উইকিসংকলন bnwikisource https://bn.wikisource.org/wiki/%E0%A6%89%E0%A6%87%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A6%A8:%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE MediaWiki 1.46.0-wmf.24 first-letter মিডিয়া বিশেষ আলাপ ব্যবহারকারী ব্যবহারকারী আলাপ উইকিসংকলন উইকিসংকলন আলোচনা চিত্র চিত্র আলোচনা মিডিয়াউইকি মিডিয়াউইকি আলোচনা টেমপ্লেট টেমপ্লেট আলোচনা সাহায্য সাহায্য আলোচনা বিষয়শ্রেণী বিষয়শ্রেণী আলোচনা লেখক লেখক আলাপ নির্ঘণ্ট নির্ঘণ্ট আলাপ পাতা পাতা আলাপ প্রবেশদ্বার প্রবেশদ্বার আলাপ প্রকাশক প্রকাশক আলোচনা রচনা রচনা আলাপ অনুবাদ অনুবাদ আলোচনা TimedText TimedText talk মডিউল মডিউল আলাপ Event Event talk টেমপ্লেট:PAGES NOT PROOFREAD 10 9620 1943792 1943714 2026-04-18T07:01:07Z SodiumBot 19245 বট টেমপ্লেট হালনাগাদ করছে 1943792 wikitext text/x-wiki 452220 tg3t3dxkx74v9cs2u7kwf11zlnb4vtb টেমপ্লেট:ALL PAGES 10 9621 1943793 1943715 2026-04-18T07:01:17Z SodiumBot 19245 বট টেমপ্লেট হালনাগাদ করছে 1943793 wikitext text/x-wiki 563498 q46srpluzimybrdgsr75kpdjd01j7ux টেমপ্লেট:PR TEXTS 10 9622 1943794 1943716 2026-04-18T07:01:27Z SodiumBot 19245 বট টেমপ্লেট হালনাগাদ করছে 1943794 wikitext text/x-wiki 19442 0bpqmoytgn9bzrhoq8cttzs4bufigmr টেমপ্লেট:ALL TEXTS 10 9623 1943795 1943717 2026-04-18T07:01:37Z SodiumBot 19245 বট টেমপ্লেট হালনাগাদ করছে 1943795 wikitext text/x-wiki 19442 0bpqmoytgn9bzrhoq8cttzs4bufigmr পাতা:আমেরিকার স্বাধীনতা - নিশিকান্ত গাঙ্গুলী (১৯২৩).pdf/১৬৩ 104 878502 1943764 1943676 2026-04-18T03:21:00Z Babulbaishya 2144 /* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */ 1943764 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Babulbaishya" /></noinclude>{{কেন্দ্র|{{x-larger|'''যুক্তরাজ্য প্রতিষ্ঠা।'''}}}} {{Custom rule|sp|20|col|6|co|10|col|6|sp|20}} {{ফাঁক}}এ পর্য্যন্ত তেরটী উপনিবেশ কংগ্রেসে সম্মিলিত হইয়াছিল, কিন্তু পরস্পর কখনও সুদৃঢ়রূপে সংহত ও সংবদ্ধ হয় নাই ৷ এ পর্য্যন্ত কংগ্রেসের ট্যাক্স তুলিবার কোনও ক্ষমতা ছিল না।প্রত্যেক উপনিবেশ স্বতন্ত্রভাবে টাকা তুলিয়া দিত, কিন্তু অধিকাংশ সময়ই তাহারা আবশ্যকীয় অর্থ প্রদান করিত না। অধিকন্তু সমগ্র উপনিবেশ মিলনসূত্রে একত্র গাঁথা না থাকিলে ইউরোপের রাজনীতি বিশারদগণ তাহাদের মধ্যে আত্মবিবাদ সৃষ্টি করিয়া যে কোন সময় আমেরিকার সর্বনাশ করিতে পারিবে; সুতরাং ভবিষ্যৎ উন্নতির মূলভিত্তি হইবে উপনিবেশসমূহের পরস্পর মিলন। {{ফাঁক}}এদিকে অনেক সন্দিগ্ধচিত্ত আমেরিকান্ ভয় করিতেছিল ওয়াশিংটন অত্যধিক ক্ষমতাশালী হইয়া উঠিয়াছিল, সৈন্যগণ যেরূপ তাঁহার বাধ্য ও অনুগত তাহাতে হয়ত তিনি রাজমুকুট পড়িয়া রাজা সাজিয়া বসিবেন! কিন্তু তাহারা জানিত না যে প্রকৃত দেশপ্রেমিকের এতাদৃশ নীচ কামনা থাকিতে পারে না, দেশের সেবা করিয়া যে আত্মপ্রসাদ লাভ করা হয় তাহাই ত তাহাদের শ্রেষ্ঠ পুরস্কার। {{ফাঁক}}ইংরেজের করাল কবল হইতে দেশ উদ্ধার করিয়া ওয়াশিংটন্‌<noinclude></noinclude> poako8bffjs75enkl4ur7a6agpk4k8f পাতা:আমেরিকার স্বাধীনতা - নিশিকান্ত গাঙ্গুলী (১৯২৩).pdf/১৬৪ 104 878503 1943765 1943675 2026-04-18T03:25:26Z Babulbaishya 2144 1943765 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="1" user="Babulbaishya" />{{rvh|১৫২|আমেরিকার স্বাধীনতা}}{{rule}}</noinclude>ভারজিনিয়ায় প্রিয় ভারনন পর্ব্বতে (Mount Vernon) প্রত্যাগমন করিলেন। বিদায়কালে কংগ্রেসের সভাপতি মিঃ মিফিন (Miffin) বলিলেন,–“এই নূতন জগতের স্বাধীনতা নিরাপদ করিয়া, নিগৃহীত, অত্যাচারিত, অধিবাসিগণকে কৰ্ত্তব্য শিক্ষা প্রদান করিয়া, দেশবাসীর শুভ আশীৰ্বাদ লইয়া আপনি কর্ম্মের এই প্রধান রঙ্গমঞ্চ হইতে অবসর গ্রহণ করিতেছেন,— Having defended the standard of liberty in this new world, having taught a lesson to those who feel oppression, you retire from the great theatre of action with the blessings of your fellow citizens. {{ফাঁক}}চিন্তাশীল ব্যক্তি মাত্রই উপনিবেশসমূহ দৃঢ়রূপে সংবদ্ধ করিবার জন্য উঠিয়া পড়িয়া লাগিলেন। ওয়াশিংটনও বিশ্রাম সম্ভোগের মধ্যে এইরূপ মিলনের চেষ্টা করিতে লাগিলেন। অবশেষে ১৭৮৭ খৃষ্টাব্দে হেমিল্‌টন (Hamilto) কংগ্রেসে প্রস্তাব করিলেন যে, উপনিবেশ সমূহের বিশেষ বিশেষ প্রতিনিধি লইয়া একটী পরামর্শ সমিতি গঠিত হউক । হেমিল্‌টনের প্রস্তাব গৃহীত হইল ৷ ফিলাভেলফিয়ায় এই সমিতির অধিবেশনের স্থান নির্দ্ধারিত হয়। {{ফাঁক}}মে মাসে প্রতিনিধিগণ ফিলাডেলফিয়ার আসিয়া উপস্থিত হইলেন,—উদ্দেশ্য উপনিবেশ সমূহকে যুক্তরাজ্যে পরিণত করিয়া শাসন সংরক্ষণ পদ্ধতি প্রণয়ন করা। ৫৫ জন প্রতিনিধি লইয়া<noinclude></noinclude> 9wjtqxzbsxivex03uvdtmt6x6sdzo0p 1943766 1943765 2026-04-18T03:30:30Z Babulbaishya 2144 /* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */ 1943766 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Babulbaishya" />{{rvh|১৫২|আমেরিকার স্বাধীনতা}}{{rule}}</noinclude>ভারজিনিয়ায় প্রিয় ভারনন পর্ব্বতে (Mount Vernon) প্রত্যাগমন করিলেন। বিদায়কালে কংগ্রেসের সভাপতি মিঃ মিফিন (Miffin) বলিলেন,–“এই নূতন জগতের স্বাধীনতা নিরাপদ করিয়া, নিগৃহীত, অত্যাচারিত, অধিবাসিগণকে কৰ্ত্তব্য শিক্ষা প্রদান করিয়া, দেশবাসীর শুভ আশীৰ্বাদ লইয়া আপনি কর্ম্মের এই প্রধান রঙ্গমঞ্চ হইতে অবসর গ্রহণ করিতেছেন,—Having defended the standard of liberty in this new world, having taught a lesson to those who feel oppression, you retire from the great theatre of action with the blessings of your fellow citizens. {{ফাঁক}}চিন্তাশীল ব্যক্তি মাত্রই উপনিবেশসমূহ দৃঢ়রূপে সংবদ্ধ করিবার জন্য উঠিয়া পড়িয়া লাগিলেন। ওয়াশিংটনও বিশ্রাম সম্ভোগের মধ্যে এইরূপ মিলনের চেষ্টা করিতে লাগিলেন। অবশেষে ১৭৮৭ খৃষ্টাব্দে হেমিল্‌টন (Hamilto) কংগ্রেসে প্রস্তাব করিলেন যে, উপনিবেশ সমূহের বিশেষ বিশেষ প্রতিনিধি লইয়া একটী পরামর্শ সমিতি গঠিত হউক। হেমিল্‌টনের প্রস্তাব গৃহীত হইল ৷ ফিলাভেলফিয়ায় এই সমিতির অধিবেশনের স্থান নির্দ্ধারিত হয়। {{ফাঁক}}মে মাসে প্রতিনিধিগণ ফিলাডেলফিয়ার আসিয়া উপস্থিত হইলেন,—উদ্দেশ্য উপনিবেশ সমূহকে যুক্তরাজ্যে পরিণত করিয়া শাসন সংরক্ষণ পদ্ধতি প্রণয়ন করা। ৫৫ জন প্রতিনিধি লইয়া<noinclude></noinclude> 9ujtohxpd7xflpdqyp9n7n0d695b8iq পাতা:আমেরিকার স্বাধীনতা - নিশিকান্ত গাঙ্গুলী (১৯২৩).pdf/১৬৫ 104 878504 1943767 1943678 2026-04-18T03:36:41Z Babulbaishya 2144 /* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */ 1943767 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Babulbaishya" />{{rvh|১৫৩|যুক্তরাজ্য প্রতিষ্ঠা।}}{{rule}}</noinclude>এই সমিতি গঠিত হয়। ওয়াশিংটন সভাপতির আসন গ্রহণ করিলেন। ফ্রাংক্লিন্ তাঁহার বহু বৎসরের অভিজ্ঞতা ও দূরদর্শিতা লইয়া উপস্থিত হইলেন। {{ফাঁক}}শাসন পদ্ধতি নির্দ্ধারণ প্রসঙ্গে অনেক গবেষণা হইল, অনেক যুক্তিতর্ক হইল, অনেক বাদানুবাদ হইল। তৎফলে সদস্যগণের মধ্যে দুইটী মত মূৰ্ত্ত হইয়া উঠিল, এক মতে সকল উপনিবেশ সমূহকে ঐককেন্দ্রিক করিয়া কেন্দ্র শক্তি বর্দ্ধিত এবং পরিপুষ্ট করিয়া তোলা, কিন্তু ইহার প্রতিবাদ করিয়া অপর মতাবলম্বিগণ বলিলেন,—ইহাতে কেন্দ্রশক্তি অত্যধিক ক্ষমতা-প্রযুক্ত অত্যাচারী হইয়া উঠিবে, এবং উপনিবেশ সমূহের স্বতন্ত্রতা বিলুপ্ত হইবে। তাহাদের মতে ঐককেন্দ্রিক শক্তি যতদূর সম্ভব সঙ্কুচিত করিয়া, উপনিবেশ সমূহের যতদূর সম্ভব ক্ষমতার প্রসার করা দরকার। এই প্রকার যুক্তিতর্কে চারি মাস অতিবাহিত হইয়া গেল। অবশেষে, এই সমিতি শাসন পদ্ধতির খসরা প্রস্তুত করিয়া কংগ্রেসে প্রেরণ করে। অনেক বাক্‌বিতণ্ডার পর কংগ্রেস শাসন প্রণালী নির্দ্ধারণ করিলেন এবং আমেরিকা যুক্তরাজ্যে পরিণত হইল। {{কেন্দ্র|{{larger|শাসনপদ্ধতি—'''(Constitution)'''}}}} {{ফাঁক}}যুক্তরাজ্যের যাবতীয় শাসন সংরক্ষণ ও পরিচালন ক্ষমতা দুইটী প্রতিনিধি সভা এবং একজন প্রেসিডেন্ট বা সভাপতির উপর ন্যস্ত হইল। লোক সংখ্যা অনুসারে প্রত্যেক উপনিবেশ<noinclude></noinclude> o0rfzmft5267has2luu05q5yuhmy9bp পাতা:আমেরিকার স্বাধীনতা - নিশিকান্ত গাঙ্গুলী (১৯২৩).pdf/১৬৬ 104 878505 1943768 1943679 2026-04-18T03:43:26Z Babulbaishya 2144 /* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */ 1943768 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Babulbaishya" />{{rvh|১৫৪|আমেরিকার স্বাধীনতা}}{{rule}}</noinclude>কর্ত্তৃক নির্ব্বাচিত প্রতিনিধির মোট ২ শত ৪৩ জন সভ্য লইয়া একটী প্রতিনিধি সভা গঠিত হয়। এই সভার সভ্যগণ দুই বৎসরের জন্য মাত্র নির্বাচিত হইবে, এবং প্রত্যেক সভ্য বাৎসরিক পাঁচ হাজার ডলার (প্রায় ২৬২৫০ টাকা) বৃত্তি পাইবেন। ইণ্ডিয়ান্ এবং “কালা আদ্‌মির” (অর্থাৎ নিগ্রোদের) ভোট দিবার অধিকার থাকিবে না, কিন্তু “সাদা চামরা” হইলেই প্রতিনিধি নির্ব্বাচনের অধিকার পাইবে। {{ফাঁক}}প্রত্যেক দশ বৎসরে লোক সংখ্যা তারতম্য করিয়া উপনিবেশসমূহ নির্দ্ধারিত সভ্যের সংখ্যা সংশোধন করিয়া লইবে। {{ফাঁক}}দ্বিতীয় সমিতি সিনেট (Senate)। প্রত্যেক উপনিবেশের ব্যবস্থাপক সভা কর্ত্তৃক নির্ব্বাচিত ২৬ জন সভ্য লইয়া গঠিত হইবে। এই সিনেটে প্রত্যেক উপনিবেশ—বড়ই হউক বা ক্ষুদ্রই হউক—দুইজন করিয়া প্রতিনিধি প্রেরণ করিবে। সিনেটের সদস্যগণ ছয় বৎসরের জন্য নির্বাচিত হইবে, এবং প্রতিনিধি সভার সভ্যগণের ন্যায় বাৎসরিক বৃত্তি পাইবেন । {{ফাঁক}}সকলের উপর থাকিবে একজন সভাপতি বা প্রেসিডেণ্ট। প্রত্যেক প্রদেশ তত্রত্য ব্যবস্থাপক সভায় যত সংখ্যক সভ্য প্রেরণ করিবে তত সংখ্যক লোক মনোনয়ন করিবে; তৎপর সকল উপনিবেশের এই সকল মনোনীত ব্যক্তি একত্র হইয়া প্রেসিডেন্ট, নির্বাচিত করিবেন। প্রেসিডেন্টের অনুপস্থিতিতে তাঁহার কার্য্য পরিচালনের জন্য তাহারা একজন ভাইস্-প্রেসিডেন্ট, নির্বাচন করিবে।<noinclude></noinclude> mhf2epffn6hk7vvrytvjew4rom5wktw পাতা:আমেরিকার স্বাধীনতা - নিশিকান্ত গাঙ্গুলী (১৯২৩).pdf/১৬৭ 104 878506 1943769 1943680 2026-04-18T03:51:09Z Babulbaishya 2144 1943769 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="1" user="Babulbaishya" />{{rvh|১৫৫|যুক্তরাজ্য প্রতিষ্ঠা।}}{{rule}}</noinclude>{{ফাঁক}}কংগ্রেস্‌ বা প্রতিনিধি-সমিতি কোন আইন প্রণয়ন করিতে ইচ্ছা করিলে, ঐ আইন প্রণয়নের প্রস্তাব প্রেসিডেন্টের নিকট প্রেরণ করিতে হইবে। প্রেসিডেন্ট সম্মতি প্রদান করিলে তখনই তাহা আইনে পরিণত করা হইবে, কিন্তু তাহার অমত হইলে কারণ সন্দর্শন পূর্ব্বক প্রস্তাব প্রতিনিধি-সভায় পুনঃ প্রেরণ করিতে হইবে। এবং এই প্রতিনিধি সভার {{sfrac|২|৩}} সংখ্যক সভ্য কর্তৃক ঐ প্রস্তাব পুনঃ গৃহীত হইলে, প্রেসিডেন্টের অমত থাকা সত্ত্বেও তাহা আইন বলিয়া গণ্য করা হইবে । {{ফাঁক}}প্রেসিডেন্ট, যন্ত্রণা করিবার জন্য আপনার মনোমত মন্ত্রণা- সমিতি গঠন করিবেন, কিন্তু এই মন্ত্রণাসমিতির কোন সভ্য প্রতিনিধি সমিতির সভ্য হইতে পারিবে না । সকল বিভাগের বাৎসরিক বিবরণী এবং স্বীয় মতামত প্রেসিডেন্ট, প্রতি বৎসর প্রতিনিধি সভার প্রেরণ করিবেন । প্রেসিডেন্ট, সমর বিভাগের সেনাপতি হইবেন। সিনেটের সম্মতিক্রমে তিনি বিদেশে রাজ প্রতিনিধি, উচ্চ বিচার বিভাগের বিচারক এবং উচ্চ কর্ম্মচারী নিযুক্ত করিবেন । {{ফাঁক}}প্রত্যেক উপনিবেশই স্বতন্ত্রভাবে স্ব স্ব প্রদেশের আভ্যন্তরিণ উন্নতি এবং সর্ববিধ সুবিধা সুযোগের কার্য্য করিতে পারিবে, রেল লাইন, যৌথ ব্যবসায়, এবং স্বীয় প্রদেশের শাসন সংরক্ষণ প্রত্যেক উপনিবেশেরই হস্তে থাকিবে । অবশ্য অপরাপর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তাহাদের কোন ক্ষমতা প্রদেশের থাকিবে না । {{nop}}<noinclude></noinclude> 8t2gx4rjuwotv68yaejd51nw4h1oj15 1943771 1943769 2026-04-18T03:59:06Z Babulbaishya 2144 /* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */ 1943771 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Babulbaishya" />{{rvh|১৫৫|যুক্তরাজ্য প্রতিষ্ঠা।}}{{rule}}</noinclude>{{ফাঁক}}কংগ্রেস্‌ বা প্রতিনিধি-সমিতি কোন আইন প্রণয়ন করিতে ইচ্ছা করিলে, ঐ আইন প্রণয়নের প্রস্তাব প্রেসিডেন্টের নিকট প্রেরণ করিতে হইবে। প্রেসিডেন্ট সম্মতি প্রদান করিলে তখনই তাহা আইনে পরিণত করা হইবে, কিন্তু তাহার অমত হইলে কারণ সন্দর্শন পূর্ব্বক প্রস্তাব প্রতিনিধি-সভায় পুনঃ প্রেরণ করিতে হইবে। এবং এই প্রতিনিধি সভার {{sfrac|২|৩}} সংখ্যক সভ্য কর্ত্তৃক ঐ প্রস্তাব পুনঃ গৃহীত হইলে, প্রেসিডেন্টের অমত থাকা সত্ত্বেও তাহা আইন বলিয়া গণ্য করা হইবে। {{ফাঁক}}প্রেসিডেন্ট, মন্ত্রণা করিবার জন্য আপনার মনোমত মন্ত্রণা-সমিতি গঠন করিবেন, কিন্তু এই মন্ত্রণাসমিতির কোন সভ্য প্রতিনিধি সমিতির সভ্য হইতে পারিবে না। সকল বিভাগের বাৎসরিক বিবরণী এবং স্বীয় মতামত প্রেসিডেন্ট, প্রতি বৎসর প্রতিনিধি সভায় প্রেরণ করিবেন। প্রেসিডেন্ট, সমর বিভাগের সেনাপতি হইবেন। সিনেটের সম্মতিক্রমে তিনি বিদেশে রাজ প্রতিনিধি, উচ্চ বিচার বিভাগের বিচারক এবং উচ্চ কর্ম্মচারী নিযুক্ত করিবেন। {{ফাঁক}}প্রত্যেক উপনিবেশই স্বতন্ত্রভাবে স্ব স্ব প্রদেশের আভ্যন্তরিণ উন্নতি এবং সর্ব্ববিধ সুবিধা সুযোগের কার্য্য করিতে পারিবে, রেল লাইন, যৌথ ব্যবসায়, এবং স্বীয় প্রদেশের শাসন সংরক্ষণ প্রত্যেক উপনিবেশেরই হস্তে থাকিবে। অবশ্য অপরাপর প্রদেশের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তাহাদের কোন ক্ষমতা থাকিবে না । {{nop}}<noinclude></noinclude> d1g8dbr2er6wgx49kw7s3pof8t4uq2g পাতা:আমেরিকার স্বাধীনতা - নিশিকান্ত গাঙ্গুলী (১৯২৩).pdf/১৬৮ 104 878507 1943772 1943681 2026-04-18T04:17:30Z Babulbaishya 2144 /* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */ 1943772 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Babulbaishya" />{{rvh|১৫৬|আমেরিকার স্বাধীনতা}}{{rule}}</noinclude>{{কেন্দ্র|{{larger|আমেরিকার শাসন পদ্ধতিতে ইউরোপের মতামত।}}}} {{ফাঁক}}ইউরোপীয় জাতিমাত্রই আমেরিকার সাধারণ-তন্ত্র শাসন প্রণালীর বিষয় অবগত হইয়া মনে করিল যে, যুক্তরাজ্যের ভবিষ্যৎ উন্নতির পথ রুদ্ধ হইল, কেননা, তাহাদের দৃঢ় বিশ্বাস ছিল যে, প্রত্যেক দেশে ভগবানের অনুগৃহীত অল্প সংখ্যক লোকই, সুবোধ শিশুর মত লক্ষ লক্ষ অধিবাসীর গতিবিধি নিয়ন্ত্রিত করিবে, কারণ জনসাধারণ দেশে সুশাসন এবং শান্তি সংরক্ষণে সম্পূর্ণ অসমর্থ। {{ফাঁক}}আমেরিকাবাসীর কিন্তু এরূপ ভগবদনুগৃহীত লোকের উপর বিশ্বাস ছিল না, তাহারা বুঝিয়াছিল,⸺লক্ষ লক্ষ দেশবাসীর বর্তমান ও ভবিষ্যৎ সুখ সৌভাগ্যের ভার তাহাদের আপনাদের উপরই নির্ভর করিতেছে। আমেরিকাবাসীর দৃঢ় বিশ্বাস এই নূতন প্রজাতন্ত্রের আদর্শের উপর ইউরোপীয় অনেক দেশেরই ভবিষ্যৎ শাসন পদ্ধতির ধারা নির্ভর করিবে,⸺ অদূর ভবিষ্যতে অনেক দেশে পুরাতন ভাঙ্গিয়া চুড়িয়া, অনেক বিপ্লবের বাত্যা প্রবাহিত করিয়া, অনেক ক্ষমতা গর্ব্বিত অত্যাচারীর উষ্ণ রুধির গাত্রে মাখিয়া এই নূতন আদর্শ প্রতিষ্ঠিত হইবে সন্দেহ নাই।<ref>ফরাসী বিপ্লব ও ফরাসী প্রজাতন্ত্রের আদর্শ অনেকটা আমেরিকার প্রজাতন্ত্র প্রকৃত।</ref> {{ফাঁক}}সর্ব্ব সম্মতিক্রমে ১৭৮৯ খৃষ্টাব্দে ওয়াশিংটন যুক্তরাজ্যের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হইলেন। ৪ঠা মার্চ্চ নিউইয়র্কে যুক্ত-<noinclude>{{rule}}</noinclude> rnwjexgqkp2liavoxoiygudhccfoood পাতা:আমেরিকার স্বাধীনতা - নিশিকান্ত গাঙ্গুলী (১৯২৩).pdf/১৬৯ 104 878508 1943773 1943682 2026-04-18T04:21:42Z Babulbaishya 2144 /* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */ 1943773 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Babulbaishya" />{{rvh|১৫৭|যুক্তরাজ্য প্রতিষ্ঠা।}}{{rule}}</noinclude>রাজ্যের কংগ্রেসের অধিবেশন হয়। যুক্তরাজ্য রাহুমুক্ত দিবাকরের ন্যায় সৌভাগ্য সোপানে আরোহন করিতে লাগিল,— ইউরোপ কর্ত্তৃক উপেক্ষিত “দুর্বল কোমল লক্ষ লক্ষ শিশু” স্বায়ত্ব শাসনের বিমল শান্তিতে পৃথিবীর মধ্যে যে শ্রেষ্ঠ জাতি রূপে পরিণত হইয়াছে তাহা সকলেই অবগত আছেন। {{ফাঁক}}ওয়াশিংটন প্রথম ৮ বৎসর প্রেসিডেন্টের কার্য্য সুদক্ষতার সহিত পরিচালনা করিয়া অবসর গ্রহণ করিলেন। তৎপর তিন বৎসর জীবিত থাকিয়া ১৭৯৯ খৃষ্টাব্দে মাত্র কয়েক ঘণ্টার অসুখে ভুবন বিখ্যাত ওয়াশিংটন মানব লীলা সংবরণ করেন। {{ফাঁক}}আমেরিকাবাসী মাত্রই চিরস্মরণীয় ওয়াশিংটনের উদ্দেশ্যে চিরদিন ভক্তি অর্ঘ্য প্রদান করিবে। ওয়াশিংটনের স্থূল দেহ বিনাশ প্রাপ্ত হইলেও, ভ্যাগের মধ্য দিয়া, আত্ম-নির্ভরতার মধ্য দিয়া, বিপদে অভয় বাণীর মধ্য দিয়া, কীর্ত্তির মধ্য দিয়া তিনি আজিও বাঁচিয়া আছেন, ভবিষ্যতেও থাকিবেন— কীৰ্ত্তিযস্য সঃজীবতি। {{dhr}} {{rule|4em}}<noinclude></noinclude> s38jg1vm6wbs5lvd5b7uo5chiul9s1m পাতা:শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (ত্রয়োদশ সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৬০).pdf/৩৭৮ 104 878528 1943719 2026-04-17T13:05:14Z Nettime Sujata 5470 /* লেখাবিহীন */ 1943719 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="0" user="Nettime Sujata" /></noinclude><noinclude></noinclude> pao581rm9gbrxxpsq3pdbcv5hnr8uvg পাতা:শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (ত্রয়োদশ সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৬০).pdf/৩৭৯ 104 878529 1943720 2026-04-17T13:11:45Z Nettime Sujata 5470 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */ 1943720 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ}}</noinclude><section begin="A" />{{কেন্দ্র|{{xx-larger|বেতার-সঙ্গীত}}}} {{ফাঁক}}শহর হইতে দূরে গ্রামের মধ্যে আমার বাস। অতীতের নানাপ্রকার আমোদ ও আনন্দের প্রাত্যহিক আয়োজন গ্রামে আর নাই, পল্লী এখন নির্জীব, নিরানন্দ। কর্ম্মক্লান্ত দিনের কত সন্ধ্যায় এই নিঃসঙ্গ পল্লীভবনে বেতারের জন্য উৎসুক আগ্রহে অপেক্ষা করিয়াছি। শ্রাবণের ঘন মেঘে চারিদিক আচ্ছন্ন হইয়া আসে, কর্দ্দমাক্ত জনহীন গ্রাম্যপথ নিতান্ত দুর্গম, নিবিড় অন্ধকার ভারের মত বুকের ’পরে চাপিয়া বসে, তখন বেতার-বাহিত গানের পালায় মনে হয় যেন দূরে থাকিয়াও আসরের ভাগ পাইতেছি। {{ফাঁক}}আবার কোন দিন ক্ষান্তবর্ষণ আকাশে লঘু মেঘের ফাঁকে ফাঁকে চাঁদের আলো দেখা দেয়, বর্ষার সুবিস্তীর্ণ নদী-জলে মলিন জ্যোৎস্না ছড়াইয়া পড়ে, আমি তখন প্রাঙ্গণের একান্তে নদী তটে আরাম-কেদারায় চোখ বুজিয়া বসি, তামাকের ধুঁয়ার সঙ্গে মিশিয়া বেতার বাঁশীর সুর যেন মায়াজাল রচনা করে। দু-একজন করিয়া প্রতিবেশী জুটিতে থাকে, ঘাটে বাঁধা নৌকায় দূরের যাত্রী, কৌতূহলী দাঁড়া-মাঝির দল নিঃশব্দে আসিয়া ঘিরিয়া বসে, আবার শেষ হইলে পরিতৃপ্তির নিঃশ্বাস ফেলিয়া যে যাহার আলয়ে চলিয়া যায়। এই আনন্দের অংশ আমি পাই। (শ্রীনরেন্দ্র দেব রচিত ‘শরৎচন্দ্র’ নামক জীবনী-গ্রন্থ; ২য় সংস্করণ) <section end="A" /> <section begin="B" />{{কেন্দ্র|{{xx-larger|শরৎচন্দ্রের উভয় সঙ্কট}}}} {{কেন্দ্র|<poem>শ্রীশরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় মহাশয়ের একষষ্টিতম জন্মতিথি উপলক্ষে তাঁহাকে সংবর্ধিত করিতে ৩রা আশ্বিন, ১৩৪৩, হাওড়া টাউন হলে এক সভার অধিবেশন হয়।</poem>}} {{ফাঁক}}সংবর্দ্ধনার উত্তরে ডাঃ চট্টোপাধ্যায় বলেন যে, তিনি যখন বাহির হইতে প্রথমে বাঙলা দেশে আসেন, তখন হাওড়াতেই অবস্থান করেন। তার পর বহু গ্রন্থও হাওড়ায় আসিয়া তিনি রচনা করিয়াছেন। হাওড়া তাঁহার অতি প্রিয় স্থান; হাওড়াবাসীর নিকট হইতে তিনি বহুবার সংবর্দ্ধনা লাভ করিয়াছেন, সুতরাং প্রিয়জনের পুনর্ব্বার সংবর্দ্ধনার কোন প্রয়োজন ছিল না। {{nop}}<section end="B" /><noinclude>{{কেন্দ্র|৩৬৫}}</noinclude> jx65vfau98l6oyp9y8kv5n47hwh3i3h 1943722 1943720 2026-04-17T13:16:20Z Nettime Sujata 5470 1943722 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" /></noinclude><section begin="A" />{{কেন্দ্র|{{xx-larger|বেতার-সঙ্গীত}}}} {{ফাঁক}}শহর হইতে দূরে গ্রামের মধ্যে আমার বাস। অতীতের নানাপ্রকার আমোদ ও আনন্দের প্রাত্যহিক আয়োজন গ্রামে আর নাই, পল্লী এখন নির্জীব, নিরানন্দ। কর্ম্মক্লান্ত দিনের কত সন্ধ্যায় এই নিঃসঙ্গ পল্লীভবনে বেতারের জন্য উৎসুক আগ্রহে অপেক্ষা করিয়াছি। শ্রাবণের ঘন মেঘে চারিদিক আচ্ছন্ন হইয়া আসে, কর্দ্দমাক্ত জনহীন গ্রাম্যপথ নিতান্ত দুর্গম, নিবিড় অন্ধকার ভারের মত বুকের ’পরে চাপিয়া বসে, তখন বেতার-বাহিত গানের পালায় মনে হয় যেন দূরে থাকিয়াও আসরের ভাগ পাইতেছি। {{ফাঁক}}আবার কোন দিন ক্ষান্তবর্ষণ আকাশে লঘু মেঘের ফাঁকে ফাঁকে চাঁদের আলো দেখা দেয়, বর্ষার সুবিস্তীর্ণ নদী-জলে মলিন জ্যোৎস্না ছড়াইয়া পড়ে, আমি তখন প্রাঙ্গণের একান্তে নদী তটে আরাম-কেদারায় চোখ বুজিয়া বসি, তামাকের ধুঁয়ার সঙ্গে মিশিয়া বেতার বাঁশীর সুর যেন মায়াজাল রচনা করে। দু-একজন করিয়া প্রতিবেশী জুটিতে থাকে, ঘাটে বাঁধা নৌকায় দূরের যাত্রী, কৌতূহলী দাঁড়া-মাঝির দল নিঃশব্দে আসিয়া ঘিরিয়া বসে, আবার শেষ হইলে পরিতৃপ্তির নিঃশ্বাস ফেলিয়া যে যাহার আলয়ে চলিয়া যায়। এই আনন্দের অংশ আমি পাই। (শ্রীনরেন্দ্র দেব রচিত ‘শরৎচন্দ্র’ নামক জীবনী-গ্রন্থ; ২য় সংস্করণ) <section end="A" /> <section begin="B" />{{কেন্দ্র|{{xx-larger|শরৎচন্দ্রের উভয় সঙ্কট}}}} {{কেন্দ্র|<poem>শ্রীশরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় মহাশয়ের একষষ্টিতম জন্মতিথি উপলক্ষে তাঁহাকে সংবর্ধিত করিতে ৩রা আশ্বিন, ১৩৪৩, হাওড়া টাউন হলে এক সভার অধিবেশন হয়।</poem>}} {{ফাঁক}}সংবর্দ্ধনার উত্তরে ডাঃ চট্টোপাধ্যায় বলেন যে, তিনি যখন বাহির হইতে প্রথমে বাঙলা দেশে আসেন, তখন হাওড়াতেই অবস্থান করেন। তার পর বহু গ্রন্থও হাওড়ায় আসিয়া তিনি রচনা করিয়াছেন। হাওড়া তাঁহার অতি প্রিয় স্থান; হাওড়াবাসীর নিকট হইতে তিনি বহুবার সংবর্দ্ধনা লাভ করিয়াছেন, সুতরাং প্রিয়জনের পুনর্ব্বার সংবর্দ্ধনার কোন প্রয়োজন ছিল না। {{nop}}<section end="B" /><noinclude>{{কেন্দ্র|৩৬৫}}</noinclude> bkww49znhh3o64agyaphvk73t6zz7xy পাতা:শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (ত্রয়োদশ সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৬০).pdf/৩৮০ 104 878530 1943721 2026-04-17T13:15:12Z Nettime Sujata 5470 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */ 1943721 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{কেন্দ্র|শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ}}</noinclude>{{ফাঁক}}জীবনের অবশিষ্টাংশ মুসলমান-সমাজের চরিত্র অঙ্কনে ব্রতী থাকিবেন বলিয়া ঢাকায় তিনি যে উক্তি করিয়াছিলেন, তাহার উল্লেখপূর্ব্বক ডাঃ চট্টোপাধ্যায় বলেন যে, তাঁহার এই কথা বলিবার “একটা বড় কারণ রহিয়াছে।” তিনি বলেন যে, আমরা যতই মুসলমান সম্প্রদায়কে বিরুদ্ধবাদী বলিয়া মনে করি না কেন, মুসলমানগণ আমাদেরই প্রতিবেশী; বাঙলা ভাষাই তাহাদের মাতৃভাষা। “সত্যিকারের সহানুভূতি দিয়া যদি তাহাদের সহিত কথা বলি, তবে তারা শুনতে বাধ্য, কারণ, তারাও মানুষ।” {{ফাঁক}}ডাঃ চট্টোপাধ্যায় বলেন যে, অল্প দিনের মধ্যে বহু শিক্ষিত মুসলমানের সহিত তাঁহার কথাবার্ত্তা হইয়াছে। তাহারা তাঁহার নিকট এই অভিযোগ করিয়াছে যে, বাঙলা-সাহিত্য অত্যন্ত সাম্প্রদায়িক, কারণ উহাতে না-কি শুধু হিন্দুর সমাজের চিত্র অঙ্কিত হইয়াছে। কিন্তু সাহিত্য সাম্প্রদায়িক হইতে পারে না; “সাহিত্য সার্ব্বজনীন ব্যাপার।” হিন্দু ও মুসলমানের আর্থিক স্বার্থ এক—এই আর্থিক ভিত্তিতে এই দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে একটা বোঝাপড়া কত দিনে হইবে তাহা তিনি বলিতে পারেন না। যাঁহারা অর্থনৈতিক প্রশ্ন লইয়া নাড়াচাড়া করেন, তাহাদের এই বিষয়ে যাহা করিবার আছে তাহারা তাহা করুন, তবে তিনি “নিশ্চিত বুঝিয়াছেন যে, অন্ততঃ দশ বৎসরের মধ্যে সাহিত্যের ভিতর দিয়া (দুই-সম্প্রদায়ের মধ্যে) একটা বোঝাপড়া করা যাইতে পারে।” বহু হিন্দু ডাঃ চট্টোপাধ্যায়কে পত্র লিখিয়া জানাইয়াছেন যে, তিনি যেন তাঁহার সাহিত্যে মুসলমান সমাজ-চরিত্র অঙ্কন না করেন, কারণ ইহাতে তাঁহার “একটা বিপদ” ঘটিতে পারে। আবার বহু মুসলমানও তাঁহাকে এই অনুরোধ জানাইয়াছেন যে, তিনি মুসলমান-সমাজের “অনেক কিছুই” জানেন না, কাজেই তাঁহার পক্ষে এই কাজে হাত দেওয়া বিপজ্জনক। কিন্তু ডাঃ চট্টোপাধ্যায় বলেন যে, তিনি জীবনের শেষ প্রান্তে উপনীত হইয়াছেন, সুতরাং দুইদিন পূর্ব্বে বা পরে মরিলে তাঁহার আক্ষেপের কিছু নেই। {{ফাঁক}}উপসংহারে ডাঃ চট্টোপাধ্যায় বলেন যে, হিন্দুদের অনেক কিছু সহ্য করিতে হইয়াছে, তাহাদের মনে যে গভীর ক্ষত হইয়াছে “সেই ক্ষতকে উস্কে তুলে” দিলে সমস্যার কোন সমাধান হইবে না। তিনি মনে করেন যে সাহিত্যের ভিতর দিয়া দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে যে বোঝাপড়ার চেষ্টা তিনি করিবেন, তাহা তিনি “সমস্ত মন দিয়া” করিতে পারেন, তাহা হইলে সমস্যার আশু সমাধান হইবে। (‘বাতায়ন,’ ৯ই আশ্বিন, ১৩৪৩) {{nop}}<noinclude>{{কেন্দ্র|৩৬৬}}</noinclude> 93n1cmgky905l9w2enk7q6fzak1nkoj পাতা:শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (ত্রয়োদশ সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৬০).pdf/৩৮১ 104 878531 1943723 2026-04-17T13:19:44Z Nettime Sujata 5470 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */ 1943723 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" /></noinclude>{{dhr}} {{কেন্দ্র|{{xx-larger|অপ্রকাশিত খণ্ডৱচনা}}}} {{কেন্দ্র|এক}} {{ফাঁক}}১। বিদ্বা বা লেখাপড়া শেখার ফলে Standard of livingএর standard বাড়বেই এবং economic condition ভালো না হলে পারিবারিক অসন্তোষ বাড়বেই। {{ফাঁক}}২। Economic অবস্থা বাড়াবার উপায় একমাত্র শিক্ষিত পুরুষদের industry গড়ে তোলা, ছোট দোকান করবার শিক্ষা ছেলেবেলা থেকে শিখতে হয়। B. A. পাস করার পরে ও-জিনিস চলে না, ওখানে অশিক্ষাই বরং কাজের। {{ফাঁক}}৩। জাতের ছোট-বড় ভাঙ্গার চেষ্টা করতে হবে। {{ফাঁক}}৪। মুষ্টিমেয় সমাজের মধ্যে থেকে মুষ্টিমেয় বাঙ্গালী ভদ্র সন্তানের অপরিসীম sacrifice কাজে লাগে না। এই মুষ্টিমেয় লোকগুলি যদি সমাজের সর্ব্বস্তরের মধ্যে থেকে আসতো, সমস্ত সমাজের সঙ্গে তার নাড়ীর যোগ থাকতো। {{ফাঁক}}৫। Permanent Settlementএর জন্যেই জমিদার। তালুকদার ও অসংখ্য মধ্যবিত্ত middlemen সমস্ত সমাজের economic অবস্থাকে বাড়তে দেয়নি—কেবলমাত্র জমি আঁকড়ে থেকে শুধু কৃষকরাই যা কিছু দেশের wealth সৃষ্টি করছে। বোম্বাই প্রভৃতি অঞ্চলে Permanent Settlement না থাকার জন্যই ওদেশে industryর উন্নতি হচ্ছে। জমি কেনা ও বেশী সুদে লগ্নি কারবার করা এই হচ্ছে বাঙলার ধনী হবার একমাত্র পন্থা। {{ফাঁক}}৬। কলেজের মেয়ে,—বই মুখস্থ করে, আর পরীক্ষা পাস করার চেষ্টায় ক্রমাগত রাত্রি জাগরণে শরীর-স্বাস্থ্য একেবারে ভেঙ্গে যায়—আর সব লোকসানই পূরণ হতে পারে কিন্তু যে সন্তান এদের জন্মাবে সে চিররুগ্ন হয়েই থাকবে। (‘বাতায়ন,’ ১৬ই বৈশাখ, ১৩৪৫) {{nop}}<noinclude>{{কেন্দ্র|৩৬৭}}</noinclude> r8yu85y3sva2c2hphql7b199yb04uxu 1943724 1943723 2026-04-17T13:20:11Z Nettime Sujata 5470 1943724 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" /></noinclude>{{dhr}} {{কেন্দ্র|{{xx-larger|অপ্রকাশিত খণ্ডৱচনা}}}} {{কেন্দ্র|এক}} {{ফাঁক}}১। বিদ্যা বা লেখাপড়া শেখার ফলে Standard of livingএর standard বাড়বেই এবং economic condition ভালো না হলে পারিবারিক অসন্তোষ বাড়বেই। {{ফাঁক}}২। Economic অবস্থা বাড়াবার উপায় একমাত্র শিক্ষিত পুরুষদের industry গড়ে তোলা, ছোট দোকান করবার শিক্ষা ছেলেবেলা থেকে শিখতে হয়। B. A. পাস করার পরে ও-জিনিস চলে না, ওখানে অশিক্ষাই বরং কাজের। {{ফাঁক}}৩। জাতের ছোট-বড় ভাঙ্গার চেষ্টা করতে হবে। {{ফাঁক}}৪। মুষ্টিমেয় সমাজের মধ্যে থেকে মুষ্টিমেয় বাঙ্গালী ভদ্র সন্তানের অপরিসীম sacrifice কাজে লাগে না। এই মুষ্টিমেয় লোকগুলি যদি সমাজের সর্ব্বস্তরের মধ্যে থেকে আসতো, সমস্ত সমাজের সঙ্গে তার নাড়ীর যোগ থাকতো। {{ফাঁক}}৫। Permanent Settlementএর জন্যেই জমিদার। তালুকদার ও অসংখ্য মধ্যবিত্ত middlemen সমস্ত সমাজের economic অবস্থাকে বাড়তে দেয়নি—কেবলমাত্র জমি আঁকড়ে থেকে শুধু কৃষকরাই যা কিছু দেশের wealth সৃষ্টি করছে। বোম্বাই প্রভৃতি অঞ্চলে Permanent Settlement না থাকার জন্যই ওদেশে industryর উন্নতি হচ্ছে। জমি কেনা ও বেশী সুদে লগ্নি কারবার করা এই হচ্ছে বাঙলার ধনী হবার একমাত্র পন্থা। {{ফাঁক}}৬। কলেজের মেয়ে,—বই মুখস্থ করে, আর পরীক্ষা পাস করার চেষ্টায় ক্রমাগত রাত্রি জাগরণে শরীর-স্বাস্থ্য একেবারে ভেঙ্গে যায়—আর সব লোকসানই পূরণ হতে পারে কিন্তু যে সন্তান এদের জন্মাবে সে চিররুগ্ন হয়েই থাকবে। (‘বাতায়ন,’ ১৬ই বৈশাখ, ১৩৪৫) {{nop}}<noinclude>{{কেন্দ্র|৩৬৭}}</noinclude> pmwyy2xpwj1tftovljito478xx3py7t 1943744 1943724 2026-04-17T17:25:57Z Nettime Sujata 5470 1943744 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" /></noinclude>{{dhr}} {{কেন্দ্র|{{xx-larger|অপ্রকাশিত খণ্ডরচনা}}}} {{কেন্দ্র|এক}} {{ফাঁক}}১। বিদ্যা বা লেখাপড়া শেখার ফলে Standard of livingএর standard বাড়বেই এবং economic condition ভালো না হলে পারিবারিক অসন্তোষ বাড়বেই। {{ফাঁক}}২। Economic অবস্থা বাড়াবার উপায় একমাত্র শিক্ষিত পুরুষদের industry গড়ে তোলা, ছোট দোকান করবার শিক্ষা ছেলেবেলা থেকে শিখতে হয়। B. A. পাস করার পরে ও-জিনিস চলে না, ওখানে অশিক্ষাই বরং কাজের। {{ফাঁক}}৩। জাতের ছোট-বড় ভাঙ্গার চেষ্টা করতে হবে। {{ফাঁক}}৪। মুষ্টিমেয় সমাজের মধ্যে থেকে মুষ্টিমেয় বাঙ্গালী ভদ্র সন্তানের অপরিসীম sacrifice কাজে লাগে না। এই মুষ্টিমেয় লোকগুলি যদি সমাজের সর্ব্বস্তরের মধ্যে থেকে আসতো, সমস্ত সমাজের সঙ্গে তার নাড়ীর যোগ থাকতো। {{ফাঁক}}৫। Permanent Settlementএর জন্যেই জমিদার। তালুকদার ও অসংখ্য মধ্যবিত্ত middlemen সমস্ত সমাজের economic অবস্থাকে বাড়তে দেয়নি—কেবলমাত্র জমি আঁকড়ে থেকে শুধু কৃষকরাই যা কিছু দেশের wealth সৃষ্টি করছে। বোম্বাই প্রভৃতি অঞ্চলে Permanent Settlement না থাকার জন্যই ওদেশে industryর উন্নতি হচ্ছে। জমি কেনা ও বেশী সুদে লগ্নি কারবার করা এই হচ্ছে বাঙলার ধনী হবার একমাত্র পন্থা। {{ফাঁক}}৬। কলেজের মেয়ে,—বই মুখস্থ করে, আর পরীক্ষা পাস করার চেষ্টায় ক্রমাগত রাত্রি জাগরণে শরীর-স্বাস্থ্য একেবারে ভেঙ্গে যায়—আর সব লোকসানই পূরণ হতে পারে কিন্তু যে সন্তান এদের জন্মাবে সে চিররুগ্ন হয়েই থাকবে। (‘বাতায়ন,’ ১৬ই বৈশাখ, ১৩৪৫) {{nop}}<noinclude>{{কেন্দ্র|৩৬৭}}</noinclude> j62z7zsobo9n58l4oxggb9dfgniyee6 পাতা:শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (ত্রয়োদশ সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৬০).pdf/৩৮২ 104 878532 1943725 2026-04-17T13:25:48Z Nettime Sujata 5470 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */ 1943725 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" /></noinclude><section begin="A" />{{কেন্দ্র|দুই}} {{ফাঁক}}১। সহজ বুদ্ধিই দুনিয়ায় সবচেয়ে অ-সহজ। {{ফাঁক}}২। বিশেষ কাজের বিশেষ ধারা পৌনঃপুনিক ব্যবহারে দাঁড়ায় মানুষের অভ্যাসে। সেই ব্যষ্টির অভ্যস্ত কাজ ব্যাপ্ত হয়ে সমষ্টিতে ছড়িয়ে পড়ে তখনই সে হয় আচার। {{ফাঁক}}৩। আমাদের পূর্ব্বপুরুষেরও পূর্ব্বে যাঁরা চিন্তা এবং বুদ্ধি দিয়ে দেখিয়েছিলেন বহু ক্লেশসাধ্য কাজের পরিণাম মঙ্গলময়। {{ফাঁক}}৪। আচার-বিচার কথাটা এক নিঃশ্বাসেই বলি বটে, কিন্তু আচার জিনিসটা বুদ্ধি দিতে প্রবর্ত্তিত হয়নি, তাই যুক্তি দিয়েও এর পরিবর্ত্তন হয় না। {{ফাঁক}}৫। অদৃষ্ট জিনিসটাই চীরদিন জীবন-সংগ্রাম ও ধর্ম্মের মাঝে অচ্ছেদ্য ও অফুরন্ত সেতুর শিকলের মতো জুড়ে আছে। {{ফাঁক}}৬। দৃশ্যমান সকল বস্তুরই আরম্ভটা অজ্ঞেয়তত্ত্বে অদৃশ্য হয়েছে। {{ফাঁক}}৭। ধর্ম্মনিষ্ঠা অক্ষুণ্ণ রাখতে হলে ধর্ম্মের বই কত পড়তে হয়। সমাজের উন্নতি করতে হলে সমাজ সম্বন্ধে কত অভিজ্ঞতা দরকার। তার সমস্ত খুঁটিনাটি নিয়ে আলোচনা করতে নেই। (‘বাতায়ন,’ ৬ই আশ্বিন, ১৩৪৫) <section end="A" /> <section begin="B" />{{কেন্দ্র|শুভেচ্ছা}} {{ফাঁক}}শারদীয়া পূজা বাঙালীর সবচেয়ে বড় উৎসব। এর প্রতি বাঙলার নরনারীর ঔৎসুক্যেরও অবধি নাই, স্নেহেরও অন্ত নাই। তাই এ প্রকাশ পায় তাদের আনন্দের নানা পথে, নানা বিচিত্র গতিতে। কোথাও বা অন্তর্মুখী—মানুষের আপন গৃহে ফিরে আসার তাড়া, আত্মীয়স্বজনগণের সামীপ্য কামনা। আর কোথাও বা বহির্মুখী—ঘর ছেড়ে বাহিরে যাবার তাগিদ। যে অপরিচিত আজও অজানা, তাঁদের আপন করে জানার ব্যাকুলতা। সুতরাং, সেদিন যখন শিলং পাহাড়ের হেমচন্দ্র এসে বললেন, এবার পূজায় তাঁরা একখানি কাগজ বার করবেন, আমি বিস্মিত হইনি, এ ভালোই হ’ল যে, এঁদের আনন্দোৎসবের ধারা এবার সাহিত্যসেবার খাতে প্রবাহিত হবে। এ আয়োজন সম্পূর্ণ ও সুন্দর করবার শ্রম আছে, ব্যয় আছে,—সে থাক্—<section end="B" /><noinclude>{{কেন্দ্র|৩৬৮}}</noinclude> 9zpn4r23mr63avb5bs0nyc8tj4d0n98 1943745 1943725 2026-04-17T17:26:35Z Nettime Sujata 5470 1943745 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" /></noinclude><section begin="A" />{{কেন্দ্র|দুই}} {{ফাঁক}}১। সহজ বুদ্ধিই দুনিয়ায় সবচেয়ে অ-সহজ। {{ফাঁক}}২। বিশেষ কাজের বিশেষ ধারা পৌনঃপুনিক ব্যবহারে দাঁড়ায় মানুষের অভ্যাসে। সেই ব্যষ্টির অভ্যস্ত কাজ ব্যাপ্ত হয়ে সমষ্টিতে ছড়িয়ে পড়ে তখনই সে হয় আচার। {{ফাঁক}}৩। আমাদের পূর্ব্বপুরুষেরও পূর্ব্বে যাঁরা চিন্তা এবং বুদ্ধি দিয়ে দেখিয়েছিলেন বহু ক্লেশসাধ্য কাজের পরিণাম মঙ্গলময়। {{ফাঁক}}৪। আচার-বিচার কথাটা এক নিঃশ্বাসেই বলি বটে, কিন্তু আচার জিনিসটা বুদ্ধি দিতে প্রবর্ত্তিত হয়নি, তাই যুক্তি দিয়েও এর পরিবর্ত্তন হয় না। {{ফাঁক}}৫। অদৃষ্ট জিনিসটাই চীরদিন জীবন-সংগ্রাম ও ধর্ম্মের মাঝে অচ্ছেদ্য ও অফুরন্ত সেতুর শিকলের মতো জুড়ে আছে। {{ফাঁক}}৬। দৃশ্যমান সকল বস্তুরই আরম্ভটা অজ্ঞেয়তত্ত্বে অদৃশ্য হয়েছে। {{ফাঁক}}৭। ধর্ম্মনিষ্ঠা অক্ষুণ্ণ রাখতে হলে ধর্ম্মের বই কত পড়তে হয়। সমাজের উন্নতি করতে হলে সমাজ সম্বন্ধে কত অভিজ্ঞতা দরকার। তার সমস্ত খুঁটিনাটি নিয়ে আলোচনা করতে নেই। (‘বাতায়ন,’ ৬ই আশ্বিন, ১৩৪৫) <section end="A" /> <section begin="B" />{{কেন্দ্র|{{xx-larger|শুভেচ্ছা}}}} {{ফাঁক}}শারদীয়া পূজা বাঙালীর সবচেয়ে বড় উৎসব। এর প্রতি বাঙলার নরনারীর ঔৎসুক্যেরও অবধি নাই, স্নেহেরও অন্ত নাই। তাই এ প্রকাশ পায় তাদের আনন্দের নানা পথে, নানা বিচিত্র গতিতে। কোথাও বা অন্তর্মুখী—মানুষের আপন গৃহে ফিরে আসার তাড়া, আত্মীয়স্বজনগণের সামীপ্য কামনা। আর কোথাও বা বহির্মুখী—ঘর ছেড়ে বাহিরে যাবার তাগিদ। যে অপরিচিত আজও অজানা, তাঁদের আপন করে জানার ব্যাকুলতা। সুতরাং, সেদিন যখন শিলং পাহাড়ের হেমচন্দ্র এসে বললেন, এবার পূজায় তাঁরা একখানি কাগজ বার করবেন, আমি বিস্মিত হইনি, এ ভালোই হ’ল যে, এঁদের আনন্দোৎসবের ধারা এবার সাহিত্যসেবার খাতে প্রবাহিত হবে। এ আয়োজন সম্পূর্ণ ও সুন্দর করবার শ্রম আছে, ব্যয় আছে,—সে থাক্—<section end="B" /><noinclude>{{কেন্দ্র|৩৬৮}}</noinclude> mjm07t8cd8k0t3rz0gcjltyxc1tmrpr পাতা:শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (ত্রয়োদশ সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৬০).pdf/৩৮৩ 104 878533 1943726 2026-04-17T13:30:27Z Nettime Sujata 5470 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */ 1943726 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{কেন্দ্র|অপ্রকাশিত রচনাবলী}}</noinclude><section begin="A" />তবু, সমস্তকে অতিক্রম করেও একাগ্র সাধনার যে সফলতা বাণীর প্রসাদস্বরূপ এঁরা পাবেন, তাতে অকলঙ্ক আনন্দরস মধুরতর দীপ্ততর হয়ে উঠবে। {{ফাঁক}}কিন্তু একটা কথা বলারও আছে। আমি জানি, আমার এই কয় ছত্র মাত্র লেখার মূল্য কিছু নেই, থাকা সম্ভবও নয়। কারণ, শক্তি যাদের নিঃশেষিতপ্রায়, আয়ুঃ অস্তোন্মুখ, তাঁদের কাছে প্রত্যাশা করা আর চলে না। তবু এই আগন্তুক পত্রিকাখানির ক্ষতি হবে না। সাহিত্যব্রতে যাঁরা নবীন পথিক, যাঁরা উদীয়মান, বেগ যাঁদের চঞ্চল গতিশীল, এই বাণীপূজার মহৎ অর্ঘ্য তাঁদের কাছ থেকেই সম্পূর্ণ সমাহৃত হবে, এই আমার আশা। শিলংএর বাঙালী অধিবাসীগণের পক্ষে হেম চেয়েছিলেন শুধু আমার কাছে আশীর্ব্বাদ; তাঁদের শারদবার্ষিকীর জন্য শুভ কামনা। একান্ত মনে প্রার্থনা করি, তাঁদের যত্ন, তাঁদের সাধনা সার্থক হোক, এই বাৎসরিক সাহিত্য পত্রিকাখানির আয়ু যেন সুদীর্ঘ হয়। এ যেন এমনি করেই বর্ষে বর্ষে ফিরে আসে। ইতি—১৪ই ভাদ্র, ১৩৪১। (১৩৪১ সালের ‘শিলং বার্ষিক’ পত্রিকা) <section end="A" /> <section begin="B" />{{কেন্দ্র|{{xx-larger|জীবন দর্শনে শরৎচন্দ্র}}}} {{ফাঁক}}প্রথমেই তাহার স্বাস্থ্যের কথা তুলিলাম। সে কথায় অতিশয় ক্লান্ত এবং মৃদু অথচ দৃঢ়কণ্ঠে বলিলেন, “মোহিত, আমি মৃত্যু কামনা করি, আমার আর এতটুকু বাঁচিতে ইচ্ছা নাই।” কথাটা যেন কেমন বোধ হইল, আমি প্রতিবাদ করিলাম―বলিলাম, নিজের মৃত্যু কামনা করা ও আত্মহত্যা করা একই কাজ—তাঁহার মত লোকের মুখে এমন কথা বাহির হওয়া উচিত নয়। শুনিয়া তিনি হাসিলেন, বলিলেন, “না, তোমার বয়সে তুমি ইহা বুঝিবে না; মানুষের জীবনে এমন একটা সময় আসে, যখন সুখ-দুঃখ সকল চেতনাই মন হইতে খসিয়া যায় এবং জীবনকে আর তিলার্দ্ধ সহ্য করিতে পারে না। আমার তাহাই হইয়াছে। আমি দুঃখ বা সুখের কথা ভাবিতেছি না—আমি জীবন হইতে অব্যাহতি চাই মাত্র। তুমি বিশ্বাস করিতেছ না? আমি অন্যেরও এমন অবস্থা হইতে দেখিয়াছি। ছোটবেলায় আমি আমার এক দিদির কাছে থাকিতাম। তাঁহার বৃদ্ধা দিদিশাশুড়ী তখন বাঁচিয়া ছিলেন; তিনি অতিশয় বৃদ্ধ হইয়াছিলেন; শেষে কিছুকাল রোগভোগ করিতে ছিলেন। এরূপ অবস্থায় রোগমুক্তি অথবা শীঘ্র মৃত্যুর আশায় হিন্দু যাহা করে, গ্রামের সকলে তাহাই করিতে পরামর্শ দিল, বলিল, “প্রাচিত্তিরটা করিয়ে দাও, এমন-<section end="B" /><noinclude>{{কেন্দ্র|৩৬৯}}</noinclude> kl1l6b9adblnda27ap475dep37c3p57 পাতা:শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (ত্রয়োদশ সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৬০).pdf/৩৮৪ 104 878534 1943727 2026-04-17T13:34:29Z Nettime Sujata 5470 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */ 1943727 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{কেন্দ্র|শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ}}</noinclude>ভাবে রাখা ঠিক নয়।” প্রায়শ্চিত্ত করিতে বৃদ্ধার কি আনন্দ! যেন কত আশা! প্রায়শ্চিত্তের পরে কবিরাজ একদিন তাঁহার নাড়ী দেখিয়া তাঁহাকে আশ্বাস দিয়া বলিলেন, তাঁহার আর জ্বর নাই, তিনি এ-যাত্রা বাঁচিয়া গেলেন। শুনিয়া বৃদ্ধার মুখ কঠিন হইয়া উঠিল, একটি কথা কহিলেন না। সেদিন রাত্রে একটা শব্দে আমার ঘুম ভাঙিয়া গেল—আমি বাহিরের ঘরে শুইতাম, ভিতরে উঠানের দিকে বার বার একটা কিসের শব্দ হইতেছে। দরজা খুলিয়া উঠানে নামিয়া শব্দের নিকটে আসিয়া দেখি—উঠানের মাঝখানে যে ঠাকুর-ঘর আছে, তাহারই দুয়ারের পৈঠায় সেই বৃদ্ধা পাগলের মত আপনার মাথা ঠুকিতেছে আর বলিতেছে, “তুমি আমাকে নেবে না—এত করে ডাকছি, তবু তোমার দয়া নেই!” স্থানটা রক্তে ভাসিয়া গিয়াছে। বুঝিলাম, রাত্রে সকলে ঘুমাইলে পর সেই চলৎশক্তিহীন বৃদ্ধা আপনার দেহটাকে এতদূর টানিয়া আনিয়াছে—বড় আশায় হতাশ হইয়া তাঁহার দেহের শেষ শক্তিটুকু দিয়া তিনি এই কাজ করিয়াছেন। সকলকে ডাকিয়া তাঁহাকে ধুইয়া মুছিয়া ধরাধরি করিয়া ঘরের ভিতরে আনিয়া বিছানায় শোয়াইয়া দিলাম। ইহার পর তিনি আর বেশিদিন জীবিত ছিলেন না। সেদিন যাহা বুঝি নাই, আজ তাহা বুঝি। আমারও সেই অবস্থা হইয়াছে।”—“দেখ লোকে বলে আমি বঙ্কিমের অনুরাগী নই—আমার যেন বঙ্কিমের প্রতি একটা ব্যক্তিগত বিদ্বেষ আছে”—“দেখ, জীবনের সত্যকে, যত বড় কবিই হউক, লঙ্ঘন করিতে পারেন না; নারীর সম্বন্ধে যে ধারণা আমাদের সমাজে সংস্কারের মত বদ্ধমূল হইয়াছে, তাহা যে কত মিথ্যা, তাহা আমি জানি বলিয়াই কোন কবি, বিশেষ করিয়া যিনি খুব বড় কবি বলিয়াই সম্মান পাইয়া থাকেন, তাঁহার লেখার দায়িত্বহীন কল্পনার অবিচার আমি সহ্য করিতে পারি না। ধর্ম্ম ও নীতিশাস্ত্রের অনুরোধে মানুষের প্রাণকে ছোট করিয়া দেখিতে হইবে—নারীর জীবনের যেটা সবচেয়ে বড় ট্রাজেডি, তাহাকেই একটা কুৎসিত কলঙ্করূপে প্রকাশ করিতে হইবে—ইহাতে কবিপ্রাণের মহত্ত্ব বা কবি কল্পনার গৌরব কোথায়? আমাদের সমাজে যে নিদারুণ অবিচার প্রতিনিয়ত ঘটিতেছে, সাহিত্যে যদি তাহারই পুনরাবৃত্তি দেখি, তবে মানুষ হিসাবে মানুষের মূল্য স্বীকার করা সম্বন্ধে হতাশ হইতে হয়। বঙ্কিমচন্দ্রের হাতে রোহিণীর দুর্গতির কথা যখন ভাবি, তখন আমার নিরুদিদির কথা মনে হয়। সে গল্প তোমাকে বলি। নিরুদিদি ছিলেন ব্রাহ্মণের মেয়ে, বালবিধবা। বত্রিস বৎসর বয়স পর্য্যন্ত তাঁহার চরিত্রে কোন কলঙ্ক স্পর্শ করে নাই। গ্রামে এমন সুশীলা, ধর্ম্মমতি, পরোপকারিণী, শ্রমশীলা ও কর্ম্মিষ্ঠা আর কেহ ছিল না; রোগে সেবা, দুঃখে সান্ত্বনা, অভাবে সাহায্য, এমন কি অসময়ে দাসীর ন্যায় পরিচর্য্যা, তাঁহার<noinclude>{{কেন্দ্র|৩৭০}}</noinclude> 9n2gdnm7akfxwv35msmb6lzup4lfnwo পাতা:শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (ত্রয়োদশ সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৬০).pdf/৩৮৫ 104 878535 1943728 2026-04-17T13:42:40Z Nettime Sujata 5470 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */ 1943728 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{কেন্দ্র|অপ্রকাশিত রচনাবলী}}</noinclude>নিকটে পায় নাই এমন পরিবার বোধ হয় সে গ্রামে একটিও ছিল না। আমার বয়স তখন অল্প, তথাপি তাঁহাকে দেখিয়া আমার একটা বড় উপকার হইয়াছিল—আমি একটা বড় হৃদয়ের পরিচয় পাইয়াছিলাম। এতকাল পরে, সেই বত্রিশ বৎসর বয়সে নিরুদিদির পদস্খলন হইল। গ্রামের ষ্টেশনের এক বিদেশী রেল-বাবু সেই আজন্ম ব্রহ্মচারিণীর কুমারী হৃদয় যে কি মন্ত্রে বিদ্ধ করিয়াছিল, তাহা সেই পাষণ্ডই জানে—যে শেয়ে তাঁহাকে কলঙ্কের প্রকাশ্য অবস্থায় ফেলিয়া পলায়ন করিল। সে অবস্থায় সচরাচর যে একমাত্র উপায়, নিরুদিদিকে তাহাই করিতে হইল। ইহার পরে, এমন যে স্বাস্থ্য তাহা একেবারে ভাঙিয়া পড়িল। অবশেষে তিনি মরণাপন্ন হইয়া শয্যাশায়ী হইলেন, মুখে একটু জল দেওয়া তো পরের কথা, কেহ তাঁহার দুয়ার মাড়াইত না। যে সকলের সেবা করিয়াছে, যাহার যত্নে শুশ্রূষায় কত লোক মৃত্যুমুখ হইতে বাঁচিয়াছে, সে আজ একটা গৃহপালিত পশুর অধিকারেও বঞ্চিত হইল। আমাদের বাড়িতেও কড়া হুকুম ছিল, তাঁহার কাছে কাহারও যাইবার জো ছিল না। আমি লুকাইয়া যাইতাম—মাথায় পায়ে একটু হাত বুলাইয়া দেওয়া, দুই একটা ফল সংগ্রহ করিয়া তাঁহাকে খাওয়াইয়া আসা, আমার নিজের অসুখ হইলে, রোগীর পথ্যরূপে যাহা পাইতাম, তাহা হইতে কিঞ্চিৎ তাঁহার জন্য লইয়া যাওয়া—ইহাই ছিল আমার যথাসাধ্য সেবা। কিন্তু সেই অবস্থাতেও, মানুষের হাতে এই পৈশাচিক শাস্তি পাইয়াও তাঁহার মুখে কোনও অভিযোগ অনুযোগ শুনি নাই, তাঁহার নিজেরই লজ্জা ও সঙ্কোচের অবধি ছিল না, যেন তিনি যে অপরাধ করিয়াছেন, তাহার কোন শাস্তিই অতিরিক্ত হইতে পারে না। সেদিন তাহাই দেখিয়া অবাক হইয়াছিলাম, পরে বুঝিয়াছি, আপনার অপরাধের শাস্তি তিনি আপনাকেই আপনি দিয়াছেন—পর যেন উপলক্ষ মাত্র; মানুষকে তিনি ক্ষমা করিয়াছিলেন, আপনাকে ক্ষমা করেন নাই। ইহাতেও তাঁহার শাস্তির শেষ হয় নাই—তিনি যখন মরিয়া গেলেন, তখন তাঁহার শবদেহ কেহ স্পর্ণ করিল না, ডোমের সাহায্যে তাহা নদীতীরের এক জঙ্গলে টানিয়া ফেলিয়া দেওয়া হইল, শিয়াল কুকুরে তাহা ছিঁড়িয়া খাইল।”...পরে ধীরে ধীরে বলিলেন, “মানুষের মধ্যে যে দেবতা আছে, আমরা এমন করিয়াই তাহার অপমান করি। রোহিণীর কলঙ্ক ও তাহার শাস্তিও এই পর্য্যায়ের, এমন একটা নারীচরিত্রের কি দুর্গতিই বঙ্কিমচন্দ্র করিয়াছেন!”<ref>ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডি. লিট উপাধিদান উপলক্ষে ঢাকায় অবস্থানকালে শরৎচন্দ্র আলাপ-আলোচনায় কবি ও সমালোচক শ্রীমোহিতলাল মজুমদারকে উপরিউক্ত বিষয় বিবৃত করেন। (‘শনিবারের চিঠি’—জ্যৈষ্ঠ, ১৩৪৭ বঙ্গাব্দ)</ref> {{nop}}<noinclude>{{rule}}{{reflist}} {{কেন্দ্র|৩৭১}}</noinclude> hjt80fiz8v99et1ultm69zibg3qtlis পাতা:শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (ত্রয়োদশ সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৬০).pdf/৩৮৬ 104 878536 1943729 2026-04-17T13:46:38Z Nettime Sujata 5470 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */ 1943729 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" /></noinclude>{{কেন্দ্র|{{xx-larger|সাহিত্য-সভার অধিবেশনে অভিভাষণ}}}} {{ফাঁক}}আমাকে আপনারা আজ এখানে আহ্বান করে পরম গৌরব দান করেছেন। কিন্তু পাঁচ বৎসর আগে রবিবাবু এখানে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন—সে জন্য সঙ্কোচ বোধ করছি। আমি লিখে থাকি, কিন্তু বলতে আমি পারি না—সকলে সবকাজ পারে না। আমি কতকগুলি বই লিখেছি; কিন্তু বক্তৃতা আমার কাছে বেশী প্রত্যাশা করবেন না। {{ফাঁক}}আমি সাহিত্যিক—কাজে কাজেই সাহিত্যের বিষয় বলাই আমার স্বাভাবিক। রাজা রামমোহন রায়ের সময় থেকে ‘হুতুম পেঁচার নক্সা’ প্রভৃতির মধ্যে দিয়ে বাঙলা সাহিত্য কেমন করে বড় হয়ে উঠল, সে ইতিহাস আমি ঠিক জানি না; দীনেশবাবু সে বিষয়ে ঠিক বলতে পারবেন। {{ফাঁক}}আজ দশবৎসর পূর্ব্বে প্রথম সাহিত্যক্ষেত্রে দাঁড়াই। ‘যমুনা’ বলে একটা কাগজ ছিল, তার গ্রাহক সংখ্যা মোটে বত্রিশ—কেউ তাতে লেখে না। আমি তখন বর্ম্মা থেকে এখানে এসেছিলাম। সম্পাদক বললেন—কেউ লেখা দিতে চায় না, তোমাকে লিখতে হবে। (কেউ লেখা দিতে চায় না বলে আমায় লিখতে হবে, সেটা আমার পক্ষে খুব গৌরবের কথা নয়।) বল্লুম—ছেলেবেলায় লিখিছি বটে, কিন্তু তার পরে তো লিখিনি। সম্পাদক বললেন—তাতেই হবে। তারপর বর্ম্মা ফিরে গেলুম। ক্রমাগত টেলিগ্রামের পর টেলিগ্রাম পেয়ে লিখতে হ’লো। সেই থেকে এই দশবছরে এই বইগুলো লিখেছি। কিন্তু আগেই বলেছি—সাহিত্যের ইতিহাস বিশেষ জানি না। কিন্তু আধুনিক সাহিত্য যাকে বলা হয়, তা যখন রচনা করছি; তখন জানি না বললে সেটা বোধ হয় অতিরিক্ত বিনয় হয়ে পড়বে। যদি কিছু অপ্রিয় সত্য বলে ফেলি তাহলে ক্ষমা করবেন। {{ফাঁক}}আমি প্রথমেই দেখলুম—ছোট ছোট গল্প বড় দরকার। রবিবাবু আগে লিখে গেছেন তারপর আর তেমন কেউ লেখেননি। আমি লিখতে লাগলুম। সম্পাদক বললেন—দেখ, প্রেম-ট্রেম না। ও একেবারে পুরানো হয়ে গেছে। দুর্নীতি না থাকে এমন সব ভাল গল্প লেখ। লিখলেম। তাঁরা বললেন— ভাল হয়েছে। ক্রমশঃ সাহিত্যের মধ্যে যখন আসতে লাগলুম, দেখলুম—দুর্নীতি প্রচার ক’রো না; প্রেমের গল্প লিখ না; এ ক’রো না; ও ক’রো না—এসব বললে তো চলবে না। তখন ‘চরিত্রহীন’ সুরু করি। সে বইটা বেশ প্রসিদ্ধ হয়ে গেছে! যখন লিখি তখন—<noinclude>{{কেন্দ্র|৩৭২}}</noinclude> kcwoa8wf66fomdefciwaxzj9jwpjg7b পাতা:শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (ত্রয়োদশ সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৬০).pdf/৩৮৭ 104 878537 1943730 2026-04-17T13:59:15Z Nettime Sujata 5470 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */ 1943730 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{কেন্দ্র|অপ্রকাশিত রচনাবলী}}</noinclude>মেসের ছাত্রদের চরিত্র থাকল না; দেশ দুর্নীতিতে ডুবে গেল, সাহিত্যের স্বাস্থ্যরক্ষা হ’ল না—প্রভৃতি অনেক গালাগালিই শুনতে হয়েছে। কিন্তু বর্ম্মা চলে গেলুম,—গালি ততদূর পৌঁছিল না। {{ফাঁক}}ভাবলুম—ভয়ে লিখব না, সে ত ঠিক নয়। কেননা সব জিনিষই বদলায়। আজ যা সত্য দশ বৎসর পরে তা আর সত্য থাকবে না। আজ যা অসত্য, আজ যা অন্যায়, হয়তো একশো বছর পরে তার স্বরূপ বদলাবে। যারা লেখক তারা যদি পঞ্চাশ বছর, একশো বছরের কথা এগিয়ে কল্পনা করতে না পারে তবে চলে না। আজ যাদের মনে হচ্ছে—লোক বিগড়ে যাবে; তখন তাঁদেরই আর সে কথা মনে হবে না। মানুষের idea ক্রমেই বদলে যাচ্ছে। {{ফাঁক}}সাহিত্য সৃষ্টির কাজে দুই রকম লোক আছে। অনেকে লিখছেন না; কাজ করে যাচ্ছেন—জানছেন না—তাঁদের আমার মত সাহিত্য ব্যবসায়ীকে আঁকবার চরিত্র যোগাচ্ছে, আমরা আর একদল লিখি—এই সব চরিত্র সৃষ্টি করি। এ ছাড়াও আর একদল আছেন, যাঁরা শুধু যাচাই করেন। আমরা সমাজের বাইরে যাচ্ছি কিনা, দুর্নীতি প্রচার করছি কিনা—এই সব দেখেন। রবিবাবু সেদিন বললেন—ও ইস্কুল মাষ্টারের দল আমরা মানব না। ওদের বিধিনিষেধকে ঠেলে যা খুসি করবো। আমার কিন্তু মনে হয়—একথা বলা যায় না। তাঁদেরও চাই। তাঁদেরও বলবার right আছে। আমরা সকলে মিলেই ভাষাকে পর পর গঠিত করে যাচ্ছি। {{ফাঁক}}আমি সেদিনও বলেছি, যে আজকাল একটা রব উঠেছে—বঙ্কিমবাবুকে কেউ মানে না, তাঁর ভাষা লেখে না। আমার মতে বঙ্কিমবাবুর কাজ হয়ে গেছে, তাঁর ভাষাকে ডিঙ্গিয়ে যেতে হবে; তাঁর ideaকে ছাড়িয়ে যেতে হবে। আমার বোধ হয়,—“তাঁর অনেক চরিত্রেই খুঁত আছে। অনেক চরিত্রে সামঞ্জস্য নাই। এইটা করা দরকার, এইটা মন্দ—এই ভাবেই তিনি লিখে গেছেন। যাকে ভাল করেছেন—তাকে ভালই করেছেন, আর যাকে মন্দ করেছেন—তাকে মন্দই করেছেন। তার বেশী তিনি এগুতে পারেননি। হয়তো দরকার হয়নি, কিংবা সমাজের মান রেখে বলতে পারেননি; কিংবা ফলাফল ভেবে বলেননি—বলতে পারি না। তাঁর সঙ্গে তো আমার আলাপ ছিল না। কিন্তু, এখন মনে হয়—চরিত্রের দিক দিয়ে তাঁর অনেক ভুল আছে। আজ কালকার দিক দিয়ে দেখলে—এখানে থেমে থাকা চলে না। সত্য কথা বলতে হবে।” {{ফাঁক}}সম্পাদক মহাশয় বললেন—“আমি সত্য কথা সোজা করে বলবার চেষ্টা করেছি। বাস্তবিকই আমি দেখেছি—এ জিনিষটা দরকার। তাই এতে আমি কুণ্ঠা করি না।<noinclude>{{কেন্দ্র|৩৭৩}}</noinclude> a713kn08y0ulv4b3rje9cm13ubf4du4 পাতা:শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (ত্রয়োদশ সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৬০).pdf/৩৮৮ 104 878538 1943731 2026-04-17T14:03:34Z Nettime Sujata 5470 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */ 1943731 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{কেন্দ্র|শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ}}</noinclude>সাহিত্য গড়বার শক্তি হয়তো আমার নেই। কিন্তু গোটা কয়েক সত্য কথা বলবার চেষ্টা করেছি, অনেক রকম লোকের সঙ্গে মিশে যা দেখেছি শুনেছি—তাই লিখে যাচ্ছি, আমি তা বলতে ভয় করি না। কারণ আগেই বলেছি—একশো বছর পরে হয়তো মনে হবে এই সত্য এ সব বোধ হয় কারো বলবার দরকার ছিল।" {{ফাঁক}}নিজের সম্বন্ধে অনেক বলে ফেলেছি। সেটা দেখতে তেমন ভাল দেখায় না। আমি যা বলছিলাম, তাই বলব। আজ কাল একটা তর্ক উঠেছে—আমরা দুর্নীতি প্রচার করছি, যা খারাপ, মন্দ তাই সব লিখছি। রবিবাবুও অনেক গাল-মন্দ খেয়েছেন। আমি তাঁর শিষ্য, আমিও বড় কম খাইনি। কেবল যুবক সম্প্রদায়ই বোধহয় আমার পৃষ্ঠপোষক। যাঁরা আমার বয়সী, কিংবা আমার চেয়ে প্রবীণ, তাঁরা রব তুলেছেন আমি ক্ষতি করছি। আমি এমন জিনিষ এনেছি, যা আগে ছিল না, যা নাকি অত্যন্ত নোংরা। অবশ্য আমি মনে করি না যে সব সত্যই সাহিত্যে স্থান পেতে পারে। অনেক কুৎসিত ব্যাপার আছে, যাতে সাহিত্য হয় না। (এ আমি বললুম কারণ এ নইলে অনেকে আমাকে ঠিক বুঝবেন না।) কিন্তু আমি যে জিনিষটা দেবার চেষ্টা করেছি সেটা ক্রমাগত সমাজের মধ্যে এসে পড়ছে, আমাদের চোখের উপর চলছে—সে সমাজের অঙ্গ, তাকে কুৎসিত বলে অস্বীকার করলে চলবে না। তাকে সাহিত্যে স্থান দিতে হবে। আমি পাপীর চিত্র এঁকেছি। হয়তো পাপ তারা করেছেন, তাই বলে খুনী আসামীর মত তাঁদের ফাঁসি দিতে হবে নাকি? মানুষের আত্মার আমি অপমান করতে কখনও পারি না। কোন মানুষকেই নিছক কালো মনে করতে আমার ব্যথা লাগে। আমি ভাবতে পারিনে যে একটা মানুষ একেবারে মন্দ, তার কোন redeeming feature নেই! ভাল মন্দ দুইই সবার মধ্যে আছে, তবে হয়তো মন্দটা কারো মধ্যে বেশী পরিস্ফুট হয়েছে। কিন্তু তাই বলে ঘৃণা তাকে কেন করবো? অবিশ্যি আমি কখনও বলি না যে পাপ ভালো। পাপের প্রতি মানুষকে প্রলুব্ধ করতে আমি চাই না। আমি বলি তাঁদের মধ্যেও তো ভগবানের দেওয়া মানুষের আত্মা রয়েছে। তাকে অপমান করবার আমাদের কোন অধিকার নাই। {{ফাঁক}}আমি এমন জিনিষ অনেক সময় তাদের মধ্যে দেখেছি, যা বড় সমাজের মধ্যে নেই। মহত্ব জিনিষটা কোথাও ঝাঁকে ঝাঁকে থাকে না। তাকে সন্ধান করে খুঁজে নিতে হয়। মানুষ যখন মহত্ত্বের সন্ধান করতে ভুলে যাবে তখন সে নিজেকে ছোট করে আনবে। আমি অনেক সময় তাদের মধ্যে যা ভালো, দেখাতে চেয়েছি; কারণ তাকে discard করবার আমাদের right নেই। যেখানে বড় জিনিষ আছে<noinclude>{{কেন্দ্র|৩৭৪}}</noinclude> ea56p36t5hq3t5sm66fkrfr3cb5rwd1 পাতা:শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (ত্রয়োদশ সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৬০).pdf/৩৮৯ 104 878539 1943732 2026-04-17T14:08:04Z Nettime Sujata 5470 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */ 1943732 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{কেন্দ্র|অপ্রকাশিত রচনাবলী}}</noinclude>তাকে সম্মান করতে হবে। জ্ঞান যদি প্রয়োজনীয় হয়, খারাপ জিনিষের মধ্যেও তাকে খুঁজতে হবে—ক্ষতির ভয় থাকলেও খুঁজতে হবে। তা ছাড়া জানতে গেলেই যে আকৃষ্ট হতে হবে তার মানে আছে? {{ফাঁক}}আমি মনে করি মানুষকে একথা বোঝানো দরকার যে খারাপের মধ্যেও মহত্ত্বকে মনে মনে recognise করতে হবে। পাপীর প্রতি ঘৃণা—এই যে একটা convention আছে; তা হয়তো আমি জানি না। এই জন্য লোকে ভাবে, আমি এমন করলাম যাতে তারা তরুণ, তাদের মন এমন খারাপ হয়ে যাবে যে সমাজ ভেঙ্গে পড়বে। কিন্তু আমি কেবল দেখাতে চেয়েছি যে পাপীর প্রতি ঘৃণা মেনে নিলেও, তাদের মধ্যে যেটুকু ভালো সেটুকুর প্রতি যেন অন্ধ না করে। তা ছাড়া যে কথাটি বার বার বলেছি, আজ যেটা নীতি, ভালমন্দের যে মাপকাঠি দিয়ে তাকে বিচার করা হচ্ছে, কাল যে সে বদলে যাবে না তাই বা কে জানে? লেখাই যাদের পেশা, তাঁরাও যদি—কেবল সমাজে যা দেখছি, যা হচ্ছে কেবল তাই নিয়ে নাড়া-চাড়া করেন, তবে সেটা ভাল মনে হয় না। {{ফাঁক}}দেখুন, এক সময়ে বিধবা-বিবাহের কথা তুললে বড় খারাপ জিনিষ মনে হ’ত। যাঁরা বলতেন বা সাহিত্যে লিখতেন সমাজ তাঁদের উপর খড়্গহস্ত হয়ে উঠতো। আমার ‘পল্লী-সমাজ’ বলে একটা বই আছে। সে বিষয়ে অনেকেই জিজ্ঞাসা করে থাকেন, “ওর নায়ক-নায়িকার তো কিছুই করলেন না, ও কি রকম হ’ল?” আবার কেউ বলেন “আমার এই বইয়ের জন্য গ্রামে গ্রামে খারাপ ভাব বেড়ে যাবে ও সমস্তের মন্দ ফল হবে।” আমি তার মধ্যে এই বলতে চেয়েছিলাম—“এই পাড়াগাঁয়ের সমাজ। যাকে সহর থেকে মনে করছি—সেখানে পদ্ম ফুটছে, মানুষ ভাইয়ে ভাইয়ে প্রেমে গলাগলি করছে, জ্যোৎস্না ছড়িয়ে যাচ্ছে এই সব, সেখানেও পুকুরে শালুক ফুটছে, বিলাতী কচুরীতে সব ছেয়ে গেছে, দলাদলির তো অন্তই নাই।” {{ফাঁক}}পল্লী-সমাজের বিধবা নায়িকা—রমা। তার বিবাহের ছমাস পরে তার স্বামী মারা যায়। সে তার বাল্যবন্ধুকে আগে থাকতেই ভালবাসত। শেষে নায়ক জেল থেকে ফিরে এলো। নায়িকা জ্বর হয়ে কাশীটাশী চলে গেল। সমস্ত গল্পটাই ছন্নছাড়া হয়ে গেল। তাই অনেকে বলেন—কিছু constructive করলেন না, কোনো সমস্যার পূরণ করলেন না; সব শেষে কিম্ভূত-কিমাকার হয়ে গেল। আমি বলি ও আমার কাজ নয়। আমি দেখালুম—গ্রামে নায়কের মত একটা মহৎ প্রাণ এলো, নায়িকার মত মহৎ নারী এলেন। সমাজ তাঁদের উৎপীড়ন করলে। সমাজের কি gain হ’লো? এই দুটি জীবনের যদি মিলন হ’তে পারতো, এ জিনিসটা যদি সমাজ নিতে<noinclude>{{কেন্দ্র|৩৭৫}}</noinclude> 91xk3mvtvgcn0miey3yjri5ful3bcqn পাতা:শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (ত্রয়োদশ সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৬০).pdf/৩৯০ 104 878540 1943733 2026-04-17T14:14:10Z Nettime Sujata 5470 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */ 1943733 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{কেন্দ্র|শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ}}</noinclude>পারতো; তবে তারা দশখানা গ্রামের আদর্শ হ’তো। আমরা তাদের repress করলাম; দুটো জীবন ব্যর্থ করে দিলাম, সেই জন্য conclusionও ছত্রভঙ্গ হয়ে গেল। {{ফাঁক}}Social reform বা Construction আমার কাজ নয়। আমার ব্যবসা লেখা। এই যে আগ বাড়িয়ে এরা দুজন দেখছে সেটা সত্য হলে সমাজ লাভবান হ’তো এই দেখাতে গিয়েছিলাম। যাঁরা একে অন্যায় ভাবেন, তাঁরা এর জন্য আমায় গালাগালি দিচ্ছেন; তা ছাড়া আমার যাঁরা আত্মীয় তাঁরাও আমাকে বলেন—এ বিষয়ে অন্যায় করেছো। যে বিধবা হ’লো, সে নিজের স্বামীকে ধ্যান করবে, তা না সে আর একজনকে ভালবাসছে; এ তার উচিত হয়নি। এর উত্তরে আমি আর কি বলবো? সেই এক কথা বলবার আছে, ভালো-মন্দ, উচিত-অনুচিতের standard যুগে যুগে বদলে যায়। আর একটা জিনিষ দেখতে হবে। দুর্নীতি প্রচার করছে বলে যার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনছি, দেখতে হবে সে কোন নূতন idea দিচ্ছে, না সত্যের অজুহাতে কতকগুলো নোংরা জিনিস চালাচ্ছে। মিছামিছি কুৎসিত কথা তো টিকবে না। আমিও যদি সেরকম দিয়ে থাকি আমার সে সব লেখাও ঝরে পড়ে যাবে। মোট কথা, সমসাময়িক ভাবের সঙ্গে খাপ খাচ্ছে না বলেই দুর্নীতিমূলক—একথা মনে করা ঠিক হবে না। যদি লোকে দেখে লেখকের কথাটা ভাবা দরকার তা হলেই তার কাজ হ’ল। {{ফাঁক}}আজ যে এত কথা বলছি, কারণ, কেন জানি না, এ জিনিষটা আজকাল বড় ঘুলিয়ে উঠেছে। সেদিন Oriental Seminaryতে ডেকে নিয়ে গিয়েছিল। সেখানে কয়েকজন এ-বিষয়ে আমাকে খুব মন্দ বললেন। (এ রকম ডেকে নিয়ে গালাগালি দেওয়া—ব্যাপারটা মন্দ নয়) তাঁরা এক Library প্রতিষ্ঠা করেছেন। সেখানে নাকি কেবল দুর্নীতিমূলক নভেলের ছড়াছড়ি হচ্ছে, তাতে ছেলেদের চরিত্র নষ্ট হচ্ছে। আর তার জন্য আমিই নাকি দায়ী। আমি বললাম, তা জিনিসটা বাস্তবিকই খারাপ হয়েছে। তা এক কাজ করুন—Library তুলে দিয়ে একটা সংকীর্তনের দল খুলে দিন। বেশ নীতি প্রচার হবে। {{ফাঁক}}এ প্রসঙ্গের আর দরকার নেই। এই জিনিসটাই আমার বলবার ছিল, যে আপনারা আজ আমার বিষয় বলতে গিয়ে, অনেক অত্যুক্তি করেছেন; কিন্তু যদি মনে করেন সাহিত্যকে সাহিত্যিকের দিক দিয়ে সাহিত্যিকের প্রাণ নিয়ে—যে জিনিষ কল্পনা দিয়ে সাহিত্যিক দেখতে পাচ্ছেন—সে রকম আমি দেখবার চেষ্টা করেছি, তবে তার চেয়ে আনন্দের বিষয় আমার আর নেই। আপনারাই দেশের আশাস্থল।<noinclude>{{কেন্দ্র|৩৭৬}}</noinclude> rtjm3pv4d6xf1ysttes3ww7efb9ugwq পাতা:শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (ত্রয়োদশ সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৬০).pdf/৩৯১ 104 878541 1943734 2026-04-17T14:19:37Z Nettime Sujata 5470 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */ 1943734 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{কেন্দ্র|অপ্রকাশিত রচনাবলী}}</noinclude><section begin="A" />সমাজে আপনারা অনেকেই ভবিষ্যতে গণ্যমান্য হবেন। আপনাদের প্রশংসাই আমার গৌরবের বিষয়। {{ফাঁক}}আমি আজ ঠিক সুস্থ নই—তবে এইখানেই আলোচনাটা শেষ করি।<ref>Presidency College Magazineএর Vol. X No. 1 September 1923তে মুদ্রিত হয়। ইহার Editorial Notesa প্রকাশ—On August 30, (1923)। last we had the Anniversary of the Bengali Literary Society... The society this year invited the renowned novelist Srijut Sarat Chandra Chatterji, to deliver an address.</ref> <section end="A" /> <section begin="B" />{{কেন্দ্র|{{xx-larger|ছাত্র-সভায় ভাষণ}}}} {{ফাঁক}}তোমাদের এই বিদ্যামন্দিরে এসে আমার নিজের অধ্যয়ন-জীবনের কথাই আজ বারবার করে মনে পড়ছে। আমারও একদিন তোমাদের মতই উচ্চশিক্ষার আশা নিয়ে এমনি করে ছাত্রজীবন শুরু হয়েছিল, সেদিন মনে মনে ভাবীকালকে স্মরণ করে কত আশার মুকুলই না রচনা করেছিলাম! কিন্তু স্বপ্ন যত বড় ছিল, পারিপার্শ্বিক অবস্থার আনুকূল্য থেকেও ঠিক ততখানিই বঞ্চিত হলাম। বিধাতা যে এমন বঞ্চনা আমার জন্য রেখেছিলেন, ভাবতে পারিনি। বিদ্যামন্দিরের উদ্দেশে দূর থেকে নমস্কার জানিয়েই একদিন ভবঘুরে হলাম। এমনি করেই আজ জীবনের অপরাহ্ণ বেলায় এসে পৌঁছেছি। এ জীবনে একটা সত্য উপলব্ধি করেছি, সত্য থেকে ভ্রষ্ট হয়ে ফাঁকি দিয়ে মানুষের চোখ ঝলসাতে গেলে সে-ফাঁকি এক সময় নিজেকে এসেই বেঁধে। তোমাদের তাই বলবো—অনন্ত ভবিষ্যৎ তোমাদের সামনে, তোমাদের দিয়ে দেশ একদিন বড় হবে। তোমরা তাই খাঁটি হও। চোখে দেখে যা পরখ করবে না, জীবনে তাকে কখনও সত্য বলে প্রচার করবে না, তাতে ঠকতে হয়। তোমরা আমার ভালবাসা নাও।<ref>রাজেন্দ্র কলেজে প্রদত্ত ভাষণ। ‘বঙ্গশ্র’ মাঘ, ১৩৬০ সংখ্যায় প্রকাশিত।</ref> {{nop}}<section end="B" /><noinclude>{{rule}} {{reflist}}{{কেন্দ্র|৩৭৭}}</noinclude> daz25cqiwwlp48yufnizuizdt59lnbm পাতা:শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (ত্রয়োদশ সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৬০).pdf/৩৯২ 104 878542 1943735 2026-04-17T15:28:00Z Nettime Sujata 5470 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */ 1943735 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" /></noinclude>{{dhr}} {{কেন্দ্র|{{xx-larger|জলধর-সম্বর্দ্ধনা}}}} <poem>পরম শ্রদ্ধাস্পদ— :::রায় শ্রীযুক্ত জলধর সেন বাহাদুরের :::::::::::::করকমলে—</poem> {{বাম|বরেণ্য বন্ধু,}} {{ফাঁক}}তোমার দীর্ঘজীবনের একনিষ্ঠ সাহিত্য-সাধনায় আমাদের মানস লোকে তুমি পরমাত্মীয়ের আসন লাভ করিয়াছ। {{ফাঁক}}তোমার অকলঙ্ক চরিত্র, নিষ্কলুষ অন্তর, শুভ্র সদাচার আমাদের শ্রদ্ধা আকর্ষণ করে, তোমার স্নেহে তোমার সৌজন্যে আমরা মুগ্ধ, আমাদের অকপট মনের ভক্তি-অর্ঘ্য তুমি গ্রহণ কর। {{ফাঁক}}বাণীর মন্দির-দ্বারে তুমি সকলকে দিয়াছ অবারিত পথ, কনিষ্ঠগণকে দিয়াছ আশা, দুর্ব্বলকে দিয়াছ শক্তি, অথ্যাতকে দিয়াছ খ্যাতি, আত্ম প্রত্যয়হীন, শঙ্কাকুল কত আগন্তুক-জনই না সাহিত্য পূজার বেদীমূলে তোমার ভরসা ও বিশ্বাসের মন্ত্রে স্বকীয় সার্থকতা খুঁজিয়া পাইয়াছে। {{ফাঁক}}সাহিত্য-ব্রত গ্রহণ করিয়াছিলে তুমি আনন্দ বিতরণ করিতে। সে ব্রত তোমার সফল হইয়াছে। তোমার সৃষ্টি কাহাকেও আহত করে না, তোমার অন্তঃপ্রকৃতির মতোই সে সৃষ্টি স্বচ্ছন্দ সুন্দর ও অনাড়ম্বর। তোমার দুঃখ-বেদনাভরা হৃদয় একান্ত সহজেই জগতের সকল দুঃখকে আপন করিয়াছে, তাই ব্যথিত যে-জন সে তোমারই সৃষ্টির মাঝে আপনার শান্তি ও সান্ত্বনার পথের সন্ধান পাইয়াছে। {{ফাঁক}}হে নিরহঙ্কার বাণীর পূজারী, তুমি আজ বঙ্গের সশ্রদ্ধ অভিনন্দন গ্রহণ কর। ইতি—তোমার স্বদেশবাসীর পক্ষ হইতে—শ্রীশরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।<ref>২রা ভাদ্র, ১৩৪১ বঙ্গাব্দে নিখিলবঙ্গ জলধর-সম্বর্দ্ধনায় প্রদত্ত মানপত্র।</ref> {{nop}}<noinclude>{{rule}} {{reflist}}{{কেন্দ্র|৩৭৮}}</noinclude> 1am6j67aldoueai8kgbvjmos37gptc6 পাতা:শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (ত্রয়োদশ সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৬০).pdf/৩৯৩ 104 878543 1943736 2026-04-17T15:29:33Z Nettime Sujata 5470 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */ 1943736 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" /></noinclude>{{dhr}} {{কেন্দ্র|{{xxxx-larger|'''পত্ৰ-সঙ্কলন'''}}}}<noinclude>{{dhr|30em}}</noinclude> 80yp3p39vyq9iup2d2hith6oqbbpck0 নির্ঘণ্ট:কেতাব রদ্‌দেকুফুর - সাদেক আলি (১৮৭৪).pdf 102 878544 1943737 2026-04-17T15:35:22Z Bodhisattwa 2549 "" দিয়ে পাতা তৈরি 1943737 proofread-index text/x-wiki {{:MediaWiki:Proofreadpage_index_template |wikidata_item=Q139393722 |Title= |Subtitle= |Volume= |Issue= |Edition= |Author= |Foreword_Author= |Translator= |Editor= |Illustrator= |Publisher= |Address= |Printer= |Year= |Source=pdf |Image=1 |Progress=X |Pages=<pagelist /> |Volumes= |Remarks= |Notes={{BL-TCIP}} |Header= |Footer= }} 4pq54cln219dshc60kdcct2puho3k31 লেখক:জহুরুল হুছন 100 878545 1943738 2026-04-17T15:52:54Z Bodhisattwa 2549 "{{লেখক}} {{Talikak list|special=author|target={{#invoke:Wikibase|id}}|row_template=লেখক সংস্করণ সারি}} {{Talikak list end}} {{PD-India}}" দিয়ে পাতা তৈরি 1943738 wikitext text/x-wiki {{লেখক}} {{Talikak list|special=author|target={{#invoke:Wikibase|id}}|row_template=লেখক সংস্করণ সারি}} {{Talikak list end}} {{PD-India}} kzijlajw0x8y0roj6h1yqedm4fjroyi 1943740 1943738 2026-04-17T16:23:36Z Bodhisattwa 2549 1943740 wikitext text/x-wiki {{লেখক}} {{Talikak list|special=author|target={{#invoke:Wikibase|id}}|row_template=লেখক সংস্করণ সারি}} === কবিতা === {{লেখক রচনা সারি|work = ''[[d:Q139394033|কেতাব নুর নাজাত]]''|item = Q139394033}} {{লেখক সংস্করণ সারি|item = Q139394026|label = ''[[d:Q139394026|কেতাব নুর নাজাত]]''|p1957 = https://bn.wikisource.org/wiki/নির্ঘণ্ট:কেতাব_নুর_নাজাত_-_জহুরুল_হুছন_(১৯০৭).pdf|p577 = 1907}}{{Talikak list end}} {{PD-India}} 64pdzk2mjavxe3s5a51a52n3dor7w1r নির্ঘণ্ট:কেতাব নুর নাজাত - জহুরুল হুছন (১৯০৭).pdf 102 878546 1943739 2026-04-17T16:11:40Z Bodhisattwa 2549 "" দিয়ে পাতা তৈরি 1943739 proofread-index text/x-wiki {{:MediaWiki:Proofreadpage_index_template |wikidata_item=Q139394026 |Title= |Subtitle= |Volume= |Issue= |Edition= |Author= |Foreword_Author= |Translator= |Editor= |Illustrator= |Publisher= |Address= |Printer= |Year= |Source=pdf |Image=1 |Progress=X |Pages=<pagelist /> |Volumes= |Remarks={{BL-TCIP}} |Notes= |Header= |Footer= }} j5pf8ybw1zaou1e2v2tynsdrmp5f3dr লেখক:মুহম্মদ খলিল 100 878547 1943741 2026-04-17T16:45:11Z Bodhisattwa 2549 "{{লেখক}} {{Talikak list|special=author|target={{#invoke:Wikibase|id}}|row_template=লেখক সংস্করণ সারি}} {{Talikak list end}} {{PD-India}}" দিয়ে পাতা তৈরি 1943741 wikitext text/x-wiki {{লেখক}} {{Talikak list|special=author|target={{#invoke:Wikibase|id}}|row_template=লেখক সংস্করণ সারি}} {{Talikak list end}} {{PD-India}} kzijlajw0x8y0roj6h1yqedm4fjroyi 1943743 1943741 2026-04-17T17:02:49Z Bodhisattwa 2549 1943743 wikitext text/x-wiki {{লেখক}} {{Talikak list|special=author|target={{#invoke:Wikibase|id}}|row_template=লেখক সংস্করণ সারি}} === কবিতা === ==== রোমান্টিক কাব্য ==== {{লেখক রচনা সারি|work = ''[[d:Q139394243|চন্দ্রমুখী]]''|item = Q139394243}} {{লেখক সংস্করণ সারি|item = Q139394241|label = ''[[d:Q139394241|চন্দ্রমুখীর পুথী]]''|p1957 = https://bn.wikisource.org/wiki/নির্ঘণ্ট:চন্দ্রমুখীর_পুথী_-_মুহম্মদ_খলিল_(১৮৭৭).pdf|p577 = 1877}}{{Talikak list end}} {{PD-India}} 5x8y9yw6e0x57jhajbswu9sjn1d8qdc নির্ঘণ্ট:চন্দ্রমুখীর পুথী - মুহম্মদ খলিল (১৮৭৭).pdf 102 878548 1943742 2026-04-17T16:58:33Z Bodhisattwa 2549 "" দিয়ে পাতা তৈরি 1943742 proofread-index text/x-wiki {{:MediaWiki:Proofreadpage_index_template |wikidata_item=Q139394241 |Title= |Subtitle= |Volume= |Issue= |Edition= |Author= |Foreword_Author= |Translator= |Editor= |Illustrator= |Publisher= |Address= |Printer= |Year= |Source=pdf |Image=1 |Progress=X |Pages=<pagelist /> |Volumes= |Remarks= |Notes={{BL-TCIP}} |Header= |Footer= }} b6lgqilst9w55ja5vbhfe3paz6jctgy 1943747 1943742 2026-04-17T19:34:47Z MS Sakib 11728 1943747 proofread-index text/x-wiki {{:MediaWiki:Proofreadpage_index_template |wikidata_item=Q139394241 |Title= |Subtitle= |Volume= |Issue= |Edition= |Author= |Foreword_Author= |Translator= |Editor= |Illustrator= |Publisher= |Address= |Printer= |Year= |Source=pdf |Image=1 |Progress=X |Pages=<pagelist /> |Volumes= |Remarks= |Notes={{BL-TCIP}} |Header= |Footer={{rvh|❁ {{{pagenum}}} ❁}} }} mea93afg4bnsjhj4i326jbzy2bcgm8u 1943749 1943747 2026-04-17T19:41:09Z MS Sakib 11728 1943749 proofread-index text/x-wiki {{:MediaWiki:Proofreadpage_index_template |wikidata_item=Q139394241 |Title= |Subtitle= |Volume= |Issue= |Edition= |Author= |Foreword_Author= |Translator= |Editor= |Illustrator= |Publisher= |Address= |Printer= |Year= |Source=pdf |Image=1 |Progress=X |Pages=<pagelist 1="প্রচ্ছদ" 2="—" 3="বিজ্ঞাপন" 4="—" 5="1" /> |Volumes= |Remarks= |Notes={{BL-TCIP}} |Header= |Footer={{rvh|❁ {{{pagenum}}} ❁}} }} 4oju4xn28ijkzvv6bq6h1lf3d6oe7pc 1943750 1943749 2026-04-17T19:44:29Z MS Sakib 11728 1943750 proofread-index text/x-wiki {{:MediaWiki:Proofreadpage_index_template |wikidata_item=Q139394241 |Title= |Subtitle= |Volume= |Issue= |Edition= |Author= |Foreword_Author= |Translator= |Editor= |Illustrator= |Publisher= |Address= |Printer= |Year= |Source=pdf |Image=1 |Progress=OCR |Pages=<pagelist 1="প্রচ্ছদ" 2="—" 3="বিজ্ঞাপন" 4="—" 5="1" /> |Volumes= |Remarks= |Notes={{BL-TCIP}} |Header= |Footer={{rvh|❁ {{{pagenum}}} ❁}} }} 6zhrr2tsjakh0msvlujevt0us8zc4zp 1943751 1943750 2026-04-17T19:45:13Z MS Sakib 11728 1943751 proofread-index text/x-wiki {{:MediaWiki:Proofreadpage_index_template |wikidata_item=Q139394241 |Title= |Subtitle= |Volume= |Issue= |Edition= |Author= |Foreword_Author= |Translator= |Editor= |Illustrator= |Publisher= |Address= |Printer= |Year= |Source=pdf |Image=1 |Progress=OCR |Pages=<pagelist 1="প্রচ্ছদ" 2="—" 3="বিজ্ঞাপন" 4="—" 5="1" /> |Volumes= |Remarks= |Notes={{BL-TCIP}} |Header= |Footer=<noinclude>{{rvh|❁ {{{pagenum}}} ❁}}</noinclude> }} raf2wu4078nwdxpa7hv15p5cx4rdb1y 1943752 1943751 2026-04-17T19:45:45Z MS Sakib 11728 1943752 proofread-index text/x-wiki {{:MediaWiki:Proofreadpage_index_template |wikidata_item=Q139394241 |Title= |Subtitle= |Volume= |Issue= |Edition= |Author= |Foreword_Author= |Translator= |Editor= |Illustrator= |Publisher= |Address= |Printer= |Year= |Source=pdf |Image=1 |Progress=OCR |Pages=<pagelist 1="প্রচ্ছদ" 2="—" 3="বিজ্ঞাপন" 4="—" 5="1" /> |Volumes= |Remarks= |Notes={{BL-TCIP}} |Header={{rvh|❁ {{{pagenum}}} ❁}} |Footer= }} rrtuv7nfhj17lcm1mjtkpky20jkp05d 1943757 1943752 2026-04-17T20:21:30Z MS Sakib 11728 1943757 proofread-index text/x-wiki {{:MediaWiki:Proofreadpage_index_template |wikidata_item=Q139394241 |Title= |Subtitle= |Volume= |Issue= |Edition= |Author= |Foreword_Author= |Translator= |Editor= |Illustrator= |Publisher= |Address= |Printer= |Year= |Source=pdf |Image=1 |Progress=OCR |Pages=<pagelist 1="প্রচ্ছদ" 2="—" 3="বিজ্ঞাপন" 4="—" 5="1" /> |Volumes= |Remarks= |Notes={{BL-TCIP}} |Header={{rvh||❁ {{{pagenum}}} ❁}} |Footer= }} ob9851900o5m7f0mgvd2m6z0wqf9my5 পাতা:চন্দ্রমুখীর পুথী - মুহম্মদ খলিল (১৮৭৭).pdf/২ 104 878549 1943746 2026-04-17T18:58:03Z MS Sakib 11728 /* লেখাবিহীন */ 1943746 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="0" user="MS Sakib" /></noinclude><noinclude></noinclude> 9f0656u8vx27p0atbcv1dm8pmaomw3m পাতা:চন্দ্রমুখীর পুথী - মুহম্মদ খলিল (১৮৭৭).pdf/৪ 104 878550 1943748 2026-04-17T19:39:47Z MS Sakib 11728 /* লেখাবিহীন */ 1943748 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="0" user="MS Sakib" /></noinclude><noinclude>{{rvh|❁ ৪ ❁}}</noinclude> a7hlocabs2c4wa6hzhgdkkb1uu090ry পাতা:চন্দ্রমুখীর পুথী - মুহম্মদ খলিল (১৮৭৭).pdf/১২ 104 878551 1943753 2026-04-17T20:19:00Z MS Sakib 11728 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */ 1943753 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="MS Sakib" />{{rvh|❁ ৮ ❁}}</noinclude>{{Block center|<poem>ꠄꠁꠛꠣꠞꠦ ꠌꠘ꠆ꠖꠞꠝꠥꠈꠤ ꠢꠁꠟ ꠌꠝꠇꠤꠔ ॥ ꠛꠣꠝ ꠢꠡ꠆ꠔꠦꠞ ꠅꠋꠉꠥꠟꠤ ꠇꠁꠘꠣꠄ ꠌꠦꠞꠣꠄ ꠔꠞꠤꠔ ❁ ꠊꠣꠅ ꠝꠥꠈꠦ ꠖꠣꠞꠥ ꠖꠤꠟꠦ ꠅꠉꠥꠁꠘꠤꠔ ꠎꠣꠟꠣ ॥ ꠎꠣꠉꠞꠘ ꠇꠞꠦ ꠛꠡꠤ ꠉꠘ꠆ꠖꠞꠛꠦꠔ ꠛꠣꠟꠣ ❁ ꠡꠦꠁ ꠡꠦ ꠇꠥꠝꠣꠞ ꠇꠞꠤ ꠜꠣꠛꠦ ꠝꠘꠦ ꠝꠘ ॥ ꠀꠇꠥꠟ ꠢꠁꠀ ꠀꠁꠟ ꠀꠝꠣꠞ ꠇꠣꠞꠘ ❁ ꠌꠔꠥꠞ ꠜꠤꠔꠦ ꠡꠈꠤꠉꠘꠦ ꠇꠞꠄ ꠎꠣꠉꠞꠘ ॥ ꠛꠤꠡꠔꠣꠙꠦ ꠌꠘ꠆ꠖꠞꠝꠥꠈꠤ ꠇꠞꠄ ꠡꠅꠘ ❁ ꠘꠤꠡꠣ ꠜꠣꠉꠦ ꠎꠥꠛꠞꠣꠎ ꠌꠟꠤꠟ ꠡꠘ꠆ꠔꠞꠦ ॥ ꠙꠞꠜꠦꠡꠤꠟ ꠌꠘ꠆ꠖꠞꠝꠥꠈꠤꠞ ꠙꠥꠞꠤꠞ ꠜꠤꠔꠞꠦ ❁ ꠖꠦꠈꠤ ꠌꠝꠇꠤꠔ ꠇꠁꠘꠣ ꠇꠣꠝꠙꠦ {{sic|ꠗꠞ ꠗꠞ|ꠕꠞ ꠕꠞ}} ॥ ꠜꠄ ꠙꠞꠣꠘꠤ ꠚꠣꠐꠤ ꠎꠣꠄ ꠝꠘꠦ ꠙꠣꠁꠀ ꠒꠞ ❁ ꠇꠤꠍꠥ ꠘꠣꠁ ꠎꠣꠘꠦ ꠇꠁꠘꠣꠄ ꠛꠦꠜꠥꠟ ꠘꠤꠖꠞꠣ ꠎꠣꠄ ॥ ꠛꠡꠘꠦ ꠓꠣꠇꠤꠀ ꠝꠥꠈ ꠛꠠ ꠌꠃꠈꠦ ꠌꠣꠄ ❁ ꠖꠦꠈꠦ ꠇꠁꠘꠣ ꠡꠦꠁ ꠇꠥꠝꠣꠞ ꠘꠤꠞꠙꠔꠤꠞ ꠘꠘ꠆ꠖꠘ ॥ ꠒꠦꠉ ꠢꠘꠦ ꠅꠞꠘ ꠛꠣꠠꠤ ꠇꠞꠦꠄ ꠜꠥꠘ꠆ꠎꠘ ❁ ꠜꠤꠋꠉꠣꠞꠦꠞ ꠎꠟ ꠖꠤꠀ ꠙꠣꠈꠣꠟꠦ ꠛꠖꠘ ॥ ꠙꠣꠟꠋꠉꠦ ꠃꠑꠤꠀ ꠛꠁꠡꠦ ꠡꠣꠘꠘ꠆ꠖꠤꠔ ꠝꠘ ❁ ꠛꠣꠐꠣꠞ ꠔꠣꠝ꠆ꠛꠥꠟ ꠈꠣꠄ ꠇꠤꠍꠥ ꠘꠣꠁ ꠜꠄ ॥ ꠈꠘꠦ ꠅꠋꠉ ꠛꠣꠠꠣꠄ ꠢꠣꠔ ꠌꠘꠌꠟ ꠞꠤꠖꠄ ❁ ꠢꠡ꠆ꠔꠦꠞ ꠅꠋꠉꠥꠟꠤ {{sic|ꠕꠞꠤ|ꠗꠞꠤ}} ꠌꠣꠄ ꠈꠡꠣꠁꠛꠣꠞ ॥ ꠢꠦꠘꠇꠣꠟꠦ ꠎꠣꠉꠤ ꠇꠁꠘꠣꠄ {{sic|ꠕꠞꠤꠟꠣ|ꠗꠞꠤꠟꠣ}} ꠇꠥꠝꠣꠞ ❁ {{sic|ꠇꠥꠞꠕ|ꠇꠥꠞꠗ}} ꠝꠥꠘꠦ ꠌꠘ꠆ꠖꠞꠝꠥꠈꠤ ꠇꠞꠦ ꠎꠤꠋꠉꠣꠡꠘ ॥ ꠇꠢ ꠡꠁꠔ ꠛꠣꠘꠤ ꠔꠥꠝꠤ ꠢꠅ ꠇꠥꠘꠥ ꠎꠘ ❁ </poem>}}<noinclude></noinclude> 1p4m0b7cbarhe5avabhg60jl9dq9d4j 1943754 1943753 2026-04-17T20:19:28Z MS Sakib 11728 1943754 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="MS Sakib" />{{rvh||❁ ৮ ❁}}</noinclude>{{Block center|<poem>ꠄꠁꠛꠣꠞꠦ ꠌꠘ꠆ꠖꠞꠝꠥꠈꠤ ꠢꠁꠟ ꠌꠝꠇꠤꠔ ॥ ꠛꠣꠝ ꠢꠡ꠆ꠔꠦꠞ ꠅꠋꠉꠥꠟꠤ ꠇꠁꠘꠣꠄ ꠌꠦꠞꠣꠄ ꠔꠞꠤꠔ ❁ ꠊꠣꠅ ꠝꠥꠈꠦ ꠖꠣꠞꠥ ꠖꠤꠟꠦ ꠅꠉꠥꠁꠘꠤꠔ ꠎꠣꠟꠣ ॥ ꠎꠣꠉꠞꠘ ꠇꠞꠦ ꠛꠡꠤ ꠉꠘ꠆ꠖꠞꠛꠦꠔ ꠛꠣꠟꠣ ❁ ꠡꠦꠁ ꠡꠦ ꠇꠥꠝꠣꠞ ꠇꠞꠤ ꠜꠣꠛꠦ ꠝꠘꠦ ꠝꠘ ॥ ꠀꠇꠥꠟ ꠢꠁꠀ ꠀꠁꠟ ꠀꠝꠣꠞ ꠇꠣꠞꠘ ❁ ꠌꠔꠥꠞ ꠜꠤꠔꠦ ꠡꠈꠤꠉꠘꠦ ꠇꠞꠄ ꠎꠣꠉꠞꠘ ॥ ꠛꠤꠡꠔꠣꠙꠦ ꠌꠘ꠆ꠖꠞꠝꠥꠈꠤ ꠇꠞꠄ ꠡꠅꠘ ❁ ꠘꠤꠡꠣ ꠜꠣꠉꠦ ꠎꠥꠛꠞꠣꠎ ꠌꠟꠤꠟ ꠡꠘ꠆ꠔꠞꠦ ॥ ꠙꠞꠜꠦꠡꠤꠟ ꠌꠘ꠆ꠖꠞꠝꠥꠈꠤꠞ ꠙꠥꠞꠤꠞ ꠜꠤꠔꠞꠦ ❁ ꠖꠦꠈꠤ ꠌꠝꠇꠤꠔ ꠇꠁꠘꠣ ꠇꠣꠝꠙꠦ {{sic|ꠗꠞ ꠗꠞ|ꠕꠞ ꠕꠞ}} ॥ ꠜꠄ ꠙꠞꠣꠘꠤ ꠚꠣꠐꠤ ꠎꠣꠄ ꠝꠘꠦ ꠙꠣꠁꠀ ꠒꠞ ❁ ꠇꠤꠍꠥ ꠘꠣꠁ ꠎꠣꠘꠦ ꠇꠁꠘꠣꠄ ꠛꠦꠜꠥꠟ ꠘꠤꠖꠞꠣ ꠎꠣꠄ ॥ ꠛꠡꠘꠦ ꠓꠣꠇꠤꠀ ꠝꠥꠈ ꠛꠠ ꠌꠃꠈꠦ ꠌꠣꠄ ❁ ꠖꠦꠈꠦ ꠇꠁꠘꠣ ꠡꠦꠁ ꠇꠥꠝꠣꠞ ꠘꠤꠞꠙꠔꠤꠞ ꠘꠘ꠆ꠖꠘ ॥ ꠒꠦꠉ ꠢꠘꠦ ꠅꠞꠘ ꠛꠣꠠꠤ ꠇꠞꠦꠄ ꠜꠥꠘ꠆ꠎꠘ ❁ ꠜꠤꠋꠉꠣꠞꠦꠞ ꠎꠟ ꠖꠤꠀ ꠙꠣꠈꠣꠟꠦ ꠛꠖꠘ ॥ ꠙꠣꠟꠋꠉꠦ ꠃꠑꠤꠀ ꠛꠁꠡꠦ ꠡꠣꠘꠘ꠆ꠖꠤꠔ ꠝꠘ ❁ ꠛꠣꠐꠣꠞ ꠔꠣꠝ꠆ꠛꠥꠟ ꠈꠣꠄ ꠇꠤꠍꠥ ꠘꠣꠁ ꠜꠄ ॥ ꠈꠘꠦ ꠅꠋꠉ ꠛꠣꠠꠣꠄ ꠢꠣꠔ ꠌꠘꠌꠟ ꠞꠤꠖꠄ ❁ ꠢꠡ꠆ꠔꠦꠞ ꠅꠋꠉꠥꠟꠤ {{sic|ꠕꠞꠤ|ꠗꠞꠤ}} ꠌꠣꠄ ꠈꠡꠣꠁꠛꠣꠞ ॥ ꠢꠦꠘꠇꠣꠟꠦ ꠎꠣꠉꠤ ꠇꠁꠘꠣꠄ {{sic|ꠕꠞꠤꠟꠣ|ꠗꠞꠤꠟꠣ}} ꠇꠥꠝꠣꠞ ❁ {{sic|ꠇꠥꠞꠕ|ꠇꠥꠞꠗ}} ꠝꠥꠘꠦ ꠌꠘ꠆ꠖꠞꠝꠥꠈꠤ ꠇꠞꠦ ꠎꠤꠋꠉꠣꠡꠘ ॥ ꠇꠢ ꠡꠁꠔ ꠛꠣꠘꠤ ꠔꠥꠝꠤ ꠢꠅ ꠇꠥꠘꠥ ꠎꠘ ❁ </poem>}}<noinclude></noinclude> 7cuo36lio7198efjnhn5rabuj1lq44k 1943755 1943754 2026-04-17T20:19:54Z MS Sakib 11728 1943755 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="MS Sakib" />{{rvh||❁ ৮ ❁}}</noinclude>{{Block center|<poem>ꠄꠁꠛꠣꠞꠦ ꠌꠘ꠆ꠖꠞꠝꠥꠈꠤ ꠢꠁꠟ ꠌꠝꠇꠤꠔ ॥ ꠛꠣꠝ ꠢꠡ꠆ꠔꠦꠞ ꠅꠋꠉꠥꠟꠤ ꠇꠁꠘꠣꠄ ꠌꠦꠞꠣꠄ ꠔꠞꠤꠔ ❁ ꠊꠣꠅ ꠝꠥꠈꠦ ꠖꠣꠞꠥ ꠖꠤꠟꠦ ꠅꠉꠥꠁꠘꠤꠔ ꠎꠣꠟꠣ ॥ ꠎꠣꠉꠞꠘ ꠇꠞꠦ ꠛꠡꠤ ꠉꠘ꠆ꠖꠞꠛꠦꠔ ꠛꠣꠟꠣ ❁ ꠡꠦꠁ ꠡꠦ ꠇꠥꠝꠣꠞ ꠇꠞꠤ ꠜꠣꠛꠦ ꠝꠘꠦ ꠝꠘ ॥ ꠀꠇꠥꠟ ꠢꠁꠀ ꠀꠁꠟ ꠀꠝꠣꠞ ꠇꠣꠞꠘ ❁ ꠌꠔꠥꠞ ꠜꠤꠔꠦ ꠡꠈꠤꠉꠘꠦ ꠇꠞꠄ ꠎꠣꠉꠞꠘ ॥ ꠛꠤꠡꠔꠣꠙꠦ ꠌꠘ꠆ꠖꠞꠝꠥꠈꠤ ꠇꠞꠄ ꠡꠅꠘ ❁ ꠘꠤꠡꠣ ꠜꠣꠉꠦ ꠎꠥꠛꠞꠣꠎ ꠌꠟꠤꠟ ꠡꠘ꠆ꠔꠞꠦ ॥ ꠙꠞꠜꠦꠡꠤꠟ ꠌꠘ꠆ꠖꠞꠝꠥꠈꠤꠞ ꠙꠥꠞꠤꠞ ꠜꠤꠔꠞꠦ ❁ ꠖꠦꠈꠤ ꠌꠝꠇꠤꠔ ꠇꠁꠘꠣ ꠇꠣꠝꠙꠦ {{SIC|ꠗꠞ ꠗꠞ|ꠕꠞ ꠕꠞ}} ॥ ꠜꠄ ꠙꠞꠣꠘꠤ ꠚꠣꠐꠤ ꠎꠣꠄ ꠝꠘꠦ ꠙꠣꠁꠀ ꠒꠞ ❁ ꠇꠤꠍꠥ ꠘꠣꠁ ꠎꠣꠘꠦ ꠇꠁꠘꠣꠄ ꠛꠦꠜꠥꠟ ꠘꠤꠖꠞꠣ ꠎꠣꠄ ॥ ꠛꠡꠘꠦ ꠓꠣꠇꠤꠀ ꠝꠥꠈ ꠛꠠ ꠌꠃꠈꠦ ꠌꠣꠄ ❁ ꠖꠦꠈꠦ ꠇꠁꠘꠣ ꠡꠦꠁ ꠇꠥꠝꠣꠞ ꠘꠤꠞꠙꠔꠤꠞ ꠘꠘ꠆ꠖꠘ ॥ ꠒꠦꠉ ꠢꠘꠦ ꠅꠞꠘ ꠛꠣꠠꠤ ꠇꠞꠦꠄ ꠜꠥꠘ꠆ꠎꠘ ❁ ꠜꠤꠋꠉꠣꠞꠦꠞ ꠎꠟ ꠖꠤꠀ ꠙꠣꠈꠣꠟꠦ ꠛꠖꠘ ॥ ꠙꠣꠟꠋꠉꠦ ꠃꠑꠤꠀ ꠛꠁꠡꠦ ꠡꠣꠘꠘ꠆ꠖꠤꠔ ꠝꠘ ❁ ꠛꠣꠐꠣꠞ ꠔꠣꠝ꠆ꠛꠥꠟ ꠈꠣꠄ ꠇꠤꠍꠥ ꠘꠣꠁ ꠜꠄ ॥ ꠈꠘꠦ ꠅꠋꠉ ꠛꠣꠠꠣꠄ ꠢꠣꠔ ꠌꠘꠌꠟ ꠞꠤꠖꠄ ❁ ꠢꠡ꠆ꠔꠦꠞ ꠅꠋꠉꠥꠟꠤ {{sic|ꠕꠞꠤ|ꠗꠞꠤ}} ꠌꠣꠄ ꠈꠡꠣꠁꠛꠣꠞ ॥ ꠢꠦꠘꠇꠣꠟꠦ ꠎꠣꠉꠤ ꠇꠁꠘꠣꠄ {{sic|ꠕꠞꠤꠟꠣ|ꠗꠞꠤꠟꠣ}} ꠇꠥꠝꠣꠞ ❁ {{SIC|ꠇꠥꠞꠕ|ꠇꠥꠞꠗ}} ꠝꠥꠘꠦ ꠌꠘ꠆ꠖꠞꠝꠥꠈꠤ ꠇꠞꠦ ꠎꠤꠋꠉꠣꠡꠘ ॥ ꠇꠢ ꠡꠁꠔ ꠛꠣꠘꠤ ꠔꠥꠝꠤ ꠢꠅ ꠇꠥꠘꠥ ꠎꠘ ❁ </poem>}}<noinclude></noinclude> 0zff362qm09cf04m85o84oeij2j3br4 1943756 1943755 2026-04-17T20:20:14Z MS Sakib 11728 1943756 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="MS Sakib" />{{rvh||❁ ৮ ❁}}</noinclude>{{Block center|<poem>ꠄꠁꠛꠣꠞꠦ ꠌꠘ꠆ꠖꠞꠝꠥꠈꠤ ꠢꠁꠟ ꠌꠝꠇꠤꠔ ॥ ꠛꠣꠝ ꠢꠡ꠆ꠔꠦꠞ ꠅꠋꠉꠥꠟꠤ ꠇꠁꠘꠣꠄ ꠌꠦꠞꠣꠄ ꠔꠞꠤꠔ ❁ ꠊꠣꠅ ꠝꠥꠈꠦ ꠖꠣꠞꠥ ꠖꠤꠟꠦ ꠅꠉꠥꠁꠘꠤꠔ ꠎꠣꠟꠣ ॥ ꠎꠣꠉꠞꠘ ꠇꠞꠦ ꠛꠡꠤ ꠉꠘ꠆ꠖꠞꠛꠦꠔ ꠛꠣꠟꠣ ❁ ꠡꠦꠁ ꠡꠦ ꠇꠥꠝꠣꠞ ꠇꠞꠤ ꠜꠣꠛꠦ ꠝꠘꠦ ꠝꠘ ॥ ꠀꠇꠥꠟ ꠢꠁꠀ ꠀꠁꠟ ꠀꠝꠣꠞ ꠇꠣꠞꠘ ❁ ꠌꠔꠥꠞ ꠜꠤꠔꠦ ꠡꠈꠤꠉꠘꠦ ꠇꠞꠄ ꠎꠣꠉꠞꠘ ॥ ꠛꠤꠡꠔꠣꠙꠦ ꠌꠘ꠆ꠖꠞꠝꠥꠈꠤ ꠇꠞꠄ ꠡꠅꠘ ❁ ꠘꠤꠡꠣ ꠜꠣꠉꠦ ꠎꠥꠛꠞꠣꠎ ꠌꠟꠤꠟ ꠡꠘ꠆ꠔꠞꠦ ॥ ꠙꠞꠜꠦꠡꠤꠟ ꠌꠘ꠆ꠖꠞꠝꠥꠈꠤꠞ ꠙꠥꠞꠤꠞ ꠜꠤꠔꠞꠦ ❁ ꠖꠦꠈꠤ ꠌꠝꠇꠤꠔ ꠇꠁꠘꠣ ꠇꠣꠝꠙꠦ {{SIC|ꠗꠞ ꠗꠞ|ꠕꠞ ꠕꠞ}} ॥ ꠜꠄ ꠙꠞꠣꠘꠤ ꠚꠣꠐꠤ ꠎꠣꠄ ꠝꠘꠦ ꠙꠣꠁꠀ ꠒꠞ ❁ ꠇꠤꠍꠥ ꠘꠣꠁ ꠎꠣꠘꠦ ꠇꠁꠘꠣꠄ ꠛꠦꠜꠥꠟ ꠘꠤꠖꠞꠣ ꠎꠣꠄ ॥ ꠛꠡꠘꠦ ꠓꠣꠇꠤꠀ ꠝꠥꠈ ꠛꠠ ꠌꠃꠈꠦ ꠌꠣꠄ ❁ ꠖꠦꠈꠦ ꠇꠁꠘꠣ ꠡꠦꠁ ꠇꠥꠝꠣꠞ ꠘꠤꠞꠙꠔꠤꠞ ꠘꠘ꠆ꠖꠘ ॥ ꠒꠦꠉ ꠢꠘꠦ ꠅꠞꠘ ꠛꠣꠠꠤ ꠇꠞꠦꠄ ꠜꠥꠘ꠆ꠎꠘ ❁ ꠜꠤꠋꠉꠣꠞꠦꠞ ꠎꠟ ꠖꠤꠀ ꠙꠣꠈꠣꠟꠦ ꠛꠖꠘ ॥ ꠙꠣꠟꠋꠉꠦ ꠃꠑꠤꠀ ꠛꠁꠡꠦ ꠡꠣꠘꠘ꠆ꠖꠤꠔ ꠝꠘ ❁ ꠛꠣꠐꠣꠞ ꠔꠣꠝ꠆ꠛꠥꠟ ꠈꠣꠄ ꠇꠤꠍꠥ ꠘꠣꠁ ꠜꠄ ॥ ꠈꠘꠦ ꠅꠋꠉ ꠛꠣꠠꠣꠄ ꠢꠣꠔ ꠌꠘꠌꠟ ꠞꠤꠖꠄ ❁ ꠢꠡ꠆ꠔꠦꠞ ꠅꠋꠉꠥꠟꠤ {{SIC|ꠕꠞꠤ|ꠗꠞꠤ}} ꠌꠣꠄ ꠈꠡꠣꠁꠛꠣꠞ ॥ ꠢꠦꠘꠇꠣꠟꠦ ꠎꠣꠉꠤ ꠇꠁꠘꠣꠄ {{SIC|ꠕꠞꠤꠟꠣ|ꠗꠞꠤꠟꠣ}} ꠇꠥꠝꠣꠞ ❁ {{SIC|ꠇꠥꠞꠕ|ꠇꠥꠞꠗ}} ꠝꠥꠘꠦ ꠌꠘ꠆ꠖꠞꠝꠥꠈꠤ ꠇꠞꠦ ꠎꠤꠋꠉꠣꠡꠘ ॥ ꠇꠢ ꠡꠁꠔ ꠛꠣꠘꠤ ꠔꠥꠝꠤ ꠢꠅ ꠇꠥꠘꠥ ꠎꠘ ❁ </poem>}}<noinclude></noinclude> bguznzl87hwfu1zxj50mbja0u1615y4 পাতা:চন্দ্রমুখীর পুথী - মুহম্মদ খলিল (১৮৭৭).pdf/৬ 104 878552 1943758 2026-04-17T20:21:49Z MS Sakib 11728 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ "" দিয়ে পাতা তৈরি 1943758 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="1" user="MS Sakib" />{{rvh||❁ ২ ❁}}</noinclude><noinclude></noinclude> fj7cf6jcl5hzzc4vunt2r1j8ghyo771 1943759 1943758 2026-04-17T20:38:21Z MS Sakib 11728 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */ 1943759 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="MS Sakib" />{{rvh||❁ ২ ❁}}</noinclude>{{Block center|<poem>ꠄꠇ ꠖꠤꠘ ꠝꠢꠣꠞꠣꠎꠣ ꠘꠤꠞꠙꠔꠤꠞ ꠘꠘ꠆ꠖꠘ ॥ ꠝꠤꠞꠉ ꠝꠣꠞꠦꠛꠣꠞꠦ ꠔꠣꠘ ꠁꠌ꠆ꠍꠣ ꠢꠁꠟ ꠝꠘ ❁ ꠙꠣꠔ꠆ꠔꠞ ꠝꠤꠔ꠆ꠔꠞ ꠡꠋꠉꠦ ꠇꠞꠤ ꠌꠟꠤꠟꠣ ꠇꠥꠝꠣꠞ ॥ ꠛꠘ {{SIC|ꠝꠁꠕꠦ|ꠝꠁꠗꠦ}} ꠙꠞꠛꠦꠡꠤꠀ ꠝꠤꠞꠉ ꠝꠣꠞꠤꠛꠣꠞ ❁ {{SIC|ꠛꠤꠕꠤꠞ|ꠛꠤꠗꠤꠞ}} ꠘꠤꠞꠛꠘ꠆ꠖ ꠔꠣꠞꠦ ꠇꠦ ꠛꠥꠏꠤꠔꠦ ꠙꠣꠞꠦ ॥ ꠡꠥꠛꠁꠘꠦꠞ ꠝꠤꠞꠉ ꠄꠇ {{SIC|ꠅꠞꠁꠘꠦꠞ|ꠅꠛꠁꠘꠦꠞ}} ꠝꠣꠏꠣꠞꠦ ❁ ꠅꠘꠦꠇ ꠎꠣꠟ ꠖꠤꠀ ꠊꠤꠞꠤꠟꠣ ꠞꠣꠎꠉꠘꠦ ॥ ꠄꠁ ꠝꠤꠞꠉ ꠉꠥꠐꠣ ꠖꠤꠀ ꠞꠣꠈꠤꠅ ꠎꠔꠘꠦ ❁ ꠝꠤꠞꠉ ꠞꠥꠙ ꠍꠣꠠꠤ ꠔꠛꠦ ꠇꠁꠘꠣ ꠞꠥꠙ {{SIC|ꠕꠞꠤ|ꠗꠞꠤ}} ॥ ꠇꠥꠝꠣꠞꠦ ꠒꠣꠇꠤꠀ {{SIC|ꠇꠗꠣ|ꠇꠕꠣ}} ꠇꠢꠦ ꠡꠝꠜꠣꠡꠤ ❁ ꠉꠘ꠆ꠖꠞꠛ꠆ꠛ ꠇꠥꠝꠣꠞꠤ ꠀꠝꠤ ꠌꠘ꠆ꠖꠞ ꠝꠥꠈꠤ ꠘꠣꠝ ॥ ꠉꠘ꠆ꠖꠞꠛ꠆ꠛ ꠘꠉꠞꠦ ꠊꠞ ꠔꠥꠝꠣꠞꠦ ꠇꠢꠤꠟꠣꠝ ❁ ꠎꠖꠤ ꠀꠝꠣꠞꠦ ꠖꠤꠀ {{SIC|ꠗꠣꠇ|ꠕꠣꠇ}} ꠇꠥꠝꠣꠞ ꠝꠘ ॥ ꠀꠝꠣꠞ ꠃꠖꠦꠡꠦ ꠎꠣꠁꠅ ꠉꠘ꠆ꠖꠞꠛ꠆ꠛ ꠜꠥꠛꠘ ❁ ꠄꠔꠦꠇ ꠛꠌꠘ ꠛꠟꠤ ꠇꠞꠤꠀ ꠔꠞꠤꠔ ॥ {{SIC|ꠘꠤꠞꠝꠤꠔꠦ|ꠘꠤꠞꠜꠤꠔꠦ}} ꠌꠟꠤꠀ ꠉꠦꠟ ꠀꠙꠘꠣꠞ ꠙꠥꠞꠤꠔ ❁ ꠝꠢ ꠈꠣꠁꠀ ꠙꠠꠦ ꠔꠛꠦ ꠞꠣꠎꠣꠞ ꠇꠥꠝꠣꠞ ॥ ꠌꠘ꠆ꠖꠞꠝꠥꠈꠤ ꠌꠟꠤ ꠉꠦꠟꠣ ꠘꠣ ꠖꠦꠈꠤꠁꠣ ꠀꠞ ❁ ꠇꠥꠝꠣꠞꠦꠞ ꠝꠥꠈ ꠖꠦꠈꠤ ꠎꠔ ꠙꠣꠔ꠆ꠔꠞꠉꠘ ॥ ꠇꠦꠅ ꠇꠣꠘ꠆ꠖꠦ ꠙꠣꠍꠣꠠ ꠈꠣꠁꠁꠣ ꠇꠦꠅ ꠜꠣꠛꠦ ꠝꠘ ❁ ꠌꠣꠞꠤ ꠝꠤꠔ꠆ꠔꠞ ꠄꠇꠣꠔ꠆ꠔꠞ ꠢꠁꠀ ꠎꠥꠇꠔꠤ ꠇꠞꠤꠟꠣ ॥ ꠌꠘ꠆ꠖꠞꠝꠥꠈꠤ ꠀꠁꠟꠣ ꠇꠘꠤ ꠇꠢꠤꠔꠦ ꠟꠣꠉꠤꠟꠣ ❁ ꠖꠦꠈꠤ ꠖꠦꠈꠤ ꠇꠞꠤ ꠇꠥꠝꠣꠞ ꠃꠑꠤꠀ ꠛꠡꠤꠟꠣ ॥ ꠘꠣ ꠖꠦꠈꠤꠁꠣ ꠌꠘ꠆ꠖꠞꠝꠥꠈꠤ ꠇꠣꠘ꠆ꠖꠤꠔꠦ ꠟꠣꠉꠤꠟꠣ ❁ </poem>}}<noinclude></noinclude> 6o7k30dbpa4zpglalrhezgc4wficzcn পাতা:চন্দ্রমুখীর পুথী - মুহম্মদ খলিল (১৮৭৭).pdf/৭ 104 878553 1943760 2026-04-17T21:01:05Z MS Sakib 11728 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */ 1943760 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="MS Sakib" />{{rvh||❁ ৩ ❁}}</noinclude>{{ꠇꠦꠘ꠆ꠖ꠆ꠞ|<poem>❁ ꠇꠥꠝꠣꠞꠦꠞ ꠇꠣꠘ꠆ꠖꠘ ❁ ❁ ꠞꠣꠉ ꠟꠣꠌꠣꠠꠤ ❁</poem>}} {{Block center|<poem>ꠡꠥꠘ ꠡꠥꠘ ꠎꠉꠝꠜꠞ* ꠎꠤꠛꠦꠞ ꠎꠤꠛꠘ {{SIC|ꠕꠘ|ꠗꠘ}}॥ ꠇꠦꠘꠦ ꠀꠁꠟꠦ ꠝꠤꠞꠉ ꠝꠣꠞꠤꠛꠣꠞꠦꠞꠦ❁ ꠡꠦꠁ ꠝꠤꠞꠉ ꠘꠣ ꠀꠡꠤꠟ* ꠛꠤꠖꠤꠔꠦ ꠅꠌꠞ ꠢꠁꠟ॥ ꠝꠢꠣ ꠖꠥꠈ ꠖꠤꠀ ꠉꠦꠟ ꠝꠞꠦꠞꠦ❁ ꠚꠣꠐꠤ ꠎꠣꠄ ꠝꠞ ꠢꠤꠀ* ꠌꠘ꠆ꠖꠞꠝꠥꠈꠤ ꠘꠣ ꠖꠦꠈꠤꠁꠣ॥ ꠄꠁ ꠖꠥꠈꠦ ꠝꠞꠤꠝꠥ ꠏꠥꠞꠤꠀ❁ ꠇꠔ ꠖꠥꠞ ꠉꠦꠟ ꠎꠛꠦ* ꠝꠍꠎꠤꠖ ꠙꠣꠁꠟ ꠔꠛꠦ॥ ꠔꠣꠞ ꠝꠣꠏꠦ ꠀꠞꠡꠦꠞ ꠛꠞ❁ ꠇꠣꠐꠤꠀ ꠞꠥꠢꠣꠞ ꠇꠟ* ꠇꠦꠅꠀꠠ ꠇꠞꠤꠟ ꠝꠥ ꠇꠟ॥ ꠙꠞꠛꠦꠡꠤꠟ ꠝꠘ꠆ꠖꠤꠞꠦꠞ ꠜꠤꠔꠞ❁ ꠖꠦꠈꠤꠟ ꠉꠘ꠆ꠖꠞꠛ꠆ꠛ ꠛꠣꠟꠣ* ꠉꠟꠦ ꠡꠥꠜꠦ ꠝꠥꠢꠘ ꠝꠣꠟꠣ॥ ꠝꠥꠈꠦ ꠔꠣꠘ ꠎꠦꠘ ꠡꠡꠤꠞ {{SIC|ꠕꠣꠞꠣ|ꠗꠣꠞꠣ}}❁ꠛꠖꠘ ꠃꠎꠣꠟꠣ ꠔꠣꠘ* ꠉꠎꠝꠔꠤ {{SIC|ꠙꠞꠤꠕꠣꠘ|ꠙꠞꠤꠗꠣꠘ}}॥ ꠌꠐꠇꠦ ꠎꠦꠘ ꠘꠣꠇꠦꠞ ꠛꠦꠡꠞ❁ ꠜꠋꠉꠤꠝꠣ ꠘꠄꠀꠘꠦ ꠌꠣꠄ* ꠌꠣꠁꠔꠦ ꠙꠞꠣꠘꠤ ꠟꠁꠀ ꠎꠣꠄ॥ ꠌꠘ꠆ꠖꠞ ꠎꠤꠘꠤ ꠖꠥꠁ ꠛꠃ ꠈꠦꠞ ꠜꠥꠞꠤ❁ ꠝꠥꠈꠦꠔꠦ {{SIC|ꠝꠕꠥꠞ|ꠝꠗꠥꠞ}} ꠛꠣꠘꠤ* ꠡꠣꠞ ꠡꠥꠀꠞ ꠛꠥꠟꠤ ꠈꠣꠘꠤ॥ ꠢꠦꠘ ꠖꠦꠈꠤ ꠡꠥꠛꠋꠉ ꠡꠥꠘ꠆ꠖꠞ❁ ꠄꠁ ꠞꠥꠙ ꠖꠦꠈꠤ ꠔꠣꠘ* ꠇꠣꠝ ꠛꠣꠘꠦ ꠢꠦꠘꠦ ꠙꠞꠣꠘ॥ ꠄꠁ ꠖꠥꠈꠦ ꠝꠞꠤꠝꠥ ꠏꠥꠞꠤꠀ❁ ꠙꠞꠣꠘꠦꠞ ꠌꠘ꠆ꠖꠞ ꠝꠥꠈꠤ ꠛꠤꠘꠦ* ꠀꠞꠔ ꠘꠣ ꠡꠄ ꠝꠘꠦ॥ ꠄꠁ ꠖꠥꠈꠦ ꠔꠦꠎꠤꠝꠥ ꠎꠤꠛꠘ❁ {{SIC|ꠅꠕꠝ|ꠅꠗꠝ}} ꠈꠟꠤꠟꠦ ꠛꠥꠟꠦ* ꠘꠤꠞ ꠎ꠆ꠎꠘ ꠜꠣꠛ ꠝꠘꠦ॥ ꠡꠦꠁ ꠛꠤꠘꠦ ꠉꠔꠤ ꠘꠣꠁ ꠀꠞ❁ </poem>}}<noinclude></noinclude> eg367xkqp2j75cqs7dnm6dhue5uham8 1943761 1943760 2026-04-17T21:01:22Z MS Sakib 11728 1943761 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="MS Sakib" />{{rvh||❁ ৩ ❁}}</noinclude>{{কেন্দ্র|<poem>❁ ꠇꠥꠝꠣꠞꠦꠞ ꠇꠣꠘ꠆ꠖꠘ ❁ ❁ ꠞꠣꠉ ꠟꠣꠌꠣꠠꠤ ❁</poem>}} {{Block center|<poem>ꠡꠥꠘ ꠡꠥꠘ ꠎꠉꠝꠜꠞ* ꠎꠤꠛꠦꠞ ꠎꠤꠛꠘ {{SIC|ꠕꠘ|ꠗꠘ}}॥ ꠇꠦꠘꠦ ꠀꠁꠟꠦ ꠝꠤꠞꠉ ꠝꠣꠞꠤꠛꠣꠞꠦꠞꠦ❁ ꠡꠦꠁ ꠝꠤꠞꠉ ꠘꠣ ꠀꠡꠤꠟ* ꠛꠤꠖꠤꠔꠦ ꠅꠌꠞ ꠢꠁꠟ॥ ꠝꠢꠣ ꠖꠥꠈ ꠖꠤꠀ ꠉꠦꠟ ꠝꠞꠦꠞꠦ❁ ꠚꠣꠐꠤ ꠎꠣꠄ ꠝꠞ ꠢꠤꠀ* ꠌꠘ꠆ꠖꠞꠝꠥꠈꠤ ꠘꠣ ꠖꠦꠈꠤꠁꠣ॥ ꠄꠁ ꠖꠥꠈꠦ ꠝꠞꠤꠝꠥ ꠏꠥꠞꠤꠀ❁ ꠇꠔ ꠖꠥꠞ ꠉꠦꠟ ꠎꠛꠦ* ꠝꠍꠎꠤꠖ ꠙꠣꠁꠟ ꠔꠛꠦ॥ ꠔꠣꠞ ꠝꠣꠏꠦ ꠀꠞꠡꠦꠞ ꠛꠞ❁ ꠇꠣꠐꠤꠀ ꠞꠥꠢꠣꠞ ꠇꠟ* ꠇꠦꠅꠀꠠ ꠇꠞꠤꠟ ꠝꠥ ꠇꠟ॥ ꠙꠞꠛꠦꠡꠤꠟ ꠝꠘ꠆ꠖꠤꠞꠦꠞ ꠜꠤꠔꠞ❁ ꠖꠦꠈꠤꠟ ꠉꠘ꠆ꠖꠞꠛ꠆ꠛ ꠛꠣꠟꠣ* ꠉꠟꠦ ꠡꠥꠜꠦ ꠝꠥꠢꠘ ꠝꠣꠟꠣ॥ ꠝꠥꠈꠦ ꠔꠣꠘ ꠎꠦꠘ ꠡꠡꠤꠞ {{SIC|ꠕꠣꠞꠣ|ꠗꠣꠞꠣ}}❁ꠛꠖꠘ ꠃꠎꠣꠟꠣ ꠔꠣꠘ* ꠉꠎꠝꠔꠤ {{SIC|ꠙꠞꠤꠕꠣꠘ|ꠙꠞꠤꠗꠣꠘ}}॥ ꠌꠐꠇꠦ ꠎꠦꠘ ꠘꠣꠇꠦꠞ ꠛꠦꠡꠞ❁ ꠜꠋꠉꠤꠝꠣ ꠘꠄꠀꠘꠦ ꠌꠣꠄ* ꠌꠣꠁꠔꠦ ꠙꠞꠣꠘꠤ ꠟꠁꠀ ꠎꠣꠄ॥ ꠌꠘ꠆ꠖꠞ ꠎꠤꠘꠤ ꠖꠥꠁ ꠛꠃ ꠈꠦꠞ ꠜꠥꠞꠤ❁ ꠝꠥꠈꠦꠔꠦ {{SIC|ꠝꠕꠥꠞ|ꠝꠗꠥꠞ}} ꠛꠣꠘꠤ* ꠡꠣꠞ ꠡꠥꠀꠞ ꠛꠥꠟꠤ ꠈꠣꠘꠤ॥ ꠢꠦꠘ ꠖꠦꠈꠤ ꠡꠥꠛꠋꠉ ꠡꠥꠘ꠆ꠖꠞ❁ ꠄꠁ ꠞꠥꠙ ꠖꠦꠈꠤ ꠔꠣꠘ* ꠇꠣꠝ ꠛꠣꠘꠦ ꠢꠦꠘꠦ ꠙꠞꠣꠘ॥ ꠄꠁ ꠖꠥꠈꠦ ꠝꠞꠤꠝꠥ ꠏꠥꠞꠤꠀ❁ ꠙꠞꠣꠘꠦꠞ ꠌꠘ꠆ꠖꠞ ꠝꠥꠈꠤ ꠛꠤꠘꠦ* ꠀꠞꠔ ꠘꠣ ꠡꠄ ꠝꠘꠦ॥ ꠄꠁ ꠖꠥꠈꠦ ꠔꠦꠎꠤꠝꠥ ꠎꠤꠛꠘ❁ {{SIC|ꠅꠕꠝ|ꠅꠗꠝ}} ꠈꠟꠤꠟꠦ ꠛꠥꠟꠦ* ꠘꠤꠞ ꠎ꠆ꠎꠘ ꠜꠣꠛ ꠝꠘꠦ॥ ꠡꠦꠁ ꠛꠤꠘꠦ ꠉꠔꠤ ꠘꠣꠁ ꠀꠞ❁ </poem>}}<noinclude></noinclude> g3rgegi2o98srlbj0lwzjeeb84cfx0y পাতা:চন্দ্রমুখীর পুথী - মুহম্মদ খলিল (১৮৭৭).pdf/৮ 104 878554 1943762 2026-04-17T21:20:05Z MS Sakib 11728 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */ 1943762 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="MS Sakib" />{{rvh||❁ ৪ ❁}}</noinclude>{{center|<poem>❁ পইআর ছন্দ ❁</poem>}} {{Block center|<poem>ꠄꠁꠝꠔꠦ ꠇꠣꠘ꠆ꠖꠦ ꠇꠥꠝꠣꠞ ꠈꠣꠁꠀ ꠙꠦꠞꠝ ꠍꠦꠟ ॥ ꠌꠘ꠆ꠖꠞꠝꠥꠈꠤ ꠙꠞꠣꠘꠦꠞꠡ꠆ꠛꠞꠤ ꠖꠥꠈ ꠖꠤꠀ ꠉꠦꠟ ❁ ꠖꠦꠢ ꠡꠥꠁꠘ ꠇꠞꠤ ꠝꠞ ꠟꠁꠀ ꠉꠦꠟ ꠙꠞꠣꠘ ॥ ꠝꠘꠦꠔ ꠞꠣꠈꠤꠀ ꠉꠦꠟ ꠉꠥꠟꠣꠙꠦꠞ ꠛꠣꠘ ❁ ꠛꠘ꠆ꠖꠥꠉꠘꠦ ꠛꠥꠟꠦ ꠡꠥꠘ ꠞꠣꠎꠣꠞ ꠇꠥꠝꠣꠞ ॥ ꠙꠣꠁꠛꠣꠄ ꠌꠘ꠆ꠖꠞꠝꠥꠈꠤ ꠘꠣ ꠜꠣꠛꠤꠅ ꠀꠞ ❁ ꠝꠞꠦ ꠇꠦꠘꠦ ꠛꠘ꠆ꠖꠥꠉꠘꠦ ꠝꠤꠍꠣ {{SIC|ꠇꠗꠣ|ꠇꠕꠣ}} ꠇꠄ ॥ ꠀꠙꠘꠦ ꠡꠦ ꠖꠣꠖꠤ ꠢꠁꠀ ꠝꠞꠦ ꠖꠥꠈ ꠖꠤꠄ ❁ ꠎꠉꠝꠜꠞꠦ ꠛꠥꠟꠦ ꠡꠥꠘ ꠡꠥꠘ ꠞꠣꠎꠣꠞ ꠇꠥꠝꠣꠞ ॥ ꠙꠣꠁꠛꠣꠄ ꠌꠘ꠆ꠖꠞꠝꠥꠈꠤ ꠘꠣ ꠜꠣꠛꠤꠅ ꠀꠞ ❁ ꠡꠦꠁ ꠖꠦꠡꠦ ꠌꠟ ꠔꠥꠝꠤ ꠇꠞꠤꠀ ꠉꠝꠘ ॥ ꠌꠘ꠆ꠖꠞꠝꠥꠈꠤꠞ ꠡꠘꠦ ꠔꠥꠝꠣꠞ ꠢꠁꠛ ꠖꠞꠡꠘ ❁ ꠇꠥꠝꠣꠞꠦ ꠛꠥꠟꠦ ꠡꠥꠘ ꠙꠞꠣꠘꠦꠞ ꠛꠘ꠆ꠖꠥꠉꠘ ॥ ꠇꠤ ꠛꠥꠟꠤꠀ {{SIC|ꠇꠗꠣꠄ|ꠇꠕꠣꠄ}} ꠎꠣꠁꠝꠥ ꠛꠥꠟ ꠄ ꠛꠌꠘ ❁ ꠙꠘ꠆ꠔꠦꠞ ꠃꠖꠦꠡ ꠇꠞ ꠃꠎꠤꠞꠦꠞ ꠇꠥꠝꠣꠞ ॥ ꠀꠉꠦ ꠢꠁꠀ ꠌꠟ ꠔꠥꠝꠤ ꠡꠢꠤꠔꠦ ꠀꠝꠣꠞ ❁ ꠇꠔꠦꠇ ꠖꠤꠛꠡ ꠉꠦꠟ ꠎꠣꠁꠔꠦ ꠎꠣꠁꠔꠦ ॥ ꠖꠦꠈꠤꠟ ꠃꠔ꠆ꠔꠝ ꠡꠢꠞ ꠅꠔꠤ ꠝꠘꠥꠢꠞ ❁ ꠙꠞꠔꠤ ꠛꠣꠠꠤ ꠐꠋꠉꠤ ꠡꠛ ꠡꠣꠞꠤ ꠡꠣꠞꠤ ꠊꠞ ॥ ꠖꠥꠈ ꠡꠥꠈ ꠝꠘ ꠌꠤꠘ꠆ꠔꠣ ꠇꠤꠍꠥ ꠘꠣꠁ ꠜꠄ ❁ ꠙꠞꠔꠤ ꠛꠣꠠꠤ ꠞꠋꠉ ꠉꠤꠔ ꠡꠖꠣꠁ ꠡꠥꠘꠄ ॥ </poem>}}<noinclude></noinclude> gao7r8un951h1c4yzhupbjkweff64uj 1943763 1943762 2026-04-17T21:20:34Z MS Sakib 11728 1943763 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="MS Sakib" />{{rvh||❁ ৪ ❁}}</noinclude>{{center|<poem>❁ ꠙꠁꠀꠞ ꠍꠘ꠆ꠖ ❁</poem>}} {{Block center|<poem>ꠄꠁꠝꠔꠦ ꠇꠣꠘ꠆ꠖꠦ ꠇꠥꠝꠣꠞ ꠈꠣꠁꠀ ꠙꠦꠞꠝ ꠍꠦꠟ ॥ ꠌꠘ꠆ꠖꠞꠝꠥꠈꠤ ꠙꠞꠣꠘꠦꠞꠡ꠆ꠛꠞꠤ ꠖꠥꠈ ꠖꠤꠀ ꠉꠦꠟ ❁ ꠖꠦꠢ ꠡꠥꠁꠘ ꠇꠞꠤ ꠝꠞ ꠟꠁꠀ ꠉꠦꠟ ꠙꠞꠣꠘ ॥ ꠝꠘꠦꠔ ꠞꠣꠈꠤꠀ ꠉꠦꠟ ꠉꠥꠟꠣꠙꠦꠞ ꠛꠣꠘ ❁ ꠛꠘ꠆ꠖꠥꠉꠘꠦ ꠛꠥꠟꠦ ꠡꠥꠘ ꠞꠣꠎꠣꠞ ꠇꠥꠝꠣꠞ ॥ ꠙꠣꠁꠛꠣꠄ ꠌꠘ꠆ꠖꠞꠝꠥꠈꠤ ꠘꠣ ꠜꠣꠛꠤꠅ ꠀꠞ ❁ ꠝꠞꠦ ꠇꠦꠘꠦ ꠛꠘ꠆ꠖꠥꠉꠘꠦ ꠝꠤꠍꠣ {{SIC|ꠇꠗꠣ|ꠇꠕꠣ}} ꠇꠄ ॥ ꠀꠙꠘꠦ ꠡꠦ ꠖꠣꠖꠤ ꠢꠁꠀ ꠝꠞꠦ ꠖꠥꠈ ꠖꠤꠄ ❁ ꠎꠉꠝꠜꠞꠦ ꠛꠥꠟꠦ ꠡꠥꠘ ꠡꠥꠘ ꠞꠣꠎꠣꠞ ꠇꠥꠝꠣꠞ ॥ ꠙꠣꠁꠛꠣꠄ ꠌꠘ꠆ꠖꠞꠝꠥꠈꠤ ꠘꠣ ꠜꠣꠛꠤꠅ ꠀꠞ ❁ ꠡꠦꠁ ꠖꠦꠡꠦ ꠌꠟ ꠔꠥꠝꠤ ꠇꠞꠤꠀ ꠉꠝꠘ ॥ ꠌꠘ꠆ꠖꠞꠝꠥꠈꠤꠞ ꠡꠘꠦ ꠔꠥꠝꠣꠞ ꠢꠁꠛ ꠖꠞꠡꠘ ❁ ꠇꠥꠝꠣꠞꠦ ꠛꠥꠟꠦ ꠡꠥꠘ ꠙꠞꠣꠘꠦꠞ ꠛꠘ꠆ꠖꠥꠉꠘ ॥ ꠇꠤ ꠛꠥꠟꠤꠀ {{SIC|ꠇꠗꠣꠄ|ꠇꠕꠣꠄ}} ꠎꠣꠁꠝꠥ ꠛꠥꠟ ꠄ ꠛꠌꠘ ❁ ꠙꠘ꠆ꠔꠦꠞ ꠃꠖꠦꠡ ꠇꠞ ꠃꠎꠤꠞꠦꠞ ꠇꠥꠝꠣꠞ ॥ ꠀꠉꠦ ꠢꠁꠀ ꠌꠟ ꠔꠥꠝꠤ ꠡꠢꠤꠔꠦ ꠀꠝꠣꠞ ❁ ꠇꠔꠦꠇ ꠖꠤꠛꠡ ꠉꠦꠟ ꠎꠣꠁꠔꠦ ꠎꠣꠁꠔꠦ ॥ ꠖꠦꠈꠤꠟ ꠃꠔ꠆ꠔꠝ ꠡꠢꠞ ꠅꠔꠤ ꠝꠘꠥꠢꠞ ❁ ꠙꠞꠔꠤ ꠛꠣꠠꠤ ꠐꠋꠉꠤ ꠡꠛ ꠡꠣꠞꠤ ꠡꠣꠞꠤ ꠊꠞ ॥ ꠖꠥꠈ ꠡꠥꠈ ꠝꠘ ꠌꠤꠘ꠆ꠔꠣ ꠇꠤꠍꠥ ꠘꠣꠁ ꠜꠄ ❁ ꠙꠞꠔꠤ ꠛꠣꠠꠤ ꠞꠋꠉ ꠉꠤꠔ ꠡꠖꠣꠁ ꠡꠥꠘꠄ ॥ </poem>}}<noinclude></noinclude> bxf1o075yto1081ypfn5ovr5fstv8xe ব্যবহারকারী:Babulbaishya/খেলাঘর 2 878555 1943770 2026-04-18T03:52:23Z Babulbaishya 2144 "* Fraction Template: [[টেমপ্লেট:Sfrac]]" দিয়ে পাতা তৈরি 1943770 wikitext text/x-wiki * Fraction Template: [[টেমপ্লেট:Sfrac]] ijmsn76s9z9ynrpe0nwnada2k8qixh9 আমেরিকার স্বাধীনতা/যুক্তরাজ্য প্রতিষ্ঠা 0 878556 1943774 2026-04-18T04:23:07Z Babulbaishya 2144 "<pages index="আমেরিকার স্বাধীনতা - নিশিকান্ত গাঙ্গুলী (১৯২৩).pdf" from=163 to=169 header=1/>" দিয়ে পাতা তৈরি 1943774 wikitext text/x-wiki <pages index="আমেরিকার স্বাধীনতা - নিশিকান্ত গাঙ্গুলী (১৯২৩).pdf" from=163 to=169 header=1/> 0ofkwaovtiji18g3h0iakalzj3f88n0 নির্ঘণ্ট:পূর্ব পাকিস্তানে কৃষি.pdf 102 878557 1943775 2026-04-18T04:29:53Z ROCKY 2687 তৈরি 1943775 proofread-index text/x-wiki {{:MediaWiki:Proofreadpage_index_template |wikidata_item=Q139408936 |Title= |Subtitle= |Volume= |Issue= |Edition= |Author= |Foreword_Author= |Translator= |Editor= |Illustrator= |Publisher= |Address= |Printer= |Year= |Source=pdf |Image=1 |Progress=X |Pages=<pagelist /> |Volumes= |Remarks= |Notes={{PPL}} |Header= |Footer= }} nqrq3g0mnsx1i5a4rmberbjzwoz4f1f 1943776 1943775 2026-04-18T04:44:37Z ROCKY 2687 1943776 proofread-index text/x-wiki {{:MediaWiki:Proofreadpage_index_template |wikidata_item=Q139408936 |Title= |Subtitle= |Volume= |Issue= |Edition= |Author= |Foreword_Author= |Translator= |Editor= |Illustrator= |Publisher= |Address= |Printer= |Year= |Source=pdf |Image=1 |Progress=OCR |Pages=<pagelist 1="প্রচ্ছদ" 2="চিত্র" 3="1" 7to8="চিত্র" 9="5" 13to16="চিত্র" 17="9" 21to22="চিত্র" 23="13" 27="চিত্র" 28="প্রচ্ছদ" /> |Volumes= |Remarks= |Notes={{PPL}} |Header= |Footer= }} 6t9wfolvaxt61xe1vnugevmm92h31n9 পাতা:পূর্ব পাকিস্তানে কৃষি.pdf/৯ 104 878558 1943777 2026-04-18T05:09:17Z Tahmid 6186 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */ 1943777 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Tahmid" /></noinclude>{{কেন্দ্র|{{larger|'''ভূমি-বন্টন সংস্কার'''}}}} {{ফাঁক}}কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধির দিক থেকে ভূমি-ব্যবস্থার সংস্কার অনেককাল থেকেই একটি মৌলিক প্রয়োজন বলে গণ্য ছিল। এই সংস্কার ব্যাপারে পূর্ব পাকিস্তানই অগ্রণী হয়ে ১৯৫১ সালে আইন পাশ করে এবং ১৯৫৬ সালে তা কার্যকরী করে। বিপ্লবী সরকার ক্ষমতাসীন হওয়ার পর পশ্চিম পাকিস্তানেও এই অতিপ্রয়োজনীয় সংস্কার-কার্য সমাধা করেন। পূর্ব পাকিস্তানে ১৯৫১ সালের 'এষ্টেট এ্যাকুইজিশন' আইনটি সংশোধিত করে সর্বোচ্চ মালিকানার পরিমাণ ১১০ একরে আনা হয়। এতে চার লক্ষ একর জমি সরকার উদ্ধার করতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে। ১৯৬১-৬২ সালের মধ্যে ৩.৩ লক্ষ একর উদ্ধার করা হয়েছে এবং অন্য সমস্ত জমির মালিক ও সরকারের মধ্যেকার মধ্যস্বত্ব সরকার নিজের আয়ত্তে এনেছেন। পূর্ব পাকিস্তানের আইনে জমি একত্রীকরণের (Consolidation of holding) ধারাও আছে। এই ধারার প্রয়োগ দ্বারা জমির ক্ষতিকর খণ্ড বিখণ্ডকরণ প্রক্রিয়ার গতিরোধ করা সম্ভব হবে। {{কেন্দ্র|{{larger|'''খাদ্য ও কৃষি কমিশন'''}}}} {{ফাঁক}}কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধির নানাবিধ সমস্যা সমাধানের পথা নির্দেশের জন্য বিপ্লবী সরকার ১৯৫৯ সালের মাঝামাঝি একটি 'খাদ্য ও কৃষি কমিশন' নিয়োগ করেন। বিশ্ব ব্যাংক ও জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংগঠন শাখার একজন বিশেষজ্ঞ এই কমিশনের উপদেষ্টা হিসাবে সাহায্য করেন। ১৯৬০ সালের শেষ দিকে এই কমিশন চূড়ান্ত রিপোর্ট পেশ করেন। সরকার এই রিপোর্টের অধিকাংশ সুপারিশই গ্রহণ এবং কার্যকরী করেছেন। {{ফাঁক}}এই কমিশন সমস্যাটিকে পাঁচটি আঞ্চলিক ভাগে ভাগ করে বিচার করেছেন; যেমন, বর্তমান আবাদী জমি, নতুন কলোনী গঠনের জমি, গোচারণ জমি, পার্বত্য জমি এবং বিশিষ্ট জমি। পূর্ব পাকিস্তানের ক্ষেত্রে বর্তমান আবাদী জমির বিবেচনাই সবচেয়ে বেশী বর্তমান আবাদী জমি অঞ্চলের জন্যে কমিশন দুই শ্রেণীর পদ্ধতিসমন্বয় অন,মোদন করেছেন—(ক) যে সব পদ্ধতি বর্তমান ভূমি ব্যবহার ধারাকে অব্যাহত রেখে অবলম্বন করা চলে, এবং (খ) যে সব পদ্ধতি প্রয়োগ বর্তমান ভূমিব্যবহার ধারার পরিবর্তনের ওপর নির্ভরশীল। প্রথম শ্রেণীর পদ্ধতিসমন্বয়ে কমিশন পাঁচটি প্রয়োগের উল্লেখ করেছেন—উত্তমবীজ, কৃত্রিম সার, শস্যের প্রতিরক্ষা, উৎকৃষ্ট জমিকর্ষণ এবং স্বল্পমেয়াদী ও মাঝারীমেয়াদী ঋণ। এই পাঁচটি প্রয়োগকে “প্রথম পাঁচ” আখ্যা দেওয়া হয়েছে। (১) উত্তমরীজ—উত্তমবীজ প্রয়োগের তাৎপর্য হলো, প্রধানতঃ জমির উপযোগিতা অনসারে উৎকৃষ্ট ধরণের শস্য উৎপাদন।<noinclude>{{rh|||৫}}</noinclude> s1ojlogspzl7c59ft5z8p3imkc1x4qp 1943778 1943777 2026-04-18T05:09:49Z Tahmid 6186 1943778 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Tahmid" /></noinclude>{{কেন্দ্র|{{larger|'''ভূমি-বন্টন সংস্কার'''}}}} {{ফাঁক}}কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধির দিক থেকে ভূমি-ব্যবস্থার সংস্কার অনেককাল থেকেই একটি মৌলিক প্রয়োজন বলে গণ্য ছিল। এই সংস্কার ব্যাপারে পূর্ব পাকিস্তানই অগ্রণী হয়ে ১৯৫১ সালে আইন পাশ করে এবং ১৯৫৬ সালে তা কার্যকরী করে। বিপ্লবী সরকার ক্ষমতাসীন হওয়ার পর পশ্চিম পাকিস্তানেও এই অতিপ্রয়োজনীয় সংস্কার-কার্য সমাধা করেন। পূর্ব পাকিস্তানে ১৯৫১ সালের 'এষ্টেট এ্যাকুইজিশন' আইনটি সংশোধিত করে সর্বোচ্চ মালিকানার পরিমাণ ১১০ একরে আনা হয়। এতে চার লক্ষ একর জমি সরকার উদ্ধার করতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে। ১৯৬১-৬২ সালের মধ্যে ৩.৩ লক্ষ একর উদ্ধার করা হয়েছে এবং অন্য সমস্ত জমির মালিক ও সরকারের মধ্যেকার মধ্যস্বত্ব সরকার নিজের আয়ত্তে এনেছেন। পূর্ব পাকিস্তানের আইনে জমি একত্রীকরণের (Consolidation of holding) ধারাও আছে। এই ধারার প্রয়োগ দ্বারা জমির ক্ষতিকর খণ্ড বিখণ্ডকরণ প্রক্রিয়ার গতিরোধ করা সম্ভব হবে। {{কেন্দ্র|{{larger|'''খাদ্য ও কৃষি কমিশন'''}}}} {{ফাঁক}}কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধির নানাবিধ সমস্যা সমাধানের পথা নির্দেশের জন্য বিপ্লবী সরকার ১৯৫৯ সালের মাঝামাঝি একটি 'খাদ্য ও কৃষি কমিশন' নিয়োগ করেন। বিশ্ব ব্যাংক ও জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংগঠন শাখার একজন বিশেষজ্ঞ এই কমিশনের উপদেষ্টা হিসাবে সাহায্য করেন। ১৯৬০ সালের শেষ দিকে এই কমিশন চূড়ান্ত রিপোর্ট পেশ করেন। সরকার এই রিপোর্টের অধিকাংশ সুপারিশই গ্রহণ এবং কার্যকরী করেছেন। {{ফাঁক}}এই কমিশন সমস্যাটিকে পাঁচটি আঞ্চলিক ভাগে ভাগ করে বিচার করেছেন; যেমন, বর্তমান আবাদী জমি, নতুন কলোনী গঠনের জমি, গোচারণ জমি, পার্বত্য জমি এবং বিশিষ্ট জমি। পূর্ব পাকিস্তানের ক্ষেত্রে বর্তমান আবাদী জমির বিবেচনাই সবচেয়ে বেশী বর্তমান আবাদী জমি অঞ্চলের জন্যে কমিশন দুই শ্রেণীর পদ্ধতিসমন্বয় অন,মোদন করেছেন—(ক) যে সব পদ্ধতি বর্তমান ভূমি ব্যবহার ধারাকে অব্যাহত রেখে অবলম্বন করা চলে, এবং (খ) যে সব পদ্ধতি প্রয়োগ বর্তমান ভূমিব্যবহার ধারার পরিবর্তনের ওপর নির্ভরশীল। প্রথম শ্রেণীর পদ্ধতিসমন্বয়ে কমিশন পাঁচটি প্রয়োগের উল্লেখ করেছেন—উত্তমবীজ, কৃত্রিম সার, শস্যের প্রতিরক্ষা, উৎকৃষ্ট জমিকর্ষণ এবং স্বল্পমেয়াদী ও মাঝারীমেয়াদী ঋণ। এই পাঁচটি প্রয়োগকে “প্রথম পাঁচ” আখ্যা দেওয়া হয়েছে। {{ফাঁক}}(১) উত্তমবীজ—উত্তমবীজ প্রয়োগের তাৎপর্য হলো, প্রধানতঃ জমির উপযোগিতা অনসারে উৎকৃষ্ট ধরণের শস্য উৎপাদন।<noinclude>{{rh|||৫}}</noinclude> by0qdg1vj5o0wt1h0yhxvpqklrlubr7 1943779 1943778 2026-04-18T05:11:03Z Tahmid 6186 1943779 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Tahmid" /></noinclude>{{কেন্দ্র|{{larger|'''ভূমি-বন্টন সংস্কার'''}}}} {{ফাঁক}}কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধির দিক থেকে ভূমি-ব্যবস্থার সংস্কার অনেককাল থেকেই একটি মৌলিক প্রয়োজন বলে গণ্য ছিল। এই সংস্কার ব্যাপারে পূর্ব পাকিস্তানই অগ্রণী হয়ে ১৯৫১ সালে আইন পাশ করে এবং ১৯৫৬ সালে তা কার্যকরী করে। বিপ্লবী সরকার ক্ষমতাসীন হওয়ার পর পশ্চিম পাকিস্তানেও এই অতিপ্রয়োজনীয় সংস্কার-কার্য সমাধা করেন। পূর্ব পাকিস্তানে ১৯৫১ সালের 'এষ্টেট এ্যাকুইজিশন' আইনটি সংশোধিত করে সর্বোচ্চ মালিকানার পরিমাণ ১১০ একরে আনা হয়। এতে চার লক্ষ একর জমি সরকার উদ্ধার করতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে। ১৯৬১-৬২ সালের মধ্যে ৩.৩ লক্ষ একর উদ্ধার করা হয়েছে এবং অন্য সমস্ত জমির মালিক ও সরকারের মধ্যেকার মধ্যস্বত্ব সরকার নিজের আয়ত্তে এনেছেন। পূর্ব পাকিস্তানের আইনে জমি একত্রীকরণের (Consolidation of holding) ধারাও আছে। এই ধারার প্রয়োগ দ্বারা জমির ক্ষতিকর খণ্ড বিখণ্ডকরণ প্রক্রিয়ার গতিরোধ করা সম্ভব হবে। {{কেন্দ্র|{{larger|'''খাদ্য ও কৃষি কমিশন'''}}}} {{ফাঁক}}কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধির নানাবিধ সমস্যা সমাধানের পথা নির্দেশের জন্য বিপ্লবী সরকার ১৯৫৯ সালের মাঝামাঝি একটি 'খাদ্য ও কৃষি কমিশন' নিয়োগ করেন। বিশ্ব ব্যাংক ও জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংগঠন শাখার একজন বিশেষজ্ঞ এই কমিশনের উপদেষ্টা হিসাবে সাহায্য করেন। ১৯৬০ সালের শেষ দিকে এই কমিশন চূড়ান্ত রিপোর্ট পেশ করেন। সরকার এই রিপোর্টের অধিকাংশ সুপারিশই গ্রহণ এবং কার্যকরী করেছেন। {{ফাঁক}}এই কমিশন সমস্যাটিকে পাঁচটি আঞ্চলিক ভাগে ভাগ করে বিচার করেছেন; যেমন, বর্তমান আবাদী জমি, নতুন কলোনী গঠনের জমি, গোচারণ জমি, পার্বত্য জমি এবং বিশিষ্ট জমি। পূর্ব পাকিস্তানের ক্ষেত্রে বর্তমান আবাদী জমির বিবেচনাই সবচেয়ে বেশী বর্তমান আবাদী জমি অঞ্চলের জন্যে কমিশন দুই শ্রেণীর পদ্ধতিসমন্বয় অন,মোদন করেছেন—(ক) যে সব পদ্ধতি বর্তমান ভূমি ব্যবহার ধারাকে অব্যাহত রেখে অবলম্বন করা চলে, এবং (খ) যে সব পদ্ধতি প্রয়োগ বর্তমান ভূমিব্যবহার ধারার পরিবর্তনের ওপর নির্ভরশীল। প্রথম শ্রেণীর পদ্ধতিসমন্বয়ে কমিশন পাঁচটি প্রয়োগের উল্লেখ করেছেন—উত্তমবীজ, কৃত্রিম সার, শস্যের প্রতিরক্ষা, উৎকৃষ্ট জমিকর্ষণ এবং স্বল্পমেয়াদী ও মাঝারীমেয়াদী ঋণ। এই পাঁচটি প্রয়োগকে “প্রথম পাঁচ” আখ্যা দেওয়া হয়েছে। {{ফাঁক}}(১) উত্তমবীজ—উত্তমবীজ প্রয়োগের তাৎপর্য হলো, প্রধানতঃ জমির উপযোগিতা অনসারে উৎকৃষ্ট ধরণের শস্য উৎপাদন। {{nop}}<noinclude>{{rh|||৫}}</noinclude> 10geevfxyi4lzh2h7kgihrv8mxk1qe9 1943785 1943779 2026-04-18T05:18:01Z Tahmid 6186 1943785 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Tahmid" /></noinclude>{{কেন্দ্র|{{larger|'''ভূমি-বন্টন সংস্কার'''}}}} {{ফাঁক}}কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধির দিক থেকে ভূমি-ব্যবস্থার সংস্কার অনেককাল থেকেই একটি মৌলিক প্রয়োজন বলে গণ্য ছিল। এই সংস্কার ব্যাপারে পূর্ব পাকিস্তানই অগ্রণী হয়ে ১৯৫১ সালে আইন পাশ করে এবং ১৯৫৬ সালে তা কার্যকরী করে। বিপ্লবী সরকার ক্ষমতাসীন হওয়ার পর পশ্চিম পাকিস্তানেও এই অতিপ্রয়োজনীয় সংস্কার-কার্য সমাধা করেন। পূর্ব পাকিস্তানে ১৯৫১ সালের 'এষ্টেট এ্যাকুইজিশন' আইনটি সংশোধিত করে সর্বোচ্চ মালিকানার পরিমাণ ১১০ একরে আনা হয়। এতে চার লক্ষ একর জমি সরকার উদ্ধার করতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে। ১৯৬১-৬২ সালের মধ্যে ৩.৩ লক্ষ একর উদ্ধার করা হয়েছে এবং অন্য সমস্ত জমির মালিক ও সরকারের মধ্যেকার মধ্যস্বত্ব সরকার নিজের আয়ত্তে এনেছেন। পূর্ব পাকিস্তানের আইনে জমি একত্রীকরণের (Consolidation of holding) ধারাও আছে। এই ধারার প্রয়োগ দ্বারা জমির ক্ষতিকর খণ্ড বিখণ্ডকরণ প্রক্রিয়ার গতিরোধ করা সম্ভব হবে। {{কেন্দ্র|{{larger|'''খাদ্য ও কৃষি কমিশন'''}}}} {{ফাঁক}}কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধির নানাবিধ সমস্যা সমাধানের পথা নির্দেশের জন্য বিপ্লবী সরকার ১৯৫৯ সালের মাঝামাঝি একটি 'খাদ্য ও কৃষি কমিশন' নিয়োগ করেন। বিশ্ব ব্যাংক ও জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংগঠন শাখার একজন বিশেষজ্ঞ এই কমিশনের উপদেষ্টা হিসাবে সাহায্য করেন। ১৯৬০ সালের শেষ দিকে এই কমিশন চূড়ান্ত রিপোর্ট পেশ করেন। সরকার এই রিপোর্টের অধিকাংশ সুপারিশই গ্রহণ এবং কার্যকরী করেছেন। {{ফাঁক}}এই কমিশন সমস্যাটিকে পাঁচটি আঞ্চলিক ভাগে ভাগ করে বিচার করেছেন; যেমন, বর্তমান আবাদী জমি, নতুন কলোনী গঠনের জমি, গোচারণ জমি, পার্বত্য জমি এবং বিশিষ্ট জমি। পূর্ব পাকিস্তানের ক্ষেত্রে বর্তমান আবাদী জমির বিবেচনাই সবচেয়ে বেশী বর্তমান আবাদী জমি অঞ্চলের জন্যে কমিশন দুই শ্রেণীর পদ্ধতিসমন্বয় অন,মোদন করেছেন—(ক) যে সব পদ্ধতি বর্তমান ভূমি ব্যবহার ধারাকে অব্যাহত রেখে অবলম্বন করা চলে, এবং (খ) যে সব পদ্ধতি প্রয়োগ বর্তমান ভূমিব্যবহার ধারার পরিবর্তনের ওপর নির্ভরশীল। প্রথম শ্রেণীর পদ্ধতিসমন্বয়ে কমিশন পাঁচটি প্রয়োগের উল্লেখ করেছেন—উত্তমবীজ, কৃত্রিম সার, শস্যের প্রতিরক্ষা, উৎকৃষ্ট জমিকর্ষণ এবং স্বল্পমেয়াদী ও মাঝারীমেয়াদী ঋণ। এই পাঁচটি প্রয়োগকে “প্রথম পাঁচ” আখ্যা দেওয়া হয়েছে। {{ফাঁক}}(১) '''উত্তমবীজ'''—উত্তমবীজ প্রয়োগের তাৎপর্য হলো, প্রধানতঃ জমির উপযোগিতা অনসারে উৎকৃষ্ট ধরণের শস্য উৎপাদন। {{nop}}<noinclude>{{rh|||৫}}</noinclude> fuml94cjy12y3bwk3hd5z4o7ckaxy0g পাতা:পূর্ব পাকিস্তানে কৃষি.pdf/৩ 104 878559 1943780 2026-04-18T05:12:18Z ROCKY 2687 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */ 1943780 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="ROCKY" /></noinclude>{{dhr|5em}} {{larger|পূর্ব পাকিস্তানের কৃষি }} {{ফাঁক}}পাকিস্তানের অর্থনীতিতে কৃষির প্রাধান্য অত্যন্ত সুস্পষ্ট। আমাদের জাতীয় বিশেষ আয়ের অর্ধেকের বেশী পরিমাণ এখনও কৃষি থেকেই আসে। বিশেষ ক'রে পূর্ব-পাকিস্তানের আঞ্চলিক আয়ে কৃষির অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কাজেই কৃষির উন্নয়ন এই অঞ্চলের সাধারণ উন্নয়নের প্রধান অবলম্বন। {{ফাঁক}}কৃষির মৌলিক উপাদান হলো জমি। জমিতে শ্রম ও যথোপযোগী পাজি প্রয়োগ করেই কৃষির উন্নয়ন প্রচেষ্টা। জনসংখ্যা ও পল্লী অঞ্চলের অধিবাসীর সংখ্যা থেকেই বুঝা যায় আমাদের চাষীরও অভাব নেই, কৃষির জন্যে শ্রমেরও অভাব নেই। কাজেই জমি ও পাজি সমস্যাই কৃষি উন্নয়নের ব্যাপারে বিশেষ মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। {{ফাঁক}}১৯৬১ সালের শুমারী থেকে জানা যায়, সারা দেশের ১৫.১ শতাংশ জমি পূর্ব পাকিস্তানের অন্তর্গত; অথচ এই স্বল্প পরিমাণ জমির ওপর নির্ভর করে সারা দেশের মোট জনসংখ্যার ৫৪.২ শতাংশ। পূর্ব পাকিস্তানের মোটামুটি ৫৫০০০ বর্গ মাইল আয়তনের ৩,২০৫ মাইল (অর্থাৎ ৫.৮ শতাংশ) নদীর গর্ভে। এ প্রদেশের সাধারণ জনবসতি প্রতি বর্গমাইলে ৯২২; নদীগর্ভস্থ আয়তন বাদ দিলে এই জনবসতি দাঁড়ায় ৯৭৯। ঢাকা জেলা জনবসতিতে শীর্ষস্থান অধিকার করেছে; এই জেলার সাধারণ জনবসতি প্রতি বর্গমাইলে ১৭৬৯ এবং নদী-গর্ভস্থ আয়তন বাদ দিলে ১৯০৯। প্রদেশের বেশীর ভাগ অঞ্চলই ঘন জনবসতির আওতায় পড়ে। মোট জনসংখ্যার ৭২ শতাংশই প্রতি বর্গমাইলে সহস্রাধিক জনবসতির অঞ্চলগলিতে বাস করে। অথচ নাগরিক অধিবাসীর সংখ্যা খুব বেশী নয়। ১৯৬১ সালের আদম শুমারীতে মোট ৫ কোটি ৮ লক্ষ অধিবাসীর মধ্যে মাত্র ২৬ লক্ষ অধিবাসীকে (অর্থাৎ ৫.২ শতাংশ) নগরের অধিবাসী বলে হিসাব<noinclude></noinclude> 8673ar596ri8of2yk8wamyfu1hi20dy 1943781 1943780 2026-04-18T05:13:46Z ROCKY 2687 1943781 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="ROCKY" /></noinclude>{{dhr|5em}} {{কেন্দ্র|{{larger|পূর্ব পাকিস্তানের কৃষি }}}} {{ফাঁক}}পাকিস্তানের অর্থনীতিতে কৃষির প্রাধান্য অত্যন্ত সুস্পষ্ট। আমাদের জাতীয় বিশেষ আয়ের অর্ধেকের বেশী পরিমাণ এখনও কৃষি থেকেই আসে। বিশেষ ক'রে পূর্ব-পাকিস্তানের আঞ্চলিক আয়ে কৃষির অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কাজেই কৃষির উন্নয়ন এই অঞ্চলের সাধারণ উন্নয়নের প্রধান অবলম্বন। {{ফাঁক}}কৃষির মৌলিক উপাদান হলো জমি। জমিতে শ্রম ও যথোপযোগী পাজি প্রয়োগ করেই কৃষির উন্নয়ন প্রচেষ্টা। জনসংখ্যা ও পল্লী অঞ্চলের অধিবাসীর সংখ্যা থেকেই বুঝা যায় আমাদের চাষীরও অভাব নেই, কৃষির জন্যে শ্রমেরও অভাব নেই। কাজেই জমি ও পাজি সমস্যাই কৃষি উন্নয়নের ব্যাপারে বিশেষ মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। {{ফাঁক}}১৯৬১ সালের শুমারী থেকে জানা যায়, সারা দেশের ১৫.১ শতাংশ জমি পূর্ব পাকিস্তানের অন্তর্গত; অথচ এই স্বল্প পরিমাণ জমির ওপর নির্ভর করে সারা দেশের মোট জনসংখ্যার ৫৪.২ শতাংশ। পূর্ব পাকিস্তানের মোটামুটি ৫৫০০০ বর্গ মাইল আয়তনের ৩,২০৫ মাইল (অর্থাৎ ৫.৮ শতাংশ) নদীর গর্ভে। এ প্রদেশের সাধারণ জনবসতি প্রতি বর্গমাইলে ৯২২; নদীগর্ভস্থ আয়তন বাদ দিলে এই জনবসতি দাঁড়ায় ৯৭৯। ঢাকা জেলা জনবসতিতে শীর্ষস্থান অধিকার করেছে; এই জেলার সাধারণ জনবসতি প্রতি বর্গমাইলে ১৭৬৯ এবং নদী-গর্ভস্থ আয়তন বাদ দিলে ১৯০৯। প্রদেশের বেশীর ভাগ অঞ্চলই ঘন জনবসতির আওতায় পড়ে। মোট জনসংখ্যার ৭২ শতাংশই প্রতি বর্গমাইলে সহস্রাধিক জনবসতির অঞ্চলগলিতে বাস করে। অথচ নাগরিক অধিবাসীর সংখ্যা খুব বেশী নয়। ১৯৬১ সালের আদম শুমারীতে মোট ৫ কোটি ৮ লক্ষ অধিবাসীর মধ্যে মাত্র ২৬ লক্ষ অধিবাসীকে (অর্থাৎ ৫.২ শতাংশ) নগরের অধিবাসী বলে হিসাব<noinclude></noinclude> dia4nzgai2tq9nk4k7s6flej7s0gcsc পাতা:পূর্ব পাকিস্তানে কৃষি.pdf/১০ 104 878560 1943782 2026-04-18T05:16:57Z Tahmid 6186 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */ 1943782 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Tahmid" /></noinclude>{{ফাঁক}}(২) '''কৃত্রিম সার'''—পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধির জন্যে কৃত্রিম সারের ব্যবহার জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। পাকিস্তানেও কয়েক বৎসরের মধ্যে কৃত্রিম সার ব্যবহারের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য গতিতে বৃদ্ধি পেয়েছে। অনুসন্ধান ও গবেষণায় জানা গেছে যে কৃত্রিম সার যথাযথ মাত্রায় প্রয়োগে ফসল গড়ে ৫০ শতাংশ বাড়ানো যেতে পারে। {{ফাঁক}}(৩) '''ফসল প্রতিরক্ষা (Plant protection)'''—কেন্দ্রীয় ফসল প্রতিরক্ষা বিভাগের অনসন্ধান ও জরিপ থেকে জানা গিয়েছে যে ফসল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সাহায্যে ধান, ইক্ষু, তুলা, আলু ইত্যাদি ফসলের এক বিরাট অংশকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করা যায়। সেজন্যেই কেন্দ্রীয় সরকার এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর জোর দিয়ে আসছেন। ১৯৫৪-৫৫ সালে মাত্র দুই লক্ষ একর জমিতে প্রতিরক্ষার ব্যবস্থা অবলম্বন করা হয়েছিল সেস্থলে ১৯৫৯-৬০ সালে এই প্রতিরক্ষাপ্রাপ্ত জমির পরিমাণ ১৩ লক্ষ একরে দাঁড়ায়। {{ফাঁক}}(৪) '''উৎকৃষ্ট জমিকর্ষণ'''—চলিত কৃষি পদ্ধতির অধীনেও উৎকৃষ্ট কর্ষণ ব্যবস্থা অবলম্বন করা যায়। এই ব্যবস্থায় বীজের জন্য জমির প্রস্তুতি, দুই ফসলের মধ্যবর্তী কালের প্রক্রিয়াদি এবং আগাছা নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি সাধারণ কৌশল ও বৈজ্ঞানিক চাষপ্রণালী ধরা যেতে পারে। {{ফাঁক}}(৫) '''স্বল্প ও মাঝারী ঋণ'''—আমাদের দেশে অধিকাংশ চাষীই অতি স্বল্প পরিমাণ জমির মালিক এবং সেজন্যই পাজিও তাদের নগণ্য। পাজির অভাবে চাষীরা নতুন পদ্ধতি অবলম্বন করে নতুন ব্যয়ের ঝাঁকি নিতে পারে না। কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধির পথে পাজির অভাব সেজন্যই একটি প্রধান অন্তরায়। ঋণদানের মাধ্যমেই এই সমস্যার সমাধান সম্ভব। {{ফাঁক}}কমিশন বর্তমান ভূমিব্যবহারধারার পরিবর্তনসাপেক্ষ যেসব নতুন পদ্ধতির কথা বলেছেন, তার মধ্যে জমির একত্রীকরণ, উন্নত ধরণের চাষ, যন্ত্রের সাহায্যে চাষাবাদ, পানিসেচব্যবস্থা ইত্যাদি প্রধান। {{ফাঁক}}ইতিপূর্বে আরোও বিশেষজ্ঞ কমিশন ও কমিটি কৃষির উন্নয়নের উদ্দেশ্যে নানাপ্রকার সাপারিশ করেছিলেন; কিন্তু সংগঠনী ব্যবস্থার অভাবে অনেক সাপারিশই কার্যকরী করা সম্ভব হয়নি। সেজন্যেই এই কমিশন সুপারিশ করেছেন, যাতে দুই প্রদেশে দুটি স্বতন্ত্র কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন স্থাপন করা হয়। কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী ১৯৬১ সালের নভেম্বর মাসে পূর্ব পাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন গঠিত হয়েছে। {{কেন্দ্র|'''ভূমি ব্যবহারধারা ও পরিবর্তন'''}} {{কাঁক}}দ্বিতীয় পাঁচসালা পরিকল্পনা অনুযায়ী পূর্ব পাকিস্তানের ভূমিব্যবহারধারা (Land use pattern) এরূপঃ{{nop}}<noinclude></noinclude> 9i9mpyqjksl1p673rs2cl3ss781w5qi 1943784 1943782 2026-04-18T05:17:26Z Tahmid 6186 1943784 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Tahmid" /></noinclude>{{ফাঁক}}(২) '''কৃত্রিম সার'''—পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধির জন্যে কৃত্রিম সারের ব্যবহার জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। পাকিস্তানেও কয়েক বৎসরের মধ্যে কৃত্রিম সার ব্যবহারের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য গতিতে বৃদ্ধি পেয়েছে। অনুসন্ধান ও গবেষণায় জানা গেছে যে কৃত্রিম সার যথাযথ মাত্রায় প্রয়োগে ফসল গড়ে ৫০ শতাংশ বাড়ানো যেতে পারে। {{ফাঁক}}(৩) '''ফসল প্রতিরক্ষা (Plant protection)'''—কেন্দ্রীয় ফসল প্রতিরক্ষা বিভাগের অনসন্ধান ও জরিপ থেকে জানা গিয়েছে যে ফসল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সাহায্যে ধান, ইক্ষু, তুলা, আলু ইত্যাদি ফসলের এক বিরাট অংশকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করা যায়। সেজন্যেই কেন্দ্রীয় সরকার এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর জোর দিয়ে আসছেন। ১৯৫৪-৫৫ সালে মাত্র দুই লক্ষ একর জমিতে প্রতিরক্ষার ব্যবস্থা অবলম্বন করা হয়েছিল সেস্থলে ১৯৫৯-৬০ সালে এই প্রতিরক্ষাপ্রাপ্ত জমির পরিমাণ ১৩ লক্ষ একরে দাঁড়ায়। {{ফাঁক}}(৪) '''উৎকৃষ্ট জমিকর্ষণ'''—চলিত কৃষি পদ্ধতির অধীনেও উৎকৃষ্ট কর্ষণ ব্যবস্থা অবলম্বন করা যায়। এই ব্যবস্থায় বীজের জন্য জমির প্রস্তুতি, দুই ফসলের মধ্যবর্তী কালের প্রক্রিয়াদি এবং আগাছা নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি সাধারণ কৌশল ও বৈজ্ঞানিক চাষপ্রণালী ধরা যেতে পারে। {{ফাঁক}}(৫) '''স্বল্প ও মাঝারী ঋণ'''—আমাদের দেশে অধিকাংশ চাষীই অতি স্বল্প পরিমাণ জমির মালিক এবং সেজন্যই পাজিও তাদের নগণ্য। পাজির অভাবে চাষীরা নতুন পদ্ধতি অবলম্বন করে নতুন ব্যয়ের ঝাঁকি নিতে পারে না। কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধির পথে পাজির অভাব সেজন্যই একটি প্রধান অন্তরায়। ঋণদানের মাধ্যমেই এই সমস্যার সমাধান সম্ভব। {{ফাঁক}}কমিশন বর্তমান ভূমিব্যবহারধারার পরিবর্তনসাপেক্ষ যেসব নতুন পদ্ধতির কথা বলেছেন, তার মধ্যে জমির একত্রীকরণ, উন্নত ধরণের চাষ, যন্ত্রের সাহায্যে চাষাবাদ, পানিসেচব্যবস্থা ইত্যাদি প্রধান। {{ফাঁক}}ইতিপূর্বে আরোও বিশেষজ্ঞ কমিশন ও কমিটি কৃষির উন্নয়নের উদ্দেশ্যে নানাপ্রকার সাপারিশ করেছিলেন; কিন্তু সংগঠনী ব্যবস্থার অভাবে অনেক সাপারিশই কার্যকরী করা সম্ভব হয়নি। সেজন্যেই এই কমিশন সুপারিশ করেছেন, যাতে দুই প্রদেশে দুটি স্বতন্ত্র কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন স্থাপন করা হয়। কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী ১৯৬১ সালের নভেম্বর মাসে পূর্ব পাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন গঠিত হয়েছে। {{কেন্দ্র|'''ভূমি ব্যবহারধারা ও পরিবর্তন'''}} {{ফাঁক}}দ্বিতীয় পাঁচসালা পরিকল্পনা অনুযায়ী পূর্ব পাকিস্তানের ভূমিব্যবহারধারা (Land use pattern) এরূপঃ{{nop}}<noinclude></noinclude> rosqxvoxf6x0rmpb5x8vlkh3ib3jvd9 1943786 1943784 2026-04-18T05:18:49Z Tahmid 6186 1943786 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Tahmid" /></noinclude>{{ফাঁক}}(২) '''কৃত্রিম সার'''—পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধির জন্যে কৃত্রিম সারের ব্যবহার জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। পাকিস্তানেও কয়েক বৎসরের মধ্যে কৃত্রিম সার ব্যবহারের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য গতিতে বৃদ্ধি পেয়েছে। অনুসন্ধান ও গবেষণায় জানা গেছে যে কৃত্রিম সার যথাযথ মাত্রায় প্রয়োগে ফসল গড়ে ৫০ শতাংশ বাড়ানো যেতে পারে। {{ফাঁক}}(৩) '''ফসল প্রতিরক্ষা (Plant protection)'''—কেন্দ্রীয় ফসল প্রতিরক্ষা বিভাগের অনসন্ধান ও জরিপ থেকে জানা গিয়েছে যে ফসল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সাহায্যে ধান, ইক্ষু, তুলা, আলু ইত্যাদি ফসলের এক বিরাট অংশকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করা যায়। সেজন্যেই কেন্দ্রীয় সরকার এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর জোর দিয়ে আসছেন। ১৯৫৪-৫৫ সালে মাত্র দুই লক্ষ একর জমিতে প্রতিরক্ষার ব্যবস্থা অবলম্বন করা হয়েছিল সেস্থলে ১৯৫৯-৬০ সালে এই প্রতিরক্ষাপ্রাপ্ত জমির পরিমাণ ১৩ লক্ষ একরে দাঁড়ায়। {{ফাঁক}}(৪) '''উৎকৃষ্ট জমিকর্ষণ'''—চলিত কৃষি পদ্ধতির অধীনেও উৎকৃষ্ট কর্ষণ ব্যবস্থা অবলম্বন করা যায়। এই ব্যবস্থায় বীজের জন্য জমির প্রস্তুতি, দুই ফসলের মধ্যবর্তী কালের প্রক্রিয়াদি এবং আগাছা নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি সাধারণ কৌশল ও বৈজ্ঞানিক চাষপ্রণালী ধরা যেতে পারে। {{ফাঁক}}(৫) '''স্বল্প ও মাঝারী ঋণ'''—আমাদের দেশে অধিকাংশ চাষীই অতি স্বল্প পরিমাণ জমির মালিক এবং সেজন্যই পাজিও তাদের নগণ্য। পাজির অভাবে চাষীরা নতুন পদ্ধতি অবলম্বন করে নতুন ব্যয়ের ঝাঁকি নিতে পারে না। কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধির পথে পাজির অভাব সেজন্যই একটি প্রধান অন্তরায়। ঋণদানের মাধ্যমেই এই সমস্যার সমাধান সম্ভব। {{ফাঁক}}কমিশন বর্তমান ভূমিব্যবহারধারার পরিবর্তনসাপেক্ষ যেসব নতুন পদ্ধতির কথা বলেছেন, তার মধ্যে জমির একত্রীকরণ, উন্নত ধরণের চাষ, যন্ত্রের সাহায্যে চাষাবাদ, পানিসেচব্যবস্থা ইত্যাদি প্রধান। {{ফাঁক}}ইতিপূর্বে আরোও বিশেষজ্ঞ কমিশন ও কমিটি কৃষির উন্নয়নের উদ্দেশ্যে নানাপ্রকার সাপারিশ করেছিলেন; কিন্তু সংগঠনী ব্যবস্থার অভাবে অনেক সাপারিশই কার্যকরী করা সম্ভব হয়নি। সেজন্যেই এই কমিশন সুপারিশ করেছেন, যাতে দুই প্রদেশে দুটি স্বতন্ত্র কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন স্থাপন করা হয়। কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী ১৯৬১ সালের নভেম্বর মাসে পূর্ব পাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন গঠিত হয়েছে। {{কেন্দ্র|{{larger|'''ভূমি ব্যবহারধারা ও পরিবর্তন'''}}}} {{ফাঁক}}দ্বিতীয় পাঁচসালা পরিকল্পনা অনুযায়ী পূর্ব পাকিস্তানের ভূমিব্যবহারধারা (Land use pattern) এরূপঃ{{nop}}<noinclude></noinclude> bywwz3fspbvuv5a1zpjp90on98y76w1 পাতা:পূর্ব পাকিস্তানে কৃষি.pdf/১৭ 104 878561 1943783 2026-04-18T05:17:21Z JIBON 20147 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ "শ্রেণীর বীজ উৎপাদন ও বিতরণের জন্যে কর্পোরেশন বর্তমানে 'বীজ সার্টিফিকেট' কার্য-ক্রম গ্রহণ করেছে যাতে উৎপন্ন বীজ পরীক্ষা করে' সার্টিফিকেট দেওয়া যেতে পারে ও চাষীদের হাতে ব..." দিয়ে পাতা তৈরি 1943783 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="1" user="JIBON" /></noinclude>শ্রেণীর বীজ উৎপাদন ও বিতরণের জন্যে কর্পোরেশন বর্তমানে 'বীজ সার্টিফিকেট' কার্য-ক্রম গ্রহণ করেছে যাতে উৎপন্ন বীজ পরীক্ষা করে' সার্টিফিকেট দেওয়া যেতে পারে ও চাষীদের হাতে বা ব্যবসায়ীদের হাতে বিতরণ করা যেতে পারে। কর্পোরেশন ২৩টি বীজ প্রজনন ফার্ম' নিজের নিয়ন্ত্রণাধীনে এনে এগুলোকে উন্নতমানের উৎপাদনশীল ও লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে প্রয়াসী হয়েছে। এভাবে লাভজনক করা সম্ভব হলেই বীজ উৎপাদন ক্ষেত্রে বেসরকারী উদ্যম যথেষ্ট উৎসাহিত হবে। তখন এজন্যে কর্পোরেশন রেজেষ্ট্রীকরা বীজ-উৎপাদক চাষীর ওপরই বেশী নির্ভর করবে। {{ফাঁক}}কর্পোরেশনের নিজস্ব বীজ প্রজনন ফার্মগুলোতে বীজ উৎপাদনের বার্ষিক লক্ষ্য এরুপঃ আউস ধান – ৩৯,২০০ মণ, আমন ধান-৬২,৬০০ মণ, ইক্ষু– ১৮৭,১৭০ মণ, সরিষা – ৩,৮৫০ মণ, গম—৫,৯১০ মণ, ডাল-৫,০৩২ মণ, আলু – ৩০,২৫০ মণ, চিনাবাদাম-৪,৭৩০ মণ ৷ {{ফাঁক}}রেজেষ্ট্রি করা বীজ উৎপাদক চাষীদের সাহায্যে ১৯৬৩ সালের মধ্যে যে বীজ উৎপাদন আশা করা যায়, তা এইঃ ধান ১৭,৮০০ মণ পাট ৬,৩০০ মণ, কলা চারা ১২,৪৮৭,৫০০টি আনারস চারা ৩,৩৭৫,০০০টি। {{ফাঁক}}১৯৬২ সালের জুলাই মাস থেকে কর্পোরেশনের সরবরাহ শাখা সার সংগ্রহ ও বিতরণের ব্যবস্থা অবলম্বন করেছে। এই চলতি বছর থেকে শুরু করে দ্বিতীয় পরিকল্পনা মেয়াদের অবশিষ্ট বৎসরগুলোতে যে পরিমাণ সার সংগ্রহ ও বিতরণের প্রস্তাব আছে তা নীচের তালিকায় দেওয়া হলো। {{কেন্দ্র|'''বিভিন্ন সার সংগ্রহ ও বিতরণের হিসাব'''}} {{কেন্দ্র|[টনের হিসাবে]}} বছর ইউরিয়া এমোনিয়াম টি প্‌ল সুপার মুরিয়েট অব RAJSH সালফেট ফসফেট পটাশ ১৯৬২-৬৩ 528,000 50,000 ১৯৬৩-৬৪ ১১৭,০০০ 20,000 ৩৬,০০০ 55,000 ১৯৬৪-৬৫ ১১৭,০০০ 20,000 ৮০,০০০ 80,000 {{ফাঁক}}ইউরিয়া প্রধানতঃ সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ কারখানা থেকে এবং অন্যান্য সার বিদেশ থেকে আমদানী মারফত সংগ্রহ করা হবে ! উল্লিখিত সার বিতরণের সাহায্যে, আশা করা যায়, ১৯৬৪-৬৫ সালের মধ্যে বিভিন্ন শস্যের নিম্নরূপ পরিমাণ জমি সার প্রয়োগের আওতায় আসবে, যথা—আউস ধান ২,০০৫,০০০ একর, আমন ধান ৩,৮৪১,২০০ একর, ইক্ষু ৪২৬,০০০ একর, বোরো ধান ৪১৮,০০০ একর, আলু ৩৩৪,০০০ একর, পাট ১০০,০০০ {{rh|||৯}}<noinclude></noinclude> 1jue8gq41efidz4nu87gt2jqzkrl31h 1943789 1943783 2026-04-18T05:58:14Z JIBON 20147 1943789 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="1" user="JIBON" /></noinclude>শ্রেণীর বীজ উৎপাদন ও বিতরণের জন্যে কর্পোরেশন বর্তমানে 'বীজ সার্টিফিকেট' কার্য-ক্রম গ্রহণ করেছে যাতে উৎপন্ন বীজ পরীক্ষা করে' সার্টিফিকেট দেওয়া যেতে পারে ও চাষীদের হাতে বা ব্যবসায়ীদের হাতে বিতরণ করা যেতে পারে। কর্পোরেশন ২৩টি বীজ প্রজনন ফার্ম' নিজের নিয়ন্ত্রণাধীনে এনে এগুলোকে উন্নতমানের উৎপাদনশীল ও লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে প্রয়াসী হয়েছে। এভাবে লাভজনক করা সম্ভব হলেই বীজ উৎপাদন ক্ষেত্রে বেসরকারী উদ্যম যথেষ্ট উৎসাহিত হবে। তখন এজন্যে কর্পোরেশন রেজেষ্ট্রীকরা বীজ-উৎপাদক চাষীর ওপরই বেশী নির্ভর করবে। {{ফাঁক}}কর্পোরেশনের নিজস্ব বীজ প্রজনন ফার্মগুলোতে বীজ উৎপাদনের বার্ষিক লক্ষ্য এরুপঃ আউস ধান – ৩৯,২০০ মণ, আমন ধান-৬২,৬০০ মণ, ইক্ষু– ১৮৭,১৭০ মণ, সরিষা – ৩,৮৫০ মণ, গম—৫,৯১০ মণ, ডাল-৫,০৩২ মণ, আলু – ৩০,২৫০ মণ, চিনাবাদাম-৪,৭৩০ মণ ৷ {{ফাঁক}}রেজেষ্ট্রি করা বীজ উৎপাদক চাষীদের সাহায্যে ১৯৬৩ সালের মধ্যে যে বীজ উৎপাদন আশা করা যায়, তা এইঃ ধান ১৭,৮০০ মণ পাট ৬,৩০০ মণ, কলা চারা ১২,৪৮৭,৫০০টি আনারস চারা ৩,৩৭৫,০০০টি। {{ফাঁক}}১৯৬২ সালের জুলাই মাস থেকে কর্পোরেশনের সরবরাহ শাখা সার সংগ্রহ ও বিতরণের ব্যবস্থা অবলম্বন করেছে। এই চলতি বছর থেকে শুরু করে দ্বিতীয় পরিকল্পনা মেয়াদের অবশিষ্ট বৎসরগুলোতে যে পরিমাণ সার সংগ্রহ ও বিতরণের প্রস্তাব আছে তা নীচের তালিকায় দেওয়া হলো। {{কেন্দ্র|'''বিভিন্ন সার সংগ্রহ ও বিতরণের হিসাব'''}} {{কেন্দ্র|[টনের হিসাবে]}} {{কেন্দ্র|{| class=''wikitable sortable'' !'''বছর''' !'''ইউরিয়া''' !'''এমোনিয়াম সালফেট''' !'''ট্রিপল সুপার ফসফেট''' !'''মুরিয়েট অব পটাশ''' {{rule}} |- |১৯৬২-৬৩ |১,২৪,০০০ |১৫,০০০ | | |- |১৯৬৩-৬৪ |১১৭,০০০ |২০,০০০ |৩৬,০০০ |৫৫,০০০ |- |১৯৬৪-৬৫ |১১৭,০০০ |20,000 |৮০,০০০ |80,000 |}}} {{ফাঁক}}ইউরিয়া প্রধানতঃ সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ কারখানা থেকে এবং অন্যান্য সার বিদেশ থেকে আমদানী মারফত সংগ্রহ করা হবে ! উল্লিখিত সার বিতরণের সাহায্যে, আশা করা যায়, ১৯৬৪-৬৫ সালের মধ্যে বিভিন্ন শস্যের নিম্নরূপ পরিমাণ জমি সার প্রয়োগের আওতায় আসবে, যথা—আউস ধান ২,০০৫,০০০ একর, আমন ধান ৩,৮৪১,২০০ একর, ইক্ষু ৪২৬,০০০ একর, বোরো ধান ৪১৮,০০০ একর, আলু ৩৩৪,০০০ একর, পাট ১০০,০০০ {{rh|||৯}}<noinclude></noinclude> 7sxbmk1dvft3gy3tadpna798dctrczf 1943790 1943789 2026-04-18T06:16:20Z JIBON 20147 1943790 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="1" user="JIBON" /></noinclude>শ্রেণীর বীজ উৎপাদন ও বিতরণের জন্যে কর্পোরেশন বর্তমানে 'বীজ সার্টিফিকেট' কার্য-ক্রম গ্রহণ করেছে যাতে উৎপন্ন বীজ পরীক্ষা করে' সার্টিফিকেট দেওয়া যেতে পারে ও চাষীদের হাতে বা ব্যবসায়ীদের হাতে বিতরণ করা যেতে পারে। কর্পোরেশন ২৩টি বীজ প্রজনন ফার্ম' নিজের নিয়ন্ত্রণাধীনে এনে এগুলোকে উন্নতমানের উৎপাদনশীল ও লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে প্রয়াসী হয়েছে। এভাবে লাভজনক করা সম্ভব হলেই বীজ উৎপাদন ক্ষেত্রে বেসরকারী উদ্যম যথেষ্ট উৎসাহিত হবে। তখন এজন্যে কর্পোরেশন রেজেষ্ট্রীকরা বীজ-উৎপাদক চাষীর ওপরই বেশী নির্ভর করবে। {{ফাঁক}}কর্পোরেশনের নিজস্ব বীজ প্রজনন ফার্মগুলোতে বীজ উৎপাদনের বার্ষিক লক্ষ্য এরুপঃ আউস ধান – ৩৯,২০০ মণ, আমন ধান-৬২,৬০০ মণ, ইক্ষু– ১৮৭,১৭০ মণ, সরিষা – ৩,৮৫০ মণ, গম—৫,৯১০ মণ, ডাল-৫,০৩২ মণ, আলু – ৩০,২৫০ মণ, চিনাবাদাম-৪,৭৩০ মণ ৷ {{ফাঁক}}রেজেষ্ট্রি করা বীজ উৎপাদক চাষীদের সাহায্যে ১৯৬৩ সালের মধ্যে যে বীজ উৎপাদন আশা করা যায়, তা এইঃ ধান ১৭,৮০০ মণ পাট ৬,৩০০ মণ, কলা চারা ১২,৪৮৭,৫০০টি আনারস চারা ৩,৩৭৫,০০০টি। {{ফাঁক}}১৯৬২ সালের জুলাই মাস থেকে কর্পোরেশনের সরবরাহ শাখা সার সংগ্রহ ও বিতরণের ব্যবস্থা অবলম্বন করেছে। এই চলতি বছর থেকে শুরু করে দ্বিতীয় পরিকল্পনা মেয়াদের অবশিষ্ট বৎসরগুলোতে যে পরিমাণ সার সংগ্রহ ও বিতরণের প্রস্তাব আছে তা নীচের তালিকায় দেওয়া হলো। {{কেন্দ্র|'''বিভিন্ন সার সংগ্রহ ও বিতরণের হিসাব'''}} {{কেন্দ্র|[টনের হিসাবে]}} {| class=''wikitable sortable'' !'''বছর''' !'''ইউরিয়া''' !'''এমোনিয়াম সালফেট''' !'''ট্রিপল সুপার ফসফেট''' !'''মুরিয়েট অব পটাশ''' |- |১৯৬২-৬৩ |১,২৪,০০০ |১৫,০০০ | | |- |১৯৬৩-৬৪ |১১৭,০০০ |২০,০০০ |৩৬,০০০ |৫৫,০০০ |- |১৯৬৪-৬৫ |১১৭,০০০ |20,000 |৮০,০০০ |80,000 |} {{ফাঁক}}ইউরিয়া প্রধানতঃ সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ কারখানা থেকে এবং অন্যান্য সার বিদেশ থেকে আমদানী মারফত সংগ্রহ করা হবে ! উল্লিখিত সার বিতরণের সাহায্যে, আশা করা যায়, ১৯৬৪-৬৫ সালের মধ্যে বিভিন্ন শস্যের নিম্নরূপ পরিমাণ জমি সার প্রয়োগের আওতায় আসবে, যথা—আউস ধান ২,০০৫,০০০ একর, আমন ধান ৩,৮৪১,২০০ একর, ইক্ষু ৪২৬,০০০ একর, বোরো ধান ৪১৮,০০০ একর, আলু ৩৩৪,০০০ একর, পাট ১০০,০০০ {{rh|||৯}}<noinclude></noinclude> 9ryjndemrwqxe2xqhg0wn4az7yw3i8z 1943791 1943790 2026-04-18T06:17:55Z JIBON 20147 1943791 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="1" user="JIBON" /></noinclude>শ্রেণীর বীজ উৎপাদন ও বিতরণের জন্যে কর্পোরেশন বর্তমানে 'বীজ সার্টিফিকেট' কার্য-ক্রম গ্রহণ করেছে যাতে উৎপন্ন বীজ পরীক্ষা করে' সার্টিফিকেট দেওয়া যেতে পারে ও চাষীদের হাতে বা ব্যবসায়ীদের হাতে বিতরণ করা যেতে পারে। কর্পোরেশন ২৩টি বীজ প্রজনন ফার্ম' নিজের নিয়ন্ত্রণাধীনে এনে এগুলোকে উন্নতমানের উৎপাদনশীল ও লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে প্রয়াসী হয়েছে। এভাবে লাভজনক করা সম্ভব হলেই বীজ উৎপাদন ক্ষেত্রে বেসরকারী উদ্যম যথেষ্ট উৎসাহিত হবে। তখন এজন্যে কর্পোরেশন রেজেষ্ট্রীকরা বীজ-উৎপাদক চাষীর ওপরই বেশী নির্ভর করবে। {{ফাঁক}}কর্পোরেশনের নিজস্ব বীজ প্রজনন ফার্মগুলোতে বীজ উৎপাদনের বার্ষিক লক্ষ্য এরুপঃ আউস ধান – ৩৯,২০০ মণ, আমন ধান-৬২,৬০০ মণ, ইক্ষু– ১৮৭,১৭০ মণ, সরিষা – ৩,৮৫০ মণ, গম—৫,৯১০ মণ, ডাল-৫,০৩২ মণ, আলু – ৩০,২৫০ মণ, চিনাবাদাম-৪,৭৩০ মণ ৷ {{ফাঁক}}রেজেষ্ট্রি করা বীজ উৎপাদক চাষীদের সাহায্যে ১৯৬৩ সালের মধ্যে যে বীজ উৎপাদন আশা করা যায়, তা এইঃ ধান ১৭,৮০০ মণ পাট ৬,৩০০ মণ, কলা চারা ১২,৪৮৭,৫০০টি আনারস চারা ৩,৩৭৫,০০০টি। {{ফাঁক}}১৯৬২ সালের জুলাই মাস থেকে কর্পোরেশনের সরবরাহ শাখা সার সংগ্রহ ও বিতরণের ব্যবস্থা অবলম্বন করেছে। এই চলতি বছর থেকে শুরু করে দ্বিতীয় পরিকল্পনা মেয়াদের অবশিষ্ট বৎসরগুলোতে যে পরিমাণ সার সংগ্রহ ও বিতরণের প্রস্তাব আছে তা নীচের তালিকায় দেওয়া হলো। {{কেন্দ্র|'''বিভিন্ন সার সংগ্রহ ও বিতরণের হিসাব'''}} {{কেন্দ্র|[টনের হিসাবে]}} {| class=''wikitable sortable'' !'''বছর''' !'''ইউরিয়া''' !'''এমোনিয়াম সালফেট''' !'''ট্রিপল সুপার ফসফেট''' !'''মুরিয়েট অব পটাশ''' |- |১৯৬২-৬৩ |১,২৪,০০০ |১৫,০০০ | | |- |১৯৬৩-৬৪ |১১৭,০০০ |২৫,০০০ |৩৬,০০০ |৩৩,০০০ |- |১৯৬৪-৬৫ |১১৭,০০০ |২০,০০০ |৮০,০০০ |৪০,০০০ |} {{ফাঁক}}ইউরিয়া প্রধানতঃ সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ কারখানা থেকে এবং অন্যান্য সার বিদেশ থেকে আমদানী মারফত সংগ্রহ করা হবে ! উল্লিখিত সার বিতরণের সাহায্যে, আশা করা যায়, ১৯৬৪-৬৫ সালের মধ্যে বিভিন্ন শস্যের নিম্নরূপ পরিমাণ জমি সার প্রয়োগের আওতায় আসবে, যথা—আউস ধান ২,০০৫,০০০ একর, আমন ধান ৩,৮৪১,২০০ একর, ইক্ষু ৪২৬,০০০ একর, বোরো ধান ৪১৮,০০০ একর, আলু ৩৩৪,০০০ একর, পাট ১০০,০০০ {{rh|||৯}}<noinclude></noinclude> p2xp5ggsf7o2l1r4ta5vulcl9x2fdg3 পাতা:পূর্ব পাকিস্তানে কৃষি.pdf/৪ 104 878562 1943787 2026-04-18T05:20:52Z ROCKY 2687 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */ 1943787 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="ROCKY" /></noinclude>করা হয়েছে। এ থেকে স্পষ্টই বোঝা যায় যে পল্লী অঞ্চলেও জনবসতি অত্যন্ত ঘনীভুত হয়ে গেছে আর তারই ফলে স্বল্প জমির ওপর নির্ভরশীলতার চাপ বেড়েছে। {{ফাঁক}}১৯৬০ সালের কৃষিশুমারীর প্রাথমিক বিবরণ থেকে দেখা যায়, পূর্ব পাকিস্তানের মোট চাষাবাদে নিযুক্ত জমির পরিমাণ হলো ১ কোটি ৮৯ লক্ষ একর, যদিও চাষাবাদের মোট জমি হলো ২ কোটি ১৮ লক্ষ একর। এই জমি মোট ৬১ লক্ষ ৭০ হাজারেরও বেশীসংখ্যক চাষীজমিতে বিভক্ত। কাজেই চাষী-পরিবার-প্রতি গড়পড়তা জমির পরিমাণ চাযোপযোগী মোট জমির হিসাবে ৩.৫ একর, আর কর্ষিত জমির হিসাবে ৩.১ একর। '''পূর্ব পাকিস্তানের মাটি''' {{ফাঁক}}পর্ব পাকিস্তানে চাষাবাদের জমির পরিমাণ কম হলেও জমির উৎপাদিকাশক্তিই এ প্রদেশের মাটিকে 'সোনার জমিন'এ পরিণত করেছে। এই সোনার জমিন সোনার ফসল দিয়ে আসছে যুগ যুগ ধরে। {{ফাঁক}}পূর্ব-পাকিস্তানের মাটিকে মোটামটি ৭টি অঞ্চলে বিভক্ত করা যেতে পারে। এইসব অঞ্চলের প্রত্যেকটির মাটিতে বিশিষ্ট ধরণের গুণাগুণ রয়েছে; যেমন (১) লালমাটি অঞ্চল, (২) বরেন্দ্র অঞ্চল, (৩) গঙ্গার পলিমাটি অঞ্চল, (৪) তিস্তার পলি অঞ্চল, (৫) ব্রহ্মপত্র পলি অঞ্চল, (৬) লোনা বদ্বীপ অঞ্চল ও (৭) পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ীয়া অঞ্চল। {{ফাঁক}}পূর্ব পাকিস্তানের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে চার শতেরও অধিক নমুনা সংগ্রহ করে মাটি পরীক্ষা করা হয়েছে। তাতে দেখা গেছে যে পূর্ব পাকিস্তানের মাটিতে গড়পড়তা শতকরা ০.১০ ভাগ নাইট্রোজেন, ০.১০ ভাগ ফসফেট, ১.০৩ পটাশ, ১.১৬ ভাগ চূর্ণ ও ৪.৪২ ভাগ জৈব পদার্থ রয়েছে। এই অবস্থাকে পূর্ব পাকিস্তানের মাটির উপাদানের সাধারণ মান বলে ধরা যায়। এই মানের সঙ্গে তুলনা করে কোন বিশিষ্ট স্থানের মাটির উপাদান পরীক্ষা করা যায় এবং বিভিন্ন উপাদানের প্রাচুর্য বা অভাব নির্ণয় করা যায়। সেই ভিত্তিতেই জমিতে সার প্রয়োগ করে' ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি করা যায়। এভাবে মোটামটি বলা চলে যে ঢাকা জেলার মাটিতে নাইট্রোজেন, ফসফরাস, পটাশ ও চ,ণের অভাব রয়েছে; সিলেট জেলার মাটিতে প্রয়োজনীয় নাইট্রোজেন পটাশ ও জৈব পদার্থ আছে কিন্তু ফসফেট ও চূণের অভাব রয়েছে; রাজশাহী ও পাবনা জেলার মাটিতে যথেষ্ট পটাশ, চূর্ণ ও জৈব পদার্থ রয়েছে কিন্তু নাইট্রোজেন ও চূণের অভাব রয়েছে ইত্যাদি। {{ফাঁক}}ধান, পাট ও ইক্ষু সাধারণভাবে পূর্ব পাকিস্তানের প্রধান ফসল। তবু কতক অঞ্চলে কোন কোন বিশেষ ফসলের উৎপাদন উল্লেখযোগ্য। মাটির উপযোগিতার জন্যই এই তারতম্য ঘটে।<noinclude></noinclude> 5buvymhoufpca8dkviwcgri7soq7v5p পাতা:পূর্ব পাকিস্তানে কৃষি.pdf/১১ 104 878563 1943788 2026-04-18T05:21:18Z Tahmid 6186 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ " পূর্ব পাকিস্তানে এই ভূমিব্যবহারধারার পরিবর্তন করতে হলে অকর্ষিত জমি পুনরুদ্ধার এবং পানিসেচ সাহায্যে নতুন জমি চাষ ও পরোতন জমির উৎকর্ষ বৃদ্ধির ওপর প্রধানতঃ নির্ভর করতে হ..." দিয়ে পাতা তৈরি 1943788 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="1" user="Tahmid" /></noinclude> পূর্ব পাকিস্তানে এই ভূমিব্যবহারধারার পরিবর্তন করতে হলে অকর্ষিত জমি পুনরুদ্ধার এবং পানিসেচ সাহায্যে নতুন জমি চাষ ও পরোতন জমির উৎকর্ষ বৃদ্ধির ওপর প্রধানতঃ নির্ভর করতে হবে। পরিকল্পনায় দেখানো হয়েছে যে বিভিন্ন বড় সেচ পরিকল্পনার মাধ্যমে ২ লক্ষ ৩০ হাজার একর নতুন জমিতে ও ১১ লক্ষ ২৭ হাজার পুরাতন জমিতে পানি সেচের ব্যবস্থা করা হবে। পরিকল্পনাগুলো সংশোধিত হওয়ার পরে অবশ্য এসব জমির পরিমাণ আরো বেড়ে যাবে। বিনিয়োগ ১৯০০ কোটি এই সামগ্রিক বিনিয়োগের এতে অবশ্য পানিসেচ সংশোধিত দ্বিতীয় পাঁচসালা পরিকল্পনা ও কৃষি দ্বিতীয় পাঁচসালা পরিকল্পনা সংশোধিত হয়ে পাজি টাকা থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ২৩০০ কোটি টাকায় পরিণত হয়েছে। মধ্যে কৃষিক্ষেত্রে সারাদেশে ৩৪২ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। ক্ষেত্রের বিনিয়োগ ধরা হয়নি। পানি ও বিজলী বাবদ আলাদাভাবে যে ৪৩৯ কোটি টাকার বরাদ্দ আছে, তার অধিকাংশই পানিসেচ পরিকল্পনা বাবদ ধরা যেতে পারে। যা হোক, কৃষির ৩৪২ কোটি টাকার ৯০.৫ কোটি বেসরকারী বিনিয়োগ বলে হিসাব করা হয়েছে; অবশিষ্ট ২৫১.৫ কোটি সরকারী বিনিয়োগ। এই সরকারী বিনিয়োগের ১১৬-৩ কোটি টাকা পূর্ব পাকিস্তানের জন্যে বরাদ্দ হয়েছে। প্রাদেশিক সরকার তাঁদের পরিকল্পনা ও কার্যক্রম মাধ্যমে ৯২.৮ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবেন এবং কেন্দ্রীয় সরকার ২৩.৫ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেন। এই ২৩.৫ কোটি টাকার অন্তর্গত কতকগুলো পরিকল্পনা কেন্দ্র থেকে প্রদেশে হস্তান্তরিত হয়েছে ও হবে; তাই প্রাদেশিক বরাদ্দ আরোও বাড়বে। পরিকল্পনায় নির্ধারিত বরাদ্দ অনুসারে প্রাদেশিক সরকার যেসব বিভিন্ন ক্ষেত্রে প’জিবিনিয়োগ করবেন, সেগুলো নিম্নের তালিকায় দেওয়া হলো। (ক) কর্পোরেশন সংগঠন [ লক্ষ টাকার হিসাবে ] ১। কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন— (গ) ফসল প্রতিরক্ষা (খ) সার (ঘ) বীজ প্রজনন ও বিতরণ ১০০৭-০ মোট ৩৯৮৯.০ লক্ষ টাকা<noinclude></noinclude> 0nv3s84r82or36z57sbfl8xiwg5ski4