উইকিউক্তি bnwikiquote https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE MediaWiki 1.47.0-wmf.15 first-letter মিডিয়া বিশেষ আলাপ ব্যবহারকারী ব্যবহারকারী আলাপ উইকিউক্তি উইকিউক্তি আলোচনা চিত্র চিত্র আলোচনা মিডিয়াউইকি মিডিয়াউইকি আলোচনা টেমপ্লেট টেমপ্লেট আলোচনা সাহায্য সাহায্য আলোচনা বিষয়শ্রেণী বিষয়শ্রেণী আলোচনা TimedText TimedText talk মডিউল মডিউল আলাপ ইভেন্ট ইভেন্ট আলোচনা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 0 448 84199 84102 2026-08-14T20:25:30Z ফারদিন 52 /* উক্তি */ উক্তি যোগ 84199 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Rabindranath Tagore in 1909.jpg|thumb|১৯১৫ সালে কলকাতায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] '''[[w:রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর|রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]]''' (৭ মে ১৮৬১ – ৭ আগস্ট ১৯৪১; ২৫ [[বৈশাখ]] ১২৬৮ – ২২ [[শ্রাবণ]] ১৩৪৮ বঙ্গাব্দ) ছিলেন অগ্রণী [[বাঙালি]] কবি, ঔপন্যাসিক, সংগীতস্রষ্টা, নাট্যকার, চিত্রকর, ছোটগল্পকার, প্রাবন্ধিক, অভিনেতা, কণ্ঠশিল্পী ও দার্শনিক। তাকে বাংলা ভাষার সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক মনে করা হয়। রবীন্দ্রনাথকে '''গুরুদেব''', '''কবিগুরু''' ও '''বিশ্বকবি''' অভিধায় ভূষিত করা হয়। রবীন্দ্রনাথের ৫২টি কাব্যগ্রন্থ, ৩৮টি নাটক, ১৩টি উপন্যাস ও ৩৬টি প্রবন্ধ ও অন্যান্য গদ্যসংকলন তাঁর জীবদ্দশায় বা মৃত্যুর অব্যবহিত পরে প্রকাশিত হয়। তার সর্বমোট ৯৫টি ছোটগল্প ও ১৯১৫টি গান যথাক্রমে গল্পগুচ্ছ ও গীতবিতান সংকলনের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। রবীন্দ্রনাথের যাবতীয় প্রকাশিত ও গ্রন্থাকারে অপ্রকাশিত রচনা ৩২ খণ্ডে রবীন্দ্র রচনাবলী নামে প্রকাশিত হয়েছে। রবীন্দ্রনাথের যাবতীয় পত্রসাহিত্য উনিশ খণ্ডে চিঠিপত্র ও চারটি পৃথক গ্রন্থে প্রকাশিত। এছাড়া তিনি প্রায় দুই হাজার ছবি এঁকেছিলেন। রবীন্দ্রনাথের রচনা বিশ্বের বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে। ১৯১৩ সালে গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদের জন্য তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। == উক্তি == * [[দেশপ্রেম]] আমাদের চূড়ান্ত আধ্যাত্মিক আশ্রয় হতে পারে না; আমার আশ্রয় হলো [[মানবতা]]। আমি কখনো হীরার দাম দিয়ে কাঁচ কিনব না, এবং যত দিন বেঁচে আছি, তত দিন মানবতার ওপর দেশপ্রেমকে কখনোই জয়ী হতে দেব না। ** ''সিলেক্টেড লেটার্স অব রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর'', প্রকাশক: কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস, প্রকাশকাল: ১৯৯৭, সম্পাদনা: কৃষ্ণা দত্ত ও অ্যান্ড্রু রবিনসন, পৃষ্ঠা: ৭২ *সত্য যে কঠিন, কঠিনেরে ভালবাসিলাম। ** রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, সোনার তরী কাব্যগ্রন্থ, ১৮৯৪, বিশ্বভারতী *"আপনার জীবন পাতার ডগায় শিশিরের মতো সময়ের প্রান্তে হালকাভাবে নাচতে দিন।" - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, "স্ট্রে বার্ডস" (১৯১৬)। *"প্রজাপতি মাস নয়, মুহূর্ত গণনা করে, এবং যথেষ্ট সময় আছে।" - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, "স্ট্রে বার্ডস" (১৯১৬)। *"বিশ্বাস হল সেই পাখি যে ভোরের অন্ধকারে আলো অনুভব করে।" - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, "স্ট্রে বার্ডস" (১৯১৬)। *"আমাকে বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য প্রার্থনা করি না, বরং তাদের মোকাবেলায় নির্ভীক হতে চাই। আমার বেদনাকে স্তব্ধ করার জন্য আমি ভিক্ষা করি না, কিন্তু হৃদয়কে জয় করতে চাই।" - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, "গীতাঞ্জলি" (১৯১০)। *"আমরা পৃথিবীতে বাস করি যখন আমরা এটি ভালবাসি।" - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, "স্ট্রে বার্ডস" (১৯১৬)। *"একটি শিশুকে আপনার নিজের শিক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ করবেন না, কারণ সে অন্য সময়ে জন্মগ্রহণ করেছে।" - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, "স্ট্রে বার্ডস" (১৯১৬)। *"বন্ধুত্বের গভীরতা পরিচয়ের দৈর্ঘ্যের উপর নির্ভর করে না।" - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, "স্ট্রে বার্ডস" (১৯১৬)। *"প্রত্যেক শিশু এই বার্তা নিয়ে আসে যে ঈশ্বর এখনও মানুষের প্রতি নিরুৎসাহিত হননি।" - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, "স্ট্রে বার্ডস" (১৯১৬)। *"আমি ঘুমিয়েছিলাম এবং স্বপ্ন দেখেছিলাম যে জীবন আনন্দ। আমি জেগে উঠে দেখলাম যে জীবনই সেবা। আমি অভিনয় করেছি এবং দেখছি, সেবাই আনন্দ।" - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, "স্ট্রে বার্ডস" (১৯১৬)। *"ভালোবাসা একটি নিছক প্ররোচনা নয়, এতে অবশ্যই সত্য থাকতে হবে, যা আইন।" - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, "সাধনা: জীবনের উপলব্ধি" (১৯১৩)। *"সর্বোচ্চ শিক্ষা হল সেই শিক্ষা যা আমাদের কেবল তথ্যই দেয় না বরং আমাদের জীবনকে সমস্ত অস্তিত্বের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে তোলে।" - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, "সাধনা: জীবনের উপলব্ধি" (১৯১৩)। *"আমি একজন আশাবাদীর নিজস্ব সংস্করণে পরিণত হয়েছি। যদি আমি এটি একটি দরজা দিয়ে না করতে পারি, আমি অন্য দরজা দিয়ে যাবো - অথবা আমি একটি দরজা তৈরি করব। বর্তমান যতই অন্ধকার হোক না কেন ভয়ঙ্কর কিছু আসবে।" - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর. *"আসুন আমরা বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য প্রার্থনা করি না বরং তাদের মুখোমুখি হওয়ার সময় নির্ভীক হতে চাই।" - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর. *"সত্য বিজয়ী হয়ে আসে কারণ আমরা তাকে অতিথি হিসাবে গ্রহণ করার শিল্প হারিয়ে ফেলেছি।" - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর. *"যে ফুল একক, তার অসংখ্য কাঁটাকে হিংসা করার দরকার নেই।" - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর. *"আপনি কেবল দাঁড়িয়ে এবং জলের দিকে তাকিয়ে সমুদ্র অতিক্রম করতে পারবেন না।" - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর. *"উচ্চে পৌঁছান, কারণ তারা আপনার মধ্যে লুকিয়ে আছে। গভীর স্বপ্ন দেখ, প্রতিটি স্বপ্ন লক্ষ্যের আগে।" - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর. *"আপনি যদি সমস্ত ত্রুটির দরজা বন্ধ করে দেন তবে সত্য বন্ধ হয়ে যাবে।" - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর. * মানুষের একটা বয়স আছে যখন সে চিন্তা না করিয়াও [[বিবাহ]] করিতে পারে। সে বয়স পেরোলে বিবাহ করিতে দুঃসাহসিকতার দরকার হয়। ** * [[নদী|নদীর]] এপার কহে ছাড়িয়া নিশ্বাস,<br>‘ওপারেতে সর্বসুখ আমার [[বিশ্বাস]]।’<br>নদীর ওপার বসি দীর্ঘশ্বাস ছাড়ে,<br>কহে, ‘যাহা কিছু [[সুখ]] সকলি ওপারে।’ ** [https://bn.wikisource.org/wiki/কণিকা/মোহ কণিকা/মোহ] * প্রেমের দ্বারা চেতনা যে পূর্ণশক্তি লাভ করে সেই পূর্ণতার দ্বারাই সে সীমার মধ্যে অসীমকে, রূপের মধ্যে অপরূপকে দেখতে পায়— তাকে নূতন কোথাও যেতে হয় না। ** শান্তিনিকেতন ৮, ২৯ * ভক্তের দাসত্বে [[স্বাধীনতা]] আছে, ভক্তের স্বাধীন দাসত্ব তেমনি প্রকৃত — প্রণয় স্বাধীন প্রণয়। ** [https://bn.wikisource.org/wiki/বিবিধ_প্রসঙ্গ/আদর্শ_প্রেম বিবিধ প্রসঙ্গ - আদর্শ প্রেম] * [[ফুল]] যে কেবল বনের মধ্যেই কাজ করছে তা নয়—মানুষের মনের মধ্যেও তার যেটুকু কাজ তা সে বরাবর করে আসছে। ** [https://bn.wikisource.org/wiki/শান্তিনিকেতন_(দ্বিতীয়_খণ্ড)/শ্রাবণসন্ধ্যা শান্তিনিকেতন (দ্বিতীয় খণ্ড) - শ্রাবণসন্ধ্যা] * আমি রূপে তোমায় ভোলাব না, ভালোবাসায় ভোলাব।<br/>আমি হাত দিয়ে দ্বার খুলব না গো, গান দিয়ে দ্বার খোলাব<br/>ভরাব না ভূষণভারে, সাজাব না ফুলের হারে-<br/>প্রেমকে আমার মালা করে গলায় তোমার দোলাব। ** [https://bn.wikisource.org/wiki/গীতবিতান/প্রেম/৯০ গীতবিতান - প্রেম -৯০] * মনুষ্যত্বের মূলে আর একটি প্রকাণ্ড দ্বন্দ্ব আছে ; তাকে বলা যেতে পারে প্রকৃতি এবং আত্মার দ্বন্দ্ব। স্বার্থের দিক এবং পরমার্থের দিক, বন্ধনের দিক এবং মুক্তির দিক, সীমার দিক এবং অনন্তের দিক– এই দুইকে মিলিয়ে চলতে হবে মানুষকে। ** [https://bn.wikisource.org/wiki/শান্তিনিকেতন_(দ্বিতীয়_খণ্ড)/দ্বিধা শান্তিনিকেতন (দ্বিতীয় খণ্ড) - দ্বিধা] * মানুষের বিশ্বজয়ের এই একটা পালা বস্তুজগতে; ভাবের জগতে তার আছে আর-একটা পালা। ব্যাবহারিক বিজ্ঞানে একদিকে তার জয়স্তম্ভ, আর-একদিকে শিল্পে সাহিত্যে। ** সাহিত্যের তাৎপর্য * প্রেম যাহা দান করে, সেই দান যতই কঠিন হয়, ততই তাহার সার্থকতার আনন্দ নিবিড় হয়। ** মনুষ্যত্ব * স্বার্থ আমাদের যে-সব প্রয়াসের দিকে ঠেলে নিয়ে যায় তার মূল প্রেরণা দেখি জীবপ্রকৃতিতে; যা আমাদের ত্যাগের দিকে, তপস্যার দিকে নিয়ে যায় তাকেই বলি মনুষ্যত্ব, মানুষের ধর্ম। ** [https://bn.wikisource.org/wiki/মানুষের_ধর্ম্ম মানুষের ধর্ম] * আপনাকে বৃহতে উপলব্ধি করাই সত্য, অহংসীমায় অবরূদ্ধ জানাই অসত্য। ব্যক্তিগত [[দুঃখ]] এই অসত্যে-। ** মানুষের ধর্ম-২ * [[মৃত্যু|মরিতে]] চাহি না আমি সুন্দর ভুবনে,<br/>মানবের মাঝে আমি বাঁচিবারে চাই।<br/>এই সূর্য্য করে এই পুষ্পিত কাননে<br/>জীবন্ত হৃদয় মাঝে যদি স্থান পাই! ** ''কড়ি ও কোমল'' - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক: পীপ্‌ল্‌স লাইব্রেরি, কলকাতা, প্রকাশসাল: ১৮৮৬ খ্রিস্টাব্দ, [https://bn.wikisource.org/wiki/%E0%A6%95%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%BF_%E0%A6%93_%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%AE%E0%A6%B2_(%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%A5_%E0%A6%A0%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%B0,_%E0%A7%A7%E0%A7%AE%E0%A7%AE%E0%A7%AC)/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A3 ''প্রাণ''] কবিতার অংশ। * যাহাকে তুমি ভালোবাস তাহাকে ফুল দাও, কাঁটা দিও না ; তোমার হৃদয়-সরোবরের পদ্ম দাও, পঙ্ক দিও না। হাসির হীরা দাও, অশ্রুর মুক্তা দাও; হাসির বিদ্যুৎ দিও না, অশ্রুর বাদল দিও না। ** [https://bn.wikisource.org/wiki/বিবিধ_প্রসঙ্গ/মনের_বাগান-বাড়ি বিবিধ প্রসঙ্গ - মনের বাগান-বাড়ি] *"মেঘ আমার জীবনে ভেসে আসে, আর বৃষ্টি বা ঝড় বয়ে আনতে নয়, আমার সূর্যাস্তের আকাশে রঙ *যোগ করতে।" - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর. "ভালোবাসা একটি অন্তহীন রহস্য, কারণ এর ব্যাখ্যা করার আর কিছুই নেই।" - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর. *"যারা অনেক কিছুর মালিক তাদের ভয় পাওয়ার অনেক কিছু আছে।" - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর. *"জলের মাছ নীরব, পৃথিবীর প্রাণীরা কোলাহল করছে, বাতাসে পাখি গান করছে। কিন্তু মানুষ তার মধ্যে আছে সমুদ্রের নীরবতা, পৃথিবীর কোলাহল এবং বাতাসের সঙ্গীত।" - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর. *"সবকিছুই আমাদের কাছে আসে যা আমাদেরই যদি আমরা তা গ্রহণ করার ক্ষমতা তৈরি করি।" - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর. *"তার পাপড়ি ছিঁড়ে, আপনি ফুলের সৌন্দর্য সংগ্রহ করবেন না।" - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর. *"আমাকে বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য প্রার্থনা করি না, বরং তাদের মোকাবেলায় নির্ভীক হতে চাই। আমার বেদনাকে স্তব্ধ করার জন্য আমি ভিক্ষা করি না, কিন্তু হৃদয়কে জয় করতে চাই।" - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর. *"বন্ধুত্বের গভীরতা পরিচয়ের দৈর্ঘ্যের উপর নির্ভর করে না।" - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর. *"সর্বোচ্চ শিক্ষা হল সেই শিক্ষা যা আমাদের কেবল তথ্যই দেয় না বরং আমাদের জীবনকে সমস্ত অস্তিত্বের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে তোলে।" - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর. *"ছোট জ্ঞান হল একটি গ্লাসের জলের মতো: স্বচ্ছ, স্বচ্ছ, বিশুদ্ধ। মহান জ্ঞান হল সমুদ্রের জলের মতো: অন্ধকার, রহস্যময়, দুর্ভেদ্য।" - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর. *"মন, তীক্ষ্ণ কিন্তু প্রশস্ত নয়, প্রতিটি বিন্দুতে লেগে থাকে কিন্তু সরে না।" - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর. *"বয়স বিবেচনা করে; যুব উদ্যোগ।" - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর. * প্রেমের [[ধর্ম]] এই, সে ছোটোকেও বড়ো করিয়া লয়। আর, আড়ম্বর-প্রিয়তা বড়োকেও ছোটো করিয়া দেখে। এই নিমিত্ত প্রেমের হাতে কাজের আর অন্ত নাই, কিন্তু আড়ম্বরের হাতে কাজ থাকে না। প্রেম শিশুকেও অগ্রাহ্য করে না, বার্ধক্যকে উপেক্ষা করে না, আয়তন মাপিয়া সমাদরের মাত্রা স্থির করে না। ** হাতে কলমে -১ * রমণীর প্রেমের মধ্যে পরিতৃপ্তি আছে, [[বিশ্বাস]] আছে, নিষ্ঠা আছে, কিন্তু পুরুষের প্রেমের মধ্যে যে একটি চির অতৃপ্তিপূর্ণ অনির্বচনীয় সুখ আছে তাহা বোধ করি খুব অল্প রমণী উপভোগ করিয়াছে। ** [[স্ত্রী]] ও পুরুষের প্রেমে বিশেষত্ব * স্ত্রী-পুরুষগত প্রেমের ন্যায় প্রবল শক্তি আর কিছু আছে কি না সন্দেহ। এই শক্তি ষোলো আনা মাত্রায় সমাজের কাজে লাগাইলে মানবসভ্যতা অনেকটা বল পায়। এই শক্তি হইতে বঞ্চিত করিলে সমাজের একটি প্রধান বল অপহরণ করা হয়। ** সমাজে স্ত্রী-পুরুষের প্রেমের প্রভাব। * [[ভালোবাসা]] অর্থে আত্মসমর্পণ নহে। ভালোবাসা অর্থে, নিজের যাহা কিছু ভালো তাহাই সমর্পণ করা। হৃদয়ে প্রতিমা প্রতিষ্ঠা করা নহে; হৃদয়ের যেখানে দেবত্রভূমি, যেখানে মন্দির, সেইখানে প্রতিমা প্রতিষ্ঠা করা। ** [https://bn.wikisource.org/wiki/বিবিধ_প্রসঙ্গ/মনের_বাগান-বাড়ি বিবিধ প্রসঙ্গ - মনের বাগান-বাড়ি] * মানুষের দেবতা মানুষের মনের মানুষ, জ্ঞানে কর্মে ভাবে যে পরিমাণে সত্য হই সেই পরিমাণেই সেই মনের মানুষকে পাই –অন্তরে বিকার ঘটলে সেই আমার আপন মনের মানুষকে মনের মধ্যে দেখতে পাই নে। মানুষের যত-কিছু দুর্গতি আছে সেই আপন মনের মানুষকে হারিয়ে, তাকে বাইরের উপকরণে খুঁজতে গিয়ে, অর্থাৎ আপনাকেই পর করে দিয়েছে। ** মানুষের ধর্ম ১/১১ * মানুষের প্রতি বিশ্বাস হারানো পাপ, সে বিশ্বাস শেষ পর্যন্ত রক্ষা করব। [[আশা]] করব, মহাপ্রলয়ের পরে বৈরাগ্যের মেঘমুক্ত আকাশে ইতিহাসের একটি নির্মল আত্মপ্রকাশ হয়তো আরম্ভ হবে এই পূর্বাচলের সূর্যোদয়ের দিগন্ত থেকে। আর-একদিন অপরাজিত মানুষ নিজের জয়যাত্রার অভিযানে সকল বাধা অতিক্রম করে অগ্রসর হবে তার মহৎ [[মর্যাদা]] ফিরে পাবার পথে। মনুষ্যত্বের অন্তহীন প্রতিকারহীন পরাভবকে চরম বলে বিশ্বাস করাকে আমি অপমান মনে করি। ** [https://bn.wikisource.org/wiki/সভ্যতার_সংকট সভ্যতার সংকট] * যে পাখির ডানা সুন্দর ও কণ্ঠস্বর মধুর তাকে খাঁচায় বন্দী করে মানুষ গর্ব অনুভব করে; তার [[সৌন্দর্য]] সমস্ত অরণ্যভূমির, এ কথা সম্পত্তিলোলুপরা ভুলে যায়। মেয়েদের হৃদয়মাধুর্য ও সেবানৈপুণ্যকে পুরুষ সুদীর্ঘকাল আপন ব্যক্তিগত অধিকারের মধ্যে কড়া পাহারায় বেড়া দিয়ে রেখেছে। মেয়েদের নিজের স্বভাবেই বাঁধনমানা প্রবণতা আছে, সেইজন্যে এটা সর্বত্রই এত সহজ হয়েছে। ** [https://bn.wikisource.org/wiki/কালান্তর_(২০১৮)/নারী কালান্তর (২০১৮) - নারী] * শুধু বিধাতার সৃষ্টি নহ তুমি নারী,<br>পুরুষ গড়েছে তোরে সৌন্দর্য সঞ্চারি<br>আপন অন্তর হতে। বসি কবিগণ<br>সোনার উপমাসূত্রে বুনিছে বসন।<br>সঁপিয়া তোমার ’পরে নূতন মহিমা<br>অমর করিছে শিল্পী তোমার প্রতিমা। ** [https://bn.wikisource.org/wiki/চৈতালি/মানসী চৈতালি - মানসী] * প্রেম শান্তিরূপেও আসবে অশান্তিরূপেও আসবে, সুখ হয়েও আসবে দুঃখ হয়েও আসবে–সে যে-কোনো বেশেই আসুক তার মুখের দিকে চেয়ে যেন বলতে পারি তোমাকে চিনেছি, বন্ধু তোমাকে চিনেছি। ** [https://bn.wikisource.org/wiki/শান্তিনিকেতন_(প্রথম_খণ্ড)/কী_চাই%৩F শান্তিনিকেতন (প্রথম খণ্ড) - কী চাই?] * সোনার চেয়ে আনন্দের দাম বেশি; ভুলেছে, প্রতাপের মধ্যে পূর্ণতা নেই, প্রেমের মধ্যেই পূর্ণতা। সেখানে মানুষকে দাস করে রাখবার প্রকাণ্ড আয়োজনে মানুষ নিজেকেই নিজে বন্দী করেছে। ** [https://bn.wikisource.org/wiki/পশ্চিম-যাত্রীর_ডায়ারি/২৮শে_সেপ্টেম্বর_১৯২৪ পশ্চিম-যাত্রীর ডায়ারি - ২৮শে সেপ্টেম্বর ১৯২৪] * সহজ মানুষের সত্যটি সামাজিক মানুষের কুয়াশায় ঢেকে রেখে দেয়। অর্থাৎ আমরা নানা অবান্তর তথ্যের অস্বচ্ছতার মধ্যে বাস করি। শিশুর জীবনের যে সত্য তার সঙ্গে অবান্তরের মিশেল নেই। তাই, তার দিকে যখন চেয়ে দেখবার অবকাশ পাই তখন প্রাণলীলার প্রত্যক্ষ স্বরূপটি দেখি; তাতে সংস্কারভারে পীড়িত চিন্তাক্লিষ্ট মন গভীর তৃপ্তি পায়। ** [https://bn.wikisource.org/wiki/পশ্চিম-যাত্রীর_ডায়ারি/১৪ই_ফেব্রুয়ারি_১৯২৫ পশ্চিম-যাত্রীর ডায়ারি - ১৪ই ফেব্রুয়ারি ১৯২৫] * সুন্দর আপনি সুন্দর এবং অন্যকে সুন্দর করে। কারণ, সৌন্দর্য্য হৃদয়ে প্রেম জাগ্রত করিয়া দেয় এবং প্রেমই মানুষকে সুন্দর করিয়া তোলে। ** সৌন্দর্য্য ও প্রেম * কবিদিগকে আর কিছুই করিতে হইবে না, তাঁহারা কেবল সৌন্দর্য্য ফুটাইতে থাকুন —জগতের সর্ব্ত্র যে সৌন্দর্য্য আছে তাহা তাঁহাদের হৃদয়ের আলোকে পরিস্ফুট ও উজ্জ্বল হইয়া আমাদের চোখে পড়িতে থাকুক, তবেই আমাদের প্রেম জাগিয়া উঠিবে, প্রেম বিশ্বব্যাপী হইয়া পড়িবে। ** কবিতা ও তত্ত্ব * জ্ঞানে প্রেমে অনেক প্রভেদ। জ্ঞানে আমাদের ক্ষমতা বাড়ে, প্রেমে আমাদের অধিকার বাড়ে। [[জ্ঞান]] শরীরের মত, প্রেম মনের মত। জ্ঞান কুস্তি করিয়া জয়ী হয়, প্রেম সৌন্দর্য্যের দ্বারা জয়ী হয়। জ্ঞানের দ্বারা জানা যায় মাত্র, প্রেমের দ্বারা পাওয়া যায়। জ্ঞানেতেই বৃদ্ধ করিয়া দেয়, প্রেমেতেই যৌবন জিয়াইয়া রাখে। জ্ঞানের অধিকার যাহার উপরে তাহা চঞ্চল, প্রেমের অধিকার যাহার উপরে তাহা ধ্রুব। জ্ঞানীর সুখ আত্মগৌরব-নামক ক্ষমতার সুখ, প্রেমিকের সুখ আত্মবিসর্জ্জন-নামক স্বাধীনতার সুখ। ** জ্ঞান ও প্রেম * পৃথিবীর চারি দিকে দেয়াল, সৌন্দর্য্য তাহার বাতায়ন। পৃথিবীর আর সকলই তাহাদের নিজ নিজ দেহ লইয়া আমাদের চোখের সম্মুখে আড়াল করিয়া দাঁড়ায়, সৌন্দর্য্য তাহা করে না —সৌন্দর্য্যের ভিতর দিয়া আমরা অনন্ত রঙ্গভূমি দেখিতে পাই। ** মর্ত্যের বাতায়ন * ছেলে যদি মানুষ করিতে চাই, তবে ছেলেবেলা হইতেই তাহাকে মানুষ করিতে আরম্ভ করিতে হইবে, নতুবা সে ছেলেই থাকিবে, মানুষ হইবে না। শিশুকাল হইতেই কেবল স্মরণশক্তির উপর সমস্ত ভর না দিয়া সঙ্গে সঙ্গে যথা পরিমাণে চিন্তাশক্তি ও কল্পনাশক্তির স্বাধীন পরিচালনার অবসর দিতে হইবে। ** [https://bn.wikisource.org/wiki/সংকলন/শিক্ষার_হেরফের শিক্ষার হেরফের] * তোর আপন জনে ছাড়বে তোরে,<br>তা ব’লে ভাবনা করা চলবে না।<br>ও তোর আশালতা পড়বে ছিঁড়ে,<br>হয়তো রে ফল ফলবে না॥<br>আসবে পথে আঁধার নেমে, তাই ব’লেই কি রইবি থেমে—<br>ও তুই বারে বারে জ্বালবি বাতি,<br>হয়তো বাতি জ্বলবে না॥ ** [https://bn.wikisource.org/wiki/গীতবিতান/স্বদেশ/৪ গীতবিতান/স্বদেশ] * আগুনকে যে [[ভয়]] করে সে আগুনকে ব্যবহার করতে পারে না। ** [https://bn.wikisource.org/wiki/চার_অধ্যায়/প্রথম_অধ্যায় চার অধ্যায়] * পৃথিবীতে সকলের চেয়ে বড়ো জিনিস আমরা যাহা কিছু পাই তাহা বিনামূল্যেই পাইয়া থাকি, তাহার জন্য দরদস্তুর করিতে হয় না। মূল্য চুকাইতে হয় না বলিয়াই জিনিসটা যে কত বড়ো তাহা আমরা সম্পূর্ণ বুঝিতেই পারি না। ** পরিচয়/ ভগিনী নিবেদিতা * "যে করে ধর্মের নামে বিদ্বেষ সঞ্চিত, ঈশ্বরকে অর্ঘ্য হতে সে করে বঞ্চিত।" ** স্ফুলিঙ্গ -২০৭ * সাত কোটি সন্তানেরে, হে মুগ্ধ জননী,<br>রেখেছ বাঙালি ক’রে, মানুষ কর নি। ** [https://bn.wikisource.org/wiki/সঞ্চয়িতা/বঙ্গমাতা বঙ্গমাতা কবিতা] * যাহাদের স্বাভাবিক ভদ্রতা নাই তাহারা ভদ্র হইতে ইচ্ছা করিলে আনুষ্ঠানিক ভদ্রতার কিছু বাড়াবাড়ি করিয়া থাকে। ** সংগীত-চিন্তা- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৭৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩ * অধিকার ছাড়িয়া দিয়া অধিকার রাখিতে যাইবার মতো এমন বিড়ম্বনা আর নাই। ** হৈমন্তী, গল্পগুচ্ছ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬৫০ *এক দলকে বিশেষ পরিচয়কালে বলি বটে হিন্দুস্থানি, কিন্তু তাদের হিন্দুস্থান বাংলার বাইরে। **[https://bn.m.wikisource.org/wiki/%E০%A৬%AA%E০%A৬%BE%E০%A৬%A৪%E০%A৬%BE:%E০%A৬%B০%E০%A৬%AC%E০%A৭%৮০%E০%A৬%A৮%E০%A৭%৮D%E০%A৬%A৬%E০%A৭%৮D%E০%A৬%B০-%E০%A৬%B০%E০%A৬%৯A%E০%A৬%A৮%E০%A৬%BE%E০%A৬%AC%E০%A৬%B২%E০%A৭%৮০_(%E০%A৬%৯A%E০%A৬%A৪%E০%A৭%৮১%E০%A৬%B০%E০%A৭%৮D%E০%A৬%AC%E০%A৬%BF%E০%A৬%৮২%E০%A৬%B৬_%E০%A৬%৯৬%E০%A৬%A৩%E০%A৭%৮D%E০%A৬%A১)_-_%E০%A৬%AC%E০%A৬%BF%E০%A৬%B৬%E০%A৭%৮D%E০%A৬%AC%E০%A৬%AD%E০%A৬%BE%E০%A৬%B০%E০%A৬%A৪%E০%A৭%৮০.pdf/%E০%A৭%AA%E০%A৭%AB%E০%A৭%AB রবীন্দ্র-রচনাবলী (চতুর্বিংশ খণ্ড) - বিশ্বভারতী, পৃষ্ঠা-৪৪৬] *ধর্ম আমাদের মেলাতে পারে নি, বরঞ্চ হাজারখানা বেড়া গড়ে তুলে সেই বাধাগুলোকে ইতিহাসের অতীত শাশ্বত বলে পাকা করে দিয়েছে। ইংরেজ নিজের জাতকে ইংরেজ বলেই পরিচয় দেয়। যদি বলত খৃস্টান তা হলে যে ইংরেজ বৌদ্ধ বা মুসলমান বা নাস্তিক তাকে নিয়ে রাষ্ট্রগঠনে মাথা ঠোকাঠুকি বেধে যেত। **[https://bn.m.wikisource.org/wiki/%E০%A৬%AA%E০%A৬%BE%E০%A৬%A৪%E০%A৬%BE:%E০%A৬%B০%E০%A৬%AC%E০%A৭%৮০%E০%A৬%A৮%E০%A৭%৮D%E০%A৬%A৬%E০%A৭%৮D%E০%A৬%B০-%E০%A৬%B০%E০%A৬%৯A%E০%A৬%A৮%E০%A৬%BE%E০%A৬%AC%E০%A৬%B২%E০%A৭%৮০_(%E০%A৬%৯A%E০%A৬%A৪%E০%A৭%৮১%E০%A৬%B০%E০%A৭%৮D%E০%A৬%AC%E০%A৬%BF%E০%A৬%৮২%E০%A৬%B৬_%E০%A৬%৯৬%E০%A৬%A৩%E০%A৭%৮D%E০%A৬%A১)_-_%E০%A৬%AC%E০%A৬%BF%E০%A৬%B৬%E০%A৭%৮D%E০%A৬%AC%E০%A৬%AD%E০%A৬%BE%E০%A৬%B০%E০%A৬%A৪%E০%A৭%৮০.pdf/%E০%A৭%AA%E০%A৭%AB%E০%A৭%AB রবীন্দ্র-রচনাবলী (চতুর্বিংশ খণ্ড) - বিশ্বভারতী, পৃষ্ঠা-৪৪৬] * এ-পর্যন্ত দেখা গেছে, যে-রাজা প্রজাকে দাস করে রাখতে চেয়েছে সে-রাজার সর্বপ্রধান সহায় সেই ধর্ম যা মানুষকে অন্ধ করে রাখে। সে-ধর্ম বিষকন্যার মতো; আলিঙ্গন করে সে মুগ্ধ করে, মুগ্ধ করে সে মারে। শক্তিশেলের চেয়ে ভক্তিশেল গভীরতর মর্মে গিয়ে প্রবেশ করে, কেননা তার মার আরামের মার।... ধর্মমােহের চেয়ে [[নাস্তিক্যবাদ|নাস্তিকতা]] অনেক ভালাে। ** "রাশিয়ার চিঠি"- [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], প্রকাশক:বিশ্বভারতী গ্রন্থালয়, প্রথম প্রকাশ: বৈশাখ ১৩৩৮, পৃষ্ঠা: [https://bn.m.wikisource.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE:%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%B0_%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%A0%E0%A6%BF-%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%A5_%E0%A6%A0%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%B0.pdf/%E0%A7%AC%E0%A7%AB ৫৩] - ৫৪ * ইহাতে কোনো সন্দেহমাত্র নাই যে, ধর্মের বিকারেই গ্রীস মরিয়াছে, ধর্মের বিকারেই রোম বিলুপ্ত হইয়াছে এবং আমাদের দুৰ্গতির কারণ আমাদের ধর্মের মধ্যে ছাড়া আর কোথাও নাই। ** "রবীন্দ্র-রচনাবলী (অষ্টাদশ খণ্ড)"-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক: বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশসাল: ১৯৪৪, পৃষ্ঠা: [https://bn.wikisource.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE:%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0-%E0%A6%B0%E0%A6%9A%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A7%80_(%E0%A6%85%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%B6_%E0%A6%96%E0%A6%A3%E0%A7%8D%E0%A6%A1)_-_%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A7%80.pdf/%E0%A7%AA%E0%A7%A8%E0%A7%AB ৪১১] *ক্ষণিকের অতিথি স্বর্গ হইতে মর্ত্যে আসেন। কাঁদিয়ে দিয়ে চলে যান। এই যাওয়া-আসায় স্বর্গ-মর্ত্যের মিলন-পথ বিরহের ভিতর দিয়ে খুলে যায়। **শেষ বর্ষণ *অধিকার লাভের যে মর্যাদা আছে, সেই মর্যাদা রক্ষা করিতে হইলে অধিকার প্রয়োগকে সংযত করিতে হয় । **চোখের বালি—৫২ পরিচ্ছেদ *অন্যান্য অধিকার হইতে স্ত্রী-অধিকারের প্রভেদ এই যে স্ত্রীকে পাঁচজনের কাছ হইতে বিচ্ছিন্ন করিয়া একলা নিজের কাছে রাখিলেই যে সব সময় বেশী করিয়া পাওয়া যায় তাহা নহে। **মণিহারা (গল্পগুচ্ছ) *জীবের মধ্যে অনন্তকে অনুভব করারই অন্য নাম ভালোবাসা। প্রকৃতির মধ্যে অনুভব করার নাম সৌন্দর্য-সম্ভোগ। **মনুষ্য (পঞ্চভূত ) *বাইরের আলোর উপর ভরসা রাখাই অভ্যাস, তাই অন্ধকার হলেই একেবারে অন্ধকার দেখি। **মুক্তধারা *মনকে নিজের কাছে রাখিস নে। ভিতরে যে ঠাকুরটি আছেন তাঁরই পায়ের কাছে রেখে আয়, সেখানে অপমান পৌঁছোবে না। **মুক্তধারা *‘বোবার শত্রু নেই’ যে পুরুষ বলেছিল সে নিশ্চয় ছিল অবিবাহিত। **সংস্কার (গল্পগুচ্ছ) ===শিক্ষার বাহন=== * [[শিক্ষা|শিক্ষার]] জন্য আমরা আব্দার করিয়াছি, গরজ করি নাই। শিক্ষাবিস্তারে আমাদের গা নাই। তার মানে, শিক্ষার ভোজে নিজেরা বসিয়া যাইব, পাতের প্রসাদটুকু পর্যন্ত আর-কোনো ক্ষুধিত পায় বা না পায় সে দিকে খেয়ালই নাই। ** [https://bn.wikisource.org/wiki/শিক্ষা/শিক্ষার_বাহন শিক্ষার বাহন] * বিদ্যাবিস্তারের কথাটাকে যখন ঠিকমত মন দিয়া দেখি তখন তার সর্বপ্রধান বাধাটা এই দেখিতে পাই যে তার বাহনটা ইংরেজি। বিদেশী মাল জাহাজে করিয়া শহরের ঘাট পর্যন্ত আসিয়া পৌঁছিতে পারে, কিন্তু সেই জাহাজটাতে করিয়াই দেশের হাটে হাটে আমদানি রফ্‌তানি করাইবার দুরাশা মিথ্যা। যদি বিলিতি জাহাজটাকেই কায়মনে আঁকড়াইয়া ধরিতে চাই তবে ব্যাবসা শহরেই আটকা পড়িয়া থাকিবে। ** [https://bn.wikisource.org/wiki/শিক্ষা/শিক্ষার_বাহন শিক্ষার বাহন] * বাংলায় উচ্চ অঙ্গের শিক্ষাগ্রন্থ বাহির হইতেছে না এটা যদি আক্ষেপের বিষয় হয় তবে তার প্রতিকারের একমাত্র উপায়, বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলায় উচ্চঅঙ্গের শিক্ষা প্রচলন করা। ** [https://bn.wikisource.org/wiki/শিক্ষা/শিক্ষার_বাহন শিক্ষার বাহন] ==রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে নিয়ে উক্তি== * সারা পৃথিবীর গানের সুরকে আয়ত্ত করে নতুন সুর সৃষ্টি করলেন রবীন্দ্রনাথ। সেই সুরের আলপনাকে বাংলা গানে ছিটিয়ে দিলেন। হয়ে গেল এক অপূর্ব সৃষ্টি। সর্বযুগের, সর্বকালের সৃষ্টি। এতবড়ো সুরকার আজও জন্মায়নি কোন দেশে। এই বুড়ো পৃথিবীকে ইচ্ছে হয় জিজ্ঞাসা করি, বয়েস তো অনেক হল। রবীন্দ্রনাথের মতো এমন সর্বতোমুখী প্রতিভা আর দেখেছে একটা। **হেমন্ত মুখোপাধ্যায় - ''আনন্দধারা'', সপ্তর্ষি প্রকাশন, কলকাতা; পৃষ্ঠা:৩৪ (২০১৯) * ব্রিটিশরা তাঁকে (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে) উগ্র জাতীয়তাবাদী হিসেবে বিবেচনা করে, যদিও তাঁর জাতীয়তাবাদ ছিল পুরোটাই সাংস্কৃতিক। তাছাড়া উচ্চ প্রশাসনিক পদে অধিক সংখ্যক ভারতীয়কে সুযোগ দেয়ার ব্যাপারে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের দাবী বিষয়ক কোনো ভূমিকাই তিনি রাখেননি। রবীন্দ্রের কাছে এসবই ছিল ব্রিটিশ শাসনের মতোই অচেনা, অজানা। তাঁর রাজনীতির ধারণা ছিল বাংলার গ্রামীণ সংস্কৃতির প্রসার। স্বভাববশতই, তিনি যখন একজন খ্যাতিমান অতিথি হিসেবে নিউ ইয়র্কের কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ে যান, সেখানকার 'অতিথি বই'তে তিনি (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) নিজের জাতীয়তা হিসেবে “ভারতীয়” পরিচয় না লিখে, লেখেন “'''[[বাঙালি জাতি|বাঙালী]]'''”। ** অধ্যাপক হিউ টিঙ্কার, ''Death of Rabindranath Tagore'' (১৯৮২), [https://www.historytoday.com/archive/rabindranath-tagore-and-indian-renaissance হিস্টরি টুডে, খণ্ড ৩২, ইস্যু: ৪ এপ্রিল ১৯৮২], পৃষ্ঠা: ৩৬ [http://media.bengalinessresearch.org/2021/07/death-of-rabindranath-tagore.html?m=1&fbclid=IwZXh0bgNhZW0CMTEAAR7UAhXR4fAyv21NfxcFHznqaSwk1SmPNZ2eeE1lq6CCnwnGam44nQ2e31U8SQ_aem_NYenInWDPTEk0LloHMC-CA] *রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর কবিতা নিজে ইংরেজিতে অনুবাদ করে “গীতাঞ্জলি” বই বের করেছিলেন। বইটি জমা দিয়ে তিনি ১৯১৩ সালে পান নোবেল পুরস্কার। তাঁর পরে বাংলা সাহিত্যের আর কেউ এ ধরনের বড় কাজ করতে পারেননি। ** [[সেলিনা হোসেন]]- [https://www.prothomalo.com/bangladesh/capital/vpv৩২৫c৯ld প্রথম আলো-এ উদ্ধৃত] * সাধারণত বয়সের সঙ্গে-সঙ্গে লোকের রক্ষণশীলতাও বাড়ে, কিন্তু রবীন্দ্রনাথের বেলায় হয়েছে ঠিক উল্টো; যত বয়স বেড়েছে ততই তিনি মুক্ত হয়েছেন। যা সাময়িক, যা প্রথাগত, যা দেশ-কালে আপেক্ষিক, যা লোকাচারের সংস্কার কিংবা ব্যবহারিক বিধি মাত্র, সে সমস্তের উর্ধ্বে গেছে তাঁর দৃষ্টি। নীতির চেয়ে সত্যকে বড়ো করে দেখেছেন, রীতির চেয়ে জীবনকে। ** [[বুদ্ধদেব বসু]]। "সব পেয়েছির দেশে", প্রকাশক: সপ্তর্ষি, প্রথম প্রকাশ: আগস্ট ১৯৪১, [https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.267258/page/n103/mode/1up?view=theater&q=%E0%A6%86%E0%A6%AA%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BF%E0%A6%95 পৃষ্ঠা: ১০৩] * কবির ভুল ধারণার প্রতিবাদ করিয়া উপযুক্ত কারণ দেখাইলেই কবি তাঁহার ভুল সংশোধন করিয়া লইতেন। কবির মনে একদেশদর্শী হিন্দুত্বের স্থান ছিল না। মুসলমানদের মধ্যে যাঁহারা স্বাধীন মতবাদ লইয়া ধর্ম ও সমাজ-ব্যবস্থার সমালোচনা করিতেন, তাঁহাদের প্রতি কবির মনে প্রগাঢ় অনুরাগ ছিল। ** [[জসীম উদ্‌দীন]]। "ঠাকুর-বাড়ির আঙিনায়", প্রকাশক: গ্রন্থপ্রকাশ, কলকাতা, [https://share.google/QzodDAT07Rk23JRrC পৃষ্ঠা: ২৮] *সমস্ত রাত্রি বৃষ্টি পড়তে লাগিল; তাহার পরদিন সকালেও বৃষ্টি পড়িতেছে, মধ্যাহ্নেও বৃষ্টির বিরাম নাই। কাদম্বিনী মরিয়া প্রমাণ করিল, সে মরে নাই। **-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর,জীবিত ও মৃত (পঞ্চম পরিচ্ছেদ), গল্পগুচ্ছ,পৃষ্ঠা ৬৫ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিসংকলন লেখক}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Rabindranath Tagore}} [[বিষয়শ্রেণী:১৮৬১-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪১-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি কবি]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের কবি]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:হিন্দু লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:কলকাতার ব্যক্তি ]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের প্রাবন্ধিক]] [[বিষয়শ্রেণী:হিন্দু]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:সাহিত্যে নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় ঔপন্যাসিক]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের চিত্রশিল্পী]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের দার্শনিক]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি দার্শনিক]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের সঙ্গীতজ্ঞ]] [[বিষয়শ্রেণী:রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] acw9xhbwahps7juczagf2ivys799a9z বঙ্গভঙ্গ (১৯৪৭) 0 5276 84177 84168 2026-08-14T13:46:35Z ফারদিন 52 /* উক্তি */ উক্তি যোগ 84177 wikitext text/x-wiki [[File:Bengal partition 1947.jpg|thumb|তেলের শিশি ভাঙল বলে<br>খুকুর পরে রাগ করো<br> তোমরা যে সব বুড়ো খোকা<br> বাংলা ভেঙে ভাগ করো!<br> তার বেলা? - অন্নদাশঙ্কর রায়]] ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ভারতকে ধর্মের ভিত্তিতে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। ফলে [[ভারত]] ও [[পাকিস্তান]] নামক দুটি দেশের জন্ম হয়। এই বিভাজনের অংশ হিসেবে বাংলাকেও ভাগ করা হয়।ফলে [[হিন্দু]] অধ্যুষিত [[পশ্চিমবঙ্গ]] ভারতের সাথে যুক্ত হয় এবং [[মুসলমান|মুসলিম]] অধ্যুষিত পূর্ববঙ্গ পাকিস্তানের সাথে যুক্ত হয়। ==উক্তি== * তেলের শিশি ভাঙল বলে<br> খুকুর পরে রাগ করো<br> তোমরা যে সব বুড়ো খোকা<br> বাংলা ভেঙে ভাগ করো!<br> তার বেলা? **[[অন্নদাশঙ্কর রায়]]।'খুকু ও খোকা' ছড়া। "ছড়া-সমগ্র" - অন্নদাশঙ্কর রায়। প্রকাশক- বাণীশিল্প, প্রকাশকাল ১৯৮৫, পৃষ্ঠা- ৩৬ * প্ররোচনায় বিভ্রান্ত হয়ে কেউ কেউ হয়তো ভেবেছেন, বিভক্ত বাংলার হিন্দু-বাঙালি হয়তো স্বাধীনভাবে আত্মপ্রকাশের সুযোগ পাবে, কিন্তু এ স্বপ্ন মরীচিকা মাত্র। আইন পরিষদের হিন্দু সদস্যদের ও বাংলা কংগ্রেসের স্বাধীন মত ব্যক্ত করার অধিকার দিলে তাদের অধিকাংশ বাংলা বিভাগের রোয়েদাদ প্রত্যাখ্যান করতেন। [[বাঙালি জাতি|বাঙালি]] হিন্দুর বুকের উপর হুকুম নামার পিস্তল ধরে [[মৃত্যু]] পরোয়ানা সই করে নেয়া হচ্ছে অথচ হিন্দু বাংলা টু শব্দটি করতে পারছেনা। সুরেন্দ্রনাথ, [[চিত্তরঞ্জন দাশ|দেশবন্ধু]], দেশপ্রিয় ও [[সুভাষচন্দ্র বসু|নেতাজীর]] জাতির কি সত্যিই এমনি অধঃপতন হয়েছে। ** ১৯৪৭ সালে জাগরণ পত্রিকায় [[শরৎচন্দ্র বসু]] এটি লিখেছিলেন।"বাংলা যেভাবে ভাগ হলো" - মুহাম্মদ আসাদ। কৃষ্ণচূড়া প্রকাশনী, প্রকাশকাল-২০০৯, পৃষ্ঠা-৫ * এটা ১৯৪৭ সালের কথা। তখন আমি মিস্টার সোহরাওয়ার্দীর দলে ছিলাম। তিনি এবং শরৎচন্দ্র বসু একটি অখন্ড বাংলা চান। আমিও চাই সকল বাঙালির জন্য একটি দেশ। [[বাঙালি জাতি|বাঙালিরা]] ঐক্যবদ্ধ থাকলে কী না করতে পারত! তারা বিশ্ব জয় করতে পারত। ** অন্নদাশঙ্কর রায়ের এক প্রশ্নের উত্তরে [[শেখ মুজিবুর রহমান|বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান]] এটি বলেছিলেন।[https://www.thedailystar.net/opinion/views/news/47th-death-anniversary-bangabandhu-cry-o-beloved-country-3095476] * যারা আমাদের এই সোনার দেশকে দুভাগ করেছে - তারা দেশের দুশমন। ** [[আবুল কাশেম ফজলুল হক]]।[https://archive.org/details/joy-bangla-joy-mujib/page/n42/mode/1up?view=theater] * [[দেশ]] তো রাজনৈতিকভাবে ভাগ হয়ে গেছে। কিন্তু আমাদের সংস্কৃতি অখণ্ড ও অবিভাজ্য। গঙ্গার পানির অধিকার যেমন দুই বাংলার মানুষ চায়, তেমনি বাংলা সংস্কৃতির অধিকারও দুই বাংলার মানুষের। এই ঐতিহ্য-চেতনা যদি সারা পৃথিবীর বাংলাভাষী মানুষের মধ্যে জাগানো যায় ও সাম্প্রদায়িকতামুক্ত হতে পারে, হাজার বছরের অসাম্প্রদায়িক সংস্কৃতির ভিত্তিতে একটি কালচারাল নেশন বা সাংস্কৃতিক জাতি গড়ে তুলতে পারে, তাহলে তারা হয়তো [[বাঙালি জাতি|বাঙালির]] মুক্তি আনতে পারে। এই অসাম্প্রদায়িক বাঙালি সাংস্কৃতিক জাতি পরবর্তীকালে অবিভক্ত স্বাধীন বাংলাদেশের সীমানা চিহ্নিত করবে। ** [[আবদুল গাফফার চৌধুরী|আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরীর]] সাথে [[সত্যজিৎ রায়]] বলেছিলেন।[https://samakal.com/editorial-subeditorial/article/95604/%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%BF-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A7%9F%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%89%E0%A7%8E%E0%A6%B8] * বাংলা দু-ভাগ হবার দুঃখ আমরা অনেকেই কোনওদিন ভুলব না, কিন্তু মেনে নেব। ইতিহাসের গতি আঁকাবাঁকা হলেও জোর করে বদলানো যায় না। ** [[সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়]]। ''আমি কি বাঙালি'', প্রকাশক: পত্র ভারতী, পৃষ্ঠা: ৫০ * [[ভারত]] ভাগ না হলেও বাংলাকে অবশ্যই ভাগ করতে হবে। ** [[শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়|শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি]]।১৯৪৭ সালের মে মাসে, শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি লর্ড মাউন্টব্যাটেনকে উদ্দেশ্য করে একটি চিঠিতে এটি লিখেন।[https://www.madhyom.com/state/shyama-prasad-mukherjee-tribute-to-bharat-keshari-1642] * নেতারা যদি নেতৃত্ব দিতে ভুল করে, জনগণকে তার খেসারত দিতে হয়। যে কলকাতা [[পূর্ববঙ্গ|পূর্ব বাংলার]] টাকায় গড়ে উঠেছিল, সেই [[কলকাতা]] আমরা স্বেচ্ছায় ছেড়ে দিলাম। কেন্দ্রীয় লীগের কিছু কিছু লোক কলকাতা ভারতে চলে যাক এটা চেয়েছিল বলে আমার মনে হয়। ** [[শেখ মুজিবুর রহমান|বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান]]। [[অসমাপ্ত আত্মজীবনী]], পৃষ্ঠা: ৭৯ * এদিকে [[সিলেট গণভোট|সিলেটে গণভোটে]] জয়লাভ করা সত্ত্বেও মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ [[করিমগঞ্জ জেলা|করিমগঞ্জ]] মহকুমা ভারতবর্ষকে দিয়েছিল। আমরা আশা করেছিলাম, আসামের কাছাড় জেলা ও [[সিলেট]] জেলা পাকিস্তানের ভাগে না দিয়ে পারবে না। আমার বেশি দুঃখ হয়েছিল করিমগঞ্জ নিয়ে। কারণ, করিমগঞ্জে আমি কাজ করেছিলাম গণভোটের সময়। ** [[শেখ মুজিবুর রহমান]]। [[অসমাপ্ত আত্মজীবনী]], পৃষ্ঠা: ৭৮-৭৯ * কলকাতা ছাড়া বাংলার কি মূল্য আছে? তারা অর্থাৎ বাঙালিরা স্বাধীন ও অখন্ড থাকলেই ভালো। ** মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ। "বাংলা যেভাবে ভাগ হলো" - মুহাম্মদ আসাদ। কৃষ্ণচূড়া প্রকাশনী, প্রকাশকাল-২০০৯, পৃষ্ঠা-৫ * মুসলিম লীগ ও কংগ্রেস বঙ্গবিভাগের প্রস্তাব গ্রহণ করিলে স্থির হইল যে, বঙ্গদেশের বিধানসভায় ভারতীয় সদস্যগণ দুইভাগে বিভক্ত হইবে। যে সব জিলায় মুসলমানদের সংখ্যা বেশী এবং অন্য সব জিলার সদস্যগণ-এই দুই দল পৃথকভাবে মিলিত হইয়া ভোট দিবে–তাহারা বঙ্গদেশকে বিভক্ত করার পক্ষে কি বিপক্ষে। যদি ইহার যে কোন দলের অধিকসংখ্যক সদস্য দেশ বিভাগ করার পক্ষে ভোট দেয়, তাহা হইলে বঙ্গদেশ দুই ভাগ করা হইবে। তদনুসারে ২০শে জুন, ১৯৪৭ বঙ্গদেশের যে অংশে হিন্দুরা সংখ্যাগরিষ্ঠ তাহার সদস্যদের মধ্যে ৫৮ জন বঙ্গবিভাগে সপক্ষে এবং ২১ জন বিপক্ষে ভোট দিল। অন্য অংশের সদস্যদের মধ্যে ১০৬ জন বঙ্গবিভাগের বিপক্ষে এবং ৩৫ জন ইহার সপক্ষে ভোট দিল। ১৯৪৭ সনের ১৫ই ও ১৬ই জুলাই ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সাধারণ ও লর্ডসভা ভারত-স্বাধীনতার বিল পাশ করিল এবং ১৮ই ইহা আইনে পরিণত হইল। স্থির হইল যে, ১৫ই অগষ্ট (১৯৪৭) তারিখ হইতে ভারত স্বাধীন হইবে। অখণ্ড বঙ্গ বা বাংলাদেশ ভারতের মানচিত্র হইতে মুছিয়া গেল, তাহার পরিবর্তে হইল পশ্চিমবঙ্গ ও পূর্ব পাকিস্তান। ** [[রমেশচন্দ্র মজুমদার]]। "বাংলা দেশের ইতিহাস, চতুর্থ খণ্ড (১৯০৫-১৯৪৭)" প্রকাশক: জেনারেল প্রিন্টার্স য়্যাণ্ড পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড, প্রথম সংস্করণ: ৪ ডিসেম্বর ১৯৭৫, পৃষ্ঠা: ৪৬৩-৪৬৪ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:২০শ শতাব্দীতে পাকিস্তান]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৭]] p80qgvffixasvxowsicij215ee9tmiy 84178 84177 2026-08-14T13:50:52Z ফারদিন 52 /* উক্তি */ উক্তি যোগ 84178 wikitext text/x-wiki [[File:Bengal partition 1947.jpg|thumb|তেলের শিশি ভাঙল বলে<br>খুকুর পরে রাগ করো<br> তোমরা যে সব বুড়ো খোকা<br> বাংলা ভেঙে ভাগ করো!<br> তার বেলা? - অন্নদাশঙ্কর রায়]] ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ভারতকে ধর্মের ভিত্তিতে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। ফলে [[ভারত]] ও [[পাকিস্তান]] নামক দুটি দেশের জন্ম হয়। এই বিভাজনের অংশ হিসেবে বাংলাকেও ভাগ করা হয়।ফলে [[হিন্দু]] অধ্যুষিত [[পশ্চিমবঙ্গ]] ভারতের সাথে যুক্ত হয় এবং [[মুসলমান|মুসলিম]] অধ্যুষিত পূর্ববঙ্গ পাকিস্তানের সাথে যুক্ত হয়। ==উক্তি== * তেলের শিশি ভাঙল বলে<br> খুকুর পরে রাগ করো<br> তোমরা যে সব বুড়ো খোকা<br> বাংলা ভেঙে ভাগ করো!<br> তার বেলা? **[[অন্নদাশঙ্কর রায়]]।'খুকু ও খোকা' ছড়া। "ছড়া-সমগ্র" - অন্নদাশঙ্কর রায়। প্রকাশক- বাণীশিল্প, প্রকাশকাল ১৯৮৫, পৃষ্ঠা- ৩৬ * প্ররোচনায় বিভ্রান্ত হয়ে কেউ কেউ হয়তো ভেবেছেন, বিভক্ত বাংলার হিন্দু-বাঙালি হয়তো স্বাধীনভাবে আত্মপ্রকাশের সুযোগ পাবে, কিন্তু এ স্বপ্ন মরীচিকা মাত্র। আইন পরিষদের হিন্দু সদস্যদের ও বাংলা কংগ্রেসের স্বাধীন মত ব্যক্ত করার অধিকার দিলে তাদের অধিকাংশ বাংলা বিভাগের রোয়েদাদ প্রত্যাখ্যান করতেন। [[বাঙালি জাতি|বাঙালি]] হিন্দুর বুকের উপর হুকুম নামার পিস্তল ধরে [[মৃত্যু]] পরোয়ানা সই করে নেয়া হচ্ছে অথচ হিন্দু বাংলা টু শব্দটি করতে পারছেনা। সুরেন্দ্রনাথ, [[চিত্তরঞ্জন দাশ|দেশবন্ধু]], দেশপ্রিয় ও [[সুভাষচন্দ্র বসু|নেতাজীর]] জাতির কি সত্যিই এমনি অধঃপতন হয়েছে। ** ১৯৪৭ সালে জাগরণ পত্রিকায় [[শরৎচন্দ্র বসু]] এটি লিখেছিলেন।"বাংলা যেভাবে ভাগ হলো" - মুহাম্মদ আসাদ। কৃষ্ণচূড়া প্রকাশনী, প্রকাশকাল-২০০৯, পৃষ্ঠা-৫ * এটা ১৯৪৭ সালের কথা। তখন আমি মিস্টার সোহরাওয়ার্দীর দলে ছিলাম। তিনি এবং শরৎচন্দ্র বসু একটি অখন্ড বাংলা চান। আমিও চাই সকল বাঙালির জন্য একটি দেশ। [[বাঙালি জাতি|বাঙালিরা]] ঐক্যবদ্ধ থাকলে কী না করতে পারত! তারা বিশ্ব জয় করতে পারত। ** অন্নদাশঙ্কর রায়ের এক প্রশ্নের উত্তরে [[শেখ মুজিবুর রহমান|বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান]] এটি বলেছিলেন।[https://www.thedailystar.net/opinion/views/news/47th-death-anniversary-bangabandhu-cry-o-beloved-country-3095476] * যারা আমাদের এই সোনার দেশকে দুভাগ করেছে - তারা দেশের দুশমন। ** [[আবুল কাশেম ফজলুল হক]]।[https://archive.org/details/joy-bangla-joy-mujib/page/n42/mode/1up?view=theater] * [[দেশ]] তো রাজনৈতিকভাবে ভাগ হয়ে গেছে। কিন্তু আমাদের সংস্কৃতি অখণ্ড ও অবিভাজ্য। গঙ্গার পানির অধিকার যেমন দুই বাংলার মানুষ চায়, তেমনি বাংলা সংস্কৃতির অধিকারও দুই বাংলার মানুষের। এই ঐতিহ্য-চেতনা যদি সারা পৃথিবীর বাংলাভাষী মানুষের মধ্যে জাগানো যায় ও সাম্প্রদায়িকতামুক্ত হতে পারে, হাজার বছরের অসাম্প্রদায়িক সংস্কৃতির ভিত্তিতে একটি কালচারাল নেশন বা সাংস্কৃতিক জাতি গড়ে তুলতে পারে, তাহলে তারা হয়তো [[বাঙালি জাতি|বাঙালির]] মুক্তি আনতে পারে। এই অসাম্প্রদায়িক বাঙালি সাংস্কৃতিক জাতি পরবর্তীকালে অবিভক্ত স্বাধীন বাংলাদেশের সীমানা চিহ্নিত করবে। ** [[আবদুল গাফফার চৌধুরী|আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরীর]] সাথে [[সত্যজিৎ রায়]] বলেছিলেন।[https://samakal.com/editorial-subeditorial/article/95604/%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%BF-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A7%9F%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%89%E0%A7%8E%E0%A6%B8] * বাংলা দু-ভাগ হবার দুঃখ আমরা অনেকেই কোনওদিন ভুলব না, কিন্তু মেনে নেব। ইতিহাসের গতি আঁকাবাঁকা হলেও জোর করে বদলানো যায় না। ** [[সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়]]। ''আমি কি বাঙালি'', প্রকাশক: পত্র ভারতী, পৃষ্ঠা: ৫০ * [[ভারত]] ভাগ না হলেও বাংলাকে অবশ্যই ভাগ করতে হবে। ** [[শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়|শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি]]।১৯৪৭ সালের মে মাসে, শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি লর্ড মাউন্টব্যাটেনকে উদ্দেশ্য করে একটি চিঠিতে এটি লিখেন।[https://www.madhyom.com/state/shyama-prasad-mukherjee-tribute-to-bharat-keshari-1642] * নেতারা যদি নেতৃত্ব দিতে ভুল করে, জনগণকে তার খেসারত দিতে হয়। যে কলকাতা [[পূর্ববঙ্গ|পূর্ব বাংলার]] টাকায় গড়ে উঠেছিল, সেই [[কলকাতা]] আমরা স্বেচ্ছায় ছেড়ে দিলাম। কেন্দ্রীয় লীগের কিছু কিছু লোক কলকাতা ভারতে চলে যাক এটা চেয়েছিল বলে আমার মনে হয়। ** [[শেখ মুজিবুর রহমান|বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান]]। [[অসমাপ্ত আত্মজীবনী]], পৃষ্ঠা: ৭৯ * এদিকে [[সিলেট গণভোট|সিলেটে গণভোটে]] জয়লাভ করা সত্ত্বেও মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ [[করিমগঞ্জ জেলা|করিমগঞ্জ]] মহকুমা ভারতবর্ষকে দিয়েছিল। আমরা আশা করেছিলাম, আসামের কাছাড় জেলা ও [[সিলেট]] জেলা পাকিস্তানের ভাগে না দিয়ে পারবে না। আমার বেশি দুঃখ হয়েছিল করিমগঞ্জ নিয়ে। কারণ, করিমগঞ্জে আমি কাজ করেছিলাম গণভোটের সময়। ** [[শেখ মুজিবুর রহমান]]। [[অসমাপ্ত আত্মজীবনী]], পৃষ্ঠা: ৭৮-৭৯ * কলকাতা ছাড়া বাংলার কি মূল্য আছে? তারা অর্থাৎ বাঙালিরা স্বাধীন ও অখন্ড থাকলেই ভালো। ** মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ। "বাংলা যেভাবে ভাগ হলো" - মুহাম্মদ আসাদ। কৃষ্ণচূড়া প্রকাশনী, প্রকাশকাল-২০০৯, পৃষ্ঠা-৫ * মুসলিম লীগ ও কংগ্রেস বঙ্গবিভাগের প্রস্তাব গ্রহণ করিলে স্থির হইল যে, বঙ্গদেশের বিধানসভায় ভারতীয় সদস্যগণ দুইভাগে বিভক্ত হইবে। যে সব জিলায় মুসলমানদের সংখ্যা বেশী এবং অন্য সব জিলার সদস্যগণ-এই দুই দল পৃথকভাবে মিলিত হইয়া ভোট দিবে–তাহারা বঙ্গদেশকে বিভক্ত করার পক্ষে কি বিপক্ষে। যদি ইহার যে কোন দলের অধিকসংখ্যক সদস্য দেশ বিভাগ করার পক্ষে ভোট দেয়, তাহা হইলে বঙ্গদেশ দুই ভাগ করা হইবে। তদনুসারে ২০শে জুন, ১৯৪৭ বঙ্গদেশের যে অংশে হিন্দুরা সংখ্যাগরিষ্ঠ তাহার সদস্যদের মধ্যে ৫৮ জন বঙ্গবিভাগে সপক্ষে এবং ২১ জন বিপক্ষে ভোট দিল। অন্য অংশের সদস্যদের মধ্যে ১০৬ জন বঙ্গবিভাগের বিপক্ষে এবং ৩৫ জন ইহার সপক্ষে ভোট দিল। ১৯৪৭ সনের ১৫ই ও ১৬ই জুলাই ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সাধারণ ও লর্ডসভা ভারত-স্বাধীনতার বিল পাশ করিল এবং ১৮ই ইহা আইনে পরিণত হইল। স্থির হইল যে, ১৫ই অগষ্ট (১৯৪৭) তারিখ হইতে ভারত স্বাধীন হইবে। অখণ্ড বঙ্গ বা বাংলাদেশ ভারতের মানচিত্র হইতে মুছিয়া গেল, তাহার পরিবর্তে হইল পশ্চিমবঙ্গ ও পূর্ব পাকিস্তান। ** [[রমেশচন্দ্র মজুমদার]]। "বাংলা দেশের ইতিহাস, চতুর্থ খণ্ড (১৯০৫-১৯৪৭)" প্রকাশক: জেনারেল প্রিন্টার্স য়্যাণ্ড পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড, প্রথম সংস্করণ: ৪ ডিসেম্বর ১৯৭৫, পৃষ্ঠা: ৪৬৩-৪৬৪ * ১৯৪৭-এ মুসলিম লীগ বাংলাভাগ চাচ্ছে না, কিন্তু ভারতভাগ চাচ্ছে। কংগ্রেস [[ভারত বিভাজন|ভারতভাগ]] চায় না, কিন্তু ভারতভাগ যদি ঘটেই তাহলে অবশ্যই বাংলাকে ভাগ করতে হবে। কমিউনিস্ট পার্টি বাংলাভাগের বিপক্ষে, কিন্তু তাদের সাংগঠনিক শক্তি দুর্বল। ভরসা দিতে পারতেন [[আবুল কাশেম ফজলুল হক|ফজলুল হক]]। কিন্তু তা তিনি দেন নি। দেবার ইচ্ছা ছিল, কিন্তু ক্ষমতা ছিল না।...তাঁর নবযুগ পত্রিকা বাংলাকে সার্বভৌম রাষ্ট্র করার পক্ষে মত দিয়েছে। পত্রিকার সম্পাদক [[কাজী নজরুল ইসলাম]] [[পাকিস্তান|পাকিস্তানকে]] ফাঁকিস্তান বলে ঠাট্টা করেছেন। কিন্তু সেসব কথা কে শোনে। কৃষক প্রজা পার্টির এক শতজন বিশিষ্ট নেতা (১৩ মে ১৯৪৭) বিবৃতি দিয়ে বলেছেন যে, তাঁরা ভারতভাগ ও বাংলাভাগ উভয়েরই বিরুদ্ধে। ** [[সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী]]। ''জাতীয়তাবাদ, সাম্প্রদায়িকতা ও জনগণের মুক্তি ১৯০৫-১৯৪৭'', প্রকাশক: সংহতি প্রকাশন, প্রকাশকাল: ফেব্রুয়ারি ২০১৬, পৃষ্ঠা: ৫২০ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:২০শ শতাব্দীতে পাকিস্তান]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৭]] gs3a6j0zx6h377j4540nyxuyqi24sgt 84179 84178 2026-08-14T14:08:26Z ফারদিন 52 /* উক্তি */ উক্তি যোগ 84179 wikitext text/x-wiki [[File:Bengal partition 1947.jpg|thumb|তেলের শিশি ভাঙল বলে<br>খুকুর পরে রাগ করো<br> তোমরা যে সব বুড়ো খোকা<br> বাংলা ভেঙে ভাগ করো!<br> তার বেলা? - অন্নদাশঙ্কর রায়]] ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ভারতকে ধর্মের ভিত্তিতে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। ফলে [[ভারত]] ও [[পাকিস্তান]] নামক দুটি দেশের জন্ম হয়। এই বিভাজনের অংশ হিসেবে বাংলাকেও ভাগ করা হয়।ফলে [[হিন্দু]] অধ্যুষিত [[পশ্চিমবঙ্গ]] ভারতের সাথে যুক্ত হয় এবং [[মুসলমান|মুসলিম]] অধ্যুষিত পূর্ববঙ্গ পাকিস্তানের সাথে যুক্ত হয়। ==উক্তি== * তেলের শিশি ভাঙল বলে<br> খুকুর পরে রাগ করো<br> তোমরা যে সব বুড়ো খোকা<br> বাংলা ভেঙে ভাগ করো!<br> তার বেলা? **[[অন্নদাশঙ্কর রায়]]।'খুকু ও খোকা' ছড়া। "ছড়া-সমগ্র" - অন্নদাশঙ্কর রায়। প্রকাশক- বাণীশিল্প, প্রকাশকাল ১৯৮৫, পৃষ্ঠা- ৩৬ * প্ররোচনায় বিভ্রান্ত হয়ে কেউ কেউ হয়তো ভেবেছেন, বিভক্ত বাংলার হিন্দু-বাঙালি হয়তো স্বাধীনভাবে আত্মপ্রকাশের সুযোগ পাবে, কিন্তু এ স্বপ্ন মরীচিকা মাত্র। আইন পরিষদের হিন্দু সদস্যদের ও বাংলা কংগ্রেসের স্বাধীন মত ব্যক্ত করার অধিকার দিলে তাদের অধিকাংশ বাংলা বিভাগের রোয়েদাদ প্রত্যাখ্যান করতেন। [[বাঙালি জাতি|বাঙালি]] হিন্দুর বুকের উপর হুকুম নামার পিস্তল ধরে [[মৃত্যু]] পরোয়ানা সই করে নেয়া হচ্ছে অথচ হিন্দু বাংলা টু শব্দটি করতে পারছেনা। সুরেন্দ্রনাথ, [[চিত্তরঞ্জন দাশ|দেশবন্ধু]], দেশপ্রিয় ও [[সুভাষচন্দ্র বসু|নেতাজীর]] জাতির কি সত্যিই এমনি অধঃপতন হয়েছে। ** ১৯৪৭ সালে জাগরণ পত্রিকায় [[শরৎচন্দ্র বসু]] এটি লিখেছিলেন।"বাংলা যেভাবে ভাগ হলো" - মুহাম্মদ আসাদ। কৃষ্ণচূড়া প্রকাশনী, প্রকাশকাল-২০০৯, পৃষ্ঠা-৫ * এটা ১৯৪৭ সালের কথা। তখন আমি মিস্টার সোহরাওয়ার্দীর দলে ছিলাম। তিনি এবং শরৎচন্দ্র বসু একটি অখন্ড বাংলা চান। আমিও চাই সকল বাঙালির জন্য একটি দেশ। [[বাঙালি জাতি|বাঙালিরা]] ঐক্যবদ্ধ থাকলে কী না করতে পারত! তারা বিশ্ব জয় করতে পারত। ** অন্নদাশঙ্কর রায়ের এক প্রশ্নের উত্তরে [[শেখ মুজিবুর রহমান|বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান]] এটি বলেছিলেন।[https://www.thedailystar.net/opinion/views/news/47th-death-anniversary-bangabandhu-cry-o-beloved-country-3095476] * যারা আমাদের এই সোনার দেশকে দুভাগ করেছে - তারা দেশের দুশমন। ** [[আবুল কাশেম ফজলুল হক]]।[https://archive.org/details/joy-bangla-joy-mujib/page/n42/mode/1up?view=theater] * [[দেশ]] তো রাজনৈতিকভাবে ভাগ হয়ে গেছে। কিন্তু আমাদের সংস্কৃতি অখণ্ড ও অবিভাজ্য। গঙ্গার পানির অধিকার যেমন দুই বাংলার মানুষ চায়, তেমনি বাংলা সংস্কৃতির অধিকারও দুই বাংলার মানুষের। এই ঐতিহ্য-চেতনা যদি সারা পৃথিবীর বাংলাভাষী মানুষের মধ্যে জাগানো যায় ও সাম্প্রদায়িকতামুক্ত হতে পারে, হাজার বছরের অসাম্প্রদায়িক সংস্কৃতির ভিত্তিতে একটি কালচারাল নেশন বা সাংস্কৃতিক জাতি গড়ে তুলতে পারে, তাহলে তারা হয়তো [[বাঙালি জাতি|বাঙালির]] মুক্তি আনতে পারে। এই অসাম্প্রদায়িক বাঙালি সাংস্কৃতিক জাতি পরবর্তীকালে অবিভক্ত স্বাধীন বাংলাদেশের সীমানা চিহ্নিত করবে। ** [[আবদুল গাফফার চৌধুরী|আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরীর]] সাথে [[সত্যজিৎ রায়]] বলেছিলেন।[https://samakal.com/editorial-subeditorial/article/95604/%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%BF-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A7%9F%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%89%E0%A7%8E%E0%A6%B8] * বাংলা দু-ভাগ হবার দুঃখ আমরা অনেকেই কোনওদিন ভুলব না, কিন্তু মেনে নেব। ইতিহাসের গতি আঁকাবাঁকা হলেও জোর করে বদলানো যায় না। ** [[সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়]]। ''আমি কি বাঙালি'', প্রকাশক: পত্র ভারতী, পৃষ্ঠা: ৫০ * [[ভারত]] ভাগ না হলেও বাংলাকে অবশ্যই ভাগ করতে হবে। ** [[শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়|শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি]]।১৯৪৭ সালের মে মাসে, শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি লর্ড মাউন্টব্যাটেনকে উদ্দেশ্য করে একটি চিঠিতে এটি লিখেন।[https://www.madhyom.com/state/shyama-prasad-mukherjee-tribute-to-bharat-keshari-1642] * নেতারা যদি নেতৃত্ব দিতে ভুল করে, জনগণকে তার খেসারত দিতে হয়। যে কলকাতা [[পূর্ববঙ্গ|পূর্ব বাংলার]] টাকায় গড়ে উঠেছিল, সেই [[কলকাতা]] আমরা স্বেচ্ছায় ছেড়ে দিলাম। কেন্দ্রীয় লীগের কিছু কিছু লোক কলকাতা ভারতে চলে যাক এটা চেয়েছিল বলে আমার মনে হয়। ** [[শেখ মুজিবুর রহমান|বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান]]। [[অসমাপ্ত আত্মজীবনী]], পৃষ্ঠা: ৭৯ * ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগকালে সাবেক পাঞ্জাব প্রদেশও বিভক্ত হয়। সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চল হিসেবে পশ্চিম পাঞ্জাব (পাকিস্তানভুক্ত পাঞ্জাব) রাজধানী লাহোর তার ভাগে পায়। এই বাবতে ভারতভুক্ত সংখ্যালঘিষ্ঠ পূর্ব পাঞ্জাবকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া ঠিক হয়। জানা যায়, এই ক্ষতিপূরণের পরিমাণ ছিল তখনকার ৯ কোটি টাকা। কলকাতার বিনিময়ে যে ক্ষতিপূরণের টাকা পূর্ববঙ্গের প্রাপ্য ছিল, জিন্না সেই টাকার সঙ্গে এই টাকার বিনিময় করেন। অর্থাৎ কলিকাতার জন্য পূর্ববঙ্গ কোন ক্ষতিপূরণ পাবে না এবং তার বিনিময়ে লাহোরের জন্য ভারতকে কোন ক্ষতিপূরণের টাকাও পাকিস্তান ভারতকে দিবে না। ** [[আবদুল গাফফার চৌধুরী]]। ''আমরা বাংলাদেশী না বাঙালি?'', প্রকাশক: অক্ষরবৃত্ত প্রকাশনী, প্রকাশকাল: ফেব্রুয়ারি ১৯৯৩, পৃষ্ঠা: ৫১ * এদিকে [[সিলেট গণভোট|সিলেটে গণভোটে]] জয়লাভ করা সত্ত্বেও মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ [[করিমগঞ্জ জেলা|করিমগঞ্জ]] মহকুমা ভারতবর্ষকে দিয়েছিল। আমরা আশা করেছিলাম, আসামের কাছাড় জেলা ও [[সিলেট]] জেলা পাকিস্তানের ভাগে না দিয়ে পারবে না। আমার বেশি দুঃখ হয়েছিল করিমগঞ্জ নিয়ে। কারণ, করিমগঞ্জে আমি কাজ করেছিলাম গণভোটের সময়। ** [[শেখ মুজিবুর রহমান]]। [[অসমাপ্ত আত্মজীবনী]], পৃষ্ঠা: ৭৮-৭৯ * কলকাতা ছাড়া বাংলার কি মূল্য আছে? তারা অর্থাৎ বাঙালিরা স্বাধীন ও অখন্ড থাকলেই ভালো। ** মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ। "বাংলা যেভাবে ভাগ হলো" - মুহাম্মদ আসাদ। কৃষ্ণচূড়া প্রকাশনী, প্রকাশকাল-২০০৯, পৃষ্ঠা-৫ * মুসলিম লীগ ও কংগ্রেস বঙ্গবিভাগের প্রস্তাব গ্রহণ করিলে স্থির হইল যে, বঙ্গদেশের বিধানসভায় ভারতীয় সদস্যগণ দুইভাগে বিভক্ত হইবে। যে সব জিলায় মুসলমানদের সংখ্যা বেশী এবং অন্য সব জিলার সদস্যগণ-এই দুই দল পৃথকভাবে মিলিত হইয়া ভোট দিবে–তাহারা বঙ্গদেশকে বিভক্ত করার পক্ষে কি বিপক্ষে। যদি ইহার যে কোন দলের অধিকসংখ্যক সদস্য দেশ বিভাগ করার পক্ষে ভোট দেয়, তাহা হইলে বঙ্গদেশ দুই ভাগ করা হইবে। তদনুসারে ২০শে জুন, ১৯৪৭ বঙ্গদেশের যে অংশে হিন্দুরা সংখ্যাগরিষ্ঠ তাহার সদস্যদের মধ্যে ৫৮ জন বঙ্গবিভাগে সপক্ষে এবং ২১ জন বিপক্ষে ভোট দিল। অন্য অংশের সদস্যদের মধ্যে ১০৬ জন বঙ্গবিভাগের বিপক্ষে এবং ৩৫ জন ইহার সপক্ষে ভোট দিল। ১৯৪৭ সনের ১৫ই ও ১৬ই জুলাই ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সাধারণ ও লর্ডসভা ভারত-স্বাধীনতার বিল পাশ করিল এবং ১৮ই ইহা আইনে পরিণত হইল। স্থির হইল যে, ১৫ই অগষ্ট (১৯৪৭) তারিখ হইতে ভারত স্বাধীন হইবে। অখণ্ড বঙ্গ বা বাংলাদেশ ভারতের মানচিত্র হইতে মুছিয়া গেল, তাহার পরিবর্তে হইল পশ্চিমবঙ্গ ও পূর্ব পাকিস্তান। ** [[রমেশচন্দ্র মজুমদার]]। "বাংলা দেশের ইতিহাস, চতুর্থ খণ্ড (১৯০৫-১৯৪৭)" প্রকাশক: জেনারেল প্রিন্টার্স য়্যাণ্ড পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড, প্রথম সংস্করণ: ৪ ডিসেম্বর ১৯৭৫, পৃষ্ঠা: ৪৬৩-৪৬৪ * ১৯৪৭-এ মুসলিম লীগ বাংলাভাগ চাচ্ছে না, কিন্তু ভারতভাগ চাচ্ছে। কংগ্রেস [[ভারত বিভাজন|ভারতভাগ]] চায় না, কিন্তু ভারতভাগ যদি ঘটেই তাহলে অবশ্যই বাংলাকে ভাগ করতে হবে। কমিউনিস্ট পার্টি বাংলাভাগের বিপক্ষে, কিন্তু তাদের সাংগঠনিক শক্তি দুর্বল। ভরসা দিতে পারতেন [[আবুল কাশেম ফজলুল হক|ফজলুল হক]]। কিন্তু তা তিনি দেন নি। দেবার ইচ্ছা ছিল, কিন্তু ক্ষমতা ছিল না।...তাঁর নবযুগ পত্রিকা বাংলাকে সার্বভৌম রাষ্ট্র করার পক্ষে মত দিয়েছে। পত্রিকার সম্পাদক [[কাজী নজরুল ইসলাম]] [[পাকিস্তান|পাকিস্তানকে]] ফাঁকিস্তান বলে ঠাট্টা করেছেন। কিন্তু সেসব কথা কে শোনে। কৃষক প্রজা পার্টির এক শতজন বিশিষ্ট নেতা (১৩ মে ১৯৪৭) বিবৃতি দিয়ে বলেছেন যে, তাঁরা ভারতভাগ ও বাংলাভাগ উভয়েরই বিরুদ্ধে। ** [[সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী]]। ''জাতীয়তাবাদ, সাম্প্রদায়িকতা ও জনগণের মুক্তি ১৯০৫-১৯৪৭'', প্রকাশক: সংহতি প্রকাশন, প্রকাশকাল: ফেব্রুয়ারি ২০১৬, পৃষ্ঠা: ৫২০ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:২০শ শতাব্দীতে পাকিস্তান]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৭]] as2q5ktk96a4qgsiun3dzxmqnjvf7ti দ্বিজাতি তত্ত্ব 0 6139 84180 72242 2026-08-14T15:00:52Z ফারদিন 52 /* উক্তি */ উক্তি যোগ 84180 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Brit IndianEmpireReligions3.jpg|thumb|১৯০৯ সালে ব্রিটিশ ভারতের মানচিত্র। বিভিন্ন ধর্মের সংখ্যাগরিষ্ঠতা বিভিন্ন রং-এ চিহ্নিত করা হয়েছে।]] '''[[:w:দ্বিজাতি তত্ত্ব|দ্বিজাতি তত্ত্ব]]''' হলো এমন একটি মতাদর্শ যেখানে ভারতীয় উপমহাদেশের [[মুসলমান|মুসলমানদের]] প্রাথমিকভাবে কেবলমাত্র তাদের ধর্মের মাধ্যমে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ভারতীয় [[মুসলমান]] এবং [[হিন্দু]] দুটি স্বতন্ত্র [[জাতীয়তা|জাতীয়তার]] পরিচয় দেয়া হয়েছে, এবং যেখানে ভাষা, বর্ণ এবং অন্যান্য বৈশিষ্টের তুলনায় ধর্মকে বেশি প্রধান্য দেয়া হয়েছে। পাকিস্তান আন্দোলন এবং ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের অন্যতম কারণ ছিলো এই দ্বিজাতি তত্ত্ব। == উক্তি == * বাস্তব জীবনে আমাদেরকে দুটো জাতিতে ভাগ করা অসম্ভব। আমরা দুই জাতি নই। প্রত্যেক মুসলমানের একটি হিন্দু নাম থাকবে যদি সে তার পারিবারিক ইতিহাসে অনেক পিছিয়ে যায়। প্রত্যেক মুসলমান ইসলাম গ্রহণকারী হিন্দু মাত্র। এতে জাতীয়তা তৈরি হয় না। ... আমাদের ভারতে একটি সাধারণ সংস্কৃতি রয়েছে। উত্তরে হিন্দি ও উর্দু হিন্দু ও মুসলমান উভয়েই বোঝে। মাদ্রাজে হিন্দু ও মুসলমানরা তামিল ভাষায় কথা বলে এবং বাংলায় তারা উভয়ই বাংলা ভাষায় কথা বলে, হিন্দি বা উর্দু নয়। যখন সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা হয়, তখন তারা সবসময় গরু এবং ধর্মীয় শোভাযাত্রার ঘটনা দ্বারা উস্কে দেওয়া হয়। এর অর্থ হ'ল এটি আমাদের কুসংস্কার যা সমস্যা তৈরি করে, আমাদের পৃথক জাতীয়তা নয়। ** [[মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী|মহাত্মা গান্ধী]], লুই ফিশারের সাথে কথোপকথন, ৬ জুন ১৯৪২, ''এ উইক উইথ গান্ধী'', ৪৫-৪৬ পৃষ্ঠা। * সুতরাং মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকার অমুসলিমদের উপর আক্রমণ চালানোর জন্য মুসলিম লীগ এই দ্বিমুখী প্রচেষ্টা চালিয়েছিল। প্রথমতঃ তারা তার দ্বিজাতি তত্ত্ব প্রচার করছিল এবং হিন্দুদের বিরুদ্ধে এবং পাঞ্জাবে শিখদের প্রতিও তার আপসহীন বিরোধিতা প্রচার করছিল। এটি একটি সাধারণ ভারতীয় সংস্কৃতি এবং একটি ভারতীয় জাতিসত্তার মতো সমস্ত জিনিস লিখে ফেলার চেষ্টা করেছিল। ভারতের মুসলমানদের আত্মনিয়ন্ত্রণের নামে তাদের মধ্যে অসহিষ্ণুতা, ঔদ্ধত্য ও ঘৃণার ঈমান ঢুকিয়ে দেয়। এসবই হিন্দু ভারতের সাথে কোন আপোষকে মুসলমানদের পক্ষে অসম্ভব করে তুলেছিল; হিন্দুদের চরম দাবি আদায়ের জন্য তাদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে। ** [[গুরবচন সিং তালিব]] (১৯৫০)। [https://web.archive.org/web/20100620015130/http://www.bharatvani.org/books/mla/index.htm পাঞ্জাবে শিখ ও হিন্দুদের উপর মুসলিম লীগের আক্রমণ, ১৯৪৭]। অমৃতসর: শিরোমণি গুরুদ্বার প্রবন্ধক কমিটি। [https://www.allaboutsikhs.com/sikh-literature/books-gst/muslim-league-attack-on-sikhs-and-hindus-in-the-punjab-1947-sind/] [https://www.sikhiwiki.org/index.php/Muslim_League_Attack_on_Sikhs_and_Hindus_in_the_Punjab_1947] [http://www.bharatvani.org/books/mla/index.htm] [https://voibooks.bitbucket.io/mla/index.html] (অধ্যায় ১) * "ভারতের উত্তর-পশ্চিম এবং উত্তর-পূর্ব অঞ্চলে, যা আমাদের মাতৃভূমি এবং যেখানে আমরা ৭০% সংখ্যাগরিষ্ঠ, আমরা বলি যে আমরা আমাদের নিজস্ব একটি পৃথক রাজ্য চাই। সেখানে আমরা জীবন সম্পর্কে আমাদের নিজস্ব ধারণা অনুযায়ী জীবনযাপন করতে পারি। হিন্দু ও মুসলমানের মধ্যে পার্থক্য এতই মৌলিক যে জীবনে এমন কিছুই নেই যাতে আমরা একমত হই। ইতিহাসের যে কোনো ছাত্রের কাছেই এটা সুপরিচিত যে, আমাদের নায়ক, আমাদের সংস্কৃতি, আমাদের ভাষা, আমাদের সংগীত, আমাদের স্থাপত্য, আমাদের আইনশাস্ত্র, আমাদের সামাজিক জীবন একেবারেই আলাদা এবং স্বতন্ত্র। আমাদের বলা হয় যে তথাকথিত এক ভারত ব্রিটিশ তৈরি। সেটা ছিল তরবারির জোরে। যেভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে সেভাবেই কেবল এটি অনুষ্ঠিত হতে পারে। কেউ বলে বিভ্রান্ত হবেন না যে ভারত এক এবং কেন এটি এক হওয়া উচিত নয়। আমরা কী চাই? আমি বলি, পাকিস্তান। পাকিস্তান মনে করে, হিন্দুস্তানও একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হওয়া উচিত। হিন্দুরা কী হারাবে? মানচিত্রে দেখুন। তারা ভারতের তিন-চতুর্থাংশ দখল করবে। তাদের সেরা অংশ থাকবে। তাদের জনসংখ্যা প্রায় ২০ কোটি। তিনি বলেন, পাকিস্তান অবশ্যই ভারতের ভালো অংশ নয়। আমাদের জনসংখ্যা এক কোটি হওয়া উচিত, যাদের সবাই মুসলমান। ২৭ জুলাই আমরা আমাদের নীতি পরিবর্তন করার এবং 'ডাইরেক্ট অ্যাকশন' (নীতির একটি বড় পরিবর্তন) অবলম্বন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি এবং ১৬ আগস্ট আমরা আমাদের জনগণকে এটি জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সামগ্রিক অবস্থান পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ভারতকে বিভক্ত করা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। মুসলিমদের মাতৃভূমি দাও, হিন্দুদের হিন্দুস্তান দাও।" ** কিংসওয়ে হলে জিন্নাহ। গুরুবচন সিং তালিব থেকে উদ্ধৃত (১৯৫০)। [https://web.archive.org/web/20100620015130/http://www.bharatvani.org/books/mla/index.htm পাঞ্জাবে শিখ ও হিন্দুদের উপর মুসলিম লীগের আক্রমণ, ১৯৪৭]। অমৃতসর: শিরোমণি গুরুদ্বার প্রবন্ধক কমিটি। [https://www.allaboutsikhs.com/sikh-literature/books-gst/muslim-league-attack-on-sikhs-and-hindus-in-the-punjab-1947-sind/] [https://www.sikhiwiki.org/index.php/Muslim_League_Attack_on_Sikhs_and_Hindus_in_the_Punjab_1947] [http://www.bharatvani.org/books/mla/index.htm] [https://voibooks.bitbucket.io/mla/index.html] ১২-১৩ পৃষ্ঠা * আমি পাঞ্জাব, উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশ, সিন্ধু ও বেলুচিস্তানকে একক রাষ্ট্রে একীভূত দেখতে চাই। ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের ভেতরে অথবা ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বাইরে স্বায়ত্তশাসন, এক ঐক্যবদ্ধ উত্তর-পশ্চিম ভারতীয় মুসলিম রাষ্ট্রগঠন, আমার কাছে মুসলমানদের, অন্তত উত্তর-পশ্চিম ভারতের মুসলমানদের চূড়ান্ত ভাগ্য বলে মনে হয়। ** [http://www.columbia.edu/itc/mealac/pritchett/00islamlinks/txt_iqbal_1930.html স্যার মুহাম্মদ ইকবালের ১৯৩০ সালের রাষ্ট্রপতির ভাষণ], কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় সাইট থেকে-আল্লামা ইকবাল * এ কথা মেনে নিতে কষ্ট হয় যে, কেন আমাদের হিন্দু বন্ধুগণ ইসলাম ও হিন্দু মতবাদের প্রকৃত প্রকৃতি অনুধাবন করতে অপারগ হচ্ছেন। কঠোর অর্থে তারা ধর্মীয় নয়, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে, ভিন্ন এবং স্বতন্ত্র সামাজিক শৃঙ্খলা, এবং এটি একটি স্বপ্ন যে হিন্দু ও মুসলমানরা কখনও একটি সাধারণ জাতীয়তা বিকশিত করতে পারে, এবং একটি ভারতীয় জাতি সম্পর্কে এই ভুল ধারণার সমস্যা রয়েছে এবং আমরা যদি সময়মতো আমাদের ধারণাগুলি সংশোধন করতে ব্যর্থ হই তবে ভারতকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাবে। হিন্দু ও মুসলমান দুটি ভিন্ন ধর্মীয় দর্শন, সামাজিক রীতিনীতি, সাহিত্যের অনুসারী। তারা আন্তঃবিবাহ করে না বা একসাথে আন্তঃসম্পর্ক করে না এবং প্রকৃতপক্ষে, তারা দুটি ভিন্ন সভ্যতার অন্তর্গত যা প্রধানত পরস্পরবিরোধী ধারণা এবং ধারণার উপর ভিত্তি করে। জীবন ও জীবন সম্পর্কে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি ভিন্ন। এটা বেশ স্পষ্ট যে হিন্দু ও মুসলমানরা ইতিহাসের বিভিন্ন উৎস থেকে তাদের অনুপ্রেরণা অর্জন করে। তাদের বিভিন্ন নৈতিকতা, বিভিন্ন নায়ক এবং বিভিন্ন পর্ব রয়েছে। প্রায়শই একজনের নায়ক অন্যের শত্রু এবং একইভাবে, তাদের জয় এবং পরাজয় ওভারল্যাপ হয়। একটি একক রাষ্ট্রের অধীনে দুটি জাতিকে একত্রিত করা, একটি সংখ্যাগত সংখ্যালঘু হিসাবে এবং অন্যটি সংখ্যাগরিষ্ঠ হিসাবে অবশ্যই ক্রমবর্ধমান অসন্তোষ এবং সেই জাতীয় রাষ্ট্রের সরকারের জন্য নির্মিত যে কোনও ফ্যাব্রিকের চূড়ান্ত ধ্বংসের দিকে পরিচালিত করবে। **[[মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ]] [http://www.columbia.edu/itc/mealac/pritchett/00islamlinks/txt_jinnah_lahore_1940.html] মুসলিম লীগকে মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর রাষ্ট্রপতির ভাষণ, লাহোর, ১৯৪০ কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় * স্থানীয় রাজনীতিকদের কেউ কেউ আশা করেছিলেন ভারতবিভাগ সাম্প্রদায়িক সমস্যার সমাধান করবে। তেমনটা মোটেই ঘটেনি। [[মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ|জিন্নাহ]] ভারত ছেড়ে চলে গেলেন পাকিস্তানে, ভারতীয় মুসলমানদের বলে গেলেন ভারতের নাগরিক হিসাবে বসবাস করতে। কিন্তু তাদেরকে তো প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল স্বাধীন 'আবাসভূমি'র। পাকিস্তানের সংখ্যালঘুদের তিনি পরামর্শ দিলেন পাকিস্তানী হয়ে যেতে, অর্থাৎ দ্বিজাতিতত্ত্ব ভুলে যেতে। যে-ভিত্তির ওপর পাকিস্তান প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর তাকেই তিনি নাকচ করে দিলেন অমন অনায়াসে। ** [[সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী]]। ''জাতীয়তাবাদ, সাম্প্রদায়িকতা ও জনগণের মুক্তি ১৯০৫-১৯৪৭'', প্রকাশক: সংহতি প্রকাশন, প্রকাশকাল: ফেব্রুয়ারি ২০১৬, পৃষ্ঠা: ৩১ * [[আবুল হাশিম]] ধীরে ধীরে, "দ্বিজাতি তত্ত্বের অসারতা ও অযৌক্তিকতা নিয়ে আমাদের সাথে বৈঠকী আলোচনা করতে থাকেন। তিনি বলেন একটি [[জাতি]] গঠনের পক্ষে কেবলমাত্র কোনো একটি ধর্মীয় বন্ধনই যথেষ্ট নয়। রাষ্ট্রবিজ্ঞানের সংজ্ঞা অনুযায়ী একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক পরিসীমায় বসবাসকারী একটি সাধারণ ভাষা-সংস্কৃতির বন্ধনে একটি মানবগোষ্ঠীর একাত্মতা এবং একটি জাতীয়তার মানসিকতা গড়ে ওঠে। শুধু ধর্মীয় বন্ধনই যদি একটি জাতিগঠনের জন্য যথেষ্ট হত তাহলে [[মধ্যপ্রাচ্য|মধ্যপ্রাচ্যের]] মুসলমানরা একটি জাতি নয় কেন?" ** [[w:bn:মোহাম্মদ তোয়াহা|মোহাম্মদ তোয়াহা]]। ''জাতীয়তাবাদ, সাম্প্রদায়িকতা ও জনগণের মুক্তি ১৯০৫-১৯৪৭''-সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, প্রকাশক: সংহতি প্রকাশন, প্রকাশকাল: ফেব্রুয়ারি ২০১৬, পৃষ্ঠা: ৫২৪-৫২৫ == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:পাকিস্তান]] 9c9edic9j9g8sqlh56nahrwizz181vu ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় 0 6358 84185 69810 2026-08-14T17:49:55Z ফারদিন 52 84185 wikitext text/x-wiki '''[[:w:ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়|ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়]]''' ('''ঢাবি''') ঢাকার শাহবাগে অবস্থিত বাংলাদেশের একটি স্বায়ত্তশাসিত সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। ১৯২১ সালে তদানীন্তন ব্রিটিশ ভারতে অক্সব্রিজ শিক্ষা ব্যবস্থা অনুসরণে এটি স্থাপিত হয়। এর শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয় ১৯২১ সালের ১ জুলাই। সূচনালগ্নে বিভিন্ন প্রথিতযশা বৃত্তিধারী ও বিজ্ঞানীদের দ্বারা কঠোরভাবে মান নিয়ন্ত্রিত হবার প্রেক্ষাপটে এটি '''প্রাচ্যের অক্সফোর্ড''' নামে স্বীকৃতি পায়। == ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে উক্তি == * এই জাতির যা কিছু মহৎ, যা কিছু উত্তম তার সবকিছুর পেছনের যে ভূমিকা তা এই বিশ্ববিদ্যালয়ের। বাংলাদেশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা, একটি অসাম্প্রদায়িক, মানবিক, বুদ্ধিভিত্তিক আন্দোলনে, জাতীয়তাবাদী, গণতান্ত্রিক মূলবোধের বিকাশে সর্বোপরি একটি জাতির সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক গণতান্ত্রিক এই সকল মূল্যবোধের লালনকেন্দ্রের উৎপত্তিস্থল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। এটিকে আবর্তন করেই জাতির সকল বৃহত্তর অর্জনসমূহ, সকল উন্নয়নের একটি শক্তিশালী নিয়ামক ও অনুঘটক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশের সবই ইতিহাস এক সূত্রে গাথা। ** ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক [[মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান]] বলেছেন উদ্ধৃত [https://www.jagonews24.com/m/education/news/680073 জাগো নিউজ] ০১ জুলাই ২০২১ * এটি কোন মুসলিম কিংবা হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয় হবে না, এটি সবার এবং প্রত্যেক মানুষের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। ** ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভাইস চ্যান্সেলর ফিলিপ জে হার্টজ তার দেওয়া প্রথম ভাষণে। [https://bangla.bdnews24.com/opinion/4252] == আরও দেখুন == * [[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিতর্ক]] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯২১-এ প্রতিষ্ঠিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯২১-এ ব্রিটিশ ভারতে প্রতিষ্ঠিত]] [[বিষয়শ্রেণী:ঢাকার বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ]] lagv59z1vknbe1l1wdckdweionaapne 84188 84185 2026-08-14T18:06:46Z ফারদিন 52 /* ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে উক্তি */ উক্তি যোগ 84188 wikitext text/x-wiki '''[[:w:ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়|ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়]]''' ('''ঢাবি''') ঢাকার শাহবাগে অবস্থিত বাংলাদেশের একটি স্বায়ত্তশাসিত সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। ১৯২১ সালে তদানীন্তন ব্রিটিশ ভারতে অক্সব্রিজ শিক্ষা ব্যবস্থা অনুসরণে এটি স্থাপিত হয়। এর শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয় ১৯২১ সালের ১ জুলাই। সূচনালগ্নে বিভিন্ন প্রথিতযশা বৃত্তিধারী ও বিজ্ঞানীদের দ্বারা কঠোরভাবে মান নিয়ন্ত্রিত হবার প্রেক্ষাপটে এটি '''প্রাচ্যের অক্সফোর্ড''' নামে স্বীকৃতি পায়। == ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে উক্তি == * প্রাচীন কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে নবীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুতর প্রভেদগুলিই উল্লেখ করিলাম। কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ন্যায় এখানেও গবেষণার উপযুক্ত ব্যবস্থা ছিল এবং এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষক ও ছাত্র গবেষণার জন্য প্রসিদ্ধি লাভ করিয়াছেন। প্রসঙ্গক্রমে বলা যাইতে পারে যে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের তিনজন অধ্যাপক—[[সত্যেন্দ্রনাথ বসু]], কৃষ্ণান ও মাহেশ্বরী বিলাতের রয়‍্যাল সোসাইটির ফেলো নির্বাচিত হইয়াছিলেন। এরূপ সম্মান কলিকাতা বা আর কোন বিশ্ববিদ্যালয় দাবি করিতে পারে না। ইহারা ছাড়াও [[হরপ্রসাদ শাস্ত্রী]], নরেশচন্দ্র সেনগুপ্ত, জ্ঞানচন্দ্র ঘোষ, চারু বন্দ্যোপাধ্যায়, [[মোহিতলাল মজুমদার]], হীরেন্দ্রলাল দে, [[মুহম্মদ শহীদুল্লাহ|মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্]], হরিদাস ভট্টাচার্য, সুশীলকুমার দে প্রভৃতির ন্যায় বিশিষ্ট অধ্যাপক ছিলেন। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণ শিক্ষক মামুদ হাসান ও মুহম্মদ হুসেন পরবর্তী কালে পাকিস্তানে যথাক্রমে রাজদূত ও মন্ত্রীর পদ অধিকার করিয়াছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বহু মুসলমান ছাত্র পাকিস্তানে অনেক উচ্চপদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলেই [[পূর্ববঙ্গ|পূর্ববঙ্গের]] মুসলমান সমাজে একটি শিক্ষিত মধ্য শ্রেণীর উদ্ভব সম্ভবপর হইয়াছিল, ইহা বলিলে বিশেষ অত্যুক্তি হইবে না। ** [[রমেশচন্দ্র মজুমদার]]। ''বাংলা দেশের ইতিহাস, চতুর্থ খণ্ড (১৯০৫-১৯৪৭)'', প্রকাশক: জেনারেল প্রিন্টার্স য়্যাণ্ড পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড, প্রথম সংস্করণ: ৪ ডিসেম্বর ১৯৭৫, পৃষ্ঠা: ৫২৬ * এই জাতির যা কিছু মহৎ, যা কিছু উত্তম তার সবকিছুর পেছনের যে ভূমিকা তা এই বিশ্ববিদ্যালয়ের। বাংলাদেশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা, একটি অসাম্প্রদায়িক, মানবিক, বুদ্ধিভিত্তিক আন্দোলনে, জাতীয়তাবাদী, গণতান্ত্রিক মূলবোধের বিকাশে সর্বোপরি একটি জাতির সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক গণতান্ত্রিক এই সকল মূল্যবোধের লালনকেন্দ্রের উৎপত্তিস্থল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। এটিকে আবর্তন করেই জাতির সকল বৃহত্তর অর্জনসমূহ, সকল উন্নয়নের একটি শক্তিশালী নিয়ামক ও অনুঘটক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশের সবই ইতিহাস এক সূত্রে গাথা। ** ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক [[মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান]] বলেছেন উদ্ধৃত [https://www.jagonews24.com/m/education/news/680073 জাগো নিউজ] ০১ জুলাই ২০২১ * এটি কোন মুসলিম কিংবা হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয় হবে না, এটি সবার এবং প্রত্যেক মানুষের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। ** ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভাইস চ্যান্সেলর ফিলিপ জে হার্টজ তার দেওয়া প্রথম ভাষণে। [https://bangla.bdnews24.com/opinion/4252] == আরও দেখুন == * [[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিতর্ক]] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯২১-এ প্রতিষ্ঠিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯২১-এ ব্রিটিশ ভারতে প্রতিষ্ঠিত]] [[বিষয়শ্রেণী:ঢাকার বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ]] rzn9dngeyr92ylr7vmwig6vswpoy2yy 84189 84188 2026-08-14T18:19:21Z ফারদিন 52 /* ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে উক্তি */ উক্তি যোগ 84189 wikitext text/x-wiki '''[[:w:ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়|ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়]]''' ('''ঢাবি''') ঢাকার শাহবাগে অবস্থিত বাংলাদেশের একটি স্বায়ত্তশাসিত সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। ১৯২১ সালে তদানীন্তন ব্রিটিশ ভারতে অক্সব্রিজ শিক্ষা ব্যবস্থা অনুসরণে এটি স্থাপিত হয়। এর শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয় ১৯২১ সালের ১ জুলাই। সূচনালগ্নে বিভিন্ন প্রথিতযশা বৃত্তিধারী ও বিজ্ঞানীদের দ্বারা কঠোরভাবে মান নিয়ন্ত্রিত হবার প্রেক্ষাপটে এটি '''প্রাচ্যের অক্সফোর্ড''' নামে স্বীকৃতি পায়। == ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে উক্তি == * প্রাচীন কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে নবীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুতর প্রভেদগুলিই উল্লেখ করিলাম। কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ন্যায় এখানেও গবেষণার উপযুক্ত ব্যবস্থা ছিল এবং এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষক ও ছাত্র গবেষণার জন্য প্রসিদ্ধি লাভ করিয়াছেন। প্রসঙ্গক্রমে বলা যাইতে পারে যে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের তিনজন অধ্যাপক—[[সত্যেন্দ্রনাথ বসু]], কৃষ্ণান ও মাহেশ্বরী বিলাতের রয়‍্যাল সোসাইটির ফেলো নির্বাচিত হইয়াছিলেন। এরূপ সম্মান কলিকাতা বা আর কোন বিশ্ববিদ্যালয় দাবি করিতে পারে না। ইহারা ছাড়াও [[হরপ্রসাদ শাস্ত্রী]], নরেশচন্দ্র সেনগুপ্ত, জ্ঞানচন্দ্র ঘোষ, চারু বন্দ্যোপাধ্যায়, [[মোহিতলাল মজুমদার]], হীরেন্দ্রলাল দে, [[মুহম্মদ শহীদুল্লাহ|মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্]], হরিদাস ভট্টাচার্য, সুশীলকুমার দে প্রভৃতির ন্যায় বিশিষ্ট অধ্যাপক ছিলেন। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণ শিক্ষক মামুদ হাসান ও মুহম্মদ হুসেন পরবর্তী কালে পাকিস্তানে যথাক্রমে রাজদূত ও মন্ত্রীর পদ অধিকার করিয়াছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বহু মুসলমান ছাত্র পাকিস্তানে অনেক উচ্চপদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলেই [[পূর্ববঙ্গ|পূর্ববঙ্গের]] মুসলমান সমাজে একটি শিক্ষিত মধ্য শ্রেণীর উদ্ভব সম্ভবপর হইয়াছিল, ইহা বলিলে বিশেষ অত্যুক্তি হইবে না। ** [[রমেশচন্দ্র মজুমদার]]। ''বাংলা দেশের ইতিহাস, চতুর্থ খণ্ড (১৯০৫-১৯৪৭)'', প্রকাশক: জেনারেল প্রিন্টার্স য়্যাণ্ড পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড, প্রথম সংস্করণ: ৪ ডিসেম্বর ১৯৭৫, পৃষ্ঠা: ৫২৬ * বিশ্বভারতীর প্রতিষ্ঠায় [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর|রবীন্দ্রনাথের]] মহান আদর্শ সমগ্র জগতের শ্রদ্ধা আকর্ষণ করিয়াছিল। বিদেশের বহু প্রসিদ্ধ পণ্ডিত (Sylvain Levi, Winternitz, Sten Konow, Tucci) বিশ্বভারতী পরিদর্শন করিতে আসিয়াছিলেন। কিন্তু, এই আদর্শ বিশ্বভারতীর মাধ্যমে কতটা রূপায়িত হইয়াছে তাহা বলা কঠিন।...১৯২২ সন হইতে ১৯৪৭ সনের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও ছাত্রগণ যে কৃতিত্বের পরিচয় দিয়াছেন তাহার সহিত তুলনা করিলে ঐ সময়ের মধ্যে বিশ্বভারতীর কৃতিত্ব এ-বিষয়ে নগণ্য বলিলে বিশেষ অত্যুক্তি হইবেনা। ** [[রমেশচন্দ্র মজুমদার]]। ''বাংলা দেশের ইতিহাস, চতুর্থ খণ্ড (১৯০৫-১৯৪৭)'', প্রকাশক: জেনারেল প্রিন্টার্স য়্যাণ্ড পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড, প্রথম সংস্করণ: ৪ ডিসেম্বর ১৯৭৫, পৃষ্ঠা: ৫৩০ * এই জাতির যা কিছু মহৎ, যা কিছু উত্তম তার সবকিছুর পেছনের যে ভূমিকা তা এই বিশ্ববিদ্যালয়ের। বাংলাদেশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা, একটি অসাম্প্রদায়িক, মানবিক, বুদ্ধিভিত্তিক আন্দোলনে, জাতীয়তাবাদী, গণতান্ত্রিক মূলবোধের বিকাশে সর্বোপরি একটি জাতির সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক গণতান্ত্রিক এই সকল মূল্যবোধের লালনকেন্দ্রের উৎপত্তিস্থল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। এটিকে আবর্তন করেই জাতির সকল বৃহত্তর অর্জনসমূহ, সকল উন্নয়নের একটি শক্তিশালী নিয়ামক ও অনুঘটক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশের সবই ইতিহাস এক সূত্রে গাথা। ** ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক [[মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান]] বলেছেন উদ্ধৃত [https://www.jagonews24.com/m/education/news/680073 জাগো নিউজ] ০১ জুলাই ২০২১ * এটি কোন মুসলিম কিংবা হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয় হবে না, এটি সবার এবং প্রত্যেক মানুষের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। ** ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভাইস চ্যান্সেলর ফিলিপ জে হার্টজ তার দেওয়া প্রথম ভাষণে। [https://bangla.bdnews24.com/opinion/4252] == আরও দেখুন == * [[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিতর্ক]] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯২১-এ প্রতিষ্ঠিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯২১-এ ব্রিটিশ ভারতে প্রতিষ্ঠিত]] [[বিষয়শ্রেণী:ঢাকার বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ]] plt5h3626iew1ua4r1bchk5x7nzsxtw বিষয়শ্রেণী:শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ড 14 8886 84187 49825 2026-08-14T18:00:45Z ফারদিন 52 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:শেখ মুজিবুর রহমান]] যোগ 84187 wikitext text/x-wiki [[বিষয়শ্রেণী:শেখ মুজিবুর রহমান]] mk55cny4i0is2zcx7p4hh1bozwruaba বঙ্গভঙ্গ (১৯০৫) 0 9679 84194 84175 2026-08-14T19:25:35Z ফারদিন 52 উক্তি যোগ 84194 wikitext text/x-wiki '''[[w:bn:বঙ্গভঙ্গ (১৯০৫)|বঙ্গভঙ্গ]]''' বাংলার ইতিহাসে একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ১৯০৫ সালের ১৬ই অক্টোবর ভারতের ভাইসরয় লর্ড কার্জনের আদেশে ১ম '''বঙ্গভঙ্গ''' সম্পন্ন হয়। বাংলা বিভক্ত করে ফেলার ধারনাটি অবশ্য কার্জন থেকে শুরু হয়নি। ১৭৬৫ সালের পর থেকেই বিহার ও ওড়িশা বাংলার অন্তর্ভুক্ত ছিল। ফলে সরকারী প্রশাসনিক এলাকা হিসেবে বাংলা অতিরিক্ত বড় হয়ে যায় এবং ব্রিটিশ সরকারের পক্ষে এটির সুষ্ঠু শাসনক্রিয়া দুরূহ হয়ে পড়ে। বঙ্গভঙ্গের সূত্রপাত এখান থেকেই। == উক্তি == * আমাদের চিন্তা করবার বিষয়টা হচ্ছে এই যে, [[বঙ্গ|বাংলা]] দ্বিখণ্ডিত হলে [[বাঙালি জাতি|বাঙালিজাতের]] মধ্যে যে পঙ্গুতার সৃষ্টি হত সেটা বাংলাদেশের সকল সম্প্রদায়ের এবং বস্তুত সমস্ত ভারতবর্ষেরই পক্ষে অকল্যাণকর, এটা যথার্থ দরদ দিয়ে বোঝবার মতো একাত্মকতা আমাদের নেই ব'লে সে দিন বাঙালি হিন্দুর বিরুদ্ধে অনাত্মীয় অসহ-যোগিতা সম্ভব হয়েছিল। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]]। ''কালান্তর'', প্রকাশক: বিশ্বভারতী গ্রন্থালয়, প্রকাশসাল: ১৩৫৫ পৌষ, পৃষ্ঠা: [https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.339356/page/n342/mode/1up ৩৩২] * বাংলার মাটি, বাংলার জল, বাংলার বায়ু, বাংলার ফল-<br>পূণ্য হউক, পূণ্য হউক, পূণ্য হউক হে ভগবান।।<br>বাংলার ঘর, বাংলার হাট, বাংলার বন, বাংলার মাঠ-<br> পূর্ণ হউক, পূর্ণ হউক, পূর্ণ হউক হে ভগবান।।<br>বাঙালির পণ, বাঙালির আশা, বাঙালির কাজ, বাঙালির ভাষা-<br>সত্য হউক, সত্য হউক, সত্য হউক হে ভগবান।।<br>বাঙালির প্রাণ, বাঙালির মন, বাঙালির ঘরে যত ভাই বোন-<br>এক হউক, এক হউক, এক হউক হে ভগবান।। ** ১৯০৫ সালের ১৭ই অক্টোবর বঙ্গভঙ্গের প্রতিবাদে [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর|রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের]] লিখিত "বাংলার মাটি বাংলা জল" গানটির অংশ। * ১৯০৫ সালে লর্ড কার্জন বাংলাকে বিভক্ত করেন এবং স্যার সুরেন্দ্রনাথ ব্যানার্জীর নেতৃত্বে বাংলার হিন্দুরা বঙ্গভঙ্গ রদ করণের জন্য তীব্র আন্দোলন শুরু করেন। স্যার সুরেন্দ্রনাথ ব্যানার্জীর আন্দোলন উপমহাদেশের সকল অঞ্চলে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ল এবং সে আন্দোলন খুব শক্তিশালী হয়ে উঠল। হিন্দুরা উচ্চ প্রশংসা করে সুরেন্দ্রনাথ ব্যানার্জীকে বলতেন, 'Mr Surrender not'। আবদুর রসুল এবং আমার পিতা বর্ধমানের মৌলবী আবুল কাসেমের মতো স্থির মস্তিষ্ক সম্পন্ন ব্যক্তিরা স্যার সুরেন্দ্রনাথ ব্যানার্জীকে সমর্থন করেন এবং পূর্ববঙ্গ ও আসামের রাজনীতিতে অনভিজ্ঞ মুসলমানরা ঢাকার নওবাব স্যার সেলিমুল্লাহর নেতৃত্বে লর্ড কার্জনের বঙ্গভঙ্গকে সমর্থন করেন। ১৯১১ সালে বৃটিশ সরকার বঙ্গভঙ্গ রদ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করল এবং ভারতের রাজধানী কলকাতা থেকে দিল্লীতে সরিয়ে নিল। ** [[আবুল হাশিম]]। "আমার জীবন ও বিভাগপূর্ব বাংলাদেশের রাজনীতি", প্রকাশক:চিরায়ত প্রকাশন প্রাইভেট লিমিটেড, প্রথম প্রকাশ: ফেব্রুয়ারি ১৯৭৮, পৃষ্ঠা: ১২১-১২২ * ১৯০৫ সালে বাংলা একবার বিভক্ত হয়েছিল। প্রদেশ হিসাবে বাংলা তখন অনেক বড়; বিহার, উড়িষ্যা ও ছোটনাগপুর তার সঙ্গে যুক্ত। সেই প্রদেশকে ভেঙ্গে দু' টুকরো করা হলো; পূর্ববঙ্গকে আসামের সঙ্গে যুক্ত করে গঠিত হলো নতুন এক প্রদেশ। সেই বিভাজন অবশ্য টেকে নি। প্রবল আন্দোলনের মুখে পাঁচ বছর পরে ১৯১১ সালে ব্রিটিশ সরকার হাতগুটিয়ে নিয়ে বঙ্গভঙ্গ রদ করেছিল। তবে আগের বাংলা প্রদেশ আর ফিরে আসে নি। ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী কলকাতা থেকে স্থানান্তরিত হয়ে চলে গেলো দিল্লীতে, অর্থাৎ কলকাতা তার গুরুত্ব হারালো; এ যেন অনেকটা প্রতিশোধ গ্রহণ। বিহার, উড়িষ্যা ও ছোটনাগপুর আলাদা হয়ে গেল বাংলা থেকে, আসাম রইলো আগের মতোই স্বতন্ত্র। আয়তনে ও গুরুত্বে বঙ্গ প্রদেশ অনেকটা খাটো হয়ে গেল। ** [[সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী]]। ''[[জাতীয়তাবাদ, সাম্প্রদায়িকতা ও জনগণের মুক্তি ১৯০৫-১৯৪৭]]'', প্রকাশক: সংহতি প্রকাশন, প্রকাশকাল: ফেব্রুয়ারি ২০১৬, পৃষ্ঠা:১৩ * সবমিলিয়ে বঙ্গভঙ্গ-বিরোধী আন্দোলন বাংলার জন্য একটা উজ্জ্বল সময়। কিন্তু এই উজ্জ্বলতার আড়ালে একটি অন্ধকারও তৎপর হয়ে উঠছিল। আন্দোলনে [[ধর্ম|ধর্মকে]] ব্যবহার করা হচ্ছিল; পরবর্তীতে সেই ব্যবহারটা কমে নি, বরঞ্চ ক্রমাগত বৃদ্ধি পেয়েছে। ধর্মীয় বিভাজন ভাষার ভিত্তিতে গড়ে-ওঠা জাতীয়তার ইহজাগতিকবোধকে ভেতর থেকে দুর্বল করে দেওয়া শুরু করেছিল। ক্রমে সাম্প্রদায়িকতা চলে এলো। ব্রিটিশ শাসকেরা [[সাম্প্রদায়িকতা|সাম্প্রদায়িকতার]] বৃদ্ধিকে উৎসাহিত করেছে, কিন্তু তাদের উৎসাহদান কাজে লাগতো না যদি আন্দোলনের ভেতরেই সাম্প্রদায়িকতার পক্ষে বিকশিত হবার সুযোগ ও সম্ভাবনা বিদ্যমান না থাকতো। সাম্প্রদায়িকতা বৃদ্ধির ইতিহাসটা মর্মান্তিক; এবং তার পরিণতি হচ্ছে [[বঙ্গভঙ্গ (১৯৪৭)|সাতচল্লিশের]] অতিনির্মম বিভাজন। ওপরতলার মানুষেরা ১৯০৫কে নির্মূল করবার চেষ্টার মধ্য দিয়ে নিজেদের অজান্তেই ১৯৪৭কে অনিবার্য করে তুলেছে। স্বর্ণযুগ আগত মনে হয়েছিল, কিন্তু আসে নি। এলো না।<br>১৯০৫এ রাজনৈতিক পক্ষ ছিল দু'টি, ব্রিটিশ শাসক ও শাসিত জনগণ; ১৯০৬এ নিখিল-ভারত মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠার ভেতর দিয়ে ভিত্তি তৈরী হলো তিনটি পক্ষের—ব্রিটিশ শাসক, শাসিত [[হিন্দু]] এবং শাসিত [[মুসলমান]]। ** [[সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী]]। ''[[জাতীয়তাবাদ, সাম্প্রদায়িকতা ও জনগণের মুক্তি ১৯০৫-১৯৪৭]]'', প্রকাশক: সংহতি প্রকাশন, প্রকাশকাল: ফেব্রুয়ারি ২০১৬, পৃষ্ঠা:২৫ * এবার আসি বঙ্গভঙ্গ নিয়ে [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর|রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের]] চিন্তা-চেতনার জায়গায়। বঙ্গভঙ্গের ঘটনার সঙ্গে [[বাংলাদেশ]] চেতনার কোনো সম্পর্কই নেই। ইংরেজরা যখন ডিভাইড অ্যান্ড রুল-এর নীতিতে বঙ্গভঙ্গ করল, তখন দুই বঙ্গের অনেক মুক্তমনা এই বঙ্গভঙ্গের বিরোধিতা করেছিল এই কারণে যে প্রথমত ইংরেজরা প্রথমবারের মতো সাফল্যের সঙ্গে [[হিন্দু-মুসলিম সম্পর্ক|হিন্দু-মুসলিমে]] বিভেদ টানতে সক্ষম হয়, যা স্পষ্ট হয় পরবর্তী দাঙ্গায়, [[কাজী নজরুল ইসলাম|নজরুলসহ]] অনেকের লেখনীতে এই দাঙ্গাবিরোধী বক্তব্য পাবেন। তাই যারা ধর্মকেন্দ্রিক [[সাম্প্রদায়িকতা|সাম্প্রদায়িক]] রাজনীতির বিপক্ষে তারা বঙ্গভঙ্গকে সমর্থন জানায়নি। ১৯০৫ সালের প্রেক্ষাপটকে যদি একবিংশ শতাব্দীতে এনে স্থান-কাল-পাত্র না বুঝে সমালোচনা করা হয়, তবে তা নিতান্তই হাস্যকর। ** [[w:bn:মোহাম্মদ আলী আরাফাত|মোহাম্মদ আলী আরাফাত]], [https://web.archive.org/web/20250815175626/https://www.kalerkantho.com/print-edition/sub-editorial/2019/10/02/821225 জাতীয় সংগীত ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর: কিছু মিথ ও প্রকৃত ইতিহাস], ''কালের কণ্ঠ'', ২ অক্টোবর ২০১৯। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:বাংলার ইতিহাস]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের ইতিহাস]] [[বিষয়শ্রেণী:বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি]] 9zos74lu8p2japyh4n4dn5bdtc9xx03 84195 84194 2026-08-14T19:26:06Z ফারদিন 52 84195 wikitext text/x-wiki '''[[w:bn:বঙ্গভঙ্গ (১৯০৫)|বঙ্গভঙ্গ]]''' বাংলার ইতিহাসে একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ১৯০৫ সালের ১৬ই অক্টোবর ভারতের ভাইসরয় লর্ড কার্জনের আদেশে ১ম '''বঙ্গভঙ্গ''' সম্পন্ন হয়। বাংলা বিভক্ত করে ফেলার ধারনাটি অবশ্য কার্জন থেকে শুরু হয়নি। ১৭৬৫ সালের পর থেকেই বিহার ও ওড়িশা বাংলার অন্তর্ভুক্ত ছিল। ফলে সরকারী প্রশাসনিক এলাকা হিসেবে বাংলা অতিরিক্ত বড় হয়ে যায় এবং ব্রিটিশ সরকারের পক্ষে এটির সুষ্ঠু শাসনক্রিয়া দুরূহ হয়ে পড়ে। বঙ্গভঙ্গের সূত্রপাত এখান থেকেই। == উক্তি == * আমাদের চিন্তা করবার বিষয়টা হচ্ছে এই যে, [[বঙ্গ|বাংলা]] দ্বিখণ্ডিত হলে [[বাঙালি জাতি|বাঙালিজাতের]] মধ্যে যে পঙ্গুতার সৃষ্টি হত সেটা বাংলাদেশের সকল সম্প্রদায়ের এবং বস্তুত সমস্ত ভারতবর্ষেরই পক্ষে অকল্যাণকর, এটা যথার্থ দরদ দিয়ে বোঝবার মতো একাত্মকতা আমাদের নেই ব'লে সে দিন বাঙালি হিন্দুর বিরুদ্ধে অনাত্মীয় অসহ-যোগিতা সম্ভব হয়েছিল। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]]। ''কালান্তর'', প্রকাশক: বিশ্বভারতী গ্রন্থালয়, প্রকাশসাল: ১৩৫৫ পৌষ, পৃষ্ঠা: [https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.339356/page/n342/mode/1up ৩৩২] * বাংলার মাটি, বাংলার জল, বাংলার বায়ু, বাংলার ফল-<br>পূণ্য হউক, পূণ্য হউক, পূণ্য হউক হে ভগবান।।<br>বাংলার ঘর, বাংলার হাট, বাংলার বন, বাংলার মাঠ-<br> পূর্ণ হউক, পূর্ণ হউক, পূর্ণ হউক হে ভগবান।।<br>বাঙালির পণ, বাঙালির আশা, বাঙালির কাজ, বাঙালির ভাষা-<br>সত্য হউক, সত্য হউক, সত্য হউক হে ভগবান।।<br>বাঙালির প্রাণ, বাঙালির মন, বাঙালির ঘরে যত ভাই বোন-<br>এক হউক, এক হউক, এক হউক হে ভগবান।। ** ১৯০৫ সালের ১৭ই অক্টোবর বঙ্গভঙ্গের প্রতিবাদে [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর|রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের]] লিখিত "বাংলার মাটি বাংলা জল" গানটির অংশ। * ১৯০৫ সালে লর্ড কার্জন বাংলাকে বিভক্ত করেন এবং স্যার সুরেন্দ্রনাথ ব্যানার্জীর নেতৃত্বে বাংলার হিন্দুরা বঙ্গভঙ্গ রদ করণের জন্য তীব্র আন্দোলন শুরু করেন। স্যার সুরেন্দ্রনাথ ব্যানার্জীর আন্দোলন উপমহাদেশের সকল অঞ্চলে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ল এবং সে আন্দোলন খুব শক্তিশালী হয়ে উঠল। হিন্দুরা উচ্চ প্রশংসা করে সুরেন্দ্রনাথ ব্যানার্জীকে বলতেন, 'Mr Surrender not'। আবদুর রসুল এবং আমার পিতা বর্ধমানের মৌলবী আবুল কাসেমের মতো স্থির মস্তিষ্ক সম্পন্ন ব্যক্তিরা স্যার সুরেন্দ্রনাথ ব্যানার্জীকে সমর্থন করেন এবং পূর্ববঙ্গ ও আসামের রাজনীতিতে অনভিজ্ঞ মুসলমানরা ঢাকার নওবাব স্যার সেলিমুল্লাহর নেতৃত্বে লর্ড কার্জনের বঙ্গভঙ্গকে সমর্থন করেন। ১৯১১ সালে বৃটিশ সরকার বঙ্গভঙ্গ রদ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করল এবং ভারতের রাজধানী কলকাতা থেকে দিল্লীতে সরিয়ে নিল। ** [[আবুল হাশিম]]। "আমার জীবন ও বিভাগপূর্ব বাংলাদেশের রাজনীতি", প্রকাশক:চিরায়ত প্রকাশন প্রাইভেট লিমিটেড, প্রথম প্রকাশ: ফেব্রুয়ারি ১৯৭৮, পৃষ্ঠা: ১২১-১২২ * ১৯০৫ সালে বাংলা একবার বিভক্ত হয়েছিল। প্রদেশ হিসাবে বাংলা তখন অনেক বড়; বিহার, উড়িষ্যা ও ছোটনাগপুর তার সঙ্গে যুক্ত। সেই প্রদেশকে ভেঙ্গে দু' টুকরো করা হলো; পূর্ববঙ্গকে আসামের সঙ্গে যুক্ত করে গঠিত হলো নতুন এক প্রদেশ। সেই বিভাজন অবশ্য টেকে নি। প্রবল আন্দোলনের মুখে পাঁচ বছর পরে ১৯১১ সালে ব্রিটিশ সরকার হাতগুটিয়ে নিয়ে বঙ্গভঙ্গ রদ করেছিল। তবে আগের বাংলা প্রদেশ আর ফিরে আসে নি। ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী কলকাতা থেকে স্থানান্তরিত হয়ে চলে গেলো দিল্লীতে, অর্থাৎ কলকাতা তার গুরুত্ব হারালো; এ যেন অনেকটা প্রতিশোধ গ্রহণ। বিহার, উড়িষ্যা ও ছোটনাগপুর আলাদা হয়ে গেল বাংলা থেকে, আসাম রইলো আগের মতোই স্বতন্ত্র। আয়তনে ও গুরুত্বে বঙ্গ প্রদেশ অনেকটা খাটো হয়ে গেল। ** [[সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী]]। ''[[জাতীয়তাবাদ, সাম্প্রদায়িকতা ও জনগণের মুক্তি ১৯০৫-১৯৪৭]]'', প্রকাশক: সংহতি প্রকাশন, প্রকাশকাল: ফেব্রুয়ারি ২০১৬, পৃষ্ঠা:১৩ * সবমিলিয়ে বঙ্গভঙ্গ-বিরোধী আন্দোলন বাংলার জন্য একটা উজ্জ্বল সময়। কিন্তু এই উজ্জ্বলতার আড়ালে একটি অন্ধকারও তৎপর হয়ে উঠছিল। আন্দোলনে [[ধর্ম|ধর্মকে]] ব্যবহার করা হচ্ছিল; পরবর্তীতে সেই ব্যবহারটা কমে নি, বরঞ্চ ক্রমাগত বৃদ্ধি পেয়েছে। ধর্মীয় বিভাজন ভাষার ভিত্তিতে গড়ে-ওঠা জাতীয়তার ইহজাগতিকবোধকে ভেতর থেকে দুর্বল করে দেওয়া শুরু করেছিল। ক্রমে সাম্প্রদায়িকতা চলে এলো। ব্রিটিশ শাসকেরা [[সাম্প্রদায়িকতা|সাম্প্রদায়িকতার]] বৃদ্ধিকে উৎসাহিত করেছে, কিন্তু তাদের উৎসাহদান কাজে লাগতো না যদি আন্দোলনের ভেতরেই সাম্প্রদায়িকতার পক্ষে বিকশিত হবার সুযোগ ও সম্ভাবনা বিদ্যমান না থাকতো। সাম্প্রদায়িকতা বৃদ্ধির ইতিহাসটা মর্মান্তিক; এবং তার পরিণতি হচ্ছে [[বঙ্গভঙ্গ (১৯৪৭)|সাতচল্লিশের]] অতিনির্মম বিভাজন। ওপরতলার মানুষেরা ১৯০৫কে নির্মূল করবার চেষ্টার মধ্য দিয়ে নিজেদের অজান্তেই ১৯৪৭কে অনিবার্য করে তুলেছে। স্বর্ণযুগ আগত মনে হয়েছিল, কিন্তু আসে নি। এলো না।<br>১৯০৫এ রাজনৈতিক পক্ষ ছিল দু'টি, ব্রিটিশ শাসক ও শাসিত জনগণ; ১৯০৬এ নিখিল-ভারত মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠার ভেতর দিয়ে ভিত্তি তৈরী হলো তিনটি পক্ষের—ব্রিটিশ শাসক, শাসিত [[হিন্দু]] এবং শাসিত [[মুসলমান]]। ** [[সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী]]। ''[[জাতীয়তাবাদ, সাম্প্রদায়িকতা ও জনগণের মুক্তি ১৯০৫-১৯৪৭]]'', প্রকাশক: সংহতি প্রকাশন, প্রকাশকাল: ফেব্রুয়ারি ২০১৬, পৃষ্ঠা:২৫ * এবার আসি বঙ্গভঙ্গ নিয়ে [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর|রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের]] চিন্তা-চেতনার জায়গায়। বঙ্গভঙ্গের ঘটনার সঙ্গে [[বাংলাদেশ]] চেতনার কোনো সম্পর্কই নেই। ইংরেজরা যখন ডিভাইড অ্যান্ড রুল-এর নীতিতে বঙ্গভঙ্গ করল, তখন দুই বঙ্গের অনেক মুক্তমনা এই বঙ্গভঙ্গের বিরোধিতা করেছিল এই কারণে যে প্রথমত ইংরেজরা প্রথমবারের মতো সাফল্যের সঙ্গে [[হিন্দু-মুসলিম সম্পর্ক|হিন্দু-মুসলিমে]] বিভেদ টানতে সক্ষম হয়, যা স্পষ্ট হয় পরবর্তী দাঙ্গায়, [[কাজী নজরুল ইসলাম|নজরুলসহ]] অনেকের লেখনীতে এই দাঙ্গাবিরোধী বক্তব্য পাবেন। তাই যারা ধর্মকেন্দ্রিক [[সাম্প্রদায়িকতা|সাম্প্রদায়িক]] রাজনীতির বিপক্ষে তারা বঙ্গভঙ্গকে সমর্থন জানায়নি। ১৯০৫ সালের প্রেক্ষাপটকে যদি একবিংশ শতাব্দীতে এনে স্থান-কাল-পাত্র না বুঝে সমালোচনা করা হয়, তবে তা নিতান্তই হাস্যকর। ** [[w:bn:মোহাম্মদ আলী আরাফাত|মোহাম্মদ আলী আরাফাত]]। [https://web.archive.org/web/20250815175626/https://www.kalerkantho.com/print-edition/sub-editorial/2019/10/02/821225 জাতীয় সংগীত ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর: কিছু মিথ ও প্রকৃত ইতিহাস], ''কালের কণ্ঠ'', ২ অক্টোবর ২০১৯। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:বাংলার ইতিহাস]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের ইতিহাস]] [[বিষয়শ্রেণী:বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি]] 5prv97nbr2chau0qdeg8m2mjjut61mr শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ড 0 11623 84186 84050 2026-08-14T18:00:13Z ফারদিন 52 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ড]] যোগ 84186 wikitext text/x-wiki '''[[w:bn:শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ড|শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ড]]''' ছিল বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার ঘটনা। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভোরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একদল সদস্য সামরিক অভ্যুত্থান সংঘটিত করে এবং [[শেখ মুজিবুর রহমান|শেখ মুজিবুর রহমানকে]] তার ধানমন্ডি ৩২-এর বাসভবনে সপরিবারে হত্যা করে। পরে ১৫ আগস্ট ১৯৭৫ থেকে ৬ নভেম্বর ১৯৭৫ পর্যন্ত খন্দকার মোশতাক আহমেদ অঘোষিতভাবে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির পদে আসীন হন। শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে বাংলাদেশের বেসামরিক প্রশাসনকেন্দ্রিক রাজনীতিতে প্রথমবারের মতো সামরিক ক্ষমতার প্রত্যক্ষ হস্তক্ষেপ ঘটে। হত্যাকাণ্ডটি বাংলাদেশের আদর্শিক পটপরিবর্তন বলে বিবেচিত। লরেন্স লিফশুলৎজ এই হত্যাকাণ্ডের সামগ্রিক ঘটনাবলিকে মার্কিন-পাকিস্তানপন্থী ও ভারত-সোভিয়েতপন্থী দুই অক্ষশক্তির কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার স্নায়ুযুদ্ধের সহিংস বহিঃপ্রকাশ বলে আখ্যায়িত করেন। == উক্তি == * জামিল, তুমি তাড়াতাড়ি আসো। আর্মির লোকরা আমার বাসা অ্যাটাক করেছে। সফিউল্লাহকে ফোর্স পাঠাতে বলো। ** [[শেখ মুজিবুর রহমান]]। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমান তার সামরিক সচিব কর্নেল জামিল উদ্দিনকে ফোনে করে এটি বলেন। [https://bangla.thedailystar.net/news/bangladesh/%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A7%9F-%E0%A6%B6%E0%A7%8B%E0%A6%95-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%B8/news-505516] * সফিউল্লাহ তোমার ফোর্স আমার বাড়ি অ্যাটাক করেছে, কামালকে (শেখ কামাল) বোধ হয় মেরে ফেলেছে। তুমি জলদি ফোর্স পাঠাও। ** [[শেখ মুজিবুর রহমান]]। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তৎকালীন সেনাপ্রধান জেনারেল সফিউল্লাহকেও ফোন করে শেখ মুজিব এই কথা বলেন। [https://bangla.thedailystar.net/news/bangladesh/%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A7%9F-%E0%A6%B6%E0%A7%8B%E0%A6%95-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%B8/news-505516] * মুজিব না থাকলে [[বাংলাদেশ]] কখনই জন্ম নিত না। ** শেখ মুজিব হত্যার প্রতিক্রিয়ায় ফিন্যান্সিয়াল টাইমস্। [https://web.archive.org/web/20250815084804/https://ekushey-tv.com/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%AC-%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%93-%E0%A6%97%E0%A6%A3%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE/15540] * তুমি আজ যে ভাষণ দিলে, এখন থেকে সাবধানে থেক। আজ থেকে তোমাকে হত্যার জন্য একটি বুলেট তোমার পিছু নিয়েছে। ** [[ফিদেল কাস্ত্রো]], ১৯৭৩ সালে আলজেরিয়ায় অনুষ্ঠিত জোট নিরপেক্ষ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণের পর ফিদেল কাস্ত্রো শেখ মুজিবকে এই কথা বলেন। [https://ekushey-tv.com/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%AC-%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%93-%E0%A6%97%E0%A6%A3%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE/15540] === শোকবার্তা === * শেখ মুজিবের মৃত্যুতে বিশ্বের শোষিত মানুষ হারাল তাদের একজন মহান নেতাকে, আমি হারালাম একজন অকৃত্রিম বিশাল হৃদয়ের বন্ধুকে। ** [[ফিদেল কাস্ত্রো]] [https://web.archive.org/web/20250815084804/https://ekushey-tv.com/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%AC-%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%93-%E0%A6%97%E0%A6%A3%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE/15540] * তোমরা আমারই দেয়া ট্যাঙ্ক দিয়ে আমার বন্ধু মুজিবকে হত্যা করেছ! আমি নিজেই নিজেকে অভিশাপ দিচ্ছি। ** মিসরের প্রেসিডেন্ট [[আনোয়ার সাদাত]] [https://ekushey-tv.com/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%AC-%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%93-%E0%A6%97%E0%A6%A3%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE/15540] * আপসহীন সংগ্রামী নেতৃত্ব আর কুসুম কোমল হৃদয় ছিল মুজিব চরিত্রের বৈশিষ্ট্য। ** [[ইয়াসির আরাফাত]] [https://ekushey-tv.com/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%AC-%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%93-%E0%A6%97%E0%A6%A3%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE/15540] * বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হচ্ছেন সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের প্রথম শহীদ। তাই তিনি অমর। ** [[সাদ্দাম হুসাইন]] [https://ekushey-tv.com/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%AC-%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%93-%E0%A6%97%E0%A6%A3%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE/15540] * শেখ মুজিব নিহত হবার খবরে আমি মর্মাহত। তিনি একজন মহান নেতা ছিলেন। তার অনন্য সাধারণ সাহসিকতা এশিয়া ও আফ্রিকার জনগণের জন্য প্রেরণাদায়ক ছিল। ** [[ইন্দিরা গান্ধী]] [https://ekushey-tv.com/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%AC-%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%93-%E0%A6%97%E0%A6%A3%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE/15540] * বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ডে বাংলাদেশই শুধু এতিম হয়নি, বিশ্ববাসী হারিয়েছে একজন মহান সন্তানকে। ** বৃটিশ এমপি জেমসলামন্ড [https://ekushey-tv.com/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%AC-%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%93-%E0%A6%97%E0%A6%A3%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE/15540] * মুজিব হত্যার পর বাঙালিদের আর বিশ্বাস করা যায় না। যারা মুজিবকে হত্যা করেছে তারা যেকোনো জঘন্য কাজ করতে পারে। ** নোবেল বিজয়ী উইলিবান্ট [https://ekushey-tv.com/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%AC-%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%93-%E0%A6%97%E0%A6%A3%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE/15540] * আওয়ামী লীগ নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের মত তেজী এবং গতিশীল নেতা আগামী বিশ বছরের মধ্যে এশিয়া মহাদেশে আর পাওয়া যাবে না। ** [[হেনরি কিসিঞ্জার]] [https://ekushey-tv.com/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%AC-%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%93-%E0%A6%97%E0%A6%A3%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE/15540] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:শেখ মুজিবুর রহমান]] [[বিষয়শ্রেণী:গুপ্তহত্যা]] [[বিষয়শ্রেণী:শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ড]] rmyesnwf5428tn8snjgi9t24plcwbwl 84200 84186 2026-08-14T21:00:11Z ফারদিন 52 /* উক্তি */ উক্তি যোগ 84200 wikitext text/x-wiki '''[[w:bn:শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ড|শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ড]]''' ছিল বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার ঘটনা। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভোরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একদল সদস্য সামরিক অভ্যুত্থান সংঘটিত করে এবং [[শেখ মুজিবুর রহমান|শেখ মুজিবুর রহমানকে]] তার ধানমন্ডি ৩২-এর বাসভবনে সপরিবারে হত্যা করে। পরে ১৫ আগস্ট ১৯৭৫ থেকে ৬ নভেম্বর ১৯৭৫ পর্যন্ত খন্দকার মোশতাক আহমেদ অঘোষিতভাবে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির পদে আসীন হন। শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে বাংলাদেশের বেসামরিক প্রশাসনকেন্দ্রিক রাজনীতিতে প্রথমবারের মতো সামরিক ক্ষমতার প্রত্যক্ষ হস্তক্ষেপ ঘটে। হত্যাকাণ্ডটি বাংলাদেশের আদর্শিক পটপরিবর্তন বলে বিবেচিত। লরেন্স লিফশুলৎজ এই হত্যাকাণ্ডের সামগ্রিক ঘটনাবলিকে মার্কিন-পাকিস্তানপন্থী ও ভারত-সোভিয়েতপন্থী দুই অক্ষশক্তির কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার স্নায়ুযুদ্ধের সহিংস বহিঃপ্রকাশ বলে আখ্যায়িত করেন। == উক্তি == * জামিল, তুমি তাড়াতাড়ি আসো। আর্মির লোকরা আমার বাসা অ্যাটাক করেছে। সফিউল্লাহকে ফোর্স পাঠাতে বলো। ** [[শেখ মুজিবুর রহমান]]। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমান তার সামরিক সচিব কর্নেল জামিল উদ্দিনকে ফোনে করে এটি বলেন। [https://bangla.thedailystar.net/news/bangladesh/%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A7%9F-%E0%A6%B6%E0%A7%8B%E0%A6%95-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%B8/news-505516] * সফিউল্লাহ তোমার ফোর্স আমার বাড়ি অ্যাটাক করেছে, কামালকে (শেখ কামাল) বোধ হয় মেরে ফেলেছে। তুমি জলদি ফোর্স পাঠাও। ** [[শেখ মুজিবুর রহমান]]। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তৎকালীন সেনাপ্রধান জেনারেল সফিউল্লাহকেও ফোন করে শেখ মুজিব এই কথা বলেন। [https://bangla.thedailystar.net/news/bangladesh/%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A7%9F-%E0%A6%B6%E0%A7%8B%E0%A6%95-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%B8/news-505516] * মুজিব না থাকলে [[বাংলাদেশ]] কখনই জন্ম নিত না। ** শেখ মুজিব হত্যার প্রতিক্রিয়ায় ফিন্যান্সিয়াল টাইমস্। [https://web.archive.org/web/20250815084804/https://ekushey-tv.com/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%AC-%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%93-%E0%A6%97%E0%A6%A3%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE/15540] * তুমি আজ যে ভাষণ দিলে, এখন থেকে সাবধানে থেক। আজ থেকে তোমাকে হত্যার জন্য একটি বুলেট তোমার পিছু নিয়েছে। ** [[ফিদেল কাস্ত্রো]], ১৯৭৩ সালে আলজেরিয়ায় অনুষ্ঠিত জোট নিরপেক্ষ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণের পর ফিদেল কাস্ত্রো শেখ মুজিবকে এই কথা বলেন। [https://ekushey-tv.com/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%AC-%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%93-%E0%A6%97%E0%A6%A3%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE/15540] * মুজিবের হত্যাকাণ্ড পৃথিবীর ইতিহাসের সবচেয়ে নৃশংস ও অভাবিত হত্যাকাণ্ডগুলোর একটি। সবচেয়ে বিশাল ও ভারি যে-লাশটি বাঙলাদেশ নিজের বুকের কবরে বয়ে চলছে, সেটি মুজিবের লাশ। ** [[হুমায়ুন আজাদ]]। ''আমরা কি এই বাঙলাদেশ চেয়েছিলাম'', প্রকাশক: আগামী প্রকাশনী, প্রকাশকাল: ফেব্রুয়ারি ২০০৬, পৃষ্ঠা: ৬৭ === শোকবার্তা === * শেখ মুজিবের মৃত্যুতে বিশ্বের শোষিত মানুষ হারাল তাদের একজন মহান নেতাকে, আমি হারালাম একজন অকৃত্রিম বিশাল হৃদয়ের বন্ধুকে। ** [[ফিদেল কাস্ত্রো]] [https://web.archive.org/web/20250815084804/https://ekushey-tv.com/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%AC-%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%93-%E0%A6%97%E0%A6%A3%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE/15540] * তোমরা আমারই দেয়া ট্যাঙ্ক দিয়ে আমার বন্ধু মুজিবকে হত্যা করেছ! আমি নিজেই নিজেকে অভিশাপ দিচ্ছি। ** মিসরের প্রেসিডেন্ট [[আনোয়ার সাদাত]] [https://ekushey-tv.com/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%AC-%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%93-%E0%A6%97%E0%A6%A3%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE/15540] * আপসহীন সংগ্রামী নেতৃত্ব আর কুসুম কোমল হৃদয় ছিল মুজিব চরিত্রের বৈশিষ্ট্য। ** [[ইয়াসির আরাফাত]] [https://ekushey-tv.com/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%AC-%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%93-%E0%A6%97%E0%A6%A3%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE/15540] * বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হচ্ছেন সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের প্রথম শহীদ। তাই তিনি অমর। ** [[সাদ্দাম হুসাইন]] [https://ekushey-tv.com/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%AC-%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%93-%E0%A6%97%E0%A6%A3%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE/15540] * শেখ মুজিব নিহত হবার খবরে আমি মর্মাহত। তিনি একজন মহান নেতা ছিলেন। তার অনন্য সাধারণ সাহসিকতা এশিয়া ও আফ্রিকার জনগণের জন্য প্রেরণাদায়ক ছিল। ** [[ইন্দিরা গান্ধী]] [https://ekushey-tv.com/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%AC-%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%93-%E0%A6%97%E0%A6%A3%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE/15540] * বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ডে বাংলাদেশই শুধু এতিম হয়নি, বিশ্ববাসী হারিয়েছে একজন মহান সন্তানকে। ** বৃটিশ এমপি জেমসলামন্ড [https://ekushey-tv.com/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%AC-%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%93-%E0%A6%97%E0%A6%A3%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE/15540] * মুজিব হত্যার পর বাঙালিদের আর বিশ্বাস করা যায় না। যারা মুজিবকে হত্যা করেছে তারা যেকোনো জঘন্য কাজ করতে পারে। ** নোবেল বিজয়ী উইলিবান্ট [https://ekushey-tv.com/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%AC-%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%93-%E0%A6%97%E0%A6%A3%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE/15540] * আওয়ামী লীগ নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের মত তেজী এবং গতিশীল নেতা আগামী বিশ বছরের মধ্যে এশিয়া মহাদেশে আর পাওয়া যাবে না। ** [[হেনরি কিসিঞ্জার]] [https://ekushey-tv.com/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%AC-%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%93-%E0%A6%97%E0%A6%A3%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE/15540] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:শেখ মুজিবুর রহমান]] [[বিষয়শ্রেণী:গুপ্তহত্যা]] [[বিষয়শ্রেণী:শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ড]] mqczpd6opbkn1xutn83rnp0x5b5p5az 84201 84200 2026-08-15T09:05:21Z ফারদিন 52 উক্তি যোগ 84201 wikitext text/x-wiki '''[[w:bn:শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ড|শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ড]]''' ছিল বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার ঘটনা। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভোরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একদল সদস্য সামরিক অভ্যুত্থান সংঘটিত করে এবং [[শেখ মুজিবুর রহমান|শেখ মুজিবুর রহমানকে]] তার ধানমন্ডি ৩২-এর বাসভবনে সপরিবারে হত্যা করে। পরে ১৫ আগস্ট ১৯৭৫ থেকে ৬ নভেম্বর ১৯৭৫ পর্যন্ত খন্দকার মোশতাক আহমেদ অঘোষিতভাবে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির পদে আসীন হন। শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে বাংলাদেশের বেসামরিক প্রশাসনকেন্দ্রিক রাজনীতিতে প্রথমবারের মতো সামরিক ক্ষমতার প্রত্যক্ষ হস্তক্ষেপ ঘটে। হত্যাকাণ্ডটি বাংলাদেশের আদর্শিক পটপরিবর্তন বলে বিবেচিত। লরেন্স লিফশুলৎজ এই হত্যাকাণ্ডের সামগ্রিক ঘটনাবলিকে মার্কিন-পাকিস্তানপন্থী ও ভারত-সোভিয়েতপন্থী দুই অক্ষশক্তির কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার স্নায়ুযুদ্ধের সহিংস বহিঃপ্রকাশ বলে আখ্যায়িত করেন। == উক্তি == * জামিল, তুমি তাড়াতাড়ি আসো। আর্মির লোকরা আমার বাসা অ্যাটাক করেছে। সফিউল্লাহকে ফোর্স পাঠাতে বলো। ** [[শেখ মুজিবুর রহমান]]। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমান তার সামরিক সচিব কর্নেল জামিল উদ্দিনকে ফোনে করে এটি বলেন। [https://bangla.thedailystar.net/news/bangladesh/%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A7%9F-%E0%A6%B6%E0%A7%8B%E0%A6%95-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%B8/news-505516] * সফিউল্লাহ তোমার ফোর্স আমার বাড়ি অ্যাটাক করেছে, কামালকে (শেখ কামাল) বোধ হয় মেরে ফেলেছে। তুমি জলদি ফোর্স পাঠাও। ** [[শেখ মুজিবুর রহমান]]। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তৎকালীন সেনাপ্রধান জেনারেল সফিউল্লাহকেও ফোন করে শেখ মুজিব এই কথা বলেন। [https://bangla.thedailystar.net/news/bangladesh/%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A7%9F-%E0%A6%B6%E0%A7%8B%E0%A6%95-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%B8/news-505516] * মুজিব না থাকলে [[বাংলাদেশ]] কখনই জন্ম নিত না। ** শেখ মুজিব হত্যার প্রতিক্রিয়ায় ফিন্যান্সিয়াল টাইমস্। [https://web.archive.org/web/20250815084804/https://ekushey-tv.com/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%AC-%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%93-%E0%A6%97%E0%A6%A3%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE/15540] * তুমি আজ যে ভাষণ দিলে, এখন থেকে সাবধানে থেক। আজ থেকে তোমাকে হত্যার জন্য একটি বুলেট তোমার পিছু নিয়েছে। ** [[ফিদেল কাস্ত্রো]], ১৯৭৩ সালে আলজেরিয়ায় অনুষ্ঠিত জোট নিরপেক্ষ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণের পর ফিদেল কাস্ত্রো শেখ মুজিবকে এই কথা বলেন। [https://ekushey-tv.com/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%AC-%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%93-%E0%A6%97%E0%A6%A3%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE/15540] * মুজিবের হত্যাকাণ্ড পৃথিবীর ইতিহাসের সবচেয়ে নৃশংস ও অভাবিত হত্যাকাণ্ডগুলোর একটি। সবচেয়ে বিশাল ও ভারি যে-লাশটি বাঙলাদেশ নিজের বুকের কবরে বয়ে চলছে, সেটি মুজিবের লাশ। ** [[হুমায়ুন আজাদ]]। ''আমরা কি এই বাঙলাদেশ চেয়েছিলাম'', প্রকাশক: আগামী প্রকাশনী, প্রকাশকাল: ফেব্রুয়ারি ২০০৬, পৃষ্ঠা: ৬৭ * [[w:bn:এ_কে_এম_মহিউদ্দিন_আহমেদ|মেজর মহিউদ্দিন]], [[w:bn:বজলুল_হুদা|হুদা]] আর [[w:bn:এস_এইচ_এম_বি_নূর_চৌধুরী|নূর]] বাড়ীর প্রতিটি কামরা মুজিবের খোঁজে তন্ন তন্ন করে চষে বেড়াচ্ছে। হঠাৎ অপ্রতাশিতভাবে মহিউদ্দিন মুজিবকে পেয়ে গেলো। সে দু'তলায় উঠতে সিঁড়ির গোড়ায় পা ফেলতেই শেখ মুজিবকে দাঁড়ানো অবস্থায় দেখতে পায়। তাদের মধ্যে দূরত্ব ২০ ফুটের বেশী হবে না। শেখ মুজিবের পরনে একটি ধূসর বর্ণের চেক লুঙ্গি আর সাদা পাঞ্জাবী। ডান হাতে ছিলো তাঁর ধূমপানের পাইপটি। শেখ মুজিবকে হত্যা করার দৃঢ় মনোবল নিয়ে এ অভিযানে বেরুলেও মহিউদ্দিন শেখ-এর সামনাসামনি দাঁড়িয়ে পুরোপুরিভাবে মনোবল হারিয়ে ফেলে। মহিউদ্দিন আমতা আমতা করে তাকে বলেছিলো, 'স্যার আপনি আসুন।'...'তোমরা কি চাও?' মুজিব অত্যন্ত কর্কশ ভাষায় জিজ্ঞেস করলো। 'তোমরা কি আমাকে খুন করতে চাও? ভুলে যাও। পাকিস্তানী সেনাবাহিনী তা করতে পারেনি। তোমরা কি মনে করো, তা করতে পারবে?'... মহিউদ্দিন তখনো ঐ একই কথা বলে চলছিলো "স্যার, আপনি আসুন।" আর অন্যদিকে শেখ মুজিব তাকে অত্যন্ত কড়া ভাষায় ধমকিয়ে যাচ্ছিলেন। এমন সময় নূর এসে পড়ে। তার হাতে স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র। সে বুঝে ফেলে, মুজিব সময় কাটাতে চাইছেন। মহিউদ্দিনকে একপাশে সরিয়ে দিয়ে নূর চিৎকার করে আবোল তাবোল বকতে বকতে তার স্টেনগান থেকে মুজিবের প্রতি "ব্রাশ ফায়ার" করে। শেখ মুজিব তাকে কিছু বলার আর সুযোগ পেলেন না। স্টেনগানের গুলি তাঁর বুকের ডানদিকে একটি বিরাট ছিদ্র করে বেরিয়ে গেলো। গুলির আঘাতে তাঁর দেহ কিছুটা পিছিয়ে গেলো। তারপর নিস্তেজ হয়ে তাঁর দেহ মুখ-থুবড়ে সিঁড়ির মাথায় পড়ে গেলো। [[বাঙালি জাতীয়তাবাদ|বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদের]] মহান নেতার প্রাণহীন দেহ সিঁড়ি দিয়ে কিছুদূর গড়িয়ে গিয়ে থেমে রইলো। তাঁর ধূমপানের প্রিয় পাইপটি তখনও তিনি শক্তভাবে ডান হাত দিয়ে ধরে রেখেছিলেন। সময় তখন সকাল ৫টা ৪০ মিনিট। [[বাঙালি জাতি|বাঙ্গালী জাতির]] সঙ্গে শেখ মুজিবের প্রচন্ড ভালবাসার চিরতরে অবসান ঘটলো। ** [[w:bn:অ্যান্থনি মাসকারেনহাস|অ্যান্থনি মাসকারেনহাস]]। ''বাংলাদেশ: রক্তের ঋণ'', অনুবাদক: মোহাম্মদ শাহজাহান, প্রকাশক: হাক্কানী পাবলিশার্স, প্রকাশকাল: ফেব্রুয়ারি ১৯৮৮, পৃষ্ঠা: ৮৮-৮৯ === শোকবার্তা === * শেখ মুজিবের মৃত্যুতে বিশ্বের শোষিত মানুষ হারাল তাদের একজন মহান নেতাকে, আমি হারালাম একজন অকৃত্রিম বিশাল হৃদয়ের বন্ধুকে। ** [[ফিদেল কাস্ত্রো]] [https://web.archive.org/web/20250815084804/https://ekushey-tv.com/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%AC-%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%93-%E0%A6%97%E0%A6%A3%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE/15540] * তোমরা আমারই দেয়া ট্যাঙ্ক দিয়ে আমার বন্ধু মুজিবকে হত্যা করেছ! আমি নিজেই নিজেকে অভিশাপ দিচ্ছি। ** মিসরের প্রেসিডেন্ট [[আনোয়ার সাদাত]] [https://ekushey-tv.com/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%AC-%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%93-%E0%A6%97%E0%A6%A3%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE/15540] * আপসহীন সংগ্রামী নেতৃত্ব আর কুসুম কোমল হৃদয় ছিল মুজিব চরিত্রের বৈশিষ্ট্য। ** [[ইয়াসির আরাফাত]] [https://ekushey-tv.com/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%AC-%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%93-%E0%A6%97%E0%A6%A3%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE/15540] * বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হচ্ছেন সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের প্রথম শহীদ। তাই তিনি অমর। ** [[সাদ্দাম হুসাইন]] [https://ekushey-tv.com/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%AC-%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%93-%E0%A6%97%E0%A6%A3%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE/15540] * শেখ মুজিব নিহত হবার খবরে আমি মর্মাহত। তিনি একজন মহান নেতা ছিলেন। তার অনন্য সাধারণ সাহসিকতা এশিয়া ও আফ্রিকার জনগণের জন্য প্রেরণাদায়ক ছিল। ** [[ইন্দিরা গান্ধী]] [https://ekushey-tv.com/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%AC-%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%93-%E0%A6%97%E0%A6%A3%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE/15540] * বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ডে বাংলাদেশই শুধু এতিম হয়নি, বিশ্ববাসী হারিয়েছে একজন মহান সন্তানকে। ** বৃটিশ এমপি জেমসলামন্ড [https://ekushey-tv.com/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%AC-%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%93-%E0%A6%97%E0%A6%A3%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE/15540] * মুজিব হত্যার পর বাঙালিদের আর বিশ্বাস করা যায় না। যারা মুজিবকে হত্যা করেছে তারা যেকোনো জঘন্য কাজ করতে পারে। ** নোবেল বিজয়ী উইলিবান্ট [https://ekushey-tv.com/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%AC-%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%93-%E0%A6%97%E0%A6%A3%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE/15540] * আওয়ামী লীগ নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের মত তেজী এবং গতিশীল নেতা আগামী বিশ বছরের মধ্যে এশিয়া মহাদেশে আর পাওয়া যাবে না। ** [[হেনরি কিসিঞ্জার]] [https://ekushey-tv.com/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%AC-%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%93-%E0%A6%97%E0%A6%A3%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE/15540] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:শেখ মুজিবুর রহমান]] [[বিষয়শ্রেণী:গুপ্তহত্যা]] [[বিষয়শ্রেণী:শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ড]] db1p4zdrxza8qwx0gwqfxzocnmxkq0g ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিতর্ক 0 11631 84182 84116 2026-08-14T16:06:14Z ফারদিন 52 উক্তি যোগ 84182 wikitext text/x-wiki '''[[w:ঢাকা_বিশ্ববিদ্যালয়|ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়]]''' ('''ঢাবি''') ঢাকার শাহবাগে অবস্থিত বাংলাদেশের একটি স্বায়ত্তশাসিত সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। ১৯২১ সালে তদানীন্তন ব্রিটিশ ভারতে অক্সব্রিজ শিক্ষা ব্যবস্থা অনুসরণে এটি স্থাপিত হয়। এর শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয় ১৯২১ সালের ১ জুলাই। সূচনালগ্নে বিভিন্ন প্রথিতযশা বৃত্তিধারী ও বিজ্ঞানীদের দ্বারা কঠোরভাবে মান নিয়ন্ত্রিত হবার প্রেক্ষাপটে এটি '''প্রাচ্যের অক্সফোর্ড''' নামে স্বীকৃতি পায়। ১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে [[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়|ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে]] কেন্দ্র করে নানা সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস, ভূমিদান এবং এর সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন ব্যক্তিত্বের ভূমিকা নিয়ে কিছু প্রশ্ন ও বিতর্ক প্রচলিত আছে। == ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা == * [[বঙ্গভঙ্গ (১৯০৫)|বঙ্গভঙ্গ]] রহিত হওয়ার ফলে পূর্ববঙ্গের মুসলমানেরা যখন ক্ষুব্ধ ও উত্তেজিত হইয়া উঠিলেন তখন বড়লাট [[w:bn:চার্লস হার্ডিঞ্জ, পেনশার্স্টের ১ম ব্যারন হার্ডিঞ্জ|লর্ড হার্ডিং]] তাঁহাদের সন্তোষবিধানের জন্য আশ্বাস দিলেন যে ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হইবে। কিন্তু যুক্ত বাংলার হিন্দুগণ এই প্রস্তাবের তীব্র প্রতিবাদ করিলেন। হিন্দু নেতাগণ এই মত প্রকাশ করিলেন যে, ইহার ফলে রাজনীতিক বিভাগের পরিবর্তে [[সংস্কৃতি|সংস্কৃতির]] দিক হইতে [[বঙ্গ|বঙ্গদেশকে]] আবার দুই খণ্ডে বিভক্ত করা হইবে। সভা-সমিতিতে ও সংবাদপত্রে পূর্ব ও পশ্চিম বাংলায় ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরুদ্ধে তুমুল আন্দোলন চলিতে লাগিল। ইহাতে [[w:bn:কলিকাতা_বিশ্ববিদ্যালয়|কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের]] অনিষ্ট হইবে এই আশঙ্কায় আশুতোষও এই প্রস্তাবের বিরুদ্ধে ছিলেন। প্রকাশ্যে কোন সক্রিয় অংশ গ্রহণ না করিলেও [[আশুতোষ মুখোপাধ্যায়|আশুতোষই]] যে বিরোধী দলের প্রকৃত নেতা ছিলেন ইহা অনেকেই সন্দেহ করিত এবং গভর্নমেন্টও তাহা বিশ্বাস করিত। কিন্তু অকস্মাৎ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে আন্দোলন হ্রাস পাইল। ** [[রমেশচন্দ্র মজুমদার]]। ''বাংলা দেশের ইতিহাস'', চতুর্থ খণ্ড (১৯০৫-১৯৪৭)" প্রকাশক: জেনারেল প্রিন্টার্স য়্যাণ্ড পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড, প্রকাশকাল: ৪ ডিসেম্বর ১৯৭৫, পৃষ্ঠা: ৫২২ * বিভিন্নজন ভিন্ন ভিন্ন কারণে এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন। পশ্চিম বাংলা ও বিহার অঞ্চলের কিছু মুসলমানও বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন। তাঁদের যুক্তি ছিল ভিন্নতর। তাঁদের মতে, বিশ্ববিদ্যালয়টি তাঁদের বা তাঁদের সন্তানসন্ততিদের কোনো কাজে আসবে না। যদি কোনো উপকার হয়, সেটা হবে পূর্ব বাংলার মানুষেরই। যে মুসলিম জনগোষ্ঠী এ রকম চিন্তা করত, তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন [[w:bn:মোহাম্মদ_আকরম_খাঁ|মাওলানা আকরম খাঁ]], [[w:ব্যারিস্টার_আবদুর_রসুল|ব্যারিস্টার আবদুর রসুল]], মৌলভি আবুল কাশেম, মৌলভি লিয়াকত হোসেন প্রমুখ। তদানীন্তন পূর্ব বাংলারও বেশ কিছু মুসলমানের মধ্যে এমন ধারণা ছিল যে পূর্ব বাংলায় যথেষ্ট পরিমাণ ম্যাট্রিক ও ইন্টারমিডিয়েট পাস ছাত্র নেই, যাঁরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে পারেন। এ পরিপ্রেক্ষিতে তাঁরা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন না করে ওই টাকা দিয়ে পূর্ব বাংলায় আরও কিছু স্কুল ও কলেজ স্থাপন করলে এই অঞ্চলের মুসলিম ছেলেমেয়েদের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের লেখাপড়ার সুযোগের পরিধিটা বাড়বে। তাঁরা আরও ভাবতেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার কারণে মুসলিম ছাত্রদের শিক্ষার জন্য যে বাজেট সরকার থেকে আসে, তা অনেকাংশেই কমে যাবে। ** প্রাবন্ধিক কুলদা রায় তাঁর ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা এবং রবীন্দ্রনাথ’ প্রবন্ধে। [https://www.prothomalo.com/bangladesh/%E0%A6%A2%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%9F-%E0%A6%93-%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%A5] === রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর === [[চিত্র:রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষক ও ছাত্রদের একাংশ.webp|থাম্ব|১৯৩৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।]] * কেউ কেউ কোনো প্রমাণ উপস্থিত না করেই লিখিতভাবে জানাচ্ছেন যে, ১৯১২ খ্রিষ্টাব্দের ২৮ মার্চ কলকাতায় গড়ের মাঠে রবীন্দ্রনাথের সভাপতিত্বে এক বিরাট জনসভা হয়। ও রকম একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল বটে, কিন্তু তাতে রবীন্দ্রনাথের উপস্থিতি ছিল অসম্ভব, কেননা সেদিন তিনি কলকাতাতেই ছিলেন না। ১৯১২ সালের ১৯ মার্চ সিটি অব প্যারিস জাহাজযোগে রবীন্দ্রনাথের বিলাতযাত্রার কথা ছিল। তাঁর সফরসঙ্গী ডাক্তার দ্বিজেন্দ্রনাথ মিত্র জাহাজে উঠে পড়েছিলেন, কবির মালপত্রও তাতে তোলা হয়ে গিয়েছিল; কিন্তু আকস্মিকভাবে ওইদিন সকালে রবীন্দ্রনাথ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে মাদ্রাজ থেকে তাঁর মালপত্র ফিরিয়ে আনা হয়। কলকাতায় কয়েক দিন বিশ্রাম করে ২৪ মার্চ রবীন্দ্রনাথ শিলাইদহে চলে আসেন এবং ২৮ মার্চ থেকে ১২ এপ্রিলের মধ্যে সেখানে বসে ১৮টি গান ও কবিতা রচনা করেন। ** ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক বিশ্বজিৎ ঘোষ। [https://www.bbc.com/bengali/news-44609891] * ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর—এ ধরনের একটি অভিযোগ প্রায়ই অনেকে করে থাকেন। তারা উল্লেখ করেন, ‘১৯১২ সালের ২৮ মার্চ কলকাতা গড়ের মাঠে কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সভাপতিত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রতিবাদে এক বিশাল জনসভার আয়োজন করা হয়।’ অনেকেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই জনসভার রেফারেন্স হিসেবে দিয়েছেন নীরদচন্দ্র চৌধুরীর লেখা বই, আবার অনেকেই আবুল আসাদের ‘একশো বছরের রাজনীতি’ বইয়ের রেফারেন্সও দিয়েছেন। যদিও নীরদচন্দ্র চৌধুরীর বইয়ে এমন কিছু উল্লেখ নেই, আবার আবুল আসাদ কোনো তথ্য-উপাত্ত ছাড়াই এ অভিযোগটি করেছেন। তারই ধারাবাহিকতায় ২০০০ সালে আহমদ পাবলিশিং হাউস থেকে ‘আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের ধারাবাহিকতা এবং প্রাসঙ্গিক কিছু কথা’ নামে একটি বইয়ে মেজর জেনারেল (অব.) এম এ মতিন, কপি পেস্টের মাধ্যমে একই কথা উল্লেখ করেন কোনো তথ্য-উপাত্ত ছাড়াই। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কালি ও কলম পত্রিকার সম্পাদকমণ্ডলীর অন্যতম সদস্য এ জেড এম আবদুল আলী একটি পত্রিকায় অভিযোগটির বিরোধিতা করেন। তিনি বলেন, যারা রবীন্দ্রনাথের বিরুদ্ধে এ অভিযোগটি করছেন, তারা তাদের রচনায় কোনো সূত্রের উল্লেখ করেননি। ** [[w:bn:মোহাম্মদ এ আরাফাত|মোহাম্মদ এ আরাফাত]] [https://web.archive.org/web/20250815175626/https://www.kalerkantho.com/print-edition/sub-editorial/2019/10/02/821225] * রবীন্দ্রনাথ সম্পর্কে এক কোটি আলাপের বিকল্প বাদ দিয়ে যারা শুধু তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছেন কিনা– এ বিষয়ে আলাপ তোলে, তারা এক অর্থে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী। তাদের জন্য আমার আফসোস হয় এই ভেবে, তারা রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টিশীল ও বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার রস আস্বাদনে চিরবঞ্চিত। দুনিয়ায় এত এত রস থাকতে এখানে কেবল রবীন্দ্রনাথের কথাই বলতে হলো। কারণ, এরা রবীন্দ্রনাথ নিয়ে লিপ্ত অথচ মজাটা লুটতে পারছে না। আমি মনে করি, যদি আবিষ্কৃত হয়– রবীন্দ্রনাথ কখনও সরাসরি ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরুদ্ধে বলেছেন, তাতে রবীন্দ্রনাথের প্রতিষ্ঠা বা সততা বা সম্মান একবিন্দুও ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। এমনকি সে রকম কিছু হলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রবীন্দ্রনাথের আদর-আপ্যায়ন ও মর্যাদা প্রদান সম্পূর্ণ বৈধ থাকত। আজকের দিনের সংকীর্ণ রাজনীতির উত্তেজনায় কিংবা সংকীর্ণ রাজনীতির বিরোধিতার প্রয়োজনে যারা ঠাকুরকে সহজ শিকার হিসেবে নাকাল করতে চায়, তারা ঠিক আলাপযোগ্য নয়। পুরো ব্যাপারকে একশ বছর আগের বাস্তবতার এক বড় পটভূমিতে স্থাপন করে দেখা নিশ্চয় তাৎপর্যপূর্ণ। কিন্তু সে ক্ষমতা এ জাতীয় ব্যক্তিদের থাকার কথা নয়। ** [[w:bn:মোহাম্মদ আজম|মোহাম্মদ আজম]]। সমকাল পত্রিকায় দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে [https://samakal.com/opinion/article/236093/%E0%A6%A2%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%9F-%E0%A6%9B%E0%A6%BE%E0%A7%9C%E0%A6%BE%E0%A6%93-%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%A5-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%8F%E0%A6%95-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%86%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AA-%E0%A6%86%E0%A6%9B%E0%A7%87] == জমিদান == * কোনও মুসলমান ধনীর কাছ থেকেই ঢাকা ইউনিভার্সিটি ডাইরেক্টলি কোনও ফাইন্যান্সিয়াল কন্ট্রিবিউশন পায় নাই। সলিমুল্লাহ হল যে তৈরি হল তা পুরোই সরকারের টাকায়। নওয়াব পরিবারের টাকায় নয়; জায়গাতেও নয়। রমনায় যে জায়গায় ঢাকা ইউনিভার্সিটি, তা পুরোটাই খাসমহল এবং সরকারের জমি, সেটেলমেন্ট রিপোর্টে তাই আছে। ** [[আবদুর রাজ্জাক (অধ্যাপক)|আব্দুর রাজ্জাক]]। ''ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও পূর্ববঙ্গীয় সমাজ : ‘অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাকের আলাপচারিতা ও অন্যান্য'' বইয়ে। [https://www.bbc.com/bengali/articles/cpd9znnzr5go] * শতবর্ষের বইয়ের জন্য বিভিন্ন নথি ঘাঁটাঘাটি করেছি আমরা। ঢাকার নবাব ৬০০ একর জমি দিয়েছেন এমন কোনও তথ্য সরাসরি কোথাও উল্লেখ নেই।... তাহলে বিশ্ববিদ্যালয় জমি পেল কোথা থেকে? তখন দেখতে পাই তৎকালীন ব্রিটিশ সরকারের কাছ থেকে বিশ্ববিদ্যালয় বিভিন্ন সময় জমি লিজ নিয়েছে। এই লিজের বিনিময়ে যে পয়সা-কড়ি দেবার কথা সেটাও দিয়েছে।...এটি কি মিথ নাকি রিয়েলিটি? এটা আমাদের তালাশ করতে হবে। তাই কোনও উৎস থেকে শতভাগ নিশ্চিত না হয়ে বলাটা ঠিক হবে না। যদি কোথাও না পাই তবে কীভাবে বলি নবাব সলিমুল্লাহ এই ৬০০ একর জমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে দিয়েছে?...বিষয়টি এমন হতে পারে ব্রিটিশ সরকার যখন ১৯০৫ সালে পূর্ববঙ্গে রাজধানী করে তখন নবাবরা হয়তো সরকারকে কোনও অনুদান দিয়ে থাকতে পারেন। ** “শতবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস ও ঐতিহ্য” নামক বইয়ের সহযোগী সম্পাদক মি. বাছির বিবিসি বাংলাকে এই কথা বলেন। [https://www.bbc.com/bengali/articles/cpd9znnzr5go] == আরও দেখুন == * [[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়]] * [[আবদুর রাজ্জাক (অধ্যাপক)|আবদুর রাজ্জাক]] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়]] [[বিষয়শ্রেণী:রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশে বিতর্ক]] 0ywovoh2x2hgot1fxa57b6nmeef2osw 84183 84182 2026-08-14T17:22:28Z ফারদিন 52 /* জমিদান */ উক্তি যোগ 84183 wikitext text/x-wiki '''[[w:ঢাকা_বিশ্ববিদ্যালয়|ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়]]''' ('''ঢাবি''') ঢাকার শাহবাগে অবস্থিত বাংলাদেশের একটি স্বায়ত্তশাসিত সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। ১৯২১ সালে তদানীন্তন ব্রিটিশ ভারতে অক্সব্রিজ শিক্ষা ব্যবস্থা অনুসরণে এটি স্থাপিত হয়। এর শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয় ১৯২১ সালের ১ জুলাই। সূচনালগ্নে বিভিন্ন প্রথিতযশা বৃত্তিধারী ও বিজ্ঞানীদের দ্বারা কঠোরভাবে মান নিয়ন্ত্রিত হবার প্রেক্ষাপটে এটি '''প্রাচ্যের অক্সফোর্ড''' নামে স্বীকৃতি পায়। ১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে [[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়|ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে]] কেন্দ্র করে নানা সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস, ভূমিদান এবং এর সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন ব্যক্তিত্বের ভূমিকা নিয়ে কিছু প্রশ্ন ও বিতর্ক প্রচলিত আছে। == ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা == * [[বঙ্গভঙ্গ (১৯০৫)|বঙ্গভঙ্গ]] রহিত হওয়ার ফলে পূর্ববঙ্গের মুসলমানেরা যখন ক্ষুব্ধ ও উত্তেজিত হইয়া উঠিলেন তখন বড়লাট [[w:bn:চার্লস হার্ডিঞ্জ, পেনশার্স্টের ১ম ব্যারন হার্ডিঞ্জ|লর্ড হার্ডিং]] তাঁহাদের সন্তোষবিধানের জন্য আশ্বাস দিলেন যে ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হইবে। কিন্তু যুক্ত বাংলার হিন্দুগণ এই প্রস্তাবের তীব্র প্রতিবাদ করিলেন। হিন্দু নেতাগণ এই মত প্রকাশ করিলেন যে, ইহার ফলে রাজনীতিক বিভাগের পরিবর্তে [[সংস্কৃতি|সংস্কৃতির]] দিক হইতে [[বঙ্গ|বঙ্গদেশকে]] আবার দুই খণ্ডে বিভক্ত করা হইবে। সভা-সমিতিতে ও সংবাদপত্রে পূর্ব ও পশ্চিম বাংলায় ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরুদ্ধে তুমুল আন্দোলন চলিতে লাগিল। ইহাতে [[w:bn:কলিকাতা_বিশ্ববিদ্যালয়|কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের]] অনিষ্ট হইবে এই আশঙ্কায় আশুতোষও এই প্রস্তাবের বিরুদ্ধে ছিলেন। প্রকাশ্যে কোন সক্রিয় অংশ গ্রহণ না করিলেও [[আশুতোষ মুখোপাধ্যায়|আশুতোষই]] যে বিরোধী দলের প্রকৃত নেতা ছিলেন ইহা অনেকেই সন্দেহ করিত এবং গভর্নমেন্টও তাহা বিশ্বাস করিত। কিন্তু অকস্মাৎ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে আন্দোলন হ্রাস পাইল। ** [[রমেশচন্দ্র মজুমদার]]। ''বাংলা দেশের ইতিহাস'', চতুর্থ খণ্ড (১৯০৫-১৯৪৭)" প্রকাশক: জেনারেল প্রিন্টার্স য়্যাণ্ড পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড, প্রকাশকাল: ৪ ডিসেম্বর ১৯৭৫, পৃষ্ঠা: ৫২২ * বিভিন্নজন ভিন্ন ভিন্ন কারণে এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন। পশ্চিম বাংলা ও বিহার অঞ্চলের কিছু মুসলমানও বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন। তাঁদের যুক্তি ছিল ভিন্নতর। তাঁদের মতে, বিশ্ববিদ্যালয়টি তাঁদের বা তাঁদের সন্তানসন্ততিদের কোনো কাজে আসবে না। যদি কোনো উপকার হয়, সেটা হবে পূর্ব বাংলার মানুষেরই। যে মুসলিম জনগোষ্ঠী এ রকম চিন্তা করত, তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন [[w:bn:মোহাম্মদ_আকরম_খাঁ|মাওলানা আকরম খাঁ]], [[w:ব্যারিস্টার_আবদুর_রসুল|ব্যারিস্টার আবদুর রসুল]], মৌলভি আবুল কাশেম, মৌলভি লিয়াকত হোসেন প্রমুখ। তদানীন্তন পূর্ব বাংলারও বেশ কিছু মুসলমানের মধ্যে এমন ধারণা ছিল যে পূর্ব বাংলায় যথেষ্ট পরিমাণ ম্যাট্রিক ও ইন্টারমিডিয়েট পাস ছাত্র নেই, যাঁরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে পারেন। এ পরিপ্রেক্ষিতে তাঁরা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন না করে ওই টাকা দিয়ে পূর্ব বাংলায় আরও কিছু স্কুল ও কলেজ স্থাপন করলে এই অঞ্চলের মুসলিম ছেলেমেয়েদের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের লেখাপড়ার সুযোগের পরিধিটা বাড়বে। তাঁরা আরও ভাবতেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার কারণে মুসলিম ছাত্রদের শিক্ষার জন্য যে বাজেট সরকার থেকে আসে, তা অনেকাংশেই কমে যাবে। ** প্রাবন্ধিক কুলদা রায় তাঁর ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা এবং রবীন্দ্রনাথ’ প্রবন্ধে। [https://www.prothomalo.com/bangladesh/%E0%A6%A2%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%9F-%E0%A6%93-%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%A5] === রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর === [[চিত্র:রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষক ও ছাত্রদের একাংশ.webp|থাম্ব|১৯৩৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।]] * কেউ কেউ কোনো প্রমাণ উপস্থিত না করেই লিখিতভাবে জানাচ্ছেন যে, ১৯১২ খ্রিষ্টাব্দের ২৮ মার্চ কলকাতায় গড়ের মাঠে রবীন্দ্রনাথের সভাপতিত্বে এক বিরাট জনসভা হয়। ও রকম একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল বটে, কিন্তু তাতে রবীন্দ্রনাথের উপস্থিতি ছিল অসম্ভব, কেননা সেদিন তিনি কলকাতাতেই ছিলেন না। ১৯১২ সালের ১৯ মার্চ সিটি অব প্যারিস জাহাজযোগে রবীন্দ্রনাথের বিলাতযাত্রার কথা ছিল। তাঁর সফরসঙ্গী ডাক্তার দ্বিজেন্দ্রনাথ মিত্র জাহাজে উঠে পড়েছিলেন, কবির মালপত্রও তাতে তোলা হয়ে গিয়েছিল; কিন্তু আকস্মিকভাবে ওইদিন সকালে রবীন্দ্রনাথ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে মাদ্রাজ থেকে তাঁর মালপত্র ফিরিয়ে আনা হয়। কলকাতায় কয়েক দিন বিশ্রাম করে ২৪ মার্চ রবীন্দ্রনাথ শিলাইদহে চলে আসেন এবং ২৮ মার্চ থেকে ১২ এপ্রিলের মধ্যে সেখানে বসে ১৮টি গান ও কবিতা রচনা করেন। ** ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক বিশ্বজিৎ ঘোষ। [https://www.bbc.com/bengali/news-44609891] * ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর—এ ধরনের একটি অভিযোগ প্রায়ই অনেকে করে থাকেন। তারা উল্লেখ করেন, ‘১৯১২ সালের ২৮ মার্চ কলকাতা গড়ের মাঠে কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সভাপতিত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রতিবাদে এক বিশাল জনসভার আয়োজন করা হয়।’ অনেকেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই জনসভার রেফারেন্স হিসেবে দিয়েছেন নীরদচন্দ্র চৌধুরীর লেখা বই, আবার অনেকেই আবুল আসাদের ‘একশো বছরের রাজনীতি’ বইয়ের রেফারেন্সও দিয়েছেন। যদিও নীরদচন্দ্র চৌধুরীর বইয়ে এমন কিছু উল্লেখ নেই, আবার আবুল আসাদ কোনো তথ্য-উপাত্ত ছাড়াই এ অভিযোগটি করেছেন। তারই ধারাবাহিকতায় ২০০০ সালে আহমদ পাবলিশিং হাউস থেকে ‘আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের ধারাবাহিকতা এবং প্রাসঙ্গিক কিছু কথা’ নামে একটি বইয়ে মেজর জেনারেল (অব.) এম এ মতিন, কপি পেস্টের মাধ্যমে একই কথা উল্লেখ করেন কোনো তথ্য-উপাত্ত ছাড়াই। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কালি ও কলম পত্রিকার সম্পাদকমণ্ডলীর অন্যতম সদস্য এ জেড এম আবদুল আলী একটি পত্রিকায় অভিযোগটির বিরোধিতা করেন। তিনি বলেন, যারা রবীন্দ্রনাথের বিরুদ্ধে এ অভিযোগটি করছেন, তারা তাদের রচনায় কোনো সূত্রের উল্লেখ করেননি। ** [[w:bn:মোহাম্মদ এ আরাফাত|মোহাম্মদ এ আরাফাত]] [https://web.archive.org/web/20250815175626/https://www.kalerkantho.com/print-edition/sub-editorial/2019/10/02/821225] * রবীন্দ্রনাথ সম্পর্কে এক কোটি আলাপের বিকল্প বাদ দিয়ে যারা শুধু তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছেন কিনা– এ বিষয়ে আলাপ তোলে, তারা এক অর্থে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী। তাদের জন্য আমার আফসোস হয় এই ভেবে, তারা রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টিশীল ও বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার রস আস্বাদনে চিরবঞ্চিত। দুনিয়ায় এত এত রস থাকতে এখানে কেবল রবীন্দ্রনাথের কথাই বলতে হলো। কারণ, এরা রবীন্দ্রনাথ নিয়ে লিপ্ত অথচ মজাটা লুটতে পারছে না। আমি মনে করি, যদি আবিষ্কৃত হয়– রবীন্দ্রনাথ কখনও সরাসরি ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরুদ্ধে বলেছেন, তাতে রবীন্দ্রনাথের প্রতিষ্ঠা বা সততা বা সম্মান একবিন্দুও ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। এমনকি সে রকম কিছু হলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রবীন্দ্রনাথের আদর-আপ্যায়ন ও মর্যাদা প্রদান সম্পূর্ণ বৈধ থাকত। আজকের দিনের সংকীর্ণ রাজনীতির উত্তেজনায় কিংবা সংকীর্ণ রাজনীতির বিরোধিতার প্রয়োজনে যারা ঠাকুরকে সহজ শিকার হিসেবে নাকাল করতে চায়, তারা ঠিক আলাপযোগ্য নয়। পুরো ব্যাপারকে একশ বছর আগের বাস্তবতার এক বড় পটভূমিতে স্থাপন করে দেখা নিশ্চয় তাৎপর্যপূর্ণ। কিন্তু সে ক্ষমতা এ জাতীয় ব্যক্তিদের থাকার কথা নয়। ** [[w:bn:মোহাম্মদ আজম|মোহাম্মদ আজম]]। সমকাল পত্রিকায় দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে [https://samakal.com/opinion/article/236093/%E0%A6%A2%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%9F-%E0%A6%9B%E0%A6%BE%E0%A7%9C%E0%A6%BE%E0%A6%93-%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%A5-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%8F%E0%A6%95-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%86%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AA-%E0%A6%86%E0%A6%9B%E0%A7%87] == জমিদান == * কোনও মুসলমান ধনীর কাছ থেকেই ঢাকা ইউনিভার্সিটি ডাইরেক্টলি কোনও ফাইন্যান্সিয়াল কন্ট্রিবিউশন পায় নাই। সলিমুল্লাহ হল যে তৈরি হল তা পুরোই সরকারের টাকায়। নওয়াব পরিবারের টাকায় নয়; জায়গাতেও নয়। রমনায় যে জায়গায় ঢাকা ইউনিভার্সিটি, তা পুরোটাই খাসমহল এবং সরকারের জমি, সেটেলমেন্ট রিপোর্টে তাই আছে। ** [[আবদুর রাজ্জাক (অধ্যাপক)|আব্দুর রাজ্জাক]]। ''ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও পূর্ববঙ্গীয় সমাজ : ‘অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাকের আলাপচারিতা ও অন্যান্য'' বইয়ে। [https://www.bbc.com/bengali/articles/cpd9znnzr5go] * ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার কল্পনা যখন হয় তখন হইতেই [[ভারত সরকার]] প্রতি বৎসর ইহার জন্য পাঁচ লক্ষ টাকা একটি স্থায়ী তহবিলে জমা রাখিতেন। ভারতের নূতন শাসনবিধি প্রচলনের সময় এই তহবিলে যে ৫৫ লক্ষ টাকা জমা হইয়াছিল ভারত সরকার তাহা বাংলা গভর্নমেন্টের হাতে দিয়াছিলেন। [[w:bn:ফিলিপ_জোসেফ_হার্টগ|হার্টগ সাহেব]] এই টাকা দাবি করিলে প্রভাস মিত্র বলিলেন, ঢাকা শহরে রমনায় যে বাড়ীগুলি বিশ্ববিদ্যালয় দখল করিয়াছে তাহার মূল্যবাবদ বাংলা গভর্নমেন্ট ঐ টাকা নিয়াছেন। অতঃপর শিক্ষকদের প্রতিশ্রুত বেতনের হার কমাইতে হইল। ** [[রমেশচন্দ্র মজুমদার]]। ''বাংলা দেশের ইতিহাস, চতুর্থ খণ্ড (১৯০৫-১৯৪৭)'' প্রকাশক: জেনারেল প্রিন্টার্স য়্যাণ্ড পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড, প্রথম সংস্করণ: ৪ ডিসেম্বর ১৯৭৫, পৃষ্ঠা: ৫২৪-৫২৫ * শতবর্ষের বইয়ের জন্য বিভিন্ন নথি ঘাঁটাঘাটি করেছি আমরা। ঢাকার নবাব ৬০০ একর জমি দিয়েছেন এমন কোনও তথ্য সরাসরি কোথাও উল্লেখ নেই।... তাহলে বিশ্ববিদ্যালয় জমি পেল কোথা থেকে? তখন দেখতে পাই তৎকালীন ব্রিটিশ সরকারের কাছ থেকে বিশ্ববিদ্যালয় বিভিন্ন সময় জমি লিজ নিয়েছে। এই লিজের বিনিময়ে যে পয়সা-কড়ি দেবার কথা সেটাও দিয়েছে।...এটি কি মিথ নাকি রিয়েলিটি? এটা আমাদের তালাশ করতে হবে। তাই কোনও উৎস থেকে শতভাগ নিশ্চিত না হয়ে বলাটা ঠিক হবে না। যদি কোথাও না পাই তবে কীভাবে বলি নবাব সলিমুল্লাহ এই ৬০০ একর জমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে দিয়েছে?...বিষয়টি এমন হতে পারে ব্রিটিশ সরকার যখন ১৯০৫ সালে পূর্ববঙ্গে রাজধানী করে তখন নবাবরা হয়তো সরকারকে কোনও অনুদান দিয়ে থাকতে পারেন। ** “শতবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস ও ঐতিহ্য” নামক বইয়ের সহযোগী সম্পাদক মি. বাছির বিবিসি বাংলাকে এই কথা বলেন। [https://www.bbc.com/bengali/articles/cpd9znnzr5go] == আরও দেখুন == * [[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়]] * [[আবদুর রাজ্জাক (অধ্যাপক)|আবদুর রাজ্জাক]] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়]] [[বিষয়শ্রেণী:রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশে বিতর্ক]] thk63gvfx7wqalxksbouvz03m4zft0l 84184 84183 2026-08-14T17:46:58Z ফারদিন 52 /* ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা */ উক্তি যোগ 84184 wikitext text/x-wiki '''[[w:ঢাকা_বিশ্ববিদ্যালয়|ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়]]''' ('''ঢাবি''') ঢাকার শাহবাগে অবস্থিত বাংলাদেশের একটি স্বায়ত্তশাসিত সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। ১৯২১ সালে তদানীন্তন ব্রিটিশ ভারতে অক্সব্রিজ শিক্ষা ব্যবস্থা অনুসরণে এটি স্থাপিত হয়। এর শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয় ১৯২১ সালের ১ জুলাই। সূচনালগ্নে বিভিন্ন প্রথিতযশা বৃত্তিধারী ও বিজ্ঞানীদের দ্বারা কঠোরভাবে মান নিয়ন্ত্রিত হবার প্রেক্ষাপটে এটি '''প্রাচ্যের অক্সফোর্ড''' নামে স্বীকৃতি পায়। ১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে [[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়|ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে]] কেন্দ্র করে নানা সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস, ভূমিদান এবং এর সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন ব্যক্তিত্বের ভূমিকা নিয়ে কিছু প্রশ্ন ও বিতর্ক প্রচলিত আছে। == ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা == * [[বঙ্গভঙ্গ (১৯০৫)|বঙ্গভঙ্গ]] রহিত হওয়ার ফলে পূর্ববঙ্গের মুসলমানেরা যখন ক্ষুব্ধ ও উত্তেজিত হইয়া উঠিলেন তখন বড়লাট [[w:bn:চার্লস হার্ডিঞ্জ, পেনশার্স্টের ১ম ব্যারন হার্ডিঞ্জ|লর্ড হার্ডিং]] তাঁহাদের সন্তোষবিধানের জন্য আশ্বাস দিলেন যে ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হইবে। কিন্তু যুক্ত বাংলার হিন্দুগণ এই প্রস্তাবের তীব্র প্রতিবাদ করিলেন। হিন্দু নেতাগণ এই মত প্রকাশ করিলেন যে, ইহার ফলে রাজনীতিক বিভাগের পরিবর্তে [[সংস্কৃতি|সংস্কৃতির]] দিক হইতে [[বঙ্গ|বঙ্গদেশকে]] আবার দুই খণ্ডে বিভক্ত করা হইবে। সভা-সমিতিতে ও সংবাদপত্রে পূর্ব ও পশ্চিম বাংলায় ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরুদ্ধে তুমুল আন্দোলন চলিতে লাগিল। ইহাতে [[w:bn:কলিকাতা_বিশ্ববিদ্যালয়|কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের]] অনিষ্ট হইবে এই আশঙ্কায় আশুতোষও এই প্রস্তাবের বিরুদ্ধে ছিলেন। প্রকাশ্যে কোন সক্রিয় অংশ গ্রহণ না করিলেও [[আশুতোষ মুখোপাধ্যায়|আশুতোষই]] যে বিরোধী দলের প্রকৃত নেতা ছিলেন ইহা অনেকেই সন্দেহ করিত এবং গভর্নমেন্টও তাহা বিশ্বাস করিত। কিন্তু অকস্মাৎ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে আন্দোলন হ্রাস পাইল। ** [[রমেশচন্দ্র মজুমদার]]। ''বাংলা দেশের ইতিহাস'', চতুর্থ খণ্ড (১৯০৫-১৯৪৭)", প্রকাশক: জেনারেল প্রিন্টার্স য়্যাণ্ড পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড, প্রকাশকাল: ৪ ডিসেম্বর ১৯৭৫, পৃষ্ঠা: ৫২২ * বিভিন্নজন ভিন্ন ভিন্ন কারণে এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন। পশ্চিম বাংলা ও বিহার অঞ্চলের কিছু মুসলমানও বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন। তাঁদের যুক্তি ছিল ভিন্নতর। তাঁদের মতে, বিশ্ববিদ্যালয়টি তাঁদের বা তাঁদের সন্তানসন্ততিদের কোনো কাজে আসবে না। যদি কোনো উপকার হয়, সেটা হবে পূর্ব বাংলার মানুষেরই। যে মুসলিম জনগোষ্ঠী এ রকম চিন্তা করত, তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন [[w:bn:মোহাম্মদ_আকরম_খাঁ|মাওলানা আকরম খাঁ]], [[w:ব্যারিস্টার_আবদুর_রসুল|ব্যারিস্টার আবদুর রসুল]], মৌলভি আবুল কাশেম, মৌলভি লিয়াকত হোসেন প্রমুখ। তদানীন্তন পূর্ব বাংলারও বেশ কিছু মুসলমানের মধ্যে এমন ধারণা ছিল যে পূর্ব বাংলায় যথেষ্ট পরিমাণ ম্যাট্রিক ও ইন্টারমিডিয়েট পাস ছাত্র নেই, যাঁরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে পারেন। এ পরিপ্রেক্ষিতে তাঁরা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন না করে ওই টাকা দিয়ে পূর্ব বাংলায় আরও কিছু স্কুল ও কলেজ স্থাপন করলে এই অঞ্চলের মুসলিম ছেলেমেয়েদের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের লেখাপড়ার সুযোগের পরিধিটা বাড়বে। তাঁরা আরও ভাবতেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার কারণে মুসলিম ছাত্রদের শিক্ষার জন্য যে বাজেট সরকার থেকে আসে, তা অনেকাংশেই কমে যাবে। ** প্রাবন্ধিক কুলদা রায় তাঁর ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা এবং রবীন্দ্রনাথ’ প্রবন্ধে। [https://www.prothomalo.com/bangladesh/%E0%A6%A2%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%9F-%E0%A6%93-%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%A5] * একদিন হাইকোর্টে এক জরুরী চিঠি পেলাম কোর্ট থেকে ফিরবার পথে [[w:bn:চার্লস_হার্ডিঞ্জ,_পেনশার্স্টের_১ম_ব্যারন_হার্ডিঞ্জ|বড়লাট হার্ডিং]] সাহেবের সঙ্গে যেন দেখা করি। যাওয়ামাত্রই বড়লাটের কাছে নিয়ে গেল। মামুলি দু'চার কথার পর লাটসাহেব বললেন, স্যার আশুতোষ, তুমি জান যে আমি কূটনীতি বিভাগে (Diplomatic Service) কাজ করেছি। তোমাকে খোলাখুলি বলছি, এই যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে আন্দোলন চলছে তুমিই আছ তার পেছনে। অবশ্য, তার যুক্তিযুক্ত কারণ আছে তা আমি অস্বীকার কর্ব না। কিন্তু আমি তোমাকে বলছি, এ বিশ্ববিদ্যালয় আমি করবই—তার পেছনেও অনেক যুক্তিযুক্ত কারণ আছে। কিন্তু, আমি তোমার সঙ্গে বিরোধিতা কর্তে চাই না। কি মূল্য পেলে তোমার বিরোধিতা প্রত্যাহার কর্বে সেই কথা জানতে চাই। আমি বললাম, বড় বড় অনেক নেতারাই তো এর বিরুদ্ধে আন্দোলন কর্চ্ছেন। লাটসাহেব বললেন, ও সব আমি গ্রাহ্য করি না, কিন্তু আমি তোমার সঙ্গে বিবাদ কর্তে চাই না। সুতরাং আমি খোলাখুলি জিজ্ঞাসা কর্ছি, কি পেলে তুমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনে আপত্তি কর্বে না—আমি এখনই সেটা জানতে চাই। আমি মনে মনে ভেবে দেখলাম, ওরা তো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্বেই, তবে এই সুযোগে আমি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য কিছু যদি আদায় কর্তে পারি, ক্ষতি কি? সুতরাং আমি বললাম, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের যদি চারটি অধ্যাপকের পদ সৃষ্টি করে গভর্নমেন্ট বরাবর তার খরচ বহন করেন, আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সম্বন্ধে কোন আপত্তি কর্ব না। লাটসাহেব বললেন, আমি তোমার শর্ত মেনে নিলাম। আমাদের এই ব্যবস্থা 'ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চুক্তিপত্র' (Dacca University Pact) বলে ইতিহাসে অভিহিত হবে। হার্ডিং তাঁর কথা রেখেছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের চারটি অধ্যাপকের পদ তিনি সৃষ্টি করেছিলেন। ** [[আশুতোষ মুখোপাধ্যায়]]। ''বাংলা দেশের ইতিহাস, চতুর্থ খণ্ড (১৯০৫-১৯৪৭)''-রমেশচন্দ্র মজুমদার, প্রকাশক: জেনারেল প্রিন্টার্স য়্যাণ্ড পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড, প্রথম সংস্করণ: ৪ ডিসেম্বর ১৯৭৫, পৃষ্ঠা: ৫২২-৫২৩ === রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর === [[চিত্র:রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষক ও ছাত্রদের একাংশ.webp|থাম্ব|১৯৩৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।]] * কেউ কেউ কোনো প্রমাণ উপস্থিত না করেই লিখিতভাবে জানাচ্ছেন যে, ১৯১২ খ্রিষ্টাব্দের ২৮ মার্চ কলকাতায় গড়ের মাঠে রবীন্দ্রনাথের সভাপতিত্বে এক বিরাট জনসভা হয়। ও রকম একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল বটে, কিন্তু তাতে রবীন্দ্রনাথের উপস্থিতি ছিল অসম্ভব, কেননা সেদিন তিনি কলকাতাতেই ছিলেন না। ১৯১২ সালের ১৯ মার্চ সিটি অব প্যারিস জাহাজযোগে রবীন্দ্রনাথের বিলাতযাত্রার কথা ছিল। তাঁর সফরসঙ্গী ডাক্তার দ্বিজেন্দ্রনাথ মিত্র জাহাজে উঠে পড়েছিলেন, কবির মালপত্রও তাতে তোলা হয়ে গিয়েছিল; কিন্তু আকস্মিকভাবে ওইদিন সকালে রবীন্দ্রনাথ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে মাদ্রাজ থেকে তাঁর মালপত্র ফিরিয়ে আনা হয়। কলকাতায় কয়েক দিন বিশ্রাম করে ২৪ মার্চ রবীন্দ্রনাথ শিলাইদহে চলে আসেন এবং ২৮ মার্চ থেকে ১২ এপ্রিলের মধ্যে সেখানে বসে ১৮টি গান ও কবিতা রচনা করেন। ** ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক বিশ্বজিৎ ঘোষ। [https://www.bbc.com/bengali/news-44609891] * ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর—এ ধরনের একটি অভিযোগ প্রায়ই অনেকে করে থাকেন। তারা উল্লেখ করেন, ‘১৯১২ সালের ২৮ মার্চ কলকাতা গড়ের মাঠে কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সভাপতিত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রতিবাদে এক বিশাল জনসভার আয়োজন করা হয়।’ অনেকেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই জনসভার রেফারেন্স হিসেবে দিয়েছেন নীরদচন্দ্র চৌধুরীর লেখা বই, আবার অনেকেই আবুল আসাদের ‘একশো বছরের রাজনীতি’ বইয়ের রেফারেন্সও দিয়েছেন। যদিও নীরদচন্দ্র চৌধুরীর বইয়ে এমন কিছু উল্লেখ নেই, আবার আবুল আসাদ কোনো তথ্য-উপাত্ত ছাড়াই এ অভিযোগটি করেছেন। তারই ধারাবাহিকতায় ২০০০ সালে আহমদ পাবলিশিং হাউস থেকে ‘আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের ধারাবাহিকতা এবং প্রাসঙ্গিক কিছু কথা’ নামে একটি বইয়ে মেজর জেনারেল (অব.) এম এ মতিন, কপি পেস্টের মাধ্যমে একই কথা উল্লেখ করেন কোনো তথ্য-উপাত্ত ছাড়াই। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কালি ও কলম পত্রিকার সম্পাদকমণ্ডলীর অন্যতম সদস্য এ জেড এম আবদুল আলী একটি পত্রিকায় অভিযোগটির বিরোধিতা করেন। তিনি বলেন, যারা রবীন্দ্রনাথের বিরুদ্ধে এ অভিযোগটি করছেন, তারা তাদের রচনায় কোনো সূত্রের উল্লেখ করেননি। ** [[w:bn:মোহাম্মদ এ আরাফাত|মোহাম্মদ এ আরাফাত]] [https://web.archive.org/web/20250815175626/https://www.kalerkantho.com/print-edition/sub-editorial/2019/10/02/821225] * রবীন্দ্রনাথ সম্পর্কে এক কোটি আলাপের বিকল্প বাদ দিয়ে যারা শুধু তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছেন কিনা– এ বিষয়ে আলাপ তোলে, তারা এক অর্থে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী। তাদের জন্য আমার আফসোস হয় এই ভেবে, তারা রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টিশীল ও বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার রস আস্বাদনে চিরবঞ্চিত। দুনিয়ায় এত এত রস থাকতে এখানে কেবল রবীন্দ্রনাথের কথাই বলতে হলো। কারণ, এরা রবীন্দ্রনাথ নিয়ে লিপ্ত অথচ মজাটা লুটতে পারছে না। আমি মনে করি, যদি আবিষ্কৃত হয়– রবীন্দ্রনাথ কখনও সরাসরি ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরুদ্ধে বলেছেন, তাতে রবীন্দ্রনাথের প্রতিষ্ঠা বা সততা বা সম্মান একবিন্দুও ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। এমনকি সে রকম কিছু হলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রবীন্দ্রনাথের আদর-আপ্যায়ন ও মর্যাদা প্রদান সম্পূর্ণ বৈধ থাকত। আজকের দিনের সংকীর্ণ রাজনীতির উত্তেজনায় কিংবা সংকীর্ণ রাজনীতির বিরোধিতার প্রয়োজনে যারা ঠাকুরকে সহজ শিকার হিসেবে নাকাল করতে চায়, তারা ঠিক আলাপযোগ্য নয়। পুরো ব্যাপারকে একশ বছর আগের বাস্তবতার এক বড় পটভূমিতে স্থাপন করে দেখা নিশ্চয় তাৎপর্যপূর্ণ। কিন্তু সে ক্ষমতা এ জাতীয় ব্যক্তিদের থাকার কথা নয়। ** [[w:bn:মোহাম্মদ আজম|মোহাম্মদ আজম]]। সমকাল পত্রিকায় দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে [https://samakal.com/opinion/article/236093/%E0%A6%A2%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%9F-%E0%A6%9B%E0%A6%BE%E0%A7%9C%E0%A6%BE%E0%A6%93-%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%A5-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%8F%E0%A6%95-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%86%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AA-%E0%A6%86%E0%A6%9B%E0%A7%87] == জমিদান == * কোনও মুসলমান ধনীর কাছ থেকেই ঢাকা ইউনিভার্সিটি ডাইরেক্টলি কোনও ফাইন্যান্সিয়াল কন্ট্রিবিউশন পায় নাই। সলিমুল্লাহ হল যে তৈরি হল তা পুরোই সরকারের টাকায়। নওয়াব পরিবারের টাকায় নয়; জায়গাতেও নয়। রমনায় যে জায়গায় ঢাকা ইউনিভার্সিটি, তা পুরোটাই খাসমহল এবং সরকারের জমি, সেটেলমেন্ট রিপোর্টে তাই আছে। ** [[আবদুর রাজ্জাক (অধ্যাপক)|আব্দুর রাজ্জাক]]। ''ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও পূর্ববঙ্গীয় সমাজ : ‘অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাকের আলাপচারিতা ও অন্যান্য'' বইয়ে। [https://www.bbc.com/bengali/articles/cpd9znnzr5go] * ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার কল্পনা যখন হয় তখন হইতেই [[ভারত সরকার]] প্রতি বৎসর ইহার জন্য পাঁচ লক্ষ টাকা একটি স্থায়ী তহবিলে জমা রাখিতেন। ভারতের নূতন শাসনবিধি প্রচলনের সময় এই তহবিলে যে ৫৫ লক্ষ টাকা জমা হইয়াছিল ভারত সরকার তাহা বাংলা গভর্নমেন্টের হাতে দিয়াছিলেন। [[w:bn:ফিলিপ_জোসেফ_হার্টগ|হার্টগ সাহেব]] এই টাকা দাবি করিলে প্রভাস মিত্র বলিলেন, ঢাকা শহরে রমনায় যে বাড়ীগুলি বিশ্ববিদ্যালয় দখল করিয়াছে তাহার মূল্যবাবদ বাংলা গভর্নমেন্ট ঐ টাকা নিয়াছেন। অতঃপর শিক্ষকদের প্রতিশ্রুত বেতনের হার কমাইতে হইল। ** [[রমেশচন্দ্র মজুমদার]]। ''বাংলা দেশের ইতিহাস, চতুর্থ খণ্ড (১৯০৫-১৯৪৭)'' প্রকাশক: জেনারেল প্রিন্টার্স য়্যাণ্ড পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড, প্রথম সংস্করণ: ৪ ডিসেম্বর ১৯৭৫, পৃষ্ঠা: ৫২৪-৫২৫ * শতবর্ষের বইয়ের জন্য বিভিন্ন নথি ঘাঁটাঘাটি করেছি আমরা। ঢাকার নবাব ৬০০ একর জমি দিয়েছেন এমন কোনও তথ্য সরাসরি কোথাও উল্লেখ নেই।... তাহলে বিশ্ববিদ্যালয় জমি পেল কোথা থেকে? তখন দেখতে পাই তৎকালীন ব্রিটিশ সরকারের কাছ থেকে বিশ্ববিদ্যালয় বিভিন্ন সময় জমি লিজ নিয়েছে। এই লিজের বিনিময়ে যে পয়সা-কড়ি দেবার কথা সেটাও দিয়েছে।...এটি কি মিথ নাকি রিয়েলিটি? এটা আমাদের তালাশ করতে হবে। তাই কোনও উৎস থেকে শতভাগ নিশ্চিত না হয়ে বলাটা ঠিক হবে না। যদি কোথাও না পাই তবে কীভাবে বলি নবাব সলিমুল্লাহ এই ৬০০ একর জমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে দিয়েছে?...বিষয়টি এমন হতে পারে ব্রিটিশ সরকার যখন ১৯০৫ সালে পূর্ববঙ্গে রাজধানী করে তখন নবাবরা হয়তো সরকারকে কোনও অনুদান দিয়ে থাকতে পারেন। ** “শতবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস ও ঐতিহ্য” নামক বইয়ের সহযোগী সম্পাদক মি. বাছির বিবিসি বাংলাকে এই কথা বলেন। [https://www.bbc.com/bengali/articles/cpd9znnzr5go] == আরও দেখুন == * [[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়]] * [[আবদুর রাজ্জাক (অধ্যাপক)|আবদুর রাজ্জাক]] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়]] [[বিষয়শ্রেণী:রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশে বিতর্ক]] 38nkwtmdng7my3f8fgni37c7uq7clxu 84190 84184 2026-08-14T19:01:44Z ফারদিন 52 /* রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর */ উক্তি যোগ 84190 wikitext text/x-wiki '''[[w:ঢাকা_বিশ্ববিদ্যালয়|ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়]]''' ('''ঢাবি''') ঢাকার শাহবাগে অবস্থিত বাংলাদেশের একটি স্বায়ত্তশাসিত সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। ১৯২১ সালে তদানীন্তন ব্রিটিশ ভারতে অক্সব্রিজ শিক্ষা ব্যবস্থা অনুসরণে এটি স্থাপিত হয়। এর শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয় ১৯২১ সালের ১ জুলাই। সূচনালগ্নে বিভিন্ন প্রথিতযশা বৃত্তিধারী ও বিজ্ঞানীদের দ্বারা কঠোরভাবে মান নিয়ন্ত্রিত হবার প্রেক্ষাপটে এটি '''প্রাচ্যের অক্সফোর্ড''' নামে স্বীকৃতি পায়। ১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে [[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়|ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে]] কেন্দ্র করে নানা সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস, ভূমিদান এবং এর সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন ব্যক্তিত্বের ভূমিকা নিয়ে কিছু প্রশ্ন ও বিতর্ক প্রচলিত আছে। == ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা == * [[বঙ্গভঙ্গ (১৯০৫)|বঙ্গভঙ্গ]] রহিত হওয়ার ফলে পূর্ববঙ্গের মুসলমানেরা যখন ক্ষুব্ধ ও উত্তেজিত হইয়া উঠিলেন তখন বড়লাট [[w:bn:চার্লস হার্ডিঞ্জ, পেনশার্স্টের ১ম ব্যারন হার্ডিঞ্জ|লর্ড হার্ডিং]] তাঁহাদের সন্তোষবিধানের জন্য আশ্বাস দিলেন যে ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হইবে। কিন্তু যুক্ত বাংলার হিন্দুগণ এই প্রস্তাবের তীব্র প্রতিবাদ করিলেন। হিন্দু নেতাগণ এই মত প্রকাশ করিলেন যে, ইহার ফলে রাজনীতিক বিভাগের পরিবর্তে [[সংস্কৃতি|সংস্কৃতির]] দিক হইতে [[বঙ্গ|বঙ্গদেশকে]] আবার দুই খণ্ডে বিভক্ত করা হইবে। সভা-সমিতিতে ও সংবাদপত্রে পূর্ব ও পশ্চিম বাংলায় ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরুদ্ধে তুমুল আন্দোলন চলিতে লাগিল। ইহাতে [[w:bn:কলিকাতা_বিশ্ববিদ্যালয়|কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের]] অনিষ্ট হইবে এই আশঙ্কায় আশুতোষও এই প্রস্তাবের বিরুদ্ধে ছিলেন। প্রকাশ্যে কোন সক্রিয় অংশ গ্রহণ না করিলেও [[আশুতোষ মুখোপাধ্যায়|আশুতোষই]] যে বিরোধী দলের প্রকৃত নেতা ছিলেন ইহা অনেকেই সন্দেহ করিত এবং গভর্নমেন্টও তাহা বিশ্বাস করিত। কিন্তু অকস্মাৎ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে আন্দোলন হ্রাস পাইল। ** [[রমেশচন্দ্র মজুমদার]]। ''বাংলা দেশের ইতিহাস'', চতুর্থ খণ্ড (১৯০৫-১৯৪৭)", প্রকাশক: জেনারেল প্রিন্টার্স য়্যাণ্ড পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড, প্রকাশকাল: ৪ ডিসেম্বর ১৯৭৫, পৃষ্ঠা: ৫২২ * বিভিন্নজন ভিন্ন ভিন্ন কারণে এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন। পশ্চিম বাংলা ও বিহার অঞ্চলের কিছু মুসলমানও বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন। তাঁদের যুক্তি ছিল ভিন্নতর। তাঁদের মতে, বিশ্ববিদ্যালয়টি তাঁদের বা তাঁদের সন্তানসন্ততিদের কোনো কাজে আসবে না। যদি কোনো উপকার হয়, সেটা হবে পূর্ব বাংলার মানুষেরই। যে মুসলিম জনগোষ্ঠী এ রকম চিন্তা করত, তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন [[w:bn:মোহাম্মদ_আকরম_খাঁ|মাওলানা আকরম খাঁ]], [[w:ব্যারিস্টার_আবদুর_রসুল|ব্যারিস্টার আবদুর রসুল]], মৌলভি আবুল কাশেম, মৌলভি লিয়াকত হোসেন প্রমুখ। তদানীন্তন পূর্ব বাংলারও বেশ কিছু মুসলমানের মধ্যে এমন ধারণা ছিল যে পূর্ব বাংলায় যথেষ্ট পরিমাণ ম্যাট্রিক ও ইন্টারমিডিয়েট পাস ছাত্র নেই, যাঁরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে পারেন। এ পরিপ্রেক্ষিতে তাঁরা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন না করে ওই টাকা দিয়ে পূর্ব বাংলায় আরও কিছু স্কুল ও কলেজ স্থাপন করলে এই অঞ্চলের মুসলিম ছেলেমেয়েদের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের লেখাপড়ার সুযোগের পরিধিটা বাড়বে। তাঁরা আরও ভাবতেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার কারণে মুসলিম ছাত্রদের শিক্ষার জন্য যে বাজেট সরকার থেকে আসে, তা অনেকাংশেই কমে যাবে। ** প্রাবন্ধিক কুলদা রায় তাঁর ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা এবং রবীন্দ্রনাথ’ প্রবন্ধে। [https://www.prothomalo.com/bangladesh/%E0%A6%A2%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%9F-%E0%A6%93-%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%A5] * একদিন হাইকোর্টে এক জরুরী চিঠি পেলাম কোর্ট থেকে ফিরবার পথে [[w:bn:চার্লস_হার্ডিঞ্জ,_পেনশার্স্টের_১ম_ব্যারন_হার্ডিঞ্জ|বড়লাট হার্ডিং]] সাহেবের সঙ্গে যেন দেখা করি। যাওয়ামাত্রই বড়লাটের কাছে নিয়ে গেল। মামুলি দু'চার কথার পর লাটসাহেব বললেন, স্যার আশুতোষ, তুমি জান যে আমি কূটনীতি বিভাগে (Diplomatic Service) কাজ করেছি। তোমাকে খোলাখুলি বলছি, এই যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে আন্দোলন চলছে তুমিই আছ তার পেছনে। অবশ্য, তার যুক্তিযুক্ত কারণ আছে তা আমি অস্বীকার কর্ব না। কিন্তু আমি তোমাকে বলছি, এ বিশ্ববিদ্যালয় আমি করবই—তার পেছনেও অনেক যুক্তিযুক্ত কারণ আছে। কিন্তু, আমি তোমার সঙ্গে বিরোধিতা কর্তে চাই না। কি মূল্য পেলে তোমার বিরোধিতা প্রত্যাহার কর্বে সেই কথা জানতে চাই। আমি বললাম, বড় বড় অনেক নেতারাই তো এর বিরুদ্ধে আন্দোলন কর্চ্ছেন। লাটসাহেব বললেন, ও সব আমি গ্রাহ্য করি না, কিন্তু আমি তোমার সঙ্গে বিবাদ কর্তে চাই না। সুতরাং আমি খোলাখুলি জিজ্ঞাসা কর্ছি, কি পেলে তুমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনে আপত্তি কর্বে না—আমি এখনই সেটা জানতে চাই। আমি মনে মনে ভেবে দেখলাম, ওরা তো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্বেই, তবে এই সুযোগে আমি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য কিছু যদি আদায় কর্তে পারি, ক্ষতি কি? সুতরাং আমি বললাম, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের যদি চারটি অধ্যাপকের পদ সৃষ্টি করে গভর্নমেন্ট বরাবর তার খরচ বহন করেন, আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সম্বন্ধে কোন আপত্তি কর্ব না। লাটসাহেব বললেন, আমি তোমার শর্ত মেনে নিলাম। আমাদের এই ব্যবস্থা 'ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চুক্তিপত্র' (Dacca University Pact) বলে ইতিহাসে অভিহিত হবে। হার্ডিং তাঁর কথা রেখেছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের চারটি অধ্যাপকের পদ তিনি সৃষ্টি করেছিলেন। ** [[আশুতোষ মুখোপাধ্যায়]]। ''বাংলা দেশের ইতিহাস, চতুর্থ খণ্ড (১৯০৫-১৯৪৭)''-রমেশচন্দ্র মজুমদার, প্রকাশক: জেনারেল প্রিন্টার্স য়্যাণ্ড পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড, প্রথম সংস্করণ: ৪ ডিসেম্বর ১৯৭৫, পৃষ্ঠা: ৫২২-৫২৩ === রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর === [[চিত্র:রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষক ও ছাত্রদের একাংশ.webp|থাম্ব|১৯৩৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।]] * কেউ কেউ কোনো প্রমাণ উপস্থিত না করেই লিখিতভাবে জানাচ্ছেন যে, ১৯১২ খ্রিষ্টাব্দের ২৮ মার্চ কলকাতায় গড়ের মাঠে রবীন্দ্রনাথের সভাপতিত্বে এক বিরাট জনসভা হয়। ও রকম একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল বটে, কিন্তু তাতে রবীন্দ্রনাথের উপস্থিতি ছিল অসম্ভব, কেননা সেদিন তিনি কলকাতাতেই ছিলেন না। ১৯১২ সালের ১৯ মার্চ সিটি অব প্যারিস জাহাজযোগে রবীন্দ্রনাথের বিলাতযাত্রার কথা ছিল। তাঁর সফরসঙ্গী ডাক্তার দ্বিজেন্দ্রনাথ মিত্র জাহাজে উঠে পড়েছিলেন, কবির মালপত্রও তাতে তোলা হয়ে গিয়েছিল; কিন্তু আকস্মিকভাবে ওইদিন সকালে রবীন্দ্রনাথ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে মাদ্রাজ থেকে তাঁর মালপত্র ফিরিয়ে আনা হয়। কলকাতায় কয়েক দিন বিশ্রাম করে ২৪ মার্চ রবীন্দ্রনাথ শিলাইদহে চলে আসেন এবং ২৮ মার্চ থেকে ১২ এপ্রিলের মধ্যে সেখানে বসে ১৮টি গান ও কবিতা রচনা করেন। ** ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক বিশ্বজিৎ ঘোষ। [https://www.bbc.com/bengali/news-44609891] * ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর—এ ধরনের একটি অভিযোগ প্রায়ই অনেকে করে থাকেন। তারা উল্লেখ করেন, ‘১৯১২ সালের ২৮ মার্চ কলকাতা গড়ের মাঠে কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সভাপতিত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রতিবাদে এক বিশাল জনসভার আয়োজন করা হয়।’ অনেকেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই জনসভার রেফারেন্স হিসেবে দিয়েছেন নীরদচন্দ্র চৌধুরীর লেখা বই, আবার অনেকেই আবুল আসাদের ‘একশো বছরের রাজনীতি’ বইয়ের রেফারেন্সও দিয়েছেন। যদিও নীরদচন্দ্র চৌধুরীর বইয়ে এমন কিছু উল্লেখ নেই, আবার আবুল আসাদ কোনো তথ্য-উপাত্ত ছাড়াই এ অভিযোগটি করেছেন। তারই ধারাবাহিকতায় ২০০০ সালে আহমদ পাবলিশিং হাউস থেকে ‘আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের ধারাবাহিকতা এবং প্রাসঙ্গিক কিছু কথা’ নামে একটি বইয়ে মেজর জেনারেল (অব.) এম এ মতিন, কপি পেস্টের মাধ্যমে একই কথা উল্লেখ করেন কোনো তথ্য-উপাত্ত ছাড়াই। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কালি ও কলম পত্রিকার সম্পাদকমণ্ডলীর অন্যতম সদস্য এ জেড এম আবদুল আলী একটি পত্রিকায় অভিযোগটির বিরোধিতা করেন। তিনি বলেন, যারা রবীন্দ্রনাথের বিরুদ্ধে এ অভিযোগটি করছেন, তারা তাদের রচনায় কোনো সূত্রের উল্লেখ করেননি। ** [[w:bn:মোহাম্মদ এ আরাফাত|মোহাম্মদ এ আরাফাত]] [https://web.archive.org/web/20250815175626/https://www.kalerkantho.com/print-edition/sub-editorial/2019/10/02/821225] * যাঁরা এই প্রপাগান্ডাটা করছেন, তাঁরা কি একবারও ভাবেন না যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করলে নিশ্চয়ই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে প্রতিষ্ঠার পাঁচ বছরের মধ্যেই ভাষণ দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ করা হতো না। ১৯৩৬ সালে তাঁকে ডি.লিট উপাধি প্রদানের বিষয়েও বিরোধিতা হতো; বরং তাঁকে দুবারই মুসলমান-হিন্দু সব শ্রেণির ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান আন্তরিকভাবে সম্মাননা প্রদান করেছে। ** [[w:bn:মোহাম্মদ আলী আরাফাত|মোহাম্মদ আলী আরাফাত]]। [https://web.archive.org/web/20250815175626/https://www.kalerkantho.com/print-edition/sub-editorial/2019/10/02/821225 জাতীয় সংগীত ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর: কিছু মিথ ও প্রকৃত ইতিহাস], ''কালের কণ্ঠ'', ২ অক্টোবর ২০১৯। * রবীন্দ্রনাথ সম্পর্কে এক কোটি আলাপের বিকল্প বাদ দিয়ে যারা শুধু তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছেন কিনা– এ বিষয়ে আলাপ তোলে, তারা এক অর্থে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী। তাদের জন্য আমার আফসোস হয় এই ভেবে, তারা রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টিশীল ও বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার রস আস্বাদনে চিরবঞ্চিত। দুনিয়ায় এত এত রস থাকতে এখানে কেবল রবীন্দ্রনাথের কথাই বলতে হলো। কারণ, এরা রবীন্দ্রনাথ নিয়ে লিপ্ত অথচ মজাটা লুটতে পারছে না। আমি মনে করি, যদি আবিষ্কৃত হয়– রবীন্দ্রনাথ কখনও সরাসরি ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরুদ্ধে বলেছেন, তাতে রবীন্দ্রনাথের প্রতিষ্ঠা বা সততা বা সম্মান একবিন্দুও ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। এমনকি সে রকম কিছু হলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রবীন্দ্রনাথের আদর-আপ্যায়ন ও মর্যাদা প্রদান সম্পূর্ণ বৈধ থাকত। আজকের দিনের সংকীর্ণ রাজনীতির উত্তেজনায় কিংবা সংকীর্ণ রাজনীতির বিরোধিতার প্রয়োজনে যারা ঠাকুরকে সহজ শিকার হিসেবে নাকাল করতে চায়, তারা ঠিক আলাপযোগ্য নয়। পুরো ব্যাপারকে একশ বছর আগের বাস্তবতার এক বড় পটভূমিতে স্থাপন করে দেখা নিশ্চয় তাৎপর্যপূর্ণ। কিন্তু সে ক্ষমতা এ জাতীয় ব্যক্তিদের থাকার কথা নয়। ** [[w:bn:মোহাম্মদ আজম|মোহাম্মদ আজম]]। সমকাল পত্রিকায় দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে [https://samakal.com/opinion/article/236093/%E0%A6%A2%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%9F-%E0%A6%9B%E0%A6%BE%E0%A7%9C%E0%A6%BE%E0%A6%93-%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%A5-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%8F%E0%A6%95-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%86%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AA-%E0%A6%86%E0%A6%9B%E0%A7%87] == জমিদান == * কোনও মুসলমান ধনীর কাছ থেকেই ঢাকা ইউনিভার্সিটি ডাইরেক্টলি কোনও ফাইন্যান্সিয়াল কন্ট্রিবিউশন পায় নাই। সলিমুল্লাহ হল যে তৈরি হল তা পুরোই সরকারের টাকায়। নওয়াব পরিবারের টাকায় নয়; জায়গাতেও নয়। রমনায় যে জায়গায় ঢাকা ইউনিভার্সিটি, তা পুরোটাই খাসমহল এবং সরকারের জমি, সেটেলমেন্ট রিপোর্টে তাই আছে। ** [[আবদুর রাজ্জাক (অধ্যাপক)|আব্দুর রাজ্জাক]]। ''ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও পূর্ববঙ্গীয় সমাজ : ‘অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাকের আলাপচারিতা ও অন্যান্য'' বইয়ে। [https://www.bbc.com/bengali/articles/cpd9znnzr5go] * ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার কল্পনা যখন হয় তখন হইতেই [[ভারত সরকার]] প্রতি বৎসর ইহার জন্য পাঁচ লক্ষ টাকা একটি স্থায়ী তহবিলে জমা রাখিতেন। ভারতের নূতন শাসনবিধি প্রচলনের সময় এই তহবিলে যে ৫৫ লক্ষ টাকা জমা হইয়াছিল ভারত সরকার তাহা বাংলা গভর্নমেন্টের হাতে দিয়াছিলেন। [[w:bn:ফিলিপ_জোসেফ_হার্টগ|হার্টগ সাহেব]] এই টাকা দাবি করিলে প্রভাস মিত্র বলিলেন, ঢাকা শহরে রমনায় যে বাড়ীগুলি বিশ্ববিদ্যালয় দখল করিয়াছে তাহার মূল্যবাবদ বাংলা গভর্নমেন্ট ঐ টাকা নিয়াছেন। অতঃপর শিক্ষকদের প্রতিশ্রুত বেতনের হার কমাইতে হইল। ** [[রমেশচন্দ্র মজুমদার]]। ''বাংলা দেশের ইতিহাস, চতুর্থ খণ্ড (১৯০৫-১৯৪৭)'' প্রকাশক: জেনারেল প্রিন্টার্স য়্যাণ্ড পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড, প্রথম সংস্করণ: ৪ ডিসেম্বর ১৯৭৫, পৃষ্ঠা: ৫২৪-৫২৫ * শতবর্ষের বইয়ের জন্য বিভিন্ন নথি ঘাঁটাঘাটি করেছি আমরা। ঢাকার নবাব ৬০০ একর জমি দিয়েছেন এমন কোনও তথ্য সরাসরি কোথাও উল্লেখ নেই।... তাহলে বিশ্ববিদ্যালয় জমি পেল কোথা থেকে? তখন দেখতে পাই তৎকালীন ব্রিটিশ সরকারের কাছ থেকে বিশ্ববিদ্যালয় বিভিন্ন সময় জমি লিজ নিয়েছে। এই লিজের বিনিময়ে যে পয়সা-কড়ি দেবার কথা সেটাও দিয়েছে।...এটি কি মিথ নাকি রিয়েলিটি? এটা আমাদের তালাশ করতে হবে। তাই কোনও উৎস থেকে শতভাগ নিশ্চিত না হয়ে বলাটা ঠিক হবে না। যদি কোথাও না পাই তবে কীভাবে বলি নবাব সলিমুল্লাহ এই ৬০০ একর জমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে দিয়েছে?...বিষয়টি এমন হতে পারে ব্রিটিশ সরকার যখন ১৯০৫ সালে পূর্ববঙ্গে রাজধানী করে তখন নবাবরা হয়তো সরকারকে কোনও অনুদান দিয়ে থাকতে পারেন। ** “শতবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস ও ঐতিহ্য” নামক বইয়ের সহযোগী সম্পাদক মি. বাছির বিবিসি বাংলাকে এই কথা বলেন। [https://www.bbc.com/bengali/articles/cpd9znnzr5go] == আরও দেখুন == * [[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়]] * [[আবদুর রাজ্জাক (অধ্যাপক)|আবদুর রাজ্জাক]] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়]] [[বিষয়শ্রেণী:রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশে বিতর্ক]] 4xutuibkck04ghonk0psq8tnui8i1r2 84191 84190 2026-08-14T19:04:15Z ফারদিন 52 84191 wikitext text/x-wiki '''[[w:ঢাকা_বিশ্ববিদ্যালয়|ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়]]''' ('''ঢাবি''') ঢাকার শাহবাগে অবস্থিত বাংলাদেশের একটি স্বায়ত্তশাসিত সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। ১৯২১ সালে তদানীন্তন ব্রিটিশ ভারতে অক্সব্রিজ শিক্ষা ব্যবস্থা অনুসরণে এটি স্থাপিত হয়। এর শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয় ১৯২১ সালের ১ জুলাই। সূচনালগ্নে বিভিন্ন প্রথিতযশা বৃত্তিধারী ও বিজ্ঞানীদের দ্বারা কঠোরভাবে মান নিয়ন্ত্রিত হবার প্রেক্ষাপটে এটি '''প্রাচ্যের অক্সফোর্ড''' নামে স্বীকৃতি পায়। ১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে [[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়|ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে]] কেন্দ্র করে নানা সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস, ভূমিদান এবং এর সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন ব্যক্তিত্বের ভূমিকা নিয়ে কিছু প্রশ্ন ও বিতর্ক প্রচলিত আছে। == ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা == * [[বঙ্গভঙ্গ (১৯০৫)|বঙ্গভঙ্গ]] রহিত হওয়ার ফলে পূর্ববঙ্গের মুসলমানেরা যখন ক্ষুব্ধ ও উত্তেজিত হইয়া উঠিলেন তখন বড়লাট [[w:bn:চার্লস হার্ডিঞ্জ, পেনশার্স্টের ১ম ব্যারন হার্ডিঞ্জ|লর্ড হার্ডিং]] তাঁহাদের সন্তোষবিধানের জন্য আশ্বাস দিলেন যে ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হইবে। কিন্তু যুক্ত বাংলার হিন্দুগণ এই প্রস্তাবের তীব্র প্রতিবাদ করিলেন। হিন্দু নেতাগণ এই মত প্রকাশ করিলেন যে, ইহার ফলে রাজনীতিক বিভাগের পরিবর্তে [[সংস্কৃতি|সংস্কৃতির]] দিক হইতে [[বঙ্গ|বঙ্গদেশকে]] আবার দুই খণ্ডে বিভক্ত করা হইবে। সভা-সমিতিতে ও সংবাদপত্রে পূর্ব ও পশ্চিম বাংলায় ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরুদ্ধে তুমুল আন্দোলন চলিতে লাগিল। ইহাতে [[w:bn:কলিকাতা_বিশ্ববিদ্যালয়|কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের]] অনিষ্ট হইবে এই আশঙ্কায় আশুতোষও এই প্রস্তাবের বিরুদ্ধে ছিলেন। প্রকাশ্যে কোন সক্রিয় অংশ গ্রহণ না করিলেও [[আশুতোষ মুখোপাধ্যায়|আশুতোষই]] যে বিরোধী দলের প্রকৃত নেতা ছিলেন ইহা অনেকেই সন্দেহ করিত এবং গভর্নমেন্টও তাহা বিশ্বাস করিত। কিন্তু অকস্মাৎ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে আন্দোলন হ্রাস পাইল। ** [[রমেশচন্দ্র মজুমদার]]। ''বাংলা দেশের ইতিহাস'', চতুর্থ খণ্ড (১৯০৫-১৯৪৭)", প্রকাশক: জেনারেল প্রিন্টার্স য়্যাণ্ড পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড, প্রকাশকাল: ৪ ডিসেম্বর ১৯৭৫, পৃষ্ঠা: ৫২২ * বিভিন্নজন ভিন্ন ভিন্ন কারণে এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন। পশ্চিম বাংলা ও বিহার অঞ্চলের কিছু মুসলমানও বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন। তাঁদের যুক্তি ছিল ভিন্নতর। তাঁদের মতে, বিশ্ববিদ্যালয়টি তাঁদের বা তাঁদের সন্তানসন্ততিদের কোনো কাজে আসবে না। যদি কোনো উপকার হয়, সেটা হবে পূর্ব বাংলার মানুষেরই। যে মুসলিম জনগোষ্ঠী এ রকম চিন্তা করত, তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন [[w:bn:মোহাম্মদ_আকরম_খাঁ|মাওলানা আকরম খাঁ]], [[w:ব্যারিস্টার_আবদুর_রসুল|ব্যারিস্টার আবদুর রসুল]], মৌলভি আবুল কাশেম, মৌলভি লিয়াকত হোসেন প্রমুখ। তদানীন্তন পূর্ব বাংলারও বেশ কিছু মুসলমানের মধ্যে এমন ধারণা ছিল যে পূর্ব বাংলায় যথেষ্ট পরিমাণ ম্যাট্রিক ও ইন্টারমিডিয়েট পাস ছাত্র নেই, যাঁরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে পারেন। এ পরিপ্রেক্ষিতে তাঁরা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন না করে ওই টাকা দিয়ে পূর্ব বাংলায় আরও কিছু স্কুল ও কলেজ স্থাপন করলে এই অঞ্চলের মুসলিম ছেলেমেয়েদের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের লেখাপড়ার সুযোগের পরিধিটা বাড়বে। তাঁরা আরও ভাবতেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার কারণে মুসলিম ছাত্রদের শিক্ষার জন্য যে বাজেট সরকার থেকে আসে, তা অনেকাংশেই কমে যাবে। ** প্রাবন্ধিক কুলদা রায় তাঁর ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা এবং রবীন্দ্রনাথ’ প্রবন্ধে। [https://www.prothomalo.com/bangladesh/%E0%A6%A2%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%9F-%E0%A6%93-%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%A5] * একদিন হাইকোর্টে এক জরুরী চিঠি পেলাম কোর্ট থেকে ফিরবার পথে [[w:bn:চার্লস_হার্ডিঞ্জ,_পেনশার্স্টের_১ম_ব্যারন_হার্ডিঞ্জ|বড়লাট হার্ডিং]] সাহেবের সঙ্গে যেন দেখা করি। যাওয়ামাত্রই বড়লাটের কাছে নিয়ে গেল। মামুলি দু'চার কথার পর লাটসাহেব বললেন, স্যার আশুতোষ, তুমি জান যে আমি কূটনীতি বিভাগে (Diplomatic Service) কাজ করেছি। তোমাকে খোলাখুলি বলছি, এই যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে আন্দোলন চলছে তুমিই আছ তার পেছনে। অবশ্য, তার যুক্তিযুক্ত কারণ আছে তা আমি অস্বীকার কর্ব না। কিন্তু আমি তোমাকে বলছি, এ বিশ্ববিদ্যালয় আমি করবই—তার পেছনেও অনেক যুক্তিযুক্ত কারণ আছে। কিন্তু, আমি তোমার সঙ্গে বিরোধিতা কর্তে চাই না। কি মূল্য পেলে তোমার বিরোধিতা প্রত্যাহার কর্বে সেই কথা জানতে চাই। আমি বললাম, বড় বড় অনেক নেতারাই তো এর বিরুদ্ধে আন্দোলন কর্চ্ছেন। লাটসাহেব বললেন, ও সব আমি গ্রাহ্য করি না, কিন্তু আমি তোমার সঙ্গে বিবাদ কর্তে চাই না। সুতরাং আমি খোলাখুলি জিজ্ঞাসা কর্ছি, কি পেলে তুমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনে আপত্তি কর্বে না—আমি এখনই সেটা জানতে চাই। আমি মনে মনে ভেবে দেখলাম, ওরা তো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্বেই, তবে এই সুযোগে আমি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য কিছু যদি আদায় কর্তে পারি, ক্ষতি কি? সুতরাং আমি বললাম, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের যদি চারটি অধ্যাপকের পদ সৃষ্টি করে গভর্নমেন্ট বরাবর তার খরচ বহন করেন, আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সম্বন্ধে কোন আপত্তি কর্ব না। লাটসাহেব বললেন, আমি তোমার শর্ত মেনে নিলাম। আমাদের এই ব্যবস্থা 'ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চুক্তিপত্র' (Dacca University Pact) বলে ইতিহাসে অভিহিত হবে। হার্ডিং তাঁর কথা রেখেছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের চারটি অধ্যাপকের পদ তিনি সৃষ্টি করেছিলেন। ** [[আশুতোষ মুখোপাধ্যায়]]। ''বাংলা দেশের ইতিহাস, চতুর্থ খণ্ড (১৯০৫-১৯৪৭)''-রমেশচন্দ্র মজুমদার, প্রকাশক: জেনারেল প্রিন্টার্স য়্যাণ্ড পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড, প্রথম সংস্করণ: ৪ ডিসেম্বর ১৯৭৫, পৃষ্ঠা: ৫২২-৫২৩ === রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর === [[চিত্র:রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষক ও ছাত্রদের একাংশ.webp|থাম্ব|যাঁরা এই প্রপাগান্ডাটা করছেন, তাঁরা কি একবারও ভাবেন না যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করলে নিশ্চয়ই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে প্রতিষ্ঠার পাঁচ বছরের মধ্যেই ভাষণ দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ করা হতো না। ]] * কেউ কেউ কোনো প্রমাণ উপস্থিত না করেই লিখিতভাবে জানাচ্ছেন যে, ১৯১২ খ্রিষ্টাব্দের ২৮ মার্চ কলকাতায় গড়ের মাঠে রবীন্দ্রনাথের সভাপতিত্বে এক বিরাট জনসভা হয়। ও রকম একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল বটে, কিন্তু তাতে রবীন্দ্রনাথের উপস্থিতি ছিল অসম্ভব, কেননা সেদিন তিনি কলকাতাতেই ছিলেন না। ১৯১২ সালের ১৯ মার্চ সিটি অব প্যারিস জাহাজযোগে রবীন্দ্রনাথের বিলাতযাত্রার কথা ছিল। তাঁর সফরসঙ্গী ডাক্তার দ্বিজেন্দ্রনাথ মিত্র জাহাজে উঠে পড়েছিলেন, কবির মালপত্রও তাতে তোলা হয়ে গিয়েছিল; কিন্তু আকস্মিকভাবে ওইদিন সকালে রবীন্দ্রনাথ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে মাদ্রাজ থেকে তাঁর মালপত্র ফিরিয়ে আনা হয়। কলকাতায় কয়েক দিন বিশ্রাম করে ২৪ মার্চ রবীন্দ্রনাথ শিলাইদহে চলে আসেন এবং ২৮ মার্চ থেকে ১২ এপ্রিলের মধ্যে সেখানে বসে ১৮টি গান ও কবিতা রচনা করেন। ** ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক বিশ্বজিৎ ঘোষ। [https://www.bbc.com/bengali/news-44609891] * ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর—এ ধরনের একটি অভিযোগ প্রায়ই অনেকে করে থাকেন। তারা উল্লেখ করেন, ‘১৯১২ সালের ২৮ মার্চ কলকাতা গড়ের মাঠে কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সভাপতিত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রতিবাদে এক বিশাল জনসভার আয়োজন করা হয়।’ অনেকেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই জনসভার রেফারেন্স হিসেবে দিয়েছেন নীরদচন্দ্র চৌধুরীর লেখা বই, আবার অনেকেই আবুল আসাদের ‘একশো বছরের রাজনীতি’ বইয়ের রেফারেন্সও দিয়েছেন। যদিও নীরদচন্দ্র চৌধুরীর বইয়ে এমন কিছু উল্লেখ নেই, আবার আবুল আসাদ কোনো তথ্য-উপাত্ত ছাড়াই এ অভিযোগটি করেছেন। তারই ধারাবাহিকতায় ২০০০ সালে আহমদ পাবলিশিং হাউস থেকে ‘আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের ধারাবাহিকতা এবং প্রাসঙ্গিক কিছু কথা’ নামে একটি বইয়ে মেজর জেনারেল (অব.) এম এ মতিন, কপি পেস্টের মাধ্যমে একই কথা উল্লেখ করেন কোনো তথ্য-উপাত্ত ছাড়াই। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কালি ও কলম পত্রিকার সম্পাদকমণ্ডলীর অন্যতম সদস্য এ জেড এম আবদুল আলী একটি পত্রিকায় অভিযোগটির বিরোধিতা করেন। তিনি বলেন, যারা রবীন্দ্রনাথের বিরুদ্ধে এ অভিযোগটি করছেন, তারা তাদের রচনায় কোনো সূত্রের উল্লেখ করেননি। ** [[w:bn:মোহাম্মদ এ আরাফাত|মোহাম্মদ এ আরাফাত]] [https://web.archive.org/web/20250815175626/https://www.kalerkantho.com/print-edition/sub-editorial/2019/10/02/821225] * যাঁরা এই প্রপাগান্ডাটা করছেন, তাঁরা কি একবারও ভাবেন না যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করলে নিশ্চয়ই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে প্রতিষ্ঠার পাঁচ বছরের মধ্যেই ভাষণ দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ করা হতো না। ১৯৩৬ সালে তাঁকে ডি.লিট উপাধি প্রদানের বিষয়েও বিরোধিতা হতো; বরং তাঁকে দুবারই মুসলমান-হিন্দু সব শ্রেণির ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান আন্তরিকভাবে সম্মাননা প্রদান করেছে। ** [[w:bn:মোহাম্মদ আলী আরাফাত|মোহাম্মদ আলী আরাফাত]]। [https://web.archive.org/web/20250815175626/https://www.kalerkantho.com/print-edition/sub-editorial/2019/10/02/821225 জাতীয় সংগীত ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর: কিছু মিথ ও প্রকৃত ইতিহাস], ''কালের কণ্ঠ'', ২ অক্টোবর ২০১৯। * রবীন্দ্রনাথ সম্পর্কে এক কোটি আলাপের বিকল্প বাদ দিয়ে যারা শুধু তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছেন কিনা– এ বিষয়ে আলাপ তোলে, তারা এক অর্থে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী। তাদের জন্য আমার আফসোস হয় এই ভেবে, তারা রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টিশীল ও বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার রস আস্বাদনে চিরবঞ্চিত। দুনিয়ায় এত এত রস থাকতে এখানে কেবল রবীন্দ্রনাথের কথাই বলতে হলো। কারণ, এরা রবীন্দ্রনাথ নিয়ে লিপ্ত অথচ মজাটা লুটতে পারছে না। আমি মনে করি, যদি আবিষ্কৃত হয়– রবীন্দ্রনাথ কখনও সরাসরি ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরুদ্ধে বলেছেন, তাতে রবীন্দ্রনাথের প্রতিষ্ঠা বা সততা বা সম্মান একবিন্দুও ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। এমনকি সে রকম কিছু হলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রবীন্দ্রনাথের আদর-আপ্যায়ন ও মর্যাদা প্রদান সম্পূর্ণ বৈধ থাকত। আজকের দিনের সংকীর্ণ রাজনীতির উত্তেজনায় কিংবা সংকীর্ণ রাজনীতির বিরোধিতার প্রয়োজনে যারা ঠাকুরকে সহজ শিকার হিসেবে নাকাল করতে চায়, তারা ঠিক আলাপযোগ্য নয়। পুরো ব্যাপারকে একশ বছর আগের বাস্তবতার এক বড় পটভূমিতে স্থাপন করে দেখা নিশ্চয় তাৎপর্যপূর্ণ। কিন্তু সে ক্ষমতা এ জাতীয় ব্যক্তিদের থাকার কথা নয়। ** [[w:bn:মোহাম্মদ আজম|মোহাম্মদ আজম]]। সমকাল পত্রিকায় দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে [https://samakal.com/opinion/article/236093/%E0%A6%A2%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%9F-%E0%A6%9B%E0%A6%BE%E0%A7%9C%E0%A6%BE%E0%A6%93-%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%A5-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%8F%E0%A6%95-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%86%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AA-%E0%A6%86%E0%A6%9B%E0%A7%87] == জমিদান == * কোনও মুসলমান ধনীর কাছ থেকেই ঢাকা ইউনিভার্সিটি ডাইরেক্টলি কোনও ফাইন্যান্সিয়াল কন্ট্রিবিউশন পায় নাই। সলিমুল্লাহ হল যে তৈরি হল তা পুরোই সরকারের টাকায়। নওয়াব পরিবারের টাকায় নয়; জায়গাতেও নয়। রমনায় যে জায়গায় ঢাকা ইউনিভার্সিটি, তা পুরোটাই খাসমহল এবং সরকারের জমি, সেটেলমেন্ট রিপোর্টে তাই আছে। ** [[আবদুর রাজ্জাক (অধ্যাপক)|আব্দুর রাজ্জাক]]। ''ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও পূর্ববঙ্গীয় সমাজ : ‘অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাকের আলাপচারিতা ও অন্যান্য'' বইয়ে। [https://www.bbc.com/bengali/articles/cpd9znnzr5go] * ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার কল্পনা যখন হয় তখন হইতেই [[ভারত সরকার]] প্রতি বৎসর ইহার জন্য পাঁচ লক্ষ টাকা একটি স্থায়ী তহবিলে জমা রাখিতেন। ভারতের নূতন শাসনবিধি প্রচলনের সময় এই তহবিলে যে ৫৫ লক্ষ টাকা জমা হইয়াছিল ভারত সরকার তাহা বাংলা গভর্নমেন্টের হাতে দিয়াছিলেন। [[w:bn:ফিলিপ_জোসেফ_হার্টগ|হার্টগ সাহেব]] এই টাকা দাবি করিলে প্রভাস মিত্র বলিলেন, ঢাকা শহরে রমনায় যে বাড়ীগুলি বিশ্ববিদ্যালয় দখল করিয়াছে তাহার মূল্যবাবদ বাংলা গভর্নমেন্ট ঐ টাকা নিয়াছেন। অতঃপর শিক্ষকদের প্রতিশ্রুত বেতনের হার কমাইতে হইল। ** [[রমেশচন্দ্র মজুমদার]]। ''বাংলা দেশের ইতিহাস, চতুর্থ খণ্ড (১৯০৫-১৯৪৭)'' প্রকাশক: জেনারেল প্রিন্টার্স য়্যাণ্ড পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড, প্রথম সংস্করণ: ৪ ডিসেম্বর ১৯৭৫, পৃষ্ঠা: ৫২৪-৫২৫ * শতবর্ষের বইয়ের জন্য বিভিন্ন নথি ঘাঁটাঘাটি করেছি আমরা। ঢাকার নবাব ৬০০ একর জমি দিয়েছেন এমন কোনও তথ্য সরাসরি কোথাও উল্লেখ নেই।... তাহলে বিশ্ববিদ্যালয় জমি পেল কোথা থেকে? তখন দেখতে পাই তৎকালীন ব্রিটিশ সরকারের কাছ থেকে বিশ্ববিদ্যালয় বিভিন্ন সময় জমি লিজ নিয়েছে। এই লিজের বিনিময়ে যে পয়সা-কড়ি দেবার কথা সেটাও দিয়েছে।...এটি কি মিথ নাকি রিয়েলিটি? এটা আমাদের তালাশ করতে হবে। তাই কোনও উৎস থেকে শতভাগ নিশ্চিত না হয়ে বলাটা ঠিক হবে না। যদি কোথাও না পাই তবে কীভাবে বলি নবাব সলিমুল্লাহ এই ৬০০ একর জমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে দিয়েছে?...বিষয়টি এমন হতে পারে ব্রিটিশ সরকার যখন ১৯০৫ সালে পূর্ববঙ্গে রাজধানী করে তখন নবাবরা হয়তো সরকারকে কোনও অনুদান দিয়ে থাকতে পারেন। ** “শতবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস ও ঐতিহ্য” নামক বইয়ের সহযোগী সম্পাদক মি. বাছির বিবিসি বাংলাকে এই কথা বলেন। [https://www.bbc.com/bengali/articles/cpd9znnzr5go] == আরও দেখুন == * [[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়]] * [[আবদুর রাজ্জাক (অধ্যাপক)|আবদুর রাজ্জাক]] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়]] [[বিষয়শ্রেণী:রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশে বিতর্ক]] ag902zwhv3oo5cnjrh3kbic7nu29xek 84192 84191 2026-08-14T19:05:22Z ফারদিন 52 /* রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর */ 84192 wikitext text/x-wiki '''[[w:ঢাকা_বিশ্ববিদ্যালয়|ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়]]''' ('''ঢাবি''') ঢাকার শাহবাগে অবস্থিত বাংলাদেশের একটি স্বায়ত্তশাসিত সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। ১৯২১ সালে তদানীন্তন ব্রিটিশ ভারতে অক্সব্রিজ শিক্ষা ব্যবস্থা অনুসরণে এটি স্থাপিত হয়। এর শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয় ১৯২১ সালের ১ জুলাই। সূচনালগ্নে বিভিন্ন প্রথিতযশা বৃত্তিধারী ও বিজ্ঞানীদের দ্বারা কঠোরভাবে মান নিয়ন্ত্রিত হবার প্রেক্ষাপটে এটি '''প্রাচ্যের অক্সফোর্ড''' নামে স্বীকৃতি পায়। ১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে [[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়|ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে]] কেন্দ্র করে নানা সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস, ভূমিদান এবং এর সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন ব্যক্তিত্বের ভূমিকা নিয়ে কিছু প্রশ্ন ও বিতর্ক প্রচলিত আছে। == ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা == * [[বঙ্গভঙ্গ (১৯০৫)|বঙ্গভঙ্গ]] রহিত হওয়ার ফলে পূর্ববঙ্গের মুসলমানেরা যখন ক্ষুব্ধ ও উত্তেজিত হইয়া উঠিলেন তখন বড়লাট [[w:bn:চার্লস হার্ডিঞ্জ, পেনশার্স্টের ১ম ব্যারন হার্ডিঞ্জ|লর্ড হার্ডিং]] তাঁহাদের সন্তোষবিধানের জন্য আশ্বাস দিলেন যে ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হইবে। কিন্তু যুক্ত বাংলার হিন্দুগণ এই প্রস্তাবের তীব্র প্রতিবাদ করিলেন। হিন্দু নেতাগণ এই মত প্রকাশ করিলেন যে, ইহার ফলে রাজনীতিক বিভাগের পরিবর্তে [[সংস্কৃতি|সংস্কৃতির]] দিক হইতে [[বঙ্গ|বঙ্গদেশকে]] আবার দুই খণ্ডে বিভক্ত করা হইবে। সভা-সমিতিতে ও সংবাদপত্রে পূর্ব ও পশ্চিম বাংলায় ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরুদ্ধে তুমুল আন্দোলন চলিতে লাগিল। ইহাতে [[w:bn:কলিকাতা_বিশ্ববিদ্যালয়|কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের]] অনিষ্ট হইবে এই আশঙ্কায় আশুতোষও এই প্রস্তাবের বিরুদ্ধে ছিলেন। প্রকাশ্যে কোন সক্রিয় অংশ গ্রহণ না করিলেও [[আশুতোষ মুখোপাধ্যায়|আশুতোষই]] যে বিরোধী দলের প্রকৃত নেতা ছিলেন ইহা অনেকেই সন্দেহ করিত এবং গভর্নমেন্টও তাহা বিশ্বাস করিত। কিন্তু অকস্মাৎ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে আন্দোলন হ্রাস পাইল। ** [[রমেশচন্দ্র মজুমদার]]। ''বাংলা দেশের ইতিহাস'', চতুর্থ খণ্ড (১৯০৫-১৯৪৭)", প্রকাশক: জেনারেল প্রিন্টার্স য়্যাণ্ড পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড, প্রকাশকাল: ৪ ডিসেম্বর ১৯৭৫, পৃষ্ঠা: ৫২২ * বিভিন্নজন ভিন্ন ভিন্ন কারণে এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন। পশ্চিম বাংলা ও বিহার অঞ্চলের কিছু মুসলমানও বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন। তাঁদের যুক্তি ছিল ভিন্নতর। তাঁদের মতে, বিশ্ববিদ্যালয়টি তাঁদের বা তাঁদের সন্তানসন্ততিদের কোনো কাজে আসবে না। যদি কোনো উপকার হয়, সেটা হবে পূর্ব বাংলার মানুষেরই। যে মুসলিম জনগোষ্ঠী এ রকম চিন্তা করত, তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন [[w:bn:মোহাম্মদ_আকরম_খাঁ|মাওলানা আকরম খাঁ]], [[w:ব্যারিস্টার_আবদুর_রসুল|ব্যারিস্টার আবদুর রসুল]], মৌলভি আবুল কাশেম, মৌলভি লিয়াকত হোসেন প্রমুখ। তদানীন্তন পূর্ব বাংলারও বেশ কিছু মুসলমানের মধ্যে এমন ধারণা ছিল যে পূর্ব বাংলায় যথেষ্ট পরিমাণ ম্যাট্রিক ও ইন্টারমিডিয়েট পাস ছাত্র নেই, যাঁরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে পারেন। এ পরিপ্রেক্ষিতে তাঁরা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন না করে ওই টাকা দিয়ে পূর্ব বাংলায় আরও কিছু স্কুল ও কলেজ স্থাপন করলে এই অঞ্চলের মুসলিম ছেলেমেয়েদের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের লেখাপড়ার সুযোগের পরিধিটা বাড়বে। তাঁরা আরও ভাবতেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার কারণে মুসলিম ছাত্রদের শিক্ষার জন্য যে বাজেট সরকার থেকে আসে, তা অনেকাংশেই কমে যাবে। ** প্রাবন্ধিক কুলদা রায় তাঁর ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা এবং রবীন্দ্রনাথ’ প্রবন্ধে। [https://www.prothomalo.com/bangladesh/%E0%A6%A2%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%9F-%E0%A6%93-%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%A5] * একদিন হাইকোর্টে এক জরুরী চিঠি পেলাম কোর্ট থেকে ফিরবার পথে [[w:bn:চার্লস_হার্ডিঞ্জ,_পেনশার্স্টের_১ম_ব্যারন_হার্ডিঞ্জ|বড়লাট হার্ডিং]] সাহেবের সঙ্গে যেন দেখা করি। যাওয়ামাত্রই বড়লাটের কাছে নিয়ে গেল। মামুলি দু'চার কথার পর লাটসাহেব বললেন, স্যার আশুতোষ, তুমি জান যে আমি কূটনীতি বিভাগে (Diplomatic Service) কাজ করেছি। তোমাকে খোলাখুলি বলছি, এই যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে আন্দোলন চলছে তুমিই আছ তার পেছনে। অবশ্য, তার যুক্তিযুক্ত কারণ আছে তা আমি অস্বীকার কর্ব না। কিন্তু আমি তোমাকে বলছি, এ বিশ্ববিদ্যালয় আমি করবই—তার পেছনেও অনেক যুক্তিযুক্ত কারণ আছে। কিন্তু, আমি তোমার সঙ্গে বিরোধিতা কর্তে চাই না। কি মূল্য পেলে তোমার বিরোধিতা প্রত্যাহার কর্বে সেই কথা জানতে চাই। আমি বললাম, বড় বড় অনেক নেতারাই তো এর বিরুদ্ধে আন্দোলন কর্চ্ছেন। লাটসাহেব বললেন, ও সব আমি গ্রাহ্য করি না, কিন্তু আমি তোমার সঙ্গে বিবাদ কর্তে চাই না। সুতরাং আমি খোলাখুলি জিজ্ঞাসা কর্ছি, কি পেলে তুমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনে আপত্তি কর্বে না—আমি এখনই সেটা জানতে চাই। আমি মনে মনে ভেবে দেখলাম, ওরা তো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্বেই, তবে এই সুযোগে আমি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য কিছু যদি আদায় কর্তে পারি, ক্ষতি কি? সুতরাং আমি বললাম, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের যদি চারটি অধ্যাপকের পদ সৃষ্টি করে গভর্নমেন্ট বরাবর তার খরচ বহন করেন, আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সম্বন্ধে কোন আপত্তি কর্ব না। লাটসাহেব বললেন, আমি তোমার শর্ত মেনে নিলাম। আমাদের এই ব্যবস্থা 'ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চুক্তিপত্র' (Dacca University Pact) বলে ইতিহাসে অভিহিত হবে। হার্ডিং তাঁর কথা রেখেছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের চারটি অধ্যাপকের পদ তিনি সৃষ্টি করেছিলেন। ** [[আশুতোষ মুখোপাধ্যায়]]। ''বাংলা দেশের ইতিহাস, চতুর্থ খণ্ড (১৯০৫-১৯৪৭)''-রমেশচন্দ্র মজুমদার, প্রকাশক: জেনারেল প্রিন্টার্স য়্যাণ্ড পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড, প্রথম সংস্করণ: ৪ ডিসেম্বর ১৯৭৫, পৃষ্ঠা: ৫২২-৫২৩ === রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর === [[চিত্র:রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষক ও ছাত্রদের একাংশ.webp|থাম্ব|যাঁরা এই প্রপাগান্ডাটা করছেন, তাঁরা কি একবারও ভাবেন না যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করলে নিশ্চয়ই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে প্রতিষ্ঠার পাঁচ বছরের মধ্যেই ভাষণ দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ করা হতো না। — মোহাম্মদ আলী আরাফাত ]] * কেউ কেউ কোনো প্রমাণ উপস্থিত না করেই লিখিতভাবে জানাচ্ছেন যে, ১৯১২ খ্রিষ্টাব্দের ২৮ মার্চ কলকাতায় গড়ের মাঠে রবীন্দ্রনাথের সভাপতিত্বে এক বিরাট জনসভা হয়। ও রকম একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল বটে, কিন্তু তাতে রবীন্দ্রনাথের উপস্থিতি ছিল অসম্ভব, কেননা সেদিন তিনি কলকাতাতেই ছিলেন না। ১৯১২ সালের ১৯ মার্চ সিটি অব প্যারিস জাহাজযোগে রবীন্দ্রনাথের বিলাতযাত্রার কথা ছিল। তাঁর সফরসঙ্গী ডাক্তার দ্বিজেন্দ্রনাথ মিত্র জাহাজে উঠে পড়েছিলেন, কবির মালপত্রও তাতে তোলা হয়ে গিয়েছিল; কিন্তু আকস্মিকভাবে ওইদিন সকালে রবীন্দ্রনাথ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে মাদ্রাজ থেকে তাঁর মালপত্র ফিরিয়ে আনা হয়। কলকাতায় কয়েক দিন বিশ্রাম করে ২৪ মার্চ রবীন্দ্রনাথ শিলাইদহে চলে আসেন এবং ২৮ মার্চ থেকে ১২ এপ্রিলের মধ্যে সেখানে বসে ১৮টি গান ও কবিতা রচনা করেন। ** ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক বিশ্বজিৎ ঘোষ। [https://www.bbc.com/bengali/news-44609891] * ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর—এ ধরনের একটি অভিযোগ প্রায়ই অনেকে করে থাকেন। তারা উল্লেখ করেন, ‘১৯১২ সালের ২৮ মার্চ কলকাতা গড়ের মাঠে কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সভাপতিত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রতিবাদে এক বিশাল জনসভার আয়োজন করা হয়।’ অনেকেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই জনসভার রেফারেন্স হিসেবে দিয়েছেন নীরদচন্দ্র চৌধুরীর লেখা বই, আবার অনেকেই আবুল আসাদের ‘একশো বছরের রাজনীতি’ বইয়ের রেফারেন্সও দিয়েছেন। যদিও নীরদচন্দ্র চৌধুরীর বইয়ে এমন কিছু উল্লেখ নেই, আবার আবুল আসাদ কোনো তথ্য-উপাত্ত ছাড়াই এ অভিযোগটি করেছেন। তারই ধারাবাহিকতায় ২০০০ সালে আহমদ পাবলিশিং হাউস থেকে ‘আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের ধারাবাহিকতা এবং প্রাসঙ্গিক কিছু কথা’ নামে একটি বইয়ে মেজর জেনারেল (অব.) এম এ মতিন, কপি পেস্টের মাধ্যমে একই কথা উল্লেখ করেন কোনো তথ্য-উপাত্ত ছাড়াই। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কালি ও কলম পত্রিকার সম্পাদকমণ্ডলীর অন্যতম সদস্য এ জেড এম আবদুল আলী একটি পত্রিকায় অভিযোগটির বিরোধিতা করেন। তিনি বলেন, যারা রবীন্দ্রনাথের বিরুদ্ধে এ অভিযোগটি করছেন, তারা তাদের রচনায় কোনো সূত্রের উল্লেখ করেননি। ** [[w:bn:মোহাম্মদ এ আরাফাত|মোহাম্মদ এ আরাফাত]] [https://web.archive.org/web/20250815175626/https://www.kalerkantho.com/print-edition/sub-editorial/2019/10/02/821225] * যাঁরা এই প্রপাগান্ডাটা করছেন, তাঁরা কি একবারও ভাবেন না যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করলে নিশ্চয়ই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে প্রতিষ্ঠার পাঁচ বছরের মধ্যেই ভাষণ দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ করা হতো না। ১৯৩৬ সালে তাঁকে ডি.লিট উপাধি প্রদানের বিষয়েও বিরোধিতা হতো; বরং তাঁকে দুবারই মুসলমান-হিন্দু সব শ্রেণির ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান আন্তরিকভাবে সম্মাননা প্রদান করেছে। ** [[w:bn:মোহাম্মদ আলী আরাফাত|মোহাম্মদ আলী আরাফাত]]। [https://web.archive.org/web/20250815175626/https://www.kalerkantho.com/print-edition/sub-editorial/2019/10/02/821225 জাতীয় সংগীত ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর: কিছু মিথ ও প্রকৃত ইতিহাস], ''কালের কণ্ঠ'', ২ অক্টোবর ২০১৯। * রবীন্দ্রনাথ সম্পর্কে এক কোটি আলাপের বিকল্প বাদ দিয়ে যারা শুধু তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছেন কিনা– এ বিষয়ে আলাপ তোলে, তারা এক অর্থে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী। তাদের জন্য আমার আফসোস হয় এই ভেবে, তারা রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টিশীল ও বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার রস আস্বাদনে চিরবঞ্চিত। দুনিয়ায় এত এত রস থাকতে এখানে কেবল রবীন্দ্রনাথের কথাই বলতে হলো। কারণ, এরা রবীন্দ্রনাথ নিয়ে লিপ্ত অথচ মজাটা লুটতে পারছে না। আমি মনে করি, যদি আবিষ্কৃত হয়– রবীন্দ্রনাথ কখনও সরাসরি ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরুদ্ধে বলেছেন, তাতে রবীন্দ্রনাথের প্রতিষ্ঠা বা সততা বা সম্মান একবিন্দুও ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। এমনকি সে রকম কিছু হলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রবীন্দ্রনাথের আদর-আপ্যায়ন ও মর্যাদা প্রদান সম্পূর্ণ বৈধ থাকত। আজকের দিনের সংকীর্ণ রাজনীতির উত্তেজনায় কিংবা সংকীর্ণ রাজনীতির বিরোধিতার প্রয়োজনে যারা ঠাকুরকে সহজ শিকার হিসেবে নাকাল করতে চায়, তারা ঠিক আলাপযোগ্য নয়। পুরো ব্যাপারকে একশ বছর আগের বাস্তবতার এক বড় পটভূমিতে স্থাপন করে দেখা নিশ্চয় তাৎপর্যপূর্ণ। কিন্তু সে ক্ষমতা এ জাতীয় ব্যক্তিদের থাকার কথা নয়। ** [[w:bn:মোহাম্মদ আজম|মোহাম্মদ আজম]]। সমকাল পত্রিকায় দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে [https://samakal.com/opinion/article/236093/%E0%A6%A2%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%9F-%E0%A6%9B%E0%A6%BE%E0%A7%9C%E0%A6%BE%E0%A6%93-%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%A5-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%8F%E0%A6%95-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%86%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AA-%E0%A6%86%E0%A6%9B%E0%A7%87] == জমিদান == * কোনও মুসলমান ধনীর কাছ থেকেই ঢাকা ইউনিভার্সিটি ডাইরেক্টলি কোনও ফাইন্যান্সিয়াল কন্ট্রিবিউশন পায় নাই। সলিমুল্লাহ হল যে তৈরি হল তা পুরোই সরকারের টাকায়। নওয়াব পরিবারের টাকায় নয়; জায়গাতেও নয়। রমনায় যে জায়গায় ঢাকা ইউনিভার্সিটি, তা পুরোটাই খাসমহল এবং সরকারের জমি, সেটেলমেন্ট রিপোর্টে তাই আছে। ** [[আবদুর রাজ্জাক (অধ্যাপক)|আব্দুর রাজ্জাক]]। ''ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও পূর্ববঙ্গীয় সমাজ : ‘অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাকের আলাপচারিতা ও অন্যান্য'' বইয়ে। [https://www.bbc.com/bengali/articles/cpd9znnzr5go] * ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার কল্পনা যখন হয় তখন হইতেই [[ভারত সরকার]] প্রতি বৎসর ইহার জন্য পাঁচ লক্ষ টাকা একটি স্থায়ী তহবিলে জমা রাখিতেন। ভারতের নূতন শাসনবিধি প্রচলনের সময় এই তহবিলে যে ৫৫ লক্ষ টাকা জমা হইয়াছিল ভারত সরকার তাহা বাংলা গভর্নমেন্টের হাতে দিয়াছিলেন। [[w:bn:ফিলিপ_জোসেফ_হার্টগ|হার্টগ সাহেব]] এই টাকা দাবি করিলে প্রভাস মিত্র বলিলেন, ঢাকা শহরে রমনায় যে বাড়ীগুলি বিশ্ববিদ্যালয় দখল করিয়াছে তাহার মূল্যবাবদ বাংলা গভর্নমেন্ট ঐ টাকা নিয়াছেন। অতঃপর শিক্ষকদের প্রতিশ্রুত বেতনের হার কমাইতে হইল। ** [[রমেশচন্দ্র মজুমদার]]। ''বাংলা দেশের ইতিহাস, চতুর্থ খণ্ড (১৯০৫-১৯৪৭)'' প্রকাশক: জেনারেল প্রিন্টার্স য়্যাণ্ড পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড, প্রথম সংস্করণ: ৪ ডিসেম্বর ১৯৭৫, পৃষ্ঠা: ৫২৪-৫২৫ * শতবর্ষের বইয়ের জন্য বিভিন্ন নথি ঘাঁটাঘাটি করেছি আমরা। ঢাকার নবাব ৬০০ একর জমি দিয়েছেন এমন কোনও তথ্য সরাসরি কোথাও উল্লেখ নেই।... তাহলে বিশ্ববিদ্যালয় জমি পেল কোথা থেকে? তখন দেখতে পাই তৎকালীন ব্রিটিশ সরকারের কাছ থেকে বিশ্ববিদ্যালয় বিভিন্ন সময় জমি লিজ নিয়েছে। এই লিজের বিনিময়ে যে পয়সা-কড়ি দেবার কথা সেটাও দিয়েছে।...এটি কি মিথ নাকি রিয়েলিটি? এটা আমাদের তালাশ করতে হবে। তাই কোনও উৎস থেকে শতভাগ নিশ্চিত না হয়ে বলাটা ঠিক হবে না। যদি কোথাও না পাই তবে কীভাবে বলি নবাব সলিমুল্লাহ এই ৬০০ একর জমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে দিয়েছে?...বিষয়টি এমন হতে পারে ব্রিটিশ সরকার যখন ১৯০৫ সালে পূর্ববঙ্গে রাজধানী করে তখন নবাবরা হয়তো সরকারকে কোনও অনুদান দিয়ে থাকতে পারেন। ** “শতবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস ও ঐতিহ্য” নামক বইয়ের সহযোগী সম্পাদক মি. বাছির বিবিসি বাংলাকে এই কথা বলেন। [https://www.bbc.com/bengali/articles/cpd9znnzr5go] == আরও দেখুন == * [[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়]] * [[আবদুর রাজ্জাক (অধ্যাপক)|আবদুর রাজ্জাক]] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়]] [[বিষয়শ্রেণী:রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশে বিতর্ক]] 6sl0kcv7j23l6h1qaz1rb06z7yu0cdm রজার ইবার্ট 0 14043 84181 83511 2026-08-14T15:42:29Z CommonsDelinker 63 [[c:File:Roger_Ebert_Statue,_Virginia_Theater_(Champaign).JPG|Roger_Ebert_Statue,_Virginia_Theater_(Champaign).JPG]] সরানো হলো। এটি [[c:User:Jameslwoodward|Jameslwoodward]] কর্তৃক কমন্স থেকে অপসারিত হয়েছে, কারণ: per [[:c:Commons:Deletion requests/File:Ro 84181 wikitext text/x-wiki [[File:Roger Ebert cropped.jpg|thumb|right|যাঁরা কাউকে অপমান করতে [[ভয়|ভয় পান]], তাঁদের জন্য [[w:বাকস্বাধীনতা|বাকস্বাধীনতার]] কী ব্যবহার আছে?]] [[File:Russ_Meyer_and_Roger_Ebert_by_Roger_Ebert.jpg|thumb|right|[[w:রাস মেয়ার|মেয়ার]] হলেন এমন একজন চলচ্চিত্র নির্মাতা যাঁর প্রতিটি ফ্রেমে তাঁর নিজের আবেশ প্রতিফলিত হয়। অন্যান্য সমস্ত গম্ভীর [[শিল্পী|শিল্পীদের]] মতো তিনিও তাঁর [[কাজ]] এবং তাঁর [[স্বপ্ন|স্বপ্নের]] মাঝে কোনো ফাঁক রাখেন না।]] '''[[w:রজার ইবার্ট|রজার জোসেফ ইবার্ট]]''' (১৮ জুন ১৯৪২ – ৪ এপ্রিল ২০১৩) ছিলেন একজন মার্কিন [[w:চলচ্চিত্র সমালোচনা|চলচ্চিত্র সমালোচক]], চলচ্চিত্র ইতিহাসবিদ, সাংবাদিক, প্রাবন্ধিক, চিত্রনাট্যকার এবং লেখক। তিনি ১৯৬৭ সাল থেকে ২০১৩ সালে তাঁর মৃত্যু পর্যন্ত ''[[w:শিকাগো সান-টাইমস|শিকাগো সান-টাইমস]]ের'' চলচ্চিত্র সমালোচক ছিলেন। তিনি [[w:সমালোচনার জন্য পুলিৎজার পুরস্কার|সমালোচনার জন্য পুলিৎজার পুরস্কার]] বিজয়ী প্রথম চলচ্চিত্র সমালোচক ছিলেন। == উক্তি == [[File:Roger Ebert crop (retouched).jpg|thumb|[[শিল্প]] হলো একজন [[অপরিচিত ব্যক্তি]] আসলে কী [[অনুভূতি|অনুভব করেন]], তা [[বোঝা|বোঝার]] সবচেয়ে কাছের উপায়।]] [[File:Casablanca, Trailer Screenshot.JPG|thumb|অহংকারীরা বাদ দেন; তাঁরা অন্তর্ভুক্ত করেন না। আপনার [[পছন্দ|পছন্দের]] তালিকা থেকে সাদাকালো চলচ্চিত্র বাদ দেওয়ার অর্থ হলো আপনার একটি বদ্ধ [[মন]], একটি সীমিত [[কল্পনা|কল্পনাশক্তির]] অধিকারী হওয়া অথবা আপনার [[রুচি|রুচির]] অভাব রয়েছে।]] [[File:BusterKeatonKBF1956.jpg|thumb|[[বাস্টার কিটন|বাস্টার]] [[টর্নেডো]], জলপ্রপাত, পাথরের ধস এবং অনেক উঁচু থেকে পড়ে গিয়েও বেঁচে যান এবং কখনো মাথা নোয়াতে থামেন না। তাঁর [[চোখ]] তাঁর [[লক্ষ্য|লক্ষ্যের]] দিকে থাকে। তাঁর চলচ্চিত্রগুলোকে একসাথে দেখলে মনে হয় যেন [[প্রতিকূলতা|প্রতিকূলতার]] মুখে এগুলো [[আশাবাদ|আশাবাদের]] একটি ধারাবাহিক কাজ।]] [[File:The General, front.jpg|thumb|কোনো নির্বাক তারকাই [[বাস্টার কিটন|বাস্টার কিটনের]] চেয়ে বেশি [[বিপজ্জনক]] স্টান্ট করেননি। ডাবল ব্যবহার করার পরিবর্তে তিনি নিজেই তাঁর অভিনেতাদের ডাবল হিসেবে কাজ করতেন এবং নিজের স্টান্টগুলোর পাশাপাশি তাঁদের স্টান্টগুলোও করতেন।]] [[File:Chaz Hammel-Smith, Roger Ebert, and Nancy Kwan at the Hawaii International Film Festival in October 2010.jpg|thumb|right|অসুস্থতা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়া [[মানবপ্রকৃতি]]। আমরা আমাদের নিজেদের ভঙ্গুর মরণশীলতার কথা মনে করিয়ে দেওয়াটা উপভোগ করি না। এই কারণে ইন্টারনেটে লেখালেখি করা আমার জন্য জীবনরক্ষাকারী হয়ে উঠেছে। আমার [[চিন্তা করা|চিন্তা করার]] এবং [[লেখা|লেখার]] [[সক্ষমতা]] প্রভাবিত হয়নি। ওয়েবে আমার [[আসল]] [[কণ্ঠস্বর]] প্রকাশ পায়।]] * [[w:রাস মেয়ার|রাস মেয়ারের]] চলচ্চিত্রগুলোর একটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো সফট-কোর যুগের অন্যান্য কাজ ভুলে যাওয়ার অনেক পরেও এগুলো বেঁচে আছে এবং চলছে। এর কারণ আংশিকভাবে তাদের কারুকাজ, আংশিকভাবে মেয়ারের প্রধান অভিনেত্রীরা। এর আংশিক কারণ হলো একটি আধা-সামরিক প্রতিশ্রুতির মনোভাব। কলাকুশলীরা তাদের গ্রামীণ মেলোড্রামাগুলো অভিনয় করার জন্য দুর্গম ভূখণ্ডের মধ্য দিয়ে সংগ্রাম করার সময় এটি অনুভব করা যায়। কিন্তু আমার বিশ্বাস, মূল কারণ হলো মেয়ার একজন এমন চলচ্চিত্র নির্মাতা যাঁর প্রতিটি ফ্রেমে তাঁর নিজের আবেশ প্রতিফলিত হয়। অন্যান্য সমস্ত গম্ভীর শিল্পীদের মতো তিনিও তাঁর কাজ এবং তাঁর স্বপ্নের মাঝে কোনো ফাঁক রাখেন না। ** [http://www.rogerebert.com/interviews/russ-meyer-busts-sleazy-stereotype "রাস মেয়ার বাস্টস স্লিজি স্টেরিওটাইপ" ''শিকাগো সান-টাইমস''], (১৫ নভেম্বর ১৯৮৫) * আমাকে কাঁদায়, আমার চোখে জল আনে, এমন চলচ্চিত্রগুলোর কথা ভাবলে আমি সাধারণত দুঃখের চলচ্চিত্রগুলোর কথা ভাবি না। আমি দুঃখের চলচ্চিত্রগুলোর দিকে কেবল তাকিয়ে থাকি। নিঃস্বার্থতা, আত্মত্যাগ এবং মানবজাতির কল্যাণে বিশ্বাসী মানুষদের নিয়ে তৈরি চলচ্চিত্রগুলো মাঝে মাঝে আমাকে আবেগপ্রবণ করে তোলে। ** ''কাসাব্লাঙ্কা'' চলচ্চিত্রের জন্য রজার ইবার্টের একটি ডিভিডি ভাষ্য * '''যাঁরা কাউকে অপমান করতে ভয় পান, তাঁদের জন্য বাকস্বাধীনতার কী ব্যবহার আছে?''' ** ''রজার ইবার্টস মুভি হোম কমপ্যানিয়ন'' (১৯৯০ সংস্করণ), পৃষ্ঠা ৭৩৫ * [[শিল্প]] হলো একজন [[অপরিচিত ব্যক্তি]] আসলে কী [[অনুভূতি|অনুভব করেন]], তা [[বোঝা|বোঝার]] সবচেয়ে কাছের উপায়। **কলোরাডো পাবলিক টেলিভিশনের এলেভেন্থ আওয়ারে [http://video.cpt12.org/video/2364991008 "লিভিং টেস্টামেন্ট" বক্তৃতা] (১৯৯৪) * বেশ, রাজনৈতিক চলচ্চিত্র কী? রাজনীতিবিদদের নিয়ে তৈরি চলচ্চিত্র? নাকি লিঙ্গবৈষম্য, বর্ণবাদ, পরিবেশ, পারমাণবিক নীতির মতো বিষয়গুলো নিয়ে তৈরি চলচ্চিত্র? আমি বৃহত্তর সংজ্ঞাটি বেছে নিয়েছি। আমি যদি নিজেকে কেবল রাজনীতিবিদদের নিয়ে তৈরি চলচ্চিত্রে সীমাবদ্ধ রাখতাম, তবে এটি একটি ছোট তালিকা হতো। মূলধারার মার্কিন চলচ্চিত্রের কতজন চরিত্র রাজনৈতিক প্রক্রিয়া সম্পর্কে সচেতন বলে মনে হয়, বা কোনো দলের সদস্য বলে মনে হয়? ** [http://www.motherjones.com/arts/film/1996/05/ebert.html ''মাদারজোনসে'' "দ্য বিগ পিকচার: রজার ইবার্ট"] নিবন্ধে "গত দুই দশকের ২০টি সেরা রাজনৈতিক চলচ্চিত্রের" র‍্যাঙ্কিং (মে/জুন ১৯৯৬) * ওয়েবে গবেষণা করা এমন একটি লাইব্রেরি ব্যবহার করার মতো, যা প্যাক ইঁদুরেরা টুকরো টুকরো করে একত্রিত করে এবং প্রতি রাতে তা ভাঙচুর করা হয়। ** "ক্রিটিকাল আই" কলাম, ''[[w:ইয়াহু! ইন্টারনেট লাইফ|ইয়াহু! ইন্টারনেট লাইফ]]'' (সেপ্টেম্বর ১৯৯৮), পৃষ্ঠা ৬৬ * আমার একবার কোলনোস্কোপি হয়েছিল এবং তাঁরা আমাকে এটি টিভিতে দেখতে দিয়েছিলেন। এটি ''দ্য ব্রাউন বানিের'' চেয়ে বেশি বিনোদনমূলক ছিল। ** ২০০৩ সালের [[w:কান চলচ্চিত্র উৎসব|কান চলচ্চিত্র উৎসবে]] প্রদর্শিত ''[[w:দ্য ব্রাউন বানি|দ্য ব্রাউন বানি]]ের'' একটি প্রারম্ভিক সংস্করণের [http://www.rogerebert.com/festivals-and-awards/gallo-goes-on-the-offensive-after-bunny-flop পর্যালোচনা] (৪ জুন ২০০৩) *** পরিচালক [[w:ভিনসেন্ট গ্যালো|ভিনসেন্ট গ্যালো]] ইবার্টের স্থূলতা নিয়ে উপহাস করে উপরের সমালোচনার জবাব দেওয়ার পর ইবার্ট উত্তর দিয়েছিলেন: "এটি সত্য যে আমি মোটা। কিন্তু আমি একদিন চিকন হয়ে যাব, আর তিনি তখনও ''দ্য ব্রাউন বানিের'' পরিচালক থাকবেন।" [http://rogerebert.suntimes.com/apps/pbcs.dll/article?AID=/20030604/FILMFESTIVALS01/66010303] (৪ জুন ২০০৩) * '''[[w:চলচ্চিত্র তত্ত্ব|চলচ্চিত্র তত্ত্বের]] সাথে চলচ্চিত্রের কোনো সম্পর্ক নেই।''' শিক্ষার্থীরা সম্ভবত চলচ্চিত্র সম্পর্কে কিছু জানার আশা করে। তাঁরা কেবল একটি গুপ্ত এবং রহস্যময় ভাষা খুঁজে পাবে, যা কেবল যাঁরা এটি আয়ত্ত করেননি তাঁদের বাদ দেওয়ার জন্য এবং যাঁরা আয়ত্ত করেছেন তাঁদের একাডেমিক পুরস্কার দেওয়ার উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে। সাক্ষরতা, রুচি বা বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন কেউ এই কোর্সগুলো পড়াতে চাইবেন না। তাই যাঁরা এগুলো পড়াচ্ছেন তাঁদের আসল পরিচয় হলো তাঁরা অন্য কিছু পড়াতে অক্ষম। ** ''লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমসের'' "[http://articles.latimes.com/print/2003/jul/13/magazine/tm-filmschool28 লাইটস, ক্যামেরা, অ্যাকশন. মার্ক্সিজম, সেমিওটিকস, ন্যারাটোলজি: ফিল্ম স্কুল ইজন্ট হোয়াট ইট ইউজড টু বি, ওয়ান ফাদার ডিসকভারস]" নিবন্ধে [[w:ডেভিড ওয়েডল|ডেভিড ওয়েডল]] কর্তৃক উদ্ধৃত। (১৩ জুলাই ২০০৩) * '''অনেক চলচ্চিত্র দর্শক এবং ভিডিও দর্শক বলেন যে তাঁরা সাদাকালো চলচ্চিত্র "পছন্দ" করেন না। আমার মতে, তাঁরা চলচ্চিত্রের অনেক রহস্য এবং সৌন্দর্য থেকে নিজেদের দূরে সরিয়ে রাখছেন। <br /> সাদাকালো হলো একটি শৈল্পিক পছন্দ। এটি এমন একটি মাধ্যম যার শক্তি এবং ঐতিহ্য রয়েছে, বিশেষ করে আলো ও ছায়ার ব্যবহারে এটি প্রযোজ্য।''' অবশ্যই চলচ্চিত্র দর্শকদের সাদাকালো চলচ্চিত্র অপছন্দ করার অধিকার রয়েছে। কিন্তু এটি এমন কিছু নয় যা নিয়ে তাঁদের গর্ব করা উচিত। এটি সত্যি বলতে তাঁদের সিনেমাটিক দিক থেকে নিরক্ষর হিসেবে প্রকাশ করে। <br /> '''এই বিষয়ে আমাকে অহংকারী হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। কিন্তু অহংকারীরা বাদ দেন; তাঁরা অন্তর্ভুক্ত করেন না। আপনার পছন্দের তালিকা থেকে সাদাকালো চলচ্চিত্র বাদ দেওয়ার অর্থ হলো আপনার একটি বদ্ধ মন, একটি সীমিত কল্পনাশক্তির অধিকারী হওয়া অথবা আপনার রুচির অভাব রয়েছে।''' ** প্রথমবার [http://rogerebert.suntimes.com/apps/pbcs.dll/article?AID=/20040725/ANSWERMAN/407250305 "মুভি আনসার ম্যান" কলামে] প্রকাশিত (২৫ জুলাই ২০০৪) * '''হতাশাজনকভাবে বিপুল সংখ্যক মানুষ সবকিছুকে আক্ষরিকভাবে গ্রহণ করেন বলে মনে হয়। তাঁরা একটি জঙ্গলে একজন অন্ধ মানুষের মতো। তাঁরা প্রতিটি গাছ খুঁজে পেতে সক্ষম, কিন্তু প্রতিটি গাছ তাঁদের কাছে বিস্ময়কর হিসেবে আসে।''' ** প্রথমবার [http://rogerebert.suntimes.com/apps/pbcs.dll/article?AID=/20050918/ANSWERMAN/509180304/1023 "মুভি আনসার ম্যান" কলামে] প্রকাশিত (১৮ সেপ্টেম্বর ২০০৫) * আমার কাছে কোনো স্টপ ওয়াচ ছিল না। কিন্তু আমার কাছে মনে হয়েছিল হাতির মতো অ্যাকশন দৃশ্যগুলো পুরো চলচ্চিত্র জুড়ে সমানভাবে ছড়িয়ে ছিল। ধীরগতিতে শুরু করে বড় ক্লাইম্যাক্সের দিকে যাওয়ার কোনো ব্যাপার ছিল না। চলচ্চিত্রটি প্রায় পুরোটাই ক্লাইম্যাক্স। অটোবট® এবং ডিসেপ্টিকনস® নিশ্চয়ই তাদের ভায়াগ্রার সতর্কীকরণ লেবেল পড়েনি। '''অবশেষে আমরা দেখলাম চার ঘণ্টার ইরেকশন দেখতে কেমন হয়।''' ** ''দ্য ফল অব দ্য রিভেঞ্জার্স'', ''[[ট্রান্সফর্মার্স: রিভেঞ্জ অব দ্য ফলেন]]'' চলচ্চিত্রটি নিয়ে আলোচনা। [http://blogs.suntimes.com/ebert/2009/06/the_fall_of_the_revengers.html "রজার ইবার্টস জার্নাল"] (২৪ জুন ২০০৯) * '''আমি বিশ্বাস করি যে সহানুভূতি হলো সভ্যতার সবচেয়ে প্রয়োজনীয় গুণ।''' ** প্রথমবার [http://www.rogerebert.com/rogers-journal/cannes-7-a-campaign-for-real-movies "রজার ইবার্টস জার্নাল" কলামে] প্রকাশিত (১৯ মে ২০১০) * আমি একটি পেডোমিটার পরি, এটি একটি ছোট যন্ত্র যা প্রতিটি পদক্ষেপ গণনা করে। এটি একটি উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে, কারণ আপনি সংখ্যা বাড়ানোর জন্য অতিরিক্ত দূরত্ব হাঁটেন। একজন গড় মানুষ দিনে ২,০০০ থেকে ৩,০০০ কদম হাঁটেন। আমি দিনে ১০,০০০ কদম হাঁটি। এর ফলে আমি অনেক ওজন কমিয়েছি। ** ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসে'' [http://www.nytimes.com/2005/02/13/magazine/13DOMAINS.html?ex=1266987600&en=ee5831db9aa9dafb&ei=5088&partner=rssnyt "এ ফিল্ম ক্রিটিকস উইন্ডি সিটি হোম"] (১৩ ফেব্রুয়ারি ২০০৫) * [[w:রজার ইবার্টস ওভারলুকড ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল|গোল্ডেন থাম্ব]] অস্কারের মতো ততটা ভালো নয়, তবে এটি বেশ মজার। ** ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসে'' "এ ফিল্ম ক্রিটিকস উইন্ডি সিটি হোম" (১৩ ফেব্রুয়ারি ২০০৫) * চলচ্চিত্র সমালোচক হওয়ার প্রথম বছরেই আমি অস্কারের প্রতি বিশ্বাস হারিয়ে ফেলি। সেই বছর ''[[বনি অ্যান্ড ক্লাইড]]'' জয়ী হয়নি। ** ''[http://www.playboy.com/magazine/20q_archive/siskel-and-ebert.html প্লেবয় ২০কিউ]'' * ৪০ বছর ধরে আমি একটিও সময়সীমা মিস করিনি। কিন্তু জুলাই থেকে আমি প্রতিটি সময়সীমা মিস করেছি। আমার তীব্র হতাশার বিষয় হলো আমি টেলুরাইড এবং টরন্টো চলচ্চিত্র উৎসবও মিস করেছি। জুন থেকে আমার প্রথম পর্যালোচনা (''[[w:দ্য কুইন (চলচ্চিত্র)|দ্য কুইন]]'') লেখার পর, আমার মনে হচ্ছে একটি আপডেট দেওয়া উচিত। ** ''শিকাগো সান টাইমসে'' [http://www.rogerebert.com/interviews/roger-writes-to-readers "রজার রাইটস টু রিডারস"] (১১ অক্টোবর ২০০৬) * আমাকে পাঠানো সমস্ত চিঠি, ইমেইল, ফুল, উপহার এবং প্রার্থনায় আমি মানুষের মাঝে একটি সততা এবং শালীনতা আবিষ্কার করেছি। আমি অভিভূত এবং বিনীত। আমি আপনাদের আমার সবচেয়ে আন্তরিক ধন্যবাদ এবং গভীর ও অটল কৃতজ্ঞতা জানাই। আমি যদি কখনও আমার স্মৃতিকথা লিখি, তবে আমার কাছে কিছু জাদুকরী উপাদান রয়েছে। জনি মিচেলের গানটি কীভাবে চলে? "ডোন্ট ইট অলওয়েজ সিম টু গো দ্যাট ইউ ডোন্ট নো হোয়াট ইউ গট টিল ইট ইজ গন"? আমি একটি বিষয় আবিষ্কার করেছি যে, আমি আমার চাকরিকে যতটা ভালোবাসতাম, তার চেয়েও বেশি ভালোবাসি। আর আমি আমার স্ত্রীকে আরও বেশি ভালোবাসি! ** ''শিকাগো সান টাইমসে'' "রজার রাইটস টু রিডারস" (১১ অক্টোবর ২০০৬) * অনেক আগে একজন জ্ঞানী সম্পাদক আমাকে নির্দেশ দিয়েছিলেন, "যদি তুমি কিছু বোঝো, তবে তুমি এটি এমনভাবে ব্যাখ্যা করতে পারবে যেন প্রায় সবাই তা বুঝতে পারে। তুমি না বুঝলে, তুমি নিজের ব্যাখ্যাও বুঝতে পারবে না।" এই কারণেই ৯০% একাডেমিক [[w:চলচ্চিত্র তত্ত্ব|চলচ্চিত্র তত্ত্ব]] হলো আবর্জনা। '''কঠিন পরিভাষা হলো দুষ্টদের শেষ আশ্রয়স্থল।''' ** "[http://blogs.suntimes.com/ebert/2008/11/o_synecdoche_my_synecdoche.html ও, সায়নেকডোকি, মাই সায়নেকডোকি!]," (১০ নভেম্বর ২০০৮) * [[w:পিক্সার|পিক্সার]] হলো প্রথম স্টুডিও যা একটি চলচ্চিত্র তারকা। ** [https://twitter.com/ebertchicago/status/16740535371 টুইটার ফিড] (২১ জুন ২০১০) * '''অসুস্থতা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়া মানবপ্রকৃতি। আমরা আমাদের নিজেদের ভঙ্গুর মরণশীলতার কথা মনে করিয়ে দেওয়াটা উপভোগ করি না।''' এই কারণে ইন্টারনেটে লেখালেখি করা আমার জন্য জীবনরক্ষাকারী হয়ে উঠেছে। আমার চিন্তা করার এবং লেখার সক্ষমতা প্রভাবিত হয়নি। ওয়েবে আমার আসল কণ্ঠস্বর প্রকাশ পায়। **[http://www.ted.com/talks/roger_ebert_remaking_my_voice.html টেড টক] (মার্চ ২০১১) * আমি বেছে নেওয়ার স্বাধীনতা সমর্থন করি। আমার পছন্দ হলো মা এবং শিশুর জীবনের মধ্যে একটি সুস্পষ্ট পছন্দের ক্ষেত্র ছাড়া [[গর্ভপাত|গর্ভপাতকে]] সমর্থন না করা। অজাচার বা ধর্ষণের মাধ্যমে গর্ভধারণ করা শিশু নির্দোষ এবং তার জন্মগ্রহণ করার অধিকার রয়েছে। ** ''রজার ইবার্টস জার্নালে'' [http://www.rogerebert.com/rogers-journal/how-i-am-a-roman-catholic "হাউ আই অ্যাম এ রোমান ক্যাথলিক"] (১ মার্চ ২০১৩) * আমি জানি এটি আসছে। আমি এটি নিয়ে ভয় পাই না। কারণ আমি বিশ্বাস করি যে মৃত্যুর পরপারে ভয় পাওয়ার মতো কিছু নেই। আমার সারাজীবনের স্মৃতিগুলোই আমি এই যাত্রা থেকে বাড়িতে নিয়ে এসেছি। প্যারিস থেকে বাড়িতে নিয়ে আসা আইফেল টাওয়ারের সেই ছোট্ট স্যুভেনিরের চেয়ে বেশি অনন্তকালের জন্য আমার সেগুলোর প্রয়োজন হবে না। ** ''রজার ইবার্টস জার্নালে'' [https://www.rogerebert.com/rogers-journal/go-gentle-into-that-good-night "গো জেন্টল ইনটু দ্যাট গুড নাইট"] (২ মে ২০০৯) * '''আমাকে এখন ধীরগতিতে চলতে হবে। যে কারণে আমি এমন কিছু নিচ্ছি যাকে আমি "লিভ অব প্রেজেন্স" বলতে পছন্দ করি। '''<br /> লিভ অব প্রেজেন্স আসলে কী? এর অর্থ হলো আমি দূরে যাচ্ছি না। আমার উদ্দেশ্য হলো বাছাই করা পর্যালোচনাগুলো লেখা চালিয়ে যাওয়া এবং বাকিগুলো আমার দ্বারা বাছাই করা এবং আমার কাছে দারুণ প্রশংসিত লেখকদের একটি মেধাবী দলের ওপর ছেড়ে দেওয়া। এর চেয়েও বড় কথা হলো, আমি সবসময় যা করার কল্পনা করতাম, শেষ পর্যন্ত আমি তা করতে পারব। আমি কেবল সেই চলচ্চিত্রগুলোর পর্যালোচনা করব যা আমি পর্যালোচনা করতে চাই। ... তাই এই চিন্তার দিনে আমি আবার বলছি, আমার সাথে এই যাত্রায় অংশ নেওয়ার জন্য আপনাদের ধন্যবাদ। '''চলচ্চিত্রে আপনাদের সাথে দেখা হবে।''' **[http://www.rogerebert.com/rogers-journal/a-leave-of-presence "এ লিভ অব প্রেজেন্স" (২ এপ্রিল ২০১৩)] === ''দ্য গ্রেট মুভিজ'' প্রবন্ধ সংকলন === * ''[[ডক্টর স্ট্রেঞ্জলাভ|ডক্টর স্ট্রেঞ্জলাভের]]'' রসবোধ একটি মৌলিক কমিক নীতির মাধ্যমে তৈরি হয়। যাঁরা মজার হতে চান, তাঁরা কখনো সেইসব মানুষের মতো মজার হতে পারেন না যাঁরা গম্ভীর হতে গিয়ে ব্যর্থ হন। হাসির কারণগুলোকে ঘটনার যুক্তি দ্বারা অনিচ্ছুক চরিত্রগুলোর ওপর ''চাপিয়ে দেওয়া'' হয়েছে বলে মনে হতে হবে। '''মজার টুপি পরা কোনো মানুষ মজার নয়। কিন্তু যদি লোকটি না জানে যে সে একটি মজার টুপি পরে আছে, তবে এটি মজার কিছু হতে পারে।''' ''ডক্টর স্ট্রেঞ্জলাভের'' চরিত্রগুলো জানে না যে তাদের টুপিগুলো মজার। ** ''খণ্ড ১'' (২০০৩), পৃষ্ঠা ১৫৬-১৫৭ * '''বলা হয়ে থাকে যে [[চার্লি চ্যাপলিন|চ্যাপলিন]] চাইতেন আপনি তাঁকে পছন্দ করুন, কিন্তু [[বাস্টার কিটন|কিটন]] পাত্তা দিতেন না। আমার মনে হয় তিনি পাত্তা দিতেন, কিন্তু সেটা জিজ্ঞাসা করার জন্য তিনি অনেক বেশি গর্বিত ছিলেন।''' তাঁর চলচ্চিত্রগুলো চ্যাপলিনের ছবির করুণ এবং আবেগময় দিকগুলোকে এড়িয়ে যায়। এই চলচ্চিত্রগুলোতে সাধারণত এমন একজন প্রফুল্ল যুবককে দেখা যায়, যে একটি লক্ষ্য দেখতে পায় এবং সবচেয়ে ভয়ঙ্কর বাধাগুলোর মুখোমুখি হয়ে সেই লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যায়। '''বাস্টার টর্নেডো, জলপ্রপাত, পাথরের ধস এবং অনেক উঁচু থেকে পড়ে গিয়েও বেঁচে যান এবং কখনো মাথা নোয়াতে থামেন না। তাঁর চোখ তাঁর লক্ষ্যের দিকে থাকে। তাঁর চলচ্চিত্রগুলোকে একসাথে দেখলে মনে হয় যেন প্রতিকূলতার মুখে এগুলো আশাবাদের একটি ধারাবাহিক কাজ।''' তিনি জিজ্ঞাসা না করেই কীভাবে আমাদের প্রশংসা এবং স্নেহ অর্জন করেন তা আশ্চর্যজনক। <br /> তিনি মজার ছিলেন বলে এবং একটি পোর্কপাই টুপি পরতেন বলে কিটনের শারীরিক দক্ষতাগুলোকে প্রায়শই অবমূল্যায়ন করা হয়। কোনো নির্বাক তারকাই [[বাস্টার কিটন|বাস্টার কিটনের]] চেয়ে বেশি বিপজ্জনক স্টান্ট করেননি। '''ডাবল ব্যবহার করার পরিবর্তে তিনি নিজেই তাঁর অভিনেতাদের ডাবল হিসেবে কাজ করতেন এবং নিজের স্টান্টগুলোর পাশাপাশি তাঁদের স্টান্টগুলোও করতেন।''' ** ''খণ্ড ২'' (২০০৫), পৃষ্ঠা ৯৪ *''' ''[[ম্যাগনোলিয়া (চলচ্চিত্র)|ম্যাগনোলিয়া]]'' হলো দুঃখ, ক্ষতি, আজীবন তিক্ততা, ক্ষতিগ্রস্ত শিশু এবং নিজেদের ধ্বংসকারী প্রাপ্তবয়স্কদের নিয়ে তৈরি একটি চলচ্চিত্র।''' বর্ণনাকারী শেষের দিকে আমাদের বলেন, "আমরা অতীত শেষ করে ফেলতে পারি, কিন্তু অতীত কখনো আমাদের ছেড়ে যায় না।" জীবনের এই ধ্বংসস্তূপে একজন পুলিশ এবং একজন নার্স আছেন, যাঁরা সাহায্য, আশা এবং ভালোবাসা দেওয়ার জন্য নিজেদের সাধ্যমতো চেষ্টা করেন। ... এর কেন্দ্রীয় বিষয়বস্তু হলো শিশুদের প্রতি নিষ্ঠুরতা এবং এর দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব। আমরা যেমনটা বলি বা ভাবি, আমাদের সেভাবে আচরণ করার প্রতি ঘৃণা বা ভয়ের সাথে এটি ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। ... '''চলচ্চিত্র নির্মাণের একটি কাজ হিসেবে এটি আমাদের আকর্ষণ করে এবং ছেড়ে দেয় না।''' এটি অবিশ্বাস্য কাকতালীয় ঘটনাগুলো নিয়ে একটি ছোট প্রামাণ্যচিত্রের মাধ্যমে বিভ্রান্তিকরভাবে শুরু হয়। কাকতালীয় ঘটনা এবং অদ্ভুত ঘটনা ঘটে এবং এগুলো অন্য সবকিছুর মতোই বাস্তব। আপনি যদি যথেষ্ট দূরে দাঁড়িয়ে দেখতে পারেন, তবে সবকিছু একটি কাকতালীয় ঘটনা হিসেবে প্রকাশিত হবে। আমরা যেগুলোকে "কাকতালীয় ঘটনা" বলি তা কেবল আমাদের নজরে আসা ঘটনাগুলোর মধ্যে সীমাবদ্ধ। ... একটি সুন্দর অংশে অ্যান্ডারসন [https://www.youtube.com/watch?v=aNmKghTvj0E বেশিরভাগ প্রধান চরিত্রকে একসাথে] [[অ্যামি মান|অ্যামি মানের]] "ইট ইজ নট গোয়িং টু স্টপ" গানটি গাওয়ার দৃশ্য কাটছাঁট করেছেন। একটি নির্দেশক বিকাশ? আপনি কি জানেন? আমার মনে হয় এটি একটি কাকতালীয় ঘটনা। পরস্পর সংযুক্ত কাহিনিসহ অন্যান্য অনেক "হাইপারটেক্সট চলচ্চিত্রের" বিপরীতে ''ম্যাগনোলিয়া'' পদ্ধতিটিকে আরও গভীর এবং আরও দার্শনিক উপায়ে ব্যবহার করছে বলে মনে হয়। '''অ্যান্ডারসন এই মানুষগুলোকে যেকোনো সম্ভাব্য জ্ঞানের নিচে, যেখানে [[ভাগ্য]] এবং [[নিয়তি]] রয়েছে, সেখানে যুক্ত হতে দেখেন। তারা তাদের [[কাজ]] এবং তাদের [[পছন্দ|পছন্দগুলোর]] দ্বারা যুক্ত হয়েছে।''' <br /> এবং সবকিছু চলচ্চিত্রের শেষের দিকের একটি অসাধারণ, বিখ্যাত দৃশ্যের দিকে নিয়ে যায়, যখন ব্যাঙের বৃষ্টি হয়। হ্যাঁ। অসংখ্য জীবন্ত ব্যাঙ আকাশ থেকে পুরো লস অ্যাঞ্জেলেসের ওপর পড়ছে। এই পদ্ধতিটি নিয়ে মাঝে মাঝে মজা করা হয়েছে, যা আমাকে অবাক করে। '''পুরো গল্পটিকে অব্যাখ্যাত কিন্তু বাস্তব আচরণের বৃহত্তর জগতে উন্নীত করার একটি উপায় হিসেবে আমি এটিকে দেখি। আরেকটি মাত্রা যোগ করার জন্য আমাদের মানুষের ঊর্ধ্বে কিছু প্রয়োজন।''' এই শতাব্দীতে আকাশ থেকে আটবার ব্যাঙের বৃষ্টি হয়েছে। তবে তথ্যগুলোর কথা ভুলে যান। এর পরিবর্তে ''যাত্রাপুস্তক'' ৮:২-এর দিকে মনোযোগ দিন, যা চলচ্চিত্রের একটি প্ল্যাকার্ডে উল্লেখ করা হয়েছে: "এবং যদি তুমি তাদের যেতে দিতে অস্বীকার করো, তবে দেখো, আমি তোমার পুরো অঞ্চলে ব্যাঙ দিয়ে আঘাত করব।" কাকে যেতে দেবে? আমার বিশ্বাস, এই ক্ষেত্রে এটি মানুষ নয়, বরং [[ভয়]], [[লজ্জা]] এবং [[পাপ|পাপগুলোকে]] বোঝায়। <br /> ''ম্যাগনোলিয়া'' হলো সেই বিরল চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে একটি যা সম্পূর্ণ ভিন্ন দুটি উপায়ে কাজ করে। '''এক অর্থে এটি বিশদ বিবরণে পূর্ণ এবং নির্ভুলতার সাথে বলা আকর্ষণীয় গল্পগুলো বলে, যাতে সামান্য হলেও [[রসবোধ|রসবোধের]] অভাব নেই। অন্য অর্থে এটি একটি [[দৃষ্টান্তমূলক গল্প]]। সমস্ত ভালো দৃষ্টান্তমূলক গল্পের মতো এই দৃষ্টান্তমূলক গল্পের বার্তাও [[শব্দ|শব্দে]] নয়, বরং [[আবেগ|আবেগের]] মাধ্যমে প্রকাশিত হয়। আমরা এই মানুষগুলোর [[ব্যথা]] অনুভব করার পর এবং পুলিশ ও নার্সের ভালোবাসা অনুভব করার পর, আমাদের এমন কিছু অবর্ণনীয় বিষয় [[শিক্ষা|শেখানো]] হয়েছে যা [[জানা|জানা]] [[প্রয়োজনীয়]]।''' ** খণ্ড ৩ === ''অ্যাওয়েক ইন দ্য ডার্ক: দ্য বেস্ট অব রজার ইবার্ট'' (২০০৬) === :<small>{{ISBN|0226182002}}</small> * আমি ১৯৬৭ সালে একজন চলচ্চিত্র সমালোচক হিসেবে আমার কাজ শুরু করি। আমি চলচ্চিত্র সমালোচক হওয়ার কথা ভাবিনি। কোনো একদিন আমি রাজনৈতিক কলামিস্ট বা ইংরেজির অধ্যাপক হতে পারি, এই অস্পষ্ট ধারণা ছাড়া আমার পেশাগত কোনো দৃঢ় পরিকল্পনা ছিল না। <br /> রবার্ট জোংকা আমার জীবনের অন্যতম সেরা বন্ধু হয়ে ওঠেন। আমাকে যেদিন ''শিকাগো সান-টাইমসে'' নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল, সেদিনই তাঁকে পত্রিকাটির ফিচার সম্পাদক করা হয়েছিল। ১৯৬৭ সালের মার্চ মাসের একদিন তিনি আমাকে একটি কনফারেন্স রুমে ডাকেন। তিনি আমাকে জানান যে পত্রিকাটির চলচ্চিত্র সমালোচক এলেনর কিন অবসর নিচ্ছেন এবং আমি নতুন সমালোচক। '''আমি আনন্দ এবং অবিশ্বাসের সাথে চলে গিয়েছিলাম। তবুও আমি প্রায় সন্দেহ করেছিলাম যে এই দিনটি আমার বাকি জীবনের পথ নির্ধারণ করবে।''' * আমার একদম প্রথম পর্যালোচনাতেই আমি ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলাম। একটি অস্পষ্ট ফরাসি চলচ্চিত্র "গালিয়া" পর্যবেক্ষণ করে বলেছিলাম যে এটি মহাসাগরের শৈল্পিক শট দিয়ে শুরু এবং শেষ হয়। তবে এর মাঝে ফরাসি নিউ ওয়েভ উপকূলে আছড়ে পড়ছে বলে বেশ স্পষ্ট। সেই সময় আমার ভঙ্গিটি চলচ্চিত্রের প্রতি শ্রেষ্ঠত্বের ছিল। যদিও আমি অবজ্ঞার সঠিক কোণ হিসাব করতাম, একটি চলচ্চিত্র মুক্তি পেলে তা আমার প্রতিরক্ষা ভেঙে দিতো এবং আমাকে আনন্দে আত্মহারা করে তুলতো। * '''[[ভের্নার হ্যার্ৎসগ|হ্যার্ৎসগ]] তাঁর উদাহরণের মাধ্যমে আমাকে চলচ্চিত্র শিল্পীর জন্য একটি মডেল দিয়েছিলেন। তিনি নির্ভীক, তাঁর বিষয়বস্তু দ্বারা চালিত, বাণিজ্যিক বিবেচনার প্রতি উদাসীন এবং দর্শকদের তাঁর অনুসরণ করার ওপর আস্থা রাখেন।''' আমি ৩৮ বছরে প্রায় ৫০টি ফিচার এবং প্রামাণ্যচিত্র মুক্তির পর প্রথম হ্যার্ৎসগের চলচ্চিত্র দেখার পর, তিনি কখনো এমন একটি চলচ্চিত্রও তৈরি করেননি যা আপস করা, লজ্জাজনক, ব্যবহারিক কারণে তৈরি বা অরুচিকর। '''এমনকি তাঁর ব্যর্থতাগুলোও দর্শনীয়।''' === ''ইউর মুভি সাকস'' (২০০৭) === [[File:Vampirefilm.png|thumb|ইউর মুভি সাকস।]] :<small>{{ISBN|0740763660}}</small> * '''এই পর্যালোচনাগুলোর কয়েকটি [[আনন্দ|আনন্দময়]] উৎসাহের সাথে লেখা হয়েছিল। অন্যগুলো উল্লাসের সাথে। কয়েকটি [[দুঃখ|দুঃখে]], কয়েকটি [[রাগ|রাগে]] এবং খুব কম সংখ্যক বিষাক্ততার সাথে লেখা হয়েছিল, যার একটি কঠোরভাবে সংরক্ষিত সরবরাহ আমার কাছে রয়েছে।''' আমাকে যখন বারবার জিজ্ঞাসা করা হয় যে আমি সত্যিই পুরো চলচ্চিত্র দেখি কি না, তখন আমার উত্তর অনিবার্যভাবে হয়: হ্যাঁ, কারণ আমি পর্যালোচনা লিখতে চাই। <br /> আমি অনুমান করছি যে ১৯৭৫ সাল থেকে আমি কেবল একবার বা দুবার ছাড়া আমার পুলিৎজার পুরস্কারের কথা কোনো পর্যালোচনায় উল্লেখ করিনি। তবে আমি যখন প্যাট্রিক গোল্ডস্টেইনকে লেখা রব স্নাইডারের অত্যন্ত অবিবেচক খোলা চিঠিটি পড়ি, তখন আমি জানতাম যে আমি একটি হোম-রান পিচ পাচ্ছি। অন্যান্য পর্যালোচনাগুলো বিভিন্ন মনোভাব নিয়ে লেখা হয়েছিল, যার মধ্যে কয়েকটি প্রায় পরোপকারীভাবে। তবে ''ডিউস বিগলো: ইউরোপীয় জিগোলো'' সম্পর্কে আমি কেবল এটিই বলতে পারি যে এটি এমন একটি চলচ্চিত্র যা এই বইয়ের শিরোনামটিকে অনুপ্রাণিত করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। ** ভূমিকা === ''লাইফ ইটসেলফ : এ মেমোয়ার'' (২০১১) === [[File:SecularHumanismLogo3DPrideRainbowColors.png|thumb|আমাদের অবশ্যই [[বিশ্ব|বিশ্বে]] [[আনন্দ]] প্রদানে অবদান রাখার চেষ্টা করতে হবে। ... আমি সবসময় এটি [[জানা|জানতাম]] না এবং আমি এটি খুঁজে বের করার মতো যথেষ্ট সময় [[জীবনযাপন করা|বেঁচে থাকায়]] [[সুখ|সুখী]]।]] * আমি জেগে শুয়ে ভাবতাম যে কীভাবে আমি বিশ্বাস ছাড়া এমন একজন [[ঈশ্বর|ঈশ্বরের]] কাছে বিশ্বাসের জন্য প্রার্থনা করতে পারি যাকে আমি বিশ্বাস করতে পারি না। মনে হতো যেন তা আমাকে দুটি প্রশ্নের মাঝে ঝুলিয়ে রেখেছিল। এই যৌক্তিক ধাঁধাগুলো স্বতঃস্ফূর্তভাবে আমার মনের ভেতর তৈরি হয়েছিল। এগুলো আমার স্কুল বা পরিবার থেকে আসেনি। আমার পাড়ার বেশিরভাগ বন্ধু প্রোটেস্ট্যান্ট ছিল। ঈশ্বর যে বিদ্যমান, এই সত্যটি ছাড়া ঈশ্বর সম্পর্কে তত্ত্বে তারা আগ্রহী ছিল না। <br /> আমি ঈশ্বরের সমস্যাটি বাদ দিয়ে [[রোমান ক্যাথলিক গির্জা|রোমান ক্যাথলিক গির্জার]] শিক্ষাগুলো পুরোপুরি গ্রহণ করেছিলাম। ** অধ্যায় ৫৪ : হাউ আই বিলিভ ইন গড * অনেক বছর ধরে আমি [[সোভিয়েত ইউনিয়ন|সোভিয়েত ইউনিয়নকে]] এমন একটি দেশ হিসেবে কল্পনা করতাম যেখানে কখনো সূর্য ওঠে না এবং ক্রীতদাস ক্যাথলিক কৃষকেরা তাদের ঈশ্বরহীন শাসকদের অধীনে মেঘলা আকাশের নিচে কাজ করে। <br /> কিন্তু আমাদের ধর্মতত্ত্ব প্রায়শই খুব ব্যবহারিক ছিল: সমস্ত মানুষ সমান হিসেবে সৃষ্ট। অন্যের প্রতি এমন আচরণ করো যেমনটা তুমি তাদের কাছ থেকে আশা করো। দশটি আজ্ঞা মেনে চলো, যা আমরা বিস্তারিতভাবে অধ্যয়ন করেছি। তবে ব্যভিচার বাদে, "যা নিয়ে তোমাদের শিশুদের চিন্তা করার দরকার নেই।" ** অধ্যায় ৫৪ : হাউ আই বিলিভ ইন গড * বড় হওয়ার সাথে সাথে আমি ঈশ্বর এবং অসীমের প্রশ্নে আর ঘুম হারাইনি। আমি বুঝতে পেরেছিলাম যে এগুলোর কোনো উত্তর থাকতে পারে না। কোনো এক পর্যায়ে ঈশ্বরের বাস্তবতা আর আমার মনে উপস্থিত ছিল না। আমি গির্জার মৌলিক শিক্ষাগুলো বিশ্বাস করতাম কারণ আমি ভেবেছিলাম এগুলো সঠিক। ঈশ্বর চেয়েছিলেন বলে নয়। আমার মনে, আমি যেভাবে সেগুলোর ব্যাখ্যা করি, আমি আজও সেই অনুযায়ী জীবনযাপন করি। নিয়মকানুন দ্বারা নয়, বরং নীতিগুলো দ্বারা। উদাহরণস্বরূপ, গর্ভপাতের ক্ষেত্রে আমি স্বাধীন মতবাদে বিশ্বাসী। তবে ব্যক্তিগত পছন্দের কারণে আমার নিজের সন্তানের গর্ভপাতের সাথে আমার কোনো সম্পর্ক থাকবে না। আমি স্বাধীন ইচ্ছায় বিশ্বাস করি এবং আমার বিশ্বাস যে অন্য কাউকে কী করতে হবে তা বলার অধিকার আমার নেই। পোপেরা আসেন এবং যান। কেবল [[পোপ ত্রয়োদশ জন|ত্রয়োদশ জনের]] প্রতি আমি স্নেহ অনুভব করেছি। তাঁদের নির্দেশগুলো আমার কাছে চমকে দেওয়ার মতো ক্ষমতার অভাব বলে মনে হয়। তাঁরা এক সহস্রাব্দ ধরে একটি আটকে রাখার কাজ পরিচালনা করছেন। ** অধ্যায় ৫৪ : হাউ আই বিলিভ ইন গড * '''ক্যাথলিক ধর্ম আমাকে মানবতাবাদী শব্দটি জানার আগেই একজন মানবতাবাদী করে তুলেছিল। মানুষ যখন "ধর্মনিরপেক্ষ মানবতাবাদের" বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে, তখন আমি তাদের জিজ্ঞাসা করতে চাই যে মানবতাবাদ যদি ধর্মনিরপেক্ষ না হতো, তবে তা তাদের কাছে গ্রহণযোগ্য হতো কি না। এরপর আমি জিজ্ঞাসা করতে চাই, "আপনার কেন মনে হয় এটি ধর্মনিরপেক্ষ?" এর ফলে আমার এই মতামতটি উঠে আসবে যে তাদের বিশ্বাসগুলো মানবতাবাদী ছিল না।''' ** অধ্যায় ৫৪ : হাউ আই বিলিভ ইন গড * হাইস্কুলের বছরগুলোতে ঈশ্বরের অস্তিত্বের সম্ভাবনায় আমার বিশ্বাস হারিয়ে যায়। আমি এটি নিজের মধ্যে লুকিয়ে রেখেছিলাম। আমি কখনো আমার বাবা-মায়ের সাথে এটি নিয়ে আলোচনা করিনি। আমার বাবা যেকোনো ক্ষেত্রেই একজন অ-অনুশীলনকারী লুথারান ছিলেন। মৃত্যুশয্যায় তাঁর ধর্মান্তরকরণ আমাকে বেশ হতাশ করেছিল। আমি নিশ্চিত যে তিনি আমার মায়ের খাতিরে এতে রাজি হয়েছিলেন। আমি কি নিজেকে [[অজ্ঞেয়বাদ|অজ্ঞেয়বাদী]] বা [[নাস্তিক্যবাদ|নাস্তিক]] বলা শুরু করেছিলাম? না, এবং আমি এখনও তা করি না। আমি এটি এড়িয়ে চলি কারণ '''আমি এমন কোনো বিভাগ প্রদান করতে চাই না যা মানুষ আমার ওপর প্রয়োগ করতে পারে। যাঁরা বলেন যে "বিশ্বাসী" এবং "নাস্তিক" হলো কংক্রিট বিভাগ, তাঁরা সেই রহস্যের প্রতি সহিংসতা করেন যা স্বীকার করার মতো যথেষ্ট বিনীত হওয়া আমাদের উচিত। আমি চাই না আমার বিশ্বাসগুলো একটি মাত্র শব্দে কমে আসুক।''' ** অধ্যায় ৫৪ : হাউ আই বিলিভ ইন গড * '''[[চরমপন্থবাদ|চরমপন্থীরা]] আমাকে ভয় দেখায়।''' আমার ব্লগে [[বিবর্তন]], বুদ্ধিমান নকশা, [[ঈশ্বর]] এবং পরকাল নিয়ে সমস্ত অন্তহীন আলোচনা চলাকালীন, যার মন্তব্যের সংখ্যা সব মিলিয়ে হাজার হাজার হবে, আমি কখনো আমার [[বিশ্বাস|বিশ্বাসগুলোর]] [[নামকরণ|নাম]] দিইনি। যদিও পাঠকেরা আমাকে নির্দ্বিধায় জানিয়েছেন যে আমি একজন [[নাস্তিক্যবাদ|নাস্তিক]] এবং [[অজ্ঞেয়বাদ|অজ্ঞেয়বাদী]] অথবা অন্ততপক্ষে একজন ধর্মনিরপেক্ষ '''[[মানবতাবাদ|মানবতাবাদী]]''' — যা আমি। ** অধ্যায় ৫৪ : হাউ আই বিলিভ ইন গড * যে ঈশ্বর ব্যক্তিগতভাবে কারও সাথে কথা বলেছেন বা মানুষের জন্য নির্দেশ জারি করেছেন, তাঁকে আমি একবারে বাতিল করে দিই। আমি নিশ্চিত যে কিছু মানুষ বিশ্বাস করে যে ঈশ্বর তাদের সাথে কথা বলেছেন। এটি তাদের বিশ্বাস করার বিষয়। আমি বিশ্বাস করি না যে [[মোশি (নবি)|মোশি]] এমন কোনো ফলক নিয়ে পাহাড় থেকে নেমে এসেছিলেন যা তিনি সাথে নিয়ে ওঠেননি। আমি বিশ্বাস করি যে উচ্চতর ক্ষমতা এবং শরীরের শারীরিক মেয়াদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয় এমন একটি অস্তিত্বে বিশ্বাস করার প্রয়োজনীয়তা মানবজাতির সাধারণভাবে রয়েছে। কিন্তু এই প্রয়োজনীয়তাগুলো হলো আশা। আর এগুলো বিশ্বাস করলেই তা সত্য হয়ে যায় না। আমি বিশ্বাস করি মানবজাতি শারীরিক হোক বা সামাজিক, গির্জাগুলোতে জড়ো হওয়ার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে। আমি সারা বিশ্বের গির্জাগুলোতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটিয়েছি। আমি প্রার্থনা করার জন্য সেখানে বসি না, বরং আমার চিন্তাভাবনাগুলোকে ধীরে ধীরে বিস্ময় এবং শ্রদ্ধার দিকে পরিচালিত করতে বসি। আমি আমার আগের প্রজন্ম এবং ঐতিহ্যের আশ্বাসের কথা সম্পর্কে সচেতন। ** অধ্যায় ৫৪ : হাউ আই বিলিভ ইন গড * যে গির্জাগুলো আক্রমণাত্মকভাবে সুসমাচার প্রচার করে তাদের প্রতি আমার কোনো ধৈর্য নেই। উদ্ধার পাওয়ার জন্য আমাকে কী করতে হবে, সেই নির্দেশনায় আমার কোনো আগ্রহ নেই। '''আমি আমার দিকে নির্দেশিত অনুভূমিক প্রার্থনার চেয়ে স্বর্গের দিকে নির্দেশিত উল্লম্ব প্রার্থনা বেশি পছন্দ করি।''' আমি বিশ্বাস করি একটি যোগ্য গির্জাকে আকর্ষণের মাধ্যমে বেড়ে উঠতে হবে, প্রচারের মাধ্যমে নয়। '''আমি ধর্মান্ধতা নিয়ে সতর্ক। এমনকি ছোটবেলাতেও আমি তাঁদের প্রতি সন্দেহপ্রবণ ছিলাম, যাঁরা আমার প্রায়শই শোনা কথা অনুযায়ী "পোপের চেয়েও বেশি ক্যাথলিক" ছিলেন। আমরা যদি আমাদের প্রতিবেশীদের নিজেদের মতো ভালোবাসতে চাই, তবে আমাদের অবশ্যই তাঁদের বিশ্বাসগুলোকে আমাদের নিজস্ব বিশ্বাসের মতো একই শ্রদ্ধার সাথে দেখতে হবে।''' ** অধ্যায় ৫৪ : হাউ আই বিলিভ ইন গড * একবার যেমনটা ভাবা হয়েছিল, [[মহাবিশ্ব]] অনির্দিষ্টকালের জন্য প্রসারিত এবং সংকুচিত হয়, একটি [[মহা বিস্ফোরণ]] অন্যটিতে ভেঙে পড়ে, তা যথেষ্ট যুক্তিসঙ্গত বলে মনে হয়েছিল। কিন্তু মহাবিশ্বের উভয় মডেলেই প্রথম মহা বিস্ফোরণের কারণ কী ছিল? শেষ সংখ্যার চেয়ে বেশি কি কোনো প্রথম মহা বিস্ফোরণ ছিল? যদি কোনো প্রথম কারণ থেকে থাকে, তবে কি কোনো প্রথম কারণ সৃষ্টিকারী ছিল? মহা বিস্ফোরণগুলো কি কেবল ঘটতেই থাকে? আমরা কি প্রথম কারণ সৃষ্টিকারীর নাম "ঈশ্বর" রাখতে পারি? আমরা যেকোনো নাম রাখতে পারি। আমি আমার নিজের নামে এর নাম রাখতে পারি। একে কী বলা হয় তা অত্যন্ত তাৎপর্যহীন, কারণ আমরা এমন কিছুর নাম দেবো যা চিন্তার সমস্ত বিভাগের বাইরে পড়ে এবং জ্ঞানের কাছে তা অজানা এবং অপ্রাসঙ্গিক হতে হবে। তাই নামকরণ করা একটি বৃথা উদ্যোগ। "ঈশ্বর" শব্দটি সহায়ক নয়, কারণ এর অর্থ হলো এর একটি জানা যায় এমন সংজ্ঞা রয়েছে। ** অধ্যায় ৫৪ : হাউ আই বিলিভ ইন গড * '''[[কোয়ান্টাম বলবিজ্ঞান|কোয়ান্টাম তত্ত্ব]] এখন [[ইলেকট্রন|ইলেকট্রনের]] মতো দুটি [[কোয়ান্টাম জট|জড়ানো কোয়ান্টাম বস্তুর]] মধ্যে তাৎক্ষণিক [[সংযোগ|সংযোগের]] কথা বলছে।''' এই [[ঘটনা]] গবেষণাগারের [[পরীক্ষা|পরীক্ষাগুলোতে]] [[পর্যবেক্ষণ|পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে]] এবং [[বিজ্ঞানী|বিজ্ঞানীরা]] [[বিশ্বাস|বিশ্বাস করেন]] যে তাঁরা এটি ঘটার বিষয়টি [[প্রমাণ|প্রমাণ করেছেন]]। '''তাঁরা [[আলো|আলোর]] [[গতি|গতির]] চেয়ে দ্রুত হওয়ার কথা বলছেন না। গতির সাথে এর কোনো [[শূন্য|সম্পর্ক নেই]]। জড়ানো বস্তুগুলো কোনো না কোনোভাবে দূর থেকে তাৎক্ষণিকভাবে [[যোগাযোগ|যোগাযোগ করে]]। এটি [[সত্য]] হলে, দূরত্বের কোনো [[অর্থ]] নেই। আলোকবর্ষের কোনো অর্থ নেই। [[মহাশূন্য|স্থানের]] কোনো অর্থ নেই। এক অর্থে, জড়ানো বস্তুগুলো যোগাযোগও করছে না। এগুলো একই জিনিস। "কোয়ান্টাম স্তরে" (এবং আমি জানি না এর অর্থ কী), সবকিছু আসলে বা তাত্ত্বিকভাবে যুক্ত হতে পারে। [[সবকিছু|সবকিছুই]] [[ঐক্য|এক]]। [[সূর্য]], [[চাঁদ]], [[তারা]], বৃষ্টি, আপনি, আমি, সবকিছু। [[অদ্বৈতবাদ|সব এক]]।''' যদি এটি এমন হয়, তবে [[বৌদ্ধধর্ম]] বরাবরই একটি কোয়ান্টাম তত্ত্ব হয়ে থাকবে। না, আমি বৌদ্ধ নই। আমি বিশ্বাসী নই, নাস্তিক নই, অজ্ঞেয়বাদী নই। '''আমি উত্তরের চেয়ে প্রশ্ন নিয়ে বেশি সন্তুষ্ট।''' ** অধ্যায় ৫৪ : হাউ আই বিলিভ ইন গড * অনেক পাঠক আমাকে জানিয়েছেন যে [[বিশ্বাস]] ছাড়া মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাওয়া একটি মর্মান্তিক এবং বিরক্তিকর ব্যাপার। আমার তেমনটা মনে হয় না। "বিশ্বাস" হলো নিরপেক্ষ। সব নির্ভর করে কী বিশ্বাস করা হয় তার ওপর। ** অধ্যায় ৫৫ : গো জেন্টলি * একজন রোমান ক্যাথলিক হিসেবে বড় হওয়ার কারণে আমি সেই বিশ্বাসের সামাজিক মূল্যবোধগুলোকে আত্মস্থ করেছিলাম এবং আজও তার বেশিরভাগই ধারণ করি, যদিও এর ধর্মতত্ত্ব আমাকে আর প্ররোচিত করে না। অন্য কেউ কী বিশ্বাস করে তা নিয়ে আমার কোনো ঝগড়া নেই। সবাই এই বিষয়গুলো নিজেদের মতো করে সামলায়। আমার বলার মতো কোনো সত্য নেই। '''আমি কেবল একটি ধর্মের কাছ থেকে এটাই চাই যে, যারা এর সাথে একমত নয়, তাদের প্রতি ধর্মটি যেন সহনশীল হয়।''' আমি এমন একজন যাজককে চিনি যাঁর চোখ চিকচিক করে যখন তিনি বলেন, "তুমি ঈশ্বরের কাজ তোমার মতো করে করো, আর আমি তাঁর মতো করে করব।" ** অধ্যায় ৫৫ : গো জেন্টলি * '''"[[দয়া]]" আমার সমস্ত রাজনৈতিক বিশ্বাসকে ঢেকে দেয়।''' সেগুলোর বানান করার দরকার নেই। '''আমি বিশ্বাস করি যে শেষে যদি আমরা আমাদের [[ক্ষমতা|ক্ষমতাগুলো]] অনুযায়ী অন্যদের কিছুটা সুখী করার জন্য কিছু করতে পারি এবং নিজেদের কিছুটা সুখী করার জন্য কিছু করতে পারি, তবে এটিই আমাদের পক্ষে করা সবচেয়ে ভালো কাজ।''' অন্যদের কম সুখী করা একটি [[অপরাধ]]। নিজেদের অসুখী করা থেকেই সমস্ত অপরাধের শুরু হয়। '''আমাদের অবশ্যই [[বিশ্ব|বিশ্বে]] [[আনন্দ]] প্রদানে অবদান রাখার চেষ্টা করতে হবে।''' এটি আমাদের [[সমস্যা]], আমাদের [[স্বাস্থ্য]] এবং আমাদের পরিস্থিতি যা-ই হোক না কেন, তা সত্য। '''আমাদের অবশ্যই চেষ্টা করতে হবে।''' আমি সবসময় এটি জানতাম না এবং আমি এটি খুঁজে বের করার মতো যথেষ্ট সময় বেঁচে থাকায় খুশি। ** অধ্যায় ৫৫ : গো জেন্টলি === পর্যালোচনা === ==== চার তারকার পর্যালোচনা ==== [[File:Amateur-made Na'vi.jpg|thumb|right|তাঁর ''[[w:টাইটানিক (১৯৯৭-এর চলচ্চিত্র)|টাইটানিকের]]'' মতো [[জেমস ক্যামেরন|জেমস ক্যামেরনের]] চলচ্চিত্র নিয়েও নিরলসভাবে সন্দেহজনক অগ্রিম গুঞ্জন শোনা গিয়েছিল। তিনি কেবল [[অ্যাভাটার (২০০৯-এর চলচ্চিত্র)|একটি অসাধারণ চলচ্চিত্র]] নির্মাণের মাধ্যমে আরও একবার সন্দেহবাদীদের চুপ করিয়ে দিয়েছেন।]] [[File:Magnòlia a Verbania.JPG|thumb|''[[ম্যাগনোলিয়া (চলচ্চিত্র)|ম্যাগনোলিয়া]]'' হলো এমন একটি চলচ্চিত্র যাতে আমি সহজাতভাবে সাড়া দিই। [[যুক্তি|যুক্তিকে]] [[দরজা|দরজায়]] রেখে আসুন। দমিত [[রুচি]] এবং সংযম আশা করবেন না, বরং এক ধরনের নাটকীয় [[পরমানন্দ|পরমানন্দের]] প্রত্যাশা করুন।]] [[File:Raining WikiWorld.png|thumb|''[[ম্যাগনোলিয়া (চলচ্চিত্র)|ম্যাগনোলিয়া]]'' হলো সেই বিরল চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে একটি যা সম্পূর্ণ ভিন্ন দুটি উপায়ে কাজ করে। এক অর্থে এটি বিশদ বিবরণে পূর্ণ এবং নির্ভুলতার সাথে বলা আকর্ষণীয় [[গল্প|গল্পগুলো]] বলে, যাতে সামান্য হলেও [[রসবোধ|রসবোধের]] অভাব নেই। অন্য অর্থে এটি একটি [[দৃষ্টান্তমূলক গল্প]]।]] [[File:Eye Black and White with Color.jpg|thumb|বছরের অন্যতম সেরা এবং সবচেয়ে মৌলিক চলচ্চিত্র ''[[প্লিজেন্টভিল]]'' আমাদের চমকে দেয়। এটি "ফাদার নোজ বেস্টের" মতো পুরোনো সাদাকালো সিটকমগুলোকে নিয়ে মজা করার মাধ্যমে শুরু হয়। এরপর এটি নিজেই একটি সিটকম হওয়ার ভান করতে থাকে এবং এটি আশ্চর্যজনক [[শক্তি|ক্ষমতার]] একটি সামাজিক ভাষ্য হিসেবে শেষ হয়। … ''প্লিজেন্টভিল'' হলো এক ধরনের [[দৃষ্টান্তমূলক গল্প]] যা আমাদের ভালো পুরোনো দিনগুলোর পুনর্মূল্যায়ন করতে এবং ক্ষয়িষ্ণু বলে সহজেই বাতিল করে দেওয়া নতুন [[বিশ্ব|বিশ্বের]] দিকে নতুন করে [[তাকানো|তাকাতে]] উৎসাহিত করে। হ্যাঁ, আমাদের আরও [[সমস্যা]] রয়েছে। কিন্তু আরও [[সমাধান]], আরও [[সুযোগ]] এবং আরও [[স্বাধীনতা|স্বাধীনতাও]] রয়েছে।<!-- আমি পঞ্চাশের দশকে বড় হয়েছি। এটি আপনি যা [[কল্পনা|কল্পনা করতে]] পারেন তার চেয়ে অনেক বেশি ''প্লিজেন্টভিলের'' জগতের মতো ছিল। হ্যাঁ, আমার [[বাড়ি|বাড়ির]] চারপাশে কাঠের বেড়া ছিল এবং পৌনে ছয়টায় রাতের খাবার সবসময় টেবিলে থাকত, কিন্তু এমন অনেক কিছু [[ভুল]] ছিল যার জন্য আমি [[শব্দ|শব্দগুলোও]] জানতাম না। --> ]] [[File:Roger Ebert.jpg|thumb|আমার নিজের [[ব্যক্তিগত]] [[অভিজ্ঞতা|অভিজ্ঞতার]] সাথে কোনো চলচ্চিত্র এর চেয়ে দ্রুত কখন [[যুক্ত করা|যুক্ত হয়েছে]], তা আমি [[জানা|জানি না]]। অদ্ভুত উপায়ে ''[[দ্য ট্রি অব লাইফ (চলচ্চিত্র)|দ্য ট্রি অব লাইফ]]ের'' কেন্দ্রীয় ঘটনাগুলো আমার [[জীবনযাপন করা|বেঁচে থাকার]] একটি [[সময়]] এবং [[স্থান|স্থানকে]] প্রতিফলিত করে এবং এর ছেলেরাই হলাম আমি। আমি যদি একটি আত্মজৈবনিক চলচ্চিত্র তৈরি করতে বের হতাম এবং আমার যদি ম্যালিকের [[উপহার|উপহারটি]] থাকত, তবে এটি দেখতে অনেকটাই এমন হতো।]] * '''তাঁরা কেন কিশোর-কিশোরীদের জন্য [[নিখুঁত]] একটি চলচ্চিত্রকে আর রেটিং দিয়েছিলেন?''' ** ''[[অলমোস্ট ফেমাস]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/almost-famous-2000 পর্যালোচনা] (১৫ সেপ্টেম্বর ২০০০) * '''বার্ধক্য দুর্বলদের জন্য নয়, আর এই চলচ্চিত্রটিও নয়।''' … এটি হলো [[বর্তমান|এখনকার]] সময়। আমরা [[আশাবাদ]] এবং [[প্রত্যাশা|প্রত্যাশায়]] পূর্ণ। চলচ্চিত্রটি যত চমৎকারভাবেই তৈরি করা হোক না কেন, আমরা কেন এমন একটি চলচ্চিত্র দেখতে চাইব? আমি মনে করি এর কারণ হলো ''আমোরের'' মতো একটি চলচ্চিত্রের আমাদের জন্য এমন একটি শিক্ষা রয়েছে যা কেবল সিনেমাই শেখাতে পারে। সিনেমা, [[সময়|সময়কে]] অতিক্রম করার এবং [[জীবন|জীবনকে]] ছাড়িয়ে যাওয়ার অসতর্ক [[সক্ষমতা|সক্ষমতাসহ]] এটি মানবজাতির শাশ্বত দর্শকদের একজন সদস্য হওয়ার অর্থকে নাটকীয় করে তোলে। ** ''[[w:আমোর (২০১২-এর চলচ্চিত্র)|আমোর]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/amour-2013 পর্যালোচনা] (৯ জানুয়ারি ২০১৩) * '''১৯৭৭ সালে ''[[স্টার ওয়ার্স এপিসোড ৪: আ নিউ হোপ|স্টার ওয়ার্স]]'' দেখার সময় যেমনটা লেগেছিল, ''[[অ্যাভাটার (২০০৯-এর চলচ্চিত্র)|অ্যাভাটার]]'' দেখার সময় আমার ঠিক তেমনই লেগেছিল।''' এটি আরেকটি চলচ্চিত্র ছিল, যা আমি অনিশ্চিত প্রত্যাশা নিয়ে দেখতে গিয়েছিলাম। তাঁর ''[[টাইটানিক (১৯৯৭-এর চলচ্চিত্র)|টাইটানিকের]]'' মতো [[জেমস ক্যামেরন|জেমস ক্যামেরনের]] চলচ্চিত্র নিয়েও নিরলসভাবে সন্দেহজনক অগ্রিম গুঞ্জন শোনা গিয়েছিল। '''তিনি কেবল একটি অসাধারণ চলচ্চিত্র নির্মাণের মাধ্যমে আরও একবার সন্দেহবাদীদের চুপ করিয়ে দিয়েছেন।''' হলিউডে এখনও অন্তত একজন মানুষ আছেন যিনি জানেন কীভাবে ২৫ কোটি বা ৩০ কোটি ডলার বিজ্ঞতার সাথে খরচ করতে হয়। ** ''[[অ্যাভাটার (২০০৯-এর চলচ্চিত্র)|অ্যাভাটার]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/avatar-2009 পর্যালোচনা] (১১ ডিসেম্বর ২০০৯) * বিশেষ করে এর শুরুর দৃশ্যগুলোতে ''[[w:ব্যালাস্ট (চলচ্চিত্র)|ব্যালাস্ট]]'' আমাদের সাধারণ প্রত্যাশার চেয়ে "ধীর" এবং "শান্ত"। আপনি কি জানেন? বেশিরভাগ সময় জীবনও এমন। আমরা ঘুম থেকে উঠে সাথে সাথেই প্লট পয়েন্টগুলোর সাথে যুক্ত হতে শুরু করি না। কিন্তু ''[[w:ব্যালাস্ট (চলচ্চিত্র)|ব্যালাস্ট]]'' অনিবার্যভাবে বৃদ্ধি পায় এবং গভীর হয় এবং শক্তি সঞ্চয় করে আমাদের শুষে নেয়। আমি সবসময় বলি যে আমি দুঃখের চলচ্চিত্রে খুব কমই কাঁদি, তবে আমি মাঝে মাঝে ভালো মানুষদের নিয়ে তৈরি চলচ্চিত্রে কিছুটা কাঁদি। ** ''[[w:ব্যালাস্ট (চলচ্চিত্র)|ব্যালাস্ট]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/ballast-2008 পর্যালোচনা] (২৯ অক্টোবর ২০০৮) * '''আমি বলেছিলাম যে এটি সেই ব্যাটম্যান চলচ্চিত্র যার জন্য আমি অপেক্ষা করছিলাম। আরও সঠিকভাবে বললে, এটি সেই চলচ্চিত্র যার জন্য আমি অপেক্ষা করছিলাম বলে বুঝতে পারিনি, কারণ আমি বুঝতে পারিনি যে [[গল্প]] এবং চরিত্রের ওপর বেশি জোর দেওয়া এবং হাই-টেক অ্যাকশনের ওপর কম জোর দেওয়াই প্রয়োজন ছিল।''' চলচ্চিত্রটি বিনোদনমূলক হওয়ার পাশাপাশি নাটকীয়ভাবেও কাজ করে। এর মধ্যে কিছু একটা আছে। ** ''[[ব্যাটম্যান বিগিন্স]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/batman-begins-2005 পর্যালোচনা] (১৩ জুন ২০০৫) * '''''[[w:ড্যান্সেস উইথ উলভস|ড্যান্সেস উইথ উলভস]]ের'' এমন দৃষ্টিভঙ্গি এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষা রয়েছে যা আজকের চলচ্চিত্রে বিরল।''' এটি কোনো সূত্রের চলচ্চিত্র নয়, বরং একটি চিন্তাশীল এবং সাবধানে পর্যবেক্ষণ করা গল্প। পশ্চিমা চলচ্চিত্র মৃত বলে বিবেচিত হওয়ার সময়ে এটি একটি পশ্চিমা চলচ্চিত্র। এটি আমাদের কল্পনা এবং সহানুভূতি চায়। এটি উন্মোচিত হতে তিন ঘণ্টা সময় নেয়। এটি ''ফিল্ড অব ড্রিমসের'' বুদ্ধিমান অভিনেতা [[w:কেভিন কসনার|কেভিন কসনারের]] জন্য একটি ব্যক্তিগত বিজয়, যিনি চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন এবং গল্প ও চাক্ষুষ কাঠামোর ওপর এমন একটি নিয়ন্ত্রণ দেখিয়েছেন যা চমকে দেওয়ার মতো। এই চলচ্চিত্রটি এত আত্মবিশ্বাসের সাথে এগোয় এবং এত ভালো দেখায় যে এটি বিশ্বাস করা কঠিন যে এটি একটি পরিচালনার আত্মপ্রকাশ। ** ''[[ড্যান্সেস উইথ উলভস]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/dances-with-wolves-1990 পর্যালোচনা] (৯ নভেম্বর ১৯৯০) * আমি প্রশংসা অনুভব করিনি। আমি এমন অর্থে সহানুভূতি অনুভব করেছি যে আমি একটি পাগল কুকুরের জন্য এটি অনুভব করব, যখন আমি স্বীকার করব যে এটি অবশ্যই ধ্বংস করতে হবে। আমার মনে হয় না চলচ্চিত্রটি "[[অ্যাডলফ হিটলার|হিটলার]] আসলে কী করেছিলেন, তার একটি পর্যাপ্ত প্রতিক্রিয়া" প্রদান করে, কারণ আমার মনে হয় কোনো চলচ্চিত্রই তা পারে না এবং কোনো প্রতিক্রিয়াই পর্যাপ্ত হবে ঘন। '''আমরা এই ধরনের একটি চলচ্চিত্র থেকে কেবল এটাই শিখতে পারি যে লক্ষ লক্ষ মানুষকে বর্ণবাদ এবং উপজাতীয়তার বর্বর প্রবৃত্তির সাথে যুক্ত উন্মাদনার দ্বারা পরিচালিত করা যেতে পারে এবং আরও লক্ষ লক্ষ মানুষকে হত্যা করা যেতে পারে।''' ** ''[[w:ডাউনফল (২০০৪-এর চলচ্চিত্র)|ডাউনফল]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/downfall-2005 পর্যালোচনা] (১১ মার্চ ২০০৫) * আপনাদের একটি গল্প বলি। কলাম্বাইনের পরের দিন টম ব্রোকাও সংবাদ অনুষ্ঠানের জন্য আমার সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছিল। প্রতিবেদককে একটি তত্ত্ব দেওয়া হয়েছিল এবং তিনি এটি সমর্থন করার জন্য সাউন্ড বাইট খুঁজছিলেন। তিনি জিজ্ঞাসা করেছিলেন, "আপনি কি বলবেন না যে এই ধরনের হত্যাকাণ্ডগুলো সহিংস চলচ্চিত্র দ্বারা প্রভাবিত হয়?" আমি বলেছিলাম, না, আমি তা বলব না। তিনি জিজ্ঞাসা করেছিলেন, "কিন্তু ''বাস্কেটবল ডায়েরিজ'' সম্পর্কে কী বলবেন? সেখানে কি এমন কোনো দৃশ্য নেই যেখানে একটি ছেলে মেশিনগান নিয়ে স্কুলে ঢুকছে?" আমি বলেছিলাম, ১৯৯৫ সালের অখ্যাত লিওনার্দো ডি ক্যাপ্রিওর চলচ্চিত্রে সেই প্রকৃতির একটি সংক্ষিপ্ত ফ্যান্টাসি দৃশ্য ছিল। কিন্তু চলচ্চিত্রটি বক্স অফিসে ব্যর্থ হয়েছিল (এটি কেবল ২৫ লাখ ডলার আয় করেছিল) এবং কলাম্বাইনের খুনিরা এটি দেখেছে এমন সম্ভাবনা কম। প্রতিবেদককে হতাশ লাগছিল। তাই আমি তাঁকে আমার তত্ত্বটি দিয়েছিলাম। '''আমি বলেছিলাম, "এই ধরনের ঘটনাগুলো যদি কোনো কিছুর দ্বারা প্রভাবিত হয়, তবে তা আপনাদের মতো সংবাদ অনুষ্ঠান দ্বারা প্রভাবিত হয়।"''' যখন কোনো ভারসাম্যহীন শিশু স্কুলে ঢুকে গুলি চালাতে শুরু করে, তখন এটি একটি বড় গণমাধ্যমের ঘটনা হয়ে ওঠে। কেবল সংবাদ সাধারণ অনুষ্ঠান বাতিল করে এবং দিনরাত এটি প্রচার করে। গল্পটিতে একটি লোগো এবং একটি থিম গান দেওয়া হয়; এই দুই শিশুকে ট্রেঞ্চ কোট মাফিয়া হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছিল। '''দেশের চারপাশের অন্যান্য বিরক্ত শিশুদের কাছে বার্তাটি স্পষ্ট: আমি যদি আমার স্কুলে গুলি চালাই, তবে আমি বিখ্যাত হতে পারি।''' টিভি আমাকে ছাড়া আর কিছুই নিয়ে কথা বলবে না। বিশেষজ্ঞরা আমি কী ভাবছিলাম তা বোঝার চেষ্টা করবেন। স্কুলের শিশু এবং শিক্ষকেরা দেখবেন যে তাদের আমার সাথে ঝামেলা করা উচিত হয়নি। আমি গৌরবের আভায় বাইরে যাব।" <br /> সংক্ষেপে আমি বলেছিলাম, '''কলাম্বাইনের মতো ঘটনাগুলো সহিংস চলচ্চিত্রের চেয়ে সিএনএন, এনবিসি নাইটলি নিউজ এবং অন্যান্য সমস্ত সংবাদ মাধ্যম দ্বারা বেশি প্রভাবিত হয়, যারা খুনিদের "ব্যাখ্যা" করার ছদ্মবেশে তাদের মহিমান্বিত করে।''' আমি ''সান-টাইমসের'' নীতির প্রশংসা করেছিলাম, যেখানে আমাদের সম্পাদক বলেছিলেন যে পত্রিকাটি আর প্রথম পাতায় স্কুলে হত্যার ঘটনা প্রকাশ করবে না। প্রতিবেদক আমাকে ধন্যবাদ জানিয়ে ক্যামেরা বন্ধ করে দিয়েছিলেন। '''অবশ্যই সাক্ষাৎকারটি কখনো ব্যবহার করা হয়নি।''' তাঁরা সহিংস চলচ্চিত্রের নিন্দা করার জন্য প্রচুর কথা বলার মানুষ খুঁজে পেয়েছিলেন এবং সবাই খুশি ছিলেন। ** ''[[w:এলিফ্যান্ট (২০০৩-এর চলচ্চিত্র)|এলিফ্যান্ট]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/elephant-2003 পর্যালোচনা] (৭ নভেম্বর ২০০৩) * '''আমি চলচ্চিত্র ভালোবাসি বলে ''[[w:ফার্গো (চলচ্চিত্র)|ফার্গো]]ের'' মতো চলচ্চিত্রগুলো দেখি।''' ** ''[[w:ফার্গো (চলচ্চিত্র)|ফার্গো]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/fargo-1996 পর্যালোচনা] (৮ মার্চ ১৯৯৬) *''' ''গ্রাউন্ডহগ ডে'' হলো এমন একটি চলচ্চিত্র যা তার সুর এবং উদ্দেশ্য এত নিখুঁতভাবে খুঁজে পায় যে এর [[প্রতিভা]] তাৎক্ষণিকভাবে নজরে নাও আসতে পারে। এটি এত অনিবার্যভাবে উন্মোচিত হয়, এত বিনোদনমূলক এবং এত স্পষ্টতই অনায়াস যে এটি আসলে কতটা ভালো তা দেখার আগে আপনাকে পিছিয়ে দাঁড়াতে হবে এবং নিজেকে চড় মারতে হবে।''' <br> নিশ্চিতভাবেই আমি [https://web.archive.org/web/20070930041716/http://rogerebert.suntimes.com/apps/pbcs.dll/article?AID=/19930212/REVIEWS/302120302/1023 আমার মূল পর্যালোচনায়] এটিকে অবমূল্যায়ন করেছি। আমি এটিকে এত সহজেই উপভোগ করেছি যে আমি প্রফুল্ল পরিমিতির দ্বারা প্রলুব্ধ হয়েছিলাম। তবে এমন কয়েকটি চলচ্চিত্র রয়েছে যা আমাদের স্মৃতিতে প্রবেশ করে এবং রেফারেন্স পয়েন্ট হয়ে ওঠে। এটি সেগুলোর মধ্যে একটি। যখন আপনার কেমন লাগছে তা বোঝানোর জন্য আপনার এই কথাটির প্রয়োজন হয় যে ''এটি "গ্রাউন্ডহগ ডে"র মতো'', তখন বুঝতে হবে একটি চলচ্চিত্র দারুণ কিছু অর্জন করেছে। ** ''শিকাগো সান-টাইমসে'' (৩০ জানুয়ারি ২০০৫) ''[[w:গ্রাউন্ডহগ ডে (চলচ্চিত্র)|গ্রাউন্ডহগ ডে]]ের'' [https://web.archive.org/web/20050615085737/http://rogerebert.suntimes.com/apps/pbcs.dll/article?AID=/20050130/REVIEWS08/501300301/1023 পর্যালোচনা], [https://www.rogerebert.com/reviews/great-movie-groundhog-day-1993 rogerebert.com]-এও উপলব্ধ * চলচ্চিত্রটি সম্পর্কে সবাই জানে যে এটি এমন এক ব্যক্তিকে নিয়ে, যে নিজেকে বারবার একই দিনে বেঁচে থাকতে দেখে। সে তার বিশ্বের একমাত্র ব্যক্তি যে জানে যে এমনটা ঘটছে। হতাশা এবং তিক্ততা, বিদ্রোহ এবং নিরাশা, আত্মঘাতী আত্মবিধ্বংস এবং নিষ্ঠুর বেপরোয়া সময়ের মধ্য দিয়ে যাওয়ার পর, সে এমন কিছু করতে শুরু করে যা তার স্বভাবের বাইরের। সে শিখতে শুরু করে। ** ''শিকাগো সান-টাইমসে'' (৩০ জানুয়ারি ২০০৫) ''গ্রাউন্ডহগ ডে'' (১৯৯৩)-এর পর্যালোচনা * '''ব্রিটিশ সংবাদপত্র ইন্ডিপেন্ডেন্টের একটি দীর্ঘ নিবন্ধে বলা হয়েছে যে ধর্মীয় নেতারা "গ্রাউন্ডহগ ডে" চলচ্চিত্রটিকে "সর্বকালের সবচেয়ে আধ্যাত্মিক চলচ্চিত্র হিসেবে প্রশংসা করেছেন।"''' সম্ভবত সমস্ত ধর্মীয় নেতা বার্গম্যান, ব্রেসন, ওজু এবং ড্রেয়ারের কোনো কিছু দেখেননি। কিন্তু কিছু মনে করবেন না: তাঁদের একটি কথা যুক্তিসঙ্গত, এমনকি এমন একটি চলচ্চিত্র সম্পর্কেও যেখানে সবচেয়ে গভীর ধর্মতাত্ত্বিক পর্যবেক্ষণ হলো, "'''সম্ভবত ঈশ্বর দীর্ঘকাল ধরে আছেন এবং সবকিছু জানেন।'''" <br> চলচ্চিত্রটির যে বিষয়টি আমাকে অবাক করে তা হলো, মারে এবং রামিস এটি করে পার পেয়ে যান। তাঁরা কখনো তাঁদের স্নায়ু হারান না। '''ফিলের পরিবর্তন হয় কিন্তু সে কখনো তার প্রান্ত হারায় না। সে আরও ভালো ফিলে পরিণত হয়, কিন্তু ভিন্ন ফিলে নয়।''' মুভিটি শেষে খুব বেশি আবেগময় হয় না। একটি অন্ধকার সময় থাকে যখন সে নিজেকে মেরে ফেলার চেষ্টা করে। একটি বেপরোয়া সময় থাকে যখন সে তার গাড়ি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে কারণ সে জানে এতে কিছু আসে যায় না। হতাশার সময়গুলোও থাকে। <br> আমরা দেখি যে জীবন এমনই। '''আগামীকাল আসবে এবং সর্বদা ২ ফেব্রুয়ারি থাকুক বা না থাকুক, আমরা কেবল এটি সম্পর্কে যেটা করতে পারি তা হলো আমরা যতটা ভালো মানুষ হতে জানি ততটা ভালো হওয়া। সুখবর হলো যে আমরা আরও ভালো মানুষ হতে শিখতে পারি।''' এমন একটি মুহূর্ত আছে যখন ফিল রিতাকে বলে, "তুমি যখন তুষারে দাঁড়াও, তোমাকে দেখতে একটি দেবদূতের মতো লাগে।" '''আসল কথা এটি নয় যে সে রিতাকে ভালোবাসতে শুরু করেছে। আসল কথা হলো সে [[দেবদূত|দেবদূতকে]] দেখতে শিখেছে।''' ** ''শিকাগো সান-টাইমসে'' (৩০ জানুয়ারি ২০০৫) ''গ্রাউন্ডহগ ডে'' (১৯৯৩)-এর পর্যালোচনা * এটি কেবল রেকর্ড স্টোরের অবসাদগ্রস্ত কেরানিদের নিয়ে এবং তাঁদের জন্য তৈরি একটি চলচ্চিত্র নয়, বরং ভিডিও স্টোরের কেরানি, যাঁরা সমস্ত সিনেমা দেখেছেন এবং বইয়ের দোকানের কর্মচারী, যাঁরা সমস্ত বই পড়েছেন, তাঁদের নিয়ে তৈরি। সেইসাথে বারটেন্ডার, পরিচারিকা, স্বাস্থ্যকর খাবারের দোকানে সবজি বিক্রেতা, নিরামিষ রেস্তোরাঁগুলোতে রান্নাঘরের দাস, জিএনসিতে থাকা মানুষ যাঁরা সমস্ত ভেষজ চেনেন, বিকল্প সাপ্তাহিক পত্রিকাগুলোর জন্য লেখক, কলেজের স্টেশনগুলোতে ডিস্ক জকি, রেট্রো পোশাকের দোকানে বিক্রয়কর্মী, ট্যাটু শিল্পী এবং যাঁরা ট্যাটু আঁকান তাঁদের জন্য, কবি, শিল্পী, সুরকার, ঔপন্যাসিক এবং হিপ, ছিদ্রযুক্ত এবং একাকীদের নিয়ে তৈরি। তাঁরা হয়তো নিজেদের দেখতে পাবেন না, কিন্তু তাঁরা তাঁদের চেনা মানুষদের চিনতে পারবেন। ** ''[[হাই ফিডেলিটি]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/high-fidelity-2000 পর্যালোচনা] (৩১ মার্চ ২০০০) * '''এমন একটি চলচ্চিত্র পাওয়া খুব বিরল, যা পক্ষ নেয় না।''' দ্বন্দ্বকে জনপ্রিয় কল্পকাহিনির ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবুও এটি এমন একটি চলচ্চিত্র যা প্রথম দৃশ্য থেকেই আমাদের আটকে রাখে এবং কখনো ছেড়ে দেয় না এবং আমরা এর ভেতরের সবার জন্য পুরোটা সময় ধরে সহানুভূতি অনুভব করি। '''নিশ্চিতভাবেই তাঁরা মাঝে মাঝে খারাপ কাজ করেন। কিন্তু চলচ্চিত্রটি তাঁদের এবং তাঁদের ত্রুটিগুলো ''বোঝে''। দারুণ কল্পকাহিনির মতো ''[[হাউস অব স্যান্ড অ্যান্ড ফগ (চলচ্চিত্র)|হাউস অব স্যান্ড অ্যান্ড ফগ]]'' এর চরিত্রগুলোর হৃদয়ে দেখতে পায় এবং তাঁদের ভালোবাসে ও করুণা করে।''' … "হাউস অব স্যান্ড অ্যান্ড ফগ" কোনো বানানো উত্থান-পতনযুক্ত প্লট নয়, বরং এটি একটি গল্প তুলে ধরে। প্লট হলো সেসব বিষয় যা ঘটে। গল্প হলো সেসব মানুষ যারা আচরণ করে। <br /> একটি গল্পের প্রশংসা করার জন্য আপনাকে অবশ্যই মানুষদের কথা শুনতে এবং তাঁদের পর্যবেক্ষণ করতে ইচ্ছুক হতে হবে। ''হাউস অব স্যান্ড অ্যান্ড ফগের'' শেষে আমরা ভালো উদ্দেশ্যধারী ভালো মানুষদের দেখেছি, যাঁদের জীবন ধ্বংস হয়ে যায়, কারণ একটি দুর্বল, জঘন্য আকাঙ্ক্ষাধারী মানুষের সাথে তাঁদের দেখা হওয়ার দুর্ভাগ্য হয়েছিল। ** ''[[w:হাউস অব স্যান্ড অ্যান্ড ফগ|হাউস অব স্যান্ড অ্যান্ড ফগ]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/house-of-sand-and-fog-2003 পর্যালোচনা] (২৬ ডিসেম্বর ২০০৩) * একটি অন্ধকার প্রেক্ষাগৃহে বসে আমি আমার স্ত্রীর হাত ধরার জন্য নিজের হাত বাড়িয়ে দিলাম। তিনি এবং আমি একই সমুদ্রসৈকতে গিয়েছিলাম এবং আমাদের সন্তান ও নাতি-নাতনিদের সাথে সেখানে যাওয়ার বিষয়ে আলোচনা করেছিলাম। একটি বরফশীতল আঙুল ধীরে ধীরে আমাদের মেরুদণ্ড বেয়ে নেমে গেল। '''এমন একটি সংযোগ ভয়ঙ্কর হতে পারে।''' এর অর্থ কী? আমরা দেবতাদের হাতের খেলনা। ** ''[[দ্য ইম্পসিবল (২০১২-এর চলচ্চিত্র)|দ্য ইম্পসিবল]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/the-impossible-2012 পর্যালোচনা] (১৯ ডিসেম্বর ২০১২) * আর রেটিংটি লগের অশ্লীল শব্দ ব্যবহারকে বোঝায়। এটি সম্পূর্ণরূপে অবর্ণনীয়। এটি কিশোর-কিশোরীদের জন্য একটি চমৎকার চলচ্চিত্র। ** ''[[দ্য কিংস স্পিচ]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/the-kings-speech-2010 পর্যালোচনা] (১৫ ডিসেম্বর ২০১০) * '''''[[ম্যাগনোলিয়া (চলচ্চিত্র)|ম্যাগনোলিয়া]]'' তার [[উচ্চাকাঙ্ক্ষা|উচ্চাকাঙ্ক্ষায়]] [[নাটকীয়|নাটকীয়তা]] দেখিয়েছে। এটি মেলোড্রামা এবং [[কাকতালীয় ঘটনা|কাকতালীয় ঘটনায়]] একটি [[দারুণ]], [[আনন্দ|আনন্দময়]] লাফ, যেখানে রয়েছে রুক্ষ [[আবেগ]], [[অপরাধ]] এবং [[শাস্তি]], মৃত্যুশয্যার দৃশ্য, [[রোম্যান্স|রোমান্টিক]] [[স্বপ্ন]], প্রজন্মের কোলাহল এবং স্বর্গীয় হস্তক্ষেপ। এর সবগুলোতে ধারাবাহিক সংগীত যুক্ত। এটি কোনো ভীতু চলচ্চিত্র নয়।''' … চলচ্চিত্রটি একটার পর একটা পর্বের একটি শৃঙ্খল যা লস অ্যাঞ্জেলেসে একদিনের মধ্যে ঘটে। মাঝে মাঝে একই মুহূর্তেও ঘটে। এর চরিত্রগুলো রক্ত, কাকতালীয় ঘটনা এবং তাদের জীবনের সমান্তরাল মনে হওয়ার উপায়ের মাধ্যমে যুক্ত। বিষয়বস্তুগুলো ধীরে ধীরে ফুটে ওঠে: বাবাদের মৃত্যু, শিশুদের ক্ষোভ, প্রাথমিক প্রতিশ্রুতির ব্যর্থতা, হঠাৎ এবং আশ্চর্যজনক ঘটনাগুলো দ্বারা সমস্ত পরিকল্পনা এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে দুর্বল করার উপায়। … '''এই সমস্ত সুতোগুলো কোনো না কোনোভাবে একটি ঘটনার দিকে একত্রিত হয়। দর্শকদের এটি আগে থেকে ধারণা করার কোনো উপায় নেই।''' এই ঘটনাটি "প্রতারণা" নয়, যেমনটা কিছু সমালোচক যুক্তি দিয়েছেন, কারণ উপস্থাপনা অংশটি পুরোপুরি এর জন্য পথ তৈরি করে দেয়। ''যাত্রাপুস্তকের'' কিছু সূক্ষ্ম উল্লেখও এর জন্য দায়ী। এটি [[ঈশ্বর|ঈশ্বরের]] [[হাত|হাতের]] মতো কাজ করে, যা আমাদের পরিকল্পনা করার দুঃসাহসের [[অযৌক্তিকতা|অযৌক্তিকতা]] মনে করিয়ে দেয়। তবুও আমাদের পরিকল্পনা করতে হয়, কারণ আমরা মানুষ এবং কারণ মাঝে মাঝে আমাদের পরিকল্পনাগুলো সফল হয়। <br /> '''''ম্যাগনোলিয়া'' হলো এমন একটি চলচ্চিত্র যাতে আমি সহজাতভাবে সাড়া দিই। [[যুক্তি|যুক্তিকে]] [[দরজা|দরজায়]] রেখে আসুন। দমিত [[রুচি]] এবং সংযম আশা করবেন না, বরং এক ধরনের নাটকীয় [[পরমানন্দ|পরমানন্দের]] প্রত্যাশা করুন।''' তিন ঘণ্টার দৈর্ঘ্যেও এটি নাটকীয়। এর বিষয়বস্তুগুলো উন্মোচিত হয়, এর চরিত্রগুলো [[আলো|আলোর]] মৃত্যু ঠেকাতে সংগ্রাম করে এবং ভাগ্যের বিশাল চাকা তাদের দিকে গড়িয়ে আসে। ** [''শিকাগো সান-টাইমসে'' ''ম্যাগনোলিয়াের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/magnolia-2000 পর্যালোচনা] (৭ জানুয়ারি ২০০০)] * সম্প্রতি আমাদের দেশে সহানুভূতির অভাব দেখা দিয়েছে। আমাদের নেতারা দ্রুত নিজেদের অনুভূতি নিয়ে আমাদের অভিনন্দন জানান, অন্যদের কেমন লাগছে তা জিজ্ঞাসা করতে সময় নেন। কিন্তু হয়তো সময় পাল্টাচ্ছে। প্রতিটি [[w:স্পাইক লি|লি]] চলচ্চিত্র সহানুভূতির একটি অনুশীলন। তিনি তাঁর দর্শকদের মধ্যে থাকা কৃষ্ণাঙ্গদের অভিনন্দন জানাতে বা শ্বেতাঙ্গদের নিন্দা করতে আগ্রহী নন। তিনি পর্দায় মানুষদের তুলে ধরেন এবং তাঁর দর্শকদের কিছুক্ষণ তাদের জুতো পরে হাঁটার অনুরোধ করেন। ** ''[[ম্যালকম এক্স (চলচ্চিত্র)|ম্যালকম এক্স]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/malcolm-x-1992 পর্যালোচনা] (১৮ নভেম্বর ১৯৯২) * ''[[দ্য ম্যান ইন দ্য মুন]]'' একটি চমৎকার ছোটগল্পের মতো, ভাষা এবং মেজাজের সেইসব মাস্টারপিসগুলোর মধ্যে একটি যেখানে কোনো একটি শব্দও ভুল বা অপ্রয়োজনীয় নয়। এটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এত মসৃণভাবে প্রবাহিত হয় যে এটিকে খুব একটা সাধারণ চলচ্চিত্র বলে মনে হয় না। সাধারণত আমি চিত্রনাট্যকারের বাধ্যতামূলক দৃশ্যগুলো যুক্ত করা সম্পর্কে সচেতন থাকি। আমি কলকবজা ঘোরানোর শব্দ শুনতে পারি। তবে এবার নয়। যদিও, পেছনের দিকে ফিরে তাকালে, আমি দেখতে পাই কীভাবে যত্ন সহকারে প্লটটি একত্রিত করা হয়েছিল, কীভাবে সতর্কতার সাথে প্রতিটি ঘটনার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল, চলচ্চিত্রটি দেখার সময় আমি কেবল জীবনের পার হয়ে যাওয়া সম্পর্কে সচেতন ছিলাম। ** ''[[দ্য ম্যান ইন দ্য মুন]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/the-man-in-the-moon-1991 পর্যালোচনা] (৪ অক্টোবর ১৯৯১) * [[শন পেন]] কখনো [[হার্ভে মিল্ক|হার্ভে মিল্ককে]] বীর হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করেন না এবং তার প্রয়োজনও নেই। তিনি তাঁকে একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে দেখান, যিনি দয়ালু, মজার, ত্রুটিযুক্ত, চতুর, আদর্শবাদী, যিনি একটি ভালো পৃথিবীর আকাঙ্ক্ষা করেন। তিনি দেখান যে এমন একজন সাধারণ মানুষ কী অর্জন করতে পারে। '''মিল্ক সঠিক সময়ে সঠিক জায়গায় সঠিক মানুষ ছিলেন এবং তিনি পরিস্থিতি অনুযায়ী উঠে দাঁড়িয়েছিলেন।''' [[রোজা পার্কস|রোজা পার্কসও]] তাই ছিলেন। মাঝে মাঝে ইতিহাসের একটি সুনির্দিষ্ট মুহূর্তে কেবল একজন মানুষকে উঠে দাঁড়াতে হয়। অথবা বসতে হয়। ** ''[[মিল্ক (চলচ্চিত্র)|মিল্ক]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/milk-2008 পর্যালোচনা] (২৪ নভেম্বর ২০০৮) * মার্কিন চলচ্চিত্রগুলো একটি পরিবর্তনকালীন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। কিছু পরিচালক প্রযুক্তির ওপর তাঁদের আস্থা রাখেন। প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষ [[w:স্টিভেন স্পিলবার্গ|স্পিলবার্গ]] কেবল গল্প এবং চরিত্রের ওপর আস্থা রাখেন এবং এরপর তিনি বাকি সবকিছু একজন কর্মীর মতো ব্যবহার করেন যিনি তাঁর সরঞ্জামগুলো ব্যবহার করেন। তিনি নতুন প্রযুক্তি দিয়ে ''মাইনরিটি রিপোর্ট'' তৈরি করেন। অন্যান্য পরিচালকেরা মনে হচ্ছে প্রযুক্তি থেকেই তাঁদের চলচ্চিত্রগুলো তৈরি করার চেষ্টা করছেন। এই চলচ্চিত্রটি এমন একটি গুণী এবং উচ্চ পর্যায়ের কাজ, যা অনেক সাহস করে, এত অনুগ্রহ এবং দক্ষতার সাথে এটি অর্জন করে। '''মাইনরিটি রিপোর্ট আমাদের মনে করিয়ে দেয় কেন আমরা প্রথমে চলচ্চিত্র দেখতে যাই।''' ** ''[[w:মাইনরিটি রিপোর্ট (চলচ্চিত্র)|মাইনরিটি রিপোর্ট]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/minority-report-2002 পর্যালোচনা] (২১ জুন ২০০২) * '''প্যাটি জেনকিন্স-এর ''[[w:মনস্টার (চলচ্চিত্র)|মনস্টার]]ে'' [[w:শার্লিজ থেরন|শার্লিজ থেরন]] যা অর্জন করেছেন তা অভিনয় নয়, বরং একটি বাস্তব রূপ।''' সাহস, শিল্প এবং দয়ার সাথে তিনি [[w:এইলিন উরনোস|এইলিন উরনোসের]] প্রতি সহানুভূতি দেখান, যিনি একজন ক্ষতিগ্রস্ত নারী এবং যিনি সাতটি খুন করেছিলেন। তিনি খুনগুলোর সাফাই গান না। তিনি কেবল আমাদের সেই নারীর ভাগ্যের চেয়ে ভালো মানুষ হওয়ার চূড়ান্ত মরিয়া প্রচেষ্টার সাক্ষী হওয়ার অনুরোধ করেন। ** ''[[w:মনস্টার (চলচ্চিত্র)|মনস্টার]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/monster-2003 পর্যালোচনা] (১ জানুয়ারি ২০০৪) * অনেক মানুষের [[মৃত্যুদণ্ড|মৃত্যুদণ্ডের]] ধারণার সাথে আরামদায়কভাবে বেঁচে থাকার ক্ষমতা হয়তো এই বিষয়ের একটি সূত্র যে কীভাবে অনেক ইউরোপীয় [[হলোকাস্ট|হলোকাস্টের]] ধারণার সাথে বেঁচে থাকতে পেরেছিলেন: '''আপনি যদি এই ধারণাটি গ্রহণ করেন যে রাষ্ট্রের কাউকে হত্যা করার অধিকার রয়েছে এবং কোনটি মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধ তা নির্ধারণ করার অধিকার রয়েছে, তবে কি আপনি অর্ধেক পথ অতিক্রম করেননি?''' ** ''[[w:মিস্টার ডেথ: দ্য রাইজ অ্যান্ড ফল অব ফ্রেড এ. লিউচার, জুনিয়র|মিস্টার ডেথ: দ্য রাইজ অ্যান্ড ফল অব ফ্রেড এ. লিউচার, জুনিয়র]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/mr-death-the-rise-and-fall-of-fred-a-leuchter-jr-2000 পর্যালোচনা] (৪ ফেব্রুয়ারি ২০০০) * এই ধরনের শক্তিশালী অভিনয় দেখা রোমাঞ্চকর। এমন এক সময়ে যখন জাঁকজমকপূর্ণ পরিচালকেরা মাথা ঘোরানো সম্পাদনার ছন্দে তাঁদের চলচ্চিত্রগুলোকে টুকরো টুকরো করে কাটেন, তখন এটা মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে চলচ্চিত্রগুলো তাদের চরিত্রগুলোর প্রতি সহানুভূতিশীল হতে পারে, তাকাতে এবং শুনতে পারে। পরিচালকেরা বিয়োগ করার মাধ্যমে মহান হন, যোগ করার মাধ্যমে নয়। [[w:ক্লিন্ট ইস্টউড|ইস্টউড]] দেখানোর জন্য কিছুই করেন না, সবকিছু করেন কেবল প্রভাব ফেলার জন্য। ** ''[[মিস্টিক রিভার (চলচ্চিত্র)|মিস্টিক রিভার]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/mystic-river-2003 পর্যালোচনা] (৮ অক্টোবর ২০০৩) * এই চলচ্চিত্রটি দেখা বেদনাদায়ক। তবে এটি আনন্দদায়কও বটে, যেমনটা সব ভালো চলচ্চিত্রের ক্ষেত্রে হয়। কারণ আমরা পরিচালক এবং অভিনেতাদের দেখতে পাই, যাঁরা একটি আধুনিক চলচ্চিত্র কী নিয়ে হতে পারে, তার যেকোনো প্রচলিত ধারণার বাইরে উদ্যোগ নিচ্ছেন। এখানে কোনো প্লট নেই, চিহ্নিত করার মতো কোনো চরিত্র নেই, কোনো আশা নেই। তবে যত্ন আছে: চলচ্চিত্র নির্মাতারা এই মানুষগুলোর খুব কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করার জন্য যথেষ্ট যত্ন নেন। তাঁরা কীভাবে দেখেন এবং শব্দ করেন এবং তাঁরা কী অনুভব করেন, তা তাঁরা নোট করেন। ** ''[[নেকড (চলচ্চিত্র)|নেকড]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/naked-1994 পর্যালোচনা] (১৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৪) * ''[[w:ওয়ান্স (চলচ্চিত্র)|ওয়ান্স]]'' হলো সেই ধরনের চলচ্চিত্র, যা নিয়ে আমি পর্যালোচনা আবার শুরু করার পর থেকে আমাকে বিরক্ত করা হয়েছে। মানুষ এটিকে পুরোপুরি বর্ণনা করতে পারেনি, কিন্তু তারা বলেছিল আমাকে এটি দেখতে হবে। আমাকে দেখতেই হতো। আমি দেখেছি। তাঁরা ঠিক ছিলেন। ** ''[[w:ওয়ান্স (চলচ্চিত্র)|ওয়ান্স]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/once-2007 পর্যালোচনা] (২৪ ডিসেম্বর ২০০৭) * '''বিংশ শতাব্দীর গোধূলিলগ্নে, আমাদের আশ্বস্ত করার জন্য এখানে একটি [[হাস্যরসাত্মক|কমেডি]] রয়েছে যে [[আশা]] রয়েছে — যে বিশ্বকে আমরা আমাদের চারপাশে দেখি তা [[প্রগতি|প্রগতির]] প্রতিনিধিত্ব করে, ক্ষয়ের নয়।''' বছরের অন্যতম সেরা এবং সবচেয়ে মৌলিক চলচ্চিত্র ''[[প্লিজেন্টভিল]]'' আমাদের চমকে দেয়। এটি "ফাদার নোজ বেস্টের" মতো পুরোনো সাদাকালো সিটকমগুলোকে নিয়ে মজা করার মাধ্যমে শুরু হয়। এরপর এটি নিজেই একটি সিটকম হওয়ার ভান করতে থাকে এবং এটি আশ্চর্যজনক [[শক্তি|ক্ষমতার]] একটি সামাজিক ভাষ্য হিসেবে শেষ হয়। <br /> … <br /> চলচ্চিত্রটি পর্যবেক্ষণ করে যে মাঝে মাঝে আনন্দদায়ক [[মানুষ|মানুষেরা]] আনন্দদায়ক হয় কেবল কারণ তাদের কখনো চ্যালেঞ্জ করা হয়নি। নতুন উপায়গুলো শেখা ভীতিকর এবং বিপজ্জনক। চলচ্চিত্রটি বডি স্ন্যাচারদের পরাজয়ের মতো: রঙিন মানুষেরা প্রাক্তন পড মানুষের মতো, যাঁরা এখন ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাওয়ার জন্য মুক্ত। আমরা পর্যবেক্ষণ করি যে [[স্বাধীনতা|স্বাধীনতার]] হুমকির মতো আর কিছুই [[ফ্যাসিবাদ|ফ্যাসিবাদী]] তৈরি করে না। <br /> ''[[প্লিজেন্টভিল]]'' হলো এক ধরনের দৃষ্টান্তমূলক গল্প যা আমাদের ভালো পুরোনো দিনগুলোর পুনর্মূল্যায়ন করতে এবং ক্ষয়িষ্ণু বলে সহজেই বাতিল করে দেওয়া নতুন বিশ্বের দিকে নতুন করে তাকাতে উৎসাহিত করে। '''হ্যাঁ, আমাদের আরও সমস্যা রয়েছে। কিন্তু আরও সমাধান, আরও সুযোগ এবং আরও স্বাধীনতাও রয়েছে।''' আমি পঞ্চাশের দশকে বড় হয়েছি। এটি আপনি যা কল্পনা করতে পারেন তার চেয়ে অনেক বেশি ''প্লিজেন্টভিলের'' জগতের মতো ছিল। হ্যাঁ, আমার বাড়ির চারপাশে কাঠের বেড়া ছিল এবং পৌনে ছয়টায় রাতের খাবার সবসময় টেবিলে থাকত, কিন্তু এমন অনেক কিছু ভুল ছিল যার জন্য আমি শব্দগুলোও জানতাম না। ** ''[[w:প্লিজেন্টভিল (চলচ্চিত্র)|প্লিজেন্টভিল]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/pleasantville-1998 পর্যালোচনা] (১ অক্টোবর ১৯৯৮) * এভাবেই [জীবন] ঘটে। আমরা যদি ভাগ্যবান হই, তবে আমরা যা করতে চাই তা খুঁজে পাই। অথবা যদি আমরা বেশিরভাগ মানুষের মতো হই, তবে যা করা আমাদের প্রয়োজন তা খুঁজে পাই। আমরা খাবার, আশ্রয়, পোশাক, সঙ্গী, স্বাচ্ছন্দ্য, শেকসপিয়রের একটি প্রথম ফোলিও, মডেল প্লেন, আমেরিকান গার্ল ডল, একমুঠো ভাত, যৌনতা, একাকীত্ব, ভেনিস ভ্রমণ, নাইকি, পানীয় জল, প্লাস্টিক সার্জারি, শিশুদের যত্ন, কুকুর, ওষুধ, শিক্ষা, গাড়ি, আধ্যাত্মিক সান্ত্বনা — আমাদের যা কিছু প্রয়োজন বলে আমরা মনে করি, তা অর্জনের একটি উপায় হিসেবে আমরা এটিকে ব্যবহার করি।<p>এই প্রক্রিয়ায় আমরা আমাদের জীবনে থাকা মানুষগুলোকে ভিন্ন ভিন্ন কক্ষে রাখি এবং আমাদের সুবিধার জন্য তাদের কীভাবে আচরণ করা উচিত তা নির্ধারণ করি। যেহেতু আমরা তাদের আমাদের ইচ্ছা অনুসরণ করতে বাধ্য করতে পারি না, তাই আমরা আমাদের মনে তৈরি হওয়া তাদের অনুমান নিয়ে কাজ করি। কিন্তু তারা বিপরীতমুখী হবে এবং তাদের নিজস্ব ইচ্ছা থাকবে। শেষপর্যন্ত আমাদের নতুন অনুমান তাদের নতুন অনুমানের সাথে কাজ করছে। মাঝে মাঝে আমাদের নিজেদের সংস্করণগুলো দ্বিমত পোষণ করে। আমরা প্রলোভনের কাছে আত্মসমর্পণ করি — কিন্তু ওহ বাবা, আমি আর কী করতে পারতাম? আমার নরকের মতো লাগছে। আমি অনুতপ্ত। আমি আবার এটি করব... এটি একটি গতানুগতিক পর্যালোচনা ছিল না। চরিত্রগুলোর নাম, অভিনেতাদের নাম, তাদের অভিনয়ের বিশেষণ নির্ধারণ করার কোনো প্রয়োজন নেই। এই অভিনয়ে কারা আছেন তা দেখুন। আপনি জানেন আমি তাঁদের নিয়ে কী ভাবি। এই চলচ্চিত্রটি তাঁদের কাছে অদ্ভুত লাগার কথা নয়। তাঁরা সারাদিন এটাই করেন, বিশেষ করে পরিচালকের সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য অপেক্ষা করেন। ** ''[[w:সায়নেকডোকি, নিউ ইয়র্ক|সায়নেকডোকি, নিউ ইয়র্ক]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/synecdoche-new-york-2008 পর্যালোচনা] (৫ নভেম্বর ২০০৮) * মাঝে মাঝে উপন্যাস পড়ার পর পর্দায় ভেসে ওঠা ছবিগুলো বাধা হয়ে দাঁড়ায়। আপনি কীভাবে কল্পনা করেছিলেন তা আপনার বারবার মনে পড়ে। ''[[সোফিস চয়েস (চলচ্চিত্র)|সোফিস চয়েস]]ের'' সময় আমার সাথে এমনটা হয়নি। কারণ চলচ্চিত্রটি এত নিখুঁতভাবে কাস্ট করা হয়েছে এবং কল্পনা করা হয়েছে যে এটি কেবল নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় এবং আপনার সাথে ঘটে। এটি বেশ দারুণ একটি অভিজ্ঞতা। … চলচ্চিত্রটি আবিষ্কারের একটি কাজ হয়ে ওঠে। কারণ মার্কিন সরল যুবক, ভালোবাসা, মৃত্যু এবং সম্মানের ধারণায় ভরা মন নিয়ে এমন এক নারীর বন্ধু হয়ে ওঠে, যিনি এত ঘৃণা, মৃত্যু এবং অসম্মান দেখেছেন যে তিনি কেবল অতীতকে মুছে ফেলার মাধ্যমে এবং সাময়িক বিস্মৃতির দিকে পান করে এবং ভালোবেসে এগিয়ে যেতে পারেন। …''' ''সোফিস চয়েস'' একটি চমৎকার, আকর্ষণীয়, দারুণ অভিনীত এবং হৃদয়বিদারক চলচ্চিত্র। এটি এমন তিনজন মানুষকে নিয়ে, যাঁরা ধারাবাহিক পছন্দের মুখোমুখি হন, যার কয়েকটি তুচ্ছ এবং কয়েকটি মর্মান্তিক। উন্মাদের যুগে মানুষ হওয়ার বিভ্রান্তিতে তাঁরা যখন হাবুডুবু খান, তখন তাঁরা আমাদের বন্ধু হয়ে ওঠেন এবং আমরা তাঁদের ভালোবাসি।''' ** ''[[সোফিস চয়েস (চলচ্চিত্র)|সোফিস চয়েস]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/sophies-choice-1982 পর্যালোচনা] (১ জানুয়ারি ১৯৮২) * এটি উচ্চ বিদ্যালয়ের শেষ বর্ষের দুজন শিক্ষার্থীকে নিয়ে তৈরি একটি সুন্দর চলচ্চিত্র, যাঁদের দেখতে, কথা বলতে এবং বাস্তব ১৮ বছর বয়সী মধ্য-মার্কিন মানুষের মতো মনে হয়। আপনার কি ধারণা আছে এটি কতটা বিরল? তাঁরা বিদ্রূপের দ্বারা পঙ্গু হন না। তাঁদের কার্টুন হিসেবেও গতি বাড়ানো হয়নি। তাঁদের যৌনজীবন এমন দৃশ্য দ্বারা অপমানিত হয়নি যা তাঁদের সাথে সস্তায় আচরণ করে। গল্পটির জন্য তাঁদের প্রেম করা প্রয়োজন, কিন্তু এটি আমাদের তাঁর স্তন দেখার জন্য জোর দেয় না। ** ''[[দ্য স্পেকটাকুলার নাউ]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/the-spectacular-now-2013 পর্যালোচনা] (২ আগস্ট ২০১৩) * ''স্পিডের'' মতো চলচ্চিত্রগুলো এমন ঘরানার অন্তর্ভুক্ত যাকে আমি ব্রুজড ফোরআর্ম মুভিজ বলি। কারণ আপনি সবসময় আপনার পাশে বসে থাকা ব্যক্তির হাত ধরছেন। ভুলভাবে করা হলে এগুলো পুরোনো ধাওয়া করার ক্লিশেগুলোর ক্লান্তিকর রিপ্লে বলে মনে হয়। ভালোভাবে করা হলে এগুলো মজার হয়। ''স্পিডের'' মতো ভালোভাবে করা হলে এগুলো একধরনের উন্মত্ত উল্লাস তৈরি করে। ** ''[[স্পিড (১৯৯৪-এর চলচ্চিত্র)|স্পিড]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/speed-1994 পর্যালোচনা] (১০ জুন ১৯৯৪) * '''আমরা কিছু মানুষের সাথে যুক্ত হই এবং অন্যদের সাথে কখনো দেখা করি না, কিন্তু সহজেই অন্যরকম কিছু হতে পারত।''' সারাজীবনের দিকে ফিরে তাকালে, আমরা যা ঘটেছিল তা এমনভাবে বর্ণনা করি যেন এর একটি পরিকল্পনা ছিল। জীবন কতটা আকস্মিক এবং এলোমেলো — কোনো একটি ঘটনা ঘটার বিরুদ্ধে সম্ভাবনা কতটা বিশাল — তা পুরোপুরি বুঝতে পারা বিনীত হওয়ার মতো। … '''এটি এমন একটি চলচ্চিত্র যা দেখার সময় আপনাকে তীব্রভাবে জীবন্ত বোধ করায় এবং এরপর আপনাকে আপনার সাথে থাকা ব্যক্তির সাথে গভীরভাবে এবং জরুরিভাবে কথা বলার আগ্রহ নিয়ে রাস্তায় পাঠায়। সে যে-ই হোক না কেন।''' ** ''[[w:থ্রি কালার্স: রেড|থ্রি কালার্স: রেড]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/red-1994 পর্যালোচনা] (২ ডিসেম্বর ১৯৯৪) * '''[[w:টেরেন্স ম্যালিক|টেরেন্স ম্যালিকের]] ''[[দ্য ট্রি অব লাইফ (চলচ্চিত্র)|দ্য ট্রি অব লাইফ]]'' হলো বিশাল [[উচ্চাকাঙ্ক্ষা|উচ্চাকাঙ্ক্ষা]] এবং গভীর [[নম্রতা|নম্রতার]] একটি চলচ্চিত্র। এটি সমস্ত [[অস্তিত্ব|অস্তিত্বকে]] ধারণ করার এবং কয়েকটি অসীম ক্ষুদ্র [[জীবন|জীবনের]] প্রিজমের মাধ্যমে তা দেখার চেয়ে কম কিছুর চেষ্টা করে না।''' আমি কেবল [[স্ট্যানলি কুবরিক|কুবরিকের]] ''[[২০০১: আ স্পেস অডিসি]]''তে এই [[সাহস|সাহসী]] দৃষ্টিভঙ্গি দেখেছি এবং এতে ম্যালিকের [[মানুষ|মানবিক]] [[অনুভূতি|অনুভূতির]] তীব্র প্রকাশের অভাব ছিল। … '''আমার নিজের [[ব্যক্তিগত]] [[অভিজ্ঞতা|অভিজ্ঞতার]] সাথে কোনো চলচ্চিত্র এর চেয়ে দ্রুত কখন [[যুক্ত করা|যুক্ত হয়েছে]], তা আমি [[জানা|জানি না]]।''' অদ্ভুত উপায়ে ''দ্য ট্রি অব লাইফের'' কেন্দ্রীয় ঘটনাগুলো আমার জীবনযাপন করা একটি [[সময়]] এবং [[স্থান|স্থানকে]] প্রতিফলিত করে এবং এর ছেলেরাই হলাম আমি। আমি যদি একটি আত্মজৈবনিক চলচ্চিত্র তৈরি করতে বের হতাম এবং আমার যদি ম্যালিকের [[উপহার|উপহারটি]] থাকত, তবে এটি দেখতে অনেকটাই এমন হতো। … সেখানে একজন বাবা আছেন যিনি [[শৃঙ্খলা]] বজায় রাখেন এবং একজন মা আছেন যিনি [[ক্ষমা]] প্রকাশ করেন। দীর্ঘ গ্রীষ্মের দিনগুলোর [[খেলা]] এবং অলসতা এবং জিনিসগুলোর [[অর্থ]] সম্পর্কে জরুরি না বলা প্রশ্ন থাকে। … ওয়াকো, টেক্সাস-এ ম্যালিকের নিজের শহরের স্মৃতি দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে চলচ্চিত্রটির দৈনন্দিন জীবনের চিত্রায়ন দুটি বিশালতার দ্বারা আবদ্ধ, একটি স্থান ও সময়ের এবং অন্যটি [[আধ্যাত্মিকতা|আধ্যাত্মিকতার]]। ''দ্য ট্রি অব লাইফে'' [[মহাবিশ্ব|মহাবিশ্বের]] [[জন্ম]] ও সম্প্রসারণ, একটি অণুবীক্ষণিক স্তরে জীবনের উপস্থিতি এবং প্রজাতির [[বিবর্তন|বিবর্তনের]] পরামর্শ দেওয়া বিস্ময়কর দৃশ্য রয়েছে। '''এই প্রক্রিয়াটি [[বর্তমান]] [[মুহূর্ত|মুহূর্তের]] দিকে এবং আমাদের সবার দিকে নিয়ে যায়।''' আমাদের [[মহা বিস্ফোরণ|মহা বিস্ফোরণে]] সৃষ্টি করা হয়েছিল এবং অগণিত মিলিয়ন বছর ধরে অণুগুলো নিজেদেরকে, আপনার এবং আমার মধ্যে তৈরি করেছে। <br /> আর এরপর কী আসে? [[শুরু|শুরুর]] দিকে ফিসফিস করে বলা [[শব্দ|শব্দগুলোতে]] "[[প্রকৃতি]]" এবং "[[অনুগ্রহ]]" শোনা যায়। … '''চলচ্চিত্রটির কোডা একটি পরকালের একটি [[দর্শন|দর্শন]] প্রদান করে, একটি জনশূন্য ল্যান্ডস্কেপ যেখানে শান্ত মানুষেরা গম্ভীরভাবে একে অপরকে চিনতে পারেন এবং অভিবাদন জানান। আর সমস্ত কিছু [[সময়|সময়ের]] পূর্ণতায় [[বোঝা|বোঝা যায়]]।''' ** [''দ্য ট্রি অব লাইফের'' [http://rogerebert.suntimes.com/apps/pbcs.dll/article?AID=/20110602/REVIEWS/110609998 পর্যালোচনা] (২ জুন ২০১১)] * '''"[[ইউনাইটেড ৯৩ (চলচ্চিত্র)|ইউনাইটেড ৯৩]]"-এর জন্য খুব বেশি দেরি হয়নি, কারণ এটি এমন কোনো চলচ্চিত্র নয় যা জানে যে ৯/১১-এর পর কোনো সময় পার হয়েছে।''' পুরো গল্প, প্রতিটি বিবরণ বর্তমান কালে বলা হয়েছে। আমরা ততটাই জানি যতটা তাঁরা জানেন এবং এর চেয়ে বেশি কিছু নয়। আল-কায়েদা সম্পর্কে কিছু নেই, ওসামা বিন লাদেন সম্পর্কে কিছু নেই, আফগানিস্তান বা ইরাক সম্পর্কে কিছু নেই। ঘটনাগুলো যেভাবে ঘটে কেবল সেভাবেই বলা হয়েছে। '''এটি একটি নিপুণ এবং হৃদয়বিদারক চলচ্চিত্র এবং এটি ভুক্তভোগীদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানায়।''' ** ''[[ইউনাইটেড ৯৩ (চলচ্চিত্র)|ইউনাইটেড ৯৩]]ের'' [https://web.archive.org/web/20130707210114/http://www.rogerebert.com/reviews/united-93-2006 পর্যালোচনা] (২৭ এপ্রিল ২০০৬) * '''শিশুরা বোকা নয়। তারা ঈশ্বরের পৃথিবীতে সবচেয়ে তীক্ষ্ণ, চতুর, সবচেয়ে ঈগল-চোখের প্রাণীদের মধ্যে অন্যতম। আর খুব কম জিনিসই তাদের নজর এড়ায়।''' আপনি হয়তো খেয়াল করেননি যে আপনার প্রতিবেশী এখনও জুলাই মাসের মাঝামাঝি সময়ে তার স্নো টায়ার ব্যবহার করছে, কিন্তু ব্লকের প্রতিটি চার বছর বয়সী শিশু তা করেছে। বাচ্চারা যখন সিনেমা দেখতে যায় তখন তারা একই রকম বিস্তারিত মনোযোগ দেয়। তারা কিছুই এড়িয়ে যায় না, এবং সস্তা এবং নিম্নমানের কাজের প্রতি তাদের একটি সহজাত অবজ্ঞা রয়েছে। আমি এই পর্যবেক্ষণটি করছি কারণ দশটির মধ্যে নয়টি শিশুদের চলচ্চিত্র বোকা, বুদ্ধিহীন এবং তাদের দর্শকদের প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শন করে। এই কারণেই বাচ্চারা সেগুলো ঘৃণা করে। অভিভাবকেরা কি কেবল এটাই বাচ্চাদের সিনেমা থেকে চান? এগুলোতে যেন খারাপ কিছু না থাকে? এগুলোতে কি ভালো কিছু থাকা উচিত নয় — কিছু জীবন, কল্পনা, ফ্যান্টাসি, উদ্ভাবনশীলতা, কল্পনাকে সুড়সুড়ি দেওয়ার মতো কিছু? একটি চলচ্চিত্র যদি আপনার বাচ্চাদের কোনো উপকারে না আসে, তবে তাদের কেন এটি দেখতে দেবেন? কেবল শনিবার বিকেল কাটানোর জন্য? এটি একটি শিশুর মনের প্রতি একটি সূক্ষ্ম ধরনের অবজ্ঞা দেখায় বলে আমি মনে করি। এই সবই একটি সাধারণ বক্তব্যের ভূমিকা: ''উইলি ওঙ্কা অ্যান্ড দ্য চকলেট ফ্যাক্টরি'' সম্ভবত "দ্য উইজার্ড অব ওজের" পর থেকে এই ধরনের সেরা চলচ্চিত্র। পারিবারিক চলচ্চিত্রগুলো সাধারণত যা হওয়ার দাবি করে, এটি ঠিক তা-ই, কিন্তু অন্যান্য চলচ্চিত্রগুলো তা নয়: আনন্দদায়ক, মজার, ভীতিকর, উত্তেজনাপূর্ণ এবং সর্বোপরি এটি কল্পনার একটি খাঁটি কাজ। ''উইলি ওঙ্কা'' এত নিশ্চিতভাবে এবং চমৎকারভাবে বোনা ফ্যান্টাসি যে এটি সব ধরনের মনের ওপর কাজ করে। এটি আকর্ষণীয় কারণ সমস্ত ক্লাসিক ফ্যান্টাসির মতো এটি নিজের প্রতি মুগ্ধ। ** ''[[উইলি ওঙ্কা অ্যান্ড দ্য চকলেট ফ্যাক্টরি]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/willy-wonka-and-the-chocolate-factory-1971 পর্যালোচনা] (১ জানুয়ারি ১৯৭১) * ''' ''[[দ্য উইজার্ড অব ওজ]]ের'' উপাদানগুলো অনেক শিশুর ভেতরে থাকা একটি শূন্যস্থান শক্তিশালীভাবে পূরণ করে।''' একটি নির্দিষ্ট বয়সের বাচ্চাদের জন্য বাড়িই সবকিছু, বিশ্বের কেন্দ্রবিন্দু। কিন্তু রংধনুর ওপারে বিস্তৃত পৃথিবী, যা আকর্ষণীয় এবং ভীতিকর বলে অস্পষ্টভাবে অনুমান করা যায়। এমন একটি গভীর মৌলিক ভয় রয়েছে যে ঘটনাগুলো হয়তো শিশুকে বাড়ির নিরাপত্তা থেকে সরিয়ে নিয়ে একটি অপরিচিত দেশে বহুদূরে ফেলে দিতে পারে। সেখানে সে কী পাওয়ার আশা করবে? কেন, নতুন বন্ধু, তাকে পরামর্শ দিতে এবং রক্ষা করতে। আর টোটো, অবশ্যই, কারণ পোষা প্রাণীদের সাথে শিশুদের একটি শক্তিশালী মিথোজীবী সম্পর্ক থাকে যে তারা ধরে নেয় যে তারা একসাথেই হারিয়ে যাবে। ** ''[[দ্য উইজার্ড অব ওজ]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/great-movie-the-wizard-of-oz-1939 পর্যালোচনা] (২২ ডিসেম্বর ১৯৯৬) ==== সাড়ে তিন তারকার পর্যালোচনা ==== * বার্ট এবং ভেরোনা হলো চলচ্চিত্রে খুব কম দেখা দুটি চরিত্র: ত্রিশোর্ধ্ব, শিক্ষিত, সুস্থ, স্বনির্ভর, ভদ্র, চিন্তাশীল, খেয়ালী, স্নায়বিক নয় এবং সত্যিই একে অপরের প্রেমে পাগল। তাদের সবচেয়ে বড় চিন্তার বিষয় হলো তাদের সন্তানকে, যে এখনও গর্ভে রয়েছে, তাকে বড় করার জন্য সবচেয়ে ভালো জায়গা এবং উপায় খুঁজে বের করা। গত ১২ মাসে এই ধরনের প্রতিটি চরিত্রের জন্য আমি ২০, হয়তো ৩০ জন গণহত্যাকারীকে দেখেছি। ** ''[[w:অ্যাওয়ে উই গো (চলচ্চিত্র)|অ্যাওয়ে উই গো]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/away-we-go-2009 পর্যালোচনা] (১০ জুন ২০০৯) * মাঝে মাঝে কোনো সন্দেহহীন নিরীহ ব্যক্তি এমন একটি চলচ্চিত্রে হোঁচট খাবে এবং আমাকে একটি যন্ত্রণাদায়ক পোস্টকার্ড পাঠাবে, জিজ্ঞাসা করবে যে আমি কীভাবে এমন আবর্জনার অনুকূল পর্যালোচনা দিতে পারি। আমার নিয়মিত উত্তর হলো ইবার্টের সূত্র, যা হলো: একটি চলচ্চিত্র তার বিষয়বস্তু নিয়ে নয়। এটি বিষয়বস্তুটিকে কীভাবে তুলে ধরে, তা নিয়ে। ** ''[[w:ফ্রিওয়ে (১৯৯৬-এর চলচ্চিত্র)|ফ্রিওয়ে]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/freeway-1997 পর্যালোচনা] (২৪ জানুয়ারি ১৯৯৭) * খুব কম ক্ষেত্রেই এতটা ব্যয়বহুল একটি চলচ্চিত্র এতটা উদ্ধৃতিযোগ্য সংলাপ দিয়েছে। ** ''[[ঘোস্টবাস্টার্স]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/ghostbusters-1984 পর্যালোচনা] (১ জানুয়ারি ১৯৮৪) * আনার প্রতিক্রিয়া আপনি যতটা কল্পনা করতে পারেন তার চেয়ে বেশি জটিল। এমন একটি মুহূর্তে আপনি লেখক-পরিচালকের চেয়ারে থাকা নারীর প্রশংসা করবেন। পুরুষদের তুলনায় নারী, আমি সন্দেহ করি, যৌনতাকে তাদের জীবনের সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দেখার সম্ভাবনা বেশি রাখে। সৌদি আরবের মতো একটি দেশে, যার নাগরিকেরা নারী এবং পুরুষের একসঙ্গে সিনেমা দেখার বিষয়েও অস্বস্তি প্রকাশ করেন, সেখানে কোন লিঙ্গ বেশি উদ্বিগ্ন, সে বিষয়ে আমার সামান্যই সন্দেহ রয়েছে। ** ''[[w:হাম্পডে|হাম্পডে]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/humpday-2009 পর্যালোচনা] (২২ জুলাই ২০০৯) * [য]া ''হাসব্যান্ডস অ্যান্ড ওয়াইভস'' যুক্তি দেয় তা হলো অনেক "যৌক্তিক" সম্পর্ক বাস্তবে ততটা টেকসই নয় যতটা মনে হয়, কারণ প্রতিটি মানুষের ভেতরে কোথাও না কোথাও একটি শিশু আমি! আমি! আমি! বলে কাঁদছে। আমরা বলি আমরা চাই অন্য ব্যক্তিটি সুখী হোক। আমরা যা বোঝাতে চাই তা হলো, আমরা চাই তারা আমাদের সাথে, আমরা যেমন, তেমন শর্তেই সুখী হোক... সমস্ত বয়স্ক চরিত্রের - দুই পুরুষ, দুই নারী, এবং এমনকি বয়স্ক ডেটিং সঙ্গীদের যাদের সাথে তারা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে - তাদের সবার জরুরি অবস্থার নিচে একটি উপলব্ধি রয়েছে যে জীবন ছোট, সময় ফুরিয়ে যাচ্ছে, জীবন আপনাকে একটি রোমান্টিক ভ্রম বিক্রি করে এবং আপনাকে বলতে অবহেলা করে যে আপনি এটি পেতে পারেন না। কারণ আপনি যখন কোনো ভ্রমকে গ্রহণ করেন এবং এটিকে বাস্তবে রূপ দেন, তখন তার চুল পড়তে শুরু করে, এবং তার শরীরের গন্ধ থাকে, এবং সে আপনাকে জিজ্ঞাসা করে আপনার রাশি কী। সত্য ভালোবাসা হলো অন্যের অপূর্ণতাগুলোকে ভালোবাসা, যে অংশগুলো টিকে থাকে। ** ''[[w:হাসব্যান্ডস অ্যান্ড ওয়াইভস|হাসব্যান্ডস অ্যান্ড ওয়াইভস]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/husbands-and-wives-1992 পর্যালোচনা] (১৮ সেপ্টেম্বর ১৯৯২) * এটা অদ্ভুত যে কীভাবে কিশোর বয়সের রোমান্সগুলো সারা জীবন ধরে একটি মর্মস্পর্শী অনুভূতি ধরে রাখে - কীভাবে একটি মেয়ে যে ১৬ বছর বয়সে আপনাকে প্রত্যাখ্যান করে, আপনি এবং সে তখন যারা ছিলেন তা অনেক বছর পার হওয়ার পরও আপনার স্মৃতিতে একটি আভা ধরে রাখে। আমি কয়েক সপ্তাহ আগে আমার হাই স্কুলের পুনর্মিলনীতে যোগ দিয়েছিলাম এবং পুনর্মিলনী কমিটির একত্রিত করা স্যুভেনির পুস্তিকায় আবিষ্কার করেছি যে আমাদের ক্লাসের একটি মেয়ের এত বছর আগে আমার ওপর ক্রাশ ছিল। সেই সময় এই তথ্যটি জানার জন্য আমি অনেক কিছুই দিতে পারতাম। ** ''[[মেট্রোপলিটান (১৯৯০-এর চলচ্চিত্র)|মেট্রোপলিটান]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/metropolitan-1990 পর্যালোচনা] (১০ আগস্ট ১৯৯০) * ''অরফান'' দেখার পর আমি বুঝতে পেরেছি যে ''[[দ্য ওমেন]]ের'' ড্যামিয়েন একজন আদর্শ শিশু ছিল। ডেমন সিড একটি বাম্পার ফসল ছিল। [[w:রোজমেরিস বেবি (চলচ্চিত্র)|রোজমেরি]] এই বাচ্চাটিকে পেয়ে খুশি হতেন। <br /> কোনো অবস্থাতেই শিশুদের এটি দেখতে নিয়ে যাবেন না। এই ব্যাপারে আমার কথা বিশ্বাস করুন। ** ''[[w:অরফান (চলচ্চিত্র)|অরফান]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/orphan-2009 পর্যালোচনা] (২২ জুলাই ২০০৯) * চলচ্চিত্রটি তার উদ্ধত আত্মবিশ্বাসের সাথে আমাকে আনন্দ দেয় যে দর্শকেরা এর সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারবে। ''প্রাইমার'' হলো নিয়নর্ড, গিক, ব্রেনিয়াক, একাডেমিক ডেকাথলন বিজয়ী, প্রোগ্রামার, দার্শনিক এবং সেই ধরনের লোকদের জন্য একটি চলচ্চিত্র যাঁরা পর্যালোচনার এতদূর পর্যন্ত এসেছেন। যাঁরা 'বিনোদন পেতে সিনেমা দেখতে যান', তাঁরা এটি অবশ্যই ঘৃণা করবেন। আর অন্যেরা এটিকে গ্রহণ করবেন এবং বিতর্ক করবেন, যাঁরা দেখবেন যে এটি অন্যদের পৌঁছাতে না পারা জায়গাগুলোতেও বিনোদন দেয়। ** ''[[w:প্রাইমার (চলচ্চিত্র)|প্রাইমার]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/primer-2004 পর্যালোচনা] (২৯ অক্টোবর ২০০৪) [[File:Heterosexual symbol (bold, red blue).svg|thumb|right|যে আপনাকে মানিয়ে নেয় কারণ সে আসলে পাত্তা দেয় না, তার চেয়ে এমন একজন সঙ্গী খুঁজে পাওয়া ভালো যাঁর সাথে আপনি সারা জীবন লড়াই করতে পারেন।]] * জীবনের হাতছাড়া হওয়া সুযোগগুলো শেষে আমরা যেগুলো গ্রহণ করেছি তার চেয়েও আমাদের কাছে বেশি মর্মস্পর্শী মনে হতে পারে — কারণ আমাদের কল্পনায় সেগুলোর এমন একটি নিখুঁত রূপ থাকে, যার সাথে বাস্তবতা কখনো পাল্লা দিতে পারে না। ** ''[[w:দ্য স্লিপি টাইম গ্যাল (চলচ্চিত্র)|দ্য স্লিপি টাইম গ্যাল]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/the-sleepy-time-gal-2002 পর্যালোচনা] (২২ নভেম্বর ২০০২) * এটি কেবল অন্যদের সাথে আমরা কীভাবে সম্পর্কিত তা বিবেচনা করে না, বরং অন্যদের সম্পর্কে আমাদের ধারণার সাথে আমরা কীভাবে সম্পর্কিত তা বিবেচনা করে — যাতে একটি মৃত স্ত্রীর সম্পূর্ণ নকল, অমানবিক প্রতিরূপ একই অনুভূতি অনুপ্রাণিত করতে পারে, যা স্ত্রী নিজেই একসময় করেছিলেন। এটি মানুষের একটি বিশেষত্ব: আমরা আমাদের ধারণার প্রতি বাস্তব বিশ্বের মতোই আবেগ অনুভব করি, যার কারণে আমরা বই পড়ার সময় কাঁদতে পারি, বা সিনেমা তারকাদের প্রেমে পড়তে পারি। মানবতার ধারণা আমাদের মুগ্ধ করে, যখন মানবতা নিজেই তার বিলিয়ন বিলিয়ন আলাদা পাত্রে বা "মানুষের" মাঝে নিরাপদে সিল করা থাকে। ** ''[[w:সোলারিস (২০০২-এর চলচ্চিত্র)|সোলারিস]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/solaris-2002 পর্যালোচনা] (২২ নভেম্বর ২০০২) * এই মুভিটি পেশাদারদের দ্বারা তৈরি করা হয়েছিল। নিজে থেকে এই আচরণের কোনোটি করার চেষ্টা করবেন না। ** ''[[সুপারব্যাড]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/superbad-2007 পর্যালোচনা] (১৭ আগস্ট ২০০৭) * কেন একটি চলচ্চিত্রকে সবকিছু ব্যাখ্যা করতে হবে? কেন প্রতিটি উদ্দেশ্য স্পষ্টভাবে বলা উচিত? অনেক চলচ্চিত্র কি মূলত একই চলচ্চিত্র নয়, কেবল নির্দিষ্ট বিষয়গুলো পরিবর্তন করে? সেগুলোর মধ্যে অনেকেই কি একই গল্প বলছে না? পরিপূর্ণতার সন্ধানে, আমরা দেখি আমাদের স্বপ্ন এবং আশাগুলো কেমন হতে পারে। আমরা উপলব্ধি করি যে সেগুলো আমাদের নিজস্ব কোনো ক্ষমতার কারণে নয়, বরং উপহার হিসেবে আসে এবং যদি আমরা সেগুলো হারিয়ে ফেলি, তবে তা কি প্রথম স্থানে সেগুলো না থাকার চেয়েও খারাপ নয়?<p>অনেকেই "টু দ্য ওয়ান্ডার" কে অধরা এবং খুব চঞ্চল বলে মনে করবেন। তাঁরা এমন একটি চলচ্চিত্রে অসন্তুষ্ট হবেন যা সরবরাহ করার চেয়ে জাগিয়ে তুলতে বেশি পছন্দ করে। আমি এটি বুঝতে পারি এবং আমি মনে করি [[w:টেরেন্স ম্যালিক|টেরেন্স ম্যালিকও]] তা বোঝেন। কিন্তু এখানে তিনি তার চেয়েও গভীরে পৌঁছানোর চেষ্টা করেছেন: পৃষ্ঠের নিচে পৌঁছানোর এবং প্রয়োজনে আত্মা খোঁজার চেষ্টা করেছেন। ** ''[[w:টু দ্য ওয়ান্ডার|টু দ্য ওয়ান্ডার]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/to-the-wonder-2013 পর্যালোচনা] (এপ্রিল ৬, ২০১৩) ** '''দ্রষ্টব্য: এটি রজার ইবার্টের জমা দেওয়া শেষ চলচ্চিত্র পর্যালোচনা।''' * এটিকে অদ্ভুত বলাটা একটি কাপুরুষোচিত এড়ানো হবে। এটি ভীতিকর, অদ্ভুত, ছমছমে, অদ্ভুত, উদ্ভট, ফাঙ্কি, ভয়ানক, অবোধ্য, কিঙ্কি, কুকি, জাদুকরী, অদ্ভূত, ভৌতিক, অলৌকিক, অমার্জিত এবং অপার্থিব। বিশেষ করে অমার্জিত। আমি যা করেছিলাম তা হলো, আমি 'অদ্ভুত' শব্দটি টাইপ করেছিলাম এবং যখন এটি আমার মধ্যে জাগানো অনুভূতিগুলো জাগিয়ে তুলতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছিল, আমি থিসোরাসের দিকে ফিরেছিলাম এবং এটি উপরের বিকল্পগুলোর পরামর্শ দিয়েছিল - এবং এর কোনোটিই কাজ করেনি। ** ''[[w:দ্য ট্রিপলেটস অব বেলভিলি|দ্য ট্রিপলেটস অব বেলভিলি]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/the-triplets-of-belleville-2003 পর্যালোচনা] (২৬ ডিসেম্বর ২০০৩) * [বা]স্তব জগতের কি দৃষ্টিভঙ্গি এবং হ্যালুসিনেশনের চেয়ে বেশি পদার্থ আছে — যখন আমরা সেগুলোর মধ্য দিয়ে যাচ্ছি? যেকোনো নির্দিষ্ট মুহূর্তে, আমাদের মনে যা ঘটছে তা-ই সমস্ত এবং সবকিছু যা ঘটে। ** ''[[w:আঙ্কল বুনমি হু ক্যান রিকল হিজ পাস্ট লাইভস|আঙ্কল বুনমি হু ক্যান রিকল হিজ পাস্ট লাইভস]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/uncle-boonmee-who-can-recall-his-past-lives-2011 পর্যালোচনা] (১৪ এপ্রিল ২০১১) * এটি রোমান্সের একটি আকর্ষণীয় নিয়ম যে একজন সত্যিকারের শক্তিশালী নারী একজন শক্তিশালী পুরুষকে বেছে নেবেন যিনি তার সাথে একমত নন, একজন দুর্বল পুরুষের চেয়ে যিনি তার সাথে একমত হন। শক্তি বুদ্ধিমত্তার দাবি করে, বুদ্ধিমত্তা উদ্দীপনার দাবি করে এবং দুর্বলতা বিরক্তিকর। যে আপনাকে মানিয়ে নেয় কারণ সে আসলে পাত্তা দেয় না, তার চেয়ে এমন একজন সঙ্গী খুঁজে পাওয়া ভালো যাঁর সাথে আপনি সারা জীবন লড়াই করতে পারেন। … কেউ আপনাকে চুম্বন করতে চলেছে কি না তা নিয়ে ভাবার ৬০ সেকেন্ড, ৬০ মিনিটের চুম্বনের চেয়ে বেশি বিনোদনমূলক। … কথা প্রকাশ করুন, এবং কথোপকথন ইতিহাস হয়ে যায়। বুদ্ধি এবং চ্যালেঞ্জের সাথে কোডে কথা বলুন, এবং ডিক্রিপশনের প্রক্রিয়া ফোরপ্লের মতো। ** ''[[w:দ্য উইন্সলো বয় (১৯৯৯-এর চলচ্চিত্র)|দ্য উইন্সলো বয়]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/the-winslow-boy-1999 পর্যালোচনা] (২৮ মে ১৯৯৯) * ''xXx'' কি বন্ড ফ্র্যাঞ্চাইজির জন্য একটি হুমকি? হুমকি নয়, বরং একটি অভিবাদন। আমি চাই না [[w:জেমস বন্ড|জেমস বন্ড]] আমার কাছে রূঢ় এবং পেশীবহুল হয়ে উঠুক। আমি নম্র স্টাইল পছন্দ করি। কিন্তু আমি জ্যান্ডারকেও পছন্দ করি, বিশেষ করে যেহেতু সে বন্ডকে খুব সতর্কতার সাথে অধ্যয়ন করেছে বলে মনে হয়। ** ''ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/xxx-2002 পর্যালোচনা] (৯ আগস্ট ২০০২) ==== তিন তারকার পর্যালোচনা ==== * আমি ভাবি এই চলচ্চিত্রটি কাদের কাছে বেশি অস্বস্তিকর লাগবে - পুরুষ না নারী? উভয়ই লাঞ্ছনার দৃশ্যের নির্মমতা দেখে পিছিয়ে যাবেন। কিন্তু কিছু পুরুষের জন্য মুভিটি এমন একটি সত্য প্রকাশ করবে যা বেশিরভাগ নারী ইতোমধ্যে জানেন। এটি হলো যে মৌখিক যৌন হয়রানি, সেলুনের পিছনের ঘরে স্থূলভাবেই হোক বা প্রতিদিনের পরিস্থিতিতে সূক্ষ্মভাবেই হোক, তা এক ধরণের সহিংসতা - এটি এমন একটি সহিংসতা যা কোনো দৃশ্যমান চিহ্ন রাখে না তবে এর শিকারদের সমাজে স্বাধীনভাবে এবং স্বাচ্ছন্দ্যে চলাফেরা করতে অক্ষম বোধ করাতে পারে। ** ''[[w:দ্য অ্যাকিউজড|দ্য অ্যাকিউজড]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/the-accused-1988 পর্যালোচনা] (১৪ অক্টোবর ১৯৮৮) * অশ্লীলতার গ্রীষ্মকালীন স্রোতে সাঁতার কাটার সময় আমি বুঝতে পারি যে আমি যা খুঁজছি তা হলো: এমন মুভি যা অন্তত চরিত্রগুলোর প্রতি স্নেহ অনুভব করে। রাউঞ্চি ঠিক আছে। নিষ্ঠুরতা নয়। ** ''[[আমেরিকান পাই (চলচ্চিত্র)|আমেরিকান পাই]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/american-pie-1999 পর্যালোচনা] (৯ জুলাই ১৯৯৯) * চলচ্চিত্র নির্মাতারা শিখতে এবং বড় হতে পারেন, এর একটি আশাব্যঞ্জক লক্ষণ হলো যে সিক্যুয়ালটিতে একটিও পাই নেই, যদি আপনি আমার কথার অর্থ বোঝেন। ** ''[[আমেরিকান পাই ২]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/american-pie-2-2001 পর্যালোচনা] (১০ আগস্ট ২০০১) * চলচ্চিত্রটি হাসিমুখে রুচি, শোভনতা, শিষ্টাচার এবং পরিচ্ছন্নতার সমস্ত সভ্য ধারণাকে ক্ষুণ্ন করে... মুভিটি কি অশ্লীল? অশ্লীলতা হলো যখন আমরা হাসি না। যখন আমরা হাসি, তখন এটি কেবল মানবপ্রকৃতি। ** ''[[আমেরিকান ওয়েডিং]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/american-wedding-2003 পর্যালোচনা] (১ আগস্ট ২০০৩) * সুন্দরী মনিক তাদের অভিযানে যোগ দেওয়ার জন্য জোর দেয় এবং তাকে নিরুৎসাহিত করা যায় না। আমরা প্রথমে ভাবি যে তার একটি জঘন্য উদ্দেশ্য রয়েছে, কিন্তু না, সে সম্ভবত চিত্রনাট্য নির্মাণের ক্লাসে অংশ নিয়েছে এবং জানে যে চলচ্চিত্রের একটি সেক্সি নারী চরিত্রের প্রয়োজন। এটি সিনেম্যাটিক ইতিহাসে কোনো চরিত্রের স্বেচ্ছায় চলচ্চিত্রে প্রবেশের প্রথম ঘটনা হতে পারে কারণ এটি প্রয়োজনীয়। ** ''[[w:অ্যারাউন্ড দ্য ওয়ার্ল্ড ইন এইটি ডেজ (২০০৪-এর চলচ্চিত্র)|অ্যারাউন্ড দ্য ওয়ার্ল্ড ইন এইটি ডেজ]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/around-the-world-in-80-days-2004 পর্যালোচনা] (১৬ জুন ২০০৪) * ...ব্যাপকভাবে কিন্তু ভুলভাবে বিশ্বাস করা হয় যে ''[[বিভিস অ্যান্ড বাট-হেড]]'' এর চরিত্রগুলোকে উদযাপন করে এবং তাদের মূল্যবোধ, রুচি এবং বুদ্ধিমত্তার চরম অভাবকে সাধুবাদ জানায়। আমি কখনো এমনটা ভাবিনি। আমি বিশ্বাস করি মাইক জাজ তাঁর চরিত্রগুলোর সাথে বিমানবন্দরে ট্যাক্সি রাইড ভাগ করে নেওয়ার চেয়ে মারা যেতে পছন্দ করবেন — যে তাঁর জন্য, বিঅ্যান্ডবি স্কট অ্যাডামস মহাবিশ্বে ডিলবার্টের সহকর্মীদের মতো কাজ করে। তারা হলো ক্রমবর্ধমান বোকামির বিরুদ্ধে তাঁর রাগের লক্ষ্যবস্তু। ** ''[[বিভিস অ্যান্ড বাটহেড ডু আমেরিকা]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/beavis-and-butt-head-do-america-1996 পর্যালোচনা] (২০ ডিসেম্বর ১৯৯৬) * এই ধরণের পরিস্থিতি আমার ধারণা, লাখ লাখ বার ঘটেছে। [[w:রিচার্ড লিংকলেটার|রিচার্ড লিংকলেটারের]] ''[[বিফোর সানরাইজ]]ের'' চেয়ে এটি খুব কমই আরও সুন্দর, মিষ্টি, আরও মৃদু উপায়ে ঘটেছে। আমি একে জেনারেশন এক্স-এর জন্য ''[[w:লাভ অ্যাফেয়ার (১৯৩৯-এর চলচ্চিত্র)|লাভ অ্যাফেয়ার]]'' বলতে পারতাম। তবে জেসি এবং সেলিন তাদের প্রজন্মের বাইরে এবং বিশেষ করে বিরক্ত হওয়ার একঘেয়ে জেদের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকে। <br /> কয়েকটি চার অক্ষরের শব্দের ওপর ভিত্তি করে এই চলচ্চিত্রের আর রেটিংটি সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। এটি কিশোর-কিশোরীদের জন্য একটি আদর্শ চলচ্চিত্র। ** ''[[বিফোর সানরাইজ]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/before-sunrise-1995 পর্যালোচনা] (২৭ জানুয়ারি ১৯৯৫) * সেন্সররা মনে করেন তাঁরা আপত্তিকর উপাদানের হাত থেকে নিরাপদ, কিন্তু অন্যদের রক্ষা করা তাঁদের উচিত, যাঁরা ততটা বুদ্ধিমান বা নৈতিক নন। একই প্রেরণা 'দ্য বিলিভার'-এর পর্যালোচককে প্রলুব্ধ করে... যদি ভুল লোকেরা ভুল বার্তা পায় - ঠিক আছে, কখনো ভুল বার্তার অভাব ছিল না। বা ভুল মানুষেরও অভাব ছিল না। ** ''[[w:দ্য বিলিভার|দ্য বিলিভার]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/the-believer-2002 পর্যালোচনা] (১৪ জুন ২০০২) * আমি সেই অত্যন্ত জনপ্রিয় মুভিটি মিস করেছিলাম যা এই চরিত্রগুলোর সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিল, ''বিল অ্যান্ড টেডস এক্সিলেন্ট অ্যাডভেঞ্চার'', এবং সেসময় নিজেকে ধন্য মনে করেছিলাম। কিন্তু এখন আমি এতটা নিশ্চিত নই। তাদের ''বোগাস জার্নি'' হলো দৃশ্যমান উদ্ভাবন এবং অদ্ভুত হাস্যরসের একটি দাঙ্গা যা তার নির্বাচিত সাব-মোরোনিক স্তরে কাজ করে। বেশ কয়েকটি পরিশীলিত স্তর সহ অন্যান্য বেশ কয়েকটি স্তরেও কাজ করে। এটি এমন এক ধরনের সিনেমা যেখানে আপনি নিজের অজান্তেই স্নিকারিং শুরু করেন এবং শেষ পর্যন্ত এই হ্যালুসিনেটরি স্ল্যাপস্টিক তৈরিতে যে মৌলিকত্ব রয়েছে তার প্রশংসা করেন। ** ''[[w:বিল অ্যান্ড টেডস বোগাস জার্নি|বিল অ্যান্ড টেডস বোগাস জার্নি]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/bill-and-teds-bogus-journey পর্যালোচনা] (১৯ জুলাই ১৯৯১) * ''ব্লু ক্রাশে'' আমরা তিনজন হাওয়াইয়ান সার্ফারের সাথে পরিচিত হই, যাঁরা হোটেলের পরিচারিকা হিসেবে কাজ করেন, একটি নোংরা ভাড়ার ঘরে থাকেন এবং তাঁদের মধ্যে একজনের ছোট বোনকে বড় করছেন। প্রায় দারিদ্র্য সত্ত্বেও তাঁদের দেখতে দারুণ লাগে; শ্রেণি বৈষম্য দূর করার জন্য ট্যান এবং বিকিনির বিকল্প নেই। ** ''[[w:ব্লু ক্রাশ|ব্লু ক্রাশ]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/blue-crush-2002 পর্যালোচনা] (১৬ আগস্ট ২০০২) * জেনারেশন এক্স এবং তাদের নিয়ে তৈরি চলচ্চিত্রগুলো সম্পর্কে অনেক কিছু লেখা হয়েছে। ''ক্লার্কস'' এতটাই খাঁটি যে এর নায়কেরা কখনো তাদের প্রজন্মের কথা শোনেননি। তারা যখন "এক্স" নিয়ে ভাবেন, তখন তা ভিডিও স্টোরে যাওয়ার পথে। ** ''[[ক্লার্কস]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/clerks-1994 পর্যালোচনা] (৪ নভেম্বর ১৯৯৪) * এই চলচ্চিত্রটি একটি বাস্তব [[w:স্ট্রিপ সার্চ প্র্যাঙ্ক কল স্ক্যাম|২০০৪ সালের ঘটনার]] ওপর ভিত্তি করে তৈরি, যা কেন্টাকির মাউন্ট ওয়াশিংটনের একটি ম্যাকডোনাল্ডসে ঘটেছিল। গুগল করলে আপনি বেশিরভাগ বিবরণ একই পাবেন। আপনি যদি চলচ্চিত্রটির ওয়াকআউটদের মধ্যে একজন না হন, তবে আপনি শেষে আবিষ্কার করবেন যে যুক্তরাষ্ট্রে এই ধরনের ৭০টি প্রতারণা ঘটেছে... স্টান্টটি যদি ৭০ বার কাজ করে থাকে, তবে তাদের অবশ্যই কিছু প্রমাণ করতে হবে — সম্ভবত আমরা কর্তৃপক্ষকে ভয় পাই। আমি জানি যে একজন ট্রাফিক পুলিশ যখন আমাকে থামায়, তখন আমি ভয় পাই — এতটাই ভয় পাই যে আমি সাবধানে গাড়ি চালাই এবং আমাকে খুব কমই থামানো হয়। ** ''[[w:কমপ্লায়েন্স (চলচ্চিত্র)|কমপ্লায়েন্স]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/compliance-2012 পর্যালোচনা] (২৯ আগস্ট ২০১২) * ...এই জীবনে আমি যদি একটি জিনিস শিখে থাকি, তবে তা হলো অন্ধ চোখ এবং কুষ্ঠরোগীর নখ যুক্ত একজন বৃদ্ধ জিপসি নারীকে কখনো না বলা উচিত নয়। ** ''[[w:ড্র্যাগ মি টু হেল|ড্র্যাগ মি টু হেল]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/drag-me-to-hell-2009 পর্যালোচনা] (৭ জুন ২০০৯) * আমি সমস্ত সিনেমা পর্যালোচনা পড়ি, বিশেষ করে ইবার্টের। তিনি একজন সাবলীল এবং রসিক গদ্য লেখক যাঁর অগাধ পাণ্ডিত্য রয়েছে। যাঁর পর্যালোচনাগুলো সিনেমাটি দেখার ইচ্ছা থাকুক বা না থাকুক, কেবল সেগুলোর জন্যই পড়া মূল্যবান। স্মার্ট এবং সুদর্শন ইবার্ট আমার প্রথম মুভিকে [''[[w:গারফিল্ড (চলচ্চিত্র)|গারফিল্ড: দ্য মুভি]]''] থাম্বস আপ দিয়েছিলেন। কিন্তু অন্য একজন, [[w:রিচার্ড রোপার|[রিচার্ড] রোপার]] থাম্বস ডাউন দিয়েছিলেন এবং তিনি বিশেষভাবে নির্দয় ছিলেন। তিনি ''গারফিল্ড'' পছন্দ করার কারণে ইবার্টকে আক্রমণ করে অনন্তকাল চালিয়ে গিয়েছিলেন। এটি এমন একজন মানুষের কাছ থেকে এসেছে যাঁর ''[[w:ডুমা (চলচ্চিত্র)|ডুমা]]ের'' প্রশংসা করার মতো যথেষ্ট রুচি রয়েছে। এটি অত্যন্ত হতাশাজনক। রোপারের অন্যতম অভিযোগ ছিল যে আমি অ্যানিমেটেড ছিলাম এবং মুভির অন্যান্য সমস্ত চরিত্র "বাস্তব" ছিল। আপনার কি কোনো ধারণা আছে যে এই ধরনের একটি বক্তব্য এমন একজন অভিনেতাকে কতটা আঘাত করে, যিনি সারাজীবন মিডিয়া ক্যাট হিসেবে কাজ করেছেন? হ্যাঁ, রিচার্ড রোপার, আমি অ্যানিমেটেড ছিলাম। আমার ঠোঁট পড়ুন: ''আমি একটি কমিক স্ট্রিপের চরিত্র''। ** [[w:গারফিল্ড|গারফিল্ড]] হিসেবে প্রথম পুরুষে লেখা ''[[w:গারফিল্ড: এ টেইল অব টু কিটিজ|গারফিল্ড: এ টেইল অব টু কিটিজ]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/garfield-a-tail-of-two-kitties-2006 পর্যালোচনা] (১৬ জুন ২০০৬) * আমি একজন সমালোচক হিসেবে আমার দায়িত্ব পালন করে এই পর্যালোচনার শেষে পৌঁছেছি। আমি মুভিটি নিখুঁতভাবে বর্ণনা করেছি এবং আপনি যদি এটি দেখতে যান তবে আপনার জন্য কী অপেক্ষা করছে, সে সম্পর্কে আপনার ভালো ধারণা রয়েছে। আপনাদের মধ্যে বেশিরভাগই তা করবেন না। আমি আপনাদের সাথে তর্ক করতে পারি না। সাহসী এবং কৌতূহলীদের মধ্যে আপনাদের কেউ কেউ তা করবেন। আপনি সেই মানুষটির আত্মাকে মূর্ত করেন, যিনি প্রথম ভেবেছিলেন যে ঝিনুক খেতে কেমন লাগবে। ** ''[[w:গেরি|গেরি]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/gerry-2003 পর্যালোচনা] (২৮ ফেব্রুয়ারি ২০০৩) * এটি অদ্ভুত: আমরা মুভিটির শেষটা এতটাই উপভোগ করে বেরিয়ে আসি যে আমরা প্রায় আমাদের পূর্ববর্তী সংরক্ষণগুলো ভুলে গিয়েছিলাম। কিন্তু সেগুলো ছিল এবং সেগুলো বাস্তব ছিল। ** ''[[w:দ্য গুডবাই গার্ল|দ্য গুডবাই গার্ল]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/the-goodbye-girl-1977 পর্যালোচনা] (১ জানুয়ারি ১৯৭৭) * '''ফর্মুলা কমেডিগুলো দশ পয়সায় এক ডজন পাওয়া যায়। একটি মূল ধারণার ওপর ভিত্তি করে তৈরি কমেডিগুলো অনেক বিরল। এছাড়া অন্যান্য সমস্ত কিছু বাদ দিলে ''[[গ্রাউন্ডহগ ডে]]'' হলো কীভাবে [[সময়]] মাঝে মাঝে আমাদের বিরতি দিতে পারে তার একটি প্রমাণ।''' কেবল আমরা কুকুরের বাচ্চা হিসেবে জন্মগ্রহণ করেছি বলে আমাদের সেভাবেই বাঁচতে হবে, তার কোনো মানে নেই। ** [''শিকাগো সান-টাইমসে'' (১২ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৩) ''গ্রাউন্ডহগ ডেের'' মূল ৩-তারকার পর্যালোচনা]; পরবর্তীতে তিনি ২০০৫ সালে এর জন্য একটি ৪-তারকা পর্যালোচনা লিখেছিলেন (ওপরের ৪-তারকা অংশে উদ্ধৃত করা হয়েছে)। * আপনার কখনোই একজন বিশেষজ্ঞকে তাঁর বিশেষত্ব নিয়ে তৈরি কোনো চলচ্চিত্রে পাঠানো উচিত নয়। বক্সাররা বক্সিং মুভি ঘৃণা করেন। স্পেস বাফেরা বলেছিলেন 'অ্যাপোলো ১৩' চাঁদের ভুল দিকটি দেখিয়েছে। ব্রিটিশদের বিশ্বাস মেল গিবসনের 'ব্রেভহার্ট'-এর পাণ্ডিত্য ত্রুটিপূর্ণ ছিল। কারণ கதার সময়ের দিকে কিছু প্রধান চরিত্রের জন্মই হয়নি। 'হ্যাকারস' নিয়ে আমার কোনো সন্দেহ নেই, কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগের দিক থেকে এটি গভীরভাবে সন্দেহজনক। যদিও এটি নিঃসন্দেহে সত্য যে বাস্তব জীবনে এই চলচ্চিত্রের চরিত্রগুলো যা করে তা কোনো হ্যাকার করতে পারবে না, এটি নিঃসন্দেহে সমানভাবে সত্য যে হ্যাকাররা যা করতে পারে তা খুব একটা বিনোদনমূলক চলচ্চিত্র তৈরি করবে না। ** ''[[w:হ্যাকারস (চলচ্চিত্র)|হ্যাকারস]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/hackers-1995 পর্যালোচনা] (১৫ সেপ্টেম্বর ১৯৯৫) * বেশিরভাগ মানুষ এমন সিনেমা বেছে নেন যা ঠিক তাঁদের প্রত্যাশা অনুযায়ী হয় এবং তাঁদের এমন সব জিনিস জানায় যা তাঁরা আগে থেকেই জানেন। অন্যেরা বেশি কৌতূহলী। আমাদের এই গ্রহে কেবল একবারই পাঠানো হয়েছে এবং পরিচিত জিনিসের মাঝে নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখা আমাদের মনের ওপর অপরাধ। ** ''[[w:দ্য আইল|দ্য আইল]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/the-isle-2003 পর্যালোচনা] (৩১ জানুয়ারি ২০০৩) * একটি কেভিন স্মিথ মুভির আকর্ষণ হলো এটি ধরে নেয় যে আপনি একটি খালি স্লেট হিসেবে প্রেক্ষাগৃহে প্রবেশ করবেন না। "চেজিং অ্যামি" সিরিয়াস কমিক বই এবং সংগ্রাহকদের জগৎ সম্পর্কে কিছুটা জ্ঞান ধরে নেয়। "ডগমা"র জন্য আপনার ক্যাথলিক ধর্মতত্ত্ব সম্পর্কে কিছু জানার প্রয়োজন ছিল এবং "জে অ্যান্ড সাইলেন্ট বব"-এ এমন মুহূর্ত রয়েছে যখন অ্যাফ্লেক চরিত্রটি জে-এর জন্য ইন্টারনেটের সংজ্ঞায়িত করে: "এটি সারা বিশ্বে ব্যবহৃত এমন একটি জায়গা, যেখানে মানুষ সিনেমা নিয়ে অভিযোগ করতে এবং একসাথে পর্নোগ্রাফি শেয়ার করতে আসতে পারে।" উচ্চ-প্রযুক্তিগত সাইবারথ্রিলারগুলোতে আমরা যা দেখতে পাই তার চেয়ে এটি নেটের একটি অনেক বেশি পরিশীলিত ধারণা, যেখানে নেট এমন একটি জায়গা যা আপনার কম্পিউটারকে অনেক বেশি বিপ বিপ শব্দ করায়। আপনি "জে অ্যান্ড সাইলেন্ট বব" পছন্দ করবেন কি না, তা নির্ভর করে আপনি কে, তার ওপর। বেশিরভাগ মুভি সবার জন্য তৈরি হয়। কেভিন স্মিথের মুভিগুলো হয় বিশেষভাবে আপনার জন্য তৈরি, নয়তো বিশেষভাবে আপনার জন্য তৈরি নয়। আপনি যদি হাসি বা স্বীকৃতির ইঙ্গিত ছাড়া এই পর্যালোচনাটি পড়েন, তবে আমি "রাশ আওয়ার ২" দেখার সুপারিশ করব। এটি সবার জন্য নাকি কারও জন্য নয়, তা আপনিই আমাকে বলুন। ** ''[[জে অ্যান্ড সাইলেন্ট বব স্ট্রাইক ব্যাক]]ের'' [http://www.rogerebert.com/reviews/jay-and-silent-bog-strike-back-2001 পর্যালোচনা] (২৪ আগস্ট ২০০১) * আজকাল বাচ্চাদের অনেক চলচ্চিত্রে জয়ের ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে। মনে হয় বাচ্চারা যেন কম বয়সী পেশাদার ক্রীড়াবিদ ছাড়া আর কিছুই নয়। ভিন্স লম্বার্দির মূল্যবোধই যেন এখানে প্রধান। কীভাবে খেলা হলো সেটা বড় কথা নয়, বরং হারজিতটাই আসল। এই চলচ্চিত্রটি সেই প্রথা ভেঙেছে। এটি বাচ্চাদের তাদের মতোই থাকতে দেয়। প্রাপ্তবয়স্কদের জগৎ ও মূল্যবোধ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা হয়ে বাচ্চারা কল্পনা ও স্বপ্নের যে নিজস্ব জগৎ তৈরি করে, এটি তাদের সেখানেই দেখায়। চলচ্চিত্রের একটি দৃশ্যে রদ্রিগেজ সোজা পিচারের ঢিবির দিকে লাইন ড্রাইভ মারে। তখন আমি মাথা নিচু করে আমার গ্লাভস তুলে ধরি। এরপর আমার মনে পড়ে যে আমার কাছে কোনো গ্লাভস নেই। তখনই আমি বুঝতে পারি যে ১২ বছর বয়সে কোন জিনিসগুলো সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ ছিল, সেই স্মৃতি দিয়ে চলচ্চিত্রটি আমাকে কতটা মোহিত করেছে। ** ''দ্য স্যান্ডলট'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/the-sandlot-1993 পর্যালোচনা] (৭ এপ্রিল ১৯৯৩) * সম্প্রতি আমি আমার অপছন্দের চলচ্চিত্রগুলো নিয়ে একটি বই প্রকাশ করেছি। মানুষ আমাকে জিজ্ঞেস করছে যে কোন ধরনের পর্যালোচনা লেখা বেশি কঠিন, দারুণ নাকি ভয়ংকর চলচ্চিত্রগুলোর। উত্তর হলো কোনোটিই নয়। স্পুফ ঘরানার চলচ্চিত্রগুলোর পর্যালোচনা লেখা সবচেয়ে কঠিন। যেমন ''[[Airplane!|এয়ারপ্লেন!]]'' ও ''দ্য নেকেড গান'' এবং একই মূল ধারণার অসংখ্য স্পিন-অফ ও পুনরাবৃত্তি। এ ধরনের চলচ্চিত্রের পর্যালোচনার মূল কথা হলো এটি কি কাজ করে? এটি কি মজার? হ্যাঁ, এটি মজার। এটি ''এয়ারপ্লেন!'' এর মতো চমকপ্রদভাবে মজার নয়, কারণ সেটি নতুন কিছু করার সুবিধা পেয়েছিল। তবে এটি পরবর্তী সময়ের কম পরিচিত [[w:লেসলি নিলসেন|লেসলি নিলসেনের]] কিছু চলচ্চিত্রের মতো ক্লান্তিকরও নয়। অর্থের সঠিক ব্যবহার করতে হলে আপনাকে কিশোর হরর ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর সাথে পরিচিত হতে হবে। যদি পরিচিত থাকেন তবে ''স্ক্যারি মুভি'' আপনাকে হতাশ করবে না। ** ''স্ক্যারি মুভি'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/scary-movie-2000 পর্যালোচনা] (৭ জুলাই ২০০০) * এই চলচ্চিত্রটি সম্পর্কে আমার মতামত কী? একজন চলচ্চিত্র সমালোচক হিসেবে এটি আমার ভালো লেগেছে। এর ভেতরের রসিকতা ও আত্মসচেতন চরিত্রগুলো আমার পছন্দ হয়েছে। একই সাথে আমি এই চলচ্চিত্রের অতিরিক্ত রক্তপাতের বিষয়েও সচেতন ছিলাম। এটি সত্যিই ভীষণ সহিংস। চলচ্চিত্রটি যেভাবে ব্যঙ্গাত্মক ভঙ্গিতে এই সহিংসতা ব্যবহার করে এবং এর ওপর মন্তব্য করে, তা কি এর প্রভাব কমিয়ে দেয়? আমার কাছে তা-ই মনে হয়েছে। তবে কিছু দর্শকের কাছে এমনটি মনে হবে না এবং তারা আতঙ্কিত হবেন। আপনি কোন দলে পড়েন? এটি বোঝার একটি সহজ উপায় হলো, আমি যখন ''ফ্যাঙ্গোরিয়া'' এর কথা উল্লেখ করলাম তখন আপনি কি বুঝতে পেরেছিলেন আমি কী নিয়ে কথা বলছি? ** ''স্ক্রিম'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/scream-1996 পর্যালোচনা] (২০ ডিসেম্বর ১৯৯৬) * তারকা রেটিং ব্যবস্থা আপেক্ষিক, চূড়ান্ত নয়। আপনি যখন কোনো বন্ধুকে জিজ্ঞেস করেন ''হেলবয়'' ভালো কি না, তখন আপনি ''মিস্টিক রিভার'' এর তুলনায় এটি ভালো কি না তা জানতে চান না। বরং আপনি জানতে চান ''দ্য পানিশার'' এর তুলনায় এটি ভালো কি না। আমার উত্তর হবে এক থেকে চারের স্কেলে ''সুপারম্যান'' (১৯৭৮) যদি চার হয়, তবে ''হেলবয়'' তিন এবং ''দ্য পানিশার'' দুই। একইভাবে ''আমেরিকান বিউটি'' যদি চার তারকা পায়, তবে ''[দ্য ইউনাইটেড স্টেটস অব] লিল্যান্ড'' পাবে প্রায় দুই। ** ''[[w:শাওলিন সকার|শাওলিন সকার]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/shaolin-soccer-2004 পর্যালোচনা] (২৩ এপ্রিল ২০০৪) * রিকার্ডো মন্টালবান ক্ষোভের এক জ্বলন্ত রূপ হিসেবে খানের চরিত্রে অভিনয় করেছেন। তাঁর অভিনয় এতটাই শক্তিশালী যে এটি একটি সাধারণ নীতি তুলে ধরতে সাহায্য করে। এটি কেবল ''স্টার ট্রেক'' নয়, বরং ''স্টার ওয়ার্স'' এবং অন্যান্য সব মহাকাব্যিক ধারাবাহিক, বিশেষ করে ''জেমস বন্ড'' চলচ্চিত্রগুলোর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। নীতিটি হলো একটি চলচ্চিত্র তার খলনায়কের মতোই ভালো হয়। যেহেতু নায়ক ও কৌশলগুলো এক চলচ্চিত্র থেকে অন্য চলচ্চিত্রে পুনরাবৃত্ত হতে থাকে, তাই কেবল একজন দুর্দান্ত খলনায়কই একটি ভালো প্রচেষ্টাকে বিশাল সাফল্যে পরিণত করতে পারে। ** ''[[w:স্টার ট্রেক ২: দ্য র‍্যাথ অব খান|স্টার ট্রেক ২: দ্য র‍্যাথ অব খান]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/star-trek-ii-the-wrath-of-khan-1982 পর্যালোচনা] (১ জানুয়ারি ১৯৮২) * ''ওয়াইল্ড থিংস'' একটি ভয়ংকর আবর্জনা। এর কাহিনি এতই প্যাঁচানো যে শেষের নামলিপি চলার সময়ও তারা এটি বোঝানোর চেষ্টা করে। এটি একটি সফটকোর যৌন চলচ্চিত্র, একটি সোপ অপেরা এবং একটি বি-গ্রেড নোয়া চলচ্চিত্রের মধ্যকার ত্রিমুখী সংঘর্ষের মতো। আমার এটি ভালো লেগেছে। এ ধরনের চলচ্চিত্র হয় দর্শকদের বিনোদন দেয় অথবা ক্ষুব্ধ করে। এর মাঝামাঝি কিছু নেই। হয় আপনি অতিনাটকীয় হাস্যরসাত্মক অশালীনতার সমঝদার, না হয় নন। আপনি নিজেই জানেন আপনি কে। আমি এমন কোনো পোস্টকার্ড পেতে চাই না যেখানে লেখা থাকবে যে এই চলচ্চিত্রটি কুরুচিপূর্ণ। আমি আগেই সতর্ক করছি যে এটি কুরুচিপূর্ণ। কুরুচি চরম নোংরামির পর্যায়ে পৌঁছেছে। ** ''[[w:ওয়াইল্ড থিংস|ওয়াইল্ড থিংস]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/wild-things-1998 পর্যালোচনা] (২০ মার্চ ১৯৯৮) ==== আড়াই তারকা পর্যালোচনা ==== * এটি এমন এক ধরনের চলচ্চিত্র যার সম্পর্কে মানুষকে জিজ্ঞেস করলে তারা বলে, "চলচ্চিত্রটি ভালোভাবে তৈরি করা হয়েছে।" এরপর তারা অস্বস্তিতে মুখ কুঁচকে ফেলে। ** ''[[w:ডেড রিঙ্গার্স (চলচ্চিত্র)|ডেড রিঙ্গার্স]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/dead-ringers-1988 পর্যালোচনা] (২৩ সেপ্টেম্বর ১৯৮৮) * কোনো চলচ্চিত্রই কখনো [[হলোকাস্ট|হলোকাস্টের]] জন্য মানসিক শান্তি দিতে পারেনি। আমি সন্দেহ করি যে কেউ কখনো [[সেপ্টেম্বর ১১-এর হামলা|নাইন-ইলেভেনের]] জন্যও তা দিতে পারবে না। ** ''[[w:এক্সট্রিমলি লাউড অ্যান্ড ইনক্রেডিবলি ক্লোজ (চলচ্চিত্র)|এক্সট্রিমলি লাউড অ্যান্ড ইনক্রেডিবলি ক্লোজ]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/extremely-loud-and-incredibly-close-2012 পর্যালোচনা] (১৮ জানুয়ারি ২০১২) * আমি যে একটি হলোকাস্ট চলচ্চিত্রকে <nowiki>[</nowiki>''[[শিন্ডলার্স লিস্ট]]''<nowiki>]</nowiki> বিনোদনমূলক বলে প্রশংসা করছি তা কি পবিত্রতা নষ্ট করার মতো কোনো অপরাধ? এই শব্দটি এমন কিছু বোঝায় না যে একটি চলচ্চিত্রকে আনন্দদায়ক হতে হবে। আমার মতে এই ঘরানার বিনোদন এমন চরিত্রগুলো থেকে আসে যাদের জীবন্ত করে তোলা হয়, যাদের জন্য আমরা চিন্তা করি এবং যাদের একটি শক্তিশালী গল্পের মধ্যে স্থাপন করা হয়। আমার মূলমন্ত্র হলো, "কোনো ভালো চলচ্চিত্র হতাশাজনক নয়। সব খারাপ চলচ্চিত্রই হতাশাজনক।" ** ''[[w:ইন ডার্কনেস (২০১১-এর চলচ্চিত্র)|ইন ডার্কনেস]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/in-darkness-2011 পর্যালোচনা] (১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১২) * একটি চলচ্চিত্রের উচিত তার চরিত্রগুলোর সামনে একটি সমস্যা তুলে ধরা। এরপর অনেক কষ্টের মধ্য দিয়ে তাদের সেই সমস্যা সমাধান করতে দেখা। একটি পুরোনো ও নির্ভরযোগ্য চিত্রনাট্যের সূত্র এমনটাই বলে। একটি ছেলে ও একটি মেয়েকে নিয়ে অসংখ্য চলচ্চিত্র তৈরি হয়েছে যাদের একটি সমস্যা থাকে (তারা একে অপরের সাথে শারীরিক সম্পর্কে জড়ায়নি)। এরপর নানা বাধা (পরিবার, যুদ্ধ, অর্থনীতি, স্বাস্থ্য, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রেমিক, বোকামিপূর্ণ ভুল বোঝাবুঝি) পেরিয়ে তারা শারীরিক সম্পর্কে জড়ানোর মাধ্যমে সেই সমস্যার সমাধান করে। এখন আমাদের সামনে দুজন সমকামীকে নিয়ে একটি চলচ্চিত্র এসেছে যা একই নির্ভরযোগ্য প্রথা অনুসরণ করে। ** ''[[w:ল্যাটার ডেইজ|ল্যাটার ডেইজ]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/latter-days-2004 পর্যালোচনা] (১৩ ফেব্রুয়ারি ২০০৪) * "দ্য লাকি ওয়ান" মূলত একটি প্রেমের উপন্যাস। তবে নিকোলাস স্পার্কসের দারুণ গল্প বলার ধরন একে অনন্য করে তুলেছে। পাঠকরা তার বইগুলো সত্যি বলে পড়েন না, বরং সেগুলো সত্যি হওয়া উচিত বলে পড়েন। আপনি সহজেই কল্পনা করতে পারেন বাস্তব জীবনে এই গল্পটি কতভাবে ভুল পথে যেতে পারত। কিন্তু কে এমন একটি চলচ্চিত্র দেখতে চায় যেখানে একজন মেরিন সেনা একটি ছবি তোলার জন্য ঝুঁকে পড়ে এবং বিস্ফোরণে উড়ে যায়? অথবা একজন মা তার ছেলেকে বড় করার ও অনেকগুলো ক্ষুধার্ত কুকুরকে খাওয়ানোর চেষ্টা করছে, আর তার অত্যাচারী প্রাক্তন স্বামী মাতাল হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে? এ ধরনের বিষয়গুলো জীবনের খুব কাছাকাছি। ** ''[[w:দ্য লাকি ওয়ান|দ্য লাকি ওয়ান]]'' এর [https://web.archive.org/web/20120505180249/http://rogerebert.com/apps/pbcs.dll/article?AID=/20120418/REVIEWS/120419985/1001 পর্যালোচনা] (১৮ এপ্রিল ২০১২) * এটি তুলে ধরে এমন কিছু জাপানি চলচ্চিত্রের তালিকা আমি দিতে পারি। তবে ''[[w:মেময়ার্স অব আ গেইশা (চলচ্চিত্র)|মেময়ার্স অব আ গেইশা]]'' এর দর্শকরা কোনোভাবেই কম সুন্দরী নারী এবং নিম্নমানের প্রযোজনা মূল্যযুক্ত বেশি বাস্তবসম্মত চলচ্চিত্র দেখতে চান না। ** ''[[w:মেময়ার্স অব আ গেইশা (চলচ্চিত্র)|মেময়ার্স অব আ গেইশা]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/memoirs-of-a-geisha-2005 পর্যালোচনা] (৯ ডিসেম্বর ২০০৫) * এটি এমন এক ধরনের চলচ্চিত্র যার জন্যই হোম ভিডিও আবিষ্কার করা হয়েছিল। প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে দেখার মতো নয়, তবে ভিসিআরে চালিয়ে দেখলে ভাড়ার টাকাটা উসুল হয়ে যাবে। ** ''মাই কাজিন ভিনি'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/my-cousin-vinny-1992 পর্যালোচনা] (১৩ মার্চ ১৯৯২) * আমি দাবি করি না যে সব চলচ্চিত্রে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আমাদের ধরে রাখার মতো একটি গল্প থাকতে হবে। কোয়েন ভাইদের আগের চলচ্চিত্র ''দ্য বিগ লেবোস্কি'' এর অন্যতম আকর্ষণ ছিল যে কীভাবে এর নেশাগ্রস্ত নায়ক নিজের জীবনের খেই হারিয়ে ফেলে। কিন্তু ''ও ব্রাদার, হোয়্যার আর্ট দাউ?'' দেখে আমার মনে হয়েছে যেন উদ্ভাবনী ক্ষমতা হারিয়ে গেছে। মনে হয়েছে কিছু উজ্জ্বল ধারণা অবাক হয়ে ভাবছে কেন তাদের সবাইকে একই চলচ্চিত্রে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ** ''[[w:ও ব্রাদার, হোয়্যার আর্ট দাউ?|ও ব্রাদার, হোয়্যার আর্ট দাউ?]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/o-brother-where-art-thou-2000 পর্যালোচনা] (২৯ ডিসেম্বর ২০০০) * এখন যেহেতু আমরা জানি যে কোয়েন্টিন টারান্টিনো ''রিজারভয়ার ডগস'' এর মতো চলচ্চিত্র তৈরি করতে পারেন, তাই এখন তাঁর সামনে এগিয়ে গিয়ে এর চেয়ে ভালো কিছু তৈরি করার সময় এসেছে। ** ''রিজারভয়ার ডগস'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/reservoir-dogs-1992 পর্যালোচনা] (২৬ অক্টোবর ১৯৯২) * অ্যাকশন দৃশ্যগুলোতেই সব কিছু এলোমেলো হয়ে যায়। সেই দৃশ্যটির কথা ভাবুন যেখানে স্পাইডার-ম্যানকে মেরি জেন অথবা স্কুলগামী বাচ্চাদের বোঝাই একটি কেবল কার বাঁচানোর মধ্যে একটি নিষ্ঠুর পথ বেছে নিতে বলা হয়। সে উভয়কেই বাঁচানোর চেষ্টা করে। ফলে সবাই জালের ওপর ঝুলতে থাকে এবং মনে হয় যেন এখনই তা ছিঁড়ে যাবে। এখানকার দৃশ্যপট জড়িত বিশাল ওজন ও উত্তেজনার একটি ধারণা দিতে পারত। কিন্তু এর পরিবর্তে দৃশ্যটি কেবল এই ধারণার একটি প্রাণহীন স্টোরিবোর্ডের মতো মনে হয়। অন্যান্য সিজিআই দৃশ্যে স্পাইডি প্রচণ্ড উচ্চতা থেকে ছোঁ মেরে রাস্তায় নেমে আসে এবং আবার আকাশচুম্বী ভবনগুলোর মাঝে এমন অবিশ্বাস্য গতিতে উঠে যায় যা কোনো স্টান্টের চেয়ে এর ফাস্ট-ফরোয়ার্ড সংস্করণের মতোই বেশি মনে হয়। ** 'স্পাইডার-ম্যান'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/spider-man-2002 পর্যালোচনা] (৩ মে ২০০২) * আমি খুব ফুরফুরে মেজাজে আনন্দিত মন নিয়ে এটি দেখতে ঢুকিনি। একইভাবে দেখার পর আমি খুব উজ্জীবিত হয়েও বেরিয়ে আসিনি। তবে এই চলচ্চিত্রটি যতটা খারাপ হতে পারত, তার ধারেকাছেও যায়নি। এটি সম্ভবত সেরা টিনেজ মিউট্যান্ট নিনজা টার্টলস চলচ্চিত্র। ** ''টিনেজ মিউট্যান্ট নিনজা টার্টলস'' এর [https://www.rogerebert.com/reviews/teenage-mutant-ninja-turtles-1990 পর্যালোচনা] (৩০ মার্চ ১৯৯০) * আমাকে জানা মানেই আমাকে ভালোবাসা। এই পুরোনো কথাটি জনপ্রিয় হওয়ার একটি কারণ আছে। আমার মনে হয় আমাদের বেশিরভাগই মনের গভীরে বিশ্বাস করি যে যদি কেউ সত্যিই আমাদের জানতে পারে, তবে তারা সত্যিই আমাদের ভালোবাসবে। অথবা অন্তত বুঝতে পারবে কেন আমরা এমন। জীবনের সমস্যা, সম্ভবত প্রধান সমস্যা হলো খুব কম মানুষেরই আমাদের নিয়ে জানার যথেষ্ট কৌতূহল আছে বলে মনে হয়। অথচ আমরা জানি যে আমরা এমন মনোযোগ পাওয়ার যোগ্য। ** ''[[w:টাই মি আপ! টাই মি ডাউন!|টাই মি আপ! টাই মি ডাউন!]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/tie-me-up-tie-me-down-1990 পর্যালোচনা] (২৫ মে ১৯৯০) * এটি এমন একটি চলচ্চিত্র যার দুটি অংশ রয়েছে। এটি জানে কীভাবে স্পেশাল ইফেক্ট ব্যবহার করতে হয়। কিন্তু প্রেমে পড়া দুজন মানুষ কীভাবে আচরণ করতে, কথা বলতে ও চিন্তা করতে পারে সে সম্পর্কে এর কোনো ধারণা নেই। <br /> ''[[w:টপ গান|টপ গান]]'' এর মতো চলচ্চিত্রগুলোর পর্যালোচনা করা কঠিন। কারণ এর ভালো অংশগুলো খুবই ভালো এবং খারাপ অংশগুলো খুব একঘেয়ে। ক্লিন্ট ইস্টউডের ''ফায়ারফক্স'' এর রোমাঞ্চকর আকাশপথের দৃশ্যগুলোর পর এর ডগফাইটগুলো নিঃসন্দেহে সেরা। কিন্তু চরিত্ররা নিজেদের মধ্যে কথা বলছে এমন দৃশ্যগুলো এড়িয়ে চলাই ভালো। ** ''[[w:টপ গান|টপ গান]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/top-gun-1986 পর্যালোচনা] (১৬ মে ১৯৮৬) * আপনি কি শোরগোলপূর্ণ, নির্বোধ, দক্ষ এবং পলায়নী বিনোদন চান? ''টুইস্টার'' ঠিক তাই। আপনি কি চিন্তা করতে চান? তাহলে এটি দেখার আগে দুবার ভাবুন। ** ''[[w:টুইস্টার (১৯৯৬-এর চলচ্চিত্র)|টুইস্টার]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/twister-1996 পর্যালোচনা] (১০ মে ১৯৯৬) ==== দুই তারকা পর্যালোচনা ==== * খেলাধুলার প্রতিযোগিতায় যেকোনো ধরনের ঐশ্বরিক হস্তক্ষেপ নিয়ে আমার সবসময় সন্দেহ ছিল। প্রার্থনার শক্তি অন্য অনেক ক্ষেত্রে অসাধারণ হতে পারে, কিন্তু ঈশ্বর কেন অন্য দলের বদলে আমার দলকে জেতাতে চাইবেন? ঈশ্বরকে বেসবলের প্রতি আগ্রহ দেখাতে বলাটা কি অপমানজনক নয়? ** ''অ্যাঞ্জেলস ইন দ্য আউটফিল্ড'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/angels-in-the-outfield-1994 পর্যালোচনা] (১৫ জুলাই ১৯৯৪) * যেহেতু তারা একসাথে আছে এমন দৃশ্যগুলো তাদের আলাদা হওয়ার দৃশ্যগুলোর চেয়ে অনেক কম বিশ্বাসযোগ্য, তাই এই চলচ্চিত্রটি দেখা মানে নরক থেকে আসা কোনো ডাবল-ডেটে যাওয়ার মতো। ** ''[[w:দ্য ব্রেক-আপ|দ্য ব্রেক-আপ]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/the-break-up-2006 পর্যালোচনা] (২ জুন ২০০৬) * আমরা সম্ভবত দীর্ঘ সময় ধরে ''আ ক্লকওয়ার্ক অরেঞ্জ'' নিয়ে বিতর্ক করব। এটি একটি দীর্ঘ, ক্লান্তিকর ও অর্থহীন সময় হবে। নিউ ইয়র্কের সমালোচকরা আমাদের জন্য এটি নিশ্চিত করেছেন। তারা ''২০০১ (২০০১: আ স্পেস ওডিসি)'' বুঝতে পারেননি, তাই হয়তো তারা এটি দিয়ে স্ট্যানলি কুবরিকের সাথে তাল মেলাতে চাইছিলেন। অথবা হয়তো সংবাদ সাময়িকীগুলোর বড়দিনের জন্য একটি ভালো চলচ্চিত্রের প্রচ্ছদকাহিনির প্রয়োজন ছিল। ** ''আ ক্লকওয়ার্ক অরেঞ্জ'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/a-clockwork-orange-1972 পর্যালোচনা] (১১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২) * [[w:২০০৩ কান চলচ্চিত্র উৎসব|২০০৩ সালে কান চলচ্চিত্র উৎসবে]] যখন চলচ্চিত্রটির প্রিমিয়ার হয়, তখন লার্স ফন ট্রায়ারের বিরুদ্ধে আমেরিকানদের সঠিকভাবে তুলে না ধরার অভিযোগ ওঠে। কিন্তু কয়টি চলচ্চিত্র তা করে? [[w:ডেভিড স্পেড|ডেভিড স্পেড]] এর কোনো চলচ্চিত্রের কথা মনে পড়ে? ফন ট্রায়ার যৌক্তিকভাবেই আমেরিকা নিয়ে একটি কল্পকাহিনি তৈরি করতে পারতেন, এমনকি একটি আমেরিকান-বিরোধী কল্পকাহিনি। তিনি একটি ভালো চলচ্চিত্রও তৈরি করতে পারতেন, কিন্তু এখানে তিনি রাস্তার মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকা কোনো ক্ষিপ্ত নবীর আদর্শগত সূক্ষ্মতা নিয়ে কাজ করেছেন। ** ''[[w:ডগভিল|ডগভিল]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/dogville-2004 পর্যালোচনা] (৯ এপ্রিল ২০০৪) * আমি যে দর্শকদের সাথে বসেছিলাম, তাদের মধ্যে সম্ভবত ৮০ শতাংশই ছিলেন নারী। আমি কিছু কান্নার শব্দ শুনেছি এবং কিছু অশ্রু দেখেছি। অবাক হওয়ার কিছু নেই। ''ইট প্রে লাভ'' হলো নির্লজ্জভাবে ইচ্ছা পূরণের গল্প। এটি একটি আধ্যাত্মিক ভ্রমণকাহিনির সাথে মিশ্রিত [[w:হার্লেকুইন|হার্লেকুইন]] উপন্যাস। এটি দয়াপরবশ হয়ে অনেক মানুষের জীবনের ধারাবাহিকতা উল্টে দেয়, যা হলো লাভ প্রে ইট (ভালোবাসা প্রার্থনা খাওয়া)। ** ''[[w:ইট প্রে লাভ (চলচ্চিত্র)|ইট প্রে লাভ]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/eat-pray-love-2010 পর্যালোচনা] (১১ আগষ্ট ২০১০) * আমি জানি যে আসল [[w:এরিন ব্রকোভিচ|ব্রকোভিচ]] উত্তেজক পোশাক পরতে পছন্দ করতেন। এটি তার ব্যক্তিগত স্টাইল এবং তিনি এটি করতে পারেন। কিন্তু হলিউড সংস্করণে তাকে মিনিস্কার্ট পরা যৌনকর্মীর মতো দেখানো হয়েছে, যার গলার নিচের অংশ থেকে বক্ষবন্ধনী উঁকি দিচ্ছে। ** ''এরিন ব্রকোভিচ'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/erin-brockovich-2000 পর্যালোচনা] (১৭ মার্চ ২০০০) * [[w:ফেম (১৯৮০-এর চলচ্চিত্র)|১৯৮০ সালের চলচ্চিত্রটি]] কেন বিশেষ ছিল তা নিয়ে কোনো ধারণা না থাকলে ''ফেম'' রিমেক করার কী দরকার? কেন একটি আবেগপূর্ণ অভিজ্ঞতা নিয়ে তা একটি অগভীর অনুশীলনে পরিণত করবেন? কেন বাস্তব সমস্যাযুক্ত বিশ্বাসযোগ্য কিশোর-কিশোরীদের নিয়ে একটি আর-রেটেড চলচ্চিত্র শুরু করবেন এবং এটিকে পিজি-রেটেড স্কুল-পরবর্তী বিশেষ অনুষ্ঠানে পরিণত করবেন? কেন এমন অভিনয়শিল্পীদের নির্বাচন করবেন যারা কখনও কখনও শেষ বর্ষের শিক্ষার্থীর চরিত্রে অভিনয়ের জন্য খুব বয়স্ক ও অভিজ্ঞ, আর প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীর কথা তো বাদই দিলাম? ** ''[[w:ফেম (২০০৯-এর চলচ্চিত্র)|ফেম]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/fame-2009 পর্যালোচনা] (২৩ সেপ্টেম্বর ২০০৯) * আমরা সোফায় বসে আছি। আমরা দৃশ্যটির দিকে তাকাই। আমরা আবার তাকাই। আমরা ট্রাভোল্টার দিকে নজর দিই। সে একজন ক্রীড়াবিদ। তার রিফ্লেক্স খুব দ্রুত। সে একই সাথে কয়েকজন শত্রুকে সামলাতে পারে। সে মাথা নিচু করতে পারে, লাফ দিতে পারে, বাধা টপকাতে পারে, ঘুরতে পারে এবং লাফিয়ে উঠতে পারে। সামান্য ভুল হিসাব, এবং সে মারা যাবে। সে একটুকুও ভুল করে না। সে খুব ভালো অবস্থায় আছে, বিশেষ করে এমন একজনের জন্য যার প্রিয় খাবার চিজ রয়্যাল। এটি একটি ছোট রসিকতা যা আমাদের "পাল্প ফিকশন" এর কথা মনে করিয়ে দেয়। আর '''দর্শকদের এমন কোনো চলচ্চিত্রের কথা মনে করিয়ে দেওয়া উচিত নয় যা তারা বাড়িতে বসে দেখতে বেশি পছন্দ করত।''' ** ''[[w:ফ্রম প্যারিস উইথ লাভ (চলচ্চিত্র)|ফ্রম প্যারিস উইথ লাভ]]'' এর [https://www.rogerebert.com/reviews/from-paris-with-love-2010 পর্যালোচনা] (৩ ফেব্রুয়ারি ২০১০) * এই দীর্ঘ চলচ্চিত্রের শেষে আমি কেবল একটু নীল আকাশ দেখার বিনিময়ে যেকোনো গ্ল্যাডিয়েটরের বিজয় ছেড়ে দিতে প্রস্তুত ছিলাম। ''গ্ল্যাডিয়েটর'' এ কোনো আনন্দ নেই। এটি ব্যক্তিত্বের বিকল্প হিসেবে বিষণ্ণতাকে ব্যবহার করে। এর ধারণা হলো, চরিত্রগুলো যদি যথেষ্ট তিক্ত ও বিষণ্ণ হয়, তবে তারা কতটা একঘেয়ে তা আমরা খেয়াল করব না। ** ''গ্ল্যাডিয়েটর'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/gladiator-2000 পর্যালোচনা] (৫ মে ২০০০) * আমাকে পাষাণহৃদয় বলুন, সন্দেহবাতিক বলুন, কিন্তু তারা যদি ''হোম অ্যালোন ৩'' তৈরি করে তবে দয়া করে আমাকে ডাকবেন না। ** ''[[w:হোম অ্যালোন ২: লস্ট ইন নিউ ইয়র্ক|হোম অ্যালোন ২: লস্ট ইন নিউ ইয়র্ক]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/home-alone-2-lost-in-new-york-1992 পর্যালোচনা] (২০ নভেম্বর ১৯৯২) * ডব্লিউ. সি. ফিল্ডস একটি শিশু, একটি কুকুর বা গভীর গলার পোশাক পরা কারও সাথে একই দৃশ্যে উপস্থিত হওয়াকে ঘৃণা করতেন। কারণ তখন দর্শকরা কেউই তার দিকে তাকাবে না। [[w:জেনিফার অ্যানিস্টন|জেনিফার অ্যানিস্টন]] এই চলচ্চিত্রে একই সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন, এমনকি যখন তিনি দৃশ্যে সম্পূর্ণ একা থাকেন তখনও। ** ''[[w:পিকচার পারফেক্ট (১৯৯৭-এর চলচ্চিত্র)|পিকচার পারফেক্ট]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/picture-perfect-1997 পর্যালোচনা] (১ আগষ্ট ১৯৯৭) * আপনি একসময় খারাপ চলচ্চিত্র বাজেভাবে তৈরি হওয়ার ওপর নির্ভর করতে পারতেন। এখন আর তা হয় না। ''দ্য পানিশার: ওয়ার জোন'' [সিক] আমার দেখা সেরা বাজে চলচ্চিত্রগুলোর একটি। এর একমাত্র ত্রুটি হলো এটি জঘন্য। ** ''[[w:পানিশার: ওয়ার জোন|পানিশার: ওয়ার জোন]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/punisher-war-zone-2008 পর্যালোচনা] (৩ ডিসেম্বর ২০০৮) * প্রসূতি ওয়ার্ডের শুরুর একটি গীতিময় দৃশ্যের কথা ভাবুন। সেখানে টমি পিকলস এবং তার বন্ধু চাকি ফিনস্টার এবং ফিল ও লিল ডেভিল টমির নতুন ছোট ভাই দিলবার্টকে এক নজর দেখার আশা করছে। (দিল পিকলস — বুঝতে পেরেছেন? ''রাগ্র্যাটস'' ভক্তদের জন্য এটি সর্বোচ্চ স্তরের রসিকতা।) তারা বাচ্চাদের জাগিয়ে তোলে, যারা এমন একটি দৃশ্য করে যা দেখে মনে হয় [[w:বাসবি বার্কলি|বাবসি বার্কলির]] দ্বারা অনুপ্রাণিত। শুধু পার্থক্য হলো, বার্কলি মেয়েদের কখনোই নিজেদের নাচের পানির ব্যবস্থা করতে হয়নি, যদি আপনি আমার কথা বুঝতে পারেন। ** ''[[w:দ্য রাগ্র্যাটস মুভি|দ্য রাগ্র্যাটস মুভি]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/the-rugrats-movie-1998 পর্যালোচনা] (২০ নভেম্বর ১৯৯৮) * ''শোগার্লস'' হলো কয়েক বছরের মধ্যে প্রথম বড় বাজেটের "কেবল প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য" চলচ্চিত্র। নিশ্চিতভাবে বলতে গেলে, এতে এতটাই নগ্নতা রয়েছে যে সেক্সি অংশগুলো তখনই দেখা যায় যখন মেয়েরা তাদের পোশাক পরে। তবে এর মধ্যে কোনো সত্যিকারের কামুকতা নেই। এ কারণেই আমি মনে করি এটি যৌন কল্পনার ওপর ভিত্তি করে তৈরি। কামুকতার জন্য দুজনের মধ্যে একটি মানসিক সংযোগ প্রয়োজন, অন্যদিকে হস্তমৈথুনের জন্য কেবল অন্য ব্যক্তির ছবির প্রয়োজন। ** ''শোগার্লস'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/showgirls-1995 পর্যালোচনা] (২২ সেপ্টেম্বর ১৯৯৫) * কৃতিত্ব অনুযায়ী, ''ট্রয়'' হোমারের মহাকাব্য ''[[w:ইলিয়াড|ইলিয়াড]]'' এর ওপর ভিত্তি করে তৈরি। হোমারের এস্টেটের উচিত তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা। ** ''ট্রয়'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/troy-2004 পর্যালোচনা] (১৪ মে ২০০৪) * [[w:ফিলিপ কফম্যান|ফিলিপ কফম্যানের]] ''টুইস্টেড'' থ্রিলারের মতো হাঁটে এবং থ্রিলারের মতো কথা বলে, কিন্তু এটি টার্কির মতো ডাকে। <br /> এবার ''[[w:দেউস এক্স মাকিনা|দেউস এক্স মাকিনা]]'' তে ফিরে যাওয়া যাক। এটি এমন একটি শব্দগুচ্ছ যা আপনি শিখতে এবং আয়ত্ত করতে চাইবেন। এটি কেবল দীর্ঘ বাস যাত্রার সময় বন্ধুদের অবাক করার জন্য নয়, বরং এটি এমন কিছুকে নিখুঁতভাবে বর্ণনা করে যা বোঝাতে হয়তো হাজার হাজার শব্দ লাগতে পারে। একটি মঞ্চে একটি নাটকের কথা ভাবুন। নায়ক সমস্যায় পড়েছে। ড্রাগন আগুন ছাড়ছে, তার তলোয়ার ভেঙে গেছে, তার পা ভেঙে গেছে, তার মনোবল ভেঙে গেছে, এবং নাট্যকারের কল্পনা ভেঙে গেছে। হঠাৎ মঞ্চের বাইরে থেকে গিয়ার ঘোরানোর শব্দ শোনা যায়। একটি অদৃশ্য যন্ত্র একজন ঈশ্বরকে মঞ্চে নামিয়ে আনে। সেই ঈশ্বর ড্রাগনটিকে হত্যা করেন, নায়ককে সুস্থ করেন এবং নাট্যকারকে বরখাস্ত করেন। তিনি হলেন "যন্ত্র থেকে আসা ঈশ্বর।" ** ''[[w:টুইস্টেড (২০০৪-এর চলচ্চিত্র)|টুইস্টেড]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/twisted-2004 পর্যালোচনা] (২৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৪) * ''ভ্যালেন্টাইন্স ডে'' কে একটি ডেট মুভি হিসেবে বাজারজাত করা হচ্ছে। আমার মনে হয় এটি মূলত একটি ফার্স্ট-ডেট মুভি। যদি আপনার ডেট এটি পছন্দ করে, তবে সেই ব্যক্তির সাথে আর ডেট করবেন না। আর যদি আপনি এটি পছন্দ করেন, তবে হয়তো দ্বিতীয় কোনো ডেট আর হবে না। ** ''[[w:ভ্যালেন্টাইন্স ডে (চলচ্চিত্র)|ভ্যালেন্টাইন্স ডে]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/valentines-day-2010 পর্যালোচনা] (১০ ফেব্রুয়ারি ২০১০) * কোনো ভালো কৌতুক অভিনেতাকে এমন একটি চলচ্চিত্রে হাস্যরসাত্মক হওয়ার চেষ্টা করতে দেখার চেয়ে একাকী দৃশ্য আর খুব কমই আছে, যে চলচ্চিত্রটি নিজেই জানে না যে হাস্যরস কী। ** ''ওয়েডিং ক্র্যাশারস'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/wedding-crashers-2005 পর্যালোচনা] (১৪ জুলাই ২০০৫) ==== দেড় তারকা পর্যালোচনা ==== * ''[[w:বেসিক ইন্সটিংক্ট ২|বেসিক ইন্সটিংক্ট ২]]'' কোনো যৌক্তিক বা সমর্থনযোগ্য উপায়ে ভালো নয়। আবার এটি অযৌক্তিক বা অসমর্থনযোগ্য উপায়ে খারাপও নয়। আধুনিক স্থাপত্যের শীতল বিমূর্ততা আমার দারুণ লেগেছে। এটি দেখে মনে হয় মানুষগুলো যেন ভবনের সাথেই এসেছে। আমি লন্ডনে বাস্তবে থাকা সেই অদ্ভুত গগনচুম্বী ভবনটি দেখে হেসেছি। চলচ্চিত্রের শুরুতে যে বেপরোয়া যৌনতা ও গতির দৃশ্য রয়েছে (যা আশ্চর্যের বিষয় যে শিকাগোতে শ্যুট করা হয়েছে বলে মনে হয়), সেটি আমার ভালো লেগেছে। কাহিনিটি কেবল আমার সাথে মজা করছে, এটি মেনে নেওয়ার পর আমি তা উপভোগ করতে পেরেছি। আপনি এতে মগ্ন হতে পারেন। '''পাদটীকা ২:''' আমার দেড় তারকা রেটিং হলো এক পশলা শীতল বৃষ্টির মতো। এটি আমার মনকে চার তারকা দেওয়া থেকে বিরত রাখার জন্য তৈরি। ** ''[[w:বেসিক ইন্সটিংক্ট ২|বেসিক ইন্সটিংক্ট ২]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/basic-instinct-2-2006 পর্যালোচনা] (৩১ মার্চ ২০০৬) * এই চলচ্চিত্রে [[w:মিশেল ফাইফার|মিশেল ফাইফার]] [[w:লুঅ্যান জনসন|লুঅ্যান জনসন]] এর চরিত্রে অভিনয় করেছেন। তাঁর শেখানোর পদ্ধতিগুলো বেশ উদ্ভাবনী। তিনি তাদের ক্যান্ডি বার এবং অ্যামিউজমেন্ট পার্কে বিনামূল্যে ভ্রমণের প্রলোভন দেখান। তিনি তাদের গুরুত্বপূর্ণ কবি বব ডিলানের শব্দের সাথে যুক্ত করেন (ট্যাম্বুরিন ম্যান হয়তো কোনো মাদক ব্যবসায়ী ছিল!)। শীঘ্রই তারা স্কুলের লাইব্রেরিতে বব ডিলান এবং ডিলান থমাসের মধ্যে সম্পর্ক খুঁজে বের করে। ক্যান্ডি বার এবং বব ডিলানের "প্রাসঙ্গিকতা" দিয়ে ঘুষ দিয়ে সুবিধাবঞ্চিত এই শহরের ভেতরের বাচ্চারা ঠিক কী অর্জন করবে? তারা কি পড়তে এবং লিখতে পারবে? তারা কি চাকরির বাজারে প্রতিযোগিতা করতে পারবে? যে শিক্ষাব্যবস্থা তাদের এমন একটি পর্যায়ে নিয়ে এসেছে, যা আমরা প্রথম শ্রেণিকক্ষের দৃশ্যে দেখি, তা তাদের এতটা শোচনীয়ভাবে ব্যর্থ করেছে যে মিস জনসনের কোনো কারাতে শিক্ষাই খুব একটা কাজে আসবে না। ** ''[[w:ডেঞ্জারাস মাইন্ডস|ডেঞ্জারাস মাইন্ডস]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/dangerous-minds-1995 পর্যালোচনা] (১১ আগষ্ট ১৯৯৫) * ওপরতলার শোবার ঘরে বৃদ্ধা অ্যান খুব ধীরে ধীরে মারা যাচ্ছে। সে অনেক বছর আগের বিয়ের রাত এবং পরের সকালের ঘটনাগুলো মনে করছে। আইরিশ উচ্চারণের একজন নার্স ([[w:এইলিন অ্যাটকিন্স|এইলিন অ্যাটকিন্স]]) তার দেখাশোনা করছে। সে মাঝে মাঝে তাকে মনে করিয়ে দেয়, "একটি খুশির সময়ের কথা মনে করুন!" অ্যানের একটি খুশির সময়ের স্মৃতি ভেসে ওঠে। এটি এতই সাধারণ যে যদি এটি তার জীবনের একটি সেরা মুহূর্ত হিসেবে বিবেচিত হয়, তবে তা প্যারিস হিলটনের একটি ভালো চুইংগামের কথা মনে করার সাথে তুলনীয়। ** ''[[w:ইভনিং (চলচ্চিত্র)|ইভনিং]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/evening-2007 পর্যালোচনা] (২৯ জুন ২০০৭) * ১৯৮৪ সালের চলচ্চিত্রের রিমেকের ক্ষেত্রে একটি কথা বলা যেতে পারে, যা মূল চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্য ব্যবহার করে। ২০১১ সালের এই সংস্করণটি এতটাই মিল সম্পন্ন — কখনও কখনও গানে গানে এবং লাইনে লাইনে — যে আমি দুষ্টুমি করে [http://www.rogerebert.com/reviews/footloose-1984 আমার ১৯৮৪ সালের পর্যালোচনাটি] হুবহু ছাপানোর জন্য প্রলুব্ধ হয়েছিলাম। কিন্তু সেটা করা ভুল হতো। ** ''[[w:ফুটলুস (২০১১-এর চলচ্চিত্র)|ফুটলুস]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/footloose-2011 পর্যালোচনা] (১২ অক্টোবর ২০১১) * এটি এমন একটি গৃহযুদ্ধের চলচ্চিত্র যা হয়তো ট্রেন্ট লট উপভোগ করবেন। এটি ''গন উইথ দ্য উইন্ড'' এর চেয়ে কম আলোকিত, সামরিক কৌশলের প্রতি আচ্ছন্ন, দক্ষিণ ও উত্তরের মধ্যে নিরপেক্ষ এবং ধর্মীয়ভাবে নিবেদিত। এটি আফ্রিকান আমেরিকানদের জন্য দুটি কথা বলার ভূমিকার প্রথমটি চালু করার জন্য ৭০ মিনিট অপেক্ষা করে। "স্টোনওয়াল" জ্যাকসন তার কৃষ্ণাঙ্গ বাবুর্চিকে আশ্বস্ত করেন যে দক্ষিণ তাকে মুক্ত করবে, এবং বাবুর্চিকে সতর্কভাবে আশাবাদী বলে মনে হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকে যদি এভাবে পরিচালনা করা হতো, তবে নরক নেমে আসত। ** ''[[w:গডস অ্যান্ড জেনারেলস (চলচ্চিত্র)|গডস অ্যান্ড জেনারেলস]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/gods-and-generals-2003 পর্যালোচনা] (২১ ফেব্রুয়ারি ২০০৩) * [[w:কান চলচ্চিত্র উৎসব|কান চলচ্চিত্র উৎসবের]] পালাইসে ''গডজিলা'' দেখতে যাওয়া অনেকটা [[w:সেন্ট পিটার্স ব্যাসিলিকা|সেন্ট পিটার্স ব্যাসিলিকায়]] কোনো শয়তানের আচার অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার মতো। ভবনটি যে বিশ্বাসের প্রতিনিধিত্ব করে, এটি তার প্রতি একটি তিরস্কার। কানের কর্তৃপক্ষ আবেগপূর্ণভাবে বিশ্বাস করে যে চলচ্চিত্র বুদ্ধিদীপ্ত, হৃদয়গ্রাহী এবং মহৎ হতে পারে। ''গডজিলা'' হলো একটি বিশাল, কুৎসিত এবং বিশ্রী যন্ত্র। এটি কিশোর-কিশোরীদের মনে এমন একটি ধারণা তৈরি করার জন্য তৈরি যে তারা একটি চলচ্চিত্র দেখছে। প্যারেডের শেষে ঘোড়া আসার মতো এটি উৎসবের সমাপনী চলচ্চিত্র ছিল। সম্ভবত একই কারণেই এটি শেষে রাখা হয়েছিল। ** ''[[w:গডজিলা (১৯৯৮-এর চলচ্চিত্র)|গডজিলা]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/godzilla-1998 পর্যালোচনা] (২৬ মে ১৯৯৮) * ''ইমমর্টালস'' নিঃসন্দেহে আপনার দেখা সবচেয়ে সুন্দর অথচ জঘন্য চলচ্চিত্র। কেবল [[w:এইকো ইশিওকা|এইকো ইশিওকার]] পোশাক নকশাই একটি [[w:শ্রেষ্ঠ পোশাক নকশা বিভাগে একাডেমি পুরস্কার|অস্কার মনোনয়নের]] দাবিদার। প্রিভিউ দেখার পর এলিভেটরে এক নারী বিরক্তি প্রকাশ করে বললেন, "এগুলো মোটেও ঐতিহাসিকভাবে সঠিক ছিল না।" যেন দেবতাদের পোশাক নিয়ে অনেক তথ্যপ্রমাণ রয়েছে। তিনি আরও যোগ করলেন, "আমি মনে করি [[w:শিকাগো ব্ল্যাকহকস|ব্ল্যাকহকস]] গেমসে পাওয়া বিনামূল্যের টিকিট ব্যবহার করার এটাই আমাদের শাস্তি।" ** ''[[w:ইমমর্টালস (২০১১-এর চলচ্চিত্র)|ইমমর্টালস]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/immortals-2011 পর্যালোচনা] (৯ নভেম্বর ২০১১) * আমি সম্পূর্ণ একা ''দ্য লোনলি গাই'' দেখেছি। এটি ছিল শনিবারের এমন একটি বিকেল, যখন ধূসর রঙের তুষারপাত হচ্ছিল। এমনকি আপনি অপরিচিতদের উত্তর দেওয়ার মেশিনে একটি ভালো রেকর্ড করা বার্তাও পাবেন না... "শুভকামনা," একজন দারোয়ান আমাকে বলেছিলেন। "আপনার এটির প্রয়োজন হবে।" তিনি সঠিক ছিলেন... ''দ্য লোনলি গাই'' এমন এক ধরনের চলচ্চিত্র যা মনে হয় জানুয়ারির মেঘলা বিকেলে খালি প্রেক্ষাগৃহে চালানোর জন্যই তৈরি করা হয়েছে... এটি এমন এক ধরনের চলচ্চিত্র যা আপনাকে পর্দায় দৃশ্যমান বাণিজ্যিক পণ্যগুলো গণনা করে নিজেকে বিভ্রান্ত করতে অনুপ্রাণিত করে। আপনি ভাবতে শুরু করেন যে প্রস্তুতকারকেরা চলচ্চিত্রে এগুলো দেখানোর জন্য ফি দিয়েছিলেন কি না। আমি দুটি ডায়েট সেভেন-আপ, দুটি ট্যাব এবং স্টিভ মার্টিনকে গণনা করেছি। ** ''[[w:দ্য লোনলি গাই|দ্য লোনলি গাই]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/the-lonely-guy-1984 পর্যালোচনা] (১ জানুয়ারি ১৯৮৪) * আমি রটেন টম্যাটোজে ঘুরছিলাম। ব্যাংকের নিরাপত্তারক্ষী প্রধান চরিত্রে কে অভিনয় করেছেন তা বের করার চেষ্টা করছিলাম। তখন খেয়াল করলাম যে চলচ্চিত্রটি তখনও কেউ পর্যালোচনা করেনি। অপেক্ষা করুন! এই চলচ্চিত্রের "ফোরাম" বিভাগে, "আইল্যান্ডহোম" ৮ জানুয়ারি সকাল ৭:৫৮ মিনিটে লিখেছে: "এই চলচ্চিত্রের পর্যালোচনা... আজ রাতে আমি পোস্ট করব।" ১০ জানুয়ারি সকাল ১১:১৯ মিনিটে, "আইল্যান্ডহোম" অবশেষে তার প্রতিশ্রুত পর্যালোচনা নিয়ে ফিরে আসে। এটি ছোট হাতের অক্ষরে লেখা হয়েছে এবং কবিতার মতো বাম দিকে সারিবদ্ধ করা হয়েছে। আমি এটি বানানসহ হুবহু উদ্ধৃত করছি: ::''হ্যালো দুঃখিত আমি ফিরে এসে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম'' ::''যাই হোক এটি বেশ মজার ছিল'' ::''যেভাবে দেখানো হয়েছে সেভাবে এটি কখনও হতে পারে না'' ::''তবে যাই হোক এটি একটি চলচ্চিত্র'' ::''মেয়েদের জন্য বেশিরভাগই এটি পছন্দ করবে'' ::''এবং পুরুষরা এটি খুব একটা অপছন্দ করবে না'' ::''আমি ভেবেছিলাম এটি কিছুটা হাউ টু বিট দ্য হাই কস্ট অফ লিভিং এর মতো হবে'' ::''কিছুটা একই রকম কিন্তু ততটা মজার নয়'' ::''আমি এটিকে ১০ এর মধ্যে ৪ দেব'' :আমি এটি দুবার, তিনবার পড়েছি। আমি আমার নিজের পর্যালোচনার জন্য বিভিন্ন প্রথম বাক্য পরীক্ষা করে দেখছিলাম। কিন্তু কোনোভাবে আইল্যান্ডহোমের পর্যালোচনার বিশুদ্ধতা ও প্রত্যক্ষতা আমাকে থামিয়ে দেয়। এটি খুবই চূড়ান্ত। "মেয়েদের জন্য বেশিরভাগই এটি পছন্দ করবে / এবং পুরুষরা এটি খুব একটা অপছন্দ করবে না।" আপনি এর চেয়ে ভালো কীভাবে বলতে পারেন? এটি চার্লস বুকোভস্কির যোগ্য। ...মূল কথা হলো কিছু মেয়ের এটি ভালো লাগবে, পুরুষদের ততটা নয়, এবং আমি এটিকে ৪ এর মধ্যে ১½ তারকা দিচ্ছি। ** ''[[w:ম্যাড মানি (চলচ্চিত্র)|ম্যাড মানি]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/mad-money-2008 পর্যালোচনা] (১৭ জানুয়ারি ২০০৮) * ''ক্লার্কস'' একজন মৌলিক নির্মাতার আত্মবিশ্বাসী ও স্পষ্ট কণ্ঠস্বরের কথা বলেছিল। ''মলর‍্যাটস'' এ সেই কণ্ঠস্বর অবরুদ্ধ। এর বদলে আমরা ক্লান্ত, প্রতিষ্ঠিত, ভীরু এবং অন্যান্য পরিচিত হলিউড নির্বাহীদের উপদেশ শুনতে পাই। যে বছর ''ক্লার্কস'' [[w:১৯৯৪ কান চলচ্চিত্র উৎসব|কান চলচ্চিত্র উৎসবে]] প্রদর্শিত হয়েছিল, আমি স্বাধীন নির্মাতাদের একটি প্যানেল আলোচনার সভাপতি ছিলাম। তাদের বেশিরভাগই হলিউডের নিরাপদ কৌশলগুলো থেকে মুক্ত থাকার জন্য নিজেদের সংগ্রামের কথা বলেছিলেন। কিন্তু কেভিন স্মিথ আনন্দের সাথে বলেছিলেন যে স্টুডিওগুলো যদি তার চলচ্চিত্রের জন্য টাকা দেয়, তবে তারা যা চাইবে তিনি সানন্দে তাই করবেন। সে সময় আমি ভেবেছিলাম তিনি রসিকতা করছেন। ** ''[[মলর‍্যাটস|মলর‍্যাটস]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/mallrats-1995 পর্যালোচনা] (২০ অক্টোবর ১৯৯৫) * আমরা এ ধরনের কমেডি দেখে দুটি কারণে হাসতে পারি: কারণ আমরা চরিত্রগুলোর চেয়ে নিজেদের শ্রেষ্ঠ মনে করি, অথবা কারণ আমরা তাদের করুণা করি বা পছন্দ করি। আমি মানুষের দিকে তাচ্ছিল্য করে হাসতে খুব একটা পছন্দ করি না। এই কারণেই অ্যাডাম স্যান্ডলারের কমেডিগুলো আমাকে অস্বস্তিতে ফেলে (আমি জানি বেশিরভাগ মানুষ হাসে কারণ তারা তাকে পছন্দ করে)। নেপোলিয়ন ডিনামাইটের ক্ষেত্রে আমি তাকে মোটেও পছন্দ করি না। তবে চলচ্চিত্রটিও তাকে পছন্দনীয় করার কোনো চেষ্টা করে না। এটি তার গল্প বলে এবং আমাদের হাসতে বলা হয়। কারণ আমরা এমন হাস্যরস খুঁজে পাই যা চলচ্চিত্রটি না জানার ভান করে। ** ''[[নেপোলিয়ন ডিনামাইট|নেপোলিয়ন ডিনামাইট]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/napoleon-dynamite-2004 পর্যালোচনা] (১৮ জুন ২০০৪) * তারা বলে বেসবল জনপ্রিয় কারণ সবাই মনে করে তারা এটি খেলতে পারে। [[w:ম্যারি-কেট ও অ্যাশলি ওলসেন|ওলসেন যমজদের]] জনপ্রিয়তার ব্যাখ্যাও হয়তো একই রকম। কিশোরীরা তাদের ভালোবাসে কারণ তারা বিশ্বাস করে যে তারা তাদের মতো হতে পারে। সর্বোপরি, ম্যারি-কেট এবং অ্যাশলি ''নিউ ইয়র্ক মিনিট'' এ এমন কী করে যা যুক্তিসঙ্গতভাবে উপস্থাপনযোগ্য কোনো কিশোরী করতে পারে না? তাদের কর্মজীবন তারা যা করে তার ওপর প্রতিষ্ঠিত নয়, বরং তাদের ভক্তদের পরোক্ষ পরিচিতির ওপর প্রতিষ্ঠিত। ভক্তরা এমন দুজন মেয়েকে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করতে দেখে আনন্দ পায়, যারা এমন কিছু করছে যা প্রায় যে কেউই করতে পারে। ** ''[[w:নিউ ইয়র্ক মিনিট (চলচ্চিত্র)|নিউ ইয়র্ক মিনিট]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/new-york-minute-2004 পর্যালোচনা] (৭ মে ২০০৪) * ''পার্ল হারবার'' হলো তিন ঘণ্টার মধ্যে আটকে দেওয়া দুই ঘণ্টার একটি চলচ্চিত্র। এটি ১৯৪১ সালের ৭ ডিসেম্বর কীভাবে জাপানিরা একটি আমেরিকান ত্রিভুজ প্রেমের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়েছিল তা নিয়ে তৈরি। এর মূল অংশ হলো ৪০ মিনিটের অপ্রয়োজনীয় স্পেশাল ইফেক্ট, যা একটি বিস্ময়করভাবে সাধারণ প্রেমের গল্প দ্বারা বেষ্টিত। চলচ্চিত্রটি কোনো সৌন্দর্য, দৃষ্টিভঙ্গি বা মৌলিকতা ছাড়াই পরিচালিত হয়েছে। যদিও আপনি বের হওয়ার সময় এর সংলাপ উদ্ধৃত করতে পারেন, তবে তা এই কারণে নয় যে আপনি সেগুলোর প্রশংসা করেন। ** ''[[w:পার্ল হারবার (চলচ্চিত্র)|পার্ল হারবার]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/pearl-harbor-2001 পর্যালোচনা] (২৫ মে ২০০১) * এটি অনেকটা উচ্চ বিদ্যালয়ের কোনো প্রযোজনার মতো যা আপনি [[w:স্টেপেনউলফ থিয়েটার কোম্পানি|স্টেপেনউলফ]] এ দেখেছেন। যেখানে নাটক ক্লাসের সবচেয়ে মেধাবী শিক্ষার্থীরা [[w:জন মালকোভিচ|জন মালকোভিচ]] এবং [[w:জোন অ্যালেন|জোন অ্যালেনের]] চরিত্রে অভিনয় করছে। ** ''দ্য পিংক প্যান্থার'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/the-pink-panther-2006 পর্যালোচনা] (১০ ফেব্রুয়ারি ২০০৬) * এই নতুন সংস্করণটি দেখার সময় আমার কাছে অদ্ভুতভাবে মনে হচ্ছিল যেন আমি ব্রডওয়ে কাস্ট ছাড়াই একটি প্রাদেশিক স্টক কোম্পানিকে তাদের সাধ্যমতো সেরাটা করার চেষ্টা করতে দেখছি। আমার সেই বিস্ময়কর শিশুটির কথা মনে পড়ে গেল যাকে একজন বিখ্যাত পিয়ানোবাদকের জন্য পারফর্ম করার জন্য ডাকা হয়েছিল। শিশুটি পিয়ানোর টুলে উঠে বসে এবং দারুণ গতি ও নিখুঁতভাবে চপিনের কোনো একটি সুর বাজায়। এরপর মহান সংগীতশিল্পী শিশুটির মাথায় হাত বুলিয়ে বলেন, 'তুমি সুর বাজাতে পারো। একদিন হয়তো তুমি সংগীত বাজাতে পারবে।' ** ''সাইকো'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/psycho-1998 পর্যালোচনা] (৬ ডিসেম্বর ১৯৯৮) * এটি এমন একটি চলচ্চিত্র যা প্রতিটি মুহূর্তকে এর যোগ্যতার চেয়ে বেশি টেনে লম্বা করে। এর ফলে এমনকি অনুপ্রেরণার মুহূর্তগুলোকেও জোরপূর্বক মনে হয়। যেহেতু চলচ্চিত্রের মূল ধারণাটি ভালো এবং কলাকুশলীদের মধ্যে প্রতিভাবান মানুষ রয়েছেন, তাই বলা যায় চলচ্চিত্রটি তার নিজস্ব জোরপূর্বক ও অস্বাভাবিক শৈলীর দ্বারাই ধ্বংস হয়েছে। ** ''রেইজিং অ্যারিজোনা'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/raising-arizona-1987 পর্যালোচনা] (২০ মার্চ ১৯৮৭) * এরা বোকা নয়। এরা কয়েকজন দারুণ ছেলে, এবং এটাই ''রিভেঞ্জ অব দ্য নার্ডস ২'' এর মূল সমস্যা। এই চলচ্চিত্রের সত্যিকারের বোকাদের নিয়ে কাজ করার সাহস নেই। এটি ঝুঁকি এড়িয়ে চলে। একজন বোকা বোকা হয় না কারণ সে কম্পিউটার বোঝে এবং তার শার্টের পকেটে একটি প্লাস্টিকের পেন প্রটেক্টর পরে। একজন বোকা বোকা হয় কারণ সে জীবনে এক বিশেষ ধরনের কমনীয়তার অভাব নিয়ে আসে। তার কোনো স্টাইল থাকে না। সে অন্য মানুষের অনুভূতি বুঝতে অক্ষম। একজন বোকা ভেতর থেকে বোকা হয়, যা এই চলচ্চিত্র তৈরিকারী বোকারা কখনও বুঝতে পারবে না। ** ''[[w:রিভেঞ্জ অব দ্য নার্ডস ২: নার্ডস ইন প্যারাডাইস|রিভেঞ্জ অব দ্য নার্ডস ২: নার্ডস ইন প্যারাডাইস]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/revenge-of-the-nerds-ii-nerds-in-paradise-1987 পর্যালোচনা] (১৩ জুলাই ১৯৮৭) * আমি জানি যে অন্য গ্রহ থেকে আসা এলিয়েনদের নিউ মেক্সিকোতে আসার নিয়ম আছে, কিন্তু তারা সেখানে থাকে কেন? ** ''থর'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/thor-2011 পর্যালোচনা] (১০ মে ২০১১) ==== এক তারকা পর্যালোচনা ==== * শিকাগো থেকে ডি. কেপেশ লিখেছেন, "আপনি কি কখনও কোনো স্ক্রিনিংয়ের সময় পরে যে পর্যালোচনাটি লিখবেন তা নিয়ে ভাবতে গিয়ে বিভ্রান্ত হন? এতটা বিভ্রান্ত যে চলচ্চিত্রের কিছু অংশ মিস করে ফেলেন?" কখনও কখনও অবস্থা এর চেয়েও খারাপ হয়, ডি.। কখনও কখনও কোনো চলচ্চিত্র এতটাই বুদ্ধিহীন হয় যে আমি পর্যালোচনার জন্য চতুর লাইন ভাবার চেষ্টা ছেড়ে দিই। আমি পরাজয় স্বীকার করে সত্যিই চলচ্চিত্রটি দেখার দিকে মনোযোগ দিই। আমি একে ধ্যান করার একটি সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করি। আমার মন্ত্র হলো "আর্গ ... আর্গ ... " ** ''[[w:আ নাইট অ্যাট দ্য রক্সবেরি|আ নাইট অ্যাট দ্য রক্সবেরি]]'' এর [https://www.rogerebert.com/reviews/a-night-at-the-roxbury-1998 পর্যালোচনা] (২ অক্টোবর ১৯৯৮) * আমার মনে আছে যখন হার্ডকোর প্রথম সাধারণ বিষয়ে পরিণত হয়েছিল। তখন আলোচনা হতো যে কোনো সিরিয়াস পরিচালক যদি কখনও কোনো পর্নো চলচ্চিত্র তৈরি করেন, তবে তা কেমন হবে। ''অ্যানাটমি অব হেল'' বিচার করে উত্তরটি হলো যে, দর্শকরা সিদ্ধান্ত নেবেন তাদের আসলে এমন সিরিয়াস কোনো পরিচালকের প্রয়োজন নেই। ** ''[[w:অ্যানাটমি অব হেল|অ্যানাটমি অব হেল]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/anatomy-of-hell-2004 পর্যালোচনা] (১২ নভেম্বর ২০০৪) * অবশেষে এটি এখানে, প্রথম ১৫০ মিনিটের ট্রেলার। ''আর্মাগেডন'' কে এর নিজস্ব হাইলাইট হিসেবে একসাথে কাটা হয়েছে। এলোমেলোভাবে যেকোনো ৩০ সেকেন্ড নিন, আপনি একটি টিভি বিজ্ঞাপন পেয়ে যাবেন। এই চলচ্চিত্রটি চোখ, কান, মস্তিষ্ক, কাণ্ডজ্ঞান এবং মানুষের বিনোদন পাওয়ার আকাঙ্ক্ষার ওপর একটি আক্রমণ। '''ভেতরে ঢোকার জন্য তারা যাই চার্জ করুক না কেন, বেরিয়ে আসাটা এর চেয়ে বেশি মূল্যবান।''' ** ''[[w:আর্মাগেডন (চলচ্চিত্র)|আর্মাগেডন]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/armageddon-1998 পর্যালোচনা] (১ জুলাই ১৯৯৮) * তো ঠিক আছে। ধরুন আপনি উপন্যাসটি জানেন, আপনি আইন র‍্যান্ডের সাথে একমত, আপনি একজন অবজেক্টিভিস্ট বা লিবারটেরিয়ান, এবং আপনি আগ্রহের সাথে এই চলচ্চিত্রটির জন্য অপেক্ষা করছিলেন। ভাই, আপনি খুব হতাশ হতে চলেছেন। একটি চলচ্চিত্র আপনার সাথে একমত হবে এটাই যথেষ্ট নয়, তা যত অগোছালো ও অস্পষ্টভাবেই হোক না কেন। এটি যদি বিনোদনমূলক হতো, তবে কি ভালো হতো না? ** ''[[w:অ্যাটলাস শ্রাগড: পার্ট ১|অ্যাটলাস শ্রাগড: পার্ট ১]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/atlas-shrugged-2011 পর্যালোচনা] (১৪ এপ্রিল ২০১১) * ''ব্লু ভেলভেট'' এ এমন কাঁচা মানসিক শক্তির দৃশ্য রয়েছে যে কিছু সমালোচক কেন এটিকে মাস্টারপিস বলেছেন তা বোঝা সহজ। এতটা বেদনাদায়ক ও আঘাতকারী একটি চলচ্চিত্রকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। তবুও সেই তীব্র যৌন হতাশার দৃশ্যগুলোই বলে দেয় এই চলচ্চিত্রে কী ভুল আছে। এগুলো এতটাই শক্তিশালী যে এগুলোর এমন একটি চলচ্চিত্রে থাকা উচিত যা আন্তরিক, সৎ এবং সত্য। কিন্তু ''ব্লু ভেলভেট'' এদের এমন একটি গল্প দিয়ে ঘিরে রেখেছে যা শিশুতোষ ব্যঙ্গ এবং সস্তা শট দ্বারা নষ্ট হয়ে গেছে। [[w:ডেভিড লিঞ্চ|পরিচালক]] হয় তার উপাদানের শক্তি অস্বীকার করছেন অথবা এটিকে একটি ক্যাম্পি ইন-জোকের অংশ ভান করে এর প্রভাব কমানোর চেষ্টা করছেন। … কোনটি বেশি খারাপ? কাউকে চড় মারা, নাকি দূরে দাঁড়িয়ে পুরো ব্যাপারটিকে মজার মনে করা? ** ''ব্লু ভেলভেট'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/blue-velvet-1986 পর্যালোচনা] (১৯ সেপ্টেম্বর ১৯৮৬) * ''দ্য বাকেট লিস্ট'' এমন দুজন বৃদ্ধকে নিয়ে তৈরি একটি চলচ্চিত্র যারা কোনোভাবেই সাধারণ মানুষের মতো নন। তারা উভয়েই ক্যান্সারে ভুগছেন, যা ক্যান্সারের মতো নয়। তারা এমন সব অভিযানে বের হন যা সম্ভব হওয়ার মতো নয়। আমি জরুরিভাবে হাসপাতালগুলোকে পরামর্শ দিচ্ছি: রোগীদের জন্য এই ডিভিডিটি উপলব্ধ করবেন না। টিভি স্ক্রিনে বেডপ্যান ছুড়ে মারার একটি প্রাদুর্ভাব দেখা দিতে পারে। ** ''[[w:দ্য বাকেট লিস্ট|দ্য বাকেট লিস্ট]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/the-bucket-list-2008 পর্যালোচনা] (১০ জানুয়ারি ২০০৮) * পরিচালক, যার নাম পিটফ, সম্ভবত জন্মের সময় দুটি নাম পেয়েছিলেন এবং তার পরবর্তী প্রজেক্টে অন্য নামটি ব্যবহার করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে। ** ''[[w:ক্যাটওম্যান (চলচ্চিত্র)|ক্যাটওম্যান]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/catwoman-2004 পর্যালোচনা] (২৩ জুলাই ২০০৪) * আমি অনেক দিন ধরে চলচ্চিত্রের পর্যালোচনা করছি। কিন্তু আমার এমন কোনো চলচ্চিত্রের কথা মনে পড়ে না যা এতটা নাটকীয়ভাবে নিজের পায়ে কুড়াল মারে। ** ''[[w:ডায়েরি অব আ ম্যাড ব্ল্যাক ওম্যান|ডায়েরি অব আ ম্যাড ব্ল্যাক ওম্যান]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/diary-of-a-mad-black-woman-2005 পর্যালোচনা] (২৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৫) * এর ফলাফল হলো কোনো আকার, পথ বা উদ্দেশ্যবিহীন এক ভয়ংকর অগোছালো চলচ্চিত্র। এটি একটি ওয়ান জোক মুভি, যদি এতে একটি জোকও থাকত। দুজন চরিত্র ঘোরের মধ্যে লাস ভেগাসের অদ্ভুত পটভূমিতে (কিছু বাস্তব, কিছু দৃষ্টিভ্রম, সবগুলোই পরিবর্তনযোগ্য) বুদ্ধিহীনভাবে ঘুরে বেড়ায়। হাস্যরস দৃষ্টিভঙ্গির ওপর নির্ভর করে। একটি নির্দিষ্ট বিন্দুর পর আপনার কোনো দৃষ্টিভঙ্গি থাকে না, আপনি কেবল একটি অবস্থায় বসবাস করেন। আমি মাতাল এবং মাদকাসক্তদের সম্পর্কে অনেক মজার জোকস শুনেছি, কিন্তু এই লোকগুলো এতটাই নেশাগ্রস্ত যে তাদের বেশিরভাগ সংলাপকে "অ্যাঁ?" হিসেবে বর্ণনা করা যায়। ... ডেপের কথা বলতে গেলে, তিনি কী ভেবে এই চলচ্চিত্রটি তৈরি করেছিলেন? তিনি একবার নিউ ইয়র্কের একটি হোটেলের ঘর ভাঙচুর করে বিপদে পড়েছিলেন, ঠিক ''ফিয়ার অ্যান্ড লোথিং ইন লাস ভেগাস'' এর নায়কদের মতো। ওটা কী ছিল? গবেষণা? ডেপের ক্লাবের বাইরে রিভার ফিনিক্স অতিরিক্ত মাত্রায় মাদক সেবনের কারণে মারা যাওয়ার পর, আপনি ভাববেন না যে ডেপ এই গল্পে খুব বেশি হাস্যরস দেখতে পাবেন। তবে অবশ্যই, এই গল্পে খুব বেশি হাস্যরস *নেই*। ** ''ফিয়ার অ্যান্ড লোথিং ইন লাস ভেগাস'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/fear-and-loathing-in-las-vegas-1998 পর্যালোচনা] (২২ মে ১৯৯৮) * গত বছর আমি মঙ্গোলিয়ান ইয়াক পশুপালকদের জীবন নিয়ে একটি [[w:তাইগা (চলচ্চিত্র)|নয় ঘণ্টার ডকুমেন্টারি]] পর্যালোচনা করেছিলাম। আমি ''দ্য ফ্রাইটেনার্স'' দেখার চেয়ে সেটি আবার দেখতে বেশি পছন্দ করব। ** ''[[w:দ্য ফ্রাইটেনার্স|দ্য ফ্রাইটেনার্স]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/the-frighteners-1996 পর্যালোচনা] (১৯ জুলাই ১৯৯৬) * এই চলচ্চিত্রের জন্য একটি শব্দ রয়েছে, আর তা হলো: ঘিনঘিনে। ** ''[[w:গুড লাক চাক|গুড লাক চাক]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/good-luck-chuck-2007 পর্যালোচনা] (২১ সেপ্টেম্বর ২০০৭) * ''[[w:আই অ্যাম কিউরিয়াস (ইয়েলো)|আই অ্যাম কিউরিয়াস (ইয়েলো)]]'' যে কেবল অ্যারোটিক নয় তা নয়। এটি অ্যান্টি-অ্যারোটিক। এই চলচ্চিত্রের দুই ঘণ্টা আপনার মন থেকে সপ্তাহের জন্য যৌনতার চিন্তাকে তাড়িয়ে দেবে। ছবিটি দেখুন এবং জোড়া বিছানা কিনুন... আমি মনে করি সুইডেনে এমন একজন পরিচালক আছেন যিনি এটিকে চলচ্চিত্র নির্মাণের শিল্প হিসেবে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করার মতো যথেষ্ট একঘেয়ে এবং প্রাচীনপন্থি। ** ''[[w:আই অ্যাম কিউরিয়াস (ইয়েলো)|আই অ্যাম কিউরিয়াস (ইয়েলো)]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/i-am-curious-yellow-1969 পর্যালোচনা] (২৩ সেপ্টেম্বর ১৯৬৯) * এই চলচ্চিত্রের সেরা শটটি হলো প্রথম শটটি। এটি ভালো লক্ষণ নয়... স্ক্রিনিং শেষ হওয়ার পর এবং লাইট জ্বলে ওঠার পর আমি দেখলাম আমার দুজন সহকর্মী গভীর ও আন্তরিক আলোচনায় মগ্ন। তারা প্লটের মোড়গুলো সমাধান করার চেষ্টা করছেন। তারা নির্মাতাদের চেয়ে চলচ্চিত্রের ওপর বেশি চিন্তাভাবনা প্রয়োগ করছিলেন। একজন সমালোচকের মন নষ্ট করার মতো বিষয় নয়। ** ''[[w:আই নো হোয়াট ইউ ডিড লাস্ট সামার|আই নো হোয়াট ইউ ডিড লাস্ট সামার]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/i-know-what-you-did-last-summer-1997 পর্যালোচনা] (১৭ অক্টোবর ১৯৯৭) * তারা বলে যে অত্যাধুনিক স্পেশাল ইফেক্ট পর্দায় যেকোনো কিছুর বিভ্রম তৈরি করতে পারে। এখন আমাদের কাছে প্রমাণ রয়েছে: [[w:জিম হেনসন|জিম হেনসনের]] লোকেরা এবং [[w:ইন্ডাস্ট্রিয়াল লাইট অ্যান্ড ম্যাজিক|ইন্ডাস্ট্রিয়াল লাইট অ্যান্ড ম্যাজিক]] এর পক্ষে একত্রে মিলে স্পেশাল ইফেক্টের ইতিহাসে সবচেয়ে বিকর্ষণকারী একক প্রাণী তৈরি করা সম্ভব। আমি ''স্টার ওয়ার্স'' এর মরুভূমির অন্ত্র বা [[w:চাকি (চাইল্ডস প্লে)|চাকি ডলের]] কথা ভুলে যাইনি। স্নোম্যানকে দেখার অর্থ হলো স্নোম্যানকে অপছন্দ করা। এটি দেখতে তো স্নোম্যানের মতোও নয়। ** ''[[w:জ্যাক ফ্রস্ট (১৯৯৮-এর চলচ্চিত্র)|জ্যাক ফ্রস্ট]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/jack-frost-1998 পর্যালোচনা] (১১ ডিসেম্বর ১৯৯৮) * এই ব্যবসায় একজন মানুষ সমঝদার হয়ে ওঠে। আমি এখন দেখতে পাচ্ছি যে জিম ক্যারি একজন গুণী শিল্পী, [[w:ক্রিস ফার্লি|ক্রিস ফার্লি]] অন্তত কঠোর পরিশ্রমী, অ্যাডাম স্যান্ডলার হতাশাজনক এবং [[w:পলি শোর|পলি শোর]] সব বিভাগকে পাশ কাটিয়ে ব্ল্যাকবোর্ডে নখের আঁচড়ের মতো একটি অসাধারণ বিরক্তিকর প্রভাব অর্জন করেছেন। তার আবেদন অবশ্যই এমন লোকদের মধ্যে সীমাবদ্ধ যাদের আত্মমর্যাদা এবং সামাজিক দক্ষতা এতটাই ক্ষতিগ্রস্ত যে তারা নিজেদের চেয়ে কম সফল কোনো চলচ্চিত্রের চরিত্রের মুখোমুখি হয়ে অন্তত স্বস্তি বা হাস্যরস খুঁজে পায়। ** ''[[w:জুরি ডিউটি (চলচ্চিত্র)|জুরি ডিউটি]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/jury-duty-1995 পর্যালোচনা] (১২ এপ্রিল ১৯৯৫) * ...''নিউ ইয়ার্স ইভ'' এ আমরা আনন্দিত উদ্‌যাপনকারীদের বিশাল জনতার দিকে তাকাই এবং মানবতার সমুদ্র নীল রঙের হয়ে যায়। তারা সবাই [[w:নিভিয়া|নিভিয়া স্কিন ক্রিমের]] বিনামূল্যের টুপি পরে আছে। [[w:নিউ ইয়র্ক নিকস|নিকস]], [[w:বাডউইজার (আনহয়েজার-বুশ)|বাডউইজার]] বা [[w:আই লাভ নিউ ইয়র্ক|আই হার্ট [সিক] নিউ ইয়র্কের]] জন্য কোনো টুপি নেই। সবই নিভিয়া স্কিন ক্রিমের। অসংখ্য নিভিয়া নীল রঙের টুপি। আমি পণ্য প্রদর্শনের কথা শুনেছি, কিন্তু এটি কার্পেট বোম্বিং। ** ''[[w:নিউ ইয়ার্স ইভ (চলচ্চিত্র)|নিউ ইয়ার্স ইভ]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/new-years-eve-2011 পর্যালোচনা] (৭ ডিসেম্বর ২০১১) * টেরি (হিলারি ডাফ) এর নতুন রুমমেট ডেনিস (ডানা ডেভিস)। সে স্কলারশিপের জন্য কঠোর পরিশ্রম করার পরিকল্পনা করে এবং টেরিকে একটি বিক্ষেপ হিসেবে অপছন্দ করে। টেরির পোশাক এবং হাসির মাপকাঠি করে সে তাকে বলে: "তুমি অনেকটা রেট্রো ব্র্যাডি বাঞ্চারের মতো।" আমি ঘৃণা করি যখন কোনো চলচ্চিত্র তার নিজস্ব পর্যালোচনা ধারণ করে। ** ''[[w:রেইজ ইওর ভয়েস|রেইজ ইওর ভয়েস]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/raise-your-voice-2004 পর্যালোচনা] (৮ অক্টোবর ২০০৪) * আমি এই চলচ্চিত্রটি আবার দেখার চেয়ে একটি গল্ফ বল খাওয়া বেশি পছন্দ করব। ** ''[[w:সেভেন ডেইজ ইন ইউটোপিয়া|সেভেন ডেইজ ইন ইউটোপিয়া]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/seven-days-in-utopia-2011 পর্যালোচনা] (৩১ আগষ্ট ২০১১) * পাঠক, আমাকে অবশ্যই স্বীকার করতে হবে যে যখন আমি নারী দর্শকে পরিপূর্ণ স্নিক প্রিভিউতে অংশ নিচ্ছিলাম, তখন আমি প্রদর্শনীতে দেখা আনন্দদায়ক বক্ষবিভাজিকা দেখে হতবাক হয়ে গিয়েছিলাম। নারীরা কি একে অপরের জন্যই তাদের সবচেয়ে নিচু গলার পোশাক পরেন? ** ''সেক্স অ্যান্ড দ্য সিটি ২'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/sex-and-the-city-2-2010 পর্যালোচনা] (২৫ মে ২০১০) * টিভিতে যেসব শব্দ বলা যাবে না বলে জর্জ কার্লিন বলেছিলেন, সেগুলো কি মনে আছে? এখন এমন এক ধরনের চলচ্চিত্র তৈরি হয়েছে যা এর একটি ছাড়া বাকি সবগুলো শব্দ ব্যবহার না করে তৈরি করা যায় না। এমনকি অনলাইন ট্রেলারটিও আপনাকে চমকে দিতে পারে। এটি প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য সেই রেড ব্যান্ড ট্রেলারগুলোর মধ্যে একটি, যা দেখার জন্য আপনাকে আপনার বয়স দিতে হবে। আমি আমার বয়স নিয়ে মিথ্যা বলেছিলাম। ১৭ বছরের কম বয়সী কেউই এমন করবে না। ** ''[[w:দ্য সিটার|দ্য সিটার]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/the-sitter-2011 পর্যালোচনা] (৭ ডিসেম্বর ২০১১) * এটি বাজে চলচ্চিত্রের মধ্যে সবচেয়ে জঘন্য ধরনের। এটি প্রথম দৃশ্য থেকে জঘন্য হওয়ার বদলে আপনাকে উত্তেজিত করে তারপর হতাশ করে দেয়। ** ''[[w:স্নেক আইজ (চলচ্চিত্র)|স্নেক আইজ]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/snake-eyes-1998 পর্যালোচনা] (৭ আগষ্ট ১৯৯৮) * কিন্তু এখন এখানে ডিরেক্টরস কাট রয়েছে, যা ২০ মিনিটের ছোট। এটি কয়েকটি চরিত্র এবং অসংখ্য সাবপ্লটের কয়েকটি ছেঁটে ফেলেছে এবং এটি আরও বেশি জগাখিচুড়ি। আমি সুপারিশ করি যে [[w:রিচার্ড কেলি (পরিচালক)|কেলি]] এটিকে কাটতে কাটতে ইউকুলেলের পিকের মতো ছোট না করা পর্যন্ত কাটতেই থাকুন। ** ''সাউথল্যান্ড টেলস'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/southland-tales-2007 পর্যালোচনা] (১৬ নভেম্বর ২০০৭) * আপনি যদি নিজের টিকিটের মূল্য বাঁচাতে চান, তবে রান্নাঘরে যান, নরকের সংগীত গাওয়া পুরুষ গায়কদের একটি গান চালু করুন, এবং কোনো বাচ্চাকে হাঁড়ি-পাতিল বাজাতে দিন। তারপর চোখ বন্ধ করে আপনার কল্পনা ব্যবহার করুন... এই চলচ্চিত্রটি মাইকেল বে পরিচালনা করেছেন। এই একই ব্যক্তি যিনি ১৯৯৬ সালে ''[[w:দ্য রক (চলচ্চিত্র)|দ্য রক]]'' পরিচালনা করেছিলেন। এখন তিনি ''ট্রান্সফর্মারস: রিভেঞ্জ অব দ্য ফলেন'' তৈরি করেছেন। ফাউস্ট এর চেয়ে ভালো চুক্তি করেছিলেন। ** ''[[Transformers: Revenge of the Fallen|ট্রান্সফর্মারস: রিভেঞ্জ অব দ্য ফলেন]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/transformers-revenge-of-the-fallen-2009 পর্যালোচনা] (২৩ জুন ২০০৯) * এই চলচ্চিত্রের চরিত্রগুলোকে আর্তনাদ করার উদ্দেশ্যে ঘোরাঘুরি করার অপরাধে গ্রেপ্তার করা উচিত। কিশোর-কিশোরীদের এর আগে কখনো নতুন করে শুরু করার এত প্রয়োজন হয়নি। স্বীকার করছি তাদের মধ্যে কেউ কেউ ১০০ বছরেরও বেশি বয়সী, কিন্তু তবুও তাদের ক্যারিশমা মাদাম তুসোর মতো। ''[[The Twilight Saga: New Moon|দ্য টোয়াইলাইট সাগা: নিউ মুন]]'' ''টোয়াইলাইট'' (২০০৮) এর নিষ্প্রভ অর্জনকে গ্রহণ করে, এর ভেতরটা বের করে আনে এবং একে অর্ধমৃত অবস্থায় ফেলে রাখে। আপনি বুঝতে পারবেন যে আপনি কোনো সিক্যুয়েল নিয়ে সমস্যায় পড়েছেন যখন লোকমুখে আপনাকে প্রথম চলচ্চিত্রটি দুবার দেখার পরামর্শ দেওয়া হবে। স্পষ্টতই চরিত্রগুলো সবাই তাই করেছে। এই চলচ্চিত্রের দীর্ঘ শুরুর অংশগুলোর কোনো অর্থই হয় না যদি না আপনি প্রথম চলচ্চিত্রটি এবং আশা করি উভয় স্টেফানি মেয়ারের উপন্যাস মুখস্থ করে ভেতরে ঢোকেন। এডওয়ার্ড এবং বেলা একে অপরের দিকে রাগী চোখে তাকিয়ে এবং ভেবে অন্ধকার মুহূর্ত কাটায় যে, আমরা আবার এখানে। ** ''[[The Twilight Saga: New Moon|দ্য টোয়াইলাইট সাগা: নিউ মুন]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/the-twilight-saga-new-moon-2009 পর্যালোচনা] (১৮ নভেম্বর ২০০৯) * ''ওয়াইল্ড ওয়াইল্ড ওয়েস্ট'' হলো একটি মৃত কমেডি। আপনি অবিশ্বাসের সাথে তাকিয়ে থাকবেন যখন দৃশ্যগুলো ব্যর্থ হয়ে মারা যায়। চলচ্চিত্রটি পুরোটাই ধারণা, কোনো বিষয়বস্তু নেই। বিশাল স্পেশাল ইফেক্টগুলো যেন পর্দায় টাকা পুড়তে দেখার মতো। আপনি বুঝতে পারবেন যে কিছু ভুল হয়েছে যখন একটি গল্প পুরোনো পশ্চিমের দুজন নায়ককে নিয়ে তৈরি, আর এর শেষ শটটি হলো একটি যান্ত্রিক মাকড়সা সূর্যাস্তের দিকে ছুটে যাচ্ছে। ** ''[[w:ওয়াইল্ড ওয়াইল্ড ওয়েস্ট|ওয়াইল্ড ওয়াইল্ড ওয়েস্ট]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/wild-wild-west-1999 পর্যালোচনা] (৩০ জুন ১৯৯৯) * ''ইওর হাইনেস'' হলো এক অবিকশিত আবর্জনা। এটি দেখে মনে হয় এটি অন্ধকূপ, ড্রাগন, যোদ্ধা নারী, গাঁজা, স্তন এবং চার অক্ষরের শব্দের প্রেমে পড়া ১১ বছরের ছেলেদের কাজ। নায়কদের একজন তো তার গলায় সুতোয় বাঁধা মিনোটরের পুরুষাঙ্গও পরে থাকে। আমি এ ধরনের ঘটনা খুব অপছন্দ করি। ** ''[[w:ইওর হাইনেস|ইওর হাইনেস]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/your-highness-2011 পর্যালোচনা] (৬ এপ্রিল ২০১১) * সম্প্রতি কিছু প্রবন্ধ বের হয়েছে যেখানে জিজ্ঞাসা করা হয়েছে যে বিশ্বের কিছু অংশে যুক্তরাষ্ট্রকে কেন এত ঘৃণা করা হয়। হলিউডের এই সপ্তাহের প্রদর্শনী হিসেবে আমি ''জুল্যান্ডার'' উপস্থাপন করছি। এটি একটি কমেডি যা মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে হত্যা করার একটি ষড়যন্ত্র নিয়ে তৈরি, কারণ তিনি শিশুশ্রমের বিরোধী ছিলেন। আপনি হয়তো এই বাক্যটি দুবার পড়তে চাইবেন। যুক্তিটি হলো শিশুশ্রম ফ্যাশন শিল্পের অর্থনৈতিক স্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজনীয়, এবং তাই এর বিরোধীদের সরিয়ে দিতে হবে... যদি মালয়েশিয়ানরা যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতিকে দাসপ্রথার বিরোধিতার কারণে হত্যা করার বিষয়ে একটি কমেডি তৈরি করত, তবে তা আমাদের কাছে প্রায় ততটাই মজার মনে হতো যতটা ''জুল্যান্ডার'' তাদের কাছে মনে হবে। ** ''জুল্যান্ডার'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/zoolander-2001 পর্যালোচনা] (২৮ সেপ্টেম্বর ২০০১) ==== আধা তারকা পর্যালোচনা ==== * আপনি যদি এই চলচ্চিত্রটি মিস করার পরিকল্পনা করেন, তবে দ্রুত মিস করাই ভালো। আমার সন্দেহ আছে যে এটি বেশিদিন মিস করার জন্য থাকবে কি না। ** ''[[w:অ্যামেরিকাথন|অ্যামেরিকাথন]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/americathon-1979 পর্যালোচনা] (১ জানুয়ারি ১৯৭৯) * সংলাপগুলো প্রায় পুরোপুরি ছোট ছোট চিৎকারের সমন্বয়ে গঠিত: ''সাবধান! আসছে! সরো! দেখো! গুলি করো! সরো!'' কেবল কেবল নিউজের উপস্থাপকদেরই টানা চারটি বাক্য বলতে আমার মনে পড়ে। … যুবকেরা, যদি তুমি তোমার বন্ধুদের সাথে এই আবর্জনাটি দেখতে যাও যারা এটি পছন্দ করে, তবে তাদের কৌশলে জানিয়ে দাও যে তারা বোকা। যুবতীরা, যদি তোমার ডেট এই চলচ্চিত্রটি পছন্দ করে, তবে তাকে বলো তুমি এ নিয়ে ভেবেছ এবং তোমার মনে হয় তোমাদের কিছু সময়ের জন্য আলাদা থাকা উচিত। ** ''[[w:ব্যাটেল: লস অ্যাঞ্জেলেস|ব্যাটেল: লস অ্যাঞ্জেলেস]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/battle-los-angeles-2011 পর্যালোচনা] (৯ মার্চ ২০১১) * ''ব্যাটলফিল্ড আর্থ'' দেখাটা এমন কারও সাথে বাস ভ্রমণের মতো যার অনেক দিন ধরে গোসল করা প্রয়োজন। এটি কেবল খারাপই নয়। এটি শত্রুতাপূর্ণভাবে বিরক্তিকর। দৃশ্যগুলো নোংরা এবং মলিন। চরিত্রগুলো অগোছালো এবং তাদের দাঁত পচা। তাদের নাক থেকে শ্লেষ্মার দড়ির মতো শ্বাস নেওয়ার নল ঝুলে থাকে। সাউন্ডট্র্যাক শুনে মনে হয় যেন বুম মাইক কোনো ৫৫ গ্যালনের ড্রামের ভেতর আঘাত করছে। প্লট। … পরিচালক রজার ক্রিশ্চিয়ান ভালো চলচ্চিত্র থেকে শিখেছেন যে পরিচালকরা কখনও কখনও তাদের ক্যামেরা বাঁকা করেন। কিন্তু তিনি কেন এমন করেন তা শেখেননি। … কিছু চলচ্চিত্র লাইনচ্যুত হয়ে যায়। এটি ''[[w:দ্য ফিউজিটিভ (১৯৯৩-এর চলচ্চিত্র)|দ্য ফিউজিটিভ]]'' এর ট্রেন দুর্ঘটনার মতো। আমি ক্রমবর্ধমান হতাশার সাথে এটি দেখেছি এবং বুঝতে পেরেছি যে আমি একটি ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী হচ্ছি। এটি এমন একটি চলচ্চিত্র যা আগামী দশকগুলোতে বাজে চলচ্চিত্র নিয়ে রসিকতার খোরাক জোগাবে। ** ''[[w:ব্যাটলফিল্ড আর্থ (চলচ্চিত্র)|ব্যাটলফিল্ড আর্থ]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/battlefield-earth-2000 পর্যালোচনা] (১২ মে ২০০০) * মিডনাইট কাল্ট প্রদর্শনের জন্য চলচ্চিত্রটি সারা দেশে আবার চালানো হচ্ছে। মধ্যরাত খুব একটা দেরি নয়। ** ''[[w:দ্য বিয়ন্ড (চলচ্চিত্র)|দ্য বিয়ন্ড]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/the-beyond-1998 পর্যালোচনা] (৩ জুলাই ১৯৯৮) * ''বোট ট্রিপ'' মুক্তি পাওয়ার আগেই প্রচার হয়েছিল যে অনেক সমকামী চলচ্চিত্রটি দেখে ক্ষুব্ধ হয়েছেন। এখন এটি প্রেক্ষাগৃহে আসায় বাকি সবারও তাদের সাথে যোগ দেওয়ার সুযোগ হয়েছে। এমন নয় যে চলচ্চিত্রটি চরম ক্ষোভের উদ্রেককারী। সেটা আশা করা বেশি হয়ে যাবে। এটি নির্বোধ, মজাহীন এবং এতটাই অগভীর যে তা আপত্তিকরও হতে পারে না। চামড়া ও শিকল পরে পেছনে দাঁড়িয়ে থাকা এবং সংকেতের অপেক্ষায় থাকা এতসব লোককে ব্যবহার করার জন্য এটি খুব বেশি গতানুগতিক। এটি এমন একটি চলচ্চিত্র যা কারও জন্যই নয় এবং কোনো বিষয় নিয়েই নয়। ** ''[[w:বোট ট্রিপ|বোট ট্রিপ]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/boat-trip-2003 পর্যালোচনা] (২১ মার্চ ২০০৩) * কেউই গল্পের জন্য ''বোলেরো'' দেখতে যাচ্ছে না। তারা ভালো অংশগুলোর জন্য যাচ্ছে। তার ঘোড়ার পিঠে নগ্ন হয়ে চড়ার দৃশ্য বাদে দুটি ভালো অংশ রয়েছে, যা চলচ্চিত্রে আমাকে ভাবিয়ে তুলেছিল যে সে কীভাবে এটি করল। ''বোলেরো'' এর আসল ভবিষ্যৎ হলো হোম ক্যাসেট ভাড়া দেওয়া, যেখানে আপনার ফাস্ট ফরোয়ার্ড এবং ইনস্ট্যান্ট রিপ্লে নিয়ন্ত্রণগুলো চলচ্চিত্রের প্রয়োজনীয় সম্পাদনার কাজ করবে। ** ''[[w:বোলেরো (১৯৮৪-এর চলচ্চিত্র)|বোলেরো]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/bolero-1984 পর্যালোচনা] (১ জানুয়ারি ১৯৮৪) * হিচকক বলেছিলেন যে একটি চলচ্চিত্রের উচিত দর্শকদের পিয়ানোর মতো বাজানো। ''ডেথ রেস'' আমাকে ড্রামের মতো বাজিয়েছে। এটি কাণ্ডজ্ঞানসহ সব ইন্দ্রিয়ের ওপর একটি আক্রমণ। বেরিয়ে আসার সময় আমার মনে হলো যে আমি এইমাত্র ভিডিও গেমটি দেখেছি এবং এখনও চলচ্চিত্রের জন্য অপেক্ষা করছি। ** ''[[w:ডেথ রেস (চলচ্চিত্র)|ডেথ রেস]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/death-race-2008 পর্যালোচনা] (২২ আগষ্ট ২০০৮) * কেবল অত্যন্ত প্রতিভাবান ব্যক্তিরাই ''[[w:ডেথ টু স্মুচি|ডেথ টু স্মুচি]]'' তৈরি করতে পারতেন। যাদের প্রতিভা কম তাদের এত বাজে, এত ভুল হিসাবের এবং দর্শকদের সাথে কোনো ধরনের সংযোগহীন একটি চলচ্চিত্র তৈরি করার সাহস হতো না। ** ''[[w:ডেথ টু স্মুচি|ডেথ টু স্মুচি]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/death-to-smoochy-2002 পর্যালোচনা] (২৯ মার্চ ২০০২) * এই চলচ্চিত্রটি কেবল খারাপই নয়, এটি অযোগ্য। দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে মেইলে পাওয়া টেপগুলোও এর চেয়ে ভালোভাবে তৈরি করা হয়... আমি প্রায়ই নিজেকে প্রশ্ন করেছি, "কোনো চলচ্চিত্রের চরিত্রগুলো যদি মানুষের আচরণের ওপর অসম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকা এলিয়েনদের তৈরি অ্যানিমেট্রনিক পুতুল হতো, তবে তা দেখতে কেমন হতো?" এখন আমি জানি। ** ''[[w:ফ্রেন্ডস অ্যান্ড লাভার্স (চলচ্চিত্র)|ফ্রেন্ডস অ্যান্ড লাভার্স]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/friends-and-lovers-1999 পর্যালোচনা] (৩০ এপ্রিল ১৯৯৯) * "এটি অনেক দিক থেকেই জঘন্য।" — "জেসন এক্স" এর সংলাপ। কোনো চলচ্চিত্রের ক্ষেত্রে নিজেকে এত স্পষ্টভাবে বর্ণনা করা বিরল ঘটনা। "জেসন এক্স" গল্প বলা, চরিত্রের বিকাশ, সাসপেন্স, স্পেশাল ইফেক্ট, মৌলিকতা, যতিচিহ্ন, পরিচ্ছন্নতা এবং চিন্তার উপযুক্ততার দিক থেকে জঘন্য। ** ''[[w:জেসন এক্স|জেসন এক্স]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/jason-x-2002 পর্যালোচনা] (২৬ এপ্রিল ২০০২) * চলচ্চিত্রটিতে ছয়জন কিশোর চরিত্রের অভিনয় রয়েছে যাদের টিভিতে এবং খেলনার দোকানে বিক্রি করা হয়েছে। তাদের নাম আছে, কিন্তু চোখে পড়ার মতো কোনো ব্যক্তিত্ব নেই। তাদের কেউই কখনো "তোমরা সবাই!" এর চেয়ে মজার কিছু বলেনি। কিশোর হিসেবে তারা দক্ষ ইন-লাইন স্কেটার এবং কারাতে যোদ্ধা। কিন্তু প্লাস্টিকের মুখোশ ও হেলমেট পরা পাওয়ার রেঞ্জার্স ইউনিফর্মে মুখহীন ক্লোন হওয়ার আগ পর্যন্ত তারা তাদের আসল ক্ষমতা পায় না। এটাই কি বার্তা? মুখহীন বাধ্যগত হওয়াই কি সাফল্যের পথ? অবশ্যই রেঞ্জার্সরা ইউনিফর্মের ভেতরে বা বাইরে স্বকীয় নয়, কিন্তু আমি অবাক হই যে তারা সৃজনশীলতার ওপর বাণিজ্যের বিজয়ের প্রতিনিধিত্ব করে কি না। শিশুদের নায়কেরা ঐতিহ্যগতভাবেই স্বকীয় এবং অদ্ভুত হয়ে থাকেন। রেঞ্জার্সরা সঠিকভাবে বলতে গেলে কোনো চরিত্রই নয়। তারা কেবল রং দিয়ে আলাদা করা পণ্য...চলচ্চিত্রটির প্রেস কিট উল্টানোর সময় আমি পিংক পাওয়ার রেঞ্জার কিম্বার্লির চরিত্রে অভিনয় করা অ্যামি জো জনসনের একটি উক্তি দেখতে পাই: " 'মাইটি মর্ফিন পাওয়ার রেঞ্জার্স™: দ্য মুভি' হলো ''স্টার ওয়ার্স'' এবং ''দ্য উইজার্ড অব ওজ'' এর মিশ্রণ। " আমি ভাবি এই দারুণ সতেজ এবং স্বতঃস্ফূর্ত উক্তিটি দেওয়ার সময় অ্যামি জো সত্যিই "টিএম" বলেছিলেন কি না, যা চলচ্চিত্রে তার বলা যেকোনো কিছুর চেয়ে অনেক বেশি জড়িত। আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আমি ভাবি যে সে কখনো "স্টার ওয়ার্স" বা "দ্য উইজার্ড অব ওজ" দেখেছে কি না। ** ''[[w:মাইটি মর্ফিন পাওয়ার রেঞ্জার্স: দ্য মুভি|মাইটি মর্ফিন পাওয়ার রেঞ্জার্স: দ্য মুভি]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/mighty-morphin-power-rangers-the-movie-1995 পর্যালোচনা] (৩০ জুন ১৯৯৫) * বাবা-মায়েদের বলছি, যদি তোমরা এমন কিশোর-কিশোরী দেখতে পাও যারা বলে যে তাদের এই চলচ্চিত্রটি ভালো লেগেছে, তবে তাদের তোমার সন্তানদের সাথে মেলামেশা করতে দিয়ো না। ** ''[[w:রেসিডেন্ট ইভল: অ্যাপোক্যালিপ্স|রেসিডেন্ট ইভল: অ্যাপোক্যালিপ্স]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/resident-evil-apocalypse-2004 পর্যালোচনা] (১০ সেপ্টেম্বর ২০০৪) * এর কিছু অভিনয় চলচ্চিত্রের যোগ্যতার চেয়েও ভালো। বলতে পারেন সব অভিনয়ই ভালো। আসলে ফিল্ম স্টক নিজেই চলচ্চিত্রের যোগ্যতার চেয়ে ভালো। আপনি জানেন যে মাঝে মাঝে প্রজেক্টরের ভেতরে ফিল্মে আগুন ধরে যায়? যদি এই চলচ্চিত্রটির ক্ষেত্রে এমন হতো, তবে আমার ধারণা দর্শকরা উল্লাস করত। ** ''[[w:রিভলভার (চলচ্চিত্র)|রিভলভার]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/revolver-2007 পর্যালোচনা] (৭ ডিসেম্বর ২০০৭) * ''[[w:রোলারবল (২০০২-এর চলচ্চিত্র)|রোলারবল]]'' হলো একটি অসংলগ্ন জগাখিচুড়ি। এটি এমন কিছু ফুটেজের মিশ্রণ যা প্লট, অর্থ, ছন্দ এবং যৌক্তিকতা খুঁজছে। পর্দায় উজ্জ্বল রং এবং দ্রুত নড়াচড়া রয়েছে, যা আমরা একটি চাক্ষুষ বিন্যাস হিসেবে দেখতে পারি। বিনোদন মূল্যের দিক থেকে এটি ক্যালাইডোস্কোপ এবং লাভা ল্যাম্পের মাঝামাঝি কোনো স্থানে পড়ে। ** ২০০২ সালের চলচ্চিত্র ''[[w:রোলারবল (২০০২-এর চলচ্চিত্র)|রোলারবল]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/rollerball-2002 পর্যালোচনা] (৮ ফেব্রুয়ারি ২০০২) * ''[[w:সেভিং সিলভারম্যান|সেভিং সিলভারম্যান]]'' এত বিভিন্ন উপায়ে এতটাই খারাপ যে আপনার হয়তো এটি দেখা উচিত, বেল আকৃতির বক্ররেখার সর্বনিম্ন ঢালের একটি উদাহরণ হিসেবে। এটি এমন এক ধরনের চলচ্চিত্র যা এর রক্ষকদেরও হতাশার শিকার করে তোলে। ওয়েব-ভিত্তিক সমালোচকদের মধ্যে সেরা আমার বন্ধু [[w:জেমস বেরার্ডিনেলি|জেমস বেরার্ডিনেলি]]র কথা ভাবুন। সন্দেহ নেই যে সানড্যান্স চলচ্চিত্র উৎসবে ১০ দিনের অক্সিজেনের অভাব তার তিন তারকা পর্যালোচনাকে অনুপ্রাণিত করেছিল। সেখানে তিনি আশাবাদী হয়ে বলেছেন, "''সেভিং সিলভারম্যান'' এ পতন এবং স্ল্যাপস্টিক মুহূর্ত রয়েছে, তবে এতে প্রায় কোনো বাতকর্মের জোকস নেই।" সমালোচকদের একটি সাধারণ নিয়ম হলো, আপনি জানবেন যে আপনি সমস্যায় পড়েছেন যখন আপনাকে বাতকর্মের জোকসের অভাবের জন্য একটি চলচ্চিত্রের প্রশংসা করতে হবে এবং "প্রায়" যোগ করতে হবে... [[w:নিল ডায়মন্ড|নিল ডায়মন্ডের]] কথা বলতে গেলে, ''[[w:দ্য জ্যাজ সিঙ্গার (১৯৮০-এর চলচ্চিত্র)|দ্য জ্যাজ সিঙ্গার]]'' এর পর ''সেভিং সিলভারম্যান'' হলো কথাসাহিত্যের চলচ্চিত্রে তাঁর প্রথম উপস্থিতি। একজন কেবল অবাক হতে পারে যে তিনি দ্বিতীয় চলচ্চিত্রে উপস্থিত হওয়ার জন্য ২০ বছর অপেক্ষা করেছিলেন এবং এমন একটি খুঁজে পেয়েছেন যা তাঁর প্রথমটির চেয়েও খারাপ। ** ''[[w:সেভিং সিলভারম্যান|সেভিং সিলভারম্যান]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/saving-silverman-2001 পর্যালোচনা] (৯ ফেব্রুয়ারি ২০০১) * টিনেজ মিউট্যান্ট নিনজা টার্টলস এর চেয়ে স্পাইস গার্লস দের আলাদা করা সহজ। কিন্তু তা একটি ছোট সান্ত্বনা: আপনি এমন পাঁচজন নারী সম্পর্কে কী বলবেন যাদের প্রধান স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য হলো তাদের ভিন্ন ভিন্ন নাম রয়েছে? তারা ''স্পাইস ওয়ার্ল্ড'' এ এমনভাবে অবস্থান করে যেন তারা এটি দেখছে। তারা এতটাই বিচ্ছিন্ন যে তারা সফলভাবে নিজেদের গানে ঠোঁট মেলাতেও পারে না। মহড়ার একটি দৃশ্যে তাদের পরিচালক তাদের এমন সত্যি কথা বলেন যে আমরা হয়তো চিত্রনাট্যকারের কাছ থেকে একটি গোপন বার্তা শুনতে পাচ্ছি, "এটি একদম নিখুঁত ছিল — বাস্তবিকভাবে খুব একটা ভালো না হয়েও।" ''স্পাইস ওয়ার্ল্ড'' স্পষ্টভাবে ''[[w:আ হার্ড ডেজ নাইট (চলচ্চিত্র)|আ হার্ড ডেজ নাইট]]'' এর একটি অনুকরণ হিসেবে তৈরি, যা চলচ্চিত্র জগতে দ্য বিটলস কে এনে দিয়েছিল... বিশাল পার্থক্য হলো অবশ্যই বিটলসরা প্রতিভাবান ছিল। অন্যদিকে সত্যি কথা বলতে, ডানকিন ডোনাটস এর লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা ৩০ বছরের কম বয়সী যেকোনো পাঁচজন নারী দিয়ে স্পাইস গার্লসদের অভাব পূরণ করা যেত। ** ''স্পাইস ওয়ার্ল্ড'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/spice-world-1998 পর্যালোচনা] (২৩ জানুয়ারি ১৯৯৮) * এটি আমাকে অবাক করে যে নির্মাতারা এখনও চিত্রায়িত করবেন এবং দর্শকরা এখনও মানব অনুভূতির এতটা দেউলিয়া সম্পর্ক দেখবে যে মনে হয় চরিত্রগুলো কম্পিউটারে লেখা সংলাপ পড়ছে। ** ''[[w:সামার স্কুল (চলচ্চিত্র)|সামার স্কুল]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/summer-school-1987 পর্যালোচনা] (২২ জুলাই ১৯৮৭) * এই চলচ্চিত্রে এমন একটি দৃশ্য রয়েছে যেখানে একটি চরিত্রের গায়ে একই সময়ে কয়েকজন মলত্যাগ করে, এবং আমি জানি না … আমি এটি উপভোগ করিনি। ** ''[[w:টিম অ্যান্ড এরিকস বিলিয়ন ডলার মুভি|টিম অ্যান্ড এরিকস বিলিয়ন ডলার মুভি]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/tim-and-erics-billion-dollar-movie-2012 পর্যালোচনা] (২৯ ফেব্রুয়ারি ২০১২) ==== শূন্য তারকা পর্যালোচনা ==== * ''ক্যালিগুলা'' হলো একটি অসুস্থ, সম্পূর্ণ মূল্যহীন এবং লজ্জাজনক জঞ্জাল। '''এটি যদি আমার দেখা সবচেয়ে বাজে চলচ্চিত্র না হয়, তবে এটি এটিকে আরও বেশি লজ্জাজনক করে তোলে: প্রতিভাবান ব্যক্তিরা এই প্রহসনে অংশ নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন।''' বিরক্ত এবং অবর্ণনীয় হতাশায় আমি ১৭০ মিনিটের চলচ্চিত্রটির দুই ঘণ্টা পর বেরিয়ে আসি। সেটা ছিল শনিবার রাত, যখন শত শত মানুষ ৭.৫০ ডলার দিয়ে এই লজ্জার সাক্ষী হওয়ার জন্য লিংকন এভিনিউতে লাইনে দাঁড়িয়েছিল... "এই চলচ্চিত্রটি," আমার সামনের এক নারী পানির ফোয়ারার কাছে বলেছিলেন, "আমার দেখা সবচেয়ে বাজে জিনিস।" ** ''[[w:ক্যালিগুলা (চলচ্চিত্র)|ক্যালিগুলা]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/caligula-1980 পর্যালোচনা] (২২ সেপ্টেম্বর ১৯৮০) * ''কেওস'' কুৎসিত, ধ্বংসাত্মক এবং নিষ্ঠুর — এমন একটি চলচ্চিত্র যা দেখে আমি অনুতপ্ত। আমি আপনাদের এটি এড়িয়ে চলার অনুরোধ করছি। এটি 'কেবল' একটি হরর চলচ্চিত্র বা স্ল্যাশার চলচ্চিত্র ভেবে ভুল করবেন না। এটি হৃদয়হীন নিষ্ঠুরতার একটি অনুশীলন এবং এটি নির্মম পাশবিকতার মধ্য দিয়ে শেষ হয়। চলচ্চিত্রটি কেবল জীবনের মূল্যই নয়, বরং আশার সম্ভাবনাকেও অস্বীকার করে। ** ''[[w:কেওস (২০০৫ ডমিনিয়ন চলচ্চিত্র)|কেওস]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/chaos-2005 পর্যালোচনা] (১১ আগষ্ট ২০০৫) * ''ডিউস বিগলৌ'' চরম বাজে, যেন এটি দর্শকদের কষ্ট দিতে চায়। এর সবচেয়ে ভালো দিক হলো এটি মাত্র ৭৫ মিনিটের। … এটি শুনে কি মনে হচ্ছে যে আপনি চলচ্চিত্রটি দেখতে চান? আমার কাছে মনে হচ্ছে কলম্বিয়া পিকচার্স এবং এর প্রযোজকদের উচিত তাদের ভেতরের শিশুর সাথে দীর্ঘ ও দুঃখজনক আলোচনা করা। <br /> চলচ্চিত্রটি বিতর্কের সৃষ্টি করেছিল... লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমসের প্যাট্রিক গোল্ডস্টেইন [২০০৪ সালের] সেরা চলচ্চিত্রের মনোনীতদের তালিকা প্রকাশ করে লিখেছিলেন যে তারা "উপেক্ষিত, অপছন্দের এবং একই স্টুডিওগুলো দ্বারা সরাসরি প্রত্যাখ্যাত, যারা শত শত সিক্যুয়েলে অর্থায়ন করে। যার মধ্যে রয়েছে ''ডিউস বিগলৌ: মেল জিগোলো'' এর একটি সিক্যুয়েল, একটি চলচ্চিত্র যা অস্কারের সময় দুঃখজনকভাবে উপেক্ষা করা হয়েছিল। কারণ দৃশ্যত একজন তৃতীয় শ্রেণির কমিক দ্বারা পরিবেশিত সেরা রানিং পেনিস জোকের জন্য একটি বিভাগ আবিষ্কার করার মতো দূরদর্শিতা কারও ছিল না।" <br /> স্নাইডার গোল্ডস্টেইনকে ডেইলি ভ্যারাইটি এবং হলিউড রিপোর্টার এ পূর্ণ পৃষ্ঠার বিজ্ঞাপন দিয়ে আক্রমণ করে প্রতিশোধ নেন। গোল্ডস্টেইনের উদ্দেশ্যে এক খোলা চিঠিতে স্নাইডার লিখেছিলেন: "জনাব গোল্ডস্টেইন, আমি গবেষণা করে বের করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে আপনি কী পুরস্কার জিতেছেন। আমি অনলাইনে গিয়ে দেখলাম যে আপনি কিছুই জেতেননি। একেবারেই কিছু না। কোনো ধরনের সাংবাদিকতার পুরস্কার নেই। … হয়তো আপনি পুলিৎজার পুরস্কার জেতেননি কারণ তারা সেরা তৃতীয় শ্রেণির, নিষ্প্রভ দাম্ভিক সাংবাদিক যিনি কখনও তার সহকর্মীদের দ্বারা স্বীকৃত হননি তার জন্য কোনো বিভাগ আবিষ্কার করেনি..." ভাগ্যক্রমে আমি পুলিৎজার পুরস্কার জিতেছি, তাই আমি যোগ্য। '''একজন পুলিৎজার পুরস্কার বিজয়ীর আনুষ্ঠানিক ক্ষমতাবলে বলছি, জনাব স্নাইডার, আপনার চলচ্চিত্রটি জঘন্য।'''" ** ''[[w:ডিউস বিগলৌ: ইউরোপিয়ান জিগোলো|ডিউস বিগলৌ: ইউরোপিয়ান জিগোলো]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/deuce-bigalow-european-gigolo-2005 পর্যালোচনা] * খুঁটিতে বেঁধে পোড়ানো, র‍্যাকে একটি বিকেল, হেডস্ক্রু, ফুটন্ত পানি দিয়ে ডুশ, হাতে পেরেক, জোরপূর্বক বমি করানো, ছেঁড়া জিভ, মৃত শিশু, মানব লক্ষ্যবস্তুতে অনুশীলন, শয়তান দ্বারা আচ্ছন্ন হওয়া, ধর্ষণ, ট্রান্সভেস্টিজম, নানারিতে নগ্ন অরজি। এগুলো একসাথে রাখুন এবং এগুলো কমিটেড আর্টের কথা বলে। কারণ এগুলো আধুনিক সময় এবং আমি নিশ্চিতভাবে আশা করি আমাদের কেউই সত্যের বিরোধী নই। ** ''[[w:দ্য ডেভিলস (চলচ্চিত্র)|দ্য ডেভিলস]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/the-devils পর্যালোচনা] (১ জানুয়ারি ১৯৭১) * জনতা ভীতিকর হতে পারে। তাদের সদস্যদের ওপর নিচু, হীন রুচি চাপিয়ে দেওয়ার উপায় তাদের জানা আছে। '''হাজার হাজার মানুষ কীভাবে নিজেদের জন্য ভাবতে পারে না, কীভাবে তাদের শালীনতা ও রুচির সাধারণ অনুভূতিকে জয়ী করার সাহস পায় না তা দেখে আমি আরও ভালোভাবে বুঝতে পেরেছি যে কীভাবে বিভ্রান্তিকর নেতারা সম্ভব।''' ** ''[[w:ডাইস রুলস|ডাইস রুলস]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/dice-rules-1991 পর্যালোচনা] (১৭ মে ১৯৯১) * ''ডার্টি লাভ'' লেখা এবং পরিচালনা করা হয়নি, এটি সংঘটিত হয়েছিল। এটি এমন একটি করুণ চলচ্চিত্র যা খারাপের স্তরেও পৌঁছায় না। এটি আশাহীনভাবে অযোগ্য... আমি নিশ্চিত নই যে এর সাথে জড়িত কেউ কখনো কোনো চলচ্চিত্র দেখেছেন কি না বা চলচ্চিত্র কী তা জানেন কি না। ** ''[[w:ডার্টি লাভ|ডার্টি লাভ]]'' এর [http://rogerebert.suntimes.com/apps/pbcs.dll/article?AID=/20050922/REVIEWS/509220303/1023 পর্যালোচনা] (২৩ সেপ্টেম্বর ২০০৫) * চলচ্চিত্রটির শুরুতে ভবঘুরে ছেলেটি "অনিচ্ছাকৃতভাবে" (প্রেস কিটে আরাকির কথা) এক কোরিয়ান সুবিধাপ্রাপ্ত দোকানের মালিকের মাথা উড়িয়ে দেয়... "রহস্যময় জেভিয়ার" (আমি আবার চমৎকারভাবে প্রকাশিত প্রেস কিট থেকে উদ্ধৃত করছি) এর সাথে এটি চলতে থাকে "যার কর্মফল এতই খারাপ যে প্রতিবার যখন তারা ফ্রেঞ্চ ফ্রাই এবং ডায়েট কোকের জন্য গাড়ি থামায়, তখন কেউ না কেউ জঘন্য উপায়ে মারা যায়।" অপেক্ষা করুন, আরও আছে: "তরুণ দলছুটরা যখন আমেরিকার পতিতভূমির মধ্য দিয়ে তাদের ভ্রমণ চালিয়ে যায়, অ্যামি তখন নিজেকে জর্ডান এবং জেভিয়ার উভয়ের সাথে (শারীরিক সম্পর্কে) খুঁজে পায় এবং প্রেম, যৌনতা ও হতাশার এমন একটি ত্রিভুজ তৈরি করে যা এই পৃথিবীর জন্য খুবই পবিত্র।" এখন এটি বিশ্লেষণ করা যাক। (১) সঠিক শব্দটি হলো "its", "their" নয়। (২) "ব্যান্ড অব আউটসাইডার্স" হলো একটি ভেতরের উল্লেখ যা কোয়েন্টিন টারান্টিনোর প্রযোজনা সংস্থা "এ ব্যান্ড অ্যাপার্ট" কে নির্দেশ করে। এই সংস্থাটির নাম আবার গদার এর [[w:ব্যান্ডে আ পার্ট (চলচ্চিত্র)|একটি চলচ্চিত্রের]] শিরোনামের ওপর একটি শ্লেষ। (৩) এটা কি কোনোভাবেই সম্ভব যে আমেরিকা একটি "পতিতভূমি" কারণ অ্যামি, জর্ডান এবং জেভিয়ার প্রতিবার ফ্রেঞ্চ ফ্রাই এবং সোডার জন্য থামার সময় কাউকে হত্যা করে? এই চলচ্চিত্রটি এমনটা ভাবেনি। (৪) "কেউ মারা যায়" কথাটি এই তিনজন চরিত্র যে তাদের হত্যা করে, তা এড়ানোর একটি নিষ্ক্রিয় উপায়। '''ঠিক একই গঠন অনেক সিরিয়াল কিলার এবং রাষ্ট্রপ্রধানরা ব্যবহার করেন, যারা ভাষার মাধ্যমে নিজেদের কর্মের পরিণতি থেকে আলাদা রাখেন।''' ** ''[[w:দ্য ডুম জেনারেশন|দ্য ডুম জেনারেশন]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/the-doom-generation-1995 পর্যালোচনা] (১০ নভেম্বর ১৯৯৫) * এই চলচ্চিত্রটি তলানির ধারেকাছেও যায়নি। এই চলচ্চিত্রটি তলানি নয়। এই চলচ্চিত্রটি তলানির নিচেও নয়। এই চলচ্চিত্রটি তলানির সাথে একই বাক্যে উল্লেখ করারও যোগ্য নয়... এমন একদিন আসতে পারে যখন "ফ্রেডি গট ফিঙ্গার্ড" নিও-সুররিয়ালিজমের একটি মাইলফলক হিসেবে দেখা হবে। '''এমন দিন হয়তো কখনো আসবে না যখন এটিকে মজার হিসেবে দেখা হবে।''' ** ''[[w:ফ্রেডি গট ফিঙ্গার্ড|ফ্রেডি গট ফিঙ্গার্ড]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/freddy-got-fingered-2001 পর্যালোচনা] (২০ এপ্রিল ২০০১) * ''[[w:গিয়ানা: ক্রাইম অব দ্য সেঞ্চুরি|গিয়ানা-কাল্ট অব দ্য ড্যামড]]'' গর্ত থেকে বেরিয়ে এসে স্থানীয় প্রেক্ষাগৃহগুলোতে প্রবেশ করেছে। এটি এই সপ্তাহের এমন একটি উদাহরণ হিসেবে কাজ করবে যা দেখায় যে মানুষ টাকার খোঁজে কতটা নিচে নামতে পারে। এই চলচ্চিত্রটি ১৯৭৮ সালের জোনসটাউন গণহত্যার একটি বীভৎস সংস্করণ। এটি এত খারাপভাবে লেখা এবং পরিচালিত হয়েছে যে এটি চলচ্চিত্র প্রদর্শনের একটি সাধারণ নিয়ম তুলে ধরে: যদি কোনো চলচ্চিত্র এতটাই বমি উদ্রেককারী এবং নিন্দনীয় হয়, তবে তা কতটা খারাপভাবে তৈরি হয়েছে তা কোনো ব্যাপার নয় - মানুষ তবু তা দেখতে যাবে। ** ''[[w:গিয়ানা: ক্রাইম অব দ্য সেঞ্চুরি|গিয়ানা-কাল্ট অব দ্য ড্যামড]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/guyana-cult-of-the-damned-1980 পর্যালোচনা] (২৯ জানুয়ারি ১৯৮০) * আমি সাধারণত দর্শকদের উদ্দেশ্য নিয়ে ভাবি না, এবং আমি তাদের মন পড়ারও চেষ্টা করি না। কিন্তু সোমবার সকালে আমার চারপাশে যারা বসে ছিল, তারা আমাকে সহজেই বুঝতে সাহায্য করেছিল যে তারা কী ভাবছে। তারা জোরে জোরে কথা বলছিল। এবং যদি তারা সত্যিই বিশ্বাস করে থাকে যা তারা বলছিল, তবে তারা ছিল পরোক্ষ যৌন অপরাধী। ** ''[[w:আই স্পিট অন ইওর গ্রেভ|আই স্পিট অন ইওর গ্রেভ]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/i-spit-on-your-grave-1980 পর্যালোচনা] (১৬ জুলাই ১৯৮০) * ১৯৭৮ সালের জঘন্য চলচ্চিত্র ''[[w:আই স্পিট অন ইওর গ্রেভ|আই স্পিট অন ইওর গ্রেভ]]'' এর এই জঘন্য [[w:আই স্পিট অন ইওর গ্রেভ (২০১০-এর চলচ্চিত্র)|রিমেক]] আরেকটি অপরাধ যোগ করে: একটি ভুয়া নৈতিক সমতা। মূল চলচ্চিত্রে একজন নারী বোকামি করে একা একটি নির্জন কেবিনে ছুটি কাটাতে যাওয়ার কথা ভেবেছিলেন। তিনি বিকৃত স্থানীয় পুরুষদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন, যারা একের পর এক তাকে ধর্ষণ করেছিল। এরপর চলচ্চিত্রটি তার মারাত্মক প্রতিশোধের মধ্য দিয়ে শেষ হয়। এই চলচ্চিত্রে প্রতিশোধের জন্য কম সময় এবং তার বিরুদ্ধে মৌখিক, মানসিক ও শারীরিক সহিংসতার জন্য বেশি সময় ব্যয় করা হয়েছে। ফলে এটি নারীদের প্রতি পরোক্ষ নিষ্ঠুরতা হিসেবে আরও ভালোভাবে কাজ করে। ** ''[[w:আই স্পিট অন ইওর গ্রেভ (২০১০-এর চলচ্চিত্র)|আই স্পিট অন ইওর গ্রেভ]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/i-spit-on-your-grave-2010 পর্যালোচনা] (৬ অক্টোবর ২০১০) * এই প্লটটি যদি কিছু বোঝাতে চায়, তবে তা হলো [[w:কিং লিয়ার|কিং লিয়ারের]] সেই অভিযোগ, "দেবতাদের কাছে আমরা হলাম দুষ্টু ছেলেদের হাতে মাছির মতো; তারা খেলার ছলে আমাদের মেরে ফেলে।" আমি জানি যে এই নিয়ে টানা দুই সপ্তাহে আমাকে লিয়ারের উদ্ধৃতি দিতে হলো, কিন্তু এমন সময় আসে যখন এমিনেম দিয়ে কাজ চলে না। ** ''দ্য লাইফ অব ডেভিড গেল'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/the-life-of-david-gale-2003 পর্যালোচনা] (২১ ফেব্রুয়ারি ২০০৩) * ''লিটল ইন্ডিয়ান, বিগ সিটি'' সর্বকালের সবচেয়ে বাজে চলচ্চিত্রগুলোর একটি। এর প্রতিটি নির্বোধ মুহূর্ত আমি ঘৃণা করেছি... আপনি যদি কোনো অবস্থাতেই ''লিটল ইন্ডিয়ান, বিগ সিটি'' দেখেন, তবে আমি আপনাকে আর কখনোই আমার পর্যালোচনা পড়তে দেব না। ** ''[[w:আন ইন্ডিয়ান ড্যান্স লা ভিলি|লিটল ইন্ডিয়ান, বিগ সিটি]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/little-indian-big-city-1996 পর্যালোচনা] (২২ মার্চ ১৯৯৬) * ''[[w:ম্যাড ডগ টাইম|ম্যাড ডগ টাইম]]'' আমার দেখা প্রথম চলচ্চিত্র যা একই সময়ের জন্য ফাঁকা পর্দার দৃশ্য দেখার চেয়ে ভালো কিছু দিতে পারে না। ওহ, আমি এর আগে বাজে চলচ্চিত্র দেখেছি। কিন্তু সেগুলো সাধারণত আমাকে ভাবাত যে সেগুলো কতটা খারাপ। ''ম্যাড ডগ টাইম'' দেখা হলো এমন এক শহরে বাসের জন্য অপেক্ষা করার মতো যেখানে আপনি নিশ্চিত নন যে সেখানে কোনো বাস লাইন আছে কি না... ''ম্যাড ডগ টাইম'' কেটে গরিবদের জন্য বিনামূল্যে ইউকুলেলের পিক বানানো উচিত। ** ''[[w:ম্যাড ডগ টাইম|ম্যাড ডগ টাইম]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/mad-dog-time-1996 পর্যালোচনা] (২৯ নভেম্বর ১৯৯৬) * ''[[w:ম্যানডিঙ্গো (চলচ্চিত্র)|ম্যানডিঙ্গো]]'' হলো এক বর্ণবাদী জঞ্জাল। এটি মানুষ ও তাদের অনুভূতির অপব্যবহারে এতটাই জঘন্য এবং সহ্য করা এতটাই যন্ত্রণাদায়ক যে, আমি গত শনিবার বিকেলে বেশিরভাগ শিশুদের নিয়ে গঠিত দর্শকদের মধ্যে বসে এটি অনুভব করেছি। চলচ্চিত্রটির রেটিং "আর", যা অনেক শিশুকে ভেতরে ঢোকা থেকে আটকাতে পারেনি, কারণ বেশিরভাগই তাদের বাবা-মায়ের সাথে এসেছিল... যদি [শিকাগো] বিশ্বাস করে যে শিশুদের ''ম্যানডিঙ্গো'' দেখানো উচিত, তবে আর কোনো মানদণ্ড অবশিষ্ট নেই। এখন একমাত্র করণীয় হলো সেন্সর বোর্ডকে পার্ক বিভাগে বদলি করে দেওয়া, যেখানে তারা কাগজের প্লেট ছোড়ার প্রতিযোগিতা তদারকি করতে পারবে। ** ''[[w:ম্যানডিঙ্গো (চলচ্চিত্র)|ম্যানডিঙ্গো]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/mandingo-1975 পর্যালোচনা] (২৫ জুলাই ১৯৭৫) * আমি এই চলচ্চিত্রটি ঘৃণা করেছি। ঘৃণা করেছি, ঘৃণা করেছি, ঘৃণা করেছি, ঘৃণা করেছি, এই চলচ্চিত্রটি ঘৃণা করেছি। ঘৃণা করেছি। এর প্রতিটি বোকা, ফাঁকা এবং দর্শকদের অপমানজনক মুহূর্ত আমি ঘৃণা করেছি। যে সংবেদনশীলতা ভেবেছিল যে কেউ এটি পছন্দ করবে, আমি তা ঘৃণা করেছি। কেউ এটি দেখে বিনোদন পাবে, এই বিশ্বাস করে দর্শকদের যে অপমান করা হয়েছে তা আমি ঘৃণা করেছি। ** ''[[w:নর্থ (১৯৯৪-এর চলচ্চিত্র)|নর্থ]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/north-1994 পর্যালোচনা] (২২ জুলাই ১৯৯৪) * আমি বিশ্বাস করি এবং যুক্তি দেব যে সব ধর্মের বেশিরভাগ সদস্যই কাউকে হত্যা করতে চায় না। তারা তাদের পরিবারকে ভালোবাসতে ও যত্ন নিতে চায়, এমন সম্মানজনক কাজ করতে চায় যা জীবনকে টিকিয়ে রাখে ও আরাম দেয়, শান্তিতে থাকতে চায় এবং প্রতিবেশীদের সাথে মিলেমিশে থাকতে চায়। আমার সন্দেহ হয়, কিছু মানুষের মধ্যে থাকা এক বিকৃত প্রবণতা তাদের আত্ম-ধার্মিকতার নামে সহিংসতার দিকে ধাবিত করে, এবং ধর্মকে একটি সুবিধাজনক অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে... আমি এই চলচ্চিত্রের দর্শকদের কল্পনা করার যথাসাধ্য চেষ্টা করছি। প্রতিবার যখনই আমি একটু অগ্রসর হই, এটি আমাকে ভয় পাইয়ে দেয়। ** ''[[w:সেপ্টেম্বর ডন|সেপ্টেম্বর ডন]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/september-dawn-2007 পর্যালোচনা] (২৪ আগষ্ট ২০০৭) * এই চলচ্চিত্রের নির্মাতারা কোন গ্রহ থেকে এসেছেন? জীবনের উদ্দেশ্য ও মান নিয়ে তাদের কী ধারণা? আমি জিজ্ঞেস করছি কারণ ''[[w:শিজ আউট অব কন্ট্রোল|শিজ আউট অব কন্ট্রোল]]'' একই সাথে এতটা অদ্ভুত এবং এতটা মামুলি যে এটি প্রথম: এটি এমন একটি চলচ্চিত্র যা বাস্তবতার কোনো স্তরের উল্লেখ ছাড়াই সম্পূর্ণ সিটকম ক্লিশে এবং কৃত্রিম জীবনধারা দিয়ে তৈরি। ** ''[[w:শিজ আউট অব কন্ট্রোল|শিজ আউট অব কন্ট্রোল]]'' এর [https://www.rogerebert.com/reviews/shes-out-of-control-1989 পর্যালোচনা] (১৪ এপ্রিল ১৯৮৯) * চলচ্চিত্রটি পুরোনো ক্যাম্পাসের প্রেমের রসিকতার একটি ক্লান্তিকর পুনরাবৃত্তি। এখানে সুন্দরী মেয়েটি তাকে ভালোবাসে এমন ভালো ছেলেকে বিশ্বাস না করে এক জঘন্য প্রতারকের মিথ্যায় প্রায় বিশ্বাস করে ফেলে। চলচ্চিত্রটি এই সূত্রে একমাত্র যে মৌলিকতা এনেছে, তা হলো এর গল্প বলার অদক্ষ কাঠামোর মাধ্যমে এটিকে দুর্বোধ্য করে তোলা। বড় চিত্রটি অাঁকা না রেখেই বিস্তারিত বিষয়গুলোতে জোর দেওয়া হয়েছে... এর কল্পনার অভাব দেখে আমি আতঙ্কিত হয়েছিলাম। ** ''[[w:স্ল্যাকার্স (চলচ্চিত্র)|স্ল্যাকার্স]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/slackers-2002 পর্যালোচনা] (১ ফেব্রুয়ারি ২০০২) * ''সাওয়ার গ্রেপস'' এমন একটি কমেডি যা মোটেও মজার নয়। এটি আমাকে ''[[w:ক্র্যাশ (১৯৯৬-এর চলচ্চিত্র)|ক্র্যাশ]]'' এর কথা মনে করিয়ে দিয়েছে, যা এমন একটি কামুক থ্রিলার যার কোনো কিছুই কামোদ্দীপক নয়। বড় পার্থক্য হলো [[w:ডেভিড ক্রোনেনবার্গ|ডেভিড ক্রোনেনবার্গ]], যিনি ''ক্র্যাশ'' তৈরি করেছিলেন, তিনি জানতেন যে মানুষ সড়ক দুর্ঘটনা দেখে উত্তেজিত হয় না। ল্যারি ডেভিড, যিনি ''সাওয়ার গ্রেপস'' লিখেছেন এবং পরিচালনা করেছেন, তিনি মনে হয় ভাবেন যে মানুষ ক্যান্সার, দুর্ঘটনাবশত খোজাকরণ, বর্ণবাদী স্টেরিওটাইপ এবং তিক্ত পারিবারিক বিবাদ দেখে মজা পায়... আমি যত বেশি ভাবছি, তত বেশি মনে হচ্ছে ''সাওয়ার গ্রেপস'' সত্যিই ''ক্র্যাশ'' এর মতো (যদিও ''ক্র্যাশ'' খারাপ চলচ্চিত্র ছিল না)। উভয় চলচ্চিত্রই অটোমোবাইল দুর্ঘটনা দেখার মতো। তবে কেবল একটিই এমন হওয়ার কথা ছিল। ** ''[[w:সাওয়ার গ্রেপস (চলচ্চিত্র)|সাওয়ার গ্রেপস]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/sour-grapes-1998 পর্যালোচনা] (১৭ এপ্রিল ১৯৯৮) * আমি ভালো হরর চলচ্চিত্র পছন্দ করি। সেগুলো আমাদের মনের শয়তানকে দূর করতে পারে। ''দ্য টেক্সাস চেইনস মাসাকার'' কোনো কিছু দূর করতে চায় না। এটি আমাদের কল্পনার মধ্য দিয়ে নোংরা কিছু মাড়িয়ে আমাদের স্বপ্নের ওপর পা মুছতে চায়। আমি ডেটে যাওয়া দর্শকদের কথা ভাবি যারা এই চলচ্চিত্রটি দেখে এবং তারপর — কী? আমার ধারণা তাদের এটি নিয়ে হাসতে হবে, কারণ বোকা বনে যাওয়ার অভিজ্ঞতা নিয়ে ব্যঙ্গ করা এখন একটি কেতাদুরস্ত প্রতিক্রিয়া। … নিজের উপকার করুন। এখন অনেক ভালো চলচ্চিত্র চলছে যা আপনাকে একটু বেশি খুশি, বুদ্ধিমান, কামুক, মজাদার, আরও উত্তেজিত — অথবা আরও ভীত করে তুলতে পারে, যদি আপনি সেটাই চান। এটি সেগুলোর মধ্যে একটি নয়। এটি দিয়ে আপনার জীবনের ৯৮ মিনিট নষ্ট করবেন না। ** ''[[w:দ্য টেক্সাস চেইনস মাসাকার (চলচ্চিত্র)|দ্য টেক্সাস চেইনস মাসাকার]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/the-texas-chainsaw-massacre-2003 পর্যালোচনা] (১৭ অক্টোবর ২০০৩) * ''[[w:উলফ ক্রিক (চলচ্চিত্র)|উলফ ক্রিক]]'' দেখা আমার জন্য কঠিন ছিল। এটি একটি সুস্পষ্ট উদ্দেশ্যে তৈরি চলচ্চিত্র: চিৎকার করা তরুণীদের নিষ্ঠুরভাবে অনুসরণ, নির্যাতন এবং অঙ্গচ্ছেদের দৃশ্য দেখিয়ে পরিচালকের বাণিজ্যিক দক্ষতা প্রমাণ করা। যখন খুনি তার এক শিকারের মেরুদণ্ড কেটে ফেলে এবং তাকে "লাঠির মাথায় রাখা মুণ্ডু" বলে ডাকে, তখন আমি প্রেক্ষাগৃহ থেকে বেরিয়ে গিয়ে হাঁটতে থাকতে চেয়েছিলাম। ** ''[[w:উলফ ক্রিক (চলচ্চিত্র)|উলফ ক্রিক]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/wolf-creek-2005 পর্যালোচনা] (২৩ ডিসেম্বর ২০০৫) ==== তারকা রেটিং ছাড়া ==== * এই চলচ্চিত্রের তারকা [[w:লিন্ডা লাভলেস|লিন্ডা লাভলেস]] যৌন স্বাধীনতার সমর্থন করেন, যা খুবই ভালো। কিন্তু তিনি তার চরিত্রে যে শক্তি নিয়ে এসেছেন, তা চমকপ্রদ হওয়ার চেয়ে বেশি হতাশাজনক। যৌন স্বাধীনতার জন্য যদি এতটা পরিশ্রম করতে হয়, তবে হয়তো এটি এতটা চেষ্টার যোগ্য নয়। ** ''[[w:ডিপ থ্রোট (চলচ্চিত্র)|ডিপ থ্রোট]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/deep-throat-1973 পর্যালোচনা] (৬ মার্চ ১৯৭৩) * আমাকে এমন চলচ্চিত্রগুলোতে তারকা রেটিং দিতে হয় যা আমি পর্যালোচনা করি। এইবার আমি তা করতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছি। তারকা রেটিং ব্যবস্থা এই চলচ্চিত্রের জন্য অনুপযুক্ত। চলচ্চিত্রটি কি ভালো? এটি কি খারাপ? এতে কি কিছু যায় আসে? এটি যা, তা-ই। এবং এটি এমন এক জগতে থাকে যেখানে তারকারা জ্বলে না। ** ''[[w:দ্য হিউম্যান সেন্টিপিড (ফার্স্ট সিকোয়েন্স)|দ্য হিউম্যান সেন্টিপিড]]'' এর [http://www.rogerebert.com/reviews/the-human-centipede-2010 পর্যালোচনা] (৫ মে ২০১০) == ইবার্ট সম্পর্কে উক্তি == :<small>লেখকের নাম অনুযায়ী বর্ণনানুক্রমিক </small> [[চিত্র:Boutte and Ebert.jpg|থাম্ব|ডান|অনেক চলচ্চিত্র [[সমালোচক|সমালোচকের]] ক্ষেত্রে আপনি এমন কথা শুনবেন না। [[মানুষ]] রজার ইবার্টকে [[ভালোবাসা|ভালোবাসে]]। ~ রডনি ওয়েলচ]] * '''রজার ইবার্ট একটি জাতীয় সম্পদ।''' তিনি সবচেয়ে পরিচিত এবং সুপরিচিত চলচ্চিত্র সমালোচক। তিনি বেশ কিছুদিন ধরে আমার প্রিয় লেখক। আমি সবসময় তাঁর [[মতামত|মতামতের]] সাথে একমত হই না, যা আমার অধিকার, কিন্তু তিনি সবসময় সেগুলো সমর্থন করেন। তিনি এমন কেউ নন যিনি কেবল বলে দেবেন যে অমুক চলচ্চিত্রের অমুক দিকটি খারাপ এবং সেখানেই শেষ করবেন। বরং তিনি তাঁর [[চিন্তা|চিন্তা]] প্রক্রিয়ার [[কারণ]]গুলোও তুলে ধরবেন। ** ক্রিস বিউমন্ট, ব্লগক্রিটিকস ম্যাগাজিনের [http://blogcritics.org/archives/2006/10/15/001852.php "রজার ইবার্টস রিহ্যাবিলিটেশন গোয়িং ওয়েল"] এ (১৫ অক্টোবর ২০০৬) * তাঁর অভদ্র ও সহজাত বামপন্থি মানসিকতার মাধ্যমে ইবার্ট কেবল আরেকজন হলিউড অভিজাত শ্রেণিতে পরিণত হয়েছেন, যিনি আমেরিকাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাচ্ছেন। দুই বৃদ্ধাঙ্গুলি নিচের দিকে। ** ক্রিস রিড, ফ্রন্টপেজম্যাগাজিনের [http://www.frontpagemag.com/Articles/ReadArticle.asp?ID=9187 "রজার ইবার্ট: দ্য শ্রিল শিল"] এ (১ আগষ্ট ২০০৩) * '''এটি বাড়িয়ে বলা হবে না যে মি. ইবার্ট ছিলেন তাঁর প্রজন্মের সবচেয়ে সুপরিচিত চলচ্চিত্র পর্যালোচক এবং অন্যতম [[বিশ্বাস|বিশ্বস্ত]] একজন ব্যক্তি।''' তাঁর মতামতের [[শক্তি]] এবং [[সৌন্দর্য]] চলচ্চিত্র সমালোচনাকে আমেরিকান সংস্কৃতির মূল স্রোতে নিয়ে এসেছিল। তিনি দর্শকদের কেবল কী দেখতে হবে তার পরামর্শই দেননি, বরং তারা যা দেখেছেন সে সম্পর্কে কীভাবে চিন্তা করতে হবে তাও শিখিয়েছিলেন। ** [[w:ডগলাস মার্টিন|ডগলাস মার্টিন]], দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের [http://www.nytimes.com/2013/04/05/movies/roger-ebert-film-critic-dies.html?_r=0&pagewanted=all "আ ক্রিটিক ফর দ্য কমন ম্যান"] এ (৪ এপ্রিল ২০১৩) * রজার ইবার্টের মৃত্যুর খবর শুনে আমি আজ খুবই ব্যথিত হয়েছি। '''রজার... চিরকালই আমার প্রিয় চলচ্চিত্র সমালোচক। আমি সবসময় তাঁর সাথে একমত হইনি, কিন্তু আমি সবসময় তাঁর লেখা অন্তর্দৃষ্টিপূর্ণ এবং পড়তে মজাদার পেয়েছি।''' তিনি কেবল একজন অসাধারণ সমালোচকই ছিলেন না, তিনি একজন অসাধারণ লেখকও ছিলেন। .. '''একজন বুদ্ধিমান মানুষ, একটি সুন্দর জীবন। আমি তাঁকে দুই বৃদ্ধাঙ্গুলি ওপরের দিকে দেখাচ্ছি।''' ** জর্জ আর. আর. মার্টিন, নট আ ব্লগের [http://grrm.livejournal.com/319625.html রিপ রজার ইবার্ট] এ (৫ এপ্রিল ২০১৩) * আমেরিকানদের একটি প্রজন্মের জন্য — এবং বিশেষ করে শিকাগোবাসীদের জন্য — রজার নিজেই ছিলেন চলচ্চিত্র। '''যখন কোনো চলচ্চিত্র তার ভালো লাগত না, তিনি সৎ থাকতেন। আর যখন ভালো লাগত, তখন তিনি উচ্ছ্বসিত হতেন। তিনি চলচ্চিত্রের অনন্য শক্তি দিয়ে আমাদের কোনো জাদুকরি জায়গায় নিয়ে যেতেন।''' ** [[বারাক ওবামা]], দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসে ডগলাস মার্টিন রচিত [http://www.nytimes.com/2013/04/05/movies/roger-ebert-film-critic-dies.html?_r=0&pagewanted=all "আ ক্রিটিক ফর দ্য কমন ম্যান"] এ উদ্ধৃত (৪ এপ্রিল ২০১৩) * '''আমেরিকানদের কেন চলচ্চিত্র ভালোবাসা উচিত, তা बताने के लिए রজার ইবার্টের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর কেউ ছিলেন না।''' ** [[w:মাইকেল শ্যামবার্গ|মাইকেল শ্যামবার্গ]], এডিটর অ্যান্ড পাবলিশারের [http://www.editorandpublisher.com/eandp/departments/syndicates/article_display.jsp?vnu_content_id=1003577005 "রজার ইবার্ট মেকস ফার্স্ট পাবলিক অ্যাপিয়ারেন্স ইন ১০ মান্থস"] এ উদ্ধৃত (২৬ এপ্রিল ২০০৭) * গত পঁচিশ বছরের অন্যতম প্রভাবশালী আমেরিকান লেখক ও সমালোচক রজার ইবার্টের [[মৃত্যু|মৃত্যুর]] পর আজ এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি বলেছেন, '''"রজার ছাড়া চলচ্চিত্র আর আগের মতো থাকবে না।"''' '''প্রথমত, তিনি ছিলেন একজন দুর্দান্ত চলচ্চিত্র সমালোচক, একজন [[আনন্দ|আনন্দিত]] দর্শক যিনি সবসময় প্রচার করতেন যে [[মহান]] [[শিল্প]] এবং জনপ্রিয় বিনোদন পরস্পরবিরোধী নয়।''' … তিনি একজন দুর্দান্ত প্রাবন্ধিকও ছিলেন। পৃথিবী এখন কোনো প্রকাশকের কাছে তাঁর সেরা ব্লগ পোস্টগুলো মলাটবদ্ধ করার অনুরোধ করে। যাতে যারা তাঁর মতোই ছাপার অক্ষর ভালোবাসতেন, তাদের জন্য সেগুলো সংরক্ষিত থাকে। '''তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, তিনি [[মানবতা|মানবতা]] এবং মানুষের সৃষ্টিকে উদ্‌যাপন করতেন।''' ** মাইকেল শেরার, টাইম ম্যাগাজিনের [http://swampland.time.com/2013/04/04/roger-ebert-rip/#ixzz2PhpDI5Ue "রজার ইবার্ট আর.আই.পি."] এ (৪ এপ্রিল ২০১৩) * '''অনেক চলচ্চিত্র সমালোচকের ক্ষেত্রে আপনি এমন কথা শুনবেন না। মানুষ রজার ইবার্টকে ভালোবাসে।''' … এর একটি ভালো কারণ রয়েছে: ইবার্ট চলচ্চিত্র দর্শক এবং প্রেক্ষাগৃহের মাঝখানে দাঁড়ান না। বরং তাঁর নিয়মিত পাঠকরা হলেন গুরুতর চলচ্চিত্রপ্রেমী যারা তাঁকে তাদের প্রতিনিধি হিসেবে দেখেন। তিনি এমন একজন যিনি চলচ্চিত্রগুলোকে কম বোকা, আরও বিনোদনমূলক, আরও বুদ্ধিদীপ্ত, এককথায় আরও ভালো করার জন্য লড়াই করেন। তিনি যে আপনার পক্ষে আছেন, তা জানার জন্য আপনাকে তাঁর সাথে একমত হতে হবে না। যেমন আমি এই বইটিতে তাঁর সাথে একমত হইনি, যখন তিনি ''টিম আমেরিকা'' এবং ''জিসাস ইজ ম্যাজিক'' নিয়ে সমালোচনা করেছিলেন। এই দুটি চলচ্চিত্র দেখে আমি হাসতে হাসতে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলাম। তিনি বাজে চলচ্চিত্রগুলো দেখেন যাতে আপনাকে দেখতে না হয়। এবং তিনি একই চলচ্চিত্র বারবার দেখেছেন। … তবে কেবল ক্ষোভ উগরে দেওয়াই তাঁর কাজ নয়। কোনো চলচ্চিত্র কেন সফল হয়, তার মতো কোনো চলচ্চিত্র কেন ব্যর্থ হয় তা নিয়েও তাঁর সমান আগ্রহ রয়েছে। বেশিরভাগ সময়ই কারণটা স্পষ্ট থাকে: কারণ এটি বোকাদের জন্য বোকাদের দ্বারা তৈরি। এসব ক্ষেত্রে ইবার্ট আমাদের যতটা সম্ভব বিনোদনমূলক উপায়ে গল্পের মধ্য দিয়ে নিয়ে যান। … চল্লিশ বছর পরও, তিনি একজন চলচ্চিত্র দর্শকের সেরা বন্ধু। ** রডনি ওয়েলচ, ফ্রি টাইমসের [http://www.free-times.com/Portlet/Print_Friendly.php?Print=Article&z_Article_ID=11462205071445460 "ওর্স্ট. মুভিজ. এভার. আ রিভিউ অব রজার ইবার্টস ''ইওর মুভি সাকস''"] এ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} * [http://www.rogerebert.com/ রজার ইবার্টের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট] * [http://www.ebertandroeper.tv/ ইবার্ট অ্যান্ড রোপারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট] * [http://www.rogerebert.com/rogers-journal/in-the-meadow-we-can-pan-a-snowman "ইন দ্য মিডৌ, উই ক্যান প্যান আ স্নোম্যান"], (রজার ইবার্টের জার্নাল), ''শিকাগো সান-টাইমস'', ২১ ডিসেম্বর ২০০৮ – তাঁর কলামগুলো থেকে প্রিয় চলচ্চিত্রের সমালোচনা উদ্ধৃত করে, "বার্মিংহাম, আলাবামার পাঠক জেরি রবার্টস এবং এর কিছুর জন্য উইকিকোটস ''[সিক]'' কে ধন্যবাদ।" * {{nndb name|id=230/000024158|name=রজার ইবার্ট}} * {{imdb name|id=0001170|name=রজার ইবার্ট}} * [http://www.rss.hm/ রজার ইবার্টের আরএসএস ফিড] * [http://www.progressive.org/mag_intvebert রজার ইবার্টের সাথে প্রগ্রেসিভ ম্যাগাজিনের সাক্ষাৎকারের প্রতিলিপি] {{ডিফল্টসর্ট:ইবার্ট, রজার}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪২-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:২০১৩-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:মানবতাবাদী]] [[বিষয়শ্রেণী:পুলিৎজার পুরস্কার বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের চিত্রনাট্যকার]] [[বিষয়শ্রেণী:টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব]] [[বিষয়শ্রেণী:ধর্মনিরপেক্ষতাবাদী]] [[বিষয়শ্রেণী:প্রাক্তন রোমান ক্যাথলিক]] 6c3ud1vz8plov4uha6ev0qx52fdmafo বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত বিতর্ক 0 14178 84193 84118 2026-08-14T19:14:11Z ফারদিন 52 /* উক্তি */ উক্তি যোগ 84193 wikitext text/x-wiki '''[[w:bn:বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত বিতর্ক|বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত বিতর্ক]]''' হলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আমার সোনার বাংলা সঙ্গীতকে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গ্রহণ করা নিয়ে বিতর্ক। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পরে ১৯৭২ সালের ১৩ জানুয়ারি মন্ত্রিসভার প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠকে গানটিকে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গ্রহণ করা হয়। তবে ১৯৭৫ সালের পর থেকেই গানটিকে জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে বিতর্কের মুখে পড়তে হয়। পরবর্তী সময়ে এই সঙ্গীতের পক্ষে ও বিপক্ষে নানা আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে, কখনো রাষ্ট্রীয়ভাবে গানটিকে বদলাবার চেষ্টা করা হয়েছে, কখনো বুদ্ধিজীবিরা গানটির জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গ্রহণকে প্রশ্ন করেছেন। == উক্তি == * আমি এই প্রথম একটি বাউল গান গভীর মনোযোগ সহকারে শুনেছিলাম, যা আমার মনে গভীর আলোড়ন তুলেছিল। এই গানের ভাষা এতটাই সরল যে, এটিকে আমি অন্য কোনো ভাষায় অনুবাদ করে সমালোচনামূলক দৃষ্টিতে উপস্থাপন করতে দ্বিধা বোধ করি।...এর প্রথম লাইন এইভাবে অনুবাদ করা যেতে পারে: 'আমি কোথায় পাব তারে, আমার মনের মানুষ যে রে?' এই "মনের মানুষ" — শব্দবন্ধটি শুধু এই গানেই নয়, বরং বাউল সম্প্রদায়ের গানে এটি প্রায়শই ব্যবহৃত হয়। '''এই গানটির রচয়িতা কবির নাম ছিল [[গগন হরকরা|গগন]]'''। তিনি প্রায় নিরক্ষর ছিলেন এবং তাঁর বাউল গুরুর কাছ থেকে পাওয়া ধারণাগুলো আধুনিক যুগের আত্মসচেতনতা দ্বারা প্রভাবিত হয়নি। তিনি গ্রামের একজন ডাকপিয়ন ছিলেন এবং মাসে প্রায় দশ শিলিং উপার্জন করতেন। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]]। ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত [https://web.archive.org/web/20250807080509/https://sacred-traditions.org/articles/2016-08-13_an-indian-folk-religion/ ‘এন ইন্ডিয়ান ফোক রিলিজিয়ন’] শীর্ষক এক আলোচনা সভায়। * প্রথমেই আসি গগন হরকরার ‘আমি কোথায় পাব তারে’ গানের প্রসঙ্গে এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিরুদ্ধে গগন হরকরার সুর নকলের অভিযোগে। গগন হরকরার বিষয়টি অনেক আগে থেকেই ব্যাপকভাবে জ্ঞাত ও মীমাংসিত। মূলত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাউল পত্রিকায় এই গানটি (জাতীয় সংগীত) ছাপিয়েছিলেন। এবং তিনি স্পষ্ট করেই উচ্চারণ করেছিলেন, এই গানের সুর বাউলগান থেকে নেওয়া। কেননা গগন হরকরার সুর মৌলিক কোনো সুর ছিল না। এর পুরোটাই ছিল বাউল টিউন। আরেকটি তথ্য দিয়ে রাখি, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরই প্রথম ব্যক্তি, যিনি সাময়িক পত্রিকায় গগন হরকরার সেই গানের বাণী প্রকাশ করেছিলেন, যে সুর নকল করে আপনি অন্য গান রচনা করবেন, নিশ্চয়ই সেই সুরকে ফলাও করে প্রচার করবেন না। ** [[w:bn:মোহাম্মদ আলী আরাফাত|মোহাম্মদ আলী আরাফাত]]। [https://web.archive.org/web/20250815175626/https://www.kalerkantho.com/print-edition/sub-editorial/2019/10/02/821225 জাতীয় সংগীত ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর : কিছু মিথ ও প্রকৃত ইতিহাস], ''কালের কণ্ঠ'', ২ অক্টোবর ২০১৯। == বিতর্ক == * ৩টি কারণে এই জাতীয় সংগীত গ্রহণযোগ্য না। সেগুলো হলো: বাংলাদেশ নিয়ে এই গান রচিত নয়, রচয়িতা বাংলাদেশের নাগরিক নয় এবং সুর নকল করা। ** [[অলি আহমেদ]]। ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৪-এ ঢাকার মগবাজারে এলডিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক [https://www.somoynews.tv/news/2024-09-10/tIQ6NUR9 সংবাদ সম্মেলনে]। * ১৯০৫-এ বঙ্গভঙ্গ-রদ করার জন্য রবীন্দ্রনাথ লিখেছিলেন, ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি’। এই জাতীয় সংগীত দুই বাংলা এক করার জন্য জাতীয় সংগীত। আমরা কি [[যুক্তবঙ্গ|দুই বাংলা]] এক হতে চাচ্ছি? ** [[w:bn:আবদুল্লাহিল আমান আযমী|আবদুল্লাহিল আমান আযমী]]। ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪-এ জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের [https://web.archive.org/web/20260522042733/https://www.jugantor.com/national/846997 জাতীয় সঙ্গীত পরিবর্তনের দাবি জানিয়ে]। * রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি গান ভারতের জাতীয় সংগীত। তিনি বাংলাদেশের নাগরিক নন। [[হিন্দু]] সম্প্রদায়ের একজন কবির লেখা গান জাতীয় সংগীত হওয়ায় [[মুসলমান|মুসলিম]] উম্মাহ উদ্বিগ্ন। এই গান আমাদের সংস্কৃতির চেতনার পরিপন্থী বিধায় জাতীয় সংগীত পরিবর্তন আবশ্যক। ** [[w:bn:শাহ আজিজুর রহমান|শাহ আজিজুর রহমান]]। এক গোপন [https://www.dhakatimes24.com/2019/08/06/131236/ চিঠিতে]।[https://web.archive.org/web/20190806054805/https://eisamay.indiatimes.com/entertainment/tv-news/not-onlt-noble-many-noted-public-figures-voiced-their-opinion-to-replace-sonar-bangla-penned-by-rabindranath-tagore-as-the-national-song-of-bangladesh-in-the-past/articleshow/70537992.cms] * সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে আমাদের ইসলামী মূল্যবোধ ও চেতনার আলোকে জাতীয় সংগীত সংশোধিত হওয়া প্রয়োজন। ** [[মতিউর রহমান নিজামী]] এবং [[আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ|আলী আহসান মুজাহিদ]]। যৌথভাবে ২০০২ সালের ১৯ মার্চ তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী [[খালেদা জিয়া|খালেদা জিয়ার]] কাছে পাঠানো [https://www.dhakatimes24.com/2019/08/06/131236/ অনুরোধপত্রে]। [https://web.archive.org/web/20190806054805/https://eisamay.indiatimes.com/entertainment/tv-news/not-onlt-noble-many-noted-public-figures-voiced-their-opinion-to-replace-sonar-bangla-penned-by-rabindranath-tagore-as-the-national-song-of-bangladesh-in-the-past/articleshow/70537992.cms] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশে বিতর্ক]] [[বিষয়শ্রেণী:রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] [[বিষয়শ্রেণী:জাতীয় সঙ্গীত]] egyxpm2fje9r0i3i006jjlfaw5kvc8k 84196 84193 2026-08-14T19:32:31Z ফারদিন 52 /* উক্তি */ 84196 wikitext text/x-wiki '''[[w:bn:বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত বিতর্ক|বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত বিতর্ক]]''' হলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আমার সোনার বাংলা সঙ্গীতকে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গ্রহণ করা নিয়ে বিতর্ক। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পরে ১৯৭২ সালের ১৩ জানুয়ারি মন্ত্রিসভার প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠকে গানটিকে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গ্রহণ করা হয়। তবে ১৯৭৫ সালের পর থেকেই গানটিকে জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে বিতর্কের মুখে পড়তে হয়। পরবর্তী সময়ে এই সঙ্গীতের পক্ষে ও বিপক্ষে নানা আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে, কখনো রাষ্ট্রীয়ভাবে গানটিকে বদলাবার চেষ্টা করা হয়েছে, কখনো বুদ্ধিজীবিরা গানটির জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গ্রহণকে প্রশ্ন করেছেন। == উক্তি == * আমি এই প্রথম একটি বাউল গান গভীর মনোযোগ সহকারে শুনেছিলাম, যা আমার মনে গভীর আলোড়ন তুলেছিল। এই গানের ভাষা এতটাই সরল যে, এটিকে আমি অন্য কোনো ভাষায় অনুবাদ করে সমালোচনামূলক দৃষ্টিতে উপস্থাপন করতে দ্বিধা বোধ করি।...এর প্রথম লাইন এইভাবে অনুবাদ করা যেতে পারে: 'আমি কোথায় পাব তারে, আমার মনের মানুষ যে রে?' এই "মনের মানুষ" — শব্দবন্ধটি শুধু এই গানেই নয়, বরং বাউল সম্প্রদায়ের গানে এটি প্রায়শই ব্যবহৃত হয়। '''এই গানটির রচয়িতা কবির নাম ছিল [[গগন হরকরা|গগন]]'''। তিনি প্রায় নিরক্ষর ছিলেন এবং তাঁর বাউল গুরুর কাছ থেকে পাওয়া ধারণাগুলো আধুনিক যুগের আত্মসচেতনতা দ্বারা প্রভাবিত হয়নি। তিনি গ্রামের একজন ডাকপিয়ন ছিলেন এবং মাসে প্রায় দশ শিলিং উপার্জন করতেন। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]]। ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত [https://web.archive.org/web/20250807080509/https://sacred-traditions.org/articles/2016-08-13_an-indian-folk-religion/ ‘এন ইন্ডিয়ান ফোক রিলিজিয়ন’] শীর্ষক এক আলোচনা সভায়। * প্রথমেই আসি গগন হরকরার ‘আমি কোথায় পাব তারে’ গানের প্রসঙ্গে এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিরুদ্ধে গগন হরকরার সুর নকলের অভিযোগে। গগন হরকরার বিষয়টি অনেক আগে থেকেই ব্যাপকভাবে জ্ঞাত ও মীমাংসিত। মূলত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাউল পত্রিকায় এই গানটি (জাতীয় সংগীত) ছাপিয়েছিলেন। এবং তিনি স্পষ্ট করেই উচ্চারণ করেছিলেন, এই গানের সুর বাউলগান থেকে নেওয়া। কেননা গগন হরকরার সুর মৌলিক কোনো সুর ছিল না। এর পুরোটাই ছিল বাউল টিউন। আরেকটি তথ্য দিয়ে রাখি, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরই প্রথম ব্যক্তি, যিনি সাময়িক পত্রিকায় গগন হরকরার সেই গানের বাণী প্রকাশ করেছিলেন, যে সুর নকল করে আপনি অন্য গান রচনা করবেন, নিশ্চয়ই সেই সুরকে ফলাও করে প্রচার করবেন না। ** [[w:bn:মোহাম্মদ আলী আরাফাত|মোহাম্মদ আলী আরাফাত]]। [https://web.archive.org/web/20250815175626/https://www.kalerkantho.com/print-edition/sub-editorial/2019/10/02/821225 জাতীয় সংগীত ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর: কিছু মিথ ও প্রকৃত ইতিহাস], ''কালের কণ্ঠ'', ২ অক্টোবর ২০১৯। * এবার আসি বাংলা ও বাঙালির আবেগ নিয়ে। জাতীয় সংগীতের আবেগ-অনুভূতি নিয়ে প্রশ্ন তোলার আগে আমাদের জানা উচিত [[মুক্তিযুদ্ধ]] সম্পর্কে। জানা উচিত মহাকাব্যিক মুক্তিযুদ্ধে দেশের সূর্য সন্তানদের কী অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে এই গান। মাথায় রাখতে হবে, [[বঙ্গবন্ধু]], [[তাজউদ্দীন আহমদ|তাজউদ্দীন]], সৈয়দ নজরুলদের হাত ধরে এই দেশ ও জাতীয় সংগীত। তাই জাতীয় সংগীতকে নিয়ে প্রশ্ন তোলার মানে হলো তাঁদের বুদ্ধি, প্রজ্ঞা আর সাহসের দিকে আঙুল তোলা, তাঁদের আবেগ, ভালোবাসা আর [[দেশপ্রেম|দেশপ্রেমকে]] প্রশ্নবিদ্ধ করা। সবশেষে বলব, নতুন এই বিতর্কের মাধ্যমে বাংলাদেশের [[ধর্মান্ধতা|ধর্মান্ধ]] ও মৌলবাদী গোষ্ঠী, যারা মুক্তমন ও ধ্যান-ধারণা থেকে হাজার বছর পিছিয়ে, তারা জাতীয় সংগীত ও রবীন্দ্রনাথের বিরুদ্ধে ব্যবহার করার মতো নতুন রসদ পেয়েছে মাত্র, সে ব্যাপারে আমি নিশ্চিত। মূলত এটা জাতীয় সংগীত বিরোধিতা নয়, রবীন্দ্র বিরোধিতা। ** [[w:bn:মোহাম্মদ আলী আরাফাত|মোহাম্মদ আলী আরাফাত]]। [https://web.archive.org/web/20250815175626/https://www.kalerkantho.com/print-edition/sub-editorial/2019/10/02/821225 জাতীয় সংগীত ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর: কিছু মিথ ও প্রকৃত ইতিহাস], ''কালের কণ্ঠ'', ২ অক্টোবর ২০১৯। == বিতর্ক == * ৩টি কারণে এই জাতীয় সংগীত গ্রহণযোগ্য না। সেগুলো হলো: বাংলাদেশ নিয়ে এই গান রচিত নয়, রচয়িতা বাংলাদেশের নাগরিক নয় এবং সুর নকল করা। ** [[অলি আহমেদ]]। ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৪-এ ঢাকার মগবাজারে এলডিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক [https://www.somoynews.tv/news/2024-09-10/tIQ6NUR9 সংবাদ সম্মেলনে]। * ১৯০৫-এ বঙ্গভঙ্গ-রদ করার জন্য রবীন্দ্রনাথ লিখেছিলেন, ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি’। এই জাতীয় সংগীত দুই বাংলা এক করার জন্য জাতীয় সংগীত। আমরা কি [[যুক্তবঙ্গ|দুই বাংলা]] এক হতে চাচ্ছি? ** [[w:bn:আবদুল্লাহিল আমান আযমী|আবদুল্লাহিল আমান আযমী]]। ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪-এ জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের [https://web.archive.org/web/20260522042733/https://www.jugantor.com/national/846997 জাতীয় সঙ্গীত পরিবর্তনের দাবি জানিয়ে]। * রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি গান ভারতের জাতীয় সংগীত। তিনি বাংলাদেশের নাগরিক নন। [[হিন্দু]] সম্প্রদায়ের একজন কবির লেখা গান জাতীয় সংগীত হওয়ায় [[মুসলমান|মুসলিম]] উম্মাহ উদ্বিগ্ন। এই গান আমাদের সংস্কৃতির চেতনার পরিপন্থী বিধায় জাতীয় সংগীত পরিবর্তন আবশ্যক। ** [[w:bn:শাহ আজিজুর রহমান|শাহ আজিজুর রহমান]]। এক গোপন [https://www.dhakatimes24.com/2019/08/06/131236/ চিঠিতে]।[https://web.archive.org/web/20190806054805/https://eisamay.indiatimes.com/entertainment/tv-news/not-onlt-noble-many-noted-public-figures-voiced-their-opinion-to-replace-sonar-bangla-penned-by-rabindranath-tagore-as-the-national-song-of-bangladesh-in-the-past/articleshow/70537992.cms] * সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে আমাদের ইসলামী মূল্যবোধ ও চেতনার আলোকে জাতীয় সংগীত সংশোধিত হওয়া প্রয়োজন। ** [[মতিউর রহমান নিজামী]] এবং [[আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ|আলী আহসান মুজাহিদ]]। যৌথভাবে ২০০২ সালের ১৯ মার্চ তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী [[খালেদা জিয়া|খালেদা জিয়ার]] কাছে পাঠানো [https://www.dhakatimes24.com/2019/08/06/131236/ অনুরোধপত্রে]। [https://web.archive.org/web/20190806054805/https://eisamay.indiatimes.com/entertainment/tv-news/not-onlt-noble-many-noted-public-figures-voiced-their-opinion-to-replace-sonar-bangla-penned-by-rabindranath-tagore-as-the-national-song-of-bangladesh-in-the-past/articleshow/70537992.cms] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশে বিতর্ক]] [[বিষয়শ্রেণী:রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] [[বিষয়শ্রেণী:জাতীয় সঙ্গীত]] nw2djuhmzng5rc76pe7cfcm5b2vcyw7 বিষয়শ্রেণী:জাতীয় সঙ্গীত 14 14182 84197 2026-08-14T19:33:24Z ফারদিন 52 খালি পাতা তৈরি হয়েছে 84197 wikitext text/x-wiki phoiac9h4m842xq45sp7s6u21eteeq1 84198 84197 2026-08-14T19:37:10Z ফারদিন 52 হটক্যাটের মাধ্যমে +[[বিষয়শ্রেণী:দেশাত্মবোধক গান]]; +[[বিষয়শ্রেণী:জাতীয় প্রতীক]]; +[[বিষয়শ্রেণী:বন্দনাগীতি]] 84198 wikitext text/x-wiki [[বিষয়শ্রেণী:দেশাত্মবোধক গান]] [[বিষয়শ্রেণী:জাতীয় প্রতীক]] [[বিষয়শ্রেণী:বন্দনাগীতি]] 086wnadvxgvuun23ng9la5xqdh25dni