উইকিউক্তি
bnwikiquote
https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE
MediaWiki 1.47.0-wmf.15
first-letter
মিডিয়া
বিশেষ
আলাপ
ব্যবহারকারী
ব্যবহারকারী আলাপ
উইকিউক্তি
উইকিউক্তি আলোচনা
চিত্র
চিত্র আলোচনা
মিডিয়াউইকি
মিডিয়াউইকি আলোচনা
টেমপ্লেট
টেমপ্লেট আলোচনা
সাহায্য
সাহায্য আলোচনা
বিষয়শ্রেণী
বিষয়শ্রেণী আলোচনা
TimedText
TimedText talk
মডিউল
মডিউল আলাপ
ইভেন্ট
ইভেন্ট আলোচনা
উইকিউক্তি:প্রশাসকদের আলোচনাসভা
4
729
84252
84213
2026-08-16T16:46:23Z
খাত্তাব হাসান
7
/* স্বয়ংক্রিয় ছাঁকনি */ উত্তর
84252
wikitext
text/x-wiki
{{/শীর্ষ}}
__NEWSECTIONLINK__
{{উপরে চলুন|পটভূমি=lightblue}}
[[বিষয়শ্রেণী:উইকিউক্তির প্রশাসন]]
[[বিষয়শ্রেণী:উইকিউক্তি প্রশাসন]]
[[বিষয়শ্রেণী:উইকিউক্তি সাহায্য ফোরাম]]
__TOC__</noinclude>
<!-- এই লাইনের নিচে লিখুন -->
== সম্পাদনা সারাংশ অপসারণ ==
{{ping|খাত্তাব হাসান}} [[বিশেষ:পার্থক্য/70586]] - সম্পাদনা সারাংশে থাকা ফোন নাম্বার লুক্কায়িত করুন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ২২:৪৪, ৫ অক্টোবর ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] {{করা হয়েছে}}, ধন্যবাদ! ― <span style="color:white; background-color:red;"> ☪ </span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০১:৩৬, ৬ অক্টোবর ২০২৫ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] ভাই, [[:বিষয়শ্রেণী:অপসারণের যোগ্য]] পাতাগুলো অপসারণের অনুরোধ রইল। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৯:৪৮, ৬ অক্টোবর ২০২৫ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] আমি প্রায় প্রতিদিন টহলঘর পাতা পরিদর্শন করি। আমি জানিনা, কেনো পাতাগুলো দেখলাম না। মনে হয় ক্যাশে প্রবলেম। যাইহোক, ধন্যবাদ। ― <span style="color:white; background-color:red;"> ☪ </span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০২:১৪, ৭ অক্টোবর ২০২৫ (ইউটিসি)
== স্বয়ংক্রিয় ছাঁকনি ==
https://www.dhakapost.com এবং https://www.etvbharat.com/ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম না হওয়া সত্ত্বেও, এগুলো তথ্যসূত্র হিসেবে যুক্ত করার সময় ২ নং ছাঁকনি সক্রিয় হচ্ছে। [[ব্যবহারকারী:ফারদিন|ফারদিন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ফারদিন|আলাপ]]) ১৩:৩৮, ১৫ আগস্ট ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:ফারদিন|ফারদিন]] লগ পরীক্ষা করে সক্রিয় হবার কারণ খুঁজে পেলাম না। আপনি দেখলাম পরেও সম্পাদনা করেছেন। কোনো সমস্যা এখনো বজায় থাকলে অনুগ্রহ করে জানান। ― <span style="color:white; background-color:red;"> ☪ </span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৬:৪৬, ১৬ আগস্ট ২০২৬ (ইউটিসি)
9wk5hhqwfdkm8me6esyre4ir51wzbao
84254
84252
2026-08-16T17:33:05Z
ফারদিন
52
/* স্বয়ংক্রিয় ছাঁকনি */ উত্তর
84254
wikitext
text/x-wiki
{{/শীর্ষ}}
__NEWSECTIONLINK__
{{উপরে চলুন|পটভূমি=lightblue}}
[[বিষয়শ্রেণী:উইকিউক্তির প্রশাসন]]
[[বিষয়শ্রেণী:উইকিউক্তি প্রশাসন]]
[[বিষয়শ্রেণী:উইকিউক্তি সাহায্য ফোরাম]]
__TOC__</noinclude>
<!-- এই লাইনের নিচে লিখুন -->
== সম্পাদনা সারাংশ অপসারণ ==
{{ping|খাত্তাব হাসান}} [[বিশেষ:পার্থক্য/70586]] - সম্পাদনা সারাংশে থাকা ফোন নাম্বার লুক্কায়িত করুন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ২২:৪৪, ৫ অক্টোবর ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] {{করা হয়েছে}}, ধন্যবাদ! ― <span style="color:white; background-color:red;"> ☪ </span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০১:৩৬, ৬ অক্টোবর ২০২৫ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] ভাই, [[:বিষয়শ্রেণী:অপসারণের যোগ্য]] পাতাগুলো অপসারণের অনুরোধ রইল। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৯:৪৮, ৬ অক্টোবর ২০২৫ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] আমি প্রায় প্রতিদিন টহলঘর পাতা পরিদর্শন করি। আমি জানিনা, কেনো পাতাগুলো দেখলাম না। মনে হয় ক্যাশে প্রবলেম। যাইহোক, ধন্যবাদ। ― <span style="color:white; background-color:red;"> ☪ </span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০২:১৪, ৭ অক্টোবর ২০২৫ (ইউটিসি)
== স্বয়ংক্রিয় ছাঁকনি ==
https://www.dhakapost.com এবং https://www.etvbharat.com/ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম না হওয়া সত্ত্বেও, এগুলো তথ্যসূত্র হিসেবে যুক্ত করার সময় ২ নং ছাঁকনি সক্রিয় হচ্ছে। [[ব্যবহারকারী:ফারদিন|ফারদিন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ফারদিন|আলাপ]]) ১৩:৩৮, ১৫ আগস্ট ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:ফারদিন|ফারদিন]] লগ পরীক্ষা করে সক্রিয় হবার কারণ খুঁজে পেলাম না। আপনি দেখলাম পরেও সম্পাদনা করেছেন। কোনো সমস্যা এখনো বজায় থাকলে অনুগ্রহ করে জানান। ― <span style="color:white; background-color:red;"> ☪ </span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৬:৪৬, ১৬ আগস্ট ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] [https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=বিশেষ:অপব্যবহার_লগ&wpSearchFilter=2 অপব্যবহার লগে] দেখুন। এখনো সমস্যাটি হচ্ছে। যেমন আমি নিচের উক্তিটি যোগ করার চেষ্টা করেছিলাম কিন্তু যোগ করতে পারিনি।
::* বাংলা দেশকে ভাগ করা মানে বাঙালী জাতকে ধ্বংস করে দেওয়া। আমি জানি না আপনার কি মত, আমি সর্বশক্তি দিয়ে এর বিরোধিতা করবো। বাঙালীর সভ্যতা, সংস্কৃতি শুধু হিন্দুরাও গড়ে নি, মুসলমানরাও গড়ে নি—এই দুই সম্প্রদায় একসঙ্গে বাঙালী জাতকে তৈরি করেছে—একে ভাগ করবেন কি ক’রে? একটা সাময়িক ধর্মীয় ব্যাপার টেনে এনে যদি তা করা হয়, তাহলে আমাদের সকলের যে কী সর্বনাশ হবে তা পরে বুঝবেন।
::** [[কাজী নজরুল ইসলাম]]। ‘মুসলিম লীগ বাংলাকে ভাগ করে নিতে চায়’—[[আবুল কাশেম ফজলুল হক|ফজলুল হক]] এই বিষয়ে নজরুলের মত জানতে চাইলে তিনি এই কথা বলেন। [https://www.dhakapost.com/opinion/196406]
::[[ব্যবহারকারী:ফারদিন|ফারদিন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ফারদিন|আলাপ]]) ১৭:৩৩, ১৬ আগস্ট ২০২৬ (ইউটিসি)
jxiqxd88pq3c0sa9xrww5did0w3ii2a
ব্যবহারকারী:ফারদিন/খেলাঘর
2
8643
84253
84072
2026-08-16T17:27:47Z
ফারদিন
52
/* */
84253
wikitext
text/x-wiki
<pre>{{কবিতা
|মূল =
|উৎস =
}}</pre>
<inputbox>
type=create
width=30
placeholder=শিরোনাম লিখুন (উদা: কাজী নজরুল ইসলাম)
</inputbox>
<inputbox>
width=30
type=search</inputbox>
* বাংলা দেশকে ভাগ করা মানে বাঙালী জাতকে ধ্বংস করে দেওয়া। আমি জানি না আপনার কি মত, আমি সর্বশক্তি দিয়ে এর বিরোধিতা করবো। বাঙালীর সভ্যতা, সংস্কৃতি শুধু হিন্দুরাও গড়ে নি, মুসলমানরাও গড়ে নি—এই দুই সম্প্রদায় একসঙ্গে বাঙালী জাতকে তৈরি করেছে—একে ভাগ করবেন কি ক’রে? একটা সাময়িক ধর্মীয় ব্যাপার টেনে এনে যদি তা করা হয়, তাহলে আমাদের সকলের যে কী সর্বনাশ হবে তা পরে বুঝবেন।
** [[কাজী নজরুল ইসলাম]]। ‘মুসলিম লীগ বাংলাকে ভাগ করে নিতে চায়’—[[আবুল কাশেম ফজলুল হক|ফজলুল হক]] এই বিষয়ে নজরুলের মত জানতে চাইলে তিনি এই কথা বলেন। [https://www.dhakapost.com/opinion/196406]
== প্রয়োজনীয় লিঙ্ক ==
* [https://ytools.toolforge.org/wc/ শব্দ গণনা]
* [https://tools.wmflabs.org/userviews/?project=bn.wikipedia.org একজন ব্যবহারকারী কর্তৃক তৈরিকৃত সব পাতার পাতা পরিদর্শনের বিশ্লেষণ]
*[https://xtools.wmcloud.org/pageinfo/bn.wikiquote.org Contributors] – সম্পাদনার তালিকা তৈরী করে অনেকটা History পাতার মত, বিশেষ সুবিধা হল অংশগ্রহনকারীর অবদানের পরিমান অনুযায়ী তালিকা তৈরী করে , বিভিন্ন বিষয়ের উপর ভিত্তি করে দল তৈরী করা যায়
*[https://bnwikiquote.wikiscan.org/ wikiscan]
* [https://xtools.wmflabs.org/ xtools]
* [https://bn.m.wikipedia.org/wiki/ব্যবহারকারী:ফারদিন/পরীক্ষাগার পরীক্ষাগার]
* [https://web.archive.org/save আর্কাইভ]
* [https://xtools.wmcloud.org/pages/bn.wikiquote.org/ তৈরিকৃত নিবন্ধ]
* [[উইকিউক্তি:টহলঘর]]
* [[উইকিউক্তি:উইকি রমজান ভালোবাসে ২০২৫]]
* [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]
<!--== তারিখের সাথে মিল রেখে/বিশেষ সময়ে আমার তৈরিকৃত নিবন্ধ ==
# [[লাহোর প্রস্তাব]], ২৩ মার্চ ২০২৫
# [[বদরের যুদ্ধ]], ১৭ রমজান ২০২৫
# [[শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন]] ১৭ মার্চ ২০২৫
# [[বাংলাদেশের স্বাধীনতা]]
# [[এপ্রিল ফুল]] ১ এপ্রিল ২০২৫
# [[আকাশগঙ্গা ছায়াপথ]] ২৫০০ তম সম্পাদনা এই নিবন্ধটি তৈরির মাধ্যমে
# [[পোপ ফ্রান্সিস]]
# [[রথযাত্রা]] ২০২৫ সালের রথযাত্রার দিন
# [[ভারতে বাঙালি বিরোধী মনোভাব]] - [https://bn.m.wikiquote.org/w/index.php?title=ভারতে_বাঙালি_বিরোধী_মনোভাব&oldid=69173 ১০০০০ তম] বৈশ্বিক সম্পাদনা, ২৯০০ তম bnwikiquote
# [[ঈদে মিলাদুন্নবী]]
#বদরুদ্দীন উমর-->
== নতুন উক্তির পাতা তৈরি করা ==
আপনি যে পাতাটি তৈরি করতে চাইছেন, সেই পাতাটির নাম নিচের বাক্সে লিখুন। তারপর '''পাতা তৈরি করুন''' ক্লিক করুন। ক্লিক করার পর, আপনাকে একটি নতুন জায়গায় নিয়ে যাওয়া হবে ও তাতে একটি বাক্স দেওয়া থাকবে। বাক্সে উক্তি লিখুন ও উক্ত পাতাটি প্রকাশ করুন। নতুন উক্তির পাতা প্রকাশের পর, উক্ত পাতায় থাকা কলম আইকনে ক্লিক করে আপনি উক্ত পাতাটি আবার সম্পাদনা করতে পারবেন।<inputbox>
type=create
Preload=টেমপ্লেট:নতুন_পাতা_তৈরি
width=30
placeholder=শিরোনাম লিখুন (উদা: কাজী নজরুল ইসলাম)
</inputbox>
<inputbox>
type=create
width=30
placeholder=শিরোনাম লিখুন (উদা: কাজী নজরুল ইসলাম)
</inputbox>
{{প্রতিযোগিতা শব্দগণনা ছক |1= পূর্ববঙ্গ |2= 800 |3= শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় |4= 680 |5= যুক্তবঙ্গ |6= 500 |7= কার্ল সেগান |8= 850 |9= আর্কিমিডিস |10= |11= সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় |12= |13= কবিতা |14=... এভাবে যতখুশি যোগ করা যাবে}}
9plcv2niw5ptsdctoexo6vchq75hipb
কলকাতা দাঙ্গা
0
14187
84244
2026-08-16T14:29:24Z
ফারদিন
52
ভূমিকাংশ উইকিপিডিয়া হতে যোগ৮০
84244
wikitext
text/x-wiki
১৬ আগস্ট ১৯৪৬-এর '''ডাইরেক্ট অ্যাকশন ডে''' ('''প্রত্যক্ষ সংগ্রাম দিবস''') ছিল সেই দিন, যখন সর্বভারতীয় মুসলিম লীগ ব্রিটিশ শাসন শেষ হওয়ার পর মুসলমানদের জন্য পৃথক একটি দেশ প্রতিষ্ঠার দাবিতে সাধারণ ধর্মঘট ও অর্থনৈতিক অচলাবস্থার মাধ্যমে "সরাসরি আন্দোলন" করার সিদ্ধান্ত নেয়। এটি ১৯৪৬ সালের '''কলকাতা দাঙ্গা''' বা '''গ্রেট কলকাতা কিলিংস''' নামেও পরিচিত। খুব শিগগিরই এই দিনটি কলকাতায় সাম্প্রদায়িক সহিংসতার রূপ নেয়। এই ঘটনার ফলে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের বঙ্গ প্রদেশের কলকাতা শহরে হিন্দু ও মুসলমানদের মধ্যে ব্যাপক সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। এই দিনটিকে দ্য উইক অব দ্য লং নাইভস-এর সূচনা হিসেবেও ধরা হয়। ঘটনার ব্যাপক হত্যাকাণ্ড ও স্বল্পমেয়াদি প্রভাব সম্পর্কে অনেকটাই ঐকমত্য থাকলেও (যদিও সঠিক হতাহতের সংখ্যা জানা যায় না), পুরো ঘটনাক্রম, বিভিন্ন পক্ষের দায়িত্ব এবং এর দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক ফলাফল নিয়ে এখনো মতভেদ রয়েছে।
ivdi0na7r4mifb4qjfyhlj38ol9t9nr
84245
84244
2026-08-16T14:29:58Z
ফারদিন
52
84245
wikitext
text/x-wiki
১৬ আগস্ট ১৯৪৬-এর '''ডাইরেক্ট অ্যাকশন ডে''' ('''প্রত্যক্ষ সংগ্রাম দিবস''') ছিল সেই দিন, যখন সর্বভারতীয় মুসলিম লীগ ব্রিটিশ শাসন শেষ হওয়ার পর মুসলমানদের জন্য পৃথক একটি দেশ প্রতিষ্ঠার দাবিতে সাধারণ ধর্মঘট ও অর্থনৈতিক অচলাবস্থার মাধ্যমে "সরাসরি আন্দোলন" করার সিদ্ধান্ত নেয়। এটি ১৯৪৬ সালের '''কলকাতা দাঙ্গা''' বা '''গ্রেট কলকাতা কিলিংস''' নামেও পরিচিত। খুব শিগগিরই এই দিনটি কলকাতায় সাম্প্রদায়িক সহিংসতার রূপ নেয়। এই ঘটনার ফলে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের বঙ্গ প্রদেশের কলকাতা শহরে হিন্দু ও মুসলমানদের মধ্যে ব্যাপক সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। এই দিনটিকে দ্য উইক অব দ্য লং নাইভস-এর সূচনা হিসেবেও ধরা হয়। ঘটনার ব্যাপক হত্যাকাণ্ড ও স্বল্পমেয়াদি প্রভাব সম্পর্কে অনেকটাই ঐকমত্য থাকলেও (যদিও সঠিক হতাহতের সংখ্যা জানা যায় না), পুরো ঘটনাক্রম, বিভিন্ন পক্ষের দায়িত্ব এবং এর দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক ফলাফল নিয়ে এখনো মতভেদ রয়েছে।
== উক্তি ==
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
74w4bf4wnpibfrpo79mghssqsjyf8lp
84246
84245
2026-08-16T14:35:14Z
ফারদিন
52
হটক্যাটের মাধ্যমে + 7টি বিষয়শ্রেণী
84246
wikitext
text/x-wiki
১৬ আগস্ট ১৯৪৬-এর '''ডাইরেক্ট অ্যাকশন ডে''' ('''প্রত্যক্ষ সংগ্রাম দিবস''') ছিল সেই দিন, যখন সর্বভারতীয় মুসলিম লীগ ব্রিটিশ শাসন শেষ হওয়ার পর মুসলমানদের জন্য পৃথক একটি দেশ প্রতিষ্ঠার দাবিতে সাধারণ ধর্মঘট ও অর্থনৈতিক অচলাবস্থার মাধ্যমে "সরাসরি আন্দোলন" করার সিদ্ধান্ত নেয়। এটি ১৯৪৬ সালের '''কলকাতা দাঙ্গা''' বা '''গ্রেট কলকাতা কিলিংস''' নামেও পরিচিত। খুব শিগগিরই এই দিনটি কলকাতায় সাম্প্রদায়িক সহিংসতার রূপ নেয়। এই ঘটনার ফলে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের বঙ্গ প্রদেশের কলকাতা শহরে হিন্দু ও মুসলমানদের মধ্যে ব্যাপক সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। এই দিনটিকে দ্য উইক অব দ্য লং নাইভস-এর সূচনা হিসেবেও ধরা হয়। ঘটনার ব্যাপক হত্যাকাণ্ড ও স্বল্পমেয়াদি প্রভাব সম্পর্কে অনেকটাই ঐকমত্য থাকলেও (যদিও সঠিক হতাহতের সংখ্যা জানা যায় না), পুরো ঘটনাক্রম, বিভিন্ন পক্ষের দায়িত্ব এবং এর দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক ফলাফল নিয়ে এখনো মতভেদ রয়েছে।
== উক্তি ==
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:দাঙ্গা]]
[[বিষয়শ্রেণী:ধর্মীয় সহিংসতা]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি গণহত্যা]]
[[বিষয়শ্রেণী:পাকিস্তান আন্দোলন]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতে ধর্মীয়ভাবে অনুপ্রাণিত সহিংসতা]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতে হত্যাকাণ্ড]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলার ইতিহাস]]
arlq6ykpo7ojazrpmp05w2ztpdhwh8u
84249
84246
2026-08-16T15:21:59Z
ফারদিন
52
/* উক্তি */ উক্তি যোগ
84249
wikitext
text/x-wiki
১৬ আগস্ট ১৯৪৬-এর '''ডাইরেক্ট অ্যাকশন ডে''' ('''প্রত্যক্ষ সংগ্রাম দিবস''') ছিল সেই দিন, যখন সর্বভারতীয় মুসলিম লীগ ব্রিটিশ শাসন শেষ হওয়ার পর মুসলমানদের জন্য পৃথক একটি দেশ প্রতিষ্ঠার দাবিতে সাধারণ ধর্মঘট ও অর্থনৈতিক অচলাবস্থার মাধ্যমে "সরাসরি আন্দোলন" করার সিদ্ধান্ত নেয়। এটি ১৯৪৬ সালের '''কলকাতা দাঙ্গা''' বা '''গ্রেট কলকাতা কিলিংস''' নামেও পরিচিত। খুব শিগগিরই এই দিনটি কলকাতায় সাম্প্রদায়িক সহিংসতার রূপ নেয়। এই ঘটনার ফলে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের বঙ্গ প্রদেশের কলকাতা শহরে হিন্দু ও মুসলমানদের মধ্যে ব্যাপক সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। এই দিনটিকে দ্য উইক অব দ্য লং নাইভস-এর সূচনা হিসেবেও ধরা হয়। ঘটনার ব্যাপক হত্যাকাণ্ড ও স্বল্পমেয়াদি প্রভাব সম্পর্কে অনেকটাই ঐকমত্য থাকলেও (যদিও সঠিক হতাহতের সংখ্যা জানা যায় না), পুরো ঘটনাক্রম, বিভিন্ন পক্ষের দায়িত্ব এবং এর দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক ফলাফল নিয়ে এখনো মতভেদ রয়েছে।
== উক্তি ==
* [[মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ|জিন্নাহ]] সাহেব ১৬ আগস্ট তারিখে 'ডাইরেক্ট এ্যাকশন ডে' ঘোষণা করলেন।...আমাদের আবার ডাক পড়ল এই দিনটা সুষ্ঠুভাবে পালন করার জন্য। [[আবুল হাশিম|হাশিম]] সাহেব আমাদের নিয়ে সভা করলেন। আমাদের বললেন, "তোমাদের মহল্লায় মহল্লায় যেতে হবে, হিন্দু মহল্লায়ও তোমরা যাবে। তোমরা বলবে, আমাদের এই সংগ্রাম হিন্দুদের বিরুদ্ধে নয়, ব্রিটিশের বিরুদ্ধে, আসুন আমরা জাতি ধর্ম নির্বিশেষে এই দিনটা পালন করি।" আমরা গাড়িতে মাইক লাগিয়ে বের হয়ে পড়লাম। হিন্দু মহল্লায় ও মুসলমান মহল্লায় সমানে প্রপাগান্ডা শুরু করলাম। অন্য কোন কথা নাই, 'পাকিস্তান' আমাদের দাবি। এই দাবি [[হিন্দু|হিন্দুর]] বিরুদ্ধে নয়, ব্রিটিশের বিরুদ্ধে। [[w:bn:সারা_ভারত_ফরওয়ার্ড_ব্লক|ফরোয়ার্ড ব্লকের]] কিছু নেতা আমাদের বক্তৃতা ও বিবৃতি শুনে মুসলিম লীগ অফিসে এলেন এবং এই দিনটা যাতে শান্তিপূর্ণভাবে হিন্দু মুসলমান এক হয়ে পালন করা যায় তার প্রস্তাব দিলেন। আমরা রাজি হলাম। কিন্তু [[w:bn:অখিল_ভারতীয়_হিন্দু_মহাসভা|হিন্দু মহাসভা]] ও কংগ্রেসের প্রপাগান্ডার কাছে তারা টিকতে পারল না। হিন্দু সম্প্রদায়কে বুঝিয়ে দিল এটা হিন্দুদের বিরুদ্ধে।
** [[শেখ মুজিবুর রহমান]]। ''অসমাপ্ত আত্মজীবনী'', প্রকাশক: দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড, প্রকাশকাল: সেপ্টেম্বর ২০১৪, পৃষ্ঠা: ৬৩
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:দাঙ্গা]]
[[বিষয়শ্রেণী:ধর্মীয় সহিংসতা]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি গণহত্যা]]
[[বিষয়শ্রেণী:পাকিস্তান আন্দোলন]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতে ধর্মীয়ভাবে অনুপ্রাণিত সহিংসতা]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতে হত্যাকাণ্ড]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলার ইতিহাস]]
tl2jcjmdpcg57v55e172kz880igobgc
84250
84249
2026-08-16T15:39:31Z
ফারদিন
52
/* উক্তি */
84250
wikitext
text/x-wiki
১৬ আগস্ট ১৯৪৬-এর '''ডাইরেক্ট অ্যাকশন ডে''' ('''প্রত্যক্ষ সংগ্রাম দিবস''') ছিল সেই দিন, যখন সর্বভারতীয় মুসলিম লীগ ব্রিটিশ শাসন শেষ হওয়ার পর মুসলমানদের জন্য পৃথক একটি দেশ প্রতিষ্ঠার দাবিতে সাধারণ ধর্মঘট ও অর্থনৈতিক অচলাবস্থার মাধ্যমে "সরাসরি আন্দোলন" করার সিদ্ধান্ত নেয়। এটি ১৯৪৬ সালের '''কলকাতা দাঙ্গা''' বা '''গ্রেট কলকাতা কিলিংস''' নামেও পরিচিত। খুব শিগগিরই এই দিনটি কলকাতায় সাম্প্রদায়িক সহিংসতার রূপ নেয়। এই ঘটনার ফলে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের বঙ্গ প্রদেশের কলকাতা শহরে হিন্দু ও মুসলমানদের মধ্যে ব্যাপক সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। এই দিনটিকে দ্য উইক অব দ্য লং নাইভস-এর সূচনা হিসেবেও ধরা হয়। ঘটনার ব্যাপক হত্যাকাণ্ড ও স্বল্পমেয়াদি প্রভাব সম্পর্কে অনেকটাই ঐকমত্য থাকলেও (যদিও সঠিক হতাহতের সংখ্যা জানা যায় না), পুরো ঘটনাক্রম, বিভিন্ন পক্ষের দায়িত্ব এবং এর দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক ফলাফল নিয়ে এখনো মতভেদ রয়েছে।
== উক্তি ==
* [[মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ|জিন্নাহ]] সাহেব ১৬ আগস্ট তারিখে 'ডাইরেক্ট এ্যাকশন ডে' ঘোষণা করলেন।...আমাদের আবার ডাক পড়ল এই দিনটা সুষ্ঠুভাবে পালন করার জন্য। [[আবুল হাশিম|হাশিম]] সাহেব আমাদের নিয়ে সভা করলেন। আমাদের বললেন, "তোমাদের মহল্লায় মহল্লায় যেতে হবে, হিন্দু মহল্লায়ও তোমরা যাবে। তোমরা বলবে, আমাদের এই সংগ্রাম হিন্দুদের বিরুদ্ধে নয়, ব্রিটিশের বিরুদ্ধে, আসুন আমরা জাতি ধর্ম নির্বিশেষে এই দিনটা পালন করি।" আমরা গাড়িতে মাইক লাগিয়ে বের হয়ে পড়লাম। হিন্দু মহল্লায় ও মুসলমান মহল্লায় সমানে প্রপাগান্ডা শুরু করলাম। অন্য কোন কথা নাই, 'পাকিস্তান' আমাদের দাবি। এই দাবি [[হিন্দু|হিন্দুর]] বিরুদ্ধে নয়, ব্রিটিশের বিরুদ্ধে। [[w:bn:সারা_ভারত_ফরওয়ার্ড_ব্লক|ফরোয়ার্ড ব্লকের]] কিছু নেতা আমাদের বক্তৃতা ও বিবৃতি শুনে মুসলিম লীগ অফিসে এলেন এবং এই দিনটা যাতে শান্তিপূর্ণভাবে হিন্দু মুসলমান এক হয়ে পালন করা যায় তার প্রস্তাব দিলেন। আমরা রাজি হলাম। কিন্তু [[w:bn:অখিল_ভারতীয়_হিন্দু_মহাসভা|হিন্দু মহাসভা]] ও কংগ্রেসের প্রপাগান্ডার কাছে তারা টিকতে পারল না। হিন্দু সম্প্রদায়কে বুঝিয়ে দিল এটা হিন্দুদের বিরুদ্ধে।
** [[শেখ মুজিবুর রহমান]]। ''অসমাপ্ত আত্মজীবনী'', প্রকাশক: দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড, প্রকাশকাল: সেপ্টেম্বর ২০১৪, পৃষ্ঠা: ৬৩
* কলকাতা শহরে শুধু মরা মানুষের লাশ বিক্ষিপ্তভাবে পড়ে আছে। মহল্লার পর মহল্লা আগুনে পুড়ে গিয়েছে। এক ভয়াবহ দৃশ্য! মানুষ মানুষকে এইভাবে হত্যা করতে পারে, চিন্তা করতেও ভয় হয়! এক এক করে খবর নিতে চেষ্টা করলাম।...মুসলমানদের উদ্ধার করার কাজও করতে হচ্ছে। দু'এক জায়গায় উদ্ধার করতে যেয়ে আক্রান্তও হয়েছিলাম। আমরা হিন্দুদেরও উদ্ধার করে হিন্দু মহল্লায় পাঠাতে সাহায্য করেছি। মনে হয়েছে, মানুষ তার মানবতা হারিয়ে পশুতে পরিণত হয়েছে। প্রথম দিন ১৬ই আগস্ট মুসলমানরা ভীষণভাবে মার খেয়েছে। পরের দুই দিন মুসলমানরা হিন্দুদের ভীষণভাবে মেরেছে। পরে হাসপাতালের হিসাবে সেটা দেখা গিয়েছে।
** [[শেখ মুজিবুর রহমান]]। ''অসমাপ্ত আত্মজীবনী'', প্রকাশক: দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড, প্রকাশকাল: সেপ্টেম্বর ২০১৪, পৃষ্ঠা: ৬৬
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:দাঙ্গা]]
[[বিষয়শ্রেণী:ধর্মীয় সহিংসতা]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি গণহত্যা]]
[[বিষয়শ্রেণী:পাকিস্তান আন্দোলন]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতে ধর্মীয়ভাবে অনুপ্রাণিত সহিংসতা]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতে হত্যাকাণ্ড]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলার ইতিহাস]]
r8bk3mkajascm95wek229t00sfoi8c5
84251
84250
2026-08-16T15:40:03Z
ফারদিন
52
/* উক্তি */ উক্তি যোগ
84251
wikitext
text/x-wiki
১৬ আগস্ট ১৯৪৬-এর '''ডাইরেক্ট অ্যাকশন ডে''' ('''প্রত্যক্ষ সংগ্রাম দিবস''') ছিল সেই দিন, যখন সর্বভারতীয় মুসলিম লীগ ব্রিটিশ শাসন শেষ হওয়ার পর মুসলমানদের জন্য পৃথক একটি দেশ প্রতিষ্ঠার দাবিতে সাধারণ ধর্মঘট ও অর্থনৈতিক অচলাবস্থার মাধ্যমে "সরাসরি আন্দোলন" করার সিদ্ধান্ত নেয়। এটি ১৯৪৬ সালের '''কলকাতা দাঙ্গা''' বা '''গ্রেট কলকাতা কিলিংস''' নামেও পরিচিত। খুব শিগগিরই এই দিনটি কলকাতায় সাম্প্রদায়িক সহিংসতার রূপ নেয়। এই ঘটনার ফলে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের বঙ্গ প্রদেশের কলকাতা শহরে হিন্দু ও মুসলমানদের মধ্যে ব্যাপক সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। এই দিনটিকে দ্য উইক অব দ্য লং নাইভস-এর সূচনা হিসেবেও ধরা হয়। ঘটনার ব্যাপক হত্যাকাণ্ড ও স্বল্পমেয়াদি প্রভাব সম্পর্কে অনেকটাই ঐকমত্য থাকলেও (যদিও সঠিক হতাহতের সংখ্যা জানা যায় না), পুরো ঘটনাক্রম, বিভিন্ন পক্ষের দায়িত্ব এবং এর দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক ফলাফল নিয়ে এখনো মতভেদ রয়েছে।
== উক্তি ==
* [[মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ|জিন্নাহ]] সাহেব ১৬ আগস্ট তারিখে 'ডাইরেক্ট এ্যাকশন ডে' ঘোষণা করলেন।...আমাদের আবার ডাক পড়ল এই দিনটা সুষ্ঠুভাবে পালন করার জন্য। [[আবুল হাশিম|হাশিম]] সাহেব আমাদের নিয়ে সভা করলেন। আমাদের বললেন, "তোমাদের মহল্লায় মহল্লায় যেতে হবে, হিন্দু মহল্লায়ও তোমরা যাবে। তোমরা বলবে, আমাদের এই সংগ্রাম হিন্দুদের বিরুদ্ধে নয়, ব্রিটিশের বিরুদ্ধে, আসুন আমরা জাতি ধর্ম নির্বিশেষে এই দিনটা পালন করি।" আমরা গাড়িতে মাইক লাগিয়ে বের হয়ে পড়লাম। হিন্দু মহল্লায় ও মুসলমান মহল্লায় সমানে প্রপাগান্ডা শুরু করলাম। অন্য কোন কথা নাই, 'পাকিস্তান' আমাদের দাবি। এই দাবি [[হিন্দু|হিন্দুর]] বিরুদ্ধে নয়, ব্রিটিশের বিরুদ্ধে। [[w:bn:সারা_ভারত_ফরওয়ার্ড_ব্লক|ফরোয়ার্ড ব্লকের]] কিছু নেতা আমাদের বক্তৃতা ও বিবৃতি শুনে মুসলিম লীগ অফিসে এলেন এবং এই দিনটা যাতে শান্তিপূর্ণভাবে হিন্দু মুসলমান এক হয়ে পালন করা যায় তার প্রস্তাব দিলেন। আমরা রাজি হলাম। কিন্তু [[w:bn:অখিল_ভারতীয়_হিন্দু_মহাসভা|হিন্দু মহাসভা]] ও কংগ্রেসের প্রপাগান্ডার কাছে তারা টিকতে পারল না। হিন্দু সম্প্রদায়কে বুঝিয়ে দিল এটা হিন্দুদের বিরুদ্ধে।
** [[শেখ মুজিবুর রহমান]]। ''অসমাপ্ত আত্মজীবনী'', প্রকাশক: দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড, প্রকাশকাল: সেপ্টেম্বর ২০১৪, পৃষ্ঠা: ৬৩
* কলকাতা শহরে শুধু মরা মানুষের লাশ বিক্ষিপ্তভাবে পড়ে আছে। মহল্লার পর মহল্লা আগুনে পুড়ে গিয়েছে। এক ভয়াবহ দৃশ্য! মানুষ মানুষকে এইভাবে হত্যা করতে পারে, চিন্তা করতেও ভয় হয়! এক এক করে খবর নিতে চেষ্টা করলাম।...মুসলমানদের উদ্ধার করার কাজও করতে হচ্ছে। দু'এক জায়গায় উদ্ধার করতে যেয়ে আক্রান্তও হয়েছিলাম। আমরা হিন্দুদেরও উদ্ধার করে হিন্দু মহল্লায় পাঠাতে সাহায্য করেছি। মনে হয়েছে, মানুষ তার মানবতা হারিয়ে পশুতে পরিণত হয়েছে। প্রথম দিন ১৬ই আগস্ট মুসলমানরা ভীষণভাবে মার খেয়েছে। পরের দুই দিন মুসলমানরা হিন্দুদের ভীষণভাবে মেরেছে। পরে হাসপাতালের হিসাবে সেটা দেখা গিয়েছে।
** [[শেখ মুজিবুর রহমান]]। ''অসমাপ্ত আত্মজীবনী'', প্রকাশক: দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড, প্রকাশকাল: সেপ্টেম্বর ২০১৪, পৃষ্ঠা: ৬৬
* একটা কথা সত্য, অনেক হিন্দু মুসলমানদের রক্ষা করতে যেয়ে বিপদে পড়েছে। জীবনও হারিয়েছে। আবার অনেক মুসলমান হিন্দু পাড়াপড়শীকে রক্ষা করতে যেয়ে জীবন দিয়েছে। আমি নিজেই এর প্রমাণ পেয়েছি। মুসলিম লীগ অফিসে যেসব টেলিফোন আসত, তার মধ্যে বহু টেলিফোন হিন্দুরাই করেছে। তাদের বাড়িতে মুসলমানদের আশ্রয় দিয়েছে, শীঘ্রই এদের নিয়ে যেতে বলেছে, নতুবা এরাও মরবে, আশ্রিত মুসলমানরাও মরবে।
** [[শেখ মুজিবুর রহমান]]। ''অসমাপ্ত আত্মজীবনী'', প্রকাশক: দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড, প্রকাশকাল: সেপ্টেম্বর ২০১৪, পৃষ্ঠা: ৬৭
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:দাঙ্গা]]
[[বিষয়শ্রেণী:ধর্মীয় সহিংসতা]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি গণহত্যা]]
[[বিষয়শ্রেণী:পাকিস্তান আন্দোলন]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতে ধর্মীয়ভাবে অনুপ্রাণিত সহিংসতা]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতে হত্যাকাণ্ড]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলার ইতিহাস]]
k4sbfbz6cldqjmdimo3s3jfwov200k7
84255
84251
2026-08-16T17:39:41Z
ফারদিন
52
84255
wikitext
text/x-wiki
১৬ আগস্ট ১৯৪৬-এর '''ডাইরেক্ট অ্যাকশন ডে''' ('''প্রত্যক্ষ সংগ্রাম দিবস''') ছিল সেই দিন, যখন সর্বভারতীয় মুসলিম লীগ ব্রিটিশ শাসন শেষ হওয়ার পর মুসলমানদের জন্য পৃথক একটি দেশ প্রতিষ্ঠার দাবিতে সাধারণ ধর্মঘট ও অর্থনৈতিক অচলাবস্থার মাধ্যমে "সরাসরি আন্দোলন" করার সিদ্ধান্ত নেয়। এটি ১৯৪৬ সালের '''কলকাতা দাঙ্গা''' বা '''গ্রেট কলকাতা কিলিংস''' নামেও পরিচিত। খুব শিগগিরই এই দিনটি কলকাতায় সাম্প্রদায়িক সহিংসতার রূপ নেয়। এই ঘটনার ফলে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের বঙ্গ প্রদেশের কলকাতা শহরে হিন্দু ও মুসলমানদের মধ্যে ব্যাপক সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। এই দিনটিকে দ্য উইক অব দ্য লং নাইভস-এর সূচনা হিসেবেও ধরা হয়। ঘটনার ব্যাপক হত্যাকাণ্ড ও স্বল্পমেয়াদি প্রভাব সম্পর্কে অনেকটাই ঐকমত্য থাকলেও (যদিও সঠিক হতাহতের সংখ্যা জানা যায় না), পুরো ঘটনাক্রম, বিভিন্ন পক্ষের দায়িত্ব এবং এর দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক ফলাফল নিয়ে এখনো মতভেদ রয়েছে।
== উক্তি ==
* [[মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ|জিন্নাহ]] সাহেব ১৬ আগস্ট তারিখে 'ডাইরেক্ট এ্যাকশন ডে' ঘোষণা করলেন।...আমাদের আবার ডাক পড়ল এই দিনটা সুষ্ঠুভাবে পালন করার জন্য। [[আবুল হাশিম|হাশিম]] সাহেব আমাদের নিয়ে সভা করলেন। আমাদের বললেন, "তোমাদের মহল্লায় মহল্লায় যেতে হবে, হিন্দু মহল্লায়ও তোমরা যাবে। তোমরা বলবে, আমাদের এই সংগ্রাম হিন্দুদের বিরুদ্ধে নয়, ব্রিটিশের বিরুদ্ধে, আসুন আমরা জাতি ধর্ম নির্বিশেষে এই দিনটা পালন করি।" আমরা গাড়িতে মাইক লাগিয়ে বের হয়ে পড়লাম। হিন্দু মহল্লায় ও মুসলমান মহল্লায় সমানে প্রপাগান্ডা শুরু করলাম। অন্য কোন কথা নাই, 'পাকিস্তান' আমাদের দাবি। এই দাবি [[হিন্দু|হিন্দুর]] বিরুদ্ধে নয়, ব্রিটিশের বিরুদ্ধে। [[w:bn:সারা_ভারত_ফরওয়ার্ড_ব্লক|ফরোয়ার্ড ব্লকের]] কিছু নেতা আমাদের বক্তৃতা ও বিবৃতি শুনে মুসলিম লীগ অফিসে এলেন এবং এই দিনটা যাতে শান্তিপূর্ণভাবে হিন্দু মুসলমান এক হয়ে পালন করা যায় তার প্রস্তাব দিলেন। আমরা রাজি হলাম। কিন্তু [[w:bn:অখিল_ভারতীয়_হিন্দু_মহাসভা|হিন্দু মহাসভা]] ও কংগ্রেসের প্রপাগান্ডার কাছে তারা টিকতে পারল না। হিন্দু সম্প্রদায়কে বুঝিয়ে দিল এটা হিন্দুদের বিরুদ্ধে।
** [[শেখ মুজিবুর রহমান]]। ''অসমাপ্ত আত্মজীবনী'', প্রকাশক: দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড, প্রকাশকাল: সেপ্টেম্বর ২০১৪, পৃষ্ঠা: ৬৩
* আমাদের কাছে খবর এল, ওয়েলিংটন স্কোয়ারের মসজিদে আক্রমণ হয়েছে। ইসলামিয়া কলেজের দিকে হিন্দুরা এগিয়ে আসছে। কয়েকজন ছাত্রকে ছাত্রীদের কাছে রেখে, আমরা চল্লিশ পঞ্চাশজন ছাত্র প্রায় খালি হাতেই ধর্মতলার মোড় পর্যন্ত গেলাম। সাম্প্রদায়িক দাঙ্গাহাঙ্গামা কাকে বলে এ ধারণাও আমার ভাল ছিল না। দেখি শত শত হিন্দু সম্প্রদায়ের লোক মসজিদ আক্রমণ করছে। মৌলভী সাহেব পালিয়ে আসছেন আমাদের দিকে। তাঁর পিছে ছুটে আসছে একদল লোক লাঠি ও তলোয়ার হাতে। পাশেই মুসলমানদের কয়েকটা দোকান ছিল। কয়েকজন লোক কিছু লাঠি নিয়ে আমাদের পাশে দাঁড়াল। আমাদের মধ্য থেকে কয়েকজন 'পাকিস্তান জিন্দাবাদ' দিতে শুরু করল। দেখতে দেখতে অনেক লোক জমা হয়ে গেল। হিন্দুরা আমাদের সামনা সামনি এসে পড়েছে। বাধা দেওয়া ছাড়া উপায় নাই। ইঁট পাটকেল যে যা পেল তাই নিয়ে আক্রমণের মোকাবেলা করে গেল। আমরা সব মিলে দেড় শত লোকের বেশি হব না। কে যেন পিছন থেকে এসে আত্মরক্ষার জন্য আমাদের কয়েকখানা লাঠি দিল। এর পূর্বে শুধু ইঁট দিয়ে মারামারি চলছিল। এর মধ্যে একটা বিরাট শোভাযাত্রা এসে পৌঁছাল। এদের কয়েক জায়গায় বাধা দিয়েছে, রুখতে পারে নাই। তাদের সকলের হাতেই লাঠি। এরা এসে আমাদের সঙ্গে যোগদান করল। কয়েক মিনিটের জন্য হিন্দুরা ফিরে গেল, আমরাও ফিরে এলাম। পুলিশ কয়েকবার এসে এর মধ্যে কাঁদানে গ্যাস ছেড়ে চলে গেছে। পুলিশ টহল দিচ্ছে। এখন সমস্ত কলকাতায় হাতাহাতি মারামারি চলছে। মুসলমানরা মোটেই দাঙ্গার জন্য প্রস্তুত ছিল না, একথা আমি বলতে পারি।
** [[শেখ মুজিবুর রহমান]]। ''অসমাপ্ত আত্মজীবনী'', প্রকাশক: দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড, প্রকাশকাল: সেপ্টেম্বর ২০১৪, পৃষ্ঠা: ৬৪-৬৫
* কলকাতা শহরে শুধু মরা মানুষের লাশ বিক্ষিপ্তভাবে পড়ে আছে। মহল্লার পর মহল্লা আগুনে পুড়ে গিয়েছে। এক ভয়াবহ দৃশ্য! মানুষ মানুষকে এইভাবে হত্যা করতে পারে, চিন্তা করতেও ভয় হয়! এক এক করে খবর নিতে চেষ্টা করলাম।...মুসলমানদের উদ্ধার করার কাজও করতে হচ্ছে। দু'এক জায়গায় উদ্ধার করতে যেয়ে আক্রান্তও হয়েছিলাম। আমরা হিন্দুদেরও উদ্ধার করে হিন্দু মহল্লায় পাঠাতে সাহায্য করেছি। মনে হয়েছে, মানুষ তার মানবতা হারিয়ে পশুতে পরিণত হয়েছে। প্রথম দিন ১৬ই আগস্ট মুসলমানরা ভীষণভাবে মার খেয়েছে। পরের দুই দিন মুসলমানরা হিন্দুদের ভীষণভাবে মেরেছে। পরে হাসপাতালের হিসাবে সেটা দেখা গিয়েছে।
** [[শেখ মুজিবুর রহমান]]। ''অসমাপ্ত আত্মজীবনী'', প্রকাশক: দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড, প্রকাশকাল: সেপ্টেম্বর ২০১৪, পৃষ্ঠা: ৬৬
* একটা কথা সত্য, অনেক হিন্দু মুসলমানদের রক্ষা করতে যেয়ে বিপদে পড়েছে। জীবনও হারিয়েছে। আবার অনেক মুসলমান হিন্দু পাড়াপড়শীকে রক্ষা করতে যেয়ে জীবন দিয়েছে। আমি নিজেই এর প্রমাণ পেয়েছি। মুসলিম লীগ অফিসে যেসব টেলিফোন আসত, তার মধ্যে বহু টেলিফোন হিন্দুরাই করেছে। তাদের বাড়িতে মুসলমানদের আশ্রয় দিয়েছে, শীঘ্রই এদের নিয়ে যেতে বলেছে, নতুবা এরাও মরবে, আশ্রিত মুসলমানরাও মরবে।
** [[শেখ মুজিবুর রহমান]]। ''অসমাপ্ত আত্মজীবনী'', প্রকাশক: দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড, প্রকাশকাল: সেপ্টেম্বর ২০১৪, পৃষ্ঠা: ৬৭
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:দাঙ্গা]]
[[বিষয়শ্রেণী:ধর্মীয় সহিংসতা]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি গণহত্যা]]
[[বিষয়শ্রেণী:পাকিস্তান আন্দোলন]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতে ধর্মীয়ভাবে অনুপ্রাণিত সহিংসতা]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতে হত্যাকাণ্ড]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলার ইতিহাস]]
289dmvf8sjkwef0xjopda221s28sa1g
84256
84255
2026-08-16T17:46:54Z
ফারদিন
52
/* উক্তি */ উক্তি যোগ
84256
wikitext
text/x-wiki
১৬ আগস্ট ১৯৪৬-এর '''ডাইরেক্ট অ্যাকশন ডে''' ('''প্রত্যক্ষ সংগ্রাম দিবস''') ছিল সেই দিন, যখন সর্বভারতীয় মুসলিম লীগ ব্রিটিশ শাসন শেষ হওয়ার পর মুসলমানদের জন্য পৃথক একটি দেশ প্রতিষ্ঠার দাবিতে সাধারণ ধর্মঘট ও অর্থনৈতিক অচলাবস্থার মাধ্যমে "সরাসরি আন্দোলন" করার সিদ্ধান্ত নেয়। এটি ১৯৪৬ সালের '''কলকাতা দাঙ্গা''' বা '''গ্রেট কলকাতা কিলিংস''' নামেও পরিচিত। খুব শিগগিরই এই দিনটি কলকাতায় সাম্প্রদায়িক সহিংসতার রূপ নেয়। এই ঘটনার ফলে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের বঙ্গ প্রদেশের কলকাতা শহরে হিন্দু ও মুসলমানদের মধ্যে ব্যাপক সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। এই দিনটিকে দ্য উইক অব দ্য লং নাইভস-এর সূচনা হিসেবেও ধরা হয়। ঘটনার ব্যাপক হত্যাকাণ্ড ও স্বল্পমেয়াদি প্রভাব সম্পর্কে অনেকটাই ঐকমত্য থাকলেও (যদিও সঠিক হতাহতের সংখ্যা জানা যায় না), পুরো ঘটনাক্রম, বিভিন্ন পক্ষের দায়িত্ব এবং এর দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক ফলাফল নিয়ে এখনো মতভেদ রয়েছে।
== উক্তি ==
* [[মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ|জিন্নাহ]] সাহেব ১৬ আগস্ট তারিখে 'ডাইরেক্ট এ্যাকশন ডে' ঘোষণা করলেন।...আমাদের আবার ডাক পড়ল এই দিনটা সুষ্ঠুভাবে পালন করার জন্য। [[আবুল হাশিম|হাশিম]] সাহেব আমাদের নিয়ে সভা করলেন। আমাদের বললেন, "তোমাদের মহল্লায় মহল্লায় যেতে হবে, হিন্দু মহল্লায়ও তোমরা যাবে। তোমরা বলবে, আমাদের এই সংগ্রাম হিন্দুদের বিরুদ্ধে নয়, ব্রিটিশের বিরুদ্ধে, আসুন আমরা জাতি ধর্ম নির্বিশেষে এই দিনটা পালন করি।" আমরা গাড়িতে মাইক লাগিয়ে বের হয়ে পড়লাম। হিন্দু মহল্লায় ও মুসলমান মহল্লায় সমানে প্রপাগান্ডা শুরু করলাম। অন্য কোন কথা নাই, 'পাকিস্তান' আমাদের দাবি। এই দাবি [[হিন্দু|হিন্দুর]] বিরুদ্ধে নয়, ব্রিটিশের বিরুদ্ধে। [[w:bn:সারা_ভারত_ফরওয়ার্ড_ব্লক|ফরোয়ার্ড ব্লকের]] কিছু নেতা আমাদের বক্তৃতা ও বিবৃতি শুনে মুসলিম লীগ অফিসে এলেন এবং এই দিনটা যাতে শান্তিপূর্ণভাবে হিন্দু মুসলমান এক হয়ে পালন করা যায় তার প্রস্তাব দিলেন। আমরা রাজি হলাম। কিন্তু [[w:bn:অখিল_ভারতীয়_হিন্দু_মহাসভা|হিন্দু মহাসভা]] ও কংগ্রেসের প্রপাগান্ডার কাছে তারা টিকতে পারল না। হিন্দু সম্প্রদায়কে বুঝিয়ে দিল এটা হিন্দুদের বিরুদ্ধে।
** [[শেখ মুজিবুর রহমান]]। ''অসমাপ্ত আত্মজীবনী'', প্রকাশক: দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড, প্রকাশকাল: সেপ্টেম্বর ২০১৪, পৃষ্ঠা: ৬৩
* আমাদের কাছে খবর এল, ওয়েলিংটন স্কোয়ারের মসজিদে আক্রমণ হয়েছে। ইসলামিয়া কলেজের দিকে হিন্দুরা এগিয়ে আসছে। কয়েকজন ছাত্রকে ছাত্রীদের কাছে রেখে, আমরা চল্লিশ পঞ্চাশজন ছাত্র প্রায় খালি হাতেই ধর্মতলার মোড় পর্যন্ত গেলাম। সাম্প্রদায়িক দাঙ্গাহাঙ্গামা কাকে বলে এ ধারণাও আমার ভাল ছিল না। দেখি শত শত হিন্দু সম্প্রদায়ের লোক মসজিদ আক্রমণ করছে। মৌলভী সাহেব পালিয়ে আসছেন আমাদের দিকে। তাঁর পিছে ছুটে আসছে একদল লোক লাঠি ও তলোয়ার হাতে। পাশেই মুসলমানদের কয়েকটা দোকান ছিল। কয়েকজন লোক কিছু লাঠি নিয়ে আমাদের পাশে দাঁড়াল। আমাদের মধ্য থেকে কয়েকজন 'পাকিস্তান জিন্দাবাদ' দিতে শুরু করল। দেখতে দেখতে অনেক লোক জমা হয়ে গেল। হিন্দুরা আমাদের সামনা সামনি এসে পড়েছে। বাধা দেওয়া ছাড়া উপায় নাই। ইঁট পাটকেল যে যা পেল তাই নিয়ে আক্রমণের মোকাবেলা করে গেল। আমরা সব মিলে দেড় শত লোকের বেশি হব না। কে যেন পিছন থেকে এসে আত্মরক্ষার জন্য আমাদের কয়েকখানা লাঠি দিল। এর পূর্বে শুধু ইঁট দিয়ে মারামারি চলছিল। এর মধ্যে একটা বিরাট শোভাযাত্রা এসে পৌঁছাল। এদের কয়েক জায়গায় বাধা দিয়েছে, রুখতে পারে নাই। তাদের সকলের হাতেই লাঠি। এরা এসে আমাদের সঙ্গে যোগদান করল। কয়েক মিনিটের জন্য হিন্দুরা ফিরে গেল, আমরাও ফিরে এলাম। পুলিশ কয়েকবার এসে এর মধ্যে কাঁদানে গ্যাস ছেড়ে চলে গেছে। পুলিশ টহল দিচ্ছে। এখন সমস্ত কলকাতায় হাতাহাতি মারামারি চলছে। মুসলমানরা মোটেই দাঙ্গার জন্য প্রস্তুত ছিল না, একথা আমি বলতে পারি।
** [[শেখ মুজিবুর রহমান]]। ''অসমাপ্ত আত্মজীবনী'', প্রকাশক: দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড, প্রকাশকাল: সেপ্টেম্বর ২০১৪, পৃষ্ঠা: ৬৪-৬৫
* কলকাতা শহরে শুধু মরা মানুষের লাশ বিক্ষিপ্তভাবে পড়ে আছে। মহল্লার পর মহল্লা আগুনে পুড়ে গিয়েছে। এক ভয়াবহ দৃশ্য! মানুষ মানুষকে এইভাবে হত্যা করতে পারে, চিন্তা করতেও ভয় হয়! এক এক করে খবর নিতে চেষ্টা করলাম।...মুসলমানদের উদ্ধার করার কাজও করতে হচ্ছে। দু'এক জায়গায় উদ্ধার করতে যেয়ে আক্রান্তও হয়েছিলাম। আমরা হিন্দুদেরও উদ্ধার করে হিন্দু মহল্লায় পাঠাতে সাহায্য করেছি। মনে হয়েছে, মানুষ তার মানবতা হারিয়ে পশুতে পরিণত হয়েছে। প্রথম দিন ১৬ই আগস্ট মুসলমানরা ভীষণভাবে মার খেয়েছে। পরের দুই দিন মুসলমানরা হিন্দুদের ভীষণভাবে মেরেছে। পরে হাসপাতালের হিসাবে সেটা দেখা গিয়েছে।
** [[শেখ মুজিবুর রহমান]]। ''অসমাপ্ত আত্মজীবনী'', প্রকাশক: দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড, প্রকাশকাল: সেপ্টেম্বর ২০১৪, পৃষ্ঠা: ৬৬
* একটা কথা সত্য, অনেক হিন্দু মুসলমানদের রক্ষা করতে যেয়ে বিপদে পড়েছে। জীবনও হারিয়েছে। আবার অনেক মুসলমান হিন্দু পাড়াপড়শীকে রক্ষা করতে যেয়ে জীবন দিয়েছে। আমি নিজেই এর প্রমাণ পেয়েছি। মুসলিম লীগ অফিসে যেসব টেলিফোন আসত, তার মধ্যে বহু টেলিফোন হিন্দুরাই করেছে। তাদের বাড়িতে মুসলমানদের আশ্রয় দিয়েছে, শীঘ্রই এদের নিয়ে যেতে বলেছে, নতুবা এরাও মরবে, আশ্রিত মুসলমানরাও মরবে।
** [[শেখ মুজিবুর রহমান]]। ''অসমাপ্ত আত্মজীবনী'', প্রকাশক: দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড, প্রকাশকাল: সেপ্টেম্বর ২০১৪, পৃষ্ঠা: ৬৭
* অনেক অতি-সাম্প্রদায়িক মুসলমান আজও সগর্বে বলিয়া থাকে কলিকাতা দাংগাই পাকিস্তান আনিয়াছিল। এ কথা নিতান্ত মিথ্যা নয়। এই দাংগার পরে ইংরাজ-হিন্দু-মুসলিম তিনপক্ষই বুঝিতে পারেন, দেশ বিভাগ ছাড়া উপায়ান্তর নাই।
** [[আবুল মনসুর আহমদ]]। ''আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর'', প্রকাশক: খোশরোজ কিতাব মহল, প্রকাশকাল: সেপ্টেম্বর ২০১৩, পৃষ্ঠা: ১৯৯
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:দাঙ্গা]]
[[বিষয়শ্রেণী:ধর্মীয় সহিংসতা]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি গণহত্যা]]
[[বিষয়শ্রেণী:পাকিস্তান আন্দোলন]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতে ধর্মীয়ভাবে অনুপ্রাণিত সহিংসতা]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতে হত্যাকাণ্ড]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলার ইতিহাস]]
7ycu6egihb004rie3242xpj1t4gni8w
84259
84256
2026-08-16T18:12:31Z
ফারদিন
52
/* উক্তি */
84259
wikitext
text/x-wiki
১৬ আগস্ট ১৯৪৬-এর '''ডাইরেক্ট অ্যাকশন ডে''' ('''প্রত্যক্ষ সংগ্রাম দিবস''') ছিল সেই দিন, যখন সর্বভারতীয় মুসলিম লীগ ব্রিটিশ শাসন শেষ হওয়ার পর মুসলমানদের জন্য পৃথক একটি দেশ প্রতিষ্ঠার দাবিতে সাধারণ ধর্মঘট ও অর্থনৈতিক অচলাবস্থার মাধ্যমে "সরাসরি আন্দোলন" করার সিদ্ধান্ত নেয়। এটি ১৯৪৬ সালের '''কলকাতা দাঙ্গা''' বা '''গ্রেট কলকাতা কিলিংস''' নামেও পরিচিত। খুব শিগগিরই এই দিনটি কলকাতায় সাম্প্রদায়িক সহিংসতার রূপ নেয়। এই ঘটনার ফলে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের বঙ্গ প্রদেশের কলকাতা শহরে হিন্দু ও মুসলমানদের মধ্যে ব্যাপক সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। এই দিনটিকে দ্য উইক অব দ্য লং নাইভস-এর সূচনা হিসেবেও ধরা হয়। ঘটনার ব্যাপক হত্যাকাণ্ড ও স্বল্পমেয়াদি প্রভাব সম্পর্কে অনেকটাই ঐকমত্য থাকলেও (যদিও সঠিক হতাহতের সংখ্যা জানা যায় না), পুরো ঘটনাক্রম, বিভিন্ন পক্ষের দায়িত্ব এবং এর দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক ফলাফল নিয়ে এখনো মতভেদ রয়েছে।
== উক্তি ==
* [[মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ|জিন্নাহ]] সাহেব ১৬ আগস্ট তারিখে 'ডাইরেক্ট এ্যাকশন ডে' ঘোষণা করলেন।...আমাদের আবার ডাক পড়ল এই দিনটা সুষ্ঠুভাবে পালন করার জন্য। [[আবুল হাশিম|হাশিম]] সাহেব আমাদের নিয়ে সভা করলেন। আমাদের বললেন, "তোমাদের মহল্লায় মহল্লায় যেতে হবে, হিন্দু মহল্লায়ও তোমরা যাবে। তোমরা বলবে, আমাদের এই সংগ্রাম হিন্দুদের বিরুদ্ধে নয়, ব্রিটিশের বিরুদ্ধে, আসুন আমরা জাতি ধর্ম নির্বিশেষে এই দিনটা পালন করি।" আমরা গাড়িতে মাইক লাগিয়ে বের হয়ে পড়লাম। হিন্দু মহল্লায় ও মুসলমান মহল্লায় সমানে প্রপাগান্ডা শুরু করলাম। অন্য কোন কথা নাই, 'পাকিস্তান' আমাদের দাবি। এই দাবি [[হিন্দু|হিন্দুর]] বিরুদ্ধে নয়, ব্রিটিশের বিরুদ্ধে। [[w:bn:সারা_ভারত_ফরওয়ার্ড_ব্লক|ফরোয়ার্ড ব্লকের]] কিছু নেতা আমাদের বক্তৃতা ও বিবৃতি শুনে মুসলিম লীগ অফিসে এলেন এবং এই দিনটা যাতে শান্তিপূর্ণভাবে হিন্দু মুসলমান এক হয়ে পালন করা যায় তার প্রস্তাব দিলেন। আমরা রাজি হলাম। কিন্তু [[w:bn:অখিল_ভারতীয়_হিন্দু_মহাসভা|হিন্দু মহাসভা]] ও কংগ্রেসের প্রপাগান্ডার কাছে তারা টিকতে পারল না। হিন্দু সম্প্রদায়কে বুঝিয়ে দিল এটা হিন্দুদের বিরুদ্ধে।
** [[শেখ মুজিবুর রহমান]]। ''অসমাপ্ত আত্মজীবনী'', প্রকাশক: দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড, প্রকাশকাল: সেপ্টেম্বর ২০১৪, পৃষ্ঠা: ৬৩
* আমাদের কাছে খবর এল, ওয়েলিংটন স্কোয়ারের মসজিদে আক্রমণ হয়েছে। ইসলামিয়া কলেজের দিকে হিন্দুরা এগিয়ে আসছে। কয়েকজন ছাত্রকে ছাত্রীদের কাছে রেখে, আমরা চল্লিশ পঞ্চাশজন ছাত্র প্রায় খালি হাতেই ধর্মতলার মোড় পর্যন্ত গেলাম। সাম্প্রদায়িক দাঙ্গাহাঙ্গামা কাকে বলে এ ধারণাও আমার ভাল ছিল না। দেখি শত শত হিন্দু সম্প্রদায়ের লোক মসজিদ আক্রমণ করছে। মৌলভী সাহেব পালিয়ে আসছেন আমাদের দিকে। তাঁর পিছে ছুটে আসছে একদল লোক লাঠি ও তলোয়ার হাতে। পাশেই মুসলমানদের কয়েকটা দোকান ছিল। কয়েকজন লোক কিছু লাঠি নিয়ে আমাদের পাশে দাঁড়াল। আমাদের মধ্য থেকে কয়েকজন 'পাকিস্তান জিন্দাবাদ' দিতে শুরু করল। দেখতে দেখতে অনেক লোক জমা হয়ে গেল। হিন্দুরা আমাদের সামনা সামনি এসে পড়েছে। বাধা দেওয়া ছাড়া উপায় নাই। ইঁট পাটকেল যে যা পেল তাই নিয়ে আক্রমণের মোকাবেলা করে গেল। আমরা সব মিলে দেড় শত লোকের বেশি হব না। কে যেন পিছন থেকে এসে আত্মরক্ষার জন্য আমাদের কয়েকখানা লাঠি দিল। এর পূর্বে শুধু ইঁট দিয়ে মারামারি চলছিল। এর মধ্যে একটা বিরাট শোভাযাত্রা এসে পৌঁছাল। এদের কয়েক জায়গায় বাধা দিয়েছে, রুখতে পারে নাই। তাদের সকলের হাতেই লাঠি। এরা এসে আমাদের সঙ্গে যোগদান করল। কয়েক মিনিটের জন্য হিন্দুরা ফিরে গেল, আমরাও ফিরে এলাম। পুলিশ কয়েকবার এসে এর মধ্যে কাঁদানে গ্যাস ছেড়ে চলে গেছে। পুলিশ টহল দিচ্ছে। এখন সমস্ত কলকাতায় হাতাহাতি মারামারি চলছে। মুসলমানরা মোটেই দাঙ্গার জন্য প্রস্তুত ছিল না, একথা আমি বলতে পারি।
** [[শেখ মুজিবুর রহমান]]। ''অসমাপ্ত আত্মজীবনী'', প্রকাশক: দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড, প্রকাশকাল: সেপ্টেম্বর ২০১৪, পৃষ্ঠা: ৬৪-৬৫
* কলকাতা শহরে শুধু মরা মানুষের লাশ বিক্ষিপ্তভাবে পড়ে আছে। মহল্লার পর মহল্লা আগুনে পুড়ে গিয়েছে। এক ভয়াবহ দৃশ্য! মানুষ মানুষকে এইভাবে হত্যা করতে পারে, চিন্তা করতেও ভয় হয়! এক এক করে খবর নিতে চেষ্টা করলাম।...মুসলমানদের উদ্ধার করার কাজও করতে হচ্ছে। দু'এক জায়গায় উদ্ধার করতে যেয়ে আক্রান্তও হয়েছিলাম। আমরা হিন্দুদেরও উদ্ধার করে হিন্দু মহল্লায় পাঠাতে সাহায্য করেছি। মনে হয়েছে, মানুষ তার মানবতা হারিয়ে পশুতে পরিণত হয়েছে। প্রথম দিন ১৬ই আগস্ট মুসলমানরা ভীষণভাবে মার খেয়েছে। পরের দুই দিন মুসলমানরা হিন্দুদের ভীষণভাবে মেরেছে। পরে হাসপাতালের হিসাবে সেটা দেখা গিয়েছে।
** [[শেখ মুজিবুর রহমান]]। ''অসমাপ্ত আত্মজীবনী'', প্রকাশক: দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড, প্রকাশকাল: সেপ্টেম্বর ২০১৪, পৃষ্ঠা: ৬৬
* একটা কথা সত্য, অনেক হিন্দু মুসলমানদের রক্ষা করতে যেয়ে বিপদে পড়েছে। জীবনও হারিয়েছে। আবার অনেক মুসলমান হিন্দু পাড়াপড়শীকে রক্ষা করতে যেয়ে জীবন দিয়েছে। আমি নিজেই এর প্রমাণ পেয়েছি। মুসলিম লীগ অফিসে যেসব টেলিফোন আসত, তার মধ্যে বহু টেলিফোন হিন্দুরাই করেছে। তাদের বাড়িতে মুসলমানদের আশ্রয় দিয়েছে, শীঘ্রই এদের নিয়ে যেতে বলেছে, নতুবা এরাও মরবে, আশ্রিত মুসলমানরাও মরবে।
** [[শেখ মুজিবুর রহমান]]। ''অসমাপ্ত আত্মজীবনী'', প্রকাশক: দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড, প্রকাশকাল: সেপ্টেম্বর ২০১৪, পৃষ্ঠা: ৬৭
* [[মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ|কায়েদে-আযম]] ১৬ই আগস্ট প্রত্যক্ষ সংগ্রাম-দিবস ঘোষণা করিয়া দিলেন। কিন্তু কোনও কার্যক্রম ঘোষণা করিলেন না। তবে একথা তিনি বলিয়াছিলেন: আজ হইতে মুসলিম লীগ নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনের পথ ত্যাগ করিল। আমরা ধরিয়া নিলাম সভা-সমিতিতে হুমকি দিয়া উত্তেজনাপূর্ণ প্রস্তাবাদি পাস হইবে। আমার অনেক হিন্দু বন্ধুর সাথে আলাপ করিয়া বুঝিয়াছিলাম হিন্দুরাও তাই ধরিয়া নিয়াছিল। কিন্তু দুইটা ঘটনা হিন্দু-মনে স্বভাবতঃই চাঞ্চল্য সৃষ্টি করিল। এক, [[w:bn:খাজা_নাজিমুদ্দিন|খাজা নাযিমুদ্দিন]] সাহেব ঘোষণা করিলেন: 'আমাদের সংগ্রাম ভারত সরকারের বিরুদ্ধে নয়, হিন্দুদের বিরুদ্ধে।' দুই, প্রধানমন্ত্রী [[হোসেন শহীদ সোহ্রাওয়ার্দী|শহীদ সাহেবের]] নির্দেশে বাংলা সরকার ১৬ই আগস্ট সরকারী ছুটির দিন ঘোষণা করিলেন। প্রথমটি সুস্পষ্ট যুদ্ধ ঘোষণা। দ্বিতিয়টির ব্যাখ্যা আছে। প্রধানমন্ত্রী হয়ত অশুভ আশংকা করিয়াই সরকারী কর্মচারীদের নিরাপত্তার জন্য আফিস-আদালত ছুটি দিয়াছিলেন। পরবর্তী ঘটনায় বোঝাও গিয়াছিল যে ঐ দিন ছুটি না থাকিলে উভয় সম্প্রদায়ের অনেক সরকারী কর্মচারির জীবনহানি ঘটিত। কিন্তু আগে এটা বুঝার উপায় ছিল না। সরকারী ঘোষণায় তা'বলাও হয় নাই। হইলেও হিন্দুরা বিশ্বাস করিত না।
** [[আবুল মনসুর আহমদ]]। ''আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর'', প্রকাশক: খোশরোজ কিতাব মহল, প্রকাশকাল: সেপ্টেম্বর ২০১৩, পৃষ্ঠা: ১৯৭-১৯৮
* অনেক অতি-সাম্প্রদায়িক মুসলমান আজও সগর্বে বলিয়া থাকে কলিকাতা দাংগাই পাকিস্তান আনিয়াছিল। এ কথা নিতান্ত মিথ্যা নয়। এই দাংগার পরে ইংরাজ-হিন্দু-মুসলিম তিনপক্ষই বুঝিতে পারেন, দেশ বিভাগ ছাড়া উপায়ান্তর নাই।
** [[আবুল মনসুর আহমদ]]। ''আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর'', প্রকাশক: খোশরোজ কিতাব মহল, প্রকাশকাল: সেপ্টেম্বর ২০১৩, পৃষ্ঠা: ১৯৯
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:দাঙ্গা]]
[[বিষয়শ্রেণী:ধর্মীয় সহিংসতা]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি গণহত্যা]]
[[বিষয়শ্রেণী:পাকিস্তান আন্দোলন]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতে ধর্মীয়ভাবে অনুপ্রাণিত সহিংসতা]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতে হত্যাকাণ্ড]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলার ইতিহাস]]
5ewu3mr0cmqilz3tx9uzpe78no7mfpg
বিষয়শ্রেণী:দাঙ্গা
14
14188
84247
2026-08-16T14:35:33Z
ফারদিন
52
খালি পাতা তৈরি হয়েছে
84247
wikitext
text/x-wiki
phoiac9h4m842xq45sp7s6u21eteeq1
বিষয়শ্রেণী:পাকিস্তান আন্দোলন
14
14189
84248
2026-08-16T14:37:12Z
ফারদিন
52
খালি পাতা তৈরি হয়েছে
84248
wikitext
text/x-wiki
phoiac9h4m842xq45sp7s6u21eteeq1
নোয়াখালী দাঙ্গা
0
14190
84257
2026-08-16T17:55:47Z
ফারদিন
52
ভূমিকাংশ উইকিপিডিয়া হতে যোগ
84257
wikitext
text/x-wiki
'''নোয়াখালী দাঙ্গা''' ব্রিটিশ ভারতে ১৯৪৬ সালের অক্টোবর-নভেম্বরে সংগঠিত তৎকালীন পূর্ববঙ্গের নোয়াখালী ও ত্রিপুরা জেলার স্থানীয়দের দ্বারা সংঘটিত ধারাবাহিক গণহত্যা, ধর্ষণ, অপহরণ, হিন্দুদের জোরপূর্বক ধর্মান্তর, লুটপাট এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনা। কলকাতা দাঙ্গার রেশ ধরে এই ভয়াবহ দাঙ্গা ঘটে। যদিও এর পূর্ববর্তী কলকাতা দাঙ্গা ও পরবর্তী বিহার দাঙ্গার থেকে হতাহত সংখ্যা অপেক্ষাকৃত কম। নোয়াখালী জেলার রামগঞ্জ, বেগমগঞ্জ, রায়পুর, লক্ষ্মীপুর, ছাগলনাইয়া ও সন্দ্বীপ থানা এবং ত্রিপুরা (বর্তমান বৃহত্তর কুমিল্লা) জেলার হাজীগঞ্জ, ফরিদগঞ্জ, চাঁদপুর, লাকসাম ও চৌদ্দগ্রাম থানার অধীনে সর্বমোট প্রায় ২০০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
cr42dtlbw688x2u2vsmb4bw675mj6sf
84258
84257
2026-08-16T17:56:03Z
ফারদিন
52
84258
wikitext
text/x-wiki
'''নোয়াখালী দাঙ্গা''' ব্রিটিশ ভারতে ১৯৪৬ সালের অক্টোবর-নভেম্বরে সংগঠিত তৎকালীন পূর্ববঙ্গের নোয়াখালী ও ত্রিপুরা জেলার স্থানীয়দের দ্বারা সংঘটিত ধারাবাহিক গণহত্যা, ধর্ষণ, অপহরণ, হিন্দুদের জোরপূর্বক ধর্মান্তর, লুটপাট এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনা। কলকাতা দাঙ্গার রেশ ধরে এই ভয়াবহ দাঙ্গা ঘটে। যদিও এর পূর্ববর্তী কলকাতা দাঙ্গা ও পরবর্তী বিহার দাঙ্গার থেকে হতাহত সংখ্যা অপেক্ষাকৃত কম। নোয়াখালী জেলার রামগঞ্জ, বেগমগঞ্জ, রায়পুর, লক্ষ্মীপুর, ছাগলনাইয়া ও সন্দ্বীপ থানা এবং ত্রিপুরা (বর্তমান বৃহত্তর কুমিল্লা) জেলার হাজীগঞ্জ, ফরিদগঞ্জ, চাঁদপুর, লাকসাম ও চৌদ্দগ্রাম থানার অধীনে সর্বমোট প্রায় ২০০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
== উক্তি ==
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
k45t25hva085tezzo97d70bkvne2a6d
84260
84258
2026-08-16T19:31:00Z
ফারদিন
52
/* */
84260
wikitext
text/x-wiki
'''[[w:bn:নোয়াখালী দাঙ্গা|নোয়াখালী দাঙ্গা]]''' ব্রিটিশ ভারতে ১৯৪৬ সালের অক্টোবর-নভেম্বরে সংগঠিত তৎকালীন পূর্ববঙ্গের নোয়াখালী ও ত্রিপুরা জেলার স্থানীয়দের দ্বারা সংঘটিত ধারাবাহিক গণহত্যা, ধর্ষণ, অপহরণ, হিন্দুদের জোরপূর্বক ধর্মান্তর, লুটপাট এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনা। কলকাতা দাঙ্গার রেশ ধরে এই ভয়াবহ দাঙ্গা ঘটে। যদিও এর পূর্ববর্তী কলকাতা দাঙ্গা ও পরবর্তী বিহার দাঙ্গার থেকে হতাহত সংখ্যা অপেক্ষাকৃত কম। নোয়াখালী জেলার রামগঞ্জ, বেগমগঞ্জ, রায়পুর, লক্ষ্মীপুর, ছাগলনাইয়া ও সন্দ্বীপ থানা এবং ত্রিপুরা (বর্তমান বৃহত্তর কুমিল্লা) জেলার হাজীগঞ্জ, ফরিদগঞ্জ, চাঁদপুর, লাকসাম ও চৌদ্দগ্রাম থানার অধীনে সর্বমোট প্রায় ২০০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
== উক্তি ==
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
1vydz03v30563ldip6pohjuatb60x4c
84262
84260
2026-08-16T19:39:08Z
ফারদিন
52
হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:দাঙ্গা]] যোগ
84262
wikitext
text/x-wiki
'''[[w:bn:নোয়াখালী দাঙ্গা|নোয়াখালী দাঙ্গা]]''' ব্রিটিশ ভারতে ১৯৪৬ সালের অক্টোবর-নভেম্বরে সংগঠিত তৎকালীন পূর্ববঙ্গের নোয়াখালী ও ত্রিপুরা জেলার স্থানীয়দের দ্বারা সংঘটিত ধারাবাহিক গণহত্যা, ধর্ষণ, অপহরণ, হিন্দুদের জোরপূর্বক ধর্মান্তর, লুটপাট এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনা। কলকাতা দাঙ্গার রেশ ধরে এই ভয়াবহ দাঙ্গা ঘটে। যদিও এর পূর্ববর্তী কলকাতা দাঙ্গা ও পরবর্তী বিহার দাঙ্গার থেকে হতাহত সংখ্যা অপেক্ষাকৃত কম। নোয়াখালী জেলার রামগঞ্জ, বেগমগঞ্জ, রায়পুর, লক্ষ্মীপুর, ছাগলনাইয়া ও সন্দ্বীপ থানা এবং ত্রিপুরা (বর্তমান বৃহত্তর কুমিল্লা) জেলার হাজীগঞ্জ, ফরিদগঞ্জ, চাঁদপুর, লাকসাম ও চৌদ্দগ্রাম থানার অধীনে সর্বমোট প্রায় ২০০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
== উক্তি ==
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:দাঙ্গা]]
hh604rnkk0ai286uvf3blnplm1zv0sk
84263
84262
2026-08-16T19:40:51Z
ফারদিন
52
হটক্যাটের মাধ্যমে +[[বিষয়শ্রেণী:ধর্মীয় সহিংসতা]]; +[[বিষয়শ্রেণী:ভারতে ধর্মীয়ভাবে অনুপ্রাণিত সহিংসতা]]; +[[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি গণহত্যা]]; +[[বিষয়শ্রেণী:বাংলার ইতিহাস]]
84263
wikitext
text/x-wiki
'''[[w:bn:নোয়াখালী দাঙ্গা|নোয়াখালী দাঙ্গা]]''' ব্রিটিশ ভারতে ১৯৪৬ সালের অক্টোবর-নভেম্বরে সংগঠিত তৎকালীন পূর্ববঙ্গের নোয়াখালী ও ত্রিপুরা জেলার স্থানীয়দের দ্বারা সংঘটিত ধারাবাহিক গণহত্যা, ধর্ষণ, অপহরণ, হিন্দুদের জোরপূর্বক ধর্মান্তর, লুটপাট এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনা। কলকাতা দাঙ্গার রেশ ধরে এই ভয়াবহ দাঙ্গা ঘটে। যদিও এর পূর্ববর্তী কলকাতা দাঙ্গা ও পরবর্তী বিহার দাঙ্গার থেকে হতাহত সংখ্যা অপেক্ষাকৃত কম। নোয়াখালী জেলার রামগঞ্জ, বেগমগঞ্জ, রায়পুর, লক্ষ্মীপুর, ছাগলনাইয়া ও সন্দ্বীপ থানা এবং ত্রিপুরা (বর্তমান বৃহত্তর কুমিল্লা) জেলার হাজীগঞ্জ, ফরিদগঞ্জ, চাঁদপুর, লাকসাম ও চৌদ্দগ্রাম থানার অধীনে সর্বমোট প্রায় ২০০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
== উক্তি ==
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:দাঙ্গা]]
[[বিষয়শ্রেণী:ধর্মীয় সহিংসতা]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতে ধর্মীয়ভাবে অনুপ্রাণিত সহিংসতা]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি গণহত্যা]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলার ইতিহাস]]
jovberozewsd4o7fhg53acvg1iw6vbn
বিষয়শ্রেণী:ভারতে ধর্মীয়ভাবে অনুপ্রাণিত সহিংসতা
14
14191
84261
2026-08-16T19:38:13Z
ফারদিন
52
খালি পাতা তৈরি হয়েছে
84261
wikitext
text/x-wiki
phoiac9h4m842xq45sp7s6u21eteeq1
অধ্যক্ষ মুহাম্মাদ আব্দুস সামাদ (শাইখুল হাদীস)
0
14192
84264
2026-08-17T05:06:00Z
Chowdhury Adil
6027
"'''অধ্যক্ষ মুহাম্মাদ আব্দুস সামাদ''' বাংলাদেশের একজন আলেম, শাইখুল হাদীস, শিক্ষাবিদ ও অনুবাদক। তিনি ''সহিহ আল-বুখারী''-এর বাংলা অনুবাদের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। == উক্তি == * “এখানে তাঁ..." দিয়ে পাতা তৈরি
84264
wikitext
text/x-wiki
'''অধ্যক্ষ মুহাম্মাদ আব্দুস সামাদ''' বাংলাদেশের একজন আলেম, শাইখুল হাদীস, শিক্ষাবিদ ও অনুবাদক। তিনি ''সহিহ আল-বুখারী''-এর বাংলা অনুবাদের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
== উক্তি ==
* “এখানে তাঁর প্রামাণিক ও প্রকাশিত বক্তব্যের উদ্ধৃতি থাকবে।”
** — ''উৎসের নাম'', প্রকাশের তারিখ/পৃষ্ঠা
* “এখানে তাঁর আরেকটি প্রামাণিক বক্তব্যের উদ্ধৃতি থাকবে।”
** — ''উৎসের নাম'', প্রকাশের তারিখ/পৃষ্ঠা
== সহিহ আল-বুখারী ==
অধ্যক্ষ মুহাম্মাদ আব্দুস সামাদ ''সহিহ আল-বুখারী''-এর বাংলা অনুবাদের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তাঁর অনুবাদে হাদীসের মূল বক্তব্য বাংলাভাষী পাঠকদের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে।
=== অনুবাদকর্ম ===
* '''গ্রন্থ:''' ''সহিহ আল-বুখারী''
* '''ভাষা:''' বাংলা
* '''অনুবাদক:''' অধ্যক্ষ মুহাম্মাদ আব্দুস সামাদ
* '''বিষয়:''' হাদীস
== আরও দেখুন ==
* [[সহিহ আল-বুখারী]]
* [[হাদীস]]
* [[ইসলামী শিক্ষা]]
== তথ্যসূত্র ==
<references />
md9jucus7yjgme9p7c5jk1v5wph9af2