উইকিসংকলন bnwikisource https://bn.wikisource.org/wiki/%E0%A6%89%E0%A6%87%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A6%A8:%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE MediaWiki 1.46.0-wmf.24 first-letter মিডিয়া বিশেষ আলাপ ব্যবহারকারী ব্যবহারকারী আলাপ উইকিসংকলন উইকিসংকলন আলোচনা চিত্র চিত্র আলোচনা মিডিয়াউইকি মিডিয়াউইকি আলোচনা টেমপ্লেট টেমপ্লেট আলোচনা সাহায্য সাহায্য আলোচনা বিষয়শ্রেণী বিষয়শ্রেণী আলোচনা লেখক লেখক আলাপ নির্ঘণ্ট নির্ঘণ্ট আলাপ পাতা পাতা আলাপ প্রবেশদ্বার প্রবেশদ্বার আলাপ প্রকাশক প্রকাশক আলোচনা রচনা রচনা আলাপ অনুবাদ অনুবাদ আলোচনা TimedText TimedText talk মডিউল মডিউল আলাপ Event Event talk টেমপ্লেট:PAGES NOT PROOFREAD 10 9620 1943869 1943792 2026-04-19T07:00:08Z SodiumBot 19245 বট টেমপ্লেট হালনাগাদ করছে 1943869 wikitext text/x-wiki 452224 tl6r28g8qp2fj3mbmcnoq8ddzu0acfz টেমপ্লেট:ALL PAGES 10 9621 1943870 1943793 2026-04-19T07:00:18Z SodiumBot 19245 বট টেমপ্লেট হালনাগাদ করছে 1943870 wikitext text/x-wiki 563530 86977nucg185kxpeentjzgebsxkwmzg টেমপ্লেট:PR TEXTS 10 9622 1943871 1943794 2026-04-19T07:00:28Z SodiumBot 19245 বট টেমপ্লেট হালনাগাদ করছে 1943871 wikitext text/x-wiki 19443 7e0ko7724eghl04bhi89ulbknb0j6us টেমপ্লেট:ALL TEXTS 10 9623 1943872 1943795 2026-04-19T07:00:38Z SodiumBot 19245 বট টেমপ্লেট হালনাগাদ করছে 1943872 wikitext text/x-wiki 19443 7e0ko7724eghl04bhi89ulbknb0j6us পাতা:দুনিয়ার দেনা - হেমলতা দেবী.pdf/১৩০ 104 552229 1943874 1817473 2026-04-19T09:36:50Z Salil Kumar Mukherjee 12643 সংশোধন 1943874 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" /></noinclude>{{কেন্দ্র|{{x-larger|'''দুনিয়ার দেনা'''}}}} {{কেন্দ্র|১}} {{ফাঁক}}গাঁয়ের রাস্তা ধরে একটি প্রবীণ গোছের ভদ্রলোক চলেছেন; হাতে ছোট্ট একটি চামড়ার ব্যাগ, পরণে থানের ধুতি, গায়ে ফর্সা পাঞ্জাবী, কাঁধের উপর মট্‌কার চাদর একখানা ভাঁজ করে ফেলা, পায়ে সাধারণ দিশি জুতো, মাথায় একটা অল্প দামের ছাতা। {{ফাঁক}}ভদ্রলোক ছাতাটি মাথায় দিয়ে ডান হাতে ছাতার বাঁটটি ধরে বাঁ হাতে ব্যাগ ঝুলিয়ে যাচ্ছেন। {{ফাঁক}}দেখ‍্লেই মানুষটির উপর শ্রদ্ধা জন্মায়, দিব্যি সুন্দর, শান্ত, সৌম্য চেহারা, বয়স আন্দাজ ষাট বাষট্টি। {{ফাঁক}}কাছেই স্টেশন। বোধ হল, তিনি ষ্টেশনে নেমে রাস্তা ধরেছেন। পথ দিয়ে একলাই চলেছেন, সঙ্গে কোন লোক নেই। {{ফাঁক}}সরু লালমাটির রাস্তা এঁকে বেঁকে গাঁয়ের ভিতর পর্য্যন্ত চলে গেছে। যতদূর চোখ যায়, একপাশে বরাবর পানের ক্ষেত, আর একপাশে অনেকখানি পতিত জমি মাঝে ঐ সরু পথটি। কিছুদূর এগোতেই বাবুটি দেখতে<noinclude></noinclude> li5qutl767hc7r02tk8c11fcyp185ol প্রবেশদ্বার:ভ্রমণকাহিনী/মুদ্রণ সংশোধন 106 799908 1943873 1654535 2026-04-19T08:36:41Z CommonsDelinker 3710 চীন_ভ্রমণ_-_ইন্দুমাধব_মল্লিক.pdf কে [[চিত্র:4990010219330_-_Chin_Bhraman,_Mallick,_Indu_Madhab,_204p,_GEOGRAPHY._BIOGRAPHY._HISTORY,_bengali_(1906).pdf]] দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, কারণ: [[:c:COM:Duplicate|Duplicate]]: Exact or scaled-down duplicate: [ 1943873 wikitext text/x-wiki <gallery heights=250px mode="packed"> চিত্র:4990010219330 - Chin Bhraman, Mallick, Indu Madhab, 204p, GEOGRAPHY. BIOGRAPHY. HISTORY, bengali (1906).pdf|page=1|link=নির্ঘণ্ট:4990010219330 - Chin Bhraman, Mallick, Indu Madhab, 204p, GEOGRAPHY. BIOGRAPHY. HISTORY, bengali (1906).pdf|[[নির্ঘণ্ট:4990010219330 - Chin Bhraman, Mallick, Indu Madhab, 204p, GEOGRAPHY. BIOGRAPHY. HISTORY, bengali (1906).pdf|চীন ভ্রমণ]] <br/> {{Al|ইন্দুমাধব মল্লিক}} রচিত (১৯০৬) {{নির্ঘণ্টের অগ্রগতি দণ্ড|4990010219330 - Chin Bhraman, Mallick, Indu Madhab, 204p, GEOGRAPHY. BIOGRAPHY. HISTORY, bengali (1906).pdf}} চিত্র:য়ুরোপ-ভ্রমণ - নরেন্দ্রকুমার বসু.pdf|page=1|link=নির্ঘণ্ট:য়ুরোপ-ভ্রমণ - নরেন্দ্রকুমার বসু.pdf|[[নির্ঘণ্ট:য়ুরোপ-ভ্রমণ - নরেন্দ্রকুমার বসু.pdf|য়ুরোপ-ভ্রমণ]] <br/> {{Al|নরেন্দ্রকুমার বসু}} রচিত (১৯১২) {{নির্ঘণ্টের অগ্রগতি দণ্ড|য়ুরোপ-ভ্রমণ - নরেন্দ্রকুমার বসু.pdf}} চিত্র:রেলপথে ভারত-ভ্রমণ - পদ্মনাভ ঘোষাল.pdf|page=1|link=নির্ঘণ্ট:রেলপথে ভারত-ভ্রমণ - পদ্মনাভ ঘোষাল.pdf|[[নির্ঘণ্ট:রেলপথে ভারত-ভ্রমণ - পদ্মনাভ ঘোষাল.pdf|রেলপথে ভারত-ভ্রমণ]] <br/> {{Al|পদ্মনাভ ঘোষাল}} রচিত (১৮৮৪) {{নির্ঘণ্টের অগ্রগতি দণ্ড|রেলপথে ভারত-ভ্রমণ - পদ্মনাভ ঘোষাল.pdf}} চিত্র:আমেরিকা ভ্রমণ.djvu|page=1|link=নির্ঘণ্ট:আমেরিকা ভ্রমণ.djvu|[[নির্ঘণ্ট:আমেরিকা ভ্রমণ.djvu|আমেরিকা ভ্রমণ]] <br/> {{Al|সত্যশরণ সিংহ}} রচিত (১৯২০) {{নির্ঘণ্টের অগ্রগতি দণ্ড|আমেরিকা ভ্রমণ.djvu}} চিত্র:বাংলায় ভ্রমণ -প্রথম খণ্ড.pdf|page=1|link=নির্ঘণ্ট:বাংলায় ভ্রমণ -প্রথম খণ্ড.pdf|[[নির্ঘণ্ট:বাংলায় ভ্রমণ -প্রথম খণ্ড.pdf|বাংলায় ভ্রমণ (প্রথম খণ্ড)]] <br/> {{Al|অমিয় বসু}} রচিত (১৯৪০) {{নির্ঘণ্টের অগ্রগতি দণ্ড|বাংলায় ভ্রমণ -প্রথম খণ্ড.pdf}} চিত্র:বাংলায় ভ্রমণ -দ্বিতীয় খণ্ড.pdf|page=1|link=নির্ঘণ্ট:বাংলায় ভ্রমণ -দ্বিতীয় খণ্ড.pdf|[[নির্ঘণ্ট:বাংলায় ভ্রমণ -দ্বিতীয় খণ্ড.pdf|বাংলায় ভ্রমণ (দ্বিতীয় খণ্ড)]] <br/> {{Al|অমিয় বসু}} রচিত (১৯৪০) {{নির্ঘণ্টের অগ্রগতি দণ্ড|বাংলায় ভ্রমণ -দ্বিতীয় খণ্ড.pdf}} চিত্র:সারনাথ বিবরণ - ভবতোষ মজুমদার.pdf|page=1|link=নির্ঘণ্ট:সারনাথ বিবরণ - ভবতোষ মজুমদার.pdf|[[নির্ঘণ্ট:সারনাথ বিবরণ - ভবতোষ মজুমদার.pdf|সারনাথ বিবরণ]] <br/> {{Al|ভবতোষ মজুমদার}} রচিত (১৯২৭) {{নির্ঘণ্টের অগ্রগতি দণ্ড|সারনাথ বিবরণ - ভবতোষ মজুমদার.pdf}} </gallery> <noinclude> [[বিষয়শ্রেণী:প্রবেশদ্বার:ভ্রমণকাহিনী]] </noinclude> kv12jpxz0k7gpstzoirb933dzdpdk5r ব্যবহারকারী:JIBON 2 848726 1943854 1939363 2026-04-18T17:03:36Z JIBON 20147 1943854 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী/বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ২০২৪}} {{ফাঁক}}* ১০০০তম সম্পাদনা: ১৮ এপ্রিল, ২০২৬ (রাত ১১টা ১মিনিট ২০ সেকেন্ড) h9u7fmhl3xbf5cmbpvtsywpknxniq2a পাতা:আমেরিকার স্বাধীনতা - নিশিকান্ত গাঙ্গুলী (১৯২৩).pdf/১ 104 876479 1943808 1937682 2026-04-18T13:04:56Z Babulbaishya 2144 1943808 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="1" user="কমলেশ মন্ডল" /></noinclude>{{Block left|শ্রীশ্রীশঙ্করমঠ গ্রন্থাবলী—৪}} {{dhr|2em}} {{Block center|{{কেন্দ্র|{{x-larger|<big>আমেরিকারস্বাধীনতা</big>}}}}}} {{dhr|7em}} {{Block center|{{কেন্দ্র|{{x-larger|শ্রীনিশিকান্ত গাঙ্গুলী।}}}}}} {{dhr|8em}} {{Block center|{{কেন্দ্র|{{larger|সরস্বতী লাইব্রেরী।}}<br/>৯, নং রমানাথ মজুমদার ষ্ট্রীট,<br/>কলিকাতা।<br/>১৩৩০}}}}<noinclude></noinclude> mq0s2oxpn2dbkiirarwmg8767jruf1d 1943809 1943808 2026-04-18T13:05:58Z Babulbaishya 2144 1943809 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="1" user="কমলেশ মন্ডল" /></noinclude>{{Block left|শ্রীশ্রীশঙ্করমঠ গ্রন্থাবলী—৪}} {{dhr|2em}} {{Block center|{{কেন্দ্র|{{xx-larger|'''আমেরিকারস্বাধীনতা'''}}}}}} {{dhr|7em}} {{Block center|{{কেন্দ্র|{{x-larger|শ্রীনিশিকান্ত গাঙ্গুলী।}}}}}} {{dhr|8em}} {{Block center|{{কেন্দ্র|{{larger|সরস্বতী লাইব্রেরী।}}<br/>৯, নং রমানাথ মজুমদার ষ্ট্রীট,<br/>কলিকাতা।<br/>১৩৩০}}}}<noinclude></noinclude> ls2fnyn753j0cmsmok9wa9l7aq4nrhc 1943811 1943809 2026-04-18T13:06:35Z Babulbaishya 2144 1943811 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="1" user="কমলেশ মন্ডল" /></noinclude>{{Block left|শ্রীশ্রীশঙ্করমঠ গ্রন্থাবলী—৪}} {{dhr|2em}} {{Block center|{{কেন্দ্র|{{xxx-larger|'''আমেরিকার স্বাধীনতা'''}}}}}} {{dhr|7em}} {{Block center|{{কেন্দ্র|{{x-larger|শ্রীনিশিকান্ত গাঙ্গুলী।}}}}}} {{dhr|8em}} {{Block center|{{কেন্দ্র|{{larger|সরস্বতী লাইব্রেরী।}}<br/>৯, নং রমানাথ মজুমদার ষ্ট্রীট,<br/>কলিকাতা।<br/>১৩৩০}}}}<noinclude></noinclude> dmnspqw33u10kj6lt4qou9dyg2trc2h 1943812 1943811 2026-04-18T13:08:10Z Babulbaishya 2144 1943812 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="1" user="কমলেশ মন্ডল" /></noinclude>{{dhr|0.5em}} {{Block left|শ্রীশ্রীশঙ্করমঠ গ্রন্থাবলী—৪}} {{dhr|2em}} {{Block center|{{কেন্দ্র|{{xxx-larger|'''আমেরিকার স্বাধীনতা'''}}}}}} {{dhr|7em}} {{Block center|{{কেন্দ্র|{{x-larger|শ্রীনিশিকান্ত গাঙ্গুলী।}}}}}} {{dhr|8em}} {{Block center|{{কেন্দ্র|{{larger|সরস্বতী লাইব্রেরী।}}<br/>৯, নং রমানাথ মজুমদার ষ্ট্রীট,<br/>কলিকাতা।<br/>১৩৩০}}}}<noinclude></noinclude> hjvklvi18jb3jnzm2vewtqsp1nicv4y পাতা:আমেরিকার স্বাধীনতা - নিশিকান্ত গাঙ্গুলী (১৯২৩).pdf/৮৭ 104 877325 1943814 1940635 2026-04-18T13:11:16Z Babulbaishya 2144 1943814 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="কমলেশ মন্ডল" />{{rvh|৭৫|উপনিবেশ স্থাপনের নিগূঢ় অর্থ।}}{{rule}}</noinclude>খর্ব্ব করা। বিদেশীর হাত হইতে আমাদের এই অধিকারকে রক্ষা করিতে হইবে।” ইংরেজ সৈন্যগণকে বে-আইন জনতা (D Unlawful Assembly) বলিয়া ঘোষণা করা হইল। এবং ইংরেজ সৈন্যের আগমন, শত্রু কর্ত্তৃক দেশ আক্রমণের সমান বলিয়া ঘোষণা করা হইল। ইংরেজ সৈন্য উঠাইয়া লইবার জন্য ম্যাচাচুসেটের প্রতিনিধি সভা ব্রিটিশ পার্লমেণ্টে এক আবেদন পত্র প্রেরণ করিল, কিন্তু কোন ফলই হইল না। আমেরিকায় সর্ব্বত্রই শান্তিভঙ্গ হইতে লাগিল। কিন্তু জুরির বিচারে শান্তিভঙ্গের অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিগণ অব্যাহতি পাইতে লাগিল। ফলে দাঙ্গা হাঙ্গামা দিন দিনই বৃদ্ধি পাইতে লাগিল। {{dhr|2em}} {{rule|4em}}<noinclude></noinclude> 2l7df4glm0d68cqbwprofeg1kpz5fzh পাতা:আমেরিকার স্বাধীনতা - নিশিকান্ত গাঙ্গুলী (১৯২৩).pdf/১৬৩ 104 878502 1943825 1943764 2026-04-18T14:58:20Z Salil Kumar Mukherjee 12643 1943825 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Babulbaishya" /></noinclude>{{কেন্দ্র|{{x-larger|'''যুক্তরাজ্য প্রতিষ্ঠা।'''}}}} {{Custom rule|sp|20|col|6|co|10|col|6|sp|20}} {{ফাঁক}}এ পর্য্যন্ত তেরটী উপনিবেশ কংগ্রেসে সম্মিলিত হইয়াছিল, কিন্তু পরস্পর কখনও সুদৃঢ়রূপে সংহত ও সংবদ্ধ হয় নাই। এ পর্য্যন্ত কংগ্রেসের ট্যাক্স তুলিবার কোনও ক্ষমতা ছিল না।প্রত্যেক উপনিবেশ স্বতন্ত্রভাবে টাকা তুলিয়া দিত, কিন্তু অধিকাংশ সময়ই তাহারা আবশ্যকীয় অর্থ প্রদান করিত না। অধিকন্তু সমগ্র উপনিবেশ মিলনসূত্রে একত্র গাঁথা না থাকিলে ইউরোপের রাজনীতি বিশারদগণ তাহাদের মধ্যে আত্মবিবাদ সৃষ্টি করিয়া যে কোন সময় আমেরিকার সর্বনাশ করিতে পারিবে; সুতরাং ভবিষ্যৎ উন্নতির মূলভিত্তি হইবে উপনিবেশসমূহের পরস্পর মিলন। {{ফাঁক}}এদিকে অনেক সন্দিগ্ধচিত্ত আমেরিকান্ ভয় করিতেছিল ওয়াশিংটন অত্যধিক ক্ষমতাশালী হইয়া উঠিয়াছিল, সৈন্যগণ যেরূপ তাঁহার বাধ্য ও অনুগত তাহাতে হয়ত তিনি রাজমুকুট পড়িয়া রাজা সাজিয়া বসিবেন! কিন্তু তাহারা জানিত না যে প্রকৃত দেশপ্রেমিকের এতাদৃশ নীচ কামনা থাকিতে পারে না, দেশের সেবা করিয়া যে আত্মপ্রসাদ লাভ করা হয় তাহাই ত তাহাদের শ্রেষ্ঠ পুরস্কার। {{ফাঁক}}ইংরেজের করাল কবল হইতে দেশ উদ্ধার করিয়া ওয়াশিংটন্‌<noinclude></noinclude> gcf7q7mmgujqv3e0249ch2nq5o61tgo পাতা:আমেরিকার স্বাধীনতা - নিশিকান্ত গাঙ্গুলী (১৯২৩).pdf/১৬৪ 104 878503 1943826 1943766 2026-04-18T14:59:24Z Salil Kumar Mukherjee 12643 1943826 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Babulbaishya" />{{rvh|১৫২|আমেরিকার স্বাধীনতা}}{{rule}}</noinclude>ভারজিনিয়ায় প্রিয় ভারনন পর্ব্বতে (Mount Vernon) প্রত্যাগমন করিলেন। বিদায়কালে কংগ্রেসের সভাপতি মিঃ মিফিন (Miffin) বলিলেন,—“এই নূতন জগতের স্বাধীনতা নিরাপদ করিয়া, নিগৃহীত, অত্যাচারিত, অধিবাসিগণকে কর্ত্তব্য শিক্ষা প্রদান করিয়া, দেশবাসীর শুভ আশীর্বাদ লইয়া আপনি কর্ম্মের এই প্রধান রঙ্গমঞ্চ হইতে অবসর গ্রহণ করিতেছেন,—Having defended the standard of liberty in this new world, having taught a lesson to those who feel oppression, you retire from the great theatre of action with the blessings of your fellow citizens. {{ফাঁক}}চিন্তাশীল ব্যক্তি মাত্রই উপনিবেশসমূহ দৃঢ়রূপে সংবদ্ধ করিবার জন্য উঠিয়া পড়িয়া লাগিলেন। ওয়াশিংটনও বিশ্রাম সম্ভোগের মধ্যে এইরূপ মিলনের চেষ্টা করিতে লাগিলেন। অবশেষে ১৭৮৭ খৃষ্টাব্দে হেমিল্‌টন (Hamilto) কংগ্রেসে প্রস্তাব করিলেন যে, উপনিবেশ সমূহের বিশেষ বিশেষ প্রতিনিধি লইয়া একটী পরামর্শ সমিতি গঠিত হউক। হেমিল্‌টনের প্রস্তাব গৃহীত হইল। ফিলাভেলফিয়ায় এই সমিতির অধিবেশনের স্থান নির্দ্ধারিত হয়। {{ফাঁক}}মে মাসে প্রতিনিধিগণ ফিলাডেলফিয়ার আসিয়া উপস্থিত হইলেন,—উদ্দেশ্য উপনিবেশ সমূহকে যুক্তরাজ্যে পরিণত করিয়া শাসন সংরক্ষণ পদ্ধতি প্রণয়ন করা। ৫৫ জন প্রতিনিধি লইয়া<noinclude></noinclude> 6d04g01kn82roj8hku6qemgqgwx8n30 পাতা:আমেরিকার স্বাধীনতা - নিশিকান্ত গাঙ্গুলী (১৯২৩).pdf/১৬৫ 104 878504 1943827 1943767 2026-04-18T14:59:58Z Salil Kumar Mukherjee 12643 1943827 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Babulbaishya" />{{rvh|১৫৩|যুক্তরাজ্য প্রতিষ্ঠা।}}{{rule}}</noinclude>এই সমিতি গঠিত হয়। ওয়াশিংটন সভাপতির আসন গ্রহণ করিলেন। ফ্রাংক্লিন্ তাঁহার বহু বৎসরের অভিজ্ঞতা ও দূরদর্শিতা লইয়া উপস্থিত হইলেন। {{ফাঁক}}শাসন পদ্ধতি নির্দ্ধারণ প্রসঙ্গে অনেক গবেষণা হইল, অনেক যুক্তিতর্ক হইল, অনেক বাদানুবাদ হইল। তৎফলে সদস্যগণের মধ্যে দুইটী মত মূর্ত্ত হইয়া উঠিল, এক মতে সকল উপনিবেশ সমূহকে ঐককেন্দ্রিক করিয়া কেন্দ্র শক্তি বর্দ্ধিত এবং পরিপুষ্ট করিয়া তোলা, কিন্তু ইহার প্রতিবাদ করিয়া অপর মতাবলম্বিগণ বলিলেন,—ইহাতে কেন্দ্রশক্তি অত্যধিক ক্ষমতা-প্রযুক্ত অত্যাচারী হইয়া উঠিবে, এবং উপনিবেশ সমূহের স্বতন্ত্রতা বিলুপ্ত হইবে। তাহাদের মতে ঐককেন্দ্রিক শক্তি যতদূর সম্ভব সঙ্কুচিত করিয়া, উপনিবেশ সমূহের যতদূর সম্ভব ক্ষমতার প্রসার করা দরকার। এই প্রকার যুক্তিতর্কে চারি মাস অতিবাহিত হইয়া গেল। অবশেষে, এই সমিতি শাসন পদ্ধতির খসরা প্রস্তুত করিয়া কংগ্রেসে প্রেরণ করে। অনেক বাক্‌বিতণ্ডার পর কংগ্রেস শাসন প্রণালী নির্দ্ধারণ করিলেন এবং আমেরিকা যুক্তরাজ্যে পরিণত হইল। {{কেন্দ্র|{{larger|শাসনপদ্ধতি—'''(Constitution)'''}}}} {{ফাঁক}}যুক্তরাজ্যের যাবতীয় শাসন সংরক্ষণ ও পরিচালন ক্ষমতা দুইটী প্রতিনিধি সভা এবং একজন প্রেসিডেণ্ট বা সভাপতির উপর ন্যস্ত হইল। লোক সংখ্যা অনুসারে প্রত্যেক উপনিবেশ<noinclude></noinclude> 0espyn6i4dwsx9t3wyv2b9399ia1ag1 পাতা:আমেরিকার স্বাধীনতা - নিশিকান্ত গাঙ্গুলী (১৯২৩).pdf/১৬৬ 104 878505 1943828 1943768 2026-04-18T15:00:30Z Salil Kumar Mukherjee 12643 1943828 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Babulbaishya" />{{rvh|১৫৪|আমেরিকার স্বাধীনতা}}{{rule}}</noinclude>কর্ত্তৃক নির্ব্বাচিত প্রতিনিধির মোট ২ শত ৪৩ জন সভ্য লইয়া একটী প্রতিনিধি সভা গঠিত হয়। এই সভার সভ্যগণ দুই বৎসরের জন্য মাত্র নির্বাচিত হইবে, এবং প্রত্যেক সভ্য বাৎসরিক পাঁচ হাজার ডলার (প্রায় ২৬২৫০ টাকা) বৃত্তি পাইবেন। ইণ্ডিয়ান্ এবং “কালা আদ্‌মির” (অর্থাৎ নিগ্রোদের) ভোট দিবার অধিকার থাকিবে না, কিন্তু “সাদা চামরা” হইলেই প্রতিনিধি নির্ব্বাচনের অধিকার পাইবে। {{ফাঁক}}প্রত্যেক দশ বৎসরে লোক সংখ্যা তারতম্য করিয়া উপনিবেশসমূহ নির্দ্ধারিত সভ্যের সংখ্যা সংশোধন করিয়া লইবে। {{ফাঁক}}দ্বিতীয় সমিতি সিনেট (Senate)। প্রত্যেক উপনিবেশের ব্যবস্থাপক সভা কর্ত্তৃক নির্ব্বাচিত ২৬ জন সভ্য লইয়া গঠিত হইবে। এই সিনেটে প্রত্যেক উপনিবেশ—বড়ই হউক বা ক্ষুদ্রই হউক—দুইজন করিয়া প্রতিনিধি প্রেরণ করিবে। সিনেটের সদস্যগণ ছয় বৎসরের জন্য নির্বাচিত হইবে, এবং প্রতিনিধি সভার সভ্যগণের ন্যায় বাৎসরিক বৃত্তি পাইবেন। {{ফাঁক}}সকলের উপর থাকিবে একজন সভাপতি বা প্রেসিডেণ্ট। প্রত্যেক প্রদেশ তত্রত্য ব্যবস্থাপক সভায় যত সংখ্যক সভ্য প্রেরণ করিবে তত সংখ্যক লোক মনোনয়ন করিবে; তৎপর সকল উপনিবেশের এই সকল মনোনীত ব্যক্তি একত্র হইয়া প্রেসিডেণ্ট, নির্বাচিত করিবেন। প্রেসিডেণ্টের অনুপস্থিতিতে তাঁহার কার্য্য পরিচালনের জন্য তাহারা একজন ভাইস্-প্রেসিডেণ্ট, নির্বাচন করিবে।<noinclude></noinclude> fyvbc85s1qne8l2jlajr17fl1khkhpq পাতা:আমেরিকার স্বাধীনতা - নিশিকান্ত গাঙ্গুলী (১৯২৩).pdf/১৬৭ 104 878506 1943829 1943771 2026-04-18T15:01:09Z Salil Kumar Mukherjee 12643 1943829 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Babulbaishya" />{{rvh|১৫৫|যুক্তরাজ্য প্রতিষ্ঠা।}}{{rule}}</noinclude>{{ফাঁক}}কংগ্রেস্‌ বা প্রতিনিধি-সমিতি কোন আইন প্রণয়ন করিতে ইচ্ছা করিলে, ঐ আইন প্রণয়নের প্রস্তাব প্রেসিডেণ্টের নিকট প্রেরণ করিতে হইবে। প্রেসিডেণ্ট সম্মতি প্রদান করিলে তখনই তাহা আইনে পরিণত করা হইবে, কিন্তু তাহার অমত হইলে কারণ সন্দর্শন পূর্ব্বক প্রস্তাব প্রতিনিধি-সভায় পুনঃ প্রেরণ করিতে হইবে। এবং এই প্রতিনিধি সভার {{sfrac|২|৩}} সংখ্যক সভ্য কর্ত্তৃক ঐ প্রস্তাব পুনঃ গৃহীত হইলে, প্রেসিডেণ্টের অমত থাকা সত্ত্বেও তাহা আইন বলিয়া গণ্য করা হইবে। {{ফাঁক}}প্রেসিডেণ্ট, মন্ত্রণা করিবার জন্য আপনার মনোমত মন্ত্রণা-সমিতি গঠন করিবেন, কিন্তু এই মন্ত্রণাসমিতির কোন সভ্য প্রতিনিধি সমিতির সভ্য হইতে পারিবে না। সকল বিভাগের বাৎসরিক বিবরণী এবং স্বীয় মতামত প্রেসিডেণ্ট, প্রতি বৎসর প্রতিনিধি সভায় প্রেরণ করিবেন। প্রেসিডেণ্ট, সমর বিভাগের সেনাপতি হইবেন। সিনেটের সম্মতিক্রমে তিনি বিদেশে রাজ প্রতিনিধি, উচ্চ বিচার বিভাগের বিচারক এবং উচ্চ কর্ম্মচারী নিযুক্ত করিবেন। {{ফাঁক}}প্রত্যেক উপনিবেশই স্বতন্ত্রভাবে স্ব স্ব প্রদেশের আভ্যন্তরিণ উন্নতি এবং সর্ব্ববিধ সুবিধা সুযোগের কার্য্য করিতে পারিবে, রেল লাইন, যৌথ ব্যবসায়, এবং স্বীয় প্রদেশের শাসন সংরক্ষণ প্রত্যেক উপনিবেশেরই হস্তে থাকিবে। অবশ্য অপরাপর প্রদেশের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তাহাদের কোন ক্ষমতা থাকিবে না। {{nop}}<noinclude></noinclude> 5ypjw2ujrrc9aj136gwhbfdrhb2fy3n পাতা:আমেরিকার স্বাধীনতা - নিশিকান্ত গাঙ্গুলী (১৯২৩).pdf/১৬৮ 104 878507 1943831 1943772 2026-04-18T15:02:55Z Salil Kumar Mukherjee 12643 1943831 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Babulbaishya" />{{rvh|১৫৬|আমেরিকার স্বাধীনতা}}{{rule}}</noinclude>{{কেন্দ্র|{{larger|আমেরিকার শাসন পদ্ধতিতে ইউরোপের মতামত।}}}} {{ফাঁক}}ইউরোপীয় জাতিমাত্রই আমেরিকার সাধারণ-তন্ত্র শাসন প্রণালীর বিষয় অবগত হইয়া মনে করিল যে, যুক্তরাজ্যের ভবিষ্যৎ উন্নতির পথ রুদ্ধ হইল, কেননা, তাহাদের দৃঢ় বিশ্বাস ছিল যে, প্রত্যেক দেশে ভগবানের অনুগৃহীত অল্প সংখ্যক লোকই, সুবোধ শিশুর মত লক্ষ লক্ষ অধিবাসীর গতিবিধি নিয়ন্ত্রিত করিবে, কারণ জনসাধারণ দেশে সুশাসন এবং শান্তি সংরক্ষণে সম্পূর্ণ অসমর্থ। {{ফাঁক}}আমেরিকাবাসীর কিন্তু এরূপ ভগবদনুগৃহীত লোকের উপর বিশ্বাস ছিল না, তাহারা বুঝিয়াছিল,—লক্ষ লক্ষ দেশবাসীর বর্তমান ও ভবিষ্যৎ সুখ সৌভাগ্যের ভার তাহাদের আপনাদের উপরই নির্ভর করিতেছে। আমেরিকাবাসীর দৃঢ় বিশ্বাস এই নূতন প্রজাতন্ত্রের আদর্শের উপর ইউরোপীয় অনেক দেশেরই ভবিষ্যৎ শাসন পদ্ধতির ধারা নির্ভর করিবে,— অদূর ভবিষ্যতে অনেক দেশে পুরাতন ভাঙ্গিয়া চুড়িয়া, অনেক বিপ্লবের বাত্যা প্রবাহিত করিয়া, অনেক ক্ষমতা গর্ব্বিত অত্যাচারীর উষ্ণ রুধির গাত্রে মাখিয়া এই নূতন আদর্শ প্রতিষ্ঠিত হইবে সন্দেহ নাই।<ref>ফরাসী বিপ্লব ও ফরাসী প্রজাতন্ত্রের আদর্শ অনেকটা আমেরিকার প্রজাতন্ত্র প্রকৃত।</ref> {{ফাঁক}}সর্ব্ব সম্মতিক্রমে ১৭৮৯ খৃষ্টাব্দে ওয়াশিংটন যুক্তরাজ্যের প্রেসিডেণ্ট নির্বাচিত হইলেন। ৪ঠা মার্চ্চ নিউইয়র্কে যুক্ত-<noinclude>{{rule}}</noinclude> cd6d3d2mgxs74wx4g4eyc6gx4erujmm পাতা:আমেরিকার স্বাধীনতা - নিশিকান্ত গাঙ্গুলী (১৯২৩).pdf/১৬৯ 104 878508 1943832 1943773 2026-04-18T15:03:59Z Salil Kumar Mukherjee 12643 1943832 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Babulbaishya" />{{rvh|১৫৭|যুক্তরাজ্য প্রতিষ্ঠা।}}{{rule}}</noinclude>রাজ্যের কংগ্রেসের অধিবেশন হয়। যুক্তরাজ্য রাহুমুক্ত দিবাকরের ন্যায় সৌভাগ্য সোপানে আরোহন করিতে লাগিল,— ইউরোপ কর্ত্তৃক উপেক্ষিত “দুর্বল কোমল লক্ষ লক্ষ শিশু” স্বায়ত্ব শাসনের বিমল শান্তিতে পৃথিবীর মধ্যে যে শ্রেষ্ঠ জাতি রূপে পরিণত হইয়াছে তাহা সকলেই অবগত আছেন। {{ফাঁক}}ওয়াশিংটন প্রথম ৮ বৎসর প্রেসিডেণ্টের কার্য্য সুদক্ষতার সহিত পরিচালনা করিয়া অবসর গ্রহণ করিলেন। তৎপর তিন বৎসর জীবিত থাকিয়া ১৭৯৯ খৃষ্টাব্দে মাত্র কয়েক ঘণ্টার অসুখে ভুবন বিখ্যাত ওয়াশিংটন মানব লীলা সংবরণ করেন। {{ফাঁক}}আমেরিকাবাসী মাত্রই চিরস্মরণীয় ওয়াশিংটনের উদ্দেশ্যে চিরদিন ভক্তি অর্ঘ্য প্রদান করিবে। ওয়াশিংটনের স্থূল দেহ বিনাশ প্রাপ্ত হইলেও, ভ্যাগের মধ্য দিয়া, আত্ম-নির্ভরতার মধ্য দিয়া, বিপদে অভয় বাণীর মধ্য দিয়া, কীর্ত্তির মধ্য দিয়া তিনি আজিও বাঁচিয়া আছেন, ভবিষ্যতেও থাকিবেন— কীর্ত্তিযস্য সঃজীবতি। {{dhr}} {{rule|4em}} {{nop}}<noinclude></noinclude> b56e9lm9zoakvx4jx68o2oc6stn3843 পাতা:আমেরিকার স্বাধীনতা - নিশিকান্ত গাঙ্গুলী (১৯২৩).pdf/১৭০ 104 878509 1943797 1943683 2026-04-18T12:26:51Z Babulbaishya 2144 /* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */ 1943797 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Babulbaishya" /></noinclude>{{কেন্দ্র|{{x-larger|'''উপসংহার।'''}}}} {{ফাঁক}}আমেরিকার স্বাধীনতার কাহিনী লিখিতে লিখিতে মনে পড়ে ভারতের বর্তমান মুক্তি-অভিযান। স্বাধীনতা লাভ করি বার জন্য ভারত আজ সর্ব্বস্ব পণ করিয়া ত্যাগ ও বৈরাগ্যের পতাকা উড্ডীন করিয়া কর্ম্মক্ষেত্রে অবতীর্ণ হইয়াছে। ভারতের কল্যাণের জন্য, বিশ্বমানবের মঙ্গলের জন্য ভারতবাসীকে অচিরে স্বরাজ্য প্রতিষ্ঠা করিতেই হইবে। {{ফাঁক}}প্রভুশক্তি হইতে সহস্র মাইল দূরবর্ত্তী সাগরের পরপারের দেশ নিষ্ঠার সহিত স্বাধীনতা কামনা করিলে, সে দেশের স্বাধীনতা লাভ অবধারিত। পশু শক্তি দ্বারা জাতির এই স্বাভাবিক প্রেরণা ধ্বংশ করা যায় না, ইহাতে বিদ্বেষ ও মনোমালিন্যই সমধিক বদ্ধমূল হইয়া থাকে। বেশী বুদ্ধিমান ব্যক্তিরাও অনেক সময় এই নিখুত সত্য উপলব্ধি করিতে পারেন না—প্রায়ঃ সমাপন্ন বিপত্তি কালে ধীয়োহাপ পুংযা মলিনী ভবন্তিঃ। {{ফাঁক}}বর্তমান দলননীতি রাবনের চিতার মত ভারতবর্ষে যে বিদ্বেষ বহ্নি প্রজ্জ্বলিত করিতেছে তাহার পরিণতি যে কোথায় কি ভাবে হইবে, রাজনীতিজ্ঞ ব্যক্তি মাত্রেরই তাহা বিশেষ করিয়া ভাবিয়া দেখা উচিত। আজ যে নিৰ্ম্মম উৎপীড়ন ও নির্যাতনের ঢেউ<noinclude></noinclude> 0sp7gigcghl1ii8lct24y673zabzei6 1943833 1943797 2026-04-18T15:05:49Z Salil Kumar Mukherjee 12643 1943833 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Babulbaishya" /></noinclude>{{কেন্দ্র|{{x-larger|'''উপসংহার।'''}}}} {{Custom rule|sp|20|col|6|co|10|col|6|sp|20}} {{ফাঁক}}আমেরিকার স্বাধীনতার কাহিনী লিখিতে লিখিতে মনে পড়ে ভারতের বর্তমান মুক্তি-অভিযান। স্বাধীনতা লাভ করি বার জন্য ভারত আজ সর্ব্বস্ব পণ করিয়া ত্যাগ ও বৈরাগ্যের পতাকা উড্ডীন করিয়া কর্ম্মক্ষেত্রে অবতীর্ণ হইয়াছে। ভারতের কল্যাণের জন্য, বিশ্বমানবের মঙ্গলের জন্য ভারতবাসীকে অচিরে স্বরাজ্য প্রতিষ্ঠা করিতেই হইবে। {{ফাঁক}}প্রভুশক্তি হইতে সহস্র মাইল দূরবর্ত্তী সাগরের পরপারের দেশ নিষ্ঠার সহিত স্বাধীনতা কামনা করিলে, সে দেশের স্বাধীনতা লাভ অবধারিত। পশু শক্তি দ্বারা জাতির এই স্বাভাবিক প্রেরণা ধ্বংশ করা যায় না, ইহাতে বিদ্বেষ ও মনোমালিন্যই সমধিক বদ্ধমূল হইয়া থাকে। বেশী বুদ্ধিমান ব্যক্তিরাও অনেক সময় এই নিখুত সত্য উপলব্ধি করিতে পারেন না—প্রায়ঃ সমাপন্ন বিপত্তি কালে ধীয়োহাপ পুংযা মলিনী ভবন্তিঃ। {{ফাঁক}}বর্তমান দলননীতি রাবনের চিতার মত ভারতবর্ষে যে বিদ্বেষ বহ্নি প্রজ্জ্বলিত করিতেছে তাহার পরিণতি যে কোথায় কি ভাবে হইবে, রাজনীতিজ্ঞ ব্যক্তি মাত্রেরই তাহা বিশেষ করিয়া ভাবিয়া দেখা উচিত। আজ যে নির্ম্মম উৎপীড়ন ও নির্যাতনের ঢেউ<noinclude></noinclude> rm2xecsz48zctp96uvkcvemky1njjse পাতা:আমেরিকার স্বাধীনতা - নিশিকান্ত গাঙ্গুলী (১৯২৩).pdf/১৭১ 104 878510 1943798 1943685 2026-04-18T12:33:04Z Babulbaishya 2144 /* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */ 1943798 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Babulbaishya" />{{rvh|১৫৯|উপসংহার।}}{{rule}}</noinclude>ভারতের বুকের উপর দিয়া অসংযত ভাবে চলিয়া যাইতেছে, তাহাতে ভারতবর্ষের স্বাধীনতা লাভের উদ্যম প্রবাহ কোন দিকে প্রবাহিত হইয়া কি অবস্থায় পরিণত হইবে, তাহা ভারতবাসীর পক্ষে নির্দ্ধারণ করা সম্ভবপর নহে, কারণ ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের কর্ণধারগণের কার্য্য কলাপের উপরই ভারতের ভবিষ্যৎ আচরণ নির্ভর করিবে। {{ফাঁক}}জগতে শান্তি স্থাপন করিতে হইলে প্রত্যেক জাতিকেই স্বাধীনতা অর্জ্জন করিয়া স্বপ্রতিষ্ঠ হইতে হইবে। প্রত্যেক জাতি স্বীয় জাতীয় সত্ত্বা ও বৈশিষ্ট্য অক্ষুণ্ণ রাখিয়া অন্যান্য জাতির সহিত মিলনসূত্রে সংবদ্ধ হইয়া এক মহাজাতিতে পরিণত হইবে। সকল জাতিকেই এই অধিকার লাভ করিতে হইবে, নতুবা কেবল কনফারেন্স করিলে, জাতি সঙ্ঘ (League of Nations) গঠন করিলে ভবিষ্যৎ যুদ্ধবিগ্রহ নিবারিত হইবে না—ধরণীর বক্ষে শান্তিও প্রতিষ্ঠিত হইবে না। {{ফাঁক}}ইতিমধ্যেই দেখা গিরাছে ফরাসীর সহিত ইংরেজের ‘গলায় গলায় ভাব' ছুটিয়া গিয়াছে, ডঃ জিলবার্ট শ্লেটার (Dr. Gilbert Slater) সত্যই বলিয়াছেন—The Anglo French "'''Entente Cordiale'''" was killed at Washington, at Genoa it is buried.<ref> The Indian Roview July 1922.</ref> {{ফাঁক}}টেরেন্স ম্যাক সুইনীর (Terence Lac Swiney) ভগিনী<noinclude>{{rule}}</noinclude> ru2pf2g74jhi9hib55qdj6zbrjr7orq 1943799 1943798 2026-04-18T12:34:16Z Babulbaishya 2144 1943799 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Babulbaishya" />{{rvh|১৫৯|উপসংহার।}}{{rule}}</noinclude>ভারতের বুকের উপর দিয়া অসংযত ভাবে চলিয়া যাইতেছে, তাহাতে ভারতবর্ষের স্বাধীনতা লাভের উদ্যম প্রবাহ কোন দিকে প্রবাহিত হইয়া কি অবস্থায় পরিণত হইবে, তাহা ভারতবাসীর পক্ষে নির্দ্ধারণ করা সম্ভবপর নহে, কারণ ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের কর্ণধারগণের কার্য্য কলাপের উপরই ভারতের ভবিষ্যৎ আচরণ নির্ভর করিবে। {{ফাঁক}}জগতে শান্তি স্থাপন করিতে হইলে প্রত্যেক জাতিকেই স্বাধীনতা অর্জ্জন করিয়া স্বপ্রতিষ্ঠ হইতে হইবে। প্রত্যেক জাতি স্বীয় জাতীয় সত্ত্বা ও বৈশিষ্ট্য অক্ষুণ্ণ রাখিয়া অন্যান্য জাতির সহিত মিলনসূত্রে সংবদ্ধ হইয়া এক মহাজাতিতে পরিণত হইবে। সকল জাতিকেই এই অধিকার লাভ করিতে হইবে, নতুবা কেবল কনফারেন্স করিলে, জাতি সঙ্ঘ (League of Nations) গঠন করিলে ভবিষ্যৎ যুদ্ধবিগ্রহ নিবারিত হইবে না—ধরণীর বক্ষে শান্তিও প্রতিষ্ঠিত হইবে না। {{ফাঁক}}ইতিমধ্যেই দেখা গিরাছে ফরাসীর সহিত ইংরেজের ‘গলায় গলায় ভাব' ছুটিয়া গিয়াছে, ডঃ জিলবার্ট শ্লেটার (Dr. Gilbert Slater) সত্যই বলিয়াছেন—The Anglo French "''Entente Cordiale''"was killed at Washington, at Genoa it is buried.<ref> The Indian Roview July 1922.</ref> {{ফাঁক}}টেরেন্স ম্যাক সুইনীর (Terence Lac Swiney) ভগিনী<noinclude>{{rule}}</noinclude> 93tecpq0k08tq1mwbowqszfshky5xqi পাতা:আমেরিকার স্বাধীনতা - নিশিকান্ত গাঙ্গুলী (১৯২৩).pdf/১৭২ 104 878511 1943800 1943686 2026-04-18T12:40:10Z Babulbaishya 2144 /* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */ 1943800 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Babulbaishya" />{{rvh|১৬০|আমেরিকার স্বাধীনতা}}{{rule}}</noinclude>মিস্ ম্যাক্‌ সুইনী (Miss Mac Swiney) লণ্ডন নেসন পত্রিকায় ইংলণ্ডবাসীর নিকট এক পত্র লিখিয়া জানাইয়াছেন,—‘যদি আয়র্লণ্ডের স্বাধীনতা স্বীকার করা না হয় তবে ইংলণ্ডের বিপদের সময়ে আয়র্লণ্ড সুবিধা গ্রহণ করিয়া ইংলণ্ডের যাবতীয় কাৰ্য্য পণ্ড করিতে চেষ্টা করিবে। পরবর্ত্তী যুদ্ধে তোমরা ব্যাপৃত হইয়া শঙ্কটাপন্ন হইলেই আয়র্লণ্ড ১৯১৬ খৃষ্টাব্দের পুনরাবৃত্তি করিয়া, অধিকতর দক্ষতার সহিত কার্য্য করিবে,—England's difficulty shall be Ireland's opportunity to work for England's undoing, When the next war involves you in Strait, Ireland will renew 1916 and will act more effectively. {{ফাঁক}}জাতি একবার স্বাধীনতার ভাবে উদ্বুদ্ধ হইলে কেহই তাহার স্বাধীনতালাভের পথ রুদ্ধ করিতে পারে না। ব্যক্তির মৃত্যু অনিবার্য্য, কিন্তু জাতি অমর। তাই জাতির আরব্ধ প্রচেষ্টা সফলতা লাভ না করিয়া প্রসমিত হইতে পারে না। প্রকৃতির এই চিরন্তন ধারা পরিবর্তিত হইবার নহে। {{ফাঁক}}‘বার জাতির তের হাঁড়ির' কথা বলিয়া ভারতে ভবিষ্যৎ বিবাদ-বিসম্বাদ কল্পনার তুলিতে আঁকিলে কোনও ‘ফায়দা’ হইবে না। আমেরিকার এরূপ বৈসম্য কম ছিল না। কিন্তু অল্পদিন মধ্যেই আমেরিকাবাসী বুঝিয়াছিল,—মিলনেই জীবন। সুতরাং ব্যক্তিগত, সম্প্রদায়গত, শিক্ষাদীক্ষাগত, সমুদয় বিভিন্নতা<noinclude></noinclude> q3rkhm6ilfym15yxijdp4g2jcen1rdg পাতা:আমেরিকার স্বাধীনতা - নিশিকান্ত গাঙ্গুলী (১৯২৩).pdf/১৭৩ 104 878512 1943801 1943687 2026-04-18T12:45:26Z Babulbaishya 2144 /* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */ 1943801 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Babulbaishya" />{{rvh|১৬১|উপসংহার।}}{{rule}}</noinclude>বিসর্জ্জন দিয়া আমেরিকবাসী যুক্ত-রাজ্য প্রতিষ্ঠা করিয়া সমৃদ্ধিশালী জাতিতে পরিণত হইয়াছে। কল্পনার তন্তুজাল সৃষ্টি করিয়া, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের বৈষম্য দেখাইয়া ভারতে স্বায়ত্ব শাসন প্রতিষ্ঠা করিবার চেষ্টা-উদ্যম রুদ্ধ করিবার প্রয়াস ব্যার্থ ই হইবে। {{ফাঁক}}আমাদিগকে সর্ব্বদাই স্মরণ রাখিতে হইবে যে, স্বাধীনতা পণ্য দ্রব্য নহে, ফরমায়েস দিলেই উহা অক্লেশে ঘরে বসিয়া পাওয়া যাইবে না। স্বাধীনতা অর্জ্জন সাপেক্ষ; ইহা বীর ভোগ্য। তেজবীর্জ্জ সম্পন্ন জাতিই ইহার সুখ সম্ভোগ করিয়া থাকে। পরাধীন জাতিকে সর্ব্বস্ব পণ করিয়া কর্ম্মক্ষেত্রে অগ্রসর হইতে হইবে, তা হইলেই এই অমূল্য রত্ন পাওয়া যাইবে। আবেদন নিবেদন করিলে, বা ভিক্ষার ঝুলি পাতিলে এই অমূল্য ধন কখনও লাভ করা যাইবে না। {{ফাঁক}}ব্যক্তিগত চরিত্র দ্বারা জাতীয় অদর্শ পরিমান করা সমীচীন নহে। মনুষ্য চরিত্রে বৈষম্য চিরদিনই থাকিবে। কিন্তু এই ব্যক্তিগত বৈষম্য বিদ্যমান সত্ত্বেও এক জাতির অন্তর্গত যাবতীয় মানুষের মধ্যে একটা ঔক্য—একটা সাধারণ বৈশিষ্ট্য আছে। এই বৈশিষ্ট্যই জাতিত্ত্ব। বিভিন্ন পরিবর্তনের মধ্যে এই বিশিষ্টতাই জাতির সত্তা সঞ্জীবিত রাখে। {{ফাঁক}}স্বাধীনতা লাভের সংগ্রামে আমেরিকার জাতীয় শরীরে কত দুষ্ট ব্রণ প্রকাশ হইয়াছিল তাহা সকলেই দেখিয়াছেন। আমেরিকার সাধারণ সৈন্যগণের নীচ স্বার্থপরতা, রাজভক্তগণের<noinclude></noinclude> henn9g3cnxj4emxr5ivkxaci2sc3wnf পাতা:আমেরিকার স্বাধীনতা - নিশিকান্ত গাঙ্গুলী (১৯২৩).pdf/১৭৪ 104 878513 1943804 1943688 2026-04-18T12:51:21Z Babulbaishya 2144 /* মুদ্ৰণ সংশোধন কৰা হৈছে */ 1943804 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Babulbaishya" />{{rvh|১৬২|আমেরিকার স্বাধীনতা}}{{rule}}</noinclude>নির্লজ্জ স্বদেশদ্রোহিতা, ভূস্বামিগণের বিরুদ্ধাচরণ এবং অর্নালণ্ডের বিশ্বাসঘাতকতা প্রভৃতি দেখিয়া বিস্মিত হইবার কারণ নাই; কেননা জাতির শরীরে চিরকালই এইরূপ দুষ্ট ব্রণ বিদ্যমান থাকিবে। ভারতের স্বাধীনতা লাভের সংগ্রামে বিরুদ্ধ ভাবাপন্ন ব্যক্তিগণের অভ্যুদয় দেখিয়া একনিষ্ঠ দেশ-সেবকগণের কোনপ্রকার নিরুৎসাহ হইবার কারণ নাই। হৃদয়ে সৎসাহস রাখিয়া স্বর্গাদপি গরীয়সী জন্মভূমির মুক্তির জন্য পূর্ণ উদ্যমে কার্য্য করিতেই হইবে। ইস্পিত ধন মিলিবেই মিলিবে। {{ফাঁক}}দেশ ভগবানের বিরট শরীর, তাই দেশের সেবা বিরাট দেহধারী স্বয়ং ভগবানেরই প্রকৃত পূজা। শ্রীমৎ স্বামী প্রজ্ঞানানন্দ সরস্বতী তাঁহার রাজনীতি গ্রন্থে লিখিয়াছেন,—“দেশ নারায়ণ। ‘নিবাসঃ শরণং সুহৃৎ'—ইহা ভগবানের বাক্য, স্বর্গ হইতেও দেশ গরীয়ান, শ্রেষ্ঠ। স্বর্গ তুচ্ছ, দেশ বড়, জাতি বড় ৷ দেশের পূজায়, জাতির পূজায় স্বর্গ হইতে মহত্তর ফল লাভ হয়। ” দেশের মুক্তির জন্য যাঁহারা সর্ব্বান্তঃ-করণে কর্ম্মানুষ্ঠান করিতেছেন তাঁহারা দেহধারী নারায়ণেরই অর্চ্চনা করিতেছেন। নারায়ণ তাঁহার ভক্তগণকে বিজয় মাল্য অবশ্যই প্রদান করিবেন। {{dhr}} {{rule|4em}} {{dhr}} {{কেন্দ্র|{{larger|'''সমাপ্ত'''}}}}<noinclude></noinclude> 7tv5meh84uqsktkr0g1uk4rtl73vjwn 1943834 1943804 2026-04-18T15:09:08Z Salil Kumar Mukherjee 12643 1943834 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Babulbaishya" />{{rvh|১৬২|আমেরিকার স্বাধীনতা}}{{rule}}</noinclude>নির্লজ্জ স্বদেশদ্রোহিতা, ভূস্বামিগণের বিরুদ্ধাচরণ এবং অর্নালণ্ডের বিশ্বাসঘাতকতা প্রভৃতি দেখিয়া বিস্মিত হইবার কারণ নাই; কেননা জাতির শরীরে চিরকালই এইরূপ দুষ্ট ব্রণ বিদ্যমান থাকিবে। ভারতের স্বাধীনতা লাভের সংগ্রামে বিরুদ্ধ ভাবাপন্ন ব্যক্তিগণের অভ্যুদয় দেখিয়া একনিষ্ঠ দেশ-সেবকগণের কোনপ্রকার নিরুৎসাহ হইবার কারণ নাই। হৃদয়ে সৎসাহস রাখিয়া স্বর্গাদপি গরীয়সী জন্মভূমির মুক্তির জন্য পূর্ণ উদ্যমে কার্য্য করিতেই হইবে। ইস্পিত ধন মিলিবেই মিলিবে। {{ফাঁক}}দেশ ভগবানের বিরট শরীর, তাই দেশের সেবা বিরাট দেহধারী স্বয়ং ভগবানেরই প্রকৃত পূজা। শ্রীমৎ স্বামী প্রজ্ঞানানন্দ সরস্বতী তাঁহার রাজনীতি গ্রন্থে লিখিয়াছেন,—“দেশ নারায়ণ। ‘নিবাসঃ শরণং সুহৃৎ'—ইহা ভগবানের বাক্য, স্বর্গ হইতেও দেশ গরীয়ান, শ্রেষ্ঠ। স্বর্গ তুচ্ছ, দেশ বড়, জাতি বড়। দেশের পূজায়, জাতির পূজায় স্বর্গ হইতে মহত্তর ফল লাভ হয়। ” দেশের মুক্তির জন্য যাঁহারা সর্ব্বান্তঃ-করণে কর্ম্মানুষ্ঠান করিতেছেন তাঁহারা দেহধারী নারায়ণেরই অর্চ্চনা করিতেছেন। নারায়ণ তাঁহার ভক্তগণকে বিজয় মাল্য অবশ্যই প্রদান করিবেন। {{dhr}} {{rule|4em}} {{dhr}} {{কেন্দ্র|{{larger|'''সমাপ্ত'''}}}}<noinclude></noinclude> 7m1m1ugg5904xhculbv5fpryqyvfcgd পাতা:চন্দ্রমুখীর পুথী - মুহম্মদ খলিল (১৮৭৭).pdf/৪ 104 878550 1943824 1943748 2026-04-18T14:55:57Z Bodhisattwa 2549 /* লেখাবিহীন */ 1943824 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="0" user="MS Sakib" /></noinclude><noinclude></noinclude> 9f0656u8vx27p0atbcv1dm8pmaomw3m পাতা:পূর্ব পাকিস্তানে কৃষি.pdf/৩ 104 878559 1943815 1943781 2026-04-18T13:14:10Z Bodhisattwa 2549 1943815 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="ROCKY" /></noinclude>{{dhr|5em}} {{কেন্দ্র|{{larger|পূর্ব পাকিস্তানের কৃষি}}}} {{ফাঁক}}পাকিস্তানের অর্থনীতিতে কৃষির প্রাধান্য অত্যন্ত সুস্পষ্ট। আমাদের জাতীয় বিশেষ আয়ের অর্ধেকের বেশী পরিমাণ এখনও কৃষি থেকেই আসে। বিশেষ ক'রে পূর্ব-পাকিস্তানের আঞ্চলিক আয়ে কৃষির অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কাজেই কৃষির উন্নয়ন এই অঞ্চলের সাধারণ উন্নয়নের প্রধান অবলম্বন। {{ফাঁক}}কৃষির মৌলিক উপাদান হলো জমি। জমিতে শ্রম ও যথোপযোগী পাজি প্রয়োগ করেই কৃষির উন্নয়ন প্রচেষ্টা। জনসংখ্যা ও পল্লী অঞ্চলের অধিবাসীর সংখ্যা থেকেই বুঝা যায় আমাদের চাষীরও অভাব নেই, কৃষির জন্যে শ্রমেরও অভাব নেই। কাজেই জমি ও পাজি সমস্যাই কৃষি উন্নয়নের ব্যাপারে বিশেষ মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। {{ফাঁক}}১৯৬১ সালের শুমারী থেকে জানা যায়, সারা দেশের ১৫.১ শতাংশ জমি পূর্ব পাকিস্তানের অন্তর্গত; অথচ এই স্বল্প পরিমাণ জমির ওপর নির্ভর করে সারা দেশের মোট জনসংখ্যার ৫৪.২ শতাংশ। পূর্ব পাকিস্তানের মোটামুটি ৫৫০০০ বর্গ মাইল আয়তনের ৩,২০৫ মাইল (অর্থাৎ ৫.৮ শতাংশ) নদীর গর্ভে। এ প্রদেশের সাধারণ জনবসতি প্রতি বর্গমাইলে ৯২২; নদীগর্ভস্থ আয়তন বাদ দিলে এই জনবসতি দাঁড়ায় ৯৭৯। ঢাকা জেলা জনবসতিতে শীর্ষস্থান অধিকার করেছে; এই জেলার সাধারণ জনবসতি প্রতি বর্গমাইলে ১৭৬৯ এবং নদী-গর্ভস্থ আয়তন বাদ দিলে ১৯০৯। প্রদেশের বেশীর ভাগ অঞ্চলই ঘন জনবসতির আওতায় পড়ে। মোট জনসংখ্যার ৭২ শতাংশই প্রতি বর্গমাইলে সহস্রাধিক জনবসতির অঞ্চলগলিতে বাস করে। অথচ নাগরিক অধিবাসীর সংখ্যা খুব বেশী নয়। ১৯৬১ সালের আদম শুমারীতে মোট ৫ কোটি ৮ লক্ষ অধিবাসীর মধ্যে মাত্র ২৬ লক্ষ অধিবাসীকে (অর্থাৎ ৫.২ শতাংশ) নগরের অধিবাসী বলে হিসাব<noinclude></noinclude> 0mfv2jwehq35yt48mva3vhp9p3z1py3 পাতা:ভারতের শক্তি সাধনা ও শাক্ত সাহিত্য - শশিভূষণ দাশগুপ্ত (১৯৬৫).pdf/১৯৭ 104 878564 1943796 2026-04-18T12:11:19Z Hrishikes 1618 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ 1943796 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="1" user="Hrishikes" />{{rh||বাঙলা মঙ্গল-কাব্যে দেবী|১৮১}}</noinclude>রাজা বড়ই দুর্বার’ (মুকুন্দরাম); তিনি প্রথমে ইহা কিছুতেই বরদাস্ত করিতে পারিলেন না; কি করিয়াই বা বরদাস্ত করেন— {{block center|<poem> পশু বধি ভ্রমে বন {{float right|2=-3em|অকস্মাৎ পাইয়া ধন}} ::::গুজরাট হৈল হেমময়।—দ্বিজ রামদেব </poem>}} লঘুর এই হঠাৎ বাড়বাড়ন্ত নিতান্তই অসহ্য; তাই প্রতিপত্তি{{SIC|পালী|শালী}} উদীয়মান ব্যাধসর্দার কালকেতুকে শায়েস্তা করিবার জন্য তিনি সর্বশক্তি প্রয়োগ করিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত হয়ত বুঝিতে পারিলেন, অর্থনৈতিক পরিবর্তনহেতু এই-যে সমাজ-পরিবর্তন ইহাকে শেষ পর্যন্ত স্বীকার করিতেই হইবে; তাই কালকেতুকে নানাভাবে বিপর্যস্ত এবং লাঞ্ছিত করিয়াও শেষ পর্যন্ত তাহার সঙ্গে একটা বনিবনা করিয়া লইতেই হইল। {{gap}}কালকেতু অর্থলাভ করিয়াই সমাজ-স্বীকৃতি লাভ করিতে পারে নাই; প্রথমে সে বন কাটিয়া পত্তন করিল যেই নগরের বর্ণহিন্দুসমাজ সেই নগরের অধিবাসী হইতে স্বীকার করে নাই। তখন তাই মণ্ডলের সহায়তা গ্রহণ করিতে হইয়াছে, তাহাকে ‘কানে দিব কনক-কুণ্ডল’—এই লোভ দেখাইতে হইয়াছে। শুধু তাহাই নয়, আরও অনেক সুযোগ-সুবিধার লোভ— আমার নগরে বৈস যত ইচ্ছা চাষ চষ তিন সন বহি দিহ কর। হাল প্রতি দিবে তঙ্কা কারে না করিহ শঙ্কা পাট্টায় নিশান মোর ধর। নাহিক বাউড়ি দৌড় রয়্যা বস্যা দিবে কড়ি ডিহিদার নাহি দিব দেশে। নানা বাবে যত কড়ি সেলামী বাঁশগাড়ি নাহি নিব গুজরাট বাসে। এদিকে কলিঙ্গ রাজ্যেও আকস্মিক প্লাবনের সূযোগ পাওয়া গেল; সেই সুযোগে বন কাটিয়া বাঘ তাড়াইয়া দেখিতে দেখিতে ব্যাধের নেতৃত্বেই গুজরাট নগরের পত্তন হইয়া গেল। চণ্ডীমঙ্গল-বর্ণিত কালকেতু-প্রতিষ্ঠিত এই গুজরাট নগর এবং ‘শিয়রের কলিঙ্গনগর সম্বন্ধে ভয় পাইবার কোনও কারণ নাই; ইহার সহিত ইতিহাসপ্রসিদ্ধ গাজরাট-দেশ বা কলিঙ্গ-দেশের কোনও যোগ নাই; উভয় দেশই যে পশ্চিমবঙ্গের রাঢ় অঞ্চলে অবস্থিত ইহাতে বিন্দুমাত্র সন্দেহের কারণ নাই। পশ্চিমবঙ্গের রাঢ় অঞ্চলের কয়েকটি বন্য অঞ্চলকেই সাহিত্যে মহিমান্বিত করিয়া তুলিবার জন্য কবিগণ ইতিহাস প্রসিদ্ধ গুজরাট, কলিঙ্গ প্রভৃতি গালভরা নাম ১৪ মকুন্দরাম, কালকেতু উপাখ্যান, বিশ্ববিদ্যালয় সংস্করণ।<noinclude></noinclude> ijkz6jg84r7c6e40nxx4jlzx4g2z4js 1943802 1943796 2026-04-18T12:48:43Z Hrishikes 1618 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */ 1943802 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{rh||বাঙলা মঙ্গল-কাব্যে দেবী|১৮১}}</noinclude>রাজা বড়ই দুর্বার’ (মুকুন্দরাম); তিনি প্রথমে ইহা কিছুতেই বরদাস্ত করিতে পারিলেন না; কি করিয়াই বা বরদাস্ত করেন— {{block center|<poem> পশু বধি ভ্রমে বন {{float right|2=-3em|অকস্মাৎ পাইয়া ধন}} ::::গুজরাট হৈল হেমময়।—দ্বিজ রামদেব </poem>}} লঘুর এই হঠাৎ বাড়বাড়ন্ত নিতান্তই অসহ্য; তাই প্রতিপত্তি{{SIC|পালী|শালী}} উদীয়মান ব্যাধসর্দার কালকেতুকে শায়েস্তা করিবার জন্য তিনি সর্বশক্তি প্রয়োগ করিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত হয়ত বুঝিতে পারিলেন, অর্থনৈতিক পরিবর্তনহেতু এই-যে সমাজ-পরিবর্তন ইহাকে শেষ পর্যন্ত স্বীকার করিতেই হইবে; তাই কালকেতুকে নানাভাবে বিপর্যস্ত এবং লাঞ্ছিত করিয়াও শেষ পর্যন্ত তাহার সঙ্গে একটা বনিবনা করিয়া লইতেই হইল। {{gap}}কালকেতু অর্থলাভ করিয়াই সমাজ-স্বীকৃতি লাভ করিতে পারে নাই; প্রথমে সে বন কাটিয়া পত্তন করিল যেই নগরের বর্ণহিন্দুসমাজ সেই নগরের অধিবাসী হইতে স্বীকার করে নাই। তখন তাই মণ্ডলের সহায়তা গ্রহণ করিতে হইয়াছে, তাহাকে ‘কানে দিব কনক-কুণ্ডল’—এই লোভ দেখাইতে হইয়াছে। শুধু তাহাই নয়, আরও অনেক সুযোগ-সুবিধার লোভ— {{block center|<poem> আমার নগরে বৈস {{float right|2=-3em|যত ইচ্ছা চাষ চষ}} ::::তিন সন বহি দিহ কর। হাল প্রতি দিবে তঙ্কা {{float right|2=-3em|কারে না করিহ শঙ্কা}} ::::পাট্টায় নিশান মোর ধর॥ নাহিক বাউড়ি দেড়ি {{float right|2=-3em|রয়্যা বস্যা দিবে কড়ি}} ::::ডিহিদার নাহি দিব দেশে। সেলামী বাঁশগাড়ি {{float right|2=-3em|নানা বাবে যত কড়ি}} ::::নাহি নিব গুজরাট বাসে॥<ref>মুকুন্দরাম, কালকেতু-উপাখ্যান, বিশ্ববিদ্যালয় সংস্করণ।</ref> </poem>}} এদিকে কলিঙ্গ-রাজ্যেও আকস্মিক প্লাবনের সুযোগ পাওয়া গেল; সেই সুযোগে বন কাটিয়া বাঘ তাড়াইয়া দেখিতে দেখিতে ব্যাধের নেতৃত্বেই গুজরাট নগরের পত্তন হইয়া গেল। {{gap}}চণ্ডী-মঙ্গল-বর্ণিত কালকেতু-প্রতিষ্ঠিত এই গুজরাট নগর এবং ‘শিয়রে’র কলিঙ্গ-নগর সম্বন্ধে ভয় পাইবার কোনও কারণ নাই; ইহার সহিত ইতিহাস-প্রসিদ্ধ গুজরাট-দেশ বা কলিঙ্গ-দেশের কোনও যোগ নাই; উভয় দেশই যে পশ্চিমবঙ্গের রাঢ়-অঞ্চলে অবস্থিত ইহাতে বিন্দুমাত্র সন্দেহের কারণ নাই। পশ্চিমবঙ্গের রাঢ়-অঞ্চলের কয়েকটি বন্য অঞ্চলকেই সাহিত্যে মহিমান্বিত করিয়া তুলিবার জন্য কবিগণ ইতিহাস-প্রসিদ্ধ গুজরাট, কলিঙ্গ প্রভৃতি গালভরা নাম<noinclude>{{rule|8em|align=left}} {{smallrefs|85%}}</noinclude> 5f7uznbyv4ad9iajtg4n49604nguule 1943807 1943802 2026-04-18T12:59:41Z Hrishikes 1618 1943807 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Hrishikes" />{{rh||বাঙলা মঙ্গল-কাব্যে দেবী|১৮১}}</noinclude>রাজা বড়ই দুর্বার’ (মুকুন্দরাম); তিনি প্রথমে ইহা কিছুতেই বরদাস্ত করিতে পারিলেন না; কি করিয়াই বা বরদাস্ত করেন— {{block center|<poem> পশু বধি ভ্রমে বন {{float right|2=-3em|অকস্মাৎ পাইয়া ধন}} ::::গুজরাট হৈল হেমময়।—দ্বিজ রামদেব </poem>}} লঘুর এই হঠাৎ বাড়বাড়ন্ত নিতান্তই অসহ্য; তাই প্রতিপত্তি{{SIC|পালী|শালী}} উদীয়মান ব্যাধসর্দার কালকেতুকে শায়েস্তা করিবার জন্য তিনি সর্বশক্তি প্রয়োগ করিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত হয়ত বুঝিতে পারিলেন, অর্থনৈতিক পরিবর্তনহেতু এই-যে সমাজ-পরিবর্তন ইহাকে শেষ পর্যন্ত স্বীকার করিতেই হইবে; তাই কালকেতুকে নানাভাবে বিপর্যস্ত এবং লাঞ্ছিত করিয়াও শেষ পর্যন্ত তাহার সঙ্গে একটা বনিবনা করিয়া লইতেই হইল। {{gap}}কালকেতু অর্থলাভ করিয়াই সমাজ-স্বীকৃতি লাভ করিতে পারে নাই; প্রথমে সে বন কাটিয়া পত্তন করিল যেই নগরের বর্ণহিন্দুসমাজ সেই নগরের অধিবাসী হইতে স্বীকার করে নাই। তখন তাই মণ্ডলের সহায়তা গ্রহণ করিতে হইয়াছে, তাহাকে ‘কানে দিব কনক-কুণ্ডল’—এই লোভ দেখাইতে হইয়াছে। শুধু তাহাই নয়, আরও অনেক সুযোগ-সুবিধার লোভ— {{block center|<poem> আমার নগরে বৈস {{float right|2=-4em|যত ইচ্ছা চাষ চষ}} ::::তিন সন বহি দিহ কর। হাল প্রতি দিবে তঙ্কা {{float right|2=-4em|কারে না করিহ শঙ্কা}} ::::পাট্টায় নিশান মোর ধর॥ নাহিক বাউড়ি দেড়ি {{float right|2=-4em|রয়্যা বস্যা দিবে কড়ি}} ::::ডিহিদার নাহি দিব দেশে। সেলামী বাঁশগাড়ি {{float right|2=-4em|নানা বাবে যত কড়ি}} ::::নাহি নিব গুজরাট বাসে॥<ref>মুকুন্দরাম, কালকেতু-উপাখ্যান, বিশ্ববিদ্যালয় সংস্করণ।</ref> </poem>}} এদিকে কলিঙ্গ-রাজ্যেও আকস্মিক প্লাবনের সুযোগ পাওয়া গেল; সেই সুযোগে বন কাটিয়া বাঘ তাড়াইয়া দেখিতে দেখিতে ব্যাধের নেতৃত্বেই গুজরাট নগরের পত্তন হইয়া গেল। {{gap}}চণ্ডী-মঙ্গল-বর্ণিত কালকেতু-প্রতিষ্ঠিত এই গুজরাট নগর এবং ‘শিয়রে’র কলিঙ্গ-নগর সম্বন্ধে ভয় পাইবার কোনও কারণ নাই; ইহার সহিত ইতিহাস-প্রসিদ্ধ গুজরাট-দেশ বা কলিঙ্গ-দেশের কোনও যোগ নাই; উভয় দেশই যে পশ্চিমবঙ্গের রাঢ়-অঞ্চলে অবস্থিত ইহাতে বিন্দুমাত্র সন্দেহের কারণ নাই। পশ্চিমবঙ্গের রাঢ়-অঞ্চলের কয়েকটি বন্য অঞ্চলকেই সাহিত্যে মহিমান্বিত করিয়া তুলিবার জন্য কবিগণ ইতিহাস-প্রসিদ্ধ গুজরাট, কলিঙ্গ প্রভৃতি গালভরা নাম<noinclude>{{rule|8em|align=left}} {{smallrefs|85%}}</noinclude> 5b5azkye7itxz9c5x1vegmpj9adtxz9 পাতা:শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (ত্রয়োদশ সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৬০).pdf/৩৯৪ 104 878565 1943803 2026-04-18T12:50:36Z Nettime Sujata 5470 /* লেখাবিহীন */ 1943803 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="0" user="Nettime Sujata" /></noinclude><noinclude></noinclude> pao581rm9gbrxxpsq3pdbcv5hnr8uvg আমেরিকার স্বাধীনতা/উপসংহার 0 878566 1943805 2026-04-18T12:52:38Z Babulbaishya 2144 "<pages index="আমেরিকার স্বাধীনতা - নিশিকান্ত গাঙ্গুলী (১৯২৩).pdf" from=170 to=174 header=1/>" দিয়ে পাতা তৈরি 1943805 wikitext text/x-wiki <pages index="আমেরিকার স্বাধীনতা - নিশিকান্ত গাঙ্গুলী (১৯২৩).pdf" from=170 to=174 header=1/> ptleccewzan04py16h8obvau3vkje82 পাতা:শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (ত্রয়োদশ সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৬০).pdf/৩৯৫ 104 878567 1943806 2026-04-18T12:58:23Z Nettime Sujata 5470 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */ 1943806 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" /></noinclude>{{dhr}} {{কেন্দ্র|{{xx-larger|পত্র-সঙ্কলন}}}} {{dhr}} {{কেন্দ্র|[শ্রী প্রমথনাথ ভট্টাচার্য্যকে লেখা]}} {{Block right|{{কেন্দ্র|14, Lower Pozoungdoung Street, Rangoon.}}}} {{ফাঁক}}প্রমথনাথ—ভাই অনেক দিন যাবৎ তোমার চিঠির জবাব দেওয়া হয় নাই। এ জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করি। {{ফাঁক}}আশা করি তুমি ভাল আছ, বাড়ির সকলেও ভাল আছেন। পরশু V. P. ডাকে তোমার ‘ভারতবর্ষের’ এক খণ্ড sample copy দশ আনা পয়সা দিয়া লইয়াছি। অর্থাৎ দাম ॥৹ মাসুল খরচা ৵৹ একুনে ॥৵৹। সেখানি ক্লাবে দিয়াছি—ফিরিয়া পাইলে পড়িব। যেদিন আসে, সেই দিন ঘণ্টাখানেক কতক কতক দেখিয়াছি মাত্র। আমার একটা ভুল ধারণা ছিল, যে, তোমাদের লেখার অভাব, কিন্তু ছাপাইয়াছ যে, এত ভাল জিনিস রহিয়া গিয়াছে যে স্থান সঙ্কুলান করিতে পার নাই। বাস্তবিক এটা বড় আশার কথা। কেন না আমিই এত বেশী telegraph, registered letter, শুধু পত্র, এবং উপহার মাসিক পত্র পাইতেছি, যে মনে হইয়াছিল, মাসিক পত্রের সম্পাদকেরা লেখার জন্য বড়ই অসুবিধা এবং অভাব বোধ করেন, তাই আমার মত নগণ্য লোককেও এত বিব্রত করেন। যাঁদের কখনও নামও জানি না, তাঁরাও লম্বা চওড়া চিঠি দেন, শুধু যে বিপদে পড়িয়াই, এই বিশ্বাস আমার মনে ছিল। এখন দেখিতেছি বাস্তবিক তাহা নয়, কেন না, তোমাদের মত এই মর্ম্মে ‘প্রবাসী’ও ছাপাইয়াছেন যে তাঁহারা শীঘ্র আর কাহারও কোন লেখা পাইতে ইচ্ছা করেন না—কারণ ভাঁড়ারে তাঁহাদের অত্যন্ত বেশী জমিয়া গিয়াছে। আমি নিজেও অনেক দিন আর কিছু লিখি নাই মুখ্যতঃ অসুস্থ বলিয়াই। তবে, ‘যমুনা’র জন্য না কি না-লিখিলেই নয়, তাই আষাঢ়ে গোটা দুই প্রবন্ধ (একটা প্রতিবাদ) লিখিয়া ছিলাম মাত্র। গল্প লিখি নাই—লিখতে ভালও লাগে না! তবে, তোমার কথামত আমার একটা মতলব হইয়াছে। “রামের সুমতির”র মত প্রেমবর্জ্জিত আমাদের বাঙালীর ঘরের কথা—(যাহাতে মানুষের শিক্ষাও হয়) series of stories লিখিব<noinclude>{{কেন্দ্র|৩৮১}}</noinclude> 371zmmao9pymjrqusq8tw3inr2opuxh পাতা:শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (ত্রয়োদশ সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৬০).pdf/৩৯৬ 104 878568 1943810 2026-04-18T13:06:10Z Nettime Sujata 5470 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */ 1943810 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{কেন্দ্র|শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ}}</noinclude><section begin="A" />মনে করিয়াছি। বাঙালীর ideal অন্তঃপুর যে কি, ইহাই প্রতিপাদ্য বিষয়। “বিন্দুর ছেলে” বলিয়া আর একটা লিখিয়া পাঠাইয়া দিয়াছি—একবার মনে করিয়াছিলাম একবার তোমাকে দেখাইব, কিন্তু সময় হইল না। অবশ্য তোমাদের ‘ভারতবর্ষ’ কাগজের যোগ্য সেটা মোটেই হয় নাই, তার উপর আবার একটু বড় আয়তনের হইয়া পড়িয়াছে। ‘ভারতবর্ষে’র মত কাগজের অন্ততঃ ২৬।২৭ পাতা—তাই, ও কাগজে ছাপান অসম্ভব বুঝিয়াই ‘যমুনা’য় পাঠাইয়া দিয়াছি। {{ফাঁক}}কই প্রভাত বাবুর (প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়) লেখা দেখলাম না ত? ও ভদ্রলোক প্রায় শতাবধি গল্প লিখিয়াছেন। আর যে কি চর্ব্বিত চর্ব্বণ করিবেন আমি ত ভাবিয়াই পাই না, অথচ অগ্রিম টাকাও লইয়াছেন। এ দিকে ‘সাহিত্য’-সম্পাদকও ‘বঙ্গবাসী’ কাগজে বিজ্ঞাপন দিয়াছেন যে প্রভাত বাবুর লেখা তাঁর কাগজ ছাড়া আর কোথাও বাহির হইবে না। ব্যাপার কি! {{ফাঁক}}তোমাদের কাগজ বাহির করিবার জন্য তোমাকে বোধ হয় খুব পরিশ্রম করিতে হয়; এটা ভাল। এই সময়ে হয়ত তোমারও কাজ হইয়া যাইতে পারে। যদি সত্যই তোমার ভিতরে পদার্থ থাকে নাড়াচাড়া করিয়া এই সময়ে বাহিরে আসিতে পারে। এ সাহিত্যচর্চ্চার সংস্রবই আলাদা। তোমার মত এক হিসাবে নিষ্কর্ম্মা লোকের এই সময় যদি কিছু দায়ে পড়িয়া পরিশ্রম করিবার সময় নিজের বস্তু উজ্জল হইয়া উঠিবার অবকাশ এবং সুযোগ পায় সেইটাই লাভের কথা তোমার। {{ফাঁক}}গত বারে তুমি আমাকে লিখিয়াছিলে “এ বিষয়ে এত সাধাসাধি” অনুনয় প্রভৃতি আরও কত কি হইয়া গিয়াছে যে আর বলা শোভা পায় না। আমি এইটাই ভয় করিয়াছিলাম যে পরের ভালো করিতে গিয়া নিজেদের মন্দ না হইয়া যায় অর্থাৎ আত্ম মনোমালিন্যে না দাঁড়ায়!―শরৎ <section end="A" /> <section begin="B" />{{ফাঁক}}প্রমথনাথ—ইতিপূর্ব্বে বোধ হয় আমার অসম্পূর্ণ চিঠিটা পেয়েছ। যে দিন চিঠি লিখছিলাম, হঠাৎ দেখি ডাক নিয়ে পিয়াদা যাচ্ছে, আর সময় নাই, কাজেই যেটুকু লিখেছিলাম বন্ধ করে পাঠালাম। আজ তোমার আর একটা পত্র পেলাম। প্রথমে কাজের কথা বলি। ‘দেবদাস’ নিয়ো না, নেবার চেষ্টাও ক’রো না।...ওটার জন্যে আমি নিজেও লজ্জিত। ওটা immoral. বেশ্যা চরিত্র ত আছেই, তাছাড়া আরও কি কি আছে বলে মনে হয় যেন। আর আগেকার লেখাও প্রকাশ করা সম্বন্ধে<section end="B" /><noinclude>{{কেন্দ্র|৩৮২}}</noinclude> piuksh2i8h0i1ni0b3ge0wxg6evc13m পাতা:শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (ত্রয়োদশ সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৬০).pdf/৩৯৭ 104 878569 1943813 2026-04-18T13:11:06Z Nettime Sujata 5470 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */ 1943813 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{কেন্দ্র|পত্র-সঙ্কলন}}</noinclude>আমার বিশেষ আপত্তি তা তোমাদের কাগজেই হোক আর ফণীর কাগজেই হোক। আষাঢ়ের ‘যমুনা’য় “আলো ও ছায়া” বলে একটা অর্দ্ধসমাপ্ত গল্প বেরিয়েছে দেখলাম। আমার আশঙ্কা হচ্ছে হয়ত বা আমারই লেখা। কিন্তু এই একটা কথা যে আমার এত আপত্তি সত্ত্বেও তারা প্রকাশ করতে নিশ্চয়ই ভরসা করবে না, সেই কারণেই ভাবছি—হয়ত আমার ছেলেবেলার লেখার অনুকরণে আর কেউ লিখেছে। যা হোক জিজ্ঞাসা করে দেখবো। সুরেনের সঙ্গে দেখা হয়ে আমার কথা হয়েছে শুনে সুখী হলাম। তুমি যে বার বার বলছ আমি চাকরি ছেড়ে দিলেও ভয় নেই, এ কথাটা বিশ্বাস করতে পারলাম না। মিত্তির মশাই জবাব দিয়েছেন যে তিনি ছ’ মাসের ছুটিতে আছেন, এবং এ অবস্থায় কি করতে পারেন? কথা ঠিক! আরও ভাবছি যদি চাকরি করতেই হয়, তবে সেখানেই বা কি, আর এখানেই বা কি; মৃত্যু একদিন হবেই এবং তাহা সত্যই আসন্ন সে চিহ্নও চারিদিকে ফুটে উঠেছে। তবে নিরর্থক ছুটাছুটি করে লাভ কি! তবে, এই পূজার সময় একবার কলকাতায় যাব। ততক্ষণ পর্য্যন্ত এ বিষয়ে অধিক কিছু চিন্তা করে নিজেকে এবং পরকে পীড়িত করা যুক্তিসঙ্গত নয় ভেবে চুপ করে আছি। ‘ভারতবর্ষ’ মোটের উপরে কি হয়েছে, তা কি তুমি নিজে জান না। আমাদের আষাঢ়ের ‘যমুনা’য় এবার কিছু নেই, তবু বল দেখি ঐটুকু কাগজে যথার্থ readable matter যতটা আছে, তার চেয়ে বেশী ‘ভারতবর্ষে’ আছে কি না! তোমাদের গল্পের ছবিগুলি আরও চমৎকার! পাঁজিতে জামাইষষ্ঠীর পুরাণো ব্লক তোলা ছবির মত। রাগ ক’রো না ভাই, সত্যি কথা একা বন্ধুর কাছেই বলা যায় বলেই বললুম। দ্বিজুবাবু থাকতে লোকে কত আশা করেছিল, তার চার ভাগের এক ভাগও যদি প্রথম সংখ্যাটায় বার হ’ত সেও ভাল হ’ত, কিন্তু তাও হয়নি। ওর মধ্যে যেটুকু দ্বিজুবাবুর লেখা, সাহিত্য হিসাবে সেইটুকুই ভাল। তার পরে তাম্রলিপ্তি আর বেদের তর্জ্জমা। কি করব আমরা নিরক্ষর লোকে বেদের তর্জ্জমা করে? আর অত বড় কাগজ এতে কি চলে? অন্ততঃ এমন একটা জিনিস continuously থাকা চাই যার জন্য গ্রাহকের মনে আশা জেগে থাকবে—সে কোথায়? একটা bold review থাকা প্রয়োজন—কই তা? শুধু তাম্রলিপ্তিতে সুবিধা হবে না দাদা, তা বলে দিলাম। গল্প অতি বদ। এই কি তোমাদের selection? {{ফাঁক}}‘ছিন্নহস্ত’টা বোধ করি হবে ভাল। তোমার লেখাও পড়েছি—কিন্তু একে সাহিত্য বলা চলে না। তবে প্রথম বারের কাগজ দেখে কিছুই বলা যায় না—খুব চেষ্টা কর যাতে 100 times ভাল হয়। এবারের ‘প্রবাসী’ও দেখলাম। তারা তোমাদের কাগজের চেয়ে ভালই করেছে। এই সমস্ত আমার স্বাধীন এবং নিরপেক্ষ<noinclude>{{কেন্দ্র|৩৮৩}}</noinclude> ri8dr23tawrxxoqvqi3p5huowk6uh0z পাতা:শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (ত্রয়োদশ সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৬০).pdf/৩৯৮ 104 878570 1943816 2026-04-18T13:16:28Z Nettime Sujata 5470 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */ 1943816 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{কেন্দ্র|শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ}}</noinclude><section begin="A" />মতামত—এর কতটুকু দাম, সে কথা স্বতন্ত্র, কিন্তু যদি কিছু থাকে, সেটা তুমি নিজের কাছেই গোপনে রেখো। তবে, ‘প্রবাসী’ লোকের কাছে অশ্রদ্ধাভাজন হয়ে পড়ছে, এই সময় ঠিক প্রতিযোগিতায় তাকে টলান যায়। অন্যথা যায় না। কারণ সে established! যাক এ সব কথা। কেন না, আমি দূরে থেকে যা বলব, হয়ত ঠিক না হতেও পারে। তোমরা সরজমিনে—man on the spot! প্রভাতবাবুকে দাদন দিয়ে রেখেছ, গল্প কই হে? তার পরে তোমরা টাকা দেবার অধিকারে গল্পের জন্য যখন তাগাদা শুরু করবে, তখন তেমনি গল্পই বোধ করি তিনি দেবেন। {{ফাঁক}}যা হোক, এ সব বাজে কথা। আসল কথা এই যে, এই সব বাহিরের হাঙ্গামা নিয়ে যেন আপোষে বিবাদ না হয়। তুমি গত বারে যে রকম খাপ্পা হয়ে উঠেছিলে, ভয় হয়েছিলে, এইবারে বুঝি ভীষণ একটা কিছু হয়। তোমার সুবুদ্ধি ফিরে এসেছে দেখে নিশ্চিন্ত হলাম। আজ কাল আছি ভাল। গত মাস দুই যাবৎ ঘাড় নীচু করলেই মাথা ধরে উঠত, তা লিখবই বা কি, আর পড়াশুনা করবই বা কি! গত চিঠিতে তোমাকে জানিয়েছি যে, একটা গল্প লিখে ‘যমুনা’য় পাঠিয়েছি—বস্তুটা ভালও হয়নি, অথচ দীর্ঘকায় হয়েছে—তোমাদের কাগজে সেটা কিছুতেই চলত না। চলবার মত নয় বুঝেই আর পাঠালাম না। ও কি প্রমথ, আমাকে ‘ভারতবর্ষ’ পাঠিয়ে দাম আদায় করছ কেন? আমি গরীব মানুষ, তোমাদের অত দামী কাগজ কিনে পড়বার যোগ্য লোক নই ভাই—আমি কোথাও থেকে চেয়ে টেয়ে পড়বার চেষ্টা করব,—আমাকে আর পাঠিয়ো না। আমি দরিদ্র বলেই এ কথা অত্যন্ত সঙ্কোচের সঙ্গে জানালাম—কিছু মনে ক’রো না। বাড়ির খবর ভাল ত? তোমার নাটক প্লে হবে না কি? খুব ভাল, খুব ভাল—বড় আনন্দের কথা!—শরৎ <section end="A" /> <section begin="B" />{{ডান|২৫এ জুলাই, ১৯৩১}} {{ফাঁক}}প্রমথ—তোমাদের প্রেরিত ‘ভারতবর্ষ’ ও তোমার পত্র উভয়ই পাইয়াছি। কাগজখানির জন্য তোমাকে ধন্যবাদ। এবারকার কাগজের সম্বন্ধে যাহা বলিয়াছ তাহা সত্য। “বিন্দুর ছেলে” তোমার ভাল লাগিয়াছে শুনিয়া খুব খুশী হইলাম। বোধ হয় ওটি মন্দ হয় নি, কেন না, অনেকেই ভাল বলিতেছেন। অনেকে “রামের সুমতি”র চেয়েও ভাল বলেন শুনিতেছি। প্রায় “পথনির্দ্দেশে”র কাছাকাছি। পুজার সংখ্যার জন্য আমার সাধ্যমত একটি গল্প লিখিয়া পাঠাইব—কিন্তু, প্রকাশ করিবার <section end="B" /><noinclude>{{কেন্দ্র|৩৮৪}}</noinclude> 4zmruebuyoso1ew4nbdo5aqhi5ydpwi পাতা:শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (ত্রয়োদশ সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৬০).pdf/৩৯৯ 104 878571 1943817 2026-04-18T13:56:40Z Nettime Sujata 5470 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */ 1943817 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{কেন্দ্র|পত্র-সঙ্কলন}}</noinclude>জন্য কাহাকেও অর্থাৎ সম্পাদক-যুগলকে খোশামোদ করিও না। আমার শপথ রইল। কেন না, তোমার ভাল লাগিলেই তাহা যে তাঁহাদের ভাল লাগিবেই অথবা প্রকাশের যোগ্য হইবে—সে কথা কোন মতেই জোর করিয়া বলা চলে না। কেন, তাহা পরে বলিব। তোমাদের এবারের কাগজ পড়িয়া গোটা দুই প্রশ্ন মনে হইয়াছে, তাহাই বলিতেছি। ১ম সূরজ কওর সম্বন্ধে। সূরজ কওর বেশ্যা এবং খুনে। হরি সিংকে এক স্থানে বলিতেছে—“এই ত দরশ পরশ হইল! আমি যে কাজ বলিয়াছি করিয়া আইস তখন আমার অদেয় আর কিছুই থাকিবে না।” অর্থাৎ, সোজা বাঙলায়, “কাজ করে এলেই তোমার কাছে শোব।” ঠিক কি না? কেন না ইতিপূর্ব্বে, নির্জ্জন ঘরে বেশ্যা সূরজ “হাসিয়া মুখে কাপড় দিয়াছে” এবং “চোখে প্রেমের আহ্বান করিয়াছে” এবং “হরিসিং আঁচল ধরিয়া ওড়না টানাটানি করিয়াছে।” কি প্রমথ, অস্বীকার করিবে সমস্ত গল্পের driftটা কি? অনাবৃত রূপ যে শুধু জানিয়া শুনিয়া মঙ্গলসিংকেই দেখায় নাই—পাঠককেও দেখাইবার চেষ্টা করিয়াছে! তাহাতে ছবি দিয়া জিনিসটি বেশ ফুটিয়াছে! সাবাস!! “তবে দেখ! রূপ দেখ!” অনেকেই তাহা দেখিতে পাইয়াছে! {{ফাঁক}}২। ১৯৩ পাতা—“অন্ধকার বৃন্দাবন”। চতুর্থ stanza: “করে না দধি মন্থ গোপী নাচায়ে কটি চন্দ্রহার”। কটির চন্দ্রহার নাচিয়ে নাচিয়ে দধি মন্থ করলে, দেখতে পুরুষ মানুষের বোধ করি বেশ ভালই লাগে। চোখ বুজিয়া একবার উচ্চাঙ্গের ভাবটা উপলব্ধি করবার চেষ্টা করিও, সুখ পাবে। তাছাড়া গোপীর মধ্যে যশোদাও আছেন। উপানন্দের স্ত্রীটিও ‘দধি মন্থ’ করতেন, চন্দ্রহারও পরতেন। কৃষ্ণচন্দ্রকে কটি নাচিয়ে দেখাতে পাচ্ছেন না বলে তাঁরা ক্ষুব্ধ হয়ে আছেন দেখছি! ভট্টিকাব্য না কোথায় এই কথাটা আছে না? কিন্তু এ ভট্টির দিন নয়—ইংরাজের রাজত্ব। আমি সময়াভাবে সব কাগজটা পড়ি নি—পড়ে বলব। এই কবিতাটির তৃতীয় stanza—“যমুনা জল শিহরে, শুনি বাঁশীটি শ্যাম চন্দ্রমার”। শ্যাম চাঁদটি তখন কোথায় শুনি? বোধ করি মথুরা থেকে Bagpipe বাজাচ্ছিলেন, না হলে অত দূরে বৃন্দাবনের যমুনাজল শিহরে কি করে? অতদূরে আর একটা জেলা থেকে বাঁশী বাজালে? তবে, দেবতার কথা বলা যায় না, ওঁরা জাহাজের বাঁশীর মত ইচ্ছা করলে বাজাতে পারেন। সম্ভব বটে! ৪র্থ stanza—“যায় না চুরি নবনী ক্ষীর, বলিয়া ফেলে অশ্রুনীর”—ক্রিয়া আছে ছত্রের কর্ত্তাটি কি? আর একটা কথা ভাই। ছেলে-ছোকরায় গল্প লিখলে ধরি নে। কোকিলেশ্বরের “ভারতবর্ষের অদ্বৈতবাদ” বাপ রে! যা হোক, ১৬ এবং ১৮ লাইনে লিখছেন, ‘দেবতাবর্গ’ দেবতৃ শব্দের যষ্ঠি কি হয় পণ্ডিত মশাইকে জেনে<noinclude>{{কেন্দ্র|৩৮৫}}</noinclude> axzst33p3cdokba9v87knybq2xg2n8c পাতা:শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (ত্রয়োদশ সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৬০).pdf/৪০০ 104 878572 1943818 2026-04-18T14:04:34Z Nettime Sujata 5470 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */ 1943818 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{কেন্দ্র|শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ}}</noinclude>বলে দেবে ভাই? যদি দেবতাবর্গই হয়, ‘দেবতৃবর্গ’ না হয় (বাঙলা বলে) তবে এবার থেকে যেন ‘পিতাকুল’ ‘মাতাকুল’ লেখেন। পিতৃকুল ইত্যাদি লেখেন না। কই বার কর দেখি এমনি লেখা, অক্ষয় মৈত্রের কিংবা বিজয়বাবুর (বিজয়চন্দ্র মজুমদার) প্রবন্ধে? তোমাদের কূটস্থ চৈতন্যস্বরূপ সম্পাদকের কি এটাও নজরে পড়ে না? যদি নাই পড়ে, ত অত বেদ বেদান্ত নিয়ে নাড়াচাড়া ঠিক নয়। দুটো একটা ভুলও আছে। যথা “মাসিক সাহিত্যের উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধ—বৈশাখ” ২৯৪ পাতা। গল্প ও উপন্যাস—“রামের সুমতি”—কিন্তু “রামের সুমতি” ফাল্গুন ও চৈত্রে বার হয়েছিল। অর্থাৎ গত বৎসরে। বৈশাখের ‘যমুনা’য় উল্লেখযোগ্য কিছুই ছিল না—তাতে “পথনির্দ্দেশ” আর “নারীর মূল্য” ছিল। নিশ্চয়ই কোনটা উল্লেখযোগ্য হতে পারে না, অবশ্য সে জন্য আমি দুঃখ করছি নে, কেন না তাঁর কথার মূল্য আমার কাছে অতি অল্পই। কিন্তু ভাবছি ‘অজ্ঞাতবাস’ ফকির বাবুর বইয়ের মত আমার কোন একটা বই যদি থাকত আর বিদ্যাভূষণ তার হতেন প্রকাশক—তা হলে নিশ্চয়ই উল্লেখযোগ্য হ’ত। ‘রত্নদীপ’ নিশ্চয়ই উল্লেখযোগ্য। কেন না, নায়ক রাখাল পরস্ত্রীর সতীত্ব হরণ করবার মানসে যাত্রা করেছেন এবং ‘মানসী’তে বার হচ্ছে। হায় রে দ্বিজুদার প্রতিষ্ঠিত ‘ভারতবর্ষ’! “সাহিত্য সমালোচনা”র মধ্যে পাঁচকড়ির ‘নববর্ষ’ও উল্লেখযোগ্য! যার দুটো ছত্র consistent নয়। “তারে জোর করে শ্যামের বাঁশী” আর “আমার মরণ হল না” আছে কি না! ‘নববর্ষ’ পড়ে দেখো—এমন এলোমেলো গাঁজাখুরি jargon আর সম্প্রতি দেখেছি কি না মনে হয় না। আরো একটু মন দিয়ে ‘ভারতবর্ষ’ পড়ি, তার পরে ‘আশ্বিন’ সংখ্যায় ‘সাহিত্যে’ একটি বিরাট সমালোচনা লিখব। সমাজপতিও কিছু লিখে দেবার জন্য ঘন ঘন registered letter এবং telegram পাঠাচ্ছেন, তাঁর কথাটাও রাখা হবে। প্রমথ ভাই, দোকানদারি দেখতে দেখতে আর অসহ্য খোশামোদ ভণ্ডামি শুনতে শুনতে হাড় কালি হয়ে গেল। সব কাগজই কি এক সুরে বাঁধা? যদি তাই হয়, প্রাতঃস্মরণীয় দ্বিজুদার নামটা ‘ভারতবর্ষ’ থেকে তুলে দাও—তার পরে এই রকম অবিচার এবং মানুষকে mislead ক’রো। নারীর মূল্য তাঁরও ভাল লেগেছিল—দুঃখ হয় শেষটা তিনি পড়লেন না। এতে অনেক সত্য কথা আছে, তাইতেই এটা প্রবন্ধের যোগ্য নয়। যাক্। যথার্থ সুখও পেয়েছি। ‘প্রাক্তন’ গল্পটি যথার্থই উঁচু লেখা! আর জলধরবাবুর ‘দিনাজপুর’টিও মন্দ নয়। ‘ঘাটে’ ছবিটি বেশ। নোলকটা না থাকলে আরো ভাল হত। ‘কানাকড়ি’ এখনও পড়ি নি। এই অবনীন্দ্র ঠাকুরের ওপর আমার ভয়ানক রাগ আছে—অনেক দিন থেকেই ইচ্ছা হয় খুব একচোট ঝাল ঝাড়ি—কিন্তু<noinclude>{{কেন্দ্র|৩৮৬}}</noinclude> jhv1kbubpf1llnw69cn3106x3138rgw পাতা:শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (ত্রয়োদশ সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৬০).pdf/৪০১ 104 878573 1943819 2026-04-18T14:09:39Z Nettime Sujata 5470 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */ 1943819 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{কেন্দ্র|পত্র-সঙ্কলন}}</noinclude>কোনদিন করি নি। ‘Art painting’ আমিও নিজে করি। Oil-painting আমিও বুঝি—ও সম্বন্ধে নিতান্ত কম বইও পড়ি নি—কিন্তু ‘যমুনা’ ছোটো কাগজ ওতে সুবিধে হবে না। তা ছাড়া ‘অনিলা দেবী’ নাম নিয়ে সমালোচনা করতে আর ইচ্ছা করে না। আমাদের ফণীন্দ্রভায়ার proof দেখার চোটে, আমার লেখার ত ছত্রে ছত্রে ভুল বিরাজ কচ্ছেন—বিপক্ষ সেইগুলো তুলে ধরলেই ত গিছি! দেখা যাক কি হয়। যাই হোক তোমাকে না দেখিয়ে বা তোমার মত না নিয়ে কিছুতেই প্রকাশ করব না। তবে, আর একটা কথা বলে রাখি ভাই। তুমি মনে ক’রো না আমি সেই পুরাতন কথার শোধ তুলছি। ‘চরিত্রহীনে’র এখন বাজারে অত্যন্ত দুর্নাম, তা সত্ত্বেও আমি সে জন্যে আজকের এই কথাগুলো লিখি নি। কথাগুলো যদি সত্য না হয়, ভালই, যদি সত্য হয়, ভবিষ্যতে সাবধান হলেই হবে। এই সূরজ কওরটা আমাদের clubএর সকলেই একবাক্যে নিন্দা করেছে। অনেকে এমনও বলেছে ওটা প্রকাশ্য অনাবৃত immorality. সত্যিও ওর ছত্রে ছত্রে এই exciting ভাব ছাড়া আর কিছুমাত্র দ্বিতীয় উদ্দেশ্য নাই। যা হোক আমারও একটা নজির হয়ে রইল। ‘চরিত্রহীন’ প্রকাশ করার সময় লোকের মুখ সহজেই বন্ধ করবার উপায়ও আমাকে ইতিমধ্যে খুঁজে রাখতে হবে। আমি বিদ্রূপ করলে কিরূপ করি তা জানই―এমনি করে প্রতি ছত্রে প্রতি পাতা তুলে ধরে expose করব। আমি অনেক নজির এর মধ্যেই জোগাড় করেছি। রবিবাবু প্রভৃতি সর্ব্বত্র হতেই। {{ফাঁক}}হাঁ, আর একটা কথা। সেই সাবিত্রীকে আর নিতান্ত মেসের ঝি রাখি নি। প্রথম থেকেই মানুষে তাকে যেন অশ্রদ্ধার চোখে না দেখে সে উপায় করেছি। বড় মন্দ হয় নি প্রমথ! আর ক্রমশঃ প্রকাশ্য নভেল ও-রকম না হলে গ্রাহক জোটে না। লোকে নিন্দে হয়ত করবে—কিন্তু পড়বার জন্যও উৎসুক হয়ে থাকবে। আমরা এক রকম আশা করে আছি, ওতে ‘যমুনা’র পশার বাড়বে। নইলে দেখছি ত ভাই, এই সব খবরের কাগজে ফেকাসে, রক্তহীন উপন্যাস বেরিয়েই যাচ্ছে—কেউ পড়ে না। ঐ ‘ভারতী’র বাগ্দত্তা, পোষ্যপুত্র, দিদি—অরণ্যবাস―বারো আনা লোকেই পড়ে না, যদিও পড়ে নেহাৎ ব্যাগার খাটা গোছ। অথচ রত্নদ্বীপ এর মধ্যেই অনেকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে—অথচ সেটা বটতলার যোগ্য বই। এই ধর তোমাদের ‘মন্ত্রশক্তি!’ ঐ পুরুত, আর মন্দির আর ঐ সব ঘ্যানোর ঘ্যানোর কেউ পড়ে না—অপরের কথা কি বলব ভাই, আমি এখনো পড়িনি। অথচ আমার এই ব্যবসা। {{ফাঁক}}দেখ না লেখবার কায়দা, বঙ্কিমবাবু রবিবাবুর। প্রথমেই একটা something! যাই হোক দেখাই যাবে। আমার ছেলেবেলার ‘চন্দ্রনাথ’টা কি জানি কেউ পড়েছে<noinclude>{{কেন্দ্র|৩৮৭}}</noinclude> jjuco1gf27c3st4n4pvtbrb0n2po7n8 পাতা:শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (ত্রয়োদশ সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৬০).pdf/৪০২ 104 878574 1943820 2026-04-18T14:28:48Z Nettime Sujata 5470 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */ 1943820 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{কেন্দ্র|শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ}}</noinclude><section begin="A" />কি না! ওটা আমার দেবার ইচ্ছেই ছিল না। ঐ ঘ্যানোর ঘ্যানোর ক্রমশঃ হলে লোকের patience থাকে না। তা যতই শেষে ভাল হোক। কেমন আছ, বাড়ির খবর লেখ না কেন?—শরৎ {{ফাঁক}}মনে হয় প্রমথ নিজের একটা কাগজ থাকত ত, বাক্যবাণে এই তথাকথিত পণ্ডিতগুলির চৈতন্য করিয়ে দিতাম। কতক বলে সমাজপতি, কিন্তু তার বলায় কোন ফল হয় না। কেন না, তার অনেকটাই শুধু গ্লানি আর গালিগালাজ―প্রায় ফাঁকা আওয়াজ। তাতে আওয়াজ থাকে কামানের মত, কিন্তু ভেতরে একটা ছররাও থাকে না। তাই লোকে বড় গ্রাহ্য করে না। কিন্তু আমি Jack of all trade কি না, সঙ্গীত, চিত্র, দর্শন, কাব্য, নাটক, নভেল, সব বিষয়েই এক ফোঁটা এক ফোঁটা জানি, তার উপর নির্ভর ক’রে মনের সাথে ‘যুদ্ধং দেহি’ করে দিতাম। হাঁ হাঁ—আমি উদাসীনও বটে, গৃহীও বটে। চোখ বেশ করে খুলে রাখলেই দেখা যায়। দেখতে তুমিও পার, আমিও পারি, কিন্তু মনে রাখা চাই। আমি মনে করে রাখি, তোমরা ভুলে মেরে দাও―এই প্রভেদ, আর কিছু নয়। <section end="A" /> <section begin="B" />{{Block right|{{কেন্দ্র|Rangoon 9. 8. 13.}}}} {{ফাঁক}}প্রমথ—তোমার চিঠি যেদিন পাইলাম তার পরদিন manuscript পাইলাম। দেখিয়া শুনিয়া দিয়া পাঠাইতে গেলে আমি হিসাব করিয়া দেখিলাম ২৩।২৪ শ্রাবণের আগে পৌঁছিবে না, সেই জন্য ভাদ্রে কিছুতেই ছাপা হইবে না বুঝিয়া তাড়াতাড়ি করিয়া পাঠাইলাম না। এমন কোন অর্থ নাই যে পরের মাসে না বাহির হইলে আর উত্তর দেওয়া চলে না। ওটা আশ্বিনে ছাপাইলেই হইবে। এ সম্বন্ধে কিছু বলিবারও আছে। প্রবন্ধ কিছু দীর্ঘ হইয়াছে এবং এমন সব কথা আছে যাহা ‘ঝগড়া’, ওটা উচিত কিনা সন্দেহ। আমি ঐ কথাগুলাই আর একটা কাগজে লিখিয়া আশ্বিনের জন্য পাঠাইব মনে করিয়াছি। তবে, আক্রমণ করিতেই হইবে এবং তাহা একটু polite ধরণে—অনেকটা কানকাটার মত করিয়া। আশা করি ইহাতে তুমি মনে কিছু করিবে না। যাহা ভাল হইবে, নিশ্চয় তোমার জন্য তাহাই করিব। তা ছাড়া দেখ গৃহস্থ কি বলে? দুঃখ এই যে, আমি ওঁর original painting দেখি নি, তাহা<section end="B" /><noinclude>{{কেন্দ্র|৩৮৮}}</noinclude> 6bmzg2a66m1z0elqcx2dfhtdr4fmykh পাতা:শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (ত্রয়োদশ সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৬০).pdf/৪০৩ 104 878575 1943821 2026-04-18T14:36:20Z Nettime Sujata 5470 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */ 1943821 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{কেন্দ্র|পত্র-সঙ্কলন}}</noinclude>হইলে এমন বলা বলিতাম যে, তিনি বুঝিতেন এ কোন চিত্রব্যবসায়ীর লেখা—যার তার নয়। আমি তোমার জন্য গল্প লিখিতেছি অর্থাৎ দু-দিন লিখিয়াছি আর দু-দিন লিখিব। ছবি দেবে কি হে? দোহাই প্রমথ, আমার গল্পের ভেতরে ছবি দিও না—ওরে বাপ রে। সেই ‘কুলগাছ’ আর সেই ব্যথিতের মৃত্যুশয্যা। আমি তাহলে লজ্জায় বাঁচব না। তাছাড়া আশা করি, ছবি আমার গল্পে না দিলেও লোকে পড়বে। এক হপ্তা পরে পাঠাব। তুমি সমাজপতির সম্বন্ধে যাহা লিখিয়াছ, ফণি তার চেয়েও বেশী করিয়া লিখিতেছে—অথচ সমাজপতি মহাশয়ের কালকের রেজেষ্ট্রী পত্র এই সঙ্গে পাঠালাম পড়িলেই বুঝিবে, কি মুস্কিলে পড়িয়াছি। কি যে করি ঠিক করিতে পারি না, অথচ, আমার হাতেও গল্প লেখা নাই, মগজেও আসিতেছে না। তার ওপর আফিসের কাজ এত বেশী এই মাসটায় পড়িয়াছে যে রাত্রি সাতটার পূর্ব্বে বাড়ি ফিরিতে পারি না। তার পরে লেখাপড়া, বিশেষ, মাথার ভেতরে থেকে কিছু বার করা প্রায় অসাধ্য! তবে আমার নাকি বড় শক্ত মাথা, তাই এত ঘা খেয়েও কিছু কিছু ঠুকলে ঠাকলে বার হয়। সকালে আজকাল আবার আরো বিপদ—লোকের অসুখ, আমাকে নিজেই বাজারে যেতে হয়। না গেলে যিনি আছেন তিনি বলেন, “খেতে পাবে না”। ইনি ত দিনরাত জপতপ পুজো-আচ্ছা নিয়েই থাকেন, একটু আধটু লেখাপড়া জানেন বটে কিন্তু কাজে আসে না। এক দিন বলেছিলাম, আমি শুয়ে শুয়ে বলে যাই, তুমি লিখে যাও—স্বীকারও করেছিলেন, কিন্তু সুবিধা হল না। ‘বরং’ লিখতে জিজ্ঞেস করেন অনুস্বরের ঐ টানটা ফোঁটার ভেতর দিয়ে দেব, না বাহিরে দিয়ে দেব? অর্থাৎ ‘ ং' হবে না ‘৹৲’ হবে? কাজেই আমাকে সমস্ত নিজেই লিখতে হয়। রাত্রে একটু আফিমের ঘোরও ধরে উঠে, বসে লিখতে পারি নে। এ সব কারণেই লেখা এত কম হয়। তাই আর এক কাজ করেছি প্রমথ, আমি নিজে ত ‘যমুনা’ চালাতে পারি নে, তাই আমার সমস্ত শিষ্যগুলিকে লাগিয়ে দিয়েছি। নিরুপমা, বিভূতি, সুরেন, গিরীন এবং ভাগলপুরের আরো দুই একজন সাহিত্যিক লিখতে সুরু করে দিয়েছেন। দেখা যাক ‘যমুনা’র অদৃষ্টে কি সঞ্চয় হয়। তারা ত বলেছে তুমি গুরুদেব তোমার কথার আমরা অবাধ্য হব না। এই যা আশা। আর একটা কথা, সেদিন একটা চিঠি পেলাম (ভাবী সম্পাদক হইতে) ‘অয়ন’ বলে একটা কাগজ ও ‘কর্ম্মক্ষেত্র’ বলে আর একটা কাগজের জন্য তাঁরা বিশেষ লোভ দেখিয়ে পত্র দিয়েছেন—কিন্তু লোভ দেখালে কি হয়? আমার পুঁজি কই, আমি ত আর সত্যেন দত্ত নই যে বললেই কবিতা লিখে ফেলব! শুনছি ‘অয়ন’ পত্রিকা আমার ‘কোরেল’ গল্পটা সুরেনের কাছ থেকে কেড়ে নিয়ে গেছে—তবে বেনামি ছাপাবে এ<noinclude>{{কেন্দ্র|৩৮৯}}</noinclude> rlincof1v3rah9zchvvu5ydasn8b4iq 1943841 1943821 2026-04-18T16:26:58Z Nettime Sujata 5470 1943841 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{কেন্দ্র|পত্র-সঙ্কলন}}</noinclude>হইলে এমন বলা বলিতাম যে, তিনি বুঝিতেন এ কোন চিত্রব্যবসায়ীর লেখা—যার তার নয়। আমি তোমার জন্য গল্প লিখিতেছি অর্থাৎ দু-দিন লিখিয়াছি আর দু-দিন লিখিব। ছবি দেবে কি হে? দোহাই প্রমথ, আমার গল্পের ভেতরে ছবি দিও না—ওরে বাপ রে। সেই ‘কুলগাছ’ আর সেই ব্যথিতের মৃত্যুশয্যা। আমি তাহলে লজ্জায় বাঁচব না। তাছাড়া আশা করি, ছবি আমার গল্পে না দিলেও লোকে পড়বে। এক হপ্তা পরে পাঠাব। তুমি সমাজপতির সম্বন্ধে যাহা লিখিয়াছ, ফণি তার চেয়েও বেশী করিয়া লিখিতেছে—অথচ সমাজপতি মহাশয়ের কালকের রেজেষ্ট্রী পত্র এই সঙ্গে পাঠালাম পড়িলেই বুঝিবে, কি মুস্কিলে পড়িয়াছি। কি যে করি ঠিক করিতে পারি না, অথচ, আমার হাতেও গল্প লেখা নাই, মগজেও আসিতেছে না। তার ওপর আফিসের কাজ এত বেশী এই মাসটায় পড়িয়াছে যে রাত্রি সাতটার পূর্ব্বে বাড়ি ফিরিতে পারি না। তার পরে লেখাপড়া, বিশেষ, মাথার ভেতরে থেকে কিছু বার করা প্রায় অসাধ্য! তবে আমার নাকি বড় শক্ত মাথা, তাই এত ঘা খেয়েও কিছু কিছু ঠুকলে ঠাকলে বার হয়। সকালে আজকাল আবার আরো বিপদ—লোকের অসুখ, আমাকে নিজেই বাজারে যেতে হয়। না গেলে যিনি আছেন তিনি বলেন, “খেতে পাবে না”। ইনি ত দিনরাত জপতপ পুজো-আচ্ছা নিয়েই থাকেন, একটু আধটু লেখাপড়া জানেন বটে কিন্তু কাজে আসে না। এক দিন বলেছিলাম, আমি শুয়ে শুয়ে বলে যাই, তুমি লিখে যাও—স্বীকারও করেছিলেন, কিন্তু সুবিধা হল না। ‘বরং’ লিখতে জিজ্ঞেস করেন অনুস্বরের ঐ টানটা ফোঁটার ভেতর দিয়ে দেব, না বাহিরে দিয়ে দেব? অর্থাৎ ‘৲°' হবে না ‘°৲’ হবে? কাজেই আমাকে সমস্ত নিজেই লিখতে হয়। রাত্রে একটু আফিমের ঘোরও ধরে উঠে, বসে লিখতে পারি নে। এ সব কারণেই লেখা এত কম হয়। তাই আর এক কাজ করেছি প্রমথ, আমি নিজে ত ‘যমুনা’ চালাতে পারি নে, তাই আমার সমস্ত শিষ্যগুলিকে লাগিয়ে দিয়েছি। নিরুপমা, বিভূতি, সুরেন, গিরীন এবং ভাগলপুরের আরো দুই একজন সাহিত্যিক লিখতে সুরু করে দিয়েছেন। দেখা যাক ‘যমুনা’র অদৃষ্টে কি সঞ্চয় হয়। তারা ত বলেছে তুমি গুরুদেব তোমার কথার আমরা অবাধ্য হব না। এই যা আশা। আর একটা কথা, সেদিন একটা চিঠি পেলাম (ভাবী সম্পাদক হইতে) ‘অয়ন’ বলে একটা কাগজ ও ‘কর্ম্মক্ষেত্র’ বলে আর একটা কাগজের জন্য তাঁরা বিশেষ লোভ দেখিয়ে পত্র দিয়েছেন—কিন্তু লোভ দেখালে কি হয়? আমার পুঁজি কই, আমি ত আর সত্যেন দত্ত নই যে বললেই কবিতা লিখে ফেলব! শুনছি ‘অয়ন’ পত্রিকা আমার ‘কোরেল’ গল্পটা সুরেনের কাছ থেকে কেড়ে নিয়ে গেছে—তবে বেনামি ছাপাবে এ<noinclude>{{কেন্দ্র|৩৮৯}}</noinclude> hhn0psyi1593fih8cf21pkhq4r1pcvl পাতা:শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (ত্রয়োদশ সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৬০).pdf/৪০৪ 104 878576 1943822 2026-04-18T14:40:16Z Nettime Sujata 5470 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */ 1943822 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{কেন্দ্র|শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ}}</noinclude>সর্ত্ত বুঝি তার সঙ্গে হয়েছে। সেটা না কি ভাল গল্প। কি জানি, আমার ভাল মনেও নেই। আচ্ছা, আজকাল হুহু শব্দে এত মাসিক পত্রের আয়োজন হচ্ছে কেন? এটা কি খুব লাভের ব্যবসা? একে ত খোশামোদ করে করে প্রাণ অস্থির, তার পরে ঐ যে লিখেছ, এতটুকু স্বাধীনতা নেই। আমার গল্পগুলো বই করে ছাপিয়ে কি হবে? কে কিনবে? কত গল্পের বই রয়েছে, আমার বই কি কেউ পড়বে? আমার নষ্ট করার মতো টাকা নেই—ইচ্ছেও নেই। তাছাড়া হাঙ্গামা কত, advertise কর, ক্যানভাস্ কর, লোকের opinion সংগ্রহ কর—ও সব আমি চাইও না, পারবও না। আমি একটু চুপচাপ থাকতে পেলে বাঁচি। অত হৈ চৈ কে করবে? আমার ত সাধ্য নয়। প্রমথ, একটা কথা তোমাকে গোপনে বলি। এত দিন এ কথাটা আমার মনে ওঠে নি। এত বড় বড় কাগজ বার হচ্ছে, আমাকে কেউ Sub Editor কি কিছু একটা করে না? অনেক কাজ তাদের করে দিতে পারব। একটা বড় গল্প, একটা ধারাবাহিক ভাল উপন্যাস, একটা প্রবন্ধ, একটা সমালোচনা এও আমিই দিতে পারব। তাছাড়া, ছবি judge করা, গানের স্বরলিপির দোষগুণ ধরা, বৈজ্ঞানিক আলোচনা, সাহিত্যিক আলোচনা এও, (আর কিছু ভাল না জুটলে) আমি করে দেব। ১০টা থেকে ৪।৫টা পর্য্যন্ত খাটলে আমি খুব পারি। অবশ্য তাম্রলিপ্তি-টিপ্তি পারব না। তার পরে এখন যেমন সকালে ও রাত্রে নিজের কাজ করি তখনও করব। দেখো ত যদি কেউ আমাকে নিতে স্বীকার করে। একজন ভাল Editor থাকলেই আমি কাজ চালিয়ে দেব। অন্ততঃ ছিছি কাগজ কোন মাসেই হতে দেব না, এ assurance তুমি আমার হয়ে দিতে পার। এ চাকরি আমার খুব ভাল লাগবে, তবে যদি টিকসই হয়। এমন না হয় দু-দিন পরেই বলে তোমাকে চাই নে, যাও। এর মধ্যে যদি কোন কাগজ বার হবার কথাবার্ত্তা হয়, আর তোমার চেনা-শোনা থাকে তাহলে চেষ্টা দেখো—আমার বর্ম্মা আর পোষাচ্ছে না। দেশ দেশ মন কচ্ছে। সমাজপতির সম্বন্ধে কি পরামর্শ দাও? তোমার মত ছাড়া আমি কিছুই করব না। কিন্তু বিপদেও বড় পড়েছি তা বোধ করি বুঝতে পাচ্ছ। সমাজপতি সম্বন্ধে কি করা উচিত অতি সত্বর জবাব দিয়ো। আর চিঠিটা হারিয়ো না, আমাকে ফিরিয়ে দিয়ো, কেন না, এক সময়ে যখন আমার নিন্দে শুরু করবে, তখন কাজে আসতে পারে। Documentary evidence! আজ রাত্রে কিছুই হল না, কেবল চিঠিই লিখছি।—শরৎ {{nop}}<noinclude>{{কেন্দ্র|৩৯০}}</noinclude> aj6vry5m6u9dhizky0l3e2jtp0m3fzq পাতা:পূর্ব পাকিস্তানে কৃষি.pdf/১৮ 104 878577 1943823 2026-04-18T14:48:36Z JIBON 20147 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ 1943823 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="1" user="JIBON" /></noinclude>একর, তামাক ১৬৭,০০০ একর, চা ২৩৪,০০০ একর, সব্‌জী (প্রধানতঃ শীতকালের) ১৫৫,০০০ একর, গম ৪২,০০০ একর। {{ফাঁক}}হিসাব করে দেখা গেছে যে তিন বছরের সার প্রয়োগের ফলে বর্ধিত উৎপাদনের মূল্য কমপক্ষে ৫৮ কোটি টাকা হতে পারে ; অথচ এই উৎপাদন বৃদ্ধি পাওয়ার জন্যে সরকারী সাহায্য ( Subsidy ) সহ মোট ৩২ কোটি টাকা বিনিয়োগ করতে হচ্ছে। অর্থাৎ সার প্রয়োগের নীট আয় দাঁড়াচ্ছে প্রায় ২৬ কোটি টাকা। {{ফাঁক}}অন্যদিকে ১৯৬২-৬৩ সালে ৩২ লক্ষ ৪৩ হাজার একর জমির ফসলকে ফসল প্রতি-রক্ষা ব্যবস্থার অধীনে আনা হবে এবং ১৮ লক্ষ ১৬ হাজার একর জমির বীজকে পোকার আক্রমণমুক্ত করা হবে {{ফাঁক}}‘ফিল্ড' শাখা—কর্পোরেশনের 'ফিল্ড' শাখা নির্বাচিত এলাকার উন্নয়ন ও বিশিষ্ট ধরনের পরিকল্পনার কার্যকরীকরণ নিয়ে অগ্রসর হওয়ার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। নির্বাচিত এলাকাতে ব্যাপক জরীপ ও অনুসন্ধান চালিয়ে সর্বাঙ্গীন কৃষি উন্নয়নের ব্যবস্থা অবলম্বন করতে হবে। অর্থাৎ কৃষির প্রয়োজনীয় সরবরাহ ছাড়া সক্রিয়ভাবে কৃষি সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিভাগগুলো যে কাজ করতো সে সবই সহযোগিতা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হব এবং বৈজ্ঞানিক ভিত্তিতে সুষ্ঠু পরিচালনার মাধ্যমে বাস্তবভাবে কার্যকরী করতে হবে। এই সব‘পরিকল্পনা অঞ্চলে' ( Project areas ) কর্পোরেশনের প্রথম কর্তব্য হবে 'প্রথম পাঁচ' পদ্ধতিকে জনপ্রিয় করে তোলা; তারপরে পানি সরবরাহের যথাযথ ব্যবহার প্রচলন করা ও সমন্বয়ভুক্ত সার ব্যবহারকে জনপ্রিয় করা। চলতি পতিত ব্যব-স্থার উচ্ছেদ করে' জমিতে দুটি ফসল ও অনেকস্থলে তিনটি ফসল উৎপাদন-ব্যবস্থা কার্যকরী করতে হবে। {{ফাঁক}}বিশিষ্ট ধরনের পরিকল্পনার মধ্যে যান্ত্রিক চাষাবাদ ও বৈদ্যুতিক পাম্প যোগে পানি-সেচ প্রধান। ট্রাক্টর যোগে জমির পুনরুদ্ধার ও যান্ত্রিক চাষ কতক অঞ্চলে বেশ উপযোগী। প্রদেশের বলদশক্তির অপ্রতুলতা ট্রাক্টর ব্যবহারের অনুকূল অবস্থা সৃষ্টি করেছে। ক্ষুদ্ৰ ক্ষুদ্র আয়তনের জমিতে ট্রাক্টব ব্যবহার অত্যন্ত সীমাবদ্ধ ; কিন্তু সমবায় সমিতির মার-ফতে সমষ্টিভুক্ত চাষাবাদের জন্যে এর ব্যবহার যথেষ্ট আশাপ্রদ। কুমিল্লার পরীক্ষা এই আশার নির্দেশ দেয়। যান্ত্রিক পদ্ধতিতে বিশেষ করে পানি সেচের ব্যবস্থা ব্যাপকভাবে চালু করা যেতে পারে। কর্পোরেশন পূর্বতন কৃষি বিভাগের যান্ত্রিক চাষাবাদ পরি-কল্পনাটি কার্যকরী করে যাচ্ছে। সেই পরিকল্পনার অধীনে ২১৩৬টি বৈদ্যুতিক পাম্প ও ২০০ ট্রাক্টর কর্পোরেশনের হাতে আসে। আরোও ২৮৩০টি পাম্প একই পরিকল্পনার অধীনে ১৯৬৪-৬৫ সালের মধ্যে আসবে বলে আশা করা যায়। তাছাড়া, কর্পোরেশন একটি নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে ; তার অধীনে ৫০০০ পাম্প আমদানী করে' চাষী-<noinclude>{{rh|১০||}}</noinclude> oft3mfc5tmg6rpyjeyuyb3o1apfikoc 1943857 1943823 2026-04-18T17:15:13Z JIBON 20147 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */ 1943857 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="JIBON" /></noinclude>একর, তামাক ১৬৭,০০০ একর, চা ২৩৪,০০০ একর, সব্‌জী (প্রধানতঃ শীতকালের) ১৫৫,০০০ একর, গম ৪২,০০০ একর। {{ফাঁক}}হিসাব করে দেখা গেছে যে তিন বছরের সার প্রয়োগের ফলে বর্ধিত উৎপাদনের মূল্য কমপক্ষে ৫৮ কোটি টাকা হতে পারে ; অথচ এই উৎপাদন বৃদ্ধি পাওয়ার জন্যে সরকারী সাহায্য ( Subsidy ) সহ মোট ৩২ কোটি টাকা বিনিয়োগ করতে হচ্ছে। অর্থাৎ সার প্রয়োগের নীট আয় দাঁড়াচ্ছে প্রায় ২৬ কোটি টাকা। {{ফাঁক}}অন্যদিকে ১৯৬২-৬৩ সালে ৩২ লক্ষ ৪৩ হাজার একর জমির ফসলকে ফসল প্রতি-রক্ষা ব্যবস্থার অধীনে আনা হবে এবং ১৮ লক্ষ ১৬ হাজার একর জমির বীজকে পোকার আক্রমণমুক্ত করা হবে {{ফাঁক}}‘ফিল্ড' শাখা—কর্পোরেশনের 'ফিল্ড' শাখা নির্বাচিত এলাকার উন্নয়ন ও বিশিষ্ট ধরনের পরিকল্পনার কার্যকরীকরণ নিয়ে অগ্রসর হওয়ার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। নির্বাচিত এলাকাতে ব্যাপক জরীপ ও অনুসন্ধান চালিয়ে সর্বাঙ্গীন কৃষি উন্নয়নের ব্যবস্থা অবলম্বন করতে হবে। অর্থাৎ কৃষির প্রয়োজনীয় সরবরাহ ছাড়া সক্রিয়ভাবে কৃষি সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিভাগগুলো যে কাজ করতো সে সবই সহযোগিতা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হব এবং বৈজ্ঞানিক ভিত্তিতে সুষ্ঠু পরিচালনার মাধ্যমে বাস্তবভাবে কার্যকরী করতে হবে। এই সব‘পরিকল্পনা অঞ্চলে' ( Project areas ) কর্পোরেশনের প্রথম কর্তব্য হবে 'প্রথম পাঁচ' পদ্ধতিকে জনপ্রিয় করে তোলা; তারপরে পানি সরবরাহের যথাযথ ব্যবহার প্রচলন করা ও সমন্বয়ভুক্ত সার ব্যবহারকে জনপ্রিয় করা। চলতি পতিত ব্যব-স্থার উচ্ছেদ করে' জমিতে দুটি ফসল ও অনেকস্থলে তিনটি ফসল উৎপাদন-ব্যবস্থা কার্যকরী করতে হবে। {{ফাঁক}}বিশিষ্ট ধরনের পরিকল্পনার মধ্যে যান্ত্রিক চাষাবাদ ও বৈদ্যুতিক পাম্প যোগে পানি-সেচ প্রধান। ট্রাক্টর যোগে জমির পুনরুদ্ধার ও যান্ত্রিক চাষ কতক অঞ্চলে বেশ উপযোগী। প্রদেশের বলদশক্তির অপ্রতুলতা ট্রাক্টর ব্যবহারের অনুকূল অবস্থা সৃষ্টি করেছে। ক্ষুদ্ৰ ক্ষুদ্র আয়তনের জমিতে ট্রাক্টব ব্যবহার অত্যন্ত সীমাবদ্ধ ; কিন্তু সমবায় সমিতির মার-ফতে সমষ্টিভুক্ত চাষাবাদের জন্যে এর ব্যবহার যথেষ্ট আশাপ্রদ। কুমিল্লার পরীক্ষা এই আশার নির্দেশ দেয়। যান্ত্রিক পদ্ধতিতে বিশেষ করে পানি সেচের ব্যবস্থা ব্যাপকভাবে চালু করা যেতে পারে। কর্পোরেশন পূর্বতন কৃষি বিভাগের যান্ত্রিক চাষাবাদ পরি-কল্পনাটি কার্যকরী করে যাচ্ছে। সেই পরিকল্পনার অধীনে ২১৩৬টি বৈদ্যুতিক পাম্প ও ২০০ ট্রাক্টর কর্পোরেশনের হাতে আসে। আরোও ২৮৩০টি পাম্প একই পরিকল্পনার অধীনে ১৯৬৪-৬৫ সালের মধ্যে আসবে বলে আশা করা যায়। তাছাড়া, কর্পোরেশন একটি নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে ; তার অধীনে ৫০০০ পাম্প আমদানী করে' চাষী-<noinclude>{{rh|১০||}}</noinclude> el3lrb0yog5nieb7mpwpabqrhsrzgs3 বিষয়শ্রেণী:পানিহার পাবলিক লাইব্রেরি হতে 14 878578 1943830 2026-04-18T15:02:26Z JIBON 20147 "{{CategoryTOC}}" দিয়ে পাতা তৈরি 1943830 wikitext text/x-wiki {{CategoryTOC}} ngw8yzfydw5ysaeaoe0lp1j23m3xggc পাতা:পূর্ব পাকিস্তানে কৃষি.pdf/১৯ 104 878579 1943835 2026-04-18T15:29:22Z JIBON 20147 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ "দের কাছে বিতরণ করা হবে এবং প্রয়োজনমত আরো ট্রাক্টরও আনা যেতে পারে। জাপান পদ্ধতির চাষযন্ত্র ( Tiller ) আমদানী করে' বিতরণ করার পরিকল্পনাও নতুন করে তৈরী হচ্ছে। তেমনি আবার ‘হাওর' অঞ..." দিয়ে পাতা তৈরি 1943835 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="1" user="JIBON" /></noinclude>দের কাছে বিতরণ করা হবে এবং প্রয়োজনমত আরো ট্রাক্টরও আনা যেতে পারে। জাপান পদ্ধতির চাষযন্ত্র ( Tiller ) আমদানী করে' বিতরণ করার পরিকল্পনাও নতুন করে তৈরী হচ্ছে। তেমনি আবার ‘হাওর' অঞ্চলের উন্নয়ন সাধন করার জন্যে বিশেষ পরি-কল্পনা তৈরী করা হচ্ছে। {{ফাঁক}}যান্ত্রিক পদ্ধতিতে কৃষি উন্নয়নের প্রগতি নীচের তালিকাটি থেকে বোঝা যাবেঃ – {|class = ''wikitable sortable'' |{{ফাঁক|12em}}১৯৫৯-৬০ |{{ফাঁক|13em}}১৯৬০-৬১ |{{ফাঁক|14em}}১৯৬১-৬২ |- !'''সরকার কর্তৃক ব্যবহৃত ট্রাক্টার (সংখ্যা)''' |৬৬ |৯২ |১২৫ |- !'''পনেরদ্ধারিত জমি (একর)''' |৭,৩০০ |৯,০০০ |৮,১০০ |- !'''ব্যবহৃত পাম্প (সংখ্যা)''' |১,১৫০ |১,৪০০ |১,৫৩৫ |- |'''পাম্প পানি সেচ প্রাপ্য জমি (একর)''' |89,800 |৬২,০০০ |৭৩,৯০০ |} {{ফাঁক}}কৃষি উৎপাদন ও পরিকল্পনার লক্ষ্য পূর্ব পাকিস্তানে বন্যা ও ঝড়ঝঞ্ঝায় ফসলের যথেষ্ট ক্ষতি হয়েছে। ১৯৬২ সালের জুন-জুলাই মাসের বন্যার ফলে পূর্ব পাকিস্তান সরকারের হিসাবে প্রায় ৭ লক্ষ টন আমন ধানের ক্ষতি হয়েছে। কতক অঞ্চলে অনাবৃষ্টির জন্যেও ফসলের কিছুটা ঘাটতি হয়েছে। তাই চলতি ১৯৬২-৬৩ সালে খাদ্যের উৎপাদন পূর্ব পাকিস্তানে কম হয়েছে এবং বাজারে চাউলের মূল্য বৃদ্ধি স্পষ্ট হয়ে দেখা দিয়েছে। সরকার সেই পরিস্থিতি মওজদ চাউল এবং আমদানীকৃত গম বিতরণ করে' আয়ত্তে রেখেছেন। ১৯৬১-৬২ সাল পর্যন্ত যে হিসাব পাওয়া যায় তাতে দেখা যায় পূর্ব পাকিস্তান কৃষি উৎপাদন ক্ষেত্রে পরিকল্পনার বাস্তব লক্ষ্যসম,হের দিকে সাফল্যের সঙ্গেই অগ্রসর হচ্ছে। উৎপাদন বৃদ্ধি নিম্নের তালিকাটিতে দেখানো হলোঃ- {{কেন্দ্র|'''লক্ষ্যগুলোর তুলনায় ফসল'''}} {| class = 'wikitable sortable' !'''শস্য''' !'''১৯৫৯-৬০''' !'''১৯৬১-৬২''' !'''বৃদ্ধি ( শতকরা )''' !'''পরিকল্পনা লক্ষ্য( শতকরা )''' |- |'''চাউল''' |৮৪.৮ লক্ষ টন |৯৪.৬ লক্ষ টন |১১.৬ |১৭ |- |'''ডাল''' |১.৭ মেট্রিক টন |২.৩ মেট্রিক টন |১৯.৬ |৩ |- |'''তৈল বীজ''' |১.৮ মেট্রিক টন |১৯.৬ মেট্রিক টন |৭.৮ |৪৫ |- |'''পাট''' |৫৩৬ লক্ষ বেল |৬৯.৬ লক্ষ বেল |২৯.৯ |২২ |- |'''ইক্ষু''' |৩৬.১ লক্ষ টন |৪৪.২ লক্ষ টা |২২.৩ |৪২ |- |'''চা''' |৫.৭ কোটি পাউণ্ড |৫.৯ কোটি পাউণ্ড |৩.১ |১৮ |- |'''তামাক''' |২৭.০ হাজার টন |৩১.০ হাজার টন |২২.২ |১৪ |} {{rh|||১১}}<noinclude></noinclude> 1f07nlvmnx2tvtxud2dipdjsxva6yyx 1943836 1943835 2026-04-18T15:33:47Z JIBON 20147 1943836 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="1" user="JIBON" /></noinclude>দের কাছে বিতরণ করা হবে এবং প্রয়োজনমত আরো ট্রাক্টরও আনা যেতে পারে। জাপান পদ্ধতির চাষযন্ত্র ( Tiller ) আমদানী করে' বিতরণ করার পরিকল্পনাও নতুন করে তৈরী হচ্ছে। তেমনি আবার ‘হাওর' অঞ্চলের উন্নয়ন সাধন করার জন্যে বিশেষ পরি-কল্পনা তৈরী করা হচ্ছে। {{ফাঁক}}যান্ত্রিক পদ্ধতিতে কৃষি উন্নয়নের প্রগতি নীচের তালিকাটি থেকে বোঝা যাবেঃ – {|class = ''wikitable sortable'' ! !'''১৯৫৯-৬০''' !'''১৯৬০-৬১''' !'''১৯৬১-৬২''' |- |'''সরকার কর্তৃক ব্যবহৃত ট্রাক্টার (সংখ্যা)''' |৬৬ |৯২ |১২৫ |- |'''পনেরদ্ধারিত জমি (একর)''' |৭,৩০০ |৯,০০০ |৮,১০০ |- |'''ব্যবহৃত পাম্প (সংখ্যা)''' |১,১৫০ |১,৪০০ |১,৫৩৫ |- |'''পাম্প পানি সেচ প্রাপ্য জমি (একর)''' |89,800 |৬২,০০০ |৭৩,৯০০ |} {{ফাঁক}}কৃষি উৎপাদন ও পরিকল্পনার লক্ষ্য পূর্ব পাকিস্তানে বন্যা ও ঝড়ঝঞ্ঝায় ফসলের যথেষ্ট ক্ষতি হয়েছে। ১৯৬২ সালের জুন-জুলাই মাসের বন্যার ফলে পূর্ব পাকিস্তান সরকারের হিসাবে প্রায় ৭ লক্ষ টন আমন ধানের ক্ষতি হয়েছে। কতক অঞ্চলে অনাবৃষ্টির জন্যেও ফসলের কিছুটা ঘাটতি হয়েছে। তাই চলতি ১৯৬২-৬৩ সালে খাদ্যের উৎপাদন পূর্ব পাকিস্তানে কম হয়েছে এবং বাজারে চাউলের মূল্য বৃদ্ধি স্পষ্ট হয়ে দেখা দিয়েছে। সরকার সেই পরিস্থিতি মওজদ চাউল এবং আমদানীকৃত গম বিতরণ করে' আয়ত্তে রেখেছেন। ১৯৬১-৬২ সাল পর্যন্ত যে হিসাব পাওয়া যায় তাতে দেখা যায় পূর্ব পাকিস্তান কৃষি উৎপাদন ক্ষেত্রে পরিকল্পনার বাস্তব লক্ষ্যসম,হের দিকে সাফল্যের সঙ্গেই অগ্রসর হচ্ছে। উৎপাদন বৃদ্ধি নিম্নের তালিকাটিতে দেখানো হলোঃ- {{কেন্দ্র|'''লক্ষ্যগুলোর তুলনায় ফসল'''}} {| class = 'wikitable sortable' !'''শস্য''' !'''১৯৫৯-৬০''' !'''১৯৬১-৬২''' !'''বৃদ্ধি ( শতকরা )''' !'''পরিকল্পনা লক্ষ্য( শতকরা )''' |- |'''চাউল''' |৮৪.৮ লক্ষ টন |৯৪.৬ লক্ষ টন |১১.৬ |১৭ |- |'''ডাল''' |১.৭ মেট্রিক টন |২.৩ মেট্রিক টন |১৯.৬ |৩ |- |'''তৈল বীজ''' |১.৮ মেট্রিক টন |১৯.৬ মেট্রিক টন |৭.৮ |৪৫ |- |'''পাট''' |৫৩৬ লক্ষ বেল |৬৯.৬ লক্ষ বেল |২৯.৯ |২২ |- |'''ইক্ষু''' |৩৬.১ লক্ষ টন |৪৪.২ লক্ষ টা |২২.৩ |৪২ |- |'''চা''' |৫.৭ কোটি পাউণ্ড |৫.৯ কোটি পাউণ্ড |৩.১ |১৮ |- |'''তামাক''' |২৭.০ হাজার টন |৩১.০ হাজার টন |২২.২ |১৪ |} {{rh|||১১}}<noinclude></noinclude> fnot9j0yk43fdjuukhxn7nso4ycd36c 1943837 1943836 2026-04-18T15:40:17Z JIBON 20147 1943837 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="1" user="JIBON" /></noinclude>দের কাছে বিতরণ করা হবে এবং প্রয়োজনমত আরো ট্রাক্টরও আনা যেতে পারে। জাপানী পদ্ধতির চাষযন্ত্র ( Tiller ) আমদানী করে বিতরণ করার পরিকল্পনাও নতুন করে তৈরী হচ্ছে। তেমনি আবার ‘হাওর' অঞ্চলের উন্নয়ন সাধন করার জন্যে বিশেষ পরি-কল্পনা তৈরী করা হচ্ছে। {{ফাঁক}}যান্ত্রিক পদ্ধতিতে কৃষি উন্নয়নের প্রগতি নীচের তালিকাটি থেকে বোঝা যাবেঃ – {|class = ''wikitable sortable'' ! !'''১৯৫৯-৬০''' !'''১৯৬০-৬১''' !'''১৯৬১-৬২''' |- |'''সরকার কর্তৃক ব্যবহৃত ট্রাক্টার (সংখ্যা)''' |৬৬ |৯২ |১২৫ |- |'''পুনরদ্ধারিত জমি (একর)''' |৭,৩০০ |৯,০০০ |৮,১০০ |- |'''ব্যবহৃত পাম্প (সংখ্যা)''' |১,১৫০ |১,৪০০ |১,৫৩৫ |- |'''পাম্প পানি সেচ প্রাপ্য জমি (একর)''' |৪৭,৪০০ |৬২,০০০ |৭৩,৯০০ |} {{কেন্দ্র|'''কৃষি উৎপাদন ও পরিকল্পনার লক্ষ্য'''}} {{ফাঁক}} পূর্ব পাকিস্তানে বন্যা ও ঝড়ঝঞ্ঝায় ফসলের যথেষ্ট ক্ষতি হয়েছে। ১৯৬২ সালের জুন-জুলাই মাসের বন্যার ফলে পূর্ব পাকিস্তান সরকারের হিসাবে প্রায় ৭ লক্ষ টন আমন ধানের ক্ষতি হয়েছে। কতক অঞ্চলে অনাবৃষ্টির জন্যেও ফসলের কিছুটা ঘাটতি হয়েছে। তাই চলতি ১৯৬২-৬৩ সালে খাদ্যের উৎপাদন পূর্ব পাকিস্তানে কম হয়েছে এবং বাজারে চাউলের মূল্য বৃদ্ধি স্পষ্ট হয়ে দেখা দিয়েছে। সরকার সেই পরিস্থিতি মওজুদ চাউল এবং আমদানীকৃত গম বিতরণ করে' আয়ত্তে রেখেছেন। ১৯৬১-৬২ সাল পর্যন্ত যে হিসাব পাওয়া যায় তাতে দেখা যায় পূর্ব পাকিস্তান কৃষি উৎপাদন ক্ষেত্রে পরিকল্পনার বাস্তব লক্ষ্যসম,হের দিকে সাফল্যের সঙ্গেই অগ্রসর হচ্ছে। লক্ষ্যগুলোর তুলনায় ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি নিম্নের তালিকাটিতে দেখানো হলোঃ- {{কেন্দ্র|'''লক্ষ্যগুলোর তুলনায় ফসল'''}} {| class = 'wikitable sortable' !'''শস্য''' !'''১৯৫৯-৬০''' !'''১৯৬১-৬২''' !'''বৃদ্ধি ( শতকরা )''' !'''পরিকল্পনা লক্ষ্য( শতকরা )''' |- |'''চাউল''' |৮৪.৮ লক্ষ টন |৯৪.৬ লক্ষ টন |১১.৬ |১৭ |- |'''ডাল''' |১.৭ মেট্রিক টন |২.৩ মেট্রিক টন |১৯.৬ |৩ |- |'''তৈল বীজ''' |১.৮ মেট্রিক টন |১৯.৬ মেট্রিক টন |৭.৮ |৪৫ |- |'''পাট''' |৫৩৬ লক্ষ বেল |৬৯.৬ লক্ষ বেল |২৯.৯ |২২ |- |'''ইক্ষু''' |৩৬.১ লক্ষ টন |৪৪.২ লক্ষ টা |২২.৩ |৪২ |- |'''চা''' |৫.৭ কোটি পাউণ্ড |৫.৯ কোটি পাউণ্ড |৩.১ |১৮ |- |'''তামাক''' |২৭.০ হাজার টন |৩১.০ হাজার টন |২২.২ |১৪ |} {{rh|||১১}}<noinclude></noinclude> ml3ameanlndmqcj376bqi4lgkm53vau পাতা:পূর্ব পাকিস্তানে কৃষি.pdf/২০ 104 878580 1943838 2026-04-18T16:14:51Z JIBON 20147 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ "{{ফাঁক}}দ্বিতীয় পাঁচসালা পরিকল্পনা শরু হওয়ার আগে পূর্ব পাকিস্তানে ন্যূনাধিক ৫ লক্ষ টন খাদ্যের দাম নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছিল। পরিকল্পনার অধীনে আরোও ৩ লক্ষ ৬৫ হাজার টনের দ..." দিয়ে পাতা তৈরি 1943838 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="1" user="JIBON" />{{কেন্দ্র|খাদ্য ও খাদ্যের গুদাম}}</noinclude>{{ফাঁক}}দ্বিতীয় পাঁচসালা পরিকল্পনা শরু হওয়ার আগে পূর্ব পাকিস্তানে ন্যূনাধিক ৫ লক্ষ টন খাদ্যের দাম নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছিল। পরিকল্পনার অধীনে আরোও ৩ লক্ষ ৬৫ হাজার টনের দাম নির্মাণ বরাদ্দ করা হয়েছে। এই বরাদ্দের মধ্যে ৭৫,০০০ টন মওজন্দের গদাম ইতিমধ্যে প্রাদেশিক সরকার নির্মাণ করেছেন। আবার কেন্দ্রীয় সর- কারের উদ্যমে খুলনায় ৪০,০০০ টন মওজদের গুদাম নির্মাণ প্রায় সম্পূর্ণ হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার চট্টগ্রামেও ৬০,০০০ টন মওজদের গদাম নির্মাণে হাত দিয়েছেন। পূর্ব পাকিস্তান সরকার ইদানীং যুক্তরাষ্ট্রের (পি, এল, ৪৮০ আইনের অন্তর্ভুক্ত) গম ও অন্যান্য উদ্বৃত্ত কৃষিজাত দ্রব্যাদির আমদানী গুদামজাত করার জন্যে নতুন ২৫০,০০০ টনের দাম নির্মাণের পরিকল্পনা প্রস্তুত করেছেন। {{ফাঁক}}বন্যা, অনাবৃষ্টি এবং অন্যান্য প্রাকৃতিক কারণে ধানের উৎপাদন কম হওয়ার জন্যে চাউলের মূল্য ১৯৬২ সালের শেষের দিকে বাড়তে শুরু করে ; বোরো ধান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ১৯৬৩ সালের চলতি সময়ে এই মূল্যবৃদ্ধি অব্যাহত থাকে। এই অবস্থার মোকা- বিলার জন্য পূর্ব পাকিস্তান সরকার বিদেশ থেকে ৩৫০,০০০ টন চাউল আমদানীর অনরোধ জানিয়েছেন। কেন্দ্রীয় সরকার এই আমদানীর ব্যবস্থা করেছেন। বার্মা সর-কারের সঙ্গে পাকিস্তান সরকারের চুক্তি মোতাবেক ১৯৬২ সালে বার্মা পূর্ব পাকিস্তানে ২. লক্ষ টন চাউল সরবরাহ করে ; এই পরিমাণের অতিরিক্ত আরো ৫০,০০০ টন চাউল সরবরাহ করার জন্যে পাকিস্তান সরকার অনুরোধ জানিয়েছেন। পশ্চিম পাকিস্তানের সিন্ধ, অঞ্চল থেকেও ১০,০০০ টন চাউল সরবরাহ করা হয়েছে। {{ফাঁক}}অন্যদিকে পূর্ব পাকিস্তানে গমের ব্যবহার উৎসাহিত করা হয়েছে ও হচ্ছে। খাদ্য- রূপে গমের ব্যবহার ১৯৫৬ সালে পূর্ব পাকিস্তানে ছিল মাত্র ৩৭,০০০ টন ; সে স্থলে ১৯৬১ সালে এই ব্যবহার দাঁড়িয়েছে ১৪০,০০০ টনে। {{Block center|কৃষি গবেষণা}} {{ফাঁক}}কৃষির নানা সমস্যার সমাধানের জন্যে গবেষণার কার্যক্রম যথেষ্ট ব্যাপক। কেন্দ্রীয় সরকারই এই ব্যাপারে অগ্রনী। কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্যমে পাট, তলা ও চা সম্পর্কিত গবেষণার প্রতিষ্ঠান পূর্ব পাকিস্তানে অত্যন্ত দ্রুত গতিতে কাজ করে যাচ্ছে। এসব ছাড়া কীট পতঙ্গ ধ্বংসের পদ্ধতি, রেডিও আইসোটোপ প্রয়োগ, জীবতত্ব-মূলক নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি গবেষণা ও নানা প্রকার জরীপ কেন্দ্রীয় সরকার করছেন। কৃষির সমস্যাদি সম্পর্কে অর্থনৈতিক অননুসন্ধান ও অধ্যয়নও কেন্দ্রীয় কৃষি গবেষণা কার্য-ক্রমের অন্তর্ভুক্ত।<noinclude>{{rh|||১২}}</noinclude> jkx02h89x7105uxtbd5vswb34ivn33q 1943839 1943838 2026-04-18T16:17:45Z JIBON 20147 1943839 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="1" user="JIBON" />{{কেন্দ্র|খাদ্য ও খাদ্যের গুদাম}}</noinclude>{{ফাঁক}}দ্বিতীয় পাঁচসালা পরিকল্পনা শরু হওয়ার আগে পূর্ব পাকিস্তানে ন্যূনাধিক ৫ লক্ষ টন খাদ্যের দাম নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছিল। পরিকল্পনার অধীনে আরোও ৩ লক্ষ ৬৫ হাজার টনের দাম নির্মাণ বরাদ্দ করা হয়েছে। এই বরাদ্দের মধ্যে ৭৫,০০০ টন মওজন্দের গদাম ইতিমধ্যে প্রাদেশিক সরকার নির্মাণ করেছেন। আবার কেন্দ্রীয় সর- কারের উদ্যমে খুলনায় ৪০,০০০ টন মওজদের গুদাম নির্মাণ প্রায় সম্পূর্ণ হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার চট্টগ্রামেও ৬০,০০০ টন মওজদের গদাম নির্মাণে হাত দিয়েছেন। পূর্ব পাকিস্তান সরকার ইদানীং যুক্তরাষ্ট্রের (পি, এল, ৪৮০ আইনের অন্তর্ভুক্ত) গম ও অন্যান্য উদ্বৃত্ত কৃষিজাত দ্রব্যাদির আমদানী গুদামজাত করার জন্যে নতুন ২৫০,০০০ টনের দাম নির্মাণের পরিকল্পনা প্রস্তুত করেছেন। {{ফাঁক}}বন্যা, অনাবৃষ্টি এবং অন্যান্য প্রাকৃতিক কারণে ধানের উৎপাদন কম হওয়ার জন্যে চাউলের মূল্য ১৯৬২ সালের শেষের দিকে বাড়তে শুরু করে ; বোরো ধান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ১৯৬৩ সালের চলতি সময়ে এই মূল্যবৃদ্ধি অব্যাহত থাকে। এই অবস্থার মোকা- বিলার জন্য পূর্ব পাকিস্তান সরকার বিদেশ থেকে ৩৫০,০০০ টন চাউল আমদানীর অনরোধ জানিয়েছেন। কেন্দ্রীয় সরকার এই আমদানীর ব্যবস্থা করেছেন। বার্মা সর-কারের সঙ্গে পাকিস্তান সরকারের চুক্তি মোতাবেক ১৯৬২ সালে বার্মা পূর্ব পাকিস্তানে ২. লক্ষ টন চাউল সরবরাহ করে ; এই পরিমাণের অতিরিক্ত আরো ৫০,০০০ টন চাউল সরবরাহ করার জন্যে পাকিস্তান সরকার অনুরোধ জানিয়েছেন। পশ্চিম পাকিস্তানের সিন্ধ, অঞ্চল থেকেও ১০,০০০ টন চাউল সরবরাহ করা হয়েছে। {{ফাঁক}}অন্যদিকে পূর্ব পাকিস্তানে গমের ব্যবহার উৎসাহিত করা হয়েছে ও হচ্ছে। খাদ্য- রূপে গমের ব্যবহার ১৯৫৬ সালে পূর্ব পাকিস্তানে ছিল মাত্র ৩৭,০০০ টন ; সে স্থলে ১৯৬১ সালে এই ব্যবহার দাঁড়িয়েছে ১৪০,০০০ টনে। {{Block center|কৃষি গবেষণা}} {{ফাঁক}}কৃষির নানা সমস্যার সমাধানের জন্যে গবেষণার কার্যক্রম যথেষ্ট ব্যাপক। কেন্দ্রীয় সরকারই এই ব্যাপারে অগ্রনী। কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্যমে পাট, তলা ও চা সম্পর্কিত গবেষণার প্রতিষ্ঠান পূর্ব পাকিস্তানে অত্যন্ত দ্রুত গতিতে কাজ করে যাচ্ছে। এসব ছাড়া কীট পতঙ্গ ধ্বংসের পদ্ধতি, রেডিও আইসোটোপ প্রয়োগ, জীবতত্ব-মূলক নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি গবেষণা ও নানা প্রকার জরীপ কেন্দ্রীয় সরকার করছেন। কৃষির সমস্যাদি সম্পর্কে অর্থনৈতিক অননুসন্ধান ও অধ্যয়নও কেন্দ্রীয় কৃষি গবেষণা কার্য-ক্রমের অন্তর্ভুক্ত।<noinclude>{{rh|১২||}}</noinclude> 2vm6mvqtr9borwsa3iehfqdj459hx62 1943840 1943839 2026-04-18T16:19:00Z JIBON 20147 1943840 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="1" user="JIBON" />{{কেন্দ্র|খাদ্য ও খাদ্যের গুদাম}}</noinclude>{{ফাঁক}}দ্বিতীয় পাঁচসালা পরিকল্পনা শরু হওয়ার আগে পূর্ব পাকিস্তানে ন্যূনাধিক ৫ লক্ষ টন খাদ্যের দাম নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছিল। পরিকল্পনার অধীনে আরোও ৩ লক্ষ ৬৫ হাজার টনের দাম নির্মাণ বরাদ্দ করা হয়েছে। এই বরাদ্দের মধ্যে ৭৫,০০০ টন মওজন্দের গদাম ইতিমধ্যে প্রাদেশিক সরকার নির্মাণ করেছেন। আবার কেন্দ্রীয় সর- কারের উদ্যমে খুলনায় ৪০,০০০ টন মওজদের গুদাম নির্মাণ প্রায় সম্পূর্ণ হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার চট্টগ্রামেও ৬০,০০০ টন মওজদের গদাম নির্মাণে হাত দিয়েছেন। পূর্ব পাকিস্তান সরকার ইদানীং যুক্তরাষ্ট্রের (পি, এল, ৪৮০ আইনের অন্তর্ভুক্ত) গম ও অন্যান্য উদ্বৃত্ত কৃষিজাত দ্রব্যাদির আমদানী গুদামজাত করার জন্যে নতুন ২৫০,০০০ টনের দাম নির্মাণের পরিকল্পনা প্রস্তুত করেছেন। {{ফাঁক}}বন্যা, অনাবৃষ্টি এবং অন্যান্য প্রাকৃতিক কারণে ধানের উৎপাদন কম হওয়ার জন্যে চাউলের মূল্য ১৯৬২ সালের শেষের দিকে বাড়তে শুরু করে ; বোরো ধান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ১৯৬৩ সালের চলতি সময়ে এই মূল্যবৃদ্ধি অব্যাহত থাকে। এই অবস্থার মোকা- বিলার জন্য পূর্ব পাকিস্তান সরকার বিদেশ থেকে ৩৫০,০০০ টন চাউল আমদানীর অনরোধ জানিয়েছেন। কেন্দ্রীয় সরকার এই আমদানীর ব্যবস্থা করেছেন। বার্মা সর-কারের সঙ্গে পাকিস্তান সরকারের চুক্তি মোতাবেক ১৯৬২ সালে বার্মা পূর্ব পাকিস্তানে ২. লক্ষ টন চাউল সরবরাহ করে ; এই পরিমাণের অতিরিক্ত আরো ৫০,০০০ টন চাউল সরবরাহ করার জন্যে পাকিস্তান সরকার অনুরোধ জানিয়েছেন। পশ্চিম পাকিস্তানের সিন্ধ, অঞ্চল থেকেও ১০,০০০ টন চাউল সরবরাহ করা হয়েছে। {{ফাঁক}}অন্যদিকে পূর্ব পাকিস্তানে গমের ব্যবহার উৎসাহিত করা হয়েছে ও হচ্ছে। খাদ্য- রূপে গমের ব্যবহার ১৯৫৬ সালে পূর্ব পাকিস্তানে ছিল মাত্র ৩৭,০০০ টন ; সে স্থলে ১৯৬১ সালে এই ব্যবহার দাঁড়িয়েছে ১৪০,০০০ টনে। {{Block center|কৃষি গবেষণা}} {{ফাঁক}}কৃষির নানা সমস্যার সমাধানের জন্যে গবেষণার কার্যক্রম যথেষ্ট ব্যাপক। কেন্দ্রীয় সরকারই এই ব্যাপারে অগ্রনী। কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্যমে পাট, তলা ও চা সম্পর্কিত গবেষণার প্রতিষ্ঠান পূর্ব পাকিস্তানে অত্যন্ত দ্রুত গতিতে কাজ করে যাচ্ছে। {{ফাঁক}}এসব ছাড়া কীট পতঙ্গ ধ্বংসের পদ্ধতি, রেডিও আইসোটোপ প্রয়োগ, জীবতত্ব-মূলক নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি গবেষণা ও নানা প্রকার জরীপ কেন্দ্রীয় সরকার করছেন। কৃষির সমস্যাদি সম্পর্কে অর্থনৈতিক অননুসন্ধান ও অধ্যয়নও কেন্দ্রীয় কৃষি গবেষণা কার্য-ক্রমের অন্তর্ভুক্ত।<noinclude>{{rh|১২||}}</noinclude> nbcgymzna38fhbgz75c9ui73c2r5c37 1943858 1943840 2026-04-18T17:16:27Z JIBON 20147 1943858 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="1" user="JIBON" />{{কেন্দ্র|'''খাদ্য ও খাদ্যের গুদাম'''}}</noinclude>{{ফাঁক}}দ্বিতীয় পাঁচসালা পরিকল্পনা শরু হওয়ার আগে পূর্ব পাকিস্তানে ন্যূনাধিক ৫ লক্ষ টন খাদ্যের দাম নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছিল। পরিকল্পনার অধীনে আরোও ৩ লক্ষ ৬৫ হাজার টনের দাম নির্মাণ বরাদ্দ করা হয়েছে। এই বরাদ্দের মধ্যে ৭৫,০০০ টন মওজন্দের গদাম ইতিমধ্যে প্রাদেশিক সরকার নির্মাণ করেছেন। আবার কেন্দ্রীয় সর- কারের উদ্যমে খুলনায় ৪০,০০০ টন মওজদের গুদাম নির্মাণ প্রায় সম্পূর্ণ হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার চট্টগ্রামেও ৬০,০০০ টন মওজদের গদাম নির্মাণে হাত দিয়েছেন। পূর্ব পাকিস্তান সরকার ইদানীং যুক্তরাষ্ট্রের (পি, এল, ৪৮০ আইনের অন্তর্ভুক্ত) গম ও অন্যান্য উদ্বৃত্ত কৃষিজাত দ্রব্যাদির আমদানী গুদামজাত করার জন্যে নতুন ২৫০,০০০ টনের দাম নির্মাণের পরিকল্পনা প্রস্তুত করেছেন। {{ফাঁক}}বন্যা, অনাবৃষ্টি এবং অন্যান্য প্রাকৃতিক কারণে ধানের উৎপাদন কম হওয়ার জন্যে চাউলের মূল্য ১৯৬২ সালের শেষের দিকে বাড়তে শুরু করে ; বোরো ধান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ১৯৬৩ সালের চলতি সময়ে এই মূল্যবৃদ্ধি অব্যাহত থাকে। এই অবস্থার মোকা- বিলার জন্য পূর্ব পাকিস্তান সরকার বিদেশ থেকে ৩৫০,০০০ টন চাউল আমদানীর অনরোধ জানিয়েছেন। কেন্দ্রীয় সরকার এই আমদানীর ব্যবস্থা করেছেন। বার্মা সর-কারের সঙ্গে পাকিস্তান সরকারের চুক্তি মোতাবেক ১৯৬২ সালে বার্মা পূর্ব পাকিস্তানে ২. লক্ষ টন চাউল সরবরাহ করে ; এই পরিমাণের অতিরিক্ত আরো ৫০,০০০ টন চাউল সরবরাহ করার জন্যে পাকিস্তান সরকার অনুরোধ জানিয়েছেন। পশ্চিম পাকিস্তানের সিন্ধ, অঞ্চল থেকেও ১০,০০০ টন চাউল সরবরাহ করা হয়েছে। {{ফাঁক}}অন্যদিকে পূর্ব পাকিস্তানে গমের ব্যবহার উৎসাহিত করা হয়েছে ও হচ্ছে। খাদ্য- রূপে গমের ব্যবহার ১৯৫৬ সালে পূর্ব পাকিস্তানে ছিল মাত্র ৩৭,০০০ টন ; সে স্থলে ১৯৬১ সালে এই ব্যবহার দাঁড়িয়েছে ১৪০,০০০ টনে। {{Block center|'''কৃষি গবেষণা'''}} {{ফাঁক}}কৃষির নানা সমস্যার সমাধানের জন্যে গবেষণার কার্যক্রম যথেষ্ট ব্যাপক। কেন্দ্রীয় সরকারই এই ব্যাপারে অগ্রনী। কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্যমে পাট, তলা ও চা সম্পর্কিত গবেষণার প্রতিষ্ঠান পূর্ব পাকিস্তানে অত্যন্ত দ্রুত গতিতে কাজ করে যাচ্ছে। {{ফাঁক}}এসব ছাড়া কীট পতঙ্গ ধ্বংসের পদ্ধতি, রেডিও আইসোটোপ প্রয়োগ, জীবতত্ব-মূলক নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি গবেষণা ও নানা প্রকার জরীপ কেন্দ্রীয় সরকার করছেন। কৃষির সমস্যাদি সম্পর্কে অর্থনৈতিক অননুসন্ধান ও অধ্যয়নও কেন্দ্রীয় কৃষি গবেষণা কার্য-ক্রমের অন্তর্ভুক্ত।<noinclude>{{rh|১২||}}</noinclude> hba2uhd7rwgzw76stre2nfs4dwmgx2b 1943861 1943858 2026-04-18T17:20:05Z JIBON 20147 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ 1943861 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="1" user="JIBON" />{{কেন্দ্র|'''খাদ্য ও খাদ্যের গুদাম'''}}</noinclude>{{ফাঁক}}দ্বিতীয় পাঁচসালা পরিকল্পনা শরু হওয়ার আগে পূর্ব পাকিস্তানে ন্যূনাধিক ৫ লক্ষ টন খাদ্যের দাম নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছিল। পরিকল্পনার অধীনে আরোও ৩ লক্ষ ৬৫ হাজার টনের দাম নির্মাণ বরাদ্দ করা হয়েছে। এই বরাদ্দের মধ্যে ৭৫,০০০ টন মওজুদের গুদাম ইতিমধ্যে প্রাদেশিক সরকার নির্মাণ করেছেন। আবার কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্যমে খুলনায় ৪০,০০০ টন মওজদের গুদাম নির্মাণ প্রায় সম্পূর্ণ হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার চট্টগ্রামেও ৬০,০০০ টন মওজুদের গুদাম নির্মাণে হাত দিয়েছেন। পূর্ব পাকিস্তান সরকার ইদানীং যুক্তরাষ্ট্রের (পি, এল, ৪৮০ আইনের অন্তর্ভুক্ত) গম ও অন্যান্য উদ্বৃত্ত কৃষিজাত দ্রব্যাদির আমদানী গুদামজাত করার জন্যে নতুন ২৫০,০০০ টনের দাম নির্মাণের পরিকল্পনা প্রস্তুত করেছেন। {{ফাঁক}}বন্যা, অনাবৃষ্টি এবং অন্যান্য প্রাকৃতিক কারণে ধানের উৎপাদন কম হওয়ার জন্যে চাউলের মূল্য ১৯৬২ সালের শেষের দিকে বাড়তে শুরু করে ; বোরো ধান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ১৯৬৩ সালের চলতি সময়ে এই মূল্যবৃদ্ধি অব্যাহত থাকে। এই অবস্থার মোকাবিলার জন্য পূর্ব পাকিস্তান সরকার বিদেশ থেকে ৩৫০,০০০ টন চাউল আমদানীর অনুরোধ জানিয়েছেন। কেন্দ্রীয় সরকার এই আমদানীর ব্যবস্থা করেছেন। বার্মা সর-কারের সঙ্গে পাকিস্তান সরকারের চুক্তি মোতাবেক ১৯৬২ সালে বার্মা পূর্ব পাকিস্তানে ২ লক্ষ টন চাউল সরবরাহ করে; এই পরিমাণের অতিরিক্ত আরো ৫০,০০০ টন চাউল সরবরাহ করার জন্যে পাকিস্তান সরকার অনুরোধ জানিয়েছেন। পশ্চিম পাকিস্তানের সিন্ধু অঞ্চল থেকেও ১০,০০০ টন চাউল সরবরাহ করা হয়েছে। {{ফাঁক}}অন্যদিকে পূর্ব পাকিস্তানে গমের ব্যবহার উৎসাহিত করা হয়েছে ও হচ্ছে। খাদ্যরূপে গমের ব্যবহার ১৯৫৬ সালে পূর্ব পাকিস্তানে ছিল মাত্র ৩৭,০০০ টন ; সে স্থলে ১৯৬১ সালে এই ব্যবহার দাঁড়িয়েছে ১৪০,০০০ টনে। {{Block center|'''কৃষি গবেষণা'''}} {{ফাঁক}}কৃষির নানা সমস্যার সমাধানের জন্যে গবেষণার কার্যক্রম যথেষ্ট ব্যাপক। কেন্দ্রীয় সরকারই এই ব্যাপারে অগ্রনী। কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্যমে পাট, তুলা ও চা সম্পর্কিত গবেষণার প্রতিষ্ঠান পূর্ব পাকিস্তানে অত্যন্ত দ্রুত গতিতে কাজ করে যাচ্ছে। {{ফাঁক}}এসব ছাড়া কীট পতঙ্গ ধ্বংসের পদ্ধতি, রেডিও আইসোটোপ প্রয়োগ, জীবতত্ব-মূলক নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি গবেষণা ও নানা প্রকার জরীপ কেন্দ্রীয় সরকার করছেন। কৃষির সমস্যাদি সম্পর্কে অর্থনৈতিক অনুসন্ধান ও অধ্যয়নও কেন্দ্রীয় কৃষি গবেষণা কার্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত।<noinclude>{{rh|১২||}}</noinclude> 1nk7iz2cujq8i7ixcebtsv1dmlfycnx পাতা:শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (ত্রয়োদশ সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৬০).pdf/৪০৫ 104 878581 1943842 2026-04-18T16:30:48Z Nettime Sujata 5470 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */ 1943842 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ}}</noinclude>{{কেন্দ্র|[ শ্রীউপেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়কে লেখা ]}} {{Block right|{{কেন্দ্র|10. 1. 13 D. A. G’s Office, Rn.}}}} {{ফাঁক}}প্রিয় উপীন—তোমার পত্র পেয়ে দুর্ভাবনা গেল। দু’দিন পূর্ব্বে ফণীন্দ্রের পত্র ও ‘চরিত্রহীন’ পেয়েছি। তোমাদের ওপরে বেশি দিন রাগ করে থাকা সম্ভব নয়, তাই এখন আর রাগ নেই, কিন্তু কিছুদিন পূর্ব্বে সত্যই অনেকটা রাগ ও দুঃখ হয়েছিল। আমি কেবলি আশ্চর্য্য হয়ে ভাবতাম এরা করে কি? একখানা চিঠিও যখন দেয় না, তখন নিশ্চয়ই এদের মতিগতি বদলে গেছে। তোমাকে একটা কথা বলে রাখি উপীন, আমার এই একটা ভারী বদ স্বভাব আছে যে একটুতেই মনে করি লোকে যা করে তা ইচ্ছে করেই করে। ইচ্ছা না করেও যে কেউ কেউ অভ্যাসের দোষে আর এক রকম করে, আমার নিজের সম্বন্ধে সে কথা মনে থাকে না। Sensitive বলে একটা কথা যে আছে আমার সেটা অপর্য্যাপ্ত রকম বেশি। সুরেন<ref>শ্রীসুরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়।</ref>কে আজ হপ্তা দুই একখানা চিঠি দিয়েছিলাম আজ পর্য্যন্ত তার জবাব পেলাম না। এরা কেনই বা লেখে, কেনই বা লেখা বন্ধ করে। তুমি ‘কাশীনাথ’ সমাজপতিকে দিয়ে ভাল কর নি। ওটা ‘বোঝা’র<ref>‘যমুনা’র ১৩১৯ সালের কার্তিক-পৌষ সংখ্যায় ‘বোঝা’ প্রকাশিত হয়েছিল।</ref> জুড়ি, ছেলেবেলার হাত-পাকানোর গল্প। ছাপান ত দূরের কথা, লোককে দেখানও উচিত নয়। আমার সম্পূর্ণ অনিচ্ছা, যেন না ছাপা হয়। আর আমার নামটা মাটি কোরো না, একা ‘বোঝা’ই যথেষ্ট হয়েছে। {{ফাঁক}}আমি ‘যমুনা’র প্রতি স্নেহহীন নই। সাধ্যমত সাহায্য করব, তবে ছোট গল্প লিখতে আর ইচ্ছে হয় না—ওটা তোমরা পাঁচ জনেই কর। প্রবন্ধ লিখব—এবং পাঠাবও। ‘চরিত্রহীন’ কবে সম্পূর্ণ হবে বলতে পারি না। প্রায় অর্দ্ধেকটা হয়েছে মাত্র। হলেও যে সমাজপতির কাছেই পাঠিয়ে দেব তাও বলা ঠিক হয় না। এক তুমি যদি কলিকাতায় থাকিতে তোমার কাছে পাঠাতাম। ইতিমধ্যে তুমি সমাজপতিকে লিখে দিয়ো ‘কাশীনাথ’ যেন প্রকাশ না করে। যদি করে ত আমি লজ্জায় বাঁচব না। তুমি দু-একটা গল্প লিখতে বলেচ এবং পাঠাতেও লিখেচ, যদি লিখিই কাকে পাঠাব? তোমাকে না ফণিকে?...গিরীন<ref>ইনি হরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়ের কনিষ্ঠ ভ্রাতা।</ref> তখন ছোটো ছিল, যখন আমি সংসারের বাইরে<noinclude>{{rule}} {{reflist}}{{কেন্দ্র|৩৯১}}</noinclude> sy3okoyo4cg36h2eze95jfqjlcpw4ec 1943860 1943842 2026-04-18T17:19:14Z Nettime Sujata 5470 1943860 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" /></noinclude>{{কেন্দ্র|[ শ্রীউপেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়কে লেখা ]}} {{Block right|{{কেন্দ্র|10. 1. 13 D. A. G’s Office, Rn.}}}} {{ফাঁক}}প্রিয় উপীন—তোমার পত্র পেয়ে দুর্ভাবনা গেল। দু’দিন পূর্ব্বে ফণীন্দ্রের পত্র ও ‘চরিত্রহীন’ পেয়েছি। তোমাদের ওপরে বেশি দিন রাগ করে থাকা সম্ভব নয়, তাই এখন আর রাগ নেই, কিন্তু কিছুদিন পূর্ব্বে সত্যই অনেকটা রাগ ও দুঃখ হয়েছিল। আমি কেবলি আশ্চর্য্য হয়ে ভাবতাম এরা করে কি? একখানা চিঠিও যখন দেয় না, তখন নিশ্চয়ই এদের মতিগতি বদলে গেছে। তোমাকে একটা কথা বলে রাখি উপীন, আমার এই একটা ভারী বদ স্বভাব আছে যে একটুতেই মনে করি লোকে যা করে তা ইচ্ছে করেই করে। ইচ্ছা না করেও যে কেউ কেউ অভ্যাসের দোষে আর এক রকম করে, আমার নিজের সম্বন্ধে সে কথা মনে থাকে না। Sensitive বলে একটা কথা যে আছে আমার সেটা অপর্য্যাপ্ত রকম বেশি। সুরেন<ref>শ্রীসুরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়।</ref>কে আজ হপ্তা দুই একখানা চিঠি দিয়েছিলাম আজ পর্য্যন্ত তার জবাব পেলাম না। এরা কেনই বা লেখে, কেনই বা লেখা বন্ধ করে। তুমি ‘কাশীনাথ’ সমাজপতিকে দিয়ে ভাল কর নি। ওটা ‘বোঝা’র<ref>‘যমুনা’র ১৩১৯ সালের কার্তিক-পৌষ সংখ্যায় ‘বোঝা’ প্রকাশিত হয়েছিল।</ref> জুড়ি, ছেলেবেলার হাত-পাকানোর গল্প। ছাপান ত দূরের কথা, লোককে দেখানও উচিত নয়। আমার সম্পূর্ণ অনিচ্ছা, যেন না ছাপা হয়। আর আমার নামটা মাটি কোরো না, একা ‘বোঝা’ই যথেষ্ট হয়েছে। {{ফাঁক}}আমি ‘যমুনা’র প্রতি স্নেহহীন নই। সাধ্যমত সাহায্য করব, তবে ছোট গল্প লিখতে আর ইচ্ছে হয় না—ওটা তোমরা পাঁচ জনেই কর। প্রবন্ধ লিখব—এবং পাঠাবও। ‘চরিত্রহীন’ কবে সম্পূর্ণ হবে বলতে পারি না। প্রায় অর্দ্ধেকটা হয়েছে মাত্র। হলেও যে সমাজপতির কাছেই পাঠিয়ে দেব তাও বলা ঠিক হয় না। এক তুমি যদি কলিকাতায় থাকিতে তোমার কাছে পাঠাতাম। ইতিমধ্যে তুমি সমাজপতিকে লিখে দিয়ো ‘কাশীনাথ’ যেন প্রকাশ না করে। যদি করে ত আমি লজ্জায় বাঁচব না। তুমি দু-একটা গল্প লিখতে বলেচ এবং পাঠাতেও লিখেচ, যদি লিখিই কাকে পাঠাব? তোমাকে না ফণিকে?...গিরীন<ref>ইনি হরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়ের কনিষ্ঠ ভ্রাতা।</ref> তখন ছোটো ছিল, যখন আমি সংসারের বাইরে<noinclude>{{rule}} {{reflist}}{{কেন্দ্র|৩৯১}}</noinclude> c868qasvewu12y8mqo2w7cc1sbefz94 1943862 1943860 2026-04-18T17:21:15Z Nettime Sujata 5470 1943862 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" /></noinclude>{{dhr}} {{কেন্দ্র|[ শ্রীউপেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়কে লেখা ]}} {{Block right|{{কেন্দ্র|10. 1. 13 D. A. G’s Office, Rn.}}}} {{ফাঁক}}প্রিয় উপীন—তোমার পত্র পেয়ে দুর্ভাবনা গেল। দু’দিন পূর্ব্বে ফণীন্দ্রের পত্র ও ‘চরিত্রহীন’ পেয়েছি। তোমাদের ওপরে বেশি দিন রাগ করে থাকা সম্ভব নয়, তাই এখন আর রাগ নেই, কিন্তু কিছুদিন পূর্ব্বে সত্যই অনেকটা রাগ ও দুঃখ হয়েছিল। আমি কেবলি আশ্চর্য্য হয়ে ভাবতাম এরা করে কি? একখানা চিঠিও যখন দেয় না, তখন নিশ্চয়ই এদের মতিগতি বদলে গেছে। তোমাকে একটা কথা বলে রাখি উপীন, আমার এই একটা ভারী বদ স্বভাব আছে যে একটুতেই মনে করি লোকে যা করে তা ইচ্ছে করেই করে। ইচ্ছা না করেও যে কেউ কেউ অভ্যাসের দোষে আর এক রকম করে, আমার নিজের সম্বন্ধে সে কথা মনে থাকে না। Sensitive বলে একটা কথা যে আছে আমার সেটা অপর্য্যাপ্ত রকম বেশি। সুরেন<ref>শ্রীসুরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়।</ref>কে আজ হপ্তা দুই একখানা চিঠি দিয়েছিলাম আজ পর্য্যন্ত তার জবাব পেলাম না। এরা কেনই বা লেখে, কেনই বা লেখা বন্ধ করে। তুমি ‘কাশীনাথ’ সমাজপতিকে দিয়ে ভাল কর নি। ওটা ‘বোঝা’র<ref>‘যমুনা’র ১৩১৯ সালের কার্তিক-পৌষ সংখ্যায় ‘বোঝা’ প্রকাশিত হয়েছিল।</ref> জুড়ি, ছেলেবেলার হাত-পাকানোর গল্প। ছাপান ত দূরের কথা, লোককে দেখানও উচিত নয়। আমার সম্পূর্ণ অনিচ্ছা, যেন না ছাপা হয়। আর আমার নামটা মাটি কোরো না, একা ‘বোঝা’ই যথেষ্ট হয়েছে। {{ফাঁক}}আমি ‘যমুনা’র প্রতি স্নেহহীন নই। সাধ্যমত সাহায্য করব, তবে ছোট গল্প লিখতে আর ইচ্ছে হয় না—ওটা তোমরা পাঁচ জনেই কর। প্রবন্ধ লিখব—এবং পাঠাবও। ‘চরিত্রহীন’ কবে সম্পূর্ণ হবে বলতে পারি না। প্রায় অর্দ্ধেকটা হয়েছে মাত্র। হলেও যে সমাজপতির কাছেই পাঠিয়ে দেব তাও বলা ঠিক হয় না। এক তুমি যদি কলিকাতায় থাকিতে তোমার কাছে পাঠাতাম। ইতিমধ্যে তুমি সমাজপতিকে লিখে দিয়ো ‘কাশীনাথ’ যেন প্রকাশ না করে। যদি করে ত আমি লজ্জায় বাঁচব না। তুমি দু-একটা গল্প লিখতে বলেচ এবং পাঠাতেও লিখেচ, যদি লিখিই কাকে পাঠাব? তোমাকে না ফণিকে?...গিরীন<ref>ইনি হরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়ের কনিষ্ঠ ভ্রাতা।</ref> তখন ছোটো ছিল, যখন আমি সংসারের বাইরে<noinclude>{{rule}} {{reflist}}{{কেন্দ্র|৩৯১}}</noinclude> 36e15haai4mg26vvqba3utr0e8ms0il পাতা:শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (ত্রয়োদশ সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৬০).pdf/৪০৬ 104 878582 1943843 2026-04-18T16:35:58Z Nettime Sujata 5470 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */ 1943843 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{কেন্দ্র|শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ}}</noinclude><section begin="A" />চলে আসি। এত বৎসরের পরে আমাকে বোধ করি তার মনেও নেই। উপীন, আর একটা কথা বলি তোমাকে—একদিন তার একখানা বই কিনতে চাই—তুমি নিষেধ করে বলো যে শুনলে সে দুঃখ করবে। আজ পর্য্যন্ত আমি সেই কথা মনে করেই কিনি নি। একখানা স্পষ্ট করে চেয়েও ছিলাম—অথচ, সে পাঠালে না। ছেলেবেলায় তার অনেক চেষ্টা সংশোধন করে দিয়েচি—আমি লিখতাম বলেই তারাও লিখতে সুরু করে। ও বাড়ির মধ্যে আমিই বোধ করি প্রথমে ওদিকে নজর দিই। তার পরে ওরা চাঁচল (মালদহ জেলার অন্তর্গত) থেকে হাতে লিখে মাসিক পত্র বার করত। আজ সে আমাকে একখানা পড়তেও দিলে না! সে হয়ত মনে করে, আমার মত নির্ব্বোধ মূর্খ লোকে তার লেখা বুঝতেও পারে না। যাক্‌, এজন্য দুঃখ করা নিষ্ফল। সংসারের গতিই বোধকরি এই। আমার শরীর আজকাল ভাল। আমাশা সেরেচে। আজকাল পড়াটা প্রায় বন্ধ করেচি। আমার অসমাপ্ত মহাশ্বেতা (oil painting) আবার সমাপ্ত হবার দিকে ধীরে ধীরে এগোচ্চে। তোমার সেই বড় উপন্যাস লেখার মতলব এখনো আছে ত? যদি না থাকে ত ভারী খারাপ। ওকালতিও করা চাই এটাকেও ছাড়া চাই না। {{ফাঁক}}আমার কলিকাতা যাওয়া—(এদের ছেড়ে) বোধ করি হয়ে উঠবে না। শরীরও টিকবে না বুঝচি কিন্তু না টিকাও বরং ভাল, কিন্তু ওখানে যাওয়া ঠিক নয় এইরকম‍ই মনে হচ্চে। আমার ফাউনটেন পেন তোমার হাতে অক্ষয় হোক্—ও কলমটা অনেক জিনিসই লিখেচে—খাটিয়ে নিলে আরও লিখবে। {{ফাঁক}}আজ এই পর্য্যন্ত। যদি ‘চন্দ্রনাথ’ পাঠান সম্ভব হয় এবং সুরেনের যদি অমত না থাকে, তা হলে যা সাধ্য সংশোধন করে ফণিকে পাঠাব; চিঠির জবাব দিয়ো। {{ডান|—শরৎ{{ফাঁক}}}} <section end="A" /> <section begin="B" />{{Block right|{{কেন্দ্র|14, Lower Pozoungdoung Street Rangoon, 26. 4. 13}}}} {{ফাঁক}}শ্রীচরণেষু—তোমার চিঠি পাইয়া যতটা আশ্চর্য্য হইয়াছি তাহার শতগুণ ব্যথিত হইয়াছি। তুমি আমাকে দ্বেষ করিবে, এই কথাটা যদি আমি নিজেও বলি, তাহা হইলেও কি তুমি বিশ্বাস করিবে? আমার কলকাতার স্মৃতি এখনও মনের মধ্যে জাজ্বল্যমান আছে—আমি অনেক কথাই ভুলি বটে, কিন্তু এসব কথা এত শীঘ্র ত নয়ই, <section end="B" /><noinclude>{{কেন্দ্র|৩৯২}}</noinclude> 4c6ivqdcivdhf3pllb7e2ehi30lecon পাতা:শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (ত্রয়োদশ সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৬০).pdf/৪০৭ 104 878583 1943844 2026-04-18T16:39:24Z Nettime Sujata 5470 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */ 1943844 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{কেন্দ্র|পত্র-সঙ্কলন}}</noinclude>বোধ করি কোন দিনই ভুলি না। যাই হৌক, এ লইয়া আমি জবাবদিহি করিব না। আমি বেশ জানি একবার যদি তুমি নিভৃতে আমার মুখ এবং আমার কথা মনে করিয়া দেখ, তখনই বুঝিতে পারিবে—আমাকে তুমি বিদ্বেষ করিবে এ কথা আমার মুখ দিয়া বাহির হইবে না। এ-কথা আমি ত উপীন কল্পনা করিতেও পারি না। তবে এই বলি, তোমার যা ইচ্ছা আমার সম্বন্ধে মনে করিতে পার, আমি তোমাকে আমার তেমনি মঙ্গলাকাঙ্ক্ষী সুহৃৎ আত্মীয় এবং সম্পর্কে মান্য ব্যক্তি বলিয়া মনে করিব এবং ইহা চিরদিনই করিয়াছি। তোমাদের আপোষের মধ্যে কলহ বিবাদ হইতে পারে, তাই বলিয়া আমি কি তার মধ্যে যাইব? তুমি বিশ্বাস করিয়াছ আমি বলিয়াছি তুমি আমাকে দ্বেষ কর। কি করিয়া আমার সম্বন্ধে তুমি ইহা বিশ্বাস করিলে? আমার অনেক রকম দোষ আছে। তাই বলিয়াই আজ তুমি এই কথা বিশ্বাস করিলে এবং আমাকে তাহা লিখিতে সাহস করিলে। আমি মন্দ বলিয়া কি এত অধম? আমি মনে জ্ঞানে এমন কথা কল্পনা করিতে পারি এই আজ নূতন শুনিলাম। আমাকে তুমি গভীর আঘাত করিয়াছ। যদি বেশী দিন আর না বাঁচি, এটা তোমার মনেও একটা দুঃখের কারণ হইয়া থাকিবে যে আমাকে তুমি নিরর্থক দুঃখ দিয়াছ। তোমার চিঠি পাইয়া অবধি কেবলি ভাবিয়াছি তুমি আমাকে না জানি কত নীচই না মনে কর। আমি বোধ করি মূর্খ এবং নীচ বলিয়াই তুমি আমার সম্বন্ধে (সম্প্রতি কলিকাতায় এত ঘনিষ্ঠতা এত কথাবার্ত্তা হইয়া যাইবার পরেও) এই কথা বিশ্বাস করিতে পারিয়াছ। না হইলে মনে করিতে না এমন হইতেই পারে না। আমার শপথ রহিল উপীন, আমাকে পত্র পাইবামাত্রই লিখিবে তুমি আর এ কথা বিশ্বাস কর না। আমি সুরেনকে কিছুদিন পূর্ব্বে লিখিয়াছিলাম, আমার মনে হয়, আমাকে বিদ্বেষ করিয়াই যেন এসব ছাপা হইতেছে। তার কারণ, আমিও সমাজপতিকে লিখি ওগুলো আর ছাপাইবেন না—তথাপি আমাকে কোন উত্তর না দিয়াই ছাপা হইতে লাগিল। যাই হৌক এখন ভিতরকার কথাটাও জানিতে পারিলাম। তুমি যে ওই কথা সমাজপতিকে বলিয়াছিলে তাহা এখন আরো জানিয়া সমস্ত ব্যাপারটা বুঝিলাম। তুমি যে আমার কত মঙ্গলাকাঙ্ক্ষী তাও যদি না বুঝিতাম উপীন, এমন করিয়া আজ গল্প লিখিতেও পারিতাম না। আমি মানুষের হৃদয় বুঝি। তুমি যেমন তোমার অন্তর্য্যামীর কাছে নির্ভয়ে অসঙ্কোচে বলিতে পার “আমি শরতকে সত্যই ভালবাসি”। আমিও ঠিক তেমনি জানি এবং তেমনি বিশ্বাস করি। {{ফাঁক}}থাক্ এ কথা। শুধু একটা ‘চন্দ্রনাথ’ লইয়াই এত হাঙ্গামা। অথচ, সেটা যে কিরকম ভাবে ফণী পালের কাগজে বার হবে ঠিক বুঝিতে পারিতেছি না। {{nop}}<noinclude>{{কেন্দ্র|৩৯৩}}</noinclude> 1j44k26514i9taum5zlkq0ma9620yjc পাতা:শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (ত্রয়োদশ সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৬০).pdf/৪০৮ 104 878584 1943845 2026-04-18T16:45:38Z Nettime Sujata 5470 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */ 1943845 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{কেন্দ্র|শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ}}</noinclude>{{ফাঁক}}তোমরা সব দিক না বুঝিয়া, সব দিক না সামলাইয়া হঠাৎ একটা বিজ্ঞাপন দিয়া অনেকটা নির্ব্বোধের কাজ করিয়াছ। এবং তাহারি ফল ভুগিতেছ। দোষ তোমাদেরি—আর বড় কারু নয়। ফণী পালের জন্য তুমি কতকটা যে false positionএ পড়িয়াছ তাহা প্রতি পদে দেখিতে পাইতেছি। {{ফাঁক}}আমি আরো বিপদে পড়িয়াছি। একে আমার একেবারে ইচ্ছা নয় ‘চন্দ্রনাথ’ যেমন আছে তেমনি ভাবে ছাপা হয়, অথচ, সেটা খানিকটা ছাপা হয়েও গেছে, আবার বাকিটাও হাতে পাই নাই। সুরেনের বড় ভয়, পাছে ও জিনিসটা হারিয়ে যায়। ওরা আমার লেখাকে হৃদয় দিয়া ভালবাসে—বোধ করি তাই তাদের এত সতর্কতা। {{ফাঁক}}আর একটা কথা উপীন। ‘ভারতবর্ষ’ কাগজের জন্য প্রমথ ‘চরিত্রহীন’ বরাবরই চাহিতেছিল। শেষে এমনি পীড়াপীড়ি করিতেছে যে কি আর বলিব। সে আমার বহুদিনের পুরাতন বন্ধু এবং বন্ধু বলিলে সত্য যাহা বুঝায় তাহাই। সে জাঁক করিয়া সকলের কাছে বলিয়াছে ‘চরিত্রহীন’ দিবই এবং এই আশায় জ—প্রভৃতির লেখা চার-পাঁচটা উপন্যাস অহঙ্কার করিয়া ফিরাইয়া দিয়াছে। সে-ই হইতেছে ‘ভারতবর্ষে’র মোড়ল। এখন, দ্বিজুবাবু প্রভৃতি (হরিদাস, গুরুদাসের পুত্র) তাহাকে চাপিয়া ধরিয়াছে। এদিকে ‘যমুনা’তেও বিজ্ঞাপন বাহির হইয়াছে ঐ কাগজে ‘চরিত্রহীন’ ছাপা হবে। সমাজপতিও registry চিঠি ক্রমাগত লিখচেন, কোন্ দিকে কি করি একেবারে ভেবে পাইতেছি না। এইমাত্র আবার প্রমথনাথের দীর্ঘ কান্নাকাটি চিঠি পাইলাম—সে বলে, এটা সে না পেলে আর তাহার মুখ দেখাইবার যো থাকিবে না। এমন কি পুরাতন বন্ধু-বান্ধব, club প্রভৃতি ছাড়িতে হইবে। কি করি? একটু ভাবিয়া জবাব দিবে। তোমার জবাব চাই, কেন না, একা তুমিই এর সুরু থেকে histroy জান। {{ফাঁক}}বড় ভাল নই, ৭।৮ দিন প্রায় জ্বর জ্বর কচ্চে—অথচ স্পষ্ট জ্বরও হচ্চে না। যদি আবশ্যক বিবেচনা কর এই পত্র সুরেনকে দেখাইয়ো। তোমরা আপোষে যত পার ঝগড়া করিয়া মর, কিন্তু আমি যে তোমাদের এক সময়ে শিক্ষক ছিলাম—বয়সের {{SIC|সম্মানটাওঅন্ত|সম্মানটাও অন্তত}} দিয়ো। {{ডান|সেবক শরৎ{{ফাঁক}}}} {{nop}}<noinclude>{{কেন্দ্র|৩৯৪}}</noinclude> ieai7ada0dr6fjhut4nivnw5bwlihk1 পাতা:পূর্ব পাকিস্তানে কৃষি.pdf/২৪ 104 878585 1943846 2026-04-18T16:45:59Z JIBON 20147 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ "ব্যবস্থাদি গ্রহণ করছে। কেন্দ্রীয় সরকারের লেবরেটরীর গবেষণা ফল থেকে কর্পোরেশনের উদ্যম আরোও শক্তিশালী হবে, আশা করা যায়।- ইতিমধ্যে এই কর্পোরেশন পার্বত্য চট্টগ্রামে রবার..." দিয়ে পাতা তৈরি 1943846 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="1" user="JIBON" /></noinclude>ব্যবস্থাদি গ্রহণ করছে। কেন্দ্রীয় সরকারের লেবরেটরীর গবেষণা ফল থেকে কর্পোরেশনের উদ্যম আরোও শক্তিশালী হবে, আশা করা যায়।- ইতিমধ্যে এই কর্পোরেশন পার্বত্য চট্টগ্রামে রবার চাষের ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন : আবার সিলেটের নল খাগড়াকে কাগজ তৈরীর কাজে লাগাবার পরিকল্পনাও কার্যকরী করতে যাচ্ছেন। {{Block center|পশু পালন}} {{ফাঁক}}পশু পালন ক্ষেত্রে গবাদি পশুর সংখ্যা বৃদ্ধি ও পশ, সম্পদের উৎকর্ষ বৃদ্ধির উপর জোর দেওয়া হচ্ছে। পশরে ব্যাধি দূরীকরণের জন্যে এবং পশ,খাদ্যের উপযোগী গবেষণা ও সরবরাহ ব্যবস্থা করার নানা পন্থা অবলম্বন করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের উদ্ধৃত্ত কৃষিজাত দ্রব্য আমদানীর অন্তর্গত ভূট্টার সাহায্যে গবাদির নতুন পুষ্টিকর খাদ্য তৈরী ও বিতরণ ব্যবস্থা তার মধ্যে অন্যতম। পশম ও চামড়ার ‘গ্রেডিং' ব্যবস্থা পশু পালন ক্ষেত্রে উন্নয়নের গতিকে ত্বরান্বিত করবে। জাতিসংঘের 'ইউনিসেফের' ( UNICEF ) বিশেষজ্ঞ ও অর্থসাহায্যে সরকার প্রধান শহরগুলোতে দুধের ঘাটতি তদন্ত করে' স্থানীয় উদ্ধৃত্ত দুধ সংগ্রহ ও আমদানীকৃত দুধের পাউডার নিয়ে বৈজ্ঞানিক ভিত্তিতে বিশুদ্ধ দুধ প্রস্তুত ও সরবরাহের জন্যে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। ঢাকার পরিকল্পনাটি অনেকদর অগ্রসর হয়েছে ; কিছুকাল পরে চট্টগ্রাম শহরের পরিকল্পনা তৈরী হবে। ইতিমধ্যে সাভারের পশ, উন্নয়ন পরিকল্পনাটি দ্রুতগতিতে অগ্রসর হচ্ছে; এই পরিকল্পনার অধীনে ১৯৬১-৬২ সালে দুই লক্ষ পাউণ্ডেরও বেশী দুধ উৎপাদন সম্ভব হয়েছে। এসব ছাড়া, কেন্দ্রীয় সরকার গবাদি পশুর উন্নয়ন এবং ব্যাধি দূরীকরণ ও ব্যাধি রোধের ক্ষেত্রে নানা প্রকার গবেষণা পরিচালনা ক'রে ব্যাপকভাবে সাহায্য করছেন। {{Block center|মাছের চাষ উন্নয়ন}} {{ফাঁক}}বীজ মাছ উৎপাদন থেকে শুরু করে মাছের উৎপাদন-উৎসের সংস্কার, পরিকল্পিত উৎপাদন, সমবায় পদ্ধতি অনুসরণ, মাছের বাজার, মৎস্য সম্পদের উন্নয়ন ও উৎপাদন সম্পর্কে গবেষণা ইত্যাদি নানা স্তরে অনেকগুলো পরিকল্পনা পূর্ব পাকিস্তানে অগ্রসর হচ্ছে। দ্বিতীয় পাঁচসালা পরিকল্পনার প্রথম দুই বৎসরে ২২,০০০ একর পরিমাণ মাছ চাষের জলাশয় সংস্কার করা হয়েছে, ১০৫টি প্রদর্শনীকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে, ১৭টি মাছ-বীজ প্রজনন কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে এবং ১ কোটি ৩০ লক্ষ মাছের পোনা বিতরণ করা হয়েছে। {{ফাঁক}}উন্নয়ন ব্যবস্থার জন্যেই দেশের আভ্যন্তরীণ ও সামদ্রিক মাছ উৎপাদন বেড়ে চলেছে। সমবায় পদ্ধতিতে জেলেদের সংগঠনকে পূর্ব পাকিস্তানে উৎসাহিত করা হচ্ছে। সরকারী উদ্যমে সমবায় সমিতি গঠন করা হয়েছে। এই সময়ে সমিতিগুলোকে জাল, সুতা, নৌকা<noinclude>{{rh|১৪||}}</noinclude> cvl9mvavqb4x4352o1q9zwkhrejgtgl পাতা:শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (ত্রয়োদশ সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৬০).pdf/৪০৯ 104 878586 1943847 2026-04-18T16:49:25Z Nettime Sujata 5470 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */ 1943847 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{কেন্দ্র|শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ}}</noinclude>{{Block right|{{কেন্দ্র|14, Lower Pozoungdoung Street, Rangoon, 10. 5. 1913,}}}} {{ফাঁক}}প্রিয় উপেন—আজ তোমারও চিঠি পাইলাম, প্রমথরও চিঠি পাইলাম। তুমি যে আমার সম্বন্ধে সম্পূর্ণ সুস্থ হইয়াছ, ইহাতে যে কত তৃপ্তি অনুভব করিয়াছি তাহা লিখিয়া জানাইতে যাওয়া পাগলামি। তুমি যে আর মনে ক্লেশ পাইতেছ না কিংবা দুঃখ করিতেছ না, ইহা ইহাতেই বুঝিলাম যে অতি সহজভাবে আমার কর্ত্তব্য নির্দ্ধারণ করিয়া দিয়াছি। আমি নিজেকে মূর্খ বলিয়াছিলাম—সেটা কি মিছে কথা? তোমাদের কাছে আমি কি পণ্ডিত বলিয়া নিজেকে মনে করিব, আমি কি এত বড় আহম্মক? না হয়, বানাইয়া গল্প লিখিতে পারি—এতে পাণ্ডিত্য কোথায়? যাক। B. A., M. A., B. L., এ টাইটেলগুলোকে আমি খুব শ্রদ্ধা করি তাহাই জানাইলাম। প্রমথ লিখিতেছে, গল্পগুলো তাদের Evening Clubএ অত্যন্ত সম্মান পাইয়াছে। D. L. Roy এত প্রশংসা করিয়াছেন যে তাহা বিশ্বাস হইতে চায় না। দিদির ‘নারীর মূল্য’ নাকি অমূল্য হইয়াছে। দ্বিজুবাবু বলেন, এ রকম গল্প রবিবাবুরও বোধ করি নাই। (এমন) প্রবন্ধ বাঙলা ভাষায় আর কখন পড়েন নাই। সত্য মিথ্যা ভগবান জানেন। ফণীর কাগজখানা ছোট বটে, কিন্তু তার মত ভাল কাগজ বোধ করি আজকাল আর একটাও বাহির হয় না। ঈশ্বর করুন, ফণী এই ভাবে পরিশ্রম করিয়া তাহার কাগজ সম্পাদন করুক—দুদিন পরে হোক দশদিন পরে হোক শ্রীবৃদ্ধি অনিবার্য্য। তবে চেষ্টা করা চাই—পরিশ্রম করা চাই। আর আমার কথা! আমি তাকে ছোট ভায়ের মতই দেখি। তার কাগজ থেকে যদি কিছু বাঁচে, তবে অন্য কাগজে। তবে, আজকাল এত বেশী অনুরোধ হইতেছে যে, আমার দশটা হাত থাকিলেও ত পারিয়া উঠিতাম বলিয়া মনে হয় না। ‘চরিত্রহীন’ তার কাগজে বার হবে না এ কথা কে বলিয়াছে? আমি প্রমথকে পড়িতে দিয়াছি। তবে, সে যদি ধরিয়া বসিত যে সে-ই প্রকাশ করিবে তাহা হইলে আমাকে হয়ত মত দিতে হইত, কিন্তু, তাহারা সে দাবী করে না। বোধ করি manuscript পড়িয়া কিছু ভয় পাইয়াছে। তাহারা সাবিত্রীকে “মেসের ঝি” বলিয়াই দেখিয়াছে। যদি চোখ থাকিত, এবং কি গল্প কি চরিত্র কোথায় কি ভাবে শেষ হয়, কোন্ কয়লার খনি থেকে কি অমূল্য হীরা-মাণিক ওঠে তা যদি বুঝিত, তাহা হইলে অত সহজে ওখানা<noinclude>{{কেন্দ্র|৩৯৫}}</noinclude> e3subimrdn8crfma6yaj2gh1nm1im8o 1943848 1943847 2026-04-18T16:50:11Z Nettime Sujata 5470 1943848 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" /></noinclude>{{dhr}} {{Block right|{{কেন্দ্র|14, Lower Pozoungdoung Street, Rangoon, 10. 5. 1913,}}}} {{ফাঁক}}প্রিয় উপেন—আজ তোমারও চিঠি পাইলাম, প্রমথরও চিঠি পাইলাম। তুমি যে আমার সম্বন্ধে সম্পূর্ণ সুস্থ হইয়াছ, ইহাতে যে কত তৃপ্তি অনুভব করিয়াছি তাহা লিখিয়া জানাইতে যাওয়া পাগলামি। তুমি যে আর মনে ক্লেশ পাইতেছ না কিংবা দুঃখ করিতেছ না, ইহা ইহাতেই বুঝিলাম যে অতি সহজভাবে আমার কর্ত্তব্য নির্দ্ধারণ করিয়া দিয়াছি। আমি নিজেকে মূর্খ বলিয়াছিলাম—সেটা কি মিছে কথা? তোমাদের কাছে আমি কি পণ্ডিত বলিয়া নিজেকে মনে করিব, আমি কি এত বড় আহম্মক? না হয়, বানাইয়া গল্প লিখিতে পারি—এতে পাণ্ডিত্য কোথায়? যাক। B. A., M. A., B. L., এ টাইটেলগুলোকে আমি খুব শ্রদ্ধা করি তাহাই জানাইলাম। প্রমথ লিখিতেছে, গল্পগুলো তাদের Evening Clubএ অত্যন্ত সম্মান পাইয়াছে। D. L. Roy এত প্রশংসা করিয়াছেন যে তাহা বিশ্বাস হইতে চায় না। দিদির ‘নারীর মূল্য’ নাকি অমূল্য হইয়াছে। দ্বিজুবাবু বলেন, এ রকম গল্প রবিবাবুরও বোধ করি নাই। (এমন) প্রবন্ধ বাঙলা ভাষায় আর কখন পড়েন নাই। সত্য মিথ্যা ভগবান জানেন। ফণীর কাগজখানা ছোট বটে, কিন্তু তার মত ভাল কাগজ বোধ করি আজকাল আর একটাও বাহির হয় না। ঈশ্বর করুন, ফণী এই ভাবে পরিশ্রম করিয়া তাহার কাগজ সম্পাদন করুক—দুদিন পরে হোক দশদিন পরে হোক শ্রীবৃদ্ধি অনিবার্য্য। তবে চেষ্টা করা চাই—পরিশ্রম করা চাই। আর আমার কথা! আমি তাকে ছোট ভায়ের মতই দেখি। তার কাগজ থেকে যদি কিছু বাঁচে, তবে অন্য কাগজে। তবে, আজকাল এত বেশী অনুরোধ হইতেছে যে, আমার দশটা হাত থাকিলেও ত পারিয়া উঠিতাম বলিয়া মনে হয় না। ‘চরিত্রহীন’ তার কাগজে বার হবে না এ কথা কে বলিয়াছে? আমি প্রমথকে পড়িতে দিয়াছি। তবে, সে যদি ধরিয়া বসিত যে সে-ই প্রকাশ করিবে তাহা হইলে আমাকে হয়ত মত দিতে হইত, কিন্তু, তাহারা সে দাবী করে না। বোধ করি manuscript পড়িয়া কিছু ভয় পাইয়াছে। তাহারা সাবিত্রীকে “মেসের ঝি” বলিয়াই দেখিয়াছে। যদি চোখ থাকিত, এবং কি গল্প কি চরিত্র কোথায় কি ভাবে শেষ হয়, কোন্ কয়লার খনি থেকে কি অমূল্য হীরা-মাণিক ওঠে তা যদি বুঝিত, তাহা হইলে অত সহজে ওখানা<noinclude>{{কেন্দ্র|৩৯৫}}</noinclude> pn0p4wttu4m30hgwomb6huisho6scc4 পাতা:পূর্ব পাকিস্তানে কৃষি.pdf/২৫ 104 878587 1943849 2026-04-18T16:53:08Z JIBON 20147 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ "ধা লঞ্চ ইত্যাদি দিয়ে এবং অর্থ ঋণ দিয়ে সাহায্য করা হচ্ছে। মাছ ধরার জন্যে বৈজ্ঞানিক ও আধুনিক পদ্ধতি ব্যবহারকেও উৎসাহিত করা হচ্ছে। যন্ত্রচালিত নদীযান বা সমুদ্রযান তৈরী ও..." দিয়ে পাতা তৈরি 1943849 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="1" user="JIBON" /></noinclude>ধা লঞ্চ ইত্যাদি দিয়ে এবং অর্থ ঋণ দিয়ে সাহায্য করা হচ্ছে। মাছ ধরার জন্যে বৈজ্ঞানিক ও আধুনিক পদ্ধতি ব্যবহারকেও উৎসাহিত করা হচ্ছে। যন্ত্রচালিত নদীযান বা সমুদ্রযান তৈরী ও বিতরণ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য পরিকল্পিত ব্যবস্থা-সমূহের অন্যতম। চাঁদপারে একটি মৎস্য-শিল্পের গবেষণাগার স্থাপিত হয়েছে। কেন্দ্ৰীয় সরকারের উদ্যোগে চট্টগ্রামে সামুদ্রিক মাছের গবেষণাগার স্থাপন করা হচ্ছে। {{Block center|কৃষি ঋণ}} {{ফাঁক}}চাষীরা বিভিন্ন মেয়াদের ঋণ লাভ করে' পাজিরূপে ব্যবহার করে। এসব ঋণ স্বল্পমেয়াদী, মধ্যমমেয়াদী ও দীর্ঘমেয়াদী আখ্যা লাভ করে থাকে। এক বছর পর্যন্ত মেয়াদের ঋণকে স্বল্প মেয়াদী, ১৫ মাস থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত মেয়াদের ঋণকে মধ্যম মেয়াদী এবং পাঁচ বছরের বেশী মেয়াদের ঋণকে দীর্ঘ মেয়াদী বলা হয়। চাষের জন্যে বীজ, সার ও শ্রমিক প্রয়োগ এবং সঙ্গে সঙ্গে চাষীর নিজের ও পরিবার পোষণের ব্যবস্থা না হলে চাষাবাদ সম্ভব হয় না এবং ফসল উৎপন্ন হলে বাজারজাত করে বিক্রয় না করা পর্যন্ত ঋণও শোধ দেওয়া সম্ভব নয় ; তাই স্বল্পমেয়াদী ঋণের মারফতে বিপুল সংখ্যক চাষী এসব ব্যবস্থাদি করে থাকে। অন্যদিকে মধ্যমমেয়াদী ঋণের প্রয়োজন হয় উন্নত ধরনের লাঙ্গল, ট্রাকটার, পাম্প, কখনও বা বলদ ইত্যাদি ক্রয় করার জন্যে। দীর্ঘমেয়াদী ঋণের প্রয়োজন হয় দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন কাজে প্রয়োগ করার জন্যে; চাষাবাদের ইউনিট যথেষ্ট বড় না হলে এই দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন কাজে হাত দেওয়া সম্ভবপর হয় না। কাজেই ক্ষুদ্র জমির মালিক চাষীদের কাছে এই জাতীয় ঋণের তাৎপর্য তেমন কিছু নেই। চা বাগানের মালিকরা সাধারণতঃ এই দীর্ঘমেয়াদী ঋণের সংযোগ গ্রহণ করে' থাকে। ভবিষ্যতে রবার উৎপাদন বেসরকারী উদ্যোগে শুরু হলে এই ঋণের ব্যবহার প্রসারিত হবে। সমবায় সমিতি গঠন মাধ্যমে চাষাবাদের ইউনিট উপযোগী পরিমাণে বাড়াতে পারলেও এই ঋণের চাহিদা বাড়বে। বর্তমানে 'কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক' এবং সমবায় জমি বন্ধকী ব্যাংক দীর্ঘ-মেয়াদী ঋণের চাহিদা মিটিয়ে আসছে। তবে প্রয়োজনীয় ঋণের খুব সামান্য অংশ‍ই এভাবে সরবরাহ হয়ে থাকে। এই অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে সরকার সমবায় পদ্ধতির ব্যাপক সম্প্রসারণ এবং সমবায় প্রতিষ্ঠান মারফতে ঋণ সরবরাহ ভবিষ্যতে বিশেষভাবে বাড়াবার নীতি অবলম্বন করছেন। {{Block center|আদর্শ পরিকল্পনা (Cash Programme)}} {{ফাঁক}}পূর্বে পাকিস্তানের জেলাসমূহের কতকগুলো নির্দিষ্ট মহকুমায় বিশিষ্ট ধরনের কেন্দ্রীভূত প্রচেষ্টা চালিয়ে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি করার জন্যে একটি আদর্শ পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। ত্বরিত গতিতে বীজ, সার ও উন্নত প্রণালীর কৃষি-ব্যবস্থার প্রয়োগে<noinclude>{{rh|||১৫}}</noinclude> fe9wtill37rfqy966dwujlujl1a0mtc পাতা:শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (ত্রয়োদশ সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৬০).pdf/৪১০ 104 878588 1943850 2026-04-18T16:55:29Z Nettime Sujata 5470 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */ 1943850 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{কেন্দ্র|শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ}}</noinclude>ছাড়িতে চাহিত না। শেষে হয়ত এক দিন আপশোষ করিবে কি রত্নই হাতে পাইয়াও ত্যাগ করিয়াছে! আমার কাছে সে উপসংহার কি হইবে জানিতে চাহিয়াছে। আমার উপরে যাহার ভরসা নাই—অবশ্য সে ও-রকম প্রথম নভেল প্রথম কাগজে বাহির করিতে দ্বিধা করিবে আশ্চর্য্যের কথা নয়, কিন্তু, নিজেই তাহারা বলিতেছে ‘চরিত্রহীনে’র শেষ দিকটা (অর্থাৎ তোমরা যত দূর পড়িয়াছ তার পরে আর ততটা) রবিবাবুর চেয়েও ভাল হইয়াছে (style এবং চরিত্র-বিশ্লেষণে) তবুও তাদের ভয় পাছে শেষটা বিগড়াইয়া ফেলি। তারা এটা ভাবে নাই যে-লোক ইচ্ছা করিয়া একটা “মেসের ঝি”কে আরম্ভেই টানিয়া আনিয়া লোকের সুমুখে হাজির করিতে সাহস করে, সে তার ক্ষমতা জানিয়াই করে। তাও যদি না জানিব তবে মিথ্যাই এতটা বয়স তোমাদের গুরুগিরি করিলাম। আর এক কথা—প্রমথ বলিতেছে, ‘ভারতবর্ষ’কে আমি যেন নিজের কাগজ বলিয়া মনে করি—এবং সেইরূপ করি। আমি প্রমথকে কথা দিয়াছি আমার সাধ্যমত করিব, কিন্তু সাধ্য কতটুকু তাহা বলি নাই। আরো এক কথা—তাহারা দাম দিয়া লেখা ক্রয় করিবে—তখন তাহাদের অভাব হইবে না, কিন্তু দাম দিলেই যে সকলের লেখাই পাওয়া যায় না, এইটা তাহারা আমার সম্বন্ধে এইবার বোধ করি বুঝিয়াছে। যাই হৌক—‘চরিত্রহীন’ আমার হাতে আসিয়া পড়িলেই ফণীকে পাঠাইয়া দিব। আমার হাতে আর রাখিব না। তবে প্রমথ ফণীর হাতে সেটা দিবে না, কেন না ফণীর উপর তাহারা কিছু রাগিয়া গিয়াছে। তা হয়। কারণ, মাসিক পত্রের পরিচালকেরা পরস্পরকে দেখিতে পারে না। আর কিছু নয়। তবে, প্রমথ লোকটি শুধু যে আমার বাল্যবন্ধু তা নয়, আমার পরম বন্ধু এবং অতি সৎ লোক। সত্যই ভদ্রলোক। তাকে আমি বড় ভালবাসি। সেই জন্যই ভয় করিয়াছিলাম তাহার জোর-জবরদস্তিকে আমি পারিয়া উঠিব না। এ বিষয়ে সঠিক সংবাদ পরে দিব। {{ফাঁক}}তুমি লিখিতেছ আমরা ‘যমুনা’কে বড় করিব। আমরাটা কে? তুমি যে ‘যমুনা’র পরম বন্ধু, এবং নিঃস্বার্থ বন্ধুত্ব করিতে গিয়াই লাঞ্ছনা ভোগ করিয়াছ, তাহা আমি বিশেষ জানি বলিয়াই তোমার সম্বন্ধে যত কিছু শুনিয়াছি একটাতেও বিন্দুমাত্র কান দিই নাই। হইতে পারে কিছু diplomatic চাল চালিয়াছ—তা বেশ করিয়াছ। যাকে ভালবাসিবে, তাকে এমনি করিয়াই সাহায্য করিবে। ফণীকে তুমিই ভালবাস, কিন্তু তা ছাড়া ‘আমরা’ কথাটার অর্থ ঠিক বুঝিলাম না। এবারে বুঝাইয়া বলিবে। ‘পথ-নির্দ্দেশ’ এবং ‘রামের সুমতি’ সম্বন্ধে আমার অভিমত ‘পথ নির্দ্দেশ’টাই ভাল। তবে এ গল্পটা একটু শক্ত। সবাই ভাল বুঝিবে না। আমিও অনেকের অনেক রকম মত<noinclude>{{কেন্দ্র|৩৯৬}}</noinclude> 1not1cbnzovhvjd3m0i7aoxuhkuj7bm পাতা:পূর্ব পাকিস্তানে কৃষি.pdf/২৬ 104 878589 1943851 2026-04-18T16:58:52Z JIBON 20147 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ "উল্লেখযোগ্য ফল প্রদর্শন করাই এই পরিকল্পনার উদ্দেশ্য। সংকীর্ণ অর্থে কৃষি ছাড়াও পশু, পালন, মাছ চাষ উন্নয়ন ও বনজ উন্নয়ন ইত্যাদি ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট অঞ্চলে এই আদর্শ পরিকল..." দিয়ে পাতা তৈরি 1943851 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="1" user="JIBON" /></noinclude>উল্লেখযোগ্য ফল প্রদর্শন করাই এই পরিকল্পনার উদ্দেশ্য। সংকীর্ণ অর্থে কৃষি ছাড়াও পশু, পালন, মাছ চাষ উন্নয়ন ও বনজ উন্নয়ন ইত্যাদি ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট অঞ্চলে এই আদর্শ পরিকল্পনার অধীনে সরকারী উন্নয়ন প্রচেষ্টা চলে আসছে। {{ফাঁক}}১০টি মহকুমায় ধান ও অন্যান্য খাদ্যশস্য এবং অর্থকরী ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি করার উদ্দেশ্যে শক্তিশালী অভিযান চালানো হয়। ১৯৬২ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত ২ লক্ষ ৯৭ হাজার মণ সার এবং প্রায় ৩৪ হাজার মণ বীজ এসব নির্দিষ্ট অঞ্চলে বিতরণ করা হয় ; তাছাড়া ৪০ হাজার একরেরও বেশী জমিকে পোকার আক্রমণ থেকে রক্ষা করা হয়। অন্য- দিকে এসব অঞ্চলে প্রায় ২২ হাজার প্রদর্শনী জমি ও ৩ হাজারের মতো প্রদর্শনী ফার্ম শহর করা হয়। এসব উদ্যমের ফলে রোপা আমন ধানের গড় উৎপাদন একর প্রতি ৩-৭ মণ বৃদ্ধি পেয়েছে । {{ফাঁক}}পরিকল্পনাটি প্রথমে দুই বৎসরের জন্যে গৃহীত হয়েছিল। দুই বৎসরের প্রচেষ্টায় সফল দেখা গেলেও বিশেষজ্ঞদের মতে এমনি ঘনীভূত চেষ্টা আরও কয়েক বৎসর না চালালে পূর্ণ পরিণতির সম্ভাবনা বোঝা যাবে না। তাই পূর্ব পাকিস্তান সরকার পরি-কল্পনাটিকে কিছুটা পরিবর্ধিত ও সংশোধিত আকারে চলতি বছর থেকে আরও দু' বছর কার্যকরী করার ব্যবস্থা অবলম্বন করেছেন।<noinclude>{{বাম|GPPD-S-1-12 (Information) 62-10-10-63-25,000.}}</noinclude> 02yoo15zczc670fk3el847wnl4m3yzg পাতা:শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (ত্রয়োদশ সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৬০).pdf/৪১১ 104 878590 1943852 2026-04-18T17:00:08Z Nettime Sujata 5470 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */ 1943852 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{কেন্দ্র|পত্র-সঙ্কলন}}</noinclude>শুনিয়াছি। যাহারা নিজে গল্প লেখে তাহারা ঠিক জানে, ‘রামের সুমতি’ যদিও বা লেখা যায়, ‘পথ নির্দ্দেশ’ লিখিতে কিছু বেশী বেগ পাইতে হইবে। হয়ত সবাই পারিবে না। ও-রকম গোলযোগ cricumstanceএর ভেতরে খেই হারাইয়া একটা হ-জ-ব-র-ল করিয়া তুলিবে। হয়ত ধৈর্য্যের অভাবে শেষ হবার পূর্ব্বেই শেষ করিয়া ফেলিবে। আর নিজের সমালোচনা নিজে কি করিয়াই বা করিব? তবে কলিকাতা এবং এদেশের লোকের মত দুটো গল্পই superlative degreeতে excellent! দ্বিজুবাবু বলেন গল্পের আদর্শ! ফণীর কাগজে প্রতি মাসেই যাতে এই রকম একটা কিছুই বার হয়, তার চেষ্টা সবিশেষ করা উচিত। তবে, আমি আর বড় ছোট গল্প লিখিতে ইচ্ছা করি না। একটু বড় হয়েই যায়। তোমাদের মত বেশ ছোট করে যেন লিখতেই পারি না। তা ছাড়া আর একটা কথা এইখানে আমার বলবার আছে। আমি ত ‘চন্দ্রনাথ’কে একেবারে নূতন ছাঁচে ঢালবার চেষ্টায় আছি, অবশ্য গল্প (plot) ঠিক তাই থাকবে। তারপরে হয় ‘চরিত্রহীন’, না হয় ওর চেয়েও একটা ভাল কিছু ‘যমুনা’য় বার করা চাই। আর প্রবন্ধ। এটাও খুব প্রয়োজন। ভাল প্রবন্ধের বিশেষ দরকার তা না হলে শুধু গল্পতেই কাগজ যথার্থ ‘বড়’ বলে লোকে স্বীকার করে না। আমাকে যদি তোমরা ছোট গল্প লিখবার পরিশ্রম থেকে অব্যাহতি দিতে পার ত আমি প্রবন্ধও লিখতে পারি। বোধ করি গল্পের মত সরল এবং সুপাঠ্য করেই। এ বিষয়ে তোমার অভিমত জানাবে। যদি গল্পলেখার কাজটা তোমরা চালিয়ে নিতে পার, আমি শুধু novel ও প্রবন্ধ নিয়েই থাকি। তা না হইলে দেখচি রাত্রেও খাটিতে হয়। আমার শরীর ভাল নয়, রাত্রে লিখিতে পারি না এবং পড়াশুনারও ক্ষতি হয়। সমালোচনা, প্রবন্ধ, নভেল, গল্প, সব লিখলে আবার লোকে হয়ত সব্যসাচী বলে ঠাট্টা করবে। আবার অন্য কাগজেও কিছু কিছু দিতে হবে। {{ফাঁক}}‘দেবদাস’ ও ‘পাষাণ’ পাঠিয়ে দিয়ো আমি re-write করবার চেষ্টা দেখব। আচ্ছা, ফণী ৩০০০ কপি ছাপিয়ে টাকা নষ্ট করচে কেন? তার গ্রাহক কি কিছু বেড়েচে? আমার বোধ হয় না। তবে খুব ভরসা আছে আসচে বছরে ওর কাগজ একটি শ্রেষ্ঠ কাগজের মধ্যেই দাঁড়াবে। {{ফাঁক}}ফণীর ক্রমাগত আশঙ্কা হয় আমি বুঝি তাকে ছেড়ে আর কোথাও লিখতে সুরু করব। কিন্তু এ আশঙ্কার হেতু কি? সে আমার ছোট ভায়ের মত—এ কথাটা কেন যে সে বিশ্বাস করতে পারে না তা সে-ই জানে। আমি জানি না। {{ফাঁক}}তোমার ‘ক্রয়-বিক্রয়’ গল্পটা সত্যই ভাল। কিন্তু, আরো একটু বড় করা উচিত ছিল। এবং শেষটা সত্য সত্যই শেষ করা উচিত ছিল। অমন গল্পটি কেন যে তুমি<noinclude>{{কেন্দ্র|৩৯৭}}</noinclude> c8mgxdf6a9rirahvwepym06l9ibkw6p পাতা:পূর্ব পাকিস্তানে কৃষি.pdf/২৭ 104 878591 1943853 2026-04-18T17:01:12Z JIBON 20147 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ "{{Img float | file = পূর্ব পাকিস্তানে কৃষি (page 27 crop).jpg | width = 400px | align = center | cap = ঢাকার সদরঘাটে নানারকম ফলের বাজার। }}" দিয়ে পাতা তৈরি 1943853 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="1" user="JIBON" /></noinclude>{{Img float | file = পূর্ব পাকিস্তানে কৃষি (page 27 crop).jpg | width = 400px | align = center | cap = ঢাকার সদরঘাটে নানারকম ফলের বাজার। }}<noinclude></noinclude> i80s3qo6pw4vwhd7ts320lypj0ruzz0 পাতা:শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (ত্রয়োদশ সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৬০).pdf/৪১২ 104 878592 1943855 2026-04-18T17:06:46Z Nettime Sujata 5470 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */ 1943855 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{কেন্দ্র|শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ}}</noinclude><section begin="A" />অত তাড়াতাড়ি করে শেষ করলে জানি না। একটা কথা মনে রেখো, গল্প অন্ততঃ ১২।১৪ পাতা হওয়া চাই এবং conclusionটা বেশ স্পষ্ট করা চাই। {{ফাঁক}}সুরেন আমাকে চিঠির জবাব দিলে না কেন? তাকে আমার হাতের কলম দিয়েচি, কেন না, এর চেয়ে ভাল জিনিস আর আমার দিবার নাই। সে তার কি সদ্ব্যবহার কচ্চে জিজ্ঞাসা করে লিখো। আমার কলমের যেন অসম্মান না হয়। আর চারটে কলম দেওয়ার বাকী আছে। যোগেশ মজুমদার কোথায়? পুঁটু, বুড়ি এবং সৌরীন<ref>শ্রীসৌরীন্দ্রমোহন মুখোপাধ্যায়, শরৎচন্দ্রের বাল্যবন্ধু।</ref> এদের জন্যও আমার কলম ঠিক করে রেখেচি—একদিন পাঠিয়ে দেব। {{ফাঁক}}গিরীন কি বাঁকিপুরে ফিরেছে? তাকে জবাব দিতে পারি নি, সে কোথায় আছে জানতে পারিনি বলিয়া। ফটো ত আমার নাই—কোন দিন ও-কথা মনেও হয় নি। আচ্ছা। {{ফাঁক}}আজ এই পর্য্যন্ত। {{ফাঁক}}হাঁ, আর এক কথা। সুধাকৃষ্ণ বাগচি একটা written statement পাঠিয়েছে। সে বলে সমস্ত কথা মিথ্যা। ভালই। আমি জানি কোন্‌টা মিথ্যা। যাই হোক লোকটা যখন deny কচ্চে তখন ঐখানেই শেষ করা উচিত। তা ছাড়া বুড়ো মানুষ! {{***|4|6em}} <section end="A" /> <section begin="B" />{{Block right|{{কেন্দ্র|14., Lower Pozoungdoung Street, Rangoon, ২২শে আগষ্ট, ’১৩।}}}} {{ফাঁক}}প্রিয় উপীন—অনেক দিন পরে তোমাকে চিঠি লিখিতে বসিয়াছি। তুমিও অনেকদিন আমাকে কোন সংবাদই তোমার দাও নাই। নাই দাও, সেজন্য দুঃখ করিতেছি না বা অনুযোগ করিতেছি না। ২।৩ মাস পরে সম্ভবতঃ আবার আমাদের দেখা-সাক্ষাৎ হইবে, তখন সে সব কথা হইতে পারিবে। {{ফাঁক}}এ মাসের ‘যমুনা’ পাইয়া তোমার ‘লক্ষ্মীলাভ’ পড়িলাম। এ সম্বন্ধে আমার মত তুমি বিশ্বাস করিবে কি না, তোমার কথাতেই প্রকাশ করিতেছি “বাপের মুখে ছেলের<section end="B" /><noinclude>{{rule}} {{reflist}}{{কেন্দ্র|৩৯৮}}</noinclude> 950hfjl4kcv2wk1gyatu60drkfdwte8 পাতা:শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (ত্রয়োদশ সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৬০).pdf/৪১৩ 104 878593 1943856 2026-04-18T17:12:04Z Nettime Sujata 5470 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */ 1943856 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{কেন্দ্র|পত্র-সঙ্কলন}}</noinclude><section begin="A" />সুখ্যাতি শুনে কাজ নাই—(লক্ষ্মীলাভ গল্পটির একটি ছত্র)।” আমার যথার্থ মত, এমন মধুর গল্প অনেক দিন পড়ি নাই। হয়ত তোমার best এটি। অনাবশ্যক আড়ম্বর নেই, লোকের দোষ দেখানো সংসারের দুঃখের দিকটা তুলিয়া ধরা ইত্যাদি কিছু নেই—শুধু একটি সুন্দর ফুলের মত নির্ম্মল এবং পবিত্র। মধুর, অতি মধুর! এই আমি চাই। পড়িয়া যদি না আনন্দের আতিশয্যে চোখে জল আসে তবে আর সে গল্প কি? বড় ভালো হয়েচে উপীন, আমি আন্তরিক অভিপ্রায় প্রকাশ করিতেছি, যেন মাঝে মাঝে এমনি গল্প পড়তে পাই। অবশ্য আমাকে খুসী করা শক্ত, কিন্তু এমন পেলে আমি আর কিছু চাই না। আমার এত বড় সুখ্যাতিতে হয়ত তুমি একটু সঙ্কুচিত হবে এবং সবাই হয়ত আমার সঙ্গে একমতও হবে না, কিন্তু আমার চেয়ে ভাল সমঝদার এখনকার কালে এক রবিবাবু ছাড়া আর কেউ নেই। মনে কোরো না গর্ব্ব করচি—কিন্তু, আমার আত্মনির্ভরই বল, আর prideই বল, এই আমার নিজের ধারণা। এমন গল্প অনেকদিন পড়িনি। শুনেচি, তোমার আর একটি বড় এবং ভালো গল্প ‘ভারতবর্ষে’ বেরিয়েচে। ‘ভারতবর্ষ’ এখনো এসে পৌঁছে নি, বলিতে পারি না সেটি কেমন, কিন্তু যদি ভাবে মাধুর্য্যে এমনটি হয়ে থাকে তা হলে সেও নিশ্চয় খুব ভাল গল্পই হয়েচে। {{ফাঁক}}তা ছাড়া তোমাদের লেখার styleটি বড় সুন্দর। আমি যদি এমনি সুন্দর ভাষা পেতাম, ভাষার ওপর এমনি অধিকার থাকত তা হলে বোধ করি আমার গল্প আরো ভাল হত। অবশ্য আমি নিজের সহিত তোমার তুলনা করচি না, তাতে তুমিও লজ্জা বোধ করবে কিন্তু খুসী হলে আমি আর রেখে চেপে বলতে পারি নে। {{ফাঁক}}কেমন আছ আজকাল? আমি বড় ভাল নই—এই বর্ষাকালটা আমার বড় দুঃসময়। ১০।১২ দিন জ্বর হয়েছিল, দুদিন ভাল আছি। আমার ভালবাসা জেনো। {{ডান|ইতি—শরৎ}} <section end="A" /> <section begin="B" />{{কেন্দ্র|[ ‘যমুনা’ পত্রিকার সম্পাদক শ্রীফণীন্দ্রনাথ পালকে লেখা ]}} {{ডান|রেঙ্গুন, মাঘ, ১৯১৩।}} {{ফাঁক}}প্রিয় ফণীন্দ্রবাবু—‘রামের সুমতি’ গল্পটার শেষ পাঠালাম, এ সম্বন্ধে আপনাকে কিছু বলা আবশ্যক মনে করি। গল্পটা কিছু বড় হয়ে পড়েছে, বোধ করি একবারে প্রকাশ হতে পারবে না, কিন্তু হলে ভাল হয়। একটু ছোট টাইপে ছাপালে এবং<section end="B" /><noinclude>{{কেন্দ্র|৩৯৯}}</noinclude> 1r0saziokadha4jkqfbfos217pebbiw পাতা:শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ (ত্রয়োদশ সম্ভার) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৬০).pdf/৪১৪ 104 878594 1943859 2026-04-18T17:17:40Z Nettime Sujata 5470 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে */ 1943859 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="3" user="Nettime Sujata" />{{কেন্দ্র|শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রহ}}</noinclude>দুই একখানা পাতা বেশী দিলে হতে পারে। ছোট গল্প খণ্ডশঃ প্রকাশ করায় তেমন সুবিধা হয় না, বিশেষ আপনার কাগজের এখন একটু পসার হওয়া উচিত। যদিও আমার ছোট গল্প লেখার অভ্যাস আজকাল কিছু কমেছে, তবে আশা করি দু-একমাসের মধ্যেই অভ্যাস ঠিক হয়ে যাবে। আমি প্রতি মাসেই গল্প ছোট করে (১০।১২ পাতার মধ্যে) এবং প্রবন্ধ পাঠাব। গল্প নিশ্চয়ই, কেন না আজকাল ঐটার আদর কিছু অধিক।···· {{ফাঁক}}আগামী বারে গল্প যাতে ছোট হয় সেদিকে চোখ রাখব। আর এক কথা, আপনি সমাজপতির সহিত সদ্ভাব রাখবেন। তাঁর কাগজে যদি আপনার কাগজের একটু আধটু আলোচনা থাকতে পায় সুবিধা হয়। এবারের ‘সাহিত্যে’ আমার নাম দিয়ে কি একটা ছাইপাঁশ ছাপিয়েছে। ও কি আমার লেখা? আমার ত একটুও মনে পড়ে না। তা ছাড়া যদি তাই হয়, তা হ’লেই বা ছাপান কেন? মানুষ ছেলেবেলা অনেক লেখে, সেগুলো কি প্রকাশ করতে আছে? আপনি ‘বোঝা’ ছাপিয়ে আমাকে যেমন লজ্জিত করেছেন, সমাজপতিও তেমনি ঐটে ছাপিয়ে আমাকে লজ্জা দিয়েচেন। যদি উপীনকে চিঠি লেখেন এই অনুরোধটা জানাবেন যেন আমার অমতে আর কিছুই না প্রকাশ হয়। আবশ্যক হ’লে গল্প আমি ঢের লিখতে পারি—আপনার কাগজ ত এক ফোঁটা, ও-রকম ৩।৪ গুণ কাগজও একলা ভ’রে দিতে পারি। তা ছাড়া আমার আর একটা সুবিধে আছে। গল্প ছাড়া সমস্ত রকম subject নিয়েই প্রবন্ধ লিখতে পারি, তা যদি আপনার আবশ্যক থাকে লিখবেন। যে কোন subject—তাতেই আমি স্বীকার আছি। ‘রামের সুমতি’ ক’বারে ছাপাবেন, কিংবা একেবারে ছাপাবেন, আমাকে লিখে জানাবেন। তা হ’লে চৈত্রের জন্য আর লিখবার আবশ্যক হবে না। {{ফাঁক}}‘চরিত্রহীন’ প্রায় সমাধার দিকে পৌঁছেচে। তবে সকালবেলা ছাড়া রাত্রে আমি লিখতে পারি নে। রাত্রে আমি শুয়ে শুয়ে পড়ি।···· {{ফাঁক}}আর একটা কথা—আপনি ‘যমুনা’ ছাপাতে দেবার আগে গল্প, প্রবন্ধ ইত্যাদি আমাকে একবার যদি দেখাতে পারেন, বড় ভাল হয়। এই ধরুন চৈত্রের জন্য যে-সব ঠিক করেছেন সেইগুলো এখন অর্থাৎ মাসখানেক আগে আমাকে পাঠালে—একটু নির্বাচন ক’রে দিতেও পারি। পৌষের ‘যমুনা’ বড় ভাল হয় নি। শেষের গল্পটা সুবিধে নয়। অবশ্য এতে খরচ আপনার পড়বে (ডাক-টিকিট) কিন্তু কাগজ ভাল হয়ে দাঁড়াবে। আমার এদিক থেকে ফেরত পাঠাবার খরচ আমি দেব, কিন্তু প্রবন্ধগুলি ডাকে পাঠালে আমি একটু দেখে দিই এমনি ইচ্ছে করে। আগেই<noinclude>{{কেন্দ্র|৪০০}}</noinclude> 889jrsb155gevigh9m2qbc3q1n2fsuo নির্ঘণ্ট:আমাদের শাসক নির্বাচন (১৯৬৪).pdf 102 878595 1943863 2026-04-18T23:59:01Z JIBON 20147 "" দিয়ে পাতা তৈরি 1943863 proofread-index text/x-wiki {{:MediaWiki:Proofreadpage_index_template |wikidata_item=Q139437662 |Title= |Subtitle= |Volume= |Issue= |Edition= |Author= |Foreword_Author= |Translator= |Editor= |Illustrator= |Publisher= |Address= |Printer= |Year= |Source=pdf |Image=1 |Progress=OCR |Pages=<pagelist 1='প্রচ্ছদ', 2='চিত্র', 3='1', 8to9='চিত্র', 10='প্রচ্ছদ'/> |Volumes= |Remarks= |Notes={{PPL}} |Header= |Footer= }} h5m64nhryw3h5f7wvusuvlgm5wyxzw7 পাতা:আমাদের শাসক নির্বাচন (১৯৬৪).pdf/৩ 104 878596 1943864 2026-04-19T00:06:52Z JIBON 20147 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ "নিজেদের শাসকবর্গ নির্বাচন করার অধিকার পাওয়ার জন্য জনসাধারণের আকাঙ্খাকে বিশ্বের সকল আজাদী আন্দোলনের প্রধান অণুপ্রেরণা হিসেবে ধরে নেওয়া যেতে পারে ৷ এ উপমহাদেশের মুসল-..." দিয়ে পাতা তৈরি 1943864 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="1" user="JIBON" />{{কেন্দ্র|'''আমাদের শাসক নির্বাচন'''}}</noinclude>নিজেদের শাসকবর্গ নির্বাচন করার অধিকার পাওয়ার জন্য জনসাধারণের আকাঙ্খাকে বিশ্বের সকল আজাদী আন্দোলনের প্রধান অণুপ্রেরণা হিসেবে ধরে নেওয়া যেতে পারে ৷ এ উপমহাদেশের মুসল-মানদের প্রায় ৯০ বছরের সংগ্রামের পর ১৯৪৭ সালের আগষ্ট মাসে আজাদ রাষ্ট্র পাকিস্তানের জন্ম-লাভের মধ্যে একই আকাঙ্খা মূর্ত হয়ে উঠেছে। অবশ্য এই নূতন রাষ্ট্রের জনসাধারণকে নিজেদের শাসকবর্গ নির্বাচনের সুযোগদানকারী প্রথাকে যতক্ষণ পর্যন্ত অবাধ স্বাধীনতা দেওয়া হবে না ততক্ষণ পর্যন্ত স্বাধীনতার কাহিনী সম্পূর্ণ হতে পারে না। প্রায় ১৫ বছর পর্যন্ত এই প্রথা কার্যকরী হতে পারেনি ; এর প্রধান কারণ হচ্ছে, দেশে এমন একটা শাসনতন্ত্র রচিত হতে পারেনি যার অনুসারে জনসাধারণ ভোট দানের মাধ্যমে শাসকবর্গকে ক্ষমতায় আসীনকিম্বা ক্ষমতাচ্যুত করার অধিকার পেতে পারত। ১৯৬২ সালে ১লা মার্চ প্রেসিডেন্ট শাসনতন্ত্র ঘোষণা করলেন । যাতে অন্যান্য ব্যাপারের মধ্যে-সার্বজনীন বয়স্ক ভোটাধিকারের ভিত্তিতে শাসকবর্গ নির্বাচনে জনসাধারণের অধিকারের নিশ্চয়তা বিধান করা হয়েছিল। শাসনতন্ত্র অনুযায়ী জনসাধারণ পাকিস্তানের প্রত্যেক প্রদেশে সার্বজনীন ভোটাধিকারের ভিত্তিতে ৪০,০০০ সদস্য নির্বাচন করতে পারবে। এরা পাকিস্তানের নির্বাচনী সংস্থা গঠন করবে। নির্বাচনী সংস্থা পালাক্রমে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট এবং জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদসমূহের সদস্য নির্বাচিত করবে। নির্বাচন পরিচালনা সকল স্তরে নির্বাচন পরিচালনার জন্য একটি উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন ও সমদর্শী দফতরের ব্যবস্থা হিসেবে শাসনতন্ত্রে একজন চীফ ইলেকশন কমিশনারের দায়িত্বে একটি নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়েছে। চীফ ইলেকশন কমিশনারের মর্যাদা সুপ্রীমকোর্টের একজন বিচারপতির সমতুল্য। তিনি ও প্রত্যেক প্রাদেশিক হাইকোর্ট থেকে দু'জন বিচারপতি নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত । নির্বাচন কমিশন শাসনতন্ত্র ও জাতীয় পরিষদ কর্তৃক নির্ধারিত বিধি অনুসারে নির্বাচন পরিচালনা করবেন বলে আশা করা হয়। শাসনতন্ত্র অনুযায়ী প্রয়োজনানুসারে গণভোট পরিচালনার দায়িত্বও এই কমিশনের উপর ন্যস্ত। নির্বাচনী সংস্থা ও নির্বাচনী এলাকা শাসনতন্ত্র অনুসারে প্রত্যেক প্রদেশকে ন্যূনপক্ষে ৪০,০০০ ভৌগোলিক ইউনিটে ভাগ করা হবে । এগুলি নির্বাচনী ইউনিট নামে পরিচিত হবে। প্রত্যেক নির্বাচনী ইউনিটের জন্য একটি করে ভোটার<noinclude>{{rh|||১}}</noinclude> bnvixeibg6wypg1c6e5fzjgjdm8lrz4 1943865 1943864 2026-04-19T00:13:22Z JIBON 20147 1943865 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="1" user="JIBON" />{{কেন্দ্র|'''আমাদের শাসক নির্বাচন'''}}</noinclude>{{ফাঁক}}নিজেদের শাসকবর্গ নির্বাচন করার অধিকার পাওয়ার জন্য জনসাধারণের আকাঙ্খাকে বিশ্বের সকল আজাদী আন্দোলনের প্রধান অণুপ্রেরণা হিসেবে ধরে নেওয়া যেতে পারে ৷ এ উপমহাদেশের মুসল-মানদের প্রায় ৯০ বছরের সংগ্রামের পর ১৯৪৭ সালের আগষ্ট মাসে আজাদ রাষ্ট্র পাকিস্তানের জন্ম-লাভের মধ্যে একই আকাঙ্খা মূর্ত হয়ে উঠেছে। {{ফাঁক}}অবশ্য এই নূতন রাষ্ট্রের জনসাধারণকে নিজেদের শাসকবর্গ নির্বাচনের সুযোগদানকারী প্রথাকে যতক্ষণ পর্যন্ত অবাধ স্বাধীনতা দেওয়া হবে না ততক্ষণ পর্যন্ত স্বাধীনতার কাহিনী সম্পূর্ণ হতে পারে না। প্রায় ১৫ বছর পর্যন্ত এই প্রথা কার্যকরী হতে পারেনি ; এর প্রধান কারণ হচ্ছে, দেশে এমন একটা শাসনতন্ত্র রচিত হতে পারেনি যার অনুসারে জনসাধারণ ভোট দানের মাধ্যমে শাসকবর্গকে ক্ষমতায় আসীনকিম্বা ক্ষমতাচ্যুত করার অধিকার পেতে পারত। {{ফাঁক}}১৯৬২ সালে ১লা মার্চ প্রেসিডেন্ট শাসনতন্ত্র ঘোষণা করলেন । যাতে অন্যান্য ব্যাপারের মধ্যে-সার্বজনীন বয়স্ক ভোটাধিকারের ভিত্তিতে শাসকবর্গ নির্বাচনে জনসাধারণের অধিকারের নিশ্চয়তা বিধান করা হয়েছিল। শাসনতন্ত্র অনুযায়ী জনসাধারণ পাকিস্তানের প্রত্যেক প্রদেশে সার্বজনীন ভোটাধিকারের ভিত্তিতে ৪০,০০০ সদস্য নির্বাচন করতে পারবে। এরা পাকিস্তানের নির্বাচনী সংস্থা গঠন করবে। নির্বাচনী সংস্থা পালাক্রমে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট এবং জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদসমূহের সদস্য নির্বাচিত করবে। {{Block center|নির্বাচন পরিচালনা}} {{ফাঁক}}সকল স্তরে নির্বাচন পরিচালনার জন্য একটি উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন ও সমদর্শী দফতরের ব্যবস্থা হিসেবে শাসনতন্ত্রে একজন চীফ ইলেকশন কমিশনারের দায়িত্বে একটি নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়েছে। চীফ ইলেকশন কমিশনারের মর্যাদা সুপ্রীমকোর্টের একজন বিচারপতির সমতুল্য। তিনি ও প্রত্যেক প্রাদেশিক হাইকোর্ট থেকে দু'জন বিচারপতি নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত । {{ফাঁক}}নির্বাচন কমিশন শাসনতন্ত্র ও জাতীয় পরিষদ কর্তৃক নির্ধারিত বিধি অনুসারে নির্বাচন পরিচালনা করবেন বলে আশা করা হয়। শাসনতন্ত্র অনুযায়ী প্রয়োজনানুসারে গণভোট পরিচালনার দায়িত্বও এই কমিশনের উপর ন্যস্ত। {{Block center|নির্বাচনী সংস্থা ও নির্বাচনী এলাকা}} {{ফাঁক}}শাসনতন্ত্র অনুসারে প্রত্যেক প্রদেশকে ন্যূনপক্ষে ৪০,০০০ ভৌগোলিক ইউনিটে ভাগ করা হবে । এগুলি নির্বাচনী ইউনিট নামে পরিচিত হবে। প্রত্যেক নির্বাচনী ইউনিটের জন্য একটি করে ভোটার<noinclude>{{rh|||১}}</noinclude> kby4y100xdwiddz2mqilktxts36rxzq 1943866 1943865 2026-04-19T00:14:33Z JIBON 20147 1943866 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="1" user="JIBON" />{{কেন্দ্র|{{xx-larger|'''আমাদের শাসক নির্বাচন'''}}}}</noinclude>{{ফাঁক}}নিজেদের শাসকবর্গ নির্বাচন করার অধিকার পাওয়ার জন্য জনসাধারণের আকাঙ্খাকে বিশ্বের সকল আজাদী আন্দোলনের প্রধান অণুপ্রেরণা হিসেবে ধরে নেওয়া যেতে পারে ৷ এ উপমহাদেশের মুসল-মানদের প্রায় ৯০ বছরের সংগ্রামের পর ১৯৪৭ সালের আগষ্ট মাসে আজাদ রাষ্ট্র পাকিস্তানের জন্ম-লাভের মধ্যে একই আকাঙ্খা মূর্ত হয়ে উঠেছে। {{ফাঁক}}অবশ্য এই নূতন রাষ্ট্রের জনসাধারণকে নিজেদের শাসকবর্গ নির্বাচনের সুযোগদানকারী প্রথাকে যতক্ষণ পর্যন্ত অবাধ স্বাধীনতা দেওয়া হবে না ততক্ষণ পর্যন্ত স্বাধীনতার কাহিনী সম্পূর্ণ হতে পারে না। প্রায় ১৫ বছর পর্যন্ত এই প্রথা কার্যকরী হতে পারেনি ; এর প্রধান কারণ হচ্ছে, দেশে এমন একটা শাসনতন্ত্র রচিত হতে পারেনি যার অনুসারে জনসাধারণ ভোট দানের মাধ্যমে শাসকবর্গকে ক্ষমতায় আসীনকিম্বা ক্ষমতাচ্যুত করার অধিকার পেতে পারত। {{ফাঁক}}১৯৬২ সালে ১লা মার্চ প্রেসিডেন্ট শাসনতন্ত্র ঘোষণা করলেন । যাতে অন্যান্য ব্যাপারের মধ্যে-সার্বজনীন বয়স্ক ভোটাধিকারের ভিত্তিতে শাসকবর্গ নির্বাচনে জনসাধারণের অধিকারের নিশ্চয়তা বিধান করা হয়েছিল। শাসনতন্ত্র অনুযায়ী জনসাধারণ পাকিস্তানের প্রত্যেক প্রদেশে সার্বজনীন ভোটাধিকারের ভিত্তিতে ৪০,০০০ সদস্য নির্বাচন করতে পারবে। এরা পাকিস্তানের নির্বাচনী সংস্থা গঠন করবে। নির্বাচনী সংস্থা পালাক্রমে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট এবং জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদসমূহের সদস্য নির্বাচিত করবে। {{Block center|'''নির্বাচন পরিচালনা'''}} {{ফাঁক}}সকল স্তরে নির্বাচন পরিচালনার জন্য একটি উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন ও সমদর্শী দফতরের ব্যবস্থা হিসেবে শাসনতন্ত্রে একজন চীফ ইলেকশন কমিশনারের দায়িত্বে একটি নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়েছে। চীফ ইলেকশন কমিশনারের মর্যাদা সুপ্রীমকোর্টের একজন বিচারপতির সমতুল্য। তিনি ও প্রত্যেক প্রাদেশিক হাইকোর্ট থেকে দু'জন বিচারপতি নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত । {{ফাঁক}}নির্বাচন কমিশন শাসনতন্ত্র ও জাতীয় পরিষদ কর্তৃক নির্ধারিত বিধি অনুসারে নির্বাচন পরিচালনা করবেন বলে আশা করা হয়। শাসনতন্ত্র অনুযায়ী প্রয়োজনানুসারে গণভোট পরিচালনার দায়িত্বও এই কমিশনের উপর ন্যস্ত। {{Block center|'''নির্বাচনী সংস্থা ও নির্বাচনী এলাকা'''}} {{ফাঁক}}শাসনতন্ত্র অনুসারে প্রত্যেক প্রদেশকে ন্যূনপক্ষে ৪০,০০০ ভৌগোলিক ইউনিটে ভাগ করা হবে । এগুলি নির্বাচনী ইউনিট নামে পরিচিত হবে। প্রত্যেক নির্বাচনী ইউনিটের জন্য একটি করে ভোটার<noinclude>{{rh|||১}}</noinclude> 8hkl6wd6o98yyu8ocpnnry7mi603bwp পাতা:আমাদের শাসক নির্বাচন (১৯৬৪).pdf/৪ 104 878597 1943867 2026-04-19T00:25:56Z JIBON 20147 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ "তালিকা তৈরী ও সংরক্ষণ করা হবে। জাতি-বর্ণ-ধর্ম অথবা নারী-পুরুষ নির্বিশেষে ২১ বছরের নীচে বয়স নয় অথবা পাগল নয় এরূপ প্রত্যেক নাগরিকের ভোটার হিসেবে তালিকাভুক্ত হবার অধিকার..." দিয়ে পাতা তৈরি 1943867 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="1" user="JIBON" /></noinclude>তালিকা তৈরী ও সংরক্ষণ করা হবে। জাতি-বর্ণ-ধর্ম অথবা নারী-পুরুষ নির্বিশেষে ২১ বছরের নীচে বয়স নয় অথবা পাগল নয় এরূপ প্রত্যেক নাগরিকের ভোটার হিসেবে তালিকাভুক্ত হবার অধিকার রয়েছে। {{ফাঁক}}বয়স্ক ভোটাধিকারের ভিত্তিতে ৫ বছরের মেয়াদে নির্বাচনী সংস্থার সদস্যদের নির্বাচিত করা হবে । প্রেসিডেন্ট ও পরিষদগুলির নির্বাচনে ভোটার হওয়া ছাড়াও নির্বাচনী সংস্থার সদস্যবৃন্দ মৌলিক গণতন্ত্র সংস্থাসমূহের সদস্য হিসাবে কাজ করবে এবং নিজ নিজ নির্বাচনী ইউনিটে স্থানীয় সরকারী কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় জনস্বাস্থ্য ও শাসন সম্বন্ধীয় সমস্যাবলীর সমাধানে নিয়োজিত থাকবেন। {{ফাঁক}}প্রাদেশিক পরিষদে ও জাতীয় পরিষদে সদস্য নির্বাচনের জন্য নির্বাচনী কমিশন প্রত্যেক প্রদেশে যথাক্রমে ১৫০টি ও ৭৫টি নির্বাচনী এলাকা গঠনের জন্য নির্বাচনী ইউনিটসমূহকে সংযুক্ত করবেন। {{ফাঁক}}প্রত্যেক প্রদেশে নির্বাচনী সংস্থাকে পাঁচটি জোনে বিভক্ত করা হবে, যাতে প্রাদেশিক পরিষদে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত পাঁচটি আসনে মহিলা প্রার্থী নির্বাচন করা যায়। মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত ৬টি আসনে পূর্ব পাকিস্তান ও পশ্চিম পাকিস্তান সদস্য নির্বাচনের জন্য প্রত্যেক প্রদেশে তিনটি জোন সৃষ্টি করা হবে। {{Block center|'''নির্বাচনী সংস্থায় নির্বাচন'''}} {{ফাঁক}}প্রেসিডেন্ট ও পরিষদ নির্বাচনসমূহ নির্বাচন কমিশনের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে ও দায়িত্বে অনুষ্ঠিত হবে। চীফ ইলেক্‌শন কমিশনার পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তান সরকারসমূহের সাথে পরামর্শ করে নির্বাচনী সংস্থার নির্বাচন অনষ্ঠানের জন্য প্রত্যেক প্রদেশে একটি করে পৃথক নির্বাচন কর্তৃপক্ষ নিয়োগ করবেন। {{ফাঁক}}নির্বাচনী সংস্থায় নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে নির্বাচনী ইউনিটসমূহের সঠিক সীমানা নির্ধারণ ও সত্যিকার ভোটারদের নির্ভুল তালিকা তৈরী করার ব্যবস্থা নির্বাচনী বিধিসমূহে রয়েছে। নির্বাচনী ইউনিট সমূহের সীমানা পরিবর্তনের ও ভোটার তালিকা সংশোধনের জন্য জনসাধারণকে বিভিন্ন- পর্যায়ে পর্যাপ্ত সুযোগ দান করা হয়েছে। নির্বাচনী ইউনিট ও ভোটার তালিকা প্রস্তুত হওয়ার পর প্রত্যেক প্রদেশের জন্য নির্বাচনী কর্মসূচী ঘোষণা করা হয়েছে। ভোটার তালিকাভূক্ত ন্যূনপক্ষে ২৫ বৎসর বয়স্ক নাগরিকেরা নিজ নিজ নির্বাচনী ইউনিট থেকে নির্বাচনী সংস্থার নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে দাঁড়াতে পারে । নির্বাচনী ইউনিটের রিটার্নিং অফিসার নির্বাচনী আইন ও বিধি সম্মত নমিনেশন পেপার গ্রহণ করে থাকেন। {{ফাঁক}}নির্বাচনী প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকায় যে সকল প্রার্থীর নাম অন্তর্ভুক্ত করা হবে তাদেরকে নিজ নিজ নাম ও প্রতীক সম্বলিত ব্যালট বাক্স ভোট গ্রহণের তিনদিন পূর্বে নির্বাচনী অফিসারগণ কর্তৃক পরীক্ষা ও সার্টিফিকেট প্রদানের জন্য আনতে হবে। প্রিসাইডিং অফিসারেরা নির্বাচন অনুষ্ঠানের এক ঘণ্টা পূর্বে এ-সকল বাক্স পাবেন, এবং ভোট গ্রহণ কেন্দ্রে এগুলি স্থাপন করবেন। নির্বাচন অনুষ্ঠানের সময় ভোটারদিগকে এক একজন করে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে। প্রিসাইডিং অফিসার যখন নিঃসন্দেহ হবেন যে ব্যালট পেপার প্রার্থী ব্যক্তিগণ ঐ ইউনিটের সত্যিকারের ভোট দাতা তখন তাদেরকে ব্যালট পেপার দেওয়া হবে। ব্যালট পেপারের উপর কোন চিহ্ন না দিয়ে ভোট দাতাগণকে নিজ নিজ পছন্দমত প্রার্থীর বাক্সে উক্ত ব্যালট পেপার ফেলতে বলা হবে । ব্যালট বাক্সগুলি প্রিসাইডিং অফিসার, প্রার্থীগণ অথবা তাদের প্রতিনিধির দৃষ্টির বাইরে রাখা হবে। শাসনতন্ত্র অনুসারে ব্যালটের গোপনীয়তা রক্ষার জন্য এরূপ করা হবে।<noinclude>{{rh|২||}}</noinclude> 0ubktgeohto8pe1qt8pb0ba2ocebggc পাতা:পূর্ব পাকিস্তানে কৃষি.pdf/২৩ 104 878598 1943868 2026-04-19T00:37:50Z JIBON 20147 /* মুদ্রণ সংশোধন করা হয়নি */ "{{ফাঁক}}পূর্ব পাকিস্তানে কৃষিজাত দ্রব্যাদির বাজার ব্যবস্থাকে উন্নত ও উপযোগী করার জন্যে কেন্দ্রীয় সরকার কতকগুলো পরিকল্পনা কার্যকরী করছেন। এ সবের মধ্যে পাট, তুলা, চামড়া,..." দিয়ে পাতা তৈরি 1943868 proofread-page text/x-wiki <noinclude><pagequality level="1" user="JIBON" />{{কেন্দ্র|'''কৃষির বাজার সমস্যা ও তথ্য সরবরাহ'''}}</noinclude>{{ফাঁক}}পূর্ব পাকিস্তানে কৃষিজাত দ্রব্যাদির বাজার ব্যবস্থাকে উন্নত ও উপযোগী করার জন্যে কেন্দ্রীয় সরকার কতকগুলো পরিকল্পনা কার্যকরী করছেন। এ সবের মধ্যে পাট, তুলা, চামড়া, ডিম, পশম, চাউল, শণ ও ধনিয়া বীজ ইত্যাদি প্রধান প্রধান দ্রব্যের বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিভাগকরণ ( Grading ) উল্লেখযোগ্য। বৈজ্ঞানিক ভিত্তিতে এসব দ্রব্যের মান নির্ণীত না থাকাতে উৎপাদনকারী ন্যায্য মূল্য লাভ করতে পারে না ; তাই মাননির্ণয় করে দ্রব্যগুলোকে বিভিন্ন শ্রেণীতে বা 'গ্রেডে' ভাগ করার নামই ‘গ্রেডিং'। এই ‘গ্রেডিং' অভাবে পূর্ব পাকিস্তানের কতকগুলো প্রধান রফতানীদ্রব্য প্রতি বছর বেশ কিছু পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা হারায়। চামড়ার ‘গ্রেডিং'-এর জন্যে চট্টগ্রামে একটি পরীক্ষাগার নির্মাণ অনেকখানি অগ্রসর হয়েছে। খুলনায় একই জাতীয় পরীক্ষাগার নির্মাণের কাজ শীঘ্রই শুরু হচ্ছে। কেন্দ্রীয় পাট গবেষণা প্রতিষ্ঠান পাটের 'গ্রেডিং'-এর ব্যাপারে গবেষণা করছে। শণ ও ধনিয়া বীজ গ্রেডিংয়ের কাজ শুরু হয়েছে ; সরকার এসব জিনিষের রফতানীকে বাধ্যতামূলক গ্রেডিংয়ের অধীন করছেন। তেমনি ডিম রফতানীতেও গ্রেডিং কার্যকরী করা হবে। {{ফাঁক}}অন্যদিকে প্রাদেশিক সরকার বিভিন্ন জিনিষের বাজার জরীপ ও উপযোগী ব্যবস্থা অবলম্বনে মনোনিবেশ করেছেন। এসব জিনিষের মধ্যে মরিচ, তামাক, দুধ, দুধের প্রস্তুত জিনিষ, ডিম, আম, আনারস ও নানা জাতীয় বীজ উল্লেখযোগ্য। চামড়ার গণ বাড়াবার জন্যে ১৯৬১-৬২ সালে পাঁচ হাজারেরও বেশী প্রদর্শনমূলক কাজ চালানো হয়েছে ; তেমনি পশম সংগ্রহের পদ্ধতিও প্রদর্শন করা হয়েছে। আবার অসংখ্য কসাই, চামড়া সংগ্রহকারী ও ব্যবসায়ীকে ট্রেনিং দেওয়া হয়েছে। {{ফাঁক}}প্রাদেশিক সরকারের ব্যুরো অব এগ্রিকালচারাল ষ্ট্যাটিস্টিকস' ১৬টি জেলায় ১৪০০ গ্রামে পূর্ব পাকিস্তানের প্রধান প্রধান ফসলগুলো সম্পর্কে একটি নমুনা তদন্ত চালায়; এর তথ্য নানাপ্রকার গবেষণা কাজে সাহায্য করবে। {{Block center|'''বনজ উৎপাদন'''}} {{ফাঁক}}বনজ উন্নয়ন ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য প্রগতি লাভ সম্ভব হয়েছে। ১৯৬০ সাল থেকে কাষ্ঠ আহরণ প্রতি বছর ২০,০০০ টন পরিমাণ বেড়েছে এবং এই বৃদ্ধির অধিকাংশই এসেছে পার্বত্য চট্টগ্রামের বনাঞ্চল থেকে। এ অঞ্চলে বনজ সম্পদের অনুসন্ধান চলছে। কেন্দ্রীয় সরকার চট্টগ্রামে একটি বনজ গবেষণা লেবরেটরী স্থাপন করেছেন। ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করার জন্যে অধনা পরিকল্পনাটিকে বিশেষভাবে পরিবর্ধিত করা হয়েছে। পূর্ব পাকিস্তান বনজ শিল্পোন্নয়ন কর্পোরেশন বনজ উৎপাদন বৃদ্ধির ব্যাপারে পরিকল্পনা ও এর কার্যক্রম<noinclude>{{rh|||১৩}}</noinclude> fqw5qkv2wilwxwansscynquyv1qfhsk