেক রীতিনীতিও থাকতে হবে। অনেক হামাগুড়ি দেওয়া। তিনি হামাগুড়ি দেওয়ার ধারণাটি পছন্দ করতেন। এমনকি বুকে হাঁটা। এছাড়াও, যেকোনো আনন্দদায়ক জিনিস থেকে... বিরত থাকা।<br>তিনি আনন্দদায়ক জিনিসগুলো মনে করার চেষ্টা করলেন। সেগুলো কী ছিল? এটা অনেক আগের কথা... অনেক... তাই... এটা কি যৌনতা ছিল? তার মনে হচ্ছিল এটা যৌনতা ছিল। আর খাবার। খাবার আনন্দদায়ক ছিল। তাই, তিনি যৌনতা সম্পর্কে অনেক নিয়ম, খাবার সম্পর্কে অনেক নিয়ম তৈরি করবেন। যদি নিয়মগুলো যথেষ্ট কঠিন হয়, তবে সেগুলো অনেক বেশি পিছিয়ে পড়ার কারণ হবে, আর এটি তার ঘুরে, অনেক তিরস্কারের কারণ হবে! তিনি বাধ্য করবেন... তিনি মানুষকে তৈরি করবেন... তিনি তাদের শাস্তি দেবেন যতক্ষণ না তারা...<br>যদিও তিনি খাবার বা মদের স্বাদ, ভালোবাসার অনুভূতি, মানুষের নড়াচড়ার আনন্দ মনে করতে পারছিলেন না, তিনি ক্ষমতার ধারণায় বিশুদ্ধ আনন্দের ঢেউ অনুভব করলেন। তিনি একজন দেবতা হিসেবে নিজেকে সঠিকভাবে পরিচালনা করবেন। প্রথমে মিষ্টি এবং প্রলোভনসঙ্কুল শব্দ ব্যবহার করবেন; তারপর, যদি এটি ব্যর্থ হয়, তবে ক্ষমতা এবং ব্যথা ব্যবহার করে তার লোকদের তাকে আরাধনা করতে শেখাবেন।
** অধ্যায় ১৩ (পৃষ্ঠা ৪০১)
* অনেক দূরে, লেগলেস গড বা পা-বিহীন ঈশ্বর ওরিমান ব্রীজ এই বাজে কথার জন্য রাগ এবং ক্ষোভ প্রকাশ করে চিৎকার করে উঠলেন। কেবল দুই শ্রেণির প্রাণী ছিল: উপাসক বা নিপীড়ক।
** অধ্যায় ১৩ (পৃষ্ঠা ৪০২)
* “আমি একজন স্বাধীন মানুষ ছিলাম।”<br>“স্বাধীনভাবে কী করার জন্য?”<br>“যা... যা খুশি তা করার জন্য।”<br>জোরি হাসলেন, মাথা নাড়লেন। “তোমাকে কি ছোটবেলায় বলা হয়নি যে একটি উপায় অন্যটির চেয়ে ভালো, একটি বিশ্বাস অন্যটির চেয়ে ভালো? তোমাকে কি বলা হয়নি কিছু জিনিস উচ্চতর এবং কিছু নিম্নতর? কিছু জিনিস নারীদের জন্য উপযুক্ত, অন্যগুলো পুরুষদের জন্য? যে তোমার ঈশ্বর বেশি শক্তিশালী? যে তোমার ধর্ম বেশি সত্য? যে তোমার ভাষা বেশি ভাবপূর্ণ? যে তোমার রীতিনীতিতে বেশি হৃদয় বা বেশি আত্মা রয়েছে? যে তোমার রান্না খেতে বেশি সুস্বাদু? যে তোমার সন্তান পালনের উপায় বেশি পছন্দনীয়? যে তোমার সমস্ত উপায় অন্যান্য উপায়ের চেয়ে এতটাই ভালো যে তুমি তোমারগুলো যেমন আছে তেমনই রাখার জন্য মারা যাবে, বা অন্যগুলোকে ধ্বংস করার জন্য মারা যাবে যদি সেগুলো হুমকিস্বরূপ মনে হয়? তোমাকে কি পরিবর্তন না হতে, মানিয়ে না নিতে, অন্যরকম কিছু না হতে শেখানো হয়নি? তোমাকে কি ‘আনুগত্য’ শব্দটি শেখানো হয়নি? ‘ঐতিহ্য’ শব্দটি? তারা কি তোমাকে বলেনি যে প্রাণী উদ্ভিদের চেয়ে উচ্চতর, স্তন্যপায়ী অন্যান্য প্রাণীর চেয়ে উচ্চতর, মানুষ অন্যান্য স্তন্যপায়ীর চেয়ে উচ্চতর, এবং তোমার মতো মানুষ অন্যান্য মানুষের চেয়ে উচ্চতর?<br>“তুমি মনে করো তুমি এর দ্বারা দাস হয়ে যাওনি? তুমি মনে করো তোমার পছন্দের স্বাধীনতা ছিল? আমি ফ্রিঞ্জকে এটি বলেছি, আমি তোমাকে বলছি: একজন মানুষের পছন্দ তার ছেলের কর্তব্য এবং তার নাতির ঐতিহ্যে পরিণত হয়! এভাবেই পুরুষেরা তাদের বংশধরদের দাসত্ব নিশ্চিত করে।”
** অধ্যায় ১৩ (পৃষ্ঠা ৪১৯)
* ব্রীজ সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যে তিনি তার অনুসারীদের তাদের বিশ্বাসের প্রমাণ হিসেবে অযৌক্তিক জিনিসগুলো বিশ্বাস করতে বাধ্য করবেন। তিনি তাদের বিশ্বাস করতে বাধ্য করবেন যে ব্রীজ ঠিক এক হাজার বছর আগে একদিনে শূন্য থেকে এলসহোয়ার এবং এর সমস্ত মানুষকে তৈরি করেছিলেন! কিন্তু... (একটি মাস্টার স্ট্রোক) তিনি এটি খণ্ডন করার জন্য ফাইলসে প্রমাণ রেখে যাবেন! এভাবে ব্রীজের ওপর বিশ্বাস রাখার জন্য তাদের নিজেদের ইন্দ্রিয়ের প্রমাণ অবিশ্বাস করতে হবে!<br>যখন তিনি এই পর্যায়ে পৌঁছালেন, একটি ছোট কণ্ঠস্বর জিজ্ঞেস করল কেন তিনি প্রথমে মানুষকে এমন ইন্দ্রিয় দিয়েছিলেন? তিনি যদি তাদের বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারে নিষেধ করার ইচ্ছা করেন তবে কেন তিনি তাদের বুদ্ধিমত্তা দিয়েছিলেন?
** অধ্যায় ১৩ (পৃষ্ঠা ৪২৪)
* জিনিসগুলো যেমন আছে তেমনই থাকে, এবং কোনো ইচ্ছাপূরণের চিন্তাই তা পরিবর্তন করতে পারবে না!
** অধ্যায় ১৪ (পৃষ্ঠা ৪৩২)
* মানুষ সবসময় তার দেবতাদের নামে নির্যাতন করেছে এবং তার সংস্কৃতির নামে নৃশংসতা চালিয়েছে।
** অধ্যায় ১৪ (পৃষ্ঠা ৪৩৮)
* ''“ভালোবাসা পাওনা থাকতে পারে না,”'' দূরে সরে যাওয়া ছায়াটি বলল। ''“এটি কেবল দেওয়া যেতে পারে।”''
** অধ্যায় ১৪ (পৃষ্ঠা ৪৬০)
* মানুষের চূড়ান্ত নিয়তি হলো কেবল মানুষ হওয়া বন্ধ করা।
** অধ্যায় ১৫ (পৃষ্ঠা ৪৭৮; একটি কল অ্যান্ড রেসপন্স বা প্রশ্ন-উত্তর অংশ থেকে জোড়া দেওয়া হয়েছে)
=== ''[[w:বিউটি (টেপারের উপন্যাস)|বিউটি]]'' (১৯৯১) ===
:<small> সমস্ত পৃষ্ঠা নম্বর ব্যান্টাম স্পেকট্রা কর্তৃক এপ্রিল ১৯৯২ সালে প্রকাশিত গণবাজার পেপারব্যাক সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে, {{ISBN|0-553-29527-6}} (৬ষ্ঠ মুদ্রণ) </small>
:<small> ইটালিকস এবং ইলিপসিস বইয়ের অনুরূপ </small>
* সাইডস্যাডল বা ঘোড়ার পিঠে একপাশে বসার আসনটি এমনভাবে নকশা করা হয়েছিল যাতে কুমারীর ঘাড়ের ঝুঁকি নিয়ে কুমারীত্ব রক্ষা করা যায়। আমি ভেবেছিলাম, খুব অল্পের জন্য অনেক বেশি ঝুঁকি নেওয়া।
** অধ্যায় ২ (পৃষ্ঠা ১০)
* ''“জীবনের অনেকটা অংশই,” সে আমাকে বলল, “বাস্তবতা সম্পর্কে আমাদের অজ্ঞ থাকার ওপর নির্ভর করে। আমরা যদি বাস্তবতা বুঝতে পারতাম, তবে আমরা কখনো এগিয়ে যেতাম না।”''
** অধ্যায় ৩ (পৃষ্ঠা ১৮)
* পুরুষেরা এমনই হয়। তারা এমনসব কারণে বিয়ে করে যার সাথে বিবাহিত জীবনের প্রত্যাশার কোনো সম্পর্ক নেই এবং তারপর স্ত্রীরা তাদের মনের মতো না হলে তাদের অভিশাপ দেয়। তারা [[সৌন্দর্য|সৌন্দর্য]], কবজ এবং [[যৌনতা|যৌনতার]] জন্য বিয়ে করে, আর তারপর আশা করে যে তাদের স্ত্রীরা বুদ্ধিমান, হিসেবী এবং দক্ষ হবে।
** অধ্যায় ৬ (পৃষ্ঠা ৩২)
* আমি লক্ষ করেছি যে [[বিড়াল|বিড়ালেরা]] [[ধর্ম|ধর্মের]] প্রতি খুব কমই আগ্রহী হয়।
** অধ্যায় ৮ (পৃষ্ঠা ৩৮)
* পরীর জিনিসপত্র বিড়ালদের মুগ্ধ করে না। পরীর জিনিসপত্র এবং পবিত্র জিনিসপত্র। বিড়ালরা সম্ভবত সম্পূর্ণ আলাদা এক সৃষ্টি।
** অধ্যায় ১১ (পৃষ্ঠা ৫৭)
* আমি খুব শীঘ্রই শিখেছিলাম যে সেই জায়গায় সুন্দর কিছুই ছিল না। এমনকি তারা যা দেখত তাও সুন্দর ছিল না। সেখানে সৌন্দর্য এবং কুৎসিত হওয়ার মধ্যে কোনো পার্থক্য ছিল না। সেখানে কেবল কুৎসিত রূপই ছিল।<br>আমি মনে করি এটি তাদের জন্য বেশি ব্যবহারিক ছিল। যদি সামান্যতম সৌন্দর্যও থাকত, তবে মানুষ হয়তো তার পরিবর্তে সেটাই চাইত। যেমনটা ছিল, তারা জানতই না যে এমন কোনো জিনিস আছে, তাই এর অভাব তাদের বিরক্ত করেনি।
** অধ্যায় ১৩ (পৃষ্ঠা ৮৩)
* মায়ের মতে, [[w:কিং আর্থার|কিং আর্থারের]] দশ ভাগের নয় ভাগ ছিল অনুসন্ধান এবং বাকি এক ভাগ ছিল রাজনীতি।
** অধ্যায় ২১ (পৃষ্ঠা ২৪১)
* সে উষ্ণতা, নিয়মিত ভালো খাবার এবং সবচেয়ে বেশি ভালোবাসে যৌন মিলন। সে পড়ে না, চিন্তা করে না, পরোয়া করে না। সে তার কামনার জন্য খারাপ আবহাওয়ায় বিশ মাইল ঘোড়ায় চড়ে যেতে পারে, অথচ একটি দয়ালু কাজ করতে হলওয়ের নিচে বিশ পা হাঁটবে না। সে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কোনো ধারণা থেকে তার ছাই খালি করত না, কেবল তার আগুন যেন জ্বলতে পারে এবং সে উষ্ণ থাকতে পারে সেজন্য এটি করত। সে যদি কিছু চায়, তা পেতে সে খুনও করতে পারে, আর সে যদি কিছু না চায়, তবে তার কাছে সেটির যেন কোনো অস্তিত্বই নেই।
** অধ্যায় ২২ (পৃষ্ঠা ২৮৭)
* আমি নিজেকে বলেছিলাম যে এটি ঈশ্বরের ইচ্ছা, যদিও এটি মোটেও তেমন কিছু ছিল না। এটি কেবল মানুষের বোকামি ছিল।
** অধ্যায় ২২ (পৃষ্ঠা ২৮৭)
* “আর যখন কোনো পুরুষ বা নারী ওপরে ওঠে, বিউটি, তখন সে ফেরেশতাদের মতো বা তার চেয়েও উঁচুতে পৌঁছাতে পারে।”<br>“সাধুরা,” আমি মাথা নেড়ে বললাম, এটা ভেবে যে আমি জানতাম।<br>“ওহ, সাধু,” পাক বলল। “ধুর। সাধু! শহীদ এবং কুমারী এবং অন্যান্যরা। গির্জায় থাকা ধ্বংসাবশেষ। সেই ধ্বংসাবশেষ এবং গির্জা দুটোই পিতলের মতো মৃত। না। আমি তোমাকে বলছি কারা ওপরে ওঠে। মালীরা ওপরে ওঠে। আর কৃষকরা। এবং চিত্রশিল্পীরা। আর কবিরা। যারা ধ্বংস না করেই সুন্দর জিনিস তৈরি করে।”
** অধ্যায় ২৩ (পৃষ্ঠা ৩০২)
* সংখ্যায় খুব কম হওয়ার কারণে ফেয়ারি বা পরীর রাজ্য মারা যাচ্ছে। আমাদের আরও বেশি মিশতে হবে, আমাদের শিশুদের আরও বেশি মূল্য দিতে হবে। মানুষের অনেক বেশি শিশু আছে, তারা সস্তা। [[w:আওস সি|শি]]দের সংখ্যা খুব কম, এবং তারা তাদের গুপ্তধনের মতো খোঁজে। ফেয়ারির কাছে যা দেওয়ার আছে, মানুষের তা প্রয়োজন। কম শিশু। দীর্ঘ জীবন। কম গতি। আরও বেশি চিন্তাভাবনা। চমৎকার জিনিসের ধীর সৃষ্টির মাধ্যমে রহস্য, বিস্ময় এবং মুগ্ধতা যেন তৈরি হয়। কম তাড়াহুড়ো এবং ধ্বংস। যা দেওয়া হয়েছে তার জন্য আরও বেশি প্রশংসা। যেন মানুষ এবং ফেয়ারি একই জিনিসের দুটি অর্ধেক ছিল।
** অধ্যায় ২৩ (পৃষ্ঠা ৩০৪)
* এমন কিছু মানুষ আছে যারা বলে যে জাদু প্রকৃতি থেকে এসেছে। মানুষ যত্রতত্র প্রকৃতি ধ্বংস করায়, এখন আর এর খুব বেশি অবশিষ্ট নেই।
** অধ্যায় ২৩ (পৃষ্ঠা ৩০৪)
* তারপর হঠাৎ করেই আমি বুড়ো হয়ে গেলাম। এক বা দুই বছর আগে পর্যন্তও আমি... নিজেকে মোটেও বুড়ো মনে করিনি।
** অধ্যায় ২৩ (পৃষ্ঠা ৩০৫)
* “সব [[জাদু]] কোথায় গেল, জ্যানিস?”<br>“গির্জা এর বেশিরভাগ নিয়ে নিয়েছে,” সে আমার দিকে অদ্ভুত, বন্য দৃষ্টিতে তাকিয়ে বলল।<br>“গির্জা?” আমি বোকার মতো জিজ্ঞেস করলাম। পাক এটাই বলেছিল, কিন্তু কোনোভাবে আমি তা বিশ্বাস করিনি।<br>“জাদু তৈরি করা,” সে বলল। “তাদের সমস্ত ধর্মীয় কাজই জাদুকরী। এটাকে ওটায় পরিণত করা। পাপ ক্ষমা করার জন্য মন্ত্র পড়া। তারা স্বীকার করে না যে এটি জাদু, কিন্তু এটি তা-ই! ''‘বাস্তবতার বিপরীত পরিস্থিতি তৈরির জন্য কোনো নির্বাচিত গোষ্ঠী কর্তৃক নির্দিষ্ট সূত্র আবৃত্তি করাই হলো জাদু।’'' কিন্তু চারপাশে কেবল এতটুকুই ছিল। ফেয়ারিদের কাছে এটি ছিল, তারপর গির্জা এটি নিয়ে নিয়েছিল, এবং এখন গির্জা এটি অন্য কিছুর কাছে হারাচ্ছে। শেষ দিনগুলো এগিয়ে আসছে। এটি আগেই বলা হয়েছে।”
** অধ্যায় ২৩ (পৃষ্ঠা ৩১৫)
* আজকের সংবাদপত্রের প্রথম পাতায় এগারো সন্তানের এক মাকে মাদার অফ দ্য ইয়ার পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা রয়েছে। আমি ভাবছি ফাদার রেমন্ড কী বলতেন? তার এগারোটি শিশু সেই গরুর মাংস খেতে পারে যাদের বৃষ্টিবন কেটে পোড়ানোর পর গজানো ক্ষণস্থায়ী ঘাস খাওয়ানো হয়। তারা ইতিমধ্যেই দূষিত বাতাসে শ্বাস নিতে পারে। তারা বড় হয়ে জাপানে এখন তৈরি হওয়া নতুন প্রিফ্যাব্রিকেটেড অ্যাপার্টমেন্ট বা আগে থেকে তৈরি করা অংশ জোড়া দিয়ে বানানো ভবনে নিজেদের জায়গা পাওয়ার আশা করতে পারে, যা প্রতিটি ভাড়াটিয়াকে একশত পঞ্চাশ বর্গফুট জায়গা দেয়।
** অধ্যায় ২৩ (পৃষ্ঠা ৩২০)
* আমরা প্রতিটি পদে দেবতার দ্বারা বাধাপ্রাপ্ত হয়েছি। আসল ঈশ্বর নয়। একটি নকল ঈশ্বর যা মানুষ পৃথিবীর ধ্বংস তরান্বিত করার জন্য স্থাপন করেছে। সে হলো গব্বল-গড বা গ্রাসকারী দেবতা যে সম্পূর্ণ স্বার্থপর মানবতার নামে সবকিছু গিলে ফেলার নির্দেশ দেয়। তার দশটি আজ্ঞা হলো আমাকে প্রথমে প্রাধান্য দাও (আমাকে আমার মতো বাঁচতে দাও), মানুষকে প্রথমে প্রাধান্য দাও (অন্যান্য সমস্ত জীব আমার সুবিধার জন্য মারা যাক), শুক্রাণুকে প্রথমে প্রাধান্য দাও (কোনো জন্ম নিয়ন্ত্রণ নয়), জন্মকে প্রথমে প্রাধান্য দাও (কোনো গর্ভপাত নয়), পুরুষদের প্রথমে প্রাধান্য দাও (নারীদের কোনো অধিকার নয়), আমার সংস্কৃতি/উপজাতি/ভাষা/ধর্মকে প্রথমে প্রাধান্য দাও (বিচ্ছিন্নতাবাদ/সন্ত্রাসবাদ), আমার জাতকে প্রথমে প্রাধান্য দাও (কোনো মানবাধিকার নয়), আমার রাজনীতিকে প্রথমে প্রাধান্য দাও (বাজে উদারপন্থী/পচা প্রতিক্রিয়াশীল), আমার দেশকে প্রথমে প্রাধান্য দাও (পতাকা ওড়াও, পতাকা, পতাকা), এবং সর্বোপরি, লাভকে প্রথমে প্রাধান্য দাও।
** অধ্যায় ২৩ (পৃষ্ঠা ৩২০-৩২১)
* এখানে আরও অনেকেই আছে, তাদের মধ্যে অনেকেই বিংশ শতাব্দীর। যারা জন্ম নিয়ন্ত্রণ এবং গর্ভপাত নিষিদ্ধ করেছিল, ঈশ্বরের অন্যান্য সমস্ত সৃষ্টির চেয়ে ভ্রূণের পূজা করেছিল। তারা এখানে তাদের ধর্মীয় পোশাক, রবিবার পরার পোশাক বা তাদের দৈনন্দিন পোশাকে, তাদের পিকেটিংয়ের প্ল্যাকার্ড বহন করছে ফোলা এবং অন্তহীন প্রসববেদনায়। কারণ ডার্ক লর্ড বা অন্ধকার প্রভু আদেশ দিয়েছেন যে তাদের এমনটাই হতে হবে, অন্তহীনভাবে গর্ভবতী, অন্তহীনভাবে জন্মদানকারী, অন্তহীনভাবে তাদের ভেতর থেকে গজিয়ে ওঠা পৈশাচিক জীবনকে বুকের দুধ খাওয়ানো। এ বিষয়ে তাদের কোনো পছন্দ করার সুযোগ থাকবে না।
** অধ্যায় ২৭ (পৃষ্ঠা ৩৯৭)
* [[নিষ্পাপ|নির্দোষিতা]]। অকল্পনীয় এবং অবর্ণনীয় জিনিসের সাথে চিরতরে চলে গেছে। এবং সেই সাথে নিষ্পাপ হাসিও চলে গেছে। এখন কেবল নোংরা হাসি, দুষ্টু হাসি, চরম বিরক্ত করার খেলা, পশুদের খেলার সময়।<br>যাতে করে আসল মৃত্যু যখন তাড়া করে<br>যখন আসল ভয়াবহতা শুরু হয়<br>তখন এর সবকিছু পরিচিত মনে হবে এবং আমরা এটি উপভোগ করতে পারব।
** অধ্যায় ২৭ (পৃষ্ঠা ৪০০)
* এমন কোনো গভীর নির্দোষিতা নেই যা নিজের যৌবনের সচেতনতা থেকে মাংসের তাগিদগুলোকে ঢেকে রাখতে পারে।
** অধ্যায় ২৭ (পৃষ্ঠা ৪০৪)
* সে দীর্ঘশ্বাস ফেলল। “সৃষ্টিকর্তা নিজে যা তৈরি করেছেন, বিউটি, তা অন্য কারও কাজের কারণে ধ্বংস হয়ে গেছে। পরম পবিত্র সত্তা এমন একটি গাছ তৈরি করেন যা চার হাজার বছর বাঁচে, আর কেউ একজন চুইংগাম প্যাক করার কাগজ তৈরি করতে সেটি কেটে ফেলে। সৃষ্টিকর্তা তিমি তৈরি করেন যারা গভীরে গান গায়, আর মানুষ লিপস্টিকে তাদের তেল ব্যবহার করার জন্য তাদের হত্যা করে।”
** অধ্যায় ২৮ (পৃষ্ঠা ৪২৬-৪২৭)
* সুতো এবং সুই। সেলাই করার জন্য, মা যেমন বলেছিলেন, প্রজ্ঞার টুপি, চিন্তাভাবনার টুপি। যদি কেউ চিন্তাভাবনার টুপি চায়। মা চাননি। প্রজ্ঞা হলো মানুষের অভিশাপ, তিনি বলেছিলেন। প্রজ্ঞার সন্ধানে আমরা আমাদের ঐতিহ্য হারিয়েছি। আমি তা বিশ্বাস করিনি। আমরা যথেষ্ট নিষ্ঠার সাথে প্রজ্ঞা খুঁজিনি, এভাবেই আমরা আমাদের ঐতিহ্য হারিয়েছিলাম। আমরা প্রজ্ঞার চেয়ে চতুরতা পছন্দ করেছিলাম। সত্য খোঁজার পরিবর্তে, আমরা সহজ নিশ্চয়তায় বিশ্বাস করা পছন্দ করেছিলাম। অলস, সহজ পথ বেছে নেওয়া এবং তারপর ঈশ্বর এর আদেশ দিয়েছেন বলে ভান করা সবসময়ই অনেক সহজ।
** অধ্যায় ২৯ (পৃষ্ঠা ৪৪৪-৪৪৫)
* আমি মা এবং ইসরাফেলের জন্য কিছুক্ষণ কেঁদেছিলাম। কিন্তু কেঁদে কোনো লাভ হয় না, তাই না? বসে বসে কাঁদা—নারীরা শতাব্দী ধরে এটাই করে এসেছে, এবং এতে কোনো লাভই হয়নি। প্রার্থনা করেও না। ঈশ্বর আমাদের পৃথিবী দিয়েছেন। তিনি পাশের ঘরে অপেক্ষা করছেন না যে, আমরা এটি ধ্বংস করলে তিনি এটি আমাদের জন্য ঠিক করে দেবেন। আমরা যদি এর যত্ন না নিই, তবে কেউই নেবে না। অন্যান্য বিশ্বে হয়তো অন্যান্য জাতির মানুষেরা আমাদের চেয়ে ভালো করেছে। তিনি আমাদের যত্ন নেন, কিন্তু আমরা যা করি তা তিনি নিয়ন্ত্রণ করেন না।
** অধ্যায় ২৯ (পৃষ্ঠা ৪৫৮)
=== ''[[w:শেরি এস. টেপার|শ্যাডোস এন্ড]]'' (১৯৯৪) ===
:<small> সমস্ত পৃষ্ঠা নম্বর ব্যান্টাম স্পেকট্রা কর্তৃক প্রকাশিত গণবাজার পেপারব্যাক সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে, {{ISBN|0-553-57326-8}} </small>
:<small> ইটালিকস এবং ইলিপসিস বইয়ের অনুরূপ </small>
* “তুমি যদি কম অনিয়ন্ত্রিত হও, তবে তুমি মেঝের ওপর গড়াগড়ি খেয়ে শিশুর মতো শব্দ করতে এবং তোমার সঙ্গীদের অবজ্ঞা এবং উপহাসের শিকার হতে নিজেকে দেখবে না।”<br>“ওই বাজে লোকেরা আমার সঙ্গী নয়।”<br>“কী বললে তুমি?”<br>“আমি বললাম, যারা আমার দাসত্বের অবস্থা ভাগ করে নিচ্ছে, তাদের প্রতি আমি কোনো সাহচর্য বোধ করি না।”
** অধ্যায় ১ (পৃষ্ঠা ৩৭)
* “সিমুলে যাও এবং লোকজনকে চড় মারো, লোকজনকে মেরে ফেলো, এটাই তো তুমি চাও। করো সেটা! কিন্তু তুমি এখানে বাইরে সেটা করতে পারো না!”<br>কথাটা শুনতে দারুণ লাগছিল, কিন্তু সিমুলে কেউ মরে থাকে না! যে মরে থাকে না, তাকে মেরে তুমি কীভাবে কোনো তৃপ্তি পাবে?
** অধ্যায় ১ (পৃষ্ঠা ৪০)
* “তাদের বলে দাও তারা যেতে পারে। তারা যা করছে তার কোনো কিছুই আমি সমর্থন করি না।”<br>রাগান্বিত হয়ে মন্ত্রী গর্জে উঠলেন: “ফার্স্টার গডমঙ্গাররা বা ধর্ম ব্যবসায়ীরা প্রতিদিন আপনার অন্ধত্বের জন্য প্রার্থনা করে, মহারাজ। মানুষের কাজই হলো প্রজনন করা! বিশ্বব্রহ্মাণ্ড আমাদের দেওয়া হয়েছে তা পূর্ণ করার জন্য। আমাদের নিয়তির সামনে কয়েকটা প্রাণী, কয়েকটা গাছ আর এমন কী ব্যাপার?”
** অধ্যায় ২ (পৃষ্ঠা ৭২)
* কেউ এসে সবকিছু ঠিক করে দেবে—এই অন্ধ বিশ্বাস অনেক মানসিক চাপ দূর করে দেয়, তাই বেশিরভাগ মানুষের মধ্যেই এই অন্ধ বিশ্বাস থাকে!
** অধ্যায় ২ (পৃষ্ঠা ৮১)
* “শাসনের প্রথম নিয়ম হলো কাকে বলিদান করা হবে তা কখনোই বাছাই না করা,” প্রকিউরেটর কড়কড়ে গলায় বললেন। “অথবা অন্তত, বাছাই করতে দেখা না যাওয়া। মৃত্যু এবং অঙ্গহানি সবসময়ই... অসাবধানতাবশত হতে হবে। সবার দোষ অথবা কারো দোষ নয়!”
** অধ্যায় ২ (পৃষ্ঠা ৮২)
* ভীতু মানুষেরা তাদের ধর্মগুলোকে সুরক্ষামূলক উপায় হিসেবে, প্রতিকূল পরিবেশকে নিজেদের মতো করে পরিচালনা করার উপায় হিসেবে, তাদের শত্রুদের চিহ্নিত ও পরাজিত করার সূত্র হিসেবে গড়ে তোলে। মানুষ যত বেশি ভীতু হয়, তাদের শত্রু তত বেশি হয়, তারা তত বেশি বিরোধী ভাষা ব্যবহার করে।
** অধ্যায় ৩ (পৃষ্ঠা ১০৯)
* এছাড়াও, দেবতা প্রায়শই আচরণ এবং অনুভূতির দিক থেকে তার অনুসারীদের মতো হয়। রাগী মানুষের রাগী দেবতা থাকে এবং প্রতিহিংসাপরায়ণ মানুষের প্রতিহিংসাপরায়ণ দেবতা থাকে, ইত্যাদি।
** অধ্যায় ৩ (পৃষ্ঠা ১০৯)
* মাছেরা অন্য সব কৃমি খেয়ে ফেলেছে বলে কি বড়শিতে গাঁথা কৃমিটি উদ্ধার পাওয়ার আশা করে?
** অধ্যায় ৪ (পৃষ্ঠা ১৩২)
* যৌনতা আনন্দদায়ক ছিল, অবশ্যই, কিন্তু বেঁচে থাকা ছিল আরও বেশি মিষ্টি।
** অধ্যায় ৪ (পৃষ্ঠা ১৩৩)
* “একজন অস্থির মানুষ অসন্তোষের শিকার হয়; সে রাজাদের রক্ত দিয়ে তার মাছির কামড় উপশম করবে।”<br>“নিশ্চয়ই সাধারণ মানুষ তা চাইবে না!”<br>“সাধারণ মানুষ সবচেয়ে বেশি যা চায় তা হলো বিয়ার এবং যৌনতা, কোনো বিরক্তি ছাড়াই।”
** অধ্যায় ৪ (পৃষ্ঠা ১৪০)
* “এমনকি ব্যথাও,” রাজা বললেন, নবী হওয়ার কোনো উদ্দেশ্য ছাড়াই, “এমনকি ব্যথাও একঘেয়েমির কারণে মারা যাওয়ার চেয়ে পছন্দনীয়।”
** অধ্যায় ৪ (পৃষ্ঠা ১৪০)
* তিনি যা বলেছিলেন তা ভুল ছিল না; এটি কেবল হাস্যকরভাবে ছোট করে বলা ছিল।
** অধ্যায় ৮ (পৃষ্ঠা ২৭৪)
* “তার মস্তিষ্কের তরঙ্গ আছে!” সে চিৎকার করে উঠল।<br>“তার মুরগির মতো একই ধরনের মস্তিষ্কের তরঙ্গ আছে। আসলে, তার মস্তিষ্কের তরঙ্গগুলো মুরগির তরঙ্গের থেকে প্রায় আলাদা করা যায় না।”<br>“সে মুরগি নয়। সে একজন মানুষ!”<br>লিলসনের মুখ খুব ফ্যাকাশে ছিল, তার মুখ শক্ত ছিল। “গঠনগতভাবে, সে একজন মানুষ। মানসিকভাবে, সে একটি মুরগি।”
** অধ্যায় ৮ (পৃষ্ঠা ২৮২)
* ধর্ম ব্যবসায়ীরা সবসময়ই নারীদের জীবনের বিনিময়ে তাদের বিশ্বাসের মূল্য পরিশোধ করা সহজ বলে মনে করেছে...
** অধ্যায় ৮ (পৃষ্ঠা ৩০০)
* লুথার সন্দেহাতীত বুদ্ধিমত্তা থাকা সত্ত্বেও, সে প্রতিনিয়ত আতশবাজির মতো বিস্ফোরিত হতো, হাসত বা কাঁদত, প্রতিটি ছোটখাটো বিষয়ে আবেগপ্রবণ হতো। দিনাধে আমরা এমন আচরণকে শিশুদের বৈশিষ্ট্য বলে মনে করি, গম্ভীর প্রাপ্তবয়স্কদের নয়।
** অধ্যায় ৯ (পৃষ্ঠা ৩০৬)
* গফিনরা যেমন শিক্ষা দিয়েছিল, মানুষ ''সত্যিই'' হাস্যকর! আমাদের ভাষা এবং ইতিহাস আছে, আমাদের প্রযুক্তি এবং দর্শন আছে, এবং তবুও আমরা সাধারণ জ্ঞান এবং আত্মনিয়ন্ত্রণ অর্জন করতে পারিনি!
** অধ্যায় ৯ (পৃষ্ঠা ৩১৫)
* আমাকে বোকা ভেবো না, সুন্দরী মেয়ে। আমরা মোটা বুড়োরা আমাদের শরীরের সাথে আমাদের মস্তিষ্ককে সরিয়ে রাখিনি।
** অধ্যায় ৯ (পৃষ্ঠা ৩২৪)
* যারা দুটি ভিন্ন বিন্দুতে ঘটনার শৃঙ্খলের মুখোমুখি হয়, সংযোগগুলো পর্যবেক্ষণ না করেই, তারা মনে করে তারা কাকতালীয় ঘটনা পর্যবেক্ষণ করেছে যখন তারা আসলে কেবল পরিণতিই দেখেছে।
** অধ্যায় ৯ (পৃষ্ঠা ৩৩৬)
* প্রতি একশো বছর পর তাদের মোহভঙ্গ হবে, এবং প্রতিবার তারা তাদের ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য তাদের মোহভঙ্গ লুকানোর শপথ নেবে। তারা বলবে, “আমরা কাউকে বলব না। আমরা কাউকে জানতে দেব না। আমরা এটি অস্বীকার করব। আমরা ঐতিহ্যগত শিক্ষাগুলো রক্ষা করব!”<br>এর আগে এমন অনেক কিছুই ঘটেছিল! ক্ষমতায় থাকা পুরুষেরা ভুল করেছিল বা বোকামিপূর্ণ দাবি করেছিল এবং তাদের বাকি জীবন এবং তাদের উত্তরসূরিদের জীবন অবর্ণনীয় বিষয়গুলোকে রক্ষা করে বা লুকিয়ে কাটিয়েছিল।
** অধ্যায় ৯ (পৃষ্ঠা ৩৪৪)
* “সেটা আলাদা। সেটা স্বর্গ। যেমনটা ব্রেধে ছিল।”<br>“ব্রেধে কি অনেক মানুষ ছিল?”<br>স্নার্ক হেসে উঠল, হঠাৎ করেই আনন্দিত। “খুব কমই! আর সেটাই এটিকে স্বর্গে পরিণত করেছিল!”
** অধ্যায় ১১ (পৃষ্ঠা ৩৮৪)
* কষ্ট এবং ক্ষতি। আশা ম্লান হয়ে গেছে। উচ্চাকাঙ্ক্ষা নিভে গেছে। ভালোবাসা প্রেমিকের কাছে এক অপ্রীতিকর রসিকতায় পরিণত হয়েছে! শরীর বলছে হ্যাঁ; মন বলছে না; বর্তমান বলছে পারি; ভবিষ্যৎ বলছে পারি না।
** অধ্যায় ১১ (পৃষ্ঠা ৪০৬)
* প্রাচীন-পৃথিবীর গল্পগুলো প্রাচীন-পৃথিবীর মানুষদের মধ্যে ছড়িয়ে রয়েছে। এমনকি আমি সালুয়েজ, হাতি এবং তিমি, উটপাখি এবং ঈগল, সাপ এবং নেকড়েকে চিনতে পারি, যদিও এগুলোর আর অস্তিত্ব নেই। আমি জানি যে এগুলো ছিল এবং এখন মানুষের কারণেই নেই।
** অধ্যায় ১২ (পৃষ্ঠা ৪১১)
* “বেশিরভাগ বিশ্বের বেশিরভাগ দেবতারই মানুষের মুখ থাকে।”<br>“কারণ পুরুষেরা তাদের নিজস্ব প্রতিমূর্তিতে তাদের তৈরি করে,” লুথা কিছুটা তিক্ততার সাথে মন্তব্য করল। “মানবজাতিকে লাইসেন্স দিতে যাতে আমরা যা করতে চাই তা-ই করতে পারি।”
** অধ্যায় ১২ (পৃষ্ঠা ৪২১-৪২২)
* “তুমি কি আবার বাড়ি যাবে?”<br>আমি কি আবার বাড়ি যাব? সংফাদারদের বা গানের ফাদারদের বলা সেই মিথ্যাগুলোতে? নামহীন বাড়ির সেই যন্ত্রণায়? আমার মেয়েদের জন্য সেই ভয়ানক নিয়তির কাছে? আমার ছেলেদের সেই মন্দ কাজের সাথে যোগসাজশের কাছে? অমরত্বের মিথ্যা আশা কেনার জন্য সত্য এবং প্রজ্ঞাকে সস্তায় বিক্রি করতে?<br>কোনোভাবে আমি উঠে দাঁড়ালাম।<br>“না,” আমি চিৎকার করে উঠলাম। আমার কণ্ঠস্বর ছিল সেই প্রচণ্ড বজ্রপাতের বিপরীতে একটি ছোট পাখির কান্নার মতো। তবুও আমি চিৎকার করে বলেছিলাম, “না। আমি যাব না!”
** অধ্যায় ১২ (পৃষ্ঠা ৪২৮)
* কেউ কেউ তাদের আয়নার চেয়ে বেশি দূরে দেখতে পায় না। যা অন্য মুখ পরে থাকে তা অদেখা থেকে যায়।
** অধ্যায় ১২ (পৃষ্ঠা ৪৩৯)
* চিরকাল বেঁচে থাকার ইচ্ছা কোরো না। বিশ্বাস কোরো না যে মানুষের আকৃতির প্রতিটি জিনিস অন্য কিছুর চেয়ে বেশি পবিত্র। ঈশ্বরের মুখ দেখার জন্য আয়নার দিকে তাকিও না।
** অধ্যায় ১২ (পৃষ্ঠা ৪৫৩)
=== ''গিবনস ডিক্লাইন অ্যান্ড ফল'' (১৯৯৬) ===
:<small> সমস্ত পৃষ্ঠা নম্বর ব্যান্টাম স্পেকট্রা কর্তৃক প্রকাশিত গণবাজার পেপারব্যাক সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে {{ISBN|0-553-57398-5}} </small>
* সেই দূর দিগন্তে স্যান্ডিয়া পর্বতমালা তাদের বহিরাগতদের পেছনে ধুসর বা নীল বা বেগুনি রঙের ক্রমহ্রাসমান স্তরে দাঁড়িয়ে আছে। এগুলো হালকা আকাশের বিপরীতে কাগজের কাটিংয়ের মতো মনে হয়, যা শহরের আলো জ্বলে উঠলে রাতে বিলীন হয়ে যায়। তারপর [[তারা|তারারা]] নিচের দিকে তাকায় এবং বাতাস পিনিয়ন ধোঁয়ায় মিষ্টি হয়ে ওঠে। কারণ শতাব্দী পুরোনো বাদাম উৎপাদনকারী [[গাছ|গাছগুলো]] এমন মানুষের ক্ষণস্থায়ী আনন্দের জন্য পোড়ানো হয়, যারা স্থানীয় মানুষদের মতো গাছের উৎপাদিত [[খাদ্য|খাবারের]] কথা কখনো ভাবে না।
** অধ্যায় ২, পৃষ্ঠা ৪১
* [[শিক্ষা|বিদ্যালয়ের]] প্রথম দিন বাইরের আরেকটি জানালা খুলে গিয়েছিল, যখন একজন আগ্রহী তরুণ শিক্ষক ক্লাসকে বলেছিলেন যে তারা যদি মনোযোগ দেয় এবং [[পড়া|পড়তে]] শেখে তবে তারা বিশ্বের যেকোনো কিছু জানতে পারবে। জেকের কাছে এটি একটি স্বর্গীয় বাণীর মতো মনে হয়েছিল, তার জীবনের ধাঁধার হারিয়ে যাওয়া অংশ! এখানে অস্তিত্বের সেই রহস্য ছিল যা সে জানত যে কোথাও না কোথাও থাকতে হবে! তার অস্তিত্বের সমস্ত রহস্য পরিষ্কার হয়ে যাবে, সে যে বিষয়গুলো নিয়ে ভাবে তার সবকিছুর উত্তর পাবে, যদি সে কেবল পড়তে শেখে। সে খুব দ্রুত, আবেগের সাথে শিখেছিল, অনেক ছেলে যেমন খেলার জন্য প্রবল আগ্রহ জমিয়ে রাখে ঠিক সেভাবে।
** অধ্যায় ২, পৃষ্ঠা ৪৪-৪৫
* কিপ তার ঠোঁট কামড়ে ধরল, মাথা নাড়ল। “আমরা অবশ্যই এ দেশে ইতিমধ্যেই খুব শক্তিশালী অবস্থানে আছি। আমরা সমস্ত সরকারবিরোধী মিলিশিয়া, নিজেদের রক্ষণশীল বলে মনে করা বেশিরভাগ ধর্মীয় গোষ্ঠী, এবং কেকেকে ও আমেরিকান নাৎসি পার্টির যা অবশিষ্ট আছে তা দখল করে নিয়েছি, তবে এগুলো কেবল খুচরা পয়সার মতো। আমরা এখন রিপাবলিকান পার্টির মালিক। সেখানে লুকিয়ে থাকা কোনো মধ্যপন্থীদের বের করে দেওয়া হয়েছে। আমরা বিশ বছরেরও বেশি সময় ধরে সংবাদপত্র পরিচালনা করছি, এবং জনগণ আমাদের বিশ্বদৃষ্টিভঙ্গির সাথে অভ্যস্ত হয়ে গেছে।”<br>জ্যাগার মনোযোগ দিল। “আমি বুঝতে পারিনি...”<br>“ওহ, হ্যাঁ। মানুষ নতুন তথ্য গ্রহণ করতে চায় না। তারা পূর্বাভাসযোগ্যতা পছন্দ করে। তাই যতক্ষণ আমরা জনগণকে সত্য দিয়ে অবাক না করব, আমরা আমাদের ইচ্ছামতো কাজ করতে স্বাধীন। খুব শিগগিরই আমাদের এ বিষয়ে আর গোপনীয়তাও বজায় রাখতে হবে না। আর এরপর অবশ্যই মানুষ সমস্যা নিয়ে তিতিবিরক্ত। নাগরিক [[অধিকার]], মানবাধিকার, নারীর [[অধিকার]]—এসব নিয়ে মানুষ ক্লান্ত। তুমি বুঝতে পারছ?”
** অধ্যায় ২, পৃষ্ঠা ৫২; একটি গোপন নব্য-ফ্যাসিবাদী সংগঠনের অন্যতম নেতার বলা কথা
* ভালো মানুষ হওয়ার অন্যতম অসুবিধা হলো যে উন্মুক্ত সমাজে এমনকি গোপন [[পুলিশ রাষ্ট্র|পুলিশেরও]] প্রয়োজন হয়। আর গোপন পুলিশ উত্তর দিকে নির্দেশ করা কম্পাসের মতো দমনের দিকে ঘোরে।
** অধ্যায় ৫, পৃষ্ঠা ৯৬
* তার আরও [[ঘুম]] এবং কম উত্তেজনার প্রয়োজন ছিল।
** অধ্যায় ৬, পৃষ্ঠা ১১৪
* সমস্যা সৃষ্টির জন্য [[ভয়|ভয়ের]] কোনো বাস্তব ভিত্তি থাকার প্রয়োজন নেই।
** অধ্যায় ৯, পৃষ্ঠা ১৫৩
* “[[শব্দ]]? ঠিক তা নয়। মানবজাতি একটি ভালো শব্দ।” সে তার গ্লাসটি সশব্দে নিচে রাখল। “অথবা মনুষ্যজাতি। আমার ভয় হয় আমরা প্রয়োজনীয় কাজের বদলে অর্থহীন [[প্রতীক|প্রতীকগুলোর]] পেছনে প্রচুর [[নারীবাদ|নারীবাদী]] শক্তি ব্যয় করেছি।”
** অধ্যায় ১০, পৃষ্ঠা ১৭০
* শিশুহত্যা এবং অবহেলা [[গর্ভপাত]] পরিষেবার সহজলভ্যতার বিপরীত অনুপাতে বিদ্যমান।
** অধ্যায় ১০, পৃষ্ঠা ১৭৩
* এখানে আমরা আছি প্রায় কয়েক মিলিয়ন বছরের [[প্রাকৃতিক নির্বাচন|প্রাকৃতিক নির্বাচনের]] পর, যা এমন একটি জাতি তৈরি করেছে যারা অতিরিক্ত জনসংখ্যা বাড়ায়, [[যুদ্ধ]] করে, আধিপত্য বিস্তার করে এবং ধর্ষণ করে, আর তুমি [[প্রজ্ঞা|প্রজ্ঞা]] সম্পর্কে জানতে চাও! প্রাকৃতিক নির্বাচন প্রজ্ঞার জন্য নির্বাচন করে না!
** অধ্যায় ১১, পৃষ্ঠা ১৯৪
* যা আসছে তা হলো [[বাস্তবতা]]। [[বাস্তবতা|বাস্তবতার]] সাথে [[রাজনীতি|রাজনীতির]] কোনো সম্পর্ক নেই!
** অধ্যায় ১৪, পৃষ্ঠা ২৬৯
* “যখন অনেক, অনেক কাল আগে তোমাদের লোকেরা আমাদের ওপর চাপ দিতে শুরু করেছিল, তখন আমরা দুর্গম অঞ্চলে চলে গিয়েছিলাম। আমাদের কাছে সংখ্যা মানে শক্তি নয়; প্রজ্ঞাই শক্তি। একটি জাতির অসংখ্য এবং বোকা হওয়ায় কী লাভ, লা? ''দেখো আমরা কত মহান, লেমিং বলছে!”'' সে হাসল।
** অধ্যায় ১৮, পৃষ্ঠা ৩৯২
* আমরা বিশ্বাস করি যে আমাদের [[উপাসনা|উপাসনার]] যোগ্য কোনো কিছু আমাদের উপাসনা চাইবে না।
** অধ্যায় ১৮, পৃষ্ঠা ৪০১
* ছেলেরা ইনস্টিটিউটে যায়। আমি দেখেছি তারা মেয়েদের কোথায় রাখে। তাদের কিছুই শেখানো হয় না। তাদের কেবল খাওয়ানো হয়, স্নান করানো হয়, ব্যায়াম করানো হয়, বয়ঃসন্ধি পর্যন্ত এভাবেই বড় করা হয়, এরপর তাদের বাছাই করে সরিয়ে ফেলা হয়। শত্রু তার অনুসারীদের মধ্যে বিদ্রোহ বা চিন্তাভাবনার জন্ম নিতে দিতে চায় না, তাই যারা স্বাধীনতা বা অস্বাভাবিক বুদ্ধিমত্তার লক্ষণ দেখায় তাদের বাছাই করে মেরে ফেলা হয়।
** অধ্যায় ১৯, পৃষ্ঠা ৪২১
* তাদের দেখতে মানুষের মতোই লাগছিল। শয়তানদের নিয়ে এটাই সমস্যা ছিল, ক্যারোলিন ভাবল। খুব বেশি সময় তাদের দেখতে মানুষের মতোই লাগে।
** অধ্যায় ২০, পৃষ্ঠা ৪৪৯
=== ''[[w:শেরি এস. টেপার|সিক্স মুন ড্যান্স]]'' (১৯৯৮) ===
:<small> সকল পৃষ্ঠার উল্লেখ ১৯৯৯ সালে ইওস থেকে প্রকাশিত মাস মার্কেট পেপারব্যাক সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে। {{ISBN|0-380-79198-6}}, ২য় মুদ্রণ </small>
:<small> ব্যাকরণ ও ইটালিক বইয়ের অনুরূপ </small>
* রাজ্যাভিষেক হওয়ার পরপরই হ্যারাল্ডসন ইডিক্টস অব ইক্যুইটি জারি করেছিলেন। এতে প্রথমবারের মতো প্রজাতি বা রূপের পরিবর্তে [[বুদ্ধিমত্তা]], [[ভদ্রতা]] এবং [[ন্যায়বিচার]]ের সন্ধানের পরিপ্রেক্ষিতে মানবতাকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছিল। মানবজাতি ছাড়া অন্যান্য কিছু পার্থিব প্রাণীকে অবিলম্বে এই অধ্যাদেশের মাধ্যমে মানুষ হিসেবে গণ্য করা হয়। এর ফলে তারা জীবন, স্বাধীনতা এবং সন্তুষ্টি অর্জনের অধিকার লাভ করে। পূর্বে যারা নিজেদের মানুষ হিসেবে জাহির করত, এমন কিছু চরমপন্থী ব্যক্তি ও গোষ্ঠীর এই ধারণা দূর করা হয়েছিল।
** অধ্যায় ৩, "দ্য এস্টাবলিশমেন্ট অব দ্য কোশ্চেনার বাই হ্যারাল্ডসন দ্য বেনিফিসেন্ট" (পৃষ্ঠা ৩১)
* তাত্ত্বিক স্বাধীনতার বিষয়ে আমাদের প্রায়শই প্রকৃত ভদ্রতার বিনিময়ে আশ্বাস দেওয়া হয়। আর ভদ্রতা হারিয়ে গেলে, মোকদ্দমা একটি জীবনযাত্রায় পরিণত হয়। এর ফলে [[আইনজীবী]] ছাড়া বাকি সবার ''প্রকৃত'' স্বাধীনতা হ্রাস পায়। আইনজীবীরা ভাড়াটে সৈন্যদের মতো। তারা বিবাদের মুনাফাভোগী। আইনের দ্বারা, মত প্রকাশের স্বাধীনতার ছদ্মবেশে, ভিন্নমত পোষণকারীদের মুখের ওপর চিৎকার করতে এবং তাদের গোপনীয়তায় হস্তক্ষেপ করার অনুমতি প্রকৃতপক্ষে ব্যক্তিদের দেওয়া হয়েছিল। [[স্বাধীনতা]]র দুটি পা রয়েছে। সতর্কতা অবশ্যই একটি, তবে [[ভদ্রতা]] নিশ্চিতভাবেই অপরটি।
** অধ্যায় ৩, "দ্য এস্টাবলিশমেন্ট অব দ্য কোশ্চেনার বাই হ্যারাল্ডসন দ্য বেনিফিসেন্ট" (পৃষ্ঠা ৩২)
* কিছু মানুষ, প্রায়শই পুরুষরা, তাদের পুরো জীবন তিক্ততায় ভাসিয়ে দেয়। তারা তাদের পূর্বপুরুষদের প্রতি হওয়া অন্যায়ের বিরুদ্ধে [[রাগ|ক্ষোভ]] প্রকাশ করে, যা হয়তো শত শত বছর আগে ঘটেছিল। তারা তাদের দেশবাসী ও তাদের পরিবারের প্রতি হওয়া অন্যায়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে। তারা তাদের মতো নয় এমন মানুষের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে। তাদের ধারণা অনুযায়ী, যারা আলাদা, তারা অবশ্যই খারাপ হবে। তারা এমন মানুষের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে, যারা তাদের মতোই, কিন্তু তাদের দৃষ্টিভঙ্গি শেয়ার করে না। তারা তাদের বাবা-মা, তাদের স্ত্রী, তাদের সন্তানদের এবং এদের প্রতি সহানুভূতিশীল যে কারও বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে। তাদের ক্ষোভ তাদের এবং বিশ্বের মধ্যে একটি পর্দা। এর পেছনে তারা গুহামানবদের আগুনের ওপর ঝুঁকে থাকার মতো নিজেদের অহংকারের ওপর গুটিসুটি মেরে থাকে। তারা ধোঁয়ার ভেতর দিয়ে বাইরে তাকাতে অক্ষম।
** অধ্যায় ৯, "অ্যামাটরি আর্টস: ফিটিং ইনটু দ্য ফ্যামিলি" (পৃষ্ঠা ৭৮)
* আমরা এমন অনেক পুরুষকে চিনি যারা সবকিছুর ওপর [[রাগ|রাগান্বিত]] থাকে। এর কারণ হলো তারা সবকিছুর ওপর রাগ করতেই পছন্দ করে। প্রায়শই, তারা আত্ম-ধ্বংসের শিকার হয়। আর মাঝে মাঝে তারা অন্য লোকেদেরও নিজেদের সাথে টেনে নিয়ে যায়।
** অধ্যায় ৯, "অ্যামাটরি আর্টস: ফিটিং ইনটু দ্য ফ্যামিলি" (পৃষ্ঠা ৭৯)
* আপনি যদি আপনার অ্যাসাইনমেন্টটি পড়ে থাকেন, তবে আপনি জানেন যে মানবজাতির একটি স্তরযুক্ত মানসিকতা রয়েছে। প্রাচীন টিকটিকির মন স্তন্যপায়ী মনের নিচে থাকে। এটি আবার প্রাইমেট মনের নিচে থাকে। প্রাইমেট মন আবার ভাষার সাথে খাপ খাইয়ে নেওয়া মন দ্বারা পরিবর্তিত হয়। যেহেতু এই স্তরগুলো বিভিন্ন বিবর্তনীয় চাপের প্রতিক্রিয়া হিসেবে বিকশিত হয়েছে, তাই এগুলো প্রায়শই একসাথে দক্ষতার সাথে কাজ করে না। মানবীয় ভদ্রতা বানরের আধিপত্য নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। মানবীয় যৌক্তিকতা স্তন্যপায়ীদের যৌনতা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। মানবীয় সামাজিক বিবেক সরীসৃপদের লোভ প্রশমিত করার চেষ্টা করে। তবে এগুলো কখনোই পুরোপুরি সফল হয় না।
** অধ্যায় ১২, "দ্য অ্যামাটরি আর্টস: হোয়াট উইমেন ওয়ান্ট" (পৃষ্ঠা ৯৮)
* "গোষ্ঠীগুলো স্তরীভূত, যেখানে এক বা একাধিক নেতা এবং বাকিরা অনুসারী হিসেবে থাকে। এই ধরনটি আজও অব্যাহত রয়েছে। তবে ভাষা অর্জন এমন গোষ্ঠীগুলোকে উপজাতি, সেনাবাহিনী, রাজনৈতিক দল, বাণিজ্যিক সাম্রাজ্য, ধর্মীয় শ্রেণিবিন্যাস বা ক্রীড়া দল হিসেবে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার অনুমতি দেয়। এই সবগুলোরই নিয়ম রয়েছে। এসব নিয়মে একটি খেলার বস্তু যেমন একটি বল, পতাকা, আইকন, ট্রেডমার্ক বা বিশ্বাস ব্যবস্থাকে অন্য কারও অঞ্চলে নিয়ে গিয়ে অঞ্চল রক্ষা ও সম্প্রসারণের প্রয়োজন হয়। মনস্তাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে, ধর্মান্তরিত করা, জয়সূচক গোল করা বা থর্বিয়ান গিগারামসের বাজার দখল করার মধ্যে খুব কম পার্থক্য রয়েছে।<br>"যথাযথ গ্যাং কার্যক্রমের জন্য সদস্যদের নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন। গ্যাংগুলো 'আলগা' ব্যক্তিদের ঘুরে বেড়ানো সহ্য করতে পারে না। যে কেউ হয় চার্চের পক্ষে বা বিপক্ষে থাকে; কোম্পানির পক্ষে বা বিপক্ষে থাকে; দলের পক্ষে বা বিপক্ষে থাকে।"
** অধ্যায় ১২, "দ্য অ্যামাটরি আর্টস: হোয়াট উইমেন ওয়ান্ট" (পৃষ্ঠা ১০০)
* "দলের ভেতরের ব্যক্তিরা হলো 'আমরা'। নারীসহ দলের বাইরের সব গুরুত্বপূর্ণ সত্তা হলো 'তারা'। এবং তাদের সবাই হয় সম্পত্তি, শিকার অথবা প্রতিপক্ষ।"
** অধ্যায় ১২, "দ্য অ্যামাটরি আর্টস: হোয়াট উইমেন ওয়ান্ট" (পৃষ্ঠা ১০০)
* "যেসব নারীরা সম্পত্তি হতে রাজি হয়, তারাই বেঁচে থাকে। একজন পরিণত, শক্তিশালী পুরুষের অধিকারে থাকা তার এবং তার সন্তানদের জন্য সুরক্ষা নিশ্চিত করে। এটি প্রাইমেট সমাজে নারীর পদমর্যাদা বৃদ্ধি করে। পদমর্যাদা যত বেশি হয়, সে তত কম হয়রানির শিকার হয় এবং সে তত বেশি খেতে পায়। তাই লাখ লাখ বছর ধরে, নারীদের জন্য তাদের আকৃষ্ট করতে পারে এমন সবচেয়ে বিপজ্জনক ও সবচেয়ে প্রভাবশালী পুরুষের সাথে মিলিত হওয়া স্বাভাবিক প্রবৃত্তি হয়ে দাঁড়িয়েছে।"
** অধ্যায় ১২, "দ্য অ্যামাটরি আর্টস: হোয়াট উইমেন ওয়ান্ট" (পৃষ্ঠা ১০০)
* মানবজাতির সবসময়ই অশাসিতদের শাসন করার এবং অনিয়ন্ত্রিতদের নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টার প্রবণতা ছিল। মানবজাতি সবসময় আইন ও নিয়মের ওপর নির্ভর করেছে সেই প্রবৃত্তিগুলোকে পরিচালনা করার জন্য, যেগুলো আইন বা নিয়মের পরোয়া করে না। অবশেষে [[বাস্তববাদ]] বিজয়ী হয়েছিল।
** অধ্যায় ২১, "অ্যামাং দ্য ইনডিজেনস" (পৃষ্ঠা ১৫৭)
* ভিউ প্যানেলটি অবশ্যই সেখানে ছিল। এতে গাছপালা ও চাঁদের আলো চিত্রিত করার প্রয়োজন ছিল না। সে লিখিত যে কোনো কিছু মুদ্রিত বা নাটকীয় রূপ দেওয়ার জন্য বলতে পারত। সে কয়েকবার তা চেষ্টাও করেছিল। কিন্তু প্যানেলটি একগুঁয়েভাবে ''সেখানেই'' থাকত, তার এবং যে কোনো গল্প এটি প্রকাশ করার চেষ্টা করছিল তার মাঝখানে। একটি বই এর চেয়ে ভালো হবে। [[বই]]গুলোর সাথে, সে আখ্যানটিতে বসবাস করা ছাড়া অন্য কোনো বিষয়ে সচেতন ছিল না।<br>মাঝে মাঝে সে ভাবত যে সে কেবল নাচ নিয়ে স্বপ্ন দেখে, যখন তার আসল জীবন বইয়ের মধ্যেই কেটে যায়। সে একটি বইয়ের মধ্যে হারিয়ে যেতে পারত, অন্য কেউ হতে পারত। নিজেকে পরিবর্ধিত, জটিল অনুভব করতে পারত। তার সাধারণ সত্তা নতুন অনুভূতি, নতুন ধারণা ও উপলব্ধি দিয়ে সাজানো হতো। বইয়ে তার পরিবার, সম্প্রদায় ও ইতিহাসে একটি স্থান ছিল; তার ভ্রমণ ও অন্বেষণ, সংগ্রাম ও অর্জন ছিল।
** অধ্যায় ২৩, "ড্যান্সারস ইন ট্রানজিট" (পৃষ্ঠা ১৬৪)
* বাতাসে বীজ এবং মানিয়ে নিতে সক্ষম হওয়া। এলিন, আমার মতোই। সবার মতোই। আমরা সবাই, বীজ। বীজ হলো নব্বই শতাংশ পূর্বসূরি স্তন্যপায়ী, যেমন ইঁদুর। সাত বা আট শতাংশ শিম্পাঞ্জি-মানুষ প্রাইমেট পূর্বসূরি। এক দশমিক নয় নয় নয় শতাংশ সাধারণ হোমো স্যাপিয়েন্স। অতি ক্ষুদ্র এক শতাংশ আমি, বা তুমি, বাকি সবার থেকে আলাদা। একটি সুস্থ প্রাণী বাতাসে উড়তে সক্ষম এবং তারপরেও বেঁচে থাকে! বেছে নিতে সক্ষম।
** অধ্যায় ২৩, "ড্যান্সারস ইন ট্রানজিট" (পৃষ্ঠা ১৬৮)
* কোশ্চেনার আই ফ্ল্যাগিয়ান মিসক্যালকুলেশন নামে পরিচিত প্রলয়নে গলে গিয়েছিল, যা নরকের অগ্নিকুণ্ডের কাছাকাছি কোথাও ছিল। পদার্থ যে মায়া, তা প্রমাণ করার জন্য ফ্ল্যাগিয়ানদের প্রচেষ্টা কেবল সেই পদার্থকে ব্যাপকভাবে পুনরায় বিতরণ করতে সফল হয়েছিল।
** অধ্যায় ৩১, "দ্য কোশ্চেনার অ্যাপ্রোচেস" (পৃষ্ঠা ২১৫)
* মানবজাতির যে কোনো যোগ্য ব্যক্তি একই সাথে এমন সব ধারণার জন্ম দিতে পারে যা পরস্পরবিরোধী বা সম্পূর্ণ আলাদা। উদাহরণস্বরূপ, মানবজাতি নিজেকে বোঝাতে সক্ষম হয়েছে যে তার প্রজাতি নিখুঁত হতে পারে। যদিও [[w:ক্রো-ম্যাগনন|ক্রো-ম্যাগনন]]ের পর থেকে শারীরিক, মানসিক বা মনস্তাত্ত্বিকভাবে এর কোনো পরিবর্তন হয়নি। মানবজাতি নিজেকে এটাও বোঝাতে সক্ষম হয়েছে যে প্রতিটি ব্যক্তি অনন্য। যদিও প্রতিটি ব্যক্তি তার ডিএনএর নিরানব্বই দশমিক নিরানব্বই শতাংশ এবং তার ধারণার প্রায় একই শতাংশ হাজার হাজার বা এমনকি লাখ লাখ অন্য ব্যক্তির সাথে ভাগ করে নেয়।
** অধ্যায় ৩১, "দ্য কোশ্চেনার অ্যাপ্রোচেস" (পৃষ্ঠা ২১৬)
* "আমাদের ধর্ম মানব বলিদান পরিহার করে একটি পরিপূর্ণ, উৎপাদনশীল এবং আনন্দময় জীবনের পক্ষে থাকার ওপর ভিত্তি করে তৈরি।"<br>চমকে গিয়ে এলিন কেঁদে উঠল, "[[w:মানব বলিদান|মানব বলিদান]]! আমি অবাক হচ্ছি যে আপনি এমন একটি কথা ভাবতে পারেন!"<br>ডি’জেভিয়ার অকৃত্রিম ক্লান্তির সাথে বললেন, "আমার প্রিয় যুবতী, আমাদের ইতিহাস হাজার হাজার বছরের মানব বলিদানের ইতিহাস। একবিংশ শতাব্দীতেও, উপজাতীয় বা জাতীয় সম্মানের জন্য যুবকদের বিশাল সেনাবাহিনীকে বলি দেওয়া হয়েছিল। পুরুষ আধিপত্যের কাছে নারীদের বলি দেওয়া হয়েছিল। নিষ্ঠুরতার কাছে শিশুদের বলি দেওয়া হয়েছিল। সবই যন্ত্রণাদায়ক [[কর্তব্য]]ের আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। আমরা নির্ধারণ করার চেষ্টা করি যে কর্তব্যপরায়ণ ব্যক্তিরা কষ্ট পাবে কিনা এবং সিদ্ধান্ত নিতে চেষ্টা করি কীভাবে সেই কষ্টের ক্ষতিপূরণ দেওয়া যেতে পারে। যারা আমাদের পক্ষে কষ্ট সহ্য করে তাদের আনন্দ দেওয়ার জন্য আমরা প্রতিনিয়ত আমাদের সমাজকে নতুন করে ডিজাইন করি।"
** অধ্যায় ৩৮, "দ্য কোশ্চেনার অ্যারাইভস" (পৃষ্ঠা ২৭০)
* "সব সমাজই ব্যক্তিগত আচরণকে একটি ছাঁচ বা ধরনে বাধ্য করার মাধ্যমে নিজেদের টিকিয়ে রাখে, যাকে সমাজ তার '[[সংস্কৃতি]]' বলে। ধরনগুলো প্রাকৃতিক বা রাজনৈতিক অবস্থার দ্বারা আরোপিত হয়। উদাহরণস্বরূপ, বারবার খরা বা বারবার নিপীড়নের ফলে অনুরূপ ধরন তৈরি হতে পারে। বেশিরভাগ ধরনে আচরণের পরিবর্তন প্রয়োজন। আর এর জন্য বিশ্বাস ব্যবস্থার পরিবর্তন প্রয়োজন, বা এর বিপরীত। এটি কোনটি আগে আসে তার ক্ষেত্রে মুরগি ও ডিমের মতো ব্যাপার।<br>"তাই কয়েক হাজার বছর কেটে যায় এবং জলবায়ু পরিবর্তন হয়, বা রাজনীতি পরিবর্তন হয়। কিন্তু মানুষ এখনও একই নিষেধাজ্ঞাগুলো মেনে চলে কারণ এখন তারা বিশ্বাস করে যে তাদের দেবতা তাদের এটি করতে নির্দেশ দিয়েছেন। দীর্ঘকাল ধরে অনুশীলন করা আচরণগুলো যা পরিস্থিতির প্রতিক্রিয়া হিসেবে শুরু হয়েছিল, তা সর্বদা 'ঐতিহ্যগত মূল্যবোধ' অর্থাৎ কাজ করার একমাত্র 'সঠিক উপায়ে' পরিণত হয়। সেই সময়ে মানুষ আর টিকে থাকার জন্য ব্যবস্থাকে ব্যবহার করে না, বরং ব্যবস্থাটি টিকে থাকার জন্য তাদের ব্যবহার করে। এটি এমন কিছু যা মানুষ প্রায়শই বোঝে না। ব্যবস্থাগুলো পরজীবী, তাদের নিজস্ব একটি জীবন আছে। এবং তারাও বিবর্তিত হয়, পরিবর্তিত হয় এবং টিকে থাকার চেষ্টা করে। একটি বিষয় যা ব্যতিক্রম ছাড়া সমস্ত সংস্কৃতির ক্ষেত্রে সত্য তা হলো, এটি কখনোই এতে আবদ্ধ হওয়া মানুষের মুক্ত ইচ্ছার প্রতিনিধিত্ব করে না। এমনকি মানুষকে যখন শৈশব থেকেই অভিন্নতা গ্রহণ করতে অভ্যস্ত করা হয় তখনও এটি সত্যি।"<br>"সত্যিই?" এলিন জিজ্ঞেস করল। "কখনোই না?"<br>কোশ্চেনার তার দিকে তাকিয়ে হাসলেন। "কেবলমাত্র ভবঘুরেরাই তাদের ইচ্ছা অনুযায়ী জীবনযাপন করে। এবং এমনকি তারাও প্রায়শই এর থেকে পার পায় না। তাদের সাধারণত সমস্যা সৃষ্টিকারী হিসেবে চিহ্নিত করা হয় এবং তাড়িয়ে দেওয়া হয়।"
** অধ্যায় ৩৯, "গার্ডেনারস, মোল্ডস, অ্যান্ড ইনট্রিকেসস" (পৃষ্ঠা ২৮৬)
* "কিন্তু আপনি বলছেন সব সমাজই জবরদস্তিমূলক," এলিন একটি সমস্যাগ্রস্ত কণ্ঠে বলল।<br>কোশ্চেনার হাসলেন। "কিন্তু মাননীয় এলিন, অবশ্যই তারা তাই। এটিই [[ইতিহাস]] পড়াকে এত আনন্দদায়ক করে তোলে। বেশিরভাগ সংস্কৃতিই নিজেদের মুক্ত মনে করে আর অন্যদেরকে জবরদস্তির শিকার মনে করে। তারা এমনটা করে কারণ তারা ঐতিহ্যগত মূল্যবোধ অনুসরণ করছে। আর সেই মূল্যবোধগুলো যে প্রজন্মের পর প্রজন্ম জবরদস্তির ফল, তা দীর্ঘকাল আগেই ভুলে যাওয়া হয়েছে।"
** অধ্যায় ৩৯, "গার্ডেনারস, মোল্ডস, অ্যান্ড ইনট্রিকেসস" (পৃষ্ঠা ২৮৭)
* "শিকার, সম্পত্তি বা প্রতিপক্ষ," মৌচে হাঁপাতে হাঁপাতে বলল, যে এখন সেই দরজার কাছে ছিল যেখান দিয়ে তারা প্রবেশ করেছিল। সে স্নিওওয়ের পরিষ্কার বাতাসে শ্বাস নিচ্ছিল। "ম্যাডাম বলেছিলেন যে গ্যাংগুলো এভাবেই চিন্তা করে।"<br>কোশ্চেনার মাথা নেড়ে সায় দিলেন। "এরকম একজন নিজেই নিজের জন্য একটি গ্যাং ছিল। যতদিন আমরা এমন লোকদের মানুষ হিসেবে ভাবব এবং তাদের মানুষের মতো আচরণ করার চেষ্টা করব, ততদিন আমরা নির্দোষদের রক্ষা করতে পারব না।"
** অধ্যায় ৪৩, "আ জার্নি টুওয়ার্ড দোশা" (পৃষ্ঠা ৩১৭)
* "আমি এটি স্বপ্ন দেখেছি," সে একটি অসহায় কণ্ঠে বলল। "আমি এটি স্বপ্ন দেখেছি!"<br>"বেশ, মৌচে," কোশ্চেনার একটি শীতল, সতর্কতামূলক কণ্ঠে বললেন, "আমি নিশ্চিত যে তুমি এমনটাই বিশ্বাস করো। এটি সবই খুব রহস্যময় এবং স্বপ্নের মতো। আর যদিও আমি এমন জায়গাগুলো যে মেজাজ ও ইমপ্রেশন তৈরি করে তার প্রতি সংবেদনশীল হতে পারি, তবুও আমি সেগুলোর কাছে হার না মানার চেষ্টা করি। যখন [[স্বপ্ন]] সবচেয়ে বেশি আকর্ষণীয় হয়, তখনই সতর্ক ও বাস্তবসম্মত হওয়ার সময়। কারণ তখনই আমরা সবচেয়ে বেশি বিপদে থাকি।"
** অধ্যায় ৪৭, "রাউন্ড দ্য ডাউন স্টেয়ারকেস" (পৃষ্ঠা ৩৬৭)
* "পফ," টিমি বলল। "তোমরা মানবজাতিরা তোমাদের বাবা-মা নিয়ে মেতে থাকো। এটি প্রথম দিকের জিনিসগুলোর মধ্যে একটি যা আমাদের অদ্ভুত মনে হয়েছিল। তোমরা সবসময় বলো আমার বাবা এই, আমার মা ওই। তুমি কে তার সাথে বাবা-মায়ের কী সম্পর্ক? তোমার গ্রহ তোমার মা; [[সময়]] তোমার বাবা। তোমার ভেতরটা এটা জানে! তোমার বাইরের সমস্ত জীবন তোমার আত্মীয়স্বজন। এমনকি আমরা দোশারাও তোমার আত্মীয়, অন্য গ্রহে জন্মগ্রহণ করেছি কিন্তু তোমার মতো একই বাবার সন্তান। নক্ষত্রের আগুন তোমাদের উপাদানগুলো তৈরি করে, এবং জীবন্ত-গ্রহ সেগুলোকে একত্র করে। সময় নির্ধারণ করে তোমরা কী হবে, তোমাদের বাবা-মা নয়। পফ। তোমরা জিনগত সমাবেশ হতে পারতে; বোফুসদিয়াগা তোমাদের বাবা বা মা ছাড়াই তৈরি করতে পারত; এবং তারপরেও তোমরা মানুষই থাকতে! কিন্তু নক্ষত্র ছাড়া তোমাদের উপাদান থাকতে পারত না, বা গ্রহ ছাড়া [[জীবন]] থাকতে পারত না, অথবা সময় ছাড়া [[বুদ্ধিমত্তা]] থাকতে পারত না। তোমাদের নক্ষত্র এবং তোমাদের পৃথিবী এবং দীর্ঘ সময় তোমাদের নাচতে পা দেয়, পরিকল্পনা করতে মস্তিষ্ক দেয় এবং গাইতে কণ্ঠস্বর দেয়।"
** অধ্যায় ৫০, "দ্য অ্যাবডাকশন অব ড্যান্সারস" (পৃষ্ঠা ৪০২)
* এক শ্রেণীর মানুষ আছে যারা নেতৃত্ব দিতে পারে না এবং নেতৃত্ব মানবেও না। এমন লোকেরা তাদের নিজস্ব পথে চলে, অন্তর্দৃষ্টি দ্বারা অকলুষিত, অভিজ্ঞতা দ্বারা প্রশমিত হয় না। তারা যা করার তা-ই করে। এবং সাধারণত তারা এর কারণেই মারা যায়। কিন্তু তারা অন্য কারও সাথে সহযোগিতা করার চেয়ে বরং মরতে রাজি থাকে।
** অধ্যায় ৫২, "লেগারস, টানেলারস, অ্যান্ড অ্যাসোর্টেড ট্রাফিক" (পৃষ্ঠা ৪১৮)
* [[বুদ্ধিমত্তা]]র ওপর কাজ করা [[সংঘাত]] [[কল্পনা]] তৈরি করে। সংঘাতের মুখোমুখি হলে, প্রাণীরা কল্পনা করতে বাধ্য হয় যে কী ঘটবে, পরবর্তী হুমকি কোথা থেকে আসবে। যদি কখনো সংঘাত না হয়, কল্পনা কখনো বিকশিত হয় না। বিপদ, যন্ত্রণা, ট্র্যাজেডির উত্তর হিসেবে বুদ্ধির উদয় হয়। সহজ আপেল খেয়ে কেউ কখনো বুদ্ধিমান হয়নি।
** অধ্যায় ৫৫, "দ্য টেল অব কোয়াগিমা" (পৃষ্ঠা ৪৩৮)
* "তারা সংবেদনশীল হবে না। তারা শুধু তাদের প্রতি কতটা অন্যায় করা হয়েছে তা নিয়েই কথা বলবে। সেই জোঙ্গাউরা, তাদের প্রতিও অন্যায় করা হয়েছিল। বোফুসদিয়াগা বলেন, যেসব প্রাণী কেবল তাদের প্রতি কীভাবে অন্যায় করা হয়েছে তা নিয়েই ভাবে, তারা নাচে সাহায্য করতে পারে না। ফলে সবকিছুই হারিয়ে যায়।"<br>কোশ্চেনার তার মাথা ঘষলেন। "তুমি যদি আমাকে জিজ্ঞাসা করতে, কোরোম, তবে আমি তোমাকে বলতে পারতাম যে গুহার ওই লোকেরা কোনো সাহায্য করতে পারবে না। তারা তরুণ, বিদ্রোহী এবং একেবারেই কোনো কাজের নয়। ওই বয়সে, অনেক তরুণ তাদের প্রতি অন্যায় করা হয়েছে এমনটা ভেবে অনেকটা সময় ব্যয় করে।"
** অধ্যায় ৫৭, "কোয়াগিমা অ্যান্ড দ্য ক্যাজম" (পৃষ্ঠা ৪৫৩)
* বোফুসদিয়াগা বলেন অতীতের অন্যায় সংশোধন করা যায় না কারণ অতীতের ভুলগুলো অতীত এবং সময় কেবল এক দিকেই চলে। বোফুসদিয়াগা বলেন যে তোমরা সব স্বাধীন প্রাণীরা অতীতে কোনো এক সময় বড় অন্যায়ের শিকার হয়েছ, যা স্বাভাবিক। কিন্তু তোমরা সবসময় অতীতেই বসবাস করো যাতে তোমরা চিরকাল অন্যায়ের শিকার হতে পারো! চিরকাল দুঃখী, চিরকাল ট্র্যাজিক! বোফুসদিয়াগা বলেন যতদিন তোমরা গতকালের যন্ত্রণা চিবোতে থাকবে, ততদিন তোমরা আজকের আনন্দ খেতে পারবে না। তাই এটি কোনো কাজের নয়!
** অধ্যায় ৫৭, "কোয়াগিমা অ্যান্ড দ্য ক্যাজম" (পৃষ্ঠা ৪৫৩)
* "এটি [[দর্শন]] নয়, এটি [[বাস্তবতা]]। কী ঘটছে তা কি দয়া করে মনে রাখবেন!"
** অধ্যায় ৫৮, "দ্য জোঙ্গাউ অ্যান্ড আ ম্যাটার অব জেন্ডার" (পৃষ্ঠা ৪৭৮)
* "উদ্বৃত্ত জনসংখ্যা পরিচালনা করা একটি চিরস্থায়ী চ্যালেঞ্জ," অনসোফ্রাক্ট বললেন। "এমনটা কি লেখা হয়নি যে দরিদ্ররা সবসময় আমাদের সাথেই থাকে?"<br>কোশ্চেনার তার মাথা নেড়ে বললেন। "উদ্বৃত্ত পুরুষ পরিচালনা করা এতটা কঠিন নয়। শুধু একটি প্রাণবন্ত যুদ্ধ শুরু করুন বা কিছু নতুন সীমান্ত খুঁজে বের করুন। সবসময় বিপজ্জনক কাজ করার প্রয়োজন হয়। যদি তা ব্যর্থ হয়, তবে কেউ একবারে অনেককে মেরে ফেলার জন্য মারাত্মক উত্তরণ প্রথা তৈরি করতে পারে। পুরুষদের সাথে ভান করার প্রয়োজন নেই। গ্যাং প্রধান বা জেনারেল কেবল তাদের কথায় রাগান্বিত করে এবং তাদের যুদ্ধে পাঠায়। এরপর তারা পঙ্গু বা মারা যাওয়ার পরে তাদের একটি পদক দেয়। অথবা, নিয়োগকর্তা তাদের একটি কারখানায় জীবন শেষ করতে বাধ্য করে এবং তারপর তাদের একটি স্মারক ও একটি অপর্যাপ্ত পেনশন দিয়ে দূরে সরিয়ে দেয়। দলীয় চেতনা বাকিটা করে।"
** অধ্যায় ৫৯, "ইনটু দ্য ফৌক্সি-ডিজালঞ্জ" (পৃষ্ঠা ৪৮০-৪৮১)
* "[[শাস্তি]] দেওয়া আমার কাজ নয়," কোশ্চেনার বললেন। "আমি অন্যদের যেমন বলেছি, এটি কখনোই কাজ করে না। সংশোধন করাই আমার কাজ।<br>দুর্ভাগ্যবশত, যখন জিনিসগুলো সংশোধন করা হয়, তখন প্রায়শই অপরাধীদের সাথে নির্দোষরাও কষ্ট ভোগ করে।"
** অধ্যায় ৫৯, "ইনটু দ্য ফৌক্সি-ডিজালঞ্জ" (পৃষ্ঠা ৪৮৭)
* এমনকি আমাদের প্রাথমিক মানবাধিকার প্রবক্তারাও সেগুলোকে জীবন, [[স্বাধীনতা]] এবং সন্তুষ্টি অর্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখে। তারা উত্তরসূরি বা অমরত্বের নিশ্চয়তা দেয় না।
** অধ্যায় ৫৯, "ইনটু দ্য ফৌক্সি-ডিজালঞ্জ" (পৃষ্ঠা ৪৮৭)
* আমরা নক্ষত্রের উপাদানে তৈরি। একটি জীবন্ত বিশ্ব আমাদের জীবন দিয়েছে, সময় আমাদের সত্তা দিয়েছে। আমরা গাছপালার ভাই এবং সূর্যের বোন। আমরা এমন মহিমান্বিত উপাদানের যে আমাদের একটি লেবেলের মতো চারদিকে [[যন্ত্রণা]] বহন করার দরকার নেই। জীবন্ত প্রাণী হিসেবে আমাদের কর্তব্য হলো, এটা নিশ্চিত করা যে যন্ত্রণা যেন আমাদের পুরো গল্প না হয়। কারণ আমরা অন্যরকম হওয়া বেছে নিতে পারি। যেমনটা এলিন বলে, আমরা নাচতে বেছে নিতে পারি।
** অধ্যায় ৬১, "লাভ কার্ডস ওয়াইল্ড" (পৃষ্ঠা ৫১১)
* "তুমি কি মনে করো [[ক্ষমতা]]য় টিকে থাকার জন্যই তারা এমনটা করে?"<br>"সাধারণত স্বেচ্ছাচারী [[নিষ্ঠুরতা]]র কারণ এটাই হয়।"
** অধ্যায় ৬১, "লাভ কার্ডস ওয়াইল্ড" (পৃষ্ঠা ৫১৩)
* ম্যাডাম বলেন, যখন আমরা আমাদের [[রাগ|রাগের]] ওপর মনোযোগ নিবদ্ধ করি, তখন আমাদের দৃষ্টি সংকুচিত হতে শুরু করে। শিগগিরই আমরা ক্রোধের বশবর্তী হয়ে পড়ি, এবং আমরা এটি সবার ওপর প্রয়োগ করি।
** অধ্যায় ৬১, "লাভ কার্ডস ওয়াইল্ড" (পৃষ্ঠা ৫১৪)
=== ''[[w:শেরি এস. টেপার|সিঙ্গার ফ্রম দ্য সি]]'' (১৯৯৯) ===
:<small> সকল পৃষ্ঠার উল্লেখ ইওস থেকে প্রকাশিত মাস মার্কেট পেপারব্যাক সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে। {{ISBN|0-380-79199-4}} </small>
:<small> ইটালিক ও উপবৃত্ত বইয়ের অনুরূপ </small>
* [[দারিদ্র্য|দরিদ্ররা]] শিয়ালের মতো। তাদের বেঁচে থাকার জন্য [[বুদ্ধিমত্তা]]র প্রয়োজন। তবে, [[সম্পদ|ধনীদের]] [[ক্ষমতা]] রয়েছে। তাদের ভালো জ্ঞানের প্রয়োজন নেই।
** অধ্যায় ২, "দ্য লাইব্রেরি" (পৃষ্ঠা ৪৮)
* "আপনি তাকে পছন্দ করেন না?" আউফোরস জিজ্ঞাসা করলেন। তিনি ভাবছিলেন যে লোকটি চাকরিতে পাগল হয়ে গেছে নাকি কাজের জন্য যথেষ্ট পাগল হওয়ায় তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। এমন কিছু চাকরি ছিল যেখানে পাগলামি একটি সম্পদ ছিল। সেনাবাহিনী এমন লোকে পূর্ণ ছিল।
** অধ্যায় ৭, "আউফোরস লেস" (পৃষ্ঠা ১০৫)
* বছরের পর বছর মানুষের মতো আচরণ না পেলে মানুষের মতো কথা বলা কঠিন!
** অধ্যায় ৭, "আউফোরস লেস" (পৃষ্ঠা ১০৬)
* "তৃষ্ণা যেকোনো [[ওয়াইন]]কে পানযোগ্য করে তোলে..."<br>"...আর [[লোভ]] যেকোনো অপরাধকে চিন্তনীয় করে তোলে।"
** অধ্যায় ৭, "আউফোরস লেস" (পৃষ্ঠা ১০৯)
* তার উদ্বেগ সত্ত্বেও, সে এতটাও নিয়ন্ত্রণের বাইরে ছিল না যে ভুলে যাবে একজন উন্মত্ত মানুষ একজন অসতর্ক মানুষ। এটি এমন একটি শিক্ষা যা প্রত্যেক সৈনিক তাড়াতাড়ি শেখে অথবা আরও তাড়াতাড়ি শিখতে না পারার আক্ষেপে মারা যায়।
** অধ্যায় ৭, "আউফোরস লেস" (পৃষ্ঠা ১১২)
* হয়তো আমার [[নৈরাশ্যবাদ]] ভালো সময়েই এসেছে। অনেক দেরির চেয়ে আমার এটি আগে থাকাই ভালো।
** অধ্যায় ৮, "আ প্রপোজাল অ্যান্ড হোয়াট ফলোয়েড" (পৃষ্ঠা ১৩৯)
* ডাচেস নিজে একজন বুদ্ধিমতী নারী হওয়া সত্ত্বেও মার্শালের [[বুদ্ধিমত্তা]]র অতিরিক্ত মূল্যায়ন করেছিলেন। তিনি একজন উচ্চাকাঙ্ক্ষী নারী না হওয়ায় তার [[উচ্চাকাঙ্ক্ষা]]কে অবমূল্যায়ন করেছিলেন। এভাবেই অনেকেই অন্যের আলো দ্বারা ভুলভাবে মূল্যায়িত হয়।
** অধ্যায় ১১, "ভেরিয়াস ভিজিটেশনস" (পৃষ্ঠা ১৭৪)
* সে মৌমাছির চাকে একটি বানরের মতো ভুল করে। সে বাসিন্দাদের ক্ষুব্ধ করে এবং সমস্ত মাধুর্য হারিয়ে ফেলে!
** অধ্যায় ১১, "ভেরিয়াস ভিজিটেশনস" (পৃষ্ঠা ১৭৬)
* "তাহলে গ্লাস মাস্টারের গল্প কি সত্যি?"<br>"ওহ, হ্যাঁ, আমার প্রিয়। গল্পটি সত্যি। যখন তোমাকে [[মিথ্যা বলা|মিথ্যা বলতেই]] হবে, আমার প্রিয়, তখন যতটা সম্ভব কম মিথ্যা বলবে। এতে তোমার সবচেয়ে কম মনে রাখতে হবে।"
** অধ্যায় ১২, "আ শর্ট ট্রিপ টু অ্যান আনএক্সপেক্টেড ডেস্টিনেশন" (পৃষ্ঠা ১৮১)
* "আমি তার মতো লোকদের সাথে দেখা করেছি।" গার্থ বিজ্ঞের মতো মাথা নাড়ল। "অভ্যাসগত নিষ্ক্রিয়তার লোকেরা যারা বিক্ষিপ্ত অতিরিক্ত কাজ করতে উৎসাহিত হতে পারে। এ ধরনের লোকেরা প্রায়শই এমন অপরিকল্পিত প্রকল্প শুরু করে যা সম্পূর্ণ করার জন্য তাদের শক্তি থাকে না বা পরিত্যাগ করার বুদ্ধি থাকে না।"
** অধ্যায় ১৭, "মার্ডুন লেগুন" (পৃষ্ঠা ২৫৭)
* "কিন্তু সমুদ্র কতটা বিশাল সে সম্পর্কে তুমি এসব জানো কীভাবে? আমি ভেবেছিলাম তোমরা মেয়েরা কেবল সুন্দর আড্ডা আর গৃহস্থালির অর্থনীতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ। আমি জানতাম না যে তোমরা ভূগোল শিখেছ।"<br>"আমরা শিখি না," সে কিছুটা লজ্জিত হয়ে বলল। "তবে আমরা [[পড়া|পড়তে]] শিখেছি। আর একবার কেউ পড়তে জানলে সে যেকোনো কিছু শিখতে পারে।"
** অধ্যায় ১৭, "মার্ডুন লেগুন" (পৃষ্ঠা ২৭২)
* "এতদিনে, মাহাম্বিরা মনে করে যে আমরা সবসময়ই ছিলাম। যখন তারা এখানে এসেছিল তখন তারা ইতোমধ্যে বিশ্বাস করেছিল যে তারা [[ঈশ্বর|ঈশ্বরের]] প্রিয়। তাই তাদের এটা বোঝানো কঠিন ছিল না যে ঈশ্বর তাদের জন্য [[দাসপ্রথা|দাস]] সৃষ্টি করেছেন।"<br>মেলানি গর্জে উঠল, "আর যদি আপনি বিশ্বাস করেন যে আপনি ঈশ্বরের প্রিয়, তবে কয়েকজন নারী ও শিশুকে হত্যা করা আপনাকে বিরক্ত করে না..."
** অধ্যায় ২৩, "দ্য মারে মোরেহু" (পৃষ্ঠা ৩৬৬)
* "আর এই পুরোটা সময় আমি আমার [[আত্মা]]র অবস্থা নিয়ে চিন্তিত ছিলাম, যা আমার করা উচিত হয়নি," জেনেভিভ রাগান্বিত হয়ে বলল।
** অধ্যায় ২৩, "দ্য মারে মোরেহু" (পৃষ্ঠা ৩৬৯)
* আমি জানি আপনি চান আমি এসব বিশ্বাস করি, কিন্তু এটি আমরা স্কুলে শেখা [[ধর্ম|ধর্মীয়]] গল্পের চেয়ে খুব একটা আলাদা মনে হয় না। এগুলো নিগূঢ় এবং তুলনামূলকভাবে অর্থহীন।
** অধ্যায় ২৩, "দ্য মারে মোরেহু" (পৃষ্ঠা ৩৭০)
* আপনি বিশাল ও চমৎকার কিছু অনুভব করেছেন যার আপনি একটি অংশ। এবং আপনি যে মুহূর্তগুলোর বর্ণনা দিয়েছেন তাতে আপনি নিজেকে ভুলে গিয়েছিলেন কারণ আপনি আপনার পৃথিবী এবং এর ওপরের আকাশের সাথে এক হয়েছিলেন। এমনকি নিচে তাকিয়ে থাকা নক্ষত্রগুলোর সাথেও। এর চেয়ে বড় বা চমৎকার আর কিছু নেই। তবুও, এমন লোক আছে যারা নিজেকে বেশি পছন্দ করবে। তারা যেকোনো [[বিশ্বাস]] মেনে নেবে, তা যতই বোকামি হোক না কেন, যদি এটি তাদের ব্যক্তিগত [[অমরত্ব]] নিশ্চিত করে। আমি এমন লোকদের চিনি। কিন্তু অন্যরাও আছে যারা নিজেদের যথেষ্ট ভালোভাবে চেনে এবং বুঝতে পারে যে এটি কতটা সীমাবদ্ধ।
** অধ্যায় ২৪, "পিপল ফ্রম দ্য সি" (পৃষ্ঠা ৩৮২)
* কাউকে কখনো [[বিশ্বাস]] করতে হয় না! [[মহাবিশ্ব]] ''রয়েছে'', এর জন্য বিশ্বাসের প্রয়োজন নেই। আপনি কি মনে করেন যে আপনি বিশ্বাস না করলে এর অস্তিত্ব শেষ হয়ে যাবে? আপনি কি মনে করেন যে আপনি বিশ্বাস না করলে দূরবর্তী ছায়াপথগুলো আপনার বিরুদ্ধে ক্ষোভ পোষণ করবে? আপনি কি এমন পিঁপড়ার ওপর ক্ষুব্ধ হন যে ওপরের দিকে তাকিয়ে আপনার প্রশংসা করে না? কখনোই না!
** অধ্যায় ২৪, "পিপল ফ্রম দ্য সি" (পৃষ্ঠা ৩৮২)
* মাহাম্বিরা যেন আপনাদের নারীদের হত্যা করতে না পারে, সেজন্য আপনারা প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছিলেন। কিন্তু তারা অন্য নারীদের হত্যা করার বিষয়ে আপনারা কিছুই করেননি। এটা স্পষ্ট যে আপনারা কিছু করতে পারতেন। আপনারা এতই বেশি সংখ্যক যে আপনারা মরুভূমিতে সেই আচারগুলো পালন করতে আসা মাহাম্বিদের হত্যা করতে পারতেন!
** অধ্যায় ২৪, "পিপল ফ্রম দ্য সি" (পৃষ্ঠা ৩৯১)
=== ''[[w:দ্য ফ্রেস্কো|দ্য ফ্রেস্কো]]'' (২০০০) ===
:<small> সকল পৃষ্ঠার উল্লেখ ইওস থেকে প্রকাশিত মাস মার্কেট পেপারব্যাক সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে। {{ISBN|0-380-81658-X}} </small>
:<small> সকল ইটালিক ও উপবৃত্ত বইয়ের অনুরূপ </small>
* পরে এটি নিয়ে চিন্তা করে সে তার তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ার জন্য টিভি এবং সিনেমাকে দায়ী করেছিল। [[গণমাধ্যম|মিডিয়া]] যা ঘটেছে বা ঘটতে পারে এমন সবকিছু গিলে ফেলে, তারপর বারবার তা উগরে দেয়। প্রতিটি ধারণা পুনরাবৃত্তি করা হয়। প্রতিটি ধারণা এতটাই মিশে যায় যে যখন বাস্তবে উল্লেখযোগ্য কিছু ঘটে তখন এটি ইতোমধ্যে একটি ক্লিশে হয়ে যায়। যেমন ক্লোনিং বা সারোগেট মা বা এলিয়েন এবং ইউএফও। পুরো বিশ্ব এ বিষয়ে শুনেছিল এবং সিনেমা দেখেছিল। এবং এটি ঘটার আগেই বিষয়টি নিয়ে একঘেয়ে হয়ে গিয়েছিল!
** অধ্যায় ২, পৃষ্ঠা ৮
* আপনার পৃথিবীতে আমি সবচেয়ে অদ্ভুত যে জিনিসগুলোর মুখোমুখি হয়েছি তার মধ্যে একটি হলো, প্রিয় বেনিটা, আপনার অনেক লোকের কোনো ধারণাই নেই যে তারা আসলে কে। কিন্তু তাদের কাছে কী প্রত্যাশা করা হয় সে সম্পর্কে অনেক হাস্যকর ধারণা রয়েছে। এর সাথে তাদের কী হওয়া উচিত সে সম্পর্কে অনেক ধর্মীয় প্রত্যয় রয়েছে, যদিও কেউ তা নয়! কারও উচিত নয় সে যা তা ছাড়া অন্য কিছু হতে চাওয়া, কারণ এটি [[দুর্দশা|অসুখী]] অবস্থার সৃষ্টি করে।
** অধ্যায় ৫, পৃষ্ঠা ৫৭
* সে যা-ই ভাবুক না কেন, এখন সময় এসেছে যে আপনি নিজেকে সক্ষম করতে অন্য লোকদের সক্ষম করা বন্ধ করুন।
** অধ্যায় ৬, পৃষ্ঠা ৭২
* লোকেরা মনে হয় বইয়ের দোকান খুব একটা লুট করে না, তাদের জন্য খুব দুঃখের বিষয়।
** অধ্যায় ৮, পৃষ্ঠা ৮৮
* যদি মানুষকে নির্যাতন ও হত্যা করা কোনো ব্যক্তি দুষ্ট হয়, তবে যেসব [[দেবতা]] মানুষকে নির্যাতন ও হত্যা করে তাদের ভালো বলা হয় কেন?
** অধ্যায় ৯, পৃষ্ঠা ১০২
* ইতিহাসের কোনো একজন অধ্যাপক লিখেছিলেন যে সংস্কৃতিগুলো তাদের [[দেবতা]]দের সংজ্ঞায়িত করে যখন তারা তরুণ ও আদিম থাকে, যখন তাদের প্রধান উদ্বেগ থাকে বেঁচে থাকা। তারা তাদের দেবতাদের [[সর্বশক্তিমানতা]] ও [[স্বৈরতন্ত্র]], যুদ্ধংদেহী ও [[সন্দেহ]]ের মতো বেঁচে থাকার বৈশিষ্ট্য দিয়ে সমৃদ্ধ করে। এবং এটিই তাদের সমস্ত [[পৌরাণিক কাহিনী]] বা [[ধর্মগ্রন্থ]]গুলোতে যায়। তারপর, যদি তারা যথেষ্ট দীর্ঘকাল বেঁচে থাকে, তবে তারা [[নৈতিকতা]] বিকাশ করতে শুরু করে। তারা তাদের নিজস্ব [[ইতিহাস]] পরীক্ষা করে এবং তারা শিখতে পারে যে স্বৈরতন্ত্র [[মুক্ত ইচ্ছা]]র সাথে মেলে না, যুদ্ধংদেহী আচরণ ও সন্দেহ অস্বাস্থ্যকর। কিন্তু এই নতুন নৈতিক সংস্কৃতিটি তার ধর্মান্ধ, হস্তক্ষেপকারী দেবতাদের সাথে আটকে থাকে। এর সাথে এটি এমন লোকদের সাথে আটকে থাকে যারা পুরোনো রক্তাক্ত দেবতাদের পছন্দ করে এবং সব ধরণের ভয়ঙ্কর কাজ করার যৌক্তিকতা হিসেবে তাদের ব্যবহার করে।
** অধ্যায় ৯, পৃষ্ঠা ১০২-১০৩
* তিনি উপসংহার টানলেন: "[[w:মাদকের উদারীকরণ|বৈধকরণ]] দাম কমিয়ে আনবে, [[অপরাধ]] বন্ধ হবে, তখন আমরা আসক্তদের যত্ন নিতে পারব..."<br>"আর আপনারা এটা করেন না... রাজনীতির কারণে?"<br>সেক্রেটারি অব স্টেট বললেন, "[[w:মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ|মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ]] একটি বড় ব্যবসা। হাজার হাজার মানুষ বেতনভুক্ত। বেতনে থাকা লোকেরা চায় না যে সমস্যার সমাধান হোক। যদিও তারা এটা জোরে বলতে পারে না বা, হয়তো, এমনকি নিজেদের কাছে স্বীকারও করতে পারে না। পরিবর্তে, তারা এমন একটি নৈতিক অবস্থান নিতে থাকে যার জন্য তাদের লোকদের শাস্তি দিতে হয়। মানুষকে শাস্তি দেওয়া সবসময়ই নৈতিক বলে বিবেচিত হয়।"
** অধ্যায় ৯, পৃষ্ঠা ১০৩
* সামরিক ব্যক্তিরা! ধুর ছাই, তারা সবসময় হার্ডওয়্যার, কালো বা সাদা, আমাদের পক্ষ বা অন্য পক্ষের পরিপ্রেক্ষিতে চিন্তা করত। তাদের ধূসর দেখতে বাধ্য করা কঠিন ছিল। আর গাঢ় ধূসর থেকে মাঝারি ধূসর পার্থক্য বোঝানো অসম্ভব ছিল!
** অধ্যায় ১২, পৃষ্ঠা ১২৫
* "সাংবাদিকদের কেন মানুষের গোপনীয়তায় নাক গলাতে হয়?" সে রাগে গজগজ করে উঠল।<br>"[[যোগাযোগ]] অনেকটা [[যৌনতা]]র মতো।"<br>এটি তাকে পিছিয়ে দিল। "আমি বুঝতে পারছি না..."<br>একটি মৃদু হাসি। "ব্রহ্মচারী হওয়া প্রায়শই বুদ্ধিমান ও বিচক্ষণ কাজ। মানুষ এটি জানে, কিন্তু বংশবৃদ্ধির সহজাত তাগিদ তাদের অঙ্গগুলোকে চালিত করে। নীরব থাকা প্রায়শই বুদ্ধিমান ও বিচক্ষণ কাজ। মানুষ এটাও জানে, কিন্তু প্রশ্ন করার এবং বলার তাগিদ তাদের জিহ্বাকে চালিত করে। যৌনতা জেনেটিক উপাদান ছড়ায়, ভালো ও খারাপ উভয়ই; নাক গলানো [[তথ্য]] ছড়ায়, সত্য ও মিথ্যা উভয়ই; [[w:প্রাকৃতিক নির্বাচন|প্রাকৃতিক নির্বাচন]] দায়িত্ব নেয় এবং উভয় নৈতিক ত্রুটিই অব্যাহত [[বিবর্তন]]এ অবদান রাখে।"
** অধ্যায় ১৭, পৃষ্ঠা ১৪৫
* যখন যন্ত্রণা উপস্থিত থাকে না, তা যতই আসন্ন হোক না কেন, যন্ত্রণাদায়ক পরিবর্তন অবশ্যই বাইরে থেকে আসতে হবে। এটি একটি সত্য।
** অধ্যায় ২০, পৃষ্ঠা ১৫৭
* আমাদের একটি কথা আছে, "যেখানে একজন বাঁচে, সবাই বাঁচে; যেখানে একজন ভোগে, সবাই ভোগে।" আমাদের ভাষায় ''একজনের'' মধ্যে সমস্ত জীবন্ত প্রাণী অন্তর্ভুক্ত। আপনাদের ভাষায় [[w:জন ডান|কেউ একজন বলেছেন, "কোনো মানুষই দ্বীপ নয়]]।" এটি ধারণাটিকে অন্তর্ভুক্ত করে তবে কেবল মানবজাতির উল্লেখ করার ফলে মূল বিষয়টি বাদ পড়ে যায়।
** অধ্যায় ২০, পৃষ্ঠা ১৫৭-১৫৮
* তুমি কি খেয়াল করোনি যে [[শিকার|শিকারিরাই]] সবচেয়ে বেশি ব্যক্তিগত [[স্বাধীনতা]]র নিরঙ্কুশ অধিকার দাবি করে?
** অধ্যায় ২৩, পৃষ্ঠা ১৭০
* ''[[সৌন্দর্য]]কে শাস্তি দেওয়া [[কামুক|কামুকদের]] কামুকতা নিয়ন্ত্রণ করাটাই বেশি বুদ্ধিমানের কাজ হবে।''
** অধ্যায় ২৪, পৃষ্ঠা ১৮১
* যদি সন্তানরা মারা যায়, তবে তারা বলে যে, এটি তাদের দেবতাদের ইচ্ছা। আমার এসব পথ পছন্দ নয়; নিশ্চিতভাবেই আমি এমন দেবতাদের অনুসরণ করব না।
** অধ্যায় ২৫, পৃষ্ঠা ২০১
* আমরা সবসময় ধরে নিই যে জীবন্ত, শ্বাস-প্রশ্বাস নেওয়া, বিবেকবান প্রাণীরা [[শান্তি]] চায়।
** অধ্যায় ২৯, পৃষ্ঠা ২১৭
* "প্রতিদিন প্রায় তিরিশ হাজার শিশু অনাহারে থাকে।"<br>"এটা আমরা মেনে নিই না!"<br>"ওহ, জাহান্নামে যান, সিনেটর। আমাকে পার্টির কথা শোনাবেন দফ। শেষবার কবে আপনার কোনো সহকর্মী বিদেশী পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচির পক্ষে ভোট দিয়েছিলেন? আপনারা দাবি করেন যে এটি [[গর্ভপাত]] রোধ করার জন্য। কিন্তু আপনারা জানেন যে এটি তা নয়। আপনারা খুব ভালো করেই জানেন যে পরিবার পরিকল্পনা কমানো যতগুলো গর্ভপাত রোধ করে তার চেয়ে বেশি গর্ভপাতের কারণ হয়। কিন্তু তবুও আপনারা এটি করেন। কেন? কারণ বেশিরভাগ প্রো-লাইফ লোকেরাও জন্মনিয়ন্ত্রণের বিরোধী। আর যৌন শিক্ষার বিরোধী। এবং সমকামীদের বিরোধী। আর নারী অধিকারের বিরোধী। কিন্তু তারা বন্দুকের পক্ষে, শিকারের পক্ষে, সামরিক বাহিনীর পক্ষে। হত্যা করা তাদের জীবনের অংশ।"
** অধ্যায় ৩০, পৃষ্ঠা ২২৬
* পূর্বঘোষণা অনুযায়ী, আমরা ইতোমধ্যে আপনার [[শিক্ষা|বিদ্যালয়গুলোর]] সমস্যা কীভাবে সমাধান করা যায় তা নিয়ে অধ্যয়ন করছি। তাদের ব্যর্থতার কারণগুলো অনেক, শাখায় বিভক্ত এবং স্থানীয় [[রাজনীতি]]তে গভীরভাবে প্রোথিত। পরিস্থিতির সবচেয়ে আশ্চর্যজনক বিষয় হলো যে পঞ্চাশ বছর আগে, এক শতাব্দী আগে, আপনার স্কুলগুলো এখনকার চেয়ে অনেক ভালো ছিল! তারা কম বিষয় পড়াত এবং আরও ভালোভাবে পড়াত, অনেক বেশি সাফল্যের সাথে এবং অনেক কম পরিভাষার সাথে। তখন সবাই একমত ছিল যে [[শিশু]]রা শিশুই। অর্থাৎ আবেগপ্রবণ, সরল এবং অজ্ঞ প্রাণী যাদের প্রশিক্ষণ প্রয়োজন। তখন কেউ পরামর্শ দেয়নি যে স্কুল বা শিক্ষকদের শত্রুতা বা [[সহিংসতা]] সহ্য করতে হবে। অথবা শিক্ষার্থীদের এমন আচরণের "অধিকার" রয়েছে। অথবা [[বাকস্বাধীনতা]]র মধ্যে শ্রেণীকক্ষে অভদ্রতা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ব্যক্তিদের স্কুল থেকে বহিষ্কার করা যেত এবং মাঝে মাঝে করাও হতো। শিশুদের সুনাগরিক এবং ভদ্র হওয়ার প্রত্যাশা করা হতো। এবং স্কুলগুলো নাগরিকত্ব ও শিষ্টাচার শেখাত। স্কুলের একটি প্রয়োজনীয় অনুষঙ্গ ছিল ট্রুয়ান্ট অফিসার। তিনি স্কুলে না থাকা আঠারো বছরের কম বয়সী কোনো শিশুকে খুঁজে বের করে আটক করতেন। এবং শিশুরা পড়তে, লিখতে ও পাটিগণিত করতে না শেখা পর্যন্ত স্কুল থেকে বের হতে পারত না। যেমনটা অনেক জগতেই সত্য, তাত্ত্বিক ও রাজনীতিবিদরা একটি ভালো জিনিস ধ্বংস করে দিয়েছে।
** অধ্যায় ৩৩, পৃষ্ঠা ২৩৬
* "আমার মনে হয় আমি আপনাকে বলেছিলাম যে সেনেটরিয়াল প্রচারাভিযানে কিছু নরম অনুদান কোথা থেকে আসে তা নিয়ে কিছু গুজব রয়েছে। ডিঙ্ক মর্সের জন্য কাজ করে। মোর্স প্রচুর নরম অর্থ পায়। এটা ওখান থেকেই আসছে।"<br>"এর বিনিময়ে মোর্স কী করে?"<br>"সে [[w:মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ|মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধে]]র পক্ষে ভোট দেয়। [[w:ড্রাগ এনফোর্সমেন্ট অ্যাডমিনিস্ট্রেশন|ডিইএ]]-র জন্য আরও বেশি অর্থের পক্ষে ভোট দেয়। নিশ্চিত করে যে কোনো মাদক নীতি সংস্কার না হয়। [[w:মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ|মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ]] বাজার ধরে রাখে, ডিলারদের কাজ করতে দেয়, [[অর্থ]] প্রবাহ সচল রাখে। তারা চায় না মাদক বৈধ হোক। আমরা যখন [[w:নিষেধাজ্ঞা|নিষেধাজ্ঞা]] বন্ধ করেছিলাম তখন যা ঘটেছিল এটি তার মতোই হবে। [[w:গ্যাংস্টার|গ্যাংস্টাররা]] এটি বন্ধ করতে চায়নি। তারা লাখ লাখ টাকা কামিয়েছে।"
** অধ্যায় ৩৯, পৃষ্ঠা ২৮০
* সে মনে করে সে একজন [[উদারনীতিবাদ|উদারপন্থী]]। সে সাধারণত আমাদের পক্ষেই থাকে। কিন্তু সে একজন প্রাক্তন সামরিক ব্যক্তিও। এবং প্রতিবার কেউ যখন জাতীয় নিরাপত্তার চাল চালে তখন সে তাতে ফেঁসে যায়। [[w:স্ট্র্যাটেজিক ডিফেন্স ইনিশিয়েটিভ|স্টার ওয়ার্স]]। স্টিলথ যেকোনো কিছু। [[w:পতাকার অবমাননা|পতাকা পোড়ানো]]র কথা বললেই তার দম বন্ধ হয়ে আসে। মজার ব্যাপার হলো, এই লোকদের অনেকেই মনে করে যে দেশটি পতাকার প্রতিনিধিত্ব করে, এর উল্টোটা নয়। যতদিন ওল্ড গ্লোরি বাতাসে উড়ছে, ততদিন বাচ্চাদের কাছে [[বন্দুক]] বিক্রি করা এবং [[কর|ট্যাক্স]] ফাঁকি দেওয়া ঠিক আছে।
** অধ্যায় ৩৯, পৃষ্ঠা ২৮৩
* অবমাননাকর সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় নিদর্শনগুলোকে প্রশ্রয় দেওয়ার চেয়ে একটি সুশীল ও সুশৃঙ্খল সমাজ প্রতিষ্ঠা করা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
** অধ্যায় ৪১, পৃষ্ঠা ২৯৩
* যখন জনসংখ্যা এখনকার এক-চতুর্থাংশ ছিল, তখন বিশ্ব বারবার যুদ্ধ, দুর্ভিক্ষ ও প্লেগের কবলে পড়েছে! একশো বছরেরও কম সময় আগে। অল্প জনসংখ্যা মানেই শান্তি নয়। এটা কখনোই ছিল ব্যবস। এর অর্থ কেবল কম হতাহত।
** অধ্যায় ৪৩, পৃষ্ঠা ৩২২
* আমরা বরং তাদের বিশ্বাস করতেই পছন্দ করব। আর যখন তারা আমাদের বলেছে যে শিকারিরা একটি পৃথক জনগোষ্ঠী, এমন জাতি যারা অন্য বুদ্ধিমান জীবন খায় এবং তাই, তারা রিপাবলিকান বা সাংবাদিকদের খায় না, তখন আমরা তাদের সাথে একমত হয়েছি।
** অধ্যায় ৪৪, পৃষ্ঠা ৩৩৫-৩৩৬
* এটি এমন একটি বাক্যাংশ যা আমি আগে কখনো শুনিনি, প্রিয় বেনিটা। রাজনীতি নিয়ে খেলা। এটি যুদ্ধ নিয়ে খেলার মতো, অধঃপতিতদের জন্য একটি খেলা। রাষ্ট্রনায়কদের রাজনীতি "খেলা" উচিত নয়।
** অধ্যায় ৪৬, পৃষ্ঠা ৩৫৫
* আমাদের সাধুরা যেমন বলেছেন, ''[[যৌবন]] নিজেকে কেন্দ্রে রেখে একটি মহাবিশ্ব তৈরি করে।''
** অধ্যায় ৪৬, পৃষ্ঠা ৩৫৮
* আমি দেখেছি, [[কূটনীতি]]র অনুশীলন মাঝে মাঝে কাঁটাচামচ দিয়ে স্যুপ খাওয়ার মতো: অনেক কার্যকলাপ অল্প পুষ্টি দেয়।
** অধ্যায় ৪৬, পৃষ্ঠা ৩৫৮
* আমি যখন ছোট ছিলাম, মামি আমাকে বলেছিলেন যে মেক্সিকান দেবতারাই একমাত্র রক্তপিপাসু নন। আর আমাদের কখনোই এমন দেবতাদের উপাসনা করা উচিত নয় যাদেরকে মানুষ যে রক্তাক্ত, যন্ত্রণাদায়ক, আদিম ও অন্ধকারাচ্ছন্ন কাজগুলো করতে চায় তার দায় নেওয়ার জন্য উদ্ভাবন করা হয়েছে। ''কেন আমরা ইস্রায়েলীয়রা সেই শহরের প্রতিটি পুরুষ, নারী, শিশু এবং পশু হত্যা করেছি? কারণ, প্রভু [[w:যিহোবা|যিহোবা]] এমন আদেশ দিয়েছিলেন। কেন আমরা স্প্যানিয়ার্ডরা এই ভারতীয় লোকেদের খাবার চুরি করি, তাদের অঙ্গচ্ছেদ করি এবং তাদের দাস হিসেবে ব্যবহার করি? কারণ, আমরা এটি করি যাতে তারা খ্রিষ্টকে ভালোবাসে! কেন আমরা [[w:অ্যাজটেক|অ্যাজটেকরা]] মানুষকে নির্যাতন করি এবং বলি দিই? [[w:হুইৎসিলোপোচতলি|হুইৎসিলোপোচতলি]] এটি দাবি করে!''<br>তা ইস্রায়েলীয়রা কেনানে আক্রমণ করুক বা স্প্যানিশরা দক্ষিণ-পশ্চিমে আক্রমণ করুক, বা একটি মেক্সিকান উপজাতি অন্যটির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করুক, উত্তরটি সবসময় একই ছিল। ''আমরা আমাদের দেবতার নামে দাস বানাই, নির্যাতন করি, অঙ্গচ্ছেদ করি এবং হত্যা করি।''
** অধ্যায় ৪৯, পৃষ্ঠা ৩৯০-৩৯১
* আমার দাদা বলতেন যারা শিখতে পারে, তারা [[ইতিহাস]]ের ওপর ভিত্তি করে অন্য সবকিছুর মতোই [[নৈতিকতা]] শেখে। তিনি আরও বলতেন যে কিছু মানুষ ইতিহাস থেকে শিখতে পারে না, তাই তারা পরিবর্তন হতে পারে না। তাদের জন্য, তাদের [[ধর্ম|ধর্মে]] কেবল একটি বই বা ঐতিহ্য বা যাই বলা হোক না কেন তা রয়েছে। আর সেই বইয়ে ঈশ্বর চিরন্তন এবং বইটিতে দুই বা তিন বা চার হাজার বছর আগে ঈশ্বর যা নির্দেশ দিয়েছিলেন বলে উল্লেখ রয়েছে, ঈশ্বর আজও তাই নির্দেশ দেন। সেটা সমকামীদের হত্যা করা বা অবিশ্বাসীদের হত্যা করা হতে পারে। এটা হয়তো আপনার শত্রুদের দাস বানাতে বলতে পারে। এটা নারী্দের অঙ্গচ্ছেদ করতে বা আটকে রাখতে বলতে পারে, অথবা আপনার দশ বছরের মেয়েকে কারও তৃতীয় স্ত্রী হিসেবে বিক্রি করতে বলতে পারে।
** অধ্যায় ৪৯, পৃষ্ঠা ৩৯১
* "এটি অসম্ভব বলে মনে হয় না," হার এক্সাকটিটিউড ফিসফিস করে বললেন। "তাছাড়া, এটি আমাদের নৈতিক বাধ্যবাধকতার সাথে মিলে যায়। সৌভাগ্যবশত, আমাদের বাধ্যবাধকতা হস্তনির্মিত বস্তু বা ধর্মগ্রন্থের পরিবর্তে অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে। তাই শতাব্দী আগে দেওয়া বিচারের দ্বারা আমাদের বিশৃঙ্খলায় পড়ার সম্ভাবনা নেই। আমরা এমন কোনো কিছুকে সত্য বলে দাবি করি না যা আমরা প্রমাণ করিনি বা অন্যদের দ্বারা প্রমাণিত হতে দেখিনি। সুতরাং, আমরা কখনোই দাবি করিনি যে আমরা মহাবিশ্বের বা কোনো দেবতার মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দু ছিলাম। আমরা দেবতাকে অস্বীকার না করলেও আমরা একে বোঝার ভান করি না, এর সাথে দরকষাকষি করি না, বা অন্যদের বলি না যে এটি কোন রূপ নেয়। এটি জীবনকে আরও সহজ করে তোলে।"
** অধ্যায় ৫০, পৃষ্ঠা ৪০৮
* "আপনি প্রো-লাইফ," ডিঙ্ক মন্তব্য করল।<br>ব্রিস একটি যন্ত্রণাদায়ক হাসিতে তার মুখের ফাঁক চওড়া করল। "না, আমার বন্ধু, আমি কেবল নারী-বিরোধী। আমি ভুল ব্যবস্থায় জন্মেছিলাম। একবার যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নারীদের আয়ু পুরুষদের আয়ু ছাড়িয়ে যায়, তখন এটা স্পষ্ট ছিল যে আমরা ভুল কিছু করছি।"
** অধ্যায় ৫১, পৃষ্ঠা ৪১৪
* "আইতুনের ইচ্ছায় এটি যেকোনো ভাবেই হতে পারে," চিডি ক্ষুব্ধ হয়ে বলল। "আইতুন এমন সবকিছু হতে দেয় যা হতে পারে! নির্বাচন করা [[বুদ্ধিমত্তা]]র ওপর নির্ভর করে!"
** অধ্যায় ৫৩, পৃষ্ঠা ৪৩৪
* "তারা যেসব কাজ করার কথা বলে তার অনেকগুলোই মানুষ করতে চেয়েছে কিন্তু সেগুলো সম্পন্ন করার জন্য তারা কখনোই ম্যান্ডেট জোগাড় করতে পারেনি। যেমন মুনাফার উদ্দেশ্য দূর করার জন্য মাদক বৈধ করা। অথবা শিক্ষকরা কতটা কার্যকর তার ওপর ভিত্তি করে ক্রীড়াবিদদের মতো তাদের অর্থ প্রদান করা। অথবা এমন অস্ত্রগুলো থেকে মুক্তি পাওয়া যাদের একমাত্র উদ্দেশ্য মানুষকে হত্যা করা।"<br>"ম্যান্ডেট কি প্রয়োজনীয়?"<br>"যদি আপনি একটি অর্থনৈতিক প্রণোদনা অতিক্রম করতে যান, তবে হ্যাঁ।"<br>"যুক্তির কোনো ভূমিকা নেই?"<br>"একেবারেই কোনো ভূমিকা নেই। মানুষ সমস্যাটি দেখতে পারে, তারা বোকা নয়, কিন্তু অর্থ যেভাবে পারে সেভাবে তারা বিধায়কদের প্রভাবিত করতে পারে না। এমনকি যখন খারাপ পরিস্থিতি চলতে থাকে যতক্ষণ না লোকেরা সংশোধনের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে, এমনকি যখন তারা বিধায়কদের ভোট দিয়ে বের করে দেওয়ার হুমকি দেয়, তখনও অর্থই জয়ী হয়।"<br>"এটি কীভাবে ঘটতে পারে তা দেখা আমার পক্ষে কঠিন।"<br>চাদ বলল, "বিধায়করা একটি আইন লিখে সমস্যার প্রতিক্রিয়া জানায়, ধরুন বারবার মাতাল হয়ে গাড়ি চালানো চালকদের কারাগারে পাঠানো। মদের শিল্প আপত্তি জানায়, কারণ তারা মাতলামি নিয়ে অনেক আলোচনা পছন্দ করে না, এটি তাদের ভাবমূর্তি নষ্ট করে। বিধায়করা মাতাল চালকদের কীভাবে সবচেয়ে ভালোভাবে জেলে পাঠানো যায় তা অধ্যয়নের জন্য একটি কমিশন তৈরি করার জন্য আইন সংশোধন করে প্রতিক্রিয়া জানায়। তারপর, যখন বাজেট বিল আসে, তখন তারা কেবল কমিশনেই অর্থায়ন করে। কমিশনে নিয়োগপ্রাপ্তদের মধ্যে মদের শিল্পের প্রতিনিধিরা অন্তর্ভুক্ত থাকে।<br>"এটি বিধায়কদের সফলতা দাবি করার সুযোগ দেয়, কারণ আইনটি ভোট পেয়ে পাস হয়েছে। মদের শিল্পও সফলতা দাবি করে, কারণ তারা নিশ্চিত করেছে যে আইনটি কাজ করবে না।<br>"পরবর্তী পদক্ষেপ হলো কমিশনের জন্য কাজ করার জন্য প্রচুর লোককে নিয়োগ দেওয়া, যাদের অনেকেই মদের শিল্পের সমর্থক। এবং কমিশন দীর্ঘ, জটিল, অস্পষ্টভাবে অর্থহীন প্রতিবেদন প্রকাশ করতে শুরু করে। তবে এখন এর সাথে চাকরি জড়িত এবং বিধায়করা অকেজো চাকরি থেকেও মুক্তি পেতে পারেন না।<br>"তারপর, বারবার, আইন প্রণেতারা আইনটি আরও সংশোধন করে, এটি ঠিক করে এবং ওটি পরিবর্তন করে, তবে সর্বদা আরও চাকরি যোগ করে। যতক্ষণ না আমাদের একটি আমলাতান্ত্রিক দানব তৈরি হয় যা মাতাল চালকদের বিরুদ্ধে আইন প্রণয়ন রোধ করতে মদের শিল্পকে সাহায্য করার ব্যবসায় জড়িত থাকে। এভাবেই আমাদের ফরেস্ট্রি সার্ভিস কাঠুরেদের মালিকানাধীন হয়ে ওঠে, আর আমাদের ডিইএ মাদক কার্টেলের মালিকানাধীন হয়ে ওঠে, কল্যাণ ব্যবস্থা একটি সামাজিক কাজ শ্রেণিবিন্যাসের মালিকানাধীন হয়ে ওঠে এবং স্কুলগুলো পেশাদার শিক্ষাবিদদের মালিকানাধীন হয়ে ওঠে। এর কোনোটিই কাজ করে না, কারণ এগুলো সেভাবে ডিজাইন করা হয়নি।"
** অধ্যায় ৫৩, পৃষ্ঠা ৪৩৮-৪৩৯
=== ''দ্য ভিজিটর'' (২০০২) ===
:<small> সকল পৃষ্ঠার উল্লেখ ইওস থেকে প্রকাশিত মাস মার্কেট পেপারব্যাক সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে। {{ISBN|0-380-82100-1}} </small>
[[চিত্র:Observable universe logarithmic illustration.png|thumb|[[অজ্ঞতা]]র চেয়ে বেশি আর [[কিছুই না|কিছুই]] [[বুদ্ধিমত্তা]]কে সীমাবদ্ধ করে না; নিজের [[মতামত]]ের চেয়ে বেশি আর কিছুই অজ্ঞতাকে উৎসাহিত করে না; [[বাস্তবতা]]র দিকে তাকাতে অস্বীকার করার চেয়ে বেশি আর কিছুই মতামতকে শক্তিশালী করে না।]]
[[চিত্র:Collage_Auge_im_Himmel_byLöser.jpg|thumb|আমি [[নিজেই|আমার মতো]], যদিও এক [[মুহূর্ত]] থেকে অন্য মুহূর্তে অন্য কিছু তাকিয়ে আছে বলে মনে হয়।]]
[[চিত্র:The Realm of Rane - by Jeroen van Valkenburg.PNG|thumb|[[মানুষ]] কোনো ঘটনাকে [[অলৌকিক]] বলা হলে তা [[বিশ্বাস]] করতে দেয়, অন্যদিকে একই ঘটনাকে [[যাদু]] বলা হলে তা অবজ্ঞা করে। অথবা উল্টোটাও ঘটে।]]
[[চিত্র:Effects of a wildfire in sisjon gothenburg sweden.jpg|thumb|[[মানবজাতি]] [[ভালো]] [[ভাগ্য]]কে তার প্রাপ্য হিসেবে [[গ্রহণ করে|মেনে নেয়]], কিন্তু যখন খারাপ কিছু ঘটে, তখন সে ভাবে যে এটি তাকে লক্ষ্য করে করা হয়েছে, তার প্রতি করা হয়েছে, এটি একটি ডাইনি, একটি অভিশাপ, কোনো অপরাধের জন্য তার [[দেবতা]]র দেওয়া একটি [[শাস্তি]]। যেন তার দেবতা একজন তুচ্ছ দোকানদার যে দিনের হিসাব গুনছে...]]
[[চিত্র:The Golden Bough - by Jeroen van Valkenburg.PNG|thumb|তারা ঠিক বলেছে যে একজন [[দেবতা]] উপাদানটি বেছে নিয়েছিলেন; তবে তারা ভুল দেবতাকে দিয়ে কাজটি করাচ্ছে।]]
[[চিত্র:The Storm Spirits.jpg|thumb|উদ্ধারযোগ্য [[সংশয়বাদী]]দের [[স্বধার্মিক]] নিরঙ্কুশবাদীদের থেকে আমরা যত তাড়াতাড়ি আলাদা করতে পারব, তত তাড়াতাড়ি আমরা এগিয়ে যেতে পারব।]]
[[চিত্র:William Holman Hunt - The Scapegoat.jpg|thumb|[[অজ্ঞতা]] ঠিক [[জ্ঞান]]ের মতোই নিজেকে টিকিয়ে রাখে। মানুষ মিথ্যা দলিল লেখে, তারা মিথ্যা মতবাদ প্রচার করে এবং সেই [[বিশ্বাস]]গুলো পরবর্তী প্রজন্মের মধ্যে দুষ্টুমিকে অনুপ্রাণিত করার জন্য টিকে থাকে।]]
* এটি কল্পনা করুন:<br>একটি ভাঙা হাড়ের মতো আকাশকে বিদীর্ণ করা একটি পর্বত, যার পশ্চিম দিকের খাড়া পাহাড় বিশৃঙ্খল ধ্বংসস্তূপের ওপর আছড়ে পড়েছে।
** অধ্যায় ১: কাইগো ফ্যায়েন্স, প্রথম লাইন, পৃষ্ঠা ১
* অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি সেখানে জড়ো হয়েছিল অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির সাথে কথা বলার জন্য, যার ফলে প্রচুর সুস্পষ্ট কিন্তু অবস্তুগত আলোচনা হয়েছিল।
** অধ্যায় ৪: দ্য কুপার, পৃষ্ঠা ৪০
* ইতিমধ্যে তারা আলোচনা করেছে যে এ সবকিছুর অর্থ কী, কেউ কেউ সংকেতটিকে [[হুমকি]] এবং অন্যরা তাদের নিজ নিজ স্বভাব অনুযায়ী [[আশীর্বাদ]] হিসেবে বিবেচনা করেছে।
** অধ্যায় ৪: দ্য কুপার, পৃষ্ঠা ৪০
* অনেক আগে, [[বিশ্ব|বিশ্বের]] [[মানুষ]] [[সাহায্য|সাহায্যের]] জন্য কেঁদেছিল। [[স্বর্গ|স্বর্গের]] কাছে তাদের কান্না শোনা গিয়েছিল এবং এর উত্তরে একজন পরিদর্শক এসেছিলেন। ভিজিটর সাথে সাথে সাহায্য করা শুরু করল, কিন্তু [[গোপন|গোপনে]]। এখন পরিদর্শক বিশ্বের মানুষের কাছে পরিচিত হতে চান এবং বিশ্বের মানুষকে অবশ্যই সেই [[জ্ঞান|জ্ঞানের]] মোকাবিলা করতে হবে।
** অধ্যায় ৪: দ্য কুপারে গার্ডিয়ান ক্যামওয়ার, পৃষ্ঠা ৪১
* আমাদের প্রয়োজন হবে, তবে কীসের জন্য তা আমি নিশ্চিত নই।
** অধ্যায় ৪: দ্য কুপারে গার্ডিয়ান ক্যামওয়ার, পৃষ্ঠা ৪২
* তুমি [[প্রজ্ঞা]] চেয়েছিলে? এই কথাগুলো শোনো। [[অজ্ঞতা]]র চেয়ে বেশি আর কিছুই বুদ্ধিমত্তাকে সীমাবদ্ধ করে না; নিজের [[মতামত]]ের চেয়ে বেশি আর কিছুই অজ্ঞতাকে উৎসাহিত করে না; [[বাস্তবতা]]র দিকে তাকাতে অস্বীকার করার চেয়ে বেশি আর কিছুই মতামতকে শক্তিশালী করে না।
** অধ্যায় ৪: দ্য কুপারে গার্ডিয়ান ক্যামওয়ার, পৃষ্ঠা ৪২
* আমি আমার মতোই, যদিও এক [[মুহূর্ত]] থেকে অন্য মুহূর্তে অন্য কিছু তাকিয়ে আছে বলে মনে হয়। আমার কাছে যা-ই চাওয়া হোক না কেন, তা সবচেয়ে ভালোভাবে করা যেতে পারে যদি আমি মনে রাখি যে আমি কে।
** অধ্যায় ৪: দ্য কুপারে গার্ডিয়ান ক্যামওয়ার, পৃষ্ঠা ৪২-৪৩
* [[অমরত্ব|অমর]] হওয়াটা আমার কাছে কোনো ব্যাপার না। যদি কেউ [[মহাবিশ্ব|মহাবিশ্বের]] দিকে তাকায় এবং বুঝতে পারে যে [[সময়]] এবং [[স্থান|স্থানের]] পরিপ্রেক্ষিতে সত্যিকারের অমরত্বের অর্থ কী হবে, তবে ব্যক্তিগত অমরত্বের ধারণা পোষণ করতেও দানবীয় অহংকার লাগে। এর আকাঙ্ক্ষা করা তো অনেক দূরের কথা।
** অধ্যায় ৬: নেল ল্যাটিমারস বুক গ্রন্থে নেল ল্যাটিমার, পৃষ্ঠা ৫১
* ব্যক্তিগত [[বিশ্বাস]]গুলো অবিতর্কিত, এমনকি যদি অন্য পক্ষের কাছে সমস্ত [[তথ্য]] থাকে।
** অধ্যায় ৬: নেল ল্যাটিমারস বুক গ্রন্থে নেল ল্যাটিমার, পৃষ্ঠা ৫১
* ক্ষতি ও বিভ্রান্তির মধ্য দিয়ে সে এমন একটি মেয়েতে পরিণত হয়েছিল যে প্রায় সম্পূর্ণভাবে নিজের মনের ভেতর বাস করত, সেখানে তার তৈরি করা জায়গাগুলোতে আশ্রয় নিত। সে অন্যদের [[বাস্তবতা]] দ্বারা বিকশিত হয়নি, বরং তা অনুধাবন করতে অক্ষম ছিল।
** অধ্যায় ৭: ডিথমে দ্য মেইডেন, পৃষ্ঠা ৫৭
* "তারা সবসময় আমাকে বলছিল যে তাদের পথই একমাত্র পথ!"<br>"ওহ, না, আমার প্রিয়। না, মোটেও না। যতক্ষণ না এটি অন্য কারও ক্ষতি করছে, নিজের পথই সবসময় পছন্দনীয়।"
** অধ্যায় ৭: ডিথমে দ্য মেইডেনে ডিথমে ও আর্নোল, পৃষ্ঠা ৫৯
* বলিদানের খাতিরে [[বলিদান]] কারও কোনো উপকারে আসে না!
** অধ্যায় ৮: আ ডিসঅ্যাপিয়ারেন্সে আর্নোল, পৃষ্ঠা ৬৫
* "আমি যাকে জিজ্ঞাসা করি না কেন, তারা ডিক্টা থেকে উত্তর দেয়! এমনকি যখন এটি মানানসই হয় না।"<br>"এমন করা নতুন কিছু নয়। পূর্ববর্তী পৃথিবীতে, এমন লোক ছিল যারা বলত যে সমস্ত সত্য এই বা সেই পবিত্র বইয়ে, এই বা সেই পবিত্র চিত্রে, এই বা সেই পবিত্র বিশ্বাসে নিহিত রয়েছে। তাদের জগত যতই জটিল হোক না কেন, তা যতই পরিবর্তিত হোক না কেন, কেবল সেই উত্তরগুলোই অনুমোদিত ছিল যা ক্রমবর্ধমানভাবে আরও কঠিন ও জটিল হয়ে উঠছিল।"<br>"ততক্ষণ পর্যন্ত?"<br>"অনেকের মতে, তাদের দেওয়া মন ব্যবহার করতে ব্যর্থ হওয়ার কারণে [[ঈশ্বর]] তাদের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে না নেওয়া পর্যন্ত।"
** অধ্যায় ১০: অ্যাট ফ্যায়েন্সে ডিথমে ও আর্নোল, পৃষ্ঠা ৭৫-৭৬
* যেহেতু তারা ডিক্টায় ছিল না, তাই তাদের সম্পর্কে জ্ঞান [[ধর্মবিরোধিতা]]র প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হবে। অথবা এটি [[কল্পনা]]র প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হবে, যা প্রায় সমান খারাপ ছিল।
** অধ্যায় ১০: অ্যাট ফ্যায়েন্স, পৃষ্ঠা ৮৪
* গত কয়েক বছর ধরে, জেরি "[[আধ্যাত্মিকতা|আধ্যাত্মিক]]" বিষয়ে খুব বেশি প্রভাবিত হয়েছে। যদিও এটি এমন একটি শব্দ যা জেরি এবং তার বন্ধুরা খুব স্বাচ্ছন্দ্যে ব্যবহার করে, তবে আমি কখনোই এর সংজ্ঞা দিতে পারিনি। এর মানে অবস্তুগত জিনিস, অবশ্যই। তবে এর অর্থ অ-বুদ্ধিবৃত্তিক, পরিমাপযোগ্য নয়, বাস্তব নয় এমন জিনিসও। তার বন্ধু মেরির কাছে এটি [[ফেরেশতা|ফেরেশতাদের]] প্রতি বিশ্বাস, কিন্তু তার স্বামীর ধারণা এটি সেই অনুভূতি যা সে একটি উষ্ণ প্রস্রবণে নগ্ন হয়ে বসে [[নক্ষত্র|নক্ষত্রদের]] দেখার সময় পায়।
** অধ্যায় ১৪: নেল ল্যাটিমারস বুক গ্রন্থে নেল ল্যাটিমার, পৃষ্ঠা ১১৩-১১৪
* "আপনি এইমাত্র যা বলেছেন তা সম্পূর্ণ অপ্রচলিত, কর্নেল ডক্টর। আমি যদি ভালো না জানতাম, তবে আমি ভাবতাম যে আপনি [[w:বিজ্ঞানবাদ|বিজ্ঞানবাদ]] দ্বারা প্রভাবিত হয়েছেন!"<br>"আহ। বিজ্ঞানবাদ। অন্যতম একটি ধর্মবিরোধী মতবাদ। ক্যাপ্টেন, আপনি বিজ্ঞানবাদকে কীভাবে সংজ্ঞায়িত করবেন?"<br>"একটি ধর্মবিরোধী বিশ্বাস যে মানুষ একসময় তাদের নিজস্ব প্রচেষ্টার মাধ্যমে, কোনো স্বর্গীয় সহায়তা ছাড়াই আপনার উল্লিখিত কাজগুলো করেছিল। ডিক্টা আমাদের শেখায় যে আমাদের পূর্বপুরুষরা তাদের ক্ষমতার জন্য ফেরেশতাদের ওপর নির্ভর করত, ঠিক যেমনটা আমরা করব যখন আমরা দ্য আর্ট পুনরায় আবিষ্কার করব।"
** অধ্যায় ২২: অফিসার্স অ্যান্ড জেন্টলমেনে কর্নেল ডক্টর জেন্স লাডিস্লাভ ও ক্যাপ্টেন ট্রুব্লাড, পৃষ্ঠা ১৭০
* জ্যানেট গর্জে উঠল, "নেল, তোমাকে [[সঠিক এবং ভুল|সঠিক এবং ভুল বা ভুলের]] সালিশ কে বানাল?"<br>নেল টেবিলে আঘাত করল। "আমি কোনো নৈতিক বিচার করছি না, আমি একটি বাস্তবসম্মত বিচার করছি! দ্য হ্যাপেনিংয়ের আগে, বিশ্ব মানুষে পরিপূর্ণ ছিল এবং আমরা খুব দ্রুত হারে পৃথিবীর সম্পদ ব্যবহার করছিলাম। কোনোভাবে আমাদের মনে হয়েছিল যে আমরা এই পৃথিবী শেষ করার আগেই অন্য কোনো পৃথিবী খুঁজে পাব। আর মহাকাশে যাওয়া ছিল দর্শকদের একটি খেলা। সেই খেলা শেষ। আমরা কোথাও যাচ্ছি না! তাই, পৃথিবীকে ব্যবহার করে পেছনে ফেলে যাওয়ার যেসব মনোভাব আমাদের মধ্যে ছিল তা আমাদের জন্য ভুল। এবং অবশিষ্ট মানুষ ও প্রাণীদের জন্য পৃথিবীকে যোগ্য রাখে এমন যেকোনো মনোভাব আমাদের জন্য সঠিক। আমি তোমাকে এর চেয়ে ভালো কোনো সংজ্ঞা নিয়ে আসার চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছি।"
** অধ্যায় ২৮: দ্য সিয়ারিস, পৃষ্ঠা ২২৬-২২৭
* [[সরকার|শাসনব্যবস্থা]] অনেক কথাই বলে, যার দশ ভাগের নয় ভাগই [[মিথ্যা বলা|মিথ্যা]] আর বাকি এক ভাগ [[w:আশাবাদী চিন্তাভাবনা|আশাবাদী চিন্তাভাবনা]]।
** অধ্যায় ২৯: দ্য স্পেলাঙ্কারে একজন রাক্ষস, পৃষ্ঠা ২৩৭
* আমাকে কর্নেল বা ডাক্তার বলে ডাকো। দুটো উপাধি শুনলেই আমার মধ্যে দ্বৈত ব্যক্তিত্বের সৃষ্টি হয়, কারণ দর্শন দুটির মধ্যে অনেক পার্থক্য। [[চিকিৎসাশাস্ত্র]]ের দর্শন হলো, সব ধরনের জীবন বাঁচাতে হবে। আমাদের [[সামরিক বাহিনী]]র দর্শন হলো, যতক্ষণ কিছু কোষ জীবিত রাখা যায়, ততক্ষণ প্রকৃত জীবনগুলো বিসর্জন দেওয়া যেতে পারে। বোতলে কয়েক ইঞ্চি অন্ত্র রাখা আমার মতে কোনো [[জীবন]] নয়, তা নিজের সাথে যতই [[ধর্মতত্ত্ব|ধর্মতাত্ত্বিক]] ছলচাতুরী করা হোক না কেন।
** অধ্যায় ৩০: ডিথমে অ্যান্ড দ্য ডক্টরে কর্নেল ডক্টর জেন্স লাডিস্লাভ, পৃষ্ঠা ২৫৬
* "আমি খুব কমই জানি," সে বিড়বিড় করে বলল।<br>"ভুল তথ্যের চূড়ায় দাঁড়ানোর চেয়ে তুমি গলা পর্যন্ত [[অজ্ঞতা]]য় ডুবে আছ তা স্বীকার করে নেওয়াই ভালো," তিনি দৃঢ়ভাবে বললেন।
** অধ্যায় ৩০: ডিথমে অ্যান্ড দ্য ডক্টরে ডিথমে ও কর্নেল ডক্টর জেন্স লাডিস্লাভ, পৃষ্ঠা ২৫৮
* যদি কোনো সমাজ মনে করে যে তার [[অস্ত্র]] প্রয়োজন, তবে তাকে হত্যা মেনে নিতে হবে। যদি সে মনে করে যে তার [[সহিংসতা|সহিংস]] মানুষের প্রয়োজন, তবে তাকে লুণ্ঠন ও হামলা মেনে নিতে হবে।
** অধ্যায় ৩২: ডিথমে ইন হোল্ড বইয়ে কর্নেল ডক্টর জেন্স লাডিস্লাভ, পৃষ্ঠা ২৮৩
* অভিজ্ঞতা, পড়াশোনা এবং বাইরে থেকে আমি যা শিখেছি, তা থেকে আমি বিশ্বাস করতে শুরু করেছি যে [[সরকার|শাসনব্যবস্থা]]—আমি মনে করি সত্যিকার অর্থে যেকোনো শাসনব্যবস্থাই—হলো এক পাত্র জাউয়ের মতো। যদি মাঝে মাঝে জোরে নাড়ানো হয়, তবে এটি পুষ্টিকর হতে পারে, যদিও সবসময় সুস্বাদু প্রধান খাবার নাও হতে পারে। কিন্তু যদি কিছুক্ষণ না নাড়িয়ে তাপে রেখে দেওয়া হয় তবে এটি ধীরে ধীরে ঘন হয়ে যায়। যদি যত্ন না নেওয়া হয়, তবে এটি পুড়ে কয়লার মতো একটি অচল কঠিন পদার্থে পরিণত হতে পারে।<br>এরপর, এটি নাড়ানোর অযোগ্য, পুষ্টি প্রদানে অক্ষম হয়ে যায়। যখন কোনো শাসনব্যবস্থা এমন হয়, তখন নাগরিকদের কুয়ো খনন করা বা রাস্তা ঠিক করার মতো প্রয়োজনীয় কাজ করার জন্য ঘুষ দেওয়া বা আইন ভাঙার আশ্রয় নিতে হয়। ফলে ঘনীভূত অবস্থার সাথে দুর্নীতি যুক্ত হয়।
** অধ্যায় ৩৩: ডেজমাই অব দ্য ড্রামস গ্রন্থে কর্নেল ডক্টর জেন্স লাডিস্লাভ, পৃষ্ঠা ২৯৩-২৯৪
* আমার সন্দেহ হয় যে যেকোনো ধারাবাহিক ঘটনার শুরুতে [[স্বেচ্ছাচারিতা|খেয়াল]] এবং [[অনুপ্রেরণা]]র মধ্যে খুব সামান্যই পার্থক্য থাকে। পরে যা ঘটে তা থেকেই আমরা বুঝতে পারি কোনটা কী।
** অধ্যায় ৩৩: ডেজমাই অব দ্য ড্রামস গ্রন্থে কর্নেল ডক্টর জেন্স লাডিস্লাভ, পৃষ্ঠা ২৯৪
* শাসনব্যবস্থা এতটা আত্মতৃপ্ত হয়ে উঠেছে যে এটি বৈপ্লবিক, উদ্ভাবনী বা নিছক বৈচিত্র্যের মধ্যে পার্থক্য করতে পারে না। হাইকমান্ড বাইরের জগৎ সম্পর্কে এত কম জানে যে আমি যদি একটি সম্পূর্ণ সজ্জিত রাসায়নিক পরীক্ষাগার নিয়ে ফিরে আসতাম এবং তাদের বলতাম যে আমি এটি একটি গুহায় পেয়েছি, তবে তারা হয়তো সেটা বিশ্বাস করত। তবে শর্ত হলো আমাকে সেটা আমার ঘোড়ার জিনের থলিতে করে টুকরো টুকরো করে আনতে হবে। এর মাধ্যমে প্রমাণিত হবে যে আমি আগে থেকে জানতাম না যে এটি সেখানে ছিল।
** অধ্যায় ৩৭: লিভিং ব্যাস্টিওন গ্রন্থে কর্নেল ডক্টর জেন্স লাডিস্লাভ, পৃষ্ঠা ৩৪৯-৩৫০
* ক্যাজমের আমরা এটিকে ভিজিটর বলা শুরু করেছি কারণ এটি তুলনামূলকভাবে একটি আরামদায়ক লেবেল। এর মানে হলো এর অবস্থান অস্থায়ী, জিনিসটি চলে যাবে। আমরা মনে করি ভিজিটরকে এমন কোনো জাতির অংশ হতে হবে যারা মহাকাশে বাস করে, যদিও আমরা শুধু অনুমান করছি। আমরা আরও অনুমান করি যে তারা মহাকাশের আবর্জনার টুকরোগুলোর ওপর ভর করে যাত্রা করে যেগুলো কোনো দিকে যাচ্ছে। যেমন আমাদের দিকে ছুটে আসা বিশাল আবর্জনাটি। যাইহোক, ভিজিটর দিন দিন কাছে আসছে।
** অধ্যায় ৩৭: লিভিং ব্যাস্টিওন গ্রন্থে উলফ, পৃষ্ঠা ৩৫৩
* একবার যখন শাসনব্যবস্থা বলেছিল যে একটি জীবন্ত [[w:কোষ (জীববিদ্যা)|কোষ]] মানেই একটি জীবন, তখন প্রকৃত জীবনযাপন অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়েছিল।
** অধ্যায় ৩৭: লিভিং ব্যাস্টিওন গ্রন্থে ফ্লাওয়ার, পৃষ্ঠা ৩৫৫
* সার্জেন্ট অন্যদের চেয়ে বেশি [[সাহসিকতা|সাহসী]] এবং বেশি [[বোকামি|বোকা]] ছিল—এই দুটি গুণ প্রায়শই একসাথে চলে।
** অধ্যায় ৩৮: অ্যাঙ্গলারস অ্যান্ড বর্ডার গার্ডস, পৃষ্ঠা ৩৬৪
* "[[যাদু]]!" রাক্ষসটি কেঁদে উঠল। "[[অলৌকিক|অলৌকিক ঘটনা]]! দুটির মধ্যে পার্থক্য কী?"<br>"কোনো পার্থক্য নেই," গ্যালেনর বলল। "তবে মানুষ কোনো ঘটনাকে অলৌকিক ঘটনা বলা হলে তা বিশ্বাস করতে দেয়। অন্যদিকে একই ঘটনাকে যাদু বলা হলে তা অবজ্ঞা করে। অথবা উল্টোটাও ঘটে।"
** অধ্যায় ৪৩: ভেরিয়াস পারস্যুটস, পৃষ্ঠা ৪১৭-৪১৮
* [[জীবন]] স্বাভাবিকভাবেই উদ্ভূত হয়; যেখানে জীবন আছে, সেখানে [[মৃত্যু]] আছে, [[আনন্দ]] আছে, [[যন্ত্রণা]] আছে। যেখানে আনন্দ ও যন্ত্রণা আছে, সেখানে উল্লাস ও আতঙ্ক আছে, সবই ধরনটির অংশ। সেগুলো এভাবেই ''ঘটে'' যেমন একটি ঘূর্ণায়মান গ্রহে রাত ও দিন ঘটে। সেগুলোকে পৃথকভাবে ইচ্ছাকৃত করে মানুষের দিকে তীরের মতো ছোড়া হয় না। [[মানবজাতি]] [[ভালো]] [[ভাগ্য]]কে তার প্রাপ্য হিসেবে মেনে নেয়। কিন্তু যখন খারাপ কিছু ঘটে, তখন সে ভাবে যে এটি তাকে লক্ষ্য করে করা হয়েছে, তার প্রতি করা হয়েছে, এটি একটি ডাইনি, একটি অভিশাপ, কোনো অপরাধের জন্য তার দেবতার দেওয়া একটি শাস্তি। যেন তার দেবতা একজন তুচ্ছ দোকানদার যে দিনের হিসাব গুনছে...
** অধ্যায় ৪৩: ভেরিয়াস পারস্যুটস গ্রন্থে গার্ডিয়ান গ্যালেনর, পৃষ্ঠা ৪১৮
* "মানুষ তাদের দেবতাদের এতটাই সস্তা মনে করে যে তারা পায়রার মতো তাদের ঠোকর দেয়। তারা প্রতিনিয়ত [[প্রার্থনা]] করে তাদের ওপর হস্তক্ষেপ করে! প্রতিটি সংঘাতের সব দিক থেকে প্রার্থনা, প্রতিটি প্রতিযোগিতার আগে প্রার্থনা, প্রতিটি সমস্যার সময় প্রার্থনা। ব্যক্তিগত প্রার্থনা, প্রকাশ্য প্রার্থনা, মণ্ডলী থেকে ভেড়ার মতো প্রার্থনা, গেমের আগে খেলাধুলার প্রার্থনা, তোতাপাখির মতো প্রার্থনা এবং স্বতঃস্ফূর্ত প্রার্থনা। ঈশ্বরের প্রতি অন্তহীন নির্দেশ, অন্তহীন... প্লকুট্টা।<br>'আমার জন্য সুপারিশ করুন এবং আমার সমস্যাগুলো সমাধান করুন; আমাকে দিন, আমাদের দিন; আমি যা বলছি তা শুনুন; এক্ষেত্রে প্রকৃতির নিয়ম স্থগিত করুন; তাকে নিরাময় করুন; তাকে বাঁচান; তাদের করতে দেবেন না; আমার কথা শুনুন; এটা করুন!'" ভিজিটর দীর্ঘশ্বাস ফেলল। "এর নিচে, কেউ শয়তানের হাসি শুনতে পায়।"
** অধ্যায় ৪৪: দ্য ভিজিটরে দ্য ভিজিটর, পৃষ্ঠা ৪৫৮
* প্রতিটি জাতি তার নিজস্ব [[শয়তান]] তৈরি করে। তোমাদের এত শয়তান ছিল যে তারা বিশেষায়িত হয়ে পড়েছিল। জাতিগত বিদ্বেষের শয়তান, লোভ ও সহিংসতার শয়তান। যেসব শয়তান রক্তের নেশায় তাদের নিজেদের লোকদের হত্যা করেছে। যেসব শয়তান ক্লিনিকে বোমা মেরেছে, স্কুল বাসে বোমা মেরেছে, অন্য শয়তানদের ওপর বোমা মেরেছে। আমি তাদের প্রত্যেককে নাম ধরে চিনতে পেরেছি। আসার সাথে সাথেই আমি আমার [[দানব]]দের তাদের সবাইকে হত্যা করতে পাঠিয়েছিলাম। তারা আমার [[সুনাম]] ক্ষুণ্ন করেছিল, এবং যদিও আমি মানবজাতির ওপর প্রচুর [[যত্ন]] ঢেলে দিয়েছি, [[প্রতিশোধ]] আমারই।
** অধ্যায় ৪৪: দ্য ভিজিটরে দ্য স্মল গড, পৃষ্ঠা ৪৫৮
* "এই জায়গাটা হলো গডল্যান্ড। তোমরা আমাকে ঈশ্বর বলতে পারো। তবে ছোট 'g' দিয়ে, কারণ আমি অহংকারী নই। আমরা এই সৃষ্টিতে এর স্রষ্টার সেবা করার জন্য বিবর্তিত হওয়া একটি জাতি। আমরা স্বতন্ত্র মানুষ ও গ্রহের শৈশবে অস্থায়ী দেবতা হিসেবে কাজ করি। আমি ছিলাম সেই দাইমা যে এই পৃথিবীকে সামনে এনেছিল, যে [[w:অ্যাবায়োজেনেসিস|আদিম কাদায় আলোড়ন তুলেছিল]] এবং সমুদ্র থেকে হামাগুড়ি দিয়ে উঠে আসা জীবনকে লক্ষ্য করেছিল। আমাদের জাতি তোমাদের থেকে আলাদা নয়, তবে আমি খুব বুড়ো, আর তোমরা এখনও খুব তরুণ।<br>"আমরা আসি এবং যাই। আমি তোমাদের লোকদের [[ভাষা]] শেখাতে এসেছিলাম। আমি ভবিষ্যৎবক্তাদের বড় করেছি, গণকদের ফিসফিস করে বলেছি, যাদুকরদের জন্য উজ্জ্বল দর্শন বুনেছি এবং তোমাদের [[আলকেমি|আলকেমিস্টদের]] চমৎকার কথা বলেছি। আমি আবার এসেছিলাম রিয়েল [[মোনাড|ওয়ান]]ের নামে [[নবী|নবীদের]] বড় করতে: [[w:জর্দানো ব্রুনো|ব্রুনো]], [[w:গ্যালিলিও গ্যালিলেই|গ্যালিলিও]], [[w:আইজ্যাক নিউটন|নিউটন]], [[w:এনরিকো ফের্মি|ফার্মি]]..."<br>ডাক্তার বাধা দিলেন, "রিয়েল ওয়ান? কে?"<br>"সেই সত্তা যার আমি [[উপাসনা]] করি। চরম সত্তা যিনি সময়ের ঊর্ধ্বে। সেই দেবতা যাকে কিছু মানুষ শব্দের মাধ্যমে প্রার্থনা করার সময় সম্বোধন করছে বলে মনে করে। রিয়েল ওয়ান এমনকি শব্দগুলোও বুঝতে পারে না। যদি তিনি বুঝতেন, তবে ভাবুন তাকে কী শুনতে হতো! রিয়েল ওয়ান কেবল যা আছে তার ধরনটি দেখেন, এটি কোথায় শুরু হয় এবং কোথায় থামে। তিনি একমাত্র যে [[প্রার্থনা]]টি বুঝতে পারেন তা হলো [[কর্ম]]।"<br>"আমি তা বুঝতে পারছি না," নেল একগুঁয়েভাবে বলল।<br>"তোমার পুরোনো পৃথিবীর একটি উদাহরণ, নেল। একটি শিশুকে গুলি করা হয়েছে এবং সবাই কাঁদছে। রিয়েল ওয়ান কী দেখেন? তিনি দেখেন হত্যাকারী যন্ত্রের নির্মাতা ও নির্মাণ, [[আগ্নেয়াস্ত্র|যন্ত্রটি]] নিজে, হত্যাকারী যন্ত্রটি বিক্রি করা, হত্যাকারী যন্ত্রটি কেনা, শিশুটির কাছে এটি রাখা, ঘটনাটি, [[মৃত্যু]]। রিয়েল ওয়ান কেবল কর্মের ধরনটি দেখেন। যা আছে। যা করা হয়েছে। তিনি [[উদ্দেশ্য]] বা [[অনুশোচনা]] কোনোটিই বোঝেন না।"<br>নেল রাগান্বিত হয়ে বলল, "কী আছে বলতে তুমি কী বোঝাতে চাইছ?"<br>ছোট ঈশ্বরটি তার বেদিতে অস্বস্তির সাথে নড়াচড়া করছে বলে মনে হলো। "যা আছে, তা-ই আছে! [[বাস্তবতা]]। [[প্রকৃতি]]। এমন একটি [[মহাবিশ্ব|মহাবিশ্বের]] নিয়ম যেখানে সবকিছু রয়েছে। [[w:মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ|সম্প্রসারণ]] ও সংকোচন, [[w:পদার্থ|পদার্থ]] ও [[w:প্রতিপদার্থ|প্রতিপদার্থ]], [[আলো]] ও [[অন্ধকার]], আনন্দ ও দুঃখ, উল্লাস ও আতঙ্ক, [[w:সুপারনোভা|সুপারনোভা]] ও [[w:কৃষ্ণগহ্বর|কৃষ্ণগহ্বর]], [[পরমানন্দ|উচ্ছ্বাস]] ও [[যন্ত্রণা]], শাসন ও [[রাজনীতি]], [[জীবন]] ও [[মৃত্যু]]। সমস্ত উদ্দীপনা ও বাধা যা জয় করার মাধ্যমে [[বুদ্ধিমত্তা]]কে বাড়তে বাধ্য করে।"<br>"কী জয় করা?" আর্নোল জিজ্ঞেস করল, নেলের বাহুতে তার হাত।<br>"যেকোনো কিছু। দুর্গন্ধ, বা [[রোগ]], বা [[ঘৃণা]]। [[যন্ত্রণা]], [[w:পোকামাকড়|পোকামাকড়]], বা [[w:কাঁটাগাছ|কাঁটাগাছ]]। জীবনের স্বল্পতা বা বয়সের দুর্বলতা।"<br>"কেন শুধু এই জিনিসগুলো বাদ দেওয়া যায় না?" ডিথমে প্রতিবাদ করল।<br>"এটি চেষ্টা করা হয়েছে। যদি তুমি কোনো প্রাণীকে কেবল ''ফিলগুড-জয়-লাইফ'' দাও, তবে কিছুই ঘটে না। [[w:ডাইনোসর|ডাইনোসররা]] এখানে কোটি কোটি বছর ধরে ''ফিলগুড-জয়-লাইফে'' বাস করেছিল এবং এর শেষে তারা কিছুই জয় করতে পারেনি।"
** অধ্যায় ৪৪: দ্য ভিজিটরে দ্য ভিজিটর, পৃষ্ঠা ৪৫৯-৪৬০
* "এমনকি যখন [[w:চাঁদে অবতরণ|তোমরা চাঁদে গিয়েছিলে]], তখনও তোমরা [[সত্য]]ের সন্ধানে যাওনি। ওহ, তোমরা ''বলেছিলে'' যে এটি [[মহাবিশ্ব]] সম্পর্কে জানার জন্য। তবে তোমরা আসলে গিয়েছিলে কারণ তোমরা অন্য একটি দেশের সাথে আধিপত্যের খেলা খেলছিলে। একবার অন্য পক্ষ খেলা ছেড়ে দিলে, তোমরা কেবল চালিয়ে যাওয়ার ভান করেছিলে। যখন প্রকৃতপক্ষে তোমরা [[যাদু]] এবং [[অলৌকিক|অলৌকিক ঘটনাগুলোতে]] দীর্ঘ সময়ের জন্য ফিরে যেতে শুরু করেছিলে।"<br>নেল রাগান্বিত হয়ে বলল, "অলৌকিক ঘটনা হলো [[ধর্ম]]!"<br>"তুমি একে কী নামে ডাকো তাতে কিছু যায় আসে না," ছোট ঈশ্বরটি বলল। "যাদু বা অলৌকিক ঘটনা, যাদুবিদ্যা বা ধর্ম, সবই এক।"
** অধ্যায় ৪৪: দ্য ভিজিটরে দ্য ভিজিটর, পৃষ্ঠা ৪৬০
* জীবিকা নির্বাহ করা ছাড়াও, তোমাদের লোকেরা মূলত কী করত? গেমস। খেলাধুলা। ক্যাসিনো। শব্দদূষণকারী মেশিন যা দ্রুত চলত। কেনাকাটা। যা কিছু ভুল হয়েছে তার জন্য অন্যকে দায়ী করে মামলা। তারা কীসে বিশ্বাস করত? [[w:ষড়যন্ত্র তত্ত্ব|ষড়যন্ত্র তত্ত্ব]]। [[w:বর্ণবাদ|জাতিগত শ্রেষ্ঠত্ব]]। [[w:সুপারহিরো|সুপারপাওয়ারসহ হিরো]]। [[w:বিশ্বাস নিরাময়|বিশ্বাস নিরাময়কারী]]। ঈশ্বর-তোমাকে-ভালোবাসে ধর্ম। রাষ্ট্র-সমর্থিত [[w:লটারি|লটারি]]। এই বিপুল পরিমাণ শক্তি ব্যয় করা হয়েছে কিছুই জয় না করার জন্য। স্টেডিয়াম ভর্তি মানুষ দেখছে যে কোনো জয় হচ্ছে না। প্রত্যেক [[বিজ্ঞান|বিজ্ঞানী]] বা সরকারি কর্মকর্তা যারা সত্যিই জয় করার চেষ্টা করেছিল, তাদের বিপরীতে হাজার হাজার মানুষ লটারির টিকিট কিনছিল, বিয়ার পান করছিল, ফুটবল দেখছিল এবং বুড়ো হচ্ছিল।
** অধ্যায় ৪৪: দ্য ভিজিটরে দ্য ভিজিটর, পৃষ্ঠা ৪৬০-৪৬১
* তোমাদের নেতারা [[লোভ]]ের শয়তানের উপাসনা করত যখন তারা খারাপ জিনিস ছড়ানোর জন্য তাদের ভোট এবং প্রভাব বিক্রি করত; তারা [[ক্ষমতা]]র শয়তানের উপাসনা করত যখন তারা গ্রহের স্বাস্থ্যের চেয়ে ভোটকে মূল্য দিত; তারা [[w:মানবাধিকার|মানবাধিকারের]] পক্ষে কথা বলে [[দয়া]] এবং [[ন্যায়বিচার]]ের ভান করত। যখন তারা আধিপত্যকারী শয়তানদের শোষণ করত যাদের আইন ছিল [[নির্যাতন]] এবং যাদের শাসন ছিল [[w:নারীর প্রতি সহিংসতা|নারীদের দাসত্ব]]।
** অধ্যায় ৪৪: দ্য ভিজিটরে দ্য ভিজিটর, পৃষ্ঠা ৪৬১-৪৬২
* "সবার [[ঈশ্বর]] হিসেবে, তুমি কী করবে?" ডাক্তার দাবি করলেন।<br>"তুমি কি এখনের কথা বলছ?" ছোট ঈশ্বরটি জিজ্ঞেস করল। "আমি নবীদের বড় করব যারা পরস্পরবিরোধী ঘোষণা দেবে যা প্রতিলিপিতে অনিবার্যভাবে বিকৃত হবে। যার ফলে [[গোঁড়ামি]]র পরস্পরবিরোধী সংজ্ঞা তৈরি হবে যেখান থেকে মুক্তমনারা আতঙ্কে পালিয়ে যাবে... এ ছাড়া, আমি খামখেয়ালি হবো। আমি খেয়ালখুশিমতো পুরস্কৃত করব ও শাস্তি দেব। আমি শোবার ঘরের জানালা দিয়ে উঁকি দেব এবং সেখানে যা দেখব তার তিরস্কার করব। কখনো একটি জিনিস, আবার কখনো ঠিক তার উল্টোটা। আমার এমন কিছু উদ্দেশ্য থাকবে যা মানুষ জানে না। আর যখন মানুষ সেগুলো বুঝতে শুরু করবে, তখন আমি সেগুলো পরিবর্তন করব। এটি তোমাদের কিছু লোককে বোঝাবে যে আমি অবিশ্বস্ত... মাঝে মাঝে, আমি একটি মুমূর্ষু শিশুকে বাঁচাতে একটি সুস্পষ্ট [[অলৌকিক|অলৌকিক ঘটনা]] ঘটাব। যেখানে অন্য কোথাও হাজার হাজার শিশু অনাহারে থাকে। এটি সংবেদনশীল মানুষকে বোঝাবে যে আমি বিকৃত, এবং তারা আমার নাম অভিশাপ দেবে। যারা এমন করে তাদের নিয়োগ করতে ভুলবে না, তারা অমূল্য হবে। শয়তান ও ছোট ঈশ্বর উভয়কেই প্রত্যাখ্যান করার মাধ্যমেই তারা রিয়েল ওয়ানকে জানতে পারবে।<br>আমি একটি ভান হবো, কিন্তু কোনো দাম্ভিক হবো না। আমি প্রতিটি পুরুষ, নারী বা শিশুকে আমার সাথে ব্যক্তিগত সম্পর্ক দাবি করতে দেব, সে যতই লোভী বা দুষ্ট হোক না কেন। অন্য কথায়, আমি মানুষের মতোই খেয়ালখুশিমতো, অসামঞ্জস্যপূর্ণ, অজ্ঞ, জেদি এবং সাধারণ হবো। আর মানুষ ঈশ্বরের কাছে এর চেয়ে বেশি কী চেয়েছে?"<br>"[[সত্য]]!" ডাক্তার এবং আর্নোল একই সাথে কেঁদে উঠলেন...<br>"ওহ, চুপ করো, তারা কখনোই এমন কিছু চায়নি। সৃষ্টির সর্বত্র সত্য লেখা আছে—[[w:মহাবিশ্বের বয়স|মহাবিশ্বের বয়স]], বিশ্বের ইতিহাস—কিন্তু মানবজাতির দশ ভাগের নয় ভাগ হয় এটি জানে না বা মনে করে যে এটি একটি ভান। কারণ এটি তাদের বই বা তাদের নবী যা বলে তা নয়, এবং এটি যথেষ্ট আরামদায়ক বা পরিবর্তনযোগ্য নয়।"<br>"আমার লোকেরা সত্য চেয়েছিল," নেল শক্তভাবে বলল। "আমার বন্ধুরা।"<br>"তারা সংখ্যালঘু ছিল। দ্য হ্যাপেনিংয়ের খুব বেশি বছর আগে নয়, তোমাদের দেশের বৃহত্তম ধর্মীয় সংস্থাগুলোর মধ্যে একটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছিল যে তাদের বই তাদের ঈশ্বরের চেয়ে পবিত্র। এর মাধ্যমে একই সাথে ও যৌথভাবে তাদের নিজস্ব ধর্মের বেশ কয়েকটি আদেশ, বিশেষ করে প্রথমটি ভঙ্গ করেছে। অবশ্যই তারা বইটি বেশি পছন্দ করেছিল! এটি যাদু ও বৈপরীত্যে পূর্ণ ছিল যা তারা তাদের ধর্মান্ধ ও ঘৃণ্য মতামতকে শক্তিশালী করতে উদ্ধৃত করতে পারত। এটি আমি খুব ভালো করেই জানি, কারণ আমি এখানকার ও সেখানকার গুহাগুলোতে পড়ে থাকা স্ক্রোল এবং পত্রগুলোর মধ্য থেকে এর অনেক অংশ বেছে নিয়েছি। তারা ঠিক বলেছে যে একজন ঈশ্বর উপাদানটি বেছে নিয়েছিলেন; তবে তারা ভুল ঈশ্বরকে দিয়ে কাজটি করাচ্ছে।"
** অধ্যায় ৪৪: দ্য ভিজিটরে দ্য ভিজিটর, পৃষ্ঠা ৪৬৩-৪৬৪; উপবৃত্তগুলো বর্ণনার ছোট বর্জনগুলোকে উপস্থাপন করে।
* উদ্ধারযোগ্য [[সংশয়বাদ|সংশয়বাদী]]দের [[w:স্বধার্মিকতা|স্বধার্মিক]] নিরঙ্কুশবাদীদের থেকে আমরা যত তাড়াতাড়ি আলাদা করতে পারব, তত তাড়াতাড়ি আমরা এগিয়ে যেতে পারব।
** অধ্যায় ৪৪: দ্য ভিজিটরে দ্য ভিজিটর, পৃষ্ঠা ৪৬৪
* তার [[w:বেদি|বেদি]]র সত্তাটি পিছিয়ে যাওয়ার সাথে সাথে চারপাশের স্থানটি তাদের চারপাশে ঘুরতে শুরু করল। খণ্ডিত বিশ্বটি তাদের দিকে এমনভাবে ধেয়ে আসছিল যেন তারা একটি ক্যালিডোস্কোপে রয়েছে। চিত্রগুলো যুক্ত হওয়ার জন্য ঘুরছে, বিচ্ছিন্ন হওয়ার জন্য বাইরের দিকে ঘুরছে। খাঁজকাটা আলোর ঘূর্ণি, অন্তহীন সময়ের দিগন্ত, জাঁকজমকের পিনহুইল যা তাদের দিকে ছুটে আসছিল এবং পিছিয়ে যাচ্ছিল। এর মধ্যে তারা ছোট ঈশ্বরকে কাঁদতে শুনল, "তোমরা আমাকে শিগগিরই আবার দেখতে পাবে না। এটা মানানসই নয় যে দেবতারা, তা যতই ছোট হোক না কেন, তাদের ভৃত্যদের সাথে অবলীলায় মেলামেশা করবে। এই পৃথিবীতে বসবাসকারী সবকিছুর অভিভাবক হিসেবে আমি তোমাদের রেখে গেলাম।"
** অধ্যায় ৪৪: দ্য ভিজিটরে দ্য স্মল গড, পৃষ্ঠা ৪৬৫
* আর্নোলের বিশ্লেষণের জন্য সময় ছিল।<br>"এটি আকর্ষণীয়," তিনি নিজেকে বললেন, "এই ছোট ঈশ্বরটি বোঝাতে চেয়েছেন যে শয়তানরা [[অজ্ঞতা]] দিয়ে তৈরি। কারণ আমি সবসময় এটি সত্য বলে বিশ্বাস করেছি। জ্ঞান যেমন নিজেকে টিকিয়ে রাখে, তেমনি অজ্ঞতাও নিজেকে টিকিয়ে রাখে। মানুষ মিথ্যা দলিল লেখে, তারা মিথ্যা মতবাদ প্রচার করে এবং সেই বিশ্বাসগুলো পরবর্তী প্রজন্মের মধ্যে দুষ্টুমিকে অনুপ্রাণিত করার জন্য টিকে থাকে। এগুলো যাদুকরদের বোনা মন্ত্রের মতো। বিশ্বাসপ্রবণদের জন্য সেগুলো খুঁজে পেতে এবং ব্যবহার করার জন্য অপেক্ষা করে। বিপরীতভাবে, কিছু লোক সত্য লেখে এবং শেখায়, কেবল দুষ্টদের দ্বারা ধর্মবিরোধী হিসেবে ঘোষিত হওয়ার জন্য। এমন ক্ষেত্রে, [[মন্দ]] একটি সুবিধা পায়, কারণ এটি [[সত্য]]কে দমন করার জন্য সবকিছু করবে। কিন্তু ভালো মানুষ মিথ্যাকে দমন করার জন্য তার কাজগুলোকে সীমাবদ্ধ রাখে।<br>"কেউ প্রায় এটির একটি নিয়ম তৈরি করতে পারে: "যে অন্যকে ধর্মবিরোধী বলে ঘোষণা করে, সে নিজেই একজন শয়তান। যে কোনো ধ্বংসাবশেষ বা শিল্পকর্মকে ন্যায়বিচার, দয়া, করুণা বা সত্যের ঊর্ধ্বে রাখে, সে নিজেই একজন শয়তান এবং উন্নীত জিনিসটি মন্দ জাদুর কাজ।"
** অধ্যায় ৪৫: নট ইন কনক্লুশন গ্রন্থে আর্নোল, পৃষ্ঠা ৪৬৭
* ক্যাজমিটদের কাছে, [[সত্য]] নির্ধারিত হয় এটি তাদের প্রত্যাশার সাথে কতটা খাপ খায় তার ওপর। আর এটি কি পরিচিত শোনায় না?
** অধ্যায় ৪৬: নেল ল্যাটিমারস জার্নালে গার্ডিয়ান এলনিথ, পৃষ্ঠা ৪৯৮
* আমি উল্লেখ করেছিলাম যে ছোট ঈশ্বরটি বলেছে যে সে গ্রহাণুটি নিয়ে এসেছে কারণ মানুষ এখন যা হয়ে গেছে। এবং তারা জবাব দিয়েছিল যে মানুষ এমন নাও হতে পারত যদি আমরা আমাদের তরুণদের শিক্ষার ব্যাপারে নিরলস থাকতাম এবং সাংস্কৃতিক সংবেদনশীলতা ও [[w:রাজনৈতিক শুদ্ধতা|রাজনৈতিক শুদ্ধতার]] ছদ্মবেশে অজ্ঞতাকে স্থায়ী না করতাম।
** অধ্যায় ৪৬: নেল ল্যাটিমারস জার্নালে এলনিথ, পৃষ্ঠা ৪৯৮
* সে একে রিয়েল ওয়ানের [[বিশ্ববিদ্যালয়]] বলে ডাকে এবং এটি কেবল সেই জিনিসগুলোই শেখায় যা সত্য বলে জানা যায়। যার অর্থ এটি মূলত [[গণিত]] ও [[বিজ্ঞান|বিজ্ঞানগুলোর]] প্রতি নিবেদিত।
** অধ্যায় ৪৬: নেল ল্যাটিমারস জার্নালে এলনিথ, পৃষ্ঠা ৪৯৮
=== ''দ্য মার্গারেটস'' (২০০৭) ===
:<small> সকল পৃষ্ঠার উল্লেখ ইওস থেকে প্রকাশিত মাস মার্কেট পেপারব্যাক সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে। {{ISBN|978-0-06-117069-0}}, ১ম মুদ্রণ, জুলাই ২০০৮ </small>
:<small> বইটির অধ্যায়গুলোর নাম আছে, কিন্তু সংখ্যা দেওয়া নেই; রেফারেন্সের সুবিধার জন্য এখানে সেগুলোকে সংখ্যা দেওয়া হয়েছে </small>
* আগ্নেয়গিরি থেকে ম্যাগমার মতো বই থেকে [[ধারণা]] বেরিয়ে আসে।
** অধ্যায় ২, "আই অ্যাম মার্গারেট/অন ফোবস" (পৃষ্ঠা ১৫)
* "যদি আইএসটিও সব পৃথিবীবাসীকে বর্বর জাতি হিসেবে ঘোষণা না করে, তবে আমাদের একটি সদস্যপদ রয়েছে।"<br>"আমি জানি না এর মানে কী," আমি জোর দিয়ে বললাম, যদিও এটি কঠোরভাবে বিষয়ের অংশ ছিল না।<br>বাবা দাঁত কিড়মিড় করলেন। "আইএসটিও চার ধরণের প্রাণীকে স্বীকৃতি দেয়: সভ্য, অর্ধসভ্য, বর্বর এবং প্রাণী। [[সভ্যতা|সভ্য লোকেরা]] তাদের [[প্রকৃতি|পরিবেশ]] সম্পর্কে জানে, যত্ন নেয় এবং রক্ষা করে। অর্ধসভ্য লোকেরা জানে এবং যত্ন নেয়, কিন্তু কিছু করতে পারে না..."<br>"কেন নয়?"<br>মা বললেন, "কারণ কোনো একটা কিছু তাদের নিজেদের স্বার্থে কাজ করতে বাধা দেয়। জনসাধারণের [[উদাসীনতা]]। [[বাণিজ্যিকীকরণ|বাণিজ্যিক]] হস্তক্ষেপ। [[ধর্ম|ধর্মীয়]] বিরোধিতা। [[সরকার|সরকারি]] [[দুর্নীতি]]। জেন্থেরানরা বলে মানুষের মধ্যে এর অনেক কিছু রয়েছে।"<br>বাবা তার দিকে ভ্রু কুঁচকে এগিয়ে গেলেন। "[[বর্বর|বর্বররা]] জানে কিন্তু তাদের পৃথিবী সম্পর্কে পরোয়া করে না, আর [[প্রাণী|প্রাণীরা]] টেরও পায় না।"
** অধ্যায় ৪, "আই অ্যাম মার্গারেট/অন ফোবস" (পৃষ্ঠা ২৯-৩০)
* "জেন্থেরানরা বলেছিল যে অনেক বেশি পৃথিবীবাসী আসলে [[বর্বর]]। পৃথিবীর কী হলো তা নিয়ে তারা পরোয়া করে না কারণ তারা বিশ্বাস করে যে ততক্ষণে তারা কোনো সুন্দর [[পরকাল|পরকালে]] চলে যাবে।"<br>"তারা কি সত্যিই তা হবে?" আমি এই ধারণায় অবাক হয়ে জিজ্ঞাসা করলাম।<br>"আমার এতে যথেষ্ট সন্দেহ আছে," মা বলে উঠলেন।
** অধ্যায় ৪, "আই অ্যাম মার্গারেট/অন ফোবস" (পৃষ্ঠা ৩০)
* "যদিও অনেক মরণশীল তাদের সদস্যরা কী চায় তা নিয়ে কর্তৃত্বের সাথে কথা বলে—'আমাদের পিতা চান আমরা একটি ষাঁড় বলি দিই,' 'কালী দাবি করেন আমরা একজন পথচারীকে গলা টিপে হত্যা করি'—তবে [[দেবতা|দেবতাদের]] আকাঙ্ক্ষা ও দাবিগুলো সর্বদা মানুষের আকাঙ্ক্ষা ও দাবি দ্বারা নির্ধারিত হয়। নবী বা যাজকতন্ত্র যা-ই নিয়ে আসুক না কেন, দেবতারা তা তোতাপাখির মতো আউড়ে যায়।"
** অধ্যায় ৭, "আই অ্যাম গ্রেটামারা/অন চট্টেম" (পৃষ্ঠা ৫৩-৫৪)
* "সেই হলো [[w:জিহাদ|জিহাদের]] ঈশ্বর," সে বলল। "সেই হলো [[w:ক্রুসেড|ক্রুসেডের]] ঈশ্বর। তারা তাদের নাম ছাড়া সম্পূর্ণ অভিন্ন।"
** অধ্যায় ৭, "আই অ্যাম গ্রেটামারা/অন চট্টেম" (পৃষ্ঠা ৫৫)
* মরণশীল জাতিগুলো তাদের নিজের গ্রহ ত্যাগ করার সময়, তাদের অনেক দেবতা ইতোমধ্যেই একে অপরের সাথে একত্রিত হয়ে গেছে। ছোট উপজাতীয় দেবতারা প্রায়শই ভাগ করা অভিশাপের মাধ্যমে একত্রিত হয়। উদাহরণস্বরূপ, মৃত্যু-সম্মান-এবং-যুদ্ধের সমস্ত দেবতা অভিন্ন। লোকেরা ভিন্ন ভিন্ন পতাকা ওড়াতে পারে, তবে তাদের দেবতারা যুদ্ধের উভয় পক্ষ থেকে রক্ত পান করতে পেরে খুশি হয়।
** অধ্যায় ৭, "আই অ্যাম গ্রেটামারা/অন চট্টেম" (পৃষ্ঠা ৫৫)
* দ্য গার্ডেনার বলেন যে মরণশীলরা প্রায়শই "শক্তিশালী" বা "দৃঢ়প্রতিজ্ঞ" হিসেবে পরিচিত হওয়ার জন্য এমন [[আইন]] পাস করে যা তারা প্রয়োগ করতে পারে না, যদিও তারা জানে যে আইনগুলো সমস্যার সমাধান করবে না।
** অধ্যায় ৭, "আই অ্যাম গ্রেটামারা/অন চট্টেম" (পৃষ্ঠা ৫৬)
* একবার ভেবে দেখো, জোজিরা! খাঁটি [[ন্যায়বিচার]]ের প্রতি নিবেদিত একটি আদালত, যা আইনকে বাতিল করতে পারে! পুরোনো পৃথিবীতে তাদের কাছে এমন একটাও ছিল না!
** অধ্যায় ১০, "আই অ্যাম উইলভিয়া/অন বি'ইউরনগ্র্যাড" (পৃষ্ঠা ৬৯)
* এটি খুঁজে বের করতে বেশি সময় লাগেনি যে পৃথিবী ফোবসের থেকে আলাদা ছিল না। পৃথিবীর মানুষ আচার-অনুষ্ঠানের পুনরাবৃত্তিতে নিযুক্ত ছিল। তাদের বেশিরভাগই যতটা সম্ভব কম চিন্তা করত। তাদের বেশিরভাগই নিজেদেরকে এমন জিনিস এবং ইভেন্টগুলোতে ব্যস্ত রাখত যা খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল না। বিনোদনের মঞ্চ নাটকগুলো আমি ফোবসে যা দেখেছিলাম ঠিক তার মতোই ছিল। সমস্ত [[সঙ্গীত]] প্রযুক্তি দ্বারা এত ব্যাপকভাবে ফিল্টার করা, সংশোধন করা এবং বৃদ্ধি করা হয়েছিল যে সব একই রকম শোনাত। গায়কদের কণ্ঠস্বর ইলেকট্রনিক উপায়ে উন্নত করা হয়েছিল, ঠিক যেমনটা করা হয়েছিল অভিনেতা ও অভিনেত্রীদের মুখ, শরীর এবং নাটকীয় ক্ষমতার ক্ষেত্রে। কেউ সাধারণ ছিল না। কাউকে কুৎসিত হওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়নি। কেউ অন্য কারও থেকে খুব একটা আলাদা ছিল না। স্কুলে, বোকা ছাত্ররা বুদ্ধিমানদের মতোই গ্রেড পেত। তবে তাদের রেকর্ডে শিক্ষামূলক আর্কাইভিস্টরা ছোট গোপন চিহ্ন রাখত - যদি কোনো ভিআইপির সত্য রেফারেন্সের প্রয়োজন হয় সেজন্য।
** অধ্যায় ১২, "আই অ্যাম মার্গারেট/অন আর্থ" (পৃষ্ঠা ৮৬)
* চিন্তা করা মূর্খদের চেয়ে বিরল একমাত্র জিনিস হলো পড়া মূর্খ।
** অধ্যায় ১৩, "আই অ্যাম নওমি/অন থিয়েরি" (পৃষ্ঠা ৯৬)
* বিনোদনমূলক উদ্দেশ্যে ধ্বংসাত্মক, শব্দদূষণকারী যন্ত্রপাতির ব্যবহার মানুষের কাছে অভিশাপ হয়ে উঠতে হবে। এটি নিজের সন্তান খাওয়ার মতোই অচিন্তনীয় হতে হবে।
** অধ্যায় ১৪, "আই অ্যাম মার্গারেট/অন আর্থ" (পৃষ্ঠা ১১৪)
* বিশাল [[সম্পদ]] বিশাল [[অহংকার]] জন্ম দেয়।
** অধ্যায় ১৪, "আই অ্যাম মার্গারেট/অন আর্থ" (পৃষ্ঠা ১১৫)
* মিস্টার ওয়েদারআই সবসময় বলতেন যে কোনো সভ্য ব্যক্তি সম্ভবত ভদ্রতার প্রতি ক্ষুব্ধ হতে পারে না। তিনি বলতেন যে যদি ক্ষোভ দেখানো হয়, তবে এটি মূর্খতার একটি নিশ্চিত লক্ষণ।
** অধ্যায় ১৭, "আই অ্যাম নওমি/অন থিয়েরি" (পৃষ্ঠা ১৩২)
* পথিমধ্যে, মৌখিক সংকেত ছাড়া অন্য সব অর্থ হারিয়ে গিয়েছিল। এই সংকেতগুলো এমন যা যেকোনো প্রাণী প্রজাতি তাদের নিজস্ব প্রজাতির সাথে যোগাযোগ রাখতে, অন্যদের খাওয়ার জায়গায় ডাকতে বা অন্যদের বিপদ সম্পর্কে সতর্ক করতে তৈরি করে। প্রত্যেক ভাষাবিদের জানা উচিত যে [[ভাষা]] টিকিয়ে রাখতে হলে তা ব্যবহার করতে হবে। আর এই প্রতিবেদনের সংকলকরা সতর্ক করেছেন যে পৃথিবীতে মানুষের ভাষাও হ্রাস পাচ্ছে। মানুষ যত বেশি জনাকীর্ণ হয়ে উঠছে, তারা বৈচিত্র্যের প্রতি তত কম সহনশীল হয়ে উঠছে। ভিড়ের সাথে মানিয়ে নিতে, মানুষকে একই রকম হতে হবে। আর পৃথিবীর জনসংখ্যা আজ কেবল পছন্দের ভান নিয়ে সমজাতীয়তার একটি ভ্যাটে পরিণত হয়েছে। কেউ একটি কার্লিকিউ-সহ মডেল এক্স বা তিনটি কার্লিকিউ-সহ মডেল ওয়াই, স্বাদহীন বাদামী ক্র্যাকার বা স্বাদহীন হলুদ ক্র্যাকার বেছে নিতে পারে। যেকোনো ক্ষেত্রে প্রকৃত পার্থক্যটি শূন্য। ভিন্ন মূল্যের জিনিসগুলোর মধ্যে যেকোনো বাস্তব পছন্দ বৈষম্যের দিকে নিয়ে যেতে পারে, যা সংঘাতের দিকে নিয়ে যায়। [[ধারণা|ধারণাগুলোও]] বৈষম্যে অবদান রাখে, এবং তাই জনাকীর্ণ জনসংখ্যায় ধারণাগুলোকে সর্বনিম্ন বিতর্কিত, সর্বনিম্ন আকর্ষণীয় স্তরে সীমাবদ্ধ করতে হবে। সব শিশু স্কুলে একই গ্রেড পায়। সব কর্মী একই বেতন পায়। পোশাক একই রকম; খাবারগুলো অভিন্ন; এবং সমস্ত পার্থক্যের অবসানের সাথে সাথে সেগুলোর শব্দগুলোও হারিয়ে যায়।
** অধ্যায় ১৮, "আই অ্যাম মার্গারেট/অন আর্থ" (পৃষ্ঠা ১৫১-১৫২)
* সেই প্রতীকটি আমাকে সর্বদা "[[w:নো চাইল্ড লেফট বিহাইন্ড আইন|নো চাইল্ড লেফট বিহাইন্ড]]" নামক ঐতিহাসিক শিক্ষামূলক প্রচেষ্টার কথা মনে করিয়ে দিত। এর আসল অর্থ হলো "কোনো শিশু এগিয়ে যাবে না,"। এর কারণ হলো সম্মতি বলতে বোঝায় সবকিছুকে এমনভাবে সহজ করে দেওয়া যাতে কেউ সবচেয়ে কম সক্ষম ব্যক্তির চেয়ে বেশি শিখতে না পারে। "সবার জন্য যথেষ্ট"র আসল অর্থ হলো "সবার জন্যই খুব কম।"
** অধ্যায় ১৮, "আই অ্যাম মার্গারেট/অন আর্থ" (পৃষ্ঠা ১৫৫)
* "এজন্যই আমরা এখানে টেম্পলে নারীদের বিচারক হিসেবে প্রশিক্ষণ দিই। সবকিছুর জন্য নিয়ম তৈরি করা এবং সেগুলো নিয়ে জটিল খেলা খেলা পুরুষদের স্বভাব। তাদের কাছে, গেমটি [[ন্যায়বিচার]]ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।<br>"সাধারণ মানুষ ন্যায়বিচার পছন্দ করে। তারা পছন্দ করে যে বিষয়গুলো একেকটি ঘটনা হিসেবে নেওয়া হোক। তারা আইনের নিয়মের চেয়ে ন্যায়বিচারের একটি প্রচেষ্টাকে পছন্দ করে, কারণ তারা জানে যে খাঁটি [[আইন]] প্রায়শই চতুর ব্যক্তিরা নির্দোষদের শিকার করার জন্য ব্যবহার করে।"
** অধ্যায় ২৩, "আই অ্যাম উইলভিয়া/অন বি'ইউরনগ্র্যাড" (পৃষ্ঠা ১৮৯)
* তারা কিছুই শেখে না, কারণ তারা নিশ্চিত যে তারা প্রয়োজনীয় সবকিছু জানে।
** অধ্যায় ২৪, "আই অ্যাম এম'উরগি/অন বি'ইউরনগ্র্যাড" (পৃষ্ঠা ১৯৬)
* "খবরের কাগজে আকর্ষণীয় কিছু আছে কি?"<br>"কিছু ট্র্যাজেডি, কিছু কমেডি, এমন কিছুই নেই যা একশ বছরের মধ্যে কোনো গুরুত্ব বহন করবে," আমি বললাম।
** অধ্যায় ২৮, "আই অ্যাম এম'উরগি/অন বি'ইউরনগ্র্যাড" (পৃষ্ঠা ২৩৮)
* "আমরা ব্রাজিলের মরুভূমির পাঁচ শতাংশ এলাকা জুড়ে গাছপালা লাগিয়েছি। সেখানে এক সময় জঙ্গল ছিল। শক্ত ও উর্বর মাটির ওপর হাজার হাজার অণুজীব সমৃদ্ধ পাতার ছাঁচ বা লিফ মোল্ডে জঙ্গলগুলো বেড়ে উঠত। যখন গাছগুলো পুড়িয়ে ফেলা হয়েছিল, তখন অণুজীবের সাথে সেই পাতার ছাঁচও পুড়ে গিয়েছিল। পাথুরে ও বন্ধ্যা জমিটি মরুভূমিতে পরিণত হয়েছিল। এই বন্ধ্যা জমিতে আমরা প্রতিকূল পরিবেশ সহ্য করতে পারে এমন 'অনাহার' ধরনের গাছপালা লাগিয়েছি যেগুলোতে অনেক কাঁটা কিন্তু পাতা কম থাকে। কয়েক দশক পর যখন এগুলোতে জৈব আবর্জনা জমা হবে, তখন আমরা এদের গোড়ায় কিছুটা কম সহনশীল গাছ লাগাব। আরও কয়েক দশক পর আমরা পরবর্তী প্রজন্মের গাছ লাগাতে পারব। এভাবে চলতে থাকবে। প্রতিটি একর জমি আগে যে পরিমাণ জৈব উপাদান ধারণ করত, তার পনেরো শতাংশ অর্জন করতে দুইশ বছরেরও বেশি সময় লাগবে। আর পৃথিবীর অন্যতম প্রধান অক্সিজেন সরবরাহকারী হিসেবে এর যে উর্বরতা ছিল, তার কাছাকাছি পৌঁছাতে এক সহস্রাব্দ বা তারও বেশি সময় লাগবে।"
** অধ্যায় ৩২, "আই অ্যাম গ্রেটামারা/অন মার্স" (পৃষ্ঠা ২৭১-২৭২)
* পৃথিবীর মানুষ বুঝতে পারেনি যে মানুষ একটি [[w:বাস্তুতন্ত্র|বিশ্বব্যাপী জীবের]] অংশ। [[ব্যাকটেরিয়া]]র একটি গুচ্ছের মতো ক্ষুদ্র কিছুও প্রতিটি জীবন্ত প্রাণীর জন্য জীবন এবং মৃত্যুর মধ্যে পার্থক্য গড়ে দিতে পারে। এটি একটি সচল ও সমৃদ্ধ গ্রহ এবং একটি জনমানবহীন মরুভূমির মধ্যে পার্থক্য।
** অধ্যায় ৩২, "আই অ্যাম গ্রেটামারা/অন মার্স" (পৃষ্ঠা ২৭২)
* পৃথিবী সর্বদা একটি ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি বা কন্টিনিউয়াস-গ্রোথ মডেলে পরিচালিত হয়েছে যেখানে একটি [[দারিদ্র্য|দরিদ্র]] শ্রেণীর প্রয়োজন হয়। [[w:টেকসই অবস্থা|টেকসই মডেলগুলো]] সকল সদস্যের উৎপাদনশীল কাজের দাবি রাখে এবং সেগুলো সম্পূর্ণ আলাদা।
** অধ্যায় ৩২, "আই অ্যাম গ্রেটামারা/অন মার্স" (পৃষ্ঠা ২৭২)
* "মানুষের সমস্যা?" আমি কিছুটা ক্ষুব্ধ হয়ে জিজ্ঞেস করলাম।<br>সে আমার কাঁধে হাত রাখল। "আমাকে ক্ষমা করো গ্রেটামারা, কিন্তু তোমাদের পুরো জাতির একটি নিশ্চিত অভ্যাস আছে নিজেদের ঘর নোংরা করার। তোমরা নিজেদের আদি গ্রহকে ধ্বংস করেছ এবং অন্য যে গ্রহেই তোমাদের নেওয়া হয়েছে তা ধ্বংস করার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছ। যেহেতু আমরা মানবজাতিকে তাদের অনেক ভালো গুণের জন্য ভালোবাসি এবং শ্রদ্ধা করি, তাই আমরা একে 'মানুষের অবস্থা' বা হিউম্যান কন্ডিশন বলি না যার অর্থ কোনো অপরিবর্তনীয় অবস্থা। বরং একে আমরা 'মানুষের সমস্যা' বলি যা আমরা সমাধান করতে চাই। এই প্রচেষ্টা কয়েক সহস্রাব্দ ধরে চলছে কিন্তু কোনো ফল আসেনি। এই প্রচেষ্টায় জড়িত কেউ কেউ বিশ্বাস করতে শুরু করেছেন যে এটি সময় এবং সম্পদের অপচয়।"
** অধ্যায় ৩২, "আই অ্যাম গ্রেটামারা/অন মার্স" (পৃষ্ঠা ২৭৬-২৭৭)
* আর হাতুড়ি হাতে সেই খুব শক্তিশালী জন। সে হয়তো [[w:থর|থর]] হতে পারে।<br>"আসলে," গার্ডেনার ফিসফিস করে বললেন, "সে হলো থর, [[w:হারকিউলিস|হারকিউলিস]], [[w:অ্যাপোলো|অ্যাপোলো]], [[w:গিলগামেশ|গিলগামেশ]], [[w:অ্যাডোনিস|অ্যাডোনিস]], [[w:ওসাইরিস|ওসাইরিস]], [[w:কৃষ্ণ|কৃষ্ণ]]। সে মূলত [[শক্তি]], [[সৌন্দর্য]] এবং নির্ভীকতার জন্য পরিচিত প্রতিটি তরুণ পুরুষ দেবতা। ঠিক যেমন আমার সহকর্মী মিস্টার ওয়েদারআই হলেন [[w:ওডিন|ওডিন]], [[w:জুপিটার (পুরাণ)|জুপিটার]], [[w:জুপিটার (পুরাণ)|জোভ]], [[w:ইসলাম ধর্মে ঈশ্বর|আল্লাহ]], [[w:আব্রাহামীয় ধর্মে ঈশ্বর|যিহোবা]] বা [[প্রজ্ঞা]], [[ক্ষমতা]] এবং দূরদর্শিতার জন্য পরিচিত অন্য যেকোনো প্রাচীন পুরুষ দেবতা। আর সেখানে থাকা বৃদ্ধা নারী লেডি ব্যাডনেস হলেন এরডা, [[w:নর্ন|নর্ন]], [[w:মোইরাই|মোইরা]], সোফিয়া। তিনি সেই জ্ঞানী নারী যিনি মানুষের কানে তাঁত চলার শব্দ পৌঁছানোর আগেই দৈব ঘটনার বুননের ধরন শনাক্ত করতে পারেন।"<br>"আমার নাম কি তার নামেই রাখা হয়েছে?" সোফিয়া জিজ্ঞেস করল।<br>"হ্যাঁ, তার নামেই। আর আমি গার্ডেনার নিজেও হলাম [[w:ডিমিটর|ডিমিটর]], [[w:সাইবেলি|সাইবেলি]], [[w:ফ্রেয়া|ফ্রেয়া]], [[w:ধরিত্রী মাতা|ধরিত্রী মাতা]], শস্যের দেবী। ক্রমবর্ধমান জিনিসের নিয়ম সম্পর্কে সচেতন এবং নারী ও শিশুদের প্রতি যত্নশীল নারী দেবতাদের হাজারটি নাম আমার। আমাদের কিছু সদস্য আকারে বিশাল কারণ মানুষসহ অনেক মরণশীল শক্তি, ক্ষমতা, লালন-পালন এবং প্রজ্ঞায় বিশ্বাস করে।"<br>"ওই কুঁজো হয়ে থাকা জিনিসগুলো কী?" সোফিয়া জিজ্ঞেস করল।<br>গার্ডেনার মাথা নাড়লেন। "সোফিয়া, ওগুলো সেই সব দেবতা যাদের অনেক মানুষ পছন্দ করে। মানুষের কাঁধে বসে তাদের উৎসাহ দেওয়ার কথা ফিসফিস করে বলতে বলতে যুগে যুগে তারা কুঁজো হয়ে গেছে।"<br>"কিন্তু ওগুলো তো পিচ্চি!" সে অবিশ্বাসের সাথে বলল।<br>"অনেক মানুষই পিচ্চি দেবতাদের পছন্দ করে," গার্ডেনার বললেন। "সীমিত চিন্তাভাবনার পিচ্চি দেবতা..."<br>"কীসের মধ্যে সীমিত?" আমি দাবি করলাম।<br>"অবশ্যই মানবজাতির মধ্যে। এবং বিশেষ করে প্রতিটি বিশ্বাসীর মধ্যে। প্রতিটি মানুষ চায় ঈশ্বর যেন তার সেরা বন্ধু হন। আর ঈশ্বরকে তোমার সেরা বন্ধু হিসেবে কল্পনা করা সহজ হয় যদি তিনি একটি ছোট জগতের প্রতি আগ্রহী পিচ্চি দেবতা হন যা কি না একটি একচেটিয়া ছোট [[স্বর্গ|স্বর্গের]] প্রবেশপথ মাত্র।"<br>"তাদের মধ্যে কেউ কেউ চিৎকার করছে," সোফিয়া বলল।<br>"ওহ, হ্যাঁ। ওগুলো হলো নরকের আগুনের দেবতা। যেহেতু অলৌকিক কোনো [[নরক]] নেই, তাই তারা কখনোই কাউকে সেখানে পাঠাতে পারে না। কিন্তু তাদের উৎসগুলো এটা ভেবে বিশাল আনন্দ পায়।"
** অধ্যায় ৩২, "আই অ্যাম গ্রেটামারা/অন মার্স" (পৃষ্ঠা ২৮০)
* "ওখানে," গার্ডেনার ইশারা করে বললেন। "ওই ছোট নারীটি। এর নাম হলো ওহ-পিটি-মি (আহা-আমাকে-দয়া-করো)। এটি দিনের আলোর জন্য সূর্যকে দেখতে পায় না বা অন্ধকারের জন্য নক্ষত্রদের দেখতে পায় না। আশ্চর্যজনক সংখ্যক মানুষ এর উপাসনা করে।"
** অধ্যায় ৩২, "আই অ্যাম গ্রেটামারা/অন মার্স" (পৃষ্ঠা ২৮১)
* "ওই দেবতারা কি আসল?" আমি দাবি করলাম।<br>"আমি তাদেরই একজন গ্রেটামারা। আমাদের অস্তিত্ব আছে কিন্তু আমরা একটি গাছ বা একটি পাথরের মতো বাস্তব নই। যদি [[মহাবিশ্ব|মহাবিশ্বের]] সব মানুষ চলে যায়, তবে পাথর বা গাছ ঠিকই থাকবে কিন্তু আমরা দেবতারা কেবল ততক্ষণই টিকে থাকি যতক্ষণ আমাদের মানুষ থাকে।"
** অধ্যায় ৩২, "আই অ্যাম গ্রেটামারা/অন মার্স" (পৃষ্ঠা ২৮৩)
* তোমরা তোমাদের প্রথম পূর্বপুরুষদের কথা মনে রাখো না। যা তোমাদের আজকের অবস্থানে নিয়ে এসেছে তার নিরানব্বই শতাংশেরই কোনো স্মৃতি তোমাদের নেই! এর পরিবর্তে তোমাদের কাছে কিছু আরামদায়ক ছোটবেলার গল্প আছে যা তোমরা নিজেদের শোনাও। কেন তোমরা ভালো মানুষ নও তা ব্যাখ্যা করার জন্য সেই গল্পগুলো বলো। তোমরা কী পাপ করেছ বা এই ঈশ্বর বা ওই ঈশ্বরের কথা কেন শোনোনি তা নিয়ে গল্প করো। খারাপ না হওয়ার উপায় শেখার পরিবর্তে তোমরা শেখো কীভাবে ক্ষমা পেতে হয় এবং স্বর্গে যেতে হয়। তোমাদের বেশিরভাগই [[ইতিহাস]] এবং [[বিজ্ঞান]] থেকে শেখার চেয়ে ছোটবেলার গল্প বিশ্বাস করা সহজ মনে করো। কারণ ইতিহাস এবং বিজ্ঞান বুঝতে বুদ্ধি এবং কঠোর পরিশ্রম লাগে কিন্তু গল্পগুলো সহজ এবং আরামদায়ক। যারা সবকিছু সহজ ও আরামদায়ক চায় তারা পড়াশোনা করা লোকদের অপছন্দ করে। তারা তাদের সন্তানদের আরামদায়ক গল্পগুলো শেখায় এবং পড়াশোনা নিয়ে চিন্তা না করতে বলে। তারা বলে কেবল স্বর্গে যাওয়ার একটি টিকিট কিনলেই হবে। আর এভাবেই ধীরে ধীরে সবাই সবার মতো [[অজ্ঞতা|অজ্ঞ]] হয়ে ওঠে। পৃথিবীতে বারবার এমনটাই ঘটেছে।
** অধ্যায় ৩৩, "আই অ্যাম মার্গারেট, অ্যাট আ বার্থডে পার্টি অন টেরসিস" (পৃষ্ঠা ৩০২)
* মানুষের জগতগুলো সর্বদা [[কুসংস্কার|কুসংস্কারে]] নিমজ্জিত থাকে। কেবল একগুঁয়ে অভিজাত শ্রেণীই এর বিরুদ্ধে টিকে থাকে।
** অধ্যায় ৩৪, "আই অ্যাম এম'উরগি/অন বি'ইউরনগ্র্যাড" (পৃষ্ঠা ৩০৬)
* [[ভয়]] এবং [[কুসংস্কার]] সর্বদা অদৃশ্য, অজানা এবং ফিসফিস করে বলা কথাগুলোকে অনুসরণ করে।
** অধ্যায় ৩৪, "আই অ্যাম এম'উরগি/অন বি'ইউরনগ্র্যাড" (পৃষ্ঠা ৩১২)
* "তাহলে কি ওটা নিচের একটি [[যাদু|যাদুকরী]] জগত?" বাম্বার জিজ্ঞেস করল।<br>ফালিজা আশ্চর্য হয়ে উত্তর দিল, "না, অবশ্যই এটি যাদুকরী নয়। এটি পুরোপুরি বাস্তব। এখানে কেবল এমন অনেক জীবন রূপ আছে যা তোমাদের কাছে অপরিচিত।"<br>গ্লোরি জিজ্ঞেস করল, "যাদুকরী নয় বাস্তব বলতে তুমি কী বোঝাচ্ছ?"<br>"এটি একটি বাস্তব জগত। এর বাস্তব গুণাবলী আছে। এখানে উপর মানে সর্বদা উপর আর নিচ মানে সর্বদা নিচ। গাছ থেকে ফল নিচেই পড়ে, আকাশে ভেসে যায় না। এই পৃথিবীতে প্রাণীরা জন্ম নেয়, বড় হয় এবং অবশেষে মারা যায়। যা আজ সত্য তা আগামীকালও সত্য থাকবে।<br>"এটি যদি একটি যাদুকরী জগত হতো, তবে ক্ষমতা থাকা যে কেউ মন্ত্র বা জাদুর মাধ্যমে এই সব কিছু পরিবর্তন করে দিতে পারত। আমাদের মহাবিশ্বে যাদুকরী জগতের অস্তিত্ব থাকতে পারে না কারণ তাদের নিয়ম প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হয়। সেখানে [[মন্দ]] এবং [[ভালো|ভালোর]] মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। [[ক্ষমতা]]ই হলো ক্ষমতা এবং সবাই তা-ই করে যা তারা করে পার পেয়ে যেতে পারে।"<br>"আমি সবসময় ভাবতাম যাদু বোধহয় ভালো কিছু," গ্লোরি বলল।<br>ফালিজার কান ঝুলে গেল। "মানুষ যাদু নিয়ে মুগ্ধ। তোমাদের লোকেরা এমন শক্তিতে বিশ্বাস করতে পছন্দ করে যা মহাবিশ্বের সব নিয়ম ভেঙে দেবে কেবল তোমাদের জন্য।" ফালিজা শিউরে উঠল।
** অধ্যায় ৩৭, "আই অ্যাম মার্গারেট/অন টেরসিস" (পৃষ্ঠা ৩৫১)
* "বসো দাদী," গ্লোরি জোরাজুরি করল। "তোমাকে খুব ফ্যাকাশে দেখাচ্ছে। এই সব কিছু খুব অদ্ভুত এবং [[অদ্ভুতত্ব|অস্বাভাবিক]], আর তোমার তো অস্বাভাবিক জিনিসে অ্যালার্জি আছে।"
** অধ্যায় ৪২, "আই অ্যাম মার্গারেট/অন ফাজনার্ড" (পৃষ্ঠা ৩৮৯)
* জায়গাটিতে আরাম ছাড়াই [[বিলাসিতা]] ছিল, [[শিল্প]] ছাড়াই আড়ম্বর ছিল। আমি এটি ঘৃণা করতাম।
** অধ্যায় ৪৪, "আই অ্যাম গ্রেটামারা/অন চট্টেম" (পৃষ্ঠা ৩৯৮)
* আমরা দুজনেই গার্ডেনারের কাছ থেকে শিখেছিলাম যে পুরোনো [[প্রতিশোধ]] হলো পুরোনো কেকের মতো: তখনও মিষ্টি মনে হয় কিন্তু এটি এতই শুকনো যে যে কেউ এতে দম বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
** অধ্যায় ৪৪, "আই অ্যাম গ্রেটামারা/অন চট্টেম" (পৃষ্ঠা ৩৯৮)
* পুরোনো দেবতারা অবসর নেওয়ার পর মাঝে মাঝে এমনটা করেন। তারা ছায়াপথের সমাজকর্মী এবং স্বঘোষিত ভালো মানুষে পরিণত হন।
** অধ্যায় ৫৩, "উই মার্গারেটস ওয়াক" (পৃষ্ঠা ৫০২)
* তাদের ইতিহাসের কোনো কিছু তাদের [[ধৈর্য|ধৈর্যশীল]] হতে উদ্বুদ্ধ করেছে। জ্ঞানী নেতারা শত্রুদের সাথে এমনকি মন্দ শত্রুদের সাথেও [[যুদ্ধ|যুদ্ধে]] যান না যতক্ষণ না তারা শেষ পর্যন্ত সব কিছু ভেবে দেখেন।
** অধ্যায় ৫৩, "উই মার্গারেটস ওয়াক" (পৃষ্ঠা ৫০৪)
* যারা [[ইতিহাস]] থেকে শিক্ষা নেয় না, তাদের জন্য কেবল জীবাণুমুক্তকরণ এবং কোয়ারেন্টাইন কার্যকর।
** অধ্যায় ৫৩, "উই মার্গারেটস ওয়াক" (পৃষ্ঠা ৫০৭)
=== ''স্ট্রেঞ্জ হরাইজনস'' সাক্ষাৎকার (২০০৮) ===
[[চিত্র:New High-Resolution Earthrise Image.jpg|thumb|যদি [[সৃষ্টি]] কোনো কিছু বা কারও কাছে [[গুরুত্বপূর্ণ]] হয় ''বা গুরুত্বপূর্ণ হতে যাচ্ছে'', তবে এর সমস্ত উপ-সৃষ্টিও গুরুত্বপূর্ণ। সবকিছুই গুরুত্বপূর্ণ। এমন অগুত্বপূর্ণ কিছুই নেই যা আপনি সম্পূর্ণ দায়মুক্তি নিয়ে [[উপেক্ষা]] করতে পারেন বা [[ধ্বংস]] করতে পারেন।]]
:<small>[http://www.strangehorizons.com/2008/20080721/szpatura-a.shtml "অব প্রিচার্স অ্যান্ড স্টোরিটেলার্স : অ্যান ইন্টারভিউ উইথ শেরি এস. টেপার" নীল স্পাতুরা কর্তৃক, ''স্ট্রেঞ্জ হরাইজনস'' (২১ জুলাই ২০০৮)]</small>
* যদি [[সৃষ্টি]] কোনো কিছু বা কারও কাছে [[গুরুত্বপূর্ণ]] হয় ''বা গুরুত্বপূর্ণ হতে যাচ্ছে'', তবে এর সমস্ত উপ-সৃষ্টিও গুরুত্বপূর্ণ। সবকিছুই গুরুত্বপূর্ণ। এমন অগুত্বপূর্ণ কিছুই নেই যা আপনি সম্পূর্ণ দায়মুক্তি নিয়ে [[উপেক্ষা]] করতে পারেন বা [[ধ্বংস]] করতে পারেন। আপনার [[ইন্দ্রিয়|অনুভূতিগুলো]] [[সবকিছু|এই "সবকিছুরই"]] অংশ। [[দেখা]] গুরুত্বপূর্ণ। ঘ্রাণ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। [[শোনা]] গুরুত্বপূর্ণ। সবকিছুই গুরুত্বপূর্ণ এবং আপনাকে সবকিছুর দিকে তাকাতে হবে, [[অধ্যয়ন|অধ্যয়ন]] করতে হবে এবং সবকিছুর সাথে জড়িত হতে হবে। আপনি যা খুঁজে পাবেন তা আপনাকে [[বিশ্বাস]] করতে হবে, [[পরীক্ষা]] করতে হবে এবং অবশেষে [[প্রমাণ]] করতে হবে! ফসিল বা জীবাশ্মে বিশ্বাস না করার মতো এই সব [[বোকামি|আজেবাজে কথা]]র কোনো মানে নেই কারণ আমাদের [[বিভ্রান্ত]] করার জন্য [[ঈশ্বর]] কেবল খেলা করছিলেন। আপনি যদি আপনার (ঈশ্বর প্রদত্ত বলা যেতে পারে) অনুভূতির [[প্রমাণ]] উপেক্ষা করেন, যদি আপনি [[পৌরাণিক কাহিনী|মিথ]]কে [[বাস্তবতা]] হিসেবে [[সংজ্ঞায়িত]] করেন এবং যদি আপনি দাবি করেন যে [[ঐশ্বরিক]] [[প্রত্যাদেশ]] আপনাকে সৃষ্টির কোনো অংশ [[ধ্বংস]] করার অনুমতি দেয়, তবে আপনি চরম [[মন্দ]] কাজ করেছেন। মহাবিশ্ব কী হতে চলেছে বা কী হবে তা কি আমাদের পক্ষে সঠিকভাবে [[জানা|জানার]] কোনো উপায় আছে? না, তবে এই পুরো ব্যবস্থার বয়স এবং [[জটিলতা]] বিবেচনা করলে আমরা মোটামুটি নিশ্চিত হতে পারি যে সৃষ্টি গুরুত্বপূর্ণ।
* আমাদের এই একটি গ্রহে কথা বলতে পারে এমন বেশ কয়েকটি প্রজাতির প্রাণী রয়েছে। এই একটি গ্রহে আমাদের কাছে অনেক এবং বিভিন্ন ধরণের বুদ্ধিমত্তা রয়েছে। সুতরাং বুদ্ধিমত্তা, ভাষা এবং তথ্যের ক্রমাগত অনুসন্ধানকে উৎসাহিত করে এমন প্রবণতাগুলো মহাবিশ্বের উদ্দেশ্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে পারে। <br /> এবং এর বিপরীতে, বুদ্ধিমত্তা, ভাষা এবং তথ্যের ক্রমাগত অনুসন্ধানকে নিরুৎসাহিত করে এমন সমস্ত ব্যবস্থা অস্তিত্ব-বিরোধী, প্রাণঘাতী এবং মন্দ।
* ইনকুইজিশন জ্ঞানকে সংজ্ঞায়িত এবং সীমিত করার মাধ্যমে মন্দ কাজ করেছিল। তালিবান সত্যকে সংজ্ঞায়িত করে এবং মেয়েদের শিক্ষা দিতে অস্বীকার করে মন্দ কাজ করছে। যে কোনো ধর্ম যা বলে যে তারা একমাত্র সত্য জানে তা মন্দ কারণ এটি জ্ঞানকে সীমিত করে। যে কোনো রাজনৈতিক দল যা বলে যে তারা সত্যের মালিক তা মন্দ। কারণ একই। <br /> যে কোনো দমনমূলক শাসনব্যবস্থা যা অন্বেষণ এবং পরীক্ষানিরীক্ষাকে নিয়ন্ত্রণ করতে চায় তা মন্দ। একই কারণে। যে কোনো শাসনব্যবস্থা যা সত্যকে এমন একগুচ্ছ বিশ্বাস এবং ঘটনা হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে যা নিয়ে প্রশ্ন তোলা যায় না, যা প্রদর্শিত বা প্রমাণিত হতে পারে না, তা কেবল মন্দই নয় বরং হাস্যকরও। এর মধ্যে সমস্ত পৌরাণিক কাহিনী, অলৌকিক ঘটনা ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত। কারণ যদি সৃষ্টি কোনো কারণে ঘটে থাকে, যদি এটি ঈশ্বর কর্তৃক করা হয়ে থাকে, তবে আপনাকে বিশ্বাস করতে হবে যে বুদ্ধিমত্তাসহ প্রতিটি অংশই এমন কোনো কারণে করা হয়েছে যা শেষ পর্যন্ত বুদ্ধিমত্তা দ্বারা নিরূপণযোগ্য। আমরা এমন কোনো শাসককে অনুসরণ বা আরাধনা করতাম না যে মিথ্যা বলত এবং নির্যাতন করত। তাহলে আমরা কেন এমন ঈশ্বরের উপাসনা করব যে এ দুটির যেকোনো একটি করে? ঈশ্বর মিথ্যা বলেন না এবং তিনি ফাজলামি করেন না! <br /> অনুসন্ধান বন্ধ করা মন্দ কাজ। বিনা কারণে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কষ্ট দেওয়া মন্দ কাজ। অনুসন্ধান বন্ধ করে কষ্ট দেওয়া উপভোগ করা একটি চরম মন্দ কাজ।
* আমি কোনো লেখকের বই দ্বিতীয়বার পড়ি না যদি আমি তাকে সঠিক ফলাফল দেওয়ার ব্যাপারে বিশ্বাস করতে না পারি। আমি এমন লেখকের বই দ্বিতীয়বার পড়ি না যার বইতে সবাই এবং সবকিছু প্রথম পৃষ্ঠা থেকে শেষ পৃষ্ঠার শেষ অনুচ্ছেদ পর্যন্ত উত্তেজনার মধ্যে থাকে, ঠিক সেই ভয়ংকর টিভি শো ''২৪ের'' মতো। জীবনে আমার অনেক উত্তেজনা আছে। অন্য কোথাও আমার এর প্রয়োজন নেই।
* আমি যে সব ভিলেন বা ভিলেনের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে লিখেছি তা এমন কোনো ব্যক্তি বা কর্মকাণ্ড যা বাস্তবে ছিল বা ঘটেছে। আমি নতুন কিছু উদ্ভাবন করি না। যখন আমি ''রেইজিং দ্য স্টোন্সে'' একটি জাতি দ্বারা প্রচলিত দাসপ্রথা এবং তাদের কারণগুলো সম্পর্কে লিখেছিলাম, তখন সেই কারণগুলো দক্ষিণ অঞ্চলের দাস মালিকদের দ্বারা নিগ্রো দাসপ্রথার সমর্থনে লেখা যুক্তি থেকে হুবহু নেওয়া হয়েছিল। স্কুলে উৎপীড়নকারীদের লক্ষ্য করুন। দেখুন তারা কষ্ট দিতে কতটা আনন্দ পায়। তাদের পরিবর্তন করার জন্য কত কম কাজ করা হয় তা দেখুন। তাদের বড় হওয়া, নির্বাচিত হওয়া এবং ক্ষমতায় বসার কথা কল্পনা করুন। তারা সত্যিই বড় হয়, তারা নির্বাচিত হয় এবং তারা ক্ষমতায় বসে।
* আমি বলি যে পৃথিবীবাসীরা যাদের দেবতা হিসেবে নাম দেয় তারা আসলে তাদের ব্যক্তিগত সাহায্যকারী বন্ধু, যৌক্তিকতাকারী, হুমকি প্রদানকারী (আমার ঈশ্বর তোমার ঈশ্বরকে পিটিয়ে দেবে) হিসেবে কল্পিত সত্তা মাত্র। একটি আয়নার প্রতিচ্ছবি যেমন কোনো কিছুর ওপর "চলে না", তেমনি তারাও কোনো কিছুর ওপর চলে না। তারা কেবল মানুষ তাদের যা হিসেবে দেখতে চায় তারই প্রতিফলন ঘটায়। "আমি আমার ভাইয়ের চেয়ে বেশি সন্তান নিতে চাই যাতে প্রমাণিত হয় আমি তার চেয়ে ভালো পুরুষ, তাই আমার ঈশ্বর আমাকে বলছেন আমার একটি বড় পরিবার থাকা উচিত।" "আমি নারীদের ভোগ করতে চাই, তাই আমার ঈশ্বর আমাকে সত্তর জন কুমারী দেবেন যাদের আমি অনন্তকাল ভোগ করতে পারব।" ''দ্য মার্গারেটসের'' "দেবতারা" যারা সত্যিই কিছু করতে পারত তারা আসলে প্রকৃত মানুষের একটি প্রাচীন ও উচ্চ বিকশিত জাতি ছিল। বাকিরা ছিল কেবল প্রতিফলন। ''প্রকৃত ঈশ্বর'', যিনি হয়তো সত্যিই আছেন, তিনি এই সব কিছুর বাইরে। হয়তো তিনি গভীরভাবে লক্ষ্য করছেন অথবা হয়তো পরীক্ষাটি শেষ না হওয়া পর্যন্ত কয়েক ট্রিলিয়ন বছর ধরে ঘুমিয়ে আছেন। <br /> আমরা—ব্যক্তি হিসেবে তুমি এবং আমি—কখনোই সেই ''ঈশ্বর''কে জানতে পারব না। যদিও কয়েক ট্রিলিয়ন বছর পর সামগ্রিকভাবে মহাবিশ্ব হয়তো সেই ''ঈশ্বর''কে বুঝতে পারবে।
* [[মাদার তেরেসা]]র দিকে তাকান। তিনি সারা জীবন পবিত্র থাকতে ব্যয় করেছেন। তিনি কোনো প্রকৃত অর্থে কারও উপকার করেননি। তিনি রোগ বন্ধ করা, দারিদ্র্য বিমোচন বা তার দেশবাসীর অবস্থা লাঘব করতে পারে এমন কিছু করার জন্য কাজ করেননি। তিনি কেবল শহরের চারদিকে ঘুরে বেড়াতেন, মুমূর্ষু মানুষদের তুলে আনতেন এবং তারা মারা যাওয়ার সময় তাদের যত্ন নিতেন। এটি নিঃসন্দেহে একটি ভালো কাজ ছিল কিন্তু এর মানে কোনো উন্নতি, কোনো অগ্রগতি, কোনো সাহায্য বা যন্ত্রণা থেকে মুক্তি ছিল না। তিনি পবিত্র হতে চেয়েছিলেন। তিনি একজন [[সন্ত]] হতে চেয়েছিলেন। এখন তিনি একজন সন্ত। <br /> [[জোনাস সল্ক|সল্ক]] সন্ত নন। কিন্তু তিনি মাদার তেরেসার চেয়ে মানবজাতির জন্য বেশি কাজ করেছেন। তিনি পবিত্র হওয়ার লালসা করেননি যার অর্থ ছিল বিশ্বাস রাখা, প্রশ্ন না করা এবং চিন্তা বা অভিযোগ ছাড়া কোনো অপ্রীতিকর কাজ করা। তিনি ভালো কাজ করার লালসা করেছিলেন যার অর্থ ছিল কোনো কিছু খুঁজে বের করা, কঠিন প্রশ্ন করা এবং গভীর ও সূক্ষ্ম চিন্তা করা। দুর্ভাগ্যবশত ভালো হওয়া এবং পবিত্র হওয়া দুটি ভিন্ন জিনিস।
==শেরি টেপার সম্পর্কে উক্তি==
*আমি কিছু সময়ের জন্য শেরি টেপার পর্বের মধ্য দিয়ে গিয়েছিলাম। কেউ আমাকে তার কাজের সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিল এবং আমি ব্যস্ত হয়ে পড়েছিলাম এবং তার অনেক উপন্যাস পড়েছিলাম।
**''কনভারসেশনস উইথ [[অক্টাভিয়া বাটলার]]ে'' ২০০৪ সালের সাক্ষাৎকার
==বহিঃসংযোগ==
* {{উইকিপিডিয়া}}
* {{isfdb name|173}}
* [http://www.strangehorizons.com/2008/20080721/szpatura-a.shtml "অব প্রিচার্স অ্যান্ড স্টোরিটেলার্স : অ্যান ইন্টারভিউ উইথ শেরি এস. টেপার" নীল স্পাতুরা কর্তৃক, ''স্ট্রেঞ্জ হরাইজনস'' (২১ জুলাই ২০০৮)]
[[বিষয়শ্রেণী:হরর লেখক]]
[[বিষয়শ্রেণী:গোয়েন্দা কথাসাহিত্যিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯২৯-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:২০১৬-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাস্তুসংস্থানবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের নারীবাদী]]
[[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের নারী লেখক]]
ob4sd6eqy1ml65efqbvt145hdlmxkqi
আউরেলিয়ুস আউগুস্তিনুস
0
13890
83378
82416
2026-05-04T09:28:59Z
Dr. Mosaddek Khondoker
2987
83378
wikitext
text/x-wiki
[[File:FCoghetti 02.JPG|thumb|আপনার ভেতরে যতটুকু [[ভালোবাসা]] [[বৃদ্ধি পাওয়া|বৃদ্ধি পায়]], ততটুকুই [[সৌন্দর্য]] বৃদ্ধি পায়; কারণ ভালোবাসা নিজেই [[আত্মা|আত্মার]] সৌন্দর্য।]]
[[File:Saint Augustine by Philippe de Champaigne.jpg|thumb|right|তাহলে একেবারে চিরকালের জন্য তোমাকে একটি ছোট উপদেশ দেওয়া হলো: [[ভালোবাসা|ভালোবাসো]] এবং তোমার যা ইচ্ছা তাই করো।]]
'''[[w:আউরেলিয়ুস আউগুস্তিনুস|আউরেলিয়ুস আউগুস্তিনুস]] ''' ([[১৩ নভেম্বর]] [[৩৫৪]] – [[২৮ আগষ্ট]] [[৪৩০]]) ছিলেন একজন খ্রিষ্টান [[ধর্মতত্ত্ববিদ]], বাগ্মী, উত্তর আফ্রিকার বিশপ, [[w:ক্যাথলিক চার্চ|ক্যাথলিক চার্চের]] ডক্টর, [[সন্ত]] এবং একজন [[দার্শনিক]]। প্রথম জীবনে তিনি [[প্লটিনাস|প্লটিনাসের]] [[w:ম্যানিকিয়ানিজম|ম্যানিকিয়ানিজম]] এবং [[w:নিওপ্লাটোনিজম|নিওপ্লাটোনিজম]] দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন।
[[File:Augustine Lateran.jpg|thumb|পাপীকে [[ভালোবাসা|ভালোবাসুন]] এবং [[পাপ|পাপকে]] [[ঘৃণা]] করুন।]]
::'''আরও দেখুন:''' '''''[[কনফেশনস (অগাস্টিন)|কনফেশনস]]'''''
== উক্তি ==
[[File:Michael Pacher - Altarpiece of the Church Fathers - St Augustine Liberating a Prisoner - WGA16814.jpg|thumb|অন্যায় [[আইন]] আদৌ কোনো আইন নয়।]]
[[File:Sant'Agostino lava i piedi di Cristo - Lanfranco.jpg|thumb|right|একটি স্যাক্রামেন্টের আধ্যাত্মিক [[গুণ]] হলো [[আলো|আলোর]] মতো, এটি অপবিত্রের মধ্য দিয়ে গেলেও দূষিত হয় না।]]
[[File:Sen-augustyna-gustaw-gwozdecki.jpg|thumb|[[ধৈর্য]] হলো [[প্রজ্ঞা|প্রজ্ঞার]] সঙ্গী।]]
* ''Augustine, Augustine, quid quaeris? Putasne brevi immettere vasculo mare totum?''
** '''অগাস্টিনাস, অগাস্টিনাস, তুমি কী করার চেষ্টা করছো? তুমি কি বিশ্বাস করো যে তুমি পুরো সমুদ্রকে একটি ছোট পাত্রে ঢালতে পারবে?'''
*** ''অন দ্য ট্রিনিটি'' শিরোনামের চুক্তি সম্পর্কিত সেন্ট [[জেরুজালেমের সিরিল|সিরিলের]] কাছে লেখা অগাস্টিনের চিঠিতে উদ্ধৃত।
* ''Noli foras ire, in teipsum redi, in interiore homine habitat veritas. Et si tuam naturam mutabilem inveneris, trascende et teipsum''.
** '''নিজের বাইরে যেও না, নিজের কাছে ফিরে এসো: মানুষের অন্তরেই সত্য বাস করে এবং তুমি যদি দেখো যে তোমার প্রকৃতি পরিবর্তনশীল, তবে নিজেকেও অতিক্রম করো'''।
*** [https://www.augustinus.it/varie/frasi/frasi.htm ''De vera religione'', ৩৯, ৭২] এ উদ্ধৃত।
* '''গসপেলে আমরা কোথাও পড়িনি যে প্রভু বলেছেন: "আমি তোমাদের কাছে একজন [[w:প্যারাক্লিট|প্যারাক্লিট]] পাঠাচ্ছি, সে তোমাদের [[সূর্য]] এবং [[চাঁদ|চাঁদের]] গতিপথ সম্পর্কে শিক্ষা দেবে।" কারণ তিনি [[খ্রিষ্টান|খ্রিষ্টানদের]] তৈরি করতে চেয়েছিলেন, [[গণিতবিদ|গণিতবিদদের]] নয়।'''
** ''De actis cum Felice Manicheo'' (৪০৪ খ্রিষ্টাব্দ), ডব্লিউ. এ. জার্গেন্স রচিত [https://books.google.com/books?id=rkvLsueY_DwC&pg=PA88&lpg=PA88&dq=augustine+a+debate+with+felix+the+manichean&source=bl&ots=hjro48PiBF&sig=ARQdKxrvvOTvzhIZHPqDRnldwWk&hl=en&sa=X&ved=0ahUKEwj8ybaI0oLLAhUM4GMKHUosAaYQ6AEIJzAC#v=onepage&q=augustine%20a%20debate%20with%20felix%20the%20manichean&f=false ''দ্য ফেইথ অব দ্য আর্লি ফাদার্স'' খণ্ড ৩ : ''সেন্ট অগাস্টিন টু দ্য এন্ড অব দ্য প্যাট্রিস্টিক এজ''] এর ৮৮ পৃষ্ঠায় ''অ্যা ডিবেট উইথ ফেলিক্স দ্য ম্যানিচিয়ান'', অনুচ্ছেদ ১৭০৯ হিসেবে অনূদিত।
** বিকল্প অনুবাদ:
** কেউ গসপেলে এমন পড়ে না যে প্রভু বলেছেন: "আমি তোমাদের কাছে প্যারাক্লিট পাঠাবো, সে তোমাদের সূর্য এবং চাঁদের গতিপথ সম্পর্কে শিক্ষা দেবে।" কারণ তিনি তাদের খ্রিষ্টান বানাতে চেয়েছিলেন, গণিতবিদ নয়।
*** মাইকেল আর. ম্যাথিউস রচিত ''সায়েন্স টিচিং : দ্য রোল অব হিস্ট্রি অ্যান্ড ফিলোসফি অব সায়েন্স'' (১৯৯৪), পৃষ্ঠা ১৯৫ এ উদ্ধৃত।
* ধনীদের বাড়তি জিনিসগুলো হলো গরিবদের প্রয়োজনীয় জিনিস। যারা বাড়তি জিনিসের অধিকারী, তারা আসলে অন্যদের সম্পদ দখল করে রাখে।
** ''Patrologia Latina'', খণ্ড ৩৭, পৃষ্ঠা ১৯২২।
* ''Cum dilectione hominum et odio vitiorum.''
** '''পাপীকে [[ভালোবাসা|ভালোবাসুন]] এবং [[পাপ|পাপকে]] [[ঘৃণা]] করুন।'''
*** ''Opera Omnia'', খণ্ড ২, কলাম ৯৬২, চিঠি ২১১।
** বিকল্প অনুবাদ: মানবজাতির প্রতি ভালোবাসা এবং পাপের প্রতি ঘৃণার সাথে।
* '''অন্যায় [[আইন]] আদৌ কোনো আইন নয়।'''
** ''অন ফ্রি চয়েস অব দ্য উইল'', বই ১, অনুচ্ছেদ ৫।
* '''[[ঈশ্বর]] কোনো মন্দকে অস্তিত্বহীন করার চেয়ে [[মন্দ|মন্দের]] মধ্য থেকে [[ভালো]] কিছু বের করে আনাকে বেশি ভালো বলে বিচার করেছেন।'''
** ''[[w:অগাস্টিনের এনচিরাইডিয়ন|এনচিরাইডিয়ন]]'' (আনু. ৪২০), অধ্যায় ২৭।
* [[মন্দ]] [[কাজ|কাজের]] স্বীকারোক্তিই হলো [[ভালো]] কাজের প্রথম সূচনা।
** ''ট্র্যাক্টেটস অন দ্য গসপেল অব জন''; যোহন ৩:৬-২১ এর ওপর ট্র্যাক্টেট ১২, অনুচ্ছেদ ১৩ [https://web.archive.org/web/*/http://www.newadvent.org/fathers/1701012.htm]।
* ''Ergo noli quaerere intelligere ut credas, sed crede ut intelligas.''
** '''অতএব [[বিশ্বাস]] করার জন্য [[বোঝা|বুঝতে]] যেও না, বরং বিশ্বাস করো যাতে তুমি বুঝতে পারো।'''
*** ''ট্র্যাক্টেটস অন দ্য গসপেল অব জন''; যোহন ৭:১৪-১৮ এর ওপর ট্র্যাক্টেট ২৯, অনুচ্ছেদ ৬ [http://www.ccel.org/ccel/schaff/npnf107.iii.xxx.html ফিলিপ শ্যাফ অনূদিত সেন্ট অগাস্টিন রচিত ''অ্যা সিলেক্ট লাইব্রেরি অব দ্য নিসিন অ্যান্ড পোস্ট-নিসিন ফাদার্স অব দ্য খ্রিষ্টান চার্চ'' খণ্ড ৭, অধ্যায় ৭ (১৮৮৮)]।
***তুলনা করুন: [[w:ক্যান্টারবেরির অ্যানসেল্ম#ভিত্তি|ক্যান্টারবেরির অ্যানসেল্ম]]: "আমি বিশ্বাস করার জন্য বুঝতে চাই না, বরং আমি বুঝতে পারার জন্য বিশ্বাস করি।"
*''Spiritalis enim virtus Sacramenti ita est ut lux: et ab illuminandis pura excipitur, et si per immundos transeat, non inquinatur.''
** '''কারণ একটি স্যাক্রামেন্টের আধ্যাত্মিক শক্তি হলো এই অর্থে আলোর মতো: যারা আলোকিত হবে তাদের দ্বারা এটি বিশুদ্ধভাবে গৃহীত হয় এবং এটি অপবিত্রের মধ্য দিয়ে গেলেও অপবিত্র হয় না।'''
*** ''ট্র্যাক্টেটস অন দ্য গসপেল অব জন''; যোহন ১:৩৩ এর ওপর ট্র্যাক্টেট ৫, অনুচ্ছেদ ১৫; আর. উইলেমস অনূদিত।
** বিকল্প অনুবাদ: '''একটি স্যাক্রামেন্টের আধ্যাত্মিক গুণ হলো আলোর মতো: এটি অপবিত্রের মধ্য দিয়ে গেলেও দূষিত হয় না।'''
*** জন বার্টলেট সম্পাদিত ''ফ্যামিলিয়ার কোটেশনস'', ৯ম সংস্করণ (১৮৯২), পৃষ্ঠা ১৬৯ এ উদ্ধৃত।
***তুলনীয়:
**** [[সূর্য|সূর্যও]] নর্দমায় আলো দেয় এবং দূষিত হয় না।
***** [[ডিওজেনেস ল্যার্তিয়াস]], বই ৬, পরিচ্ছেদ ৬৩।
**** একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যুক্তি হলো এই যে আলো সেখান থেকে মূলত [[বিশ্ব|বিশ্বের]] ওপর নেমে আসে, এটি কোনো কিছুর সাথে নিজেকে মেশায় না বা ময়লা বা দূষণ গ্রহণ করে না, বরং সম্পূর্ণরূপে কলুষ, মিশ্রণ এবং ভোগান্তি থেকে মুক্ত থাকে।
***** সি. ডব্লিউ. কিং অনূদিত ''জুলিয়ান দ্য এম্পেরর'' (১৮৮৮) গ্রন্থে [http://www.tertullian.org/fathers/julian_apostate_1_sun.htm আপন দ্য সভরেন সান] এ [[জুলিয়ান]] (আনু. ডিসেম্বর ৩৬২) - [http://www.archive.org/details/julianemperorco00juligoog অনলাইনে সম্পূর্ণ পাঠ]।
**** সূর্য, যা দূষণের মধ্য দিয়ে যায় এবং নিজেরা আগের মতোই [[বিশুদ্ধ]] থাকে।
***** [[ফ্রান্সিস বেকন]], ''অ্যাডভান্সমেন্ট অব লার্নিং'', বই ২ (১৬০৫)।
* '''কেউ যদি ধার্মিক ও ধীরস্থিরভাবে আমাদের প্রভু [[যিশু খ্রিষ্ট|যিশুর]] [[পাহাড়ের ওপর ধর্মোপদেশ|পাহাড়ের ওপর দেওয়া ধর্মোপদেশটি]] বিবেচনা করে, যেমনটি আমরা ''[[মথির লেখা গসপেল|মথির লেখা গসপেলে]]'' পড়ি, তবে আমি মনে করি সে এতে সর্বোচ্চ নৈতিকতার দিক থেকে খ্রিষ্টান জীবনের একটি নিখুঁত মান খুঁজে পাবে: এবং আমরা তাড়াহুড়ো করে এর প্রতিশ্রুতি দিই না, বরং খোদ প্রভুর কথা থেকেই এটি সংগ্রহ করি।''' কারণ ধর্মোপদেশটি এমনভাবে শেষ করা হয়েছে, যাতে এটি স্পষ্ট হয় যে এতে জীবন গড়ার সমস্ত অনুশাসন রয়েছে। ... তিনি আমার মনে হয় যথেষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, পাহাড়ের ওপর তিনি যে কথাগুলো বলেছিলেন, সেগুলো তাদের জীবনকে নিখুঁতভাবে পরিচালিত করে যারা সে অনুযায়ী বাঁচতে ইচ্ছুক, যাতে তাদের ন্যায়সঙ্গতভাবে পাথরের ওপর ইমারত নির্মাণকারী ব্যক্তির সাথে তুলনা করা যায়।
** [http://www.newadvent.org/fathers/16011.htm উইলিয়াম ফিনলে অনূদিত ''অন দ্য সার্মন অন দ্য মাউন্ট'' (১৮৮৮), বই ১, অধ্যায় ১]।
* '''তাহলে তিনি কী বলেন? "''ধন্য তারা যারা আত্মায় দরিদ্র, কারণ [[স্বর্গের রাজ্য]] তাদেরই।''" '''আমরা অস্থায়ী জিনিসগুলোর পেছনে ছোটার বিষয়ে ধর্মশাস্ত্রে পড়ি, "''সবই অসারতা এবং আত্মার অহংকার''"; তবে আত্মার অহংকার বলতে ঔদ্ধত্য এবং গর্বকে বোঝায়: সাধারণত অহংকারীদেরও বলা হয় যে তাদের আত্মা বিশাল; এবং ঠিকই, যেহেতু বাতাসকেও আত্মা বলা হয়। এবং তাই লেখা আছে, "''আগুন, শিলাবৃষ্টি, তুষার, বরফ, ঝড়ের আত্মা''।" তবে, আসলে, কে না জানে যে অহংকারীদের সম্পর্কে বলা হয় যে তারা স্ফীত, যেন বাতাসে ফুলে উঠেছে? এবং তাই প্রেরিতের সেই অভিব্যক্তি, "''জ্ঞান স্ফীত করে, কিন্তু দাতব্য গঠন করে''"। '''এবং আত্মায় দরিদ্রদের এখানে সঠিকভাবে বোঝানো হয়েছে, অর্থাৎ [[বিনীত]] এবং ঈশ্বরভীরু, অর্থাৎ যাদের এমন আত্মা নেই যা স্ফীত করে। সর্বোচ্চ প্রজ্ঞায় পৌঁছাতে হলে ধন্য হওয়ার শুরু অন্য কোনো বিন্দুতে হওয়া উচিত নয়; "''কিন্তু প্রভুর ভয়ই প্রজ্ঞার শুরু''"; কারণ, অন্যদিকে, "''গর্ব''" কে "সমস্ত পাপের শুরু" বলা হয়েছে। তাই অহংকারীরা পৃথিবীর রাজ্যগুলোর সন্ধান করুক এবং ভালোবাসুক; কিন্তু "''ধন্য তারা যারা আত্মায় দরিদ্র, কারণ স্বর্গের রাজ্য তাদেরই।''"
** উইলিয়াম ফিনলে অনূদিত ''অন দ্য [[পাহাড়ের ওপর ধর্মোপদেশ|সার্মন অন দ্য মাউন্ট]]'' (১৮৮৮), বই ১, অধ্যায় ১।
* ''Patientia comes est sapientiae''
** ধৈর্য হলো প্রজ্ঞার সঙ্গী।
*** [http://www.augustinus.it/latino/pazienza/index.htm ''De Patientia''] অধ্যায় ৫।
* তুমি যদি বলো, 'যথেষ্ট হয়েছে, আমি [[পূর্ণতা|পূর্ণতায়]] পৌঁছে গেছি,' তবে সব শেষ। কারণ নিজের অসম্পূর্ণতা বোঝানোই পূর্ণতার কাজ।
** [[অ্যালডাস হাক্সলি|অ্যালডাস হাক্সলি কর্তৃক]] [https://archive.org/details/perennialphilosp035505mbp ''দ্য পেরেনিয়াল ফিলোসফি''] (১৯৪৫) গ্রন্থে উদ্ধৃত।
* ''Timeo Dominum transeuntem''
** '''আমার ভয় হয় যে যিশু আমাকে পাশ কাটিয়ে চলে যাবেন।'''
*** [https://nwcatholic.org/voices/mauricio-i-perez/i-fear-that-jesus-will-pass-by-me ধর্মোপদেশ ৮৮]।
===''De Libero Arbitrio'' (৩৮৮ - ৩৯৫) ===
[[File:Lady godiva full.jpg|thumb|[[ইচ্ছা]] এবং [[কৃপা|কৃপার]] সম্পর্ক হলো [[ঘোড়া]] এবং আরোহীর মতো।]]
* '''[[ইচ্ছা]] এবং [[কৃপা|কৃপার]] সম্পর্ক হলো [[ঘোড়া]] এবং আরোহীর মতো।'''
* '''[[সত্য|সত্যের]] চেয়ে চমৎকার কিছু থাকলে তা হলো [[ঈশ্বর]]; আর না থাকলে সত্য নিজেই ঈশ্বর।'''
===''Psalmus Contra Partem Donati - Psalm Against the [[w:ডোনাটিজম|Donatists]]'' (আনু. ৩৯৩)===
:বিভিন্ন শিরোনামে পরিচিত, "সাম অ্যাগেইনস্ট দ্য পার্টি অব দ্য ডোনাটিস্টস," "অ্যালফাবেটিকাল সাম অ্যাগেইনস্ট দ্য ডোনাটিস্টস," "ওয়ান বুক, অ্যা সাম অ্যাগেইনস্ট দ্য পার্টি অব দ্য ডোনাটিস্টস," [http://books.google.com/books?id=DikZ4GEmgUIC&pg=PA86] ইত্যাদি। মিগনের [[w:প্যাট্রোলজিয়া ল্যাটিনা|প্যাট্রোলজিয়া ল্যাটিনাতে (পিএল)]] লাতিন পাঠ্য ৪৩:২৩-৩২ [http://books.google.com/books?id=ErHUAAAAMAAJ&pg=PA20-IA1&dq] "সেন্ট অগাস্টিন ৩৯১ সালে যাজক নিযুক্ত হওয়ার পরপরই ডোনাটিজমের বিরুদ্ধে তার বিজয়ী প্রচার শুরু করেছিলেন। [[w:ডোনাটিজম|ডোনাটিস্টদের]] বিরুদ্ধে তার জনপ্রিয় সাম বা "[[w:অ্যাবেসেডেরিয়াম|অ্যাবেসেডেরিয়াম]]" এর উদ্দেশ্য ছিল একই আপসমূলক লক্ষ্যের কথা মাথায় রেখে [[w:অপটেটাস|সেন্ট অপটেটাস]] কর্তৃক উত্থাপিত যুক্তিগুলো জনগণকে জানানো। এটি দেখায় যে এই সম্প্রদায়টি ট্র্যাডিশনদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত, পোপ ও কাউন্সিল দ্বারা নিন্দিত, সমগ্র বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন, বিভাজন, সহিংসতা এবং রক্তপাতের একটি কারণ;* প্রকৃত চার্চ হলো একমাত্র দ্রাক্ষালতা, যার শাখা সমগ্র পৃথিবী জুড়ে রয়েছে।" - ''ক্যাথলিক এনসাইক্লোপিডিয়া'' [http://books.google.com/books?id=v7RAAQAAIAAJ&pg=PA127] * অগাস্টিন প্রায়ই ক্যাথলিকদের ওপর ডোনাটিস্টদের সহিংসতার বিষয়ে অভিযোগ করতেন (দেখুন চিঠিগুলো [http://books.google.com/books?id=jg7ZOUWnHeMC&pg=PA55 ১০৫], [http://books.google.com/books?id=cJnjXWQpknIC&pg=PA194 ১৮৫] [http://books.google.com/books?id=NXkXAAAAIAAJ&pg=PA560 ২০৯])। তা সত্ত্বেও, তিনি তাদের প্রতি গভীর যাজকীয় ভালোবাসা ও উদ্বেগ বজায় রেখেছিলেন, [http://books.google.com/books?id=2X9PAAAAYAAJ&pg=PA311] এবং "ঐক্যে" তাদের চূড়ান্ত প্রত্যাবর্তনের জন্য সর্বদাই সচেষ্ট ছিলেন, যা তার "ক্যাথলিক চার্চের জন্য অন্যতম প্রিয় নাম।" [http://books.google.com/books?id=DAn6876NIZYC&pg=PA259]।
*'''তোমাদের মধ্যে যারা [[শান্তি|শান্তিতে]] আনন্দিত, এখন [[সত্য|সত্যকে]] বিচার করার সময় এসেছে'''....<br>নিঃসন্দেহে ধর্মগ্রন্থগুলো যেমন বলে অতীতে পবিত্র মানুষ ছিল,<br>কারণ [[ঈশ্বর]] জানিয়েছিলেন যে তিনি নিরাপদে সাত হাজার লোককে রেখে গেছেন,<br>এবং অনেক যাজক ও রাজা আছেন যারা [[আইন|আইনের]] অধীনে ধার্মিক,<br>সেখানে তুমি অনেক [[নবী|নবীদের]] এবং অনেক মানুষও খুঁজে পাও।<br>'''আমাকে বলো সে সময়ের ধার্মিকদের মধ্যে কে নিজের জন্য একটি বেদি দাবি করেছিল?'''<br>সেই দুষ্ট জাতি অনেক বড় ধরনের অপরাধ করেছিল,<br>তারা প্রতিমার উদ্দেশ্যে বলিদান করেছিল এবং নবীদের হত্যা করা হয়েছিল,<br>'''তবুও একজন ধার্মিকও [[ঐক্য]] থেকে সরে আসেনি।'''<br>ধার্মিকেরা অন্যায়কারীদের সহ্য করেছিল উইনোয়ারের জন্য অপেক্ষা করার সময়:<br>তারা সবাই একটি মন্দিরে মিলেমিশে ছিল কিন্তু তাদের হৃদয়ে মেশেনি;<br>তারা তাদের বিরুদ্ধে এমন কথা বলেছিল তবুও তাদের একটিমাত্র বেদি ছিল।
**ক্যারোলিন হোয়াইট রচিত ''আর্লি খ্রিষ্টান ল্যাটিন পোয়েটস'', ২০০০, রাউটলেজ, লন্ডন, <small>{{ISBN|0415187826}} {{ISBN|9780415187824}}</small> পৃষ্ঠা ৫৫। [http://books.google.com/books?id=MoI963yzTisC&pg=PA55]
*Venite fratres, si vultis ut inseramini in vite;<br>Dolor est cum vos videmus praecisos ita jacere.<br>'''Numerate sacerdotes vel ab ipsa Petri sede;<br>Et in ordine illo Patrum quis cui successit videte.'''<br>Ipsa est petra, quam non vincunt superbae inferorum portae. (PL 43:30 [http://books.google.com/books?id=SXPYAAAAMAAJ&pg=RA1-PT3])।
**এসো, ভাইয়েরা, যদি তোমরা দ্রাক্ষালতায় খোদিত হতে চাও।<br>তোমাদের এভাবে বিচ্ছিন্ন পড়ে থাকতে দেখে আমাদের কষ্ট হয়।<br>'''পিটারের চেয়ারে যাজকদের সংখ্যা গণনা করো,<br>এবং ফাদারদের সেই আদেশে দেখো কে কার স্থলাভিষিক্ত হয়েছে'''।<br>এই হলো সেই শিলা যাকে নরকের অহংকারী দরজাগুলো জয় করতে পারে না।
*** [http://books.google.com/books?id=uIYQAAAAIAAJ&pg=PA42 ''পাবলিকেশনস অব দ্য ক্যাথলিক ট্রুথ সোসাইটি'' (১৮৯৫), ক্যাথলিক ট্রুথ সোসাইটি, লন্ডন, খণ্ড ২৪, পৃষ্ঠা ৪২।]
**বিকল্প অনুবাদ: এসো ভাইয়েরা, যদি তোমাদের দ্রাক্ষালতায় খোদিত হওয়ার মন থাকে,<br>তোমাদের এই পদ্ধতিতে মূল অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন দেখতে করুণা হয়।<br>পিটারের চেয়ারে বসে যাজকদের হিসাব করো;<br>এবং ফাদারদের সেই আদেশে দেখো কে কার স্থলাভিষিক্ত হয়েছে।<br>এই হলো সেই শিলা যার ওপর নরকের অহংকারী দরজাগুলো টিকে থাকতে পারে না। ([http://biblehub.com/matthew/16-18.htm মথি ১৬:১৮] এর একটি রেফারেন্স।)
***[http://books.google.com/books?id=WaposfecSRUC&pg=PA94 হেনরি কোয়েল প্রমুখ রচিত ''আওয়ার চার্চ, হার চিলড্রেন অ্যান্ড ইনস্টিটিউশনস'' (১৯০৮), অ্যাঞ্জেল গার্ডিয়ান প্রেস, বোস্টন, ম্যাসাচুসেটস, পৃষ্ঠা ৯৮।]
===''[[কনফেশনস (অগাস্টিন)|কনফেশনস]]'' (আনু. ৩৯৭)===
[[File:Saint Augustine and Saint Monica.jpg|thumb|right|প্রভু, আপনি আমাদের আপনার জন্যই সৃষ্টি করেছেন, এবং আমাদের হৃদয় শান্ত হয় না যতক্ষণ না তারা আপনার মধ্যে বিশ্রাম পায়।]]
::আরও দেখুন ''[[কনফেশনস (অগাস্টিন)|কনফেশনস]]''
* ''Laudare te vult homo, aliqua portio creaturae tuae, et homo circumferens mortalitatem suam, circumferens testimonium peccati sui et testimonium, quia superbis resistis; et tamen laudare te vult homo, aliqua portio creaturae tuae. Tu excitas, ut laudare te delectet, quia fecisti nos ad te et inquietum est cor nostrum, donec requiescat in te.''
** '''মানুষ আপনার প্রশংসা করতে চায়, কারণ সে আপনার সৃষ্টির একটি অংশ; সে তার সাথে তার মরণশীলতা বহন করে এবং তার পাপের প্রমাণ এবং এই প্রমাণ বহন করে যে আপনি অহংকারীদের প্রতিরোধ করেন। তবুও সে আপনার প্রশংসা করতে চায়, এই মানুষটি যে আপনার সৃষ্টির একটি ক্ষুদ্র অংশ মাত্র। আপনি তাকে প্ররোচিত করেছেন, যাতে সে আপনার প্রশংসা করতে আনন্দিত হয়, কারণ আপনি আমাদের আপনার জন্যই সৃষ্টি করেছেন এবং আমাদের হৃদয় শান্ত হয় না যতক্ষণ না এটি আপনার মধ্যে বিশ্রাম পায়।'''
** [https://web.archive.org/web/20061109102926/http://www.philosophyarchive.com/text.php?era=400-499&author=Augustine&text=The%20Confessions%20of%20St%20Augustine1 ১, ১]
* ছোট শিশুদের অঙ্গপ্রত্যঙ্গের দুর্বলতা নির্দোষ, তাদের [[আত্মা|আত্মারা]] নয়।
** ১, ৭
* আমি বিনা [[কারণ|কারণে]] [[মন্দ]] হয়েছিলাম। দুষ্টতা ছাড়া আমার দুষ্টতার আর কোনো উদ্দেশ্য ছিল না। এটি নোংরা ছিল, এবং আমি এটি পছন্দ করতাম। আমি আত্ম-ধ্বংসকে ভালোবাসতাম, আমি আমার পতনকে ভালোবাসতাম, যে বস্তুর জন্য আমি পড়েছিলাম তা নয় বরং আমার পতনটিকেই। আমার পথভ্রষ্ট আত্মা ধ্বংস হওয়ার জন্য আপনার আকাশ থেকে লাফিয়ে পড়েছিল। আমি লজ্জাজনক উপায়ে কিছু অর্জন করার চেষ্টা করছিলাম না, বরং নিজের স্বার্থে লজ্জা পাচ্ছিলাম।
** ২, ৪
*''Nondum amabam, et amare amabam...quaerebam quid amarem, amans amare.''
**'''আমি তখনও [[ভালোবাসা|প্রেমে]] পড়িনি, তবুও আমি ভালোবাসতে ভালোবাসতাম...আমি কী ভালোবাসতে পারি তার খোঁজ করছিলাম, ভালোবাসার প্রেমে পড়েছিলাম।'''
** ৩, ১
*''Et illa erant fercula, in quibus mihi esurienti te inferebatur sol et luna.''
**এবং এগুলো ছিল সেই থালাগুলো যেখানে আপনার জন্য ক্ষুধার্ত আমার কাছে সূর্য এবং চাঁদ পরিবেশন করা হয়েছিল।
** ৩, ৬
* '''ইতিমধ্যেই আমি আপনার কাছ থেকে শিখেছি যে একটি জিনিস স্পষ্টভাবে প্রকাশ করা হয়েছে বলে এটিকে সত্য হিসেবে নেওয়া উচিত নয়; আবার তোতলানো ঠোঁটে উচ্চারিত হয়েছে বলেও এটিকে মিথ্যা মনে করা উচিত নয়। আবার এটি অভদ্রভাবে উচ্চারিত হওয়ার কারণে সত্য নয়, বা ভাষাটি উজ্জ্বল হওয়ার কারণে মিথ্যাও নয়।''' [[প্রজ্ঞা]] এবং [[বোকামি]] উভয়ই এমন মাংসের মতো যা স্বাস্থ্যকর এবং অস্বাস্থ্যকর, এবং নম্র বা সাধারণ [[শব্দ|শব্দগুলো]] শহর-তৈরি বা গ্রাম্য পাত্রের মতো — '''উভয় ধরনের [[খাবার]] যেকোনো ধরনের থালায় পরিবেশন করা যেতে পারে।'''
** ৫, ৬
** মাঝের বাক্যের ওপর ভিন্নতা: একটি জিনিস খারাপভাবে উচ্চারিত হওয়ার কারণে সত্য নয়, আবার চমৎকারভাবে বলা হয়েছে বলেও মিথ্যা নয়।
** মাঝের বাক্যের ওপর ভিন্নতা: একটি জিনিস খারাপভাবে প্রকাশ করা হয়েছে বলে মিথ্যা নয়, আবার চমৎকারভাবে প্রকাশ করা হয়েছে বলেও সত্য নয়।
* কারণ আমার কাছে তখনও মনে হচ্ছিল "যে আমরা পাপ করি না, বরং অন্য কোনো প্রকৃতি আমাদের মধ্যে পাপ করেছে।" এবং এটি আমার অহংকারকে তৃপ্ত করেছিল যে আমি দোষের ঊর্ধ্বে ছিলাম, এবং আমি যখন কোনো অন্যায় করতাম তখন আমাকে স্বীকার করতে হতো না যে আমি অন্যায় করেছি। ... আমি আমার আত্মাকে ক্ষমা করতে এবং আমার ভেতরের অন্য কিছুকে (আমি জানি না কী) অভিযুক্ত করতে ভালোবাসতাম যা আমি ছিলাম না। কিন্তু, নিশ্চিতভাবে, এটি আমিই ছিলাম, এবং এটি আমার ভক্তিহীনতা ছিল যা আমাকে আমার বিরুদ্ধে বিভক্ত করেছিল। সেই পাপ তখন আরও বেশি দুরারোগ্য ছিল কারণ আমি নিজেকে পাপী মনে করিনি।
** এ. আউটলার অনূদিত (ডোভার: ২০০২), বই ৫, অধ্যায় ১০, পৃষ্ঠা ৭৭
* ক্যাথলিক বিশ্বাস, ... আমি এখন উপলব্ধি করতে পেরেছিলাম যে বিনা অহংকারে এটি বজায় রাখা যেতে পারে। এটি বিশেষত তখনই সত্য হয়েছিল যখন আমি ওল্ড টেস্টামেন্টের এক বা দুটি অংশের রূপক ব্যাখ্যা শুনেছিলাম — যেখানে আগে, যখন আমি সেগুলোকে আক্ষরিক অর্থে ব্যাখ্যা করতাম, তারা আমাকে আধ্যাত্মিকভাবে "মেরে ফেলেছিল"।
** এ. আউটলার অনূদিত (ডোভার: ২০০২), বই ৫, অধ্যায় ১৪, পৃষ্ঠা ৮১।
* আমি সেখানে ["প্লেটোনিস্টদের নির্দিষ্ট বইগুলোতে"] পড়েছিলাম যে [[ঈশ্বর|ঈশ্বর]] [[শব্দ|শব্দের]] জন্ম "মাংস বা রক্ত থেকে নয়, বা মানুষের ইচ্ছায় নয়, বা মাংসের ইচ্ছায় নয়, বরং ঈশ্বরের ইচ্ছায়।" কিন্তু, "শব্দটি মাংসে পরিণত হয়েছিল, এবং আমাদের মধ্যে বাস করেছিল" — আমি এটি সেখানে কোথাও খুঁজে পাইনি।
** ৭, ৯
* ''At ego adulescens miser ualde, miser in exordio ipsius adulescentiae, etiam petieram a te castitatem et dixeram, 'Da mihi castitatem et continentiam, sed noli modo.'''
** যুবক হিসেবে আমি প্রার্থনা করেছিলাম, "'''আমাকে [[সতীত্ব]] এবং সংযম দিন, তবে ঠিক এখনই নয়।'''"
** ৮, ৭
* ''Dicebam haec et flebam amarissima contritione cordis mei. Et ecce audio vocem de vicina domo cum cantu dicentis et crebro repetentis, quasi pueri an puellae, nescio: '''tolle lege, tolle lege.''' Statimque mutato vultu intentissimus cogitare coepi utrumnam solerent pueri in aliquo genere ludendi cantitare tale aliquid. Nec occurrebat omnino audisse me uspiam, repressoque impetu lacrimarum surrexi, nihil aliud interpretans divinitus mihi iuberi nisi ut aperirem codicem et legerem quod primum caput invenissem. Audieram enim de Antonio quod ex evangelica lectione cui forte supervenerat admonitus fuerit, tamquam sibi diceretur quod legebatur: "Vade, vende omnia quae habes, et da pauperibus et habebis thesaurum in caelis; et veni, sequere me," et tali oraculo confestim ad te esse conversum. Itaque concitus redii in eum locum ubi sedebat Alypius: ibi enim posueram codicem apostoli cum inde surrexeram. arripui, aperui, et legi in silentio capitulum quo primum coniecti sunt oculi mei: "Non in comessationibus et ebrietatibus, non in cubilibus et impudicitiis, non in contentione et aemulatione, sed induite dominum Iesum Christum et carnis providentiam ne feceritis in concupiscentiis." Nec ultra volui legere nec opus erat. Statim quippe cum fine huiusce sententiae quasi luce securitatis infusa cordi meo omnes dubitationis tenebrae diffugerunt.''
** আমি এই কথাগুলো বলছিলাম এবং আমার হৃদয়ের তিক্ত অনুতাপে কাঁদছিলাম, যখন হঠাৎ আমি একটি ছেলে বা মেয়ের কণ্ঠস্বর শুনতে পেলাম আমি জানি না কোনটি — পাশের বাড়ি থেকে আসছিল, বারবার জপ করছিল, "'''তুলে নাও এবং পড়ো; তুলে নাও এবং পড়ো'''।" তৎক্ষণাৎ আমি কান্না থামিয়ে দিলাম এবং খুব আন্তরিকভাবে ভাবতে শুরু করলাম যে শিশুদের পক্ষে কোনো ধরনের খেলায় এমন গান গাওয়া স্বাভাবিক কিনা, কিন্তু আমি এমন কিছু শুনেছি বলে মনে করতে পারলাম না। তাই, আমার কান্নার স্রোত থামিয়ে, আমি উঠে দাঁড়ালাম, কারণ আমি ভাবতে পারছিলাম না যে এটি বাইবেল খোলার এবং আমি যে প্রথম অনুচ্ছেদটি পাব সেটি পড়ার একটি ঐশ্বরিক আদেশ। কারণ আমি শুনেছিলাম কীভাবে অ্যান্টনি, দুর্ঘটনাক্রমে গসপেল পড়ার সময় গির্জায় এসে উপদেশ পেয়েছিলেন যেন যা পড়া হয়েছিল তা তাকে উদ্দেশ্য করে বলা হয়েছিল: "যাও এবং তোমার যা আছে তা বিক্রি করো এবং গরিবদের দিয়ে দাও, এবং তুমি স্বর্গে ধন পাবে; এবং এসো এবং আমাকে অনুসরণ করো" (মথি ১৯:২১)। এমন বাণীর মাধ্যমে তিনি তৎক্ষণাৎ আপনার ধর্মে ধর্মান্তরিত হয়েছিলেন। তাই আমি দ্রুত সেই বেঞ্চে ফিরে গেলাম যেখানে অ্যালিপিয়াস বসেছিলেন, কারণ আমি সেখান থেকে বের হওয়ার সময় প্রেরিতের বইটি সেখানে রেখেছিলাম। আমি এটি তুলে নিলাম, খুললাম, এবং নীরবে সেই অনুচ্ছেদটি পড়লাম যার ওপর আমার চোখ প্রথম পড়েছিল: "দাঙ্গাহাঙ্গামা এবং মাতালতায় নয়, কক্ষে এবং অসভ্যতায় নয়, বিবাদ এবং হিংসায় নয়, বরং প্রভু [[যিশু|যিশু]] [[খ্রিষ্ট|খ্রিষ্টকে]] ধারণ করো, এবং লালসা পূরণের জন্য মাংসের কোনো ব্যবস্থা করো না" (রোমীয় ১৩:১৩)। আমি আর পড়তে চাইনি, বা আমার দরকারও ছিল না। কারণ বাক্যটি শেষ হওয়ার সাথে সাথে আমার হৃদয়ে সম্পূর্ণ নিশ্চিততার আলোর মতো কিছু একটা প্রবেশ করেছিল এবং সন্দেহের সমস্ত অন্ধকার দূর হয়ে গিয়েছিল।
** ৮, ১২
* তবে ভেতরের অংশটি ভালো অংশ; কারণ এটি শাসক এবং বিচারক উভয় হিসেবেই, ইন্দ্রিয়ের এই সমস্ত বার্তাবাহক স্বর্গ ও পৃথিবীর উত্তর এবং এর ভেতরের সমস্ত জিনিসের প্রতিবেদন করে, যারা বলেছিল, "আমরা ঈশ্বর নই, তবে তিনি আমাদের সৃষ্টি করেছেন।" আমার ভেতরের মানুষটি বাইরের মানুষের মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এই বিষয়গুলো জানত, এবং আমি, ভেতরের মানুষটি, এই সব জানতাম — আমি, আত্মা, আমার শরীরের ইন্দ্রিয়গুলোর মাধ্যমে। আমি পুরো পৃথিবীটিকে আমার ঈশ্বর সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছিলাম, এবং এটি উত্তর দিয়েছিল, "আমি তিনি নই, তবে তিনি আমাকে তৈরি করেছেন।"
** ১০, ৬
*''Sero te amavi, pulchritudo tam antiqua et tam nova, sero te amavi! et ecce intus eras et ego foris, et ibi te quaerebam.
**'''আমি কত দেরিতে আপনাকে ভালোবেসেছি, হে [[সৌন্দর্য]], আপনি চিরন্তন প্রাচীন এবং চির নতুন! আমি কত দেরিতে আপনাকে ভালোবেসেছি! এবং, দেখুন, আপনি আমার ভেতরে ছিলেন, আর আমি নিজের বাইরে ছিলাম, এবং আমি সেখানে আপনাকে খুঁজছিলাম।'''
*** উইলিয়াম জে. কেলি সম্পাদিত ''থিওলজি অ্যান্ড ডিসকভারি: এসেজ ইন অনার অব কার্ল রাহনার, এস.জে.'' (১৯৮০) এ অনূদিত হিসেবে ১০, ২৭
** বিকল্প অনুবাদ:
*** আমি কত দেরিতে আপনাকে ভালোবেসেছি, হে সৌন্দর্য, আপনি চিরন্তন প্রাচীন এবং চির নতুন! আমি কত দেরিতে আপনাকে ভালোবেসেছি!
**** লি ওসার রচিত ''দ্য এথিকস অব মডার্নিজম: মোরাল আইডিয়াজ ইন ইয়েটস, এলিয়ট, জয়েস, উলফ অ্যান্ড বেকেট'' (২০০৭), পৃষ্ঠা ২৯
*** আমি বড্ড দেরিতে আপনাকে ভালোবেসেছি, হে সৌন্দর্য, আপনি চিরন্তন প্রাচীন এবং চির নতুন! বড্ড দেরিতে আপনাকে ভালোবেসেছি! এবং, দেখুন, আপনি আমার ভেতরে ছিলেন, আর আমি নিজের বাইরে ছিলাম, এবং আমি সেখানে আপনাকে খুঁজছিলাম।
**** অ্যালিস ফন হিলডেব্র্যান্ড রচিত ''ইন্ট্রোডাকশন টু অ্যা ফিলোসফি অব রিলিজিয়ন'' (১৯৭০)
*(সেন্ট অগাস্টিনের ব্যক্তিগতভাবে অভিজ্ঞ [[w:ইতালা মেলা|ত্রিত্ববাদী অন্তরবাসের]] ওপর) তবে আপনাকে ভালোবাসতে গিয়ে আমি কী ভালোবাসি? শারীরিক সৌন্দর্য নয়, বা সময়ের জাঁকজমক নয়, বা আলোর উজ্জ্বলতা নয়, যা আমাদের চোখের জন্য খুব আনন্দদায়ক, বা সমস্ত ধরনের গানের মিষ্টি সুর নয়, বা ফুলের সুগন্ধি গন্ধ, এবং মলম, এবং মশলা নয়, মান্না এবং মধু নয়, [[w:মাংস (ধর্মতত্ত্ব)|মাংসের]] আলিঙ্গনের জন্য আনন্দদায়ক অঙ্গপ্রত্যঙ্গ নয়। আমি যখন আমার ঈশ্বরকে ভালোবাসি তখন আমি এই জিনিসগুলোকে ভালোবাসি না; এবং তবুও আমি আমার ঈশ্বরকে ভালোবাসার সময় একটি নির্দিষ্ট ধরনের আলো, এবং শব্দ, এবং সুগন্ধি, এবং খাবার, এবং আলিঙ্গন ভালোবাসি, যিনি আমার ভেতরের মানুষের আলো, শব্দ, সুগন্ধি, খাবার এবং আলিঙ্গন — যেখানে সেই আলো আমার আত্মায় জ্বলে ওঠে যা কোনো জায়গা ধারণ করতে পারে না, যেখানে সেই শব্দগুলো যা সময় কেড়ে নেয় না, যেখানে এমন একটি সুগন্ধি রয়েছে যা কোনো বাতাস ছড়িয়ে দেয় না, যেখানে এমন একটি খাবার রয়েছে যা কোনো খাওয়া কমাতে পারে না, এবং যেখানে এমন কিছু লেগে থাকে যা কোনো তৃপ্তি ছিন্ন করতে পারে না। আমি যখন আমার ঈশ্বরকে ভালোবাসি তখন আমি এটিই ভালোবাসি।
** ১০, ৬, ৮
* ''Da quod iubes, et iube quod vis. Imperas nobis … continentiam.''
** আপনি যা আদেশ করেন তা দিন, এবং আপনার যা ইচ্ছা তা আদেশ করুন। আপনি আমাদের ওপর সংযম আরোপ করেন।
** ১০, ২৯
* ''Mihi quaestio factus sum.''
** আমি নিজের কাছে একটি প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছি।
** ১০, ৩৩
* মানুষ পাহাড়ের উচ্চতা, সমুদ্রের বিশাল ঢেউ, নদীর দীর্ঘ গতিপথ, মহাসাগরের বিশাল পরিসর, তারার বৃত্তাকার গতি দেখে অবাক হওয়ার জন্য ভ্রমণ করে; এবং তারা অবাক না হয়েই নিজেদের পাশ কাটিয়ে যায়।
** বিকল্প: পুরুষেরা পাহাড়ের উচ্চতা, সমুদ্রের বিশাল ঢেউ, নদীর বিস্তৃত স্রোত, মহাসাগরের পরিসর, এবং তারার কক্ষপথের প্রশংসা করতে বিদেশে যায়, এবং নিজেদের পাশ কাটিয়ে যায়।
** ১০
* প্রলোভনের আরেকটি রূপ আছে, যা তার বিপদে আরও জটিল। ... এর উদ্ভব [[জ্ঞান|জ্ঞানের]] ক্ষুধা থেকে। ... কৌতূহলের এই রোগ থেকেই থিয়েটারে প্রদর্শিত সমস্ত অদ্ভুত দৃশ্যগুলো আসে। এখান থেকেই আমরা প্রকৃতির গোপন শক্তিগুলো (যা আমাদের উদ্দেশ্যের বাইরে) অনুসন্ধান করতে এগিয়ে যাই, যা জানার কোনো লাভ নেই, এবং যেখানে পুরুষেরা কেবল জানার জন্যই আকাঙ্ক্ষা করে।
** [[s:Nicene and Post-Nicene Fathers: Series I/Volume I/Confessions/Book X/Chapter 35|১০, ৩৫]]
* ''Ecce respondeo dicenti, 'quid faciebat deus antequam faceret caelum et terram?' respondeo non illud quod quidam respondisse perhibetur, ioculariter eludens quaestionis violentiam: 'alta,' inquit, 'scrutantibus gehennas parabat.' aliud est videre, aliud ridere: haec non respondeo. libentius enim responderim, ''''nescio quod nescio'''' quam illud unde inridetur qui alta interrogavit et laudatur qui falsa respondit.''
** তাহলে যে আমাকে জিজ্ঞেস করে, "স্বর্গ ও পৃথিবী সৃষ্টির আগে ঈশ্বর কী করছিলেন?" আমি তাকে কীভাবে উত্তর দেব? আমি এমন উত্তর দেব না যেমনটি বলা হয় যে একজন ব্যক্তি রসিকতা করে (প্রশ্নের জোর এড়িয়ে গিয়ে) উত্তর দিয়েছিল। "তিনি নরক প্রস্তুত করছিলেন," তিনি বলেছিলেন, "যারা খুব গভীরে উঁকি দেয় তাদের জন্য।" উত্তরটি দেখা এক জিনিস; প্রশ্নকর্তাকে দেখে হাসা অন্য জিনিস--এবং নিজের জন্য আমি এগুলোর উত্তর এভাবে দিই না। গভীর প্রশ্ন জিজ্ঞাসাকারীকে উপহাস করার চেয়ে এবং এমন কৌশলের মাধ্যমে একটি অকেজো উত্তরের জন্য প্রশংসা অর্জন করার চেয়ে আমি আনন্দের সাথে উত্তর দিতাম, '''"আমি জানি না যে আমি কী জানি না।"'''
** বই ১১, অধ্যায় ১২; ই. বি. পুসে অনূদিত
* ''Quid est ergo tempus? Si nemo ex me quaerat, scio; si quaerenti explicare velim, nescio.''
** '''তাহলে [[সময়]] কী? কেউ যদি আমাকে না জিজ্ঞেস করে, তবে আমি জানি এটি কী। আমি যদি জিজ্ঞেসকারীকে এটি বোঝাতে চাই, তবে আমি জানি না। '''
** [[s:Nicene and Post-Nicene Fathers: Series I/Volume I/Confessions/Book XI/Chapter 14|১১, ১৪]]
* আপনি ডাকলেন এবং জোরে চিৎকার করলেন এবং আমার বধিরতা ভেঙে দিলেন। আপনি উজ্জ্বল এবং দীপ্তিময় ছিলেন, আপনি আমার অন্ধত্ব দূর করেছিলেন। আপনি সুগন্ধি ছিলেন, এবং আমি আমার শ্বাস টেনে নিয়েছিলাম এবং এখন আপনার জন্য হাঁপাচ্ছি। আমি আপনার স্বাদ গ্রহণ করেছি, এবং আমি আপনার জন্য কেবল ক্ষুধা এবং তৃষ্ণা অনুভব করছি। আপনি আমাকে স্পর্শ করেছিলেন, এবং আমি আপনার শান্তি অর্জনের জন্য আগুনে পুড়েছি।
* ''Deus, dona hominibus videre in parvo communes notitias rerum parvarum atque magnarum.''[http://books.google.com/books?id=lM5PQRHMNFwC&q=%22Deus+dona+hominibus+videre+in+parvo+communes+notitias+rerum+parvarum+atque+magnarum%22&pg=PR19#v=onepage]
** অনুবাদ: ঈশ্বর, আমাদের ছোট এবং বড় উভয় জিনিসের সাধারণ নীতিগুলো একটি ছোট জিনিসের মধ্যে দেখার সুযোগ দিন।
** [[s:Nicene and Post-Nicene Fathers: Series I/Volume I/Confessions/Book XI/Chapter 23|১১, ২৩]]
* আপনার দৈববাণীর গভীরতা বিস্ময়কর, যার উপরিভাগ আমাদের সামনে, ছোটদের আমন্ত্রণ জানাচ্ছে; এবং তবুও গভীরতা বিস্ময়কর, হে আমার ঈশ্বর, গভীরতা বিস্ময়কর। এটি দেখা এক ধরনের ভক্তি; এবং সম্মানের ভক্তি, এবং ভালোবাসার এক শিহরণ। এর শত্রুদের আমি তীব্রভাবে ঘৃণা করি। ওহ, যদি আপনি আপনার দুই ধারের তলোয়ার দিয়ে তাদের হত্যা করতেন, তবে তারা এর শত্রু হতো না! কারণ আমি এভাবেই ভালোবাসি, যে তাদের নিজেদের হত্যা করা উচিত যাতে তারা আপনার জন্য বাঁচতে পারে।
** [[s:Nicene and Post-Nicene Fathers: Series I/Volume I/Confessions/Book XII/Chapter 14|১২, ১৪]]
===''[[w:দ্য সিটি অব গড (বই)|দ্য সিটি অব গড]]'' (৪০০-এর দশকের শুরুতে)===
:<small> রেভারেন্ড জর্জ উইলসন এবং রেভারেন্ড জে. জে. স্মিথ অনূদিত ''De Civitate Dei'' [[s:The City of God|সম্পূর্ণ পাঠ উইকিসোর্সে অনলাইনে]] পাওয়া যাচ্ছে</small>
:<small>অন্যথা নির্দিষ্ট না থাকলে উদ্ধৃতিগুলো উইলসন এবং স্মিথের অনুবাদ থেকে নেওয়া হয়েছে।</small>
[[File:Sandro Botticelli 050.jpg|thumb|right|[[ভালো]] [[মানুষ|মানুষটি]], যদিও সে একজন [[দাস]], কিন্তু সে [[স্বাধীন]]; [[দুষ্ট|দুষ্টটি]], যদিও সে [[রাজত্ব করে|রাজত্ব করে]], কিন্তু সে একজন দাস।]]
* '''ঐশ্বরিক নিয়তির কাছে এটি ভালো বলে মনে হয়েছে যে পরবর্তী বিশ্বে ধার্মিকদের জন্য ভালো জিনিসগুলো প্রস্তুত করা, যা অধার্মিকরা উপভোগ করবে না; এবং দুষ্টদের জন্য মন্দ জিনিসগুলো প্রস্তুত করা, যার দ্বারা ভালোরা যন্ত্রণা পাবে না।''' কিন্তু এই জীবনের ভালো জিনিসগুলো এবং এর অসুস্থতার বিষয়ে, ঈশ্বর চেয়েছিলেন যে এগুলো উভয়ের জন্যই সাধারণ হওয়া উচিত; যাতে আমরা খুব বেশি আগ্রহের সাথে সেই জিনিসগুলোর আকাঙ্ক্ষা না করি যা দুষ্ট লোকদের সমানভাবে উপভোগ করতে দেখা যায়, বা সেই অসুস্থতাগুলো থেকে অসম্মানজনক ভয়ে পিছিয়ে না যাই যা এমনকি ভালো লোকেরাও প্রায়শই ভোগে। <br>প্রতিকূল বলে অভিহিত ঘটনাগুলো এবং সমৃদ্ধ বলে অভিহিত ঘটনাগুলো উভয় দ্বারাই পরিবেশিত উদ্দেশ্যগুলোর মধ্যেও একটি খুব বড় পার্থক্য রয়েছে। কারণ ভালো মানুষটি সময়ের ভালো জিনিসগুলোর সাথে উন্নীত হয় না, বা এর অসুস্থতার দ্বারা ভেঙে পড়ে না; কিন্তু দুষ্ট মানুষটি, যেহেতু সে এই পৃথিবীর সুখ দ্বারা কলুষিত, তাই সে এর অসুখের দ্বারা নিজেকে শাস্তিপ্রাপ্ত বোধ করে।
** [[s:The City of God/Book I/Chapter 8|১, ৮]]
* '''অতএব, যদিও ভালো এবং খারাপ লোকেরা সমানভাবে ভোগে, তবে আমাদের ধরে নেওয়া উচিত নয় যে মানুষদের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই, কারণ তারা উভয়ই যা ভোগ করে তাতে কোনো পার্থক্য নেই। কারণ ভোগান্তির সাদৃশ্যের মধ্যেও, ভুক্তভোগীদের মধ্যে একটি বৈসাদৃশ্য রয়ে যায়; এবং একই বেদনার সম্মুখীন হওয়া সত্ত্বেও, গুণ এবং পাপ একই জিনিস নয়।''' কারণ একই আগুন যেমন সোনাকে উজ্জ্বলভাবে জ্বলতে এবং তুষকে ধোঁয়া করতে বাধ্য করে; এবং একই ফ্ল্যাইলের নিচে খড়কে ছোট করা হয়, যখন শস্য পরিষ্কার করা হয়; এবং যেহেতু লিস তেলের সাথে মেশে না, যদিও একই চাপে ভ্যাট থেকে চেপে বের করা হয়, তেমনি কষ্টের একই সহিংসতা ভালোদের প্রমাণ করে, পরিষ্কার করে, স্পষ্ট করে, কিন্তু দুষ্টদের ধ্বংস করে, এবং শেষ করে দেয়। এবং এভাবেই একই কষ্টে দুষ্টরা ঈশ্বরকে ঘৃণা করে এবং ঈশ্বরনিন্দা করে, যখন ভালোরা প্রার্থনা করে এবং প্রশংসা করে। '''এটি এতোটাই বস্তুগত পার্থক্য তৈরি করে, কী অসুস্থতা ভোগ করা হয় তা নয়, বরং কী ধরনের মানুষ তাদের ভোগ করে। কারণ, একই আন্দোলনের সাথে আলোড়িত হয়ে, কাদা একটি ভয়ানক দুর্গন্ধ ছড়ায় এবং মলম একটি সুগন্ধ নির্গত করে।'''
** বিকল্প অনুবাদ:
** '''গুণ এবং পাপ একই নয়, এমনকি যদি তারা একই যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে যায়।'''
** '''যে সহিংসতা ভালো লোকদের পরীক্ষা করার জন্য, তাদের পরিষ্কার ও পবিত্র করার জন্য আক্রমণ করে, তা দুষ্টদের নিন্দা, ধ্বংস এবং বিনাশ সাধন করে।'''
* সুতরাং, এই সার্বজনীন বিপর্যয়ে, খ্রিষ্টানদের ভোগান্তি তাদের নৈতিক উন্নতির দিকে ধাবিত করেছে, কারণ তারা সেগুলোকে বিশ্বাসের চোখে দেখেছিল।
** ১, ৯
*<p>''Ipsa libido dominandi, quae inter alia uitia generis humani meracior inerat uniuerso populo Romano, postea quam in paucis potentioribus uicit, obtritos fatigatosque ceteros etiam iugo seruitutis oppressit.''</p><p>''Nam quando illa quiesceret in superbissimis mentibus, donec continuatis honoribus ad potestatem regiam perueniret? Honorum porro continuandorum facultas non esset, nisi ambitio praeualeret. Minime autem praeualeret ambitio, nisi in populo auaritia luxuriaque corrupto.''</p>
**<p>ক্ষমতার লোভ, যা সমস্ত মানবিক পাপের মধ্যে সামগ্রিকভাবে রোমান জনগণের মধ্যে সবচেয়ে ঘনীভূত আকারে পাওয়া গিয়েছিল, প্রথমে কয়েকজন শক্তিশালী ব্যক্তির মধ্যে এর বিজয় প্রতিষ্ঠা করেছিল, এবং তারপর একটি ক্লান্ত দেশের বাকি অংশকে দাসত্বের জোয়ালের নিচে পিষ্ট করেছিল।</p><p>কারণ অহংকারী হৃদয়ে ক্ষমতার সেই লোভ কখন শান্ত হতে পারে যতক্ষণ না, একটি পদ থেকে অন্য পদে যাওয়ার পর, এটি সার্বভৌমত্বে পৌঁছায়? এখন এই ধারাবাহিক অগ্রগতির কোনো সুযোগ থাকত না যদি উচ্চাকাঙ্ক্ষা সর্বশক্তিমান না হতো; এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষার অপরিহার্য প্রেক্ষাপট হলো লোভ এবং কামুকতা দ্বারা কলুষিত মানুষ।</p>
*** এইচ. বেটেনসন অনূদিত (১৯৭২), বই ১, অধ্যায় ৩১, পৃষ্ঠা ৪২
*'''স্বর্গীয় শহর রোমকে ছাড়িয়ে গেছে, তুলনার বাইরে। সেখানে, বিজয়ের বদলে আছে সত্য; উচ্চ পদমর্যাদার বদলে, পবিত্রতা; শান্তির বদলে, সুখ; জীবনের বদলে, অনন্তকাল।'''
**বই ২, অধ্যায় ২৯
* '''খারাপ লোকদের আধিপত্য মূলত তাদের জন্যই ক্ষতিকারক যারা শাসন করে, কারণ তারা দুষ্টতার ক্ষেত্রে অধিক স্বাধীনতার দ্বারা নিজেদের আত্মাকে ধ্বংস করে; যখন যারা তাদের অধীনে সেবায় নিয়োজিত থাকে তারা তাদের নিজস্ব অন্যায় ছাড়া আর কোনো কারণে আঘাতপ্রাপ্ত হয় না।''' কারণ ন্যায়নিষ্ঠদের কাছে অন্যায় শাসকদের দ্বারা আরোপিত সমস্ত মন্দ কাজ অপরাধের শাস্তি নয়, বরং গুণের পরীক্ষা। '''অতএব ভালো মানুষটি, যদিও সে একজন দাস, কিন্তু সে স্বাধীন; কিন্তু খারাপ মানুষটি, এমনকি যদি সে রাজত্বও করে, তবে সে একজন দাস, এবং সেটি কেবল একজনের নয়, বরং আরও গুরুতর বিষয় হলো, তার যতোটা পাপ আছে সে ততোজন প্রভুর দাস'''; যে পাপগুলোর বিষয়ে ঐশ্বরিক শাস্ত্র যখন আলোচনা করে, তখন এটি বলে, "কারণ কোনো ব্যক্তি যার দ্বারা পরাজিত হয়, সে তার দাসও বটে।"
** [[s:The City of God/Book IV/Chapter 3|৪, ৩]]
** বিকল্প অনুবাদ: '''ভালো মানুষটি, যদিও সে একজন দাস, কিন্তু সে স্বাধীন; দুষ্টটি, যদিও সে রাজত্ব করে, কিন্তু সে একজন দাস, এবং একক মানুষের দাস নয়, বরং — এর চেয়েও খারাপ — তার যতোটা পাপ আছে সে ততোজন প্রভুর দাস।'''
* ''Remota itaque iustitia quid sunt regna nisi magna latrocinia? quia et latrocinia quid sunt nisi parua regna? Manus et ipsa hominum est, imperio principis regitur, pacto societatis astringitur, placiti lege praeda diuiditur. Hoc malum si in tantum perditorum hominum accessibus crescit, ut et loca teneat sedes constituat, ciuitates occupet populos subiuget, euidentius regni nomen adsumit, quod ei iam in manifesto confert non dempta cupiditas, sed addita inpunitas. Eleganter enim et ueraciter Alexandro illi Magno quidam comprehensus pirata respondit. Nam cum idem rex hominem interrogaret, quid ei uideretur, ut mare haberet infestum, ille libera contumacia: Quod tibi, inquit, ut orbem terrarum; sed quia <id> ego exiguo nauigio facio, latro uocor; quia tu magna classe, imperator.''
** '''তাহলে [[ন্যায়বিচার|ন্যায়বিচারকে]] সরিয়ে নিলে, বড় ডাকাতি ছাড়া রাজ্য আর কী?''' কারণ ডাকাতিগুলো নিজেরা ছোট রাজ্য ছাড়া আর কী? দলটি নিজেই মানুষের সমন্বয়ে গঠিত; এটি একজন রাজপুত্রের কর্তৃত্বে শাসিত হয়, এটি কনফেডারেসির চুক্তির মাধ্যমে একত্রে বোনা হয়; লুণ্ঠিত জিনিসগুলো সম্মত আইন দ্বারা বিভক্ত করা হয়। যদি, পরিত্যক্ত লোকদের প্রবেশের মাধ্যমে, এই মন্দ এতোটা বেড়ে যায় যে এটি জায়গা দখল করে, আবাসস্থল ঠিক করে, শহরগুলোর দখল নেয় এবং জনগণকে বশীভূত করে, তবে এটি আরও স্পষ্টভাবে একটি রাজ্যের নাম ধারণ করে, কারণ বাস্তবতাটি এখন স্পষ্টভাবে এর ওপর অর্পিত হয়েছে, লোভ দূর করার মাধ্যমে নয়, বরং দায়মুক্তির সংযোজনের মাধ্যমে। প্রকৃতপক্ষে, এটি একটি উপযুক্ত এবং সত্য উত্তর ছিল যা একজন জলদস্যু [[মহামতি আলেকজান্ডার|মহামতি আলেকজান্ডারকে]] দিয়েছিল যাকে আটক করা হয়েছিল। কারণ সেই রাজা যখন লোকটিকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন যে সে সমুদ্রের শত্রু দখল বজায় রাখার দ্বারা কী বোঝাতে চাইছে, তখন সে সাহসী অহংকারের সাথে উত্তর দিয়েছিল, "আপনি পুরো পৃথিবীকে দখল করার দ্বারা যা বোঝাতে চাইছেন; কিন্তু আমি এটি একটি ছোট জাহাজের সাহায্যে করি বলে আমাকে একজন ডাকাত বলা হয়, আর আপনি যিনি একটি দুর্দান্ত বহরের সাহায্যে এটি করেন তাকে সম্রাট বলা হয়।"
*** [[s:The City of God/Book IV/Chapter 4|৪, ৪]]
* Ad eum dilectione tendimus, ut perueniendo quiescamus, ideo beati, quia illo fine perfecti. Bonum enim nostrum, de cuius fine inter philosophos magna contentio est, nullum est aliud quam illi cohaerere, cuius unius anima intellectualis incorporeo, si dici potest, amplexu ueris impletur fecundaturque uirtutibus. Hoc bonum diligere in toto corde, in tota anima et in tota uirtute praecipimur; ad hoc bonum debemus et a quibus diligimur duci, et quos diligimus ducere. Sic complentur duo illa praecepta in quibus tota lex pendet et prophetae: Diliges Dominum Deum tuum in toto corde tuo et in tota anima tua et in tota mente tua, et: Diliges proximum tuum tamquam te ipsum. Vt enim homo se diligere nosset, constitutus est ei finis, quo referret omnia quae ageret, ut beatus esset; non enim qui se diligit aliud uult esse quam beatus. Hic autem finis est adhaerere Deo. Iam igitur scienti diligere se ipsum, cum mandatur de proximo diligendo sicut se ipsum, quid aliud mandatur, nisi ut ei, quantum potest, commendet diligendum Deum?
** আমরা ভালোবাসার সাথে তাঁর দিকে আমাদের পথ নির্দেশ করি, যাতে তাঁর কাছে পৌঁছানোর মাধ্যমে আমরা আমাদের বিশ্রাম খুঁজে পেতে পারি, এবং আমাদের সুখ অর্জন করতে পারি কারণ আমরা তাঁর মধ্যে আমাদের পরিপূর্ণতা অর্জন করেছি। কারণ আমাদের মঙ্গল, সেই চূড়ান্ত মঙ্গল যা নিয়ে দার্শনিকরা বিতর্ক করেন, তা তাঁকে আঁকড়ে ধরা ছাড়া আর কিছুই নয়, যার আধ্যাত্মিক আলিঙ্গন, যদি কেউ এটি প্রকাশ করতে পারে, তবে তা বুদ্ধিবৃত্তিক আত্মাকে পূর্ণ করে এবং সত্য গুণের সাথে এটিকে উর্বর করে। আমাদের সমস্ত হৃদয়, সমস্ত আত্মা এবং সমস্ত শক্তি দিয়ে এই মঙ্গলকে ভালোবাসার আদেশ দেওয়া হয়েছে; এবং এই মঙ্গলের দিকে আমাদের তাদের দ্বারা পরিচালিত হতে হবে যারা আমাদের ভালোবাসে, এবং এর দিকে আমাদের তাদের পরিচালিত করতে হবে যাদের আমরা ভালোবাসি। এভাবে সেই দুটি আদেশ পূর্ণ হয় যার ওপর 'সমস্ত আইন এবং নবীরা নির্ভর করে': 'তুমি তোমার সমস্ত হৃদয়, সমস্ত আত্মা এবং সমস্ত মন দিয়ে প্রভু তোমার ঈশ্বরকে ভালোবাসবে', এবং 'তুমি তোমার প্রতিবেশীকে নিজের মতো ভালোবাসবে'। কারণ একজন মানুষ কীভাবে নিজেকে ভালোবাসতে হয় তা জানার জন্য তার জন্য একটি শেষ স্থাপন করা হয়েছে যাতে সে তার সমস্ত কাজকে নির্দেশ করতে পারে, যাতে সে সুখ অর্জন করতে পারে। কারণ যদি কোনো মানুষ নিজেকে ভালোবাসে, তবে তার একমাত্র ইচ্ছা হলো ধন্য হওয়া। এখন এই শেষটি হলো 'ঈশ্বরকে আঁকড়ে ধরা'। সুতরাং, যদি কোনো মানুষ জানে কীভাবে নিজেকে ভালোবাসতে হয়, তবে প্রতিবেশীকে ভালোবাসার আজ্ঞা তাকে তার প্রতিবেশীকে ঈশ্বরকে ভালোবাসার জন্য যথাসাধ্য করতে নির্দেশ দেয়। (হেনরি বেটেনসন অনূদিত)
*** ১০, ৩
* কারণ যদি তারা বিশ্বের আগে সময়ের অসীম স্থানগুলো কল্পনা করে, যে সময় ঈশ্বর অলস থাকতে পারতেন না, তবে একইভাবে তারা বিশ্বের বাইরে অসীম স্থানগুলো কল্পনা করতে পারে, যার মধ্যে, '''যদি কেউ বলে যে সর্বশক্তিমান তাঁর হাতকে কাজ থেকে বিরত রাখতে পারেন না, তবে কি এটি অনুসরণ করবে না যে তাদের অবশ্যই অসংখ্য জগতের [[এপিকিউরাস|এপিকিউরাসের]] স্বপ্ন গ্রহণ করতে হবে? কেবল এই পার্থক্যের সাথে যে তিনি দাবি করেন যে সেগুলো পরমাণুর আকস্মিক নড়াচড়ার দ্বারা গঠিত এবং ধ্বংস হয়, যখন তারা ধরে রাখবে যে সেগুলো ঈশ্বরের হাতে তৈরি''', যদি তারা বজায় রাখে যে, বিশ্বের চারপাশে প্রতিটি দিকে অবিরামভাবে বিস্তৃত স্থানের সীমাহীন বিশালতা জুড়ে, ঈশ্বর বিশ্রাম নিতে পারেন না, এবং তারা যে বিশ্বগুলো তাঁর দ্বারা তৈরি বলে মনে করে তা ধ্বংস করা যায় না। ...'''এটিও অনুসরণ করে না যে আমাদের ধরে নেওয়া উচিত যে ঈশ্বর আকস্মিকতার দ্বারা পরিচালিত হয়েছিলেন যখন তিনি সেই সময়ে এবং তার আগে কোনো বিশ্ব সৃষ্টি করেছিলেন''', যদিও একটি অসীম অতীত জুড়ে আগের সময়গুলো চলে আসছিল, এবং এমন কোনো পার্থক্য ছিল না যার দ্বারা একটি সময়কে অন্যটির চেয়ে বেশি পছন্দ করা যেতে পারে। কিন্তু '''যদি তারা বলে যে মানুষের চিন্তাভাবনাগুলো অর্থহীন যখন তারা অসীম স্থানগুলোর ধারণা করে, যেহেতু বিশ্বের পাশে কোনো স্থান নেই, তবে আমরা উত্তর দিই যে, একই দেখানোর মাধ্যমে, ঈশ্বরের বিশ্রামের অতীত সময়গুলো সম্পর্কে ধারণা করা বৃথা, যেহেতু বিশ্বের আগে কোনো সময় নেই।'''
** [[s:The City of God/Book XI/Chapter 5|১১, ৫]]
* '''কারণ ঈশ্বর যখন বলেছিলেন, "[[আলো|আলো]] হোক, এবং আলো হয়েছিল," তখন আমরা যদি এই আলোতে [[দেবদূত|দেবদূতদের]] সৃষ্টি বুঝতে ন্যায়সঙ্গত হই, তবে অবশ্যই তাদের ঈশ্বরের অপরিবর্তনীয় [[প্রজ্ঞা|প্রজ্ঞার]] [[অনন্ত]] আলোর অংশীদার হিসেবে তৈরি করা হয়েছিল, যার দ্বারা সমস্ত জিনিস তৈরি হয়েছিল, এবং যাকে আমরা ঈশ্বরের একমাত্র পুত্র বলি'''; যাতে তারা, তাদের সৃষ্টিকারী আলো দ্বারা আলোকিত হয়ে, নিজেরাই আলো হয়ে ওঠে এবং ঈশ্বরের শব্দের অপরিবর্তনীয় আলো ও দিনের অংশগ্রহণে "দিন" বলা হয়, যার দ্বারা তারা নিজেরা এবং অন্য সমস্ত কিছু তৈরি হয়েছিল। "সত্যিকারের আলো, যা পৃথিবীতে আসা প্রত্যেক মানুষকে আলোকিত করে," — এই আলো প্রতিটি বিশুদ্ধ দেবদূতকেও আলোকিত করে, যাতে সে নিজের মধ্যে নয়, ঈশ্বরের মধ্যে আলো হতে পারে; যার কাছ থেকে যদি কোনো দেবদূত মুখ ফিরিয়ে নেয়, তবে সে অপবিত্র হয়ে যায়, যেমন সব অশুচি আত্মাকে বলা হয়, এবং প্রভুর মধ্যে আর আলো থাকে না, কিন্তু নিজের মধ্যে অন্ধকার হয়ে যায়, অনন্ত আলোর অংশগ্রহণ থেকে বঞ্চিত হয়। '''কারণ মন্দের কোনো ইতিবাচক প্রকৃতি নেই; কিন্তু ভালোর ক্ষতিই "মন্দ" নাম পেয়েছে।'''
** [[s:The City of God/Book XI/Chapter 9|১১, ৯]]
* '''আমরা উভয়েই আছি, এবং জানি যে আমরা আছি, এবং আমাদের সত্তায়, এবং এর সম্পর্কে আমাদের জ্ঞানে আনন্দিত হই। অধিকন্তু, এই তিনটি জিনিসে কোনো সত্য বলে মনে হওয়া বিভ্রম আমাদের বিরক্ত করে না; কারণ আমরা কিছু শারীরিক ইন্দ্রিয় দ্বারা এগুলোর সংস্পর্শে আসি না, যেমন আমরা সংবেদনশীল বস্তুগুলোর সমস্ত আমাদের বাইরের জিনিসগুলো উপলব্ধি করি এটি সেগুলোর সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ চিত্র, কিন্তু সেগুলোকে নয় যা আমরা মনে উপলব্ধি করি এবং স্মৃতিতে ধরে রাখি, এবং যা আমাদের বস্তুগুলোর আকাঙ্ক্ষা করতে উত্তেজিত করে। কিন্তু, চিত্র বা ফ্যান্টাসমগুলোর কোনো বিভ্রান্তিকর উপস্থাপনা ছাড়াই, আমি সবচেয়ে বেশি নিশ্চিত যে আমি আছি, এবং আমি জানি এবং এতে আনন্দিত হই।''' এই সত্যগুলোর ক্ষেত্রে, আমি শিক্ষাবিদদের যুক্তিগুলোতে মোটেও ভীত নই, যারা বলে, আপনি যদি প্রতারিত হন তবে কী হবে? '''কারণ আমি যদি প্রতারিত হই, তবে আমি আছি।''' কারণ যে নেই, সে প্রতারিত হতে পারে না; এবং যদি আমি প্রতারিত হই, তবে এই একই টোকেনের দ্বারা আমি আছি। এবং যেহেতু আমি আছি যদি আমি প্রতারিত হই, আমি যে আছি তা বিশ্বাস করতে আমি কীভাবে প্রতারিত হব? কারণ এটি নিশ্চিত যে আমি আছি যদি আমি প্রতারিত হই। যেহেতু, তাই, আমি, প্রতারিত ব্যক্তি, আমার হওয়া উচিত, এমনকি যদি আমি প্রতারিতও হই, তবে নিশ্চিতভাবে আমি এই [[জ্ঞান|জ্ঞানে]] প্রতারিত নই যে আমি আছি। '''এবং, ফলস্বরূপ, আমি যে জানি তা জানতেও আমি প্রতারিত নই।''' কারণ, যেমন আমি জানি যে আমি আছি, তেমনি আমি এটাও জানি যে, আমি জানি। এবং যখন আমি এই দুটি জিনিস ভালোবাসি, তখন আমি তাদের সাথে একটি নির্দিষ্ট তৃতীয় জিনিস যুক্ত করি, যেমন, আমার ভালোবাসা, যা সমান মুহূর্তের। '''কারণ আমি এতে প্রতারিত নই, যে আমি ভালোবাসি, যেহেতু''' আমি যা ভালোবাসি তাতে আমি প্রতারিত নই; যদিও '''এমনকি যদি এগুলো মিথ্যাও হয়, তবুও এটি সত্য হবে যে আমি মিথ্যা জিনিসগুলোকে ভালোবাসি।''' কারণ যদি এটি মিথ্যা হয় যে আমি তাদের ভালোবাসতাম তবে মিথ্যা জিনিসগুলোকে ভালোবাসার জন্য আমাকে কীভাবে ন্যায়সঙ্গতভাবে দোষারোপ করা যেতে পারে এবং নিষেধ করা যেতে পারে? কিন্তু, যেহেতু তারা সত্য এবং বাস্তব, কে সন্দেহ করে যে যখন তাদের ভালোবাসা হয়, তখন তাদের ভালোবাসা নিজেই সত্য এবং বাস্তব? '''অধিকন্তু, যেমন এমন কেউ নেই যে সুখী হতে চায় না, তেমনি এমন কেউ নেই যে''' [নিজেদের] '''হতে চায় না''' [সত্তায়]'''। কারণ সে কীভাবে সুখী হতে পারে, যদি সে কিছুই না হয়?'''
** [[w:The City of God/Book XI/Chapter 26|১১, ২৬]], এই অনুচ্ছেদের অংশগুলো [[র্যনে দেকার্ত|রেনে দেকার্তের]] পরবর্তী বিবৃতিগুলোর সাথে ব্যাপকভাবে তুলনা করা হয়েছে; লাতিন এবং একটি বিকল্প অনুবাদের সাথে:
:''Quid, si falleris? Si enim fallor, sum. Nam qui non est, utique nec falli potest; ac per hoc sum, si fallor. Quia ergo '''sum si fallor''', quo modo esse me fallor, quando certum est me esse, si fallor.''
:: '''তুমি ভুল করলে কী পার্থক্য হবে? কারণ যদি আমি ভুল করি, তবে আমি আছি। কারণ যে নেই, সে নিশ্চিতভাবেই ভুল করতে পারে না; এবং তাই আমি আছি, যদি আমি ভুল করি। তাই কারণ আমি আছি যদি আমি ভুল করি, আমি যে আছি তা আমি কীভাবে ভুল করব, যখন এটি নিশ্চিত যে আমি আছি, যদি আমি ভুল করি।'''
: ''sum si fallor'' (আমি আছি কারণ আমি ভুল করি) বিবৃতির লাতিন ভিন্নতাগুলো, কখনও কখনও দেকার্তের ''[[w:প্রিন্সিপলস অব ফিলোসফি|প্রিন্সিপলস অব ফিলোসফি]]'' (১৬৪৪) এর পরবর্তী ''Cogito, ergo sum'' (আমি চিন্তা করি, তাই আমি আছি) ফর্মের ওপর ভিত্তি করে ''Fallor, ergo sum'' ('''আমি ভুল করি, তাই আমি আছি''') হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। অগাস্টিনের চিন্তাভাবনার সাথে পরিচিতি আসলে দেকার্তের এখানে এবং এর আগের ''[[w:মেডিটেশনস অন ফার্স্ট ফিলোসফি|মেডিটেশনস অন ফার্স্ট ফিলোসফি]]'' (১৬৪১) এর কিছু বিবৃতিকে অনুপ্রাণিত করতে পারত: "'''সন্দেহ হলো প্রজ্ঞার উৎপত্তি।'''"
* '''[[সৌন্দর্য]] প্রকৃতপক্ষে ঈশ্বরের একটি সুন্দর উপহার; কিন্তু ভালোরা যেন এটিকে একটি দুর্দান্ত ভালো বলে মনে না করে, তাই ঈশ্বর এটিকে দুষ্টদেরও দেন।'''
** [[s:The City of God/Book XV/Chapter 22|১৫, ২২]] * '''যে দার্শনিকরা চেয়েছিলেন যে দেবতাদের আমাদের বন্ধু হোক তারা পবিত্র দেবদূতদের [[বন্ধুত্ব|বন্ধুত্বকে]] সমাজের চতুর্থ বৃত্তে স্থান দেন, যা পৃথিবীতে সমাজের তিনটি বৃত্ত থেকে মহাবিশ্বে অগ্রসর হয় এবং স্বর্গে নিজেকে আলিঙ্গন করে।''' এবং এই বন্ধুত্বে আমাদের আসলে কোনো ভয় নেই যে দেবদূতেরা তাদের মৃত্যু বা অবনতির কারণে আমাদের শোকাহত করবে। কিন্তু যেহেতু আমরা তাদের সাথে মানুষের মতো পরিচিতভাবে মিশতে পারি না (যা নিজেই এই জীবনের অন্যতম কষ্ট), এবং যেহেতু শয়তান, যেমনটি আমরা পড়েছি, কখনও কখনও নিজেকে আলোর দেবদূত হিসেবে রূপান্তরিত করে, যাদের শৃঙ্খলাবদ্ধ করা প্রয়োজন তাদের প্রলুব্ধ করার জন্য, বা কেবল প্রতারণা করার জন্য, তাই ভালো দেবদূতদের আমাদের বন্ধু বলে মনে করার সময় ছদ্মবেশী দানবদের বন্ধু বানানো থেকে আমাদের রক্ষা করার জন্য ঈশ্বরের করুণার খুব প্রয়োজন; কারণ এই দুষ্ট আত্মাদের ধূর্ততা এবং প্রতারণা তাদের আঘাতের সমান।
** [[s:The City of God/Book XIX/Chapter 9|১৯, ৯]]
* কিন্তু যদি আমরা একটি জনগণের এই সংজ্ঞাটি বাতিল করে দিই, এবং, অন্য একটি ধরে নিয়ে বলি যে '''একটি জনগণ হলো যুক্তিসঙ্গত প্রাণীদের একটি সমাবেশ যারা তাদের ভালোবাসার বস্তুগুলো সম্পর্কে একটি সাধারণ চুক্তির দ্বারা একসাথে আবদ্ধ,''' তবে, যেকোনো জনগণের চরিত্র আবিষ্কার করার জন্য, আমাদের কেবল তাদের ভালোবাসার বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ করতে হবে। তবুও এটি যা কিছুই ভালোবাসুক না কেন, যদি কেবল এটি যুক্তিসঙ্গত প্রাণীদের একটি সমাবেশ হয় এবং পশুদের নয়, এবং ভালোবাসার বস্তুগুলো সম্পর্কে একটি চুক্তির দ্বারা একসাথে আবদ্ধ হয়, তবে এটিকে যুক্তিসঙ্গতভাবে একটি জনগণ বলা হয়; এবং এটি একটি উচ্চতর জনগণ হবে কারণ এটি উচ্চতর স্বার্থের দ্বারা একত্রে আবদ্ধ, নিম্নতর অনুপাতে কারণ এটি নিম্নতর দ্বারা একসাথে আবদ্ধ।
** [[s:The City of God/Book XIX/Chapter 24|১৯, ২৪]]
===De Unitate Ecclesiae - On the Unity of the Church (আনু. ৪০১ - ৪০৫)===
:''Ad Catholicos Epistula contra Donatistas'' (ডোনাটিস্টদের বিরুদ্ধে ক্যাথলিকদের কাছে চিঠি), বা ''De Unitate Ecclesiae'' (চার্চের ঐক্যের বিষয়ে), [http://books.google.com/books?id=toDBzX2-7iUC&pg=PA49&dq=%22Catholicos+Epistula+contra+Donatistas+%22&hl=en&ei=jGlQTqGpKNSlsQLM_-HNBg&sa=X&oi=book_result&ct=result&resnum=2&ved=0CDEQ6AEwAQ#v=onepage&q=%22Catholicos%20Epistula%20contra%20Donatistas%20%22&f=false] <br>''Ad Catholicos epistola contra Donatistas vulgo De Unitate Ecclesiae liber unus''। মিগনে লাতিন পাঠ্য, [[w:প্যাট্রোলজিয়া ল্যাটিনা|প্যাট্রোলজিয়া ল্যাটিনা (পিএল)]], ৪৩:৩৯১–৪৪৬। [http://books.google.com/books?id=SXPYAAAAMAAJ&pg=RA1-PT184] বিকল্প: ''[http://www.augustinus.it/latino/lettera_cattolici/lettera_cattolici.htm Epistula ad Catholicos de secta Donatistarum]''।
*Quaerite, Donatistae, si nescitis, quaerite ab Ierusalem per terrena itinera in circuitu usque in Illyricum quot mansiones sint: si tot Ecclesias computemus, dicite quemadmodum per Africanas contentiones perire potuerunt. Ad Corinthios, ad Ephesios, ad Philippenses, ad Thessalonicenses, ad Colossenses vos solas Apostoli epistulas in lectione, nos autem et epistulas in lectione ac fide et ipsas Ecclesias in communione retinemus. [http://books.google.com/books?id=iPQQAAAAYAAJ&pg=PA412 পিএল ৪৩, ৪১৪]
**'''জিজ্ঞাসা করো, হে ডোনাটিস্টরা, যদি তোমরা এটি না জানো, তবে জিজ্ঞাসা করো ইলিরিকাম পর্যন্ত প্রেরিতের ভ্রমণে কতোগুলো থামার জায়গা ছিল।''' চার্চগুলোর সংখ্যা যোগ করো, এবং আমাকে বলো যে আমাদের আফ্রিকান বিবাদের মাধ্যমে সেগুলো কীভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে। করিন্থ, ইফেসাস, ফিলিপি, থেসালোনিকা, কলোসা - তোমাদের কাছে কেবল পড়ার জন্য প্রেরিতদের চিঠিগুলো রয়েছে যা তিনি তাদের উদ্দেশ্যে লিখেছিলেন। আমরা চিঠিগুলো পড়ি, আমরা বিশ্বাস সংরক্ষণ করি। আমরা গির্জাগুলোর সাথে যোগাযোগ করি। (অধ্যায় ১২:৩১)
***[[w:আর্থার হেডলাম|এ. সি. হেডলাম]] এই শব্দগুলোকে [http://books.google.com/books?id=gxjlXxw0HMMC&q=%22This+is+the+argument+of+the+whole+treatise.%22&dq=%22This+is+the+argument+of+the+whole+treatise.%22&hl=en&ei=UWdQTovZBqrJsQKNs73JDQ&sa=X&oi=book_result&ct=result&resnum=1&ved=0CCoQ6AEwAA "পুরো চুক্তির যুক্তি"] হিসেবে বিবেচনা করেন। দেখুন, [http://www.archive.org/details/doctrineofchurch00headuoft ''দ্য ডকট্রিন অব দ্য চার্চ অ্যান্ড খ্রিষ্টান রিইউনিয়ন: বিয়িং দ্য বাম্পটন লেকচার্স ফর দ্য ইয়ার ১৯২০]'', রেভারেন্ড আর্থার কেইলি হেডলাম, ডি.ডি., লন্ডন, জন মারে, পৃষ্ঠা ১৫২।
*** [http://books.google.com/books?id=RACb6TICT4QC&pg=PA131&dq=%22ask+o+ye+donatists%22&hl=en&ei=NpJRTt2qD8rlsQKsnvzQBQ&sa=X&oi=book_result&ct=result&resnum=1&ved=0CCoQ6AEwAA#v=onepage&q=%22ask%20o%20ye%20donatists%22&f=false ''দ্য গসপেল অ্যান্ড ক্যাথলিক চার্চ'', (১৯৩৬, পুনঃপ্রকাশিত সংস্করণ ২০০৯)], [[w:মাইকেল র্যামসি|মাইকেল র্যামসি]], হেনড্রিকসন পাবলিশার্স; {{ISBN|1598563890}} {{ISBN|9781598563894}}, পৃষ্ঠা ১৩১।
*'''মাথা এবং শরীর সম্পূর্ণরূপে খ্রিষ্ট'''। মাথা হলো ঈশ্বরের একমাত্র জন্ম নেওয়া পুত্র, শরীর হলো তাঁর চার্চ; বর এবং কনে, এক দেহে দুজন। যারা খ্রিষ্টের বিষয়ে শাস্ত্র থেকে ভিন্নমত পোষণ করে, যদিও তারা চার্চ পাওয়া যায় এমন সব জায়গায় পাওয়া যেতে পারে, তবে তারা চার্চে নেই; এবং আবার যারা মাথা সম্পর্কিত শাস্ত্রে একমত, এবং চার্চের ঐক্যে যোগাযোগ করে না, তারা চার্চে নেই।
**''চার্চের ঐক্যের বিষয়ে [[w:পোপ ত্রয়োদশ লিও|পোপ ত্রয়োদশ লিওর]] এনসাইক্লিকাল লেটার'', ২৯ জুন, ১৮৯৬, অধ্যায় ১৬, ''পাবলিকেশনস অব দ্য ক্যাথলিক ট্রুথ সোসাইটি'', ১৮৯৬, লন্ডন, খণ্ড ৩০, পৃষ্ঠা ৪১। [http://books.google.com/books?id=pYcQAAAAIAAJ&pg=PA41&dq=%22Head+and+the+body+are+Christ+wholly+and+entirely%22&hl=en&ei=6JVRToOwCYbKsQKKxvTHBg&sa=X&oi=book_result&ct=result&resnum=2&ved=0CC8Q6AEwAQ#v=onepage&q=%22Head%20and%20the%20body%20are%20Christ%20wholly%20and%20entirely%22&f=false]
*** বিকল্প অনুবাদ: '''পুরো খ্রিষ্ট হলো মাথা এবং শরীর।''' মাথা, ঈশ্বরের একমাত্র জন্ম নেওয়া পুত্র; এবং তাঁর শরীর, চার্চ: বর এবং কনে, এক দেহে দুজন। যারা মাথার সম্মানের বিষয়ে পবিত্র শাস্ত্র থেকে ভিন্নমত পোষণ করে, এমনকি চার্চ যে জায়গাগুলোতে চিহ্নিত করা হয়েছে সেগুলোতে পাওয়া গেলেও তারা চার্চে নেই। এবং আবার, যারা মাথার বিষয়ে পবিত্র শাস্ত্রের সাথে একমত, এবং শরীরের ঐক্যের সাথে যোগাযোগ করে না, তারা চার্চে নেই, কারণ তারা খ্রিষ্টের শরীর সম্পর্কে খ্রিষ্টের নিজস্ব সাক্ষ্য থেকে ভিন্নমত পোষণ করে, যা হলো চার্চ।
*** [[w:এডওয়ার্ড বুভেরি পুসে|ডা. পুসে]], ''[http://books.google.com/books?id=Cn-pxLKAcRIC&pg=PA82&dq=%22whole+Christ+is+Head+and+Body.+The+Head,+the+only-begotten+Son+of+God%22&hl=en&ei=gZZRTpHKDqmusQKQ8cnnBg&sa=X&oi=book_result&ct=result&resnum=1&ved=0CCoQ6AEwAA#v=onepage&q=%22whole%20Christ%20is%20Head%20and%20Body.%20The%20Head%2C%20the%20only-begotten%20Son%20of%20God%22&f=false অ্যান্ড দ্য অ্যানসিয়েন্ট চার্চ'' (১৮৬৬), থমাস ডব্লিউ. অ্যালিস রচিত, লংম্যানস, গ্রিন, লন্ডন, পৃষ্ঠা ৮২]।
*'''আমরা এমনকি ক্যাথলিক বিশপদের শিক্ষার সাথেও একমত হতে পারি না, যদি কখনও তারা ঈশ্বরের প্রামাণিক শাস্ত্রের বিপরীত মতামতে প্রতারিত হয়'''; কিন্তু যদি তারা এভাবে ত্রুটিতে পড়ে, '''এবং তবুও ঐক্য ও দাতব্যের বন্ধন বজায় রাখে''', তবে তাদের ক্ষেত্রে প্রেরিতের উক্তি কাজে লাগুক: 'এবং যদি কিছুতে আপনারা অন্যভাবে চিন্তা করেন, ঈশ্বর আপনাদের কাছে এটিও প্রকাশ করবেন।' এখন এই ঐশ্বরিক শব্দগুলোর সমগ্র চার্চের ওপর এতোটা সুস্পষ্ট প্রয়োগ রয়েছে যে, তাদের একগুঁয়ে [[বিকৃতি|বিকৃতিতে]] এবং অন্ধ ক্ষোভে বিধর্মী ছাড়া আর কেউই তাদের বিরুদ্ধে ঘেউ ঘেউ করতে পারে না। (তুলনা করুন অগাস্টিনের ''রিপ্লাই টু ফস্টাস দ্য ম্যানিচিয়ান'' (কন্ট্রা ফস্টাম), বই ১১, ৫ [http://www.google.com/search?tbm=bks&tbo=1&q=%22For+we+are+of+those+of+whom+the+apostle+says%3A+%22And+if+ye+be+otherwise+minded%22&btnG=#q=%22For+we+are+of+those+of+whom+the+apostle+says:+%22And+if+ye+be+otherwise+minded%22&um=1&hl=en&ie=UTF-8&tbo=u&tbm=bks&source=og&sa=N&tab=wp&bav=on.2,or.r_gc.r_pw.&fp=285f39394c4fa235&biw=1247&bih=731] )
**''দ্য ইউনিটি অব দ্য চার্চ'' (১৮৪২), [[w:হেনরি এডওয়ার্ড ম্যানিং|হেনরি এডওয়ার্ড ম্যানিং]], জন মারে (প্রকাশক), লন্ডন, পৃষ্ঠা ৫২। [http://books.google.com/books?id=qNc-AAAAIAAJ&pg=PA52&dq=%22We+may+not+assent+to+the+teaching+even+of+the+Catholic+bishops%22&hl=en&ei=1mxQToqjBsyfsQL4mpmFCw&sa=X&oi=book_result&ct=result&resnum=1&ved=0CCoQ6AEwAA#v=onepage&q=%22We%20may%20not%20assent%20to%20the%20teaching%20even%20of%20the%20Catholic%20bishops%22&f=false]<small> মন্তব্য: “সমসাময়িক ব্যক্তিত্বদের জন্য, অগাস্টিন ডোনাটিস্ট বিশ্বাসীদের তাদের বিশপদের দিকে মনোযোগ না দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছিলেন যারা বিভেদকে স্থায়ী করেছিল। 'ক্যাথলিক বিশপদেরও অনুসরণ করা উচিত নয় যখন তারা ভুল করে এবং ঈশ্বরের প্রামাণিক শাস্ত্রের বিপরীত মত পোষণ করে।' যেমনটি [[w:ইভেস কঙ্গার|কঙ্গার]] ব্যাখ্যা করেছেন, প্রতিটি বিশপ তার চার্চের বিশ্বাসের সাথে একতাবদ্ধ যা শাস্ত্রের ওপর নির্ভরশীল। এই কথা বলার সময়, অগাস্টিন স্পষ্টতই ক্যাথলিক বিশপদের মধ্যে শাস্ত্রের প্রতি কোনো আধা-সার্বজনীন বিরোধিতার সম্ভাবনাকে গুরুত্ব সহকারে নেননি, বরং একটি সম্ভাব্য ''স্থানীয় বা আঞ্চলিক'' ব্যাঘাতের কথা কল্পনা করেছিলেন। ''অগাস্টিনিয়ান স্টাডিজ'', ১৯৮০, খণ্ড ১১-১২, অগাস্টিনিয়ান ইনস্টিটিউট, ভিলানোভা, পেনসিলভানিয়া, ভিলানোভা ইউনিভার্সিটি প্রেস, পৃষ্ঠা ১৩৮। [http://books.google.com/books?id=mB4ZAAAAIAAJ&q=%22urged+the+Donatist+faithful+not+to+heed+their+bishops+who+were%22&dq=%22urged+the+Donatist+faithful+not+to+heed+their+bishops+who+were%22&hl=en&ei=ixouToagCuSNsQLn4N1K&sa=X&oi=book_result&ct=result&resnum=1&ved=0CCkQ6AEwAA]</small>
=== ''Ten Homilies on the First Epistle of John'' (৪১৪) ===
::<small>''আরও দেখুন: [[যোহনের প্রথম পত্র]]''</small>
* আলো আপনাকে লজ্জিত করবে না, যদি এটি আপনার নিজের কদর্যতা দেখায়, এবং সেই কদর্যতা আপনাকে এতোটাই বিরক্ত করে যে আপনি আলোর সৌন্দর্য উপলব্ধি করতে পারেন।
** জন বার্নাবি অনূদিত ফার্স্ট হোমিলি (১৯৫৫), পৃষ্ঠা ২৬২।
* ভালোবাসার পূর্ণতা কী? আমাদের শত্রুদের ভালোবাসা, এবং তাদের ভালোবাসার শেষ পরিণতি হলো যেন তারা আমাদের ভাই হতে পারে।
** জন বার্নাবি অনূদিত ফার্স্ট হোমিলি (১৯৫৫), পৃষ্ঠা ২৬৬।
* পৃথিবীর জন্য ঝগড়ায়, পৃথিবীর দিকে ঘুরবেন না।
** জন বার্নাবি অনূদিত ফার্স্ট হোমিলি (১৯৫৫), পৃষ্ঠা ২৬৭।
* বিশ্বের প্রতি মন্দ ভালোবাসাকে বন্ধ করুন, যাতে আপনি ঈশ্বরের ভালোবাসায় পূর্ণ হতে পারেন। আপনি এমন একটি পাত্র যা আগেই পূর্ণ ছিল: আপনার যা আছে তা ঢেলে ফেলতে হবে, যাতে আপনার যা নেই তা নিতে পারেন।
** জন বার্নাবি অনূদিত সেকেন্ড হোমিলি (১৯৫৫), পৃষ্ঠা ২৭৪।
*<p>একজন মানুষ বলতে পারে, "পৃথিবীতে যা আছে তা ঈশ্বরের সৃষ্টি। ... ঈশ্বরের সৃষ্টিকে আমি কেন ভালোবাসব না?" ...</p><p>ধরুন, আমার ভাইয়েরা, একজন পুরুষ তার বাগদত্তার জন্য একটি আংটি তৈরি করে, এবং সে তার জন্য এটি তৈরি করা বাগদত্তার চেয়ে তাকে দেওয়া আংটিটিকে বেশি পছন্দ করে, তবে কি তার হৃদয় অবিশ্বস্ততার জন্য দোষী সাব্যস্ত হবে না? ... ঈশ্বর আপনাকে এই সমস্ত জিনিস দিয়েছেন: তাই, যিনি এগুলো তৈরি করেছেন তাঁকে ভালোবাসুন।</p>
** জন বার্নাবি অনূদিত সেকেন্ড হোমিলি (১৯৫৫), পৃষ্ঠা ২৭৫-২৭৬।
* প্রত্যেকে তার নিজের হৃদয়ের দিকে নজর রাখুক: কোনো কঠোর কথার জন্য সে যেন তার ভাইয়ের প্রতি ঘৃণা পোষণ না করে; জাগতিক বিবাদের কারণে সে যেন মাটি না হয়ে যায়।
** ফার্স্ট হোমিলি, অনুচ্ছেদ ১১, এইচ. ব্রাউন অনূদিত, ''নিসিন অ্যান্ড পোস্ট-নিসিন ফাদার্স, ফার্স্ট সিরিজ'', খণ্ড ৭ (১৮৮৮)।
* ''Quantum in te crescit amor, tantum crescit pulchritudo; quia ipsa caritas est animae pulchritudo.''
** আপনার মধ্যে [[ভালোবাসা]] যতোটুকু বাড়ে, [[সৌন্দর্য|সৌন্দর্যও]] ততোটাই বাড়ে, কারণ [[দাতব্য]] নিজেই [[আত্মা|আত্মার]] সৌন্দর্য।
*** নবম হোমিলি, অনুচ্ছেদ ৯, বনিফেস র্যামসি অনূদিত (২০০৮) অগাস্টিনিয়ান হেরিটেজ ইনস্টিটিউট।
:* বিকল্প অনুবাদ:
:** আপনার মধ্যে ভালোবাসা যতোটা বৃদ্ধি পায়, সৌন্দর্য ততোটাই বৃদ্ধি পায়; কারণ ভালোবাসা নিজেই আত্মার সৌন্দর্য।
:*** এইচ. ব্রাউন এবং জে. এইচ. মেয়ার্স অনূদিত, ''দ্য নিসিন অ্যান্ড পোস্ট নিসিন ফাদার্স'' (১৯৯৫)।
:* ভিন্নতা:
:** যেহেতু আপনার ভেতরে ভালোবাসা বৃদ্ধি পায়, তাই সৌন্দর্যও বৃদ্ধি পায়। কারণ ভালোবাসা হলো আত্মার সৌন্দর্য।
:*** গ্রেগরি বার্গম্যান রচিত ''দ্য লিটল বুক অব বাথরুম ফিলোসফি : ডেইলি উইজডম ফ্রম দ্য গ্রেটেস্ট থিংকারস'' (২০০৪), পৃষ্ঠা ৫০ এ অনূদিত।
===''[[w:অন দ্য ট্রিনিটি|অন দ্য ট্রিনিটি]]'' (৪১৭)===
:<small>''De trinitate'' [[s:la:De trinitate (Aurelius Augustinus)|উইকিসোর্সে সম্পূর্ণ লাতিন পাঠ্য]]</small>
* সত্য খোঁজার ঝোঁক অনুমান করার চেয়ে নিরাপদ যা অজানা জিনিসগুলোকে জানা হিসেবে বিবেচনা করে।
** (ক্যামব্রিজ: ২০০২), বই ৯, অধ্যায় ১, পৃষ্ঠা ২৪।
* আমি যখন এই অনুসন্ধান পরিচালনা করি এবং কিছু ভালোবাসি, তখন তিনটি জিনিস পাওয়া যায়: আমি, আমি যা ভালোবাসি, এবং ভালোবাসা নিজে। ... তাই সেখানে তিনটি জিনিস আছে: প্রেমিক, প্রেমিকা এবং ভালোবাসা।
** (ক্যামব্রিজ: ২০০২), বই ৯, অধ্যায় ২, অনুচ্ছেদ ২, পৃষ্ঠা ২৬।
* মন নিজেই, এর [নিজের প্রতি] ভালোবাসা এবং এর [নিজের সম্পর্কে] জ্ঞান হলো এক ধরনের ত্রিত্ব।
** (ক্যামব্রিজ: ২০০২), বই ৯, অধ্যায় ৪, অনুচ্ছেদ ৪, পৃষ্ঠা ২৭।
লিপি — ''de Trinitate'' ২০০-২৫৮ "ঈশ্বর কখনও কখনও নবীদের প্রতীকী ভাষা ব্যবহার করতেন যা [ইসরায়েলিদের] বিশ্বাসের অবস্থার সাথে মানানসই ছিল এবং যা ঈশ্বরকে ঈশ্বর হিসেবে নয়, বরং মানুষ যেভাবে বুঝতে সক্ষম হয়েছিল সেভাবে প্রতিফলিত করে। অতএব, ঈশ্বর মাঝারি নন, কিন্তু মানুষের বোঝাপড়া মাঝারি; ঈশ্বর সীমাবদ্ধ নন, কিন্তু মানুষের মনের বুদ্ধিবৃত্তিক ক্ষমতা সীমাবদ্ধ।"
*হ্যাঁ, আপনি [[ত্রিত্ব|ত্রিত্বকে]] দেখতে পাবেন যদি আপনি [[দাতব্য|দাতব্যকে]] দেখতে পান।
**'' De Trinitate'' [https://caritasveritatis-blog.translate.goog/2022/06/11/solennita-della-santissima-trinita-c-riflessi-dellamore-divino/?_x_tr_sl=it&_x_tr_tl=en&_x_tr_hl=it&_x_tr_pto=wapp ৮ ৮,১২]।
===চিঠি ১৯৯ (৪১৮ খ্রিষ্টাব্দ)===
:<small>[https://web.archive.org/web/20180310041656/http://www.abbaye-saint-benoit.ch/saints/augustin/lettres/s003/l199.htm ফরাসিতে অনুচ্ছেদ ২৪]</small>
*এমনকি তখনও [প্রেরিত ২-এ পিটারের বক্তৃতার সময়] শেষ দিনগুলো ছিল; এখন এটি আরও কতোটা বেশি, যখন প্রভুর আরোহণের পর থেকে যতোটা সময় পার হয়েছে ততোটা সময় বিশ্বের শেষ পর্যন্ত এখনও বাকি থাকতে হবে! আমরা বিশ্বের শেষ জানি না, কারণ পিতা তাঁর ক্ষমতায় যে সময়গুলো বা ঋতুগুলো নির্ধারণ করেছেন তা জানা আমাদের জন্য নয়; কিন্তু আমরা জানি যে, প্রেরিতদের মতো, আমরা শেষ সময়ে, শেষ দিনে, শেষ প্রহরে বাস করছি। যারা প্রেরিতদের পরে এবং আমাদের আগে বাস করত তারা আমরা যাকে শেষ সময় বলি তাতে বেশি ছিল, এবং আমরা নিজেরাই তাদের চেয়ে বেশি সেখানে আছি; আমাদের পরে যারা আসবে তারা আরও অনেক বেশি হবে, যতক্ষণ না কেউ তাদের কাছে পৌঁছায় যারা হবে, যদি বলা যায়, শেষের শেষ, এবং শেষ পর্যন্ত সেই দিনে, একেবারে শেষে, যার বিষয়ে প্রভু বলতে চেয়েছিলেন যখন তিনি বলেছিলেন, "এবং আমি তাকে শেষ দিনে জীবিত করব"। আমরা সেই দিন থেকে কতো দূরে? এটি একটি দুর্ভেদ্য রহস্য।
===''De Baptismo''===
*''Salus extra ecclesiam non est'' বা ''[[w:এক্সট্রা এক্লেসিয়াম নুল্লা স্যালুস|Extra Ecclesiam nulla salus]]''
**'''চার্চের বাইরে কোনো মুক্তি নেই।'''
**''অন ব্যাপটিজম, অ্যাগেইনস্ট দ্য ডোনাটিস্টস'', বই ৪, অধ্যায় ১৭। সেন্ট [[w:সাইপ্রিয়েন|সাইপ্রিয়েনের]] [http://books.google.com/books?id=8HkXAAAAIAAJ&pg=PA458&dq=augustine+%22is+not+without+the+Church%22&hl=en&ei=7I3yTbj3N5StgQeXjenNCw&sa=X&oi=book_result&ct=result&resnum=8&ved=0CE4Q6AEwBw#v=onepage&q=%22is%20not%20without%20the%20Church%22&f=false বিখ্যাত শিক্ষার] উদ্ধৃতি দিয়ে। চিঠি ১৮৫:৫০ এ (ডোনাটিস্ট বিতর্কে), অগাস্টিন তাদের বিষয়ে বলেছেন যারা ''জেনেশুনে'' চার্চের ঐক্য থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েছে: "অধিকন্তু, কেবল ক্যাথলিক চার্চই খ্রিষ্টের দেহ, যার তিনি প্রধান এবং তাঁর দেহের ত্রাণকর্তা। এই দেহের বাইরে পবিত্র আত্মা কাউকে জীবন দেয় না, যেহেতু প্রেরিত নিজেই বলেছেন, 'ঈশ্বরের ভালোবাসা পবিত্র আত্মার দ্বারা আমাদের হৃদয়ে ছড়িয়ে পড়েছে যা আমাদের দেওয়া হয়েছে;' তবে সে ঐশ্বরিক ভালোবাসার অংশীদার নয় '''যে ঐক্যের শত্রু'''। অতএব তাদের কাছে পবিত্র আত্মা নেই যারা চার্চের বাইরে; কারণ তাদের বিষয়ে লেখা আছে, 'তারা ''নিজেদের আলাদা করে'', কামুক হওয়া, আত্মা না থাকা।'" [http://books.google.com/books?id=USoMAAAAIAAJ&pg=PA519&dq=%22catholic+church+alone+is+the+body+of+christ%22&hl=en&ei=4KbyTcqgG87PgAeO6ujjCw&sa=X&oi=book_result&ct=result&resnum=9&ved=0CFMQ6AEwCA#v=onepage&q=%22catholic%20church%20alone%20is%20the%20body%20of%20christ%22&f=false]। অগাস্টিন, তবে, কিছু ব্যতিক্রমের অনুমতি দেন, যেমন উদাহরণস্বরূপ, [[w:অজেয় অজ্ঞতা হেত্বাভাস|অজেয় অজ্ঞতার]] ক্ষেত্রে। ইউজিন পোর্টালে, এস.জে. লিখেছেন: "আত্মার ওপর ঈশ্বরের তাৎক্ষণিক প্রভাব, চার্চের এই সাধারণত অপরিহার্য ভূমিকা দ্বারা বাধাগ্রস্ত হয় না। এটি প্রোটেস্ট্যান্টদের একটি অভিযোগ যা অগাস্টিন আগেই আঁচ করেছিলেন। (১) চার্চে, ঈশ্বর অভ্যন্তরীণ শিক্ষক এবং সমস্ত মঙ্গলের অনুপ্রেরণাদাতা হিসেবে তাঁর অনুগ্রহের মাধ্যমে অবিরাম আত্মায় কাজ করেন। (২) চার্চের বাইরে, ঈশ্বরের হাত বাঁধা নয়: তিনি আত্মায় মানবিক হস্তক্ষেপ ছাড়াই অনুগ্রহের বিস্ময়কর কাজ করতে পারেন যারা ''এখনও চার্চকে চেনে না'', যেমন সেঞ্চুরিয়ান কর্নেলিয়াসের ঘটনা সাক্ষ্য দেয়, যিনি বাপ্তিস্ম নেওয়ার আগেই পবিত্র আত্মা পেয়েছিলেন। ঈশ্বর এটি করেন যাতে আরও স্পষ্টভাবে দেখানো যায় যে তিনি সর্বদা এবং মন্ত্রী নয় যিনি পবিত্র করেন: "কেন এটি এখন এইভাবে ঘটে, এখন সেভাবে, তবে আমাদের মানবিক অহংকারের কোনো কিছুর জন্য দায়ী করা প্রতিরোধ করা ছাড়া কেবল ঐশ্বরিক অনুগ্রহ এবং ক্ষমতার কাছে?" উপসংহার হলো যে ঈশ্বর কখনও কখনও চার্চ এবং স্যাক্রামেন্টগুলো ছাড়াই পবিত্র করেন, ''তবে কখনও এমন কাউকে নয় যে স্যাক্রামেন্টগুলোকে অবজ্ঞা করে'': "অতএব আমরা উপসংহারে আসি যে একটি অদৃশ্য পবিত্রতা কিছুকে দেওয়া হয়েছে এবং দৃশ্যমান স্যাক্রামেন্টগুলো ছাড়াই সুবিধার জন্য ব্যবহৃত হয়েছে.... তবে সেই কারণে দৃশ্যমান স্যাক্রামেন্টগুলোকে অবজ্ঞা করা যাবে না, কারণ যে এটিকে অবজ্ঞা করে সে কোনোভাবেই অদৃশ্যভাবে পবিত্র হতে পারে না।" [http://books.google.com/books?id=ULAiVpCMGrAC&pg=RA1-PT349&lpg=RA1-PT349&dq=%22invisible+sanctification+has+been+offered+to+some%22&source=bl&ots=eiCbBwZI1I&sig=mp4zavhfLwzEA_kEB97m_g1maDM&hl=en&ei=Y5nyTYWbBo7VgAegpcjTCw&sa=X&oi=book_result&ct=result&resnum=7&ved=0CFsQ6AEwBg#v=onepage&q=%22invisible%20sanctification%20has%20been%20offered%20to%20some%22&f=false জোসেফ পি. ফারেল রচিত ''গড, হিস্ট্রি, অ্যান্ড ডায়ালেক্টিক: দ্য থিওলজিক্যাল ফাউন্ডেশনস অব দ্য টু ইউরোপস'' (১৯৯৭)], সেভেন কাউন্সিলস প্রেস,<small> {{ISBN|0966086007}} {{ISBN|9780966086003 }}</small> পৃষ্ঠা ১০১৩, এটি এইচ. রেগনারি রচিত [http://books.google.com/books?id=3sYIAQAAIAAJ&q=A+Guide+to+the+Thought+of+St.+Augustine&dq=A+Guide+to+the+Thought+of+St.+Augustine&hl=en&ei=Kp3yTfD8Lce4twfNs-j4Bg&sa=X&oi=book_result&ct=result&resnum=2&ved=0CDEQ6AEwAQ ''অ্যা গাইড টু দ্য থট অব সেন্ট অগাস্টিন'' (১৯৬০), পৃষ্ঠা ২৩২-২৩৩]-এও রয়েছে।
===''De coniugiis adulterinis''===
*যে ব্যক্তি তার ব্যভিচারী স্ত্রীকে বিতাড়িত করে এবং অন্য একজন মহিলাকে বিয়ে করে, যেখানে তার প্রথম স্ত্রী তখনও বেঁচে থাকে, সে চিরকাল ব্যভিচারের অবস্থায় থাকে। এমন মানুষ নতুন স্ত্রীকে ত্যাগ করতে অস্বীকার করলে কোনো কার্যকর তপস্যা করে না। সে যদি ক্যাটেচুমেন হয়, তবে তাকে বাপ্তিস্মের জন্য ভর্তি করা যাবে না, কারণ তার ইচ্ছা মন্দের মধ্যে নিহিত থাকে। যদি সে একজন (বাপ্তিস্মপ্রাপ্ত) অনুতপ্ত হয়, তবে সে (গির্জা সংক্রান্ত) পুনর্মিলন গ্রহণ করতে পারবে না যতক্ষণ না সে তার খারাপ মনোভাব থেকে বেরিয়ে আসে।
**''De adulterinis coniugiis'', ২, ১৬, বিশপ [[অ্যাথানাসিয়াস স্নাইডার]] রচিত, [https://rorate-caeli.blogspot.com/2015/11/rorate-exclusive-bishop-athanasius.html ''রিঅ্যাকশন টু সিনড ডোর টু কমিউনিয়ন ফর ডিভোর্সড অ্যান্ড রিম্যারিড অফিশিয়ালি কিকড ওপেন''], ২ নভেম্বর, ২০১৫।
===''De Genesi ad Litteram''===
* ''Quapropter bono christiano, sive mathematici, sive quilibet impie divinantium, maxime dicentes vera, cavendi sunt, ne consortio daemoniorum animam deceptam, pacto quodam societatis irretiant.''
** ২, ১৭, ৩৭।
** ভালো খ্রিষ্টানদের গণিতবিদ এবং সেই সব লোকদের থেকে সাবধান থাকা উচিত যারা শূন্য ভবিষ্যদ্বাণী করে। ইতিমধ্যেই বিপদ বিদ্যমান যে গণিতবিদেরা আত্মাকে অন্ধকার করতে এবং মানুষকে নরকের বন্ধনে আবদ্ধ করতে শয়তানের সাথে একটি চুক্তি করেছে।
*** ''ম্যাথমেটিক্স ইন ওয়েস্টার্ন কালচার'' (১৯৫৩) এ অনুবাদ প্রকাশিত হয়েছে।
** তাই, একজন ধর্মপ্রাণ খ্রিষ্টানকে অবশ্যই জ্যোতিষী এবং সমস্ত ভক্তিহীন দৈবজ্ঞদের এড়িয়ে চলতে হবে, বিশেষত যখন তারা সত্য কথা বলে, এই ভয়ে যে তারা দানবদের সাথে মেলামেশা করে এবং এই ধরনের মেলামেশার বন্ধনে নিজেকে জড়িয়ে তাদের আত্মাকে ভুলের পথে পরিচালিত করতে পারে।
*** ''অ্যানসিয়েন্ট খ্রিষ্টান রাইটার্স'' (১৯৮২) এ জে. এইচ. টেলর দ্বারা আধুনিক অনুবাদ।
** দ্রষ্টব্য: সুপরিচিত, কিন্তু ভুল ইংরেজি অনুবাদটি মরিস ক্লাইনের ''ম্যাথমেটিক্স ইন ওয়েস্টার্ন কালচার'' (১৯৫৩) এর ৩ পৃষ্ঠায় প্রকাশিত হয়েছিল। এই বইটি গণিতের ছাত্রদের কাছে প্রিয় এবং এখনও মুদ্রিত হয়। লাতিন শব্দ ''mathematici'' গ্রিক অর্থের "শেখা কিছু" থেকে এসেছে এবং মূলত জ্যোতিষীদের বোঝায়। এটি সে সময় গণিতের প্রধান শাখা ছিল কিন্তু আধুনিক সময়ে প্রচুর অন্যান্য শাখা দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়েছে। ''শর্টার অক্সফোর্ড ইংলিশ ডিকশনারি'', ৩য় সংস্করণ অনুসারে, "mathematician" শব্দের অর্থ ১৭১০ সাল পর্যন্ত জ্যোতিষী ছিল।
*যে বিষয়গুলো এতো অস্পষ্ট এবং আমাদের [[দৃষ্টি|দৃষ্টির]] অনেক বাইরে, আমরা পবিত্র শাস্ত্রে এমন অনুচ্ছেদগুলো খুঁজে পাই যা আমাদের প্রাপ্ত [[বিশ্বাস|বিশ্বাসের]] প্রতি কোনো কুসংস্কার ছাড়াই খুব ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করা যেতে পারে। এমন ক্ষেত্রে, আমাদের তাড়াহুড়ো করা উচিত নয় এবং দৃঢ়ভাবে একপাশে দাঁড়ানো উচিত নয় যাতে, সত্যের সন্ধানে আরও অগ্রগতি ন্যায়সঙ্গতভাবে এই অবস্থানকে ক্ষুণ্ন করে, তবে আমরাও এর সাথে পড়ে যাই।"
** ১, ১৮, ৩৭। জে. এইচ. টেলর দ্বারা আধুনিক অনুবাদ।
*এমন একজনকে আমার উত্তর হলো যে আমি একটি পুষ্টিকর কার্নেলে পৌঁছেছি এবং শিখেছি যে কোনো মানুষের তার বিশ্বাস অনুসারে উত্তর দিতে কোনো অসুবিধা নেই যা তার তাদের দেওয়া উচিত যারা আমাদের পবিত্র শাস্ত্রের মানহানি করার চেষ্টা করে। তারা যখন নির্ভরযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে শারীরিক বিজ্ঞানের কিছু সত্য প্রমাণ করতে সক্ষম হবে, তখন আমরা দেখাবো যে এটি আমাদের শাস্ত্রের পরিপন্থী নয়। কিন্তু তারা যখন তাদের কোনো বই থেকে শাস্ত্রের বিপরীত, এবং তাই ক্যাথলিক বিশ্বাসের বিপরীত একটি তত্ত্ব তৈরি করে, তখন হয় আমাদের প্রমাণ করার কিছু ক্ষমতা থাকবে যে এটি একেবারেই মিথ্যা, অথবা অন্তত আমরা নিজেরাই কোনো সন্দেহ ছাড়াই এটি ধরে রাখব। এবং আমরা আমাদের মধ্যস্থতাকারীকে এতোটাই আঁকড়ে ধরব, "যাঁর মধ্যে প্রজ্ঞা এবং [[জ্ঞান|জ্ঞানের]] সমস্ত ধন লুকিয়ে আছে," যে আমরা মিথ্যা দর্শনের চাটুকার কথায় বিপথগামী হব না বা মিথ্যা ধর্মের কুসংস্কারে ভীত হব না। যখন আমরা ক্যাথলিক বিশ্বাসের দৃঢ় ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত এবং কয়েকটি শব্দ থেকে আঁকা সত্য মতবাদগুলোর এই বিস্তৃত বৈচিত্র্যের আলোকে অনুপ্রাণিত বইগুলো পড়ি, তখন আসুন আমরা এমন একটি বেছে নিই যা লেখকের উদ্দিষ্ট অর্থ হিসেবে নিশ্চিত বলে মনে হয়। তবে এটি যদি পরিষ্কার না হয়, তবে অন্তত আমাদের শাস্ত্রের প্রেক্ষাপটের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং আমাদের বিশ্বাসের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি ব্যাখ্যা বেছে নেওয়া উচিত। কিন্তু শাস্ত্রের প্রেক্ষাপট দ্বারা অর্থটি অধ্যয়ন এবং বিচার করা না গেলে, অন্তত আমাদের কেবল সেটিই বেছে নেওয়া উচিত যা আমাদের বিশ্বাস দাবি করে। কারণ লেখকের প্রাথমিক অর্থ চিনতে ব্যর্থ হওয়া এক জিনিস, এবং ধর্মীয় বিশ্বাসের রীতিনীতি থেকে সরে আসা অন্য জিনিস। যদি এই দুটি অসুবিধাই এড়ানো যায়, তবে পাঠক তার পড়া থেকে পূর্ণ লাভ পায়।"
** ১, ২১, ৪১। জে. এইচ. টেলর দ্বারা আধুনিক অনুবাদ।
* ''Plerumque enim accidit ut aliquid de terra, de coelo, de caeteris mundi huius elementis, de motu et conversione vel etiam magnitudine et intervallis siderum, de certis defectibus solis ac lunae, de circuitibus annorum et temporum, de naturis animalium, fruticum, lapidum, atque huiusmodi caeteris, etiam non christianus ita noverit, ut certissima ratione vel experientia teneat. Turpe est autem nimis et perniciosum ac maxime cavendum, ut christianum de his rebus quasi secundum christianas Litteras loquentem, ita delirare audiat, ut, quemadmodum dicitur, toto coelo errare conspiciens, risum tenere vix possit. Et non tam molestum est, quod errans homo deridetur, sed quod auctores nostri ab eis qui foris sunt, talia sensisse creduntur, et cum magno eorum exitio de quorum salute satagimus, tamquam indocti reprehenduntur atque respuuntur. Cum enim quemquam de numero Christianorum in ea re quam optime norunt, errare comprehenderint, et vanam sententiam suam de nostris Libris asserere; quo pacto illis Libris credituri sunt, de resurrectione mortuorum, et de spe vitae aeternae, regnoque coelorum, quando de his rebus quas iam experiri, vel indubitatis numeris percipere potuerunt, fallaciter putaverint esse conscriptos? Quid enim molestiae tristitiaeque ingerant prudentibus fratribus temerarii praesumptores, satis dici non potest, cum si quando de prava et falsa opinatione sua reprehendi, et convinci coeperint ab eis qui nostrorum Librorum auctoritate non tenentur, ad defendendum id quod levissima temeritate et apertissima falsitate dixerunt, eosdem Libros sanctos, unde id probent, proferre conantur, vel etiam memoriter, quae ad testimonium valere arbitrantur, multa inde verba pronuntiant, non intellegentes neque quae loquuntur, neque de quibus affirmant.''
** ১, ১৯, ৩৯।
** সাধারণত, এমনকি একজন অখ্রিষ্টানও পৃথিবী, আকাশ এবং এই বিশ্বের অন্যান্য উপাদান সম্পর্কে, নক্ষত্রগুলোর গতি এবং কক্ষপথ এবং এমনকি তাদের আকার এবং আপেক্ষিক অবস্থান সম্পর্কে, সূর্য এবং চাঁদের পূর্বাভাসযোগ্য গ্রহণ সম্পর্কে, বছর এবং ঋতুগুলোর চক্র সম্পর্কে, প্রাণী, গুল্ম, পাথর ইত্যাদির ধরন সম্পর্কে কিছু জানে, এবং সে যুক্তি এবং অভিজ্ঞতা থেকে নিশ্চিত হিসেবে এই [[জ্ঞান|জ্ঞানকে]] আঁকড়ে ধরে। এখন, একজন কাফেরের পক্ষে একজন খ্রিষ্টানকে পবিত্র শাস্ত্রের অর্থ দেওয়া, এই বিষয়গুলোতে বাজে কথা বলতে শোনা একটি লজ্জাজনক এবং বিপজ্জনক ব্যাপার; এবং এই ধরনের একটি বিব্রতকর পরিস্থিতি প্রতিরোধ করার জন্য আমাদের সমস্ত উপায় অবলম্বন করা উচিত, যেখানে লোকেরা একজন খ্রিষ্টানের মধ্যে ব্যাপক অজ্ঞতা দেখায় এবং তাকে নিয়ে হাসাহাসি করে। লজ্জা এতোটা নয় যে একজন অজ্ঞ ব্যক্তিকে উপহাস করা হয়, বরং এটি যে বিশ্বাসের পরিবারের বাইরের লোকেরা মনে করে যে আমাদের পবিত্র লেখকেরা এমন মতামত পোষণ করতেন, এবং যাদের পরিত্রাণের জন্য আমরা পরিশ্রম করি তাদের চরম ক্ষতির জন্য, আমাদের শাস্ত্রের লেখকদের অশিক্ষিত লোক হিসেবে সমালোচনা করা হয় এবং প্রত্যাখ্যান করা হয়। তারা যদি কোনো খ্রিষ্টানকে এমন একটি ক্ষেত্রে ভুল করতে দেখে যা তারা নিজেরাই ভালো করে জানে এবং তাকে আমাদের বইগুলো সম্পর্কে তার বোকা মতামত বজায় রাখতে শোনে, তবে তারা মৃতদের পুনরুত্থান, অনন্ত জীবনের আশা এবং স্বর্গের রাজ্য সম্পর্কিত বিষয়গুলোতে কীভাবে সেই বইগুলোকে বিশ্বাস করবে, যখন তারা মনে করবে যে তাদের পাতাগুলো মিথ্যায় পূর্ণ এবং বাস্তব ঘটনাগুলোর ওপর যা তারা নিজেরাই অভিজ্ঞতা এবং যুক্তির আলো থেকে শিখেছে? পবিত্র শাস্ত্রের বেপরোয়া এবং অযোগ্য ব্যাখ্যাকারীরা তাদের জ্ঞানী ভাইদের জন্য অবর্ণনীয় ঝামেলা এবং দুঃখ নিয়ে আসে যখন তারা তাদের একটি ক্ষতিকারক মিথ্যা মতামতে ধরা পড়ে এবং আমাদের পবিত্র বইগুলোর কর্তৃত্ব দ্বারা আবদ্ধ নয় এমন লোকদের দ্বারা তাদের দায়িত্ব নেওয়া হয়। কারণ তখন, তাদের চরম বোকা এবং স্পষ্টতই অসত্য বিবৃতিগুলোকে রক্ষা করার জন্য, তারা প্রমাণের জন্য পবিত্র শাস্ত্রকে ডাকার চেষ্টা করবে এবং এমনকি স্মৃতি থেকে এমন অনেক অনুচ্ছেদ পাঠ করবে যা তারা মনে করে তাদের অবস্থানকে সমর্থন করে, যদিও তারা যা বলে বা যে বিষয়গুলো সম্পর্কে জোর দেয় তার কোনোটিই তারা বোঝে না।
*** জে. এইচ. টেলর দ্বারা প্রাচীন খ্রিষ্টান লেখকদের অনুবাদ, নিউম্যান প্রেস, ১৯৮২, খণ্ড ৪১।
**বিকল্প অনুবাদ: আমাদের অবশ্যই [শাস্ত্রের] এমন ব্যাখ্যা দেওয়ার বিরুদ্ধে সতর্ক থাকতে হবে যা বিপজ্জনক বা বিজ্ঞানের পরিপন্থী, এবং তাই ঈশ্বরের বাক্যকে অবিশ্বাসীদের উপহাসের পাত্র করে তোলে।
===''In epistolam Ioannis ad Parthos''===
* তাহলে একেবারে চিরকালের জন্য তোমাকে একটি ছোট উপদেশ দেওয়া হলো: '''[[ভালোবাসা|ভালোবাসো]], এবং তোমার যা ইচ্ছা তাই করো:''' তুমি তোমার [[শান্তি|শান্তি]] বজায় রাখো, ভালোবাসার মাধ্যমে তোমার শান্তি বজায় রাখো; তুমি চিৎকার করো, ভালোবাসার মাধ্যমে চিৎকার করো; তুমি সংশোধন করো, ভালোবাসার মাধ্যমে সংশোধন করো; তুমি ক্ষমা করো, ভালোবাসার মাধ্যমে ক্ষমা করো: ভালোবাসার শেকড় ভেতরে থাকতে দাও, এই শেকড় থেকে [[ভালো|ভালো]] ছাড়া আর কিছুই জন্মাতে পারে না।
** [http://www.newadvent.org/fathers/170207.htm ট্র্যাক্টেটাস ৭, ৮]।
** লাতিন: ''"[[wikt:diligo#Latin|dilige]] et quod vis fac."''; ভুলবশত প্রায়ই: ''"[[wikt:amo#Latin|ama]] et fac quod vis."''
** অধ্যাপক জোসেফ ফ্লেচার অনূদিত: '''ভালোবাসো এবং তারপর তোমার যা ইচ্ছা, করো।'''
===''Expositions on the Psalms''===
*[[ঈশ্বর]] এক, এবং চার্চ হলো একটি [[ঐক্য]]; কেবল ঐক্যই তাঁর কাছে সাড়া দিতে পারে যিনি এক। কিন্তু এমন কিছু লোক আছে যারা বলে, "হ্যাঁ, ঘটনাটি অবশ্যই তা-ই ছিল। সমস্ত জাতির মধ্যে ছড়িয়ে থাকা চার্চ তাকে সাড়া দিয়েছিল, বিবাহিত স্ত্রীর চেয়ে বেশি সন্তানের জন্ম দিয়েছিল। ''এটি তার শক্তির পথে তাকে সাড়া দিয়েছিল'', কারণ এটি বিশ্বাস করেছিল যে খ্রিষ্ট পুনরুত্থিত হয়েছেন। সমস্ত জাতি তাকে বিশ্বাস করেছিল। কিন্তু সমস্ত জাতি থেকে আসা সেই চার্চের আর অস্তিত্ব নেই: এটি ধ্বংস হয়ে গেছে।"<br>'''লোকেরা এমনটি বলে যারা চার্চের ভেতরে নেই। কতো বড় নির্লজ্জ দাবি!''' তুমি এতে নেই বলে চার্চের কোনো অস্তিত্ব নেই? সতর্ক থাকো যেন এমন মনোভাবের ফলে তোমার নিজেরই অস্তিত্ব না থাকে, কারণ তুমি না থাকলেও চার্চ এখানে থাকবে। '''কিন্তু ঈশ্বরের আত্মা এই ঘৃণ্য, জঘন্য দাবি, অনুমান এবং মিথ্যায় পূর্ণ এই দাবি, এটিকে সমর্থন করার মতো কিছু নেই, প্রজ্ঞার কোনো স্ফুলিঙ্গ দ্বারা আলোকিত নয়, কোনো লবণ দ্বারা মশলাদার নয় বলে অনুমান করেছিল'''। ঈশ্বরের আত্মা এই ফাঁকা, ভিত্তিহীন, হঠকারী এবং ক্ষতিকারক প্রস্তাবনার প্রত্যাশা করেছিলেন এবং দৃশ্যত এটিকে আগাম খণ্ডন করে ঘোষণা করেছিলেন যে চার্চ ''জনগণকে একত্রে একত্রিত করার দ্বারা এবং প্রভু সেবা করার রাজ্যগুলোর দ্বারা'' ঐক্যবদ্ধ।
** গীতসংহিতা ১০৮ এর এক্সপোজিশন ২। ''[[w:ডোনাটিজম|ডোনাটিস্টদের]] বিরুদ্ধে চার্চের ঐক্য এবং চিরস্থায়িত্ব''।
**''এক্সপোজিশনস অব দ্য সামস ৯৯-১২০ (দ্য ওয়ার্কস অব সেন্ট অগাস্টিন, খণ্ড ১৯ পর্ব ৩)'', বনিফেস র্যামসি সম্পাদিত, মারিয়া বোল্ডিং, ও.এস.বি অনূদিত, নিউ সিটি প্রেস, {{ISBN|1565481976}}, {{ISBN|9781565481961}}, পৃষ্ঠা ৬৮-৬৯ [http://books.google.com/books?id=3iWSkxuvyQ4C&pg=PA68&dq=%22So+say+people+who+are+not+within+the+Church.+What+an+impudent+assertion%22&hl=en&ei=-MlfTI7XKIHGlQeZ0JCZCA&sa=X&oi=book_result&ct=result&resnum=1&ved=0CCUQ6AEwAA#v=onepage&q=%22So%20say%20people%20who%20are%20not%20within%20the%20Church.%20What%20an%20impudent%20assertion%22&f=false]।
===''Sermons''===
[[File:AugustineBaptism.jpg|thumb|right|আপনি [[মহান]] হতে চান, সবচেয়ে ছোট থেকে শুরু করুন। আপনি উঁচুতে কোনো শক্তিশালী কাঠামো নির্মাণের কথা ভাবছেন; প্রথমে [[বিনীত|বিনম্রতার]] ভিত্তির কথা ভাবুন।]]
* আমরা আমাদের পাপগুলোর একটি সিঁড়ি তৈরি করি, যদি আমরা সেই একই পাপগুলোকে পদদলিত করি।
** ৩
*সুতরাং চার্চ প্রভুর মাকে অনুকরণ করে — শারীরিক অর্থে নয়, যা এটি করতে পারে না — কিন্তু মনে এটি মা এবং কুমারী উভয়ই। খ্রিষ্ট কোনোভাবেই তার মাকে তার কুমারীত্ব থেকে বঞ্চিত করেননি
*তবে এটি কেবল বিশ্বাসের বিষয় নয়, বিশ্বাস এবং কাজের বিষয়। প্রতিটিই প্রয়োজনীয়। কারণ দানবরাও বিশ্বাস করে — আপনি প্রেরিতের কথা শুনেছেন — এবং কাঁপে (যাকোব ২:১৯); কিন্তু তাদের বিশ্বাস তাদের কোনো উপকারে আসে না। কেবল [[বিশ্বাস|বিশ্বাসই]] যথেষ্ট নয়, যদি না [[কাজ|কাজগুলোও]] এর সাথে যুক্ত হয়: প্রেরিত বলেন, ''বিশ্বাস [[ভালোবাসা|ভালোবাসার]] মাধ্যমে কাজ করে'' (গালাতীয় ৫:৬)।
**১৬ক:১১:২
* '''''Non enim amat Deus damnare sed salvare''', et ideo patiens est in malos, ut de malis faciat bonos.''
** '''কারণ ঈশ্বর রক্ষা করতে ভালোবাসেন এবং নিন্দা করতে নয়'''; তাই তিনি মন্দের প্রতি ধৈর্যশীল, যাতে মন্দের মধ্য থেকে ভালো কিছু বের করে আনা যায়।
*** ১৮
* '''''Magnus esse vis, a minimo incipe. Cogitas magnam fabricam construere celsitudinis, de fundamento prius cogita humilitatis.''' Et quantam quisque vult et disponit superimponere molem aedificii, quanto erit maius aedificium, tanto altius fodit fundamentum.''
**'''আপনি [[মহান]] হতে চান, সবচেয়ে ছোট থেকে শুরু করুন। আপনি উঁচুতে কোনো শক্তিশালী কাঠামো নির্মাণের কথা ভাবছেন; প্রথমে [[বিনীত|বিনম্রতার]] ভিত্তির কথা ভাবুন।''' এবং কেউ এর ওপরে ভবনের যতো বড় ভর রাখতে চায় এবং নকশা করে, ভবনটি যতো বড় হতে হবে, সে তার ভিত্তি ততো গভীরে খনন করে।
*** [http://www.newadvent.org/fathers/160319.htm নিউ টেস্টামেন্টের ওপর ধর্মোপদেশ ১৯:২]।
* ''Quid est ira? Libido vindictae. Quid est odium? Ira inveterata.''
** রাগ কী? প্রতিশোধের লালসা। ঘৃণা কী? একটি পুরনো রাগ।
*** ৫৮
* ''Ira festuca est, odium trabes est.''
** [[রাগ]] হলো একটি আগাছা; [[ঘৃণা]] হলো [[গাছ]]।
*** ৫৮
** বিকল্প সংস্করণ:
*** রাগ হলো একটি কাণ্ড, ঘৃণা হলো একটি গুঁড়ি।
*** রাগ হলো ক্ষুদ্র কণা, ঘৃণা হলো মরীচিকা।
* ''Date ergo pauperibus: rogo, moneo, praecipio, iubeo.''
** তাই গরিবদের দিন; আমি আপনার কাছে ভিক্ষা চাইছি, আমি আপনাকে সতর্ক করছি, আমি আপনাকে নির্দেশ দিচ্ছি, আমি আপনাকে আদেশ করছি।
*** ৬১:১৩
** বিকল্প সংস্করণ:
*** তাহলে গরিবদের দিন; আমি ভিক্ষা চাইছি, আমি পরামর্শ দিচ্ছি, আমি দায়িত্ব নিচ্ছি, আমি আপনাকে আদেশ করছি।
**** [http://www.newadvent.org/fathers/160311.htm নিউ টেস্টামেন্টের ওপর ধর্মোপদেশ ১১:১৩][http://books.google.com/books?as_q=&hl=en&num=10&as_epq=I+beg,+I+advise,+I+charge,+I+command+you.&as_oq=&as_eq=&lr=&cr=&as_ft=i&as_filetype=&as_qdr=all&as_nlo=&as_nhi=&as_occt=any&as_dt=i&as_sitesearch=&as_rights=&safe=images&um=1&ie=UTF-8&sa=N&tab=wp]
*** অতএব, গরিবদের দিন। আমি আপনার কাছে ভিক্ষা চাইছি, আমি আপনাকে উপদেশ দিচ্ছি, আমি আপনাকে দায়িত্ব দিচ্ছি, আমি আপনাকে দেওয়ার আদেশ দিচ্ছি।
****ধর্মোপদেশ ৬১:১৩, ''অন অ্যালমসগিভিং'', [http://www.archive.org/details/fathersofthechur027834mbp ''দ্য ফাদার্স অব দ্য চার্চ: অ্যা নিউ ট্রান্সলেশন। সেন্ট অগাস্টিন কমেন্টারি অন দ্য লর্ডস সার্মন অন দ্য মাউন্ট উইথ সেভেন্টিন রিলেটেড সার্মনস''], (১৯৫১), লুডভিগ শপ, রয় জোসেফ ডেফেরারি, খণ্ড ১১/৩, পৃষ্ঠা ২৮৬।
* তবে আসুন আমরা উপলব্ধি করি কী ধরনের ধনী মানুষ। স্বর্গ জানে কে আমাদের পথে আসে, ছেঁড়া কাপড়ে মোড়ানো, এবং সে আনন্দে লাফিয়ে উঠেছে এবং ধনী ব্যক্তি স্বর্গের রাজ্যে প্রবেশ করতে পারে না এই কথা শুনে হেসেছে; এবং সে বলেছে, "আমি অবশ্য প্রবেশ করব; এই ছেঁড়া কাপড়গুলো আমাকে এটাই উপার্জন করে দেবে; যারা আমাদের সাথে খারাপ আচরণ করে এবং আমাদের অপমান করে, যারা আমাদের ওপর কঠোর চাপ দেয় তারা প্রবেশ করবে না; না, সে ধরনের লোকেরা অবশ্যই প্রবেশ করবে না। '''কিন্তু একটু দাঁড়ান, মিস্টার দরিদ্র মানুষ; আপনি আসলেই প্রবেশ করতে পারবেন কিনা তা বিবেচনা করুন। আপনি যদি গরিব হন এবং লোভীও হন তবে কী হবে? আপনি যদি অভাবের মধ্যে ডুবে থাকেন এবং একই সাথে লোভে পুড়তে থাকেন তবে কী হবে?''' তাই আপনি যদি এমন হন, আপনি যেই গরিব হন না কেন, এমনটি নয় যে আপনি ধনী হতে চাননি, বরং এই কারণে যে আপনি সক্ষম হননি। তাই ঈশ্বর আপনার উপায়গুলো পরিদর্শন করেন না, তবে তিনি আপনার ইচ্ছাগুলো পর্যবেক্ষণ করেন। '''তাই আপনি যদি এমন হন, খারাপ জীবনযাপন করেন, খারাপ নৈতিকতার অধিকারী হন, একজন ঈশ্বরনিন্দাকারী, একজন ব্যভিচারী, একজন মাতাল, অহংকারী হন, তবে ঈশ্বরের দরিদ্রদের তালিকা থেকে নিজেকে বাদ দিন; আপনি তাদের মধ্যে থাকবেন না যাদের সম্পর্কে বলা হয়েছে, ''ধন্য তারা যারা আত্মায় দরিদ্র, কারণ স্বর্গের রাজ্য তাদেরই'' (মথি ৫:৩)'''।
**ধর্মোপদেশ ৩৪৬ক:৬ (আনু. ৩৯৯ খ্রিষ্টাব্দ) "অন দ্য ওয়ার্ড অব গড অ্যাজ লিডার অব দ্য ক্রিশ্চিয়ানস অন দেয়ার পিলগ্রিমেজ," ''ওয়ার্কস অব সেন্ট অগাস্টিন: অ্যা ট্রান্সলেশন ফর দ্য টুয়েন্টি ফার্স্ট সেঞ্চুরি'', ৩/১০, সার্মনস, ৩৪১-৪০০, নিউ সিটি প্রেস, এডমন্ড হিল ও.পি. অনূদিত, (১৯৯৫), {{ISBN|1565480554 }} {{ISBN|9781565480285 }}, পৃষ্ঠা ৭৪।[http://books.google.com/books?id=iE30Zob4v98C&pg=PA74&dq=%22But+just+a+minute,+Mr.+Poor+Man;+consider+whether+you+can%22&hl=en&sa=X&ei=-cHUUbqIIJO68wTn-YC4DA&ved=0CC0Q6AEwAA#v=onepage&q=%22But%20just%20a%20minute%2C%20Mr.%20Poor%20Man%3B%20consider%20whether%20you%20can%22&f=false]
* যে লোকটি আপনাকে প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য প্ররোচিত করে সে আপনার কাছ থেকে কেড়ে নেবে যা আপনি বলতে যাচ্ছিলেন – ''যেমন আমরা আমাদের ঋণদাতাদের ক্ষমা করি''। আপনি যখন এটি বাজেয়াপ্ত করবেন, তখন আপনার সমস্ত পাপ আপনার বিরুদ্ধে দাঁড় করানো হবে; একেবারেই কিছু ক্ষমা করা হবে না।
** ৫৭:১১:৩
* ''Columba amat et quando caedit. Lupus odit et quando blanditur.''
** ঘুঘু আক্রমণ করলেও ভালোবাসে; নেকড়ে তোষামোদ করলেও ঘৃণা করে।
*** ৬৪
* খারাপ সময়, কঠিন সময়, মানুষ এটাই বলে থাকে; কিন্তু আসুন আমরা ভালোভাবে জীবনযাপন করি, এবং সময়গুলো ভালো হবে। আমরাই সময়: আমরা যেমন, সময়ও তেমন।
** ৮০:৮
* তাই আপনি সেখানে আছেন; শুনুন; যেমন আমি বলেছি, '''[[ঈশ্বর]] আমাদের [[মূল্য|মূল্যকে]] লালন করার অর্থে আমাদের "উপাসনা" করেন।''' যে আমরা ঈশ্বরের উপাসনা করি তা অবশ্যই আপনার কাছে প্রমাণ করার দরকার নেই। মানুষ যে ঈশ্বরের উপাসনা করে তা সবার মুখেই রয়েছে। '''তবে ঈশ্বর যে মানুষের উপাসনা করেন, তা শ্রোতাদের বুদ্ধিভ্রষ্ট করার জন্য যথেষ্ট, কারণ লোকেরা বলার অভ্যাসে নেই যে ঈশ্বর মানুষের উপাসনা করেন — সেই বিশেষ অর্থে — বরং মানুষ ঈশ্বরের উপাসনা করে।''' <br>তাই আমাকে আপনার কাছে প্রমাণ করতে হবে যে ঈশ্বরও মানুষের "উপাসনা" করেন, নতুবা আপনি সম্ভবত বিবেচনা করবেন যে আমি শব্দটি খুব অসতর্কভাবে ব্যবহার করেছি, এবং আপনার চিন্তায় আমার বিরুদ্ধে তর্ক করতে শুরু করবেন, এবং আমার সাথে দোষ খুঁজবেন কারণ আমি যা বলছি তা আপনি আসলে বুঝতে পারছেন না। তাই এটি একমত যে এটিই আপনাকে দেখাতে হবে: যে ঈশ্বরও আমাদের "উপাসনা" করেন; কিন্তু আমি আগেই বলেছি সেই অর্থে যে তিনি আমাদের ক্ষেত্রে তার ক্ষেত্র হিসেবে আমাদের মূল্যকে লালন করেন, আমাদের মধ্যে উন্নতি করতে। প্রভু গসপেলে বলেছেন: আমি দ্রাক্ষালতা, তোমরা শাখা; আমার পিতা খামারকর্মী (যোহন ১৫:৫,১)। একজন খামারকর্মী কী করেন? আমি আপনাদের জিজ্ঞাসা করছি, আপনাদের মধ্যে যারা খামারকর্মী এবং কৃষক। একজন খামারকর্মী কী করেন? আমি ধরে নিচ্ছি যে সে তার খামারে কাজ করে, অর্থাৎ, এর মূল্য লালন করে, অর্থাৎ এক অর্থে এটিকে "উপাসনা" করে। সুতরাং ঈশ্বর পিতা যদি একজন কৃষক বা খামারকর্মী হন, তবে এর মানে হলো তার একটি খামার রয়েছে, এবং তিনি তার খামারে কাজ করেন বা "উপাসনা" করেন, এবং এটি থেকে ফসলের প্রত্যাশা করেন।
** মথি ২০ এর ওপর ধর্মোপদেশ ৮৭:২ ([http://www.newadvent.org/fathers/160337.htm ধর্মোপদেশ ৩৭:২])। ৪২৪ সালের পর শরত্কালে প্রচার করা হয়েছিল। [http://www.thelatinlibrary.com/augustine/serm87.shtml লাতিন]
**''দ্য ওয়ার্কস অব সেন্ট অগাস্টিন: অ্যা ট্রান্সলেশন ফর দ্য টুয়েন্টি ফার্স্ট সেঞ্চুরি (সার্মনস ৫১-৯৪)'', জন ই. রোটেল, এডমন্ড হিল, সম্পাদিত ও অনূদিত, নিউ সিটি প্রেস, ১৯৯০ {{ISBN|0911782850}}, {{ISBN|9780911782851}} পৃষ্ঠা ৪০৭-৪০৮। [http://www.google.com/search?hl=en&num=10&lr=&ft=i&cr=&safe=images&um=1&ie=UTF-8&tbo=u&tbs=bks:1&source=og&q=%22So%20there%20you%20are%3B%20listen%3B%20as%20I%20said%2C%20God%20worships%20us%20in%20the%20sense%20of%20tending%20our%20worth%22&sa=N&tab=wp]
* ''Factus est Deus homo ut homo fieret Deus.''
** ঈশ্বর মানুষ হয়েছিলেন যাতে মানুষ ঈশ্বর হতে পারে।
** ১২৮
*''Roma locuta est; causa finita est.''
**'''রোম কথা বলেছে; মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে।'''
**১৩১
* যে আপনাকে ছাড়া আপনাকে সৃষ্টি করেছে সে আপনাকে ছাড়া আপনাকে সমর্থন করবে না।
** ১৬৯
* '''যিনি আমাদের সাহায্য ছাড়া আমাদের সৃষ্টি করেছেন তিনি আমাদের সম্মতি ছাড়া আমাদের রক্ষা করবেন না।'''
** সেন্ট অগাস্টিন, সার্মো ১৬৯, ১১, ১৩: পিএল ৩৮, ৯২৩ যেমনটি ফাদার মিচ প্যাকওয়া, এস.জে. এ উদ্ধৃত হয়েছে। সেভড: অ্যা বাইবেল স্টাডি গাইড ফর ক্যাথলিকস (পৃষ্ঠা ১৫)। আওয়ার সানডে ভিজিটর। কিন্ডল সংস্করণ।
* ''Caritas radix est omnium operum bonorum.''
** [[দাতব্য]] হলো [[সমস্ত]] [[ভালো]] [[কাজ|কাজের]] মূল।
*** ১৭৯ক:৫:১
** তুলনা করুন: [[w:Radix_malorum_est_cupiditas|''Radix malorum est cupiditas'']]; "লোভ হলো সমস্ত মন্দের মূল"
* '''আমিও অবহেলা করে এবং সব সময় কসম খেয়েছি, আমার এই সবচেয়ে ঘৃণ্য এবং মৃত্যুদানকারী অভ্যাস ছিল।''' আমি আপনার অনুগ্রহগুলোকে বলছি; যে মুহূর্ত থেকে আমি [[ঈশ্বর|ঈশ্বরের]] সেবা করা শুরু করেছিলাম, এবং দেখেছিলাম যে নিজেকে মিথ্যা প্রমাণের মধ্যে কী মন্দ রয়েছে, আমি খুব ভয় পেয়েছিলাম, এবং ভয়ের কারণে আমি এই পুরোনো, পুরোনো, অভ্যাসে ব্রেক কষেছিলাম।
** ১৮০:১০:১
* প্রেরিত [[w:প্রেরিত যাকোব|যাকোব]] যখন তাদের বিরুদ্ধে [[বিশ্বাস]] এবং কাজের কথা বলছিলেন যারা ভেবেছিল তাদের বিশ্বাসই যথেষ্ট, এবং ভালো কাজ করতে চায়নি, তখন তিনি বলেছিলেন, ''আপনি বিশ্বাস করেন ঈশ্বর এক; আপনি ভালো করেন; দানবরাও বিশ্বাস করে, এবং কাঁপে''।" (যাকোব ২:১৯)
** ১৮৩:১৩:২
* তাই চার্চও মেরি'র মতো চিরস্থায়ী কুমারীত্ব এবং অটুট উর্বরতা উপভোগ করে।
** ১৯৫:২
*নিজেকে সস্তা মনে করবেন না, যেহেতু সমস্ত জিনিসের এবং আপনার স্রষ্টা আপনার মূল্য এতো বেশি, এতো প্রিয় বলে অনুমান করেন যে তিনি আপনার জন্য প্রতিদিন তাঁর একমাত্র পুত্রের সবচেয়ে মূল্যবান রক্ত ঢেলে দেন।
** ২১৬:৩:১
* কারোরই সন্দেহ করা উচিত নয় যে ''পুনর্জন্মের ধোয়ায়'' (তীত ৩:৫) একেবারেই ছোট থেকে বড় পর্যন্ত সমস্ত পাপ সম্পূর্ণরূপে ক্ষমা করা হয়।
** ২২৯ঙ:২
* আপনি বাঁচতে পারেন, শর্ত থাকে যে আপনি বাঁচেন; অর্থাৎ, আপনি চিরকাল বাঁচতে পারেন, শর্ত থাকে যে আপনি একটি ভালো জীবনযাপন করেন।
** ২২৯জ:৩:২
* '' Ideo, carissimi, veneramini martyres, laudate, amate, praedicate, honorate: Deum martyrum colite.''
** '''শহীদদের সম্মান করুন, প্রশংসা করুন, ভালোবাসুন, ঘোষণা করুন, সম্মান করুন। কিন্তু শহীদদের [[ঈশ্বর|ঈশ্বরের]] উপাসনা করুন'''।
*** ২৭৩:৯; অনুবাদ নেওয়া হয়েছে: ''দ্য ওয়ার্কস অব সেন্ট অগাস্টিন'', জন ই. রোটেল, নিউ সিটি প্রেস, {{ISBN|1565480600}} {{ISBN|9781565480605 }}পৃষ্ঠা ২১ থেকে। [http://books.google.com/books?id=13HYAAAAMAAJ&q=%22venerate+the+martyrs,+praise,+love,+proclaim,+honor+them%22&dq=%22venerate+the+martyrs,+praise,+love,+proclaim,+honor+them%22&hl=en&ei=8MJkTejQMISdlgeq0aGrBg&sa=X&oi=book_result&ct=result&resnum=2&ved=0CCwQ6AEwAQ]
* ''Non ergo accedas, si potes, nisi liberorum procreandorum causa.''
** তাই আপনি যদি এটি পরিচালনা করতে পারেন, তবে সন্তান ধারণের উদ্দেশ্য ছাড়া আপনার সঙ্গীকে স্পর্শ করা উচিত নয়।
*** ২৭৮:৯; অনুবাদ নেওয়া হয়েছে: ''দ্য ওয়ার্কস অব সেন্ট অগাস্টিন'', জন ই. রোটেল, নিউ সিটি প্রেস, ১৯৯৪, {{ISBN|1565480600}} {{ISBN|978-1565480605 }}পৃষ্ঠা ৫৫ থেকে। [http://books.google.com/books?id=5jswAAAAYAAJ&q=%22if+you+can+manage+it,+you+shouldn%E2%80%99t+touch+your+partner,+except+for+the+sake+of+having+children%22&dq=%22if+you+can+manage+it,+you+shouldn%E2%80%99t+touch+your+partner,+except+for+the+sake+of+having+children%22&hl=en&ei=dMJkTaOcCcGC8gah4IjmBg&sa=X&oi=book_result&ct=result&resnum=1&ved=0CC0Q6AEwAA]
* ''Cantare amantis est.''
** গান গাওয়া একজন প্রেমিকের।
** বিকল্প অনুবাদ: গান গাওয়া প্রেমিকের বৈশিষ্ট্য।
*** ৩৩৬
* ''Temporibus enim nostris venit imperator in urbem Romam: ibi est templum imperatoris, ibi est sepulcrum piscatoris. Itaque ille ad deprecandam a Domino salutem imperator pius atque christianus non perrexit ad templum imperatoris superbum, sed ad sepulcrum piscatoris, ubi humilis ipsum piscatorem imitaretur, ut tunc respectus aliquid impetraret a Domino, quod superbiens imperator mereri non posset.''
** '''দেখুন, আমাদের নিজেদের সময়ে একজন সম্রাট রোম শহরে এসেছিলেন, যেখানে সম্রাটের মন্দির রয়েছে, যেখানে একজন [[w:সেন্ট পিটারের সমাধি|জেলের সমাধি]] রয়েছে'''। এবং তাই সেই ধার্মিক এবং খ্রিষ্টান সম্রাট, প্রভুর কাছ থেকে স্বাস্থ্য, পরিত্রাণের জন্য ভিক্ষা চাইতে, একজন অহংকারী সম্রাটের মন্দিরে যাননি, বরং একজন জেলের সমাধিতে গিয়েছিলেন, যেখানে তিনি সেই জেলেকে বিনীতভাবে অনুকরণ করতে পারতেন, যাতে তিনি এইভাবে যোগাযোগ করে প্রভুর কাছ থেকে এমন কিছু অর্জন করতে পারেন, যা একজন অহংকারী সম্রাট উপার্জন করতে সম্পূর্ণ অক্ষম হবেন।
*** ৩৪১:৪; ইংরেজি নেওয়া হয়েছে: ''নিউলি ডিসকভার্ড সার্মনস'', ১৯৯৭, এডমন্ড হিল অনূদিত, জন ই. রোটেল সম্পাদিত, নিউ সিটি প্রেস, নিউইয়র্ক, {{ISBN|1565481038}} {{ISBN|9781565481039}}পৃষ্ঠা ২৮৬ থেকে।
* ''Mors est poena peccati.''
** মৃত্যুই হলো পাপের শাস্তি।
*** ৩৪৮/ক:২
* ''Quid de se praesumit mortuus? Mori potuit de suo, reviviscere de suo non potest. Peccare per nos ipsos et potuimus et possumus nec tamen per nos resurgere aliquando poterimus. Spes nostra non sit, nisi in Deo 14. Ad illum gemamus, in illo praesumamus; quod ad nos pertinet, voluntate conemur, ut oratione mereamur.''
** মৃত হয়েও কেন তুমি নিজের ওপর নির্ভর করছ? তুমি নিজের ইচ্ছায় মরতে পেরেছ; কিন্তু নিজের ইচ্ছায় জীবনে ফিরে আসতে পারবে না। আমরা নিজেরা পাপ করতে পেরেছি এবং এখনও পারছি, আর এমন নয় যে আমরা কখনোই তা পারব না। আমাদের আশা যেন ঈশ্বর ছাড়া অন্য কোথাও না থাকে। এসো আমরা তাঁর কাছে আমাদের দীর্ঘশ্বাস পাঠাই; আর আমাদের দিক থেকে, আমরা যেন আমাদের প্রার্থনার মাধ্যমে পুণ্য অর্জনের জন্য নিজেদের ইচ্ছা দিয়ে চেষ্টা করি।
*** ৩৪৮এ:৪ ''অ্যাগেইনস্ট [[w:পেলাজিয়ুস|পেলাজিয়ুস]]''; ইংরেজি অনুবাদ: ''নিউলি ডিসকাভার্ড সার্মনস'', ১৯৯৭, এডমান্ড হিল, জন ই. রোটেলে, নিউ সিটি প্রেস, নিউ ইয়র্ক, {{ISBN|1565481038}}, 9781565481039 পৃ. ৩১১-৩১২। [http://books.google.com/books?id=0XjYAAAAMAAJ&q=%22Let+us+send+up+our+sighs+to+him,+let+us+rely+on+him%22&dq=%22Let+us+send+up+our+sighs+to+him,+let+us+rely+on+him%22&hl=en&ei=Q75kTajHBoO8lQfW9cTaBg&sa=X&oi=book_result&ct=result&resnum=1&ved=0CCcQ6AEwAA] সম্পাদকের মন্তব্য: “এটি শুনতে কিছুটা পেলাজীয় মন্তব্যের মতো লাগে! কিন্তু সম্ভবত এটি পেলাজীয় বিষয়ক্রমকে উল্টে দেওয়ার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে; এবং প্রার্থনার উপর ধর্মদ্রোহিতার প্রভাব সম্পর্কে ধর্মোপদেশের শেষ কয়েকটি অংশ, ৯-১৫ দেখুন।” [http://books.google.com/books?id=0XjYAAAAMAAJ&q=%22This+sounds+like+a+slightly+Pelagian+remark%22&dq=%22This+sounds+like+a+slightly+Pelagian+remark%22&hl=en&ei=9cBkTYenLsKqlAfs56mVBg&sa=X&oi=book_result&ct=result&resnum=1&ved=0CCsQ6AEwAA]
* ''Dicturi ergo sunt: Dicis mihi quod resurrexerit Christus, et inde speras resurrectionem mortuorum; sed Christo licuit resurgere a mortuis. Et incipit iam laudare Christum, non ut illi det honorem, sed ut tibi faciat desperationem. Serpentis astuta pernicies, ut laude Christi te avertat a Christo, dolose praedicat quem vituperare non audet. Exaggerat maiestatem illius, ut singularem faciat, ne tu speres tale aliquid, quale in illo resurgente monstratum est. Et quasi religiosior apparet erga Christum, cum dicit: Ecce qui se audet comparare Christo, ut quia resurrexit Christus, et se resurrecturum putet. Noli perturbari perversa laude Imperatoris tui; hostiles insidiae te perturbant, sed Christi humilitas et humanitas te consolatur. Ille praedicat quantum erectus sit Christus a te: Christus autem dicit quantum descendit ad te.''
** সুতরাং তারা [পৌত্তলিকরা] বলবে, “তুমি আমাকে বলছ যে [[খ্রিস্ট]] পুনরায় জীবিত হয়েছেন, এবং তা থেকে তুমি মৃতদের পুনরুত্থানের আশা করছ; কিন্তু খ্রিস্ট মৃতদের মধ্য থেকে ওঠার মতো অবস্থানে ছিলেন।” আর এখন সে খ্রিস্টের প্রশংসা করতে শুরু করে, তাঁকে সম্মান দেখানোর জন্য নয়, বরং তোমাকে হতাশ করার জন্য। এটি সাপের মারাত্মক ধূর্ততা, খ্রিস্টের প্রশংসা করে তোমাকে খ্রিস্টের থেকে দূরে সরিয়ে নেওয়া, এবং যাকে সে অবজ্ঞা করতে সাহস পায় না তার প্রতারণাপূর্ণ প্রশংসা করা। <br>'''সে খ্রিস্টের সার্বভৌম মর্যাদাকে অতিরঞ্জিত করে তাঁকে সম্পূর্ণ অনন্য করে তোলে''', যাতে তিনি পুনরুত্থানের সময় যা দেখিয়েছিলেন তার মতো কোনো কিছুর আশা তুমি না করো। আর যখন সে বলে, “দেখো সেই ব্যক্তিকে যে নিজেকে খ্রিস্টের সাথে তুলনা করার সাহস দেখায়, যাতে শুধু খ্রিস্ট পুনরুত্থিত হয়েছেন বলে সেও ভাবতে পারে যে সেও পুনরুত্থিত হবে!” তখন তাকে খ্রিস্টের প্রতি আরও বেশি ধার্মিক ও শ্রদ্ধাশীল মনে হয়। তোমার সম্রাটের এই বিকৃত প্রশংসা যেন তোমাকে বিচলিত না করে। শত্রুর প্রতারণাপূর্ণ কৌশল তোমাকে বিচলিত করতে পারে, কিন্তু খ্রিস্টের নম্রতা ও মানবতা তোমাকে সান্ত্বনা দেওয়া উচিত। '''এই লোকটি জোর দিয়ে বলে যে খ্রিস্টকে তোমার থেকে কতটা ওপরে তোলা হয়েছে; অন্যদিকে খ্রিস্ট বলেন যে তিনি তোমার কাছে কতটা নিচে নেমে এসেছেন।'''
*** ধর্মোপদেশ ৩৬১ ''অন দ্য রেসারেকশন অফ দ্য ডেড''; ১৫ ''খ্রিস্টের অতিরঞ্জিত প্রশংসা এবং খ্রিস্টানদের অবজ্ঞার উত্তর কীভাবে দিতে হয়''।
** ইংরেজি অনুবাদ: ''ওয়ার্কস অফ সেন্ট অগাস্টিন, আ ট্রান্সলেশন ফর দ্য ২১স্ট সেঞ্চুরি'', ৩/১০, সার্মনস ৩৭১-৪০০ (উপাসনামূলক ঋতু সম্পর্কে), এডমান্ড হিল, অনুবাদক, জন ই. রোটেলে, সম্পাদক, নিউ সিটি প্রেস, ১৯৯৫, {{ISBN|1565480287}} {{ISBN|9781565480285}}, পৃ. ২৩৪-২৩৫। [https://books.google.ca/books?id=iE30Zob4v98C&printsec=frontcover#v=onepage&q=exaggerated&f=false]
===''De doctrina christiana''===
* '''কারণ কোনো কিছু যদি অন্যদের সাথে ভাগ করে নিলে কমে না যায়, তবে সেটি শুধু নিজের কাছে রাখলে এবং ভাগ না করলে তার সঠিক মালিকানা থাকে না।'''
** ১:১:১ [http://ccat.sas.upenn.edu/jod/augustine/ddc1.html ইংরেজি] [http://www.sant-agostino.it/latino/dottrina_cristiana/index2.htm লাতিন]
** Latin: Omnis enim res quae dando non deficit, dum habetur et non datur, nondum habetur quomodo habenda est.
* '''আমরা সাপের [[প্রজ্ঞা|প্রজ্ঞার]] ফাঁদে পড়েছিলাম; আমরা [[ঈশ্বর|ঈশ্বরের]] বোকামির মাধ্যমে মুক্ত হয়েছি।'''
** [http://books.google.com/books?id=9dJGZkTAqJsC&q="we+were+ensnared+by+the+wisdom+of+the+serpent+we+are+set+free+by+the+foolishness+of+god"&pg=PA10#v=onepage ১:১৪]
** Latin: Serpentis sapientia decepti sumus, Dei stultitia liberamur.
* '''যেহেতু তুমি সবার ভালো করতে পারবে না, তাই তোমাকে তাদের প্রতি বিশেষ মনোযোগ দিতে হবে যারা সময়, স্থান বা পরিস্থিতির কারণে তোমার সাথে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত হয়েছে।'''
** ১:২৮:২৯ [http://www.newadvent.org/fathers/12021.htm ইংরেজি] [http://www.augustinus.it/latino/dottrina_cristiana/index2.htm লাতিন]
** Latin: Sed cum omnibus prodesse non possis, his potissimum consulendum est, qui pro locorum et temporum vel quarumlibet rerum opportunitatibus constrictius tibi quasi quadam sorte iunguntur.
===''Contra epistulam Parmeniani''===
*''Securus iudicat orbis terrarum.''
**[[বিশ্ব|বিশ্বের]] রায় চূড়ান্ত।
**৩, ২৪
===''Contra Julianum''===
*এখন, এই জীবনে আমাদের তিনভাবে [[w:জাস্টিফিকেশন (থিওলজি)|ন্যায্যতা]] দেওয়া হয়: প্রথমত পুনর্জন্মের ধৌতকরণের মাধ্যমে যার দ্বারা সমস্ত পাপ ক্ষমা করা হয়; তারপর, সেই ত্রুটিগুলির সাথে সংগ্রামের মাধ্যমে যেগুলির অপরাধ থেকে আমরা মুক্ত হয়েছি; তৃতীয়টি হলো, যখন আমাদের প্রার্থনা শোনা হয়, যেখানে আমরা বলি: ‘আমাদের ঋণ ক্ষমা করুন,’ কারণ আমরা আমাদের ত্রুটিগুলির বিরুদ্ধে যত সাহসিকতার সাথেই লড়াই করি না কেন, আমরা মানুষ; কিন্তু ঈশ্বরের কৃপা এই নশ্বর শরীরে লড়াই করার সময় আমাদের এতটা সাহায্য করে যে আমরা ক্ষমা চাইলে তিনি তা শোনেন।
** ''অ্যাগেইনস্ট জুলিয়ান'', খণ্ড ২, অধ্যায় ৮, ২২। ''দ্য ফাদার্স অফ দ্য চার্চ''-এ, ম্যাথিউ এ. শুমেকার, অনুবাদক, ১৯ ৫৭, {{ISBN|0813214009}} {{ISBN|9780813214009 }}পৃ. ৮৩-৮৪। [http://books.google.com/books?id=lxED1d6DAXoC&pg=PA83&lpg=PA83&dq=%22justification+in+this+life+is+given+to+us+according+to+these+three+things%22&source=bl&ots=K9fP-vBQqj&sig=2yV56Mq2aukLy8iM1FvpSfmULqA&hl=en&ei=8ZuCTdXGC4WO0QGCl-HGCA&sa=X&oi=book_result&ct=result&resnum=1&ved=0CBUQ6AEwAA#v=onepage&q=%22justification%20in%20this%20life%20is%20given%20to%20us%20according%20to%20these%20three%20things%22&f=false]
===''ডিকশনারি অফ বার্নিং ওয়ার্ডস অফ ব্রিলিয়ান্ট রাইটার্স'' (১৮৯৫)===
:<small>জোসায়াহ হচকিস গিলবার্টের ''ডিকশনারি অফ বার্নিং ওয়ার্ডস অফ ব্রিলিয়ান্ট রাইটার্স'' (১৮৯৫) বইতে উল্লেখিত উদ্ধৃতি।</small>
* আমি [[প্লেটো]] এবং [[সিসেরো|সিসেরোর]] লেখায় অনেক জ্ঞানী এবং সুন্দর কথা পড়েছি; কিন্তু তাদের কারও লেখায় আমি কখনো পড়িনি, "হে পরিশ্রান্ত ও ভারাক্রান্ত মানুষ, আমার কাছে এসো।"
** পৃ. ৬২
* '''[[আত্মা]] যেমন শরীরের [[জীবন]], তেমনি [[ঈশ্বর]] হলেন আত্মার জীবন।'' তাই আত্মা ছেড়ে গেলে শরীর যেমন ধ্বংস হয়ে যায়, তেমনি ঈশ্বর চলে গেলে আত্মাও মারা যায়।
** পৃ. ২৭৭
* [[খ্রিস্ট|খ্রিস্টকে]] যদি সবার ওপরে মূল্যায়ন করা না হয় তবে তাঁর কোনো মূল্যই নেই।
** পৃ. ৩৯৫
* যিনি সব জায়গায় আছেন তাঁর কাছাকাছি আমরা স্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে যেতে পারি না, বরং পবিত্র আকাঙ্ক্ষা এবং পুণ্যময় অভ্যাসের চর্চার মাধ্যমে পারি।
** পৃ. ৪৩৩
*হে প্রভু, আপনি যা আদেশ করেন তা দিন, এবং তারপর আপনি যা চান তার আদেশ দিন।
** পৃ. ৫১২
* আপনি আমাদেরকে আপনার জন্যই তৈরি করেছেন, এবং হৃদয় আপনার কাছে বিশ্রাম না পাওয়া পর্যন্ত শান্ত হয় না।
** পৃ. ৫১৫
* চোখ বন্ধ থাকলে [[আলো|আলোর]] কাছে থাকার কোনো সুবিধা নেই।
** পৃ. ৬০৭
* '''[[ঈশ্বর|ঈশ্বরের]] প্রকৃত সেবকরা এই বিষয়ে উদ্বিগ্ন থাকেন না যে ঈশ্বর তাদের সেই কাজের আদেশ দেবেন যা তারা করতে চান, বরং তারা যেন সেটিই করতে চান যা ঈশ্বর তাদের আদেশ করেন।'''
** পৃ. ৬১৬
===''অন দ্য মিস্টিক্যাল বডি অফ ক্রাইস্ট''===
[[File:Stemma 777venc.gif|thumb|তুমি যাকে চাও তাকে [[ভালোবাসা|ভালোবাসতে]] [[বেছে নেওয়া|বেছে নাও]]: বাকি [[সবকিছু]] এমনিতেই হবে।]]
:<small>[http://books.google.com/books?id=CIosAAAAIAAJ&q=mersch+%22Whole+Christ%22&dq=mersch+%22Whole+Christ%22&hl=en&ei=w_toTLz5KMX7lweD_p2fBQ&sa=X&oi=book_result&ct=result&resnum=1&ved=0CCkQ6AEwAA ''দ্য হোল ক্রাইস্ট: দ্য হিস্টোরিক্যাল ডেভেলপমেন্ট অফ দ্য ডকট্রিন অফ দ্য মিস্টিক্যাল বডি ইন স্ক্রিপচার অ্যান্ড ট্র্যাডিশন''] (১৯৩৮, ১৯৬২) থেকে, ফাদার এমিল মার্শ, এস. জে. অনূদিত, জন আর. কেলি, এস.জে., '''খন্ড ৩. ''দ্য ডকট্রিন অফ দ্য মিস্টিক্যাল বডি ইন ওয়েস্টার্ন ট্র্যাডিশন'', অধ্যায় ৪, ''অগাস্টিনস সার্মনস টু দ্য পিপল'''''</small>
* '''গির্জা কী? এটি হলো [[খ্রিস্ট|খ্রিস্টের]] শরীর।''' এর সাথে মাথাটি যুক্ত করো, আর তুমি পাবে '''একজন মানুষ''': মাথা এবং শরীর মিলে তৈরি হয় '''একজন মানুষ'''। মাথা কে? তিনি যিনি কুমারী মেরির গর্ভে জন্মগ্রহণ করেছেন। ... আর তাঁর শরীর কী? এটি তাঁর স্ত্রী, অর্থাৎ গির্জা.... '''পিতা চেয়েছিলেন যে এই দুজন, ঈশ্বর খ্রিস্ট এবং গির্জা, এক মানুষ হোক।''' খ্রিস্টের মধ্যে সব মানুষ মিলে এক মানুষ, এবং খ্রিস্টানদের ঐক্য একজন মানুষই গঠন করে। এবং এই মানুষটিই হলো সব মানুষ, সব মানুষই হলো এই মানুষ; কারণ সবাই এক, যেহেতু খ্রিস্ট এক।
** পৃ. ৪১৪
*এসো আমরা আনন্দ করি এবং ধন্যবাদ জানাই। আমরা শুধু খ্রিস্টানই হইনি, আমরা খ্রিস্ট হয়েছি। আমার ভাইয়েরা, তোমরা কি বোঝো ঈশ্বর আমাদের কী কৃপা করেছেন? বিস্মিত হও, আনন্দ করো, কারণ আমাদের খ্রিস্ট বানানো হয়েছে! তিনি যদি মাথা হন, আর আমরা অঙ্গ, '''তবে তিনি এবং আমরা মিলে সম্পূর্ণ মানুষ'''.... এটি আমাদের জন্য মূর্খতাপূর্ণ অহংকার হতো, যদি না এটি তাঁর দয়ার উপহার হতো। কিন্তু তিনি প্রেরিত দূতের মুখে এটাই প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন: “তোমরা খ্রিস্টের শরীর, এবং প্রত্যেকে তাঁর অঙ্গ” (১ করিন্থীয় ১২:২৭)।
**পৃ. ৪১৫
*শাস্ত্র বোঝার জন্য, '''সম্পূর্ণ খ্রিস্টকে জানা একেবারেই প্রয়োজনীয়,''' অর্থাৎ মাথা এবং অঙ্গগুলো। '''কারণ কখনো খ্রিস্ট শুধু মাথার নামে কথা বলেন ... কখনো তাঁর শরীরের নামে কথা বলেন''', যা হলো সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা পবিত্র গির্জা। আর আমরা তাঁর শরীরে আছি ... এবং আমরা নিজেদের এতে কথা বলতে শুনি, কারণ প্রেরিত দূত আমাদের বলেছেন: “আমরা তাঁর শরীরের অঙ্গ” (ইফিষীয় ৫:৩০)। প্রেরিত দূত অনেক জায়গায় আমাদের এই কথা বলেছেন।
** পৃ. ৪১৯
*খ্রিস্ট নিজেই বলেছেন: “তারা আর দুজন নয়, বরং তারা এক শরীর” (মথি ১৯:৬)। তাহলে কি এটা অদ্ভুত, যদি তারা এক শরীর হয়, তবে তাদের এক ভাষা হওয়া উচিত এবং একই কথা বলা উচিত, যেহেতু তারা এক শরীর, মাথা এবং দেহ? তাই এসো আমরা তাদের এক হিসেবে শুনি। কিন্তু এসো আমরা শুনি মাথা মাথার মতো কথা বলছে, এবং শরীর শরীরের মতো কথা বলছে। আমরা দুটি বাস্তবতাকে আলাদা করি না, বরং দুটি ভিন্ন মর্যাদাকে আলাদা করি; কারণ মাথা রক্ষা করে, এবং শরীর রক্ষা পায়।
** পৃ. ৪১৯-৪২০
*'''গির্জা তোমার কী করেছে যে তুমি তার মাথা কেটে ফেলতে চাও?''' তুমি তার মাথা সরিয়ে নিতে চাও, এবং শরীরকে অবজ্ঞা করে শুধু মাথাতে বিশ্বাস করতে চাও। তোমার সেবা বৃথা, এবং মাথার প্রতি তোমার ভক্তি মিথ্যা। কারণ এটিকে শরীর থেকে আলাদা করা মাথা এবং শরীর উভয়ের প্রতি অবিচার।
** পৃ. ৪২০
*আমাদের চোখ থেকে আড়ালে থাকলেও, আমাদের মাথা খ্রিস্ট ভালোবাসার মাধ্যমে আমাদের সাথে যুক্ত। যেহেতু সম্পূর্ণ খ্রিস্ট হলেন মাথা এবং শরীর, এসো আমরা মাথার কথা এমনভাবে শুনি যাতে আমরা শরীরের কথাও শুনতে পাই।<br>'''তিনি যেমন একা থাকতে চাননি, তেমনি তিনি একা কথা বলতেও চাননি, যেহেতু তিনি বলেছেন: “দেখো, জগতের শেষ পর্যন্ত আমি সব সময় তোমাদের সাথে আছি” (মথি ২৮:২০)'''। তিনি যদি আমাদের সাথে থাকেন, তবে তিনি আমাদের মধ্যে কথা বলেন, তিনি আমাদের নিয়ে কথা বলেন, এবং তিনি আমাদের মাধ্যমে কথা বলেন; আর আমরাও তাঁর মধ্যে কথা বলি।
** পৃ. ৪২০-৪২১
*যিনি আমাদের নিজের কাছে গ্রহণ করতে দ্বিধা করেননি, তিনি আমাদের জায়গা নিতে এবং আমাদের কথা বলতেও দ্বিধা করেননি, যাতে আমরা তাঁর কথা বলতে পারি।
** পৃ. ৪২১
*গীতসংহিতা ২১:৩ এর কথায়: "হে আমার ঈশ্বর, আমি দিনের পর দিন কাঁদব, আর আপনি শুনবেন না"।
*অবশ্যই '''তিনি এটি আমার জন্য, তোমার জন্য, এই অন্য মানুষটির জন্য বলেন,''' যেহেতু তিনি তাঁর শরীর, গির্জাকে বহন করেন। ভাইয়েরা, তোমরা হয়তো ভাবতে পারো যে তিনি যখন বলেছিলেন: “আমার পিতা, যদি সম্ভব হয়, এই পানপাত্র আমার কাছ থেকে দূরে সরিয়ে দিন” (মথি ২৬:৩৯), তখন ঈশ্বর মরতে ভয় পেয়েছিলেন। . . . কিন্তু পল খ্রিস্টের সাথে থাকার জন্য মরতে চেয়েছিলেন। কী? প্রেরিত দূত মরতে চান, আর খ্রিস্ট নিজে মৃত্যুকে ভয় পাবেন? এর মানে কী হতে পারে, শুধু এইটুকু ছাড়া যে তিনি আমাদের দুর্বলতা নিজের মধ্যে ধারণ করেছিলেন, এবং যারা তাঁর শরীরে আছে এবং এখনও মৃত্যুকে ভয় পায় তাদের জন্য এই কথাগুলো বলেছিলেন? এদের কাছ থেকেই এই আওয়াজ এসেছিল; '''এটি তাঁর অঙ্গগুলোর আওয়াজ ছিল, মাথার নয়।''' যখন তিনি বলেছিলেন, “আমার আত্মা মৃত্যু পর্যন্ত দুঃখার্ত” (মথি ২৬:৩৮), তিনি তোমাকে নিজের মধ্যে এবং নিজেকে তোমার মধ্যে প্রকাশ করেছিলেন। আর যখন তিনি বলেছিলেন, “আমার ঈশ্বর, আমার ঈশ্বর, কেন আপনি আমাকে ত্যাগ করেছেন?” (মথি ২৭:৪৬), '''ক্রুশের ওপর তিনি যে কথাগুলো বলেছিলেন তা তাঁর নিজের ছিল না, বরং আমাদের ছিল'''।
** পৃ. ৪২১
*তাই, তাঁর কথা শুনে কেউ যেন এমন না বলে: "এগুলো খ্রিস্টের কথা নয়," বা "এগুলো আমার কথা নয়।" বরং, সে যদি জানে যে সে খ্রিস্টের শরীরে আছে, তবে তাকে বলতে দাও: '''"এগুলো খ্রিস্টের কথা এবং আমার কথা উভয়ই।"''' তাঁকে ছাড়া কিছুই বোলো না, আর তিনিও তোমাকে ছাড়া কিছুই বলবেন না। আমাদের নিজেদের খ্রিস্টের কাছে অচেনা ভাবা উচিত নয়, '''বা নিজেদের তাঁর থেকে আলাদা ভাবা উচিত নয়।'''
** পৃ. ৪২২
*'''ঈশ্বর মানুষকে তাঁর বাক্যকে তাদের মাথা হিসেবে দেওয়ার চেয়ে বড় কোনো উপহার দিতে পারতেন না''', যার মাধ্যমে তিনি সব কিছু তৈরি করেছেন, এবং তাদের সেই মাথার অঙ্গ হিসেবে যুক্ত করেছেন। এইভাবে বাক্য ঈশ্বরের পুত্র এবং মানুষের পুত্র উভয়ই হয়ে ওঠে: পিতার সাথে এক ঈশ্বর, মানুষের সাথে এক মানুষ। তাই, যখন আমরা ঈশ্বরের কাছে আমাদের প্রার্থনা জানাই, তা যেন এর মাথা থেকে আলাদা না হয়। তিনি, তাঁর শরীরের একমাত্র ত্রাণকর্তা, আমাদের প্রভু যিশু খ্রিস্ট, ঈশ্বরের পুত্র, '''যিনি আমাদের জন্য প্রার্থনা করেন, যিনি আমাদের মধ্যে প্রার্থনা করেন, এবং যার কাছে আমরা প্রার্থনা করি'''। তিনি আমাদের যাজক হিসেবে আমাদের জন্য প্রার্থনা করেন; তিনি আমাদের মাথা হিসেবে আমাদের মধ্যে প্রার্থনা করেন; তিনি আমাদের ঈশ্বর হিসেবে আমাদের দ্বারা পূজিত হন। তাই এসো আমরা তাঁর মধ্যে আমাদের কথা এবং আমাদের মধ্যে তাঁর কথা শুনি.... আমরা ঈশ্বরের রূপে তাঁর কাছে প্রার্থনা করি; তিনি দাসের রূপে প্রার্থনা করেন। সেখানে তিনি স্রষ্টা; এখানে তিনি সৃষ্টিতে আছেন। তিনি বদলান না, বরং সৃষ্টিকে গ্রহণ করে সেটিকে নিজের মধ্যে রূপান্তরিত করেন, আমাদের তাঁর সাথে মাথা এবং শরীর হিসেবে এক মানুষ তৈরি করেন।<br>তাই আমরা তাঁর কাছে, তাঁর মাধ্যমে এবং তাঁর মধ্যে প্রার্থনা করি। আমরা তাঁর সাথে প্রার্থনা করি, এবং তিনি আমাদের সাথে; আমরা গীতসংহিতার এই প্রার্থনা তাঁর মধ্যে আবৃত্তি করি, এবং তিনি এটি আমাদের মধ্যে আবৃত্তি করেন।
** পৃ. ৪২৩
*গীতসংহিতা ৬০:৩ এ: “পৃথিবীর প্রান্ত থেকে আমি আপনার কাছে কেঁদেছি।”
*পৃথিবীর প্রান্ত থেকে কে কাঁদে? কে এই এক মানুষ যে মহাবিশ্বের প্রান্ত পর্যন্ত পৌঁছায়? সে এক, কিন্তু সেই এক হলো ঐক্য। সে এক, কোনো একটি জায়গায় এক নয়, বরং এই এক মানুষের কান্না পৃথিবীর দূরতম প্রান্ত থেকে আসে। কিন্তু এই এক মানুষ পৃথিবীর প্রান্ত থেকে কীভাবে কাঁদতে পারে, যদি না সে সবার মধ্যে এক হয়?
** পৃ. ৪২৩
*খ্রিস্টের পুরো শরীর যন্ত্রণায় কাতরায়। '''জগতের শেষ পর্যন্ত, যখন যন্ত্রণা কেটে যাবে, এই মানুষটি কাতরায় এবং ঈশ্বরের কাছে কাঁদে'''। আর সেই পুরো শরীরের কান্নায় আমাদের প্রত্যেকেরই অংশ আছে। তুমি তোমার সময়ে কেঁদেছিলে, এবং তোমার সময় কেটে গেছে; অন্য কেউ তোমার জায়গা নিয়েছে এবং তার সময়ে কেঁদেছে। তুমি এখানে, সে সেখানে, এবং অন্য কেউ অন্য জায়গায়। খ্রিস্টের শরীর সারা দিন কাঁদতে থাকে, এক অঙ্গ অন্য অঙ্গের জায়গা নেয় যার আওয়াজ থেমে গেছে। এইভাবে কেবল এক মানুষ আছে যে সময়ের শেষ পর্যন্ত পৌঁছায়, আর যারা কাঁদে তারা সবসময় তাঁর অঙ্গ।
** পৃ. ৪২৩
*প্রেরিত দূত বলেন: “খ্রিস্টের যন্ত্রণায় যা বাকি আছে তা আমি আমার মাংসে পূরণ করছি” (কলসীয় ১:২৪)। “আমি পূরণ করছি,” তিনি আমাদের বলেন, “আমার যন্ত্রণায় যা বাকি আছে তা নয়, বরং খ্রিস্টের যন্ত্রণায় যা বাকি আছে তা; খ্রিস্টের মাংসে নয়, বরং আমার মাংসে। খ্রিস্টের মাংসে নয়, বরং আমার মাংসে। '''খ্রিস্ট এখনও কষ্ট পাচ্ছেন,''' তাঁর নিজের মাংসে নয় যা তিনি স্বর্গে নিয়ে গেছেন, '''বরং আমার মাংসে, যা পৃথিবীতে এখনও কষ্ট পাচ্ছে।”'''
** পৃ. ৪২৩
*শাস্ত্রের অর্থ কী যখন এটি আমাদের একজন মানুষের শরীরের কথা বলে যা মহাকাশে এতটা বিস্তৃত যে সবাই তাকে হত্যা করতে পারে? আমাদের নিজেদের, আমাদের গির্জা বা খ্রিস্টের শরীরের এই কথাগুলো বুঝতে হবে। '''কারণ যিশু খ্রিস্ট এক মানুষ, যার একটি মাথা এবং একটি শরীর আছে'''। শরীরের ত্রাণকর্তা এবং শরীরের অঙ্গগুলো হলো '''এক মাংসে দুজন, এবং এক আওয়াজে, এবং এক আবেগে,''' এবং যখন অন্যায় শেষ হয়ে যাবে, তখন '''এক বিশ্রামে'''। <br>'''আর তাই খ্রিস্টের আবেগ শুধু খ্রিস্টের মধ্যেই নেই; তবুও খ্রিস্টের আবেগ শুধু খ্রিস্টের মধ্যেই আছে।''' কারণ তুমি যদি খ্রিস্টের মধ্যে '''মাথা এবং শরীর উভয়ই''' বিবেচনা করো, তবে খ্রিস্টের আবেগ শুধু খ্রিস্টের মধ্যেই আছে; '''কিন্তু তুমি যদি খ্রিস্ট বলতে শুধু মাথাকে বোঝো, তবে খ্রিস্টের আবেগ শুধু খ্রিস্টের মধ্যেই নেই।''' তাই তুমি যদি খ্রিস্টের অঙ্গগুলোর মধ্যে থাকো, তোমরা সবাই যারা আমাকে শুনছ, এবং এমনকি তোমরা যারা আমাকে শুনছ না (যদিও তোমরা শোনো, যদি তোমরা খ্রিস্টের অঙ্গগুলোর সাথে যুক্ত থাকো), যারা খ্রিস্টের অঙ্গ নয় তাদের হাতে তোমরা যাই ভোগ করো না কেন, '''তা খ্রিস্টের যন্ত্রণায় বাকি ছিল'''। এটি যোগ করা হয়েছে কারণ এটি বাকি ছিল। তুমি পরিমাপটি পূর্ণ করো; তুমি এটিকে উপচে পড়তে দাও না। '''আমাদের মাথা হিসেবে কষ্ট পাওয়া এবং তাঁর অঙ্গগুলোতে অর্থাৎ আমাদের মধ্যে কষ্ট পাওয়া চালিয়ে যাওয়া খ্রিস্টের সম্পূর্ণ আবেগের সাথে তোমার যন্ত্রণার ঠিক ততটুকুই যোগ করা হবে যতটুকু তুমি ভোগ করবে'''। এই সাধারণ কোষাগারে প্রত্যেকে তার পাওনা পরিশোধ করে, এবং প্রত্যেকের সামর্থ্য অনুযায়ী আমরা সবাই আমাদের যন্ত্রণার অংশ দিই। '''জগতের শেষ না হওয়া পর্যন্ত আবেগের সম্পূর্ণ পরিমাপ অর্জিত হবে না।'''
** পৃ. ৪২৪-৪২৫
*যখন মাথা এবং অঙ্গগুলোকে তুচ্ছ করা হয়, তখন পুরো খ্রিস্টকে তুচ্ছ করা হয়, কারণ পুরো খ্রিস্ট, '''মাথা এবং শরীর,''' হলো সেই ন্যায়বান মানুষ যার বিরুদ্ধে প্রতারণাপূর্ণ ঠোঁট অন্যায় কথা বলে (গীতসংহিতা ৩০:১৯)।
** পৃ. ৪২৫
*হে শান্তির সন্তানেরা, এক ক্যাথলিক [গির্জা] এর সন্তানেরা, নিজেদের পথে চলো, আর চলতে চলতে গাও। যাত্রীরা তাদের আত্মবিশ্বাস বজায় রাখার জন্য এমনটি করে।
** পৃ. ৪২৭
*"কারণ আমি পবিত্র।" এই কথাগুলো শুনে আমি ত্রাণকর্তার আওয়াজ চিনতে পারি। কিন্তু আমি কি আমার নিজেরটা সরিয়ে নেব? অবশ্যই তিনি যখন এইভাবে কথা বলেন তখন তিনি তাঁর শরীরের সাথে অবিচ্ছেদ্য যুক্তিতে কথা বলেন। কিন্তু আমি কি বলতে পারি, "আমি পবিত্র"? আমি যদি এমন পবিত্রতা বোঝাই যা আমি পাইনি, তবে আমি অহংকারী এবং মিথ্যাবাদী হব; কিন্তু আমি যদি এমন পবিত্রতা বোঝাই যা আমি পেয়েছি - যেমনটি লেখা আছে: "তোমরা পবিত্র হও কারণ আমি প্রভু তোমাদের ঈশ্বর পবিত্র" (লেবীয় ১৯:২) - তবে খ্রিস্টের শরীরকে এই কথাগুলো বলতে দাও। আর পৃথিবীর প্রান্ত থেকে ক্রন্দনরত এই এক মানুষকে তার মাথার সাথে এবং তার মাথার সাথে যুক্ত হয়ে বলতে দাও: "আমি পবিত্র।" ... এটি মূর্খতাপূর্ণ অহংকার নয়, বরং কৃতজ্ঞতার প্রকাশ। তুমি যদি বলতে যে তুমি নিজে থেকেই পবিত্র, তবে তা অহংকার হতো; কিন্তু খ্রিস্টের একজন বিশ্বস্ত এবং খ্রিস্টের অঙ্গ হিসেবে তুমি যদি বলো যে তুমি পবিত্র নও, তবে তুমি অকৃতজ্ঞ। ...
** পৃ. ৪২৮
*তাই প্রত্যেক খ্রিস্টান, হ্যাঁ, সব জায়গায় খ্রিস্টের পুরো শরীরকে চিৎকার করে বলতে দাও, '''এর সহ্যের সব কষ্ট সত্ত্বেও, প্রলোভন এবং অসংখ্য কেলেঙ্কারি সত্ত্বেও,''' বলছে: "আমার আত্মা রক্ষা করুন, কারণ আমি পবিত্র; হে আমার ঈশ্বর, আপনার দাসকে বাঁচান, যে আপনার ওপর বিশ্বাস করে" (গীতসংহিতা ৮৫:২) না, এই পবিত্র জন অহংকারী নয়, কারণ সে ঈশ্বরের ওপর বিশ্বাস করে।
** পৃ. ৪২৯
*খ্রিস্টের অঙ্গগুলো অনেক হলেও, তারা এক মাথার অধীনে দাতব্য এবং শান্তির বাঁধনে একে অপরের সাথে আবদ্ধ, যিনি আমাদের ত্রাণকর্তা নিজে, এবং তারা এক মানুষ গঠন করে। প্রায়শই গীতসংহিতায় তাদের আওয়াজ '''এক মানুষের আওয়াজ হিসেবে''' শোনা যায়; একজনের কান্না সবার কান্নার মতো, কারণ সবাই একের মধ্যে এক।
** পৃ. ৪৩০
*বাক্য নিজেকে এক মানুষ হিসেবে গ্রহণ করেন, কারণ তিনি ঐক্য গ্রহণ করেন। তিনি বিভেদ গ্রহণ করেন না, তিনি ধর্মদ্রোহিতাও গ্রহণ করেন না। ... তাই এক মানুষকেই গ্রহণ করা হয়েছে, এবং তার মাথা হলেন খ্রিস্ট। ... ইনি সেই "ধন্য মানুষ যিনি দুষ্টদের পরামর্শে চলেননি" (গীতসংহিতা ১:১); ইনিই তিনি যাকে গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি আমাদের বাইরে নন। ... এসো আমরা তাঁর মধ্যে থাকি, এবং আমাদের গ্রহণ করা হবে; এসো আমরা তাঁর মধ্যে থাকি, এবং আমাদের বেছে নেওয়া হবে। ... তাই ঈশ্বরের মন্দির হওয়ার জন্য নেওয়া এই এক মানুষ একই সাথে অনেক এবং এক।
** পৃ. ৪৩০
*যেহেতু তিনি ঈশ্বর এবং মানুষের মধ্যস্থতাকারী, মানুষ যিশু খ্রিস্টকে গির্জার মাথা করা হয়েছে, এবং বিশ্বস্তরা তাঁর অঙ্গ। তাই তিনি বলেন: "তাদের জন্য আমি নিজেকে পবিত্র করি" (যোহন ১৭:১৯)। কিন্তু যখন তিনি বলেন, "তাদের জন্য আমি নিজেকে পবিত্র করি," তখন এর অর্থ কী হতে পারে তা ছাড়া: "আমি তাদের আমার মধ্যে পবিত্র করি, '''যেহেতু সত্যই তারা আমার নিজের অংশ"?''' কারণ, যেমনটি আমি বলেছি, তিনি যাদের কথা বলছেন তারা তাঁর অঙ্গ, এবং শরীরের মাথা এক খ্রিস্ট। ... তিনি যে এই ঐক্য বোঝান তা একই শ্লোকের বাকি অংশ থেকে নিশ্চিত হওয়া যায়। কারণ "তাদের জন্য আমি নিজেকে পবিত্র করি" বলার পর, তিনি সাথে সাথে যোগ করেন, "যাতে তারাও সত্যে পবিত্র হতে পারে," এটি দেখানোর জন্য যে তিনি সেই পবিত্রতার কথা বলছেন যা আমরা তাঁর মধ্যে পাব। এখন "সত্যে" কথাগুলোর অর্থ কেবল "আমার মধ্যে" হতে পারে, যেহেতু সত্য হলো সেই বাক্য যিনি শুরুতে ঈশ্বর ছিলেন। <br>মানুষের পুত্র নিজে তাঁর সৃষ্টির মুহূর্তে বাক্যে পবিত্র হয়েছিলেন, যখন বাক্য মাংসে পরিণত হয়েছিল, কারণ বাক্য এবং মানুষ এক ব্যক্তিতে পরিণত হয়েছিল। তাই সেই মুহূর্তেই তিনি নিজেকে নিজের মধ্যে পবিত্র করেছিলেন; অর্থাৎ, তিনি বাক্য হিসেবে নিজের মধ্যে মানুষ হিসেবে নিজেকে পবিত্র করেছিলেন। কারণ কেবল একজন খ্রিস্ট আছেন, বাক্য এবং মানুষ, যিনি বাক্যে মানুষকে পবিত্র করেন। <br>কিন্তু এখন তাঁর অঙ্গগুলোর পক্ষ থেকেই তিনি যোগ করেন: "আর তাদের জন্য আমি নিজেকে পবিত্র করি।" এর অর্থ হলো, '''যেহেতু তারাও আমি নিজে''', তাই তারাও এই পবিত্রতা থেকে লাভবান হতে পারে ঠিক যেমন আমি তাদের ছাড়া মানুষ হিসেবে লাভবান হয়েছি। "আর তাদের জন্য আমি নিজেকে পবিত্র করি"; অর্থাৎ, আমি তাদের আমার নিজের মধ্যে পবিত্র করি, '''যেহেতু আমার মধ্যে তারাও আমি নিজে।''' "যাতে তারাও সত্যে পবিত্র হতে পারে।" "তারাও" কথাগুলোর অর্থ কী, যদি না এটি বোঝায় যে আমি যেমন পবিত্র তেমনি তাদেরও পবিত্র হতে পারে; অর্থাৎ, "সত্যে," যা আমি নিজে? [''Quia et ipsi sunt ego''. "যেহেতু তারাও আমি নিজে"]
** পৃ. ৪৩১-৪৩২
*'''আমরাই তিনি''', যেহেতু আমরা তাঁর শরীর এবং যেহেতু তিনি আমাদের মাথা হওয়ার জন্য মানুষ হয়েছিলেন।
** পৃ. ৪৩২
*আমরা এই মাথার অঙ্গ, '''এবং এই শরীর থেকে মাথা কাটা যায় না'''। মাথা যদি চিরকাল গৌরবে থাকে, তবে অঙ্গগুলোও চিরকাল গৌরবে থাকে, যাতে খ্রিস্ট চিরকাল অবিভক্ত থাকেন।
** পৃ. ৪৩৩
*এই এক মানুষের মধ্যে, পুরো গির্জাকে বাক্য দ্বারা গ্রহণ করা হয়েছে।
** পৃ. ৪৩৪
*ঈশ্বর যে ভালোবাসায় ভালোবাসেন তা বোধগম্য নয় এবং অপরিবর্তনীয়। তিনি শুধু সেই দিন থেকেই আমাদের ভালোবাসতে শুরু করেননি যেদিন আমরা তাঁর পুত্রের রক্তের মাধ্যমে তাঁর সাথে মিলিত হয়েছিলাম; জগত সৃষ্টির আগে থেকেই তিনি আমাদের ভালোবেসেছেন, যাতে আমাদের কোনো অস্তিত্ব থাকার অনেক আগে থেকেই আমরা তাঁর একমাত্র পুত্রের সাথে তাঁর সন্তান হতে পারি....
** পৃ. ৪৩৫
*'''সব মানুষকে [[ভালোবাসা|ভালোবাসো]], এমনকি তোমার শত্রুদেরও; তাদের ভালোবাসো, তারা তোমার ভাই বলে নয়, বরং তারা যেন তোমার ভাই হতে পারে সেই জন্য। এইভাবে তুমি সর্বদা ভ্রাতৃত্বপূর্ণ ভালোবাসায় জ্বলবে, তার জন্যও যে ইতোমধ্যে তোমার ভাই এবং তোমার শত্রুর জন্যও, যাতে ভালোবেসে সে তোমার ভাই হতে পারে। ... এমনকি যে এখনও খ্রিস্টে বিশ্বাস করে না ... তাকে ভালোবাসো, এবং তাকে ভ্রাতৃত্বপূর্ণ ভালোবাসায় ভালোবাসো। সে এখনও তোমার ভাই নয়, কিন্তু তাকে ভালোবাসো এই জন্যই যাতে সে তোমার ভাই হতে পারে।'''
** পৃ. ৪৩৬
*'''তুমি যদি নিন্দা করো, তবে বিশ্বাস করে কী লাভ?''' তুমি মাথা হিসেবে তাঁর উপাসনা করো, এবং '''তাঁর শরীরে তাঁর নিন্দা করো'''। তিনি তাঁর শরীরকে ভালোবাসেন। তুমি নিজেকে শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করতে পারো, কিন্তু মাথা নিজেকে তার শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করে না। স্বর্গ থেকে তিনি চিৎকার করে বলেন, '''"তুমি আমাকে বৃথা সম্মান করো," "তুমি আমাকে বৃথা সম্মান করো!"''' যদি কেউ তোমার গালে চুমু খেতে চায়, কিন্তু একই সাথে তোমার পা মাড়াতে জিদ করে; যদি সে তার ভারী জুতো দিয়ে তোমার পা থেঁতলে দেয় আর তোমার মাথা ধরে চুমু খাওয়ার চেষ্টা করে, তবে তুমি কি তার সম্মান প্রদর্শনে বাধা দিয়ে চিৎকার করে বলবে না: "তুমি কী করছ, মানুষ? তুমি আমাকে মাড়িয়ে যাচ্ছ!" ... <br>এই কারণেই স্বর্গে ওঠার আগে আমাদের প্রভু যিশু খ্রিস্ট তাঁর শরীরের কথা আমাদের জানিয়েছিলেন, যার মাধ্যমে তিনি পৃথিবীতে থাকবেন। '''কারণ তিনি আগে থেকেই দেখেছিলেন যে স্বর্গে তাঁর গৌরবের কারণে অনেকেই তাঁকে সম্মান জানাবে, কিন্তু তাদের সম্মান বৃথা হবে, যতদিন তারা পৃথিবীতে তাঁর অঙ্গগুলোকে অবজ্ঞা করবে'''। (পৃ. ৪৩৬-৪৩৭)[http://books.google.com/books?id=CIosAAAAIAAJ&q=%22their+homage+would+be+vain,+so+long+as+they+despise+His+members+on+earth%22&dq=%22their+homage+would+be+vain,+so+long+as+they+despise+His+members+on+earth%22&hl=en&sa=X&ei=3AIXUd70C4mi8QTi2IC4Cg&ved=0CC0Q6AEwAA]
* '''তুমি যাকে চাও তাকে ভালোবাসতে বেছে নাও: বাকি সবকিছু এমনিতেই হবে।''' তুমি হয়তো বলবে, "আমি কেবল ঈশ্বরকে, ঈশ্বর পিতাকে ভালোবাসি।" ভুল! তুমি যদি তাঁকে ভালোবাসো, তবে তুমি কেবল তাঁকে ভালোবাসো না; কিন্তু তুমি যদি পিতাকে ভালোবাসো, তবে তুমি পুত্রকেও ভালোবাসো। অথবা তুমি হয়তো বলবে, "আমি পিতাকে ভালোবাসি এবং আমি পুত্রকে ভালোবাসি, কিন্তু কেবল এদেরকেই; ঈশ্বর পিতা এবং ঈশ্বর পুত্র, আমাদের প্রভু যিশু খ্রিস্ট যিনি স্বর্গে উঠেছেন এবং পিতার ডানপাশে বসেছেন, সেই বাক্য যার মাধ্যমে সব কিছু তৈরি করা হয়েছে, সেই বাক্য যিনি মাংসে পরিণত হয়েছেন এবং আমাদের মধ্যে বাস করেছেন; কেবল এদেরকেই আমি ভালোবাসি।" আবার ভুল! '''তুমি যদি মাথাকে ভালোবাসো, তবে তুমি অঙ্গগুলোকেও ভালোবাসো; তুমি যদি অঙ্গগুলোকে ভালোবাসো না, তবে তুমি মাথাকেও ভালোবাসো না'''।
** পৃ. ৪৩৮
===''Contra epistolam Manichaei''===
* '''Ego vero Evangelio non crederem, nisi me catholicae Ecclesiae commoveret auctoritas.''' (chapter 5)[https://www.augustinus.it/latino/contro_lettera_mani/index.htm]
** নিসিন পোস্ট-নিসিন ফাদার্স অনুবাদ: "আমি সুসমাচার বিশ্বাস করতাম না যদি ক্যাথলিক চার্চের কর্তৃত্ব আমাকে প্ররোচিত না করত।" [https://en.wikisource.org/wiki/Nicene_and_Post-Nicene_Fathers:_Series_I/Volume_IV/Manichaean_Controversy/Against_the_Epistle_of_Manichaeus/Chapter_5]
** বিকল্প অনুবাদ: "কিন্তু আমি সুসমাচারে বিশ্বাস করতাম না, যদি ক্যাথলিক চার্চের কর্তৃত্ব আমাকে আগেই প্ররোচিত না করত।"
{{Disputed begin}}
== বিতর্কিত ==
[[File:Augustinus 2.jpg|thumb|right|[[শাশ্বত]] বিষয়গুলোর বুদ্ধিবৃত্তিক উপলব্ধি হলো [[প্রজ্ঞা|প্রজ্ঞার]] কাজ; আর অস্থায়ী বিষয়গুলোর যৌক্তিক উপলব্ধি হলো [[জ্ঞান|জ্ঞানের]] কাজ।]]
* ''Humilitas homines sanctis angelis similes facit, et superbia ex angelis demones facit.''
** '''অহংকারই [[দেবদূত|দেবদূতদের]] [[শয়তান|শয়তানে]] পরিণত করেছিল; আর [[নম্রতা|নম্রতাই]] [[মানুষ|মানুষকে]] দেবদূতের মতো তৈরি করে।'''
*** [[w:থমাস অফ আয়ারল্যান্ড|থমাস হাইবারনিকাস]] দ্বারা সম্পাদিত ''ম্যানিপুলাস ফ্লোরাম'' (''আনুমানিক'' ১৩০৬), সুপেরবিয়া ১ কাম উয়ারিস-এ উদ্ধৃত; এছাড়াও হিয়ালমার ডে গোল্ড এবং এডওয়ার্ড লুইস হেসেনমুলার দ্বারা সম্পাদিত ''বেস্ট থটস অফ বেস্ট থিংকার্স: অ্যামপ্লিফায়েড, ক্লাসিফায়েড, এক্সমপ্লিফায়েড অ্যান্ড অ্যারেঞ্জড অ্যাজ আ কি টু আনলক দ্য লিটারেচার অফ অল এজেস'' (১৯০৪) বইতেও রয়েছে* আমার মা তাঁর নারীসুলভ এবং শিশুলভ গুণের দ্বারা আমার বাবার কাছে [[খ্রিস্ট|খ্রিস্টের]] কথা বলেছিলেন, এবং কোনো রকম অভিযোগ বা বিরক্তি ছাড়াই তাঁর সহিংসতা সহ্য করার পর, জীবনের শেষ পর্যায়ে তাঁকে খ্রিস্টের কাছে নিয়ে এসেছিলেন।
** জোসায়াহ হচকিস গিলবার্টের ''ডিকশনারি অফ বার্নিং ওয়ার্ডস অফ ব্রিলিয়ান্ট রাইটার্স'' (১৮৯৫), পৃ. ৩৫১ এ উল্লেখিত
* '''[[ন্যায়বিচার|ন্যায়বিচার]] থেকে বঞ্চিত করার বিকল্প কখনো [[দান|দান]] হতে পারে না।'''
** সিডনি জে. হ্যারিসের ''মজরিটি অফ ওয়ান'' (১৯৫৭), পৃ. ২৮৩ এ উদ্ধৃত
* '''[[ভালোবাসা|ভালোবাসা]] দেখতে কেমন? অন্যদের [[সাহায্য|সাহায্য]] করার জন্য এর [[হাত]] আছে। [[দরিদ্র]] ও অভাবীদের কাছে ছুটে যাওয়ার জন্য এর পা আছে। দুঃখ ও অভাব দেখার জন্য এর [[চোখ]] আছে। মানুষের দীর্ঘশ্বাস ও [[দুঃখ]] শোনার জন্য এর কান আছে। ভালোবাসাকে দেখতে এমনই লাগে।'''
** লয়েড কোরির ''কোট, আনকোট'' (১৯৭৭), পৃ. ১৯৭ এ উদ্ধৃত
* '''[[আশা|আশার]] দুটি সুন্দর মেয়ে আছে। তাদের নাম হলো [[রাগ]] এবং [[সাহস]]; পরিস্থিতি যেমন আছে তার ওপর রাগ, এবং পরিস্থিতি যেন তেমন না থাকে তা দেখার সাহস।'''
** রবার্ট ম্যাকাফি ব্রাউনের ''স্পিরিচুয়ালিটি অ্যান্ড লিবারেশন: ওভারকামিং দ্য গ্রেট ফ্যালাসি'' (১৯৮৮), পৃ. ১৩৬ এ উদ্ধৃত
* '''[[শাশ্বত]] বিষয়গুলোর বুদ্ধিবৃত্তিক উপলব্ধি হলো [[প্রজ্ঞা|প্রজ্ঞার]] কাজ; আর অস্থায়ী বিষয়গুলোর যৌক্তিক উপলব্ধি হলো [[জ্ঞান|জ্ঞানের]] কাজ।'''
** নরবার্ট গুটারম্যানের ''দ্য অ্যাঙ্কর বুক অফ ল্যাটিন কোটেশনস: উইথ ইংলিশ ট্রান্সলেশনস'' (১৯৯০), পৃ. ৩৭৫ এ উদ্ধৃত
* '''[[বিশ্বাস|বিশ্বস্ততার]] মাধ্যমে আমরা নিজেদের মধ্যে সংগ্রহিত হয়ে [[ঐক্য|ঐক্যে]] আবদ্ধ হই, যেখানে আমরা বহুগুণে ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিলাম।'''
** জেফ ও'লিরির ''ফুটপ্রিন্টস ইন টাইম: ফুলফিলিং গডস ডেস্টিনি ফর ইওর লাইফ'' (২০০৭), পৃ. ২২৩ এ উদ্ধৃত
*অন্যান্য প্রাণীর তুলনায় [[নারী]] হলো ঈশ্বরের রূপ, কারণ সে তাদের ওপর কর্তৃত্ব করে। কিন্তু পুরুষের তুলনায়, তাকে ঈশ্বরের রূপ বলা যায় না, কারণ সে পুরুষের ওপর শাসন বা কর্তৃত্ব করে না, বরং তার বাধ্য হওয়া উচিত। নারী পুরুষের অধীন হবে ঠিক যেমনটি খ্রিস্টের প্রতি। কারণ নারীর উদাহরণ শরীর এবং মাংস থেকে নয় যে সে পুরুষের অধীন হবে, যেমনটি মাংস আত্মার প্রতি, কারণ এই জীবনের দুর্বলতা এবং মৃত্যুশীলতায় মাংস আত্মার বিরুদ্ধে লালসা করে এবং লড়াই করে, এবং তাই পবিত্র আত্মা নারীকে এই ধরনের অধীনতার কোনো উদাহরণ দেবেন না।
** [[জন নক্স|জন নক্সের]] [http://www.swrb.com/newslett/actualNLs/firblast.htm ''দ্য ফার্স্ট ব্লাস্ট টু অ্যাওকেন উইমেন ডিজেনারেট'' ] (১৫৫৮) এ উদ্ধৃত
* '''হতাশ হয়ো না: একজন চোর রক্ষা পেয়েছিল। অনুমান কোরো না: একজন চোর অভিশপ্ত হয়েছিল।'''
** [[রবার্ট গ্রিন (নাট্যকার)|রবার্ট গ্রিনের]] [http://www.oxford-shakespeare.com/Greene/Repentance_Robert_Greene.pdf ''দ্য রিপেন্ট্যান্স অফ রবার্ট গ্রিন, মাস্টার অফ আর্টস''] (১৫৯২) বইতে সেন্ট অগাস্টিনের বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
* '''[[ঈশ্বর|ঈশ্বরকে]] ছাড়া, আমরা পারি না। আমাদের ছাড়া, ঈশ্বর করবেন না।'''
** রবার্ট এডওয়ার্ড লুককের ''ইফ গড বি ফর আস: সার্মনস অন দ্য গিফটস অফ দ্য গসপেল'' (১৯৫৪), পৃ. ৩৮ এ উদ্ধৃত; এটি তাঁর ১৬৯তম ধর্মোপদেশের একটি অভিব্যক্তির বিকল্প অনুবাদ বা সংক্ষিপ্ত রূপ হতে পারে: "যিনি তোমাকে ছাড়া তোমাকে তৈরি করেছেন তিনি তোমাকে ছাড়া তোমাকে ন্যায়সঙ্গত প্রমাণ করবেন না।"
* '''তুমি যদি সুসমাচারের যা পছন্দ করো তা বিশ্বাস করো, এবং যা পছন্দ করো না তা প্রত্যাখ্যান করো, তবে তুমি সুসমাচারে নয়, নিজের ওপর বিশ্বাস করো।'''
** এর প্রাথমিক উল্লেখ পাওয়া যায় জর্জ সুইটিংয়ের ''[https://books.google.nl/books?id=7mn8AwAAQBAJ&pg=PT63 হু সেইড দ্যাট?: মোর দ্যান ২,৫০০ ইউজেবল কোটস অ্যান্ড ইলাস্ট্রেশনস]'' (১৯৯৫) বইতে। অনলাইন সূত্রগুলো সব সময় এই উদ্ধৃতিটি অগাস্টিনের বলে দাবি করে, কিন্তু তাঁর কোন লেখায় এটি পাওয়া যায় তা কখনো নির্দিষ্ট করে না।
* '''আমার ঈশ্বরের প্রতি আগুনের মতো হৃদয়; আমার সহকর্মীদের প্রতি ভালোবাসার হৃদয়; নিজের প্রতি ইস্পাতের মতো হৃদয়।'''
** অনলাইনে অনেক সূত্র দ্বারা অগাস্টিনকে দায়ী করা হয়েছে, কিন্তু কোনো প্রকৃত তথ্যসূত্র ছাড়া।
{{Disputed end}}
{{Misattributed begin}}
==ভুলভাবে দায়ী করা হয়েছে==
* ''Quando hic sum, non iuieno Sabbato; quando Romae sum, iuieno Sabbato.''
** আমি যখন এখানে থাকি, আমি শনিবার রোজা রাখি না; যখন রোমে থাকি, তখন আমি শনিবার রোজা রাখি।
*** এখানে, ''চিঠি ৩৬ "ক্যাসুলানাসকে" (৩৯৬ খ্রি.)'' তে, অগাস্টিন [[w:অ্যামব্রোস|অ্যামব্রোসকে]] উদ্ধৃত করছেন।
*** বাক্যটির উৎস: "যখন রোমে থাকবে, রোমানদের মতো করবে।"
* ''[[w:In necessariis unitas, in dubiis libertas, in omnibus caritas|In necessariis unitas, In dubiis libertas, In omnibus autem caritas.]]''
** [[প্রয়োজন|প্রয়োজনীয়]] বিষয়ে, [[ঐক্য]]; [[সন্দেহ|সন্দেহজনক]] বিষয়ে, [[স্বাধীনতা]]; সব বিষয়ে, [[দান]] ([[ভালোবাসা]])।
*** এই ধরনের অভিব্যক্তির প্রথম পরিচিত উল্লেখ হলো [[w:মার্কো আন্তোনিও দে দমিনস|মার্কো আন্তোনিও দে দমিনসের]] ''ডি রেপাবলিকা এক্লেসিয়াস্টিকা'', পার্স ১. লন্ডন (১৬১৭), লিব. ৪ ক্যাপ. ৮ [http://books.google.de/books?id=QcVFAAAAcAAJ&pg=PA676 পৃ. ৬৭৬ (শেষের আগের বাক্য) বুকস.গুগল] তে "''Omnesque mutuam amplecteremur unitatem in necessariis, in non necessariis libertatem, in omnibus caritatem''" হিসেবে, [http://liberlocorumcommunium.blogspot.com/2010/03/in-necessariis-unitas-in-non.html লিবারলোকরামকমিউনিয়াম] তুলনা করুন।
* ''Qui cantat, bis orat''
** যে গান গায় সে দুবার প্রার্থনা করে।
** তাঁর লেখায় পাওয়া যায়নি। গীতসংহিতা ৭২ এর জন্য তাঁর "এক্সপোজিশন অন দ্য সামস"-এ তিনি লিখেছিলেন, "Qui enim cantat laudem, non solum laudat, sed etiam hilariter laudat; qui cantat laudem, non solum cantat, sed et amat eum quem cantat." এর ইংরেজি অনুবাদ হবে "কারণ যে প্রশংসার গান গায়, সে কেবল প্রশংসাই করে না, বরং আনন্দের সাথে প্রশংসাও করে; যে প্রশংসার গান গায়, সে কেবল গানই গায় না, বরং যার গান সে গাইছে তাকে ভালোবাসেও।"
** গুগল বুকসে "Qui cantat, orat bis" এর প্রথম উল্লেখ পাওয়া যায় ওয়েনজেল নিকোলাইডেসের ১৫৫৪ সালের বই ''[https://books.google.com/books?id=5k-v3J8pmFAC&pg=RA1-PA4-IA1#v=onepage&q=qui%20cantat%20orat%20bis&f=false ক্যান্টায়োনস ইভানজেলিকাই: অ্যাড উসিটাতাস হারমোনিয়াস...]'' এর ৪ পৃষ্ঠায়।
* ''Inter faeces et urinas nascimur.''
** আমরা মল ও মূত্রের মধ্যে জন্মগ্রহণ করি।
***ফ্রয়েডের ''ডোরা''-তে চার্চ ফাদারের প্রতি দায়ী করা হয়েছে; ফ্রয়েড মনে হয় এটি জোসেফ হিরটল (১৮৬৭) এর একটি শারীরস্থান পাঠ্যবইতে পেয়েছিলেন, যেখানে এটি চার্চ ফাদারের প্রতি দায়ী করা হয়েছিল; এটি হিরটল নিজেই আবিষ্কার করে থাকতে পারেন। [[http://books.google.com/books?id=yw3tglAWxNAC&pg=RA1-PR72&lpg=RA1-PR72&dq=%22inter+urinas+et+faeces+nascimur%22+hyrtl&source=bl&ots=2sjrc-dGEs&sig=MDvt7D74M5JPozL1HKnN1FEmxbY&hl=en&sa=X&ei=vHJtUuneKJjb4APXq4CIAQ&ved=0CCkQ6AEwAA#v=onepage&q=%22inter%20urinas%20et%20faeces%20nascimur%22%20hyrtl&f=false]] হিরটলের উদ্ধৃতির জন্য দেখুন [[http://books.google.com/books?id=qrEaAAAAYAAJ&pg=PA820&dq=nascimur+inauthor:Hyrtl&hl=en&sa=X&ei=z3RtUru2LMzKkAfnm4DoAQ&ved=0CC8Q6AEwAA#v=onepage&q=nascimur%20inauthor%3AHyrtl&f=false]]।
***ষোড়শ শতাব্দীর দার্শনিক মার্ক অ্যান্টনি জিমারার একটি কাজে প্রায় একই রকম একটি বাক্য পাওয়া যায়: ''Quippe si se inter stercus & urinam conceptum fuisse reminisceretur [...] non utique superbiret.'' ("কারণ, [মানুষ] যদি মনে রাখে যে সে গোবর এবং মূত্রের মধ্যে গর্ভধারণ করেছিল, [...] তবে সে স্পষ্টতই অহংকার বোধ করত না।") (সূত্র: [https://books.google.pl/books?id=5bY7AAAAcAAJ&pg=PA154#v=onepage&q&f=false প্রবলেমাটা অ্যারিস্টোটেলিস অ্যাক ফিলোসোফোরাম মেডিকোরামকিউ কমপ্লুরিয়াম, লিয়ন ১৫৫৭, পৃ. ১৫৪])
** বিকল্প: আমরা মল ও মূত্রের মাঝে জন্মগ্রহণ করি।
* পৃথিবী হলো একটি বিশাল বই, যার মধ্যে যারা কখনো বাড়ির বাইরে যায় না তারা কেবল একটি পৃষ্ঠাই পড়ে।
** "টমাস ফিল্ডিং" (জন ওয়েড) এর [http://www.archive.org/details/selectproverbsa00wadegoog "সিলেক্ট প্রবাদস অফ অল নেশনস" (১৮২৪), পৃ. ২১৬]-এ অগাস্টিনের বলে উল্লেখ করা হয়েছে, এবং পরবর্তীতে ইভান এসার এর ''২০,০০০ কুইপস অ্যান্ড কোটস'' (১৯৯৫), পৃ. ৮২২-এ "পৃথিবী একটি বই, এবং যারা ভ্রমণ করে না তারা কেবল একটি পৃষ্ঠাই পড়ে" আকারে উদ্ধৃত করা হয়েছে; এটি অগাস্টিনের লেখায় পাওয়া যায়নি, এবং ফাউজেরেট ডি মনব্রন এর ''[[wikisource:fr:Le Cosmopolite, ou Le Citoyen du monde|লি কসমোপোলাইট]]'' (১৭৫৩) এ পাওয়া একটি অভিব্যক্তির বিকল্প অনুবাদ হতে পারে: "মহাবিশ্ব হলো এক ধরনের বই, যার প্রথম পৃষ্ঠাটি কেউ পড়ে ফেলেছে যখন সে কেবল নিজের দেশটি দেখেছে।" * অতীত ছাড়া কোনো সাধু নেই, ভবিষ্যৎ ছাড়া কোনো পাপী নেই।
** এটিকে কখনো কখনো অগাস্টিনের বলে উল্লেখ করা হয়, তবে এর প্রথম পরিচিত উল্লেখ পাওয়া যায় [[w:আহমদ সোহরাব|আহমদ সোহরাবের]] ''পার্সিয়ান রোজারি'' (আনুমানিক ১৯২৯) এ <small>[http://magshare.net/narchive/NArchive/Misc/Raw_Data/A_Persian_Rosary_by_Mirza_Ahmad_Sohrab.pdf (পিডিএফ)]</small>, যা সম্ভবত [[অস্কার ওয়াইল্ড#অ্যা ওম্যান অফ নো ইমপোর্টেন্স (১৮৯৩)|অস্কার ওয়াইল্ডের]] ১৮৯৩ সালের নাটক ''অ্যা ওম্যান অফ নো ইমপোর্টেন্স''-এর একটি বিবৃতির রূপান্তর থেকে উদ্ভূত হয়েছে: "সাধু এবং পাপীর মধ্যে একমাত্র পার্থক্য হলো প্রত্যেক সাধুর একটি অতীত আছে এবং প্রত্যেক পাপীর একটি ভবিষ্যৎ আছে।"
* আমাদের শরীর সন্তান ধারণের জন্য আকৃতি পেয়েছে, এবং আমাদের জীবন সৃষ্টির প্রক্রিয়াগুলোর একটি কাজ। আমাদের সব উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং বুদ্ধিমত্তা সেই মহান প্রাথমিক বিন্দুর পাশে।
** কখনো কখনো অগাস্টিনকে দায়ী করা হয়, কিন্তু এটি নেওয়া হয়েছে [https://en.wikipedia.org/wiki/Phyllis_McGinley ফিলিস ম্যাকগিনলে] এর ''দ্য প্রভিন্স অফ দ্য হার্ট'', "দ্য অনার অফ বিয়িং অ্যা ওম্যান" (১৯৫৯) থেকে।
* সত্য হলো সিংহের মতো। তোমাকে এটিকে রক্ষা করতে হবে না। এটিকে মুক্ত করে দাও এবং এটি নিজেই নিজেকে রক্ষা করবে।
** অগাস্টিনের কাজগুলোতে এটি পাওয়া যায়নি, ''ফক্সটেশনস: বিকজ সামটাইমস দ্য ইন্টারনেট ইজ রং'' : সেন্ট অগাস্টিন: দ্য ট্রুথ ইজ লাইক আ লায়ন (১৮ অক্টোবর ২০১৫)]-এ বলা হয়েছে যে, এটি সম্ভবত "ঈশ্বরের বাক্য" বা "খাঁটি সুসমাচার", এবং [[বাইবেল]] সম্পর্কে [[চার্লস হ্যাডন স্পারজিয়ন]] এর বিবৃতি থেকে নেওয়া একটি সারাংশ:
::: '''ঈশ্বরের বাক্য নিজের যত্ন নিতে পারে, এবং আমরা যদি এটি প্রচার করি এবং রক্ষা করা বন্ধ করি তবে এটি তা করবে। তুমি কি সেই সিংহটিকে দেখতে পাচ্ছ?''' তাকে রক্ষা করার জন্য তারা তাকে খাঁচায় বন্দি করেছে; তার শত্রুদের থেকে তাকে সুরক্ষিত করতে লোহার শিকের পেছনে বন্দি করেছে! দেখো কীভাবে একদল সশস্ত্র মানুষ সিংহটিকে রক্ষা করার জন্য জড়ো হয়েছে। তারা তাদের তলোয়ার এবং বর্শা দিয়ে কী আওয়াজ করছে! এই শক্তিশালী মানুষেরা একটি সিংহকে রক্ষা করতে ইচ্ছুক। হে বোকা, এবং ধীর হৃদয়ের মানুষ! সেই দরজাটি খুলে দাও! বনের রাজাকে মুক্ত হয়ে বেরিয়ে আসতে দাও। কে তার মুখোমুখি হওয়ার সাহস করবে? তোমার অভিভাবকের যত্নে তার কী প্রয়োজন? '''খাঁটি সুসমাচারকে তার সমস্ত সিংহের মতো মহিমায় এগিয়ে যেতে দাও, এবং এটি শীঘ্রই তার নিজের পথ পরিষ্কার করবে এবং নিজেকে তার শত্রুদের হাত থেকে মুক্ত করবে।'''
:::* ''দ্য লাভার অফ গডস ল ফিল্ড উইথ পিস'' (জানুয়ারি ১৮৮৮)
:: এবং এর আগের:
::: আমার মনে হয় কিছু যুগে বাইবেলকে ব্যাখ্যা করার চেয়ে রক্ষা করার জন্য দ্বিগুণ কাজ করা হয়েছে, কিন্তু যদি আমাদের পুরো শক্তি এখন থেকে এটিকে ব্যাখ্যা করা এবং ছড়িয়ে দেওয়ার দিকে যায়, তবে আমরা এটিকে নিজের রক্ষার্থে ছেড়ে দিতে পারি। আমি জানি না আপনারা সেই সিংহটিকে দেখতে পাচ্ছেন কিনা — এটি আমার চোখের সামনে খুব স্পষ্ট; অনেক লোক তাকে আক্রমণ করতে এগিয়ে আসছে, যখন আমাদের অনেকেই আমাদের সমস্ত শক্তি দিয়ে ব্রিটিশ সিংহকে, সেই মহান বৃদ্ধ রাজাকে রক্ষা করবে। অনেক পরামর্শ দেওয়া হয় এবং অনেক উপদেশ দেওয়া হয়। এই অস্ত্রটি সুপারিশ করা হয়, এবং অন্যটিও। আমাকে ক্ষমা করবেন যদি আমি একটি শান্ত পরামর্শ দিই। '''দরজাটি খুলুন এবং সিংহটিকে বের হতে দিন; সে নিজের যত্ন নেবে।''' কেন, তারা চলে গেছে! সে তার শক্তিতে এগিয়ে যাওয়ার সাথে সাথে তার আক্রমণকারীরা পালিয়ে যায়। অবিশ্বাসীদের মোকাবিলা করার উপায় হলো বাইবেল ছড়িয়ে দেওয়া। বাইবেলের বিরুদ্ধে প্রত্যেকটি আপত্তির উত্তর হলো বাইবেল।
:::* ব্রিটিশ অ্যান্ড ফরেন বাইবেল সোসাইটির বার্ষিক সভায় বক্তব্য [https://books.google.com/books?id=j_0CAAAAQAAJ&pg=PA17&lpg=PA17#v=onepage&q&f=false "দ্য বাইবেল" (৫ মে ১৮৭৫), জি.এইচ. পাইক দ্বারা সম্পাদিত ''স্পিচেস বাই সি. এইচ. স্পারজিয়ন অ্যাট হোম অ্যান্ড অ্যাব্রড'' (১৮৭৮) বইতে]
* আনুগত্য করার স্বাধীনতার চেয়ে বড় কোনো স্বাধীনতা নেই।
** বিভিন্ন শিক্ষার সারাংশ, মূলত 'কনফেশনস' থেকে নেওয়া।
* সব সত্যই ঈশ্বরের সত্য।
** অগাস্টিনের ''অন ক্রিশ্চিয়ান টিচিং'', খণ্ড ২ থেকে "যেখানেই কেউ সত্য আবিষ্কার করে, সেটি প্রভুর" এর সারাংশ।
* আমি জানি, কিন্তু এটা আর আমি নই।
** বলা হয় অগাস্টিন তার প্রাক্তন উপপত্নীকে রাস্তায় অভিবাদন জানালে তিনি তাকে এড়িয়ে যান। তখন তিনি বলেছিলেন "অগাস্টিন, এ আমি!" আসলে উদ্ধৃতিটি (''Sed ego non sum ego'') অ্যামব্রোসের [https://www.documentacatholicaomnia.eu/02m/0339-0397,_Ambrosius,_De_Poenitentia_Libri_Duo,_MLT.pdf ''ডি পেনিতেন্তিয়া'', খণ্ড ২], অধ্যায় ১০ থেকে নেওয়া। অ্যামব্রোস এটিকে একটি রূপকথার গল্প হিসেবে বর্ণনা করেছেন, অগাস্টিনের বিষয়ে নয়, যেমনটি [https://truthchallenge.one/blog/2014/11/17/did-st-augustine-say-this-to-a-prostitute/ এখানে] ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
{{Misattributed end}}
== অগাস্টিন সম্পর্কে উদ্ধৃতি ==
[[File:Władysław Wankie Святой Августин.jpg|thumb|তারা একটি ছোট [[শিশু|শিশুকে]] দেখল। সে বালিতে একটি ছোট গর্ত খুঁড়ে তাতে শামুকের খোলস দিয়ে সমুদ্রের জল ভরছিল। অগাস্টিন হেসে তাকে জিজ্ঞেস করলেন যে সে পুরো [[মহাসাগর|মহাসাগরকে]] এতে খালি করার কথা ভাবছে কিনা? শিশুটি উত্তর দিল, "কেন নয়? পবিত্র ত্রিত্বের অবোধ্য মহাসাগরকে তোমার মাথায় ঢোকানোর চেয়ে এটি বেশি সহজ হবে!"]]
:<small>লেখক বা সূত্র অনুযায়ী বর্ণানুক্রমিকভাবে সাজানো</small>
[[File:0410 - Pavia - S. Pietro in Ciel d'Oro - Arca S. Agostino (1362) - Foto Giovanni Dall'Orto, 17-Oct-2009A.jpg|thumb|প্রথম চিন্তাবিদ যিনি ব্যক্তি এবং [[ব্যক্তিত্ব|ব্যক্তিত্বের]] [[দর্শন|দার্শনিক]] এবং [[মনোবিজ্ঞান|মনস্তাত্ত্বিক]] ধারণাগুলোকে বিশিষ্টতা এনেছিলেন এবং বিশ্লেষণ করেছিলেন। ~ পল হেনরি]]
[[File:0408 - Pavia - S. Pietro in Ciel d'Oro - Arca S. Agostino (1362) - Foto Giovanni Dall'Orto, 17-Oct-2009.jpg|thumb|তিনি একজন [[প্রতিভা|প্রতিভাবান]] ছিলেন — একজন বুদ্ধিবৃত্তিক দৈত্য — এবং তিনি একটি পুঙ্খানুপুঙ্খ ধ্রুপদী শিক্ষা পেয়েছিলেন। ~ [[:w:নর্মান ক্যান্টর|নর্মান ক্যান্টর]] ]]
[[File:Lombardia Pavia1 tango7174.jpg|thumb|আমার মনে হয়, অগাস্টিনের সমকক্ষ হওয়ার [[আশা]] কেউ করতে পারে না। আজকাল কে তাঁর সমকক্ষ হওয়ার আশা করতে পারে যিনি, আমার [[রায়|মতে]], মহান [[মন|মনের]] উর্বর যুগে [[সেরা]] ছিলেন? ~ [[পেত্রার্ক]] ]]
* বহু শতাব্দী আগে আমার গির্জার একজন সাধু সেন্ট অগাস্টিন লিখেছিলেন যে একটি জনগোষ্ঠী হলো তাদের [[ভালোবাসা|ভালোবাসার]] সাধারণ বস্তু দ্বারা সংজ্ঞায়িত একটি বহুলোক—তাদের ভালোবাসার সাধারণ বস্তু দ্বারা সংজ্ঞায়িত। [[আমেরিকান]] হিসেবে আমরা কোন সাধারণ বস্তুগুলোকে ভালোবাসি? যা আমাদের আমেরিকান হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে? আমি মনে করি আমরা জানি: [[সুযোগ]], [[নিরাপত্তা]], [[স্বাধীনতা]], [[মর্যাদা]], [[সম্মান]], [[গৌরব]], এবং হ্যাঁ, [[সত্য]]।
** [[জো বাইডেন]], [https://www.presidency.ucsb.edu/documents/inaugural-address-53 উদ্বোধনী ভাষণ], (২০ জানুয়ারি ২০২১)
*'''সেন্ট অগাস্টিন নিজেকে কয়েকটি ধর্মীয় কাজ নিয়ে ব্যস্ত রেখেছিলেন, এবং অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে একটি ছিল ''[[w:অন দ্য ট্রিনিটি|ট্রিটিজ অন দ্য ট্রিনিটি]]''।''' একদিন যখন তিনি সৈকতে হাঁটছিলেন এবং তাঁর মায়ের সাথে এই [[রহস্য]] নিয়ে ধ্যান করছিলেন, তখন তারা একটি ছোট শিশুকে দেখতে পান, যে বালিতে একটি ছোট গর্ত খুঁড়ে তাতে শামুকের খোলস দিয়ে সমুদ্রের জল ভরছিল। '''অগাস্টিন হেসে তাকে জিজ্ঞেস করলেন যে সে পুরো [[মহাসাগর|মহাসাগরকে]] এতে খালি করার কথা ভাবছে কিনা?''' শিশুটি উত্তর দিল, "কেন নয়? পবিত্র ত্রিত্বের অবোধ্য মহাসাগরকে তোমার মাথায় ঢোকানোর চেয়ে এটি বেশি সহজ হবে!"
** [[w:লুই-ভিক্টর-এমিল বোগাউড|লুই-ভিক্টর-এমিল বোগাউড]], ''হিস্টোয়ার ডি সেন্ট মনিক'' (১৮৬৬) বইতে একটি ঐতিহ্যবাহী গল্প উপস্থাপন করেছেন, যা [[w:এলিজাবেথ হার্বার্ট, ব্যারনেস হার্বার্ট অফ লিয়া|লেডি হার্বার্ট অফ লিয়ার]] ''দ্য মাদার অফ সেন্ট অগাস্টিন'' (১৮৬৯) বইতে অনূদিত হয়েছে।
* তাঁর মা মনিকা প্রায় নিশ্চিতভাবেই একজন বারবার ছিলেন এবং তাঁর বাবার মধ্যে সম্ভবত বারবার ও রোমান বংশোদ্ভূত মিশ্রণ ছিল।
** [[:w:ডোনাল্ড বার্ট|ডোনাল্ড বার্ট]], [http://www.villanova.edu/mission/spirituality/about/ অগাস্টিনস ওয়ার্ল্ড: অ্যান ইন্ট্রোডাকশন টু হিজ স্পেকুলেটিভ ফিলোসফি] বইতে, [[:w:অগাস্টিনিয়ানস|অগাস্টিনিয়ান অর্ডার]], [[:w:ভিলানোভা ইউনিভার্সিটি|ভিলানোভা ইউনিভার্সিটি]] এর সদস্য [[:w:ডোনাল্ড বার্ট|ডোনাল্ড বার্ট]] কর্তৃক।
* '''আফ্রিকার থাগাস্টেতে (বর্তমান সৌক-আহরাস) ৩৫৪ সালে জন্মগ্রহণকারী একজন বারবার... তাঁর কাজের অসামান্য উজ্জ্বলতা (''[[w:সিটি অফ গড (বই)|দ্য সিটি অফ গড]]'', ''[[w:কনফেশনস (সেন্ট অগাস্টিন)|দ্য কনফেশনস]]''), তাঁর পরস্পরবিরোধী প্রকৃতি, বিশ্বাস এবং বুদ্ধিমত্তাকে, ধ্রুপদী এবং খ্রিস্টান সভ্যতাকে, পুরোনো এবং নতুনকে একসাথে আনার তাঁর ইচ্ছা — এই ইচ্ছাকৃত প্রচেষ্টাগুলো তাঁকে কিছু ক্ষেত্রে একজন যুক্তিবাদী করে তুলেছিল।'''- তাঁর জন্য বিশ্বাসই প্রথমে আসত: কিন্তু তা সত্ত্বেও তিনি ঘোষণা করেছিলেন 'Credo ut intelligam' — 'আমি বোঝার জন্য বিশ্বাস করি।' তিনি আরও বলেছিলেন 'Si fallor, sum' — 'আমি যদি ভুলও করি, তবুও আমি আছি' — এবং 'Si dubitat, vivit' — 'সে যদি সন্দেহ করে, তবে সে বেঁচে আছে'... '''ভবিষ্যতের প্রজন্ম নিঃসন্দেহে একজন ধর্মতাত্ত্বিক হিসেবে সেন্ট অগাস্টিনের ওপর এবং পূর্বনির্ধারণ সম্পর্কে তিনি যা লিখেছিলেন তার ওপর মনোযোগ দিয়েছে। কিন্তু অগাস্টিনবাদ পশ্চিমা খ্রিস্টধর্মকে এর কিছু রঙ এবং মানিয়ে নেওয়ার ও বিতর্ক করার ক্ষমতা দিয়েছিল — তা শুধু গভীর ব্যক্তিগত চিন্তাভাবনা এবং সেই অনুযায়ী কাজ করার ইচ্ছা নিয়ে পূর্ণ সচেতনতার সাথে বিশ্বাসকে গ্রহণ করার অত্যাবশ্যক প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেওয়ার মাধ্যমেই হোক না কেন।'''
** [[:w:ফার্নান্দ ব্রদেল|ফার্নান্দ ব্রদেল]], ''আ হিস্ট্রি অফ সিভিলাইজেশনস'' (১৯৬৩), পেঙ্গুইন বুকস (১৯৯৫ সংস্করণ), পৃ. ৩৩৫
* '''গির্জার সব ফাদারদের মধ্যে সেন্ট অগাস্টিন মধ্যযুগে সবচেয়ে প্রশংসিত এবং প্রভাবশালী ছিলেন।''' ধ্রুপদী সংস্কৃতির সাথে খ্রিস্টান অভিজ্ঞতার সম্পর্কের একটি মৌলিক পরীক্ষা চালানোর জন্য তিনি পটভূমি এবং অভিজ্ঞতা দ্বারা উপযুক্ত ছিলেন। অগাস্টিন ছিলেন একজন বহিরাগত — একজন আদিবাসী উত্তর আফ্রিকান যার পরিবার রোমান ছিল না বরং বারবার ছিল (যাদের আজ "আরব" বলে মনে করা হয়)। ... সাম্রাজ্যিক ক্ষমতার অভিজাত পরিবারে জন্মগ্রহণ না করায়, তিনি নিজেকে সাম্রাজ্য এবং এর নিয়তি থেকে আলাদা করতে পেরেছিলেন।<br>অগাস্টিন প্রচুর জ্ঞানী ছিলেন। '''তিনি একজন [[প্রতিভা|প্রতিভাবান]] ছিলেন — একজন বুদ্ধিবৃত্তিক দৈত্য — এবং তিনি একটি পুঙ্খানুপুঙ্খ ধ্রুপদী শিক্ষা পেয়েছিলেন। তিনি খুব একটা ভাষাবিদ ছিলেন না (তাঁর গ্রিক ভালো ছিল না, এবং তিনি কখনো হিব্রু শেখেননি) তবে তিনি ল্যাটিন অলংকারশাস্ত্রে পারদর্শী ছিলেন; ''দ্য সিটি অফ গড'' এর কিছু অংশ জটিলতা এবং বাগ্মীতার দিক থেকে [[সিসেরো|সিসেরোর]] লেখার সমতুল্য।'''
** [[w:নর্মান ক্যান্টর|নর্মান ক্যান্টর]], ''দ্য সিভিলাইজেশন অফ দ্য মিডল এজেস'' (১৯৯৩), পৃ. ৭৪
* মহাবিশ্ব সৃষ্টির আগে ঈশ্বর কী করছিলেন এর উত্তরে তাঁর সুচিন্তিত জবাব ছিল "বিশ্বকে সময়ের সাথে তৈরি করা হয়েছে, সময়ের মধ্যে নয়।" অগাস্টিনের ঈশ্বর হলেন এমন একজন যিনি সময়কে ছাড়িয়ে যান, এমন একজন যিনি সম্পূর্ণরূপে সময়ের বাইরে অবস্থান করেন এবং স্থান ও পদার্থের পাশাপাশি সময় সৃষ্টির জন্যও দায়ী। এইভাবে অগাস্টিন দক্ষতার সাথে এই সমস্যাটি এড়িয়ে গিয়েছিলেন যে সৃষ্টি আগের কোনো মুহূর্তের বদলে কেন সেই মুহূর্তে ঘটেছিল। ''আগে কোনো মুহূর্ত ছিল না।'' একই যুক্তি বৈজ্ঞানিক সমস্যার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। মহাবিশ্বের উৎপত্তি যদি সময়ের মধ্যে হয়ে থাকে, তবে কোনো ভৌত প্রক্রিয়া দ্বারা এর কারণ হওয়া সম্ভব নয় যার একটি সসীম সম্ভাবনা রয়েছে। কারণ যদি তা হতো, তবে ঘটনাটি অসীম সময় আগেই ঘটে যেত। ...মহাবিশ্বের সাথে সময় আসার ধারণা তিনিই প্রথম দেননি। [[প্লেটো]] শত শত বছর আগে একই কথা বলেছিলেন। দর্শনের ইতিহাস এতই সমৃদ্ধ এবং বৈচিত্র্যময় যে বিজ্ঞান থেকে উদ্ভূত তত্ত্বগুলো আগে কেউ আবছাভাবে বলে না গেলে তা অবাক করার মতোই হতো।
** [[w:পল ডেভিস|পল ডেভিস]], ''কসমিক জ্যাকপট: হোয়াই আওয়ার ইউনিভার্স ইজ জাস্ট রাইট ফর লাইফ'' (২০০৭)
* তিনি নিজে একজন প্রকৃত আফ্রিকান ছিলেন। আসলেই, আমরা বলতে পারি যে তিনি প্রথমে একজন আফ্রিকান ছিলেন এবং তারপর একজন রোমান। সাম্রাজ্যের প্রতি তাঁর প্রকৃত আনুগত্য থাকা সত্ত্বেও, তাঁর মধ্যে নির্দিষ্ট রোমান দেশপ্রেম দেখা যায় না যা [[অ্যামব্রোস]] বা [[প্রুডেনসিয়াস]]-এর মধ্যে লক্ষণীয়।
** [[:w:ক্রিস্টোফার ডসন|ক্রিস্টোফার ডসন]], ''এনকোয়ারিজ ইনটু রিলিজিয়ন অ্যান্ড কালচার (১৯৩৩)'', সিইউএ প্রেস সংস্করণ, ২০০৯, পৃ. ১০৯
* চিন্তা এবং সভ্যতার ইতিহাসে সেন্ট অগাস্টিনকে আমার কাছে '''প্রথম চিন্তাবিদ বলে মনে হয় যিনি ব্যক্তি এবং ব্যক্তিত্বের দার্শনিক এবং মনস্তাত্ত্বিক ধারণাগুলোকে বিশিষ্টতা এনেছিলেন এবং বিশ্লেষণ করেছিলেন'''। সমসাময়িক মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই ধারণাগুলো কেবল ঈশ্বর সম্পর্কে অগাস্টিনের নিজের মতবাদকেই রূপ দেয় না, বরং মানুষ সম্পর্কে তাঁর দর্শনকেও রূপ দেয়: একজন ব্যক্তি হিসেবে মানুষ, সমাজ ও প্রতিষ্ঠানের সদস্য হিসেবে মানুষ — পরিবার, শহর, রাষ্ট্র এবং গির্জা।
** পল হেনরি, এস.জে., ''সেন্ট অগাস্টিন অন পার্সোনালিটি: দ্য সেন্ট অগাস্টিন লেকচার'' (১৯৬০), পৃ. ১ এ
* গবেষণাপত্রটি জোর দেয় যে হস্তমৈথুন সম্পর্কিত ধারণাগুলো যৌনতার প্রতি সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এটি প্রাচীন মিশর, টাইগ্রিস ইউফ্রেটিস উপত্যকা, ভারত এবং চীনে হস্তমৈথুনের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি পরীক্ষা করে। এটি বাইবেলের দৃষ্টিভঙ্গি এবং এর ভুল ব্যাখ্যা এবং হস্তমৈথুন অনুশীলনের গ্রিক ও রোমান বর্ণনা দেখে। যৌনতা সম্পর্কে পশ্চিমা দৃষ্টিভঙ্গির বিকাশের মূল চাবিকাঠি ছিল যৌনতার অগাস্টিনীয় সংস্করণ যা ম্যানিকীয় ধর্মে অগাস্টিনের ব্যক্তিগত পটভূমি দ্বারা প্রভাবিত ছিল। এটি এমন একটি ধর্ম যা প্রাচীন ফারসি বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছিল। পুনরুৎপাদনহীন সব যৌনতাকে পাপ হিসেবে দেখার অগাস্টিনীয় দৃষ্টিভঙ্গি অষ্টাদশ শতাব্দীতে চিকিৎসাবিজ্ঞানে স্থানান্তরিত হয়েছিল যা পাপকে রোগতত্ত্বে পরিবর্তন করেছিল।
** হ্যারিয়েট হোগার্থ এবং রজার ইংহ্যাম, [https://www.tandfonline.com/doi/full/10.1080/00224490902878993?src=recsys “মাস্টারবেশন অ্যামং ইয়াং উইমেন অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েশনস উইথ সেক্সুয়াল হেলথ: অ্যান এক্সপ্লোরেটরি স্টাডি”], ''দ্য জার্নাল অফ সেক্স রিসার্চ'' খণ্ড ৪৬, ২০০৯ - সংখ্যা ৬ পৃ. ৫৫৮-৫৬৭।
* অন্ধকার যুগে সবচেয়ে বড় প্রভাব ছিল অগাস্টিনের। তিনি প্লটিনাসের দ্বারা প্রভাবিত ছিলেন এবং প্লটিনাস ভারতীয় রহস্যবাদের দ্বারা প্রভাবিত ছিলেন। অ্যালডাস হাক্সলি আমাদের ব্রেভ নিউ ওয়ার্ল্ডের প্রতিকার হিসেবে যোগব্যায়াম খোঁজার অনেক আগেই শোপেনহাওয়ার উপনিষদকে তার জীবনের সান্ত্বনা বলেছিলেন।
** [[আর্থার কোয়েসলার]]। সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এনসাইক্লোপিডিয়া, সুবোধ কাপুর। গেওয়ালি, সলিল (২০১৩) থেকে উদ্ধৃত। গ্রেট মাইন্ডস অন ইন্ডিয়া। নয়াদিল্লি: পেঙ্গুইন র্যান্ডম হাউস।
* বারবার বংশোদ্ভূত উত্তর আফ্রিকান অগাস্টিন আজ বহু মানুষের আধ্যাত্মিক পিতা যারা জাতিগত, রাজনৈতিক এবং সাংস্কৃতিকভাবে তার থেকে একেবারেই আলাদা।
** [[:w:জন এইচ. লিথ|জন এইচ. লিথ]], ''ফ্রম জেনারেশন টু জেনারেশন: দ্য রিনিউয়াল অফ দ্য চার্চ অ্যাকর্ডিং টু ইটস ওন থিওলজি অ্যান্ড প্র্যাকটিস'', ওয়েস্টমিনস্টার জন নক্স প্রেস, ১৯৯০, পৃ. ২৪
* '''তিনি অর্ধেক মজা করে বলতেন, তাঁর বড় ইচ্ছা ছিল সেন্ট অগাস্টিনের 'কনফেশনস' শেষ করা। কিন্তু সেন্ট অগাস্টিন একজন মহান শিল্পীর মতো বহুত্ব থেকে ঐক্যের দিকে কাজ করেছিলেন। অন্যদিকে একজন সাধারণ শিল্পী হিসেবে তাঁকে পদ্ধতিটি উল্টে দিতে হয়েছিল এবং ঐক্য থেকে বহুত্বের দিকে কাজ করতে হয়েছিল।'''
** [[হেনরি অ্যাডামস]] নিজের সম্পর্কে বলছেন, তার বন্ধু [[হেনরি ক্যাবট লজ]] এর ছদ্মনামে, [http://www.gutenberg.org/dirs/etext00/eduha10h.htm ''দ্য এডুকেশন অফ হেনরি অ্যাডামস'' এর ১৯১৮ সালের সংস্করণের সম্পাদকের মুখবন্ধে (সেপ্টেম্বর ১৯১৮)]
* '''একজন ধর্মতাত্ত্বিক হিসেবে, আমি আমার শিক্ষক একজন বারবার সেন্ট অগাস্টিনের কাছ থেকে শিখেছি যে, সব জাতিকেই [[অনিবার্যভাবে]] ভালো শহর এবং খারাপ শহরের মিশ্রণ হতে হয়। এই মিশ্রণ থেকে দুটিকে আলাদা করা আমাদের পক্ষে অসম্ভব নয়।'''
** [[:w:হেনরি-ইরেনি মারো|হেনরি-ইরেনি মারো]], ''ক্রিশ্চিয়ানিটি অ্যান্ড ক্রাইসিস'', ক্রিশ্চিয়ানিটি অ্যান্ড ক্রাইসিস, ১৯৬৭, পৃ. ৯৩
* সেন্ট অগাস্টিন অফ হিপ্পোর চিন্তাধারার সাথে যুক্ত বাস্তবতার ঐতিহাসিক দৃষ্টিভঙ্গির একটি খ্রিস্টান সম্পাদনা ছিল।
** [[উইলিয়াম হার্ডি ম্যাকনিল]], [http://libx.bsu.edu/cdm4/document.php?CISOROOT=/ConspectusH&CISOPTR=1377&REC=1 "ডিস্ক্রিপেনসিস অ্যামং দ্য সোশ্যাল সায়েন্সস"] ''কনস্পেক্টাস অফ হিস্ট্রি'' খণ্ড ১, নং ৭, পৃ. ৩৫-৪৫
* '''অগাস্টিন স্পষ্টভাবে বিবর্তনের একটি মতবাদের পক্ষে [[w:স্পেশাল ক্রিয়েশন|বিশেষ সৃষ্টিকে]] প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। এই মতবাদটিকে আমরা ভাষার কোনো ক্ষতি না করেই বিবর্তন তত্ত্ব বলতে পারি।'''
** [[w:অব্রে মুর|অব্রে মুর]], [http://books.google.com/books?id=BBEVWK5LaKQC& ''সায়েন্স অ্যান্ড ফেইথ''] (১৮৯৩)
* গর্ভপাত সম্পর্কে সেন্ট অগাস্টিন তার অ্যান্টি-পেলজিয়ান গ্রন্থ 'ম্যারেজ অ্যান্ড কনকুপিসেন্স'-এ নিজের স্বাভাবিক মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে আলোচনা করেছেন। স্যাডিজম সম্পর্কে আধুনিক বিশ্লেষণগুলো ভবিষ্যদ্বাণী করে এমন সব শব্দ ব্যবহার করে, তিনি এটিকে "লম্পট নিষ্ঠুরতা" বা "নিষ্ঠুর লালসা" দ্বারা চিহ্নিত মনের কাজ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। যেসব বিবাহিত মানুষ সন্তান নেওয়া এড়িয়ে চলেন তাদের সম্পর্কে তিনি ঘোষণা করেছিলেন, <br> অনেক সময় [Aliquando] এই লম্পট নিষ্ঠুরতা বা নিষ্ঠুর লালসা এতটা চরম আকার ধারণ করে যে তারা বন্ধ্যাত্বের বিষও সংগ্রহ করে, এবং যদি সেগুলো কাজ না করে, তবে তারা কোনো না কোনোভাবে গর্ভের ভ্রূণকে শেষ করে দেয় এবং ধ্বংস করে দেয়। তারা চায় যে তাদের সন্তান বেঁচে থাকার আগেই মারা যাক, অথবা যদি সে গর্ভে জীবিতও থাকে, তবে জন্মের আগেই তাকে হত্যা করতে চায়। নিশ্চিতভাবেই স্বামী-স্ত্রী উভয়েই যদি এমন হয়, তবে তারা বিবাহিত নয়, এবং যদি তারা শুরু থেকেই এমন হয়ে থাকে, তবে তারা বিবাহে নয় বরং প্রলোভনে একসাথে এসেছে। যদি উভয়েই এমন না হয়, তবে আমি বলতে পারি যে হয় স্ত্রী কোনো না কোনোভাবে তার স্বামীর বেশ্যা, অথবা সে তার নিজের স্ত্রীর সাথে ব্যভিচারী।
** জন টি. নুনান জুনিয়র, [https://scholarship.law.nd.edu/cgi/viewcontent.cgi?article=1125&context=nd_naturallaw_forum “অ্যাবর্শন অ্যান্ড দ্য ক্যাথলিক চার্চ: আ সামারি হিস্ট্রি”, ১-১-১৯৬৭, ‘’ন্যাচারাল ল ফোরাম’’। পেপার ১২৬, পৃ. ৯৫-৯৬
* এইভাবে অগাস্টিন তিন ধরনের কাজকে নিন্দা করেছিলেন: জন্মনিয়ন্ত্রণ, ভ্রূণ তৈরি হওয়ার বা "বেঁচে ওঠার" আগে তাকে হত্যা করা এবং জীবিত ভ্রূণকে হত্যা করা। এর প্রত্যেকটিকে বিবাহের বিরুদ্ধে পাপ হিসেবে দেখা ছিল বিশ্লেষণের একটি নতুন পদ্ধতি। অন্য এক জায়গায় অগাস্টিন গর্ভপাতকে নরহত্যার একটি ধরন হিসেবে বিবেচনা করেছিলেন।
** জন টি. নুনান জুনিয়র, [https://scholarship.law.nd.edu/cgi/viewcontent.cgi?article=1125&context=nd_naturallaw_forum “অ্যাবর্শন অ্যান্ড দ্য ক্যাথলিক চার্চ: আ সামারি হিস্ট্রি”, ১-১-১৯৬৭, ‘’ন্যাচারাল ল ফোরাম’’। পেপার ১২৬, পৃ. ৯৬
* '''অগাস্টিনের গোঁড়ামি যদি গির্জার শিক্ষা হিসেবে রয়ে যেত, তবে বিবর্তনের চূড়ান্ত প্রতিষ্ঠা অনেক আগেই আসত। নিশ্চিতভাবেই তা উনবিংশ শতাব্দীর পরিবর্তে অষ্টাদশ শতাব্দীতে হতো এবং প্রকৃতির এই সত্য নিয়ে তিক্ত বিতর্ক কখনোই দেখা দিত না।'''
** [[হেনরি ফেয়ারফিল্ড অসবর্ন]], ''[[ফ্রম দ্য গ্রিকস টু ডারউইন]]'' (১৮৯৪)
* প্রাণী এবং উদ্ভিদের প্রত্যক্ষ বা তাৎক্ষণিক সৃষ্টির কথা ''[[আদিপুস্তক]]''-এ শেখানো হয়েছে বলে স্পষ্টভাবে মনে হলেও, অগাস্টিন এটি প্রাথমিক কারণ এবং [[অ্যারিস্টটল|অ্যারিস্টটলের]] অসম্পূর্ণ থেকে সম্পূর্ণের দিকে ধীরে ধীরে বিকাশের আলোকে পড়েছিলেন। এইভাবে এই অত্যন্ত প্রভাবশালী শিক্ষক তার অনুসারীদের কাছে এমন সব মতামত হস্তান্তর করেছিলেন যা বর্তমান সময়ের সেই সব ধর্মতাত্ত্বিকের প্রগতিশীল মতামতের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে মিলে যায় যারা [[বিবর্তন]] তত্ত্ব মেনে নিয়েছেন।
** [[হেনরি ফেয়ারফিল্ড অসবর্ন]], ''ফ্রম দ্য গ্রিকস টু ডারউইন'' (১৮৯৪)
* '''অগাস্টিন''' এইভাবে মোজাইক রেকর্ডের একটি স্বাভাবিক ব্যাখ্যা চেয়েছিলেন, বা বিশেষ সৃষ্টির পরিবর্তে সম্ভাব্য সৃষ্টি, এবং '''তিনি শিখিয়েছিলেন যে প্রকৃতির প্রতিষ্ঠায় আমাদের অলৌকিক ঘটনা নয় বরং প্রকৃতির নিয়মগুলো খোঁজা উচিত।'''
** [[হেনরি ফেয়ারফিল্ড অসবর্ন]], ''ফ্রম দ্য গ্রিকস টু ডারউইন'' (১৮৯৪)
* '''আমি যুক্তিসঙ্গত লোকদের কাছে জানতে চাইব যে এই নীতিটি: ''পদার্থ স্বাভাবিকভাবেই চিন্তাভাবনা করতে সম্পূর্ণ অক্ষম'', এবং অন্যটি: ''আমি চিন্তা করি, তাই আমি আছি'', [[র্যনে দেকার্ত|দেকার্তের]] মনে এবং সেন্ট অগাস্টিনের মনে একই কিনা। সেন্ট অগাস্টিন বারোশো বছর আগে একই কথা বলেছিলেন।''' ...আমি এটি বলতে চাইছি না যে দেকার্ত এর আসল রচয়িতা নন, যদিও তিনি শুধু এই বিশিষ্ট সাধুকে পড়েই এটি শিখে থাকতে পারেন; কারণ আমি জানি হঠাৎ করে কোনো শব্দ লিখে এর ওপর আর কোনো দীর্ঘ এবং বিস্তৃত চিন্তাভাবনা না করার মধ্যে কতটা পার্থক্য রয়েছে। এই শব্দে চমৎকার সব উপসংহার খুঁজে পাওয়া যায়, যা বস্তুগত এবং আধ্যাত্মিক প্রকৃতির মধ্যে পার্থক্য প্রমাণ করে, এবং এটিকে একটি সম্পূর্ণ আধিভৌতিক ব্যবস্থার একটি দৃঢ় ও টেকসই নীতি বানায়, যেমনটি দেকার্ত করার ভান করেছেন। ...এই অনুমানের ওপর ভিত্তি করেই আমি বলি যে তাঁর লেখায় এই অভিব্যক্তিটি হঠাৎ করে বলা অন্যদের লেখার চেয়ে আলাদা, ঠিক যেমন একটি মৃতদেহের থেকে জীবন ও শক্তিতে ভরপুর একজন মানুষের পার্থক্য।
** নোট: ওপরে সেন্ট অগাস্টিন, ''সিটি অফ গড'', [[s:The_City_of_God/Book_XI/Chapter_26|১১, ২৬]] দেখুন
** [[ব্লেজ পাস্কাল]], ''[[ব্লেজ পাস্কাল#দ্য আর্ট অফ পারসুয়েশন|দ্য আর্ট অফ পারসুয়েশন]]''
* সমগ্র উত্তর আফ্রিকা ছিল খ্রিস্টধর্মের এক গৌরব এবং একজন বারবার হিসেবে সেন্ট অগাস্টিন ছিলেন এর প্রধান অলঙ্কার।
** [[:w:পলিস্ট ফাদারস|পলিস্ট ফাদারস]], ''[[:w:ক্যাথলিক ওয়ার্ল্ড|ক্যাথলিক ওয়ার্ল্ড]]'', খণ্ড ১৭৫-১৭৬, (১৯৫২), পৃ. ৩৭৬
* '''আমার মনে হয়, অগাস্টিনের সমকক্ষ হওয়ার আশা কেউ করতে পারে না। আজকাল কে তাঁর সমকক্ষ হওয়ার আশা করতে পারে যিনি, আমার বিচারে, মহান মনের উর্বর যুগে সেরা ছিলেন?'''
** [[পেত্রার্ক]], [[জোভান্নি বোক্কাচ্চো|জোভান্নি বোক্কাচ্চোর]] কাছে লেখা একটি চিঠিতে (২৮ এপ্রিল ১৩৭৩), জেমস হার্ভে রবিনসন এবং হেনরি উইনচেস্টার রলফে দ্বারা সম্পাদিত ''পেত্রার্ক : দ্য ফার্স্ট মডার্ন স্কলার অ্যান্ড ম্যান অফ লেটারস'' (১৮৯৮), পৃ. ৪১৮ এ উদ্ধৃত
* এবং এটি কত বিচক্ষণতার সাথে নির্ধারণ করা হয়েছে তা সেন্ট অগাস্টিন এইভাবে দেখিয়েছেন: "এটি সত্যিই উপযুক্ত যে নীচেরটি ওপরেরটির অধীন হবে, যাতে যে চায় তার নিচের সব কিছু তার অধীন হোক, তাকে নিজের ওপরের সব কিছুর কাছে আত্মসমর্পণ করা উচিত। নিয়ম মেনে চলো, শান্তি খোঁজ। ঈশ্বরের অধীন হও, এবং তোমার মাংস তোমার অধীন হোক। এর চেয়ে মানানসই আর কী হতে পারে! এর চেয়ে ভালো আর কী হতে পারে! তুমি ওপরেরটির অধীন এবং নিচেরটি তোমার অধীন। যিনি তোমাকে তৈরি করেছেন তাঁর সেবা করো, যাতে তোমার জন্য যা তৈরি করা হয়েছে তা তোমার সেবা করতে পারে। কারণ আমরা এই নিয়মের প্রশংসা করি না যে, "মাংস তোমার কাছে এবং তুমি ঈশ্বরের কাছে," বরং "তুমি ঈশ্বরের কাছে, এবং মাংস তোমার কাছে।" তবে, তুমি যদি ঈশ্বরের প্রতি তোমার অধীনতাকে তুচ্ছ করো, তবে তুমি কখনোই মাংসকে তোমার অধীন করতে পারবে না। তুমি যদি প্রভুর অবাধ্য হও, তবে তোমার সেবক তোমাকে কষ্ট দেবে।" ঈশ্বরের জ্ঞানের পক্ষে এই সঠিক বিন্যাসের কথা পবিত্র আত্মা দ্বারা অনুপ্রাণিত পরজাতীয়দের পবিত্র পণ্ডিত উল্লেখ করেছেন। মহাবিশ্বের স্রষ্টা হিসেবে যাঁকে তাঁরা চিনতেন তাঁকে সম্মান জানাতে অস্বীকারকারী সেই প্রাচীন দার্শনিকদের সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেছেন: "তাই ঈশ্বর তাদেরকে তাদের হৃদয়ের কামনার হাতে, অশুচিতার হাতে, নিজেদের মধ্যে নিজেদের শরীরকে অসম্মান করার হাতে তুলে দিয়েছেন;" এবং আবার: "কারণ এই একই ঈশ্বর তাদেরকে লজ্জাজনক অনুরাগের হাতে তুলে দিয়েছেন।"
** [[w:পোপ পিয়াস একাদশ|পিয়াস একাদশ]] সেন্ট অগাস্টিনের, "এন্নারেশন ইন সামিস," ১৪৩ উদ্ধৃত করছেন; [https://web.archive.org/web/20070328092812/http://wiretap.area.com/Gopher/Library/Religion/Catholic/Pius_XI/Casti_connubii "কাস্টি কনুবাই: এনসাইক্লিক্যাল অফ পোপ পিয়াস একাদশ অন ক্রিশ্চিয়ান ম্যারেজ, ৩১ ডিসেম্বর ১৯৩০"], ‘’দ্য ভ্যাটিকান’’, “ডিভাইনলি অরডেইন্ড প্ল্যান”, নং ২৯-৩০; মার্চ ২৮, ২০০৭-এ [http://wiretap.area.com/Gopher/Library/Religion/Catholic/Pius_XI/Casti_connubii মূল] থেকে সংরক্ষিত। সংগৃহীত ২০০৬-১০-০১।
* প্রারম্ভিক খ্রিস্টান গির্জার একজন প্রভাবশালী বিশপ হিপ্পোর অগাস্টিন (৩৫০-৪৩০ খ্রি.) শিখিয়েছিলেন যে [[হস্তমৈথুন]] এবং লিঙ্গ-যোনি সঙ্গমের অন্যান্য বিকল্পগুলো — আউটকোর্স — [[ব্যভিচার]], [[ধর্ষণ]], [[অজাচার]], এবং [[পরকীয়া|পরকীয়ার]] চেয়ে বেশি খারাপ পাপ। তিনি যুক্তি দিয়েছিলেন যে হস্তমৈথুন এবং অন্যান্য পুনরুৎপাদনহীন যৌন কার্যকলাপগুলো "অস্বাভাবিক" পাপ কারণ এগুলো [[জন্মনিয়ন্ত্রণ|জন্মনিয়ন্ত্রক]]। যেহেতু ব্যভিচার, ধর্ষণ, অজাচার এবং পরকীয়া [[গর্ভাবস্থা|গর্ভাবস্থার]] দিকে নিয়ে যেতে পারে, তাই এগুলো ছিল "[[স্বাভাবিক]]" [[পাপ]] এবং "অস্বাভাবিক" পাপের চেয়ে অনেক কম [[গুরুতর]] (রানকে-হেইনেম্যান, ১৯৯০)।
** [https://www.plannedparenthood.org/files/2613/9611/6275/History_of_BC_Methods.pdf “আ হিস্ট্রি অফ বার্থ কন্ট্রোল মেথডস “], ''প্ল্যানড পেরেন্টহুড'', পৃ. ২
* [[ইউরোপ|ইউরোপের]] পরবর্তী [[ইতিহাস|ইতিহাসের]] ওপর অগাস্টিনের [[গুরুত্ব]] বাড়িয়ে বলা অসম্ভব। তাঁর [[রাজনৈতিক তত্ত্ব]], আমরা শুধু এখানে যার ওপর মনোযোগ দিচ্ছি, তা তাঁর লেখা প্রায় ১১৩টি [[বই]] এবং অসংখ্য [[w:চিঠি (বার্তা)|চিঠি]] ও [[ধর্মোপদেশ|ধর্মোপদেশের]] একটি খুব ছোট অংশ ছিল। তা সত্ত্বেও, এটি এমন সব [[যুক্তি|যুক্তিতে]] ভরপুর যা কেবল [[খ্রিস্টান]] ইউরোপকেই নয় বরং আধুনিক বিশ্বকেও নাড়া দিয়েছিল: [[অনন্তকাল|অনন্তকালের]] দিকে তাকিয়ে থাকা একজন খ্রিস্টানের এই পার্থিব [[জীবন|জীবনের]] রাজনীতিকে কতটা গুরুত্ব সহকারে নেওয়া উচিত; গির্জাকে রক্ষা করা, [[ধর্মদ্রোহিতা]] দমন করা, এবং নাগরিকরা যেন একটি [[সত্য]] [[বিশ্বাস|বিশ্বাসে]] লেগে থাকে তা নিশ্চিত করা কি [[রাষ্ট্র|রাষ্ট্রের]] [[দায়িত্ব]]; একজন খ্রিস্টান [[শাসক|শাসক]] ছাড়া, আমরা কি আমাদের শাসকদের [[মান্য করা|মান্য করার]] [[দায়িত্ব]] থেকে মুক্ত, নাকি আমাদের [[সেন্ট পল|সেন্ট পলের]] আদেশ "ক্ষমতায় থাকা ব্যক্তিদের মান্য করো" মেনে চলা উচিত? সাধারণত অগাস্টিন বিতর্কিত বিষয়ে স্বতন্ত্র এবং দীর্ঘস্থায়ী চিন্তাভাবনা ব্যক্ত করেছেন: [[w:ন্যায্য যুদ্ধ তত্ত্ব|ন্যায্য যুদ্ধের]] প্রকৃতি, [[মৃত্যুদণ্ড|মৃত্যুদণ্ডের]] অবৈধতা, পার্থিব [[ন্যায়বিচার|ন্যায়বিচারের]] সীমাবদ্ধতা। এসব বিষয়ে তাঁর মতবাদগুলো যে চরম হতাশার ধর্মতত্ত্বে আবদ্ধ ছিল তার মানে এই নয় যে এগুলো নিজেদের গুণে টিকে থাকে না। আমরা যে পতনশীল সৃষ্টি এই ধারণার সাথে সামান্য সহানুভূতি থাকলেই কেউ তাঁর অনেক দৃষ্টিভঙ্গিকে গভীরভাবে আকর্ষণীয় বলে মনে করতে পারে, যদিও তা আনন্দদায়ক নয়।
** [[অ্যালান রায়ান]], ''অন পলিটিক্স'' (২০১২), অধ্যায় ৫: অগাস্টিনস টু সিটিজ
* [[অগাস্টিন]] [[ধর্ষণ|ধর্ষণের]] মধ্যে একটি [[মহান]] [[উদ্দেশ্য]] দেখেছিলেন; [[নারী|নারীদের]] প্রতিশ্রুতি দেওয়ার সময় যে “তাদের বিরুদ্ধে যে বন্য লালসা চিরস্থায়ী হয়েছে তার শাস্তি দেওয়া হবে,” তিনি ধর্ষণকে নারীদের নম্র রাখার জন্যও প্রশংসা করেন, যাতে তারা জানতে পারে “আগে তারা তাদের [[কুমারীত্ব]] নিয়ে [[অহংকারী]] ছিল কিনা বা [[প্রশংসা|প্রশংসার]] প্রতি বেশি আগ্রহী ছিল কিনা, অথবা তারা লঙ্ঘন [[সহ্য করা|সহ্য]] না করলে অহংকারী হয়ে যেত কিনা।”
** [[w:অ্যান্ড্রু সলোমন|অ্যান্ড্রু সলোমন]], [https://www.newyorker.com/news/news-desk/the-legitimate-children-of-rape “দ্য লেজিটিমেট চিলড্রেন অফ রেপ”], ''[[w:দ্য নিউ ইয়র্কার|দ্য নিউ ইয়র্কার]]'', (আগস্ট ২৯, ২০১২)।
* '''ল্যাটিন পশ্চিমের ওপর অগাস্টিনের চিন্তাভাবনা এবং কাজের অসামান্য প্রভাব তুলে ধরে এমন উদ্ধৃতির কোনো শেষ নেই।''' « ল্যাটিন ভাষার কোনো খ্রিস্টান লেখকের কাজ এতটা প্রশংসা এবং অস্থিরতা জাগাতে পারেনি এবং এতটা গৌরব উপভোগ করতে পারেনি » (ডমিনিক ডি কুরসেলস, ''অগাস্টিন ওউ লে জেনি দে ল'ইউরোপ'')। এতটাই যে এই অংশের লেখক, যখন তিনি সচেতন যে তিনি কথা বলছেন, যেমনটি তিনি বলেন, « একজন খ্রিস্টান বারবার সম্পর্কে », তারপরও তিনি তার বইয়ের নাম দেন ''অগাস্টিন অর দ্য জিনিয়াস অফ ইউরোপ''। এবং সেই [[জিনিয়াস]] ছিলেন রোমান সাম্রাজ্যের একজন নুমিডিয়ান। ভূমধ্যসাগরের দক্ষিণ থেকে উত্তরে জ্ঞানের কী চমৎকার আদানপ্রদান!
** [[:w:হেনরি অ্যান্টোইন মেরি টেসিয়ার|হেনরি অ্যান্টোইন মেরি টেসিয়ার]], অগাস্টিনিয়ান স্টাডিজ ইনস্টিটিউট, প্যারিস (১৩ মার্চ ২০০৩) দ্বারা প্রচারিত সম্মেলনে দেওয়া বক্তৃতা থেকে নেওয়া [http://www.30giorni.it/us/articolo.asp?id=3553 দ্য আফ্রিকান রুটস অফ ল্যাটিন ক্রিশ্চিয়ানিটি]-তে
*আফ্রিকান মধ্যযুগে যখন বাণিজ্য সম্পর্কের গতিশীলতা পরিবর্তিত হতে শুরু করেছিল, তখন মহাদেশটি অফুরন্ত জল্পনাকল্পনার উৎস হয়ে ওঠে। সেন্ট অগাস্টিনের সাব-সাহারান আফ্রিকার বর্ণনায় যে দানবীয় মানুষ এবং নরখাদকের দৃষ্টিভঙ্গি ছিল তা স্কটসম্যান মাঙ্গো পার্কের মতো অন্যান্য ইউরোপীয়রা "আফ্রিকার ভেতরের অংশে প্রবেশ করার" আগ পর্যন্ত বিতাড়িত হয়নি।
**[[শেরি থমাস]] ''ডার্ক ম্যাটার: অ্যা সেঞ্চুরি অফ স্পেকুলেটিভ ফিকশন ফ্রম দ্য আফ্রিকান ডায়াসপোরা'' (২০০০)
* পূর্বের গির্জার এই মহান ফাদারদের এই ধারণাটি পশ্চিমের গির্জার মহান ফাদারকে আরও দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরেছিল। সেন্ট অগাস্টিন সাধারণত পবিত্র গ্রন্থের আক্ষরিক অর্থে এতটাই আবদ্ধ ছিলেন যে তিনি শাস্ত্র গ্রহণের বিষয়ে নিজের বিখ্যাত মতবাদ ভেঙেছিলেন এবং সৃষ্টিশীল প্রক্রিয়ার সাধারণভাবে প্রাপ্ত [[বিশ্বাস|বিশ্বাসকে]] প্রত্যাখ্যান করেছিলেন... ''[[আদিপুস্তক]]'' এর ওপর তাঁর বিখ্যাত রচনা [''ডি সেনেসি কন্ট্রা ম্যানিচিয়স''] এ তিনি বলেন: "'''ঈশ্বর নিজের শারীরিক হাত দিয়ে ধুলো থেকে মানুষকে তৈরি করেছেন এমনটি মনে করা খুব শিশুসুলভ। ...ঈশ্বর শারীরিক হাত দিয়ে মানুষকে তৈরি করেননি এবং গলা ও ঠোঁট দিয়ে তার ওপর নিশ্বাসও ফেলেননি।'''"
** [[অ্যান্ড্রু ডিকসন হোয়াইট]], ''[[অ্যা হিস্ট্রি অফ দ্য ওয়ারফেয়ার অফ সায়েন্স উইথ থিওলজি ইন ক্রিস্টেনডম]]'' (১৮৯৬), অধ্যায় ১, পৃ. ৫২-৫৩
* [[মধ্যযুগ|মধ্যযুগে]] সমাজ অনেক বেশি স্থির ছিল এবং মূলত এর প্রকৃতি ছিল শ্রেণিবিন্যাস। এর ফলে আমাদের চিন্তাভাবনার তুলনায় মধ্যযুগীয় চিন্তাধারায় কার্যকারণ বা জেনেটিক মনোভাব অনেক কম গুরুত্বপূর্ণ ছিল এবং সাধারণ বিশ্ব-দৃষ্টিকোণে প্রতীকের ভূমিকার তুলনায় বিবর্তনের ধারণার তেমন কোনো প্রভাব ছিল না... তাছাড়া, সময়ের ধারণাটি নিজেই ঐতিহাসিকদের কাছে কম গুরুত্বপূর্ণ ছিল... সেন্ট অগাস্টিনের কাছে একটি ঘটনার তারিখ এর ধর্মতাত্ত্বিক তাৎপর্যের চেয়ে অনেক কম গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ঐতিহাসিক দৃষ্টিকোণের পরিবর্তে সব কিছুকে ধর্মতাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখার তাঁর প্রবণতা মধ্যযুগে একটি শক্তিশালী প্রভাব ফেলেছিল... উনবিংশ শতাব্দীর আগ পর্যন্ত ঐতিহাসিক দৃষ্টিকোণের মৌলিক তাৎপর্য ব্যাপকভাবে স্বীকৃত হয়নি। চিত্রশিল্পী এবং অন্যদের দ্বারা দৃষ্টিকোণ তত্ত্ব এবং অনুশীলন বিকশিত হওয়ার কয়েকশ বছর পর এমনটি হয়েছিল। প্রতিটি ক্ষেত্রে বিশ্বকে দেখার একটি নতুন উপায় তৈরি হয়েছিল।
** [[জেরাল্ড জেমস হুইট্রো]], ''টাইম ইন হিস্ট্রি: ভিউজ অফ টাইম ফ্রম প্রিহিস্ট্রি টু দ্য প্রেজেন্ট ডে'' (১৯৮৮)
=== “হোয়েন চিলড্রেন বিকেম পিপল: দ্য বার্থ অফ চাইল্ডহুড ইন আর্লি ক্রিশ্চিয়ানিটি” (২০০৫) ===
<small> অড ম্যাগনে বাক্কে, [https://books.google.com/books?id=VBN6r3cC6v0C “হোয়েন চিলড্রেন বিকেম পিপল: দ্য বার্থ অফ চাইল্ডহুড ইন আর্লি ক্রিশ্চিয়ানিটি”], ব্রায়ান ম্যাকনিল দ্বারা নরওয়েজিয়ান থেকে অনূদিত, অগসবার্গ ফোর্ট্রেস মিনিয়াপোলিস, এমএন, (২০০৫) </small>
* যদি তারা নিজেদের দোষ ছাড়াই কষ্ট পায়, তবে এর মানে হলো ঈশ্বর কোনো কারণ ছাড়াই তাদের শাস্তি দিচ্ছেন। এটি বলা হলো ঈশ্বর অন্যায়কারী। জুলিয়ানকে ঠিক এই কাজটি করার জন্যই অগাস্টিন দায়ী করেছেন: “তুমি যখন বলো যে এই কষ্টগুলো ছোটদের কোনো পাপ ছাড়াই আসে, তখন তুমি সত্যিই ঈশ্বরকে অন্যায়কারী বানাও।” তবে, এই অবস্থানটি অসম্ভব কারণ ঈশ্বরের কেবল ন্যায়বিচার এবং মঙ্গলময়তা থাকতে পারে। <br> অগাস্টিন ছোটদের মুক্তির বিষয়ে উদ্বিগ্ন, এবং জোর দিয়ে বলেন যে খ্রিস্ট তাদের জন্যও মারা গেছেন। তিনি নিউ টেস্টামেন্টের বেশ কয়েকটি অংশ উল্লেখ করেন যেখানে বলা হয়েছে যে খ্রিস্টের পরিত্রাণের কাজ সব মানুষের জন্য ছিল। উদাহরণস্বরূপ, পলের কথা উদ্ধৃত করার পর যে ঈশ্বর আমাদের প্রতি তাঁর ভালোবাসা দেখিয়েছেন এই সত্যের মাধ্যমে যে খ্রিস্ট যখন আমরা পাপী ছিলাম তখন আমাদের জন্য মারা গিয়েছিলেন (রোমানস ৫:৮-৯), তিনি যুক্তি দেন যে ছোটরা যদি পাপে আবদ্ধ না থাকে, তবে খ্রিস্ট তাদের জন্য মারা যাননি। ভিত্তিটি হলো যারা খ্রিস্টের জন্য মারা গেছেন তারা সবাই অপরাধী, অন্যথায় তাদের রক্ষা করার মতো কিছুই থাকত না। অগাস্টিনের মতে, পেলাজিয়ান অবস্থানের অর্থ হলো ছোটরা খ্রিস্টের মৃত্যুর দ্বারা লাভবান হয় না। একইভাবে ছোটরা যদি আদি পাপ দ্বারা প্রভাবিত না হয়, তবে তাদের বাপ্তিস্ম দেওয়ার কোনো দরকার নেই কারণ বাপ্তিস্ম পাপের প্রতিকার দেয়। এর গুরুতর পরিণতি হবে যে তারা ঈশ্বরের রাজ্য থেকে বাদ পড়বে। “তোমরা কেন ছোটদের মধ্যে থাকা ঈশ্বরের এত রূপকে ঈশ্বরের রাজ্য থেকে বাদ দাও যদি তারা বাপ্তিস্ম না নেয়, যেহেতু তারা কোনো খারাপ কাজ করেনি?” আসলে, কেউ যদি আদি পাপের অস্তিত্ব অস্বীকার করে, তবে সে ছোটদের গুরুতর বিপদে ফেলে। ফলস্বরূপ, অগাস্টিন জোর দিয়ে বলেন যে, তিনি শিশুদের প্রতি নিষ্ঠুর নন (যেমনটি পেলাজিয়ানরা দাবি করেছিল কারণ বাপ্তিস্ম ছাড়া মারা যাওয়া ছোটদের রক্ষা করা হয়নি বলে তার দৃষ্টিভঙ্গির কারণে) বরং পেলাজিয়ানরা নিজেরাই নিষ্ঠুর। তাদের শয়তানের হাতে ছেড়ে দেওয়ার পরিবর্তে, অগাস্টিন তার শ্রোতাদের এই বলে উপদেশ দেন :<br> শিশুদের জন্য তত বেশি করুণার সাথে কথা বলো, যতটুকু তারা নিজেদের জন্য করতে পারে না। এতিমদের স্বার্থ দেখার জন্য গির্জা সাধারণত তাদের সাহায্যে এগিয়ে আসে; এসো আমরা সবাই শিশুদের জন্য কথা বলি, আমরা সবাই তাদের সাহায্যে এগিয়ে আসি, যাতে তারা তাদের স্বর্গীয় উত্তরাধিকার না হারায়। তাদের জন্যই তাদের প্রভু শিশু হয়েছিলেন। তাদের কীভাবে তাঁর মুক্তির অন্তর্ভুক্ত করা যায় না, যেহেতু তারাই প্রথম তাঁর জন্য মারা যাওয়ার যোগ্য বলে বিবেচিত হয়েছিল? <br> তার অবস্থানটিই সবচেয়ে গভীরভাবে বাপ্তিস্ম ছাড়া মারা যাওয়া ছোটদের যত্ন নেয় তা পাঠকদের বোঝানোর চেষ্টা করার পরও, অগাস্টিন তার সিদ্ধান্তে চিন্তিত বোধ করেছিলেন। বিতর্কের শুরুতেই তিনি অনুমান করেছিলেন যে তারা কেবল “সবচেয়ে হালকা শাস্তি” ভোগ করবে। তিনি আলোচনা করেননি যে একটি হালকা শাস্তি "স্বাভাবিক" শাস্তি থেকে কীভাবে আলাদা হতে পারে, তিনি অন্যান্য লেখায় এই প্রশ্নে আর ফিরে আসেননি। এর কারণ হতে পারে যে শাস্তির বিভিন্ন স্তরের ধারণাকে বাপ্তিস্মহীন শিশুদের মুক্তির বিভিন্ন স্তরের মধ্যে পেলাজিয়ানদের পার্থক্যের সমালোচনার সাথে মেলানো কঠিন। শিশুদের নির্দোষতার বিষয়ে তাদের অবস্থানের ভিত্তিতে, পেলাজিয়ানরা দাবি করেছিল যে শিশুদের মুক্তি এবং অনন্ত জীবন পাওয়ার জন্য বাপ্তিস্ম দেওয়া হয় না, বরং স্বর্গের রাজ্যের জন্য দেওয়া হয়। এই অবস্থানের বিরুদ্ধে, অগাস্টিন যুক্তি দিয়েছিলেন যে স্বর্গের রাজ্য এবং অনন্ত শাস্তির মধ্যে কোনো মধ্যবর্তী স্থান নেই।
** পৃ. ১০১-১০২
* একপর্যায়ে অগাস্টিন জেরোমকে একটি চিঠি লিখে আদি পাপের বিশ্বাসের সাথে জেরোমের ওপর আরোপিত সৃষ্টিবাদী অবস্থানকে মেলানোর সম্ভাবনার বিষয়ে পরামর্শ চেয়েছিলেন। যদিও আত্মার উৎপত্তির বিষয়ে এই নির্দিষ্ট অবস্থানের সাথে অগাস্টিন যা বলেছেন তার সম্পর্ক রয়েছে, ছোটদের ঈশ্বর দ্বারা অভিশপ্ত হওয়ার দৃষ্টিভঙ্গিতে তিনি যে ক্ষোভ অনুভব করেছিলেন তা স্পষ্ট। “”এটি কেমন ন্যায়বিচার যে এত হাজার আত্মা কেবল শৈশবে খ্রিস্টান ধর্মানুষ্ঠানের কৃপা ছাড়াই তাদের শরীর থেকে বিদায় নেওয়ার কারণে অভিশপ্ত হবে … যখন তিনি [ঈশ্বর] নিশ্চিতভাবেই জানতেন যে তাদের প্রত্যেকে নিজের কোনো দোষ ছাড়াই খ্রিস্টের বাপ্তিস্ম ছাড়া শরীর ছেড়ে যাবে?” জেরোম কখনো উত্তর দেননি। <br> অগাস্টিন “সার্মন ২৯৪’’ এ তার দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে স্পষ্টভাবে তার অস্বস্তি প্রকাশ করেছেন। তিনি স্বীকার করেছেন যে প্রশ্নটি গভীরভাবে কঠিন এবং তিনি বুঝেছেন যে তার ক্ষমতা এর গভীরে যাওয়ার জন্য যথেষ্ট নয়। . . . আমি কোনো সন্তোষজনক এবং যোগ্য ব্যাখ্যা খুঁজে পাচ্ছি না; কারণ আমি এটি খুঁজে পাচ্ছি না।” শাস্ত্রের ব্যাখ্যার কারণে তিনি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছিলেন যে বাপ্তিস্মহীন শিশুরা নরকে যায়, এবং তিনি এটি বজায় রাখতে বাধ্য বোধ করেছিলেন। তিনি “ঐশ্বরিক কর্তৃত্বের নিন্দা করতে” পারেননি এবং রোমানস ১১:৩৩-৩৬ উদ্ধৃত করেছেন যা তিনি প্রায়শই করেন যখন তিনি এমন কোনো প্রশ্নের সম্মুখীন হন যা তার যুক্তির সীমার বাইরে চলে যায়: “ঈশ্বরের জ্ঞান এবং প্রজ্ঞার সম্পদের গভীরতা ওহ! তাঁর বিচার কত অবোধ্য, এবং তাঁর পথ কত খুঁজে বের করা কঠিন!” শেষ পর্যন্ত, বাপ্তিস্মহীন শিশুদের নরকে যাওয়া একটি রহস্য, এবং তাই এর কোনো যৌক্তিক ব্যাখ্যা দেওয়া যায় না। তবে, যেহেতু অগাস্টিন নিশ্চিত ছিলেন যে এই বিষয়ে তার দৃষ্টিভঙ্গি পবিত্র শাস্ত্রে ঈশ্বরের প্রকাশের সাথে একমত, তাই তিনি এটি বজায় রেখেছিলেন। যদিও তিনি দৃশ্যত অনুভব করেছিলেন যে এই মতবাদটি কঠোর ছিল, তবুও তিনি বাপ্তিস্ম ছাড়া মারা যাওয়া ছোটদের ঈশ্বর শাস্তি দেন এই দৃষ্টিভঙ্গি থেকে কখনো সরে আসেননি।
** পৃ. ১০২
* ধর্মতাত্ত্বিক যুক্তির পাশাপাশি অগাস্টিন গির্জার অনুশীলনের কথাও উল্লেখ করেছেন। বয়স্কদের মতো শিশুরাও বাপ্তিস্ম নেওয়ার আগে ''exsufflatio'' অর্থাৎ একটি [[ভূত তাড়ানো|ভূত তাড়ানোর]] আচার পালন করত। এর মানে হলো বয়স্কদের মতো ছোটদেরও শয়তানের অন্ধকার থেকে রক্ষা পেতে ভূত তাড়ানোর দরকার ছিল। “সেই শিশুটিতে আমার ভূত তাড়ানোর কাজ কী করে, যদি সে শয়তানের পরিবারে না থাকে?” অগাস্টিন অলংকারপূর্ণভাবে প্রশ্ন করেন। অবশ্যই, তার মূল কথা হলো শিশুরা আদি পাপে আক্রান্ত এবং ঈশ্বরের সাথে মিলিত হওয়ার জন্য বাপ্তিস্মের মাধ্যমে পাপের ক্ষমার প্রয়োজন। বাপ্তিস্ম নেওয়ার সময় শিশুদের কান্না এবং সংগ্রামকেও তিনি তাদের আদি পাপের প্রকাশ হিসেবে গ্রহণ করেন। তাদের অবস্থার কারণে, তারা কৃপাকে বাধা দেয়। এমনকি তিনি শিশুদের বাপ্তিস্ম দেওয়ার জন্য মায়েদের গির্জায় ছুটে আসাকেও একটি যুক্তি হিসেবে গ্রহণ করেন যে শিশুদের শয়তানের ক্ষমতা থেকে উদ্ধার করা দরকার।
** পৃ. ১০২-১০৩
* আমরা দেখেছি যে অগাস্টিন শৈশব সম্পর্কে একটি অস্পষ্ট চিত্র আঁকেন। একদিকে তিনি জোর দিয়ে বলেন যে শিশু জন্ম থেকেই পাপী। ছোটরা প্রকৃত পাপ এবং তাদের স্বভাব উভয় দিক থেকেই নির্দোষ বলে দাবি করা পেলাজিয়ানদের বিরুদ্ধে গিয়ে অগাস্টিন শিশুদের মধ্যে আদমের কাছ থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া আদি পাপ আরোপ করেছিলেন। অগাস্টিনের শৈশবে, সার্বজনীন মানব পরিস্থিতি এমন আচরণ এবং কাজের মাধ্যমে প্রকাশ পায় যা স্রষ্টার পরিবর্তে সৃষ্ট জগতের জিনিসগুলোর মধ্যে আনন্দ, খ্যাতি এবং সত্য খোঁজে। কৈশোরে এসে অনিয়ন্ত্রিত যৌন কামনা এবং লাভের উদ্দেশ্য ছাড়াই পাপ করার মাধ্যমে এটি প্রকাশ পায়, যার উদাহরণ হলো নাশপাতি চুরি। যদিও শিশু কোনো ব্যক্তিগত পাপ করেনি, অগাস্টিন বুকের দুধের প্রতি শিশুদের লোভ এবং তাদের ঈর্ষাকে পাপপূর্ণ প্রকৃতির বহিঃপ্রকাশ হিসেবে গ্রহণ করেন। শিশুদের আচরণ সম্পর্কে তার ব্যাখ্যা এবং মূল্যায়নের সাথে একমত হওয়া একজন আধুনিক পাঠকের পক্ষে কঠিন। আমরা যাকে বিকাশের চিহ্ন হিসেবে বিবেচনা করি, অগাস্টিন তাকে শিশুর পাপপূর্ণ প্রকৃতির প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করেন। যে ছোট শিশুরা বাপ্তিস্ম ছাড়া মারা যায় তাদের অনন্ত শাস্তি দেওয়ার ব্যাপারে তার দৃষ্টিভঙ্গিও আধুনিক পাঠকদের কাছে কঠোর শোনায়, এবং এটি শিশুদের প্রতি বিরূপ মনোভাবের প্রমাণ হিসেবে উল্লেখ করা যেতে পারে (যেমনটি পেলাজিয়ান করেছিল)। <br> অন্যদিকে অগাস্টিনের আপাতদৃষ্টিতে নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি এমন একটি মনোভাব দ্বারা ভারসাম্যপূর্ণ যা শিশুদের মূল্য স্বীকার করে, যাদের মধ্যে অগাস্টিন খুঁজে পান যে “সব কিছুই চমৎকার এবং প্রশংসার যোগ্য।” যদিও এই মূল্যায়ন এই সত্যের সাথে সম্পর্কিত যে ঈশ্বর শিশুদের এমন উপহার দিয়েছেন যা তাদের তাঁকে খুঁজতে এবং খুঁজে পেতে সক্ষম করে, যাতে তারা জীবনের চূড়ান্ত উদ্দেশ্য উপলব্ধি করতে পারে, এটি শিশুদের মূল্যের একটি আকর্ষণীয় স্বীকৃতিও প্রতিফলিত করে। একইভাবে তার ''কনফেশনস'' এ শিশু ও বাচ্চাদের বর্ণনা জীবনের অভিজ্ঞতাকে গভীরভাবে সহানুভূতিশীল করে তোলে। সম্ভবত আরও গুরুত্বপূর্ণভাবে শিশুদের মুক্তির বিষয়ে অগাস্টিনের গভীর উদ্বেগ, যার জন্য বাপ্তিস্ম একটি পূর্বশর্ত ছিল, তা নির্দেশ করে যে তিনি শিশুদের পূর্ণ এবং যোগ্য ধর্মীয় সত্তা হিসেবে বিবেচনা করেছিলেন যাদের বয়স্কদের মতো একই আধ্যাত্মিক পুষ্টি প্রয়োজন। তবে আমি শিশুর আত্মার মঙ্গলের জন্য এই উদ্বেগের প্রকাশ এবং সামাজিক জীবনে শিশুদের মর্যাদা ও ভূমিকার মধ্যে কোনো সংযোগ খুঁজে পাচ্ছি না। <br> তাছাড়া অগাস্টিন শিশুদের তাদের নৈতিক আচরণের জন্য দায়ী হিসেবে বিবেচনা করেন। তিনি চিত্রিত করেন যে তাদের পরিপক্ক হওয়ার সাথে সাথে এবং কথা বলা ও যুক্তি দেওয়ার ক্ষমতা বিকশিত হওয়ার সাথে সাথে একটি ক্রমবর্ধমান জবাবদিহিতা তৈরি হয়। শিশুদের কথা বলার ক্ষমতা এবং যুক্তির অভাব থাকায় বয়স্কদের তাদের তিরস্কার করার কোনো মানে হয় না। কিন্তু যখন তারা কথা বলতে শেখে এবং যুক্তির বিকাশ ঘটে তখন কী ঠিক এবং কী ভুল তা জানার ও বোঝার শর্তগুলো ধীরে ধীরে উদ্ভূত হয় এবং শিশুরা তাদের নৈতিক আচরণের জন্য ক্রমবর্ধমানভাবে দায়ী হয়ে ওঠে। কৈশোরে পৌঁছানোর পর শিশুদের কথা বলা এবং যুক্তি দেওয়ার ক্ষমতা এতটা বিকশিত হয় যে তারা তাদের কাজের জন্য সম্পূর্ণরূপে দায়ী থাকে। অগাস্টিন ধারণা করেন যে শিশুরা যদি সঠিক খ্রিস্টান লালনপালন পায় তবে তারা তার নৈতিক আদর্শ অনুযায়ী আচরণ করতে সক্ষম।
** পৃ. ১০৩-১০৪
* গির্জার সব ফাদারদের মধ্যে অগাস্টিনই (৩৫৪-৪৩০) গর্ভপাতের কথা সবচেয়ে বেশি বলেছেন এবং ভ্রূণের প্রকৃতি ও অবস্থা নিয়ে সবচেয়ে বিস্তারিত আলোচনা উপস্থাপন করেছেন। এটি আত্মার উৎপত্তির প্রশ্ন এবং ভ্রূণ কখন ও কীভাবে আত্মা পায় তা নিয়ে তার আজীবন উদ্বেগ এবং ধর্মতাত্ত্বিক লড়াইয়ের ফল। তিনি বিভিন্ন সমাধান নিয়ে আলোচনা করেন: (১) আত্মা আগে থেকেই বিদ্যমান (২) গর্ভধারণের মুহূর্তেই ঈশ্বর আত্মা সৃষ্টি করেন; (৩) শরীরের মতো আত্মাও বাবা-মায়ের কাছ থেকে আসে; (৪) ভ্রূণের বিকাশের একটি নির্দিষ্ট পর্যায়ে আত্মা প্রবেশ করানো হয়। যেমনটি আমি আগের একটি অধ্যায়ে বলেছি, তিনি কখনো এই প্রশ্নের সন্তোষজনক সমাধান পাননি। তিনি প্রায়শই অগঠিত এবং গঠিত ভ্রূণের মধ্যে পার্থক্য করেন; পরবর্তী শব্দটি সেই ভ্রূণকে বোঝায় যা আত্মা পেয়েছে। আমরা ''ডি নুপ্টিস এট কনকুপিসেন্টিয়া'' গ্রন্থে এই পার্থক্যের একটি উদাহরণ পাই, যেখানে অগাস্টিন প্রজনন থেকে বিচ্ছিন্ন যৌন মিলনের নিন্দা করেছেন: “মাঝে মাঝে এই কামুক নিষ্ঠুরতা বা নিষ্ঠুর কাম এত দূরে চলে যায় যে এটি বন্ধ্যাত্ব সৃষ্টির জন্য ওষুধও সংগ্রহ করে, এবং যদি সেগুলো কার্যকর না হয়, তবে এটি কোনো না কোনোভাবে গর্ভের ভেতরে ইতোমধ্যে ধারণ করা ভ্রূণকে নিভিয়ে দেয় এবং ধ্বংস করে দেয়, এই কামনা করে যে নিজের সন্তান বাঁচার আগেই ধ্বংস হয়ে যাক। অথবা, যদি এটি গর্ভে জীবিত থাকে, তবে এটি কামনা করে যে জন্মের আগেই তাকে হত্যা করা হোক। স্বাভাবিকভাবেই এই পার্থক্যটি অনুমান করে যে ভ্রূণ বিকাশের একটি নির্দিষ্ট পর্যায়ে একটি আত্মা পায়; এর পরিণতি, যা তিনি জেরোমের সাথে ভাগ করে নেন, তা হলো কেবল একটি গঠিত ভ্রূণের গর্ভপাত যার আত্মা আছে তাকে হত্যা হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা যেতে পারে। এটি ''কোয়েসশনস ইন হেপটাটিউকাম'' ২.৮০ এ স্পষ্ট হয়ে ওঠে, যেখানে অগাস্টিন এক্সোডাস ২১:২ এর সেপ্টুয়াজিন্ট সংস্করণের কথা উল্লেখ করেন এবং যুক্তি দেন যে একটি অগঠিত ভ্রূণের গর্ভপাত হত্যা নয়, কারণ কেউ বলতে পারে না যে সেই পর্যায়ে এটির ইতোমধ্যে একটি আত্মা আছে কিনা। যদিও একটি অগঠিত ভ্রূণের গর্ভপাত করাও নৈতিকভাবে নিন্দনীয়, তবে এই কাজের শাস্তি কেবল জরিমানার মধ্যেই সীমাবদ্ধ। ভ্রূণকে মায়ের শরীরের একটি অংশ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হবে কিনা সেই প্রশ্নে অগাস্টিন স্টোয়িক চিন্তাভাবনা এবং রোমান আইন থেকে বিচ্ছিন্ন হন, যা নিশ্চিত করেছিল যে এমনটি নয়।
** পৃ. ১৩৩
== বহিঃসংযোগ ==
{{wikipedia}}
{{commonscat|Augustinus}}
* [http://plato.stanford.edu/entries/augustine/ স্ট্যানফোর্ড এনসাইক্লোপিডিয়া অফ ফিলোসফি এন্ট্রি]
* [http://www.catholicrevelations.com/category/saints/the-life-biography-of-st-augustine-of-hippo-saint-bishop-confessor-doctor-of-the-catholic-church.html দ্য লাইফ অ্যান্ড রাইটিং অফ সেন্ট অগাস্টিন অফ হিপ্পো: বিশপ অ্যান্ড ডক্টর অফ দ্য ক্রিশ্চিয়ান চার্চ]
* [http://www9.georgetown.edu/faculty/jod/augustine/ জর্জটাউন ইউনিভার্সিটিতে হিপ্পোর অগাস্টিন]
* [http://staugustineofhippo.com/ সেন্ট অগাস্টিনাস | হিপ্পোর অগাস্টিন]
**[http://www.mrrena.com/august.shtml সেন্ট অগাস্টিন: বিটউইন টু ওয়ার্ল্ডস]
**[http://personal2.stthomas.edu/gwschlabach/docs/jhy-aug.htm অগাস্টিন অ্যান্ড 'আদার ক্যাথলিকস']
* [http://www.augnet.org/ অর্ডার অফ সেন্ট অগাস্টিন]
* [http://www.orthodoxinfo.com/inquirers/bless_aug.aspx ব্লেসড অগাস্টিন অফ হিপ্পো: হিজ প্লেস ইন দ্য অর্থোডক্স চার্চ]
* [http://www.onelittleangel.com/wisdom/quotes/saint_augustine.asp ওয়ান লিটল এঞ্জেল-এ হিপ্পোর অগাস্টিন]
;অগাস্টিনের কাজ
* {{gutenberg author|id=Augustine_of_Hippo|name=হিপ্পোর অগাস্টিন}}
* [http://www.ccel.org/a/augustine/ ক্রিশ্চিয়ান ক্লাসিকস ইথেরিয়াল লাইব্রেরিতে সেন্ট অগাস্টিন]
* [http://www.newadvent.org/fathers/ নিউ অ্যাডভেন্টে অগাস্টিনের বেশ কয়েকটি ইংরেজি কাজ]
*[https://web.archive.org/web/20060405084119/http://www.philosophyarchive.com/person.php?era=400-499&philosopher=Augustine ''দ্য কনফেশনস'' এবং ''দ্য এনচিরিডিয়ন''], ইংরেজিতে
*[http://www.augustinus.it সম্পূর্ণ লাতিন এবং ইতালীয় টেক্সট রিসোর্স]
* [http://www.thelatinlibrary.com/august.html "দ্য ল্যাটিন লাইব্রেরি"-তে অগাস্টিনের বই এবং চিঠিগুলো, লাতিন ভাষায়]
* [http://ccat.sas.upenn.edu/jod/augustine/ ইউপেন-এ টেক্সট, অনুবাদ, পরিচিতি, মন্তব্য]* [http://www.intratext.com/Catalogo/Autori/AUT31.HTM ইন্ট্রাটেক্সট ডিজিটাল লাইব্রেরিতে অরেলিয়াস অগাস্টিনাস]
* [http://www.documentacatholicaomnia.eu/20_40_0354-0430-_Augustinus,_Sanctus.html ''ডকুমেন্টা ক্যাথলিকা ওমনিয়া''-তে স্যাঙ্কটাস অগাস্টিনাস]
* [http://www.doxologypress.org/theaudio/index.html সিটি অফ গড, কনফেশনস, এনচিরিডিয়ন, ডকট্রিন (অডিও বই)]
* [http://www.earlychurch.org.uk/augustine.php আর্লিচার্চ ডট অর্গ ডট ইউকে-তে হিপ্পোর অগাস্টিন – বিস্তৃত গ্রন্থপঞ্জি এবং অনলাইন নিবন্ধ]
[[বিষয়শ্রেণী:রোমের দার্শনিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:রোমান ক্যাথলিক বিশপ]]
[[বিষয়শ্রেণী:সাধু]]
[[বিষয়শ্রেণী:৪র্থ শতাব্দীর জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:৫ম শতাব্দীর মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:চার্চ ফাদার]]
[[বিষয়শ্রেণী:খ্রিস্টান নেতা]]
[[বিষয়শ্রেণী:চার্চ ফাদার]]
[[বিষয়শ্রেণী:লাতিন লেখক]]
2zok26i6ivvrfnfjwty5g017xq8t26u
আব্রাহাম কাহান
0
13998
83353
82929
2026-05-03T19:33:22Z
Tuhin
172
83353
wikitext
text/x-wiki
'''[[w:bn:আব্রাহাম কাহান|আব্রাহাম "অ্যাবে" কাহান]]''' ([[৭ জুলাই]] [[১৮৬০]] – [[৩১ আগস্ট]] [[১৯৫১]]) ছিলেন বেলারুশীয় বংশোদ্ভূত একজন ইহুদি-মার্কিন সমাজতান্ত্রিক সংবাদপত্র সম্পাদক, ঔপন্যাসিক এবং রাজনীতিবিদ।
== উক্তি ==
===''ব্লেটার ফুন মেইন লেবেন'' (১৯৬৯)===
ইয়দিশ ভাষা থেকে অনূদিত আত্মজীবনী "দ্য এডুকেশন অফ আব্রাহাম কাহান"
* অস্তিত্ব রক্ষার সংগ্রামে ঐক্য একটি শক্তিশালী অস্ত্র, এবং সমাজতন্ত্র টিকে থাকার জন্য প্রকৃতির সাথে মানবজাতির সংগ্রামে ঐক্যকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করবে।
* আমি প্রায়ই যুক্তি দিতাম যে আমেরিকায় আমাদের অভিবাসীদের দ্বারা বিপ্লব সাধিত হবে না। এর পেছনে ব্যক্তিগত কারণ ছিল। নবাগতরা আমেরিকান হতে এবং আমেরিকান জীবনে অংশগ্রহণ করতে উন্মুখ থাকে। সমাজতন্ত্রী হিসেবে আমাদের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত দেশীয় শ্রমিকদের আমাদের নীতিতে জয় করা। আমেরিকান দর্শকদের জন্য বলা এবং লেখার মধ্যে অনেক তৃপ্তি ছিল এবং এই কারণে আমি আমার প্রায় সমস্ত কর্মকাণ্ড আমাদের আন্দোলনের ইংরেজিভাষী অংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ রেখেছিলাম।
* রাশিয়ায় তলোয়ার শাসন করে। এখানে আমেরিকায় ডলার শাসন করে। মনে হতে পারে ডলারের কোনো ধার নেই, কিন্তু বাস্তবে এটি তলোয়ারের চেয়েও ধারালো।
** তার একটি ভাষণ থেকে, একটি সংবাদপত্রে উদ্ধৃত।
* ধীরে ধীরে আমি এই সিদ্ধান্তে উপনীত হলাম যে বাস্তববাদী শিল্পের শক্তি সেই আনন্দ থেকে উৎপন্ন হয় যা আমরা সত্যকে শিল্পের দর্পণে প্রতিফলিত হতে দেখে লাভ করি। চিত্রকর্ম, ভাস্কর্য বা শব্দ যা মূল বিষয়কে বিশ্বস্ততার সাথে উপস্থাপন করে, তা বাস্তবতার ছাপ এবং আনন্দের অনুভূতি তৈরি করে। এটি মৃত আলোকচিত্রের ঊর্ধ্বে। এতে শৈল্পিক পুনর্নির্মাণ জড়িত, এবং যদি ফলাফলটি বিষয়ের সাথে মিলে যায়, তবে এই শৈল্পিক সততা নান্দনিক উপভোগের উৎস হয়ে ওঠে। সত্যই আমরা প্রশংসা করি এবং সেটিই আমাদের শৈল্পিক আনন্দের উৎস। একটি বিশ্বস্ত প্রতিকৃতিতে বন্ধুকে চিনতে পেরে হৃদয় রোমাঞ্চিত হয়। কিন্তু পুঁজিবাদী সমালোচকরা সত্য চায় না। এটি তাদের সেবাপ্রাপ্ত শ্রেণিকে বিরক্ত করে।
* এখন আমার জন্য হৃদয়ের অন্তস্থল থেকে দৃঢ় বিশ্বাসের সাথে লেখা অনুচ্ছেদগুলোকে সমাজতান্ত্রিক কর্তব্যবোধ থেকে প্রচারণার উদ্দেশ্যে লেখা অনুচ্ছেদগুলো থেকে আলাদা করা সহজ। আমরা একটি সৎ উদ্দেশ্যে প্রচারণা ব্যবহার করেছি এবং এখনও অনেক সমাজতন্ত্রী আছেন যারা মনে করেন যে এটি করা উচিত।
* আজ যখন একজন অভিবাসী আমেরিকায় আসে, সে এখানে ইতিমধ্যে প্রতিষ্ঠিত একটি ইহুদি বিশ্ব খুঁজে পায়। এটি অদ্ভুত সব দৃশ্যে পরিপূর্ণ হলেও তবুও এটি ইহুদি। আগের আগমনকারীরা—রাশিয়ান, পোলিশ, গ্যালিশিয়ান বা রোমানিয়ানরা—এখনও ইহুদি, গ্রিনহর্নদের মতোই। দ্রুতই নবাগতরা তাদের এই "পুরানো" বন্ধুদের সাথে এবং এইভাবে আমেরিকার সাথে অভ্যস্ত হয়ে ওঠে। আজকের ইহুদি অভিবাসীরা বাড়ি থেকে পাওয়া আমেরিকার চিঠি এবং সংবাদপত্র থেকে আমেরিকান ইহুদি শব্দ এবং অভ্যাসের সাথে পরিচিত হয়ে ওঠে। কিন্তু আমরা যখন এসেছিলাম তখন খুব কম ইহুদি এবং কেবল একটি ছোট ইহুদি বিশ্ব খুঁজে পেয়েছিলাম। আমরা যে অদ্ভুততা অনুভব করেছিলাম তা ছিল অনেক গভীর, একাকীত্ব ছিল অনেক বেশি তীব্র। আমেরিকা আক্ষরিক অর্থে ছিল একটি নতুন জগত, একটি অদ্ভুত জগত, একটি অপ্রীতিকর জগত, কিন্তু এটি ছিল একটি চ্যালেঞ্জিং জগত যা আমাকে সতেজ কর্ষণ করা ক্ষেতের গন্ধের মতো শক্তিশালী ও সুস্থ অনুভূতি দিত। আমেরিকা আমাকে কৌতূহলী ও বিভ্রান্ত করত। আমার কাছে মনে হতো আমেরিকা একদিনে যা বাঁচে রাশিয়া দশ দিনেও তা বাঁচে না। ফিলাডেলফিয়া পিয়ারে আমি যে বিড়ালটি দেখেছিলম তা ছিল জীবন্ত প্রমাণ যে আমেরিকা সেই একই বিশ্বের অংশ যার অন্তর্ভুক্ত ছিল ভিলনা, পিটার্সবার্গ, লেমবার্গ এবং বার্লিন। কিন্তু প্রথম মাসগুলোতে আমি যখন আমেরিকাকে জানতে শুরু করি, আমার ঠিক উল্টো ধারণা হয়েছিল। এটি ছিল এক নতুন, ভিন্ন ধরণের জগত। এটি ছিল এক মনোরম জগত যা আমাকে প্রলুব্ধ করত। আমার চারপাশে ছিল বিস্ময়কর সম্পদ, কর্মকাণ্ড এবং উদ্যোগ। আমি তখনও "অসীম সম্ভাবনার দেশ" কথাটি শুনিনি। কিন্তু আমি আমার চারপাশে সুযোগের অনুভূতি অনুভব করতাম। ধীরে ধীরে আমি নিজের মধ্যে পরিবর্তন অনুভব করতে শুরু করলাম। প্রতি মুহূর্তে আমি নতুন কোনো অভিজ্ঞতা উপভোগ করতাম। আমি সব পরীক্ষা করতাম, সব শুনতাম, সব পর্যবেক্ষণ করতাম। আমি বিকর্ষিত এবং আকৃষ্ট হতাম, আচ্ছন্ন ও গৃহকাতর বোধ করতাম এবং প্রত্যাশায় উত্তেজিত হতাম। বক্তা হিসেবে আমার সাফল্য, করতালির উদ্দীপক স্বাদ, হাজার হাজার মানুষ আমাকে চেনে এই অত্যাশ্চর্য অনুভূতি আমাকে মত্ত করত। কিন্তু তারা আমার গৃহকাতরতাকে জয় করতে পারেনি। আমি নতুন অর্জনের আনন্দ এবং ঘরের জন্য হাহাকারের মধ্যে দোদুল্যমান ছিলাম। মাঝেমধ্যে অস্থিরতায় আমি আমার পুরনো সত্তাকে চিনতে পারতাম না। (পৃষ্ঠা ২৪৪)
===''দ্য রাইজ অফ ডেভিড লেভিনস্কি'' (১৯১৭)===
* আমি কি সুখী? এমন কিছু মুহূর্ত আসে যখন আমি আমার সাফল্য এবং স্বাচ্ছন্দ্যের অনুভূতিতে অভিভূত হয়ে পড়ি। আমি সচেতন হই যে একসময় যে হাজার হাজার জিনিস আমার জন্য নিষিদ্ধ ফল ছিল তা এখন আমার হাতের মুঠোয়। সবকিছু থেকে বঞ্চিত হওয়ার সেই চূর্ণবিচূর্ণ অনুভূতি আমার স্পষ্টভাবে মনে পড়ে এবং তখন আমার মনে হয় যেন পুরো জগতটাই আমার। একদিন আমি পূর্ব দিকের একটি পুরনো রেস্তোরাঁর সামনে দাঁড়ালাম যেটির পাশ দিয়ে আমি আমার অভাব এবং হতাশার দিনগুলোতে প্রায়ই যেতাম। নিঃসঙ্গতা এবং ঈর্ষার সেই অনুভূতি যার সাথে আমি এর জানালার ভেতর দিয়ে উঁকি দিতাম তা আমার কাছে ফিরে এল। এটি আমার অতীতের জন্য আত্ম-মমতা এবং বর্তমান শক্তির এক রোমাঞ্চকর অনুভূতি দিল। যে দামগুলো একসময় আকাশছোঁয়া ছিল এখন তা অত্যন্ত নগণ্য মনে হয়। ... এবং তবুও এমন সব ক্ষেত্রে আমি সেই দিনগুলোর জন্য এক অদ্ভুত হাহাকার অনুভব করি যখন এই রেস্তোরাঁর দরজা আমার জন্য বন্ধ ছিল এবং যখন ক্যানাল স্ট্রিটের [[বণিক|বণিকরা]] আমার বিচারে বাণিজ্যের দিকপাল ছিলেন। কোনোভাবে এই ধরণের অভিজ্ঞতা আমাকে বিষণ্ণ করে দেয়। সবচেয়ে অন্ধকার অতীত উজ্জ্বল বর্তমানের চেয়েও প্রিয়। আমার ক্ষেত্রে এই ধরণের অনুভূতির একটি বিশেষ কারণ আছে। আমার বিজয়ের অনুভূতির সাথে এক ধরণের শূন্যতা এবং তুচ্ছতার অনুভূতি জড়িত, যার মধ্যে কোনো মহান বা গভীর আগ্রহের অভাব রয়েছে।
* মাঝেমধ্যে যখন আমি আমার সুন্দর অ্যাপার্টমেন্টে একা থাকি, এই বিষয়গুলো নিয়ে ভাবি এবং নিজের একাকীত্বকে লালন করি, তখন আমি নিজেকে বলি: "এমন কিছু ক্ষেত্র আছে যেখানে সাফল্য একটি ট্র্যাজেডি।" এমন কিছু মুহূর্ত আসে যখন আমি আমার পুরো কর্মজীবন নিয়ে অনুশোচনা করি, যখন আমার এই সাফল্যকেই একটি ভুল মনে হয়। আমি মনে করি আমি মেধাবী জীবনের জন্য জন্মেছিলাম। আমি অবশ্যই সেভাবেই বেড়ে উঠেছিলাম। যে দিনটি দুর্ঘটনাবশত আমার মনকে কলেজ থেকে ব্যবসার দিকে ঘুরিয়ে দিয়েছিল সেটি আমার জীবনের সবচেয়ে দুর্ভাগ্যজনক দিন বলে মনে হয়। আমার মনে হয় আমি একজন বিজ্ঞানী বা লেখক হিসেবে অনেক বেশি সুখী হতাম। আমি তখন আমার স্বাভাবিক পরিবেশে থাকতাম এবং যদি আমাকে একাকীত্বের ভাগ্য বরণ করতে হতো তবে আমার কাছে এমন কিছু সান্ত্বনা থাকত যা এখন আমার কাছে অপরিচিত। পরিত্যক্ত সিটি কলেজের পুরনো ভবনের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় প্রতিবার আমি এমনই অনুভব করি। ব্যবসায়িক জগতে এমন অনেক সফল মানুষ আছেন যাদের বুদ্ধি নেই। তবে কেন আমি আমার বিজয়কে বিশেষ কোনো ক্ষমতার গুণ হিসেবে গণ্য করব?
* জীবন আমার কল্পনার চেয়েও অনেক ছোট।
* আপনার সবচেয়ে খারাপ হতাশাবাদীও নিজের ক্ষেত্রে একজন আশাবাদী।
* মনে রাখবেন মুখে মিথ্যা বলা থেকে বিরত থাকাই যথেষ্ট নয়; কারণ সবচেয়ে খারাপ মিথ্যাগুলো প্রায়শই মিথ্যা দৃষ্টি, হাসি বা কাজের মাধ্যমে প্রকাশ পায়।
* একজনের জীবনের সবচেয়ে প্রিয় দিনগুলো হলো সেগুলো যা একই সাথে অনেক দূরে এবং অনেক কাছে মনে হয়।
* আপনি যদি অনুভব করেন যে আপনি ভালো, তবে তা নিয়ে খুব বেশি গর্বিত হবেন না।
* সম্পদ কী? বোকাদের এক স্বপ্ন।
* গোঁড়া ইহুদি ধর্ম কার্যত নারীকে ধর্মীয় জীবন থেকে বাদ দেয়।
* যদি এটি সত্য হয় যে আমাদের জনগণ উচ্চ মানসিক শক্তির অধিকারী, তবে এই বিশেষত্ব সম্ভবত অনেকাংশে তালমুদ অধ্যয়নের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কারণে হয়েছে যা এই জাতির আধ্যাত্মিক জীবনে প্রভাব ফেলেছে।
== আব্রাহাম কাহান সম্পর্কে উক্তি ==
* অত্যন্ত মেধাবী, চঞ্চল এবং খিটখিটে স্বভাবের কাহান ছিলেন সংবাদপত্র ও সাহিত্য জগতের এক প্রধান ব্যক্তিত্ব এবং শ্রমিক আন্দোলনের এক অন্যতম চালিকাশক্তি। তার আত্মজীবনী, ''দ্য এডুকেশন অফ আব্রাহাম কাহান'' (জুইশ পাবলিকেশন সোসাইটি অফ আমেরিকা, ১৯৬৯), আমেরিকার একটি অপ্রকাশিত ধ্রুপদী সৃষ্টি।
** [[লিয়ানা ফিঙ্ক|লিয়ানা ফিঙ্ক]], ''আ বিন্টেল ব্রিফ: লাভ অ্যান্ড লংগিং ইন ওল্ড নিউ ইয়র্ক'' (২০১৪)
* অ্যাবে কাহান জারের অত্যাচার থেকে বাঁচতে অল্প বয়সেই রাশিয়া ত্যাগ করেছিলেন। কিন্তু তার রাশিয়ান ভাইদের সাফল্যকে অভিনন্দন জানানোর পরিবর্তে তিনি তাদের বিরুদ্ধে চলে যান। তিনি কেবল তাদের অর্জনের কথা শুনতেই অস্বীকার করেননি, বরং তিনি নিজেই সোভিয়েত-বিরোধী সবচেয়ে বিদ্বেষপূর্ণ অপপ্রচারকারীদের একজন হয়ে ওঠেন এবং তার পত্রিকা ''দ্য ফরোয়ার্ড''-এ দলত্যাগী ও প্রতিক্রিয়াশীলদের নিবন্ধ প্রকাশে হার্স্টের সাথে পাল্লা দিতে শুরু করেন।
** [[এলা রিভ ব্লুর|এলা রিভ ব্লুর]], ''উই আর মেনি: অ্যান অটোবায়োগ্রাফি'' (১৯৪০)
* সমাজতন্ত্রীরা সোভিয়েত প্রজাতন্ত্রের প্রতি ক্রমেই শত্রুভাবাপন্ন হয়ে উঠছিল। আমি যখন রাশিয়া সফর থেকে প্রথম ফিরে আসি, তখন আমার সাথে দেখা হওয়া সোশ্যালিস্ট পার্টির একজন নেতা আমার সাক্ষাৎকার নিতে চান। আমি তাঁকে বলি, "অবশ্যই, আমি পুঁজিবাদী পত্রিকায় সাক্ষাৎকার দেই, আপনাদের দেব না কেন?" আমি যখন অফিসে গেলাম, সেখানে অ্যাবে কাহান, জর্জ গোয়েবেল, চার্লি এরউইন এবং অন্যরা ছিলেন এবং সবাই মিলে আমাকে আক্রমণ করতে শুরু করলেন। আমি কীভাবে লেনিনকে সমর্থন করি? আমি কীভাবে সোভিয়েতের "গণতন্ত্রের অভাব"-কে সমর্থন করি? অ্যাবে কাহান ইঙ্গিত দিলেন যে এসব বিষয় বোঝার মতো বয়স আসলে আমার নেই। তিনি বললেন, "দেখা যাক, তুমি কত বছর ধরে এই আন্দোলন আর ধর্মঘট সংগঠনের সাথে আছো?" আমি পাল্টা জবাব দিলাম, "ঠিক তত বছরই অ্যাবে কাহান, যত বছর ধরে আপনি আছেন।"
** [[এলা রিভ ব্লুর|এলা রিভ ব্লুর]], ''উই আর মেনি: অ্যান অটোবায়োগ্রাফি'' (১৯৪০)
* মি. কাহান, যিনি তার উপন্যাস ''দ্য রাইজ অফ ডেভিড লেভিনস্কি'' এবং অন্যান্য কাজের মাধ্যমে একজন প্রতিভাবান লেখক হিসেবে সুপরিচিত ছিলেন, তিনি বাস্তববাদের একনিষ্ঠ সমর্থক ছিলেন। তিনি কেবল সুপরিচিত লেখকদের বাস্তবসম্মত গল্পই ছাপতেন না, বরং আমেরিকায় ইহুদি জীবনের বাস্তবতা তাঁর সংবাদপত্রে তুলে আনার চেষ্টা করতেন। হালকা নিবন্ধের মাধ্যমে তিনি পাঠকদের অনুপ্রাণিত ও উৎসাহিত করতেন যেন তারা তাদের জীবনের যে কোনো অস্বাভাবিক ঘটনা এবং তাদের নিজস্ব সমস্যা সম্পর্কে ''ফরোয়ার্ড''-এ লিখে জানায়। মি. কাহান দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করতেন যে "সত্য কথাসাহিত্যের চেয়েও অদ্ভুত" এবং ১৯০৩ সাল থেকেই তিনি সংবাদপত্রের জন্য একটি বিশেষ বিভাগ পরিকল্পনা করেছিলেন যেখানে পাঠকরা নিজেদের প্রকাশ করতে পারবে, যা বাস্তব জীবনের প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠবে... তিনি মনে করতেন যে ''ফরোয়ার্ড''-এর কাজ কেবল ট্রেড ইউনিয়নবাদ, রাজনৈতিক বা সামাজিক সমস্যার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়। শুরু থেকেই তিনি পত্রিকার পরিধি বিস্তৃত করেন এবং প্রাত্যহিক জীবন সম্পর্কিত হালকা নিবন্ধসহ বিচিত্র পাঠ্য উপকরণ দিয়ে একে প্রাণবন্ত করে তোলেন। এভাবেই দৈনিক সংবাদপত্রটি সমস্ত স্তরের ও শ্রেণির পাঠকদের আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়।
** [[আইজাক মেটজকার|আইজাক মেটজকার]], ''আ বিন্টেল ব্রিফ: সিক্সটি ইয়ার্স অফ লেটার্স ফ্রম দ্য লোয়ার ইস্ট সাইড টু দ্য জুইশ ডেইলি ফরোয়ার্ড'' (১৯৭১)-এর ভূমিকা থেকে
* আব্রাহাম কাহান তার স্মৃতিকথায় (১৯২৯) "বিন্টেল ব্রিফ" সম্পর্কে নিচের কথাগুলো লিখেছেন: "মানুষ প্রায়শই তাদের ভারাক্রান্ত হৃদয় উজাড় করে দেওয়ার সুযোগ খোঁজে। আমাদের অভিবাসী জনগণের মধ্যে এই প্রয়োজন ছিল অত্যন্ত প্রকট। লক্ষ লক্ষ মানুষ, যারা তাদের ঘরবাড়ি এবং প্রিয়জনদের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে, তারা ছিল নিঃসঙ্গ আত্মা যারা নিজেদের প্রকাশ করতে তৃষ্ণার্ত ছিল, যারা কোনো মতামত শুনতে চাইত, যারা তাদের গুরুতর সমস্যা সমাধানের জন্য পরামর্শ চাইত। 'বিন্টেল ব্রিফ' তাদের জন্য সেই সুযোগ তৈরি করে দিয়েছিল। আমরা যেসব চিঠি পাই তার অনেকগুলোই অবিন্যস্তভাবে লেখা এবং আমাদের সেগুলো সংশোধন বা পুনর্লিখন করতে হয়। কিছু চিঠি সরাসরি সেই ব্যক্তিরা লেখেন না যারা পরামর্শ চান, বরং অন্য কেউ তাদের হয়ে লিখে দেয়। এমনকি যারা লিখতে পারে না তাদের জন্য চিঠি লিখে দেওয়াটা কিছু মানুষের বিশেষ পেশায় পরিণত হয়েছে। এমনকি সেখানে 'এখানে বিন্টেল ব্রিফ-এর চিঠি লেখা হয়' লেখা ছোট ছোট সাইনবোর্ডও দেখা যেত। [এমন একটি চিঠি লেখার দাম ছিল পঁচিশ থেকে পঞ্চাশ সেন্ট। আই.এম.] প্রায়শই পেশাদার 'বিন্টেল ব্রিফ' লেখকরা নিজেদের বাগ্মিতা জাহির করতেন, কিন্তু সেগুলো স্বাভাবিকভাবেই ছেঁটে ফেলা হতো। এবং মাঝেমধ্যে নারী-পুরুষরা সম্পাদকীয় অফিসে আসতেন যেন কেউ তাদের সমস্যা নিয়ে একটি চিঠি লিখে দেয়। 'বিন্টেল ব্রিফ'-এর মাধ্যমে মায়েরা তাদের অনেক বছর আগে হারিয়ে যাওয়া সন্তানদের খুঁজে পেয়েছেন... এই বিভাগের নাম 'বিন্টেল ব্রিফ' এতটাই জনপ্রিয় হয়েছিল যে এটি প্রায়ই আমেরিকান ইয়দিশ ভাষার অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। যখন আমরা পারিবারিক জীবনের কোনো মজার ঘটনা নিয়ে কথা বলি, তখন এমন মন্তব্য শোনা যায় যে 'দারুণ গল্প—একদম বিন্টেল ব্রিফ-এর জন্য উপযুক্ত।' আবার কখনও শোনা যায়, 'এটি যেন একদম একটি বিন্টেল ব্রিফ গল্প!' চিঠির অনেক বিষয়বস্তু নাট্যকার ও লেখকরা তাদের রচনার জন্য ব্যবহার করেছেন কারণ এর মধ্যে সাহিত্যের এক বিশাল জগত খুঁজে পাওয়া যায়। প্রথম কয়েক বছর আমি নিজেই সব চিঠির উত্তর দিতাম। আমি অত্যন্ত আনন্দের সাথে এটি করতাম কারণ চিঠির মাধ্যমে মানুষের আত্মার এক বিরল দৃশ্যপট দেখা যায় এবং এই কাজের প্রতি আমার একটি সাহিত্যিক আগ্রহও ছিল।"
** [[আইজাক মেটজকার]], ''আ বিন্টেল ব্রিফ: সিক্সটি ইয়ার্স অফ লেটার্স ফ্রম দ্য লোয়ার ইস্ট সাইড টু দ্য জুইশ ডেইলি ফরোয়ার্ড'' (১৯৭১)-এর ভূমিকা থেকে
* কাহানের ''ফরভার্টস''[[ইউজিন ডেবস|ইউজিন ডেবসের]] সদ্য প্রতিষ্ঠিত সোশ্যালিস্ট পার্টির সাথে যুক্ত একটি স্পষ্টবাদী সমাজতান্ত্রিক সংবাদপত্র হিসেবেই রয়ে গিয়েছিল। কিন্তু পত্রিকাটি মতামতের বৈচিত্র্য মেনে নিত এবং একটি জনপ্রিয় ও চাঞ্চল্যকর সুর বজায় রাখত। এই অর্থে, ক্র্যান্টসের সামাজিক গণতান্ত্রিক শুচিতা এবং কাহানের সামাজিক গণতান্ত্রিক চটকদার সাংবাদিকতার (ইয়েলো জার্নালিজম) লড়াইয়ে কাহানই জয়ী হন। নিশ্চিতভাবেই কাহানকে তার লেখক এবং 'ফরভার্টস অ্যাসোসিয়েশন'-এর সদস্যদের কাছ থেকে ক্রমাগত সমালোচনার সম্মুখীন হতে হয়েছিল, তবুও কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী তাকে তার অবস্থান থেকে সরাতে সফল হয়নি। কাহানের সম্পাদনায় ''ফরভার্টস'' মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে জনপ্রিয় ইয়দিশ দৈনিকে পরিণত হয় এবং এটি সে সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় বিদেশি ভাষার সংবাদপত্র ছিল।
** টনি মিশেলস, ''আ ফায়ার ইন দেয়ার হার্টস: ইয়দিশ সোশ্যালিস্টস ইন নিউ ইয়র্ক'' (২০০৫)
* অভিবাসী জীবন সাধারণভাবে অত্যন্ত কষ্টকর, যা সেই অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাওয়া ব্যক্তিদের সাহিত্যে ফুটে ওঠে। [[আব্রাহাম কাহান]], [[হেনরি রথ]] এবং [[আনজিয়া ইয়েজিয়ার্স্কা]] ইহুদি উপন্যাসগুলোতে এই চিত্রটি প্রায়ই অত্যন্ত কঠোর ও বিষণ্ণ।
** [[ইলান স্টাভান্স]], ''ইয়দিশ সাউথ অফ দ্য বর্ডার: অ্যান অ্যান্থোলজি অফ ল্যাটিন আমেরিকান ইয়দিশ রাইটিং'' (২০০৩)-এর ভূমিকা থেকে
* কাহানের ''দ্য রাইজ অফ ডেভিড লেভিনস্কি'' উপন্যাসে ডোরা নামে একজন নিরক্ষর অভিবাসী নারী তার মেয়ের মাধ্যমে নিজের জীবন অতিবাহিত করতেন, যাকে তিনি গর্ব ও ঈর্ষার মিশ্রণে দেখতেন। তিনি ভাবতেন, "আমার নিজের জীবন হারিয়ে গেছে, কিন্তু সে যেন শিক্ষিত হয়"... আব্রাহাম কাহান তার ছোটগল্প "ইয়েকল"-এ একজন তরুণ অভিবাসীর দুর্দশার বর্ণনা দিয়েছেন যে নিজেকে "একজন আসল আমেরিকান" হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করত।
** সিডনি ওয়াইনবার্গ, ''দ্য ওয়ার্ল্ড অফ আওয়ার মাদার্স: দ্য লাইভস অফ জুইশ ইমিগ্র্যান্ট উইমেন'' (১৯৮৮)
* ইয়দিশভাষী ইহুদি এবং ইংরেজিভাষী আমেরিকার মধ্যকার সেতুবন্ধনকারী প্রধান ব্যক্তি এবং ইয়দিশ দৈনিক ফরোয়ার্ড-এর সম্পাদক আব্রাহাম কাহান তার ''দ্য রাইজ অফ ডেভিড লেভিনস্কি'' উপন্যাসে ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, একজন ইহুদি নিজেকে আমেরিকান হিসেবে তখনই সেরা প্রমাণ করতে পারেন যখন তিনি তার নিজের সাফল্যের প্রতি সন্দিহান থাকেন।
** [[রুথ উইস]], ''দ্য মডার্ন জুইশ ক্যানন'' (২০০০)
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৫১-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৮৬০-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লেখক]]
i1vl3dsqox9j813kwwvv0jt9ikdy7kk
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনী
0
14019
83327
83266
2026-05-03T13:23:33Z
SMontaha32
3112
83327
wikitext
text/x-wiki
[[File:Meuse-Argonne, 26 September–1 October 1918.gif|thumb|বিশ্বের সকল জাতি, ধর্ম ও বর্ণের মানুষ এই জাতির [[w:মার্কিন সশস্ত্র বাহিনী|সশস্ত্র বাহিনীতে]] প্রতিনিধিত্ব করেছে, যেমনটি আমাদের জনগোষ্ঠীর মধ্যে ছিল। কারও জাতিগত পরিচয়, রাজনৈতিক মতাদর্শ বা ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে তার দেশপ্রেম বা সেবাকে কেউ তুচ্ছ করেনি। অভিবাসী ও তাদের সন্তানরা... আমাদের মিত্র দেশগুলোর বংশধর, বিষুবীয় আফ্রিকার সন্তান এবং আমাদের নিজস্ব আদিবাসী জনগোষ্ঠীর লাল মানুষের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধ করেছে। তারা সবাই সমানভাবে নিজেদের 'আমেরিকান' পরিচয়ে গর্বিত ছিল। ~ [[ক্যালভিন কুলিজ]]]]
[[File:Brigadier General Smedley Butler, 1927 (14773211711).jpg|thumb|আমি সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট থেকে মেজর-জেনারেল পর্যন্ত সকল কমিশনড পদে দায়িত্ব পালন করেছি। সেই সময়ে আমি আমার বেশিরভাগ সময় ব্যয় করেছি বড় ব্যবসা, ওয়াল স্ট্রিট এবং ব্যাংকারদের জন্য উচ্চমানের গুণ্ডা হিসেবে কাজ করতে। সংক্ষেপে, আমি ছিলাম একজন র্যাকেটিয়ার, পুঁজিবাদের জন্য একজন গ্যাংস্টার। ~ [[স্মেলি বাটলার]]]]
[[File:Haditha massacre.jpg|thumb|আমাদের জেগে উঠতে হবে এবং উপলব্ধি করতে হবে যে আমাদের প্রকৃত শত্রুরা কোনো দূরবর্তী দেশে নেই। তারা এমন কেউ নয় যাদের নাম আমরা জানি না বা যাদের সংস্কৃতি আমরা বুঝি না। শত্রুরা হলো এমন মানুষ যাদের আমরা খুব ভালোভাবেই চিনি এবং যাদের আমরা চিহ্নিত করতে পারি। শত্রু হলো সেই ব্যবস্থা যা লাভজনক হলেই যুদ্ধ বাধায়। শত্রু হলো সেই সব সিইও, যারা মুনাফার জন্য আমাদের চাকরি থেকে ছাঁটাই করে। যারা মুনাফার জন্য আমাদের স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত করে, সেই বিমা কোম্পানিগুলোই শত্রু। যারা মুনাফার জন্য আমাদের ঘরবাড়ি কেড়ে নেয়, সেই ব্যাংকগুলোই শত্রু। আমাদের শত্রুরা পাঁচ হাজার মাইল দূরে নয়, তারা আমাদের ঘরেই রয়েছে। ~ মাইকেল প্রিসনার]]
[[File:Huey Newton.jpg|thumb|আমরা বিশ্বের অন্য কোনো বর্ণের মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব না বা তাদের হত্যা করব না। কারণ কৃষ্ণাঙ্গদের মতোই তারাও আমেরিকার শ্বেতাঙ্গ বর্ণবাদী সরকারের শিকার। ~ [[হিউ নিউটন]]]]
[[File:STTC_Logo.png|thumb|মার্কিন সেনাবাহিনী এবং মেরিন কোরের বর্তমান সদস্য সংখ্যা যথাক্রমে প্রায় ৫,১০,০০০ এবং ১,৮০,০০০। এছাড়া, সেনাবাহিনী ও মেরিন কোরের জন্য প্রায় ৮,০০,০০০ ন্যাশনাল গার্ড ও রিজার্ভ সেনা প্রস্তুত রয়েছে। যদিও এই সংখ্যা অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ১৫ লক্ষ মোট স্থলসেনা রয়েছে, তবুও দেশটির অনেক দায়বদ্ধতা থাকায় একক কোনো সামরিক অভিযানের জন্য এই শক্তি সীমিত হয়ে যায়। প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা, ইউরোপ ও কোরিয়ায় মার্কিন দায়বদ্ধতা এবং বাহিনীর পুনঃপ্রশিক্ষণ ও অস্ত্রসজ্জিত করার বিষয়গুলো বিবেচনা করলে, যুক্তরাষ্ট্রের হয়তো স্থলযুদ্ধের জন্য ২৫০,০০০-এর বেশি সক্রিয় সেনা নেই। যদি ন্যাশনাল গার্ড ও রিজার্ভ বাহিনীকে পুরোপুরি কাজে লাগানো যায়, তবে যুক্তরাষ্ট্র সম্ভাব্য অভিযানে দশ লক্ষ সৈন্য মাঠে নামাতে পারবে। ~ [[ব্রুস ডব্লিউ. টেরি|ব্রুস ডব্লিউ. টেরি]]]]
[[File:X-35.jpg|thumb|যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক শক্তিতে পরিণত হয়, তখন পৃথিবী অনেক বেশি নিরাপদ ও ভালো জায়গায় থাকে। ~ [[মার্কো রুবিও]]]]
[[File:Members_of_the_54th_Massachusetts_Volunteer_Regiment_color_guard_march_during_the_57th_presidential_inauguration_parade_130121-A-TT968-141.jpg|thumb|আমেরিকা আজও ইতিহাসের সবচেয়ে সুশৃঙ্খল ও মানবিক সামরিক বাহিনী বজায় রেখেছে। প্রাচীন বাহিনীগুলো যারা যুদ্ধের লুণ্ঠনে মত্ত থাকত, কিংবা আধুনিক বাহিনীগুলো যারা নির্বিচারে বেসামরিক নাগরিক ও বন্দিদের হত্যা করে, তাদের তুলনায় এটি সংযমের একটি আদর্শ দৃষ্টান্ত। ~ ''নিউজউইক'']]
[[File:Maryland National Guard (17285160576).jpg|thumb|আমি আশা করি, রাস্তাঘাট, টিউব ও বাসে আমরা যে তরুণ আমেরিকান সৈনিকদের সাথে পরিচিত হচ্ছি, তারা আমাদের কাছে ঠিক ততটাই ভালো লেগেছে, যতটা আমরা তাদের ভালোবেসেছি। ~ [[আলফ্রেড জর্জ গার্ডিনার|আলফ্রেড জর্জ গার্ডিনার]]]]
[[File:2014PlainviewMNparadeCivilWar.jpg|thumb|দেশের জন্য লড়াই ও জীবন দেওয়ার জন্য আপনাকে ‘সোজা’ হতে হবে না। আপনার শুধু লক্ষ্যভেদ করতে পারাটাই যথেষ্ট। ~ [[ব্যারি গোল্ডওয়াটার]]]]
[[File:OlusteeKAFL.jpg|thumb|আমাদের সেনাদের চালানো যুদ্ধগুলো দুটি ভিন্ন ব্যবস্থার মধ্যকার বৃহত্তর সংগ্রামের অংশ। প্রথম ব্যবস্থায়, একদল ধর্মান্ধ গোষ্ঠী একটি নিপীড়নমূলক মতাদর্শের প্রতি পূর্ণ আনুগত্য দাবি করে, নারীদের দাসত্বে বাধ্য করে এবং অবিশ্বাসীদের হত্যার লক্ষ্য নির্ধারণ করে। অন্য ব্যবস্থাটি এই বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত যে, স্বাধীনতা হলো সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের সার্বজনীন উপহার। ~ [[জর্জ ডব্লিউ. বুশ]]]]
[[File:The Old Flag Never Touched the Ground.jpg|thumb|সৈনিক ও গণতান্ত্রিকভাবে নিহতরা আমেরিকান মুক্তিদাতাদের দীর্ঘ ঐতিহ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে, যার শুরুটা হয়েছিল আমেরিকান বিপ্লব থেকে... গৃহযুদ্ধ ছিল এই ঐতিহ্যের একটি ভিত্তিপ্রস্তর। একাডেমিক ইতিহাসবিদরা লেখেন যে এটি ছিল আঞ্চলিকতাবাদের কারণে... [[আব্রাহাম লিংকন|লিংকন]] জানতেন এর মূলে কী ছিল... দাসপ্রথা 'একটি অদ্ভুত ও শক্তিশালী স্বার্থের জন্ম দিয়েছিল। সবাই জানত যে এই স্বার্থই কোনোভাবে যুদ্ধের কারণ ছিল'... সৈন্যরা ইউনিয়ন রক্ষা করতে লড়াই করেছিল, কিন্তু তারা মানব বন্ধন শেষ করার জন্যও যুদ্ধ করেছিল। ~ [[জোসেফ মরিসন স্কিলি|জোসেফ এম. স্কিলি]]]]
[[File:Defense.gov_photo_essay_080703-F-9629D-147.jpg|thumb|আমি যখন আমাদের সেনাদের অভিযানে ডেকেছিলাম, তখন তাদের সাহস ও দক্ষতার ওপর আমার পূর্ণ আস্থা ছিল। আর আজ রাতে, তাদের কল্যাণে আমরা জিতছি। ~ [[জর্জ ডব্লিউ. বুশ]]]]
[[File:US Navy 031109-N-9769P-076 Guided missile cruiser USS Lake Champlain (CG 57) steams in the Southern California operating area.jpg|thumb|আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর নারী ও পুরুষেরা এখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি শত্রুর কাছে একটি পরিষ্কার বার্তা পৌঁছে দিয়েছে। ৭,০০০ মাইল দূরে, মহাসাগর ও মহাদেশ পেরিয়ে, পাহাড়ের চূড়ায় বা গুহায় থাকলেও; তোমরা এই জাতির বিচার থেকে রেহাই পাবে না। ~ [[জর্জ ডব্লিউ. বুশ]]]]
[[File:U.S. Army Pfc. Phoebe Alvarez, left, an administrative clerk with the 307th Engineer Battalion, and Command Sgt. Maj. Thomas Capel, right, the command sergeant major of the International Security Assistance 130524-M-UF830-033.jpg|thumb|যদি আমেরিকার প্রতিটি প্রান্তে স্বাধীন নাগরিকদের ওপর নক্ষত্রখচিত পতাকা উড়তে থাকে, এবং আমাদের দেশ যদি ন্যায়বিচার, স্বাধীনতা ও সভ্যতার পথে একটি দীর্ঘ ও গৌরবময় যাত্রা বজায় রাখতে পারে, তবে আমরা এই মহৎ সেনাবাহিনীর নিঃস্বার্থ ত্যাগের কাছে ঋণী। ~ [[ফ্রেডরিক ডগলাস]]]]
[[File:Sailor with boatswain's pipe, USS Fitzgerald (DDG-62), May 2014.jpg|thumb|আমাদের কাছে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বাহিনী আছে, ''কারণ'' আমাদের কাছে সেরা মানুষগুলো আছে। ~ অ্যাশটন কার্টার]]
[[File:150413-N-XM324-040 - PO3 Christina Casillas applies a splint to a simulated broken arm aboard USS Fitzgerald.jpg|thumb|আমাকে অবশ্যই সেইসব নারী ও পুরুষের সেবার কথা বলতে হবে যারা প্রজাতন্ত্রের পতাকাতলে সমবেত হয়েছিল... আমেরিকা তাদের প্রদত্ত সেবা, ত্যাগ এবং সহ্য করা কষ্টগুলো উপলব্ধি করে এবং মূল্যায়ন করে... তারা সবাই ছিল সাহসী। তারা সবাই ছিল আত্মত্যাগী... স্থল ও সমুদ্রের চল্লিশ লক্ষ ডিফেন্ডার জনগণের সেরা ঐতিহ্যের যোগ্য ছিল... তারা আমাদের গর্বিত করেছে। তাদের প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞতা রয়েছে, যা অবশ্যই যথাযথভাবে প্রকাশ করা উচিত। ~ [[ওয়ারেন জি. হার্ডিং]]]]
[[File:150902-N-XF387-351 - SN Ana Motapalomares records bearings.jpg|thumb|আমাদের প্রতিরক্ষা নিহিত রয়েছে সেই চেতনা সংরক্ষণের মধ্যে, যা স্বাধীনতাকে সকল মানুষের, সকল দেশের এবং সর্বকালের ঐতিহ্য হিসেবে মূল্যায়ন করে। ~ [[আব্রাহাম লিংকন]]]]
[[File:Iraqi child with U.S. Troops.jpg|thumb|[[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|আমরা]] গত শতাব্দীজুড়ে নিপীড়ন দমনের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনীর নারী ও পুরুষদের বিশ্বের অন্যান্য প্রান্তে পাঠিয়েছি। আমরা ফ্যাসিবাদের পরাজয় ঘটিয়েছি... আমরা তা করতে ইচ্ছুক ছিলাম, সানন্দেই করেছি... সবকিছুই মানুষের অধিকার রক্ষার স্বার্থে, এবং যখন সেই সংঘাতগুলো শেষ হলো? আমরা কী করলাম? আমরা কি সেখানে থেকে দখল করেছিলাম? আমরা কি বলেছিলাম, ''ওকে, আমরা জার্মানিকে হারিয়েছি। এখন জার্মানি আমাদের? আমরা জাপানকে হারিয়েছি, তাই জাপান আমাদের?''? না... আমরা তাদের গড়ে তুলেছি। আমরা তাদের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা দিয়েছি যা তারা গ্রহণ করেছে... আমরা কি কোনো জমি চেয়েছি? না। আমরা একমাত্র যে জমিটি চেয়েছিলাম তা ছিল আমাদের মৃতদের কবর দেওয়ার মতো যথেষ্ট জমি, আর এই ধরনের জাতিই আমরা। ~ [[কলিন পাওয়েল]]]]
[[File:OlusteeKAFL.jpg|thumb|সামরিক বাহিনী কোনো বস্তু নয়। এটি একদল নিবেদিতপ্রাণ দেশপ্রেমিক যারা আমাদের জন্য সবকিছু ত্যাগ করতে ইচ্ছুক। এটি কেবল এর ভেতরের মানুষগুলোর কারণেই কাজ করে। যন্ত্রপাতি যতই চমৎকার হোক—আর আমাদের চমৎকার যন্ত্রপাতি রয়েছে—মেশিন, অস্ত্র এবং স্যাটেলাইট যতই আধুনিক হোক না কেন, চূড়ান্ত বিচারে এটি অসাধারণ মানুষগুলোর ওপরই নির্ভর করে। ~ [[বারাক ওবামা]]]]
[[File:319th AFA soldiers chillin' out in Iraq.jpg|thumb|আমেরিকায় সৈনিকদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। তাদের সাহস ও ত্যাগের কথা বারবার মনে করিয়ে দেওয়া হয়। সৈনিকদের নিঃস্বার্থতার এক অদৃশ্য আভা থাকে এবং তারা অত্যন্ত মর্যাদার সাথে চলাফেরা করে। ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্টরা ইউনিফর্ম পরা সৈনিকদের ফার্স্ট ক্লাসে আপগ্রেড করেন, রেস্তোরাঁগুলো ভেটারানদের ছাড় দেয় এবং অপরিচিতরা তাদের হাত মেলায়। ~ বেনামী]]
[[File:011217-N-9769S-207 Ready for Working Party.jpg|thumb|এরা আমাদের সন্তান... এরা ভালো ছেলেমেয়ে... সেনাবাহিনী বা মেরিন কোরে যোগ দিলে কেউ নাৎসি হয়ে যায় না; বরং সে আমেরিকার এক সন্তান হয়ে ওঠে যে তার দেশের জন্য কাজ করছে। ~ [[টম ক্ল্যান্সি]]]]
[[File:Four_366th_Infantry_officers.gif|thumb|সামরিক বাহিনী সবসময়ই একটি অন্তর্মুখী সংগঠন। সেনাবাহিনী যে কারণে এতটা প্রগতিশীল তার একটি কারণ হলো, তারা সবসময় নিজেদের বিশ্লেষণ করে। সেনাবাহিনী সবসময় নিজের কাজ আরও ভালোভাবে করার উপায় খোঁজে... সেনাবাহিনীই আমেরিকায় বর্ণবৈষম্য দূরীকরণে নেতৃত্ব দিয়েছে... সেনাবাহিনী খুব আগেই বুঝতে পেরেছিল যে, কৃষ্ণাঙ্গ মানুষরা শ্বেতাঙ্গদের মতোই; পার্থক্য শুধু গায়ের রঙ একটু বেশি গাঢ়। তারাও সমান ভালো সৈনিক হতে পারে। ~ [[টম ক্ল্যান্সি]]]]
[[File:HHC U.S. Army soldiers.png|thumb|সৈনিকেরা। আপনারা এখন আপনাদের বাড়ি ও বন্ধুদের কাছে ফিরতে চলেছেন... আমি আপনাদের কাছে এবং যারা দেশের ডাকে সাড়া দিয়েছেন তাদের সবার কাছে অত্যন্ত ঋণী। আমি চাই দেশটি এখন কী কাজে ব্যস্ত তা যেন সবাই ব্যাপকভাবে বুঝতে পারে। আমরা সবাই একমত হব যে, আমাদের একটি মুক্ত সরকার রয়েছে, যেখানে প্রত্যেক মানুষেরই সমান অধিকার রয়েছে। ~ [[আব্রাহাম লিংকন]]]]
[[File:101110-N-6477M-070 Veteran's Day Naturalization Ceremony aboard USS Midway.jpg|thumb|আপনার সন্তানরা আমেরিকান সৈনিকের শান্ত, সুচিন্তিত ও দৃঢ় যুদ্ধস্পৃহা নিয়ে আপনাদের সেবা করেছে। তাদের এই স্পৃহা সত্যের ঐতিহ্যের ওপর প্রতিষ্ঠিত, আর শত্রুর উন্মাদনা কেবল কাল্পনিক গল্পের ওপর ভিত্তি করে। তাদের আধ্যাত্মিক শক্তি ও ক্ষমতা আমাদের জয়ী করেছে। ~ [[ডগলাস ম্যাকআর্থার]]]]
[[File:US Navy 051206-M-7173M-015 Hospital Corpsman 3rd Class Jesse Munsey, assigned to the 2nd Battalion, 6th Marines, Gulf Company, observes the road up ahead.jpg|thumb|আমেরিকা এবং আমাদের মিত্ররা এক ভিন্ন ধরনের শত্রুর বিরুদ্ধে নতুন এক ধরনের যুদ্ধ করছে। এই সংঘাত আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর নারী ও পুরুষদের ওপর—যার মধ্যে গার্ড ও রিজার্ভও অন্তর্ভুক্ত—বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে। তারা প্রতিটি পরীক্ষায় সফল হয়েছে; প্রতিটি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেছে। ~ [[জর্জ ডব্লিউ. বুশ]]]]
[[File:B-2 Spirit original.jpg|thumb|বিশ্বে মার্কিন সামরিক আধিপত্যের সারমর্ম হলো, তারা ইচ্ছে করলেই মাত্র কয়েক ঘণ্টার নোটিশে পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে বোমা ফেলতে পারে। অন্য কোনো সরকারের এমন সক্ষমতা কোনোদিন ছিল না। ~ [[ডেভিড গ্রেবার]]]]
[[File:USS New Orleans (LPD-18) launches RIM-116 missile 2013.jpg|thumb|আমেরিকার সামরিক শ্রেষ্ঠত্ব এখনো অপ্রতিদ্বন্দ্বী। এই কথাটি চূড়ান্ত... যুক্তরাষ্ট্র স্থল, সমুদ্র, আকাশ এবং মহাকাশে আধিপত্য বজায় রেখেছে। ~ ইয়ান ব্রেমার]]
[[File:U.S. Marines at Camp Geiger in 1999.jpg|thumb|নিজেদের রক্ষা করার আগে বেসামরিক নাগরিকদের রক্ষা করাই আমেরিকান সৈনিকদের কাজ। এভাবে তারা নিজেদের আরও ভালোভাবে রক্ষা করতে পারে। বিষয়টি আপাতদৃষ্টিতে অদ্ভুত মনে হতে পারে, তবে এটিই নিয়মমাফিক ও সোজা পথ। ~ মাইকেল টোটেন]]
[[File:82nd_Sus._Bde._supports_emergency_deployment_readiness_exercise_130128-A-QD996-003.jpg|thumb|যখন আমরা সব ভেদাভেদ ভুলে যারা আমাদের ক্ষতি করেছে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলাম... তা আমাকে অসাধারণ এক অনুভূতি দিয়েছিল। এটি আমাকে দেশপ্রেমিক, শক্তিশালী করে তুলেছিল। আমি এই দেশকে এমনভাবে ভালোবাসতে শুরু করলাম যা আমার জীবনে আগে কখনো অনুভব করিনি... আমরা সবাই এমন এক আমেরিকার স্বপ্ন দেখি। আমরা এমন এক শক্তিশালী ও পরাক্রমশালী আমেরিকাকে চাই, যা প্রয়োজনে পাল্টা আঘাত করে। আমাদের ইতিহাস বইয়ে ঘুমন্ত দৈত্যের কথা শেখানো হয়েছিল, যে প্রয়োজনের সময় পরাশক্তি হিসেবে জেগে ওঠে এবং যার রয়েছে বিশ্বের সেরা সেনাবাহিনী। ~ স্টিভেন উইলিয়ামস]]
[[File:Iraqi girls playing.jpg|thumb|পৃথিবীতে যদি শান্তির কোনো কারিগর থেকে থাকে, তবে সেটি হলো মার্কিন সামরিক বাহিনী। ~ [[রাশ লিম্বো]]]]
[[File:American_bases_worldwide.svg|thumb|আমেরিকানরা এই ঘাঁটি সম্পর্কে যতটা ভাবে, তাতে আমরা সাধারণত মনে করি যে এগুলো জাতীয় নিরাপত্তা ও বিশ্ব শান্তির জন্য অপরিহার্য। বেশিরভাগ ঘাঁটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ এবং শীতল যুদ্ধের শুরুর দিকে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সময় থেকেই আমাদের নেতারা এমনটা দাবি করে আসছেন। এর ফলে, আমরা এই পরিস্থিতিকে স্বাভাবিক মনে করি এবং মেনে নিই যে, বিপুল সংখ্যক মার্কিন সামরিক স্থাপনা অন্য দেশের মানুষের ভূমিতে রয়েছে। অন্যদিকে, মার্কিন মাটিতে অন্য দেশের ঘাঁটি থাকার ধারণাটিই অকল্পনীয়। ~ ডেভিড ভাইন]]
[[File:U.S._Military_Installations_Map.jpg|thumb|এই ব্যবস্থার কেন্দ্রে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যা আজকের বিশ্বের একমাত্র টিকে থাকা সাম্রাজ্য। [[মানবতা|মানবতার ইতিহাসে]] এই প্রথম একটিমাত্র সাম্রাজ্য এত প্রভাবশালী, যার সামরিক বাজেট পরের ১৫টি দেশের সম্মিলিত বাজেটের চেয়েও বেশি এবং যার সামরিক-শিল্প কমপ্লেক্স নিজেই বিশ্বের একাদশ বৃহত্তম অর্থনৈতিক সত্তা। আমরা এই বাস্তবতায় বাস করি এবং এই বাস্তবতা ভিন্ন ভিন্নভাবে আমাদের মুখোমুখি হয়। ~ [[তারিক আলী]]]]
'''মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনী''' হলো [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র]]ের জাতীয় সামরিক বাহিনী। এটি [[w:উত্তর আমেরিকা|উত্তর আমেরিকা]] মহাদেশের একটি দেশ। অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষের দিকে প্রতিষ্ঠিত এই বাহিনী [[w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সেনাবাহিনী|মার্কিন সেনাবাহিনী]], [[w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নৌবাহিনী|মার্কিন নৌবাহিনী]], [[W:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মেরিন কোর|মার্কিন মেরিন কোর]], [[w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিমান বাহিনী|মার্কিন বিমান বাহিনী]], [[W:মার্কিন কোস্ট গার্ড|মার্কিন কোস্ট গার্ড]] এবং [[w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মহাকাশ বাহিনী|মার্কিন মহাকাশ বাহিনী]] নিয়ে গঠিত। এটিকে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক বাহিনী হিসেবে গণ্য করা হয়।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি এই বাহিনীর সর্বাধিনায়ক। তিনি সামরিক নীতি নির্ধারণে মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের সাথে কাজ করেন। এটি একটি ফেডারেল নির্বাহী বিভাগ, যা সামরিক নীতি ও যুদ্ধ পরিচালনার মূল সংস্থা হিসেবে কাজ করে। প্রতিটি শাখার সর্বোচ্চ পদমর্যাদার কর্মকর্তারা [[w:জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফ|জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফ]] হিসেবে রাষ্ট্রপতিকে পরামর্শ দেন, তবে তাদের সরাসরি অপারেশনাল কমান্ড নেই। [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি]] হিসেবে বর্তমানে [[জো বাইডেন]] সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান এবং প্রতিরক্ষা বিভাগের দায়িত্বে রয়েছেন প্রতিরক্ষাসচিব [[লয়েড অস্টিন]]।
==এ==
*আমাদের কাছে বিশাল সেনাবাহিনী আছে, সু[[শৃঙ্খলা|শৃঙ্খল]] এবং সুসজ্জিত, যার [[সেনাপতি|সেনাপতিরা]] সামরিক দক্ষতার দিক থেকে কারো চেয়ে কম নয়, এবং তৎপরতা ও [[উদ্দীপনা|উদ্দীপনায়]] শ্রেষ্ঠ। আমাদের অস্ত্রাগার এবং ভাণ্ডার আমাদের প্রত্যাশার চেয়েও বেশি সমৃদ্ধ... আপনাদের সামনে এখন শত্রুবাহিনীর পুরো শক্তি এবং তাদের ভিত্তিহীন ও ভাড়াটে সহায়ক শক্তিকে প্রতিহত করার মতো যথেষ্ট সেনাবাহিনী রয়েছে। আপনাদের সৈন্যদের হৃদয়ে স্বাধীনতার চেতনা প্রবল; তারা তাদের কারণের ন্যায়বিচারে অনুপ্রাণিত, এবং তারা যখন তাদের তলোয়ার আঁকড়ে ধরে তখন সাহায্যের জন্য [[স্বর্গ|স্বর্গের]] দিকে তাকাতে পারে। আপনাদের প্রতিপক্ষরা এমন অভাজনদের নিয়ে গঠিত যারা মানবতার অধিকারকে উপহাস করে, যারা ধর্মকে বিদ্রূপে পরিণত করে, এবং উচ্চ বেতনের জন্য তাদের তলোয়ার তাদের নেতা বা তাদের দেশের বিরুদ্ধে চালিত করতে পারে। তাহলে, অতীতে স্বর্গ থেকে প্রাপ্ত সাফল্যের কৃতজ্ঞতা এবং ভবিষ্যতে সেই সাফল্যের আত্মবিশ্বাস নিয়ে আপনাদের মহৎ উদ্যোগে এগিয়ে যান। নিজের পক্ষ থেকে, আমি সাধারণ বিপদ এবং সাধারণ গৌরবে আপনাদের সাথে অংশ নেওয়ার চেয়ে বড় কোনো আশীর্বাদ চাই না।
**[[স্যামুয়েল অ্যাডামস]], [http://www.samuel-adams-heritage.com/documents/speech-about-declaration-of-independence.html স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র সম্পর্কে ভাষণ] (১ আগস্ট ১৭৭৬)
*আসুন [[বিশ্ব|বিশ্ব]] নিয়ে আলোচনা করি। "[[ঈশ্বর|ঈশ্বর]] ছাড়া কি বিশ্বায়ন সম্ভব"—এই প্রশ্নের উত্তরের সহজ উত্তর হলো "হ্যাঁ"। বিশ্বায়ন আসলে নিজেই একটি কোড শব্দ, একটি মুখোশ, সি-শব্দ [[পুঁজিবাদ|পুঁজিবাদ]] ব্যবহার না করার জন্য। বিশ্বায়ন মূলত পুঁজিবাদের প্রসারের সর্বশেষ পর্যায়। এটি এমন কিছু নয় যা [[নিরপেক্ষ|নিরপেক্ষ]], এটি এমন একটি পুঁজিবাদ যার নিজস্ব নিয়ম আছে: এর নিজস্ব অর্থনৈতিক নিয়ম আছে, এর নিজস্ব রাজনৈতিক নিয়ম আছে, এর নিজস্ব সাংস্কৃতিক নিয়ম আছে এবং এর নিজস্ব সামরিক নিয়ম আছে। এটি একটি 'সিস্টেম'। এই সিস্টেমের মূলে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, বর্তমানে বিশ্বের একমাত্র বিদ্যমান [[সাম্রাজ্য|সাম্রাজ্য]]। [[মানবতা|মানবতার]] [[ইতিহাস|ইতিহাসে]] এই প্রথম এমন একটি একক সাম্রাজ্য এত প্রভাবশালী, যার সামরিক বাজেট পরবর্তী ১৫টি দেশের সম্মিলিত সামরিক বাজেটের চেয়ে বেশি, এবং যার সামরিক-শিল্প কমপ্লেক্স নিজেই বিশ্বের একাদশ বৃহত্তম অর্থনৈতিক সত্তা। এটি সেই বাস্তবতা যাতে আমরা বাস করি, এবং এটি সেই বাস্তবতা যা বিভিন্ন উপায়ে আমাদের ''সম্মুখীন'' হয়।
**[[তারিক আলি]], [http://www.vpro.nl/programma/tegenlicht/artikelen/21200518/ দশম বিশ্বায়ন বক্তৃতা], ভিপ্রও।
*আমেরিকায়, সৈনিকদের প্রতি এক ধরনের [[শ্রদ্ধা|শ্রদ্ধা]] রয়েছে। একজনকে ক্রমাগত তাদের [[সাহস|সাহস]], তাদের আত্মত্যাগের কথা মনে করিয়ে দেওয়া হয়। সৈনিকদের নিঃস্বার্থপরতার একটি অন্তর্নিহিত আভা থাকে, তারা মর্যাদাপূর্ণ আচরণের সাথে চলে। বিমানবালারা ইউনিফর্ম পরিহিত সৈনিকদের ফার্স্ট ক্লাসে আপগ্রেড করে, রেস্তোরাঁগুলো ভেটেরানদের ছাড় দেয়, অপরিচিতরা তাদের হাত মেলায় এবং বলে, 'আপনার সেবার জন্য ধন্যবাদ'।
**বেনামী, [http://www.theguardian.com/world/iran-blog/2015/jul/22/iran-military-uniform-gomrok-shopping-spree "হাউ আই লার্নড টু স্টপ ওরিং অ্যান্ড লাভ দ্য ইরানিয়ান আর্মি"], ''দ্য গার্ডিয়ান'' (২৩ জুলাই ২০১৫), যুক্তরাজ্য।
*প্রতিরক্ষা এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার বিষয়ে, গল্পটি আপাতদৃষ্টিতে ভালো মনে হয়। প্রেসিডেন্ট সামরিক ব্যয় বাড়িয়েছেন (যদিও ঋণের স্তূপের খরচে)। তিনি মার্কিন বাহিনীকে আধুনিকীকরণ এবং আমাদের সৈন্যদের বেতন বাড়ানোর দিকে মনোনিবেশ করেছেন। এবং তিনি দেশ ও সীমানা সুরক্ষাকে তার প্রেসিডেন্সির সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারগুলোর একটি করেছেন। বাস্তবে, [[ডোনাল্ড ট্রাম্প|ট্রাম্প]] [[পেন্টাগন|পেন্টাগনের]] জন্য একটি বিপর্যয় হয়েছেন। তিনি সামরিক নেতাদের প্রজাতন্ত্রের নির্দলীয় রক্ষক হিসেবে নয়, বরং "তার জেনারেল" হিসেবে উল্লেখ করেন, যাদের তিনি [[দাবা|দাবা]] বোর্ডের নাইটদের মতো নিজের ইচ্ছামতো সরাতে পারেন। তার এই ধরনের কথা শোনা কঠিন। এই নেতাদের কেউ কেউ দেশের সুরক্ষায় সন্তান হারিয়েছেন। তারা দরজায় কড়া নাড়ার শব্দে দরজা খুলে এমন মানুষজনের মুখ থেকে তাদের জীবনের সবচেয়ে হৃদয়বিদারক খবর শুনেছেন, যে তাদের সন্তান চিরতরে হারিয়ে গেছে। তবুও তারা এমন একজন ব্যক্তির নির্দেশে কাজ করছেন যিনি সামরিক সেবার কথা ভাবলে কুঁকড়ে যেতেন। ইউনিফর্ম পরা দেশপ্রেমিকরা এটি প্রকাশ্যে বলে বের হবে না কারণ তারা তাদের কমান্ডারের সাথে প্রকাশ্যে দ্বিমত পোষণ করতে চায় না, কিন্তু অনেকেই ট্রাম্পের সৌজন্যবোধের অভাব এবং আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর অদূরদর্শী নেতৃত্বে আতঙ্কিত। বারবার, তিনি আমাদের সশস্ত্র বাহিনীকে রাজনৈতিক বিতর্কে টেনে আনার চেষ্টা করে বা নিজের দৃঢ়তা দেখানোর জন্য তা ব্যবহার করে এক ভয়ানক পরিস্থিতিতে ফেলেছেন। এটি তিনি অফিসে প্রবেশের আগেই শুরু করেছিলেন। একজন প্রার্থী হিসেবে, ট্রাম্প সামরিক ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে আমেরিকার শত্রুদের বিরুদ্ধে কৌশল হিসেবে [[নির্যাতন|নির্যাতন]] গ্রহণ করার পরামর্শ দিয়েছিলেন, শপথ করে বলেছিলেন, "আমি ওয়াটারবোর্ডিং ফিরিয়ে আনব। এবং আমি ওয়াটারবোর্ডিংয়ের চেয়ে অনেক বেশি ভয়ানক কিছু ফিরিয়ে আনব।" বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেছেন যে এই ধরনের বক্তব্য সন্ত্রাসীরা প্রচারণার জন্য ব্যবহার করে, আমেরিকার কথিত নিষ্ঠুরতার কথা প্রচার করে সমর্থকদের নিয়োগ করতে তাদের সাহায্য করে। এটি তাদের আখ্যানকে খাওয়ায়, বিদেশের মার্কিন বাহিনীকে বিপদে ফেলে। সৌভাগ্যবশত, প্রেসিডেন্ট তার মেয়াদ শুরুর দিকেই আগত দলের দ্বারা বিষয়টি বাদ দেওয়ার জন্য রাজি হয়েছিলেন, যারা বুঝতে পেরেছিল যে ট্রাম্পের ভোল পাল্টানো জাতীয় প্রতিরক্ষাকে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করবে।
** বেনামী, ''আ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১০৩-১০৪।
*ট্রাম্প যখন নতুন সেনা ইউনিফর্ম ("খুব দামী," তিনি আক্ষেপ করেছিলেন, কিন্তু অন্যদিকে, "সুন্দর")-এর মতো বিষয়ে ভোল পাল্টান, তখন এটি ক্লান্তিকর। যখন এটি বিমান হামলার বিষয়ে হয়, তখন এটি ভয়ঙ্কর। প্রেসিডেন্টের আবেগপ্রবণতা আমাদের সামরিক বাহিনীর জন্য একটি বিপদ সৃষ্টি করে, যার পুরো মাত্রা বছরের পর বছর ধরে জানা যাবে না। তিনি পেন্টাগনের জন্য সামান্য মাথাব্যথার চেয়ে বেশি কিছু। তিনি এক অন্ধ করে দেওয়া মাইগ্রেন। যারা পেন্টাগনের সর্বোচ্চ পর্যায়ে কাজ করেছেন, যারা সিদ্ধান্তের মুহূর্তে ট্রাম্পের সাথে বসেছেন, তারা এটি খুব ভালোভাবেই জানেন। সাপ্তাহিক ভিত্তিতে, তারা ইউনিফর্ম পরা নারী-পুরুষদের বোঝানোর চেষ্টা করেন যে তাদের ওপর থাকা কমান্ডার-ইন-চিফ কতটা অসংযমী এবং তিনি কীভাবে মার্কিন সামরিক বাহিনীকে একটি বড় ব্যাটলশিপ খেলার অংশ হিসেবে দেখেন। আমাদের যোদ্ধারা আমাদের ক্ষতি করতে চাওয়া ব্যক্তিদের শিকার করতে বিশ্বের অন্ধকার কোণে যেতে সবকিছু বাজি রাখে। তাদের কর্তব্যের অলঙ্ঘনীয় কোডের জন্য তারা এমন একজন ব্যক্তির চেয়ে বেশি কিছু পাওয়ার যোগ্য যার মৌলিক নৈতিক কম্পাসের অভাব রয়েছে।
** বেনামী, ''আ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১০৫।
*সেনাবাহিনী এগিয়ে চলেছে!
**"আর্মি গোজ রোলিং অ্যালং"
*আমেরিকান সেনাবাহিনী যুদ্ধে এত ভালো করার [[কারণ|কারণ]] হলো [[যুদ্ধ|যুদ্ধ]] হলো [[বিশৃঙ্খলা|বিশৃঙ্খলা]] এবং আমেরিকান সেনাবাহিনী প্রতিদিন বিশৃঙ্খলার অনুশীলন করে।
**নাৎসি সামরিক বাহিনীর বেনামী প্রবাদ, {{cite news |last1=লেসি |first1=জিম |title=নাথিং ওয়েন্ট অ্যাকর্ডিং টু প্ল্যান |url=http://content.time.com/time/nation/article/0,8599,443808,00.html |accessdate=২৩ জুলাই ২০১৯ |প্রকাশক=TIME |date=১৫ এপ্রিল, ২০০৩}}-এ উদ্ধৃত।
==বি==
*যুক্তরাষ্ট্রের [[ভবিষ্যৎ]] প্রস্তুতির সর্বোত্তম উপায় হলো তার অর্থনৈতিক শক্তি সঞ্চয় করা এবং কেবল তখনই সামরিকভাবে সাড়া দেওয়া যখন কোনো গুরুতর হুমকি তৈরি হয়। অন্যথায়, ওয়াশিংটনের উচিত সংঘাতের চেয়ে সমঝোতার পথ খোঁজা।
**ডাগ ব্যান্ডো, [http://nationalinterest.org/blog/the-skeptics/china-really-dangerous-16347 “চীন কি সত্যিই এতটা বিপজ্জনক?”] (২৫ মে ২০১৬), ''দ্য ন্যাশনাল ইন্টারেস্ট''
*আমি একজন নিবন্ধিত ডেমোক্র্যাট। আমি সাধারণত ডেমোক্র্যাটদের ভোট দিই। সামরিক বাহিনীর সাথে কাজ করা একজন ডেমোক্র্যাট হওয়া অদ্ভুত, কারণ সামরিক বাহিনীতে মূলত রিপাবলিকানদের আধিপত্য। আমি এই পরিবেশে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি কারণ আমি রুমের মধ্যে সন্দেহবাদী বা ভিন্নমতাবলম্বী হতে পছন্দ করি। আর যদি সামরিক পরিবেশে ভিন্নমতাবলম্বী হতে হয়, তবে সম্ভবত আপনাকে ডেমোক্র্যাটই হতে হবে। তবে এটি আমার পারিবারিক প্রেক্ষাপট। আমার এক দাদা ছিলেন যিনি প্রগ্রেসিভ হিসেবে নির্বাচনে দাঁড়িয়েছিলেন।
**থমাস বার্নেট, [http://archive.li/5c6cC#selection-123.0-123.14 ব্রায়ান ল্যাম্বের সাথে সাক্ষাৎকার] (মে ২০০৪), ''সি-স্প্যান''
*এ বিষয়ে কোনো ভুল করা উচিত নয়: কংগ্রেসের বিশাল, অকার্যকর এবং অযৌক্তিকভাবে ব্যয়বহুল যুদ্ধ যন্ত্রে বিনিয়োগ করার সিদ্ধান্তের সাথে অধিকাংশ মানুষ যেভাবে জাতীয় নিরাপত্তা বা অভিধান অনুযায়ী “প্রতিরক্ষা”কে বোঝে, তার কোনো সম্পর্ক নেই। মার্কিন সমাজ নিশ্চিতভাবেই আমাদের নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হুমকির মুখোমুখি, যার মধ্যে রয়েছে জলবায়ু সংকট, প্রাতিষ্ঠানিক বর্ণবাদ, ভোটাধিকার ক্ষয়, বন্দুক সহিংসতা, চরম বৈষম্য এবং রাজনৈতিক ক্ষমতার ওপর করপোরেট দখল। কিন্তু আমাদের সৌভাগ্য যে, আমাদের কোনো প্রলয়ঙ্করী বৈশ্বিক আক্রমণকারী বা প্রকৃতপক্ষে অন্য কোনো দেশের হামলার হুমকি নেই... যদি এই অকার্যকর ও প্রাণঘাতী অর্থের অপচয় রোধে জনগণের কোনো প্রভাব ফেলতে হয়, তবে আমাদের অবশ্যই প্রচারণার কুয়াশা ভেদ করে দেখতে শিখতে হবে। এই প্রচারণা লাল, সাদা ও নীল পতাকার নিচে স্বার্থপর দুর্নীতিকে ঢেকে রাখে এবং সামরিক কর্মকর্তাদের জনগণের সেই স্বাভাবিক শ্রদ্ধাকে সিনিক বা নিচভাবে শোষণ করতে দেয়, যা সাহসী তরুণ-তরুণীরা আমাদের দেশকে রক্ষার জন্য জীবন বাজি রেখে অর্জন করেছে। ক্রিমিয়ার যুদ্ধে, রাশিয়ানরা ব্রিটিশ সৈন্যদের “গাধার দ্বারা পরিচালিত সিংহ” বলেছিল। আজকের মার্কিন সামরিক বাহিনীর জন্য এটিই একটি যথার্থ বর্ণনা।
** মিডিয়া বেঞ্জামিন এবং [https://www.salon.com/2021/12/07/congress-loots-the-treasury-for-us-machine--while-bickering-over-build-back-better/ নিকোলাস জে.এস. ডেভিস, কংগ্রেস লোটস দ্য ট্রেজারি ফর ইউ.এস. ওয়ার মেশিন — হোয়াইল বিকারিং ওভার বিল্ড ব্যাক বেটার, ''স্যালন,''] (৭ ডিসেম্বর, ২০২১)
*বিশ্বের পরবর্তী ১২ বা ১৩টি বৃহত্তম সামরিক বাহিনীর সম্মিলিত খরচের চেয়েও বেশি ব্যয় করা একটি যুদ্ধ যন্ত্র বজায় রাখা আমাদের কম নিরাপদ করে তোলে। কারণ প্রতিটি নতুন প্রশাসন এই বিভ্রান্তি উত্তরাধিকার সূত্রে পায় যে, যুক্তরাষ্ট্রের অত্যধিক ধ্বংসাত্মক সামরিক শক্তি যেকোনো জায়গায় মার্কিন স্বার্থের বিরুদ্ধে অনুভূত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ব্যবহার করা যেতে পারে—এমনকি যখন স্পষ্টতই কোনো সামরিক সমাধান নেই এবং যখন অনেক মূল সমস্যাই প্রথমত মার্কিন সামরিক শক্তির অপপ্রয়োগের কারণে সৃষ্টি হয়েছে। এই শতাব্দীতে আমাদের মুখোমুখি আন্তর্জাতিক চ্যালেঞ্জগুলোর জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও কূটনীতির প্রতি প্রকৃত প্রতিশ্রুতি প্রয়োজন, অথচ কংগ্রেস পেন্টাগন বাজেটের ১০ শতাংশেরও কম, মাত্র ৫৮ বিলিয়ন ডলার, আমাদের সরকারের কূটনৈতিক শাখা—পররাষ্ট্র দপ্তরের জন্য বরাদ্দ করে। আরও খারাপ বিষয় হলো, ডেমোক্র্যাট এবং রিপাবলিকান উভয় প্রশাসনই শীর্ষ কূটনৈতিক পদগুলোতে এমন কর্মকর্তাদের নিয়োগ দিয়ে চলেছে যারা যুদ্ধ ও জবরদস্তির নীতিতে দীক্ষিত, যাদের আমাদের অত্যন্ত প্রয়োজনীয় শান্তিপূর্ণ কূটনীতির ক্ষেত্রে নগণ্য অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা রয়েছে। এটি কেবল একটি ব্যর্থ বৈদেশিক নীতিকে দীর্ঘস্থায়ী করে, যা মিথ্যা পছন্দের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে—যেমন জাতিসংঘ কর্মকর্তাদের মতে মধ্যযুগীয় অবরোধের মতো অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা, দশকের পর দশক ধরে দেশ ও অঞ্চলকে অস্থিতিশীল করা অভ্যুত্থান এবং লক্ষ লক্ষ মানুষকে হত্যা করা ও শহরগুলোকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করা যুদ্ধ ও বিমান হামলা, যেমন [[ইরাক|ইরাকের]] মসুল এবং [[সিরিয়া|সিরিয়ার]] রাক্কায় দেখা গেছে।
** [[মিডিয়া বেঞ্জামিন]] এবং [https://www.salon.com/2021/12/07/congress-loots-the-treasury-for-us-machine--while-bickering-over-build-back-better/ নিকোলাস জে.এস. ডেভিস, কংগ্রেস লোটস দ্য ট্রেজারি ফর ইউ.এস. ওয়ার মেশিন — হোয়াইল বিকারিং ওভার বিল্ড ব্যাক বেটার, ''স্যালন,''] (৭ ডিসেম্বর, ২০২১)
*তোমাদের সেবা যেন কখনো বিচ্ছিন্ন না হয়, পতাকার প্রতি অটল থেকো! সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনী চিরজীবী হোক! লাল, সাদা এবং নীলের জন্য তিনবার উল্লাসধ্বনি!
**থমাস আ বেকেট, সিনিয়র, “কলম্বিয়া, দ্য জেম অফ দ্য ওশান” (১৮৪৩)
*তুমি শান্তভাবে বুট ক্যাম্পে যাবে<br>তারা তোমাকে গুলি করে মেরে ফেলবে, তোমাকে মানুষ বানাবে<br>তুমি [[চিন্তা]] কোরো না, এটি একটি লক্ষ্যের জন্য<br>বৈশ্বিক করপোরেশনের নখর ভরার জন্য।
**জেলো বিয়াফ্রা, ''{{w|উই'ভ গট আ বিগার প্রবলেম নাও}}'', ''{{w|ইন গড উই ট্রাস্ট, ইনক.}}'' (১৯৮১)।
*[[ঈশ্বর]] আমাদের সৈন্যদের আশীর্বাদ করুন।
**[[জো বাইডেন]], [http://www.c-span.org/video/?401096-1/উইকলি প্রেসিডেন্সিয়াল অ্যাড্রেস] (২১ নভেম্বর ২০১৫)
*<p>স্বৈরাচারীরা তাদের [[লোহা|লোহার]] দণ্ড নাড়াক, এবং [[দাসত্ব|দাসপ্রথা]] তার জীর্ণ [[শৃঙ্খল|শিকল]] ঝনঝন করুক। আমরা তাদের [[ভয়]] করি না, আমরা [[ঈশ্বর|ঈশ্বরে]] [[বিশ্বাস]] রাখি...</p><p>ঈশ্বর চিরকাল রাজত্ব করেন। শত্রুরা উদ্ধত পদক্ষেপে এগিয়ে আসছে। আমাদের সৈন্যরা সামরিক শব্দের সাথে অগ্রসর হচ্ছে। তাদের প্রবীণরা আমাদের যুবকদের সামনে থেকে পালিয়ে যাচ্ছে, এবং জেনারেলরা দাড়িহীন বালকদের কাছে আত্মসমর্পণ করছে।</p>
**উইলিয়াম বিলিংস, “চেস্টার” (১৭৭০), [http://store.bobbyhorton.com/album/হোমস্পান সংস অফ দ্য প্যাট্রিওটস ইন দ্য আমেরিকান রেভোলিউশন ''দ্য নিউ ইংল্যান্ড স্যাম সিঙ্গার'']
*[[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের]] পর যুক্তরাষ্ট্র যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজটি করেছিল, তা হলো ফিরে আসা ভেটেরানদের সহায়তা করা।
**আর্ল ব্লুমেনাউয়ার (১৮ ডিসেম্বর ২০০৭), “[হাউস রিস্টোরস ওরেগন ভেটেরানস প্রভিশনস কাট বাই সিনেট]”। প্রেস বিজ্ঞপ্তি। ''কংগ্রেসম্যান আর্ল ব্লুমেনাউয়ার’স ওয়েবসাইট, রিপ্রেজেন্টিং দ্য ৩য় কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্ট অফ ওরেগন''। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদ।
*<p>[[আমেরিকা|আমেরিকার]] সামরিক শ্রেষ্ঠত্ব অপ্রতিদ্বন্দ্বী; এখানেই শেষ...</p><p>যুক্তরাষ্ট্র স্থল, [[সমুদ্র]], [[আকাশ]] এবং মহাকাশে আধিপত্য বিস্তার করে। আমেরিকার মধ্যপ্রাচ্যের দুঃসাহসিক অভিযান মার্কিন সামরিক বাহিনীকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে, কিন্তু [[ইরাক যুদ্ধ|ইরাক]] ও [[আফগানিস্তানে যুদ্ধ (২০০১–২০২১)|আফগানিস্তানের যুদ্ধ]] মার্কিন সামরিক শ্রেষ্ঠত্বের হ্রাসের চেয়ে বরং যুদ্ধের পরিবর্তনশীল প্রকৃতিকেই বেশি নির্দেশ করে। সন্ত্রাসবাদী এবং গেরিলা যোদ্ধারা কৌশলে প্রচলিত সামরিক শক্তিকে চ্যালেঞ্জ করে। যুক্তরাষ্ট্রকে শেষ পর্যন্ত এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলার জন্য সামরিক শক্তি সংকুচিত করতে শিখতে হবে। তবুও, যদিও প্রচলিত সামরিক শক্তি হয়তো সন্ত্রাসবাদীদের আটকাতে পারে না, এটি কিন্তু শত্রুভাবাপন্ন দেশগুলোকে প্রতিরোধ করার ক্ষেত্রে চমৎকার কাজ করে।</p>
**[[ইয়ান ব্রেমার]], [https://web.archive.org/web/20150528161550/http://time.com/3899972/us-superpower-status-military/ “দিজ আর দ্য ৫ রিজনস হোয়াই দ্য ইউ.এস. রিমেইনস দ্য ওয়ার্ল্ডস অনলি সুপারপাওয়ার: হোয়াই ওয়াশিংটন ক্যান স্টিল ক্লেইম গ্লোবাল প্রাইমেসি ইন দ্য ২১স্ট সেঞ্চুরি”] (২৮ মে ২০১৫), ''টাইম''
*যদি আপনার [[দেশ|দেশের]] আপনার [[প্রয়োজন]] হয়, তবে আপনার সেখানেই থাকা উচিত; আমি যখন [[যুবক]] ছিলাম তখন এমনটাই অনুভব করতাম, এবং আজও আমি তা-ই অনুভব করি।
**[[ফ্রাঙ্ক বাকলস]], মার্কিন সেনাবাহিনীতে সেবা সম্পর্কে, ''দ্য নক্সভিল নিউজে'' উদ্ধৃত
*[পররাষ্ট্র নীতির “সামরিকীকরণ” বিষয়ক উদ্বেগের প্রশ্নের জবাবে তাঁর প্রতিক্রিয়া] আমাদের সবারই উদ্বিগ্ন হওয়া উচিত। প্রতিরক্ষা ও সামরিক নেতারা কূটনীতির ওপর শক্তির ভূমিকা পরিবর্তনের—উভয় দলের প্রশাসনের মধ্যেই—ক্ষতিকারক প্রবণতা তুলে ধরার ব্যাপারে পিছপা হন না। আমরা সবাই সেক্রেটারি অফ ডিফেন্স [[রবার্ট গেটস|বব গেটস]]ের লাইনটি উদ্ধৃত করেছি যে, সামরিক বাহিনীতে আমাদের ফরেন সার্ভিস অফিসারদের চেয়ে বেশি সঙ্গীতজ্ঞ রয়েছে, এবং [[জিম ম্যাটিস|জিম ম্যাটিস]]ের পয়েন্টটি যে, আমরা যদি কূটনীতিতে কম বিনিয়োগ অব্যাহত রাখি তবে আমাদের “আরও গোলাবারুদ কিনতে হবে”। কিন্তু আমি ভয় পাচ্ছি যে, তাতে খুব একটা কাজ হয়নি। অবশ্যই, আমাদের নিশ্চিত করা উচিত যে আমাদের সামরিক বাহিনী অন্য যেকোনো দেশের চেয়ে শক্তিশালী, যাতে আমাদের শেষ হাতিয়ারটি শক্তিশালী ও টেকসই হয়। এবং অবশ্যই, কূটনীতি পরিচালনায় শক্তি বা শক্তির হুমকি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যারা আমাদের বিপরীতে টেবিলে বসেছিলেন, তাদের মনোযোগ আকর্ষণ করতে পেরে আমরা সবাই মার্কিন সামরিক বাহিনী থেকে উপকৃত হয়েছি... কিন্তু বারবার, আমরা দেখেছি যে সামরিক হাতিয়ারের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা আমাদের নীতির চোরাবালিতে নিয়ে যেতে পারে। বারবার, আমরা শক্তির অত্যধিক ব্যবহারের—বা সময়ের আগেই ব্যবহারের—ফাঁদে পড়েছি। এটি আমেরিকান রক্ত ও অর্থের ক্ষেত্রে অনেক বেশি ব্যয়সাধ্য এবং এটি কূটনীতিকে একটি বিকৃত ও কম সম্পদের সংস্থানযুক্ত গৌণ বিষয়ে পরিণত করে। [[সেপ্টেম্বর ১১-এর হামলা|৯/১১]]-পরবর্তী যুগের চিরস্থায়ী যুদ্ধে, [শক্তি ও কূটনীতির] এই “মহা বিপরীতকরণ” পররাষ্ট্র দপ্তরের পেশাদারদের এমন জাতি-গঠনের ভূমিকায় ঠেলে দিয়েছে যা আমেরিকান কূটনীতিক বা অন্য কোনো বাহ্যিক শক্তির ক্ষমতার বাইরে। যদিও আমাদের সহকর্মীরা সাহস ও বুদ্ধিমত্তার সাথে সেবা করেছেন, সত্যটি হলো আমরা আমেরিকান ফরেন সার্ভিস, ব্রিটিশ কলোনিয়াল সার্ভিস নই।
** উইলিয়াম জে. বার্নস, ''দ্য ডিপ্লোম্যাসি ইম্পারেটিভ: আ কিউ অ্যান্ড এ উইথ উইলিয়াম জে. বার্নস, দ্য ফরেন সার্ভিস জার্নাল,'' মে ২০১৯
*কমান্ডার ইন চিফ হিসেবে, আমি আপনাদের রিপোর্ট করছি: আমাদের সশস্ত্র বাহিনী সম্মান ও বীরত্বের সাথে লড়াই করেছে।
**[[জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ|জর্জ এইচ. ডাব্লিউ. বুশ]], [http://www.nytimes.com/1991/03/07/us/after-war-president-transcript-president-bush-s-address-end-gulf-war.html?pagewanted=all মার্কিন কংগ্রেসের উদ্দেশ্যে ভাষণ] (২৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৯১)
*<p>যখন আমি আমাদের সৈন্যদের কাজে আহ্বান জানিয়েছিলাম, আমি তাদের সাহস ও দক্ষতার ওপর পূর্ণ আস্থা নিয়ে তা করেছিলাম। এবং আজ রাতে, তাদের ধন্যবাদ, আমরা যুদ্ধে জয়ী হচ্ছি...</p><p>আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর পুরুষ ও নারীরা এমন একটি বার্তা দিয়েছেন যা এখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি শত্রুর কাছে পরিষ্কার। এমনকি ৭,০০০ মাইল দূরে, মহাসাগর ও মহাদেশ জুড়ে, পাহাড়ের চূড়ায় এবং গুহায়; তোমরা এই জাতির ন্যায়বিচার থেকে বাঁচতে পারবে না।</p>
**[[জর্জ ডব্লিউ বুশ|জর্জ ডাব্লিউ. বুশ]], স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন অ্যাড্রেস (২৯ জানুয়ারি ২০০২)
*<p>যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনীর সকল পুরুষ ও নারীদের প্রতি...</p><p>একটি সমস্যাসংকুল বিশ্বের শান্তি এবং নির্যাতিত মানুষের আশা এখন আপনাদের ওপর নির্ভর করে। সেই আস্থা সঠিকভাবে অর্পিত। আপনারা যে শত্রুদের মোকাবিলা করবেন তারা আপনাদের দক্ষতা ও বীরত্ব সম্পর্কে জানতে পারবে। আপনারা যাদের মুক্ত করবেন তারা আমেরিকান সামরিক বাহিনীর সম্মানজনক ও শালীন চেতনা প্রত্যক্ষ করবে। এই সংঘাতের মধ্যে, আমেরিকা এমন এক শত্রুর মুখোমুখি হয়েছে যার যুদ্ধের রীতি বা নৈতিকতার নিয়মের প্রতি কোনো শ্রদ্ধা নেই...</p><p>আমি জানি যে আমাদের সামরিক পরিবারের সদস্যরা প্রার্থনা করছেন যাতে যারা সেবা করছেন তারা সবাই নিরাপদে এবং শীঘ্রই ফিরে আসেন। লক্ষ লক্ষ আমেরিকান আপনাদের প্রিয়জনদের নিরাপত্তা এবং নিরপরাধীদের সুরক্ষার জন্য আপনাদের সাথে প্রার্থনা করছেন। আপনাদের ত্যাগের জন্য, আপনারা আমেরিকান জনগণের কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা পেয়েছেন। এবং আপনারা জানতে পারেন যে আমাদের বাহিনী কাজ শেষ হবামাত্রই বাড়িতে ফিরে আসবে...</p><p>আমাদের দেশ ও বিশ্বের বিপদগুলো কাটিয়ে ওঠা হবে। আমরা এই বিপদের সময় পার করে শান্তির কাজ চালিয়ে যাব। আমরা আমাদের স্বাধীনতা রক্ষা করব। আমরা অন্যদের স্বাধীনতা এনে দেব এবং আমরা জয়ী হব...</p><p>ঈশ্বর আমাদের দেশকে এবং যারা তাকে রক্ষা করে তাদের আশীর্বাদ করুন।</p>
**[[জর্জ ডব্লিউ বুশ|জর্জ ডাব্লিউ. বুশ]], [https://listenonrepeat.com/watch/?v=5BwxI_l84dc ইরাক আক্রমণের ভাষণ] (১৯ মার্চ ২০০৩)
*আমেরিকা এবং আমাদের মিত্ররা ভিন্ন ধরনের শত্রুর বিরুদ্ধে নতুন ধরনের যুদ্ধ করছে। এই সংঘাত আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর পুরুষ ও নারীদের—আমাদের গার্ড ও রিজার্ভসহ—ওপর বড় দাবি রাখে। তারা প্রতিটি পরীক্ষা দিয়েছে; তারা প্রতিটি চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করেছে। এই যুদ্ধ সরকারে আমাদের ওপরও দাবি রাখে। আমরা আমাদের দেশ রক্ষার শপথ নিয়েছি। যারা আমাদের রণক্ষেত্রে রক্ষা করে, সেই সেবা করা পুরুষ ও নারীদের সহায়তা করার পবিত্র দায়িত্ব আমাদের রয়েছে।
**[[জর্জ ডব্লিউ বুশ|জর্জ ডাব্লিউ. বুশ]], [http://www.washingtonpost.com/wp-dyn/articles/A42299-2004Aug5.html প্রতিরক্ষা বিল স্বাক্ষরের সময় মন্তব্য] (৫ আগস্ট ২০০৪)
*ইরাকে আমাদের সৈন্যরা সাহসের সাথে লড়াই করেছে। তারা সবকিছুই করেছে যা আমরা তাদের করতে বলেছি। যেখানে ভুল হয়েছে, তার দায়ভার আমার।
**[[জর্জ ডাব্লিউ. বুশ]], [http://georgewbush-whitehouse.archives.gov/news/releases/2007/01/20070110-7.html জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ] (১০ জানুয়ারি ২০০৭)
*বাঙ্কার হিল থেকে [[বাগদাদ|বাগদাদ]], আমেরিকান সশস্ত্র বাহিনীর পুরুষ ও নারীরা আমাদের গণতন্ত্রের নিবেদিত অভিভাবক।
**[[জর্জ ডব্লিউ বুশ|জর্জ ডাব্লিউ. বুশ]], [https://georgewbush-whitehouse.archives.gov/news/releases/2008/11/20081101.html রেডিও ভাষণ] (১ নভেম্বর ২০০৮)
*আমাদের সৈন্যদের যুদ্ধগুলো দুটি নাটকীয়ভাবে ভিন্ন ব্যবস্থার মধ্যে বৃহত্তর সংগ্রামের অংশ। একটির অধীনে, ধর্মান্ধদের একটি ছোট দল একটি নিপীড়নমূলক আদর্শের প্রতি সম্পূর্ণ আনুগত্য দাবি করে, নারীদের অধীনস্থতায় নিন্দা করে, এবং অবিশ্বাসী ব্যক্তিদের হত্যার জন্য চিহ্নিত করে। অন্য ব্যবস্থাটি এই বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে যে স্বাধীনতা সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের সার্বজনীন উপহার এবং স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচার শান্তির পথ আলোকিত করে। এই সেই বিশ্বাস যা [[যুক্তরাষ্ট্র|আমাদের জাতির]] জন্ম দিয়েছে। এবং দীর্ঘমেয়াদে, এই বিশ্বাসকে এগিয়ে নেওয়াই আমাদের নাগরিকদের রক্ষা করার একমাত্র ব্যবহারিক উপায়।
**[[জর্জ ডব্লিউ বুশ|জর্জ ডাব্লিউ. বুশ]], [http://www.nytimes.com/2009/01/15/us/politics/15bush-text.html?pagewanted=all&_r=0 হোয়াইট হাউস থেকে জাতির উদ্দেশ্যে বিদায়ী ভাষণ] (১৫ জানুয়ারি ২০০৯)
*<p>আমি [[কমান্ডার ইন চিফ|কমান্ডার ইন চিফ]] হওয়া মিস করি, এবং এটি একটি সহজ [[প্রশ্ন]] যার [[উত্তর]] দেওয়া যায়। আমি আমাদের সামরিক বাহিনীকে [[ভালোবাসি]]...</p><p>আমি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীকে ভালোবাসি, এবং আমরা একটি ভাগ্যবান জাতি যে আমাদের এমন মানুষ আছে যারা [[সেবা|সেবা করতে]] স্বেচ্ছায় এগিয়ে আসে।</p>
**[[জর্জ ডব্লিউ বুশ|জর্জ ডাব্লিউ. বুশ]], [https://web.archive.org/web/20131205082100/http://www.today.com/id/40108402/ns/today-today_news/t/bush-reacts-apology-kanye-west/ ''টুডে''তে সাক্ষাৎকার] (৯ নভেম্বর ২০১০), ম্যাট লাউয়ারের সাথে।
*যুদ্ধ একটি র্যাকেট (প্রতারণামূলক ব্যবসা)। এটি সবসময়ই ছিল। এটি সম্ভবত সবচেয়ে প্রাচীন, সহজেই সবচেয়ে লাভজনক, নিশ্চিতভাবেই সবচেয়ে নিষ্ঠুর। এটিই একমাত্র আন্তর্জাতিক পরিধির। এটিই একমাত্র ব্যবসা যেখানে মুনাফার হিসাব করা হয় ডলারে এবং ক্ষতির হিসাব করা হয় প্রাণে। ... একটি র্যাকেটকে আমার মতে, এমন কিছু হিসেবে বর্ণনা করা ভালো যা অধিকাংশ মানুষের কাছে যা মনে হয়, আসলে তা নয়।
** স্মেলি বাটলার ''ওয়ার ইজ আ র্যাকেট'' (১৯৩৫)-এ
*মাত্র একটি ছোট “ভেতরের” গোষ্ঠী জানে এটি কিসের জন্য। এটি খুব অল্প সংখ্যক মানুষের লাভের জন্য, অনেকের খরচে পরিচালিত হয়। যুদ্ধ থেকে অল্প কিছু মানুষ বিশাল সম্পদ অর্জন করে। ... এই নতুন অর্জিত অঞ্চল অবিলম্বে সেই অল্প কিছু মানুষ দ্বারা শোষিত হয়—সেই একই মানুষ যারা যুদ্ধে [[রক্ত]] থেকে ডলার নিংড়ে নিয়েছিল। সাধারণ জনগণ বিল বহন করে। আর এই বিল কী? ... নতুন বসানো সমাধিফলক। ছিন্নভিন্ন দেহ। চূর্ণ-বিচূর্ণ মন। ভাঙা হৃদয় ও বাড়ি। অর্থনৈতিক অস্থিরতা। মন্দা এবং এর সাথে সম্পর্কিত সমস্ত দুঃখ। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে পিঠভাঙা কর।
**স্মেলি বাটলার [[যুদ্ধ একটি র্যাকেট|''ওয়ার ইজ আ র্যাকেট'']] (১৯৩৫)-এ
*আমি তেত্রিশ বছর এবং চার মাস সক্রিয় সামরিক সেবায় কাটিয়েছি এই দেশের সবচেয়ে ক্ষিপ্র সামরিক বাহিনী, মেরিন কোরের সদস্য হিসেবে। আমি সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট থেকে মেজর-জেনারেল পর্যন্ত সকল কমিশনপ্রাপ্ত পদমর্যাদায় কাজ করেছি। এবং সেই সময়ে, আমি আমার বেশিরভাগ সময় বড় ব্যবসা, ওয়াল স্ট্রিট এবং ব্যাংকারদের জন্য উচ্চ শ্রেণির পেশী-মানব হিসেবে কাটিয়েছি। সংক্ষেপে, আমি ছিলাম একজন র্যাকেটিয়ার, পুঁজিবাদের জন্য একজন গ্যাংস্টার।
**স্মেলি বাটলার ''মাভেরিক মেরিন জেনারেল স্মেলি ডি. বাটলার অ্যান্ড দ্য কন্ট্রাডিকশনস অফ আমেরিকান মিলিটারি হিস্ট্রি'' (২০১৪)তে
=== হাইডি বিরিচ, [https://www.congress.gov/116/meeting/house/110495/witnesses/HHRG-116-AS02-Wstate-BeirichH-20200211.pdf “অ্যালার্মিং ইনসিডেন্টস অফ হোয়াইট সুপ্রিমেসি ইন দ্য মিলিটারি – হাউ টু স্টপ ইট?”], ''Congress.gov'', (১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০) ===
* সশস্ত্র বাহিনীর নিজস্ব সৈন্যরা জানে যে পদমর্যাদায় [[শ্বেতাঙ্গ আধিপত্য|শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্ব]] একটি গুরুতর [[সমস্যা]]। ২০১৭ সালে ''মিলিটারি টাইমসে''র একটি জরিপে দেখা গেছে যে, প্রায় ২৫ শতাংশ সক্রিয় সামরিক কর্মী সশস্ত্র বাহিনীতে [[শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদ]] এবং [[বর্ণবাদের]] সম্মুখীন হয়েছেন। সেই সময়ে সক্রিয় দায়িত্ব পালনরত সৈন্য ছিল প্রায় ১.৩ মিলিয়ন, যার অর্থ প্রায় ৩,২৫,০০০ সৈন্য কোনো না কোনোভাবে শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদের সম্মুখীন হয়েছিল। একই প্রকাশনার ২০১৮ এবং ২০১৯ সালের পরবর্তী জরিপগুলোতেও মূলত একই উদ্বেগজনক ফলাফল পাওয়া গেছে।
** পৃষ্ঠা ৪
* এলিসনের মন্তব্যের জবাবে, প্রতিরক্ষা দপ্তর বলেছিল যে এটি “গত পাঁচ বছরে সার্ভিস সদস্যদের দ্বারা (অভ্যন্তরীণ) চরমপন্থী কার্যকলাপের ২৭টি রিপোর্ট” পেয়েছে। চিঠিতে আরও বলা হয়, সামরিক কর্মকর্তারা এই রিপোর্টগুলোর মধ্যে ২৫টির তদন্ত করেছেন; পরিশেষে, সামরিক বাহিনীর ১৮ জন সদস্যকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করা হয়েছে বা সশস্ত্র বাহিনী থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সৈন্যদের চরমপন্থার প্রকৃতি নথিভুক্ত করা হয়নি।
** পৃষ্ঠা ৪
* এক বিবৃতিতে, পেন্টাগনের মুখপাত্র, বিমান বাহিনীর মেজর কার্লা গ্লিসন বলেছেন: “ডিওডি সম্ভাব্য নতুন সৈন্য, নাবিক, বিমানসেনা এবং মেরিনদের সম্পর্কে যথাসম্ভব বেশি জানার জন্য একটি বহু-স্তরের পদ্ধতি ব্যবহার করে, যাতে আমরা মূল্যায়ন করতে পারি যে তাদের সামরিক বাহিনীতে সেবার বিশেষাধিকার দেওয়া উচিত কিনা। যদিও আমরা গ্যারান্টি দিতে পারি না যে সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়া প্রতিটি ব্যক্তি চরমপন্থী চিন্তাধারা থেকে মুক্ত থাকবে, বিভিন্ন স্ক্রিনিং সরঞ্জাম আমাদের এমন লোকদের শনাক্ত করার সর্বোত্তম সুযোগ প্রদান করে যারা আমাদের মূল্যবোধগুলো শেয়ার করে না।”
** পৃষ্ঠা ৯
* মিলিটারি টাইমসের ২০১৮ সালের জরিপে, যাতে প্রায় ৯০০ জন সক্রিয়-দায়িত্ব পালনরত সৈন্যের প্রতিক্রিয়া অন্তর্ভুক্ত ছিল, অংশগ্রহণকারী সার্ভিস সদস্যদের মধ্যে ২২ শতাংশ বলেছিলেন যে তারা সশস্ত্র বাহিনীতে শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদ বা বর্ণবাদী মতাদর্শের লক্ষণ দেখেছেন। জরিপ করা সংখ্যালঘু সার্ভিস সদস্যদের মধ্যে, বর্ণবাদ এবং বর্ণবাদী মতাদর্শের ঘটনা ২০১৭ সালের ৪২ শতাংশ থেকে বেড়ে ২০১৮ সালে অর্ধেক ছাড়িয়ে গেছে। উত্তরদাতারা জাতিগত গালি ও ইহুদিবিদ্বেষী ভাষার নৈমিত্তিক ব্যবহার, অন্যান্য সৈন্যদের অভিযোগ সত্ত্বেও [[কনফেডারেট স্টেটস অফ আমেরিকা|কনফেডারেট]] পতাকার প্রদর্শন, যুদ্ধের অঞ্চলে বাথরুমের দেয়ালে আঁকা স্বস্তিকা এবং শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্বের সাথে যুক্ত ট্যাটুর কথা উল্লেখ করেছেন। এটি উল্লেখ করা উচিত যে, যদি এই আচরণ কোনো বেসামরিক কর্মক্ষেত্রে ঘটত, তবে এই ঘটনাগুলোকে প্রতিকূল কর্মপরিবেশে অবদান হিসেবে দেখা হতো। পত্রিকাটি রিপোর্ট করেছে যে একজন বেনামী সার্ভিস সদস্য লিখেছেন, “আমার কয়েকজন সহকর্মী আছেন যারা বলেছেন যে তারা ‘অল্টরাইট’, এবং তারা ‘কৃষ্ণাঙ্গ, মুসলিম, হিস্পানিক এবং সাধারণভাবে অভিবাসীদের প্রতি তীব্র ঘৃণার খুবই স্পষ্ট বক্তব্য’ দিয়েছেন। তারা অনুকূল দায়িত্ব প্রদান না করে অন্যদের শাস্তি দেয়, ইত্যাদি।”
** পৃষ্ঠা ১২
* ২০০৯ সালের একটি স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা দপ্তর (ডিএইচএস) রিপোর্ট আরও সতর্ক করেছিল যে, প্রথম আফ্রিকান আমেরিকান রাষ্ট্রপতির নির্বাচন, অর্থনৈতিক মন্দা এবং [[ইরাক]] ও [[আফগানিস্তান|আফগানিস্তানে]] যুদ্ধ থেকে ফিরে আসা বেকার ভেটেরানদের আগমন ছিল সম্ভাব্য ফ্ল্যাশপয়েন্ট, এবং সামরিক কর্মী ও ভেটেরানদের চরম ডানপন্থী চরমপন্থী গোষ্ঠীগুলো লক্ষ্যবস্তু করছিল। দুর্ভাগ্যবশত, এই রিপোর্ট রাজনীতিবিদ, রক্ষণশীল ভাষ্যকার এবং ভেটেরান গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে একটি রাজনৈতিক ঝড় সৃষ্টি করেছিল। ফলস্বরূপ, এটি ডিএইচএস সেক্রেটারি [[জ্যানেট ন্যাপোলিটানো|জ্যানেট ন্যাপোলিটানো]] দ্বারা বাতিল করা হয়েছিল এবং ওবামা প্রশাসন পরবর্তীতে সমস্যাটি সমাধানের জন্য খুব কমই কাজ করেছে।
** পৃষ্ঠা ১৩
* তৎকালীন প্রতিরক্ষা সচিব উইলিয়াম পেরি আপডেট করা প্রবিধানের উদ্দেশ্য বর্ণনা করতে আরও শক্তিশালী ভাষা ব্যবহার করেছিলেন। পেরি বলেছিলেন, “প্রতিরক্ষা দপ্তরের নীতিতে সেনাবাহিনীতে বর্ণবাদী এবং চরমপন্থী কার্যকলাপের কোনো স্থান নেই। আমাদের অবশ্যই—এবং আমরা করব—সেনাবাহিনী থেকে ধর্মান্ধতা, বর্ণবাদ এবং চরমপন্থা মুছে ফেলার জন্য প্রতিটি প্রচেষ্টা করতে হবে। চরমপন্থী কার্যকলাপ ন্যায্যতা, সুশৃঙ্খলতা এবং শৃঙ্খলাকে আপস করে। সশস্ত্র বাহিনী, যা জাতি ও তার মূল্যবোধকে রক্ষা করে, সেই মূল্যবোধগুলোর উদাহরণ প্রশ্নাতীতভাবে হওয়া উচিত।”
** পৃষ্ঠা ১৪
* দীর্ঘকাল ধরে এই বিষয়ে দ্বিদলীয় ঐক্যমত্য রয়েছে যে, সামরিক বাহিনীতে শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদীদের অনুমতি দেওয়া অগ্রহণযোগ্য এবং আমেরিকান জনগণের জন্য বিপজ্জনক, যাদের রক্ষার শপথ সশস্ত্র বাহিনী নিয়েছে। যেমন রিপাবলিকান সিনেটর রিচার্ড শেলবি (আর-আলা.) ২০০৬ সালে পেন্টাগনের কাছে লেখা এক চিঠিতে লিখেছিলেন, “সামরিক চরমপন্থীরা তাদের সহকর্মী এবং জনসাধারণের জন্য উচ্চতর হুমকি সৃষ্টি করে। আমরা টিমোথি ম্যাকভেই-এর সাথে দেখেছি যে আজকের বর্ণবাদী চরমপন্থী আগামিকালকের অভ্যন্তরীণ সন্ত্রাসবাদী হতে পারে। আমাদের সমাজের সমস্ত প্রতিষ্ঠানের মধ্যে, মার্কিন সামরিক বাহিনী হলো সেই শেষ স্থান যেখানে চরমপন্থীদের অস্তিত্ব থাকার অনুমতি দেওয়া যেতে পারে।”
** পৃষ্ঠা ১৬
* চরমপন্থীদের বিষয়ে সামরিক বাহিনী কীভাবে অন্যান্য শাখা এবং এফবিআই সহ অন্যান্য ফেডারেল এজেন্সির সাথে তথ্য শেয়ার করে তা অস্পষ্ট। যখন সার্ভিসগুলো তাদের পদমর্যাদায় কোনো চরমপন্থীকে সম্পর্কে সচেতন হয়, তখন সেই সৈন্যকে বরখাস্ত করার পরে সেই তথ্যের কী ঘটে? সার্ভিসগুলো কীভাবে একে অপরকে সতর্ক করে যখন তারা চরমপন্থী দৃষ্টিভঙ্গি সম্পন্ন কাউকে তালিকাভুক্ত করে? তারা কীভাবে সামরিক বাহিনীর নেটওয়ার্কগুলো তদন্ত করে যেগুলোর সাথে শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদী যুক্ত থাকতে পারে বা যেখান থেকে তাদের নিয়োগ দেওয়া হতে পারে? শাখা এবং তদন্তকারী সার্ভিসগুলো কীভাবে শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদীদের সম্পর্কে তথ্য শেয়ার করে? সার্ভিস সদস্য সামরিক বাহিনী ত্যাগ করার পরে সার্ভিসগুলো কীভাবে চরমপন্থীদের সম্পর্কে এবং এফবিআই ও বিচার দপ্তরের সাথে একে অপরের সাথে মিথস্ক্রিয়া করে এবং তথ্য শেয়ার করে, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
** পৃষ্ঠা ১৭
==সি==
*<p>আমরা পাহারা দিই...</p><p>সতর্ক থাকি...</p><p>আমরা কিছু একটা সঠিক করছি। আমাদের বিশ্বের সেরা বাহিনী আছে, কারণ আমাদের সেরা মানুষগুলো আছে। এটি একটি ''স্বেচ্ছাসেবী'' বাহিনী, তাই সেরা আমেরিকানদের পেতে আমাকে বাকি অর্থনীতির সাথে প্রতিযোগিতা করতে হয় এবং আমাকে সামনের কথা চিন্তা করতে হয়। আমি কীভাবে প্রতিযোগিতা করব? কীভাবে আমাদের একটি আকর্ষণীয় জায়গা করে তুলব? তাই, আমাকে ক্রমাগত ভবিষ্যতের দিকে তাকাতে হয়...</p><p>তাই, কিছু সংস্কার করা বাকি। কিন্তু, মানুষের ক্ষেত্রে এটি একটি চমৎকার শক্তি বজায় রাখার বিষয়, যা হলো স্বেচ্ছাসেবী বাহিনী, একটি প্রতিযোগিতামূলক শ্রম বাজারে শক্তিশালী...</p><p>এই প্রতিষ্ঠানে, এটি গুরুত্বপূর্ণ যে আমরা রাজনৈতিক প্রক্রিয়া থেকে দূরে থাকি। এটিই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আমাদের ঐতিহ্য।</p>
**[[অ্যাশটন কার্টার]], [http://www.charlierose.com/ চার্লি রোজের সাথে সাক্ষাৎকার] (ফেব্রুয়ারি ২০১৬)
*যেহেতু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরকার হলো 'জনগণের, জনগণের জন্য এবং জনগণের দ্বারা', তাই যেসব নাগরিকরা সামরিক বিষয়ে নিয়ন্ত্রণ রাখেন, তাদের 'নিজেকে জানুন' বলার সময় এসেছে।
**আন্দা আর. চ্যাফি, [https://archive.org/details/valorofignorance00leahuoft ''দ্য ভ্যালর অফ ইগনোরেন্স''] (১৯০৯), হোমার লি, পৃষ্ঠা xi-xiiতে উদ্ধৃত।
*<p>সামরিক বাহিনী সবসময়ই একটি অত্যন্ত অন্তর্মুখী সংগঠন...</p><p>সেনাবাহিনী এত প্রগতিশীল হওয়ার একটি কারণ হলো এটি সবসময় নিজেকে যাচাই করে। সেনাবাহিনী সবসময় তার কাজ করার আরও ভালো উপায় খোঁজে...</p><p>সেনাবাহিনী বর্ণবাদ দূরীকরণে আমেরিকাকে নেতৃত্ব দিয়েছে...</p><p>সেনাবাহিনী খুব আগেই বুঝতে পেরেছিল যে, কৃষ্ণাঙ্গ মানুষ আর শ্বেতাঙ্গ মানুষ একই; তারা কেবল একটু বেশি শ্যামলা। তারা ঠিক ততটাই ভালো সৈনিক হয়...</p><p>এরা আমাদের সন্তান...</p><p>এরা ভালো সন্তান...</p><p>সেনাবাহিনী বা মেরিন কোরে যোগ দিলে কেউ ক্রিপ্টো-মদ্যপ [[নাৎসিবাদ|নাৎসি]] হয়ে যায় না, বরং সে আমেরিকার এমন একটি সন্তান হয়ে ওঠে যে তার দেশের জন্য কাজ করছে...</p><p>এরা আমাদের সন্তান।</p>
**টম ক্ল্যান্সি, [http://c-spanvideo.org/program/TomC "ইন ডেপথ উইথ টম ক্ল্যান্সি"] (৩ ফেব্রুয়ারি ২০০২), ''সি-স্প্যান''
*আমেরিকানরা সম্মিলিতভাবে নিজেদের বিশ্বের যেকোনো কোণে দ্বন্দ্ব ও সংঘাত শুরু হলে সেখানে ২৪ ঘণ্টা তলব করা একটি বিশাল উদ্ধারকারী দল হিসেবে ভাবে।
**এলড্রিজ ক্লিভার, ''সোল অন আইস'' (১৯৬৮), দ্বিতীয় খণ্ড: "র্যালিং রাউন্ড দ্য ফ্ল্যাগে" উদ্ধৃত।
*সম্পূর্ণ স্বেচ্ছাসেবী সামরিক বাহিনী কাজ করেছে এবং আমাদের এমন কিছু করা উচিত নয় যা এটিকে দুর্বল করে, কারণ এটি এমন একদল মানুষকে সরবরাহ করেছে যারা আমাদের [[দেশ|দেশের]] সেবা করতে ইচ্ছুক।
**[[হিলারি ক্লিনটন]], [http://cnnpressroom.blogs.cnn.com/2016/02/04/rush-transcript-hillary-clinton-cnn-democratic-presidential-town-hall/ সিএনএন টাউন হল মিটিং] (ফেব্রুয়ারি ২০১৬)
*এখানে এক মিলিয়ন সৈন্যের এক ভূমি, যদি আমাদের প্রয়োজন হয়। আমরা স্বাধীনতার জন্য লড়ব!
**জর্জ এম. কোহান, "ইউ আর আ গ্র্যান্ড ওল্ড ফ্ল্যাগ" (১৯০৬)
*<p>[[মুসলিম|মুসলিমরা]] জেনারেল [[জর্জ ওয়াশিংটন|জর্জ ওয়াশিংটনের]] অধীনে মার্কিন সামরিক বাহিনীতে সেবা করেছেন, যিনি আমেরিকান স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় কন্টিনেন্টাল আর্মির প্রধান ছিলেন। ওয়াশিংটনের বাহিনীতে সেবা করা সৈন্যদের তালিকায় বাম্পেট মুহাম্মদের মতো নাম আছে, যিনি ১৭৭৫ থেকে ১৭৮৩ সালের মধ্যে ভার্জিনিয়া লাইনের জন্য যুদ্ধ করেছিলেন। ওয়াশিংটনের আরেক সৈনিক, ইউসুফ বেন আলি ছিলেন একজন উত্তর আফ্রিকান আরব যিনি দক্ষিণ ক্যারোলিনার জেনারেল থমাস সামটারের সহকারী হিসেবে কাজ করতেন। পিটার বাকমিনস্টার, যিনি বোস্টনে যুদ্ধ করেছিলেন, সম্ভবত ওয়াশিংটনের সবচেয়ে বিশিষ্ট মুসলিম আমেরিকান সৈনিক। বাকমিনস্টার সেই বন্দুকটি চালিয়েছিলেন যা বাঙ্কার হিলের যুদ্ধে ব্রিটিশ মেজর জেনারেল জন পিটকাইর্নকে হত্যা করেছিল। এই বিখ্যাত যুদ্ধের কয়েক বছর পর, পিটার তার শেষ নাম পরিবর্তন করে 'সালাম' রাখেন, যা [[আরবি|আরবি]] শব্দ, যার অর্থ 'শান্তি'। পিটার সালাম পরবর্তীতে [[সারাটোগার যুদ্ধ|সারাটোগার যুদ্ধ]] এবং [[স্টনি পয়েন্টের যুদ্ধ|স্টনি পয়েন্টের যুদ্ধ]]ে সেবা করার জন্য কন্টিনেন্টাল আর্মিতে পুনরায় তালিকাভুক্ত হন। ওয়াশিংটনের সেনাবাহিনীতে মুসলিমদের সেবা নিয়ে সমস্যা থাকলে, তিনি মুহাম্মদ, আলি এবং সালামকে অ-মুসলিম আমেরিকানদের প্রতিনিধিত্ব করতে ও সেবা করতে দিতেন না। এই মুসলিমদের আমেরিকাকে সেবা করার সম্মান দিয়ে, ওয়াশিংটন স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে একজন আমেরিকান দেশপ্রেমিক হওয়ার জন্য কোনো নির্দিষ্ট ধর্ম বা জাতিগত পটভূমির হতে হয় না...</p><p>আমেরিকান ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় গৃহযুদ্ধে মুসলিমরা ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছে...</p><p>নিম্নলিখিত প্রশ্নটি নিয়ে চিন্তা করুন। [[জর্জ ওয়াশিংটন|জর্জ ওয়াশিংটন]] কার পক্ষে থাকতেন? মার্কিন সামরিক বাহিনীতে সেবা করা মুসলিম নাগরিকরা, নাকি সেই গোঁড়া ধর্মান্ধদের দল যারা উপাসনালয়ে আমেরিকান নাগরিকদের সহিংসতার হুমকি দেয়?</p>
**ক্রেইগ কনসিটিন, [http://www.huffingtonpost.com/craig-considine/the-difference-between-an_1_b_8257506.html ''স্যালুটিং মুসলিম আমেরিকান প্যাট্রিয়টস'']
*আমাদের জনসংখ্যার মতো বিশ্বের সকল [[জাতি|জাতি]], [[ধর্ম|ধর্ম]] এবং [[জাতীয়তা|জাতীয়তা]] দেশের সশস্ত্র বাহিনীতে প্রতিনিধিত্ব করেছে। কোনো ব্যক্তির [[দেশপ্রেম|দেশপ্রেম]] বা সেবা তার জাতিগত উৎপত্তি, রাজনৈতিক মতামত বা ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে প্রশ্নবিদ্ধ হয়নি। অভিবাসী এবং মধ্য ইউরোপীয় দেশগুলো থেকে আসা অভিবাসীদের সন্তানরা আমাদের মিত্র দেশগুলো থেকে আসা বংশোদ্ভূতদের সাথে, নিরক্ষীয় আফ্রিকার সন্তানদের সাথে এবং আমাদের নিজস্ব আদিবাসী জনসংখ্যার সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধ করেছে, '''তাদের সবাই সমানভাবে 'আমেরিকান' নামের জন্য গর্বিত'''।
**[[ক্যালভিন কুলিজ]], [https://archive.org/stream/foundationsofrep00unit/foundationsofrep00unit_djvu.txt ''টলারেশন অ্যান্ড লিবারালিজম''] (৬ অক্টোবর ১৯২৫), আমেরিকান লিজিয়ন কনভেনশন, ওমাহা, নেব্রাস্কা।
*আমরা খ্যাতি নিয়ে [[জীবন|যাপন]] করি অথবা শিখায় ডুবে যাই!<br />হে! মার্কিন বিমান বাহিনীকে কিছুই থামাতে পারবে না!
**রবার্ট ম্যাকার্থার ক্রফোর্ড, ''দ্য ইউ.এস. এয়ার ফোর্স'' (১৯৪৭)
*সরকার শক্তি, প্রতারণা এবং ছলচাতুরীর মাধ্যমে শাসন করে। তথ্যের অবরোধ সামরিক বাহিনী থেকেই শুরু হয়। সামরিক বাহিনী ইচ্ছাকৃতভাবে তথ্য সীমাবদ্ধ করে, তাছাড়া এর বিশাল আকার ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এমন যে এটি বোঝা এত কঠিন যে রাজনৈতিক নেতারাও সেই প্রতিষ্ঠানটি বুঝতে পারেন না যাকে তাদের কমান্ড করার কথা। আপনি প্রমাণ চান? মার্কিন গভর্নমেন্ট অ্যাকাউন্টেবিলিটি অফিসের ২০১৬ সালের রিপোর্টটি পড়ার চেষ্টা করুন, যা বের করতে পারেনি যে সামরিক বাহিনী ঠিক কতটা তেল পোড়ায়। GAO উপসংহারে পৌঁছেছে: “[ক]ংগ্রেসের কাছে বার্ষিক ভিত্তিতে সামরিক পরিষেবাগুলোর কার্যকলাপের জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানির পরিমাণের ওপর পূর্ণ দৃশ্যমানতা নেই...” এটি অবাক হওয়ার মতো বিষয় নয়। ১৯৫০ সালের দিকে প্রতিষ্ঠার পর থেকে আধুনিক সামরিক বাহিনী মার্কিন সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১, ধারা ৯ লঙ্ঘন করে খরচের কোনো হিসাব দিতে অস্বীকার করেছে। ২০১৮ সালে পেন্টাগন তার প্রথম অডিটেই ব্যর্থ হয়েছে। এটি কেবল নিখোঁজ ৬.৫ ট্রিলিয়ন ডলারের বিষয় নয়, এটি হলো অস্বচ্ছ হিসাবরক্ষণ ব্যবস্থা যা একটি বর্ম—একটি প্রতিরক্ষামূলক অস্ত্র যা মার্কিন সরকারের বিরোধিতা তো দূরের কথা, যারা মার্কিন সরকারকে বুঝতে চায় তাদের নিরপেক্ষ করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
**[https://www.counterpunch.org/2019/06/14/the-climate-counter-offensive-secrecy-deception-and-disarming-the-green-new-deal/ দ্য ক্লাইমেট কাউন্টার-অফেনসিভ: সিক্রেসি, ডিসেপশন অ্যান্ড ডিসআর্মিং দ্য গ্রিন নিউ ডিল, রিচার্ড মোজার, ''কাউন্টারপাঞ্চ''] (১৪ জুন, ২০১৯)
==ডি==
*এবং আমরা আমাদের মাতৃভূমিকে মার্কিন বাহিনীর কবরস্থানে পরিণত করব এবং তাদের [[পরিবার|পরিবার]] তাদের মৃত [[দেহ|দেহের]] জন্য অপেক্ষা করবে। তালিবানের [[যুদ্ধ|যুদ্ধ]] কেবল [[মুসলিম|মুসলিমদের]] [[শত্রু|শত্রুদের]] হাত থেকে [[আফগানিস্তান|আফগানিস্তানের]] [[স্বাধীনতা|স্বাধীনতার]] জন্য।
**[[মোল্লা দাদুল্লাহ]], [http://www.alertnet.org/thenews/newsdesk/ISL151157.htm তালিবান হাজার হাজার আত্মঘাতী বোমা হামলাকারী মোতায়েন করেছে - কমান্ডার] ২ এপ্রিল ২০০৭।
*<p>আমরা বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ সামরিক বাহিনীকে পুনর্গঠনের দীর্ঘ প্রক্রিয়া শুরু করব, আমরা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে সমান খেলার ক্ষেত্র তৈরি করব এবং আমেরিকান শিল্পকে পুনরুজ্জীবিত করব, আমরা আমাদের বন্ধুদের আমাদের বিশ্বাস করার কারণ দেব। আমাদের শত্রুরা আমাদের ভয় পাওয়ার কারণ পাবে, এবং আমাদের নাগরিকরা আবারও বিশ্বাস করার কারণ পাবে। না, আপনি আমেরিকাকে চেনেন না, এবং আপনি কঠিন উপায়ে তা খুঁজে বের করতে চান না...</p><p>আমাদের সৈন্যদের জন্য প্রার্থনা করুন।</p>
**চার্লি ড্যানিয়েলস, [http://www.cnsnews.com/commentary/charlie-daniels/charlie-daniels-open-letter-americas-enemies-you-see-obama-you-dont-know "লেটার টু আমেরিকাস এনিমিজ"] (১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬), ''সিএনএস নিউজ''
*একবার যদি কৃষ্ণাঙ্গ [[মানুষ|মানুষ]] তার শরীরে 'U.S.' পিতলের অক্ষরগুলো পায়; যদি সে তার বোতামে একটি প্রান্ত পায়, এবং কাঁধে একটি মাস্কেট ও পকেটে বুলেট পায়, তবে পৃথিবীতে এমন কোনো শক্তি নেই যা অস্বীকার করতে পারে যে সে নাগরিকত্বের অধিকার অর্জন করেছে।
**[[ফ্রেডরিক ডগলাস]], যার ছেলেরা চার্লস এবং লুইস কর্নেল রবার্ট গোল্ড শ-এর নেতৃত্বে ৫৪তম ম্যাসাচুসেটস ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টে সেবা করেছিলেন (১৮৬২)
*<p>যদি সে একটি মাস্কেট কাঁধে নিয়ে [[পতাকা|পতাকার]] জন্য যুদ্ধ করার, সরকারের জন্য যুদ্ধ করার মতো যথেষ্ট জ্ঞান রাখে, তবে তার ভোট দেওয়ার মতো যথেষ্ট জ্ঞান আছে...</p><p>কৃষ্ণাঙ্গকে বিপদের সময় নাগরিক হিসেবে এবং ঝামেলামুক্ত থাকলে ভিনদেশি হিসেবে দেখার মধ্যে খুব নিচতা আছে। যখন এই জাতি ঝামেলায় ছিল, তার প্রাথমিক সংগ্রামে, এটি কৃষ্ণাঙ্গকে নাগরিক হিসেবে দেখেছিল। ১৭৭৬ সালে সে নাগরিক ছিল। সংবিধান তৈরির সময় ১৩টি পুরোনো রাজ্যের মধ্যে ১১টিতে কৃষ্ণাঙ্গদের ভোট দেওয়ার অধিকার ছিল। আপনার ঝামেলায় আপনি আমাদের নাগরিক করেছেন। ১৮১২ সালে জেনারেল জ্যাকসন আমাদের নাগরিক হিসেবে সম্বোধন করেছিলেন; 'সহ-নাগরিক'। তিনি চেয়েছিলেন আমরা যুদ্ধ করি। আমরা তখন নাগরিক ছিলাম! আর এখন, যখন আপনি একটি কনস্ক্রিপশন বিল তৈরি করতে এসেছেন, কৃষ্ণাঙ্গ আবার নাগরিক। এই সরকারের ইতিহাসে সে মাত্র তিনবার নাগরিক হয়েছে, এবং এটি সবসময়ই বিপদের সময়। বিপদের সময় আমরা নাগরিক। আমরা কি যুদ্ধে নাগরিক এবং শান্তিতে ভিনদেশি হব? তা কি ন্যায্য হবে?</p>
**[[ফ্রেডরিক ডগলাস]], [http://teachingamericanhistory.org/library/document/what-the-black-man-wants/ "হোয়াট দ্য ব্ল্যাক ম্যান ওয়ান্টস"], বোস্টন, ম্যাসাচুসেটসে ভাষণ (১৮৬৫)
*আমরা এখানে পুরুষোচিত সাহসের প্রশংসা করতে আসিনি, যদিও তা একটি মহৎ উদ্দেশ্যে প্রদর্শিত হয়েছে। আমাদের কখনোই ভুলে যাওয়া উচিত নয় যে বিদ্রোহে জয় মানেই প্রজাতন্ত্রের মৃত্যু। আমাদের কখনোই ভুলে যাওয়া উচিত নয় যে অনুগত সৈন্যরা যারা এই মাটির নিচে বিশ্রাম নিচ্ছে তারা জাতি এবং [[কনফেডারেট স্টেটস অফ আমেরিকা|জাতি ধ্বংসকারীদের]] মাঝে নিজেদের ছুড়ে দিয়েছিল। যদি আজ আমাদের একটি দেশ থাকে যা [[ফ্রান্স|ফ্রান্সের]] মতো রক্তে ফুটছে না, যদি এখন আমাদের একটি ঐক্যবদ্ধ দেশ থাকে, যা আর [[দাসত্ব|দাসত্বের]] নরকীয় ব্যবস্থার অভিশাপে অভিশপ্ত নয়, '''যদি আমেরিকান নামটি আর উপহাসকারী পৃথিবীর জন্য কোনো কথা বা হিস হিস শব্দ না হয়, যদি নক্ষত্রখচিত ব্যানারটি কেবল ভূমির প্রতিটি প্রান্তে স্বাধীন আমেরিকান নাগরিকদের ওপর উড়ে বেড়ায়, এবং আমাদের দেশের সামনে ন্যায়বিচার, স্বাধীনতা ও সভ্যতার এক দীর্ঘ এবং গৌরবময় কর্মজীবন থাকে, তবে আমরা আমাদের চারপাশে সম্মানিত এই কবরগুলোতে বিশ্রামরত মহৎ সেনাবাহিনীর নিঃস্বার্থ ভক্তির কাছে ঋণী'''।
**[[ফ্রেডরিক ডগলাস]], [http://deadconfederates.com/2015/05/25/frederick-douglass-on-decoration-day-1871-5/ "দ্য আননোন লয়াল ডেড"] (৩০ মে ১৮৭১), আর্লিংটন ন্যাশনাল সিমেট্রি, আর্লিংটন কাউন্টি, ভার্জিনিয়া।
* [[ওসামা বিন লাদেন|ওসামা বিন লাদেনের হত্যার]] কয়েকদিনের মধ্যে, ২ মে, ২০১১-এ জানা যায় যে মিশনটি সম্পাদনকারী [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নৌবাহিনী সিল|নৌবাহিনী সিল]] দল তার লক্ষ্যের জন্য জেরোনিমো কোড নাম ব্যবহার করেছিল। ''নিউ ইয়র্ক ডেইলি নিউজে''র ৪ মের একটি প্রতিবেদনে মন্তব্য করা হয়েছে, "[[ওসামা বিন লাদেন|ওসামা বিন লাদেনের]] লাশের অদেখা ছবি এবং [[পাকিস্তান|পাকিস্তান]] কী জানত সেই প্রশ্নগুলোর পাশাপাশি, আল কায়েদা বসকে 'জেরোনিমো' ডাকার কারণগুলো ব্ল্যাক অপস মিশনের অন্যতম বড় রহস্য হিসেবে রয়ে গেছে।" সেই কোড নাম বেছে নেওয়াটা সামরিক বাহিনীর কাছে রহস্য ছিল না, যারা শত্রু অঞ্চল নির্ধারণের জন্য "ইন্ডিয়ান কান্ট্রি" শব্দটিও ব্যবহার করে এবং তাদের হত্যার মেশিন ও অপারেশনগুলোকে ইউএইচ-১বি/সি ইরো কোয়া, ওএইচ-৫৮ডি কিওয়া, ওভি-১ মোহক, ওএইচ-৬ কাইউস, এএইচ-৬৪ অ্যাপাচি, এস-৫৮/এইচ-৩৪ চক্টো, ইউএইচ-৬০ ব্ল্যাক হক, থান্ডারবার্ড এবং রোলিং থান্ডারের মতো নাম দিয়ে চিহ্নিত করে। শেষেরটি হলো ১৯৬০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে [[ভিয়েতনাম|ভিয়েতনামের]] [[কৃষক|কৃষকদের]] ওপর নিরলস কার্পেট-বোমাবর্ষণের জন্য সামরিক নাম। উত্তর আমেরিকার আদিবাসী জাতি ও সম্প্রদায়গুলোর বিরুদ্ধে যুদ্ধে ভিত্তিহীন একটি সামরিক বাহিনীর মূলে থাকা উপনিবেশবাদ ও [[সাম্রাজ্যবাদ|সাম্রাজ্যবাদ]]ের সংবেদনশীলতার স্থায়ীত্বের আরও অনেক বর্তমান ও সাম্প্রতিক উদাহরণ রয়েছে।
** রোক্সান ডানবার-অরটিজ, ''অ্যান ইন্ডিজেনাস পিপলস হিস্ট্রি অফ দ্য ইউনাইটেড স্টেটস'' (২০১৪)
==ই==
*সৈনিক, নাবিক এবং বিমানসেনা অ্যালিয়েড এক্সপিডিশনারি ফোর্স! <br> আপনারা সেই গ্রেট ক্রুসেডে যাত্রা করতে যাচ্ছেন, যার জন্য আমরা বহু মাস ধরে চেষ্টা করেছি। [[বিশ্ব|বিশ্বের]] [[চোখ]] আপনাদের ওপর। [[স্বাধীনতা]]-প্রেমী [[মানুষ|মানুষের]] [[আশা]] ও [[প্রার্থনা]] সব জায়গায় আপনাদের সাথে মার্চ করছে। অন্যান্য ফ্রন্টে আমাদের সাহসী মিত্র ও অস্ত্র-ভাইদের সাথে, আপনারা [[জার্মানি|জার্মান]] [[যুদ্ধ]] মেশিনের ধ্বংস, ইউরোপের নিপীড়িত জনগণের ওপর [[নাৎসি]] স্বৈরাচার দূরীকরণ এবং একটি [[স্বাধীনতা|স্বাধীন]] বিশ্বে নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন।<br> আপনাদের কাজ সহজ হবে না। আপনাদের শত্রু সুপ্রশিক্ষিত, সুসজ্জিত এবং যুদ্ধ-কঠিন। সে বন্যভাবে লড়াই করবে। <br>কিন্তু এটি ১৯৪৪ সাল! ১৯৪০-৪১ সালের [[নাৎসিবাদ|নাৎসি]] বিজয়ের পর অনেক কিছু ঘটেছে। [[জাতি|জাতিসংঘ]] জার্মানদের ওপর বিশাল পরাজয় চাপিয়েছে, খোলা যুদ্ধে, মানুষে-মানুষে। আমাদের বিমান আক্রমণ তাদের আকাশে শক্তি এবং মাটিতে যুদ্ধ করার ক্ষমতা মারাত্মকভাবে কমিয়েছে। আমাদের হোম ফ্রন্টগুলো আমাদের অস্ত্র ও গোলাবারুদের ব্যাপক শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছে, এবং প্রশিক্ষিত যুদ্ধবাজ মানুষের বিশাল মজুদ আমাদের হাতে তুলে দিয়েছে। জোয়ার ঘুরে গেছে! বিশ্বের স্বাধীন মানুষ বিজয়ের দিকে একসাথে মার্চ করছে! <br>আমি আপনাদের সাহস, কর্তব্যর প্রতি ভক্তি এবং [[যুদ্ধ]]র দক্ষতার ওপর পূর্ণ আস্থা রাখি।<br> আমরা পূর্ণ জয় ছাড়া কিছুই গ্রহণ করব না! শুভ [[ভাগ্য|ভাগ্য]]! এবং আসুন আমরা এই মহান ও মহৎ উদ্যোগের ওপর সর্বশক্তিমান [[ঈশ্বর|ঈশ্বরের]] আশীর্বাদ প্রার্থনা করি।'''
**[[ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার]], [http://www.3ad.com/history/wwll/feature.pages/d.day.letters.htm অর্ডার অফ দ্য ডে (২ জুন ১৯৪৪), নরম্যান্ডিতে অবতরণের আগে সৈন্যদের কাছে একটি বার্তা], ফ্রাঙ্কলিন ওয়াটস, ''ভয়েসেস অফ হিস্ট্রি'' (১৯৪৫)-এ রিপোর্ট করা হয়েছে, পৃষ্ঠা ২৬০।
*'''[[আলেকজান্ডার হ্যামিল্টন|আলেকজান্ডার হ্যামিল্টন]]''': যদি আমরা আমাদের প্রতিরক্ষার জন্য অযোগ্য রাজ্য মিলিশিয়াদের ওপর নির্ভর করতে বাধ্য হই, তবে আমরা এখনই ফরাসি ভাষা শেখা শুরু করতে পারি, মিস্টার প্রেসিডেন্ট। একটি জাতীয় সেনাবাহিনী ব্যাংক যেমন করে দেশটিকে আবদ্ধ করে।
**[[আলেকজান্ডার হ্যামিল্টন]], রুফাস সেওয়েল দ্বারা ''জন অ্যাডামসে'' ব্যাখ্যা করা হয়েছে, কার্ক এলিস লিখিত, "অংশ VI: অপ্রয়োজনীয় যুদ্ধ", (১৬ মার্চ – ২৭ এপ্রিল, ২০০৮); ডেভিড ম্যাককুলাফের বইয়ের ওপর ভিত্তি করে।
*'''[[জন অ্যাডামস|জন অ্যাডামস]]''': আমরা যখন শান্তির প্রস্তুতি নিচ্ছি তখন পৃথিবীতে আমাদের কেন একটি সেনাবাহিনী প্রয়োজন?
**[[জন অ্যাডামস]], পল জিয়ামাট্টি দ্বারা ''জন অ্যাডামসে'' ব্যাখ্যা করা হয়েছে, কার্ক এলিস লিখিত, "অংশ VI: অপ্রয়োজনীয় যুদ্ধ", (১৬ মার্চ – ২৭ এপ্রিল, ২০০৮) ডেভিড ম্যাককুলাফের বইয়ের ওপর ভিত্তি করে।
==এফ==
[[File:Jim_Nabors_as_Gomer_Pyle_in_"The_Andy_Griffith_Show"_(cropped).jpg|thumb|আমার শৈশবে, অর্থাৎ পঞ্চাশ ও [[১৯৬০-এর দশক|ষাটের দশকে]] এবং পরবর্তী সময়ে [[১৯৭০-এর দশক|সত্তরের দশকে]], আমেরিকান পপ সংস্কৃতিতে সামরিক বাহিনীর প্রতি সাধারণ মানুষের এক ধরনের পরিচিতি ছিল, যার ফলে মাঝেমধ্যে তাদের নিয়ে কৌতুকও করা হতো। তখন “[[গামার পাইল, ইউ.এস.এম.সি.|গামার পাইল]]”, “[[হোগান্স হিরোস|হোগান্স হিরোস]]” বা “[[ম্যাকহেলস নেভি|ম্যাকহেলস নেভি]]”-এর মতো অনুষ্ঠান দেখা যেত। <br> তখন “[[সাউথ প্যাসিফিক (মিউজিক্যাল)|সাউথ প্যাসিফিক]]”-এর মতো [[শিল্পকর্ম]], “[[ক্যাচ-২২|ক্যাচ ২২]]”-এর মতো [[উপন্যাস]] এবং “[[ম্যাশ (চলচ্চিত্র)|ম্যাশ]]”-এর মতো [[চলচ্চিত্র]] তৈরি হতো। এগুলো সামরিক বাহিনীর গুরুত্ব এবং [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের]] মতো বড় পরিসরে তাদের বীরত্বপূর্ণ অবদানকে সম্মান জানাত, তবুও এসব গল্পে বাস্তব মানুষ এবং তাদের সীমাবদ্ধতাগুলো ফুটে উঠত। <br> কিন্তু এখন আমাদের সামরিক বাহিনীর প্রতি এক ধরনের কৃত্রিম ভক্তি তৈরি হয়েছে, যা একই সাথে দূরবর্তী ও বিচ্ছিন্ন। ~ [[জেমস ফ্যালোস]]]]
* আমেরিকান জনগণের সাথে সামরিক বাহিনীর ক্রমবর্ধমান দূরত্ব তাদের সশস্ত্র বাহিনী সম্পর্কে চিন্তা ও কথোপকথনের ধরণকেও বদলে দিয়েছে, এমনটাই দাবি করেন “[[দি আটলান্টিক|দি আটলান্টিক]]”-এর লেখক [[জেমস ফ্যালোস]]। জানুয়ারিতে ফ্যালোস তার কভার স্টোরি “কেন বিশ্বের সেরা সৈন্যরা বারবার হেরে যাচ্ছে?: আমেরিকান সামরিক বাহিনীর করুণ পতন” নিয়ে [[পিবিএস নিউজ|নিউজআওয়ার]]ে মার্গারেট ওয়ার্নারের সাথে আলোচনা করেন: <br> আমার শৈশবে, অর্থাৎ পঞ্চাশ ও [[১৯৬০-এর দশক|ষাটের দশকে]] এবং পরবর্তী সময়ে [[১৯৭০-এর দশক|সত্তরের দশকে]], আমেরিকান পপ সংস্কৃতিতে সামরিক বাহিনীর প্রতি সাধারণ মানুষের এক ধরনের পরিচিতি ছিল, যার ফলে মাঝেমধ্যে তাদের নিয়ে কৌতুকও করা হতো। তখন “[[গামার পাইল, ইউ.এস.এম.সি.|গামার পাইল]]”, “[[হোগান্স হিরোস|হোগান্স হিরোস]]” বা “[[ম্যাকহেলস নেভি|ম্যাকহেলস নেভি]]”-এর মতো অনুষ্ঠান দেখা যেত। <br> তখন “[[সাউথ প্যাসিফিক (মিউজিক্যাল)|সাউথ প্যাসিফিক]]”-এর মতো [[শিল্পকর্ম]], “[[ক্যাচ-২২|ক্যাচ ২২]]”-এর মতো [[উপন্যাস]] এবং “[[ম্যাশ (চলচ্চিত্র)|ম্যাশ]]”-এর মতো [[চলচ্চিত্র]] তৈরি হতো। এগুলো সামরিক বাহিনীর গুরুত্ব এবং [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের]] মতো বড় পরিসরে তাদের বীরত্বপূর্ণ অবদানকে সম্মান জানাত, তবুও এসব গল্পে বাস্তব মানুষ এবং তাদের সীমাবদ্ধতাগুলো ফুটে উঠত। <br> কিন্তু এখন আমাদের সামরিক বাহিনীর প্রতি এক ধরনের কৃত্রিম ভক্তি তৈরি হয়েছে, যা একই সাথে দূরবর্তী ও বিচ্ছিন্ন।
**জেমস ফ্যালোস, (জানুয়ারি ২০১৫); মেগান ক্রিগার এবং লরা সান্তানামের উদ্ধৃতিতে, [https://www.pbs.org/newshour/nation/many-Americans-died-u-s-wars “কতজন আমেরিকান মার্কিন যুদ্ধে মারা গেছেন?”], ''পিবিএস নিউজ আওয়ার: নেশন'', (আপডেট করা হয়েছে ২৭ মে, ২০১৯ দুপুর ১২:৩১ ইডিটি — প্রকাশিত হয়েছে ২৪ মে, ২০১৫)।
* যুদ্ধ যে [[বৈশ্বিক উষ্ণায়ন|জলবায়ু পরিবর্তন]] ত্বরান্বিত করে—এই বিশাল ও কলঙ্কিত সত্যটি অত্যন্ত সতর্কতার সাথে গোপন রাখা হয়। এই বিষয়টি আড়ালে রাখতে সামরিক বাহিনীকে যেকোনো তদারকি বা বাধ্যবাধকতা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। আইনগত এই ছাড় দেওয়ার বিষয়টি সবসময়ই বিদ্যমান ছিল, তবে জি. ডব্লিউ. বুশ ১৯৯৭ সালের কিয়োটো প্রোটোকলে এই সংক্রান্ত ভাষা যুক্ত করে এটিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেন, যদিও তিনি পরবর্তীতে সেই চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন... মার্কিন সামরিক বাহিনীর গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের হিসাব থেকে অব্যাহতিপ্রাপ্ত তালিকায় রয়েছে বিশ্বজুড়ে ১৩০টির বেশি দেশে থাকা ১,০০০-এর বেশি মার্কিন ঘাঁটি, যুক্তরাষ্ট্রে থাকা ৬,০০০ স্থাপনা, যুদ্ধবিমানবাহী জাহাজ এবং জেট বিমান। এছাড়া অস্ত্র পরীক্ষা এবং ন্যাটো সামরিক জোট ও আফ্রিকমের মতো বিশাল মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটের বহুপাক্ষিক কার্যক্রমও এই হিসাবের বাইরে। এই বিধানের আওতায় মার্কিন/জাতিসংঘ-অনুমোদিত “শান্তিরক্ষা” ও “মানবিক ত্রাণ” কার্যক্রমকেও অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
**[[সারা ফ্লাউন্ডার্স]], উদ্ধৃত: [https://www.counterpunch.org/2019/06/14/the-climate-counter-offensive-secrecy-deception-and-disarming-the-green-new-deal/ জলবায়ু পাল্টা আক্রমণ: গোপনীয়তা, প্রতারণা এবং গ্রিন নিউ ডিলকে নিরস্ত্র করা, রিচার্ড মোজার, ''কাউন্টারপাঞ্চ''] (১৪ জুন, ২০১৯)
* [[বাজার]]ের লুকানো [[হাত]] কখনোই একটি লুকানো মুষ্টি (শক্তি) ছাড়া কাজ করবে না। [[ম্যাকডোনাল্ডস]] কখনোই [[ম্যাকডোনেল ডগলাস]] (এফ-১৫ বিমানের নকশাকার) ছাড়া উন্নতি করতে পারত না। আর যে লুকানো মুষ্টিটি [[সিলিকন ভ্যালি]]ের [[প্রযুক্তি|প্রযুক্তির]] প্রসারের জন্য বিশ্বকে নিরাপদ রাখে, তার নামই হলো [[ইউএস আর্মি]], [[মার্কিন বিমান বাহিনী|বিমান বাহিনী]], [[নৌবাহিনী]] এবং [[মার্কিন মেরিন কোর|মেরিন কোর]]।
**[[থমাস এল. ফ্রিডম্যান]], {{cite news
| url = http://www.nytimes.com/1999/03/28/magazine/a-manifesto-for-the-fast-world.html
| title = ফাস্ট ওয়ার্ল্ডের জন্য একটি ইশতেহার
| work = নিউ ইয়র্ক টাইমস
| date = ২৮ মার্চ, ১৯৯৯
| accessdate = ২০১০-০৬-২৮}}
=== “শারীরিক গঠন এবং শারীরিক সক্ষমতা: সামরিক পরিষেবার জন্য প্রয়োগ” (১৯৯০) ===
<small> কার্ল ই. ফ্রিড, [https://www.ncbi.nlm.nih.gov/books/NBK235960/ “শারীরিক গঠন এবং শারীরিক সক্ষমতা: সামরিক পরিষেবার জন্য প্রয়োগ”], ইনস্টিটিউট অফ মেডিসিন (ইউএস) কমিটি অন মিলিটারি নিউট্রিশন রিসার্চ; ম্যারিয়ট বিএম, গ্রামস্ট্রুপ-স্কট জে, সম্পাদকবৃন্দ। ওয়াশিংটন (ডিসি): ন্যাশনাল একাডেমি প্রেস (ইউএস); ১৯৯০। </small>
[[File:Marine_Corps_Recruit_Depot_Parris_Island_Training_140513-M-XK446-114.jpg|thumb|[[সুনির্দিষ্ট]] শারীরিক সক্ষমতার [[পরীক্ষা]], যেমন 'অ্যানুয়াল টেস্ট রাইড', একসময় সেনাবাহিনীতে কার্যকর ছিল। তবে আজকের সেনাবাহিনী অত্যন্ত [[বৈচিত্র্যময়]] হওয়ায় নিয়মিতভাবে [[বাস্তবসম্মত]] যুদ্ধ সক্ষমতা পরীক্ষা দিয়ে সৈন্যদের বাছাই করা কঠিন। বর্তমানের [[ইউএস আর্মি ফিজিক্যাল ফিটনেস টেস্ট]] মূলত ২-মাইল [[দৌড়]], [[পুশ-আপ]] এবং [[সিট-আপ]] পরীক্ষার মাধ্যমে [[অ্যারোবিক ব্যায়াম|অ্যারোবিক সক্ষমতা]] যাচাই করে; এই মানদণ্ডগুলো মূলত চাকরির ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্য, প্রবেশের জন্য নয় এবং এগুলোর প্রয়োগ [[শরীরের চর্বি|শরীরের চর্বির]] মানদণ্ডের চেয়েও নমনীয়। ~ কার্ল ই. ফ্রিড]]
* সামরিক বাহিনীতে শারীরিক মানদণ্ড নির্ধারণের মূল উদ্দেশ্য সবসময়ই ছিল এমন সৈন্যদের খুঁজে বের করা, যারা সামরিক পরিষেবার শারীরিক চাহিদা পূরণে সবচেয়ে উপযুক্ত। এই মানদণ্ডের অর্থ ছিল এমন সৈন্য নির্বাচন করা, যাদের দেখে মনে হয় তারা ভারি বোঝা বহন করতে এবং ভালো লড়াই করতে সক্ষম। বর্তমানে, ইউএস আর্মির শারীরিক সক্ষমতার ওপর জোর দেওয়ার অংশ হিসেবে শরীরের চর্বির মানদণ্ড ব্যবহার করা হয়, যাতে নিশ্চিত করা যায় যে বাহিনীগুলো ''চরম জলবায়ু ও ভূখণ্ডে লড়াই করার মতো স্ট্যামিনা এবং ধৈর্য রাখে'' (স্টাডি অফ দ্য মিলিটারি সার্ভিসেস ফিজিক্যাল ফিটনেস, ১৯৮১)। <br> গত শতাব্দীর বেশিরভাগ সময় ধরে, উচ্চতা ও ওজনের অনুপাত সৈন্যের শারীরিক সক্ষমতা যাচাইয়ের প্রধান মাপকাঠি ছিল, কিন্তু ইদানীংকালের আগ পর্যন্ত এই মানদণ্ডগুলো কেবল কম ওজনের প্রার্থীদের বাদ দেওয়ার জন্যই ব্যবহৃত হতো।
* প্রয়োজনের তাগিদে কিছু শারীরিক মানদণ্ড খুব সহজেই পরিবর্তন করা হয়েছে, যা ইঙ্গিত দেয় যে কোনো বিষয়কে হয়তো ‘সৈনিকের বৈশিষ্ট্য’ হিসেবে তুলে ধরা হলেও তা আসলে যুদ্ধের প্রয়োজনে খুব একটা জরুরি নয়। উচ্চতা এর একটি উদাহরণ। ইউরোপীয় রাজারা লম্বা সৈন্যদের নিয়ে গর্ব করতেন; এছাড়া ড্রিল ও অনুষ্ঠানের জন্য একই উচ্চতার মানুষ থাকাটা সুবিধাজনক ছিল। কিছু ইউজেনিকিস্ট দাবি করতেন যে অপরাধীরা সাধারণত অন্যদের তুলনায় খাটো হয় (ব্যাক্সটার, ১৮৭৫) এবং একজন অবসরপ্রাপ্ত সামরিক সার্জন প্রস্তাব করেছিলেন যে শারীরিক বৈশিষ্ট্য দেখে ভবিষ্যৎ বীরদের শনাক্ত করা সম্ভব (ফস্টার এবং অন্যান্য, ১৯৬৭)। তাই, ঊনবিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে মার্কিন সৈন্যদের জন্য ন্যূনতম উচ্চতা ছিল ৬৬ ইঞ্চি, যা পরবর্তী সময়ে ধীরে ধীরে কমানো হয়েছে। জাতীয় জরুরি অবস্থার সময় যখন নতুন সৈন্যের চাহিদা বাড়ত, তখনই সবচেয়ে শিথিল মানদণ্ড (এমনকি গৃহযুদ্ধের সময় কোনো ন্যূনতম উচ্চতার বাধ্যবাধকতা ছিল না) কার্যকর ছিল।
* সুনির্দিষ্ট শারীরিক সক্ষমতার পরীক্ষা, যেমন 'অ্যানুয়াল টেস্ট রাইড', একসময় সেনাবাহিনীতে কার্যকর ছিল। তবে আজকের সেনাবাহিনী অত্যন্ত বৈচিত্র্যময় হওয়ায় নিয়মিতভাবে বাস্তবসম্মত যুদ্ধ সক্ষমতা পরীক্ষা দিয়ে সৈন্যদের বাছাই করা কঠিন। বর্তমানের ইউএস আর্মি ফিজিক্যাল ফিটনেস টেস্ট মূলত ২-মাইল দৌড়, পুশ-আপ এবং সিট-আপ পরীক্ষার মাধ্যমে অ্যারোবিক সক্ষমতা যাচাই করে; এই মানদণ্ডগুলো মূলত চাকরির ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্য, প্রবেশের জন্য নয় এবং এগুলোর প্রয়োগ শরীরের চর্বির মানদণ্ডের চেয়েও নমনীয়।
==জি==
[[File:CapShield01.jpg|thumb|১৯৫৩ সালের ১৩ জুলাইয়ের ([[কমিউনিস্ট]]) “[[ডেইলি ওয়ার্কার|ডেইলি ওয়ার্কার]]”-এ বলা হয় যে, [[কমিক্স]] সচেতনভাবে নিম্নোক্ত ভূমিকা পালন করে: <br> “...[[আমেরিকান]] [[যুবসমাজকে]] নিষ্ঠুর করে গড়ে তোলা, যাতে তারা আমাদের [[সরকার]]ের [[বিশ্ব আধিপত্যের]] লক্ষ্য বাস্তবায়নে [[সামরিক]] সেবার জন্য আরও ভালোভাবে প্রস্তুত হতে পারে। এছাড়া, [[জাতিসংঘ|জাতিসংঘের]] পতাকাতলে [[কোরীয় যুদ্ধ|কোরিয়ায়]] [[আমেরিকান]] [[সৈনিক]] ও [[বিমানসেনা|বিমানসেনাদের]] দ্বারা সংঘটিত [[অত্যাচার]] মেনে নিতে তাদের অভ্যস্ত করা।” ~ [[উইলিয়াম গেইনস]]]]
* ১৯৫৩ সালের ১৩ জুলাইয়ের (কমিউনিস্ট) “ডেইলি ওয়ার্কারে” বলা হয় যে, কমিক্স সচেতনভাবে নিম্নোক্ত ভূমিকা পালন করে: <br> “...আমেরিকান যুবসমাজকে নিষ্ঠুর করে গড়ে তোলা, যাতে তারা আমাদের [[সরকার]]ের বিশ্ব আধিপত্যের লক্ষ্য বাস্তবায়নে সামরিক সেবার জন্য আরও ভালোভাবে প্রস্তুত হতে পারে। এছাড়া, [[জাতিসংঘ|জাতিসংঘের]] পতাকাতলে [[কোরীয় যুদ্ধ|কোরিয়ায়]] আমেরিকান সৈনিক ও বিমানসেনাদের দ্বারা সংঘটিত অত্যাচার মেনে নিতে তাদের অভ্যস্ত করা।”
** উইলিয়াম গেইনস, “আর ইউ এ রেড ডুপ?”, ''দ্য হন্ট অফ ফিয়ার'', ইসি কমিক্স, (আগস্ট ১৯৫৪)
*আমি [[আশা]] করি, রাস্তাঘাটে, টিউবে এবং বাসে আমরা যে তরুণ আমেরিকান সৈনিকের সাথে পরিচিত হচ্ছি, সে আমাদের সঙ্গ পেয়ে ততটাই আনন্দিত হয়েছে, যতটা আমরা তাকে পেয়ে হয়েছি।
**আলফ্রেড জর্জ গার্ডিনার, [https://books.google.com/books?id=A9LPAAAAMAAJ&pg=PA101&lpg=PA101&dq=%22The+directness+and+naturalness+of+the+American+is+the+most+enviable+of+his+traits.+It+gives+the+sense+of+a+man+who+is+born+free.%22&source=bl&ots=s6wfDHuUWv&sig=nRZZ4aIhKELXA_zsps9cZACrDjE&hl=en&sa=X&ved=0ahUKEwikhO3EooDUAhVH4CYKHVHTBRAQ6AEIJjAC#v=onepage&q=%22The%20directness%20and%20naturalness%20of%20the%20American%20is%20the%20most%20enviable%20of%20his%20traits.%20It%20gives%20the%20sense%20of%20a%20man%20who%20is%20born%20free.%22&f=false ''লিভস ইন দ্য উইন্ড''], পৃষ্ঠা ৯৭
*সৈনিকেরা, তোমরা পৃথিবীর ইতিহাসের সবচেয়ে মহৎ দল। এই প্রান্তরকে চিরকালের জন্য গৌরব ও [[স্বাধীনতা|স্বাধীনতার]] প্রান্তরে পরিণত করতে তোমরা জীবন দিয়েছ।
**[[জেমস এ. গারফিল্ড]], [http://grandoldpartisan.typepad.com/blog/2015/10/garfield-speech.html “ডোন্ট পিচ ইয়োর টেন্ট অ্যামাং দ্য ডেড”] (অক্টোবর ১৮৭৯)
*যুক্তরাষ্ট্র পরবর্তী দশ বছরে পেন্টাগনের জন্য ৭ ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি ব্যয় করার পথে রয়েছে। এই বিশাল অংকের ধারণা পাওয়ার জন্য বলা যায়, যুক্তরাষ্ট্র প্রতি বছর সামরিক খাতে চীন, রাশিয়া, ভারত, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ফ্রান্স, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া এবং অস্ট্রেলিয়ার সম্মিলিত খরচের চেয়েও বেশি ব্যয় করে। যদিও রিপাবলিকান এবং ডেমোক্র্যাটরা তুলনামূলক ছোট “বিল্ড ব্যাক বেটার” আইন নিয়ে তীব্র দ্বিমত পোষণ করে, তবে সামরিক বাজেট এবং বিদেশি সামরিক হস্তক্ষেপের ক্ষেত্রে তারা অধিকাংশ সময় ঐক্যমত্য পোষণ করে।
**এমি গুডম্যান, [https://www.democracynow.org/2021/11/24/war_party_us_military_spending “দ্য ওয়ার পার্টি”: জেরেমি স্কেলহিল অন হাউ ইউ.এস. মিলটারিজম ইউনিফায়েস ডেমোক্র্যাটস অ্যান্ড রিপাবলিকানস, ''ডেমোক্রেসি নাও!''] (২৪ নভেম্বর ২০২১)
*অন্য যেকোনো দেশের তুলনায় মার্কিন সামরিক বাহিনীর বৈশ্বিক শক্তি প্রয়োগের একটি সুনির্দিষ্ট মতবাদ রয়েছে। তাদের ধারণা, প্রায় ৮০০টি বিদেশি সামরিক ঘাঁটির মাধ্যমে পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে প্রাণঘাতী শক্তি নিয়ে হস্তক্ষেপ করার ক্ষমতা তাদের থাকা উচিত। একদিক থেকে দেখলে, স্থলবাহিনী এখানে গৌণ; কারণ অন্তত [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের]] পর থেকে মার্কিন সামরিক মতবাদের মূল ভিত্তি হলো বিমান শক্তির ওপর নির্ভরতা। যুক্তরাষ্ট্র এমন কোনো যুদ্ধে জড়ায়নি যেখানে তাদের আকাশসীমার নিয়ন্ত্রণ ছিল না। এছাড়া, তারা অন্য যেকোনো সামরিক বাহিনীর তুলনায় বিমান হামলার ওপর অনেক বেশি পদ্ধতিগতভাবে নির্ভর করেছে। উদাহরণস্বরূপ, সাম্প্রতিক ইরাক দখলের সময় তারা এমন শহরগুলোতেও বিমান হামলা চালিয়েছে যা আপাতদৃষ্টিতে তাদের নিজেদের দখলেই ছিল। '''বিশ্বে মার্কিন সামরিক আধিপত্যের মূল কারণ হলো—তারা ইচ্ছামতো, মাত্র কয়েক ঘণ্টার নোটিশে, পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে বোমা ফেলতে সক্ষম।''' অন্য কোনো সরকারের কখনোই এমন সক্ষমতা ছিল না। প্রকৃতপক্ষে, এমন দাবিও করা যেতে পারে যে, এই শক্তির কারণেই ডলারকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা পুরো বিশ্ব মুদ্রাব্যবস্থা টিকে আছে।
**ডেভিড গ্রেবার, ''ডেট: দ্য ৫০০০ ইয়ার্স'', পৃষ্ঠা ৩৬৫-৩৬৬
*সবাই জানে যে, অন্তত [[জুলিয়াস সিজার|জুলিয়াস সিজারের]] সময় থেকে [[সমকামী পুরুষ|সমকামীরা]] সামরিক বাহিনীতে সম্মানের সাথে সেবা করে আসছে।
**ব্যারি গোল্ডওয়াটার, ১০ জুন ১৯৯৩-এর বিবৃতি, ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসে'' “গোল্ডওয়াটার ব্যাকস গে ট্রুপস”-এ উদ্ধৃত (১১ জুন ১৯৯৩); এছাড়াও রবার্ট অ্যালান গোল্ডবার্গের লেখা ''ব্যারি গোল্ডওয়াটার'' (১৯৯৫), পৃষ্ঠা ৩৩২-এ উদ্ধৃত।
*আপনার [[দেশ|দেশের]] জন্য লড়াই করতে এবং [[মৃত্যু|মরতে]] আপনার 'বিষমকামী' হওয়ার প্রয়োজন নেই। শুধু লক্ষ্যভেদ করতে পারাটাই যথেষ্ট।
**ব্যারি গোল্ডওয়াটার, রবার্ট অ্যালান গোল্ডবার্গের লেখা ''ব্যারি গোল্ডওয়াটার'' (১৯৯৫), পৃষ্ঠা ৩৩২-এ উদ্ধৃত।
*[[যুদ্ধ]] আমাদের একটি মহান শক্তি এবং বুদ্ধিদীপ্ত জাতিতে পরিণত করেছে। দেশে [[শান্তি]], [[সুখ]] ও সমৃদ্ধি বজায় রাখা এবং অন্যান্য জাতির সম্মান অর্জনের জন্য আমাদের খুব বেশি কিছু করার প্রয়োজন নেই। আমাদের অতীত অভিজ্ঞতা থেকে প্রথমটির (শান্তি বজায় রাখা) প্রয়োজনীয়তা এবং আমাদের শক্তিই শেষোক্তটি (সম্মান) নিশ্চিত করে।
**ইউলিসিস এস. গ্র্যান্ট, [http://www.gutenberg.org/etext/4367 ''পার্সোনাল মেমোয়ার্স অফ জেনারেল ইউ. এস. গ্র্যান্ট''] (১৮৮৫)
*গত কয়েক দশকের প্রতিটি বড় মার্কিন যুদ্ধ একইভাবে শুরু হয়েছে। মার্কিন সরকার কোনো একটি আবেগপূর্ণ ও উসকানিমূলক মিথ্যা তৈরি করে। বড় মার্কিন মিডিয়া আউটলেটগুলো প্রশ্ন তোলা বা ভিন্নমত পোষণ না করে সেটিকে সত্য বলে প্রচার করে, ফলে তারা আক্রমণ করতে চাওয়া দেশের প্রতি তীব্র ক্ষোভের জন্ম দেয়। এভাবেই আমরা [[ভিয়েতনাম যুদ্ধ|ভিয়েতনাম যুদ্ধে]] (উত্তর ভিয়েতনাম কর্তৃক টঙ্কিন উপসাগরে মার্কিন জাহাজ আক্রমণের ঘটনা), উপসাগরীয় যুদ্ধে (সাদ্দাম হোসেন ইনকিউবেটর থেকে শিশুদের কেড়ে নিয়েছিলেন বলে গুজব) এবং অবশ্যই [[ইরাক যুদ্ধ|ইরাক যুদ্ধে]] (সাদ্দামের কাছে গণবিধ্বংসী অস্ত্র ছিল এবং তিনি আল-কায়েদার সাথে জোট করেছিলেন) জড়িয়েছি।
*ঠিক এই কৌশলটিই ২৩ ফেব্রুয়ারি ব্যবহার করা হয়েছিল, যখন [[ভেনেজুয়েলা|ভেনেজুয়েলায়]] যারা শাসন পরিবর্তন করতে চায়, তাদের অনুকূলে প্রচারণার মোড় সম্পূর্ণ ঘুরে যায়... তারা জোর দিয়ে দাবি করেছিল যে ট্রাকগুলোতে ইচ্ছাকৃতভাবে [[নিকোলাস মাদুরো|প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর]] বাহিনী আগুন দিয়েছে।
**গ্লেন গ্রিনওয়াল্ড: [https://theintercept.com/2019/03/10/nyts-expose-on-the-lies-about-burning-humanitarian-trucks-in-venezuela-shows-how-us-govt-and-media-spread-fake-news/ ''এনওয়াইটি’স এক্সপোজ অন দ্য লাইজ এবাউট বার্নিং হিউম্যানিটারিয়ান ট্রাকস ইন ভেনেজুয়েলা শোজ হাউ ইউ.এস. গভর্মেন্ট অ্যান্ড মিডিয়া স্প্রেড ফেক নিউজ, দ্য ইন্টারসেপ্ট,''] (১০ মার্চ ২০১৯)
==এইচ==
*<p>নোঙর তোলো, হে আমার ছেলেরা! নোঙর তোলো! বিদায়...</p><p>বিজয়ের উদ্দেশ্যে পাড়ি দাও এবং তাদের হাড়গোড় ডেভি জোন্সের সিন্দুকে পাঠিয়ে দাও, হুররে!</p>
**জন হেগান, “অ্যাঙ্করস অ্যাওয়ে” (১৯৯৭)
*প্রথমত, শান্তির সময়ে আমেরিকান সৈনিক অন্য যেকোনো ধরনের আমেরিকান নাগরিকের মতোই। ... সে সৈন্য হয় এবং সৈন্য হিসেবেই থাকে, কারণ এর বিনিময়ে সে যা পায়। যেই মুহূর্তে সে সিদ্ধান্ত নেয় যে সে সেনাবাহিনীর চেয়ে বেসামরিক জীবন থেকে বেশি কিছু পেতে পারে, তখনই সে তালিকাভুক্ত হতে বা পুনরায় তালিকাভুক্ত হতে অস্বীকার করবে।
**জনসন হেগুড, [https://www.google.com/search?client=firefox-b-1-d&sca_esv=eff03c613f9494ac&sxsrf=ACQVn09CdLISXoIzNp-OdekvEUi8LSfiKQ:1707412572546&q=Circular+Relative+to+Pay+of+Officers+and+Enlisted+Men+of+the+Army+Johnson+Hagood&si=AKbGX_rOAlAWZm8yZPZsiL6aVCbdD97y3lZlG6WCaiU0tO9pR9kr7DEFZM_KQ41UQN6taqiWwVkuJq4CSzVb9GzxZZq09wGtaQD01RrUFmokaS0KDXBbZSw7-_8-FED2rqn94PAJcn6LiUBQvthCQKqrLnX8_qBW4AS9QM1WQu-AixVQiaYNHmsDoiPcLoe6qHaFCPUSeTnAVN9cEN0h9uIstToyRKwAp1tFRUX5u0uLEQzkmo2Jyn5PqikxE0uhOOD_wmIhKHEa4lv0lvWsVezdiX-Yeq2YCg%3D%3D&sa=X&ved=2ahUKEwjzi_y-n5yEAxWSD1kFHfzBBVoQ6RN6BAg2EAE&biw=1903&bih=1206&dpr=0.9 ''সার্কুলার রিলেটিভ টু পে অফ অফিসারস অ্যান্ড এনলিস্টেড মেন অফ দ্য আর্মি''] (১৯০৭), ওয়াশিংটন, ডি.সি.: গভর্নমেন্ট প্রিন্টিং অফিস, পৃষ্ঠা ৮, [https://press.armywarcollege.edu/cgi/viewcontent.cgi?article=3239&context=parameters “আ হিস্টোরিক্যাল পার্সপেক্টিভ অন টুডেস রিক্রুটিং ক্রাইসিস”] (২০২৩)-এ উদ্ধৃত, ব্রায়ান ম্যাকঅ্যালিস্টার লিন, ''দ্য ইউএস আর্মি ওয়ার কলেজ কোয়ার্টারলি: প্যারামিটারস'', পৃষ্ঠা ১০
*<p>আমাদের সেই পুরুষ ও নারীদের সেবার কথা বলতে হবে, যারা বিশ্ব যুদ্ধে প্রজাতন্ত্রের পতাকাতলে সমবেত হয়েছিল। আমেরিকা তাদের প্রদত্ত সেবা, করা ত্যাগ এবং সহ্য করা কষ্ট উপলব্ধি করে ও তার কদর করে। যারা যুদ্ধক্ষেত্রের বিপদ ও গৌরব বা সমুদ্রের ঝুঁকি জেনেছিল এবং যারা লাইনের পেছনে সেবা করতে বাধ্য হয়েছিল, বা যারা ঘরে ক্যাম্পে ডাকের অপেক্ষায় থাকা বিশাল গ্র্যান্ড আর্মির রিজার্ভ গঠন করেছিল—তাদের মধ্যে কোনো পার্থক্য রাখা হবে না। সবাই ছিল সাহসী। সবাই ছিল আত্মত্যাগী। তারা সবাই সেই আদর্শের অংশীদার ছিল যা আমাদের ছেলেদের দুবার অস্ত্র হাতে যুদ্ধে পাঠিয়েছিল...</p><p>এরা যোগ্য সন্তান। আমাদের অমর সূচনালগ্নে যারা পতাকা উড্ডীন করেছিল, তারা তাদের উপযুক্ত উত্তরাধিকারী। যারা গৃহযুদ্ধ চলাকালীন সংবিধান থেকে অস্পষ্টতা দূর করে ইউনিয়ন এবং জাতীয়তাকে রক্ষা করেছিল, এরা তাদের যোগ্য সন্তান। ১৮৯৮ সালে স্পেনীয়-মার্কিন যুদ্ধে যারা প্রথমবারের মতো মানবতার খাতিরে তলোয়ার তুলেছিল, এরা তাদের প্রস্তুত সন্তান। স্থল ও সমুদ্রে থাকা ৪০ লক্ষ রক্ষক সেই জনগণের সেরা ঐতিহ্যের যোগ্য ছিল, যারা শান্তিতে কখনও যুদ্ধবাজ ছিল না এবং যুদ্ধে কখনও শান্তিবাদী ছিল না। তারা আমাদের গর্বের অধিকারী। তাদের প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞতা রয়েছে, যা অবশ্যই প্রকৃত রূপ পেতে হবে। এটি কেবল একটি কর্তব্য নয়; এটি একটি বিশেষ অধিকার যে নিশ্চিত করা যায় যে তাদের করা ত্যাগ বৃথা যাবে না এবং যারা এখনও হতাহত হয়ে ভুগছে, তাদের প্রচুর সহায়তা করা হবে এবং তাদের নাগরিকত্বের সর্বোচ্চ সক্ষমতা ও আনন্দ ফিরিয়ে দেওয়া হবে।</p>
**ওয়ারেন জি. হার্ডিং, ''দ্য আমেরিকান সোলজার'' (১৯২০)।
*<p>বিশ্বের অন্যান্য বাহিনী, যারা তাদের [[রাজা]] বা মাতৃভূমিকে রক্ষার প্রতিজ্ঞা করে, তাদের থেকে ভিন্ন; আমাদের সেবার [[শপথ]] আমাদের সামরিক বাহিনীকে সংবিধানের সুরক্ষা ও প্রতিরক্ষা এবং আদেশ মেনে চলার শর্তে রাষ্ট্রপতির প্রতি আনুগত্যের সাথে যুক্ত করে। কার্যত, সেই শপথের মাধ্যমে মার্কিন সামরিক বাহিনী আমাদের জনগণের নিরাপত্তাকে রক্ষা করার পাশাপাশি ধারণা, আদর্শ এবং আইনের শাসনকে রক্ষা করে। কর্মজীবনের প্রতিটি ধাপে, প্রত্যেক সৈন্য—সাধারণ সৈনিক থেকে জেনারেল পর্যন্ত—ইতিহাস, আইনি প্রক্রিয়া এবং মূল্যবোধের ওপর প্রশিক্ষণ নেয়। সেই প্রশিক্ষণ আমাদের রাইফেল রেঞ্জে বা ফিল্ড এক্সারসাইজে যা করি তার পরিপূরক। সৈন্যদের চমৎকার দক্ষতা আছে এবং তারা আমেরিকান জীবনযাত্রার চিন্তাশীল রক্ষক। আমি আমার কর্মজীবনের তিন বছরেরও বেশি সময় যুদ্ধক্ষেত্রে ছিলাম; সেই সময়ে, আমি কিছু ভয়াবহ জিনিস দেখেছি এবং সেগুলোর অনেকগুলোই স্বপ্নে ফিরে আসে। মানুষ ও যুদ্ধের মধ্যে অশুভতা থাকে। কিন্তু মার্কিন সামরিক বাহিনীতে; যদিও এমন ঘটনা ঘটেছে যেখানে আইন বা প্রবিধান লঙ্ঘনের জন্য সৈন্যদের শৃঙ্খলাবদ্ধ করার প্রয়োজন হয়েছে—অত্যধিক এবং ধারাবাহিকভাবে আমার সহযোদ্ধাদের কাজ আমাকে খুব গর্বিত করেছে...</p><p>আমি আমাদের সৈন্যদের চিনি, এবং আমি অধ্যয়ন ও অভিজ্ঞতার মাধ্যমে আমাদের সামরিক ঐতিহ্য ও আমেরিকার যুদ্ধের ধরন জানি। যখন ভালোভাবে পরিচালিত ও প্রশিক্ষিত হয়, তখন যে আমেরিকানরা আমাদের দেশের পোশাক পরে, তারা চেতনার দিক থেকে বিশুদ্ধ এবং উদ্দেশ্যের দিক থেকে অবিচল। তারা যেখানে প্রেরিত হয় সেখানে যাবে, যেখানে তারা যায় সেখানে লড়াই করবে এবং যেখানে লড়াই করে সেখানে জেতার জন্য সবকিছু করবে। এবং তারা পৃথিবীর অন্য কোনো সৈনিকের মতো তা করবে না, কারণ আমরা তা-ই। অস্ত্র পেশা অনেক কিছু দাবি করে। সর্বোপরি, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর একজন ইউনিফর্ম পরিহিত সদস্য হওয়ার জন্য অতুলনীয় দক্ষতার প্রয়োজন, কিন্তু শক্তিশালী চরিত্র, তীক্ষ্ণ মেধা এবং এটি বোঝার ক্ষমতাও প্রয়োজন যে বেসামরিক ব্যক্তিরা আমাদের যা করতে বলে তার সীমা আছে। যখন বেসামরিক কর্তৃপক্ষ থেকে প্রাপ্ত আদেশ আইনি, নৈতিক বা মানবিক সীমানা অতিক্রম করে, তখন যেকোনো পদমর্যাদার যেকোনো সৈনিকের প্রথমে সেই আদেশগুলো নিয়ে প্রশ্ন তোলার এবং স্পষ্টীকরণ পাওয়ার অধিকার ও কর্তব্য থাকে, এবং প্রয়োজনে যদি তারা সীমা অতিক্রম করে তবে তা অমান্য করার অধিকারও থাকে। সেটিই আমাদের আলাদা করে...</p><p>কিন্তু রাষ্ট্রপতি যেই হোন না কেন, সেই ব্যক্তির কখনোই সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের সামরিক বিচারের ইউনিফর্ম কোড, তাদের নীতি, তাদের শপথ বা স্থল যুদ্ধের আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করার ‘আদেশ’ দেওয়ার কর্তৃত্ব নেই।</p>
**মার্ক হার্টলিং, [http://www.cnn.com/2016/03/04/opinions/donald-trump-military-hertling/index.html “আ সোলজার’স ভিউ অন ট্রাম্প”] (৪ মার্চ ২০১৬), ''সিএনএন'', জর্জিয়া অঙ্গরাজ্য: কেবল নিউজ নেটওয়ার্ক
*<p>তোমরা প্রায় ১০ হাজার আমেরিকান [[জীবন]] উৎসর্গ করেছ, যা আমাদের যুবসমাজের [[ফুল]]। তোমরা প্রদেশগুলোকে ধ্বংস করেছ। তোমরা যাদের উপকার করতে চাও তাদের মধ্যে অগণিত হাজারো মানুষকে হত্যা করেছ। তোমরা কনসেনট্রেশন ক্যাম্প স্থাপন করেছ। তোমাদের জেনারেলরা ফসল নিয়ে ঘরে ফিরছে, হাজার হাজার অসুস্থ, আহত ও উন্মাদ মানুষকে সাথে নিয়ে, যারা শরীর ও মনে বিধ্বস্ত হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। তোমরা আমেরিকান পতাকাকে অসংখ্য মানুষের চোখে [[খ্রিস্টান|খ্রিস্টান]] গির্জায় অপবিত্রতা, মানুষের ঘরবাড়ি পোড়ানো এবং জল নির্যাতনের ভয়াবহতার প্রতীক বানিয়েছ...</p><p>তোমাদের বাস্তববাদী রাষ্ট্রনীতি, যা [[জর্জ ওয়াশিংটন]] ও আব্রাহাম লিঙ্কন বা বিপ্লব বা গৃহযুদ্ধের সৈন্যদের আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করতে ঘৃণা করে, তা কিছু ক্ষেত্রে তোমাদের উদাহরণের জন্য স্পেনের দিকে তাকিয়েছে। আমি বিশ্বাস করি—না, আমি জানি—যে সাধারণত আমাদের কর্মকর্তা ও সৈন্যরা মানবিক। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে তারা আমেরিকান উদ্ভাবন এবং ক্যাসটিলিয়ান নিষ্ঠুরতার মিশ্রণে তোমাদের যুদ্ধ চালিয়েছে...</p><p>তোমাদের বাস্তববাদী রাষ্ট্রনীতি এমন একটি জাতিকে রূপান্তর করতে সফল হয়েছে, যারা তিন বছর আগেও আমেরিকানদের পোশাকের প্রান্ত চুম্বন করতে এবং তাদের মুক্তিদাতা হিসেবে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত ছিল, যারা সেই দ্বীপে তোমাদের পুরুষরা অবতরণের সময় আশীর্বাদ ও কৃতজ্ঞতা নিয়ে ভিড় করেছিল, তাদেরই এখন শতাব্দী পার হলেও মুছে ফেলা সম্ভব নয় এমন ঘৃণায় পূর্ণ বিরক্ত ও আপোষহীন শত্রুতে পরিণত করেছে।</p>
**জর্জ ফ্রিসবি হোর, [http://web.archive.org/web/20031204093243/http://www.bartleby.com/268/10/25.html ''সাবজুগেশন অফ দ্য ফিলিপাইনস ইনিসকুয়িটাস''] (মে ১৯০২)
*[[পারমাণবিক অস্ত্র]] সংক্রান্ত পরিস্থিতিতে, গত ডুমসডে ক্লক রিপোর্টের চেয়ে পরিস্থিতি অনেক বেশি বিপজ্জনক। উন্নয়নের অধীনে থাকা নতুন অস্ত্র ব্যবস্থা অনেক বেশি কার্যকরভাবে বিপজ্জনক। '''[[জো বাইডেন|বাইডেন প্রশাসন]], ট্রাম্পের সংঘাতমূলক দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রসারিত করে, চমস্কিকে হাতের বিপদ বর্ণনা করার জন্য শব্দ খুঁজে না পাওয়ার মতো অবস্থায় ফেলেছে। কেবল সম্প্রতি, [[জো বাইডেন|বাইডেন]] ন্যাটো নেতাদের সাথে দেখা করেছেন এবং তাদের দুটি যুদ্ধের—[[চীন]] এবং [[রাশিয়া]]—পরিকল্পনা করার নির্দেশ দিয়েছেন। চমস্কির মতে: “এটি পাগলামি ছাড়িয়ে গেছে।” শুধু তাই নয়, যখন সত্যিকারের কূটনীতির প্রয়োজন, তখন এই গোষ্ঠী প্ররোচনামূলক কাজ করছে।''' এটি একটি অত্যন্ত বিপজ্জনক পরিস্থিতি।
**[https://www.counterpunch.org/2021/07/12/a-world-of-total-illusion-and-fantasy-an-interview-with-noam-chomsky/ আ ওয়ার্ল্ড অফ টোটাল ইলিউশন অ্যান্ড ফ্যান্টাসি: নোয়াম চমস্কি অন দ্য ফিউচার অফ দ্য প্ল্যানেট, রবার্ট হানজিকার, ''কাউন্টারপাঞ্চ''] (১২ জুলাই ২০২১)
*[[ইরাক]], [[সিরিয়া]], [[ইরান]], [[লিবিয়া]], [[সোমালিয়া]], [[সুদান]] এবং ইয়েমেনে প্রায় ১০,০০০ আমেরিকান কর্মরত আছেন... এই পুরুষ ও নারীরা সেই দেশগুলোর নাগরিকদের পাশাপাশি লড়াই করছেন।
**উইল হার্ড, [https://hurd.house.gov/media-center/press-releases/congressman-hurd-highlights-danger-posed-americans-due-immigration-ban ইমিগ্রেশন ব্যান বিষয়ক বিবৃতি] (২০১৭)
==আই==
* এই বিষয়টি মাথায় রেখে, চুক্তির অংশীদাররা তাদের ব্যক্তিগত ও সম্মিলিত সক্ষমতা—আমি আবারও বলছি, সম্মিলিত সক্ষমতা—বিকাশ করার প্রতিজ্ঞা করেছে, যাতে তারা যেকোনো সশস্ত্র আক্রমণ প্রতিহত করতে পারে। সেই প্রতিজ্ঞার প্রতি অনুগত থেকে, চুক্তি স্বাক্ষরের পর থেকে জোটের প্রতিটি সদস্য প্রতি বছর ক্রমান্বয়ে প্রতিরক্ষার জন্য বেশি অর্থ ব্যয় করেছে। শক্তিশালী আমেরিকান, [[কানাডা|কানাডিয়ান]] এবং [[যুক্তরাজ্য|যুক্তরাজ্যের]] বাহিনী ইতিমধ্যেই মহাদেশটিতে অবস্থান করছে এবং তাদের [[ইউরোপ|ইউরোপীয়]] মিত্রদের পাশাপাশি প্রহরায় নিয়োজিত রয়েছে। তবে আমাদের উদ্দেশ্য নিয়ে যেন কোনো ভুল ধারণা না হয়। আমরা যে সামরিক শক্তি অর্জনের লক্ষ্য নিয়েছি, তা আত্মরক্ষার জন্য নূন্যতম প্রয়োজন। আমাদের পক্ষ থেকে যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের কোনো সুযোগ নেই, ছিল না এবং কখনো থাকবে না। যদি বিষয়টি অন্যরকম হতো, তবে আন্তর্জাতিক মুক্ত ট্রেড ইউনিয়ন কনফেডারেশনের মতো একটি শক্তিশালী শান্তিকামী সংগঠন কি দৃঢ়ভাবে তাদের সংকল্প ব্যক্ত করত—আমি এখানে উদ্ধৃত করছি— “আগ্রাসন এড়ানোর লক্ষ্যে মুক্ত জাতিগুলোর তাদের প্রতিরক্ষা জোরদার করার প্রচেষ্টাকে সমর্থন করা”?
** হেস্টিংস ইসমে, [https://www.nato.int/docu/speech/1953/s19530913.htm বিবিসি রেডিও টক], ১৩ সেপ্টেম্বর ১৯৫৩
==জে==
*একটি নৌবাহিনী মূলত এবং অপরিহার্যভাবেই অভিজাততান্ত্রিক। আমরা এখন যে রাজনৈতিক নীতিগুলোর জন্য লড়াই করছি, তা যতই সত্য হোক না কেন, জাহাজের ডেকে, বন্দর থেকে দূরে বা গভীর সমুদ্রে এগুলো কখনোই ব্যবহারিকভাবে প্রয়োগ করা সম্ভব নয়, এমনকি তা মেনে নেওয়াও যায় না। এটি কঠোর মনে হতে পারে, কিন্তু এটিই হলো সবচেয়ে সরল সত্য। যদিও কংগ্রেসের পাঠানো জাহাজগুলো [[মানবাধিকার]] ও প্রজাতন্ত্রী স্বাধীনতার নীতির জন্য লড়াই করতে পারে এবং অবশ্যই করা উচিত, কিন্তু সমুদ্রে জাহাজগুলো নিজেই এক চরম স্বৈরাচারী ব্যবস্থার অধীনে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হতে হবে।
**জন পল জোন্স, [http://www.rulit.me/books/the-last-ship-read-334944-1.html কংগ্রেসের নৌ কমিটির কাছে চিঠি] (১৪ সেপ্টেম্বর ১৭৭৫)
==কে==
*হেল! এরা মেরিন। এদের মতো লোকেরাই গুয়াদালকানাল ধরে রেখেছিল এবং আইও জিমা দখল করেছিল। বাগদাদ তো কিছুই না।
**জন এফ. কেলি, [http://www.blackfive.net/main/2007/09/marine-general-.html মেরিন জেনারেল স্পিকস আউট]-এ উদ্ধৃত। বাগদাদ আক্রমণের শুরুতে এক সাংবাদিক পরাজয়ের সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন করলে কেলি এই জবাব দেন। (এপ্রিল ২০০৭)
* [[ভিয়েতনাম যুদ্ধ|ভিয়েতনাম]] থেকে ফিরে আসার পর এই মানুষগুলোর মনের অবস্থা কী হয়, তার ফলাফল সম্পর্কে আপনাদের সাথে কিছুটা কথা বলতে চাই। দেশ এখনো জানে না যে এটি একটি দানব তৈরি করেছে— লক্ষ লক্ষ মানুষের রূপ নেওয়া এক দানব, যাদের সহিংসতা ব্যবহার ও লেনদেন করতে শেখানো হয়েছে, এবং যাদের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় 'শূন্য' অর্জনের জন্য মরার সুযোগ দেওয়া হয়েছে; এমন মানুষ যারা ফিরে এসেছে এক ধরনের [[ক্রোধ]] ও বিশ্বাসঘাতকতার অনুভূতি নিয়ে, যা এখনো কেউ বুঝতে পারেনি। একজন ভেটেরান হিসেবে, এবং যে এই ক্রোধ অনুভব করে, আমি এ নিয়ে কথা বলতে চাই। আমরা ক্ষুব্ধ কারণ আমরা মনে করি, এই দেশের প্রশাসন আমাদের সবচেয়ে খারাপভাবে ব্যবহার করেছে। ১৯৭০ সালে ওয়েস্ট পয়েন্টে, ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যাগনিউ বলেছিলেন: “কিছু মানুষ সমাজের অপরাধী ও অযোগ্যদের গ্ল্যামারাইজ করে, অথচ আমাদের সেরা ছেলেরা সেই স্বাধীনতা রক্ষা করতে এশিয়ার ধানের জমিতে প্রাণ দিচ্ছে, যে স্বাধীনতা ওই অযোগ্যরা অপব্যবহার করে।” আর এটি ভিয়েতনামে আমাদের অভিযানের জন্য একটি rallying point বা ঐক্যের বিন্দু হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছিল। কিন্তু আমাদের কাছে—যারা এশিয়ায় তাঁর ছেলে ছিল এবং যাদের সমর্থন দেওয়ার কথা ছিল দেশটির—তাঁর এই বক্তব্য একটি ভয়ঙ্কর বিকৃতি, যা থেকে আমরা কেবল গভীর বিতৃষ্ণা অনুভব করতে পারি; এবং এই কারণেই আজ ওয়াশিংটনে উপস্থিত কিছু মানুষের এই ক্রোধ। এটি একটি বিকৃতি কারণ আমরা কোনোভাবেই নিজেদের এই দেশের সেরা মানুষ বলে মনে করিনি; কারণ তিনি যাদের অযোগ্য বলছেন, তারা আমাদের জন্য এমনভাবে দাঁড়িয়েছিল যা এই দেশের আর কেউ সাহস করেনি; কারণ মারা যাওয়া অনেকেরই ইচ্ছা ছিল দেশে ফিরে এসে সেই অযোগ্যদের সাথে যোগ দিয়ে দক্ষিণ ভিয়েতনাম থেকে অবিলম্বে সেনা প্রত্যাহারের দাবি জানানো; কারণ সেই সেরা ছেলেদের অনেকেই আজ কোয়াড্রিপ্লেজিক (চতুর্থঙ্গ পক্ষাঘাতগ্রস্ত) বা অঙ্গহীন হয়ে ফিরেছে, এবং তারা পড়ে আছে এই দেশের ভেটেরান অ্যাডমিনিস্ট্রেশন হাসপাতালগুলোতে ভুলে যাওয়া অবস্থায়, যে হাসপাতালগুলোতে উড়ছে সেই পতাকা—যা অনেকেই তাদের ব্যক্তিগত প্রতীক হিসেবে বেছে নিয়েছে। আমরা নিজেদের আমেরিকার সেরা মানুষ বলে ভাবতে পারি না, যখন আমরা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় আমাদের যা করতে বলা হয়েছিল, তার জন্য লজ্জিত এবং ঘৃণা বোধ করি।
** জন কেরি, [https://www.americanrhetoric.com/speeches/johnkerrysenateforeignrelationsvietnamwar.htm সিনেট ফরেন রিলেশনস কমিটির সামনে বিবৃতি], ২২ এপ্রিল ১৯৭১, ওয়াশিংটন, ডি.সি.তে প্রদত্ত।
*জয়লাভ আমাদের করতেই হবে, কারণ আমাদের লক্ষ্য ন্যায়সংগত!
**ফ্রান্সিস স্কট কি, “দ্য স্টার-স্প্যাংলড ব্যানার” (১৮১৪)
*[[এঙ্গেলস]] একবার ব্রিটিশ সেনাবাহিনীকে সবচেয়ে নিষ্ঠুর সেনাবাহিনী বলেছিলেন। [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের]] সময়, [[জার্মানি|জার্মান]] [[ফ্যাসিবাদ|ফ্যাসিবাদী]] সেনাবাহিনী ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর বর্বরতাকে ছাড়িয়ে গিয়েছিল। সেই সময়ে [[অ্যাডলফ হিটলার|হিটলারের]] গ্যাংস্টাররা যে বীভৎস ও ভয়ানক নিষ্ঠুরতা করেছিল, তা কোনো মানুষের [[মস্তিষ্ক|কল্পনার]] বাইরে। কিন্তু [[কোরীয় যুদ্ধ|কোরিয়ায়]], আমেরিকানরা হিটলারবাদীদের অনেক ছাড়িয়ে গেছে!
**[[কিম ইল-সাং]], ১৯৯৩ সালে সুইডিশ কমিউনিস্ট নেতা ফ্রাঙ্ক বাউডের কাছে এই মন্তব্য করেন। উক্তি ও অনুবাদ: ''Mot strömmen'', পৃষ্ঠা ১৮৬।
*আমার মনে হয় না কোনো অঙ্গরাজ্য ছিল যা সেখানে প্রতিনিধিত্বশীল ছিল না। এই [[অভিজ্ঞতা]] আমাকে দেশটির বৈচিত্র্য, মানুষ, [[ভাষা]] এবং [[সংস্কৃতি]]কে উপলব্ধি করতে সাহায্য করেছে। এটা ভাবা অবিশ্বাস্য যে আমরা কতটা বৈচিত্র্যময় এবং আমরা কীভাবে একটি সংস্কৃতি হিসেবে একসাথে টিকে আছি। সত্যি বলতে, এটিই এই দেশের একমাত্র স্পষ্ট সত্য যা একে বিশ্বের কাছে অনন্য করে তুলেছে।
** জ্যাক কার্বি, মার্ক পিটার্সের নিবন্ধ [https://www.pastemagazine.com/articles/2017/02/8-ways-comic-book-legend-jack-kirby-fought-fascism.html “৮ ওয়েজ কমিক বুক লিজেন্ড জ্যাক কার্বি ফাউট ফ্যাসিবম”]-এ উদ্ধৃত, ''পেস্ট ম্যাগাজিন'', (১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭)।
*আমেরিকার লড়া কিছু যুদ্ধ ছিল “কেবল মুনাফার জন্য” এবং কিছু দেশের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা যুদ্ধের মতোই ধ্বংসাত্মক... আমেরিকা কখন যুদ্ধে যাবে, সে বিষয়ে আমেরিকান জনগণের কার্যত কোনো কথা বলার অধিকার নেই। এই সিদ্ধান্তগুলো কোনো পর্দার আড়ালে নেওয়া হয়... আমেরিকানদের কাছে মিথ্যা বলা অব্যাহত রাখা হয়েছে যে কেন আমরা যুদ্ধে যাই। কারণ আবারো বলছি, এর অন্যতম বড় কারণ হলো কেবল মুনাফা। এটি একসময় কিছুটা সত্য ছিল, কিন্তু এখন তা অত্যন্ত নগ্নভাবে ঘটছে।
**ড্যানিয়েল কোভালিক, [http://www.china.org.cn/world/Off_the_Wire/2021-12/08/content_77918107.htm ইন্টারভিউ]তে উদ্ধৃত, ''সিনহুয়া'', ৮ ডিসেম্বর, ২০২১।
*ইরাক ও [[আফগানিস্তান|আফগানিস্তানে]] মার্কিন আগ্রাসন প্রসঙ্গে] কৌশলগত দিক থেকে দেখলে, এটি একটি সম্পূর্ণ ব্যর্থতা হিসেবেই দেখা উচিত। তবুও এটি ২০ বছর ধরে চলেছে। কেন? কারণ যে প্রতিরক্ষা শিল্প কোম্পানিগুলো বোমা, বিমান ও যানবাহন তৈরি করে—এবং এখন সরকারি সামরিক কর্মীদের পরিবর্তে যে বেসরকারি সামরিক ঠিকাদাররা যুদ্ধ করছে—তারা যুদ্ধ চলাকালীন কয়েক ট্রিলিয়ন ডলার আয় করেছে। তাই '''তারা পরোয়া করেনি যে যুদ্ধ জয় হলো কি না; লক্ষ্য ছিল যুদ্ধটি যেন চিরকাল চলতে থাকে... আসল বিষয় হলো যুদ্ধ জয় করা নয়, বরং এটি নিশ্চিত করা যে যুদ্ধ যেন শেষ না হয়, কারণ আপনি মুনাফা করতেই থাকবেন।'''<BR>মার্কিন সামরিক হস্তক্ষেপের মাধ্যমে মানবাধিকারের উন্নয়ন করছে না। এটি মানবিকতাকে এগিয়ে নিচ্ছে না। প্রকৃতপক্ষে, এটি বিশালভাবে মানবিকতাকে ক্ষুণ্ণ করছে।
**ড্যানিয়েল কোভালিক, [http://www.china.org.cn/world/Off_the_Wire/2021-12/08/content_77918107.htm ইন্টারভিউ]তে উদ্ধৃত, ''সিনহুয়া'', ৮ ডিসেম্বর, ২০২১।
*আপনি কোন বাহিনীকে আপনাকে [[মুক্তি|মুক্ত]] করতে আসতে দেখতে চান? এবং এটি সর্বসম্মত, এমনকি নাৎসিরাও সবাই আবার একটি ছোট বিমানে উড়ে আমেরিকান লাইনে এসে আমেরিকানদের কাছে আত্মসমর্পণ করবে, যদিও সবাই জানে যে সেই অর্থে আমরা ব্যতিক্রমী।
**চার্লস ক্রাউথামার, [http://conversationswithbillkristol.org/video/charles-krauthammer/ বিল ক্রিস্টলের সাথে সাক্ষাৎকার] (১৩ মার্চ ২০১৫)।
*সামরিক বাহিনী কমান্ডার ইন চিফকে কোনো পাত্তা দেয়নি। সাধারণত, বেসামরিক নিয়ন্ত্রণের জাতিতে এটি স্বাস্থ্যের লক্ষণ নয়। এতে কিছুটা অবাধ্যতার গন্ধ আছে। কিন্তু এমন একজন [[রাষ্ট্রপতি]] যার স্বভাব অত্যন্ত আবেগপ্রবণ এবং দীর্ঘস্থায়ী অযৌক্তিক, তার ক্ষেত্রে সামরিক বাহিনীর কিছুটা সতর্কতা, এমনকি কিছুটা অনমনীয়তা স্বাগত জানানো উচিত।
**চার্লস ক্রাউথামার, [https://www.washingtonpost.com/opinions/the-guardrails-hold/2017/08/03/fcfc157c-7877-11e7-9eac-d56bd5568db8_story.html?noredirect=on&utm_term=.bc41e247bfa0 “দ্য গার্ডরেলস হোল্ড”] (৩ আগস্ট ২০১৭), ''দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট''।
==এল==
[[চিত্র:Barbara Lee official portrait.jpg|থাম্ব| পেন্টাগন বাজেট থেকে ৪০ বা ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়েও আপনি শক্তিশালী জাতীয় নিরাপত্তা বজায় রাখতে পারেন... যখন আপনি সামরিক নীতি ও অভ্যন্তরীণ নীতির ক্ষেত্রে জনগণের অবস্থান দেখেন—বিশেষ করে যখন এই অননুমোদিত যুদ্ধ, এই 'চিরস্থায়ী যুদ্ধ' বন্ধ করার কথা আসে—তখন জনতা আমাদের সাথেই আছে। ~ যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসম্যান বারবারা লি]]
*<p>ষাট বছর আগে, ২৫ জুন ভোরবেলা, [[কোরীয় যুদ্ধ|কোরীয় যুদ্ধ]] শুরু হয়েছিল যখন কমিউনিস্ট [[উত্তর কোরিয়া]], কোরিয়া প্রজাতন্ত্রকে আক্রমণ করে। এর জবাবে, যুক্তরাষ্ট্রসহ জাতিসংঘের ১৬টি সদস্য দেশ স্বাধীনতার সুরক্ষায় কোরিয়া প্রজাতন্ত্রের সাথে যোগ দেয়। '''পরবর্তী তিন বছরের লড়াইয়ে, প্রায় ৩৭,০০০ আমেরিকান তাদের [[জীবন]] হারান। তারা লড়াই করেছিলেন [[দক্ষিণ কোরিয়া|এমন কোরিয়ানদের]] [[স্বাধীনতা|স্বাধীনতার]] জন্য, যাদের তারা চিনতেনও না। আর তাদের ত্যাগের কারণেই, [[দক্ষিণ কোরিয়া|প্রজাতন্ত্রের]] শান্তি ও গণতন্ত্র সুরক্ষিত হয়েছিল'''...</p><p>[[কোরীয় যুদ্ধ|কোরীয় যুদ্ধের]] ৬০তম বার্ষিকীতে, আমি যুদ্ধে অংশগ্রহণের জন্য [[যুক্তরাষ্ট্র|আমেরিকার]] কাছে কৃতজ্ঞ। সেই সময়ে, কোরিয়া প্রজাতন্ত্র ছিল বিশ্বের অন্যতম দরিদ্র দেশ, যার বার্ষিক মাথাপিছু আয় ছিল ৪০ ডলারের কম। ২০০৯ সালে, আমার দেশ অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থার উন্নয়ন সহায়তা কমিটির সদস্য হয়; একমাত্র প্রজন্মেই সাহায্য গ্রহণকারী দেশ থেকে সাহায্য প্রদানকারী দেশে পরিণত হওয়া এটিই প্রথম দৃষ্টান্ত।</p>
** মিউং-বাক লি, [http://articles.latimes.com/2010/jun/25/opinion/la-oe-lee-thanks-20100625 “আ নোট অফ থ্যাঙ্কস”] (২৫ জুন ২০১০), ''দ্য লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস''।
*<p>আমরা সেখানে গিয়ে যুদ্ধ করেছি এবং শেষ পর্যন্ত প্রতিটি [[শহর]] জ্বালিয়ে দিয়েছি...</p><p>প্রায় তিন বছরের বা তার কিছু বেশি সময়ে, আমরা কত শতাংশ—ধরুন—জনসংখ্যার বিশ শতাংশকে [[হত্যা]] করেছি?</p>
**কার্টিস লেমে, ''স্ট্র্যাটেজিক এয়ার ওয়ারফেয়ার: অ্যান ইন্টারভিউ উইথ জেনারেলস'' (১৯৮৮)।
* সামরিক সংযোগ ও সামরিক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত খুব অল্প সংখ্যক ব্যক্তির সহিংস চরমপন্থী কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ সামরিক বাহিনী এবং সামগ্রিকভাবে দেশটির জন্য একটি ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
** পিটার কে. লেভিন; জোসেফ এফ. অ্যাডামস; অ্যামি এ. অলরিচ; র্যাচেল জি. অগাস্টিন; মার্গারেট ডি.এম. বারবার; সুজিতা বি. ভাট; ক্যাথলিন এম. কনলি; ডেভ আই. কোটিং; অ্যালান বি. গেল্ডার; জেফারি এম. জাভোরস্কি; মার্ক এফ. কেই; ক্যারিংটন এ. মেটস; নীল ভি. মিত্তাল; ম্যাথিউ জে. রিড; [https://www.ida.org/research-and-publications/publications/all/p/pr/prohibited-extremist-activities-in-the-us-department-of-defense “প্রোহিবিটেড এক্সট্রিমিস্ট অ্যাক্টিভিটিস ইন দ্য ইউ.এস. ডিপার্টমেন্ট অফ ডিফেন্স”], ''প্রতিরক্ষা দপ্তর'', (ডিসেম্বর ২০২৩); উইল কারলেস [https://www.usatoday.com/story/news/investigations/2023/12/26/pentagon-extremist-study-released/72034360007/ “আফটার ইউএসএ টুডে ইনভেস্টিগেশন, মিলিটারি ফাইনালি রিলিজড ইন্টারনাল এক্সট্রিমিজম রিপোর্ট”], ''ইউএসএ টুডে'', (২৬ ডিসেম্বর, ২০২৩)-এ উদ্ধৃত।
* ডিওডিের নিরাপত্তা ছাড়পত্র প্রদান, উপযুক্ততা মূল্যায়ন এবং স্থাপনায় প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার প্রক্রিয়া এখনো মূলত স্নায়ু যুদ্ধের হুমকি এবং বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধের সাথে সম্পর্কিত ঝুঁকির দিকেই বেশি গুরুত্ব দেয়, অথচ ঘরের ভেতরের চরমপন্থার হুমকির দিকে নয়।
** পিটার কে. লেভিনসহ অন্যরা; [https://www.ida.org/research-and-publications/publications/all/p/pr/prohibited-extremist-activities-in-the-us-department-of-defense “প্রোহিবিটেড এক্সট্রিমিস্ট অ্যাক্টিভিটিস ইন দ্য ইউ.এস. ডিপার্টমেন্ট অফ ডিফেন্স”], ''প্রতিরক্ষা দপ্তর'', (ডিসেম্বর ২০২৩); উইল কারলেস [https://www.usatoday.com/story/news/investigations/2023/12/26/pentagon-extremist-study-released/72034360007/ “আফটার ইউএসএ টুডে ইনভেস্টিগেশন, মিলিটারি ফাইনালি রিলিজড ইন্টারনাল এক্সট্রিমিজম রিপোর্ট”], ''ইউএসএ টুডে'', (২৬ ডিসেম্বর, ২০২৩)-এ উদ্ধৃত।
*জাতিসমূহের [[আইন]] গায়ের রঙের কোনো পার্থক্য জানে না, এবং '''যদি যুক্তরাষ্ট্রের কোনো শত্রু তাদের সেনাবাহিনীর কোনো বন্দীকে দাস বানিয়ে বিক্রি করে, তবে তা হবে কঠোরতম প্রতিশোধের একটি ক্ষেত্র''', যদি অভিযোগের ভিত্তিতে প্রতিকার না পাওয়া যায়।
** ''দ্য লিবার কোড অফ ১৮৬৩'', মার্কিন যুদ্ধ দপ্তর, ৫৮
*আমি যদি নোবেল শান্তি পুরস্কার জিততাম, তবে আমি তা প্রদান করতাম হয় [[জর্জ ডব্লিউ. বুশ|বুশ প্রশাসনকে]], যারা উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক কর্মসূচি সফলভাবে নিরস্ত্রীকরণ এবং ইরানেও একই কাজ করার জন্য অধ্যবসায়ের সাথে কাজ করেছিল, অথবা আমি তা প্রদান করতাম জেনারেল পেট্রিয়াস ও মার্কিন সামরিক বাহিনীকে। বিশ্বে যদি শান্তির কোনো ইঞ্জিন থেকে থাকে, তবে তা হলো মার্কিন সামরিক বাহিনী।
**রাশ লিম্বো, [http://www.rushlimbaugh.com/home/daily/site_101207/content/01125107.guest.html ''রাশ লিম্বো''] (১২ অক্টোবর ২০০৭)।
*'''আমাদের নিজেদের [[স্বাধীনতা]] ও স্বাধীনতার দুর্গ কী?''' এটি কি আমাদের ভ্রুকুটি করা দুর্গ, আমাদের ঝকঝকে সমুদ্র উপকূল, আমাদের যুদ্ধের বাষ্পচালিত জাহাজের কামান, নাকি আমাদের বীর ও সুশৃঙ্খল সেনাবাহিনীর শক্তি? আমাদের ন্যায্য ভূমিতে স্বৈরাচারের পুনরুত্থানের বিরুদ্ধে এগুলো আমাদের নির্ভরতা নয়। সংগ্রামের জন্য আমাদের দুর্বল বা শক্তিশালী না করেই এর সব কিছুই আমাদের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে ব্যবহার করা যেতে পারে। '''আমাদের নির্ভরতা হলো [[ঈশ্বর|ঈশ্বরের]] আমাদের হৃদয়ে রোপণ করা স্বাধীনতার ভালোবাসার ওপর। আমাদের প্রতিরক্ষা হলো সেই আত্মায়, যা স্বাধীনতাকে সব ভূমির, সব মানুষের উত্তরাধিকার হিসেবে মূল্যবান মনে করে। এই আত্মাকে ধ্বংস করুন, এবং আপনি আপনার নিজের দরজায় স্বৈরাচারের বীজ রোপণ করেছেন। নিজেদের বন্দিত্বের শিকলের সাথে পরিচিত করুন এবং আপনারা তা পরিধানের জন্য নিজেদের অঙ্গ প্রস্তুত করছেন। আপনাদের আশেপাশের মানুষের অধিকার পদদলিত করতে অভ্যস্ত হয়ে, আপনারা নিজেদের স্বাধীনতার প্রতিভা হারিয়ে ফেলেছেন এবং প্রথম ধূর্ত স্বৈরাচারের উপযুক্ত প্রজা হয়ে উঠেছেন যে জেগে ওঠে।'''
**[[আব্রাহাম লিঙ্কন|আব্রাহাম লিঙ্কনের]] এডওয়ার্ডসভিল, ইলিনয়-এ ভাষণ (১১ সেপ্টেম্বর ১৮৫৮); লিঙ্কন, আব্রাহাম; মারিও ম্যাথিউ কুওমো, হ্যারল্ড হোলজার, জি. এস. বোরিট, ''[http://books.google.de/books?id=8bWmmyJEMZoC&pg=PA128&redir_esc=y#v=onepage&q&f=false লিঙ্কন অন ডেমোক্রেসি]'' (ফোর্ডহ্যাম ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১ সেপ্টেম্বর ২০০৪), ১২৮-এ উদ্ধৃত। {{ISBN|978-0823223459}}।
*এটা উল্লেখযোগ্য যে, সরকারের এই কঠিন সময়ে সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর যে বিশাল সংখ্যক ব্যক্তি যারা বিভিন্ন পদে সুবিধা পেয়েছিলেন তারা পদত্যাগ করেছেন এবং যাদের দ্বারা লালিত হয়েছিলেন তাদের প্রতি মিথ্যা প্রমাণ করেছেন, কিন্তু কোনো সাধারণ সৈন্য বা সাধারণ নাবিক তাদের পতাকা ত্যাগ করেছে বলে জানা যায়নি। বিশ্বাসঘাতক সহযোগীদের উদাহরণ সত্ত্বেও যারা অটল ছিলেন সেই কর্মকর্তাদের প্রতি অনেক সম্মান; কিন্তু সবচেয়ে বড় সম্মান ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হলো সাধারণ সৈনিক ও নাবিকদের সর্বসম্মত দৃঢ়তা। যতটুকু জানা যায়, শেষ ব্যক্তি পর্যন্ত তারা তাদের বিশ্বাসঘাতক প্রচেষ্টাকে সফলভাবে প্রতিহত করেছে, যাদের কমান্ড তারা মাত্র এক ঘণ্টা আগেও পরম আইন হিসেবে মেনে চলত। এটি সাধারণ মানুষের দেশপ্রেমিক প্রবৃত্তি। তারা কোনো যুক্তি ছাড়াই বোঝে যে, ওয়াশিংটন কর্তৃক তৈরি সরকার ধ্বংস করা তাদের জন্য কোনো ভালো বয়ে আনবে না।
**[[আব্রাহাম লিংকন|আব্রাহাম লিঙ্কন]], [http://millercenter.org/president/speeches/speech-3508 কংগ্রেসের উদ্দেশ্যে ৪ঠা জুলাইয়ের বার্তা] (৪ জুলাই ১৮৬১)
*'''সাতাশি বছর আগে আমাদের পূর্বপুরুষরা এই মহাদেশে এক [[যুক্তরাষ্ট্র|নতুন জাতি]] নিয়ে এসেছিলেন, যা স্বাধীনতায় গড়া এবং এই প্রস্তাবনায় নিবেদিত যে সমস্ত মানুষ সমানভাবে সৃষ্ট। এখন আমরা এক মহান গৃহযুদ্ধে লিপ্ত, পরীক্ষা করছি যে সেই জাতি বা এমন কোনো জাতি কি দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে?''' আমরা সেই যুদ্ধের এক মহান রণক্ষেত্রে মিলিত হয়েছি। আমরা এসেছি সেই মাঠের একটি অংশ উৎসর্গ করতে, [[যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনী|যাঁরা এখানে জীবন দিয়েছেন]] সেই জাতির বেঁচে থাকার জন্য। এটি করা অত্যন্ত উপযুক্ত। '''কিন্তু, বৃহত্তর অর্থে, আমরা এই ভূমি উৎসর্গ করতে পারি না, পবিত্র করতে পারি না। এখানে লড়াই করা সাহসী পুরুষরা, জীবিত ও মৃত, তারা এটিকে উৎসর্গ করেছেন আমাদের যোগ করার বা বিয়োগ করার সামান্য ক্ষমতার ঊর্ধ্বে। বিশ্ব খুব সামান্যই লক্ষ্য করবে, বা আমরা এখানে কী বলেছি তা মনে রাখবে, কিন্তু তারা এখানে কী করেছে তা কখনোই ভুলতে পারবে না। জীবিত আমাদের জন্য, বরং এখানে সেই অসমাপ্ত কাজের প্রতি নিবেদিত হওয়া উচিত যা যারা এখানে লড়াই করেছিলেন তারা মহৎভাবে এগিয়ে নিয়ে গেছেন।''' আমাদের বরং এখানে সেই মহান কাজের প্রতি নিবেদিত হওয়া উচিত যা আমাদের সামনে রয়েছে — যে এই সম্মানিত মৃতদের কাছ থেকে আমরা সেই উদ্দেশ্যের প্রতি বর্ধিত ভক্তি গ্রহণ করি যার জন্য তারা ভক্তির চূড়ান্ত পরিমাপ দিয়েছিলেন — যে '''আমরা এখানে উচ্চস্বরে প্রতিজ্ঞা করছি যে এই মৃতরা বৃথা যাননি — যে এই জাতি, ঈশ্বরের অধীনে, স্বাধীনতার এক নতুন জন্ম লাভ করবে — এবং যে জনগণের সরকার, জনগণের দ্বারা, জনগণের জন্য, পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হবে না।'''
**[[আব্রাহাম লিংকন|আব্রাহাম লিঙ্কন]], ''দ্য গেটিসবার্গ অ্যাড্রেস'' (১৯ নভেম্বর ১৮৬৩)
*সৈনিকগণ। আপনারা আপনাদের ঘর ও বন্ধুদের কাছে ফিরে যেতে প্রস্তুত, ক্যাম্পের দায়িত্ব পালনের পর, এই মহান প্রতিযোগিতায়। আমি আপনাদের কাছে এবং যারা দেশের ডাকে এগিয়ে এসেছেন তাদের সবার কাছে গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। '''আমি চাই এটি আরও ব্যাপকভাবে বোঝা যাক যে দেশটি এখন কিসের সাথে জড়িত। আমাদের আছে, সবাই একমত হবেন, এক মুক্ত সরকার, যেখানে প্রত্যেক মানুষের অন্য সবার সাথে সমান হওয়ার অধিকার আছে।'''
**[[আব্রাহাম লিংকন|আব্রাহাম লিঙ্কন]], ওয়ান হান্ড্রেড সিক্সটি-ফোর্থ ওহাইও রেজিমেন্টের উদ্দেশ্যে ভাষণ (১৮ আগস্ট ১৮৬৪), ওয়াশিংটন, ডি.সি.তে প্রদত্ত।
*'''যদি [[কনফেডারেট স্টেটস অফ আমেরিকা|আমাদের শত্রুরা]] সফল হয় তবে প্রতিটি মানবাধিকার হুমকির মুখে পড়বে। এই প্রতিযোগিতায় প্রত্যেকের ধারণার চেয়েও বেশি কিছু জড়িত। এই সংগ্রামে প্রশ্ন জড়িত যে আপনার সন্তান এবং আমার সন্তানরা সেই সুবিধাগুলো ভোগ করবে কি না যা আমরা ভোগ করেছি।''' আমি এটি বলছি যাতে আপনাদের প্রভাবিত করতে পারি, যদি আপনারা আগে থেকেই প্রভাবিত না হয়ে থাকেন, যে '''কোনো ছোট বিষয় আমাদের মহান উদ্দেশ্য থেকে আমাদের বিচ্যুত করা উচিত নয়।''' আমাদের পদ্ধতির ব্যবহারিক প্রয়োগে কিছু অনিয়ম থাকতে পারে। '''এটি ন্যায্য যে প্রতিটি ব্যক্তি তার সম্পত্তির মূল্যের সমানুপাতে কর প্রদান করবে; কিন্তু যদি আমরা কর সংগ্রহের আগে প্রতিটি ব্যক্তির কর অন্য সবার সমানুপাতে সমন্বয় করার জন্য অপেক্ষা করি, তবে আমরা কখনোই কোনো কর সংগ্রহ করতে পারব না।''' মাঝে মাঝে ভুল হতে পারে; সরকারের কর্মকর্তারা ভুল প্রতিরোধের জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করলেও কাজ ভুল হতে পারে। কিন্তু আমি আপনাদের অনুরোধ করি, এই মহান প্রজাতন্ত্রের নাগরিক হিসেবে, আপনারা আমাদের সামনে থাকা মহান কাজ থেকে আপনাদের মনকে বিচ্যুত হতে দেবেন না। '''এই সংগ্রাম আপনাদের বিচ্যুত হওয়ার জন্য খুব বড়।''' যখন আপনারা আপনাদের বাড়িতে ফিরে যাবেন, তখন মুক্ত সরকারের যোগ্য এক প্রজন্মের উচ্চতায় উঠে দাঁড়াবেন, এবং আমরা আমাদের শুরু করা মহান কাজ সম্পন্ন করব। আজ বিকেলে আপনারা আমাকে যে সম্মান দিয়েছেন তার জন্য আমি আপনাদের আমার আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।
**[[আব্রাহাম লিংকন|আব্রাহাম লিঙ্কন]], ওয়ান হান্ড্রেড সিক্সটি-ফোর্থ ওহাইও রেজিমেন্টের উদ্দেশ্যে ভাষণ (১৮ আগস্ট ১৮৬৪), ওয়াশিংটন, ডি.সি.তে প্রদত্ত।
*সামরিক নিয়োগকারীরা এবং উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা প্রায়ই এই কথাটি পুনরাবৃত্তি করতে পছন্দ করেন যে সশস্ত্র বাহিনীর গড় সদস্য গড় আমেরিকানদের চেয়ে বেশি শিক্ষিত। এটি সত্য। প্রতিরক্ষা দপ্তরের মতে, প্রায় ৯৪% তালিকাভুক্ত কর্মীর হাই-স্কুল ডিপ্লোমা রয়েছে, যেখানে মাত্র ৬০% আমেরিকানদের তা আছে। সাধারণ জনসংখ্যার ৩০% এর তুলনায় প্রায় ৮৩% অফিসারের স্নাতক ডিগ্রি রয়েছে।
**বেঞ্জামিন লাক্সেনবার্গ, [http://www.wsj.com/articles/military-officers-dont-need-college-degrees-1439249756 “মিলিটারি অফিসারস ডোন্ট নিড কলেজ ডিগ্রিস”] (১০ আগস্ট ২০১৫), ''ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল''
==এম==
[[চিত্র:US_Sons_OfLiberty_9Stripes_Flag.svg|থাম্ব|সংবিধানের প্রতি আমার কর্তব্য ও [[দায়িত্ব]] আছে, আমার আনুগত্য সেখানেই। আমি সংবিধানের প্রতিই [[শপথ]] নিয়েছি। আমাদের ইউনিফর্মে থাকা সবার একই শপথ। আমরা কোনো ব্যক্তি বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান ছাড়া অন্য কিছুর প্রতি শপথ নেই না।<br> আমাদের শপথ ও দায়িত্ব হলো সংবিধান রক্ষা ও প্রতিরক্ষা করা। এর অংশ হিসেবে আমাদের নির্বাচিত প্রতিনিধির যেকোনো [[আইনি]] [[বৈধ]] আদেশ মানতে হয়, তা আপনি পছন্দ করুন বা না করুন। আদেশগুলো বৈধ হলে তা মানা আমাদের [[দায়িত্ব]]। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যে, [[সামরিক বাহিনী]] হিসেবে আমরা আইন অনুযায়ী বৈধ আদেশ মানতে বাধ্য। ~ [[মার্ক মিলি]]]]
[[চিত্র:US_map_1864_Civil_War_divisions.svg|থাম্ব|আমার মনে হয় একজন সৈনিক এবং জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফের চেয়ারম্যান হিসেবে আমার মূল [[দায়িত্ব]] হলো দেশের বাইরে কাজ করা। অভ্যন্তরীণ কোনো বিষয় মূলত অভ্যন্তরীণ [[রাজনীতি]] বা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাজ, যদি না অন্য কোনো বিশেষ [[কারণ]] থাকে। ~ মার্ক মিলি]]
* তোমাদের [[পুত্র]] ও [[কন্যাদের]] আমেরিকান সৈনিকের শান্ত, সুচিন্তিত এবং দৃঢ় মনোবলের মাধ্যমে বিশ্বস্ততার সাথে সেবা করেছে। তাদের এই শক্তি মিথ্যা গল্পের ওপর ভিত্তি করে চলা শত্রুর গোঁড়ামিকে হারিয়ে আমাদের বিজয় এনে দিয়েছে। তারা বাড়ি ফিরছে, তাদের যত্ন নাও।
**ডগলাস ম্যাকআর্থার, [https://ussmissouri.org/learn-the-history/surrender/general-macarthurs-radio-address/ রেডিও ভাষণ] (২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫)।
* আমি ফিরে এসেছি। সর্বশক্তিমান [[ঈশ্বর|ঈশ্বরের]] কৃপায় আমাদের বাহিনী আবার দাঁড়িয়েছে।
**ডগলাস ম্যাকআর্থার, [https://www.youtube.com/watch?v=Wv1PF0tAE1s লেতে, ফিলিপাইনে অবতরণের সময়] (২০ অক্টোবর ১৯৪৪)
* <p>[[কোরীয় যুদ্ধ|কোরীয় যুদ্ধের]] রণক্ষেত্রে পুয়ের্তো রিকানরা ৬৫তম পদাতিক বাহিনীর র্যাঙ্কে যুদ্ধ করছে...</p><p>তারা যুদ্ধের ময়দানে সাফল্যের উজ্জ্বল নজির স্থাপন করছে। তাদের এই কমান্ডে পেয়ে আমি সত্যিই গর্বিত। আমি আশা করি তাদের মতো আরও অনেকে আমাদের সাথে থাকবে।</p>
**ডগলাস ম্যাকআর্থার, [http://www.valerosos.com/HonorandFidelity3.html#The_Korean_War:_1950 ১২ ফেব্রুয়ারি ১৯৫১ সালে টোকিওতে উদ্ধৃত]।
* আমি আবেগপ্রবণ হতে চাই না, তবে এখানে আমেরিকান সৈন্যদের সাথে থাকাটা আমার কাছে অনেক সম্মানের। আমি দেখেছি, আমেরিকান সৈন্যরা যেকোনো সামরিক মিশন সম্পন্ন করতে পারে। দক্ষিণ [[আফগানিস্তান]]ের কঠিন জায়গাতেও তারা কাজ করবে। তবে এখানে থেকে বোঝা যায় যে, সামরিক দিকটি পুরোপুরি সফল হলেও যুদ্ধের সাফল্যের জন্য এটি ২০% মাত্র। আসল কাজটা আফগান জনগণের। আমেরিকানরা জায়গাটা পরিষ্কার করে দেবে এবং তাদের কাজ করাটা সম্মানের। তারা কঠোর পরিশ্রম করছে, কিন্তু আফগানরা এগিয়ে আসবে কি না তার ওপরই নির্ভর করছে আমরা একে বিজয় বলতে পারি কি না।
**[[র্যাচেল ম্যাডো]], [http://rawstory.com/rawreplay/2010/07/06/maddow-afghanistan-counterinsurgency-deadline/ "আফগানিস্তান কাউন্টার-ইনসার্জেন্সি ডেডলাইন"] (৬ জুলাই ২০১০), ''র-স্টোরি''
* আমেরিকার স্থির নীতি হলো—যুদ্ধের চেয়ে শান্তি ভালো, আবার উপঢৌকন দেওয়ার চেয়ে যুদ্ধ ভালো। যুক্তরাষ্ট্র কোনো দেশের সাথে যুদ্ধ চায় না, কিন্তু শান্তির জন্য কারো কাছে মাথা নত করবে না।
**[[জেমস ম্যাডিসন]], ওলকট চন্সি এবং উইলিয়াম শ্যালারের কাছে লেখা চিঠি, ১৮১৫ সালের চুক্তি। এটি বারবারি যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটায় এবং জলদস্যু রাষ্ট্রগুলোকে উপঢৌকন দেওয়ার প্রথা বন্ধ করে। [http://books.google.com/books?id=YMwRAAAAYAAJ&pg=PA46| রবার্ট গ্রিনহোর "হিস্ট্রি অ্যান্ড প্রেজেন্ট কন্ডিশন অফ ত্রিপোলি", ১৮৩৫, পৃষ্ঠা ৪৬]-এ উদ্ধৃত।
* মন্টিজুমার হল থেকে ত্রিপোলির তীর পর্যন্ত!
আমরা আকাশ, স্থল ও সমুদ্রে আমাদের দেশের যুদ্ধ লড়ি!
সবার আগে লড়ি, অধিকার ও স্বাধীনতার জন্য!
**''মেরিনস হাইম''
* আমেরিকা জেগে ওঠো। আমরা আমাদের সামরিক বাহিনী ও দেশকে ভালোবাসি, কিন্তু আমরা ট্রাম্পকে ঘৃণা করি।
**মার্শাল বি. ম্যাথারস, [https://twitter.com/Eminem/status/917922469775925248 "দ্য স্টর্ম"] (অক্টোবর ২০১৭)
:'''জোশুয়া এল. চেম্বারলেইন''': এটি ভিন্ন ধরনের একটি সেনাবাহিনী। [[ইতিহাস]] দেখলে দেখবেন মানুষ বেতন, নারী বা লুটের জন্য যুদ্ধ করে। তারা ভূমি বা ক্ষমতার জন্য লড়ে, অথবা রাজা তাদের নেতৃত্ব দেয়, কিংবা শুধু হত্যা করতে পছন্দ করে বলে লড়ে। কিন্তু আমরা নতুন কিছুর জন্য এখানে। পৃথিবীতে এমন ঘটনা খুব কম ঘটেছে। আমরা অন্যদের মুক্ত করার জন্য একটি সেনাবাহিনী। আমেরিকার মাটি মুক্ত হওয়া উচিত—পুরোটা। দাস রাষ্ট্র বা মুক্ত রাষ্ট্রের বিভাজন থাকবে না, এপাশ থেকে প্রশান্ত মহাসাগর পর্যন্ত। কাউকে মাথা নত করতে হবে না। কেউ রাজবংশে জন্মায়নি। এখানে আমরা আপনার কাজ দিয়ে আপনাকে বিচার করি, আপনার বাবা কে তা দিয়ে নয়। এখানে আপনি কিছু হতে পারেন। এখানে ঘর গড়ার জায়গা আছে। এটা শুধু জমি নয়। জমি সবসময় আরও পাওয়া যায়। আসল কথা হলো, আমাদের সবার মূল্য আছে—আপনার এবং আমার। শেষ পর্যন্ত আমরা একে অপরের জন্য লড়ছি।
:*''গেটিসবার্গ'' (১৯৯৩), চিত্রনাট্য রোনাল্ড এফ. ম্যাক্সওয়েল
* মার্কিন সশস্ত্র বাহিনী একটি শক্ত পাথরের মতো। এটি কৌশলগত ও অপারেশনাল দিক থেকে আমাদের দেখা সবচেয়ে যোগ্য এবং চমৎকারভাবে নেতৃত্বাধীন সামরিক বাহিনী। যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হওয়ার কোনো কারণ নেই।
**ব্যারি ম্যাকক্যাফ্রে, [http://www.jerrypournelle.com/reports/jerryp/Iraqreport.html "দ্য বটম লাইন – অবজারভেশনস ফ্রম ইরাকি ফ্রিডম"] (৪ মে ২০০৬), ''কেয়স ম্যানর স্পেশাল রিপোর্টসে'' উদ্ধৃত।
* আমরা প্রথমে আমেরিকান, শেষে আমেরিকান, সবসময় আমেরিকান। আমাদের মতপার্থক্য নিয়ে তর্ক হোক। কিন্তু মনে রাখতে হবে আমরা শত্রু নই, বরং একটি বাস্তব শত্রুর বিরুদ্ধে লড়তে আমরা কমরেড। আমাদের সামরিক শ্রেষ্ঠত্বের সাথে আমাদের আদর্শ ও ভালোবাসার গভীরতা মিশে আছে। আমরা আমেরিকান, আমরা কখনোই আত্মসমর্পণ করব না। ''তারা'' করবে।
**[[জন ম্যাককেইন]], ''[http://www.gwu.edu/~action/2004/repconv04/mccain083004sp.html রিপাবলিকান ন্যাশনাল কনভেনশন]'' (৩০ আগস্ট ২০০৪)
* ভুল করবেন না: আমি কোনো অপরিচিত প্রবৃত্তি থেকে আমাদের সামরিক বাহিনীকে মূল্যায়ন করি না। আমি একটি সামরিক পরিবারে বড় হয়েছি, আমার নিজের সেবার রেকর্ড আছে এবং আমার পুরো ক্যারিয়ারে আমি সশস্ত্র বাহিনীর সাথে যুক্ত ছিলাম। আমেরিকান সিস্টেমে সামরিক বাহিনীর মূল্য কেবল তখনই থাকে যখন তা জনগণের স্বাধীনতা রক্ষা করে।
**[[জন ম্যাককেইন]], [[ডোনাল্ড ট্রাম্প|ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের করা মন্তব্য সম্পর্কে বিবৃতি। মন্তব্যটি ছিল মার্কিন সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন হুমায়ুন খানের পিতা খিজির ও গাজালা খানের সম্পর্কে, যিনি ২০০৪ সালে ইরাকে নিহত হন ([http://edition.cnn.com/2016/08/01/politics/john-mccain-statement-khan-family/index.html])।
* সকল কার্যকলাপ [[বর্ণবাদ|বর্ণবাদমুক্ত]] রাখা এবং সকল ইউনিফর্মধারী সদস্য ও বেসামরিক কর্মচারীদের বর্ণের নির্বিশেষে সমান সুযোগ প্রদান করা প্রতিরক্ষা দপ্তরের নীতি।
**রবার্ট ম্যাকনামারা, ''নির্দেশনা ৫১২০.৩৬'' (জুলাই ১৯৬৩)
* আফ্রিকান আমেরিকানরা আমেরিকার যুদ্ধে যোগ দিতে চেয়েছে। একবিংশ শতাব্দীতেও আমেরিকান সামরিক বাহিনীর শক্তি বজায় রাখার জন্য আফ্রিকান-আমেরিকান সংস্কৃতির ব্যক্তিগত ও সামরিক সম্মানবোধ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
**ওয়াল্টার রাসেল মিড, [https://drive.google.com/file/d/0B-5-JeCa2Z7hZmU2ZTg0OTktYTRlNC00NzA2LThlOWItYzg5ODU4NTViYTE0/view?pref=2&pli=1 "দ্য জ্যাকসোনিয়ান ট্র্যাডিশন অ্যান্ড আমেরিকান ফরেন পলিসি"] (ডিসেম্বর ১৯৯৯), ''দ্য ন্যাশনাল ইন্টারেস্ট'', পৃষ্ঠা ১৫
* আমেরিকান সামরিক বাহিনী আগের চেয়ে অনেক শক্তিশালী। আমাদের অস্ত্রগুলো অনেক বেশি স্মার্ট এবং কার্যকর। আমাদের পেশাদার সেনাবাহিনী মানব ইতিহাসের সবচেয়ে কার্যকর বাহিনী হয়ে উঠেছে। অপ্রতিসম যুদ্ধের ক্ষেত্রে আমাদের ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে। কৌশলের অভাব থাকলে শুধু সামরিক শক্তি দিয়ে জয় সম্ভব নয়। কিন্তু হাই-টেক অস্ত্র, উন্নত প্রশিক্ষণ এবং গত বিশ বছরে অর্জিত সাংস্কৃতিক, কূটনৈতিক ও মানবিক দক্ষতা আমাদের সামরিক ক্ষমতাকে অপ্রতিদ্বন্দ্বী করে তুলেছে। এই শক্তি কোনো জাদুর বড়ি নয় যে সবকিছু সম্ভব, তবে তৃতীয় বিশ্বের কোনো স্বৈরশাসক এখন আর প্রচলিত অস্ত্র দিয়ে মার্কিন হস্তক্ষেপ ঠেকাতে পারবে না। প্রথম উপসাগরীয় যুদ্ধে মার্কিন সামরিক বাহিনী সাদ্দামের বাহিনীকে মাছি মারার মতো দমন করেছিল। দ্বিতীয় যুদ্ধে আমাদের প্রচলিত শ্রেষ্ঠত্ব আরও বেশি ছিল।
**ওয়াল্টার রাসেল মিড, [https://web.archive.org/web/20111023223930/http://blogs.the-american-interest.com/wrm/2011/10/20/farewell-to-the-great-loon/ "ফেয়ারওয়েল টু দ্য গ্রেট লুন"] (২০ অক্টোবর ২০১১), ''দ্য আমেরিকান ইন্টারেস্ট''
* আক্রমণাত্মক বাস্তবতা অনুযায়ী, যখন [[ইউরোপ|ইউরোপে]] এমন কোনো সম্ভাব্য শক্তি উদয় হয় যা স্থানীয় শক্তিগুলো দমন করতে পারে না, তখন যুক্তরাষ্ট্র তার সেনাবাহিনী [[আটলান্টিক মহাসাগর|আটলান্টিক]] পার করে পাঠাবে।
** [[জন মিয়ারশাইমার]], ''দ্য ট্র্যাজেডি অফ গ্রেট পাওয়ার পলিটিকস'' (২০০১)।
* '''মিলি''': আমার [[কর্তব্য]] ও [[দায়িত্ব]] সংবিধানের প্রতি, আমার [[আনুগত্য]] সেখানেই। আমি সংবিধানের শপথ নিয়েছি। আমাদের ইউনিফর্মে থাকা সবাই তাই করে। আমরা কোনো [[ব্যক্তি]] বা অন্য কিছুর শপথ নিই না, কেবল [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান]]ের শপথ নিই। আমাদের দায়িত্ব ও শপথ হলো সংবিধান রক্ষা করা। আমাদের নির্বাচিত প্রতিনিধির যেকোনো [[আইনি]] আদেশ মানতে আমরা বাধ্য, তা আপনি পছন্দ করুন বা না করুন। আদেশগুলো আইনসম্মত হলে তা পালন করা আমাদের [[দায়িত্ব]]। আমরা আইন অনুযায়ী বৈধ আদেশ মানতে বাধ্য।
** [[মার্ক মিলি]], মেরি লুইস কেলি ও এরিকা রায়ানের সাক্ষাৎকার; [https://www.npr.org/2023/10/02/1202971562/mark-milley-donald-trump-military-army-constitution "'দ্য মিলিটারি হ্যাজ নো রোল' ইন পলিটিকস, সেজ রিটায়ারিং চেয়ার অফ দ্য জয়েন্ট চিফস”], অল থিংস কনসিডারড, ''এনপিআর'', (২ অক্টোবর, ২০২৩)
* '''কেলি''': অবসরপ্রাপ্ত [[যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনী|এয়ার ফোর্স]] জেনারেল ও সিআইএর প্রাক্তন পরিচালক মাইকেল হেডেন জানতে চেয়েছেন: "আমরা কি ঠিক আছি?" তার প্রশ্ন ছিল, [[চীন]] বা [[রাশিয়া]] নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্র নিজেই তার জাতীয় নিরাপত্তার জন্য সবচেয়ে বড় [[হুমকি]]। জেনারেল মিলি, আপনি কী ভাবেন?
: '''মিলি''': একজন [[সৈনিক]] এবং [[জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফ]]ের চেয়ারম্যান হিসেবে আমার প্রাথমিক [[দায়িত্ব]] দেশের বাইরে। অভ্যন্তরীণ যেকোনো বিষয় মূলত [[রাজনীতি]] বা [[আইন প্রয়োগকারী সংস্থার]] কাজ, যদি না অন্য কোনো বিশেষ [[কারণ]] থাকে।
:* [[মার্ক মিলি]], মেরি লুইস কেলি ও এরিকা রায়ানের সাক্ষাৎকার; [https://www.npr.org/2023/10/02/1202971562/mark-milley-donald-trump-military-army-constitution "'দ্য মিলিটারি হ্যাজ নো রোল' ইন পলিটিকস, সেজ রিটায়ারিং চেয়ার অফ দ্য জয়েন্ট চিফস”], অল থিংস কনসিডারড, ''এনপিআর'', (২ অক্টোবর, ২০২৩)
* বিশ্বের ইতিহাসে আমেরিকান সৈনিকের মতো অন্য কেউ অপরিচিত মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তির জন্য এত ত্যাগ স্বীকার করেনি। আমাদের সৈনিকরা শুধু বিদেশে স্বাধীনতা দেয় না, দেশেও তা রক্ষা করে।
**[[জেল মিলার|জেল মিলার]], [https://web.archive.org/web/20141126130444/http://www.cbsnews.com:80/news/text-of-zell-millers-rnc-speech/ রিপাবলিকান ন্যাশনাল কনভেনশনে ভাষণ] (২০০৪)
* আমি মনে করি সব যোগ্য পুরুষ ও নারীর ড্রাফটে নাম নিবন্ধন করা উচিত।
**[[মার্ক মিলি|মার্ক মিলি]], [http://www.npr.org/sections/thetwo-way/2016/02/03/465404486/army-marine-corps-generals-say-women-should-have-to-register-for-the-draft সেনেট আর্মড সার্ভিসেস কমিটির শুনানি] (ফেব্রুয়ারি ২০১৬)
* <p>আজকের আর্মি মেজররা শুধু [[সন্ত্রাসবাদ|সন্ত্রাসবাদী]] ও [[গেরিলা যুদ্ধ|গেরিলাদের]] বিরুদ্ধে লড়াই জানে, কারণ তারা [[১১ সেপ্টেম্বর হামলা|৯/১১]]ের পর আর্মিতে এসেছে।</p><p>তবে উচ্চপর্যায়ের হুমকির ক্ষেত্রে গত ১৫ বছরে আমাদের দক্ষতা কমে গেছে।</p>
**মার্ক মিলি, [http://www.nytimes.com/2016/05/16/world/africa/army-milley-africa-terrorism-land-war.html?ribbon-ad-idx=5&rref=world/africa সাক্ষাৎকার] (২০১৬)
* [[নৌবাহিনী|নৌবাহিনীতে]], আপনি [[সাত সমুদ্র|সাত সমুদ্র]] পাড়ি দিতে পারেন!
নৌবাহিনীতে, আপনি নিশ্চিন্তে থাকতে পারেন!
এখন সবাই এগিয়ে আসুন! নৌবাহিনীতে, নৌবাহিনীতে।
বুঝতে পারছেন না, আমাদের সাহায্য প্রয়োজন?
নৌবাহিনীতে! [[মাতৃভূমি|মাতৃভূমি]] রক্ষা করতে এগিয়ে আসুন। নৌবাহিনীতে!
**[https://www.youtube.com/watch?v=InBXu-iY7cw "ইন দ্য নেভি"] (১৭ জানুয়ারি ১৯৭৯), লিখেছেন জ্যাক মোরালি ও ভিক্টর উইলিস, ''গো ওয়েস্ট'' (১৯৭৯), কাসাব্লাঙ্কা রেকর্ডস। গেয়েছেন [[দ্য ভিলেজ পিপল|দ্য ভিলেজ পিপল]]।
* যুদ্ধের পর আমেরিকান সামরিক বিতর্ক ছিল কোন বাহিনী দেশের প্রধান রক্ষক হবে। [[যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী বিমান বাহিনী|আর্মি এয়ার ফোর্সেস]] (১৯৪৭ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর আলাদা সার্ভিস, ইউএসএএফ হিসেবে তৈরি) দাবি করেছিল যে তাদের [[স্ট্র্যাটেজিক এয়ার কমান্ড|স্ট্র্যাটেজিক এয়ার কমান্ড]], বি-২৯ এবং পারমাণবিক বোমা দিয়ে দেশকে রক্ষা করতে পারবে। নৌবাহিনী দাবি করে যে ক্যারিয়ার এয়ার পাওয়ার যুদ্ধ জিতেছে এবং ভবিষ্যতেও সেরা থাকবে। মার্কিন মাটিতে বিমান প্রতিরক্ষা ইউনিটের নিয়ন্ত্রণ কার থাকবে তা নিয়েও বিতর্ক ছিল।
১৯৪৭ সালের ২৬ জুলাই [[জাতীয় নিরাপত্তা আইন ১৯৪৭|জাতীয় নিরাপত্তা আইন]] পাস হয়, যা "আর্মড ফোর্সেস অফ দ্য ইউনাইটেড স্টেটস" গঠন করে এবং সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনীকে প্রতিরক্ষা দপ্তরের অধীনে আনে। তাত্ত্বিকভাবে, এর উদ্দেশ্য ছিল বাহিনীর মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানো। বাস্তবে, বাহিনীগুলোর মধ্যে ঝগড়া চলত। বিমান বাহিনীকে বিমান প্রতিরক্ষা ইউনিটের কৌশলগত কমান্ড দেওয়া হয়েছিল, আর সেনাবাহিনী ইউনিটগুলোর প্রশিক্ষণ ও সরঞ্জামের দায়িত্ব নেয়। ১৯৪৯ সাল নাগাদ টেক্সাসের ফোর্ট ব্লিসের অ্যান্টি-এয়ারক্রাফট আর্টিলারি স্কুলে মাত্র একটি রেগুলার আর্মি অ্যান্টি-এয়ারক্রাফট ইউনিট সক্রিয় ছিল। তিনটি ঘটনা মহাদেশীয় বিমান প্রতিরক্ষার প্রশ্নকে সামনে আনে এবং কোন বাহিনী কী সরবরাহ করবে তা নির্ধারণ করতে বাধ্য করে।
**মার্ক এল. মরগান, মার্ক এ. বেরহো, [https://books.google.com/books?isbn=0615120121 “রিংস অফ সুপারসনিক স্টিল: এয়ার ডিফেন্সেস অফ দ্য ইউনাইটেড স্টেটস আর্মি ১৯৫০-১৯৭৯”], (২০০২), পৃষ্ঠা ৪।
* সরকার বলপ্রয়োগ, প্রতারণা এবং ধোঁকাবাজির মাধ্যমে শাসন করে। সামরিক বাহিনী নিজেই তথ্যের অবরোধ শুরু করে। তারা উদ্দেশ্যমূলকভাবে তথ্য গোপন করে। তাদের বিশাল আকার ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে রাজনৈতিক নেতারা এই প্রতিষ্ঠানকে বুঝতে পারেন না।
এর প্রমাণ? জিএও ২০১৬ সালের রিপোর্টটি পড়ুন। তারা সামরিক বাহিনী কত তেল পোড়ায় তা বের করতে পারেনি। জিএও সিদ্ধান্তে বলে: "কংগ্রেস জানে না সামরিক বাহিনী বার্ষিক কত জ্বালানি ব্যবহার করে..."
এটি অবাক হওয়ার মতো নয়। ১৯৫০ সালের পর থেকে আধুনিক সামরিক বাহিনী সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১, সেকশন ৯ লঙ্ঘন করে ব্যয়ের হিসাব দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছে। ২০১৮ সালে পেন্টাগন প্রথমবারের মতো অডিটে ব্যর্থ হয়। শুধু ৬.৫ ট্রিলিয়ন ডলার নিখোঁজ হওয়ার বিষয় নয়, তাদের অস্বচ্ছ হিসাবরক্ষণ ব্যবস্থা একটি প্রতিরক্ষামূলক অস্ত্র, যা সরকারি কর্মকাণ্ডের বিরোধিতা বা বোঝার চেষ্টাকারীদের থামিয়ে দেয়।
**[https://www.counterpunch.org/2019/06/14/the-climate-counter-offensive-secrecy-deception-and-disarming-the-green-new-deal/ দ্য ক্লাইমেট কাউন্টার-অফেনসিভ: সিক্রেসি, ডিসেপশন অ্যান্ড ডিজআর্মিং দ্য গ্রিন নিউ ডিল, রিচার্ড মোসার, ''কাউন্টারপাঞ্চ''] (১৪ জুন, ২০১৯)
* একটি বড় ও নোংরা গোপন তথ্য হলো—যুদ্ধ [[বৈশ্বিক উষ্ণায়ন|জলবায়ু পরিবর্তন]] বাড়ায়। সামরিক বাহিনী এ বিষয়ে সচেতন। সব গোপন রাখতে সামরিক বাহিনীকে দায়বদ্ধতা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এটি [[আইনের শাসন|আইনের শাসন]]ের ব্যতিক্রম। জি.ডব্লিউ. বুশ ১৯৯৭ সালের [[কিউটো প্রোটোকল|কিউটো অ্যাকর্ডস]]ে এই অব্যাহতি দাবি করেন, যদিও তিনি পরে তা স্বাক্ষর করেননি।
সামরিক বাহিনীর গ্রিনহাউস গ্যাস হিসাবের বাইরে রয়েছে ১৩০টি দেশে ১,০০০টির বেশি ঘাঁটি, যুক্তরাষ্ট্রের ৬,০০০ স্থাপনা, [[বিমানবাহী রণতরী|বিমানবাহী রণতরী]] এবং [[জেট বিমান|জেট বিমান]]। অস্ত্রের পরীক্ষা এবং ন্যাটো ও [[আফ্রিকোম|আফ্রিকোম]]ের মতো বিশাল সামরিক জোটের কার্যক্রমও এর বাইরে। জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা এবং মানবিক ত্রাণ কার্যক্রমও অব্যাহতি পায়।
**[[সারা ফ্লাউন্ডার্স|সারা ফ্লাউন্ডার্স]] উদ্ধৃত: [https://www.counterpunch.org/2019/06/14/the-climate-counter-offensive-secrecy-deception-and-disarming-the-green-new-deal/ দ্য ক্লাইমেট কাউন্টার-অফেনসিভ: সিক্রেসি, ডিসেপশন অ্যান্ড ডিজআর্মিং দ্য গ্রিন নিউ ডিল, রিচার্ড মোসার, ''কাউন্টারপাঞ্চ''] (১৪ জুন, ২০১৯)
* সেনাবাহিনীতে যে কর্মকর্তাকে [[কাপুরুষতা]] বা [[বিশ্বাসঘাতকতা]]র জন্য বরখাস্ত করা হয়, সে নিজেকে [[ডেমোক্রেটিক পার্টি (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)|ডেমোক্র্যাট]] বলে।
** [[অলিভার পি. মর্টন|অলিভার হ্যাজার্ড পেরি মর্টন]], ইন্ডিয়ানার ১৪তম গভর্নর, ইন্ডিয়ানাপলিসের Masonic Hall-এ ইউনিয়ন মাস মিটিং-এ বক্তৃতা (২০ জুন ১৮৬৬): [https://books.google.com/books?id=1-d9AAAAMAAJ&printsec=frontcover&dq=%22Treason+Exposed:+Record+of+the+Disloyal+Democracy%22&hl=en&sa=X&ved=0ahUKEwisi5WmtMrLAhUCOz4KHUcHCEcQ6AEIHDAA#v=onepage&q=%22Treason%20Exposed%3A%20Record%20of%20the%20Disloyal%20Democracy%22&f=false ''ট্রেজন এক্সপোজড: রেকর্ড অফ দ্য ডিসলয়াল ডেমোক্রেসি''] (১৮৬৬), রিপাবলিকান পার্টি (ইন্ড.) স্টেট সেন্ট্রাল কমিটি, পৃষ্ঠা ৩।
==এন==
* আমেরিকান সৈন্য [[ইসরায়েল|ইসরায়েলে]] পাঠানোর দরকার নেই, আমরা নিজেরাই নিজেদের [[রক্ষা|রক্ষা]] করি।
**[[বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু]], [http://www.c-span.org/video/?299666-1/israeli-prime-minister-netanyahu-address-joint-meeting-congress মার্কিন কংগ্রেসে যৌথ সভায় ভাষণ] (২৪ মে ২০১১)
* আমেরিকায় ইতিহাসের সবচেয়ে [[সুশৃঙ্খল]] ও [[মানবিক]] সামরিক বাহিনী রয়েছে। লুটতরাজে অভ্যস্ত প্রাচীন সেনাবাহিনী বা আধুনিক সময়ের নির্বিচারে বেসামরিক ও বন্দি হত্যাকারী বাহিনীর তুলনায় এটি অনেক সংযত।
**[[নিউজউইক|নিউজউইক]], [http://www.msnbc.msn.com/id/13124487/site/newsweek/ ''এমএসএনবিসি''] (১২ জুন ২০০৬)
* আমরা বিশ্বাস করি [[কালো মানুষ|কালো মানুষদের]] এমন কোনো [[বর্ণবাদী]] [[সরকার|সরকারকে]] রক্ষা করতে সামরিক বাহিনীতে [[যুদ্ধ|যুদ্ধ]] করতে বাধ্য করা উচিত নয়, যারা আমাদের [[সুরক্ষা|সুরক্ষা]] দেয় না। আমরা বিশ্বের অন্য কোনো বর্ণের মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব না, যারা আমেরিকার এই বর্ণবাদী সরকারের শিকারে পরিণত হচ্ছে। আমরা পুলিশ ও সামরিক বাহিনীর সহিংসতা থেকে [[যেকোনো মূল্যে|যেকোনো মূল্যে]] নিজেদের রক্ষা করব।
**[[হিউ নিউটন]], "ব্ল্যাক প্যান্থার পার্টি প্ল্যাটফর্ম, প্রোগ্রাম অ্যান্ড রুলস" (১৯৬৬), ''দ্য হিউ পি. নিউটন রিডারে'', পৃষ্ঠা ৫৬।
* [[ইসলামিক স্টেট|ইসলামিক স্টেট]]ের বিরুদ্ধে যুদ্ধের শেষ দিনগুলোতে সিরিয়ার বাঘুজ নামক স্থানে যখন খেলাফতের যোদ্ধারা কোণঠাসা, তখন মার্কিন সামরিক ড্রোনের নজর ছিল সেদিকে। সেখানে একটি নদীর তীরে অনেক নারী ও শিশু জড়ো হয়েছিল। কোনো সতর্কতা ছাড়াই আমেরিকান এফ-১৫ই অ্যাটাক জেট তাদের ওপর ৫০০ পাউন্ডের বোমা ফেলে। ধোঁয়া সরলে যারা বেঁচে ছিল, তাদের ওপর আবার ২০০০ পাউন্ডের বোমা ফেলা হয়। একজন লিগ্যাল অফিসার এটিকে [[যুদ্ধাপরাধ|যুদ্ধাপরাধ]] হিসেবে চিহ্নিত করে তদন্তের দাবি জানান। কিন্তু সামরিক বাহিনী পুরো ঘটনাটি গোপন করে। মৃতের সংখ্যা কমিয়ে দেখানো হয়। রিপোর্টগুলো বিলম্বিত, কাটাছেঁড়া এবং শ্রেণীবদ্ধ করা হয়। প্রতিরক্ষা দপ্তরের পরিদর্শক তদন্ত শুরু করলেও রিপোর্ট থেকে হামলার উল্লেখ সরিয়ে ফেলা হয়। মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটের বাহিনী ঘটনাস্থল বুলডোজার দিয়ে মাটির সাথে মিশিয়ে দেয়। পরের দিন বেসামরিক পর্যবেক্ষকরা সেখানে নারী ও শিশুদের মৃতদেহের স্তূপ খুঁজে পান।
**[https://www.nytimes.com/2021/11/13/us/us-airstrikes-civilian-deaths.html হাও দ্য ইউ.এস. হিড অ্যান এয়ারস্ট্রাইক দ্যাট কিলড ডজনস অফ সিভিলিয়ানস ইন সিরিয়া, ডেভ ফিলিপস ও এরিক শ্মিট ''নিউ ইয়র্ক টাইমস''] (১৩ নভেম্বর ২০২১)
==ও==
*যেখানেই [[অবিচার]], [[দমন]] এবং [[দুঃখ-কষ্ট]] থাকে, আমেরিকা সেখানে ছয় মাস দেরিতে উপস্থিত হয় এবং তার পাশের [[দেশ|দেশে]] [[বোমা]] ফেলে।
**[[পি. জে. ও'রোর্ক]], ''পিস কিলস: আমেরিকাস ফান নিউ ইম্পেরিয়ালিজম'' (২০০৪)।
*<p>[[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র]] পৃথিবীর সবচেয়ে [[শক্তিশালী]] [[জাতি]]। এটি একটি অমোঘ সত্য। অন্য আটটি দেশের সম্মিলিত সামরিক খরচের চেয়েও আমরা বেশি ব্যয় করি। আমাদের সৈন্যরা বিশ্বের ইতিহাসের সেরা যুদ্ধশক্তি। কোনো জাতি আমাদের বা আমাদের মিত্রদের আক্রমণ করতে সাহস করে না, কারণ তারা জানে এটি ধ্বংসের পথ। জরিপ বলছে বিশ্বজুড়ে আমাদের অবস্থান বেশ উঁচুতে...</p><p>সব গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ইস্যুতে বিশ্বের মানুষ [[বেইজিং]] বা [[মস্কো]]র দিকে তাকায় না; তারা আমাদের ডাকে...</p><p>যখন আপনারা আমেরিকানদের পেছনে লাগবেন, তখন আমরা আপনাদের পেছনে লাগব। সময় লাগতে পারে, কিন্তু আমাদের স্মৃতিশক্তি খুব দীর্ঘ এবং আমাদের পৌঁছানোর ক্ষমতার কোনো সীমা নেই।</p>
**[[বারাক ওবামা|বারাক এইচ. ওবামা ২য়]], [https://medium.com/@WhiteHouse/president-obama-s-2016-state-of-the-union-address-7c06300f9726#.flsvqkay9 স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন ভাষণ] (১২ জানুয়ারি ২০১৬)।
*এই পুরো প্রক্রিয়া চলাকালে [[মিশেল ওবামা|মিশেল]] এবং আমি শুধু আপনাদের মুখপাত্র ছিলাম। আমরা টিভির পর্দায় বা [[মাইক্রোফোন|মাইক্রোফোনের]] সামনে মুখ বা কণ্ঠস্বর ছিলাম, কিন্তু এটি আমাদের জন্য ছিল না। এটি সবসময় আপনাদের জন্য ছিল। '''গত ১০ বছরে যা কিছু ঘটেছে তা আপনাদের কাজের প্রমাণ। আমরা যখন আমাদের অসাধারণ সামরিক বাহিনী ও ইউনিফর্মধারী নারী-পুরুষদের কথা বলি, তখন সামরিক বাহিনী কোনো বস্তু নয়। এটি নিবেদিতপ্রাণ দেশপ্রেমিকদের একটি দল, যারা আমাদের জন্য সবকিছু ত্যাগ করতে প্রস্তুত। এর সদস্যরা আছে বলেই এটি কার্যকর। যন্ত্রপাতি বা হার্ডওয়্যার যেমনই হোক—আমাদের কাছে ভালো হার্ডওয়্যার আছে—তা মেশিন, অস্ত্র বা স্যাটেলাইট যাই হোক না কেন, শেষ পর্যন্ত সব অসাধারণ মানুষের ওপর নির্ভর করে।'''
**[[বারাক ওবামা]], ২০ জানুয়ারি ২০১৭ তারিখে মেরিল্যান্ডের জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুসে তার স্টাফ সদস্যদের বিদায় জানিয়ে দেওয়া বক্তব্য। সূত্র: [http://edition.cnn.com/2017/01/20/politics/barack-obama-remarks/ ওবামার দায়িত্ব ছাড়ার পরের বক্তব্য: সিএনএন দ্বারা প্রকাশিত পূর্ণাঙ্গ পাঠ্য, ২০ জানুয়ারি ২০১৭।]
==পি==
*[[আমেরিকা]] পৃথিবীর সবচেয়ে [[নৈতিক]] [[জাতি]]। এটি [[নৈতিক]] নীতির ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। সামরিক শক্তি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় আমাদের অবশ্যই নৈতিক নীতি প্রয়োগ করতে হবে।
**[[রন পল]], [http://www.house.gov/paul/congrec/congrec2002/cr090402.htm মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে ভাষণ] (৪ সেপ্টেম্বর ২০০২), ওয়াশিংটন, ডি.সি.
*আমি একজন [[মার্কিন মেরিন কোর|মেরিন]]। দেশপ্রেম দেখানোর জন্য আমার [[গাড়ি|গাড়িতে]] ছোট [[পতাকা|পতাকা]] ওড়ানোর প্রয়োজন নেই।
**জোশ রে পারসন, [https://books.google.com/books?id=Phvvf-niiWUC&pg=PT68&lpg=PT68&dq=generation+kill+where+stars+and+stripes+and+eagles&source=bl&ots=lEypFHHqaL&sig=AMRhfTBqzBEnsPiju0YSgkuLd-8&hl=en&sa=X&ved=0ahUKEwiSu8rP3LfLAhWFXR4KHUb-BDAQ6AEIIjAB#v=onepage&q=generation%20kill%20where%20stars%20and%20stripes%20and%20eagles&f=false ''জেনারেশন কিল''] (২০০৩), ইভান রাইট, পৃষ্ঠা ৬৮-এ উদ্ধৃত।
*যুক্তরাষ্ট্র নিয়ে অনেক সমালোচনা আছে, কিন্তু একটি বিষয়ে কেউ যুক্তরাষ্ট্রকে সমালোচনা করে না। কেউ মনে করে না যে [[ইরাক|ইরাকে]] হামলা চালানোর পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের [[জমি]], [[পানি]] বা [[তেল]] লাভের কোনো উদ্দেশ্য ছিল। আমেরিকা সম্পদের কোনো লোভ করে না। [[২০শ শতাব্দী|বিংশ শতাব্দীতে]], '''আমেরিকান ছেলেরা দুটি বিশ্বযুদ্ধে লড়েছে, অনেকে প্রাণ হারিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ জিতেছে, জমি পেয়েছে, কিন্তু তারা তার প্রতিটি টুকরো ফিরিয়ে দিয়েছে। বিজয়ের পর আমেরিকা নিজের জন্য কিছু রাখেনি। আপনারা [[জাপান|জাপানকে]] ফিরিয়ে দিয়েছেন—একটি উন্নত জাপান, আপনারা [[জার্মানি|জার্মানি]] ফিরিয়ে দিয়েছেন—একটি উন্নত জার্মানি''', আপনারা [[মার্শাল পরিকল্পনা|মার্শাল প্ল্যান]]ের কথা শুনেছেন। আজ, আমি মনে করি না পৃথিবীতে কোনো বিবেকবান মানুষ আছেন যিনি মনে করেন ইরাক যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো স্বার্থপর বা বস্তুবাদী উদ্দেশ্য আছে। এই হামলার কারণ হলো, আপনি বিশ্বকে অরাজক হতে দিতে পারেন না। কিছু মানুষ আমাদের জীবনের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এসে বিনা কারণে নারী, শিশু এবং নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করছে। আমি মনে করি পুরো বিশ্ব ভাগ্যবান যে যুক্তরাষ্ট্রের মতো একটি দেশ আছে, যাদের এই নতুন বিপদ মোকাবিলা করার ইচ্ছা এবং শক্তি আছে।
**[[শাইমন পেরেজ]], [http://www.iop.harvard.edu/events_forum_archive_2004.html ভাষণ] (২০ অক্টোবর ২০০৪)।
*আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর র্যাঙ্কে [[সাহস|সাহস]]ের অভাব নেই, কিন্তু আমাদের গোয়েন্দা সংস্থা এবং উচ্চপর্যায়ের সামরিক কমান্ডে [[আমলাতান্ত্রিক]] [[কাপুরুষতা]] বিদ্যমান।
**[[রালফ পিটারস]], ''বিয়ন্ড টেরর: স্ট্র্যাটেজি ইন এ চেঞ্জিং ওয়ার্ল্ড'' (২০০২), পৃষ্ঠা ১৯৬।
*[[আব্রাহাম লিংকন|তিনি]] কিসের স্মৃতিস্তম্ভ তা বলেননি। আমি নিশ্চিত, তিনি এটিকে '''[[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সেনাবাহিনী|আমাদের সৈনিকদের]] আনুগত্যের স্মৃতিস্তম্ভ''' হিসেবে রেখে যেতে চেয়েছিলেন, যারা [[পতাকা|পতাকা]] ও [[উচ্ছেদবাদ|আদর্শ]] ত্যাগ করার চেয়ে লিবির সব ভয়াবহতা সহ্য করাকে শ্রেয় মনে করেছিল।
**[[ডেভিড ডিক্সন পোর্টার]], [https://archive.org/details/incidentsanecdot00portiala ''ইনসিডেন্টস অ্যান্ড অ্যানেকডোটস অফ দ্য সিভিল ওয়ার''] (১৮৮৫), পৃষ্ঠা ২৯৯।
*আমি আমাদের [[পতাকা|পতাকা]], [[সংবিধান|সংবিধান]] এবং [[দেশ|দেশকে]] সীমাহীন [[ভালোবাসা|ভালোবাসা]] দিয়ে ভালোবাসি। একজন [[সৈনিক]] হিসেবে ৩৫ বছর ধরে আমি এই তিনটির প্রতিরক্ষা করেছি এবং প্রয়োজনে জীবন দিতে প্রস্তুত ছিলাম।
**[[কলিন পাওয়েল]], [https://www.aclu.org/free-speech/letter-colin-powell প্যাট্রিক লেহিকে লেখা চিঠি] (১৮ মে ১৯৯৯)।
*আমি মনে করি [[যুক্তরাষ্ট্র|আমরা]] 'গ্রেট শয়তান' নই, বরং আমরা 'মহা রক্ষাকর্তা'। গত এক শতাব্দী ধরে আমরা [[দমন|দমন]] ঠেকাতে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর নারী-পুরুষদের পাঠিয়েছি। আমরা [[ফ্যাসিবাদ|ফ্যাসিবাদ]] ও [[কমিউনিজম|কমিউনিজম]] পরাজিত করেছি। আমরা [[প্রথম বিশ্বযুদ্ধ|প্রথম]] ও [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে]] [[ইউরোপ|ইউরোপকে]] বাঁচিয়েছি। আমরা তা করতে ইচ্ছুক ও আনন্দিত ছিলাম। আমরা [[কোরীয় যুদ্ধ|কোরিয়ায়]] গিয়েছি, [[ভিয়েতনাম যুদ্ধ|ভিয়েতনামে]] গিয়েছি। সব মানুষের অধিকার রক্ষার স্বার্থে। যুদ্ধ শেষে আমরা কী করেছি? আমরা কি দখলদার হিসেবে থেকে গেছি? আমরা কি বলেছি, 'আমরা [[জার্মানি|জার্মানি]]কে হারিয়েছি, এখন জার্মানি আমাদের'? বা '[[জাপান|জাপান]] হারিয়েছি, এখন তা আমাদের'? না। আমরা কী করেছি? আমরা তাদের গড়ে তুলেছি। আমরা তাদের [[গণতন্ত্র|গণতান্ত্রিক]] ব্যবস্থা দিয়েছি যা তারা মন থেকে গ্রহণ করেছে। আমরা কি কোনো জমি চেয়েছি? না। আমরা কেবল আমাদের মৃতদের সমাহিত করার মতো জমিটুকু চেয়েছি, আমরা এমন একটি জাতি।
**[[কলিন পাওয়েল]], [https://web.archive.org/web/20020220234413/http://www.cnn.com/2002/ALLPOLITICS/02/15/powell.mtv/index.html ''এমটিভি গ্লোবাল ডিসকাশন''] (১৪ ফেব্রুয়ারি ২০০২)।
*শাসক শ্রেণি এবং সেইসব [[বিলিয়নিয়ার|বিলিয়নিয়াররা]] যারা মানুষের কষ্টের ওপর লাভ করে, তারা শুধু তাদের সম্পদ বাড়ানো এবং বিশ্ব অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণের কথা ভাবে। ... তাদের ক্ষমতা কেবল আমাদের বোঝানোর ক্ষমতার মধ্যে সীমাবদ্ধ যে যুদ্ধ, দমন এবং শোষণ আমাদের স্বার্থে। তারা বোঝে যে তাদের সম্পদ শ্রমজীবী মানুষকে অন্য দেশের বাজার নিয়ন্ত্রণের জন্য মারা যেতে রাজি করানোর ওপর নির্ভরশীল।
**প্রাক্তন সৈনিক [[মাইকেল প্রিসনার]], "আওয়ার রিয়েল এনিমিজ," ২১ ডিসেম্বর, ২০১১।
*আমি [[ইরাক|ইরাকে]] পরিবারগুলোকে রাস্তা থেকে বের করে দিয়েছি, শুধু দেশে ফিরে এসে দেখেছি এই দেশেও একই ঘটনা ঘটছে। এটি দুঃখজনক এবং অপ্রয়োজনীয় [[মহাবন্দা|ফোরক্লোজার সংকট]]। আমাদের সচেতন হতে হবে যে আমাদের আসল শত্রু সুদূর কোনো দেশে নয়। তারা এমন মানুষ নয় যাদের নাম আমরা জানি না বা যাদের সংস্কৃতি আমরা বুঝি না। শত্রু হলো সেই সিস্টেম যা লাভজনক হলে যুদ্ধ করে। শত্রু হলো সেই [[সিইও|সিইওরা]] যারা লাভজনক হলে আমাদের চাকরি থেকে ছাঁটাই করে। শত্রু হলো সেই [[বীমা|বীমা]] কোম্পানি যারা লাভজনক হলে আমাদের [[স্বাস্থ্যসেবা|স্বাস্থ্যসেবা]] দিতে অস্বীকার করে। শত্রু হলো সেই ব্যাংকগুলো যারা লাভজনক হলে আমাদের বাড়ি দখল করে। আমাদের শত্রু ৫ হাজার মাইল দূরে নয়, তারা আমাদের নিজেদের ঘরেই আছে।
**প্রাক্তন সৈনিক [[মাইকেল প্রিসনার]], "আওয়ার রিয়েল এনিমিজ," ২১ ডিসেম্বর, ২০১১।
==আর==
*যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা নীতি একটি সহজ ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত: যুক্তরাষ্ট্র [[যুদ্ধ|যুদ্ধ]] শুরু করে না। আমরা কখনো [[আগ্রাসী|আগ্রাসী]] হব না। আমরা আগ্রাসন ঠেকাতে ও [[সুরক্ষা|সুরক্ষা]] দিতে আমাদের [[শক্তি|শক্তি]] বজায় রাখি—যাতে [[স্বাধীনতা|স্বাধীনতা]] ও [[শান্তি|শান্তি]] বজায় থাকে।
**[[রোনাল্ড রেগান]], [http://www.cnn.com/SPECIALS/cold.war/episodes/22/documents/starwars.speech/ ভাষণ]।
*আমেরিকানরা তাদের সামরিক সক্ষমতার ওপর যে আস্থা রাখে তা অস্বাভাবিক। ১৫ বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্র সামান্য অস্ত্রধারী কয়েকজন [[তালিবান|তালিবানকে]] হারাতে পারেনি, ১৩ বছর ধরে ইরাক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে। রাশিয়া বা চীনরাশিয়া কৌশলগত জোটের মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে এটি আশাব্যঞ্জক নয়। ৬০ বছর আগে [[কোরীয় যুদ্ধ|কোরিয়াতে]] যুক্তরাষ্ট্র চীনকেও হারাতে পারেনি। আমেরিকানদের বোঝা উচিত যে "তাদের" সরকার হয়তো যুক্তরাষ্ট্র ও পুরো ইউরোপকে [[পারমাণবিক ধ্বংসযজ্ঞ|বাষ্পীভূত]] করতে চলেছে। রাশিয়ান অস্ত্র ব্যবস্থা আমেরিকানদের চেয়ে অনেক উন্নত। আমেরিকান অস্ত্র ব্যক্তিগত কোম্পানিগুলো লাভের জন্য তৈরি করে। অস্ত্রের সক্ষমতা মূল বিষয় নয়। মার্কিন অস্ত্রের দাম আকাশচুম্বী, যার কারণ অন্তহীন খরচ।
**[[পল ক্রেইগ রবার্টস]], [http://www.informationclearinghouse.info/article44761.htm ''আওয়ার প্রসপেক্টস অ্যাগেইনস্ট দ্য রাশিয়ানস অ্যান্ড চাইনিজ ইন ডাব্লিউডাব্লিউ৩, ইনফরমেশন ক্লিয়ারিং হাউস''] (২৮ মে ২০১৬)।
*বিশ্ব হয়তো মার্কিন সামরিক-নিরাপত্তা কমপ্লেক্সের লোভের কারণে [[ধ্বংস|ধ্বংসের]] দিকে যাচ্ছে। ওবামা প্রশাসন [[শীতল যুদ্ধ|শীতল যুদ্ধ]] ফিরিয়ে এনেছে, যা একটি বিশ্বাসযোগ্য "শত্রু" তৈরি করেছে। "[[রাশিয়ান|রাশিয়ান]] হুমকি" ব্যবহার করে আমেরিকান করদাতাদের অর্থ, [[কল্যাণমূলক রাষ্ট্র|সামাজিক সেবা]] এবং [[অর্থনীতি|অর্থনীতি]] রক্তশূন্য করা হচ্ছে, যাতে [[অস্ত্র|অস্ত্র]] নির্মাতারা লাভবান হয়। 'নতুন শীতল যুদ্ধ'-এর সময় ওয়াশিংটনের যুক্তি ও পদক্ষেপ আসল [[শীতল যুদ্ধ|শীতল যুদ্ধ]]ের চেয়ে অনেক বেশি বিপজ্জনক ও বেপরোয়া।
**[[পল ক্রেইগ রবার্টস]], [http://www.informationclearinghouse.info/article44761.htm ''আওয়ার প্রসপেক্টস অ্যাগেইনস্ট দ্য রাশিয়ানস অ্যান্ড চাইনিজ ইন ডাব্লিউডাব্লিউ৩, ইনফরমেশন ক্লিয়ারিং হাউস''] (২৮ মে ২০১৬)।
*প্রথম যুদ্ধটি—[[আমেরিকান বিপ্লব|স্বাধীনতার যুদ্ধ]]—ছাড়াও আমেরিকার সব যুদ্ধ ছিল [[সাম্রাজ্য|সাম্রাজ্যের]] জন্য। [[মেমোরিয়াল ডে|মেমোরিয়াল ডে]]তে বিপদের সময় সেবা দেওয়া সাহসী নারী-পুরুষদের নিয়ে ভাষণ শোনার সময় এই সত্যটি মনে রাখবেন। যুক্তরাষ্ট্র কখনো বিপদে ছিল না, কিন্তু ওয়াশিংটন অন্যের ওপর [[আধিপত্য|আধিপত্য]] বিস্তারের জন্য অনেক দেশে বিপদ বয়ে এনেছে।
**[[পল ক্রেইগ রবার্টস]], [http://www.informationclearinghouse.info/article44761.htm ''আওয়ার প্রসপেক্টস অ্যাগেইনস্ট দ্য রাশিয়ানস অ্যান্ড চাইনিজ ইন ডাব্লিউডাব্লিউ৩, ইনফরমেশন ক্লিয়ারিং হাউস''] (২৮ মে ২০১৬)।
*আজ প্রথমবারের মতো ওয়াশিংটনের রাশিয়া ও চীনের ওপর [[আধিপত্য|আধিপত্য]] বিস্তারের চেষ্টার ফলে যুক্তরাষ্ট্র বিপদের মুখে। রাশিয়া ও চীন ওয়াশিংটনের [[অহংকার|অহংকার]] ও [[মূর্খতা|মূর্খতা]]তে প্রভাবিত নয়। তারা আমেরিকার আদিবাসী [[প্লেইন ইন্ডিয়ানস|প্লেইন ইন্ডিয়ানস]] নয়, যারা [[ইউনিয়ন সেনাবাহিনী|ইউনিয়ন আর্মির]] হাতে [[মহিষ|মহিষ]] হত্যার মাধ্যমে ক্ষুধার্ত হয়ে আত্মসমর্পণ করেছিল। আমেরিকানরা সেলফি ও সামরিক শ্রেষ্ঠত্বের বিভ্রমে ব্যস্ত, কিন্তু তাদের উন্মাদ সরকার রাশিয়া ও চীনের সাথে ঝগড়া বাঁধিয়েছে। তাদের কোনো ভবিষ্যৎ নেই।
**[[পল ক্রেইগ রবার্টস]], [http://www.informationclearinghouse.info/article44761.htm ''আওয়ার প্রসপেক্টস অ্যাগেইনস্ট দ্য রাশিয়ানস অ্যান্ড চাইনিজ ইন ডাব্লিউডাব্লিউ৩, ইনফরমেশন ক্লিয়ারিং হাউস''] (২৮ মে ২০১৬)।
*[[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সশস্ত্র বাহিনী|আমাদের সামরিক বাহিনীর]] শাখার নেতারা অবিলম্বে রাষ্ট্রপতির কথার প্রতিবাদ জানিয়েছেন। কেন? কারণ সমস্ত [[জাতি|জাতির]] [[পুরুষ|পুরুষ]] ও [[নারী|নারী]] সমন্বয়ে গঠিত আমাদের বাহিনীর [[মনোবল|মনোবল]] ও প্রতিশ্রুতি বিপদের মুখে পড়তে পারে।
**[[মিট রমনি]], [https://www.facebook.com/mittromney/posts/10154652303536121 ফেসবুক বিবৃতি] (১৮ আগস্ট ২০১৭)।
*শান্তির নিশ্চয়তা পেতে বিদেশে আমাদের সম্মান পাওয়ার জন্য একটি দক্ষ সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনী প্রয়োজন। আমার প্রগতিশীল সহনাগরিকদের সাবধান করছি। আমি চাই তারা আমাদের [[আন্তর্জাতিক সম্পর্ক|আন্তর্জাতিক সম্পর্ক]] নিয়ে আগ্রহী থাকুক; এবং আঙ্কেল স্যামের বিদেশের স্বার্থের কথা মনে রাখুক। ন্যায়বিচার ও ন্যায্য আচরণ ব্যক্তিগত সম্পর্কের মতোই আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য, শুধু একটি পার্থক্য হলো প্রতিটি জাতিকে আন্তর্জাতিক পুলিশি কাজ করতে হয়। যদি এখানে ঝামেলায় পড়েন, তবে পুলিশ ডাকতে পারেন; কিন্তু আঙ্কেল স্যাম যদি ঝামেলায় পড়েন, তবে তাকে নিজেই [[পুলিশ|পুলিশম্যান]] হতে হবে। আমি তাকে যথেষ্ট শক্তিশালী দেখতে চাই, যাতে সে অন্যদের শান্তির আকাঙ্ক্ষাকে উৎসাহিত করতে পারে। আমি জাতীয় বন্ধুত্ব ও সদিচ্ছায় বিশ্বাস করি, তবে বন্ধুত্ব হতে হবে শ্রদ্ধা ও বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে। আমি এমন কোনো আমেরিকানকে ঘৃণা করি যে অন্য জাতির সাথে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে আমেরিকার সরকার যেন ন্যায়পরায়ণ হয় তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করে না। আমি কোনো দুর্বল শক্তির ওপর অবিচার করতে চাই না, আর কোনো শক্তিশালী শক্তির কাছ থেকে অন্যায় মুখ বুজে সহ্য করলে আমি চিরকাল মাথা নিচু করে থাকব।
**[[থিওডোর রুজভেল্ট]], [https://obamawhitehouse.archives.gov/blog/2011/12/06/archives-president-teddy-roosevelts-new-nationalism-speech ওসাওয়াটোমি ভাষণ], (৩১ আগস্ট ১৯১০)।
*যুক্তরাষ্ট্র যখন বিশ্বের [[সবচেয়ে শক্তিশালী|সবচেয়ে শক্তিশালী]] সামরিক শক্তি, তখন এই [[বিশ্ব|বিশ্ব]] একটি [[নিরাপদ|নিরাপদ]] এবং [[ভালো|ভালো]] জায়গা।
**[[মার্কো রুবিও]], [http://insider.foxnews.com/2015/11/10/marco-rubio-and-rand-paul-clash-national-security-fox-business-gop-debate ''মার্কো রুবিও অ্যান্ড র্যান্ড পল ক্ল্যাশ''] (১০ নভেম্বর ২০১৫) শিরোনামের ফক্সনিউজ ইনসাইডারে উদ্ধৃত। [[২০১৬ রিপাবলিকান বিতর্ক, মিলওয়াকি|২০১৬ রিপাবলিকান বিতর্কের]] সময় বলা হয়েছে।
==এস==
*২০১৯ সালে মার্কিন সামরিক ব্যয় ছিল ৭৩২ বিলিয়ন ডলার, যা [[চীন]]ের ২৬১ বিলিয়ন ডলারের প্রায় তিন গুণ। যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৮০০টি বিদেশী সামরিক ঘাঁটি রয়েছে, যেখানে [[চীন]]ের মাত্র একটি (জিবুতিতে একটি ছোট নৌঘাঁটি)। চীনের কাছাকাছি যুক্তরাষ্ট্রের অনেক সামরিক ঘাঁটি থাকলেও যুক্তরাষ্ট্রের কাছাকাছি চীনের কোনো ঘাঁটি নেই। যুক্তরাষ্ট্রের ৫,৮০০টি [[পারমাণবিক অস্ত্র|পারমাণবিক ওয়ারহেড]] আছে; চীনের আছে প্রায় ৩২০টি। যুক্তরাষ্ট্রের ১১টি [[বিমানবাহী রণতরী|বিমানবাহী রণতরী]] আছে; চীনের আছে একটি। গত ৪০ বছরে যুক্তরাষ্ট্র অনেক বিদেশী যুদ্ধ শুরু করেছে; চীন একটিও করেনি (যদিও সীমান্তে ছোটখাটো সংঘর্ষের জন্য তাদের সমালোচনা করা হয়েছে, যেমনটি সম্প্রতি [[ভারত|ভারতের]] সাথে হয়েছে, তবে তা যুদ্ধের পর্যায়ে পৌঁছায়নি)।
**[[জেফরি স্যাকস]], [https://www.project-syndicate.org/commentary/america-evangelical-crusade-against-china-by-jeffrey-d-sachs-2020-08 আমেরিকার আনহোলি ক্রুসেড অ্যাগেইনস্ট চায়না], [[প্রজেক্ট সিন্ডিকেট|''প্রজেক্ট সিন্ডিকেট'']], (৫ আগস্ট ২০২০)
*[[ওমান উপসাগর|ওমান উপসাগরে]] তেলবাহী ট্যাঙ্কারে হামলা অগ্রহণযোগ্য এবং এর পূর্ণ তদন্ত হওয়া উচিত... তবে এই ঘটনাকে [[ইরান|ইরানের]] সাথে যুদ্ধের অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না। এমন যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্র, ইরান, অঞ্চল এবং বিশ্বের জন্য এক চরম বিপর্যয় ডেকে আনবে... এখন সময় যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক নেতৃত্ব দেখানোর... এবং ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা কমাতে আঞ্চলিক দেশগুলোকে নিয়ে কূটনৈতিক সমাধান খোঁজার... আমি [[ডোনাল্ড ট্রাম্প|প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে]] মনে করিয়ে দিতে চাই যে ইরানের সাথে যুদ্ধের জন্য কংগ্রেসের কোনো অনুমোদন নেই... যুক্তরাষ্ট্রের একতরফা আক্রমণ অবৈধ ও অসাংবিধানিক হবে।
**[[বার্নি স্যান্ডার্স]], [https://www.commondreams.org/news/2019/06/14/trump-must-not-be-allowed-use-gulf-oman-incidents-pretext-illegal-war-iran-bernie ''ট্রাম্প মাস্ট নট বি অ্যালাউড টু ইউজ গালফ অফ ওমান ইনসিডেন্টস অ্যাজ 'প্রিটেক্সট ফর ইললিগাল ওয়ার উইথ ইরান': বার্নি স্যান্ডার্স, কমন ড্রিমস'', আন্দ্রেয়া জার্মানস,] (১৪ জুন ২০১৯)
*[[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বৈদেশিক নীতি|জাতীয় নিরাপত্তা নীতির]] ক্ষেত্রে, যুক্তরাষ্ট্র কয়েক দশক ধরে একটি ধারাবাহিক ও অতি-সামরিকায়িত পথে হাঁটছে। ব্যাপকভাবে দেখলে, [[১১ সেপ্টেম্বর হামলা|৯/১১]] থেকে বর্তমান পর্যন্ত "জাতীয় নিরাপত্তা" এবং "[[সন্ত্রাসবাদ দমন|সন্ত্রাসবাদ দমন]]" বিষয়ে মার্কিন নীতি অনেকাংশে একই রয়ে গেছে।... [[জো বাইডেন|বাইডেন]]ের অধীনে সাম্রাজ্যবাদী ধারায় কোনো বড় পরিবর্তন আসবে না। ড্রোন যুদ্ধ অব্যাহত থাকবে এবং [[ইউরোপ]] ও [[এশিয়া]]তে শীতল যুদ্ধের আবহ ত্বরান্বিত হবে। বাইডেন [[ল্যাটিন আমেরিকা|ল্যাটিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয়]] অঞ্চলের [[বামপন্থী রাজনীতি|বামপন্থী আন্দোলন ও সরকারের]] প্রতি বৈরী অবস্থান বজায় রাখবেন। জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষেত্রে বাইডেন ট্রাম্পের কিছু চরম অবস্থান পরিবর্তন করলেও, তিনি পৃথিবীর স্বাস্থ্যের চেয়ে [[বহুজাতিক কর্পোরেশন|বড় কর্পোরেশন]] ও সামরিক শিল্পের মুনাফাকে প্রাধান্য দেবেন। সীমানা সামরিকীকরণ ও [[শরণার্থী|শরণার্থীদের]] প্রতি দুর্ব্যবহার অব্যাহত থাকবে এবং বিশাল অভ্যন্তরীণ [[নজরদারি|নজরদারি]] ব্যবস্থা বজায় থাকবে। কঠোর সত্য হলো: ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকানদের রাজনৈতিক বিরোধের চেয়ে 'ওয়ার পার্টি'র স্বার্থই বড়।
**[[জেরেমি স্কাহিল]], [https://theintercept.com/2021/11/21/america-militarism-foreign-policy-bush-obama-trump-biden/ দ্য ওয়ার পার্টি, ফ্রম বুশ টু ওবামা, অ্যান্ড ট্রাম্প টু বাইডেন, ইউ.এস. মিলিটারিজম ইজ দ্য গ্রেট ইউনিফায়ার, ''দ্য ইন্টারসেপ্ট''] (২১ নভেম্বর ২০২১)
*[[কন্টিনেন্টাল আর্মি|কন্টিনেন্টাল আর্মি]] একীভূতকরণের যে পর্যায়ে পৌঁছেছিল, তা আর ২০০ বছরে অর্জিত হয়নি।
**রবার্ট এ. সেলিগ, [https://web.archive.org/web/20141201041830/http://www.americanrevolution.org/blk.php "দ্য রেভল্যুশনস ব্ল্যাক সোলজারস"], ''আমেরিকান রেভল্যুশন''
:'''ন্যাথানিয়েল ফিক''': তোমরা লজিস্টিকস চাও? সেনাবাহিনীতে যোগ দাও। মেরিনরা নিজেদের ব্যবস্থা নিজেরাই করে নেয়।
:*"স্ক্রুবি" (২০০৮), ডেভিড সাইমন ও এড বার্নস কর্তৃক লিখিত, ''[[জেনারেশন কিল]]'', হোম বক্স অফিস
*[[অপারেশন এন্ডুরিং ফ্রিডম|অপারেশন এন্ডুরিং ফ্রিডম]] (ওএফ) এবং [[অপারেশন ইরাকি ফ্রিডম|অপারেশন ইরাকি ফ্রিডম]] (ওআইএফ) শুরুর পর থেকে, [[যুদ্ধ|যুদ্ধে]] অংশ নেওয়া [[সামরিক|সামরিক]] কর্মীদের আত্মহত্যার হার সাধারণ জনসংখ্যার সমান (কাং ও বুলম্যান, ২০০৮) এবং সম্ভবত তার বেশি হয়ে গেছে।
** এডওয়ার্ড এ. সেলবি, মাইকেল ডি. আনেস্টিস, থিওডোর ডব্লিউ. বেন্ডার, জেসিকা ডি. রিবেইরো, ম্যাথিউ কে. নক, এম. ডেভিড রুড, ক্রেইগ জে. ব্রায়ান, ইনগ্রিড সি. লিম, মন্টি টি. বেকার, পিটার এম. গুটিয়েরেজ এবং থমাস ই. জয়নার, জুনিয়র; [https://www.ncbi.nlm.nih.gov/pmc/articles/PMC2834834/ “ওভারকামিং দ্য ফিয়ার অফ লিথাল ইনজুরি: ইভালুয়েটিং সুইসাইডাল বিহেভিয়র ইন দ্য মিলিটারি থ্রু দ্য লেন্স অফ দ্য ইন্টারপারসোনাল-সাইকোলজিক্যাল থিওরি অফ সুইসাইড”], ''ক্লিন সাইকোল রেভ'', ২০১০ এপ্রিল; ৩০(৩): ২৯৮–৩০৭।
*নিগ্রোদের অবশ্যই [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সশস্ত্র বাহিনী|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেবায় সৈনিক হিসেবে]] তালিকাভুক্ত হতে উৎসাহিত করতে হবে, যাতে তারা নিজেদের [[স্বাধীনতা|স্বাধীনতা]] বজায় রাখতে এবং [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের]] নাগরিক হিসেবে তাদের অধিকার সুরক্ষিত করতে অবদান রাখতে পারে।
**[[উইলিয়াম টিকুমসেহ শেরম্যান]], [http://teachingamericanhistory.org/library/document/forty-acres-and-a-mule-special-field-order-no-15/ "স্পেশাল ফিল্ড অর্ডার নং ১৫"] (১৬ জানুয়ারি ১৮৬৫), ''হেডকোয়ার্টারস মিলিটারি ডিভিশন অফ দ্য মিসিসিপি, ইন দ্য ফিল্ড'', সাভানা, জর্জিয়া।
*বেসামরিক [[আমেরিকান|আমেরিকানদের]] বুঝতে হবে যে নাগরিক অধিকারের সবচেয়ে বড় বিজয়গুলো [[মার্কিন মেরিন কোর|মেরিন]] এবং মার্কিন সামরিক বাহিনী অর্জন করেছে, যা আমাদের জাতীয় জীবনের সবচেয়ে সফলভাবে সমন্বিত খাত। কেন? কোনো জাতিগত রেফারেন্স ও বৈষম্য নেই। আমি প্রথমবার আফ্রিকান-আমেরিকান বা ল্যাটিনোদের সাথে একই কোয়ার্টারে ঘুমিয়েছি—বা তাদের কাছ থেকে আদেশ নিয়েছি—তা মেরিন কোরে প্রাইভেট হিসেবে কাজ করার সময়। হ্যাঁ, আমেরিকার সত্যিই আরও মেরিন মূল্যবোধ ও প্রভাব প্রয়োজন।
**[[মার্ক শিল্ডস|মার্ক শিল্ডস]], [https://web-beta.archive.org/web/20100726132218/http://www.creators.com:80/liberal/mark-shields/america-needs-more-marine-corps-values.html "আমেরিকা নিডস মোর মেরিন কোর ভ্যালুস"] (২০১০), ''ক্রিয়েটরস.কম''
*<p>আমার [[শৈশব|শৈশবে]] [[সেনাবাহিনী|সেনাবাহিনীর]] প্রতি মুগ্ধতা ছিল...</p><p>দুর্বলদের পাশে দাঁড়ানো এবং অসহায়দের রক্ষা করার শিখ ধারণা শিখ মানসিকতার মূলে রয়েছে, এবং এই আদর্শগুলোই মার্কিন সেনাবাহিনী ধারণ করে।</p>
**সিমরাতপাল সিং, [http://edition.cnn.com/2016/04/04/us/sikh-army-captain-simratpal-singh-beard-turban/index.html?iid=ob_lockedrail_topeditorial&iref=obinsite "শিখ আর্মি ক্যাপ্টেন অ্যালাউড টু ওয়্যার বিয়ার্ড অ্যান্ড টারবান ইন ইউনিফর্ম"] (৫ এপ্রিল ২০১৬)-এ উদ্ধৃত, নাদিন শাকার, ''সিএনএন'', জর্জিয়া অঙ্গরাজ্য: কেবল নিউজ নেটওয়ার্ক।
*[[আজ|আজকের]] সৈনিক এবং গণতন্ত্রের জন্য শহীদরা আমেরিকান মুক্তিদাতাদের দীর্ঘ ঐতিহ্যে একটি বিশিষ্ট স্থান দখল করে আছে, যা আমেরিকান বিপ্লব থেকে অপারেশন এন্ডুরিং ফ্রিডম ও ইরাকি ফ্রিডম পর্যন্ত বিস্তৃত। [[আমেরিকান গৃহযুদ্ধ|গৃহযুদ্ধ]] এই উত্তরাধিকারের একটি স্পর্শপাথর। একাডেমিক ইতিহাসবিদরা লেখেন যে এটি ছিল সেকশনালিজম, [[অর্থনীতি|অর্থনীতি]] বা [[রাজনীতি|রাজনীতি]] নিয়ে। এগুলো এর কারণ হতে পারে, কিন্তু [[আব্রাহাম লিংকন|আব্রাহাম লিংকন]] জানতেন এর মূলে কী ছিল। সংঘর্ষের আগে তার দ্বিতীয় উদ্বোধনী ভাষণে তিনি বলেছিলেন, [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দাসপ্রথা|দাসপ্রথা]] 'একটি অদ্ভুত ও শক্তিশালী স্বার্থ তৈরি করেছিল। সবাই জানত যে এই স্বার্থই কোনোভাবে যুদ্ধের কারণ'। '''[[ইউনিয়ন (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)|ইউনিয়ন]] সৈনিকরা ইউনিয়ন রক্ষায় লড়েছিল, কিন্তু [[দাসপ্রথা|মানবিক দাসত্ব]] বন্ধ করতেও লড়েছিল'''।
**[[জোসেফ মরিসন স্কেলি|জোসেফ এম. স্কেলি]], [https://web.archive.org/web/20070524182018/http://article.nationalreview.com/?q=ZjcwZTYwYmFmMGRlZTA1ZTc4ZTRkOGJkZDExMjBmNzM= "দ্য ডেমোক্রেটিক ফলেন: লেট আস অনার দোজ হু হ্যাভ ডিফেন্ডেড আওয়ার রাইট টু সেলফ-গভর্নমেন্ট উইথ দেয়ার লাস্ট ব্রেথস"] (১৮ মে ২০০৭), ''ন্যাশনাল রিভিউ অনলাইন''
*আমেরিকান হিসেবে আমরা ক্রমবর্ধমান বিভ্রান্তি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছি যা আমাদের দেশের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ফেলছে।
**[[মার্গারেট চেজ স্মিথ]], [http://static1.squarespace.com/static/55ae7dc3e4b0627b56f10b3e/t/56d5ad5d4d088e0ea4775a94/1456844125625/Declaration+of+Conscience.pdf ''ডিক্লারেশন অফ কনসায়েন্স''] (১ জুন ১৯৫০)
==টি==
*গল্পটি শুরু হয় ১৮ মার্চ, ২০১৯ সালে, [[কাতার|কাতারের]] [[আল উদেইদ বিমান ঘাঁটি|আল উদেইদে]] একটি বড় বিমান বাহিনীর যুদ্ধ অপারেশন সেন্টারে। এটি দেখতে অনেকটা [[নাসা|নাসার]] মিশন কমান্ডের মতো। ব্যাংক ভর্তি কম্পিউটার, বড় পর্দা, সবাই [[ইসলামিক স্টেট|ইসলামিক স্টেটের]] বিরুদ্ধে বিমান যুদ্ধ দেখছে... এই দিনে, কমান্ড সেন্টারের অনেকেই ওপর দিয়ে উড়ে যাওয়া একটি ড্রোন দেখছিল। তারা দেখছিল গাড়ি এবং অস্থায়ী তাঁবুর জঞ্জালে ভরা একটি মাঠ, যা ছিল সপ্তাহের যুদ্ধের অবশিষ্টাংশ। সেখানে অনেক মানুষও ছিল। ড্রোনটি নদীর ধারে বালুর বাঁধের কাছে আশ্রয় নেওয়া একদল নারী ও শিশুর ওপর ফোকাস করে। ড্রোনটি কয়েক মিনিট সেখানে ঘুরেছে, ক্যামেরাগুলো তাদের ওপর ফোকাস করে ছিল, হয় ঘুমানোর জন্য অথবা আসন্ন যুদ্ধের হাত থেকে বাঁচতে। অপারেশন সেন্টারের লোকেরা শান্তভাবে এটি দেখছিল, তখন হঠাৎ... একটি আমেরিকান [[এফ-১৫|এফ-১৫]] অ্যাটাক জেট এসে এই নারী ও শিশুদের দলটির ওপর একটি বড় বোমা ফেলে... তাদের প্রায় সবাইকে হত্যা করে।
**[[ডেভিড ফিলিপস|ডেভ ফিলিপস]] উদ্ধৃত: [https://www.nytimes.com/2021/11/15/podcasts/the-daily/us-airstrike-casualties-isis.html?showTranscript=1 হাউ দ্য ইউ.এস. হিড আ ডেডলি এয়ারস্ট্রাইক], সাবরিনা টাভার্নিজ কর্তৃক, ''নিউ ইয়র্ক টাইমস'', ১৫ নভেম্বর ২০২১।
*কখন একটি লক্ষ্যে আঘাত করা যাবে তার নিয়ম আছে। অনেক সময় যারা সিদ্ধান্ত নেয় সেই নিয়মগুলো মানা হচ্ছে কি না, তারা কোনো কমান্ড সেন্টারে থাকে। তারা সব যাচাই করে অনুমতি দেয়। কিন্তু আপনি যদি বলেন যে আপনি আসন্ন হুমকির মুখে আছেন এবং নিজেকে রক্ষা করতে হবে, তবে খুব দ্রুত সেই নজরদারি এড়ানো যায়। [[যুদ্ধের আইন|যুদ্ধের আইন]] অনুযায়ী, এটি সবসময় অনুমোদিত। এটি টাস্ক ফোর্সকে সব অফিসার, নজরদারি এবং নিয়মকানুন জানা আইনজীবীদের এড়িয়ে সরাসরি বিমানের সাথে কথা বলার সুযোগ দেয়। তাই, কেউ তাদের প্রশ্ন করার আগেই তারা যা খুশি আঘাত করতে পারত... কিন্তু অপারেশন সেন্টারের লোকেরা দেখছিল যে টাস্ক ফোর্স ৯ প্রায় সব সময়ই এই অজুহাত ব্যবহার করছে।
**[[ডেভিড ফিলিপস|ডেভ ফিলিপস]] উদ্ধৃত: [https://www.nytimes.com/2021/11/15/podcasts/the-daily/us-airstrike-casualties-isis.html?showTranscript=1 হাউ দ্য ইউ.এস. হিড আ ডেডলি এয়ারস্ট্রাইক], সাবরিনা টাভার্নিজ কর্তৃক, ''নিউ ইয়র্ক টাইমস'', ১৫ নভেম্বর ২০২১।
*আমি মনে করি সামরিক বাহিনীতে এমন মানুষ আছে যারা জবাবদিহিতা চায় এবং এর জন্য কঠোর পরিশ্রম করেছে। কিন্তু তারা যে সিস্টেম তৈরি করেছে তা এতই ত্রুটিপূর্ণ যে এটি আসলে কতজন বেসামরিক নাগরিক মারা গেছে তা সম্পর্কে অর্থপূর্ণ কিছু বলতে পারে না। ভেবে দেখুন। এটি এমন একটি ঘটনা যেখানে ৭০ জন নিহত হয়েছিল। একটি হাই ডেফিনিশন রঙিন ড্রোন ক্যামেরার সামনে তারা মারা গিয়েছিল, যা অনেক সামরিক লোক দেখেছিল। এটি অবিলম্বে রিপোর্ট করা হয়েছিল এবং বারবার জানানো হয়েছিল। সিস্টেমটি কোনো যৌক্তিক উপায়ে সাড়া দিতে অক্ষম ছিল। সিস্টেম যদি এতটা স্পষ্ট কিছু সামলাতে না পারে, তবে এটি কী সামলাতে পারে?
**উদ্ধৃত: [https://www.nytimes.com/2021/11/15/podcasts/the-daily/us-airstrike-casualties-isis.html?showTranscript=1 হাউ দ্য ইউ.এস. হিড আ ডেডলি এয়ারস্ট্রাইক], সাবরিনা টাভার্নিজ কর্তৃক, ''নিউ ইয়র্ক টাইমস'', ১৫ নভেম্বর ২০২১।
*আমার মতে, যেকোনো আক্রমণ প্রতিহত করার জন্য আমাদের যথেষ্ট বড় সশস্ত্র বাহিনী থাকা প্রয়োজন। ভবিষ্যতের সম্ভাব্য আক্রমণকারীরা যদি আমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের সরঞ্জাম তৈরি করে, তবে আমাদের দ্রুততর হতে হবে। আমরা কি স্বেচ্ছায় তালিকাভুক্তির মাধ্যমে বাধ্য না করে স্থায়ীভাবে আমাদের [[মার্কিন নৌবাহিনী|নৌবাহিনী]] এবং সাত লাখ ৫০ হাজার সৈন্য ও ১২ লাখ ৫০ হাজার রিজার্ভ সৈন্য বজায় রাখতে পারি? স্থায়ী নীতি হিসেবে এই প্রশ্নের উত্তর নিজেরাই পরিষ্কার। এটি কেবল পরিষেবাকে যথেষ্ট আকর্ষণীয় করার বিষয়। আমরা ধরে নিচ্ছি যে সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়া একটি ত্যাগ; এটি যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে অপ্রীতিকর পেশা, যা প্রতিটি ছেলে সহজাতভাবে এড়িয়ে চলে। তা মোটেও হওয়া উচিত নয়। যুদ্ধের সময় সেনাবাহিনী বিপজ্জনক; কিন্তু আমরা যদি পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নিই তবে আমরা যুদ্ধে থাকব না। সেনাবাহিনী মূলত একটি শান্তিকালীন, অত্যন্ত বিশেষায়িত পেশা, যেখানে বিপদের সম্ভাবনা কম। অভিজ্ঞতা দেখায় যে বিপদের সম্ভাবনা আছে বলে মানুষ কোনো পেশা এড়িয়ে চলে না। অনেক বিপজ্জনক বেসামরিক পেশা আছে—হাই-টেনশন তার নিয়ে কাজ, টানেল নির্মাণ, কয়লা খনি—সেসব পেশায় আগ্রহীর অভাব হয় না। সেনাবাহিনীর অনেক সুবিধা আছে—দায়িত্বহীন এক পরিচ্ছন্ন ও নিয়মিত জীবন, শৃঙ্খলা ও আদেশের আকর্ষণ যা কিছু মানুষকে টানে এবং অন্যদের খুব বেশি কষ্ট দেয়। মাসে ২১ ডলারে স্বেচ্ছাসেবক হওয়ার মতো পেশা খুব কম, তবুও আজ আমরা মাসে পঁচিশ হাজারের বেশি মানুষকে তালিকাভুক্ত করছি। জুলাই মাসে আমরা ত্রিশ হাজারের বেশি তালিকাভুক্ত করেছি। স্বেচ্ছাসেবী তালিকাভুক্তি পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়নি। পর্যাপ্ত বেতন ও তিন বছরের তালিকাভুক্তি সত্ত্বেও, এটি যা চাওয়া হয়েছে তা অর্জন করেছে। এখন পর্যন্ত [[মার্কিন কংগ্রেস|কংগ্রেস]] এমনকি বলেনি যে একটি বড় সেনাবাহিনী প্রয়োজন। আমরা এমন একটি সেনাবাহিনী সরবরাহ না করার জন্য তালিকাভুক্তি সিস্টেমকে দোষ দিতে পারি না যা আমরা অনুমোদিত করিনি। [[হ্যারি এস. ট্রুম্যান|প্রেসিডেন্ট]] তালিকাভুক্তির জন্য কোনো আবেদন করেননি। নিশ্চিতভাবে প্রেসিডেন্টের নেতৃত্বে এবং স্বেচ্ছাসেবী ভিত্তিতে সংগঠিত একটি সাধারণ প্রচারণা পাঁচ লাখ মানুষ নিশ্চিত করতে পারে যদি প্রয়োজন হয়। অনেক লাখ মানুষ বেকার।
**[[রবার্ট এ. ট্যাফট]], স্টাথিস, এস. ডব্লিউ. ২০০৯-এ উদ্ধৃত। বার্ক-ওয়াডসওয়ার্থ বিল (সিলেক্টিভ ট্রেনিং অ্যান্ড সার্ভিস অ্যাক্ট অফ ১৯৪০) ∗ ১৯৪০ ∗। ইন: ২০০৯। ''ল্যান্ডমার্ক ডিবেটস ইন কংগ্রেস: ফ্রম দ্য ডিক্লারেশন অফ ইন্ডিপেন্ডেন্স টু দ্য ওয়ার ইন ইরাক'', ওয়াশিংটন, ডিসি: সিকিউ প্রেস। পৃষ্ঠা ৩২৭-৩৩৬।
*একজন বিদেশির কাছে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তি একটি সংজ্ঞায়িত জাতীয় বৈশিষ্ট্য।
**জর্ডান জি. টেইচার, [https://www.washingtonpost.com/news/in-sight/wp/2015/10/09/everyday-life-as-an-jrotc-cadet/?utm_term=.50afc770c709 "এভরিডে লাইফ অ্যাজ এন জেআরওটিসি ক্যাডেট"] (৯ অক্টোবর ২০১৫), ''দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট''
*বর্তমান মার্কিন সেনাবাহিনী এবং মেরিন কোরের শক্তি যথাক্রমে প্রায় ৫,১০,০০০ এবং ১,৮০,০০০। এছাড়াও, প্রায় ৮,০০,০০০ ন্যাশনাল গার্ড এবং রিজার্ভ সৈন্য আছে। এই সংখ্যাগুলো বোঝালেও যে যুক্তরাষ্ট্রের মোট ১৫ লাখ স্থল সৈন্য আছে, যুক্তরাষ্ট্রের অনেক প্রতিশ্রুতি যেকোনো একক সামরিক ইভেন্টের জন্য শক্তি সীমিত করে। প্রাতিষ্ঠানিক সমর্থন, [[ইউরোপ]] ও [[কোরিয়া|কোরিয়াতে]] প্রতিশ্রুতি এবং বাহিনীর প্রশিক্ষণ ও সরঞ্জাম পুনঃসজ্জার প্রয়োজনের কথা বিবেচনা করলে, যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভবত স্থল যুদ্ধের জন্য ২৫০,০০০ এর বেশি সক্রিয় ডিউটি সৈন্য নেই। ন্যাশনাল গার্ড ও রিজার্ভ পুরোপুরি সংগঠিত হলে, যুক্তরাষ্ট্র একটি অভিযানের জন্য সম্ভাব্য ১০ লাখ সৈন্য মাঠে নামাতে পারে।
**[[ব্রুস ডব্লিউ. টেরি|ব্রুস ডব্লিউ. টেরি]], [[:File:Use of land power to counter the Iranian nuclear proliferation challenge (2007).pdf|''দ্য ইউজ অফ ল্যান্ড পাওয়ার টু কাউন্টার দ্য ইরানিয়ান নিউক্লিয়ার প্রলিফারেশন চ্যালেঞ্জ'']] (২০০৭), কানসাস: ফোর্ট লিভেনওয়ার্থ।
*কন্টিনেন্টাল আর্মি সমন্বয়ের যে ডিগ্রি প্রদর্শন করেছিল, তা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগ পর্যন্ত ২০০ বছর ধরে আমেরিকান সেনাবাহিনী আর অর্জন করতে পারেনি।
**মেরি ভি. থম্পসন, [http://www.mountvernon.org/george-washington/slavery/the-only-unavoidable-subject-of-regret/ "দ্য অনলি আনএভয়ডেবল সাবজেক্ট অফ রিগ্রেট"], ''মাউন্ট ভার্নন''
*জাতি, বর্ণ, ধর্ম বা জাতীয় উৎপত্তিনির্বিশেষে সশস্ত্র বাহিনীর সকল ব্যক্তির জন্য সমান আচরণ ও সুযোগ থাকবে।
**[[হ্যারি এস. ট্রুম্যান]], [[s:Executive Order 9981|''এক্সিকিউটিভ অর্ডার ৯৯৮১'']] (২৬ জুলাই ১৯৪৮)
*আমরা এমন একটি বিশ্ব নেতৃত্ব অর্জন করেছি যা শুধুমাত্র আমাদের সামরিক ও নৌ শক্তির ওপর নির্ভর করে না।
**[[হ্যারি এস. ট্রুম্যান]], [http://www.trumanlibrary.org/ww2/stofunio.htm মার্কিন কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে ভাষণ] (১৬ এপ্রিল ১৯৪৫)।
*আমেরিকার ইউনিফর্মধারী নারী-পুরুষরা [[নাৎসিবাদ|নাৎসিবাদ]], [[সাম্রাজ্যবাদ|সাম্রাজ্যবাদ]], [[কমিউনিজম|কমিউনিজম]] এবং [[সন্ত্রাসবাদ|সন্ত্রাসবাদের]] বিরুদ্ধে লড়াইয়ে জীবন দিয়েছেন। আমেরিকা সংঘাত বা সংঘর্ষ চায় না, তবে আমরা তা থেকে কখনোই পালাব না। ইতিহাস এমন শাসকদের দ্বারা পরিপূর্ণ যারা বোকামির সাথে আমেরিকার সংকল্প পরীক্ষা করেছে। যে কেউ যুক্তরাষ্ট্রের শক্তি বা সংকল্প নিয়ে সন্দেহ করে, তারা আমাদের অতীতের দিকে তাকালে আর সন্দেহ করবে না। আমরা আমেরিকা বা আমাদের মিত্রদের ব্ল্যাকমেইল বা আক্রমণ হতে দেব না। আমরা আমেরিকান শহরগুলোকে ধ্বংসের হুমকির মুখে পড়তে দেব না। আমরা ভয় পাব না। এবং আমরা ইতিহাসে সবচেয়ে খারাপ নৃশংসতার পুনরাবৃত্তি হতে দেব না এই মাটিতে যা আমরা রক্ষা করতে কঠোর লড়াই করেছি এবং জীবন দিয়েছি।
**[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.presidency.ucsb.edu/documents/remarks-the-national-assembly-south-korea-seoul-south-korea সোল, দক্ষিণ কোরিয়ায় দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় পরিষদে মন্তব্য]; (৮ নভেম্বর ২০১৭)।
*সব পরিমাপে, [[পেন্টাগন|পেন্টাগন]] [[পেট্রোলিয়াম|পেট্রোলিয়াম]] পণ্য এবং শক্তির বৃহত্তম প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবহারকারী... তবুও, '''পেন্টাগনের সব আন্তর্জাতিক জলবায়ু চুক্তিতে সামগ্রিক ছাড় রয়েছে... [[জলবায়ু পরিবর্তন|জলবায়ু পরিবর্তন]] নিয়ে যেকোনো কথা যাতে সামরিক বাহিনী অন্তর্ভুক্ত নয়, তা কেবল গরম বাতাস'''... 'দ্য ক্লাইমেট অফ ওয়ার' রিপোর্ট অনুযায়ী, এটি কিয়োটো কনভেনশন অন ক্লাইমেট চেঞ্জে এমন একটি লুপহোল যা দিয়ে একটি ট্যাঙ্ক চালানো যায়। ১৯৪০ সালে, মার্কিন সামরিক বাহিনী দেশের মোট শক্তি ব্যবহারের এক শতাংশ ব্যবহার করত; দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষে, সামরিক বাহিনীর অংশ ২৯ শতাংশে উন্নীত হয়... সামরিকবাদ গ্রহের সবচেয়ে তেল-ক্ষয়কারী কার্যকলাপ, যা আরও দ্রুত, বড়, বেশি জ্বালানি-গ্রাসী বিমান, ট্যাঙ্ক এবং নৌযান নিয়ে আরও তীব্র আকাশ ও স্থল যুদ্ধে ব্যবহৃত হয়। মার্চ ২০০৩ সালে ইরাক যুদ্ধের শুরুতে, সেনাবাহিনী অনুমান করেছিল যে তিন সপ্তাহের যুদ্ধের জন্য তাদের ৪০ মিলিয়ন গ্যালনের বেশি [[গ্যাসোলিন|গ্যাসোলিন]] প্রয়োজন হবে, যা [[প্রথম বিশ্বযুদ্ধ|প্রথম বিশ্বযুদ্ধে]] মিত্রবাহিনীর চার বছরে ব্যবহৃত মোট পরিমাণের চেয়ে বেশি। সেনাবাহিনীর অস্ত্রভাণ্ডারের মধ্যে ছিল ২,০০০ এম-১ আব্রামস ট্যাঙ্ক যা যুদ্ধের জন্য চালু ছিল এবং প্রতি ঘণ্টায় ২৫০ গ্যালন জ্বালানি পোড়াত।
**[https://truthout.org/articles/the-military-assault-on-global-climate/ দ্য মিলিটারি অ্যাসল্ট অন গ্লোবাল ক্লাইমেট, এইচ প্যাট্রিসিয়া হেইনস কর্তৃক, ''ট্রুথআউট''], ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১১।
*ইউএস এয়ার ফোর্স (ইউএসএএফ) বিশ্বের [[জেট জ্বালানি|জেট জ্বালানি]]র একক বৃহত্তম ভোক্তা... এফ-৪ ফ্যান্টম ফাইটার প্রতি ঘণ্টায় ১,৬০০ গ্যালনের বেশি জেট জ্বালানি পোড়ায় এবং সুপারসনিক গতিতে প্রতি ঘণ্টায় ১৪,৪০০ গ্যালনে পৌঁছায়। আটটি জেট ইঞ্জিনযুক্ত বি-৫২ স্ট্র্যাটোক্রুজার প্রতি মিনিটে ৫৫ গ্যালন জ্বালানি গিলে ফেলে... বিশ্বের এক-চতুর্থাংশ জেট জ্বালানি ইউএসএএফ-এর উড়ন্ত হত্যার মেশিনগুলোকে খাওয়ায়; ২০০৬ সালে, তারা অবিশ্বাস্য ২.৬ বিলিয়ন গ্যালন ব্যবহার করেছিল।
**[https://truthout.org/articles/the-military-assault-on-global-climate/ দ্য মিলিটারি অ্যাসল্ট অন গ্লোবাল ক্লাইমেট, এইচ প্যাট্রিসিয়া হেইনস কর্তৃক, ''ট্রুথআউট''], ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১১।
*(যুক্তরাষ্ট্র) সামরিক বাহিনী কোনো জাতীয় বা আন্তর্জাতিক সংস্থায় [[জলবায়ু পরিবর্তন|জলবায়ু পরিবর্তন]] নিঃসরণের রিপোর্ট করে না, গ্লোবাল ওয়ার্মিং নিঃসরণ সীমাবদ্ধ করার প্রথম আন্তর্জাতিক চুক্তির ১৯৯৭ সালের কিয়োটো প্রোটোকল আলোচনার সময় যুক্তরাষ্ট্রের চাপের কারণে। তাদের কার্যকলাপের ওপর কোনো বিধিনিষেধ থেকে সামরিক বাহিনীকে রক্ষা করতে, যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছিল এবং জিতেছিল "বাঙ্কার" জ্বালানি (নৌযানের জন্য ঘন, ভারী জ্বালানি তেল) এবং বিশ্বব্যাপী সামরিক কার্যক্রম থেকে সমস্ত গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের ওপর সীমা থেকে ছাড়। আঘাতের ওপর আঘাত হিসেবে, [[জর্জ ডব্লিউ. বুশ|জর্জ ডব্লিউ. বুশ]] তার প্রেসিডেন্সির প্রথম কাজগুলোর একটি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রকে [[কিউটো প্রোটোকল|কিউটো প্রোটোকল]] থেকে বের করে নেন, এই বলে যে এটি খুব ব্যয়বহুল গ্রিনহাউস নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে মার্কিন অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দেবে। এরপর, হোয়াইট হাউস জলবায়ু পরিবর্তনের বিজ্ঞানের বিরুদ্ধে একটি নব্য-লুডাইট প্রচারণা শুরু করে। "দ্য গ্রিন জোন: দ্য এনভায়রনমেন্টাল কস্টস অফ মিলিটারিজম" নিয়ে গবেষণায়... প্রতিরক্ষা দপ্তর থেকে যুদ্ধের হতাহতের পরিসংখ্যান পাওয়া জ্বালানি ব্যবহারের ডেটা পাওয়ার চেয়ে সহজ।
**[https://truthout.org/articles/the-military-assault-on-global-climate/ দ্য মিলিটারি অ্যাসল্ট অন গ্লোবাল ক্লাইমেট, এইচ প্যাট্রিসিয়া হেইনস কর্তৃক, ''ট্রুথআউট''], ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১১।
==ভি==
*আমেরিকানরা এই [[সামরিক ঘাঁটি|ঘাঁটি]]গুলো নিয়ে যেটুকু ভাবে, আমরা সাধারণত মনে করি যে সেগুলো জাতীয় [[নিরাপত্তা|নিরাপত্তা]] এবং বিশ্ব [[শান্তি|শান্তি]]র জন্য অপরিহার্য। আমাদের নেতারা দাবি করেছেন যে এগুলোর বেশিরভাগই [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] এবং [[শীতল যুদ্ধ|শীতল যুদ্ধের]] শুরুর দিকে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ফলস্বরূপ, আমরা পরিস্থিতিকে [[স্বাভাবিক|স্বাভাবিক]] মনে করি এবং মেনে নিই যে অন্যান্য [[দেশ|দেশে]], অন্য জনগণের [[ভূমি|ভূমিতে]] মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলো বিস্ময়কর সংখ্যায় বিদ্যমান। অন্যদিকে, মার্কিন মাটিতে বিদেশী ঘাঁটি থাকার ধারণা অকল্পনীয়। <br> যদিও যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে কোনো স্বতন্ত্র বিদেশী ঘাঁটি নেই, তবে বিদেশী দেশগুলোতে এখন প্রায় ৮০০টি মার্কিন ঘাঁটি রয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ৭০ বছর এবং কোরীয় যুদ্ধের ৬২ বছর পরও, পেন্টাগনের মতে [[জার্মানি|জার্মানি]]তে ১৭৪টি, [[জাপান|জাপান]]ে ১১৩টি এবং [[দক্ষিণ কোরিয়া|দক্ষিণ কোরিয়া]]তে ৮৩টি মার্কিন "বেস সাইট" রয়েছে। আরও শত শত ঘাঁটি [[অরুব|অরুব]] এবং [[অস্ট্রেলিয়া|অস্ট্রেলিয়া]], [[বাহরাইন|বাহরাইন]] এবং [[বুলগেরিয়া|বুলগেরিয়া]], [[কলম্বিয়া|কলম্বিয়া]], [[কেনিয়া|কেনিয়া]] এবং [[কাতার|কাতার]] সহ প্রায় ৮০টি দেশে ছড়িয়ে আছে। যদিও খুব কম আমেরিকানই এটি বোঝে, সম্ভবত ইতিহাসের অন্য যেকোনো [[জনগণ|জনগণ]], [[জাতি|জাতি]] বা [[সাম্রাজ্য|সাম্রাজ্যের]] তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রের বিদেশী জমিতে বেশি ঘাঁটি রয়েছে।
**ডেভিড ভাইন, [https://www.thenation.com/article/the-united-states-probably-has-more-foreign-military-bases-than-any-other-people-nation-or-empire-in-history/ “দ্য ইউনাইটেড স্টেটস প্রোব্যাবলি হ্যাজ মোর ফরেন মিলিটারি বেসেস দ্যান এনি আদার পিপল, নেশন, অর এম্পায়ার ইন হিস্ট্রি”], ''দ্য নেশন'', (১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৫)।
==ডব্লিউ==
*উভয় [[উপসাগরীয় যুদ্ধ|উপসাগরীয় যুদ্ধেই]], মার্কিন সামরিক বাহিনী অবিশ্বাস্য দক্ষতা ও শৃঙ্খলার সাথে কাজ করেছে এবং আমেরিকা শিখেছে যে [[ভিয়েতনামের যুদ্ধ|ভিয়েতনামের]] [[মাই লাই হত্যাকাণ্ড|মাই লাই]]ের মতো ঘটনাগুলো ছিল ব্যতিক্রম, নিয়ম নয়।
**স্যাম উইলিয়ামসন, [http://supreme.findlaw.com/legal-commentary/a-review-of-anthony-swoffords-jarhead.html "আ রিভিউ অফ অ্যান্থনি সোফোর্ডস জারহেড"] (১৮ এপ্রিল ২০০৩)
*<p>এটি আশ্চর্যজনক, যখন আমরা একত্রিত হয়েছিলাম...</p><p>যখন আমরা আমাদের মতপার্থক্যগুলো দূরে সরিয়ে রেখেছিলাম এবং যারা আমাদের ক্ষতি করেছে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছিলাম...</p><p>যখন আমরা মৃতদের পরিবারকে সাহায্য করার জন্য একত্রিত হয়েছিলাম...</p><p>এটি আমাকে অসাধারণ অনুভব করিয়েছে। এটি আমাকে দেশপ্রেমিক করেছে, শক্তিশালী করেছে এবং এই দেশকে এমনভাবে ভালোবাসতে শিখিয়েছে যা আমি আমার দীর্ঘ জীবনে কখনো বাসিনি। আপনি জানেন? কারণ এটিই সেই আমেরিকা যার স্বপ্ন আমরা সবাই দেখি। এটিই সেই আমেরিকা যা আমরা সবাই চাই, শক্তিশালী ও ক্ষমতাধর একটি আমেরিকা যা প্রয়োজনে পাল্টা আঘাত করে। আমাদের ইতিহাসের বইগুলোতে আমরা যে ঘুমন্ত দৈত্যের কথা পড়েছি, যারা আমাদের প্রয়োজনীয় সুপার-পাওয়ার হতে প্রস্তুত এবং বিশ্বের সেরা সেনাবাহিনী নিয়ে। ওয়াও। ওয়াও। একটি কংগ্রেস এবং প্রেসিডেন্ট যারা একসাথে কাজ করবে, আর আমরা কী হয়েছি? এগারো বছর পর? এগারো বছর পর আমাদের সেই উত্তরগুলো নেই যা আমরা চেয়েছিলাম...</p><p>আমাদের কাছে বেশিরভাগই আছে। আমরা জানি কারা এটি করেছে, কেন তারা এটি করেছে। আমরা জানি তারা কীভাবে এটি করেছে। [[ষড়যন্ত্র তত্ত্ব|ষড়যন্ত্র তত্ত্ব]] প্রচুর আছে; প্রমাণ প্রায় সেখানে আছে। কিন্তু, আমরা নিজেদের ধ্বংস করতে অনেক কিছু করেছি। আমরা আমাদের স্বাধীনতা ধ্বংস করতে অনেক কিছু করেছি...</p>শেষ পর্যন্ত, আমরা যদি সেই পথে থাকতাম তবে আমরা যে আমেরিকা হতে পারতাম, আমরা যদি একসাথে থাকতাম তবে আমরা যে আমেরিকা হতে পারতাম, আমরা যদি ভালো হওয়ার জন্য, শক্তিশালী হওয়ার জন্য কঠোর পরিশ্রম করতাম, তা আবারও একটি স্বপ্ন। আপনি জানেন, এবং এটি সত্যিই দুঃখজনক...<p>আমরা আগের চেয়ে অনেক বেশি বিভক্ত, এবং তা? তা আমার হৃদয় ভেঙে দেয়...</p><p>আপনি? আপনার বয়স যদি আঠারোর নিচে হয়, আপনি আমাদের মতো আমেরিকায় কখনো বাস করেননি। আপনি জানেন? আপনি একটি ভালো দেশে বাস করেছেন, আমাকে ভুল বুঝবেন না। আপনি একটি চমৎকার দেশে বাস করেছেন, যেটি এখন অসুস্থ, এটি নিয়ে বিতর্কের কিছু নেই। কিন্তু, এত কাছে এবং তবুও? এত দূরে...</p><p>আমার সেই আমেরিকান স্বপ্নের কথা মনে পড়ে, এবং আমি শুধু ভাবি। আমি ভাবি আমেরিকা কি কখনো আগের মতো হতে পারবে। আমরা দেখব।</p>
**[[স্টিভেন উইলিয়ামস|স্টিভেন উইলিয়ামস]], [https://www.youtube.com/watch?v=JHfrce1Yd48 "স্টোরি টাইম উইথ বুগি: সেপ্টেম্বর ১১থ, ২০০১"] (সেপ্টেম্বর ২০১২), ''ইউটিউব''
*আমি আমাদের সামরিক বাহিনীর নারী-পুরুষদের তাদের সেবার জন্য কৃতজ্ঞ, কিন্তু সেনাবাহিনী কেবল একটি উপায়, প্রয়োজনীয় মন্দ। তাদের দৃষ্টির আড়ালে রাখা উচিত, ঠিক যেমন আমি আমার বাড়িতে বন্দুকগুলোকে দৃষ্টির আড়ালে রাখি। একটি সামরিক প্যারেড মহত্ত্ব প্রদর্শন করে না—এটি শক্তি প্রদর্শন করে। এবং সম্ভবত সেখানেই আমি আমাদের নতুন [[জাতীয়তাবাদ|জাতীয়তাবাদীদের]] সাথে দ্বিমত পোষণ করি। আমার দৃষ্টিতে, ওয়াশিংটনের সবকিছুর চেয়ে একটি [[নিউ ইংল্যান্ড|নিউ ইংল্যান্ড]] টাউন হলে আমেরিকান মহত্ত্ব বেশি, এবং সব ট্যাঙ্ক ও রকেটের চেয়ে একটি [[অরেগন|অরেগন]] আপেল বাগান বা রোটারি মিটিংয়ে আমেরিকান মহত্ত্ব বেশি।
**[[কেভিন ডি. উইলিয়ামসন]], [https://www.nationalreview.com/2019/03/american-nationalism-public-policy-aesthetics-donald-trump/ "দ্য ন্যাশনালিজম শো"] (মার্চ ২০১৯), ''ন্যাশনাল রিভিউ''
*[[প্রজাতন্ত্রবাদ|প্রজাতন্ত্রবাদ]] মরে যায়নি। তারা ব্যক্তিগত [[সম্পদ|সম্পদ]] এবং [[সুখ|সুখ]]ের জন্য হুড়োহুড়ি প্রশমিত করতে রয়ে গেছে এবং তারা আমাদের অনেক আদর্শ ও আকাঙ্ক্ষার মূলে রয়েছে: [[সাম্য|সাম্য]]ে আমাদের বিশ্বাস এবং আড়ম্বর ও বিশেষাধিকারের প্রতি আমাদের অপছন্দ; ব্যক্তিগত স্বায়ত্তশাসন ও নির্ভরশীলতার সব বন্ধন থেকে মুক্তির জন্য আমাদের গভীর আকাঙ্ক্ষা; আমাদের পর্যায়ক্রমিক আশা, যা প্রকাশ পেয়েছে, উদাহরণস্বরূপ, সামরিক বীরদের নির্বাচনে।
**[[গর্ডন এস. উড|গর্ডন উড]], [http://scholarship.kentlaw.iit.edu/cgi/viewcontent.cgi?article=2785&context=cklawreview "ক্লাসিক্যাল রিপাবলিকানিজম অ্যান্ড দ্য আমেরিকান রেভল্যুশন"] (এপ্রিল ১৯৯০), ''শিকাগোকেন্ট ল রিভিউ''
==জেড==
*[[তালিবান|তালিবান]] চুক্তির বিষয়বস্তু মেনে চলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রসহ সব দেশের সাথে ভালো ও ইতিবাচক সম্পর্ক আশা করে।
** [[জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ|জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ]], তালিবানের মুখপাত্র, তালিবান আফগানিস্তান থেকে প্রাথমিক সৈন্য প্রত্যাহারের বিষয়ে [[ট্রাম্প|ট্রাম্প]]ের টুইটকে স্বাগত জানিয়েছে [https://globalnews.ca/news/7385728/taliban-trump-tweet-early-troop-withdrawal-afghanistan/ প্রকাশিত ৮ অক্টোবর, ২০২০]
*ভবিষ্যতের [[আগ্রাসী যুদ্ধ|আগ্রাসী যুদ্ধের]] কৌশলগত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের [[সামরিক-শিল্প কমপ্লেক্স|সামরিক-শিল্প কমপ্লেক্স]]ের সুবিধা নেওয়ার ইচ্ছার সাথে সম্পর্কিত, যা [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরবর্তী সময়|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষে]] বিশাল আকার ধারণ করেছিল। [[আমেরিকান সাম্রাজ্যবাদ|আমেরিকান সাম্রাজ্যবাদ]] ক্রমাগত দেশটিকে সামরিকায়নের নীতি অনুসরণ করছে। [[মার্কিন সেনাবাহিনী|মার্কিন সেনাবাহিনী]] ও [[মার্কিন নৌবাহিনী|নৌবাহিনীর]] ব্যয় বছরে ১১,০০০ মিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। ১৯৪৭-৪৮ সালে, আমেরিকার বাজেটের ৩৫ শতাংশ সশস্ত্র বাহিনীর জন্য বরাদ্দ করা হয়েছিল, যা ১৯৩৭-৩৮ সালের তুলনায় এগারো গুণ বেশি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরুর সময় আমেরিকান সেনাবাহিনী [[পুঁজিবাদ|পুঁজিবাদী]] বিশ্বের সপ্তদশ বৃহত্তম ছিল; আজ এটি বৃহত্তম। যুক্তরাষ্ট্র কেবল [[পারমাণবিক অস্ত্র|পারমাণবিক বোমা]]র মজুদই বাড়াচ্ছে না; আমেরিকান কৌশলবিদরা খোলামেলাভাবে বলছে যে তারা [[ব্যাকটেরিওলজিক্যাল অস্ত্র|ব্যাকটেরিওলজিক্যাল অস্ত্র]] তৈরি করছে। যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত পরিকল্পনায় শান্তির সময়ে [[আমেরিকা মহাদেশ|আমেরিকা মহাদেশ]] থেকে অনেক দূরে অসংখ্য ঘাঁটি ও সুবিধাজনক স্থান তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে, যা [[সোভিয়েত ইউনিয়ন|সোভিয়েত ইউনিয়ন]] ও নতুন গণতন্ত্রের দেশগুলোর বিরুদ্ধে আগ্রাসী উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হবে। আমেরিকা [[আলাস্কা|আলাস্কা]], [[জাপান|জাপান]], [[ইতালি|ইতালি]], [[দক্ষিণ কোরিয়া|দক্ষিণ কোরিয়া]], [[চীন|চীন]], [[মিশর|মিশর]], [[ইরান|ইরান]], [[তুরস্ক|তুরস্ক]], [[গ্রিস|গ্রিস]], [[অস্ট্রিয়া|অস্ট্রিয়া]] এবং [[পশ্চিম জার্মানি|পশ্চিম জার্মানি]]তে বিমান ও নৌ ঘাঁটি তৈরি করেছে বা করছে। [[আফগানিস্তান|আফগানিস্তান]] এবং এমনকি [[নেপাল|নেপাল]]েও আমেরিকান সামরিক মিশন রয়েছে। সামরিক আগ্রাসনের উদ্দেশ্যে [[উত্তর মেরু|উত্তর মেরু]] ব্যবহারের জন্য উন্মাদ প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
** [[আন্দ্রে ঝদানভ]], "[https://soviethistory.msu.edu/1947-2/cold-war/cold-war-texts/zhdanov-on-the-international-situation/ নিউ আসপেক্টস অফ ওয়ার্ল্ড কনফ্লিক্ট: দ্য ইন্টারন্যাশনাল সিচুয়েশন]," ২২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭।
==আরও দেখুন==
* [[পেন্টাগন]]
* [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সেনাবাহিনী]]
* [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিমান বাহিনী]]
* [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কোস্ট গার্ড]]
* [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মেরিন কোর]]
* [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নৌবাহিনী]]
* [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র স্পেস ফোর্স]]
* [[আইভান এডওয়ার্ডস]]
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সশস্ত্র বাহিনী| ]]
skwoe1op1mi1s44h7tlphxmol2rjt5n
83328
83327
2026-05-03T13:24:18Z
SMontaha32
3112
83328
wikitext
text/x-wiki
[[File:Meuse-Argonne, 26 September–1 October 1918.gif|thumb|বিশ্বের সকল জাতি, ধর্ম ও বর্ণের মানুষ এই জাতির [[w:মার্কিন সশস্ত্র বাহিনী|সশস্ত্র বাহিনীতে]] প্রতিনিধিত্ব করেছে, যেমনটি আমাদের জনগোষ্ঠীর মধ্যে ছিল। কারও জাতিগত পরিচয়, রাজনৈতিক মতাদর্শ বা ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে তার দেশপ্রেম বা সেবাকে কেউ তুচ্ছ করেনি। অভিবাসী ও তাদের সন্তানরা... আমাদের মিত্র দেশগুলোর বংশধর, বিষুবীয় আফ্রিকার সন্তান এবং আমাদের নিজস্ব আদিবাসী জনগোষ্ঠীর লাল মানুষের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধ করেছে। তারা সবাই সমানভাবে নিজেদের 'আমেরিকান' পরিচয়ে গর্বিত ছিল। ~ [[ক্যালভিন কুলিজ]]]]
[[File:Brigadier General Smedley Butler, 1927 (14773211711).jpg|thumb|আমি সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট থেকে মেজর-জেনারেল পর্যন্ত সকল কমিশনড পদে দায়িত্ব পালন করেছি। সেই সময়ে আমি আমার বেশিরভাগ সময় ব্যয় করেছি বড় ব্যবসা, ওয়াল স্ট্রিট এবং ব্যাংকারদের জন্য উচ্চমানের গুণ্ডা হিসেবে কাজ করতে। সংক্ষেপে, আমি ছিলাম একজন র্যাকেটিয়ার, পুঁজিবাদের জন্য একজন গ্যাংস্টার। ~ [[স্মেলি বাটলার]]]]
[[File:Haditha massacre.jpg|thumb|আমাদের জেগে উঠতে হবে এবং উপলব্ধি করতে হবে যে আমাদের প্রকৃত শত্রুরা কোনো দূরবর্তী দেশে নেই। তারা এমন কেউ নয় যাদের নাম আমরা জানি না বা যাদের সংস্কৃতি আমরা বুঝি না। শত্রুরা হলো এমন মানুষ যাদের আমরা খুব ভালোভাবেই চিনি এবং যাদের আমরা চিহ্নিত করতে পারি। শত্রু হলো সেই ব্যবস্থা যা লাভজনক হলেই যুদ্ধ বাধায়। শত্রু হলো সেই সব সিইও, যারা মুনাফার জন্য আমাদের চাকরি থেকে ছাঁটাই করে। যারা মুনাফার জন্য আমাদের স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত করে, সেই বিমা কোম্পানিগুলোই শত্রু। যারা মুনাফার জন্য আমাদের ঘরবাড়ি কেড়ে নেয়, সেই ব্যাংকগুলোই শত্রু। আমাদের শত্রুরা পাঁচ হাজার মাইল দূরে নয়, তারা আমাদের ঘরেই রয়েছে। ~ মাইকেল প্রিসনার]]
[[File:Huey Newton.jpg|thumb|আমরা বিশ্বের অন্য কোনো বর্ণের মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব না বা তাদের হত্যা করব না। কারণ কৃষ্ণাঙ্গদের মতোই তারাও আমেরিকার শ্বেতাঙ্গ বর্ণবাদী সরকারের শিকার। ~ [[হিউ নিউটন]]]]
[[File:STTC_Logo.png|thumb|মার্কিন সেনাবাহিনী এবং মেরিন কোরের বর্তমান সদস্য সংখ্যা যথাক্রমে প্রায় ৫,১০,০০০ এবং ১,৮০,০০০। এছাড়া, সেনাবাহিনী ও মেরিন কোরের জন্য প্রায় ৮,০০,০০০ ন্যাশনাল গার্ড ও রিজার্ভ সেনা প্রস্তুত রয়েছে। যদিও এই সংখ্যা অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ১৫ লক্ষ মোট স্থলসেনা রয়েছে, তবুও দেশটির অনেক দায়বদ্ধতা থাকায় একক কোনো সামরিক অভিযানের জন্য এই শক্তি সীমিত হয়ে যায়। প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা, ইউরোপ ও কোরিয়ায় মার্কিন দায়বদ্ধতা এবং বাহিনীর পুনঃপ্রশিক্ষণ ও অস্ত্রসজ্জিত করার বিষয়গুলো বিবেচনা করলে, যুক্তরাষ্ট্রের হয়তো স্থলযুদ্ধের জন্য ২৫০,০০০-এর বেশি সক্রিয় সেনা নেই। যদি ন্যাশনাল গার্ড ও রিজার্ভ বাহিনীকে পুরোপুরি কাজে লাগানো যায়, তবে যুক্তরাষ্ট্র সম্ভাব্য অভিযানে দশ লক্ষ সৈন্য মাঠে নামাতে পারবে। ~ [[ব্রুস ডব্লিউ. টেরি|ব্রুস ডব্লিউ. টেরি]]]]
[[File:X-35.jpg|thumb|যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক শক্তিতে পরিণত হয়, তখন পৃথিবী অনেক বেশি নিরাপদ ও ভালো জায়গায় থাকে। ~ [[মার্কো রুবিও]]]]
[[File:Members_of_the_54th_Massachusetts_Volunteer_Regiment_color_guard_march_during_the_57th_presidential_inauguration_parade_130121-A-TT968-141.jpg|thumb|আমেরিকা আজও ইতিহাসের সবচেয়ে সুশৃঙ্খল ও মানবিক সামরিক বাহিনী বজায় রেখেছে। প্রাচীন বাহিনীগুলো যারা যুদ্ধের লুণ্ঠনে মত্ত থাকত, কিংবা আধুনিক বাহিনীগুলো যারা নির্বিচারে বেসামরিক নাগরিক ও বন্দিদের হত্যা করে, তাদের তুলনায় এটি সংযমের একটি আদর্শ দৃষ্টান্ত। ~ ''নিউজউইক'']]
[[File:Maryland National Guard (17285160576).jpg|thumb|আমি আশা করি, রাস্তাঘাট, টিউব ও বাসে আমরা যে তরুণ আমেরিকান সৈনিকদের সাথে পরিচিত হচ্ছি, তারা আমাদের কাছে ঠিক ততটাই ভালো লেগেছে, যতটা আমরা তাদের ভালোবেসেছি। ~ [[আলফ্রেড জর্জ গার্ডিনার|আলফ্রেড জর্জ গার্ডিনার]]]]
[[File:2014PlainviewMNparadeCivilWar.jpg|thumb|দেশের জন্য লড়াই ও জীবন দেওয়ার জন্য আপনাকে ‘সোজা’ হতে হবে না। আপনার শুধু লক্ষ্যভেদ করতে পারাটাই যথেষ্ট। ~ [[ব্যারি গোল্ডওয়াটার]]]]
[[File:OlusteeKAFL.jpg|thumb|আমাদের সেনাদের চালানো যুদ্ধগুলো দুটি ভিন্ন ব্যবস্থার মধ্যকার বৃহত্তর সংগ্রামের অংশ। প্রথম ব্যবস্থায়, একদল ধর্মান্ধ গোষ্ঠী একটি নিপীড়নমূলক মতাদর্শের প্রতি পূর্ণ আনুগত্য দাবি করে, নারীদের দাসত্বে বাধ্য করে এবং অবিশ্বাসীদের হত্যার লক্ষ্য নির্ধারণ করে। অন্য ব্যবস্থাটি এই বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত যে, স্বাধীনতা হলো সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের সার্বজনীন উপহার। ~ [[জর্জ ডব্লিউ. বুশ]]]]
[[File:The Old Flag Never Touched the Ground.jpg|thumb|সৈনিক ও গণতান্ত্রিকভাবে নিহতরা আমেরিকান মুক্তিদাতাদের দীর্ঘ ঐতিহ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে, যার শুরুটা হয়েছিল আমেরিকান বিপ্লব থেকে... গৃহযুদ্ধ ছিল এই ঐতিহ্যের একটি ভিত্তিপ্রস্তর। একাডেমিক ইতিহাসবিদরা লেখেন যে এটি ছিল আঞ্চলিকতাবাদের কারণে... [[আব্রাহাম লিংকন|লিংকন]] জানতেন এর মূলে কী ছিল... দাসপ্রথা 'একটি অদ্ভুত ও শক্তিশালী স্বার্থের জন্ম দিয়েছিল। সবাই জানত যে এই স্বার্থই কোনোভাবে যুদ্ধের কারণ ছিল'... সৈন্যরা ইউনিয়ন রক্ষা করতে লড়াই করেছিল, কিন্তু তারা মানব বন্ধন শেষ করার জন্যও যুদ্ধ করেছিল। ~ [[জোসেফ মরিসন স্কিলি|জোসেফ এম. স্কিলি]]]]
[[File:Defense.gov_photo_essay_080703-F-9629D-147.jpg|thumb|আমি যখন আমাদের সেনাদের অভিযানে ডেকেছিলাম, তখন তাদের সাহস ও দক্ষতার ওপর আমার পূর্ণ আস্থা ছিল। আর আজ রাতে, তাদের কল্যাণে আমরা জিতছি। ~ [[জর্জ ডব্লিউ. বুশ]]]]
[[File:US Navy 031109-N-9769P-076 Guided missile cruiser USS Lake Champlain (CG 57) steams in the Southern California operating area.jpg|thumb|আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর নারী ও পুরুষেরা এখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি শত্রুর কাছে একটি পরিষ্কার বার্তা পৌঁছে দিয়েছে। ৭,০০০ মাইল দূরে, মহাসাগর ও মহাদেশ পেরিয়ে, পাহাড়ের চূড়ায় বা গুহায় থাকলেও; তোমরা এই জাতির বিচার থেকে রেহাই পাবে না। ~ [[জর্জ ডব্লিউ. বুশ]]]]
[[File:U.S. Army Pfc. Phoebe Alvarez, left, an administrative clerk with the 307th Engineer Battalion, and Command Sgt. Maj. Thomas Capel, right, the command sergeant major of the International Security Assistance 130524-M-UF830-033.jpg|thumb|যদি আমেরিকার প্রতিটি প্রান্তে স্বাধীন নাগরিকদের ওপর নক্ষত্রখচিত পতাকা উড়তে থাকে, এবং আমাদের দেশ যদি ন্যায়বিচার, স্বাধীনতা ও সভ্যতার পথে একটি দীর্ঘ ও গৌরবময় যাত্রা বজায় রাখতে পারে, তবে আমরা এই মহৎ সেনাবাহিনীর নিঃস্বার্থ ত্যাগের কাছে ঋণী। ~ [[ফ্রেডরিক ডগলাস]]]]
[[File:Sailor with boatswain's pipe, USS Fitzgerald (DDG-62), May 2014.jpg|thumb|আমাদের কাছে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বাহিনী আছে, ''কারণ'' আমাদের কাছে সেরা মানুষগুলো আছে। ~ অ্যাশটন কার্টার]]
[[File:150413-N-XM324-040 - PO3 Christina Casillas applies a splint to a simulated broken arm aboard USS Fitzgerald.jpg|thumb|আমাকে অবশ্যই সেইসব নারী ও পুরুষের সেবার কথা বলতে হবে যারা প্রজাতন্ত্রের পতাকাতলে সমবেত হয়েছিল... আমেরিকা তাদের প্রদত্ত সেবা, ত্যাগ এবং সহ্য করা কষ্টগুলো উপলব্ধি করে এবং মূল্যায়ন করে... তারা সবাই ছিল সাহসী। তারা সবাই ছিল আত্মত্যাগী... স্থল ও সমুদ্রের চল্লিশ লক্ষ ডিফেন্ডার জনগণের সেরা ঐতিহ্যের যোগ্য ছিল... তারা আমাদের গর্বিত করেছে। তাদের প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞতা রয়েছে, যা অবশ্যই যথাযথভাবে প্রকাশ করা উচিত। ~ [[ওয়ারেন জি. হার্ডিং]]]]
[[File:150902-N-XF387-351 - SN Ana Motapalomares records bearings.jpg|thumb|আমাদের প্রতিরক্ষা নিহিত রয়েছে সেই চেতনা সংরক্ষণের মধ্যে, যা স্বাধীনতাকে সকল মানুষের, সকল দেশের এবং সর্বকালের ঐতিহ্য হিসেবে মূল্যায়ন করে। ~ [[আব্রাহাম লিংকন]]]]
[[File:Iraqi child with U.S. Troops.jpg|thumb|[[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|আমরা]] গত শতাব্দীজুড়ে নিপীড়ন দমনের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনীর নারী ও পুরুষদের বিশ্বের অন্যান্য প্রান্তে পাঠিয়েছি। আমরা ফ্যাসিবাদের পরাজয় ঘটিয়েছি... আমরা তা করতে ইচ্ছুক ছিলাম, সানন্দেই করেছি... সবকিছুই মানুষের অধিকার রক্ষার স্বার্থে, এবং যখন সেই সংঘাতগুলো শেষ হলো? আমরা কী করলাম? আমরা কি সেখানে থেকে দখল করেছিলাম? আমরা কি বলেছিলাম, ''ওকে, আমরা জার্মানিকে হারিয়েছি। এখন জার্মানি আমাদের? আমরা জাপানকে হারিয়েছি, তাই জাপান আমাদের?''? না... আমরা তাদের গড়ে তুলেছি। আমরা তাদের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা দিয়েছি যা তারা গ্রহণ করেছে... আমরা কি কোনো জমি চেয়েছি? না। আমরা একমাত্র যে জমিটি চেয়েছিলাম তা ছিল আমাদের মৃতদের কবর দেওয়ার মতো যথেষ্ট জমি, আর এই ধরনের জাতিই আমরা। ~ [[কলিন পাওয়েল]]]]
[[File:OlusteeKAFL.jpg|thumb|সামরিক বাহিনী কোনো বস্তু নয়। এটি একদল নিবেদিতপ্রাণ দেশপ্রেমিক যারা আমাদের জন্য সবকিছু ত্যাগ করতে ইচ্ছুক। এটি কেবল এর ভেতরের মানুষগুলোর কারণেই কাজ করে। যন্ত্রপাতি যতই চমৎকার হোক—আর আমাদের চমৎকার যন্ত্রপাতি রয়েছে—মেশিন, অস্ত্র এবং স্যাটেলাইট যতই আধুনিক হোক না কেন, চূড়ান্ত বিচারে এটি অসাধারণ মানুষগুলোর ওপরই নির্ভর করে। ~ [[বারাক ওবামা]]]]
[[File:319th AFA soldiers chillin' out in Iraq.jpg|thumb|আমেরিকায় সৈনিকদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। তাদের সাহস ও ত্যাগের কথা বারবার মনে করিয়ে দেওয়া হয়। সৈনিকদের নিঃস্বার্থতার এক অদৃশ্য আভা থাকে এবং তারা অত্যন্ত মর্যাদার সাথে চলাফেরা করে। ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্টরা ইউনিফর্ম পরা সৈনিকদের ফার্স্ট ক্লাসে আপগ্রেড করেন, রেস্তোরাঁগুলো ভেটারানদের ছাড় দেয় এবং অপরিচিতরা তাদের হাত মেলায়। ~ বেনামী]]
[[File:011217-N-9769S-207 Ready for Working Party.jpg|thumb|এরা আমাদের সন্তান... এরা ভালো ছেলেমেয়ে... সেনাবাহিনী বা মেরিন কোরে যোগ দিলে কেউ নাৎসি হয়ে যায় না; বরং সে আমেরিকার এক সন্তান হয়ে ওঠে যে তার দেশের জন্য কাজ করছে। ~ [[টম ক্ল্যান্সি]]]]
[[File:Four_366th_Infantry_officers.gif|thumb|সামরিক বাহিনী সবসময়ই একটি অন্তর্মুখী সংগঠন। সেনাবাহিনী যে কারণে এতটা প্রগতিশীল তার একটি কারণ হলো, তারা সবসময় নিজেদের বিশ্লেষণ করে। সেনাবাহিনী সবসময় নিজের কাজ আরও ভালোভাবে করার উপায় খোঁজে... সেনাবাহিনীই আমেরিকায় বর্ণবৈষম্য দূরীকরণে নেতৃত্ব দিয়েছে... সেনাবাহিনী খুব আগেই বুঝতে পেরেছিল যে, কৃষ্ণাঙ্গ মানুষরা শ্বেতাঙ্গদের মতোই; পার্থক্য শুধু গায়ের রঙ একটু বেশি গাঢ়। তারাও সমান ভালো সৈনিক হতে পারে। ~ [[টম ক্ল্যান্সি]]]]
[[File:HHC U.S. Army soldiers.png|thumb|সৈনিকেরা। আপনারা এখন আপনাদের বাড়ি ও বন্ধুদের কাছে ফিরতে চলেছেন... আমি আপনাদের কাছে এবং যারা দেশের ডাকে সাড়া দিয়েছেন তাদের সবার কাছে অত্যন্ত ঋণী। আমি চাই দেশটি এখন কী কাজে ব্যস্ত তা যেন সবাই ব্যাপকভাবে বুঝতে পারে। আমরা সবাই একমত হব যে, আমাদের একটি মুক্ত সরকার রয়েছে, যেখানে প্রত্যেক মানুষেরই সমান অধিকার রয়েছে। ~ [[আব্রাহাম লিংকন]]]]
[[File:101110-N-6477M-070 Veteran's Day Naturalization Ceremony aboard USS Midway.jpg|thumb|আপনার সন্তানরা আমেরিকান সৈনিকের শান্ত, সুচিন্তিত ও দৃঢ় যুদ্ধস্পৃহা নিয়ে আপনাদের সেবা করেছে। তাদের এই স্পৃহা সত্যের ঐতিহ্যের ওপর প্রতিষ্ঠিত, আর শত্রুর উন্মাদনা কেবল কাল্পনিক গল্পের ওপর ভিত্তি করে। তাদের আধ্যাত্মিক শক্তি ও ক্ষমতা আমাদের জয়ী করেছে। ~ [[ডগলাস ম্যাকআর্থার]]]]
[[File:US Navy 051206-M-7173M-015 Hospital Corpsman 3rd Class Jesse Munsey, assigned to the 2nd Battalion, 6th Marines, Gulf Company, observes the road up ahead.jpg|thumb|আমেরিকা এবং আমাদের মিত্ররা এক ভিন্ন ধরনের শত্রুর বিরুদ্ধে নতুন এক ধরনের যুদ্ধ করছে। এই সংঘাত আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর নারী ও পুরুষদের ওপর—যার মধ্যে গার্ড ও রিজার্ভও অন্তর্ভুক্ত—বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে। তারা প্রতিটি পরীক্ষায় সফল হয়েছে; প্রতিটি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেছে। ~ [[জর্জ ডব্লিউ. বুশ]]]]
[[File:B-2 Spirit original.jpg|thumb|বিশ্বে মার্কিন সামরিক আধিপত্যের সারমর্ম হলো, তারা ইচ্ছে করলেই মাত্র কয়েক ঘণ্টার নোটিশে পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে বোমা ফেলতে পারে। অন্য কোনো সরকারের এমন সক্ষমতা কোনোদিন ছিল না। ~ [[ডেভিড গ্রেবার]]]]
[[File:USS New Orleans (LPD-18) launches RIM-116 missile 2013.jpg|thumb|আমেরিকার সামরিক শ্রেষ্ঠত্ব এখনো অপ্রতিদ্বন্দ্বী। এই কথাটি চূড়ান্ত... যুক্তরাষ্ট্র স্থল, সমুদ্র, আকাশ এবং মহাকাশে আধিপত্য বজায় রেখেছে। ~ ইয়ান ব্রেমার]]
[[File:U.S. Marines at Camp Geiger in 1999.jpg|thumb|নিজেদের রক্ষা করার আগে বেসামরিক নাগরিকদের রক্ষা করাই আমেরিকান সৈনিকদের কাজ। এভাবে তারা নিজেদের আরও ভালোভাবে রক্ষা করতে পারে। বিষয়টি আপাতদৃষ্টিতে অদ্ভুত মনে হতে পারে, তবে এটিই নিয়মমাফিক ও সোজা পথ। ~ মাইকেল টোটেন]]
[[File:82nd_Sus._Bde._supports_emergency_deployment_readiness_exercise_130128-A-QD996-003.jpg|thumb|যখন আমরা সব ভেদাভেদ ভুলে যারা আমাদের ক্ষতি করেছে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলাম... তা আমাকে অসাধারণ এক অনুভূতি দিয়েছিল। এটি আমাকে দেশপ্রেমিক, শক্তিশালী করে তুলেছিল। আমি এই দেশকে এমনভাবে ভালোবাসতে শুরু করলাম যা আমার জীবনে আগে কখনো অনুভব করিনি... আমরা সবাই এমন এক আমেরিকার স্বপ্ন দেখি। আমরা এমন এক শক্তিশালী ও পরাক্রমশালী আমেরিকাকে চাই, যা প্রয়োজনে পাল্টা আঘাত করে। আমাদের ইতিহাস বইয়ে ঘুমন্ত দৈত্যের কথা শেখানো হয়েছিল, যে প্রয়োজনের সময় পরাশক্তি হিসেবে জেগে ওঠে এবং যার রয়েছে বিশ্বের সেরা সেনাবাহিনী। ~ স্টিভেন উইলিয়ামস]]
[[File:Iraqi girls playing.jpg|thumb|পৃথিবীতে যদি শান্তির কোনো কারিগর থেকে থাকে, তবে সেটি হলো মার্কিন সামরিক বাহিনী। ~ [[রাশ লিম্বো]]]]
[[File:American_bases_worldwide.svg|thumb|আমেরিকানরা এই ঘাঁটি সম্পর্কে যতটা ভাবে, তাতে আমরা সাধারণত মনে করি যে এগুলো জাতীয় নিরাপত্তা ও বিশ্ব শান্তির জন্য অপরিহার্য। বেশিরভাগ ঘাঁটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ এবং শীতল যুদ্ধের শুরুর দিকে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সময় থেকেই আমাদের নেতারা এমনটা দাবি করে আসছেন। এর ফলে, আমরা এই পরিস্থিতিকে স্বাভাবিক মনে করি এবং মেনে নিই যে, বিপুল সংখ্যক মার্কিন সামরিক স্থাপনা অন্য দেশের মানুষের ভূমিতে রয়েছে। অন্যদিকে, মার্কিন মাটিতে অন্য দেশের ঘাঁটি থাকার ধারণাটিই অকল্পনীয়। ~ ডেভিড ভাইন]]
[[File:U.S._Military_Installations_Map.jpg|thumb|এই ব্যবস্থার কেন্দ্রে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যা আজকের বিশ্বের একমাত্র টিকে থাকা সাম্রাজ্য। [[মানবতা|মানবতার ইতিহাসে]] এই প্রথম একটিমাত্র সাম্রাজ্য এত প্রভাবশালী, যার সামরিক বাজেট পরের ১৫টি দেশের সম্মিলিত বাজেটের চেয়েও বেশি এবং যার সামরিক-শিল্প কমপ্লেক্স নিজেই বিশ্বের একাদশ বৃহত্তম অর্থনৈতিক সত্তা। আমরা এই বাস্তবতায় বাস করি এবং এই বাস্তবতা ভিন্ন ভিন্নভাবে আমাদের মুখোমুখি হয়। ~ [[তারিক আলী]]]]
'''মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনী''' হলো [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র]]ের জাতীয় সামরিক বাহিনী। এটি [[w:উত্তর আমেরিকা|উত্তর আমেরিকা]] মহাদেশের একটি দেশ। অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষের দিকে প্রতিষ্ঠিত এই বাহিনী [[w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সেনাবাহিনী|মার্কিন সেনাবাহিনী]], [[w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নৌবাহিনী|মার্কিন নৌবাহিনী]], [[W:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মেরিন কোর|মার্কিন মেরিন কোর]], [[w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিমান বাহিনী|মার্কিন বিমান বাহিনী]], [[W:মার্কিন কোস্ট গার্ড|মার্কিন কোস্ট গার্ড]] এবং [[w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মহাকাশ বাহিনী|মার্কিন মহাকাশ বাহিনী]] নিয়ে গঠিত। এটিকে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক বাহিনী হিসেবে গণ্য করা হয়।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি এই বাহিনীর সর্বাধিনায়ক। তিনি সামরিক নীতি নির্ধারণে মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের সাথে কাজ করেন। এটি একটি ফেডারেল নির্বাহী বিভাগ, যা সামরিক নীতি ও যুদ্ধ পরিচালনার মূল সংস্থা হিসেবে কাজ করে। প্রতিটি শাখার সর্বোচ্চ পদমর্যাদার কর্মকর্তারা [[w:জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফ|জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফ]] হিসেবে রাষ্ট্রপতিকে পরামর্শ দেন, তবে তাদের সরাসরি অপারেশনাল কমান্ড নেই। [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি]] হিসেবে বর্তমানে [[জো বাইডেন]] সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান এবং প্রতিরক্ষা বিভাগের দায়িত্বে রয়েছেন প্রতিরক্ষাসচিব [[লয়েড অস্টিন]]।
==এ==
*আমাদের কাছে বিশাল সেনাবাহিনী আছে, সু[[শৃঙ্খলা|শৃঙ্খল]] এবং সুসজ্জিত, যার [[সেনাপতি|সেনাপতিরা]] সামরিক দক্ষতার দিক থেকে কারো চেয়ে কম নয়, এবং তৎপরতা ও [[উদ্দীপনা|উদ্দীপনায়]] শ্রেষ্ঠ। আমাদের অস্ত্রাগার এবং ভাণ্ডার আমাদের প্রত্যাশার চেয়েও বেশি সমৃদ্ধ... আপনাদের সামনে এখন শত্রুবাহিনীর পুরো শক্তি এবং তাদের ভিত্তিহীন ও ভাড়াটে সহায়ক শক্তিকে প্রতিহত করার মতো যথেষ্ট সেনাবাহিনী রয়েছে। আপনাদের সৈন্যদের হৃদয়ে স্বাধীনতার চেতনা প্রবল; তারা তাদের কারণের ন্যায়বিচারে অনুপ্রাণিত, এবং তারা যখন তাদের তলোয়ার আঁকড়ে ধরে তখন সাহায্যের জন্য [[স্বর্গ|স্বর্গের]] দিকে তাকাতে পারে। আপনাদের প্রতিপক্ষরা এমন অভাজনদের নিয়ে গঠিত যারা মানবতার অধিকারকে উপহাস করে, যারা ধর্মকে বিদ্রূপে পরিণত করে, এবং উচ্চ বেতনের জন্য তাদের তলোয়ার তাদের নেতা বা তাদের দেশের বিরুদ্ধে চালিত করতে পারে। তাহলে, অতীতে স্বর্গ থেকে প্রাপ্ত সাফল্যের কৃতজ্ঞতা এবং ভবিষ্যতে সেই সাফল্যের আত্মবিশ্বাস নিয়ে আপনাদের মহৎ উদ্যোগে এগিয়ে যান। নিজের পক্ষ থেকে, আমি সাধারণ বিপদ এবং সাধারণ গৌরবে আপনাদের সাথে অংশ নেওয়ার চেয়ে বড় কোনো আশীর্বাদ চাই না।
**[[স্যামুয়েল অ্যাডামস]], [http://www.samuel-adams-heritage.com/documents/speech-about-declaration-of-independence.html স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র সম্পর্কে ভাষণ] (১ আগস্ট ১৭৭৬)
*আসুন [[বিশ্ব|বিশ্ব]] নিয়ে আলোচনা করি। "[[ঈশ্বর|ঈশ্বর]] ছাড়া কি বিশ্বায়ন সম্ভব"—এই প্রশ্নের উত্তরের সহজ উত্তর হলো "হ্যাঁ"। বিশ্বায়ন আসলে নিজেই একটি কোড শব্দ, একটি মুখোশ, সি-শব্দ [[পুঁজিবাদ|পুঁজিবাদ]] ব্যবহার না করার জন্য। বিশ্বায়ন মূলত পুঁজিবাদের প্রসারের সর্বশেষ পর্যায়। এটি এমন কিছু নয় যা [[নিরপেক্ষ|নিরপেক্ষ]], এটি এমন একটি পুঁজিবাদ যার নিজস্ব নিয়ম আছে: এর নিজস্ব অর্থনৈতিক নিয়ম আছে, এর নিজস্ব রাজনৈতিক নিয়ম আছে, এর নিজস্ব সাংস্কৃতিক নিয়ম আছে এবং এর নিজস্ব সামরিক নিয়ম আছে। এটি একটি 'সিস্টেম'। এই সিস্টেমের মূলে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, বর্তমানে বিশ্বের একমাত্র বিদ্যমান [[সাম্রাজ্য|সাম্রাজ্য]]। [[মানবতা|মানবতার]] [[ইতিহাস|ইতিহাসে]] এই প্রথম এমন একটি একক সাম্রাজ্য এত প্রভাবশালী, যার সামরিক বাজেট পরবর্তী ১৫টি দেশের সম্মিলিত সামরিক বাজেটের চেয়ে বেশি, এবং যার সামরিক-শিল্প কমপ্লেক্স নিজেই বিশ্বের একাদশ বৃহত্তম অর্থনৈতিক সত্তা। এটি সেই বাস্তবতা যাতে আমরা বাস করি, এবং এটি সেই বাস্তবতা যা বিভিন্ন উপায়ে আমাদের ''সম্মুখীন'' হয়।
**[[তারিক আলি]], [http://www.vpro.nl/programma/tegenlicht/artikelen/21200518/ দশম বিশ্বায়ন বক্তৃতা], ভিপ্রও।
*আমেরিকায়, সৈনিকদের প্রতি এক ধরনের [[শ্রদ্ধা|শ্রদ্ধা]] রয়েছে। একজনকে ক্রমাগত তাদের [[সাহস|সাহস]], তাদের আত্মত্যাগের কথা মনে করিয়ে দেওয়া হয়। সৈনিকদের নিঃস্বার্থপরতার একটি অন্তর্নিহিত আভা থাকে, তারা মর্যাদাপূর্ণ আচরণের সাথে চলে। বিমানবালারা ইউনিফর্ম পরিহিত সৈনিকদের ফার্স্ট ক্লাসে আপগ্রেড করে, রেস্তোরাঁগুলো ভেটেরানদের ছাড় দেয়, অপরিচিতরা তাদের হাত মেলায় এবং বলে, 'আপনার সেবার জন্য ধন্যবাদ'।
**বেনামী, [http://www.theguardian.com/world/iran-blog/2015/jul/22/iran-military-uniform-gomrok-shopping-spree "হাউ আই লার্নড টু স্টপ ওরিং অ্যান্ড লাভ দ্য ইরানিয়ান আর্মি"], ''দ্য গার্ডিয়ান'' (২৩ জুলাই ২০১৫), যুক্তরাজ্য।
*প্রতিরক্ষা এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার বিষয়ে, গল্পটি আপাতদৃষ্টিতে ভালো মনে হয়। প্রেসিডেন্ট সামরিক ব্যয় বাড়িয়েছেন (যদিও ঋণের স্তূপের খরচে)। তিনি মার্কিন বাহিনীকে আধুনিকীকরণ এবং আমাদের সৈন্যদের বেতন বাড়ানোর দিকে মনোনিবেশ করেছেন। এবং তিনি দেশ ও সীমানা সুরক্ষাকে তার প্রেসিডেন্সির সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারগুলোর একটি করেছেন। বাস্তবে, [[ডোনাল্ড ট্রাম্প|ট্রাম্প]] [[পেন্টাগন|পেন্টাগনের]] জন্য একটি বিপর্যয় হয়েছেন। তিনি সামরিক নেতাদের প্রজাতন্ত্রের নির্দলীয় রক্ষক হিসেবে নয়, বরং "তার জেনারেল" হিসেবে উল্লেখ করেন, যাদের তিনি [[দাবা|দাবা]] বোর্ডের নাইটদের মতো নিজের ইচ্ছামতো সরাতে পারেন। তার এই ধরনের কথা শোনা কঠিন। এই নেতাদের কেউ কেউ দেশের সুরক্ষায় সন্তান হারিয়েছেন। তারা দরজায় কড়া নাড়ার শব্দে দরজা খুলে এমন মানুষজনের মুখ থেকে তাদের জীবনের সবচেয়ে হৃদয়বিদারক খবর শুনেছেন, যে তাদের সন্তান চিরতরে হারিয়ে গেছে। তবুও তারা এমন একজন ব্যক্তির নির্দেশে কাজ করছেন যিনি সামরিক সেবার কথা ভাবলে কুঁকড়ে যেতেন। ইউনিফর্ম পরা দেশপ্রেমিকরা এটি প্রকাশ্যে বলে বের হবে না কারণ তারা তাদের কমান্ডারের সাথে প্রকাশ্যে দ্বিমত পোষণ করতে চায় না, কিন্তু অনেকেই ট্রাম্পের সৌজন্যবোধের অভাব এবং আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর অদূরদর্শী নেতৃত্বে আতঙ্কিত। বারবার, তিনি আমাদের সশস্ত্র বাহিনীকে রাজনৈতিক বিতর্কে টেনে আনার চেষ্টা করে বা নিজের দৃঢ়তা দেখানোর জন্য তা ব্যবহার করে এক ভয়ানক পরিস্থিতিতে ফেলেছেন। এটি তিনি অফিসে প্রবেশের আগেই শুরু করেছিলেন। একজন প্রার্থী হিসেবে, ট্রাম্প সামরিক ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে আমেরিকার শত্রুদের বিরুদ্ধে কৌশল হিসেবে [[নির্যাতন|নির্যাতন]] গ্রহণ করার পরামর্শ দিয়েছিলেন, শপথ করে বলেছিলেন, "আমি ওয়াটারবোর্ডিং ফিরিয়ে আনব। এবং আমি ওয়াটারবোর্ডিংয়ের চেয়ে অনেক বেশি ভয়ানক কিছু ফিরিয়ে আনব।" বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেছেন যে এই ধরনের বক্তব্য সন্ত্রাসীরা প্রচারণার জন্য ব্যবহার করে, আমেরিকার কথিত নিষ্ঠুরতার কথা প্রচার করে সমর্থকদের নিয়োগ করতে তাদের সাহায্য করে। এটি তাদের আখ্যানকে খাওয়ায়, বিদেশের মার্কিন বাহিনীকে বিপদে ফেলে। সৌভাগ্যবশত, প্রেসিডেন্ট তার মেয়াদ শুরুর দিকেই আগত দলের দ্বারা বিষয়টি বাদ দেওয়ার জন্য রাজি হয়েছিলেন, যারা বুঝতে পেরেছিল যে ট্রাম্পের ভোল পাল্টানো জাতীয় প্রতিরক্ষাকে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করবে।
** বেনামী, ''আ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১০৩-১০৪।
*ট্রাম্প যখন নতুন সেনা ইউনিফর্ম ("খুব দামী," তিনি আক্ষেপ করেছিলেন, কিন্তু অন্যদিকে, "সুন্দর")-এর মতো বিষয়ে ভোল পাল্টান, তখন এটি ক্লান্তিকর। যখন এটি বিমান হামলার বিষয়ে হয়, তখন এটি ভয়ঙ্কর। প্রেসিডেন্টের আবেগপ্রবণতা আমাদের সামরিক বাহিনীর জন্য একটি বিপদ সৃষ্টি করে, যার পুরো মাত্রা বছরের পর বছর ধরে জানা যাবে না। তিনি পেন্টাগনের জন্য সামান্য মাথাব্যথার চেয়ে বেশি কিছু। তিনি এক অন্ধ করে দেওয়া মাইগ্রেন। যারা পেন্টাগনের সর্বোচ্চ পর্যায়ে কাজ করেছেন, যারা সিদ্ধান্তের মুহূর্তে ট্রাম্পের সাথে বসেছেন, তারা এটি খুব ভালোভাবেই জানেন। সাপ্তাহিক ভিত্তিতে, তারা ইউনিফর্ম পরা নারী-পুরুষদের বোঝানোর চেষ্টা করেন যে তাদের ওপর থাকা কমান্ডার-ইন-চিফ কতটা অসংযমী এবং তিনি কীভাবে মার্কিন সামরিক বাহিনীকে একটি বড় ব্যাটলশিপ খেলার অংশ হিসেবে দেখেন। আমাদের যোদ্ধারা আমাদের ক্ষতি করতে চাওয়া ব্যক্তিদের শিকার করতে বিশ্বের অন্ধকার কোণে যেতে সবকিছু বাজি রাখে। তাদের কর্তব্যের অলঙ্ঘনীয় কোডের জন্য তারা এমন একজন ব্যক্তির চেয়ে বেশি কিছু পাওয়ার যোগ্য যার মৌলিক নৈতিক কম্পাসের অভাব রয়েছে।
** বেনামী, ''আ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১০৫।
*সেনাবাহিনী এগিয়ে চলেছে!
**"আর্মি গোজ রোলিং অ্যালং"
*আমেরিকান সেনাবাহিনী যুদ্ধে এত ভালো করার [[কারণ|কারণ]] হলো [[যুদ্ধ|যুদ্ধ]] হলো [[বিশৃঙ্খলা|বিশৃঙ্খলা]] এবং আমেরিকান সেনাবাহিনী প্রতিদিন বিশৃঙ্খলার অনুশীলন করে।
**নাৎসি সামরিক বাহিনীর বেনামী প্রবাদ, {{cite news |last1=লেসি |first1=জিম |title=নাথিং ওয়েন্ট অ্যাকর্ডিং টু প্ল্যান |url=http://content.time.com/time/nation/article/0,8599,443808,00.html |accessdate=২৩ জুলাই ২০১৯ |প্রকাশক=সময় |date=১৫ এপ্রিল, ২০০৩}}-এ উদ্ধৃত।
==বি==
*যুক্তরাষ্ট্রের [[ভবিষ্যৎ]] প্রস্তুতির সর্বোত্তম উপায় হলো তার অর্থনৈতিক শক্তি সঞ্চয় করা এবং কেবল তখনই সামরিকভাবে সাড়া দেওয়া যখন কোনো গুরুতর হুমকি তৈরি হয়। অন্যথায়, ওয়াশিংটনের উচিত সংঘাতের চেয়ে সমঝোতার পথ খোঁজা।
**ডাগ ব্যান্ডো, [http://nationalinterest.org/blog/the-skeptics/china-really-dangerous-16347 “চীন কি সত্যিই এতটা বিপজ্জনক?”] (২৫ মে ২০১৬), ''দ্য ন্যাশনাল ইন্টারেস্ট''
*আমি একজন নিবন্ধিত ডেমোক্র্যাট। আমি সাধারণত ডেমোক্র্যাটদের ভোট দিই। সামরিক বাহিনীর সাথে কাজ করা একজন ডেমোক্র্যাট হওয়া অদ্ভুত, কারণ সামরিক বাহিনীতে মূলত রিপাবলিকানদের আধিপত্য। আমি এই পরিবেশে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি কারণ আমি রুমের মধ্যে সন্দেহবাদী বা ভিন্নমতাবলম্বী হতে পছন্দ করি। আর যদি সামরিক পরিবেশে ভিন্নমতাবলম্বী হতে হয়, তবে সম্ভবত আপনাকে ডেমোক্র্যাটই হতে হবে। তবে এটি আমার পারিবারিক প্রেক্ষাপট। আমার এক দাদা ছিলেন যিনি প্রগ্রেসিভ হিসেবে নির্বাচনে দাঁড়িয়েছিলেন।
**থমাস বার্নেট, [http://archive.li/5c6cC#selection-123.0-123.14 ব্রায়ান ল্যাম্বের সাথে সাক্ষাৎকার] (মে ২০০৪), ''সি-স্প্যান''
*এ বিষয়ে কোনো ভুল করা উচিত নয়: কংগ্রেসের বিশাল, অকার্যকর এবং অযৌক্তিকভাবে ব্যয়বহুল যুদ্ধ যন্ত্রে বিনিয়োগ করার সিদ্ধান্তের সাথে অধিকাংশ মানুষ যেভাবে জাতীয় নিরাপত্তা বা অভিধান অনুযায়ী “প্রতিরক্ষা”কে বোঝে, তার কোনো সম্পর্ক নেই। মার্কিন সমাজ নিশ্চিতভাবেই আমাদের নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হুমকির মুখোমুখি, যার মধ্যে রয়েছে জলবায়ু সংকট, প্রাতিষ্ঠানিক বর্ণবাদ, ভোটাধিকার ক্ষয়, বন্দুক সহিংসতা, চরম বৈষম্য এবং রাজনৈতিক ক্ষমতার ওপর করপোরেট দখল। কিন্তু আমাদের সৌভাগ্য যে, আমাদের কোনো প্রলয়ঙ্করী বৈশ্বিক আক্রমণকারী বা প্রকৃতপক্ষে অন্য কোনো দেশের হামলার হুমকি নেই... যদি এই অকার্যকর ও প্রাণঘাতী অর্থের অপচয় রোধে জনগণের কোনো প্রভাব ফেলতে হয়, তবে আমাদের অবশ্যই প্রচারণার কুয়াশা ভেদ করে দেখতে শিখতে হবে। এই প্রচারণা লাল, সাদা ও নীল পতাকার নিচে স্বার্থপর দুর্নীতিকে ঢেকে রাখে এবং সামরিক কর্মকর্তাদের জনগণের সেই স্বাভাবিক শ্রদ্ধাকে সিনিক বা নিচভাবে শোষণ করতে দেয়, যা সাহসী তরুণ-তরুণীরা আমাদের দেশকে রক্ষার জন্য জীবন বাজি রেখে অর্জন করেছে। ক্রিমিয়ার যুদ্ধে, রাশিয়ানরা ব্রিটিশ সৈন্যদের “গাধার দ্বারা পরিচালিত সিংহ” বলেছিল। আজকের মার্কিন সামরিক বাহিনীর জন্য এটিই একটি যথার্থ বর্ণনা।
** মিডিয়া বেঞ্জামিন এবং [https://www.salon.com/2021/12/07/congress-loots-the-treasury-for-us-machine--while-bickering-over-build-back-better/ নিকোলাস জে.এস. ডেভিস, কংগ্রেস লোটস দ্য ট্রেজারি ফর ইউ.এস. ওয়ার মেশিন — হোয়াইল বিকারিং ওভার বিল্ড ব্যাক বেটার, ''স্যালন,''] (৭ ডিসেম্বর, ২০২১)
*বিশ্বের পরবর্তী ১২ বা ১৩টি বৃহত্তম সামরিক বাহিনীর সম্মিলিত খরচের চেয়েও বেশি ব্যয় করা একটি যুদ্ধ যন্ত্র বজায় রাখা আমাদের কম নিরাপদ করে তোলে। কারণ প্রতিটি নতুন প্রশাসন এই বিভ্রান্তি উত্তরাধিকার সূত্রে পায় যে, যুক্তরাষ্ট্রের অত্যধিক ধ্বংসাত্মক সামরিক শক্তি যেকোনো জায়গায় মার্কিন স্বার্থের বিরুদ্ধে অনুভূত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ব্যবহার করা যেতে পারে—এমনকি যখন স্পষ্টতই কোনো সামরিক সমাধান নেই এবং যখন অনেক মূল সমস্যাই প্রথমত মার্কিন সামরিক শক্তির অপপ্রয়োগের কারণে সৃষ্টি হয়েছে। এই শতাব্দীতে আমাদের মুখোমুখি আন্তর্জাতিক চ্যালেঞ্জগুলোর জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও কূটনীতির প্রতি প্রকৃত প্রতিশ্রুতি প্রয়োজন, অথচ কংগ্রেস পেন্টাগন বাজেটের ১০ শতাংশেরও কম, মাত্র ৫৮ বিলিয়ন ডলার, আমাদের সরকারের কূটনৈতিক শাখা—পররাষ্ট্র দপ্তরের জন্য বরাদ্দ করে। আরও খারাপ বিষয় হলো, ডেমোক্র্যাট এবং রিপাবলিকান উভয় প্রশাসনই শীর্ষ কূটনৈতিক পদগুলোতে এমন কর্মকর্তাদের নিয়োগ দিয়ে চলেছে যারা যুদ্ধ ও জবরদস্তির নীতিতে দীক্ষিত, যাদের আমাদের অত্যন্ত প্রয়োজনীয় শান্তিপূর্ণ কূটনীতির ক্ষেত্রে নগণ্য অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা রয়েছে। এটি কেবল একটি ব্যর্থ বৈদেশিক নীতিকে দীর্ঘস্থায়ী করে, যা মিথ্যা পছন্দের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে—যেমন জাতিসংঘ কর্মকর্তাদের মতে মধ্যযুগীয় অবরোধের মতো অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা, দশকের পর দশক ধরে দেশ ও অঞ্চলকে অস্থিতিশীল করা অভ্যুত্থান এবং লক্ষ লক্ষ মানুষকে হত্যা করা ও শহরগুলোকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করা যুদ্ধ ও বিমান হামলা, যেমন [[ইরাক|ইরাকের]] মসুল এবং [[সিরিয়া|সিরিয়ার]] রাক্কায় দেখা গেছে।
** [[মিডিয়া বেঞ্জামিন]] এবং [https://www.salon.com/2021/12/07/congress-loots-the-treasury-for-us-machine--while-bickering-over-build-back-better/ নিকোলাস জে.এস. ডেভিস, কংগ্রেস লোটস দ্য ট্রেজারি ফর ইউ.এস. ওয়ার মেশিন — হোয়াইল বিকারিং ওভার বিল্ড ব্যাক বেটার, ''স্যালন,''] (৭ ডিসেম্বর, ২০২১)
*তোমাদের সেবা যেন কখনো বিচ্ছিন্ন না হয়, পতাকার প্রতি অটল থেকো! সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনী চিরজীবী হোক! লাল, সাদা এবং নীলের জন্য তিনবার উল্লাসধ্বনি!
**থমাস আ বেকেট, সিনিয়র, “কলম্বিয়া, দ্য জেম অফ দ্য ওশান” (১৮৪৩)
*তুমি শান্তভাবে বুট ক্যাম্পে যাবে<br>তারা তোমাকে গুলি করে মেরে ফেলবে, তোমাকে মানুষ বানাবে<br>তুমি [[চিন্তা]] কোরো না, এটি একটি লক্ষ্যের জন্য<br>বৈশ্বিক করপোরেশনের নখর ভরার জন্য।
**জেলো বিয়াফ্রা, ''{{w|উই'ভ গট আ বিগার প্রবলেম নাও}}'', ''{{w|ইন গড উই ট্রাস্ট, ইনক.}}'' (১৯৮১)।
*[[ঈশ্বর]] আমাদের সৈন্যদের আশীর্বাদ করুন।
**[[জো বাইডেন]], [http://www.c-span.org/video/?401096-1/উইকলি প্রেসিডেন্সিয়াল অ্যাড্রেস] (২১ নভেম্বর ২০১৫)
*<p>স্বৈরাচারীরা তাদের [[লোহা|লোহার]] দণ্ড নাড়াক, এবং [[দাসত্ব|দাসপ্রথা]] তার জীর্ণ [[শৃঙ্খল|শিকল]] ঝনঝন করুক। আমরা তাদের [[ভয়]] করি না, আমরা [[ঈশ্বর|ঈশ্বরে]] [[বিশ্বাস]] রাখি...</p><p>ঈশ্বর চিরকাল রাজত্ব করেন। শত্রুরা উদ্ধত পদক্ষেপে এগিয়ে আসছে। আমাদের সৈন্যরা সামরিক শব্দের সাথে অগ্রসর হচ্ছে। তাদের প্রবীণরা আমাদের যুবকদের সামনে থেকে পালিয়ে যাচ্ছে, এবং জেনারেলরা দাড়িহীন বালকদের কাছে আত্মসমর্পণ করছে।</p>
**উইলিয়াম বিলিংস, “চেস্টার” (১৭৭০), [http://store.bobbyhorton.com/album/হোমস্পান সংস অফ দ্য প্যাট্রিওটস ইন দ্য আমেরিকান রেভোলিউশন ''দ্য নিউ ইংল্যান্ড স্যাম সিঙ্গার'']
*[[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের]] পর যুক্তরাষ্ট্র যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজটি করেছিল, তা হলো ফিরে আসা ভেটেরানদের সহায়তা করা।
**আর্ল ব্লুমেনাউয়ার (১৮ ডিসেম্বর ২০০৭), “[হাউস রিস্টোরস ওরেগন ভেটেরানস প্রভিশনস কাট বাই সিনেট]”। প্রেস বিজ্ঞপ্তি। ''কংগ্রেসম্যান আর্ল ব্লুমেনাউয়ার’স ওয়েবসাইট, রিপ্রেজেন্টিং দ্য ৩য় কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্ট অফ ওরেগন''। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদ।
*<p>[[আমেরিকা|আমেরিকার]] সামরিক শ্রেষ্ঠত্ব অপ্রতিদ্বন্দ্বী; এখানেই শেষ...</p><p>যুক্তরাষ্ট্র স্থল, [[সমুদ্র]], [[আকাশ]] এবং মহাকাশে আধিপত্য বিস্তার করে। আমেরিকার মধ্যপ্রাচ্যের দুঃসাহসিক অভিযান মার্কিন সামরিক বাহিনীকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে, কিন্তু [[ইরাক যুদ্ধ|ইরাক]] ও [[আফগানিস্তানে যুদ্ধ (২০০১–২০২১)|আফগানিস্তানের যুদ্ধ]] মার্কিন সামরিক শ্রেষ্ঠত্বের হ্রাসের চেয়ে বরং যুদ্ধের পরিবর্তনশীল প্রকৃতিকেই বেশি নির্দেশ করে। সন্ত্রাসবাদী এবং গেরিলা যোদ্ধারা কৌশলে প্রচলিত সামরিক শক্তিকে চ্যালেঞ্জ করে। যুক্তরাষ্ট্রকে শেষ পর্যন্ত এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলার জন্য সামরিক শক্তি সংকুচিত করতে শিখতে হবে। তবুও, যদিও প্রচলিত সামরিক শক্তি হয়তো সন্ত্রাসবাদীদের আটকাতে পারে না, এটি কিন্তু শত্রুভাবাপন্ন দেশগুলোকে প্রতিরোধ করার ক্ষেত্রে চমৎকার কাজ করে।</p>
**[[ইয়ান ব্রেমার]], [https://web.archive.org/web/20150528161550/http://time.com/3899972/us-superpower-status-military/ “দিজ আর দ্য ৫ রিজনস হোয়াই দ্য ইউ.এস. রিমেইনস দ্য ওয়ার্ল্ডস অনলি সুপারপাওয়ার: হোয়াই ওয়াশিংটন ক্যান স্টিল ক্লেইম গ্লোবাল প্রাইমেসি ইন দ্য ২১স্ট সেঞ্চুরি”] (২৮ মে ২০১৫), ''টাইম''
*যদি আপনার [[দেশ|দেশের]] আপনার [[প্রয়োজন]] হয়, তবে আপনার সেখানেই থাকা উচিত; আমি যখন [[যুবক]] ছিলাম তখন এমনটাই অনুভব করতাম, এবং আজও আমি তা-ই অনুভব করি।
**[[ফ্রাঙ্ক বাকলস]], মার্কিন সেনাবাহিনীতে সেবা সম্পর্কে, ''দ্য নক্সভিল নিউজে'' উদ্ধৃত
*[পররাষ্ট্র নীতির “সামরিকীকরণ” বিষয়ক উদ্বেগের প্রশ্নের জবাবে তাঁর প্রতিক্রিয়া] আমাদের সবারই উদ্বিগ্ন হওয়া উচিত। প্রতিরক্ষা ও সামরিক নেতারা কূটনীতির ওপর শক্তির ভূমিকা পরিবর্তনের—উভয় দলের প্রশাসনের মধ্যেই—ক্ষতিকারক প্রবণতা তুলে ধরার ব্যাপারে পিছপা হন না। আমরা সবাই সেক্রেটারি অফ ডিফেন্স [[রবার্ট গেটস|বব গেটস]]ের লাইনটি উদ্ধৃত করেছি যে, সামরিক বাহিনীতে আমাদের ফরেন সার্ভিস অফিসারদের চেয়ে বেশি সঙ্গীতজ্ঞ রয়েছে, এবং [[জিম ম্যাটিস|জিম ম্যাটিস]]ের পয়েন্টটি যে, আমরা যদি কূটনীতিতে কম বিনিয়োগ অব্যাহত রাখি তবে আমাদের “আরও গোলাবারুদ কিনতে হবে”। কিন্তু আমি ভয় পাচ্ছি যে, তাতে খুব একটা কাজ হয়নি। অবশ্যই, আমাদের নিশ্চিত করা উচিত যে আমাদের সামরিক বাহিনী অন্য যেকোনো দেশের চেয়ে শক্তিশালী, যাতে আমাদের শেষ হাতিয়ারটি শক্তিশালী ও টেকসই হয়। এবং অবশ্যই, কূটনীতি পরিচালনায় শক্তি বা শক্তির হুমকি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যারা আমাদের বিপরীতে টেবিলে বসেছিলেন, তাদের মনোযোগ আকর্ষণ করতে পেরে আমরা সবাই মার্কিন সামরিক বাহিনী থেকে উপকৃত হয়েছি... কিন্তু বারবার, আমরা দেখেছি যে সামরিক হাতিয়ারের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা আমাদের নীতির চোরাবালিতে নিয়ে যেতে পারে। বারবার, আমরা শক্তির অত্যধিক ব্যবহারের—বা সময়ের আগেই ব্যবহারের—ফাঁদে পড়েছি। এটি আমেরিকান রক্ত ও অর্থের ক্ষেত্রে অনেক বেশি ব্যয়সাধ্য এবং এটি কূটনীতিকে একটি বিকৃত ও কম সম্পদের সংস্থানযুক্ত গৌণ বিষয়ে পরিণত করে। [[সেপ্টেম্বর ১১-এর হামলা|৯/১১]]-পরবর্তী যুগের চিরস্থায়ী যুদ্ধে, [শক্তি ও কূটনীতির] এই “মহা বিপরীতকরণ” পররাষ্ট্র দপ্তরের পেশাদারদের এমন জাতি-গঠনের ভূমিকায় ঠেলে দিয়েছে যা আমেরিকান কূটনীতিক বা অন্য কোনো বাহ্যিক শক্তির ক্ষমতার বাইরে। যদিও আমাদের সহকর্মীরা সাহস ও বুদ্ধিমত্তার সাথে সেবা করেছেন, সত্যটি হলো আমরা আমেরিকান ফরেন সার্ভিস, ব্রিটিশ কলোনিয়াল সার্ভিস নই।
** উইলিয়াম জে. বার্নস, ''দ্য ডিপ্লোম্যাসি ইম্পারেটিভ: আ কিউ অ্যান্ড এ উইথ উইলিয়াম জে. বার্নস, দ্য ফরেন সার্ভিস জার্নাল,'' মে ২০১৯
*কমান্ডার ইন চিফ হিসেবে, আমি আপনাদের রিপোর্ট করছি: আমাদের সশস্ত্র বাহিনী সম্মান ও বীরত্বের সাথে লড়াই করেছে।
**[[জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ|জর্জ এইচ. ডাব্লিউ. বুশ]], [http://www.nytimes.com/1991/03/07/us/after-war-president-transcript-president-bush-s-address-end-gulf-war.html?pagewanted=all মার্কিন কংগ্রেসের উদ্দেশ্যে ভাষণ] (২৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৯১)
*<p>যখন আমি আমাদের সৈন্যদের কাজে আহ্বান জানিয়েছিলাম, আমি তাদের সাহস ও দক্ষতার ওপর পূর্ণ আস্থা নিয়ে তা করেছিলাম। এবং আজ রাতে, তাদের ধন্যবাদ, আমরা যুদ্ধে জয়ী হচ্ছি...</p><p>আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর পুরুষ ও নারীরা এমন একটি বার্তা দিয়েছেন যা এখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি শত্রুর কাছে পরিষ্কার। এমনকি ৭,০০০ মাইল দূরে, মহাসাগর ও মহাদেশ জুড়ে, পাহাড়ের চূড়ায় এবং গুহায়; তোমরা এই জাতির ন্যায়বিচার থেকে বাঁচতে পারবে না।</p>
**[[জর্জ ডব্লিউ বুশ|জর্জ ডাব্লিউ. বুশ]], স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন অ্যাড্রেস (২৯ জানুয়ারি ২০০২)
*<p>যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনীর সকল পুরুষ ও নারীদের প্রতি...</p><p>একটি সমস্যাসংকুল বিশ্বের শান্তি এবং নির্যাতিত মানুষের আশা এখন আপনাদের ওপর নির্ভর করে। সেই আস্থা সঠিকভাবে অর্পিত। আপনারা যে শত্রুদের মোকাবিলা করবেন তারা আপনাদের দক্ষতা ও বীরত্ব সম্পর্কে জানতে পারবে। আপনারা যাদের মুক্ত করবেন তারা আমেরিকান সামরিক বাহিনীর সম্মানজনক ও শালীন চেতনা প্রত্যক্ষ করবে। এই সংঘাতের মধ্যে, আমেরিকা এমন এক শত্রুর মুখোমুখি হয়েছে যার যুদ্ধের রীতি বা নৈতিকতার নিয়মের প্রতি কোনো শ্রদ্ধা নেই...</p><p>আমি জানি যে আমাদের সামরিক পরিবারের সদস্যরা প্রার্থনা করছেন যাতে যারা সেবা করছেন তারা সবাই নিরাপদে এবং শীঘ্রই ফিরে আসেন। লক্ষ লক্ষ আমেরিকান আপনাদের প্রিয়জনদের নিরাপত্তা এবং নিরপরাধীদের সুরক্ষার জন্য আপনাদের সাথে প্রার্থনা করছেন। আপনাদের ত্যাগের জন্য, আপনারা আমেরিকান জনগণের কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা পেয়েছেন। এবং আপনারা জানতে পারেন যে আমাদের বাহিনী কাজ শেষ হবামাত্রই বাড়িতে ফিরে আসবে...</p><p>আমাদের দেশ ও বিশ্বের বিপদগুলো কাটিয়ে ওঠা হবে। আমরা এই বিপদের সময় পার করে শান্তির কাজ চালিয়ে যাব। আমরা আমাদের স্বাধীনতা রক্ষা করব। আমরা অন্যদের স্বাধীনতা এনে দেব এবং আমরা জয়ী হব...</p><p>ঈশ্বর আমাদের দেশকে এবং যারা তাকে রক্ষা করে তাদের আশীর্বাদ করুন।</p>
**[[জর্জ ডব্লিউ বুশ|জর্জ ডাব্লিউ. বুশ]], [https://listenonrepeat.com/watch/?v=5BwxI_l84dc ইরাক আক্রমণের ভাষণ] (১৯ মার্চ ২০০৩)
*আমেরিকা এবং আমাদের মিত্ররা ভিন্ন ধরনের শত্রুর বিরুদ্ধে নতুন ধরনের যুদ্ধ করছে। এই সংঘাত আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর পুরুষ ও নারীদের—আমাদের গার্ড ও রিজার্ভসহ—ওপর বড় দাবি রাখে। তারা প্রতিটি পরীক্ষা দিয়েছে; তারা প্রতিটি চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করেছে। এই যুদ্ধ সরকারে আমাদের ওপরও দাবি রাখে। আমরা আমাদের দেশ রক্ষার শপথ নিয়েছি। যারা আমাদের রণক্ষেত্রে রক্ষা করে, সেই সেবা করা পুরুষ ও নারীদের সহায়তা করার পবিত্র দায়িত্ব আমাদের রয়েছে।
**[[জর্জ ডব্লিউ বুশ|জর্জ ডাব্লিউ. বুশ]], [http://www.washingtonpost.com/wp-dyn/articles/A42299-2004Aug5.html প্রতিরক্ষা বিল স্বাক্ষরের সময় মন্তব্য] (৫ আগস্ট ২০০৪)
*ইরাকে আমাদের সৈন্যরা সাহসের সাথে লড়াই করেছে। তারা সবকিছুই করেছে যা আমরা তাদের করতে বলেছি। যেখানে ভুল হয়েছে, তার দায়ভার আমার।
**[[জর্জ ডাব্লিউ. বুশ]], [http://georgewbush-whitehouse.archives.gov/news/releases/2007/01/20070110-7.html জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ] (১০ জানুয়ারি ২০০৭)
*বাঙ্কার হিল থেকে [[বাগদাদ|বাগদাদ]], আমেরিকান সশস্ত্র বাহিনীর পুরুষ ও নারীরা আমাদের গণতন্ত্রের নিবেদিত অভিভাবক।
**[[জর্জ ডব্লিউ বুশ|জর্জ ডাব্লিউ. বুশ]], [https://georgewbush-whitehouse.archives.gov/news/releases/2008/11/20081101.html রেডিও ভাষণ] (১ নভেম্বর ২০০৮)
*আমাদের সৈন্যদের যুদ্ধগুলো দুটি নাটকীয়ভাবে ভিন্ন ব্যবস্থার মধ্যে বৃহত্তর সংগ্রামের অংশ। একটির অধীনে, ধর্মান্ধদের একটি ছোট দল একটি নিপীড়নমূলক আদর্শের প্রতি সম্পূর্ণ আনুগত্য দাবি করে, নারীদের অধীনস্থতায় নিন্দা করে, এবং অবিশ্বাসী ব্যক্তিদের হত্যার জন্য চিহ্নিত করে। অন্য ব্যবস্থাটি এই বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে যে স্বাধীনতা সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের সার্বজনীন উপহার এবং স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচার শান্তির পথ আলোকিত করে। এই সেই বিশ্বাস যা [[যুক্তরাষ্ট্র|আমাদের জাতির]] জন্ম দিয়েছে। এবং দীর্ঘমেয়াদে, এই বিশ্বাসকে এগিয়ে নেওয়াই আমাদের নাগরিকদের রক্ষা করার একমাত্র ব্যবহারিক উপায়।
**[[জর্জ ডব্লিউ বুশ|জর্জ ডাব্লিউ. বুশ]], [http://www.nytimes.com/2009/01/15/us/politics/15bush-text.html?pagewanted=all&_r=0 হোয়াইট হাউস থেকে জাতির উদ্দেশ্যে বিদায়ী ভাষণ] (১৫ জানুয়ারি ২০০৯)
*<p>আমি [[কমান্ডার ইন চিফ|কমান্ডার ইন চিফ]] হওয়া মিস করি, এবং এটি একটি সহজ [[প্রশ্ন]] যার [[উত্তর]] দেওয়া যায়। আমি আমাদের সামরিক বাহিনীকে [[ভালোবাসি]]...</p><p>আমি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীকে ভালোবাসি, এবং আমরা একটি ভাগ্যবান জাতি যে আমাদের এমন মানুষ আছে যারা [[সেবা|সেবা করতে]] স্বেচ্ছায় এগিয়ে আসে।</p>
**[[জর্জ ডব্লিউ বুশ|জর্জ ডাব্লিউ. বুশ]], [https://web.archive.org/web/20131205082100/http://www.today.com/id/40108402/ns/today-today_news/t/bush-reacts-apology-kanye-west/ ''টুডে''তে সাক্ষাৎকার] (৯ নভেম্বর ২০১০), ম্যাট লাউয়ারের সাথে।
*যুদ্ধ একটি র্যাকেট (প্রতারণামূলক ব্যবসা)। এটি সবসময়ই ছিল। এটি সম্ভবত সবচেয়ে প্রাচীন, সহজেই সবচেয়ে লাভজনক, নিশ্চিতভাবেই সবচেয়ে নিষ্ঠুর। এটিই একমাত্র আন্তর্জাতিক পরিধির। এটিই একমাত্র ব্যবসা যেখানে মুনাফার হিসাব করা হয় ডলারে এবং ক্ষতির হিসাব করা হয় প্রাণে। ... একটি র্যাকেটকে আমার মতে, এমন কিছু হিসেবে বর্ণনা করা ভালো যা অধিকাংশ মানুষের কাছে যা মনে হয়, আসলে তা নয়।
** স্মেলি বাটলার ''ওয়ার ইজ আ র্যাকেট'' (১৯৩৫)-এ
*মাত্র একটি ছোট “ভেতরের” গোষ্ঠী জানে এটি কিসের জন্য। এটি খুব অল্প সংখ্যক মানুষের লাভের জন্য, অনেকের খরচে পরিচালিত হয়। যুদ্ধ থেকে অল্প কিছু মানুষ বিশাল সম্পদ অর্জন করে। ... এই নতুন অর্জিত অঞ্চল অবিলম্বে সেই অল্প কিছু মানুষ দ্বারা শোষিত হয়—সেই একই মানুষ যারা যুদ্ধে [[রক্ত]] থেকে ডলার নিংড়ে নিয়েছিল। সাধারণ জনগণ বিল বহন করে। আর এই বিল কী? ... নতুন বসানো সমাধিফলক। ছিন্নভিন্ন দেহ। চূর্ণ-বিচূর্ণ মন। ভাঙা হৃদয় ও বাড়ি। অর্থনৈতিক অস্থিরতা। মন্দা এবং এর সাথে সম্পর্কিত সমস্ত দুঃখ। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে পিঠভাঙা কর।
**স্মেলি বাটলার [[যুদ্ধ একটি র্যাকেট|''ওয়ার ইজ আ র্যাকেট'']] (১৯৩৫)-এ
*আমি তেত্রিশ বছর এবং চার মাস সক্রিয় সামরিক সেবায় কাটিয়েছি এই দেশের সবচেয়ে ক্ষিপ্র সামরিক বাহিনী, মেরিন কোরের সদস্য হিসেবে। আমি সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট থেকে মেজর-জেনারেল পর্যন্ত সকল কমিশনপ্রাপ্ত পদমর্যাদায় কাজ করেছি। এবং সেই সময়ে, আমি আমার বেশিরভাগ সময় বড় ব্যবসা, ওয়াল স্ট্রিট এবং ব্যাংকারদের জন্য উচ্চ শ্রেণির পেশী-মানব হিসেবে কাটিয়েছি। সংক্ষেপে, আমি ছিলাম একজন র্যাকেটিয়ার, পুঁজিবাদের জন্য একজন গ্যাংস্টার।
**স্মেলি বাটলার ''মাভেরিক মেরিন জেনারেল স্মেলি ডি. বাটলার অ্যান্ড দ্য কন্ট্রাডিকশনস অফ আমেরিকান মিলিটারি হিস্ট্রি'' (২০১৪)তে
=== হাইডি বিরিচ, [https://www.congress.gov/116/meeting/house/110495/witnesses/HHRG-116-AS02-Wstate-BeirichH-20200211.pdf “অ্যালার্মিং ইনসিডেন্টস অফ হোয়াইট সুপ্রিমেসি ইন দ্য মিলিটারি – হাউ টু স্টপ ইট?”], ''Congress.gov'', (১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০) ===
* সশস্ত্র বাহিনীর নিজস্ব সৈন্যরা জানে যে পদমর্যাদায় [[শ্বেতাঙ্গ আধিপত্য|শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্ব]] একটি গুরুতর [[সমস্যা]]। ২০১৭ সালে ''মিলিটারি টাইমসে''র একটি জরিপে দেখা গেছে যে, প্রায় ২৫ শতাংশ সক্রিয় সামরিক কর্মী সশস্ত্র বাহিনীতে [[শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদ]] এবং [[বর্ণবাদের]] সম্মুখীন হয়েছেন। সেই সময়ে সক্রিয় দায়িত্ব পালনরত সৈন্য ছিল প্রায় ১.৩ মিলিয়ন, যার অর্থ প্রায় ৩,২৫,০০০ সৈন্য কোনো না কোনোভাবে শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদের সম্মুখীন হয়েছিল। একই প্রকাশনার ২০১৮ এবং ২০১৯ সালের পরবর্তী জরিপগুলোতেও মূলত একই উদ্বেগজনক ফলাফল পাওয়া গেছে।
** পৃষ্ঠা ৪
* এলিসনের মন্তব্যের জবাবে, প্রতিরক্ষা দপ্তর বলেছিল যে এটি “গত পাঁচ বছরে সার্ভিস সদস্যদের দ্বারা (অভ্যন্তরীণ) চরমপন্থী কার্যকলাপের ২৭টি রিপোর্ট” পেয়েছে। চিঠিতে আরও বলা হয়, সামরিক কর্মকর্তারা এই রিপোর্টগুলোর মধ্যে ২৫টির তদন্ত করেছেন; পরিশেষে, সামরিক বাহিনীর ১৮ জন সদস্যকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করা হয়েছে বা সশস্ত্র বাহিনী থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সৈন্যদের চরমপন্থার প্রকৃতি নথিভুক্ত করা হয়নি।
** পৃষ্ঠা ৪
* এক বিবৃতিতে, পেন্টাগনের মুখপাত্র, বিমান বাহিনীর মেজর কার্লা গ্লিসন বলেছেন: “ডিওডি সম্ভাব্য নতুন সৈন্য, নাবিক, বিমানসেনা এবং মেরিনদের সম্পর্কে যথাসম্ভব বেশি জানার জন্য একটি বহু-স্তরের পদ্ধতি ব্যবহার করে, যাতে আমরা মূল্যায়ন করতে পারি যে তাদের সামরিক বাহিনীতে সেবার বিশেষাধিকার দেওয়া উচিত কিনা। যদিও আমরা গ্যারান্টি দিতে পারি না যে সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়া প্রতিটি ব্যক্তি চরমপন্থী চিন্তাধারা থেকে মুক্ত থাকবে, বিভিন্ন স্ক্রিনিং সরঞ্জাম আমাদের এমন লোকদের শনাক্ত করার সর্বোত্তম সুযোগ প্রদান করে যারা আমাদের মূল্যবোধগুলো শেয়ার করে না।”
** পৃষ্ঠা ৯
* মিলিটারি টাইমসের ২০১৮ সালের জরিপে, যাতে প্রায় ৯০০ জন সক্রিয়-দায়িত্ব পালনরত সৈন্যের প্রতিক্রিয়া অন্তর্ভুক্ত ছিল, অংশগ্রহণকারী সার্ভিস সদস্যদের মধ্যে ২২ শতাংশ বলেছিলেন যে তারা সশস্ত্র বাহিনীতে শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদ বা বর্ণবাদী মতাদর্শের লক্ষণ দেখেছেন। জরিপ করা সংখ্যালঘু সার্ভিস সদস্যদের মধ্যে, বর্ণবাদ এবং বর্ণবাদী মতাদর্শের ঘটনা ২০১৭ সালের ৪২ শতাংশ থেকে বেড়ে ২০১৮ সালে অর্ধেক ছাড়িয়ে গেছে। উত্তরদাতারা জাতিগত গালি ও ইহুদিবিদ্বেষী ভাষার নৈমিত্তিক ব্যবহার, অন্যান্য সৈন্যদের অভিযোগ সত্ত্বেও [[কনফেডারেট স্টেটস অফ আমেরিকা|কনফেডারেট]] পতাকার প্রদর্শন, যুদ্ধের অঞ্চলে বাথরুমের দেয়ালে আঁকা স্বস্তিকা এবং শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্বের সাথে যুক্ত ট্যাটুর কথা উল্লেখ করেছেন। এটি উল্লেখ করা উচিত যে, যদি এই আচরণ কোনো বেসামরিক কর্মক্ষেত্রে ঘটত, তবে এই ঘটনাগুলোকে প্রতিকূল কর্মপরিবেশে অবদান হিসেবে দেখা হতো। পত্রিকাটি রিপোর্ট করেছে যে একজন বেনামী সার্ভিস সদস্য লিখেছেন, “আমার কয়েকজন সহকর্মী আছেন যারা বলেছেন যে তারা ‘অল্টরাইট’, এবং তারা ‘কৃষ্ণাঙ্গ, মুসলিম, হিস্পানিক এবং সাধারণভাবে অভিবাসীদের প্রতি তীব্র ঘৃণার খুবই স্পষ্ট বক্তব্য’ দিয়েছেন। তারা অনুকূল দায়িত্ব প্রদান না করে অন্যদের শাস্তি দেয়, ইত্যাদি।”
** পৃষ্ঠা ১২
* ২০০৯ সালের একটি স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা দপ্তর (ডিএইচএস) রিপোর্ট আরও সতর্ক করেছিল যে, প্রথম আফ্রিকান আমেরিকান রাষ্ট্রপতির নির্বাচন, অর্থনৈতিক মন্দা এবং [[ইরাক]] ও [[আফগানিস্তান|আফগানিস্তানে]] যুদ্ধ থেকে ফিরে আসা বেকার ভেটেরানদের আগমন ছিল সম্ভাব্য ফ্ল্যাশপয়েন্ট, এবং সামরিক কর্মী ও ভেটেরানদের চরম ডানপন্থী চরমপন্থী গোষ্ঠীগুলো লক্ষ্যবস্তু করছিল। দুর্ভাগ্যবশত, এই রিপোর্ট রাজনীতিবিদ, রক্ষণশীল ভাষ্যকার এবং ভেটেরান গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে একটি রাজনৈতিক ঝড় সৃষ্টি করেছিল। ফলস্বরূপ, এটি ডিএইচএস সেক্রেটারি [[জ্যানেট ন্যাপোলিটানো|জ্যানেট ন্যাপোলিটানো]] দ্বারা বাতিল করা হয়েছিল এবং ওবামা প্রশাসন পরবর্তীতে সমস্যাটি সমাধানের জন্য খুব কমই কাজ করেছে।
** পৃষ্ঠা ১৩
* তৎকালীন প্রতিরক্ষা সচিব উইলিয়াম পেরি আপডেট করা প্রবিধানের উদ্দেশ্য বর্ণনা করতে আরও শক্তিশালী ভাষা ব্যবহার করেছিলেন। পেরি বলেছিলেন, “প্রতিরক্ষা দপ্তরের নীতিতে সেনাবাহিনীতে বর্ণবাদী এবং চরমপন্থী কার্যকলাপের কোনো স্থান নেই। আমাদের অবশ্যই—এবং আমরা করব—সেনাবাহিনী থেকে ধর্মান্ধতা, বর্ণবাদ এবং চরমপন্থা মুছে ফেলার জন্য প্রতিটি প্রচেষ্টা করতে হবে। চরমপন্থী কার্যকলাপ ন্যায্যতা, সুশৃঙ্খলতা এবং শৃঙ্খলাকে আপস করে। সশস্ত্র বাহিনী, যা জাতি ও তার মূল্যবোধকে রক্ষা করে, সেই মূল্যবোধগুলোর উদাহরণ প্রশ্নাতীতভাবে হওয়া উচিত।”
** পৃষ্ঠা ১৪
* দীর্ঘকাল ধরে এই বিষয়ে দ্বিদলীয় ঐক্যমত্য রয়েছে যে, সামরিক বাহিনীতে শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদীদের অনুমতি দেওয়া অগ্রহণযোগ্য এবং আমেরিকান জনগণের জন্য বিপজ্জনক, যাদের রক্ষার শপথ সশস্ত্র বাহিনী নিয়েছে। যেমন রিপাবলিকান সিনেটর রিচার্ড শেলবি (আর-আলা.) ২০০৬ সালে পেন্টাগনের কাছে লেখা এক চিঠিতে লিখেছিলেন, “সামরিক চরমপন্থীরা তাদের সহকর্মী এবং জনসাধারণের জন্য উচ্চতর হুমকি সৃষ্টি করে। আমরা টিমোথি ম্যাকভেই-এর সাথে দেখেছি যে আজকের বর্ণবাদী চরমপন্থী আগামিকালকের অভ্যন্তরীণ সন্ত্রাসবাদী হতে পারে। আমাদের সমাজের সমস্ত প্রতিষ্ঠানের মধ্যে, মার্কিন সামরিক বাহিনী হলো সেই শেষ স্থান যেখানে চরমপন্থীদের অস্তিত্ব থাকার অনুমতি দেওয়া যেতে পারে।”
** পৃষ্ঠা ১৬
* চরমপন্থীদের বিষয়ে সামরিক বাহিনী কীভাবে অন্যান্য শাখা এবং এফবিআই সহ অন্যান্য ফেডারেল এজেন্সির সাথে তথ্য শেয়ার করে তা অস্পষ্ট। যখন সার্ভিসগুলো তাদের পদমর্যাদায় কোনো চরমপন্থীকে সম্পর্কে সচেতন হয়, তখন সেই সৈন্যকে বরখাস্ত করার পরে সেই তথ্যের কী ঘটে? সার্ভিসগুলো কীভাবে একে অপরকে সতর্ক করে যখন তারা চরমপন্থী দৃষ্টিভঙ্গি সম্পন্ন কাউকে তালিকাভুক্ত করে? তারা কীভাবে সামরিক বাহিনীর নেটওয়ার্কগুলো তদন্ত করে যেগুলোর সাথে শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদী যুক্ত থাকতে পারে বা যেখান থেকে তাদের নিয়োগ দেওয়া হতে পারে? শাখা এবং তদন্তকারী সার্ভিসগুলো কীভাবে শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদীদের সম্পর্কে তথ্য শেয়ার করে? সার্ভিস সদস্য সামরিক বাহিনী ত্যাগ করার পরে সার্ভিসগুলো কীভাবে চরমপন্থীদের সম্পর্কে এবং এফবিআই ও বিচার দপ্তরের সাথে একে অপরের সাথে মিথস্ক্রিয়া করে এবং তথ্য শেয়ার করে, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
** পৃষ্ঠা ১৭
==সি==
*<p>আমরা পাহারা দিই...</p><p>সতর্ক থাকি...</p><p>আমরা কিছু একটা সঠিক করছি। আমাদের বিশ্বের সেরা বাহিনী আছে, কারণ আমাদের সেরা মানুষগুলো আছে। এটি একটি ''স্বেচ্ছাসেবী'' বাহিনী, তাই সেরা আমেরিকানদের পেতে আমাকে বাকি অর্থনীতির সাথে প্রতিযোগিতা করতে হয় এবং আমাকে সামনের কথা চিন্তা করতে হয়। আমি কীভাবে প্রতিযোগিতা করব? কীভাবে আমাদের একটি আকর্ষণীয় জায়গা করে তুলব? তাই, আমাকে ক্রমাগত ভবিষ্যতের দিকে তাকাতে হয়...</p><p>তাই, কিছু সংস্কার করা বাকি। কিন্তু, মানুষের ক্ষেত্রে এটি একটি চমৎকার শক্তি বজায় রাখার বিষয়, যা হলো স্বেচ্ছাসেবী বাহিনী, একটি প্রতিযোগিতামূলক শ্রম বাজারে শক্তিশালী...</p><p>এই প্রতিষ্ঠানে, এটি গুরুত্বপূর্ণ যে আমরা রাজনৈতিক প্রক্রিয়া থেকে দূরে থাকি। এটিই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আমাদের ঐতিহ্য।</p>
**[[অ্যাশটন কার্টার]], [http://www.charlierose.com/ চার্লি রোজের সাথে সাক্ষাৎকার] (ফেব্রুয়ারি ২০১৬)
*যেহেতু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরকার হলো 'জনগণের, জনগণের জন্য এবং জনগণের দ্বারা', তাই যেসব নাগরিকরা সামরিক বিষয়ে নিয়ন্ত্রণ রাখেন, তাদের 'নিজেকে জানুন' বলার সময় এসেছে।
**আন্দা আর. চ্যাফি, [https://archive.org/details/valorofignorance00leahuoft ''দ্য ভ্যালর অফ ইগনোরেন্স''] (১৯০৯), হোমার লি, পৃষ্ঠা xi-xiiতে উদ্ধৃত।
*<p>সামরিক বাহিনী সবসময়ই একটি অত্যন্ত অন্তর্মুখী সংগঠন...</p><p>সেনাবাহিনী এত প্রগতিশীল হওয়ার একটি কারণ হলো এটি সবসময় নিজেকে যাচাই করে। সেনাবাহিনী সবসময় তার কাজ করার আরও ভালো উপায় খোঁজে...</p><p>সেনাবাহিনী বর্ণবাদ দূরীকরণে আমেরিকাকে নেতৃত্ব দিয়েছে...</p><p>সেনাবাহিনী খুব আগেই বুঝতে পেরেছিল যে, কৃষ্ণাঙ্গ মানুষ আর শ্বেতাঙ্গ মানুষ একই; তারা কেবল একটু বেশি শ্যামলা। তারা ঠিক ততটাই ভালো সৈনিক হয়...</p><p>এরা আমাদের সন্তান...</p><p>এরা ভালো সন্তান...</p><p>সেনাবাহিনী বা মেরিন কোরে যোগ দিলে কেউ ক্রিপ্টো-মদ্যপ [[নাৎসিবাদ|নাৎসি]] হয়ে যায় না, বরং সে আমেরিকার এমন একটি সন্তান হয়ে ওঠে যে তার দেশের জন্য কাজ করছে...</p><p>এরা আমাদের সন্তান।</p>
**টম ক্ল্যান্সি, [http://c-spanvideo.org/program/TomC "ইন ডেপথ উইথ টম ক্ল্যান্সি"] (৩ ফেব্রুয়ারি ২০০২), ''সি-স্প্যান''
*আমেরিকানরা সম্মিলিতভাবে নিজেদের বিশ্বের যেকোনো কোণে দ্বন্দ্ব ও সংঘাত শুরু হলে সেখানে ২৪ ঘণ্টা তলব করা একটি বিশাল উদ্ধারকারী দল হিসেবে ভাবে।
**এলড্রিজ ক্লিভার, ''সোল অন আইস'' (১৯৬৮), দ্বিতীয় খণ্ড: "র্যালিং রাউন্ড দ্য ফ্ল্যাগে" উদ্ধৃত।
*সম্পূর্ণ স্বেচ্ছাসেবী সামরিক বাহিনী কাজ করেছে এবং আমাদের এমন কিছু করা উচিত নয় যা এটিকে দুর্বল করে, কারণ এটি এমন একদল মানুষকে সরবরাহ করেছে যারা আমাদের [[দেশ|দেশের]] সেবা করতে ইচ্ছুক।
**[[হিলারি ক্লিনটন]], [http://cnnpressroom.blogs.cnn.com/2016/02/04/rush-transcript-hillary-clinton-cnn-democratic-presidential-town-hall/ সিএনএন টাউন হল মিটিং] (ফেব্রুয়ারি ২০১৬)
*এখানে এক মিলিয়ন সৈন্যের এক ভূমি, যদি আমাদের প্রয়োজন হয়। আমরা স্বাধীনতার জন্য লড়ব!
**জর্জ এম. কোহান, "ইউ আর আ গ্র্যান্ড ওল্ড ফ্ল্যাগ" (১৯০৬)
*<p>[[মুসলিম|মুসলিমরা]] জেনারেল [[জর্জ ওয়াশিংটন|জর্জ ওয়াশিংটনের]] অধীনে মার্কিন সামরিক বাহিনীতে সেবা করেছেন, যিনি আমেরিকান স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় কন্টিনেন্টাল আর্মির প্রধান ছিলেন। ওয়াশিংটনের বাহিনীতে সেবা করা সৈন্যদের তালিকায় বাম্পেট মুহাম্মদের মতো নাম আছে, যিনি ১৭৭৫ থেকে ১৭৮৩ সালের মধ্যে ভার্জিনিয়া লাইনের জন্য যুদ্ধ করেছিলেন। ওয়াশিংটনের আরেক সৈনিক, ইউসুফ বেন আলি ছিলেন একজন উত্তর আফ্রিকান আরব যিনি দক্ষিণ ক্যারোলিনার জেনারেল থমাস সামটারের সহকারী হিসেবে কাজ করতেন। পিটার বাকমিনস্টার, যিনি বোস্টনে যুদ্ধ করেছিলেন, সম্ভবত ওয়াশিংটনের সবচেয়ে বিশিষ্ট মুসলিম আমেরিকান সৈনিক। বাকমিনস্টার সেই বন্দুকটি চালিয়েছিলেন যা বাঙ্কার হিলের যুদ্ধে ব্রিটিশ মেজর জেনারেল জন পিটকাইর্নকে হত্যা করেছিল। এই বিখ্যাত যুদ্ধের কয়েক বছর পর, পিটার তার শেষ নাম পরিবর্তন করে 'সালাম' রাখেন, যা [[আরবি|আরবি]] শব্দ, যার অর্থ 'শান্তি'। পিটার সালাম পরবর্তীতে [[সারাটোগার যুদ্ধ|সারাটোগার যুদ্ধ]] এবং [[স্টনি পয়েন্টের যুদ্ধ|স্টনি পয়েন্টের যুদ্ধ]]ে সেবা করার জন্য কন্টিনেন্টাল আর্মিতে পুনরায় তালিকাভুক্ত হন। ওয়াশিংটনের সেনাবাহিনীতে মুসলিমদের সেবা নিয়ে সমস্যা থাকলে, তিনি মুহাম্মদ, আলি এবং সালামকে অ-মুসলিম আমেরিকানদের প্রতিনিধিত্ব করতে ও সেবা করতে দিতেন না। এই মুসলিমদের আমেরিকাকে সেবা করার সম্মান দিয়ে, ওয়াশিংটন স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে একজন আমেরিকান দেশপ্রেমিক হওয়ার জন্য কোনো নির্দিষ্ট ধর্ম বা জাতিগত পটভূমির হতে হয় না...</p><p>আমেরিকান ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় গৃহযুদ্ধে মুসলিমরা ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছে...</p><p>নিম্নলিখিত প্রশ্নটি নিয়ে চিন্তা করুন। [[জর্জ ওয়াশিংটন|জর্জ ওয়াশিংটন]] কার পক্ষে থাকতেন? মার্কিন সামরিক বাহিনীতে সেবা করা মুসলিম নাগরিকরা, নাকি সেই গোঁড়া ধর্মান্ধদের দল যারা উপাসনালয়ে আমেরিকান নাগরিকদের সহিংসতার হুমকি দেয়?</p>
**ক্রেইগ কনসিটিন, [http://www.huffingtonpost.com/craig-considine/the-difference-between-an_1_b_8257506.html ''স্যালুটিং মুসলিম আমেরিকান প্যাট্রিয়টস'']
*আমাদের জনসংখ্যার মতো বিশ্বের সকল [[জাতি|জাতি]], [[ধর্ম|ধর্ম]] এবং [[জাতীয়তা|জাতীয়তা]] দেশের সশস্ত্র বাহিনীতে প্রতিনিধিত্ব করেছে। কোনো ব্যক্তির [[দেশপ্রেম|দেশপ্রেম]] বা সেবা তার জাতিগত উৎপত্তি, রাজনৈতিক মতামত বা ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে প্রশ্নবিদ্ধ হয়নি। অভিবাসী এবং মধ্য ইউরোপীয় দেশগুলো থেকে আসা অভিবাসীদের সন্তানরা আমাদের মিত্র দেশগুলো থেকে আসা বংশোদ্ভূতদের সাথে, নিরক্ষীয় আফ্রিকার সন্তানদের সাথে এবং আমাদের নিজস্ব আদিবাসী জনসংখ্যার সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধ করেছে, '''তাদের সবাই সমানভাবে 'আমেরিকান' নামের জন্য গর্বিত'''।
**[[ক্যালভিন কুলিজ]], [https://archive.org/stream/foundationsofrep00unit/foundationsofrep00unit_djvu.txt ''টলারেশন অ্যান্ড লিবারালিজম''] (৬ অক্টোবর ১৯২৫), আমেরিকান লিজিয়ন কনভেনশন, ওমাহা, নেব্রাস্কা।
*আমরা খ্যাতি নিয়ে [[জীবন|যাপন]] করি অথবা শিখায় ডুবে যাই!<br />হে! মার্কিন বিমান বাহিনীকে কিছুই থামাতে পারবে না!
**রবার্ট ম্যাকার্থার ক্রফোর্ড, ''দ্য ইউ.এস. এয়ার ফোর্স'' (১৯৪৭)
*সরকার শক্তি, প্রতারণা এবং ছলচাতুরীর মাধ্যমে শাসন করে। তথ্যের অবরোধ সামরিক বাহিনী থেকেই শুরু হয়। সামরিক বাহিনী ইচ্ছাকৃতভাবে তথ্য সীমাবদ্ধ করে, তাছাড়া এর বিশাল আকার ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এমন যে এটি বোঝা এত কঠিন যে রাজনৈতিক নেতারাও সেই প্রতিষ্ঠানটি বুঝতে পারেন না যাকে তাদের কমান্ড করার কথা। আপনি প্রমাণ চান? মার্কিন গভর্নমেন্ট অ্যাকাউন্টেবিলিটি অফিসের ২০১৬ সালের রিপোর্টটি পড়ার চেষ্টা করুন, যা বের করতে পারেনি যে সামরিক বাহিনী ঠিক কতটা তেল পোড়ায়। GAO উপসংহারে পৌঁছেছে: “[ক]ংগ্রেসের কাছে বার্ষিক ভিত্তিতে সামরিক পরিষেবাগুলোর কার্যকলাপের জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানির পরিমাণের ওপর পূর্ণ দৃশ্যমানতা নেই...” এটি অবাক হওয়ার মতো বিষয় নয়। ১৯৫০ সালের দিকে প্রতিষ্ঠার পর থেকে আধুনিক সামরিক বাহিনী মার্কিন সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১, ধারা ৯ লঙ্ঘন করে খরচের কোনো হিসাব দিতে অস্বীকার করেছে। ২০১৮ সালে পেন্টাগন তার প্রথম অডিটেই ব্যর্থ হয়েছে। এটি কেবল নিখোঁজ ৬.৫ ট্রিলিয়ন ডলারের বিষয় নয়, এটি হলো অস্বচ্ছ হিসাবরক্ষণ ব্যবস্থা যা একটি বর্ম—একটি প্রতিরক্ষামূলক অস্ত্র যা মার্কিন সরকারের বিরোধিতা তো দূরের কথা, যারা মার্কিন সরকারকে বুঝতে চায় তাদের নিরপেক্ষ করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
**[https://www.counterpunch.org/2019/06/14/the-climate-counter-offensive-secrecy-deception-and-disarming-the-green-new-deal/ দ্য ক্লাইমেট কাউন্টার-অফেনসিভ: সিক্রেসি, ডিসেপশন অ্যান্ড ডিসআর্মিং দ্য গ্রিন নিউ ডিল, রিচার্ড মোজার, ''কাউন্টারপাঞ্চ''] (১৪ জুন, ২০১৯)
==ডি==
*এবং আমরা আমাদের মাতৃভূমিকে মার্কিন বাহিনীর কবরস্থানে পরিণত করব এবং তাদের [[পরিবার|পরিবার]] তাদের মৃত [[দেহ|দেহের]] জন্য অপেক্ষা করবে। তালিবানের [[যুদ্ধ|যুদ্ধ]] কেবল [[মুসলিম|মুসলিমদের]] [[শত্রু|শত্রুদের]] হাত থেকে [[আফগানিস্তান|আফগানিস্তানের]] [[স্বাধীনতা|স্বাধীনতার]] জন্য।
**[[মোল্লা দাদুল্লাহ]], [http://www.alertnet.org/thenews/newsdesk/ISL151157.htm তালিবান হাজার হাজার আত্মঘাতী বোমা হামলাকারী মোতায়েন করেছে - কমান্ডার] ২ এপ্রিল ২০০৭।
*<p>আমরা বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ সামরিক বাহিনীকে পুনর্গঠনের দীর্ঘ প্রক্রিয়া শুরু করব, আমরা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে সমান খেলার ক্ষেত্র তৈরি করব এবং আমেরিকান শিল্পকে পুনরুজ্জীবিত করব, আমরা আমাদের বন্ধুদের আমাদের বিশ্বাস করার কারণ দেব। আমাদের শত্রুরা আমাদের ভয় পাওয়ার কারণ পাবে, এবং আমাদের নাগরিকরা আবারও বিশ্বাস করার কারণ পাবে। না, আপনি আমেরিকাকে চেনেন না, এবং আপনি কঠিন উপায়ে তা খুঁজে বের করতে চান না...</p><p>আমাদের সৈন্যদের জন্য প্রার্থনা করুন।</p>
**চার্লি ড্যানিয়েলস, [http://www.cnsnews.com/commentary/charlie-daniels/charlie-daniels-open-letter-americas-enemies-you-see-obama-you-dont-know "লেটার টু আমেরিকাস এনিমিজ"] (১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬), ''সিএনএস নিউজ''
*একবার যদি কৃষ্ণাঙ্গ [[মানুষ|মানুষ]] তার শরীরে 'U.S.' পিতলের অক্ষরগুলো পায়; যদি সে তার বোতামে একটি প্রান্ত পায়, এবং কাঁধে একটি মাস্কেট ও পকেটে বুলেট পায়, তবে পৃথিবীতে এমন কোনো শক্তি নেই যা অস্বীকার করতে পারে যে সে নাগরিকত্বের অধিকার অর্জন করেছে।
**[[ফ্রেডরিক ডগলাস]], যার ছেলেরা চার্লস এবং লুইস কর্নেল রবার্ট গোল্ড শ-এর নেতৃত্বে ৫৪তম ম্যাসাচুসেটস ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টে সেবা করেছিলেন (১৮৬২)
*<p>যদি সে একটি মাস্কেট কাঁধে নিয়ে [[পতাকা|পতাকার]] জন্য যুদ্ধ করার, সরকারের জন্য যুদ্ধ করার মতো যথেষ্ট জ্ঞান রাখে, তবে তার ভোট দেওয়ার মতো যথেষ্ট জ্ঞান আছে...</p><p>কৃষ্ণাঙ্গকে বিপদের সময় নাগরিক হিসেবে এবং ঝামেলামুক্ত থাকলে ভিনদেশি হিসেবে দেখার মধ্যে খুব নিচতা আছে। যখন এই জাতি ঝামেলায় ছিল, তার প্রাথমিক সংগ্রামে, এটি কৃষ্ণাঙ্গকে নাগরিক হিসেবে দেখেছিল। ১৭৭৬ সালে সে নাগরিক ছিল। সংবিধান তৈরির সময় ১৩টি পুরোনো রাজ্যের মধ্যে ১১টিতে কৃষ্ণাঙ্গদের ভোট দেওয়ার অধিকার ছিল। আপনার ঝামেলায় আপনি আমাদের নাগরিক করেছেন। ১৮১২ সালে জেনারেল জ্যাকসন আমাদের নাগরিক হিসেবে সম্বোধন করেছিলেন; 'সহ-নাগরিক'। তিনি চেয়েছিলেন আমরা যুদ্ধ করি। আমরা তখন নাগরিক ছিলাম! আর এখন, যখন আপনি একটি কনস্ক্রিপশন বিল তৈরি করতে এসেছেন, কৃষ্ণাঙ্গ আবার নাগরিক। এই সরকারের ইতিহাসে সে মাত্র তিনবার নাগরিক হয়েছে, এবং এটি সবসময়ই বিপদের সময়। বিপদের সময় আমরা নাগরিক। আমরা কি যুদ্ধে নাগরিক এবং শান্তিতে ভিনদেশি হব? তা কি ন্যায্য হবে?</p>
**[[ফ্রেডরিক ডগলাস]], [http://teachingamericanhistory.org/library/document/what-the-black-man-wants/ "হোয়াট দ্য ব্ল্যাক ম্যান ওয়ান্টস"], বোস্টন, ম্যাসাচুসেটসে ভাষণ (১৮৬৫)
*আমরা এখানে পুরুষোচিত সাহসের প্রশংসা করতে আসিনি, যদিও তা একটি মহৎ উদ্দেশ্যে প্রদর্শিত হয়েছে। আমাদের কখনোই ভুলে যাওয়া উচিত নয় যে বিদ্রোহে জয় মানেই প্রজাতন্ত্রের মৃত্যু। আমাদের কখনোই ভুলে যাওয়া উচিত নয় যে অনুগত সৈন্যরা যারা এই মাটির নিচে বিশ্রাম নিচ্ছে তারা জাতি এবং [[কনফেডারেট স্টেটস অফ আমেরিকা|জাতি ধ্বংসকারীদের]] মাঝে নিজেদের ছুড়ে দিয়েছিল। যদি আজ আমাদের একটি দেশ থাকে যা [[ফ্রান্স|ফ্রান্সের]] মতো রক্তে ফুটছে না, যদি এখন আমাদের একটি ঐক্যবদ্ধ দেশ থাকে, যা আর [[দাসত্ব|দাসত্বের]] নরকীয় ব্যবস্থার অভিশাপে অভিশপ্ত নয়, '''যদি আমেরিকান নামটি আর উপহাসকারী পৃথিবীর জন্য কোনো কথা বা হিস হিস শব্দ না হয়, যদি নক্ষত্রখচিত ব্যানারটি কেবল ভূমির প্রতিটি প্রান্তে স্বাধীন আমেরিকান নাগরিকদের ওপর উড়ে বেড়ায়, এবং আমাদের দেশের সামনে ন্যায়বিচার, স্বাধীনতা ও সভ্যতার এক দীর্ঘ এবং গৌরবময় কর্মজীবন থাকে, তবে আমরা আমাদের চারপাশে সম্মানিত এই কবরগুলোতে বিশ্রামরত মহৎ সেনাবাহিনীর নিঃস্বার্থ ভক্তির কাছে ঋণী'''।
**[[ফ্রেডরিক ডগলাস]], [http://deadconfederates.com/2015/05/25/frederick-douglass-on-decoration-day-1871-5/ "দ্য আননোন লয়াল ডেড"] (৩০ মে ১৮৭১), আর্লিংটন ন্যাশনাল সিমেট্রি, আর্লিংটন কাউন্টি, ভার্জিনিয়া।
* [[ওসামা বিন লাদেন|ওসামা বিন লাদেনের হত্যার]] কয়েকদিনের মধ্যে, ২ মে, ২০১১-এ জানা যায় যে মিশনটি সম্পাদনকারী [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নৌবাহিনী সিল|নৌবাহিনী সিল]] দল তার লক্ষ্যের জন্য জেরোনিমো কোড নাম ব্যবহার করেছিল। ''নিউ ইয়র্ক ডেইলি নিউজে''র ৪ মের একটি প্রতিবেদনে মন্তব্য করা হয়েছে, "[[ওসামা বিন লাদেন|ওসামা বিন লাদেনের]] লাশের অদেখা ছবি এবং [[পাকিস্তান|পাকিস্তান]] কী জানত সেই প্রশ্নগুলোর পাশাপাশি, আল কায়েদা বসকে 'জেরোনিমো' ডাকার কারণগুলো ব্ল্যাক অপস মিশনের অন্যতম বড় রহস্য হিসেবে রয়ে গেছে।" সেই কোড নাম বেছে নেওয়াটা সামরিক বাহিনীর কাছে রহস্য ছিল না, যারা শত্রু অঞ্চল নির্ধারণের জন্য "ইন্ডিয়ান কান্ট্রি" শব্দটিও ব্যবহার করে এবং তাদের হত্যার মেশিন ও অপারেশনগুলোকে ইউএইচ-১বি/সি ইরো কোয়া, ওএইচ-৫৮ডি কিওয়া, ওভি-১ মোহক, ওএইচ-৬ কাইউস, এএইচ-৬৪ অ্যাপাচি, এস-৫৮/এইচ-৩৪ চক্টো, ইউএইচ-৬০ ব্ল্যাক হক, থান্ডারবার্ড এবং রোলিং থান্ডারের মতো নাম দিয়ে চিহ্নিত করে। শেষেরটি হলো ১৯৬০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে [[ভিয়েতনাম|ভিয়েতনামের]] [[কৃষক|কৃষকদের]] ওপর নিরলস কার্পেট-বোমাবর্ষণের জন্য সামরিক নাম। উত্তর আমেরিকার আদিবাসী জাতি ও সম্প্রদায়গুলোর বিরুদ্ধে যুদ্ধে ভিত্তিহীন একটি সামরিক বাহিনীর মূলে থাকা উপনিবেশবাদ ও [[সাম্রাজ্যবাদ|সাম্রাজ্যবাদ]]ের সংবেদনশীলতার স্থায়ীত্বের আরও অনেক বর্তমান ও সাম্প্রতিক উদাহরণ রয়েছে।
** রোক্সান ডানবার-অরটিজ, ''অ্যান ইন্ডিজেনাস পিপলস হিস্ট্রি অফ দ্য ইউনাইটেড স্টেটস'' (২০১৪)
==ই==
*সৈনিক, নাবিক এবং বিমানসেনা অ্যালিয়েড এক্সপিডিশনারি ফোর্স! <br> আপনারা সেই গ্রেট ক্রুসেডে যাত্রা করতে যাচ্ছেন, যার জন্য আমরা বহু মাস ধরে চেষ্টা করেছি। [[বিশ্ব|বিশ্বের]] [[চোখ]] আপনাদের ওপর। [[স্বাধীনতা]]-প্রেমী [[মানুষ|মানুষের]] [[আশা]] ও [[প্রার্থনা]] সব জায়গায় আপনাদের সাথে মার্চ করছে। অন্যান্য ফ্রন্টে আমাদের সাহসী মিত্র ও অস্ত্র-ভাইদের সাথে, আপনারা [[জার্মানি|জার্মান]] [[যুদ্ধ]] মেশিনের ধ্বংস, ইউরোপের নিপীড়িত জনগণের ওপর [[নাৎসি]] স্বৈরাচার দূরীকরণ এবং একটি [[স্বাধীনতা|স্বাধীন]] বিশ্বে নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন।<br> আপনাদের কাজ সহজ হবে না। আপনাদের শত্রু সুপ্রশিক্ষিত, সুসজ্জিত এবং যুদ্ধ-কঠিন। সে বন্যভাবে লড়াই করবে। <br>কিন্তু এটি ১৯৪৪ সাল! ১৯৪০-৪১ সালের [[নাৎসিবাদ|নাৎসি]] বিজয়ের পর অনেক কিছু ঘটেছে। [[জাতি|জাতিসংঘ]] জার্মানদের ওপর বিশাল পরাজয় চাপিয়েছে, খোলা যুদ্ধে, মানুষে-মানুষে। আমাদের বিমান আক্রমণ তাদের আকাশে শক্তি এবং মাটিতে যুদ্ধ করার ক্ষমতা মারাত্মকভাবে কমিয়েছে। আমাদের হোম ফ্রন্টগুলো আমাদের অস্ত্র ও গোলাবারুদের ব্যাপক শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছে, এবং প্রশিক্ষিত যুদ্ধবাজ মানুষের বিশাল মজুদ আমাদের হাতে তুলে দিয়েছে। জোয়ার ঘুরে গেছে! বিশ্বের স্বাধীন মানুষ বিজয়ের দিকে একসাথে মার্চ করছে! <br>আমি আপনাদের সাহস, কর্তব্যর প্রতি ভক্তি এবং [[যুদ্ধ]]র দক্ষতার ওপর পূর্ণ আস্থা রাখি।<br> আমরা পূর্ণ জয় ছাড়া কিছুই গ্রহণ করব না! শুভ [[ভাগ্য|ভাগ্য]]! এবং আসুন আমরা এই মহান ও মহৎ উদ্যোগের ওপর সর্বশক্তিমান [[ঈশ্বর|ঈশ্বরের]] আশীর্বাদ প্রার্থনা করি।'''
**[[ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার]], [http://www.3ad.com/history/wwll/feature.pages/d.day.letters.htm অর্ডার অফ দ্য ডে (২ জুন ১৯৪৪), নরম্যান্ডিতে অবতরণের আগে সৈন্যদের কাছে একটি বার্তা], ফ্রাঙ্কলিন ওয়াটস, ''ভয়েসেস অফ হিস্ট্রি'' (১৯৪৫)-এ রিপোর্ট করা হয়েছে, পৃষ্ঠা ২৬০।
*'''[[আলেকজান্ডার হ্যামিল্টন|আলেকজান্ডার হ্যামিল্টন]]''': যদি আমরা আমাদের প্রতিরক্ষার জন্য অযোগ্য রাজ্য মিলিশিয়াদের ওপর নির্ভর করতে বাধ্য হই, তবে আমরা এখনই ফরাসি ভাষা শেখা শুরু করতে পারি, মিস্টার প্রেসিডেন্ট। একটি জাতীয় সেনাবাহিনী ব্যাংক যেমন করে দেশটিকে আবদ্ধ করে।
**[[আলেকজান্ডার হ্যামিল্টন]], রুফাস সেওয়েল দ্বারা ''জন অ্যাডামসে'' ব্যাখ্যা করা হয়েছে, কার্ক এলিস লিখিত, "অংশ VI: অপ্রয়োজনীয় যুদ্ধ", (১৬ মার্চ – ২৭ এপ্রিল, ২০০৮); ডেভিড ম্যাককুলাফের বইয়ের ওপর ভিত্তি করে।
*'''[[জন অ্যাডামস|জন অ্যাডামস]]''': আমরা যখন শান্তির প্রস্তুতি নিচ্ছি তখন পৃথিবীতে আমাদের কেন একটি সেনাবাহিনী প্রয়োজন?
**[[জন অ্যাডামস]], পল জিয়ামাট্টি দ্বারা ''জন অ্যাডামসে'' ব্যাখ্যা করা হয়েছে, কার্ক এলিস লিখিত, "অংশ VI: অপ্রয়োজনীয় যুদ্ধ", (১৬ মার্চ – ২৭ এপ্রিল, ২০০৮) ডেভিড ম্যাককুলাফের বইয়ের ওপর ভিত্তি করে।
==এফ==
[[File:Jim_Nabors_as_Gomer_Pyle_in_"The_Andy_Griffith_Show"_(cropped).jpg|thumb|আমার শৈশবে, অর্থাৎ পঞ্চাশ ও [[১৯৬০-এর দশক|ষাটের দশকে]] এবং পরবর্তী সময়ে [[১৯৭০-এর দশক|সত্তরের দশকে]], আমেরিকান পপ সংস্কৃতিতে সামরিক বাহিনীর প্রতি সাধারণ মানুষের এক ধরনের পরিচিতি ছিল, যার ফলে মাঝেমধ্যে তাদের নিয়ে কৌতুকও করা হতো। তখন “[[গামার পাইল, ইউ.এস.এম.সি.|গামার পাইল]]”, “[[হোগান্স হিরোস|হোগান্স হিরোস]]” বা “[[ম্যাকহেলস নেভি|ম্যাকহেলস নেভি]]”-এর মতো অনুষ্ঠান দেখা যেত। <br> তখন “[[সাউথ প্যাসিফিক (মিউজিক্যাল)|সাউথ প্যাসিফিক]]”-এর মতো [[শিল্পকর্ম]], “[[ক্যাচ-২২|ক্যাচ ২২]]”-এর মতো [[উপন্যাস]] এবং “[[ম্যাশ (চলচ্চিত্র)|ম্যাশ]]”-এর মতো [[চলচ্চিত্র]] তৈরি হতো। এগুলো সামরিক বাহিনীর গুরুত্ব এবং [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের]] মতো বড় পরিসরে তাদের বীরত্বপূর্ণ অবদানকে সম্মান জানাত, তবুও এসব গল্পে বাস্তব মানুষ এবং তাদের সীমাবদ্ধতাগুলো ফুটে উঠত। <br> কিন্তু এখন আমাদের সামরিক বাহিনীর প্রতি এক ধরনের কৃত্রিম ভক্তি তৈরি হয়েছে, যা একই সাথে দূরবর্তী ও বিচ্ছিন্ন। ~ [[জেমস ফ্যালোস]]]]
* আমেরিকান জনগণের সাথে সামরিক বাহিনীর ক্রমবর্ধমান দূরত্ব তাদের সশস্ত্র বাহিনী সম্পর্কে চিন্তা ও কথোপকথনের ধরণকেও বদলে দিয়েছে, এমনটাই দাবি করেন “[[দি আটলান্টিক|দি আটলান্টিক]]”-এর লেখক [[জেমস ফ্যালোস]]। জানুয়ারিতে ফ্যালোস তার কভার স্টোরি “কেন বিশ্বের সেরা সৈন্যরা বারবার হেরে যাচ্ছে?: আমেরিকান সামরিক বাহিনীর করুণ পতন” নিয়ে [[পিবিএস নিউজ|নিউজআওয়ার]]ে মার্গারেট ওয়ার্নারের সাথে আলোচনা করেন: <br> আমার শৈশবে, অর্থাৎ পঞ্চাশ ও [[১৯৬০-এর দশক|ষাটের দশকে]] এবং পরবর্তী সময়ে [[১৯৭০-এর দশক|সত্তরের দশকে]], আমেরিকান পপ সংস্কৃতিতে সামরিক বাহিনীর প্রতি সাধারণ মানুষের এক ধরনের পরিচিতি ছিল, যার ফলে মাঝেমধ্যে তাদের নিয়ে কৌতুকও করা হতো। তখন “[[গামার পাইল, ইউ.এস.এম.সি.|গামার পাইল]]”, “[[হোগান্স হিরোস|হোগান্স হিরোস]]” বা “[[ম্যাকহেলস নেভি|ম্যাকহেলস নেভি]]”-এর মতো অনুষ্ঠান দেখা যেত। <br> তখন “[[সাউথ প্যাসিফিক (মিউজিক্যাল)|সাউথ প্যাসিফিক]]”-এর মতো [[শিল্পকর্ম]], “[[ক্যাচ-২২|ক্যাচ ২২]]”-এর মতো [[উপন্যাস]] এবং “[[ম্যাশ (চলচ্চিত্র)|ম্যাশ]]”-এর মতো [[চলচ্চিত্র]] তৈরি হতো। এগুলো সামরিক বাহিনীর গুরুত্ব এবং [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের]] মতো বড় পরিসরে তাদের বীরত্বপূর্ণ অবদানকে সম্মান জানাত, তবুও এসব গল্পে বাস্তব মানুষ এবং তাদের সীমাবদ্ধতাগুলো ফুটে উঠত। <br> কিন্তু এখন আমাদের সামরিক বাহিনীর প্রতি এক ধরনের কৃত্রিম ভক্তি তৈরি হয়েছে, যা একই সাথে দূরবর্তী ও বিচ্ছিন্ন।
**জেমস ফ্যালোস, (জানুয়ারি ২০১৫); মেগান ক্রিগার এবং লরা সান্তানামের উদ্ধৃতিতে, [https://www.pbs.org/newshour/nation/many-Americans-died-u-s-wars “কতজন আমেরিকান মার্কিন যুদ্ধে মারা গেছেন?”], ''পিবিএস নিউজ আওয়ার: নেশন'', (আপডেট করা হয়েছে ২৭ মে, ২০১৯ দুপুর ১২:৩১ ইডিটি — প্রকাশিত হয়েছে ২৪ মে, ২০১৫)।
* যুদ্ধ যে [[বৈশ্বিক উষ্ণায়ন|জলবায়ু পরিবর্তন]] ত্বরান্বিত করে—এই বিশাল ও কলঙ্কিত সত্যটি অত্যন্ত সতর্কতার সাথে গোপন রাখা হয়। এই বিষয়টি আড়ালে রাখতে সামরিক বাহিনীকে যেকোনো তদারকি বা বাধ্যবাধকতা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। আইনগত এই ছাড় দেওয়ার বিষয়টি সবসময়ই বিদ্যমান ছিল, তবে জি. ডব্লিউ. বুশ ১৯৯৭ সালের কিয়োটো প্রোটোকলে এই সংক্রান্ত ভাষা যুক্ত করে এটিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেন, যদিও তিনি পরবর্তীতে সেই চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন... মার্কিন সামরিক বাহিনীর গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের হিসাব থেকে অব্যাহতিপ্রাপ্ত তালিকায় রয়েছে বিশ্বজুড়ে ১৩০টির বেশি দেশে থাকা ১,০০০-এর বেশি মার্কিন ঘাঁটি, যুক্তরাষ্ট্রে থাকা ৬,০০০ স্থাপনা, যুদ্ধবিমানবাহী জাহাজ এবং জেট বিমান। এছাড়া অস্ত্র পরীক্ষা এবং ন্যাটো সামরিক জোট ও আফ্রিকমের মতো বিশাল মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটের বহুপাক্ষিক কার্যক্রমও এই হিসাবের বাইরে। এই বিধানের আওতায় মার্কিন/জাতিসংঘ-অনুমোদিত “শান্তিরক্ষা” ও “মানবিক ত্রাণ” কার্যক্রমকেও অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
**[[সারা ফ্লাউন্ডার্স]], উদ্ধৃত: [https://www.counterpunch.org/2019/06/14/the-climate-counter-offensive-secrecy-deception-and-disarming-the-green-new-deal/ জলবায়ু পাল্টা আক্রমণ: গোপনীয়তা, প্রতারণা এবং গ্রিন নিউ ডিলকে নিরস্ত্র করা, রিচার্ড মোজার, ''কাউন্টারপাঞ্চ''] (১৪ জুন, ২০১৯)
* [[বাজার]]ের লুকানো [[হাত]] কখনোই একটি লুকানো মুষ্টি (শক্তি) ছাড়া কাজ করবে না। [[ম্যাকডোনাল্ডস]] কখনোই [[ম্যাকডোনেল ডগলাস]] (এফ-১৫ বিমানের নকশাকার) ছাড়া উন্নতি করতে পারত না। আর যে লুকানো মুষ্টিটি [[সিলিকন ভ্যালি]]ের [[প্রযুক্তি|প্রযুক্তির]] প্রসারের জন্য বিশ্বকে নিরাপদ রাখে, তার নামই হলো [[ইউএস আর্মি]], [[মার্কিন বিমান বাহিনী|বিমান বাহিনী]], [[নৌবাহিনী]] এবং [[মার্কিন মেরিন কোর|মেরিন কোর]]।
**[[থমাস এল. ফ্রিডম্যান]], {{cite news
| url = http://www.nytimes.com/1999/03/28/magazine/a-manifesto-for-the-fast-world.html
| title = ফাস্ট ওয়ার্ল্ডের জন্য একটি ইশতেহার
| work = নিউ ইয়র্ক টাইমস
| date = ২৮ মার্চ, ১৯৯৯
| accessdate = ২০১০-০৬-২৮}}
=== “শারীরিক গঠন এবং শারীরিক সক্ষমতা: সামরিক পরিষেবার জন্য প্রয়োগ” (১৯৯০) ===
<small> কার্ল ই. ফ্রিড, [https://www.ncbi.nlm.nih.gov/books/NBK235960/ “শারীরিক গঠন এবং শারীরিক সক্ষমতা: সামরিক পরিষেবার জন্য প্রয়োগ”], ইনস্টিটিউট অফ মেডিসিন (ইউএস) কমিটি অন মিলিটারি নিউট্রিশন রিসার্চ; ম্যারিয়ট বিএম, গ্রামস্ট্রুপ-স্কট জে, সম্পাদকবৃন্দ। ওয়াশিংটন (ডিসি): ন্যাশনাল একাডেমি প্রেস (ইউএস); ১৯৯০। </small>
[[File:Marine_Corps_Recruit_Depot_Parris_Island_Training_140513-M-XK446-114.jpg|thumb|[[সুনির্দিষ্ট]] শারীরিক সক্ষমতার [[পরীক্ষা]], যেমন 'অ্যানুয়াল টেস্ট রাইড', একসময় সেনাবাহিনীতে কার্যকর ছিল। তবে আজকের সেনাবাহিনী অত্যন্ত [[বৈচিত্র্যময়]] হওয়ায় নিয়মিতভাবে [[বাস্তবসম্মত]] যুদ্ধ সক্ষমতা পরীক্ষা দিয়ে সৈন্যদের বাছাই করা কঠিন। বর্তমানের [[ইউএস আর্মি ফিজিক্যাল ফিটনেস টেস্ট]] মূলত ২-মাইল [[দৌড়]], [[পুশ-আপ]] এবং [[সিট-আপ]] পরীক্ষার মাধ্যমে [[অ্যারোবিক ব্যায়াম|অ্যারোবিক সক্ষমতা]] যাচাই করে; এই মানদণ্ডগুলো মূলত চাকরির ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্য, প্রবেশের জন্য নয় এবং এগুলোর প্রয়োগ [[শরীরের চর্বি|শরীরের চর্বির]] মানদণ্ডের চেয়েও নমনীয়। ~ কার্ল ই. ফ্রিড]]
* সামরিক বাহিনীতে শারীরিক মানদণ্ড নির্ধারণের মূল উদ্দেশ্য সবসময়ই ছিল এমন সৈন্যদের খুঁজে বের করা, যারা সামরিক পরিষেবার শারীরিক চাহিদা পূরণে সবচেয়ে উপযুক্ত। এই মানদণ্ডের অর্থ ছিল এমন সৈন্য নির্বাচন করা, যাদের দেখে মনে হয় তারা ভারি বোঝা বহন করতে এবং ভালো লড়াই করতে সক্ষম। বর্তমানে, ইউএস আর্মির শারীরিক সক্ষমতার ওপর জোর দেওয়ার অংশ হিসেবে শরীরের চর্বির মানদণ্ড ব্যবহার করা হয়, যাতে নিশ্চিত করা যায় যে বাহিনীগুলো ''চরম জলবায়ু ও ভূখণ্ডে লড়াই করার মতো স্ট্যামিনা এবং ধৈর্য রাখে'' (স্টাডি অফ দ্য মিলিটারি সার্ভিসেস ফিজিক্যাল ফিটনেস, ১৯৮১)। <br> গত শতাব্দীর বেশিরভাগ সময় ধরে, উচ্চতা ও ওজনের অনুপাত সৈন্যের শারীরিক সক্ষমতা যাচাইয়ের প্রধান মাপকাঠি ছিল, কিন্তু ইদানীংকালের আগ পর্যন্ত এই মানদণ্ডগুলো কেবল কম ওজনের প্রার্থীদের বাদ দেওয়ার জন্যই ব্যবহৃত হতো।
* প্রয়োজনের তাগিদে কিছু শারীরিক মানদণ্ড খুব সহজেই পরিবর্তন করা হয়েছে, যা ইঙ্গিত দেয় যে কোনো বিষয়কে হয়তো ‘সৈনিকের বৈশিষ্ট্য’ হিসেবে তুলে ধরা হলেও তা আসলে যুদ্ধের প্রয়োজনে খুব একটা জরুরি নয়। উচ্চতা এর একটি উদাহরণ। ইউরোপীয় রাজারা লম্বা সৈন্যদের নিয়ে গর্ব করতেন; এছাড়া ড্রিল ও অনুষ্ঠানের জন্য একই উচ্চতার মানুষ থাকাটা সুবিধাজনক ছিল। কিছু ইউজেনিকিস্ট দাবি করতেন যে অপরাধীরা সাধারণত অন্যদের তুলনায় খাটো হয় (ব্যাক্সটার, ১৮৭৫) এবং একজন অবসরপ্রাপ্ত সামরিক সার্জন প্রস্তাব করেছিলেন যে শারীরিক বৈশিষ্ট্য দেখে ভবিষ্যৎ বীরদের শনাক্ত করা সম্ভব (ফস্টার এবং অন্যান্য, ১৯৬৭)। তাই, ঊনবিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে মার্কিন সৈন্যদের জন্য ন্যূনতম উচ্চতা ছিল ৬৬ ইঞ্চি, যা পরবর্তী সময়ে ধীরে ধীরে কমানো হয়েছে। জাতীয় জরুরি অবস্থার সময় যখন নতুন সৈন্যের চাহিদা বাড়ত, তখনই সবচেয়ে শিথিল মানদণ্ড (এমনকি গৃহযুদ্ধের সময় কোনো ন্যূনতম উচ্চতার বাধ্যবাধকতা ছিল না) কার্যকর ছিল।
* সুনির্দিষ্ট শারীরিক সক্ষমতার পরীক্ষা, যেমন 'অ্যানুয়াল টেস্ট রাইড', একসময় সেনাবাহিনীতে কার্যকর ছিল। তবে আজকের সেনাবাহিনী অত্যন্ত বৈচিত্র্যময় হওয়ায় নিয়মিতভাবে বাস্তবসম্মত যুদ্ধ সক্ষমতা পরীক্ষা দিয়ে সৈন্যদের বাছাই করা কঠিন। বর্তমানের ইউএস আর্মি ফিজিক্যাল ফিটনেস টেস্ট মূলত ২-মাইল দৌড়, পুশ-আপ এবং সিট-আপ পরীক্ষার মাধ্যমে অ্যারোবিক সক্ষমতা যাচাই করে; এই মানদণ্ডগুলো মূলত চাকরির ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্য, প্রবেশের জন্য নয় এবং এগুলোর প্রয়োগ শরীরের চর্বির মানদণ্ডের চেয়েও নমনীয়।
==জি==
[[File:CapShield01.jpg|thumb|১৯৫৩ সালের ১৩ জুলাইয়ের ([[কমিউনিস্ট]]) “[[ডেইলি ওয়ার্কার|ডেইলি ওয়ার্কার]]”-এ বলা হয় যে, [[কমিক্স]] সচেতনভাবে নিম্নোক্ত ভূমিকা পালন করে: <br> “...[[আমেরিকান]] [[যুবসমাজকে]] নিষ্ঠুর করে গড়ে তোলা, যাতে তারা আমাদের [[সরকার]]ের [[বিশ্ব আধিপত্যের]] লক্ষ্য বাস্তবায়নে [[সামরিক]] সেবার জন্য আরও ভালোভাবে প্রস্তুত হতে পারে। এছাড়া, [[জাতিসংঘ|জাতিসংঘের]] পতাকাতলে [[কোরীয় যুদ্ধ|কোরিয়ায়]] [[আমেরিকান]] [[সৈনিক]] ও [[বিমানসেনা|বিমানসেনাদের]] দ্বারা সংঘটিত [[অত্যাচার]] মেনে নিতে তাদের অভ্যস্ত করা।” ~ [[উইলিয়াম গেইনস]]]]
* ১৯৫৩ সালের ১৩ জুলাইয়ের (কমিউনিস্ট) “ডেইলি ওয়ার্কারে” বলা হয় যে, কমিক্স সচেতনভাবে নিম্নোক্ত ভূমিকা পালন করে: <br> “...আমেরিকান যুবসমাজকে নিষ্ঠুর করে গড়ে তোলা, যাতে তারা আমাদের [[সরকার]]ের বিশ্ব আধিপত্যের লক্ষ্য বাস্তবায়নে সামরিক সেবার জন্য আরও ভালোভাবে প্রস্তুত হতে পারে। এছাড়া, [[জাতিসংঘ|জাতিসংঘের]] পতাকাতলে [[কোরীয় যুদ্ধ|কোরিয়ায়]] আমেরিকান সৈনিক ও বিমানসেনাদের দ্বারা সংঘটিত অত্যাচার মেনে নিতে তাদের অভ্যস্ত করা।”
** উইলিয়াম গেইনস, “আর ইউ এ রেড ডুপ?”, ''দ্য হন্ট অফ ফিয়ার'', ইসি কমিক্স, (আগস্ট ১৯৫৪)
*আমি [[আশা]] করি, রাস্তাঘাটে, টিউবে এবং বাসে আমরা যে তরুণ আমেরিকান সৈনিকের সাথে পরিচিত হচ্ছি, সে আমাদের সঙ্গ পেয়ে ততটাই আনন্দিত হয়েছে, যতটা আমরা তাকে পেয়ে হয়েছি।
**আলফ্রেড জর্জ গার্ডিনার, [https://books.google.com/books?id=A9LPAAAAMAAJ&pg=PA101&lpg=PA101&dq=%22The+directness+and+naturalness+of+the+American+is+the+most+enviable+of+his+traits.+It+gives+the+sense+of+a+man+who+is+born+free.%22&source=bl&ots=s6wfDHuUWv&sig=nRZZ4aIhKELXA_zsps9cZACrDjE&hl=en&sa=X&ved=0ahUKEwikhO3EooDUAhVH4CYKHVHTBRAQ6AEIJjAC#v=onepage&q=%22The%20directness%20and%20naturalness%20of%20the%20American%20is%20the%20most%20enviable%20of%20his%20traits.%20It%20gives%20the%20sense%20of%20a%20man%20who%20is%20born%20free.%22&f=false ''লিভস ইন দ্য উইন্ড''], পৃষ্ঠা ৯৭
*সৈনিকেরা, তোমরা পৃথিবীর ইতিহাসের সবচেয়ে মহৎ দল। এই প্রান্তরকে চিরকালের জন্য গৌরব ও [[স্বাধীনতা|স্বাধীনতার]] প্রান্তরে পরিণত করতে তোমরা জীবন দিয়েছ।
**[[জেমস এ. গারফিল্ড]], [http://grandoldpartisan.typepad.com/blog/2015/10/garfield-speech.html “ডোন্ট পিচ ইয়োর টেন্ট অ্যামাং দ্য ডেড”] (অক্টোবর ১৮৭৯)
*যুক্তরাষ্ট্র পরবর্তী দশ বছরে পেন্টাগনের জন্য ৭ ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি ব্যয় করার পথে রয়েছে। এই বিশাল অংকের ধারণা পাওয়ার জন্য বলা যায়, যুক্তরাষ্ট্র প্রতি বছর সামরিক খাতে চীন, রাশিয়া, ভারত, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ফ্রান্স, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া এবং অস্ট্রেলিয়ার সম্মিলিত খরচের চেয়েও বেশি ব্যয় করে। যদিও রিপাবলিকান এবং ডেমোক্র্যাটরা তুলনামূলক ছোট “বিল্ড ব্যাক বেটার” আইন নিয়ে তীব্র দ্বিমত পোষণ করে, তবে সামরিক বাজেট এবং বিদেশি সামরিক হস্তক্ষেপের ক্ষেত্রে তারা অধিকাংশ সময় ঐক্যমত্য পোষণ করে।
**এমি গুডম্যান, [https://www.democracynow.org/2021/11/24/war_party_us_military_spending “দ্য ওয়ার পার্টি”: জেরেমি স্কেলহিল অন হাউ ইউ.এস. মিলটারিজম ইউনিফায়েস ডেমোক্র্যাটস অ্যান্ড রিপাবলিকানস, ''ডেমোক্রেসি নাও!''] (২৪ নভেম্বর ২০২১)
*অন্য যেকোনো দেশের তুলনায় মার্কিন সামরিক বাহিনীর বৈশ্বিক শক্তি প্রয়োগের একটি সুনির্দিষ্ট মতবাদ রয়েছে। তাদের ধারণা, প্রায় ৮০০টি বিদেশি সামরিক ঘাঁটির মাধ্যমে পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে প্রাণঘাতী শক্তি নিয়ে হস্তক্ষেপ করার ক্ষমতা তাদের থাকা উচিত। একদিক থেকে দেখলে, স্থলবাহিনী এখানে গৌণ; কারণ অন্তত [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের]] পর থেকে মার্কিন সামরিক মতবাদের মূল ভিত্তি হলো বিমান শক্তির ওপর নির্ভরতা। যুক্তরাষ্ট্র এমন কোনো যুদ্ধে জড়ায়নি যেখানে তাদের আকাশসীমার নিয়ন্ত্রণ ছিল না। এছাড়া, তারা অন্য যেকোনো সামরিক বাহিনীর তুলনায় বিমান হামলার ওপর অনেক বেশি পদ্ধতিগতভাবে নির্ভর করেছে। উদাহরণস্বরূপ, সাম্প্রতিক ইরাক দখলের সময় তারা এমন শহরগুলোতেও বিমান হামলা চালিয়েছে যা আপাতদৃষ্টিতে তাদের নিজেদের দখলেই ছিল। '''বিশ্বে মার্কিন সামরিক আধিপত্যের মূল কারণ হলো—তারা ইচ্ছামতো, মাত্র কয়েক ঘণ্টার নোটিশে, পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে বোমা ফেলতে সক্ষম।''' অন্য কোনো সরকারের কখনোই এমন সক্ষমতা ছিল না। প্রকৃতপক্ষে, এমন দাবিও করা যেতে পারে যে, এই শক্তির কারণেই ডলারকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা পুরো বিশ্ব মুদ্রাব্যবস্থা টিকে আছে।
**ডেভিড গ্রেবার, ''ডেট: দ্য ৫০০০ ইয়ার্স'', পৃষ্ঠা ৩৬৫-৩৬৬
*সবাই জানে যে, অন্তত [[জুলিয়াস সিজার|জুলিয়াস সিজারের]] সময় থেকে [[সমকামী পুরুষ|সমকামীরা]] সামরিক বাহিনীতে সম্মানের সাথে সেবা করে আসছে।
**ব্যারি গোল্ডওয়াটার, ১০ জুন ১৯৯৩-এর বিবৃতি, ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসে'' “গোল্ডওয়াটার ব্যাকস গে ট্রুপস”-এ উদ্ধৃত (১১ জুন ১৯৯৩); এছাড়াও রবার্ট অ্যালান গোল্ডবার্গের লেখা ''ব্যারি গোল্ডওয়াটার'' (১৯৯৫), পৃষ্ঠা ৩৩২-এ উদ্ধৃত।
*আপনার [[দেশ|দেশের]] জন্য লড়াই করতে এবং [[মৃত্যু|মরতে]] আপনার 'বিষমকামী' হওয়ার প্রয়োজন নেই। শুধু লক্ষ্যভেদ করতে পারাটাই যথেষ্ট।
**ব্যারি গোল্ডওয়াটার, রবার্ট অ্যালান গোল্ডবার্গের লেখা ''ব্যারি গোল্ডওয়াটার'' (১৯৯৫), পৃষ্ঠা ৩৩২-এ উদ্ধৃত।
*[[যুদ্ধ]] আমাদের একটি মহান শক্তি এবং বুদ্ধিদীপ্ত জাতিতে পরিণত করেছে। দেশে [[শান্তি]], [[সুখ]] ও সমৃদ্ধি বজায় রাখা এবং অন্যান্য জাতির সম্মান অর্জনের জন্য আমাদের খুব বেশি কিছু করার প্রয়োজন নেই। আমাদের অতীত অভিজ্ঞতা থেকে প্রথমটির (শান্তি বজায় রাখা) প্রয়োজনীয়তা এবং আমাদের শক্তিই শেষোক্তটি (সম্মান) নিশ্চিত করে।
**ইউলিসিস এস. গ্র্যান্ট, [http://www.gutenberg.org/etext/4367 ''পার্সোনাল মেমোয়ার্স অফ জেনারেল ইউ. এস. গ্র্যান্ট''] (১৮৮৫)
*গত কয়েক দশকের প্রতিটি বড় মার্কিন যুদ্ধ একইভাবে শুরু হয়েছে। মার্কিন সরকার কোনো একটি আবেগপূর্ণ ও উসকানিমূলক মিথ্যা তৈরি করে। বড় মার্কিন মিডিয়া আউটলেটগুলো প্রশ্ন তোলা বা ভিন্নমত পোষণ না করে সেটিকে সত্য বলে প্রচার করে, ফলে তারা আক্রমণ করতে চাওয়া দেশের প্রতি তীব্র ক্ষোভের জন্ম দেয়। এভাবেই আমরা [[ভিয়েতনাম যুদ্ধ|ভিয়েতনাম যুদ্ধে]] (উত্তর ভিয়েতনাম কর্তৃক টঙ্কিন উপসাগরে মার্কিন জাহাজ আক্রমণের ঘটনা), উপসাগরীয় যুদ্ধে (সাদ্দাম হোসেন ইনকিউবেটর থেকে শিশুদের কেড়ে নিয়েছিলেন বলে গুজব) এবং অবশ্যই [[ইরাক যুদ্ধ|ইরাক যুদ্ধে]] (সাদ্দামের কাছে গণবিধ্বংসী অস্ত্র ছিল এবং তিনি আল-কায়েদার সাথে জোট করেছিলেন) জড়িয়েছি।
*ঠিক এই কৌশলটিই ২৩ ফেব্রুয়ারি ব্যবহার করা হয়েছিল, যখন [[ভেনেজুয়েলা|ভেনেজুয়েলায়]] যারা শাসন পরিবর্তন করতে চায়, তাদের অনুকূলে প্রচারণার মোড় সম্পূর্ণ ঘুরে যায়... তারা জোর দিয়ে দাবি করেছিল যে ট্রাকগুলোতে ইচ্ছাকৃতভাবে [[নিকোলাস মাদুরো|প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর]] বাহিনী আগুন দিয়েছে।
**গ্লেন গ্রিনওয়াল্ড: [https://theintercept.com/2019/03/10/nyts-expose-on-the-lies-about-burning-humanitarian-trucks-in-venezuela-shows-how-us-govt-and-media-spread-fake-news/ ''এনওয়াইটি’স এক্সপোজ অন দ্য লাইজ এবাউট বার্নিং হিউম্যানিটারিয়ান ট্রাকস ইন ভেনেজুয়েলা শোজ হাউ ইউ.এস. গভর্মেন্ট অ্যান্ড মিডিয়া স্প্রেড ফেক নিউজ, দ্য ইন্টারসেপ্ট,''] (১০ মার্চ ২০১৯)
==এইচ==
*<p>নোঙর তোলো, হে আমার ছেলেরা! নোঙর তোলো! বিদায়...</p><p>বিজয়ের উদ্দেশ্যে পাড়ি দাও এবং তাদের হাড়গোড় ডেভি জোন্সের সিন্দুকে পাঠিয়ে দাও, হুররে!</p>
**জন হেগান, “অ্যাঙ্করস অ্যাওয়ে” (১৯৯৭)
*প্রথমত, শান্তির সময়ে আমেরিকান সৈনিক অন্য যেকোনো ধরনের আমেরিকান নাগরিকের মতোই। ... সে সৈন্য হয় এবং সৈন্য হিসেবেই থাকে, কারণ এর বিনিময়ে সে যা পায়। যেই মুহূর্তে সে সিদ্ধান্ত নেয় যে সে সেনাবাহিনীর চেয়ে বেসামরিক জীবন থেকে বেশি কিছু পেতে পারে, তখনই সে তালিকাভুক্ত হতে বা পুনরায় তালিকাভুক্ত হতে অস্বীকার করবে।
**জনসন হেগুড, [https://www.google.com/search?client=firefox-b-1-d&sca_esv=eff03c613f9494ac&sxsrf=ACQVn09CdLISXoIzNp-OdekvEUi8LSfiKQ:1707412572546&q=Circular+Relative+to+Pay+of+Officers+and+Enlisted+Men+of+the+Army+Johnson+Hagood&si=AKbGX_rOAlAWZm8yZPZsiL6aVCbdD97y3lZlG6WCaiU0tO9pR9kr7DEFZM_KQ41UQN6taqiWwVkuJq4CSzVb9GzxZZq09wGtaQD01RrUFmokaS0KDXBbZSw7-_8-FED2rqn94PAJcn6LiUBQvthCQKqrLnX8_qBW4AS9QM1WQu-AixVQiaYNHmsDoiPcLoe6qHaFCPUSeTnAVN9cEN0h9uIstToyRKwAp1tFRUX5u0uLEQzkmo2Jyn5PqikxE0uhOOD_wmIhKHEa4lv0lvWsVezdiX-Yeq2YCg%3D%3D&sa=X&ved=2ahUKEwjzi_y-n5yEAxWSD1kFHfzBBVoQ6RN6BAg2EAE&biw=1903&bih=1206&dpr=0.9 ''সার্কুলার রিলেটিভ টু পে অফ অফিসারস অ্যান্ড এনলিস্টেড মেন অফ দ্য আর্মি''] (১৯০৭), ওয়াশিংটন, ডি.সি.: গভর্নমেন্ট প্রিন্টিং অফিস, পৃষ্ঠা ৮, [https://press.armywarcollege.edu/cgi/viewcontent.cgi?article=3239&context=parameters “আ হিস্টোরিক্যাল পার্সপেক্টিভ অন টুডেস রিক্রুটিং ক্রাইসিস”] (২০২৩)-এ উদ্ধৃত, ব্রায়ান ম্যাকঅ্যালিস্টার লিন, ''দ্য ইউএস আর্মি ওয়ার কলেজ কোয়ার্টারলি: প্যারামিটারস'', পৃষ্ঠা ১০
*<p>আমাদের সেই পুরুষ ও নারীদের সেবার কথা বলতে হবে, যারা বিশ্ব যুদ্ধে প্রজাতন্ত্রের পতাকাতলে সমবেত হয়েছিল। আমেরিকা তাদের প্রদত্ত সেবা, করা ত্যাগ এবং সহ্য করা কষ্ট উপলব্ধি করে ও তার কদর করে। যারা যুদ্ধক্ষেত্রের বিপদ ও গৌরব বা সমুদ্রের ঝুঁকি জেনেছিল এবং যারা লাইনের পেছনে সেবা করতে বাধ্য হয়েছিল, বা যারা ঘরে ক্যাম্পে ডাকের অপেক্ষায় থাকা বিশাল গ্র্যান্ড আর্মির রিজার্ভ গঠন করেছিল—তাদের মধ্যে কোনো পার্থক্য রাখা হবে না। সবাই ছিল সাহসী। সবাই ছিল আত্মত্যাগী। তারা সবাই সেই আদর্শের অংশীদার ছিল যা আমাদের ছেলেদের দুবার অস্ত্র হাতে যুদ্ধে পাঠিয়েছিল...</p><p>এরা যোগ্য সন্তান। আমাদের অমর সূচনালগ্নে যারা পতাকা উড্ডীন করেছিল, তারা তাদের উপযুক্ত উত্তরাধিকারী। যারা গৃহযুদ্ধ চলাকালীন সংবিধান থেকে অস্পষ্টতা দূর করে ইউনিয়ন এবং জাতীয়তাকে রক্ষা করেছিল, এরা তাদের যোগ্য সন্তান। ১৮৯৮ সালে স্পেনীয়-মার্কিন যুদ্ধে যারা প্রথমবারের মতো মানবতার খাতিরে তলোয়ার তুলেছিল, এরা তাদের প্রস্তুত সন্তান। স্থল ও সমুদ্রে থাকা ৪০ লক্ষ রক্ষক সেই জনগণের সেরা ঐতিহ্যের যোগ্য ছিল, যারা শান্তিতে কখনও যুদ্ধবাজ ছিল না এবং যুদ্ধে কখনও শান্তিবাদী ছিল না। তারা আমাদের গর্বের অধিকারী। তাদের প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞতা রয়েছে, যা অবশ্যই প্রকৃত রূপ পেতে হবে। এটি কেবল একটি কর্তব্য নয়; এটি একটি বিশেষ অধিকার যে নিশ্চিত করা যায় যে তাদের করা ত্যাগ বৃথা যাবে না এবং যারা এখনও হতাহত হয়ে ভুগছে, তাদের প্রচুর সহায়তা করা হবে এবং তাদের নাগরিকত্বের সর্বোচ্চ সক্ষমতা ও আনন্দ ফিরিয়ে দেওয়া হবে।</p>
**ওয়ারেন জি. হার্ডিং, ''দ্য আমেরিকান সোলজার'' (১৯২০)।
*<p>বিশ্বের অন্যান্য বাহিনী, যারা তাদের [[রাজা]] বা মাতৃভূমিকে রক্ষার প্রতিজ্ঞা করে, তাদের থেকে ভিন্ন; আমাদের সেবার [[শপথ]] আমাদের সামরিক বাহিনীকে সংবিধানের সুরক্ষা ও প্রতিরক্ষা এবং আদেশ মেনে চলার শর্তে রাষ্ট্রপতির প্রতি আনুগত্যের সাথে যুক্ত করে। কার্যত, সেই শপথের মাধ্যমে মার্কিন সামরিক বাহিনী আমাদের জনগণের নিরাপত্তাকে রক্ষা করার পাশাপাশি ধারণা, আদর্শ এবং আইনের শাসনকে রক্ষা করে। কর্মজীবনের প্রতিটি ধাপে, প্রত্যেক সৈন্য—সাধারণ সৈনিক থেকে জেনারেল পর্যন্ত—ইতিহাস, আইনি প্রক্রিয়া এবং মূল্যবোধের ওপর প্রশিক্ষণ নেয়। সেই প্রশিক্ষণ আমাদের রাইফেল রেঞ্জে বা ফিল্ড এক্সারসাইজে যা করি তার পরিপূরক। সৈন্যদের চমৎকার দক্ষতা আছে এবং তারা আমেরিকান জীবনযাত্রার চিন্তাশীল রক্ষক। আমি আমার কর্মজীবনের তিন বছরেরও বেশি সময় যুদ্ধক্ষেত্রে ছিলাম; সেই সময়ে, আমি কিছু ভয়াবহ জিনিস দেখেছি এবং সেগুলোর অনেকগুলোই স্বপ্নে ফিরে আসে। মানুষ ও যুদ্ধের মধ্যে অশুভতা থাকে। কিন্তু মার্কিন সামরিক বাহিনীতে; যদিও এমন ঘটনা ঘটেছে যেখানে আইন বা প্রবিধান লঙ্ঘনের জন্য সৈন্যদের শৃঙ্খলাবদ্ধ করার প্রয়োজন হয়েছে—অত্যধিক এবং ধারাবাহিকভাবে আমার সহযোদ্ধাদের কাজ আমাকে খুব গর্বিত করেছে...</p><p>আমি আমাদের সৈন্যদের চিনি, এবং আমি অধ্যয়ন ও অভিজ্ঞতার মাধ্যমে আমাদের সামরিক ঐতিহ্য ও আমেরিকার যুদ্ধের ধরন জানি। যখন ভালোভাবে পরিচালিত ও প্রশিক্ষিত হয়, তখন যে আমেরিকানরা আমাদের দেশের পোশাক পরে, তারা চেতনার দিক থেকে বিশুদ্ধ এবং উদ্দেশ্যের দিক থেকে অবিচল। তারা যেখানে প্রেরিত হয় সেখানে যাবে, যেখানে তারা যায় সেখানে লড়াই করবে এবং যেখানে লড়াই করে সেখানে জেতার জন্য সবকিছু করবে। এবং তারা পৃথিবীর অন্য কোনো সৈনিকের মতো তা করবে না, কারণ আমরা তা-ই। অস্ত্র পেশা অনেক কিছু দাবি করে। সর্বোপরি, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর একজন ইউনিফর্ম পরিহিত সদস্য হওয়ার জন্য অতুলনীয় দক্ষতার প্রয়োজন, কিন্তু শক্তিশালী চরিত্র, তীক্ষ্ণ মেধা এবং এটি বোঝার ক্ষমতাও প্রয়োজন যে বেসামরিক ব্যক্তিরা আমাদের যা করতে বলে তার সীমা আছে। যখন বেসামরিক কর্তৃপক্ষ থেকে প্রাপ্ত আদেশ আইনি, নৈতিক বা মানবিক সীমানা অতিক্রম করে, তখন যেকোনো পদমর্যাদার যেকোনো সৈনিকের প্রথমে সেই আদেশগুলো নিয়ে প্রশ্ন তোলার এবং স্পষ্টীকরণ পাওয়ার অধিকার ও কর্তব্য থাকে, এবং প্রয়োজনে যদি তারা সীমা অতিক্রম করে তবে তা অমান্য করার অধিকারও থাকে। সেটিই আমাদের আলাদা করে...</p><p>কিন্তু রাষ্ট্রপতি যেই হোন না কেন, সেই ব্যক্তির কখনোই সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের সামরিক বিচারের ইউনিফর্ম কোড, তাদের নীতি, তাদের শপথ বা স্থল যুদ্ধের আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করার ‘আদেশ’ দেওয়ার কর্তৃত্ব নেই।</p>
**মার্ক হার্টলিং, [http://www.cnn.com/2016/03/04/opinions/donald-trump-military-hertling/index.html “আ সোলজার’স ভিউ অন ট্রাম্প”] (৪ মার্চ ২০১৬), ''সিএনএন'', জর্জিয়া অঙ্গরাজ্য: কেবল নিউজ নেটওয়ার্ক
*<p>তোমরা প্রায় ১০ হাজার আমেরিকান [[জীবন]] উৎসর্গ করেছ, যা আমাদের যুবসমাজের [[ফুল]]। তোমরা প্রদেশগুলোকে ধ্বংস করেছ। তোমরা যাদের উপকার করতে চাও তাদের মধ্যে অগণিত হাজারো মানুষকে হত্যা করেছ। তোমরা কনসেনট্রেশন ক্যাম্প স্থাপন করেছ। তোমাদের জেনারেলরা ফসল নিয়ে ঘরে ফিরছে, হাজার হাজার অসুস্থ, আহত ও উন্মাদ মানুষকে সাথে নিয়ে, যারা শরীর ও মনে বিধ্বস্ত হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। তোমরা আমেরিকান পতাকাকে অসংখ্য মানুষের চোখে [[খ্রিস্টান|খ্রিস্টান]] গির্জায় অপবিত্রতা, মানুষের ঘরবাড়ি পোড়ানো এবং জল নির্যাতনের ভয়াবহতার প্রতীক বানিয়েছ...</p><p>তোমাদের বাস্তববাদী রাষ্ট্রনীতি, যা [[জর্জ ওয়াশিংটন]] ও আব্রাহাম লিঙ্কন বা বিপ্লব বা গৃহযুদ্ধের সৈন্যদের আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করতে ঘৃণা করে, তা কিছু ক্ষেত্রে তোমাদের উদাহরণের জন্য স্পেনের দিকে তাকিয়েছে। আমি বিশ্বাস করি—না, আমি জানি—যে সাধারণত আমাদের কর্মকর্তা ও সৈন্যরা মানবিক। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে তারা আমেরিকান উদ্ভাবন এবং ক্যাসটিলিয়ান নিষ্ঠুরতার মিশ্রণে তোমাদের যুদ্ধ চালিয়েছে...</p><p>তোমাদের বাস্তববাদী রাষ্ট্রনীতি এমন একটি জাতিকে রূপান্তর করতে সফল হয়েছে, যারা তিন বছর আগেও আমেরিকানদের পোশাকের প্রান্ত চুম্বন করতে এবং তাদের মুক্তিদাতা হিসেবে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত ছিল, যারা সেই দ্বীপে তোমাদের পুরুষরা অবতরণের সময় আশীর্বাদ ও কৃতজ্ঞতা নিয়ে ভিড় করেছিল, তাদেরই এখন শতাব্দী পার হলেও মুছে ফেলা সম্ভব নয় এমন ঘৃণায় পূর্ণ বিরক্ত ও আপোষহীন শত্রুতে পরিণত করেছে।</p>
**জর্জ ফ্রিসবি হোর, [http://web.archive.org/web/20031204093243/http://www.bartleby.com/268/10/25.html ''সাবজুগেশন অফ দ্য ফিলিপাইনস ইনিসকুয়িটাস''] (মে ১৯০২)
*[[পারমাণবিক অস্ত্র]] সংক্রান্ত পরিস্থিতিতে, গত ডুমসডে ক্লক রিপোর্টের চেয়ে পরিস্থিতি অনেক বেশি বিপজ্জনক। উন্নয়নের অধীনে থাকা নতুন অস্ত্র ব্যবস্থা অনেক বেশি কার্যকরভাবে বিপজ্জনক। '''[[জো বাইডেন|বাইডেন প্রশাসন]], ট্রাম্পের সংঘাতমূলক দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রসারিত করে, চমস্কিকে হাতের বিপদ বর্ণনা করার জন্য শব্দ খুঁজে না পাওয়ার মতো অবস্থায় ফেলেছে। কেবল সম্প্রতি, [[জো বাইডেন|বাইডেন]] ন্যাটো নেতাদের সাথে দেখা করেছেন এবং তাদের দুটি যুদ্ধের—[[চীন]] এবং [[রাশিয়া]]—পরিকল্পনা করার নির্দেশ দিয়েছেন। চমস্কির মতে: “এটি পাগলামি ছাড়িয়ে গেছে।” শুধু তাই নয়, যখন সত্যিকারের কূটনীতির প্রয়োজন, তখন এই গোষ্ঠী প্ররোচনামূলক কাজ করছে।''' এটি একটি অত্যন্ত বিপজ্জনক পরিস্থিতি।
**[https://www.counterpunch.org/2021/07/12/a-world-of-total-illusion-and-fantasy-an-interview-with-noam-chomsky/ আ ওয়ার্ল্ড অফ টোটাল ইলিউশন অ্যান্ড ফ্যান্টাসি: নোয়াম চমস্কি অন দ্য ফিউচার অফ দ্য প্ল্যানেট, রবার্ট হানজিকার, ''কাউন্টারপাঞ্চ''] (১২ জুলাই ২০২১)
*[[ইরাক]], [[সিরিয়া]], [[ইরান]], [[লিবিয়া]], [[সোমালিয়া]], [[সুদান]] এবং ইয়েমেনে প্রায় ১০,০০০ আমেরিকান কর্মরত আছেন... এই পুরুষ ও নারীরা সেই দেশগুলোর নাগরিকদের পাশাপাশি লড়াই করছেন।
**উইল হার্ড, [https://hurd.house.gov/media-center/press-releases/congressman-hurd-highlights-danger-posed-americans-due-immigration-ban ইমিগ্রেশন ব্যান বিষয়ক বিবৃতি] (২০১৭)
==আই==
* এই বিষয়টি মাথায় রেখে, চুক্তির অংশীদাররা তাদের ব্যক্তিগত ও সম্মিলিত সক্ষমতা—আমি আবারও বলছি, সম্মিলিত সক্ষমতা—বিকাশ করার প্রতিজ্ঞা করেছে, যাতে তারা যেকোনো সশস্ত্র আক্রমণ প্রতিহত করতে পারে। সেই প্রতিজ্ঞার প্রতি অনুগত থেকে, চুক্তি স্বাক্ষরের পর থেকে জোটের প্রতিটি সদস্য প্রতি বছর ক্রমান্বয়ে প্রতিরক্ষার জন্য বেশি অর্থ ব্যয় করেছে। শক্তিশালী আমেরিকান, [[কানাডা|কানাডিয়ান]] এবং [[যুক্তরাজ্য|যুক্তরাজ্যের]] বাহিনী ইতিমধ্যেই মহাদেশটিতে অবস্থান করছে এবং তাদের [[ইউরোপ|ইউরোপীয়]] মিত্রদের পাশাপাশি প্রহরায় নিয়োজিত রয়েছে। তবে আমাদের উদ্দেশ্য নিয়ে যেন কোনো ভুল ধারণা না হয়। আমরা যে সামরিক শক্তি অর্জনের লক্ষ্য নিয়েছি, তা আত্মরক্ষার জন্য নূন্যতম প্রয়োজন। আমাদের পক্ষ থেকে যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের কোনো সুযোগ নেই, ছিল না এবং কখনো থাকবে না। যদি বিষয়টি অন্যরকম হতো, তবে আন্তর্জাতিক মুক্ত ট্রেড ইউনিয়ন কনফেডারেশনের মতো একটি শক্তিশালী শান্তিকামী সংগঠন কি দৃঢ়ভাবে তাদের সংকল্প ব্যক্ত করত—আমি এখানে উদ্ধৃত করছি— “আগ্রাসন এড়ানোর লক্ষ্যে মুক্ত জাতিগুলোর তাদের প্রতিরক্ষা জোরদার করার প্রচেষ্টাকে সমর্থন করা”?
** হেস্টিংস ইসমে, [https://www.nato.int/docu/speech/1953/s19530913.htm বিবিসি রেডিও টক], ১৩ সেপ্টেম্বর ১৯৫৩
==জে==
*একটি নৌবাহিনী মূলত এবং অপরিহার্যভাবেই অভিজাততান্ত্রিক। আমরা এখন যে রাজনৈতিক নীতিগুলোর জন্য লড়াই করছি, তা যতই সত্য হোক না কেন, জাহাজের ডেকে, বন্দর থেকে দূরে বা গভীর সমুদ্রে এগুলো কখনোই ব্যবহারিকভাবে প্রয়োগ করা সম্ভব নয়, এমনকি তা মেনে নেওয়াও যায় না। এটি কঠোর মনে হতে পারে, কিন্তু এটিই হলো সবচেয়ে সরল সত্য। যদিও কংগ্রেসের পাঠানো জাহাজগুলো [[মানবাধিকার]] ও প্রজাতন্ত্রী স্বাধীনতার নীতির জন্য লড়াই করতে পারে এবং অবশ্যই করা উচিত, কিন্তু সমুদ্রে জাহাজগুলো নিজেই এক চরম স্বৈরাচারী ব্যবস্থার অধীনে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হতে হবে।
**জন পল জোন্স, [http://www.rulit.me/books/the-last-ship-read-334944-1.html কংগ্রেসের নৌ কমিটির কাছে চিঠি] (১৪ সেপ্টেম্বর ১৭৭৫)
==কে==
*হেল! এরা মেরিন। এদের মতো লোকেরাই গুয়াদালকানাল ধরে রেখেছিল এবং আইও জিমা দখল করেছিল। বাগদাদ তো কিছুই না।
**জন এফ. কেলি, [http://www.blackfive.net/main/2007/09/marine-general-.html মেরিন জেনারেল স্পিকস আউট]-এ উদ্ধৃত। বাগদাদ আক্রমণের শুরুতে এক সাংবাদিক পরাজয়ের সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন করলে কেলি এই জবাব দেন। (এপ্রিল ২০০৭)
* [[ভিয়েতনাম যুদ্ধ|ভিয়েতনাম]] থেকে ফিরে আসার পর এই মানুষগুলোর মনের অবস্থা কী হয়, তার ফলাফল সম্পর্কে আপনাদের সাথে কিছুটা কথা বলতে চাই। দেশ এখনো জানে না যে এটি একটি দানব তৈরি করেছে— লক্ষ লক্ষ মানুষের রূপ নেওয়া এক দানব, যাদের সহিংসতা ব্যবহার ও লেনদেন করতে শেখানো হয়েছে, এবং যাদের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় 'শূন্য' অর্জনের জন্য মরার সুযোগ দেওয়া হয়েছে; এমন মানুষ যারা ফিরে এসেছে এক ধরনের [[ক্রোধ]] ও বিশ্বাসঘাতকতার অনুভূতি নিয়ে, যা এখনো কেউ বুঝতে পারেনি। একজন ভেটেরান হিসেবে, এবং যে এই ক্রোধ অনুভব করে, আমি এ নিয়ে কথা বলতে চাই। আমরা ক্ষুব্ধ কারণ আমরা মনে করি, এই দেশের প্রশাসন আমাদের সবচেয়ে খারাপভাবে ব্যবহার করেছে। ১৯৭০ সালে ওয়েস্ট পয়েন্টে, ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যাগনিউ বলেছিলেন: “কিছু মানুষ সমাজের অপরাধী ও অযোগ্যদের গ্ল্যামারাইজ করে, অথচ আমাদের সেরা ছেলেরা সেই স্বাধীনতা রক্ষা করতে এশিয়ার ধানের জমিতে প্রাণ দিচ্ছে, যে স্বাধীনতা ওই অযোগ্যরা অপব্যবহার করে।” আর এটি ভিয়েতনামে আমাদের অভিযানের জন্য একটি rallying point বা ঐক্যের বিন্দু হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছিল। কিন্তু আমাদের কাছে—যারা এশিয়ায় তাঁর ছেলে ছিল এবং যাদের সমর্থন দেওয়ার কথা ছিল দেশটির—তাঁর এই বক্তব্য একটি ভয়ঙ্কর বিকৃতি, যা থেকে আমরা কেবল গভীর বিতৃষ্ণা অনুভব করতে পারি; এবং এই কারণেই আজ ওয়াশিংটনে উপস্থিত কিছু মানুষের এই ক্রোধ। এটি একটি বিকৃতি কারণ আমরা কোনোভাবেই নিজেদের এই দেশের সেরা মানুষ বলে মনে করিনি; কারণ তিনি যাদের অযোগ্য বলছেন, তারা আমাদের জন্য এমনভাবে দাঁড়িয়েছিল যা এই দেশের আর কেউ সাহস করেনি; কারণ মারা যাওয়া অনেকেরই ইচ্ছা ছিল দেশে ফিরে এসে সেই অযোগ্যদের সাথে যোগ দিয়ে দক্ষিণ ভিয়েতনাম থেকে অবিলম্বে সেনা প্রত্যাহারের দাবি জানানো; কারণ সেই সেরা ছেলেদের অনেকেই আজ কোয়াড্রিপ্লেজিক (চতুর্থঙ্গ পক্ষাঘাতগ্রস্ত) বা অঙ্গহীন হয়ে ফিরেছে, এবং তারা পড়ে আছে এই দেশের ভেটেরান অ্যাডমিনিস্ট্রেশন হাসপাতালগুলোতে ভুলে যাওয়া অবস্থায়, যে হাসপাতালগুলোতে উড়ছে সেই পতাকা—যা অনেকেই তাদের ব্যক্তিগত প্রতীক হিসেবে বেছে নিয়েছে। আমরা নিজেদের আমেরিকার সেরা মানুষ বলে ভাবতে পারি না, যখন আমরা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় আমাদের যা করতে বলা হয়েছিল, তার জন্য লজ্জিত এবং ঘৃণা বোধ করি।
** জন কেরি, [https://www.americanrhetoric.com/speeches/johnkerrysenateforeignrelationsvietnamwar.htm সিনেট ফরেন রিলেশনস কমিটির সামনে বিবৃতি], ২২ এপ্রিল ১৯৭১, ওয়াশিংটন, ডি.সি.তে প্রদত্ত।
*জয়লাভ আমাদের করতেই হবে, কারণ আমাদের লক্ষ্য ন্যায়সংগত!
**ফ্রান্সিস স্কট কি, “দ্য স্টার-স্প্যাংলড ব্যানার” (১৮১৪)
*[[এঙ্গেলস]] একবার ব্রিটিশ সেনাবাহিনীকে সবচেয়ে নিষ্ঠুর সেনাবাহিনী বলেছিলেন। [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের]] সময়, [[জার্মানি|জার্মান]] [[ফ্যাসিবাদ|ফ্যাসিবাদী]] সেনাবাহিনী ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর বর্বরতাকে ছাড়িয়ে গিয়েছিল। সেই সময়ে [[অ্যাডলফ হিটলার|হিটলারের]] গ্যাংস্টাররা যে বীভৎস ও ভয়ানক নিষ্ঠুরতা করেছিল, তা কোনো মানুষের [[মস্তিষ্ক|কল্পনার]] বাইরে। কিন্তু [[কোরীয় যুদ্ধ|কোরিয়ায়]], আমেরিকানরা হিটলারবাদীদের অনেক ছাড়িয়ে গেছে!
**[[কিম ইল-সাং]], ১৯৯৩ সালে সুইডিশ কমিউনিস্ট নেতা ফ্রাঙ্ক বাউডের কাছে এই মন্তব্য করেন। উক্তি ও অনুবাদ: ''Mot strömmen'', পৃষ্ঠা ১৮৬।
*আমার মনে হয় না কোনো অঙ্গরাজ্য ছিল যা সেখানে প্রতিনিধিত্বশীল ছিল না। এই [[অভিজ্ঞতা]] আমাকে দেশটির বৈচিত্র্য, মানুষ, [[ভাষা]] এবং [[সংস্কৃতি]]কে উপলব্ধি করতে সাহায্য করেছে। এটা ভাবা অবিশ্বাস্য যে আমরা কতটা বৈচিত্র্যময় এবং আমরা কীভাবে একটি সংস্কৃতি হিসেবে একসাথে টিকে আছি। সত্যি বলতে, এটিই এই দেশের একমাত্র স্পষ্ট সত্য যা একে বিশ্বের কাছে অনন্য করে তুলেছে।
** জ্যাক কার্বি, মার্ক পিটার্সের নিবন্ধ [https://www.pastemagazine.com/articles/2017/02/8-ways-comic-book-legend-jack-kirby-fought-fascism.html “৮ ওয়েজ কমিক বুক লিজেন্ড জ্যাক কার্বি ফাউট ফ্যাসিবম”]-এ উদ্ধৃত, ''পেস্ট ম্যাগাজিন'', (১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭)।
*আমেরিকার লড়া কিছু যুদ্ধ ছিল “কেবল মুনাফার জন্য” এবং কিছু দেশের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা যুদ্ধের মতোই ধ্বংসাত্মক... আমেরিকা কখন যুদ্ধে যাবে, সে বিষয়ে আমেরিকান জনগণের কার্যত কোনো কথা বলার অধিকার নেই। এই সিদ্ধান্তগুলো কোনো পর্দার আড়ালে নেওয়া হয়... আমেরিকানদের কাছে মিথ্যা বলা অব্যাহত রাখা হয়েছে যে কেন আমরা যুদ্ধে যাই। কারণ আবারো বলছি, এর অন্যতম বড় কারণ হলো কেবল মুনাফা। এটি একসময় কিছুটা সত্য ছিল, কিন্তু এখন তা অত্যন্ত নগ্নভাবে ঘটছে।
**ড্যানিয়েল কোভালিক, [http://www.china.org.cn/world/Off_the_Wire/2021-12/08/content_77918107.htm ইন্টারভিউ]তে উদ্ধৃত, ''সিনহুয়া'', ৮ ডিসেম্বর, ২০২১।
*ইরাক ও [[আফগানিস্তান|আফগানিস্তানে]] মার্কিন আগ্রাসন প্রসঙ্গে] কৌশলগত দিক থেকে দেখলে, এটি একটি সম্পূর্ণ ব্যর্থতা হিসেবেই দেখা উচিত। তবুও এটি ২০ বছর ধরে চলেছে। কেন? কারণ যে প্রতিরক্ষা শিল্প কোম্পানিগুলো বোমা, বিমান ও যানবাহন তৈরি করে—এবং এখন সরকারি সামরিক কর্মীদের পরিবর্তে যে বেসরকারি সামরিক ঠিকাদাররা যুদ্ধ করছে—তারা যুদ্ধ চলাকালীন কয়েক ট্রিলিয়ন ডলার আয় করেছে। তাই '''তারা পরোয়া করেনি যে যুদ্ধ জয় হলো কি না; লক্ষ্য ছিল যুদ্ধটি যেন চিরকাল চলতে থাকে... আসল বিষয় হলো যুদ্ধ জয় করা নয়, বরং এটি নিশ্চিত করা যে যুদ্ধ যেন শেষ না হয়, কারণ আপনি মুনাফা করতেই থাকবেন।'''<BR>মার্কিন সামরিক হস্তক্ষেপের মাধ্যমে মানবাধিকারের উন্নয়ন করছে না। এটি মানবিকতাকে এগিয়ে নিচ্ছে না। প্রকৃতপক্ষে, এটি বিশালভাবে মানবিকতাকে ক্ষুণ্ণ করছে।
**ড্যানিয়েল কোভালিক, [http://www.china.org.cn/world/Off_the_Wire/2021-12/08/content_77918107.htm ইন্টারভিউ]তে উদ্ধৃত, ''সিনহুয়া'', ৮ ডিসেম্বর, ২০২১।
*আপনি কোন বাহিনীকে আপনাকে [[মুক্তি|মুক্ত]] করতে আসতে দেখতে চান? এবং এটি সর্বসম্মত, এমনকি নাৎসিরাও সবাই আবার একটি ছোট বিমানে উড়ে আমেরিকান লাইনে এসে আমেরিকানদের কাছে আত্মসমর্পণ করবে, যদিও সবাই জানে যে সেই অর্থে আমরা ব্যতিক্রমী।
**চার্লস ক্রাউথামার, [http://conversationswithbillkristol.org/video/charles-krauthammer/ বিল ক্রিস্টলের সাথে সাক্ষাৎকার] (১৩ মার্চ ২০১৫)।
*সামরিক বাহিনী কমান্ডার ইন চিফকে কোনো পাত্তা দেয়নি। সাধারণত, বেসামরিক নিয়ন্ত্রণের জাতিতে এটি স্বাস্থ্যের লক্ষণ নয়। এতে কিছুটা অবাধ্যতার গন্ধ আছে। কিন্তু এমন একজন [[রাষ্ট্রপতি]] যার স্বভাব অত্যন্ত আবেগপ্রবণ এবং দীর্ঘস্থায়ী অযৌক্তিক, তার ক্ষেত্রে সামরিক বাহিনীর কিছুটা সতর্কতা, এমনকি কিছুটা অনমনীয়তা স্বাগত জানানো উচিত।
**চার্লস ক্রাউথামার, [https://www.washingtonpost.com/opinions/the-guardrails-hold/2017/08/03/fcfc157c-7877-11e7-9eac-d56bd5568db8_story.html?noredirect=on&utm_term=.bc41e247bfa0 “দ্য গার্ডরেলস হোল্ড”] (৩ আগস্ট ২০১৭), ''দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট''।
==এল==
[[চিত্র:Barbara Lee official portrait.jpg|থাম্ব| পেন্টাগন বাজেট থেকে ৪০ বা ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়েও আপনি শক্তিশালী জাতীয় নিরাপত্তা বজায় রাখতে পারেন... যখন আপনি সামরিক নীতি ও অভ্যন্তরীণ নীতির ক্ষেত্রে জনগণের অবস্থান দেখেন—বিশেষ করে যখন এই অননুমোদিত যুদ্ধ, এই 'চিরস্থায়ী যুদ্ধ' বন্ধ করার কথা আসে—তখন জনতা আমাদের সাথেই আছে। ~ যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসম্যান বারবারা লি]]
*<p>ষাট বছর আগে, ২৫ জুন ভোরবেলা, [[কোরীয় যুদ্ধ|কোরীয় যুদ্ধ]] শুরু হয়েছিল যখন কমিউনিস্ট [[উত্তর কোরিয়া]], কোরিয়া প্রজাতন্ত্রকে আক্রমণ করে। এর জবাবে, যুক্তরাষ্ট্রসহ জাতিসংঘের ১৬টি সদস্য দেশ স্বাধীনতার সুরক্ষায় কোরিয়া প্রজাতন্ত্রের সাথে যোগ দেয়। '''পরবর্তী তিন বছরের লড়াইয়ে, প্রায় ৩৭,০০০ আমেরিকান তাদের [[জীবন]] হারান। তারা লড়াই করেছিলেন [[দক্ষিণ কোরিয়া|এমন কোরিয়ানদের]] [[স্বাধীনতা|স্বাধীনতার]] জন্য, যাদের তারা চিনতেনও না। আর তাদের ত্যাগের কারণেই, [[দক্ষিণ কোরিয়া|প্রজাতন্ত্রের]] শান্তি ও গণতন্ত্র সুরক্ষিত হয়েছিল'''...</p><p>[[কোরীয় যুদ্ধ|কোরীয় যুদ্ধের]] ৬০তম বার্ষিকীতে, আমি যুদ্ধে অংশগ্রহণের জন্য [[যুক্তরাষ্ট্র|আমেরিকার]] কাছে কৃতজ্ঞ। সেই সময়ে, কোরিয়া প্রজাতন্ত্র ছিল বিশ্বের অন্যতম দরিদ্র দেশ, যার বার্ষিক মাথাপিছু আয় ছিল ৪০ ডলারের কম। ২০০৯ সালে, আমার দেশ অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থার উন্নয়ন সহায়তা কমিটির সদস্য হয়; একমাত্র প্রজন্মেই সাহায্য গ্রহণকারী দেশ থেকে সাহায্য প্রদানকারী দেশে পরিণত হওয়া এটিই প্রথম দৃষ্টান্ত।</p>
** মিউং-বাক লি, [http://articles.latimes.com/2010/jun/25/opinion/la-oe-lee-thanks-20100625 “আ নোট অফ থ্যাঙ্কস”] (২৫ জুন ২০১০), ''দ্য লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস''।
*<p>আমরা সেখানে গিয়ে যুদ্ধ করেছি এবং শেষ পর্যন্ত প্রতিটি [[শহর]] জ্বালিয়ে দিয়েছি...</p><p>প্রায় তিন বছরের বা তার কিছু বেশি সময়ে, আমরা কত শতাংশ—ধরুন—জনসংখ্যার বিশ শতাংশকে [[হত্যা]] করেছি?</p>
**কার্টিস লেমে, ''স্ট্র্যাটেজিক এয়ার ওয়ারফেয়ার: অ্যান ইন্টারভিউ উইথ জেনারেলস'' (১৯৮৮)।
* সামরিক সংযোগ ও সামরিক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত খুব অল্প সংখ্যক ব্যক্তির সহিংস চরমপন্থী কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ সামরিক বাহিনী এবং সামগ্রিকভাবে দেশটির জন্য একটি ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
** পিটার কে. লেভিন; জোসেফ এফ. অ্যাডামস; অ্যামি এ. অলরিচ; র্যাচেল জি. অগাস্টিন; মার্গারেট ডি.এম. বারবার; সুজিতা বি. ভাট; ক্যাথলিন এম. কনলি; ডেভ আই. কোটিং; অ্যালান বি. গেল্ডার; জেফারি এম. জাভোরস্কি; মার্ক এফ. কেই; ক্যারিংটন এ. মেটস; নীল ভি. মিত্তাল; ম্যাথিউ জে. রিড; [https://www.ida.org/research-and-publications/publications/all/p/pr/prohibited-extremist-activities-in-the-us-department-of-defense “প্রোহিবিটেড এক্সট্রিমিস্ট অ্যাক্টিভিটিস ইন দ্য ইউ.এস. ডিপার্টমেন্ট অফ ডিফেন্স”], ''প্রতিরক্ষা দপ্তর'', (ডিসেম্বর ২০২৩); উইল কারলেস [https://www.usatoday.com/story/news/investigations/2023/12/26/pentagon-extremist-study-released/72034360007/ “আফটার ইউএসএ টুডে ইনভেস্টিগেশন, মিলিটারি ফাইনালি রিলিজড ইন্টারনাল এক্সট্রিমিজম রিপোর্ট”], ''ইউএসএ টুডে'', (২৬ ডিসেম্বর, ২০২৩)-এ উদ্ধৃত।
* ডিওডিের নিরাপত্তা ছাড়পত্র প্রদান, উপযুক্ততা মূল্যায়ন এবং স্থাপনায় প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার প্রক্রিয়া এখনো মূলত স্নায়ু যুদ্ধের হুমকি এবং বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধের সাথে সম্পর্কিত ঝুঁকির দিকেই বেশি গুরুত্ব দেয়, অথচ ঘরের ভেতরের চরমপন্থার হুমকির দিকে নয়।
** পিটার কে. লেভিনসহ অন্যরা; [https://www.ida.org/research-and-publications/publications/all/p/pr/prohibited-extremist-activities-in-the-us-department-of-defense “প্রোহিবিটেড এক্সট্রিমিস্ট অ্যাক্টিভিটিস ইন দ্য ইউ.এস. ডিপার্টমেন্ট অফ ডিফেন্স”], ''প্রতিরক্ষা দপ্তর'', (ডিসেম্বর ২০২৩); উইল কারলেস [https://www.usatoday.com/story/news/investigations/2023/12/26/pentagon-extremist-study-released/72034360007/ “আফটার ইউএসএ টুডে ইনভেস্টিগেশন, মিলিটারি ফাইনালি রিলিজড ইন্টারনাল এক্সট্রিমিজম রিপোর্ট”], ''ইউএসএ টুডে'', (২৬ ডিসেম্বর, ২০২৩)-এ উদ্ধৃত।
*জাতিসমূহের [[আইন]] গায়ের রঙের কোনো পার্থক্য জানে না, এবং '''যদি যুক্তরাষ্ট্রের কোনো শত্রু তাদের সেনাবাহিনীর কোনো বন্দীকে দাস বানিয়ে বিক্রি করে, তবে তা হবে কঠোরতম প্রতিশোধের একটি ক্ষেত্র''', যদি অভিযোগের ভিত্তিতে প্রতিকার না পাওয়া যায়।
** ''দ্য লিবার কোড অফ ১৮৬৩'', মার্কিন যুদ্ধ দপ্তর, ৫৮
*আমি যদি নোবেল শান্তি পুরস্কার জিততাম, তবে আমি তা প্রদান করতাম হয় [[জর্জ ডব্লিউ. বুশ|বুশ প্রশাসনকে]], যারা উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক কর্মসূচি সফলভাবে নিরস্ত্রীকরণ এবং ইরানেও একই কাজ করার জন্য অধ্যবসায়ের সাথে কাজ করেছিল, অথবা আমি তা প্রদান করতাম জেনারেল পেট্রিয়াস ও মার্কিন সামরিক বাহিনীকে। বিশ্বে যদি শান্তির কোনো ইঞ্জিন থেকে থাকে, তবে তা হলো মার্কিন সামরিক বাহিনী।
**রাশ লিম্বো, [http://www.rushlimbaugh.com/home/daily/site_101207/content/01125107.guest.html ''রাশ লিম্বো''] (১২ অক্টোবর ২০০৭)।
*'''আমাদের নিজেদের [[স্বাধীনতা]] ও স্বাধীনতার দুর্গ কী?''' এটি কি আমাদের ভ্রুকুটি করা দুর্গ, আমাদের ঝকঝকে সমুদ্র উপকূল, আমাদের যুদ্ধের বাষ্পচালিত জাহাজের কামান, নাকি আমাদের বীর ও সুশৃঙ্খল সেনাবাহিনীর শক্তি? আমাদের ন্যায্য ভূমিতে স্বৈরাচারের পুনরুত্থানের বিরুদ্ধে এগুলো আমাদের নির্ভরতা নয়। সংগ্রামের জন্য আমাদের দুর্বল বা শক্তিশালী না করেই এর সব কিছুই আমাদের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে ব্যবহার করা যেতে পারে। '''আমাদের নির্ভরতা হলো [[ঈশ্বর|ঈশ্বরের]] আমাদের হৃদয়ে রোপণ করা স্বাধীনতার ভালোবাসার ওপর। আমাদের প্রতিরক্ষা হলো সেই আত্মায়, যা স্বাধীনতাকে সব ভূমির, সব মানুষের উত্তরাধিকার হিসেবে মূল্যবান মনে করে। এই আত্মাকে ধ্বংস করুন, এবং আপনি আপনার নিজের দরজায় স্বৈরাচারের বীজ রোপণ করেছেন। নিজেদের বন্দিত্বের শিকলের সাথে পরিচিত করুন এবং আপনারা তা পরিধানের জন্য নিজেদের অঙ্গ প্রস্তুত করছেন। আপনাদের আশেপাশের মানুষের অধিকার পদদলিত করতে অভ্যস্ত হয়ে, আপনারা নিজেদের স্বাধীনতার প্রতিভা হারিয়ে ফেলেছেন এবং প্রথম ধূর্ত স্বৈরাচারের উপযুক্ত প্রজা হয়ে উঠেছেন যে জেগে ওঠে।'''
**[[আব্রাহাম লিঙ্কন|আব্রাহাম লিঙ্কনের]] এডওয়ার্ডসভিল, ইলিনয়-এ ভাষণ (১১ সেপ্টেম্বর ১৮৫৮); লিঙ্কন, আব্রাহাম; মারিও ম্যাথিউ কুওমো, হ্যারল্ড হোলজার, জি. এস. বোরিট, ''[http://books.google.de/books?id=8bWmmyJEMZoC&pg=PA128&redir_esc=y#v=onepage&q&f=false লিঙ্কন অন ডেমোক্রেসি]'' (ফোর্ডহ্যাম ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১ সেপ্টেম্বর ২০০৪), ১২৮-এ উদ্ধৃত। {{ISBN|978-0823223459}}।
*এটা উল্লেখযোগ্য যে, সরকারের এই কঠিন সময়ে সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর যে বিশাল সংখ্যক ব্যক্তি যারা বিভিন্ন পদে সুবিধা পেয়েছিলেন তারা পদত্যাগ করেছেন এবং যাদের দ্বারা লালিত হয়েছিলেন তাদের প্রতি মিথ্যা প্রমাণ করেছেন, কিন্তু কোনো সাধারণ সৈন্য বা সাধারণ নাবিক তাদের পতাকা ত্যাগ করেছে বলে জানা যায়নি। বিশ্বাসঘাতক সহযোগীদের উদাহরণ সত্ত্বেও যারা অটল ছিলেন সেই কর্মকর্তাদের প্রতি অনেক সম্মান; কিন্তু সবচেয়ে বড় সম্মান ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হলো সাধারণ সৈনিক ও নাবিকদের সর্বসম্মত দৃঢ়তা। যতটুকু জানা যায়, শেষ ব্যক্তি পর্যন্ত তারা তাদের বিশ্বাসঘাতক প্রচেষ্টাকে সফলভাবে প্রতিহত করেছে, যাদের কমান্ড তারা মাত্র এক ঘণ্টা আগেও পরম আইন হিসেবে মেনে চলত। এটি সাধারণ মানুষের দেশপ্রেমিক প্রবৃত্তি। তারা কোনো যুক্তি ছাড়াই বোঝে যে, ওয়াশিংটন কর্তৃক তৈরি সরকার ধ্বংস করা তাদের জন্য কোনো ভালো বয়ে আনবে না।
**[[আব্রাহাম লিংকন|আব্রাহাম লিঙ্কন]], [http://millercenter.org/president/speeches/speech-3508 কংগ্রেসের উদ্দেশ্যে ৪ঠা জুলাইয়ের বার্তা] (৪ জুলাই ১৮৬১)
*'''সাতাশি বছর আগে আমাদের পূর্বপুরুষরা এই মহাদেশে এক [[যুক্তরাষ্ট্র|নতুন জাতি]] নিয়ে এসেছিলেন, যা স্বাধীনতায় গড়া এবং এই প্রস্তাবনায় নিবেদিত যে সমস্ত মানুষ সমানভাবে সৃষ্ট। এখন আমরা এক মহান গৃহযুদ্ধে লিপ্ত, পরীক্ষা করছি যে সেই জাতি বা এমন কোনো জাতি কি দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে?''' আমরা সেই যুদ্ধের এক মহান রণক্ষেত্রে মিলিত হয়েছি। আমরা এসেছি সেই মাঠের একটি অংশ উৎসর্গ করতে, [[যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনী|যাঁরা এখানে জীবন দিয়েছেন]] সেই জাতির বেঁচে থাকার জন্য। এটি করা অত্যন্ত উপযুক্ত। '''কিন্তু, বৃহত্তর অর্থে, আমরা এই ভূমি উৎসর্গ করতে পারি না, পবিত্র করতে পারি না। এখানে লড়াই করা সাহসী পুরুষরা, জীবিত ও মৃত, তারা এটিকে উৎসর্গ করেছেন আমাদের যোগ করার বা বিয়োগ করার সামান্য ক্ষমতার ঊর্ধ্বে। বিশ্ব খুব সামান্যই লক্ষ্য করবে, বা আমরা এখানে কী বলেছি তা মনে রাখবে, কিন্তু তারা এখানে কী করেছে তা কখনোই ভুলতে পারবে না। জীবিত আমাদের জন্য, বরং এখানে সেই অসমাপ্ত কাজের প্রতি নিবেদিত হওয়া উচিত যা যারা এখানে লড়াই করেছিলেন তারা মহৎভাবে এগিয়ে নিয়ে গেছেন।''' আমাদের বরং এখানে সেই মহান কাজের প্রতি নিবেদিত হওয়া উচিত যা আমাদের সামনে রয়েছে — যে এই সম্মানিত মৃতদের কাছ থেকে আমরা সেই উদ্দেশ্যের প্রতি বর্ধিত ভক্তি গ্রহণ করি যার জন্য তারা ভক্তির চূড়ান্ত পরিমাপ দিয়েছিলেন — যে '''আমরা এখানে উচ্চস্বরে প্রতিজ্ঞা করছি যে এই মৃতরা বৃথা যাননি — যে এই জাতি, ঈশ্বরের অধীনে, স্বাধীনতার এক নতুন জন্ম লাভ করবে — এবং যে জনগণের সরকার, জনগণের দ্বারা, জনগণের জন্য, পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হবে না।'''
**[[আব্রাহাম লিংকন|আব্রাহাম লিঙ্কন]], ''দ্য গেটিসবার্গ অ্যাড্রেস'' (১৯ নভেম্বর ১৮৬৩)
*সৈনিকগণ। আপনারা আপনাদের ঘর ও বন্ধুদের কাছে ফিরে যেতে প্রস্তুত, ক্যাম্পের দায়িত্ব পালনের পর, এই মহান প্রতিযোগিতায়। আমি আপনাদের কাছে এবং যারা দেশের ডাকে এগিয়ে এসেছেন তাদের সবার কাছে গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। '''আমি চাই এটি আরও ব্যাপকভাবে বোঝা যাক যে দেশটি এখন কিসের সাথে জড়িত। আমাদের আছে, সবাই একমত হবেন, এক মুক্ত সরকার, যেখানে প্রত্যেক মানুষের অন্য সবার সাথে সমান হওয়ার অধিকার আছে।'''
**[[আব্রাহাম লিংকন|আব্রাহাম লিঙ্কন]], ওয়ান হান্ড্রেড সিক্সটি-ফোর্থ ওহাইও রেজিমেন্টের উদ্দেশ্যে ভাষণ (১৮ আগস্ট ১৮৬৪), ওয়াশিংটন, ডি.সি.তে প্রদত্ত।
*'''যদি [[কনফেডারেট স্টেটস অফ আমেরিকা|আমাদের শত্রুরা]] সফল হয় তবে প্রতিটি মানবাধিকার হুমকির মুখে পড়বে। এই প্রতিযোগিতায় প্রত্যেকের ধারণার চেয়েও বেশি কিছু জড়িত। এই সংগ্রামে প্রশ্ন জড়িত যে আপনার সন্তান এবং আমার সন্তানরা সেই সুবিধাগুলো ভোগ করবে কি না যা আমরা ভোগ করেছি।''' আমি এটি বলছি যাতে আপনাদের প্রভাবিত করতে পারি, যদি আপনারা আগে থেকেই প্রভাবিত না হয়ে থাকেন, যে '''কোনো ছোট বিষয় আমাদের মহান উদ্দেশ্য থেকে আমাদের বিচ্যুত করা উচিত নয়।''' আমাদের পদ্ধতির ব্যবহারিক প্রয়োগে কিছু অনিয়ম থাকতে পারে। '''এটি ন্যায্য যে প্রতিটি ব্যক্তি তার সম্পত্তির মূল্যের সমানুপাতে কর প্রদান করবে; কিন্তু যদি আমরা কর সংগ্রহের আগে প্রতিটি ব্যক্তির কর অন্য সবার সমানুপাতে সমন্বয় করার জন্য অপেক্ষা করি, তবে আমরা কখনোই কোনো কর সংগ্রহ করতে পারব না।''' মাঝে মাঝে ভুল হতে পারে; সরকারের কর্মকর্তারা ভুল প্রতিরোধের জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করলেও কাজ ভুল হতে পারে। কিন্তু আমি আপনাদের অনুরোধ করি, এই মহান প্রজাতন্ত্রের নাগরিক হিসেবে, আপনারা আমাদের সামনে থাকা মহান কাজ থেকে আপনাদের মনকে বিচ্যুত হতে দেবেন না। '''এই সংগ্রাম আপনাদের বিচ্যুত হওয়ার জন্য খুব বড়।''' যখন আপনারা আপনাদের বাড়িতে ফিরে যাবেন, তখন মুক্ত সরকারের যোগ্য এক প্রজন্মের উচ্চতায় উঠে দাঁড়াবেন, এবং আমরা আমাদের শুরু করা মহান কাজ সম্পন্ন করব। আজ বিকেলে আপনারা আমাকে যে সম্মান দিয়েছেন তার জন্য আমি আপনাদের আমার আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।
**[[আব্রাহাম লিংকন|আব্রাহাম লিঙ্কন]], ওয়ান হান্ড্রেড সিক্সটি-ফোর্থ ওহাইও রেজিমেন্টের উদ্দেশ্যে ভাষণ (১৮ আগস্ট ১৮৬৪), ওয়াশিংটন, ডি.সি.তে প্রদত্ত।
*সামরিক নিয়োগকারীরা এবং উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা প্রায়ই এই কথাটি পুনরাবৃত্তি করতে পছন্দ করেন যে সশস্ত্র বাহিনীর গড় সদস্য গড় আমেরিকানদের চেয়ে বেশি শিক্ষিত। এটি সত্য। প্রতিরক্ষা দপ্তরের মতে, প্রায় ৯৪% তালিকাভুক্ত কর্মীর হাই-স্কুল ডিপ্লোমা রয়েছে, যেখানে মাত্র ৬০% আমেরিকানদের তা আছে। সাধারণ জনসংখ্যার ৩০% এর তুলনায় প্রায় ৮৩% অফিসারের স্নাতক ডিগ্রি রয়েছে।
**বেঞ্জামিন লাক্সেনবার্গ, [http://www.wsj.com/articles/military-officers-dont-need-college-degrees-1439249756 “মিলিটারি অফিসারস ডোন্ট নিড কলেজ ডিগ্রিস”] (১০ আগস্ট ২০১৫), ''ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল''
==এম==
[[চিত্র:US_Sons_OfLiberty_9Stripes_Flag.svg|থাম্ব|সংবিধানের প্রতি আমার কর্তব্য ও [[দায়িত্ব]] আছে, আমার আনুগত্য সেখানেই। আমি সংবিধানের প্রতিই [[শপথ]] নিয়েছি। আমাদের ইউনিফর্মে থাকা সবার একই শপথ। আমরা কোনো ব্যক্তি বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান ছাড়া অন্য কিছুর প্রতি শপথ নেই না।<br> আমাদের শপথ ও দায়িত্ব হলো সংবিধান রক্ষা ও প্রতিরক্ষা করা। এর অংশ হিসেবে আমাদের নির্বাচিত প্রতিনিধির যেকোনো [[আইনি]] [[বৈধ]] আদেশ মানতে হয়, তা আপনি পছন্দ করুন বা না করুন। আদেশগুলো বৈধ হলে তা মানা আমাদের [[দায়িত্ব]]। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যে, [[সামরিক বাহিনী]] হিসেবে আমরা আইন অনুযায়ী বৈধ আদেশ মানতে বাধ্য। ~ [[মার্ক মিলি]]]]
[[চিত্র:US_map_1864_Civil_War_divisions.svg|থাম্ব|আমার মনে হয় একজন সৈনিক এবং জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফের চেয়ারম্যান হিসেবে আমার মূল [[দায়িত্ব]] হলো দেশের বাইরে কাজ করা। অভ্যন্তরীণ কোনো বিষয় মূলত অভ্যন্তরীণ [[রাজনীতি]] বা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাজ, যদি না অন্য কোনো বিশেষ [[কারণ]] থাকে। ~ মার্ক মিলি]]
* তোমাদের [[পুত্র]] ও [[কন্যাদের]] আমেরিকান সৈনিকের শান্ত, সুচিন্তিত এবং দৃঢ় মনোবলের মাধ্যমে বিশ্বস্ততার সাথে সেবা করেছে। তাদের এই শক্তি মিথ্যা গল্পের ওপর ভিত্তি করে চলা শত্রুর গোঁড়ামিকে হারিয়ে আমাদের বিজয় এনে দিয়েছে। তারা বাড়ি ফিরছে, তাদের যত্ন নাও।
**ডগলাস ম্যাকআর্থার, [https://ussmissouri.org/learn-the-history/surrender/general-macarthurs-radio-address/ রেডিও ভাষণ] (২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫)।
* আমি ফিরে এসেছি। সর্বশক্তিমান [[ঈশ্বর|ঈশ্বরের]] কৃপায় আমাদের বাহিনী আবার দাঁড়িয়েছে।
**ডগলাস ম্যাকআর্থার, [https://www.youtube.com/watch?v=Wv1PF0tAE1s লেতে, ফিলিপাইনে অবতরণের সময়] (২০ অক্টোবর ১৯৪৪)
* <p>[[কোরীয় যুদ্ধ|কোরীয় যুদ্ধের]] রণক্ষেত্রে পুয়ের্তো রিকানরা ৬৫তম পদাতিক বাহিনীর র্যাঙ্কে যুদ্ধ করছে...</p><p>তারা যুদ্ধের ময়দানে সাফল্যের উজ্জ্বল নজির স্থাপন করছে। তাদের এই কমান্ডে পেয়ে আমি সত্যিই গর্বিত। আমি আশা করি তাদের মতো আরও অনেকে আমাদের সাথে থাকবে।</p>
**ডগলাস ম্যাকআর্থার, [http://www.valerosos.com/HonorandFidelity3.html#The_Korean_War:_1950 ১২ ফেব্রুয়ারি ১৯৫১ সালে টোকিওতে উদ্ধৃত]।
* আমি আবেগপ্রবণ হতে চাই না, তবে এখানে আমেরিকান সৈন্যদের সাথে থাকাটা আমার কাছে অনেক সম্মানের। আমি দেখেছি, আমেরিকান সৈন্যরা যেকোনো সামরিক মিশন সম্পন্ন করতে পারে। দক্ষিণ [[আফগানিস্তান]]ের কঠিন জায়গাতেও তারা কাজ করবে। তবে এখানে থেকে বোঝা যায় যে, সামরিক দিকটি পুরোপুরি সফল হলেও যুদ্ধের সাফল্যের জন্য এটি ২০% মাত্র। আসল কাজটা আফগান জনগণের। আমেরিকানরা জায়গাটা পরিষ্কার করে দেবে এবং তাদের কাজ করাটা সম্মানের। তারা কঠোর পরিশ্রম করছে, কিন্তু আফগানরা এগিয়ে আসবে কি না তার ওপরই নির্ভর করছে আমরা একে বিজয় বলতে পারি কি না।
**[[র্যাচেল ম্যাডো]], [http://rawstory.com/rawreplay/2010/07/06/maddow-afghanistan-counterinsurgency-deadline/ "আফগানিস্তান কাউন্টার-ইনসার্জেন্সি ডেডলাইন"] (৬ জুলাই ২০১০), ''র-স্টোরি''
* আমেরিকার স্থির নীতি হলো—যুদ্ধের চেয়ে শান্তি ভালো, আবার উপঢৌকন দেওয়ার চেয়ে যুদ্ধ ভালো। যুক্তরাষ্ট্র কোনো দেশের সাথে যুদ্ধ চায় না, কিন্তু শান্তির জন্য কারো কাছে মাথা নত করবে না।
**[[জেমস ম্যাডিসন]], ওলকট চন্সি এবং উইলিয়াম শ্যালারের কাছে লেখা চিঠি, ১৮১৫ সালের চুক্তি। এটি বারবারি যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটায় এবং জলদস্যু রাষ্ট্রগুলোকে উপঢৌকন দেওয়ার প্রথা বন্ধ করে। [http://books.google.com/books?id=YMwRAAAAYAAJ&pg=PA46| রবার্ট গ্রিনহোর "হিস্ট্রি অ্যান্ড প্রেজেন্ট কন্ডিশন অফ ত্রিপোলি", ১৮৩৫, পৃষ্ঠা ৪৬]-এ উদ্ধৃত।
* মন্টিজুমার হল থেকে ত্রিপোলির তীর পর্যন্ত!
আমরা আকাশ, স্থল ও সমুদ্রে আমাদের দেশের যুদ্ধ লড়ি!
সবার আগে লড়ি, অধিকার ও স্বাধীনতার জন্য!
**''মেরিনস হাইম''
* আমেরিকা জেগে ওঠো। আমরা আমাদের সামরিক বাহিনী ও দেশকে ভালোবাসি, কিন্তু আমরা ট্রাম্পকে ঘৃণা করি।
**মার্শাল বি. ম্যাথারস, [https://twitter.com/Eminem/status/917922469775925248 "দ্য স্টর্ম"] (অক্টোবর ২০১৭)
:'''জোশুয়া এল. চেম্বারলেইন''': এটি ভিন্ন ধরনের একটি সেনাবাহিনী। [[ইতিহাস]] দেখলে দেখবেন মানুষ বেতন, নারী বা লুটের জন্য যুদ্ধ করে। তারা ভূমি বা ক্ষমতার জন্য লড়ে, অথবা রাজা তাদের নেতৃত্ব দেয়, কিংবা শুধু হত্যা করতে পছন্দ করে বলে লড়ে। কিন্তু আমরা নতুন কিছুর জন্য এখানে। পৃথিবীতে এমন ঘটনা খুব কম ঘটেছে। আমরা অন্যদের মুক্ত করার জন্য একটি সেনাবাহিনী। আমেরিকার মাটি মুক্ত হওয়া উচিত—পুরোটা। দাস রাষ্ট্র বা মুক্ত রাষ্ট্রের বিভাজন থাকবে না, এপাশ থেকে প্রশান্ত মহাসাগর পর্যন্ত। কাউকে মাথা নত করতে হবে না। কেউ রাজবংশে জন্মায়নি। এখানে আমরা আপনার কাজ দিয়ে আপনাকে বিচার করি, আপনার বাবা কে তা দিয়ে নয়। এখানে আপনি কিছু হতে পারেন। এখানে ঘর গড়ার জায়গা আছে। এটা শুধু জমি নয়। জমি সবসময় আরও পাওয়া যায়। আসল কথা হলো, আমাদের সবার মূল্য আছে—আপনার এবং আমার। শেষ পর্যন্ত আমরা একে অপরের জন্য লড়ছি।
:*''গেটিসবার্গ'' (১৯৯৩), চিত্রনাট্য রোনাল্ড এফ. ম্যাক্সওয়েল
* মার্কিন সশস্ত্র বাহিনী একটি শক্ত পাথরের মতো। এটি কৌশলগত ও অপারেশনাল দিক থেকে আমাদের দেখা সবচেয়ে যোগ্য এবং চমৎকারভাবে নেতৃত্বাধীন সামরিক বাহিনী। যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হওয়ার কোনো কারণ নেই।
**ব্যারি ম্যাকক্যাফ্রে, [http://www.jerrypournelle.com/reports/jerryp/Iraqreport.html "দ্য বটম লাইন – অবজারভেশনস ফ্রম ইরাকি ফ্রিডম"] (৪ মে ২০০৬), ''কেয়স ম্যানর স্পেশাল রিপোর্টসে'' উদ্ধৃত।
* আমরা প্রথমে আমেরিকান, শেষে আমেরিকান, সবসময় আমেরিকান। আমাদের মতপার্থক্য নিয়ে তর্ক হোক। কিন্তু মনে রাখতে হবে আমরা শত্রু নই, বরং একটি বাস্তব শত্রুর বিরুদ্ধে লড়তে আমরা কমরেড। আমাদের সামরিক শ্রেষ্ঠত্বের সাথে আমাদের আদর্শ ও ভালোবাসার গভীরতা মিশে আছে। আমরা আমেরিকান, আমরা কখনোই আত্মসমর্পণ করব না। ''তারা'' করবে।
**[[জন ম্যাককেইন]], ''[http://www.gwu.edu/~action/2004/repconv04/mccain083004sp.html রিপাবলিকান ন্যাশনাল কনভেনশন]'' (৩০ আগস্ট ২০০৪)
* ভুল করবেন না: আমি কোনো অপরিচিত প্রবৃত্তি থেকে আমাদের সামরিক বাহিনীকে মূল্যায়ন করি না। আমি একটি সামরিক পরিবারে বড় হয়েছি, আমার নিজের সেবার রেকর্ড আছে এবং আমার পুরো ক্যারিয়ারে আমি সশস্ত্র বাহিনীর সাথে যুক্ত ছিলাম। আমেরিকান সিস্টেমে সামরিক বাহিনীর মূল্য কেবল তখনই থাকে যখন তা জনগণের স্বাধীনতা রক্ষা করে।
**[[জন ম্যাককেইন]], [[ডোনাল্ড ট্রাম্প|ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের করা মন্তব্য সম্পর্কে বিবৃতি। মন্তব্যটি ছিল মার্কিন সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন হুমায়ুন খানের পিতা খিজির ও গাজালা খানের সম্পর্কে, যিনি ২০০৪ সালে ইরাকে নিহত হন ([http://edition.cnn.com/2016/08/01/politics/john-mccain-statement-khan-family/index.html])।
* সকল কার্যকলাপ [[বর্ণবাদ|বর্ণবাদমুক্ত]] রাখা এবং সকল ইউনিফর্মধারী সদস্য ও বেসামরিক কর্মচারীদের বর্ণের নির্বিশেষে সমান সুযোগ প্রদান করা প্রতিরক্ষা দপ্তরের নীতি।
**রবার্ট ম্যাকনামারা, ''নির্দেশনা ৫১২০.৩৬'' (জুলাই ১৯৬৩)
* আফ্রিকান আমেরিকানরা আমেরিকার যুদ্ধে যোগ দিতে চেয়েছে। একবিংশ শতাব্দীতেও আমেরিকান সামরিক বাহিনীর শক্তি বজায় রাখার জন্য আফ্রিকান-আমেরিকান সংস্কৃতির ব্যক্তিগত ও সামরিক সম্মানবোধ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
**ওয়াল্টার রাসেল মিড, [https://drive.google.com/file/d/0B-5-JeCa2Z7hZmU2ZTg0OTktYTRlNC00NzA2LThlOWItYzg5ODU4NTViYTE0/view?pref=2&pli=1 "দ্য জ্যাকসোনিয়ান ট্র্যাডিশন অ্যান্ড আমেরিকান ফরেন পলিসি"] (ডিসেম্বর ১৯৯৯), ''দ্য ন্যাশনাল ইন্টারেস্ট'', পৃষ্ঠা ১৫
* আমেরিকান সামরিক বাহিনী আগের চেয়ে অনেক শক্তিশালী। আমাদের অস্ত্রগুলো অনেক বেশি স্মার্ট এবং কার্যকর। আমাদের পেশাদার সেনাবাহিনী মানব ইতিহাসের সবচেয়ে কার্যকর বাহিনী হয়ে উঠেছে। অপ্রতিসম যুদ্ধের ক্ষেত্রে আমাদের ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে। কৌশলের অভাব থাকলে শুধু সামরিক শক্তি দিয়ে জয় সম্ভব নয়। কিন্তু হাই-টেক অস্ত্র, উন্নত প্রশিক্ষণ এবং গত বিশ বছরে অর্জিত সাংস্কৃতিক, কূটনৈতিক ও মানবিক দক্ষতা আমাদের সামরিক ক্ষমতাকে অপ্রতিদ্বন্দ্বী করে তুলেছে। এই শক্তি কোনো জাদুর বড়ি নয় যে সবকিছু সম্ভব, তবে তৃতীয় বিশ্বের কোনো স্বৈরশাসক এখন আর প্রচলিত অস্ত্র দিয়ে মার্কিন হস্তক্ষেপ ঠেকাতে পারবে না। প্রথম উপসাগরীয় যুদ্ধে মার্কিন সামরিক বাহিনী সাদ্দামের বাহিনীকে মাছি মারার মতো দমন করেছিল। দ্বিতীয় যুদ্ধে আমাদের প্রচলিত শ্রেষ্ঠত্ব আরও বেশি ছিল।
**ওয়াল্টার রাসেল মিড, [https://web.archive.org/web/20111023223930/http://blogs.the-american-interest.com/wrm/2011/10/20/farewell-to-the-great-loon/ "ফেয়ারওয়েল টু দ্য গ্রেট লুন"] (২০ অক্টোবর ২০১১), ''দ্য আমেরিকান ইন্টারেস্ট''
* আক্রমণাত্মক বাস্তবতা অনুযায়ী, যখন [[ইউরোপ|ইউরোপে]] এমন কোনো সম্ভাব্য শক্তি উদয় হয় যা স্থানীয় শক্তিগুলো দমন করতে পারে না, তখন যুক্তরাষ্ট্র তার সেনাবাহিনী [[আটলান্টিক মহাসাগর|আটলান্টিক]] পার করে পাঠাবে।
** [[জন মিয়ারশাইমার]], ''দ্য ট্র্যাজেডি অফ গ্রেট পাওয়ার পলিটিকস'' (২০০১)।
* '''মিলি''': আমার [[কর্তব্য]] ও [[দায়িত্ব]] সংবিধানের প্রতি, আমার [[আনুগত্য]] সেখানেই। আমি সংবিধানের শপথ নিয়েছি। আমাদের ইউনিফর্মে থাকা সবাই তাই করে। আমরা কোনো [[ব্যক্তি]] বা অন্য কিছুর শপথ নিই না, কেবল [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান]]ের শপথ নিই। আমাদের দায়িত্ব ও শপথ হলো সংবিধান রক্ষা করা। আমাদের নির্বাচিত প্রতিনিধির যেকোনো [[আইনি]] আদেশ মানতে আমরা বাধ্য, তা আপনি পছন্দ করুন বা না করুন। আদেশগুলো আইনসম্মত হলে তা পালন করা আমাদের [[দায়িত্ব]]। আমরা আইন অনুযায়ী বৈধ আদেশ মানতে বাধ্য।
** [[মার্ক মিলি]], মেরি লুইস কেলি ও এরিকা রায়ানের সাক্ষাৎকার; [https://www.npr.org/2023/10/02/1202971562/mark-milley-donald-trump-military-army-constitution "'দ্য মিলিটারি হ্যাজ নো রোল' ইন পলিটিকস, সেজ রিটায়ারিং চেয়ার অফ দ্য জয়েন্ট চিফস”], অল থিংস কনসিডারড, ''এনপিআর'', (২ অক্টোবর, ২০২৩)
* '''কেলি''': অবসরপ্রাপ্ত [[যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনী|এয়ার ফোর্স]] জেনারেল ও সিআইএর প্রাক্তন পরিচালক মাইকেল হেডেন জানতে চেয়েছেন: "আমরা কি ঠিক আছি?" তার প্রশ্ন ছিল, [[চীন]] বা [[রাশিয়া]] নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্র নিজেই তার জাতীয় নিরাপত্তার জন্য সবচেয়ে বড় [[হুমকি]]। জেনারেল মিলি, আপনি কী ভাবেন?
: '''মিলি''': একজন [[সৈনিক]] এবং [[জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফ]]ের চেয়ারম্যান হিসেবে আমার প্রাথমিক [[দায়িত্ব]] দেশের বাইরে। অভ্যন্তরীণ যেকোনো বিষয় মূলত [[রাজনীতি]] বা [[আইন প্রয়োগকারী সংস্থার]] কাজ, যদি না অন্য কোনো বিশেষ [[কারণ]] থাকে।
:* [[মার্ক মিলি]], মেরি লুইস কেলি ও এরিকা রায়ানের সাক্ষাৎকার; [https://www.npr.org/2023/10/02/1202971562/mark-milley-donald-trump-military-army-constitution "'দ্য মিলিটারি হ্যাজ নো রোল' ইন পলিটিকস, সেজ রিটায়ারিং চেয়ার অফ দ্য জয়েন্ট চিফস”], অল থিংস কনসিডারড, ''এনপিআর'', (২ অক্টোবর, ২০২৩)
* বিশ্বের ইতিহাসে আমেরিকান সৈনিকের মতো অন্য কেউ অপরিচিত মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তির জন্য এত ত্যাগ স্বীকার করেনি। আমাদের সৈনিকরা শুধু বিদেশে স্বাধীনতা দেয় না, দেশেও তা রক্ষা করে।
**[[জেল মিলার|জেল মিলার]], [https://web.archive.org/web/20141126130444/http://www.cbsnews.com:80/news/text-of-zell-millers-rnc-speech/ রিপাবলিকান ন্যাশনাল কনভেনশনে ভাষণ] (২০০৪)
* আমি মনে করি সব যোগ্য পুরুষ ও নারীর ড্রাফটে নাম নিবন্ধন করা উচিত।
**[[মার্ক মিলি|মার্ক মিলি]], [http://www.npr.org/sections/thetwo-way/2016/02/03/465404486/army-marine-corps-generals-say-women-should-have-to-register-for-the-draft সেনেট আর্মড সার্ভিসেস কমিটির শুনানি] (ফেব্রুয়ারি ২০১৬)
* <p>আজকের আর্মি মেজররা শুধু [[সন্ত্রাসবাদ|সন্ত্রাসবাদী]] ও [[গেরিলা যুদ্ধ|গেরিলাদের]] বিরুদ্ধে লড়াই জানে, কারণ তারা [[১১ সেপ্টেম্বর হামলা|৯/১১]]ের পর আর্মিতে এসেছে।</p><p>তবে উচ্চপর্যায়ের হুমকির ক্ষেত্রে গত ১৫ বছরে আমাদের দক্ষতা কমে গেছে।</p>
**মার্ক মিলি, [http://www.nytimes.com/2016/05/16/world/africa/army-milley-africa-terrorism-land-war.html?ribbon-ad-idx=5&rref=world/africa সাক্ষাৎকার] (২০১৬)
* [[নৌবাহিনী|নৌবাহিনীতে]], আপনি [[সাত সমুদ্র|সাত সমুদ্র]] পাড়ি দিতে পারেন!
নৌবাহিনীতে, আপনি নিশ্চিন্তে থাকতে পারেন!
এখন সবাই এগিয়ে আসুন! নৌবাহিনীতে, নৌবাহিনীতে।
বুঝতে পারছেন না, আমাদের সাহায্য প্রয়োজন?
নৌবাহিনীতে! [[মাতৃভূমি|মাতৃভূমি]] রক্ষা করতে এগিয়ে আসুন। নৌবাহিনীতে!
**[https://www.youtube.com/watch?v=InBXu-iY7cw "ইন দ্য নেভি"] (১৭ জানুয়ারি ১৯৭৯), লিখেছেন জ্যাক মোরালি ও ভিক্টর উইলিস, ''গো ওয়েস্ট'' (১৯৭৯), কাসাব্লাঙ্কা রেকর্ডস। গেয়েছেন [[দ্য ভিলেজ পিপল|দ্য ভিলেজ পিপল]]।
* যুদ্ধের পর আমেরিকান সামরিক বিতর্ক ছিল কোন বাহিনী দেশের প্রধান রক্ষক হবে। [[যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী বিমান বাহিনী|আর্মি এয়ার ফোর্সেস]] (১৯৪৭ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর আলাদা সার্ভিস, ইউএসএএফ হিসেবে তৈরি) দাবি করেছিল যে তাদের [[স্ট্র্যাটেজিক এয়ার কমান্ড|স্ট্র্যাটেজিক এয়ার কমান্ড]], বি-২৯ এবং পারমাণবিক বোমা দিয়ে দেশকে রক্ষা করতে পারবে। নৌবাহিনী দাবি করে যে ক্যারিয়ার এয়ার পাওয়ার যুদ্ধ জিতেছে এবং ভবিষ্যতেও সেরা থাকবে। মার্কিন মাটিতে বিমান প্রতিরক্ষা ইউনিটের নিয়ন্ত্রণ কার থাকবে তা নিয়েও বিতর্ক ছিল।
১৯৪৭ সালের ২৬ জুলাই [[জাতীয় নিরাপত্তা আইন ১৯৪৭|জাতীয় নিরাপত্তা আইন]] পাস হয়, যা "আর্মড ফোর্সেস অফ দ্য ইউনাইটেড স্টেটস" গঠন করে এবং সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনীকে প্রতিরক্ষা দপ্তরের অধীনে আনে। তাত্ত্বিকভাবে, এর উদ্দেশ্য ছিল বাহিনীর মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানো। বাস্তবে, বাহিনীগুলোর মধ্যে ঝগড়া চলত। বিমান বাহিনীকে বিমান প্রতিরক্ষা ইউনিটের কৌশলগত কমান্ড দেওয়া হয়েছিল, আর সেনাবাহিনী ইউনিটগুলোর প্রশিক্ষণ ও সরঞ্জামের দায়িত্ব নেয়। ১৯৪৯ সাল নাগাদ টেক্সাসের ফোর্ট ব্লিসের অ্যান্টি-এয়ারক্রাফট আর্টিলারি স্কুলে মাত্র একটি রেগুলার আর্মি অ্যান্টি-এয়ারক্রাফট ইউনিট সক্রিয় ছিল। তিনটি ঘটনা মহাদেশীয় বিমান প্রতিরক্ষার প্রশ্নকে সামনে আনে এবং কোন বাহিনী কী সরবরাহ করবে তা নির্ধারণ করতে বাধ্য করে।
**মার্ক এল. মরগান, মার্ক এ. বেরহো, [https://books.google.com/books?isbn=0615120121 “রিংস অফ সুপারসনিক স্টিল: এয়ার ডিফেন্সেস অফ দ্য ইউনাইটেড স্টেটস আর্মি ১৯৫০-১৯৭৯”], (২০০২), পৃষ্ঠা ৪।
* সরকার বলপ্রয়োগ, প্রতারণা এবং ধোঁকাবাজির মাধ্যমে শাসন করে। সামরিক বাহিনী নিজেই তথ্যের অবরোধ শুরু করে। তারা উদ্দেশ্যমূলকভাবে তথ্য গোপন করে। তাদের বিশাল আকার ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে রাজনৈতিক নেতারা এই প্রতিষ্ঠানকে বুঝতে পারেন না।
এর প্রমাণ? জিএও ২০১৬ সালের রিপোর্টটি পড়ুন। তারা সামরিক বাহিনী কত তেল পোড়ায় তা বের করতে পারেনি। জিএও সিদ্ধান্তে বলে: "কংগ্রেস জানে না সামরিক বাহিনী বার্ষিক কত জ্বালানি ব্যবহার করে..."
এটি অবাক হওয়ার মতো নয়। ১৯৫০ সালের পর থেকে আধুনিক সামরিক বাহিনী সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১, সেকশন ৯ লঙ্ঘন করে ব্যয়ের হিসাব দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছে। ২০১৮ সালে পেন্টাগন প্রথমবারের মতো অডিটে ব্যর্থ হয়। শুধু ৬.৫ ট্রিলিয়ন ডলার নিখোঁজ হওয়ার বিষয় নয়, তাদের অস্বচ্ছ হিসাবরক্ষণ ব্যবস্থা একটি প্রতিরক্ষামূলক অস্ত্র, যা সরকারি কর্মকাণ্ডের বিরোধিতা বা বোঝার চেষ্টাকারীদের থামিয়ে দেয়।
**[https://www.counterpunch.org/2019/06/14/the-climate-counter-offensive-secrecy-deception-and-disarming-the-green-new-deal/ দ্য ক্লাইমেট কাউন্টার-অফেনসিভ: সিক্রেসি, ডিসেপশন অ্যান্ড ডিজআর্মিং দ্য গ্রিন নিউ ডিল, রিচার্ড মোসার, ''কাউন্টারপাঞ্চ''] (১৪ জুন, ২০১৯)
* একটি বড় ও নোংরা গোপন তথ্য হলো—যুদ্ধ [[বৈশ্বিক উষ্ণায়ন|জলবায়ু পরিবর্তন]] বাড়ায়। সামরিক বাহিনী এ বিষয়ে সচেতন। সব গোপন রাখতে সামরিক বাহিনীকে দায়বদ্ধতা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এটি [[আইনের শাসন|আইনের শাসন]]ের ব্যতিক্রম। জি.ডব্লিউ. বুশ ১৯৯৭ সালের [[কিউটো প্রোটোকল|কিউটো অ্যাকর্ডস]]ে এই অব্যাহতি দাবি করেন, যদিও তিনি পরে তা স্বাক্ষর করেননি।
সামরিক বাহিনীর গ্রিনহাউস গ্যাস হিসাবের বাইরে রয়েছে ১৩০টি দেশে ১,০০০টির বেশি ঘাঁটি, যুক্তরাষ্ট্রের ৬,০০০ স্থাপনা, [[বিমানবাহী রণতরী|বিমানবাহী রণতরী]] এবং [[জেট বিমান|জেট বিমান]]। অস্ত্রের পরীক্ষা এবং ন্যাটো ও [[আফ্রিকোম|আফ্রিকোম]]ের মতো বিশাল সামরিক জোটের কার্যক্রমও এর বাইরে। জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা এবং মানবিক ত্রাণ কার্যক্রমও অব্যাহতি পায়।
**[[সারা ফ্লাউন্ডার্স|সারা ফ্লাউন্ডার্স]] উদ্ধৃত: [https://www.counterpunch.org/2019/06/14/the-climate-counter-offensive-secrecy-deception-and-disarming-the-green-new-deal/ দ্য ক্লাইমেট কাউন্টার-অফেনসিভ: সিক্রেসি, ডিসেপশন অ্যান্ড ডিজআর্মিং দ্য গ্রিন নিউ ডিল, রিচার্ড মোসার, ''কাউন্টারপাঞ্চ''] (১৪ জুন, ২০১৯)
* সেনাবাহিনীতে যে কর্মকর্তাকে [[কাপুরুষতা]] বা [[বিশ্বাসঘাতকতা]]র জন্য বরখাস্ত করা হয়, সে নিজেকে [[ডেমোক্রেটিক পার্টি (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)|ডেমোক্র্যাট]] বলে।
** [[অলিভার পি. মর্টন|অলিভার হ্যাজার্ড পেরি মর্টন]], ইন্ডিয়ানার ১৪তম গভর্নর, ইন্ডিয়ানাপলিসের Masonic Hall-এ ইউনিয়ন মাস মিটিং-এ বক্তৃতা (২০ জুন ১৮৬৬): [https://books.google.com/books?id=1-d9AAAAMAAJ&printsec=frontcover&dq=%22Treason+Exposed:+Record+of+the+Disloyal+Democracy%22&hl=en&sa=X&ved=0ahUKEwisi5WmtMrLAhUCOz4KHUcHCEcQ6AEIHDAA#v=onepage&q=%22Treason%20Exposed%3A%20Record%20of%20the%20Disloyal%20Democracy%22&f=false ''ট্রেজন এক্সপোজড: রেকর্ড অফ দ্য ডিসলয়াল ডেমোক্রেসি''] (১৮৬৬), রিপাবলিকান পার্টি (ইন্ড.) স্টেট সেন্ট্রাল কমিটি, পৃষ্ঠা ৩।
==এন==
* আমেরিকান সৈন্য [[ইসরায়েল|ইসরায়েলে]] পাঠানোর দরকার নেই, আমরা নিজেরাই নিজেদের [[রক্ষা|রক্ষা]] করি।
**[[বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু]], [http://www.c-span.org/video/?299666-1/israeli-prime-minister-netanyahu-address-joint-meeting-congress মার্কিন কংগ্রেসে যৌথ সভায় ভাষণ] (২৪ মে ২০১১)
* আমেরিকায় ইতিহাসের সবচেয়ে [[সুশৃঙ্খল]] ও [[মানবিক]] সামরিক বাহিনী রয়েছে। লুটতরাজে অভ্যস্ত প্রাচীন সেনাবাহিনী বা আধুনিক সময়ের নির্বিচারে বেসামরিক ও বন্দি হত্যাকারী বাহিনীর তুলনায় এটি অনেক সংযত।
**[[নিউজউইক|নিউজউইক]], [http://www.msnbc.msn.com/id/13124487/site/newsweek/ ''এমএসএনবিসি''] (১২ জুন ২০০৬)
* আমরা বিশ্বাস করি [[কালো মানুষ|কালো মানুষদের]] এমন কোনো [[বর্ণবাদী]] [[সরকার|সরকারকে]] রক্ষা করতে সামরিক বাহিনীতে [[যুদ্ধ|যুদ্ধ]] করতে বাধ্য করা উচিত নয়, যারা আমাদের [[সুরক্ষা|সুরক্ষা]] দেয় না। আমরা বিশ্বের অন্য কোনো বর্ণের মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব না, যারা আমেরিকার এই বর্ণবাদী সরকারের শিকারে পরিণত হচ্ছে। আমরা পুলিশ ও সামরিক বাহিনীর সহিংসতা থেকে [[যেকোনো মূল্যে|যেকোনো মূল্যে]] নিজেদের রক্ষা করব।
**[[হিউ নিউটন]], "ব্ল্যাক প্যান্থার পার্টি প্ল্যাটফর্ম, প্রোগ্রাম অ্যান্ড রুলস" (১৯৬৬), ''দ্য হিউ পি. নিউটন রিডারে'', পৃষ্ঠা ৫৬।
* [[ইসলামিক স্টেট|ইসলামিক স্টেট]]ের বিরুদ্ধে যুদ্ধের শেষ দিনগুলোতে সিরিয়ার বাঘুজ নামক স্থানে যখন খেলাফতের যোদ্ধারা কোণঠাসা, তখন মার্কিন সামরিক ড্রোনের নজর ছিল সেদিকে। সেখানে একটি নদীর তীরে অনেক নারী ও শিশু জড়ো হয়েছিল। কোনো সতর্কতা ছাড়াই আমেরিকান এফ-১৫ই অ্যাটাক জেট তাদের ওপর ৫০০ পাউন্ডের বোমা ফেলে। ধোঁয়া সরলে যারা বেঁচে ছিল, তাদের ওপর আবার ২০০০ পাউন্ডের বোমা ফেলা হয়। একজন লিগ্যাল অফিসার এটিকে [[যুদ্ধাপরাধ|যুদ্ধাপরাধ]] হিসেবে চিহ্নিত করে তদন্তের দাবি জানান। কিন্তু সামরিক বাহিনী পুরো ঘটনাটি গোপন করে। মৃতের সংখ্যা কমিয়ে দেখানো হয়। রিপোর্টগুলো বিলম্বিত, কাটাছেঁড়া এবং শ্রেণীবদ্ধ করা হয়। প্রতিরক্ষা দপ্তরের পরিদর্শক তদন্ত শুরু করলেও রিপোর্ট থেকে হামলার উল্লেখ সরিয়ে ফেলা হয়। মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটের বাহিনী ঘটনাস্থল বুলডোজার দিয়ে মাটির সাথে মিশিয়ে দেয়। পরের দিন বেসামরিক পর্যবেক্ষকরা সেখানে নারী ও শিশুদের মৃতদেহের স্তূপ খুঁজে পান।
**[https://www.nytimes.com/2021/11/13/us/us-airstrikes-civilian-deaths.html হাও দ্য ইউ.এস. হিড অ্যান এয়ারস্ট্রাইক দ্যাট কিলড ডজনস অফ সিভিলিয়ানস ইন সিরিয়া, ডেভ ফিলিপস ও এরিক শ্মিট ''নিউ ইয়র্ক টাইমস''] (১৩ নভেম্বর ২০২১)
==ও==
*যেখানেই [[অবিচার]], [[দমন]] এবং [[দুঃখ-কষ্ট]] থাকে, আমেরিকা সেখানে ছয় মাস দেরিতে উপস্থিত হয় এবং তার পাশের [[দেশ|দেশে]] [[বোমা]] ফেলে।
**[[পি. জে. ও'রোর্ক]], ''পিস কিলস: আমেরিকাস ফান নিউ ইম্পেরিয়ালিজম'' (২০০৪)।
*<p>[[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র]] পৃথিবীর সবচেয়ে [[শক্তিশালী]] [[জাতি]]। এটি একটি অমোঘ সত্য। অন্য আটটি দেশের সম্মিলিত সামরিক খরচের চেয়েও আমরা বেশি ব্যয় করি। আমাদের সৈন্যরা বিশ্বের ইতিহাসের সেরা যুদ্ধশক্তি। কোনো জাতি আমাদের বা আমাদের মিত্রদের আক্রমণ করতে সাহস করে না, কারণ তারা জানে এটি ধ্বংসের পথ। জরিপ বলছে বিশ্বজুড়ে আমাদের অবস্থান বেশ উঁচুতে...</p><p>সব গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ইস্যুতে বিশ্বের মানুষ [[বেইজিং]] বা [[মস্কো]]র দিকে তাকায় না; তারা আমাদের ডাকে...</p><p>যখন আপনারা আমেরিকানদের পেছনে লাগবেন, তখন আমরা আপনাদের পেছনে লাগব। সময় লাগতে পারে, কিন্তু আমাদের স্মৃতিশক্তি খুব দীর্ঘ এবং আমাদের পৌঁছানোর ক্ষমতার কোনো সীমা নেই।</p>
**[[বারাক ওবামা|বারাক এইচ. ওবামা ২য়]], [https://medium.com/@WhiteHouse/president-obama-s-2016-state-of-the-union-address-7c06300f9726#.flsvqkay9 স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন ভাষণ] (১২ জানুয়ারি ২০১৬)।
*এই পুরো প্রক্রিয়া চলাকালে [[মিশেল ওবামা|মিশেল]] এবং আমি শুধু আপনাদের মুখপাত্র ছিলাম। আমরা টিভির পর্দায় বা [[মাইক্রোফোন|মাইক্রোফোনের]] সামনে মুখ বা কণ্ঠস্বর ছিলাম, কিন্তু এটি আমাদের জন্য ছিল না। এটি সবসময় আপনাদের জন্য ছিল। '''গত ১০ বছরে যা কিছু ঘটেছে তা আপনাদের কাজের প্রমাণ। আমরা যখন আমাদের অসাধারণ সামরিক বাহিনী ও ইউনিফর্মধারী নারী-পুরুষদের কথা বলি, তখন সামরিক বাহিনী কোনো বস্তু নয়। এটি নিবেদিতপ্রাণ দেশপ্রেমিকদের একটি দল, যারা আমাদের জন্য সবকিছু ত্যাগ করতে প্রস্তুত। এর সদস্যরা আছে বলেই এটি কার্যকর। যন্ত্রপাতি বা হার্ডওয়্যার যেমনই হোক—আমাদের কাছে ভালো হার্ডওয়্যার আছে—তা মেশিন, অস্ত্র বা স্যাটেলাইট যাই হোক না কেন, শেষ পর্যন্ত সব অসাধারণ মানুষের ওপর নির্ভর করে।'''
**[[বারাক ওবামা]], ২০ জানুয়ারি ২০১৭ তারিখে মেরিল্যান্ডের জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুসে তার স্টাফ সদস্যদের বিদায় জানিয়ে দেওয়া বক্তব্য। সূত্র: [http://edition.cnn.com/2017/01/20/politics/barack-obama-remarks/ ওবামার দায়িত্ব ছাড়ার পরের বক্তব্য: সিএনএন দ্বারা প্রকাশিত পূর্ণাঙ্গ পাঠ্য, ২০ জানুয়ারি ২০১৭।]
==পি==
*[[আমেরিকা]] পৃথিবীর সবচেয়ে [[নৈতিক]] [[জাতি]]। এটি [[নৈতিক]] নীতির ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। সামরিক শক্তি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় আমাদের অবশ্যই নৈতিক নীতি প্রয়োগ করতে হবে।
**[[রন পল]], [http://www.house.gov/paul/congrec/congrec2002/cr090402.htm মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে ভাষণ] (৪ সেপ্টেম্বর ২০০২), ওয়াশিংটন, ডি.সি.
*আমি একজন [[মার্কিন মেরিন কোর|মেরিন]]। দেশপ্রেম দেখানোর জন্য আমার [[গাড়ি|গাড়িতে]] ছোট [[পতাকা|পতাকা]] ওড়ানোর প্রয়োজন নেই।
**জোশ রে পারসন, [https://books.google.com/books?id=Phvvf-niiWUC&pg=PT68&lpg=PT68&dq=generation+kill+where+stars+and+stripes+and+eagles&source=bl&ots=lEypFHHqaL&sig=AMRhfTBqzBEnsPiju0YSgkuLd-8&hl=en&sa=X&ved=0ahUKEwiSu8rP3LfLAhWFXR4KHUb-BDAQ6AEIIjAB#v=onepage&q=generation%20kill%20where%20stars%20and%20stripes%20and%20eagles&f=false ''জেনারেশন কিল''] (২০০৩), ইভান রাইট, পৃষ্ঠা ৬৮-এ উদ্ধৃত।
*যুক্তরাষ্ট্র নিয়ে অনেক সমালোচনা আছে, কিন্তু একটি বিষয়ে কেউ যুক্তরাষ্ট্রকে সমালোচনা করে না। কেউ মনে করে না যে [[ইরাক|ইরাকে]] হামলা চালানোর পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের [[জমি]], [[পানি]] বা [[তেল]] লাভের কোনো উদ্দেশ্য ছিল। আমেরিকা সম্পদের কোনো লোভ করে না। [[২০শ শতাব্দী|বিংশ শতাব্দীতে]], '''আমেরিকান ছেলেরা দুটি বিশ্বযুদ্ধে লড়েছে, অনেকে প্রাণ হারিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ জিতেছে, জমি পেয়েছে, কিন্তু তারা তার প্রতিটি টুকরো ফিরিয়ে দিয়েছে। বিজয়ের পর আমেরিকা নিজের জন্য কিছু রাখেনি। আপনারা [[জাপান|জাপানকে]] ফিরিয়ে দিয়েছেন—একটি উন্নত জাপান, আপনারা [[জার্মানি|জার্মানি]] ফিরিয়ে দিয়েছেন—একটি উন্নত জার্মানি''', আপনারা [[মার্শাল পরিকল্পনা|মার্শাল প্ল্যান]]ের কথা শুনেছেন। আজ, আমি মনে করি না পৃথিবীতে কোনো বিবেকবান মানুষ আছেন যিনি মনে করেন ইরাক যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো স্বার্থপর বা বস্তুবাদী উদ্দেশ্য আছে। এই হামলার কারণ হলো, আপনি বিশ্বকে অরাজক হতে দিতে পারেন না। কিছু মানুষ আমাদের জীবনের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এসে বিনা কারণে নারী, শিশু এবং নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করছে। আমি মনে করি পুরো বিশ্ব ভাগ্যবান যে যুক্তরাষ্ট্রের মতো একটি দেশ আছে, যাদের এই নতুন বিপদ মোকাবিলা করার ইচ্ছা এবং শক্তি আছে।
**[[শাইমন পেরেজ]], [http://www.iop.harvard.edu/events_forum_archive_2004.html ভাষণ] (২০ অক্টোবর ২০০৪)।
*আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর র্যাঙ্কে [[সাহস|সাহস]]ের অভাব নেই, কিন্তু আমাদের গোয়েন্দা সংস্থা এবং উচ্চপর্যায়ের সামরিক কমান্ডে [[আমলাতান্ত্রিক]] [[কাপুরুষতা]] বিদ্যমান।
**[[রালফ পিটারস]], ''বিয়ন্ড টেরর: স্ট্র্যাটেজি ইন এ চেঞ্জিং ওয়ার্ল্ড'' (২০০২), পৃষ্ঠা ১৯৬।
*[[আব্রাহাম লিংকন|তিনি]] কিসের স্মৃতিস্তম্ভ তা বলেননি। আমি নিশ্চিত, তিনি এটিকে '''[[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সেনাবাহিনী|আমাদের সৈনিকদের]] আনুগত্যের স্মৃতিস্তম্ভ''' হিসেবে রেখে যেতে চেয়েছিলেন, যারা [[পতাকা|পতাকা]] ও [[উচ্ছেদবাদ|আদর্শ]] ত্যাগ করার চেয়ে লিবির সব ভয়াবহতা সহ্য করাকে শ্রেয় মনে করেছিল।
**[[ডেভিড ডিক্সন পোর্টার]], [https://archive.org/details/incidentsanecdot00portiala ''ইনসিডেন্টস অ্যান্ড অ্যানেকডোটস অফ দ্য সিভিল ওয়ার''] (১৮৮৫), পৃষ্ঠা ২৯৯।
*আমি আমাদের [[পতাকা|পতাকা]], [[সংবিধান|সংবিধান]] এবং [[দেশ|দেশকে]] সীমাহীন [[ভালোবাসা|ভালোবাসা]] দিয়ে ভালোবাসি। একজন [[সৈনিক]] হিসেবে ৩৫ বছর ধরে আমি এই তিনটির প্রতিরক্ষা করেছি এবং প্রয়োজনে জীবন দিতে প্রস্তুত ছিলাম।
**[[কলিন পাওয়েল]], [https://www.aclu.org/free-speech/letter-colin-powell প্যাট্রিক লেহিকে লেখা চিঠি] (১৮ মে ১৯৯৯)।
*আমি মনে করি [[যুক্তরাষ্ট্র|আমরা]] 'গ্রেট শয়তান' নই, বরং আমরা 'মহা রক্ষাকর্তা'। গত এক শতাব্দী ধরে আমরা [[দমন|দমন]] ঠেকাতে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর নারী-পুরুষদের পাঠিয়েছি। আমরা [[ফ্যাসিবাদ|ফ্যাসিবাদ]] ও [[কমিউনিজম|কমিউনিজম]] পরাজিত করেছি। আমরা [[প্রথম বিশ্বযুদ্ধ|প্রথম]] ও [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে]] [[ইউরোপ|ইউরোপকে]] বাঁচিয়েছি। আমরা তা করতে ইচ্ছুক ও আনন্দিত ছিলাম। আমরা [[কোরীয় যুদ্ধ|কোরিয়ায়]] গিয়েছি, [[ভিয়েতনাম যুদ্ধ|ভিয়েতনামে]] গিয়েছি। সব মানুষের অধিকার রক্ষার স্বার্থে। যুদ্ধ শেষে আমরা কী করেছি? আমরা কি দখলদার হিসেবে থেকে গেছি? আমরা কি বলেছি, 'আমরা [[জার্মানি|জার্মানি]]কে হারিয়েছি, এখন জার্মানি আমাদের'? বা '[[জাপান|জাপান]] হারিয়েছি, এখন তা আমাদের'? না। আমরা কী করেছি? আমরা তাদের গড়ে তুলেছি। আমরা তাদের [[গণতন্ত্র|গণতান্ত্রিক]] ব্যবস্থা দিয়েছি যা তারা মন থেকে গ্রহণ করেছে। আমরা কি কোনো জমি চেয়েছি? না। আমরা কেবল আমাদের মৃতদের সমাহিত করার মতো জমিটুকু চেয়েছি, আমরা এমন একটি জাতি।
**[[কলিন পাওয়েল]], [https://web.archive.org/web/20020220234413/http://www.cnn.com/2002/ALLPOLITICS/02/15/powell.mtv/index.html ''এমটিভি গ্লোবাল ডিসকাশন''] (১৪ ফেব্রুয়ারি ২০০২)।
*শাসক শ্রেণি এবং সেইসব [[বিলিয়নিয়ার|বিলিয়নিয়াররা]] যারা মানুষের কষ্টের ওপর লাভ করে, তারা শুধু তাদের সম্পদ বাড়ানো এবং বিশ্ব অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণের কথা ভাবে। ... তাদের ক্ষমতা কেবল আমাদের বোঝানোর ক্ষমতার মধ্যে সীমাবদ্ধ যে যুদ্ধ, দমন এবং শোষণ আমাদের স্বার্থে। তারা বোঝে যে তাদের সম্পদ শ্রমজীবী মানুষকে অন্য দেশের বাজার নিয়ন্ত্রণের জন্য মারা যেতে রাজি করানোর ওপর নির্ভরশীল।
**প্রাক্তন সৈনিক [[মাইকেল প্রিসনার]], "আওয়ার রিয়েল এনিমিজ," ২১ ডিসেম্বর, ২০১১।
*আমি [[ইরাক|ইরাকে]] পরিবারগুলোকে রাস্তা থেকে বের করে দিয়েছি, শুধু দেশে ফিরে এসে দেখেছি এই দেশেও একই ঘটনা ঘটছে। এটি দুঃখজনক এবং অপ্রয়োজনীয় [[মহাবন্দা|ফোরক্লোজার সংকট]]। আমাদের সচেতন হতে হবে যে আমাদের আসল শত্রু সুদূর কোনো দেশে নয়। তারা এমন মানুষ নয় যাদের নাম আমরা জানি না বা যাদের সংস্কৃতি আমরা বুঝি না। শত্রু হলো সেই সিস্টেম যা লাভজনক হলে যুদ্ধ করে। শত্রু হলো সেই [[সিইও|সিইওরা]] যারা লাভজনক হলে আমাদের চাকরি থেকে ছাঁটাই করে। শত্রু হলো সেই [[বীমা|বীমা]] কোম্পানি যারা লাভজনক হলে আমাদের [[স্বাস্থ্যসেবা|স্বাস্থ্যসেবা]] দিতে অস্বীকার করে। শত্রু হলো সেই ব্যাংকগুলো যারা লাভজনক হলে আমাদের বাড়ি দখল করে। আমাদের শত্রু ৫ হাজার মাইল দূরে নয়, তারা আমাদের নিজেদের ঘরেই আছে।
**প্রাক্তন সৈনিক [[মাইকেল প্রিসনার]], "আওয়ার রিয়েল এনিমিজ," ২১ ডিসেম্বর, ২০১১।
==আর==
*যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা নীতি একটি সহজ ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত: যুক্তরাষ্ট্র [[যুদ্ধ|যুদ্ধ]] শুরু করে না। আমরা কখনো [[আগ্রাসী|আগ্রাসী]] হব না। আমরা আগ্রাসন ঠেকাতে ও [[সুরক্ষা|সুরক্ষা]] দিতে আমাদের [[শক্তি|শক্তি]] বজায় রাখি—যাতে [[স্বাধীনতা|স্বাধীনতা]] ও [[শান্তি|শান্তি]] বজায় থাকে।
**[[রোনাল্ড রেগান]], [http://www.cnn.com/SPECIALS/cold.war/episodes/22/documents/starwars.speech/ ভাষণ]।
*আমেরিকানরা তাদের সামরিক সক্ষমতার ওপর যে আস্থা রাখে তা অস্বাভাবিক। ১৫ বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্র সামান্য অস্ত্রধারী কয়েকজন [[তালিবান|তালিবানকে]] হারাতে পারেনি, ১৩ বছর ধরে ইরাক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে। রাশিয়া বা চীনরাশিয়া কৌশলগত জোটের মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে এটি আশাব্যঞ্জক নয়। ৬০ বছর আগে [[কোরীয় যুদ্ধ|কোরিয়াতে]] যুক্তরাষ্ট্র চীনকেও হারাতে পারেনি। আমেরিকানদের বোঝা উচিত যে "তাদের" সরকার হয়তো যুক্তরাষ্ট্র ও পুরো ইউরোপকে [[পারমাণবিক ধ্বংসযজ্ঞ|বাষ্পীভূত]] করতে চলেছে। রাশিয়ান অস্ত্র ব্যবস্থা আমেরিকানদের চেয়ে অনেক উন্নত। আমেরিকান অস্ত্র ব্যক্তিগত কোম্পানিগুলো লাভের জন্য তৈরি করে। অস্ত্রের সক্ষমতা মূল বিষয় নয়। মার্কিন অস্ত্রের দাম আকাশচুম্বী, যার কারণ অন্তহীন খরচ।
**[[পল ক্রেইগ রবার্টস]], [http://www.informationclearinghouse.info/article44761.htm ''আওয়ার প্রসপেক্টস অ্যাগেইনস্ট দ্য রাশিয়ানস অ্যান্ড চাইনিজ ইন ডাব্লিউডাব্লিউ৩, ইনফরমেশন ক্লিয়ারিং হাউস''] (২৮ মে ২০১৬)।
*বিশ্ব হয়তো মার্কিন সামরিক-নিরাপত্তা কমপ্লেক্সের লোভের কারণে [[ধ্বংস|ধ্বংসের]] দিকে যাচ্ছে। ওবামা প্রশাসন [[শীতল যুদ্ধ|শীতল যুদ্ধ]] ফিরিয়ে এনেছে, যা একটি বিশ্বাসযোগ্য "শত্রু" তৈরি করেছে। "[[রাশিয়ান|রাশিয়ান]] হুমকি" ব্যবহার করে আমেরিকান করদাতাদের অর্থ, [[কল্যাণমূলক রাষ্ট্র|সামাজিক সেবা]] এবং [[অর্থনীতি|অর্থনীতি]] রক্তশূন্য করা হচ্ছে, যাতে [[অস্ত্র|অস্ত্র]] নির্মাতারা লাভবান হয়। 'নতুন শীতল যুদ্ধ'-এর সময় ওয়াশিংটনের যুক্তি ও পদক্ষেপ আসল [[শীতল যুদ্ধ|শীতল যুদ্ধ]]ের চেয়ে অনেক বেশি বিপজ্জনক ও বেপরোয়া।
**[[পল ক্রেইগ রবার্টস]], [http://www.informationclearinghouse.info/article44761.htm ''আওয়ার প্রসপেক্টস অ্যাগেইনস্ট দ্য রাশিয়ানস অ্যান্ড চাইনিজ ইন ডাব্লিউডাব্লিউ৩, ইনফরমেশন ক্লিয়ারিং হাউস''] (২৮ মে ২০১৬)।
*প্রথম যুদ্ধটি—[[আমেরিকান বিপ্লব|স্বাধীনতার যুদ্ধ]]—ছাড়াও আমেরিকার সব যুদ্ধ ছিল [[সাম্রাজ্য|সাম্রাজ্যের]] জন্য। [[মেমোরিয়াল ডে|মেমোরিয়াল ডে]]তে বিপদের সময় সেবা দেওয়া সাহসী নারী-পুরুষদের নিয়ে ভাষণ শোনার সময় এই সত্যটি মনে রাখবেন। যুক্তরাষ্ট্র কখনো বিপদে ছিল না, কিন্তু ওয়াশিংটন অন্যের ওপর [[আধিপত্য|আধিপত্য]] বিস্তারের জন্য অনেক দেশে বিপদ বয়ে এনেছে।
**[[পল ক্রেইগ রবার্টস]], [http://www.informationclearinghouse.info/article44761.htm ''আওয়ার প্রসপেক্টস অ্যাগেইনস্ট দ্য রাশিয়ানস অ্যান্ড চাইনিজ ইন ডাব্লিউডাব্লিউ৩, ইনফরমেশন ক্লিয়ারিং হাউস''] (২৮ মে ২০১৬)।
*আজ প্রথমবারের মতো ওয়াশিংটনের রাশিয়া ও চীনের ওপর [[আধিপত্য|আধিপত্য]] বিস্তারের চেষ্টার ফলে যুক্তরাষ্ট্র বিপদের মুখে। রাশিয়া ও চীন ওয়াশিংটনের [[অহংকার|অহংকার]] ও [[মূর্খতা|মূর্খতা]]তে প্রভাবিত নয়। তারা আমেরিকার আদিবাসী [[প্লেইন ইন্ডিয়ানস|প্লেইন ইন্ডিয়ানস]] নয়, যারা [[ইউনিয়ন সেনাবাহিনী|ইউনিয়ন আর্মির]] হাতে [[মহিষ|মহিষ]] হত্যার মাধ্যমে ক্ষুধার্ত হয়ে আত্মসমর্পণ করেছিল। আমেরিকানরা সেলফি ও সামরিক শ্রেষ্ঠত্বের বিভ্রমে ব্যস্ত, কিন্তু তাদের উন্মাদ সরকার রাশিয়া ও চীনের সাথে ঝগড়া বাঁধিয়েছে। তাদের কোনো ভবিষ্যৎ নেই।
**[[পল ক্রেইগ রবার্টস]], [http://www.informationclearinghouse.info/article44761.htm ''আওয়ার প্রসপেক্টস অ্যাগেইনস্ট দ্য রাশিয়ানস অ্যান্ড চাইনিজ ইন ডাব্লিউডাব্লিউ৩, ইনফরমেশন ক্লিয়ারিং হাউস''] (২৮ মে ২০১৬)।
*[[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সশস্ত্র বাহিনী|আমাদের সামরিক বাহিনীর]] শাখার নেতারা অবিলম্বে রাষ্ট্রপতির কথার প্রতিবাদ জানিয়েছেন। কেন? কারণ সমস্ত [[জাতি|জাতির]] [[পুরুষ|পুরুষ]] ও [[নারী|নারী]] সমন্বয়ে গঠিত আমাদের বাহিনীর [[মনোবল|মনোবল]] ও প্রতিশ্রুতি বিপদের মুখে পড়তে পারে।
**[[মিট রমনি]], [https://www.facebook.com/mittromney/posts/10154652303536121 ফেসবুক বিবৃতি] (১৮ আগস্ট ২০১৭)।
*শান্তির নিশ্চয়তা পেতে বিদেশে আমাদের সম্মান পাওয়ার জন্য একটি দক্ষ সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনী প্রয়োজন। আমার প্রগতিশীল সহনাগরিকদের সাবধান করছি। আমি চাই তারা আমাদের [[আন্তর্জাতিক সম্পর্ক|আন্তর্জাতিক সম্পর্ক]] নিয়ে আগ্রহী থাকুক; এবং আঙ্কেল স্যামের বিদেশের স্বার্থের কথা মনে রাখুক। ন্যায়বিচার ও ন্যায্য আচরণ ব্যক্তিগত সম্পর্কের মতোই আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য, শুধু একটি পার্থক্য হলো প্রতিটি জাতিকে আন্তর্জাতিক পুলিশি কাজ করতে হয়। যদি এখানে ঝামেলায় পড়েন, তবে পুলিশ ডাকতে পারেন; কিন্তু আঙ্কেল স্যাম যদি ঝামেলায় পড়েন, তবে তাকে নিজেই [[পুলিশ|পুলিশম্যান]] হতে হবে। আমি তাকে যথেষ্ট শক্তিশালী দেখতে চাই, যাতে সে অন্যদের শান্তির আকাঙ্ক্ষাকে উৎসাহিত করতে পারে। আমি জাতীয় বন্ধুত্ব ও সদিচ্ছায় বিশ্বাস করি, তবে বন্ধুত্ব হতে হবে শ্রদ্ধা ও বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে। আমি এমন কোনো আমেরিকানকে ঘৃণা করি যে অন্য জাতির সাথে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে আমেরিকার সরকার যেন ন্যায়পরায়ণ হয় তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করে না। আমি কোনো দুর্বল শক্তির ওপর অবিচার করতে চাই না, আর কোনো শক্তিশালী শক্তির কাছ থেকে অন্যায় মুখ বুজে সহ্য করলে আমি চিরকাল মাথা নিচু করে থাকব।
**[[থিওডোর রুজভেল্ট]], [https://obamawhitehouse.archives.gov/blog/2011/12/06/archives-president-teddy-roosevelts-new-nationalism-speech ওসাওয়াটোমি ভাষণ], (৩১ আগস্ট ১৯১০)।
*যুক্তরাষ্ট্র যখন বিশ্বের [[সবচেয়ে শক্তিশালী|সবচেয়ে শক্তিশালী]] সামরিক শক্তি, তখন এই [[বিশ্ব|বিশ্ব]] একটি [[নিরাপদ|নিরাপদ]] এবং [[ভালো|ভালো]] জায়গা।
**[[মার্কো রুবিও]], [http://insider.foxnews.com/2015/11/10/marco-rubio-and-rand-paul-clash-national-security-fox-business-gop-debate ''মার্কো রুবিও অ্যান্ড র্যান্ড পল ক্ল্যাশ''] (১০ নভেম্বর ২০১৫) শিরোনামের ফক্সনিউজ ইনসাইডারে উদ্ধৃত। [[২০১৬ রিপাবলিকান বিতর্ক, মিলওয়াকি|২০১৬ রিপাবলিকান বিতর্কের]] সময় বলা হয়েছে।
==এস==
*২০১৯ সালে মার্কিন সামরিক ব্যয় ছিল ৭৩২ বিলিয়ন ডলার, যা [[চীন]]ের ২৬১ বিলিয়ন ডলারের প্রায় তিন গুণ। যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৮০০টি বিদেশী সামরিক ঘাঁটি রয়েছে, যেখানে [[চীন]]ের মাত্র একটি (জিবুতিতে একটি ছোট নৌঘাঁটি)। চীনের কাছাকাছি যুক্তরাষ্ট্রের অনেক সামরিক ঘাঁটি থাকলেও যুক্তরাষ্ট্রের কাছাকাছি চীনের কোনো ঘাঁটি নেই। যুক্তরাষ্ট্রের ৫,৮০০টি [[পারমাণবিক অস্ত্র|পারমাণবিক ওয়ারহেড]] আছে; চীনের আছে প্রায় ৩২০টি। যুক্তরাষ্ট্রের ১১টি [[বিমানবাহী রণতরী|বিমানবাহী রণতরী]] আছে; চীনের আছে একটি। গত ৪০ বছরে যুক্তরাষ্ট্র অনেক বিদেশী যুদ্ধ শুরু করেছে; চীন একটিও করেনি (যদিও সীমান্তে ছোটখাটো সংঘর্ষের জন্য তাদের সমালোচনা করা হয়েছে, যেমনটি সম্প্রতি [[ভারত|ভারতের]] সাথে হয়েছে, তবে তা যুদ্ধের পর্যায়ে পৌঁছায়নি)।
**[[জেফরি স্যাকস]], [https://www.project-syndicate.org/commentary/america-evangelical-crusade-against-china-by-jeffrey-d-sachs-2020-08 আমেরিকার আনহোলি ক্রুসেড অ্যাগেইনস্ট চায়না], [[প্রজেক্ট সিন্ডিকেট|''প্রজেক্ট সিন্ডিকেট'']], (৫ আগস্ট ২০২০)
*[[ওমান উপসাগর|ওমান উপসাগরে]] তেলবাহী ট্যাঙ্কারে হামলা অগ্রহণযোগ্য এবং এর পূর্ণ তদন্ত হওয়া উচিত... তবে এই ঘটনাকে [[ইরান|ইরানের]] সাথে যুদ্ধের অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না। এমন যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্র, ইরান, অঞ্চল এবং বিশ্বের জন্য এক চরম বিপর্যয় ডেকে আনবে... এখন সময় যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক নেতৃত্ব দেখানোর... এবং ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা কমাতে আঞ্চলিক দেশগুলোকে নিয়ে কূটনৈতিক সমাধান খোঁজার... আমি [[ডোনাল্ড ট্রাম্প|প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে]] মনে করিয়ে দিতে চাই যে ইরানের সাথে যুদ্ধের জন্য কংগ্রেসের কোনো অনুমোদন নেই... যুক্তরাষ্ট্রের একতরফা আক্রমণ অবৈধ ও অসাংবিধানিক হবে।
**[[বার্নি স্যান্ডার্স]], [https://www.commondreams.org/news/2019/06/14/trump-must-not-be-allowed-use-gulf-oman-incidents-pretext-illegal-war-iran-bernie ''ট্রাম্প মাস্ট নট বি অ্যালাউড টু ইউজ গালফ অফ ওমান ইনসিডেন্টস অ্যাজ 'প্রিটেক্সট ফর ইললিগাল ওয়ার উইথ ইরান': বার্নি স্যান্ডার্স, কমন ড্রিমস'', আন্দ্রেয়া জার্মানস,] (১৪ জুন ২০১৯)
*[[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বৈদেশিক নীতি|জাতীয় নিরাপত্তা নীতির]] ক্ষেত্রে, যুক্তরাষ্ট্র কয়েক দশক ধরে একটি ধারাবাহিক ও অতি-সামরিকায়িত পথে হাঁটছে। ব্যাপকভাবে দেখলে, [[১১ সেপ্টেম্বর হামলা|৯/১১]] থেকে বর্তমান পর্যন্ত "জাতীয় নিরাপত্তা" এবং "[[সন্ত্রাসবাদ দমন|সন্ত্রাসবাদ দমন]]" বিষয়ে মার্কিন নীতি অনেকাংশে একই রয়ে গেছে।... [[জো বাইডেন|বাইডেন]]ের অধীনে সাম্রাজ্যবাদী ধারায় কোনো বড় পরিবর্তন আসবে না। ড্রোন যুদ্ধ অব্যাহত থাকবে এবং [[ইউরোপ]] ও [[এশিয়া]]তে শীতল যুদ্ধের আবহ ত্বরান্বিত হবে। বাইডেন [[ল্যাটিন আমেরিকা|ল্যাটিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয়]] অঞ্চলের [[বামপন্থী রাজনীতি|বামপন্থী আন্দোলন ও সরকারের]] প্রতি বৈরী অবস্থান বজায় রাখবেন। জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষেত্রে বাইডেন ট্রাম্পের কিছু চরম অবস্থান পরিবর্তন করলেও, তিনি পৃথিবীর স্বাস্থ্যের চেয়ে [[বহুজাতিক কর্পোরেশন|বড় কর্পোরেশন]] ও সামরিক শিল্পের মুনাফাকে প্রাধান্য দেবেন। সীমানা সামরিকীকরণ ও [[শরণার্থী|শরণার্থীদের]] প্রতি দুর্ব্যবহার অব্যাহত থাকবে এবং বিশাল অভ্যন্তরীণ [[নজরদারি|নজরদারি]] ব্যবস্থা বজায় থাকবে। কঠোর সত্য হলো: ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকানদের রাজনৈতিক বিরোধের চেয়ে 'ওয়ার পার্টি'র স্বার্থই বড়।
**[[জেরেমি স্কাহিল]], [https://theintercept.com/2021/11/21/america-militarism-foreign-policy-bush-obama-trump-biden/ দ্য ওয়ার পার্টি, ফ্রম বুশ টু ওবামা, অ্যান্ড ট্রাম্প টু বাইডেন, ইউ.এস. মিলিটারিজম ইজ দ্য গ্রেট ইউনিফায়ার, ''দ্য ইন্টারসেপ্ট''] (২১ নভেম্বর ২০২১)
*[[কন্টিনেন্টাল আর্মি|কন্টিনেন্টাল আর্মি]] একীভূতকরণের যে পর্যায়ে পৌঁছেছিল, তা আর ২০০ বছরে অর্জিত হয়নি।
**রবার্ট এ. সেলিগ, [https://web.archive.org/web/20141201041830/http://www.americanrevolution.org/blk.php "দ্য রেভল্যুশনস ব্ল্যাক সোলজারস"], ''আমেরিকান রেভল্যুশন''
:'''ন্যাথানিয়েল ফিক''': তোমরা লজিস্টিকস চাও? সেনাবাহিনীতে যোগ দাও। মেরিনরা নিজেদের ব্যবস্থা নিজেরাই করে নেয়।
:*"স্ক্রুবি" (২০০৮), ডেভিড সাইমন ও এড বার্নস কর্তৃক লিখিত, ''[[জেনারেশন কিল]]'', হোম বক্স অফিস
*[[অপারেশন এন্ডুরিং ফ্রিডম|অপারেশন এন্ডুরিং ফ্রিডম]] (ওএফ) এবং [[অপারেশন ইরাকি ফ্রিডম|অপারেশন ইরাকি ফ্রিডম]] (ওআইএফ) শুরুর পর থেকে, [[যুদ্ধ|যুদ্ধে]] অংশ নেওয়া [[সামরিক|সামরিক]] কর্মীদের আত্মহত্যার হার সাধারণ জনসংখ্যার সমান (কাং ও বুলম্যান, ২০০৮) এবং সম্ভবত তার বেশি হয়ে গেছে।
** এডওয়ার্ড এ. সেলবি, মাইকেল ডি. আনেস্টিস, থিওডোর ডব্লিউ. বেন্ডার, জেসিকা ডি. রিবেইরো, ম্যাথিউ কে. নক, এম. ডেভিড রুড, ক্রেইগ জে. ব্রায়ান, ইনগ্রিড সি. লিম, মন্টি টি. বেকার, পিটার এম. গুটিয়েরেজ এবং থমাস ই. জয়নার, জুনিয়র; [https://www.ncbi.nlm.nih.gov/pmc/articles/PMC2834834/ “ওভারকামিং দ্য ফিয়ার অফ লিথাল ইনজুরি: ইভালুয়েটিং সুইসাইডাল বিহেভিয়র ইন দ্য মিলিটারি থ্রু দ্য লেন্স অফ দ্য ইন্টারপারসোনাল-সাইকোলজিক্যাল থিওরি অফ সুইসাইড”], ''ক্লিন সাইকোল রেভ'', ২০১০ এপ্রিল; ৩০(৩): ২৯৮–৩০৭।
*নিগ্রোদের অবশ্যই [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সশস্ত্র বাহিনী|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেবায় সৈনিক হিসেবে]] তালিকাভুক্ত হতে উৎসাহিত করতে হবে, যাতে তারা নিজেদের [[স্বাধীনতা|স্বাধীনতা]] বজায় রাখতে এবং [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের]] নাগরিক হিসেবে তাদের অধিকার সুরক্ষিত করতে অবদান রাখতে পারে।
**[[উইলিয়াম টিকুমসেহ শেরম্যান]], [http://teachingamericanhistory.org/library/document/forty-acres-and-a-mule-special-field-order-no-15/ "স্পেশাল ফিল্ড অর্ডার নং ১৫"] (১৬ জানুয়ারি ১৮৬৫), ''হেডকোয়ার্টারস মিলিটারি ডিভিশন অফ দ্য মিসিসিপি, ইন দ্য ফিল্ড'', সাভানা, জর্জিয়া।
*বেসামরিক [[আমেরিকান|আমেরিকানদের]] বুঝতে হবে যে নাগরিক অধিকারের সবচেয়ে বড় বিজয়গুলো [[মার্কিন মেরিন কোর|মেরিন]] এবং মার্কিন সামরিক বাহিনী অর্জন করেছে, যা আমাদের জাতীয় জীবনের সবচেয়ে সফলভাবে সমন্বিত খাত। কেন? কোনো জাতিগত রেফারেন্স ও বৈষম্য নেই। আমি প্রথমবার আফ্রিকান-আমেরিকান বা ল্যাটিনোদের সাথে একই কোয়ার্টারে ঘুমিয়েছি—বা তাদের কাছ থেকে আদেশ নিয়েছি—তা মেরিন কোরে প্রাইভেট হিসেবে কাজ করার সময়। হ্যাঁ, আমেরিকার সত্যিই আরও মেরিন মূল্যবোধ ও প্রভাব প্রয়োজন।
**[[মার্ক শিল্ডস|মার্ক শিল্ডস]], [https://web-beta.archive.org/web/20100726132218/http://www.creators.com:80/liberal/mark-shields/america-needs-more-marine-corps-values.html "আমেরিকা নিডস মোর মেরিন কোর ভ্যালুস"] (২০১০), ''ক্রিয়েটরস.কম''
*<p>আমার [[শৈশব|শৈশবে]] [[সেনাবাহিনী|সেনাবাহিনীর]] প্রতি মুগ্ধতা ছিল...</p><p>দুর্বলদের পাশে দাঁড়ানো এবং অসহায়দের রক্ষা করার শিখ ধারণা শিখ মানসিকতার মূলে রয়েছে, এবং এই আদর্শগুলোই মার্কিন সেনাবাহিনী ধারণ করে।</p>
**সিমরাতপাল সিং, [http://edition.cnn.com/2016/04/04/us/sikh-army-captain-simratpal-singh-beard-turban/index.html?iid=ob_lockedrail_topeditorial&iref=obinsite "শিখ আর্মি ক্যাপ্টেন অ্যালাউড টু ওয়্যার বিয়ার্ড অ্যান্ড টারবান ইন ইউনিফর্ম"] (৫ এপ্রিল ২০১৬)-এ উদ্ধৃত, নাদিন শাকার, ''সিএনএন'', জর্জিয়া অঙ্গরাজ্য: কেবল নিউজ নেটওয়ার্ক।
*[[আজ|আজকের]] সৈনিক এবং গণতন্ত্রের জন্য শহীদরা আমেরিকান মুক্তিদাতাদের দীর্ঘ ঐতিহ্যে একটি বিশিষ্ট স্থান দখল করে আছে, যা আমেরিকান বিপ্লব থেকে অপারেশন এন্ডুরিং ফ্রিডম ও ইরাকি ফ্রিডম পর্যন্ত বিস্তৃত। [[আমেরিকান গৃহযুদ্ধ|গৃহযুদ্ধ]] এই উত্তরাধিকারের একটি স্পর্শপাথর। একাডেমিক ইতিহাসবিদরা লেখেন যে এটি ছিল সেকশনালিজম, [[অর্থনীতি|অর্থনীতি]] বা [[রাজনীতি|রাজনীতি]] নিয়ে। এগুলো এর কারণ হতে পারে, কিন্তু [[আব্রাহাম লিংকন|আব্রাহাম লিংকন]] জানতেন এর মূলে কী ছিল। সংঘর্ষের আগে তার দ্বিতীয় উদ্বোধনী ভাষণে তিনি বলেছিলেন, [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দাসপ্রথা|দাসপ্রথা]] 'একটি অদ্ভুত ও শক্তিশালী স্বার্থ তৈরি করেছিল। সবাই জানত যে এই স্বার্থই কোনোভাবে যুদ্ধের কারণ'। '''[[ইউনিয়ন (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)|ইউনিয়ন]] সৈনিকরা ইউনিয়ন রক্ষায় লড়েছিল, কিন্তু [[দাসপ্রথা|মানবিক দাসত্ব]] বন্ধ করতেও লড়েছিল'''।
**[[জোসেফ মরিসন স্কেলি|জোসেফ এম. স্কেলি]], [https://web.archive.org/web/20070524182018/http://article.nationalreview.com/?q=ZjcwZTYwYmFmMGRlZTA1ZTc4ZTRkOGJkZDExMjBmNzM= "দ্য ডেমোক্রেটিক ফলেন: লেট আস অনার দোজ হু হ্যাভ ডিফেন্ডেড আওয়ার রাইট টু সেলফ-গভর্নমেন্ট উইথ দেয়ার লাস্ট ব্রেথস"] (১৮ মে ২০০৭), ''ন্যাশনাল রিভিউ অনলাইন''
*আমেরিকান হিসেবে আমরা ক্রমবর্ধমান বিভ্রান্তি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছি যা আমাদের দেশের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ফেলছে।
**[[মার্গারেট চেজ স্মিথ]], [http://static1.squarespace.com/static/55ae7dc3e4b0627b56f10b3e/t/56d5ad5d4d088e0ea4775a94/1456844125625/Declaration+of+Conscience.pdf ''ডিক্লারেশন অফ কনসায়েন্স''] (১ জুন ১৯৫০)
==টি==
*গল্পটি শুরু হয় ১৮ মার্চ, ২০১৯ সালে, [[কাতার|কাতারের]] [[আল উদেইদ বিমান ঘাঁটি|আল উদেইদে]] একটি বড় বিমান বাহিনীর যুদ্ধ অপারেশন সেন্টারে। এটি দেখতে অনেকটা [[নাসা|নাসার]] মিশন কমান্ডের মতো। ব্যাংক ভর্তি কম্পিউটার, বড় পর্দা, সবাই [[ইসলামিক স্টেট|ইসলামিক স্টেটের]] বিরুদ্ধে বিমান যুদ্ধ দেখছে... এই দিনে, কমান্ড সেন্টারের অনেকেই ওপর দিয়ে উড়ে যাওয়া একটি ড্রোন দেখছিল। তারা দেখছিল গাড়ি এবং অস্থায়ী তাঁবুর জঞ্জালে ভরা একটি মাঠ, যা ছিল সপ্তাহের যুদ্ধের অবশিষ্টাংশ। সেখানে অনেক মানুষও ছিল। ড্রোনটি নদীর ধারে বালুর বাঁধের কাছে আশ্রয় নেওয়া একদল নারী ও শিশুর ওপর ফোকাস করে। ড্রোনটি কয়েক মিনিট সেখানে ঘুরেছে, ক্যামেরাগুলো তাদের ওপর ফোকাস করে ছিল, হয় ঘুমানোর জন্য অথবা আসন্ন যুদ্ধের হাত থেকে বাঁচতে। অপারেশন সেন্টারের লোকেরা শান্তভাবে এটি দেখছিল, তখন হঠাৎ... একটি আমেরিকান [[এফ-১৫|এফ-১৫]] অ্যাটাক জেট এসে এই নারী ও শিশুদের দলটির ওপর একটি বড় বোমা ফেলে... তাদের প্রায় সবাইকে হত্যা করে।
**[[ডেভিড ফিলিপস|ডেভ ফিলিপস]] উদ্ধৃত: [https://www.nytimes.com/2021/11/15/podcasts/the-daily/us-airstrike-casualties-isis.html?showTranscript=1 হাউ দ্য ইউ.এস. হিড আ ডেডলি এয়ারস্ট্রাইক], সাবরিনা টাভার্নিজ কর্তৃক, ''নিউ ইয়র্ক টাইমস'', ১৫ নভেম্বর ২০২১।
*কখন একটি লক্ষ্যে আঘাত করা যাবে তার নিয়ম আছে। অনেক সময় যারা সিদ্ধান্ত নেয় সেই নিয়মগুলো মানা হচ্ছে কি না, তারা কোনো কমান্ড সেন্টারে থাকে। তারা সব যাচাই করে অনুমতি দেয়। কিন্তু আপনি যদি বলেন যে আপনি আসন্ন হুমকির মুখে আছেন এবং নিজেকে রক্ষা করতে হবে, তবে খুব দ্রুত সেই নজরদারি এড়ানো যায়। [[যুদ্ধের আইন|যুদ্ধের আইন]] অনুযায়ী, এটি সবসময় অনুমোদিত। এটি টাস্ক ফোর্সকে সব অফিসার, নজরদারি এবং নিয়মকানুন জানা আইনজীবীদের এড়িয়ে সরাসরি বিমানের সাথে কথা বলার সুযোগ দেয়। তাই, কেউ তাদের প্রশ্ন করার আগেই তারা যা খুশি আঘাত করতে পারত... কিন্তু অপারেশন সেন্টারের লোকেরা দেখছিল যে টাস্ক ফোর্স ৯ প্রায় সব সময়ই এই অজুহাত ব্যবহার করছে।
**[[ডেভিড ফিলিপস|ডেভ ফিলিপস]] উদ্ধৃত: [https://www.nytimes.com/2021/11/15/podcasts/the-daily/us-airstrike-casualties-isis.html?showTranscript=1 হাউ দ্য ইউ.এস. হিড আ ডেডলি এয়ারস্ট্রাইক], সাবরিনা টাভার্নিজ কর্তৃক, ''নিউ ইয়র্ক টাইমস'', ১৫ নভেম্বর ২০২১।
*আমি মনে করি সামরিক বাহিনীতে এমন মানুষ আছে যারা জবাবদিহিতা চায় এবং এর জন্য কঠোর পরিশ্রম করেছে। কিন্তু তারা যে সিস্টেম তৈরি করেছে তা এতই ত্রুটিপূর্ণ যে এটি আসলে কতজন বেসামরিক নাগরিক মারা গেছে তা সম্পর্কে অর্থপূর্ণ কিছু বলতে পারে না। ভেবে দেখুন। এটি এমন একটি ঘটনা যেখানে ৭০ জন নিহত হয়েছিল। একটি হাই ডেফিনিশন রঙিন ড্রোন ক্যামেরার সামনে তারা মারা গিয়েছিল, যা অনেক সামরিক লোক দেখেছিল। এটি অবিলম্বে রিপোর্ট করা হয়েছিল এবং বারবার জানানো হয়েছিল। সিস্টেমটি কোনো যৌক্তিক উপায়ে সাড়া দিতে অক্ষম ছিল। সিস্টেম যদি এতটা স্পষ্ট কিছু সামলাতে না পারে, তবে এটি কী সামলাতে পারে?
**উদ্ধৃত: [https://www.nytimes.com/2021/11/15/podcasts/the-daily/us-airstrike-casualties-isis.html?showTranscript=1 হাউ দ্য ইউ.এস. হিড আ ডেডলি এয়ারস্ট্রাইক], সাবরিনা টাভার্নিজ কর্তৃক, ''নিউ ইয়র্ক টাইমস'', ১৫ নভেম্বর ২০২১।
*আমার মতে, যেকোনো আক্রমণ প্রতিহত করার জন্য আমাদের যথেষ্ট বড় সশস্ত্র বাহিনী থাকা প্রয়োজন। ভবিষ্যতের সম্ভাব্য আক্রমণকারীরা যদি আমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের সরঞ্জাম তৈরি করে, তবে আমাদের দ্রুততর হতে হবে। আমরা কি স্বেচ্ছায় তালিকাভুক্তির মাধ্যমে বাধ্য না করে স্থায়ীভাবে আমাদের [[মার্কিন নৌবাহিনী|নৌবাহিনী]] এবং সাত লাখ ৫০ হাজার সৈন্য ও ১২ লাখ ৫০ হাজার রিজার্ভ সৈন্য বজায় রাখতে পারি? স্থায়ী নীতি হিসেবে এই প্রশ্নের উত্তর নিজেরাই পরিষ্কার। এটি কেবল পরিষেবাকে যথেষ্ট আকর্ষণীয় করার বিষয়। আমরা ধরে নিচ্ছি যে সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়া একটি ত্যাগ; এটি যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে অপ্রীতিকর পেশা, যা প্রতিটি ছেলে সহজাতভাবে এড়িয়ে চলে। তা মোটেও হওয়া উচিত নয়। যুদ্ধের সময় সেনাবাহিনী বিপজ্জনক; কিন্তু আমরা যদি পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নিই তবে আমরা যুদ্ধে থাকব না। সেনাবাহিনী মূলত একটি শান্তিকালীন, অত্যন্ত বিশেষায়িত পেশা, যেখানে বিপদের সম্ভাবনা কম। অভিজ্ঞতা দেখায় যে বিপদের সম্ভাবনা আছে বলে মানুষ কোনো পেশা এড়িয়ে চলে না। অনেক বিপজ্জনক বেসামরিক পেশা আছে—হাই-টেনশন তার নিয়ে কাজ, টানেল নির্মাণ, কয়লা খনি—সেসব পেশায় আগ্রহীর অভাব হয় না। সেনাবাহিনীর অনেক সুবিধা আছে—দায়িত্বহীন এক পরিচ্ছন্ন ও নিয়মিত জীবন, শৃঙ্খলা ও আদেশের আকর্ষণ যা কিছু মানুষকে টানে এবং অন্যদের খুব বেশি কষ্ট দেয়। মাসে ২১ ডলারে স্বেচ্ছাসেবক হওয়ার মতো পেশা খুব কম, তবুও আজ আমরা মাসে পঁচিশ হাজারের বেশি মানুষকে তালিকাভুক্ত করছি। জুলাই মাসে আমরা ত্রিশ হাজারের বেশি তালিকাভুক্ত করেছি। স্বেচ্ছাসেবী তালিকাভুক্তি পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়নি। পর্যাপ্ত বেতন ও তিন বছরের তালিকাভুক্তি সত্ত্বেও, এটি যা চাওয়া হয়েছে তা অর্জন করেছে। এখন পর্যন্ত [[মার্কিন কংগ্রেস|কংগ্রেস]] এমনকি বলেনি যে একটি বড় সেনাবাহিনী প্রয়োজন। আমরা এমন একটি সেনাবাহিনী সরবরাহ না করার জন্য তালিকাভুক্তি সিস্টেমকে দোষ দিতে পারি না যা আমরা অনুমোদিত করিনি। [[হ্যারি এস. ট্রুম্যান|প্রেসিডেন্ট]] তালিকাভুক্তির জন্য কোনো আবেদন করেননি। নিশ্চিতভাবে প্রেসিডেন্টের নেতৃত্বে এবং স্বেচ্ছাসেবী ভিত্তিতে সংগঠিত একটি সাধারণ প্রচারণা পাঁচ লাখ মানুষ নিশ্চিত করতে পারে যদি প্রয়োজন হয়। অনেক লাখ মানুষ বেকার।
**[[রবার্ট এ. ট্যাফট]], স্টাথিস, এস. ডব্লিউ. ২০০৯-এ উদ্ধৃত। বার্ক-ওয়াডসওয়ার্থ বিল (সিলেক্টিভ ট্রেনিং অ্যান্ড সার্ভিস অ্যাক্ট অফ ১৯৪০) ∗ ১৯৪০ ∗। ইন: ২০০৯। ''ল্যান্ডমার্ক ডিবেটস ইন কংগ্রেস: ফ্রম দ্য ডিক্লারেশন অফ ইন্ডিপেন্ডেন্স টু দ্য ওয়ার ইন ইরাক'', ওয়াশিংটন, ডিসি: সিকিউ প্রেস। পৃষ্ঠা ৩২৭-৩৩৬।
*একজন বিদেশির কাছে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তি একটি সংজ্ঞায়িত জাতীয় বৈশিষ্ট্য।
**জর্ডান জি. টেইচার, [https://www.washingtonpost.com/news/in-sight/wp/2015/10/09/everyday-life-as-an-jrotc-cadet/?utm_term=.50afc770c709 "এভরিডে লাইফ অ্যাজ এন জেআরওটিসি ক্যাডেট"] (৯ অক্টোবর ২০১৫), ''দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট''
*বর্তমান মার্কিন সেনাবাহিনী এবং মেরিন কোরের শক্তি যথাক্রমে প্রায় ৫,১০,০০০ এবং ১,৮০,০০০। এছাড়াও, প্রায় ৮,০০,০০০ ন্যাশনাল গার্ড এবং রিজার্ভ সৈন্য আছে। এই সংখ্যাগুলো বোঝালেও যে যুক্তরাষ্ট্রের মোট ১৫ লাখ স্থল সৈন্য আছে, যুক্তরাষ্ট্রের অনেক প্রতিশ্রুতি যেকোনো একক সামরিক ইভেন্টের জন্য শক্তি সীমিত করে। প্রাতিষ্ঠানিক সমর্থন, [[ইউরোপ]] ও [[কোরিয়া|কোরিয়াতে]] প্রতিশ্রুতি এবং বাহিনীর প্রশিক্ষণ ও সরঞ্জাম পুনঃসজ্জার প্রয়োজনের কথা বিবেচনা করলে, যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভবত স্থল যুদ্ধের জন্য ২৫০,০০০ এর বেশি সক্রিয় ডিউটি সৈন্য নেই। ন্যাশনাল গার্ড ও রিজার্ভ পুরোপুরি সংগঠিত হলে, যুক্তরাষ্ট্র একটি অভিযানের জন্য সম্ভাব্য ১০ লাখ সৈন্য মাঠে নামাতে পারে।
**[[ব্রুস ডব্লিউ. টেরি|ব্রুস ডব্লিউ. টেরি]], [[:File:Use of land power to counter the Iranian nuclear proliferation challenge (2007).pdf|''দ্য ইউজ অফ ল্যান্ড পাওয়ার টু কাউন্টার দ্য ইরানিয়ান নিউক্লিয়ার প্রলিফারেশন চ্যালেঞ্জ'']] (২০০৭), কানসাস: ফোর্ট লিভেনওয়ার্থ।
*কন্টিনেন্টাল আর্মি সমন্বয়ের যে ডিগ্রি প্রদর্শন করেছিল, তা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগ পর্যন্ত ২০০ বছর ধরে আমেরিকান সেনাবাহিনী আর অর্জন করতে পারেনি।
**মেরি ভি. থম্পসন, [http://www.mountvernon.org/george-washington/slavery/the-only-unavoidable-subject-of-regret/ "দ্য অনলি আনএভয়ডেবল সাবজেক্ট অফ রিগ্রেট"], ''মাউন্ট ভার্নন''
*জাতি, বর্ণ, ধর্ম বা জাতীয় উৎপত্তিনির্বিশেষে সশস্ত্র বাহিনীর সকল ব্যক্তির জন্য সমান আচরণ ও সুযোগ থাকবে।
**[[হ্যারি এস. ট্রুম্যান]], [[s:Executive Order 9981|''এক্সিকিউটিভ অর্ডার ৯৯৮১'']] (২৬ জুলাই ১৯৪৮)
*আমরা এমন একটি বিশ্ব নেতৃত্ব অর্জন করেছি যা শুধুমাত্র আমাদের সামরিক ও নৌ শক্তির ওপর নির্ভর করে না।
**[[হ্যারি এস. ট্রুম্যান]], [http://www.trumanlibrary.org/ww2/stofunio.htm মার্কিন কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে ভাষণ] (১৬ এপ্রিল ১৯৪৫)।
*আমেরিকার ইউনিফর্মধারী নারী-পুরুষরা [[নাৎসিবাদ|নাৎসিবাদ]], [[সাম্রাজ্যবাদ|সাম্রাজ্যবাদ]], [[কমিউনিজম|কমিউনিজম]] এবং [[সন্ত্রাসবাদ|সন্ত্রাসবাদের]] বিরুদ্ধে লড়াইয়ে জীবন দিয়েছেন। আমেরিকা সংঘাত বা সংঘর্ষ চায় না, তবে আমরা তা থেকে কখনোই পালাব না। ইতিহাস এমন শাসকদের দ্বারা পরিপূর্ণ যারা বোকামির সাথে আমেরিকার সংকল্প পরীক্ষা করেছে। যে কেউ যুক্তরাষ্ট্রের শক্তি বা সংকল্প নিয়ে সন্দেহ করে, তারা আমাদের অতীতের দিকে তাকালে আর সন্দেহ করবে না। আমরা আমেরিকা বা আমাদের মিত্রদের ব্ল্যাকমেইল বা আক্রমণ হতে দেব না। আমরা আমেরিকান শহরগুলোকে ধ্বংসের হুমকির মুখে পড়তে দেব না। আমরা ভয় পাব না। এবং আমরা ইতিহাসে সবচেয়ে খারাপ নৃশংসতার পুনরাবৃত্তি হতে দেব না এই মাটিতে যা আমরা রক্ষা করতে কঠোর লড়াই করেছি এবং জীবন দিয়েছি।
**[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.presidency.ucsb.edu/documents/remarks-the-national-assembly-south-korea-seoul-south-korea সোল, দক্ষিণ কোরিয়ায় দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় পরিষদে মন্তব্য]; (৮ নভেম্বর ২০১৭)।
*সব পরিমাপে, [[পেন্টাগন|পেন্টাগন]] [[পেট্রোলিয়াম|পেট্রোলিয়াম]] পণ্য এবং শক্তির বৃহত্তম প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবহারকারী... তবুও, '''পেন্টাগনের সব আন্তর্জাতিক জলবায়ু চুক্তিতে সামগ্রিক ছাড় রয়েছে... [[জলবায়ু পরিবর্তন|জলবায়ু পরিবর্তন]] নিয়ে যেকোনো কথা যাতে সামরিক বাহিনী অন্তর্ভুক্ত নয়, তা কেবল গরম বাতাস'''... 'দ্য ক্লাইমেট অফ ওয়ার' রিপোর্ট অনুযায়ী, এটি কিয়োটো কনভেনশন অন ক্লাইমেট চেঞ্জে এমন একটি লুপহোল যা দিয়ে একটি ট্যাঙ্ক চালানো যায়। ১৯৪০ সালে, মার্কিন সামরিক বাহিনী দেশের মোট শক্তি ব্যবহারের এক শতাংশ ব্যবহার করত; দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষে, সামরিক বাহিনীর অংশ ২৯ শতাংশে উন্নীত হয়... সামরিকবাদ গ্রহের সবচেয়ে তেল-ক্ষয়কারী কার্যকলাপ, যা আরও দ্রুত, বড়, বেশি জ্বালানি-গ্রাসী বিমান, ট্যাঙ্ক এবং নৌযান নিয়ে আরও তীব্র আকাশ ও স্থল যুদ্ধে ব্যবহৃত হয়। মার্চ ২০০৩ সালে ইরাক যুদ্ধের শুরুতে, সেনাবাহিনী অনুমান করেছিল যে তিন সপ্তাহের যুদ্ধের জন্য তাদের ৪০ মিলিয়ন গ্যালনের বেশি [[গ্যাসোলিন|গ্যাসোলিন]] প্রয়োজন হবে, যা [[প্রথম বিশ্বযুদ্ধ|প্রথম বিশ্বযুদ্ধে]] মিত্রবাহিনীর চার বছরে ব্যবহৃত মোট পরিমাণের চেয়ে বেশি। সেনাবাহিনীর অস্ত্রভাণ্ডারের মধ্যে ছিল ২,০০০ এম-১ আব্রামস ট্যাঙ্ক যা যুদ্ধের জন্য চালু ছিল এবং প্রতি ঘণ্টায় ২৫০ গ্যালন জ্বালানি পোড়াত।
**[https://truthout.org/articles/the-military-assault-on-global-climate/ দ্য মিলিটারি অ্যাসল্ট অন গ্লোবাল ক্লাইমেট, এইচ প্যাট্রিসিয়া হেইনস কর্তৃক, ''ট্রুথআউট''], ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১১।
*ইউএস এয়ার ফোর্স (ইউএসএএফ) বিশ্বের [[জেট জ্বালানি|জেট জ্বালানি]]র একক বৃহত্তম ভোক্তা... এফ-৪ ফ্যান্টম ফাইটার প্রতি ঘণ্টায় ১,৬০০ গ্যালনের বেশি জেট জ্বালানি পোড়ায় এবং সুপারসনিক গতিতে প্রতি ঘণ্টায় ১৪,৪০০ গ্যালনে পৌঁছায়। আটটি জেট ইঞ্জিনযুক্ত বি-৫২ স্ট্র্যাটোক্রুজার প্রতি মিনিটে ৫৫ গ্যালন জ্বালানি গিলে ফেলে... বিশ্বের এক-চতুর্থাংশ জেট জ্বালানি ইউএসএএফ-এর উড়ন্ত হত্যার মেশিনগুলোকে খাওয়ায়; ২০০৬ সালে, তারা অবিশ্বাস্য ২.৬ বিলিয়ন গ্যালন ব্যবহার করেছিল।
**[https://truthout.org/articles/the-military-assault-on-global-climate/ দ্য মিলিটারি অ্যাসল্ট অন গ্লোবাল ক্লাইমেট, এইচ প্যাট্রিসিয়া হেইনস কর্তৃক, ''ট্রুথআউট''], ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১১।
*(যুক্তরাষ্ট্র) সামরিক বাহিনী কোনো জাতীয় বা আন্তর্জাতিক সংস্থায় [[জলবায়ু পরিবর্তন|জলবায়ু পরিবর্তন]] নিঃসরণের রিপোর্ট করে না, গ্লোবাল ওয়ার্মিং নিঃসরণ সীমাবদ্ধ করার প্রথম আন্তর্জাতিক চুক্তির ১৯৯৭ সালের কিয়োটো প্রোটোকল আলোচনার সময় যুক্তরাষ্ট্রের চাপের কারণে। তাদের কার্যকলাপের ওপর কোনো বিধিনিষেধ থেকে সামরিক বাহিনীকে রক্ষা করতে, যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছিল এবং জিতেছিল "বাঙ্কার" জ্বালানি (নৌযানের জন্য ঘন, ভারী জ্বালানি তেল) এবং বিশ্বব্যাপী সামরিক কার্যক্রম থেকে সমস্ত গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের ওপর সীমা থেকে ছাড়। আঘাতের ওপর আঘাত হিসেবে, [[জর্জ ডব্লিউ. বুশ|জর্জ ডব্লিউ. বুশ]] তার প্রেসিডেন্সির প্রথম কাজগুলোর একটি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রকে [[কিউটো প্রোটোকল|কিউটো প্রোটোকল]] থেকে বের করে নেন, এই বলে যে এটি খুব ব্যয়বহুল গ্রিনহাউস নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে মার্কিন অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দেবে। এরপর, হোয়াইট হাউস জলবায়ু পরিবর্তনের বিজ্ঞানের বিরুদ্ধে একটি নব্য-লুডাইট প্রচারণা শুরু করে। "দ্য গ্রিন জোন: দ্য এনভায়রনমেন্টাল কস্টস অফ মিলিটারিজম" নিয়ে গবেষণায়... প্রতিরক্ষা দপ্তর থেকে যুদ্ধের হতাহতের পরিসংখ্যান পাওয়া জ্বালানি ব্যবহারের ডেটা পাওয়ার চেয়ে সহজ।
**[https://truthout.org/articles/the-military-assault-on-global-climate/ দ্য মিলিটারি অ্যাসল্ট অন গ্লোবাল ক্লাইমেট, এইচ প্যাট্রিসিয়া হেইনস কর্তৃক, ''ট্রুথআউট''], ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১১।
==ভি==
*আমেরিকানরা এই [[সামরিক ঘাঁটি|ঘাঁটি]]গুলো নিয়ে যেটুকু ভাবে, আমরা সাধারণত মনে করি যে সেগুলো জাতীয় [[নিরাপত্তা|নিরাপত্তা]] এবং বিশ্ব [[শান্তি|শান্তি]]র জন্য অপরিহার্য। আমাদের নেতারা দাবি করেছেন যে এগুলোর বেশিরভাগই [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] এবং [[শীতল যুদ্ধ|শীতল যুদ্ধের]] শুরুর দিকে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ফলস্বরূপ, আমরা পরিস্থিতিকে [[স্বাভাবিক|স্বাভাবিক]] মনে করি এবং মেনে নিই যে অন্যান্য [[দেশ|দেশে]], অন্য জনগণের [[ভূমি|ভূমিতে]] মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলো বিস্ময়কর সংখ্যায় বিদ্যমান। অন্যদিকে, মার্কিন মাটিতে বিদেশী ঘাঁটি থাকার ধারণা অকল্পনীয়। <br> যদিও যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে কোনো স্বতন্ত্র বিদেশী ঘাঁটি নেই, তবে বিদেশী দেশগুলোতে এখন প্রায় ৮০০টি মার্কিন ঘাঁটি রয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ৭০ বছর এবং কোরীয় যুদ্ধের ৬২ বছর পরও, পেন্টাগনের মতে [[জার্মানি|জার্মানি]]তে ১৭৪টি, [[জাপান|জাপান]]ে ১১৩টি এবং [[দক্ষিণ কোরিয়া|দক্ষিণ কোরিয়া]]তে ৮৩টি মার্কিন "বেস সাইট" রয়েছে। আরও শত শত ঘাঁটি [[অরুব|অরুব]] এবং [[অস্ট্রেলিয়া|অস্ট্রেলিয়া]], [[বাহরাইন|বাহরাইন]] এবং [[বুলগেরিয়া|বুলগেরিয়া]], [[কলম্বিয়া|কলম্বিয়া]], [[কেনিয়া|কেনিয়া]] এবং [[কাতার|কাতার]] সহ প্রায় ৮০টি দেশে ছড়িয়ে আছে। যদিও খুব কম আমেরিকানই এটি বোঝে, সম্ভবত ইতিহাসের অন্য যেকোনো [[জনগণ|জনগণ]], [[জাতি|জাতি]] বা [[সাম্রাজ্য|সাম্রাজ্যের]] তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রের বিদেশী জমিতে বেশি ঘাঁটি রয়েছে।
**ডেভিড ভাইন, [https://www.thenation.com/article/the-united-states-probably-has-more-foreign-military-bases-than-any-other-people-nation-or-empire-in-history/ “দ্য ইউনাইটেড স্টেটস প্রোব্যাবলি হ্যাজ মোর ফরেন মিলিটারি বেসেস দ্যান এনি আদার পিপল, নেশন, অর এম্পায়ার ইন হিস্ট্রি”], ''দ্য নেশন'', (১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৫)।
==ডব্লিউ==
*উভয় [[উপসাগরীয় যুদ্ধ|উপসাগরীয় যুদ্ধেই]], মার্কিন সামরিক বাহিনী অবিশ্বাস্য দক্ষতা ও শৃঙ্খলার সাথে কাজ করেছে এবং আমেরিকা শিখেছে যে [[ভিয়েতনামের যুদ্ধ|ভিয়েতনামের]] [[মাই লাই হত্যাকাণ্ড|মাই লাই]]ের মতো ঘটনাগুলো ছিল ব্যতিক্রম, নিয়ম নয়।
**স্যাম উইলিয়ামসন, [http://supreme.findlaw.com/legal-commentary/a-review-of-anthony-swoffords-jarhead.html "আ রিভিউ অফ অ্যান্থনি সোফোর্ডস জারহেড"] (১৮ এপ্রিল ২০০৩)
*<p>এটি আশ্চর্যজনক, যখন আমরা একত্রিত হয়েছিলাম...</p><p>যখন আমরা আমাদের মতপার্থক্যগুলো দূরে সরিয়ে রেখেছিলাম এবং যারা আমাদের ক্ষতি করেছে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছিলাম...</p><p>যখন আমরা মৃতদের পরিবারকে সাহায্য করার জন্য একত্রিত হয়েছিলাম...</p><p>এটি আমাকে অসাধারণ অনুভব করিয়েছে। এটি আমাকে দেশপ্রেমিক করেছে, শক্তিশালী করেছে এবং এই দেশকে এমনভাবে ভালোবাসতে শিখিয়েছে যা আমি আমার দীর্ঘ জীবনে কখনো বাসিনি। আপনি জানেন? কারণ এটিই সেই আমেরিকা যার স্বপ্ন আমরা সবাই দেখি। এটিই সেই আমেরিকা যা আমরা সবাই চাই, শক্তিশালী ও ক্ষমতাধর একটি আমেরিকা যা প্রয়োজনে পাল্টা আঘাত করে। আমাদের ইতিহাসের বইগুলোতে আমরা যে ঘুমন্ত দৈত্যের কথা পড়েছি, যারা আমাদের প্রয়োজনীয় সুপার-পাওয়ার হতে প্রস্তুত এবং বিশ্বের সেরা সেনাবাহিনী নিয়ে। ওয়াও। ওয়াও। একটি কংগ্রেস এবং প্রেসিডেন্ট যারা একসাথে কাজ করবে, আর আমরা কী হয়েছি? এগারো বছর পর? এগারো বছর পর আমাদের সেই উত্তরগুলো নেই যা আমরা চেয়েছিলাম...</p><p>আমাদের কাছে বেশিরভাগই আছে। আমরা জানি কারা এটি করেছে, কেন তারা এটি করেছে। আমরা জানি তারা কীভাবে এটি করেছে। [[ষড়যন্ত্র তত্ত্ব|ষড়যন্ত্র তত্ত্ব]] প্রচুর আছে; প্রমাণ প্রায় সেখানে আছে। কিন্তু, আমরা নিজেদের ধ্বংস করতে অনেক কিছু করেছি। আমরা আমাদের স্বাধীনতা ধ্বংস করতে অনেক কিছু করেছি...</p>শেষ পর্যন্ত, আমরা যদি সেই পথে থাকতাম তবে আমরা যে আমেরিকা হতে পারতাম, আমরা যদি একসাথে থাকতাম তবে আমরা যে আমেরিকা হতে পারতাম, আমরা যদি ভালো হওয়ার জন্য, শক্তিশালী হওয়ার জন্য কঠোর পরিশ্রম করতাম, তা আবারও একটি স্বপ্ন। আপনি জানেন, এবং এটি সত্যিই দুঃখজনক...<p>আমরা আগের চেয়ে অনেক বেশি বিভক্ত, এবং তা? তা আমার হৃদয় ভেঙে দেয়...</p><p>আপনি? আপনার বয়স যদি আঠারোর নিচে হয়, আপনি আমাদের মতো আমেরিকায় কখনো বাস করেননি। আপনি জানেন? আপনি একটি ভালো দেশে বাস করেছেন, আমাকে ভুল বুঝবেন না। আপনি একটি চমৎকার দেশে বাস করেছেন, যেটি এখন অসুস্থ, এটি নিয়ে বিতর্কের কিছু নেই। কিন্তু, এত কাছে এবং তবুও? এত দূরে...</p><p>আমার সেই আমেরিকান স্বপ্নের কথা মনে পড়ে, এবং আমি শুধু ভাবি। আমি ভাবি আমেরিকা কি কখনো আগের মতো হতে পারবে। আমরা দেখব।</p>
**[[স্টিভেন উইলিয়ামস|স্টিভেন উইলিয়ামস]], [https://www.youtube.com/watch?v=JHfrce1Yd48 "স্টোরি টাইম উইথ বুগি: সেপ্টেম্বর ১১থ, ২০০১"] (সেপ্টেম্বর ২০১২), ''ইউটিউব''
*আমি আমাদের সামরিক বাহিনীর নারী-পুরুষদের তাদের সেবার জন্য কৃতজ্ঞ, কিন্তু সেনাবাহিনী কেবল একটি উপায়, প্রয়োজনীয় মন্দ। তাদের দৃষ্টির আড়ালে রাখা উচিত, ঠিক যেমন আমি আমার বাড়িতে বন্দুকগুলোকে দৃষ্টির আড়ালে রাখি। একটি সামরিক প্যারেড মহত্ত্ব প্রদর্শন করে না—এটি শক্তি প্রদর্শন করে। এবং সম্ভবত সেখানেই আমি আমাদের নতুন [[জাতীয়তাবাদ|জাতীয়তাবাদীদের]] সাথে দ্বিমত পোষণ করি। আমার দৃষ্টিতে, ওয়াশিংটনের সবকিছুর চেয়ে একটি [[নিউ ইংল্যান্ড|নিউ ইংল্যান্ড]] টাউন হলে আমেরিকান মহত্ত্ব বেশি, এবং সব ট্যাঙ্ক ও রকেটের চেয়ে একটি [[অরেগন|অরেগন]] আপেল বাগান বা রোটারি মিটিংয়ে আমেরিকান মহত্ত্ব বেশি।
**[[কেভিন ডি. উইলিয়ামসন]], [https://www.nationalreview.com/2019/03/american-nationalism-public-policy-aesthetics-donald-trump/ "দ্য ন্যাশনালিজম শো"] (মার্চ ২০১৯), ''ন্যাশনাল রিভিউ''
*[[প্রজাতন্ত্রবাদ|প্রজাতন্ত্রবাদ]] মরে যায়নি। তারা ব্যক্তিগত [[সম্পদ|সম্পদ]] এবং [[সুখ|সুখ]]ের জন্য হুড়োহুড়ি প্রশমিত করতে রয়ে গেছে এবং তারা আমাদের অনেক আদর্শ ও আকাঙ্ক্ষার মূলে রয়েছে: [[সাম্য|সাম্য]]ে আমাদের বিশ্বাস এবং আড়ম্বর ও বিশেষাধিকারের প্রতি আমাদের অপছন্দ; ব্যক্তিগত স্বায়ত্তশাসন ও নির্ভরশীলতার সব বন্ধন থেকে মুক্তির জন্য আমাদের গভীর আকাঙ্ক্ষা; আমাদের পর্যায়ক্রমিক আশা, যা প্রকাশ পেয়েছে, উদাহরণস্বরূপ, সামরিক বীরদের নির্বাচনে।
**[[গর্ডন এস. উড|গর্ডন উড]], [http://scholarship.kentlaw.iit.edu/cgi/viewcontent.cgi?article=2785&context=cklawreview "ক্লাসিক্যাল রিপাবলিকানিজম অ্যান্ড দ্য আমেরিকান রেভল্যুশন"] (এপ্রিল ১৯৯০), ''শিকাগোকেন্ট ল রিভিউ''
==জেড==
*[[তালিবান|তালিবান]] চুক্তির বিষয়বস্তু মেনে চলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রসহ সব দেশের সাথে ভালো ও ইতিবাচক সম্পর্ক আশা করে।
** [[জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ|জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ]], তালিবানের মুখপাত্র, তালিবান আফগানিস্তান থেকে প্রাথমিক সৈন্য প্রত্যাহারের বিষয়ে [[ট্রাম্প|ট্রাম্প]]ের টুইটকে স্বাগত জানিয়েছে [https://globalnews.ca/news/7385728/taliban-trump-tweet-early-troop-withdrawal-afghanistan/ প্রকাশিত ৮ অক্টোবর, ২০২০]
*ভবিষ্যতের [[আগ্রাসী যুদ্ধ|আগ্রাসী যুদ্ধের]] কৌশলগত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের [[সামরিক-শিল্প কমপ্লেক্স|সামরিক-শিল্প কমপ্লেক্স]]ের সুবিধা নেওয়ার ইচ্ছার সাথে সম্পর্কিত, যা [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরবর্তী সময়|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষে]] বিশাল আকার ধারণ করেছিল। [[আমেরিকান সাম্রাজ্যবাদ|আমেরিকান সাম্রাজ্যবাদ]] ক্রমাগত দেশটিকে সামরিকায়নের নীতি অনুসরণ করছে। [[মার্কিন সেনাবাহিনী|মার্কিন সেনাবাহিনী]] ও [[মার্কিন নৌবাহিনী|নৌবাহিনীর]] ব্যয় বছরে ১১,০০০ মিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। ১৯৪৭-৪৮ সালে, আমেরিকার বাজেটের ৩৫ শতাংশ সশস্ত্র বাহিনীর জন্য বরাদ্দ করা হয়েছিল, যা ১৯৩৭-৩৮ সালের তুলনায় এগারো গুণ বেশি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরুর সময় আমেরিকান সেনাবাহিনী [[পুঁজিবাদ|পুঁজিবাদী]] বিশ্বের সপ্তদশ বৃহত্তম ছিল; আজ এটি বৃহত্তম। যুক্তরাষ্ট্র কেবল [[পারমাণবিক অস্ত্র|পারমাণবিক বোমা]]র মজুদই বাড়াচ্ছে না; আমেরিকান কৌশলবিদরা খোলামেলাভাবে বলছে যে তারা [[ব্যাকটেরিওলজিক্যাল অস্ত্র|ব্যাকটেরিওলজিক্যাল অস্ত্র]] তৈরি করছে। যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত পরিকল্পনায় শান্তির সময়ে [[আমেরিকা মহাদেশ|আমেরিকা মহাদেশ]] থেকে অনেক দূরে অসংখ্য ঘাঁটি ও সুবিধাজনক স্থান তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে, যা [[সোভিয়েত ইউনিয়ন|সোভিয়েত ইউনিয়ন]] ও নতুন গণতন্ত্রের দেশগুলোর বিরুদ্ধে আগ্রাসী উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হবে। আমেরিকা [[আলাস্কা|আলাস্কা]], [[জাপান|জাপান]], [[ইতালি|ইতালি]], [[দক্ষিণ কোরিয়া|দক্ষিণ কোরিয়া]], [[চীন|চীন]], [[মিশর|মিশর]], [[ইরান|ইরান]], [[তুরস্ক|তুরস্ক]], [[গ্রিস|গ্রিস]], [[অস্ট্রিয়া|অস্ট্রিয়া]] এবং [[পশ্চিম জার্মানি|পশ্চিম জার্মানি]]তে বিমান ও নৌ ঘাঁটি তৈরি করেছে বা করছে। [[আফগানিস্তান|আফগানিস্তান]] এবং এমনকি [[নেপাল|নেপাল]]েও আমেরিকান সামরিক মিশন রয়েছে। সামরিক আগ্রাসনের উদ্দেশ্যে [[উত্তর মেরু|উত্তর মেরু]] ব্যবহারের জন্য উন্মাদ প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
** [[আন্দ্রে ঝদানভ]], "[https://soviethistory.msu.edu/1947-2/cold-war/cold-war-texts/zhdanov-on-the-international-situation/ নিউ আসপেক্টস অফ ওয়ার্ল্ড কনফ্লিক্ট: দ্য ইন্টারন্যাশনাল সিচুয়েশন]," ২২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭।
==আরও দেখুন==
* [[পেন্টাগন]]
* [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সেনাবাহিনী]]
* [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিমান বাহিনী]]
* [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কোস্ট গার্ড]]
* [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মেরিন কোর]]
* [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নৌবাহিনী]]
* [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র স্পেস ফোর্স]]
* [[আইভান এডওয়ার্ডস]]
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সশস্ত্র বাহিনী| ]]
10ru6ho7lbin6nqbela0nbo0bf4dns1
83329
83328
2026-05-03T13:24:46Z
SMontaha32
3112
83329
wikitext
text/x-wiki
[[File:Meuse-Argonne, 26 September–1 October 1918.gif|thumb|বিশ্বের সকল জাতি, ধর্ম ও বর্ণের মানুষ এই জাতির [[w:মার্কিন সশস্ত্র বাহিনী|সশস্ত্র বাহিনীতে]] প্রতিনিধিত্ব করেছে, যেমনটি আমাদের জনগোষ্ঠীর মধ্যে ছিল। কারও জাতিগত পরিচয়, রাজনৈতিক মতাদর্শ বা ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে তার দেশপ্রেম বা সেবাকে কেউ তুচ্ছ করেনি। অভিবাসী ও তাদের সন্তানরা... আমাদের মিত্র দেশগুলোর বংশধর, বিষুবীয় আফ্রিকার সন্তান এবং আমাদের নিজস্ব আদিবাসী জনগোষ্ঠীর লাল মানুষের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধ করেছে। তারা সবাই সমানভাবে নিজেদের 'আমেরিকান' পরিচয়ে গর্বিত ছিল। ~ [[ক্যালভিন কুলিজ]]]]
[[File:Brigadier General Smedley Butler, 1927 (14773211711).jpg|thumb|আমি সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট থেকে মেজর-জেনারেল পর্যন্ত সকল কমিশনড পদে দায়িত্ব পালন করেছি। সেই সময়ে আমি আমার বেশিরভাগ সময় ব্যয় করেছি বড় ব্যবসা, ওয়াল স্ট্রিট এবং ব্যাংকারদের জন্য উচ্চমানের গুণ্ডা হিসেবে কাজ করতে। সংক্ষেপে, আমি ছিলাম একজন র্যাকেটিয়ার, পুঁজিবাদের জন্য একজন গ্যাংস্টার। ~ [[স্মেলি বাটলার]]]]
[[File:Haditha massacre.jpg|thumb|আমাদের জেগে উঠতে হবে এবং উপলব্ধি করতে হবে যে আমাদের প্রকৃত শত্রুরা কোনো দূরবর্তী দেশে নেই। তারা এমন কেউ নয় যাদের নাম আমরা জানি না বা যাদের সংস্কৃতি আমরা বুঝি না। শত্রুরা হলো এমন মানুষ যাদের আমরা খুব ভালোভাবেই চিনি এবং যাদের আমরা চিহ্নিত করতে পারি। শত্রু হলো সেই ব্যবস্থা যা লাভজনক হলেই যুদ্ধ বাধায়। শত্রু হলো সেই সব সিইও, যারা মুনাফার জন্য আমাদের চাকরি থেকে ছাঁটাই করে। যারা মুনাফার জন্য আমাদের স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত করে, সেই বিমা কোম্পানিগুলোই শত্রু। যারা মুনাফার জন্য আমাদের ঘরবাড়ি কেড়ে নেয়, সেই ব্যাংকগুলোই শত্রু। আমাদের শত্রুরা পাঁচ হাজার মাইল দূরে নয়, তারা আমাদের ঘরেই রয়েছে। ~ মাইকেল প্রিসনার]]
[[File:Huey Newton.jpg|thumb|আমরা বিশ্বের অন্য কোনো বর্ণের মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব না বা তাদের হত্যা করব না। কারণ কৃষ্ণাঙ্গদের মতোই তারাও আমেরিকার শ্বেতাঙ্গ বর্ণবাদী সরকারের শিকার। ~ [[হিউ নিউটন]]]]
[[File:STTC_Logo.png|thumb|মার্কিন সেনাবাহিনী এবং মেরিন কোরের বর্তমান সদস্য সংখ্যা যথাক্রমে প্রায় ৫,১০,০০০ এবং ১,৮০,০০০। এছাড়া, সেনাবাহিনী ও মেরিন কোরের জন্য প্রায় ৮,০০,০০০ ন্যাশনাল গার্ড ও রিজার্ভ সেনা প্রস্তুত রয়েছে। যদিও এই সংখ্যা অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ১৫ লক্ষ মোট স্থলসেনা রয়েছে, তবুও দেশটির অনেক দায়বদ্ধতা থাকায় একক কোনো সামরিক অভিযানের জন্য এই শক্তি সীমিত হয়ে যায়। প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা, ইউরোপ ও কোরিয়ায় মার্কিন দায়বদ্ধতা এবং বাহিনীর পুনঃপ্রশিক্ষণ ও অস্ত্রসজ্জিত করার বিষয়গুলো বিবেচনা করলে, যুক্তরাষ্ট্রের হয়তো স্থলযুদ্ধের জন্য ২৫০,০০০-এর বেশি সক্রিয় সেনা নেই। যদি ন্যাশনাল গার্ড ও রিজার্ভ বাহিনীকে পুরোপুরি কাজে লাগানো যায়, তবে যুক্তরাষ্ট্র সম্ভাব্য অভিযানে দশ লক্ষ সৈন্য মাঠে নামাতে পারবে। ~ [[ব্রুস ডব্লিউ. টেরি|ব্রুস ডব্লিউ. টেরি]]]]
[[File:X-35.jpg|thumb|যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক শক্তিতে পরিণত হয়, তখন পৃথিবী অনেক বেশি নিরাপদ ও ভালো জায়গায় থাকে। ~ [[মার্কো রুবিও]]]]
[[File:Members_of_the_54th_Massachusetts_Volunteer_Regiment_color_guard_march_during_the_57th_presidential_inauguration_parade_130121-A-TT968-141.jpg|thumb|আমেরিকা আজও ইতিহাসের সবচেয়ে সুশৃঙ্খল ও মানবিক সামরিক বাহিনী বজায় রেখেছে। প্রাচীন বাহিনীগুলো যারা যুদ্ধের লুণ্ঠনে মত্ত থাকত, কিংবা আধুনিক বাহিনীগুলো যারা নির্বিচারে বেসামরিক নাগরিক ও বন্দিদের হত্যা করে, তাদের তুলনায় এটি সংযমের একটি আদর্শ দৃষ্টান্ত। ~ ''নিউজউইক'']]
[[File:Maryland National Guard (17285160576).jpg|thumb|আমি আশা করি, রাস্তাঘাট, টিউব ও বাসে আমরা যে তরুণ আমেরিকান সৈনিকদের সাথে পরিচিত হচ্ছি, তারা আমাদের কাছে ঠিক ততটাই ভালো লেগেছে, যতটা আমরা তাদের ভালোবেসেছি। ~ [[আলফ্রেড জর্জ গার্ডিনার|আলফ্রেড জর্জ গার্ডিনার]]]]
[[File:2014PlainviewMNparadeCivilWar.jpg|thumb|দেশের জন্য লড়াই ও জীবন দেওয়ার জন্য আপনাকে ‘সোজা’ হতে হবে না। আপনার শুধু লক্ষ্যভেদ করতে পারাটাই যথেষ্ট। ~ [[ব্যারি গোল্ডওয়াটার]]]]
[[File:OlusteeKAFL.jpg|thumb|আমাদের সেনাদের চালানো যুদ্ধগুলো দুটি ভিন্ন ব্যবস্থার মধ্যকার বৃহত্তর সংগ্রামের অংশ। প্রথম ব্যবস্থায়, একদল ধর্মান্ধ গোষ্ঠী একটি নিপীড়নমূলক মতাদর্শের প্রতি পূর্ণ আনুগত্য দাবি করে, নারীদের দাসত্বে বাধ্য করে এবং অবিশ্বাসীদের হত্যার লক্ষ্য নির্ধারণ করে। অন্য ব্যবস্থাটি এই বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত যে, স্বাধীনতা হলো সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের সার্বজনীন উপহার। ~ [[জর্জ ডব্লিউ. বুশ]]]]
[[File:The Old Flag Never Touched the Ground.jpg|thumb|সৈনিক ও গণতান্ত্রিকভাবে নিহতরা আমেরিকান মুক্তিদাতাদের দীর্ঘ ঐতিহ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে, যার শুরুটা হয়েছিল আমেরিকান বিপ্লব থেকে... গৃহযুদ্ধ ছিল এই ঐতিহ্যের একটি ভিত্তিপ্রস্তর। একাডেমিক ইতিহাসবিদরা লেখেন যে এটি ছিল আঞ্চলিকতাবাদের কারণে... [[আব্রাহাম লিংকন|লিংকন]] জানতেন এর মূলে কী ছিল... দাসপ্রথা 'একটি অদ্ভুত ও শক্তিশালী স্বার্থের জন্ম দিয়েছিল। সবাই জানত যে এই স্বার্থই কোনোভাবে যুদ্ধের কারণ ছিল'... সৈন্যরা ইউনিয়ন রক্ষা করতে লড়াই করেছিল, কিন্তু তারা মানব বন্ধন শেষ করার জন্যও যুদ্ধ করেছিল। ~ [[জোসেফ মরিসন স্কিলি|জোসেফ এম. স্কিলি]]]]
[[File:Defense.gov_photo_essay_080703-F-9629D-147.jpg|thumb|আমি যখন আমাদের সেনাদের অভিযানে ডেকেছিলাম, তখন তাদের সাহস ও দক্ষতার ওপর আমার পূর্ণ আস্থা ছিল। আর আজ রাতে, তাদের কল্যাণে আমরা জিতছি। ~ [[জর্জ ডব্লিউ. বুশ]]]]
[[File:US Navy 031109-N-9769P-076 Guided missile cruiser USS Lake Champlain (CG 57) steams in the Southern California operating area.jpg|thumb|আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর নারী ও পুরুষেরা এখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি শত্রুর কাছে একটি পরিষ্কার বার্তা পৌঁছে দিয়েছে। ৭,০০০ মাইল দূরে, মহাসাগর ও মহাদেশ পেরিয়ে, পাহাড়ের চূড়ায় বা গুহায় থাকলেও; তোমরা এই জাতির বিচার থেকে রেহাই পাবে না। ~ [[জর্জ ডব্লিউ. বুশ]]]]
[[File:U.S. Army Pfc. Phoebe Alvarez, left, an administrative clerk with the 307th Engineer Battalion, and Command Sgt. Maj. Thomas Capel, right, the command sergeant major of the International Security Assistance 130524-M-UF830-033.jpg|thumb|যদি আমেরিকার প্রতিটি প্রান্তে স্বাধীন নাগরিকদের ওপর নক্ষত্রখচিত পতাকা উড়তে থাকে, এবং আমাদের দেশ যদি ন্যায়বিচার, স্বাধীনতা ও সভ্যতার পথে একটি দীর্ঘ ও গৌরবময় যাত্রা বজায় রাখতে পারে, তবে আমরা এই মহৎ সেনাবাহিনীর নিঃস্বার্থ ত্যাগের কাছে ঋণী। ~ [[ফ্রেডরিক ডগলাস]]]]
[[File:Sailor with boatswain's pipe, USS Fitzgerald (DDG-62), May 2014.jpg|thumb|আমাদের কাছে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বাহিনী আছে, ''কারণ'' আমাদের কাছে সেরা মানুষগুলো আছে। ~ অ্যাশটন কার্টার]]
[[File:150413-N-XM324-040 - PO3 Christina Casillas applies a splint to a simulated broken arm aboard USS Fitzgerald.jpg|thumb|আমাকে অবশ্যই সেইসব নারী ও পুরুষের সেবার কথা বলতে হবে যারা প্রজাতন্ত্রের পতাকাতলে সমবেত হয়েছিল... আমেরিকা তাদের প্রদত্ত সেবা, ত্যাগ এবং সহ্য করা কষ্টগুলো উপলব্ধি করে এবং মূল্যায়ন করে... তারা সবাই ছিল সাহসী। তারা সবাই ছিল আত্মত্যাগী... স্থল ও সমুদ্রের চল্লিশ লক্ষ ডিফেন্ডার জনগণের সেরা ঐতিহ্যের যোগ্য ছিল... তারা আমাদের গর্বিত করেছে। তাদের প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞতা রয়েছে, যা অবশ্যই যথাযথভাবে প্রকাশ করা উচিত। ~ [[ওয়ারেন জি. হার্ডিং]]]]
[[File:150902-N-XF387-351 - SN Ana Motapalomares records bearings.jpg|thumb|আমাদের প্রতিরক্ষা নিহিত রয়েছে সেই চেতনা সংরক্ষণের মধ্যে, যা স্বাধীনতাকে সকল মানুষের, সকল দেশের এবং সর্বকালের ঐতিহ্য হিসেবে মূল্যায়ন করে। ~ [[আব্রাহাম লিংকন]]]]
[[File:Iraqi child with U.S. Troops.jpg|thumb|[[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|আমরা]] গত শতাব্দীজুড়ে নিপীড়ন দমনের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনীর নারী ও পুরুষদের বিশ্বের অন্যান্য প্রান্তে পাঠিয়েছি। আমরা ফ্যাসিবাদের পরাজয় ঘটিয়েছি... আমরা তা করতে ইচ্ছুক ছিলাম, সানন্দেই করেছি... সবকিছুই মানুষের অধিকার রক্ষার স্বার্থে, এবং যখন সেই সংঘাতগুলো শেষ হলো? আমরা কী করলাম? আমরা কি সেখানে থেকে দখল করেছিলাম? আমরা কি বলেছিলাম, ''ওকে, আমরা জার্মানিকে হারিয়েছি। এখন জার্মানি আমাদের? আমরা জাপানকে হারিয়েছি, তাই জাপান আমাদের?''? না... আমরা তাদের গড়ে তুলেছি। আমরা তাদের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা দিয়েছি যা তারা গ্রহণ করেছে... আমরা কি কোনো জমি চেয়েছি? না। আমরা একমাত্র যে জমিটি চেয়েছিলাম তা ছিল আমাদের মৃতদের কবর দেওয়ার মতো যথেষ্ট জমি, আর এই ধরনের জাতিই আমরা। ~ [[কলিন পাওয়েল]]]]
[[File:OlusteeKAFL.jpg|thumb|সামরিক বাহিনী কোনো বস্তু নয়। এটি একদল নিবেদিতপ্রাণ দেশপ্রেমিক যারা আমাদের জন্য সবকিছু ত্যাগ করতে ইচ্ছুক। এটি কেবল এর ভেতরের মানুষগুলোর কারণেই কাজ করে। যন্ত্রপাতি যতই চমৎকার হোক—আর আমাদের চমৎকার যন্ত্রপাতি রয়েছে—মেশিন, অস্ত্র এবং স্যাটেলাইট যতই আধুনিক হোক না কেন, চূড়ান্ত বিচারে এটি অসাধারণ মানুষগুলোর ওপরই নির্ভর করে। ~ [[বারাক ওবামা]]]]
[[File:319th AFA soldiers chillin' out in Iraq.jpg|thumb|আমেরিকায় সৈনিকদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। তাদের সাহস ও ত্যাগের কথা বারবার মনে করিয়ে দেওয়া হয়। সৈনিকদের নিঃস্বার্থতার এক অদৃশ্য আভা থাকে এবং তারা অত্যন্ত মর্যাদার সাথে চলাফেরা করে। ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্টরা ইউনিফর্ম পরা সৈনিকদের ফার্স্ট ক্লাসে আপগ্রেড করেন, রেস্তোরাঁগুলো ভেটারানদের ছাড় দেয় এবং অপরিচিতরা তাদের হাত মেলায়। ~ বেনামী]]
[[File:011217-N-9769S-207 Ready for Working Party.jpg|thumb|এরা আমাদের সন্তান... এরা ভালো ছেলেমেয়ে... সেনাবাহিনী বা মেরিন কোরে যোগ দিলে কেউ নাৎসি হয়ে যায় না; বরং সে আমেরিকার এক সন্তান হয়ে ওঠে যে তার দেশের জন্য কাজ করছে। ~ [[টম ক্ল্যান্সি]]]]
[[File:Four_366th_Infantry_officers.gif|thumb|সামরিক বাহিনী সবসময়ই একটি অন্তর্মুখী সংগঠন। সেনাবাহিনী যে কারণে এতটা প্রগতিশীল তার একটি কারণ হলো, তারা সবসময় নিজেদের বিশ্লেষণ করে। সেনাবাহিনী সবসময় নিজের কাজ আরও ভালোভাবে করার উপায় খোঁজে... সেনাবাহিনীই আমেরিকায় বর্ণবৈষম্য দূরীকরণে নেতৃত্ব দিয়েছে... সেনাবাহিনী খুব আগেই বুঝতে পেরেছিল যে, কৃষ্ণাঙ্গ মানুষরা শ্বেতাঙ্গদের মতোই; পার্থক্য শুধু গায়ের রঙ একটু বেশি গাঢ়। তারাও সমান ভালো সৈনিক হতে পারে। ~ [[টম ক্ল্যান্সি]]]]
[[File:HHC U.S. Army soldiers.png|thumb|সৈনিকেরা। আপনারা এখন আপনাদের বাড়ি ও বন্ধুদের কাছে ফিরতে চলেছেন... আমি আপনাদের কাছে এবং যারা দেশের ডাকে সাড়া দিয়েছেন তাদের সবার কাছে অত্যন্ত ঋণী। আমি চাই দেশটি এখন কী কাজে ব্যস্ত তা যেন সবাই ব্যাপকভাবে বুঝতে পারে। আমরা সবাই একমত হব যে, আমাদের একটি মুক্ত সরকার রয়েছে, যেখানে প্রত্যেক মানুষেরই সমান অধিকার রয়েছে। ~ [[আব্রাহাম লিংকন]]]]
[[File:101110-N-6477M-070 Veteran's Day Naturalization Ceremony aboard USS Midway.jpg|thumb|আপনার সন্তানরা আমেরিকান সৈনিকের শান্ত, সুচিন্তিত ও দৃঢ় যুদ্ধস্পৃহা নিয়ে আপনাদের সেবা করেছে। তাদের এই স্পৃহা সত্যের ঐতিহ্যের ওপর প্রতিষ্ঠিত, আর শত্রুর উন্মাদনা কেবল কাল্পনিক গল্পের ওপর ভিত্তি করে। তাদের আধ্যাত্মিক শক্তি ও ক্ষমতা আমাদের জয়ী করেছে। ~ [[ডগলাস ম্যাকআর্থার]]]]
[[File:US Navy 051206-M-7173M-015 Hospital Corpsman 3rd Class Jesse Munsey, assigned to the 2nd Battalion, 6th Marines, Gulf Company, observes the road up ahead.jpg|thumb|আমেরিকা এবং আমাদের মিত্ররা এক ভিন্ন ধরনের শত্রুর বিরুদ্ধে নতুন এক ধরনের যুদ্ধ করছে। এই সংঘাত আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর নারী ও পুরুষদের ওপর—যার মধ্যে গার্ড ও রিজার্ভও অন্তর্ভুক্ত—বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে। তারা প্রতিটি পরীক্ষায় সফল হয়েছে; প্রতিটি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেছে। ~ [[জর্জ ডব্লিউ. বুশ]]]]
[[File:B-2 Spirit original.jpg|thumb|বিশ্বে মার্কিন সামরিক আধিপত্যের সারমর্ম হলো, তারা ইচ্ছে করলেই মাত্র কয়েক ঘণ্টার নোটিশে পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে বোমা ফেলতে পারে। অন্য কোনো সরকারের এমন সক্ষমতা কোনোদিন ছিল না। ~ [[ডেভিড গ্রেবার]]]]
[[File:USS New Orleans (LPD-18) launches RIM-116 missile 2013.jpg|thumb|আমেরিকার সামরিক শ্রেষ্ঠত্ব এখনো অপ্রতিদ্বন্দ্বী। এই কথাটি চূড়ান্ত... যুক্তরাষ্ট্র স্থল, সমুদ্র, আকাশ এবং মহাকাশে আধিপত্য বজায় রেখেছে। ~ ইয়ান ব্রেমার]]
[[File:U.S. Marines at Camp Geiger in 1999.jpg|thumb|নিজেদের রক্ষা করার আগে বেসামরিক নাগরিকদের রক্ষা করাই আমেরিকান সৈনিকদের কাজ। এভাবে তারা নিজেদের আরও ভালোভাবে রক্ষা করতে পারে। বিষয়টি আপাতদৃষ্টিতে অদ্ভুত মনে হতে পারে, তবে এটিই নিয়মমাফিক ও সোজা পথ। ~ মাইকেল টোটেন]]
[[File:82nd_Sus._Bde._supports_emergency_deployment_readiness_exercise_130128-A-QD996-003.jpg|thumb|যখন আমরা সব ভেদাভেদ ভুলে যারা আমাদের ক্ষতি করেছে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলাম... তা আমাকে অসাধারণ এক অনুভূতি দিয়েছিল। এটি আমাকে দেশপ্রেমিক, শক্তিশালী করে তুলেছিল। আমি এই দেশকে এমনভাবে ভালোবাসতে শুরু করলাম যা আমার জীবনে আগে কখনো অনুভব করিনি... আমরা সবাই এমন এক আমেরিকার স্বপ্ন দেখি। আমরা এমন এক শক্তিশালী ও পরাক্রমশালী আমেরিকাকে চাই, যা প্রয়োজনে পাল্টা আঘাত করে। আমাদের ইতিহাস বইয়ে ঘুমন্ত দৈত্যের কথা শেখানো হয়েছিল, যে প্রয়োজনের সময় পরাশক্তি হিসেবে জেগে ওঠে এবং যার রয়েছে বিশ্বের সেরা সেনাবাহিনী। ~ স্টিভেন উইলিয়ামস]]
[[File:Iraqi girls playing.jpg|thumb|পৃথিবীতে যদি শান্তির কোনো কারিগর থেকে থাকে, তবে সেটি হলো মার্কিন সামরিক বাহিনী। ~ [[রাশ লিম্বো]]]]
[[File:American_bases_worldwide.svg|thumb|আমেরিকানরা এই ঘাঁটি সম্পর্কে যতটা ভাবে, তাতে আমরা সাধারণত মনে করি যে এগুলো জাতীয় নিরাপত্তা ও বিশ্ব শান্তির জন্য অপরিহার্য। বেশিরভাগ ঘাঁটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ এবং শীতল যুদ্ধের শুরুর দিকে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সময় থেকেই আমাদের নেতারা এমনটা দাবি করে আসছেন। এর ফলে, আমরা এই পরিস্থিতিকে স্বাভাবিক মনে করি এবং মেনে নিই যে, বিপুল সংখ্যক মার্কিন সামরিক স্থাপনা অন্য দেশের মানুষের ভূমিতে রয়েছে। অন্যদিকে, মার্কিন মাটিতে অন্য দেশের ঘাঁটি থাকার ধারণাটিই অকল্পনীয়। ~ ডেভিড ভাইন]]
[[File:U.S._Military_Installations_Map.jpg|thumb|এই ব্যবস্থার কেন্দ্রে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যা আজকের বিশ্বের একমাত্র টিকে থাকা সাম্রাজ্য। [[মানবতা|মানবতার ইতিহাসে]] এই প্রথম একটিমাত্র সাম্রাজ্য এত প্রভাবশালী, যার সামরিক বাজেট পরের ১৫টি দেশের সম্মিলিত বাজেটের চেয়েও বেশি এবং যার সামরিক-শিল্প কমপ্লেক্স নিজেই বিশ্বের একাদশ বৃহত্তম অর্থনৈতিক সত্তা। আমরা এই বাস্তবতায় বাস করি এবং এই বাস্তবতা ভিন্ন ভিন্নভাবে আমাদের মুখোমুখি হয়। ~ [[তারিক আলী]]]]
'''মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনী''' হলো [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র]]ের জাতীয় সামরিক বাহিনী। এটি [[w:উত্তর আমেরিকা|উত্তর আমেরিকা]] মহাদেশের একটি দেশ। অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষের দিকে প্রতিষ্ঠিত এই বাহিনী [[w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সেনাবাহিনী|মার্কিন সেনাবাহিনী]], [[w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নৌবাহিনী|মার্কিন নৌবাহিনী]], [[W:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মেরিন কোর|মার্কিন মেরিন কোর]], [[w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিমান বাহিনী|মার্কিন বিমান বাহিনী]], [[W:মার্কিন কোস্ট গার্ড|মার্কিন কোস্ট গার্ড]] এবং [[w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মহাকাশ বাহিনী|মার্কিন মহাকাশ বাহিনী]] নিয়ে গঠিত। এটিকে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক বাহিনী হিসেবে গণ্য করা হয়।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি এই বাহিনীর সর্বাধিনায়ক। তিনি সামরিক নীতি নির্ধারণে মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের সাথে কাজ করেন। এটি একটি ফেডারেল নির্বাহী বিভাগ, যা সামরিক নীতি ও যুদ্ধ পরিচালনার মূল সংস্থা হিসেবে কাজ করে। প্রতিটি শাখার সর্বোচ্চ পদমর্যাদার কর্মকর্তারা [[w:জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফ|জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফ]] হিসেবে রাষ্ট্রপতিকে পরামর্শ দেন, তবে তাদের সরাসরি অপারেশনাল কমান্ড নেই। [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি]] হিসেবে বর্তমানে [[জো বাইডেন]] সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান এবং প্রতিরক্ষা বিভাগের দায়িত্বে রয়েছেন প্রতিরক্ষাসচিব [[লয়েড অস্টিন]]।
==এ==
*আমাদের কাছে বিশাল সেনাবাহিনী আছে, সু[[শৃঙ্খলা|শৃঙ্খল]] এবং সুসজ্জিত, যার [[সেনাপতি|সেনাপতিরা]] সামরিক দক্ষতার দিক থেকে কারো চেয়ে কম নয়, এবং তৎপরতা ও [[উদ্দীপনা|উদ্দীপনায়]] শ্রেষ্ঠ। আমাদের অস্ত্রাগার এবং ভাণ্ডার আমাদের প্রত্যাশার চেয়েও বেশি সমৃদ্ধ... আপনাদের সামনে এখন শত্রুবাহিনীর পুরো শক্তি এবং তাদের ভিত্তিহীন ও ভাড়াটে সহায়ক শক্তিকে প্রতিহত করার মতো যথেষ্ট সেনাবাহিনী রয়েছে। আপনাদের সৈন্যদের হৃদয়ে স্বাধীনতার চেতনা প্রবল; তারা তাদের কারণের ন্যায়বিচারে অনুপ্রাণিত, এবং তারা যখন তাদের তলোয়ার আঁকড়ে ধরে তখন সাহায্যের জন্য [[স্বর্গ|স্বর্গের]] দিকে তাকাতে পারে। আপনাদের প্রতিপক্ষরা এমন অভাজনদের নিয়ে গঠিত যারা মানবতার অধিকারকে উপহাস করে, যারা ধর্মকে বিদ্রূপে পরিণত করে, এবং উচ্চ বেতনের জন্য তাদের তলোয়ার তাদের নেতা বা তাদের দেশের বিরুদ্ধে চালিত করতে পারে। তাহলে, অতীতে স্বর্গ থেকে প্রাপ্ত সাফল্যের কৃতজ্ঞতা এবং ভবিষ্যতে সেই সাফল্যের আত্মবিশ্বাস নিয়ে আপনাদের মহৎ উদ্যোগে এগিয়ে যান। নিজের পক্ষ থেকে, আমি সাধারণ বিপদ এবং সাধারণ গৌরবে আপনাদের সাথে অংশ নেওয়ার চেয়ে বড় কোনো আশীর্বাদ চাই না।
**[[স্যামুয়েল অ্যাডামস]], [http://www.samuel-adams-heritage.com/documents/speech-about-declaration-of-independence.html স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র সম্পর্কে ভাষণ] (১ আগস্ট ১৭৭৬)
*আসুন [[বিশ্ব|বিশ্ব]] নিয়ে আলোচনা করি। "[[ঈশ্বর|ঈশ্বর]] ছাড়া কি বিশ্বায়ন সম্ভব"—এই প্রশ্নের উত্তরের সহজ উত্তর হলো "হ্যাঁ"। বিশ্বায়ন আসলে নিজেই একটি কোড শব্দ, একটি মুখোশ, সি-শব্দ [[পুঁজিবাদ|পুঁজিবাদ]] ব্যবহার না করার জন্য। বিশ্বায়ন মূলত পুঁজিবাদের প্রসারের সর্বশেষ পর্যায়। এটি এমন কিছু নয় যা [[নিরপেক্ষ|নিরপেক্ষ]], এটি এমন একটি পুঁজিবাদ যার নিজস্ব নিয়ম আছে: এর নিজস্ব অর্থনৈতিক নিয়ম আছে, এর নিজস্ব রাজনৈতিক নিয়ম আছে, এর নিজস্ব সাংস্কৃতিক নিয়ম আছে এবং এর নিজস্ব সামরিক নিয়ম আছে। এটি একটি 'সিস্টেম'। এই সিস্টেমের মূলে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, বর্তমানে বিশ্বের একমাত্র বিদ্যমান [[সাম্রাজ্য|সাম্রাজ্য]]। [[মানবতা|মানবতার]] [[ইতিহাস|ইতিহাসে]] এই প্রথম এমন একটি একক সাম্রাজ্য এত প্রভাবশালী, যার সামরিক বাজেট পরবর্তী ১৫টি দেশের সম্মিলিত সামরিক বাজেটের চেয়ে বেশি, এবং যার সামরিক-শিল্প কমপ্লেক্স নিজেই বিশ্বের একাদশ বৃহত্তম অর্থনৈতিক সত্তা। এটি সেই বাস্তবতা যাতে আমরা বাস করি, এবং এটি সেই বাস্তবতা যা বিভিন্ন উপায়ে আমাদের ''সম্মুখীন'' হয়।
**[[তারিক আলি]], [http://www.vpro.nl/programma/tegenlicht/artikelen/21200518/ দশম বিশ্বায়ন বক্তৃতা], ভিপ্রও।
*আমেরিকায়, সৈনিকদের প্রতি এক ধরনের [[শ্রদ্ধা|শ্রদ্ধা]] রয়েছে। একজনকে ক্রমাগত তাদের [[সাহস|সাহস]], তাদের আত্মত্যাগের কথা মনে করিয়ে দেওয়া হয়। সৈনিকদের নিঃস্বার্থপরতার একটি অন্তর্নিহিত আভা থাকে, তারা মর্যাদাপূর্ণ আচরণের সাথে চলে। বিমানবালারা ইউনিফর্ম পরিহিত সৈনিকদের ফার্স্ট ক্লাসে আপগ্রেড করে, রেস্তোরাঁগুলো ভেটেরানদের ছাড় দেয়, অপরিচিতরা তাদের হাত মেলায় এবং বলে, 'আপনার সেবার জন্য ধন্যবাদ'।
**বেনামী, [http://www.theguardian.com/world/iran-blog/2015/jul/22/iran-military-uniform-gomrok-shopping-spree "হাউ আই লার্নড টু স্টপ ওরিং অ্যান্ড লাভ দ্য ইরানিয়ান আর্মি"], ''দ্য গার্ডিয়ান'' (২৩ জুলাই ২০১৫), যুক্তরাজ্য।
*প্রতিরক্ষা এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার বিষয়ে, গল্পটি আপাতদৃষ্টিতে ভালো মনে হয়। প্রেসিডেন্ট সামরিক ব্যয় বাড়িয়েছেন (যদিও ঋণের স্তূপের খরচে)। তিনি মার্কিন বাহিনীকে আধুনিকীকরণ এবং আমাদের সৈন্যদের বেতন বাড়ানোর দিকে মনোনিবেশ করেছেন। এবং তিনি দেশ ও সীমানা সুরক্ষাকে তার প্রেসিডেন্সির সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারগুলোর একটি করেছেন। বাস্তবে, [[ডোনাল্ড ট্রাম্প|ট্রাম্প]] [[পেন্টাগন|পেন্টাগনের]] জন্য একটি বিপর্যয় হয়েছেন। তিনি সামরিক নেতাদের প্রজাতন্ত্রের নির্দলীয় রক্ষক হিসেবে নয়, বরং "তার জেনারেল" হিসেবে উল্লেখ করেন, যাদের তিনি [[দাবা|দাবা]] বোর্ডের নাইটদের মতো নিজের ইচ্ছামতো সরাতে পারেন। তার এই ধরনের কথা শোনা কঠিন। এই নেতাদের কেউ কেউ দেশের সুরক্ষায় সন্তান হারিয়েছেন। তারা দরজায় কড়া নাড়ার শব্দে দরজা খুলে এমন মানুষজনের মুখ থেকে তাদের জীবনের সবচেয়ে হৃদয়বিদারক খবর শুনেছেন, যে তাদের সন্তান চিরতরে হারিয়ে গেছে। তবুও তারা এমন একজন ব্যক্তির নির্দেশে কাজ করছেন যিনি সামরিক সেবার কথা ভাবলে কুঁকড়ে যেতেন। ইউনিফর্ম পরা দেশপ্রেমিকরা এটি প্রকাশ্যে বলে বের হবে না কারণ তারা তাদের কমান্ডারের সাথে প্রকাশ্যে দ্বিমত পোষণ করতে চায় না, কিন্তু অনেকেই ট্রাম্পের সৌজন্যবোধের অভাব এবং আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর অদূরদর্শী নেতৃত্বে আতঙ্কিত। বারবার, তিনি আমাদের সশস্ত্র বাহিনীকে রাজনৈতিক বিতর্কে টেনে আনার চেষ্টা করে বা নিজের দৃঢ়তা দেখানোর জন্য তা ব্যবহার করে এক ভয়ানক পরিস্থিতিতে ফেলেছেন। এটি তিনি অফিসে প্রবেশের আগেই শুরু করেছিলেন। একজন প্রার্থী হিসেবে, ট্রাম্প সামরিক ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে আমেরিকার শত্রুদের বিরুদ্ধে কৌশল হিসেবে [[নির্যাতন|নির্যাতন]] গ্রহণ করার পরামর্শ দিয়েছিলেন, শপথ করে বলেছিলেন, "আমি ওয়াটারবোর্ডিং ফিরিয়ে আনব। এবং আমি ওয়াটারবোর্ডিংয়ের চেয়ে অনেক বেশি ভয়ানক কিছু ফিরিয়ে আনব।" বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেছেন যে এই ধরনের বক্তব্য সন্ত্রাসীরা প্রচারণার জন্য ব্যবহার করে, আমেরিকার কথিত নিষ্ঠুরতার কথা প্রচার করে সমর্থকদের নিয়োগ করতে তাদের সাহায্য করে। এটি তাদের আখ্যানকে খাওয়ায়, বিদেশের মার্কিন বাহিনীকে বিপদে ফেলে। সৌভাগ্যবশত, প্রেসিডেন্ট তার মেয়াদ শুরুর দিকেই আগত দলের দ্বারা বিষয়টি বাদ দেওয়ার জন্য রাজি হয়েছিলেন, যারা বুঝতে পেরেছিল যে ট্রাম্পের ভোল পাল্টানো জাতীয় প্রতিরক্ষাকে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করবে।
** বেনামী, ''আ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১০৩-১০৪।
*ট্রাম্প যখন নতুন সেনা ইউনিফর্ম ("খুব দামী," তিনি আক্ষেপ করেছিলেন, কিন্তু অন্যদিকে, "সুন্দর")-এর মতো বিষয়ে ভোল পাল্টান, তখন এটি ক্লান্তিকর। যখন এটি বিমান হামলার বিষয়ে হয়, তখন এটি ভয়ঙ্কর। প্রেসিডেন্টের আবেগপ্রবণতা আমাদের সামরিক বাহিনীর জন্য একটি বিপদ সৃষ্টি করে, যার পুরো মাত্রা বছরের পর বছর ধরে জানা যাবে না। তিনি পেন্টাগনের জন্য সামান্য মাথাব্যথার চেয়ে বেশি কিছু। তিনি এক অন্ধ করে দেওয়া মাইগ্রেন। যারা পেন্টাগনের সর্বোচ্চ পর্যায়ে কাজ করেছেন, যারা সিদ্ধান্তের মুহূর্তে ট্রাম্পের সাথে বসেছেন, তারা এটি খুব ভালোভাবেই জানেন। সাপ্তাহিক ভিত্তিতে, তারা ইউনিফর্ম পরা নারী-পুরুষদের বোঝানোর চেষ্টা করেন যে তাদের ওপর থাকা কমান্ডার-ইন-চিফ কতটা অসংযমী এবং তিনি কীভাবে মার্কিন সামরিক বাহিনীকে একটি বড় ব্যাটলশিপ খেলার অংশ হিসেবে দেখেন। আমাদের যোদ্ধারা আমাদের ক্ষতি করতে চাওয়া ব্যক্তিদের শিকার করতে বিশ্বের অন্ধকার কোণে যেতে সবকিছু বাজি রাখে। তাদের কর্তব্যের অলঙ্ঘনীয় কোডের জন্য তারা এমন একজন ব্যক্তির চেয়ে বেশি কিছু পাওয়ার যোগ্য যার মৌলিক নৈতিক কম্পাসের অভাব রয়েছে।
** বেনামী, ''আ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১০৫।
*সেনাবাহিনী এগিয়ে চলেছে!
**"আর্মি গোজ রোলিং অ্যালং"
*আমেরিকান সেনাবাহিনী যুদ্ধে এত ভালো করার [[কারণ|কারণ]] হলো [[যুদ্ধ|যুদ্ধ]] হলো [[বিশৃঙ্খলা|বিশৃঙ্খলা]] এবং আমেরিকান সেনাবাহিনী প্রতিদিন বিশৃঙ্খলার অনুশীলন করে।
**নাৎসি সামরিক বাহিনীর বেনামী প্রবাদ, {{cite news |last1=লেসি |first1=জিম |title=নাথিং ওয়েন্ট অ্যাকর্ডিং টু প্ল্যান |url=http://content.time.com/time/nation/article/0,8599,443808,00.html |accessdate=২৩ জুলাই ২০১৯ |প্রকাশক=সময় |date=১৫ এপ্রিল, ২০০৩}} উদ্ধৃত।
==বি==
*যুক্তরাষ্ট্রের [[ভবিষ্যৎ]] প্রস্তুতির সর্বোত্তম উপায় হলো তার অর্থনৈতিক শক্তি সঞ্চয় করা এবং কেবল তখনই সামরিকভাবে সাড়া দেওয়া যখন কোনো গুরুতর হুমকি তৈরি হয়। অন্যথায়, ওয়াশিংটনের উচিত সংঘাতের চেয়ে সমঝোতার পথ খোঁজা।
**ডাগ ব্যান্ডো, [http://nationalinterest.org/blog/the-skeptics/china-really-dangerous-16347 “চীন কি সত্যিই এতটা বিপজ্জনক?”] (২৫ মে ২০১৬), ''দ্য ন্যাশনাল ইন্টারেস্ট''
*আমি একজন নিবন্ধিত ডেমোক্র্যাট। আমি সাধারণত ডেমোক্র্যাটদের ভোট দিই। সামরিক বাহিনীর সাথে কাজ করা একজন ডেমোক্র্যাট হওয়া অদ্ভুত, কারণ সামরিক বাহিনীতে মূলত রিপাবলিকানদের আধিপত্য। আমি এই পরিবেশে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি কারণ আমি রুমের মধ্যে সন্দেহবাদী বা ভিন্নমতাবলম্বী হতে পছন্দ করি। আর যদি সামরিক পরিবেশে ভিন্নমতাবলম্বী হতে হয়, তবে সম্ভবত আপনাকে ডেমোক্র্যাটই হতে হবে। তবে এটি আমার পারিবারিক প্রেক্ষাপট। আমার এক দাদা ছিলেন যিনি প্রগ্রেসিভ হিসেবে নির্বাচনে দাঁড়িয়েছিলেন।
**থমাস বার্নেট, [http://archive.li/5c6cC#selection-123.0-123.14 ব্রায়ান ল্যাম্বের সাথে সাক্ষাৎকার] (মে ২০০৪), ''সি-স্প্যান''
*এ বিষয়ে কোনো ভুল করা উচিত নয়: কংগ্রেসের বিশাল, অকার্যকর এবং অযৌক্তিকভাবে ব্যয়বহুল যুদ্ধ যন্ত্রে বিনিয়োগ করার সিদ্ধান্তের সাথে অধিকাংশ মানুষ যেভাবে জাতীয় নিরাপত্তা বা অভিধান অনুযায়ী “প্রতিরক্ষা”কে বোঝে, তার কোনো সম্পর্ক নেই। মার্কিন সমাজ নিশ্চিতভাবেই আমাদের নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হুমকির মুখোমুখি, যার মধ্যে রয়েছে জলবায়ু সংকট, প্রাতিষ্ঠানিক বর্ণবাদ, ভোটাধিকার ক্ষয়, বন্দুক সহিংসতা, চরম বৈষম্য এবং রাজনৈতিক ক্ষমতার ওপর করপোরেট দখল। কিন্তু আমাদের সৌভাগ্য যে, আমাদের কোনো প্রলয়ঙ্করী বৈশ্বিক আক্রমণকারী বা প্রকৃতপক্ষে অন্য কোনো দেশের হামলার হুমকি নেই... যদি এই অকার্যকর ও প্রাণঘাতী অর্থের অপচয় রোধে জনগণের কোনো প্রভাব ফেলতে হয়, তবে আমাদের অবশ্যই প্রচারণার কুয়াশা ভেদ করে দেখতে শিখতে হবে। এই প্রচারণা লাল, সাদা ও নীল পতাকার নিচে স্বার্থপর দুর্নীতিকে ঢেকে রাখে এবং সামরিক কর্মকর্তাদের জনগণের সেই স্বাভাবিক শ্রদ্ধাকে সিনিক বা নিচভাবে শোষণ করতে দেয়, যা সাহসী তরুণ-তরুণীরা আমাদের দেশকে রক্ষার জন্য জীবন বাজি রেখে অর্জন করেছে। ক্রিমিয়ার যুদ্ধে, রাশিয়ানরা ব্রিটিশ সৈন্যদের “গাধার দ্বারা পরিচালিত সিংহ” বলেছিল। আজকের মার্কিন সামরিক বাহিনীর জন্য এটিই একটি যথার্থ বর্ণনা।
** মিডিয়া বেঞ্জামিন এবং [https://www.salon.com/2021/12/07/congress-loots-the-treasury-for-us-machine--while-bickering-over-build-back-better/ নিকোলাস জে.এস. ডেভিস, কংগ্রেস লোটস দ্য ট্রেজারি ফর ইউ.এস. ওয়ার মেশিন — হোয়াইল বিকারিং ওভার বিল্ড ব্যাক বেটার, ''স্যালন,''] (৭ ডিসেম্বর, ২০২১)
*বিশ্বের পরবর্তী ১২ বা ১৩টি বৃহত্তম সামরিক বাহিনীর সম্মিলিত খরচের চেয়েও বেশি ব্যয় করা একটি যুদ্ধ যন্ত্র বজায় রাখা আমাদের কম নিরাপদ করে তোলে। কারণ প্রতিটি নতুন প্রশাসন এই বিভ্রান্তি উত্তরাধিকার সূত্রে পায় যে, যুক্তরাষ্ট্রের অত্যধিক ধ্বংসাত্মক সামরিক শক্তি যেকোনো জায়গায় মার্কিন স্বার্থের বিরুদ্ধে অনুভূত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ব্যবহার করা যেতে পারে—এমনকি যখন স্পষ্টতই কোনো সামরিক সমাধান নেই এবং যখন অনেক মূল সমস্যাই প্রথমত মার্কিন সামরিক শক্তির অপপ্রয়োগের কারণে সৃষ্টি হয়েছে। এই শতাব্দীতে আমাদের মুখোমুখি আন্তর্জাতিক চ্যালেঞ্জগুলোর জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও কূটনীতির প্রতি প্রকৃত প্রতিশ্রুতি প্রয়োজন, অথচ কংগ্রেস পেন্টাগন বাজেটের ১০ শতাংশেরও কম, মাত্র ৫৮ বিলিয়ন ডলার, আমাদের সরকারের কূটনৈতিক শাখা—পররাষ্ট্র দপ্তরের জন্য বরাদ্দ করে। আরও খারাপ বিষয় হলো, ডেমোক্র্যাট এবং রিপাবলিকান উভয় প্রশাসনই শীর্ষ কূটনৈতিক পদগুলোতে এমন কর্মকর্তাদের নিয়োগ দিয়ে চলেছে যারা যুদ্ধ ও জবরদস্তির নীতিতে দীক্ষিত, যাদের আমাদের অত্যন্ত প্রয়োজনীয় শান্তিপূর্ণ কূটনীতির ক্ষেত্রে নগণ্য অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা রয়েছে। এটি কেবল একটি ব্যর্থ বৈদেশিক নীতিকে দীর্ঘস্থায়ী করে, যা মিথ্যা পছন্দের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে—যেমন জাতিসংঘ কর্মকর্তাদের মতে মধ্যযুগীয় অবরোধের মতো অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা, দশকের পর দশক ধরে দেশ ও অঞ্চলকে অস্থিতিশীল করা অভ্যুত্থান এবং লক্ষ লক্ষ মানুষকে হত্যা করা ও শহরগুলোকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করা যুদ্ধ ও বিমান হামলা, যেমন [[ইরাক|ইরাকের]] মসুল এবং [[সিরিয়া|সিরিয়ার]] রাক্কায় দেখা গেছে।
** [[মিডিয়া বেঞ্জামিন]] এবং [https://www.salon.com/2021/12/07/congress-loots-the-treasury-for-us-machine--while-bickering-over-build-back-better/ নিকোলাস জে.এস. ডেভিস, কংগ্রেস লোটস দ্য ট্রেজারি ফর ইউ.এস. ওয়ার মেশিন — হোয়াইল বিকারিং ওভার বিল্ড ব্যাক বেটার, ''স্যালন,''] (৭ ডিসেম্বর, ২০২১)
*তোমাদের সেবা যেন কখনো বিচ্ছিন্ন না হয়, পতাকার প্রতি অটল থেকো! সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনী চিরজীবী হোক! লাল, সাদা এবং নীলের জন্য তিনবার উল্লাসধ্বনি!
**থমাস আ বেকেট, সিনিয়র, “কলম্বিয়া, দ্য জেম অফ দ্য ওশান” (১৮৪৩)
*তুমি শান্তভাবে বুট ক্যাম্পে যাবে<br>তারা তোমাকে গুলি করে মেরে ফেলবে, তোমাকে মানুষ বানাবে<br>তুমি [[চিন্তা]] কোরো না, এটি একটি লক্ষ্যের জন্য<br>বৈশ্বিক করপোরেশনের নখর ভরার জন্য।
**জেলো বিয়াফ্রা, ''{{w|উই'ভ গট আ বিগার প্রবলেম নাও}}'', ''{{w|ইন গড উই ট্রাস্ট, ইনক.}}'' (১৯৮১)।
*[[ঈশ্বর]] আমাদের সৈন্যদের আশীর্বাদ করুন।
**[[জো বাইডেন]], [http://www.c-span.org/video/?401096-1/উইকলি প্রেসিডেন্সিয়াল অ্যাড্রেস] (২১ নভেম্বর ২০১৫)
*<p>স্বৈরাচারীরা তাদের [[লোহা|লোহার]] দণ্ড নাড়াক, এবং [[দাসত্ব|দাসপ্রথা]] তার জীর্ণ [[শৃঙ্খল|শিকল]] ঝনঝন করুক। আমরা তাদের [[ভয়]] করি না, আমরা [[ঈশ্বর|ঈশ্বরে]] [[বিশ্বাস]] রাখি...</p><p>ঈশ্বর চিরকাল রাজত্ব করেন। শত্রুরা উদ্ধত পদক্ষেপে এগিয়ে আসছে। আমাদের সৈন্যরা সামরিক শব্দের সাথে অগ্রসর হচ্ছে। তাদের প্রবীণরা আমাদের যুবকদের সামনে থেকে পালিয়ে যাচ্ছে, এবং জেনারেলরা দাড়িহীন বালকদের কাছে আত্মসমর্পণ করছে।</p>
**উইলিয়াম বিলিংস, “চেস্টার” (১৭৭০), [http://store.bobbyhorton.com/album/হোমস্পান সংস অফ দ্য প্যাট্রিওটস ইন দ্য আমেরিকান রেভোলিউশন ''দ্য নিউ ইংল্যান্ড স্যাম সিঙ্গার'']
*[[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের]] পর যুক্তরাষ্ট্র যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজটি করেছিল, তা হলো ফিরে আসা ভেটেরানদের সহায়তা করা।
**আর্ল ব্লুমেনাউয়ার (১৮ ডিসেম্বর ২০০৭), “[হাউস রিস্টোরস ওরেগন ভেটেরানস প্রভিশনস কাট বাই সিনেট]”। প্রেস বিজ্ঞপ্তি। ''কংগ্রেসম্যান আর্ল ব্লুমেনাউয়ার’স ওয়েবসাইট, রিপ্রেজেন্টিং দ্য ৩য় কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্ট অফ ওরেগন''। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদ।
*<p>[[আমেরিকা|আমেরিকার]] সামরিক শ্রেষ্ঠত্ব অপ্রতিদ্বন্দ্বী; এখানেই শেষ...</p><p>যুক্তরাষ্ট্র স্থল, [[সমুদ্র]], [[আকাশ]] এবং মহাকাশে আধিপত্য বিস্তার করে। আমেরিকার মধ্যপ্রাচ্যের দুঃসাহসিক অভিযান মার্কিন সামরিক বাহিনীকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে, কিন্তু [[ইরাক যুদ্ধ|ইরাক]] ও [[আফগানিস্তানে যুদ্ধ (২০০১–২০২১)|আফগানিস্তানের যুদ্ধ]] মার্কিন সামরিক শ্রেষ্ঠত্বের হ্রাসের চেয়ে বরং যুদ্ধের পরিবর্তনশীল প্রকৃতিকেই বেশি নির্দেশ করে। সন্ত্রাসবাদী এবং গেরিলা যোদ্ধারা কৌশলে প্রচলিত সামরিক শক্তিকে চ্যালেঞ্জ করে। যুক্তরাষ্ট্রকে শেষ পর্যন্ত এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলার জন্য সামরিক শক্তি সংকুচিত করতে শিখতে হবে। তবুও, যদিও প্রচলিত সামরিক শক্তি হয়তো সন্ত্রাসবাদীদের আটকাতে পারে না, এটি কিন্তু শত্রুভাবাপন্ন দেশগুলোকে প্রতিরোধ করার ক্ষেত্রে চমৎকার কাজ করে।</p>
**[[ইয়ান ব্রেমার]], [https://web.archive.org/web/20150528161550/http://time.com/3899972/us-superpower-status-military/ “দিজ আর দ্য ৫ রিজনস হোয়াই দ্য ইউ.এস. রিমেইনস দ্য ওয়ার্ল্ডস অনলি সুপারপাওয়ার: হোয়াই ওয়াশিংটন ক্যান স্টিল ক্লেইম গ্লোবাল প্রাইমেসি ইন দ্য ২১স্ট সেঞ্চুরি”] (২৮ মে ২০১৫), ''টাইম''
*যদি আপনার [[দেশ|দেশের]] আপনার [[প্রয়োজন]] হয়, তবে আপনার সেখানেই থাকা উচিত; আমি যখন [[যুবক]] ছিলাম তখন এমনটাই অনুভব করতাম, এবং আজও আমি তা-ই অনুভব করি।
**[[ফ্রাঙ্ক বাকলস]], মার্কিন সেনাবাহিনীতে সেবা সম্পর্কে, ''দ্য নক্সভিল নিউজে'' উদ্ধৃত
*[পররাষ্ট্র নীতির “সামরিকীকরণ” বিষয়ক উদ্বেগের প্রশ্নের জবাবে তাঁর প্রতিক্রিয়া] আমাদের সবারই উদ্বিগ্ন হওয়া উচিত। প্রতিরক্ষা ও সামরিক নেতারা কূটনীতির ওপর শক্তির ভূমিকা পরিবর্তনের—উভয় দলের প্রশাসনের মধ্যেই—ক্ষতিকারক প্রবণতা তুলে ধরার ব্যাপারে পিছপা হন না। আমরা সবাই সেক্রেটারি অফ ডিফেন্স [[রবার্ট গেটস|বব গেটস]]ের লাইনটি উদ্ধৃত করেছি যে, সামরিক বাহিনীতে আমাদের ফরেন সার্ভিস অফিসারদের চেয়ে বেশি সঙ্গীতজ্ঞ রয়েছে, এবং [[জিম ম্যাটিস|জিম ম্যাটিস]]ের পয়েন্টটি যে, আমরা যদি কূটনীতিতে কম বিনিয়োগ অব্যাহত রাখি তবে আমাদের “আরও গোলাবারুদ কিনতে হবে”। কিন্তু আমি ভয় পাচ্ছি যে, তাতে খুব একটা কাজ হয়নি। অবশ্যই, আমাদের নিশ্চিত করা উচিত যে আমাদের সামরিক বাহিনী অন্য যেকোনো দেশের চেয়ে শক্তিশালী, যাতে আমাদের শেষ হাতিয়ারটি শক্তিশালী ও টেকসই হয়। এবং অবশ্যই, কূটনীতি পরিচালনায় শক্তি বা শক্তির হুমকি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যারা আমাদের বিপরীতে টেবিলে বসেছিলেন, তাদের মনোযোগ আকর্ষণ করতে পেরে আমরা সবাই মার্কিন সামরিক বাহিনী থেকে উপকৃত হয়েছি... কিন্তু বারবার, আমরা দেখেছি যে সামরিক হাতিয়ারের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা আমাদের নীতির চোরাবালিতে নিয়ে যেতে পারে। বারবার, আমরা শক্তির অত্যধিক ব্যবহারের—বা সময়ের আগেই ব্যবহারের—ফাঁদে পড়েছি। এটি আমেরিকান রক্ত ও অর্থের ক্ষেত্রে অনেক বেশি ব্যয়সাধ্য এবং এটি কূটনীতিকে একটি বিকৃত ও কম সম্পদের সংস্থানযুক্ত গৌণ বিষয়ে পরিণত করে। [[সেপ্টেম্বর ১১-এর হামলা|৯/১১]]-পরবর্তী যুগের চিরস্থায়ী যুদ্ধে, [শক্তি ও কূটনীতির] এই “মহা বিপরীতকরণ” পররাষ্ট্র দপ্তরের পেশাদারদের এমন জাতি-গঠনের ভূমিকায় ঠেলে দিয়েছে যা আমেরিকান কূটনীতিক বা অন্য কোনো বাহ্যিক শক্তির ক্ষমতার বাইরে। যদিও আমাদের সহকর্মীরা সাহস ও বুদ্ধিমত্তার সাথে সেবা করেছেন, সত্যটি হলো আমরা আমেরিকান ফরেন সার্ভিস, ব্রিটিশ কলোনিয়াল সার্ভিস নই।
** উইলিয়াম জে. বার্নস, ''দ্য ডিপ্লোম্যাসি ইম্পারেটিভ: আ কিউ অ্যান্ড এ উইথ উইলিয়াম জে. বার্নস, দ্য ফরেন সার্ভিস জার্নাল,'' মে ২০১৯
*কমান্ডার ইন চিফ হিসেবে, আমি আপনাদের রিপোর্ট করছি: আমাদের সশস্ত্র বাহিনী সম্মান ও বীরত্বের সাথে লড়াই করেছে।
**[[জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ|জর্জ এইচ. ডাব্লিউ. বুশ]], [http://www.nytimes.com/1991/03/07/us/after-war-president-transcript-president-bush-s-address-end-gulf-war.html?pagewanted=all মার্কিন কংগ্রেসের উদ্দেশ্যে ভাষণ] (২৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৯১)
*<p>যখন আমি আমাদের সৈন্যদের কাজে আহ্বান জানিয়েছিলাম, আমি তাদের সাহস ও দক্ষতার ওপর পূর্ণ আস্থা নিয়ে তা করেছিলাম। এবং আজ রাতে, তাদের ধন্যবাদ, আমরা যুদ্ধে জয়ী হচ্ছি...</p><p>আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর পুরুষ ও নারীরা এমন একটি বার্তা দিয়েছেন যা এখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি শত্রুর কাছে পরিষ্কার। এমনকি ৭,০০০ মাইল দূরে, মহাসাগর ও মহাদেশ জুড়ে, পাহাড়ের চূড়ায় এবং গুহায়; তোমরা এই জাতির ন্যায়বিচার থেকে বাঁচতে পারবে না।</p>
**[[জর্জ ডব্লিউ বুশ|জর্জ ডাব্লিউ. বুশ]], স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন অ্যাড্রেস (২৯ জানুয়ারি ২০০২)
*<p>যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনীর সকল পুরুষ ও নারীদের প্রতি...</p><p>একটি সমস্যাসংকুল বিশ্বের শান্তি এবং নির্যাতিত মানুষের আশা এখন আপনাদের ওপর নির্ভর করে। সেই আস্থা সঠিকভাবে অর্পিত। আপনারা যে শত্রুদের মোকাবিলা করবেন তারা আপনাদের দক্ষতা ও বীরত্ব সম্পর্কে জানতে পারবে। আপনারা যাদের মুক্ত করবেন তারা আমেরিকান সামরিক বাহিনীর সম্মানজনক ও শালীন চেতনা প্রত্যক্ষ করবে। এই সংঘাতের মধ্যে, আমেরিকা এমন এক শত্রুর মুখোমুখি হয়েছে যার যুদ্ধের রীতি বা নৈতিকতার নিয়মের প্রতি কোনো শ্রদ্ধা নেই...</p><p>আমি জানি যে আমাদের সামরিক পরিবারের সদস্যরা প্রার্থনা করছেন যাতে যারা সেবা করছেন তারা সবাই নিরাপদে এবং শীঘ্রই ফিরে আসেন। লক্ষ লক্ষ আমেরিকান আপনাদের প্রিয়জনদের নিরাপত্তা এবং নিরপরাধীদের সুরক্ষার জন্য আপনাদের সাথে প্রার্থনা করছেন। আপনাদের ত্যাগের জন্য, আপনারা আমেরিকান জনগণের কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা পেয়েছেন। এবং আপনারা জানতে পারেন যে আমাদের বাহিনী কাজ শেষ হবামাত্রই বাড়িতে ফিরে আসবে...</p><p>আমাদের দেশ ও বিশ্বের বিপদগুলো কাটিয়ে ওঠা হবে। আমরা এই বিপদের সময় পার করে শান্তির কাজ চালিয়ে যাব। আমরা আমাদের স্বাধীনতা রক্ষা করব। আমরা অন্যদের স্বাধীনতা এনে দেব এবং আমরা জয়ী হব...</p><p>ঈশ্বর আমাদের দেশকে এবং যারা তাকে রক্ষা করে তাদের আশীর্বাদ করুন।</p>
**[[জর্জ ডব্লিউ বুশ|জর্জ ডাব্লিউ. বুশ]], [https://listenonrepeat.com/watch/?v=5BwxI_l84dc ইরাক আক্রমণের ভাষণ] (১৯ মার্চ ২০০৩)
*আমেরিকা এবং আমাদের মিত্ররা ভিন্ন ধরনের শত্রুর বিরুদ্ধে নতুন ধরনের যুদ্ধ করছে। এই সংঘাত আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর পুরুষ ও নারীদের—আমাদের গার্ড ও রিজার্ভসহ—ওপর বড় দাবি রাখে। তারা প্রতিটি পরীক্ষা দিয়েছে; তারা প্রতিটি চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করেছে। এই যুদ্ধ সরকারে আমাদের ওপরও দাবি রাখে। আমরা আমাদের দেশ রক্ষার শপথ নিয়েছি। যারা আমাদের রণক্ষেত্রে রক্ষা করে, সেই সেবা করা পুরুষ ও নারীদের সহায়তা করার পবিত্র দায়িত্ব আমাদের রয়েছে।
**[[জর্জ ডব্লিউ বুশ|জর্জ ডাব্লিউ. বুশ]], [http://www.washingtonpost.com/wp-dyn/articles/A42299-2004Aug5.html প্রতিরক্ষা বিল স্বাক্ষরের সময় মন্তব্য] (৫ আগস্ট ২০০৪)
*ইরাকে আমাদের সৈন্যরা সাহসের সাথে লড়াই করেছে। তারা সবকিছুই করেছে যা আমরা তাদের করতে বলেছি। যেখানে ভুল হয়েছে, তার দায়ভার আমার।
**[[জর্জ ডাব্লিউ. বুশ]], [http://georgewbush-whitehouse.archives.gov/news/releases/2007/01/20070110-7.html জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ] (১০ জানুয়ারি ২০০৭)
*বাঙ্কার হিল থেকে [[বাগদাদ|বাগদাদ]], আমেরিকান সশস্ত্র বাহিনীর পুরুষ ও নারীরা আমাদের গণতন্ত্রের নিবেদিত অভিভাবক।
**[[জর্জ ডব্লিউ বুশ|জর্জ ডাব্লিউ. বুশ]], [https://georgewbush-whitehouse.archives.gov/news/releases/2008/11/20081101.html রেডিও ভাষণ] (১ নভেম্বর ২০০৮)
*আমাদের সৈন্যদের যুদ্ধগুলো দুটি নাটকীয়ভাবে ভিন্ন ব্যবস্থার মধ্যে বৃহত্তর সংগ্রামের অংশ। একটির অধীনে, ধর্মান্ধদের একটি ছোট দল একটি নিপীড়নমূলক আদর্শের প্রতি সম্পূর্ণ আনুগত্য দাবি করে, নারীদের অধীনস্থতায় নিন্দা করে, এবং অবিশ্বাসী ব্যক্তিদের হত্যার জন্য চিহ্নিত করে। অন্য ব্যবস্থাটি এই বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে যে স্বাধীনতা সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের সার্বজনীন উপহার এবং স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচার শান্তির পথ আলোকিত করে। এই সেই বিশ্বাস যা [[যুক্তরাষ্ট্র|আমাদের জাতির]] জন্ম দিয়েছে। এবং দীর্ঘমেয়াদে, এই বিশ্বাসকে এগিয়ে নেওয়াই আমাদের নাগরিকদের রক্ষা করার একমাত্র ব্যবহারিক উপায়।
**[[জর্জ ডব্লিউ বুশ|জর্জ ডাব্লিউ. বুশ]], [http://www.nytimes.com/2009/01/15/us/politics/15bush-text.html?pagewanted=all&_r=0 হোয়াইট হাউস থেকে জাতির উদ্দেশ্যে বিদায়ী ভাষণ] (১৫ জানুয়ারি ২০০৯)
*<p>আমি [[কমান্ডার ইন চিফ|কমান্ডার ইন চিফ]] হওয়া মিস করি, এবং এটি একটি সহজ [[প্রশ্ন]] যার [[উত্তর]] দেওয়া যায়। আমি আমাদের সামরিক বাহিনীকে [[ভালোবাসি]]...</p><p>আমি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীকে ভালোবাসি, এবং আমরা একটি ভাগ্যবান জাতি যে আমাদের এমন মানুষ আছে যারা [[সেবা|সেবা করতে]] স্বেচ্ছায় এগিয়ে আসে।</p>
**[[জর্জ ডব্লিউ বুশ|জর্জ ডাব্লিউ. বুশ]], [https://web.archive.org/web/20131205082100/http://www.today.com/id/40108402/ns/today-today_news/t/bush-reacts-apology-kanye-west/ ''টুডে''তে সাক্ষাৎকার] (৯ নভেম্বর ২০১০), ম্যাট লাউয়ারের সাথে।
*যুদ্ধ একটি র্যাকেট (প্রতারণামূলক ব্যবসা)। এটি সবসময়ই ছিল। এটি সম্ভবত সবচেয়ে প্রাচীন, সহজেই সবচেয়ে লাভজনক, নিশ্চিতভাবেই সবচেয়ে নিষ্ঠুর। এটিই একমাত্র আন্তর্জাতিক পরিধির। এটিই একমাত্র ব্যবসা যেখানে মুনাফার হিসাব করা হয় ডলারে এবং ক্ষতির হিসাব করা হয় প্রাণে। ... একটি র্যাকেটকে আমার মতে, এমন কিছু হিসেবে বর্ণনা করা ভালো যা অধিকাংশ মানুষের কাছে যা মনে হয়, আসলে তা নয়।
** স্মেলি বাটলার ''ওয়ার ইজ আ র্যাকেট'' (১৯৩৫)-এ
*মাত্র একটি ছোট “ভেতরের” গোষ্ঠী জানে এটি কিসের জন্য। এটি খুব অল্প সংখ্যক মানুষের লাভের জন্য, অনেকের খরচে পরিচালিত হয়। যুদ্ধ থেকে অল্প কিছু মানুষ বিশাল সম্পদ অর্জন করে। ... এই নতুন অর্জিত অঞ্চল অবিলম্বে সেই অল্প কিছু মানুষ দ্বারা শোষিত হয়—সেই একই মানুষ যারা যুদ্ধে [[রক্ত]] থেকে ডলার নিংড়ে নিয়েছিল। সাধারণ জনগণ বিল বহন করে। আর এই বিল কী? ... নতুন বসানো সমাধিফলক। ছিন্নভিন্ন দেহ। চূর্ণ-বিচূর্ণ মন। ভাঙা হৃদয় ও বাড়ি। অর্থনৈতিক অস্থিরতা। মন্দা এবং এর সাথে সম্পর্কিত সমস্ত দুঃখ। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে পিঠভাঙা কর।
**স্মেলি বাটলার [[যুদ্ধ একটি র্যাকেট|''ওয়ার ইজ আ র্যাকেট'']] (১৯৩৫)-এ
*আমি তেত্রিশ বছর এবং চার মাস সক্রিয় সামরিক সেবায় কাটিয়েছি এই দেশের সবচেয়ে ক্ষিপ্র সামরিক বাহিনী, মেরিন কোরের সদস্য হিসেবে। আমি সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট থেকে মেজর-জেনারেল পর্যন্ত সকল কমিশনপ্রাপ্ত পদমর্যাদায় কাজ করেছি। এবং সেই সময়ে, আমি আমার বেশিরভাগ সময় বড় ব্যবসা, ওয়াল স্ট্রিট এবং ব্যাংকারদের জন্য উচ্চ শ্রেণির পেশী-মানব হিসেবে কাটিয়েছি। সংক্ষেপে, আমি ছিলাম একজন র্যাকেটিয়ার, পুঁজিবাদের জন্য একজন গ্যাংস্টার।
**স্মেলি বাটলার ''মাভেরিক মেরিন জেনারেল স্মেলি ডি. বাটলার অ্যান্ড দ্য কন্ট্রাডিকশনস অফ আমেরিকান মিলিটারি হিস্ট্রি'' (২০১৪)তে
=== হাইডি বিরিচ, [https://www.congress.gov/116/meeting/house/110495/witnesses/HHRG-116-AS02-Wstate-BeirichH-20200211.pdf “অ্যালার্মিং ইনসিডেন্টস অফ হোয়াইট সুপ্রিমেসি ইন দ্য মিলিটারি – হাউ টু স্টপ ইট?”], ''Congress.gov'', (১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০) ===
* সশস্ত্র বাহিনীর নিজস্ব সৈন্যরা জানে যে পদমর্যাদায় [[শ্বেতাঙ্গ আধিপত্য|শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্ব]] একটি গুরুতর [[সমস্যা]]। ২০১৭ সালে ''মিলিটারি টাইমসে''র একটি জরিপে দেখা গেছে যে, প্রায় ২৫ শতাংশ সক্রিয় সামরিক কর্মী সশস্ত্র বাহিনীতে [[শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদ]] এবং [[বর্ণবাদের]] সম্মুখীন হয়েছেন। সেই সময়ে সক্রিয় দায়িত্ব পালনরত সৈন্য ছিল প্রায় ১.৩ মিলিয়ন, যার অর্থ প্রায় ৩,২৫,০০০ সৈন্য কোনো না কোনোভাবে শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদের সম্মুখীন হয়েছিল। একই প্রকাশনার ২০১৮ এবং ২০১৯ সালের পরবর্তী জরিপগুলোতেও মূলত একই উদ্বেগজনক ফলাফল পাওয়া গেছে।
** পৃষ্ঠা ৪
* এলিসনের মন্তব্যের জবাবে, প্রতিরক্ষা দপ্তর বলেছিল যে এটি “গত পাঁচ বছরে সার্ভিস সদস্যদের দ্বারা (অভ্যন্তরীণ) চরমপন্থী কার্যকলাপের ২৭টি রিপোর্ট” পেয়েছে। চিঠিতে আরও বলা হয়, সামরিক কর্মকর্তারা এই রিপোর্টগুলোর মধ্যে ২৫টির তদন্ত করেছেন; পরিশেষে, সামরিক বাহিনীর ১৮ জন সদস্যকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করা হয়েছে বা সশস্ত্র বাহিনী থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সৈন্যদের চরমপন্থার প্রকৃতি নথিভুক্ত করা হয়নি।
** পৃষ্ঠা ৪
* এক বিবৃতিতে, পেন্টাগনের মুখপাত্র, বিমান বাহিনীর মেজর কার্লা গ্লিসন বলেছেন: “ডিওডি সম্ভাব্য নতুন সৈন্য, নাবিক, বিমানসেনা এবং মেরিনদের সম্পর্কে যথাসম্ভব বেশি জানার জন্য একটি বহু-স্তরের পদ্ধতি ব্যবহার করে, যাতে আমরা মূল্যায়ন করতে পারি যে তাদের সামরিক বাহিনীতে সেবার বিশেষাধিকার দেওয়া উচিত কিনা। যদিও আমরা গ্যারান্টি দিতে পারি না যে সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়া প্রতিটি ব্যক্তি চরমপন্থী চিন্তাধারা থেকে মুক্ত থাকবে, বিভিন্ন স্ক্রিনিং সরঞ্জাম আমাদের এমন লোকদের শনাক্ত করার সর্বোত্তম সুযোগ প্রদান করে যারা আমাদের মূল্যবোধগুলো শেয়ার করে না।”
** পৃষ্ঠা ৯
* মিলিটারি টাইমসের ২০১৮ সালের জরিপে, যাতে প্রায় ৯০০ জন সক্রিয়-দায়িত্ব পালনরত সৈন্যের প্রতিক্রিয়া অন্তর্ভুক্ত ছিল, অংশগ্রহণকারী সার্ভিস সদস্যদের মধ্যে ২২ শতাংশ বলেছিলেন যে তারা সশস্ত্র বাহিনীতে শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদ বা বর্ণবাদী মতাদর্শের লক্ষণ দেখেছেন। জরিপ করা সংখ্যালঘু সার্ভিস সদস্যদের মধ্যে, বর্ণবাদ এবং বর্ণবাদী মতাদর্শের ঘটনা ২০১৭ সালের ৪২ শতাংশ থেকে বেড়ে ২০১৮ সালে অর্ধেক ছাড়িয়ে গেছে। উত্তরদাতারা জাতিগত গালি ও ইহুদিবিদ্বেষী ভাষার নৈমিত্তিক ব্যবহার, অন্যান্য সৈন্যদের অভিযোগ সত্ত্বেও [[কনফেডারেট স্টেটস অফ আমেরিকা|কনফেডারেট]] পতাকার প্রদর্শন, যুদ্ধের অঞ্চলে বাথরুমের দেয়ালে আঁকা স্বস্তিকা এবং শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্বের সাথে যুক্ত ট্যাটুর কথা উল্লেখ করেছেন। এটি উল্লেখ করা উচিত যে, যদি এই আচরণ কোনো বেসামরিক কর্মক্ষেত্রে ঘটত, তবে এই ঘটনাগুলোকে প্রতিকূল কর্মপরিবেশে অবদান হিসেবে দেখা হতো। পত্রিকাটি রিপোর্ট করেছে যে একজন বেনামী সার্ভিস সদস্য লিখেছেন, “আমার কয়েকজন সহকর্মী আছেন যারা বলেছেন যে তারা ‘অল্টরাইট’, এবং তারা ‘কৃষ্ণাঙ্গ, মুসলিম, হিস্পানিক এবং সাধারণভাবে অভিবাসীদের প্রতি তীব্র ঘৃণার খুবই স্পষ্ট বক্তব্য’ দিয়েছেন। তারা অনুকূল দায়িত্ব প্রদান না করে অন্যদের শাস্তি দেয়, ইত্যাদি।”
** পৃষ্ঠা ১২
* ২০০৯ সালের একটি স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা দপ্তর (ডিএইচএস) রিপোর্ট আরও সতর্ক করেছিল যে, প্রথম আফ্রিকান আমেরিকান রাষ্ট্রপতির নির্বাচন, অর্থনৈতিক মন্দা এবং [[ইরাক]] ও [[আফগানিস্তান|আফগানিস্তানে]] যুদ্ধ থেকে ফিরে আসা বেকার ভেটেরানদের আগমন ছিল সম্ভাব্য ফ্ল্যাশপয়েন্ট, এবং সামরিক কর্মী ও ভেটেরানদের চরম ডানপন্থী চরমপন্থী গোষ্ঠীগুলো লক্ষ্যবস্তু করছিল। দুর্ভাগ্যবশত, এই রিপোর্ট রাজনীতিবিদ, রক্ষণশীল ভাষ্যকার এবং ভেটেরান গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে একটি রাজনৈতিক ঝড় সৃষ্টি করেছিল। ফলস্বরূপ, এটি ডিএইচএস সেক্রেটারি [[জ্যানেট ন্যাপোলিটানো|জ্যানেট ন্যাপোলিটানো]] দ্বারা বাতিল করা হয়েছিল এবং ওবামা প্রশাসন পরবর্তীতে সমস্যাটি সমাধানের জন্য খুব কমই কাজ করেছে।
** পৃষ্ঠা ১৩
* তৎকালীন প্রতিরক্ষা সচিব উইলিয়াম পেরি আপডেট করা প্রবিধানের উদ্দেশ্য বর্ণনা করতে আরও শক্তিশালী ভাষা ব্যবহার করেছিলেন। পেরি বলেছিলেন, “প্রতিরক্ষা দপ্তরের নীতিতে সেনাবাহিনীতে বর্ণবাদী এবং চরমপন্থী কার্যকলাপের কোনো স্থান নেই। আমাদের অবশ্যই—এবং আমরা করব—সেনাবাহিনী থেকে ধর্মান্ধতা, বর্ণবাদ এবং চরমপন্থা মুছে ফেলার জন্য প্রতিটি প্রচেষ্টা করতে হবে। চরমপন্থী কার্যকলাপ ন্যায্যতা, সুশৃঙ্খলতা এবং শৃঙ্খলাকে আপস করে। সশস্ত্র বাহিনী, যা জাতি ও তার মূল্যবোধকে রক্ষা করে, সেই মূল্যবোধগুলোর উদাহরণ প্রশ্নাতীতভাবে হওয়া উচিত।”
** পৃষ্ঠা ১৪
* দীর্ঘকাল ধরে এই বিষয়ে দ্বিদলীয় ঐক্যমত্য রয়েছে যে, সামরিক বাহিনীতে শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদীদের অনুমতি দেওয়া অগ্রহণযোগ্য এবং আমেরিকান জনগণের জন্য বিপজ্জনক, যাদের রক্ষার শপথ সশস্ত্র বাহিনী নিয়েছে। যেমন রিপাবলিকান সিনেটর রিচার্ড শেলবি (আর-আলা.) ২০০৬ সালে পেন্টাগনের কাছে লেখা এক চিঠিতে লিখেছিলেন, “সামরিক চরমপন্থীরা তাদের সহকর্মী এবং জনসাধারণের জন্য উচ্চতর হুমকি সৃষ্টি করে। আমরা টিমোথি ম্যাকভেই-এর সাথে দেখেছি যে আজকের বর্ণবাদী চরমপন্থী আগামিকালকের অভ্যন্তরীণ সন্ত্রাসবাদী হতে পারে। আমাদের সমাজের সমস্ত প্রতিষ্ঠানের মধ্যে, মার্কিন সামরিক বাহিনী হলো সেই শেষ স্থান যেখানে চরমপন্থীদের অস্তিত্ব থাকার অনুমতি দেওয়া যেতে পারে।”
** পৃষ্ঠা ১৬
* চরমপন্থীদের বিষয়ে সামরিক বাহিনী কীভাবে অন্যান্য শাখা এবং এফবিআই সহ অন্যান্য ফেডারেল এজেন্সির সাথে তথ্য শেয়ার করে তা অস্পষ্ট। যখন সার্ভিসগুলো তাদের পদমর্যাদায় কোনো চরমপন্থীকে সম্পর্কে সচেতন হয়, তখন সেই সৈন্যকে বরখাস্ত করার পরে সেই তথ্যের কী ঘটে? সার্ভিসগুলো কীভাবে একে অপরকে সতর্ক করে যখন তারা চরমপন্থী দৃষ্টিভঙ্গি সম্পন্ন কাউকে তালিকাভুক্ত করে? তারা কীভাবে সামরিক বাহিনীর নেটওয়ার্কগুলো তদন্ত করে যেগুলোর সাথে শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদী যুক্ত থাকতে পারে বা যেখান থেকে তাদের নিয়োগ দেওয়া হতে পারে? শাখা এবং তদন্তকারী সার্ভিসগুলো কীভাবে শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদীদের সম্পর্কে তথ্য শেয়ার করে? সার্ভিস সদস্য সামরিক বাহিনী ত্যাগ করার পরে সার্ভিসগুলো কীভাবে চরমপন্থীদের সম্পর্কে এবং এফবিআই ও বিচার দপ্তরের সাথে একে অপরের সাথে মিথস্ক্রিয়া করে এবং তথ্য শেয়ার করে, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
** পৃষ্ঠা ১৭
==সি==
*<p>আমরা পাহারা দিই...</p><p>সতর্ক থাকি...</p><p>আমরা কিছু একটা সঠিক করছি। আমাদের বিশ্বের সেরা বাহিনী আছে, কারণ আমাদের সেরা মানুষগুলো আছে। এটি একটি ''স্বেচ্ছাসেবী'' বাহিনী, তাই সেরা আমেরিকানদের পেতে আমাকে বাকি অর্থনীতির সাথে প্রতিযোগিতা করতে হয় এবং আমাকে সামনের কথা চিন্তা করতে হয়। আমি কীভাবে প্রতিযোগিতা করব? কীভাবে আমাদের একটি আকর্ষণীয় জায়গা করে তুলব? তাই, আমাকে ক্রমাগত ভবিষ্যতের দিকে তাকাতে হয়...</p><p>তাই, কিছু সংস্কার করা বাকি। কিন্তু, মানুষের ক্ষেত্রে এটি একটি চমৎকার শক্তি বজায় রাখার বিষয়, যা হলো স্বেচ্ছাসেবী বাহিনী, একটি প্রতিযোগিতামূলক শ্রম বাজারে শক্তিশালী...</p><p>এই প্রতিষ্ঠানে, এটি গুরুত্বপূর্ণ যে আমরা রাজনৈতিক প্রক্রিয়া থেকে দূরে থাকি। এটিই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আমাদের ঐতিহ্য।</p>
**[[অ্যাশটন কার্টার]], [http://www.charlierose.com/ চার্লি রোজের সাথে সাক্ষাৎকার] (ফেব্রুয়ারি ২০১৬)
*যেহেতু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরকার হলো 'জনগণের, জনগণের জন্য এবং জনগণের দ্বারা', তাই যেসব নাগরিকরা সামরিক বিষয়ে নিয়ন্ত্রণ রাখেন, তাদের 'নিজেকে জানুন' বলার সময় এসেছে।
**আন্দা আর. চ্যাফি, [https://archive.org/details/valorofignorance00leahuoft ''দ্য ভ্যালর অফ ইগনোরেন্স''] (১৯০৯), হোমার লি, পৃষ্ঠা xi-xiiতে উদ্ধৃত।
*<p>সামরিক বাহিনী সবসময়ই একটি অত্যন্ত অন্তর্মুখী সংগঠন...</p><p>সেনাবাহিনী এত প্রগতিশীল হওয়ার একটি কারণ হলো এটি সবসময় নিজেকে যাচাই করে। সেনাবাহিনী সবসময় তার কাজ করার আরও ভালো উপায় খোঁজে...</p><p>সেনাবাহিনী বর্ণবাদ দূরীকরণে আমেরিকাকে নেতৃত্ব দিয়েছে...</p><p>সেনাবাহিনী খুব আগেই বুঝতে পেরেছিল যে, কৃষ্ণাঙ্গ মানুষ আর শ্বেতাঙ্গ মানুষ একই; তারা কেবল একটু বেশি শ্যামলা। তারা ঠিক ততটাই ভালো সৈনিক হয়...</p><p>এরা আমাদের সন্তান...</p><p>এরা ভালো সন্তান...</p><p>সেনাবাহিনী বা মেরিন কোরে যোগ দিলে কেউ ক্রিপ্টো-মদ্যপ [[নাৎসিবাদ|নাৎসি]] হয়ে যায় না, বরং সে আমেরিকার এমন একটি সন্তান হয়ে ওঠে যে তার দেশের জন্য কাজ করছে...</p><p>এরা আমাদের সন্তান।</p>
**টম ক্ল্যান্সি, [http://c-spanvideo.org/program/TomC "ইন ডেপথ উইথ টম ক্ল্যান্সি"] (৩ ফেব্রুয়ারি ২০০২), ''সি-স্প্যান''
*আমেরিকানরা সম্মিলিতভাবে নিজেদের বিশ্বের যেকোনো কোণে দ্বন্দ্ব ও সংঘাত শুরু হলে সেখানে ২৪ ঘণ্টা তলব করা একটি বিশাল উদ্ধারকারী দল হিসেবে ভাবে।
**এলড্রিজ ক্লিভার, ''সোল অন আইস'' (১৯৬৮), দ্বিতীয় খণ্ড: "র্যালিং রাউন্ড দ্য ফ্ল্যাগে" উদ্ধৃত।
*সম্পূর্ণ স্বেচ্ছাসেবী সামরিক বাহিনী কাজ করেছে এবং আমাদের এমন কিছু করা উচিত নয় যা এটিকে দুর্বল করে, কারণ এটি এমন একদল মানুষকে সরবরাহ করেছে যারা আমাদের [[দেশ|দেশের]] সেবা করতে ইচ্ছুক।
**[[হিলারি ক্লিনটন]], [http://cnnpressroom.blogs.cnn.com/2016/02/04/rush-transcript-hillary-clinton-cnn-democratic-presidential-town-hall/ সিএনএন টাউন হল মিটিং] (ফেব্রুয়ারি ২০১৬)
*এখানে এক মিলিয়ন সৈন্যের এক ভূমি, যদি আমাদের প্রয়োজন হয়। আমরা স্বাধীনতার জন্য লড়ব!
**জর্জ এম. কোহান, "ইউ আর আ গ্র্যান্ড ওল্ড ফ্ল্যাগ" (১৯০৬)
*<p>[[মুসলিম|মুসলিমরা]] জেনারেল [[জর্জ ওয়াশিংটন|জর্জ ওয়াশিংটনের]] অধীনে মার্কিন সামরিক বাহিনীতে সেবা করেছেন, যিনি আমেরিকান স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় কন্টিনেন্টাল আর্মির প্রধান ছিলেন। ওয়াশিংটনের বাহিনীতে সেবা করা সৈন্যদের তালিকায় বাম্পেট মুহাম্মদের মতো নাম আছে, যিনি ১৭৭৫ থেকে ১৭৮৩ সালের মধ্যে ভার্জিনিয়া লাইনের জন্য যুদ্ধ করেছিলেন। ওয়াশিংটনের আরেক সৈনিক, ইউসুফ বেন আলি ছিলেন একজন উত্তর আফ্রিকান আরব যিনি দক্ষিণ ক্যারোলিনার জেনারেল থমাস সামটারের সহকারী হিসেবে কাজ করতেন। পিটার বাকমিনস্টার, যিনি বোস্টনে যুদ্ধ করেছিলেন, সম্ভবত ওয়াশিংটনের সবচেয়ে বিশিষ্ট মুসলিম আমেরিকান সৈনিক। বাকমিনস্টার সেই বন্দুকটি চালিয়েছিলেন যা বাঙ্কার হিলের যুদ্ধে ব্রিটিশ মেজর জেনারেল জন পিটকাইর্নকে হত্যা করেছিল। এই বিখ্যাত যুদ্ধের কয়েক বছর পর, পিটার তার শেষ নাম পরিবর্তন করে 'সালাম' রাখেন, যা [[আরবি|আরবি]] শব্দ, যার অর্থ 'শান্তি'। পিটার সালাম পরবর্তীতে [[সারাটোগার যুদ্ধ|সারাটোগার যুদ্ধ]] এবং [[স্টনি পয়েন্টের যুদ্ধ|স্টনি পয়েন্টের যুদ্ধ]]ে সেবা করার জন্য কন্টিনেন্টাল আর্মিতে পুনরায় তালিকাভুক্ত হন। ওয়াশিংটনের সেনাবাহিনীতে মুসলিমদের সেবা নিয়ে সমস্যা থাকলে, তিনি মুহাম্মদ, আলি এবং সালামকে অ-মুসলিম আমেরিকানদের প্রতিনিধিত্ব করতে ও সেবা করতে দিতেন না। এই মুসলিমদের আমেরিকাকে সেবা করার সম্মান দিয়ে, ওয়াশিংটন স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে একজন আমেরিকান দেশপ্রেমিক হওয়ার জন্য কোনো নির্দিষ্ট ধর্ম বা জাতিগত পটভূমির হতে হয় না...</p><p>আমেরিকান ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় গৃহযুদ্ধে মুসলিমরা ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছে...</p><p>নিম্নলিখিত প্রশ্নটি নিয়ে চিন্তা করুন। [[জর্জ ওয়াশিংটন|জর্জ ওয়াশিংটন]] কার পক্ষে থাকতেন? মার্কিন সামরিক বাহিনীতে সেবা করা মুসলিম নাগরিকরা, নাকি সেই গোঁড়া ধর্মান্ধদের দল যারা উপাসনালয়ে আমেরিকান নাগরিকদের সহিংসতার হুমকি দেয়?</p>
**ক্রেইগ কনসিটিন, [http://www.huffingtonpost.com/craig-considine/the-difference-between-an_1_b_8257506.html ''স্যালুটিং মুসলিম আমেরিকান প্যাট্রিয়টস'']
*আমাদের জনসংখ্যার মতো বিশ্বের সকল [[জাতি|জাতি]], [[ধর্ম|ধর্ম]] এবং [[জাতীয়তা|জাতীয়তা]] দেশের সশস্ত্র বাহিনীতে প্রতিনিধিত্ব করেছে। কোনো ব্যক্তির [[দেশপ্রেম|দেশপ্রেম]] বা সেবা তার জাতিগত উৎপত্তি, রাজনৈতিক মতামত বা ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে প্রশ্নবিদ্ধ হয়নি। অভিবাসী এবং মধ্য ইউরোপীয় দেশগুলো থেকে আসা অভিবাসীদের সন্তানরা আমাদের মিত্র দেশগুলো থেকে আসা বংশোদ্ভূতদের সাথে, নিরক্ষীয় আফ্রিকার সন্তানদের সাথে এবং আমাদের নিজস্ব আদিবাসী জনসংখ্যার সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধ করেছে, '''তাদের সবাই সমানভাবে 'আমেরিকান' নামের জন্য গর্বিত'''।
**[[ক্যালভিন কুলিজ]], [https://archive.org/stream/foundationsofrep00unit/foundationsofrep00unit_djvu.txt ''টলারেশন অ্যান্ড লিবারালিজম''] (৬ অক্টোবর ১৯২৫), আমেরিকান লিজিয়ন কনভেনশন, ওমাহা, নেব্রাস্কা।
*আমরা খ্যাতি নিয়ে [[জীবন|যাপন]] করি অথবা শিখায় ডুবে যাই!<br />হে! মার্কিন বিমান বাহিনীকে কিছুই থামাতে পারবে না!
**রবার্ট ম্যাকার্থার ক্রফোর্ড, ''দ্য ইউ.এস. এয়ার ফোর্স'' (১৯৪৭)
*সরকার শক্তি, প্রতারণা এবং ছলচাতুরীর মাধ্যমে শাসন করে। তথ্যের অবরোধ সামরিক বাহিনী থেকেই শুরু হয়। সামরিক বাহিনী ইচ্ছাকৃতভাবে তথ্য সীমাবদ্ধ করে, তাছাড়া এর বিশাল আকার ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এমন যে এটি বোঝা এত কঠিন যে রাজনৈতিক নেতারাও সেই প্রতিষ্ঠানটি বুঝতে পারেন না যাকে তাদের কমান্ড করার কথা। আপনি প্রমাণ চান? মার্কিন গভর্নমেন্ট অ্যাকাউন্টেবিলিটি অফিসের ২০১৬ সালের রিপোর্টটি পড়ার চেষ্টা করুন, যা বের করতে পারেনি যে সামরিক বাহিনী ঠিক কতটা তেল পোড়ায়। GAO উপসংহারে পৌঁছেছে: “[ক]ংগ্রেসের কাছে বার্ষিক ভিত্তিতে সামরিক পরিষেবাগুলোর কার্যকলাপের জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানির পরিমাণের ওপর পূর্ণ দৃশ্যমানতা নেই...” এটি অবাক হওয়ার মতো বিষয় নয়। ১৯৫০ সালের দিকে প্রতিষ্ঠার পর থেকে আধুনিক সামরিক বাহিনী মার্কিন সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১, ধারা ৯ লঙ্ঘন করে খরচের কোনো হিসাব দিতে অস্বীকার করেছে। ২০১৮ সালে পেন্টাগন তার প্রথম অডিটেই ব্যর্থ হয়েছে। এটি কেবল নিখোঁজ ৬.৫ ট্রিলিয়ন ডলারের বিষয় নয়, এটি হলো অস্বচ্ছ হিসাবরক্ষণ ব্যবস্থা যা একটি বর্ম—একটি প্রতিরক্ষামূলক অস্ত্র যা মার্কিন সরকারের বিরোধিতা তো দূরের কথা, যারা মার্কিন সরকারকে বুঝতে চায় তাদের নিরপেক্ষ করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
**[https://www.counterpunch.org/2019/06/14/the-climate-counter-offensive-secrecy-deception-and-disarming-the-green-new-deal/ দ্য ক্লাইমেট কাউন্টার-অফেনসিভ: সিক্রেসি, ডিসেপশন অ্যান্ড ডিসআর্মিং দ্য গ্রিন নিউ ডিল, রিচার্ড মোজার, ''কাউন্টারপাঞ্চ''] (১৪ জুন, ২০১৯)
==ডি==
*এবং আমরা আমাদের মাতৃভূমিকে মার্কিন বাহিনীর কবরস্থানে পরিণত করব এবং তাদের [[পরিবার|পরিবার]] তাদের মৃত [[দেহ|দেহের]] জন্য অপেক্ষা করবে। তালিবানের [[যুদ্ধ|যুদ্ধ]] কেবল [[মুসলিম|মুসলিমদের]] [[শত্রু|শত্রুদের]] হাত থেকে [[আফগানিস্তান|আফগানিস্তানের]] [[স্বাধীনতা|স্বাধীনতার]] জন্য।
**[[মোল্লা দাদুল্লাহ]], [http://www.alertnet.org/thenews/newsdesk/ISL151157.htm তালিবান হাজার হাজার আত্মঘাতী বোমা হামলাকারী মোতায়েন করেছে - কমান্ডার] ২ এপ্রিল ২০০৭।
*<p>আমরা বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ সামরিক বাহিনীকে পুনর্গঠনের দীর্ঘ প্রক্রিয়া শুরু করব, আমরা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে সমান খেলার ক্ষেত্র তৈরি করব এবং আমেরিকান শিল্পকে পুনরুজ্জীবিত করব, আমরা আমাদের বন্ধুদের আমাদের বিশ্বাস করার কারণ দেব। আমাদের শত্রুরা আমাদের ভয় পাওয়ার কারণ পাবে, এবং আমাদের নাগরিকরা আবারও বিশ্বাস করার কারণ পাবে। না, আপনি আমেরিকাকে চেনেন না, এবং আপনি কঠিন উপায়ে তা খুঁজে বের করতে চান না...</p><p>আমাদের সৈন্যদের জন্য প্রার্থনা করুন।</p>
**চার্লি ড্যানিয়েলস, [http://www.cnsnews.com/commentary/charlie-daniels/charlie-daniels-open-letter-americas-enemies-you-see-obama-you-dont-know "লেটার টু আমেরিকাস এনিমিজ"] (১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬), ''সিএনএস নিউজ''
*একবার যদি কৃষ্ণাঙ্গ [[মানুষ|মানুষ]] তার শরীরে 'U.S.' পিতলের অক্ষরগুলো পায়; যদি সে তার বোতামে একটি প্রান্ত পায়, এবং কাঁধে একটি মাস্কেট ও পকেটে বুলেট পায়, তবে পৃথিবীতে এমন কোনো শক্তি নেই যা অস্বীকার করতে পারে যে সে নাগরিকত্বের অধিকার অর্জন করেছে।
**[[ফ্রেডরিক ডগলাস]], যার ছেলেরা চার্লস এবং লুইস কর্নেল রবার্ট গোল্ড শ-এর নেতৃত্বে ৫৪তম ম্যাসাচুসেটস ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টে সেবা করেছিলেন (১৮৬২)
*<p>যদি সে একটি মাস্কেট কাঁধে নিয়ে [[পতাকা|পতাকার]] জন্য যুদ্ধ করার, সরকারের জন্য যুদ্ধ করার মতো যথেষ্ট জ্ঞান রাখে, তবে তার ভোট দেওয়ার মতো যথেষ্ট জ্ঞান আছে...</p><p>কৃষ্ণাঙ্গকে বিপদের সময় নাগরিক হিসেবে এবং ঝামেলামুক্ত থাকলে ভিনদেশি হিসেবে দেখার মধ্যে খুব নিচতা আছে। যখন এই জাতি ঝামেলায় ছিল, তার প্রাথমিক সংগ্রামে, এটি কৃষ্ণাঙ্গকে নাগরিক হিসেবে দেখেছিল। ১৭৭৬ সালে সে নাগরিক ছিল। সংবিধান তৈরির সময় ১৩টি পুরোনো রাজ্যের মধ্যে ১১টিতে কৃষ্ণাঙ্গদের ভোট দেওয়ার অধিকার ছিল। আপনার ঝামেলায় আপনি আমাদের নাগরিক করেছেন। ১৮১২ সালে জেনারেল জ্যাকসন আমাদের নাগরিক হিসেবে সম্বোধন করেছিলেন; 'সহ-নাগরিক'। তিনি চেয়েছিলেন আমরা যুদ্ধ করি। আমরা তখন নাগরিক ছিলাম! আর এখন, যখন আপনি একটি কনস্ক্রিপশন বিল তৈরি করতে এসেছেন, কৃষ্ণাঙ্গ আবার নাগরিক। এই সরকারের ইতিহাসে সে মাত্র তিনবার নাগরিক হয়েছে, এবং এটি সবসময়ই বিপদের সময়। বিপদের সময় আমরা নাগরিক। আমরা কি যুদ্ধে নাগরিক এবং শান্তিতে ভিনদেশি হব? তা কি ন্যায্য হবে?</p>
**[[ফ্রেডরিক ডগলাস]], [http://teachingamericanhistory.org/library/document/what-the-black-man-wants/ "হোয়াট দ্য ব্ল্যাক ম্যান ওয়ান্টস"], বোস্টন, ম্যাসাচুসেটসে ভাষণ (১৮৬৫)
*আমরা এখানে পুরুষোচিত সাহসের প্রশংসা করতে আসিনি, যদিও তা একটি মহৎ উদ্দেশ্যে প্রদর্শিত হয়েছে। আমাদের কখনোই ভুলে যাওয়া উচিত নয় যে বিদ্রোহে জয় মানেই প্রজাতন্ত্রের মৃত্যু। আমাদের কখনোই ভুলে যাওয়া উচিত নয় যে অনুগত সৈন্যরা যারা এই মাটির নিচে বিশ্রাম নিচ্ছে তারা জাতি এবং [[কনফেডারেট স্টেটস অফ আমেরিকা|জাতি ধ্বংসকারীদের]] মাঝে নিজেদের ছুড়ে দিয়েছিল। যদি আজ আমাদের একটি দেশ থাকে যা [[ফ্রান্স|ফ্রান্সের]] মতো রক্তে ফুটছে না, যদি এখন আমাদের একটি ঐক্যবদ্ধ দেশ থাকে, যা আর [[দাসত্ব|দাসত্বের]] নরকীয় ব্যবস্থার অভিশাপে অভিশপ্ত নয়, '''যদি আমেরিকান নামটি আর উপহাসকারী পৃথিবীর জন্য কোনো কথা বা হিস হিস শব্দ না হয়, যদি নক্ষত্রখচিত ব্যানারটি কেবল ভূমির প্রতিটি প্রান্তে স্বাধীন আমেরিকান নাগরিকদের ওপর উড়ে বেড়ায়, এবং আমাদের দেশের সামনে ন্যায়বিচার, স্বাধীনতা ও সভ্যতার এক দীর্ঘ এবং গৌরবময় কর্মজীবন থাকে, তবে আমরা আমাদের চারপাশে সম্মানিত এই কবরগুলোতে বিশ্রামরত মহৎ সেনাবাহিনীর নিঃস্বার্থ ভক্তির কাছে ঋণী'''।
**[[ফ্রেডরিক ডগলাস]], [http://deadconfederates.com/2015/05/25/frederick-douglass-on-decoration-day-1871-5/ "দ্য আননোন লয়াল ডেড"] (৩০ মে ১৮৭১), আর্লিংটন ন্যাশনাল সিমেট্রি, আর্লিংটন কাউন্টি, ভার্জিনিয়া।
* [[ওসামা বিন লাদেন|ওসামা বিন লাদেনের হত্যার]] কয়েকদিনের মধ্যে, ২ মে, ২০১১-এ জানা যায় যে মিশনটি সম্পাদনকারী [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নৌবাহিনী সিল|নৌবাহিনী সিল]] দল তার লক্ষ্যের জন্য জেরোনিমো কোড নাম ব্যবহার করেছিল। ''নিউ ইয়র্ক ডেইলি নিউজে''র ৪ মের একটি প্রতিবেদনে মন্তব্য করা হয়েছে, "[[ওসামা বিন লাদেন|ওসামা বিন লাদেনের]] লাশের অদেখা ছবি এবং [[পাকিস্তান|পাকিস্তান]] কী জানত সেই প্রশ্নগুলোর পাশাপাশি, আল কায়েদা বসকে 'জেরোনিমো' ডাকার কারণগুলো ব্ল্যাক অপস মিশনের অন্যতম বড় রহস্য হিসেবে রয়ে গেছে।" সেই কোড নাম বেছে নেওয়াটা সামরিক বাহিনীর কাছে রহস্য ছিল না, যারা শত্রু অঞ্চল নির্ধারণের জন্য "ইন্ডিয়ান কান্ট্রি" শব্দটিও ব্যবহার করে এবং তাদের হত্যার মেশিন ও অপারেশনগুলোকে ইউএইচ-১বি/সি ইরো কোয়া, ওএইচ-৫৮ডি কিওয়া, ওভি-১ মোহক, ওএইচ-৬ কাইউস, এএইচ-৬৪ অ্যাপাচি, এস-৫৮/এইচ-৩৪ চক্টো, ইউএইচ-৬০ ব্ল্যাক হক, থান্ডারবার্ড এবং রোলিং থান্ডারের মতো নাম দিয়ে চিহ্নিত করে। শেষেরটি হলো ১৯৬০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে [[ভিয়েতনাম|ভিয়েতনামের]] [[কৃষক|কৃষকদের]] ওপর নিরলস কার্পেট-বোমাবর্ষণের জন্য সামরিক নাম। উত্তর আমেরিকার আদিবাসী জাতি ও সম্প্রদায়গুলোর বিরুদ্ধে যুদ্ধে ভিত্তিহীন একটি সামরিক বাহিনীর মূলে থাকা উপনিবেশবাদ ও [[সাম্রাজ্যবাদ|সাম্রাজ্যবাদ]]ের সংবেদনশীলতার স্থায়ীত্বের আরও অনেক বর্তমান ও সাম্প্রতিক উদাহরণ রয়েছে।
** রোক্সান ডানবার-অরটিজ, ''অ্যান ইন্ডিজেনাস পিপলস হিস্ট্রি অফ দ্য ইউনাইটেড স্টেটস'' (২০১৪)
==ই==
*সৈনিক, নাবিক এবং বিমানসেনা অ্যালিয়েড এক্সপিডিশনারি ফোর্স! <br> আপনারা সেই গ্রেট ক্রুসেডে যাত্রা করতে যাচ্ছেন, যার জন্য আমরা বহু মাস ধরে চেষ্টা করেছি। [[বিশ্ব|বিশ্বের]] [[চোখ]] আপনাদের ওপর। [[স্বাধীনতা]]-প্রেমী [[মানুষ|মানুষের]] [[আশা]] ও [[প্রার্থনা]] সব জায়গায় আপনাদের সাথে মার্চ করছে। অন্যান্য ফ্রন্টে আমাদের সাহসী মিত্র ও অস্ত্র-ভাইদের সাথে, আপনারা [[জার্মানি|জার্মান]] [[যুদ্ধ]] মেশিনের ধ্বংস, ইউরোপের নিপীড়িত জনগণের ওপর [[নাৎসি]] স্বৈরাচার দূরীকরণ এবং একটি [[স্বাধীনতা|স্বাধীন]] বিশ্বে নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন।<br> আপনাদের কাজ সহজ হবে না। আপনাদের শত্রু সুপ্রশিক্ষিত, সুসজ্জিত এবং যুদ্ধ-কঠিন। সে বন্যভাবে লড়াই করবে। <br>কিন্তু এটি ১৯৪৪ সাল! ১৯৪০-৪১ সালের [[নাৎসিবাদ|নাৎসি]] বিজয়ের পর অনেক কিছু ঘটেছে। [[জাতি|জাতিসংঘ]] জার্মানদের ওপর বিশাল পরাজয় চাপিয়েছে, খোলা যুদ্ধে, মানুষে-মানুষে। আমাদের বিমান আক্রমণ তাদের আকাশে শক্তি এবং মাটিতে যুদ্ধ করার ক্ষমতা মারাত্মকভাবে কমিয়েছে। আমাদের হোম ফ্রন্টগুলো আমাদের অস্ত্র ও গোলাবারুদের ব্যাপক শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছে, এবং প্রশিক্ষিত যুদ্ধবাজ মানুষের বিশাল মজুদ আমাদের হাতে তুলে দিয়েছে। জোয়ার ঘুরে গেছে! বিশ্বের স্বাধীন মানুষ বিজয়ের দিকে একসাথে মার্চ করছে! <br>আমি আপনাদের সাহস, কর্তব্যর প্রতি ভক্তি এবং [[যুদ্ধ]]র দক্ষতার ওপর পূর্ণ আস্থা রাখি।<br> আমরা পূর্ণ জয় ছাড়া কিছুই গ্রহণ করব না! শুভ [[ভাগ্য|ভাগ্য]]! এবং আসুন আমরা এই মহান ও মহৎ উদ্যোগের ওপর সর্বশক্তিমান [[ঈশ্বর|ঈশ্বরের]] আশীর্বাদ প্রার্থনা করি।'''
**[[ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার]], [http://www.3ad.com/history/wwll/feature.pages/d.day.letters.htm অর্ডার অফ দ্য ডে (২ জুন ১৯৪৪), নরম্যান্ডিতে অবতরণের আগে সৈন্যদের কাছে একটি বার্তা], ফ্রাঙ্কলিন ওয়াটস, ''ভয়েসেস অফ হিস্ট্রি'' (১৯৪৫)-এ রিপোর্ট করা হয়েছে, পৃষ্ঠা ২৬০।
*'''[[আলেকজান্ডার হ্যামিল্টন|আলেকজান্ডার হ্যামিল্টন]]''': যদি আমরা আমাদের প্রতিরক্ষার জন্য অযোগ্য রাজ্য মিলিশিয়াদের ওপর নির্ভর করতে বাধ্য হই, তবে আমরা এখনই ফরাসি ভাষা শেখা শুরু করতে পারি, মিস্টার প্রেসিডেন্ট। একটি জাতীয় সেনাবাহিনী ব্যাংক যেমন করে দেশটিকে আবদ্ধ করে।
**[[আলেকজান্ডার হ্যামিল্টন]], রুফাস সেওয়েল দ্বারা ''জন অ্যাডামসে'' ব্যাখ্যা করা হয়েছে, কার্ক এলিস লিখিত, "অংশ VI: অপ্রয়োজনীয় যুদ্ধ", (১৬ মার্চ – ২৭ এপ্রিল, ২০০৮); ডেভিড ম্যাককুলাফের বইয়ের ওপর ভিত্তি করে।
*'''[[জন অ্যাডামস|জন অ্যাডামস]]''': আমরা যখন শান্তির প্রস্তুতি নিচ্ছি তখন পৃথিবীতে আমাদের কেন একটি সেনাবাহিনী প্রয়োজন?
**[[জন অ্যাডামস]], পল জিয়ামাট্টি দ্বারা ''জন অ্যাডামসে'' ব্যাখ্যা করা হয়েছে, কার্ক এলিস লিখিত, "অংশ VI: অপ্রয়োজনীয় যুদ্ধ", (১৬ মার্চ – ২৭ এপ্রিল, ২০০৮) ডেভিড ম্যাককুলাফের বইয়ের ওপর ভিত্তি করে।
==এফ==
[[File:Jim_Nabors_as_Gomer_Pyle_in_"The_Andy_Griffith_Show"_(cropped).jpg|thumb|আমার শৈশবে, অর্থাৎ পঞ্চাশ ও [[১৯৬০-এর দশক|ষাটের দশকে]] এবং পরবর্তী সময়ে [[১৯৭০-এর দশক|সত্তরের দশকে]], আমেরিকান পপ সংস্কৃতিতে সামরিক বাহিনীর প্রতি সাধারণ মানুষের এক ধরনের পরিচিতি ছিল, যার ফলে মাঝেমধ্যে তাদের নিয়ে কৌতুকও করা হতো। তখন “[[গামার পাইল, ইউ.এস.এম.সি.|গামার পাইল]]”, “[[হোগান্স হিরোস|হোগান্স হিরোস]]” বা “[[ম্যাকহেলস নেভি|ম্যাকহেলস নেভি]]”-এর মতো অনুষ্ঠান দেখা যেত। <br> তখন “[[সাউথ প্যাসিফিক (মিউজিক্যাল)|সাউথ প্যাসিফিক]]”-এর মতো [[শিল্পকর্ম]], “[[ক্যাচ-২২|ক্যাচ ২২]]”-এর মতো [[উপন্যাস]] এবং “[[ম্যাশ (চলচ্চিত্র)|ম্যাশ]]”-এর মতো [[চলচ্চিত্র]] তৈরি হতো। এগুলো সামরিক বাহিনীর গুরুত্ব এবং [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের]] মতো বড় পরিসরে তাদের বীরত্বপূর্ণ অবদানকে সম্মান জানাত, তবুও এসব গল্পে বাস্তব মানুষ এবং তাদের সীমাবদ্ধতাগুলো ফুটে উঠত। <br> কিন্তু এখন আমাদের সামরিক বাহিনীর প্রতি এক ধরনের কৃত্রিম ভক্তি তৈরি হয়েছে, যা একই সাথে দূরবর্তী ও বিচ্ছিন্ন। ~ [[জেমস ফ্যালোস]]]]
* আমেরিকান জনগণের সাথে সামরিক বাহিনীর ক্রমবর্ধমান দূরত্ব তাদের সশস্ত্র বাহিনী সম্পর্কে চিন্তা ও কথোপকথনের ধরণকেও বদলে দিয়েছে, এমনটাই দাবি করেন “[[দি আটলান্টিক|দি আটলান্টিক]]”-এর লেখক [[জেমস ফ্যালোস]]। জানুয়ারিতে ফ্যালোস তার কভার স্টোরি “কেন বিশ্বের সেরা সৈন্যরা বারবার হেরে যাচ্ছে?: আমেরিকান সামরিক বাহিনীর করুণ পতন” নিয়ে [[পিবিএস নিউজ|নিউজআওয়ার]]ে মার্গারেট ওয়ার্নারের সাথে আলোচনা করেন: <br> আমার শৈশবে, অর্থাৎ পঞ্চাশ ও [[১৯৬০-এর দশক|ষাটের দশকে]] এবং পরবর্তী সময়ে [[১৯৭০-এর দশক|সত্তরের দশকে]], আমেরিকান পপ সংস্কৃতিতে সামরিক বাহিনীর প্রতি সাধারণ মানুষের এক ধরনের পরিচিতি ছিল, যার ফলে মাঝেমধ্যে তাদের নিয়ে কৌতুকও করা হতো। তখন “[[গামার পাইল, ইউ.এস.এম.সি.|গামার পাইল]]”, “[[হোগান্স হিরোস|হোগান্স হিরোস]]” বা “[[ম্যাকহেলস নেভি|ম্যাকহেলস নেভি]]”-এর মতো অনুষ্ঠান দেখা যেত। <br> তখন “[[সাউথ প্যাসিফিক (মিউজিক্যাল)|সাউথ প্যাসিফিক]]”-এর মতো [[শিল্পকর্ম]], “[[ক্যাচ-২২|ক্যাচ ২২]]”-এর মতো [[উপন্যাস]] এবং “[[ম্যাশ (চলচ্চিত্র)|ম্যাশ]]”-এর মতো [[চলচ্চিত্র]] তৈরি হতো। এগুলো সামরিক বাহিনীর গুরুত্ব এবং [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের]] মতো বড় পরিসরে তাদের বীরত্বপূর্ণ অবদানকে সম্মান জানাত, তবুও এসব গল্পে বাস্তব মানুষ এবং তাদের সীমাবদ্ধতাগুলো ফুটে উঠত। <br> কিন্তু এখন আমাদের সামরিক বাহিনীর প্রতি এক ধরনের কৃত্রিম ভক্তি তৈরি হয়েছে, যা একই সাথে দূরবর্তী ও বিচ্ছিন্ন।
**জেমস ফ্যালোস, (জানুয়ারি ২০১৫); মেগান ক্রিগার এবং লরা সান্তানামের উদ্ধৃতিতে, [https://www.pbs.org/newshour/nation/many-Americans-died-u-s-wars “কতজন আমেরিকান মার্কিন যুদ্ধে মারা গেছেন?”], ''পিবিএস নিউজ আওয়ার: নেশন'', (আপডেট করা হয়েছে ২৭ মে, ২০১৯ দুপুর ১২:৩১ ইডিটি — প্রকাশিত হয়েছে ২৪ মে, ২০১৫)।
* যুদ্ধ যে [[বৈশ্বিক উষ্ণায়ন|জলবায়ু পরিবর্তন]] ত্বরান্বিত করে—এই বিশাল ও কলঙ্কিত সত্যটি অত্যন্ত সতর্কতার সাথে গোপন রাখা হয়। এই বিষয়টি আড়ালে রাখতে সামরিক বাহিনীকে যেকোনো তদারকি বা বাধ্যবাধকতা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। আইনগত এই ছাড় দেওয়ার বিষয়টি সবসময়ই বিদ্যমান ছিল, তবে জি. ডব্লিউ. বুশ ১৯৯৭ সালের কিয়োটো প্রোটোকলে এই সংক্রান্ত ভাষা যুক্ত করে এটিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেন, যদিও তিনি পরবর্তীতে সেই চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন... মার্কিন সামরিক বাহিনীর গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের হিসাব থেকে অব্যাহতিপ্রাপ্ত তালিকায় রয়েছে বিশ্বজুড়ে ১৩০টির বেশি দেশে থাকা ১,০০০-এর বেশি মার্কিন ঘাঁটি, যুক্তরাষ্ট্রে থাকা ৬,০০০ স্থাপনা, যুদ্ধবিমানবাহী জাহাজ এবং জেট বিমান। এছাড়া অস্ত্র পরীক্ষা এবং ন্যাটো সামরিক জোট ও আফ্রিকমের মতো বিশাল মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটের বহুপাক্ষিক কার্যক্রমও এই হিসাবের বাইরে। এই বিধানের আওতায় মার্কিন/জাতিসংঘ-অনুমোদিত “শান্তিরক্ষা” ও “মানবিক ত্রাণ” কার্যক্রমকেও অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
**[[সারা ফ্লাউন্ডার্স]], উদ্ধৃত: [https://www.counterpunch.org/2019/06/14/the-climate-counter-offensive-secrecy-deception-and-disarming-the-green-new-deal/ জলবায়ু পাল্টা আক্রমণ: গোপনীয়তা, প্রতারণা এবং গ্রিন নিউ ডিলকে নিরস্ত্র করা, রিচার্ড মোজার, ''কাউন্টারপাঞ্চ''] (১৪ জুন, ২০১৯)
* [[বাজার]]ের লুকানো [[হাত]] কখনোই একটি লুকানো মুষ্টি (শক্তি) ছাড়া কাজ করবে না। [[ম্যাকডোনাল্ডস]] কখনোই [[ম্যাকডোনেল ডগলাস]] (এফ-১৫ বিমানের নকশাকার) ছাড়া উন্নতি করতে পারত না। আর যে লুকানো মুষ্টিটি [[সিলিকন ভ্যালি]]ের [[প্রযুক্তি|প্রযুক্তির]] প্রসারের জন্য বিশ্বকে নিরাপদ রাখে, তার নামই হলো [[ইউএস আর্মি]], [[মার্কিন বিমান বাহিনী|বিমান বাহিনী]], [[নৌবাহিনী]] এবং [[মার্কিন মেরিন কোর|মেরিন কোর]]।
**[[থমাস এল. ফ্রিডম্যান]], {{cite news
| url = http://www.nytimes.com/1999/03/28/magazine/a-manifesto-for-the-fast-world.html
| title = ফাস্ট ওয়ার্ল্ডের জন্য একটি ইশতেহার
| work = নিউ ইয়র্ক টাইমস
| date = ২৮ মার্চ, ১৯৯৯
| accessdate = ২০১০-০৬-২৮}}
=== “শারীরিক গঠন এবং শারীরিক সক্ষমতা: সামরিক পরিষেবার জন্য প্রয়োগ” (১৯৯০) ===
<small> কার্ল ই. ফ্রিড, [https://www.ncbi.nlm.nih.gov/books/NBK235960/ “শারীরিক গঠন এবং শারীরিক সক্ষমতা: সামরিক পরিষেবার জন্য প্রয়োগ”], ইনস্টিটিউট অফ মেডিসিন (ইউএস) কমিটি অন মিলিটারি নিউট্রিশন রিসার্চ; ম্যারিয়ট বিএম, গ্রামস্ট্রুপ-স্কট জে, সম্পাদকবৃন্দ। ওয়াশিংটন (ডিসি): ন্যাশনাল একাডেমি প্রেস (ইউএস); ১৯৯০। </small>
[[File:Marine_Corps_Recruit_Depot_Parris_Island_Training_140513-M-XK446-114.jpg|thumb|[[সুনির্দিষ্ট]] শারীরিক সক্ষমতার [[পরীক্ষা]], যেমন 'অ্যানুয়াল টেস্ট রাইড', একসময় সেনাবাহিনীতে কার্যকর ছিল। তবে আজকের সেনাবাহিনী অত্যন্ত [[বৈচিত্র্যময়]] হওয়ায় নিয়মিতভাবে [[বাস্তবসম্মত]] যুদ্ধ সক্ষমতা পরীক্ষা দিয়ে সৈন্যদের বাছাই করা কঠিন। বর্তমানের [[ইউএস আর্মি ফিজিক্যাল ফিটনেস টেস্ট]] মূলত ২-মাইল [[দৌড়]], [[পুশ-আপ]] এবং [[সিট-আপ]] পরীক্ষার মাধ্যমে [[অ্যারোবিক ব্যায়াম|অ্যারোবিক সক্ষমতা]] যাচাই করে; এই মানদণ্ডগুলো মূলত চাকরির ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্য, প্রবেশের জন্য নয় এবং এগুলোর প্রয়োগ [[শরীরের চর্বি|শরীরের চর্বির]] মানদণ্ডের চেয়েও নমনীয়। ~ কার্ল ই. ফ্রিড]]
* সামরিক বাহিনীতে শারীরিক মানদণ্ড নির্ধারণের মূল উদ্দেশ্য সবসময়ই ছিল এমন সৈন্যদের খুঁজে বের করা, যারা সামরিক পরিষেবার শারীরিক চাহিদা পূরণে সবচেয়ে উপযুক্ত। এই মানদণ্ডের অর্থ ছিল এমন সৈন্য নির্বাচন করা, যাদের দেখে মনে হয় তারা ভারি বোঝা বহন করতে এবং ভালো লড়াই করতে সক্ষম। বর্তমানে, ইউএস আর্মির শারীরিক সক্ষমতার ওপর জোর দেওয়ার অংশ হিসেবে শরীরের চর্বির মানদণ্ড ব্যবহার করা হয়, যাতে নিশ্চিত করা যায় যে বাহিনীগুলো ''চরম জলবায়ু ও ভূখণ্ডে লড়াই করার মতো স্ট্যামিনা এবং ধৈর্য রাখে'' (স্টাডি অফ দ্য মিলিটারি সার্ভিসেস ফিজিক্যাল ফিটনেস, ১৯৮১)। <br> গত শতাব্দীর বেশিরভাগ সময় ধরে, উচ্চতা ও ওজনের অনুপাত সৈন্যের শারীরিক সক্ষমতা যাচাইয়ের প্রধান মাপকাঠি ছিল, কিন্তু ইদানীংকালের আগ পর্যন্ত এই মানদণ্ডগুলো কেবল কম ওজনের প্রার্থীদের বাদ দেওয়ার জন্যই ব্যবহৃত হতো।
* প্রয়োজনের তাগিদে কিছু শারীরিক মানদণ্ড খুব সহজেই পরিবর্তন করা হয়েছে, যা ইঙ্গিত দেয় যে কোনো বিষয়কে হয়তো ‘সৈনিকের বৈশিষ্ট্য’ হিসেবে তুলে ধরা হলেও তা আসলে যুদ্ধের প্রয়োজনে খুব একটা জরুরি নয়। উচ্চতা এর একটি উদাহরণ। ইউরোপীয় রাজারা লম্বা সৈন্যদের নিয়ে গর্ব করতেন; এছাড়া ড্রিল ও অনুষ্ঠানের জন্য একই উচ্চতার মানুষ থাকাটা সুবিধাজনক ছিল। কিছু ইউজেনিকিস্ট দাবি করতেন যে অপরাধীরা সাধারণত অন্যদের তুলনায় খাটো হয় (ব্যাক্সটার, ১৮৭৫) এবং একজন অবসরপ্রাপ্ত সামরিক সার্জন প্রস্তাব করেছিলেন যে শারীরিক বৈশিষ্ট্য দেখে ভবিষ্যৎ বীরদের শনাক্ত করা সম্ভব (ফস্টার এবং অন্যান্য, ১৯৬৭)। তাই, ঊনবিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে মার্কিন সৈন্যদের জন্য ন্যূনতম উচ্চতা ছিল ৬৬ ইঞ্চি, যা পরবর্তী সময়ে ধীরে ধীরে কমানো হয়েছে। জাতীয় জরুরি অবস্থার সময় যখন নতুন সৈন্যের চাহিদা বাড়ত, তখনই সবচেয়ে শিথিল মানদণ্ড (এমনকি গৃহযুদ্ধের সময় কোনো ন্যূনতম উচ্চতার বাধ্যবাধকতা ছিল না) কার্যকর ছিল।
* সুনির্দিষ্ট শারীরিক সক্ষমতার পরীক্ষা, যেমন 'অ্যানুয়াল টেস্ট রাইড', একসময় সেনাবাহিনীতে কার্যকর ছিল। তবে আজকের সেনাবাহিনী অত্যন্ত বৈচিত্র্যময় হওয়ায় নিয়মিতভাবে বাস্তবসম্মত যুদ্ধ সক্ষমতা পরীক্ষা দিয়ে সৈন্যদের বাছাই করা কঠিন। বর্তমানের ইউএস আর্মি ফিজিক্যাল ফিটনেস টেস্ট মূলত ২-মাইল দৌড়, পুশ-আপ এবং সিট-আপ পরীক্ষার মাধ্যমে অ্যারোবিক সক্ষমতা যাচাই করে; এই মানদণ্ডগুলো মূলত চাকরির ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্য, প্রবেশের জন্য নয় এবং এগুলোর প্রয়োগ শরীরের চর্বির মানদণ্ডের চেয়েও নমনীয়।
==জি==
[[File:CapShield01.jpg|thumb|১৯৫৩ সালের ১৩ জুলাইয়ের ([[কমিউনিস্ট]]) “[[ডেইলি ওয়ার্কার|ডেইলি ওয়ার্কার]]”-এ বলা হয় যে, [[কমিক্স]] সচেতনভাবে নিম্নোক্ত ভূমিকা পালন করে: <br> “...[[আমেরিকান]] [[যুবসমাজকে]] নিষ্ঠুর করে গড়ে তোলা, যাতে তারা আমাদের [[সরকার]]ের [[বিশ্ব আধিপত্যের]] লক্ষ্য বাস্তবায়নে [[সামরিক]] সেবার জন্য আরও ভালোভাবে প্রস্তুত হতে পারে। এছাড়া, [[জাতিসংঘ|জাতিসংঘের]] পতাকাতলে [[কোরীয় যুদ্ধ|কোরিয়ায়]] [[আমেরিকান]] [[সৈনিক]] ও [[বিমানসেনা|বিমানসেনাদের]] দ্বারা সংঘটিত [[অত্যাচার]] মেনে নিতে তাদের অভ্যস্ত করা।” ~ [[উইলিয়াম গেইনস]]]]
* ১৯৫৩ সালের ১৩ জুলাইয়ের (কমিউনিস্ট) “ডেইলি ওয়ার্কারে” বলা হয় যে, কমিক্স সচেতনভাবে নিম্নোক্ত ভূমিকা পালন করে: <br> “...আমেরিকান যুবসমাজকে নিষ্ঠুর করে গড়ে তোলা, যাতে তারা আমাদের [[সরকার]]ের বিশ্ব আধিপত্যের লক্ষ্য বাস্তবায়নে সামরিক সেবার জন্য আরও ভালোভাবে প্রস্তুত হতে পারে। এছাড়া, [[জাতিসংঘ|জাতিসংঘের]] পতাকাতলে [[কোরীয় যুদ্ধ|কোরিয়ায়]] আমেরিকান সৈনিক ও বিমানসেনাদের দ্বারা সংঘটিত অত্যাচার মেনে নিতে তাদের অভ্যস্ত করা।”
** উইলিয়াম গেইনস, “আর ইউ এ রেড ডুপ?”, ''দ্য হন্ট অফ ফিয়ার'', ইসি কমিক্স, (আগস্ট ১৯৫৪)
*আমি [[আশা]] করি, রাস্তাঘাটে, টিউবে এবং বাসে আমরা যে তরুণ আমেরিকান সৈনিকের সাথে পরিচিত হচ্ছি, সে আমাদের সঙ্গ পেয়ে ততটাই আনন্দিত হয়েছে, যতটা আমরা তাকে পেয়ে হয়েছি।
**আলফ্রেড জর্জ গার্ডিনার, [https://books.google.com/books?id=A9LPAAAAMAAJ&pg=PA101&lpg=PA101&dq=%22The+directness+and+naturalness+of+the+American+is+the+most+enviable+of+his+traits.+It+gives+the+sense+of+a+man+who+is+born+free.%22&source=bl&ots=s6wfDHuUWv&sig=nRZZ4aIhKELXA_zsps9cZACrDjE&hl=en&sa=X&ved=0ahUKEwikhO3EooDUAhVH4CYKHVHTBRAQ6AEIJjAC#v=onepage&q=%22The%20directness%20and%20naturalness%20of%20the%20American%20is%20the%20most%20enviable%20of%20his%20traits.%20It%20gives%20the%20sense%20of%20a%20man%20who%20is%20born%20free.%22&f=false ''লিভস ইন দ্য উইন্ড''], পৃষ্ঠা ৯৭
*সৈনিকেরা, তোমরা পৃথিবীর ইতিহাসের সবচেয়ে মহৎ দল। এই প্রান্তরকে চিরকালের জন্য গৌরব ও [[স্বাধীনতা|স্বাধীনতার]] প্রান্তরে পরিণত করতে তোমরা জীবন দিয়েছ।
**[[জেমস এ. গারফিল্ড]], [http://grandoldpartisan.typepad.com/blog/2015/10/garfield-speech.html “ডোন্ট পিচ ইয়োর টেন্ট অ্যামাং দ্য ডেড”] (অক্টোবর ১৮৭৯)
*যুক্তরাষ্ট্র পরবর্তী দশ বছরে পেন্টাগনের জন্য ৭ ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি ব্যয় করার পথে রয়েছে। এই বিশাল অংকের ধারণা পাওয়ার জন্য বলা যায়, যুক্তরাষ্ট্র প্রতি বছর সামরিক খাতে চীন, রাশিয়া, ভারত, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ফ্রান্স, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া এবং অস্ট্রেলিয়ার সম্মিলিত খরচের চেয়েও বেশি ব্যয় করে। যদিও রিপাবলিকান এবং ডেমোক্র্যাটরা তুলনামূলক ছোট “বিল্ড ব্যাক বেটার” আইন নিয়ে তীব্র দ্বিমত পোষণ করে, তবে সামরিক বাজেট এবং বিদেশি সামরিক হস্তক্ষেপের ক্ষেত্রে তারা অধিকাংশ সময় ঐক্যমত্য পোষণ করে।
**এমি গুডম্যান, [https://www.democracynow.org/2021/11/24/war_party_us_military_spending “দ্য ওয়ার পার্টি”: জেরেমি স্কেলহিল অন হাউ ইউ.এস. মিলটারিজম ইউনিফায়েস ডেমোক্র্যাটস অ্যান্ড রিপাবলিকানস, ''ডেমোক্রেসি নাও!''] (২৪ নভেম্বর ২০২১)
*অন্য যেকোনো দেশের তুলনায় মার্কিন সামরিক বাহিনীর বৈশ্বিক শক্তি প্রয়োগের একটি সুনির্দিষ্ট মতবাদ রয়েছে। তাদের ধারণা, প্রায় ৮০০টি বিদেশি সামরিক ঘাঁটির মাধ্যমে পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে প্রাণঘাতী শক্তি নিয়ে হস্তক্ষেপ করার ক্ষমতা তাদের থাকা উচিত। একদিক থেকে দেখলে, স্থলবাহিনী এখানে গৌণ; কারণ অন্তত [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের]] পর থেকে মার্কিন সামরিক মতবাদের মূল ভিত্তি হলো বিমান শক্তির ওপর নির্ভরতা। যুক্তরাষ্ট্র এমন কোনো যুদ্ধে জড়ায়নি যেখানে তাদের আকাশসীমার নিয়ন্ত্রণ ছিল না। এছাড়া, তারা অন্য যেকোনো সামরিক বাহিনীর তুলনায় বিমান হামলার ওপর অনেক বেশি পদ্ধতিগতভাবে নির্ভর করেছে। উদাহরণস্বরূপ, সাম্প্রতিক ইরাক দখলের সময় তারা এমন শহরগুলোতেও বিমান হামলা চালিয়েছে যা আপাতদৃষ্টিতে তাদের নিজেদের দখলেই ছিল। '''বিশ্বে মার্কিন সামরিক আধিপত্যের মূল কারণ হলো—তারা ইচ্ছামতো, মাত্র কয়েক ঘণ্টার নোটিশে, পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে বোমা ফেলতে সক্ষম।''' অন্য কোনো সরকারের কখনোই এমন সক্ষমতা ছিল না। প্রকৃতপক্ষে, এমন দাবিও করা যেতে পারে যে, এই শক্তির কারণেই ডলারকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা পুরো বিশ্ব মুদ্রাব্যবস্থা টিকে আছে।
**ডেভিড গ্রেবার, ''ডেট: দ্য ৫০০০ ইয়ার্স'', পৃষ্ঠা ৩৬৫-৩৬৬
*সবাই জানে যে, অন্তত [[জুলিয়াস সিজার|জুলিয়াস সিজারের]] সময় থেকে [[সমকামী পুরুষ|সমকামীরা]] সামরিক বাহিনীতে সম্মানের সাথে সেবা করে আসছে।
**ব্যারি গোল্ডওয়াটার, ১০ জুন ১৯৯৩-এর বিবৃতি, ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসে'' “গোল্ডওয়াটার ব্যাকস গে ট্রুপস”-এ উদ্ধৃত (১১ জুন ১৯৯৩); এছাড়াও রবার্ট অ্যালান গোল্ডবার্গের লেখা ''ব্যারি গোল্ডওয়াটার'' (১৯৯৫), পৃষ্ঠা ৩৩২-এ উদ্ধৃত।
*আপনার [[দেশ|দেশের]] জন্য লড়াই করতে এবং [[মৃত্যু|মরতে]] আপনার 'বিষমকামী' হওয়ার প্রয়োজন নেই। শুধু লক্ষ্যভেদ করতে পারাটাই যথেষ্ট।
**ব্যারি গোল্ডওয়াটার, রবার্ট অ্যালান গোল্ডবার্গের লেখা ''ব্যারি গোল্ডওয়াটার'' (১৯৯৫), পৃষ্ঠা ৩৩২-এ উদ্ধৃত।
*[[যুদ্ধ]] আমাদের একটি মহান শক্তি এবং বুদ্ধিদীপ্ত জাতিতে পরিণত করেছে। দেশে [[শান্তি]], [[সুখ]] ও সমৃদ্ধি বজায় রাখা এবং অন্যান্য জাতির সম্মান অর্জনের জন্য আমাদের খুব বেশি কিছু করার প্রয়োজন নেই। আমাদের অতীত অভিজ্ঞতা থেকে প্রথমটির (শান্তি বজায় রাখা) প্রয়োজনীয়তা এবং আমাদের শক্তিই শেষোক্তটি (সম্মান) নিশ্চিত করে।
**ইউলিসিস এস. গ্র্যান্ট, [http://www.gutenberg.org/etext/4367 ''পার্সোনাল মেমোয়ার্স অফ জেনারেল ইউ. এস. গ্র্যান্ট''] (১৮৮৫)
*গত কয়েক দশকের প্রতিটি বড় মার্কিন যুদ্ধ একইভাবে শুরু হয়েছে। মার্কিন সরকার কোনো একটি আবেগপূর্ণ ও উসকানিমূলক মিথ্যা তৈরি করে। বড় মার্কিন মিডিয়া আউটলেটগুলো প্রশ্ন তোলা বা ভিন্নমত পোষণ না করে সেটিকে সত্য বলে প্রচার করে, ফলে তারা আক্রমণ করতে চাওয়া দেশের প্রতি তীব্র ক্ষোভের জন্ম দেয়। এভাবেই আমরা [[ভিয়েতনাম যুদ্ধ|ভিয়েতনাম যুদ্ধে]] (উত্তর ভিয়েতনাম কর্তৃক টঙ্কিন উপসাগরে মার্কিন জাহাজ আক্রমণের ঘটনা), উপসাগরীয় যুদ্ধে (সাদ্দাম হোসেন ইনকিউবেটর থেকে শিশুদের কেড়ে নিয়েছিলেন বলে গুজব) এবং অবশ্যই [[ইরাক যুদ্ধ|ইরাক যুদ্ধে]] (সাদ্দামের কাছে গণবিধ্বংসী অস্ত্র ছিল এবং তিনি আল-কায়েদার সাথে জোট করেছিলেন) জড়িয়েছি।
*ঠিক এই কৌশলটিই ২৩ ফেব্রুয়ারি ব্যবহার করা হয়েছিল, যখন [[ভেনেজুয়েলা|ভেনেজুয়েলায়]] যারা শাসন পরিবর্তন করতে চায়, তাদের অনুকূলে প্রচারণার মোড় সম্পূর্ণ ঘুরে যায়... তারা জোর দিয়ে দাবি করেছিল যে ট্রাকগুলোতে ইচ্ছাকৃতভাবে [[নিকোলাস মাদুরো|প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর]] বাহিনী আগুন দিয়েছে।
**গ্লেন গ্রিনওয়াল্ড: [https://theintercept.com/2019/03/10/nyts-expose-on-the-lies-about-burning-humanitarian-trucks-in-venezuela-shows-how-us-govt-and-media-spread-fake-news/ ''এনওয়াইটি’স এক্সপোজ অন দ্য লাইজ এবাউট বার্নিং হিউম্যানিটারিয়ান ট্রাকস ইন ভেনেজুয়েলা শোজ হাউ ইউ.এস. গভর্মেন্ট অ্যান্ড মিডিয়া স্প্রেড ফেক নিউজ, দ্য ইন্টারসেপ্ট,''] (১০ মার্চ ২০১৯)
==এইচ==
*<p>নোঙর তোলো, হে আমার ছেলেরা! নোঙর তোলো! বিদায়...</p><p>বিজয়ের উদ্দেশ্যে পাড়ি দাও এবং তাদের হাড়গোড় ডেভি জোন্সের সিন্দুকে পাঠিয়ে দাও, হুররে!</p>
**জন হেগান, “অ্যাঙ্করস অ্যাওয়ে” (১৯৯৭)
*প্রথমত, শান্তির সময়ে আমেরিকান সৈনিক অন্য যেকোনো ধরনের আমেরিকান নাগরিকের মতোই। ... সে সৈন্য হয় এবং সৈন্য হিসেবেই থাকে, কারণ এর বিনিময়ে সে যা পায়। যেই মুহূর্তে সে সিদ্ধান্ত নেয় যে সে সেনাবাহিনীর চেয়ে বেসামরিক জীবন থেকে বেশি কিছু পেতে পারে, তখনই সে তালিকাভুক্ত হতে বা পুনরায় তালিকাভুক্ত হতে অস্বীকার করবে।
**জনসন হেগুড, [https://www.google.com/search?client=firefox-b-1-d&sca_esv=eff03c613f9494ac&sxsrf=ACQVn09CdLISXoIzNp-OdekvEUi8LSfiKQ:1707412572546&q=Circular+Relative+to+Pay+of+Officers+and+Enlisted+Men+of+the+Army+Johnson+Hagood&si=AKbGX_rOAlAWZm8yZPZsiL6aVCbdD97y3lZlG6WCaiU0tO9pR9kr7DEFZM_KQ41UQN6taqiWwVkuJq4CSzVb9GzxZZq09wGtaQD01RrUFmokaS0KDXBbZSw7-_8-FED2rqn94PAJcn6LiUBQvthCQKqrLnX8_qBW4AS9QM1WQu-AixVQiaYNHmsDoiPcLoe6qHaFCPUSeTnAVN9cEN0h9uIstToyRKwAp1tFRUX5u0uLEQzkmo2Jyn5PqikxE0uhOOD_wmIhKHEa4lv0lvWsVezdiX-Yeq2YCg%3D%3D&sa=X&ved=2ahUKEwjzi_y-n5yEAxWSD1kFHfzBBVoQ6RN6BAg2EAE&biw=1903&bih=1206&dpr=0.9 ''সার্কুলার রিলেটিভ টু পে অফ অফিসারস অ্যান্ড এনলিস্টেড মেন অফ দ্য আর্মি''] (১৯০৭), ওয়াশিংটন, ডি.সি.: গভর্নমেন্ট প্রিন্টিং অফিস, পৃষ্ঠা ৮, [https://press.armywarcollege.edu/cgi/viewcontent.cgi?article=3239&context=parameters “আ হিস্টোরিক্যাল পার্সপেক্টিভ অন টুডেস রিক্রুটিং ক্রাইসিস”] (২০২৩)-এ উদ্ধৃত, ব্রায়ান ম্যাকঅ্যালিস্টার লিন, ''দ্য ইউএস আর্মি ওয়ার কলেজ কোয়ার্টারলি: প্যারামিটারস'', পৃষ্ঠা ১০
*<p>আমাদের সেই পুরুষ ও নারীদের সেবার কথা বলতে হবে, যারা বিশ্ব যুদ্ধে প্রজাতন্ত্রের পতাকাতলে সমবেত হয়েছিল। আমেরিকা তাদের প্রদত্ত সেবা, করা ত্যাগ এবং সহ্য করা কষ্ট উপলব্ধি করে ও তার কদর করে। যারা যুদ্ধক্ষেত্রের বিপদ ও গৌরব বা সমুদ্রের ঝুঁকি জেনেছিল এবং যারা লাইনের পেছনে সেবা করতে বাধ্য হয়েছিল, বা যারা ঘরে ক্যাম্পে ডাকের অপেক্ষায় থাকা বিশাল গ্র্যান্ড আর্মির রিজার্ভ গঠন করেছিল—তাদের মধ্যে কোনো পার্থক্য রাখা হবে না। সবাই ছিল সাহসী। সবাই ছিল আত্মত্যাগী। তারা সবাই সেই আদর্শের অংশীদার ছিল যা আমাদের ছেলেদের দুবার অস্ত্র হাতে যুদ্ধে পাঠিয়েছিল...</p><p>এরা যোগ্য সন্তান। আমাদের অমর সূচনালগ্নে যারা পতাকা উড্ডীন করেছিল, তারা তাদের উপযুক্ত উত্তরাধিকারী। যারা গৃহযুদ্ধ চলাকালীন সংবিধান থেকে অস্পষ্টতা দূর করে ইউনিয়ন এবং জাতীয়তাকে রক্ষা করেছিল, এরা তাদের যোগ্য সন্তান। ১৮৯৮ সালে স্পেনীয়-মার্কিন যুদ্ধে যারা প্রথমবারের মতো মানবতার খাতিরে তলোয়ার তুলেছিল, এরা তাদের প্রস্তুত সন্তান। স্থল ও সমুদ্রে থাকা ৪০ লক্ষ রক্ষক সেই জনগণের সেরা ঐতিহ্যের যোগ্য ছিল, যারা শান্তিতে কখনও যুদ্ধবাজ ছিল না এবং যুদ্ধে কখনও শান্তিবাদী ছিল না। তারা আমাদের গর্বের অধিকারী। তাদের প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞতা রয়েছে, যা অবশ্যই প্রকৃত রূপ পেতে হবে। এটি কেবল একটি কর্তব্য নয়; এটি একটি বিশেষ অধিকার যে নিশ্চিত করা যায় যে তাদের করা ত্যাগ বৃথা যাবে না এবং যারা এখনও হতাহত হয়ে ভুগছে, তাদের প্রচুর সহায়তা করা হবে এবং তাদের নাগরিকত্বের সর্বোচ্চ সক্ষমতা ও আনন্দ ফিরিয়ে দেওয়া হবে।</p>
**ওয়ারেন জি. হার্ডিং, ''দ্য আমেরিকান সোলজার'' (১৯২০)।
*<p>বিশ্বের অন্যান্য বাহিনী, যারা তাদের [[রাজা]] বা মাতৃভূমিকে রক্ষার প্রতিজ্ঞা করে, তাদের থেকে ভিন্ন; আমাদের সেবার [[শপথ]] আমাদের সামরিক বাহিনীকে সংবিধানের সুরক্ষা ও প্রতিরক্ষা এবং আদেশ মেনে চলার শর্তে রাষ্ট্রপতির প্রতি আনুগত্যের সাথে যুক্ত করে। কার্যত, সেই শপথের মাধ্যমে মার্কিন সামরিক বাহিনী আমাদের জনগণের নিরাপত্তাকে রক্ষা করার পাশাপাশি ধারণা, আদর্শ এবং আইনের শাসনকে রক্ষা করে। কর্মজীবনের প্রতিটি ধাপে, প্রত্যেক সৈন্য—সাধারণ সৈনিক থেকে জেনারেল পর্যন্ত—ইতিহাস, আইনি প্রক্রিয়া এবং মূল্যবোধের ওপর প্রশিক্ষণ নেয়। সেই প্রশিক্ষণ আমাদের রাইফেল রেঞ্জে বা ফিল্ড এক্সারসাইজে যা করি তার পরিপূরক। সৈন্যদের চমৎকার দক্ষতা আছে এবং তারা আমেরিকান জীবনযাত্রার চিন্তাশীল রক্ষক। আমি আমার কর্মজীবনের তিন বছরেরও বেশি সময় যুদ্ধক্ষেত্রে ছিলাম; সেই সময়ে, আমি কিছু ভয়াবহ জিনিস দেখেছি এবং সেগুলোর অনেকগুলোই স্বপ্নে ফিরে আসে। মানুষ ও যুদ্ধের মধ্যে অশুভতা থাকে। কিন্তু মার্কিন সামরিক বাহিনীতে; যদিও এমন ঘটনা ঘটেছে যেখানে আইন বা প্রবিধান লঙ্ঘনের জন্য সৈন্যদের শৃঙ্খলাবদ্ধ করার প্রয়োজন হয়েছে—অত্যধিক এবং ধারাবাহিকভাবে আমার সহযোদ্ধাদের কাজ আমাকে খুব গর্বিত করেছে...</p><p>আমি আমাদের সৈন্যদের চিনি, এবং আমি অধ্যয়ন ও অভিজ্ঞতার মাধ্যমে আমাদের সামরিক ঐতিহ্য ও আমেরিকার যুদ্ধের ধরন জানি। যখন ভালোভাবে পরিচালিত ও প্রশিক্ষিত হয়, তখন যে আমেরিকানরা আমাদের দেশের পোশাক পরে, তারা চেতনার দিক থেকে বিশুদ্ধ এবং উদ্দেশ্যের দিক থেকে অবিচল। তারা যেখানে প্রেরিত হয় সেখানে যাবে, যেখানে তারা যায় সেখানে লড়াই করবে এবং যেখানে লড়াই করে সেখানে জেতার জন্য সবকিছু করবে। এবং তারা পৃথিবীর অন্য কোনো সৈনিকের মতো তা করবে না, কারণ আমরা তা-ই। অস্ত্র পেশা অনেক কিছু দাবি করে। সর্বোপরি, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর একজন ইউনিফর্ম পরিহিত সদস্য হওয়ার জন্য অতুলনীয় দক্ষতার প্রয়োজন, কিন্তু শক্তিশালী চরিত্র, তীক্ষ্ণ মেধা এবং এটি বোঝার ক্ষমতাও প্রয়োজন যে বেসামরিক ব্যক্তিরা আমাদের যা করতে বলে তার সীমা আছে। যখন বেসামরিক কর্তৃপক্ষ থেকে প্রাপ্ত আদেশ আইনি, নৈতিক বা মানবিক সীমানা অতিক্রম করে, তখন যেকোনো পদমর্যাদার যেকোনো সৈনিকের প্রথমে সেই আদেশগুলো নিয়ে প্রশ্ন তোলার এবং স্পষ্টীকরণ পাওয়ার অধিকার ও কর্তব্য থাকে, এবং প্রয়োজনে যদি তারা সীমা অতিক্রম করে তবে তা অমান্য করার অধিকারও থাকে। সেটিই আমাদের আলাদা করে...</p><p>কিন্তু রাষ্ট্রপতি যেই হোন না কেন, সেই ব্যক্তির কখনোই সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের সামরিক বিচারের ইউনিফর্ম কোড, তাদের নীতি, তাদের শপথ বা স্থল যুদ্ধের আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করার ‘আদেশ’ দেওয়ার কর্তৃত্ব নেই।</p>
**মার্ক হার্টলিং, [http://www.cnn.com/2016/03/04/opinions/donald-trump-military-hertling/index.html “আ সোলজার’স ভিউ অন ট্রাম্প”] (৪ মার্চ ২০১৬), ''সিএনএন'', জর্জিয়া অঙ্গরাজ্য: কেবল নিউজ নেটওয়ার্ক
*<p>তোমরা প্রায় ১০ হাজার আমেরিকান [[জীবন]] উৎসর্গ করেছ, যা আমাদের যুবসমাজের [[ফুল]]। তোমরা প্রদেশগুলোকে ধ্বংস করেছ। তোমরা যাদের উপকার করতে চাও তাদের মধ্যে অগণিত হাজারো মানুষকে হত্যা করেছ। তোমরা কনসেনট্রেশন ক্যাম্প স্থাপন করেছ। তোমাদের জেনারেলরা ফসল নিয়ে ঘরে ফিরছে, হাজার হাজার অসুস্থ, আহত ও উন্মাদ মানুষকে সাথে নিয়ে, যারা শরীর ও মনে বিধ্বস্ত হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। তোমরা আমেরিকান পতাকাকে অসংখ্য মানুষের চোখে [[খ্রিস্টান|খ্রিস্টান]] গির্জায় অপবিত্রতা, মানুষের ঘরবাড়ি পোড়ানো এবং জল নির্যাতনের ভয়াবহতার প্রতীক বানিয়েছ...</p><p>তোমাদের বাস্তববাদী রাষ্ট্রনীতি, যা [[জর্জ ওয়াশিংটন]] ও আব্রাহাম লিঙ্কন বা বিপ্লব বা গৃহযুদ্ধের সৈন্যদের আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করতে ঘৃণা করে, তা কিছু ক্ষেত্রে তোমাদের উদাহরণের জন্য স্পেনের দিকে তাকিয়েছে। আমি বিশ্বাস করি—না, আমি জানি—যে সাধারণত আমাদের কর্মকর্তা ও সৈন্যরা মানবিক। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে তারা আমেরিকান উদ্ভাবন এবং ক্যাসটিলিয়ান নিষ্ঠুরতার মিশ্রণে তোমাদের যুদ্ধ চালিয়েছে...</p><p>তোমাদের বাস্তববাদী রাষ্ট্রনীতি এমন একটি জাতিকে রূপান্তর করতে সফল হয়েছে, যারা তিন বছর আগেও আমেরিকানদের পোশাকের প্রান্ত চুম্বন করতে এবং তাদের মুক্তিদাতা হিসেবে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত ছিল, যারা সেই দ্বীপে তোমাদের পুরুষরা অবতরণের সময় আশীর্বাদ ও কৃতজ্ঞতা নিয়ে ভিড় করেছিল, তাদেরই এখন শতাব্দী পার হলেও মুছে ফেলা সম্ভব নয় এমন ঘৃণায় পূর্ণ বিরক্ত ও আপোষহীন শত্রুতে পরিণত করেছে।</p>
**জর্জ ফ্রিসবি হোর, [http://web.archive.org/web/20031204093243/http://www.bartleby.com/268/10/25.html ''সাবজুগেশন অফ দ্য ফিলিপাইনস ইনিসকুয়িটাস''] (মে ১৯০২)
*[[পারমাণবিক অস্ত্র]] সংক্রান্ত পরিস্থিতিতে, গত ডুমসডে ক্লক রিপোর্টের চেয়ে পরিস্থিতি অনেক বেশি বিপজ্জনক। উন্নয়নের অধীনে থাকা নতুন অস্ত্র ব্যবস্থা অনেক বেশি কার্যকরভাবে বিপজ্জনক। '''[[জো বাইডেন|বাইডেন প্রশাসন]], ট্রাম্পের সংঘাতমূলক দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রসারিত করে, চমস্কিকে হাতের বিপদ বর্ণনা করার জন্য শব্দ খুঁজে না পাওয়ার মতো অবস্থায় ফেলেছে। কেবল সম্প্রতি, [[জো বাইডেন|বাইডেন]] ন্যাটো নেতাদের সাথে দেখা করেছেন এবং তাদের দুটি যুদ্ধের—[[চীন]] এবং [[রাশিয়া]]—পরিকল্পনা করার নির্দেশ দিয়েছেন। চমস্কির মতে: “এটি পাগলামি ছাড়িয়ে গেছে।” শুধু তাই নয়, যখন সত্যিকারের কূটনীতির প্রয়োজন, তখন এই গোষ্ঠী প্ররোচনামূলক কাজ করছে।''' এটি একটি অত্যন্ত বিপজ্জনক পরিস্থিতি।
**[https://www.counterpunch.org/2021/07/12/a-world-of-total-illusion-and-fantasy-an-interview-with-noam-chomsky/ আ ওয়ার্ল্ড অফ টোটাল ইলিউশন অ্যান্ড ফ্যান্টাসি: নোয়াম চমস্কি অন দ্য ফিউচার অফ দ্য প্ল্যানেট, রবার্ট হানজিকার, ''কাউন্টারপাঞ্চ''] (১২ জুলাই ২০২১)
*[[ইরাক]], [[সিরিয়া]], [[ইরান]], [[লিবিয়া]], [[সোমালিয়া]], [[সুদান]] এবং ইয়েমেনে প্রায় ১০,০০০ আমেরিকান কর্মরত আছেন... এই পুরুষ ও নারীরা সেই দেশগুলোর নাগরিকদের পাশাপাশি লড়াই করছেন।
**উইল হার্ড, [https://hurd.house.gov/media-center/press-releases/congressman-hurd-highlights-danger-posed-americans-due-immigration-ban ইমিগ্রেশন ব্যান বিষয়ক বিবৃতি] (২০১৭)
==আই==
* এই বিষয়টি মাথায় রেখে, চুক্তির অংশীদাররা তাদের ব্যক্তিগত ও সম্মিলিত সক্ষমতা—আমি আবারও বলছি, সম্মিলিত সক্ষমতা—বিকাশ করার প্রতিজ্ঞা করেছে, যাতে তারা যেকোনো সশস্ত্র আক্রমণ প্রতিহত করতে পারে। সেই প্রতিজ্ঞার প্রতি অনুগত থেকে, চুক্তি স্বাক্ষরের পর থেকে জোটের প্রতিটি সদস্য প্রতি বছর ক্রমান্বয়ে প্রতিরক্ষার জন্য বেশি অর্থ ব্যয় করেছে। শক্তিশালী আমেরিকান, [[কানাডা|কানাডিয়ান]] এবং [[যুক্তরাজ্য|যুক্তরাজ্যের]] বাহিনী ইতিমধ্যেই মহাদেশটিতে অবস্থান করছে এবং তাদের [[ইউরোপ|ইউরোপীয়]] মিত্রদের পাশাপাশি প্রহরায় নিয়োজিত রয়েছে। তবে আমাদের উদ্দেশ্য নিয়ে যেন কোনো ভুল ধারণা না হয়। আমরা যে সামরিক শক্তি অর্জনের লক্ষ্য নিয়েছি, তা আত্মরক্ষার জন্য নূন্যতম প্রয়োজন। আমাদের পক্ষ থেকে যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের কোনো সুযোগ নেই, ছিল না এবং কখনো থাকবে না। যদি বিষয়টি অন্যরকম হতো, তবে আন্তর্জাতিক মুক্ত ট্রেড ইউনিয়ন কনফেডারেশনের মতো একটি শক্তিশালী শান্তিকামী সংগঠন কি দৃঢ়ভাবে তাদের সংকল্প ব্যক্ত করত—আমি এখানে উদ্ধৃত করছি— “আগ্রাসন এড়ানোর লক্ষ্যে মুক্ত জাতিগুলোর তাদের প্রতিরক্ষা জোরদার করার প্রচেষ্টাকে সমর্থন করা”?
** হেস্টিংস ইসমে, [https://www.nato.int/docu/speech/1953/s19530913.htm বিবিসি রেডিও টক], ১৩ সেপ্টেম্বর ১৯৫৩
==জে==
*একটি নৌবাহিনী মূলত এবং অপরিহার্যভাবেই অভিজাততান্ত্রিক। আমরা এখন যে রাজনৈতিক নীতিগুলোর জন্য লড়াই করছি, তা যতই সত্য হোক না কেন, জাহাজের ডেকে, বন্দর থেকে দূরে বা গভীর সমুদ্রে এগুলো কখনোই ব্যবহারিকভাবে প্রয়োগ করা সম্ভব নয়, এমনকি তা মেনে নেওয়াও যায় না। এটি কঠোর মনে হতে পারে, কিন্তু এটিই হলো সবচেয়ে সরল সত্য। যদিও কংগ্রেসের পাঠানো জাহাজগুলো [[মানবাধিকার]] ও প্রজাতন্ত্রী স্বাধীনতার নীতির জন্য লড়াই করতে পারে এবং অবশ্যই করা উচিত, কিন্তু সমুদ্রে জাহাজগুলো নিজেই এক চরম স্বৈরাচারী ব্যবস্থার অধীনে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হতে হবে।
**জন পল জোন্স, [http://www.rulit.me/books/the-last-ship-read-334944-1.html কংগ্রেসের নৌ কমিটির কাছে চিঠি] (১৪ সেপ্টেম্বর ১৭৭৫)
==কে==
*হেল! এরা মেরিন। এদের মতো লোকেরাই গুয়াদালকানাল ধরে রেখেছিল এবং আইও জিমা দখল করেছিল। বাগদাদ তো কিছুই না।
**জন এফ. কেলি, [http://www.blackfive.net/main/2007/09/marine-general-.html মেরিন জেনারেল স্পিকস আউট]-এ উদ্ধৃত। বাগদাদ আক্রমণের শুরুতে এক সাংবাদিক পরাজয়ের সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন করলে কেলি এই জবাব দেন। (এপ্রিল ২০০৭)
* [[ভিয়েতনাম যুদ্ধ|ভিয়েতনাম]] থেকে ফিরে আসার পর এই মানুষগুলোর মনের অবস্থা কী হয়, তার ফলাফল সম্পর্কে আপনাদের সাথে কিছুটা কথা বলতে চাই। দেশ এখনো জানে না যে এটি একটি দানব তৈরি করেছে— লক্ষ লক্ষ মানুষের রূপ নেওয়া এক দানব, যাদের সহিংসতা ব্যবহার ও লেনদেন করতে শেখানো হয়েছে, এবং যাদের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় 'শূন্য' অর্জনের জন্য মরার সুযোগ দেওয়া হয়েছে; এমন মানুষ যারা ফিরে এসেছে এক ধরনের [[ক্রোধ]] ও বিশ্বাসঘাতকতার অনুভূতি নিয়ে, যা এখনো কেউ বুঝতে পারেনি। একজন ভেটেরান হিসেবে, এবং যে এই ক্রোধ অনুভব করে, আমি এ নিয়ে কথা বলতে চাই। আমরা ক্ষুব্ধ কারণ আমরা মনে করি, এই দেশের প্রশাসন আমাদের সবচেয়ে খারাপভাবে ব্যবহার করেছে। ১৯৭০ সালে ওয়েস্ট পয়েন্টে, ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যাগনিউ বলেছিলেন: “কিছু মানুষ সমাজের অপরাধী ও অযোগ্যদের গ্ল্যামারাইজ করে, অথচ আমাদের সেরা ছেলেরা সেই স্বাধীনতা রক্ষা করতে এশিয়ার ধানের জমিতে প্রাণ দিচ্ছে, যে স্বাধীনতা ওই অযোগ্যরা অপব্যবহার করে।” আর এটি ভিয়েতনামে আমাদের অভিযানের জন্য একটি rallying point বা ঐক্যের বিন্দু হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছিল। কিন্তু আমাদের কাছে—যারা এশিয়ায় তাঁর ছেলে ছিল এবং যাদের সমর্থন দেওয়ার কথা ছিল দেশটির—তাঁর এই বক্তব্য একটি ভয়ঙ্কর বিকৃতি, যা থেকে আমরা কেবল গভীর বিতৃষ্ণা অনুভব করতে পারি; এবং এই কারণেই আজ ওয়াশিংটনে উপস্থিত কিছু মানুষের এই ক্রোধ। এটি একটি বিকৃতি কারণ আমরা কোনোভাবেই নিজেদের এই দেশের সেরা মানুষ বলে মনে করিনি; কারণ তিনি যাদের অযোগ্য বলছেন, তারা আমাদের জন্য এমনভাবে দাঁড়িয়েছিল যা এই দেশের আর কেউ সাহস করেনি; কারণ মারা যাওয়া অনেকেরই ইচ্ছা ছিল দেশে ফিরে এসে সেই অযোগ্যদের সাথে যোগ দিয়ে দক্ষিণ ভিয়েতনাম থেকে অবিলম্বে সেনা প্রত্যাহারের দাবি জানানো; কারণ সেই সেরা ছেলেদের অনেকেই আজ কোয়াড্রিপ্লেজিক (চতুর্থঙ্গ পক্ষাঘাতগ্রস্ত) বা অঙ্গহীন হয়ে ফিরেছে, এবং তারা পড়ে আছে এই দেশের ভেটেরান অ্যাডমিনিস্ট্রেশন হাসপাতালগুলোতে ভুলে যাওয়া অবস্থায়, যে হাসপাতালগুলোতে উড়ছে সেই পতাকা—যা অনেকেই তাদের ব্যক্তিগত প্রতীক হিসেবে বেছে নিয়েছে। আমরা নিজেদের আমেরিকার সেরা মানুষ বলে ভাবতে পারি না, যখন আমরা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় আমাদের যা করতে বলা হয়েছিল, তার জন্য লজ্জিত এবং ঘৃণা বোধ করি।
** জন কেরি, [https://www.americanrhetoric.com/speeches/johnkerrysenateforeignrelationsvietnamwar.htm সিনেট ফরেন রিলেশনস কমিটির সামনে বিবৃতি], ২২ এপ্রিল ১৯৭১, ওয়াশিংটন, ডি.সি.তে প্রদত্ত।
*জয়লাভ আমাদের করতেই হবে, কারণ আমাদের লক্ষ্য ন্যায়সংগত!
**ফ্রান্সিস স্কট কি, “দ্য স্টার-স্প্যাংলড ব্যানার” (১৮১৪)
*[[এঙ্গেলস]] একবার ব্রিটিশ সেনাবাহিনীকে সবচেয়ে নিষ্ঠুর সেনাবাহিনী বলেছিলেন। [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের]] সময়, [[জার্মানি|জার্মান]] [[ফ্যাসিবাদ|ফ্যাসিবাদী]] সেনাবাহিনী ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর বর্বরতাকে ছাড়িয়ে গিয়েছিল। সেই সময়ে [[অ্যাডলফ হিটলার|হিটলারের]] গ্যাংস্টাররা যে বীভৎস ও ভয়ানক নিষ্ঠুরতা করেছিল, তা কোনো মানুষের [[মস্তিষ্ক|কল্পনার]] বাইরে। কিন্তু [[কোরীয় যুদ্ধ|কোরিয়ায়]], আমেরিকানরা হিটলারবাদীদের অনেক ছাড়িয়ে গেছে!
**[[কিম ইল-সাং]], ১৯৯৩ সালে সুইডিশ কমিউনিস্ট নেতা ফ্রাঙ্ক বাউডের কাছে এই মন্তব্য করেন। উক্তি ও অনুবাদ: ''Mot strömmen'', পৃষ্ঠা ১৮৬।
*আমার মনে হয় না কোনো অঙ্গরাজ্য ছিল যা সেখানে প্রতিনিধিত্বশীল ছিল না। এই [[অভিজ্ঞতা]] আমাকে দেশটির বৈচিত্র্য, মানুষ, [[ভাষা]] এবং [[সংস্কৃতি]]কে উপলব্ধি করতে সাহায্য করেছে। এটা ভাবা অবিশ্বাস্য যে আমরা কতটা বৈচিত্র্যময় এবং আমরা কীভাবে একটি সংস্কৃতি হিসেবে একসাথে টিকে আছি। সত্যি বলতে, এটিই এই দেশের একমাত্র স্পষ্ট সত্য যা একে বিশ্বের কাছে অনন্য করে তুলেছে।
** জ্যাক কার্বি, মার্ক পিটার্সের নিবন্ধ [https://www.pastemagazine.com/articles/2017/02/8-ways-comic-book-legend-jack-kirby-fought-fascism.html “৮ ওয়েজ কমিক বুক লিজেন্ড জ্যাক কার্বি ফাউট ফ্যাসিবম”]-এ উদ্ধৃত, ''পেস্ট ম্যাগাজিন'', (১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭)।
*আমেরিকার লড়া কিছু যুদ্ধ ছিল “কেবল মুনাফার জন্য” এবং কিছু দেশের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা যুদ্ধের মতোই ধ্বংসাত্মক... আমেরিকা কখন যুদ্ধে যাবে, সে বিষয়ে আমেরিকান জনগণের কার্যত কোনো কথা বলার অধিকার নেই। এই সিদ্ধান্তগুলো কোনো পর্দার আড়ালে নেওয়া হয়... আমেরিকানদের কাছে মিথ্যা বলা অব্যাহত রাখা হয়েছে যে কেন আমরা যুদ্ধে যাই। কারণ আবারো বলছি, এর অন্যতম বড় কারণ হলো কেবল মুনাফা। এটি একসময় কিছুটা সত্য ছিল, কিন্তু এখন তা অত্যন্ত নগ্নভাবে ঘটছে।
**ড্যানিয়েল কোভালিক, [http://www.china.org.cn/world/Off_the_Wire/2021-12/08/content_77918107.htm ইন্টারভিউ]তে উদ্ধৃত, ''সিনহুয়া'', ৮ ডিসেম্বর, ২০২১।
*ইরাক ও [[আফগানিস্তান|আফগানিস্তানে]] মার্কিন আগ্রাসন প্রসঙ্গে] কৌশলগত দিক থেকে দেখলে, এটি একটি সম্পূর্ণ ব্যর্থতা হিসেবেই দেখা উচিত। তবুও এটি ২০ বছর ধরে চলেছে। কেন? কারণ যে প্রতিরক্ষা শিল্প কোম্পানিগুলো বোমা, বিমান ও যানবাহন তৈরি করে—এবং এখন সরকারি সামরিক কর্মীদের পরিবর্তে যে বেসরকারি সামরিক ঠিকাদাররা যুদ্ধ করছে—তারা যুদ্ধ চলাকালীন কয়েক ট্রিলিয়ন ডলার আয় করেছে। তাই '''তারা পরোয়া করেনি যে যুদ্ধ জয় হলো কি না; লক্ষ্য ছিল যুদ্ধটি যেন চিরকাল চলতে থাকে... আসল বিষয় হলো যুদ্ধ জয় করা নয়, বরং এটি নিশ্চিত করা যে যুদ্ধ যেন শেষ না হয়, কারণ আপনি মুনাফা করতেই থাকবেন।'''<BR>মার্কিন সামরিক হস্তক্ষেপের মাধ্যমে মানবাধিকারের উন্নয়ন করছে না। এটি মানবিকতাকে এগিয়ে নিচ্ছে না। প্রকৃতপক্ষে, এটি বিশালভাবে মানবিকতাকে ক্ষুণ্ণ করছে।
**ড্যানিয়েল কোভালিক, [http://www.china.org.cn/world/Off_the_Wire/2021-12/08/content_77918107.htm ইন্টারভিউ]তে উদ্ধৃত, ''সিনহুয়া'', ৮ ডিসেম্বর, ২০২১।
*আপনি কোন বাহিনীকে আপনাকে [[মুক্তি|মুক্ত]] করতে আসতে দেখতে চান? এবং এটি সর্বসম্মত, এমনকি নাৎসিরাও সবাই আবার একটি ছোট বিমানে উড়ে আমেরিকান লাইনে এসে আমেরিকানদের কাছে আত্মসমর্পণ করবে, যদিও সবাই জানে যে সেই অর্থে আমরা ব্যতিক্রমী।
**চার্লস ক্রাউথামার, [http://conversationswithbillkristol.org/video/charles-krauthammer/ বিল ক্রিস্টলের সাথে সাক্ষাৎকার] (১৩ মার্চ ২০১৫)।
*সামরিক বাহিনী কমান্ডার ইন চিফকে কোনো পাত্তা দেয়নি। সাধারণত, বেসামরিক নিয়ন্ত্রণের জাতিতে এটি স্বাস্থ্যের লক্ষণ নয়। এতে কিছুটা অবাধ্যতার গন্ধ আছে। কিন্তু এমন একজন [[রাষ্ট্রপতি]] যার স্বভাব অত্যন্ত আবেগপ্রবণ এবং দীর্ঘস্থায়ী অযৌক্তিক, তার ক্ষেত্রে সামরিক বাহিনীর কিছুটা সতর্কতা, এমনকি কিছুটা অনমনীয়তা স্বাগত জানানো উচিত।
**চার্লস ক্রাউথামার, [https://www.washingtonpost.com/opinions/the-guardrails-hold/2017/08/03/fcfc157c-7877-11e7-9eac-d56bd5568db8_story.html?noredirect=on&utm_term=.bc41e247bfa0 “দ্য গার্ডরেলস হোল্ড”] (৩ আগস্ট ২০১৭), ''দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট''।
==এল==
[[চিত্র:Barbara Lee official portrait.jpg|থাম্ব| পেন্টাগন বাজেট থেকে ৪০ বা ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়েও আপনি শক্তিশালী জাতীয় নিরাপত্তা বজায় রাখতে পারেন... যখন আপনি সামরিক নীতি ও অভ্যন্তরীণ নীতির ক্ষেত্রে জনগণের অবস্থান দেখেন—বিশেষ করে যখন এই অননুমোদিত যুদ্ধ, এই 'চিরস্থায়ী যুদ্ধ' বন্ধ করার কথা আসে—তখন জনতা আমাদের সাথেই আছে। ~ যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসম্যান বারবারা লি]]
*<p>ষাট বছর আগে, ২৫ জুন ভোরবেলা, [[কোরীয় যুদ্ধ|কোরীয় যুদ্ধ]] শুরু হয়েছিল যখন কমিউনিস্ট [[উত্তর কোরিয়া]], কোরিয়া প্রজাতন্ত্রকে আক্রমণ করে। এর জবাবে, যুক্তরাষ্ট্রসহ জাতিসংঘের ১৬টি সদস্য দেশ স্বাধীনতার সুরক্ষায় কোরিয়া প্রজাতন্ত্রের সাথে যোগ দেয়। '''পরবর্তী তিন বছরের লড়াইয়ে, প্রায় ৩৭,০০০ আমেরিকান তাদের [[জীবন]] হারান। তারা লড়াই করেছিলেন [[দক্ষিণ কোরিয়া|এমন কোরিয়ানদের]] [[স্বাধীনতা|স্বাধীনতার]] জন্য, যাদের তারা চিনতেনও না। আর তাদের ত্যাগের কারণেই, [[দক্ষিণ কোরিয়া|প্রজাতন্ত্রের]] শান্তি ও গণতন্ত্র সুরক্ষিত হয়েছিল'''...</p><p>[[কোরীয় যুদ্ধ|কোরীয় যুদ্ধের]] ৬০তম বার্ষিকীতে, আমি যুদ্ধে অংশগ্রহণের জন্য [[যুক্তরাষ্ট্র|আমেরিকার]] কাছে কৃতজ্ঞ। সেই সময়ে, কোরিয়া প্রজাতন্ত্র ছিল বিশ্বের অন্যতম দরিদ্র দেশ, যার বার্ষিক মাথাপিছু আয় ছিল ৪০ ডলারের কম। ২০০৯ সালে, আমার দেশ অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থার উন্নয়ন সহায়তা কমিটির সদস্য হয়; একমাত্র প্রজন্মেই সাহায্য গ্রহণকারী দেশ থেকে সাহায্য প্রদানকারী দেশে পরিণত হওয়া এটিই প্রথম দৃষ্টান্ত।</p>
** মিউং-বাক লি, [http://articles.latimes.com/2010/jun/25/opinion/la-oe-lee-thanks-20100625 “আ নোট অফ থ্যাঙ্কস”] (২৫ জুন ২০১০), ''দ্য লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস''।
*<p>আমরা সেখানে গিয়ে যুদ্ধ করেছি এবং শেষ পর্যন্ত প্রতিটি [[শহর]] জ্বালিয়ে দিয়েছি...</p><p>প্রায় তিন বছরের বা তার কিছু বেশি সময়ে, আমরা কত শতাংশ—ধরুন—জনসংখ্যার বিশ শতাংশকে [[হত্যা]] করেছি?</p>
**কার্টিস লেমে, ''স্ট্র্যাটেজিক এয়ার ওয়ারফেয়ার: অ্যান ইন্টারভিউ উইথ জেনারেলস'' (১৯৮৮)।
* সামরিক সংযোগ ও সামরিক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত খুব অল্প সংখ্যক ব্যক্তির সহিংস চরমপন্থী কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ সামরিক বাহিনী এবং সামগ্রিকভাবে দেশটির জন্য একটি ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
** পিটার কে. লেভিন; জোসেফ এফ. অ্যাডামস; অ্যামি এ. অলরিচ; র্যাচেল জি. অগাস্টিন; মার্গারেট ডি.এম. বারবার; সুজিতা বি. ভাট; ক্যাথলিন এম. কনলি; ডেভ আই. কোটিং; অ্যালান বি. গেল্ডার; জেফারি এম. জাভোরস্কি; মার্ক এফ. কেই; ক্যারিংটন এ. মেটস; নীল ভি. মিত্তাল; ম্যাথিউ জে. রিড; [https://www.ida.org/research-and-publications/publications/all/p/pr/prohibited-extremist-activities-in-the-us-department-of-defense “প্রোহিবিটেড এক্সট্রিমিস্ট অ্যাক্টিভিটিস ইন দ্য ইউ.এস. ডিপার্টমেন্ট অফ ডিফেন্স”], ''প্রতিরক্ষা দপ্তর'', (ডিসেম্বর ২০২৩); উইল কারলেস [https://www.usatoday.com/story/news/investigations/2023/12/26/pentagon-extremist-study-released/72034360007/ “আফটার ইউএসএ টুডে ইনভেস্টিগেশন, মিলিটারি ফাইনালি রিলিজড ইন্টারনাল এক্সট্রিমিজম রিপোর্ট”], ''ইউএসএ টুডে'', (২৬ ডিসেম্বর, ২০২৩)-এ উদ্ধৃত।
* ডিওডিের নিরাপত্তা ছাড়পত্র প্রদান, উপযুক্ততা মূল্যায়ন এবং স্থাপনায় প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার প্রক্রিয়া এখনো মূলত স্নায়ু যুদ্ধের হুমকি এবং বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধের সাথে সম্পর্কিত ঝুঁকির দিকেই বেশি গুরুত্ব দেয়, অথচ ঘরের ভেতরের চরমপন্থার হুমকির দিকে নয়।
** পিটার কে. লেভিনসহ অন্যরা; [https://www.ida.org/research-and-publications/publications/all/p/pr/prohibited-extremist-activities-in-the-us-department-of-defense “প্রোহিবিটেড এক্সট্রিমিস্ট অ্যাক্টিভিটিস ইন দ্য ইউ.এস. ডিপার্টমেন্ট অফ ডিফেন্স”], ''প্রতিরক্ষা দপ্তর'', (ডিসেম্বর ২০২৩); উইল কারলেস [https://www.usatoday.com/story/news/investigations/2023/12/26/pentagon-extremist-study-released/72034360007/ “আফটার ইউএসএ টুডে ইনভেস্টিগেশন, মিলিটারি ফাইনালি রিলিজড ইন্টারনাল এক্সট্রিমিজম রিপোর্ট”], ''ইউএসএ টুডে'', (২৬ ডিসেম্বর, ২০২৩)-এ উদ্ধৃত।
*জাতিসমূহের [[আইন]] গায়ের রঙের কোনো পার্থক্য জানে না, এবং '''যদি যুক্তরাষ্ট্রের কোনো শত্রু তাদের সেনাবাহিনীর কোনো বন্দীকে দাস বানিয়ে বিক্রি করে, তবে তা হবে কঠোরতম প্রতিশোধের একটি ক্ষেত্র''', যদি অভিযোগের ভিত্তিতে প্রতিকার না পাওয়া যায়।
** ''দ্য লিবার কোড অফ ১৮৬৩'', মার্কিন যুদ্ধ দপ্তর, ৫৮
*আমি যদি নোবেল শান্তি পুরস্কার জিততাম, তবে আমি তা প্রদান করতাম হয় [[জর্জ ডব্লিউ. বুশ|বুশ প্রশাসনকে]], যারা উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক কর্মসূচি সফলভাবে নিরস্ত্রীকরণ এবং ইরানেও একই কাজ করার জন্য অধ্যবসায়ের সাথে কাজ করেছিল, অথবা আমি তা প্রদান করতাম জেনারেল পেট্রিয়াস ও মার্কিন সামরিক বাহিনীকে। বিশ্বে যদি শান্তির কোনো ইঞ্জিন থেকে থাকে, তবে তা হলো মার্কিন সামরিক বাহিনী।
**রাশ লিম্বো, [http://www.rushlimbaugh.com/home/daily/site_101207/content/01125107.guest.html ''রাশ লিম্বো''] (১২ অক্টোবর ২০০৭)।
*'''আমাদের নিজেদের [[স্বাধীনতা]] ও স্বাধীনতার দুর্গ কী?''' এটি কি আমাদের ভ্রুকুটি করা দুর্গ, আমাদের ঝকঝকে সমুদ্র উপকূল, আমাদের যুদ্ধের বাষ্পচালিত জাহাজের কামান, নাকি আমাদের বীর ও সুশৃঙ্খল সেনাবাহিনীর শক্তি? আমাদের ন্যায্য ভূমিতে স্বৈরাচারের পুনরুত্থানের বিরুদ্ধে এগুলো আমাদের নির্ভরতা নয়। সংগ্রামের জন্য আমাদের দুর্বল বা শক্তিশালী না করেই এর সব কিছুই আমাদের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে ব্যবহার করা যেতে পারে। '''আমাদের নির্ভরতা হলো [[ঈশ্বর|ঈশ্বরের]] আমাদের হৃদয়ে রোপণ করা স্বাধীনতার ভালোবাসার ওপর। আমাদের প্রতিরক্ষা হলো সেই আত্মায়, যা স্বাধীনতাকে সব ভূমির, সব মানুষের উত্তরাধিকার হিসেবে মূল্যবান মনে করে। এই আত্মাকে ধ্বংস করুন, এবং আপনি আপনার নিজের দরজায় স্বৈরাচারের বীজ রোপণ করেছেন। নিজেদের বন্দিত্বের শিকলের সাথে পরিচিত করুন এবং আপনারা তা পরিধানের জন্য নিজেদের অঙ্গ প্রস্তুত করছেন। আপনাদের আশেপাশের মানুষের অধিকার পদদলিত করতে অভ্যস্ত হয়ে, আপনারা নিজেদের স্বাধীনতার প্রতিভা হারিয়ে ফেলেছেন এবং প্রথম ধূর্ত স্বৈরাচারের উপযুক্ত প্রজা হয়ে উঠেছেন যে জেগে ওঠে।'''
**[[আব্রাহাম লিঙ্কন|আব্রাহাম লিঙ্কনের]] এডওয়ার্ডসভিল, ইলিনয়-এ ভাষণ (১১ সেপ্টেম্বর ১৮৫৮); লিঙ্কন, আব্রাহাম; মারিও ম্যাথিউ কুওমো, হ্যারল্ড হোলজার, জি. এস. বোরিট, ''[http://books.google.de/books?id=8bWmmyJEMZoC&pg=PA128&redir_esc=y#v=onepage&q&f=false লিঙ্কন অন ডেমোক্রেসি]'' (ফোর্ডহ্যাম ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১ সেপ্টেম্বর ২০০৪), ১২৮-এ উদ্ধৃত। {{ISBN|978-0823223459}}।
*এটা উল্লেখযোগ্য যে, সরকারের এই কঠিন সময়ে সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর যে বিশাল সংখ্যক ব্যক্তি যারা বিভিন্ন পদে সুবিধা পেয়েছিলেন তারা পদত্যাগ করেছেন এবং যাদের দ্বারা লালিত হয়েছিলেন তাদের প্রতি মিথ্যা প্রমাণ করেছেন, কিন্তু কোনো সাধারণ সৈন্য বা সাধারণ নাবিক তাদের পতাকা ত্যাগ করেছে বলে জানা যায়নি। বিশ্বাসঘাতক সহযোগীদের উদাহরণ সত্ত্বেও যারা অটল ছিলেন সেই কর্মকর্তাদের প্রতি অনেক সম্মান; কিন্তু সবচেয়ে বড় সম্মান ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হলো সাধারণ সৈনিক ও নাবিকদের সর্বসম্মত দৃঢ়তা। যতটুকু জানা যায়, শেষ ব্যক্তি পর্যন্ত তারা তাদের বিশ্বাসঘাতক প্রচেষ্টাকে সফলভাবে প্রতিহত করেছে, যাদের কমান্ড তারা মাত্র এক ঘণ্টা আগেও পরম আইন হিসেবে মেনে চলত। এটি সাধারণ মানুষের দেশপ্রেমিক প্রবৃত্তি। তারা কোনো যুক্তি ছাড়াই বোঝে যে, ওয়াশিংটন কর্তৃক তৈরি সরকার ধ্বংস করা তাদের জন্য কোনো ভালো বয়ে আনবে না।
**[[আব্রাহাম লিংকন|আব্রাহাম লিঙ্কন]], [http://millercenter.org/president/speeches/speech-3508 কংগ্রেসের উদ্দেশ্যে ৪ঠা জুলাইয়ের বার্তা] (৪ জুলাই ১৮৬১)
*'''সাতাশি বছর আগে আমাদের পূর্বপুরুষরা এই মহাদেশে এক [[যুক্তরাষ্ট্র|নতুন জাতি]] নিয়ে এসেছিলেন, যা স্বাধীনতায় গড়া এবং এই প্রস্তাবনায় নিবেদিত যে সমস্ত মানুষ সমানভাবে সৃষ্ট। এখন আমরা এক মহান গৃহযুদ্ধে লিপ্ত, পরীক্ষা করছি যে সেই জাতি বা এমন কোনো জাতি কি দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে?''' আমরা সেই যুদ্ধের এক মহান রণক্ষেত্রে মিলিত হয়েছি। আমরা এসেছি সেই মাঠের একটি অংশ উৎসর্গ করতে, [[যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনী|যাঁরা এখানে জীবন দিয়েছেন]] সেই জাতির বেঁচে থাকার জন্য। এটি করা অত্যন্ত উপযুক্ত। '''কিন্তু, বৃহত্তর অর্থে, আমরা এই ভূমি উৎসর্গ করতে পারি না, পবিত্র করতে পারি না। এখানে লড়াই করা সাহসী পুরুষরা, জীবিত ও মৃত, তারা এটিকে উৎসর্গ করেছেন আমাদের যোগ করার বা বিয়োগ করার সামান্য ক্ষমতার ঊর্ধ্বে। বিশ্ব খুব সামান্যই লক্ষ্য করবে, বা আমরা এখানে কী বলেছি তা মনে রাখবে, কিন্তু তারা এখানে কী করেছে তা কখনোই ভুলতে পারবে না। জীবিত আমাদের জন্য, বরং এখানে সেই অসমাপ্ত কাজের প্রতি নিবেদিত হওয়া উচিত যা যারা এখানে লড়াই করেছিলেন তারা মহৎভাবে এগিয়ে নিয়ে গেছেন।''' আমাদের বরং এখানে সেই মহান কাজের প্রতি নিবেদিত হওয়া উচিত যা আমাদের সামনে রয়েছে — যে এই সম্মানিত মৃতদের কাছ থেকে আমরা সেই উদ্দেশ্যের প্রতি বর্ধিত ভক্তি গ্রহণ করি যার জন্য তারা ভক্তির চূড়ান্ত পরিমাপ দিয়েছিলেন — যে '''আমরা এখানে উচ্চস্বরে প্রতিজ্ঞা করছি যে এই মৃতরা বৃথা যাননি — যে এই জাতি, ঈশ্বরের অধীনে, স্বাধীনতার এক নতুন জন্ম লাভ করবে — এবং যে জনগণের সরকার, জনগণের দ্বারা, জনগণের জন্য, পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হবে না।'''
**[[আব্রাহাম লিংকন|আব্রাহাম লিঙ্কন]], ''দ্য গেটিসবার্গ অ্যাড্রেস'' (১৯ নভেম্বর ১৮৬৩)
*সৈনিকগণ। আপনারা আপনাদের ঘর ও বন্ধুদের কাছে ফিরে যেতে প্রস্তুত, ক্যাম্পের দায়িত্ব পালনের পর, এই মহান প্রতিযোগিতায়। আমি আপনাদের কাছে এবং যারা দেশের ডাকে এগিয়ে এসেছেন তাদের সবার কাছে গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। '''আমি চাই এটি আরও ব্যাপকভাবে বোঝা যাক যে দেশটি এখন কিসের সাথে জড়িত। আমাদের আছে, সবাই একমত হবেন, এক মুক্ত সরকার, যেখানে প্রত্যেক মানুষের অন্য সবার সাথে সমান হওয়ার অধিকার আছে।'''
**[[আব্রাহাম লিংকন|আব্রাহাম লিঙ্কন]], ওয়ান হান্ড্রেড সিক্সটি-ফোর্থ ওহাইও রেজিমেন্টের উদ্দেশ্যে ভাষণ (১৮ আগস্ট ১৮৬৪), ওয়াশিংটন, ডি.সি.তে প্রদত্ত।
*'''যদি [[কনফেডারেট স্টেটস অফ আমেরিকা|আমাদের শত্রুরা]] সফল হয় তবে প্রতিটি মানবাধিকার হুমকির মুখে পড়বে। এই প্রতিযোগিতায় প্রত্যেকের ধারণার চেয়েও বেশি কিছু জড়িত। এই সংগ্রামে প্রশ্ন জড়িত যে আপনার সন্তান এবং আমার সন্তানরা সেই সুবিধাগুলো ভোগ করবে কি না যা আমরা ভোগ করেছি।''' আমি এটি বলছি যাতে আপনাদের প্রভাবিত করতে পারি, যদি আপনারা আগে থেকেই প্রভাবিত না হয়ে থাকেন, যে '''কোনো ছোট বিষয় আমাদের মহান উদ্দেশ্য থেকে আমাদের বিচ্যুত করা উচিত নয়।''' আমাদের পদ্ধতির ব্যবহারিক প্রয়োগে কিছু অনিয়ম থাকতে পারে। '''এটি ন্যায্য যে প্রতিটি ব্যক্তি তার সম্পত্তির মূল্যের সমানুপাতে কর প্রদান করবে; কিন্তু যদি আমরা কর সংগ্রহের আগে প্রতিটি ব্যক্তির কর অন্য সবার সমানুপাতে সমন্বয় করার জন্য অপেক্ষা করি, তবে আমরা কখনোই কোনো কর সংগ্রহ করতে পারব না।''' মাঝে মাঝে ভুল হতে পারে; সরকারের কর্মকর্তারা ভুল প্রতিরোধের জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করলেও কাজ ভুল হতে পারে। কিন্তু আমি আপনাদের অনুরোধ করি, এই মহান প্রজাতন্ত্রের নাগরিক হিসেবে, আপনারা আমাদের সামনে থাকা মহান কাজ থেকে আপনাদের মনকে বিচ্যুত হতে দেবেন না। '''এই সংগ্রাম আপনাদের বিচ্যুত হওয়ার জন্য খুব বড়।''' যখন আপনারা আপনাদের বাড়িতে ফিরে যাবেন, তখন মুক্ত সরকারের যোগ্য এক প্রজন্মের উচ্চতায় উঠে দাঁড়াবেন, এবং আমরা আমাদের শুরু করা মহান কাজ সম্পন্ন করব। আজ বিকেলে আপনারা আমাকে যে সম্মান দিয়েছেন তার জন্য আমি আপনাদের আমার আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।
**[[আব্রাহাম লিংকন|আব্রাহাম লিঙ্কন]], ওয়ান হান্ড্রেড সিক্সটি-ফোর্থ ওহাইও রেজিমেন্টের উদ্দেশ্যে ভাষণ (১৮ আগস্ট ১৮৬৪), ওয়াশিংটন, ডি.সি.তে প্রদত্ত।
*সামরিক নিয়োগকারীরা এবং উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা প্রায়ই এই কথাটি পুনরাবৃত্তি করতে পছন্দ করেন যে সশস্ত্র বাহিনীর গড় সদস্য গড় আমেরিকানদের চেয়ে বেশি শিক্ষিত। এটি সত্য। প্রতিরক্ষা দপ্তরের মতে, প্রায় ৯৪% তালিকাভুক্ত কর্মীর হাই-স্কুল ডিপ্লোমা রয়েছে, যেখানে মাত্র ৬০% আমেরিকানদের তা আছে। সাধারণ জনসংখ্যার ৩০% এর তুলনায় প্রায় ৮৩% অফিসারের স্নাতক ডিগ্রি রয়েছে।
**বেঞ্জামিন লাক্সেনবার্গ, [http://www.wsj.com/articles/military-officers-dont-need-college-degrees-1439249756 “মিলিটারি অফিসারস ডোন্ট নিড কলেজ ডিগ্রিস”] (১০ আগস্ট ২০১৫), ''ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল''
==এম==
[[চিত্র:US_Sons_OfLiberty_9Stripes_Flag.svg|থাম্ব|সংবিধানের প্রতি আমার কর্তব্য ও [[দায়িত্ব]] আছে, আমার আনুগত্য সেখানেই। আমি সংবিধানের প্রতিই [[শপথ]] নিয়েছি। আমাদের ইউনিফর্মে থাকা সবার একই শপথ। আমরা কোনো ব্যক্তি বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান ছাড়া অন্য কিছুর প্রতি শপথ নেই না।<br> আমাদের শপথ ও দায়িত্ব হলো সংবিধান রক্ষা ও প্রতিরক্ষা করা। এর অংশ হিসেবে আমাদের নির্বাচিত প্রতিনিধির যেকোনো [[আইনি]] [[বৈধ]] আদেশ মানতে হয়, তা আপনি পছন্দ করুন বা না করুন। আদেশগুলো বৈধ হলে তা মানা আমাদের [[দায়িত্ব]]। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যে, [[সামরিক বাহিনী]] হিসেবে আমরা আইন অনুযায়ী বৈধ আদেশ মানতে বাধ্য। ~ [[মার্ক মিলি]]]]
[[চিত্র:US_map_1864_Civil_War_divisions.svg|থাম্ব|আমার মনে হয় একজন সৈনিক এবং জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফের চেয়ারম্যান হিসেবে আমার মূল [[দায়িত্ব]] হলো দেশের বাইরে কাজ করা। অভ্যন্তরীণ কোনো বিষয় মূলত অভ্যন্তরীণ [[রাজনীতি]] বা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাজ, যদি না অন্য কোনো বিশেষ [[কারণ]] থাকে। ~ মার্ক মিলি]]
* তোমাদের [[পুত্র]] ও [[কন্যাদের]] আমেরিকান সৈনিকের শান্ত, সুচিন্তিত এবং দৃঢ় মনোবলের মাধ্যমে বিশ্বস্ততার সাথে সেবা করেছে। তাদের এই শক্তি মিথ্যা গল্পের ওপর ভিত্তি করে চলা শত্রুর গোঁড়ামিকে হারিয়ে আমাদের বিজয় এনে দিয়েছে। তারা বাড়ি ফিরছে, তাদের যত্ন নাও।
**ডগলাস ম্যাকআর্থার, [https://ussmissouri.org/learn-the-history/surrender/general-macarthurs-radio-address/ রেডিও ভাষণ] (২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫)।
* আমি ফিরে এসেছি। সর্বশক্তিমান [[ঈশ্বর|ঈশ্বরের]] কৃপায় আমাদের বাহিনী আবার দাঁড়িয়েছে।
**ডগলাস ম্যাকআর্থার, [https://www.youtube.com/watch?v=Wv1PF0tAE1s লেতে, ফিলিপাইনে অবতরণের সময়] (২০ অক্টোবর ১৯৪৪)
* <p>[[কোরীয় যুদ্ধ|কোরীয় যুদ্ধের]] রণক্ষেত্রে পুয়ের্তো রিকানরা ৬৫তম পদাতিক বাহিনীর র্যাঙ্কে যুদ্ধ করছে...</p><p>তারা যুদ্ধের ময়দানে সাফল্যের উজ্জ্বল নজির স্থাপন করছে। তাদের এই কমান্ডে পেয়ে আমি সত্যিই গর্বিত। আমি আশা করি তাদের মতো আরও অনেকে আমাদের সাথে থাকবে।</p>
**ডগলাস ম্যাকআর্থার, [http://www.valerosos.com/HonorandFidelity3.html#The_Korean_War:_1950 ১২ ফেব্রুয়ারি ১৯৫১ সালে টোকিওতে উদ্ধৃত]।
* আমি আবেগপ্রবণ হতে চাই না, তবে এখানে আমেরিকান সৈন্যদের সাথে থাকাটা আমার কাছে অনেক সম্মানের। আমি দেখেছি, আমেরিকান সৈন্যরা যেকোনো সামরিক মিশন সম্পন্ন করতে পারে। দক্ষিণ [[আফগানিস্তান]]ের কঠিন জায়গাতেও তারা কাজ করবে। তবে এখানে থেকে বোঝা যায় যে, সামরিক দিকটি পুরোপুরি সফল হলেও যুদ্ধের সাফল্যের জন্য এটি ২০% মাত্র। আসল কাজটা আফগান জনগণের। আমেরিকানরা জায়গাটা পরিষ্কার করে দেবে এবং তাদের কাজ করাটা সম্মানের। তারা কঠোর পরিশ্রম করছে, কিন্তু আফগানরা এগিয়ে আসবে কি না তার ওপরই নির্ভর করছে আমরা একে বিজয় বলতে পারি কি না।
**[[র্যাচেল ম্যাডো]], [http://rawstory.com/rawreplay/2010/07/06/maddow-afghanistan-counterinsurgency-deadline/ "আফগানিস্তান কাউন্টার-ইনসার্জেন্সি ডেডলাইন"] (৬ জুলাই ২০১০), ''র-স্টোরি''
* আমেরিকার স্থির নীতি হলো—যুদ্ধের চেয়ে শান্তি ভালো, আবার উপঢৌকন দেওয়ার চেয়ে যুদ্ধ ভালো। যুক্তরাষ্ট্র কোনো দেশের সাথে যুদ্ধ চায় না, কিন্তু শান্তির জন্য কারো কাছে মাথা নত করবে না।
**[[জেমস ম্যাডিসন]], ওলকট চন্সি এবং উইলিয়াম শ্যালারের কাছে লেখা চিঠি, ১৮১৫ সালের চুক্তি। এটি বারবারি যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটায় এবং জলদস্যু রাষ্ট্রগুলোকে উপঢৌকন দেওয়ার প্রথা বন্ধ করে। [http://books.google.com/books?id=YMwRAAAAYAAJ&pg=PA46| রবার্ট গ্রিনহোর "হিস্ট্রি অ্যান্ড প্রেজেন্ট কন্ডিশন অফ ত্রিপোলি", ১৮৩৫, পৃষ্ঠা ৪৬]-এ উদ্ধৃত।
* মন্টিজুমার হল থেকে ত্রিপোলির তীর পর্যন্ত!
আমরা আকাশ, স্থল ও সমুদ্রে আমাদের দেশের যুদ্ধ লড়ি!
সবার আগে লড়ি, অধিকার ও স্বাধীনতার জন্য!
**''মেরিনস হাইম''
* আমেরিকা জেগে ওঠো। আমরা আমাদের সামরিক বাহিনী ও দেশকে ভালোবাসি, কিন্তু আমরা ট্রাম্পকে ঘৃণা করি।
**মার্শাল বি. ম্যাথারস, [https://twitter.com/Eminem/status/917922469775925248 "দ্য স্টর্ম"] (অক্টোবর ২০১৭)
:'''জোশুয়া এল. চেম্বারলেইন''': এটি ভিন্ন ধরনের একটি সেনাবাহিনী। [[ইতিহাস]] দেখলে দেখবেন মানুষ বেতন, নারী বা লুটের জন্য যুদ্ধ করে। তারা ভূমি বা ক্ষমতার জন্য লড়ে, অথবা রাজা তাদের নেতৃত্ব দেয়, কিংবা শুধু হত্যা করতে পছন্দ করে বলে লড়ে। কিন্তু আমরা নতুন কিছুর জন্য এখানে। পৃথিবীতে এমন ঘটনা খুব কম ঘটেছে। আমরা অন্যদের মুক্ত করার জন্য একটি সেনাবাহিনী। আমেরিকার মাটি মুক্ত হওয়া উচিত—পুরোটা। দাস রাষ্ট্র বা মুক্ত রাষ্ট্রের বিভাজন থাকবে না, এপাশ থেকে প্রশান্ত মহাসাগর পর্যন্ত। কাউকে মাথা নত করতে হবে না। কেউ রাজবংশে জন্মায়নি। এখানে আমরা আপনার কাজ দিয়ে আপনাকে বিচার করি, আপনার বাবা কে তা দিয়ে নয়। এখানে আপনি কিছু হতে পারেন। এখানে ঘর গড়ার জায়গা আছে। এটা শুধু জমি নয়। জমি সবসময় আরও পাওয়া যায়। আসল কথা হলো, আমাদের সবার মূল্য আছে—আপনার এবং আমার। শেষ পর্যন্ত আমরা একে অপরের জন্য লড়ছি।
:*''গেটিসবার্গ'' (১৯৯৩), চিত্রনাট্য রোনাল্ড এফ. ম্যাক্সওয়েল
* মার্কিন সশস্ত্র বাহিনী একটি শক্ত পাথরের মতো। এটি কৌশলগত ও অপারেশনাল দিক থেকে আমাদের দেখা সবচেয়ে যোগ্য এবং চমৎকারভাবে নেতৃত্বাধীন সামরিক বাহিনী। যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হওয়ার কোনো কারণ নেই।
**ব্যারি ম্যাকক্যাফ্রে, [http://www.jerrypournelle.com/reports/jerryp/Iraqreport.html "দ্য বটম লাইন – অবজারভেশনস ফ্রম ইরাকি ফ্রিডম"] (৪ মে ২০০৬), ''কেয়স ম্যানর স্পেশাল রিপোর্টসে'' উদ্ধৃত।
* আমরা প্রথমে আমেরিকান, শেষে আমেরিকান, সবসময় আমেরিকান। আমাদের মতপার্থক্য নিয়ে তর্ক হোক। কিন্তু মনে রাখতে হবে আমরা শত্রু নই, বরং একটি বাস্তব শত্রুর বিরুদ্ধে লড়তে আমরা কমরেড। আমাদের সামরিক শ্রেষ্ঠত্বের সাথে আমাদের আদর্শ ও ভালোবাসার গভীরতা মিশে আছে। আমরা আমেরিকান, আমরা কখনোই আত্মসমর্পণ করব না। ''তারা'' করবে।
**[[জন ম্যাককেইন]], ''[http://www.gwu.edu/~action/2004/repconv04/mccain083004sp.html রিপাবলিকান ন্যাশনাল কনভেনশন]'' (৩০ আগস্ট ২০০৪)
* ভুল করবেন না: আমি কোনো অপরিচিত প্রবৃত্তি থেকে আমাদের সামরিক বাহিনীকে মূল্যায়ন করি না। আমি একটি সামরিক পরিবারে বড় হয়েছি, আমার নিজের সেবার রেকর্ড আছে এবং আমার পুরো ক্যারিয়ারে আমি সশস্ত্র বাহিনীর সাথে যুক্ত ছিলাম। আমেরিকান সিস্টেমে সামরিক বাহিনীর মূল্য কেবল তখনই থাকে যখন তা জনগণের স্বাধীনতা রক্ষা করে।
**[[জন ম্যাককেইন]], [[ডোনাল্ড ট্রাম্প|ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের করা মন্তব্য সম্পর্কে বিবৃতি। মন্তব্যটি ছিল মার্কিন সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন হুমায়ুন খানের পিতা খিজির ও গাজালা খানের সম্পর্কে, যিনি ২০০৪ সালে ইরাকে নিহত হন ([http://edition.cnn.com/2016/08/01/politics/john-mccain-statement-khan-family/index.html])।
* সকল কার্যকলাপ [[বর্ণবাদ|বর্ণবাদমুক্ত]] রাখা এবং সকল ইউনিফর্মধারী সদস্য ও বেসামরিক কর্মচারীদের বর্ণের নির্বিশেষে সমান সুযোগ প্রদান করা প্রতিরক্ষা দপ্তরের নীতি।
**রবার্ট ম্যাকনামারা, ''নির্দেশনা ৫১২০.৩৬'' (জুলাই ১৯৬৩)
* আফ্রিকান আমেরিকানরা আমেরিকার যুদ্ধে যোগ দিতে চেয়েছে। একবিংশ শতাব্দীতেও আমেরিকান সামরিক বাহিনীর শক্তি বজায় রাখার জন্য আফ্রিকান-আমেরিকান সংস্কৃতির ব্যক্তিগত ও সামরিক সম্মানবোধ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
**ওয়াল্টার রাসেল মিড, [https://drive.google.com/file/d/0B-5-JeCa2Z7hZmU2ZTg0OTktYTRlNC00NzA2LThlOWItYzg5ODU4NTViYTE0/view?pref=2&pli=1 "দ্য জ্যাকসোনিয়ান ট্র্যাডিশন অ্যান্ড আমেরিকান ফরেন পলিসি"] (ডিসেম্বর ১৯৯৯), ''দ্য ন্যাশনাল ইন্টারেস্ট'', পৃষ্ঠা ১৫
* আমেরিকান সামরিক বাহিনী আগের চেয়ে অনেক শক্তিশালী। আমাদের অস্ত্রগুলো অনেক বেশি স্মার্ট এবং কার্যকর। আমাদের পেশাদার সেনাবাহিনী মানব ইতিহাসের সবচেয়ে কার্যকর বাহিনী হয়ে উঠেছে। অপ্রতিসম যুদ্ধের ক্ষেত্রে আমাদের ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে। কৌশলের অভাব থাকলে শুধু সামরিক শক্তি দিয়ে জয় সম্ভব নয়। কিন্তু হাই-টেক অস্ত্র, উন্নত প্রশিক্ষণ এবং গত বিশ বছরে অর্জিত সাংস্কৃতিক, কূটনৈতিক ও মানবিক দক্ষতা আমাদের সামরিক ক্ষমতাকে অপ্রতিদ্বন্দ্বী করে তুলেছে। এই শক্তি কোনো জাদুর বড়ি নয় যে সবকিছু সম্ভব, তবে তৃতীয় বিশ্বের কোনো স্বৈরশাসক এখন আর প্রচলিত অস্ত্র দিয়ে মার্কিন হস্তক্ষেপ ঠেকাতে পারবে না। প্রথম উপসাগরীয় যুদ্ধে মার্কিন সামরিক বাহিনী সাদ্দামের বাহিনীকে মাছি মারার মতো দমন করেছিল। দ্বিতীয় যুদ্ধে আমাদের প্রচলিত শ্রেষ্ঠত্ব আরও বেশি ছিল।
**ওয়াল্টার রাসেল মিড, [https://web.archive.org/web/20111023223930/http://blogs.the-american-interest.com/wrm/2011/10/20/farewell-to-the-great-loon/ "ফেয়ারওয়েল টু দ্য গ্রেট লুন"] (২০ অক্টোবর ২০১১), ''দ্য আমেরিকান ইন্টারেস্ট''
* আক্রমণাত্মক বাস্তবতা অনুযায়ী, যখন [[ইউরোপ|ইউরোপে]] এমন কোনো সম্ভাব্য শক্তি উদয় হয় যা স্থানীয় শক্তিগুলো দমন করতে পারে না, তখন যুক্তরাষ্ট্র তার সেনাবাহিনী [[আটলান্টিক মহাসাগর|আটলান্টিক]] পার করে পাঠাবে।
** [[জন মিয়ারশাইমার]], ''দ্য ট্র্যাজেডি অফ গ্রেট পাওয়ার পলিটিকস'' (২০০১)।
* '''মিলি''': আমার [[কর্তব্য]] ও [[দায়িত্ব]] সংবিধানের প্রতি, আমার [[আনুগত্য]] সেখানেই। আমি সংবিধানের শপথ নিয়েছি। আমাদের ইউনিফর্মে থাকা সবাই তাই করে। আমরা কোনো [[ব্যক্তি]] বা অন্য কিছুর শপথ নিই না, কেবল [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান]]ের শপথ নিই। আমাদের দায়িত্ব ও শপথ হলো সংবিধান রক্ষা করা। আমাদের নির্বাচিত প্রতিনিধির যেকোনো [[আইনি]] আদেশ মানতে আমরা বাধ্য, তা আপনি পছন্দ করুন বা না করুন। আদেশগুলো আইনসম্মত হলে তা পালন করা আমাদের [[দায়িত্ব]]। আমরা আইন অনুযায়ী বৈধ আদেশ মানতে বাধ্য।
** [[মার্ক মিলি]], মেরি লুইস কেলি ও এরিকা রায়ানের সাক্ষাৎকার; [https://www.npr.org/2023/10/02/1202971562/mark-milley-donald-trump-military-army-constitution "'দ্য মিলিটারি হ্যাজ নো রোল' ইন পলিটিকস, সেজ রিটায়ারিং চেয়ার অফ দ্য জয়েন্ট চিফস”], অল থিংস কনসিডারড, ''এনপিআর'', (২ অক্টোবর, ২০২৩)
* '''কেলি''': অবসরপ্রাপ্ত [[যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনী|এয়ার ফোর্স]] জেনারেল ও সিআইএর প্রাক্তন পরিচালক মাইকেল হেডেন জানতে চেয়েছেন: "আমরা কি ঠিক আছি?" তার প্রশ্ন ছিল, [[চীন]] বা [[রাশিয়া]] নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্র নিজেই তার জাতীয় নিরাপত্তার জন্য সবচেয়ে বড় [[হুমকি]]। জেনারেল মিলি, আপনি কী ভাবেন?
: '''মিলি''': একজন [[সৈনিক]] এবং [[জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফ]]ের চেয়ারম্যান হিসেবে আমার প্রাথমিক [[দায়িত্ব]] দেশের বাইরে। অভ্যন্তরীণ যেকোনো বিষয় মূলত [[রাজনীতি]] বা [[আইন প্রয়োগকারী সংস্থার]] কাজ, যদি না অন্য কোনো বিশেষ [[কারণ]] থাকে।
:* [[মার্ক মিলি]], মেরি লুইস কেলি ও এরিকা রায়ানের সাক্ষাৎকার; [https://www.npr.org/2023/10/02/1202971562/mark-milley-donald-trump-military-army-constitution "'দ্য মিলিটারি হ্যাজ নো রোল' ইন পলিটিকস, সেজ রিটায়ারিং চেয়ার অফ দ্য জয়েন্ট চিফস”], অল থিংস কনসিডারড, ''এনপিআর'', (২ অক্টোবর, ২০২৩)
* বিশ্বের ইতিহাসে আমেরিকান সৈনিকের মতো অন্য কেউ অপরিচিত মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তির জন্য এত ত্যাগ স্বীকার করেনি। আমাদের সৈনিকরা শুধু বিদেশে স্বাধীনতা দেয় না, দেশেও তা রক্ষা করে।
**[[জেল মিলার|জেল মিলার]], [https://web.archive.org/web/20141126130444/http://www.cbsnews.com:80/news/text-of-zell-millers-rnc-speech/ রিপাবলিকান ন্যাশনাল কনভেনশনে ভাষণ] (২০০৪)
* আমি মনে করি সব যোগ্য পুরুষ ও নারীর ড্রাফটে নাম নিবন্ধন করা উচিত।
**[[মার্ক মিলি|মার্ক মিলি]], [http://www.npr.org/sections/thetwo-way/2016/02/03/465404486/army-marine-corps-generals-say-women-should-have-to-register-for-the-draft সেনেট আর্মড সার্ভিসেস কমিটির শুনানি] (ফেব্রুয়ারি ২০১৬)
* <p>আজকের আর্মি মেজররা শুধু [[সন্ত্রাসবাদ|সন্ত্রাসবাদী]] ও [[গেরিলা যুদ্ধ|গেরিলাদের]] বিরুদ্ধে লড়াই জানে, কারণ তারা [[১১ সেপ্টেম্বর হামলা|৯/১১]]ের পর আর্মিতে এসেছে।</p><p>তবে উচ্চপর্যায়ের হুমকির ক্ষেত্রে গত ১৫ বছরে আমাদের দক্ষতা কমে গেছে।</p>
**মার্ক মিলি, [http://www.nytimes.com/2016/05/16/world/africa/army-milley-africa-terrorism-land-war.html?ribbon-ad-idx=5&rref=world/africa সাক্ষাৎকার] (২০১৬)
* [[নৌবাহিনী|নৌবাহিনীতে]], আপনি [[সাত সমুদ্র|সাত সমুদ্র]] পাড়ি দিতে পারেন!
নৌবাহিনীতে, আপনি নিশ্চিন্তে থাকতে পারেন!
এখন সবাই এগিয়ে আসুন! নৌবাহিনীতে, নৌবাহিনীতে।
বুঝতে পারছেন না, আমাদের সাহায্য প্রয়োজন?
নৌবাহিনীতে! [[মাতৃভূমি|মাতৃভূমি]] রক্ষা করতে এগিয়ে আসুন। নৌবাহিনীতে!
**[https://www.youtube.com/watch?v=InBXu-iY7cw "ইন দ্য নেভি"] (১৭ জানুয়ারি ১৯৭৯), লিখেছেন জ্যাক মোরালি ও ভিক্টর উইলিস, ''গো ওয়েস্ট'' (১৯৭৯), কাসাব্লাঙ্কা রেকর্ডস। গেয়েছেন [[দ্য ভিলেজ পিপল|দ্য ভিলেজ পিপল]]।
* যুদ্ধের পর আমেরিকান সামরিক বিতর্ক ছিল কোন বাহিনী দেশের প্রধান রক্ষক হবে। [[যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী বিমান বাহিনী|আর্মি এয়ার ফোর্সেস]] (১৯৪৭ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর আলাদা সার্ভিস, ইউএসএএফ হিসেবে তৈরি) দাবি করেছিল যে তাদের [[স্ট্র্যাটেজিক এয়ার কমান্ড|স্ট্র্যাটেজিক এয়ার কমান্ড]], বি-২৯ এবং পারমাণবিক বোমা দিয়ে দেশকে রক্ষা করতে পারবে। নৌবাহিনী দাবি করে যে ক্যারিয়ার এয়ার পাওয়ার যুদ্ধ জিতেছে এবং ভবিষ্যতেও সেরা থাকবে। মার্কিন মাটিতে বিমান প্রতিরক্ষা ইউনিটের নিয়ন্ত্রণ কার থাকবে তা নিয়েও বিতর্ক ছিল।
১৯৪৭ সালের ২৬ জুলাই [[জাতীয় নিরাপত্তা আইন ১৯৪৭|জাতীয় নিরাপত্তা আইন]] পাস হয়, যা "আর্মড ফোর্সেস অফ দ্য ইউনাইটেড স্টেটস" গঠন করে এবং সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনীকে প্রতিরক্ষা দপ্তরের অধীনে আনে। তাত্ত্বিকভাবে, এর উদ্দেশ্য ছিল বাহিনীর মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানো। বাস্তবে, বাহিনীগুলোর মধ্যে ঝগড়া চলত। বিমান বাহিনীকে বিমান প্রতিরক্ষা ইউনিটের কৌশলগত কমান্ড দেওয়া হয়েছিল, আর সেনাবাহিনী ইউনিটগুলোর প্রশিক্ষণ ও সরঞ্জামের দায়িত্ব নেয়। ১৯৪৯ সাল নাগাদ টেক্সাসের ফোর্ট ব্লিসের অ্যান্টি-এয়ারক্রাফট আর্টিলারি স্কুলে মাত্র একটি রেগুলার আর্মি অ্যান্টি-এয়ারক্রাফট ইউনিট সক্রিয় ছিল। তিনটি ঘটনা মহাদেশীয় বিমান প্রতিরক্ষার প্রশ্নকে সামনে আনে এবং কোন বাহিনী কী সরবরাহ করবে তা নির্ধারণ করতে বাধ্য করে।
**মার্ক এল. মরগান, মার্ক এ. বেরহো, [https://books.google.com/books?isbn=0615120121 “রিংস অফ সুপারসনিক স্টিল: এয়ার ডিফেন্সেস অফ দ্য ইউনাইটেড স্টেটস আর্মি ১৯৫০-১৯৭৯”], (২০০২), পৃষ্ঠা ৪।
* সরকার বলপ্রয়োগ, প্রতারণা এবং ধোঁকাবাজির মাধ্যমে শাসন করে। সামরিক বাহিনী নিজেই তথ্যের অবরোধ শুরু করে। তারা উদ্দেশ্যমূলকভাবে তথ্য গোপন করে। তাদের বিশাল আকার ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে রাজনৈতিক নেতারা এই প্রতিষ্ঠানকে বুঝতে পারেন না।
এর প্রমাণ? জিএও ২০১৬ সালের রিপোর্টটি পড়ুন। তারা সামরিক বাহিনী কত তেল পোড়ায় তা বের করতে পারেনি। জিএও সিদ্ধান্তে বলে: "কংগ্রেস জানে না সামরিক বাহিনী বার্ষিক কত জ্বালানি ব্যবহার করে..."
এটি অবাক হওয়ার মতো নয়। ১৯৫০ সালের পর থেকে আধুনিক সামরিক বাহিনী সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১, সেকশন ৯ লঙ্ঘন করে ব্যয়ের হিসাব দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছে। ২০১৮ সালে পেন্টাগন প্রথমবারের মতো অডিটে ব্যর্থ হয়। শুধু ৬.৫ ট্রিলিয়ন ডলার নিখোঁজ হওয়ার বিষয় নয়, তাদের অস্বচ্ছ হিসাবরক্ষণ ব্যবস্থা একটি প্রতিরক্ষামূলক অস্ত্র, যা সরকারি কর্মকাণ্ডের বিরোধিতা বা বোঝার চেষ্টাকারীদের থামিয়ে দেয়।
**[https://www.counterpunch.org/2019/06/14/the-climate-counter-offensive-secrecy-deception-and-disarming-the-green-new-deal/ দ্য ক্লাইমেট কাউন্টার-অফেনসিভ: সিক্রেসি, ডিসেপশন অ্যান্ড ডিজআর্মিং দ্য গ্রিন নিউ ডিল, রিচার্ড মোসার, ''কাউন্টারপাঞ্চ''] (১৪ জুন, ২০১৯)
* একটি বড় ও নোংরা গোপন তথ্য হলো—যুদ্ধ [[বৈশ্বিক উষ্ণায়ন|জলবায়ু পরিবর্তন]] বাড়ায়। সামরিক বাহিনী এ বিষয়ে সচেতন। সব গোপন রাখতে সামরিক বাহিনীকে দায়বদ্ধতা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এটি [[আইনের শাসন|আইনের শাসন]]ের ব্যতিক্রম। জি.ডব্লিউ. বুশ ১৯৯৭ সালের [[কিউটো প্রোটোকল|কিউটো অ্যাকর্ডস]]ে এই অব্যাহতি দাবি করেন, যদিও তিনি পরে তা স্বাক্ষর করেননি।
সামরিক বাহিনীর গ্রিনহাউস গ্যাস হিসাবের বাইরে রয়েছে ১৩০টি দেশে ১,০০০টির বেশি ঘাঁটি, যুক্তরাষ্ট্রের ৬,০০০ স্থাপনা, [[বিমানবাহী রণতরী|বিমানবাহী রণতরী]] এবং [[জেট বিমান|জেট বিমান]]। অস্ত্রের পরীক্ষা এবং ন্যাটো ও [[আফ্রিকোম|আফ্রিকোম]]ের মতো বিশাল সামরিক জোটের কার্যক্রমও এর বাইরে। জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা এবং মানবিক ত্রাণ কার্যক্রমও অব্যাহতি পায়।
**[[সারা ফ্লাউন্ডার্স|সারা ফ্লাউন্ডার্স]] উদ্ধৃত: [https://www.counterpunch.org/2019/06/14/the-climate-counter-offensive-secrecy-deception-and-disarming-the-green-new-deal/ দ্য ক্লাইমেট কাউন্টার-অফেনসিভ: সিক্রেসি, ডিসেপশন অ্যান্ড ডিজআর্মিং দ্য গ্রিন নিউ ডিল, রিচার্ড মোসার, ''কাউন্টারপাঞ্চ''] (১৪ জুন, ২০১৯)
* সেনাবাহিনীতে যে কর্মকর্তাকে [[কাপুরুষতা]] বা [[বিশ্বাসঘাতকতা]]র জন্য বরখাস্ত করা হয়, সে নিজেকে [[ডেমোক্রেটিক পার্টি (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)|ডেমোক্র্যাট]] বলে।
** [[অলিভার পি. মর্টন|অলিভার হ্যাজার্ড পেরি মর্টন]], ইন্ডিয়ানার ১৪তম গভর্নর, ইন্ডিয়ানাপলিসের Masonic Hall-এ ইউনিয়ন মাস মিটিং-এ বক্তৃতা (২০ জুন ১৮৬৬): [https://books.google.com/books?id=1-d9AAAAMAAJ&printsec=frontcover&dq=%22Treason+Exposed:+Record+of+the+Disloyal+Democracy%22&hl=en&sa=X&ved=0ahUKEwisi5WmtMrLAhUCOz4KHUcHCEcQ6AEIHDAA#v=onepage&q=%22Treason%20Exposed%3A%20Record%20of%20the%20Disloyal%20Democracy%22&f=false ''ট্রেজন এক্সপোজড: রেকর্ড অফ দ্য ডিসলয়াল ডেমোক্রেসি''] (১৮৬৬), রিপাবলিকান পার্টি (ইন্ড.) স্টেট সেন্ট্রাল কমিটি, পৃষ্ঠা ৩।
==এন==
* আমেরিকান সৈন্য [[ইসরায়েল|ইসরায়েলে]] পাঠানোর দরকার নেই, আমরা নিজেরাই নিজেদের [[রক্ষা|রক্ষা]] করি।
**[[বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু]], [http://www.c-span.org/video/?299666-1/israeli-prime-minister-netanyahu-address-joint-meeting-congress মার্কিন কংগ্রেসে যৌথ সভায় ভাষণ] (২৪ মে ২০১১)
* আমেরিকায় ইতিহাসের সবচেয়ে [[সুশৃঙ্খল]] ও [[মানবিক]] সামরিক বাহিনী রয়েছে। লুটতরাজে অভ্যস্ত প্রাচীন সেনাবাহিনী বা আধুনিক সময়ের নির্বিচারে বেসামরিক ও বন্দি হত্যাকারী বাহিনীর তুলনায় এটি অনেক সংযত।
**[[নিউজউইক|নিউজউইক]], [http://www.msnbc.msn.com/id/13124487/site/newsweek/ ''এমএসএনবিসি''] (১২ জুন ২০০৬)
* আমরা বিশ্বাস করি [[কালো মানুষ|কালো মানুষদের]] এমন কোনো [[বর্ণবাদী]] [[সরকার|সরকারকে]] রক্ষা করতে সামরিক বাহিনীতে [[যুদ্ধ|যুদ্ধ]] করতে বাধ্য করা উচিত নয়, যারা আমাদের [[সুরক্ষা|সুরক্ষা]] দেয় না। আমরা বিশ্বের অন্য কোনো বর্ণের মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব না, যারা আমেরিকার এই বর্ণবাদী সরকারের শিকারে পরিণত হচ্ছে। আমরা পুলিশ ও সামরিক বাহিনীর সহিংসতা থেকে [[যেকোনো মূল্যে|যেকোনো মূল্যে]] নিজেদের রক্ষা করব।
**[[হিউ নিউটন]], "ব্ল্যাক প্যান্থার পার্টি প্ল্যাটফর্ম, প্রোগ্রাম অ্যান্ড রুলস" (১৯৬৬), ''দ্য হিউ পি. নিউটন রিডারে'', পৃষ্ঠা ৫৬।
* [[ইসলামিক স্টেট|ইসলামিক স্টেট]]ের বিরুদ্ধে যুদ্ধের শেষ দিনগুলোতে সিরিয়ার বাঘুজ নামক স্থানে যখন খেলাফতের যোদ্ধারা কোণঠাসা, তখন মার্কিন সামরিক ড্রোনের নজর ছিল সেদিকে। সেখানে একটি নদীর তীরে অনেক নারী ও শিশু জড়ো হয়েছিল। কোনো সতর্কতা ছাড়াই আমেরিকান এফ-১৫ই অ্যাটাক জেট তাদের ওপর ৫০০ পাউন্ডের বোমা ফেলে। ধোঁয়া সরলে যারা বেঁচে ছিল, তাদের ওপর আবার ২০০০ পাউন্ডের বোমা ফেলা হয়। একজন লিগ্যাল অফিসার এটিকে [[যুদ্ধাপরাধ|যুদ্ধাপরাধ]] হিসেবে চিহ্নিত করে তদন্তের দাবি জানান। কিন্তু সামরিক বাহিনী পুরো ঘটনাটি গোপন করে। মৃতের সংখ্যা কমিয়ে দেখানো হয়। রিপোর্টগুলো বিলম্বিত, কাটাছেঁড়া এবং শ্রেণীবদ্ধ করা হয়। প্রতিরক্ষা দপ্তরের পরিদর্শক তদন্ত শুরু করলেও রিপোর্ট থেকে হামলার উল্লেখ সরিয়ে ফেলা হয়। মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটের বাহিনী ঘটনাস্থল বুলডোজার দিয়ে মাটির সাথে মিশিয়ে দেয়। পরের দিন বেসামরিক পর্যবেক্ষকরা সেখানে নারী ও শিশুদের মৃতদেহের স্তূপ খুঁজে পান।
**[https://www.nytimes.com/2021/11/13/us/us-airstrikes-civilian-deaths.html হাও দ্য ইউ.এস. হিড অ্যান এয়ারস্ট্রাইক দ্যাট কিলড ডজনস অফ সিভিলিয়ানস ইন সিরিয়া, ডেভ ফিলিপস ও এরিক শ্মিট ''নিউ ইয়র্ক টাইমস''] (১৩ নভেম্বর ২০২১)
==ও==
*যেখানেই [[অবিচার]], [[দমন]] এবং [[দুঃখ-কষ্ট]] থাকে, আমেরিকা সেখানে ছয় মাস দেরিতে উপস্থিত হয় এবং তার পাশের [[দেশ|দেশে]] [[বোমা]] ফেলে।
**[[পি. জে. ও'রোর্ক]], ''পিস কিলস: আমেরিকাস ফান নিউ ইম্পেরিয়ালিজম'' (২০০৪)।
*<p>[[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র]] পৃথিবীর সবচেয়ে [[শক্তিশালী]] [[জাতি]]। এটি একটি অমোঘ সত্য। অন্য আটটি দেশের সম্মিলিত সামরিক খরচের চেয়েও আমরা বেশি ব্যয় করি। আমাদের সৈন্যরা বিশ্বের ইতিহাসের সেরা যুদ্ধশক্তি। কোনো জাতি আমাদের বা আমাদের মিত্রদের আক্রমণ করতে সাহস করে না, কারণ তারা জানে এটি ধ্বংসের পথ। জরিপ বলছে বিশ্বজুড়ে আমাদের অবস্থান বেশ উঁচুতে...</p><p>সব গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ইস্যুতে বিশ্বের মানুষ [[বেইজিং]] বা [[মস্কো]]র দিকে তাকায় না; তারা আমাদের ডাকে...</p><p>যখন আপনারা আমেরিকানদের পেছনে লাগবেন, তখন আমরা আপনাদের পেছনে লাগব। সময় লাগতে পারে, কিন্তু আমাদের স্মৃতিশক্তি খুব দীর্ঘ এবং আমাদের পৌঁছানোর ক্ষমতার কোনো সীমা নেই।</p>
**[[বারাক ওবামা|বারাক এইচ. ওবামা ২য়]], [https://medium.com/@WhiteHouse/president-obama-s-2016-state-of-the-union-address-7c06300f9726#.flsvqkay9 স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন ভাষণ] (১২ জানুয়ারি ২০১৬)।
*এই পুরো প্রক্রিয়া চলাকালে [[মিশেল ওবামা|মিশেল]] এবং আমি শুধু আপনাদের মুখপাত্র ছিলাম। আমরা টিভির পর্দায় বা [[মাইক্রোফোন|মাইক্রোফোনের]] সামনে মুখ বা কণ্ঠস্বর ছিলাম, কিন্তু এটি আমাদের জন্য ছিল না। এটি সবসময় আপনাদের জন্য ছিল। '''গত ১০ বছরে যা কিছু ঘটেছে তা আপনাদের কাজের প্রমাণ। আমরা যখন আমাদের অসাধারণ সামরিক বাহিনী ও ইউনিফর্মধারী নারী-পুরুষদের কথা বলি, তখন সামরিক বাহিনী কোনো বস্তু নয়। এটি নিবেদিতপ্রাণ দেশপ্রেমিকদের একটি দল, যারা আমাদের জন্য সবকিছু ত্যাগ করতে প্রস্তুত। এর সদস্যরা আছে বলেই এটি কার্যকর। যন্ত্রপাতি বা হার্ডওয়্যার যেমনই হোক—আমাদের কাছে ভালো হার্ডওয়্যার আছে—তা মেশিন, অস্ত্র বা স্যাটেলাইট যাই হোক না কেন, শেষ পর্যন্ত সব অসাধারণ মানুষের ওপর নির্ভর করে।'''
**[[বারাক ওবামা]], ২০ জানুয়ারি ২০১৭ তারিখে মেরিল্যান্ডের জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুসে তার স্টাফ সদস্যদের বিদায় জানিয়ে দেওয়া বক্তব্য। সূত্র: [http://edition.cnn.com/2017/01/20/politics/barack-obama-remarks/ ওবামার দায়িত্ব ছাড়ার পরের বক্তব্য: সিএনএন দ্বারা প্রকাশিত পূর্ণাঙ্গ পাঠ্য, ২০ জানুয়ারি ২০১৭।]
==পি==
*[[আমেরিকা]] পৃথিবীর সবচেয়ে [[নৈতিক]] [[জাতি]]। এটি [[নৈতিক]] নীতির ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। সামরিক শক্তি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় আমাদের অবশ্যই নৈতিক নীতি প্রয়োগ করতে হবে।
**[[রন পল]], [http://www.house.gov/paul/congrec/congrec2002/cr090402.htm মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে ভাষণ] (৪ সেপ্টেম্বর ২০০২), ওয়াশিংটন, ডি.সি.
*আমি একজন [[মার্কিন মেরিন কোর|মেরিন]]। দেশপ্রেম দেখানোর জন্য আমার [[গাড়ি|গাড়িতে]] ছোট [[পতাকা|পতাকা]] ওড়ানোর প্রয়োজন নেই।
**জোশ রে পারসন, [https://books.google.com/books?id=Phvvf-niiWUC&pg=PT68&lpg=PT68&dq=generation+kill+where+stars+and+stripes+and+eagles&source=bl&ots=lEypFHHqaL&sig=AMRhfTBqzBEnsPiju0YSgkuLd-8&hl=en&sa=X&ved=0ahUKEwiSu8rP3LfLAhWFXR4KHUb-BDAQ6AEIIjAB#v=onepage&q=generation%20kill%20where%20stars%20and%20stripes%20and%20eagles&f=false ''জেনারেশন কিল''] (২০০৩), ইভান রাইট, পৃষ্ঠা ৬৮-এ উদ্ধৃত।
*যুক্তরাষ্ট্র নিয়ে অনেক সমালোচনা আছে, কিন্তু একটি বিষয়ে কেউ যুক্তরাষ্ট্রকে সমালোচনা করে না। কেউ মনে করে না যে [[ইরাক|ইরাকে]] হামলা চালানোর পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের [[জমি]], [[পানি]] বা [[তেল]] লাভের কোনো উদ্দেশ্য ছিল। আমেরিকা সম্পদের কোনো লোভ করে না। [[২০শ শতাব্দী|বিংশ শতাব্দীতে]], '''আমেরিকান ছেলেরা দুটি বিশ্বযুদ্ধে লড়েছে, অনেকে প্রাণ হারিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ জিতেছে, জমি পেয়েছে, কিন্তু তারা তার প্রতিটি টুকরো ফিরিয়ে দিয়েছে। বিজয়ের পর আমেরিকা নিজের জন্য কিছু রাখেনি। আপনারা [[জাপান|জাপানকে]] ফিরিয়ে দিয়েছেন—একটি উন্নত জাপান, আপনারা [[জার্মানি|জার্মানি]] ফিরিয়ে দিয়েছেন—একটি উন্নত জার্মানি''', আপনারা [[মার্শাল পরিকল্পনা|মার্শাল প্ল্যান]]ের কথা শুনেছেন। আজ, আমি মনে করি না পৃথিবীতে কোনো বিবেকবান মানুষ আছেন যিনি মনে করেন ইরাক যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো স্বার্থপর বা বস্তুবাদী উদ্দেশ্য আছে। এই হামলার কারণ হলো, আপনি বিশ্বকে অরাজক হতে দিতে পারেন না। কিছু মানুষ আমাদের জীবনের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এসে বিনা কারণে নারী, শিশু এবং নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করছে। আমি মনে করি পুরো বিশ্ব ভাগ্যবান যে যুক্তরাষ্ট্রের মতো একটি দেশ আছে, যাদের এই নতুন বিপদ মোকাবিলা করার ইচ্ছা এবং শক্তি আছে।
**[[শাইমন পেরেজ]], [http://www.iop.harvard.edu/events_forum_archive_2004.html ভাষণ] (২০ অক্টোবর ২০০৪)।
*আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর র্যাঙ্কে [[সাহস|সাহস]]ের অভাব নেই, কিন্তু আমাদের গোয়েন্দা সংস্থা এবং উচ্চপর্যায়ের সামরিক কমান্ডে [[আমলাতান্ত্রিক]] [[কাপুরুষতা]] বিদ্যমান।
**[[রালফ পিটারস]], ''বিয়ন্ড টেরর: স্ট্র্যাটেজি ইন এ চেঞ্জিং ওয়ার্ল্ড'' (২০০২), পৃষ্ঠা ১৯৬।
*[[আব্রাহাম লিংকন|তিনি]] কিসের স্মৃতিস্তম্ভ তা বলেননি। আমি নিশ্চিত, তিনি এটিকে '''[[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সেনাবাহিনী|আমাদের সৈনিকদের]] আনুগত্যের স্মৃতিস্তম্ভ''' হিসেবে রেখে যেতে চেয়েছিলেন, যারা [[পতাকা|পতাকা]] ও [[উচ্ছেদবাদ|আদর্শ]] ত্যাগ করার চেয়ে লিবির সব ভয়াবহতা সহ্য করাকে শ্রেয় মনে করেছিল।
**[[ডেভিড ডিক্সন পোর্টার]], [https://archive.org/details/incidentsanecdot00portiala ''ইনসিডেন্টস অ্যান্ড অ্যানেকডোটস অফ দ্য সিভিল ওয়ার''] (১৮৮৫), পৃষ্ঠা ২৯৯।
*আমি আমাদের [[পতাকা|পতাকা]], [[সংবিধান|সংবিধান]] এবং [[দেশ|দেশকে]] সীমাহীন [[ভালোবাসা|ভালোবাসা]] দিয়ে ভালোবাসি। একজন [[সৈনিক]] হিসেবে ৩৫ বছর ধরে আমি এই তিনটির প্রতিরক্ষা করেছি এবং প্রয়োজনে জীবন দিতে প্রস্তুত ছিলাম।
**[[কলিন পাওয়েল]], [https://www.aclu.org/free-speech/letter-colin-powell প্যাট্রিক লেহিকে লেখা চিঠি] (১৮ মে ১৯৯৯)।
*আমি মনে করি [[যুক্তরাষ্ট্র|আমরা]] 'গ্রেট শয়তান' নই, বরং আমরা 'মহা রক্ষাকর্তা'। গত এক শতাব্দী ধরে আমরা [[দমন|দমন]] ঠেকাতে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর নারী-পুরুষদের পাঠিয়েছি। আমরা [[ফ্যাসিবাদ|ফ্যাসিবাদ]] ও [[কমিউনিজম|কমিউনিজম]] পরাজিত করেছি। আমরা [[প্রথম বিশ্বযুদ্ধ|প্রথম]] ও [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে]] [[ইউরোপ|ইউরোপকে]] বাঁচিয়েছি। আমরা তা করতে ইচ্ছুক ও আনন্দিত ছিলাম। আমরা [[কোরীয় যুদ্ধ|কোরিয়ায়]] গিয়েছি, [[ভিয়েতনাম যুদ্ধ|ভিয়েতনামে]] গিয়েছি। সব মানুষের অধিকার রক্ষার স্বার্থে। যুদ্ধ শেষে আমরা কী করেছি? আমরা কি দখলদার হিসেবে থেকে গেছি? আমরা কি বলেছি, 'আমরা [[জার্মানি|জার্মানি]]কে হারিয়েছি, এখন জার্মানি আমাদের'? বা '[[জাপান|জাপান]] হারিয়েছি, এখন তা আমাদের'? না। আমরা কী করেছি? আমরা তাদের গড়ে তুলেছি। আমরা তাদের [[গণতন্ত্র|গণতান্ত্রিক]] ব্যবস্থা দিয়েছি যা তারা মন থেকে গ্রহণ করেছে। আমরা কি কোনো জমি চেয়েছি? না। আমরা কেবল আমাদের মৃতদের সমাহিত করার মতো জমিটুকু চেয়েছি, আমরা এমন একটি জাতি।
**[[কলিন পাওয়েল]], [https://web.archive.org/web/20020220234413/http://www.cnn.com/2002/ALLPOLITICS/02/15/powell.mtv/index.html ''এমটিভি গ্লোবাল ডিসকাশন''] (১৪ ফেব্রুয়ারি ২০০২)।
*শাসক শ্রেণি এবং সেইসব [[বিলিয়নিয়ার|বিলিয়নিয়াররা]] যারা মানুষের কষ্টের ওপর লাভ করে, তারা শুধু তাদের সম্পদ বাড়ানো এবং বিশ্ব অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণের কথা ভাবে। ... তাদের ক্ষমতা কেবল আমাদের বোঝানোর ক্ষমতার মধ্যে সীমাবদ্ধ যে যুদ্ধ, দমন এবং শোষণ আমাদের স্বার্থে। তারা বোঝে যে তাদের সম্পদ শ্রমজীবী মানুষকে অন্য দেশের বাজার নিয়ন্ত্রণের জন্য মারা যেতে রাজি করানোর ওপর নির্ভরশীল।
**প্রাক্তন সৈনিক [[মাইকেল প্রিসনার]], "আওয়ার রিয়েল এনিমিজ," ২১ ডিসেম্বর, ২০১১।
*আমি [[ইরাক|ইরাকে]] পরিবারগুলোকে রাস্তা থেকে বের করে দিয়েছি, শুধু দেশে ফিরে এসে দেখেছি এই দেশেও একই ঘটনা ঘটছে। এটি দুঃখজনক এবং অপ্রয়োজনীয় [[মহাবন্দা|ফোরক্লোজার সংকট]]। আমাদের সচেতন হতে হবে যে আমাদের আসল শত্রু সুদূর কোনো দেশে নয়। তারা এমন মানুষ নয় যাদের নাম আমরা জানি না বা যাদের সংস্কৃতি আমরা বুঝি না। শত্রু হলো সেই সিস্টেম যা লাভজনক হলে যুদ্ধ করে। শত্রু হলো সেই [[সিইও|সিইওরা]] যারা লাভজনক হলে আমাদের চাকরি থেকে ছাঁটাই করে। শত্রু হলো সেই [[বীমা|বীমা]] কোম্পানি যারা লাভজনক হলে আমাদের [[স্বাস্থ্যসেবা|স্বাস্থ্যসেবা]] দিতে অস্বীকার করে। শত্রু হলো সেই ব্যাংকগুলো যারা লাভজনক হলে আমাদের বাড়ি দখল করে। আমাদের শত্রু ৫ হাজার মাইল দূরে নয়, তারা আমাদের নিজেদের ঘরেই আছে।
**প্রাক্তন সৈনিক [[মাইকেল প্রিসনার]], "আওয়ার রিয়েল এনিমিজ," ২১ ডিসেম্বর, ২০১১।
==আর==
*যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা নীতি একটি সহজ ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত: যুক্তরাষ্ট্র [[যুদ্ধ|যুদ্ধ]] শুরু করে না। আমরা কখনো [[আগ্রাসী|আগ্রাসী]] হব না। আমরা আগ্রাসন ঠেকাতে ও [[সুরক্ষা|সুরক্ষা]] দিতে আমাদের [[শক্তি|শক্তি]] বজায় রাখি—যাতে [[স্বাধীনতা|স্বাধীনতা]] ও [[শান্তি|শান্তি]] বজায় থাকে।
**[[রোনাল্ড রেগান]], [http://www.cnn.com/SPECIALS/cold.war/episodes/22/documents/starwars.speech/ ভাষণ]।
*আমেরিকানরা তাদের সামরিক সক্ষমতার ওপর যে আস্থা রাখে তা অস্বাভাবিক। ১৫ বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্র সামান্য অস্ত্রধারী কয়েকজন [[তালিবান|তালিবানকে]] হারাতে পারেনি, ১৩ বছর ধরে ইরাক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে। রাশিয়া বা চীনরাশিয়া কৌশলগত জোটের মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে এটি আশাব্যঞ্জক নয়। ৬০ বছর আগে [[কোরীয় যুদ্ধ|কোরিয়াতে]] যুক্তরাষ্ট্র চীনকেও হারাতে পারেনি। আমেরিকানদের বোঝা উচিত যে "তাদের" সরকার হয়তো যুক্তরাষ্ট্র ও পুরো ইউরোপকে [[পারমাণবিক ধ্বংসযজ্ঞ|বাষ্পীভূত]] করতে চলেছে। রাশিয়ান অস্ত্র ব্যবস্থা আমেরিকানদের চেয়ে অনেক উন্নত। আমেরিকান অস্ত্র ব্যক্তিগত কোম্পানিগুলো লাভের জন্য তৈরি করে। অস্ত্রের সক্ষমতা মূল বিষয় নয়। মার্কিন অস্ত্রের দাম আকাশচুম্বী, যার কারণ অন্তহীন খরচ।
**[[পল ক্রেইগ রবার্টস]], [http://www.informationclearinghouse.info/article44761.htm ''আওয়ার প্রসপেক্টস অ্যাগেইনস্ট দ্য রাশিয়ানস অ্যান্ড চাইনিজ ইন ডাব্লিউডাব্লিউ৩, ইনফরমেশন ক্লিয়ারিং হাউস''] (২৮ মে ২০১৬)।
*বিশ্ব হয়তো মার্কিন সামরিক-নিরাপত্তা কমপ্লেক্সের লোভের কারণে [[ধ্বংস|ধ্বংসের]] দিকে যাচ্ছে। ওবামা প্রশাসন [[শীতল যুদ্ধ|শীতল যুদ্ধ]] ফিরিয়ে এনেছে, যা একটি বিশ্বাসযোগ্য "শত্রু" তৈরি করেছে। "[[রাশিয়ান|রাশিয়ান]] হুমকি" ব্যবহার করে আমেরিকান করদাতাদের অর্থ, [[কল্যাণমূলক রাষ্ট্র|সামাজিক সেবা]] এবং [[অর্থনীতি|অর্থনীতি]] রক্তশূন্য করা হচ্ছে, যাতে [[অস্ত্র|অস্ত্র]] নির্মাতারা লাভবান হয়। 'নতুন শীতল যুদ্ধ'-এর সময় ওয়াশিংটনের যুক্তি ও পদক্ষেপ আসল [[শীতল যুদ্ধ|শীতল যুদ্ধ]]ের চেয়ে অনেক বেশি বিপজ্জনক ও বেপরোয়া।
**[[পল ক্রেইগ রবার্টস]], [http://www.informationclearinghouse.info/article44761.htm ''আওয়ার প্রসপেক্টস অ্যাগেইনস্ট দ্য রাশিয়ানস অ্যান্ড চাইনিজ ইন ডাব্লিউডাব্লিউ৩, ইনফরমেশন ক্লিয়ারিং হাউস''] (২৮ মে ২০১৬)।
*প্রথম যুদ্ধটি—[[আমেরিকান বিপ্লব|স্বাধীনতার যুদ্ধ]]—ছাড়াও আমেরিকার সব যুদ্ধ ছিল [[সাম্রাজ্য|সাম্রাজ্যের]] জন্য। [[মেমোরিয়াল ডে|মেমোরিয়াল ডে]]তে বিপদের সময় সেবা দেওয়া সাহসী নারী-পুরুষদের নিয়ে ভাষণ শোনার সময় এই সত্যটি মনে রাখবেন। যুক্তরাষ্ট্র কখনো বিপদে ছিল না, কিন্তু ওয়াশিংটন অন্যের ওপর [[আধিপত্য|আধিপত্য]] বিস্তারের জন্য অনেক দেশে বিপদ বয়ে এনেছে।
**[[পল ক্রেইগ রবার্টস]], [http://www.informationclearinghouse.info/article44761.htm ''আওয়ার প্রসপেক্টস অ্যাগেইনস্ট দ্য রাশিয়ানস অ্যান্ড চাইনিজ ইন ডাব্লিউডাব্লিউ৩, ইনফরমেশন ক্লিয়ারিং হাউস''] (২৮ মে ২০১৬)।
*আজ প্রথমবারের মতো ওয়াশিংটনের রাশিয়া ও চীনের ওপর [[আধিপত্য|আধিপত্য]] বিস্তারের চেষ্টার ফলে যুক্তরাষ্ট্র বিপদের মুখে। রাশিয়া ও চীন ওয়াশিংটনের [[অহংকার|অহংকার]] ও [[মূর্খতা|মূর্খতা]]তে প্রভাবিত নয়। তারা আমেরিকার আদিবাসী [[প্লেইন ইন্ডিয়ানস|প্লেইন ইন্ডিয়ানস]] নয়, যারা [[ইউনিয়ন সেনাবাহিনী|ইউনিয়ন আর্মির]] হাতে [[মহিষ|মহিষ]] হত্যার মাধ্যমে ক্ষুধার্ত হয়ে আত্মসমর্পণ করেছিল। আমেরিকানরা সেলফি ও সামরিক শ্রেষ্ঠত্বের বিভ্রমে ব্যস্ত, কিন্তু তাদের উন্মাদ সরকার রাশিয়া ও চীনের সাথে ঝগড়া বাঁধিয়েছে। তাদের কোনো ভবিষ্যৎ নেই।
**[[পল ক্রেইগ রবার্টস]], [http://www.informationclearinghouse.info/article44761.htm ''আওয়ার প্রসপেক্টস অ্যাগেইনস্ট দ্য রাশিয়ানস অ্যান্ড চাইনিজ ইন ডাব্লিউডাব্লিউ৩, ইনফরমেশন ক্লিয়ারিং হাউস''] (২৮ মে ২০১৬)।
*[[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সশস্ত্র বাহিনী|আমাদের সামরিক বাহিনীর]] শাখার নেতারা অবিলম্বে রাষ্ট্রপতির কথার প্রতিবাদ জানিয়েছেন। কেন? কারণ সমস্ত [[জাতি|জাতির]] [[পুরুষ|পুরুষ]] ও [[নারী|নারী]] সমন্বয়ে গঠিত আমাদের বাহিনীর [[মনোবল|মনোবল]] ও প্রতিশ্রুতি বিপদের মুখে পড়তে পারে।
**[[মিট রমনি]], [https://www.facebook.com/mittromney/posts/10154652303536121 ফেসবুক বিবৃতি] (১৮ আগস্ট ২০১৭)।
*শান্তির নিশ্চয়তা পেতে বিদেশে আমাদের সম্মান পাওয়ার জন্য একটি দক্ষ সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনী প্রয়োজন। আমার প্রগতিশীল সহনাগরিকদের সাবধান করছি। আমি চাই তারা আমাদের [[আন্তর্জাতিক সম্পর্ক|আন্তর্জাতিক সম্পর্ক]] নিয়ে আগ্রহী থাকুক; এবং আঙ্কেল স্যামের বিদেশের স্বার্থের কথা মনে রাখুক। ন্যায়বিচার ও ন্যায্য আচরণ ব্যক্তিগত সম্পর্কের মতোই আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য, শুধু একটি পার্থক্য হলো প্রতিটি জাতিকে আন্তর্জাতিক পুলিশি কাজ করতে হয়। যদি এখানে ঝামেলায় পড়েন, তবে পুলিশ ডাকতে পারেন; কিন্তু আঙ্কেল স্যাম যদি ঝামেলায় পড়েন, তবে তাকে নিজেই [[পুলিশ|পুলিশম্যান]] হতে হবে। আমি তাকে যথেষ্ট শক্তিশালী দেখতে চাই, যাতে সে অন্যদের শান্তির আকাঙ্ক্ষাকে উৎসাহিত করতে পারে। আমি জাতীয় বন্ধুত্ব ও সদিচ্ছায় বিশ্বাস করি, তবে বন্ধুত্ব হতে হবে শ্রদ্ধা ও বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে। আমি এমন কোনো আমেরিকানকে ঘৃণা করি যে অন্য জাতির সাথে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে আমেরিকার সরকার যেন ন্যায়পরায়ণ হয় তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করে না। আমি কোনো দুর্বল শক্তির ওপর অবিচার করতে চাই না, আর কোনো শক্তিশালী শক্তির কাছ থেকে অন্যায় মুখ বুজে সহ্য করলে আমি চিরকাল মাথা নিচু করে থাকব।
**[[থিওডোর রুজভেল্ট]], [https://obamawhitehouse.archives.gov/blog/2011/12/06/archives-president-teddy-roosevelts-new-nationalism-speech ওসাওয়াটোমি ভাষণ], (৩১ আগস্ট ১৯১০)।
*যুক্তরাষ্ট্র যখন বিশ্বের [[সবচেয়ে শক্তিশালী|সবচেয়ে শক্তিশালী]] সামরিক শক্তি, তখন এই [[বিশ্ব|বিশ্ব]] একটি [[নিরাপদ|নিরাপদ]] এবং [[ভালো|ভালো]] জায়গা।
**[[মার্কো রুবিও]], [http://insider.foxnews.com/2015/11/10/marco-rubio-and-rand-paul-clash-national-security-fox-business-gop-debate ''মার্কো রুবিও অ্যান্ড র্যান্ড পল ক্ল্যাশ''] (১০ নভেম্বর ২০১৫) শিরোনামের ফক্সনিউজ ইনসাইডারে উদ্ধৃত। [[২০১৬ রিপাবলিকান বিতর্ক, মিলওয়াকি|২০১৬ রিপাবলিকান বিতর্কের]] সময় বলা হয়েছে।
==এস==
*২০১৯ সালে মার্কিন সামরিক ব্যয় ছিল ৭৩২ বিলিয়ন ডলার, যা [[চীন]]ের ২৬১ বিলিয়ন ডলারের প্রায় তিন গুণ। যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৮০০টি বিদেশী সামরিক ঘাঁটি রয়েছে, যেখানে [[চীন]]ের মাত্র একটি (জিবুতিতে একটি ছোট নৌঘাঁটি)। চীনের কাছাকাছি যুক্তরাষ্ট্রের অনেক সামরিক ঘাঁটি থাকলেও যুক্তরাষ্ট্রের কাছাকাছি চীনের কোনো ঘাঁটি নেই। যুক্তরাষ্ট্রের ৫,৮০০টি [[পারমাণবিক অস্ত্র|পারমাণবিক ওয়ারহেড]] আছে; চীনের আছে প্রায় ৩২০টি। যুক্তরাষ্ট্রের ১১টি [[বিমানবাহী রণতরী|বিমানবাহী রণতরী]] আছে; চীনের আছে একটি। গত ৪০ বছরে যুক্তরাষ্ট্র অনেক বিদেশী যুদ্ধ শুরু করেছে; চীন একটিও করেনি (যদিও সীমান্তে ছোটখাটো সংঘর্ষের জন্য তাদের সমালোচনা করা হয়েছে, যেমনটি সম্প্রতি [[ভারত|ভারতের]] সাথে হয়েছে, তবে তা যুদ্ধের পর্যায়ে পৌঁছায়নি)।
**[[জেফরি স্যাকস]], [https://www.project-syndicate.org/commentary/america-evangelical-crusade-against-china-by-jeffrey-d-sachs-2020-08 আমেরিকার আনহোলি ক্রুসেড অ্যাগেইনস্ট চায়না], [[প্রজেক্ট সিন্ডিকেট|''প্রজেক্ট সিন্ডিকেট'']], (৫ আগস্ট ২০২০)
*[[ওমান উপসাগর|ওমান উপসাগরে]] তেলবাহী ট্যাঙ্কারে হামলা অগ্রহণযোগ্য এবং এর পূর্ণ তদন্ত হওয়া উচিত... তবে এই ঘটনাকে [[ইরান|ইরানের]] সাথে যুদ্ধের অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না। এমন যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্র, ইরান, অঞ্চল এবং বিশ্বের জন্য এক চরম বিপর্যয় ডেকে আনবে... এখন সময় যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক নেতৃত্ব দেখানোর... এবং ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা কমাতে আঞ্চলিক দেশগুলোকে নিয়ে কূটনৈতিক সমাধান খোঁজার... আমি [[ডোনাল্ড ট্রাম্প|প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে]] মনে করিয়ে দিতে চাই যে ইরানের সাথে যুদ্ধের জন্য কংগ্রেসের কোনো অনুমোদন নেই... যুক্তরাষ্ট্রের একতরফা আক্রমণ অবৈধ ও অসাংবিধানিক হবে।
**[[বার্নি স্যান্ডার্স]], [https://www.commondreams.org/news/2019/06/14/trump-must-not-be-allowed-use-gulf-oman-incidents-pretext-illegal-war-iran-bernie ''ট্রাম্প মাস্ট নট বি অ্যালাউড টু ইউজ গালফ অফ ওমান ইনসিডেন্টস অ্যাজ 'প্রিটেক্সট ফর ইললিগাল ওয়ার উইথ ইরান': বার্নি স্যান্ডার্স, কমন ড্রিমস'', আন্দ্রেয়া জার্মানস,] (১৪ জুন ২০১৯)
*[[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বৈদেশিক নীতি|জাতীয় নিরাপত্তা নীতির]] ক্ষেত্রে, যুক্তরাষ্ট্র কয়েক দশক ধরে একটি ধারাবাহিক ও অতি-সামরিকায়িত পথে হাঁটছে। ব্যাপকভাবে দেখলে, [[১১ সেপ্টেম্বর হামলা|৯/১১]] থেকে বর্তমান পর্যন্ত "জাতীয় নিরাপত্তা" এবং "[[সন্ত্রাসবাদ দমন|সন্ত্রাসবাদ দমন]]" বিষয়ে মার্কিন নীতি অনেকাংশে একই রয়ে গেছে।... [[জো বাইডেন|বাইডেন]]ের অধীনে সাম্রাজ্যবাদী ধারায় কোনো বড় পরিবর্তন আসবে না। ড্রোন যুদ্ধ অব্যাহত থাকবে এবং [[ইউরোপ]] ও [[এশিয়া]]তে শীতল যুদ্ধের আবহ ত্বরান্বিত হবে। বাইডেন [[ল্যাটিন আমেরিকা|ল্যাটিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয়]] অঞ্চলের [[বামপন্থী রাজনীতি|বামপন্থী আন্দোলন ও সরকারের]] প্রতি বৈরী অবস্থান বজায় রাখবেন। জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষেত্রে বাইডেন ট্রাম্পের কিছু চরম অবস্থান পরিবর্তন করলেও, তিনি পৃথিবীর স্বাস্থ্যের চেয়ে [[বহুজাতিক কর্পোরেশন|বড় কর্পোরেশন]] ও সামরিক শিল্পের মুনাফাকে প্রাধান্য দেবেন। সীমানা সামরিকীকরণ ও [[শরণার্থী|শরণার্থীদের]] প্রতি দুর্ব্যবহার অব্যাহত থাকবে এবং বিশাল অভ্যন্তরীণ [[নজরদারি|নজরদারি]] ব্যবস্থা বজায় থাকবে। কঠোর সত্য হলো: ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকানদের রাজনৈতিক বিরোধের চেয়ে 'ওয়ার পার্টি'র স্বার্থই বড়।
**[[জেরেমি স্কাহিল]], [https://theintercept.com/2021/11/21/america-militarism-foreign-policy-bush-obama-trump-biden/ দ্য ওয়ার পার্টি, ফ্রম বুশ টু ওবামা, অ্যান্ড ট্রাম্প টু বাইডেন, ইউ.এস. মিলিটারিজম ইজ দ্য গ্রেট ইউনিফায়ার, ''দ্য ইন্টারসেপ্ট''] (২১ নভেম্বর ২০২১)
*[[কন্টিনেন্টাল আর্মি|কন্টিনেন্টাল আর্মি]] একীভূতকরণের যে পর্যায়ে পৌঁছেছিল, তা আর ২০০ বছরে অর্জিত হয়নি।
**রবার্ট এ. সেলিগ, [https://web.archive.org/web/20141201041830/http://www.americanrevolution.org/blk.php "দ্য রেভল্যুশনস ব্ল্যাক সোলজারস"], ''আমেরিকান রেভল্যুশন''
:'''ন্যাথানিয়েল ফিক''': তোমরা লজিস্টিকস চাও? সেনাবাহিনীতে যোগ দাও। মেরিনরা নিজেদের ব্যবস্থা নিজেরাই করে নেয়।
:*"স্ক্রুবি" (২০০৮), ডেভিড সাইমন ও এড বার্নস কর্তৃক লিখিত, ''[[জেনারেশন কিল]]'', হোম বক্স অফিস
*[[অপারেশন এন্ডুরিং ফ্রিডম|অপারেশন এন্ডুরিং ফ্রিডম]] (ওএফ) এবং [[অপারেশন ইরাকি ফ্রিডম|অপারেশন ইরাকি ফ্রিডম]] (ওআইএফ) শুরুর পর থেকে, [[যুদ্ধ|যুদ্ধে]] অংশ নেওয়া [[সামরিক|সামরিক]] কর্মীদের আত্মহত্যার হার সাধারণ জনসংখ্যার সমান (কাং ও বুলম্যান, ২০০৮) এবং সম্ভবত তার বেশি হয়ে গেছে।
** এডওয়ার্ড এ. সেলবি, মাইকেল ডি. আনেস্টিস, থিওডোর ডব্লিউ. বেন্ডার, জেসিকা ডি. রিবেইরো, ম্যাথিউ কে. নক, এম. ডেভিড রুড, ক্রেইগ জে. ব্রায়ান, ইনগ্রিড সি. লিম, মন্টি টি. বেকার, পিটার এম. গুটিয়েরেজ এবং থমাস ই. জয়নার, জুনিয়র; [https://www.ncbi.nlm.nih.gov/pmc/articles/PMC2834834/ “ওভারকামিং দ্য ফিয়ার অফ লিথাল ইনজুরি: ইভালুয়েটিং সুইসাইডাল বিহেভিয়র ইন দ্য মিলিটারি থ্রু দ্য লেন্স অফ দ্য ইন্টারপারসোনাল-সাইকোলজিক্যাল থিওরি অফ সুইসাইড”], ''ক্লিন সাইকোল রেভ'', ২০১০ এপ্রিল; ৩০(৩): ২৯৮–৩০৭।
*নিগ্রোদের অবশ্যই [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সশস্ত্র বাহিনী|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেবায় সৈনিক হিসেবে]] তালিকাভুক্ত হতে উৎসাহিত করতে হবে, যাতে তারা নিজেদের [[স্বাধীনতা|স্বাধীনতা]] বজায় রাখতে এবং [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের]] নাগরিক হিসেবে তাদের অধিকার সুরক্ষিত করতে অবদান রাখতে পারে।
**[[উইলিয়াম টিকুমসেহ শেরম্যান]], [http://teachingamericanhistory.org/library/document/forty-acres-and-a-mule-special-field-order-no-15/ "স্পেশাল ফিল্ড অর্ডার নং ১৫"] (১৬ জানুয়ারি ১৮৬৫), ''হেডকোয়ার্টারস মিলিটারি ডিভিশন অফ দ্য মিসিসিপি, ইন দ্য ফিল্ড'', সাভানা, জর্জিয়া।
*বেসামরিক [[আমেরিকান|আমেরিকানদের]] বুঝতে হবে যে নাগরিক অধিকারের সবচেয়ে বড় বিজয়গুলো [[মার্কিন মেরিন কোর|মেরিন]] এবং মার্কিন সামরিক বাহিনী অর্জন করেছে, যা আমাদের জাতীয় জীবনের সবচেয়ে সফলভাবে সমন্বিত খাত। কেন? কোনো জাতিগত রেফারেন্স ও বৈষম্য নেই। আমি প্রথমবার আফ্রিকান-আমেরিকান বা ল্যাটিনোদের সাথে একই কোয়ার্টারে ঘুমিয়েছি—বা তাদের কাছ থেকে আদেশ নিয়েছি—তা মেরিন কোরে প্রাইভেট হিসেবে কাজ করার সময়। হ্যাঁ, আমেরিকার সত্যিই আরও মেরিন মূল্যবোধ ও প্রভাব প্রয়োজন।
**[[মার্ক শিল্ডস|মার্ক শিল্ডস]], [https://web-beta.archive.org/web/20100726132218/http://www.creators.com:80/liberal/mark-shields/america-needs-more-marine-corps-values.html "আমেরিকা নিডস মোর মেরিন কোর ভ্যালুস"] (২০১০), ''ক্রিয়েটরস.কম''
*<p>আমার [[শৈশব|শৈশবে]] [[সেনাবাহিনী|সেনাবাহিনীর]] প্রতি মুগ্ধতা ছিল...</p><p>দুর্বলদের পাশে দাঁড়ানো এবং অসহায়দের রক্ষা করার শিখ ধারণা শিখ মানসিকতার মূলে রয়েছে, এবং এই আদর্শগুলোই মার্কিন সেনাবাহিনী ধারণ করে।</p>
**সিমরাতপাল সিং, [http://edition.cnn.com/2016/04/04/us/sikh-army-captain-simratpal-singh-beard-turban/index.html?iid=ob_lockedrail_topeditorial&iref=obinsite "শিখ আর্মি ক্যাপ্টেন অ্যালাউড টু ওয়্যার বিয়ার্ড অ্যান্ড টারবান ইন ইউনিফর্ম"] (৫ এপ্রিল ২০১৬)-এ উদ্ধৃত, নাদিন শাকার, ''সিএনএন'', জর্জিয়া অঙ্গরাজ্য: কেবল নিউজ নেটওয়ার্ক।
*[[আজ|আজকের]] সৈনিক এবং গণতন্ত্রের জন্য শহীদরা আমেরিকান মুক্তিদাতাদের দীর্ঘ ঐতিহ্যে একটি বিশিষ্ট স্থান দখল করে আছে, যা আমেরিকান বিপ্লব থেকে অপারেশন এন্ডুরিং ফ্রিডম ও ইরাকি ফ্রিডম পর্যন্ত বিস্তৃত। [[আমেরিকান গৃহযুদ্ধ|গৃহযুদ্ধ]] এই উত্তরাধিকারের একটি স্পর্শপাথর। একাডেমিক ইতিহাসবিদরা লেখেন যে এটি ছিল সেকশনালিজম, [[অর্থনীতি|অর্থনীতি]] বা [[রাজনীতি|রাজনীতি]] নিয়ে। এগুলো এর কারণ হতে পারে, কিন্তু [[আব্রাহাম লিংকন|আব্রাহাম লিংকন]] জানতেন এর মূলে কী ছিল। সংঘর্ষের আগে তার দ্বিতীয় উদ্বোধনী ভাষণে তিনি বলেছিলেন, [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দাসপ্রথা|দাসপ্রথা]] 'একটি অদ্ভুত ও শক্তিশালী স্বার্থ তৈরি করেছিল। সবাই জানত যে এই স্বার্থই কোনোভাবে যুদ্ধের কারণ'। '''[[ইউনিয়ন (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)|ইউনিয়ন]] সৈনিকরা ইউনিয়ন রক্ষায় লড়েছিল, কিন্তু [[দাসপ্রথা|মানবিক দাসত্ব]] বন্ধ করতেও লড়েছিল'''।
**[[জোসেফ মরিসন স্কেলি|জোসেফ এম. স্কেলি]], [https://web.archive.org/web/20070524182018/http://article.nationalreview.com/?q=ZjcwZTYwYmFmMGRlZTA1ZTc4ZTRkOGJkZDExMjBmNzM= "দ্য ডেমোক্রেটিক ফলেন: লেট আস অনার দোজ হু হ্যাভ ডিফেন্ডেড আওয়ার রাইট টু সেলফ-গভর্নমেন্ট উইথ দেয়ার লাস্ট ব্রেথস"] (১৮ মে ২০০৭), ''ন্যাশনাল রিভিউ অনলাইন''
*আমেরিকান হিসেবে আমরা ক্রমবর্ধমান বিভ্রান্তি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছি যা আমাদের দেশের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ফেলছে।
**[[মার্গারেট চেজ স্মিথ]], [http://static1.squarespace.com/static/55ae7dc3e4b0627b56f10b3e/t/56d5ad5d4d088e0ea4775a94/1456844125625/Declaration+of+Conscience.pdf ''ডিক্লারেশন অফ কনসায়েন্স''] (১ জুন ১৯৫০)
==টি==
*গল্পটি শুরু হয় ১৮ মার্চ, ২০১৯ সালে, [[কাতার|কাতারের]] [[আল উদেইদ বিমান ঘাঁটি|আল উদেইদে]] একটি বড় বিমান বাহিনীর যুদ্ধ অপারেশন সেন্টারে। এটি দেখতে অনেকটা [[নাসা|নাসার]] মিশন কমান্ডের মতো। ব্যাংক ভর্তি কম্পিউটার, বড় পর্দা, সবাই [[ইসলামিক স্টেট|ইসলামিক স্টেটের]] বিরুদ্ধে বিমান যুদ্ধ দেখছে... এই দিনে, কমান্ড সেন্টারের অনেকেই ওপর দিয়ে উড়ে যাওয়া একটি ড্রোন দেখছিল। তারা দেখছিল গাড়ি এবং অস্থায়ী তাঁবুর জঞ্জালে ভরা একটি মাঠ, যা ছিল সপ্তাহের যুদ্ধের অবশিষ্টাংশ। সেখানে অনেক মানুষও ছিল। ড্রোনটি নদীর ধারে বালুর বাঁধের কাছে আশ্রয় নেওয়া একদল নারী ও শিশুর ওপর ফোকাস করে। ড্রোনটি কয়েক মিনিট সেখানে ঘুরেছে, ক্যামেরাগুলো তাদের ওপর ফোকাস করে ছিল, হয় ঘুমানোর জন্য অথবা আসন্ন যুদ্ধের হাত থেকে বাঁচতে। অপারেশন সেন্টারের লোকেরা শান্তভাবে এটি দেখছিল, তখন হঠাৎ... একটি আমেরিকান [[এফ-১৫|এফ-১৫]] অ্যাটাক জেট এসে এই নারী ও শিশুদের দলটির ওপর একটি বড় বোমা ফেলে... তাদের প্রায় সবাইকে হত্যা করে।
**[[ডেভিড ফিলিপস|ডেভ ফিলিপস]] উদ্ধৃত: [https://www.nytimes.com/2021/11/15/podcasts/the-daily/us-airstrike-casualties-isis.html?showTranscript=1 হাউ দ্য ইউ.এস. হিড আ ডেডলি এয়ারস্ট্রাইক], সাবরিনা টাভার্নিজ কর্তৃক, ''নিউ ইয়র্ক টাইমস'', ১৫ নভেম্বর ২০২১।
*কখন একটি লক্ষ্যে আঘাত করা যাবে তার নিয়ম আছে। অনেক সময় যারা সিদ্ধান্ত নেয় সেই নিয়মগুলো মানা হচ্ছে কি না, তারা কোনো কমান্ড সেন্টারে থাকে। তারা সব যাচাই করে অনুমতি দেয়। কিন্তু আপনি যদি বলেন যে আপনি আসন্ন হুমকির মুখে আছেন এবং নিজেকে রক্ষা করতে হবে, তবে খুব দ্রুত সেই নজরদারি এড়ানো যায়। [[যুদ্ধের আইন|যুদ্ধের আইন]] অনুযায়ী, এটি সবসময় অনুমোদিত। এটি টাস্ক ফোর্সকে সব অফিসার, নজরদারি এবং নিয়মকানুন জানা আইনজীবীদের এড়িয়ে সরাসরি বিমানের সাথে কথা বলার সুযোগ দেয়। তাই, কেউ তাদের প্রশ্ন করার আগেই তারা যা খুশি আঘাত করতে পারত... কিন্তু অপারেশন সেন্টারের লোকেরা দেখছিল যে টাস্ক ফোর্স ৯ প্রায় সব সময়ই এই অজুহাত ব্যবহার করছে।
**[[ডেভিড ফিলিপস|ডেভ ফিলিপস]] উদ্ধৃত: [https://www.nytimes.com/2021/11/15/podcasts/the-daily/us-airstrike-casualties-isis.html?showTranscript=1 হাউ দ্য ইউ.এস. হিড আ ডেডলি এয়ারস্ট্রাইক], সাবরিনা টাভার্নিজ কর্তৃক, ''নিউ ইয়র্ক টাইমস'', ১৫ নভেম্বর ২০২১।
*আমি মনে করি সামরিক বাহিনীতে এমন মানুষ আছে যারা জবাবদিহিতা চায় এবং এর জন্য কঠোর পরিশ্রম করেছে। কিন্তু তারা যে সিস্টেম তৈরি করেছে তা এতই ত্রুটিপূর্ণ যে এটি আসলে কতজন বেসামরিক নাগরিক মারা গেছে তা সম্পর্কে অর্থপূর্ণ কিছু বলতে পারে না। ভেবে দেখুন। এটি এমন একটি ঘটনা যেখানে ৭০ জন নিহত হয়েছিল। একটি হাই ডেফিনিশন রঙিন ড্রোন ক্যামেরার সামনে তারা মারা গিয়েছিল, যা অনেক সামরিক লোক দেখেছিল। এটি অবিলম্বে রিপোর্ট করা হয়েছিল এবং বারবার জানানো হয়েছিল। সিস্টেমটি কোনো যৌক্তিক উপায়ে সাড়া দিতে অক্ষম ছিল। সিস্টেম যদি এতটা স্পষ্ট কিছু সামলাতে না পারে, তবে এটি কী সামলাতে পারে?
**উদ্ধৃত: [https://www.nytimes.com/2021/11/15/podcasts/the-daily/us-airstrike-casualties-isis.html?showTranscript=1 হাউ দ্য ইউ.এস. হিড আ ডেডলি এয়ারস্ট্রাইক], সাবরিনা টাভার্নিজ কর্তৃক, ''নিউ ইয়র্ক টাইমস'', ১৫ নভেম্বর ২০২১।
*আমার মতে, যেকোনো আক্রমণ প্রতিহত করার জন্য আমাদের যথেষ্ট বড় সশস্ত্র বাহিনী থাকা প্রয়োজন। ভবিষ্যতের সম্ভাব্য আক্রমণকারীরা যদি আমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের সরঞ্জাম তৈরি করে, তবে আমাদের দ্রুততর হতে হবে। আমরা কি স্বেচ্ছায় তালিকাভুক্তির মাধ্যমে বাধ্য না করে স্থায়ীভাবে আমাদের [[মার্কিন নৌবাহিনী|নৌবাহিনী]] এবং সাত লাখ ৫০ হাজার সৈন্য ও ১২ লাখ ৫০ হাজার রিজার্ভ সৈন্য বজায় রাখতে পারি? স্থায়ী নীতি হিসেবে এই প্রশ্নের উত্তর নিজেরাই পরিষ্কার। এটি কেবল পরিষেবাকে যথেষ্ট আকর্ষণীয় করার বিষয়। আমরা ধরে নিচ্ছি যে সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়া একটি ত্যাগ; এটি যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে অপ্রীতিকর পেশা, যা প্রতিটি ছেলে সহজাতভাবে এড়িয়ে চলে। তা মোটেও হওয়া উচিত নয়। যুদ্ধের সময় সেনাবাহিনী বিপজ্জনক; কিন্তু আমরা যদি পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নিই তবে আমরা যুদ্ধে থাকব না। সেনাবাহিনী মূলত একটি শান্তিকালীন, অত্যন্ত বিশেষায়িত পেশা, যেখানে বিপদের সম্ভাবনা কম। অভিজ্ঞতা দেখায় যে বিপদের সম্ভাবনা আছে বলে মানুষ কোনো পেশা এড়িয়ে চলে না। অনেক বিপজ্জনক বেসামরিক পেশা আছে—হাই-টেনশন তার নিয়ে কাজ, টানেল নির্মাণ, কয়লা খনি—সেসব পেশায় আগ্রহীর অভাব হয় না। সেনাবাহিনীর অনেক সুবিধা আছে—দায়িত্বহীন এক পরিচ্ছন্ন ও নিয়মিত জীবন, শৃঙ্খলা ও আদেশের আকর্ষণ যা কিছু মানুষকে টানে এবং অন্যদের খুব বেশি কষ্ট দেয়। মাসে ২১ ডলারে স্বেচ্ছাসেবক হওয়ার মতো পেশা খুব কম, তবুও আজ আমরা মাসে পঁচিশ হাজারের বেশি মানুষকে তালিকাভুক্ত করছি। জুলাই মাসে আমরা ত্রিশ হাজারের বেশি তালিকাভুক্ত করেছি। স্বেচ্ছাসেবী তালিকাভুক্তি পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়নি। পর্যাপ্ত বেতন ও তিন বছরের তালিকাভুক্তি সত্ত্বেও, এটি যা চাওয়া হয়েছে তা অর্জন করেছে। এখন পর্যন্ত [[মার্কিন কংগ্রেস|কংগ্রেস]] এমনকি বলেনি যে একটি বড় সেনাবাহিনী প্রয়োজন। আমরা এমন একটি সেনাবাহিনী সরবরাহ না করার জন্য তালিকাভুক্তি সিস্টেমকে দোষ দিতে পারি না যা আমরা অনুমোদিত করিনি। [[হ্যারি এস. ট্রুম্যান|প্রেসিডেন্ট]] তালিকাভুক্তির জন্য কোনো আবেদন করেননি। নিশ্চিতভাবে প্রেসিডেন্টের নেতৃত্বে এবং স্বেচ্ছাসেবী ভিত্তিতে সংগঠিত একটি সাধারণ প্রচারণা পাঁচ লাখ মানুষ নিশ্চিত করতে পারে যদি প্রয়োজন হয়। অনেক লাখ মানুষ বেকার।
**[[রবার্ট এ. ট্যাফট]], স্টাথিস, এস. ডব্লিউ. ২০০৯-এ উদ্ধৃত। বার্ক-ওয়াডসওয়ার্থ বিল (সিলেক্টিভ ট্রেনিং অ্যান্ড সার্ভিস অ্যাক্ট অফ ১৯৪০) ∗ ১৯৪০ ∗। ইন: ২০০৯। ''ল্যান্ডমার্ক ডিবেটস ইন কংগ্রেস: ফ্রম দ্য ডিক্লারেশন অফ ইন্ডিপেন্ডেন্স টু দ্য ওয়ার ইন ইরাক'', ওয়াশিংটন, ডিসি: সিকিউ প্রেস। পৃষ্ঠা ৩২৭-৩৩৬।
*একজন বিদেশির কাছে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তি একটি সংজ্ঞায়িত জাতীয় বৈশিষ্ট্য।
**জর্ডান জি. টেইচার, [https://www.washingtonpost.com/news/in-sight/wp/2015/10/09/everyday-life-as-an-jrotc-cadet/?utm_term=.50afc770c709 "এভরিডে লাইফ অ্যাজ এন জেআরওটিসি ক্যাডেট"] (৯ অক্টোবর ২০১৫), ''দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট''
*বর্তমান মার্কিন সেনাবাহিনী এবং মেরিন কোরের শক্তি যথাক্রমে প্রায় ৫,১০,০০০ এবং ১,৮০,০০০। এছাড়াও, প্রায় ৮,০০,০০০ ন্যাশনাল গার্ড এবং রিজার্ভ সৈন্য আছে। এই সংখ্যাগুলো বোঝালেও যে যুক্তরাষ্ট্রের মোট ১৫ লাখ স্থল সৈন্য আছে, যুক্তরাষ্ট্রের অনেক প্রতিশ্রুতি যেকোনো একক সামরিক ইভেন্টের জন্য শক্তি সীমিত করে। প্রাতিষ্ঠানিক সমর্থন, [[ইউরোপ]] ও [[কোরিয়া|কোরিয়াতে]] প্রতিশ্রুতি এবং বাহিনীর প্রশিক্ষণ ও সরঞ্জাম পুনঃসজ্জার প্রয়োজনের কথা বিবেচনা করলে, যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভবত স্থল যুদ্ধের জন্য ২৫০,০০০ এর বেশি সক্রিয় ডিউটি সৈন্য নেই। ন্যাশনাল গার্ড ও রিজার্ভ পুরোপুরি সংগঠিত হলে, যুক্তরাষ্ট্র একটি অভিযানের জন্য সম্ভাব্য ১০ লাখ সৈন্য মাঠে নামাতে পারে।
**[[ব্রুস ডব্লিউ. টেরি|ব্রুস ডব্লিউ. টেরি]], [[:File:Use of land power to counter the Iranian nuclear proliferation challenge (2007).pdf|''দ্য ইউজ অফ ল্যান্ড পাওয়ার টু কাউন্টার দ্য ইরানিয়ান নিউক্লিয়ার প্রলিফারেশন চ্যালেঞ্জ'']] (২০০৭), কানসাস: ফোর্ট লিভেনওয়ার্থ।
*কন্টিনেন্টাল আর্মি সমন্বয়ের যে ডিগ্রি প্রদর্শন করেছিল, তা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগ পর্যন্ত ২০০ বছর ধরে আমেরিকান সেনাবাহিনী আর অর্জন করতে পারেনি।
**মেরি ভি. থম্পসন, [http://www.mountvernon.org/george-washington/slavery/the-only-unavoidable-subject-of-regret/ "দ্য অনলি আনএভয়ডেবল সাবজেক্ট অফ রিগ্রেট"], ''মাউন্ট ভার্নন''
*জাতি, বর্ণ, ধর্ম বা জাতীয় উৎপত্তিনির্বিশেষে সশস্ত্র বাহিনীর সকল ব্যক্তির জন্য সমান আচরণ ও সুযোগ থাকবে।
**[[হ্যারি এস. ট্রুম্যান]], [[s:Executive Order 9981|''এক্সিকিউটিভ অর্ডার ৯৯৮১'']] (২৬ জুলাই ১৯৪৮)
*আমরা এমন একটি বিশ্ব নেতৃত্ব অর্জন করেছি যা শুধুমাত্র আমাদের সামরিক ও নৌ শক্তির ওপর নির্ভর করে না।
**[[হ্যারি এস. ট্রুম্যান]], [http://www.trumanlibrary.org/ww2/stofunio.htm মার্কিন কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে ভাষণ] (১৬ এপ্রিল ১৯৪৫)।
*আমেরিকার ইউনিফর্মধারী নারী-পুরুষরা [[নাৎসিবাদ|নাৎসিবাদ]], [[সাম্রাজ্যবাদ|সাম্রাজ্যবাদ]], [[কমিউনিজম|কমিউনিজম]] এবং [[সন্ত্রাসবাদ|সন্ত্রাসবাদের]] বিরুদ্ধে লড়াইয়ে জীবন দিয়েছেন। আমেরিকা সংঘাত বা সংঘর্ষ চায় না, তবে আমরা তা থেকে কখনোই পালাব না। ইতিহাস এমন শাসকদের দ্বারা পরিপূর্ণ যারা বোকামির সাথে আমেরিকার সংকল্প পরীক্ষা করেছে। যে কেউ যুক্তরাষ্ট্রের শক্তি বা সংকল্প নিয়ে সন্দেহ করে, তারা আমাদের অতীতের দিকে তাকালে আর সন্দেহ করবে না। আমরা আমেরিকা বা আমাদের মিত্রদের ব্ল্যাকমেইল বা আক্রমণ হতে দেব না। আমরা আমেরিকান শহরগুলোকে ধ্বংসের হুমকির মুখে পড়তে দেব না। আমরা ভয় পাব না। এবং আমরা ইতিহাসে সবচেয়ে খারাপ নৃশংসতার পুনরাবৃত্তি হতে দেব না এই মাটিতে যা আমরা রক্ষা করতে কঠোর লড়াই করেছি এবং জীবন দিয়েছি।
**[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.presidency.ucsb.edu/documents/remarks-the-national-assembly-south-korea-seoul-south-korea সোল, দক্ষিণ কোরিয়ায় দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় পরিষদে মন্তব্য]; (৮ নভেম্বর ২০১৭)।
*সব পরিমাপে, [[পেন্টাগন|পেন্টাগন]] [[পেট্রোলিয়াম|পেট্রোলিয়াম]] পণ্য এবং শক্তির বৃহত্তম প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবহারকারী... তবুও, '''পেন্টাগনের সব আন্তর্জাতিক জলবায়ু চুক্তিতে সামগ্রিক ছাড় রয়েছে... [[জলবায়ু পরিবর্তন|জলবায়ু পরিবর্তন]] নিয়ে যেকোনো কথা যাতে সামরিক বাহিনী অন্তর্ভুক্ত নয়, তা কেবল গরম বাতাস'''... 'দ্য ক্লাইমেট অফ ওয়ার' রিপোর্ট অনুযায়ী, এটি কিয়োটো কনভেনশন অন ক্লাইমেট চেঞ্জে এমন একটি লুপহোল যা দিয়ে একটি ট্যাঙ্ক চালানো যায়। ১৯৪০ সালে, মার্কিন সামরিক বাহিনী দেশের মোট শক্তি ব্যবহারের এক শতাংশ ব্যবহার করত; দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষে, সামরিক বাহিনীর অংশ ২৯ শতাংশে উন্নীত হয়... সামরিকবাদ গ্রহের সবচেয়ে তেল-ক্ষয়কারী কার্যকলাপ, যা আরও দ্রুত, বড়, বেশি জ্বালানি-গ্রাসী বিমান, ট্যাঙ্ক এবং নৌযান নিয়ে আরও তীব্র আকাশ ও স্থল যুদ্ধে ব্যবহৃত হয়। মার্চ ২০০৩ সালে ইরাক যুদ্ধের শুরুতে, সেনাবাহিনী অনুমান করেছিল যে তিন সপ্তাহের যুদ্ধের জন্য তাদের ৪০ মিলিয়ন গ্যালনের বেশি [[গ্যাসোলিন|গ্যাসোলিন]] প্রয়োজন হবে, যা [[প্রথম বিশ্বযুদ্ধ|প্রথম বিশ্বযুদ্ধে]] মিত্রবাহিনীর চার বছরে ব্যবহৃত মোট পরিমাণের চেয়ে বেশি। সেনাবাহিনীর অস্ত্রভাণ্ডারের মধ্যে ছিল ২,০০০ এম-১ আব্রামস ট্যাঙ্ক যা যুদ্ধের জন্য চালু ছিল এবং প্রতি ঘণ্টায় ২৫০ গ্যালন জ্বালানি পোড়াত।
**[https://truthout.org/articles/the-military-assault-on-global-climate/ দ্য মিলিটারি অ্যাসল্ট অন গ্লোবাল ক্লাইমেট, এইচ প্যাট্রিসিয়া হেইনস কর্তৃক, ''ট্রুথআউট''], ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১১।
*ইউএস এয়ার ফোর্স (ইউএসএএফ) বিশ্বের [[জেট জ্বালানি|জেট জ্বালানি]]র একক বৃহত্তম ভোক্তা... এফ-৪ ফ্যান্টম ফাইটার প্রতি ঘণ্টায় ১,৬০০ গ্যালনের বেশি জেট জ্বালানি পোড়ায় এবং সুপারসনিক গতিতে প্রতি ঘণ্টায় ১৪,৪০০ গ্যালনে পৌঁছায়। আটটি জেট ইঞ্জিনযুক্ত বি-৫২ স্ট্র্যাটোক্রুজার প্রতি মিনিটে ৫৫ গ্যালন জ্বালানি গিলে ফেলে... বিশ্বের এক-চতুর্থাংশ জেট জ্বালানি ইউএসএএফ-এর উড়ন্ত হত্যার মেশিনগুলোকে খাওয়ায়; ২০০৬ সালে, তারা অবিশ্বাস্য ২.৬ বিলিয়ন গ্যালন ব্যবহার করেছিল।
**[https://truthout.org/articles/the-military-assault-on-global-climate/ দ্য মিলিটারি অ্যাসল্ট অন গ্লোবাল ক্লাইমেট, এইচ প্যাট্রিসিয়া হেইনস কর্তৃক, ''ট্রুথআউট''], ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১১।
*(যুক্তরাষ্ট্র) সামরিক বাহিনী কোনো জাতীয় বা আন্তর্জাতিক সংস্থায় [[জলবায়ু পরিবর্তন|জলবায়ু পরিবর্তন]] নিঃসরণের রিপোর্ট করে না, গ্লোবাল ওয়ার্মিং নিঃসরণ সীমাবদ্ধ করার প্রথম আন্তর্জাতিক চুক্তির ১৯৯৭ সালের কিয়োটো প্রোটোকল আলোচনার সময় যুক্তরাষ্ট্রের চাপের কারণে। তাদের কার্যকলাপের ওপর কোনো বিধিনিষেধ থেকে সামরিক বাহিনীকে রক্ষা করতে, যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছিল এবং জিতেছিল "বাঙ্কার" জ্বালানি (নৌযানের জন্য ঘন, ভারী জ্বালানি তেল) এবং বিশ্বব্যাপী সামরিক কার্যক্রম থেকে সমস্ত গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের ওপর সীমা থেকে ছাড়। আঘাতের ওপর আঘাত হিসেবে, [[জর্জ ডব্লিউ. বুশ|জর্জ ডব্লিউ. বুশ]] তার প্রেসিডেন্সির প্রথম কাজগুলোর একটি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রকে [[কিউটো প্রোটোকল|কিউটো প্রোটোকল]] থেকে বের করে নেন, এই বলে যে এটি খুব ব্যয়বহুল গ্রিনহাউস নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে মার্কিন অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দেবে। এরপর, হোয়াইট হাউস জলবায়ু পরিবর্তনের বিজ্ঞানের বিরুদ্ধে একটি নব্য-লুডাইট প্রচারণা শুরু করে। "দ্য গ্রিন জোন: দ্য এনভায়রনমেন্টাল কস্টস অফ মিলিটারিজম" নিয়ে গবেষণায়... প্রতিরক্ষা দপ্তর থেকে যুদ্ধের হতাহতের পরিসংখ্যান পাওয়া জ্বালানি ব্যবহারের ডেটা পাওয়ার চেয়ে সহজ।
**[https://truthout.org/articles/the-military-assault-on-global-climate/ দ্য মিলিটারি অ্যাসল্ট অন গ্লোবাল ক্লাইমেট, এইচ প্যাট্রিসিয়া হেইনস কর্তৃক, ''ট্রুথআউট''], ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১১।
==ভি==
*আমেরিকানরা এই [[সামরিক ঘাঁটি|ঘাঁটি]]গুলো নিয়ে যেটুকু ভাবে, আমরা সাধারণত মনে করি যে সেগুলো জাতীয় [[নিরাপত্তা|নিরাপত্তা]] এবং বিশ্ব [[শান্তি|শান্তি]]র জন্য অপরিহার্য। আমাদের নেতারা দাবি করেছেন যে এগুলোর বেশিরভাগই [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] এবং [[শীতল যুদ্ধ|শীতল যুদ্ধের]] শুরুর দিকে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ফলস্বরূপ, আমরা পরিস্থিতিকে [[স্বাভাবিক|স্বাভাবিক]] মনে করি এবং মেনে নিই যে অন্যান্য [[দেশ|দেশে]], অন্য জনগণের [[ভূমি|ভূমিতে]] মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলো বিস্ময়কর সংখ্যায় বিদ্যমান। অন্যদিকে, মার্কিন মাটিতে বিদেশী ঘাঁটি থাকার ধারণা অকল্পনীয়। <br> যদিও যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে কোনো স্বতন্ত্র বিদেশী ঘাঁটি নেই, তবে বিদেশী দেশগুলোতে এখন প্রায় ৮০০টি মার্কিন ঘাঁটি রয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ৭০ বছর এবং কোরীয় যুদ্ধের ৬২ বছর পরও, পেন্টাগনের মতে [[জার্মানি|জার্মানি]]তে ১৭৪টি, [[জাপান|জাপান]]ে ১১৩টি এবং [[দক্ষিণ কোরিয়া|দক্ষিণ কোরিয়া]]তে ৮৩টি মার্কিন "বেস সাইট" রয়েছে। আরও শত শত ঘাঁটি [[অরুব|অরুব]] এবং [[অস্ট্রেলিয়া|অস্ট্রেলিয়া]], [[বাহরাইন|বাহরাইন]] এবং [[বুলগেরিয়া|বুলগেরিয়া]], [[কলম্বিয়া|কলম্বিয়া]], [[কেনিয়া|কেনিয়া]] এবং [[কাতার|কাতার]] সহ প্রায় ৮০টি দেশে ছড়িয়ে আছে। যদিও খুব কম আমেরিকানই এটি বোঝে, সম্ভবত ইতিহাসের অন্য যেকোনো [[জনগণ|জনগণ]], [[জাতি|জাতি]] বা [[সাম্রাজ্য|সাম্রাজ্যের]] তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রের বিদেশী জমিতে বেশি ঘাঁটি রয়েছে।
**ডেভিড ভাইন, [https://www.thenation.com/article/the-united-states-probably-has-more-foreign-military-bases-than-any-other-people-nation-or-empire-in-history/ “দ্য ইউনাইটেড স্টেটস প্রোব্যাবলি হ্যাজ মোর ফরেন মিলিটারি বেসেস দ্যান এনি আদার পিপল, নেশন, অর এম্পায়ার ইন হিস্ট্রি”], ''দ্য নেশন'', (১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৫)।
==ডব্লিউ==
*উভয় [[উপসাগরীয় যুদ্ধ|উপসাগরীয় যুদ্ধেই]], মার্কিন সামরিক বাহিনী অবিশ্বাস্য দক্ষতা ও শৃঙ্খলার সাথে কাজ করেছে এবং আমেরিকা শিখেছে যে [[ভিয়েতনামের যুদ্ধ|ভিয়েতনামের]] [[মাই লাই হত্যাকাণ্ড|মাই লাই]]ের মতো ঘটনাগুলো ছিল ব্যতিক্রম, নিয়ম নয়।
**স্যাম উইলিয়ামসন, [http://supreme.findlaw.com/legal-commentary/a-review-of-anthony-swoffords-jarhead.html "আ রিভিউ অফ অ্যান্থনি সোফোর্ডস জারহেড"] (১৮ এপ্রিল ২০০৩)
*<p>এটি আশ্চর্যজনক, যখন আমরা একত্রিত হয়েছিলাম...</p><p>যখন আমরা আমাদের মতপার্থক্যগুলো দূরে সরিয়ে রেখেছিলাম এবং যারা আমাদের ক্ষতি করেছে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছিলাম...</p><p>যখন আমরা মৃতদের পরিবারকে সাহায্য করার জন্য একত্রিত হয়েছিলাম...</p><p>এটি আমাকে অসাধারণ অনুভব করিয়েছে। এটি আমাকে দেশপ্রেমিক করেছে, শক্তিশালী করেছে এবং এই দেশকে এমনভাবে ভালোবাসতে শিখিয়েছে যা আমি আমার দীর্ঘ জীবনে কখনো বাসিনি। আপনি জানেন? কারণ এটিই সেই আমেরিকা যার স্বপ্ন আমরা সবাই দেখি। এটিই সেই আমেরিকা যা আমরা সবাই চাই, শক্তিশালী ও ক্ষমতাধর একটি আমেরিকা যা প্রয়োজনে পাল্টা আঘাত করে। আমাদের ইতিহাসের বইগুলোতে আমরা যে ঘুমন্ত দৈত্যের কথা পড়েছি, যারা আমাদের প্রয়োজনীয় সুপার-পাওয়ার হতে প্রস্তুত এবং বিশ্বের সেরা সেনাবাহিনী নিয়ে। ওয়াও। ওয়াও। একটি কংগ্রেস এবং প্রেসিডেন্ট যারা একসাথে কাজ করবে, আর আমরা কী হয়েছি? এগারো বছর পর? এগারো বছর পর আমাদের সেই উত্তরগুলো নেই যা আমরা চেয়েছিলাম...</p><p>আমাদের কাছে বেশিরভাগই আছে। আমরা জানি কারা এটি করেছে, কেন তারা এটি করেছে। আমরা জানি তারা কীভাবে এটি করেছে। [[ষড়যন্ত্র তত্ত্ব|ষড়যন্ত্র তত্ত্ব]] প্রচুর আছে; প্রমাণ প্রায় সেখানে আছে। কিন্তু, আমরা নিজেদের ধ্বংস করতে অনেক কিছু করেছি। আমরা আমাদের স্বাধীনতা ধ্বংস করতে অনেক কিছু করেছি...</p>শেষ পর্যন্ত, আমরা যদি সেই পথে থাকতাম তবে আমরা যে আমেরিকা হতে পারতাম, আমরা যদি একসাথে থাকতাম তবে আমরা যে আমেরিকা হতে পারতাম, আমরা যদি ভালো হওয়ার জন্য, শক্তিশালী হওয়ার জন্য কঠোর পরিশ্রম করতাম, তা আবারও একটি স্বপ্ন। আপনি জানেন, এবং এটি সত্যিই দুঃখজনক...<p>আমরা আগের চেয়ে অনেক বেশি বিভক্ত, এবং তা? তা আমার হৃদয় ভেঙে দেয়...</p><p>আপনি? আপনার বয়স যদি আঠারোর নিচে হয়, আপনি আমাদের মতো আমেরিকায় কখনো বাস করেননি। আপনি জানেন? আপনি একটি ভালো দেশে বাস করেছেন, আমাকে ভুল বুঝবেন না। আপনি একটি চমৎকার দেশে বাস করেছেন, যেটি এখন অসুস্থ, এটি নিয়ে বিতর্কের কিছু নেই। কিন্তু, এত কাছে এবং তবুও? এত দূরে...</p><p>আমার সেই আমেরিকান স্বপ্নের কথা মনে পড়ে, এবং আমি শুধু ভাবি। আমি ভাবি আমেরিকা কি কখনো আগের মতো হতে পারবে। আমরা দেখব।</p>
**[[স্টিভেন উইলিয়ামস|স্টিভেন উইলিয়ামস]], [https://www.youtube.com/watch?v=JHfrce1Yd48 "স্টোরি টাইম উইথ বুগি: সেপ্টেম্বর ১১থ, ২০০১"] (সেপ্টেম্বর ২০১২), ''ইউটিউব''
*আমি আমাদের সামরিক বাহিনীর নারী-পুরুষদের তাদের সেবার জন্য কৃতজ্ঞ, কিন্তু সেনাবাহিনী কেবল একটি উপায়, প্রয়োজনীয় মন্দ। তাদের দৃষ্টির আড়ালে রাখা উচিত, ঠিক যেমন আমি আমার বাড়িতে বন্দুকগুলোকে দৃষ্টির আড়ালে রাখি। একটি সামরিক প্যারেড মহত্ত্ব প্রদর্শন করে না—এটি শক্তি প্রদর্শন করে। এবং সম্ভবত সেখানেই আমি আমাদের নতুন [[জাতীয়তাবাদ|জাতীয়তাবাদীদের]] সাথে দ্বিমত পোষণ করি। আমার দৃষ্টিতে, ওয়াশিংটনের সবকিছুর চেয়ে একটি [[নিউ ইংল্যান্ড|নিউ ইংল্যান্ড]] টাউন হলে আমেরিকান মহত্ত্ব বেশি, এবং সব ট্যাঙ্ক ও রকেটের চেয়ে একটি [[অরেগন|অরেগন]] আপেল বাগান বা রোটারি মিটিংয়ে আমেরিকান মহত্ত্ব বেশি।
**[[কেভিন ডি. উইলিয়ামসন]], [https://www.nationalreview.com/2019/03/american-nationalism-public-policy-aesthetics-donald-trump/ "দ্য ন্যাশনালিজম শো"] (মার্চ ২০১৯), ''ন্যাশনাল রিভিউ''
*[[প্রজাতন্ত্রবাদ|প্রজাতন্ত্রবাদ]] মরে যায়নি। তারা ব্যক্তিগত [[সম্পদ|সম্পদ]] এবং [[সুখ|সুখ]]ের জন্য হুড়োহুড়ি প্রশমিত করতে রয়ে গেছে এবং তারা আমাদের অনেক আদর্শ ও আকাঙ্ক্ষার মূলে রয়েছে: [[সাম্য|সাম্য]]ে আমাদের বিশ্বাস এবং আড়ম্বর ও বিশেষাধিকারের প্রতি আমাদের অপছন্দ; ব্যক্তিগত স্বায়ত্তশাসন ও নির্ভরশীলতার সব বন্ধন থেকে মুক্তির জন্য আমাদের গভীর আকাঙ্ক্ষা; আমাদের পর্যায়ক্রমিক আশা, যা প্রকাশ পেয়েছে, উদাহরণস্বরূপ, সামরিক বীরদের নির্বাচনে।
**[[গর্ডন এস. উড|গর্ডন উড]], [http://scholarship.kentlaw.iit.edu/cgi/viewcontent.cgi?article=2785&context=cklawreview "ক্লাসিক্যাল রিপাবলিকানিজম অ্যান্ড দ্য আমেরিকান রেভল্যুশন"] (এপ্রিল ১৯৯০), ''শিকাগোকেন্ট ল রিভিউ''
==জেড==
*[[তালিবান|তালিবান]] চুক্তির বিষয়বস্তু মেনে চলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রসহ সব দেশের সাথে ভালো ও ইতিবাচক সম্পর্ক আশা করে।
** [[জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ|জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ]], তালিবানের মুখপাত্র, তালিবান আফগানিস্তান থেকে প্রাথমিক সৈন্য প্রত্যাহারের বিষয়ে [[ট্রাম্প|ট্রাম্প]]ের টুইটকে স্বাগত জানিয়েছে [https://globalnews.ca/news/7385728/taliban-trump-tweet-early-troop-withdrawal-afghanistan/ প্রকাশিত ৮ অক্টোবর, ২০২০]
*ভবিষ্যতের [[আগ্রাসী যুদ্ধ|আগ্রাসী যুদ্ধের]] কৌশলগত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের [[সামরিক-শিল্প কমপ্লেক্স|সামরিক-শিল্প কমপ্লেক্স]]ের সুবিধা নেওয়ার ইচ্ছার সাথে সম্পর্কিত, যা [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরবর্তী সময়|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষে]] বিশাল আকার ধারণ করেছিল। [[আমেরিকান সাম্রাজ্যবাদ|আমেরিকান সাম্রাজ্যবাদ]] ক্রমাগত দেশটিকে সামরিকায়নের নীতি অনুসরণ করছে। [[মার্কিন সেনাবাহিনী|মার্কিন সেনাবাহিনী]] ও [[মার্কিন নৌবাহিনী|নৌবাহিনীর]] ব্যয় বছরে ১১,০০০ মিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। ১৯৪৭-৪৮ সালে, আমেরিকার বাজেটের ৩৫ শতাংশ সশস্ত্র বাহিনীর জন্য বরাদ্দ করা হয়েছিল, যা ১৯৩৭-৩৮ সালের তুলনায় এগারো গুণ বেশি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরুর সময় আমেরিকান সেনাবাহিনী [[পুঁজিবাদ|পুঁজিবাদী]] বিশ্বের সপ্তদশ বৃহত্তম ছিল; আজ এটি বৃহত্তম। যুক্তরাষ্ট্র কেবল [[পারমাণবিক অস্ত্র|পারমাণবিক বোমা]]র মজুদই বাড়াচ্ছে না; আমেরিকান কৌশলবিদরা খোলামেলাভাবে বলছে যে তারা [[ব্যাকটেরিওলজিক্যাল অস্ত্র|ব্যাকটেরিওলজিক্যাল অস্ত্র]] তৈরি করছে। যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত পরিকল্পনায় শান্তির সময়ে [[আমেরিকা মহাদেশ|আমেরিকা মহাদেশ]] থেকে অনেক দূরে অসংখ্য ঘাঁটি ও সুবিধাজনক স্থান তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে, যা [[সোভিয়েত ইউনিয়ন|সোভিয়েত ইউনিয়ন]] ও নতুন গণতন্ত্রের দেশগুলোর বিরুদ্ধে আগ্রাসী উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হবে। আমেরিকা [[আলাস্কা|আলাস্কা]], [[জাপান|জাপান]], [[ইতালি|ইতালি]], [[দক্ষিণ কোরিয়া|দক্ষিণ কোরিয়া]], [[চীন|চীন]], [[মিশর|মিশর]], [[ইরান|ইরান]], [[তুরস্ক|তুরস্ক]], [[গ্রিস|গ্রিস]], [[অস্ট্রিয়া|অস্ট্রিয়া]] এবং [[পশ্চিম জার্মানি|পশ্চিম জার্মানি]]তে বিমান ও নৌ ঘাঁটি তৈরি করেছে বা করছে। [[আফগানিস্তান|আফগানিস্তান]] এবং এমনকি [[নেপাল|নেপাল]]েও আমেরিকান সামরিক মিশন রয়েছে। সামরিক আগ্রাসনের উদ্দেশ্যে [[উত্তর মেরু|উত্তর মেরু]] ব্যবহারের জন্য উন্মাদ প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
** [[আন্দ্রে ঝদানভ]], "[https://soviethistory.msu.edu/1947-2/cold-war/cold-war-texts/zhdanov-on-the-international-situation/ নিউ আসপেক্টস অফ ওয়ার্ল্ড কনফ্লিক্ট: দ্য ইন্টারন্যাশনাল সিচুয়েশন]," ২২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭।
==আরও দেখুন==
* [[পেন্টাগন]]
* [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সেনাবাহিনী]]
* [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিমান বাহিনী]]
* [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কোস্ট গার্ড]]
* [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মেরিন কোর]]
* [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নৌবাহিনী]]
* [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র স্পেস ফোর্স]]
* [[আইভান এডওয়ার্ডস]]
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সশস্ত্র বাহিনী| ]]
6c64b69f1intuk76x31ne5wlwv8qqbw
83330
83329
2026-05-03T13:25:26Z
SMontaha32
3112
83330
wikitext
text/x-wiki
[[File:Meuse-Argonne, 26 September–1 October 1918.gif|thumb|বিশ্বের সকল জাতি, ধর্ম ও বর্ণের মানুষ এই জাতির [[w:মার্কিন সশস্ত্র বাহিনী|সশস্ত্র বাহিনীতে]] প্রতিনিধিত্ব করেছে, যেমনটি আমাদের জনগোষ্ঠীর মধ্যে ছিল। কারও জাতিগত পরিচয়, রাজনৈতিক মতাদর্শ বা ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে তার দেশপ্রেম বা সেবাকে কেউ তুচ্ছ করেনি। অভিবাসী ও তাদের সন্তানরা... আমাদের মিত্র দেশগুলোর বংশধর, বিষুবীয় আফ্রিকার সন্তান এবং আমাদের নিজস্ব আদিবাসী জনগোষ্ঠীর লাল মানুষের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধ করেছে। তারা সবাই সমানভাবে নিজেদের 'আমেরিকান' পরিচয়ে গর্বিত ছিল। ~ [[ক্যালভিন কুলিজ]]]]
[[File:Brigadier General Smedley Butler, 1927 (14773211711).jpg|thumb|আমি সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট থেকে মেজর-জেনারেল পর্যন্ত সকল কমিশনড পদে দায়িত্ব পালন করেছি। সেই সময়ে আমি আমার বেশিরভাগ সময় ব্যয় করেছি বড় ব্যবসা, ওয়াল স্ট্রিট এবং ব্যাংকারদের জন্য উচ্চমানের গুণ্ডা হিসেবে কাজ করতে। সংক্ষেপে, আমি ছিলাম একজন র্যাকেটিয়ার, পুঁজিবাদের জন্য একজন গ্যাংস্টার। ~ [[স্মেলি বাটলার]]]]
[[File:Haditha massacre.jpg|thumb|আমাদের জেগে উঠতে হবে এবং উপলব্ধি করতে হবে যে আমাদের প্রকৃত শত্রুরা কোনো দূরবর্তী দেশে নেই। তারা এমন কেউ নয় যাদের নাম আমরা জানি না বা যাদের সংস্কৃতি আমরা বুঝি না। শত্রুরা হলো এমন মানুষ যাদের আমরা খুব ভালোভাবেই চিনি এবং যাদের আমরা চিহ্নিত করতে পারি। শত্রু হলো সেই ব্যবস্থা যা লাভজনক হলেই যুদ্ধ বাধায়। শত্রু হলো সেই সব সিইও, যারা মুনাফার জন্য আমাদের চাকরি থেকে ছাঁটাই করে। যারা মুনাফার জন্য আমাদের স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত করে, সেই বিমা কোম্পানিগুলোই শত্রু। যারা মুনাফার জন্য আমাদের ঘরবাড়ি কেড়ে নেয়, সেই ব্যাংকগুলোই শত্রু। আমাদের শত্রুরা পাঁচ হাজার মাইল দূরে নয়, তারা আমাদের ঘরেই রয়েছে। ~ মাইকেল প্রিসনার]]
[[File:Huey Newton.jpg|thumb|আমরা বিশ্বের অন্য কোনো বর্ণের মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব না বা তাদের হত্যা করব না। কারণ কৃষ্ণাঙ্গদের মতোই তারাও আমেরিকার শ্বেতাঙ্গ বর্ণবাদী সরকারের শিকার। ~ [[হিউ নিউটন]]]]
[[File:STTC_Logo.png|thumb|মার্কিন সেনাবাহিনী এবং মেরিন কোরের বর্তমান সদস্য সংখ্যা যথাক্রমে প্রায় ৫,১০,০০০ এবং ১,৮০,০০০। এছাড়া, সেনাবাহিনী ও মেরিন কোরের জন্য প্রায় ৮,০০,০০০ ন্যাশনাল গার্ড ও রিজার্ভ সেনা প্রস্তুত রয়েছে। যদিও এই সংখ্যা অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ১৫ লক্ষ মোট স্থলসেনা রয়েছে, তবুও দেশটির অনেক দায়বদ্ধতা থাকায় একক কোনো সামরিক অভিযানের জন্য এই শক্তি সীমিত হয়ে যায়। প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা, ইউরোপ ও কোরিয়ায় মার্কিন দায়বদ্ধতা এবং বাহিনীর পুনঃপ্রশিক্ষণ ও অস্ত্রসজ্জিত করার বিষয়গুলো বিবেচনা করলে, যুক্তরাষ্ট্রের হয়তো স্থলযুদ্ধের জন্য ২৫০,০০০-এর বেশি সক্রিয় সেনা নেই। যদি ন্যাশনাল গার্ড ও রিজার্ভ বাহিনীকে পুরোপুরি কাজে লাগানো যায়, তবে যুক্তরাষ্ট্র সম্ভাব্য অভিযানে দশ লক্ষ সৈন্য মাঠে নামাতে পারবে। ~ [[ব্রুস ডব্লিউ. টেরি|ব্রুস ডব্লিউ. টেরি]]]]
[[File:X-35.jpg|thumb|যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক শক্তিতে পরিণত হয়, তখন পৃথিবী অনেক বেশি নিরাপদ ও ভালো জায়গায় থাকে। ~ [[মার্কো রুবিও]]]]
[[File:Members_of_the_54th_Massachusetts_Volunteer_Regiment_color_guard_march_during_the_57th_presidential_inauguration_parade_130121-A-TT968-141.jpg|thumb|আমেরিকা আজও ইতিহাসের সবচেয়ে সুশৃঙ্খল ও মানবিক সামরিক বাহিনী বজায় রেখেছে। প্রাচীন বাহিনীগুলো যারা যুদ্ধের লুণ্ঠনে মত্ত থাকত, কিংবা আধুনিক বাহিনীগুলো যারা নির্বিচারে বেসামরিক নাগরিক ও বন্দিদের হত্যা করে, তাদের তুলনায় এটি সংযমের একটি আদর্শ দৃষ্টান্ত। ~ ''নিউজউইক'']]
[[File:Maryland National Guard (17285160576).jpg|thumb|আমি আশা করি, রাস্তাঘাট, টিউব ও বাসে আমরা যে তরুণ আমেরিকান সৈনিকদের সাথে পরিচিত হচ্ছি, তারা আমাদের কাছে ঠিক ততটাই ভালো লেগেছে, যতটা আমরা তাদের ভালোবেসেছি। ~ [[আলফ্রেড জর্জ গার্ডিনার|আলফ্রেড জর্জ গার্ডিনার]]]]
[[File:2014PlainviewMNparadeCivilWar.jpg|thumb|দেশের জন্য লড়াই ও জীবন দেওয়ার জন্য আপনাকে ‘সোজা’ হতে হবে না। আপনার শুধু লক্ষ্যভেদ করতে পারাটাই যথেষ্ট। ~ [[ব্যারি গোল্ডওয়াটার]]]]
[[File:OlusteeKAFL.jpg|thumb|আমাদের সেনাদের চালানো যুদ্ধগুলো দুটি ভিন্ন ব্যবস্থার মধ্যকার বৃহত্তর সংগ্রামের অংশ। প্রথম ব্যবস্থায়, একদল ধর্মান্ধ গোষ্ঠী একটি নিপীড়নমূলক মতাদর্শের প্রতি পূর্ণ আনুগত্য দাবি করে, নারীদের দাসত্বে বাধ্য করে এবং অবিশ্বাসীদের হত্যার লক্ষ্য নির্ধারণ করে। অন্য ব্যবস্থাটি এই বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত যে, স্বাধীনতা হলো সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের সার্বজনীন উপহার। ~ [[জর্জ ডব্লিউ. বুশ]]]]
[[File:The Old Flag Never Touched the Ground.jpg|thumb|সৈনিক ও গণতান্ত্রিকভাবে নিহতরা আমেরিকান মুক্তিদাতাদের দীর্ঘ ঐতিহ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে, যার শুরুটা হয়েছিল আমেরিকান বিপ্লব থেকে... গৃহযুদ্ধ ছিল এই ঐতিহ্যের একটি ভিত্তিপ্রস্তর। একাডেমিক ইতিহাসবিদরা লেখেন যে এটি ছিল আঞ্চলিকতাবাদের কারণে... [[আব্রাহাম লিংকন|লিংকন]] জানতেন এর মূলে কী ছিল... দাসপ্রথা 'একটি অদ্ভুত ও শক্তিশালী স্বার্থের জন্ম দিয়েছিল। সবাই জানত যে এই স্বার্থই কোনোভাবে যুদ্ধের কারণ ছিল'... সৈন্যরা ইউনিয়ন রক্ষা করতে লড়াই করেছিল, কিন্তু তারা মানব বন্ধন শেষ করার জন্যও যুদ্ধ করেছিল। ~ [[জোসেফ মরিসন স্কিলি|জোসেফ এম. স্কিলি]]]]
[[File:Defense.gov_photo_essay_080703-F-9629D-147.jpg|thumb|আমি যখন আমাদের সেনাদের অভিযানে ডেকেছিলাম, তখন তাদের সাহস ও দক্ষতার ওপর আমার পূর্ণ আস্থা ছিল। আর আজ রাতে, তাদের কল্যাণে আমরা জিতছি। ~ [[জর্জ ডব্লিউ. বুশ]]]]
[[File:US Navy 031109-N-9769P-076 Guided missile cruiser USS Lake Champlain (CG 57) steams in the Southern California operating area.jpg|thumb|আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর নারী ও পুরুষেরা এখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি শত্রুর কাছে একটি পরিষ্কার বার্তা পৌঁছে দিয়েছে। ৭,০০০ মাইল দূরে, মহাসাগর ও মহাদেশ পেরিয়ে, পাহাড়ের চূড়ায় বা গুহায় থাকলেও; তোমরা এই জাতির বিচার থেকে রেহাই পাবে না। ~ [[জর্জ ডব্লিউ. বুশ]]]]
[[File:U.S. Army Pfc. Phoebe Alvarez, left, an administrative clerk with the 307th Engineer Battalion, and Command Sgt. Maj. Thomas Capel, right, the command sergeant major of the International Security Assistance 130524-M-UF830-033.jpg|thumb|যদি আমেরিকার প্রতিটি প্রান্তে স্বাধীন নাগরিকদের ওপর নক্ষত্রখচিত পতাকা উড়তে থাকে, এবং আমাদের দেশ যদি ন্যায়বিচার, স্বাধীনতা ও সভ্যতার পথে একটি দীর্ঘ ও গৌরবময় যাত্রা বজায় রাখতে পারে, তবে আমরা এই মহৎ সেনাবাহিনীর নিঃস্বার্থ ত্যাগের কাছে ঋণী। ~ [[ফ্রেডরিক ডগলাস]]]]
[[File:Sailor with boatswain's pipe, USS Fitzgerald (DDG-62), May 2014.jpg|thumb|আমাদের কাছে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বাহিনী আছে, ''কারণ'' আমাদের কাছে সেরা মানুষগুলো আছে। ~ অ্যাশটন কার্টার]]
[[File:150413-N-XM324-040 - PO3 Christina Casillas applies a splint to a simulated broken arm aboard USS Fitzgerald.jpg|thumb|আমাকে অবশ্যই সেইসব নারী ও পুরুষের সেবার কথা বলতে হবে যারা প্রজাতন্ত্রের পতাকাতলে সমবেত হয়েছিল... আমেরিকা তাদের প্রদত্ত সেবা, ত্যাগ এবং সহ্য করা কষ্টগুলো উপলব্ধি করে এবং মূল্যায়ন করে... তারা সবাই ছিল সাহসী। তারা সবাই ছিল আত্মত্যাগী... স্থল ও সমুদ্রের চল্লিশ লক্ষ ডিফেন্ডার জনগণের সেরা ঐতিহ্যের যোগ্য ছিল... তারা আমাদের গর্বিত করেছে। তাদের প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞতা রয়েছে, যা অবশ্যই যথাযথভাবে প্রকাশ করা উচিত। ~ [[ওয়ারেন জি. হার্ডিং]]]]
[[File:150902-N-XF387-351 - SN Ana Motapalomares records bearings.jpg|thumb|আমাদের প্রতিরক্ষা নিহিত রয়েছে সেই চেতনা সংরক্ষণের মধ্যে, যা স্বাধীনতাকে সকল মানুষের, সকল দেশের এবং সর্বকালের ঐতিহ্য হিসেবে মূল্যায়ন করে। ~ [[আব্রাহাম লিংকন]]]]
[[File:Iraqi child with U.S. Troops.jpg|thumb|[[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|আমরা]] গত শতাব্দীজুড়ে নিপীড়ন দমনের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনীর নারী ও পুরুষদের বিশ্বের অন্যান্য প্রান্তে পাঠিয়েছি। আমরা ফ্যাসিবাদের পরাজয় ঘটিয়েছি... আমরা তা করতে ইচ্ছুক ছিলাম, সানন্দেই করেছি... সবকিছুই মানুষের অধিকার রক্ষার স্বার্থে, এবং যখন সেই সংঘাতগুলো শেষ হলো? আমরা কী করলাম? আমরা কি সেখানে থেকে দখল করেছিলাম? আমরা কি বলেছিলাম, ''ওকে, আমরা জার্মানিকে হারিয়েছি। এখন জার্মানি আমাদের? আমরা জাপানকে হারিয়েছি, তাই জাপান আমাদের?''? না... আমরা তাদের গড়ে তুলেছি। আমরা তাদের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা দিয়েছি যা তারা গ্রহণ করেছে... আমরা কি কোনো জমি চেয়েছি? না। আমরা একমাত্র যে জমিটি চেয়েছিলাম তা ছিল আমাদের মৃতদের কবর দেওয়ার মতো যথেষ্ট জমি, আর এই ধরনের জাতিই আমরা। ~ [[কলিন পাওয়েল]]]]
[[File:OlusteeKAFL.jpg|thumb|সামরিক বাহিনী কোনো বস্তু নয়। এটি একদল নিবেদিতপ্রাণ দেশপ্রেমিক যারা আমাদের জন্য সবকিছু ত্যাগ করতে ইচ্ছুক। এটি কেবল এর ভেতরের মানুষগুলোর কারণেই কাজ করে। যন্ত্রপাতি যতই চমৎকার হোক—আর আমাদের চমৎকার যন্ত্রপাতি রয়েছে—মেশিন, অস্ত্র এবং স্যাটেলাইট যতই আধুনিক হোক না কেন, চূড়ান্ত বিচারে এটি অসাধারণ মানুষগুলোর ওপরই নির্ভর করে। ~ [[বারাক ওবামা]]]]
[[File:319th AFA soldiers chillin' out in Iraq.jpg|thumb|আমেরিকায় সৈনিকদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। তাদের সাহস ও ত্যাগের কথা বারবার মনে করিয়ে দেওয়া হয়। সৈনিকদের নিঃস্বার্থতার এক অদৃশ্য আভা থাকে এবং তারা অত্যন্ত মর্যাদার সাথে চলাফেরা করে। ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্টরা ইউনিফর্ম পরা সৈনিকদের ফার্স্ট ক্লাসে আপগ্রেড করেন, রেস্তোরাঁগুলো ভেটারানদের ছাড় দেয় এবং অপরিচিতরা তাদের হাত মেলায়। ~ বেনামী]]
[[File:011217-N-9769S-207 Ready for Working Party.jpg|thumb|এরা আমাদের সন্তান... এরা ভালো ছেলেমেয়ে... সেনাবাহিনী বা মেরিন কোরে যোগ দিলে কেউ নাৎসি হয়ে যায় না; বরং সে আমেরিকার এক সন্তান হয়ে ওঠে যে তার দেশের জন্য কাজ করছে। ~ [[টম ক্ল্যান্সি]]]]
[[File:Four_366th_Infantry_officers.gif|thumb|সামরিক বাহিনী সবসময়ই একটি অন্তর্মুখী সংগঠন। সেনাবাহিনী যে কারণে এতটা প্রগতিশীল তার একটি কারণ হলো, তারা সবসময় নিজেদের বিশ্লেষণ করে। সেনাবাহিনী সবসময় নিজের কাজ আরও ভালোভাবে করার উপায় খোঁজে... সেনাবাহিনীই আমেরিকায় বর্ণবৈষম্য দূরীকরণে নেতৃত্ব দিয়েছে... সেনাবাহিনী খুব আগেই বুঝতে পেরেছিল যে, কৃষ্ণাঙ্গ মানুষরা শ্বেতাঙ্গদের মতোই; পার্থক্য শুধু গায়ের রঙ একটু বেশি গাঢ়। তারাও সমান ভালো সৈনিক হতে পারে। ~ [[টম ক্ল্যান্সি]]]]
[[File:HHC U.S. Army soldiers.png|thumb|সৈনিকেরা। আপনারা এখন আপনাদের বাড়ি ও বন্ধুদের কাছে ফিরতে চলেছেন... আমি আপনাদের কাছে এবং যারা দেশের ডাকে সাড়া দিয়েছেন তাদের সবার কাছে অত্যন্ত ঋণী। আমি চাই দেশটি এখন কী কাজে ব্যস্ত তা যেন সবাই ব্যাপকভাবে বুঝতে পারে। আমরা সবাই একমত হব যে, আমাদের একটি মুক্ত সরকার রয়েছে, যেখানে প্রত্যেক মানুষেরই সমান অধিকার রয়েছে। ~ [[আব্রাহাম লিংকন]]]]
[[File:101110-N-6477M-070 Veteran's Day Naturalization Ceremony aboard USS Midway.jpg|thumb|আপনার সন্তানরা আমেরিকান সৈনিকের শান্ত, সুচিন্তিত ও দৃঢ় যুদ্ধস্পৃহা নিয়ে আপনাদের সেবা করেছে। তাদের এই স্পৃহা সত্যের ঐতিহ্যের ওপর প্রতিষ্ঠিত, আর শত্রুর উন্মাদনা কেবল কাল্পনিক গল্পের ওপর ভিত্তি করে। তাদের আধ্যাত্মিক শক্তি ও ক্ষমতা আমাদের জয়ী করেছে। ~ [[ডগলাস ম্যাকআর্থার]]]]
[[File:US Navy 051206-M-7173M-015 Hospital Corpsman 3rd Class Jesse Munsey, assigned to the 2nd Battalion, 6th Marines, Gulf Company, observes the road up ahead.jpg|thumb|আমেরিকা এবং আমাদের মিত্ররা এক ভিন্ন ধরনের শত্রুর বিরুদ্ধে নতুন এক ধরনের যুদ্ধ করছে। এই সংঘাত আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর নারী ও পুরুষদের ওপর—যার মধ্যে গার্ড ও রিজার্ভও অন্তর্ভুক্ত—বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে। তারা প্রতিটি পরীক্ষায় সফল হয়েছে; প্রতিটি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেছে। ~ [[জর্জ ডব্লিউ. বুশ]]]]
[[File:B-2 Spirit original.jpg|thumb|বিশ্বে মার্কিন সামরিক আধিপত্যের সারমর্ম হলো, তারা ইচ্ছে করলেই মাত্র কয়েক ঘণ্টার নোটিশে পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে বোমা ফেলতে পারে। অন্য কোনো সরকারের এমন সক্ষমতা কোনোদিন ছিল না। ~ [[ডেভিড গ্রেবার]]]]
[[File:USS New Orleans (LPD-18) launches RIM-116 missile 2013.jpg|thumb|আমেরিকার সামরিক শ্রেষ্ঠত্ব এখনো অপ্রতিদ্বন্দ্বী। এই কথাটি চূড়ান্ত... যুক্তরাষ্ট্র স্থল, সমুদ্র, আকাশ এবং মহাকাশে আধিপত্য বজায় রেখেছে। ~ ইয়ান ব্রেমার]]
[[File:U.S. Marines at Camp Geiger in 1999.jpg|thumb|নিজেদের রক্ষা করার আগে বেসামরিক নাগরিকদের রক্ষা করাই আমেরিকান সৈনিকদের কাজ। এভাবে তারা নিজেদের আরও ভালোভাবে রক্ষা করতে পারে। বিষয়টি আপাতদৃষ্টিতে অদ্ভুত মনে হতে পারে, তবে এটিই নিয়মমাফিক ও সোজা পথ। ~ মাইকেল টোটেন]]
[[File:82nd_Sus._Bde._supports_emergency_deployment_readiness_exercise_130128-A-QD996-003.jpg|thumb|যখন আমরা সব ভেদাভেদ ভুলে যারা আমাদের ক্ষতি করেছে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলাম... তা আমাকে অসাধারণ এক অনুভূতি দিয়েছিল। এটি আমাকে দেশপ্রেমিক, শক্তিশালী করে তুলেছিল। আমি এই দেশকে এমনভাবে ভালোবাসতে শুরু করলাম যা আমার জীবনে আগে কখনো অনুভব করিনি... আমরা সবাই এমন এক আমেরিকার স্বপ্ন দেখি। আমরা এমন এক শক্তিশালী ও পরাক্রমশালী আমেরিকাকে চাই, যা প্রয়োজনে পাল্টা আঘাত করে। আমাদের ইতিহাস বইয়ে ঘুমন্ত দৈত্যের কথা শেখানো হয়েছিল, যে প্রয়োজনের সময় পরাশক্তি হিসেবে জেগে ওঠে এবং যার রয়েছে বিশ্বের সেরা সেনাবাহিনী। ~ স্টিভেন উইলিয়ামস]]
[[File:Iraqi girls playing.jpg|thumb|পৃথিবীতে যদি শান্তির কোনো কারিগর থেকে থাকে, তবে সেটি হলো মার্কিন সামরিক বাহিনী। ~ [[রাশ লিম্বো]]]]
[[File:American_bases_worldwide.svg|thumb|আমেরিকানরা এই ঘাঁটি সম্পর্কে যতটা ভাবে, তাতে আমরা সাধারণত মনে করি যে এগুলো জাতীয় নিরাপত্তা ও বিশ্ব শান্তির জন্য অপরিহার্য। বেশিরভাগ ঘাঁটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ এবং শীতল যুদ্ধের শুরুর দিকে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সময় থেকেই আমাদের নেতারা এমনটা দাবি করে আসছেন। এর ফলে, আমরা এই পরিস্থিতিকে স্বাভাবিক মনে করি এবং মেনে নিই যে, বিপুল সংখ্যক মার্কিন সামরিক স্থাপনা অন্য দেশের মানুষের ভূমিতে রয়েছে। অন্যদিকে, মার্কিন মাটিতে অন্য দেশের ঘাঁটি থাকার ধারণাটিই অকল্পনীয়। ~ ডেভিড ভাইন]]
[[File:U.S._Military_Installations_Map.jpg|thumb|এই ব্যবস্থার কেন্দ্রে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যা আজকের বিশ্বের একমাত্র টিকে থাকা সাম্রাজ্য। [[মানবতা|মানবতার ইতিহাসে]] এই প্রথম একটিমাত্র সাম্রাজ্য এত প্রভাবশালী, যার সামরিক বাজেট পরের ১৫টি দেশের সম্মিলিত বাজেটের চেয়েও বেশি এবং যার সামরিক-শিল্প কমপ্লেক্স নিজেই বিশ্বের একাদশ বৃহত্তম অর্থনৈতিক সত্তা। আমরা এই বাস্তবতায় বাস করি এবং এই বাস্তবতা ভিন্ন ভিন্নভাবে আমাদের মুখোমুখি হয়। ~ [[তারিক আলী]]]]
'''মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনী''' হলো [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র]]ের জাতীয় সামরিক বাহিনী। এটি [[w:উত্তর আমেরিকা|উত্তর আমেরিকা]] মহাদেশের একটি দেশ। অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষের দিকে প্রতিষ্ঠিত এই বাহিনী [[w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সেনাবাহিনী|মার্কিন সেনাবাহিনী]], [[w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নৌবাহিনী|মার্কিন নৌবাহিনী]], [[W:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মেরিন কোর|মার্কিন মেরিন কোর]], [[w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিমান বাহিনী|মার্কিন বিমান বাহিনী]], [[W:মার্কিন কোস্ট গার্ড|মার্কিন কোস্ট গার্ড]] এবং [[w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মহাকাশ বাহিনী|মার্কিন মহাকাশ বাহিনী]] নিয়ে গঠিত। এটিকে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক বাহিনী হিসেবে গণ্য করা হয়।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি এই বাহিনীর সর্বাধিনায়ক। তিনি সামরিক নীতি নির্ধারণে মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের সাথে কাজ করেন। এটি একটি ফেডারেল নির্বাহী বিভাগ, যা সামরিক নীতি ও যুদ্ধ পরিচালনার মূল সংস্থা হিসেবে কাজ করে। প্রতিটি শাখার সর্বোচ্চ পদমর্যাদার কর্মকর্তারা [[w:জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফ|জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফ]] হিসেবে রাষ্ট্রপতিকে পরামর্শ দেন, তবে তাদের সরাসরি অপারেশনাল কমান্ড নেই। [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি]] হিসেবে বর্তমানে [[জো বাইডেন]] সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান এবং প্রতিরক্ষা বিভাগের দায়িত্বে রয়েছেন প্রতিরক্ষাসচিব [[লয়েড অস্টিন]]।
==এ==
*আমাদের কাছে বিশাল সেনাবাহিনী আছে, সু[[শৃঙ্খলা|শৃঙ্খল]] এবং সুসজ্জিত, যার [[সেনাপতি|সেনাপতিরা]] সামরিক দক্ষতার দিক থেকে কারো চেয়ে কম নয়, এবং তৎপরতা ও [[উদ্দীপনা|উদ্দীপনায়]] শ্রেষ্ঠ। আমাদের অস্ত্রাগার এবং ভাণ্ডার আমাদের প্রত্যাশার চেয়েও বেশি সমৃদ্ধ... আপনাদের সামনে এখন শত্রুবাহিনীর পুরো শক্তি এবং তাদের ভিত্তিহীন ও ভাড়াটে সহায়ক শক্তিকে প্রতিহত করার মতো যথেষ্ট সেনাবাহিনী রয়েছে। আপনাদের সৈন্যদের হৃদয়ে স্বাধীনতার চেতনা প্রবল; তারা তাদের কারণের ন্যায়বিচারে অনুপ্রাণিত, এবং তারা যখন তাদের তলোয়ার আঁকড়ে ধরে তখন সাহায্যের জন্য [[স্বর্গ|স্বর্গের]] দিকে তাকাতে পারে। আপনাদের প্রতিপক্ষরা এমন অভাজনদের নিয়ে গঠিত যারা মানবতার অধিকারকে উপহাস করে, যারা ধর্মকে বিদ্রূপে পরিণত করে, এবং উচ্চ বেতনের জন্য তাদের তলোয়ার তাদের নেতা বা তাদের দেশের বিরুদ্ধে চালিত করতে পারে। তাহলে, অতীতে স্বর্গ থেকে প্রাপ্ত সাফল্যের কৃতজ্ঞতা এবং ভবিষ্যতে সেই সাফল্যের আত্মবিশ্বাস নিয়ে আপনাদের মহৎ উদ্যোগে এগিয়ে যান। নিজের পক্ষ থেকে, আমি সাধারণ বিপদ এবং সাধারণ গৌরবে আপনাদের সাথে অংশ নেওয়ার চেয়ে বড় কোনো আশীর্বাদ চাই না।
**[[স্যামুয়েল অ্যাডামস]], [http://www.samuel-adams-heritage.com/documents/speech-about-declaration-of-independence.html স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র সম্পর্কে ভাষণ] (১ আগস্ট ১৭৭৬)
*আসুন [[বিশ্ব|বিশ্ব]] নিয়ে আলোচনা করি। "[[ঈশ্বর|ঈশ্বর]] ছাড়া কি বিশ্বায়ন সম্ভব"—এই প্রশ্নের উত্তরের সহজ উত্তর হলো "হ্যাঁ"। বিশ্বায়ন আসলে নিজেই একটি কোড শব্দ, একটি মুখোশ, সি-শব্দ [[পুঁজিবাদ|পুঁজিবাদ]] ব্যবহার না করার জন্য। বিশ্বায়ন মূলত পুঁজিবাদের প্রসারের সর্বশেষ পর্যায়। এটি এমন কিছু নয় যা [[নিরপেক্ষ|নিরপেক্ষ]], এটি এমন একটি পুঁজিবাদ যার নিজস্ব নিয়ম আছে: এর নিজস্ব অর্থনৈতিক নিয়ম আছে, এর নিজস্ব রাজনৈতিক নিয়ম আছে, এর নিজস্ব সাংস্কৃতিক নিয়ম আছে এবং এর নিজস্ব সামরিক নিয়ম আছে। এটি একটি 'সিস্টেম'। এই সিস্টেমের মূলে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, বর্তমানে বিশ্বের একমাত্র বিদ্যমান [[সাম্রাজ্য|সাম্রাজ্য]]। [[মানবতা|মানবতার]] [[ইতিহাস|ইতিহাসে]] এই প্রথম এমন একটি একক সাম্রাজ্য এত প্রভাবশালী, যার সামরিক বাজেট পরবর্তী ১৫টি দেশের সম্মিলিত সামরিক বাজেটের চেয়ে বেশি, এবং যার সামরিক-শিল্প কমপ্লেক্স নিজেই বিশ্বের একাদশ বৃহত্তম অর্থনৈতিক সত্তা। এটি সেই বাস্তবতা যাতে আমরা বাস করি, এবং এটি সেই বাস্তবতা যা বিভিন্ন উপায়ে আমাদের ''সম্মুখীন'' হয়।
**[[তারিক আলি]], [http://www.vpro.nl/programma/tegenlicht/artikelen/21200518/ দশম বিশ্বায়ন বক্তৃতা], ভিপ্রও।
*আমেরিকায়, সৈনিকদের প্রতি এক ধরনের [[শ্রদ্ধা|শ্রদ্ধা]] রয়েছে। একজনকে ক্রমাগত তাদের [[সাহস|সাহস]], তাদের আত্মত্যাগের কথা মনে করিয়ে দেওয়া হয়। সৈনিকদের নিঃস্বার্থপরতার একটি অন্তর্নিহিত আভা থাকে, তারা মর্যাদাপূর্ণ আচরণের সাথে চলে। বিমানবালারা ইউনিফর্ম পরিহিত সৈনিকদের ফার্স্ট ক্লাসে আপগ্রেড করে, রেস্তোরাঁগুলো ভেটেরানদের ছাড় দেয়, অপরিচিতরা তাদের হাত মেলায় এবং বলে, 'আপনার সেবার জন্য ধন্যবাদ'।
**বেনামী, [http://www.theguardian.com/world/iran-blog/2015/jul/22/iran-military-uniform-gomrok-shopping-spree "হাউ আই লার্নড টু স্টপ ওরিং অ্যান্ড লাভ দ্য ইরানিয়ান আর্মি"], ''দ্য গার্ডিয়ান'' (২৩ জুলাই ২০১৫), যুক্তরাজ্য।
*প্রতিরক্ষা এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার বিষয়ে, গল্পটি আপাতদৃষ্টিতে ভালো মনে হয়। প্রেসিডেন্ট সামরিক ব্যয় বাড়িয়েছেন (যদিও ঋণের স্তূপের খরচে)। তিনি মার্কিন বাহিনীকে আধুনিকীকরণ এবং আমাদের সৈন্যদের বেতন বাড়ানোর দিকে মনোনিবেশ করেছেন। এবং তিনি দেশ ও সীমানা সুরক্ষাকে তার প্রেসিডেন্সির সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারগুলোর একটি করেছেন। বাস্তবে, [[ডোনাল্ড ট্রাম্প|ট্রাম্প]] [[পেন্টাগন|পেন্টাগনের]] জন্য একটি বিপর্যয় হয়েছেন। তিনি সামরিক নেতাদের প্রজাতন্ত্রের নির্দলীয় রক্ষক হিসেবে নয়, বরং "তার জেনারেল" হিসেবে উল্লেখ করেন, যাদের তিনি [[দাবা|দাবা]] বোর্ডের নাইটদের মতো নিজের ইচ্ছামতো সরাতে পারেন। তার এই ধরনের কথা শোনা কঠিন। এই নেতাদের কেউ কেউ দেশের সুরক্ষায় সন্তান হারিয়েছেন। তারা দরজায় কড়া নাড়ার শব্দে দরজা খুলে এমন মানুষজনের মুখ থেকে তাদের জীবনের সবচেয়ে হৃদয়বিদারক খবর শুনেছেন, যে তাদের সন্তান চিরতরে হারিয়ে গেছে। তবুও তারা এমন একজন ব্যক্তির নির্দেশে কাজ করছেন যিনি সামরিক সেবার কথা ভাবলে কুঁকড়ে যেতেন। ইউনিফর্ম পরা দেশপ্রেমিকরা এটি প্রকাশ্যে বলে বের হবে না কারণ তারা তাদের কমান্ডারের সাথে প্রকাশ্যে দ্বিমত পোষণ করতে চায় না, কিন্তু অনেকেই ট্রাম্পের সৌজন্যবোধের অভাব এবং আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর অদূরদর্শী নেতৃত্বে আতঙ্কিত। বারবার, তিনি আমাদের সশস্ত্র বাহিনীকে রাজনৈতিক বিতর্কে টেনে আনার চেষ্টা করে বা নিজের দৃঢ়তা দেখানোর জন্য তা ব্যবহার করে এক ভয়ানক পরিস্থিতিতে ফেলেছেন। এটি তিনি অফিসে প্রবেশের আগেই শুরু করেছিলেন। একজন প্রার্থী হিসেবে, ট্রাম্প সামরিক ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে আমেরিকার শত্রুদের বিরুদ্ধে কৌশল হিসেবে [[নির্যাতন|নির্যাতন]] গ্রহণ করার পরামর্শ দিয়েছিলেন, শপথ করে বলেছিলেন, "আমি ওয়াটারবোর্ডিং ফিরিয়ে আনব। এবং আমি ওয়াটারবোর্ডিংয়ের চেয়ে অনেক বেশি ভয়ানক কিছু ফিরিয়ে আনব।" বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেছেন যে এই ধরনের বক্তব্য সন্ত্রাসীরা প্রচারণার জন্য ব্যবহার করে, আমেরিকার কথিত নিষ্ঠুরতার কথা প্রচার করে সমর্থকদের নিয়োগ করতে তাদের সাহায্য করে। এটি তাদের আখ্যানকে খাওয়ায়, বিদেশের মার্কিন বাহিনীকে বিপদে ফেলে। সৌভাগ্যবশত, প্রেসিডেন্ট তার মেয়াদ শুরুর দিকেই আগত দলের দ্বারা বিষয়টি বাদ দেওয়ার জন্য রাজি হয়েছিলেন, যারা বুঝতে পেরেছিল যে ট্রাম্পের ভোল পাল্টানো জাতীয় প্রতিরক্ষাকে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করবে।
** বেনামী, ''আ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১০৩-১০৪।
*ট্রাম্প যখন নতুন সেনা ইউনিফর্ম ("খুব দামী," তিনি আক্ষেপ করেছিলেন, কিন্তু অন্যদিকে, "সুন্দর")-এর মতো বিষয়ে ভোল পাল্টান, তখন এটি ক্লান্তিকর। যখন এটি বিমান হামলার বিষয়ে হয়, তখন এটি ভয়ঙ্কর। প্রেসিডেন্টের আবেগপ্রবণতা আমাদের সামরিক বাহিনীর জন্য একটি বিপদ সৃষ্টি করে, যার পুরো মাত্রা বছরের পর বছর ধরে জানা যাবে না। তিনি পেন্টাগনের জন্য সামান্য মাথাব্যথার চেয়ে বেশি কিছু। তিনি এক অন্ধ করে দেওয়া মাইগ্রেন। যারা পেন্টাগনের সর্বোচ্চ পর্যায়ে কাজ করেছেন, যারা সিদ্ধান্তের মুহূর্তে ট্রাম্পের সাথে বসেছেন, তারা এটি খুব ভালোভাবেই জানেন। সাপ্তাহিক ভিত্তিতে, তারা ইউনিফর্ম পরা নারী-পুরুষদের বোঝানোর চেষ্টা করেন যে তাদের ওপর থাকা কমান্ডার-ইন-চিফ কতটা অসংযমী এবং তিনি কীভাবে মার্কিন সামরিক বাহিনীকে একটি বড় ব্যাটলশিপ খেলার অংশ হিসেবে দেখেন। আমাদের যোদ্ধারা আমাদের ক্ষতি করতে চাওয়া ব্যক্তিদের শিকার করতে বিশ্বের অন্ধকার কোণে যেতে সবকিছু বাজি রাখে। তাদের কর্তব্যের অলঙ্ঘনীয় কোডের জন্য তারা এমন একজন ব্যক্তির চেয়ে বেশি কিছু পাওয়ার যোগ্য যার মৌলিক নৈতিক কম্পাসের অভাব রয়েছে।
** বেনামী, ''আ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১০৫।
*সেনাবাহিনী এগিয়ে চলেছে!
**"আর্মি গোজ রোলিং অ্যালং"
*আমেরিকান সেনাবাহিনী যুদ্ধে এত ভালো করার [[কারণ|কারণ]] হলো [[যুদ্ধ|যুদ্ধ]] হলো [[বিশৃঙ্খলা|বিশৃঙ্খলা]] এবং আমেরিকান সেনাবাহিনী প্রতিদিন বিশৃঙ্খলার অনুশীলন করে।
**নাৎসি সামরিক বাহিনীর বেনামী প্রবাদ, {{cite news |last1=লেসি |first1=জিম |title=নাথিং ওয়েন্ট অ্যাকর্ডিং টু প্ল্যান |url=http://content.time.com/time/nation/article/0,8599,443808,00.html |accessdate=২৩ জুলাই ২০১৯ |প্রকাশক=সময় |date=১৫ এপ্রিল, ২০০৩}} উদ্ধৃত।
==বি==
*যুক্তরাষ্ট্রের [[ভবিষ্যৎ]] প্রস্তুতির সর্বোত্তম উপায় হলো তার অর্থনৈতিক শক্তি সঞ্চয় করা এবং কেবল তখনই সামরিকভাবে সাড়া দেওয়া যখন কোনো গুরুতর হুমকি তৈরি হয়। অন্যথায়, ওয়াশিংটনের উচিত সংঘাতের চেয়ে সমঝোতার পথ খোঁজা।
**ডাগ ব্যান্ডো, [http://nationalinterest.org/blog/the-skeptics/china-really-dangerous-16347 “চীন কি সত্যিই এতটা বিপজ্জনক?”] (২৫ মে ২০১৬), ''দ্য ন্যাশনাল ইন্টারেস্ট''
*আমি একজন নিবন্ধিত ডেমোক্র্যাট। আমি সাধারণত ডেমোক্র্যাটদের ভোট দিই। সামরিক বাহিনীর সাথে কাজ করা একজন ডেমোক্র্যাট হওয়া অদ্ভুত, কারণ সামরিক বাহিনীতে মূলত রিপাবলিকানদের আধিপত্য। আমি এই পরিবেশে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি কারণ আমি রুমের মধ্যে সন্দেহবাদী বা ভিন্নমতাবলম্বী হতে পছন্দ করি। আর যদি সামরিক পরিবেশে ভিন্নমতাবলম্বী হতে হয়, তবে সম্ভবত আপনাকে ডেমোক্র্যাটই হতে হবে। তবে এটি আমার পারিবারিক প্রেক্ষাপট। আমার এক দাদা ছিলেন যিনি প্রগ্রেসিভ হিসেবে নির্বাচনে দাঁড়িয়েছিলেন।
**থমাস বার্নেট, [http://archive.li/5c6cC#selection-123.0-123.14 ব্রায়ান ল্যাম্বের সাথে সাক্ষাৎকার] (মে ২০০৪), ''সি-স্প্যান''
*এ বিষয়ে কোনো ভুল করা উচিত নয়: কংগ্রেসের বিশাল, অকার্যকর এবং অযৌক্তিকভাবে ব্যয়বহুল যুদ্ধ যন্ত্রে বিনিয়োগ করার সিদ্ধান্তের সাথে অধিকাংশ মানুষ যেভাবে জাতীয় নিরাপত্তা বা অভিধান অনুযায়ী “প্রতিরক্ষা”কে বোঝে, তার কোনো সম্পর্ক নেই। মার্কিন সমাজ নিশ্চিতভাবেই আমাদের নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হুমকির মুখোমুখি, যার মধ্যে রয়েছে জলবায়ু সংকট, প্রাতিষ্ঠানিক বর্ণবাদ, ভোটাধিকার ক্ষয়, বন্দুক সহিংসতা, চরম বৈষম্য এবং রাজনৈতিক ক্ষমতার ওপর করপোরেট দখল। কিন্তু আমাদের সৌভাগ্য যে, আমাদের কোনো প্রলয়ঙ্করী বৈশ্বিক আক্রমণকারী বা প্রকৃতপক্ষে অন্য কোনো দেশের হামলার হুমকি নেই... যদি এই অকার্যকর ও প্রাণঘাতী অর্থের অপচয় রোধে জনগণের কোনো প্রভাব ফেলতে হয়, তবে আমাদের অবশ্যই প্রচারণার কুয়াশা ভেদ করে দেখতে শিখতে হবে। এই প্রচারণা লাল, সাদা ও নীল পতাকার নিচে স্বার্থপর দুর্নীতিকে ঢেকে রাখে এবং সামরিক কর্মকর্তাদের জনগণের সেই স্বাভাবিক শ্রদ্ধাকে সিনিক বা নিচভাবে শোষণ করতে দেয়, যা সাহসী তরুণ-তরুণীরা আমাদের দেশকে রক্ষার জন্য জীবন বাজি রেখে অর্জন করেছে। ক্রিমিয়ার যুদ্ধে, রাশিয়ানরা ব্রিটিশ সৈন্যদের “গাধার দ্বারা পরিচালিত সিংহ” বলেছিল। আজকের মার্কিন সামরিক বাহিনীর জন্য এটিই একটি যথার্থ বর্ণনা।
** মিডিয়া বেঞ্জামিন এবং [https://www.salon.com/2021/12/07/congress-loots-the-treasury-for-us-machine--while-bickering-over-build-back-better/ নিকোলাস জে.এস. ডেভিস, কংগ্রেস লোটস দ্য ট্রেজারি ফর ইউ.এস. ওয়ার মেশিন — হোয়াইল বিকারিং ওভার বিল্ড ব্যাক বেটার, ''স্যালন,''] (৭ ডিসেম্বর, ২০২১)
*বিশ্বের পরবর্তী ১২ বা ১৩টি বৃহত্তম সামরিক বাহিনীর সম্মিলিত খরচের চেয়েও বেশি ব্যয় করা একটি যুদ্ধ যন্ত্র বজায় রাখা আমাদের কম নিরাপদ করে তোলে। কারণ প্রতিটি নতুন প্রশাসন এই বিভ্রান্তি উত্তরাধিকার সূত্রে পায় যে, যুক্তরাষ্ট্রের অত্যধিক ধ্বংসাত্মক সামরিক শক্তি যেকোনো জায়গায় মার্কিন স্বার্থের বিরুদ্ধে অনুভূত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ব্যবহার করা যেতে পারে—এমনকি যখন স্পষ্টতই কোনো সামরিক সমাধান নেই এবং যখন অনেক মূল সমস্যাই প্রথমত মার্কিন সামরিক শক্তির অপপ্রয়োগের কারণে সৃষ্টি হয়েছে। এই শতাব্দীতে আমাদের মুখোমুখি আন্তর্জাতিক চ্যালেঞ্জগুলোর জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও কূটনীতির প্রতি প্রকৃত প্রতিশ্রুতি প্রয়োজন, অথচ কংগ্রেস পেন্টাগন বাজেটের ১০ শতাংশেরও কম, মাত্র ৫৮ বিলিয়ন ডলার, আমাদের সরকারের কূটনৈতিক শাখা—পররাষ্ট্র দপ্তরের জন্য বরাদ্দ করে। আরও খারাপ বিষয় হলো, ডেমোক্র্যাট এবং রিপাবলিকান উভয় প্রশাসনই শীর্ষ কূটনৈতিক পদগুলোতে এমন কর্মকর্তাদের নিয়োগ দিয়ে চলেছে যারা যুদ্ধ ও জবরদস্তির নীতিতে দীক্ষিত, যাদের আমাদের অত্যন্ত প্রয়োজনীয় শান্তিপূর্ণ কূটনীতির ক্ষেত্রে নগণ্য অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা রয়েছে। এটি কেবল একটি ব্যর্থ বৈদেশিক নীতিকে দীর্ঘস্থায়ী করে, যা মিথ্যা পছন্দের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে—যেমন জাতিসংঘ কর্মকর্তাদের মতে মধ্যযুগীয় অবরোধের মতো অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা, দশকের পর দশক ধরে দেশ ও অঞ্চলকে অস্থিতিশীল করা অভ্যুত্থান এবং লক্ষ লক্ষ মানুষকে হত্যা করা ও শহরগুলোকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করা যুদ্ধ ও বিমান হামলা, যেমন [[ইরাক|ইরাকের]] মসুল এবং [[সিরিয়া|সিরিয়ার]] রাক্কায় দেখা গেছে।
** [[মিডিয়া বেঞ্জামিন]] এবং [https://www.salon.com/2021/12/07/congress-loots-the-treasury-for-us-machine--while-bickering-over-build-back-better/ নিকোলাস জে.এস. ডেভিস, কংগ্রেস লোটস দ্য ট্রেজারি ফর ইউ.এস. ওয়ার মেশিন — হোয়াইল বিকারিং ওভার বিল্ড ব্যাক বেটার, ''স্যালন,''] (৭ ডিসেম্বর, ২০২১)
*তোমাদের সেবা যেন কখনো বিচ্ছিন্ন না হয়, পতাকার প্রতি অটল থেকো! সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনী চিরজীবী হোক! লাল, সাদা এবং নীলের জন্য তিনবার উল্লাসধ্বনি!
**থমাস আ বেকেট, সিনিয়র, “কলম্বিয়া, দ্য জেম অফ দ্য ওশান” (১৮৪৩)
*তুমি শান্তভাবে বুট ক্যাম্পে যাবে<br>তারা তোমাকে গুলি করে মেরে ফেলবে, তোমাকে মানুষ বানাবে<br>তুমি [[চিন্তা]] কোরো না, এটি একটি লক্ষ্যের জন্য<br>বৈশ্বিক করপোরেশনের নখর ভরার জন্য।
**জেলো বিয়াফ্রা, ''{{w|উই'ভ গট আ বিগার প্রবলেম নাও}}'', ''{{w|ইন গড উই ট্রাস্ট, ইনক.}}'' (১৯৮১)।
*[[ঈশ্বর]] আমাদের সৈন্যদের আশীর্বাদ করুন।
**[[জো বাইডেন]], [http://www.c-span.org/video/?401096-1/উইকলি প্রেসিডেন্সিয়াল অ্যাড্রেস] (২১ নভেম্বর ২০১৫)
*<p>স্বৈরাচারীরা তাদের [[লোহা|লোহার]] দণ্ড নাড়াক, এবং [[দাসত্ব|দাসপ্রথা]] তার জীর্ণ [[শৃঙ্খল|শিকল]] ঝনঝন করুক। আমরা তাদের [[ভয়]] করি না, আমরা [[ঈশ্বর|ঈশ্বরে]] [[বিশ্বাস]] রাখি...</p><p>ঈশ্বর চিরকাল রাজত্ব করেন। শত্রুরা উদ্ধত পদক্ষেপে এগিয়ে আসছে। আমাদের সৈন্যরা সামরিক শব্দের সাথে অগ্রসর হচ্ছে। তাদের প্রবীণরা আমাদের যুবকদের সামনে থেকে পালিয়ে যাচ্ছে, এবং জেনারেলরা দাড়িহীন বালকদের কাছে আত্মসমর্পণ করছে।</p>
**উইলিয়াম বিলিংস, “চেস্টার” (১৭৭০), [http://store.bobbyhorton.com/album/হোমস্পান সংস অফ দ্য প্যাট্রিওটস ইন দ্য আমেরিকান রেভোলিউশন ''দ্য নিউ ইংল্যান্ড স্যাম সিঙ্গার'']
*[[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের]] পর যুক্তরাষ্ট্র যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজটি করেছিল, তা হলো ফিরে আসা ভেটেরানদের সহায়তা করা।
**আর্ল ব্লুমেনাউয়ার (১৮ ডিসেম্বর ২০০৭), “[হাউস রিস্টোরস ওরেগন ভেটেরানস প্রভিশনস কাট বাই সিনেট]”। প্রেস বিজ্ঞপ্তি। ''কংগ্রেসম্যান আর্ল ব্লুমেনাউয়ার’স ওয়েবসাইট, রিপ্রেজেন্টিং দ্য ৩য় কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্ট অফ ওরেগন''। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদ।
*<p>[[আমেরিকা|আমেরিকার]] সামরিক শ্রেষ্ঠত্ব অপ্রতিদ্বন্দ্বী; এখানেই শেষ...</p><p>যুক্তরাষ্ট্র স্থল, [[সমুদ্র]], [[আকাশ]] এবং মহাকাশে আধিপত্য বিস্তার করে। আমেরিকার মধ্যপ্রাচ্যের দুঃসাহসিক অভিযান মার্কিন সামরিক বাহিনীকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে, কিন্তু [[ইরাক যুদ্ধ|ইরাক]] ও [[আফগানিস্তানে যুদ্ধ (২০০১–২০২১)|আফগানিস্তানের যুদ্ধ]] মার্কিন সামরিক শ্রেষ্ঠত্বের হ্রাসের চেয়ে বরং যুদ্ধের পরিবর্তনশীল প্রকৃতিকেই বেশি নির্দেশ করে। সন্ত্রাসবাদী এবং গেরিলা যোদ্ধারা কৌশলে প্রচলিত সামরিক শক্তিকে চ্যালেঞ্জ করে। যুক্তরাষ্ট্রকে শেষ পর্যন্ত এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলার জন্য সামরিক শক্তি সংকুচিত করতে শিখতে হবে। তবুও, যদিও প্রচলিত সামরিক শক্তি হয়তো সন্ত্রাসবাদীদের আটকাতে পারে না, এটি কিন্তু শত্রুভাবাপন্ন দেশগুলোকে প্রতিরোধ করার ক্ষেত্রে চমৎকার কাজ করে।</p>
**[[ইয়ান ব্রেমার]], [https://web.archive.org/web/20150528161550/http://time.com/3899972/us-superpower-status-military/ “দিজ আর দ্য ৫ রিজনস হোয়াই দ্য ইউ.এস. রিমেইনস দ্য ওয়ার্ল্ডস অনলি সুপারপাওয়ার: হোয়াই ওয়াশিংটন ক্যান স্টিল ক্লেইম গ্লোবাল প্রাইমেসি ইন দ্য ২১স্ট সেঞ্চুরি”] (২৮ মে ২০১৫), ''টাইম''
*যদি আপনার [[দেশ|দেশের]] আপনার [[প্রয়োজন]] হয়, তবে আপনার সেখানেই থাকা উচিত; আমি যখন [[যুবক]] ছিলাম তখন এমনটাই অনুভব করতাম, এবং আজও আমি তা-ই অনুভব করি।
**[[ফ্রাঙ্ক বাকলস]], মার্কিন সেনাবাহিনীতে সেবা সম্পর্কে, ''দ্য নক্সভিল নিউজে'' উদ্ধৃত
*[পররাষ্ট্র নীতির “সামরিকীকরণ” বিষয়ক উদ্বেগের প্রশ্নের জবাবে তাঁর প্রতিক্রিয়া] আমাদের সবারই উদ্বিগ্ন হওয়া উচিত। প্রতিরক্ষা ও সামরিক নেতারা কূটনীতির ওপর শক্তির ভূমিকা পরিবর্তনের—উভয় দলের প্রশাসনের মধ্যেই—ক্ষতিকারক প্রবণতা তুলে ধরার ব্যাপারে পিছপা হন না। আমরা সবাই সেক্রেটারি অফ ডিফেন্স [[রবার্ট গেটস|বব গেটস]]ের লাইনটি উদ্ধৃত করেছি যে, সামরিক বাহিনীতে আমাদের ফরেন সার্ভিস অফিসারদের চেয়ে বেশি সঙ্গীতজ্ঞ রয়েছে, এবং [[জিম ম্যাটিস|জিম ম্যাটিস]]ের পয়েন্টটি যে, আমরা যদি কূটনীতিতে কম বিনিয়োগ অব্যাহত রাখি তবে আমাদের “আরও গোলাবারুদ কিনতে হবে”। কিন্তু আমি ভয় পাচ্ছি যে, তাতে খুব একটা কাজ হয়নি। অবশ্যই, আমাদের নিশ্চিত করা উচিত যে আমাদের সামরিক বাহিনী অন্য যেকোনো দেশের চেয়ে শক্তিশালী, যাতে আমাদের শেষ হাতিয়ারটি শক্তিশালী ও টেকসই হয়। এবং অবশ্যই, কূটনীতি পরিচালনায় শক্তি বা শক্তির হুমকি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যারা আমাদের বিপরীতে টেবিলে বসেছিলেন, তাদের মনোযোগ আকর্ষণ করতে পেরে আমরা সবাই মার্কিন সামরিক বাহিনী থেকে উপকৃত হয়েছি... কিন্তু বারবার, আমরা দেখেছি যে সামরিক হাতিয়ারের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা আমাদের নীতির চোরাবালিতে নিয়ে যেতে পারে। বারবার, আমরা শক্তির অত্যধিক ব্যবহারের—বা সময়ের আগেই ব্যবহারের—ফাঁদে পড়েছি। এটি আমেরিকান রক্ত ও অর্থের ক্ষেত্রে অনেক বেশি ব্যয়সাধ্য এবং এটি কূটনীতিকে একটি বিকৃত ও কম সম্পদের সংস্থানযুক্ত গৌণ বিষয়ে পরিণত করে। [[সেপ্টেম্বর ১১-এর হামলা|৯/১১]]-পরবর্তী যুগের চিরস্থায়ী যুদ্ধে, [শক্তি ও কূটনীতির] এই “মহা বিপরীতকরণ” পররাষ্ট্র দপ্তরের পেশাদারদের এমন জাতি-গঠনের ভূমিকায় ঠেলে দিয়েছে যা আমেরিকান কূটনীতিক বা অন্য কোনো বাহ্যিক শক্তির ক্ষমতার বাইরে। যদিও আমাদের সহকর্মীরা সাহস ও বুদ্ধিমত্তার সাথে সেবা করেছেন, সত্যটি হলো আমরা আমেরিকান ফরেন সার্ভিস, ব্রিটিশ কলোনিয়াল সার্ভিস নই।
** উইলিয়াম জে. বার্নস, ''দ্য ডিপ্লোম্যাসি ইম্পারেটিভ: আ কিউ অ্যান্ড এ উইথ উইলিয়াম জে. বার্নস, দ্য ফরেন সার্ভিস জার্নাল,'' মে ২০১৯
*কমান্ডার ইন চিফ হিসেবে, আমি আপনাদের রিপোর্ট করছি: আমাদের সশস্ত্র বাহিনী সম্মান ও বীরত্বের সাথে লড়াই করেছে।
**[[জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ|জর্জ এইচ. ডাব্লিউ. বুশ]], [http://www.nytimes.com/1991/03/07/us/after-war-president-transcript-president-bush-s-address-end-gulf-war.html?pagewanted=all মার্কিন কংগ্রেসের উদ্দেশ্যে ভাষণ] (২৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৯১)
*<p>যখন আমি আমাদের সৈন্যদের কাজে আহ্বান জানিয়েছিলাম, আমি তাদের সাহস ও দক্ষতার ওপর পূর্ণ আস্থা নিয়ে তা করেছিলাম। এবং আজ রাতে, তাদের ধন্যবাদ, আমরা যুদ্ধে জয়ী হচ্ছি...</p><p>আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর পুরুষ ও নারীরা এমন একটি বার্তা দিয়েছেন যা এখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি শত্রুর কাছে পরিষ্কার। এমনকি ৭,০০০ মাইল দূরে, মহাসাগর ও মহাদেশ জুড়ে, পাহাড়ের চূড়ায় এবং গুহায়; তোমরা এই জাতির ন্যায়বিচার থেকে বাঁচতে পারবে না।</p>
**[[জর্জ ডব্লিউ বুশ|জর্জ ডাব্লিউ. বুশ]], স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন অ্যাড্রেস (২৯ জানুয়ারি ২০০২)
*<p>যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনীর সকল পুরুষ ও নারীদের প্রতি...</p><p>একটি সমস্যাসংকুল বিশ্বের শান্তি এবং নির্যাতিত মানুষের আশা এখন আপনাদের ওপর নির্ভর করে। সেই আস্থা সঠিকভাবে অর্পিত। আপনারা যে শত্রুদের মোকাবিলা করবেন তারা আপনাদের দক্ষতা ও বীরত্ব সম্পর্কে জানতে পারবে। আপনারা যাদের মুক্ত করবেন তারা আমেরিকান সামরিক বাহিনীর সম্মানজনক ও শালীন চেতনা প্রত্যক্ষ করবে। এই সংঘাতের মধ্যে, আমেরিকা এমন এক শত্রুর মুখোমুখি হয়েছে যার যুদ্ধের রীতি বা নৈতিকতার নিয়মের প্রতি কোনো শ্রদ্ধা নেই...</p><p>আমি জানি যে আমাদের সামরিক পরিবারের সদস্যরা প্রার্থনা করছেন যাতে যারা সেবা করছেন তারা সবাই নিরাপদে এবং শীঘ্রই ফিরে আসেন। লক্ষ লক্ষ আমেরিকান আপনাদের প্রিয়জনদের নিরাপত্তা এবং নিরপরাধীদের সুরক্ষার জন্য আপনাদের সাথে প্রার্থনা করছেন। আপনাদের ত্যাগের জন্য, আপনারা আমেরিকান জনগণের কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা পেয়েছেন। এবং আপনারা জানতে পারেন যে আমাদের বাহিনী কাজ শেষ হবামাত্রই বাড়িতে ফিরে আসবে...</p><p>আমাদের দেশ ও বিশ্বের বিপদগুলো কাটিয়ে ওঠা হবে। আমরা এই বিপদের সময় পার করে শান্তির কাজ চালিয়ে যাব। আমরা আমাদের স্বাধীনতা রক্ষা করব। আমরা অন্যদের স্বাধীনতা এনে দেব এবং আমরা জয়ী হব...</p><p>ঈশ্বর আমাদের দেশকে এবং যারা তাকে রক্ষা করে তাদের আশীর্বাদ করুন।</p>
**[[জর্জ ডব্লিউ বুশ|জর্জ ডাব্লিউ. বুশ]], [https://listenonrepeat.com/watch/?v=5BwxI_l84dc ইরাক আক্রমণের ভাষণ] (১৯ মার্চ ২০০৩)
*আমেরিকা এবং আমাদের মিত্ররা ভিন্ন ধরনের শত্রুর বিরুদ্ধে নতুন ধরনের যুদ্ধ করছে। এই সংঘাত আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর পুরুষ ও নারীদের—আমাদের গার্ড ও রিজার্ভসহ—ওপর বড় দাবি রাখে। তারা প্রতিটি পরীক্ষা দিয়েছে; তারা প্রতিটি চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করেছে। এই যুদ্ধ সরকারে আমাদের ওপরও দাবি রাখে। আমরা আমাদের দেশ রক্ষার শপথ নিয়েছি। যারা আমাদের রণক্ষেত্রে রক্ষা করে, সেই সেবা করা পুরুষ ও নারীদের সহায়তা করার পবিত্র দায়িত্ব আমাদের রয়েছে।
**[[জর্জ ডব্লিউ বুশ|জর্জ ডাব্লিউ. বুশ]], [http://www.washingtonpost.com/wp-dyn/articles/A42299-2004Aug5.html প্রতিরক্ষা বিল স্বাক্ষরের সময় মন্তব্য] (৫ আগস্ট ২০০৪)
*ইরাকে আমাদের সৈন্যরা সাহসের সাথে লড়াই করেছে। তারা সবকিছুই করেছে যা আমরা তাদের করতে বলেছি। যেখানে ভুল হয়েছে, তার দায়ভার আমার।
**[[জর্জ ডাব্লিউ. বুশ]], [http://georgewbush-whitehouse.archives.gov/news/releases/2007/01/20070110-7.html জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ] (১০ জানুয়ারি ২০০৭)
*বাঙ্কার হিল থেকে [[বাগদাদ|বাগদাদ]], আমেরিকান সশস্ত্র বাহিনীর পুরুষ ও নারীরা আমাদের গণতন্ত্রের নিবেদিত অভিভাবক।
**[[জর্জ ডব্লিউ বুশ|জর্জ ডাব্লিউ. বুশ]], [https://georgewbush-whitehouse.archives.gov/news/releases/2008/11/20081101.html রেডিও ভাষণ] (১ নভেম্বর ২০০৮)
*আমাদের সৈন্যদের যুদ্ধগুলো দুটি নাটকীয়ভাবে ভিন্ন ব্যবস্থার মধ্যে বৃহত্তর সংগ্রামের অংশ। একটির অধীনে, ধর্মান্ধদের একটি ছোট দল একটি নিপীড়নমূলক আদর্শের প্রতি সম্পূর্ণ আনুগত্য দাবি করে, নারীদের অধীনস্থতায় নিন্দা করে, এবং অবিশ্বাসী ব্যক্তিদের হত্যার জন্য চিহ্নিত করে। অন্য ব্যবস্থাটি এই বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে যে স্বাধীনতা সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের সার্বজনীন উপহার এবং স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচার শান্তির পথ আলোকিত করে। এই সেই বিশ্বাস যা [[যুক্তরাষ্ট্র|আমাদের জাতির]] জন্ম দিয়েছে। এবং দীর্ঘমেয়াদে, এই বিশ্বাসকে এগিয়ে নেওয়াই আমাদের নাগরিকদের রক্ষা করার একমাত্র ব্যবহারিক উপায়।
**[[জর্জ ডব্লিউ বুশ|জর্জ ডাব্লিউ. বুশ]], [http://www.nytimes.com/2009/01/15/us/politics/15bush-text.html?pagewanted=all&_r=0 হোয়াইট হাউস থেকে জাতির উদ্দেশ্যে বিদায়ী ভাষণ] (১৫ জানুয়ারি ২০০৯)
*<p>আমি [[কমান্ডার ইন চিফ|কমান্ডার ইন চিফ]] হওয়া মিস করি, এবং এটি একটি সহজ [[প্রশ্ন]] যার [[উত্তর]] দেওয়া যায়। আমি আমাদের সামরিক বাহিনীকে [[ভালোবাসি]]...</p><p>আমি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীকে ভালোবাসি, এবং আমরা একটি ভাগ্যবান জাতি যে আমাদের এমন মানুষ আছে যারা [[সেবা|সেবা করতে]] স্বেচ্ছায় এগিয়ে আসে।</p>
**[[জর্জ ডব্লিউ বুশ|জর্জ ডাব্লিউ. বুশ]], [https://web.archive.org/web/20131205082100/http://www.today.com/id/40108402/ns/today-today_news/t/bush-reacts-apology-kanye-west/ ''টুডে''তে সাক্ষাৎকার] (৯ নভেম্বর ২০১০), ম্যাট লাউয়ারের সাথে।
*যুদ্ধ একটি র্যাকেট (প্রতারণামূলক ব্যবসা)। এটি সবসময়ই ছিল। এটি সম্ভবত সবচেয়ে প্রাচীন, সহজেই সবচেয়ে লাভজনক, নিশ্চিতভাবেই সবচেয়ে নিষ্ঠুর। এটিই একমাত্র আন্তর্জাতিক পরিধির। এটিই একমাত্র ব্যবসা যেখানে মুনাফার হিসাব করা হয় ডলারে এবং ক্ষতির হিসাব করা হয় প্রাণে। ... একটি র্যাকেটকে আমার মতে, এমন কিছু হিসেবে বর্ণনা করা ভালো যা অধিকাংশ মানুষের কাছে যা মনে হয়, আসলে তা নয়।
** স্মেলি বাটলার ''ওয়ার ইজ আ র্যাকেট'' (১৯৩৫)-এ
*মাত্র একটি ছোট “ভেতরের” গোষ্ঠী জানে এটি কিসের জন্য। এটি খুব অল্প সংখ্যক মানুষের লাভের জন্য, অনেকের খরচে পরিচালিত হয়। যুদ্ধ থেকে অল্প কিছু মানুষ বিশাল সম্পদ অর্জন করে। ... এই নতুন অর্জিত অঞ্চল অবিলম্বে সেই অল্প কিছু মানুষ দ্বারা শোষিত হয়—সেই একই মানুষ যারা যুদ্ধে [[রক্ত]] থেকে ডলার নিংড়ে নিয়েছিল। সাধারণ জনগণ বিল বহন করে। আর এই বিল কী? ... নতুন বসানো সমাধিফলক। ছিন্নভিন্ন দেহ। চূর্ণ-বিচূর্ণ মন। ভাঙা হৃদয় ও বাড়ি। অর্থনৈতিক অস্থিরতা। মন্দা এবং এর সাথে সম্পর্কিত সমস্ত দুঃখ। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে পিঠভাঙা কর।
**স্মেলি বাটলার [[যুদ্ধ একটি র্যাকেট|''ওয়ার ইজ আ র্যাকেট'']] (১৯৩৫)-এ
*আমি তেত্রিশ বছর এবং চার মাস সক্রিয় সামরিক সেবায় কাটিয়েছি এই দেশের সবচেয়ে ক্ষিপ্র সামরিক বাহিনী, মেরিন কোরের সদস্য হিসেবে। আমি সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট থেকে মেজর-জেনারেল পর্যন্ত সকল কমিশনপ্রাপ্ত পদমর্যাদায় কাজ করেছি। এবং সেই সময়ে, আমি আমার বেশিরভাগ সময় বড় ব্যবসা, ওয়াল স্ট্রিট এবং ব্যাংকারদের জন্য উচ্চ শ্রেণির পেশী-মানব হিসেবে কাটিয়েছি। সংক্ষেপে, আমি ছিলাম একজন র্যাকেটিয়ার, পুঁজিবাদের জন্য একজন গ্যাংস্টার।
**স্মেলি বাটলার ''মাভেরিক মেরিন জেনারেল স্মেলি ডি. বাটলার অ্যান্ড দ্য কন্ট্রাডিকশনস অফ আমেরিকান মিলিটারি হিস্ট্রি'' (২০১৪)তে
=== হাইডি বিরিচ, [https://www.congress.gov/116/meeting/house/110495/witnesses/HHRG-116-AS02-Wstate-BeirichH-20200211.pdf “অ্যালার্মিং ইনসিডেন্টস অফ হোয়াইট সুপ্রিমেসি ইন দ্য মিলিটারি – হাউ টু স্টপ ইট?”], ''Congress.gov'', (১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০) ===
* সশস্ত্র বাহিনীর নিজস্ব সৈন্যরা জানে যে পদমর্যাদায় [[শ্বেতাঙ্গ আধিপত্য|শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্ব]] একটি গুরুতর [[সমস্যা]]। ২০১৭ সালে ''মিলিটারি টাইমসে''র একটি জরিপে দেখা গেছে যে, প্রায় ২৫ শতাংশ সক্রিয় সামরিক কর্মী সশস্ত্র বাহিনীতে [[শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদ]] এবং [[বর্ণবাদের]] সম্মুখীন হয়েছেন। সেই সময়ে সক্রিয় দায়িত্ব পালনরত সৈন্য ছিল প্রায় ১.৩ মিলিয়ন, যার অর্থ প্রায় ৩,২৫,০০০ সৈন্য কোনো না কোনোভাবে শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদের সম্মুখীন হয়েছিল। একই প্রকাশনার ২০১৮ এবং ২০১৯ সালের পরবর্তী জরিপগুলোতেও মূলত একই উদ্বেগজনক ফলাফল পাওয়া গেছে।
** পৃষ্ঠা ৪
* এলিসনের মন্তব্যের জবাবে, প্রতিরক্ষা দপ্তর বলেছিল যে এটি “গত পাঁচ বছরে সার্ভিস সদস্যদের দ্বারা (অভ্যন্তরীণ) চরমপন্থী কার্যকলাপের ২৭টি রিপোর্ট” পেয়েছে। চিঠিতে আরও বলা হয়, সামরিক কর্মকর্তারা এই রিপোর্টগুলোর মধ্যে ২৫টির তদন্ত করেছেন; পরিশেষে, সামরিক বাহিনীর ১৮ জন সদস্যকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করা হয়েছে বা সশস্ত্র বাহিনী থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সৈন্যদের চরমপন্থার প্রকৃতি নথিভুক্ত করা হয়নি।
** পৃষ্ঠা ৪
* এক বিবৃতিতে, পেন্টাগনের মুখপাত্র, বিমান বাহিনীর মেজর কার্লা গ্লিসন বলেছেন: “ডিওডি সম্ভাব্য নতুন সৈন্য, নাবিক, বিমানসেনা এবং মেরিনদের সম্পর্কে যথাসম্ভব বেশি জানার জন্য একটি বহু-স্তরের পদ্ধতি ব্যবহার করে, যাতে আমরা মূল্যায়ন করতে পারি যে তাদের সামরিক বাহিনীতে সেবার বিশেষাধিকার দেওয়া উচিত কিনা। যদিও আমরা গ্যারান্টি দিতে পারি না যে সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়া প্রতিটি ব্যক্তি চরমপন্থী চিন্তাধারা থেকে মুক্ত থাকবে, বিভিন্ন স্ক্রিনিং সরঞ্জাম আমাদের এমন লোকদের শনাক্ত করার সর্বোত্তম সুযোগ প্রদান করে যারা আমাদের মূল্যবোধগুলো শেয়ার করে না।”
** পৃষ্ঠা ৯
* মিলিটারি টাইমসের ২০১৮ সালের জরিপে, যাতে প্রায় ৯০০ জন সক্রিয়-দায়িত্ব পালনরত সৈন্যের প্রতিক্রিয়া অন্তর্ভুক্ত ছিল, অংশগ্রহণকারী সার্ভিস সদস্যদের মধ্যে ২২ শতাংশ বলেছিলেন যে তারা সশস্ত্র বাহিনীতে শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদ বা বর্ণবাদী মতাদর্শের লক্ষণ দেখেছেন। জরিপ করা সংখ্যালঘু সার্ভিস সদস্যদের মধ্যে, বর্ণবাদ এবং বর্ণবাদী মতাদর্শের ঘটনা ২০১৭ সালের ৪২ শতাংশ থেকে বেড়ে ২০১৮ সালে অর্ধেক ছাড়িয়ে গেছে। উত্তরদাতারা জাতিগত গালি ও ইহুদিবিদ্বেষী ভাষার নৈমিত্তিক ব্যবহার, অন্যান্য সৈন্যদের অভিযোগ সত্ত্বেও [[কনফেডারেট স্টেটস অফ আমেরিকা|কনফেডারেট]] পতাকার প্রদর্শন, যুদ্ধের অঞ্চলে বাথরুমের দেয়ালে আঁকা স্বস্তিকা এবং শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্বের সাথে যুক্ত ট্যাটুর কথা উল্লেখ করেছেন। এটি উল্লেখ করা উচিত যে, যদি এই আচরণ কোনো বেসামরিক কর্মক্ষেত্রে ঘটত, তবে এই ঘটনাগুলোকে প্রতিকূল কর্মপরিবেশে অবদান হিসেবে দেখা হতো। পত্রিকাটি রিপোর্ট করেছে যে একজন বেনামী সার্ভিস সদস্য লিখেছেন, “আমার কয়েকজন সহকর্মী আছেন যারা বলেছেন যে তারা ‘অল্টরাইট’, এবং তারা ‘কৃষ্ণাঙ্গ, মুসলিম, হিস্পানিক এবং সাধারণভাবে অভিবাসীদের প্রতি তীব্র ঘৃণার খুবই স্পষ্ট বক্তব্য’ দিয়েছেন। তারা অনুকূল দায়িত্ব প্রদান না করে অন্যদের শাস্তি দেয়, ইত্যাদি।”
** পৃষ্ঠা ১২
* ২০০৯ সালের একটি স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা দপ্তর (ডিএইচএস) রিপোর্ট আরও সতর্ক করেছিল যে, প্রথম আফ্রিকান আমেরিকান রাষ্ট্রপতির নির্বাচন, অর্থনৈতিক মন্দা এবং ইরাক ও [[আফগানিস্তান|আফগানিস্তানে]] যুদ্ধ থেকে ফিরে আসা বেকার ভেটেরানদের আগমন ছিল সম্ভাব্য ফ্ল্যাশপয়েন্ট, এবং সামরিক কর্মী ও ভেটেরানদের চরম ডানপন্থী চরমপন্থী গোষ্ঠীগুলো লক্ষ্যবস্তু করছিল। দুর্ভাগ্যবশত, এই রিপোর্ট রাজনীতিবিদ, রক্ষণশীল ভাষ্যকার এবং ভেটেরান গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে একটি রাজনৈতিক ঝড় সৃষ্টি করেছিল। ফলস্বরূপ, এটি ডিএইচএস সেক্রেটারি [[জ্যানেট ন্যাপোলিটানো|জ্যানেট ন্যাপোলিটানো]] দ্বারা বাতিল করা হয়েছিল এবং ওবামা প্রশাসন পরবর্তীতে সমস্যাটি সমাধানের জন্য খুব কমই কাজ করেছে।
** পৃষ্ঠা ১৩
* তৎকালীন প্রতিরক্ষা সচিব উইলিয়াম পেরি আপডেট করা প্রবিধানের উদ্দেশ্য বর্ণনা করতে আরও শক্তিশালী ভাষা ব্যবহার করেছিলেন। পেরি বলেছিলেন, “প্রতিরক্ষা দপ্তরের নীতিতে সেনাবাহিনীতে বর্ণবাদী এবং চরমপন্থী কার্যকলাপের কোনো স্থান নেই। আমাদের অবশ্যই—এবং আমরা করব—সেনাবাহিনী থেকে ধর্মান্ধতা, বর্ণবাদ এবং চরমপন্থা মুছে ফেলার জন্য প্রতিটি প্রচেষ্টা করতে হবে। চরমপন্থী কার্যকলাপ ন্যায্যতা, সুশৃঙ্খলতা এবং শৃঙ্খলাকে আপস করে। সশস্ত্র বাহিনী, যা জাতি ও তার মূল্যবোধকে রক্ষা করে, সেই মূল্যবোধগুলোর উদাহরণ প্রশ্নাতীতভাবে হওয়া উচিত।”
** পৃষ্ঠা ১৪
* দীর্ঘকাল ধরে এই বিষয়ে দ্বিদলীয় ঐক্যমত্য রয়েছে যে, সামরিক বাহিনীতে শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদীদের অনুমতি দেওয়া অগ্রহণযোগ্য এবং আমেরিকান জনগণের জন্য বিপজ্জনক, যাদের রক্ষার শপথ সশস্ত্র বাহিনী নিয়েছে। যেমন রিপাবলিকান সিনেটর রিচার্ড শেলবি (আর-আলা.) ২০০৬ সালে পেন্টাগনের কাছে লেখা এক চিঠিতে লিখেছিলেন, “সামরিক চরমপন্থীরা তাদের সহকর্মী এবং জনসাধারণের জন্য উচ্চতর হুমকি সৃষ্টি করে। আমরা টিমোথি ম্যাকভেই-এর সাথে দেখেছি যে আজকের বর্ণবাদী চরমপন্থী আগামিকালকের অভ্যন্তরীণ সন্ত্রাসবাদী হতে পারে। আমাদের সমাজের সমস্ত প্রতিষ্ঠানের মধ্যে, মার্কিন সামরিক বাহিনী হলো সেই শেষ স্থান যেখানে চরমপন্থীদের অস্তিত্ব থাকার অনুমতি দেওয়া যেতে পারে।”
** পৃষ্ঠা ১৬
* চরমপন্থীদের বিষয়ে সামরিক বাহিনী কীভাবে অন্যান্য শাখা এবং এফবিআই সহ অন্যান্য ফেডারেল এজেন্সির সাথে তথ্য শেয়ার করে তা অস্পষ্ট। যখন সার্ভিসগুলো তাদের পদমর্যাদায় কোনো চরমপন্থীকে সম্পর্কে সচেতন হয়, তখন সেই সৈন্যকে বরখাস্ত করার পরে সেই তথ্যের কী ঘটে? সার্ভিসগুলো কীভাবে একে অপরকে সতর্ক করে যখন তারা চরমপন্থী দৃষ্টিভঙ্গি সম্পন্ন কাউকে তালিকাভুক্ত করে? তারা কীভাবে সামরিক বাহিনীর নেটওয়ার্কগুলো তদন্ত করে যেগুলোর সাথে শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদী যুক্ত থাকতে পারে বা যেখান থেকে তাদের নিয়োগ দেওয়া হতে পারে? শাখা এবং তদন্তকারী সার্ভিসগুলো কীভাবে শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদীদের সম্পর্কে তথ্য শেয়ার করে? সার্ভিস সদস্য সামরিক বাহিনী ত্যাগ করার পরে সার্ভিসগুলো কীভাবে চরমপন্থীদের সম্পর্কে এবং এফবিআই ও বিচার দপ্তরের সাথে একে অপরের সাথে মিথস্ক্রিয়া করে এবং তথ্য শেয়ার করে, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
** পৃষ্ঠা ১৭
==সি==
*<p>আমরা পাহারা দিই...</p><p>সতর্ক থাকি...</p><p>আমরা কিছু একটা সঠিক করছি। আমাদের বিশ্বের সেরা বাহিনী আছে, কারণ আমাদের সেরা মানুষগুলো আছে। এটি একটি ''স্বেচ্ছাসেবী'' বাহিনী, তাই সেরা আমেরিকানদের পেতে আমাকে বাকি অর্থনীতির সাথে প্রতিযোগিতা করতে হয় এবং আমাকে সামনের কথা চিন্তা করতে হয়। আমি কীভাবে প্রতিযোগিতা করব? কীভাবে আমাদের একটি আকর্ষণীয় জায়গা করে তুলব? তাই, আমাকে ক্রমাগত ভবিষ্যতের দিকে তাকাতে হয়...</p><p>তাই, কিছু সংস্কার করা বাকি। কিন্তু, মানুষের ক্ষেত্রে এটি একটি চমৎকার শক্তি বজায় রাখার বিষয়, যা হলো স্বেচ্ছাসেবী বাহিনী, একটি প্রতিযোগিতামূলক শ্রম বাজারে শক্তিশালী...</p><p>এই প্রতিষ্ঠানে, এটি গুরুত্বপূর্ণ যে আমরা রাজনৈতিক প্রক্রিয়া থেকে দূরে থাকি। এটিই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আমাদের ঐতিহ্য।</p>
**[[অ্যাশটন কার্টার]], [http://www.charlierose.com/ চার্লি রোজের সাথে সাক্ষাৎকার] (ফেব্রুয়ারি ২০১৬)
*যেহেতু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরকার হলো 'জনগণের, জনগণের জন্য এবং জনগণের দ্বারা', তাই যেসব নাগরিকরা সামরিক বিষয়ে নিয়ন্ত্রণ রাখেন, তাদের 'নিজেকে জানুন' বলার সময় এসেছে।
**আন্দা আর. চ্যাফি, [https://archive.org/details/valorofignorance00leahuoft ''দ্য ভ্যালর অফ ইগনোরেন্স''] (১৯০৯), হোমার লি, পৃষ্ঠা xi-xiiতে উদ্ধৃত।
*<p>সামরিক বাহিনী সবসময়ই একটি অত্যন্ত অন্তর্মুখী সংগঠন...</p><p>সেনাবাহিনী এত প্রগতিশীল হওয়ার একটি কারণ হলো এটি সবসময় নিজেকে যাচাই করে। সেনাবাহিনী সবসময় তার কাজ করার আরও ভালো উপায় খোঁজে...</p><p>সেনাবাহিনী বর্ণবাদ দূরীকরণে আমেরিকাকে নেতৃত্ব দিয়েছে...</p><p>সেনাবাহিনী খুব আগেই বুঝতে পেরেছিল যে, কৃষ্ণাঙ্গ মানুষ আর শ্বেতাঙ্গ মানুষ একই; তারা কেবল একটু বেশি শ্যামলা। তারা ঠিক ততটাই ভালো সৈনিক হয়...</p><p>এরা আমাদের সন্তান...</p><p>এরা ভালো সন্তান...</p><p>সেনাবাহিনী বা মেরিন কোরে যোগ দিলে কেউ ক্রিপ্টো-মদ্যপ [[নাৎসিবাদ|নাৎসি]] হয়ে যায় না, বরং সে আমেরিকার এমন একটি সন্তান হয়ে ওঠে যে তার দেশের জন্য কাজ করছে...</p><p>এরা আমাদের সন্তান।</p>
**টম ক্ল্যান্সি, [http://c-spanvideo.org/program/TomC "ইন ডেপথ উইথ টম ক্ল্যান্সি"] (৩ ফেব্রুয়ারি ২০০২), ''সি-স্প্যান''
*আমেরিকানরা সম্মিলিতভাবে নিজেদের বিশ্বের যেকোনো কোণে দ্বন্দ্ব ও সংঘাত শুরু হলে সেখানে ২৪ ঘণ্টা তলব করা একটি বিশাল উদ্ধারকারী দল হিসেবে ভাবে।
**এলড্রিজ ক্লিভার, ''সোল অন আইস'' (১৯৬৮), দ্বিতীয় খণ্ড: "র্যালিং রাউন্ড দ্য ফ্ল্যাগে" উদ্ধৃত।
*সম্পূর্ণ স্বেচ্ছাসেবী সামরিক বাহিনী কাজ করেছে এবং আমাদের এমন কিছু করা উচিত নয় যা এটিকে দুর্বল করে, কারণ এটি এমন একদল মানুষকে সরবরাহ করেছে যারা আমাদের [[দেশ|দেশের]] সেবা করতে ইচ্ছুক।
**[[হিলারি ক্লিনটন]], [http://cnnpressroom.blogs.cnn.com/2016/02/04/rush-transcript-hillary-clinton-cnn-democratic-presidential-town-hall/ সিএনএন টাউন হল মিটিং] (ফেব্রুয়ারি ২০১৬)
*এখানে এক মিলিয়ন সৈন্যের এক ভূমি, যদি আমাদের প্রয়োজন হয়। আমরা স্বাধীনতার জন্য লড়ব!
**জর্জ এম. কোহান, "ইউ আর আ গ্র্যান্ড ওল্ড ফ্ল্যাগ" (১৯০৬)
*<p>[[মুসলিম|মুসলিমরা]] জেনারেল [[জর্জ ওয়াশিংটন|জর্জ ওয়াশিংটনের]] অধীনে মার্কিন সামরিক বাহিনীতে সেবা করেছেন, যিনি আমেরিকান স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় কন্টিনেন্টাল আর্মির প্রধান ছিলেন। ওয়াশিংটনের বাহিনীতে সেবা করা সৈন্যদের তালিকায় বাম্পেট মুহাম্মদের মতো নাম আছে, যিনি ১৭৭৫ থেকে ১৭৮৩ সালের মধ্যে ভার্জিনিয়া লাইনের জন্য যুদ্ধ করেছিলেন। ওয়াশিংটনের আরেক সৈনিক, ইউসুফ বেন আলি ছিলেন একজন উত্তর আফ্রিকান আরব যিনি দক্ষিণ ক্যারোলিনার জেনারেল থমাস সামটারের সহকারী হিসেবে কাজ করতেন। পিটার বাকমিনস্টার, যিনি বোস্টনে যুদ্ধ করেছিলেন, সম্ভবত ওয়াশিংটনের সবচেয়ে বিশিষ্ট মুসলিম আমেরিকান সৈনিক। বাকমিনস্টার সেই বন্দুকটি চালিয়েছিলেন যা বাঙ্কার হিলের যুদ্ধে ব্রিটিশ মেজর জেনারেল জন পিটকাইর্নকে হত্যা করেছিল। এই বিখ্যাত যুদ্ধের কয়েক বছর পর, পিটার তার শেষ নাম পরিবর্তন করে 'সালাম' রাখেন, যা [[আরবি|আরবি]] শব্দ, যার অর্থ 'শান্তি'। পিটার সালাম পরবর্তীতে [[সারাটোগার যুদ্ধ|সারাটোগার যুদ্ধ]] এবং [[স্টনি পয়েন্টের যুদ্ধ|স্টনি পয়েন্টের যুদ্ধ]]ে সেবা করার জন্য কন্টিনেন্টাল আর্মিতে পুনরায় তালিকাভুক্ত হন। ওয়াশিংটনের সেনাবাহিনীতে মুসলিমদের সেবা নিয়ে সমস্যা থাকলে, তিনি মুহাম্মদ, আলি এবং সালামকে অ-মুসলিম আমেরিকানদের প্রতিনিধিত্ব করতে ও সেবা করতে দিতেন না। এই মুসলিমদের আমেরিকাকে সেবা করার সম্মান দিয়ে, ওয়াশিংটন স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে একজন আমেরিকান দেশপ্রেমিক হওয়ার জন্য কোনো নির্দিষ্ট ধর্ম বা জাতিগত পটভূমির হতে হয় না...</p><p>আমেরিকান ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় গৃহযুদ্ধে মুসলিমরা ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছে...</p><p>নিম্নলিখিত প্রশ্নটি নিয়ে চিন্তা করুন। [[জর্জ ওয়াশিংটন|জর্জ ওয়াশিংটন]] কার পক্ষে থাকতেন? মার্কিন সামরিক বাহিনীতে সেবা করা মুসলিম নাগরিকরা, নাকি সেই গোঁড়া ধর্মান্ধদের দল যারা উপাসনালয়ে আমেরিকান নাগরিকদের সহিংসতার হুমকি দেয়?</p>
**ক্রেইগ কনসিটিন, [http://www.huffingtonpost.com/craig-considine/the-difference-between-an_1_b_8257506.html ''স্যালুটিং মুসলিম আমেরিকান প্যাট্রিয়টস'']
*আমাদের জনসংখ্যার মতো বিশ্বের সকল [[জাতি|জাতি]], [[ধর্ম|ধর্ম]] এবং [[জাতীয়তা|জাতীয়তা]] দেশের সশস্ত্র বাহিনীতে প্রতিনিধিত্ব করেছে। কোনো ব্যক্তির [[দেশপ্রেম|দেশপ্রেম]] বা সেবা তার জাতিগত উৎপত্তি, রাজনৈতিক মতামত বা ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে প্রশ্নবিদ্ধ হয়নি। অভিবাসী এবং মধ্য ইউরোপীয় দেশগুলো থেকে আসা অভিবাসীদের সন্তানরা আমাদের মিত্র দেশগুলো থেকে আসা বংশোদ্ভূতদের সাথে, নিরক্ষীয় আফ্রিকার সন্তানদের সাথে এবং আমাদের নিজস্ব আদিবাসী জনসংখ্যার সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধ করেছে, '''তাদের সবাই সমানভাবে 'আমেরিকান' নামের জন্য গর্বিত'''।
**[[ক্যালভিন কুলিজ]], [https://archive.org/stream/foundationsofrep00unit/foundationsofrep00unit_djvu.txt ''টলারেশন অ্যান্ড লিবারালিজম''] (৬ অক্টোবর ১৯২৫), আমেরিকান লিজিয়ন কনভেনশন, ওমাহা, নেব্রাস্কা।
*আমরা খ্যাতি নিয়ে [[জীবন|যাপন]] করি অথবা শিখায় ডুবে যাই!<br />হে! মার্কিন বিমান বাহিনীকে কিছুই থামাতে পারবে না!
**রবার্ট ম্যাকার্থার ক্রফোর্ড, ''দ্য ইউ.এস. এয়ার ফোর্স'' (১৯৪৭)
*সরকার শক্তি, প্রতারণা এবং ছলচাতুরীর মাধ্যমে শাসন করে। তথ্যের অবরোধ সামরিক বাহিনী থেকেই শুরু হয়। সামরিক বাহিনী ইচ্ছাকৃতভাবে তথ্য সীমাবদ্ধ করে, তাছাড়া এর বিশাল আকার ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এমন যে এটি বোঝা এত কঠিন যে রাজনৈতিক নেতারাও সেই প্রতিষ্ঠানটি বুঝতে পারেন না যাকে তাদের কমান্ড করার কথা। আপনি প্রমাণ চান? মার্কিন গভর্নমেন্ট অ্যাকাউন্টেবিলিটি অফিসের ২০১৬ সালের রিপোর্টটি পড়ার চেষ্টা করুন, যা বের করতে পারেনি যে সামরিক বাহিনী ঠিক কতটা তেল পোড়ায়। GAO উপসংহারে পৌঁছেছে: “[ক]ংগ্রেসের কাছে বার্ষিক ভিত্তিতে সামরিক পরিষেবাগুলোর কার্যকলাপের জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানির পরিমাণের ওপর পূর্ণ দৃশ্যমানতা নেই...” এটি অবাক হওয়ার মতো বিষয় নয়। ১৯৫০ সালের দিকে প্রতিষ্ঠার পর থেকে আধুনিক সামরিক বাহিনী মার্কিন সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১, ধারা ৯ লঙ্ঘন করে খরচের কোনো হিসাব দিতে অস্বীকার করেছে। ২০১৮ সালে পেন্টাগন তার প্রথম অডিটেই ব্যর্থ হয়েছে। এটি কেবল নিখোঁজ ৬.৫ ট্রিলিয়ন ডলারের বিষয় নয়, এটি হলো অস্বচ্ছ হিসাবরক্ষণ ব্যবস্থা যা একটি বর্ম—একটি প্রতিরক্ষামূলক অস্ত্র যা মার্কিন সরকারের বিরোধিতা তো দূরের কথা, যারা মার্কিন সরকারকে বুঝতে চায় তাদের নিরপেক্ষ করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
**[https://www.counterpunch.org/2019/06/14/the-climate-counter-offensive-secrecy-deception-and-disarming-the-green-new-deal/ দ্য ক্লাইমেট কাউন্টার-অফেনসিভ: সিক্রেসি, ডিসেপশন অ্যান্ড ডিসআর্মিং দ্য গ্রিন নিউ ডিল, রিচার্ড মোজার, ''কাউন্টারপাঞ্চ''] (১৪ জুন, ২০১৯)
==ডি==
*এবং আমরা আমাদের মাতৃভূমিকে মার্কিন বাহিনীর কবরস্থানে পরিণত করব এবং তাদের [[পরিবার|পরিবার]] তাদের মৃত [[দেহ|দেহের]] জন্য অপেক্ষা করবে। তালিবানের [[যুদ্ধ|যুদ্ধ]] কেবল [[মুসলিম|মুসলিমদের]] [[শত্রু|শত্রুদের]] হাত থেকে [[আফগানিস্তান|আফগানিস্তানের]] [[স্বাধীনতা|স্বাধীনতার]] জন্য।
**[[মোল্লা দাদুল্লাহ]], [http://www.alertnet.org/thenews/newsdesk/ISL151157.htm তালিবান হাজার হাজার আত্মঘাতী বোমা হামলাকারী মোতায়েন করেছে - কমান্ডার] ২ এপ্রিল ২০০৭।
*<p>আমরা বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ সামরিক বাহিনীকে পুনর্গঠনের দীর্ঘ প্রক্রিয়া শুরু করব, আমরা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে সমান খেলার ক্ষেত্র তৈরি করব এবং আমেরিকান শিল্পকে পুনরুজ্জীবিত করব, আমরা আমাদের বন্ধুদের আমাদের বিশ্বাস করার কারণ দেব। আমাদের শত্রুরা আমাদের ভয় পাওয়ার কারণ পাবে, এবং আমাদের নাগরিকরা আবারও বিশ্বাস করার কারণ পাবে। না, আপনি আমেরিকাকে চেনেন না, এবং আপনি কঠিন উপায়ে তা খুঁজে বের করতে চান না...</p><p>আমাদের সৈন্যদের জন্য প্রার্থনা করুন।</p>
**চার্লি ড্যানিয়েলস, [http://www.cnsnews.com/commentary/charlie-daniels/charlie-daniels-open-letter-americas-enemies-you-see-obama-you-dont-know "লেটার টু আমেরিকাস এনিমিজ"] (১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬), ''সিএনএস নিউজ''
*একবার যদি কৃষ্ণাঙ্গ [[মানুষ|মানুষ]] তার শরীরে 'U.S.' পিতলের অক্ষরগুলো পায়; যদি সে তার বোতামে একটি প্রান্ত পায়, এবং কাঁধে একটি মাস্কেট ও পকেটে বুলেট পায়, তবে পৃথিবীতে এমন কোনো শক্তি নেই যা অস্বীকার করতে পারে যে সে নাগরিকত্বের অধিকার অর্জন করেছে।
**[[ফ্রেডরিক ডগলাস]], যার ছেলেরা চার্লস এবং লুইস কর্নেল রবার্ট গোল্ড শ-এর নেতৃত্বে ৫৪তম ম্যাসাচুসেটস ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টে সেবা করেছিলেন (১৮৬২)
*<p>যদি সে একটি মাস্কেট কাঁধে নিয়ে [[পতাকা|পতাকার]] জন্য যুদ্ধ করার, সরকারের জন্য যুদ্ধ করার মতো যথেষ্ট জ্ঞান রাখে, তবে তার ভোট দেওয়ার মতো যথেষ্ট জ্ঞান আছে...</p><p>কৃষ্ণাঙ্গকে বিপদের সময় নাগরিক হিসেবে এবং ঝামেলামুক্ত থাকলে ভিনদেশি হিসেবে দেখার মধ্যে খুব নিচতা আছে। যখন এই জাতি ঝামেলায় ছিল, তার প্রাথমিক সংগ্রামে, এটি কৃষ্ণাঙ্গকে নাগরিক হিসেবে দেখেছিল। ১৭৭৬ সালে সে নাগরিক ছিল। সংবিধান তৈরির সময় ১৩টি পুরোনো রাজ্যের মধ্যে ১১টিতে কৃষ্ণাঙ্গদের ভোট দেওয়ার অধিকার ছিল। আপনার ঝামেলায় আপনি আমাদের নাগরিক করেছেন। ১৮১২ সালে জেনারেল জ্যাকসন আমাদের নাগরিক হিসেবে সম্বোধন করেছিলেন; 'সহ-নাগরিক'। তিনি চেয়েছিলেন আমরা যুদ্ধ করি। আমরা তখন নাগরিক ছিলাম! আর এখন, যখন আপনি একটি কনস্ক্রিপশন বিল তৈরি করতে এসেছেন, কৃষ্ণাঙ্গ আবার নাগরিক। এই সরকারের ইতিহাসে সে মাত্র তিনবার নাগরিক হয়েছে, এবং এটি সবসময়ই বিপদের সময়। বিপদের সময় আমরা নাগরিক। আমরা কি যুদ্ধে নাগরিক এবং শান্তিতে ভিনদেশি হব? তা কি ন্যায্য হবে?</p>
**[[ফ্রেডরিক ডগলাস]], [http://teachingamericanhistory.org/library/document/what-the-black-man-wants/ "হোয়াট দ্য ব্ল্যাক ম্যান ওয়ান্টস"], বোস্টন, ম্যাসাচুসেটসে ভাষণ (১৮৬৫)
*আমরা এখানে পুরুষোচিত সাহসের প্রশংসা করতে আসিনি, যদিও তা একটি মহৎ উদ্দেশ্যে প্রদর্শিত হয়েছে। আমাদের কখনোই ভুলে যাওয়া উচিত নয় যে বিদ্রোহে জয় মানেই প্রজাতন্ত্রের মৃত্যু। আমাদের কখনোই ভুলে যাওয়া উচিত নয় যে অনুগত সৈন্যরা যারা এই মাটির নিচে বিশ্রাম নিচ্ছে তারা জাতি এবং [[কনফেডারেট স্টেটস অফ আমেরিকা|জাতি ধ্বংসকারীদের]] মাঝে নিজেদের ছুড়ে দিয়েছিল। যদি আজ আমাদের একটি দেশ থাকে যা [[ফ্রান্স|ফ্রান্সের]] মতো রক্তে ফুটছে না, যদি এখন আমাদের একটি ঐক্যবদ্ধ দেশ থাকে, যা আর [[দাসত্ব|দাসত্বের]] নরকীয় ব্যবস্থার অভিশাপে অভিশপ্ত নয়, '''যদি আমেরিকান নামটি আর উপহাসকারী পৃথিবীর জন্য কোনো কথা বা হিস হিস শব্দ না হয়, যদি নক্ষত্রখচিত ব্যানারটি কেবল ভূমির প্রতিটি প্রান্তে স্বাধীন আমেরিকান নাগরিকদের ওপর উড়ে বেড়ায়, এবং আমাদের দেশের সামনে ন্যায়বিচার, স্বাধীনতা ও সভ্যতার এক দীর্ঘ এবং গৌরবময় কর্মজীবন থাকে, তবে আমরা আমাদের চারপাশে সম্মানিত এই কবরগুলোতে বিশ্রামরত মহৎ সেনাবাহিনীর নিঃস্বার্থ ভক্তির কাছে ঋণী'''।
**[[ফ্রেডরিক ডগলাস]], [http://deadconfederates.com/2015/05/25/frederick-douglass-on-decoration-day-1871-5/ "দ্য আননোন লয়াল ডেড"] (৩০ মে ১৮৭১), আর্লিংটন ন্যাশনাল সিমেট্রি, আর্লিংটন কাউন্টি, ভার্জিনিয়া।
* [[ওসামা বিন লাদেন|ওসামা বিন লাদেনের হত্যার]] কয়েকদিনের মধ্যে, ২ মে, ২০১১-এ জানা যায় যে মিশনটি সম্পাদনকারী [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নৌবাহিনী সিল|নৌবাহিনী সিল]] দল তার লক্ষ্যের জন্য জেরোনিমো কোড নাম ব্যবহার করেছিল। ''নিউ ইয়র্ক ডেইলি নিউজে''র ৪ মের একটি প্রতিবেদনে মন্তব্য করা হয়েছে, "[[ওসামা বিন লাদেন|ওসামা বিন লাদেনের]] লাশের অদেখা ছবি এবং [[পাকিস্তান|পাকিস্তান]] কী জানত সেই প্রশ্নগুলোর পাশাপাশি, আল কায়েদা বসকে 'জেরোনিমো' ডাকার কারণগুলো ব্ল্যাক অপস মিশনের অন্যতম বড় রহস্য হিসেবে রয়ে গেছে।" সেই কোড নাম বেছে নেওয়াটা সামরিক বাহিনীর কাছে রহস্য ছিল না, যারা শত্রু অঞ্চল নির্ধারণের জন্য "ইন্ডিয়ান কান্ট্রি" শব্দটিও ব্যবহার করে এবং তাদের হত্যার মেশিন ও অপারেশনগুলোকে ইউএইচ-১বি/সি ইরো কোয়া, ওএইচ-৫৮ডি কিওয়া, ওভি-১ মোহক, ওএইচ-৬ কাইউস, এএইচ-৬৪ অ্যাপাচি, এস-৫৮/এইচ-৩৪ চক্টো, ইউএইচ-৬০ ব্ল্যাক হক, থান্ডারবার্ড এবং রোলিং থান্ডারের মতো নাম দিয়ে চিহ্নিত করে। শেষেরটি হলো ১৯৬০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে [[ভিয়েতনাম|ভিয়েতনামের]] [[কৃষক|কৃষকদের]] ওপর নিরলস কার্পেট-বোমাবর্ষণের জন্য সামরিক নাম। উত্তর আমেরিকার আদিবাসী জাতি ও সম্প্রদায়গুলোর বিরুদ্ধে যুদ্ধে ভিত্তিহীন একটি সামরিক বাহিনীর মূলে থাকা উপনিবেশবাদ ও [[সাম্রাজ্যবাদ|সাম্রাজ্যবাদ]]ের সংবেদনশীলতার স্থায়ীত্বের আরও অনেক বর্তমান ও সাম্প্রতিক উদাহরণ রয়েছে।
** রোক্সান ডানবার-অরটিজ, ''অ্যান ইন্ডিজেনাস পিপলস হিস্ট্রি অফ দ্য ইউনাইটেড স্টেটস'' (২০১৪)
==ই==
*সৈনিক, নাবিক এবং বিমানসেনা অ্যালিয়েড এক্সপিডিশনারি ফোর্স! <br> আপনারা সেই গ্রেট ক্রুসেডে যাত্রা করতে যাচ্ছেন, যার জন্য আমরা বহু মাস ধরে চেষ্টা করেছি। [[বিশ্ব|বিশ্বের]] [[চোখ]] আপনাদের ওপর। [[স্বাধীনতা]]-প্রেমী [[মানুষ|মানুষের]] [[আশা]] ও [[প্রার্থনা]] সব জায়গায় আপনাদের সাথে মার্চ করছে। অন্যান্য ফ্রন্টে আমাদের সাহসী মিত্র ও অস্ত্র-ভাইদের সাথে, আপনারা [[জার্মানি|জার্মান]] [[যুদ্ধ]] মেশিনের ধ্বংস, ইউরোপের নিপীড়িত জনগণের ওপর [[নাৎসি]] স্বৈরাচার দূরীকরণ এবং একটি [[স্বাধীনতা|স্বাধীন]] বিশ্বে নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন।<br> আপনাদের কাজ সহজ হবে না। আপনাদের শত্রু সুপ্রশিক্ষিত, সুসজ্জিত এবং যুদ্ধ-কঠিন। সে বন্যভাবে লড়াই করবে। <br>কিন্তু এটি ১৯৪৪ সাল! ১৯৪০-৪১ সালের [[নাৎসিবাদ|নাৎসি]] বিজয়ের পর অনেক কিছু ঘটেছে। [[জাতি|জাতিসংঘ]] জার্মানদের ওপর বিশাল পরাজয় চাপিয়েছে, খোলা যুদ্ধে, মানুষে-মানুষে। আমাদের বিমান আক্রমণ তাদের আকাশে শক্তি এবং মাটিতে যুদ্ধ করার ক্ষমতা মারাত্মকভাবে কমিয়েছে। আমাদের হোম ফ্রন্টগুলো আমাদের অস্ত্র ও গোলাবারুদের ব্যাপক শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছে, এবং প্রশিক্ষিত যুদ্ধবাজ মানুষের বিশাল মজুদ আমাদের হাতে তুলে দিয়েছে। জোয়ার ঘুরে গেছে! বিশ্বের স্বাধীন মানুষ বিজয়ের দিকে একসাথে মার্চ করছে! <br>আমি আপনাদের সাহস, কর্তব্যর প্রতি ভক্তি এবং [[যুদ্ধ]]র দক্ষতার ওপর পূর্ণ আস্থা রাখি।<br> আমরা পূর্ণ জয় ছাড়া কিছুই গ্রহণ করব না! শুভ [[ভাগ্য|ভাগ্য]]! এবং আসুন আমরা এই মহান ও মহৎ উদ্যোগের ওপর সর্বশক্তিমান [[ঈশ্বর|ঈশ্বরের]] আশীর্বাদ প্রার্থনা করি।'''
**[[ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার]], [http://www.3ad.com/history/wwll/feature.pages/d.day.letters.htm অর্ডার অফ দ্য ডে (২ জুন ১৯৪৪), নরম্যান্ডিতে অবতরণের আগে সৈন্যদের কাছে একটি বার্তা], ফ্রাঙ্কলিন ওয়াটস, ''ভয়েসেস অফ হিস্ট্রি'' (১৯৪৫)-এ রিপোর্ট করা হয়েছে, পৃষ্ঠা ২৬০।
*'''[[আলেকজান্ডার হ্যামিল্টন|আলেকজান্ডার হ্যামিল্টন]]''': যদি আমরা আমাদের প্রতিরক্ষার জন্য অযোগ্য রাজ্য মিলিশিয়াদের ওপর নির্ভর করতে বাধ্য হই, তবে আমরা এখনই ফরাসি ভাষা শেখা শুরু করতে পারি, মিস্টার প্রেসিডেন্ট। একটি জাতীয় সেনাবাহিনী ব্যাংক যেমন করে দেশটিকে আবদ্ধ করে।
**[[আলেকজান্ডার হ্যামিল্টন]], রুফাস সেওয়েল দ্বারা ''জন অ্যাডামসে'' ব্যাখ্যা করা হয়েছে, কার্ক এলিস লিখিত, "অংশ VI: অপ্রয়োজনীয় যুদ্ধ", (১৬ মার্চ – ২৭ এপ্রিল, ২০০৮); ডেভিড ম্যাককুলাফের বইয়ের ওপর ভিত্তি করে।
*'''[[জন অ্যাডামস|জন অ্যাডামস]]''': আমরা যখন শান্তির প্রস্তুতি নিচ্ছি তখন পৃথিবীতে আমাদের কেন একটি সেনাবাহিনী প্রয়োজন?
**[[জন অ্যাডামস]], পল জিয়ামাট্টি দ্বারা ''জন অ্যাডামসে'' ব্যাখ্যা করা হয়েছে, কার্ক এলিস লিখিত, "অংশ VI: অপ্রয়োজনীয় যুদ্ধ", (১৬ মার্চ – ২৭ এপ্রিল, ২০০৮) ডেভিড ম্যাককুলাফের বইয়ের ওপর ভিত্তি করে।
==এফ==
[[File:Jim_Nabors_as_Gomer_Pyle_in_"The_Andy_Griffith_Show"_(cropped).jpg|thumb|আমার শৈশবে, অর্থাৎ পঞ্চাশ ও [[১৯৬০-এর দশক|ষাটের দশকে]] এবং পরবর্তী সময়ে [[১৯৭০-এর দশক|সত্তরের দশকে]], আমেরিকান পপ সংস্কৃতিতে সামরিক বাহিনীর প্রতি সাধারণ মানুষের এক ধরনের পরিচিতি ছিল, যার ফলে মাঝেমধ্যে তাদের নিয়ে কৌতুকও করা হতো। তখন “[[গামার পাইল, ইউ.এস.এম.সি.|গামার পাইল]]”, “[[হোগান্স হিরোস|হোগান্স হিরোস]]” বা “[[ম্যাকহেলস নেভি|ম্যাকহেলস নেভি]]”-এর মতো অনুষ্ঠান দেখা যেত। <br> তখন “[[সাউথ প্যাসিফিক (মিউজিক্যাল)|সাউথ প্যাসিফিক]]”-এর মতো [[শিল্পকর্ম]], “[[ক্যাচ-২২|ক্যাচ ২২]]”-এর মতো [[উপন্যাস]] এবং “[[ম্যাশ (চলচ্চিত্র)|ম্যাশ]]”-এর মতো [[চলচ্চিত্র]] তৈরি হতো। এগুলো সামরিক বাহিনীর গুরুত্ব এবং [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের]] মতো বড় পরিসরে তাদের বীরত্বপূর্ণ অবদানকে সম্মান জানাত, তবুও এসব গল্পে বাস্তব মানুষ এবং তাদের সীমাবদ্ধতাগুলো ফুটে উঠত। <br> কিন্তু এখন আমাদের সামরিক বাহিনীর প্রতি এক ধরনের কৃত্রিম ভক্তি তৈরি হয়েছে, যা একই সাথে দূরবর্তী ও বিচ্ছিন্ন। ~ [[জেমস ফ্যালোস]]]]
* আমেরিকান জনগণের সাথে সামরিক বাহিনীর ক্রমবর্ধমান দূরত্ব তাদের সশস্ত্র বাহিনী সম্পর্কে চিন্তা ও কথোপকথনের ধরণকেও বদলে দিয়েছে, এমনটাই দাবি করেন “[[দি আটলান্টিক|দি আটলান্টিক]]”-এর লেখক [[জেমস ফ্যালোস]]। জানুয়ারিতে ফ্যালোস তার কভার স্টোরি “কেন বিশ্বের সেরা সৈন্যরা বারবার হেরে যাচ্ছে?: আমেরিকান সামরিক বাহিনীর করুণ পতন” নিয়ে [[পিবিএস নিউজ|নিউজআওয়ার]]ে মার্গারেট ওয়ার্নারের সাথে আলোচনা করেন: <br> আমার শৈশবে, অর্থাৎ পঞ্চাশ ও [[১৯৬০-এর দশক|ষাটের দশকে]] এবং পরবর্তী সময়ে [[১৯৭০-এর দশক|সত্তরের দশকে]], আমেরিকান পপ সংস্কৃতিতে সামরিক বাহিনীর প্রতি সাধারণ মানুষের এক ধরনের পরিচিতি ছিল, যার ফলে মাঝেমধ্যে তাদের নিয়ে কৌতুকও করা হতো। তখন “[[গামার পাইল, ইউ.এস.এম.সি.|গামার পাইল]]”, “[[হোগান্স হিরোস|হোগান্স হিরোস]]” বা “[[ম্যাকহেলস নেভি|ম্যাকহেলস নেভি]]”-এর মতো অনুষ্ঠান দেখা যেত। <br> তখন “[[সাউথ প্যাসিফিক (মিউজিক্যাল)|সাউথ প্যাসিফিক]]”-এর মতো [[শিল্পকর্ম]], “[[ক্যাচ-২২|ক্যাচ ২২]]”-এর মতো [[উপন্যাস]] এবং “[[ম্যাশ (চলচ্চিত্র)|ম্যাশ]]”-এর মতো [[চলচ্চিত্র]] তৈরি হতো। এগুলো সামরিক বাহিনীর গুরুত্ব এবং [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের]] মতো বড় পরিসরে তাদের বীরত্বপূর্ণ অবদানকে সম্মান জানাত, তবুও এসব গল্পে বাস্তব মানুষ এবং তাদের সীমাবদ্ধতাগুলো ফুটে উঠত। <br> কিন্তু এখন আমাদের সামরিক বাহিনীর প্রতি এক ধরনের কৃত্রিম ভক্তি তৈরি হয়েছে, যা একই সাথে দূরবর্তী ও বিচ্ছিন্ন।
**জেমস ফ্যালোস, (জানুয়ারি ২০১৫); মেগান ক্রিগার এবং লরা সান্তানামের উদ্ধৃতিতে, [https://www.pbs.org/newshour/nation/many-Americans-died-u-s-wars “কতজন আমেরিকান মার্কিন যুদ্ধে মারা গেছেন?”], ''পিবিএস নিউজ আওয়ার: নেশন'', (আপডেট করা হয়েছে ২৭ মে, ২০১৯ দুপুর ১২:৩১ ইডিটি — প্রকাশিত হয়েছে ২৪ মে, ২০১৫)।
* যুদ্ধ যে [[বৈশ্বিক উষ্ণায়ন|জলবায়ু পরিবর্তন]] ত্বরান্বিত করে—এই বিশাল ও কলঙ্কিত সত্যটি অত্যন্ত সতর্কতার সাথে গোপন রাখা হয়। এই বিষয়টি আড়ালে রাখতে সামরিক বাহিনীকে যেকোনো তদারকি বা বাধ্যবাধকতা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। আইনগত এই ছাড় দেওয়ার বিষয়টি সবসময়ই বিদ্যমান ছিল, তবে জি. ডব্লিউ. বুশ ১৯৯৭ সালের কিয়োটো প্রোটোকলে এই সংক্রান্ত ভাষা যুক্ত করে এটিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেন, যদিও তিনি পরবর্তীতে সেই চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন... মার্কিন সামরিক বাহিনীর গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের হিসাব থেকে অব্যাহতিপ্রাপ্ত তালিকায় রয়েছে বিশ্বজুড়ে ১৩০টির বেশি দেশে থাকা ১,০০০-এর বেশি মার্কিন ঘাঁটি, যুক্তরাষ্ট্রে থাকা ৬,০০০ স্থাপনা, যুদ্ধবিমানবাহী জাহাজ এবং জেট বিমান। এছাড়া অস্ত্র পরীক্ষা এবং ন্যাটো সামরিক জোট ও আফ্রিকমের মতো বিশাল মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটের বহুপাক্ষিক কার্যক্রমও এই হিসাবের বাইরে। এই বিধানের আওতায় মার্কিন/জাতিসংঘ-অনুমোদিত “শান্তিরক্ষা” ও “মানবিক ত্রাণ” কার্যক্রমকেও অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
**[[সারা ফ্লাউন্ডার্স]], উদ্ধৃত: [https://www.counterpunch.org/2019/06/14/the-climate-counter-offensive-secrecy-deception-and-disarming-the-green-new-deal/ জলবায়ু পাল্টা আক্রমণ: গোপনীয়তা, প্রতারণা এবং গ্রিন নিউ ডিলকে নিরস্ত্র করা, রিচার্ড মোজার, ''কাউন্টারপাঞ্চ''] (১৪ জুন, ২০১৯)
* [[বাজার]]ের লুকানো [[হাত]] কখনোই একটি লুকানো মুষ্টি (শক্তি) ছাড়া কাজ করবে না। [[ম্যাকডোনাল্ডস]] কখনোই [[ম্যাকডোনেল ডগলাস]] (এফ-১৫ বিমানের নকশাকার) ছাড়া উন্নতি করতে পারত না। আর যে লুকানো মুষ্টিটি [[সিলিকন ভ্যালি]]ের [[প্রযুক্তি|প্রযুক্তির]] প্রসারের জন্য বিশ্বকে নিরাপদ রাখে, তার নামই হলো [[ইউএস আর্মি]], [[মার্কিন বিমান বাহিনী|বিমান বাহিনী]], [[নৌবাহিনী]] এবং [[মার্কিন মেরিন কোর|মেরিন কোর]]।
**[[থমাস এল. ফ্রিডম্যান]], {{cite news
| url = http://www.nytimes.com/1999/03/28/magazine/a-manifesto-for-the-fast-world.html
| title = ফাস্ট ওয়ার্ল্ডের জন্য একটি ইশতেহার
| work = নিউ ইয়র্ক টাইমস
| date = ২৮ মার্চ, ১৯৯৯
| accessdate = ২০১০-০৬-২৮}}
=== “শারীরিক গঠন এবং শারীরিক সক্ষমতা: সামরিক পরিষেবার জন্য প্রয়োগ” (১৯৯০) ===
<small> কার্ল ই. ফ্রিড, [https://www.ncbi.nlm.nih.gov/books/NBK235960/ “শারীরিক গঠন এবং শারীরিক সক্ষমতা: সামরিক পরিষেবার জন্য প্রয়োগ”], ইনস্টিটিউট অফ মেডিসিন (ইউএস) কমিটি অন মিলিটারি নিউট্রিশন রিসার্চ; ম্যারিয়ট বিএম, গ্রামস্ট্রুপ-স্কট জে, সম্পাদকবৃন্দ। ওয়াশিংটন (ডিসি): ন্যাশনাল একাডেমি প্রেস (ইউএস); ১৯৯০। </small>
[[File:Marine_Corps_Recruit_Depot_Parris_Island_Training_140513-M-XK446-114.jpg|thumb|[[সুনির্দিষ্ট]] শারীরিক সক্ষমতার [[পরীক্ষা]], যেমন 'অ্যানুয়াল টেস্ট রাইড', একসময় সেনাবাহিনীতে কার্যকর ছিল। তবে আজকের সেনাবাহিনী অত্যন্ত [[বৈচিত্র্যময়]] হওয়ায় নিয়মিতভাবে [[বাস্তবসম্মত]] যুদ্ধ সক্ষমতা পরীক্ষা দিয়ে সৈন্যদের বাছাই করা কঠিন। বর্তমানের [[ইউএস আর্মি ফিজিক্যাল ফিটনেস টেস্ট]] মূলত ২-মাইল [[দৌড়]], [[পুশ-আপ]] এবং [[সিট-আপ]] পরীক্ষার মাধ্যমে [[অ্যারোবিক ব্যায়াম|অ্যারোবিক সক্ষমতা]] যাচাই করে; এই মানদণ্ডগুলো মূলত চাকরির ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্য, প্রবেশের জন্য নয় এবং এগুলোর প্রয়োগ [[শরীরের চর্বি|শরীরের চর্বির]] মানদণ্ডের চেয়েও নমনীয়। ~ কার্ল ই. ফ্রিড]]
* সামরিক বাহিনীতে শারীরিক মানদণ্ড নির্ধারণের মূল উদ্দেশ্য সবসময়ই ছিল এমন সৈন্যদের খুঁজে বের করা, যারা সামরিক পরিষেবার শারীরিক চাহিদা পূরণে সবচেয়ে উপযুক্ত। এই মানদণ্ডের অর্থ ছিল এমন সৈন্য নির্বাচন করা, যাদের দেখে মনে হয় তারা ভারি বোঝা বহন করতে এবং ভালো লড়াই করতে সক্ষম। বর্তমানে, ইউএস আর্মির শারীরিক সক্ষমতার ওপর জোর দেওয়ার অংশ হিসেবে শরীরের চর্বির মানদণ্ড ব্যবহার করা হয়, যাতে নিশ্চিত করা যায় যে বাহিনীগুলো ''চরম জলবায়ু ও ভূখণ্ডে লড়াই করার মতো স্ট্যামিনা এবং ধৈর্য রাখে'' (স্টাডি অফ দ্য মিলিটারি সার্ভিসেস ফিজিক্যাল ফিটনেস, ১৯৮১)। <br> গত শতাব্দীর বেশিরভাগ সময় ধরে, উচ্চতা ও ওজনের অনুপাত সৈন্যের শারীরিক সক্ষমতা যাচাইয়ের প্রধান মাপকাঠি ছিল, কিন্তু ইদানীংকালের আগ পর্যন্ত এই মানদণ্ডগুলো কেবল কম ওজনের প্রার্থীদের বাদ দেওয়ার জন্যই ব্যবহৃত হতো।
* প্রয়োজনের তাগিদে কিছু শারীরিক মানদণ্ড খুব সহজেই পরিবর্তন করা হয়েছে, যা ইঙ্গিত দেয় যে কোনো বিষয়কে হয়তো ‘সৈনিকের বৈশিষ্ট্য’ হিসেবে তুলে ধরা হলেও তা আসলে যুদ্ধের প্রয়োজনে খুব একটা জরুরি নয়। উচ্চতা এর একটি উদাহরণ। ইউরোপীয় রাজারা লম্বা সৈন্যদের নিয়ে গর্ব করতেন; এছাড়া ড্রিল ও অনুষ্ঠানের জন্য একই উচ্চতার মানুষ থাকাটা সুবিধাজনক ছিল। কিছু ইউজেনিকিস্ট দাবি করতেন যে অপরাধীরা সাধারণত অন্যদের তুলনায় খাটো হয় (ব্যাক্সটার, ১৮৭৫) এবং একজন অবসরপ্রাপ্ত সামরিক সার্জন প্রস্তাব করেছিলেন যে শারীরিক বৈশিষ্ট্য দেখে ভবিষ্যৎ বীরদের শনাক্ত করা সম্ভব (ফস্টার এবং অন্যান্য, ১৯৬৭)। তাই, ঊনবিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে মার্কিন সৈন্যদের জন্য ন্যূনতম উচ্চতা ছিল ৬৬ ইঞ্চি, যা পরবর্তী সময়ে ধীরে ধীরে কমানো হয়েছে। জাতীয় জরুরি অবস্থার সময় যখন নতুন সৈন্যের চাহিদা বাড়ত, তখনই সবচেয়ে শিথিল মানদণ্ড (এমনকি গৃহযুদ্ধের সময় কোনো ন্যূনতম উচ্চতার বাধ্যবাধকতা ছিল না) কার্যকর ছিল।
* সুনির্দিষ্ট শারীরিক সক্ষমতার পরীক্ষা, যেমন 'অ্যানুয়াল টেস্ট রাইড', একসময় সেনাবাহিনীতে কার্যকর ছিল। তবে আজকের সেনাবাহিনী অত্যন্ত বৈচিত্র্যময় হওয়ায় নিয়মিতভাবে বাস্তবসম্মত যুদ্ধ সক্ষমতা পরীক্ষা দিয়ে সৈন্যদের বাছাই করা কঠিন। বর্তমানের ইউএস আর্মি ফিজিক্যাল ফিটনেস টেস্ট মূলত ২-মাইল দৌড়, পুশ-আপ এবং সিট-আপ পরীক্ষার মাধ্যমে অ্যারোবিক সক্ষমতা যাচাই করে; এই মানদণ্ডগুলো মূলত চাকরির ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্য, প্রবেশের জন্য নয় এবং এগুলোর প্রয়োগ শরীরের চর্বির মানদণ্ডের চেয়েও নমনীয়।
==জি==
[[File:CapShield01.jpg|thumb|১৯৫৩ সালের ১৩ জুলাইয়ের ([[কমিউনিস্ট]]) “[[ডেইলি ওয়ার্কার|ডেইলি ওয়ার্কার]]”-এ বলা হয় যে, [[কমিক্স]] সচেতনভাবে নিম্নোক্ত ভূমিকা পালন করে: <br> “...[[আমেরিকান]] [[যুবসমাজকে]] নিষ্ঠুর করে গড়ে তোলা, যাতে তারা আমাদের [[সরকার]]ের [[বিশ্ব আধিপত্যের]] লক্ষ্য বাস্তবায়নে [[সামরিক]] সেবার জন্য আরও ভালোভাবে প্রস্তুত হতে পারে। এছাড়া, [[জাতিসংঘ|জাতিসংঘের]] পতাকাতলে [[কোরীয় যুদ্ধ|কোরিয়ায়]] [[আমেরিকান]] [[সৈনিক]] ও [[বিমানসেনা|বিমানসেনাদের]] দ্বারা সংঘটিত [[অত্যাচার]] মেনে নিতে তাদের অভ্যস্ত করা।” ~ [[উইলিয়াম গেইনস]]]]
* ১৯৫৩ সালের ১৩ জুলাইয়ের (কমিউনিস্ট) “ডেইলি ওয়ার্কারে” বলা হয় যে, কমিক্স সচেতনভাবে নিম্নোক্ত ভূমিকা পালন করে: <br> “...আমেরিকান যুবসমাজকে নিষ্ঠুর করে গড়ে তোলা, যাতে তারা আমাদের [[সরকার]]ের বিশ্ব আধিপত্যের লক্ষ্য বাস্তবায়নে সামরিক সেবার জন্য আরও ভালোভাবে প্রস্তুত হতে পারে। এছাড়া, [[জাতিসংঘ|জাতিসংঘের]] পতাকাতলে [[কোরীয় যুদ্ধ|কোরিয়ায়]] আমেরিকান সৈনিক ও বিমানসেনাদের দ্বারা সংঘটিত অত্যাচার মেনে নিতে তাদের অভ্যস্ত করা।”
** উইলিয়াম গেইনস, “আর ইউ এ রেড ডুপ?”, ''দ্য হন্ট অফ ফিয়ার'', ইসি কমিক্স, (আগস্ট ১৯৫৪)
*আমি [[আশা]] করি, রাস্তাঘাটে, টিউবে এবং বাসে আমরা যে তরুণ আমেরিকান সৈনিকের সাথে পরিচিত হচ্ছি, সে আমাদের সঙ্গ পেয়ে ততটাই আনন্দিত হয়েছে, যতটা আমরা তাকে পেয়ে হয়েছি।
**আলফ্রেড জর্জ গার্ডিনার, [https://books.google.com/books?id=A9LPAAAAMAAJ&pg=PA101&lpg=PA101&dq=%22The+directness+and+naturalness+of+the+American+is+the+most+enviable+of+his+traits.+It+gives+the+sense+of+a+man+who+is+born+free.%22&source=bl&ots=s6wfDHuUWv&sig=nRZZ4aIhKELXA_zsps9cZACrDjE&hl=en&sa=X&ved=0ahUKEwikhO3EooDUAhVH4CYKHVHTBRAQ6AEIJjAC#v=onepage&q=%22The%20directness%20and%20naturalness%20of%20the%20American%20is%20the%20most%20enviable%20of%20his%20traits.%20It%20gives%20the%20sense%20of%20a%20man%20who%20is%20born%20free.%22&f=false ''লিভস ইন দ্য উইন্ড''], পৃষ্ঠা ৯৭
*সৈনিকেরা, তোমরা পৃথিবীর ইতিহাসের সবচেয়ে মহৎ দল। এই প্রান্তরকে চিরকালের জন্য গৌরব ও [[স্বাধীনতা|স্বাধীনতার]] প্রান্তরে পরিণত করতে তোমরা জীবন দিয়েছ।
**[[জেমস এ. গারফিল্ড]], [http://grandoldpartisan.typepad.com/blog/2015/10/garfield-speech.html “ডোন্ট পিচ ইয়োর টেন্ট অ্যামাং দ্য ডেড”] (অক্টোবর ১৮৭৯)
*যুক্তরাষ্ট্র পরবর্তী দশ বছরে পেন্টাগনের জন্য ৭ ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি ব্যয় করার পথে রয়েছে। এই বিশাল অংকের ধারণা পাওয়ার জন্য বলা যায়, যুক্তরাষ্ট্র প্রতি বছর সামরিক খাতে চীন, রাশিয়া, ভারত, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ফ্রান্স, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া এবং অস্ট্রেলিয়ার সম্মিলিত খরচের চেয়েও বেশি ব্যয় করে। যদিও রিপাবলিকান এবং ডেমোক্র্যাটরা তুলনামূলক ছোট “বিল্ড ব্যাক বেটার” আইন নিয়ে তীব্র দ্বিমত পোষণ করে, তবে সামরিক বাজেট এবং বিদেশি সামরিক হস্তক্ষেপের ক্ষেত্রে তারা অধিকাংশ সময় ঐক্যমত্য পোষণ করে।
**এমি গুডম্যান, [https://www.democracynow.org/2021/11/24/war_party_us_military_spending “দ্য ওয়ার পার্টি”: জেরেমি স্কেলহিল অন হাউ ইউ.এস. মিলটারিজম ইউনিফায়েস ডেমোক্র্যাটস অ্যান্ড রিপাবলিকানস, ''ডেমোক্রেসি নাও!''] (২৪ নভেম্বর ২০২১)
*অন্য যেকোনো দেশের তুলনায় মার্কিন সামরিক বাহিনীর বৈশ্বিক শক্তি প্রয়োগের একটি সুনির্দিষ্ট মতবাদ রয়েছে। তাদের ধারণা, প্রায় ৮০০টি বিদেশি সামরিক ঘাঁটির মাধ্যমে পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে প্রাণঘাতী শক্তি নিয়ে হস্তক্ষেপ করার ক্ষমতা তাদের থাকা উচিত। একদিক থেকে দেখলে, স্থলবাহিনী এখানে গৌণ; কারণ অন্তত [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের]] পর থেকে মার্কিন সামরিক মতবাদের মূল ভিত্তি হলো বিমান শক্তির ওপর নির্ভরতা। যুক্তরাষ্ট্র এমন কোনো যুদ্ধে জড়ায়নি যেখানে তাদের আকাশসীমার নিয়ন্ত্রণ ছিল না। এছাড়া, তারা অন্য যেকোনো সামরিক বাহিনীর তুলনায় বিমান হামলার ওপর অনেক বেশি পদ্ধতিগতভাবে নির্ভর করেছে। উদাহরণস্বরূপ, সাম্প্রতিক ইরাক দখলের সময় তারা এমন শহরগুলোতেও বিমান হামলা চালিয়েছে যা আপাতদৃষ্টিতে তাদের নিজেদের দখলেই ছিল। '''বিশ্বে মার্কিন সামরিক আধিপত্যের মূল কারণ হলো—তারা ইচ্ছামতো, মাত্র কয়েক ঘণ্টার নোটিশে, পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে বোমা ফেলতে সক্ষম।''' অন্য কোনো সরকারের কখনোই এমন সক্ষমতা ছিল না। প্রকৃতপক্ষে, এমন দাবিও করা যেতে পারে যে, এই শক্তির কারণেই ডলারকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা পুরো বিশ্ব মুদ্রাব্যবস্থা টিকে আছে।
**ডেভিড গ্রেবার, ''ডেট: দ্য ৫০০০ ইয়ার্স'', পৃষ্ঠা ৩৬৫-৩৬৬
*সবাই জানে যে, অন্তত [[জুলিয়াস সিজার|জুলিয়াস সিজারের]] সময় থেকে [[সমকামী পুরুষ|সমকামীরা]] সামরিক বাহিনীতে সম্মানের সাথে সেবা করে আসছে।
**ব্যারি গোল্ডওয়াটার, ১০ জুন ১৯৯৩-এর বিবৃতি, ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসে'' “গোল্ডওয়াটার ব্যাকস গে ট্রুপস”-এ উদ্ধৃত (১১ জুন ১৯৯৩); এছাড়াও রবার্ট অ্যালান গোল্ডবার্গের লেখা ''ব্যারি গোল্ডওয়াটার'' (১৯৯৫), পৃষ্ঠা ৩৩২-এ উদ্ধৃত।
*আপনার [[দেশ|দেশের]] জন্য লড়াই করতে এবং [[মৃত্যু|মরতে]] আপনার 'বিষমকামী' হওয়ার প্রয়োজন নেই। শুধু লক্ষ্যভেদ করতে পারাটাই যথেষ্ট।
**ব্যারি গোল্ডওয়াটার, রবার্ট অ্যালান গোল্ডবার্গের লেখা ''ব্যারি গোল্ডওয়াটার'' (১৯৯৫), পৃষ্ঠা ৩৩২-এ উদ্ধৃত।
*[[যুদ্ধ]] আমাদের একটি মহান শক্তি এবং বুদ্ধিদীপ্ত জাতিতে পরিণত করেছে। দেশে [[শান্তি]], [[সুখ]] ও সমৃদ্ধি বজায় রাখা এবং অন্যান্য জাতির সম্মান অর্জনের জন্য আমাদের খুব বেশি কিছু করার প্রয়োজন নেই। আমাদের অতীত অভিজ্ঞতা থেকে প্রথমটির (শান্তি বজায় রাখা) প্রয়োজনীয়তা এবং আমাদের শক্তিই শেষোক্তটি (সম্মান) নিশ্চিত করে।
**ইউলিসিস এস. গ্র্যান্ট, [http://www.gutenberg.org/etext/4367 ''পার্সোনাল মেমোয়ার্স অফ জেনারেল ইউ. এস. গ্র্যান্ট''] (১৮৮৫)
*গত কয়েক দশকের প্রতিটি বড় মার্কিন যুদ্ধ একইভাবে শুরু হয়েছে। মার্কিন সরকার কোনো একটি আবেগপূর্ণ ও উসকানিমূলক মিথ্যা তৈরি করে। বড় মার্কিন মিডিয়া আউটলেটগুলো প্রশ্ন তোলা বা ভিন্নমত পোষণ না করে সেটিকে সত্য বলে প্রচার করে, ফলে তারা আক্রমণ করতে চাওয়া দেশের প্রতি তীব্র ক্ষোভের জন্ম দেয়। এভাবেই আমরা [[ভিয়েতনাম যুদ্ধ|ভিয়েতনাম যুদ্ধে]] (উত্তর ভিয়েতনাম কর্তৃক টঙ্কিন উপসাগরে মার্কিন জাহাজ আক্রমণের ঘটনা), উপসাগরীয় যুদ্ধে (সাদ্দাম হোসেন ইনকিউবেটর থেকে শিশুদের কেড়ে নিয়েছিলেন বলে গুজব) এবং অবশ্যই [[ইরাক যুদ্ধ|ইরাক যুদ্ধে]] (সাদ্দামের কাছে গণবিধ্বংসী অস্ত্র ছিল এবং তিনি আল-কায়েদার সাথে জোট করেছিলেন) জড়িয়েছি।
*ঠিক এই কৌশলটিই ২৩ ফেব্রুয়ারি ব্যবহার করা হয়েছিল, যখন [[ভেনেজুয়েলা|ভেনেজুয়েলায়]] যারা শাসন পরিবর্তন করতে চায়, তাদের অনুকূলে প্রচারণার মোড় সম্পূর্ণ ঘুরে যায়... তারা জোর দিয়ে দাবি করেছিল যে ট্রাকগুলোতে ইচ্ছাকৃতভাবে [[নিকোলাস মাদুরো|প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর]] বাহিনী আগুন দিয়েছে।
**গ্লেন গ্রিনওয়াল্ড: [https://theintercept.com/2019/03/10/nyts-expose-on-the-lies-about-burning-humanitarian-trucks-in-venezuela-shows-how-us-govt-and-media-spread-fake-news/ ''এনওয়াইটি’স এক্সপোজ অন দ্য লাইজ এবাউট বার্নিং হিউম্যানিটারিয়ান ট্রাকস ইন ভেনেজুয়েলা শোজ হাউ ইউ.এস. গভর্মেন্ট অ্যান্ড মিডিয়া স্প্রেড ফেক নিউজ, দ্য ইন্টারসেপ্ট,''] (১০ মার্চ ২০১৯)
==এইচ==
*<p>নোঙর তোলো, হে আমার ছেলেরা! নোঙর তোলো! বিদায়...</p><p>বিজয়ের উদ্দেশ্যে পাড়ি দাও এবং তাদের হাড়গোড় ডেভি জোন্সের সিন্দুকে পাঠিয়ে দাও, হুররে!</p>
**জন হেগান, “অ্যাঙ্করস অ্যাওয়ে” (১৯৯৭)
*প্রথমত, শান্তির সময়ে আমেরিকান সৈনিক অন্য যেকোনো ধরনের আমেরিকান নাগরিকের মতোই। ... সে সৈন্য হয় এবং সৈন্য হিসেবেই থাকে, কারণ এর বিনিময়ে সে যা পায়। যেই মুহূর্তে সে সিদ্ধান্ত নেয় যে সে সেনাবাহিনীর চেয়ে বেসামরিক জীবন থেকে বেশি কিছু পেতে পারে, তখনই সে তালিকাভুক্ত হতে বা পুনরায় তালিকাভুক্ত হতে অস্বীকার করবে।
**জনসন হেগুড, [https://www.google.com/search?client=firefox-b-1-d&sca_esv=eff03c613f9494ac&sxsrf=ACQVn09CdLISXoIzNp-OdekvEUi8LSfiKQ:1707412572546&q=Circular+Relative+to+Pay+of+Officers+and+Enlisted+Men+of+the+Army+Johnson+Hagood&si=AKbGX_rOAlAWZm8yZPZsiL6aVCbdD97y3lZlG6WCaiU0tO9pR9kr7DEFZM_KQ41UQN6taqiWwVkuJq4CSzVb9GzxZZq09wGtaQD01RrUFmokaS0KDXBbZSw7-_8-FED2rqn94PAJcn6LiUBQvthCQKqrLnX8_qBW4AS9QM1WQu-AixVQiaYNHmsDoiPcLoe6qHaFCPUSeTnAVN9cEN0h9uIstToyRKwAp1tFRUX5u0uLEQzkmo2Jyn5PqikxE0uhOOD_wmIhKHEa4lv0lvWsVezdiX-Yeq2YCg%3D%3D&sa=X&ved=2ahUKEwjzi_y-n5yEAxWSD1kFHfzBBVoQ6RN6BAg2EAE&biw=1903&bih=1206&dpr=0.9 ''সার্কুলার রিলেটিভ টু পে অফ অফিসারস অ্যান্ড এনলিস্টেড মেন অফ দ্য আর্মি''] (১৯০৭), ওয়াশিংটন, ডি.সি.: গভর্নমেন্ট প্রিন্টিং অফিস, পৃষ্ঠা ৮, [https://press.armywarcollege.edu/cgi/viewcontent.cgi?article=3239&context=parameters “আ হিস্টোরিক্যাল পার্সপেক্টিভ অন টুডেস রিক্রুটিং ক্রাইসিস”] (২০২৩)-এ উদ্ধৃত, ব্রায়ান ম্যাকঅ্যালিস্টার লিন, ''দ্য ইউএস আর্মি ওয়ার কলেজ কোয়ার্টারলি: প্যারামিটারস'', পৃষ্ঠা ১০
*<p>আমাদের সেই পুরুষ ও নারীদের সেবার কথা বলতে হবে, যারা বিশ্ব যুদ্ধে প্রজাতন্ত্রের পতাকাতলে সমবেত হয়েছিল। আমেরিকা তাদের প্রদত্ত সেবা, করা ত্যাগ এবং সহ্য করা কষ্ট উপলব্ধি করে ও তার কদর করে। যারা যুদ্ধক্ষেত্রের বিপদ ও গৌরব বা সমুদ্রের ঝুঁকি জেনেছিল এবং যারা লাইনের পেছনে সেবা করতে বাধ্য হয়েছিল, বা যারা ঘরে ক্যাম্পে ডাকের অপেক্ষায় থাকা বিশাল গ্র্যান্ড আর্মির রিজার্ভ গঠন করেছিল—তাদের মধ্যে কোনো পার্থক্য রাখা হবে না। সবাই ছিল সাহসী। সবাই ছিল আত্মত্যাগী। তারা সবাই সেই আদর্শের অংশীদার ছিল যা আমাদের ছেলেদের দুবার অস্ত্র হাতে যুদ্ধে পাঠিয়েছিল...</p><p>এরা যোগ্য সন্তান। আমাদের অমর সূচনালগ্নে যারা পতাকা উড্ডীন করেছিল, তারা তাদের উপযুক্ত উত্তরাধিকারী। যারা গৃহযুদ্ধ চলাকালীন সংবিধান থেকে অস্পষ্টতা দূর করে ইউনিয়ন এবং জাতীয়তাকে রক্ষা করেছিল, এরা তাদের যোগ্য সন্তান। ১৮৯৮ সালে স্পেনীয়-মার্কিন যুদ্ধে যারা প্রথমবারের মতো মানবতার খাতিরে তলোয়ার তুলেছিল, এরা তাদের প্রস্তুত সন্তান। স্থল ও সমুদ্রে থাকা ৪০ লক্ষ রক্ষক সেই জনগণের সেরা ঐতিহ্যের যোগ্য ছিল, যারা শান্তিতে কখনও যুদ্ধবাজ ছিল না এবং যুদ্ধে কখনও শান্তিবাদী ছিল না। তারা আমাদের গর্বের অধিকারী। তাদের প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞতা রয়েছে, যা অবশ্যই প্রকৃত রূপ পেতে হবে। এটি কেবল একটি কর্তব্য নয়; এটি একটি বিশেষ অধিকার যে নিশ্চিত করা যায় যে তাদের করা ত্যাগ বৃথা যাবে না এবং যারা এখনও হতাহত হয়ে ভুগছে, তাদের প্রচুর সহায়তা করা হবে এবং তাদের নাগরিকত্বের সর্বোচ্চ সক্ষমতা ও আনন্দ ফিরিয়ে দেওয়া হবে।</p>
**ওয়ারেন জি. হার্ডিং, ''দ্য আমেরিকান সোলজার'' (১৯২০)।
*<p>বিশ্বের অন্যান্য বাহিনী, যারা তাদের [[রাজা]] বা মাতৃভূমিকে রক্ষার প্রতিজ্ঞা করে, তাদের থেকে ভিন্ন; আমাদের সেবার [[শপথ]] আমাদের সামরিক বাহিনীকে সংবিধানের সুরক্ষা ও প্রতিরক্ষা এবং আদেশ মেনে চলার শর্তে রাষ্ট্রপতির প্রতি আনুগত্যের সাথে যুক্ত করে। কার্যত, সেই শপথের মাধ্যমে মার্কিন সামরিক বাহিনী আমাদের জনগণের নিরাপত্তাকে রক্ষা করার পাশাপাশি ধারণা, আদর্শ এবং আইনের শাসনকে রক্ষা করে। কর্মজীবনের প্রতিটি ধাপে, প্রত্যেক সৈন্য—সাধারণ সৈনিক থেকে জেনারেল পর্যন্ত—ইতিহাস, আইনি প্রক্রিয়া এবং মূল্যবোধের ওপর প্রশিক্ষণ নেয়। সেই প্রশিক্ষণ আমাদের রাইফেল রেঞ্জে বা ফিল্ড এক্সারসাইজে যা করি তার পরিপূরক। সৈন্যদের চমৎকার দক্ষতা আছে এবং তারা আমেরিকান জীবনযাত্রার চিন্তাশীল রক্ষক। আমি আমার কর্মজীবনের তিন বছরেরও বেশি সময় যুদ্ধক্ষেত্রে ছিলাম; সেই সময়ে, আমি কিছু ভয়াবহ জিনিস দেখেছি এবং সেগুলোর অনেকগুলোই স্বপ্নে ফিরে আসে। মানুষ ও যুদ্ধের মধ্যে অশুভতা থাকে। কিন্তু মার্কিন সামরিক বাহিনীতে; যদিও এমন ঘটনা ঘটেছে যেখানে আইন বা প্রবিধান লঙ্ঘনের জন্য সৈন্যদের শৃঙ্খলাবদ্ধ করার প্রয়োজন হয়েছে—অত্যধিক এবং ধারাবাহিকভাবে আমার সহযোদ্ধাদের কাজ আমাকে খুব গর্বিত করেছে...</p><p>আমি আমাদের সৈন্যদের চিনি, এবং আমি অধ্যয়ন ও অভিজ্ঞতার মাধ্যমে আমাদের সামরিক ঐতিহ্য ও আমেরিকার যুদ্ধের ধরন জানি। যখন ভালোভাবে পরিচালিত ও প্রশিক্ষিত হয়, তখন যে আমেরিকানরা আমাদের দেশের পোশাক পরে, তারা চেতনার দিক থেকে বিশুদ্ধ এবং উদ্দেশ্যের দিক থেকে অবিচল। তারা যেখানে প্রেরিত হয় সেখানে যাবে, যেখানে তারা যায় সেখানে লড়াই করবে এবং যেখানে লড়াই করে সেখানে জেতার জন্য সবকিছু করবে। এবং তারা পৃথিবীর অন্য কোনো সৈনিকের মতো তা করবে না, কারণ আমরা তা-ই। অস্ত্র পেশা অনেক কিছু দাবি করে। সর্বোপরি, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর একজন ইউনিফর্ম পরিহিত সদস্য হওয়ার জন্য অতুলনীয় দক্ষতার প্রয়োজন, কিন্তু শক্তিশালী চরিত্র, তীক্ষ্ণ মেধা এবং এটি বোঝার ক্ষমতাও প্রয়োজন যে বেসামরিক ব্যক্তিরা আমাদের যা করতে বলে তার সীমা আছে। যখন বেসামরিক কর্তৃপক্ষ থেকে প্রাপ্ত আদেশ আইনি, নৈতিক বা মানবিক সীমানা অতিক্রম করে, তখন যেকোনো পদমর্যাদার যেকোনো সৈনিকের প্রথমে সেই আদেশগুলো নিয়ে প্রশ্ন তোলার এবং স্পষ্টীকরণ পাওয়ার অধিকার ও কর্তব্য থাকে, এবং প্রয়োজনে যদি তারা সীমা অতিক্রম করে তবে তা অমান্য করার অধিকারও থাকে। সেটিই আমাদের আলাদা করে...</p><p>কিন্তু রাষ্ট্রপতি যেই হোন না কেন, সেই ব্যক্তির কখনোই সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের সামরিক বিচারের ইউনিফর্ম কোড, তাদের নীতি, তাদের শপথ বা স্থল যুদ্ধের আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করার ‘আদেশ’ দেওয়ার কর্তৃত্ব নেই।</p>
**মার্ক হার্টলিং, [http://www.cnn.com/2016/03/04/opinions/donald-trump-military-hertling/index.html “আ সোলজার’স ভিউ অন ট্রাম্প”] (৪ মার্চ ২০১৬), ''সিএনএন'', জর্জিয়া অঙ্গরাজ্য: কেবল নিউজ নেটওয়ার্ক
*<p>তোমরা প্রায় ১০ হাজার আমেরিকান [[জীবন]] উৎসর্গ করেছ, যা আমাদের যুবসমাজের [[ফুল]]। তোমরা প্রদেশগুলোকে ধ্বংস করেছ। তোমরা যাদের উপকার করতে চাও তাদের মধ্যে অগণিত হাজারো মানুষকে হত্যা করেছ। তোমরা কনসেনট্রেশন ক্যাম্প স্থাপন করেছ। তোমাদের জেনারেলরা ফসল নিয়ে ঘরে ফিরছে, হাজার হাজার অসুস্থ, আহত ও উন্মাদ মানুষকে সাথে নিয়ে, যারা শরীর ও মনে বিধ্বস্ত হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। তোমরা আমেরিকান পতাকাকে অসংখ্য মানুষের চোখে [[খ্রিস্টান|খ্রিস্টান]] গির্জায় অপবিত্রতা, মানুষের ঘরবাড়ি পোড়ানো এবং জল নির্যাতনের ভয়াবহতার প্রতীক বানিয়েছ...</p><p>তোমাদের বাস্তববাদী রাষ্ট্রনীতি, যা [[জর্জ ওয়াশিংটন]] ও আব্রাহাম লিঙ্কন বা বিপ্লব বা গৃহযুদ্ধের সৈন্যদের আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করতে ঘৃণা করে, তা কিছু ক্ষেত্রে তোমাদের উদাহরণের জন্য স্পেনের দিকে তাকিয়েছে। আমি বিশ্বাস করি—না, আমি জানি—যে সাধারণত আমাদের কর্মকর্তা ও সৈন্যরা মানবিক। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে তারা আমেরিকান উদ্ভাবন এবং ক্যাসটিলিয়ান নিষ্ঠুরতার মিশ্রণে তোমাদের যুদ্ধ চালিয়েছে...</p><p>তোমাদের বাস্তববাদী রাষ্ট্রনীতি এমন একটি জাতিকে রূপান্তর করতে সফল হয়েছে, যারা তিন বছর আগেও আমেরিকানদের পোশাকের প্রান্ত চুম্বন করতে এবং তাদের মুক্তিদাতা হিসেবে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত ছিল, যারা সেই দ্বীপে তোমাদের পুরুষরা অবতরণের সময় আশীর্বাদ ও কৃতজ্ঞতা নিয়ে ভিড় করেছিল, তাদেরই এখন শতাব্দী পার হলেও মুছে ফেলা সম্ভব নয় এমন ঘৃণায় পূর্ণ বিরক্ত ও আপোষহীন শত্রুতে পরিণত করেছে।</p>
**জর্জ ফ্রিসবি হোর, [http://web.archive.org/web/20031204093243/http://www.bartleby.com/268/10/25.html ''সাবজুগেশন অফ দ্য ফিলিপাইনস ইনিসকুয়িটাস''] (মে ১৯০২)
*[[পারমাণবিক অস্ত্র]] সংক্রান্ত পরিস্থিতিতে, গত ডুমসডে ক্লক রিপোর্টের চেয়ে পরিস্থিতি অনেক বেশি বিপজ্জনক। উন্নয়নের অধীনে থাকা নতুন অস্ত্র ব্যবস্থা অনেক বেশি কার্যকরভাবে বিপজ্জনক। '''[[জো বাইডেন|বাইডেন প্রশাসন]], ট্রাম্পের সংঘাতমূলক দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রসারিত করে, চমস্কিকে হাতের বিপদ বর্ণনা করার জন্য শব্দ খুঁজে না পাওয়ার মতো অবস্থায় ফেলেছে। কেবল সম্প্রতি, [[জো বাইডেন|বাইডেন]] ন্যাটো নেতাদের সাথে দেখা করেছেন এবং তাদের দুটি যুদ্ধের—[[চীন]] এবং [[রাশিয়া]]—পরিকল্পনা করার নির্দেশ দিয়েছেন। চমস্কির মতে: “এটি পাগলামি ছাড়িয়ে গেছে।” শুধু তাই নয়, যখন সত্যিকারের কূটনীতির প্রয়োজন, তখন এই গোষ্ঠী প্ররোচনামূলক কাজ করছে।''' এটি একটি অত্যন্ত বিপজ্জনক পরিস্থিতি।
**[https://www.counterpunch.org/2021/07/12/a-world-of-total-illusion-and-fantasy-an-interview-with-noam-chomsky/ আ ওয়ার্ল্ড অফ টোটাল ইলিউশন অ্যান্ড ফ্যান্টাসি: নোয়াম চমস্কি অন দ্য ফিউচার অফ দ্য প্ল্যানেট, রবার্ট হানজিকার, ''কাউন্টারপাঞ্চ''] (১২ জুলাই ২০২১)
*[[ইরাক]], [[সিরিয়া]], [[ইরান]], [[লিবিয়া]], [[সোমালিয়া]], [[সুদান]] এবং ইয়েমেনে প্রায় ১০,০০০ আমেরিকান কর্মরত আছেন... এই পুরুষ ও নারীরা সেই দেশগুলোর নাগরিকদের পাশাপাশি লড়াই করছেন।
**উইল হার্ড, [https://hurd.house.gov/media-center/press-releases/congressman-hurd-highlights-danger-posed-americans-due-immigration-ban ইমিগ্রেশন ব্যান বিষয়ক বিবৃতি] (২০১৭)
==আই==
* এই বিষয়টি মাথায় রেখে, চুক্তির অংশীদাররা তাদের ব্যক্তিগত ও সম্মিলিত সক্ষমতা—আমি আবারও বলছি, সম্মিলিত সক্ষমতা—বিকাশ করার প্রতিজ্ঞা করেছে, যাতে তারা যেকোনো সশস্ত্র আক্রমণ প্রতিহত করতে পারে। সেই প্রতিজ্ঞার প্রতি অনুগত থেকে, চুক্তি স্বাক্ষরের পর থেকে জোটের প্রতিটি সদস্য প্রতি বছর ক্রমান্বয়ে প্রতিরক্ষার জন্য বেশি অর্থ ব্যয় করেছে। শক্তিশালী আমেরিকান, [[কানাডা|কানাডিয়ান]] এবং [[যুক্তরাজ্য|যুক্তরাজ্যের]] বাহিনী ইতিমধ্যেই মহাদেশটিতে অবস্থান করছে এবং তাদের [[ইউরোপ|ইউরোপীয়]] মিত্রদের পাশাপাশি প্রহরায় নিয়োজিত রয়েছে। তবে আমাদের উদ্দেশ্য নিয়ে যেন কোনো ভুল ধারণা না হয়। আমরা যে সামরিক শক্তি অর্জনের লক্ষ্য নিয়েছি, তা আত্মরক্ষার জন্য নূন্যতম প্রয়োজন। আমাদের পক্ষ থেকে যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের কোনো সুযোগ নেই, ছিল না এবং কখনো থাকবে না। যদি বিষয়টি অন্যরকম হতো, তবে আন্তর্জাতিক মুক্ত ট্রেড ইউনিয়ন কনফেডারেশনের মতো একটি শক্তিশালী শান্তিকামী সংগঠন কি দৃঢ়ভাবে তাদের সংকল্প ব্যক্ত করত—আমি এখানে উদ্ধৃত করছি— “আগ্রাসন এড়ানোর লক্ষ্যে মুক্ত জাতিগুলোর তাদের প্রতিরক্ষা জোরদার করার প্রচেষ্টাকে সমর্থন করা”?
** হেস্টিংস ইসমে, [https://www.nato.int/docu/speech/1953/s19530913.htm বিবিসি রেডিও টক], ১৩ সেপ্টেম্বর ১৯৫৩
==জে==
*একটি নৌবাহিনী মূলত এবং অপরিহার্যভাবেই অভিজাততান্ত্রিক। আমরা এখন যে রাজনৈতিক নীতিগুলোর জন্য লড়াই করছি, তা যতই সত্য হোক না কেন, জাহাজের ডেকে, বন্দর থেকে দূরে বা গভীর সমুদ্রে এগুলো কখনোই ব্যবহারিকভাবে প্রয়োগ করা সম্ভব নয়, এমনকি তা মেনে নেওয়াও যায় না। এটি কঠোর মনে হতে পারে, কিন্তু এটিই হলো সবচেয়ে সরল সত্য। যদিও কংগ্রেসের পাঠানো জাহাজগুলো [[মানবাধিকার]] ও প্রজাতন্ত্রী স্বাধীনতার নীতির জন্য লড়াই করতে পারে এবং অবশ্যই করা উচিত, কিন্তু সমুদ্রে জাহাজগুলো নিজেই এক চরম স্বৈরাচারী ব্যবস্থার অধীনে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হতে হবে।
**জন পল জোন্স, [http://www.rulit.me/books/the-last-ship-read-334944-1.html কংগ্রেসের নৌ কমিটির কাছে চিঠি] (১৪ সেপ্টেম্বর ১৭৭৫)
==কে==
*হেল! এরা মেরিন। এদের মতো লোকেরাই গুয়াদালকানাল ধরে রেখেছিল এবং আইও জিমা দখল করেছিল। বাগদাদ তো কিছুই না।
**জন এফ. কেলি, [http://www.blackfive.net/main/2007/09/marine-general-.html মেরিন জেনারেল স্পিকস আউট]-এ উদ্ধৃত। বাগদাদ আক্রমণের শুরুতে এক সাংবাদিক পরাজয়ের সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন করলে কেলি এই জবাব দেন। (এপ্রিল ২০০৭)
* [[ভিয়েতনাম যুদ্ধ|ভিয়েতনাম]] থেকে ফিরে আসার পর এই মানুষগুলোর মনের অবস্থা কী হয়, তার ফলাফল সম্পর্কে আপনাদের সাথে কিছুটা কথা বলতে চাই। দেশ এখনো জানে না যে এটি একটি দানব তৈরি করেছে— লক্ষ লক্ষ মানুষের রূপ নেওয়া এক দানব, যাদের সহিংসতা ব্যবহার ও লেনদেন করতে শেখানো হয়েছে, এবং যাদের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় 'শূন্য' অর্জনের জন্য মরার সুযোগ দেওয়া হয়েছে; এমন মানুষ যারা ফিরে এসেছে এক ধরনের [[ক্রোধ]] ও বিশ্বাসঘাতকতার অনুভূতি নিয়ে, যা এখনো কেউ বুঝতে পারেনি। একজন ভেটেরান হিসেবে, এবং যে এই ক্রোধ অনুভব করে, আমি এ নিয়ে কথা বলতে চাই। আমরা ক্ষুব্ধ কারণ আমরা মনে করি, এই দেশের প্রশাসন আমাদের সবচেয়ে খারাপভাবে ব্যবহার করেছে। ১৯৭০ সালে ওয়েস্ট পয়েন্টে, ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যাগনিউ বলেছিলেন: “কিছু মানুষ সমাজের অপরাধী ও অযোগ্যদের গ্ল্যামারাইজ করে, অথচ আমাদের সেরা ছেলেরা সেই স্বাধীনতা রক্ষা করতে এশিয়ার ধানের জমিতে প্রাণ দিচ্ছে, যে স্বাধীনতা ওই অযোগ্যরা অপব্যবহার করে।” আর এটি ভিয়েতনামে আমাদের অভিযানের জন্য একটি rallying point বা ঐক্যের বিন্দু হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছিল। কিন্তু আমাদের কাছে—যারা এশিয়ায় তাঁর ছেলে ছিল এবং যাদের সমর্থন দেওয়ার কথা ছিল দেশটির—তাঁর এই বক্তব্য একটি ভয়ঙ্কর বিকৃতি, যা থেকে আমরা কেবল গভীর বিতৃষ্ণা অনুভব করতে পারি; এবং এই কারণেই আজ ওয়াশিংটনে উপস্থিত কিছু মানুষের এই ক্রোধ। এটি একটি বিকৃতি কারণ আমরা কোনোভাবেই নিজেদের এই দেশের সেরা মানুষ বলে মনে করিনি; কারণ তিনি যাদের অযোগ্য বলছেন, তারা আমাদের জন্য এমনভাবে দাঁড়িয়েছিল যা এই দেশের আর কেউ সাহস করেনি; কারণ মারা যাওয়া অনেকেরই ইচ্ছা ছিল দেশে ফিরে এসে সেই অযোগ্যদের সাথে যোগ দিয়ে দক্ষিণ ভিয়েতনাম থেকে অবিলম্বে সেনা প্রত্যাহারের দাবি জানানো; কারণ সেই সেরা ছেলেদের অনেকেই আজ কোয়াড্রিপ্লেজিক (চতুর্থঙ্গ পক্ষাঘাতগ্রস্ত) বা অঙ্গহীন হয়ে ফিরেছে, এবং তারা পড়ে আছে এই দেশের ভেটেরান অ্যাডমিনিস্ট্রেশন হাসপাতালগুলোতে ভুলে যাওয়া অবস্থায়, যে হাসপাতালগুলোতে উড়ছে সেই পতাকা—যা অনেকেই তাদের ব্যক্তিগত প্রতীক হিসেবে বেছে নিয়েছে। আমরা নিজেদের আমেরিকার সেরা মানুষ বলে ভাবতে পারি না, যখন আমরা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় আমাদের যা করতে বলা হয়েছিল, তার জন্য লজ্জিত এবং ঘৃণা বোধ করি।
** জন কেরি, [https://www.americanrhetoric.com/speeches/johnkerrysenateforeignrelationsvietnamwar.htm সিনেট ফরেন রিলেশনস কমিটির সামনে বিবৃতি], ২২ এপ্রিল ১৯৭১, ওয়াশিংটন, ডি.সি.তে প্রদত্ত।
*জয়লাভ আমাদের করতেই হবে, কারণ আমাদের লক্ষ্য ন্যায়সংগত!
**ফ্রান্সিস স্কট কি, “দ্য স্টার-স্প্যাংলড ব্যানার” (১৮১৪)
*[[এঙ্গেলস]] একবার ব্রিটিশ সেনাবাহিনীকে সবচেয়ে নিষ্ঠুর সেনাবাহিনী বলেছিলেন। [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের]] সময়, [[জার্মানি|জার্মান]] [[ফ্যাসিবাদ|ফ্যাসিবাদী]] সেনাবাহিনী ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর বর্বরতাকে ছাড়িয়ে গিয়েছিল। সেই সময়ে [[অ্যাডলফ হিটলার|হিটলারের]] গ্যাংস্টাররা যে বীভৎস ও ভয়ানক নিষ্ঠুরতা করেছিল, তা কোনো মানুষের [[মস্তিষ্ক|কল্পনার]] বাইরে। কিন্তু [[কোরীয় যুদ্ধ|কোরিয়ায়]], আমেরিকানরা হিটলারবাদীদের অনেক ছাড়িয়ে গেছে!
**[[কিম ইল-সাং]], ১৯৯৩ সালে সুইডিশ কমিউনিস্ট নেতা ফ্রাঙ্ক বাউডের কাছে এই মন্তব্য করেন। উক্তি ও অনুবাদ: ''Mot strömmen'', পৃষ্ঠা ১৮৬।
*আমার মনে হয় না কোনো অঙ্গরাজ্য ছিল যা সেখানে প্রতিনিধিত্বশীল ছিল না। এই [[অভিজ্ঞতা]] আমাকে দেশটির বৈচিত্র্য, মানুষ, [[ভাষা]] এবং [[সংস্কৃতি]]কে উপলব্ধি করতে সাহায্য করেছে। এটা ভাবা অবিশ্বাস্য যে আমরা কতটা বৈচিত্র্যময় এবং আমরা কীভাবে একটি সংস্কৃতি হিসেবে একসাথে টিকে আছি। সত্যি বলতে, এটিই এই দেশের একমাত্র স্পষ্ট সত্য যা একে বিশ্বের কাছে অনন্য করে তুলেছে।
** জ্যাক কার্বি, মার্ক পিটার্সের নিবন্ধ [https://www.pastemagazine.com/articles/2017/02/8-ways-comic-book-legend-jack-kirby-fought-fascism.html “৮ ওয়েজ কমিক বুক লিজেন্ড জ্যাক কার্বি ফাউট ফ্যাসিবম”]-এ উদ্ধৃত, ''পেস্ট ম্যাগাজিন'', (১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭)।
*আমেরিকার লড়া কিছু যুদ্ধ ছিল “কেবল মুনাফার জন্য” এবং কিছু দেশের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা যুদ্ধের মতোই ধ্বংসাত্মক... আমেরিকা কখন যুদ্ধে যাবে, সে বিষয়ে আমেরিকান জনগণের কার্যত কোনো কথা বলার অধিকার নেই। এই সিদ্ধান্তগুলো কোনো পর্দার আড়ালে নেওয়া হয়... আমেরিকানদের কাছে মিথ্যা বলা অব্যাহত রাখা হয়েছে যে কেন আমরা যুদ্ধে যাই। কারণ আবারো বলছি, এর অন্যতম বড় কারণ হলো কেবল মুনাফা। এটি একসময় কিছুটা সত্য ছিল, কিন্তু এখন তা অত্যন্ত নগ্নভাবে ঘটছে।
**ড্যানিয়েল কোভালিক, [http://www.china.org.cn/world/Off_the_Wire/2021-12/08/content_77918107.htm ইন্টারভিউ]তে উদ্ধৃত, ''সিনহুয়া'', ৮ ডিসেম্বর, ২০২১।
*ইরাক ও [[আফগানিস্তান|আফগানিস্তানে]] মার্কিন আগ্রাসন প্রসঙ্গে] কৌশলগত দিক থেকে দেখলে, এটি একটি সম্পূর্ণ ব্যর্থতা হিসেবেই দেখা উচিত। তবুও এটি ২০ বছর ধরে চলেছে। কেন? কারণ যে প্রতিরক্ষা শিল্প কোম্পানিগুলো বোমা, বিমান ও যানবাহন তৈরি করে—এবং এখন সরকারি সামরিক কর্মীদের পরিবর্তে যে বেসরকারি সামরিক ঠিকাদাররা যুদ্ধ করছে—তারা যুদ্ধ চলাকালীন কয়েক ট্রিলিয়ন ডলার আয় করেছে। তাই '''তারা পরোয়া করেনি যে যুদ্ধ জয় হলো কি না; লক্ষ্য ছিল যুদ্ধটি যেন চিরকাল চলতে থাকে... আসল বিষয় হলো যুদ্ধ জয় করা নয়, বরং এটি নিশ্চিত করা যে যুদ্ধ যেন শেষ না হয়, কারণ আপনি মুনাফা করতেই থাকবেন।'''<BR>মার্কিন সামরিক হস্তক্ষেপের মাধ্যমে মানবাধিকারের উন্নয়ন করছে না। এটি মানবিকতাকে এগিয়ে নিচ্ছে না। প্রকৃতপক্ষে, এটি বিশালভাবে মানবিকতাকে ক্ষুণ্ণ করছে।
**ড্যানিয়েল কোভালিক, [http://www.china.org.cn/world/Off_the_Wire/2021-12/08/content_77918107.htm ইন্টারভিউ]তে উদ্ধৃত, ''সিনহুয়া'', ৮ ডিসেম্বর, ২০২১।
*আপনি কোন বাহিনীকে আপনাকে [[মুক্তি|মুক্ত]] করতে আসতে দেখতে চান? এবং এটি সর্বসম্মত, এমনকি নাৎসিরাও সবাই আবার একটি ছোট বিমানে উড়ে আমেরিকান লাইনে এসে আমেরিকানদের কাছে আত্মসমর্পণ করবে, যদিও সবাই জানে যে সেই অর্থে আমরা ব্যতিক্রমী।
**চার্লস ক্রাউথামার, [http://conversationswithbillkristol.org/video/charles-krauthammer/ বিল ক্রিস্টলের সাথে সাক্ষাৎকার] (১৩ মার্চ ২০১৫)।
*সামরিক বাহিনী কমান্ডার ইন চিফকে কোনো পাত্তা দেয়নি। সাধারণত, বেসামরিক নিয়ন্ত্রণের জাতিতে এটি স্বাস্থ্যের লক্ষণ নয়। এতে কিছুটা অবাধ্যতার গন্ধ আছে। কিন্তু এমন একজন [[রাষ্ট্রপতি]] যার স্বভাব অত্যন্ত আবেগপ্রবণ এবং দীর্ঘস্থায়ী অযৌক্তিক, তার ক্ষেত্রে সামরিক বাহিনীর কিছুটা সতর্কতা, এমনকি কিছুটা অনমনীয়তা স্বাগত জানানো উচিত।
**চার্লস ক্রাউথামার, [https://www.washingtonpost.com/opinions/the-guardrails-hold/2017/08/03/fcfc157c-7877-11e7-9eac-d56bd5568db8_story.html?noredirect=on&utm_term=.bc41e247bfa0 “দ্য গার্ডরেলস হোল্ড”] (৩ আগস্ট ২০১৭), ''দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট''।
==এল==
[[চিত্র:Barbara Lee official portrait.jpg|থাম্ব| পেন্টাগন বাজেট থেকে ৪০ বা ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়েও আপনি শক্তিশালী জাতীয় নিরাপত্তা বজায় রাখতে পারেন... যখন আপনি সামরিক নীতি ও অভ্যন্তরীণ নীতির ক্ষেত্রে জনগণের অবস্থান দেখেন—বিশেষ করে যখন এই অননুমোদিত যুদ্ধ, এই 'চিরস্থায়ী যুদ্ধ' বন্ধ করার কথা আসে—তখন জনতা আমাদের সাথেই আছে। ~ যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসম্যান বারবারা লি]]
*<p>ষাট বছর আগে, ২৫ জুন ভোরবেলা, [[কোরীয় যুদ্ধ|কোরীয় যুদ্ধ]] শুরু হয়েছিল যখন কমিউনিস্ট [[উত্তর কোরিয়া]], কোরিয়া প্রজাতন্ত্রকে আক্রমণ করে। এর জবাবে, যুক্তরাষ্ট্রসহ জাতিসংঘের ১৬টি সদস্য দেশ স্বাধীনতার সুরক্ষায় কোরিয়া প্রজাতন্ত্রের সাথে যোগ দেয়। '''পরবর্তী তিন বছরের লড়াইয়ে, প্রায় ৩৭,০০০ আমেরিকান তাদের [[জীবন]] হারান। তারা লড়াই করেছিলেন [[দক্ষিণ কোরিয়া|এমন কোরিয়ানদের]] [[স্বাধীনতা|স্বাধীনতার]] জন্য, যাদের তারা চিনতেনও না। আর তাদের ত্যাগের কারণেই, [[দক্ষিণ কোরিয়া|প্রজাতন্ত্রের]] শান্তি ও গণতন্ত্র সুরক্ষিত হয়েছিল'''...</p><p>[[কোরীয় যুদ্ধ|কোরীয় যুদ্ধের]] ৬০তম বার্ষিকীতে, আমি যুদ্ধে অংশগ্রহণের জন্য [[যুক্তরাষ্ট্র|আমেরিকার]] কাছে কৃতজ্ঞ। সেই সময়ে, কোরিয়া প্রজাতন্ত্র ছিল বিশ্বের অন্যতম দরিদ্র দেশ, যার বার্ষিক মাথাপিছু আয় ছিল ৪০ ডলারের কম। ২০০৯ সালে, আমার দেশ অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থার উন্নয়ন সহায়তা কমিটির সদস্য হয়; একমাত্র প্রজন্মেই সাহায্য গ্রহণকারী দেশ থেকে সাহায্য প্রদানকারী দেশে পরিণত হওয়া এটিই প্রথম দৃষ্টান্ত।</p>
** মিউং-বাক লি, [http://articles.latimes.com/2010/jun/25/opinion/la-oe-lee-thanks-20100625 “আ নোট অফ থ্যাঙ্কস”] (২৫ জুন ২০১০), ''দ্য লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস''।
*<p>আমরা সেখানে গিয়ে যুদ্ধ করেছি এবং শেষ পর্যন্ত প্রতিটি [[শহর]] জ্বালিয়ে দিয়েছি...</p><p>প্রায় তিন বছরের বা তার কিছু বেশি সময়ে, আমরা কত শতাংশ—ধরুন—জনসংখ্যার বিশ শতাংশকে [[হত্যা]] করেছি?</p>
**কার্টিস লেমে, ''স্ট্র্যাটেজিক এয়ার ওয়ারফেয়ার: অ্যান ইন্টারভিউ উইথ জেনারেলস'' (১৯৮৮)।
* সামরিক সংযোগ ও সামরিক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত খুব অল্প সংখ্যক ব্যক্তির সহিংস চরমপন্থী কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ সামরিক বাহিনী এবং সামগ্রিকভাবে দেশটির জন্য একটি ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
** পিটার কে. লেভিন; জোসেফ এফ. অ্যাডামস; অ্যামি এ. অলরিচ; র্যাচেল জি. অগাস্টিন; মার্গারেট ডি.এম. বারবার; সুজিতা বি. ভাট; ক্যাথলিন এম. কনলি; ডেভ আই. কোটিং; অ্যালান বি. গেল্ডার; জেফারি এম. জাভোরস্কি; মার্ক এফ. কেই; ক্যারিংটন এ. মেটস; নীল ভি. মিত্তাল; ম্যাথিউ জে. রিড; [https://www.ida.org/research-and-publications/publications/all/p/pr/prohibited-extremist-activities-in-the-us-department-of-defense “প্রোহিবিটেড এক্সট্রিমিস্ট অ্যাক্টিভিটিস ইন দ্য ইউ.এস. ডিপার্টমেন্ট অফ ডিফেন্স”], ''প্রতিরক্ষা দপ্তর'', (ডিসেম্বর ২০২৩); উইল কারলেস [https://www.usatoday.com/story/news/investigations/2023/12/26/pentagon-extremist-study-released/72034360007/ “আফটার ইউএসএ টুডে ইনভেস্টিগেশন, মিলিটারি ফাইনালি রিলিজড ইন্টারনাল এক্সট্রিমিজম রিপোর্ট”], ''ইউএসএ টুডে'', (২৬ ডিসেম্বর, ২০২৩)-এ উদ্ধৃত।
* ডিওডিের নিরাপত্তা ছাড়পত্র প্রদান, উপযুক্ততা মূল্যায়ন এবং স্থাপনায় প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার প্রক্রিয়া এখনো মূলত স্নায়ু যুদ্ধের হুমকি এবং বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধের সাথে সম্পর্কিত ঝুঁকির দিকেই বেশি গুরুত্ব দেয়, অথচ ঘরের ভেতরের চরমপন্থার হুমকির দিকে নয়।
** পিটার কে. লেভিনসহ অন্যরা; [https://www.ida.org/research-and-publications/publications/all/p/pr/prohibited-extremist-activities-in-the-us-department-of-defense “প্রোহিবিটেড এক্সট্রিমিস্ট অ্যাক্টিভিটিস ইন দ্য ইউ.এস. ডিপার্টমেন্ট অফ ডিফেন্স”], ''প্রতিরক্ষা দপ্তর'', (ডিসেম্বর ২০২৩); উইল কারলেস [https://www.usatoday.com/story/news/investigations/2023/12/26/pentagon-extremist-study-released/72034360007/ “আফটার ইউএসএ টুডে ইনভেস্টিগেশন, মিলিটারি ফাইনালি রিলিজড ইন্টারনাল এক্সট্রিমিজম রিপোর্ট”], ''ইউএসএ টুডে'', (২৬ ডিসেম্বর, ২০২৩)-এ উদ্ধৃত।
*জাতিসমূহের [[আইন]] গায়ের রঙের কোনো পার্থক্য জানে না, এবং '''যদি যুক্তরাষ্ট্রের কোনো শত্রু তাদের সেনাবাহিনীর কোনো বন্দীকে দাস বানিয়ে বিক্রি করে, তবে তা হবে কঠোরতম প্রতিশোধের একটি ক্ষেত্র''', যদি অভিযোগের ভিত্তিতে প্রতিকার না পাওয়া যায়।
** ''দ্য লিবার কোড অফ ১৮৬৩'', মার্কিন যুদ্ধ দপ্তর, ৫৮
*আমি যদি নোবেল শান্তি পুরস্কার জিততাম, তবে আমি তা প্রদান করতাম হয় [[জর্জ ডব্লিউ. বুশ|বুশ প্রশাসনকে]], যারা উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক কর্মসূচি সফলভাবে নিরস্ত্রীকরণ এবং ইরানেও একই কাজ করার জন্য অধ্যবসায়ের সাথে কাজ করেছিল, অথবা আমি তা প্রদান করতাম জেনারেল পেট্রিয়াস ও মার্কিন সামরিক বাহিনীকে। বিশ্বে যদি শান্তির কোনো ইঞ্জিন থেকে থাকে, তবে তা হলো মার্কিন সামরিক বাহিনী।
**রাশ লিম্বো, [http://www.rushlimbaugh.com/home/daily/site_101207/content/01125107.guest.html ''রাশ লিম্বো''] (১২ অক্টোবর ২০০৭)।
*'''আমাদের নিজেদের [[স্বাধীনতা]] ও স্বাধীনতার দুর্গ কী?''' এটি কি আমাদের ভ্রুকুটি করা দুর্গ, আমাদের ঝকঝকে সমুদ্র উপকূল, আমাদের যুদ্ধের বাষ্পচালিত জাহাজের কামান, নাকি আমাদের বীর ও সুশৃঙ্খল সেনাবাহিনীর শক্তি? আমাদের ন্যায্য ভূমিতে স্বৈরাচারের পুনরুত্থানের বিরুদ্ধে এগুলো আমাদের নির্ভরতা নয়। সংগ্রামের জন্য আমাদের দুর্বল বা শক্তিশালী না করেই এর সব কিছুই আমাদের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে ব্যবহার করা যেতে পারে। '''আমাদের নির্ভরতা হলো [[ঈশ্বর|ঈশ্বরের]] আমাদের হৃদয়ে রোপণ করা স্বাধীনতার ভালোবাসার ওপর। আমাদের প্রতিরক্ষা হলো সেই আত্মায়, যা স্বাধীনতাকে সব ভূমির, সব মানুষের উত্তরাধিকার হিসেবে মূল্যবান মনে করে। এই আত্মাকে ধ্বংস করুন, এবং আপনি আপনার নিজের দরজায় স্বৈরাচারের বীজ রোপণ করেছেন। নিজেদের বন্দিত্বের শিকলের সাথে পরিচিত করুন এবং আপনারা তা পরিধানের জন্য নিজেদের অঙ্গ প্রস্তুত করছেন। আপনাদের আশেপাশের মানুষের অধিকার পদদলিত করতে অভ্যস্ত হয়ে, আপনারা নিজেদের স্বাধীনতার প্রতিভা হারিয়ে ফেলেছেন এবং প্রথম ধূর্ত স্বৈরাচারের উপযুক্ত প্রজা হয়ে উঠেছেন যে জেগে ওঠে।'''
**[[আব্রাহাম লিঙ্কন|আব্রাহাম লিঙ্কনের]] এডওয়ার্ডসভিল, ইলিনয়-এ ভাষণ (১১ সেপ্টেম্বর ১৮৫৮); লিঙ্কন, আব্রাহাম; মারিও ম্যাথিউ কুওমো, হ্যারল্ড হোলজার, জি. এস. বোরিট, ''[http://books.google.de/books?id=8bWmmyJEMZoC&pg=PA128&redir_esc=y#v=onepage&q&f=false লিঙ্কন অন ডেমোক্রেসি]'' (ফোর্ডহ্যাম ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১ সেপ্টেম্বর ২০০৪), ১২৮-এ উদ্ধৃত। {{ISBN|978-0823223459}}।
*এটা উল্লেখযোগ্য যে, সরকারের এই কঠিন সময়ে সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর যে বিশাল সংখ্যক ব্যক্তি যারা বিভিন্ন পদে সুবিধা পেয়েছিলেন তারা পদত্যাগ করেছেন এবং যাদের দ্বারা লালিত হয়েছিলেন তাদের প্রতি মিথ্যা প্রমাণ করেছেন, কিন্তু কোনো সাধারণ সৈন্য বা সাধারণ নাবিক তাদের পতাকা ত্যাগ করেছে বলে জানা যায়নি। বিশ্বাসঘাতক সহযোগীদের উদাহরণ সত্ত্বেও যারা অটল ছিলেন সেই কর্মকর্তাদের প্রতি অনেক সম্মান; কিন্তু সবচেয়ে বড় সম্মান ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হলো সাধারণ সৈনিক ও নাবিকদের সর্বসম্মত দৃঢ়তা। যতটুকু জানা যায়, শেষ ব্যক্তি পর্যন্ত তারা তাদের বিশ্বাসঘাতক প্রচেষ্টাকে সফলভাবে প্রতিহত করেছে, যাদের কমান্ড তারা মাত্র এক ঘণ্টা আগেও পরম আইন হিসেবে মেনে চলত। এটি সাধারণ মানুষের দেশপ্রেমিক প্রবৃত্তি। তারা কোনো যুক্তি ছাড়াই বোঝে যে, ওয়াশিংটন কর্তৃক তৈরি সরকার ধ্বংস করা তাদের জন্য কোনো ভালো বয়ে আনবে না।
**[[আব্রাহাম লিংকন|আব্রাহাম লিঙ্কন]], [http://millercenter.org/president/speeches/speech-3508 কংগ্রেসের উদ্দেশ্যে ৪ঠা জুলাইয়ের বার্তা] (৪ জুলাই ১৮৬১)
*'''সাতাশি বছর আগে আমাদের পূর্বপুরুষরা এই মহাদেশে এক [[যুক্তরাষ্ট্র|নতুন জাতি]] নিয়ে এসেছিলেন, যা স্বাধীনতায় গড়া এবং এই প্রস্তাবনায় নিবেদিত যে সমস্ত মানুষ সমানভাবে সৃষ্ট। এখন আমরা এক মহান গৃহযুদ্ধে লিপ্ত, পরীক্ষা করছি যে সেই জাতি বা এমন কোনো জাতি কি দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে?''' আমরা সেই যুদ্ধের এক মহান রণক্ষেত্রে মিলিত হয়েছি। আমরা এসেছি সেই মাঠের একটি অংশ উৎসর্গ করতে, [[যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনী|যাঁরা এখানে জীবন দিয়েছেন]] সেই জাতির বেঁচে থাকার জন্য। এটি করা অত্যন্ত উপযুক্ত। '''কিন্তু, বৃহত্তর অর্থে, আমরা এই ভূমি উৎসর্গ করতে পারি না, পবিত্র করতে পারি না। এখানে লড়াই করা সাহসী পুরুষরা, জীবিত ও মৃত, তারা এটিকে উৎসর্গ করেছেন আমাদের যোগ করার বা বিয়োগ করার সামান্য ক্ষমতার ঊর্ধ্বে। বিশ্ব খুব সামান্যই লক্ষ্য করবে, বা আমরা এখানে কী বলেছি তা মনে রাখবে, কিন্তু তারা এখানে কী করেছে তা কখনোই ভুলতে পারবে না। জীবিত আমাদের জন্য, বরং এখানে সেই অসমাপ্ত কাজের প্রতি নিবেদিত হওয়া উচিত যা যারা এখানে লড়াই করেছিলেন তারা মহৎভাবে এগিয়ে নিয়ে গেছেন।''' আমাদের বরং এখানে সেই মহান কাজের প্রতি নিবেদিত হওয়া উচিত যা আমাদের সামনে রয়েছে — যে এই সম্মানিত মৃতদের কাছ থেকে আমরা সেই উদ্দেশ্যের প্রতি বর্ধিত ভক্তি গ্রহণ করি যার জন্য তারা ভক্তির চূড়ান্ত পরিমাপ দিয়েছিলেন — যে '''আমরা এখানে উচ্চস্বরে প্রতিজ্ঞা করছি যে এই মৃতরা বৃথা যাননি — যে এই জাতি, ঈশ্বরের অধীনে, স্বাধীনতার এক নতুন জন্ম লাভ করবে — এবং যে জনগণের সরকার, জনগণের দ্বারা, জনগণের জন্য, পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হবে না।'''
**[[আব্রাহাম লিংকন|আব্রাহাম লিঙ্কন]], ''দ্য গেটিসবার্গ অ্যাড্রেস'' (১৯ নভেম্বর ১৮৬৩)
*সৈনিকগণ। আপনারা আপনাদের ঘর ও বন্ধুদের কাছে ফিরে যেতে প্রস্তুত, ক্যাম্পের দায়িত্ব পালনের পর, এই মহান প্রতিযোগিতায়। আমি আপনাদের কাছে এবং যারা দেশের ডাকে এগিয়ে এসেছেন তাদের সবার কাছে গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। '''আমি চাই এটি আরও ব্যাপকভাবে বোঝা যাক যে দেশটি এখন কিসের সাথে জড়িত। আমাদের আছে, সবাই একমত হবেন, এক মুক্ত সরকার, যেখানে প্রত্যেক মানুষের অন্য সবার সাথে সমান হওয়ার অধিকার আছে।'''
**[[আব্রাহাম লিংকন|আব্রাহাম লিঙ্কন]], ওয়ান হান্ড্রেড সিক্সটি-ফোর্থ ওহাইও রেজিমেন্টের উদ্দেশ্যে ভাষণ (১৮ আগস্ট ১৮৬৪), ওয়াশিংটন, ডি.সি.তে প্রদত্ত।
*'''যদি [[কনফেডারেট স্টেটস অফ আমেরিকা|আমাদের শত্রুরা]] সফল হয় তবে প্রতিটি মানবাধিকার হুমকির মুখে পড়বে। এই প্রতিযোগিতায় প্রত্যেকের ধারণার চেয়েও বেশি কিছু জড়িত। এই সংগ্রামে প্রশ্ন জড়িত যে আপনার সন্তান এবং আমার সন্তানরা সেই সুবিধাগুলো ভোগ করবে কি না যা আমরা ভোগ করেছি।''' আমি এটি বলছি যাতে আপনাদের প্রভাবিত করতে পারি, যদি আপনারা আগে থেকেই প্রভাবিত না হয়ে থাকেন, যে '''কোনো ছোট বিষয় আমাদের মহান উদ্দেশ্য থেকে আমাদের বিচ্যুত করা উচিত নয়।''' আমাদের পদ্ধতির ব্যবহারিক প্রয়োগে কিছু অনিয়ম থাকতে পারে। '''এটি ন্যায্য যে প্রতিটি ব্যক্তি তার সম্পত্তির মূল্যের সমানুপাতে কর প্রদান করবে; কিন্তু যদি আমরা কর সংগ্রহের আগে প্রতিটি ব্যক্তির কর অন্য সবার সমানুপাতে সমন্বয় করার জন্য অপেক্ষা করি, তবে আমরা কখনোই কোনো কর সংগ্রহ করতে পারব না।''' মাঝে মাঝে ভুল হতে পারে; সরকারের কর্মকর্তারা ভুল প্রতিরোধের জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করলেও কাজ ভুল হতে পারে। কিন্তু আমি আপনাদের অনুরোধ করি, এই মহান প্রজাতন্ত্রের নাগরিক হিসেবে, আপনারা আমাদের সামনে থাকা মহান কাজ থেকে আপনাদের মনকে বিচ্যুত হতে দেবেন না। '''এই সংগ্রাম আপনাদের বিচ্যুত হওয়ার জন্য খুব বড়।''' যখন আপনারা আপনাদের বাড়িতে ফিরে যাবেন, তখন মুক্ত সরকারের যোগ্য এক প্রজন্মের উচ্চতায় উঠে দাঁড়াবেন, এবং আমরা আমাদের শুরু করা মহান কাজ সম্পন্ন করব। আজ বিকেলে আপনারা আমাকে যে সম্মান দিয়েছেন তার জন্য আমি আপনাদের আমার আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।
**[[আব্রাহাম লিংকন|আব্রাহাম লিঙ্কন]], ওয়ান হান্ড্রেড সিক্সটি-ফোর্থ ওহাইও রেজিমেন্টের উদ্দেশ্যে ভাষণ (১৮ আগস্ট ১৮৬৪), ওয়াশিংটন, ডি.সি.তে প্রদত্ত।
*সামরিক নিয়োগকারীরা এবং উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা প্রায়ই এই কথাটি পুনরাবৃত্তি করতে পছন্দ করেন যে সশস্ত্র বাহিনীর গড় সদস্য গড় আমেরিকানদের চেয়ে বেশি শিক্ষিত। এটি সত্য। প্রতিরক্ষা দপ্তরের মতে, প্রায় ৯৪% তালিকাভুক্ত কর্মীর হাই-স্কুল ডিপ্লোমা রয়েছে, যেখানে মাত্র ৬০% আমেরিকানদের তা আছে। সাধারণ জনসংখ্যার ৩০% এর তুলনায় প্রায় ৮৩% অফিসারের স্নাতক ডিগ্রি রয়েছে।
**বেঞ্জামিন লাক্সেনবার্গ, [http://www.wsj.com/articles/military-officers-dont-need-college-degrees-1439249756 “মিলিটারি অফিসারস ডোন্ট নিড কলেজ ডিগ্রিস”] (১০ আগস্ট ২০১৫), ''ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল''
==এম==
[[চিত্র:US_Sons_OfLiberty_9Stripes_Flag.svg|থাম্ব|সংবিধানের প্রতি আমার কর্তব্য ও [[দায়িত্ব]] আছে, আমার আনুগত্য সেখানেই। আমি সংবিধানের প্রতিই [[শপথ]] নিয়েছি। আমাদের ইউনিফর্মে থাকা সবার একই শপথ। আমরা কোনো ব্যক্তি বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান ছাড়া অন্য কিছুর প্রতি শপথ নেই না।<br> আমাদের শপথ ও দায়িত্ব হলো সংবিধান রক্ষা ও প্রতিরক্ষা করা। এর অংশ হিসেবে আমাদের নির্বাচিত প্রতিনিধির যেকোনো [[আইনি]] [[বৈধ]] আদেশ মানতে হয়, তা আপনি পছন্দ করুন বা না করুন। আদেশগুলো বৈধ হলে তা মানা আমাদের [[দায়িত্ব]]। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যে, [[সামরিক বাহিনী]] হিসেবে আমরা আইন অনুযায়ী বৈধ আদেশ মানতে বাধ্য। ~ [[মার্ক মিলি]]]]
[[চিত্র:US_map_1864_Civil_War_divisions.svg|থাম্ব|আমার মনে হয় একজন সৈনিক এবং জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফের চেয়ারম্যান হিসেবে আমার মূল [[দায়িত্ব]] হলো দেশের বাইরে কাজ করা। অভ্যন্তরীণ কোনো বিষয় মূলত অভ্যন্তরীণ [[রাজনীতি]] বা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাজ, যদি না অন্য কোনো বিশেষ [[কারণ]] থাকে। ~ মার্ক মিলি]]
* তোমাদের [[পুত্র]] ও [[কন্যাদের]] আমেরিকান সৈনিকের শান্ত, সুচিন্তিত এবং দৃঢ় মনোবলের মাধ্যমে বিশ্বস্ততার সাথে সেবা করেছে। তাদের এই শক্তি মিথ্যা গল্পের ওপর ভিত্তি করে চলা শত্রুর গোঁড়ামিকে হারিয়ে আমাদের বিজয় এনে দিয়েছে। তারা বাড়ি ফিরছে, তাদের যত্ন নাও।
**ডগলাস ম্যাকআর্থার, [https://ussmissouri.org/learn-the-history/surrender/general-macarthurs-radio-address/ রেডিও ভাষণ] (২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫)।
* আমি ফিরে এসেছি। সর্বশক্তিমান [[ঈশ্বর|ঈশ্বরের]] কৃপায় আমাদের বাহিনী আবার দাঁড়িয়েছে।
**ডগলাস ম্যাকআর্থার, [https://www.youtube.com/watch?v=Wv1PF0tAE1s লেতে, ফিলিপাইনে অবতরণের সময়] (২০ অক্টোবর ১৯৪৪)
* <p>[[কোরীয় যুদ্ধ|কোরীয় যুদ্ধের]] রণক্ষেত্রে পুয়ের্তো রিকানরা ৬৫তম পদাতিক বাহিনীর র্যাঙ্কে যুদ্ধ করছে...</p><p>তারা যুদ্ধের ময়দানে সাফল্যের উজ্জ্বল নজির স্থাপন করছে। তাদের এই কমান্ডে পেয়ে আমি সত্যিই গর্বিত। আমি আশা করি তাদের মতো আরও অনেকে আমাদের সাথে থাকবে।</p>
**ডগলাস ম্যাকআর্থার, [http://www.valerosos.com/HonorandFidelity3.html#The_Korean_War:_1950 ১২ ফেব্রুয়ারি ১৯৫১ সালে টোকিওতে উদ্ধৃত]।
* আমি আবেগপ্রবণ হতে চাই না, তবে এখানে আমেরিকান সৈন্যদের সাথে থাকাটা আমার কাছে অনেক সম্মানের। আমি দেখেছি, আমেরিকান সৈন্যরা যেকোনো সামরিক মিশন সম্পন্ন করতে পারে। দক্ষিণ [[আফগানিস্তান]]ের কঠিন জায়গাতেও তারা কাজ করবে। তবে এখানে থেকে বোঝা যায় যে, সামরিক দিকটি পুরোপুরি সফল হলেও যুদ্ধের সাফল্যের জন্য এটি ২০% মাত্র। আসল কাজটা আফগান জনগণের। আমেরিকানরা জায়গাটা পরিষ্কার করে দেবে এবং তাদের কাজ করাটা সম্মানের। তারা কঠোর পরিশ্রম করছে, কিন্তু আফগানরা এগিয়ে আসবে কি না তার ওপরই নির্ভর করছে আমরা একে বিজয় বলতে পারি কি না।
**[[র্যাচেল ম্যাডো]], [http://rawstory.com/rawreplay/2010/07/06/maddow-afghanistan-counterinsurgency-deadline/ "আফগানিস্তান কাউন্টার-ইনসার্জেন্সি ডেডলাইন"] (৬ জুলাই ২০১০), ''র-স্টোরি''
* আমেরিকার স্থির নীতি হলো—যুদ্ধের চেয়ে শান্তি ভালো, আবার উপঢৌকন দেওয়ার চেয়ে যুদ্ধ ভালো। যুক্তরাষ্ট্র কোনো দেশের সাথে যুদ্ধ চায় না, কিন্তু শান্তির জন্য কারো কাছে মাথা নত করবে না।
**[[জেমস ম্যাডিসন]], ওলকট চন্সি এবং উইলিয়াম শ্যালারের কাছে লেখা চিঠি, ১৮১৫ সালের চুক্তি। এটি বারবারি যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটায় এবং জলদস্যু রাষ্ট্রগুলোকে উপঢৌকন দেওয়ার প্রথা বন্ধ করে। [http://books.google.com/books?id=YMwRAAAAYAAJ&pg=PA46| রবার্ট গ্রিনহোর "হিস্ট্রি অ্যান্ড প্রেজেন্ট কন্ডিশন অফ ত্রিপোলি", ১৮৩৫, পৃষ্ঠা ৪৬]-এ উদ্ধৃত।
* মন্টিজুমার হল থেকে ত্রিপোলির তীর পর্যন্ত!
আমরা আকাশ, স্থল ও সমুদ্রে আমাদের দেশের যুদ্ধ লড়ি!
সবার আগে লড়ি, অধিকার ও স্বাধীনতার জন্য!
**''মেরিনস হাইম''
* আমেরিকা জেগে ওঠো। আমরা আমাদের সামরিক বাহিনী ও দেশকে ভালোবাসি, কিন্তু আমরা ট্রাম্পকে ঘৃণা করি।
**মার্শাল বি. ম্যাথারস, [https://twitter.com/Eminem/status/917922469775925248 "দ্য স্টর্ম"] (অক্টোবর ২০১৭)
:'''জোশুয়া এল. চেম্বারলেইন''': এটি ভিন্ন ধরনের একটি সেনাবাহিনী। [[ইতিহাস]] দেখলে দেখবেন মানুষ বেতন, নারী বা লুটের জন্য যুদ্ধ করে। তারা ভূমি বা ক্ষমতার জন্য লড়ে, অথবা রাজা তাদের নেতৃত্ব দেয়, কিংবা শুধু হত্যা করতে পছন্দ করে বলে লড়ে। কিন্তু আমরা নতুন কিছুর জন্য এখানে। পৃথিবীতে এমন ঘটনা খুব কম ঘটেছে। আমরা অন্যদের মুক্ত করার জন্য একটি সেনাবাহিনী। আমেরিকার মাটি মুক্ত হওয়া উচিত—পুরোটা। দাস রাষ্ট্র বা মুক্ত রাষ্ট্রের বিভাজন থাকবে না, এপাশ থেকে প্রশান্ত মহাসাগর পর্যন্ত। কাউকে মাথা নত করতে হবে না। কেউ রাজবংশে জন্মায়নি। এখানে আমরা আপনার কাজ দিয়ে আপনাকে বিচার করি, আপনার বাবা কে তা দিয়ে নয়। এখানে আপনি কিছু হতে পারেন। এখানে ঘর গড়ার জায়গা আছে। এটা শুধু জমি নয়। জমি সবসময় আরও পাওয়া যায়। আসল কথা হলো, আমাদের সবার মূল্য আছে—আপনার এবং আমার। শেষ পর্যন্ত আমরা একে অপরের জন্য লড়ছি।
:*''গেটিসবার্গ'' (১৯৯৩), চিত্রনাট্য রোনাল্ড এফ. ম্যাক্সওয়েল
* মার্কিন সশস্ত্র বাহিনী একটি শক্ত পাথরের মতো। এটি কৌশলগত ও অপারেশনাল দিক থেকে আমাদের দেখা সবচেয়ে যোগ্য এবং চমৎকারভাবে নেতৃত্বাধীন সামরিক বাহিনী। যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হওয়ার কোনো কারণ নেই।
**ব্যারি ম্যাকক্যাফ্রে, [http://www.jerrypournelle.com/reports/jerryp/Iraqreport.html "দ্য বটম লাইন – অবজারভেশনস ফ্রম ইরাকি ফ্রিডম"] (৪ মে ২০০৬), ''কেয়স ম্যানর স্পেশাল রিপোর্টসে'' উদ্ধৃত।
* আমরা প্রথমে আমেরিকান, শেষে আমেরিকান, সবসময় আমেরিকান। আমাদের মতপার্থক্য নিয়ে তর্ক হোক। কিন্তু মনে রাখতে হবে আমরা শত্রু নই, বরং একটি বাস্তব শত্রুর বিরুদ্ধে লড়তে আমরা কমরেড। আমাদের সামরিক শ্রেষ্ঠত্বের সাথে আমাদের আদর্শ ও ভালোবাসার গভীরতা মিশে আছে। আমরা আমেরিকান, আমরা কখনোই আত্মসমর্পণ করব না। ''তারা'' করবে।
**[[জন ম্যাককেইন]], ''[http://www.gwu.edu/~action/2004/repconv04/mccain083004sp.html রিপাবলিকান ন্যাশনাল কনভেনশন]'' (৩০ আগস্ট ২০০৪)
* ভুল করবেন না: আমি কোনো অপরিচিত প্রবৃত্তি থেকে আমাদের সামরিক বাহিনীকে মূল্যায়ন করি না। আমি একটি সামরিক পরিবারে বড় হয়েছি, আমার নিজের সেবার রেকর্ড আছে এবং আমার পুরো ক্যারিয়ারে আমি সশস্ত্র বাহিনীর সাথে যুক্ত ছিলাম। আমেরিকান সিস্টেমে সামরিক বাহিনীর মূল্য কেবল তখনই থাকে যখন তা জনগণের স্বাধীনতা রক্ষা করে।
**[[জন ম্যাককেইন]], [[ডোনাল্ড ট্রাম্প|ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের করা মন্তব্য সম্পর্কে বিবৃতি। মন্তব্যটি ছিল মার্কিন সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন হুমায়ুন খানের পিতা খিজির ও গাজালা খানের সম্পর্কে, যিনি ২০০৪ সালে ইরাকে নিহত হন ([http://edition.cnn.com/2016/08/01/politics/john-mccain-statement-khan-family/index.html])।
* সকল কার্যকলাপ [[বর্ণবাদ|বর্ণবাদমুক্ত]] রাখা এবং সকল ইউনিফর্মধারী সদস্য ও বেসামরিক কর্মচারীদের বর্ণের নির্বিশেষে সমান সুযোগ প্রদান করা প্রতিরক্ষা দপ্তরের নীতি।
**রবার্ট ম্যাকনামারা, ''নির্দেশনা ৫১২০.৩৬'' (জুলাই ১৯৬৩)
* আফ্রিকান আমেরিকানরা আমেরিকার যুদ্ধে যোগ দিতে চেয়েছে। একবিংশ শতাব্দীতেও আমেরিকান সামরিক বাহিনীর শক্তি বজায় রাখার জন্য আফ্রিকান-আমেরিকান সংস্কৃতির ব্যক্তিগত ও সামরিক সম্মানবোধ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
**ওয়াল্টার রাসেল মিড, [https://drive.google.com/file/d/0B-5-JeCa2Z7hZmU2ZTg0OTktYTRlNC00NzA2LThlOWItYzg5ODU4NTViYTE0/view?pref=2&pli=1 "দ্য জ্যাকসোনিয়ান ট্র্যাডিশন অ্যান্ড আমেরিকান ফরেন পলিসি"] (ডিসেম্বর ১৯৯৯), ''দ্য ন্যাশনাল ইন্টারেস্ট'', পৃষ্ঠা ১৫
* আমেরিকান সামরিক বাহিনী আগের চেয়ে অনেক শক্তিশালী। আমাদের অস্ত্রগুলো অনেক বেশি স্মার্ট এবং কার্যকর। আমাদের পেশাদার সেনাবাহিনী মানব ইতিহাসের সবচেয়ে কার্যকর বাহিনী হয়ে উঠেছে। অপ্রতিসম যুদ্ধের ক্ষেত্রে আমাদের ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে। কৌশলের অভাব থাকলে শুধু সামরিক শক্তি দিয়ে জয় সম্ভব নয়। কিন্তু হাই-টেক অস্ত্র, উন্নত প্রশিক্ষণ এবং গত বিশ বছরে অর্জিত সাংস্কৃতিক, কূটনৈতিক ও মানবিক দক্ষতা আমাদের সামরিক ক্ষমতাকে অপ্রতিদ্বন্দ্বী করে তুলেছে। এই শক্তি কোনো জাদুর বড়ি নয় যে সবকিছু সম্ভব, তবে তৃতীয় বিশ্বের কোনো স্বৈরশাসক এখন আর প্রচলিত অস্ত্র দিয়ে মার্কিন হস্তক্ষেপ ঠেকাতে পারবে না। প্রথম উপসাগরীয় যুদ্ধে মার্কিন সামরিক বাহিনী সাদ্দামের বাহিনীকে মাছি মারার মতো দমন করেছিল। দ্বিতীয় যুদ্ধে আমাদের প্রচলিত শ্রেষ্ঠত্ব আরও বেশি ছিল।
**ওয়াল্টার রাসেল মিড, [https://web.archive.org/web/20111023223930/http://blogs.the-american-interest.com/wrm/2011/10/20/farewell-to-the-great-loon/ "ফেয়ারওয়েল টু দ্য গ্রেট লুন"] (২০ অক্টোবর ২০১১), ''দ্য আমেরিকান ইন্টারেস্ট''
* আক্রমণাত্মক বাস্তবতা অনুযায়ী, যখন [[ইউরোপ|ইউরোপে]] এমন কোনো সম্ভাব্য শক্তি উদয় হয় যা স্থানীয় শক্তিগুলো দমন করতে পারে না, তখন যুক্তরাষ্ট্র তার সেনাবাহিনী [[আটলান্টিক মহাসাগর|আটলান্টিক]] পার করে পাঠাবে।
** [[জন মিয়ারশাইমার]], ''দ্য ট্র্যাজেডি অফ গ্রেট পাওয়ার পলিটিকস'' (২০০১)।
* '''মিলি''': আমার [[কর্তব্য]] ও [[দায়িত্ব]] সংবিধানের প্রতি, আমার [[আনুগত্য]] সেখানেই। আমি সংবিধানের শপথ নিয়েছি। আমাদের ইউনিফর্মে থাকা সবাই তাই করে। আমরা কোনো [[ব্যক্তি]] বা অন্য কিছুর শপথ নিই না, কেবল [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান]]ের শপথ নিই। আমাদের দায়িত্ব ও শপথ হলো সংবিধান রক্ষা করা। আমাদের নির্বাচিত প্রতিনিধির যেকোনো [[আইনি]] আদেশ মানতে আমরা বাধ্য, তা আপনি পছন্দ করুন বা না করুন। আদেশগুলো আইনসম্মত হলে তা পালন করা আমাদের [[দায়িত্ব]]। আমরা আইন অনুযায়ী বৈধ আদেশ মানতে বাধ্য।
** [[মার্ক মিলি]], মেরি লুইস কেলি ও এরিকা রায়ানের সাক্ষাৎকার; [https://www.npr.org/2023/10/02/1202971562/mark-milley-donald-trump-military-army-constitution "'দ্য মিলিটারি হ্যাজ নো রোল' ইন পলিটিকস, সেজ রিটায়ারিং চেয়ার অফ দ্য জয়েন্ট চিফস”], অল থিংস কনসিডারড, ''এনপিআর'', (২ অক্টোবর, ২০২৩)
* '''কেলি''': অবসরপ্রাপ্ত [[যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনী|এয়ার ফোর্স]] জেনারেল ও সিআইএর প্রাক্তন পরিচালক মাইকেল হেডেন জানতে চেয়েছেন: "আমরা কি ঠিক আছি?" তার প্রশ্ন ছিল, [[চীন]] বা [[রাশিয়া]] নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্র নিজেই তার জাতীয় নিরাপত্তার জন্য সবচেয়ে বড় [[হুমকি]]। জেনারেল মিলি, আপনি কী ভাবেন?
: '''মিলি''': একজন [[সৈনিক]] এবং [[জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফ]]ের চেয়ারম্যান হিসেবে আমার প্রাথমিক [[দায়িত্ব]] দেশের বাইরে। অভ্যন্তরীণ যেকোনো বিষয় মূলত [[রাজনীতি]] বা [[আইন প্রয়োগকারী সংস্থার]] কাজ, যদি না অন্য কোনো বিশেষ [[কারণ]] থাকে।
:* [[মার্ক মিলি]], মেরি লুইস কেলি ও এরিকা রায়ানের সাক্ষাৎকার; [https://www.npr.org/2023/10/02/1202971562/mark-milley-donald-trump-military-army-constitution "'দ্য মিলিটারি হ্যাজ নো রোল' ইন পলিটিকস, সেজ রিটায়ারিং চেয়ার অফ দ্য জয়েন্ট চিফস”], অল থিংস কনসিডারড, ''এনপিআর'', (২ অক্টোবর, ২০২৩)
* বিশ্বের ইতিহাসে আমেরিকান সৈনিকের মতো অন্য কেউ অপরিচিত মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তির জন্য এত ত্যাগ স্বীকার করেনি। আমাদের সৈনিকরা শুধু বিদেশে স্বাধীনতা দেয় না, দেশেও তা রক্ষা করে।
**[[জেল মিলার|জেল মিলার]], [https://web.archive.org/web/20141126130444/http://www.cbsnews.com:80/news/text-of-zell-millers-rnc-speech/ রিপাবলিকান ন্যাশনাল কনভেনশনে ভাষণ] (২০০৪)
* আমি মনে করি সব যোগ্য পুরুষ ও নারীর ড্রাফটে নাম নিবন্ধন করা উচিত।
**[[মার্ক মিলি|মার্ক মিলি]], [http://www.npr.org/sections/thetwo-way/2016/02/03/465404486/army-marine-corps-generals-say-women-should-have-to-register-for-the-draft সেনেট আর্মড সার্ভিসেস কমিটির শুনানি] (ফেব্রুয়ারি ২০১৬)
* <p>আজকের আর্মি মেজররা শুধু [[সন্ত্রাসবাদ|সন্ত্রাসবাদী]] ও [[গেরিলা যুদ্ধ|গেরিলাদের]] বিরুদ্ধে লড়াই জানে, কারণ তারা [[১১ সেপ্টেম্বর হামলা|৯/১১]]ের পর আর্মিতে এসেছে।</p><p>তবে উচ্চপর্যায়ের হুমকির ক্ষেত্রে গত ১৫ বছরে আমাদের দক্ষতা কমে গেছে।</p>
**মার্ক মিলি, [http://www.nytimes.com/2016/05/16/world/africa/army-milley-africa-terrorism-land-war.html?ribbon-ad-idx=5&rref=world/africa সাক্ষাৎকার] (২০১৬)
* [[নৌবাহিনী|নৌবাহিনীতে]], আপনি [[সাত সমুদ্র|সাত সমুদ্র]] পাড়ি দিতে পারেন!
নৌবাহিনীতে, আপনি নিশ্চিন্তে থাকতে পারেন!
এখন সবাই এগিয়ে আসুন! নৌবাহিনীতে, নৌবাহিনীতে।
বুঝতে পারছেন না, আমাদের সাহায্য প্রয়োজন?
নৌবাহিনীতে! [[মাতৃভূমি|মাতৃভূমি]] রক্ষা করতে এগিয়ে আসুন। নৌবাহিনীতে!
**[https://www.youtube.com/watch?v=InBXu-iY7cw "ইন দ্য নেভি"] (১৭ জানুয়ারি ১৯৭৯), লিখেছেন জ্যাক মোরালি ও ভিক্টর উইলিস, ''গো ওয়েস্ট'' (১৯৭৯), কাসাব্লাঙ্কা রেকর্ডস। গেয়েছেন [[দ্য ভিলেজ পিপল|দ্য ভিলেজ পিপল]]।
* যুদ্ধের পর আমেরিকান সামরিক বিতর্ক ছিল কোন বাহিনী দেশের প্রধান রক্ষক হবে। [[যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী বিমান বাহিনী|আর্মি এয়ার ফোর্সেস]] (১৯৪৭ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর আলাদা সার্ভিস, ইউএসএএফ হিসেবে তৈরি) দাবি করেছিল যে তাদের [[স্ট্র্যাটেজিক এয়ার কমান্ড|স্ট্র্যাটেজিক এয়ার কমান্ড]], বি-২৯ এবং পারমাণবিক বোমা দিয়ে দেশকে রক্ষা করতে পারবে। নৌবাহিনী দাবি করে যে ক্যারিয়ার এয়ার পাওয়ার যুদ্ধ জিতেছে এবং ভবিষ্যতেও সেরা থাকবে। মার্কিন মাটিতে বিমান প্রতিরক্ষা ইউনিটের নিয়ন্ত্রণ কার থাকবে তা নিয়েও বিতর্ক ছিল।
১৯৪৭ সালের ২৬ জুলাই [[জাতীয় নিরাপত্তা আইন ১৯৪৭|জাতীয় নিরাপত্তা আইন]] পাস হয়, যা "আর্মড ফোর্সেস অফ দ্য ইউনাইটেড স্টেটস" গঠন করে এবং সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনীকে প্রতিরক্ষা দপ্তরের অধীনে আনে। তাত্ত্বিকভাবে, এর উদ্দেশ্য ছিল বাহিনীর মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানো। বাস্তবে, বাহিনীগুলোর মধ্যে ঝগড়া চলত। বিমান বাহিনীকে বিমান প্রতিরক্ষা ইউনিটের কৌশলগত কমান্ড দেওয়া হয়েছিল, আর সেনাবাহিনী ইউনিটগুলোর প্রশিক্ষণ ও সরঞ্জামের দায়িত্ব নেয়। ১৯৪৯ সাল নাগাদ টেক্সাসের ফোর্ট ব্লিসের অ্যান্টি-এয়ারক্রাফট আর্টিলারি স্কুলে মাত্র একটি রেগুলার আর্মি অ্যান্টি-এয়ারক্রাফট ইউনিট সক্রিয় ছিল। তিনটি ঘটনা মহাদেশীয় বিমান প্রতিরক্ষার প্রশ্নকে সামনে আনে এবং কোন বাহিনী কী সরবরাহ করবে তা নির্ধারণ করতে বাধ্য করে।
**মার্ক এল. মরগান, মার্ক এ. বেরহো, [https://books.google.com/books?isbn=0615120121 “রিংস অফ সুপারসনিক স্টিল: এয়ার ডিফেন্সেস অফ দ্য ইউনাইটেড স্টেটস আর্মি ১৯৫০-১৯৭৯”], (২০০২), পৃষ্ঠা ৪।
* সরকার বলপ্রয়োগ, প্রতারণা এবং ধোঁকাবাজির মাধ্যমে শাসন করে। সামরিক বাহিনী নিজেই তথ্যের অবরোধ শুরু করে। তারা উদ্দেশ্যমূলকভাবে তথ্য গোপন করে। তাদের বিশাল আকার ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে রাজনৈতিক নেতারা এই প্রতিষ্ঠানকে বুঝতে পারেন না।
এর প্রমাণ? জিএও ২০১৬ সালের রিপোর্টটি পড়ুন। তারা সামরিক বাহিনী কত তেল পোড়ায় তা বের করতে পারেনি। জিএও সিদ্ধান্তে বলে: "কংগ্রেস জানে না সামরিক বাহিনী বার্ষিক কত জ্বালানি ব্যবহার করে..."
এটি অবাক হওয়ার মতো নয়। ১৯৫০ সালের পর থেকে আধুনিক সামরিক বাহিনী সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১, সেকশন ৯ লঙ্ঘন করে ব্যয়ের হিসাব দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছে। ২০১৮ সালে পেন্টাগন প্রথমবারের মতো অডিটে ব্যর্থ হয়। শুধু ৬.৫ ট্রিলিয়ন ডলার নিখোঁজ হওয়ার বিষয় নয়, তাদের অস্বচ্ছ হিসাবরক্ষণ ব্যবস্থা একটি প্রতিরক্ষামূলক অস্ত্র, যা সরকারি কর্মকাণ্ডের বিরোধিতা বা বোঝার চেষ্টাকারীদের থামিয়ে দেয়।
**[https://www.counterpunch.org/2019/06/14/the-climate-counter-offensive-secrecy-deception-and-disarming-the-green-new-deal/ দ্য ক্লাইমেট কাউন্টার-অফেনসিভ: সিক্রেসি, ডিসেপশন অ্যান্ড ডিজআর্মিং দ্য গ্রিন নিউ ডিল, রিচার্ড মোসার, ''কাউন্টারপাঞ্চ''] (১৪ জুন, ২০১৯)
* একটি বড় ও নোংরা গোপন তথ্য হলো—যুদ্ধ [[বৈশ্বিক উষ্ণায়ন|জলবায়ু পরিবর্তন]] বাড়ায়। সামরিক বাহিনী এ বিষয়ে সচেতন। সব গোপন রাখতে সামরিক বাহিনীকে দায়বদ্ধতা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এটি [[আইনের শাসন|আইনের শাসন]]ের ব্যতিক্রম। জি.ডব্লিউ. বুশ ১৯৯৭ সালের [[কিউটো প্রোটোকল|কিউটো অ্যাকর্ডস]]ে এই অব্যাহতি দাবি করেন, যদিও তিনি পরে তা স্বাক্ষর করেননি।
সামরিক বাহিনীর গ্রিনহাউস গ্যাস হিসাবের বাইরে রয়েছে ১৩০টি দেশে ১,০০০টির বেশি ঘাঁটি, যুক্তরাষ্ট্রের ৬,০০০ স্থাপনা, [[বিমানবাহী রণতরী|বিমানবাহী রণতরী]] এবং [[জেট বিমান|জেট বিমান]]। অস্ত্রের পরীক্ষা এবং ন্যাটো ও [[আফ্রিকোম|আফ্রিকোম]]ের মতো বিশাল সামরিক জোটের কার্যক্রমও এর বাইরে। জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা এবং মানবিক ত্রাণ কার্যক্রমও অব্যাহতি পায়।
**[[সারা ফ্লাউন্ডার্স|সারা ফ্লাউন্ডার্স]] উদ্ধৃত: [https://www.counterpunch.org/2019/06/14/the-climate-counter-offensive-secrecy-deception-and-disarming-the-green-new-deal/ দ্য ক্লাইমেট কাউন্টার-অফেনসিভ: সিক্রেসি, ডিসেপশন অ্যান্ড ডিজআর্মিং দ্য গ্রিন নিউ ডিল, রিচার্ড মোসার, ''কাউন্টারপাঞ্চ''] (১৪ জুন, ২০১৯)
* সেনাবাহিনীতে যে কর্মকর্তাকে [[কাপুরুষতা]] বা [[বিশ্বাসঘাতকতা]]র জন্য বরখাস্ত করা হয়, সে নিজেকে [[ডেমোক্রেটিক পার্টি (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)|ডেমোক্র্যাট]] বলে।
** [[অলিভার পি. মর্টন|অলিভার হ্যাজার্ড পেরি মর্টন]], ইন্ডিয়ানার ১৪তম গভর্নর, ইন্ডিয়ানাপলিসের Masonic Hall-এ ইউনিয়ন মাস মিটিং-এ বক্তৃতা (২০ জুন ১৮৬৬): [https://books.google.com/books?id=1-d9AAAAMAAJ&printsec=frontcover&dq=%22Treason+Exposed:+Record+of+the+Disloyal+Democracy%22&hl=en&sa=X&ved=0ahUKEwisi5WmtMrLAhUCOz4KHUcHCEcQ6AEIHDAA#v=onepage&q=%22Treason%20Exposed%3A%20Record%20of%20the%20Disloyal%20Democracy%22&f=false ''ট্রেজন এক্সপোজড: রেকর্ড অফ দ্য ডিসলয়াল ডেমোক্রেসি''] (১৮৬৬), রিপাবলিকান পার্টি (ইন্ড.) স্টেট সেন্ট্রাল কমিটি, পৃষ্ঠা ৩।
==এন==
* আমেরিকান সৈন্য [[ইসরায়েল|ইসরায়েলে]] পাঠানোর দরকার নেই, আমরা নিজেরাই নিজেদের [[রক্ষা|রক্ষা]] করি।
**[[বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু]], [http://www.c-span.org/video/?299666-1/israeli-prime-minister-netanyahu-address-joint-meeting-congress মার্কিন কংগ্রেসে যৌথ সভায় ভাষণ] (২৪ মে ২০১১)
* আমেরিকায় ইতিহাসের সবচেয়ে [[সুশৃঙ্খল]] ও [[মানবিক]] সামরিক বাহিনী রয়েছে। লুটতরাজে অভ্যস্ত প্রাচীন সেনাবাহিনী বা আধুনিক সময়ের নির্বিচারে বেসামরিক ও বন্দি হত্যাকারী বাহিনীর তুলনায় এটি অনেক সংযত।
**[[নিউজউইক|নিউজউইক]], [http://www.msnbc.msn.com/id/13124487/site/newsweek/ ''এমএসএনবিসি''] (১২ জুন ২০০৬)
* আমরা বিশ্বাস করি [[কালো মানুষ|কালো মানুষদের]] এমন কোনো [[বর্ণবাদী]] [[সরকার|সরকারকে]] রক্ষা করতে সামরিক বাহিনীতে [[যুদ্ধ|যুদ্ধ]] করতে বাধ্য করা উচিত নয়, যারা আমাদের [[সুরক্ষা|সুরক্ষা]] দেয় না। আমরা বিশ্বের অন্য কোনো বর্ণের মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব না, যারা আমেরিকার এই বর্ণবাদী সরকারের শিকারে পরিণত হচ্ছে। আমরা পুলিশ ও সামরিক বাহিনীর সহিংসতা থেকে [[যেকোনো মূল্যে|যেকোনো মূল্যে]] নিজেদের রক্ষা করব।
**[[হিউ নিউটন]], "ব্ল্যাক প্যান্থার পার্টি প্ল্যাটফর্ম, প্রোগ্রাম অ্যান্ড রুলস" (১৯৬৬), ''দ্য হিউ পি. নিউটন রিডারে'', পৃষ্ঠা ৫৬।
* [[ইসলামিক স্টেট|ইসলামিক স্টেট]]ের বিরুদ্ধে যুদ্ধের শেষ দিনগুলোতে সিরিয়ার বাঘুজ নামক স্থানে যখন খেলাফতের যোদ্ধারা কোণঠাসা, তখন মার্কিন সামরিক ড্রোনের নজর ছিল সেদিকে। সেখানে একটি নদীর তীরে অনেক নারী ও শিশু জড়ো হয়েছিল। কোনো সতর্কতা ছাড়াই আমেরিকান এফ-১৫ই অ্যাটাক জেট তাদের ওপর ৫০০ পাউন্ডের বোমা ফেলে। ধোঁয়া সরলে যারা বেঁচে ছিল, তাদের ওপর আবার ২০০০ পাউন্ডের বোমা ফেলা হয়। একজন লিগ্যাল অফিসার এটিকে [[যুদ্ধাপরাধ|যুদ্ধাপরাধ]] হিসেবে চিহ্নিত করে তদন্তের দাবি জানান। কিন্তু সামরিক বাহিনী পুরো ঘটনাটি গোপন করে। মৃতের সংখ্যা কমিয়ে দেখানো হয়। রিপোর্টগুলো বিলম্বিত, কাটাছেঁড়া এবং শ্রেণীবদ্ধ করা হয়। প্রতিরক্ষা দপ্তরের পরিদর্শক তদন্ত শুরু করলেও রিপোর্ট থেকে হামলার উল্লেখ সরিয়ে ফেলা হয়। মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটের বাহিনী ঘটনাস্থল বুলডোজার দিয়ে মাটির সাথে মিশিয়ে দেয়। পরের দিন বেসামরিক পর্যবেক্ষকরা সেখানে নারী ও শিশুদের মৃতদেহের স্তূপ খুঁজে পান।
**[https://www.nytimes.com/2021/11/13/us/us-airstrikes-civilian-deaths.html হাও দ্য ইউ.এস. হিড অ্যান এয়ারস্ট্রাইক দ্যাট কিলড ডজনস অফ সিভিলিয়ানস ইন সিরিয়া, ডেভ ফিলিপস ও এরিক শ্মিট ''নিউ ইয়র্ক টাইমস''] (১৩ নভেম্বর ২০২১)
==ও==
*যেখানেই [[অবিচার]], [[দমন]] এবং [[দুঃখ-কষ্ট]] থাকে, আমেরিকা সেখানে ছয় মাস দেরিতে উপস্থিত হয় এবং তার পাশের [[দেশ|দেশে]] [[বোমা]] ফেলে।
**[[পি. জে. ও'রোর্ক]], ''পিস কিলস: আমেরিকাস ফান নিউ ইম্পেরিয়ালিজম'' (২০০৪)।
*<p>[[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র]] পৃথিবীর সবচেয়ে [[শক্তিশালী]] [[জাতি]]। এটি একটি অমোঘ সত্য। অন্য আটটি দেশের সম্মিলিত সামরিক খরচের চেয়েও আমরা বেশি ব্যয় করি। আমাদের সৈন্যরা বিশ্বের ইতিহাসের সেরা যুদ্ধশক্তি। কোনো জাতি আমাদের বা আমাদের মিত্রদের আক্রমণ করতে সাহস করে না, কারণ তারা জানে এটি ধ্বংসের পথ। জরিপ বলছে বিশ্বজুড়ে আমাদের অবস্থান বেশ উঁচুতে...</p><p>সব গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ইস্যুতে বিশ্বের মানুষ [[বেইজিং]] বা [[মস্কো]]র দিকে তাকায় না; তারা আমাদের ডাকে...</p><p>যখন আপনারা আমেরিকানদের পেছনে লাগবেন, তখন আমরা আপনাদের পেছনে লাগব। সময় লাগতে পারে, কিন্তু আমাদের স্মৃতিশক্তি খুব দীর্ঘ এবং আমাদের পৌঁছানোর ক্ষমতার কোনো সীমা নেই।</p>
**[[বারাক ওবামা|বারাক এইচ. ওবামা ২য়]], [https://medium.com/@WhiteHouse/president-obama-s-2016-state-of-the-union-address-7c06300f9726#.flsvqkay9 স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন ভাষণ] (১২ জানুয়ারি ২০১৬)।
*এই পুরো প্রক্রিয়া চলাকালে [[মিশেল ওবামা|মিশেল]] এবং আমি শুধু আপনাদের মুখপাত্র ছিলাম। আমরা টিভির পর্দায় বা [[মাইক্রোফোন|মাইক্রোফোনের]] সামনে মুখ বা কণ্ঠস্বর ছিলাম, কিন্তু এটি আমাদের জন্য ছিল না। এটি সবসময় আপনাদের জন্য ছিল। '''গত ১০ বছরে যা কিছু ঘটেছে তা আপনাদের কাজের প্রমাণ। আমরা যখন আমাদের অসাধারণ সামরিক বাহিনী ও ইউনিফর্মধারী নারী-পুরুষদের কথা বলি, তখন সামরিক বাহিনী কোনো বস্তু নয়। এটি নিবেদিতপ্রাণ দেশপ্রেমিকদের একটি দল, যারা আমাদের জন্য সবকিছু ত্যাগ করতে প্রস্তুত। এর সদস্যরা আছে বলেই এটি কার্যকর। যন্ত্রপাতি বা হার্ডওয়্যার যেমনই হোক—আমাদের কাছে ভালো হার্ডওয়্যার আছে—তা মেশিন, অস্ত্র বা স্যাটেলাইট যাই হোক না কেন, শেষ পর্যন্ত সব অসাধারণ মানুষের ওপর নির্ভর করে।'''
**[[বারাক ওবামা]], ২০ জানুয়ারি ২০১৭ তারিখে মেরিল্যান্ডের জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুসে তার স্টাফ সদস্যদের বিদায় জানিয়ে দেওয়া বক্তব্য। সূত্র: [http://edition.cnn.com/2017/01/20/politics/barack-obama-remarks/ ওবামার দায়িত্ব ছাড়ার পরের বক্তব্য: সিএনএন দ্বারা প্রকাশিত পূর্ণাঙ্গ পাঠ্য, ২০ জানুয়ারি ২০১৭।]
==পি==
*[[আমেরিকা]] পৃথিবীর সবচেয়ে [[নৈতিক]] [[জাতি]]। এটি [[নৈতিক]] নীতির ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। সামরিক শক্তি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় আমাদের অবশ্যই নৈতিক নীতি প্রয়োগ করতে হবে।
**[[রন পল]], [http://www.house.gov/paul/congrec/congrec2002/cr090402.htm মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে ভাষণ] (৪ সেপ্টেম্বর ২০০২), ওয়াশিংটন, ডি.সি.
*আমি একজন [[মার্কিন মেরিন কোর|মেরিন]]। দেশপ্রেম দেখানোর জন্য আমার [[গাড়ি|গাড়িতে]] ছোট [[পতাকা|পতাকা]] ওড়ানোর প্রয়োজন নেই।
**জোশ রে পারসন, [https://books.google.com/books?id=Phvvf-niiWUC&pg=PT68&lpg=PT68&dq=generation+kill+where+stars+and+stripes+and+eagles&source=bl&ots=lEypFHHqaL&sig=AMRhfTBqzBEnsPiju0YSgkuLd-8&hl=en&sa=X&ved=0ahUKEwiSu8rP3LfLAhWFXR4KHUb-BDAQ6AEIIjAB#v=onepage&q=generation%20kill%20where%20stars%20and%20stripes%20and%20eagles&f=false ''জেনারেশন কিল''] (২০০৩), ইভান রাইট, পৃষ্ঠা ৬৮-এ উদ্ধৃত।
*যুক্তরাষ্ট্র নিয়ে অনেক সমালোচনা আছে, কিন্তু একটি বিষয়ে কেউ যুক্তরাষ্ট্রকে সমালোচনা করে না। কেউ মনে করে না যে [[ইরাক|ইরাকে]] হামলা চালানোর পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের [[জমি]], [[পানি]] বা [[তেল]] লাভের কোনো উদ্দেশ্য ছিল। আমেরিকা সম্পদের কোনো লোভ করে না। [[২০শ শতাব্দী|বিংশ শতাব্দীতে]], '''আমেরিকান ছেলেরা দুটি বিশ্বযুদ্ধে লড়েছে, অনেকে প্রাণ হারিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ জিতেছে, জমি পেয়েছে, কিন্তু তারা তার প্রতিটি টুকরো ফিরিয়ে দিয়েছে। বিজয়ের পর আমেরিকা নিজের জন্য কিছু রাখেনি। আপনারা [[জাপান|জাপানকে]] ফিরিয়ে দিয়েছেন—একটি উন্নত জাপান, আপনারা [[জার্মানি|জার্মানি]] ফিরিয়ে দিয়েছেন—একটি উন্নত জার্মানি''', আপনারা [[মার্শাল পরিকল্পনা|মার্শাল প্ল্যান]]ের কথা শুনেছেন। আজ, আমি মনে করি না পৃথিবীতে কোনো বিবেকবান মানুষ আছেন যিনি মনে করেন ইরাক যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো স্বার্থপর বা বস্তুবাদী উদ্দেশ্য আছে। এই হামলার কারণ হলো, আপনি বিশ্বকে অরাজক হতে দিতে পারেন না। কিছু মানুষ আমাদের জীবনের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এসে বিনা কারণে নারী, শিশু এবং নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করছে। আমি মনে করি পুরো বিশ্ব ভাগ্যবান যে যুক্তরাষ্ট্রের মতো একটি দেশ আছে, যাদের এই নতুন বিপদ মোকাবিলা করার ইচ্ছা এবং শক্তি আছে।
**[[শাইমন পেরেজ]], [http://www.iop.harvard.edu/events_forum_archive_2004.html ভাষণ] (২০ অক্টোবর ২০০৪)।
*আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর র্যাঙ্কে [[সাহস|সাহস]]ের অভাব নেই, কিন্তু আমাদের গোয়েন্দা সংস্থা এবং উচ্চপর্যায়ের সামরিক কমান্ডে [[আমলাতান্ত্রিক]] [[কাপুরুষতা]] বিদ্যমান।
**[[রালফ পিটারস]], ''বিয়ন্ড টেরর: স্ট্র্যাটেজি ইন এ চেঞ্জিং ওয়ার্ল্ড'' (২০০২), পৃষ্ঠা ১৯৬।
*[[আব্রাহাম লিংকন|তিনি]] কিসের স্মৃতিস্তম্ভ তা বলেননি। আমি নিশ্চিত, তিনি এটিকে '''[[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সেনাবাহিনী|আমাদের সৈনিকদের]] আনুগত্যের স্মৃতিস্তম্ভ''' হিসেবে রেখে যেতে চেয়েছিলেন, যারা [[পতাকা|পতাকা]] ও [[উচ্ছেদবাদ|আদর্শ]] ত্যাগ করার চেয়ে লিবির সব ভয়াবহতা সহ্য করাকে শ্রেয় মনে করেছিল।
**[[ডেভিড ডিক্সন পোর্টার]], [https://archive.org/details/incidentsanecdot00portiala ''ইনসিডেন্টস অ্যান্ড অ্যানেকডোটস অফ দ্য সিভিল ওয়ার''] (১৮৮৫), পৃষ্ঠা ২৯৯।
*আমি আমাদের [[পতাকা|পতাকা]], [[সংবিধান|সংবিধান]] এবং [[দেশ|দেশকে]] সীমাহীন [[ভালোবাসা|ভালোবাসা]] দিয়ে ভালোবাসি। একজন [[সৈনিক]] হিসেবে ৩৫ বছর ধরে আমি এই তিনটির প্রতিরক্ষা করেছি এবং প্রয়োজনে জীবন দিতে প্রস্তুত ছিলাম।
**[[কলিন পাওয়েল]], [https://www.aclu.org/free-speech/letter-colin-powell প্যাট্রিক লেহিকে লেখা চিঠি] (১৮ মে ১৯৯৯)।
*আমি মনে করি [[যুক্তরাষ্ট্র|আমরা]] 'গ্রেট শয়তান' নই, বরং আমরা 'মহা রক্ষাকর্তা'। গত এক শতাব্দী ধরে আমরা [[দমন|দমন]] ঠেকাতে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর নারী-পুরুষদের পাঠিয়েছি। আমরা [[ফ্যাসিবাদ|ফ্যাসিবাদ]] ও [[কমিউনিজম|কমিউনিজম]] পরাজিত করেছি। আমরা [[প্রথম বিশ্বযুদ্ধ|প্রথম]] ও [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে]] [[ইউরোপ|ইউরোপকে]] বাঁচিয়েছি। আমরা তা করতে ইচ্ছুক ও আনন্দিত ছিলাম। আমরা [[কোরীয় যুদ্ধ|কোরিয়ায়]] গিয়েছি, [[ভিয়েতনাম যুদ্ধ|ভিয়েতনামে]] গিয়েছি। সব মানুষের অধিকার রক্ষার স্বার্থে। যুদ্ধ শেষে আমরা কী করেছি? আমরা কি দখলদার হিসেবে থেকে গেছি? আমরা কি বলেছি, 'আমরা [[জার্মানি|জার্মানি]]কে হারিয়েছি, এখন জার্মানি আমাদের'? বা '[[জাপান|জাপান]] হারিয়েছি, এখন তা আমাদের'? না। আমরা কী করেছি? আমরা তাদের গড়ে তুলেছি। আমরা তাদের [[গণতন্ত্র|গণতান্ত্রিক]] ব্যবস্থা দিয়েছি যা তারা মন থেকে গ্রহণ করেছে। আমরা কি কোনো জমি চেয়েছি? না। আমরা কেবল আমাদের মৃতদের সমাহিত করার মতো জমিটুকু চেয়েছি, আমরা এমন একটি জাতি।
**[[কলিন পাওয়েল]], [https://web.archive.org/web/20020220234413/http://www.cnn.com/2002/ALLPOLITICS/02/15/powell.mtv/index.html ''এমটিভি গ্লোবাল ডিসকাশন''] (১৪ ফেব্রুয়ারি ২০০২)।
*শাসক শ্রেণি এবং সেইসব [[বিলিয়নিয়ার|বিলিয়নিয়াররা]] যারা মানুষের কষ্টের ওপর লাভ করে, তারা শুধু তাদের সম্পদ বাড়ানো এবং বিশ্ব অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণের কথা ভাবে। ... তাদের ক্ষমতা কেবল আমাদের বোঝানোর ক্ষমতার মধ্যে সীমাবদ্ধ যে যুদ্ধ, দমন এবং শোষণ আমাদের স্বার্থে। তারা বোঝে যে তাদের সম্পদ শ্রমজীবী মানুষকে অন্য দেশের বাজার নিয়ন্ত্রণের জন্য মারা যেতে রাজি করানোর ওপর নির্ভরশীল।
**প্রাক্তন সৈনিক [[মাইকেল প্রিসনার]], "আওয়ার রিয়েল এনিমিজ," ২১ ডিসেম্বর, ২০১১।
*আমি [[ইরাক|ইরাকে]] পরিবারগুলোকে রাস্তা থেকে বের করে দিয়েছি, শুধু দেশে ফিরে এসে দেখেছি এই দেশেও একই ঘটনা ঘটছে। এটি দুঃখজনক এবং অপ্রয়োজনীয় [[মহাবন্দা|ফোরক্লোজার সংকট]]। আমাদের সচেতন হতে হবে যে আমাদের আসল শত্রু সুদূর কোনো দেশে নয়। তারা এমন মানুষ নয় যাদের নাম আমরা জানি না বা যাদের সংস্কৃতি আমরা বুঝি না। শত্রু হলো সেই সিস্টেম যা লাভজনক হলে যুদ্ধ করে। শত্রু হলো সেই [[সিইও|সিইওরা]] যারা লাভজনক হলে আমাদের চাকরি থেকে ছাঁটাই করে। শত্রু হলো সেই [[বীমা|বীমা]] কোম্পানি যারা লাভজনক হলে আমাদের [[স্বাস্থ্যসেবা|স্বাস্থ্যসেবা]] দিতে অস্বীকার করে। শত্রু হলো সেই ব্যাংকগুলো যারা লাভজনক হলে আমাদের বাড়ি দখল করে। আমাদের শত্রু ৫ হাজার মাইল দূরে নয়, তারা আমাদের নিজেদের ঘরেই আছে।
**প্রাক্তন সৈনিক [[মাইকেল প্রিসনার]], "আওয়ার রিয়েল এনিমিজ," ২১ ডিসেম্বর, ২০১১।
==আর==
*যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা নীতি একটি সহজ ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত: যুক্তরাষ্ট্র [[যুদ্ধ|যুদ্ধ]] শুরু করে না। আমরা কখনো [[আগ্রাসী|আগ্রাসী]] হব না। আমরা আগ্রাসন ঠেকাতে ও [[সুরক্ষা|সুরক্ষা]] দিতে আমাদের [[শক্তি|শক্তি]] বজায় রাখি—যাতে [[স্বাধীনতা|স্বাধীনতা]] ও [[শান্তি|শান্তি]] বজায় থাকে।
**[[রোনাল্ড রেগান]], [http://www.cnn.com/SPECIALS/cold.war/episodes/22/documents/starwars.speech/ ভাষণ]।
*আমেরিকানরা তাদের সামরিক সক্ষমতার ওপর যে আস্থা রাখে তা অস্বাভাবিক। ১৫ বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্র সামান্য অস্ত্রধারী কয়েকজন [[তালিবান|তালিবানকে]] হারাতে পারেনি, ১৩ বছর ধরে ইরাক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে। রাশিয়া বা চীনরাশিয়া কৌশলগত জোটের মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে এটি আশাব্যঞ্জক নয়। ৬০ বছর আগে [[কোরীয় যুদ্ধ|কোরিয়াতে]] যুক্তরাষ্ট্র চীনকেও হারাতে পারেনি। আমেরিকানদের বোঝা উচিত যে "তাদের" সরকার হয়তো যুক্তরাষ্ট্র ও পুরো ইউরোপকে [[পারমাণবিক ধ্বংসযজ্ঞ|বাষ্পীভূত]] করতে চলেছে। রাশিয়ান অস্ত্র ব্যবস্থা আমেরিকানদের চেয়ে অনেক উন্নত। আমেরিকান অস্ত্র ব্যক্তিগত কোম্পানিগুলো লাভের জন্য তৈরি করে। অস্ত্রের সক্ষমতা মূল বিষয় নয়। মার্কিন অস্ত্রের দাম আকাশচুম্বী, যার কারণ অন্তহীন খরচ।
**[[পল ক্রেইগ রবার্টস]], [http://www.informationclearinghouse.info/article44761.htm ''আওয়ার প্রসপেক্টস অ্যাগেইনস্ট দ্য রাশিয়ানস অ্যান্ড চাইনিজ ইন ডাব্লিউডাব্লিউ৩, ইনফরমেশন ক্লিয়ারিং হাউস''] (২৮ মে ২০১৬)।
*বিশ্ব হয়তো মার্কিন সামরিক-নিরাপত্তা কমপ্লেক্সের লোভের কারণে [[ধ্বংস|ধ্বংসের]] দিকে যাচ্ছে। ওবামা প্রশাসন [[শীতল যুদ্ধ|শীতল যুদ্ধ]] ফিরিয়ে এনেছে, যা একটি বিশ্বাসযোগ্য "শত্রু" তৈরি করেছে। "[[রাশিয়ান|রাশিয়ান]] হুমকি" ব্যবহার করে আমেরিকান করদাতাদের অর্থ, [[কল্যাণমূলক রাষ্ট্র|সামাজিক সেবা]] এবং [[অর্থনীতি|অর্থনীতি]] রক্তশূন্য করা হচ্ছে, যাতে [[অস্ত্র|অস্ত্র]] নির্মাতারা লাভবান হয়। 'নতুন শীতল যুদ্ধ'-এর সময় ওয়াশিংটনের যুক্তি ও পদক্ষেপ আসল [[শীতল যুদ্ধ|শীতল যুদ্ধ]]ের চেয়ে অনেক বেশি বিপজ্জনক ও বেপরোয়া।
**[[পল ক্রেইগ রবার্টস]], [http://www.informationclearinghouse.info/article44761.htm ''আওয়ার প্রসপেক্টস অ্যাগেইনস্ট দ্য রাশিয়ানস অ্যান্ড চাইনিজ ইন ডাব্লিউডাব্লিউ৩, ইনফরমেশন ক্লিয়ারিং হাউস''] (২৮ মে ২০১৬)।
*প্রথম যুদ্ধটি—[[আমেরিকান বিপ্লব|স্বাধীনতার যুদ্ধ]]—ছাড়াও আমেরিকার সব যুদ্ধ ছিল [[সাম্রাজ্য|সাম্রাজ্যের]] জন্য। [[মেমোরিয়াল ডে|মেমোরিয়াল ডে]]তে বিপদের সময় সেবা দেওয়া সাহসী নারী-পুরুষদের নিয়ে ভাষণ শোনার সময় এই সত্যটি মনে রাখবেন। যুক্তরাষ্ট্র কখনো বিপদে ছিল না, কিন্তু ওয়াশিংটন অন্যের ওপর [[আধিপত্য|আধিপত্য]] বিস্তারের জন্য অনেক দেশে বিপদ বয়ে এনেছে।
**[[পল ক্রেইগ রবার্টস]], [http://www.informationclearinghouse.info/article44761.htm ''আওয়ার প্রসপেক্টস অ্যাগেইনস্ট দ্য রাশিয়ানস অ্যান্ড চাইনিজ ইন ডাব্লিউডাব্লিউ৩, ইনফরমেশন ক্লিয়ারিং হাউস''] (২৮ মে ২০১৬)।
*আজ প্রথমবারের মতো ওয়াশিংটনের রাশিয়া ও চীনের ওপর [[আধিপত্য|আধিপত্য]] বিস্তারের চেষ্টার ফলে যুক্তরাষ্ট্র বিপদের মুখে। রাশিয়া ও চীন ওয়াশিংটনের [[অহংকার|অহংকার]] ও [[মূর্খতা|মূর্খতা]]তে প্রভাবিত নয়। তারা আমেরিকার আদিবাসী [[প্লেইন ইন্ডিয়ানস|প্লেইন ইন্ডিয়ানস]] নয়, যারা [[ইউনিয়ন সেনাবাহিনী|ইউনিয়ন আর্মির]] হাতে [[মহিষ|মহিষ]] হত্যার মাধ্যমে ক্ষুধার্ত হয়ে আত্মসমর্পণ করেছিল। আমেরিকানরা সেলফি ও সামরিক শ্রেষ্ঠত্বের বিভ্রমে ব্যস্ত, কিন্তু তাদের উন্মাদ সরকার রাশিয়া ও চীনের সাথে ঝগড়া বাঁধিয়েছে। তাদের কোনো ভবিষ্যৎ নেই।
**[[পল ক্রেইগ রবার্টস]], [http://www.informationclearinghouse.info/article44761.htm ''আওয়ার প্রসপেক্টস অ্যাগেইনস্ট দ্য রাশিয়ানস অ্যান্ড চাইনিজ ইন ডাব্লিউডাব্লিউ৩, ইনফরমেশন ক্লিয়ারিং হাউস''] (২৮ মে ২০১৬)।
*[[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সশস্ত্র বাহিনী|আমাদের সামরিক বাহিনীর]] শাখার নেতারা অবিলম্বে রাষ্ট্রপতির কথার প্রতিবাদ জানিয়েছেন। কেন? কারণ সমস্ত [[জাতি|জাতির]] [[পুরুষ|পুরুষ]] ও [[নারী|নারী]] সমন্বয়ে গঠিত আমাদের বাহিনীর [[মনোবল|মনোবল]] ও প্রতিশ্রুতি বিপদের মুখে পড়তে পারে।
**[[মিট রমনি]], [https://www.facebook.com/mittromney/posts/10154652303536121 ফেসবুক বিবৃতি] (১৮ আগস্ট ২০১৭)।
*শান্তির নিশ্চয়তা পেতে বিদেশে আমাদের সম্মান পাওয়ার জন্য একটি দক্ষ সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনী প্রয়োজন। আমার প্রগতিশীল সহনাগরিকদের সাবধান করছি। আমি চাই তারা আমাদের [[আন্তর্জাতিক সম্পর্ক|আন্তর্জাতিক সম্পর্ক]] নিয়ে আগ্রহী থাকুক; এবং আঙ্কেল স্যামের বিদেশের স্বার্থের কথা মনে রাখুক। ন্যায়বিচার ও ন্যায্য আচরণ ব্যক্তিগত সম্পর্কের মতোই আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য, শুধু একটি পার্থক্য হলো প্রতিটি জাতিকে আন্তর্জাতিক পুলিশি কাজ করতে হয়। যদি এখানে ঝামেলায় পড়েন, তবে পুলিশ ডাকতে পারেন; কিন্তু আঙ্কেল স্যাম যদি ঝামেলায় পড়েন, তবে তাকে নিজেই [[পুলিশ|পুলিশম্যান]] হতে হবে। আমি তাকে যথেষ্ট শক্তিশালী দেখতে চাই, যাতে সে অন্যদের শান্তির আকাঙ্ক্ষাকে উৎসাহিত করতে পারে। আমি জাতীয় বন্ধুত্ব ও সদিচ্ছায় বিশ্বাস করি, তবে বন্ধুত্ব হতে হবে শ্রদ্ধা ও বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে। আমি এমন কোনো আমেরিকানকে ঘৃণা করি যে অন্য জাতির সাথে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে আমেরিকার সরকার যেন ন্যায়পরায়ণ হয় তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করে না। আমি কোনো দুর্বল শক্তির ওপর অবিচার করতে চাই না, আর কোনো শক্তিশালী শক্তির কাছ থেকে অন্যায় মুখ বুজে সহ্য করলে আমি চিরকাল মাথা নিচু করে থাকব।
**[[থিওডোর রুজভেল্ট]], [https://obamawhitehouse.archives.gov/blog/2011/12/06/archives-president-teddy-roosevelts-new-nationalism-speech ওসাওয়াটোমি ভাষণ], (৩১ আগস্ট ১৯১০)।
*যুক্তরাষ্ট্র যখন বিশ্বের [[সবচেয়ে শক্তিশালী|সবচেয়ে শক্তিশালী]] সামরিক শক্তি, তখন এই [[বিশ্ব|বিশ্ব]] একটি [[নিরাপদ|নিরাপদ]] এবং [[ভালো|ভালো]] জায়গা।
**[[মার্কো রুবিও]], [http://insider.foxnews.com/2015/11/10/marco-rubio-and-rand-paul-clash-national-security-fox-business-gop-debate ''মার্কো রুবিও অ্যান্ড র্যান্ড পল ক্ল্যাশ''] (১০ নভেম্বর ২০১৫) শিরোনামের ফক্সনিউজ ইনসাইডারে উদ্ধৃত। [[২০১৬ রিপাবলিকান বিতর্ক, মিলওয়াকি|২০১৬ রিপাবলিকান বিতর্কের]] সময় বলা হয়েছে।
==এস==
*২০১৯ সালে মার্কিন সামরিক ব্যয় ছিল ৭৩২ বিলিয়ন ডলার, যা [[চীন]]ের ২৬১ বিলিয়ন ডলারের প্রায় তিন গুণ। যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৮০০টি বিদেশী সামরিক ঘাঁটি রয়েছে, যেখানে [[চীন]]ের মাত্র একটি (জিবুতিতে একটি ছোট নৌঘাঁটি)। চীনের কাছাকাছি যুক্তরাষ্ট্রের অনেক সামরিক ঘাঁটি থাকলেও যুক্তরাষ্ট্রের কাছাকাছি চীনের কোনো ঘাঁটি নেই। যুক্তরাষ্ট্রের ৫,৮০০টি [[পারমাণবিক অস্ত্র|পারমাণবিক ওয়ারহেড]] আছে; চীনের আছে প্রায় ৩২০টি। যুক্তরাষ্ট্রের ১১টি [[বিমানবাহী রণতরী|বিমানবাহী রণতরী]] আছে; চীনের আছে একটি। গত ৪০ বছরে যুক্তরাষ্ট্র অনেক বিদেশী যুদ্ধ শুরু করেছে; চীন একটিও করেনি (যদিও সীমান্তে ছোটখাটো সংঘর্ষের জন্য তাদের সমালোচনা করা হয়েছে, যেমনটি সম্প্রতি [[ভারত|ভারতের]] সাথে হয়েছে, তবে তা যুদ্ধের পর্যায়ে পৌঁছায়নি)।
**[[জেফরি স্যাকস]], [https://www.project-syndicate.org/commentary/america-evangelical-crusade-against-china-by-jeffrey-d-sachs-2020-08 আমেরিকার আনহোলি ক্রুসেড অ্যাগেইনস্ট চায়না], [[প্রজেক্ট সিন্ডিকেট|''প্রজেক্ট সিন্ডিকেট'']], (৫ আগস্ট ২০২০)
*[[ওমান উপসাগর|ওমান উপসাগরে]] তেলবাহী ট্যাঙ্কারে হামলা অগ্রহণযোগ্য এবং এর পূর্ণ তদন্ত হওয়া উচিত... তবে এই ঘটনাকে [[ইরান|ইরানের]] সাথে যুদ্ধের অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না। এমন যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্র, ইরান, অঞ্চল এবং বিশ্বের জন্য এক চরম বিপর্যয় ডেকে আনবে... এখন সময় যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক নেতৃত্ব দেখানোর... এবং ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা কমাতে আঞ্চলিক দেশগুলোকে নিয়ে কূটনৈতিক সমাধান খোঁজার... আমি [[ডোনাল্ড ট্রাম্প|প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে]] মনে করিয়ে দিতে চাই যে ইরানের সাথে যুদ্ধের জন্য কংগ্রেসের কোনো অনুমোদন নেই... যুক্তরাষ্ট্রের একতরফা আক্রমণ অবৈধ ও অসাংবিধানিক হবে।
**[[বার্নি স্যান্ডার্স]], [https://www.commondreams.org/news/2019/06/14/trump-must-not-be-allowed-use-gulf-oman-incidents-pretext-illegal-war-iran-bernie ''ট্রাম্প মাস্ট নট বি অ্যালাউড টু ইউজ গালফ অফ ওমান ইনসিডেন্টস অ্যাজ 'প্রিটেক্সট ফর ইললিগাল ওয়ার উইথ ইরান': বার্নি স্যান্ডার্স, কমন ড্রিমস'', আন্দ্রেয়া জার্মানস,] (১৪ জুন ২০১৯)
*[[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বৈদেশিক নীতি|জাতীয় নিরাপত্তা নীতির]] ক্ষেত্রে, যুক্তরাষ্ট্র কয়েক দশক ধরে একটি ধারাবাহিক ও অতি-সামরিকায়িত পথে হাঁটছে। ব্যাপকভাবে দেখলে, [[১১ সেপ্টেম্বর হামলা|৯/১১]] থেকে বর্তমান পর্যন্ত "জাতীয় নিরাপত্তা" এবং "[[সন্ত্রাসবাদ দমন|সন্ত্রাসবাদ দমন]]" বিষয়ে মার্কিন নীতি অনেকাংশে একই রয়ে গেছে।... [[জো বাইডেন|বাইডেন]]ের অধীনে সাম্রাজ্যবাদী ধারায় কোনো বড় পরিবর্তন আসবে না। ড্রোন যুদ্ধ অব্যাহত থাকবে এবং [[ইউরোপ]] ও [[এশিয়া]]তে শীতল যুদ্ধের আবহ ত্বরান্বিত হবে। বাইডেন [[ল্যাটিন আমেরিকা|ল্যাটিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয়]] অঞ্চলের [[বামপন্থী রাজনীতি|বামপন্থী আন্দোলন ও সরকারের]] প্রতি বৈরী অবস্থান বজায় রাখবেন। জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষেত্রে বাইডেন ট্রাম্পের কিছু চরম অবস্থান পরিবর্তন করলেও, তিনি পৃথিবীর স্বাস্থ্যের চেয়ে [[বহুজাতিক কর্পোরেশন|বড় কর্পোরেশন]] ও সামরিক শিল্পের মুনাফাকে প্রাধান্য দেবেন। সীমানা সামরিকীকরণ ও [[শরণার্থী|শরণার্থীদের]] প্রতি দুর্ব্যবহার অব্যাহত থাকবে এবং বিশাল অভ্যন্তরীণ [[নজরদারি|নজরদারি]] ব্যবস্থা বজায় থাকবে। কঠোর সত্য হলো: ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকানদের রাজনৈতিক বিরোধের চেয়ে 'ওয়ার পার্টি'র স্বার্থই বড়।
**[[জেরেমি স্কাহিল]], [https://theintercept.com/2021/11/21/america-militarism-foreign-policy-bush-obama-trump-biden/ দ্য ওয়ার পার্টি, ফ্রম বুশ টু ওবামা, অ্যান্ড ট্রাম্প টু বাইডেন, ইউ.এস. মিলিটারিজম ইজ দ্য গ্রেট ইউনিফায়ার, ''দ্য ইন্টারসেপ্ট''] (২১ নভেম্বর ২০২১)
*[[কন্টিনেন্টাল আর্মি|কন্টিনেন্টাল আর্মি]] একীভূতকরণের যে পর্যায়ে পৌঁছেছিল, তা আর ২০০ বছরে অর্জিত হয়নি।
**রবার্ট এ. সেলিগ, [https://web.archive.org/web/20141201041830/http://www.americanrevolution.org/blk.php "দ্য রেভল্যুশনস ব্ল্যাক সোলজারস"], ''আমেরিকান রেভল্যুশন''
:'''ন্যাথানিয়েল ফিক''': তোমরা লজিস্টিকস চাও? সেনাবাহিনীতে যোগ দাও। মেরিনরা নিজেদের ব্যবস্থা নিজেরাই করে নেয়।
:*"স্ক্রুবি" (২০০৮), ডেভিড সাইমন ও এড বার্নস কর্তৃক লিখিত, ''[[জেনারেশন কিল]]'', হোম বক্স অফিস
*[[অপারেশন এন্ডুরিং ফ্রিডম|অপারেশন এন্ডুরিং ফ্রিডম]] (ওএফ) এবং [[অপারেশন ইরাকি ফ্রিডম|অপারেশন ইরাকি ফ্রিডম]] (ওআইএফ) শুরুর পর থেকে, [[যুদ্ধ|যুদ্ধে]] অংশ নেওয়া [[সামরিক|সামরিক]] কর্মীদের আত্মহত্যার হার সাধারণ জনসংখ্যার সমান (কাং ও বুলম্যান, ২০০৮) এবং সম্ভবত তার বেশি হয়ে গেছে।
** এডওয়ার্ড এ. সেলবি, মাইকেল ডি. আনেস্টিস, থিওডোর ডব্লিউ. বেন্ডার, জেসিকা ডি. রিবেইরো, ম্যাথিউ কে. নক, এম. ডেভিড রুড, ক্রেইগ জে. ব্রায়ান, ইনগ্রিড সি. লিম, মন্টি টি. বেকার, পিটার এম. গুটিয়েরেজ এবং থমাস ই. জয়নার, জুনিয়র; [https://www.ncbi.nlm.nih.gov/pmc/articles/PMC2834834/ “ওভারকামিং দ্য ফিয়ার অফ লিথাল ইনজুরি: ইভালুয়েটিং সুইসাইডাল বিহেভিয়র ইন দ্য মিলিটারি থ্রু দ্য লেন্স অফ দ্য ইন্টারপারসোনাল-সাইকোলজিক্যাল থিওরি অফ সুইসাইড”], ''ক্লিন সাইকোল রেভ'', ২০১০ এপ্রিল; ৩০(৩): ২৯৮–৩০৭।
*নিগ্রোদের অবশ্যই [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সশস্ত্র বাহিনী|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেবায় সৈনিক হিসেবে]] তালিকাভুক্ত হতে উৎসাহিত করতে হবে, যাতে তারা নিজেদের [[স্বাধীনতা|স্বাধীনতা]] বজায় রাখতে এবং [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের]] নাগরিক হিসেবে তাদের অধিকার সুরক্ষিত করতে অবদান রাখতে পারে।
**[[উইলিয়াম টিকুমসেহ শেরম্যান]], [http://teachingamericanhistory.org/library/document/forty-acres-and-a-mule-special-field-order-no-15/ "স্পেশাল ফিল্ড অর্ডার নং ১৫"] (১৬ জানুয়ারি ১৮৬৫), ''হেডকোয়ার্টারস মিলিটারি ডিভিশন অফ দ্য মিসিসিপি, ইন দ্য ফিল্ড'', সাভানা, জর্জিয়া।
*বেসামরিক [[আমেরিকান|আমেরিকানদের]] বুঝতে হবে যে নাগরিক অধিকারের সবচেয়ে বড় বিজয়গুলো [[মার্কিন মেরিন কোর|মেরিন]] এবং মার্কিন সামরিক বাহিনী অর্জন করেছে, যা আমাদের জাতীয় জীবনের সবচেয়ে সফলভাবে সমন্বিত খাত। কেন? কোনো জাতিগত রেফারেন্স ও বৈষম্য নেই। আমি প্রথমবার আফ্রিকান-আমেরিকান বা ল্যাটিনোদের সাথে একই কোয়ার্টারে ঘুমিয়েছি—বা তাদের কাছ থেকে আদেশ নিয়েছি—তা মেরিন কোরে প্রাইভেট হিসেবে কাজ করার সময়। হ্যাঁ, আমেরিকার সত্যিই আরও মেরিন মূল্যবোধ ও প্রভাব প্রয়োজন।
**[[মার্ক শিল্ডস|মার্ক শিল্ডস]], [https://web-beta.archive.org/web/20100726132218/http://www.creators.com:80/liberal/mark-shields/america-needs-more-marine-corps-values.html "আমেরিকা নিডস মোর মেরিন কোর ভ্যালুস"] (২০১০), ''ক্রিয়েটরস.কম''
*<p>আমার [[শৈশব|শৈশবে]] [[সেনাবাহিনী|সেনাবাহিনীর]] প্রতি মুগ্ধতা ছিল...</p><p>দুর্বলদের পাশে দাঁড়ানো এবং অসহায়দের রক্ষা করার শিখ ধারণা শিখ মানসিকতার মূলে রয়েছে, এবং এই আদর্শগুলোই মার্কিন সেনাবাহিনী ধারণ করে।</p>
**সিমরাতপাল সিং, [http://edition.cnn.com/2016/04/04/us/sikh-army-captain-simratpal-singh-beard-turban/index.html?iid=ob_lockedrail_topeditorial&iref=obinsite "শিখ আর্মি ক্যাপ্টেন অ্যালাউড টু ওয়্যার বিয়ার্ড অ্যান্ড টারবান ইন ইউনিফর্ম"] (৫ এপ্রিল ২০১৬)-এ উদ্ধৃত, নাদিন শাকার, ''সিএনএন'', জর্জিয়া অঙ্গরাজ্য: কেবল নিউজ নেটওয়ার্ক।
*[[আজ|আজকের]] সৈনিক এবং গণতন্ত্রের জন্য শহীদরা আমেরিকান মুক্তিদাতাদের দীর্ঘ ঐতিহ্যে একটি বিশিষ্ট স্থান দখল করে আছে, যা আমেরিকান বিপ্লব থেকে অপারেশন এন্ডুরিং ফ্রিডম ও ইরাকি ফ্রিডম পর্যন্ত বিস্তৃত। [[আমেরিকান গৃহযুদ্ধ|গৃহযুদ্ধ]] এই উত্তরাধিকারের একটি স্পর্শপাথর। একাডেমিক ইতিহাসবিদরা লেখেন যে এটি ছিল সেকশনালিজম, [[অর্থনীতি|অর্থনীতি]] বা [[রাজনীতি|রাজনীতি]] নিয়ে। এগুলো এর কারণ হতে পারে, কিন্তু [[আব্রাহাম লিংকন|আব্রাহাম লিংকন]] জানতেন এর মূলে কী ছিল। সংঘর্ষের আগে তার দ্বিতীয় উদ্বোধনী ভাষণে তিনি বলেছিলেন, [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দাসপ্রথা|দাসপ্রথা]] 'একটি অদ্ভুত ও শক্তিশালী স্বার্থ তৈরি করেছিল। সবাই জানত যে এই স্বার্থই কোনোভাবে যুদ্ধের কারণ'। '''[[ইউনিয়ন (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)|ইউনিয়ন]] সৈনিকরা ইউনিয়ন রক্ষায় লড়েছিল, কিন্তু [[দাসপ্রথা|মানবিক দাসত্ব]] বন্ধ করতেও লড়েছিল'''।
**[[জোসেফ মরিসন স্কেলি|জোসেফ এম. স্কেলি]], [https://web.archive.org/web/20070524182018/http://article.nationalreview.com/?q=ZjcwZTYwYmFmMGRlZTA1ZTc4ZTRkOGJkZDExMjBmNzM= "দ্য ডেমোক্রেটিক ফলেন: লেট আস অনার দোজ হু হ্যাভ ডিফেন্ডেড আওয়ার রাইট টু সেলফ-গভর্নমেন্ট উইথ দেয়ার লাস্ট ব্রেথস"] (১৮ মে ২০০৭), ''ন্যাশনাল রিভিউ অনলাইন''
*আমেরিকান হিসেবে আমরা ক্রমবর্ধমান বিভ্রান্তি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছি যা আমাদের দেশের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ফেলছে।
**[[মার্গারেট চেজ স্মিথ]], [http://static1.squarespace.com/static/55ae7dc3e4b0627b56f10b3e/t/56d5ad5d4d088e0ea4775a94/1456844125625/Declaration+of+Conscience.pdf ''ডিক্লারেশন অফ কনসায়েন্স''] (১ জুন ১৯৫০)
==টি==
*গল্পটি শুরু হয় ১৮ মার্চ, ২০১৯ সালে, [[কাতার|কাতারের]] [[আল উদেইদ বিমান ঘাঁটি|আল উদেইদে]] একটি বড় বিমান বাহিনীর যুদ্ধ অপারেশন সেন্টারে। এটি দেখতে অনেকটা [[নাসা|নাসার]] মিশন কমান্ডের মতো। ব্যাংক ভর্তি কম্পিউটার, বড় পর্দা, সবাই [[ইসলামিক স্টেট|ইসলামিক স্টেটের]] বিরুদ্ধে বিমান যুদ্ধ দেখছে... এই দিনে, কমান্ড সেন্টারের অনেকেই ওপর দিয়ে উড়ে যাওয়া একটি ড্রোন দেখছিল। তারা দেখছিল গাড়ি এবং অস্থায়ী তাঁবুর জঞ্জালে ভরা একটি মাঠ, যা ছিল সপ্তাহের যুদ্ধের অবশিষ্টাংশ। সেখানে অনেক মানুষও ছিল। ড্রোনটি নদীর ধারে বালুর বাঁধের কাছে আশ্রয় নেওয়া একদল নারী ও শিশুর ওপর ফোকাস করে। ড্রোনটি কয়েক মিনিট সেখানে ঘুরেছে, ক্যামেরাগুলো তাদের ওপর ফোকাস করে ছিল, হয় ঘুমানোর জন্য অথবা আসন্ন যুদ্ধের হাত থেকে বাঁচতে। অপারেশন সেন্টারের লোকেরা শান্তভাবে এটি দেখছিল, তখন হঠাৎ... একটি আমেরিকান [[এফ-১৫|এফ-১৫]] অ্যাটাক জেট এসে এই নারী ও শিশুদের দলটির ওপর একটি বড় বোমা ফেলে... তাদের প্রায় সবাইকে হত্যা করে।
**[[ডেভিড ফিলিপস|ডেভ ফিলিপস]] উদ্ধৃত: [https://www.nytimes.com/2021/11/15/podcasts/the-daily/us-airstrike-casualties-isis.html?showTranscript=1 হাউ দ্য ইউ.এস. হিড আ ডেডলি এয়ারস্ট্রাইক], সাবরিনা টাভার্নিজ কর্তৃক, ''নিউ ইয়র্ক টাইমস'', ১৫ নভেম্বর ২০২১।
*কখন একটি লক্ষ্যে আঘাত করা যাবে তার নিয়ম আছে। অনেক সময় যারা সিদ্ধান্ত নেয় সেই নিয়মগুলো মানা হচ্ছে কি না, তারা কোনো কমান্ড সেন্টারে থাকে। তারা সব যাচাই করে অনুমতি দেয়। কিন্তু আপনি যদি বলেন যে আপনি আসন্ন হুমকির মুখে আছেন এবং নিজেকে রক্ষা করতে হবে, তবে খুব দ্রুত সেই নজরদারি এড়ানো যায়। [[যুদ্ধের আইন|যুদ্ধের আইন]] অনুযায়ী, এটি সবসময় অনুমোদিত। এটি টাস্ক ফোর্সকে সব অফিসার, নজরদারি এবং নিয়মকানুন জানা আইনজীবীদের এড়িয়ে সরাসরি বিমানের সাথে কথা বলার সুযোগ দেয়। তাই, কেউ তাদের প্রশ্ন করার আগেই তারা যা খুশি আঘাত করতে পারত... কিন্তু অপারেশন সেন্টারের লোকেরা দেখছিল যে টাস্ক ফোর্স ৯ প্রায় সব সময়ই এই অজুহাত ব্যবহার করছে।
**[[ডেভিড ফিলিপস|ডেভ ফিলিপস]] উদ্ধৃত: [https://www.nytimes.com/2021/11/15/podcasts/the-daily/us-airstrike-casualties-isis.html?showTranscript=1 হাউ দ্য ইউ.এস. হিড আ ডেডলি এয়ারস্ট্রাইক], সাবরিনা টাভার্নিজ কর্তৃক, ''নিউ ইয়র্ক টাইমস'', ১৫ নভেম্বর ২০২১।
*আমি মনে করি সামরিক বাহিনীতে এমন মানুষ আছে যারা জবাবদিহিতা চায় এবং এর জন্য কঠোর পরিশ্রম করেছে। কিন্তু তারা যে সিস্টেম তৈরি করেছে তা এতই ত্রুটিপূর্ণ যে এটি আসলে কতজন বেসামরিক নাগরিক মারা গেছে তা সম্পর্কে অর্থপূর্ণ কিছু বলতে পারে না। ভেবে দেখুন। এটি এমন একটি ঘটনা যেখানে ৭০ জন নিহত হয়েছিল। একটি হাই ডেফিনিশন রঙিন ড্রোন ক্যামেরার সামনে তারা মারা গিয়েছিল, যা অনেক সামরিক লোক দেখেছিল। এটি অবিলম্বে রিপোর্ট করা হয়েছিল এবং বারবার জানানো হয়েছিল। সিস্টেমটি কোনো যৌক্তিক উপায়ে সাড়া দিতে অক্ষম ছিল। সিস্টেম যদি এতটা স্পষ্ট কিছু সামলাতে না পারে, তবে এটি কী সামলাতে পারে?
**উদ্ধৃত: [https://www.nytimes.com/2021/11/15/podcasts/the-daily/us-airstrike-casualties-isis.html?showTranscript=1 হাউ দ্য ইউ.এস. হিড আ ডেডলি এয়ারস্ট্রাইক], সাবরিনা টাভার্নিজ কর্তৃক, ''নিউ ইয়র্ক টাইমস'', ১৫ নভেম্বর ২০২১।
*আমার মতে, যেকোনো আক্রমণ প্রতিহত করার জন্য আমাদের যথেষ্ট বড় সশস্ত্র বাহিনী থাকা প্রয়োজন। ভবিষ্যতের সম্ভাব্য আক্রমণকারীরা যদি আমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের সরঞ্জাম তৈরি করে, তবে আমাদের দ্রুততর হতে হবে। আমরা কি স্বেচ্ছায় তালিকাভুক্তির মাধ্যমে বাধ্য না করে স্থায়ীভাবে আমাদের [[মার্কিন নৌবাহিনী|নৌবাহিনী]] এবং সাত লাখ ৫০ হাজার সৈন্য ও ১২ লাখ ৫০ হাজার রিজার্ভ সৈন্য বজায় রাখতে পারি? স্থায়ী নীতি হিসেবে এই প্রশ্নের উত্তর নিজেরাই পরিষ্কার। এটি কেবল পরিষেবাকে যথেষ্ট আকর্ষণীয় করার বিষয়। আমরা ধরে নিচ্ছি যে সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়া একটি ত্যাগ; এটি যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে অপ্রীতিকর পেশা, যা প্রতিটি ছেলে সহজাতভাবে এড়িয়ে চলে। তা মোটেও হওয়া উচিত নয়। যুদ্ধের সময় সেনাবাহিনী বিপজ্জনক; কিন্তু আমরা যদি পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নিই তবে আমরা যুদ্ধে থাকব না। সেনাবাহিনী মূলত একটি শান্তিকালীন, অত্যন্ত বিশেষায়িত পেশা, যেখানে বিপদের সম্ভাবনা কম। অভিজ্ঞতা দেখায় যে বিপদের সম্ভাবনা আছে বলে মানুষ কোনো পেশা এড়িয়ে চলে না। অনেক বিপজ্জনক বেসামরিক পেশা আছে—হাই-টেনশন তার নিয়ে কাজ, টানেল নির্মাণ, কয়লা খনি—সেসব পেশায় আগ্রহীর অভাব হয় না। সেনাবাহিনীর অনেক সুবিধা আছে—দায়িত্বহীন এক পরিচ্ছন্ন ও নিয়মিত জীবন, শৃঙ্খলা ও আদেশের আকর্ষণ যা কিছু মানুষকে টানে এবং অন্যদের খুব বেশি কষ্ট দেয়। মাসে ২১ ডলারে স্বেচ্ছাসেবক হওয়ার মতো পেশা খুব কম, তবুও আজ আমরা মাসে পঁচিশ হাজারের বেশি মানুষকে তালিকাভুক্ত করছি। জুলাই মাসে আমরা ত্রিশ হাজারের বেশি তালিকাভুক্ত করেছি। স্বেচ্ছাসেবী তালিকাভুক্তি পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়নি। পর্যাপ্ত বেতন ও তিন বছরের তালিকাভুক্তি সত্ত্বেও, এটি যা চাওয়া হয়েছে তা অর্জন করেছে। এখন পর্যন্ত [[মার্কিন কংগ্রেস|কংগ্রেস]] এমনকি বলেনি যে একটি বড় সেনাবাহিনী প্রয়োজন। আমরা এমন একটি সেনাবাহিনী সরবরাহ না করার জন্য তালিকাভুক্তি সিস্টেমকে দোষ দিতে পারি না যা আমরা অনুমোদিত করিনি। [[হ্যারি এস. ট্রুম্যান|প্রেসিডেন্ট]] তালিকাভুক্তির জন্য কোনো আবেদন করেননি। নিশ্চিতভাবে প্রেসিডেন্টের নেতৃত্বে এবং স্বেচ্ছাসেবী ভিত্তিতে সংগঠিত একটি সাধারণ প্রচারণা পাঁচ লাখ মানুষ নিশ্চিত করতে পারে যদি প্রয়োজন হয়। অনেক লাখ মানুষ বেকার।
**[[রবার্ট এ. ট্যাফট]], স্টাথিস, এস. ডব্লিউ. ২০০৯-এ উদ্ধৃত। বার্ক-ওয়াডসওয়ার্থ বিল (সিলেক্টিভ ট্রেনিং অ্যান্ড সার্ভিস অ্যাক্ট অফ ১৯৪০) ∗ ১৯৪০ ∗। ইন: ২০০৯। ''ল্যান্ডমার্ক ডিবেটস ইন কংগ্রেস: ফ্রম দ্য ডিক্লারেশন অফ ইন্ডিপেন্ডেন্স টু দ্য ওয়ার ইন ইরাক'', ওয়াশিংটন, ডিসি: সিকিউ প্রেস। পৃষ্ঠা ৩২৭-৩৩৬।
*একজন বিদেশির কাছে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তি একটি সংজ্ঞায়িত জাতীয় বৈশিষ্ট্য।
**জর্ডান জি. টেইচার, [https://www.washingtonpost.com/news/in-sight/wp/2015/10/09/everyday-life-as-an-jrotc-cadet/?utm_term=.50afc770c709 "এভরিডে লাইফ অ্যাজ এন জেআরওটিসি ক্যাডেট"] (৯ অক্টোবর ২০১৫), ''দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট''
*বর্তমান মার্কিন সেনাবাহিনী এবং মেরিন কোরের শক্তি যথাক্রমে প্রায় ৫,১০,০০০ এবং ১,৮০,০০০। এছাড়াও, প্রায় ৮,০০,০০০ ন্যাশনাল গার্ড এবং রিজার্ভ সৈন্য আছে। এই সংখ্যাগুলো বোঝালেও যে যুক্তরাষ্ট্রের মোট ১৫ লাখ স্থল সৈন্য আছে, যুক্তরাষ্ট্রের অনেক প্রতিশ্রুতি যেকোনো একক সামরিক ইভেন্টের জন্য শক্তি সীমিত করে। প্রাতিষ্ঠানিক সমর্থন, [[ইউরোপ]] ও [[কোরিয়া|কোরিয়াতে]] প্রতিশ্রুতি এবং বাহিনীর প্রশিক্ষণ ও সরঞ্জাম পুনঃসজ্জার প্রয়োজনের কথা বিবেচনা করলে, যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভবত স্থল যুদ্ধের জন্য ২৫০,০০০ এর বেশি সক্রিয় ডিউটি সৈন্য নেই। ন্যাশনাল গার্ড ও রিজার্ভ পুরোপুরি সংগঠিত হলে, যুক্তরাষ্ট্র একটি অভিযানের জন্য সম্ভাব্য ১০ লাখ সৈন্য মাঠে নামাতে পারে।
**[[ব্রুস ডব্লিউ. টেরি|ব্রুস ডব্লিউ. টেরি]], [[:File:Use of land power to counter the Iranian nuclear proliferation challenge (2007).pdf|''দ্য ইউজ অফ ল্যান্ড পাওয়ার টু কাউন্টার দ্য ইরানিয়ান নিউক্লিয়ার প্রলিফারেশন চ্যালেঞ্জ'']] (২০০৭), কানসাস: ফোর্ট লিভেনওয়ার্থ।
*কন্টিনেন্টাল আর্মি সমন্বয়ের যে ডিগ্রি প্রদর্শন করেছিল, তা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগ পর্যন্ত ২০০ বছর ধরে আমেরিকান সেনাবাহিনী আর অর্জন করতে পারেনি।
**মেরি ভি. থম্পসন, [http://www.mountvernon.org/george-washington/slavery/the-only-unavoidable-subject-of-regret/ "দ্য অনলি আনএভয়ডেবল সাবজেক্ট অফ রিগ্রেট"], ''মাউন্ট ভার্নন''
*জাতি, বর্ণ, ধর্ম বা জাতীয় উৎপত্তিনির্বিশেষে সশস্ত্র বাহিনীর সকল ব্যক্তির জন্য সমান আচরণ ও সুযোগ থাকবে।
**[[হ্যারি এস. ট্রুম্যান]], [[s:Executive Order 9981|''এক্সিকিউটিভ অর্ডার ৯৯৮১'']] (২৬ জুলাই ১৯৪৮)
*আমরা এমন একটি বিশ্ব নেতৃত্ব অর্জন করেছি যা শুধুমাত্র আমাদের সামরিক ও নৌ শক্তির ওপর নির্ভর করে না।
**[[হ্যারি এস. ট্রুম্যান]], [http://www.trumanlibrary.org/ww2/stofunio.htm মার্কিন কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে ভাষণ] (১৬ এপ্রিল ১৯৪৫)।
*আমেরিকার ইউনিফর্মধারী নারী-পুরুষরা [[নাৎসিবাদ|নাৎসিবাদ]], [[সাম্রাজ্যবাদ|সাম্রাজ্যবাদ]], [[কমিউনিজম|কমিউনিজম]] এবং [[সন্ত্রাসবাদ|সন্ত্রাসবাদের]] বিরুদ্ধে লড়াইয়ে জীবন দিয়েছেন। আমেরিকা সংঘাত বা সংঘর্ষ চায় না, তবে আমরা তা থেকে কখনোই পালাব না। ইতিহাস এমন শাসকদের দ্বারা পরিপূর্ণ যারা বোকামির সাথে আমেরিকার সংকল্প পরীক্ষা করেছে। যে কেউ যুক্তরাষ্ট্রের শক্তি বা সংকল্প নিয়ে সন্দেহ করে, তারা আমাদের অতীতের দিকে তাকালে আর সন্দেহ করবে না। আমরা আমেরিকা বা আমাদের মিত্রদের ব্ল্যাকমেইল বা আক্রমণ হতে দেব না। আমরা আমেরিকান শহরগুলোকে ধ্বংসের হুমকির মুখে পড়তে দেব না। আমরা ভয় পাব না। এবং আমরা ইতিহাসে সবচেয়ে খারাপ নৃশংসতার পুনরাবৃত্তি হতে দেব না এই মাটিতে যা আমরা রক্ষা করতে কঠোর লড়াই করেছি এবং জীবন দিয়েছি।
**[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.presidency.ucsb.edu/documents/remarks-the-national-assembly-south-korea-seoul-south-korea সোল, দক্ষিণ কোরিয়ায় দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় পরিষদে মন্তব্য]; (৮ নভেম্বর ২০১৭)।
*সব পরিমাপে, [[পেন্টাগন|পেন্টাগন]] [[পেট্রোলিয়াম|পেট্রোলিয়াম]] পণ্য এবং শক্তির বৃহত্তম প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবহারকারী... তবুও, '''পেন্টাগনের সব আন্তর্জাতিক জলবায়ু চুক্তিতে সামগ্রিক ছাড় রয়েছে... [[জলবায়ু পরিবর্তন|জলবায়ু পরিবর্তন]] নিয়ে যেকোনো কথা যাতে সামরিক বাহিনী অন্তর্ভুক্ত নয়, তা কেবল গরম বাতাস'''... 'দ্য ক্লাইমেট অফ ওয়ার' রিপোর্ট অনুযায়ী, এটি কিয়োটো কনভেনশন অন ক্লাইমেট চেঞ্জে এমন একটি লুপহোল যা দিয়ে একটি ট্যাঙ্ক চালানো যায়। ১৯৪০ সালে, মার্কিন সামরিক বাহিনী দেশের মোট শক্তি ব্যবহারের এক শতাংশ ব্যবহার করত; দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষে, সামরিক বাহিনীর অংশ ২৯ শতাংশে উন্নীত হয়... সামরিকবাদ গ্রহের সবচেয়ে তেল-ক্ষয়কারী কার্যকলাপ, যা আরও দ্রুত, বড়, বেশি জ্বালানি-গ্রাসী বিমান, ট্যাঙ্ক এবং নৌযান নিয়ে আরও তীব্র আকাশ ও স্থল যুদ্ধে ব্যবহৃত হয়। মার্চ ২০০৩ সালে ইরাক যুদ্ধের শুরুতে, সেনাবাহিনী অনুমান করেছিল যে তিন সপ্তাহের যুদ্ধের জন্য তাদের ৪০ মিলিয়ন গ্যালনের বেশি [[গ্যাসোলিন|গ্যাসোলিন]] প্রয়োজন হবে, যা [[প্রথম বিশ্বযুদ্ধ|প্রথম বিশ্বযুদ্ধে]] মিত্রবাহিনীর চার বছরে ব্যবহৃত মোট পরিমাণের চেয়ে বেশি। সেনাবাহিনীর অস্ত্রভাণ্ডারের মধ্যে ছিল ২,০০০ এম-১ আব্রামস ট্যাঙ্ক যা যুদ্ধের জন্য চালু ছিল এবং প্রতি ঘণ্টায় ২৫০ গ্যালন জ্বালানি পোড়াত।
**[https://truthout.org/articles/the-military-assault-on-global-climate/ দ্য মিলিটারি অ্যাসল্ট অন গ্লোবাল ক্লাইমেট, এইচ প্যাট্রিসিয়া হেইনস কর্তৃক, ''ট্রুথআউট''], ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১১।
*ইউএস এয়ার ফোর্স (ইউএসএএফ) বিশ্বের [[জেট জ্বালানি|জেট জ্বালানি]]র একক বৃহত্তম ভোক্তা... এফ-৪ ফ্যান্টম ফাইটার প্রতি ঘণ্টায় ১,৬০০ গ্যালনের বেশি জেট জ্বালানি পোড়ায় এবং সুপারসনিক গতিতে প্রতি ঘণ্টায় ১৪,৪০০ গ্যালনে পৌঁছায়। আটটি জেট ইঞ্জিনযুক্ত বি-৫২ স্ট্র্যাটোক্রুজার প্রতি মিনিটে ৫৫ গ্যালন জ্বালানি গিলে ফেলে... বিশ্বের এক-চতুর্থাংশ জেট জ্বালানি ইউএসএএফ-এর উড়ন্ত হত্যার মেশিনগুলোকে খাওয়ায়; ২০০৬ সালে, তারা অবিশ্বাস্য ২.৬ বিলিয়ন গ্যালন ব্যবহার করেছিল।
**[https://truthout.org/articles/the-military-assault-on-global-climate/ দ্য মিলিটারি অ্যাসল্ট অন গ্লোবাল ক্লাইমেট, এইচ প্যাট্রিসিয়া হেইনস কর্তৃক, ''ট্রুথআউট''], ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১১।
*(যুক্তরাষ্ট্র) সামরিক বাহিনী কোনো জাতীয় বা আন্তর্জাতিক সংস্থায় [[জলবায়ু পরিবর্তন|জলবায়ু পরিবর্তন]] নিঃসরণের রিপোর্ট করে না, গ্লোবাল ওয়ার্মিং নিঃসরণ সীমাবদ্ধ করার প্রথম আন্তর্জাতিক চুক্তির ১৯৯৭ সালের কিয়োটো প্রোটোকল আলোচনার সময় যুক্তরাষ্ট্রের চাপের কারণে। তাদের কার্যকলাপের ওপর কোনো বিধিনিষেধ থেকে সামরিক বাহিনীকে রক্ষা করতে, যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছিল এবং জিতেছিল "বাঙ্কার" জ্বালানি (নৌযানের জন্য ঘন, ভারী জ্বালানি তেল) এবং বিশ্বব্যাপী সামরিক কার্যক্রম থেকে সমস্ত গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের ওপর সীমা থেকে ছাড়। আঘাতের ওপর আঘাত হিসেবে, [[জর্জ ডব্লিউ. বুশ|জর্জ ডব্লিউ. বুশ]] তার প্রেসিডেন্সির প্রথম কাজগুলোর একটি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রকে [[কিউটো প্রোটোকল|কিউটো প্রোটোকল]] থেকে বের করে নেন, এই বলে যে এটি খুব ব্যয়বহুল গ্রিনহাউস নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে মার্কিন অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দেবে। এরপর, হোয়াইট হাউস জলবায়ু পরিবর্তনের বিজ্ঞানের বিরুদ্ধে একটি নব্য-লুডাইট প্রচারণা শুরু করে। "দ্য গ্রিন জোন: দ্য এনভায়রনমেন্টাল কস্টস অফ মিলিটারিজম" নিয়ে গবেষণায়... প্রতিরক্ষা দপ্তর থেকে যুদ্ধের হতাহতের পরিসংখ্যান পাওয়া জ্বালানি ব্যবহারের ডেটা পাওয়ার চেয়ে সহজ।
**[https://truthout.org/articles/the-military-assault-on-global-climate/ দ্য মিলিটারি অ্যাসল্ট অন গ্লোবাল ক্লাইমেট, এইচ প্যাট্রিসিয়া হেইনস কর্তৃক, ''ট্রুথআউট''], ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১১।
==ভি==
*আমেরিকানরা এই [[সামরিক ঘাঁটি|ঘাঁটি]]গুলো নিয়ে যেটুকু ভাবে, আমরা সাধারণত মনে করি যে সেগুলো জাতীয় [[নিরাপত্তা|নিরাপত্তা]] এবং বিশ্ব [[শান্তি|শান্তি]]র জন্য অপরিহার্য। আমাদের নেতারা দাবি করেছেন যে এগুলোর বেশিরভাগই [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] এবং [[শীতল যুদ্ধ|শীতল যুদ্ধের]] শুরুর দিকে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ফলস্বরূপ, আমরা পরিস্থিতিকে [[স্বাভাবিক|স্বাভাবিক]] মনে করি এবং মেনে নিই যে অন্যান্য [[দেশ|দেশে]], অন্য জনগণের [[ভূমি|ভূমিতে]] মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলো বিস্ময়কর সংখ্যায় বিদ্যমান। অন্যদিকে, মার্কিন মাটিতে বিদেশী ঘাঁটি থাকার ধারণা অকল্পনীয়। <br> যদিও যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে কোনো স্বতন্ত্র বিদেশী ঘাঁটি নেই, তবে বিদেশী দেশগুলোতে এখন প্রায় ৮০০টি মার্কিন ঘাঁটি রয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ৭০ বছর এবং কোরীয় যুদ্ধের ৬২ বছর পরও, পেন্টাগনের মতে [[জার্মানি|জার্মানি]]তে ১৭৪টি, [[জাপান|জাপান]]ে ১১৩টি এবং [[দক্ষিণ কোরিয়া|দক্ষিণ কোরিয়া]]তে ৮৩টি মার্কিন "বেস সাইট" রয়েছে। আরও শত শত ঘাঁটি [[অরুব|অরুব]] এবং [[অস্ট্রেলিয়া|অস্ট্রেলিয়া]], [[বাহরাইন|বাহরাইন]] এবং [[বুলগেরিয়া|বুলগেরিয়া]], [[কলম্বিয়া|কলম্বিয়া]], [[কেনিয়া|কেনিয়া]] এবং [[কাতার|কাতার]] সহ প্রায় ৮০টি দেশে ছড়িয়ে আছে। যদিও খুব কম আমেরিকানই এটি বোঝে, সম্ভবত ইতিহাসের অন্য যেকোনো [[জনগণ|জনগণ]], [[জাতি|জাতি]] বা [[সাম্রাজ্য|সাম্রাজ্যের]] তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রের বিদেশী জমিতে বেশি ঘাঁটি রয়েছে।
**ডেভিড ভাইন, [https://www.thenation.com/article/the-united-states-probably-has-more-foreign-military-bases-than-any-other-people-nation-or-empire-in-history/ “দ্য ইউনাইটেড স্টেটস প্রোব্যাবলি হ্যাজ মোর ফরেন মিলিটারি বেসেস দ্যান এনি আদার পিপল, নেশন, অর এম্পায়ার ইন হিস্ট্রি”], ''দ্য নেশন'', (১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৫)।
==ডব্লিউ==
*উভয় [[উপসাগরীয় যুদ্ধ|উপসাগরীয় যুদ্ধেই]], মার্কিন সামরিক বাহিনী অবিশ্বাস্য দক্ষতা ও শৃঙ্খলার সাথে কাজ করেছে এবং আমেরিকা শিখেছে যে [[ভিয়েতনামের যুদ্ধ|ভিয়েতনামের]] [[মাই লাই হত্যাকাণ্ড|মাই লাই]]ের মতো ঘটনাগুলো ছিল ব্যতিক্রম, নিয়ম নয়।
**স্যাম উইলিয়ামসন, [http://supreme.findlaw.com/legal-commentary/a-review-of-anthony-swoffords-jarhead.html "আ রিভিউ অফ অ্যান্থনি সোফোর্ডস জারহেড"] (১৮ এপ্রিল ২০০৩)
*<p>এটি আশ্চর্যজনক, যখন আমরা একত্রিত হয়েছিলাম...</p><p>যখন আমরা আমাদের মতপার্থক্যগুলো দূরে সরিয়ে রেখেছিলাম এবং যারা আমাদের ক্ষতি করেছে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছিলাম...</p><p>যখন আমরা মৃতদের পরিবারকে সাহায্য করার জন্য একত্রিত হয়েছিলাম...</p><p>এটি আমাকে অসাধারণ অনুভব করিয়েছে। এটি আমাকে দেশপ্রেমিক করেছে, শক্তিশালী করেছে এবং এই দেশকে এমনভাবে ভালোবাসতে শিখিয়েছে যা আমি আমার দীর্ঘ জীবনে কখনো বাসিনি। আপনি জানেন? কারণ এটিই সেই আমেরিকা যার স্বপ্ন আমরা সবাই দেখি। এটিই সেই আমেরিকা যা আমরা সবাই চাই, শক্তিশালী ও ক্ষমতাধর একটি আমেরিকা যা প্রয়োজনে পাল্টা আঘাত করে। আমাদের ইতিহাসের বইগুলোতে আমরা যে ঘুমন্ত দৈত্যের কথা পড়েছি, যারা আমাদের প্রয়োজনীয় সুপার-পাওয়ার হতে প্রস্তুত এবং বিশ্বের সেরা সেনাবাহিনী নিয়ে। ওয়াও। ওয়াও। একটি কংগ্রেস এবং প্রেসিডেন্ট যারা একসাথে কাজ করবে, আর আমরা কী হয়েছি? এগারো বছর পর? এগারো বছর পর আমাদের সেই উত্তরগুলো নেই যা আমরা চেয়েছিলাম...</p><p>আমাদের কাছে বেশিরভাগই আছে। আমরা জানি কারা এটি করেছে, কেন তারা এটি করেছে। আমরা জানি তারা কীভাবে এটি করেছে। [[ষড়যন্ত্র তত্ত্ব|ষড়যন্ত্র তত্ত্ব]] প্রচুর আছে; প্রমাণ প্রায় সেখানে আছে। কিন্তু, আমরা নিজেদের ধ্বংস করতে অনেক কিছু করেছি। আমরা আমাদের স্বাধীনতা ধ্বংস করতে অনেক কিছু করেছি...</p>শেষ পর্যন্ত, আমরা যদি সেই পথে থাকতাম তবে আমরা যে আমেরিকা হতে পারতাম, আমরা যদি একসাথে থাকতাম তবে আমরা যে আমেরিকা হতে পারতাম, আমরা যদি ভালো হওয়ার জন্য, শক্তিশালী হওয়ার জন্য কঠোর পরিশ্রম করতাম, তা আবারও একটি স্বপ্ন। আপনি জানেন, এবং এটি সত্যিই দুঃখজনক...<p>আমরা আগের চেয়ে অনেক বেশি বিভক্ত, এবং তা? তা আমার হৃদয় ভেঙে দেয়...</p><p>আপনি? আপনার বয়স যদি আঠারোর নিচে হয়, আপনি আমাদের মতো আমেরিকায় কখনো বাস করেননি। আপনি জানেন? আপনি একটি ভালো দেশে বাস করেছেন, আমাকে ভুল বুঝবেন না। আপনি একটি চমৎকার দেশে বাস করেছেন, যেটি এখন অসুস্থ, এটি নিয়ে বিতর্কের কিছু নেই। কিন্তু, এত কাছে এবং তবুও? এত দূরে...</p><p>আমার সেই আমেরিকান স্বপ্নের কথা মনে পড়ে, এবং আমি শুধু ভাবি। আমি ভাবি আমেরিকা কি কখনো আগের মতো হতে পারবে। আমরা দেখব।</p>
**[[স্টিভেন উইলিয়ামস|স্টিভেন উইলিয়ামস]], [https://www.youtube.com/watch?v=JHfrce1Yd48 "স্টোরি টাইম উইথ বুগি: সেপ্টেম্বর ১১থ, ২০০১"] (সেপ্টেম্বর ২০১২), ''ইউটিউব''
*আমি আমাদের সামরিক বাহিনীর নারী-পুরুষদের তাদের সেবার জন্য কৃতজ্ঞ, কিন্তু সেনাবাহিনী কেবল একটি উপায়, প্রয়োজনীয় মন্দ। তাদের দৃষ্টির আড়ালে রাখা উচিত, ঠিক যেমন আমি আমার বাড়িতে বন্দুকগুলোকে দৃষ্টির আড়ালে রাখি। একটি সামরিক প্যারেড মহত্ত্ব প্রদর্শন করে না—এটি শক্তি প্রদর্শন করে। এবং সম্ভবত সেখানেই আমি আমাদের নতুন [[জাতীয়তাবাদ|জাতীয়তাবাদীদের]] সাথে দ্বিমত পোষণ করি। আমার দৃষ্টিতে, ওয়াশিংটনের সবকিছুর চেয়ে একটি [[নিউ ইংল্যান্ড|নিউ ইংল্যান্ড]] টাউন হলে আমেরিকান মহত্ত্ব বেশি, এবং সব ট্যাঙ্ক ও রকেটের চেয়ে একটি [[অরেগন|অরেগন]] আপেল বাগান বা রোটারি মিটিংয়ে আমেরিকান মহত্ত্ব বেশি।
**[[কেভিন ডি. উইলিয়ামসন]], [https://www.nationalreview.com/2019/03/american-nationalism-public-policy-aesthetics-donald-trump/ "দ্য ন্যাশনালিজম শো"] (মার্চ ২০১৯), ''ন্যাশনাল রিভিউ''
*[[প্রজাতন্ত্রবাদ|প্রজাতন্ত্রবাদ]] মরে যায়নি। তারা ব্যক্তিগত [[সম্পদ|সম্পদ]] এবং [[সুখ|সুখ]]ের জন্য হুড়োহুড়ি প্রশমিত করতে রয়ে গেছে এবং তারা আমাদের অনেক আদর্শ ও আকাঙ্ক্ষার মূলে রয়েছে: [[সাম্য|সাম্য]]ে আমাদের বিশ্বাস এবং আড়ম্বর ও বিশেষাধিকারের প্রতি আমাদের অপছন্দ; ব্যক্তিগত স্বায়ত্তশাসন ও নির্ভরশীলতার সব বন্ধন থেকে মুক্তির জন্য আমাদের গভীর আকাঙ্ক্ষা; আমাদের পর্যায়ক্রমিক আশা, যা প্রকাশ পেয়েছে, উদাহরণস্বরূপ, সামরিক বীরদের নির্বাচনে।
**[[গর্ডন এস. উড|গর্ডন উড]], [http://scholarship.kentlaw.iit.edu/cgi/viewcontent.cgi?article=2785&context=cklawreview "ক্লাসিক্যাল রিপাবলিকানিজম অ্যান্ড দ্য আমেরিকান রেভল্যুশন"] (এপ্রিল ১৯৯০), ''শিকাগোকেন্ট ল রিভিউ''
==জেড==
*[[তালিবান|তালিবান]] চুক্তির বিষয়বস্তু মেনে চলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রসহ সব দেশের সাথে ভালো ও ইতিবাচক সম্পর্ক আশা করে।
** [[জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ|জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ]], তালিবানের মুখপাত্র, তালিবান আফগানিস্তান থেকে প্রাথমিক সৈন্য প্রত্যাহারের বিষয়ে [[ট্রাম্প|ট্রাম্প]]ের টুইটকে স্বাগত জানিয়েছে [https://globalnews.ca/news/7385728/taliban-trump-tweet-early-troop-withdrawal-afghanistan/ প্রকাশিত ৮ অক্টোবর, ২০২০]
*ভবিষ্যতের [[আগ্রাসী যুদ্ধ|আগ্রাসী যুদ্ধের]] কৌশলগত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের [[সামরিক-শিল্প কমপ্লেক্স|সামরিক-শিল্প কমপ্লেক্স]]ের সুবিধা নেওয়ার ইচ্ছার সাথে সম্পর্কিত, যা [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরবর্তী সময়|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষে]] বিশাল আকার ধারণ করেছিল। [[আমেরিকান সাম্রাজ্যবাদ|আমেরিকান সাম্রাজ্যবাদ]] ক্রমাগত দেশটিকে সামরিকায়নের নীতি অনুসরণ করছে। [[মার্কিন সেনাবাহিনী|মার্কিন সেনাবাহিনী]] ও [[মার্কিন নৌবাহিনী|নৌবাহিনীর]] ব্যয় বছরে ১১,০০০ মিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। ১৯৪৭-৪৮ সালে, আমেরিকার বাজেটের ৩৫ শতাংশ সশস্ত্র বাহিনীর জন্য বরাদ্দ করা হয়েছিল, যা ১৯৩৭-৩৮ সালের তুলনায় এগারো গুণ বেশি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরুর সময় আমেরিকান সেনাবাহিনী [[পুঁজিবাদ|পুঁজিবাদী]] বিশ্বের সপ্তদশ বৃহত্তম ছিল; আজ এটি বৃহত্তম। যুক্তরাষ্ট্র কেবল [[পারমাণবিক অস্ত্র|পারমাণবিক বোমা]]র মজুদই বাড়াচ্ছে না; আমেরিকান কৌশলবিদরা খোলামেলাভাবে বলছে যে তারা [[ব্যাকটেরিওলজিক্যাল অস্ত্র|ব্যাকটেরিওলজিক্যাল অস্ত্র]] তৈরি করছে। যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত পরিকল্পনায় শান্তির সময়ে [[আমেরিকা মহাদেশ|আমেরিকা মহাদেশ]] থেকে অনেক দূরে অসংখ্য ঘাঁটি ও সুবিধাজনক স্থান তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে, যা [[সোভিয়েত ইউনিয়ন|সোভিয়েত ইউনিয়ন]] ও নতুন গণতন্ত্রের দেশগুলোর বিরুদ্ধে আগ্রাসী উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হবে। আমেরিকা [[আলাস্কা|আলাস্কা]], [[জাপান|জাপান]], [[ইতালি|ইতালি]], [[দক্ষিণ কোরিয়া|দক্ষিণ কোরিয়া]], [[চীন|চীন]], [[মিশর|মিশর]], [[ইরান|ইরান]], [[তুরস্ক|তুরস্ক]], [[গ্রিস|গ্রিস]], [[অস্ট্রিয়া|অস্ট্রিয়া]] এবং [[পশ্চিম জার্মানি|পশ্চিম জার্মানি]]তে বিমান ও নৌ ঘাঁটি তৈরি করেছে বা করছে। [[আফগানিস্তান|আফগানিস্তান]] এবং এমনকি [[নেপাল|নেপাল]]েও আমেরিকান সামরিক মিশন রয়েছে। সামরিক আগ্রাসনের উদ্দেশ্যে [[উত্তর মেরু|উত্তর মেরু]] ব্যবহারের জন্য উন্মাদ প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
** [[আন্দ্রে ঝদানভ]], "[https://soviethistory.msu.edu/1947-2/cold-war/cold-war-texts/zhdanov-on-the-international-situation/ নিউ আসপেক্টস অফ ওয়ার্ল্ড কনফ্লিক্ট: দ্য ইন্টারন্যাশনাল সিচুয়েশন]," ২২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭।
==আরও দেখুন==
* [[পেন্টাগন]]
* [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সেনাবাহিনী]]
* [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিমান বাহিনী]]
* [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কোস্ট গার্ড]]
* [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মেরিন কোর]]
* [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নৌবাহিনী]]
* [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র স্পেস ফোর্স]]
* [[আইভান এডওয়ার্ডস]]
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সশস্ত্র বাহিনী| ]]
91rp32a8majxwy3zj50vggyjc3uxwxt
83373
83330
2026-05-04T03:13:39Z
SMontaha32
3112
/* */
83373
wikitext
text/x-wiki
[[File:Meuse-Argonne, 26 September–1 October 1918.gif|thumb|বিশ্বের সকল জাতি, ধর্ম ও বর্ণের মানুষ এই জাতির [[w:মার্কিন সশস্ত্র বাহিনী|সশস্ত্র বাহিনীতে]] প্রতিনিধিত্ব করেছে, যেমনটি আমাদের জনগোষ্ঠীর মধ্যে ছিল। কারও জাতিগত পরিচয়, রাজনৈতিক মতাদর্শ বা ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে তার দেশপ্রেম বা সেবাকে কেউ তুচ্ছ করেনি। অভিবাসী ও তাদের সন্তানরা... আমাদের মিত্র দেশগুলোর বংশধর, বিষুবীয় আফ্রিকার সন্তান এবং আমাদের নিজস্ব আদিবাসী জনগোষ্ঠীর লাল মানুষের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধ করেছে। তারা সবাই সমানভাবে নিজেদের 'আমেরিকান' পরিচয়ে গর্বিত ছিল। ~ [[ক্যালভিন কুলিজ]]]]
[[File:Brigadier General Smedley Butler, 1927 (14773211711).jpg|thumb|আমি সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট থেকে মেজর-জেনারেল পর্যন্ত সকল কমিশনড পদে দায়িত্ব পালন করেছি। সেই সময়ে আমি আমার বেশিরভাগ সময় ব্যয় করেছি বড় ব্যবসা, ওয়াল স্ট্রিট এবং ব্যাংকারদের জন্য উচ্চমানের গুণ্ডা হিসেবে কাজ করতে। সংক্ষেপে, আমি ছিলাম একজন র্যাকেটিয়ার, পুঁজিবাদের জন্য একজন গ্যাংস্টার। ~ [[স্মেলি বাটলার]]]]
[[File:Haditha massacre.jpg|thumb|আমাদের জেগে উঠতে হবে এবং উপলব্ধি করতে হবে যে আমাদের প্রকৃত শত্রুরা কোনো দূরবর্তী দেশে নেই। তারা এমন কেউ নয় যাদের নাম আমরা জানি না বা যাদের সংস্কৃতি আমরা বুঝি না। শত্রুরা হলো এমন মানুষ যাদের আমরা খুব ভালোভাবেই চিনি এবং যাদের আমরা চিহ্নিত করতে পারি। শত্রু হলো সেই ব্যবস্থা যা লাভজনক হলেই যুদ্ধ বাধায়। শত্রু হলো সেই সব সিইও, যারা মুনাফার জন্য আমাদের চাকরি থেকে ছাঁটাই করে। যারা মুনাফার জন্য আমাদের স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত করে, সেই বিমা কোম্পানিগুলোই শত্রু। যারা মুনাফার জন্য আমাদের ঘরবাড়ি কেড়ে নেয়, সেই ব্যাংকগুলোই শত্রু। আমাদের শত্রুরা পাঁচ হাজার মাইল দূরে নয়, তারা আমাদের ঘরেই রয়েছে। ~ মাইকেল প্রিসনার]]
[[File:Huey Newton.jpg|thumb|আমরা বিশ্বের অন্য কোনো বর্ণের মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব না বা তাদের হত্যা করব না। কারণ কৃষ্ণাঙ্গদের মতোই তারাও আমেরিকার শ্বেতাঙ্গ বর্ণবাদী সরকারের শিকার। ~ [[হিউ নিউটন]]]]
[[File:STTC_Logo.png|thumb|মার্কিন সেনাবাহিনী এবং মেরিন কোরের বর্তমান সদস্য সংখ্যা যথাক্রমে প্রায় ৫,১০,০০০ এবং ১,৮০,০০০। এছাড়া, সেনাবাহিনী ও মেরিন কোরের জন্য প্রায় ৮,০০,০০০ ন্যাশনাল গার্ড ও রিজার্ভ সেনা প্রস্তুত রয়েছে। যদিও এই সংখ্যা অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ১৫ লক্ষ মোট স্থলসেনা রয়েছে, তবুও দেশটির অনেক দায়বদ্ধতা থাকায় একক কোনো সামরিক অভিযানের জন্য এই শক্তি সীমিত হয়ে যায়। প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা, ইউরোপ ও কোরিয়ায় মার্কিন দায়বদ্ধতা এবং বাহিনীর পুনঃপ্রশিক্ষণ ও অস্ত্রসজ্জিত করার বিষয়গুলো বিবেচনা করলে, যুক্তরাষ্ট্রের হয়তো স্থলযুদ্ধের জন্য ২৫০,০০০-এর বেশি সক্রিয় সেনা নেই। যদি ন্যাশনাল গার্ড ও রিজার্ভ বাহিনীকে পুরোপুরি কাজে লাগানো যায়, তবে যুক্তরাষ্ট্র সম্ভাব্য অভিযানে দশ লক্ষ সৈন্য মাঠে নামাতে পারবে। ~ [[ব্রুস ডব্লিউ. টেরি|ব্রুস ডব্লিউ. টেরি]]]]
[[File:X-35.jpg|thumb|যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক শক্তিতে পরিণত হয়, তখন পৃথিবী অনেক বেশি নিরাপদ ও ভালো জায়গায় থাকে। ~ [[মার্কো রুবিও]]]]
[[File:Members_of_the_54th_Massachusetts_Volunteer_Regiment_color_guard_march_during_the_57th_presidential_inauguration_parade_130121-A-TT968-141.jpg|thumb|আমেরিকা আজও ইতিহাসের সবচেয়ে সুশৃঙ্খল ও মানবিক সামরিক বাহিনী বজায় রেখেছে। প্রাচীন বাহিনীগুলো যারা যুদ্ধের লুণ্ঠনে মত্ত থাকত, কিংবা আধুনিক বাহিনীগুলো যারা নির্বিচারে বেসামরিক নাগরিক ও বন্দিদের হত্যা করে, তাদের তুলনায় এটি সংযমের একটি আদর্শ দৃষ্টান্ত। ~ ''নিউজউইক'']]
[[File:Maryland National Guard (17285160576).jpg|thumb|আমি আশা করি, রাস্তাঘাট, টিউব ও বাসে আমরা যে তরুণ আমেরিকান সৈনিকদের সাথে পরিচিত হচ্ছি, তারা আমাদের কাছে ঠিক ততটাই ভালো লেগেছে, যতটা আমরা তাদের ভালোবেসেছি। ~ [[আলফ্রেড জর্জ গার্ডিনার|আলফ্রেড জর্জ গার্ডিনার]]]]
[[File:2014PlainviewMNparadeCivilWar.jpg|thumb|দেশের জন্য লড়াই ও জীবন দেওয়ার জন্য আপনাকে ‘সোজা’ হতে হবে না। আপনার শুধু লক্ষ্যভেদ করতে পারাটাই যথেষ্ট। ~ [[ব্যারি গোল্ডওয়াটার]]]]
[[File:OlusteeKAFL.jpg|thumb|আমাদের সেনাদের চালানো যুদ্ধগুলো দুটি ভিন্ন ব্যবস্থার মধ্যকার বৃহত্তর সংগ্রামের অংশ। প্রথম ব্যবস্থায়, একদল ধর্মান্ধ গোষ্ঠী একটি নিপীড়নমূলক মতাদর্শের প্রতি পূর্ণ আনুগত্য দাবি করে, নারীদের দাসত্বে বাধ্য করে এবং অবিশ্বাসীদের হত্যার লক্ষ্য নির্ধারণ করে। অন্য ব্যবস্থাটি এই বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত যে, স্বাধীনতা হলো সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের সার্বজনীন উপহার। ~ [[জর্জ ডব্লিউ. বুশ]]]]
[[File:The Old Flag Never Touched the Ground.jpg|thumb|সৈনিক ও গণতান্ত্রিকভাবে নিহতরা আমেরিকান মুক্তিদাতাদের দীর্ঘ ঐতিহ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে, যার শুরুটা হয়েছিল আমেরিকান বিপ্লব থেকে... গৃহযুদ্ধ ছিল এই ঐতিহ্যের একটি ভিত্তিপ্রস্তর। একাডেমিক ইতিহাসবিদরা লেখেন যে এটি ছিল আঞ্চলিকতাবাদের কারণে... [[আব্রাহাম লিংকন|লিংকন]] জানতেন এর মূলে কী ছিল... দাসপ্রথা 'একটি অদ্ভুত ও শক্তিশালী স্বার্থের জন্ম দিয়েছিল। সবাই জানত যে এই স্বার্থই কোনোভাবে যুদ্ধের কারণ ছিল'... সৈন্যরা ইউনিয়ন রক্ষা করতে লড়াই করেছিল, কিন্তু তারা মানব বন্ধন শেষ করার জন্যও যুদ্ধ করেছিল। ~ [[জোসেফ মরিসন স্কিলি|জোসেফ এম. স্কিলি]]]]
[[File:Defense.gov_photo_essay_080703-F-9629D-147.jpg|thumb|আমি যখন আমাদের সেনাদের অভিযানে ডেকেছিলাম, তখন তাদের সাহস ও দক্ষতার ওপর আমার পূর্ণ আস্থা ছিল। আর আজ রাতে, তাদের কল্যাণে আমরা জিতছি। ~ [[জর্জ ডব্লিউ. বুশ]]]]
[[File:US Navy 031109-N-9769P-076 Guided missile cruiser USS Lake Champlain (CG 57) steams in the Southern California operating area.jpg|thumb|আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর নারী ও পুরুষেরা এখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি শত্রুর কাছে একটি পরিষ্কার বার্তা পৌঁছে দিয়েছে। ৭,০০০ মাইল দূরে, মহাসাগর ও মহাদেশ পেরিয়ে, পাহাড়ের চূড়ায় বা গুহায় থাকলেও; তোমরা এই জাতির বিচার থেকে রেহাই পাবে না। ~ [[জর্জ ডব্লিউ. বুশ]]]]
[[File:U.S. Army Pfc. Phoebe Alvarez, left, an administrative clerk with the 307th Engineer Battalion, and Command Sgt. Maj. Thomas Capel, right, the command sergeant major of the International Security Assistance 130524-M-UF830-033.jpg|thumb|যদি আমেরিকার প্রতিটি প্রান্তে স্বাধীন নাগরিকদের ওপর নক্ষত্রখচিত পতাকা উড়তে থাকে, এবং আমাদের দেশ যদি ন্যায়বিচার, স্বাধীনতা ও সভ্যতার পথে একটি দীর্ঘ ও গৌরবময় যাত্রা বজায় রাখতে পারে, তবে আমরা এই মহৎ সেনাবাহিনীর নিঃস্বার্থ ত্যাগের কাছে ঋণী। ~ [[ফ্রেডরিক ডগলাস]]]]
[[File:Sailor with boatswain's pipe, USS Fitzgerald (DDG-62), May 2014.jpg|thumb|আমাদের কাছে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বাহিনী আছে, ''কারণ'' আমাদের কাছে সেরা মানুষগুলো আছে। ~ অ্যাশটন কার্টার]]
[[File:150413-N-XM324-040 - PO3 Christina Casillas applies a splint to a simulated broken arm aboard USS Fitzgerald.jpg|thumb|আমাকে অবশ্যই সেইসব নারী ও পুরুষের সেবার কথা বলতে হবে যারা প্রজাতন্ত্রের পতাকাতলে সমবেত হয়েছিল... আমেরিকা তাদের প্রদত্ত সেবা, ত্যাগ এবং সহ্য করা কষ্টগুলো উপলব্ধি করে এবং মূল্যায়ন করে... তারা সবাই ছিল সাহসী। তারা সবাই ছিল আত্মত্যাগী... স্থল ও সমুদ্রের চল্লিশ লক্ষ ডিফেন্ডার জনগণের সেরা ঐতিহ্যের যোগ্য ছিল... তারা আমাদের গর্বিত করেছে। তাদের প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞতা রয়েছে, যা অবশ্যই যথাযথভাবে প্রকাশ করা উচিত। ~ [[ওয়ারেন জি. হার্ডিং]]]]
[[File:150902-N-XF387-351 - SN Ana Motapalomares records bearings.jpg|thumb|আমাদের প্রতিরক্ষা নিহিত রয়েছে সেই চেতনা সংরক্ষণের মধ্যে, যা স্বাধীনতাকে সকল মানুষের, সকল দেশের এবং সর্বকালের ঐতিহ্য হিসেবে মূল্যায়ন করে। ~ [[আব্রাহাম লিংকন]]]]
[[File:Iraqi child with U.S. Troops.jpg|thumb|[[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|আমরা]] গত শতাব্দীজুড়ে নিপীড়ন দমনের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনীর নারী ও পুরুষদের বিশ্বের অন্যান্য প্রান্তে পাঠিয়েছি। আমরা ফ্যাসিবাদের পরাজয় ঘটিয়েছি... আমরা তা করতে ইচ্ছুক ছিলাম, সানন্দেই করেছি... সবকিছুই মানুষের অধিকার রক্ষার স্বার্থে, এবং যখন সেই সংঘাতগুলো শেষ হলো? আমরা কী করলাম? আমরা কি সেখানে থেকে দখল করেছিলাম? আমরা কি বলেছিলাম, ''ওকে, আমরা জার্মানিকে হারিয়েছি। এখন জার্মানি আমাদের? আমরা জাপানকে হারিয়েছি, তাই জাপান আমাদের?''? না... আমরা তাদের গড়ে তুলেছি। আমরা তাদের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা দিয়েছি যা তারা গ্রহণ করেছে... আমরা কি কোনো জমি চেয়েছি? না। আমরা একমাত্র যে জমিটি চেয়েছিলাম তা ছিল আমাদের মৃতদের কবর দেওয়ার মতো যথেষ্ট জমি, আর এই ধরনের জাতিই আমরা। ~ [[কলিন পাওয়েল]]]]
[[File:OlusteeKAFL.jpg|thumb|সামরিক বাহিনী কোনো বস্তু নয়। এটি একদল নিবেদিতপ্রাণ দেশপ্রেমিক যারা আমাদের জন্য সবকিছু ত্যাগ করতে ইচ্ছুক। এটি কেবল এর ভেতরের মানুষগুলোর কারণেই কাজ করে। যন্ত্রপাতি যতই চমৎকার হোক—আর আমাদের চমৎকার যন্ত্রপাতি রয়েছে—মেশিন, অস্ত্র এবং স্যাটেলাইট যতই আধুনিক হোক না কেন, চূড়ান্ত বিচারে এটি অসাধারণ মানুষগুলোর ওপরই নির্ভর করে। ~ [[বারাক ওবামা]]]]
[[File:319th AFA soldiers chillin' out in Iraq.jpg|thumb|আমেরিকায় সৈনিকদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। তাদের সাহস ও ত্যাগের কথা বারবার মনে করিয়ে দেওয়া হয়। সৈনিকদের নিঃস্বার্থতার এক অদৃশ্য আভা থাকে এবং তারা অত্যন্ত মর্যাদার সাথে চলাফেরা করে। ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্টরা ইউনিফর্ম পরা সৈনিকদের ফার্স্ট ক্লাসে আপগ্রেড করেন, রেস্তোরাঁগুলো ভেটারানদের ছাড় দেয় এবং অপরিচিতরা তাদের হাত মেলায়। ~ বেনামী]]
[[File:011217-N-9769S-207 Ready for Working Party.jpg|thumb|এরা আমাদের সন্তান... এরা ভালো ছেলেমেয়ে... সেনাবাহিনী বা মেরিন কোরে যোগ দিলে কেউ নাৎসি হয়ে যায় না; বরং সে আমেরিকার এক সন্তান হয়ে ওঠে যে তার দেশের জন্য কাজ করছে। ~ [[টম ক্ল্যান্সি]]]]
[[File:Four_366th_Infantry_officers.gif|thumb|সামরিক বাহিনী সবসময়ই একটি অন্তর্মুখী সংগঠন। সেনাবাহিনী যে কারণে এতটা প্রগতিশীল তার একটি কারণ হলো, তারা সবসময় নিজেদের বিশ্লেষণ করে। সেনাবাহিনী সবসময় নিজের কাজ আরও ভালোভাবে করার উপায় খোঁজে... সেনাবাহিনীই আমেরিকায় বর্ণবৈষম্য দূরীকরণে নেতৃত্ব দিয়েছে... সেনাবাহিনী খুব আগেই বুঝতে পেরেছিল যে, কৃষ্ণাঙ্গ মানুষরা শ্বেতাঙ্গদের মতোই; পার্থক্য শুধু গায়ের রঙ একটু বেশি গাঢ়। তারাও সমান ভালো সৈনিক হতে পারে। ~ [[টম ক্ল্যান্সি]]]]
[[File:HHC U.S. Army soldiers.png|thumb|সৈনিকেরা। আপনারা এখন আপনাদের বাড়ি ও বন্ধুদের কাছে ফিরতে চলেছেন... আমি আপনাদের কাছে এবং যারা দেশের ডাকে সাড়া দিয়েছেন তাদের সবার কাছে অত্যন্ত ঋণী। আমি চাই দেশটি এখন কী কাজে ব্যস্ত তা যেন সবাই ব্যাপকভাবে বুঝতে পারে। আমরা সবাই একমত হব যে, আমাদের একটি মুক্ত সরকার রয়েছে, যেখানে প্রত্যেক মানুষেরই সমান অধিকার রয়েছে। ~ [[আব্রাহাম লিংকন]]]]
[[File:101110-N-6477M-070 Veteran's Day Naturalization Ceremony aboard USS Midway.jpg|thumb|আপনার সন্তানরা আমেরিকান সৈনিকের শান্ত, সুচিন্তিত ও দৃঢ় যুদ্ধস্পৃহা নিয়ে আপনাদের সেবা করেছে। তাদের এই স্পৃহা সত্যের ঐতিহ্যের ওপর প্রতিষ্ঠিত, আর শত্রুর উন্মাদনা কেবল কাল্পনিক গল্পের ওপর ভিত্তি করে। তাদের আধ্যাত্মিক শক্তি ও ক্ষমতা আমাদের জয়ী করেছে। ~ [[ডগলাস ম্যাকআর্থার]]]]
[[File:US Navy 051206-M-7173M-015 Hospital Corpsman 3rd Class Jesse Munsey, assigned to the 2nd Battalion, 6th Marines, Gulf Company, observes the road up ahead.jpg|thumb|আমেরিকা এবং আমাদের মিত্ররা এক ভিন্ন ধরনের শত্রুর বিরুদ্ধে নতুন এক ধরনের যুদ্ধ করছে। এই সংঘাত আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর নারী ও পুরুষদের ওপর—যার মধ্যে গার্ড ও রিজার্ভও অন্তর্ভুক্ত—বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে। তারা প্রতিটি পরীক্ষায় সফল হয়েছে; প্রতিটি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেছে। ~ [[জর্জ ডব্লিউ. বুশ]]]]
[[File:B-2 Spirit original.jpg|thumb|বিশ্বে মার্কিন সামরিক আধিপত্যের সারমর্ম হলো, তারা ইচ্ছে করলেই মাত্র কয়েক ঘণ্টার নোটিশে পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে বোমা ফেলতে পারে। অন্য কোনো সরকারের এমন সক্ষমতা কোনোদিন ছিল না। ~ [[ডেভিড গ্রেবার]]]]
[[File:USS New Orleans (LPD-18) launches RIM-116 missile 2013.jpg|thumb|আমেরিকার সামরিক শ্রেষ্ঠত্ব এখনো অপ্রতিদ্বন্দ্বী। এই কথাটি চূড়ান্ত... যুক্তরাষ্ট্র স্থল, সমুদ্র, আকাশ এবং মহাকাশে আধিপত্য বজায় রেখেছে। ~ ইয়ান ব্রেমার]]
[[File:U.S. Marines at Camp Geiger in 1999.jpg|thumb|নিজেদের রক্ষা করার আগে বেসামরিক নাগরিকদের রক্ষা করাই আমেরিকান সৈনিকদের কাজ। এভাবে তারা নিজেদের আরও ভালোভাবে রক্ষা করতে পারে। বিষয়টি আপাতদৃষ্টিতে অদ্ভুত মনে হতে পারে, তবে এটিই নিয়মমাফিক ও সোজা পথ। ~ মাইকেল টোটেন]]
[[File:82nd_Sus._Bde._supports_emergency_deployment_readiness_exercise_130128-A-QD996-003.jpg|thumb|যখন আমরা সব ভেদাভেদ ভুলে যারা আমাদের ক্ষতি করেছে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলাম... তা আমাকে অসাধারণ এক অনুভূতি দিয়েছিল। এটি আমাকে দেশপ্রেমিক, শক্তিশালী করে তুলেছিল। আমি এই দেশকে এমনভাবে ভালোবাসতে শুরু করলাম যা আমার জীবনে আগে কখনো অনুভব করিনি... আমরা সবাই এমন এক আমেরিকার স্বপ্ন দেখি। আমরা এমন এক শক্তিশালী ও পরাক্রমশালী আমেরিকাকে চাই, যা প্রয়োজনে পাল্টা আঘাত করে। আমাদের ইতিহাস বইয়ে ঘুমন্ত দৈত্যের কথা শেখানো হয়েছিল, যে প্রয়োজনের সময় পরাশক্তি হিসেবে জেগে ওঠে এবং যার রয়েছে বিশ্বের সেরা সেনাবাহিনী। ~ স্টিভেন উইলিয়ামস]]
[[File:Iraqi girls playing.jpg|thumb|পৃথিবীতে যদি শান্তির কোনো কারিগর থেকে থাকে, তবে সেটি হলো মার্কিন সামরিক বাহিনী। ~ [[রাশ লিম্বো]]]]
[[File:American_bases_worldwide.svg|thumb|আমেরিকানরা এই ঘাঁটি সম্পর্কে যতটা ভাবে, তাতে আমরা সাধারণত মনে করি যে এগুলো জাতীয় নিরাপত্তা ও বিশ্ব শান্তির জন্য অপরিহার্য। বেশিরভাগ ঘাঁটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ এবং শীতল যুদ্ধের শুরুর দিকে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সময় থেকেই আমাদের নেতারা এমনটা দাবি করে আসছেন। এর ফলে, আমরা এই পরিস্থিতিকে স্বাভাবিক মনে করি এবং মেনে নিই যে, বিপুল সংখ্যক মার্কিন সামরিক স্থাপনা অন্য দেশের মানুষের ভূমিতে রয়েছে। অন্যদিকে, মার্কিন মাটিতে অন্য দেশের ঘাঁটি থাকার ধারণাটিই অকল্পনীয়। ~ ডেভিড ভাইন]]
[[File:U.S._Military_Installations_Map.jpg|thumb|এই ব্যবস্থার কেন্দ্রে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যা আজকের বিশ্বের একমাত্র টিকে থাকা সাম্রাজ্য। [[মানবতা|মানবতার ইতিহাসে]] এই প্রথম একটিমাত্র সাম্রাজ্য এত প্রভাবশালী, যার সামরিক বাজেট পরের ১৫টি দেশের সম্মিলিত বাজেটের চেয়েও বেশি এবং যার সামরিক-শিল্প কমপ্লেক্স নিজেই বিশ্বের একাদশ বৃহত্তম অর্থনৈতিক সত্তা। আমরা এই বাস্তবতায় বাস করি এবং এই বাস্তবতা ভিন্ন ভিন্নভাবে আমাদের মুখোমুখি হয়। ~ [[তারিক আলী]]]]
'''মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনী''' হলো [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র]]ের জাতীয় সামরিক বাহিনী। এটি [[w:উত্তর আমেরিকা|উত্তর আমেরিকা]] মহাদেশের একটি দেশ। অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষের দিকে এই বাহিনী [[w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সেনাবাহিনী|মার্কিন সেনাবাহিনী]], [[w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নৌবাহিনী|মার্কিন নৌবাহিনী]], [[W:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মেরিন কোর|মার্কিন মেরিন কোর]], [[w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিমান বাহিনী|মার্কিন বিমান বাহিনী]], [[W:মার্কিন কোস্ট গার্ড|মার্কিন কোস্ট গার্ড]] এবং [[w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মহাকাশ বাহিনী|মার্কিন মহাকাশ বাহিনী]] নিয়ে গঠিত হয়। এটিকে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক বাহিনী হিসেবে গণ্য করা হয়।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি এই বাহিনীর সর্বাধিনায়ক। তিনি সামরিক নীতি নির্ধারণে মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের সাথে কাজ করেন। এটি একটি ফেডারেল নির্বাহী বিভাগ। যা সামরিক নীতি ও যুদ্ধ পরিচালনার মূল সংস্থা হিসেবে কাজ করে। প্রতিটি শাখার সর্বোচ্চ পদমর্যাদার কর্মকর্তারা [[w:জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফ|জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফ]] হিসেবে রাষ্ট্রপতিকে পরামর্শ দেন। তবে তাদের সরাসরি অপারেশনাল কমান্ড নেই। [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি]] হিসেবে বর্তমানে [[জো বাইডেন]] সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান এবং প্রতিরক্ষা বিভাগের দায়িত্বে রয়েছেন প্রতিরক্ষাসচিব [[লয়েড অস্টিন]]।
==এ==
*আমাদের কাছে বিশাল সেনাবাহিনী আছে, সু[[শৃঙ্খলা|শৃঙ্খল]] এবং সুসজ্জিত, যার [[সেনাপতি|সেনাপতিরা]] সামরিক দক্ষতার দিক থেকে কারো চেয়ে কম নয়, এবং তৎপরতা ও [[উদ্দীপনা|উদ্দীপনায়]] শ্রেষ্ঠ। আমাদের অস্ত্রাগার এবং ভাণ্ডার আমাদের প্রত্যাশার চেয়েও বেশি সমৃদ্ধ... আপনাদের সামনে এখন শত্রুবাহিনীর পুরো শক্তি এবং তাদের ভিত্তিহীন ও ভাড়াটে সহায়ক শক্তিকে প্রতিহত করার মতো যথেষ্ট সেনাবাহিনী রয়েছে। আপনাদের সৈন্যদের হৃদয়ে স্বাধীনতার চেতনা প্রবল; তারা তাদের কারণের ন্যায়বিচারে অনুপ্রাণিত, এবং তারা যখন তাদের তলোয়ার আঁকড়ে ধরে তখন সাহায্যের জন্য [[স্বর্গ|স্বর্গের]] দিকে তাকাতে পারে। আপনাদের প্রতিপক্ষরা এমন অভাজনদের নিয়ে গঠিত যারা মানবতার অধিকারকে উপহাস করে, যারা ধর্মকে বিদ্রূপে পরিণত করে, এবং উচ্চ বেতনের জন্য তাদের তলোয়ার তাদের নেতা বা তাদের দেশের বিরুদ্ধে চালিত করতে পারে। তাহলে, অতীতে স্বর্গ থেকে প্রাপ্ত সাফল্যের কৃতজ্ঞতা এবং ভবিষ্যতে সেই সাফল্যের আত্মবিশ্বাস নিয়ে আপনাদের মহৎ উদ্যোগে এগিয়ে যান। নিজের পক্ষ থেকে, আমি সাধারণ বিপদ এবং সাধারণ গৌরবে আপনাদের সাথে অংশ নেওয়ার চেয়ে বড় কোনো আশীর্বাদ চাই না।
**[[স্যামুয়েল অ্যাডামস]], [http://www.samuel-adams-heritage.com/documents/speech-about-declaration-of-independence.html স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র সম্পর্কে ভাষণ] (১ আগস্ট ১৭৭৬)
*আসুন [[বিশ্ব|বিশ্ব]] নিয়ে আলোচনা করি। "[[ঈশ্বর|ঈশ্বর]] ছাড়া কি বিশ্বায়ন সম্ভব"—এই প্রশ্নের উত্তরের সহজ উত্তর হলো "হ্যাঁ"। বিশ্বায়ন আসলে নিজেই একটি কোড শব্দ, একটি মুখোশ, সি-শব্দ [[পুঁজিবাদ|পুঁজিবাদ]] ব্যবহার না করার জন্য। বিশ্বায়ন মূলত পুঁজিবাদের প্রসারের সর্বশেষ পর্যায়। এটি এমন কিছু নয় যা [[নিরপেক্ষ|নিরপেক্ষ]], এটি এমন একটি পুঁজিবাদ যার নিজস্ব নিয়ম আছে: এর নিজস্ব অর্থনৈতিক নিয়ম আছে, এর নিজস্ব রাজনৈতিক নিয়ম আছে, এর নিজস্ব সাংস্কৃতিক নিয়ম আছে এবং এর নিজস্ব সামরিক নিয়ম আছে। এটি একটি 'সিস্টেম'। এই সিস্টেমের মূলে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, বর্তমানে বিশ্বের একমাত্র বিদ্যমান [[সাম্রাজ্য|সাম্রাজ্য]]। [[মানবতা|মানবতার]] [[ইতিহাস|ইতিহাসে]] এই প্রথম এমন একটি একক সাম্রাজ্য এত প্রভাবশালী, যার সামরিক বাজেট পরবর্তী ১৫টি দেশের সম্মিলিত সামরিক বাজেটের চেয়ে বেশি, এবং যার সামরিক-শিল্প কমপ্লেক্স নিজেই বিশ্বের একাদশ বৃহত্তম অর্থনৈতিক সত্তা। এটি সেই বাস্তবতা যাতে আমরা বাস করি, এবং এটি সেই বাস্তবতা যা বিভিন্ন উপায়ে আমাদের ''সম্মুখীন'' হয়।
**[[তারিক আলি]], [http://www.vpro.nl/programma/tegenlicht/artikelen/21200518/ দশম বিশ্বায়ন বক্তৃতা], ভিপ্রও।
*আমেরিকায়, সৈনিকদের প্রতি এক ধরনের [[শ্রদ্ধা|শ্রদ্ধা]] রয়েছে। একজনকে ক্রমাগত তাদের [[সাহস|সাহস]], তাদের আত্মত্যাগের কথা মনে করিয়ে দেওয়া হয়। সৈনিকদের নিঃস্বার্থপরতার একটি অন্তর্নিহিত আভা থাকে, তারা মর্যাদাপূর্ণ আচরণের সাথে চলে। বিমানবালারা ইউনিফর্ম পরিহিত সৈনিকদের ফার্স্ট ক্লাসে আপগ্রেড করে, রেস্তোরাঁগুলো ভেটেরানদের ছাড় দেয়, অপরিচিতরা তাদের হাত মেলায় এবং বলে, 'আপনার সেবার জন্য ধন্যবাদ'।
**বেনামী, [http://www.theguardian.com/world/iran-blog/2015/jul/22/iran-military-uniform-gomrok-shopping-spree "হাউ আই লার্নড টু স্টপ ওরিং অ্যান্ড লাভ দ্য ইরানিয়ান আর্মি"], ''দ্য গার্ডিয়ান'' (২৩ জুলাই ২০১৫), যুক্তরাজ্য।
*প্রতিরক্ষা এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার বিষয়ে, গল্পটি আপাতদৃষ্টিতে ভালো মনে হয়। প্রেসিডেন্ট সামরিক ব্যয় বাড়িয়েছেন (যদিও ঋণের স্তূপের খরচে)। তিনি মার্কিন বাহিনীকে আধুনিকীকরণ এবং আমাদের সৈন্যদের বেতন বাড়ানোর দিকে মনোনিবেশ করেছেন। এবং তিনি দেশ ও সীমানা সুরক্ষাকে তার প্রেসিডেন্সির সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারগুলোর একটি করেছেন। বাস্তবে, [[ডোনাল্ড ট্রাম্প|ট্রাম্প]] [[পেন্টাগন|পেন্টাগনের]] জন্য একটি বিপর্যয় হয়েছেন। তিনি সামরিক নেতাদের প্রজাতন্ত্রের নির্দলীয় রক্ষক হিসেবে নয়, বরং "তার জেনারেল" হিসেবে উল্লেখ করেন, যাদের তিনি [[দাবা|দাবা]] বোর্ডের নাইটদের মতো নিজের ইচ্ছামতো সরাতে পারেন। তার এই ধরনের কথা শোনা কঠিন। এই নেতাদের কেউ কেউ দেশের সুরক্ষায় সন্তান হারিয়েছেন। তারা দরজায় কড়া নাড়ার শব্দে দরজা খুলে এমন মানুষজনের মুখ থেকে তাদের জীবনের সবচেয়ে হৃদয়বিদারক খবর শুনেছেন, যে তাদের সন্তান চিরতরে হারিয়ে গেছে। তবুও তারা এমন একজন ব্যক্তির নির্দেশে কাজ করছেন যিনি সামরিক সেবার কথা ভাবলে কুঁকড়ে যেতেন। ইউনিফর্ম পরা দেশপ্রেমিকরা এটি প্রকাশ্যে বলে বের হবে না কারণ তারা তাদের কমান্ডারের সাথে প্রকাশ্যে দ্বিমত পোষণ করতে চায় না, কিন্তু অনেকেই ট্রাম্পের সৌজন্যবোধের অভাব এবং আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর অদূরদর্শী নেতৃত্বে আতঙ্কিত। বারবার, তিনি আমাদের সশস্ত্র বাহিনীকে রাজনৈতিক বিতর্কে টেনে আনার চেষ্টা করে বা নিজের দৃঢ়তা দেখানোর জন্য তা ব্যবহার করে এক ভয়ানক পরিস্থিতিতে ফেলেছেন। এটি তিনি অফিসে প্রবেশের আগেই শুরু করেছিলেন। একজন প্রার্থী হিসেবে, ট্রাম্প সামরিক ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে আমেরিকার শত্রুদের বিরুদ্ধে কৌশল হিসেবে [[নির্যাতন|নির্যাতন]] গ্রহণ করার পরামর্শ দিয়েছিলেন, শপথ করে বলেছিলেন, "আমি ওয়াটারবোর্ডিং ফিরিয়ে আনব। এবং আমি ওয়াটারবোর্ডিংয়ের চেয়ে অনেক বেশি ভয়ানক কিছু ফিরিয়ে আনব।" বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেছেন যে এই ধরনের বক্তব্য সন্ত্রাসীরা প্রচারণার জন্য ব্যবহার করে, আমেরিকার কথিত নিষ্ঠুরতার কথা প্রচার করে সমর্থকদের নিয়োগ করতে তাদের সাহায্য করে। এটি তাদের আখ্যানকে খাওয়ায়, বিদেশের মার্কিন বাহিনীকে বিপদে ফেলে। সৌভাগ্যবশত, প্রেসিডেন্ট তার মেয়াদ শুরুর দিকেই আগত দলের দ্বারা বিষয়টি বাদ দেওয়ার জন্য রাজি হয়েছিলেন, যারা বুঝতে পেরেছিল যে ট্রাম্পের ভোল পাল্টানো জাতীয় প্রতিরক্ষাকে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করবে।
** বেনামী, ''আ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১০৩-১০৪।
*ট্রাম্প যখন নতুন সেনা ইউনিফর্ম ("খুব দামী," তিনি আক্ষেপ করেছিলেন, কিন্তু অন্যদিকে, "সুন্দর")-এর মতো বিষয়ে ভোল পাল্টান, তখন এটি ক্লান্তিকর। যখন এটি বিমান হামলার বিষয়ে হয়, তখন এটি ভয়ঙ্কর। প্রেসিডেন্টের আবেগপ্রবণতা আমাদের সামরিক বাহিনীর জন্য একটি বিপদ সৃষ্টি করে, যার পুরো মাত্রা বছরের পর বছর ধরে জানা যাবে না। তিনি পেন্টাগনের জন্য সামান্য মাথাব্যথার চেয়ে বেশি কিছু। তিনি এক অন্ধ করে দেওয়া মাইগ্রেন। যারা পেন্টাগনের সর্বোচ্চ পর্যায়ে কাজ করেছেন, যারা সিদ্ধান্তের মুহূর্তে ট্রাম্পের সাথে বসেছেন, তারা এটি খুব ভালোভাবেই জানেন। সাপ্তাহিক ভিত্তিতে, তারা ইউনিফর্ম পরা নারী-পুরুষদের বোঝানোর চেষ্টা করেন যে তাদের ওপর থাকা কমান্ডার-ইন-চিফ কতটা অসংযমী এবং তিনি কীভাবে মার্কিন সামরিক বাহিনীকে একটি বড় ব্যাটলশিপ খেলার অংশ হিসেবে দেখেন। আমাদের যোদ্ধারা আমাদের ক্ষতি করতে চাওয়া ব্যক্তিদের শিকার করতে বিশ্বের অন্ধকার কোণে যেতে সবকিছু বাজি রাখে। তাদের কর্তব্যের অলঙ্ঘনীয় কোডের জন্য তারা এমন একজন ব্যক্তির চেয়ে বেশি কিছু পাওয়ার যোগ্য যার মৌলিক নৈতিক কম্পাসের অভাব রয়েছে।
** বেনামী, ''আ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১০৫।
*সেনাবাহিনী এগিয়ে চলেছে!
**"আর্মি গোজ রোলিং অ্যালং"
*আমেরিকান সেনাবাহিনী যুদ্ধে এত ভালো করার [[কারণ|কারণ]] হলো [[যুদ্ধ|যুদ্ধ]] হলো [[বিশৃঙ্খলা|বিশৃঙ্খলা]] এবং আমেরিকান সেনাবাহিনী প্রতিদিন বিশৃঙ্খলার অনুশীলন করে।
**নাৎসি সামরিক বাহিনীর বেনামী প্রবাদ, {{cite news |last1=লেসি |first1=জিম |title=নাথিং ওয়েন্ট অ্যাকর্ডিং টু প্ল্যান |url=http://content.time.com/time/nation/article/0,8599,443808,00.html |accessdate=২৩ জুলাই ২০১৯ |প্রকাশক=সময় |date=১৫ এপ্রিল, ২০০৩}} উদ্ধৃত।
==বি==
*যুক্তরাষ্ট্রের [[ভবিষ্যৎ]] প্রস্তুতির সর্বোত্তম উপায় হলো তার অর্থনৈতিক শক্তি সঞ্চয় করা এবং কেবল তখনই সামরিকভাবে সাড়া দেওয়া যখন কোনো গুরুতর হুমকি তৈরি হয়। অন্যথায়, ওয়াশিংটনের উচিত সংঘাতের চেয়ে সমঝোতার পথ খোঁজা।
**ডাগ ব্যান্ডো, [http://nationalinterest.org/blog/the-skeptics/china-really-dangerous-16347 “চীন কি সত্যিই এতটা বিপজ্জনক?”] (২৫ মে ২০১৬), ''দ্য ন্যাশনাল ইন্টারেস্ট''
*আমি একজন নিবন্ধিত ডেমোক্র্যাট। আমি সাধারণত ডেমোক্র্যাটদের ভোট দিই। সামরিক বাহিনীর সাথে কাজ করা একজন ডেমোক্র্যাট হওয়া অদ্ভুত, কারণ সামরিক বাহিনীতে মূলত রিপাবলিকানদের আধিপত্য। আমি এই পরিবেশে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি কারণ আমি রুমের মধ্যে সন্দেহবাদী বা ভিন্নমতাবলম্বী হতে পছন্দ করি। আর যদি সামরিক পরিবেশে ভিন্নমতাবলম্বী হতে হয়, তবে সম্ভবত আপনাকে ডেমোক্র্যাটই হতে হবে। তবে এটি আমার পারিবারিক প্রেক্ষাপট। আমার এক দাদা ছিলেন যিনি প্রগ্রেসিভ হিসেবে নির্বাচনে দাঁড়িয়েছিলেন।
**থমাস বার্নেট, [http://archive.li/5c6cC#selection-123.0-123.14 ব্রায়ান ল্যাম্বের সাথে সাক্ষাৎকার] (মে ২০০৪), ''সি-স্প্যান''
*এ বিষয়ে কোনো ভুল করা উচিত নয়: কংগ্রেসের বিশাল, অকার্যকর এবং অযৌক্তিকভাবে ব্যয়বহুল যুদ্ধ যন্ত্রে বিনিয়োগ করার সিদ্ধান্তের সাথে অধিকাংশ মানুষ যেভাবে জাতীয় নিরাপত্তা বা অভিধান অনুযায়ী “প্রতিরক্ষা”কে বোঝে, তার কোনো সম্পর্ক নেই। মার্কিন সমাজ নিশ্চিতভাবেই আমাদের নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হুমকির মুখোমুখি, যার মধ্যে রয়েছে জলবায়ু সংকট, প্রাতিষ্ঠানিক বর্ণবাদ, ভোটাধিকার ক্ষয়, বন্দুক সহিংসতা, চরম বৈষম্য এবং রাজনৈতিক ক্ষমতার ওপর করপোরেট দখল। কিন্তু আমাদের সৌভাগ্য যে, আমাদের কোনো প্রলয়ঙ্করী বৈশ্বিক আক্রমণকারী বা প্রকৃতপক্ষে অন্য কোনো দেশের হামলার হুমকি নেই... যদি এই অকার্যকর ও প্রাণঘাতী অর্থের অপচয় রোধে জনগণের কোনো প্রভাব ফেলতে হয়, তবে আমাদের অবশ্যই প্রচারণার কুয়াশা ভেদ করে দেখতে শিখতে হবে। এই প্রচারণা লাল, সাদা ও নীল পতাকার নিচে স্বার্থপর দুর্নীতিকে ঢেকে রাখে এবং সামরিক কর্মকর্তাদের জনগণের সেই স্বাভাবিক শ্রদ্ধাকে সিনিক বা নিচভাবে শোষণ করতে দেয়, যা সাহসী তরুণ-তরুণীরা আমাদের দেশকে রক্ষার জন্য জীবন বাজি রেখে অর্জন করেছে। ক্রিমিয়ার যুদ্ধে, রাশিয়ানরা ব্রিটিশ সৈন্যদের “গাধার দ্বারা পরিচালিত সিংহ” বলেছিল। আজকের মার্কিন সামরিক বাহিনীর জন্য এটিই একটি যথার্থ বর্ণনা।
** মিডিয়া বেঞ্জামিন এবং [https://www.salon.com/2021/12/07/congress-loots-the-treasury-for-us-machine--while-bickering-over-build-back-better/ নিকোলাস জে.এস. ডেভিস, কংগ্রেস লোটস দ্য ট্রেজারি ফর ইউ.এস. ওয়ার মেশিন — হোয়াইল বিকারিং ওভার বিল্ড ব্যাক বেটার, ''স্যালন,''] (৭ ডিসেম্বর, ২০২১)
*বিশ্বের পরবর্তী ১২ বা ১৩টি বৃহত্তম সামরিক বাহিনীর সম্মিলিত খরচের চেয়েও বেশি ব্যয় করা একটি যুদ্ধ যন্ত্র বজায় রাখা আমাদের কম নিরাপদ করে তোলে। কারণ প্রতিটি নতুন প্রশাসন এই বিভ্রান্তি উত্তরাধিকার সূত্রে পায় যে, যুক্তরাষ্ট্রের অত্যধিক ধ্বংসাত্মক সামরিক শক্তি যেকোনো জায়গায় মার্কিন স্বার্থের বিরুদ্ধে অনুভূত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ব্যবহার করা যেতে পারে—এমনকি যখন স্পষ্টতই কোনো সামরিক সমাধান নেই এবং যখন অনেক মূল সমস্যাই প্রথমত মার্কিন সামরিক শক্তির অপপ্রয়োগের কারণে সৃষ্টি হয়েছে। এই শতাব্দীতে আমাদের মুখোমুখি আন্তর্জাতিক চ্যালেঞ্জগুলোর জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও কূটনীতির প্রতি প্রকৃত প্রতিশ্রুতি প্রয়োজন, অথচ কংগ্রেস পেন্টাগন বাজেটের ১০ শতাংশেরও কম, মাত্র ৫৮ বিলিয়ন ডলার, আমাদের সরকারের কূটনৈতিক শাখা—পররাষ্ট্র দপ্তরের জন্য বরাদ্দ করে। আরও খারাপ বিষয় হলো, ডেমোক্র্যাট এবং রিপাবলিকান উভয় প্রশাসনই শীর্ষ কূটনৈতিক পদগুলোতে এমন কর্মকর্তাদের নিয়োগ দিয়ে চলেছে যারা যুদ্ধ ও জবরদস্তির নীতিতে দীক্ষিত, যাদের আমাদের অত্যন্ত প্রয়োজনীয় শান্তিপূর্ণ কূটনীতির ক্ষেত্রে নগণ্য অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা রয়েছে। এটি কেবল একটি ব্যর্থ বৈদেশিক নীতিকে দীর্ঘস্থায়ী করে, যা মিথ্যা পছন্দের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে—যেমন জাতিসংঘ কর্মকর্তাদের মতে মধ্যযুগীয় অবরোধের মতো অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা, দশকের পর দশক ধরে দেশ ও অঞ্চলকে অস্থিতিশীল করা অভ্যুত্থান এবং লক্ষ লক্ষ মানুষকে হত্যা করা ও শহরগুলোকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করা যুদ্ধ ও বিমান হামলা, যেমন [[ইরাক|ইরাকের]] মসুল এবং [[সিরিয়া|সিরিয়ার]] রাক্কায় দেখা গেছে।
** [[মিডিয়া বেঞ্জামিন]] এবং [https://www.salon.com/2021/12/07/congress-loots-the-treasury-for-us-machine--while-bickering-over-build-back-better/ নিকোলাস জে.এস. ডেভিস, কংগ্রেস লোটস দ্য ট্রেজারি ফর ইউ.এস. ওয়ার মেশিন — হোয়াইল বিকারিং ওভার বিল্ড ব্যাক বেটার, ''স্যালন,''] (৭ ডিসেম্বর, ২০২১)
*তোমাদের সেবা যেন কখনো বিচ্ছিন্ন না হয়, পতাকার প্রতি অটল থেকো! সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনী চিরজীবী হোক! লাল, সাদা এবং নীলের জন্য তিনবার উল্লাসধ্বনি!
**থমাস আ বেকেট, সিনিয়র, “কলম্বিয়া, দ্য জেম অফ দ্য ওশান” (১৮৪৩)
*তুমি শান্তভাবে বুট ক্যাম্পে যাবে<br>তারা তোমাকে গুলি করে মেরে ফেলবে, তোমাকে মানুষ বানাবে<br>তুমি [[চিন্তা]] কোরো না, এটি একটি লক্ষ্যের জন্য<br>বৈশ্বিক করপোরেশনের নখর ভরার জন্য।
**জেলো বিয়াফ্রা, ''{{w|উই'ভ গট আ বিগার প্রবলেম নাও}}'', ''{{w|ইন গড উই ট্রাস্ট, ইনক.}}'' (১৯৮১)।
*[[ঈশ্বর]] আমাদের সৈন্যদের আশীর্বাদ করুন।
**[[জো বাইডেন]], [http://www.c-span.org/video/?401096-1/উইকলি প্রেসিডেন্সিয়াল অ্যাড্রেস] (২১ নভেম্বর ২০১৫)
*<p>স্বৈরাচারীরা তাদের [[লোহা|লোহার]] দণ্ড নাড়াক, এবং [[দাসত্ব|দাসপ্রথা]] তার জীর্ণ [[শৃঙ্খল|শিকল]] ঝনঝন করুক। আমরা তাদের [[ভয়]] করি না, আমরা [[ঈশ্বর|ঈশ্বরে]] [[বিশ্বাস]] রাখি...</p><p>ঈশ্বর চিরকাল রাজত্ব করেন। শত্রুরা উদ্ধত পদক্ষেপে এগিয়ে আসছে। আমাদের সৈন্যরা সামরিক শব্দের সাথে অগ্রসর হচ্ছে। তাদের প্রবীণরা আমাদের যুবকদের সামনে থেকে পালিয়ে যাচ্ছে, এবং জেনারেলরা দাড়িহীন বালকদের কাছে আত্মসমর্পণ করছে।</p>
**উইলিয়াম বিলিংস, “চেস্টার” (১৭৭০), [http://store.bobbyhorton.com/album/হোমস্পান সংস অফ দ্য প্যাট্রিওটস ইন দ্য আমেরিকান রেভোলিউশন ''দ্য নিউ ইংল্যান্ড স্যাম সিঙ্গার'']
*[[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের]] পর যুক্তরাষ্ট্র যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজটি করেছিল, তা হলো ফিরে আসা ভেটেরানদের সহায়তা করা।
**আর্ল ব্লুমেনাউয়ার (১৮ ডিসেম্বর ২০০৭), “[হাউস রিস্টোরস ওরেগন ভেটেরানস প্রভিশনস কাট বাই সিনেট]”। প্রেস বিজ্ঞপ্তি। ''কংগ্রেসম্যান আর্ল ব্লুমেনাউয়ার’স ওয়েবসাইট, রিপ্রেজেন্টিং দ্য ৩য় কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্ট অফ ওরেগন''। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদ।
*<p>[[আমেরিকা|আমেরিকার]] সামরিক শ্রেষ্ঠত্ব অপ্রতিদ্বন্দ্বী; এখানেই শেষ...</p><p>যুক্তরাষ্ট্র স্থল, [[সমুদ্র]], [[আকাশ]] এবং মহাকাশে আধিপত্য বিস্তার করে। আমেরিকার মধ্যপ্রাচ্যের দুঃসাহসিক অভিযান মার্কিন সামরিক বাহিনীকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে, কিন্তু [[ইরাক যুদ্ধ|ইরাক]] ও [[আফগানিস্তানে যুদ্ধ (২০০১–২০২১)|আফগানিস্তানের যুদ্ধ]] মার্কিন সামরিক শ্রেষ্ঠত্বের হ্রাসের চেয়ে বরং যুদ্ধের পরিবর্তনশীল প্রকৃতিকেই বেশি নির্দেশ করে। সন্ত্রাসবাদী এবং গেরিলা যোদ্ধারা কৌশলে প্রচলিত সামরিক শক্তিকে চ্যালেঞ্জ করে। যুক্তরাষ্ট্রকে শেষ পর্যন্ত এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলার জন্য সামরিক শক্তি সংকুচিত করতে শিখতে হবে। তবুও, যদিও প্রচলিত সামরিক শক্তি হয়তো সন্ত্রাসবাদীদের আটকাতে পারে না, এটি কিন্তু শত্রুভাবাপন্ন দেশগুলোকে প্রতিরোধ করার ক্ষেত্রে চমৎকার কাজ করে।</p>
**[[ইয়ান ব্রেমার]], [https://web.archive.org/web/20150528161550/http://time.com/3899972/us-superpower-status-military/ “দিজ আর দ্য ৫ রিজনস হোয়াই দ্য ইউ.এস. রিমেইনস দ্য ওয়ার্ল্ডস অনলি সুপারপাওয়ার: হোয়াই ওয়াশিংটন ক্যান স্টিল ক্লেইম গ্লোবাল প্রাইমেসি ইন দ্য ২১স্ট সেঞ্চুরি”] (২৮ মে ২০১৫), ''টাইম''
*যদি আপনার [[দেশ|দেশের]] আপনার [[প্রয়োজন]] হয়, তবে আপনার সেখানেই থাকা উচিত; আমি যখন [[যুবক]] ছিলাম তখন এমনটাই অনুভব করতাম, এবং আজও আমি তা-ই অনুভব করি।
**[[ফ্রাঙ্ক বাকলস]], মার্কিন সেনাবাহিনীতে সেবা সম্পর্কে, ''দ্য নক্সভিল নিউজে'' উদ্ধৃত
*[পররাষ্ট্র নীতির “সামরিকীকরণ” বিষয়ক উদ্বেগের প্রশ্নের জবাবে তাঁর প্রতিক্রিয়া] আমাদের সবারই উদ্বিগ্ন হওয়া উচিত। প্রতিরক্ষা ও সামরিক নেতারা কূটনীতির ওপর শক্তির ভূমিকা পরিবর্তনের—উভয় দলের প্রশাসনের মধ্যেই—ক্ষতিকারক প্রবণতা তুলে ধরার ব্যাপারে পিছপা হন না। আমরা সবাই সেক্রেটারি অফ ডিফেন্স [[রবার্ট গেটস|বব গেটস]]ের লাইনটি উদ্ধৃত করেছি যে, সামরিক বাহিনীতে আমাদের ফরেন সার্ভিস অফিসারদের চেয়ে বেশি সঙ্গীতজ্ঞ রয়েছে, এবং [[জিম ম্যাটিস|জিম ম্যাটিস]]ের পয়েন্টটি যে, আমরা যদি কূটনীতিতে কম বিনিয়োগ অব্যাহত রাখি তবে আমাদের “আরও গোলাবারুদ কিনতে হবে”। কিন্তু আমি ভয় পাচ্ছি যে, তাতে খুব একটা কাজ হয়নি। অবশ্যই, আমাদের নিশ্চিত করা উচিত যে আমাদের সামরিক বাহিনী অন্য যেকোনো দেশের চেয়ে শক্তিশালী, যাতে আমাদের শেষ হাতিয়ারটি শক্তিশালী ও টেকসই হয়। এবং অবশ্যই, কূটনীতি পরিচালনায় শক্তি বা শক্তির হুমকি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যারা আমাদের বিপরীতে টেবিলে বসেছিলেন, তাদের মনোযোগ আকর্ষণ করতে পেরে আমরা সবাই মার্কিন সামরিক বাহিনী থেকে উপকৃত হয়েছি... কিন্তু বারবার, আমরা দেখেছি যে সামরিক হাতিয়ারের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা আমাদের নীতির চোরাবালিতে নিয়ে যেতে পারে। বারবার, আমরা শক্তির অত্যধিক ব্যবহারের—বা সময়ের আগেই ব্যবহারের—ফাঁদে পড়েছি। এটি আমেরিকান রক্ত ও অর্থের ক্ষেত্রে অনেক বেশি ব্যয়সাধ্য এবং এটি কূটনীতিকে একটি বিকৃত ও কম সম্পদের সংস্থানযুক্ত গৌণ বিষয়ে পরিণত করে। [[সেপ্টেম্বর ১১-এর হামলা|৯/১১]]-পরবর্তী যুগের চিরস্থায়ী যুদ্ধে, [শক্তি ও কূটনীতির] এই “মহা বিপরীতকরণ” পররাষ্ট্র দপ্তরের পেশাদারদের এমন জাতি-গঠনের ভূমিকায় ঠেলে দিয়েছে যা আমেরিকান কূটনীতিক বা অন্য কোনো বাহ্যিক শক্তির ক্ষমতার বাইরে। যদিও আমাদের সহকর্মীরা সাহস ও বুদ্ধিমত্তার সাথে সেবা করেছেন, সত্যটি হলো আমরা আমেরিকান ফরেন সার্ভিস, ব্রিটিশ কলোনিয়াল সার্ভিস নই।
** উইলিয়াম জে. বার্নস, ''দ্য ডিপ্লোম্যাসি ইম্পারেটিভ: আ কিউ অ্যান্ড এ উইথ উইলিয়াম জে. বার্নস, দ্য ফরেন সার্ভিস জার্নাল,'' মে ২০১৯
*কমান্ডার ইন চিফ হিসেবে, আমি আপনাদের রিপোর্ট করছি: আমাদের সশস্ত্র বাহিনী সম্মান ও বীরত্বের সাথে লড়াই করেছে।
**[[জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ|জর্জ এইচ. ডাব্লিউ. বুশ]], [http://www.nytimes.com/1991/03/07/us/after-war-president-transcript-president-bush-s-address-end-gulf-war.html?pagewanted=all মার্কিন কংগ্রেসের উদ্দেশ্যে ভাষণ] (২৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৯১)
*<p>যখন আমি আমাদের সৈন্যদের কাজে আহ্বান জানিয়েছিলাম, আমি তাদের সাহস ও দক্ষতার ওপর পূর্ণ আস্থা নিয়ে তা করেছিলাম। এবং আজ রাতে, তাদের ধন্যবাদ, আমরা যুদ্ধে জয়ী হচ্ছি...</p><p>আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর পুরুষ ও নারীরা এমন একটি বার্তা দিয়েছেন যা এখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি শত্রুর কাছে পরিষ্কার। এমনকি ৭,০০০ মাইল দূরে, মহাসাগর ও মহাদেশ জুড়ে, পাহাড়ের চূড়ায় এবং গুহায়; তোমরা এই জাতির ন্যায়বিচার থেকে বাঁচতে পারবে না।</p>
**[[জর্জ ডব্লিউ বুশ|জর্জ ডাব্লিউ. বুশ]], স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন অ্যাড্রেস (২৯ জানুয়ারি ২০০২)
*<p>যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনীর সকল পুরুষ ও নারীদের প্রতি...</p><p>একটি সমস্যাসংকুল বিশ্বের শান্তি এবং নির্যাতিত মানুষের আশা এখন আপনাদের ওপর নির্ভর করে। সেই আস্থা সঠিকভাবে অর্পিত। আপনারা যে শত্রুদের মোকাবিলা করবেন তারা আপনাদের দক্ষতা ও বীরত্ব সম্পর্কে জানতে পারবে। আপনারা যাদের মুক্ত করবেন তারা আমেরিকান সামরিক বাহিনীর সম্মানজনক ও শালীন চেতনা প্রত্যক্ষ করবে। এই সংঘাতের মধ্যে, আমেরিকা এমন এক শত্রুর মুখোমুখি হয়েছে যার যুদ্ধের রীতি বা নৈতিকতার নিয়মের প্রতি কোনো শ্রদ্ধা নেই...</p><p>আমি জানি যে আমাদের সামরিক পরিবারের সদস্যরা প্রার্থনা করছেন যাতে যারা সেবা করছেন তারা সবাই নিরাপদে এবং শীঘ্রই ফিরে আসেন। লক্ষ লক্ষ আমেরিকান আপনাদের প্রিয়জনদের নিরাপত্তা এবং নিরপরাধীদের সুরক্ষার জন্য আপনাদের সাথে প্রার্থনা করছেন। আপনাদের ত্যাগের জন্য, আপনারা আমেরিকান জনগণের কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা পেয়েছেন। এবং আপনারা জানতে পারেন যে আমাদের বাহিনী কাজ শেষ হবামাত্রই বাড়িতে ফিরে আসবে...</p><p>আমাদের দেশ ও বিশ্বের বিপদগুলো কাটিয়ে ওঠা হবে। আমরা এই বিপদের সময় পার করে শান্তির কাজ চালিয়ে যাব। আমরা আমাদের স্বাধীনতা রক্ষা করব। আমরা অন্যদের স্বাধীনতা এনে দেব এবং আমরা জয়ী হব...</p><p>ঈশ্বর আমাদের দেশকে এবং যারা তাকে রক্ষা করে তাদের আশীর্বাদ করুন।</p>
**[[জর্জ ডব্লিউ বুশ|জর্জ ডাব্লিউ. বুশ]], [https://listenonrepeat.com/watch/?v=5BwxI_l84dc ইরাক আক্রমণের ভাষণ] (১৯ মার্চ ২০০৩)
*আমেরিকা এবং আমাদের মিত্ররা ভিন্ন ধরনের শত্রুর বিরুদ্ধে নতুন ধরনের যুদ্ধ করছে। এই সংঘাত আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর পুরুষ ও নারীদের—আমাদের গার্ড ও রিজার্ভসহ—ওপর বড় দাবি রাখে। তারা প্রতিটি পরীক্ষা দিয়েছে; তারা প্রতিটি চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করেছে। এই যুদ্ধ সরকারে আমাদের ওপরও দাবি রাখে। আমরা আমাদের দেশ রক্ষার শপথ নিয়েছি। যারা আমাদের রণক্ষেত্রে রক্ষা করে, সেই সেবা করা পুরুষ ও নারীদের সহায়তা করার পবিত্র দায়িত্ব আমাদের রয়েছে।
**[[জর্জ ডব্লিউ বুশ|জর্জ ডাব্লিউ. বুশ]], [http://www.washingtonpost.com/wp-dyn/articles/A42299-2004Aug5.html প্রতিরক্ষা বিল স্বাক্ষরের সময় মন্তব্য] (৫ আগস্ট ২০০৪)
*ইরাকে আমাদের সৈন্যরা সাহসের সাথে লড়াই করেছে। তারা সবকিছুই করেছে যা আমরা তাদের করতে বলেছি। যেখানে ভুল হয়েছে, তার দায়ভার আমার।
**[[জর্জ ডাব্লিউ. বুশ]], [http://georgewbush-whitehouse.archives.gov/news/releases/2007/01/20070110-7.html জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ] (১০ জানুয়ারি ২০০৭)
*বাঙ্কার হিল থেকে [[বাগদাদ|বাগদাদ]], আমেরিকান সশস্ত্র বাহিনীর পুরুষ ও নারীরা আমাদের গণতন্ত্রের নিবেদিত অভিভাবক।
**[[জর্জ ডব্লিউ বুশ|জর্জ ডাব্লিউ. বুশ]], [https://georgewbush-whitehouse.archives.gov/news/releases/2008/11/20081101.html রেডিও ভাষণ] (১ নভেম্বর ২০০৮)
*আমাদের সৈন্যদের যুদ্ধগুলো দুটি নাটকীয়ভাবে ভিন্ন ব্যবস্থার মধ্যে বৃহত্তর সংগ্রামের অংশ। একটির অধীনে, ধর্মান্ধদের একটি ছোট দল একটি নিপীড়নমূলক আদর্শের প্রতি সম্পূর্ণ আনুগত্য দাবি করে, নারীদের অধীনস্থতায় নিন্দা করে, এবং অবিশ্বাসী ব্যক্তিদের হত্যার জন্য চিহ্নিত করে। অন্য ব্যবস্থাটি এই বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে যে স্বাধীনতা সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের সার্বজনীন উপহার এবং স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচার শান্তির পথ আলোকিত করে। এই সেই বিশ্বাস যা [[যুক্তরাষ্ট্র|আমাদের জাতির]] জন্ম দিয়েছে। এবং দীর্ঘমেয়াদে, এই বিশ্বাসকে এগিয়ে নেওয়াই আমাদের নাগরিকদের রক্ষা করার একমাত্র ব্যবহারিক উপায়।
**[[জর্জ ডব্লিউ বুশ|জর্জ ডাব্লিউ. বুশ]], [http://www.nytimes.com/2009/01/15/us/politics/15bush-text.html?pagewanted=all&_r=0 হোয়াইট হাউস থেকে জাতির উদ্দেশ্যে বিদায়ী ভাষণ] (১৫ জানুয়ারি ২০০৯)
*<p>আমি [[কমান্ডার ইন চিফ|কমান্ডার ইন চিফ]] হওয়া মিস করি, এবং এটি একটি সহজ [[প্রশ্ন]] যার [[উত্তর]] দেওয়া যায়। আমি আমাদের সামরিক বাহিনীকে [[ভালোবাসি]]...</p><p>আমি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীকে ভালোবাসি, এবং আমরা একটি ভাগ্যবান জাতি যে আমাদের এমন মানুষ আছে যারা [[সেবা|সেবা করতে]] স্বেচ্ছায় এগিয়ে আসে।</p>
**[[জর্জ ডব্লিউ বুশ|জর্জ ডাব্লিউ. বুশ]], [https://web.archive.org/web/20131205082100/http://www.today.com/id/40108402/ns/today-today_news/t/bush-reacts-apology-kanye-west/ ''টুডে''তে সাক্ষাৎকার] (৯ নভেম্বর ২০১০), ম্যাট লাউয়ারের সাথে।
*যুদ্ধ একটি র্যাকেট (প্রতারণামূলক ব্যবসা)। এটি সবসময়ই ছিল। এটি সম্ভবত সবচেয়ে প্রাচীন, সহজেই সবচেয়ে লাভজনক, নিশ্চিতভাবেই সবচেয়ে নিষ্ঠুর। এটিই একমাত্র আন্তর্জাতিক পরিধির। এটিই একমাত্র ব্যবসা যেখানে মুনাফার হিসাব করা হয় ডলারে এবং ক্ষতির হিসাব করা হয় প্রাণে। ... একটি র্যাকেটকে আমার মতে, এমন কিছু হিসেবে বর্ণনা করা ভালো যা অধিকাংশ মানুষের কাছে যা মনে হয়, আসলে তা নয়।
** স্মেলি বাটলার ''ওয়ার ইজ আ র্যাকেট'' (১৯৩৫)-এ
*মাত্র একটি ছোট “ভেতরের” গোষ্ঠী জানে এটি কিসের জন্য। এটি খুব অল্প সংখ্যক মানুষের লাভের জন্য, অনেকের খরচে পরিচালিত হয়। যুদ্ধ থেকে অল্প কিছু মানুষ বিশাল সম্পদ অর্জন করে। ... এই নতুন অর্জিত অঞ্চল অবিলম্বে সেই অল্প কিছু মানুষ দ্বারা শোষিত হয়—সেই একই মানুষ যারা যুদ্ধে [[রক্ত]] থেকে ডলার নিংড়ে নিয়েছিল। সাধারণ জনগণ বিল বহন করে। আর এই বিল কী? ... নতুন বসানো সমাধিফলক। ছিন্নভিন্ন দেহ। চূর্ণ-বিচূর্ণ মন। ভাঙা হৃদয় ও বাড়ি। অর্থনৈতিক অস্থিরতা। মন্দা এবং এর সাথে সম্পর্কিত সমস্ত দুঃখ। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে পিঠভাঙা কর।
**স্মেলি বাটলার [[যুদ্ধ একটি র্যাকেট|''ওয়ার ইজ আ র্যাকেট'']] (১৯৩৫)-এ
*আমি তেত্রিশ বছর এবং চার মাস সক্রিয় সামরিক সেবায় কাটিয়েছি এই দেশের সবচেয়ে ক্ষিপ্র সামরিক বাহিনী, মেরিন কোরের সদস্য হিসেবে। আমি সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট থেকে মেজর-জেনারেল পর্যন্ত সকল কমিশনপ্রাপ্ত পদমর্যাদায় কাজ করেছি। এবং সেই সময়ে, আমি আমার বেশিরভাগ সময় বড় ব্যবসা, ওয়াল স্ট্রিট এবং ব্যাংকারদের জন্য উচ্চ শ্রেণির পেশী-মানব হিসেবে কাটিয়েছি। সংক্ষেপে, আমি ছিলাম একজন র্যাকেটিয়ার, পুঁজিবাদের জন্য একজন গ্যাংস্টার।
**স্মেলি বাটলার ''মাভেরিক মেরিন জেনারেল স্মেলি ডি. বাটলার অ্যান্ড দ্য কন্ট্রাডিকশনস অফ আমেরিকান মিলিটারি হিস্ট্রি'' (২০১৪)তে
=== হাইডি বিরিচ, [https://www.congress.gov/116/meeting/house/110495/witnesses/HHRG-116-AS02-Wstate-BeirichH-20200211.pdf “অ্যালার্মিং ইনসিডেন্টস অফ হোয়াইট সুপ্রিমেসি ইন দ্য মিলিটারি – হাউ টু স্টপ ইট?”], ''Congress.gov'', (১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০) ===
* সশস্ত্র বাহিনীর নিজস্ব সৈন্যরা জানে যে পদমর্যাদায় [[শ্বেতাঙ্গ আধিপত্য|শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্ব]] একটি গুরুতর [[সমস্যা]]। ২০১৭ সালে ''মিলিটারি টাইমসে''র একটি জরিপে দেখা গেছে যে, প্রায় ২৫ শতাংশ সক্রিয় সামরিক কর্মী সশস্ত্র বাহিনীতে [[শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদ]] এবং [[বর্ণবাদের]] সম্মুখীন হয়েছেন। সেই সময়ে সক্রিয় দায়িত্ব পালনরত সৈন্য ছিল প্রায় ১.৩ মিলিয়ন, যার অর্থ প্রায় ৩,২৫,০০০ সৈন্য কোনো না কোনোভাবে শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদের সম্মুখীন হয়েছিল। একই প্রকাশনার ২০১৮ এবং ২০১৯ সালের পরবর্তী জরিপগুলোতেও মূলত একই উদ্বেগজনক ফলাফল পাওয়া গেছে।
** পৃষ্ঠা ৪
* এলিসনের মন্তব্যের জবাবে, প্রতিরক্ষা দপ্তর বলেছিল যে এটি “গত পাঁচ বছরে সার্ভিস সদস্যদের দ্বারা (অভ্যন্তরীণ) চরমপন্থী কার্যকলাপের ২৭টি রিপোর্ট” পেয়েছে। চিঠিতে আরও বলা হয়, সামরিক কর্মকর্তারা এই রিপোর্টগুলোর মধ্যে ২৫টির তদন্ত করেছেন; পরিশেষে, সামরিক বাহিনীর ১৮ জন সদস্যকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করা হয়েছে বা সশস্ত্র বাহিনী থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সৈন্যদের চরমপন্থার প্রকৃতি নথিভুক্ত করা হয়নি।
** পৃষ্ঠা ৪
* এক বিবৃতিতে, পেন্টাগনের মুখপাত্র, বিমান বাহিনীর মেজর কার্লা গ্লিসন বলেছেন: “ডিওডি সম্ভাব্য নতুন সৈন্য, নাবিক, বিমানসেনা এবং মেরিনদের সম্পর্কে যথাসম্ভব বেশি জানার জন্য একটি বহু-স্তরের পদ্ধতি ব্যবহার করে, যাতে আমরা মূল্যায়ন করতে পারি যে তাদের সামরিক বাহিনীতে সেবার বিশেষাধিকার দেওয়া উচিত কিনা। যদিও আমরা গ্যারান্টি দিতে পারি না যে সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়া প্রতিটি ব্যক্তি চরমপন্থী চিন্তাধারা থেকে মুক্ত থাকবে, বিভিন্ন স্ক্রিনিং সরঞ্জাম আমাদের এমন লোকদের শনাক্ত করার সর্বোত্তম সুযোগ প্রদান করে যারা আমাদের মূল্যবোধগুলো শেয়ার করে না।”
** পৃষ্ঠা ৯
* মিলিটারি টাইমসের ২০১৮ সালের জরিপে, যাতে প্রায় ৯০০ জন সক্রিয়-দায়িত্ব পালনরত সৈন্যের প্রতিক্রিয়া অন্তর্ভুক্ত ছিল, অংশগ্রহণকারী সার্ভিস সদস্যদের মধ্যে ২২ শতাংশ বলেছিলেন যে তারা সশস্ত্র বাহিনীতে শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদ বা বর্ণবাদী মতাদর্শের লক্ষণ দেখেছেন। জরিপ করা সংখ্যালঘু সার্ভিস সদস্যদের মধ্যে, বর্ণবাদ এবং বর্ণবাদী মতাদর্শের ঘটনা ২০১৭ সালের ৪২ শতাংশ থেকে বেড়ে ২০১৮ সালে অর্ধেক ছাড়িয়ে গেছে। উত্তরদাতারা জাতিগত গালি ও ইহুদিবিদ্বেষী ভাষার নৈমিত্তিক ব্যবহার, অন্যান্য সৈন্যদের অভিযোগ সত্ত্বেও [[কনফেডারেট স্টেটস অফ আমেরিকা|কনফেডারেট]] পতাকার প্রদর্শন, যুদ্ধের অঞ্চলে বাথরুমের দেয়ালে আঁকা স্বস্তিকা এবং শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্বের সাথে যুক্ত ট্যাটুর কথা উল্লেখ করেছেন। এটি উল্লেখ করা উচিত যে, যদি এই আচরণ কোনো বেসামরিক কর্মক্ষেত্রে ঘটত, তবে এই ঘটনাগুলোকে প্রতিকূল কর্মপরিবেশে অবদান হিসেবে দেখা হতো। পত্রিকাটি রিপোর্ট করেছে যে একজন বেনামী সার্ভিস সদস্য লিখেছেন, “আমার কয়েকজন সহকর্মী আছেন যারা বলেছেন যে তারা ‘অল্টরাইট’, এবং তারা ‘কৃষ্ণাঙ্গ, মুসলিম, হিস্পানিক এবং সাধারণভাবে অভিবাসীদের প্রতি তীব্র ঘৃণার খুবই স্পষ্ট বক্তব্য’ দিয়েছেন। তারা অনুকূল দায়িত্ব প্রদান না করে অন্যদের শাস্তি দেয়, ইত্যাদি।”
** পৃষ্ঠা ১২
* ২০০৯ সালের একটি স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা দপ্তর (ডিএইচএস) রিপোর্ট আরও সতর্ক করেছিল যে, প্রথম আফ্রিকান আমেরিকান রাষ্ট্রপতির নির্বাচন, অর্থনৈতিক মন্দা এবং ইরাক ও [[আফগানিস্তান|আফগানিস্তানে]] যুদ্ধ থেকে ফিরে আসা বেকার ভেটেরানদের আগমন ছিল সম্ভাব্য ফ্ল্যাশপয়েন্ট, এবং সামরিক কর্মী ও ভেটেরানদের চরম ডানপন্থী চরমপন্থী গোষ্ঠীগুলো লক্ষ্যবস্তু করছিল। দুর্ভাগ্যবশত, এই রিপোর্ট রাজনীতিবিদ, রক্ষণশীল ভাষ্যকার এবং ভেটেরান গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে একটি রাজনৈতিক ঝড় সৃষ্টি করেছিল। ফলস্বরূপ, এটি ডিএইচএস সেক্রেটারি [[জ্যানেট ন্যাপোলিটানো|জ্যানেট ন্যাপোলিটানো]] দ্বারা বাতিল করা হয়েছিল এবং ওবামা প্রশাসন পরবর্তীতে সমস্যাটি সমাধানের জন্য খুব কমই কাজ করেছে।
** পৃষ্ঠা ১৩
* তৎকালীন প্রতিরক্ষা সচিব উইলিয়াম পেরি আপডেট করা প্রবিধানের উদ্দেশ্য বর্ণনা করতে আরও শক্তিশালী ভাষা ব্যবহার করেছিলেন। পেরি বলেছিলেন, “প্রতিরক্ষা দপ্তরের নীতিতে সেনাবাহিনীতে বর্ণবাদী এবং চরমপন্থী কার্যকলাপের কোনো স্থান নেই। আমাদের অবশ্যই—এবং আমরা করব—সেনাবাহিনী থেকে ধর্মান্ধতা, বর্ণবাদ এবং চরমপন্থা মুছে ফেলার জন্য প্রতিটি প্রচেষ্টা করতে হবে। চরমপন্থী কার্যকলাপ ন্যায্যতা, সুশৃঙ্খলতা এবং শৃঙ্খলাকে আপস করে। সশস্ত্র বাহিনী, যা জাতি ও তার মূল্যবোধকে রক্ষা করে, সেই মূল্যবোধগুলোর উদাহরণ প্রশ্নাতীতভাবে হওয়া উচিত।”
** পৃষ্ঠা ১৪
* দীর্ঘকাল ধরে এই বিষয়ে দ্বিদলীয় ঐক্যমত্য রয়েছে যে, সামরিক বাহিনীতে শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদীদের অনুমতি দেওয়া অগ্রহণযোগ্য এবং আমেরিকান জনগণের জন্য বিপজ্জনক, যাদের রক্ষার শপথ সশস্ত্র বাহিনী নিয়েছে। যেমন রিপাবলিকান সিনেটর রিচার্ড শেলবি (আর-আলা.) ২০০৬ সালে পেন্টাগনের কাছে লেখা এক চিঠিতে লিখেছিলেন, “সামরিক চরমপন্থীরা তাদের সহকর্মী এবং জনসাধারণের জন্য উচ্চতর হুমকি সৃষ্টি করে। আমরা টিমোথি ম্যাকভেই-এর সাথে দেখেছি যে আজকের বর্ণবাদী চরমপন্থী আগামিকালকের অভ্যন্তরীণ সন্ত্রাসবাদী হতে পারে। আমাদের সমাজের সমস্ত প্রতিষ্ঠানের মধ্যে, মার্কিন সামরিক বাহিনী হলো সেই শেষ স্থান যেখানে চরমপন্থীদের অস্তিত্ব থাকার অনুমতি দেওয়া যেতে পারে।”
** পৃষ্ঠা ১৬
* চরমপন্থীদের বিষয়ে সামরিক বাহিনী কীভাবে অন্যান্য শাখা এবং এফবিআই সহ অন্যান্য ফেডারেল এজেন্সির সাথে তথ্য শেয়ার করে তা অস্পষ্ট। যখন সার্ভিসগুলো তাদের পদমর্যাদায় কোনো চরমপন্থীকে সম্পর্কে সচেতন হয়, তখন সেই সৈন্যকে বরখাস্ত করার পরে সেই তথ্যের কী ঘটে? সার্ভিসগুলো কীভাবে একে অপরকে সতর্ক করে যখন তারা চরমপন্থী দৃষ্টিভঙ্গি সম্পন্ন কাউকে তালিকাভুক্ত করে? তারা কীভাবে সামরিক বাহিনীর নেটওয়ার্কগুলো তদন্ত করে যেগুলোর সাথে শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদী যুক্ত থাকতে পারে বা যেখান থেকে তাদের নিয়োগ দেওয়া হতে পারে? শাখা এবং তদন্তকারী সার্ভিসগুলো কীভাবে শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদীদের সম্পর্কে তথ্য শেয়ার করে? সার্ভিস সদস্য সামরিক বাহিনী ত্যাগ করার পরে সার্ভিসগুলো কীভাবে চরমপন্থীদের সম্পর্কে এবং এফবিআই ও বিচার দপ্তরের সাথে একে অপরের সাথে মিথস্ক্রিয়া করে এবং তথ্য শেয়ার করে, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
** পৃষ্ঠা ১৭
==সি==
*<p>আমরা পাহারা দিই...</p><p>সতর্ক থাকি...</p><p>আমরা কিছু একটা সঠিক করছি। আমাদের বিশ্বের সেরা বাহিনী আছে, কারণ আমাদের সেরা মানুষগুলো আছে। এটি একটি ''স্বেচ্ছাসেবী'' বাহিনী, তাই সেরা আমেরিকানদের পেতে আমাকে বাকি অর্থনীতির সাথে প্রতিযোগিতা করতে হয় এবং আমাকে সামনের কথা চিন্তা করতে হয়। আমি কীভাবে প্রতিযোগিতা করব? কীভাবে আমাদের একটি আকর্ষণীয় জায়গা করে তুলব? তাই, আমাকে ক্রমাগত ভবিষ্যতের দিকে তাকাতে হয়...</p><p>তাই, কিছু সংস্কার করা বাকি। কিন্তু, মানুষের ক্ষেত্রে এটি একটি চমৎকার শক্তি বজায় রাখার বিষয়, যা হলো স্বেচ্ছাসেবী বাহিনী, একটি প্রতিযোগিতামূলক শ্রম বাজারে শক্তিশালী...</p><p>এই প্রতিষ্ঠানে, এটি গুরুত্বপূর্ণ যে আমরা রাজনৈতিক প্রক্রিয়া থেকে দূরে থাকি। এটিই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আমাদের ঐতিহ্য।</p>
**[[অ্যাশটন কার্টার]], [http://www.charlierose.com/ চার্লি রোজের সাথে সাক্ষাৎকার] (ফেব্রুয়ারি ২০১৬)
*যেহেতু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরকার হলো 'জনগণের, জনগণের জন্য এবং জনগণের দ্বারা', তাই যেসব নাগরিকরা সামরিক বিষয়ে নিয়ন্ত্রণ রাখেন, তাদের 'নিজেকে জানুন' বলার সময় এসেছে।
**আন্দা আর. চ্যাফি, [https://archive.org/details/valorofignorance00leahuoft ''দ্য ভ্যালর অফ ইগনোরেন্স''] (১৯০৯), হোমার লি, পৃষ্ঠা xi-xiiতে উদ্ধৃত।
*<p>সামরিক বাহিনী সবসময়ই একটি অত্যন্ত অন্তর্মুখী সংগঠন...</p><p>সেনাবাহিনী এত প্রগতিশীল হওয়ার একটি কারণ হলো এটি সবসময় নিজেকে যাচাই করে। সেনাবাহিনী সবসময় তার কাজ করার আরও ভালো উপায় খোঁজে...</p><p>সেনাবাহিনী বর্ণবাদ দূরীকরণে আমেরিকাকে নেতৃত্ব দিয়েছে...</p><p>সেনাবাহিনী খুব আগেই বুঝতে পেরেছিল যে, কৃষ্ণাঙ্গ মানুষ আর শ্বেতাঙ্গ মানুষ একই; তারা কেবল একটু বেশি শ্যামলা। তারা ঠিক ততটাই ভালো সৈনিক হয়...</p><p>এরা আমাদের সন্তান...</p><p>এরা ভালো সন্তান...</p><p>সেনাবাহিনী বা মেরিন কোরে যোগ দিলে কেউ ক্রিপ্টো-মদ্যপ [[নাৎসিবাদ|নাৎসি]] হয়ে যায় না, বরং সে আমেরিকার এমন একটি সন্তান হয়ে ওঠে যে তার দেশের জন্য কাজ করছে...</p><p>এরা আমাদের সন্তান।</p>
**টম ক্ল্যান্সি, [http://c-spanvideo.org/program/TomC "ইন ডেপথ উইথ টম ক্ল্যান্সি"] (৩ ফেব্রুয়ারি ২০০২), ''সি-স্প্যান''
*আমেরিকানরা সম্মিলিতভাবে নিজেদের বিশ্বের যেকোনো কোণে দ্বন্দ্ব ও সংঘাত শুরু হলে সেখানে ২৪ ঘণ্টা তলব করা একটি বিশাল উদ্ধারকারী দল হিসেবে ভাবে।
**এলড্রিজ ক্লিভার, ''সোল অন আইস'' (১৯৬৮), দ্বিতীয় খণ্ড: "র্যালিং রাউন্ড দ্য ফ্ল্যাগে" উদ্ধৃত।
*সম্পূর্ণ স্বেচ্ছাসেবী সামরিক বাহিনী কাজ করেছে এবং আমাদের এমন কিছু করা উচিত নয় যা এটিকে দুর্বল করে, কারণ এটি এমন একদল মানুষকে সরবরাহ করেছে যারা আমাদের [[দেশ|দেশের]] সেবা করতে ইচ্ছুক।
**[[হিলারি ক্লিনটন]], [http://cnnpressroom.blogs.cnn.com/2016/02/04/rush-transcript-hillary-clinton-cnn-democratic-presidential-town-hall/ সিএনএন টাউন হল মিটিং] (ফেব্রুয়ারি ২০১৬)
*এখানে এক মিলিয়ন সৈন্যের এক ভূমি, যদি আমাদের প্রয়োজন হয়। আমরা স্বাধীনতার জন্য লড়ব!
**জর্জ এম. কোহান, "ইউ আর আ গ্র্যান্ড ওল্ড ফ্ল্যাগ" (১৯০৬)
*<p>[[মুসলিম|মুসলিমরা]] জেনারেল [[জর্জ ওয়াশিংটন|জর্জ ওয়াশিংটনের]] অধীনে মার্কিন সামরিক বাহিনীতে সেবা করেছেন, যিনি আমেরিকান স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় কন্টিনেন্টাল আর্মির প্রধান ছিলেন। ওয়াশিংটনের বাহিনীতে সেবা করা সৈন্যদের তালিকায় বাম্পেট মুহাম্মদের মতো নাম আছে, যিনি ১৭৭৫ থেকে ১৭৮৩ সালের মধ্যে ভার্জিনিয়া লাইনের জন্য যুদ্ধ করেছিলেন। ওয়াশিংটনের আরেক সৈনিক, ইউসুফ বেন আলি ছিলেন একজন উত্তর আফ্রিকান আরব যিনি দক্ষিণ ক্যারোলিনার জেনারেল থমাস সামটারের সহকারী হিসেবে কাজ করতেন। পিটার বাকমিনস্টার, যিনি বোস্টনে যুদ্ধ করেছিলেন, সম্ভবত ওয়াশিংটনের সবচেয়ে বিশিষ্ট মুসলিম আমেরিকান সৈনিক। বাকমিনস্টার সেই বন্দুকটি চালিয়েছিলেন যা বাঙ্কার হিলের যুদ্ধে ব্রিটিশ মেজর জেনারেল জন পিটকাইর্নকে হত্যা করেছিল। এই বিখ্যাত যুদ্ধের কয়েক বছর পর, পিটার তার শেষ নাম পরিবর্তন করে 'সালাম' রাখেন, যা [[আরবি|আরবি]] শব্দ, যার অর্থ 'শান্তি'। পিটার সালাম পরবর্তীতে [[সারাটোগার যুদ্ধ|সারাটোগার যুদ্ধ]] এবং [[স্টনি পয়েন্টের যুদ্ধ|স্টনি পয়েন্টের যুদ্ধ]]ে সেবা করার জন্য কন্টিনেন্টাল আর্মিতে পুনরায় তালিকাভুক্ত হন। ওয়াশিংটনের সেনাবাহিনীতে মুসলিমদের সেবা নিয়ে সমস্যা থাকলে, তিনি মুহাম্মদ, আলি এবং সালামকে অ-মুসলিম আমেরিকানদের প্রতিনিধিত্ব করতে ও সেবা করতে দিতেন না। এই মুসলিমদের আমেরিকাকে সেবা করার সম্মান দিয়ে, ওয়াশিংটন স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে একজন আমেরিকান দেশপ্রেমিক হওয়ার জন্য কোনো নির্দিষ্ট ধর্ম বা জাতিগত পটভূমির হতে হয় না...</p><p>আমেরিকান ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় গৃহযুদ্ধে মুসলিমরা ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছে...</p><p>নিম্নলিখিত প্রশ্নটি নিয়ে চিন্তা করুন। [[জর্জ ওয়াশিংটন|জর্জ ওয়াশিংটন]] কার পক্ষে থাকতেন? মার্কিন সামরিক বাহিনীতে সেবা করা মুসলিম নাগরিকরা, নাকি সেই গোঁড়া ধর্মান্ধদের দল যারা উপাসনালয়ে আমেরিকান নাগরিকদের সহিংসতার হুমকি দেয়?</p>
**ক্রেইগ কনসিটিন, [http://www.huffingtonpost.com/craig-considine/the-difference-between-an_1_b_8257506.html ''স্যালুটিং মুসলিম আমেরিকান প্যাট্রিয়টস'']
*আমাদের জনসংখ্যার মতো বিশ্বের সকল [[জাতি|জাতি]], [[ধর্ম|ধর্ম]] এবং [[জাতীয়তা|জাতীয়তা]] দেশের সশস্ত্র বাহিনীতে প্রতিনিধিত্ব করেছে। কোনো ব্যক্তির [[দেশপ্রেম|দেশপ্রেম]] বা সেবা তার জাতিগত উৎপত্তি, রাজনৈতিক মতামত বা ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে প্রশ্নবিদ্ধ হয়নি। অভিবাসী এবং মধ্য ইউরোপীয় দেশগুলো থেকে আসা অভিবাসীদের সন্তানরা আমাদের মিত্র দেশগুলো থেকে আসা বংশোদ্ভূতদের সাথে, নিরক্ষীয় আফ্রিকার সন্তানদের সাথে এবং আমাদের নিজস্ব আদিবাসী জনসংখ্যার সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধ করেছে, '''তাদের সবাই সমানভাবে 'আমেরিকান' নামের জন্য গর্বিত'''।
**[[ক্যালভিন কুলিজ]], [https://archive.org/stream/foundationsofrep00unit/foundationsofrep00unit_djvu.txt ''টলারেশন অ্যান্ড লিবারালিজম''] (৬ অক্টোবর ১৯২৫), আমেরিকান লিজিয়ন কনভেনশন, ওমাহা, নেব্রাস্কা।
*আমরা খ্যাতি নিয়ে [[জীবন|যাপন]] করি অথবা শিখায় ডুবে যাই!<br />হে! মার্কিন বিমান বাহিনীকে কিছুই থামাতে পারবে না!
**রবার্ট ম্যাকার্থার ক্রফোর্ড, ''দ্য ইউ.এস. এয়ার ফোর্স'' (১৯৪৭)
*সরকার শক্তি, প্রতারণা এবং ছলচাতুরীর মাধ্যমে শাসন করে। তথ্যের অবরোধ সামরিক বাহিনী থেকেই শুরু হয়। সামরিক বাহিনী ইচ্ছাকৃতভাবে তথ্য সীমাবদ্ধ করে, তাছাড়া এর বিশাল আকার ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এমন যে এটি বোঝা এত কঠিন যে রাজনৈতিক নেতারাও সেই প্রতিষ্ঠানটি বুঝতে পারেন না যাকে তাদের কমান্ড করার কথা। আপনি প্রমাণ চান? মার্কিন গভর্নমেন্ট অ্যাকাউন্টেবিলিটি অফিসের ২০১৬ সালের রিপোর্টটি পড়ার চেষ্টা করুন, যা বের করতে পারেনি যে সামরিক বাহিনী ঠিক কতটা তেল পোড়ায়। GAO উপসংহারে পৌঁছেছে: “[ক]ংগ্রেসের কাছে বার্ষিক ভিত্তিতে সামরিক পরিষেবাগুলোর কার্যকলাপের জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানির পরিমাণের ওপর পূর্ণ দৃশ্যমানতা নেই...” এটি অবাক হওয়ার মতো বিষয় নয়। ১৯৫০ সালের দিকে প্রতিষ্ঠার পর থেকে আধুনিক সামরিক বাহিনী মার্কিন সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১, ধারা ৯ লঙ্ঘন করে খরচের কোনো হিসাব দিতে অস্বীকার করেছে। ২০১৮ সালে পেন্টাগন তার প্রথম অডিটেই ব্যর্থ হয়েছে। এটি কেবল নিখোঁজ ৬.৫ ট্রিলিয়ন ডলারের বিষয় নয়, এটি হলো অস্বচ্ছ হিসাবরক্ষণ ব্যবস্থা যা একটি বর্ম—একটি প্রতিরক্ষামূলক অস্ত্র যা মার্কিন সরকারের বিরোধিতা তো দূরের কথা, যারা মার্কিন সরকারকে বুঝতে চায় তাদের নিরপেক্ষ করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
**[https://www.counterpunch.org/2019/06/14/the-climate-counter-offensive-secrecy-deception-and-disarming-the-green-new-deal/ দ্য ক্লাইমেট কাউন্টার-অফেনসিভ: সিক্রেসি, ডিসেপশন অ্যান্ড ডিসআর্মিং দ্য গ্রিন নিউ ডিল, রিচার্ড মোজার, ''কাউন্টারপাঞ্চ''] (১৪ জুন, ২০১৯)
==ডি==
*এবং আমরা আমাদের মাতৃভূমিকে মার্কিন বাহিনীর কবরস্থানে পরিণত করব এবং তাদের [[পরিবার|পরিবার]] তাদের মৃত [[দেহ|দেহের]] জন্য অপেক্ষা করবে। তালিবানের [[যুদ্ধ|যুদ্ধ]] কেবল [[মুসলিম|মুসলিমদের]] [[শত্রু|শত্রুদের]] হাত থেকে [[আফগানিস্তান|আফগানিস্তানের]] [[স্বাধীনতা|স্বাধীনতার]] জন্য।
**[[মোল্লা দাদুল্লাহ]], [http://www.alertnet.org/thenews/newsdesk/ISL151157.htm তালিবান হাজার হাজার আত্মঘাতী বোমা হামলাকারী মোতায়েন করেছে - কমান্ডার] ২ এপ্রিল ২০০৭।
*<p>আমরা বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ সামরিক বাহিনীকে পুনর্গঠনের দীর্ঘ প্রক্রিয়া শুরু করব, আমরা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে সমান খেলার ক্ষেত্র তৈরি করব এবং আমেরিকান শিল্পকে পুনরুজ্জীবিত করব, আমরা আমাদের বন্ধুদের আমাদের বিশ্বাস করার কারণ দেব। আমাদের শত্রুরা আমাদের ভয় পাওয়ার কারণ পাবে, এবং আমাদের নাগরিকরা আবারও বিশ্বাস করার কারণ পাবে। না, আপনি আমেরিকাকে চেনেন না, এবং আপনি কঠিন উপায়ে তা খুঁজে বের করতে চান না...</p><p>আমাদের সৈন্যদের জন্য প্রার্থনা করুন।</p>
**চার্লি ড্যানিয়েলস, [http://www.cnsnews.com/commentary/charlie-daniels/charlie-daniels-open-letter-americas-enemies-you-see-obama-you-dont-know "লেটার টু আমেরিকাস এনিমিজ"] (১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬), ''সিএনএস নিউজ''
*একবার যদি কৃষ্ণাঙ্গ [[মানুষ|মানুষ]] তার শরীরে 'U.S.' পিতলের অক্ষরগুলো পায়; যদি সে তার বোতামে একটি প্রান্ত পায়, এবং কাঁধে একটি মাস্কেট ও পকেটে বুলেট পায়, তবে পৃথিবীতে এমন কোনো শক্তি নেই যা অস্বীকার করতে পারে যে সে নাগরিকত্বের অধিকার অর্জন করেছে।
**[[ফ্রেডরিক ডগলাস]], যার ছেলেরা চার্লস এবং লুইস কর্নেল রবার্ট গোল্ড শ-এর নেতৃত্বে ৫৪তম ম্যাসাচুসেটস ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টে সেবা করেছিলেন (১৮৬২)
*<p>যদি সে একটি মাস্কেট কাঁধে নিয়ে [[পতাকা|পতাকার]] জন্য যুদ্ধ করার, সরকারের জন্য যুদ্ধ করার মতো যথেষ্ট জ্ঞান রাখে, তবে তার ভোট দেওয়ার মতো যথেষ্ট জ্ঞান আছে...</p><p>কৃষ্ণাঙ্গকে বিপদের সময় নাগরিক হিসেবে এবং ঝামেলামুক্ত থাকলে ভিনদেশি হিসেবে দেখার মধ্যে খুব নিচতা আছে। যখন এই জাতি ঝামেলায় ছিল, তার প্রাথমিক সংগ্রামে, এটি কৃষ্ণাঙ্গকে নাগরিক হিসেবে দেখেছিল। ১৭৭৬ সালে সে নাগরিক ছিল। সংবিধান তৈরির সময় ১৩টি পুরোনো রাজ্যের মধ্যে ১১টিতে কৃষ্ণাঙ্গদের ভোট দেওয়ার অধিকার ছিল। আপনার ঝামেলায় আপনি আমাদের নাগরিক করেছেন। ১৮১২ সালে জেনারেল জ্যাকসন আমাদের নাগরিক হিসেবে সম্বোধন করেছিলেন; 'সহ-নাগরিক'। তিনি চেয়েছিলেন আমরা যুদ্ধ করি। আমরা তখন নাগরিক ছিলাম! আর এখন, যখন আপনি একটি কনস্ক্রিপশন বিল তৈরি করতে এসেছেন, কৃষ্ণাঙ্গ আবার নাগরিক। এই সরকারের ইতিহাসে সে মাত্র তিনবার নাগরিক হয়েছে, এবং এটি সবসময়ই বিপদের সময়। বিপদের সময় আমরা নাগরিক। আমরা কি যুদ্ধে নাগরিক এবং শান্তিতে ভিনদেশি হব? তা কি ন্যায্য হবে?</p>
**[[ফ্রেডরিক ডগলাস]], [http://teachingamericanhistory.org/library/document/what-the-black-man-wants/ "হোয়াট দ্য ব্ল্যাক ম্যান ওয়ান্টস"], বোস্টন, ম্যাসাচুসেটসে ভাষণ (১৮৬৫)
*আমরা এখানে পুরুষোচিত সাহসের প্রশংসা করতে আসিনি, যদিও তা একটি মহৎ উদ্দেশ্যে প্রদর্শিত হয়েছে। আমাদের কখনোই ভুলে যাওয়া উচিত নয় যে বিদ্রোহে জয় মানেই প্রজাতন্ত্রের মৃত্যু। আমাদের কখনোই ভুলে যাওয়া উচিত নয় যে অনুগত সৈন্যরা যারা এই মাটির নিচে বিশ্রাম নিচ্ছে তারা জাতি এবং [[কনফেডারেট স্টেটস অফ আমেরিকা|জাতি ধ্বংসকারীদের]] মাঝে নিজেদের ছুড়ে দিয়েছিল। যদি আজ আমাদের একটি দেশ থাকে যা [[ফ্রান্স|ফ্রান্সের]] মতো রক্তে ফুটছে না, যদি এখন আমাদের একটি ঐক্যবদ্ধ দেশ থাকে, যা আর [[দাসত্ব|দাসত্বের]] নরকীয় ব্যবস্থার অভিশাপে অভিশপ্ত নয়, '''যদি আমেরিকান নামটি আর উপহাসকারী পৃথিবীর জন্য কোনো কথা বা হিস হিস শব্দ না হয়, যদি নক্ষত্রখচিত ব্যানারটি কেবল ভূমির প্রতিটি প্রান্তে স্বাধীন আমেরিকান নাগরিকদের ওপর উড়ে বেড়ায়, এবং আমাদের দেশের সামনে ন্যায়বিচার, স্বাধীনতা ও সভ্যতার এক দীর্ঘ এবং গৌরবময় কর্মজীবন থাকে, তবে আমরা আমাদের চারপাশে সম্মানিত এই কবরগুলোতে বিশ্রামরত মহৎ সেনাবাহিনীর নিঃস্বার্থ ভক্তির কাছে ঋণী'''।
**[[ফ্রেডরিক ডগলাস]], [http://deadconfederates.com/2015/05/25/frederick-douglass-on-decoration-day-1871-5/ "দ্য আননোন লয়াল ডেড"] (৩০ মে ১৮৭১), আর্লিংটন ন্যাশনাল সিমেট্রি, আর্লিংটন কাউন্টি, ভার্জিনিয়া।
* [[ওসামা বিন লাদেন|ওসামা বিন লাদেনের হত্যার]] কয়েকদিনের মধ্যে, ২ মে, ২০১১-এ জানা যায় যে মিশনটি সম্পাদনকারী [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নৌবাহিনী সিল|নৌবাহিনী সিল]] দল তার লক্ষ্যের জন্য জেরোনিমো কোড নাম ব্যবহার করেছিল। ''নিউ ইয়র্ক ডেইলি নিউজে''র ৪ মের একটি প্রতিবেদনে মন্তব্য করা হয়েছে, "[[ওসামা বিন লাদেন|ওসামা বিন লাদেনের]] লাশের অদেখা ছবি এবং [[পাকিস্তান|পাকিস্তান]] কী জানত সেই প্রশ্নগুলোর পাশাপাশি, আল কায়েদা বসকে 'জেরোনিমো' ডাকার কারণগুলো ব্ল্যাক অপস মিশনের অন্যতম বড় রহস্য হিসেবে রয়ে গেছে।" সেই কোড নাম বেছে নেওয়াটা সামরিক বাহিনীর কাছে রহস্য ছিল না, যারা শত্রু অঞ্চল নির্ধারণের জন্য "ইন্ডিয়ান কান্ট্রি" শব্দটিও ব্যবহার করে এবং তাদের হত্যার মেশিন ও অপারেশনগুলোকে ইউএইচ-১বি/সি ইরো কোয়া, ওএইচ-৫৮ডি কিওয়া, ওভি-১ মোহক, ওএইচ-৬ কাইউস, এএইচ-৬৪ অ্যাপাচি, এস-৫৮/এইচ-৩৪ চক্টো, ইউএইচ-৬০ ব্ল্যাক হক, থান্ডারবার্ড এবং রোলিং থান্ডারের মতো নাম দিয়ে চিহ্নিত করে। শেষেরটি হলো ১৯৬০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে [[ভিয়েতনাম|ভিয়েতনামের]] [[কৃষক|কৃষকদের]] ওপর নিরলস কার্পেট-বোমাবর্ষণের জন্য সামরিক নাম। উত্তর আমেরিকার আদিবাসী জাতি ও সম্প্রদায়গুলোর বিরুদ্ধে যুদ্ধে ভিত্তিহীন একটি সামরিক বাহিনীর মূলে থাকা উপনিবেশবাদ ও [[সাম্রাজ্যবাদ|সাম্রাজ্যবাদ]]ের সংবেদনশীলতার স্থায়ীত্বের আরও অনেক বর্তমান ও সাম্প্রতিক উদাহরণ রয়েছে।
** রোক্সান ডানবার-অরটিজ, ''অ্যান ইন্ডিজেনাস পিপলস হিস্ট্রি অফ দ্য ইউনাইটেড স্টেটস'' (২০১৪)
==ই==
*সৈনিক, নাবিক এবং বিমানসেনা অ্যালিয়েড এক্সপিডিশনারি ফোর্স! <br> আপনারা সেই গ্রেট ক্রুসেডে যাত্রা করতে যাচ্ছেন, যার জন্য আমরা বহু মাস ধরে চেষ্টা করেছি। [[বিশ্ব|বিশ্বের]] [[চোখ]] আপনাদের ওপর। [[স্বাধীনতা]]-প্রেমী [[মানুষ|মানুষের]] [[আশা]] ও [[প্রার্থনা]] সব জায়গায় আপনাদের সাথে মার্চ করছে। অন্যান্য ফ্রন্টে আমাদের সাহসী মিত্র ও অস্ত্র-ভাইদের সাথে, আপনারা [[জার্মানি|জার্মান]] [[যুদ্ধ]] মেশিনের ধ্বংস, ইউরোপের নিপীড়িত জনগণের ওপর [[নাৎসি]] স্বৈরাচার দূরীকরণ এবং একটি [[স্বাধীনতা|স্বাধীন]] বিশ্বে নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন।<br> আপনাদের কাজ সহজ হবে না। আপনাদের শত্রু সুপ্রশিক্ষিত, সুসজ্জিত এবং যুদ্ধ-কঠিন। সে বন্যভাবে লড়াই করবে। <br>কিন্তু এটি ১৯৪৪ সাল! ১৯৪০-৪১ সালের [[নাৎসিবাদ|নাৎসি]] বিজয়ের পর অনেক কিছু ঘটেছে। [[জাতি|জাতিসংঘ]] জার্মানদের ওপর বিশাল পরাজয় চাপিয়েছে, খোলা যুদ্ধে, মানুষে-মানুষে। আমাদের বিমান আক্রমণ তাদের আকাশে শক্তি এবং মাটিতে যুদ্ধ করার ক্ষমতা মারাত্মকভাবে কমিয়েছে। আমাদের হোম ফ্রন্টগুলো আমাদের অস্ত্র ও গোলাবারুদের ব্যাপক শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছে, এবং প্রশিক্ষিত যুদ্ধবাজ মানুষের বিশাল মজুদ আমাদের হাতে তুলে দিয়েছে। জোয়ার ঘুরে গেছে! বিশ্বের স্বাধীন মানুষ বিজয়ের দিকে একসাথে মার্চ করছে! <br>আমি আপনাদের সাহস, কর্তব্যর প্রতি ভক্তি এবং [[যুদ্ধ]]র দক্ষতার ওপর পূর্ণ আস্থা রাখি।<br> আমরা পূর্ণ জয় ছাড়া কিছুই গ্রহণ করব না! শুভ [[ভাগ্য|ভাগ্য]]! এবং আসুন আমরা এই মহান ও মহৎ উদ্যোগের ওপর সর্বশক্তিমান [[ঈশ্বর|ঈশ্বরের]] আশীর্বাদ প্রার্থনা করি।'''
**[[ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার]], [http://www.3ad.com/history/wwll/feature.pages/d.day.letters.htm অর্ডার অফ দ্য ডে (২ জুন ১৯৪৪), নরম্যান্ডিতে অবতরণের আগে সৈন্যদের কাছে একটি বার্তা], ফ্রাঙ্কলিন ওয়াটস, ''ভয়েসেস অফ হিস্ট্রি'' (১৯৪৫)-এ রিপোর্ট করা হয়েছে, পৃষ্ঠা ২৬০।
*'''[[আলেকজান্ডার হ্যামিল্টন|আলেকজান্ডার হ্যামিল্টন]]''': যদি আমরা আমাদের প্রতিরক্ষার জন্য অযোগ্য রাজ্য মিলিশিয়াদের ওপর নির্ভর করতে বাধ্য হই, তবে আমরা এখনই ফরাসি ভাষা শেখা শুরু করতে পারি, মিস্টার প্রেসিডেন্ট। একটি জাতীয় সেনাবাহিনী ব্যাংক যেমন করে দেশটিকে আবদ্ধ করে।
**[[আলেকজান্ডার হ্যামিল্টন]], রুফাস সেওয়েল দ্বারা ''জন অ্যাডামসে'' ব্যাখ্যা করা হয়েছে, কার্ক এলিস লিখিত, "অংশ VI: অপ্রয়োজনীয় যুদ্ধ", (১৬ মার্চ – ২৭ এপ্রিল, ২০০৮); ডেভিড ম্যাককুলাফের বইয়ের ওপর ভিত্তি করে।
*'''[[জন অ্যাডামস|জন অ্যাডামস]]''': আমরা যখন শান্তির প্রস্তুতি নিচ্ছি তখন পৃথিবীতে আমাদের কেন একটি সেনাবাহিনী প্রয়োজন?
**[[জন অ্যাডামস]], পল জিয়ামাট্টি দ্বারা ''জন অ্যাডামসে'' ব্যাখ্যা করা হয়েছে, কার্ক এলিস লিখিত, "অংশ VI: অপ্রয়োজনীয় যুদ্ধ", (১৬ মার্চ – ২৭ এপ্রিল, ২০০৮) ডেভিড ম্যাককুলাফের বইয়ের ওপর ভিত্তি করে।
==এফ==
[[File:Jim_Nabors_as_Gomer_Pyle_in_"The_Andy_Griffith_Show"_(cropped).jpg|thumb|আমার শৈশবে, অর্থাৎ পঞ্চাশ ও [[১৯৬০-এর দশক|ষাটের দশকে]] এবং পরবর্তী সময়ে [[১৯৭০-এর দশক|সত্তরের দশকে]], আমেরিকান পপ সংস্কৃতিতে সামরিক বাহিনীর প্রতি সাধারণ মানুষের এক ধরনের পরিচিতি ছিল, যার ফলে মাঝেমধ্যে তাদের নিয়ে কৌতুকও করা হতো। তখন “[[গামার পাইল, ইউ.এস.এম.সি.|গামার পাইল]]”, “[[হোগান্স হিরোস|হোগান্স হিরোস]]” বা “[[ম্যাকহেলস নেভি|ম্যাকহেলস নেভি]]”-এর মতো অনুষ্ঠান দেখা যেত। <br> তখন “[[সাউথ প্যাসিফিক (মিউজিক্যাল)|সাউথ প্যাসিফিক]]”-এর মতো [[শিল্পকর্ম]], “[[ক্যাচ-২২|ক্যাচ ২২]]”-এর মতো [[উপন্যাস]] এবং “[[ম্যাশ (চলচ্চিত্র)|ম্যাশ]]”-এর মতো [[চলচ্চিত্র]] তৈরি হতো। এগুলো সামরিক বাহিনীর গুরুত্ব এবং [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের]] মতো বড় পরিসরে তাদের বীরত্বপূর্ণ অবদানকে সম্মান জানাত, তবুও এসব গল্পে বাস্তব মানুষ এবং তাদের সীমাবদ্ধতাগুলো ফুটে উঠত। <br> কিন্তু এখন আমাদের সামরিক বাহিনীর প্রতি এক ধরনের কৃত্রিম ভক্তি তৈরি হয়েছে, যা একই সাথে দূরবর্তী ও বিচ্ছিন্ন। ~ [[জেমস ফ্যালোস]]]]
* আমেরিকান জনগণের সাথে সামরিক বাহিনীর ক্রমবর্ধমান দূরত্ব তাদের সশস্ত্র বাহিনী সম্পর্কে চিন্তা ও কথোপকথনের ধরণকেও বদলে দিয়েছে, এমনটাই দাবি করেন “[[দি আটলান্টিক|দি আটলান্টিক]]”-এর লেখক [[জেমস ফ্যালোস]]। জানুয়ারিতে ফ্যালোস তার কভার স্টোরি “কেন বিশ্বের সেরা সৈন্যরা বারবার হেরে যাচ্ছে?: আমেরিকান সামরিক বাহিনীর করুণ পতন” নিয়ে [[পিবিএস নিউজ|নিউজআওয়ার]]ে মার্গারেট ওয়ার্নারের সাথে আলোচনা করেন: <br> আমার শৈশবে, অর্থাৎ পঞ্চাশ ও [[১৯৬০-এর দশক|ষাটের দশকে]] এবং পরবর্তী সময়ে [[১৯৭০-এর দশক|সত্তরের দশকে]], আমেরিকান পপ সংস্কৃতিতে সামরিক বাহিনীর প্রতি সাধারণ মানুষের এক ধরনের পরিচিতি ছিল, যার ফলে মাঝেমধ্যে তাদের নিয়ে কৌতুকও করা হতো। তখন “[[গামার পাইল, ইউ.এস.এম.সি.|গামার পাইল]]”, “[[হোগান্স হিরোস|হোগান্স হিরোস]]” বা “[[ম্যাকহেলস নেভি|ম্যাকহেলস নেভি]]”-এর মতো অনুষ্ঠান দেখা যেত। <br> তখন “[[সাউথ প্যাসিফিক (মিউজিক্যাল)|সাউথ প্যাসিফিক]]”-এর মতো [[শিল্পকর্ম]], “[[ক্যাচ-২২|ক্যাচ ২২]]”-এর মতো [[উপন্যাস]] এবং “[[ম্যাশ (চলচ্চিত্র)|ম্যাশ]]”-এর মতো [[চলচ্চিত্র]] তৈরি হতো। এগুলো সামরিক বাহিনীর গুরুত্ব এবং [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের]] মতো বড় পরিসরে তাদের বীরত্বপূর্ণ অবদানকে সম্মান জানাত, তবুও এসব গল্পে বাস্তব মানুষ এবং তাদের সীমাবদ্ধতাগুলো ফুটে উঠত। <br> কিন্তু এখন আমাদের সামরিক বাহিনীর প্রতি এক ধরনের কৃত্রিম ভক্তি তৈরি হয়েছে, যা একই সাথে দূরবর্তী ও বিচ্ছিন্ন।
**জেমস ফ্যালোস, (জানুয়ারি ২০১৫); মেগান ক্রিগার এবং লরা সান্তানামের উদ্ধৃতিতে, [https://www.pbs.org/newshour/nation/many-Americans-died-u-s-wars “কতজন আমেরিকান মার্কিন যুদ্ধে মারা গেছেন?”], ''পিবিএস নিউজ আওয়ার: নেশন'', (আপডেট করা হয়েছে ২৭ মে, ২০১৯ দুপুর ১২:৩১ ইডিটি — প্রকাশিত হয়েছে ২৪ মে, ২০১৫)।
* যুদ্ধ যে [[বৈশ্বিক উষ্ণায়ন|জলবায়ু পরিবর্তন]] ত্বরান্বিত করে—এই বিশাল ও কলঙ্কিত সত্যটি অত্যন্ত সতর্কতার সাথে গোপন রাখা হয়। এই বিষয়টি আড়ালে রাখতে সামরিক বাহিনীকে যেকোনো তদারকি বা বাধ্যবাধকতা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। আইনগত এই ছাড় দেওয়ার বিষয়টি সবসময়ই বিদ্যমান ছিল, তবে জি. ডব্লিউ. বুশ ১৯৯৭ সালের কিয়োটো প্রোটোকলে এই সংক্রান্ত ভাষা যুক্ত করে এটিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেন, যদিও তিনি পরবর্তীতে সেই চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন... মার্কিন সামরিক বাহিনীর গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের হিসাব থেকে অব্যাহতিপ্রাপ্ত তালিকায় রয়েছে বিশ্বজুড়ে ১৩০টির বেশি দেশে থাকা ১,০০০-এর বেশি মার্কিন ঘাঁটি, যুক্তরাষ্ট্রে থাকা ৬,০০০ স্থাপনা, যুদ্ধবিমানবাহী জাহাজ এবং জেট বিমান। এছাড়া অস্ত্র পরীক্ষা এবং ন্যাটো সামরিক জোট ও আফ্রিকমের মতো বিশাল মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটের বহুপাক্ষিক কার্যক্রমও এই হিসাবের বাইরে। এই বিধানের আওতায় মার্কিন/জাতিসংঘ-অনুমোদিত “শান্তিরক্ষা” ও “মানবিক ত্রাণ” কার্যক্রমকেও অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
**[[সারা ফ্লাউন্ডার্স]], উদ্ধৃত: [https://www.counterpunch.org/2019/06/14/the-climate-counter-offensive-secrecy-deception-and-disarming-the-green-new-deal/ জলবায়ু পাল্টা আক্রমণ: গোপনীয়তা, প্রতারণা এবং গ্রিন নিউ ডিলকে নিরস্ত্র করা, রিচার্ড মোজার, ''কাউন্টারপাঞ্চ''] (১৪ জুন, ২০১৯)
* [[বাজার]]ের লুকানো [[হাত]] কখনোই একটি লুকানো মুষ্টি (শক্তি) ছাড়া কাজ করবে না। [[ম্যাকডোনাল্ডস]] কখনোই [[ম্যাকডোনেল ডগলাস]] (এফ-১৫ বিমানের নকশাকার) ছাড়া উন্নতি করতে পারত না। আর যে লুকানো মুষ্টিটি [[সিলিকন ভ্যালি]]ের [[প্রযুক্তি|প্রযুক্তির]] প্রসারের জন্য বিশ্বকে নিরাপদ রাখে, তার নামই হলো [[ইউএস আর্মি]], [[মার্কিন বিমান বাহিনী|বিমান বাহিনী]], [[নৌবাহিনী]] এবং [[মার্কিন মেরিন কোর|মেরিন কোর]]।
**[[থমাস এল. ফ্রিডম্যান]], {{cite news
| url = http://www.nytimes.com/1999/03/28/magazine/a-manifesto-for-the-fast-world.html
| title = ফাস্ট ওয়ার্ল্ডের জন্য একটি ইশতেহার
| work = নিউ ইয়র্ক টাইমস
| date = ২৮ মার্চ, ১৯৯৯
| accessdate = ২০১০-০৬-২৮}}
=== “শারীরিক গঠন এবং শারীরিক সক্ষমতা: সামরিক পরিষেবার জন্য প্রয়োগ” (১৯৯০) ===
<small> কার্ল ই. ফ্রিড, [https://www.ncbi.nlm.nih.gov/books/NBK235960/ “শারীরিক গঠন এবং শারীরিক সক্ষমতা: সামরিক পরিষেবার জন্য প্রয়োগ”], ইনস্টিটিউট অফ মেডিসিন (ইউএস) কমিটি অন মিলিটারি নিউট্রিশন রিসার্চ; ম্যারিয়ট বিএম, গ্রামস্ট্রুপ-স্কট জে, সম্পাদকবৃন্দ। ওয়াশিংটন (ডিসি): ন্যাশনাল একাডেমি প্রেস (ইউএস); ১৯৯০। </small>
[[File:Marine_Corps_Recruit_Depot_Parris_Island_Training_140513-M-XK446-114.jpg|thumb|[[সুনির্দিষ্ট]] শারীরিক সক্ষমতার [[পরীক্ষা]], যেমন 'অ্যানুয়াল টেস্ট রাইড', একসময় সেনাবাহিনীতে কার্যকর ছিল। তবে আজকের সেনাবাহিনী অত্যন্ত [[বৈচিত্র্যময়]] হওয়ায় নিয়মিতভাবে [[বাস্তবসম্মত]] যুদ্ধ সক্ষমতা পরীক্ষা দিয়ে সৈন্যদের বাছাই করা কঠিন। বর্তমানের [[ইউএস আর্মি ফিজিক্যাল ফিটনেস টেস্ট]] মূলত ২-মাইল [[দৌড়]], [[পুশ-আপ]] এবং [[সিট-আপ]] পরীক্ষার মাধ্যমে [[অ্যারোবিক ব্যায়াম|অ্যারোবিক সক্ষমতা]] যাচাই করে; এই মানদণ্ডগুলো মূলত চাকরির ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্য, প্রবেশের জন্য নয় এবং এগুলোর প্রয়োগ [[শরীরের চর্বি|শরীরের চর্বির]] মানদণ্ডের চেয়েও নমনীয়। ~ কার্ল ই. ফ্রিড]]
* সামরিক বাহিনীতে শারীরিক মানদণ্ড নির্ধারণের মূল উদ্দেশ্য সবসময়ই ছিল এমন সৈন্যদের খুঁজে বের করা, যারা সামরিক পরিষেবার শারীরিক চাহিদা পূরণে সবচেয়ে উপযুক্ত। এই মানদণ্ডের অর্থ ছিল এমন সৈন্য নির্বাচন করা, যাদের দেখে মনে হয় তারা ভারি বোঝা বহন করতে এবং ভালো লড়াই করতে সক্ষম। বর্তমানে, ইউএস আর্মির শারীরিক সক্ষমতার ওপর জোর দেওয়ার অংশ হিসেবে শরীরের চর্বির মানদণ্ড ব্যবহার করা হয়, যাতে নিশ্চিত করা যায় যে বাহিনীগুলো ''চরম জলবায়ু ও ভূখণ্ডে লড়াই করার মতো স্ট্যামিনা এবং ধৈর্য রাখে'' (স্টাডি অফ দ্য মিলিটারি সার্ভিসেস ফিজিক্যাল ফিটনেস, ১৯৮১)। <br> গত শতাব্দীর বেশিরভাগ সময় ধরে, উচ্চতা ও ওজনের অনুপাত সৈন্যের শারীরিক সক্ষমতা যাচাইয়ের প্রধান মাপকাঠি ছিল, কিন্তু ইদানীংকালের আগ পর্যন্ত এই মানদণ্ডগুলো কেবল কম ওজনের প্রার্থীদের বাদ দেওয়ার জন্যই ব্যবহৃত হতো।
* প্রয়োজনের তাগিদে কিছু শারীরিক মানদণ্ড খুব সহজেই পরিবর্তন করা হয়েছে, যা ইঙ্গিত দেয় যে কোনো বিষয়কে হয়তো ‘সৈনিকের বৈশিষ্ট্য’ হিসেবে তুলে ধরা হলেও তা আসলে যুদ্ধের প্রয়োজনে খুব একটা জরুরি নয়। উচ্চতা এর একটি উদাহরণ। ইউরোপীয় রাজারা লম্বা সৈন্যদের নিয়ে গর্ব করতেন; এছাড়া ড্রিল ও অনুষ্ঠানের জন্য একই উচ্চতার মানুষ থাকাটা সুবিধাজনক ছিল। কিছু ইউজেনিকিস্ট দাবি করতেন যে অপরাধীরা সাধারণত অন্যদের তুলনায় খাটো হয় (ব্যাক্সটার, ১৮৭৫) এবং একজন অবসরপ্রাপ্ত সামরিক সার্জন প্রস্তাব করেছিলেন যে শারীরিক বৈশিষ্ট্য দেখে ভবিষ্যৎ বীরদের শনাক্ত করা সম্ভব (ফস্টার এবং অন্যান্য, ১৯৬৭)। তাই, ঊনবিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে মার্কিন সৈন্যদের জন্য ন্যূনতম উচ্চতা ছিল ৬৬ ইঞ্চি, যা পরবর্তী সময়ে ধীরে ধীরে কমানো হয়েছে। জাতীয় জরুরি অবস্থার সময় যখন নতুন সৈন্যের চাহিদা বাড়ত, তখনই সবচেয়ে শিথিল মানদণ্ড (এমনকি গৃহযুদ্ধের সময় কোনো ন্যূনতম উচ্চতার বাধ্যবাধকতা ছিল না) কার্যকর ছিল।
* সুনির্দিষ্ট শারীরিক সক্ষমতার পরীক্ষা, যেমন 'অ্যানুয়াল টেস্ট রাইড', একসময় সেনাবাহিনীতে কার্যকর ছিল। তবে আজকের সেনাবাহিনী অত্যন্ত বৈচিত্র্যময় হওয়ায় নিয়মিতভাবে বাস্তবসম্মত যুদ্ধ সক্ষমতা পরীক্ষা দিয়ে সৈন্যদের বাছাই করা কঠিন। বর্তমানের ইউএস আর্মি ফিজিক্যাল ফিটনেস টেস্ট মূলত ২-মাইল দৌড়, পুশ-আপ এবং সিট-আপ পরীক্ষার মাধ্যমে অ্যারোবিক সক্ষমতা যাচাই করে; এই মানদণ্ডগুলো মূলত চাকরির ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্য, প্রবেশের জন্য নয় এবং এগুলোর প্রয়োগ শরীরের চর্বির মানদণ্ডের চেয়েও নমনীয়।
==জি==
[[File:CapShield01.jpg|thumb|১৯৫৩ সালের ১৩ জুলাইয়ের ([[কমিউনিস্ট]]) “[[ডেইলি ওয়ার্কার|ডেইলি ওয়ার্কার]]”-এ বলা হয় যে, [[কমিক্স]] সচেতনভাবে নিম্নোক্ত ভূমিকা পালন করে: <br> “...[[আমেরিকান]] [[যুবসমাজকে]] নিষ্ঠুর করে গড়ে তোলা, যাতে তারা আমাদের [[সরকার]]ের [[বিশ্ব আধিপত্যের]] লক্ষ্য বাস্তবায়নে [[সামরিক]] সেবার জন্য আরও ভালোভাবে প্রস্তুত হতে পারে। এছাড়া, [[জাতিসংঘ|জাতিসংঘের]] পতাকাতলে [[কোরীয় যুদ্ধ|কোরিয়ায়]] [[আমেরিকান]] [[সৈনিক]] ও [[বিমানসেনা|বিমানসেনাদের]] দ্বারা সংঘটিত [[অত্যাচার]] মেনে নিতে তাদের অভ্যস্ত করা।” ~ [[উইলিয়াম গেইনস]]]]
* ১৯৫৩ সালের ১৩ জুলাইয়ের (কমিউনিস্ট) “ডেইলি ওয়ার্কারে” বলা হয় যে, কমিক্স সচেতনভাবে নিম্নোক্ত ভূমিকা পালন করে: <br> “...আমেরিকান যুবসমাজকে নিষ্ঠুর করে গড়ে তোলা, যাতে তারা আমাদের [[সরকার]]ের বিশ্ব আধিপত্যের লক্ষ্য বাস্তবায়নে সামরিক সেবার জন্য আরও ভালোভাবে প্রস্তুত হতে পারে। এছাড়া, [[জাতিসংঘ|জাতিসংঘের]] পতাকাতলে [[কোরীয় যুদ্ধ|কোরিয়ায়]] আমেরিকান সৈনিক ও বিমানসেনাদের দ্বারা সংঘটিত অত্যাচার মেনে নিতে তাদের অভ্যস্ত করা।”
** উইলিয়াম গেইনস, “আর ইউ এ রেড ডুপ?”, ''দ্য হন্ট অফ ফিয়ার'', ইসি কমিক্স, (আগস্ট ১৯৫৪)
*আমি [[আশা]] করি, রাস্তাঘাটে, টিউবে এবং বাসে আমরা যে তরুণ আমেরিকান সৈনিকের সাথে পরিচিত হচ্ছি, সে আমাদের সঙ্গ পেয়ে ততটাই আনন্দিত হয়েছে, যতটা আমরা তাকে পেয়ে হয়েছি।
**আলফ্রেড জর্জ গার্ডিনার, [https://books.google.com/books?id=A9LPAAAAMAAJ&pg=PA101&lpg=PA101&dq=%22The+directness+and+naturalness+of+the+American+is+the+most+enviable+of+his+traits.+It+gives+the+sense+of+a+man+who+is+born+free.%22&source=bl&ots=s6wfDHuUWv&sig=nRZZ4aIhKELXA_zsps9cZACrDjE&hl=en&sa=X&ved=0ahUKEwikhO3EooDUAhVH4CYKHVHTBRAQ6AEIJjAC#v=onepage&q=%22The%20directness%20and%20naturalness%20of%20the%20American%20is%20the%20most%20enviable%20of%20his%20traits.%20It%20gives%20the%20sense%20of%20a%20man%20who%20is%20born%20free.%22&f=false ''লিভস ইন দ্য উইন্ড''], পৃষ্ঠা ৯৭
*সৈনিকেরা, তোমরা পৃথিবীর ইতিহাসের সবচেয়ে মহৎ দল। এই প্রান্তরকে চিরকালের জন্য গৌরব ও [[স্বাধীনতা|স্বাধীনতার]] প্রান্তরে পরিণত করতে তোমরা জীবন দিয়েছ।
**[[জেমস এ. গারফিল্ড]], [http://grandoldpartisan.typepad.com/blog/2015/10/garfield-speech.html “ডোন্ট পিচ ইয়োর টেন্ট অ্যামাং দ্য ডেড”] (অক্টোবর ১৮৭৯)
*যুক্তরাষ্ট্র পরবর্তী দশ বছরে পেন্টাগনের জন্য ৭ ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি ব্যয় করার পথে রয়েছে। এই বিশাল অংকের ধারণা পাওয়ার জন্য বলা যায়, যুক্তরাষ্ট্র প্রতি বছর সামরিক খাতে চীন, রাশিয়া, ভারত, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ফ্রান্স, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া এবং অস্ট্রেলিয়ার সম্মিলিত খরচের চেয়েও বেশি ব্যয় করে। যদিও রিপাবলিকান এবং ডেমোক্র্যাটরা তুলনামূলক ছোট “বিল্ড ব্যাক বেটার” আইন নিয়ে তীব্র দ্বিমত পোষণ করে, তবে সামরিক বাজেট এবং বিদেশি সামরিক হস্তক্ষেপের ক্ষেত্রে তারা অধিকাংশ সময় ঐক্যমত্য পোষণ করে।
**এমি গুডম্যান, [https://www.democracynow.org/2021/11/24/war_party_us_military_spending “দ্য ওয়ার পার্টি”: জেরেমি স্কেলহিল অন হাউ ইউ.এস. মিলটারিজম ইউনিফায়েস ডেমোক্র্যাটস অ্যান্ড রিপাবলিকানস, ''ডেমোক্রেসি নাও!''] (২৪ নভেম্বর ২০২১)
*অন্য যেকোনো দেশের তুলনায় মার্কিন সামরিক বাহিনীর বৈশ্বিক শক্তি প্রয়োগের একটি সুনির্দিষ্ট মতবাদ রয়েছে। তাদের ধারণা, প্রায় ৮০০টি বিদেশি সামরিক ঘাঁটির মাধ্যমে পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে প্রাণঘাতী শক্তি নিয়ে হস্তক্ষেপ করার ক্ষমতা তাদের থাকা উচিত। একদিক থেকে দেখলে, স্থলবাহিনী এখানে গৌণ; কারণ অন্তত [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের]] পর থেকে মার্কিন সামরিক মতবাদের মূল ভিত্তি হলো বিমান শক্তির ওপর নির্ভরতা। যুক্তরাষ্ট্র এমন কোনো যুদ্ধে জড়ায়নি যেখানে তাদের আকাশসীমার নিয়ন্ত্রণ ছিল না। এছাড়া, তারা অন্য যেকোনো সামরিক বাহিনীর তুলনায় বিমান হামলার ওপর অনেক বেশি পদ্ধতিগতভাবে নির্ভর করেছে। উদাহরণস্বরূপ, সাম্প্রতিক ইরাক দখলের সময় তারা এমন শহরগুলোতেও বিমান হামলা চালিয়েছে যা আপাতদৃষ্টিতে তাদের নিজেদের দখলেই ছিল। '''বিশ্বে মার্কিন সামরিক আধিপত্যের মূল কারণ হলো—তারা ইচ্ছামতো, মাত্র কয়েক ঘণ্টার নোটিশে, পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে বোমা ফেলতে সক্ষম।''' অন্য কোনো সরকারের কখনোই এমন সক্ষমতা ছিল না। প্রকৃতপক্ষে, এমন দাবিও করা যেতে পারে যে, এই শক্তির কারণেই ডলারকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা পুরো বিশ্ব মুদ্রাব্যবস্থা টিকে আছে।
**ডেভিড গ্রেবার, ''ডেট: দ্য ৫০০০ ইয়ার্স'', পৃষ্ঠা ৩৬৫-৩৬৬
*সবাই জানে যে, অন্তত [[জুলিয়াস সিজার|জুলিয়াস সিজারের]] সময় থেকে [[সমকামী পুরুষ|সমকামীরা]] সামরিক বাহিনীতে সম্মানের সাথে সেবা করে আসছে।
**ব্যারি গোল্ডওয়াটার, ১০ জুন ১৯৯৩-এর বিবৃতি, ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসে'' “গোল্ডওয়াটার ব্যাকস গে ট্রুপস”-এ উদ্ধৃত (১১ জুন ১৯৯৩); এছাড়াও রবার্ট অ্যালান গোল্ডবার্গের লেখা ''ব্যারি গোল্ডওয়াটার'' (১৯৯৫), পৃষ্ঠা ৩৩২-এ উদ্ধৃত।
*আপনার [[দেশ|দেশের]] জন্য লড়াই করতে এবং [[মৃত্যু|মরতে]] আপনার 'বিষমকামী' হওয়ার প্রয়োজন নেই। শুধু লক্ষ্যভেদ করতে পারাটাই যথেষ্ট।
**ব্যারি গোল্ডওয়াটার, রবার্ট অ্যালান গোল্ডবার্গের লেখা ''ব্যারি গোল্ডওয়াটার'' (১৯৯৫), পৃষ্ঠা ৩৩২-এ উদ্ধৃত।
*[[যুদ্ধ]] আমাদের একটি মহান শক্তি এবং বুদ্ধিদীপ্ত জাতিতে পরিণত করেছে। দেশে [[শান্তি]], [[সুখ]] ও সমৃদ্ধি বজায় রাখা এবং অন্যান্য জাতির সম্মান অর্জনের জন্য আমাদের খুব বেশি কিছু করার প্রয়োজন নেই। আমাদের অতীত অভিজ্ঞতা থেকে প্রথমটির (শান্তি বজায় রাখা) প্রয়োজনীয়তা এবং আমাদের শক্তিই শেষোক্তটি (সম্মান) নিশ্চিত করে।
**ইউলিসিস এস. গ্র্যান্ট, [http://www.gutenberg.org/etext/4367 ''পার্সোনাল মেমোয়ার্স অফ জেনারেল ইউ. এস. গ্র্যান্ট''] (১৮৮৫)
*গত কয়েক দশকের প্রতিটি বড় মার্কিন যুদ্ধ একইভাবে শুরু হয়েছে। মার্কিন সরকার কোনো একটি আবেগপূর্ণ ও উসকানিমূলক মিথ্যা তৈরি করে। বড় মার্কিন মিডিয়া আউটলেটগুলো প্রশ্ন তোলা বা ভিন্নমত পোষণ না করে সেটিকে সত্য বলে প্রচার করে, ফলে তারা আক্রমণ করতে চাওয়া দেশের প্রতি তীব্র ক্ষোভের জন্ম দেয়। এভাবেই আমরা [[ভিয়েতনাম যুদ্ধ|ভিয়েতনাম যুদ্ধে]] (উত্তর ভিয়েতনাম কর্তৃক টঙ্কিন উপসাগরে মার্কিন জাহাজ আক্রমণের ঘটনা), উপসাগরীয় যুদ্ধে (সাদ্দাম হোসেন ইনকিউবেটর থেকে শিশুদের কেড়ে নিয়েছিলেন বলে গুজব) এবং অবশ্যই [[ইরাক যুদ্ধ|ইরাক যুদ্ধে]] (সাদ্দামের কাছে গণবিধ্বংসী অস্ত্র ছিল এবং তিনি আল-কায়েদার সাথে জোট করেছিলেন) জড়িয়েছি।
*ঠিক এই কৌশলটিই ২৩ ফেব্রুয়ারি ব্যবহার করা হয়েছিল, যখন [[ভেনেজুয়েলা|ভেনেজুয়েলায়]] যারা শাসন পরিবর্তন করতে চায়, তাদের অনুকূলে প্রচারণার মোড় সম্পূর্ণ ঘুরে যায়... তারা জোর দিয়ে দাবি করেছিল যে ট্রাকগুলোতে ইচ্ছাকৃতভাবে [[নিকোলাস মাদুরো|প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর]] বাহিনী আগুন দিয়েছে।
**গ্লেন গ্রিনওয়াল্ড: [https://theintercept.com/2019/03/10/nyts-expose-on-the-lies-about-burning-humanitarian-trucks-in-venezuela-shows-how-us-govt-and-media-spread-fake-news/ ''এনওয়াইটি’স এক্সপোজ অন দ্য লাইজ এবাউট বার্নিং হিউম্যানিটারিয়ান ট্রাকস ইন ভেনেজুয়েলা শোজ হাউ ইউ.এস. গভর্মেন্ট অ্যান্ড মিডিয়া স্প্রেড ফেক নিউজ, দ্য ইন্টারসেপ্ট,''] (১০ মার্চ ২০১৯)
==এইচ==
*<p>নোঙর তোলো, হে আমার ছেলেরা! নোঙর তোলো! বিদায়...</p><p>বিজয়ের উদ্দেশ্যে পাড়ি দাও এবং তাদের হাড়গোড় ডেভি জোন্সের সিন্দুকে পাঠিয়ে দাও, হুররে!</p>
**জন হেগান, “অ্যাঙ্করস অ্যাওয়ে” (১৯৯৭)
*প্রথমত, শান্তির সময়ে আমেরিকান সৈনিক অন্য যেকোনো ধরনের আমেরিকান নাগরিকের মতোই। ... সে সৈন্য হয় এবং সৈন্য হিসেবেই থাকে, কারণ এর বিনিময়ে সে যা পায়। যেই মুহূর্তে সে সিদ্ধান্ত নেয় যে সে সেনাবাহিনীর চেয়ে বেসামরিক জীবন থেকে বেশি কিছু পেতে পারে, তখনই সে তালিকাভুক্ত হতে বা পুনরায় তালিকাভুক্ত হতে অস্বীকার করবে।
**জনসন হেগুড, [https://www.google.com/search?client=firefox-b-1-d&sca_esv=eff03c613f9494ac&sxsrf=ACQVn09CdLISXoIzNp-OdekvEUi8LSfiKQ:1707412572546&q=Circular+Relative+to+Pay+of+Officers+and+Enlisted+Men+of+the+Army+Johnson+Hagood&si=AKbGX_rOAlAWZm8yZPZsiL6aVCbdD97y3lZlG6WCaiU0tO9pR9kr7DEFZM_KQ41UQN6taqiWwVkuJq4CSzVb9GzxZZq09wGtaQD01RrUFmokaS0KDXBbZSw7-_8-FED2rqn94PAJcn6LiUBQvthCQKqrLnX8_qBW4AS9QM1WQu-AixVQiaYNHmsDoiPcLoe6qHaFCPUSeTnAVN9cEN0h9uIstToyRKwAp1tFRUX5u0uLEQzkmo2Jyn5PqikxE0uhOOD_wmIhKHEa4lv0lvWsVezdiX-Yeq2YCg%3D%3D&sa=X&ved=2ahUKEwjzi_y-n5yEAxWSD1kFHfzBBVoQ6RN6BAg2EAE&biw=1903&bih=1206&dpr=0.9 ''সার্কুলার রিলেটিভ টু পে অফ অফিসারস অ্যান্ড এনলিস্টেড মেন অফ দ্য আর্মি''] (১৯০৭), ওয়াশিংটন, ডি.সি.: গভর্নমেন্ট প্রিন্টিং অফিস, পৃষ্ঠা ৮, [https://press.armywarcollege.edu/cgi/viewcontent.cgi?article=3239&context=parameters “আ হিস্টোরিক্যাল পার্সপেক্টিভ অন টুডেস রিক্রুটিং ক্রাইসিস”] (২০২৩)-এ উদ্ধৃত, ব্রায়ান ম্যাকঅ্যালিস্টার লিন, ''দ্য ইউএস আর্মি ওয়ার কলেজ কোয়ার্টারলি: প্যারামিটারস'', পৃষ্ঠা ১০
*<p>আমাদের সেই পুরুষ ও নারীদের সেবার কথা বলতে হবে, যারা বিশ্ব যুদ্ধে প্রজাতন্ত্রের পতাকাতলে সমবেত হয়েছিল। আমেরিকা তাদের প্রদত্ত সেবা, করা ত্যাগ এবং সহ্য করা কষ্ট উপলব্ধি করে ও তার কদর করে। যারা যুদ্ধক্ষেত্রের বিপদ ও গৌরব বা সমুদ্রের ঝুঁকি জেনেছিল এবং যারা লাইনের পেছনে সেবা করতে বাধ্য হয়েছিল, বা যারা ঘরে ক্যাম্পে ডাকের অপেক্ষায় থাকা বিশাল গ্র্যান্ড আর্মির রিজার্ভ গঠন করেছিল—তাদের মধ্যে কোনো পার্থক্য রাখা হবে না। সবাই ছিল সাহসী। সবাই ছিল আত্মত্যাগী। তারা সবাই সেই আদর্শের অংশীদার ছিল যা আমাদের ছেলেদের দুবার অস্ত্র হাতে যুদ্ধে পাঠিয়েছিল...</p><p>এরা যোগ্য সন্তান। আমাদের অমর সূচনালগ্নে যারা পতাকা উড্ডীন করেছিল, তারা তাদের উপযুক্ত উত্তরাধিকারী। যারা গৃহযুদ্ধ চলাকালীন সংবিধান থেকে অস্পষ্টতা দূর করে ইউনিয়ন এবং জাতীয়তাকে রক্ষা করেছিল, এরা তাদের যোগ্য সন্তান। ১৮৯৮ সালে স্পেনীয়-মার্কিন যুদ্ধে যারা প্রথমবারের মতো মানবতার খাতিরে তলোয়ার তুলেছিল, এরা তাদের প্রস্তুত সন্তান। স্থল ও সমুদ্রে থাকা ৪০ লক্ষ রক্ষক সেই জনগণের সেরা ঐতিহ্যের যোগ্য ছিল, যারা শান্তিতে কখনও যুদ্ধবাজ ছিল না এবং যুদ্ধে কখনও শান্তিবাদী ছিল না। তারা আমাদের গর্বের অধিকারী। তাদের প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞতা রয়েছে, যা অবশ্যই প্রকৃত রূপ পেতে হবে। এটি কেবল একটি কর্তব্য নয়; এটি একটি বিশেষ অধিকার যে নিশ্চিত করা যায় যে তাদের করা ত্যাগ বৃথা যাবে না এবং যারা এখনও হতাহত হয়ে ভুগছে, তাদের প্রচুর সহায়তা করা হবে এবং তাদের নাগরিকত্বের সর্বোচ্চ সক্ষমতা ও আনন্দ ফিরিয়ে দেওয়া হবে।</p>
**ওয়ারেন জি. হার্ডিং, ''দ্য আমেরিকান সোলজার'' (১৯২০)।
*<p>বিশ্বের অন্যান্য বাহিনী, যারা তাদের [[রাজা]] বা মাতৃভূমিকে রক্ষার প্রতিজ্ঞা করে, তাদের থেকে ভিন্ন; আমাদের সেবার [[শপথ]] আমাদের সামরিক বাহিনীকে সংবিধানের সুরক্ষা ও প্রতিরক্ষা এবং আদেশ মেনে চলার শর্তে রাষ্ট্রপতির প্রতি আনুগত্যের সাথে যুক্ত করে। কার্যত, সেই শপথের মাধ্যমে মার্কিন সামরিক বাহিনী আমাদের জনগণের নিরাপত্তাকে রক্ষা করার পাশাপাশি ধারণা, আদর্শ এবং আইনের শাসনকে রক্ষা করে। কর্মজীবনের প্রতিটি ধাপে, প্রত্যেক সৈন্য—সাধারণ সৈনিক থেকে জেনারেল পর্যন্ত—ইতিহাস, আইনি প্রক্রিয়া এবং মূল্যবোধের ওপর প্রশিক্ষণ নেয়। সেই প্রশিক্ষণ আমাদের রাইফেল রেঞ্জে বা ফিল্ড এক্সারসাইজে যা করি তার পরিপূরক। সৈন্যদের চমৎকার দক্ষতা আছে এবং তারা আমেরিকান জীবনযাত্রার চিন্তাশীল রক্ষক। আমি আমার কর্মজীবনের তিন বছরেরও বেশি সময় যুদ্ধক্ষেত্রে ছিলাম; সেই সময়ে, আমি কিছু ভয়াবহ জিনিস দেখেছি এবং সেগুলোর অনেকগুলোই স্বপ্নে ফিরে আসে। মানুষ ও যুদ্ধের মধ্যে অশুভতা থাকে। কিন্তু মার্কিন সামরিক বাহিনীতে; যদিও এমন ঘটনা ঘটেছে যেখানে আইন বা প্রবিধান লঙ্ঘনের জন্য সৈন্যদের শৃঙ্খলাবদ্ধ করার প্রয়োজন হয়েছে—অত্যধিক এবং ধারাবাহিকভাবে আমার সহযোদ্ধাদের কাজ আমাকে খুব গর্বিত করেছে...</p><p>আমি আমাদের সৈন্যদের চিনি, এবং আমি অধ্যয়ন ও অভিজ্ঞতার মাধ্যমে আমাদের সামরিক ঐতিহ্য ও আমেরিকার যুদ্ধের ধরন জানি। যখন ভালোভাবে পরিচালিত ও প্রশিক্ষিত হয়, তখন যে আমেরিকানরা আমাদের দেশের পোশাক পরে, তারা চেতনার দিক থেকে বিশুদ্ধ এবং উদ্দেশ্যের দিক থেকে অবিচল। তারা যেখানে প্রেরিত হয় সেখানে যাবে, যেখানে তারা যায় সেখানে লড়াই করবে এবং যেখানে লড়াই করে সেখানে জেতার জন্য সবকিছু করবে। এবং তারা পৃথিবীর অন্য কোনো সৈনিকের মতো তা করবে না, কারণ আমরা তা-ই। অস্ত্র পেশা অনেক কিছু দাবি করে। সর্বোপরি, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর একজন ইউনিফর্ম পরিহিত সদস্য হওয়ার জন্য অতুলনীয় দক্ষতার প্রয়োজন, কিন্তু শক্তিশালী চরিত্র, তীক্ষ্ণ মেধা এবং এটি বোঝার ক্ষমতাও প্রয়োজন যে বেসামরিক ব্যক্তিরা আমাদের যা করতে বলে তার সীমা আছে। যখন বেসামরিক কর্তৃপক্ষ থেকে প্রাপ্ত আদেশ আইনি, নৈতিক বা মানবিক সীমানা অতিক্রম করে, তখন যেকোনো পদমর্যাদার যেকোনো সৈনিকের প্রথমে সেই আদেশগুলো নিয়ে প্রশ্ন তোলার এবং স্পষ্টীকরণ পাওয়ার অধিকার ও কর্তব্য থাকে, এবং প্রয়োজনে যদি তারা সীমা অতিক্রম করে তবে তা অমান্য করার অধিকারও থাকে। সেটিই আমাদের আলাদা করে...</p><p>কিন্তু রাষ্ট্রপতি যেই হোন না কেন, সেই ব্যক্তির কখনোই সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের সামরিক বিচারের ইউনিফর্ম কোড, তাদের নীতি, তাদের শপথ বা স্থল যুদ্ধের আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করার ‘আদেশ’ দেওয়ার কর্তৃত্ব নেই।</p>
**মার্ক হার্টলিং, [http://www.cnn.com/2016/03/04/opinions/donald-trump-military-hertling/index.html “আ সোলজার’স ভিউ অন ট্রাম্প”] (৪ মার্চ ২০১৬), ''সিএনএন'', জর্জিয়া অঙ্গরাজ্য: কেবল নিউজ নেটওয়ার্ক
*<p>তোমরা প্রায় ১০ হাজার আমেরিকান [[জীবন]] উৎসর্গ করেছ, যা আমাদের যুবসমাজের [[ফুল]]। তোমরা প্রদেশগুলোকে ধ্বংস করেছ। তোমরা যাদের উপকার করতে চাও তাদের মধ্যে অগণিত হাজারো মানুষকে হত্যা করেছ। তোমরা কনসেনট্রেশন ক্যাম্প স্থাপন করেছ। তোমাদের জেনারেলরা ফসল নিয়ে ঘরে ফিরছে, হাজার হাজার অসুস্থ, আহত ও উন্মাদ মানুষকে সাথে নিয়ে, যারা শরীর ও মনে বিধ্বস্ত হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। তোমরা আমেরিকান পতাকাকে অসংখ্য মানুষের চোখে [[খ্রিস্টান|খ্রিস্টান]] গির্জায় অপবিত্রতা, মানুষের ঘরবাড়ি পোড়ানো এবং জল নির্যাতনের ভয়াবহতার প্রতীক বানিয়েছ...</p><p>তোমাদের বাস্তববাদী রাষ্ট্রনীতি, যা [[জর্জ ওয়াশিংটন]] ও আব্রাহাম লিঙ্কন বা বিপ্লব বা গৃহযুদ্ধের সৈন্যদের আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করতে ঘৃণা করে, তা কিছু ক্ষেত্রে তোমাদের উদাহরণের জন্য স্পেনের দিকে তাকিয়েছে। আমি বিশ্বাস করি—না, আমি জানি—যে সাধারণত আমাদের কর্মকর্তা ও সৈন্যরা মানবিক। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে তারা আমেরিকান উদ্ভাবন এবং ক্যাসটিলিয়ান নিষ্ঠুরতার মিশ্রণে তোমাদের যুদ্ধ চালিয়েছে...</p><p>তোমাদের বাস্তববাদী রাষ্ট্রনীতি এমন একটি জাতিকে রূপান্তর করতে সফল হয়েছে, যারা তিন বছর আগেও আমেরিকানদের পোশাকের প্রান্ত চুম্বন করতে এবং তাদের মুক্তিদাতা হিসেবে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত ছিল, যারা সেই দ্বীপে তোমাদের পুরুষরা অবতরণের সময় আশীর্বাদ ও কৃতজ্ঞতা নিয়ে ভিড় করেছিল, তাদেরই এখন শতাব্দী পার হলেও মুছে ফেলা সম্ভব নয় এমন ঘৃণায় পূর্ণ বিরক্ত ও আপোষহীন শত্রুতে পরিণত করেছে।</p>
**জর্জ ফ্রিসবি হোর, [http://web.archive.org/web/20031204093243/http://www.bartleby.com/268/10/25.html ''সাবজুগেশন অফ দ্য ফিলিপাইনস ইনিসকুয়িটাস''] (মে ১৯০২)
*[[পারমাণবিক অস্ত্র]] সংক্রান্ত পরিস্থিতিতে, গত ডুমসডে ক্লক রিপোর্টের চেয়ে পরিস্থিতি অনেক বেশি বিপজ্জনক। উন্নয়নের অধীনে থাকা নতুন অস্ত্র ব্যবস্থা অনেক বেশি কার্যকরভাবে বিপজ্জনক। '''[[জো বাইডেন|বাইডেন প্রশাসন]], ট্রাম্পের সংঘাতমূলক দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রসারিত করে, চমস্কিকে হাতের বিপদ বর্ণনা করার জন্য শব্দ খুঁজে না পাওয়ার মতো অবস্থায় ফেলেছে। কেবল সম্প্রতি, [[জো বাইডেন|বাইডেন]] ন্যাটো নেতাদের সাথে দেখা করেছেন এবং তাদের দুটি যুদ্ধের—[[চীন]] এবং [[রাশিয়া]]—পরিকল্পনা করার নির্দেশ দিয়েছেন। চমস্কির মতে: “এটি পাগলামি ছাড়িয়ে গেছে।” শুধু তাই নয়, যখন সত্যিকারের কূটনীতির প্রয়োজন, তখন এই গোষ্ঠী প্ররোচনামূলক কাজ করছে।''' এটি একটি অত্যন্ত বিপজ্জনক পরিস্থিতি।
**[https://www.counterpunch.org/2021/07/12/a-world-of-total-illusion-and-fantasy-an-interview-with-noam-chomsky/ আ ওয়ার্ল্ড অফ টোটাল ইলিউশন অ্যান্ড ফ্যান্টাসি: নোয়াম চমস্কি অন দ্য ফিউচার অফ দ্য প্ল্যানেট, রবার্ট হানজিকার, ''কাউন্টারপাঞ্চ''] (১২ জুলাই ২০২১)
*[[ইরাক]], [[সিরিয়া]], [[ইরান]], [[লিবিয়া]], [[সোমালিয়া]], [[সুদান]] এবং ইয়েমেনে প্রায় ১০,০০০ আমেরিকান কর্মরত আছেন... এই পুরুষ ও নারীরা সেই দেশগুলোর নাগরিকদের পাশাপাশি লড়াই করছেন।
**উইল হার্ড, [https://hurd.house.gov/media-center/press-releases/congressman-hurd-highlights-danger-posed-americans-due-immigration-ban ইমিগ্রেশন ব্যান বিষয়ক বিবৃতি] (২০১৭)
==আই==
* এই বিষয়টি মাথায় রেখে, চুক্তির অংশীদাররা তাদের ব্যক্তিগত ও সম্মিলিত সক্ষমতা—আমি আবারও বলছি, সম্মিলিত সক্ষমতা—বিকাশ করার প্রতিজ্ঞা করেছে, যাতে তারা যেকোনো সশস্ত্র আক্রমণ প্রতিহত করতে পারে। সেই প্রতিজ্ঞার প্রতি অনুগত থেকে, চুক্তি স্বাক্ষরের পর থেকে জোটের প্রতিটি সদস্য প্রতি বছর ক্রমান্বয়ে প্রতিরক্ষার জন্য বেশি অর্থ ব্যয় করেছে। শক্তিশালী আমেরিকান, [[কানাডা|কানাডিয়ান]] এবং [[যুক্তরাজ্য|যুক্তরাজ্যের]] বাহিনী ইতিমধ্যেই মহাদেশটিতে অবস্থান করছে এবং তাদের [[ইউরোপ|ইউরোপীয়]] মিত্রদের পাশাপাশি প্রহরায় নিয়োজিত রয়েছে। তবে আমাদের উদ্দেশ্য নিয়ে যেন কোনো ভুল ধারণা না হয়। আমরা যে সামরিক শক্তি অর্জনের লক্ষ্য নিয়েছি, তা আত্মরক্ষার জন্য নূন্যতম প্রয়োজন। আমাদের পক্ষ থেকে যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের কোনো সুযোগ নেই, ছিল না এবং কখনো থাকবে না। যদি বিষয়টি অন্যরকম হতো, তবে আন্তর্জাতিক মুক্ত ট্রেড ইউনিয়ন কনফেডারেশনের মতো একটি শক্তিশালী শান্তিকামী সংগঠন কি দৃঢ়ভাবে তাদের সংকল্প ব্যক্ত করত—আমি এখানে উদ্ধৃত করছি— “আগ্রাসন এড়ানোর লক্ষ্যে মুক্ত জাতিগুলোর তাদের প্রতিরক্ষা জোরদার করার প্রচেষ্টাকে সমর্থন করা”?
** হেস্টিংস ইসমে, [https://www.nato.int/docu/speech/1953/s19530913.htm বিবিসি রেডিও টক], ১৩ সেপ্টেম্বর ১৯৫৩
==জে==
*একটি নৌবাহিনী মূলত এবং অপরিহার্যভাবেই অভিজাততান্ত্রিক। আমরা এখন যে রাজনৈতিক নীতিগুলোর জন্য লড়াই করছি, তা যতই সত্য হোক না কেন, জাহাজের ডেকে, বন্দর থেকে দূরে বা গভীর সমুদ্রে এগুলো কখনোই ব্যবহারিকভাবে প্রয়োগ করা সম্ভব নয়, এমনকি তা মেনে নেওয়াও যায় না। এটি কঠোর মনে হতে পারে, কিন্তু এটিই হলো সবচেয়ে সরল সত্য। যদিও কংগ্রেসের পাঠানো জাহাজগুলো [[মানবাধিকার]] ও প্রজাতন্ত্রী স্বাধীনতার নীতির জন্য লড়াই করতে পারে এবং অবশ্যই করা উচিত, কিন্তু সমুদ্রে জাহাজগুলো নিজেই এক চরম স্বৈরাচারী ব্যবস্থার অধীনে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হতে হবে।
**জন পল জোন্স, [http://www.rulit.me/books/the-last-ship-read-334944-1.html কংগ্রেসের নৌ কমিটির কাছে চিঠি] (১৪ সেপ্টেম্বর ১৭৭৫)
==কে==
*হেল! এরা মেরিন। এদের মতো লোকেরাই গুয়াদালকানাল ধরে রেখেছিল এবং আইও জিমা দখল করেছিল। বাগদাদ তো কিছুই না।
**জন এফ. কেলি, [http://www.blackfive.net/main/2007/09/marine-general-.html মেরিন জেনারেল স্পিকস আউট]-এ উদ্ধৃত। বাগদাদ আক্রমণের শুরুতে এক সাংবাদিক পরাজয়ের সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন করলে কেলি এই জবাব দেন। (এপ্রিল ২০০৭)
* [[ভিয়েতনাম যুদ্ধ|ভিয়েতনাম]] থেকে ফিরে আসার পর এই মানুষগুলোর মনের অবস্থা কী হয়, তার ফলাফল সম্পর্কে আপনাদের সাথে কিছুটা কথা বলতে চাই। দেশ এখনো জানে না যে এটি একটি দানব তৈরি করেছে— লক্ষ লক্ষ মানুষের রূপ নেওয়া এক দানব, যাদের সহিংসতা ব্যবহার ও লেনদেন করতে শেখানো হয়েছে, এবং যাদের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় 'শূন্য' অর্জনের জন্য মরার সুযোগ দেওয়া হয়েছে; এমন মানুষ যারা ফিরে এসেছে এক ধরনের [[ক্রোধ]] ও বিশ্বাসঘাতকতার অনুভূতি নিয়ে, যা এখনো কেউ বুঝতে পারেনি। একজন ভেটেরান হিসেবে, এবং যে এই ক্রোধ অনুভব করে, আমি এ নিয়ে কথা বলতে চাই। আমরা ক্ষুব্ধ কারণ আমরা মনে করি, এই দেশের প্রশাসন আমাদের সবচেয়ে খারাপভাবে ব্যবহার করেছে। ১৯৭০ সালে ওয়েস্ট পয়েন্টে, ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যাগনিউ বলেছিলেন: “কিছু মানুষ সমাজের অপরাধী ও অযোগ্যদের গ্ল্যামারাইজ করে, অথচ আমাদের সেরা ছেলেরা সেই স্বাধীনতা রক্ষা করতে এশিয়ার ধানের জমিতে প্রাণ দিচ্ছে, যে স্বাধীনতা ওই অযোগ্যরা অপব্যবহার করে।” আর এটি ভিয়েতনামে আমাদের অভিযানের জন্য একটি rallying point বা ঐক্যের বিন্দু হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছিল। কিন্তু আমাদের কাছে—যারা এশিয়ায় তাঁর ছেলে ছিল এবং যাদের সমর্থন দেওয়ার কথা ছিল দেশটির—তাঁর এই বক্তব্য একটি ভয়ঙ্কর বিকৃতি, যা থেকে আমরা কেবল গভীর বিতৃষ্ণা অনুভব করতে পারি; এবং এই কারণেই আজ ওয়াশিংটনে উপস্থিত কিছু মানুষের এই ক্রোধ। এটি একটি বিকৃতি কারণ আমরা কোনোভাবেই নিজেদের এই দেশের সেরা মানুষ বলে মনে করিনি; কারণ তিনি যাদের অযোগ্য বলছেন, তারা আমাদের জন্য এমনভাবে দাঁড়িয়েছিল যা এই দেশের আর কেউ সাহস করেনি; কারণ মারা যাওয়া অনেকেরই ইচ্ছা ছিল দেশে ফিরে এসে সেই অযোগ্যদের সাথে যোগ দিয়ে দক্ষিণ ভিয়েতনাম থেকে অবিলম্বে সেনা প্রত্যাহারের দাবি জানানো; কারণ সেই সেরা ছেলেদের অনেকেই আজ কোয়াড্রিপ্লেজিক (চতুর্থঙ্গ পক্ষাঘাতগ্রস্ত) বা অঙ্গহীন হয়ে ফিরেছে, এবং তারা পড়ে আছে এই দেশের ভেটেরান অ্যাডমিনিস্ট্রেশন হাসপাতালগুলোতে ভুলে যাওয়া অবস্থায়, যে হাসপাতালগুলোতে উড়ছে সেই পতাকা—যা অনেকেই তাদের ব্যক্তিগত প্রতীক হিসেবে বেছে নিয়েছে। আমরা নিজেদের আমেরিকার সেরা মানুষ বলে ভাবতে পারি না, যখন আমরা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় আমাদের যা করতে বলা হয়েছিল, তার জন্য লজ্জিত এবং ঘৃণা বোধ করি।
** জন কেরি, [https://www.americanrhetoric.com/speeches/johnkerrysenateforeignrelationsvietnamwar.htm সিনেট ফরেন রিলেশনস কমিটির সামনে বিবৃতি], ২২ এপ্রিল ১৯৭১, ওয়াশিংটন, ডি.সি.তে প্রদত্ত।
*জয়লাভ আমাদের করতেই হবে, কারণ আমাদের লক্ষ্য ন্যায়সংগত!
**ফ্রান্সিস স্কট কি, “দ্য স্টার-স্প্যাংলড ব্যানার” (১৮১৪)
*[[এঙ্গেলস]] একবার ব্রিটিশ সেনাবাহিনীকে সবচেয়ে নিষ্ঠুর সেনাবাহিনী বলেছিলেন। [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের]] সময়, [[জার্মানি|জার্মান]] [[ফ্যাসিবাদ|ফ্যাসিবাদী]] সেনাবাহিনী ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর বর্বরতাকে ছাড়িয়ে গিয়েছিল। সেই সময়ে [[অ্যাডলফ হিটলার|হিটলারের]] গ্যাংস্টাররা যে বীভৎস ও ভয়ানক নিষ্ঠুরতা করেছিল, তা কোনো মানুষের [[মস্তিষ্ক|কল্পনার]] বাইরে। কিন্তু [[কোরীয় যুদ্ধ|কোরিয়ায়]], আমেরিকানরা হিটলারবাদীদের অনেক ছাড়িয়ে গেছে!
**[[কিম ইল-সাং]], ১৯৯৩ সালে সুইডিশ কমিউনিস্ট নেতা ফ্রাঙ্ক বাউডের কাছে এই মন্তব্য করেন। উক্তি ও অনুবাদ: ''Mot strömmen'', পৃষ্ঠা ১৮৬।
*আমার মনে হয় না কোনো অঙ্গরাজ্য ছিল যা সেখানে প্রতিনিধিত্বশীল ছিল না। এই [[অভিজ্ঞতা]] আমাকে দেশটির বৈচিত্র্য, মানুষ, [[ভাষা]] এবং [[সংস্কৃতি]]কে উপলব্ধি করতে সাহায্য করেছে। এটা ভাবা অবিশ্বাস্য যে আমরা কতটা বৈচিত্র্যময় এবং আমরা কীভাবে একটি সংস্কৃতি হিসেবে একসাথে টিকে আছি। সত্যি বলতে, এটিই এই দেশের একমাত্র স্পষ্ট সত্য যা একে বিশ্বের কাছে অনন্য করে তুলেছে।
** জ্যাক কার্বি, মার্ক পিটার্সের নিবন্ধ [https://www.pastemagazine.com/articles/2017/02/8-ways-comic-book-legend-jack-kirby-fought-fascism.html “৮ ওয়েজ কমিক বুক লিজেন্ড জ্যাক কার্বি ফাউট ফ্যাসিবম”]-এ উদ্ধৃত, ''পেস্ট ম্যাগাজিন'', (১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭)।
*আমেরিকার লড়া কিছু যুদ্ধ ছিল “কেবল মুনাফার জন্য” এবং কিছু দেশের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা যুদ্ধের মতোই ধ্বংসাত্মক... আমেরিকা কখন যুদ্ধে যাবে, সে বিষয়ে আমেরিকান জনগণের কার্যত কোনো কথা বলার অধিকার নেই। এই সিদ্ধান্তগুলো কোনো পর্দার আড়ালে নেওয়া হয়... আমেরিকানদের কাছে মিথ্যা বলা অব্যাহত রাখা হয়েছে যে কেন আমরা যুদ্ধে যাই। কারণ আবারো বলছি, এর অন্যতম বড় কারণ হলো কেবল মুনাফা। এটি একসময় কিছুটা সত্য ছিল, কিন্তু এখন তা অত্যন্ত নগ্নভাবে ঘটছে।
**ড্যানিয়েল কোভালিক, [http://www.china.org.cn/world/Off_the_Wire/2021-12/08/content_77918107.htm ইন্টারভিউ]তে উদ্ধৃত, ''সিনহুয়া'', ৮ ডিসেম্বর, ২০২১।
*ইরাক ও [[আফগানিস্তান|আফগানিস্তানে]] মার্কিন আগ্রাসন প্রসঙ্গে] কৌশলগত দিক থেকে দেখলে, এটি একটি সম্পূর্ণ ব্যর্থতা হিসেবেই দেখা উচিত। তবুও এটি ২০ বছর ধরে চলেছে। কেন? কারণ যে প্রতিরক্ষা শিল্প কোম্পানিগুলো বোমা, বিমান ও যানবাহন তৈরি করে—এবং এখন সরকারি সামরিক কর্মীদের পরিবর্তে যে বেসরকারি সামরিক ঠিকাদাররা যুদ্ধ করছে—তারা যুদ্ধ চলাকালীন কয়েক ট্রিলিয়ন ডলার আয় করেছে। তাই '''তারা পরোয়া করেনি যে যুদ্ধ জয় হলো কি না; লক্ষ্য ছিল যুদ্ধটি যেন চিরকাল চলতে থাকে... আসল বিষয় হলো যুদ্ধ জয় করা নয়, বরং এটি নিশ্চিত করা যে যুদ্ধ যেন শেষ না হয়, কারণ আপনি মুনাফা করতেই থাকবেন।'''<BR>মার্কিন সামরিক হস্তক্ষেপের মাধ্যমে মানবাধিকারের উন্নয়ন করছে না। এটি মানবিকতাকে এগিয়ে নিচ্ছে না। প্রকৃতপক্ষে, এটি বিশালভাবে মানবিকতাকে ক্ষুণ্ণ করছে।
**ড্যানিয়েল কোভালিক, [http://www.china.org.cn/world/Off_the_Wire/2021-12/08/content_77918107.htm ইন্টারভিউ]তে উদ্ধৃত, ''সিনহুয়া'', ৮ ডিসেম্বর, ২০২১।
*আপনি কোন বাহিনীকে আপনাকে [[মুক্তি|মুক্ত]] করতে আসতে দেখতে চান? এবং এটি সর্বসম্মত, এমনকি নাৎসিরাও সবাই আবার একটি ছোট বিমানে উড়ে আমেরিকান লাইনে এসে আমেরিকানদের কাছে আত্মসমর্পণ করবে, যদিও সবাই জানে যে সেই অর্থে আমরা ব্যতিক্রমী।
**চার্লস ক্রাউথামার, [http://conversationswithbillkristol.org/video/charles-krauthammer/ বিল ক্রিস্টলের সাথে সাক্ষাৎকার] (১৩ মার্চ ২০১৫)।
*সামরিক বাহিনী কমান্ডার ইন চিফকে কোনো পাত্তা দেয়নি। সাধারণত, বেসামরিক নিয়ন্ত্রণের জাতিতে এটি স্বাস্থ্যের লক্ষণ নয়। এতে কিছুটা অবাধ্যতার গন্ধ আছে। কিন্তু এমন একজন [[রাষ্ট্রপতি]] যার স্বভাব অত্যন্ত আবেগপ্রবণ এবং দীর্ঘস্থায়ী অযৌক্তিক, তার ক্ষেত্রে সামরিক বাহিনীর কিছুটা সতর্কতা, এমনকি কিছুটা অনমনীয়তা স্বাগত জানানো উচিত।
**চার্লস ক্রাউথামার, [https://www.washingtonpost.com/opinions/the-guardrails-hold/2017/08/03/fcfc157c-7877-11e7-9eac-d56bd5568db8_story.html?noredirect=on&utm_term=.bc41e247bfa0 “দ্য গার্ডরেলস হোল্ড”] (৩ আগস্ট ২০১৭), ''দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট''।
==এল==
[[চিত্র:Barbara Lee official portrait.jpg|থাম্ব| পেন্টাগন বাজেট থেকে ৪০ বা ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়েও আপনি শক্তিশালী জাতীয় নিরাপত্তা বজায় রাখতে পারেন... যখন আপনি সামরিক নীতি ও অভ্যন্তরীণ নীতির ক্ষেত্রে জনগণের অবস্থান দেখেন—বিশেষ করে যখন এই অননুমোদিত যুদ্ধ, এই 'চিরস্থায়ী যুদ্ধ' বন্ধ করার কথা আসে—তখন জনতা আমাদের সাথেই আছে। ~ যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসম্যান বারবারা লি]]
*<p>ষাট বছর আগে, ২৫ জুন ভোরবেলা, [[কোরীয় যুদ্ধ|কোরীয় যুদ্ধ]] শুরু হয়েছিল যখন কমিউনিস্ট [[উত্তর কোরিয়া]], কোরিয়া প্রজাতন্ত্রকে আক্রমণ করে। এর জবাবে, যুক্তরাষ্ট্রসহ জাতিসংঘের ১৬টি সদস্য দেশ স্বাধীনতার সুরক্ষায় কোরিয়া প্রজাতন্ত্রের সাথে যোগ দেয়। '''পরবর্তী তিন বছরের লড়াইয়ে, প্রায় ৩৭,০০০ আমেরিকান তাদের [[জীবন]] হারান। তারা লড়াই করেছিলেন [[দক্ষিণ কোরিয়া|এমন কোরিয়ানদের]] [[স্বাধীনতা|স্বাধীনতার]] জন্য, যাদের তারা চিনতেনও না। আর তাদের ত্যাগের কারণেই, [[দক্ষিণ কোরিয়া|প্রজাতন্ত্রের]] শান্তি ও গণতন্ত্র সুরক্ষিত হয়েছিল'''...</p><p>[[কোরীয় যুদ্ধ|কোরীয় যুদ্ধের]] ৬০তম বার্ষিকীতে, আমি যুদ্ধে অংশগ্রহণের জন্য [[যুক্তরাষ্ট্র|আমেরিকার]] কাছে কৃতজ্ঞ। সেই সময়ে, কোরিয়া প্রজাতন্ত্র ছিল বিশ্বের অন্যতম দরিদ্র দেশ, যার বার্ষিক মাথাপিছু আয় ছিল ৪০ ডলারের কম। ২০০৯ সালে, আমার দেশ অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থার উন্নয়ন সহায়তা কমিটির সদস্য হয়; একমাত্র প্রজন্মেই সাহায্য গ্রহণকারী দেশ থেকে সাহায্য প্রদানকারী দেশে পরিণত হওয়া এটিই প্রথম দৃষ্টান্ত।</p>
** মিউং-বাক লি, [http://articles.latimes.com/2010/jun/25/opinion/la-oe-lee-thanks-20100625 “আ নোট অফ থ্যাঙ্কস”] (২৫ জুন ২০১০), ''দ্য লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস''।
*<p>আমরা সেখানে গিয়ে যুদ্ধ করেছি এবং শেষ পর্যন্ত প্রতিটি [[শহর]] জ্বালিয়ে দিয়েছি...</p><p>প্রায় তিন বছরের বা তার কিছু বেশি সময়ে, আমরা কত শতাংশ—ধরুন—জনসংখ্যার বিশ শতাংশকে [[হত্যা]] করেছি?</p>
**কার্টিস লেমে, ''স্ট্র্যাটেজিক এয়ার ওয়ারফেয়ার: অ্যান ইন্টারভিউ উইথ জেনারেলস'' (১৯৮৮)।
* সামরিক সংযোগ ও সামরিক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত খুব অল্প সংখ্যক ব্যক্তির সহিংস চরমপন্থী কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ সামরিক বাহিনী এবং সামগ্রিকভাবে দেশটির জন্য একটি ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
** পিটার কে. লেভিন; জোসেফ এফ. অ্যাডামস; অ্যামি এ. অলরিচ; র্যাচেল জি. অগাস্টিন; মার্গারেট ডি.এম. বারবার; সুজিতা বি. ভাট; ক্যাথলিন এম. কনলি; ডেভ আই. কোটিং; অ্যালান বি. গেল্ডার; জেফারি এম. জাভোরস্কি; মার্ক এফ. কেই; ক্যারিংটন এ. মেটস; নীল ভি. মিত্তাল; ম্যাথিউ জে. রিড; [https://www.ida.org/research-and-publications/publications/all/p/pr/prohibited-extremist-activities-in-the-us-department-of-defense “প্রোহিবিটেড এক্সট্রিমিস্ট অ্যাক্টিভিটিস ইন দ্য ইউ.এস. ডিপার্টমেন্ট অফ ডিফেন্স”], ''প্রতিরক্ষা দপ্তর'', (ডিসেম্বর ২০২৩); উইল কারলেস [https://www.usatoday.com/story/news/investigations/2023/12/26/pentagon-extremist-study-released/72034360007/ “আফটার ইউএসএ টুডে ইনভেস্টিগেশন, মিলিটারি ফাইনালি রিলিজড ইন্টারনাল এক্সট্রিমিজম রিপোর্ট”], ''ইউএসএ টুডে'', (২৬ ডিসেম্বর, ২০২৩)-এ উদ্ধৃত।
* ডিওডিের নিরাপত্তা ছাড়পত্র প্রদান, উপযুক্ততা মূল্যায়ন এবং স্থাপনায় প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার প্রক্রিয়া এখনো মূলত স্নায়ু যুদ্ধের হুমকি এবং বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধের সাথে সম্পর্কিত ঝুঁকির দিকেই বেশি গুরুত্ব দেয়, অথচ ঘরের ভেতরের চরমপন্থার হুমকির দিকে নয়।
** পিটার কে. লেভিনসহ অন্যরা; [https://www.ida.org/research-and-publications/publications/all/p/pr/prohibited-extremist-activities-in-the-us-department-of-defense “প্রোহিবিটেড এক্সট্রিমিস্ট অ্যাক্টিভিটিস ইন দ্য ইউ.এস. ডিপার্টমেন্ট অফ ডিফেন্স”], ''প্রতিরক্ষা দপ্তর'', (ডিসেম্বর ২০২৩); উইল কারলেস [https://www.usatoday.com/story/news/investigations/2023/12/26/pentagon-extremist-study-released/72034360007/ “আফটার ইউএসএ টুডে ইনভেস্টিগেশন, মিলিটারি ফাইনালি রিলিজড ইন্টারনাল এক্সট্রিমিজম রিপোর্ট”], ''ইউএসএ টুডে'', (২৬ ডিসেম্বর, ২০২৩)-এ উদ্ধৃত।
*জাতিসমূহের [[আইন]] গায়ের রঙের কোনো পার্থক্য জানে না, এবং '''যদি যুক্তরাষ্ট্রের কোনো শত্রু তাদের সেনাবাহিনীর কোনো বন্দীকে দাস বানিয়ে বিক্রি করে, তবে তা হবে কঠোরতম প্রতিশোধের একটি ক্ষেত্র''', যদি অভিযোগের ভিত্তিতে প্রতিকার না পাওয়া যায়।
** ''দ্য লিবার কোড অফ ১৮৬৩'', মার্কিন যুদ্ধ দপ্তর, ৫৮
*আমি যদি নোবেল শান্তি পুরস্কার জিততাম, তবে আমি তা প্রদান করতাম হয় [[জর্জ ডব্লিউ. বুশ|বুশ প্রশাসনকে]], যারা উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক কর্মসূচি সফলভাবে নিরস্ত্রীকরণ এবং ইরানেও একই কাজ করার জন্য অধ্যবসায়ের সাথে কাজ করেছিল, অথবা আমি তা প্রদান করতাম জেনারেল পেট্রিয়াস ও মার্কিন সামরিক বাহিনীকে। বিশ্বে যদি শান্তির কোনো ইঞ্জিন থেকে থাকে, তবে তা হলো মার্কিন সামরিক বাহিনী।
**রাশ লিম্বো, [http://www.rushlimbaugh.com/home/daily/site_101207/content/01125107.guest.html ''রাশ লিম্বো''] (১২ অক্টোবর ২০০৭)।
*'''আমাদের নিজেদের [[স্বাধীনতা]] ও স্বাধীনতার দুর্গ কী?''' এটি কি আমাদের ভ্রুকুটি করা দুর্গ, আমাদের ঝকঝকে সমুদ্র উপকূল, আমাদের যুদ্ধের বাষ্পচালিত জাহাজের কামান, নাকি আমাদের বীর ও সুশৃঙ্খল সেনাবাহিনীর শক্তি? আমাদের ন্যায্য ভূমিতে স্বৈরাচারের পুনরুত্থানের বিরুদ্ধে এগুলো আমাদের নির্ভরতা নয়। সংগ্রামের জন্য আমাদের দুর্বল বা শক্তিশালী না করেই এর সব কিছুই আমাদের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে ব্যবহার করা যেতে পারে। '''আমাদের নির্ভরতা হলো [[ঈশ্বর|ঈশ্বরের]] আমাদের হৃদয়ে রোপণ করা স্বাধীনতার ভালোবাসার ওপর। আমাদের প্রতিরক্ষা হলো সেই আত্মায়, যা স্বাধীনতাকে সব ভূমির, সব মানুষের উত্তরাধিকার হিসেবে মূল্যবান মনে করে। এই আত্মাকে ধ্বংস করুন, এবং আপনি আপনার নিজের দরজায় স্বৈরাচারের বীজ রোপণ করেছেন। নিজেদের বন্দিত্বের শিকলের সাথে পরিচিত করুন এবং আপনারা তা পরিধানের জন্য নিজেদের অঙ্গ প্রস্তুত করছেন। আপনাদের আশেপাশের মানুষের অধিকার পদদলিত করতে অভ্যস্ত হয়ে, আপনারা নিজেদের স্বাধীনতার প্রতিভা হারিয়ে ফেলেছেন এবং প্রথম ধূর্ত স্বৈরাচারের উপযুক্ত প্রজা হয়ে উঠেছেন যে জেগে ওঠে।'''
**[[আব্রাহাম লিঙ্কন|আব্রাহাম লিঙ্কনের]] এডওয়ার্ডসভিল, ইলিনয়-এ ভাষণ (১১ সেপ্টেম্বর ১৮৫৮); লিঙ্কন, আব্রাহাম; মারিও ম্যাথিউ কুওমো, হ্যারল্ড হোলজার, জি. এস. বোরিট, ''[http://books.google.de/books?id=8bWmmyJEMZoC&pg=PA128&redir_esc=y#v=onepage&q&f=false লিঙ্কন অন ডেমোক্রেসি]'' (ফোর্ডহ্যাম ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১ সেপ্টেম্বর ২০০৪), ১২৮-এ উদ্ধৃত। {{ISBN|978-0823223459}}।
*এটা উল্লেখযোগ্য যে, সরকারের এই কঠিন সময়ে সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর যে বিশাল সংখ্যক ব্যক্তি যারা বিভিন্ন পদে সুবিধা পেয়েছিলেন তারা পদত্যাগ করেছেন এবং যাদের দ্বারা লালিত হয়েছিলেন তাদের প্রতি মিথ্যা প্রমাণ করেছেন, কিন্তু কোনো সাধারণ সৈন্য বা সাধারণ নাবিক তাদের পতাকা ত্যাগ করেছে বলে জানা যায়নি। বিশ্বাসঘাতক সহযোগীদের উদাহরণ সত্ত্বেও যারা অটল ছিলেন সেই কর্মকর্তাদের প্রতি অনেক সম্মান; কিন্তু সবচেয়ে বড় সম্মান ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হলো সাধারণ সৈনিক ও নাবিকদের সর্বসম্মত দৃঢ়তা। যতটুকু জানা যায়, শেষ ব্যক্তি পর্যন্ত তারা তাদের বিশ্বাসঘাতক প্রচেষ্টাকে সফলভাবে প্রতিহত করেছে, যাদের কমান্ড তারা মাত্র এক ঘণ্টা আগেও পরম আইন হিসেবে মেনে চলত। এটি সাধারণ মানুষের দেশপ্রেমিক প্রবৃত্তি। তারা কোনো যুক্তি ছাড়াই বোঝে যে, ওয়াশিংটন কর্তৃক তৈরি সরকার ধ্বংস করা তাদের জন্য কোনো ভালো বয়ে আনবে না।
**[[আব্রাহাম লিংকন|আব্রাহাম লিঙ্কন]], [http://millercenter.org/president/speeches/speech-3508 কংগ্রেসের উদ্দেশ্যে ৪ঠা জুলাইয়ের বার্তা] (৪ জুলাই ১৮৬১)
*'''সাতাশি বছর আগে আমাদের পূর্বপুরুষরা এই মহাদেশে এক [[যুক্তরাষ্ট্র|নতুন জাতি]] নিয়ে এসেছিলেন, যা স্বাধীনতায় গড়া এবং এই প্রস্তাবনায় নিবেদিত যে সমস্ত মানুষ সমানভাবে সৃষ্ট। এখন আমরা এক মহান গৃহযুদ্ধে লিপ্ত, পরীক্ষা করছি যে সেই জাতি বা এমন কোনো জাতি কি দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে?''' আমরা সেই যুদ্ধের এক মহান রণক্ষেত্রে মিলিত হয়েছি। আমরা এসেছি সেই মাঠের একটি অংশ উৎসর্গ করতে, [[যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনী|যাঁরা এখানে জীবন দিয়েছেন]] সেই জাতির বেঁচে থাকার জন্য। এটি করা অত্যন্ত উপযুক্ত। '''কিন্তু, বৃহত্তর অর্থে, আমরা এই ভূমি উৎসর্গ করতে পারি না, পবিত্র করতে পারি না। এখানে লড়াই করা সাহসী পুরুষরা, জীবিত ও মৃত, তারা এটিকে উৎসর্গ করেছেন আমাদের যোগ করার বা বিয়োগ করার সামান্য ক্ষমতার ঊর্ধ্বে। বিশ্ব খুব সামান্যই লক্ষ্য করবে, বা আমরা এখানে কী বলেছি তা মনে রাখবে, কিন্তু তারা এখানে কী করেছে তা কখনোই ভুলতে পারবে না। জীবিত আমাদের জন্য, বরং এখানে সেই অসমাপ্ত কাজের প্রতি নিবেদিত হওয়া উচিত যা যারা এখানে লড়াই করেছিলেন তারা মহৎভাবে এগিয়ে নিয়ে গেছেন।''' আমাদের বরং এখানে সেই মহান কাজের প্রতি নিবেদিত হওয়া উচিত যা আমাদের সামনে রয়েছে — যে এই সম্মানিত মৃতদের কাছ থেকে আমরা সেই উদ্দেশ্যের প্রতি বর্ধিত ভক্তি গ্রহণ করি যার জন্য তারা ভক্তির চূড়ান্ত পরিমাপ দিয়েছিলেন — যে '''আমরা এখানে উচ্চস্বরে প্রতিজ্ঞা করছি যে এই মৃতরা বৃথা যাননি — যে এই জাতি, ঈশ্বরের অধীনে, স্বাধীনতার এক নতুন জন্ম লাভ করবে — এবং যে জনগণের সরকার, জনগণের দ্বারা, জনগণের জন্য, পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হবে না।'''
**[[আব্রাহাম লিংকন|আব্রাহাম লিঙ্কন]], ''দ্য গেটিসবার্গ অ্যাড্রেস'' (১৯ নভেম্বর ১৮৬৩)
*সৈনিকগণ। আপনারা আপনাদের ঘর ও বন্ধুদের কাছে ফিরে যেতে প্রস্তুত, ক্যাম্পের দায়িত্ব পালনের পর, এই মহান প্রতিযোগিতায়। আমি আপনাদের কাছে এবং যারা দেশের ডাকে এগিয়ে এসেছেন তাদের সবার কাছে গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। '''আমি চাই এটি আরও ব্যাপকভাবে বোঝা যাক যে দেশটি এখন কিসের সাথে জড়িত। আমাদের আছে, সবাই একমত হবেন, এক মুক্ত সরকার, যেখানে প্রত্যেক মানুষের অন্য সবার সাথে সমান হওয়ার অধিকার আছে।'''
**[[আব্রাহাম লিংকন|আব্রাহাম লিঙ্কন]], ওয়ান হান্ড্রেড সিক্সটি-ফোর্থ ওহাইও রেজিমেন্টের উদ্দেশ্যে ভাষণ (১৮ আগস্ট ১৮৬৪), ওয়াশিংটন, ডি.সি.তে প্রদত্ত।
*'''যদি [[কনফেডারেট স্টেটস অফ আমেরিকা|আমাদের শত্রুরা]] সফল হয় তবে প্রতিটি মানবাধিকার হুমকির মুখে পড়বে। এই প্রতিযোগিতায় প্রত্যেকের ধারণার চেয়েও বেশি কিছু জড়িত। এই সংগ্রামে প্রশ্ন জড়িত যে আপনার সন্তান এবং আমার সন্তানরা সেই সুবিধাগুলো ভোগ করবে কি না যা আমরা ভোগ করেছি।''' আমি এটি বলছি যাতে আপনাদের প্রভাবিত করতে পারি, যদি আপনারা আগে থেকেই প্রভাবিত না হয়ে থাকেন, যে '''কোনো ছোট বিষয় আমাদের মহান উদ্দেশ্য থেকে আমাদের বিচ্যুত করা উচিত নয়।''' আমাদের পদ্ধতির ব্যবহারিক প্রয়োগে কিছু অনিয়ম থাকতে পারে। '''এটি ন্যায্য যে প্রতিটি ব্যক্তি তার সম্পত্তির মূল্যের সমানুপাতে কর প্রদান করবে; কিন্তু যদি আমরা কর সংগ্রহের আগে প্রতিটি ব্যক্তির কর অন্য সবার সমানুপাতে সমন্বয় করার জন্য অপেক্ষা করি, তবে আমরা কখনোই কোনো কর সংগ্রহ করতে পারব না।''' মাঝে মাঝে ভুল হতে পারে; সরকারের কর্মকর্তারা ভুল প্রতিরোধের জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করলেও কাজ ভুল হতে পারে। কিন্তু আমি আপনাদের অনুরোধ করি, এই মহান প্রজাতন্ত্রের নাগরিক হিসেবে, আপনারা আমাদের সামনে থাকা মহান কাজ থেকে আপনাদের মনকে বিচ্যুত হতে দেবেন না। '''এই সংগ্রাম আপনাদের বিচ্যুত হওয়ার জন্য খুব বড়।''' যখন আপনারা আপনাদের বাড়িতে ফিরে যাবেন, তখন মুক্ত সরকারের যোগ্য এক প্রজন্মের উচ্চতায় উঠে দাঁড়াবেন, এবং আমরা আমাদের শুরু করা মহান কাজ সম্পন্ন করব। আজ বিকেলে আপনারা আমাকে যে সম্মান দিয়েছেন তার জন্য আমি আপনাদের আমার আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।
**[[আব্রাহাম লিংকন|আব্রাহাম লিঙ্কন]], ওয়ান হান্ড্রেড সিক্সটি-ফোর্থ ওহাইও রেজিমেন্টের উদ্দেশ্যে ভাষণ (১৮ আগস্ট ১৮৬৪), ওয়াশিংটন, ডি.সি.তে প্রদত্ত।
*সামরিক নিয়োগকারীরা এবং উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা প্রায়ই এই কথাটি পুনরাবৃত্তি করতে পছন্দ করেন যে সশস্ত্র বাহিনীর গড় সদস্য গড় আমেরিকানদের চেয়ে বেশি শিক্ষিত। এটি সত্য। প্রতিরক্ষা দপ্তরের মতে, প্রায় ৯৪% তালিকাভুক্ত কর্মীর হাই-স্কুল ডিপ্লোমা রয়েছে, যেখানে মাত্র ৬০% আমেরিকানদের তা আছে। সাধারণ জনসংখ্যার ৩০% এর তুলনায় প্রায় ৮৩% অফিসারের স্নাতক ডিগ্রি রয়েছে।
**বেঞ্জামিন লাক্সেনবার্গ, [http://www.wsj.com/articles/military-officers-dont-need-college-degrees-1439249756 “মিলিটারি অফিসারস ডোন্ট নিড কলেজ ডিগ্রিস”] (১০ আগস্ট ২০১৫), ''ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল''
==এম==
[[চিত্র:US_Sons_OfLiberty_9Stripes_Flag.svg|থাম্ব|সংবিধানের প্রতি আমার কর্তব্য ও [[দায়িত্ব]] আছে, আমার আনুগত্য সেখানেই। আমি সংবিধানের প্রতিই [[শপথ]] নিয়েছি। আমাদের ইউনিফর্মে থাকা সবার একই শপথ। আমরা কোনো ব্যক্তি বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান ছাড়া অন্য কিছুর প্রতি শপথ নেই না।<br> আমাদের শপথ ও দায়িত্ব হলো সংবিধান রক্ষা ও প্রতিরক্ষা করা। এর অংশ হিসেবে আমাদের নির্বাচিত প্রতিনিধির যেকোনো [[আইনি]] [[বৈধ]] আদেশ মানতে হয়, তা আপনি পছন্দ করুন বা না করুন। আদেশগুলো বৈধ হলে তা মানা আমাদের [[দায়িত্ব]]। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যে, [[সামরিক বাহিনী]] হিসেবে আমরা আইন অনুযায়ী বৈধ আদেশ মানতে বাধ্য। ~ [[মার্ক মিলি]]]]
[[চিত্র:US_map_1864_Civil_War_divisions.svg|থাম্ব|আমার মনে হয় একজন সৈনিক এবং জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফের চেয়ারম্যান হিসেবে আমার মূল [[দায়িত্ব]] হলো দেশের বাইরে কাজ করা। অভ্যন্তরীণ কোনো বিষয় মূলত অভ্যন্তরীণ [[রাজনীতি]] বা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাজ, যদি না অন্য কোনো বিশেষ [[কারণ]] থাকে। ~ মার্ক মিলি]]
* তোমাদের [[পুত্র]] ও [[কন্যাদের]] আমেরিকান সৈনিকের শান্ত, সুচিন্তিত এবং দৃঢ় মনোবলের মাধ্যমে বিশ্বস্ততার সাথে সেবা করেছে। তাদের এই শক্তি মিথ্যা গল্পের ওপর ভিত্তি করে চলা শত্রুর গোঁড়ামিকে হারিয়ে আমাদের বিজয় এনে দিয়েছে। তারা বাড়ি ফিরছে, তাদের যত্ন নাও।
**ডগলাস ম্যাকআর্থার, [https://ussmissouri.org/learn-the-history/surrender/general-macarthurs-radio-address/ রেডিও ভাষণ] (২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫)।
* আমি ফিরে এসেছি। সর্বশক্তিমান [[ঈশ্বর|ঈশ্বরের]] কৃপায় আমাদের বাহিনী আবার দাঁড়িয়েছে।
**ডগলাস ম্যাকআর্থার, [https://www.youtube.com/watch?v=Wv1PF0tAE1s লেতে, ফিলিপাইনে অবতরণের সময়] (২০ অক্টোবর ১৯৪৪)
* <p>[[কোরীয় যুদ্ধ|কোরীয় যুদ্ধের]] রণক্ষেত্রে পুয়ের্তো রিকানরা ৬৫তম পদাতিক বাহিনীর র্যাঙ্কে যুদ্ধ করছে...</p><p>তারা যুদ্ধের ময়দানে সাফল্যের উজ্জ্বল নজির স্থাপন করছে। তাদের এই কমান্ডে পেয়ে আমি সত্যিই গর্বিত। আমি আশা করি তাদের মতো আরও অনেকে আমাদের সাথে থাকবে।</p>
**ডগলাস ম্যাকআর্থার, [http://www.valerosos.com/HonorandFidelity3.html#The_Korean_War:_1950 ১২ ফেব্রুয়ারি ১৯৫১ সালে টোকিওতে উদ্ধৃত]।
* আমি আবেগপ্রবণ হতে চাই না, তবে এখানে আমেরিকান সৈন্যদের সাথে থাকাটা আমার কাছে অনেক সম্মানের। আমি দেখেছি, আমেরিকান সৈন্যরা যেকোনো সামরিক মিশন সম্পন্ন করতে পারে। দক্ষিণ [[আফগানিস্তান]]ের কঠিন জায়গাতেও তারা কাজ করবে। তবে এখানে থেকে বোঝা যায় যে, সামরিক দিকটি পুরোপুরি সফল হলেও যুদ্ধের সাফল্যের জন্য এটি ২০% মাত্র। আসল কাজটা আফগান জনগণের। আমেরিকানরা জায়গাটা পরিষ্কার করে দেবে এবং তাদের কাজ করাটা সম্মানের। তারা কঠোর পরিশ্রম করছে, কিন্তু আফগানরা এগিয়ে আসবে কি না তার ওপরই নির্ভর করছে আমরা একে বিজয় বলতে পারি কি না।
**[[র্যাচেল ম্যাডো]], [http://rawstory.com/rawreplay/2010/07/06/maddow-afghanistan-counterinsurgency-deadline/ "আফগানিস্তান কাউন্টার-ইনসার্জেন্সি ডেডলাইন"] (৬ জুলাই ২০১০), ''র-স্টোরি''
* আমেরিকার স্থির নীতি হলো—যুদ্ধের চেয়ে শান্তি ভালো, আবার উপঢৌকন দেওয়ার চেয়ে যুদ্ধ ভালো। যুক্তরাষ্ট্র কোনো দেশের সাথে যুদ্ধ চায় না, কিন্তু শান্তির জন্য কারো কাছে মাথা নত করবে না।
**[[জেমস ম্যাডিসন]], ওলকট চন্সি এবং উইলিয়াম শ্যালারের কাছে লেখা চিঠি, ১৮১৫ সালের চুক্তি। এটি বারবারি যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটায় এবং জলদস্যু রাষ্ট্রগুলোকে উপঢৌকন দেওয়ার প্রথা বন্ধ করে। [http://books.google.com/books?id=YMwRAAAAYAAJ&pg=PA46| রবার্ট গ্রিনহোর "হিস্ট্রি অ্যান্ড প্রেজেন্ট কন্ডিশন অফ ত্রিপোলি", ১৮৩৫, পৃষ্ঠা ৪৬]-এ উদ্ধৃত।
* মন্টিজুমার হল থেকে ত্রিপোলির তীর পর্যন্ত!
আমরা আকাশ, স্থল ও সমুদ্রে আমাদের দেশের যুদ্ধ লড়ি!
সবার আগে লড়ি, অধিকার ও স্বাধীনতার জন্য!
**''মেরিনস হাইম''
* আমেরিকা জেগে ওঠো। আমরা আমাদের সামরিক বাহিনী ও দেশকে ভালোবাসি, কিন্তু আমরা ট্রাম্পকে ঘৃণা করি।
**মার্শাল বি. ম্যাথারস, [https://twitter.com/Eminem/status/917922469775925248 "দ্য স্টর্ম"] (অক্টোবর ২০১৭)
:'''জোশুয়া এল. চেম্বারলেইন''': এটি ভিন্ন ধরনের একটি সেনাবাহিনী। [[ইতিহাস]] দেখলে দেখবেন মানুষ বেতন, নারী বা লুটের জন্য যুদ্ধ করে। তারা ভূমি বা ক্ষমতার জন্য লড়ে, অথবা রাজা তাদের নেতৃত্ব দেয়, কিংবা শুধু হত্যা করতে পছন্দ করে বলে লড়ে। কিন্তু আমরা নতুন কিছুর জন্য এখানে। পৃথিবীতে এমন ঘটনা খুব কম ঘটেছে। আমরা অন্যদের মুক্ত করার জন্য একটি সেনাবাহিনী। আমেরিকার মাটি মুক্ত হওয়া উচিত—পুরোটা। দাস রাষ্ট্র বা মুক্ত রাষ্ট্রের বিভাজন থাকবে না, এপাশ থেকে প্রশান্ত মহাসাগর পর্যন্ত। কাউকে মাথা নত করতে হবে না। কেউ রাজবংশে জন্মায়নি। এখানে আমরা আপনার কাজ দিয়ে আপনাকে বিচার করি, আপনার বাবা কে তা দিয়ে নয়। এখানে আপনি কিছু হতে পারেন। এখানে ঘর গড়ার জায়গা আছে। এটা শুধু জমি নয়। জমি সবসময় আরও পাওয়া যায়। আসল কথা হলো, আমাদের সবার মূল্য আছে—আপনার এবং আমার। শেষ পর্যন্ত আমরা একে অপরের জন্য লড়ছি।
:*''গেটিসবার্গ'' (১৯৯৩), চিত্রনাট্য রোনাল্ড এফ. ম্যাক্সওয়েল
* মার্কিন সশস্ত্র বাহিনী একটি শক্ত পাথরের মতো। এটি কৌশলগত ও অপারেশনাল দিক থেকে আমাদের দেখা সবচেয়ে যোগ্য এবং চমৎকারভাবে নেতৃত্বাধীন সামরিক বাহিনী। যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হওয়ার কোনো কারণ নেই।
**ব্যারি ম্যাকক্যাফ্রে, [http://www.jerrypournelle.com/reports/jerryp/Iraqreport.html "দ্য বটম লাইন – অবজারভেশনস ফ্রম ইরাকি ফ্রিডম"] (৪ মে ২০০৬), ''কেয়স ম্যানর স্পেশাল রিপোর্টসে'' উদ্ধৃত।
* আমরা প্রথমে আমেরিকান, শেষে আমেরিকান, সবসময় আমেরিকান। আমাদের মতপার্থক্য নিয়ে তর্ক হোক। কিন্তু মনে রাখতে হবে আমরা শত্রু নই, বরং একটি বাস্তব শত্রুর বিরুদ্ধে লড়তে আমরা কমরেড। আমাদের সামরিক শ্রেষ্ঠত্বের সাথে আমাদের আদর্শ ও ভালোবাসার গভীরতা মিশে আছে। আমরা আমেরিকান, আমরা কখনোই আত্মসমর্পণ করব না। ''তারা'' করবে।
**[[জন ম্যাককেইন]], ''[http://www.gwu.edu/~action/2004/repconv04/mccain083004sp.html রিপাবলিকান ন্যাশনাল কনভেনশন]'' (৩০ আগস্ট ২০০৪)
* ভুল করবেন না: আমি কোনো অপরিচিত প্রবৃত্তি থেকে আমাদের সামরিক বাহিনীকে মূল্যায়ন করি না। আমি একটি সামরিক পরিবারে বড় হয়েছি, আমার নিজের সেবার রেকর্ড আছে এবং আমার পুরো ক্যারিয়ারে আমি সশস্ত্র বাহিনীর সাথে যুক্ত ছিলাম। আমেরিকান সিস্টেমে সামরিক বাহিনীর মূল্য কেবল তখনই থাকে যখন তা জনগণের স্বাধীনতা রক্ষা করে।
**[[জন ম্যাককেইন]], [[ডোনাল্ড ট্রাম্প|ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের করা মন্তব্য সম্পর্কে বিবৃতি। মন্তব্যটি ছিল মার্কিন সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন হুমায়ুন খানের পিতা খিজির ও গাজালা খানের সম্পর্কে, যিনি ২০০৪ সালে ইরাকে নিহত হন ([http://edition.cnn.com/2016/08/01/politics/john-mccain-statement-khan-family/index.html])।
* সকল কার্যকলাপ [[বর্ণবাদ|বর্ণবাদমুক্ত]] রাখা এবং সকল ইউনিফর্মধারী সদস্য ও বেসামরিক কর্মচারীদের বর্ণের নির্বিশেষে সমান সুযোগ প্রদান করা প্রতিরক্ষা দপ্তরের নীতি।
**রবার্ট ম্যাকনামারা, ''নির্দেশনা ৫১২০.৩৬'' (জুলাই ১৯৬৩)
* আফ্রিকান আমেরিকানরা আমেরিকার যুদ্ধে যোগ দিতে চেয়েছে। একবিংশ শতাব্দীতেও আমেরিকান সামরিক বাহিনীর শক্তি বজায় রাখার জন্য আফ্রিকান-আমেরিকান সংস্কৃতির ব্যক্তিগত ও সামরিক সম্মানবোধ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
**ওয়াল্টার রাসেল মিড, [https://drive.google.com/file/d/0B-5-JeCa2Z7hZmU2ZTg0OTktYTRlNC00NzA2LThlOWItYzg5ODU4NTViYTE0/view?pref=2&pli=1 "দ্য জ্যাকসোনিয়ান ট্র্যাডিশন অ্যান্ড আমেরিকান ফরেন পলিসি"] (ডিসেম্বর ১৯৯৯), ''দ্য ন্যাশনাল ইন্টারেস্ট'', পৃষ্ঠা ১৫
* আমেরিকান সামরিক বাহিনী আগের চেয়ে অনেক শক্তিশালী। আমাদের অস্ত্রগুলো অনেক বেশি স্মার্ট এবং কার্যকর। আমাদের পেশাদার সেনাবাহিনী মানব ইতিহাসের সবচেয়ে কার্যকর বাহিনী হয়ে উঠেছে। অপ্রতিসম যুদ্ধের ক্ষেত্রে আমাদের ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে। কৌশলের অভাব থাকলে শুধু সামরিক শক্তি দিয়ে জয় সম্ভব নয়। কিন্তু হাই-টেক অস্ত্র, উন্নত প্রশিক্ষণ এবং গত বিশ বছরে অর্জিত সাংস্কৃতিক, কূটনৈতিক ও মানবিক দক্ষতা আমাদের সামরিক ক্ষমতাকে অপ্রতিদ্বন্দ্বী করে তুলেছে। এই শক্তি কোনো জাদুর বড়ি নয় যে সবকিছু সম্ভব, তবে তৃতীয় বিশ্বের কোনো স্বৈরশাসক এখন আর প্রচলিত অস্ত্র দিয়ে মার্কিন হস্তক্ষেপ ঠেকাতে পারবে না। প্রথম উপসাগরীয় যুদ্ধে মার্কিন সামরিক বাহিনী সাদ্দামের বাহিনীকে মাছি মারার মতো দমন করেছিল। দ্বিতীয় যুদ্ধে আমাদের প্রচলিত শ্রেষ্ঠত্ব আরও বেশি ছিল।
**ওয়াল্টার রাসেল মিড, [https://web.archive.org/web/20111023223930/http://blogs.the-american-interest.com/wrm/2011/10/20/farewell-to-the-great-loon/ "ফেয়ারওয়েল টু দ্য গ্রেট লুন"] (২০ অক্টোবর ২০১১), ''দ্য আমেরিকান ইন্টারেস্ট''
* আক্রমণাত্মক বাস্তবতা অনুযায়ী, যখন [[ইউরোপ|ইউরোপে]] এমন কোনো সম্ভাব্য শক্তি উদয় হয় যা স্থানীয় শক্তিগুলো দমন করতে পারে না, তখন যুক্তরাষ্ট্র তার সেনাবাহিনী [[আটলান্টিক মহাসাগর|আটলান্টিক]] পার করে পাঠাবে।
** [[জন মিয়ারশাইমার]], ''দ্য ট্র্যাজেডি অফ গ্রেট পাওয়ার পলিটিকস'' (২০০১)।
* '''মিলি''': আমার [[কর্তব্য]] ও [[দায়িত্ব]] সংবিধানের প্রতি, আমার [[আনুগত্য]] সেখানেই। আমি সংবিধানের শপথ নিয়েছি। আমাদের ইউনিফর্মে থাকা সবাই তাই করে। আমরা কোনো [[ব্যক্তি]] বা অন্য কিছুর শপথ নিই না, কেবল [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান]]ের শপথ নিই। আমাদের দায়িত্ব ও শপথ হলো সংবিধান রক্ষা করা। আমাদের নির্বাচিত প্রতিনিধির যেকোনো [[আইনি]] আদেশ মানতে আমরা বাধ্য, তা আপনি পছন্দ করুন বা না করুন। আদেশগুলো আইনসম্মত হলে তা পালন করা আমাদের [[দায়িত্ব]]। আমরা আইন অনুযায়ী বৈধ আদেশ মানতে বাধ্য।
** [[মার্ক মিলি]], মেরি লুইস কেলি ও এরিকা রায়ানের সাক্ষাৎকার; [https://www.npr.org/2023/10/02/1202971562/mark-milley-donald-trump-military-army-constitution "'দ্য মিলিটারি হ্যাজ নো রোল' ইন পলিটিকস, সেজ রিটায়ারিং চেয়ার অফ দ্য জয়েন্ট চিফস”], অল থিংস কনসিডারড, ''এনপিআর'', (২ অক্টোবর, ২০২৩)
* '''কেলি''': অবসরপ্রাপ্ত [[যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনী|এয়ার ফোর্স]] জেনারেল ও সিআইএর প্রাক্তন পরিচালক মাইকেল হেডেন জানতে চেয়েছেন: "আমরা কি ঠিক আছি?" তার প্রশ্ন ছিল, [[চীন]] বা [[রাশিয়া]] নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্র নিজেই তার জাতীয় নিরাপত্তার জন্য সবচেয়ে বড় [[হুমকি]]। জেনারেল মিলি, আপনি কী ভাবেন?
: '''মিলি''': একজন [[সৈনিক]] এবং [[জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফ]]ের চেয়ারম্যান হিসেবে আমার প্রাথমিক [[দায়িত্ব]] দেশের বাইরে। অভ্যন্তরীণ যেকোনো বিষয় মূলত [[রাজনীতি]] বা [[আইন প্রয়োগকারী সংস্থার]] কাজ, যদি না অন্য কোনো বিশেষ [[কারণ]] থাকে।
:* [[মার্ক মিলি]], মেরি লুইস কেলি ও এরিকা রায়ানের সাক্ষাৎকার; [https://www.npr.org/2023/10/02/1202971562/mark-milley-donald-trump-military-army-constitution "'দ্য মিলিটারি হ্যাজ নো রোল' ইন পলিটিকস, সেজ রিটায়ারিং চেয়ার অফ দ্য জয়েন্ট চিফস”], অল থিংস কনসিডারড, ''এনপিআর'', (২ অক্টোবর, ২০২৩)
* বিশ্বের ইতিহাসে আমেরিকান সৈনিকের মতো অন্য কেউ অপরিচিত মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তির জন্য এত ত্যাগ স্বীকার করেনি। আমাদের সৈনিকরা শুধু বিদেশে স্বাধীনতা দেয় না, দেশেও তা রক্ষা করে।
**[[জেল মিলার|জেল মিলার]], [https://web.archive.org/web/20141126130444/http://www.cbsnews.com:80/news/text-of-zell-millers-rnc-speech/ রিপাবলিকান ন্যাশনাল কনভেনশনে ভাষণ] (২০০৪)
* আমি মনে করি সব যোগ্য পুরুষ ও নারীর ড্রাফটে নাম নিবন্ধন করা উচিত।
**[[মার্ক মিলি|মার্ক মিলি]], [http://www.npr.org/sections/thetwo-way/2016/02/03/465404486/army-marine-corps-generals-say-women-should-have-to-register-for-the-draft সেনেট আর্মড সার্ভিসেস কমিটির শুনানি] (ফেব্রুয়ারি ২০১৬)
* <p>আজকের আর্মি মেজররা শুধু [[সন্ত্রাসবাদ|সন্ত্রাসবাদী]] ও [[গেরিলা যুদ্ধ|গেরিলাদের]] বিরুদ্ধে লড়াই জানে, কারণ তারা [[১১ সেপ্টেম্বর হামলা|৯/১১]]ের পর আর্মিতে এসেছে।</p><p>তবে উচ্চপর্যায়ের হুমকির ক্ষেত্রে গত ১৫ বছরে আমাদের দক্ষতা কমে গেছে।</p>
**মার্ক মিলি, [http://www.nytimes.com/2016/05/16/world/africa/army-milley-africa-terrorism-land-war.html?ribbon-ad-idx=5&rref=world/africa সাক্ষাৎকার] (২০১৬)
* [[নৌবাহিনী|নৌবাহিনীতে]], আপনি [[সাত সমুদ্র|সাত সমুদ্র]] পাড়ি দিতে পারেন!
নৌবাহিনীতে, আপনি নিশ্চিন্তে থাকতে পারেন!
এখন সবাই এগিয়ে আসুন! নৌবাহিনীতে, নৌবাহিনীতে।
বুঝতে পারছেন না, আমাদের সাহায্য প্রয়োজন?
নৌবাহিনীতে! [[মাতৃভূমি|মাতৃভূমি]] রক্ষা করতে এগিয়ে আসুন। নৌবাহিনীতে!
**[https://www.youtube.com/watch?v=InBXu-iY7cw "ইন দ্য নেভি"] (১৭ জানুয়ারি ১৯৭৯), লিখেছেন জ্যাক মোরালি ও ভিক্টর উইলিস, ''গো ওয়েস্ট'' (১৯৭৯), কাসাব্লাঙ্কা রেকর্ডস। গেয়েছেন [[দ্য ভিলেজ পিপল|দ্য ভিলেজ পিপল]]।
* যুদ্ধের পর আমেরিকান সামরিক বিতর্ক ছিল কোন বাহিনী দেশের প্রধান রক্ষক হবে। [[যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী বিমান বাহিনী|আর্মি এয়ার ফোর্সেস]] (১৯৪৭ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর আলাদা সার্ভিস, ইউএসএএফ হিসেবে তৈরি) দাবি করেছিল যে তাদের [[স্ট্র্যাটেজিক এয়ার কমান্ড|স্ট্র্যাটেজিক এয়ার কমান্ড]], বি-২৯ এবং পারমাণবিক বোমা দিয়ে দেশকে রক্ষা করতে পারবে। নৌবাহিনী দাবি করে যে ক্যারিয়ার এয়ার পাওয়ার যুদ্ধ জিতেছে এবং ভবিষ্যতেও সেরা থাকবে। মার্কিন মাটিতে বিমান প্রতিরক্ষা ইউনিটের নিয়ন্ত্রণ কার থাকবে তা নিয়েও বিতর্ক ছিল।
১৯৪৭ সালের ২৬ জুলাই [[জাতীয় নিরাপত্তা আইন ১৯৪৭|জাতীয় নিরাপত্তা আইন]] পাস হয়, যা "আর্মড ফোর্সেস অফ দ্য ইউনাইটেড স্টেটস" গঠন করে এবং সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনীকে প্রতিরক্ষা দপ্তরের অধীনে আনে। তাত্ত্বিকভাবে, এর উদ্দেশ্য ছিল বাহিনীর মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানো। বাস্তবে, বাহিনীগুলোর মধ্যে ঝগড়া চলত। বিমান বাহিনীকে বিমান প্রতিরক্ষা ইউনিটের কৌশলগত কমান্ড দেওয়া হয়েছিল, আর সেনাবাহিনী ইউনিটগুলোর প্রশিক্ষণ ও সরঞ্জামের দায়িত্ব নেয়। ১৯৪৯ সাল নাগাদ টেক্সাসের ফোর্ট ব্লিসের অ্যান্টি-এয়ারক্রাফট আর্টিলারি স্কুলে মাত্র একটি রেগুলার আর্মি অ্যান্টি-এয়ারক্রাফট ইউনিট সক্রিয় ছিল। তিনটি ঘটনা মহাদেশীয় বিমান প্রতিরক্ষার প্রশ্নকে সামনে আনে এবং কোন বাহিনী কী সরবরাহ করবে তা নির্ধারণ করতে বাধ্য করে।
**মার্ক এল. মরগান, মার্ক এ. বেরহো, [https://books.google.com/books?isbn=0615120121 “রিংস অফ সুপারসনিক স্টিল: এয়ার ডিফেন্সেস অফ দ্য ইউনাইটেড স্টেটস আর্মি ১৯৫০-১৯৭৯”], (২০০২), পৃষ্ঠা ৪।
* সরকার বলপ্রয়োগ, প্রতারণা এবং ধোঁকাবাজির মাধ্যমে শাসন করে। সামরিক বাহিনী নিজেই তথ্যের অবরোধ শুরু করে। তারা উদ্দেশ্যমূলকভাবে তথ্য গোপন করে। তাদের বিশাল আকার ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে রাজনৈতিক নেতারা এই প্রতিষ্ঠানকে বুঝতে পারেন না।
এর প্রমাণ? জিএও ২০১৬ সালের রিপোর্টটি পড়ুন। তারা সামরিক বাহিনী কত তেল পোড়ায় তা বের করতে পারেনি। জিএও সিদ্ধান্তে বলে: "কংগ্রেস জানে না সামরিক বাহিনী বার্ষিক কত জ্বালানি ব্যবহার করে..."
এটি অবাক হওয়ার মতো নয়। ১৯৫০ সালের পর থেকে আধুনিক সামরিক বাহিনী সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১, সেকশন ৯ লঙ্ঘন করে ব্যয়ের হিসাব দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছে। ২০১৮ সালে পেন্টাগন প্রথমবারের মতো অডিটে ব্যর্থ হয়। শুধু ৬.৫ ট্রিলিয়ন ডলার নিখোঁজ হওয়ার বিষয় নয়, তাদের অস্বচ্ছ হিসাবরক্ষণ ব্যবস্থা একটি প্রতিরক্ষামূলক অস্ত্র, যা সরকারি কর্মকাণ্ডের বিরোধিতা বা বোঝার চেষ্টাকারীদের থামিয়ে দেয়।
**[https://www.counterpunch.org/2019/06/14/the-climate-counter-offensive-secrecy-deception-and-disarming-the-green-new-deal/ দ্য ক্লাইমেট কাউন্টার-অফেনসিভ: সিক্রেসি, ডিসেপশন অ্যান্ড ডিজআর্মিং দ্য গ্রিন নিউ ডিল, রিচার্ড মোসার, ''কাউন্টারপাঞ্চ''] (১৪ জুন, ২০১৯)
* একটি বড় ও নোংরা গোপন তথ্য হলো—যুদ্ধ [[বৈশ্বিক উষ্ণায়ন|জলবায়ু পরিবর্তন]] বাড়ায়। সামরিক বাহিনী এ বিষয়ে সচেতন। সব গোপন রাখতে সামরিক বাহিনীকে দায়বদ্ধতা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এটি [[আইনের শাসন|আইনের শাসন]]ের ব্যতিক্রম। জি.ডব্লিউ. বুশ ১৯৯৭ সালের [[কিউটো প্রোটোকল|কিউটো অ্যাকর্ডস]]ে এই অব্যাহতি দাবি করেন, যদিও তিনি পরে তা স্বাক্ষর করেননি।
সামরিক বাহিনীর গ্রিনহাউস গ্যাস হিসাবের বাইরে রয়েছে ১৩০টি দেশে ১,০০০টির বেশি ঘাঁটি, যুক্তরাষ্ট্রের ৬,০০০ স্থাপনা, [[বিমানবাহী রণতরী|বিমানবাহী রণতরী]] এবং [[জেট বিমান|জেট বিমান]]। অস্ত্রের পরীক্ষা এবং ন্যাটো ও [[আফ্রিকোম|আফ্রিকোম]]ের মতো বিশাল সামরিক জোটের কার্যক্রমও এর বাইরে। জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা এবং মানবিক ত্রাণ কার্যক্রমও অব্যাহতি পায়।
**[[সারা ফ্লাউন্ডার্স|সারা ফ্লাউন্ডার্স]] উদ্ধৃত: [https://www.counterpunch.org/2019/06/14/the-climate-counter-offensive-secrecy-deception-and-disarming-the-green-new-deal/ দ্য ক্লাইমেট কাউন্টার-অফেনসিভ: সিক্রেসি, ডিসেপশন অ্যান্ড ডিজআর্মিং দ্য গ্রিন নিউ ডিল, রিচার্ড মোসার, ''কাউন্টারপাঞ্চ''] (১৪ জুন, ২০১৯)
* সেনাবাহিনীতে যে কর্মকর্তাকে [[কাপুরুষতা]] বা [[বিশ্বাসঘাতকতা]]র জন্য বরখাস্ত করা হয়, সে নিজেকে [[ডেমোক্রেটিক পার্টি (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)|ডেমোক্র্যাট]] বলে।
** [[অলিভার পি. মর্টন|অলিভার হ্যাজার্ড পেরি মর্টন]], ইন্ডিয়ানার ১৪তম গভর্নর, ইন্ডিয়ানাপলিসের Masonic Hall-এ ইউনিয়ন মাস মিটিং-এ বক্তৃতা (২০ জুন ১৮৬৬): [https://books.google.com/books?id=1-d9AAAAMAAJ&printsec=frontcover&dq=%22Treason+Exposed:+Record+of+the+Disloyal+Democracy%22&hl=en&sa=X&ved=0ahUKEwisi5WmtMrLAhUCOz4KHUcHCEcQ6AEIHDAA#v=onepage&q=%22Treason%20Exposed%3A%20Record%20of%20the%20Disloyal%20Democracy%22&f=false ''ট্রেজন এক্সপোজড: রেকর্ড অফ দ্য ডিসলয়াল ডেমোক্রেসি''] (১৮৬৬), রিপাবলিকান পার্টি (ইন্ড.) স্টেট সেন্ট্রাল কমিটি, পৃষ্ঠা ৩।
==এন==
* আমেরিকান সৈন্য [[ইসরায়েল|ইসরায়েলে]] পাঠানোর দরকার নেই, আমরা নিজেরাই নিজেদের [[রক্ষা|রক্ষা]] করি।
**[[বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু]], [http://www.c-span.org/video/?299666-1/israeli-prime-minister-netanyahu-address-joint-meeting-congress মার্কিন কংগ্রেসে যৌথ সভায় ভাষণ] (২৪ মে ২০১১)
* আমেরিকায় ইতিহাসের সবচেয়ে [[সুশৃঙ্খল]] ও [[মানবিক]] সামরিক বাহিনী রয়েছে। লুটতরাজে অভ্যস্ত প্রাচীন সেনাবাহিনী বা আধুনিক সময়ের নির্বিচারে বেসামরিক ও বন্দি হত্যাকারী বাহিনীর তুলনায় এটি অনেক সংযত।
**[[নিউজউইক|নিউজউইক]], [http://www.msnbc.msn.com/id/13124487/site/newsweek/ ''এমএসএনবিসি''] (১২ জুন ২০০৬)
* আমরা বিশ্বাস করি [[কালো মানুষ|কালো মানুষদের]] এমন কোনো [[বর্ণবাদী]] [[সরকার|সরকারকে]] রক্ষা করতে সামরিক বাহিনীতে [[যুদ্ধ|যুদ্ধ]] করতে বাধ্য করা উচিত নয়, যারা আমাদের [[সুরক্ষা|সুরক্ষা]] দেয় না। আমরা বিশ্বের অন্য কোনো বর্ণের মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব না, যারা আমেরিকার এই বর্ণবাদী সরকারের শিকারে পরিণত হচ্ছে। আমরা পুলিশ ও সামরিক বাহিনীর সহিংসতা থেকে [[যেকোনো মূল্যে|যেকোনো মূল্যে]] নিজেদের রক্ষা করব।
**[[হিউ নিউটন]], "ব্ল্যাক প্যান্থার পার্টি প্ল্যাটফর্ম, প্রোগ্রাম অ্যান্ড রুলস" (১৯৬৬), ''দ্য হিউ পি. নিউটন রিডারে'', পৃষ্ঠা ৫৬।
* [[ইসলামিক স্টেট|ইসলামিক স্টেট]]ের বিরুদ্ধে যুদ্ধের শেষ দিনগুলোতে সিরিয়ার বাঘুজ নামক স্থানে যখন খেলাফতের যোদ্ধারা কোণঠাসা, তখন মার্কিন সামরিক ড্রোনের নজর ছিল সেদিকে। সেখানে একটি নদীর তীরে অনেক নারী ও শিশু জড়ো হয়েছিল। কোনো সতর্কতা ছাড়াই আমেরিকান এফ-১৫ই অ্যাটাক জেট তাদের ওপর ৫০০ পাউন্ডের বোমা ফেলে। ধোঁয়া সরলে যারা বেঁচে ছিল, তাদের ওপর আবার ২০০০ পাউন্ডের বোমা ফেলা হয়। একজন লিগ্যাল অফিসার এটিকে [[যুদ্ধাপরাধ|যুদ্ধাপরাধ]] হিসেবে চিহ্নিত করে তদন্তের দাবি জানান। কিন্তু সামরিক বাহিনী পুরো ঘটনাটি গোপন করে। মৃতের সংখ্যা কমিয়ে দেখানো হয়। রিপোর্টগুলো বিলম্বিত, কাটাছেঁড়া এবং শ্রেণীবদ্ধ করা হয়। প্রতিরক্ষা দপ্তরের পরিদর্শক তদন্ত শুরু করলেও রিপোর্ট থেকে হামলার উল্লেখ সরিয়ে ফেলা হয়। মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটের বাহিনী ঘটনাস্থল বুলডোজার দিয়ে মাটির সাথে মিশিয়ে দেয়। পরের দিন বেসামরিক পর্যবেক্ষকরা সেখানে নারী ও শিশুদের মৃতদেহের স্তূপ খুঁজে পান।
**[https://www.nytimes.com/2021/11/13/us/us-airstrikes-civilian-deaths.html হাও দ্য ইউ.এস. হিড অ্যান এয়ারস্ট্রাইক দ্যাট কিলড ডজনস অফ সিভিলিয়ানস ইন সিরিয়া, ডেভ ফিলিপস ও এরিক শ্মিট ''নিউ ইয়র্ক টাইমস''] (১৩ নভেম্বর ২০২১)
==ও==
*যেখানেই [[অবিচার]], [[দমন]] এবং [[দুঃখ-কষ্ট]] থাকে, আমেরিকা সেখানে ছয় মাস দেরিতে উপস্থিত হয় এবং তার পাশের [[দেশ|দেশে]] [[বোমা]] ফেলে।
**[[পি. জে. ও'রোর্ক]], ''পিস কিলস: আমেরিকাস ফান নিউ ইম্পেরিয়ালিজম'' (২০০৪)।
*<p>[[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র]] পৃথিবীর সবচেয়ে [[শক্তিশালী]] [[জাতি]]। এটি একটি অমোঘ সত্য। অন্য আটটি দেশের সম্মিলিত সামরিক খরচের চেয়েও আমরা বেশি ব্যয় করি। আমাদের সৈন্যরা বিশ্বের ইতিহাসের সেরা যুদ্ধশক্তি। কোনো জাতি আমাদের বা আমাদের মিত্রদের আক্রমণ করতে সাহস করে না, কারণ তারা জানে এটি ধ্বংসের পথ। জরিপ বলছে বিশ্বজুড়ে আমাদের অবস্থান বেশ উঁচুতে...</p><p>সব গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ইস্যুতে বিশ্বের মানুষ [[বেইজিং]] বা [[মস্কো]]র দিকে তাকায় না; তারা আমাদের ডাকে...</p><p>যখন আপনারা আমেরিকানদের পেছনে লাগবেন, তখন আমরা আপনাদের পেছনে লাগব। সময় লাগতে পারে, কিন্তু আমাদের স্মৃতিশক্তি খুব দীর্ঘ এবং আমাদের পৌঁছানোর ক্ষমতার কোনো সীমা নেই।</p>
**[[বারাক ওবামা|বারাক এইচ. ওবামা ২য়]], [https://medium.com/@WhiteHouse/president-obama-s-2016-state-of-the-union-address-7c06300f9726#.flsvqkay9 স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন ভাষণ] (১২ জানুয়ারি ২০১৬)।
*এই পুরো প্রক্রিয়া চলাকালে [[মিশেল ওবামা|মিশেল]] এবং আমি শুধু আপনাদের মুখপাত্র ছিলাম। আমরা টিভির পর্দায় বা [[মাইক্রোফোন|মাইক্রোফোনের]] সামনে মুখ বা কণ্ঠস্বর ছিলাম, কিন্তু এটি আমাদের জন্য ছিল না। এটি সবসময় আপনাদের জন্য ছিল। '''গত ১০ বছরে যা কিছু ঘটেছে তা আপনাদের কাজের প্রমাণ। আমরা যখন আমাদের অসাধারণ সামরিক বাহিনী ও ইউনিফর্মধারী নারী-পুরুষদের কথা বলি, তখন সামরিক বাহিনী কোনো বস্তু নয়। এটি নিবেদিতপ্রাণ দেশপ্রেমিকদের একটি দল, যারা আমাদের জন্য সবকিছু ত্যাগ করতে প্রস্তুত। এর সদস্যরা আছে বলেই এটি কার্যকর। যন্ত্রপাতি বা হার্ডওয়্যার যেমনই হোক—আমাদের কাছে ভালো হার্ডওয়্যার আছে—তা মেশিন, অস্ত্র বা স্যাটেলাইট যাই হোক না কেন, শেষ পর্যন্ত সব অসাধারণ মানুষের ওপর নির্ভর করে।'''
**[[বারাক ওবামা]], ২০ জানুয়ারি ২০১৭ তারিখে মেরিল্যান্ডের জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুসে তার স্টাফ সদস্যদের বিদায় জানিয়ে দেওয়া বক্তব্য। সূত্র: [http://edition.cnn.com/2017/01/20/politics/barack-obama-remarks/ ওবামার দায়িত্ব ছাড়ার পরের বক্তব্য: সিএনএন দ্বারা প্রকাশিত পূর্ণাঙ্গ পাঠ্য, ২০ জানুয়ারি ২০১৭।]
==পি==
*[[আমেরিকা]] পৃথিবীর সবচেয়ে [[নৈতিক]] [[জাতি]]। এটি [[নৈতিক]] নীতির ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। সামরিক শক্তি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় আমাদের অবশ্যই নৈতিক নীতি প্রয়োগ করতে হবে।
**[[রন পল]], [http://www.house.gov/paul/congrec/congrec2002/cr090402.htm মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে ভাষণ] (৪ সেপ্টেম্বর ২০০২), ওয়াশিংটন, ডি.সি.
*আমি একজন [[মার্কিন মেরিন কোর|মেরিন]]। দেশপ্রেম দেখানোর জন্য আমার [[গাড়ি|গাড়িতে]] ছোট [[পতাকা|পতাকা]] ওড়ানোর প্রয়োজন নেই।
**জোশ রে পারসন, [https://books.google.com/books?id=Phvvf-niiWUC&pg=PT68&lpg=PT68&dq=generation+kill+where+stars+and+stripes+and+eagles&source=bl&ots=lEypFHHqaL&sig=AMRhfTBqzBEnsPiju0YSgkuLd-8&hl=en&sa=X&ved=0ahUKEwiSu8rP3LfLAhWFXR4KHUb-BDAQ6AEIIjAB#v=onepage&q=generation%20kill%20where%20stars%20and%20stripes%20and%20eagles&f=false ''জেনারেশন কিল''] (২০০৩), ইভান রাইট, পৃষ্ঠা ৬৮-এ উদ্ধৃত।
*যুক্তরাষ্ট্র নিয়ে অনেক সমালোচনা আছে, কিন্তু একটি বিষয়ে কেউ যুক্তরাষ্ট্রকে সমালোচনা করে না। কেউ মনে করে না যে [[ইরাক|ইরাকে]] হামলা চালানোর পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের [[জমি]], [[পানি]] বা [[তেল]] লাভের কোনো উদ্দেশ্য ছিল। আমেরিকা সম্পদের কোনো লোভ করে না। [[২০শ শতাব্দী|বিংশ শতাব্দীতে]], '''আমেরিকান ছেলেরা দুটি বিশ্বযুদ্ধে লড়েছে, অনেকে প্রাণ হারিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ জিতেছে, জমি পেয়েছে, কিন্তু তারা তার প্রতিটি টুকরো ফিরিয়ে দিয়েছে। বিজয়ের পর আমেরিকা নিজের জন্য কিছু রাখেনি। আপনারা [[জাপান|জাপানকে]] ফিরিয়ে দিয়েছেন—একটি উন্নত জাপান, আপনারা [[জার্মানি|জার্মানি]] ফিরিয়ে দিয়েছেন—একটি উন্নত জার্মানি''', আপনারা [[মার্শাল পরিকল্পনা|মার্শাল প্ল্যান]]ের কথা শুনেছেন। আজ, আমি মনে করি না পৃথিবীতে কোনো বিবেকবান মানুষ আছেন যিনি মনে করেন ইরাক যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো স্বার্থপর বা বস্তুবাদী উদ্দেশ্য আছে। এই হামলার কারণ হলো, আপনি বিশ্বকে অরাজক হতে দিতে পারেন না। কিছু মানুষ আমাদের জীবনের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এসে বিনা কারণে নারী, শিশু এবং নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করছে। আমি মনে করি পুরো বিশ্ব ভাগ্যবান যে যুক্তরাষ্ট্রের মতো একটি দেশ আছে, যাদের এই নতুন বিপদ মোকাবিলা করার ইচ্ছা এবং শক্তি আছে।
**[[শাইমন পেরেজ]], [http://www.iop.harvard.edu/events_forum_archive_2004.html ভাষণ] (২০ অক্টোবর ২০০৪)।
*আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর র্যাঙ্কে [[সাহস|সাহস]]ের অভাব নেই, কিন্তু আমাদের গোয়েন্দা সংস্থা এবং উচ্চপর্যায়ের সামরিক কমান্ডে [[আমলাতান্ত্রিক]] [[কাপুরুষতা]] বিদ্যমান।
**[[রালফ পিটারস]], ''বিয়ন্ড টেরর: স্ট্র্যাটেজি ইন এ চেঞ্জিং ওয়ার্ল্ড'' (২০০২), পৃষ্ঠা ১৯৬।
*[[আব্রাহাম লিংকন|তিনি]] কিসের স্মৃতিস্তম্ভ তা বলেননি। আমি নিশ্চিত, তিনি এটিকে '''[[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সেনাবাহিনী|আমাদের সৈনিকদের]] আনুগত্যের স্মৃতিস্তম্ভ''' হিসেবে রেখে যেতে চেয়েছিলেন, যারা [[পতাকা|পতাকা]] ও [[উচ্ছেদবাদ|আদর্শ]] ত্যাগ করার চেয়ে লিবির সব ভয়াবহতা সহ্য করাকে শ্রেয় মনে করেছিল।
**[[ডেভিড ডিক্সন পোর্টার]], [https://archive.org/details/incidentsanecdot00portiala ''ইনসিডেন্টস অ্যান্ড অ্যানেকডোটস অফ দ্য সিভিল ওয়ার''] (১৮৮৫), পৃষ্ঠা ২৯৯।
*আমি আমাদের [[পতাকা|পতাকা]], [[সংবিধান|সংবিধান]] এবং [[দেশ|দেশকে]] সীমাহীন [[ভালোবাসা|ভালোবাসা]] দিয়ে ভালোবাসি। একজন [[সৈনিক]] হিসেবে ৩৫ বছর ধরে আমি এই তিনটির প্রতিরক্ষা করেছি এবং প্রয়োজনে জীবন দিতে প্রস্তুত ছিলাম।
**[[কলিন পাওয়েল]], [https://www.aclu.org/free-speech/letter-colin-powell প্যাট্রিক লেহিকে লেখা চিঠি] (১৮ মে ১৯৯৯)।
*আমি মনে করি [[যুক্তরাষ্ট্র|আমরা]] 'গ্রেট শয়তান' নই, বরং আমরা 'মহা রক্ষাকর্তা'। গত এক শতাব্দী ধরে আমরা [[দমন|দমন]] ঠেকাতে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর নারী-পুরুষদের পাঠিয়েছি। আমরা [[ফ্যাসিবাদ|ফ্যাসিবাদ]] ও [[কমিউনিজম|কমিউনিজম]] পরাজিত করেছি। আমরা [[প্রথম বিশ্বযুদ্ধ|প্রথম]] ও [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে]] [[ইউরোপ|ইউরোপকে]] বাঁচিয়েছি। আমরা তা করতে ইচ্ছুক ও আনন্দিত ছিলাম। আমরা [[কোরীয় যুদ্ধ|কোরিয়ায়]] গিয়েছি, [[ভিয়েতনাম যুদ্ধ|ভিয়েতনামে]] গিয়েছি। সব মানুষের অধিকার রক্ষার স্বার্থে। যুদ্ধ শেষে আমরা কী করেছি? আমরা কি দখলদার হিসেবে থেকে গেছি? আমরা কি বলেছি, 'আমরা [[জার্মানি|জার্মানি]]কে হারিয়েছি, এখন জার্মানি আমাদের'? বা '[[জাপান|জাপান]] হারিয়েছি, এখন তা আমাদের'? না। আমরা কী করেছি? আমরা তাদের গড়ে তুলেছি। আমরা তাদের [[গণতন্ত্র|গণতান্ত্রিক]] ব্যবস্থা দিয়েছি যা তারা মন থেকে গ্রহণ করেছে। আমরা কি কোনো জমি চেয়েছি? না। আমরা কেবল আমাদের মৃতদের সমাহিত করার মতো জমিটুকু চেয়েছি, আমরা এমন একটি জাতি।
**[[কলিন পাওয়েল]], [https://web.archive.org/web/20020220234413/http://www.cnn.com/2002/ALLPOLITICS/02/15/powell.mtv/index.html ''এমটিভি গ্লোবাল ডিসকাশন''] (১৪ ফেব্রুয়ারি ২০০২)।
*শাসক শ্রেণি এবং সেইসব [[বিলিয়নিয়ার|বিলিয়নিয়াররা]] যারা মানুষের কষ্টের ওপর লাভ করে, তারা শুধু তাদের সম্পদ বাড়ানো এবং বিশ্ব অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণের কথা ভাবে। ... তাদের ক্ষমতা কেবল আমাদের বোঝানোর ক্ষমতার মধ্যে সীমাবদ্ধ যে যুদ্ধ, দমন এবং শোষণ আমাদের স্বার্থে। তারা বোঝে যে তাদের সম্পদ শ্রমজীবী মানুষকে অন্য দেশের বাজার নিয়ন্ত্রণের জন্য মারা যেতে রাজি করানোর ওপর নির্ভরশীল।
**প্রাক্তন সৈনিক [[মাইকেল প্রিসনার]], "আওয়ার রিয়েল এনিমিজ," ২১ ডিসেম্বর, ২০১১।
*আমি [[ইরাক|ইরাকে]] পরিবারগুলোকে রাস্তা থেকে বের করে দিয়েছি, শুধু দেশে ফিরে এসে দেখেছি এই দেশেও একই ঘটনা ঘটছে। এটি দুঃখজনক এবং অপ্রয়োজনীয় [[মহাবন্দা|ফোরক্লোজার সংকট]]। আমাদের সচেতন হতে হবে যে আমাদের আসল শত্রু সুদূর কোনো দেশে নয়। তারা এমন মানুষ নয় যাদের নাম আমরা জানি না বা যাদের সংস্কৃতি আমরা বুঝি না। শত্রু হলো সেই সিস্টেম যা লাভজনক হলে যুদ্ধ করে। শত্রু হলো সেই [[সিইও|সিইওরা]] যারা লাভজনক হলে আমাদের চাকরি থেকে ছাঁটাই করে। শত্রু হলো সেই [[বীমা|বীমা]] কোম্পানি যারা লাভজনক হলে আমাদের [[স্বাস্থ্যসেবা|স্বাস্থ্যসেবা]] দিতে অস্বীকার করে। শত্রু হলো সেই ব্যাংকগুলো যারা লাভজনক হলে আমাদের বাড়ি দখল করে। আমাদের শত্রু ৫ হাজার মাইল দূরে নয়, তারা আমাদের নিজেদের ঘরেই আছে।
**প্রাক্তন সৈনিক [[মাইকেল প্রিসনার]], "আওয়ার রিয়েল এনিমিজ," ২১ ডিসেম্বর, ২০১১।
==আর==
*যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা নীতি একটি সহজ ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত: যুক্তরাষ্ট্র [[যুদ্ধ|যুদ্ধ]] শুরু করে না। আমরা কখনো [[আগ্রাসী|আগ্রাসী]] হব না। আমরা আগ্রাসন ঠেকাতে ও [[সুরক্ষা|সুরক্ষা]] দিতে আমাদের [[শক্তি|শক্তি]] বজায় রাখি—যাতে [[স্বাধীনতা|স্বাধীনতা]] ও [[শান্তি|শান্তি]] বজায় থাকে।
**[[রোনাল্ড রেগান]], [http://www.cnn.com/SPECIALS/cold.war/episodes/22/documents/starwars.speech/ ভাষণ]।
*আমেরিকানরা তাদের সামরিক সক্ষমতার ওপর যে আস্থা রাখে তা অস্বাভাবিক। ১৫ বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্র সামান্য অস্ত্রধারী কয়েকজন [[তালিবান|তালিবানকে]] হারাতে পারেনি, ১৩ বছর ধরে ইরাক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে। রাশিয়া বা চীনরাশিয়া কৌশলগত জোটের মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে এটি আশাব্যঞ্জক নয়। ৬০ বছর আগে [[কোরীয় যুদ্ধ|কোরিয়াতে]] যুক্তরাষ্ট্র চীনকেও হারাতে পারেনি। আমেরিকানদের বোঝা উচিত যে "তাদের" সরকার হয়তো যুক্তরাষ্ট্র ও পুরো ইউরোপকে [[পারমাণবিক ধ্বংসযজ্ঞ|বাষ্পীভূত]] করতে চলেছে। রাশিয়ান অস্ত্র ব্যবস্থা আমেরিকানদের চেয়ে অনেক উন্নত। আমেরিকান অস্ত্র ব্যক্তিগত কোম্পানিগুলো লাভের জন্য তৈরি করে। অস্ত্রের সক্ষমতা মূল বিষয় নয়। মার্কিন অস্ত্রের দাম আকাশচুম্বী, যার কারণ অন্তহীন খরচ।
**[[পল ক্রেইগ রবার্টস]], [http://www.informationclearinghouse.info/article44761.htm ''আওয়ার প্রসপেক্টস অ্যাগেইনস্ট দ্য রাশিয়ানস অ্যান্ড চাইনিজ ইন ডাব্লিউডাব্লিউ৩, ইনফরমেশন ক্লিয়ারিং হাউস''] (২৮ মে ২০১৬)।
*বিশ্ব হয়তো মার্কিন সামরিক-নিরাপত্তা কমপ্লেক্সের লোভের কারণে [[ধ্বংস|ধ্বংসের]] দিকে যাচ্ছে। ওবামা প্রশাসন [[শীতল যুদ্ধ|শীতল যুদ্ধ]] ফিরিয়ে এনেছে, যা একটি বিশ্বাসযোগ্য "শত্রু" তৈরি করেছে। "[[রাশিয়ান|রাশিয়ান]] হুমকি" ব্যবহার করে আমেরিকান করদাতাদের অর্থ, [[কল্যাণমূলক রাষ্ট্র|সামাজিক সেবা]] এবং [[অর্থনীতি|অর্থনীতি]] রক্তশূন্য করা হচ্ছে, যাতে [[অস্ত্র|অস্ত্র]] নির্মাতারা লাভবান হয়। 'নতুন শীতল যুদ্ধ'-এর সময় ওয়াশিংটনের যুক্তি ও পদক্ষেপ আসল [[শীতল যুদ্ধ|শীতল যুদ্ধ]]ের চেয়ে অনেক বেশি বিপজ্জনক ও বেপরোয়া।
**[[পল ক্রেইগ রবার্টস]], [http://www.informationclearinghouse.info/article44761.htm ''আওয়ার প্রসপেক্টস অ্যাগেইনস্ট দ্য রাশিয়ানস অ্যান্ড চাইনিজ ইন ডাব্লিউডাব্লিউ৩, ইনফরমেশন ক্লিয়ারিং হাউস''] (২৮ মে ২০১৬)।
*প্রথম যুদ্ধটি—[[আমেরিকান বিপ্লব|স্বাধীনতার যুদ্ধ]]—ছাড়াও আমেরিকার সব যুদ্ধ ছিল [[সাম্রাজ্য|সাম্রাজ্যের]] জন্য। [[মেমোরিয়াল ডে|মেমোরিয়াল ডে]]তে বিপদের সময় সেবা দেওয়া সাহসী নারী-পুরুষদের নিয়ে ভাষণ শোনার সময় এই সত্যটি মনে রাখবেন। যুক্তরাষ্ট্র কখনো বিপদে ছিল না, কিন্তু ওয়াশিংটন অন্যের ওপর [[আধিপত্য|আধিপত্য]] বিস্তারের জন্য অনেক দেশে বিপদ বয়ে এনেছে।
**[[পল ক্রেইগ রবার্টস]], [http://www.informationclearinghouse.info/article44761.htm ''আওয়ার প্রসপেক্টস অ্যাগেইনস্ট দ্য রাশিয়ানস অ্যান্ড চাইনিজ ইন ডাব্লিউডাব্লিউ৩, ইনফরমেশন ক্লিয়ারিং হাউস''] (২৮ মে ২০১৬)।
*আজ প্রথমবারের মতো ওয়াশিংটনের রাশিয়া ও চীনের ওপর [[আধিপত্য|আধিপত্য]] বিস্তারের চেষ্টার ফলে যুক্তরাষ্ট্র বিপদের মুখে। রাশিয়া ও চীন ওয়াশিংটনের [[অহংকার|অহংকার]] ও [[মূর্খতা|মূর্খতা]]তে প্রভাবিত নয়। তারা আমেরিকার আদিবাসী [[প্লেইন ইন্ডিয়ানস|প্লেইন ইন্ডিয়ানস]] নয়, যারা [[ইউনিয়ন সেনাবাহিনী|ইউনিয়ন আর্মির]] হাতে [[মহিষ|মহিষ]] হত্যার মাধ্যমে ক্ষুধার্ত হয়ে আত্মসমর্পণ করেছিল। আমেরিকানরা সেলফি ও সামরিক শ্রেষ্ঠত্বের বিভ্রমে ব্যস্ত, কিন্তু তাদের উন্মাদ সরকার রাশিয়া ও চীনের সাথে ঝগড়া বাঁধিয়েছে। তাদের কোনো ভবিষ্যৎ নেই।
**[[পল ক্রেইগ রবার্টস]], [http://www.informationclearinghouse.info/article44761.htm ''আওয়ার প্রসপেক্টস অ্যাগেইনস্ট দ্য রাশিয়ানস অ্যান্ড চাইনিজ ইন ডাব্লিউডাব্লিউ৩, ইনফরমেশন ক্লিয়ারিং হাউস''] (২৮ মে ২০১৬)।
*[[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সশস্ত্র বাহিনী|আমাদের সামরিক বাহিনীর]] শাখার নেতারা অবিলম্বে রাষ্ট্রপতির কথার প্রতিবাদ জানিয়েছেন। কেন? কারণ সমস্ত [[জাতি|জাতির]] [[পুরুষ|পুরুষ]] ও [[নারী|নারী]] সমন্বয়ে গঠিত আমাদের বাহিনীর [[মনোবল|মনোবল]] ও প্রতিশ্রুতি বিপদের মুখে পড়তে পারে।
**[[মিট রমনি]], [https://www.facebook.com/mittromney/posts/10154652303536121 ফেসবুক বিবৃতি] (১৮ আগস্ট ২০১৭)।
*শান্তির নিশ্চয়তা পেতে বিদেশে আমাদের সম্মান পাওয়ার জন্য একটি দক্ষ সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনী প্রয়োজন। আমার প্রগতিশীল সহনাগরিকদের সাবধান করছি। আমি চাই তারা আমাদের [[আন্তর্জাতিক সম্পর্ক|আন্তর্জাতিক সম্পর্ক]] নিয়ে আগ্রহী থাকুক; এবং আঙ্কেল স্যামের বিদেশের স্বার্থের কথা মনে রাখুক। ন্যায়বিচার ও ন্যায্য আচরণ ব্যক্তিগত সম্পর্কের মতোই আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য, শুধু একটি পার্থক্য হলো প্রতিটি জাতিকে আন্তর্জাতিক পুলিশি কাজ করতে হয়। যদি এখানে ঝামেলায় পড়েন, তবে পুলিশ ডাকতে পারেন; কিন্তু আঙ্কেল স্যাম যদি ঝামেলায় পড়েন, তবে তাকে নিজেই [[পুলিশ|পুলিশম্যান]] হতে হবে। আমি তাকে যথেষ্ট শক্তিশালী দেখতে চাই, যাতে সে অন্যদের শান্তির আকাঙ্ক্ষাকে উৎসাহিত করতে পারে। আমি জাতীয় বন্ধুত্ব ও সদিচ্ছায় বিশ্বাস করি, তবে বন্ধুত্ব হতে হবে শ্রদ্ধা ও বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে। আমি এমন কোনো আমেরিকানকে ঘৃণা করি যে অন্য জাতির সাথে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে আমেরিকার সরকার যেন ন্যায়পরায়ণ হয় তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করে না। আমি কোনো দুর্বল শক্তির ওপর অবিচার করতে চাই না, আর কোনো শক্তিশালী শক্তির কাছ থেকে অন্যায় মুখ বুজে সহ্য করলে আমি চিরকাল মাথা নিচু করে থাকব।
**[[থিওডোর রুজভেল্ট]], [https://obamawhitehouse.archives.gov/blog/2011/12/06/archives-president-teddy-roosevelts-new-nationalism-speech ওসাওয়াটোমি ভাষণ], (৩১ আগস্ট ১৯১০)।
*যুক্তরাষ্ট্র যখন বিশ্বের [[সবচেয়ে শক্তিশালী|সবচেয়ে শক্তিশালী]] সামরিক শক্তি, তখন এই [[বিশ্ব|বিশ্ব]] একটি [[নিরাপদ|নিরাপদ]] এবং [[ভালো|ভালো]] জায়গা।
**[[মার্কো রুবিও]], [http://insider.foxnews.com/2015/11/10/marco-rubio-and-rand-paul-clash-national-security-fox-business-gop-debate ''মার্কো রুবিও অ্যান্ড র্যান্ড পল ক্ল্যাশ''] (১০ নভেম্বর ২০১৫) শিরোনামের ফক্সনিউজ ইনসাইডারে উদ্ধৃত। [[২০১৬ রিপাবলিকান বিতর্ক, মিলওয়াকি|২০১৬ রিপাবলিকান বিতর্কের]] সময় বলা হয়েছে।
==এস==
*২০১৯ সালে মার্কিন সামরিক ব্যয় ছিল ৭৩২ বিলিয়ন ডলার, যা [[চীন]]ের ২৬১ বিলিয়ন ডলারের প্রায় তিন গুণ। যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৮০০টি বিদেশী সামরিক ঘাঁটি রয়েছে, যেখানে [[চীন]]ের মাত্র একটি (জিবুতিতে একটি ছোট নৌঘাঁটি)। চীনের কাছাকাছি যুক্তরাষ্ট্রের অনেক সামরিক ঘাঁটি থাকলেও যুক্তরাষ্ট্রের কাছাকাছি চীনের কোনো ঘাঁটি নেই। যুক্তরাষ্ট্রের ৫,৮০০টি [[পারমাণবিক অস্ত্র|পারমাণবিক ওয়ারহেড]] আছে; চীনের আছে প্রায় ৩২০টি। যুক্তরাষ্ট্রের ১১টি [[বিমানবাহী রণতরী|বিমানবাহী রণতরী]] আছে; চীনের আছে একটি। গত ৪০ বছরে যুক্তরাষ্ট্র অনেক বিদেশী যুদ্ধ শুরু করেছে; চীন একটিও করেনি (যদিও সীমান্তে ছোটখাটো সংঘর্ষের জন্য তাদের সমালোচনা করা হয়েছে, যেমনটি সম্প্রতি [[ভারত|ভারতের]] সাথে হয়েছে, তবে তা যুদ্ধের পর্যায়ে পৌঁছায়নি)।
**[[জেফরি স্যাকস]], [https://www.project-syndicate.org/commentary/america-evangelical-crusade-against-china-by-jeffrey-d-sachs-2020-08 আমেরিকার আনহোলি ক্রুসেড অ্যাগেইনস্ট চায়না], [[প্রজেক্ট সিন্ডিকেট|''প্রজেক্ট সিন্ডিকেট'']], (৫ আগস্ট ২০২০)
*[[ওমান উপসাগর|ওমান উপসাগরে]] তেলবাহী ট্যাঙ্কারে হামলা অগ্রহণযোগ্য এবং এর পূর্ণ তদন্ত হওয়া উচিত... তবে এই ঘটনাকে [[ইরান|ইরানের]] সাথে যুদ্ধের অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না। এমন যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্র, ইরান, অঞ্চল এবং বিশ্বের জন্য এক চরম বিপর্যয় ডেকে আনবে... এখন সময় যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক নেতৃত্ব দেখানোর... এবং ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা কমাতে আঞ্চলিক দেশগুলোকে নিয়ে কূটনৈতিক সমাধান খোঁজার... আমি [[ডোনাল্ড ট্রাম্প|প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে]] মনে করিয়ে দিতে চাই যে ইরানের সাথে যুদ্ধের জন্য কংগ্রেসের কোনো অনুমোদন নেই... যুক্তরাষ্ট্রের একতরফা আক্রমণ অবৈধ ও অসাংবিধানিক হবে।
**[[বার্নি স্যান্ডার্স]], [https://www.commondreams.org/news/2019/06/14/trump-must-not-be-allowed-use-gulf-oman-incidents-pretext-illegal-war-iran-bernie ''ট্রাম্প মাস্ট নট বি অ্যালাউড টু ইউজ গালফ অফ ওমান ইনসিডেন্টস অ্যাজ 'প্রিটেক্সট ফর ইললিগাল ওয়ার উইথ ইরান': বার্নি স্যান্ডার্স, কমন ড্রিমস'', আন্দ্রেয়া জার্মানস,] (১৪ জুন ২০১৯)
*[[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বৈদেশিক নীতি|জাতীয় নিরাপত্তা নীতির]] ক্ষেত্রে, যুক্তরাষ্ট্র কয়েক দশক ধরে একটি ধারাবাহিক ও অতি-সামরিকায়িত পথে হাঁটছে। ব্যাপকভাবে দেখলে, [[১১ সেপ্টেম্বর হামলা|৯/১১]] থেকে বর্তমান পর্যন্ত "জাতীয় নিরাপত্তা" এবং "[[সন্ত্রাসবাদ দমন|সন্ত্রাসবাদ দমন]]" বিষয়ে মার্কিন নীতি অনেকাংশে একই রয়ে গেছে।... [[জো বাইডেন|বাইডেন]]ের অধীনে সাম্রাজ্যবাদী ধারায় কোনো বড় পরিবর্তন আসবে না। ড্রোন যুদ্ধ অব্যাহত থাকবে এবং [[ইউরোপ]] ও [[এশিয়া]]তে শীতল যুদ্ধের আবহ ত্বরান্বিত হবে। বাইডেন [[ল্যাটিন আমেরিকা|ল্যাটিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয়]] অঞ্চলের [[বামপন্থী রাজনীতি|বামপন্থী আন্দোলন ও সরকারের]] প্রতি বৈরী অবস্থান বজায় রাখবেন। জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষেত্রে বাইডেন ট্রাম্পের কিছু চরম অবস্থান পরিবর্তন করলেও, তিনি পৃথিবীর স্বাস্থ্যের চেয়ে [[বহুজাতিক কর্পোরেশন|বড় কর্পোরেশন]] ও সামরিক শিল্পের মুনাফাকে প্রাধান্য দেবেন। সীমানা সামরিকীকরণ ও [[শরণার্থী|শরণার্থীদের]] প্রতি দুর্ব্যবহার অব্যাহত থাকবে এবং বিশাল অভ্যন্তরীণ [[নজরদারি|নজরদারি]] ব্যবস্থা বজায় থাকবে। কঠোর সত্য হলো: ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকানদের রাজনৈতিক বিরোধের চেয়ে 'ওয়ার পার্টি'র স্বার্থই বড়।
**[[জেরেমি স্কাহিল]], [https://theintercept.com/2021/11/21/america-militarism-foreign-policy-bush-obama-trump-biden/ দ্য ওয়ার পার্টি, ফ্রম বুশ টু ওবামা, অ্যান্ড ট্রাম্প টু বাইডেন, ইউ.এস. মিলিটারিজম ইজ দ্য গ্রেট ইউনিফায়ার, ''দ্য ইন্টারসেপ্ট''] (২১ নভেম্বর ২০২১)
*[[কন্টিনেন্টাল আর্মি|কন্টিনেন্টাল আর্মি]] একীভূতকরণের যে পর্যায়ে পৌঁছেছিল, তা আর ২০০ বছরে অর্জিত হয়নি।
**রবার্ট এ. সেলিগ, [https://web.archive.org/web/20141201041830/http://www.americanrevolution.org/blk.php "দ্য রেভল্যুশনস ব্ল্যাক সোলজারস"], ''আমেরিকান রেভল্যুশন''
:'''ন্যাথানিয়েল ফিক''': তোমরা লজিস্টিকস চাও? সেনাবাহিনীতে যোগ দাও। মেরিনরা নিজেদের ব্যবস্থা নিজেরাই করে নেয়।
:*"স্ক্রুবি" (২০০৮), ডেভিড সাইমন ও এড বার্নস কর্তৃক লিখিত, ''[[জেনারেশন কিল]]'', হোম বক্স অফিস
*[[অপারেশন এন্ডুরিং ফ্রিডম|অপারেশন এন্ডুরিং ফ্রিডম]] (ওএফ) এবং [[অপারেশন ইরাকি ফ্রিডম|অপারেশন ইরাকি ফ্রিডম]] (ওআইএফ) শুরুর পর থেকে, [[যুদ্ধ|যুদ্ধে]] অংশ নেওয়া [[সামরিক|সামরিক]] কর্মীদের আত্মহত্যার হার সাধারণ জনসংখ্যার সমান (কাং ও বুলম্যান, ২০০৮) এবং সম্ভবত তার বেশি হয়ে গেছে।
** এডওয়ার্ড এ. সেলবি, মাইকেল ডি. আনেস্টিস, থিওডোর ডব্লিউ. বেন্ডার, জেসিকা ডি. রিবেইরো, ম্যাথিউ কে. নক, এম. ডেভিড রুড, ক্রেইগ জে. ব্রায়ান, ইনগ্রিড সি. লিম, মন্টি টি. বেকার, পিটার এম. গুটিয়েরেজ এবং থমাস ই. জয়নার, জুনিয়র; [https://www.ncbi.nlm.nih.gov/pmc/articles/PMC2834834/ “ওভারকামিং দ্য ফিয়ার অফ লিথাল ইনজুরি: ইভালুয়েটিং সুইসাইডাল বিহেভিয়র ইন দ্য মিলিটারি থ্রু দ্য লেন্স অফ দ্য ইন্টারপারসোনাল-সাইকোলজিক্যাল থিওরি অফ সুইসাইড”], ''ক্লিন সাইকোল রেভ'', ২০১০ এপ্রিল; ৩০(৩): ২৯৮–৩০৭।
*নিগ্রোদের অবশ্যই [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সশস্ত্র বাহিনী|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেবায় সৈনিক হিসেবে]] তালিকাভুক্ত হতে উৎসাহিত করতে হবে, যাতে তারা নিজেদের [[স্বাধীনতা|স্বাধীনতা]] বজায় রাখতে এবং [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের]] নাগরিক হিসেবে তাদের অধিকার সুরক্ষিত করতে অবদান রাখতে পারে।
**[[উইলিয়াম টিকুমসেহ শেরম্যান]], [http://teachingamericanhistory.org/library/document/forty-acres-and-a-mule-special-field-order-no-15/ "স্পেশাল ফিল্ড অর্ডার নং ১৫"] (১৬ জানুয়ারি ১৮৬৫), ''হেডকোয়ার্টারস মিলিটারি ডিভিশন অফ দ্য মিসিসিপি, ইন দ্য ফিল্ড'', সাভানা, জর্জিয়া।
*বেসামরিক [[আমেরিকান|আমেরিকানদের]] বুঝতে হবে যে নাগরিক অধিকারের সবচেয়ে বড় বিজয়গুলো [[মার্কিন মেরিন কোর|মেরিন]] এবং মার্কিন সামরিক বাহিনী অর্জন করেছে, যা আমাদের জাতীয় জীবনের সবচেয়ে সফলভাবে সমন্বিত খাত। কেন? কোনো জাতিগত রেফারেন্স ও বৈষম্য নেই। আমি প্রথমবার আফ্রিকান-আমেরিকান বা ল্যাটিনোদের সাথে একই কোয়ার্টারে ঘুমিয়েছি—বা তাদের কাছ থেকে আদেশ নিয়েছি—তা মেরিন কোরে প্রাইভেট হিসেবে কাজ করার সময়। হ্যাঁ, আমেরিকার সত্যিই আরও মেরিন মূল্যবোধ ও প্রভাব প্রয়োজন।
**[[মার্ক শিল্ডস|মার্ক শিল্ডস]], [https://web-beta.archive.org/web/20100726132218/http://www.creators.com:80/liberal/mark-shields/america-needs-more-marine-corps-values.html "আমেরিকা নিডস মোর মেরিন কোর ভ্যালুস"] (২০১০), ''ক্রিয়েটরস.কম''
*<p>আমার [[শৈশব|শৈশবে]] [[সেনাবাহিনী|সেনাবাহিনীর]] প্রতি মুগ্ধতা ছিল...</p><p>দুর্বলদের পাশে দাঁড়ানো এবং অসহায়দের রক্ষা করার শিখ ধারণা শিখ মানসিকতার মূলে রয়েছে, এবং এই আদর্শগুলোই মার্কিন সেনাবাহিনী ধারণ করে।</p>
**সিমরাতপাল সিং, [http://edition.cnn.com/2016/04/04/us/sikh-army-captain-simratpal-singh-beard-turban/index.html?iid=ob_lockedrail_topeditorial&iref=obinsite "শিখ আর্মি ক্যাপ্টেন অ্যালাউড টু ওয়্যার বিয়ার্ড অ্যান্ড টারবান ইন ইউনিফর্ম"] (৫ এপ্রিল ২০১৬)-এ উদ্ধৃত, নাদিন শাকার, ''সিএনএন'', জর্জিয়া অঙ্গরাজ্য: কেবল নিউজ নেটওয়ার্ক।
*[[আজ|আজকের]] সৈনিক এবং গণতন্ত্রের জন্য শহীদরা আমেরিকান মুক্তিদাতাদের দীর্ঘ ঐতিহ্যে একটি বিশিষ্ট স্থান দখল করে আছে, যা আমেরিকান বিপ্লব থেকে অপারেশন এন্ডুরিং ফ্রিডম ও ইরাকি ফ্রিডম পর্যন্ত বিস্তৃত। [[আমেরিকান গৃহযুদ্ধ|গৃহযুদ্ধ]] এই উত্তরাধিকারের একটি স্পর্শপাথর। একাডেমিক ইতিহাসবিদরা লেখেন যে এটি ছিল সেকশনালিজম, [[অর্থনীতি|অর্থনীতি]] বা [[রাজনীতি|রাজনীতি]] নিয়ে। এগুলো এর কারণ হতে পারে, কিন্তু [[আব্রাহাম লিংকন|আব্রাহাম লিংকন]] জানতেন এর মূলে কী ছিল। সংঘর্ষের আগে তার দ্বিতীয় উদ্বোধনী ভাষণে তিনি বলেছিলেন, [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দাসপ্রথা|দাসপ্রথা]] 'একটি অদ্ভুত ও শক্তিশালী স্বার্থ তৈরি করেছিল। সবাই জানত যে এই স্বার্থই কোনোভাবে যুদ্ধের কারণ'। '''[[ইউনিয়ন (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)|ইউনিয়ন]] সৈনিকরা ইউনিয়ন রক্ষায় লড়েছিল, কিন্তু [[দাসপ্রথা|মানবিক দাসত্ব]] বন্ধ করতেও লড়েছিল'''।
**[[জোসেফ মরিসন স্কেলি|জোসেফ এম. স্কেলি]], [https://web.archive.org/web/20070524182018/http://article.nationalreview.com/?q=ZjcwZTYwYmFmMGRlZTA1ZTc4ZTRkOGJkZDExMjBmNzM= "দ্য ডেমোক্রেটিক ফলেন: লেট আস অনার দোজ হু হ্যাভ ডিফেন্ডেড আওয়ার রাইট টু সেলফ-গভর্নমেন্ট উইথ দেয়ার লাস্ট ব্রেথস"] (১৮ মে ২০০৭), ''ন্যাশনাল রিভিউ অনলাইন''
*আমেরিকান হিসেবে আমরা ক্রমবর্ধমান বিভ্রান্তি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছি যা আমাদের দেশের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ফেলছে।
**[[মার্গারেট চেজ স্মিথ]], [http://static1.squarespace.com/static/55ae7dc3e4b0627b56f10b3e/t/56d5ad5d4d088e0ea4775a94/1456844125625/Declaration+of+Conscience.pdf ''ডিক্লারেশন অফ কনসায়েন্স''] (১ জুন ১৯৫০)
==টি==
*গল্পটি শুরু হয় ১৮ মার্চ, ২০১৯ সালে, [[কাতার|কাতারের]] [[আল উদেইদ বিমান ঘাঁটি|আল উদেইদে]] একটি বড় বিমান বাহিনীর যুদ্ধ অপারেশন সেন্টারে। এটি দেখতে অনেকটা [[নাসা|নাসার]] মিশন কমান্ডের মতো। ব্যাংক ভর্তি কম্পিউটার, বড় পর্দা, সবাই [[ইসলামিক স্টেট|ইসলামিক স্টেটের]] বিরুদ্ধে বিমান যুদ্ধ দেখছে... এই দিনে, কমান্ড সেন্টারের অনেকেই ওপর দিয়ে উড়ে যাওয়া একটি ড্রোন দেখছিল। তারা দেখছিল গাড়ি এবং অস্থায়ী তাঁবুর জঞ্জালে ভরা একটি মাঠ, যা ছিল সপ্তাহের যুদ্ধের অবশিষ্টাংশ। সেখানে অনেক মানুষও ছিল। ড্রোনটি নদীর ধারে বালুর বাঁধের কাছে আশ্রয় নেওয়া একদল নারী ও শিশুর ওপর ফোকাস করে। ড্রোনটি কয়েক মিনিট সেখানে ঘুরেছে, ক্যামেরাগুলো তাদের ওপর ফোকাস করে ছিল, হয় ঘুমানোর জন্য অথবা আসন্ন যুদ্ধের হাত থেকে বাঁচতে। অপারেশন সেন্টারের লোকেরা শান্তভাবে এটি দেখছিল, তখন হঠাৎ... একটি আমেরিকান [[এফ-১৫|এফ-১৫]] অ্যাটাক জেট এসে এই নারী ও শিশুদের দলটির ওপর একটি বড় বোমা ফেলে... তাদের প্রায় সবাইকে হত্যা করে।
**[[ডেভিড ফিলিপস|ডেভ ফিলিপস]] উদ্ধৃত: [https://www.nytimes.com/2021/11/15/podcasts/the-daily/us-airstrike-casualties-isis.html?showTranscript=1 হাউ দ্য ইউ.এস. হিড আ ডেডলি এয়ারস্ট্রাইক], সাবরিনা টাভার্নিজ কর্তৃক, ''নিউ ইয়র্ক টাইমস'', ১৫ নভেম্বর ২০২১।
*কখন একটি লক্ষ্যে আঘাত করা যাবে তার নিয়ম আছে। অনেক সময় যারা সিদ্ধান্ত নেয় সেই নিয়মগুলো মানা হচ্ছে কি না, তারা কোনো কমান্ড সেন্টারে থাকে। তারা সব যাচাই করে অনুমতি দেয়। কিন্তু আপনি যদি বলেন যে আপনি আসন্ন হুমকির মুখে আছেন এবং নিজেকে রক্ষা করতে হবে, তবে খুব দ্রুত সেই নজরদারি এড়ানো যায়। [[যুদ্ধের আইন|যুদ্ধের আইন]] অনুযায়ী, এটি সবসময় অনুমোদিত। এটি টাস্ক ফোর্সকে সব অফিসার, নজরদারি এবং নিয়মকানুন জানা আইনজীবীদের এড়িয়ে সরাসরি বিমানের সাথে কথা বলার সুযোগ দেয়। তাই, কেউ তাদের প্রশ্ন করার আগেই তারা যা খুশি আঘাত করতে পারত... কিন্তু অপারেশন সেন্টারের লোকেরা দেখছিল যে টাস্ক ফোর্স ৯ প্রায় সব সময়ই এই অজুহাত ব্যবহার করছে।
**[[ডেভিড ফিলিপস|ডেভ ফিলিপস]] উদ্ধৃত: [https://www.nytimes.com/2021/11/15/podcasts/the-daily/us-airstrike-casualties-isis.html?showTranscript=1 হাউ দ্য ইউ.এস. হিড আ ডেডলি এয়ারস্ট্রাইক], সাবরিনা টাভার্নিজ কর্তৃক, ''নিউ ইয়র্ক টাইমস'', ১৫ নভেম্বর ২০২১।
*আমি মনে করি সামরিক বাহিনীতে এমন মানুষ আছে যারা জবাবদিহিতা চায় এবং এর জন্য কঠোর পরিশ্রম করেছে। কিন্তু তারা যে সিস্টেম তৈরি করেছে তা এতই ত্রুটিপূর্ণ যে এটি আসলে কতজন বেসামরিক নাগরিক মারা গেছে তা সম্পর্কে অর্থপূর্ণ কিছু বলতে পারে না। ভেবে দেখুন। এটি এমন একটি ঘটনা যেখানে ৭০ জন নিহত হয়েছিল। একটি হাই ডেফিনিশন রঙিন ড্রোন ক্যামেরার সামনে তারা মারা গিয়েছিল, যা অনেক সামরিক লোক দেখেছিল। এটি অবিলম্বে রিপোর্ট করা হয়েছিল এবং বারবার জানানো হয়েছিল। সিস্টেমটি কোনো যৌক্তিক উপায়ে সাড়া দিতে অক্ষম ছিল। সিস্টেম যদি এতটা স্পষ্ট কিছু সামলাতে না পারে, তবে এটি কী সামলাতে পারে?
**উদ্ধৃত: [https://www.nytimes.com/2021/11/15/podcasts/the-daily/us-airstrike-casualties-isis.html?showTranscript=1 হাউ দ্য ইউ.এস. হিড আ ডেডলি এয়ারস্ট্রাইক], সাবরিনা টাভার্নিজ কর্তৃক, ''নিউ ইয়র্ক টাইমস'', ১৫ নভেম্বর ২০২১।
*আমার মতে, যেকোনো আক্রমণ প্রতিহত করার জন্য আমাদের যথেষ্ট বড় সশস্ত্র বাহিনী থাকা প্রয়োজন। ভবিষ্যতের সম্ভাব্য আক্রমণকারীরা যদি আমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের সরঞ্জাম তৈরি করে, তবে আমাদের দ্রুততর হতে হবে। আমরা কি স্বেচ্ছায় তালিকাভুক্তির মাধ্যমে বাধ্য না করে স্থায়ীভাবে আমাদের [[মার্কিন নৌবাহিনী|নৌবাহিনী]] এবং সাত লাখ ৫০ হাজার সৈন্য ও ১২ লাখ ৫০ হাজার রিজার্ভ সৈন্য বজায় রাখতে পারি? স্থায়ী নীতি হিসেবে এই প্রশ্নের উত্তর নিজেরাই পরিষ্কার। এটি কেবল পরিষেবাকে যথেষ্ট আকর্ষণীয় করার বিষয়। আমরা ধরে নিচ্ছি যে সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়া একটি ত্যাগ; এটি যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে অপ্রীতিকর পেশা, যা প্রতিটি ছেলে সহজাতভাবে এড়িয়ে চলে। তা মোটেও হওয়া উচিত নয়। যুদ্ধের সময় সেনাবাহিনী বিপজ্জনক; কিন্তু আমরা যদি পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নিই তবে আমরা যুদ্ধে থাকব না। সেনাবাহিনী মূলত একটি শান্তিকালীন, অত্যন্ত বিশেষায়িত পেশা, যেখানে বিপদের সম্ভাবনা কম। অভিজ্ঞতা দেখায় যে বিপদের সম্ভাবনা আছে বলে মানুষ কোনো পেশা এড়িয়ে চলে না। অনেক বিপজ্জনক বেসামরিক পেশা আছে—হাই-টেনশন তার নিয়ে কাজ, টানেল নির্মাণ, কয়লা খনি—সেসব পেশায় আগ্রহীর অভাব হয় না। সেনাবাহিনীর অনেক সুবিধা আছে—দায়িত্বহীন এক পরিচ্ছন্ন ও নিয়মিত জীবন, শৃঙ্খলা ও আদেশের আকর্ষণ যা কিছু মানুষকে টানে এবং অন্যদের খুব বেশি কষ্ট দেয়। মাসে ২১ ডলারে স্বেচ্ছাসেবক হওয়ার মতো পেশা খুব কম, তবুও আজ আমরা মাসে পঁচিশ হাজারের বেশি মানুষকে তালিকাভুক্ত করছি। জুলাই মাসে আমরা ত্রিশ হাজারের বেশি তালিকাভুক্ত করেছি। স্বেচ্ছাসেবী তালিকাভুক্তি পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়নি। পর্যাপ্ত বেতন ও তিন বছরের তালিকাভুক্তি সত্ত্বেও, এটি যা চাওয়া হয়েছে তা অর্জন করেছে। এখন পর্যন্ত [[মার্কিন কংগ্রেস|কংগ্রেস]] এমনকি বলেনি যে একটি বড় সেনাবাহিনী প্রয়োজন। আমরা এমন একটি সেনাবাহিনী সরবরাহ না করার জন্য তালিকাভুক্তি সিস্টেমকে দোষ দিতে পারি না যা আমরা অনুমোদিত করিনি। [[হ্যারি এস. ট্রুম্যান|প্রেসিডেন্ট]] তালিকাভুক্তির জন্য কোনো আবেদন করেননি। নিশ্চিতভাবে প্রেসিডেন্টের নেতৃত্বে এবং স্বেচ্ছাসেবী ভিত্তিতে সংগঠিত একটি সাধারণ প্রচারণা পাঁচ লাখ মানুষ নিশ্চিত করতে পারে যদি প্রয়োজন হয়। অনেক লাখ মানুষ বেকার।
**[[রবার্ট এ. ট্যাফট]], স্টাথিস, এস. ডব্লিউ. ২০০৯-এ উদ্ধৃত। বার্ক-ওয়াডসওয়ার্থ বিল (সিলেক্টিভ ট্রেনিং অ্যান্ড সার্ভিস অ্যাক্ট অফ ১৯৪০) ∗ ১৯৪০ ∗। ইন: ২০০৯। ''ল্যান্ডমার্ক ডিবেটস ইন কংগ্রেস: ফ্রম দ্য ডিক্লারেশন অফ ইন্ডিপেন্ডেন্স টু দ্য ওয়ার ইন ইরাক'', ওয়াশিংটন, ডিসি: সিকিউ প্রেস। পৃষ্ঠা ৩২৭-৩৩৬।
*একজন বিদেশির কাছে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তি একটি সংজ্ঞায়িত জাতীয় বৈশিষ্ট্য।
**জর্ডান জি. টেইচার, [https://www.washingtonpost.com/news/in-sight/wp/2015/10/09/everyday-life-as-an-jrotc-cadet/?utm_term=.50afc770c709 "এভরিডে লাইফ অ্যাজ এন জেআরওটিসি ক্যাডেট"] (৯ অক্টোবর ২০১৫), ''দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট''
*বর্তমান মার্কিন সেনাবাহিনী এবং মেরিন কোরের শক্তি যথাক্রমে প্রায় ৫,১০,০০০ এবং ১,৮০,০০০। এছাড়াও, প্রায় ৮,০০,০০০ ন্যাশনাল গার্ড এবং রিজার্ভ সৈন্য আছে। এই সংখ্যাগুলো বোঝালেও যে যুক্তরাষ্ট্রের মোট ১৫ লাখ স্থল সৈন্য আছে, যুক্তরাষ্ট্রের অনেক প্রতিশ্রুতি যেকোনো একক সামরিক ইভেন্টের জন্য শক্তি সীমিত করে। প্রাতিষ্ঠানিক সমর্থন, [[ইউরোপ]] ও [[কোরিয়া|কোরিয়াতে]] প্রতিশ্রুতি এবং বাহিনীর প্রশিক্ষণ ও সরঞ্জাম পুনঃসজ্জার প্রয়োজনের কথা বিবেচনা করলে, যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভবত স্থল যুদ্ধের জন্য ২৫০,০০০ এর বেশি সক্রিয় ডিউটি সৈন্য নেই। ন্যাশনাল গার্ড ও রিজার্ভ পুরোপুরি সংগঠিত হলে, যুক্তরাষ্ট্র একটি অভিযানের জন্য সম্ভাব্য ১০ লাখ সৈন্য মাঠে নামাতে পারে।
**[[ব্রুস ডব্লিউ. টেরি|ব্রুস ডব্লিউ. টেরি]], [[:File:Use of land power to counter the Iranian nuclear proliferation challenge (2007).pdf|''দ্য ইউজ অফ ল্যান্ড পাওয়ার টু কাউন্টার দ্য ইরানিয়ান নিউক্লিয়ার প্রলিফারেশন চ্যালেঞ্জ'']] (২০০৭), কানসাস: ফোর্ট লিভেনওয়ার্থ।
*কন্টিনেন্টাল আর্মি সমন্বয়ের যে ডিগ্রি প্রদর্শন করেছিল, তা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগ পর্যন্ত ২০০ বছর ধরে আমেরিকান সেনাবাহিনী আর অর্জন করতে পারেনি।
**মেরি ভি. থম্পসন, [http://www.mountvernon.org/george-washington/slavery/the-only-unavoidable-subject-of-regret/ "দ্য অনলি আনএভয়ডেবল সাবজেক্ট অফ রিগ্রেট"], ''মাউন্ট ভার্নন''
*জাতি, বর্ণ, ধর্ম বা জাতীয় উৎপত্তিনির্বিশেষে সশস্ত্র বাহিনীর সকল ব্যক্তির জন্য সমান আচরণ ও সুযোগ থাকবে।
**[[হ্যারি এস. ট্রুম্যান]], [[s:Executive Order 9981|''এক্সিকিউটিভ অর্ডার ৯৯৮১'']] (২৬ জুলাই ১৯৪৮)
*আমরা এমন একটি বিশ্ব নেতৃত্ব অর্জন করেছি যা শুধুমাত্র আমাদের সামরিক ও নৌ শক্তির ওপর নির্ভর করে না।
**[[হ্যারি এস. ট্রুম্যান]], [http://www.trumanlibrary.org/ww2/stofunio.htm মার্কিন কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে ভাষণ] (১৬ এপ্রিল ১৯৪৫)।
*আমেরিকার ইউনিফর্মধারী নারী-পুরুষরা [[নাৎসিবাদ|নাৎসিবাদ]], [[সাম্রাজ্যবাদ|সাম্রাজ্যবাদ]], [[কমিউনিজম|কমিউনিজম]] এবং [[সন্ত্রাসবাদ|সন্ত্রাসবাদের]] বিরুদ্ধে লড়াইয়ে জীবন দিয়েছেন। আমেরিকা সংঘাত বা সংঘর্ষ চায় না, তবে আমরা তা থেকে কখনোই পালাব না। ইতিহাস এমন শাসকদের দ্বারা পরিপূর্ণ যারা বোকামির সাথে আমেরিকার সংকল্প পরীক্ষা করেছে। যে কেউ যুক্তরাষ্ট্রের শক্তি বা সংকল্প নিয়ে সন্দেহ করে, তারা আমাদের অতীতের দিকে তাকালে আর সন্দেহ করবে না। আমরা আমেরিকা বা আমাদের মিত্রদের ব্ল্যাকমেইল বা আক্রমণ হতে দেব না। আমরা আমেরিকান শহরগুলোকে ধ্বংসের হুমকির মুখে পড়তে দেব না। আমরা ভয় পাব না। এবং আমরা ইতিহাসে সবচেয়ে খারাপ নৃশংসতার পুনরাবৃত্তি হতে দেব না এই মাটিতে যা আমরা রক্ষা করতে কঠোর লড়াই করেছি এবং জীবন দিয়েছি।
**[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.presidency.ucsb.edu/documents/remarks-the-national-assembly-south-korea-seoul-south-korea সোল, দক্ষিণ কোরিয়ায় দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় পরিষদে মন্তব্য]; (৮ নভেম্বর ২০১৭)।
*সব পরিমাপে, [[পেন্টাগন|পেন্টাগন]] [[পেট্রোলিয়াম|পেট্রোলিয়াম]] পণ্য এবং শক্তির বৃহত্তম প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবহারকারী... তবুও, '''পেন্টাগনের সব আন্তর্জাতিক জলবায়ু চুক্তিতে সামগ্রিক ছাড় রয়েছে... [[জলবায়ু পরিবর্তন|জলবায়ু পরিবর্তন]] নিয়ে যেকোনো কথা যাতে সামরিক বাহিনী অন্তর্ভুক্ত নয়, তা কেবল গরম বাতাস'''... 'দ্য ক্লাইমেট অফ ওয়ার' রিপোর্ট অনুযায়ী, এটি কিয়োটো কনভেনশন অন ক্লাইমেট চেঞ্জে এমন একটি লুপহোল যা দিয়ে একটি ট্যাঙ্ক চালানো যায়। ১৯৪০ সালে, মার্কিন সামরিক বাহিনী দেশের মোট শক্তি ব্যবহারের এক শতাংশ ব্যবহার করত; দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষে, সামরিক বাহিনীর অংশ ২৯ শতাংশে উন্নীত হয়... সামরিকবাদ গ্রহের সবচেয়ে তেল-ক্ষয়কারী কার্যকলাপ, যা আরও দ্রুত, বড়, বেশি জ্বালানি-গ্রাসী বিমান, ট্যাঙ্ক এবং নৌযান নিয়ে আরও তীব্র আকাশ ও স্থল যুদ্ধে ব্যবহৃত হয়। মার্চ ২০০৩ সালে ইরাক যুদ্ধের শুরুতে, সেনাবাহিনী অনুমান করেছিল যে তিন সপ্তাহের যুদ্ধের জন্য তাদের ৪০ মিলিয়ন গ্যালনের বেশি [[গ্যাসোলিন|গ্যাসোলিন]] প্রয়োজন হবে, যা [[প্রথম বিশ্বযুদ্ধ|প্রথম বিশ্বযুদ্ধে]] মিত্রবাহিনীর চার বছরে ব্যবহৃত মোট পরিমাণের চেয়ে বেশি। সেনাবাহিনীর অস্ত্রভাণ্ডারের মধ্যে ছিল ২,০০০ এম-১ আব্রামস ট্যাঙ্ক যা যুদ্ধের জন্য চালু ছিল এবং প্রতি ঘণ্টায় ২৫০ গ্যালন জ্বালানি পোড়াত।
**[https://truthout.org/articles/the-military-assault-on-global-climate/ দ্য মিলিটারি অ্যাসল্ট অন গ্লোবাল ক্লাইমেট, এইচ প্যাট্রিসিয়া হেইনস কর্তৃক, ''ট্রুথআউট''], ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১১।
*ইউএস এয়ার ফোর্স (ইউএসএএফ) বিশ্বের [[জেট জ্বালানি|জেট জ্বালানি]]র একক বৃহত্তম ভোক্তা... এফ-৪ ফ্যান্টম ফাইটার প্রতি ঘণ্টায় ১,৬০০ গ্যালনের বেশি জেট জ্বালানি পোড়ায় এবং সুপারসনিক গতিতে প্রতি ঘণ্টায় ১৪,৪০০ গ্যালনে পৌঁছায়। আটটি জেট ইঞ্জিনযুক্ত বি-৫২ স্ট্র্যাটোক্রুজার প্রতি মিনিটে ৫৫ গ্যালন জ্বালানি গিলে ফেলে... বিশ্বের এক-চতুর্থাংশ জেট জ্বালানি ইউএসএএফ-এর উড়ন্ত হত্যার মেশিনগুলোকে খাওয়ায়; ২০০৬ সালে, তারা অবিশ্বাস্য ২.৬ বিলিয়ন গ্যালন ব্যবহার করেছিল।
**[https://truthout.org/articles/the-military-assault-on-global-climate/ দ্য মিলিটারি অ্যাসল্ট অন গ্লোবাল ক্লাইমেট, এইচ প্যাট্রিসিয়া হেইনস কর্তৃক, ''ট্রুথআউট''], ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১১।
*(যুক্তরাষ্ট্র) সামরিক বাহিনী কোনো জাতীয় বা আন্তর্জাতিক সংস্থায় [[জলবায়ু পরিবর্তন|জলবায়ু পরিবর্তন]] নিঃসরণের রিপোর্ট করে না, গ্লোবাল ওয়ার্মিং নিঃসরণ সীমাবদ্ধ করার প্রথম আন্তর্জাতিক চুক্তির ১৯৯৭ সালের কিয়োটো প্রোটোকল আলোচনার সময় যুক্তরাষ্ট্রের চাপের কারণে। তাদের কার্যকলাপের ওপর কোনো বিধিনিষেধ থেকে সামরিক বাহিনীকে রক্ষা করতে, যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছিল এবং জিতেছিল "বাঙ্কার" জ্বালানি (নৌযানের জন্য ঘন, ভারী জ্বালানি তেল) এবং বিশ্বব্যাপী সামরিক কার্যক্রম থেকে সমস্ত গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের ওপর সীমা থেকে ছাড়। আঘাতের ওপর আঘাত হিসেবে, [[জর্জ ডব্লিউ. বুশ|জর্জ ডব্লিউ. বুশ]] তার প্রেসিডেন্সির প্রথম কাজগুলোর একটি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রকে [[কিউটো প্রোটোকল|কিউটো প্রোটোকল]] থেকে বের করে নেন, এই বলে যে এটি খুব ব্যয়বহুল গ্রিনহাউস নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে মার্কিন অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দেবে। এরপর, হোয়াইট হাউস জলবায়ু পরিবর্তনের বিজ্ঞানের বিরুদ্ধে একটি নব্য-লুডাইট প্রচারণা শুরু করে। "দ্য গ্রিন জোন: দ্য এনভায়রনমেন্টাল কস্টস অফ মিলিটারিজম" নিয়ে গবেষণায়... প্রতিরক্ষা দপ্তর থেকে যুদ্ধের হতাহতের পরিসংখ্যান পাওয়া জ্বালানি ব্যবহারের ডেটা পাওয়ার চেয়ে সহজ।
**[https://truthout.org/articles/the-military-assault-on-global-climate/ দ্য মিলিটারি অ্যাসল্ট অন গ্লোবাল ক্লাইমেট, এইচ প্যাট্রিসিয়া হেইনস কর্তৃক, ''ট্রুথআউট''], ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১১।
==ভি==
*আমেরিকানরা এই [[সামরিক ঘাঁটি|ঘাঁটি]]গুলো নিয়ে যেটুকু ভাবে, আমরা সাধারণত মনে করি যে সেগুলো জাতীয় [[নিরাপত্তা|নিরাপত্তা]] এবং বিশ্ব [[শান্তি|শান্তি]]র জন্য অপরিহার্য। আমাদের নেতারা দাবি করেছেন যে এগুলোর বেশিরভাগই [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] এবং [[শীতল যুদ্ধ|শীতল যুদ্ধের]] শুরুর দিকে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ফলস্বরূপ, আমরা পরিস্থিতিকে [[স্বাভাবিক|স্বাভাবিক]] মনে করি এবং মেনে নিই যে অন্যান্য [[দেশ|দেশে]], অন্য জনগণের [[ভূমি|ভূমিতে]] মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলো বিস্ময়কর সংখ্যায় বিদ্যমান। অন্যদিকে, মার্কিন মাটিতে বিদেশী ঘাঁটি থাকার ধারণা অকল্পনীয়। <br> যদিও যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে কোনো স্বতন্ত্র বিদেশী ঘাঁটি নেই, তবে বিদেশী দেশগুলোতে এখন প্রায় ৮০০টি মার্কিন ঘাঁটি রয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ৭০ বছর এবং কোরীয় যুদ্ধের ৬২ বছর পরও, পেন্টাগনের মতে [[জার্মানি|জার্মানি]]তে ১৭৪টি, [[জাপান|জাপান]]ে ১১৩টি এবং [[দক্ষিণ কোরিয়া|দক্ষিণ কোরিয়া]]তে ৮৩টি মার্কিন "বেস সাইট" রয়েছে। আরও শত শত ঘাঁটি [[অরুব|অরুব]] এবং [[অস্ট্রেলিয়া|অস্ট্রেলিয়া]], [[বাহরাইন|বাহরাইন]] এবং [[বুলগেরিয়া|বুলগেরিয়া]], [[কলম্বিয়া|কলম্বিয়া]], [[কেনিয়া|কেনিয়া]] এবং [[কাতার|কাতার]] সহ প্রায় ৮০টি দেশে ছড়িয়ে আছে। যদিও খুব কম আমেরিকানই এটি বোঝে, সম্ভবত ইতিহাসের অন্য যেকোনো [[জনগণ|জনগণ]], [[জাতি|জাতি]] বা [[সাম্রাজ্য|সাম্রাজ্যের]] তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রের বিদেশী জমিতে বেশি ঘাঁটি রয়েছে।
**ডেভিড ভাইন, [https://www.thenation.com/article/the-united-states-probably-has-more-foreign-military-bases-than-any-other-people-nation-or-empire-in-history/ “দ্য ইউনাইটেড স্টেটস প্রোব্যাবলি হ্যাজ মোর ফরেন মিলিটারি বেসেস দ্যান এনি আদার পিপল, নেশন, অর এম্পায়ার ইন হিস্ট্রি”], ''দ্য নেশন'', (১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৫)।
==ডব্লিউ==
*উভয় [[উপসাগরীয় যুদ্ধ|উপসাগরীয় যুদ্ধেই]], মার্কিন সামরিক বাহিনী অবিশ্বাস্য দক্ষতা ও শৃঙ্খলার সাথে কাজ করেছে এবং আমেরিকা শিখেছে যে [[ভিয়েতনামের যুদ্ধ|ভিয়েতনামের]] [[মাই লাই হত্যাকাণ্ড|মাই লাই]]ের মতো ঘটনাগুলো ছিল ব্যতিক্রম, নিয়ম নয়।
**স্যাম উইলিয়ামসন, [http://supreme.findlaw.com/legal-commentary/a-review-of-anthony-swoffords-jarhead.html "আ রিভিউ অফ অ্যান্থনি সোফোর্ডস জারহেড"] (১৮ এপ্রিল ২০০৩)
*<p>এটি আশ্চর্যজনক, যখন আমরা একত্রিত হয়েছিলাম...</p><p>যখন আমরা আমাদের মতপার্থক্যগুলো দূরে সরিয়ে রেখেছিলাম এবং যারা আমাদের ক্ষতি করেছে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছিলাম...</p><p>যখন আমরা মৃতদের পরিবারকে সাহায্য করার জন্য একত্রিত হয়েছিলাম...</p><p>এটি আমাকে অসাধারণ অনুভব করিয়েছে। এটি আমাকে দেশপ্রেমিক করেছে, শক্তিশালী করেছে এবং এই দেশকে এমনভাবে ভালোবাসতে শিখিয়েছে যা আমি আমার দীর্ঘ জীবনে কখনো বাসিনি। আপনি জানেন? কারণ এটিই সেই আমেরিকা যার স্বপ্ন আমরা সবাই দেখি। এটিই সেই আমেরিকা যা আমরা সবাই চাই, শক্তিশালী ও ক্ষমতাধর একটি আমেরিকা যা প্রয়োজনে পাল্টা আঘাত করে। আমাদের ইতিহাসের বইগুলোতে আমরা যে ঘুমন্ত দৈত্যের কথা পড়েছি, যারা আমাদের প্রয়োজনীয় সুপার-পাওয়ার হতে প্রস্তুত এবং বিশ্বের সেরা সেনাবাহিনী নিয়ে। ওয়াও। ওয়াও। একটি কংগ্রেস এবং প্রেসিডেন্ট যারা একসাথে কাজ করবে, আর আমরা কী হয়েছি? এগারো বছর পর? এগারো বছর পর আমাদের সেই উত্তরগুলো নেই যা আমরা চেয়েছিলাম...</p><p>আমাদের কাছে বেশিরভাগই আছে। আমরা জানি কারা এটি করেছে, কেন তারা এটি করেছে। আমরা জানি তারা কীভাবে এটি করেছে। [[ষড়যন্ত্র তত্ত্ব|ষড়যন্ত্র তত্ত্ব]] প্রচুর আছে; প্রমাণ প্রায় সেখানে আছে। কিন্তু, আমরা নিজেদের ধ্বংস করতে অনেক কিছু করেছি। আমরা আমাদের স্বাধীনতা ধ্বংস করতে অনেক কিছু করেছি...</p>শেষ পর্যন্ত, আমরা যদি সেই পথে থাকতাম তবে আমরা যে আমেরিকা হতে পারতাম, আমরা যদি একসাথে থাকতাম তবে আমরা যে আমেরিকা হতে পারতাম, আমরা যদি ভালো হওয়ার জন্য, শক্তিশালী হওয়ার জন্য কঠোর পরিশ্রম করতাম, তা আবারও একটি স্বপ্ন। আপনি জানেন, এবং এটি সত্যিই দুঃখজনক...<p>আমরা আগের চেয়ে অনেক বেশি বিভক্ত, এবং তা? তা আমার হৃদয় ভেঙে দেয়...</p><p>আপনি? আপনার বয়স যদি আঠারোর নিচে হয়, আপনি আমাদের মতো আমেরিকায় কখনো বাস করেননি। আপনি জানেন? আপনি একটি ভালো দেশে বাস করেছেন, আমাকে ভুল বুঝবেন না। আপনি একটি চমৎকার দেশে বাস করেছেন, যেটি এখন অসুস্থ, এটি নিয়ে বিতর্কের কিছু নেই। কিন্তু, এত কাছে এবং তবুও? এত দূরে...</p><p>আমার সেই আমেরিকান স্বপ্নের কথা মনে পড়ে, এবং আমি শুধু ভাবি। আমি ভাবি আমেরিকা কি কখনো আগের মতো হতে পারবে। আমরা দেখব।</p>
**[[স্টিভেন উইলিয়ামস|স্টিভেন উইলিয়ামস]], [https://www.youtube.com/watch?v=JHfrce1Yd48 "স্টোরি টাইম উইথ বুগি: সেপ্টেম্বর ১১থ, ২০০১"] (সেপ্টেম্বর ২০১২), ''ইউটিউব''
*আমি আমাদের সামরিক বাহিনীর নারী-পুরুষদের তাদের সেবার জন্য কৃতজ্ঞ, কিন্তু সেনাবাহিনী কেবল একটি উপায়, প্রয়োজনীয় মন্দ। তাদের দৃষ্টির আড়ালে রাখা উচিত, ঠিক যেমন আমি আমার বাড়িতে বন্দুকগুলোকে দৃষ্টির আড়ালে রাখি। একটি সামরিক প্যারেড মহত্ত্ব প্রদর্শন করে না—এটি শক্তি প্রদর্শন করে। এবং সম্ভবত সেখানেই আমি আমাদের নতুন [[জাতীয়তাবাদ|জাতীয়তাবাদীদের]] সাথে দ্বিমত পোষণ করি। আমার দৃষ্টিতে, ওয়াশিংটনের সবকিছুর চেয়ে একটি [[নিউ ইংল্যান্ড|নিউ ইংল্যান্ড]] টাউন হলে আমেরিকান মহত্ত্ব বেশি, এবং সব ট্যাঙ্ক ও রকেটের চেয়ে একটি [[অরেগন|অরেগন]] আপেল বাগান বা রোটারি মিটিংয়ে আমেরিকান মহত্ত্ব বেশি।
**[[কেভিন ডি. উইলিয়ামসন]], [https://www.nationalreview.com/2019/03/american-nationalism-public-policy-aesthetics-donald-trump/ "দ্য ন্যাশনালিজম শো"] (মার্চ ২০১৯), ''ন্যাশনাল রিভিউ''
*[[প্রজাতন্ত্রবাদ|প্রজাতন্ত্রবাদ]] মরে যায়নি। তারা ব্যক্তিগত [[সম্পদ|সম্পদ]] এবং [[সুখ|সুখ]]ের জন্য হুড়োহুড়ি প্রশমিত করতে রয়ে গেছে এবং তারা আমাদের অনেক আদর্শ ও আকাঙ্ক্ষার মূলে রয়েছে: [[সাম্য|সাম্য]]ে আমাদের বিশ্বাস এবং আড়ম্বর ও বিশেষাধিকারের প্রতি আমাদের অপছন্দ; ব্যক্তিগত স্বায়ত্তশাসন ও নির্ভরশীলতার সব বন্ধন থেকে মুক্তির জন্য আমাদের গভীর আকাঙ্ক্ষা; আমাদের পর্যায়ক্রমিক আশা, যা প্রকাশ পেয়েছে, উদাহরণস্বরূপ, সামরিক বীরদের নির্বাচনে।
**[[গর্ডন এস. উড|গর্ডন উড]], [http://scholarship.kentlaw.iit.edu/cgi/viewcontent.cgi?article=2785&context=cklawreview "ক্লাসিক্যাল রিপাবলিকানিজম অ্যান্ড দ্য আমেরিকান রেভল্যুশন"] (এপ্রিল ১৯৯০), ''শিকাগোকেন্ট ল রিভিউ''
==জেড==
*[[তালিবান|তালিবান]] চুক্তির বিষয়বস্তু মেনে চলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রসহ সব দেশের সাথে ভালো ও ইতিবাচক সম্পর্ক আশা করে।
** [[জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ|জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ]], তালিবানের মুখপাত্র, তালিবান আফগানিস্তান থেকে প্রাথমিক সৈন্য প্রত্যাহারের বিষয়ে [[ট্রাম্প|ট্রাম্প]]ের টুইটকে স্বাগত জানিয়েছে [https://globalnews.ca/news/7385728/taliban-trump-tweet-early-troop-withdrawal-afghanistan/ প্রকাশিত ৮ অক্টোবর, ২০২০]
*ভবিষ্যতের [[আগ্রাসী যুদ্ধ|আগ্রাসী যুদ্ধের]] কৌশলগত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের [[সামরিক-শিল্প কমপ্লেক্স|সামরিক-শিল্প কমপ্লেক্স]]ের সুবিধা নেওয়ার ইচ্ছার সাথে সম্পর্কিত, যা [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরবর্তী সময়|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষে]] বিশাল আকার ধারণ করেছিল। [[আমেরিকান সাম্রাজ্যবাদ|আমেরিকান সাম্রাজ্যবাদ]] ক্রমাগত দেশটিকে সামরিকায়নের নীতি অনুসরণ করছে। [[মার্কিন সেনাবাহিনী|মার্কিন সেনাবাহিনী]] ও [[মার্কিন নৌবাহিনী|নৌবাহিনীর]] ব্যয় বছরে ১১,০০০ মিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। ১৯৪৭-৪৮ সালে, আমেরিকার বাজেটের ৩৫ শতাংশ সশস্ত্র বাহিনীর জন্য বরাদ্দ করা হয়েছিল, যা ১৯৩৭-৩৮ সালের তুলনায় এগারো গুণ বেশি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরুর সময় আমেরিকান সেনাবাহিনী [[পুঁজিবাদ|পুঁজিবাদী]] বিশ্বের সপ্তদশ বৃহত্তম ছিল; আজ এটি বৃহত্তম। যুক্তরাষ্ট্র কেবল [[পারমাণবিক অস্ত্র|পারমাণবিক বোমা]]র মজুদই বাড়াচ্ছে না; আমেরিকান কৌশলবিদরা খোলামেলাভাবে বলছে যে তারা [[ব্যাকটেরিওলজিক্যাল অস্ত্র|ব্যাকটেরিওলজিক্যাল অস্ত্র]] তৈরি করছে। যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত পরিকল্পনায় শান্তির সময়ে [[আমেরিকা মহাদেশ|আমেরিকা মহাদেশ]] থেকে অনেক দূরে অসংখ্য ঘাঁটি ও সুবিধাজনক স্থান তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে, যা [[সোভিয়েত ইউনিয়ন|সোভিয়েত ইউনিয়ন]] ও নতুন গণতন্ত্রের দেশগুলোর বিরুদ্ধে আগ্রাসী উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হবে। আমেরিকা [[আলাস্কা|আলাস্কা]], [[জাপান|জাপান]], [[ইতালি|ইতালি]], [[দক্ষিণ কোরিয়া|দক্ষিণ কোরিয়া]], [[চীন|চীন]], [[মিশর|মিশর]], [[ইরান|ইরান]], [[তুরস্ক|তুরস্ক]], [[গ্রিস|গ্রিস]], [[অস্ট্রিয়া|অস্ট্রিয়া]] এবং [[পশ্চিম জার্মানি|পশ্চিম জার্মানি]]তে বিমান ও নৌ ঘাঁটি তৈরি করেছে বা করছে। [[আফগানিস্তান|আফগানিস্তান]] এবং এমনকি [[নেপাল|নেপাল]]েও আমেরিকান সামরিক মিশন রয়েছে। সামরিক আগ্রাসনের উদ্দেশ্যে [[উত্তর মেরু|উত্তর মেরু]] ব্যবহারের জন্য উন্মাদ প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
** [[আন্দ্রে ঝদানভ]], "[https://soviethistory.msu.edu/1947-2/cold-war/cold-war-texts/zhdanov-on-the-international-situation/ নিউ আসপেক্টস অফ ওয়ার্ল্ড কনফ্লিক্ট: দ্য ইন্টারন্যাশনাল সিচুয়েশন]," ২২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭।
==আরও দেখুন==
* [[পেন্টাগন]]
* [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সেনাবাহিনী]]
* [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিমান বাহিনী]]
* [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কোস্ট গার্ড]]
* [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মেরিন কোর]]
* [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নৌবাহিনী]]
* [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র স্পেস ফোর্স]]
* [[আইভান এডওয়ার্ডস]]
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সশস্ত্র বাহিনী| ]]
pr4ry4loa68nnmybxllvdw1jwc6i1dh
83374
83373
2026-05-04T03:15:09Z
SMontaha32
3112
83374
wikitext
text/x-wiki
[[File:Meuse-Argonne, 26 September–1 October 1918.gif|thumb|বিশ্বের সকল জাতি, ধর্ম ও বর্ণের মানুষ এই জাতির [[w:মার্কিন সশস্ত্র বাহিনী|সশস্ত্র বাহিনীতে]] প্রতিনিধিত্ব করেছে, যেমনটি আমাদের জনগোষ্ঠীর মধ্যে ছিল। কারও জাতিগত পরিচয়, রাজনৈতিক মতাদর্শ বা ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে তার দেশপ্রেম বা সেবাকে কেউ তুচ্ছ করেনি। অভিবাসী ও তাদের সন্তানরা... আমাদের মিত্র দেশগুলোর বংশধর, বিষুবীয় আফ্রিকার সন্তান এবং আমাদের নিজস্ব আদিবাসী জনগোষ্ঠীর লাল মানুষের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধ করেছে। তারা সবাই সমানভাবে নিজেদের 'আমেরিকান' পরিচয়ে গর্বিত ছিল। ~ [[ক্যালভিন কুলিজ]]]]
[[File:Brigadier General Smedley Butler, 1927 (14773211711).jpg|thumb|আমি সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট থেকে মেজর-জেনারেল পর্যন্ত সকল কমিশনড পদে দায়িত্ব পালন করেছি। সেই সময়ে আমি আমার বেশিরভাগ সময় ব্যয় করেছি বড় ব্যবসা, ওয়াল স্ট্রিট এবং ব্যাংকারদের জন্য উচ্চমানের গুণ্ডা হিসেবে কাজ করতে। সংক্ষেপে, আমি ছিলাম একজন র্যাকেটিয়ার, পুঁজিবাদের জন্য একজন গ্যাংস্টার। ~ [[স্মেলি বাটলার]]]]
[[File:Haditha massacre.jpg|thumb|আমাদের জেগে উঠতে হবে এবং উপলব্ধি করতে হবে যে আমাদের প্রকৃত শত্রুরা কোনো দূরবর্তী দেশে নেই। তারা এমন কেউ নয় যাদের নাম আমরা জানি না বা যাদের সংস্কৃতি আমরা বুঝি না। শত্রুরা হলো এমন মানুষ যাদের আমরা খুব ভালোভাবেই চিনি এবং যাদের আমরা চিহ্নিত করতে পারি। শত্রু হলো সেই ব্যবস্থা যা লাভজনক হলেই যুদ্ধ বাধায়। শত্রু হলো সেই সব সিইও, যারা মুনাফার জন্য আমাদের চাকরি থেকে ছাঁটাই করে। যারা মুনাফার জন্য আমাদের স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত করে, সেই বিমা কোম্পানিগুলোই শত্রু। যারা মুনাফার জন্য আমাদের ঘরবাড়ি কেড়ে নেয়, সেই ব্যাংকগুলোই শত্রু। আমাদের শত্রুরা পাঁচ হাজার মাইল দূরে নয়, তারা আমাদের ঘরেই রয়েছে। ~ মাইকেল প্রিসনার]]
[[File:Huey Newton.jpg|thumb|আমরা বিশ্বের অন্য কোনো বর্ণের মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব না বা তাদের হত্যা করব না। কারণ কৃষ্ণাঙ্গদের মতোই তারাও আমেরিকার শ্বেতাঙ্গ বর্ণবাদী সরকারের শিকার। ~ [[হিউ নিউটন]]]]
[[File:STTC_Logo.png|thumb|মার্কিন সেনাবাহিনী এবং মেরিন কোরের বর্তমান সদস্য সংখ্যা যথাক্রমে প্রায় ৫,১০,০০০ এবং ১,৮০,০০০। এছাড়া, সেনাবাহিনী ও মেরিন কোরের জন্য প্রায় ৮,০০,০০০ ন্যাশনাল গার্ড ও রিজার্ভ সেনা প্রস্তুত রয়েছে। যদিও এই সংখ্যা অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ১৫ লক্ষ মোট স্থলসেনা রয়েছে, তবুও দেশটির অনেক দায়বদ্ধতা থাকায় একক কোনো সামরিক অভিযানের জন্য এই শক্তি সীমিত হয়ে যায়। প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা, ইউরোপ ও কোরিয়ায় মার্কিন দায়বদ্ধতা এবং বাহিনীর পুনঃপ্রশিক্ষণ ও অস্ত্রসজ্জিত করার বিষয়গুলো বিবেচনা করলে, যুক্তরাষ্ট্রের হয়তো স্থলযুদ্ধের জন্য ২৫০,০০০-এর বেশি সক্রিয় সেনা নেই। যদি ন্যাশনাল গার্ড ও রিজার্ভ বাহিনীকে পুরোপুরি কাজে লাগানো যায়, তবে যুক্তরাষ্ট্র সম্ভাব্য অভিযানে দশ লক্ষ সৈন্য মাঠে নামাতে পারবে। ~ [[ব্রুস ডব্লিউ. টেরি|ব্রুস ডব্লিউ. টেরি]]]]
[[File:X-35.jpg|thumb|যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক শক্তিতে পরিণত হয়, তখন পৃথিবী অনেক বেশি নিরাপদ ও ভালো জায়গায় থাকে। ~ [[মার্কো রুবিও]]]]
[[File:Members_of_the_54th_Massachusetts_Volunteer_Regiment_color_guard_march_during_the_57th_presidential_inauguration_parade_130121-A-TT968-141.jpg|thumb|আমেরিকা আজও ইতিহাসের সবচেয়ে সুশৃঙ্খল ও মানবিক সামরিক বাহিনী বজায় রেখেছে। প্রাচীন বাহিনীগুলো যারা যুদ্ধের লুণ্ঠনে মত্ত থাকত, কিংবা আধুনিক বাহিনীগুলো যারা নির্বিচারে বেসামরিক নাগরিক ও বন্দিদের হত্যা করে, তাদের তুলনায় এটি সংযমের একটি আদর্শ দৃষ্টান্ত। ~ ''নিউজউইক'']]
[[File:Maryland National Guard (17285160576).jpg|thumb|আমি আশা করি, রাস্তাঘাট, টিউব ও বাসে আমরা যে তরুণ আমেরিকান সৈনিকদের সাথে পরিচিত হচ্ছি, তারা আমাদের কাছে ঠিক ততটাই ভালো লেগেছে, যতটা আমরা তাদের ভালোবেসেছি। ~ [[আলফ্রেড জর্জ গার্ডিনার|আলফ্রেড জর্জ গার্ডিনার]]]]
[[File:2014PlainviewMNparadeCivilWar.jpg|thumb|দেশের জন্য লড়াই ও জীবন দেওয়ার জন্য আপনাকে ‘সোজা’ হতে হবে না। আপনার শুধু লক্ষ্যভেদ করতে পারাটাই যথেষ্ট। ~ [[ব্যারি গোল্ডওয়াটার]]]]
[[File:OlusteeKAFL.jpg|thumb|আমাদের সেনাদের চালানো যুদ্ধগুলো দুটি ভিন্ন ব্যবস্থার মধ্যকার বৃহত্তর সংগ্রামের অংশ। প্রথম ব্যবস্থায়, একদল ধর্মান্ধ গোষ্ঠী একটি নিপীড়নমূলক মতাদর্শের প্রতি পূর্ণ আনুগত্য দাবি করে, নারীদের দাসত্বে বাধ্য করে এবং অবিশ্বাসীদের হত্যার লক্ষ্য নির্ধারণ করে। অন্য ব্যবস্থাটি এই বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত যে, স্বাধীনতা হলো সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের সার্বজনীন উপহার। ~ [[জর্জ ডব্লিউ. বুশ]]]]
[[File:The Old Flag Never Touched the Ground.jpg|thumb|সৈনিক ও গণতান্ত্রিকভাবে নিহতরা আমেরিকান মুক্তিদাতাদের দীর্ঘ ঐতিহ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে, যার শুরুটা হয়েছিল আমেরিকান বিপ্লব থেকে... গৃহযুদ্ধ ছিল এই ঐতিহ্যের একটি ভিত্তিপ্রস্তর। একাডেমিক ইতিহাসবিদরা লেখেন যে এটি ছিল আঞ্চলিকতাবাদের কারণে... [[আব্রাহাম লিংকন|লিংকন]] জানতেন এর মূলে কী ছিল... দাসপ্রথা 'একটি অদ্ভুত ও শক্তিশালী স্বার্থের জন্ম দিয়েছিল। সবাই জানত যে এই স্বার্থই কোনোভাবে যুদ্ধের কারণ ছিল'... সৈন্যরা ইউনিয়ন রক্ষা করতে লড়াই করেছিল, কিন্তু তারা মানব বন্ধন শেষ করার জন্যও যুদ্ধ করেছিল। ~ [[জোসেফ মরিসন স্কিলি|জোসেফ এম. স্কিলি]]]]
[[File:Defense.gov_photo_essay_080703-F-9629D-147.jpg|thumb|আমি যখন আমাদের সেনাদের অভিযানে ডেকেছিলাম, তখন তাদের সাহস ও দক্ষতার ওপর আমার পূর্ণ আস্থা ছিল। আর আজ রাতে, তাদের কল্যাণে আমরা জিতছি। ~ [[জর্জ ডব্লিউ. বুশ]]]]
[[File:US Navy 031109-N-9769P-076 Guided missile cruiser USS Lake Champlain (CG 57) steams in the Southern California operating area.jpg|thumb|আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর নারী ও পুরুষেরা এখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি শত্রুর কাছে একটি পরিষ্কার বার্তা পৌঁছে দিয়েছে। ৭,০০০ মাইল দূরে, মহাসাগর ও মহাদেশ পেরিয়ে, পাহাড়ের চূড়ায় বা গুহায় থাকলেও; তোমরা এই জাতির বিচার থেকে রেহাই পাবে না। ~ [[জর্জ ডব্লিউ. বুশ]]]]
[[File:U.S. Army Pfc. Phoebe Alvarez, left, an administrative clerk with the 307th Engineer Battalion, and Command Sgt. Maj. Thomas Capel, right, the command sergeant major of the International Security Assistance 130524-M-UF830-033.jpg|thumb|যদি আমেরিকার প্রতিটি প্রান্তে স্বাধীন নাগরিকদের ওপর নক্ষত্রখচিত পতাকা উড়তে থাকে, এবং আমাদের দেশ যদি ন্যায়বিচার, স্বাধীনতা ও সভ্যতার পথে একটি দীর্ঘ ও গৌরবময় যাত্রা বজায় রাখতে পারে, তবে আমরা এই মহৎ সেনাবাহিনীর নিঃস্বার্থ ত্যাগের কাছে ঋণী। ~ [[ফ্রেডরিক ডগলাস]]]]
[[File:Sailor with boatswain's pipe, USS Fitzgerald (DDG-62), May 2014.jpg|thumb|আমাদের কাছে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বাহিনী আছে, ''কারণ'' আমাদের কাছে সেরা মানুষগুলো আছে। ~ অ্যাশটন কার্টার]]
[[File:150413-N-XM324-040 - PO3 Christina Casillas applies a splint to a simulated broken arm aboard USS Fitzgerald.jpg|thumb|আমাকে অবশ্যই সেইসব নারী ও পুরুষের সেবার কথা বলতে হবে যারা প্রজাতন্ত্রের পতাকাতলে সমবেত হয়েছিল... আমেরিকা তাদের প্রদত্ত সেবা, ত্যাগ এবং সহ্য করা কষ্টগুলো উপলব্ধি করে এবং মূল্যায়ন করে... তারা সবাই ছিল সাহসী। তারা সবাই ছিল আত্মত্যাগী... স্থল ও সমুদ্রের চল্লিশ লক্ষ ডিফেন্ডার জনগণের সেরা ঐতিহ্যের যোগ্য ছিল... তারা আমাদের গর্বিত করেছে। তাদের প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞতা রয়েছে, যা অবশ্যই যথাযথভাবে প্রকাশ করা উচিত। ~ [[ওয়ারেন জি. হার্ডিং]]]]
[[File:150902-N-XF387-351 - SN Ana Motapalomares records bearings.jpg|thumb|আমাদের প্রতিরক্ষা নিহিত রয়েছে সেই চেতনা সংরক্ষণের মধ্যে, যা স্বাধীনতাকে সকল মানুষের, সকল দেশের এবং সর্বকালের ঐতিহ্য হিসেবে মূল্যায়ন করে। ~ [[আব্রাহাম লিংকন]]]]
[[File:Iraqi child with U.S. Troops.jpg|thumb|[[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|আমরা]] গত শতাব্দীজুড়ে নিপীড়ন দমনের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনীর নারী ও পুরুষদের বিশ্বের অন্যান্য প্রান্তে পাঠিয়েছি। আমরা ফ্যাসিবাদের পরাজয় ঘটিয়েছি... আমরা তা করতে ইচ্ছুক ছিলাম, সানন্দেই করেছি... সবকিছুই মানুষের অধিকার রক্ষার স্বার্থে, এবং যখন সেই সংঘাতগুলো শেষ হলো? আমরা কী করলাম? আমরা কি সেখানে থেকে দখল করেছিলাম? আমরা কি বলেছিলাম, ''ওকে, আমরা জার্মানিকে হারিয়েছি। এখন জার্মানি আমাদের? আমরা জাপানকে হারিয়েছি, তাই জাপান আমাদের?''? না... আমরা তাদের গড়ে তুলেছি। আমরা তাদের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা দিয়েছি যা তারা গ্রহণ করেছে... আমরা কি কোনো জমি চেয়েছি? না। আমরা একমাত্র যে জমিটি চেয়েছিলাম তা ছিল আমাদের মৃতদের কবর দেওয়ার মতো যথেষ্ট জমি, আর এই ধরনের জাতিই আমরা। ~ [[কলিন পাওয়েল]]]]
[[File:OlusteeKAFL.jpg|thumb|সামরিক বাহিনী কোনো বস্তু নয়। এটি একদল নিবেদিতপ্রাণ দেশপ্রেমিক যারা আমাদের জন্য সবকিছু ত্যাগ করতে ইচ্ছুক। এটি কেবল এর ভেতরের মানুষগুলোর কারণেই কাজ করে। যন্ত্রপাতি যতই চমৎকার হোক—আর আমাদের চমৎকার যন্ত্রপাতি রয়েছে—মেশিন, অস্ত্র এবং স্যাটেলাইট যতই আধুনিক হোক না কেন, চূড়ান্ত বিচারে এটি অসাধারণ মানুষগুলোর ওপরই নির্ভর করে। ~ [[বারাক ওবামা]]]]
[[File:319th AFA soldiers chillin' out in Iraq.jpg|thumb|আমেরিকায় সৈনিকদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। তাদের সাহস ও ত্যাগের কথা বারবার মনে করিয়ে দেওয়া হয়। সৈনিকদের নিঃস্বার্থতার এক অদৃশ্য আভা থাকে এবং তারা অত্যন্ত মর্যাদার সাথে চলাফেরা করে। ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্টরা ইউনিফর্ম পরা সৈনিকদের ফার্স্ট ক্লাসে আপগ্রেড করেন, রেস্তোরাঁগুলো ভেটারানদের ছাড় দেয় এবং অপরিচিতরা তাদের হাত মেলায়। ~ বেনামী]]
[[File:011217-N-9769S-207 Ready for Working Party.jpg|thumb|এরা আমাদের সন্তান... এরা ভালো ছেলেমেয়ে... সেনাবাহিনী বা মেরিন কোরে যোগ দিলে কেউ নাৎসি হয়ে যায় না; বরং সে আমেরিকার এক সন্তান হয়ে ওঠে যে তার দেশের জন্য কাজ করছে। ~ [[টম ক্ল্যান্সি]]]]
[[File:Four_366th_Infantry_officers.gif|thumb|সামরিক বাহিনী সবসময়ই একটি অন্তর্মুখী সংগঠন। সেনাবাহিনী যে কারণে এতটা প্রগতিশীল তার একটি কারণ হলো, তারা সবসময় নিজেদের বিশ্লেষণ করে। সেনাবাহিনী সবসময় নিজের কাজ আরও ভালোভাবে করার উপায় খোঁজে... সেনাবাহিনীই আমেরিকায় বর্ণবৈষম্য দূরীকরণে নেতৃত্ব দিয়েছে... সেনাবাহিনী খুব আগেই বুঝতে পেরেছিল যে, কৃষ্ণাঙ্গ মানুষরা শ্বেতাঙ্গদের মতোই; পার্থক্য শুধু গায়ের রঙ একটু বেশি গাঢ়। তারাও সমান ভালো সৈনিক হতে পারে। ~ [[টম ক্ল্যান্সি]]]]
[[File:HHC U.S. Army soldiers.png|thumb|সৈনিকেরা। আপনারা এখন আপনাদের বাড়ি ও বন্ধুদের কাছে ফিরতে চলেছেন... আমি আপনাদের কাছে এবং যারা দেশের ডাকে সাড়া দিয়েছেন তাদের সবার কাছে অত্যন্ত ঋণী। আমি চাই দেশটি এখন কী কাজে ব্যস্ত তা যেন সবাই ব্যাপকভাবে বুঝতে পারে। আমরা সবাই একমত হব যে, আমাদের একটি মুক্ত সরকার রয়েছে, যেখানে প্রত্যেক মানুষেরই সমান অধিকার রয়েছে। ~ [[আব্রাহাম লিংকন]]]]
[[File:101110-N-6477M-070 Veteran's Day Naturalization Ceremony aboard USS Midway.jpg|thumb|আপনার সন্তানরা আমেরিকান সৈনিকের শান্ত, সুচিন্তিত ও দৃঢ় যুদ্ধস্পৃহা নিয়ে আপনাদের সেবা করেছে। তাদের এই স্পৃহা সত্যের ঐতিহ্যের ওপর প্রতিষ্ঠিত, আর শত্রুর উন্মাদনা কেবল কাল্পনিক গল্পের ওপর ভিত্তি করে। তাদের আধ্যাত্মিক শক্তি ও ক্ষমতা আমাদের জয়ী করেছে। ~ [[ডগলাস ম্যাকআর্থার]]]]
[[File:US Navy 051206-M-7173M-015 Hospital Corpsman 3rd Class Jesse Munsey, assigned to the 2nd Battalion, 6th Marines, Gulf Company, observes the road up ahead.jpg|thumb|আমেরিকা এবং আমাদের মিত্ররা এক ভিন্ন ধরনের শত্রুর বিরুদ্ধে নতুন এক ধরনের যুদ্ধ করছে। এই সংঘাত আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর নারী ও পুরুষদের ওপর—যার মধ্যে গার্ড ও রিজার্ভও অন্তর্ভুক্ত—বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে। তারা প্রতিটি পরীক্ষায় সফল হয়েছে; প্রতিটি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেছে। ~ [[জর্জ ডব্লিউ. বুশ]]]]
[[File:B-2 Spirit original.jpg|thumb|বিশ্বে মার্কিন সামরিক আধিপত্যের সারমর্ম হলো, তারা ইচ্ছে করলেই মাত্র কয়েক ঘণ্টার নোটিশে পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে বোমা ফেলতে পারে। অন্য কোনো সরকারের এমন সক্ষমতা কোনোদিন ছিল না। ~ [[ডেভিড গ্রেবার]]]]
[[File:USS New Orleans (LPD-18) launches RIM-116 missile 2013.jpg|thumb|আমেরিকার সামরিক শ্রেষ্ঠত্ব এখনো অপ্রতিদ্বন্দ্বী। এই কথাটি চূড়ান্ত... যুক্তরাষ্ট্র স্থল, সমুদ্র, আকাশ এবং মহাকাশে আধিপত্য বজায় রেখেছে। ~ ইয়ান ব্রেমার]]
[[File:U.S. Marines at Camp Geiger in 1999.jpg|thumb|নিজেদের রক্ষা করার আগে বেসামরিক নাগরিকদের রক্ষা করাই আমেরিকান সৈনিকদের কাজ। এভাবে তারা নিজেদের আরও ভালোভাবে রক্ষা করতে পারে। বিষয়টি আপাতদৃষ্টিতে অদ্ভুত মনে হতে পারে, তবে এটিই নিয়মমাফিক ও সোজা পথ। ~ মাইকেল টোটেন]]
[[File:82nd_Sus._Bde._supports_emergency_deployment_readiness_exercise_130128-A-QD996-003.jpg|thumb|যখন আমরা সব ভেদাভেদ ভুলে যারা আমাদের ক্ষতি করেছে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলাম... তা আমাকে অসাধারণ এক অনুভূতি দিয়েছিল। এটি আমাকে দেশপ্রেমিক, শক্তিশালী করে তুলেছিল। আমি এই দেশকে এমনভাবে ভালোবাসতে শুরু করলাম যা আমার জীবনে আগে কখনো অনুভব করিনি... আমরা সবাই এমন এক আমেরিকার স্বপ্ন দেখি। আমরা এমন এক শক্তিশালী ও পরাক্রমশালী আমেরিকাকে চাই, যা প্রয়োজনে পাল্টা আঘাত করে। আমাদের ইতিহাস বইয়ে ঘুমন্ত দৈত্যের কথা শেখানো হয়েছিল, যে প্রয়োজনের সময় পরাশক্তি হিসেবে জেগে ওঠে এবং যার রয়েছে বিশ্বের সেরা সেনাবাহিনী। ~ স্টিভেন উইলিয়ামস]]
[[File:Iraqi girls playing.jpg|thumb|পৃথিবীতে যদি শান্তির কোনো কারিগর থেকে থাকে, তবে সেটি হলো মার্কিন সামরিক বাহিনী। ~ [[রাশ লিম্বো]]]]
[[File:American_bases_worldwide.svg|thumb|আমেরিকানরা এই ঘাঁটি সম্পর্কে যতটা ভাবে, তাতে আমরা সাধারণত মনে করি যে এগুলো জাতীয় নিরাপত্তা ও বিশ্ব শান্তির জন্য অপরিহার্য। বেশিরভাগ ঘাঁটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ এবং শীতল যুদ্ধের শুরুর দিকে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সময় থেকেই আমাদের নেতারা এমনটা দাবি করে আসছেন। এর ফলে, আমরা এই পরিস্থিতিকে স্বাভাবিক মনে করি এবং মেনে নিই যে, বিপুল সংখ্যক মার্কিন সামরিক স্থাপনা অন্য দেশের মানুষের ভূমিতে রয়েছে। অন্যদিকে, মার্কিন মাটিতে অন্য দেশের ঘাঁটি থাকার ধারণাটিই অকল্পনীয়। ~ ডেভিড ভাইন]]
[[File:U.S._Military_Installations_Map.jpg|thumb|এই ব্যবস্থার কেন্দ্রে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যা আজকের বিশ্বের একমাত্র টিকে থাকা সাম্রাজ্য। [[মানবতা|মানবতার ইতিহাসে]] এই প্রথম একটিমাত্র সাম্রাজ্য এত প্রভাবশালী, যার সামরিক বাজেট পরের ১৫টি দেশের সম্মিলিত বাজেটের চেয়েও বেশি এবং যার সামরিক-শিল্প কমপ্লেক্স নিজেই বিশ্বের একাদশ বৃহত্তম অর্থনৈতিক সত্তা। আমরা এই বাস্তবতায় বাস করি এবং এই বাস্তবতা ভিন্ন ভিন্নভাবে আমাদের মুখোমুখি হয়। ~ [[তারিক আলী]]]]
'''মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনী''' হলো [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র]]ের জাতীয় সামরিক বাহিনী। এটি [[w:উত্তর আমেরিকা|উত্তর আমেরিকা]] মহাদেশের একটি দেশ। অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষের দিকে এই বাহিনী [[w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সেনাবাহিনী|মার্কিন সেনাবাহিনী]], [[w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নৌবাহিনী|মার্কিন নৌবাহিনী]], [[W:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মেরিন কোর|মার্কিন মেরিন কোর]], [[w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিমান বাহিনী|মার্কিন বিমান বাহিনী]], [[W:মার্কিন কোস্ট গার্ড|মার্কিন কোস্ট গার্ড]] এবং [[w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মহাকাশ বাহিনী|মার্কিন মহাকাশ বাহিনী]] নিয়ে গঠিত হয়। এটিকে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক বাহিনী হিসেবে গণ্য করা হয়।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি এই বাহিনীর সর্বাধিনায়ক। তিনি সামরিক নীতি নির্ধারণে মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের সাথে কাজ করেন। এটি একটি ফেডারেল নির্বাহী বিভাগ। যা সামরিক নীতি ও যুদ্ধ পরিচালনার মূল সংস্থা হিসেবে কাজ করে। প্রতিটি শাখার সর্বোচ্চ পদমর্যাদার কর্মকর্তারা [[w:জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফ|জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফ]] হিসেবে রাষ্ট্রপতিকে পরামর্শ দেন। তবে তাদের সরাসরি অপারেশনাল কমান্ড নেই। [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি]] হিসেবে বর্তমানে [[জো বাইডেন]] সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান এবং প্রতিরক্ষা বিভাগের দায়িত্বে রয়েছেন প্রতিরক্ষাসচিব [[লয়েড অস্টিন]]।
==এ==
*আমাদের কাছে বিশাল সু[[শৃঙ্খলা|শৃঙ্খল]] এবং সুসজ্জিত সেনাবাহিনী আছে। যার [[সেনাপতি|সেনাপতিরা]] সামরিক দক্ষতার দিক থেকে তারা কারো চেয়ে কম নয় বরং তৎপরতা ও [[উদ্দীপনা|উদ্দীপনায়]] শ্রেষ্ঠ। আমাদের অস্ত্রাগার এবং ভাণ্ডার আমাদের প্রত্যাশার চেয়েও বেশি সমৃদ্ধ... আপনাদের সামনে এখন শত্রুবাহিনীর পুরো শক্তি এবং তাদের ভিত্তিহীন ও ভাড়াটে সহায়ক শক্তিকে প্রতিহত করার মতো যথেষ্ট সেনাবাহিনী রয়েছে। আপনাদের সৈন্যদের হৃদয়ে স্বাধীনতার চেতনা প্রবল; তারা তাদের কারণের ন্যায়বিচারে অনুপ্রাণিত, এবং তারা যখন তাদের তলোয়ার আঁকড়ে ধরে তখন সাহায্যের জন্য [[স্বর্গ|স্বর্গের]] দিকে তাকাতে পারে। আপনাদের প্রতিপক্ষরা এমন অভাজনদের নিয়ে গঠিত যারা মানবতার অধিকারকে উপহাস করে, যারা ধর্মকে বিদ্রূপে পরিণত করে, এবং উচ্চ বেতনের জন্য তাদের তলোয়ার তাদের নেতা বা তাদের দেশের বিরুদ্ধে চালিত করতে পারে। তাহলে, অতীতে স্বর্গ থেকে প্রাপ্ত সাফল্যের কৃতজ্ঞতা এবং ভবিষ্যতে সেই সাফল্যের আত্মবিশ্বাস নিয়ে আপনাদের মহৎ উদ্যোগে এগিয়ে যান। নিজের পক্ষ থেকে, আমি সাধারণ বিপদ এবং সাধারণ গৌরবে আপনাদের সাথে অংশ নেওয়ার চেয়ে বড় কোনো আশীর্বাদ চাই না।
**[[স্যামুয়েল অ্যাডামস]], [http://www.samuel-adams-heritage.com/documents/speech-about-declaration-of-independence.html স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র সম্পর্কে ভাষণ] (১ আগস্ট ১৭৭৬)
*আসুন [[বিশ্ব|বিশ্ব]] নিয়ে আলোচনা করি। "[[ঈশ্বর|ঈশ্বর]] ছাড়া কি বিশ্বায়ন সম্ভব"—এই প্রশ্নের উত্তরের সহজ উত্তর হলো "হ্যাঁ"। বিশ্বায়ন আসলে নিজেই একটি কোড শব্দ, একটি মুখোশ, সি-শব্দ [[পুঁজিবাদ|পুঁজিবাদ]] ব্যবহার না করার জন্য। বিশ্বায়ন মূলত পুঁজিবাদের প্রসারের সর্বশেষ পর্যায়। এটি এমন কিছু নয় যা [[নিরপেক্ষ|নিরপেক্ষ]], এটি এমন একটি পুঁজিবাদ যার নিজস্ব নিয়ম আছে: এর নিজস্ব অর্থনৈতিক নিয়ম আছে, এর নিজস্ব রাজনৈতিক নিয়ম আছে, এর নিজস্ব সাংস্কৃতিক নিয়ম আছে এবং এর নিজস্ব সামরিক নিয়ম আছে। এটি একটি 'সিস্টেম'। এই সিস্টেমের মূলে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, বর্তমানে বিশ্বের একমাত্র বিদ্যমান [[সাম্রাজ্য|সাম্রাজ্য]]। [[মানবতা|মানবতার]] [[ইতিহাস|ইতিহাসে]] এই প্রথম এমন একটি একক সাম্রাজ্য এত প্রভাবশালী, যার সামরিক বাজেট পরবর্তী ১৫টি দেশের সম্মিলিত সামরিক বাজেটের চেয়ে বেশি, এবং যার সামরিক-শিল্প কমপ্লেক্স নিজেই বিশ্বের একাদশ বৃহত্তম অর্থনৈতিক সত্তা। এটি সেই বাস্তবতা যাতে আমরা বাস করি, এবং এটি সেই বাস্তবতা যা বিভিন্ন উপায়ে আমাদের ''সম্মুখীন'' হয়।
**[[তারিক আলি]], [http://www.vpro.nl/programma/tegenlicht/artikelen/21200518/ দশম বিশ্বায়ন বক্তৃতা], ভিপ্রও।
*আমেরিকায়, সৈনিকদের প্রতি এক ধরনের [[শ্রদ্ধা|শ্রদ্ধা]] রয়েছে। একজনকে ক্রমাগত তাদের [[সাহস|সাহস]], তাদের আত্মত্যাগের কথা মনে করিয়ে দেওয়া হয়। সৈনিকদের নিঃস্বার্থপরতার একটি অন্তর্নিহিত আভা থাকে, তারা মর্যাদাপূর্ণ আচরণের সাথে চলে। বিমানবালারা ইউনিফর্ম পরিহিত সৈনিকদের ফার্স্ট ক্লাসে আপগ্রেড করে, রেস্তোরাঁগুলো ভেটেরানদের ছাড় দেয়, অপরিচিতরা তাদের হাত মেলায় এবং বলে, 'আপনার সেবার জন্য ধন্যবাদ'।
**বেনামী, [http://www.theguardian.com/world/iran-blog/2015/jul/22/iran-military-uniform-gomrok-shopping-spree "হাউ আই লার্নড টু স্টপ ওরিং অ্যান্ড লাভ দ্য ইরানিয়ান আর্মি"], ''দ্য গার্ডিয়ান'' (২৩ জুলাই ২০১৫), যুক্তরাজ্য।
*প্রতিরক্ষা এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার বিষয়ে, গল্পটি আপাতদৃষ্টিতে ভালো মনে হয়। প্রেসিডেন্ট সামরিক ব্যয় বাড়িয়েছেন (যদিও ঋণের স্তূপের খরচে)। তিনি মার্কিন বাহিনীকে আধুনিকীকরণ এবং আমাদের সৈন্যদের বেতন বাড়ানোর দিকে মনোনিবেশ করেছেন। এবং তিনি দেশ ও সীমানা সুরক্ষাকে তার প্রেসিডেন্সির সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারগুলোর একটি করেছেন। বাস্তবে, [[ডোনাল্ড ট্রাম্প|ট্রাম্প]] [[পেন্টাগন|পেন্টাগনের]] জন্য একটি বিপর্যয় হয়েছেন। তিনি সামরিক নেতাদের প্রজাতন্ত্রের নির্দলীয় রক্ষক হিসেবে নয়, বরং "তার জেনারেল" হিসেবে উল্লেখ করেন, যাদের তিনি [[দাবা|দাবা]] বোর্ডের নাইটদের মতো নিজের ইচ্ছামতো সরাতে পারেন। তার এই ধরনের কথা শোনা কঠিন। এই নেতাদের কেউ কেউ দেশের সুরক্ষায় সন্তান হারিয়েছেন। তারা দরজায় কড়া নাড়ার শব্দে দরজা খুলে এমন মানুষজনের মুখ থেকে তাদের জীবনের সবচেয়ে হৃদয়বিদারক খবর শুনেছেন, যে তাদের সন্তান চিরতরে হারিয়ে গেছে। তবুও তারা এমন একজন ব্যক্তির নির্দেশে কাজ করছেন যিনি সামরিক সেবার কথা ভাবলে কুঁকড়ে যেতেন। ইউনিফর্ম পরা দেশপ্রেমিকরা এটি প্রকাশ্যে বলে বের হবে না কারণ তারা তাদের কমান্ডারের সাথে প্রকাশ্যে দ্বিমত পোষণ করতে চায় না, কিন্তু অনেকেই ট্রাম্পের সৌজন্যবোধের অভাব এবং আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর অদূরদর্শী নেতৃত্বে আতঙ্কিত। বারবার, তিনি আমাদের সশস্ত্র বাহিনীকে রাজনৈতিক বিতর্কে টেনে আনার চেষ্টা করে বা নিজের দৃঢ়তা দেখানোর জন্য তা ব্যবহার করে এক ভয়ানক পরিস্থিতিতে ফেলেছেন। এটি তিনি অফিসে প্রবেশের আগেই শুরু করেছিলেন। একজন প্রার্থী হিসেবে, ট্রাম্প সামরিক ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে আমেরিকার শত্রুদের বিরুদ্ধে কৌশল হিসেবে [[নির্যাতন|নির্যাতন]] গ্রহণ করার পরামর্শ দিয়েছিলেন, শপথ করে বলেছিলেন, "আমি ওয়াটারবোর্ডিং ফিরিয়ে আনব। এবং আমি ওয়াটারবোর্ডিংয়ের চেয়ে অনেক বেশি ভয়ানক কিছু ফিরিয়ে আনব।" বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেছেন যে এই ধরনের বক্তব্য সন্ত্রাসীরা প্রচারণার জন্য ব্যবহার করে, আমেরিকার কথিত নিষ্ঠুরতার কথা প্রচার করে সমর্থকদের নিয়োগ করতে তাদের সাহায্য করে। এটি তাদের আখ্যানকে খাওয়ায়, বিদেশের মার্কিন বাহিনীকে বিপদে ফেলে। সৌভাগ্যবশত, প্রেসিডেন্ট তার মেয়াদ শুরুর দিকেই আগত দলের দ্বারা বিষয়টি বাদ দেওয়ার জন্য রাজি হয়েছিলেন, যারা বুঝতে পেরেছিল যে ট্রাম্পের ভোল পাল্টানো জাতীয় প্রতিরক্ষাকে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করবে।
** বেনামী, ''আ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১০৩-১০৪।
*ট্রাম্প যখন নতুন সেনা ইউনিফর্ম ("খুব দামী," তিনি আক্ষেপ করেছিলেন, কিন্তু অন্যদিকে, "সুন্দর")-এর মতো বিষয়ে ভোল পাল্টান, তখন এটি ক্লান্তিকর। যখন এটি বিমান হামলার বিষয়ে হয়, তখন এটি ভয়ঙ্কর। প্রেসিডেন্টের আবেগপ্রবণতা আমাদের সামরিক বাহিনীর জন্য একটি বিপদ সৃষ্টি করে, যার পুরো মাত্রা বছরের পর বছর ধরে জানা যাবে না। তিনি পেন্টাগনের জন্য সামান্য মাথাব্যথার চেয়ে বেশি কিছু। তিনি এক অন্ধ করে দেওয়া মাইগ্রেন। যারা পেন্টাগনের সর্বোচ্চ পর্যায়ে কাজ করেছেন, যারা সিদ্ধান্তের মুহূর্তে ট্রাম্পের সাথে বসেছেন, তারা এটি খুব ভালোভাবেই জানেন। সাপ্তাহিক ভিত্তিতে, তারা ইউনিফর্ম পরা নারী-পুরুষদের বোঝানোর চেষ্টা করেন যে তাদের ওপর থাকা কমান্ডার-ইন-চিফ কতটা অসংযমী এবং তিনি কীভাবে মার্কিন সামরিক বাহিনীকে একটি বড় ব্যাটলশিপ খেলার অংশ হিসেবে দেখেন। আমাদের যোদ্ধারা আমাদের ক্ষতি করতে চাওয়া ব্যক্তিদের শিকার করতে বিশ্বের অন্ধকার কোণে যেতে সবকিছু বাজি রাখে। তাদের কর্তব্যের অলঙ্ঘনীয় কোডের জন্য তারা এমন একজন ব্যক্তির চেয়ে বেশি কিছু পাওয়ার যোগ্য যার মৌলিক নৈতিক কম্পাসের অভাব রয়েছে।
** বেনামী, ''আ ওয়ার্নিং'' (২০১৯), পৃষ্ঠা ১০৫।
*সেনাবাহিনী এগিয়ে চলেছে!
**"আর্মি গোজ রোলিং অ্যালং"
*আমেরিকান সেনাবাহিনী যুদ্ধে এত ভালো করার [[কারণ|কারণ]] হলো [[যুদ্ধ|যুদ্ধ]] হলো [[বিশৃঙ্খলা|বিশৃঙ্খলা]] এবং আমেরিকান সেনাবাহিনী প্রতিদিন বিশৃঙ্খলার অনুশীলন করে।
**নাৎসি সামরিক বাহিনীর বেনামী প্রবাদ, {{cite news |last1=লেসি |first1=জিম |title=নাথিং ওয়েন্ট অ্যাকর্ডিং টু প্ল্যান |url=http://content.time.com/time/nation/article/0,8599,443808,00.html |accessdate=২৩ জুলাই ২০১৯ |প্রকাশক=সময় |date=১৫ এপ্রিল, ২০০৩}} উদ্ধৃত।
==বি==
*যুক্তরাষ্ট্রের [[ভবিষ্যৎ]] প্রস্তুতির সর্বোত্তম উপায় হলো তার অর্থনৈতিক শক্তি সঞ্চয় করা এবং কেবল তখনই সামরিকভাবে সাড়া দেওয়া যখন কোনো গুরুতর হুমকি তৈরি হয়। অন্যথায়, ওয়াশিংটনের উচিত সংঘাতের চেয়ে সমঝোতার পথ খোঁজা।
**ডাগ ব্যান্ডো, [http://nationalinterest.org/blog/the-skeptics/china-really-dangerous-16347 “চীন কি সত্যিই এতটা বিপজ্জনক?”] (২৫ মে ২০১৬), ''দ্য ন্যাশনাল ইন্টারেস্ট''
*আমি একজন নিবন্ধিত ডেমোক্র্যাট। আমি সাধারণত ডেমোক্র্যাটদের ভোট দিই। সামরিক বাহিনীর সাথে কাজ করা একজন ডেমোক্র্যাট হওয়া অদ্ভুত, কারণ সামরিক বাহিনীতে মূলত রিপাবলিকানদের আধিপত্য। আমি এই পরিবেশে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি কারণ আমি রুমের মধ্যে সন্দেহবাদী বা ভিন্নমতাবলম্বী হতে পছন্দ করি। আর যদি সামরিক পরিবেশে ভিন্নমতাবলম্বী হতে হয়, তবে সম্ভবত আপনাকে ডেমোক্র্যাটই হতে হবে। তবে এটি আমার পারিবারিক প্রেক্ষাপট। আমার এক দাদা ছিলেন যিনি প্রগ্রেসিভ হিসেবে নির্বাচনে দাঁড়িয়েছিলেন।
**থমাস বার্নেট, [http://archive.li/5c6cC#selection-123.0-123.14 ব্রায়ান ল্যাম্বের সাথে সাক্ষাৎকার] (মে ২০০৪), ''সি-স্প্যান''
*এ বিষয়ে কোনো ভুল করা উচিত নয়: কংগ্রেসের বিশাল, অকার্যকর এবং অযৌক্তিকভাবে ব্যয়বহুল যুদ্ধ যন্ত্রে বিনিয়োগ করার সিদ্ধান্তের সাথে অধিকাংশ মানুষ যেভাবে জাতীয় নিরাপত্তা বা অভিধান অনুযায়ী “প্রতিরক্ষা”কে বোঝে, তার কোনো সম্পর্ক নেই। মার্কিন সমাজ নিশ্চিতভাবেই আমাদের নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হুমকির মুখোমুখি, যার মধ্যে রয়েছে জলবায়ু সংকট, প্রাতিষ্ঠানিক বর্ণবাদ, ভোটাধিকার ক্ষয়, বন্দুক সহিংসতা, চরম বৈষম্য এবং রাজনৈতিক ক্ষমতার ওপর করপোরেট দখল। কিন্তু আমাদের সৌভাগ্য যে, আমাদের কোনো প্রলয়ঙ্করী বৈশ্বিক আক্রমণকারী বা প্রকৃতপক্ষে অন্য কোনো দেশের হামলার হুমকি নেই... যদি এই অকার্যকর ও প্রাণঘাতী অর্থের অপচয় রোধে জনগণের কোনো প্রভাব ফেলতে হয়, তবে আমাদের অবশ্যই প্রচারণার কুয়াশা ভেদ করে দেখতে শিখতে হবে। এই প্রচারণা লাল, সাদা ও নীল পতাকার নিচে স্বার্থপর দুর্নীতিকে ঢেকে রাখে এবং সামরিক কর্মকর্তাদের জনগণের সেই স্বাভাবিক শ্রদ্ধাকে সিনিক বা নিচভাবে শোষণ করতে দেয়, যা সাহসী তরুণ-তরুণীরা আমাদের দেশকে রক্ষার জন্য জীবন বাজি রেখে অর্জন করেছে। ক্রিমিয়ার যুদ্ধে, রাশিয়ানরা ব্রিটিশ সৈন্যদের “গাধার দ্বারা পরিচালিত সিংহ” বলেছিল। আজকের মার্কিন সামরিক বাহিনীর জন্য এটিই একটি যথার্থ বর্ণনা।
** মিডিয়া বেঞ্জামিন এবং [https://www.salon.com/2021/12/07/congress-loots-the-treasury-for-us-machine--while-bickering-over-build-back-better/ নিকোলাস জে.এস. ডেভিস, কংগ্রেস লোটস দ্য ট্রেজারি ফর ইউ.এস. ওয়ার মেশিন — হোয়াইল বিকারিং ওভার বিল্ড ব্যাক বেটার, ''স্যালন,''] (৭ ডিসেম্বর, ২০২১)
*বিশ্বের পরবর্তী ১২ বা ১৩টি বৃহত্তম সামরিক বাহিনীর সম্মিলিত খরচের চেয়েও বেশি ব্যয় করা একটি যুদ্ধ যন্ত্র বজায় রাখা আমাদের কম নিরাপদ করে তোলে। কারণ প্রতিটি নতুন প্রশাসন এই বিভ্রান্তি উত্তরাধিকার সূত্রে পায় যে, যুক্তরাষ্ট্রের অত্যধিক ধ্বংসাত্মক সামরিক শক্তি যেকোনো জায়গায় মার্কিন স্বার্থের বিরুদ্ধে অনুভূত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ব্যবহার করা যেতে পারে—এমনকি যখন স্পষ্টতই কোনো সামরিক সমাধান নেই এবং যখন অনেক মূল সমস্যাই প্রথমত মার্কিন সামরিক শক্তির অপপ্রয়োগের কারণে সৃষ্টি হয়েছে। এই শতাব্দীতে আমাদের মুখোমুখি আন্তর্জাতিক চ্যালেঞ্জগুলোর জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও কূটনীতির প্রতি প্রকৃত প্রতিশ্রুতি প্রয়োজন, অথচ কংগ্রেস পেন্টাগন বাজেটের ১০ শতাংশেরও কম, মাত্র ৫৮ বিলিয়ন ডলার, আমাদের সরকারের কূটনৈতিক শাখা—পররাষ্ট্র দপ্তরের জন্য বরাদ্দ করে। আরও খারাপ বিষয় হলো, ডেমোক্র্যাট এবং রিপাবলিকান উভয় প্রশাসনই শীর্ষ কূটনৈতিক পদগুলোতে এমন কর্মকর্তাদের নিয়োগ দিয়ে চলেছে যারা যুদ্ধ ও জবরদস্তির নীতিতে দীক্ষিত, যাদের আমাদের অত্যন্ত প্রয়োজনীয় শান্তিপূর্ণ কূটনীতির ক্ষেত্রে নগণ্য অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা রয়েছে। এটি কেবল একটি ব্যর্থ বৈদেশিক নীতিকে দীর্ঘস্থায়ী করে, যা মিথ্যা পছন্দের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে—যেমন জাতিসংঘ কর্মকর্তাদের মতে মধ্যযুগীয় অবরোধের মতো অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা, দশকের পর দশক ধরে দেশ ও অঞ্চলকে অস্থিতিশীল করা অভ্যুত্থান এবং লক্ষ লক্ষ মানুষকে হত্যা করা ও শহরগুলোকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করা যুদ্ধ ও বিমান হামলা, যেমন [[ইরাক|ইরাকের]] মসুল এবং [[সিরিয়া|সিরিয়ার]] রাক্কায় দেখা গেছে।
** [[মিডিয়া বেঞ্জামিন]] এবং [https://www.salon.com/2021/12/07/congress-loots-the-treasury-for-us-machine--while-bickering-over-build-back-better/ নিকোলাস জে.এস. ডেভিস, কংগ্রেস লোটস দ্য ট্রেজারি ফর ইউ.এস. ওয়ার মেশিন — হোয়াইল বিকারিং ওভার বিল্ড ব্যাক বেটার, ''স্যালন,''] (৭ ডিসেম্বর, ২০২১)
*তোমাদের সেবা যেন কখনো বিচ্ছিন্ন না হয়, পতাকার প্রতি অটল থেকো! সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনী চিরজীবী হোক! লাল, সাদা এবং নীলের জন্য তিনবার উল্লাসধ্বনি!
**থমাস আ বেকেট, সিনিয়র, “কলম্বিয়া, দ্য জেম অফ দ্য ওশান” (১৮৪৩)
*তুমি শান্তভাবে বুট ক্যাম্পে যাবে<br>তারা তোমাকে গুলি করে মেরে ফেলবে, তোমাকে মানুষ বানাবে<br>তুমি [[চিন্তা]] কোরো না, এটি একটি লক্ষ্যের জন্য<br>বৈশ্বিক করপোরেশনের নখর ভরার জন্য।
**জেলো বিয়াফ্রা, ''{{w|উই'ভ গট আ বিগার প্রবলেম নাও}}'', ''{{w|ইন গড উই ট্রাস্ট, ইনক.}}'' (১৯৮১)।
*[[ঈশ্বর]] আমাদের সৈন্যদের আশীর্বাদ করুন।
**[[জো বাইডেন]], [http://www.c-span.org/video/?401096-1/উইকলি প্রেসিডেন্সিয়াল অ্যাড্রেস] (২১ নভেম্বর ২০১৫)
*<p>স্বৈরাচারীরা তাদের [[লোহা|লোহার]] দণ্ড নাড়াক, এবং [[দাসত্ব|দাসপ্রথা]] তার জীর্ণ [[শৃঙ্খল|শিকল]] ঝনঝন করুক। আমরা তাদের [[ভয়]] করি না, আমরা [[ঈশ্বর|ঈশ্বরে]] [[বিশ্বাস]] রাখি...</p><p>ঈশ্বর চিরকাল রাজত্ব করেন। শত্রুরা উদ্ধত পদক্ষেপে এগিয়ে আসছে। আমাদের সৈন্যরা সামরিক শব্দের সাথে অগ্রসর হচ্ছে। তাদের প্রবীণরা আমাদের যুবকদের সামনে থেকে পালিয়ে যাচ্ছে, এবং জেনারেলরা দাড়িহীন বালকদের কাছে আত্মসমর্পণ করছে।</p>
**উইলিয়াম বিলিংস, “চেস্টার” (১৭৭০), [http://store.bobbyhorton.com/album/হোমস্পান সংস অফ দ্য প্যাট্রিওটস ইন দ্য আমেরিকান রেভোলিউশন ''দ্য নিউ ইংল্যান্ড স্যাম সিঙ্গার'']
*[[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের]] পর যুক্তরাষ্ট্র যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজটি করেছিল, তা হলো ফিরে আসা ভেটেরানদের সহায়তা করা।
**আর্ল ব্লুমেনাউয়ার (১৮ ডিসেম্বর ২০০৭), “[হাউস রিস্টোরস ওরেগন ভেটেরানস প্রভিশনস কাট বাই সিনেট]”। প্রেস বিজ্ঞপ্তি। ''কংগ্রেসম্যান আর্ল ব্লুমেনাউয়ার’স ওয়েবসাইট, রিপ্রেজেন্টিং দ্য ৩য় কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্ট অফ ওরেগন''। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদ।
*<p>[[আমেরিকা|আমেরিকার]] সামরিক শ্রেষ্ঠত্ব অপ্রতিদ্বন্দ্বী; এখানেই শেষ...</p><p>যুক্তরাষ্ট্র স্থল, [[সমুদ্র]], [[আকাশ]] এবং মহাকাশে আধিপত্য বিস্তার করে। আমেরিকার মধ্যপ্রাচ্যের দুঃসাহসিক অভিযান মার্কিন সামরিক বাহিনীকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে, কিন্তু [[ইরাক যুদ্ধ|ইরাক]] ও [[আফগানিস্তানে যুদ্ধ (২০০১–২০২১)|আফগানিস্তানের যুদ্ধ]] মার্কিন সামরিক শ্রেষ্ঠত্বের হ্রাসের চেয়ে বরং যুদ্ধের পরিবর্তনশীল প্রকৃতিকেই বেশি নির্দেশ করে। সন্ত্রাসবাদী এবং গেরিলা যোদ্ধারা কৌশলে প্রচলিত সামরিক শক্তিকে চ্যালেঞ্জ করে। যুক্তরাষ্ট্রকে শেষ পর্যন্ত এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলার জন্য সামরিক শক্তি সংকুচিত করতে শিখতে হবে। তবুও, যদিও প্রচলিত সামরিক শক্তি হয়তো সন্ত্রাসবাদীদের আটকাতে পারে না, এটি কিন্তু শত্রুভাবাপন্ন দেশগুলোকে প্রতিরোধ করার ক্ষেত্রে চমৎকার কাজ করে।</p>
**[[ইয়ান ব্রেমার]], [https://web.archive.org/web/20150528161550/http://time.com/3899972/us-superpower-status-military/ “দিজ আর দ্য ৫ রিজনস হোয়াই দ্য ইউ.এস. রিমেইনস দ্য ওয়ার্ল্ডস অনলি সুপারপাওয়ার: হোয়াই ওয়াশিংটন ক্যান স্টিল ক্লেইম গ্লোবাল প্রাইমেসি ইন দ্য ২১স্ট সেঞ্চুরি”] (২৮ মে ২০১৫), ''টাইম''
*যদি আপনার [[দেশ|দেশের]] আপনার [[প্রয়োজন]] হয়, তবে আপনার সেখানেই থাকা উচিত; আমি যখন [[যুবক]] ছিলাম তখন এমনটাই অনুভব করতাম, এবং আজও আমি তা-ই অনুভব করি।
**[[ফ্রাঙ্ক বাকলস]], মার্কিন সেনাবাহিনীতে সেবা সম্পর্কে, ''দ্য নক্সভিল নিউজে'' উদ্ধৃত
*[পররাষ্ট্র নীতির “সামরিকীকরণ” বিষয়ক উদ্বেগের প্রশ্নের জবাবে তাঁর প্রতিক্রিয়া] আমাদের সবারই উদ্বিগ্ন হওয়া উচিত। প্রতিরক্ষা ও সামরিক নেতারা কূটনীতির ওপর শক্তির ভূমিকা পরিবর্তনের—উভয় দলের প্রশাসনের মধ্যেই—ক্ষতিকারক প্রবণতা তুলে ধরার ব্যাপারে পিছপা হন না। আমরা সবাই সেক্রেটারি অফ ডিফেন্স [[রবার্ট গেটস|বব গেটস]]ের লাইনটি উদ্ধৃত করেছি যে, সামরিক বাহিনীতে আমাদের ফরেন সার্ভিস অফিসারদের চেয়ে বেশি সঙ্গীতজ্ঞ রয়েছে, এবং [[জিম ম্যাটিস|জিম ম্যাটিস]]ের পয়েন্টটি যে, আমরা যদি কূটনীতিতে কম বিনিয়োগ অব্যাহত রাখি তবে আমাদের “আরও গোলাবারুদ কিনতে হবে”। কিন্তু আমি ভয় পাচ্ছি যে, তাতে খুব একটা কাজ হয়নি। অবশ্যই, আমাদের নিশ্চিত করা উচিত যে আমাদের সামরিক বাহিনী অন্য যেকোনো দেশের চেয়ে শক্তিশালী, যাতে আমাদের শেষ হাতিয়ারটি শক্তিশালী ও টেকসই হয়। এবং অবশ্যই, কূটনীতি পরিচালনায় শক্তি বা শক্তির হুমকি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যারা আমাদের বিপরীতে টেবিলে বসেছিলেন, তাদের মনোযোগ আকর্ষণ করতে পেরে আমরা সবাই মার্কিন সামরিক বাহিনী থেকে উপকৃত হয়েছি... কিন্তু বারবার, আমরা দেখেছি যে সামরিক হাতিয়ারের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা আমাদের নীতির চোরাবালিতে নিয়ে যেতে পারে। বারবার, আমরা শক্তির অত্যধিক ব্যবহারের—বা সময়ের আগেই ব্যবহারের—ফাঁদে পড়েছি। এটি আমেরিকান রক্ত ও অর্থের ক্ষেত্রে অনেক বেশি ব্যয়সাধ্য এবং এটি কূটনীতিকে একটি বিকৃত ও কম সম্পদের সংস্থানযুক্ত গৌণ বিষয়ে পরিণত করে। [[সেপ্টেম্বর ১১-এর হামলা|৯/১১]]-পরবর্তী যুগের চিরস্থায়ী যুদ্ধে, [শক্তি ও কূটনীতির] এই “মহা বিপরীতকরণ” পররাষ্ট্র দপ্তরের পেশাদারদের এমন জাতি-গঠনের ভূমিকায় ঠেলে দিয়েছে যা আমেরিকান কূটনীতিক বা অন্য কোনো বাহ্যিক শক্তির ক্ষমতার বাইরে। যদিও আমাদের সহকর্মীরা সাহস ও বুদ্ধিমত্তার সাথে সেবা করেছেন, সত্যটি হলো আমরা আমেরিকান ফরেন সার্ভিস, ব্রিটিশ কলোনিয়াল সার্ভিস নই।
** উইলিয়াম জে. বার্নস, ''দ্য ডিপ্লোম্যাসি ইম্পারেটিভ: আ কিউ অ্যান্ড এ উইথ উইলিয়াম জে. বার্নস, দ্য ফরেন সার্ভিস জার্নাল,'' মে ২০১৯
*কমান্ডার ইন চিফ হিসেবে, আমি আপনাদের রিপোর্ট করছি: আমাদের সশস্ত্র বাহিনী সম্মান ও বীরত্বের সাথে লড়াই করেছে।
**[[জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ|জর্জ এইচ. ডাব্লিউ. বুশ]], [http://www.nytimes.com/1991/03/07/us/after-war-president-transcript-president-bush-s-address-end-gulf-war.html?pagewanted=all মার্কিন কংগ্রেসের উদ্দেশ্যে ভাষণ] (২৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৯১)
*<p>যখন আমি আমাদের সৈন্যদের কাজে আহ্বান জানিয়েছিলাম, আমি তাদের সাহস ও দক্ষতার ওপর পূর্ণ আস্থা নিয়ে তা করেছিলাম। এবং আজ রাতে, তাদের ধন্যবাদ, আমরা যুদ্ধে জয়ী হচ্ছি...</p><p>আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর পুরুষ ও নারীরা এমন একটি বার্তা দিয়েছেন যা এখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি শত্রুর কাছে পরিষ্কার। এমনকি ৭,০০০ মাইল দূরে, মহাসাগর ও মহাদেশ জুড়ে, পাহাড়ের চূড়ায় এবং গুহায়; তোমরা এই জাতির ন্যায়বিচার থেকে বাঁচতে পারবে না।</p>
**[[জর্জ ডব্লিউ বুশ|জর্জ ডাব্লিউ. বুশ]], স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন অ্যাড্রেস (২৯ জানুয়ারি ২০০২)
*<p>যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনীর সকল পুরুষ ও নারীদের প্রতি...</p><p>একটি সমস্যাসংকুল বিশ্বের শান্তি এবং নির্যাতিত মানুষের আশা এখন আপনাদের ওপর নির্ভর করে। সেই আস্থা সঠিকভাবে অর্পিত। আপনারা যে শত্রুদের মোকাবিলা করবেন তারা আপনাদের দক্ষতা ও বীরত্ব সম্পর্কে জানতে পারবে। আপনারা যাদের মুক্ত করবেন তারা আমেরিকান সামরিক বাহিনীর সম্মানজনক ও শালীন চেতনা প্রত্যক্ষ করবে। এই সংঘাতের মধ্যে, আমেরিকা এমন এক শত্রুর মুখোমুখি হয়েছে যার যুদ্ধের রীতি বা নৈতিকতার নিয়মের প্রতি কোনো শ্রদ্ধা নেই...</p><p>আমি জানি যে আমাদের সামরিক পরিবারের সদস্যরা প্রার্থনা করছেন যাতে যারা সেবা করছেন তারা সবাই নিরাপদে এবং শীঘ্রই ফিরে আসেন। লক্ষ লক্ষ আমেরিকান আপনাদের প্রিয়জনদের নিরাপত্তা এবং নিরপরাধীদের সুরক্ষার জন্য আপনাদের সাথে প্রার্থনা করছেন। আপনাদের ত্যাগের জন্য, আপনারা আমেরিকান জনগণের কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা পেয়েছেন। এবং আপনারা জানতে পারেন যে আমাদের বাহিনী কাজ শেষ হবামাত্রই বাড়িতে ফিরে আসবে...</p><p>আমাদের দেশ ও বিশ্বের বিপদগুলো কাটিয়ে ওঠা হবে। আমরা এই বিপদের সময় পার করে শান্তির কাজ চালিয়ে যাব। আমরা আমাদের স্বাধীনতা রক্ষা করব। আমরা অন্যদের স্বাধীনতা এনে দেব এবং আমরা জয়ী হব...</p><p>ঈশ্বর আমাদের দেশকে এবং যারা তাকে রক্ষা করে তাদের আশীর্বাদ করুন।</p>
**[[জর্জ ডব্লিউ বুশ|জর্জ ডাব্লিউ. বুশ]], [https://listenonrepeat.com/watch/?v=5BwxI_l84dc ইরাক আক্রমণের ভাষণ] (১৯ মার্চ ২০০৩)
*আমেরিকা এবং আমাদের মিত্ররা ভিন্ন ধরনের শত্রুর বিরুদ্ধে নতুন ধরনের যুদ্ধ করছে। এই সংঘাত আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর পুরুষ ও নারীদের—আমাদের গার্ড ও রিজার্ভসহ—ওপর বড় দাবি রাখে। তারা প্রতিটি পরীক্ষা দিয়েছে; তারা প্রতিটি চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করেছে। এই যুদ্ধ সরকারে আমাদের ওপরও দাবি রাখে। আমরা আমাদের দেশ রক্ষার শপথ নিয়েছি। যারা আমাদের রণক্ষেত্রে রক্ষা করে, সেই সেবা করা পুরুষ ও নারীদের সহায়তা করার পবিত্র দায়িত্ব আমাদের রয়েছে।
**[[জর্জ ডব্লিউ বুশ|জর্জ ডাব্লিউ. বুশ]], [http://www.washingtonpost.com/wp-dyn/articles/A42299-2004Aug5.html প্রতিরক্ষা বিল স্বাক্ষরের সময় মন্তব্য] (৫ আগস্ট ২০০৪)
*ইরাকে আমাদের সৈন্যরা সাহসের সাথে লড়াই করেছে। তারা সবকিছুই করেছে যা আমরা তাদের করতে বলেছি। যেখানে ভুল হয়েছে, তার দায়ভার আমার।
**[[জর্জ ডাব্লিউ. বুশ]], [http://georgewbush-whitehouse.archives.gov/news/releases/2007/01/20070110-7.html জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ] (১০ জানুয়ারি ২০০৭)
*বাঙ্কার হিল থেকে [[বাগদাদ|বাগদাদ]], আমেরিকান সশস্ত্র বাহিনীর পুরুষ ও নারীরা আমাদের গণতন্ত্রের নিবেদিত অভিভাবক।
**[[জর্জ ডব্লিউ বুশ|জর্জ ডাব্লিউ. বুশ]], [https://georgewbush-whitehouse.archives.gov/news/releases/2008/11/20081101.html রেডিও ভাষণ] (১ নভেম্বর ২০০৮)
*আমাদের সৈন্যদের যুদ্ধগুলো দুটি নাটকীয়ভাবে ভিন্ন ব্যবস্থার মধ্যে বৃহত্তর সংগ্রামের অংশ। একটির অধীনে, ধর্মান্ধদের একটি ছোট দল একটি নিপীড়নমূলক আদর্শের প্রতি সম্পূর্ণ আনুগত্য দাবি করে, নারীদের অধীনস্থতায় নিন্দা করে, এবং অবিশ্বাসী ব্যক্তিদের হত্যার জন্য চিহ্নিত করে। অন্য ব্যবস্থাটি এই বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে যে স্বাধীনতা সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের সার্বজনীন উপহার এবং স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচার শান্তির পথ আলোকিত করে। এই সেই বিশ্বাস যা [[যুক্তরাষ্ট্র|আমাদের জাতির]] জন্ম দিয়েছে। এবং দীর্ঘমেয়াদে, এই বিশ্বাসকে এগিয়ে নেওয়াই আমাদের নাগরিকদের রক্ষা করার একমাত্র ব্যবহারিক উপায়।
**[[জর্জ ডব্লিউ বুশ|জর্জ ডাব্লিউ. বুশ]], [http://www.nytimes.com/2009/01/15/us/politics/15bush-text.html?pagewanted=all&_r=0 হোয়াইট হাউস থেকে জাতির উদ্দেশ্যে বিদায়ী ভাষণ] (১৫ জানুয়ারি ২০০৯)
*<p>আমি [[কমান্ডার ইন চিফ|কমান্ডার ইন চিফ]] হওয়া মিস করি, এবং এটি একটি সহজ [[প্রশ্ন]] যার [[উত্তর]] দেওয়া যায়। আমি আমাদের সামরিক বাহিনীকে [[ভালোবাসি]]...</p><p>আমি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীকে ভালোবাসি, এবং আমরা একটি ভাগ্যবান জাতি যে আমাদের এমন মানুষ আছে যারা [[সেবা|সেবা করতে]] স্বেচ্ছায় এগিয়ে আসে।</p>
**[[জর্জ ডব্লিউ বুশ|জর্জ ডাব্লিউ. বুশ]], [https://web.archive.org/web/20131205082100/http://www.today.com/id/40108402/ns/today-today_news/t/bush-reacts-apology-kanye-west/ ''টুডে''তে সাক্ষাৎকার] (৯ নভেম্বর ২০১০), ম্যাট লাউয়ারের সাথে।
*যুদ্ধ একটি র্যাকেট (প্রতারণামূলক ব্যবসা)। এটি সবসময়ই ছিল। এটি সম্ভবত সবচেয়ে প্রাচীন, সহজেই সবচেয়ে লাভজনক, নিশ্চিতভাবেই সবচেয়ে নিষ্ঠুর। এটিই একমাত্র আন্তর্জাতিক পরিধির। এটিই একমাত্র ব্যবসা যেখানে মুনাফার হিসাব করা হয় ডলারে এবং ক্ষতির হিসাব করা হয় প্রাণে। ... একটি র্যাকেটকে আমার মতে, এমন কিছু হিসেবে বর্ণনা করা ভালো যা অধিকাংশ মানুষের কাছে যা মনে হয়, আসলে তা নয়।
** স্মেলি বাটলার ''ওয়ার ইজ আ র্যাকেট'' (১৯৩৫)-এ
*মাত্র একটি ছোট “ভেতরের” গোষ্ঠী জানে এটি কিসের জন্য। এটি খুব অল্প সংখ্যক মানুষের লাভের জন্য, অনেকের খরচে পরিচালিত হয়। যুদ্ধ থেকে অল্প কিছু মানুষ বিশাল সম্পদ অর্জন করে। ... এই নতুন অর্জিত অঞ্চল অবিলম্বে সেই অল্প কিছু মানুষ দ্বারা শোষিত হয়—সেই একই মানুষ যারা যুদ্ধে [[রক্ত]] থেকে ডলার নিংড়ে নিয়েছিল। সাধারণ জনগণ বিল বহন করে। আর এই বিল কী? ... নতুন বসানো সমাধিফলক। ছিন্নভিন্ন দেহ। চূর্ণ-বিচূর্ণ মন। ভাঙা হৃদয় ও বাড়ি। অর্থনৈতিক অস্থিরতা। মন্দা এবং এর সাথে সম্পর্কিত সমস্ত দুঃখ। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে পিঠভাঙা কর।
**স্মেলি বাটলার [[যুদ্ধ একটি র্যাকেট|''ওয়ার ইজ আ র্যাকেট'']] (১৯৩৫)-এ
*আমি তেত্রিশ বছর এবং চার মাস সক্রিয় সামরিক সেবায় কাটিয়েছি এই দেশের সবচেয়ে ক্ষিপ্র সামরিক বাহিনী, মেরিন কোরের সদস্য হিসেবে। আমি সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট থেকে মেজর-জেনারেল পর্যন্ত সকল কমিশনপ্রাপ্ত পদমর্যাদায় কাজ করেছি। এবং সেই সময়ে, আমি আমার বেশিরভাগ সময় বড় ব্যবসা, ওয়াল স্ট্রিট এবং ব্যাংকারদের জন্য উচ্চ শ্রেণির পেশী-মানব হিসেবে কাটিয়েছি। সংক্ষেপে, আমি ছিলাম একজন র্যাকেটিয়ার, পুঁজিবাদের জন্য একজন গ্যাংস্টার।
**স্মেলি বাটলার ''মাভেরিক মেরিন জেনারেল স্মেলি ডি. বাটলার অ্যান্ড দ্য কন্ট্রাডিকশনস অফ আমেরিকান মিলিটারি হিস্ট্রি'' (২০১৪)তে
=== হাইডি বিরিচ, [https://www.congress.gov/116/meeting/house/110495/witnesses/HHRG-116-AS02-Wstate-BeirichH-20200211.pdf “অ্যালার্মিং ইনসিডেন্টস অফ হোয়াইট সুপ্রিমেসি ইন দ্য মিলিটারি – হাউ টু স্টপ ইট?”], ''Congress.gov'', (১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০) ===
* সশস্ত্র বাহিনীর নিজস্ব সৈন্যরা জানে যে পদমর্যাদায় [[শ্বেতাঙ্গ আধিপত্য|শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্ব]] একটি গুরুতর [[সমস্যা]]। ২০১৭ সালে ''মিলিটারি টাইমসে''র একটি জরিপে দেখা গেছে যে, প্রায় ২৫ শতাংশ সক্রিয় সামরিক কর্মী সশস্ত্র বাহিনীতে [[শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদ]] এবং [[বর্ণবাদের]] সম্মুখীন হয়েছেন। সেই সময়ে সক্রিয় দায়িত্ব পালনরত সৈন্য ছিল প্রায় ১.৩ মিলিয়ন, যার অর্থ প্রায় ৩,২৫,০০০ সৈন্য কোনো না কোনোভাবে শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদের সম্মুখীন হয়েছিল। একই প্রকাশনার ২০১৮ এবং ২০১৯ সালের পরবর্তী জরিপগুলোতেও মূলত একই উদ্বেগজনক ফলাফল পাওয়া গেছে।
** পৃষ্ঠা ৪
* এলিসনের মন্তব্যের জবাবে, প্রতিরক্ষা দপ্তর বলেছিল যে এটি “গত পাঁচ বছরে সার্ভিস সদস্যদের দ্বারা (অভ্যন্তরীণ) চরমপন্থী কার্যকলাপের ২৭টি রিপোর্ট” পেয়েছে। চিঠিতে আরও বলা হয়, সামরিক কর্মকর্তারা এই রিপোর্টগুলোর মধ্যে ২৫টির তদন্ত করেছেন; পরিশেষে, সামরিক বাহিনীর ১৮ জন সদস্যকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করা হয়েছে বা সশস্ত্র বাহিনী থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সৈন্যদের চরমপন্থার প্রকৃতি নথিভুক্ত করা হয়নি।
** পৃষ্ঠা ৪
* এক বিবৃতিতে, পেন্টাগনের মুখপাত্র, বিমান বাহিনীর মেজর কার্লা গ্লিসন বলেছেন: “ডিওডি সম্ভাব্য নতুন সৈন্য, নাবিক, বিমানসেনা এবং মেরিনদের সম্পর্কে যথাসম্ভব বেশি জানার জন্য একটি বহু-স্তরের পদ্ধতি ব্যবহার করে, যাতে আমরা মূল্যায়ন করতে পারি যে তাদের সামরিক বাহিনীতে সেবার বিশেষাধিকার দেওয়া উচিত কিনা। যদিও আমরা গ্যারান্টি দিতে পারি না যে সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়া প্রতিটি ব্যক্তি চরমপন্থী চিন্তাধারা থেকে মুক্ত থাকবে, বিভিন্ন স্ক্রিনিং সরঞ্জাম আমাদের এমন লোকদের শনাক্ত করার সর্বোত্তম সুযোগ প্রদান করে যারা আমাদের মূল্যবোধগুলো শেয়ার করে না।”
** পৃষ্ঠা ৯
* মিলিটারি টাইমসের ২০১৮ সালের জরিপে, যাতে প্রায় ৯০০ জন সক্রিয়-দায়িত্ব পালনরত সৈন্যের প্রতিক্রিয়া অন্তর্ভুক্ত ছিল, অংশগ্রহণকারী সার্ভিস সদস্যদের মধ্যে ২২ শতাংশ বলেছিলেন যে তারা সশস্ত্র বাহিনীতে শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদ বা বর্ণবাদী মতাদর্শের লক্ষণ দেখেছেন। জরিপ করা সংখ্যালঘু সার্ভিস সদস্যদের মধ্যে, বর্ণবাদ এবং বর্ণবাদী মতাদর্শের ঘটনা ২০১৭ সালের ৪২ শতাংশ থেকে বেড়ে ২০১৮ সালে অর্ধেক ছাড়িয়ে গেছে। উত্তরদাতারা জাতিগত গালি ও ইহুদিবিদ্বেষী ভাষার নৈমিত্তিক ব্যবহার, অন্যান্য সৈন্যদের অভিযোগ সত্ত্বেও [[কনফেডারেট স্টেটস অফ আমেরিকা|কনফেডারেট]] পতাকার প্রদর্শন, যুদ্ধের অঞ্চলে বাথরুমের দেয়ালে আঁকা স্বস্তিকা এবং শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্বের সাথে যুক্ত ট্যাটুর কথা উল্লেখ করেছেন। এটি উল্লেখ করা উচিত যে, যদি এই আচরণ কোনো বেসামরিক কর্মক্ষেত্রে ঘটত, তবে এই ঘটনাগুলোকে প্রতিকূল কর্মপরিবেশে অবদান হিসেবে দেখা হতো। পত্রিকাটি রিপোর্ট করেছে যে একজন বেনামী সার্ভিস সদস্য লিখেছেন, “আমার কয়েকজন সহকর্মী আছেন যারা বলেছেন যে তারা ‘অল্টরাইট’, এবং তারা ‘কৃষ্ণাঙ্গ, মুসলিম, হিস্পানিক এবং সাধারণভাবে অভিবাসীদের প্রতি তীব্র ঘৃণার খুবই স্পষ্ট বক্তব্য’ দিয়েছেন। তারা অনুকূল দায়িত্ব প্রদান না করে অন্যদের শাস্তি দেয়, ইত্যাদি।”
** পৃষ্ঠা ১২
* ২০০৯ সালের একটি স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা দপ্তর (ডিএইচএস) রিপোর্ট আরও সতর্ক করেছিল যে, প্রথম আফ্রিকান আমেরিকান রাষ্ট্রপতির নির্বাচন, অর্থনৈতিক মন্দা এবং ইরাক ও [[আফগানিস্তান|আফগানিস্তানে]] যুদ্ধ থেকে ফিরে আসা বেকার ভেটেরানদের আগমন ছিল সম্ভাব্য ফ্ল্যাশপয়েন্ট, এবং সামরিক কর্মী ও ভেটেরানদের চরম ডানপন্থী চরমপন্থী গোষ্ঠীগুলো লক্ষ্যবস্তু করছিল। দুর্ভাগ্যবশত, এই রিপোর্ট রাজনীতিবিদ, রক্ষণশীল ভাষ্যকার এবং ভেটেরান গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে একটি রাজনৈতিক ঝড় সৃষ্টি করেছিল। ফলস্বরূপ, এটি ডিএইচএস সেক্রেটারি [[জ্যানেট ন্যাপোলিটানো|জ্যানেট ন্যাপোলিটানো]] দ্বারা বাতিল করা হয়েছিল এবং ওবামা প্রশাসন পরবর্তীতে সমস্যাটি সমাধানের জন্য খুব কমই কাজ করেছে।
** পৃষ্ঠা ১৩
* তৎকালীন প্রতিরক্ষা সচিব উইলিয়াম পেরি আপডেট করা প্রবিধানের উদ্দেশ্য বর্ণনা করতে আরও শক্তিশালী ভাষা ব্যবহার করেছিলেন। পেরি বলেছিলেন, “প্রতিরক্ষা দপ্তরের নীতিতে সেনাবাহিনীতে বর্ণবাদী এবং চরমপন্থী কার্যকলাপের কোনো স্থান নেই। আমাদের অবশ্যই—এবং আমরা করব—সেনাবাহিনী থেকে ধর্মান্ধতা, বর্ণবাদ এবং চরমপন্থা মুছে ফেলার জন্য প্রতিটি প্রচেষ্টা করতে হবে। চরমপন্থী কার্যকলাপ ন্যায্যতা, সুশৃঙ্খলতা এবং শৃঙ্খলাকে আপস করে। সশস্ত্র বাহিনী, যা জাতি ও তার মূল্যবোধকে রক্ষা করে, সেই মূল্যবোধগুলোর উদাহরণ প্রশ্নাতীতভাবে হওয়া উচিত।”
** পৃষ্ঠা ১৪
* দীর্ঘকাল ধরে এই বিষয়ে দ্বিদলীয় ঐক্যমত্য রয়েছে যে, সামরিক বাহিনীতে শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদীদের অনুমতি দেওয়া অগ্রহণযোগ্য এবং আমেরিকান জনগণের জন্য বিপজ্জনক, যাদের রক্ষার শপথ সশস্ত্র বাহিনী নিয়েছে। যেমন রিপাবলিকান সিনেটর রিচার্ড শেলবি (আর-আলা.) ২০০৬ সালে পেন্টাগনের কাছে লেখা এক চিঠিতে লিখেছিলেন, “সামরিক চরমপন্থীরা তাদের সহকর্মী এবং জনসাধারণের জন্য উচ্চতর হুমকি সৃষ্টি করে। আমরা টিমোথি ম্যাকভেই-এর সাথে দেখেছি যে আজকের বর্ণবাদী চরমপন্থী আগামিকালকের অভ্যন্তরীণ সন্ত্রাসবাদী হতে পারে। আমাদের সমাজের সমস্ত প্রতিষ্ঠানের মধ্যে, মার্কিন সামরিক বাহিনী হলো সেই শেষ স্থান যেখানে চরমপন্থীদের অস্তিত্ব থাকার অনুমতি দেওয়া যেতে পারে।”
** পৃষ্ঠা ১৬
* চরমপন্থীদের বিষয়ে সামরিক বাহিনী কীভাবে অন্যান্য শাখা এবং এফবিআই সহ অন্যান্য ফেডারেল এজেন্সির সাথে তথ্য শেয়ার করে তা অস্পষ্ট। যখন সার্ভিসগুলো তাদের পদমর্যাদায় কোনো চরমপন্থীকে সম্পর্কে সচেতন হয়, তখন সেই সৈন্যকে বরখাস্ত করার পরে সেই তথ্যের কী ঘটে? সার্ভিসগুলো কীভাবে একে অপরকে সতর্ক করে যখন তারা চরমপন্থী দৃষ্টিভঙ্গি সম্পন্ন কাউকে তালিকাভুক্ত করে? তারা কীভাবে সামরিক বাহিনীর নেটওয়ার্কগুলো তদন্ত করে যেগুলোর সাথে শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদী যুক্ত থাকতে পারে বা যেখান থেকে তাদের নিয়োগ দেওয়া হতে পারে? শাখা এবং তদন্তকারী সার্ভিসগুলো কীভাবে শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদীদের সম্পর্কে তথ্য শেয়ার করে? সার্ভিস সদস্য সামরিক বাহিনী ত্যাগ করার পরে সার্ভিসগুলো কীভাবে চরমপন্থীদের সম্পর্কে এবং এফবিআই ও বিচার দপ্তরের সাথে একে অপরের সাথে মিথস্ক্রিয়া করে এবং তথ্য শেয়ার করে, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
** পৃষ্ঠা ১৭
==সি==
*<p>আমরা পাহারা দিই...</p><p>সতর্ক থাকি...</p><p>আমরা কিছু একটা সঠিক করছি। আমাদের বিশ্বের সেরা বাহিনী আছে, কারণ আমাদের সেরা মানুষগুলো আছে। এটি একটি ''স্বেচ্ছাসেবী'' বাহিনী, তাই সেরা আমেরিকানদের পেতে আমাকে বাকি অর্থনীতির সাথে প্রতিযোগিতা করতে হয় এবং আমাকে সামনের কথা চিন্তা করতে হয়। আমি কীভাবে প্রতিযোগিতা করব? কীভাবে আমাদের একটি আকর্ষণীয় জায়গা করে তুলব? তাই, আমাকে ক্রমাগত ভবিষ্যতের দিকে তাকাতে হয়...</p><p>তাই, কিছু সংস্কার করা বাকি। কিন্তু, মানুষের ক্ষেত্রে এটি একটি চমৎকার শক্তি বজায় রাখার বিষয়, যা হলো স্বেচ্ছাসেবী বাহিনী, একটি প্রতিযোগিতামূলক শ্রম বাজারে শক্তিশালী...</p><p>এই প্রতিষ্ঠানে, এটি গুরুত্বপূর্ণ যে আমরা রাজনৈতিক প্রক্রিয়া থেকে দূরে থাকি। এটিই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আমাদের ঐতিহ্য।</p>
**[[অ্যাশটন কার্টার]], [http://www.charlierose.com/ চার্লি রোজের সাথে সাক্ষাৎকার] (ফেব্রুয়ারি ২০১৬)
*যেহেতু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরকার হলো 'জনগণের, জনগণের জন্য এবং জনগণের দ্বারা', তাই যেসব নাগরিকরা সামরিক বিষয়ে নিয়ন্ত্রণ রাখেন, তাদের 'নিজেকে জানুন' বলার সময় এসেছে।
**আন্দা আর. চ্যাফি, [https://archive.org/details/valorofignorance00leahuoft ''দ্য ভ্যালর অফ ইগনোরেন্স''] (১৯০৯), হোমার লি, পৃষ্ঠা xi-xiiতে উদ্ধৃত।
*<p>সামরিক বাহিনী সবসময়ই একটি অত্যন্ত অন্তর্মুখী সংগঠন...</p><p>সেনাবাহিনী এত প্রগতিশীল হওয়ার একটি কারণ হলো এটি সবসময় নিজেকে যাচাই করে। সেনাবাহিনী সবসময় তার কাজ করার আরও ভালো উপায় খোঁজে...</p><p>সেনাবাহিনী বর্ণবাদ দূরীকরণে আমেরিকাকে নেতৃত্ব দিয়েছে...</p><p>সেনাবাহিনী খুব আগেই বুঝতে পেরেছিল যে, কৃষ্ণাঙ্গ মানুষ আর শ্বেতাঙ্গ মানুষ একই; তারা কেবল একটু বেশি শ্যামলা। তারা ঠিক ততটাই ভালো সৈনিক হয়...</p><p>এরা আমাদের সন্তান...</p><p>এরা ভালো সন্তান...</p><p>সেনাবাহিনী বা মেরিন কোরে যোগ দিলে কেউ ক্রিপ্টো-মদ্যপ [[নাৎসিবাদ|নাৎসি]] হয়ে যায় না, বরং সে আমেরিকার এমন একটি সন্তান হয়ে ওঠে যে তার দেশের জন্য কাজ করছে...</p><p>এরা আমাদের সন্তান।</p>
**টম ক্ল্যান্সি, [http://c-spanvideo.org/program/TomC "ইন ডেপথ উইথ টম ক্ল্যান্সি"] (৩ ফেব্রুয়ারি ২০০২), ''সি-স্প্যান''
*আমেরিকানরা সম্মিলিতভাবে নিজেদের বিশ্বের যেকোনো কোণে দ্বন্দ্ব ও সংঘাত শুরু হলে সেখানে ২৪ ঘণ্টা তলব করা একটি বিশাল উদ্ধারকারী দল হিসেবে ভাবে।
**এলড্রিজ ক্লিভার, ''সোল অন আইস'' (১৯৬৮), দ্বিতীয় খণ্ড: "র্যালিং রাউন্ড দ্য ফ্ল্যাগে" উদ্ধৃত।
*সম্পূর্ণ স্বেচ্ছাসেবী সামরিক বাহিনী কাজ করেছে এবং আমাদের এমন কিছু করা উচিত নয় যা এটিকে দুর্বল করে, কারণ এটি এমন একদল মানুষকে সরবরাহ করেছে যারা আমাদের [[দেশ|দেশের]] সেবা করতে ইচ্ছুক।
**[[হিলারি ক্লিনটন]], [http://cnnpressroom.blogs.cnn.com/2016/02/04/rush-transcript-hillary-clinton-cnn-democratic-presidential-town-hall/ সিএনএন টাউন হল মিটিং] (ফেব্রুয়ারি ২০১৬)
*এখানে এক মিলিয়ন সৈন্যের এক ভূমি, যদি আমাদের প্রয়োজন হয়। আমরা স্বাধীনতার জন্য লড়ব!
**জর্জ এম. কোহান, "ইউ আর আ গ্র্যান্ড ওল্ড ফ্ল্যাগ" (১৯০৬)
*<p>[[মুসলিম|মুসলিমরা]] জেনারেল [[জর্জ ওয়াশিংটন|জর্জ ওয়াশিংটনের]] অধীনে মার্কিন সামরিক বাহিনীতে সেবা করেছেন, যিনি আমেরিকান স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় কন্টিনেন্টাল আর্মির প্রধান ছিলেন। ওয়াশিংটনের বাহিনীতে সেবা করা সৈন্যদের তালিকায় বাম্পেট মুহাম্মদের মতো নাম আছে, যিনি ১৭৭৫ থেকে ১৭৮৩ সালের মধ্যে ভার্জিনিয়া লাইনের জন্য যুদ্ধ করেছিলেন। ওয়াশিংটনের আরেক সৈনিক, ইউসুফ বেন আলি ছিলেন একজন উত্তর আফ্রিকান আরব যিনি দক্ষিণ ক্যারোলিনার জেনারেল থমাস সামটারের সহকারী হিসেবে কাজ করতেন। পিটার বাকমিনস্টার, যিনি বোস্টনে যুদ্ধ করেছিলেন, সম্ভবত ওয়াশিংটনের সবচেয়ে বিশিষ্ট মুসলিম আমেরিকান সৈনিক। বাকমিনস্টার সেই বন্দুকটি চালিয়েছিলেন যা বাঙ্কার হিলের যুদ্ধে ব্রিটিশ মেজর জেনারেল জন পিটকাইর্নকে হত্যা করেছিল। এই বিখ্যাত যুদ্ধের কয়েক বছর পর, পিটার তার শেষ নাম পরিবর্তন করে 'সালাম' রাখেন, যা [[আরবি|আরবি]] শব্দ, যার অর্থ 'শান্তি'। পিটার সালাম পরবর্তীতে [[সারাটোগার যুদ্ধ|সারাটোগার যুদ্ধ]] এবং [[স্টনি পয়েন্টের যুদ্ধ|স্টনি পয়েন্টের যুদ্ধ]]ে সেবা করার জন্য কন্টিনেন্টাল আর্মিতে পুনরায় তালিকাভুক্ত হন। ওয়াশিংটনের সেনাবাহিনীতে মুসলিমদের সেবা নিয়ে সমস্যা থাকলে, তিনি মুহাম্মদ, আলি এবং সালামকে অ-মুসলিম আমেরিকানদের প্রতিনিধিত্ব করতে ও সেবা করতে দিতেন না। এই মুসলিমদের আমেরিকাকে সেবা করার সম্মান দিয়ে, ওয়াশিংটন স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে একজন আমেরিকান দেশপ্রেমিক হওয়ার জন্য কোনো নির্দিষ্ট ধর্ম বা জাতিগত পটভূমির হতে হয় না...</p><p>আমেরিকান ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় গৃহযুদ্ধে মুসলিমরা ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছে...</p><p>নিম্নলিখিত প্রশ্নটি নিয়ে চিন্তা করুন। [[জর্জ ওয়াশিংটন|জর্জ ওয়াশিংটন]] কার পক্ষে থাকতেন? মার্কিন সামরিক বাহিনীতে সেবা করা মুসলিম নাগরিকরা, নাকি সেই গোঁড়া ধর্মান্ধদের দল যারা উপাসনালয়ে আমেরিকান নাগরিকদের সহিংসতার হুমকি দেয়?</p>
**ক্রেইগ কনসিটিন, [http://www.huffingtonpost.com/craig-considine/the-difference-between-an_1_b_8257506.html ''স্যালুটিং মুসলিম আমেরিকান প্যাট্রিয়টস'']
*আমাদের জনসংখ্যার মতো বিশ্বের সকল [[জাতি|জাতি]], [[ধর্ম|ধর্ম]] এবং [[জাতীয়তা|জাতীয়তা]] দেশের সশস্ত্র বাহিনীতে প্রতিনিধিত্ব করেছে। কোনো ব্যক্তির [[দেশপ্রেম|দেশপ্রেম]] বা সেবা তার জাতিগত উৎপত্তি, রাজনৈতিক মতামত বা ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে প্রশ্নবিদ্ধ হয়নি। অভিবাসী এবং মধ্য ইউরোপীয় দেশগুলো থেকে আসা অভিবাসীদের সন্তানরা আমাদের মিত্র দেশগুলো থেকে আসা বংশোদ্ভূতদের সাথে, নিরক্ষীয় আফ্রিকার সন্তানদের সাথে এবং আমাদের নিজস্ব আদিবাসী জনসংখ্যার সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধ করেছে, '''তাদের সবাই সমানভাবে 'আমেরিকান' নামের জন্য গর্বিত'''।
**[[ক্যালভিন কুলিজ]], [https://archive.org/stream/foundationsofrep00unit/foundationsofrep00unit_djvu.txt ''টলারেশন অ্যান্ড লিবারালিজম''] (৬ অক্টোবর ১৯২৫), আমেরিকান লিজিয়ন কনভেনশন, ওমাহা, নেব্রাস্কা।
*আমরা খ্যাতি নিয়ে [[জীবন|যাপন]] করি অথবা শিখায় ডুবে যাই!<br />হে! মার্কিন বিমান বাহিনীকে কিছুই থামাতে পারবে না!
**রবার্ট ম্যাকার্থার ক্রফোর্ড, ''দ্য ইউ.এস. এয়ার ফোর্স'' (১৯৪৭)
*সরকার শক্তি, প্রতারণা এবং ছলচাতুরীর মাধ্যমে শাসন করে। তথ্যের অবরোধ সামরিক বাহিনী থেকেই শুরু হয়। সামরিক বাহিনী ইচ্ছাকৃতভাবে তথ্য সীমাবদ্ধ করে, তাছাড়া এর বিশাল আকার ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এমন যে এটি বোঝা এত কঠিন যে রাজনৈতিক নেতারাও সেই প্রতিষ্ঠানটি বুঝতে পারেন না যাকে তাদের কমান্ড করার কথা। আপনি প্রমাণ চান? মার্কিন গভর্নমেন্ট অ্যাকাউন্টেবিলিটি অফিসের ২০১৬ সালের রিপোর্টটি পড়ার চেষ্টা করুন, যা বের করতে পারেনি যে সামরিক বাহিনী ঠিক কতটা তেল পোড়ায়। GAO উপসংহারে পৌঁছেছে: “[ক]ংগ্রেসের কাছে বার্ষিক ভিত্তিতে সামরিক পরিষেবাগুলোর কার্যকলাপের জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানির পরিমাণের ওপর পূর্ণ দৃশ্যমানতা নেই...” এটি অবাক হওয়ার মতো বিষয় নয়। ১৯৫০ সালের দিকে প্রতিষ্ঠার পর থেকে আধুনিক সামরিক বাহিনী মার্কিন সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১, ধারা ৯ লঙ্ঘন করে খরচের কোনো হিসাব দিতে অস্বীকার করেছে। ২০১৮ সালে পেন্টাগন তার প্রথম অডিটেই ব্যর্থ হয়েছে। এটি কেবল নিখোঁজ ৬.৫ ট্রিলিয়ন ডলারের বিষয় নয়, এটি হলো অস্বচ্ছ হিসাবরক্ষণ ব্যবস্থা যা একটি বর্ম—একটি প্রতিরক্ষামূলক অস্ত্র যা মার্কিন সরকারের বিরোধিতা তো দূরের কথা, যারা মার্কিন সরকারকে বুঝতে চায় তাদের নিরপেক্ষ করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
**[https://www.counterpunch.org/2019/06/14/the-climate-counter-offensive-secrecy-deception-and-disarming-the-green-new-deal/ দ্য ক্লাইমেট কাউন্টার-অফেনসিভ: সিক্রেসি, ডিসেপশন অ্যান্ড ডিসআর্মিং দ্য গ্রিন নিউ ডিল, রিচার্ড মোজার, ''কাউন্টারপাঞ্চ''] (১৪ জুন, ২০১৯)
==ডি==
*এবং আমরা আমাদের মাতৃভূমিকে মার্কিন বাহিনীর কবরস্থানে পরিণত করব এবং তাদের [[পরিবার|পরিবার]] তাদের মৃত [[দেহ|দেহের]] জন্য অপেক্ষা করবে। তালিবানের [[যুদ্ধ|যুদ্ধ]] কেবল [[মুসলিম|মুসলিমদের]] [[শত্রু|শত্রুদের]] হাত থেকে [[আফগানিস্তান|আফগানিস্তানের]] [[স্বাধীনতা|স্বাধীনতার]] জন্য।
**[[মোল্লা দাদুল্লাহ]], [http://www.alertnet.org/thenews/newsdesk/ISL151157.htm তালিবান হাজার হাজার আত্মঘাতী বোমা হামলাকারী মোতায়েন করেছে - কমান্ডার] ২ এপ্রিল ২০০৭।
*<p>আমরা বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ সামরিক বাহিনীকে পুনর্গঠনের দীর্ঘ প্রক্রিয়া শুরু করব, আমরা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে সমান খেলার ক্ষেত্র তৈরি করব এবং আমেরিকান শিল্পকে পুনরুজ্জীবিত করব, আমরা আমাদের বন্ধুদের আমাদের বিশ্বাস করার কারণ দেব। আমাদের শত্রুরা আমাদের ভয় পাওয়ার কারণ পাবে, এবং আমাদের নাগরিকরা আবারও বিশ্বাস করার কারণ পাবে। না, আপনি আমেরিকাকে চেনেন না, এবং আপনি কঠিন উপায়ে তা খুঁজে বের করতে চান না...</p><p>আমাদের সৈন্যদের জন্য প্রার্থনা করুন।</p>
**চার্লি ড্যানিয়েলস, [http://www.cnsnews.com/commentary/charlie-daniels/charlie-daniels-open-letter-americas-enemies-you-see-obama-you-dont-know "লেটার টু আমেরিকাস এনিমিজ"] (১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬), ''সিএনএস নিউজ''
*একবার যদি কৃষ্ণাঙ্গ [[মানুষ|মানুষ]] তার শরীরে 'U.S.' পিতলের অক্ষরগুলো পায়; যদি সে তার বোতামে একটি প্রান্ত পায়, এবং কাঁধে একটি মাস্কেট ও পকেটে বুলেট পায়, তবে পৃথিবীতে এমন কোনো শক্তি নেই যা অস্বীকার করতে পারে যে সে নাগরিকত্বের অধিকার অর্জন করেছে।
**[[ফ্রেডরিক ডগলাস]], যার ছেলেরা চার্লস এবং লুইস কর্নেল রবার্ট গোল্ড শ-এর নেতৃত্বে ৫৪তম ম্যাসাচুসেটস ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টে সেবা করেছিলেন (১৮৬২)
*<p>যদি সে একটি মাস্কেট কাঁধে নিয়ে [[পতাকা|পতাকার]] জন্য যুদ্ধ করার, সরকারের জন্য যুদ্ধ করার মতো যথেষ্ট জ্ঞান রাখে, তবে তার ভোট দেওয়ার মতো যথেষ্ট জ্ঞান আছে...</p><p>কৃষ্ণাঙ্গকে বিপদের সময় নাগরিক হিসেবে এবং ঝামেলামুক্ত থাকলে ভিনদেশি হিসেবে দেখার মধ্যে খুব নিচতা আছে। যখন এই জাতি ঝামেলায় ছিল, তার প্রাথমিক সংগ্রামে, এটি কৃষ্ণাঙ্গকে নাগরিক হিসেবে দেখেছিল। ১৭৭৬ সালে সে নাগরিক ছিল। সংবিধান তৈরির সময় ১৩টি পুরোনো রাজ্যের মধ্যে ১১টিতে কৃষ্ণাঙ্গদের ভোট দেওয়ার অধিকার ছিল। আপনার ঝামেলায় আপনি আমাদের নাগরিক করেছেন। ১৮১২ সালে জেনারেল জ্যাকসন আমাদের নাগরিক হিসেবে সম্বোধন করেছিলেন; 'সহ-নাগরিক'। তিনি চেয়েছিলেন আমরা যুদ্ধ করি। আমরা তখন নাগরিক ছিলাম! আর এখন, যখন আপনি একটি কনস্ক্রিপশন বিল তৈরি করতে এসেছেন, কৃষ্ণাঙ্গ আবার নাগরিক। এই সরকারের ইতিহাসে সে মাত্র তিনবার নাগরিক হয়েছে, এবং এটি সবসময়ই বিপদের সময়। বিপদের সময় আমরা নাগরিক। আমরা কি যুদ্ধে নাগরিক এবং শান্তিতে ভিনদেশি হব? তা কি ন্যায্য হবে?</p>
**[[ফ্রেডরিক ডগলাস]], [http://teachingamericanhistory.org/library/document/what-the-black-man-wants/ "হোয়াট দ্য ব্ল্যাক ম্যান ওয়ান্টস"], বোস্টন, ম্যাসাচুসেটসে ভাষণ (১৮৬৫)
*আমরা এখানে পুরুষোচিত সাহসের প্রশংসা করতে আসিনি, যদিও তা একটি মহৎ উদ্দেশ্যে প্রদর্শিত হয়েছে। আমাদের কখনোই ভুলে যাওয়া উচিত নয় যে বিদ্রোহে জয় মানেই প্রজাতন্ত্রের মৃত্যু। আমাদের কখনোই ভুলে যাওয়া উচিত নয় যে অনুগত সৈন্যরা যারা এই মাটির নিচে বিশ্রাম নিচ্ছে তারা জাতি এবং [[কনফেডারেট স্টেটস অফ আমেরিকা|জাতি ধ্বংসকারীদের]] মাঝে নিজেদের ছুড়ে দিয়েছিল। যদি আজ আমাদের একটি দেশ থাকে যা [[ফ্রান্স|ফ্রান্সের]] মতো রক্তে ফুটছে না, যদি এখন আমাদের একটি ঐক্যবদ্ধ দেশ থাকে, যা আর [[দাসত্ব|দাসত্বের]] নরকীয় ব্যবস্থার অভিশাপে অভিশপ্ত নয়, '''যদি আমেরিকান নামটি আর উপহাসকারী পৃথিবীর জন্য কোনো কথা বা হিস হিস শব্দ না হয়, যদি নক্ষত্রখচিত ব্যানারটি কেবল ভূমির প্রতিটি প্রান্তে স্বাধীন আমেরিকান নাগরিকদের ওপর উড়ে বেড়ায়, এবং আমাদের দেশের সামনে ন্যায়বিচার, স্বাধীনতা ও সভ্যতার এক দীর্ঘ এবং গৌরবময় কর্মজীবন থাকে, তবে আমরা আমাদের চারপাশে সম্মানিত এই কবরগুলোতে বিশ্রামরত মহৎ সেনাবাহিনীর নিঃস্বার্থ ভক্তির কাছে ঋণী'''।
**[[ফ্রেডরিক ডগলাস]], [http://deadconfederates.com/2015/05/25/frederick-douglass-on-decoration-day-1871-5/ "দ্য আননোন লয়াল ডেড"] (৩০ মে ১৮৭১), আর্লিংটন ন্যাশনাল সিমেট্রি, আর্লিংটন কাউন্টি, ভার্জিনিয়া।
* [[ওসামা বিন লাদেন|ওসামা বিন লাদেনের হত্যার]] কয়েকদিনের মধ্যে, ২ মে, ২০১১-এ জানা যায় যে মিশনটি সম্পাদনকারী [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নৌবাহিনী সিল|নৌবাহিনী সিল]] দল তার লক্ষ্যের জন্য জেরোনিমো কোড নাম ব্যবহার করেছিল। ''নিউ ইয়র্ক ডেইলি নিউজে''র ৪ মের একটি প্রতিবেদনে মন্তব্য করা হয়েছে, "[[ওসামা বিন লাদেন|ওসামা বিন লাদেনের]] লাশের অদেখা ছবি এবং [[পাকিস্তান|পাকিস্তান]] কী জানত সেই প্রশ্নগুলোর পাশাপাশি, আল কায়েদা বসকে 'জেরোনিমো' ডাকার কারণগুলো ব্ল্যাক অপস মিশনের অন্যতম বড় রহস্য হিসেবে রয়ে গেছে।" সেই কোড নাম বেছে নেওয়াটা সামরিক বাহিনীর কাছে রহস্য ছিল না, যারা শত্রু অঞ্চল নির্ধারণের জন্য "ইন্ডিয়ান কান্ট্রি" শব্দটিও ব্যবহার করে এবং তাদের হত্যার মেশিন ও অপারেশনগুলোকে ইউএইচ-১বি/সি ইরো কোয়া, ওএইচ-৫৮ডি কিওয়া, ওভি-১ মোহক, ওএইচ-৬ কাইউস, এএইচ-৬৪ অ্যাপাচি, এস-৫৮/এইচ-৩৪ চক্টো, ইউএইচ-৬০ ব্ল্যাক হক, থান্ডারবার্ড এবং রোলিং থান্ডারের মতো নাম দিয়ে চিহ্নিত করে। শেষেরটি হলো ১৯৬০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে [[ভিয়েতনাম|ভিয়েতনামের]] [[কৃষক|কৃষকদের]] ওপর নিরলস কার্পেট-বোমাবর্ষণের জন্য সামরিক নাম। উত্তর আমেরিকার আদিবাসী জাতি ও সম্প্রদায়গুলোর বিরুদ্ধে যুদ্ধে ভিত্তিহীন একটি সামরিক বাহিনীর মূলে থাকা উপনিবেশবাদ ও [[সাম্রাজ্যবাদ|সাম্রাজ্যবাদ]]ের সংবেদনশীলতার স্থায়ীত্বের আরও অনেক বর্তমান ও সাম্প্রতিক উদাহরণ রয়েছে।
** রোক্সান ডানবার-অরটিজ, ''অ্যান ইন্ডিজেনাস পিপলস হিস্ট্রি অফ দ্য ইউনাইটেড স্টেটস'' (২০১৪)
==ই==
*সৈনিক, নাবিক এবং বিমানসেনা অ্যালিয়েড এক্সপিডিশনারি ফোর্স! <br> আপনারা সেই গ্রেট ক্রুসেডে যাত্রা করতে যাচ্ছেন, যার জন্য আমরা বহু মাস ধরে চেষ্টা করেছি। [[বিশ্ব|বিশ্বের]] [[চোখ]] আপনাদের ওপর। [[স্বাধীনতা]]-প্রেমী [[মানুষ|মানুষের]] [[আশা]] ও [[প্রার্থনা]] সব জায়গায় আপনাদের সাথে মার্চ করছে। অন্যান্য ফ্রন্টে আমাদের সাহসী মিত্র ও অস্ত্র-ভাইদের সাথে, আপনারা [[জার্মানি|জার্মান]] [[যুদ্ধ]] মেশিনের ধ্বংস, ইউরোপের নিপীড়িত জনগণের ওপর [[নাৎসি]] স্বৈরাচার দূরীকরণ এবং একটি [[স্বাধীনতা|স্বাধীন]] বিশ্বে নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন।<br> আপনাদের কাজ সহজ হবে না। আপনাদের শত্রু সুপ্রশিক্ষিত, সুসজ্জিত এবং যুদ্ধ-কঠিন। সে বন্যভাবে লড়াই করবে। <br>কিন্তু এটি ১৯৪৪ সাল! ১৯৪০-৪১ সালের [[নাৎসিবাদ|নাৎসি]] বিজয়ের পর অনেক কিছু ঘটেছে। [[জাতি|জাতিসংঘ]] জার্মানদের ওপর বিশাল পরাজয় চাপিয়েছে, খোলা যুদ্ধে, মানুষে-মানুষে। আমাদের বিমান আক্রমণ তাদের আকাশে শক্তি এবং মাটিতে যুদ্ধ করার ক্ষমতা মারাত্মকভাবে কমিয়েছে। আমাদের হোম ফ্রন্টগুলো আমাদের অস্ত্র ও গোলাবারুদের ব্যাপক শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছে, এবং প্রশিক্ষিত যুদ্ধবাজ মানুষের বিশাল মজুদ আমাদের হাতে তুলে দিয়েছে। জোয়ার ঘুরে গেছে! বিশ্বের স্বাধীন মানুষ বিজয়ের দিকে একসাথে মার্চ করছে! <br>আমি আপনাদের সাহস, কর্তব্যর প্রতি ভক্তি এবং [[যুদ্ধ]]র দক্ষতার ওপর পূর্ণ আস্থা রাখি।<br> আমরা পূর্ণ জয় ছাড়া কিছুই গ্রহণ করব না! শুভ [[ভাগ্য|ভাগ্য]]! এবং আসুন আমরা এই মহান ও মহৎ উদ্যোগের ওপর সর্বশক্তিমান [[ঈশ্বর|ঈশ্বরের]] আশীর্বাদ প্রার্থনা করি।'''
**[[ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার]], [http://www.3ad.com/history/wwll/feature.pages/d.day.letters.htm অর্ডার অফ দ্য ডে (২ জুন ১৯৪৪), নরম্যান্ডিতে অবতরণের আগে সৈন্যদের কাছে একটি বার্তা], ফ্রাঙ্কলিন ওয়াটস, ''ভয়েসেস অফ হিস্ট্রি'' (১৯৪৫)-এ রিপোর্ট করা হয়েছে, পৃষ্ঠা ২৬০।
*'''[[আলেকজান্ডার হ্যামিল্টন|আলেকজান্ডার হ্যামিল্টন]]''': যদি আমরা আমাদের প্রতিরক্ষার জন্য অযোগ্য রাজ্য মিলিশিয়াদের ওপর নির্ভর করতে বাধ্য হই, তবে আমরা এখনই ফরাসি ভাষা শেখা শুরু করতে পারি, মিস্টার প্রেসিডেন্ট। একটি জাতীয় সেনাবাহিনী ব্যাংক যেমন করে দেশটিকে আবদ্ধ করে।
**[[আলেকজান্ডার হ্যামিল্টন]], রুফাস সেওয়েল দ্বারা ''জন অ্যাডামসে'' ব্যাখ্যা করা হয়েছে, কার্ক এলিস লিখিত, "অংশ VI: অপ্রয়োজনীয় যুদ্ধ", (১৬ মার্চ – ২৭ এপ্রিল, ২০০৮); ডেভিড ম্যাককুলাফের বইয়ের ওপর ভিত্তি করে।
*'''[[জন অ্যাডামস|জন অ্যাডামস]]''': আমরা যখন শান্তির প্রস্তুতি নিচ্ছি তখন পৃথিবীতে আমাদের কেন একটি সেনাবাহিনী প্রয়োজন?
**[[জন অ্যাডামস]], পল জিয়ামাট্টি দ্বারা ''জন অ্যাডামসে'' ব্যাখ্যা করা হয়েছে, কার্ক এলিস লিখিত, "অংশ VI: অপ্রয়োজনীয় যুদ্ধ", (১৬ মার্চ – ২৭ এপ্রিল, ২০০৮) ডেভিড ম্যাককুলাফের বইয়ের ওপর ভিত্তি করে।
==এফ==
[[File:Jim_Nabors_as_Gomer_Pyle_in_"The_Andy_Griffith_Show"_(cropped).jpg|thumb|আমার শৈশবে, অর্থাৎ পঞ্চাশ ও [[১৯৬০-এর দশক|ষাটের দশকে]] এবং পরবর্তী সময়ে [[১৯৭০-এর দশক|সত্তরের দশকে]], আমেরিকান পপ সংস্কৃতিতে সামরিক বাহিনীর প্রতি সাধারণ মানুষের এক ধরনের পরিচিতি ছিল, যার ফলে মাঝেমধ্যে তাদের নিয়ে কৌতুকও করা হতো। তখন “[[গামার পাইল, ইউ.এস.এম.সি.|গামার পাইল]]”, “[[হোগান্স হিরোস|হোগান্স হিরোস]]” বা “[[ম্যাকহেলস নেভি|ম্যাকহেলস নেভি]]”-এর মতো অনুষ্ঠান দেখা যেত। <br> তখন “[[সাউথ প্যাসিফিক (মিউজিক্যাল)|সাউথ প্যাসিফিক]]”-এর মতো [[শিল্পকর্ম]], “[[ক্যাচ-২২|ক্যাচ ২২]]”-এর মতো [[উপন্যাস]] এবং “[[ম্যাশ (চলচ্চিত্র)|ম্যাশ]]”-এর মতো [[চলচ্চিত্র]] তৈরি হতো। এগুলো সামরিক বাহিনীর গুরুত্ব এবং [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের]] মতো বড় পরিসরে তাদের বীরত্বপূর্ণ অবদানকে সম্মান জানাত, তবুও এসব গল্পে বাস্তব মানুষ এবং তাদের সীমাবদ্ধতাগুলো ফুটে উঠত। <br> কিন্তু এখন আমাদের সামরিক বাহিনীর প্রতি এক ধরনের কৃত্রিম ভক্তি তৈরি হয়েছে, যা একই সাথে দূরবর্তী ও বিচ্ছিন্ন। ~ [[জেমস ফ্যালোস]]]]
* আমেরিকান জনগণের সাথে সামরিক বাহিনীর ক্রমবর্ধমান দূরত্ব তাদের সশস্ত্র বাহিনী সম্পর্কে চিন্তা ও কথোপকথনের ধরণকেও বদলে দিয়েছে, এমনটাই দাবি করেন “[[দি আটলান্টিক|দি আটলান্টিক]]”-এর লেখক [[জেমস ফ্যালোস]]। জানুয়ারিতে ফ্যালোস তার কভার স্টোরি “কেন বিশ্বের সেরা সৈন্যরা বারবার হেরে যাচ্ছে?: আমেরিকান সামরিক বাহিনীর করুণ পতন” নিয়ে [[পিবিএস নিউজ|নিউজআওয়ার]]ে মার্গারেট ওয়ার্নারের সাথে আলোচনা করেন: <br> আমার শৈশবে, অর্থাৎ পঞ্চাশ ও [[১৯৬০-এর দশক|ষাটের দশকে]] এবং পরবর্তী সময়ে [[১৯৭০-এর দশক|সত্তরের দশকে]], আমেরিকান পপ সংস্কৃতিতে সামরিক বাহিনীর প্রতি সাধারণ মানুষের এক ধরনের পরিচিতি ছিল, যার ফলে মাঝেমধ্যে তাদের নিয়ে কৌতুকও করা হতো। তখন “[[গামার পাইল, ইউ.এস.এম.সি.|গামার পাইল]]”, “[[হোগান্স হিরোস|হোগান্স হিরোস]]” বা “[[ম্যাকহেলস নেভি|ম্যাকহেলস নেভি]]”-এর মতো অনুষ্ঠান দেখা যেত। <br> তখন “[[সাউথ প্যাসিফিক (মিউজিক্যাল)|সাউথ প্যাসিফিক]]”-এর মতো [[শিল্পকর্ম]], “[[ক্যাচ-২২|ক্যাচ ২২]]”-এর মতো [[উপন্যাস]] এবং “[[ম্যাশ (চলচ্চিত্র)|ম্যাশ]]”-এর মতো [[চলচ্চিত্র]] তৈরি হতো। এগুলো সামরিক বাহিনীর গুরুত্ব এবং [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের]] মতো বড় পরিসরে তাদের বীরত্বপূর্ণ অবদানকে সম্মান জানাত, তবুও এসব গল্পে বাস্তব মানুষ এবং তাদের সীমাবদ্ধতাগুলো ফুটে উঠত। <br> কিন্তু এখন আমাদের সামরিক বাহিনীর প্রতি এক ধরনের কৃত্রিম ভক্তি তৈরি হয়েছে, যা একই সাথে দূরবর্তী ও বিচ্ছিন্ন।
**জেমস ফ্যালোস, (জানুয়ারি ২০১৫); মেগান ক্রিগার এবং লরা সান্তানামের উদ্ধৃতিতে, [https://www.pbs.org/newshour/nation/many-Americans-died-u-s-wars “কতজন আমেরিকান মার্কিন যুদ্ধে মারা গেছেন?”], ''পিবিএস নিউজ আওয়ার: নেশন'', (আপডেট করা হয়েছে ২৭ মে, ২০১৯ দুপুর ১২:৩১ ইডিটি — প্রকাশিত হয়েছে ২৪ মে, ২০১৫)।
* যুদ্ধ যে [[বৈশ্বিক উষ্ণায়ন|জলবায়ু পরিবর্তন]] ত্বরান্বিত করে—এই বিশাল ও কলঙ্কিত সত্যটি অত্যন্ত সতর্কতার সাথে গোপন রাখা হয়। এই বিষয়টি আড়ালে রাখতে সামরিক বাহিনীকে যেকোনো তদারকি বা বাধ্যবাধকতা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। আইনগত এই ছাড় দেওয়ার বিষয়টি সবসময়ই বিদ্যমান ছিল, তবে জি. ডব্লিউ. বুশ ১৯৯৭ সালের কিয়োটো প্রোটোকলে এই সংক্রান্ত ভাষা যুক্ত করে এটিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেন, যদিও তিনি পরবর্তীতে সেই চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন... মার্কিন সামরিক বাহিনীর গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের হিসাব থেকে অব্যাহতিপ্রাপ্ত তালিকায় রয়েছে বিশ্বজুড়ে ১৩০টির বেশি দেশে থাকা ১,০০০-এর বেশি মার্কিন ঘাঁটি, যুক্তরাষ্ট্রে থাকা ৬,০০০ স্থাপনা, যুদ্ধবিমানবাহী জাহাজ এবং জেট বিমান। এছাড়া অস্ত্র পরীক্ষা এবং ন্যাটো সামরিক জোট ও আফ্রিকমের মতো বিশাল মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটের বহুপাক্ষিক কার্যক্রমও এই হিসাবের বাইরে। এই বিধানের আওতায় মার্কিন/জাতিসংঘ-অনুমোদিত “শান্তিরক্ষা” ও “মানবিক ত্রাণ” কার্যক্রমকেও অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
**[[সারা ফ্লাউন্ডার্স]], উদ্ধৃত: [https://www.counterpunch.org/2019/06/14/the-climate-counter-offensive-secrecy-deception-and-disarming-the-green-new-deal/ জলবায়ু পাল্টা আক্রমণ: গোপনীয়তা, প্রতারণা এবং গ্রিন নিউ ডিলকে নিরস্ত্র করা, রিচার্ড মোজার, ''কাউন্টারপাঞ্চ''] (১৪ জুন, ২০১৯)
* [[বাজার]]ের লুকানো [[হাত]] কখনোই একটি লুকানো মুষ্টি (শক্তি) ছাড়া কাজ করবে না। [[ম্যাকডোনাল্ডস]] কখনোই [[ম্যাকডোনেল ডগলাস]] (এফ-১৫ বিমানের নকশাকার) ছাড়া উন্নতি করতে পারত না। আর যে লুকানো মুষ্টিটি [[সিলিকন ভ্যালি]]ের [[প্রযুক্তি|প্রযুক্তির]] প্রসারের জন্য বিশ্বকে নিরাপদ রাখে, তার নামই হলো [[ইউএস আর্মি]], [[মার্কিন বিমান বাহিনী|বিমান বাহিনী]], [[নৌবাহিনী]] এবং [[মার্কিন মেরিন কোর|মেরিন কোর]]।
**[[থমাস এল. ফ্রিডম্যান]], {{cite news
| url = http://www.nytimes.com/1999/03/28/magazine/a-manifesto-for-the-fast-world.html
| title = ফাস্ট ওয়ার্ল্ডের জন্য একটি ইশতেহার
| work = নিউ ইয়র্ক টাইমস
| date = ২৮ মার্চ, ১৯৯৯
| accessdate = ২০১০-০৬-২৮}}
=== “শারীরিক গঠন এবং শারীরিক সক্ষমতা: সামরিক পরিষেবার জন্য প্রয়োগ” (১৯৯০) ===
<small> কার্ল ই. ফ্রিড, [https://www.ncbi.nlm.nih.gov/books/NBK235960/ “শারীরিক গঠন এবং শারীরিক সক্ষমতা: সামরিক পরিষেবার জন্য প্রয়োগ”], ইনস্টিটিউট অফ মেডিসিন (ইউএস) কমিটি অন মিলিটারি নিউট্রিশন রিসার্চ; ম্যারিয়ট বিএম, গ্রামস্ট্রুপ-স্কট জে, সম্পাদকবৃন্দ। ওয়াশিংটন (ডিসি): ন্যাশনাল একাডেমি প্রেস (ইউএস); ১৯৯০। </small>
[[File:Marine_Corps_Recruit_Depot_Parris_Island_Training_140513-M-XK446-114.jpg|thumb|[[সুনির্দিষ্ট]] শারীরিক সক্ষমতার [[পরীক্ষা]], যেমন 'অ্যানুয়াল টেস্ট রাইড', একসময় সেনাবাহিনীতে কার্যকর ছিল। তবে আজকের সেনাবাহিনী অত্যন্ত [[বৈচিত্র্যময়]] হওয়ায় নিয়মিতভাবে [[বাস্তবসম্মত]] যুদ্ধ সক্ষমতা পরীক্ষা দিয়ে সৈন্যদের বাছাই করা কঠিন। বর্তমানের [[ইউএস আর্মি ফিজিক্যাল ফিটনেস টেস্ট]] মূলত ২-মাইল [[দৌড়]], [[পুশ-আপ]] এবং [[সিট-আপ]] পরীক্ষার মাধ্যমে [[অ্যারোবিক ব্যায়াম|অ্যারোবিক সক্ষমতা]] যাচাই করে; এই মানদণ্ডগুলো মূলত চাকরির ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্য, প্রবেশের জন্য নয় এবং এগুলোর প্রয়োগ [[শরীরের চর্বি|শরীরের চর্বির]] মানদণ্ডের চেয়েও নমনীয়। ~ কার্ল ই. ফ্রিড]]
* সামরিক বাহিনীতে শারীরিক মানদণ্ড নির্ধারণের মূল উদ্দেশ্য সবসময়ই ছিল এমন সৈন্যদের খুঁজে বের করা, যারা সামরিক পরিষেবার শারীরিক চাহিদা পূরণে সবচেয়ে উপযুক্ত। এই মানদণ্ডের অর্থ ছিল এমন সৈন্য নির্বাচন করা, যাদের দেখে মনে হয় তারা ভারি বোঝা বহন করতে এবং ভালো লড়াই করতে সক্ষম। বর্তমানে, ইউএস আর্মির শারীরিক সক্ষমতার ওপর জোর দেওয়ার অংশ হিসেবে শরীরের চর্বির মানদণ্ড ব্যবহার করা হয়, যাতে নিশ্চিত করা যায় যে বাহিনীগুলো ''চরম জলবায়ু ও ভূখণ্ডে লড়াই করার মতো স্ট্যামিনা এবং ধৈর্য রাখে'' (স্টাডি অফ দ্য মিলিটারি সার্ভিসেস ফিজিক্যাল ফিটনেস, ১৯৮১)। <br> গত শতাব্দীর বেশিরভাগ সময় ধরে, উচ্চতা ও ওজনের অনুপাত সৈন্যের শারীরিক সক্ষমতা যাচাইয়ের প্রধান মাপকাঠি ছিল, কিন্তু ইদানীংকালের আগ পর্যন্ত এই মানদণ্ডগুলো কেবল কম ওজনের প্রার্থীদের বাদ দেওয়ার জন্যই ব্যবহৃত হতো।
* প্রয়োজনের তাগিদে কিছু শারীরিক মানদণ্ড খুব সহজেই পরিবর্তন করা হয়েছে, যা ইঙ্গিত দেয় যে কোনো বিষয়কে হয়তো ‘সৈনিকের বৈশিষ্ট্য’ হিসেবে তুলে ধরা হলেও তা আসলে যুদ্ধের প্রয়োজনে খুব একটা জরুরি নয়। উচ্চতা এর একটি উদাহরণ। ইউরোপীয় রাজারা লম্বা সৈন্যদের নিয়ে গর্ব করতেন; এছাড়া ড্রিল ও অনুষ্ঠানের জন্য একই উচ্চতার মানুষ থাকাটা সুবিধাজনক ছিল। কিছু ইউজেনিকিস্ট দাবি করতেন যে অপরাধীরা সাধারণত অন্যদের তুলনায় খাটো হয় (ব্যাক্সটার, ১৮৭৫) এবং একজন অবসরপ্রাপ্ত সামরিক সার্জন প্রস্তাব করেছিলেন যে শারীরিক বৈশিষ্ট্য দেখে ভবিষ্যৎ বীরদের শনাক্ত করা সম্ভব (ফস্টার এবং অন্যান্য, ১৯৬৭)। তাই, ঊনবিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে মার্কিন সৈন্যদের জন্য ন্যূনতম উচ্চতা ছিল ৬৬ ইঞ্চি, যা পরবর্তী সময়ে ধীরে ধীরে কমানো হয়েছে। জাতীয় জরুরি অবস্থার সময় যখন নতুন সৈন্যের চাহিদা বাড়ত, তখনই সবচেয়ে শিথিল মানদণ্ড (এমনকি গৃহযুদ্ধের সময় কোনো ন্যূনতম উচ্চতার বাধ্যবাধকতা ছিল না) কার্যকর ছিল।
* সুনির্দিষ্ট শারীরিক সক্ষমতার পরীক্ষা, যেমন 'অ্যানুয়াল টেস্ট রাইড', একসময় সেনাবাহিনীতে কার্যকর ছিল। তবে আজকের সেনাবাহিনী অত্যন্ত বৈচিত্র্যময় হওয়ায় নিয়মিতভাবে বাস্তবসম্মত যুদ্ধ সক্ষমতা পরীক্ষা দিয়ে সৈন্যদের বাছাই করা কঠিন। বর্তমানের ইউএস আর্মি ফিজিক্যাল ফিটনেস টেস্ট মূলত ২-মাইল দৌড়, পুশ-আপ এবং সিট-আপ পরীক্ষার মাধ্যমে অ্যারোবিক সক্ষমতা যাচাই করে; এই মানদণ্ডগুলো মূলত চাকরির ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্য, প্রবেশের জন্য নয় এবং এগুলোর প্রয়োগ শরীরের চর্বির মানদণ্ডের চেয়েও নমনীয়।
==জি==
[[File:CapShield01.jpg|thumb|১৯৫৩ সালের ১৩ জুলাইয়ের ([[কমিউনিস্ট]]) “[[ডেইলি ওয়ার্কার|ডেইলি ওয়ার্কার]]”-এ বলা হয় যে, [[কমিক্স]] সচেতনভাবে নিম্নোক্ত ভূমিকা পালন করে: <br> “...[[আমেরিকান]] [[যুবসমাজকে]] নিষ্ঠুর করে গড়ে তোলা, যাতে তারা আমাদের [[সরকার]]ের [[বিশ্ব আধিপত্যের]] লক্ষ্য বাস্তবায়নে [[সামরিক]] সেবার জন্য আরও ভালোভাবে প্রস্তুত হতে পারে। এছাড়া, [[জাতিসংঘ|জাতিসংঘের]] পতাকাতলে [[কোরীয় যুদ্ধ|কোরিয়ায়]] [[আমেরিকান]] [[সৈনিক]] ও [[বিমানসেনা|বিমানসেনাদের]] দ্বারা সংঘটিত [[অত্যাচার]] মেনে নিতে তাদের অভ্যস্ত করা।” ~ [[উইলিয়াম গেইনস]]]]
* ১৯৫৩ সালের ১৩ জুলাইয়ের (কমিউনিস্ট) “ডেইলি ওয়ার্কারে” বলা হয় যে, কমিক্স সচেতনভাবে নিম্নোক্ত ভূমিকা পালন করে: <br> “...আমেরিকান যুবসমাজকে নিষ্ঠুর করে গড়ে তোলা, যাতে তারা আমাদের [[সরকার]]ের বিশ্ব আধিপত্যের লক্ষ্য বাস্তবায়নে সামরিক সেবার জন্য আরও ভালোভাবে প্রস্তুত হতে পারে। এছাড়া, [[জাতিসংঘ|জাতিসংঘের]] পতাকাতলে [[কোরীয় যুদ্ধ|কোরিয়ায়]] আমেরিকান সৈনিক ও বিমানসেনাদের দ্বারা সংঘটিত অত্যাচার মেনে নিতে তাদের অভ্যস্ত করা।”
** উইলিয়াম গেইনস, “আর ইউ এ রেড ডুপ?”, ''দ্য হন্ট অফ ফিয়ার'', ইসি কমিক্স, (আগস্ট ১৯৫৪)
*আমি [[আশা]] করি, রাস্তাঘাটে, টিউবে এবং বাসে আমরা যে তরুণ আমেরিকান সৈনিকের সাথে পরিচিত হচ্ছি, সে আমাদের সঙ্গ পেয়ে ততটাই আনন্দিত হয়েছে, যতটা আমরা তাকে পেয়ে হয়েছি।
**আলফ্রেড জর্জ গার্ডিনার, [https://books.google.com/books?id=A9LPAAAAMAAJ&pg=PA101&lpg=PA101&dq=%22The+directness+and+naturalness+of+the+American+is+the+most+enviable+of+his+traits.+It+gives+the+sense+of+a+man+who+is+born+free.%22&source=bl&ots=s6wfDHuUWv&sig=nRZZ4aIhKELXA_zsps9cZACrDjE&hl=en&sa=X&ved=0ahUKEwikhO3EooDUAhVH4CYKHVHTBRAQ6AEIJjAC#v=onepage&q=%22The%20directness%20and%20naturalness%20of%20the%20American%20is%20the%20most%20enviable%20of%20his%20traits.%20It%20gives%20the%20sense%20of%20a%20man%20who%20is%20born%20free.%22&f=false ''লিভস ইন দ্য উইন্ড''], পৃষ্ঠা ৯৭
*সৈনিকেরা, তোমরা পৃথিবীর ইতিহাসের সবচেয়ে মহৎ দল। এই প্রান্তরকে চিরকালের জন্য গৌরব ও [[স্বাধীনতা|স্বাধীনতার]] প্রান্তরে পরিণত করতে তোমরা জীবন দিয়েছ।
**[[জেমস এ. গারফিল্ড]], [http://grandoldpartisan.typepad.com/blog/2015/10/garfield-speech.html “ডোন্ট পিচ ইয়োর টেন্ট অ্যামাং দ্য ডেড”] (অক্টোবর ১৮৭৯)
*যুক্তরাষ্ট্র পরবর্তী দশ বছরে পেন্টাগনের জন্য ৭ ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি ব্যয় করার পথে রয়েছে। এই বিশাল অংকের ধারণা পাওয়ার জন্য বলা যায়, যুক্তরাষ্ট্র প্রতি বছর সামরিক খাতে চীন, রাশিয়া, ভারত, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ফ্রান্স, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া এবং অস্ট্রেলিয়ার সম্মিলিত খরচের চেয়েও বেশি ব্যয় করে। যদিও রিপাবলিকান এবং ডেমোক্র্যাটরা তুলনামূলক ছোট “বিল্ড ব্যাক বেটার” আইন নিয়ে তীব্র দ্বিমত পোষণ করে, তবে সামরিক বাজেট এবং বিদেশি সামরিক হস্তক্ষেপের ক্ষেত্রে তারা অধিকাংশ সময় ঐক্যমত্য পোষণ করে।
**এমি গুডম্যান, [https://www.democracynow.org/2021/11/24/war_party_us_military_spending “দ্য ওয়ার পার্টি”: জেরেমি স্কেলহিল অন হাউ ইউ.এস. মিলটারিজম ইউনিফায়েস ডেমোক্র্যাটস অ্যান্ড রিপাবলিকানস, ''ডেমোক্রেসি নাও!''] (২৪ নভেম্বর ২০২১)
*অন্য যেকোনো দেশের তুলনায় মার্কিন সামরিক বাহিনীর বৈশ্বিক শক্তি প্রয়োগের একটি সুনির্দিষ্ট মতবাদ রয়েছে। তাদের ধারণা, প্রায় ৮০০টি বিদেশি সামরিক ঘাঁটির মাধ্যমে পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে প্রাণঘাতী শক্তি নিয়ে হস্তক্ষেপ করার ক্ষমতা তাদের থাকা উচিত। একদিক থেকে দেখলে, স্থলবাহিনী এখানে গৌণ; কারণ অন্তত [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের]] পর থেকে মার্কিন সামরিক মতবাদের মূল ভিত্তি হলো বিমান শক্তির ওপর নির্ভরতা। যুক্তরাষ্ট্র এমন কোনো যুদ্ধে জড়ায়নি যেখানে তাদের আকাশসীমার নিয়ন্ত্রণ ছিল না। এছাড়া, তারা অন্য যেকোনো সামরিক বাহিনীর তুলনায় বিমান হামলার ওপর অনেক বেশি পদ্ধতিগতভাবে নির্ভর করেছে। উদাহরণস্বরূপ, সাম্প্রতিক ইরাক দখলের সময় তারা এমন শহরগুলোতেও বিমান হামলা চালিয়েছে যা আপাতদৃষ্টিতে তাদের নিজেদের দখলেই ছিল। '''বিশ্বে মার্কিন সামরিক আধিপত্যের মূল কারণ হলো—তারা ইচ্ছামতো, মাত্র কয়েক ঘণ্টার নোটিশে, পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে বোমা ফেলতে সক্ষম।''' অন্য কোনো সরকারের কখনোই এমন সক্ষমতা ছিল না। প্রকৃতপক্ষে, এমন দাবিও করা যেতে পারে যে, এই শক্তির কারণেই ডলারকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা পুরো বিশ্ব মুদ্রাব্যবস্থা টিকে আছে।
**ডেভিড গ্রেবার, ''ডেট: দ্য ৫০০০ ইয়ার্স'', পৃষ্ঠা ৩৬৫-৩৬৬
*সবাই জানে যে, অন্তত [[জুলিয়াস সিজার|জুলিয়াস সিজারের]] সময় থেকে [[সমকামী পুরুষ|সমকামীরা]] সামরিক বাহিনীতে সম্মানের সাথে সেবা করে আসছে।
**ব্যারি গোল্ডওয়াটার, ১০ জুন ১৯৯৩-এর বিবৃতি, ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসে'' “গোল্ডওয়াটার ব্যাকস গে ট্রুপস”-এ উদ্ধৃত (১১ জুন ১৯৯৩); এছাড়াও রবার্ট অ্যালান গোল্ডবার্গের লেখা ''ব্যারি গোল্ডওয়াটার'' (১৯৯৫), পৃষ্ঠা ৩৩২-এ উদ্ধৃত।
*আপনার [[দেশ|দেশের]] জন্য লড়াই করতে এবং [[মৃত্যু|মরতে]] আপনার 'বিষমকামী' হওয়ার প্রয়োজন নেই। শুধু লক্ষ্যভেদ করতে পারাটাই যথেষ্ট।
**ব্যারি গোল্ডওয়াটার, রবার্ট অ্যালান গোল্ডবার্গের লেখা ''ব্যারি গোল্ডওয়াটার'' (১৯৯৫), পৃষ্ঠা ৩৩২-এ উদ্ধৃত।
*[[যুদ্ধ]] আমাদের একটি মহান শক্তি এবং বুদ্ধিদীপ্ত জাতিতে পরিণত করেছে। দেশে [[শান্তি]], [[সুখ]] ও সমৃদ্ধি বজায় রাখা এবং অন্যান্য জাতির সম্মান অর্জনের জন্য আমাদের খুব বেশি কিছু করার প্রয়োজন নেই। আমাদের অতীত অভিজ্ঞতা থেকে প্রথমটির (শান্তি বজায় রাখা) প্রয়োজনীয়তা এবং আমাদের শক্তিই শেষোক্তটি (সম্মান) নিশ্চিত করে।
**ইউলিসিস এস. গ্র্যান্ট, [http://www.gutenberg.org/etext/4367 ''পার্সোনাল মেমোয়ার্স অফ জেনারেল ইউ. এস. গ্র্যান্ট''] (১৮৮৫)
*গত কয়েক দশকের প্রতিটি বড় মার্কিন যুদ্ধ একইভাবে শুরু হয়েছে। মার্কিন সরকার কোনো একটি আবেগপূর্ণ ও উসকানিমূলক মিথ্যা তৈরি করে। বড় মার্কিন মিডিয়া আউটলেটগুলো প্রশ্ন তোলা বা ভিন্নমত পোষণ না করে সেটিকে সত্য বলে প্রচার করে, ফলে তারা আক্রমণ করতে চাওয়া দেশের প্রতি তীব্র ক্ষোভের জন্ম দেয়। এভাবেই আমরা [[ভিয়েতনাম যুদ্ধ|ভিয়েতনাম যুদ্ধে]] (উত্তর ভিয়েতনাম কর্তৃক টঙ্কিন উপসাগরে মার্কিন জাহাজ আক্রমণের ঘটনা), উপসাগরীয় যুদ্ধে (সাদ্দাম হোসেন ইনকিউবেটর থেকে শিশুদের কেড়ে নিয়েছিলেন বলে গুজব) এবং অবশ্যই [[ইরাক যুদ্ধ|ইরাক যুদ্ধে]] (সাদ্দামের কাছে গণবিধ্বংসী অস্ত্র ছিল এবং তিনি আল-কায়েদার সাথে জোট করেছিলেন) জড়িয়েছি।
*ঠিক এই কৌশলটিই ২৩ ফেব্রুয়ারি ব্যবহার করা হয়েছিল, যখন [[ভেনেজুয়েলা|ভেনেজুয়েলায়]] যারা শাসন পরিবর্তন করতে চায়, তাদের অনুকূলে প্রচারণার মোড় সম্পূর্ণ ঘুরে যায়... তারা জোর দিয়ে দাবি করেছিল যে ট্রাকগুলোতে ইচ্ছাকৃতভাবে [[নিকোলাস মাদুরো|প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর]] বাহিনী আগুন দিয়েছে।
**গ্লেন গ্রিনওয়াল্ড: [https://theintercept.com/2019/03/10/nyts-expose-on-the-lies-about-burning-humanitarian-trucks-in-venezuela-shows-how-us-govt-and-media-spread-fake-news/ ''এনওয়াইটি’স এক্সপোজ অন দ্য লাইজ এবাউট বার্নিং হিউম্যানিটারিয়ান ট্রাকস ইন ভেনেজুয়েলা শোজ হাউ ইউ.এস. গভর্মেন্ট অ্যান্ড মিডিয়া স্প্রেড ফেক নিউজ, দ্য ইন্টারসেপ্ট,''] (১০ মার্চ ২০১৯)
==এইচ==
*<p>নোঙর তোলো, হে আমার ছেলেরা! নোঙর তোলো! বিদায়...</p><p>বিজয়ের উদ্দেশ্যে পাড়ি দাও এবং তাদের হাড়গোড় ডেভি জোন্সের সিন্দুকে পাঠিয়ে দাও, হুররে!</p>
**জন হেগান, “অ্যাঙ্করস অ্যাওয়ে” (১৯৯৭)
*প্রথমত, শান্তির সময়ে আমেরিকান সৈনিক অন্য যেকোনো ধরনের আমেরিকান নাগরিকের মতোই। ... সে সৈন্য হয় এবং সৈন্য হিসেবেই থাকে, কারণ এর বিনিময়ে সে যা পায়। যেই মুহূর্তে সে সিদ্ধান্ত নেয় যে সে সেনাবাহিনীর চেয়ে বেসামরিক জীবন থেকে বেশি কিছু পেতে পারে, তখনই সে তালিকাভুক্ত হতে বা পুনরায় তালিকাভুক্ত হতে অস্বীকার করবে।
**জনসন হেগুড, [https://www.google.com/search?client=firefox-b-1-d&sca_esv=eff03c613f9494ac&sxsrf=ACQVn09CdLISXoIzNp-OdekvEUi8LSfiKQ:1707412572546&q=Circular+Relative+to+Pay+of+Officers+and+Enlisted+Men+of+the+Army+Johnson+Hagood&si=AKbGX_rOAlAWZm8yZPZsiL6aVCbdD97y3lZlG6WCaiU0tO9pR9kr7DEFZM_KQ41UQN6taqiWwVkuJq4CSzVb9GzxZZq09wGtaQD01RrUFmokaS0KDXBbZSw7-_8-FED2rqn94PAJcn6LiUBQvthCQKqrLnX8_qBW4AS9QM1WQu-AixVQiaYNHmsDoiPcLoe6qHaFCPUSeTnAVN9cEN0h9uIstToyRKwAp1tFRUX5u0uLEQzkmo2Jyn5PqikxE0uhOOD_wmIhKHEa4lv0lvWsVezdiX-Yeq2YCg%3D%3D&sa=X&ved=2ahUKEwjzi_y-n5yEAxWSD1kFHfzBBVoQ6RN6BAg2EAE&biw=1903&bih=1206&dpr=0.9 ''সার্কুলার রিলেটিভ টু পে অফ অফিসারস অ্যান্ড এনলিস্টেড মেন অফ দ্য আর্মি''] (১৯০৭), ওয়াশিংটন, ডি.সি.: গভর্নমেন্ট প্রিন্টিং অফিস, পৃষ্ঠা ৮, [https://press.armywarcollege.edu/cgi/viewcontent.cgi?article=3239&context=parameters “আ হিস্টোরিক্যাল পার্সপেক্টিভ অন টুডেস রিক্রুটিং ক্রাইসিস”] (২০২৩)-এ উদ্ধৃত, ব্রায়ান ম্যাকঅ্যালিস্টার লিন, ''দ্য ইউএস আর্মি ওয়ার কলেজ কোয়ার্টারলি: প্যারামিটারস'', পৃষ্ঠা ১০
*<p>আমাদের সেই পুরুষ ও নারীদের সেবার কথা বলতে হবে, যারা বিশ্ব যুদ্ধে প্রজাতন্ত্রের পতাকাতলে সমবেত হয়েছিল। আমেরিকা তাদের প্রদত্ত সেবা, করা ত্যাগ এবং সহ্য করা কষ্ট উপলব্ধি করে ও তার কদর করে। যারা যুদ্ধক্ষেত্রের বিপদ ও গৌরব বা সমুদ্রের ঝুঁকি জেনেছিল এবং যারা লাইনের পেছনে সেবা করতে বাধ্য হয়েছিল, বা যারা ঘরে ক্যাম্পে ডাকের অপেক্ষায় থাকা বিশাল গ্র্যান্ড আর্মির রিজার্ভ গঠন করেছিল—তাদের মধ্যে কোনো পার্থক্য রাখা হবে না। সবাই ছিল সাহসী। সবাই ছিল আত্মত্যাগী। তারা সবাই সেই আদর্শের অংশীদার ছিল যা আমাদের ছেলেদের দুবার অস্ত্র হাতে যুদ্ধে পাঠিয়েছিল...</p><p>এরা যোগ্য সন্তান। আমাদের অমর সূচনালগ্নে যারা পতাকা উড্ডীন করেছিল, তারা তাদের উপযুক্ত উত্তরাধিকারী। যারা গৃহযুদ্ধ চলাকালীন সংবিধান থেকে অস্পষ্টতা দূর করে ইউনিয়ন এবং জাতীয়তাকে রক্ষা করেছিল, এরা তাদের যোগ্য সন্তান। ১৮৯৮ সালে স্পেনীয়-মার্কিন যুদ্ধে যারা প্রথমবারের মতো মানবতার খাতিরে তলোয়ার তুলেছিল, এরা তাদের প্রস্তুত সন্তান। স্থল ও সমুদ্রে থাকা ৪০ লক্ষ রক্ষক সেই জনগণের সেরা ঐতিহ্যের যোগ্য ছিল, যারা শান্তিতে কখনও যুদ্ধবাজ ছিল না এবং যুদ্ধে কখনও শান্তিবাদী ছিল না। তারা আমাদের গর্বের অধিকারী। তাদের প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞতা রয়েছে, যা অবশ্যই প্রকৃত রূপ পেতে হবে। এটি কেবল একটি কর্তব্য নয়; এটি একটি বিশেষ অধিকার যে নিশ্চিত করা যায় যে তাদের করা ত্যাগ বৃথা যাবে না এবং যারা এখনও হতাহত হয়ে ভুগছে, তাদের প্রচুর সহায়তা করা হবে এবং তাদের নাগরিকত্বের সর্বোচ্চ সক্ষমতা ও আনন্দ ফিরিয়ে দেওয়া হবে।</p>
**ওয়ারেন জি. হার্ডিং, ''দ্য আমেরিকান সোলজার'' (১৯২০)।
*<p>বিশ্বের অন্যান্য বাহিনী, যারা তাদের [[রাজা]] বা মাতৃভূমিকে রক্ষার প্রতিজ্ঞা করে, তাদের থেকে ভিন্ন; আমাদের সেবার [[শপথ]] আমাদের সামরিক বাহিনীকে সংবিধানের সুরক্ষা ও প্রতিরক্ষা এবং আদেশ মেনে চলার শর্তে রাষ্ট্রপতির প্রতি আনুগত্যের সাথে যুক্ত করে। কার্যত, সেই শপথের মাধ্যমে মার্কিন সামরিক বাহিনী আমাদের জনগণের নিরাপত্তাকে রক্ষা করার পাশাপাশি ধারণা, আদর্শ এবং আইনের শাসনকে রক্ষা করে। কর্মজীবনের প্রতিটি ধাপে, প্রত্যেক সৈন্য—সাধারণ সৈনিক থেকে জেনারেল পর্যন্ত—ইতিহাস, আইনি প্রক্রিয়া এবং মূল্যবোধের ওপর প্রশিক্ষণ নেয়। সেই প্রশিক্ষণ আমাদের রাইফেল রেঞ্জে বা ফিল্ড এক্সারসাইজে যা করি তার পরিপূরক। সৈন্যদের চমৎকার দক্ষতা আছে এবং তারা আমেরিকান জীবনযাত্রার চিন্তাশীল রক্ষক। আমি আমার কর্মজীবনের তিন বছরেরও বেশি সময় যুদ্ধক্ষেত্রে ছিলাম; সেই সময়ে, আমি কিছু ভয়াবহ জিনিস দেখেছি এবং সেগুলোর অনেকগুলোই স্বপ্নে ফিরে আসে। মানুষ ও যুদ্ধের মধ্যে অশুভতা থাকে। কিন্তু মার্কিন সামরিক বাহিনীতে; যদিও এমন ঘটনা ঘটেছে যেখানে আইন বা প্রবিধান লঙ্ঘনের জন্য সৈন্যদের শৃঙ্খলাবদ্ধ করার প্রয়োজন হয়েছে—অত্যধিক এবং ধারাবাহিকভাবে আমার সহযোদ্ধাদের কাজ আমাকে খুব গর্বিত করেছে...</p><p>আমি আমাদের সৈন্যদের চিনি, এবং আমি অধ্যয়ন ও অভিজ্ঞতার মাধ্যমে আমাদের সামরিক ঐতিহ্য ও আমেরিকার যুদ্ধের ধরন জানি। যখন ভালোভাবে পরিচালিত ও প্রশিক্ষিত হয়, তখন যে আমেরিকানরা আমাদের দেশের পোশাক পরে, তারা চেতনার দিক থেকে বিশুদ্ধ এবং উদ্দেশ্যের দিক থেকে অবিচল। তারা যেখানে প্রেরিত হয় সেখানে যাবে, যেখানে তারা যায় সেখানে লড়াই করবে এবং যেখানে লড়াই করে সেখানে জেতার জন্য সবকিছু করবে। এবং তারা পৃথিবীর অন্য কোনো সৈনিকের মতো তা করবে না, কারণ আমরা তা-ই। অস্ত্র পেশা অনেক কিছু দাবি করে। সর্বোপরি, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর একজন ইউনিফর্ম পরিহিত সদস্য হওয়ার জন্য অতুলনীয় দক্ষতার প্রয়োজন, কিন্তু শক্তিশালী চরিত্র, তীক্ষ্ণ মেধা এবং এটি বোঝার ক্ষমতাও প্রয়োজন যে বেসামরিক ব্যক্তিরা আমাদের যা করতে বলে তার সীমা আছে। যখন বেসামরিক কর্তৃপক্ষ থেকে প্রাপ্ত আদেশ আইনি, নৈতিক বা মানবিক সীমানা অতিক্রম করে, তখন যেকোনো পদমর্যাদার যেকোনো সৈনিকের প্রথমে সেই আদেশগুলো নিয়ে প্রশ্ন তোলার এবং স্পষ্টীকরণ পাওয়ার অধিকার ও কর্তব্য থাকে, এবং প্রয়োজনে যদি তারা সীমা অতিক্রম করে তবে তা অমান্য করার অধিকারও থাকে। সেটিই আমাদের আলাদা করে...</p><p>কিন্তু রাষ্ট্রপতি যেই হোন না কেন, সেই ব্যক্তির কখনোই সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের সামরিক বিচারের ইউনিফর্ম কোড, তাদের নীতি, তাদের শপথ বা স্থল যুদ্ধের আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করার ‘আদেশ’ দেওয়ার কর্তৃত্ব নেই।</p>
**মার্ক হার্টলিং, [http://www.cnn.com/2016/03/04/opinions/donald-trump-military-hertling/index.html “আ সোলজার’স ভিউ অন ট্রাম্প”] (৪ মার্চ ২০১৬), ''সিএনএন'', জর্জিয়া অঙ্গরাজ্য: কেবল নিউজ নেটওয়ার্ক
*<p>তোমরা প্রায় ১০ হাজার আমেরিকান [[জীবন]] উৎসর্গ করেছ, যা আমাদের যুবসমাজের [[ফুল]]। তোমরা প্রদেশগুলোকে ধ্বংস করেছ। তোমরা যাদের উপকার করতে চাও তাদের মধ্যে অগণিত হাজারো মানুষকে হত্যা করেছ। তোমরা কনসেনট্রেশন ক্যাম্প স্থাপন করেছ। তোমাদের জেনারেলরা ফসল নিয়ে ঘরে ফিরছে, হাজার হাজার অসুস্থ, আহত ও উন্মাদ মানুষকে সাথে নিয়ে, যারা শরীর ও মনে বিধ্বস্ত হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। তোমরা আমেরিকান পতাকাকে অসংখ্য মানুষের চোখে [[খ্রিস্টান|খ্রিস্টান]] গির্জায় অপবিত্রতা, মানুষের ঘরবাড়ি পোড়ানো এবং জল নির্যাতনের ভয়াবহতার প্রতীক বানিয়েছ...</p><p>তোমাদের বাস্তববাদী রাষ্ট্রনীতি, যা [[জর্জ ওয়াশিংটন]] ও আব্রাহাম লিঙ্কন বা বিপ্লব বা গৃহযুদ্ধের সৈন্যদের আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করতে ঘৃণা করে, তা কিছু ক্ষেত্রে তোমাদের উদাহরণের জন্য স্পেনের দিকে তাকিয়েছে। আমি বিশ্বাস করি—না, আমি জানি—যে সাধারণত আমাদের কর্মকর্তা ও সৈন্যরা মানবিক। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে তারা আমেরিকান উদ্ভাবন এবং ক্যাসটিলিয়ান নিষ্ঠুরতার মিশ্রণে তোমাদের যুদ্ধ চালিয়েছে...</p><p>তোমাদের বাস্তববাদী রাষ্ট্রনীতি এমন একটি জাতিকে রূপান্তর করতে সফল হয়েছে, যারা তিন বছর আগেও আমেরিকানদের পোশাকের প্রান্ত চুম্বন করতে এবং তাদের মুক্তিদাতা হিসেবে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত ছিল, যারা সেই দ্বীপে তোমাদের পুরুষরা অবতরণের সময় আশীর্বাদ ও কৃতজ্ঞতা নিয়ে ভিড় করেছিল, তাদেরই এখন শতাব্দী পার হলেও মুছে ফেলা সম্ভব নয় এমন ঘৃণায় পূর্ণ বিরক্ত ও আপোষহীন শত্রুতে পরিণত করেছে।</p>
**জর্জ ফ্রিসবি হোর, [http://web.archive.org/web/20031204093243/http://www.bartleby.com/268/10/25.html ''সাবজুগেশন অফ দ্য ফিলিপাইনস ইনিসকুয়িটাস''] (মে ১৯০২)
*[[পারমাণবিক অস্ত্র]] সংক্রান্ত পরিস্থিতিতে, গত ডুমসডে ক্লক রিপোর্টের চেয়ে পরিস্থিতি অনেক বেশি বিপজ্জনক। উন্নয়নের অধীনে থাকা নতুন অস্ত্র ব্যবস্থা অনেক বেশি কার্যকরভাবে বিপজ্জনক। '''[[জো বাইডেন|বাইডেন প্রশাসন]], ট্রাম্পের সংঘাতমূলক দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রসারিত করে, চমস্কিকে হাতের বিপদ বর্ণনা করার জন্য শব্দ খুঁজে না পাওয়ার মতো অবস্থায় ফেলেছে। কেবল সম্প্রতি, [[জো বাইডেন|বাইডেন]] ন্যাটো নেতাদের সাথে দেখা করেছেন এবং তাদের দুটি যুদ্ধের—[[চীন]] এবং [[রাশিয়া]]—পরিকল্পনা করার নির্দেশ দিয়েছেন। চমস্কির মতে: “এটি পাগলামি ছাড়িয়ে গেছে।” শুধু তাই নয়, যখন সত্যিকারের কূটনীতির প্রয়োজন, তখন এই গোষ্ঠী প্ররোচনামূলক কাজ করছে।''' এটি একটি অত্যন্ত বিপজ্জনক পরিস্থিতি।
**[https://www.counterpunch.org/2021/07/12/a-world-of-total-illusion-and-fantasy-an-interview-with-noam-chomsky/ আ ওয়ার্ল্ড অফ টোটাল ইলিউশন অ্যান্ড ফ্যান্টাসি: নোয়াম চমস্কি অন দ্য ফিউচার অফ দ্য প্ল্যানেট, রবার্ট হানজিকার, ''কাউন্টারপাঞ্চ''] (১২ জুলাই ২০২১)
*[[ইরাক]], [[সিরিয়া]], [[ইরান]], [[লিবিয়া]], [[সোমালিয়া]], [[সুদান]] এবং ইয়েমেনে প্রায় ১০,০০০ আমেরিকান কর্মরত আছেন... এই পুরুষ ও নারীরা সেই দেশগুলোর নাগরিকদের পাশাপাশি লড়াই করছেন।
**উইল হার্ড, [https://hurd.house.gov/media-center/press-releases/congressman-hurd-highlights-danger-posed-americans-due-immigration-ban ইমিগ্রেশন ব্যান বিষয়ক বিবৃতি] (২০১৭)
==আই==
* এই বিষয়টি মাথায় রেখে, চুক্তির অংশীদাররা তাদের ব্যক্তিগত ও সম্মিলিত সক্ষমতা—আমি আবারও বলছি, সম্মিলিত সক্ষমতা—বিকাশ করার প্রতিজ্ঞা করেছে, যাতে তারা যেকোনো সশস্ত্র আক্রমণ প্রতিহত করতে পারে। সেই প্রতিজ্ঞার প্রতি অনুগত থেকে, চুক্তি স্বাক্ষরের পর থেকে জোটের প্রতিটি সদস্য প্রতি বছর ক্রমান্বয়ে প্রতিরক্ষার জন্য বেশি অর্থ ব্যয় করেছে। শক্তিশালী আমেরিকান, [[কানাডা|কানাডিয়ান]] এবং [[যুক্তরাজ্য|যুক্তরাজ্যের]] বাহিনী ইতিমধ্যেই মহাদেশটিতে অবস্থান করছে এবং তাদের [[ইউরোপ|ইউরোপীয়]] মিত্রদের পাশাপাশি প্রহরায় নিয়োজিত রয়েছে। তবে আমাদের উদ্দেশ্য নিয়ে যেন কোনো ভুল ধারণা না হয়। আমরা যে সামরিক শক্তি অর্জনের লক্ষ্য নিয়েছি, তা আত্মরক্ষার জন্য নূন্যতম প্রয়োজন। আমাদের পক্ষ থেকে যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের কোনো সুযোগ নেই, ছিল না এবং কখনো থাকবে না। যদি বিষয়টি অন্যরকম হতো, তবে আন্তর্জাতিক মুক্ত ট্রেড ইউনিয়ন কনফেডারেশনের মতো একটি শক্তিশালী শান্তিকামী সংগঠন কি দৃঢ়ভাবে তাদের সংকল্প ব্যক্ত করত—আমি এখানে উদ্ধৃত করছি— “আগ্রাসন এড়ানোর লক্ষ্যে মুক্ত জাতিগুলোর তাদের প্রতিরক্ষা জোরদার করার প্রচেষ্টাকে সমর্থন করা”?
** হেস্টিংস ইসমে, [https://www.nato.int/docu/speech/1953/s19530913.htm বিবিসি রেডিও টক], ১৩ সেপ্টেম্বর ১৯৫৩
==জে==
*একটি নৌবাহিনী মূলত এবং অপরিহার্যভাবেই অভিজাততান্ত্রিক। আমরা এখন যে রাজনৈতিক নীতিগুলোর জন্য লড়াই করছি, তা যতই সত্য হোক না কেন, জাহাজের ডেকে, বন্দর থেকে দূরে বা গভীর সমুদ্রে এগুলো কখনোই ব্যবহারিকভাবে প্রয়োগ করা সম্ভব নয়, এমনকি তা মেনে নেওয়াও যায় না। এটি কঠোর মনে হতে পারে, কিন্তু এটিই হলো সবচেয়ে সরল সত্য। যদিও কংগ্রেসের পাঠানো জাহাজগুলো [[মানবাধিকার]] ও প্রজাতন্ত্রী স্বাধীনতার নীতির জন্য লড়াই করতে পারে এবং অবশ্যই করা উচিত, কিন্তু সমুদ্রে জাহাজগুলো নিজেই এক চরম স্বৈরাচারী ব্যবস্থার অধীনে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হতে হবে।
**জন পল জোন্স, [http://www.rulit.me/books/the-last-ship-read-334944-1.html কংগ্রেসের নৌ কমিটির কাছে চিঠি] (১৪ সেপ্টেম্বর ১৭৭৫)
==কে==
*হেল! এরা মেরিন। এদের মতো লোকেরাই গুয়াদালকানাল ধরে রেখেছিল এবং আইও জিমা দখল করেছিল। বাগদাদ তো কিছুই না।
**জন এফ. কেলি, [http://www.blackfive.net/main/2007/09/marine-general-.html মেরিন জেনারেল স্পিকস আউট]-এ উদ্ধৃত। বাগদাদ আক্রমণের শুরুতে এক সাংবাদিক পরাজয়ের সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন করলে কেলি এই জবাব দেন। (এপ্রিল ২০০৭)
* [[ভিয়েতনাম যুদ্ধ|ভিয়েতনাম]] থেকে ফিরে আসার পর এই মানুষগুলোর মনের অবস্থা কী হয়, তার ফলাফল সম্পর্কে আপনাদের সাথে কিছুটা কথা বলতে চাই। দেশ এখনো জানে না যে এটি একটি দানব তৈরি করেছে— লক্ষ লক্ষ মানুষের রূপ নেওয়া এক দানব, যাদের সহিংসতা ব্যবহার ও লেনদেন করতে শেখানো হয়েছে, এবং যাদের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় 'শূন্য' অর্জনের জন্য মরার সুযোগ দেওয়া হয়েছে; এমন মানুষ যারা ফিরে এসেছে এক ধরনের [[ক্রোধ]] ও বিশ্বাসঘাতকতার অনুভূতি নিয়ে, যা এখনো কেউ বুঝতে পারেনি। একজন ভেটেরান হিসেবে, এবং যে এই ক্রোধ অনুভব করে, আমি এ নিয়ে কথা বলতে চাই। আমরা ক্ষুব্ধ কারণ আমরা মনে করি, এই দেশের প্রশাসন আমাদের সবচেয়ে খারাপভাবে ব্যবহার করেছে। ১৯৭০ সালে ওয়েস্ট পয়েন্টে, ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যাগনিউ বলেছিলেন: “কিছু মানুষ সমাজের অপরাধী ও অযোগ্যদের গ্ল্যামারাইজ করে, অথচ আমাদের সেরা ছেলেরা সেই স্বাধীনতা রক্ষা করতে এশিয়ার ধানের জমিতে প্রাণ দিচ্ছে, যে স্বাধীনতা ওই অযোগ্যরা অপব্যবহার করে।” আর এটি ভিয়েতনামে আমাদের অভিযানের জন্য একটি rallying point বা ঐক্যের বিন্দু হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছিল। কিন্তু আমাদের কাছে—যারা এশিয়ায় তাঁর ছেলে ছিল এবং যাদের সমর্থন দেওয়ার কথা ছিল দেশটির—তাঁর এই বক্তব্য একটি ভয়ঙ্কর বিকৃতি, যা থেকে আমরা কেবল গভীর বিতৃষ্ণা অনুভব করতে পারি; এবং এই কারণেই আজ ওয়াশিংটনে উপস্থিত কিছু মানুষের এই ক্রোধ। এটি একটি বিকৃতি কারণ আমরা কোনোভাবেই নিজেদের এই দেশের সেরা মানুষ বলে মনে করিনি; কারণ তিনি যাদের অযোগ্য বলছেন, তারা আমাদের জন্য এমনভাবে দাঁড়িয়েছিল যা এই দেশের আর কেউ সাহস করেনি; কারণ মারা যাওয়া অনেকেরই ইচ্ছা ছিল দেশে ফিরে এসে সেই অযোগ্যদের সাথে যোগ দিয়ে দক্ষিণ ভিয়েতনাম থেকে অবিলম্বে সেনা প্রত্যাহারের দাবি জানানো; কারণ সেই সেরা ছেলেদের অনেকেই আজ কোয়াড্রিপ্লেজিক (চতুর্থঙ্গ পক্ষাঘাতগ্রস্ত) বা অঙ্গহীন হয়ে ফিরেছে, এবং তারা পড়ে আছে এই দেশের ভেটেরান অ্যাডমিনিস্ট্রেশন হাসপাতালগুলোতে ভুলে যাওয়া অবস্থায়, যে হাসপাতালগুলোতে উড়ছে সেই পতাকা—যা অনেকেই তাদের ব্যক্তিগত প্রতীক হিসেবে বেছে নিয়েছে। আমরা নিজেদের আমেরিকার সেরা মানুষ বলে ভাবতে পারি না, যখন আমরা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় আমাদের যা করতে বলা হয়েছিল, তার জন্য লজ্জিত এবং ঘৃণা বোধ করি।
** জন কেরি, [https://www.americanrhetoric.com/speeches/johnkerrysenateforeignrelationsvietnamwar.htm সিনেট ফরেন রিলেশনস কমিটির সামনে বিবৃতি], ২২ এপ্রিল ১৯৭১, ওয়াশিংটন, ডি.সি.তে প্রদত্ত।
*জয়লাভ আমাদের করতেই হবে, কারণ আমাদের লক্ষ্য ন্যায়সংগত!
**ফ্রান্সিস স্কট কি, “দ্য স্টার-স্প্যাংলড ব্যানার” (১৮১৪)
*[[এঙ্গেলস]] একবার ব্রিটিশ সেনাবাহিনীকে সবচেয়ে নিষ্ঠুর সেনাবাহিনী বলেছিলেন। [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের]] সময়, [[জার্মানি|জার্মান]] [[ফ্যাসিবাদ|ফ্যাসিবাদী]] সেনাবাহিনী ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর বর্বরতাকে ছাড়িয়ে গিয়েছিল। সেই সময়ে [[অ্যাডলফ হিটলার|হিটলারের]] গ্যাংস্টাররা যে বীভৎস ও ভয়ানক নিষ্ঠুরতা করেছিল, তা কোনো মানুষের [[মস্তিষ্ক|কল্পনার]] বাইরে। কিন্তু [[কোরীয় যুদ্ধ|কোরিয়ায়]], আমেরিকানরা হিটলারবাদীদের অনেক ছাড়িয়ে গেছে!
**[[কিম ইল-সাং]], ১৯৯৩ সালে সুইডিশ কমিউনিস্ট নেতা ফ্রাঙ্ক বাউডের কাছে এই মন্তব্য করেন। উক্তি ও অনুবাদ: ''Mot strömmen'', পৃষ্ঠা ১৮৬।
*আমার মনে হয় না কোনো অঙ্গরাজ্য ছিল যা সেখানে প্রতিনিধিত্বশীল ছিল না। এই [[অভিজ্ঞতা]] আমাকে দেশটির বৈচিত্র্য, মানুষ, [[ভাষা]] এবং [[সংস্কৃতি]]কে উপলব্ধি করতে সাহায্য করেছে। এটা ভাবা অবিশ্বাস্য যে আমরা কতটা বৈচিত্র্যময় এবং আমরা কীভাবে একটি সংস্কৃতি হিসেবে একসাথে টিকে আছি। সত্যি বলতে, এটিই এই দেশের একমাত্র স্পষ্ট সত্য যা একে বিশ্বের কাছে অনন্য করে তুলেছে।
** জ্যাক কার্বি, মার্ক পিটার্সের নিবন্ধ [https://www.pastemagazine.com/articles/2017/02/8-ways-comic-book-legend-jack-kirby-fought-fascism.html “৮ ওয়েজ কমিক বুক লিজেন্ড জ্যাক কার্বি ফাউট ফ্যাসিবম”]-এ উদ্ধৃত, ''পেস্ট ম্যাগাজিন'', (১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭)।
*আমেরিকার লড়া কিছু যুদ্ধ ছিল “কেবল মুনাফার জন্য” এবং কিছু দেশের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা যুদ্ধের মতোই ধ্বংসাত্মক... আমেরিকা কখন যুদ্ধে যাবে, সে বিষয়ে আমেরিকান জনগণের কার্যত কোনো কথা বলার অধিকার নেই। এই সিদ্ধান্তগুলো কোনো পর্দার আড়ালে নেওয়া হয়... আমেরিকানদের কাছে মিথ্যা বলা অব্যাহত রাখা হয়েছে যে কেন আমরা যুদ্ধে যাই। কারণ আবারো বলছি, এর অন্যতম বড় কারণ হলো কেবল মুনাফা। এটি একসময় কিছুটা সত্য ছিল, কিন্তু এখন তা অত্যন্ত নগ্নভাবে ঘটছে।
**ড্যানিয়েল কোভালিক, [http://www.china.org.cn/world/Off_the_Wire/2021-12/08/content_77918107.htm ইন্টারভিউ]তে উদ্ধৃত, ''সিনহুয়া'', ৮ ডিসেম্বর, ২০২১।
*ইরাক ও [[আফগানিস্তান|আফগানিস্তানে]] মার্কিন আগ্রাসন প্রসঙ্গে] কৌশলগত দিক থেকে দেখলে, এটি একটি সম্পূর্ণ ব্যর্থতা হিসেবেই দেখা উচিত। তবুও এটি ২০ বছর ধরে চলেছে। কেন? কারণ যে প্রতিরক্ষা শিল্প কোম্পানিগুলো বোমা, বিমান ও যানবাহন তৈরি করে—এবং এখন সরকারি সামরিক কর্মীদের পরিবর্তে যে বেসরকারি সামরিক ঠিকাদাররা যুদ্ধ করছে—তারা যুদ্ধ চলাকালীন কয়েক ট্রিলিয়ন ডলার আয় করেছে। তাই '''তারা পরোয়া করেনি যে যুদ্ধ জয় হলো কি না; লক্ষ্য ছিল যুদ্ধটি যেন চিরকাল চলতে থাকে... আসল বিষয় হলো যুদ্ধ জয় করা নয়, বরং এটি নিশ্চিত করা যে যুদ্ধ যেন শেষ না হয়, কারণ আপনি মুনাফা করতেই থাকবেন।'''<BR>মার্কিন সামরিক হস্তক্ষেপের মাধ্যমে মানবাধিকারের উন্নয়ন করছে না। এটি মানবিকতাকে এগিয়ে নিচ্ছে না। প্রকৃতপক্ষে, এটি বিশালভাবে মানবিকতাকে ক্ষুণ্ণ করছে।
**ড্যানিয়েল কোভালিক, [http://www.china.org.cn/world/Off_the_Wire/2021-12/08/content_77918107.htm ইন্টারভিউ]তে উদ্ধৃত, ''সিনহুয়া'', ৮ ডিসেম্বর, ২০২১।
*আপনি কোন বাহিনীকে আপনাকে [[মুক্তি|মুক্ত]] করতে আসতে দেখতে চান? এবং এটি সর্বসম্মত, এমনকি নাৎসিরাও সবাই আবার একটি ছোট বিমানে উড়ে আমেরিকান লাইনে এসে আমেরিকানদের কাছে আত্মসমর্পণ করবে, যদিও সবাই জানে যে সেই অর্থে আমরা ব্যতিক্রমী।
**চার্লস ক্রাউথামার, [http://conversationswithbillkristol.org/video/charles-krauthammer/ বিল ক্রিস্টলের সাথে সাক্ষাৎকার] (১৩ মার্চ ২০১৫)।
*সামরিক বাহিনী কমান্ডার ইন চিফকে কোনো পাত্তা দেয়নি। সাধারণত, বেসামরিক নিয়ন্ত্রণের জাতিতে এটি স্বাস্থ্যের লক্ষণ নয়। এতে কিছুটা অবাধ্যতার গন্ধ আছে। কিন্তু এমন একজন [[রাষ্ট্রপতি]] যার স্বভাব অত্যন্ত আবেগপ্রবণ এবং দীর্ঘস্থায়ী অযৌক্তিক, তার ক্ষেত্রে সামরিক বাহিনীর কিছুটা সতর্কতা, এমনকি কিছুটা অনমনীয়তা স্বাগত জানানো উচিত।
**চার্লস ক্রাউথামার, [https://www.washingtonpost.com/opinions/the-guardrails-hold/2017/08/03/fcfc157c-7877-11e7-9eac-d56bd5568db8_story.html?noredirect=on&utm_term=.bc41e247bfa0 “দ্য গার্ডরেলস হোল্ড”] (৩ আগস্ট ২০১৭), ''দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট''।
==এল==
[[চিত্র:Barbara Lee official portrait.jpg|থাম্ব| পেন্টাগন বাজেট থেকে ৪০ বা ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়েও আপনি শক্তিশালী জাতীয় নিরাপত্তা বজায় রাখতে পারেন... যখন আপনি সামরিক নীতি ও অভ্যন্তরীণ নীতির ক্ষেত্রে জনগণের অবস্থান দেখেন—বিশেষ করে যখন এই অননুমোদিত যুদ্ধ, এই 'চিরস্থায়ী যুদ্ধ' বন্ধ করার কথা আসে—তখন জনতা আমাদের সাথেই আছে। ~ যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসম্যান বারবারা লি]]
*<p>ষাট বছর আগে, ২৫ জুন ভোরবেলা, [[কোরীয় যুদ্ধ|কোরীয় যুদ্ধ]] শুরু হয়েছিল যখন কমিউনিস্ট [[উত্তর কোরিয়া]], কোরিয়া প্রজাতন্ত্রকে আক্রমণ করে। এর জবাবে, যুক্তরাষ্ট্রসহ জাতিসংঘের ১৬টি সদস্য দেশ স্বাধীনতার সুরক্ষায় কোরিয়া প্রজাতন্ত্রের সাথে যোগ দেয়। '''পরবর্তী তিন বছরের লড়াইয়ে, প্রায় ৩৭,০০০ আমেরিকান তাদের [[জীবন]] হারান। তারা লড়াই করেছিলেন [[দক্ষিণ কোরিয়া|এমন কোরিয়ানদের]] [[স্বাধীনতা|স্বাধীনতার]] জন্য, যাদের তারা চিনতেনও না। আর তাদের ত্যাগের কারণেই, [[দক্ষিণ কোরিয়া|প্রজাতন্ত্রের]] শান্তি ও গণতন্ত্র সুরক্ষিত হয়েছিল'''...</p><p>[[কোরীয় যুদ্ধ|কোরীয় যুদ্ধের]] ৬০তম বার্ষিকীতে, আমি যুদ্ধে অংশগ্রহণের জন্য [[যুক্তরাষ্ট্র|আমেরিকার]] কাছে কৃতজ্ঞ। সেই সময়ে, কোরিয়া প্রজাতন্ত্র ছিল বিশ্বের অন্যতম দরিদ্র দেশ, যার বার্ষিক মাথাপিছু আয় ছিল ৪০ ডলারের কম। ২০০৯ সালে, আমার দেশ অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থার উন্নয়ন সহায়তা কমিটির সদস্য হয়; একমাত্র প্রজন্মেই সাহায্য গ্রহণকারী দেশ থেকে সাহায্য প্রদানকারী দেশে পরিণত হওয়া এটিই প্রথম দৃষ্টান্ত।</p>
** মিউং-বাক লি, [http://articles.latimes.com/2010/jun/25/opinion/la-oe-lee-thanks-20100625 “আ নোট অফ থ্যাঙ্কস”] (২৫ জুন ২০১০), ''দ্য লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস''।
*<p>আমরা সেখানে গিয়ে যুদ্ধ করেছি এবং শেষ পর্যন্ত প্রতিটি [[শহর]] জ্বালিয়ে দিয়েছি...</p><p>প্রায় তিন বছরের বা তার কিছু বেশি সময়ে, আমরা কত শতাংশ—ধরুন—জনসংখ্যার বিশ শতাংশকে [[হত্যা]] করেছি?</p>
**কার্টিস লেমে, ''স্ট্র্যাটেজিক এয়ার ওয়ারফেয়ার: অ্যান ইন্টারভিউ উইথ জেনারেলস'' (১৯৮৮)।
* সামরিক সংযোগ ও সামরিক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত খুব অল্প সংখ্যক ব্যক্তির সহিংস চরমপন্থী কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ সামরিক বাহিনী এবং সামগ্রিকভাবে দেশটির জন্য একটি ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
** পিটার কে. লেভিন; জোসেফ এফ. অ্যাডামস; অ্যামি এ. অলরিচ; র্যাচেল জি. অগাস্টিন; মার্গারেট ডি.এম. বারবার; সুজিতা বি. ভাট; ক্যাথলিন এম. কনলি; ডেভ আই. কোটিং; অ্যালান বি. গেল্ডার; জেফারি এম. জাভোরস্কি; মার্ক এফ. কেই; ক্যারিংটন এ. মেটস; নীল ভি. মিত্তাল; ম্যাথিউ জে. রিড; [https://www.ida.org/research-and-publications/publications/all/p/pr/prohibited-extremist-activities-in-the-us-department-of-defense “প্রোহিবিটেড এক্সট্রিমিস্ট অ্যাক্টিভিটিস ইন দ্য ইউ.এস. ডিপার্টমেন্ট অফ ডিফেন্স”], ''প্রতিরক্ষা দপ্তর'', (ডিসেম্বর ২০২৩); উইল কারলেস [https://www.usatoday.com/story/news/investigations/2023/12/26/pentagon-extremist-study-released/72034360007/ “আফটার ইউএসএ টুডে ইনভেস্টিগেশন, মিলিটারি ফাইনালি রিলিজড ইন্টারনাল এক্সট্রিমিজম রিপোর্ট”], ''ইউএসএ টুডে'', (২৬ ডিসেম্বর, ২০২৩)-এ উদ্ধৃত।
* ডিওডিের নিরাপত্তা ছাড়পত্র প্রদান, উপযুক্ততা মূল্যায়ন এবং স্থাপনায় প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার প্রক্রিয়া এখনো মূলত স্নায়ু যুদ্ধের হুমকি এবং বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধের সাথে সম্পর্কিত ঝুঁকির দিকেই বেশি গুরুত্ব দেয়, অথচ ঘরের ভেতরের চরমপন্থার হুমকির দিকে নয়।
** পিটার কে. লেভিনসহ অন্যরা; [https://www.ida.org/research-and-publications/publications/all/p/pr/prohibited-extremist-activities-in-the-us-department-of-defense “প্রোহিবিটেড এক্সট্রিমিস্ট অ্যাক্টিভিটিস ইন দ্য ইউ.এস. ডিপার্টমেন্ট অফ ডিফেন্স”], ''প্রতিরক্ষা দপ্তর'', (ডিসেম্বর ২০২৩); উইল কারলেস [https://www.usatoday.com/story/news/investigations/2023/12/26/pentagon-extremist-study-released/72034360007/ “আফটার ইউএসএ টুডে ইনভেস্টিগেশন, মিলিটারি ফাইনালি রিলিজড ইন্টারনাল এক্সট্রিমিজম রিপোর্ট”], ''ইউএসএ টুডে'', (২৬ ডিসেম্বর, ২০২৩)-এ উদ্ধৃত।
*জাতিসমূহের [[আইন]] গায়ের রঙের কোনো পার্থক্য জানে না, এবং '''যদি যুক্তরাষ্ট্রের কোনো শত্রু তাদের সেনাবাহিনীর কোনো বন্দীকে দাস বানিয়ে বিক্রি করে, তবে তা হবে কঠোরতম প্রতিশোধের একটি ক্ষেত্র''', যদি অভিযোগের ভিত্তিতে প্রতিকার না পাওয়া যায়।
** ''দ্য লিবার কোড অফ ১৮৬৩'', মার্কিন যুদ্ধ দপ্তর, ৫৮
*আমি যদি নোবেল শান্তি পুরস্কার জিততাম, তবে আমি তা প্রদান করতাম হয় [[জর্জ ডব্লিউ. বুশ|বুশ প্রশাসনকে]], যারা উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক কর্মসূচি সফলভাবে নিরস্ত্রীকরণ এবং ইরানেও একই কাজ করার জন্য অধ্যবসায়ের সাথে কাজ করেছিল, অথবা আমি তা প্রদান করতাম জেনারেল পেট্রিয়াস ও মার্কিন সামরিক বাহিনীকে। বিশ্বে যদি শান্তির কোনো ইঞ্জিন থেকে থাকে, তবে তা হলো মার্কিন সামরিক বাহিনী।
**রাশ লিম্বো, [http://www.rushlimbaugh.com/home/daily/site_101207/content/01125107.guest.html ''রাশ লিম্বো''] (১২ অক্টোবর ২০০৭)।
*'''আমাদের নিজেদের [[স্বাধীনতা]] ও স্বাধীনতার দুর্গ কী?''' এটি কি আমাদের ভ্রুকুটি করা দুর্গ, আমাদের ঝকঝকে সমুদ্র উপকূল, আমাদের যুদ্ধের বাষ্পচালিত জাহাজের কামান, নাকি আমাদের বীর ও সুশৃঙ্খল সেনাবাহিনীর শক্তি? আমাদের ন্যায্য ভূমিতে স্বৈরাচারের পুনরুত্থানের বিরুদ্ধে এগুলো আমাদের নির্ভরতা নয়। সংগ্রামের জন্য আমাদের দুর্বল বা শক্তিশালী না করেই এর সব কিছুই আমাদের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে ব্যবহার করা যেতে পারে। '''আমাদের নির্ভরতা হলো [[ঈশ্বর|ঈশ্বরের]] আমাদের হৃদয়ে রোপণ করা স্বাধীনতার ভালোবাসার ওপর। আমাদের প্রতিরক্ষা হলো সেই আত্মায়, যা স্বাধীনতাকে সব ভূমির, সব মানুষের উত্তরাধিকার হিসেবে মূল্যবান মনে করে। এই আত্মাকে ধ্বংস করুন, এবং আপনি আপনার নিজের দরজায় স্বৈরাচারের বীজ রোপণ করেছেন। নিজেদের বন্দিত্বের শিকলের সাথে পরিচিত করুন এবং আপনারা তা পরিধানের জন্য নিজেদের অঙ্গ প্রস্তুত করছেন। আপনাদের আশেপাশের মানুষের অধিকার পদদলিত করতে অভ্যস্ত হয়ে, আপনারা নিজেদের স্বাধীনতার প্রতিভা হারিয়ে ফেলেছেন এবং প্রথম ধূর্ত স্বৈরাচারের উপযুক্ত প্রজা হয়ে উঠেছেন যে জেগে ওঠে।'''
**[[আব্রাহাম লিঙ্কন|আব্রাহাম লিঙ্কনের]] এডওয়ার্ডসভিল, ইলিনয়-এ ভাষণ (১১ সেপ্টেম্বর ১৮৫৮); লিঙ্কন, আব্রাহাম; মারিও ম্যাথিউ কুওমো, হ্যারল্ড হোলজার, জি. এস. বোরিট, ''[http://books.google.de/books?id=8bWmmyJEMZoC&pg=PA128&redir_esc=y#v=onepage&q&f=false লিঙ্কন অন ডেমোক্রেসি]'' (ফোর্ডহ্যাম ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১ সেপ্টেম্বর ২০০৪), ১২৮-এ উদ্ধৃত। {{ISBN|978-0823223459}}।
*এটা উল্লেখযোগ্য যে, সরকারের এই কঠিন সময়ে সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর যে বিশাল সংখ্যক ব্যক্তি যারা বিভিন্ন পদে সুবিধা পেয়েছিলেন তারা পদত্যাগ করেছেন এবং যাদের দ্বারা লালিত হয়েছিলেন তাদের প্রতি মিথ্যা প্রমাণ করেছেন, কিন্তু কোনো সাধারণ সৈন্য বা সাধারণ নাবিক তাদের পতাকা ত্যাগ করেছে বলে জানা যায়নি। বিশ্বাসঘাতক সহযোগীদের উদাহরণ সত্ত্বেও যারা অটল ছিলেন সেই কর্মকর্তাদের প্রতি অনেক সম্মান; কিন্তু সবচেয়ে বড় সম্মান ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হলো সাধারণ সৈনিক ও নাবিকদের সর্বসম্মত দৃঢ়তা। যতটুকু জানা যায়, শেষ ব্যক্তি পর্যন্ত তারা তাদের বিশ্বাসঘাতক প্রচেষ্টাকে সফলভাবে প্রতিহত করেছে, যাদের কমান্ড তারা মাত্র এক ঘণ্টা আগেও পরম আইন হিসেবে মেনে চলত। এটি সাধারণ মানুষের দেশপ্রেমিক প্রবৃত্তি। তারা কোনো যুক্তি ছাড়াই বোঝে যে, ওয়াশিংটন কর্তৃক তৈরি সরকার ধ্বংস করা তাদের জন্য কোনো ভালো বয়ে আনবে না।
**[[আব্রাহাম লিংকন|আব্রাহাম লিঙ্কন]], [http://millercenter.org/president/speeches/speech-3508 কংগ্রেসের উদ্দেশ্যে ৪ঠা জুলাইয়ের বার্তা] (৪ জুলাই ১৮৬১)
*'''সাতাশি বছর আগে আমাদের পূর্বপুরুষরা এই মহাদেশে এক [[যুক্তরাষ্ট্র|নতুন জাতি]] নিয়ে এসেছিলেন, যা স্বাধীনতায় গড়া এবং এই প্রস্তাবনায় নিবেদিত যে সমস্ত মানুষ সমানভাবে সৃষ্ট। এখন আমরা এক মহান গৃহযুদ্ধে লিপ্ত, পরীক্ষা করছি যে সেই জাতি বা এমন কোনো জাতি কি দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে?''' আমরা সেই যুদ্ধের এক মহান রণক্ষেত্রে মিলিত হয়েছি। আমরা এসেছি সেই মাঠের একটি অংশ উৎসর্গ করতে, [[যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনী|যাঁরা এখানে জীবন দিয়েছেন]] সেই জাতির বেঁচে থাকার জন্য। এটি করা অত্যন্ত উপযুক্ত। '''কিন্তু, বৃহত্তর অর্থে, আমরা এই ভূমি উৎসর্গ করতে পারি না, পবিত্র করতে পারি না। এখানে লড়াই করা সাহসী পুরুষরা, জীবিত ও মৃত, তারা এটিকে উৎসর্গ করেছেন আমাদের যোগ করার বা বিয়োগ করার সামান্য ক্ষমতার ঊর্ধ্বে। বিশ্ব খুব সামান্যই লক্ষ্য করবে, বা আমরা এখানে কী বলেছি তা মনে রাখবে, কিন্তু তারা এখানে কী করেছে তা কখনোই ভুলতে পারবে না। জীবিত আমাদের জন্য, বরং এখানে সেই অসমাপ্ত কাজের প্রতি নিবেদিত হওয়া উচিত যা যারা এখানে লড়াই করেছিলেন তারা মহৎভাবে এগিয়ে নিয়ে গেছেন।''' আমাদের বরং এখানে সেই মহান কাজের প্রতি নিবেদিত হওয়া উচিত যা আমাদের সামনে রয়েছে — যে এই সম্মানিত মৃতদের কাছ থেকে আমরা সেই উদ্দেশ্যের প্রতি বর্ধিত ভক্তি গ্রহণ করি যার জন্য তারা ভক্তির চূড়ান্ত পরিমাপ দিয়েছিলেন — যে '''আমরা এখানে উচ্চস্বরে প্রতিজ্ঞা করছি যে এই মৃতরা বৃথা যাননি — যে এই জাতি, ঈশ্বরের অধীনে, স্বাধীনতার এক নতুন জন্ম লাভ করবে — এবং যে জনগণের সরকার, জনগণের দ্বারা, জনগণের জন্য, পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হবে না।'''
**[[আব্রাহাম লিংকন|আব্রাহাম লিঙ্কন]], ''দ্য গেটিসবার্গ অ্যাড্রেস'' (১৯ নভেম্বর ১৮৬৩)
*সৈনিকগণ। আপনারা আপনাদের ঘর ও বন্ধুদের কাছে ফিরে যেতে প্রস্তুত, ক্যাম্পের দায়িত্ব পালনের পর, এই মহান প্রতিযোগিতায়। আমি আপনাদের কাছে এবং যারা দেশের ডাকে এগিয়ে এসেছেন তাদের সবার কাছে গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। '''আমি চাই এটি আরও ব্যাপকভাবে বোঝা যাক যে দেশটি এখন কিসের সাথে জড়িত। আমাদের আছে, সবাই একমত হবেন, এক মুক্ত সরকার, যেখানে প্রত্যেক মানুষের অন্য সবার সাথে সমান হওয়ার অধিকার আছে।'''
**[[আব্রাহাম লিংকন|আব্রাহাম লিঙ্কন]], ওয়ান হান্ড্রেড সিক্সটি-ফোর্থ ওহাইও রেজিমেন্টের উদ্দেশ্যে ভাষণ (১৮ আগস্ট ১৮৬৪), ওয়াশিংটন, ডি.সি.তে প্রদত্ত।
*'''যদি [[কনফেডারেট স্টেটস অফ আমেরিকা|আমাদের শত্রুরা]] সফল হয় তবে প্রতিটি মানবাধিকার হুমকির মুখে পড়বে। এই প্রতিযোগিতায় প্রত্যেকের ধারণার চেয়েও বেশি কিছু জড়িত। এই সংগ্রামে প্রশ্ন জড়িত যে আপনার সন্তান এবং আমার সন্তানরা সেই সুবিধাগুলো ভোগ করবে কি না যা আমরা ভোগ করেছি।''' আমি এটি বলছি যাতে আপনাদের প্রভাবিত করতে পারি, যদি আপনারা আগে থেকেই প্রভাবিত না হয়ে থাকেন, যে '''কোনো ছোট বিষয় আমাদের মহান উদ্দেশ্য থেকে আমাদের বিচ্যুত করা উচিত নয়।''' আমাদের পদ্ধতির ব্যবহারিক প্রয়োগে কিছু অনিয়ম থাকতে পারে। '''এটি ন্যায্য যে প্রতিটি ব্যক্তি তার সম্পত্তির মূল্যের সমানুপাতে কর প্রদান করবে; কিন্তু যদি আমরা কর সংগ্রহের আগে প্রতিটি ব্যক্তির কর অন্য সবার সমানুপাতে সমন্বয় করার জন্য অপেক্ষা করি, তবে আমরা কখনোই কোনো কর সংগ্রহ করতে পারব না।''' মাঝে মাঝে ভুল হতে পারে; সরকারের কর্মকর্তারা ভুল প্রতিরোধের জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করলেও কাজ ভুল হতে পারে। কিন্তু আমি আপনাদের অনুরোধ করি, এই মহান প্রজাতন্ত্রের নাগরিক হিসেবে, আপনারা আমাদের সামনে থাকা মহান কাজ থেকে আপনাদের মনকে বিচ্যুত হতে দেবেন না। '''এই সংগ্রাম আপনাদের বিচ্যুত হওয়ার জন্য খুব বড়।''' যখন আপনারা আপনাদের বাড়িতে ফিরে যাবেন, তখন মুক্ত সরকারের যোগ্য এক প্রজন্মের উচ্চতায় উঠে দাঁড়াবেন, এবং আমরা আমাদের শুরু করা মহান কাজ সম্পন্ন করব। আজ বিকেলে আপনারা আমাকে যে সম্মান দিয়েছেন তার জন্য আমি আপনাদের আমার আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।
**[[আব্রাহাম লিংকন|আব্রাহাম লিঙ্কন]], ওয়ান হান্ড্রেড সিক্সটি-ফোর্থ ওহাইও রেজিমেন্টের উদ্দেশ্যে ভাষণ (১৮ আগস্ট ১৮৬৪), ওয়াশিংটন, ডি.সি.তে প্রদত্ত।
*সামরিক নিয়োগকারীরা এবং উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা প্রায়ই এই কথাটি পুনরাবৃত্তি করতে পছন্দ করেন যে সশস্ত্র বাহিনীর গড় সদস্য গড় আমেরিকানদের চেয়ে বেশি শিক্ষিত। এটি সত্য। প্রতিরক্ষা দপ্তরের মতে, প্রায় ৯৪% তালিকাভুক্ত কর্মীর হাই-স্কুল ডিপ্লোমা রয়েছে, যেখানে মাত্র ৬০% আমেরিকানদের তা আছে। সাধারণ জনসংখ্যার ৩০% এর তুলনায় প্রায় ৮৩% অফিসারের স্নাতক ডিগ্রি রয়েছে।
**বেঞ্জামিন লাক্সেনবার্গ, [http://www.wsj.com/articles/military-officers-dont-need-college-degrees-1439249756 “মিলিটারি অফিসারস ডোন্ট নিড কলেজ ডিগ্রিস”] (১০ আগস্ট ২০১৫), ''ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল''
==এম==
[[চিত্র:US_Sons_OfLiberty_9Stripes_Flag.svg|থাম্ব|সংবিধানের প্রতি আমার কর্তব্য ও [[দায়িত্ব]] আছে, আমার আনুগত্য সেখানেই। আমি সংবিধানের প্রতিই [[শপথ]] নিয়েছি। আমাদের ইউনিফর্মে থাকা সবার একই শপথ। আমরা কোনো ব্যক্তি বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান ছাড়া অন্য কিছুর প্রতি শপথ নেই না।<br> আমাদের শপথ ও দায়িত্ব হলো সংবিধান রক্ষা ও প্রতিরক্ষা করা। এর অংশ হিসেবে আমাদের নির্বাচিত প্রতিনিধির যেকোনো [[আইনি]] [[বৈধ]] আদেশ মানতে হয়, তা আপনি পছন্দ করুন বা না করুন। আদেশগুলো বৈধ হলে তা মানা আমাদের [[দায়িত্ব]]। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যে, [[সামরিক বাহিনী]] হিসেবে আমরা আইন অনুযায়ী বৈধ আদেশ মানতে বাধ্য। ~ [[মার্ক মিলি]]]]
[[চিত্র:US_map_1864_Civil_War_divisions.svg|থাম্ব|আমার মনে হয় একজন সৈনিক এবং জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফের চেয়ারম্যান হিসেবে আমার মূল [[দায়িত্ব]] হলো দেশের বাইরে কাজ করা। অভ্যন্তরীণ কোনো বিষয় মূলত অভ্যন্তরীণ [[রাজনীতি]] বা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাজ, যদি না অন্য কোনো বিশেষ [[কারণ]] থাকে। ~ মার্ক মিলি]]
* তোমাদের [[পুত্র]] ও [[কন্যাদের]] আমেরিকান সৈনিকের শান্ত, সুচিন্তিত এবং দৃঢ় মনোবলের মাধ্যমে বিশ্বস্ততার সাথে সেবা করেছে। তাদের এই শক্তি মিথ্যা গল্পের ওপর ভিত্তি করে চলা শত্রুর গোঁড়ামিকে হারিয়ে আমাদের বিজয় এনে দিয়েছে। তারা বাড়ি ফিরছে, তাদের যত্ন নাও।
**ডগলাস ম্যাকআর্থার, [https://ussmissouri.org/learn-the-history/surrender/general-macarthurs-radio-address/ রেডিও ভাষণ] (২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫)।
* আমি ফিরে এসেছি। সর্বশক্তিমান [[ঈশ্বর|ঈশ্বরের]] কৃপায় আমাদের বাহিনী আবার দাঁড়িয়েছে।
**ডগলাস ম্যাকআর্থার, [https://www.youtube.com/watch?v=Wv1PF0tAE1s লেতে, ফিলিপাইনে অবতরণের সময়] (২০ অক্টোবর ১৯৪৪)
* <p>[[কোরীয় যুদ্ধ|কোরীয় যুদ্ধের]] রণক্ষেত্রে পুয়ের্তো রিকানরা ৬৫তম পদাতিক বাহিনীর র্যাঙ্কে যুদ্ধ করছে...</p><p>তারা যুদ্ধের ময়দানে সাফল্যের উজ্জ্বল নজির স্থাপন করছে। তাদের এই কমান্ডে পেয়ে আমি সত্যিই গর্বিত। আমি আশা করি তাদের মতো আরও অনেকে আমাদের সাথে থাকবে।</p>
**ডগলাস ম্যাকআর্থার, [http://www.valerosos.com/HonorandFidelity3.html#The_Korean_War:_1950 ১২ ফেব্রুয়ারি ১৯৫১ সালে টোকিওতে উদ্ধৃত]।
* আমি আবেগপ্রবণ হতে চাই না, তবে এখানে আমেরিকান সৈন্যদের সাথে থাকাটা আমার কাছে অনেক সম্মানের। আমি দেখেছি, আমেরিকান সৈন্যরা যেকোনো সামরিক মিশন সম্পন্ন করতে পারে। দক্ষিণ [[আফগানিস্তান]]ের কঠিন জায়গাতেও তারা কাজ করবে। তবে এখানে থেকে বোঝা যায় যে, সামরিক দিকটি পুরোপুরি সফল হলেও যুদ্ধের সাফল্যের জন্য এটি ২০% মাত্র। আসল কাজটা আফগান জনগণের। আমেরিকানরা জায়গাটা পরিষ্কার করে দেবে এবং তাদের কাজ করাটা সম্মানের। তারা কঠোর পরিশ্রম করছে, কিন্তু আফগানরা এগিয়ে আসবে কি না তার ওপরই নির্ভর করছে আমরা একে বিজয় বলতে পারি কি না।
**[[র্যাচেল ম্যাডো]], [http://rawstory.com/rawreplay/2010/07/06/maddow-afghanistan-counterinsurgency-deadline/ "আফগানিস্তান কাউন্টার-ইনসার্জেন্সি ডেডলাইন"] (৬ জুলাই ২০১০), ''র-স্টোরি''
* আমেরিকার স্থির নীতি হলো—যুদ্ধের চেয়ে শান্তি ভালো, আবার উপঢৌকন দেওয়ার চেয়ে যুদ্ধ ভালো। যুক্তরাষ্ট্র কোনো দেশের সাথে যুদ্ধ চায় না, কিন্তু শান্তির জন্য কারো কাছে মাথা নত করবে না।
**[[জেমস ম্যাডিসন]], ওলকট চন্সি এবং উইলিয়াম শ্যালারের কাছে লেখা চিঠি, ১৮১৫ সালের চুক্তি। এটি বারবারি যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটায় এবং জলদস্যু রাষ্ট্রগুলোকে উপঢৌকন দেওয়ার প্রথা বন্ধ করে। [http://books.google.com/books?id=YMwRAAAAYAAJ&pg=PA46| রবার্ট গ্রিনহোর "হিস্ট্রি অ্যান্ড প্রেজেন্ট কন্ডিশন অফ ত্রিপোলি", ১৮৩৫, পৃষ্ঠা ৪৬]-এ উদ্ধৃত।
* মন্টিজুমার হল থেকে ত্রিপোলির তীর পর্যন্ত!
আমরা আকাশ, স্থল ও সমুদ্রে আমাদের দেশের যুদ্ধ লড়ি!
সবার আগে লড়ি, অধিকার ও স্বাধীনতার জন্য!
**''মেরিনস হাইম''
* আমেরিকা জেগে ওঠো। আমরা আমাদের সামরিক বাহিনী ও দেশকে ভালোবাসি, কিন্তু আমরা ট্রাম্পকে ঘৃণা করি।
**মার্শাল বি. ম্যাথারস, [https://twitter.com/Eminem/status/917922469775925248 "দ্য স্টর্ম"] (অক্টোবর ২০১৭)
:'''জোশুয়া এল. চেম্বারলেইন''': এটি ভিন্ন ধরনের একটি সেনাবাহিনী। [[ইতিহাস]] দেখলে দেখবেন মানুষ বেতন, নারী বা লুটের জন্য যুদ্ধ করে। তারা ভূমি বা ক্ষমতার জন্য লড়ে, অথবা রাজা তাদের নেতৃত্ব দেয়, কিংবা শুধু হত্যা করতে পছন্দ করে বলে লড়ে। কিন্তু আমরা নতুন কিছুর জন্য এখানে। পৃথিবীতে এমন ঘটনা খুব কম ঘটেছে। আমরা অন্যদের মুক্ত করার জন্য একটি সেনাবাহিনী। আমেরিকার মাটি মুক্ত হওয়া উচিত—পুরোটা। দাস রাষ্ট্র বা মুক্ত রাষ্ট্রের বিভাজন থাকবে না, এপাশ থেকে প্রশান্ত মহাসাগর পর্যন্ত। কাউকে মাথা নত করতে হবে না। কেউ রাজবংশে জন্মায়নি। এখানে আমরা আপনার কাজ দিয়ে আপনাকে বিচার করি, আপনার বাবা কে তা দিয়ে নয়। এখানে আপনি কিছু হতে পারেন। এখানে ঘর গড়ার জায়গা আছে। এটা শুধু জমি নয়। জমি সবসময় আরও পাওয়া যায়। আসল কথা হলো, আমাদের সবার মূল্য আছে—আপনার এবং আমার। শেষ পর্যন্ত আমরা একে অপরের জন্য লড়ছি।
:*''গেটিসবার্গ'' (১৯৯৩), চিত্রনাট্য রোনাল্ড এফ. ম্যাক্সওয়েল
* মার্কিন সশস্ত্র বাহিনী একটি শক্ত পাথরের মতো। এটি কৌশলগত ও অপারেশনাল দিক থেকে আমাদের দেখা সবচেয়ে যোগ্য এবং চমৎকারভাবে নেতৃত্বাধীন সামরিক বাহিনী। যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হওয়ার কোনো কারণ নেই।
**ব্যারি ম্যাকক্যাফ্রে, [http://www.jerrypournelle.com/reports/jerryp/Iraqreport.html "দ্য বটম লাইন – অবজারভেশনস ফ্রম ইরাকি ফ্রিডম"] (৪ মে ২০০৬), ''কেয়স ম্যানর স্পেশাল রিপোর্টসে'' উদ্ধৃত।
* আমরা প্রথমে আমেরিকান, শেষে আমেরিকান, সবসময় আমেরিকান। আমাদের মতপার্থক্য নিয়ে তর্ক হোক। কিন্তু মনে রাখতে হবে আমরা শত্রু নই, বরং একটি বাস্তব শত্রুর বিরুদ্ধে লড়তে আমরা কমরেড। আমাদের সামরিক শ্রেষ্ঠত্বের সাথে আমাদের আদর্শ ও ভালোবাসার গভীরতা মিশে আছে। আমরা আমেরিকান, আমরা কখনোই আত্মসমর্পণ করব না। ''তারা'' করবে।
**[[জন ম্যাককেইন]], ''[http://www.gwu.edu/~action/2004/repconv04/mccain083004sp.html রিপাবলিকান ন্যাশনাল কনভেনশন]'' (৩০ আগস্ট ২০০৪)
* ভুল করবেন না: আমি কোনো অপরিচিত প্রবৃত্তি থেকে আমাদের সামরিক বাহিনীকে মূল্যায়ন করি না। আমি একটি সামরিক পরিবারে বড় হয়েছি, আমার নিজের সেবার রেকর্ড আছে এবং আমার পুরো ক্যারিয়ারে আমি সশস্ত্র বাহিনীর সাথে যুক্ত ছিলাম। আমেরিকান সিস্টেমে সামরিক বাহিনীর মূল্য কেবল তখনই থাকে যখন তা জনগণের স্বাধীনতা রক্ষা করে।
**[[জন ম্যাককেইন]], [[ডোনাল্ড ট্রাম্প|ডোনাল্ড ট্রাম্প]]ের করা মন্তব্য সম্পর্কে বিবৃতি। মন্তব্যটি ছিল মার্কিন সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন হুমায়ুন খানের পিতা খিজির ও গাজালা খানের সম্পর্কে, যিনি ২০০৪ সালে ইরাকে নিহত হন ([http://edition.cnn.com/2016/08/01/politics/john-mccain-statement-khan-family/index.html])।
* সকল কার্যকলাপ [[বর্ণবাদ|বর্ণবাদমুক্ত]] রাখা এবং সকল ইউনিফর্মধারী সদস্য ও বেসামরিক কর্মচারীদের বর্ণের নির্বিশেষে সমান সুযোগ প্রদান করা প্রতিরক্ষা দপ্তরের নীতি।
**রবার্ট ম্যাকনামারা, ''নির্দেশনা ৫১২০.৩৬'' (জুলাই ১৯৬৩)
* আফ্রিকান আমেরিকানরা আমেরিকার যুদ্ধে যোগ দিতে চেয়েছে। একবিংশ শতাব্দীতেও আমেরিকান সামরিক বাহিনীর শক্তি বজায় রাখার জন্য আফ্রিকান-আমেরিকান সংস্কৃতির ব্যক্তিগত ও সামরিক সম্মানবোধ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
**ওয়াল্টার রাসেল মিড, [https://drive.google.com/file/d/0B-5-JeCa2Z7hZmU2ZTg0OTktYTRlNC00NzA2LThlOWItYzg5ODU4NTViYTE0/view?pref=2&pli=1 "দ্য জ্যাকসোনিয়ান ট্র্যাডিশন অ্যান্ড আমেরিকান ফরেন পলিসি"] (ডিসেম্বর ১৯৯৯), ''দ্য ন্যাশনাল ইন্টারেস্ট'', পৃষ্ঠা ১৫
* আমেরিকান সামরিক বাহিনী আগের চেয়ে অনেক শক্তিশালী। আমাদের অস্ত্রগুলো অনেক বেশি স্মার্ট এবং কার্যকর। আমাদের পেশাদার সেনাবাহিনী মানব ইতিহাসের সবচেয়ে কার্যকর বাহিনী হয়ে উঠেছে। অপ্রতিসম যুদ্ধের ক্ষেত্রে আমাদের ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে। কৌশলের অভাব থাকলে শুধু সামরিক শক্তি দিয়ে জয় সম্ভব নয়। কিন্তু হাই-টেক অস্ত্র, উন্নত প্রশিক্ষণ এবং গত বিশ বছরে অর্জিত সাংস্কৃতিক, কূটনৈতিক ও মানবিক দক্ষতা আমাদের সামরিক ক্ষমতাকে অপ্রতিদ্বন্দ্বী করে তুলেছে। এই শক্তি কোনো জাদুর বড়ি নয় যে সবকিছু সম্ভব, তবে তৃতীয় বিশ্বের কোনো স্বৈরশাসক এখন আর প্রচলিত অস্ত্র দিয়ে মার্কিন হস্তক্ষেপ ঠেকাতে পারবে না। প্রথম উপসাগরীয় যুদ্ধে মার্কিন সামরিক বাহিনী সাদ্দামের বাহিনীকে মাছি মারার মতো দমন করেছিল। দ্বিতীয় যুদ্ধে আমাদের প্রচলিত শ্রেষ্ঠত্ব আরও বেশি ছিল।
**ওয়াল্টার রাসেল মিড, [https://web.archive.org/web/20111023223930/http://blogs.the-american-interest.com/wrm/2011/10/20/farewell-to-the-great-loon/ "ফেয়ারওয়েল টু দ্য গ্রেট লুন"] (২০ অক্টোবর ২০১১), ''দ্য আমেরিকান ইন্টারেস্ট''
* আক্রমণাত্মক বাস্তবতা অনুযায়ী, যখন [[ইউরোপ|ইউরোপে]] এমন কোনো সম্ভাব্য শক্তি উদয় হয় যা স্থানীয় শক্তিগুলো দমন করতে পারে না, তখন যুক্তরাষ্ট্র তার সেনাবাহিনী [[আটলান্টিক মহাসাগর|আটলান্টিক]] পার করে পাঠাবে।
** [[জন মিয়ারশাইমার]], ''দ্য ট্র্যাজেডি অফ গ্রেট পাওয়ার পলিটিকস'' (২০০১)।
* '''মিলি''': আমার [[কর্তব্য]] ও [[দায়িত্ব]] সংবিধানের প্রতি, আমার [[আনুগত্য]] সেখানেই। আমি সংবিধানের শপথ নিয়েছি। আমাদের ইউনিফর্মে থাকা সবাই তাই করে। আমরা কোনো [[ব্যক্তি]] বা অন্য কিছুর শপথ নিই না, কেবল [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান]]ের শপথ নিই। আমাদের দায়িত্ব ও শপথ হলো সংবিধান রক্ষা করা। আমাদের নির্বাচিত প্রতিনিধির যেকোনো [[আইনি]] আদেশ মানতে আমরা বাধ্য, তা আপনি পছন্দ করুন বা না করুন। আদেশগুলো আইনসম্মত হলে তা পালন করা আমাদের [[দায়িত্ব]]। আমরা আইন অনুযায়ী বৈধ আদেশ মানতে বাধ্য।
** [[মার্ক মিলি]], মেরি লুইস কেলি ও এরিকা রায়ানের সাক্ষাৎকার; [https://www.npr.org/2023/10/02/1202971562/mark-milley-donald-trump-military-army-constitution "'দ্য মিলিটারি হ্যাজ নো রোল' ইন পলিটিকস, সেজ রিটায়ারিং চেয়ার অফ দ্য জয়েন্ট চিফস”], অল থিংস কনসিডারড, ''এনপিআর'', (২ অক্টোবর, ২০২৩)
* '''কেলি''': অবসরপ্রাপ্ত [[যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনী|এয়ার ফোর্স]] জেনারেল ও সিআইএর প্রাক্তন পরিচালক মাইকেল হেডেন জানতে চেয়েছেন: "আমরা কি ঠিক আছি?" তার প্রশ্ন ছিল, [[চীন]] বা [[রাশিয়া]] নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্র নিজেই তার জাতীয় নিরাপত্তার জন্য সবচেয়ে বড় [[হুমকি]]। জেনারেল মিলি, আপনি কী ভাবেন?
: '''মিলি''': একজন [[সৈনিক]] এবং [[জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফ]]ের চেয়ারম্যান হিসেবে আমার প্রাথমিক [[দায়িত্ব]] দেশের বাইরে। অভ্যন্তরীণ যেকোনো বিষয় মূলত [[রাজনীতি]] বা [[আইন প্রয়োগকারী সংস্থার]] কাজ, যদি না অন্য কোনো বিশেষ [[কারণ]] থাকে।
:* [[মার্ক মিলি]], মেরি লুইস কেলি ও এরিকা রায়ানের সাক্ষাৎকার; [https://www.npr.org/2023/10/02/1202971562/mark-milley-donald-trump-military-army-constitution "'দ্য মিলিটারি হ্যাজ নো রোল' ইন পলিটিকস, সেজ রিটায়ারিং চেয়ার অফ দ্য জয়েন্ট চিফস”], অল থিংস কনসিডারড, ''এনপিআর'', (২ অক্টোবর, ২০২৩)
* বিশ্বের ইতিহাসে আমেরিকান সৈনিকের মতো অন্য কেউ অপরিচিত মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তির জন্য এত ত্যাগ স্বীকার করেনি। আমাদের সৈনিকরা শুধু বিদেশে স্বাধীনতা দেয় না, দেশেও তা রক্ষা করে।
**[[জেল মিলার|জেল মিলার]], [https://web.archive.org/web/20141126130444/http://www.cbsnews.com:80/news/text-of-zell-millers-rnc-speech/ রিপাবলিকান ন্যাশনাল কনভেনশনে ভাষণ] (২০০৪)
* আমি মনে করি সব যোগ্য পুরুষ ও নারীর ড্রাফটে নাম নিবন্ধন করা উচিত।
**[[মার্ক মিলি|মার্ক মিলি]], [http://www.npr.org/sections/thetwo-way/2016/02/03/465404486/army-marine-corps-generals-say-women-should-have-to-register-for-the-draft সেনেট আর্মড সার্ভিসেস কমিটির শুনানি] (ফেব্রুয়ারি ২০১৬)
* <p>আজকের আর্মি মেজররা শুধু [[সন্ত্রাসবাদ|সন্ত্রাসবাদী]] ও [[গেরিলা যুদ্ধ|গেরিলাদের]] বিরুদ্ধে লড়াই জানে, কারণ তারা [[১১ সেপ্টেম্বর হামলা|৯/১১]]ের পর আর্মিতে এসেছে।</p><p>তবে উচ্চপর্যায়ের হুমকির ক্ষেত্রে গত ১৫ বছরে আমাদের দক্ষতা কমে গেছে।</p>
**মার্ক মিলি, [http://www.nytimes.com/2016/05/16/world/africa/army-milley-africa-terrorism-land-war.html?ribbon-ad-idx=5&rref=world/africa সাক্ষাৎকার] (২০১৬)
* [[নৌবাহিনী|নৌবাহিনীতে]], আপনি [[সাত সমুদ্র|সাত সমুদ্র]] পাড়ি দিতে পারেন!
নৌবাহিনীতে, আপনি নিশ্চিন্তে থাকতে পারেন!
এখন সবাই এগিয়ে আসুন! নৌবাহিনীতে, নৌবাহিনীতে।
বুঝতে পারছেন না, আমাদের সাহায্য প্রয়োজন?
নৌবাহিনীতে! [[মাতৃভূমি|মাতৃভূমি]] রক্ষা করতে এগিয়ে আসুন। নৌবাহিনীতে!
**[https://www.youtube.com/watch?v=InBXu-iY7cw "ইন দ্য নেভি"] (১৭ জানুয়ারি ১৯৭৯), লিখেছেন জ্যাক মোরালি ও ভিক্টর উইলিস, ''গো ওয়েস্ট'' (১৯৭৯), কাসাব্লাঙ্কা রেকর্ডস। গেয়েছেন [[দ্য ভিলেজ পিপল|দ্য ভিলেজ পিপল]]।
* যুদ্ধের পর আমেরিকান সামরিক বিতর্ক ছিল কোন বাহিনী দেশের প্রধান রক্ষক হবে। [[যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী বিমান বাহিনী|আর্মি এয়ার ফোর্সেস]] (১৯৪৭ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর আলাদা সার্ভিস, ইউএসএএফ হিসেবে তৈরি) দাবি করেছিল যে তাদের [[স্ট্র্যাটেজিক এয়ার কমান্ড|স্ট্র্যাটেজিক এয়ার কমান্ড]], বি-২৯ এবং পারমাণবিক বোমা দিয়ে দেশকে রক্ষা করতে পারবে। নৌবাহিনী দাবি করে যে ক্যারিয়ার এয়ার পাওয়ার যুদ্ধ জিতেছে এবং ভবিষ্যতেও সেরা থাকবে। মার্কিন মাটিতে বিমান প্রতিরক্ষা ইউনিটের নিয়ন্ত্রণ কার থাকবে তা নিয়েও বিতর্ক ছিল।
১৯৪৭ সালের ২৬ জুলাই [[জাতীয় নিরাপত্তা আইন ১৯৪৭|জাতীয় নিরাপত্তা আইন]] পাস হয়, যা "আর্মড ফোর্সেস অফ দ্য ইউনাইটেড স্টেটস" গঠন করে এবং সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনীকে প্রতিরক্ষা দপ্তরের অধীনে আনে। তাত্ত্বিকভাবে, এর উদ্দেশ্য ছিল বাহিনীর মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানো। বাস্তবে, বাহিনীগুলোর মধ্যে ঝগড়া চলত। বিমান বাহিনীকে বিমান প্রতিরক্ষা ইউনিটের কৌশলগত কমান্ড দেওয়া হয়েছিল, আর সেনাবাহিনী ইউনিটগুলোর প্রশিক্ষণ ও সরঞ্জামের দায়িত্ব নেয়। ১৯৪৯ সাল নাগাদ টেক্সাসের ফোর্ট ব্লিসের অ্যান্টি-এয়ারক্রাফট আর্টিলারি স্কুলে মাত্র একটি রেগুলার আর্মি অ্যান্টি-এয়ারক্রাফট ইউনিট সক্রিয় ছিল। তিনটি ঘটনা মহাদেশীয় বিমান প্রতিরক্ষার প্রশ্নকে সামনে আনে এবং কোন বাহিনী কী সরবরাহ করবে তা নির্ধারণ করতে বাধ্য করে।
**মার্ক এল. মরগান, মার্ক এ. বেরহো, [https://books.google.com/books?isbn=0615120121 “রিংস অফ সুপারসনিক স্টিল: এয়ার ডিফেন্সেস অফ দ্য ইউনাইটেড স্টেটস আর্মি ১৯৫০-১৯৭৯”], (২০০২), পৃষ্ঠা ৪।
* সরকার বলপ্রয়োগ, প্রতারণা এবং ধোঁকাবাজির মাধ্যমে শাসন করে। সামরিক বাহিনী নিজেই তথ্যের অবরোধ শুরু করে। তারা উদ্দেশ্যমূলকভাবে তথ্য গোপন করে। তাদের বিশাল আকার ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে রাজনৈতিক নেতারা এই প্রতিষ্ঠানকে বুঝতে পারেন না।
এর প্রমাণ? জিএও ২০১৬ সালের রিপোর্টটি পড়ুন। তারা সামরিক বাহিনী কত তেল পোড়ায় তা বের করতে পারেনি। জিএও সিদ্ধান্তে বলে: "কংগ্রেস জানে না সামরিক বাহিনী বার্ষিক কত জ্বালানি ব্যবহার করে..."
এটি অবাক হওয়ার মতো নয়। ১৯৫০ সালের পর থেকে আধুনিক সামরিক বাহিনী সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১, সেকশন ৯ লঙ্ঘন করে ব্যয়ের হিসাব দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছে। ২০১৮ সালে পেন্টাগন প্রথমবারের মতো অডিটে ব্যর্থ হয়। শুধু ৬.৫ ট্রিলিয়ন ডলার নিখোঁজ হওয়ার বিষয় নয়, তাদের অস্বচ্ছ হিসাবরক্ষণ ব্যবস্থা একটি প্রতিরক্ষামূলক অস্ত্র, যা সরকারি কর্মকাণ্ডের বিরোধিতা বা বোঝার চেষ্টাকারীদের থামিয়ে দেয়।
**[https://www.counterpunch.org/2019/06/14/the-climate-counter-offensive-secrecy-deception-and-disarming-the-green-new-deal/ দ্য ক্লাইমেট কাউন্টার-অফেনসিভ: সিক্রেসি, ডিসেপশন অ্যান্ড ডিজআর্মিং দ্য গ্রিন নিউ ডিল, রিচার্ড মোসার, ''কাউন্টারপাঞ্চ''] (১৪ জুন, ২০১৯)
* একটি বড় ও নোংরা গোপন তথ্য হলো—যুদ্ধ [[বৈশ্বিক উষ্ণায়ন|জলবায়ু পরিবর্তন]] বাড়ায়। সামরিক বাহিনী এ বিষয়ে সচেতন। সব গোপন রাখতে সামরিক বাহিনীকে দায়বদ্ধতা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এটি [[আইনের শাসন|আইনের শাসন]]ের ব্যতিক্রম। জি.ডব্লিউ. বুশ ১৯৯৭ সালের [[কিউটো প্রোটোকল|কিউটো অ্যাকর্ডস]]ে এই অব্যাহতি দাবি করেন, যদিও তিনি পরে তা স্বাক্ষর করেননি।
সামরিক বাহিনীর গ্রিনহাউস গ্যাস হিসাবের বাইরে রয়েছে ১৩০টি দেশে ১,০০০টির বেশি ঘাঁটি, যুক্তরাষ্ট্রের ৬,০০০ স্থাপনা, [[বিমানবাহী রণতরী|বিমানবাহী রণতরী]] এবং [[জেট বিমান|জেট বিমান]]। অস্ত্রের পরীক্ষা এবং ন্যাটো ও [[আফ্রিকোম|আফ্রিকোম]]ের মতো বিশাল সামরিক জোটের কার্যক্রমও এর বাইরে। জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা এবং মানবিক ত্রাণ কার্যক্রমও অব্যাহতি পায়।
**[[সারা ফ্লাউন্ডার্স|সারা ফ্লাউন্ডার্স]] উদ্ধৃত: [https://www.counterpunch.org/2019/06/14/the-climate-counter-offensive-secrecy-deception-and-disarming-the-green-new-deal/ দ্য ক্লাইমেট কাউন্টার-অফেনসিভ: সিক্রেসি, ডিসেপশন অ্যান্ড ডিজআর্মিং দ্য গ্রিন নিউ ডিল, রিচার্ড মোসার, ''কাউন্টারপাঞ্চ''] (১৪ জুন, ২০১৯)
* সেনাবাহিনীতে যে কর্মকর্তাকে [[কাপুরুষতা]] বা [[বিশ্বাসঘাতকতা]]র জন্য বরখাস্ত করা হয়, সে নিজেকে [[ডেমোক্রেটিক পার্টি (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)|ডেমোক্র্যাট]] বলে।
** [[অলিভার পি. মর্টন|অলিভার হ্যাজার্ড পেরি মর্টন]], ইন্ডিয়ানার ১৪তম গভর্নর, ইন্ডিয়ানাপলিসের Masonic Hall-এ ইউনিয়ন মাস মিটিং-এ বক্তৃতা (২০ জুন ১৮৬৬): [https://books.google.com/books?id=1-d9AAAAMAAJ&printsec=frontcover&dq=%22Treason+Exposed:+Record+of+the+Disloyal+Democracy%22&hl=en&sa=X&ved=0ahUKEwisi5WmtMrLAhUCOz4KHUcHCEcQ6AEIHDAA#v=onepage&q=%22Treason%20Exposed%3A%20Record%20of%20the%20Disloyal%20Democracy%22&f=false ''ট্রেজন এক্সপোজড: রেকর্ড অফ দ্য ডিসলয়াল ডেমোক্রেসি''] (১৮৬৬), রিপাবলিকান পার্টি (ইন্ড.) স্টেট সেন্ট্রাল কমিটি, পৃষ্ঠা ৩।
==এন==
* আমেরিকান সৈন্য [[ইসরায়েল|ইসরায়েলে]] পাঠানোর দরকার নেই, আমরা নিজেরাই নিজেদের [[রক্ষা|রক্ষা]] করি।
**[[বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু]], [http://www.c-span.org/video/?299666-1/israeli-prime-minister-netanyahu-address-joint-meeting-congress মার্কিন কংগ্রেসে যৌথ সভায় ভাষণ] (২৪ মে ২০১১)
* আমেরিকায় ইতিহাসের সবচেয়ে [[সুশৃঙ্খল]] ও [[মানবিক]] সামরিক বাহিনী রয়েছে। লুটতরাজে অভ্যস্ত প্রাচীন সেনাবাহিনী বা আধুনিক সময়ের নির্বিচারে বেসামরিক ও বন্দি হত্যাকারী বাহিনীর তুলনায় এটি অনেক সংযত।
**[[নিউজউইক|নিউজউইক]], [http://www.msnbc.msn.com/id/13124487/site/newsweek/ ''এমএসএনবিসি''] (১২ জুন ২০০৬)
* আমরা বিশ্বাস করি [[কালো মানুষ|কালো মানুষদের]] এমন কোনো [[বর্ণবাদী]] [[সরকার|সরকারকে]] রক্ষা করতে সামরিক বাহিনীতে [[যুদ্ধ|যুদ্ধ]] করতে বাধ্য করা উচিত নয়, যারা আমাদের [[সুরক্ষা|সুরক্ষা]] দেয় না। আমরা বিশ্বের অন্য কোনো বর্ণের মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব না, যারা আমেরিকার এই বর্ণবাদী সরকারের শিকারে পরিণত হচ্ছে। আমরা পুলিশ ও সামরিক বাহিনীর সহিংসতা থেকে [[যেকোনো মূল্যে|যেকোনো মূল্যে]] নিজেদের রক্ষা করব।
**[[হিউ নিউটন]], "ব্ল্যাক প্যান্থার পার্টি প্ল্যাটফর্ম, প্রোগ্রাম অ্যান্ড রুলস" (১৯৬৬), ''দ্য হিউ পি. নিউটন রিডারে'', পৃষ্ঠা ৫৬।
* [[ইসলামিক স্টেট|ইসলামিক স্টেট]]ের বিরুদ্ধে যুদ্ধের শেষ দিনগুলোতে সিরিয়ার বাঘুজ নামক স্থানে যখন খেলাফতের যোদ্ধারা কোণঠাসা, তখন মার্কিন সামরিক ড্রোনের নজর ছিল সেদিকে। সেখানে একটি নদীর তীরে অনেক নারী ও শিশু জড়ো হয়েছিল। কোনো সতর্কতা ছাড়াই আমেরিকান এফ-১৫ই অ্যাটাক জেট তাদের ওপর ৫০০ পাউন্ডের বোমা ফেলে। ধোঁয়া সরলে যারা বেঁচে ছিল, তাদের ওপর আবার ২০০০ পাউন্ডের বোমা ফেলা হয়। একজন লিগ্যাল অফিসার এটিকে [[যুদ্ধাপরাধ|যুদ্ধাপরাধ]] হিসেবে চিহ্নিত করে তদন্তের দাবি জানান। কিন্তু সামরিক বাহিনী পুরো ঘটনাটি গোপন করে। মৃতের সংখ্যা কমিয়ে দেখানো হয়। রিপোর্টগুলো বিলম্বিত, কাটাছেঁড়া এবং শ্রেণীবদ্ধ করা হয়। প্রতিরক্ষা দপ্তরের পরিদর্শক তদন্ত শুরু করলেও রিপোর্ট থেকে হামলার উল্লেখ সরিয়ে ফেলা হয়। মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটের বাহিনী ঘটনাস্থল বুলডোজার দিয়ে মাটির সাথে মিশিয়ে দেয়। পরের দিন বেসামরিক পর্যবেক্ষকরা সেখানে নারী ও শিশুদের মৃতদেহের স্তূপ খুঁজে পান।
**[https://www.nytimes.com/2021/11/13/us/us-airstrikes-civilian-deaths.html হাও দ্য ইউ.এস. হিড অ্যান এয়ারস্ট্রাইক দ্যাট কিলড ডজনস অফ সিভিলিয়ানস ইন সিরিয়া, ডেভ ফিলিপস ও এরিক শ্মিট ''নিউ ইয়র্ক টাইমস''] (১৩ নভেম্বর ২০২১)
==ও==
*যেখানেই [[অবিচার]], [[দমন]] এবং [[দুঃখ-কষ্ট]] থাকে, আমেরিকা সেখানে ছয় মাস দেরিতে উপস্থিত হয় এবং তার পাশের [[দেশ|দেশে]] [[বোমা]] ফেলে।
**[[পি. জে. ও'রোর্ক]], ''পিস কিলস: আমেরিকাস ফান নিউ ইম্পেরিয়ালিজম'' (২০০৪)।
*<p>[[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র]] পৃথিবীর সবচেয়ে [[শক্তিশালী]] [[জাতি]]। এটি একটি অমোঘ সত্য। অন্য আটটি দেশের সম্মিলিত সামরিক খরচের চেয়েও আমরা বেশি ব্যয় করি। আমাদের সৈন্যরা বিশ্বের ইতিহাসের সেরা যুদ্ধশক্তি। কোনো জাতি আমাদের বা আমাদের মিত্রদের আক্রমণ করতে সাহস করে না, কারণ তারা জানে এটি ধ্বংসের পথ। জরিপ বলছে বিশ্বজুড়ে আমাদের অবস্থান বেশ উঁচুতে...</p><p>সব গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ইস্যুতে বিশ্বের মানুষ [[বেইজিং]] বা [[মস্কো]]র দিকে তাকায় না; তারা আমাদের ডাকে...</p><p>যখন আপনারা আমেরিকানদের পেছনে লাগবেন, তখন আমরা আপনাদের পেছনে লাগব। সময় লাগতে পারে, কিন্তু আমাদের স্মৃতিশক্তি খুব দীর্ঘ এবং আমাদের পৌঁছানোর ক্ষমতার কোনো সীমা নেই।</p>
**[[বারাক ওবামা|বারাক এইচ. ওবামা ২য়]], [https://medium.com/@WhiteHouse/president-obama-s-2016-state-of-the-union-address-7c06300f9726#.flsvqkay9 স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন ভাষণ] (১২ জানুয়ারি ২০১৬)।
*এই পুরো প্রক্রিয়া চলাকালে [[মিশেল ওবামা|মিশেল]] এবং আমি শুধু আপনাদের মুখপাত্র ছিলাম। আমরা টিভির পর্দায় বা [[মাইক্রোফোন|মাইক্রোফোনের]] সামনে মুখ বা কণ্ঠস্বর ছিলাম, কিন্তু এটি আমাদের জন্য ছিল না। এটি সবসময় আপনাদের জন্য ছিল। '''গত ১০ বছরে যা কিছু ঘটেছে তা আপনাদের কাজের প্রমাণ। আমরা যখন আমাদের অসাধারণ সামরিক বাহিনী ও ইউনিফর্মধারী নারী-পুরুষদের কথা বলি, তখন সামরিক বাহিনী কোনো বস্তু নয়। এটি নিবেদিতপ্রাণ দেশপ্রেমিকদের একটি দল, যারা আমাদের জন্য সবকিছু ত্যাগ করতে প্রস্তুত। এর সদস্যরা আছে বলেই এটি কার্যকর। যন্ত্রপাতি বা হার্ডওয়্যার যেমনই হোক—আমাদের কাছে ভালো হার্ডওয়্যার আছে—তা মেশিন, অস্ত্র বা স্যাটেলাইট যাই হোক না কেন, শেষ পর্যন্ত সব অসাধারণ মানুষের ওপর নির্ভর করে।'''
**[[বারাক ওবামা]], ২০ জানুয়ারি ২০১৭ তারিখে মেরিল্যান্ডের জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুসে তার স্টাফ সদস্যদের বিদায় জানিয়ে দেওয়া বক্তব্য। সূত্র: [http://edition.cnn.com/2017/01/20/politics/barack-obama-remarks/ ওবামার দায়িত্ব ছাড়ার পরের বক্তব্য: সিএনএন দ্বারা প্রকাশিত পূর্ণাঙ্গ পাঠ্য, ২০ জানুয়ারি ২০১৭।]
==পি==
*[[আমেরিকা]] পৃথিবীর সবচেয়ে [[নৈতিক]] [[জাতি]]। এটি [[নৈতিক]] নীতির ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। সামরিক শক্তি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় আমাদের অবশ্যই নৈতিক নীতি প্রয়োগ করতে হবে।
**[[রন পল]], [http://www.house.gov/paul/congrec/congrec2002/cr090402.htm মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে ভাষণ] (৪ সেপ্টেম্বর ২০০২), ওয়াশিংটন, ডি.সি.
*আমি একজন [[মার্কিন মেরিন কোর|মেরিন]]। দেশপ্রেম দেখানোর জন্য আমার [[গাড়ি|গাড়িতে]] ছোট [[পতাকা|পতাকা]] ওড়ানোর প্রয়োজন নেই।
**জোশ রে পারসন, [https://books.google.com/books?id=Phvvf-niiWUC&pg=PT68&lpg=PT68&dq=generation+kill+where+stars+and+stripes+and+eagles&source=bl&ots=lEypFHHqaL&sig=AMRhfTBqzBEnsPiju0YSgkuLd-8&hl=en&sa=X&ved=0ahUKEwiSu8rP3LfLAhWFXR4KHUb-BDAQ6AEIIjAB#v=onepage&q=generation%20kill%20where%20stars%20and%20stripes%20and%20eagles&f=false ''জেনারেশন কিল''] (২০০৩), ইভান রাইট, পৃষ্ঠা ৬৮-এ উদ্ধৃত।
*যুক্তরাষ্ট্র নিয়ে অনেক সমালোচনা আছে, কিন্তু একটি বিষয়ে কেউ যুক্তরাষ্ট্রকে সমালোচনা করে না। কেউ মনে করে না যে [[ইরাক|ইরাকে]] হামলা চালানোর পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের [[জমি]], [[পানি]] বা [[তেল]] লাভের কোনো উদ্দেশ্য ছিল। আমেরিকা সম্পদের কোনো লোভ করে না। [[২০শ শতাব্দী|বিংশ শতাব্দীতে]], '''আমেরিকান ছেলেরা দুটি বিশ্বযুদ্ধে লড়েছে, অনেকে প্রাণ হারিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ জিতেছে, জমি পেয়েছে, কিন্তু তারা তার প্রতিটি টুকরো ফিরিয়ে দিয়েছে। বিজয়ের পর আমেরিকা নিজের জন্য কিছু রাখেনি। আপনারা [[জাপান|জাপানকে]] ফিরিয়ে দিয়েছেন—একটি উন্নত জাপান, আপনারা [[জার্মানি|জার্মানি]] ফিরিয়ে দিয়েছেন—একটি উন্নত জার্মানি''', আপনারা [[মার্শাল পরিকল্পনা|মার্শাল প্ল্যান]]ের কথা শুনেছেন। আজ, আমি মনে করি না পৃথিবীতে কোনো বিবেকবান মানুষ আছেন যিনি মনে করেন ইরাক যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো স্বার্থপর বা বস্তুবাদী উদ্দেশ্য আছে। এই হামলার কারণ হলো, আপনি বিশ্বকে অরাজক হতে দিতে পারেন না। কিছু মানুষ আমাদের জীবনের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এসে বিনা কারণে নারী, শিশু এবং নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করছে। আমি মনে করি পুরো বিশ্ব ভাগ্যবান যে যুক্তরাষ্ট্রের মতো একটি দেশ আছে, যাদের এই নতুন বিপদ মোকাবিলা করার ইচ্ছা এবং শক্তি আছে।
**[[শাইমন পেরেজ]], [http://www.iop.harvard.edu/events_forum_archive_2004.html ভাষণ] (২০ অক্টোবর ২০০৪)।
*আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর র্যাঙ্কে [[সাহস|সাহস]]ের অভাব নেই, কিন্তু আমাদের গোয়েন্দা সংস্থা এবং উচ্চপর্যায়ের সামরিক কমান্ডে [[আমলাতান্ত্রিক]] [[কাপুরুষতা]] বিদ্যমান।
**[[রালফ পিটারস]], ''বিয়ন্ড টেরর: স্ট্র্যাটেজি ইন এ চেঞ্জিং ওয়ার্ল্ড'' (২০০২), পৃষ্ঠা ১৯৬।
*[[আব্রাহাম লিংকন|তিনি]] কিসের স্মৃতিস্তম্ভ তা বলেননি। আমি নিশ্চিত, তিনি এটিকে '''[[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সেনাবাহিনী|আমাদের সৈনিকদের]] আনুগত্যের স্মৃতিস্তম্ভ''' হিসেবে রেখে যেতে চেয়েছিলেন, যারা [[পতাকা|পতাকা]] ও [[উচ্ছেদবাদ|আদর্শ]] ত্যাগ করার চেয়ে লিবির সব ভয়াবহতা সহ্য করাকে শ্রেয় মনে করেছিল।
**[[ডেভিড ডিক্সন পোর্টার]], [https://archive.org/details/incidentsanecdot00portiala ''ইনসিডেন্টস অ্যান্ড অ্যানেকডোটস অফ দ্য সিভিল ওয়ার''] (১৮৮৫), পৃষ্ঠা ২৯৯।
*আমি আমাদের [[পতাকা|পতাকা]], [[সংবিধান|সংবিধান]] এবং [[দেশ|দেশকে]] সীমাহীন [[ভালোবাসা|ভালোবাসা]] দিয়ে ভালোবাসি। একজন [[সৈনিক]] হিসেবে ৩৫ বছর ধরে আমি এই তিনটির প্রতিরক্ষা করেছি এবং প্রয়োজনে জীবন দিতে প্রস্তুত ছিলাম।
**[[কলিন পাওয়েল]], [https://www.aclu.org/free-speech/letter-colin-powell প্যাট্রিক লেহিকে লেখা চিঠি] (১৮ মে ১৯৯৯)।
*আমি মনে করি [[যুক্তরাষ্ট্র|আমরা]] 'গ্রেট শয়তান' নই, বরং আমরা 'মহা রক্ষাকর্তা'। গত এক শতাব্দী ধরে আমরা [[দমন|দমন]] ঠেকাতে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর নারী-পুরুষদের পাঠিয়েছি। আমরা [[ফ্যাসিবাদ|ফ্যাসিবাদ]] ও [[কমিউনিজম|কমিউনিজম]] পরাজিত করেছি। আমরা [[প্রথম বিশ্বযুদ্ধ|প্রথম]] ও [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে]] [[ইউরোপ|ইউরোপকে]] বাঁচিয়েছি। আমরা তা করতে ইচ্ছুক ও আনন্দিত ছিলাম। আমরা [[কোরীয় যুদ্ধ|কোরিয়ায়]] গিয়েছি, [[ভিয়েতনাম যুদ্ধ|ভিয়েতনামে]] গিয়েছি। সব মানুষের অধিকার রক্ষার স্বার্থে। যুদ্ধ শেষে আমরা কী করেছি? আমরা কি দখলদার হিসেবে থেকে গেছি? আমরা কি বলেছি, 'আমরা [[জার্মানি|জার্মানি]]কে হারিয়েছি, এখন জার্মানি আমাদের'? বা '[[জাপান|জাপান]] হারিয়েছি, এখন তা আমাদের'? না। আমরা কী করেছি? আমরা তাদের গড়ে তুলেছি। আমরা তাদের [[গণতন্ত্র|গণতান্ত্রিক]] ব্যবস্থা দিয়েছি যা তারা মন থেকে গ্রহণ করেছে। আমরা কি কোনো জমি চেয়েছি? না। আমরা কেবল আমাদের মৃতদের সমাহিত করার মতো জমিটুকু চেয়েছি, আমরা এমন একটি জাতি।
**[[কলিন পাওয়েল]], [https://web.archive.org/web/20020220234413/http://www.cnn.com/2002/ALLPOLITICS/02/15/powell.mtv/index.html ''এমটিভি গ্লোবাল ডিসকাশন''] (১৪ ফেব্রুয়ারি ২০০২)।
*শাসক শ্রেণি এবং সেইসব [[বিলিয়নিয়ার|বিলিয়নিয়াররা]] যারা মানুষের কষ্টের ওপর লাভ করে, তারা শুধু তাদের সম্পদ বাড়ানো এবং বিশ্ব অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণের কথা ভাবে। ... তাদের ক্ষমতা কেবল আমাদের বোঝানোর ক্ষমতার মধ্যে সীমাবদ্ধ যে যুদ্ধ, দমন এবং শোষণ আমাদের স্বার্থে। তারা বোঝে যে তাদের সম্পদ শ্রমজীবী মানুষকে অন্য দেশের বাজার নিয়ন্ত্রণের জন্য মারা যেতে রাজি করানোর ওপর নির্ভরশীল।
**প্রাক্তন সৈনিক [[মাইকেল প্রিসনার]], "আওয়ার রিয়েল এনিমিজ," ২১ ডিসেম্বর, ২০১১।
*আমি [[ইরাক|ইরাকে]] পরিবারগুলোকে রাস্তা থেকে বের করে দিয়েছি, শুধু দেশে ফিরে এসে দেখেছি এই দেশেও একই ঘটনা ঘটছে। এটি দুঃখজনক এবং অপ্রয়োজনীয় [[মহাবন্দা|ফোরক্লোজার সংকট]]। আমাদের সচেতন হতে হবে যে আমাদের আসল শত্রু সুদূর কোনো দেশে নয়। তারা এমন মানুষ নয় যাদের নাম আমরা জানি না বা যাদের সংস্কৃতি আমরা বুঝি না। শত্রু হলো সেই সিস্টেম যা লাভজনক হলে যুদ্ধ করে। শত্রু হলো সেই [[সিইও|সিইওরা]] যারা লাভজনক হলে আমাদের চাকরি থেকে ছাঁটাই করে। শত্রু হলো সেই [[বীমা|বীমা]] কোম্পানি যারা লাভজনক হলে আমাদের [[স্বাস্থ্যসেবা|স্বাস্থ্যসেবা]] দিতে অস্বীকার করে। শত্রু হলো সেই ব্যাংকগুলো যারা লাভজনক হলে আমাদের বাড়ি দখল করে। আমাদের শত্রু ৫ হাজার মাইল দূরে নয়, তারা আমাদের নিজেদের ঘরেই আছে।
**প্রাক্তন সৈনিক [[মাইকেল প্রিসনার]], "আওয়ার রিয়েল এনিমিজ," ২১ ডিসেম্বর, ২০১১।
==আর==
*যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা নীতি একটি সহজ ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত: যুক্তরাষ্ট্র [[যুদ্ধ|যুদ্ধ]] শুরু করে না। আমরা কখনো [[আগ্রাসী|আগ্রাসী]] হব না। আমরা আগ্রাসন ঠেকাতে ও [[সুরক্ষা|সুরক্ষা]] দিতে আমাদের [[শক্তি|শক্তি]] বজায় রাখি—যাতে [[স্বাধীনতা|স্বাধীনতা]] ও [[শান্তি|শান্তি]] বজায় থাকে।
**[[রোনাল্ড রেগান]], [http://www.cnn.com/SPECIALS/cold.war/episodes/22/documents/starwars.speech/ ভাষণ]।
*আমেরিকানরা তাদের সামরিক সক্ষমতার ওপর যে আস্থা রাখে তা অস্বাভাবিক। ১৫ বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্র সামান্য অস্ত্রধারী কয়েকজন [[তালিবান|তালিবানকে]] হারাতে পারেনি, ১৩ বছর ধরে ইরাক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে। রাশিয়া বা চীনরাশিয়া কৌশলগত জোটের মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে এটি আশাব্যঞ্জক নয়। ৬০ বছর আগে [[কোরীয় যুদ্ধ|কোরিয়াতে]] যুক্তরাষ্ট্র চীনকেও হারাতে পারেনি। আমেরিকানদের বোঝা উচিত যে "তাদের" সরকার হয়তো যুক্তরাষ্ট্র ও পুরো ইউরোপকে [[পারমাণবিক ধ্বংসযজ্ঞ|বাষ্পীভূত]] করতে চলেছে। রাশিয়ান অস্ত্র ব্যবস্থা আমেরিকানদের চেয়ে অনেক উন্নত। আমেরিকান অস্ত্র ব্যক্তিগত কোম্পানিগুলো লাভের জন্য তৈরি করে। অস্ত্রের সক্ষমতা মূল বিষয় নয়। মার্কিন অস্ত্রের দাম আকাশচুম্বী, যার কারণ অন্তহীন খরচ।
**[[পল ক্রেইগ রবার্টস]], [http://www.informationclearinghouse.info/article44761.htm ''আওয়ার প্রসপেক্টস অ্যাগেইনস্ট দ্য রাশিয়ানস অ্যান্ড চাইনিজ ইন ডাব্লিউডাব্লিউ৩, ইনফরমেশন ক্লিয়ারিং হাউস''] (২৮ মে ২০১৬)।
*বিশ্ব হয়তো মার্কিন সামরিক-নিরাপত্তা কমপ্লেক্সের লোভের কারণে [[ধ্বংস|ধ্বংসের]] দিকে যাচ্ছে। ওবামা প্রশাসন [[শীতল যুদ্ধ|শীতল যুদ্ধ]] ফিরিয়ে এনেছে, যা একটি বিশ্বাসযোগ্য "শত্রু" তৈরি করেছে। "[[রাশিয়ান|রাশিয়ান]] হুমকি" ব্যবহার করে আমেরিকান করদাতাদের অর্থ, [[কল্যাণমূলক রাষ্ট্র|সামাজিক সেবা]] এবং [[অর্থনীতি|অর্থনীতি]] রক্তশূন্য করা হচ্ছে, যাতে [[অস্ত্র|অস্ত্র]] নির্মাতারা লাভবান হয়। 'নতুন শীতল যুদ্ধ'-এর সময় ওয়াশিংটনের যুক্তি ও পদক্ষেপ আসল [[শীতল যুদ্ধ|শীতল যুদ্ধ]]ের চেয়ে অনেক বেশি বিপজ্জনক ও বেপরোয়া।
**[[পল ক্রেইগ রবার্টস]], [http://www.informationclearinghouse.info/article44761.htm ''আওয়ার প্রসপেক্টস অ্যাগেইনস্ট দ্য রাশিয়ানস অ্যান্ড চাইনিজ ইন ডাব্লিউডাব্লিউ৩, ইনফরমেশন ক্লিয়ারিং হাউস''] (২৮ মে ২০১৬)।
*প্রথম যুদ্ধটি—[[আমেরিকান বিপ্লব|স্বাধীনতার যুদ্ধ]]—ছাড়াও আমেরিকার সব যুদ্ধ ছিল [[সাম্রাজ্য|সাম্রাজ্যের]] জন্য। [[মেমোরিয়াল ডে|মেমোরিয়াল ডে]]তে বিপদের সময় সেবা দেওয়া সাহসী নারী-পুরুষদের নিয়ে ভাষণ শোনার সময় এই সত্যটি মনে রাখবেন। যুক্তরাষ্ট্র কখনো বিপদে ছিল না, কিন্তু ওয়াশিংটন অন্যের ওপর [[আধিপত্য|আধিপত্য]] বিস্তারের জন্য অনেক দেশে বিপদ বয়ে এনেছে।
**[[পল ক্রেইগ রবার্টস]], [http://www.informationclearinghouse.info/article44761.htm ''আওয়ার প্রসপেক্টস অ্যাগেইনস্ট দ্য রাশিয়ানস অ্যান্ড চাইনিজ ইন ডাব্লিউডাব্লিউ৩, ইনফরমেশন ক্লিয়ারিং হাউস''] (২৮ মে ২০১৬)।
*আজ প্রথমবারের মতো ওয়াশিংটনের রাশিয়া ও চীনের ওপর [[আধিপত্য|আধিপত্য]] বিস্তারের চেষ্টার ফলে যুক্তরাষ্ট্র বিপদের মুখে। রাশিয়া ও চীন ওয়াশিংটনের [[অহংকার|অহংকার]] ও [[মূর্খতা|মূর্খতা]]তে প্রভাবিত নয়। তারা আমেরিকার আদিবাসী [[প্লেইন ইন্ডিয়ানস|প্লেইন ইন্ডিয়ানস]] নয়, যারা [[ইউনিয়ন সেনাবাহিনী|ইউনিয়ন আর্মির]] হাতে [[মহিষ|মহিষ]] হত্যার মাধ্যমে ক্ষুধার্ত হয়ে আত্মসমর্পণ করেছিল। আমেরিকানরা সেলফি ও সামরিক শ্রেষ্ঠত্বের বিভ্রমে ব্যস্ত, কিন্তু তাদের উন্মাদ সরকার রাশিয়া ও চীনের সাথে ঝগড়া বাঁধিয়েছে। তাদের কোনো ভবিষ্যৎ নেই।
**[[পল ক্রেইগ রবার্টস]], [http://www.informationclearinghouse.info/article44761.htm ''আওয়ার প্রসপেক্টস অ্যাগেইনস্ট দ্য রাশিয়ানস অ্যান্ড চাইনিজ ইন ডাব্লিউডাব্লিউ৩, ইনফরমেশন ক্লিয়ারিং হাউস''] (২৮ মে ২০১৬)।
*[[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সশস্ত্র বাহিনী|আমাদের সামরিক বাহিনীর]] শাখার নেতারা অবিলম্বে রাষ্ট্রপতির কথার প্রতিবাদ জানিয়েছেন। কেন? কারণ সমস্ত [[জাতি|জাতির]] [[পুরুষ|পুরুষ]] ও [[নারী|নারী]] সমন্বয়ে গঠিত আমাদের বাহিনীর [[মনোবল|মনোবল]] ও প্রতিশ্রুতি বিপদের মুখে পড়তে পারে।
**[[মিট রমনি]], [https://www.facebook.com/mittromney/posts/10154652303536121 ফেসবুক বিবৃতি] (১৮ আগস্ট ২০১৭)।
*শান্তির নিশ্চয়তা পেতে বিদেশে আমাদের সম্মান পাওয়ার জন্য একটি দক্ষ সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনী প্রয়োজন। আমার প্রগতিশীল সহনাগরিকদের সাবধান করছি। আমি চাই তারা আমাদের [[আন্তর্জাতিক সম্পর্ক|আন্তর্জাতিক সম্পর্ক]] নিয়ে আগ্রহী থাকুক; এবং আঙ্কেল স্যামের বিদেশের স্বার্থের কথা মনে রাখুক। ন্যায়বিচার ও ন্যায্য আচরণ ব্যক্তিগত সম্পর্কের মতোই আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য, শুধু একটি পার্থক্য হলো প্রতিটি জাতিকে আন্তর্জাতিক পুলিশি কাজ করতে হয়। যদি এখানে ঝামেলায় পড়েন, তবে পুলিশ ডাকতে পারেন; কিন্তু আঙ্কেল স্যাম যদি ঝামেলায় পড়েন, তবে তাকে নিজেই [[পুলিশ|পুলিশম্যান]] হতে হবে। আমি তাকে যথেষ্ট শক্তিশালী দেখতে চাই, যাতে সে অন্যদের শান্তির আকাঙ্ক্ষাকে উৎসাহিত করতে পারে। আমি জাতীয় বন্ধুত্ব ও সদিচ্ছায় বিশ্বাস করি, তবে বন্ধুত্ব হতে হবে শ্রদ্ধা ও বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে। আমি এমন কোনো আমেরিকানকে ঘৃণা করি যে অন্য জাতির সাথে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে আমেরিকার সরকার যেন ন্যায়পরায়ণ হয় তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করে না। আমি কোনো দুর্বল শক্তির ওপর অবিচার করতে চাই না, আর কোনো শক্তিশালী শক্তির কাছ থেকে অন্যায় মুখ বুজে সহ্য করলে আমি চিরকাল মাথা নিচু করে থাকব।
**[[থিওডোর রুজভেল্ট]], [https://obamawhitehouse.archives.gov/blog/2011/12/06/archives-president-teddy-roosevelts-new-nationalism-speech ওসাওয়াটোমি ভাষণ], (৩১ আগস্ট ১৯১০)।
*যুক্তরাষ্ট্র যখন বিশ্বের [[সবচেয়ে শক্তিশালী|সবচেয়ে শক্তিশালী]] সামরিক শক্তি, তখন এই [[বিশ্ব|বিশ্ব]] একটি [[নিরাপদ|নিরাপদ]] এবং [[ভালো|ভালো]] জায়গা।
**[[মার্কো রুবিও]], [http://insider.foxnews.com/2015/11/10/marco-rubio-and-rand-paul-clash-national-security-fox-business-gop-debate ''মার্কো রুবিও অ্যান্ড র্যান্ড পল ক্ল্যাশ''] (১০ নভেম্বর ২০১৫) শিরোনামের ফক্সনিউজ ইনসাইডারে উদ্ধৃত। [[২০১৬ রিপাবলিকান বিতর্ক, মিলওয়াকি|২০১৬ রিপাবলিকান বিতর্কের]] সময় বলা হয়েছে।
==এস==
*২০১৯ সালে মার্কিন সামরিক ব্যয় ছিল ৭৩২ বিলিয়ন ডলার, যা [[চীন]]ের ২৬১ বিলিয়ন ডলারের প্রায় তিন গুণ। যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৮০০টি বিদেশী সামরিক ঘাঁটি রয়েছে, যেখানে [[চীন]]ের মাত্র একটি (জিবুতিতে একটি ছোট নৌঘাঁটি)। চীনের কাছাকাছি যুক্তরাষ্ট্রের অনেক সামরিক ঘাঁটি থাকলেও যুক্তরাষ্ট্রের কাছাকাছি চীনের কোনো ঘাঁটি নেই। যুক্তরাষ্ট্রের ৫,৮০০টি [[পারমাণবিক অস্ত্র|পারমাণবিক ওয়ারহেড]] আছে; চীনের আছে প্রায় ৩২০টি। যুক্তরাষ্ট্রের ১১টি [[বিমানবাহী রণতরী|বিমানবাহী রণতরী]] আছে; চীনের আছে একটি। গত ৪০ বছরে যুক্তরাষ্ট্র অনেক বিদেশী যুদ্ধ শুরু করেছে; চীন একটিও করেনি (যদিও সীমান্তে ছোটখাটো সংঘর্ষের জন্য তাদের সমালোচনা করা হয়েছে, যেমনটি সম্প্রতি [[ভারত|ভারতের]] সাথে হয়েছে, তবে তা যুদ্ধের পর্যায়ে পৌঁছায়নি)।
**[[জেফরি স্যাকস]], [https://www.project-syndicate.org/commentary/america-evangelical-crusade-against-china-by-jeffrey-d-sachs-2020-08 আমেরিকার আনহোলি ক্রুসেড অ্যাগেইনস্ট চায়না], [[প্রজেক্ট সিন্ডিকেট|''প্রজেক্ট সিন্ডিকেট'']], (৫ আগস্ট ২০২০)
*[[ওমান উপসাগর|ওমান উপসাগরে]] তেলবাহী ট্যাঙ্কারে হামলা অগ্রহণযোগ্য এবং এর পূর্ণ তদন্ত হওয়া উচিত... তবে এই ঘটনাকে [[ইরান|ইরানের]] সাথে যুদ্ধের অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না। এমন যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্র, ইরান, অঞ্চল এবং বিশ্বের জন্য এক চরম বিপর্যয় ডেকে আনবে... এখন সময় যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক নেতৃত্ব দেখানোর... এবং ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা কমাতে আঞ্চলিক দেশগুলোকে নিয়ে কূটনৈতিক সমাধান খোঁজার... আমি [[ডোনাল্ড ট্রাম্প|প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে]] মনে করিয়ে দিতে চাই যে ইরানের সাথে যুদ্ধের জন্য কংগ্রেসের কোনো অনুমোদন নেই... যুক্তরাষ্ট্রের একতরফা আক্রমণ অবৈধ ও অসাংবিধানিক হবে।
**[[বার্নি স্যান্ডার্স]], [https://www.commondreams.org/news/2019/06/14/trump-must-not-be-allowed-use-gulf-oman-incidents-pretext-illegal-war-iran-bernie ''ট্রাম্প মাস্ট নট বি অ্যালাউড টু ইউজ গালফ অফ ওমান ইনসিডেন্টস অ্যাজ 'প্রিটেক্সট ফর ইললিগাল ওয়ার উইথ ইরান': বার্নি স্যান্ডার্স, কমন ড্রিমস'', আন্দ্রেয়া জার্মানস,] (১৪ জুন ২০১৯)
*[[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বৈদেশিক নীতি|জাতীয় নিরাপত্তা নীতির]] ক্ষেত্রে, যুক্তরাষ্ট্র কয়েক দশক ধরে একটি ধারাবাহিক ও অতি-সামরিকায়িত পথে হাঁটছে। ব্যাপকভাবে দেখলে, [[১১ সেপ্টেম্বর হামলা|৯/১১]] থেকে বর্তমান পর্যন্ত "জাতীয় নিরাপত্তা" এবং "[[সন্ত্রাসবাদ দমন|সন্ত্রাসবাদ দমন]]" বিষয়ে মার্কিন নীতি অনেকাংশে একই রয়ে গেছে।... [[জো বাইডেন|বাইডেন]]ের অধীনে সাম্রাজ্যবাদী ধারায় কোনো বড় পরিবর্তন আসবে না। ড্রোন যুদ্ধ অব্যাহত থাকবে এবং [[ইউরোপ]] ও [[এশিয়া]]তে শীতল যুদ্ধের আবহ ত্বরান্বিত হবে। বাইডেন [[ল্যাটিন আমেরিকা|ল্যাটিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয়]] অঞ্চলের [[বামপন্থী রাজনীতি|বামপন্থী আন্দোলন ও সরকারের]] প্রতি বৈরী অবস্থান বজায় রাখবেন। জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষেত্রে বাইডেন ট্রাম্পের কিছু চরম অবস্থান পরিবর্তন করলেও, তিনি পৃথিবীর স্বাস্থ্যের চেয়ে [[বহুজাতিক কর্পোরেশন|বড় কর্পোরেশন]] ও সামরিক শিল্পের মুনাফাকে প্রাধান্য দেবেন। সীমানা সামরিকীকরণ ও [[শরণার্থী|শরণার্থীদের]] প্রতি দুর্ব্যবহার অব্যাহত থাকবে এবং বিশাল অভ্যন্তরীণ [[নজরদারি|নজরদারি]] ব্যবস্থা বজায় থাকবে। কঠোর সত্য হলো: ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকানদের রাজনৈতিক বিরোধের চেয়ে 'ওয়ার পার্টি'র স্বার্থই বড়।
**[[জেরেমি স্কাহিল]], [https://theintercept.com/2021/11/21/america-militarism-foreign-policy-bush-obama-trump-biden/ দ্য ওয়ার পার্টি, ফ্রম বুশ টু ওবামা, অ্যান্ড ট্রাম্প টু বাইডেন, ইউ.এস. মিলিটারিজম ইজ দ্য গ্রেট ইউনিফায়ার, ''দ্য ইন্টারসেপ্ট''] (২১ নভেম্বর ২০২১)
*[[কন্টিনেন্টাল আর্মি|কন্টিনেন্টাল আর্মি]] একীভূতকরণের যে পর্যায়ে পৌঁছেছিল, তা আর ২০০ বছরে অর্জিত হয়নি।
**রবার্ট এ. সেলিগ, [https://web.archive.org/web/20141201041830/http://www.americanrevolution.org/blk.php "দ্য রেভল্যুশনস ব্ল্যাক সোলজারস"], ''আমেরিকান রেভল্যুশন''
:'''ন্যাথানিয়েল ফিক''': তোমরা লজিস্টিকস চাও? সেনাবাহিনীতে যোগ দাও। মেরিনরা নিজেদের ব্যবস্থা নিজেরাই করে নেয়।
:*"স্ক্রুবি" (২০০৮), ডেভিড সাইমন ও এড বার্নস কর্তৃক লিখিত, ''[[জেনারেশন কিল]]'', হোম বক্স অফিস
*[[অপারেশন এন্ডুরিং ফ্রিডম|অপারেশন এন্ডুরিং ফ্রিডম]] (ওএফ) এবং [[অপারেশন ইরাকি ফ্রিডম|অপারেশন ইরাকি ফ্রিডম]] (ওআইএফ) শুরুর পর থেকে, [[যুদ্ধ|যুদ্ধে]] অংশ নেওয়া [[সামরিক|সামরিক]] কর্মীদের আত্মহত্যার হার সাধারণ জনসংখ্যার সমান (কাং ও বুলম্যান, ২০০৮) এবং সম্ভবত তার বেশি হয়ে গেছে।
** এডওয়ার্ড এ. সেলবি, মাইকেল ডি. আনেস্টিস, থিওডোর ডব্লিউ. বেন্ডার, জেসিকা ডি. রিবেইরো, ম্যাথিউ কে. নক, এম. ডেভিড রুড, ক্রেইগ জে. ব্রায়ান, ইনগ্রিড সি. লিম, মন্টি টি. বেকার, পিটার এম. গুটিয়েরেজ এবং থমাস ই. জয়নার, জুনিয়র; [https://www.ncbi.nlm.nih.gov/pmc/articles/PMC2834834/ “ওভারকামিং দ্য ফিয়ার অফ লিথাল ইনজুরি: ইভালুয়েটিং সুইসাইডাল বিহেভিয়র ইন দ্য মিলিটারি থ্রু দ্য লেন্স অফ দ্য ইন্টারপারসোনাল-সাইকোলজিক্যাল থিওরি অফ সুইসাইড”], ''ক্লিন সাইকোল রেভ'', ২০১০ এপ্রিল; ৩০(৩): ২৯৮–৩০৭।
*নিগ্রোদের অবশ্যই [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সশস্ত্র বাহিনী|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেবায় সৈনিক হিসেবে]] তালিকাভুক্ত হতে উৎসাহিত করতে হবে, যাতে তারা নিজেদের [[স্বাধীনতা|স্বাধীনতা]] বজায় রাখতে এবং [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের]] নাগরিক হিসেবে তাদের অধিকার সুরক্ষিত করতে অবদান রাখতে পারে।
**[[উইলিয়াম টিকুমসেহ শেরম্যান]], [http://teachingamericanhistory.org/library/document/forty-acres-and-a-mule-special-field-order-no-15/ "স্পেশাল ফিল্ড অর্ডার নং ১৫"] (১৬ জানুয়ারি ১৮৬৫), ''হেডকোয়ার্টারস মিলিটারি ডিভিশন অফ দ্য মিসিসিপি, ইন দ্য ফিল্ড'', সাভানা, জর্জিয়া।
*বেসামরিক [[আমেরিকান|আমেরিকানদের]] বুঝতে হবে যে নাগরিক অধিকারের সবচেয়ে বড় বিজয়গুলো [[মার্কিন মেরিন কোর|মেরিন]] এবং মার্কিন সামরিক বাহিনী অর্জন করেছে, যা আমাদের জাতীয় জীবনের সবচেয়ে সফলভাবে সমন্বিত খাত। কেন? কোনো জাতিগত রেফারেন্স ও বৈষম্য নেই। আমি প্রথমবার আফ্রিকান-আমেরিকান বা ল্যাটিনোদের সাথে একই কোয়ার্টারে ঘুমিয়েছি—বা তাদের কাছ থেকে আদেশ নিয়েছি—তা মেরিন কোরে প্রাইভেট হিসেবে কাজ করার সময়। হ্যাঁ, আমেরিকার সত্যিই আরও মেরিন মূল্যবোধ ও প্রভাব প্রয়োজন।
**[[মার্ক শিল্ডস|মার্ক শিল্ডস]], [https://web-beta.archive.org/web/20100726132218/http://www.creators.com:80/liberal/mark-shields/america-needs-more-marine-corps-values.html "আমেরিকা নিডস মোর মেরিন কোর ভ্যালুস"] (২০১০), ''ক্রিয়েটরস.কম''
*<p>আমার [[শৈশব|শৈশবে]] [[সেনাবাহিনী|সেনাবাহিনীর]] প্রতি মুগ্ধতা ছিল...</p><p>দুর্বলদের পাশে দাঁড়ানো এবং অসহায়দের রক্ষা করার শিখ ধারণা শিখ মানসিকতার মূলে রয়েছে, এবং এই আদর্শগুলোই মার্কিন সেনাবাহিনী ধারণ করে।</p>
**সিমরাতপাল সিং, [http://edition.cnn.com/2016/04/04/us/sikh-army-captain-simratpal-singh-beard-turban/index.html?iid=ob_lockedrail_topeditorial&iref=obinsite "শিখ আর্মি ক্যাপ্টেন অ্যালাউড টু ওয়্যার বিয়ার্ড অ্যান্ড টারবান ইন ইউনিফর্ম"] (৫ এপ্রিল ২০১৬)-এ উদ্ধৃত, নাদিন শাকার, ''সিএনএন'', জর্জিয়া অঙ্গরাজ্য: কেবল নিউজ নেটওয়ার্ক।
*[[আজ|আজকের]] সৈনিক এবং গণতন্ত্রের জন্য শহীদরা আমেরিকান মুক্তিদাতাদের দীর্ঘ ঐতিহ্যে একটি বিশিষ্ট স্থান দখল করে আছে, যা আমেরিকান বিপ্লব থেকে অপারেশন এন্ডুরিং ফ্রিডম ও ইরাকি ফ্রিডম পর্যন্ত বিস্তৃত। [[আমেরিকান গৃহযুদ্ধ|গৃহযুদ্ধ]] এই উত্তরাধিকারের একটি স্পর্শপাথর। একাডেমিক ইতিহাসবিদরা লেখেন যে এটি ছিল সেকশনালিজম, [[অর্থনীতি|অর্থনীতি]] বা [[রাজনীতি|রাজনীতি]] নিয়ে। এগুলো এর কারণ হতে পারে, কিন্তু [[আব্রাহাম লিংকন|আব্রাহাম লিংকন]] জানতেন এর মূলে কী ছিল। সংঘর্ষের আগে তার দ্বিতীয় উদ্বোধনী ভাষণে তিনি বলেছিলেন, [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দাসপ্রথা|দাসপ্রথা]] 'একটি অদ্ভুত ও শক্তিশালী স্বার্থ তৈরি করেছিল। সবাই জানত যে এই স্বার্থই কোনোভাবে যুদ্ধের কারণ'। '''[[ইউনিয়ন (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)|ইউনিয়ন]] সৈনিকরা ইউনিয়ন রক্ষায় লড়েছিল, কিন্তু [[দাসপ্রথা|মানবিক দাসত্ব]] বন্ধ করতেও লড়েছিল'''।
**[[জোসেফ মরিসন স্কেলি|জোসেফ এম. স্কেলি]], [https://web.archive.org/web/20070524182018/http://article.nationalreview.com/?q=ZjcwZTYwYmFmMGRlZTA1ZTc4ZTRkOGJkZDExMjBmNzM= "দ্য ডেমোক্রেটিক ফলেন: লেট আস অনার দোজ হু হ্যাভ ডিফেন্ডেড আওয়ার রাইট টু সেলফ-গভর্নমেন্ট উইথ দেয়ার লাস্ট ব্রেথস"] (১৮ মে ২০০৭), ''ন্যাশনাল রিভিউ অনলাইন''
*আমেরিকান হিসেবে আমরা ক্রমবর্ধমান বিভ্রান্তি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছি যা আমাদের দেশের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ফেলছে।
**[[মার্গারেট চেজ স্মিথ]], [http://static1.squarespace.com/static/55ae7dc3e4b0627b56f10b3e/t/56d5ad5d4d088e0ea4775a94/1456844125625/Declaration+of+Conscience.pdf ''ডিক্লারেশন অফ কনসায়েন্স''] (১ জুন ১৯৫০)
==টি==
*গল্পটি শুরু হয় ১৮ মার্চ, ২০১৯ সালে, [[কাতার|কাতারের]] [[আল উদেইদ বিমান ঘাঁটি|আল উদেইদে]] একটি বড় বিমান বাহিনীর যুদ্ধ অপারেশন সেন্টারে। এটি দেখতে অনেকটা [[নাসা|নাসার]] মিশন কমান্ডের মতো। ব্যাংক ভর্তি কম্পিউটার, বড় পর্দা, সবাই [[ইসলামিক স্টেট|ইসলামিক স্টেটের]] বিরুদ্ধে বিমান যুদ্ধ দেখছে... এই দিনে, কমান্ড সেন্টারের অনেকেই ওপর দিয়ে উড়ে যাওয়া একটি ড্রোন দেখছিল। তারা দেখছিল গাড়ি এবং অস্থায়ী তাঁবুর জঞ্জালে ভরা একটি মাঠ, যা ছিল সপ্তাহের যুদ্ধের অবশিষ্টাংশ। সেখানে অনেক মানুষও ছিল। ড্রোনটি নদীর ধারে বালুর বাঁধের কাছে আশ্রয় নেওয়া একদল নারী ও শিশুর ওপর ফোকাস করে। ড্রোনটি কয়েক মিনিট সেখানে ঘুরেছে, ক্যামেরাগুলো তাদের ওপর ফোকাস করে ছিল, হয় ঘুমানোর জন্য অথবা আসন্ন যুদ্ধের হাত থেকে বাঁচতে। অপারেশন সেন্টারের লোকেরা শান্তভাবে এটি দেখছিল, তখন হঠাৎ... একটি আমেরিকান [[এফ-১৫|এফ-১৫]] অ্যাটাক জেট এসে এই নারী ও শিশুদের দলটির ওপর একটি বড় বোমা ফেলে... তাদের প্রায় সবাইকে হত্যা করে।
**[[ডেভিড ফিলিপস|ডেভ ফিলিপস]] উদ্ধৃত: [https://www.nytimes.com/2021/11/15/podcasts/the-daily/us-airstrike-casualties-isis.html?showTranscript=1 হাউ দ্য ইউ.এস. হিড আ ডেডলি এয়ারস্ট্রাইক], সাবরিনা টাভার্নিজ কর্তৃক, ''নিউ ইয়র্ক টাইমস'', ১৫ নভেম্বর ২০২১।
*কখন একটি লক্ষ্যে আঘাত করা যাবে তার নিয়ম আছে। অনেক সময় যারা সিদ্ধান্ত নেয় সেই নিয়মগুলো মানা হচ্ছে কি না, তারা কোনো কমান্ড সেন্টারে থাকে। তারা সব যাচাই করে অনুমতি দেয়। কিন্তু আপনি যদি বলেন যে আপনি আসন্ন হুমকির মুখে আছেন এবং নিজেকে রক্ষা করতে হবে, তবে খুব দ্রুত সেই নজরদারি এড়ানো যায়। [[যুদ্ধের আইন|যুদ্ধের আইন]] অনুযায়ী, এটি সবসময় অনুমোদিত। এটি টাস্ক ফোর্সকে সব অফিসার, নজরদারি এবং নিয়মকানুন জানা আইনজীবীদের এড়িয়ে সরাসরি বিমানের সাথে কথা বলার সুযোগ দেয়। তাই, কেউ তাদের প্রশ্ন করার আগেই তারা যা খুশি আঘাত করতে পারত... কিন্তু অপারেশন সেন্টারের লোকেরা দেখছিল যে টাস্ক ফোর্স ৯ প্রায় সব সময়ই এই অজুহাত ব্যবহার করছে।
**[[ডেভিড ফিলিপস|ডেভ ফিলিপস]] উদ্ধৃত: [https://www.nytimes.com/2021/11/15/podcasts/the-daily/us-airstrike-casualties-isis.html?showTranscript=1 হাউ দ্য ইউ.এস. হিড আ ডেডলি এয়ারস্ট্রাইক], সাবরিনা টাভার্নিজ কর্তৃক, ''নিউ ইয়র্ক টাইমস'', ১৫ নভেম্বর ২০২১।
*আমি মনে করি সামরিক বাহিনীতে এমন মানুষ আছে যারা জবাবদিহিতা চায় এবং এর জন্য কঠোর পরিশ্রম করেছে। কিন্তু তারা যে সিস্টেম তৈরি করেছে তা এতই ত্রুটিপূর্ণ যে এটি আসলে কতজন বেসামরিক নাগরিক মারা গেছে তা সম্পর্কে অর্থপূর্ণ কিছু বলতে পারে না। ভেবে দেখুন। এটি এমন একটি ঘটনা যেখানে ৭০ জন নিহত হয়েছিল। একটি হাই ডেফিনিশন রঙিন ড্রোন ক্যামেরার সামনে তারা মারা গিয়েছিল, যা অনেক সামরিক লোক দেখেছিল। এটি অবিলম্বে রিপোর্ট করা হয়েছিল এবং বারবার জানানো হয়েছিল। সিস্টেমটি কোনো যৌক্তিক উপায়ে সাড়া দিতে অক্ষম ছিল। সিস্টেম যদি এতটা স্পষ্ট কিছু সামলাতে না পারে, তবে এটি কী সামলাতে পারে?
**উদ্ধৃত: [https://www.nytimes.com/2021/11/15/podcasts/the-daily/us-airstrike-casualties-isis.html?showTranscript=1 হাউ দ্য ইউ.এস. হিড আ ডেডলি এয়ারস্ট্রাইক], সাবরিনা টাভার্নিজ কর্তৃক, ''নিউ ইয়র্ক টাইমস'', ১৫ নভেম্বর ২০২১।
*আমার মতে, যেকোনো আক্রমণ প্রতিহত করার জন্য আমাদের যথেষ্ট বড় সশস্ত্র বাহিনী থাকা প্রয়োজন। ভবিষ্যতের সম্ভাব্য আক্রমণকারীরা যদি আমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের সরঞ্জাম তৈরি করে, তবে আমাদের দ্রুততর হতে হবে। আমরা কি স্বেচ্ছায় তালিকাভুক্তির মাধ্যমে বাধ্য না করে স্থায়ীভাবে আমাদের [[মার্কিন নৌবাহিনী|নৌবাহিনী]] এবং সাত লাখ ৫০ হাজার সৈন্য ও ১২ লাখ ৫০ হাজার রিজার্ভ সৈন্য বজায় রাখতে পারি? স্থায়ী নীতি হিসেবে এই প্রশ্নের উত্তর নিজেরাই পরিষ্কার। এটি কেবল পরিষেবাকে যথেষ্ট আকর্ষণীয় করার বিষয়। আমরা ধরে নিচ্ছি যে সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়া একটি ত্যাগ; এটি যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে অপ্রীতিকর পেশা, যা প্রতিটি ছেলে সহজাতভাবে এড়িয়ে চলে। তা মোটেও হওয়া উচিত নয়। যুদ্ধের সময় সেনাবাহিনী বিপজ্জনক; কিন্তু আমরা যদি পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নিই তবে আমরা যুদ্ধে থাকব না। সেনাবাহিনী মূলত একটি শান্তিকালীন, অত্যন্ত বিশেষায়িত পেশা, যেখানে বিপদের সম্ভাবনা কম। অভিজ্ঞতা দেখায় যে বিপদের সম্ভাবনা আছে বলে মানুষ কোনো পেশা এড়িয়ে চলে না। অনেক বিপজ্জনক বেসামরিক পেশা আছে—হাই-টেনশন তার নিয়ে কাজ, টানেল নির্মাণ, কয়লা খনি—সেসব পেশায় আগ্রহীর অভাব হয় না। সেনাবাহিনীর অনেক সুবিধা আছে—দায়িত্বহীন এক পরিচ্ছন্ন ও নিয়মিত জীবন, শৃঙ্খলা ও আদেশের আকর্ষণ যা কিছু মানুষকে টানে এবং অন্যদের খুব বেশি কষ্ট দেয়। মাসে ২১ ডলারে স্বেচ্ছাসেবক হওয়ার মতো পেশা খুব কম, তবুও আজ আমরা মাসে পঁচিশ হাজারের বেশি মানুষকে তালিকাভুক্ত করছি। জুলাই মাসে আমরা ত্রিশ হাজারের বেশি তালিকাভুক্ত করেছি। স্বেচ্ছাসেবী তালিকাভুক্তি পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়নি। পর্যাপ্ত বেতন ও তিন বছরের তালিকাভুক্তি সত্ত্বেও, এটি যা চাওয়া হয়েছে তা অর্জন করেছে। এখন পর্যন্ত [[মার্কিন কংগ্রেস|কংগ্রেস]] এমনকি বলেনি যে একটি বড় সেনাবাহিনী প্রয়োজন। আমরা এমন একটি সেনাবাহিনী সরবরাহ না করার জন্য তালিকাভুক্তি সিস্টেমকে দোষ দিতে পারি না যা আমরা অনুমোদিত করিনি। [[হ্যারি এস. ট্রুম্যান|প্রেসিডেন্ট]] তালিকাভুক্তির জন্য কোনো আবেদন করেননি। নিশ্চিতভাবে প্রেসিডেন্টের নেতৃত্বে এবং স্বেচ্ছাসেবী ভিত্তিতে সংগঠিত একটি সাধারণ প্রচারণা পাঁচ লাখ মানুষ নিশ্চিত করতে পারে যদি প্রয়োজন হয়। অনেক লাখ মানুষ বেকার।
**[[রবার্ট এ. ট্যাফট]], স্টাথিস, এস. ডব্লিউ. ২০০৯-এ উদ্ধৃত। বার্ক-ওয়াডসওয়ার্থ বিল (সিলেক্টিভ ট্রেনিং অ্যান্ড সার্ভিস অ্যাক্ট অফ ১৯৪০) ∗ ১৯৪০ ∗। ইন: ২০০৯। ''ল্যান্ডমার্ক ডিবেটস ইন কংগ্রেস: ফ্রম দ্য ডিক্লারেশন অফ ইন্ডিপেন্ডেন্স টু দ্য ওয়ার ইন ইরাক'', ওয়াশিংটন, ডিসি: সিকিউ প্রেস। পৃষ্ঠা ৩২৭-৩৩৬।
*একজন বিদেশির কাছে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তি একটি সংজ্ঞায়িত জাতীয় বৈশিষ্ট্য।
**জর্ডান জি. টেইচার, [https://www.washingtonpost.com/news/in-sight/wp/2015/10/09/everyday-life-as-an-jrotc-cadet/?utm_term=.50afc770c709 "এভরিডে লাইফ অ্যাজ এন জেআরওটিসি ক্যাডেট"] (৯ অক্টোবর ২০১৫), ''দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট''
*বর্তমান মার্কিন সেনাবাহিনী এবং মেরিন কোরের শক্তি যথাক্রমে প্রায় ৫,১০,০০০ এবং ১,৮০,০০০। এছাড়াও, প্রায় ৮,০০,০০০ ন্যাশনাল গার্ড এবং রিজার্ভ সৈন্য আছে। এই সংখ্যাগুলো বোঝালেও যে যুক্তরাষ্ট্রের মোট ১৫ লাখ স্থল সৈন্য আছে, যুক্তরাষ্ট্রের অনেক প্রতিশ্রুতি যেকোনো একক সামরিক ইভেন্টের জন্য শক্তি সীমিত করে। প্রাতিষ্ঠানিক সমর্থন, [[ইউরোপ]] ও [[কোরিয়া|কোরিয়াতে]] প্রতিশ্রুতি এবং বাহিনীর প্রশিক্ষণ ও সরঞ্জাম পুনঃসজ্জার প্রয়োজনের কথা বিবেচনা করলে, যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভবত স্থল যুদ্ধের জন্য ২৫০,০০০ এর বেশি সক্রিয় ডিউটি সৈন্য নেই। ন্যাশনাল গার্ড ও রিজার্ভ পুরোপুরি সংগঠিত হলে, যুক্তরাষ্ট্র একটি অভিযানের জন্য সম্ভাব্য ১০ লাখ সৈন্য মাঠে নামাতে পারে।
**[[ব্রুস ডব্লিউ. টেরি|ব্রুস ডব্লিউ. টেরি]], [[:File:Use of land power to counter the Iranian nuclear proliferation challenge (2007).pdf|''দ্য ইউজ অফ ল্যান্ড পাওয়ার টু কাউন্টার দ্য ইরানিয়ান নিউক্লিয়ার প্রলিফারেশন চ্যালেঞ্জ'']] (২০০৭), কানসাস: ফোর্ট লিভেনওয়ার্থ।
*কন্টিনেন্টাল আর্মি সমন্বয়ের যে ডিগ্রি প্রদর্শন করেছিল, তা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগ পর্যন্ত ২০০ বছর ধরে আমেরিকান সেনাবাহিনী আর অর্জন করতে পারেনি।
**মেরি ভি. থম্পসন, [http://www.mountvernon.org/george-washington/slavery/the-only-unavoidable-subject-of-regret/ "দ্য অনলি আনএভয়ডেবল সাবজেক্ট অফ রিগ্রেট"], ''মাউন্ট ভার্নন''
*জাতি, বর্ণ, ধর্ম বা জাতীয় উৎপত্তিনির্বিশেষে সশস্ত্র বাহিনীর সকল ব্যক্তির জন্য সমান আচরণ ও সুযোগ থাকবে।
**[[হ্যারি এস. ট্রুম্যান]], [[s:Executive Order 9981|''এক্সিকিউটিভ অর্ডার ৯৯৮১'']] (২৬ জুলাই ১৯৪৮)
*আমরা এমন একটি বিশ্ব নেতৃত্ব অর্জন করেছি যা শুধুমাত্র আমাদের সামরিক ও নৌ শক্তির ওপর নির্ভর করে না।
**[[হ্যারি এস. ট্রুম্যান]], [http://www.trumanlibrary.org/ww2/stofunio.htm মার্কিন কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে ভাষণ] (১৬ এপ্রিল ১৯৪৫)।
*আমেরিকার ইউনিফর্মধারী নারী-পুরুষরা [[নাৎসিবাদ|নাৎসিবাদ]], [[সাম্রাজ্যবাদ|সাম্রাজ্যবাদ]], [[কমিউনিজম|কমিউনিজম]] এবং [[সন্ত্রাসবাদ|সন্ত্রাসবাদের]] বিরুদ্ধে লড়াইয়ে জীবন দিয়েছেন। আমেরিকা সংঘাত বা সংঘর্ষ চায় না, তবে আমরা তা থেকে কখনোই পালাব না। ইতিহাস এমন শাসকদের দ্বারা পরিপূর্ণ যারা বোকামির সাথে আমেরিকার সংকল্প পরীক্ষা করেছে। যে কেউ যুক্তরাষ্ট্রের শক্তি বা সংকল্প নিয়ে সন্দেহ করে, তারা আমাদের অতীতের দিকে তাকালে আর সন্দেহ করবে না। আমরা আমেরিকা বা আমাদের মিত্রদের ব্ল্যাকমেইল বা আক্রমণ হতে দেব না। আমরা আমেরিকান শহরগুলোকে ধ্বংসের হুমকির মুখে পড়তে দেব না। আমরা ভয় পাব না। এবং আমরা ইতিহাসে সবচেয়ে খারাপ নৃশংসতার পুনরাবৃত্তি হতে দেব না এই মাটিতে যা আমরা রক্ষা করতে কঠোর লড়াই করেছি এবং জীবন দিয়েছি।
**[[ডোনাল্ড ট্রাম্প]], [https://www.presidency.ucsb.edu/documents/remarks-the-national-assembly-south-korea-seoul-south-korea সোল, দক্ষিণ কোরিয়ায় দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় পরিষদে মন্তব্য]; (৮ নভেম্বর ২০১৭)।
*সব পরিমাপে, [[পেন্টাগন|পেন্টাগন]] [[পেট্রোলিয়াম|পেট্রোলিয়াম]] পণ্য এবং শক্তির বৃহত্তম প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবহারকারী... তবুও, '''পেন্টাগনের সব আন্তর্জাতিক জলবায়ু চুক্তিতে সামগ্রিক ছাড় রয়েছে... [[জলবায়ু পরিবর্তন|জলবায়ু পরিবর্তন]] নিয়ে যেকোনো কথা যাতে সামরিক বাহিনী অন্তর্ভুক্ত নয়, তা কেবল গরম বাতাস'''... 'দ্য ক্লাইমেট অফ ওয়ার' রিপোর্ট অনুযায়ী, এটি কিয়োটো কনভেনশন অন ক্লাইমেট চেঞ্জে এমন একটি লুপহোল যা দিয়ে একটি ট্যাঙ্ক চালানো যায়। ১৯৪০ সালে, মার্কিন সামরিক বাহিনী দেশের মোট শক্তি ব্যবহারের এক শতাংশ ব্যবহার করত; দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষে, সামরিক বাহিনীর অংশ ২৯ শতাংশে উন্নীত হয়... সামরিকবাদ গ্রহের সবচেয়ে তেল-ক্ষয়কারী কার্যকলাপ, যা আরও দ্রুত, বড়, বেশি জ্বালানি-গ্রাসী বিমান, ট্যাঙ্ক এবং নৌযান নিয়ে আরও তীব্র আকাশ ও স্থল যুদ্ধে ব্যবহৃত হয়। মার্চ ২০০৩ সালে ইরাক যুদ্ধের শুরুতে, সেনাবাহিনী অনুমান করেছিল যে তিন সপ্তাহের যুদ্ধের জন্য তাদের ৪০ মিলিয়ন গ্যালনের বেশি [[গ্যাসোলিন|গ্যাসোলিন]] প্রয়োজন হবে, যা [[প্রথম বিশ্বযুদ্ধ|প্রথম বিশ্বযুদ্ধে]] মিত্রবাহিনীর চার বছরে ব্যবহৃত মোট পরিমাণের চেয়ে বেশি। সেনাবাহিনীর অস্ত্রভাণ্ডারের মধ্যে ছিল ২,০০০ এম-১ আব্রামস ট্যাঙ্ক যা যুদ্ধের জন্য চালু ছিল এবং প্রতি ঘণ্টায় ২৫০ গ্যালন জ্বালানি পোড়াত।
**[https://truthout.org/articles/the-military-assault-on-global-climate/ দ্য মিলিটারি অ্যাসল্ট অন গ্লোবাল ক্লাইমেট, এইচ প্যাট্রিসিয়া হেইনস কর্তৃক, ''ট্রুথআউট''], ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১১।
*ইউএস এয়ার ফোর্স (ইউএসএএফ) বিশ্বের [[জেট জ্বালানি|জেট জ্বালানি]]র একক বৃহত্তম ভোক্তা... এফ-৪ ফ্যান্টম ফাইটার প্রতি ঘণ্টায় ১,৬০০ গ্যালনের বেশি জেট জ্বালানি পোড়ায় এবং সুপারসনিক গতিতে প্রতি ঘণ্টায় ১৪,৪০০ গ্যালনে পৌঁছায়। আটটি জেট ইঞ্জিনযুক্ত বি-৫২ স্ট্র্যাটোক্রুজার প্রতি মিনিটে ৫৫ গ্যালন জ্বালানি গিলে ফেলে... বিশ্বের এক-চতুর্থাংশ জেট জ্বালানি ইউএসএএফ-এর উড়ন্ত হত্যার মেশিনগুলোকে খাওয়ায়; ২০০৬ সালে, তারা অবিশ্বাস্য ২.৬ বিলিয়ন গ্যালন ব্যবহার করেছিল।
**[https://truthout.org/articles/the-military-assault-on-global-climate/ দ্য মিলিটারি অ্যাসল্ট অন গ্লোবাল ক্লাইমেট, এইচ প্যাট্রিসিয়া হেইনস কর্তৃক, ''ট্রুথআউট''], ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১১।
*(যুক্তরাষ্ট্র) সামরিক বাহিনী কোনো জাতীয় বা আন্তর্জাতিক সংস্থায় [[জলবায়ু পরিবর্তন|জলবায়ু পরিবর্তন]] নিঃসরণের রিপোর্ট করে না, গ্লোবাল ওয়ার্মিং নিঃসরণ সীমাবদ্ধ করার প্রথম আন্তর্জাতিক চুক্তির ১৯৯৭ সালের কিয়োটো প্রোটোকল আলোচনার সময় যুক্তরাষ্ট্রের চাপের কারণে। তাদের কার্যকলাপের ওপর কোনো বিধিনিষেধ থেকে সামরিক বাহিনীকে রক্ষা করতে, যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছিল এবং জিতেছিল "বাঙ্কার" জ্বালানি (নৌযানের জন্য ঘন, ভারী জ্বালানি তেল) এবং বিশ্বব্যাপী সামরিক কার্যক্রম থেকে সমস্ত গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের ওপর সীমা থেকে ছাড়। আঘাতের ওপর আঘাত হিসেবে, [[জর্জ ডব্লিউ. বুশ|জর্জ ডব্লিউ. বুশ]] তার প্রেসিডেন্সির প্রথম কাজগুলোর একটি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রকে [[কিউটো প্রোটোকল|কিউটো প্রোটোকল]] থেকে বের করে নেন, এই বলে যে এটি খুব ব্যয়বহুল গ্রিনহাউস নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে মার্কিন অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দেবে। এরপর, হোয়াইট হাউস জলবায়ু পরিবর্তনের বিজ্ঞানের বিরুদ্ধে একটি নব্য-লুডাইট প্রচারণা শুরু করে। "দ্য গ্রিন জোন: দ্য এনভায়রনমেন্টাল কস্টস অফ মিলিটারিজম" নিয়ে গবেষণায়... প্রতিরক্ষা দপ্তর থেকে যুদ্ধের হতাহতের পরিসংখ্যান পাওয়া জ্বালানি ব্যবহারের ডেটা পাওয়ার চেয়ে সহজ।
**[https://truthout.org/articles/the-military-assault-on-global-climate/ দ্য মিলিটারি অ্যাসল্ট অন গ্লোবাল ক্লাইমেট, এইচ প্যাট্রিসিয়া হেইনস কর্তৃক, ''ট্রুথআউট''], ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১১।
==ভি==
*আমেরিকানরা এই [[সামরিক ঘাঁটি|ঘাঁটি]]গুলো নিয়ে যেটুকু ভাবে, আমরা সাধারণত মনে করি যে সেগুলো জাতীয় [[নিরাপত্তা|নিরাপত্তা]] এবং বিশ্ব [[শান্তি|শান্তি]]র জন্য অপরিহার্য। আমাদের নেতারা দাবি করেছেন যে এগুলোর বেশিরভাগই [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] এবং [[শীতল যুদ্ধ|শীতল যুদ্ধের]] শুরুর দিকে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ফলস্বরূপ, আমরা পরিস্থিতিকে [[স্বাভাবিক|স্বাভাবিক]] মনে করি এবং মেনে নিই যে অন্যান্য [[দেশ|দেশে]], অন্য জনগণের [[ভূমি|ভূমিতে]] মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলো বিস্ময়কর সংখ্যায় বিদ্যমান। অন্যদিকে, মার্কিন মাটিতে বিদেশী ঘাঁটি থাকার ধারণা অকল্পনীয়। <br> যদিও যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে কোনো স্বতন্ত্র বিদেশী ঘাঁটি নেই, তবে বিদেশী দেশগুলোতে এখন প্রায় ৮০০টি মার্কিন ঘাঁটি রয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ৭০ বছর এবং কোরীয় যুদ্ধের ৬২ বছর পরও, পেন্টাগনের মতে [[জার্মানি|জার্মানি]]তে ১৭৪টি, [[জাপান|জাপান]]ে ১১৩টি এবং [[দক্ষিণ কোরিয়া|দক্ষিণ কোরিয়া]]তে ৮৩টি মার্কিন "বেস সাইট" রয়েছে। আরও শত শত ঘাঁটি [[অরুব|অরুব]] এবং [[অস্ট্রেলিয়া|অস্ট্রেলিয়া]], [[বাহরাইন|বাহরাইন]] এবং [[বুলগেরিয়া|বুলগেরিয়া]], [[কলম্বিয়া|কলম্বিয়া]], [[কেনিয়া|কেনিয়া]] এবং [[কাতার|কাতার]] সহ প্রায় ৮০টি দেশে ছড়িয়ে আছে। যদিও খুব কম আমেরিকানই এটি বোঝে, সম্ভবত ইতিহাসের অন্য যেকোনো [[জনগণ|জনগণ]], [[জাতি|জাতি]] বা [[সাম্রাজ্য|সাম্রাজ্যের]] তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রের বিদেশী জমিতে বেশি ঘাঁটি রয়েছে।
**ডেভিড ভাইন, [https://www.thenation.com/article/the-united-states-probably-has-more-foreign-military-bases-than-any-other-people-nation-or-empire-in-history/ “দ্য ইউনাইটেড স্টেটস প্রোব্যাবলি হ্যাজ মোর ফরেন মিলিটারি বেসেস দ্যান এনি আদার পিপল, নেশন, অর এম্পায়ার ইন হিস্ট্রি”], ''দ্য নেশন'', (১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৫)।
==ডব্লিউ==
*উভয় [[উপসাগরীয় যুদ্ধ|উপসাগরীয় যুদ্ধেই]], মার্কিন সামরিক বাহিনী অবিশ্বাস্য দক্ষতা ও শৃঙ্খলার সাথে কাজ করেছে এবং আমেরিকা শিখেছে যে [[ভিয়েতনামের যুদ্ধ|ভিয়েতনামের]] [[মাই লাই হত্যাকাণ্ড|মাই লাই]]ের মতো ঘটনাগুলো ছিল ব্যতিক্রম, নিয়ম নয়।
**স্যাম উইলিয়ামসন, [http://supreme.findlaw.com/legal-commentary/a-review-of-anthony-swoffords-jarhead.html "আ রিভিউ অফ অ্যান্থনি সোফোর্ডস জারহেড"] (১৮ এপ্রিল ২০০৩)
*<p>এটি আশ্চর্যজনক, যখন আমরা একত্রিত হয়েছিলাম...</p><p>যখন আমরা আমাদের মতপার্থক্যগুলো দূরে সরিয়ে রেখেছিলাম এবং যারা আমাদের ক্ষতি করেছে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছিলাম...</p><p>যখন আমরা মৃতদের পরিবারকে সাহায্য করার জন্য একত্রিত হয়েছিলাম...</p><p>এটি আমাকে অসাধারণ অনুভব করিয়েছে। এটি আমাকে দেশপ্রেমিক করেছে, শক্তিশালী করেছে এবং এই দেশকে এমনভাবে ভালোবাসতে শিখিয়েছে যা আমি আমার দীর্ঘ জীবনে কখনো বাসিনি। আপনি জানেন? কারণ এটিই সেই আমেরিকা যার স্বপ্ন আমরা সবাই দেখি। এটিই সেই আমেরিকা যা আমরা সবাই চাই, শক্তিশালী ও ক্ষমতাধর একটি আমেরিকা যা প্রয়োজনে পাল্টা আঘাত করে। আমাদের ইতিহাসের বইগুলোতে আমরা যে ঘুমন্ত দৈত্যের কথা পড়েছি, যারা আমাদের প্রয়োজনীয় সুপার-পাওয়ার হতে প্রস্তুত এবং বিশ্বের সেরা সেনাবাহিনী নিয়ে। ওয়াও। ওয়াও। একটি কংগ্রেস এবং প্রেসিডেন্ট যারা একসাথে কাজ করবে, আর আমরা কী হয়েছি? এগারো বছর পর? এগারো বছর পর আমাদের সেই উত্তরগুলো নেই যা আমরা চেয়েছিলাম...</p><p>আমাদের কাছে বেশিরভাগই আছে। আমরা জানি কারা এটি করেছে, কেন তারা এটি করেছে। আমরা জানি তারা কীভাবে এটি করেছে। [[ষড়যন্ত্র তত্ত্ব|ষড়যন্ত্র তত্ত্ব]] প্রচুর আছে; প্রমাণ প্রায় সেখানে আছে। কিন্তু, আমরা নিজেদের ধ্বংস করতে অনেক কিছু করেছি। আমরা আমাদের স্বাধীনতা ধ্বংস করতে অনেক কিছু করেছি...</p>শেষ পর্যন্ত, আমরা যদি সেই পথে থাকতাম তবে আমরা যে আমেরিকা হতে পারতাম, আমরা যদি একসাথে থাকতাম তবে আমরা যে আমেরিকা হতে পারতাম, আমরা যদি ভালো হওয়ার জন্য, শক্তিশালী হওয়ার জন্য কঠোর পরিশ্রম করতাম, তা আবারও একটি স্বপ্ন। আপনি জানেন, এবং এটি সত্যিই দুঃখজনক...<p>আমরা আগের চেয়ে অনেক বেশি বিভক্ত, এবং তা? তা আমার হৃদয় ভেঙে দেয়...</p><p>আপনি? আপনার বয়স যদি আঠারোর নিচে হয়, আপনি আমাদের মতো আমেরিকায় কখনো বাস করেননি। আপনি জানেন? আপনি একটি ভালো দেশে বাস করেছেন, আমাকে ভুল বুঝবেন না। আপনি একটি চমৎকার দেশে বাস করেছেন, যেটি এখন অসুস্থ, এটি নিয়ে বিতর্কের কিছু নেই। কিন্তু, এত কাছে এবং তবুও? এত দূরে...</p><p>আমার সেই আমেরিকান স্বপ্নের কথা মনে পড়ে, এবং আমি শুধু ভাবি। আমি ভাবি আমেরিকা কি কখনো আগের মতো হতে পারবে। আমরা দেখব।</p>
**[[স্টিভেন উইলিয়ামস|স্টিভেন উইলিয়ামস]], [https://www.youtube.com/watch?v=JHfrce1Yd48 "স্টোরি টাইম উইথ বুগি: সেপ্টেম্বর ১১থ, ২০০১"] (সেপ্টেম্বর ২০১২), ''ইউটিউব''
*আমি আমাদের সামরিক বাহিনীর নারী-পুরুষদের তাদের সেবার জন্য কৃতজ্ঞ, কিন্তু সেনাবাহিনী কেবল একটি উপায়, প্রয়োজনীয় মন্দ। তাদের দৃষ্টির আড়ালে রাখা উচিত, ঠিক যেমন আমি আমার বাড়িতে বন্দুকগুলোকে দৃষ্টির আড়ালে রাখি। একটি সামরিক প্যারেড মহত্ত্ব প্রদর্শন করে না—এটি শক্তি প্রদর্শন করে। এবং সম্ভবত সেখানেই আমি আমাদের নতুন [[জাতীয়তাবাদ|জাতীয়তাবাদীদের]] সাথে দ্বিমত পোষণ করি। আমার দৃষ্টিতে, ওয়াশিংটনের সবকিছুর চেয়ে একটি [[নিউ ইংল্যান্ড|নিউ ইংল্যান্ড]] টাউন হলে আমেরিকান মহত্ত্ব বেশি, এবং সব ট্যাঙ্ক ও রকেটের চেয়ে একটি [[অরেগন|অরেগন]] আপেল বাগান বা রোটারি মিটিংয়ে আমেরিকান মহত্ত্ব বেশি।
**[[কেভিন ডি. উইলিয়ামসন]], [https://www.nationalreview.com/2019/03/american-nationalism-public-policy-aesthetics-donald-trump/ "দ্য ন্যাশনালিজম শো"] (মার্চ ২০১৯), ''ন্যাশনাল রিভিউ''
*[[প্রজাতন্ত্রবাদ|প্রজাতন্ত্রবাদ]] মরে যায়নি। তারা ব্যক্তিগত [[সম্পদ|সম্পদ]] এবং [[সুখ|সুখ]]ের জন্য হুড়োহুড়ি প্রশমিত করতে রয়ে গেছে এবং তারা আমাদের অনেক আদর্শ ও আকাঙ্ক্ষার মূলে রয়েছে: [[সাম্য|সাম্য]]ে আমাদের বিশ্বাস এবং আড়ম্বর ও বিশেষাধিকারের প্রতি আমাদের অপছন্দ; ব্যক্তিগত স্বায়ত্তশাসন ও নির্ভরশীলতার সব বন্ধন থেকে মুক্তির জন্য আমাদের গভীর আকাঙ্ক্ষা; আমাদের পর্যায়ক্রমিক আশা, যা প্রকাশ পেয়েছে, উদাহরণস্বরূপ, সামরিক বীরদের নির্বাচনে।
**[[গর্ডন এস. উড|গর্ডন উড]], [http://scholarship.kentlaw.iit.edu/cgi/viewcontent.cgi?article=2785&context=cklawreview "ক্লাসিক্যাল রিপাবলিকানিজম অ্যান্ড দ্য আমেরিকান রেভল্যুশন"] (এপ্রিল ১৯৯০), ''শিকাগোকেন্ট ল রিভিউ''
==জেড==
*[[তালিবান|তালিবান]] চুক্তির বিষয়বস্তু মেনে চলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রসহ সব দেশের সাথে ভালো ও ইতিবাচক সম্পর্ক আশা করে।
** [[জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ|জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ]], তালিবানের মুখপাত্র, তালিবান আফগানিস্তান থেকে প্রাথমিক সৈন্য প্রত্যাহারের বিষয়ে [[ট্রাম্প|ট্রাম্প]]ের টুইটকে স্বাগত জানিয়েছে [https://globalnews.ca/news/7385728/taliban-trump-tweet-early-troop-withdrawal-afghanistan/ প্রকাশিত ৮ অক্টোবর, ২০২০]
*ভবিষ্যতের [[আগ্রাসী যুদ্ধ|আগ্রাসী যুদ্ধের]] কৌশলগত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের [[সামরিক-শিল্প কমপ্লেক্স|সামরিক-শিল্প কমপ্লেক্স]]ের সুবিধা নেওয়ার ইচ্ছার সাথে সম্পর্কিত, যা [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরবর্তী সময়|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষে]] বিশাল আকার ধারণ করেছিল। [[আমেরিকান সাম্রাজ্যবাদ|আমেরিকান সাম্রাজ্যবাদ]] ক্রমাগত দেশটিকে সামরিকায়নের নীতি অনুসরণ করছে। [[মার্কিন সেনাবাহিনী|মার্কিন সেনাবাহিনী]] ও [[মার্কিন নৌবাহিনী|নৌবাহিনীর]] ব্যয় বছরে ১১,০০০ মিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। ১৯৪৭-৪৮ সালে, আমেরিকার বাজেটের ৩৫ শতাংশ সশস্ত্র বাহিনীর জন্য বরাদ্দ করা হয়েছিল, যা ১৯৩৭-৩৮ সালের তুলনায় এগারো গুণ বেশি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরুর সময় আমেরিকান সেনাবাহিনী [[পুঁজিবাদ|পুঁজিবাদী]] বিশ্বের সপ্তদশ বৃহত্তম ছিল; আজ এটি বৃহত্তম। যুক্তরাষ্ট্র কেবল [[পারমাণবিক অস্ত্র|পারমাণবিক বোমা]]র মজুদই বাড়াচ্ছে না; আমেরিকান কৌশলবিদরা খোলামেলাভাবে বলছে যে তারা [[ব্যাকটেরিওলজিক্যাল অস্ত্র|ব্যাকটেরিওলজিক্যাল অস্ত্র]] তৈরি করছে। যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত পরিকল্পনায় শান্তির সময়ে [[আমেরিকা মহাদেশ|আমেরিকা মহাদেশ]] থেকে অনেক দূরে অসংখ্য ঘাঁটি ও সুবিধাজনক স্থান তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে, যা [[সোভিয়েত ইউনিয়ন|সোভিয়েত ইউনিয়ন]] ও নতুন গণতন্ত্রের দেশগুলোর বিরুদ্ধে আগ্রাসী উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হবে। আমেরিকা [[আলাস্কা|আলাস্কা]], [[জাপান|জাপান]], [[ইতালি|ইতালি]], [[দক্ষিণ কোরিয়া|দক্ষিণ কোরিয়া]], [[চীন|চীন]], [[মিশর|মিশর]], [[ইরান|ইরান]], [[তুরস্ক|তুরস্ক]], [[গ্রিস|গ্রিস]], [[অস্ট্রিয়া|অস্ট্রিয়া]] এবং [[পশ্চিম জার্মানি|পশ্চিম জার্মানি]]তে বিমান ও নৌ ঘাঁটি তৈরি করেছে বা করছে। [[আফগানিস্তান|আফগানিস্তান]] এবং এমনকি [[নেপাল|নেপাল]]েও আমেরিকান সামরিক মিশন রয়েছে। সামরিক আগ্রাসনের উদ্দেশ্যে [[উত্তর মেরু|উত্তর মেরু]] ব্যবহারের জন্য উন্মাদ প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
** [[আন্দ্রে ঝদানভ]], "[https://soviethistory.msu.edu/1947-2/cold-war/cold-war-texts/zhdanov-on-the-international-situation/ নিউ আসপেক্টস অফ ওয়ার্ল্ড কনফ্লিক্ট: দ্য ইন্টারন্যাশনাল সিচুয়েশন]," ২২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭।
==আরও দেখুন==
* [[পেন্টাগন]]
* [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সেনাবাহিনী]]
* [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিমান বাহিনী]]
* [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কোস্ট গার্ড]]
* [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মেরিন কোর]]
* [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নৌবাহিনী]]
* [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র স্পেস ফোর্স]]
* [[আইভান এডওয়ার্ডস]]
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সশস্ত্র বাহিনী| ]]
2obgcknoenm8acua9fo6s2hiv42qob0
ভূগোল
0
14099
83358
2026-05-03T20:10:13Z
Anaf Ibn Shahibul
4193
/* */
83358
wikitext
text/x-wiki
[[File:Fuller projection.svg|244px|thumb|right|ইতিহাস হলো উদাহরণ এবং সতর্কবাণীর মাধ্যমে শিক্ষা দেওয়া দর্শন; এর দুটি চোখ হলো ভূগোল এবং কালানুক্রম। ~ [[জেমস এ. গারফিল্ড]] ]]
'''[[w:ভূগোল|ভূগোল]]''' (গ্রিক γεωγραφία, geographia থেকে উদ্ভূত, যার আক্ষরিক অর্থ "পৃথিবীর বর্ণনা") হলো এমন এক [[বিজ্ঞান]] যা [[পৃথিবী]]র ভূমি, বৈশিষ্ট্য, অধিবাসী এবং এর প্রপঞ্চ বা ঘটনাবলি নিয়ে আলোচনা করে।
== উক্তি সমূহ ==
:<small>লেখকের নামের বর্ণানুসারে সাজানো </small>
* ভূগোলবিদ, বিশেষ্য: এমন একজন ব্যক্তি যিনি আপনাকে তাৎক্ষণিকভাবে পৃথিবীর বাইরের অংশ এবং ভেতরের অংশের মধ্যে পার্থক্য বলে দিতে পারেন।
** [[অ্যামব্রোজ বিয়ার্স]], ''দ্য সিনিক'স ডিকশনারি'' (১৯০৬); ''দ্য ডেভিল'স ডিকশনারি'' (১৯১১) হিসেবে পুনঃপ্রকাশিত।
* যৌক্তিক চিন্তার মহান জার্মান পণ্ডিত [[কান্ট]], সংগঠিত ও বস্তুনিষ্ঠ জ্ঞানের সামগ্রিক কাঠামোতে ভূগোলকে তার যথাযথ স্থান দিয়েছেন।
** ''এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা'' (১৯৭৩) খণ্ড ১০, পৃষ্ঠা ১৫৩।
* [[ইতিহাস]] হলো উদাহরণ এবং সতর্কবাণীর মাধ্যমে শিক্ষা দেওয়া [[দর্শন]]; এর দুটি চোখ হলো ভূগোল এবং কালানুক্রম।
** [[জেমস এ. গারফিল্ড]], ক্যাথলিন ওয়েন্সেল রচিত ''Freedom IS...: A Book/Journal with a Twist'' (২০০৮) বইয়ে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১৪১।
* আমি আমার বাড়িতে পৃথিবীর একটি মানচিত্র ঝোলাতে চাই। তারপর আমি যেসব জায়গায় ভ্রমণ করেছি, সেই সব স্থানে পিন গেঁথে রাখব। তবে তার আগে আমাকে মানচিত্রের উপরের দুই কোণায় অবস্থিত জায়গা দুটিতে ভ্রমণ করতে হবে, যাতে মানচিত্রটি দেয়াল থেকে পড়ে না যায়।
** [[মিচ হেডবার্গ]], — জন ক্রিজিয়ার ও ডেনিস উড রচিত ''Making Maps, Second Edition'' (২০১১) বইয়ে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৫৮।
* তরুণ বয়সে আমার প্রিয় স্বপ্ন ছিল একজন ভূগোলবিদ হওয়া। তবে... আমি বিষয়টি নিয়ে গভীরভাবে ভাবলাম এবং এই সিদ্ধান্তে পৌঁছলাম যে এটি অত্যন্ত কঠিন একটি বিষয়। তাই অনেকটা অনিচ্ছা সত্ত্বেও আমি বিকল্প হিসেবে পদার্থবিজ্ঞানের দিকে মনোনিবেশ করলাম।
** [[w:ডোয়াইন মার্বেল| ডোয়াইন এফ. মার্বেল]], ভূগোলের অধ্যাপক; তিনি মজা করে এটি [[আলবার্ট আইনস্টাইন]]-এর উক্তি হিসেবে নিজের অফিসের দরজায় লিখে রেখেছিলেন। পরবর্তীতে এটি আইনস্টাইনের প্রকৃত উক্তি হিসেবে অনেক জায়গায় উদ্ধৃত হতে শুরু করে এবং পরে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ও অ্যালিস ক্যালাপ্রিস সম্পাদিত ''The Ultimate Quotable Einstein'' (২০১০, পৃষ্ঠা ৪৭৪) বইয়ে এটিকে ভুল প্রমাণ করা হয়।
* ভূগোলের অনন্য উদ্দেশ্য হলো বিভিন্ন অঞ্চলের পরিবর্তনশীল বৈশিষ্ট্যগুলো বোঝার চেষ্টা করা এবং সেই সাথে একে অপরের সাথে সম্পর্কিত এমন সব বৈশিষ্ট্য নিয়ে আলোচনা করা যা মিলে ওই পরিবর্তনশীল রূপটি তৈরি করে।
** [[রিচার্ড হার্টশর্ন]] (১৯৫৮) ''Perspective on the nature of geography'', পৃষ্ঠা ২০।
* আমার তারুণ্য থেকেই ভূগোল ছিল আমার পড়াশোনার প্রধান বিষয়। যখন আমি এটি নিয়ে ব্যস্ত থাকতাম এবং এতে প্রাকৃতিক ও জ্যামিতিক বিজ্ঞানের ধারণাগুলো প্রয়োগ করতাম, তখন শুধু পৃথিবীর বর্ণনা নয়, বরং বিশ্বের পুরো কলকব্জার গঠনপ্রণালীই আমার ভালো লাগতে শুরু করত—যার অনেক উপাদান আজও কারও জানা নেই।
** [[জেরার্ডাস মার্কেটর]] (১৫৭৮), টলেমির ''Geography''-র ভূমিকা।
* [[টলেমি]]-র 'Geography' হলো প্রাচীন আমল থেকে টিকে থাকা [[মানচিত্রাঙ্কনবিদ্যা]] বা কার্টোগ্রাফির একমাত্র বই এবং এটি সর্বকালের সবচেয়ে প্রভাবশালী বৈজ্ঞানিক কাজগুলোর মধ্যে একটি।
** [[টলেমি]], জে. লেনার্ট বার্গ্রেন, আলেকজান্ডার জোনস (২০০১) ''Ptolemy's Geography: An Annotated Translation of the Theoretical Chapters''।
* ভূগোল হলো ধীরগতির পদার্থবিজ্ঞান, যার গায়ে কয়েকটা গাছ লাগানো থাকে।
** [[টেরি প্র্যাচেট]], ''দ্য লাস্ট কন্টিনেন্ট'' বইয়ে।
* এমনকি গ্রীষ্মকালীন ছুটির দিনগুলোতে নিউ ইয়র্ক সিটি থেকে বের হওয়া গাড়ির প্রবল যানজটও পৃথিবীর ঘূর্ণনের সময় এর ভারসাম্য সামান্য হলেও নষ্ট করে।
** পল অলম্যান সিপল, ''90° South : The Story of the American South Pole Conquest'' (১৯৫৯) বইয়ে, পৃষ্ঠা ২৭৯।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{উইকিঅভিধান}}
[[বিষয়শ্রেণী:ভূগোল| ]]
f9e9r48u9tvhwlxsqptd2zl9oymvqr8
83359
83358
2026-05-03T20:10:24Z
Anaf Ibn Shahibul
4193
83359
wikitext
text/x-wiki
[[File:Fuller projection.svg|244px|thumb|right|ইতিহাস হলো উদাহরণ এবং সতর্কবাণীর মাধ্যমে শিক্ষা দেওয়া দর্শন; এর দুটি চোখ হলো ভূগোল এবং কালানুক্রম। ~ [[জেমস এ. গারফিল্ড]] ]]
'''[[w:ভূগোল|ভূগোল]]''' (গ্রিক γεωγραφία, geographia থেকে উদ্ভূত, যার আক্ষরিক অর্থ "পৃথিবীর বর্ণনা") হলো এমন এক [[বিজ্ঞান]] যা [[পৃথিবী]]র ভূমি, বৈশিষ্ট্য, অধিবাসী এবং এর প্রপঞ্চ বা ঘটনাবলি নিয়ে আলোচনা করে।
== উক্তি ==
:<small>লেখকের নামের বর্ণানুসারে সাজানো </small>
* ভূগোলবিদ, বিশেষ্য: এমন একজন ব্যক্তি যিনি আপনাকে তাৎক্ষণিকভাবে পৃথিবীর বাইরের অংশ এবং ভেতরের অংশের মধ্যে পার্থক্য বলে দিতে পারেন।
** [[অ্যামব্রোজ বিয়ার্স]], ''দ্য সিনিক'স ডিকশনারি'' (১৯০৬); ''দ্য ডেভিল'স ডিকশনারি'' (১৯১১) হিসেবে পুনঃপ্রকাশিত।
* যৌক্তিক চিন্তার মহান জার্মান পণ্ডিত [[কান্ট]], সংগঠিত ও বস্তুনিষ্ঠ জ্ঞানের সামগ্রিক কাঠামোতে ভূগোলকে তার যথাযথ স্থান দিয়েছেন।
** ''এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা'' (১৯৭৩) খণ্ড ১০, পৃষ্ঠা ১৫৩।
* [[ইতিহাস]] হলো উদাহরণ এবং সতর্কবাণীর মাধ্যমে শিক্ষা দেওয়া [[দর্শন]]; এর দুটি চোখ হলো ভূগোল এবং কালানুক্রম।
** [[জেমস এ. গারফিল্ড]], ক্যাথলিন ওয়েন্সেল রচিত ''Freedom IS...: A Book/Journal with a Twist'' (২০০৮) বইয়ে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১৪১।
* আমি আমার বাড়িতে পৃথিবীর একটি মানচিত্র ঝোলাতে চাই। তারপর আমি যেসব জায়গায় ভ্রমণ করেছি, সেই সব স্থানে পিন গেঁথে রাখব। তবে তার আগে আমাকে মানচিত্রের উপরের দুই কোণায় অবস্থিত জায়গা দুটিতে ভ্রমণ করতে হবে, যাতে মানচিত্রটি দেয়াল থেকে পড়ে না যায়।
** [[মিচ হেডবার্গ]], — জন ক্রিজিয়ার ও ডেনিস উড রচিত ''Making Maps, Second Edition'' (২০১১) বইয়ে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৫৮।
* তরুণ বয়সে আমার প্রিয় স্বপ্ন ছিল একজন ভূগোলবিদ হওয়া। তবে... আমি বিষয়টি নিয়ে গভীরভাবে ভাবলাম এবং এই সিদ্ধান্তে পৌঁছলাম যে এটি অত্যন্ত কঠিন একটি বিষয়। তাই অনেকটা অনিচ্ছা সত্ত্বেও আমি বিকল্প হিসেবে পদার্থবিজ্ঞানের দিকে মনোনিবেশ করলাম।
** [[w:ডোয়াইন মার্বেল| ডোয়াইন এফ. মার্বেল]], ভূগোলের অধ্যাপক; তিনি মজা করে এটি [[আলবার্ট আইনস্টাইন]]-এর উক্তি হিসেবে নিজের অফিসের দরজায় লিখে রেখেছিলেন। পরবর্তীতে এটি আইনস্টাইনের প্রকৃত উক্তি হিসেবে অনেক জায়গায় উদ্ধৃত হতে শুরু করে এবং পরে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ও অ্যালিস ক্যালাপ্রিস সম্পাদিত ''The Ultimate Quotable Einstein'' (২০১০, পৃষ্ঠা ৪৭৪) বইয়ে এটিকে ভুল প্রমাণ করা হয়।
* ভূগোলের অনন্য উদ্দেশ্য হলো বিভিন্ন অঞ্চলের পরিবর্তনশীল বৈশিষ্ট্যগুলো বোঝার চেষ্টা করা এবং সেই সাথে একে অপরের সাথে সম্পর্কিত এমন সব বৈশিষ্ট্য নিয়ে আলোচনা করা যা মিলে ওই পরিবর্তনশীল রূপটি তৈরি করে।
** [[রিচার্ড হার্টশর্ন]] (১৯৫৮) ''Perspective on the nature of geography'', পৃষ্ঠা ২০।
* আমার তারুণ্য থেকেই ভূগোল ছিল আমার পড়াশোনার প্রধান বিষয়। যখন আমি এটি নিয়ে ব্যস্ত থাকতাম এবং এতে প্রাকৃতিক ও জ্যামিতিক বিজ্ঞানের ধারণাগুলো প্রয়োগ করতাম, তখন শুধু পৃথিবীর বর্ণনা নয়, বরং বিশ্বের পুরো কলকব্জার গঠনপ্রণালীই আমার ভালো লাগতে শুরু করত—যার অনেক উপাদান আজও কারও জানা নেই।
** [[জেরার্ডাস মার্কেটর]] (১৫৭৮), টলেমির ''Geography''-র ভূমিকা।
* [[টলেমি]]-র 'Geography' হলো প্রাচীন আমল থেকে টিকে থাকা [[মানচিত্রাঙ্কনবিদ্যা]] বা কার্টোগ্রাফির একমাত্র বই এবং এটি সর্বকালের সবচেয়ে প্রভাবশালী বৈজ্ঞানিক কাজগুলোর মধ্যে একটি।
** [[টলেমি]], জে. লেনার্ট বার্গ্রেন, আলেকজান্ডার জোনস (২০০১) ''Ptolemy's Geography: An Annotated Translation of the Theoretical Chapters''।
* ভূগোল হলো ধীরগতির পদার্থবিজ্ঞান, যার গায়ে কয়েকটা গাছ লাগানো থাকে।
** [[টেরি প্র্যাচেট]], ''দ্য লাস্ট কন্টিনেন্ট'' বইয়ে।
* এমনকি গ্রীষ্মকালীন ছুটির দিনগুলোতে নিউ ইয়র্ক সিটি থেকে বের হওয়া গাড়ির প্রবল যানজটও পৃথিবীর ঘূর্ণনের সময় এর ভারসাম্য সামান্য হলেও নষ্ট করে।
** পল অলম্যান সিপল, ''90° South : The Story of the American South Pole Conquest'' (১৯৫৯) বইয়ে, পৃষ্ঠা ২৭৯।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{উইকিঅভিধান}}
[[বিষয়শ্রেণী:ভূগোল| ]]
cxcdloszz73j5xegko7tahf0rp6srrn