উইকিভ্রমণ bnwikivoyage https://bn.wikivoyage.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE MediaWiki 1.47.0-wmf.15 first-letter মিডিয়া বিশেষ আলাপ ব্যবহারকারী ব্যবহারকারী আলাপ উইকিভ্রমণ উইকিভ্রমণ আলোচনা চিত্র চিত্র আলোচনা মিডিয়াউইকি মিডিয়াউইকি আলোচনা টেমপ্লেট টেমপ্লেট আলোচনা সাহায্য সাহায্য আলোচনা বিষয়শ্রেণী বিষয়শ্রেণী আলোচনা TimedText TimedText talk মডিউল মডিউল আলাপ ইভেন্ট ইভেন্ট আলোচনা ফ্রাঙ্কফুর্ট 0 8100 76981 76261 2026-08-16T12:39:05Z ~2026-44928-97 6465 /* পর্যটক তথ্য */ photo updated (2026) 76981 wikitext text/x-wiki {{pagebanner | Frankfurt Wikivoyage Banner.png}} '''ফ্রাঙ্কফুর্ট''' (জার্মান: ''ফ্রাঙ্কফুর্ট আম মাইন'') হলো জার্মানির [[হেসে|হেসে রাজ্যের]] সবচেয়ে বড় শহর, যা ব্যবসা ও আর্থিক কেন্দ্র হিসেবে সমগ্র জার্মানিতে পরিচিত। এটি [[বার্লিন]], [[হামবুর্গ]], [[মিউনিখ]] এবং [[কোলন]]-এর পর জার্মানির পঞ্চম বৃহত্তম শহর। আধুনিক আকাশছোঁয়া অট্টালিকার জন্য এটি বিখ্যাত, এছাড়াও এখানে রয়েছে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়, ডয়চে ব্যোর্সে স্টক এক্সচেঞ্জ এবং অসংখ্য জার্মান আর্থিক সেবা কোম্পানি। আরও উল্লেখযোগ্য হলো, এখানে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য মেলা অনুষ্ঠিত হয়, যেমন ফ্রাঙ্কফুর্ট মোটর শো এবং ফ্রাঙ্কফুর্ট বইমেলা। শহরটি মাইন নদীর তীরে অবস্থিত এবং জার্মান ''আটোবান'' সড়ক ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থলে রয়েছে। এটি বহু [[উচ্চগতির রেল|উচ্চগতির রেলপথের]] সঙ্গে যুক্ত। শহরের প্রান্তে অবস্থিত জার্মানির সবচেয়ে ব্যস্ত বিমানবন্দরকে ঘিরে ফ্রাঙ্কফুর্ট ইউরোপের অন্যতম প্রধান পরিবহন কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত হয়। == অনুধাবন == [[File:Alte Oper Frankfurt & UBS Abend.jpg|thumb|অপারেনটার্ম টাওয়ার এবং কনসার্ট হল আল্টে অপের]] ফ্রাঙ্কফুর্ট এক বৈপরীত্যের শহর। ধনী ব্যাংকার, শিক্ষার্থী আর হিপি জীবনধারায় থাকা মানুষরা এই শহরে সহাবস্থান করে। এখানে ইউরোপের সবচেয়ে উঁচু এবং আধুনিক অট্টালিকার পাশাপাশি সংরক্ষিত পুরোনো স্থাপত্যও রয়েছে। শহরের কেন্দ্রস্থল, বিশেষ করে রোমার স্কোয়ার এবং মাইন নদীর ধারের জাদুঘরগুলো প্রতি বছর লাখো পর্যটককে আকর্ষণ করে। অন্যদিকে, অনেক কম পরিচিত মহল্লা যেমন বকেনহাইম, বর্নহাইম, নর্ডএন্ড এবং স্যাক্সেনহাউসেন তাদের অক্ষত ঊনবিংশ শতাব্দীর সুন্দর রাস্তা আর পার্কসহ ভ্রমণকারীদের নজর এড়িয়ে যায়। এটি রাইন-মাইন অঞ্চলের কেন্দ্রবিন্দু। এই অঞ্চল পশ্চিমে মাইনৎস এবং ভিসবাডেন থেকে পূর্বে হানাউ, উত্তরে গিসেন থেকে দক্ষিণে ডার্মস্টাড পর্যন্ত বিস্তৃত। পুরো মহানগর এলাকায় ২০১৯ সালের হিসাবে প্রায় ৫৬ লক্ষ মানুষ বসবাস করে। ফ্রাঙ্কফুর্ট হচ্ছে সেই স্থান যেখানে জার্মানির প্রধান আটোবান সড়ক ও রেলপথ একে অপরকে অতিক্রম করেছে। প্রতিদিন প্রায় ৬ লক্ষ ৫০ হাজার মানুষ এখানে যাতায়াত করে, এর সঙ্গে ২০১৯ সালে এখানে বসবাসকারী প্রায় ৭ লক্ষ ৬৩ হাজার মানুষকে গণনা করা হয়নি। বিশাল বিমানবন্দরসহ (যা ইউরোপের তৃতীয় বৃহত্তম) এটি জার্মানির প্রবেশদ্বার এবং অনেক মানুষের জন্য ইউরোপে আগমনের প্রথম স্থান। পাশাপাশি, এটি ইউরোপের ভেতরে সংযোগ স্থাপনের প্রধান কেন্দ্র এবং আন্তঃমহাদেশীয় ফ্লাইটের জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। ১৯৬৮ সালের পরবর্তী সময়ে, বিশেষ করে ১৯৭০-এর দশকের শেষ ভাগ থেকে ১৯৮০-এর দশকের শুরুর দিকে, ফ্রাঙ্কফুর্ট ছিল বামপন্থী স্পন্টি-সিন আন্দোলনের কেন্দ্র। এ আন্দোলনের কর্মীরা প্রায়ই রাজনীতি ও নগর নকশা সম্পর্কিত বিষয় (বিশেষত পুরোনো ভবন ভেঙে ফেলা উচিত কি না) নিয়ে পুলিশ ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ত। এ ধরনের উগ্রপন্থী দলের বেশ কয়েকজন সদস্য পরবর্তীতে রাজনীতিতে যথেষ্ট সম্মানজনক কর্মজীবন গড়ে তোলেন। তাদের মধ্যে ছিলেন ড্যানিয়েল কন-বেন্ডিট (দীর্ঘ সময় গ্রিন দলের ইউরোপীয় সংসদ সদস্য) এবং যোশকা ফিশার (১৯৯৮–২০০৫ সালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও ভাইস চ্যান্সেলর)। তবে তাদের একসময়ের উগ্রপন্থী ও সহিংস কর্মকাণ্ড তাদের পরবর্তী রাজনৈতিক জীবনকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছিল। ফ্রাঙ্কফুর্টে জার্মানির অন্যতম সর্বোচ্চ সংখ্যক অভিবাসী রয়েছে। এখানে প্রায় ২৫% মানুষের জার্মান পাসপোর্ট নেই এবং আরও প্রায় ১০% মানুষ স্বাভাবিকীকৃত জার্মান নাগরিক। অর্থাৎ প্রায় ৩৫% অভিবাসী নিয়ে ফ্রাঙ্কফুর্ট জার্মানির সবচেয়ে বহুধর্মী ও বৈচিত্র্যময় শহরগুলোর একটি। এখানে অসংখ্য জাদুঘর, থিয়েটার এবং একটি বিশ্বমানের অপেরা হাউস রয়েছে। [[File:Frankfurt Subdivisions grey.svg|thumb|ফ্রাঙ্কফুর্টের উপবিভাগের মানচিত্র]] ===আঞ্চলিক উপবিভাগ=== ফ্রাঙ্কফুর্ট ১৬টি ''অর্টসবেজির্কে'' বিভক্ত, যা আবার ৪৬টি ''স্ট্যাডটেইলে'' ভাগ করা হয়েছে। শহরের জনসংখ্যার তুলনায় এর এলাকা অনেক বড় হওয়ায় বেশিরভাগ অঞ্চল পর্যটকদের কাছে তেমন আকর্ষণীয় নয়। অধিকাংশ দর্শনীয় স্থান ''অর্টসবেজির্ক ইনেনস্টাড্ট I''-এ অবস্থিত (''ইনেনস্টাড্ট'' বা “অভ্যন্তরীণ শহর” দিয়ে শুরু হওয়া চারটি ''অর্টসবেজির্ক'' রয়েছে, যেগুলোকে রোমান সংখ্যা দ্বারা আলাদা করা হয়)। এর মধ্যে কিছু উল্লেখযোগ্য ''স্ট্যাডটেইল'' হলো: * ''আল্টস্টাড্ট (ডোম-রোমার কোয়ার্টার)'' – ফ্রাঙ্কফুর্টের পুরোনো শহরের কেন্দ্র, যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর মূলত পুনর্নির্মাণ করা হয়েছিল। বিশেষ করে ২০১২ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে একটি বড় নগর উন্নয়ন প্রকল্পের অংশ হিসেবে এটি ব্যাপকভাবে পুনর্গঠিত হয়। * ''ইনেনস্টাড্ট'' – বিভ্রান্তিকরভাবে নামকরণ করা এই অংশটি (একই নামের বৃহত্তর ''অর্টসবেজির্ক''-এর সঙ্গে মিল রয়েছে) আল্টস্টাড্ট থেকে শুরু করে পুরোনো শহর প্রাচীর পর্যন্ত বিস্তৃত যা এখনও শহরের মানচিত্রে সবুজ বেল্ট হিসেবে দৃশ্যমান। এখানে ফ্রাঙ্কফুর্টের বেশিরভাগ আকাশচুম্বী ভবন অবস্থিত। * ''বাহনহফসভিয়েরটেল'' – ঘনবসতিপূর্ণ এই এলাকা সরাসরি ''হাউপ্টবানহফ''-এর সামনে অবস্থিত। এখানে শহরের সর্বাধিক হোটেল রয়েছে এবং একইসঙ্গে এটাই ফ্রাঙ্কফুর্টের রেড লাইট এলাকা। * ''গুটলেউটভিয়েরটেল'' – হাউপ্টবানহফের দিকে যাওয়া রেললাইনগুলোর দক্ষিণে অবস্থিত এলাকা, যেখানে মাইন নদীর তীরে একটি আধুনিক আবাসিক অঞ্চল রয়েছে। * ''গাল্লুস'' – হাউপ্টবানহফ রেললাইনের উত্তরে অবস্থিত এই এলাকা মূলত ২০১০ সালের পর শুরু হওয়া ''ইউরোপাভিয়েরটেল'' উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য পরিচিত। এখানে প্রশস্ত ''ইউরোপা অ্যালি''-কে ঘিরে নতুন আবাসিক ভবন ও অফিস নির্মাণ করা হয়েছে, যা মেলার মাঠের পাশেই অবস্থিত। * ''বকেনহাইম'' * ''ভেস্টএন্ড'' – ভূমির মূল্যের হিসেবে ফ্রাঙ্কফুর্টের সবচেয়ে ব্যয়বহুল এলাকা। বেশিরভাগ জায়গা নিচু আবাসিক ভবন ও ভিলায় পূর্ণ, তবে এর প্রান্তে কয়েকটি আকাশচুম্বী ভবনও রয়েছে। * ''নর্ডএন্ড'' * ''বর্নহাইম'' – ছোট দোকান, ক্যাফে ও রেস্টুরেন্টের জন্য জনপ্রিয় এলাকা। এখানে ঐতিহাসিক পানশালা এবং কাঠের ফ্রেমের পুরনো ঘরও রয়েছে। বিস্তারিত জানার জন্য নিচে [[#বর্নহাইম|তালিকা]] দেখুন। * ''জাখসেনহাউজেন'' – নদী মাইনের দক্ষিণ তীরের ঐতিহাসিক এলাকা, যা এখনও তার স্বাভাবিক ১৯শ শতাব্দীর বৈশিষ্ট্য ধরে রেখেছে। এটি আধুনিক উত্তর তীরের আকাশচুম্বী ভবন দ্বারা ভিন্নতর। নদীর ধারে ''মিউজিয়ামসুফার'' নামের জাদুঘর সংগ্রহ রয়েছে। বিস্তারিত জানার জন্য নিচে [[#জাখসেনহাউজেন|তালিকা]] দেখুন। * ''হ্যোষ্ট'' – আগে এটি একটি স্বতন্ত্র ছোট শহর ছিল, এখন এটি শহরতলি। শ্লস-এর চারপাশের ছোট ''আল্টশটাড'' ফ্রাঙ্কফুর্টের কেন্দ্রের কাছে এমন একটি স্থান, যেখানে এখনো যুদ্ধের সময় ধ্বংস না হওয়া বহু ঐতিহ্যবাহী কাঠের ফ্রেমের বাড়ি দেখা যায়। শ্লসের পাশের চত্বরটিতে বেশ কয়েকটি সুন্দর ঐতিহ্যবাহী ''গাস্টস্ট্যাটে'' রয়েছে, যেখানে খাওয়া-দাওয়া করা যায়। বিস্তারিত জানার জন্য নিচে [[#হ্যোষ্ট|তালিকা]] দেখুন। === কখন ভ্রমণ করবেন === ফ্রাঙ্কফুর্ট ভ্রমণের জন্য সবচেয়ে ভালো সময় হচ্ছে বসন্তের শেষ থেকে শরতের শুরু পর্যন্ত। গ্রীষ্মকালে সাধারণত রোদেলা ও উষ্ণ আবহাওয়া থাকে, গড় তাপমাত্রা প্রায় ২৫°সে (৭৭°ফা)। তবে প্রস্তুত থাকতে হবে প্রচণ্ড গরম দিনের জন্য, যখন তাপমাত্রা ৩৫°সে (৯৫°F) পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে, আবার হালকা বৃষ্টিও হতে পারে। শীতকালে আবহাওয়া ঠান্ডা ও বৃষ্টিময় হয় (সাধারণত -১০°সে/১৪°F এর নিচে নামে না)। ফ্রাঙ্কফুর্টে খুব কমই তুষারপাত হয়। আপনি যদি রাতযাপন করার পরিকল্পনা করেন, তবে বাণিজ্য মেলার সময় এড়িয়ে যাওয়াই ভালো, কারণ তখন সাশ্রয়ী থাকার ব্যবস্থা পাওয়া কঠিন হয়ে যায়। সবচেয়ে বড় মেলাটি হলো বইমেলা (''বুখমেসে''), যা প্রতিবছর অক্টোবরের মাঝামাঝি হয়। বিস্তারিত জানার জন্য [[#মেলা|মেলা]] দেখুন। === পর্যটক তথ্য === [[File:Frankfurt Dom Abend.jpg|thumb|কাইজারডম ''(ইম্পেরিয়াল ক্যাথেড্রাল)'']] [[File:Frankfurt Römerberg Ostzeile.jpg|thumb|রোমারবের্গ অস্টৎসাইল ''(রোমার স্কোয়ারের পূর্ব দিক)'']] পর্যটক তথ্যের জন্য দুটি অফিস রয়েছে: * {{listing | name=ট্যুরিস্টইনফো হাউপ্টবাহনহফ | alt= | url=http://www.frankfurt-tourismus.de | email=info@infofrankfurt.de | address= | lat=50.10710 | long=8.66424 | directions=ডিবি সেবা এলাকার পাশে প্রধান নির্গমনপথের নিকটে, চিহ্ন অনুসরণ করুন | phone =+49 69 2123-8800 | tollfree= | fax=+49 69 2123-7880 | hours=সোম-শুক্র ০৮:০০-২১:০০, শনি-রবি ও ছুটির দিন ০৯:০০-১৮:০০; নববর্ষ ও নববর্ষের আগের দিন ০৮:০০-১৩:০০; ২৫-২৬ ডিসেম্বর বন্ধ | price= | content= }} * {{listing | name=ট্যুরিস্টইনফো রোমার | alt= | url=http://www.frankfurt-tourismus.de | email=info@infofrankfurt.de | address=রোমারবের্গ ২৭ | lat=50.11063 | long=8.68176 | directions={{station|Dom/Römer|U4|U5}} | phone=+49 69 2123-8800 | tollfree= | fax=+49 69 21 23 78 80 | hours=সোম-শুক্র ০৯:৩০–১৭:৩০, শনি-রবি ও ছুটির দিন ১০:০০-১৬:০০; নববর্ষ ও নববর্ষের আগের দিন ১০:০০-১৩:০০; ২৫-২৬ ডিসেম্বর বন্ধ | price= | content= }} [[Image:Frankfurt am Main, Skyline von der Alten Brücke.jpg|thumb|ফ্রাঙ্কফুর্টের আকাশরেখা]] == প্রবেশ == ফ্রাঙ্কফুর্ট মধ্য জার্মানির কেন্দ্রস্থল এবং তাই এটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পরিবহন কেন্দ্র। রেলপথ, সড়ক ও আকাশপথে এর চমৎকার যোগাযোগ রয়েছে। ফ্রাঙ্কফুর্টে আসা ও এখান থেকে যাওয়া খুবই সহজ। === আকাশপথে === ==== ফ্রাঙ্কফুর্ট বিমানবন্দর ==== {{main|ফ্রাঙ্কফুর্ট বিমানবন্দর}} {{যান |নাম=ফ্রাঙ্কফুর্ট বিমানবন্দর |ইউআরএল=https://www.frankfurt-airport.com/en|অক্ষাংশ=50.0483|দ্রাঘিমাংশ=8.5732}} ({{IATA|FRA}}) ইউরোপের সবচেয়ে ব্যস্ত বিমানবন্দরগুলির একটি যাত্রী চলাচলের দিক থেকে এটি লন্ডন হিথ্রো, আমস্টারডাম স্খিপোল এবং প্যারিস শার্ল দ্য গোল বিমানবন্দর-এর পরে চতুর্থ স্থানে রয়েছে। ফ্রাঙ্কফুর্ট জার্মানির ব্যাংকিং কেন্দ্র এবং এখানে বহু আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা অনুষ্ঠিত হয়। তাই সব প্রধান এয়ারলাইনস ও এয়ারলাইন জোট ফ্রাঙ্কফুর্টে নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনা করে এবং এটি পৃথিবীর সব বসতিপূর্ণ মহাদেশ ও প্রধান শহরের সঙ্গে সংযুক্ত। জার্মানির জাতীয় এয়ারলাইন লুফথানসা ফ্রাঙ্কফুর্টের প্রধান বিমান সংস্থা এবং সর্বাধিক সংযোগ প্রদান করে। লুফথানসা ফ্রাঙ্কফুর্ট থেকে ও ফ্রাঙ্কফুর্টে বেশ কয়েকটি দেশীয় ফিডার ফ্লাইটও পরিচালনা করে, যা ব্যবসায়িক ভ্রমণকারীদেরও সেবা দেয়। [[Image:Aerial View of Frankfurt Airport 1.jpg|thumb|ফ্রাঙ্কফুর্ট আম মাইন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর]] বিমানবন্দর থেকে ফ্রাঙ্কফুর্ট শহরের কেন্দ্রে যাওয়া যায় '''ট্যাক্সি''', '''বাস''' (লাইন ৬১ ধরে {{স্টেশন|ফ্রাঙ্কফুর্ট জ্যুড(বাহনহফ)|u1|u2|u3|u8|s5|s6}} (ফ্রাঙ্কফুর্ট দক্ষিণ স্টেশন)) এবং সবচেয়ে সহজে {{rint|frankfurt|s}} '''এস-বান''' (দ্রুত উপনগরীয় ট্রেন) দিয়ে। শহরে যেতে এস-বান ব্যবহার করতে হলে {{rint|frankfurt|s8}} অথবা {{rint|frankfurt|s9}} লাইন ধরুন, দিক হবে অফেনবাখ অস্ট অথবা হানাউ-এর দিকে। এগুলো ধরতে হবে আঞ্চলিক ট্রেন স্টেশন থেকে, {{যান|নাম=ফ্রাঙ্কফুর্ট(এম) ফ্লুঘাফেন রিজিওনালবাহনহফ|অক্ষাংশ=50.05127|দ্রাঘিমাংশ=8.57147}} যা টার্মিনাল ১-এর সবচেয়ে নিচের স্তরে (প্রবেশপথ A এবং B অংশে)। যদি আপনার বিমান টার্মিনাল ২-এ নামে বা সেখান থেকে ছাড়ে, তবে আরও প্রায় ১৫ মিনিট সময় ধরে নিন, কারণ আপনাকে টার্মিনাল পরিবর্তন করতে হবে শাটল বাস বা মনোরেল স্কাইট্রেন দিয়ে (দুটিই বিনামূল্যে, শুধু নির্দেশনা অনুসরণ করুন)। শহরের কেন্দ্রে যেতে চাইলে {{station|ফ্রাঙ্কফুর্ট(এম) ফ্লুঘাফেন ফার্নবাহনহফ|s}}, {{station|ফ্রাঙ্কফুর্ট হাউপ্টভাখে|s}} অথবা {{station|ফ্রাঙ্কফুর্ট কনস্টাবলারভাখে|s}}-এ নামতে হবে, যেগুলো শহরের একেবারে কেন্দ্রে অবস্থিত। যদি দূরপাল্লার ট্রেনে পরিবর্তন করতে চান, তবে নেমে পড়ুন {{station|ফ্রাঙ্কফুর্ট হাউপ্টবাহনহফ|s}} (ফ্রাঙ্কফুর্ট সেন্ট্রাল স্টেশন)-এ। বিমানবন্দর থেকে সেন্ট্রাল স্টেশনে যেতে প্রায় ২০ মিনিট সময় লাগে। মনে রাখবেন, ট্রেনে ওঠার ''আগে'' আপনাকে স্টেশনের টিকিট মেশিন থেকে টিকিট কিনতে হবে। প্রাপ্তবয়স্কদের টিকিটের দাম ৬.৬০€, আর শিশুদের জন্য ৩.৮৫€ (জুন ২০২৫ অনুযায়ী)। আপনি যদি এস-বান ধরে বিমানবন্দরে যেতে চান, তবে {{rint|frankfurt|s8}} বা {{rint|frankfurt|s9}} ধরুন ভিসবাদেনের দিকে। {{rint|frankfurt|s1}} ধরবেন না, কারণ এটি বিমানবন্দরে থামে না। [[File:Frankfurt Flughafen Fernbahnhof 129-h.jpg|thumb|''আইসিই ৩'' ফ্লুঘাফেন ফার্নবাহনহফ-এ ''(বিমানবন্দরের দূরপাল্লার ট্রেন স্টেশন)'']] আঞ্চলিক ট্রেন আরবি (RB) এবং আরই (RE) মাইনৎস, ভিসবাদেন এবং হানাউের দিকে যায় এবং এগুলো ফ্রাঙ্কফুর্টের এস-বানের মতো একই জায়গায় থামে। ফ্রাঙ্কফুর্ট অঞ্চলের বাইরে যাওয়ার জন্য আলাদা একটি দূরপাল্লার ট্রেন স্টেশন রয়েছে, {{যান|নাম=ফ্রাঙ্কফুর্ট(এম) ফ্লুঘাফেন ফার্নবাহনহফ|অক্ষাংশ=50.05292|দ্রাঘিমাংশ=8.56986}}। এখান থেকে আপনি উচ্চগতির দূরপাল্লার ট্রেন (ইন্টারসিটি এবং আইসিই) কোলোন, [[মিউনিখ]] এবং অন্যান্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গন্তব্যে যাওয়ার জন্য ধরতে পারেন। স্থানীয় ট্রেনের টিকিট আইসিই বা আইসি ট্রেনে বৈধ নয়। ==== হান বিমানবন্দর ==== ছোট বিমানবন্দর ''ফ্রাঙ্কফুর্ট/হান'' ({{IATA|HHN}}) মূলত স্বল্পমূল্যের এয়ারলাইনসগুলো ব্যবহার করে, তারা এটিকে ফ্রাঙ্কফুর্টের কাছে হিসেবে দাবি করে। তবে বাস্তবে হান ফ্রাঙ্কফুর্ট থেকে '''অনেক দূরে''' এবং শহরের কেন্দ্র থেকে সেখানে গাড়িতে যেতে প্রায় ৯০ মিনিট সময় লাগে, দূরত্ব {{km|125}}। যদি আপনাকে এই বিমানবন্দর ব্যবহার করতেই হয়, তবে ভ্রমণ পরিকল্পনা ও বাজেটে বাড়তি সময় ধরে রাখতে হবে। ফ্রাঙ্কফুর্ট/হান থেকে ফ্রাঙ্কফুর্ট মেইন বিমানবন্দর হয়ে ''ফ্রাঙ্কফুর্ট হাউপ্টবাহনহফ'' (ফ্রাঙ্কফুর্ট সেন্ট্রাল স্টেশন)-এ যাওয়ার [http://www.hahn-airport.de/default.aspx?menu=by_bus&cc=en# বাস] ভাড়া প্রায় €১৭.৯৯ এবং প্রায় প্রতি ঘণ্টায় একটি করে বাস ছাড়ে। টিকিট প্রধান প্রবেশপথের সামনে বাইরে অবস্থিত কিয়স্ক থেকে পাওয়া যায়। ফ্রাঙ্কফুর্ট/হান ট্রাবেন-ট্রারবাখ থেকে খুব বেশি দূরে নয় (৯ কিমি), যা মোজেল নদীর তীরে অবস্থিত এবং সেখানে একটি রেলস্টেশন রয়েছে। তবে বিমানবন্দর থেকে ট্রাবেন-ট্রারবাখ পর্যন্ত রাস্তা রাতের বেলায় আলোবিহীন থাকে এবং কোনো ফুটপাত নেই। === ট্রেনে === {{see also|জার্মানিতে রেলভ্রমণ}} [[File:IC3 NIederlande in Frankfurt 249-dLd.jpg|thumb|হাউপ্টবাহনহফে ''আইসিই ৩এম নিডারল্যান্ডে'']] ফ্রাঙ্কফুর্টে তিনটি প্রধান রেলস্টেশন রয়েছে: {{যান|নাম=হাউপ্টবাহনহফ (প্রধান স্টেশন)|অক্ষাংশ=50.10682|দ্রাঘিমাংশ=8.66313}}, {{যান|name=জ্যুডবাহনহফ (দক্ষিণ স্টেশন)|url=|lat=50.09933|long=8.68609}} এবং বিমানবন্দরের উপরে উল্লিখিত স্টেশন (''ফ্লুঘাফেন ফার্নবাহনহফ'')। তবে কিছু আন্তঃনগর ট্রেন বিমানবন্দরে থামে কিন্তু হাউপ্টবাহনহফে থামে না। আবার হাউপ্টবাহনহফ থেকে ছেড়ে যাওয়া দূরপাল্লার ট্রেনগুলো জ্যুডবাহনহফে থামে না, আর কয়েকটি দূরপাল্লার ট্রেন হাউপ্টবাহনহফ এড়িয়ে কেবল জ্যুডবাহনহফে থামে। তাই অবশ্যই সময়সূচি পরীক্ষা করে নিন, যাতে নিশ্চিত হতে পারেন আপনি সঠিক স্টেশনে যাচ্ছেন! ফ্রাঙ্কফুর্ট হাউপ্টবাহনহফ ইউরোপের সবচেয়ে বড় এবং ব্যস্ততম রেলস্টেশনগুলির একটি এবং অবশ্যই ঘুরে দেখার মতো একটি জায়গা। ফ্রাঙ্কফুর্ট থেকে অধিকাংশ জার্মান শহর এবং প্রতিবেশী দেশগুলিতে বিশেষ করে দক্ষিণ ও পশ্চিম দিকে ইন্টারসিটি এবং উচ্চগতির ইন্টারসিটি এক্সপ্রেস ট্রেনের মাধ্যমে সংযোগ রয়েছে। ফ্রাঙ্কফুর্ট থেকে যেকোনো ট্রেন গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য সংযোগ পাওয়া কোনো ব্যাপারই না। ফ্রাঙ্কফুর্টের রেলস্টেশনগুলো অনেক বড়, জটিল এবং নতুনদের কাছে গোলকধাঁধার মতো মনে হতে পারে। তাই আপনার ট্রেনের ওঠার জায়গা খুঁজে বের করতে অতিরিক্ত সময় ধরে রাখুন। প্রথমবার গেলে কারো কাছে সাহায্য চাইতে দ্বিধা করবেন না। প্রধান প্রবেশপথ/প্রস্থানপথের উপরে বড় একটি প্রস্থান বোর্ড রয়েছে, যেখানে গন্তব্য ও প্ল্যাটফর্মের তথ্য দেওয়া থাকে। এছাড়াও আপনি স্টেশনের রেলওয়ে ভ্রমণ অফিস থেকেও তথ্য পেতে পারেন। ফ্রাঙ্কফুর্টের প্রধান টিকিট অফিস থেকে আপনি ৫ ও ১০ দিনের রেল ভ্রমণ কার্ড কিনতে পারেন, যা দিয়ে আপনি পুরো জার্মানিতে ভ্রমণ করতে পারবেন সব ধরনের ট্রেনে, এমনকি ইন্টারসিটি ট্রেনেও। এগুলো আলাদা আলাদা ট্রেনভাড়ার তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে সাশ্রয়ী। ৫ দিনের টিকিটের দাম €১৮৯ এবং ১০ দিনের টিকিটের দাম €২৮৯। এই টিকিট আঞ্চলিক রেলস্টেশনগুলো থেকে কেনা যায় না। নিয়মিত [http://www.bahn.de ডয়চে বান] ট্রেন এবং আঞ্চলিক ট্রেন, যেখানে ডিবি টিকিট বৈধ। এর পাশাপাশি ফ্রাঙ্কফুর্টে [https://www.flixtrain.com/ '''ফ্লিক্সট্রেন'''] সেবাও চালু রয়েছে। টিকিট ফ্লিক্সবাসের মাধ্যমে কেনা যায়, তবে ডিবি টিকিট এখানে বৈধ নয় এবং কোনো বানকার্ড ছাড়ও পাওয়া যায় না। তবে ফ্লিক্সট্রেনের টিকিট সাধারণত তুলনামূলক ডিবি টিকিটের চেয়ে অনেক সস্তা হয়। === গাড়ীতে === ফ্রাঙ্কফুর্ট একাধিক অটোবানের সঙ্গে সংযুক্ত এবং গাড়ি দিয়ে সহজেই পৌঁছানো যায়। তবে ব্যস্ত সময়ে এবং বিশেষ করে তুষারপাতের দিনে এড়িয়ে চলা ভালো, কারণ গাড়ির চলাচল সহজেই বিঘ্নিত হতে পারে। পার্কিং অধিকাংশ এলাকায় একটি বড় সমস্যা। বিশেষ করে বড় সম্মেলন বা অনুষ্ঠানের সময়, যেমন সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিত ''ইন্টারন্যাশনালে অটোমোবিলআউসস্টেল্লুং'' (আন্তর্জাতিক অটোমোবাইল প্রদর্শনী) বা অক্টোবরের মাঝামাঝি অনুষ্ঠিত ''ফ্রাঙ্কফুর্টার বুখমেসে'' (ফ্রাঙ্কফুর্ট বইমেলা)। আপনার পার্ক-অ্যান্ড-রাইড সিস্টেম ব্যবহার করার কথা ভাবা উচিত। যদি আপনি মূলত ফ্রাঙ্কফুর্টে থাকতে চান এবং আশপাশের বড় শহরগুলোতে শুধু একদিনের ভ্রমণ করেন, তবে গাড়ি ব্যবহার না করে ট্রেনে আসা ভালো, কারণ ফ্রাঙ্কফুর্টের একটি অসাধারণ গণপরিবহন ব্যবস্থা রয়েছে (নিচে দেখুন)। === বাসে === {{see also|জার্মানিতে আন্তঃনগর বাস}} * {{listing | type=go | name=ফার্নবাসবাহনহফ ফ্রাঙ্কফুর্ট আম মাইন | alt=ফ্রাঙ্কফুর্ট অ্যাম মেইন দূরপাল্লার বাস স্টেশন | address= | lat=50.104786 | long=8.662632 | directions= | wikidata=Q21037263 | lastedit=2019-04-13 | content=২০১০-এর দশকে আন্তঃনগর বাসের চাহিদা বৃদ্ধির কারণে এই নতুন বাসস্টেশনটি ২০১৯ সালে চালু হয়। }} == ঘুরে বেড়ানো == {{Mapframe|50.11|8.67|zoom=13||height=|width=580|show=mask,go|name=ফ্রাঙ্কফুর্ট পরিবহন মানচিত্র}} <!--ইউ-বান-->{{Mapshapes|Q3040919}} {{Mapshapes|Q198449}} {{Mapshapes|Q198436}} {{Mapshapes|Q198428}} === গণপরিবহন === [[File:Frankfurt Hauptbahnhof tief S-Bahn S6.jpg|thumb|[[File:S-Bahn-Logo.svg|15px]] এস-বান স্টেশন হাউপ্টবাহনহফ '''টাইফ''']] [[File:Frankfurt Hauptbahnhof U-Bahn Typ U3 Linie U4.jpg|thumb|[[File:U-Bahn Berlin logo.png|15px]] ইউ-বান স্টেশন হাউপ্টবাহনহফ]] ফ্রাঙ্কফুর্টে ভালোভাবে সমন্বিত একটি গণপরিবহন ব্যবস্থা রয়েছে, যেখানে ভূগর্ভস্থ ট্রেন ''(ইউ-বান)'', ট্রাম ''(স্ট্রাসেনবান)'' এবং বাস অন্তর্ভুক্ত। পরিবহনপ্রেমীরা দ্রুতই বুঝতে পারেন যে "ইউ-বান" নামটি কিছুটা বিভ্রান্তিকর, কারণ শহরতলির অংশে এটি এমনভাবে চলে যা অন্যান্য জার্মান শহরে "স্টাড্টবান" নামে পরিচিত ব্যবস্থার সঙ্গে বেশি মিলে। [http://www.rmv.de/en/ আরএমভি] ওয়েবসাইটে ইংরেজিসহ বিভিন্ন ভাষায় মৌলিক তথ্য ও সময়সূচি পাওয়া যায়। ইউ-বান (মেট্রো) স্টেশনগুলো নীল পটভূমিতে সাদা রঙের বড় হাতের "U" [[File:U-Bahn Berlin logo.png|15px]] চিহ্ন দিয়ে চিহ্নিত। শহরতলি বা বিমানবন্দরে যেতে হলে এস-বান ব্যবহার করুন, যা সবুজ পটভূমিতে সাদা "S" [[File:S-Bahn-Logo traffiQ.svg|15px]] চিহ্ন দ্বারা বোঝানো হয়। প্রায় সব এস-বান লাইন এবং দুটি ইউ-বান লাইন ({{rint|frankfurt|U6}}, {{rint|frankfurt|U7}}) শহরের কেন্দ্রে সিটি-টানেল দিয়ে একত্রিত হয় ({{go|name={{station|হাউপ্টভাখে|U1|U2|U3|U6|U7|U8|s}}|lat=50.113889|long=8.678889}} এবং {{go|name={{station|কনস্টাবলারভাখ|U4|U5|U6|U7|s}}|lat=50.114722|long=8.686389}}), তবে {{rint|frankfurt|s7}} লাইনটি সেন্ট্রাল স্টেশনেই শেষ হয়। আপনি যদি পুরনো শহর দেখতে চান, তবে ইউ-বান ধরে যান {{go|name={{station|ডম/রোমার|U4|U5}}|lat=50.110833|long=8.683333}} পর্যন্ত অথবা ট্রাম লাইন ১১ বা ১২ ব্যবহার করুন। এস-বান, যা ডয়চে বান দ্বারা পরিচালিত, শহরের কেন্দ্রকে শহরতলি এবং আশেপাশের অন্যান্য শহরের সঙ্গে যুক্ত করে, যেমন মাইনৎস, ভিসবাদেন এবং ডার্মস্টাড। তবে সতর্ক থাকুন, দেরি করার জন্য এস-বানের কুখ্যাতি রয়েছে। আপনাকে যদি সময়মতো কোথাও পৌঁছাতে হয়, তাহলে বাড়তি সময় ধরে রাখুন। সকালে ব্যস্ত সময়ে ৫–১৫ মিনিটের দেরি সাধারণ ঘটনা। আপনি যদি বিমানে উঠতে চান বা অন্য কোনো সময়-সংবেদনশীল অ্যাপয়েন্টমেন্ট থাকে, তবে নিরাপদ থাকতে অন্তত ৩০ মিনিট অতিরিক্ত সময় ধরে রাখুন। অন্যান্য সেবা (মেট্রো, ট্রাম ও বাস) সাধারণত অনেক বেশি সময়নিষ্ঠ। ==== টিকিট ==== আপনি একমুখী, সারাদিনের এবং সাপ্তাহিক টিকিট কিনতে পারেন। এগুলো একজন ব্যক্তির জন্য হতে পারে অথবা একসঙ্গে ভ্রমণরত সর্বোচ্চ পাঁচজনের জন্য গ্রুপ টিকিটও পাওয়া যায়। আপনাকে [http://www.rmv.de/en/Fahrkarten/Fahrkarten_kaufen/39708/RMV-Fahrkartenautomaten.html টিকিট মেশিন] ব্যবহার করে '''ট্রেনে ওঠার আগে টিকিট কিনতে হবে'''। টিকিট মেশিন ইংরেজিতেও চালানো যায়। শহরের ভেতরে একমুখী টিকিটের জন্য চাপতে হবে ''Einzelfahrt Frankfurt'' এবং সারাদিনের টিকিটের জন্য চাপতে হবে ''Tageskarte Frankfurt''। বিমানবন্দরে যেতে চাইলে বেছে নিতে হবে ''Einzelfahrt Frankfurt Flughafen'' অথবা ''Tageskarte Frankfurt Flughafen''। যদি আপনার গন্তব্য ফ্রাঙ্কফুর্টের বাইরে হয়, তবে মেশিনে দেওয়া তালিকা থেকে আপনার গন্তব্য খুঁজে বের করুন, সেই নম্বরটি কীপ্যাডে লিখুন, তারপর আপনার পছন্দের টিকিটের ধরন (''Einzelfahrt'' - একমুখী; ''Tageskarte'' - সারাদিনের) চাপুন। প্রতিটি স্টেশনে কয়েকটি "স্বল্প দূরত্ব" (''Kurzstrecke'') গন্তব্য তালিকাভুক্ত থাকে; এ ধরনের টিকিট সস্তা হয়। আপনার সুযোগ থাকলে, প্রথমবার টিকিট কেনার সময় পাশে থাকা কারো সাহায্য নিন। অন্য জার্মান শহরের মতো নয়, ফ্রাঙ্কফুর্টে কেনা টিকিট সাথে সাথেই বৈধ হয়। একমুখী টিকিট আগেভাগে কেনা যায় না, তবে সময়ভিত্তিক টিকিট (দিন, সপ্তাহ, মাস) নির্দিষ্ট তারিখ অনুযায়ী কেনা যায়, যা আগে থেকে জানা থাকতে হবে। ভাড়া নির্ধারণ করা হয় আপনি কোন কোন '''[https://www.vgf-ffm.de/fileadmin/VGF/Fahrgastinfo/Plaene/Documents/A-Tarifplan.pdf জোন]''' অতিক্রম করছেন তার ওপর ভিত্তি করে। ফ্রাঙ্কফুর্টের কেন্দ্র পুরোপুরি একটি মাত্র জোনের (জোন ৫০) মধ্যে পড়ে, তাই (সংক্ষিপ্ত দূরত্বের টিকিট বাদে) বাকি সব টিকিটের জন্য একই ভাড়া। এই কেন্দ্রীয় জোনে একমুখী টিকিটের দাম €৩.৪০ এবং সারাদিনের টিকিটের দাম €৭.২০। কেন্দ্রীয় জোন ও বিমানবন্দর জোন একসঙ্গে ধরলে একমুখী টিকিটের দাম €৫.৮০ এবং সারাদিনের টিকিটের দাম €১১.৩০। গ্রুপ ডে-টিকিট (৫ জন: €১১.৩০ / €১৯.১০) দুটি ব্যক্তিগত সারাদিনের টিকিটের চেয়ে সস্তা, তাই যদি একসঙ্গে ভ্রমণ করেন এবং সারাদিনের টিকিট কিনতে চান, তবে এটি বেশি লাভজনক। ১৪ বছর বা তার কম বয়সী শিশুদের জন্য ছাড় পাওয়া যায়। আপনি যদি দর্শনীয় স্থান ও জাদুঘর ভ্রমণ করতে চান, তবে '''[http://www.frankfurt-tourismus.de/en/Information-Planning/Frankfurt-Card ফ্রাঙ্কফুর্ট কার্ড]''' কেনার কথা ভাবতে পারেন। এটি ফ্রাঙ্কফুর্টের গণপরিবহন ব্যবস্থায় (শহর জোন ও বিমানবন্দর) সীমাহীন ভ্রমণের সুযোগ দেয় এবং অনেক জাদুঘরে ছাড় পাওয়া যায়। ফ্রাঙ্কফুর্ট কার্ড একদিন বা দুদিনের টিকিট আকারে পাওয়া যায়, এবং এটি একক ব্যক্তি বা সর্বোচ্চ পাঁচজনের গ্রুপের জন্য হতে পারে (১ জন ১ দিন €১১.৫০, ২ দিন €১৭.০০; গ্রুপ (সর্বোচ্চ ৫ জন) ১ দিন €২৪, ২ দিন €৩৪) [হালনাগাদ ২০২৩]। এই টিকিটগুলো ভেন্ডিং মেশিনে বিক্রি হয় না। আপনি ফ্রাঙ্কফুর্ট কার্ড কিনতে পারবেন বিমানবন্দরে (আগমনী গেট বি, টার্মিনাল ১), ট্রাভেল এজেন্সিতে, রেলস্টেশনে, হাউপ্টবাহনহফে পর্যটক তথ্যকেন্দ্রে, রোমারে পর্যটক তথ্যকেন্দ্রে, অথবা অনলাইনে আগেভাগেই। একদিনের এক ব্যক্তির ফ্রাঙ্কফুর্ট কার্ড (বিমানবন্দর পরিবহনসহ) একই সুবিধাযুক্ত সাধারণ গণপরিবহন টিকিটের চেয়ে সস্তা। বৈধ টিকিট ছাড়া ভ্রমণ করলে €৬০ জরিমানা করা হয়। === ই-হেইলিং === উবার, ফ্রি নাও এবং বোল্ট পুরো শহরে সেবা প্রদান করে। === ট্যাক্সিতে === ফ্রাঙ্কফুর্টে প্রচুর ট্যাক্সিচালক রয়েছে, যারা অসংখ্য ব্যবসায়িক ভ্রমণকারীকে সেবা দিয়ে থাকনে। শহরটি খুব বড় নয়, যদিও ট্যাক্সিভাড়া সাধারণত বেশ ব্যয়বহুল। আপনি শহর চেনেন না বুঝতে পারলে কিছু ট্যাক্সিচালক ঘুরপথে নিয়ে যেতে পারে, তাই সতর্ক থাকুন। তবুও, দরজা থেকে দরজা পর্যন্ত পৌঁছানোর জন্য ট্যাক্সি কার্যকর একটি উপায়। বেশিরভাগ ট্যাক্সিচালক বিমানবন্দরে যাত্রী নিতে পছন্দ করেন, কারণ এটি শহরের ভেতরের ভাড়ার তুলনায় দীর্ঘ যাত্রা। তবে সব ট্যাক্সিচালকের বিমানবন্দরে যাওয়ার লাইসেন্স নেই। তারা সাধারণত খুব দ্রুত গাড়ি চালান, কারণ অধিকাংশ জার্মান ব্যবসায়িক যাত্রী এটাই আশা করেন। যদি আপনি অস্বস্তি বোধ করেন, তাহলে চালককে জানান, তিনি ধীরগতিতে চালাবেন। শহরের প্রধান পর্যটন এলাকাগুলোতে মানবচালিত বাইক ট্যাক্সিও পাওয়া যায়, যেখানে এক বা দুইজন যাত্রী বসতে পারেন। যারা হাঁটতে খুব একটা আগ্রহী নন, তাদের জন্য এটি দর্শনীয় স্থান ঘুরে দেখার একটি সুবিধাজনক উপায় হতে পারে। === গাড়িতে === শহরে গাড়ি ব্যবহার না করাই ভালো, বিশেষ করে পর্যটন "হট স্পট" যেমন জাক্সেনহাউজেন (বিশেষত শনিবারে), কারণ এখানে প্রচণ্ড ভিড় হয় এবং পার্কিংয়ের জায়গা ভীষণভাবে সীমিত। ফলে মানুষ প্রায়ই যেখানে পার্কিং করার অনুমতি নেই সেখানেই গাড়ি রাখে। এতে আপনার গাড়ি টো করা হলে বেশ খরচ পড়তে পারে, যা প্রায়ই ঘটে থাকে। যদি আপনি শহরে ঢুকতে চান, তবে সেরা উপায় হলো ''পার্কহাউস'' (পার্কিং গ্যারেজ, যেখানে প্রতি ঘণ্টায় প্রায় €১ বা পুরো দিনের জন্য €৮ চার্জ নেওয়া হয়) ব্যবহার করা, তারপর হাঁটা বা গণপরিবহন ব্যবহার করা। শহরের ভেতরে ও বাইরে অনেক এলাকা স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য সংরক্ষিত। এসব জায়গায় আপনি পার্কিং সাইন দেখতে পাবেন, যেখানে উল্লেখ থাকে যে দিনের নির্দিষ্ট সময়ে স্থানীয় অনুমতি প্রয়োজন। খেয়াল করার মতো শব্দ হলো "Parkausweis Nr.X" (যেখানে X একটি সংখ্যা)। যদি আপনি এসব স্থানে পার্ক করেন, তবে জরিমানার ঝুঁকি রয়েছে। জার্মানির বাইরের দেশে নিবন্ধিত যানবাহনকেও নির্দিষ্ট পরিবেশ সুরক্ষা অঞ্চলগুলোতে বৈধভাবে প্রবেশের জন্য একটি [http://www.bmu.de/en/topics/air-mobility-noise/air-pollution-control/umweltzonen-umweltplakette/low-emission-zone-emissions-control-windscreen-sticker/ "লো এমিশন" স্টিকার] (গাড়ির উইন্ডস্ক্রিনের ভেতরে লাগানো) লাগাতে হয়। (এই স্টিকারগুলো জার্মানির সব লো এমিশন জোনে বৈধ।) যানবাহনে এই এমিশন স্টিকার লাগানো, যা প্রায়শই "ফাইন পার্টিকল স্টিকার" নামেও পরিচিত, স্বেচ্ছামূলক হলেও—যেসব গাড়িতে এই স্টিকার নেই, এমনকি বিদেশি নাম্বার প্লেটযুক্ত বা নিয়ম মেনে চলা গাড়িও—তারা পরিবেশ সুরক্ষা অঞ্চলে প্রবেশ করতে পারবে না এবং €৪০ জরিমানার ঝুঁকিতে পড়বে। এছাড়াও মনে রাখবেন, জার্মানিতে মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানো নিয়ে কঠোর আইন রয়েছে। রক্তের প্রতি মিলিলিটারে সর্বোচ্চ ০.৫ মি.গ্রা. অ্যালকোহল অনুমোদিত। অর্থাৎ এটি প্রায় এক গ্লাস বিয়ার বা ওয়াইনের সমান। যদিও কিছু অটোবান (দ্রুতগতির মহাসড়ক) এ গতিসীমা নেই, যেখানে গতিসীমা নির্ধারিত আছে, সেগুলো কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হয়। রাডার ট্র্যাপ প্রায়ই বসানো হয়। ভ্রমণের সময় গুরুতর জরিমানা তাৎক্ষণিকভাবে করা হতে পারে। গাড়ির পেছনে খুব ঘনিষ্ঠভাবে চলার (টেলগেটিং) বিরুদ্ধে আইন আরও কঠোর করা হয়েছে এবং জরিমানার পরিমাণও বেড়েছে। === সাইকেলে === ফ্রাঙ্কফুর্ট একটি [[সাইকেল চালনা|সাইকেল-বান্ধব]] শহর, যেখানে বিস্তৃত সাইকেল লেন নেটওয়ার্ক রয়েছে। যদিও ফ্রাঙ্কফুর্টে বিভিন্ন ভাড়ার সাইকেল কোম্পানি আছে, এগুলো তুলনামূলকভাবে কম এবং ভ্রমণকারীদের জন্য প্রায়ই শহরের অস্বস্তিকর স্থানে অবস্থিত। আরও সুবিধাজনক ভাড়ার সাইকেলের উৎস হতে পারে ডয়চে বান। তাদের ভাড়ার সাইকেলের দিকে খেয়াল রাখুন, যেগুলো লাল ও সাদা রঙে এবং "DB" অক্ষর দিয়ে চিহ্নিত। এই সাইকেলগুলো সারা বছর পাওয়া যায় এবং শহরের যেকোনো জায়গায় খুঁজে পাওয়া যায়। বিশেষ করে রাস্তার মোড়ে মোড়ে এগুলো রয়েছে, যেখানে প্রধানত সাইকেল নেওয়া এবং ফেরত দেওয়া হয়। আপনি শুধু মোবাইল ফোন আর ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে ২৪/৭ এই সাইকেলগুলো ভাড়া নিতে পারবেন। জার্মান নাগরিকরা তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে সরাসরি টাকা কাটার ব্যবস্থার জন্যও নিবন্ধন করতে পারেন। এই সেবা কীভাবে ব্যবহার করবেন তার নির্দেশনার জন্য সাইকেলে দেওয়া নম্বরে ফোন করুন অথবা তাদের ওয়েবসাইটে যান। আরেকটি সেবা দেয় নেক্সটবাইক। নিবন্ধন করুন (অনলাইনে অথবা তাদের হটলাইনের মাধ্যমে) এবং শহরজুড়ে যেকোনো স্টেশন থেকে সাইকেল ভাড়া নিন ও ফেরত দিন। প্রতি আধা ঘন্টার জন্য €১ হারে চার্জ করা হয় এবং দিনে সর্বোচ্চ €৯ পর্যন্ত। * {{listing | name=কল-এ-বাইক সার্ভিস | alt=Call-a-bike service | url=http://www.callabike-interaktiv.de/ | email= }} * {{listing | name=নেক্সটবাইক | alt=nextbike | url=http://www.nextbike.net/ | email= }} * {{listing | name=গ্যোটেরাড | alt=GoetheRad | url= | email= | address=ল্যান্ডভেয়ারভেগ ১ | lat= | long= | directions=জাক্সেনহাউজেনে গ্যোটে টাওয়ারের কাছে, পাহাড়ের চূড়ায় | phone= +49 1765 052 8599 | tollfree= | hours=খোলা মঙ্গল-রবি ১২:০০-১৮:০০ | price= | wikipedia= | wikidata= | lastedit= | content=সাইকেল ভাড়া ও মেরামত। }} ==দেখুন== {{Mapframe|50.11|8.67|zoom=14||height=|width=580||staticmap=Frankfurt citymap wts.jpg}} দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় শহরের কেন্দ্রস্থলের বেশিরভাগ ভবন ধ্বংস হয়ে গেলেও, রোমারবের্গে অবস্থিত অনেকগুলো ভবন যত্নসহকারে পুনর্নির্মাণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে চমৎকার টাউন হল এবং সেন্ট বার্থোলোমিউস ক্যাথেড্রাল, যেখানে ১৭শ ও ১৮শ শতাব্দীতে পবিত্র রোমান সাম্রাজ্যের সম্রাটদের মুকুট পরানো হতো। দিগন্তরেখার সুন্দর দৃশ্য দেখতে কোনো টাওয়ারের উপরে উঠুন বা মাইন নদীর কাছে যান। ===ঐতিহাসিক আকর্ষণসমূহ=== [[File:Frankfurt Römerberg Ostzeile Nacht.jpg|thumb|right|রোমারবার্গ অস্টজেইলে]] [[File:Framkfurt Kaiserdom 106-vsLh.jpg|thumb|right|কাইজারডম - ''ইম্পেরিয়াল ক্যাথেড্রাল'']] * {{দেখুন | নাম= রোমারবের্গ | অন্য=Römerberg | ঠিকানা= | অক্ষাংশ=50.110278 | দ্রাঘিমাংশ=8.682222 | দিকনির্দেশ=শহরের কেন্দ্রস্থলে, আইজারনার স্টেগ ব্রিজের ঠিক উত্তরে, সাবওয়ে {{station|ডম/রোমার|U4|U5}} | উইকিপিডিয়া= | উইকিউপাত্ত=Q195141 | শেষ_সম্পাদনা=2025-09-23 | বিবরণ=রোমারবের্গ হলো ফ্রাঙ্কফুর্টের ঐতিহাসিক কেন্দ্র, যেখানে অনেক সুন্দর ভবন রয়েছে, যেমন টাউন হল এবং ১৪ ও ১৫ শতকের একটি চার্চ। '''রোমার''' নামটি ফ্রাঙ্কফুর্ট টাউন হলকে নির্দেশ করে, যা তার প্রধান ভবন {{marker|type=see|name=হাউস জুম রোমার|wikidata=Q1590951}} থেকে নামটি পেয়েছে। এটি অন্তত ১৩২২ সাল থেকে বিদ্যমান এবং ১৪০৫ সালে শহর প্রশাসন এটি কিনে নেয়। সৌভাগ্যবশত, রোমারের বড় অংশ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ থেকে রক্ষা পায়। {{marker|type=see|নাম=ফাউন্টেইন অব জাস্টিস|wikidata=Q195201}} রোমারবের্গের কেন্দ্রকে চিহ্নিত করে, আর দক্ষিণ পাশে রয়েছে {{marker|type=see|নাম=আল্টে নিকোলাইকির্খে|wikidata=Q436054}} (১২শ শতকের চার্চ, যা ১৫শ শতকে বর্তমান রূপ পেয়েছেে)। স্কোয়ারটি সুন্দর অর্ধ-কাঠের বাড়িতে পূর্ণ, যেগুলোর অনেকগুলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ধ্বংস হয়েছিল এবং পরে সম্পূর্ণ পুনর্নির্মাণ করা হয়। একটি ব্যতিক্রম হলো {{marker|type=see|name=Haus Wertheim|lat=50.109444|long=8.682|wikidata=Q47502504}} (হাউস ভার্টহাইম নামেও পরিচতি), যা প্রথম ১৩৮৩ সালে উল্লেখ করা হয় এবং বর্তমান ভবনটি ১৬০০ সালের কাছাকাছি সময়ে নির্মিত এবং সম্ভবত ফ্রাঙ্কফুর্টের প্রাচীনতম ঐতিহাসিক রেস্তোরাঁ। স্কোয়ার এবং এর আশেপাশে অসংখ্য ক্যাফে ও দোকান রয়েছে। হাউস জুম রোমারের পিছনে এবং উত্তরে ১৯০০–১৯০৮ সালের মধ্যে টাউন হল সম্প্রসারিত হয়, যখন ''নয়েস রাথাউস'' কমপ্লেক্স তৈরি হয়। এটি গথিক/রেনেসাঁ শৈলীর একটি ভবনসমষ্টি, যার মধ্যে একটি টাওয়ার {{marker|type=see|name=Langer Franz|wikidata= Q1775321}} এবং {{marker|type=see|name=Seufzerbrücke|wikidata=Q27903813}} অন্তর্ভুক্ত, যা কমপ্লেক্সের দুই ভবনকে সংযুক্ত করে। এগুলো বেটম্যানশট্রাসে/পল্সপ্লাত্ৎস থেকে সবচেয়ে ভালোভাবে দেখা যায়। }} * {{দেখুন | নাম= ডম-রোমার-আরিয়াল (''Dom-Römer-Areal'')| অন্য=নিউ ওল্ড সিটি ফ্রাঙ্কফুর্ট | ঠিকানা= | অক্ষাংশ=50.11095 | দ্রাঘিমাংশ=8.68391 | দিকনির্দেশ=রোমারবের্গের ঠিক পূর্বদিকে, সাবওয়ে {{station|Dom/Römer|U4|U5}} | উইকিপিডিয়া= | উইকিউপাত্ত=Q1236497 | শেষ_সম্পাদনা=2025-09-23 | বিবরণ=ডম-রোমার কমপ্লেক্সের নগর পুনরুজ্জীবন প্রকল্পেে মাত্র কয়েকটি মূল নিদর্শন অন্তর্ভুক্ত করে বেশ কিছু পুরনো ঐতিহাসিক ভবন পুরনো ছবি ও অঙ্কনের ভিত্তিতে নতুন করে শূন্য থেকে তৈরি করা হয়েছে। এই এলাকায় রয়েছে মার্কট ৪৪-এ স্টেইনারনে হাউস, একটি মধ্যযুগীয় চেহারার ভবন যা প্রথমে ১৪৬৪ সালে নির্মিত হয়েছিল এবং ১৯৬০-এর দশকে পুনর্নির্মাণ করা হয়েছিল। আল্টার মার্কট (অথবা সংক্ষেপে মার্কট) নামে পরিচিত রাস্তা আসলে পুরনো শহরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা ছিল। ক্যাথেড্রালে অভিষিক্ত হওয়ার পর, পবিত্র রোমান সাম্রাজ্যের নতুন সম্রাটরা এই পথ ধরে রোমারবের্গ ও রোমারে যেতেন, যেখানে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম চলত। এলাকাটিতে প্রাচীন রোমান বসতির ধ্বংসাবশেষও রয়েছে, যা আগে "আর্কেওলজিশার গার্টেন" নামে পরিচিত ছিল, তবে নতুন ডম-রোমার-আরিয়াল পুনরুজ্জীবন প্রকল্পের অংশ হিসেবে এটি ঘরের ভেতরে পুনরায় খোলা হয়েছে। সম্পূর্ণ এলাকাটি আনুষ্ঠানিকভাবে সেপ্টেম্বর ২০১৮ সালে উদ্বোধন করা হয়। }} * {{দেখুন | নাম=কাইজারডোম | অন্য=ফ্রাঙ্কফুর্ট ক্যাথেড্রাল / সেন্ট বার্থলোমিউ'র ইম্পেরিয়াল ক্যাথেড্রাল | ইউআরএল=http://www.dom-frankfurt.de/dom/ | ঠিকানা= | অক্ষাংশ=50.11067 | দ্রাঘিমাংশ=8.68516 | দিকনির্দেশ=রোমারবের্গের একেবারে পাশে অবস্থিত, সাবওয়ে {{station|Dom/Römer|U4|U5}}, ট্রাম ১১/১২ „Römer/Paulskirche“ | উইকিপিডিয়া= | উইকিউপাত্ত= | শেষ_সম্পাদনা=2025-09-23 | বিবরণ=মূল ক্যাথেড্রালটি ১৪শ শতকে গথিক শৈলীতে নির্মিত হয়েছিল, যার টাওয়ারের উচ্চতা ৯৫ মিটার। ১৫৬২ থেকে ১৭৯২ সাল পর্যন্ত পবিত্র রোমান সাম্রাজ্যের সম্রাটদের অভিষেক এই ক্যাথেড্রালে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। টাওয়ারের ৬৬ মিটার উচ্চতায় একটি প্ল্যাটফর্মে ওঠা সম্ভব, যেখান থেকে পুরো শহরের দারুণ দৃশ্য দেখা যায়। এর জন্য আপনাকে ক্যাথেড্রালের দক্ষিণ পাশের আলাদা প্রবেশপথ দিয়ে ঢুকতে হবে এবং সরু পাকানো সিঁড়ি বেয়ে ৩০০টির বেশি ধাপ অতিক্রম করতে হবে। }} * {{দেখুন | নাম=আইজারনার স্টেগ | অন্য=আয়রন ব্রিজ | ঠিকানা= | অক্ষাংশ=50.10836 | দ্রাঘিমাংশ=8.68206 | দিকনির্দেশ=সাবওয়ে {{station|Dom/Römer|U4|U5}} | উইকিপিডিয়া= | উইকিউপাত্ত=Q1313525 | শেষ_সম্পাদনা=2025-09-23 | বিবরণ=এটি একটি তুলনামূলকভাবে পরিচিত পদচারী সেতু, যা ১৮৬৯ সালে নির্মিত হয়। রোমার থেকে মাত্র এক মিনিটের দূরত্বে অবস্থিত এই সেতুটি পার হলে আপনি জাক্সেনহাউজেনে পৌঁছাবেন এবং এখান থেকে শহরের আকাশরেখার দারুণ দৃশ্য উপভোগ করা যায়। }} [[Image:Paulskirche FFM 2012.jpg|right|thumb|পলস্কির্খে - ''সেন্ট পল’স চার্চ'']] * {{দেখুন | নাম=পলস্কির্খে | অন্য=সেন্ট পল’স চার্চ | ইউআরএল=http://www.frankfurt.de/sixcms/detail.php?id=317578&_ffmpar%5B_id_inhalt%5D=5021017 | ঠিকানা=পলসপ্লাটজ ইলেভেন (Paulsplatz 11) | অক্ষাংশ=50.11104 | দ্রাঘিমাংশ=8.68081 | দিকনির্দেশ=রোমারপ্লাত্ৎসের ঠিক উত্তরে অবস্থিত, সাবওয়ে {{station|Dom/Römer|U4|U5}} | মূল্য=ফ্রি | উইকিপিডিয়া= | উইকিউপাত্ত=Q198106 | শেষ_সম্পাদনা=2025-09-23 | বিবরণ=জার্মানিতে রাজনৈতিক প্রতীকী গুরুত্বসম্পন্ন একটি চার্চ। এটি ছিল ১৮৪৮ সালে জার্মানির প্রথম গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সংসদের আসন। এখানেই বিপ্লবীরা ১৮৪৮ সালের সংবিধান রচনা করেছিলেন, যা দুর্ভাগ্যবশত কখনো কার্যকর হয়নি। শহরের কেন্দ্রস্থলের বেশিরভাগ ঐতিহাসিক ভবনের মতো, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এই চার্চও ধ্বংস হয়েছিল, তবে ১৯৪৫ সালের পর প্রথম যে ভবনগুলো পুনর্নির্মাণ করা হয়েছিল, এটি তাদের মধ্যে একটি (অভ্যন্তরীণ নকশা ভিন্ন ছিল)। আজ ভবনটি একটি স্মৃতিসৌধ এবং অনুষ্ঠানস্থল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এখানে ''জার্মান বুক ট্রেড''-এর শান্তি পুরস্কার প্রদানের অনুষ্ঠানও অনুষ্ঠিত হয়। }} * {{দেখুন | নাম=লিবফ্রাউএনকির্খে | অন্য= | ইউআরএল=http://www.liebfrauen.net | ঠিকানা=লিবফ্রাউএনগাসে/নয়ে ক্রেমে | অক্ষাংশ=50.11287 | দ্রাঘিমাংশ=8.68126 | দিকনির্দেশ= | উইকিপিডিয়া= | উইকিউপাত্ত=Q1423050 | শেষ_সম্পাদনা=2025-09-23 | বিবরণ=১৪শ শতাব্দীর রোমান ক্যাথলিক চার্চ ও মঠ। }} * {{দেখুন | নাম= হাউপ্টভাখে | অন্য= | ঠিকানা= | অক্ষাংশ=50.11350 | দ্রাঘিমাংশ=8.67884 | দিকনির্দেশ= {{station|Hauptwache|U1|U2|U3|U6|U7|U8|s}} এর দিকে গণপরিবহণ | উইকিপিডিয়া= | উইকিউপাত্ত=Q195116 | শেষ_সম্পাদনা=2025-09-23 | বিবরণ=এটি একটি জনসমাগম স্থান, এর কেন্দ্রীয় অবস্থান এবং গণপরিবহন কেন্দ্র হিসেবে গুরুত্বের কারণে যা কখনো কখনো ফ্রাঙ্কফুর্টের আধুনিক শহরকেন্দ্রের প্রধান কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে বিবেচিত হয়। এটি মূল কেনাকাটার রাস্তা (জাইল) এবং রস্মার্কট (অন্য একটি জনসমাগম চত্বর)-এর মাঝখানে এবং ১৫শ শতকের এসচেনহাইমার টুর্ম (এসচেনহাইম টাওয়ার)-এর ঠিক দক্ষিণে অবস্থিত। এ জায়গার নামকরণ হয়েছে একটি বারোক শৈলীর ভবনের ("হাউপ্টভাখে") নামানুসারে, যা প্রায় কেন্দ্রে অবস্থিত। ভবনটি ১৭৩০ সালে স্থানীয় নগর মিলিশিয়াদের জন্য নির্মিত হয়েছিল, কারণ তখন ফ্রাঙ্কফুর্ট ছিল একটি স্বাধীন শহর। ফ্রাঙ্কফুর্ট প্রুশিয়ার অংশ হয়ে গেলে ভবনটি ধীরে ধীরে তার মূল কার্যকারিতা হারায়। ১৯০৫ সাল থেকে এটি একটি ক্যাফে ("ক্যাফে হাউপ্টভাখে") হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। অন্যান্য আকর্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে ক্যাথারিনেনকির্খে এবং পালাই থুর্ন-উন্ড-ট্যাক্সিস। }} [[Image:Alte Oper Frankfurt Winter 2008.jpg|thumb|right|আল্টে অপেরা ফ্রাঙ্কফুর্ট - ''পুরাতন অপেরা'']] * {{দেখুন | নাম=আল্টে অপের (Alte Oper) | অন্য=পুরাতন অপেরা | ইউআরএল=http://www.alteoper.de | ঠিকানা=ওপার্নপ্লাৎস ১ | অক্ষাংশ=50.11576 | দ্রাঘিমাংশ=8.67184 | দিকনির্দেশ=মেট্রোতে {{station|Alte Oper|U6|U7}} অথবা {{station|Hauptwache|U1|U2|U3|U6|U7|U8|s}} – তারপর কয়েক মিনিট হাঁটুন | ফোন=+49 69 134 0400 (টিকেটের জন্য) | উইকিপিডিয়া= | উইকিউপাত্ত=Q436079 | শেষ_সম্পাদনা=2025-09-24 | বিবরণ=শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত এই রেনেসাঁ শৈলীর অপেরা ভবনের সামনে রয়েছে একটি ব্যস্ত চত্বর, যেখানে সুন্দর ফোয়ারা রয়েছে। ভবনটি প্রথম খোলা হয় ১৮৮০ সালে। তবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পুনর্নির্মাণের সময় থেকে এটি আর অপেরা প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হয় না। বর্তমানে এখানে কনসার্ট, কংগ্রেস এবং অনুরূপ আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। }} * {{দেখুন | নাম= বোরজে ফ্রাঙ্কফুর্ট | অন্য=ফ্রাঙ্কফুর্ট স্টক এক্সচেঞ্জ | ইউআরএল=http://www.boerse-frankfurt.com/ | ঠিকানা= বোরজেপ্লাৎস ৪| অক্ষাংশ=50.11531 | দ্রাঘিমাংশ=8.67776 | দিকনির্দেশ= | ফোন=+49 69 21111515 | সময়সূচী=09:00-17:00, শনি রবি বন্ধ | মূল্য=ফ্রি | উইকিপিডিয়া= | উইকিউপাত্ত=Q151139 | শেষ_সম্পাদনা=2025-09-24 | বিবরণ=জার্মানির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শেয়ারবাজার ভবন, যা এখনও ব্যবহৃত হচ্ছে। ভবনের বাইরে দেখার মতো ষাঁড় এবং ভাল্লুকের দুটি ভাস্কর্য রয়েছে, যা শেয়ারবাজারের উত্থান-পতনের প্রতীক। তবে ভবনের ভেতরে প্রবেশ করতে চাইলে অন্ততপক্ষে এক কর্মদিবস আগে একটি গাইডেড ট্যুরের জন্য নিবন্ধন করতে হবে, নাহলে প্রবেশ করা সম্ভব নয়। }} * {{দেখুন | নাম=সাক্সেনহাউজেন | ঠিকানা= | অক্ষাংশ=50.1019 | দ্রাঘিমাংশ=8.6807 | দিকনির্দেশ=অ্যাফেনটোরপ্লাৎসের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া ট্রামে | উইকিপিডিয়া= | উইকিউপাত্ত=Q151535 | শেষ_সম্পাদনা=2025-09-24 | বিবরণ=শহরের কেন্দ্র থেকে একটি সেতু পার হলেই পৌঁছে যাবেন মাইন নদীর দক্ষিণে অবস্থিত সাক্সেনহাউজেন এলাকায়। পুরনো শহরাংশ {{marker|type=see|name=Alt-Sachsenhausen|lat=50.105470|long=8.690120}}, বিশেষ করে ক্লাইনে রিটারশ্ট্রাসে এবং গ্রোসে রিটারশ্ট্রাসে (আফেনটোরপ্লাৎসের কাছের দুটি রাস্তা), তার পুরনো আপেল সাইডার বারের জন্য বিখ্যাত (বিস্তারিত জানতে "পানীয়" অংশ দেখুন) এবং ঐতিহ্যবাহী কাঠের খাঁচা-শৈলীর বাড়িগুলোর জন্য পরিচিত, যেগুলোর অনেকগুলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ থেকে বেঁচে গেছে (যা শহরের কেন্দ্রের বেশিরভাগ অংশের ক্ষেত্রে হয়নি)। {{marker|type=see|name=Dreikönigskirche|wikidata=Q1185719}} (তিন রাজাধিরাজের গির্জা) ড্রাইকোনিগশ্ট্রাসে ৩০ নম্বরে অবস্থিত। এটি ১৮৮০ সালে নির্মিত হয়, যেখানে আগে ১৪শ শতাব্দীর একটি ছোট চ্যাপেল ছিল। ক্যাথলিক {{marker|type=see|name=Deutschordenskirche|wikidata=Q1206439}} (টিউটনিক অর্ডারের গির্জা) মধ্যযুগে প্রতিষ্ঠিত হলেও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয় এবং যুদ্ধের পর পুনর্নির্মাণ করতে হয়। এছাড়াও, আপনি চাইলে নদীর তীরে হাঁটতে পারেন বা শভাইৎসার শ্ট্রাসে ঘুরে দেখতে পারেন (বিস্তারিত জানতে "কেনাকাটা" অংশ দেখুন)। }} === দিগন্তরেখা === [[Image:Frankfurt Am Main-Stadtansicht von der Deutschherrnbruecke am fruehen Abend-20110808.jpg|thumb|300px|right|ফ্রাঙ্কফুর্ট আম মাইন স্কাইলাইন]] ফ্রাঙ্কফুর্টে জার্মানির সবচেয়ে উঁচু কিছু ভবন রয়েছে (কমার্জব্যাঙ্ক টাওয়ার দেশটির সবচেয়ে উঁচু অফিস ভবন)। দেশের মধ্যে এর দিগন্তরেখা বা স্কাইলাইন অনন্য, কারণ উঁচু ভবনগুলো শহরের ছোট্ট ডাউনটাউন এলাকায় ঘনভাবে অবস্থিত, যা ফ্রাঙ্কফুর্টকে একটি মহানগরের অবয়ব দেয়। এর একটি বড় কারণ হচ্ছে জার্মানির অন্যান্য স্থানের তুলনায় এখানে অপেক্ষাকৃত শিথিল জোনিং আইন বিদ্যমান। অন্যত্র এ ধরনের উচ্চ ভবন নির্মাণ প্রায় অসম্ভব, কিংবা একেবারেই অনুমোদিত নয়। এই বৈশিষ্ট্যের জন্য ফ্রাঙ্কফুর্টকে মাঝে মাঝে ডাকনাম '''মাইনহাটন''' বলা হয়। * '''দিগন্তরেখা দেখার জন্য''' মাইন নদীর সেতুগুলোতে চেষ্টা করে দেখতে পারেন। বিশেষ করে পূর্ব দিকের সেতুগুলো থেকে সেরা দৃশ্য পাওয়া যায়। ইগ্নাজ-বুবিস-ব্রুক (Ignaz-Bubis-Brücke) এবং আল্টে ব্রুক (Alte Brücke) উল্লেখযোগ্য। নতুন ইউরোপীয় সেন্ট্রাল ব্যাংক ভবনসহ চমৎকার দৃশ্য পেতে চাইলে, অস্টএন্ডের রেলসেতু এবং তার পিছনের নতুন সেতুটি দারুণ দৃশ্য উপহার দেয়। এছাড়া, বিমানবন্দর থেকে সাবওয়ে ধরে শহরে প্রবেশ করার সময়, ট্রেনের ডান পাশে বসার চেষ্টা করুন। ফ্রাঙ্কফুর্ট সেন্ট্রাল স্টেশনে প্রবেশের আগে ট্রেনটি একটি বড় বাঁক নেয়, আর সেখান থেকেই দিগন্তরেখার একটি দারুণ প্রথম ঝলক দেখা যায়। আকাশচুম্বী ভবনগুলোর আরেকটি সুন্দর দৃশ্য পেতে চাইলে {{station|শভাইৎসার প্লাৎস|U1|U2|U3|U8}} থেকে উত্তরের দিকে হাঁটতে পারেন। * {{দেখুন | নাম=মেইন টাওয়ার | অন্য= | ইউআরএল=http://www.main-tower.de/ | ইমেইল=plattform@bv-maintower.de | ঠিকানা=নয়ে মাইনজার শ্ট্রাসে ৫২-৫৮ (Neue Mainzer Straße 52-58) | অক্ষাংশ=50.11242 | দ্রাঘিমাংশ=8.67224 | দিকনির্দেশ=সাবওয়ে ষ্টেশন {{station|Willy-Brandt-Platz|U1|U2|U3|U4|U5|U8}} or {{station|Taunusanlage|s1|s2|s3|s4|s5|s6|s8|s9}} | ফোন=+49 69 3650-4878 | সময়সূচী=শীতকালীন: রবি-বৃহ: ১০:০০-১৯:০০, শরৎকালীন: ১০:০০-২১:০০| মূল্য=প্রাপ্ত বয়স্ক €৭.৫০, কমে €৫ | উইকিপিডিয়া= | উইকিউপাত্ত=Q321291 | শেষ_সম্পাদনা=2025-09-24 | বিবরণ=এই ভবনটির বিশেষত্ব হচ্ছে এটি ফ্রাঙ্কফুর্টের একমাত্র আকাশচুম্বী ভবন যেখানে জনসাধারণের প্রবেশের সুযোগ রয়েছে। এখানে লিফট ব্যবহার করে প্রায় {{m|200}} উচ্চতায় অবস্থিত দর্শন প্ল্যাটফর্মে উঠা যায়। সেখান থেকে ফ্রাঙ্কফুর্ট শহর এবং আশপাশের অঞ্চলের দারুণ দৃশ্য দেখা যায়। পরিষ্কার দিনে ভ্রমণের পরিকল্পনা করা সবচেয়ে ভালো। আর যদি শরৎ বা বসন্তকালে ফ্রাঙ্কফুর্টে আসেন, তবে সূর্যাস্তের কিছু আগে উপরে ওঠার চেষ্টা করতে পারেন। এভাবে আপনি দেখতে পারবেন কীভাবে শহরটি দিনের পরিবেশ থেকে রাতের উজ্জ্বল জীবনে রূপান্তরিত হয়। তবে মনে রাখবেন, খারাপ আবহাওয়া বা ঝড়-বৃষ্টির সময় দর্শন প্ল্যাটফর্ম বন্ধ থাকে। }} * {{দেখুন | নাম=ইউরোপীয়ান সেন্ট্রাল ব্যাংক | অন্য= | ইউআরএল=http://www.ecb.int/ecb/premises/html/index.fr.html | ইমেইল= | ঠিকানা= | অক্ষাংশ=50.109439 | দ্রাঘিমাংশ=8.7025 | দিকনির্দেশ=সাবওয়ে ষ্টেশন ওস্টবানহফ | উইকিপিডিয়া= | উইকিউপাত্ত=Q321040 | শেষ_সম্পাদনা=2025-09-26 | বিবরণ=ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের (ECB) আকাশচুম্বী ভবন কমপ্লেক্সটি ইউরোপীয় আর্থিক ক্ষমতা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রধান কেন্দ্র। এটি ফ্রাঙ্কফুর্টে অবস্থিত এবং ২০১৪ সালে নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়। ভবনটি আধুনিক স্থাপত্যশৈলীর এক অনন্য উদাহরণ। গাইডেড ট্যুরের ব্যবস্থা রয়েছে, তবে অংশগ্রহণ করতে চাইলে আগে থেকে [https://www.ecb.europa.eu/ecb/visits/html/index.en.html অনলাইনে নিবন্ধন] করতে হবে। নিকটতম সাবওয়ে স্টেশন হলো ওস্টবানহফ (''Ostbahnhof''), যেখান থেকে সহজেই ব্যাংক ভবনে পৌঁছানো যায়। }} * {{দেখুন | নাম=হেনিঙ্গার টুর্ম | অন্য=Henninger Turm | ঠিকানা= | অক্ষাংশ=50.097219 | দ্রাঘিমাংশ=8.693331 | দিকনির্দেশ=সাক্সেনহাউজেনে | উইকিপিডিয়া= | উইকিউপাত্ত=Q281339 | শেষ_সম্পাদনা=2025-09-26 | বিবরণ=হেনিঙ্গার টুর্ম ছিল প্রায় {{m|120}} উঁচু একটি টাওয়ার। এটি ১৯৬১ সালে উদ্বোধন করা হয় এবং ২০০৫ সাল পর্যন্ত বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু শস্য সংরক্ষণ সাইলো টাওয়ার ছিল। এর উপরের অংশে ঘূর্ণায়মান রেস্টুরেন্ট এবং দর্শন ডেক ছিল। এই সাইলো টাওয়ারটি ২০১৩ সালে ভেঙে ফেলা হয় এবং পরে আধুনিক আবাসিক টাওয়ার হিসেবে পুনর্নির্মাণ করা হয়, যার বাইরের চেহারা পূর্বের মতো রাখা হয়েছে। নতুন টাওয়ারের উপরের অংশে আবারও একটি রেস্টুরেন্ট খোলার পরিকল্পনা রয়েছে। }} === অন্যান্য আকর্ষণ === * {{see | name=পালমেনগার্টেন | alt=পাম গার্ডেন | url=http://www.palmengarten.de | email=info.palmengarten@stadt-frankfurt.de | address=জিসমায়ারশ্ট্রাসে ৬৩ | lat=50.12315 | long=8.65786 | directions=প্রবেশপথ (পালমেনগার্টেনশ্ট্রাসে): সাবওয়ে {{rint|frankfurt|U4}}, {{rint|frankfurt|U6}} (প্রাউেনহাইম হেয়ারশ্ট্রাসের দিকে), {{rint|frankfurt|U7}} (হাউজেনের দিকে) ব্যবহার করে {{station|বকেনহাইমার ভার্টে|U4|U6|U7}} স্টেশনে নামতে হবে; প্রবেশপথ (জিসমায়ারশ্ট্রাসে-Siesmayerstraße): {{station|ভেস্টএন্ড-Westend|U6|U7}} স্টেশন থেকে প্রবেশ করা যায়। | phone=+49 69 2123-3939 | tollfree= | fax=+49 69 212-37856 | hours=নভে-জান: ০৯:০০-১৬:০০; ফেব্রু-অক্টো: ০৯:০০-১৮:০০ | price=প্রাপ্ত বয়স্ক €৭, শিশু €২, হ্রাসকৃত €৩, পরিবার €১৬ | wikipedia= | image= | wikidata=Q663149 | content=পালমেনগার্টেন ফ্রাঙ্কফুর্টের দুটি বোটানিক্যাল গার্ডেনের একটি। সারা বছরের অনেকটা সময় জুড়ে এখানে বিশেষ প্রদর্শনী ও নানা আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। }} * {{দেখুন | নাম=বোটানিশার গার্টেন | অন্য=বোটানিক্যাল গার্ডেন | ইউআরএল=http://www.botanischergarten-frankfurt.de/ | ঠিকানা=জিসমায়ারশ্ট্রাসে (''Siesmayerstraße'') | অক্ষাংশ=50.1272 | দ্রাঘিমাংশ=8.6583 | দিকনির্দেশ=পালমেনগার্টেনের কাছাকাছি অবস্থিত। | সময়সূচী=মার্চ – অক্টোবর: সোমবার–শনিবার সকাল ০৯:০০ – সন্ধ্যা ১৮:০০, রবিবার ও সরকারি ছুটির দিনে সকাল ০৯:০০ – দুপুর ১৩:০০ | মূল্য=ফ্রি | উইকিপিডিয়া= | উইকিউপাত্ত= | শেষ_সম্পাদনা=2025-09-30 | বিবরণ= }} [[File:Frankfurt Gedenkstele Grüneburgpark mit Fernsehturm und Rosenbeet.jpg|thumb|ফ্রাঙ্কফুর্ট গ্রুনেবুর্গপার্ক, পেছনে ইউরোপ টিভি টাওয়ার]] * {{see | name=গ্রুনেবুর্গপার্ক | alt=Grüneburgpark | address= | lat=50.1272 | long=8.6622 | wikipedia= | wikidata=Q880754 | content=এটি ফ্রাঙ্কফুর্টের সবচেয়ে বড় পাবলিক পার্ক। যদিও ফ্রাঙ্কফুর্টে অনেক পার্ক রয়েছে, গ্রুনেবুর্গপার্ক সম্ভবত সবচেয়ে জনপ্রিয়। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি ক্যাম্পাসের কাছাকাছি অবস্থিত। এখানে অনেক তরুণ-তরুণী আড্ডা দিতে আসে এবং অফিস শেষে বহু ব্যবসায়ী মানুষ জগিং করতে আসে। }} * {{see | name=ক্যাম্পাস ভেস্টএন্ড | alt=Campus Westend | address= | lat=50.1276 | long=8.6665 | directions=গ্রুনেবুর্গপার্কের ঠিক পূর্ব দিকে অবস্থিত | wikidata=Q1031693 | content=এটি জোহান উলফগাং গ্যেটে-ইউনিভার্সিটির একটি স্থাপত্যগতভাবে আকর্ষণীয় ক্যাম্পাস। এখানে রয়েছে বিখ্যাত '''আইজি ফারবেন ভবন''' (IG Farben building), যা একসময় আইজি ফারবেন কোম্পানির কর্পোরেট সদর দপ্তর ছিল। ১৯৩০ সাল থেকে ১৯৫০-এর দশক পর্যন্ত এটি ছিল ইউরোপের সবচেয়ে বড় অফিস ভবন। }} * {{see | name= সেন্ট লেওনহার্ডসকির্শে (''St. Leonhardskirche'') | alt=সেন্ট লেওনহার্ডস গির্জা | url=https://stleonhards.org/ | email= | address= | lat=50.10891 | long=8.68016 | directions= | wikipedia= | wikidata=Q1151086 | content=প্রাচীন রোমানেস্ক শৈলীর গির্জা, যা ১২১৯ সালে নির্মিত হয়েছিল। পরে ১৫শ শতকে এটি গথিক শৈলীতে রূপান্তরিত করা হয়। এখানে শনিবার ও রবিবার ইংরেজি ভাষায় ক্যাথলিক মাস (Mass) অনুষ্ঠিত হয়। }} * {{see | name=বর্নহাইম | alt=Bornheim | address= | lat=50.1264 | long=8.7082 | directions=সাবওয়ে ধরে {{station|Bornheim Mitte|U4}} স্টেশনে নামতে হবে | wikipedia= | wikidata=Q519862 | content=এটি একটি মনোরম আবাসিক এলাকা, যেখানে প্রাণবন্ত বাজার এবং সুন্দর মধ্যযুগীয় বাড়িঘর রয়েছে, যেগুলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষত ছিল (শহরের কেন্দ্রের মতো ধ্বংস হয়নি)। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং জমজমাট রাস্তা হলো '''বার্গার শ্ট্রাসে''' (''Berger Straße''), যা শহরের কেন্দ্র থেকে শুরু হয়ে বর্নহাইমের প্রাচীন অংশ পর্যন্ত বিস্তৃত। বার্গার শ্ট্রাসের কেন্দ্রের কাছের অংশ (আসলে নর্ডএন্ড জেলায় অবস্থিত) বিভিন্ন ছোট ও আধুনিক দোকান, ক্যাফে এবং রেস্টুরেন্টে ভরপুর। আল্ট-বর্নহাইম, অর্থাৎ বর্নহাইমের প্রাচীন অংশ, বার্গার শ্ট্রাসের উত্তর-পূর্ব প্রান্তে অবস্থিত ({{station|Bornheim Mitte|U4}} স্টেশন থেকে হাঁটা দূরত্বে)। এটি ঐতিহাসিক এবেলভয় (স্থানীয় আপেল সাইডার) ট্যাভার্নগুলোর জন্য বিখ্যাত, যেগুলোর কিছু কয়েক শতাব্দী ধরে চালু রয়েছে। }} * {{see | name=স্টাউফেনমাউয়ার | alt=Staufenmauer | address= | lat=50.113729 | long=8.686691 | directions= | wikipedia= | wikidata=Q895613 | content=স্টাউফেনমাউয়ার ফ্রাঙ্কফুর্টের পুরনো শহরপ্রাচীরের অবশিষ্টাংশ (১১৩৮–১২৫৪), যা ফারগাসে এবং লিবফ্রাউয়েনকির্শের কাছে দেখা যায়। শহরের পরবর্তী বছরগুলোতে নির্মিত আরও উল্লেখযোগ্য দুর্গপ্রাচীরের মধ্যে রয়েছে '''এশেনহাইমার টুর্ম''' (Eschenheimer Turm, ১৪২৮), যা হাউপ্টভাখের কাছে অবস্থিত এবং '''ফ্রিডবার্গার ভার্টে''' (Friedberger Warte, ১৪৭৮; ১৬৩৭ সালে পুনর্নির্মিত), যা ফ্রিডবার্গার ল্যান্ডশ্ট্রাসে-তে অবস্থিত এবং মূল শহরকেন্দ্র থেকে কিছুটা বাইরে। }} * {{see | name=প্যালাইস থুর্ন উন্ড টাক্সিস | alt=Palais Thurn und Taxis | address=গ্রোসে এশেনহাইমার শ্ট্রাসে | lat=50.11516 | long=8.68017 | directions={{station|Hauptwache|U1|U2|U3|U6|U7|U8|s}} স্টেশন থেকে উত্তরে প্রায় ১ মিনিট হাঁটলেই এশেনহাইমার টুর্মের দিকে যেতে যেতে এটি পাওয়া যাবে। | wikidata=Q282656 | content=এটি ১৮শ শতাব্দীর প্রিন্সলি হাউস অব থুর্ন উন্ড টাক্সিস-এর প্রাসাদ। ১৯শ শতকে এটি জার্মান কনফেডারেশনের সংসদ হিসেবে ব্যবহৃত হতো। দুর্ভাগ্যজনকভাবে, সম্মুখভাগ ছাড়া এর বেশিরভাগ অংশ পুনর্নির্মিত। পুনর্নির্মাণটি মূল ১৮শ শতাব্দীর ভবনের তুলনায় অপেক্ষাকৃত ছোট আকারে করা হয়েছে। }} * {{see | name=হাউপ্টফ্রিডহফ | alt=Hauptfriedhof | url=http://www.frankfurter-hauptfriedhof.de/ | email= | address=একেনহাইমার ল্যান্ডশ্ট্রাসে ১৯৪ | lat=50.1380 | long=8.6897 | directions= | wikipedia= | wikidata=Q881481 | content=এটি ফ্রাঙ্কফুর্টের প্রধান কবরস্থান। এখানে বেশ কয়েকটি সমাধি-গৃহ (mausoleum), ১৫০ বছরেরও বেশি পুরনো সমাধিফলক এবং দার্শনিক আর্থার শোপেনহাওয়ার ও থিওডর ডব্লিউ. আদর্নোর অন্তিম শয়ানস্থান রয়েছে। }} * {{see | name=ক্যাথারিনেনকির্শে | alt=সেন্ট ক্যাথারিন গির্জা | url=http://www.st-katharinengemeinde.de/ | email= | address= | lat=50.11319 | long=8.67944 | directions={{station|Hauptwache|U1|U2|U3|U6|U7|U8|s}} | phone= | tollfree= | fax= | hours= | price= | wikipedia= | wikidata=Q195176 | content=হাউপ্টভাখে অবস্থিত একটি বারোক শৈলীর লুথেরান গির্জা। এটি ১৬৭৮ থেকে ১৬৮১ সালের মধ্যে একটি প্রাক্তন মঠের স্থানে নির্মিত হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এটি ধ্বংস হয়ে যায় এবং ১৯৫০ থেকে ১৯৫৪ সালের মধ্যে পুনর্নির্মাণ করা হয়। এর টাওয়ারটির উচ্চতা প্রায় {{m|54}}। }} * {{see | name=লিটারাতুরহাউস ফ্রাঙ্কফুর্ট | alt=formerly: Alte Stadtbibliothek | url=http://literaturhaus-frankfurt.de/for-our-english-speaking-guests/ | email= | address=Schöne Aussicht 2 | lat=50.10945 | long=8.69311 | directions=ইগ্নাজ-বুবিস-ব্রুক (Ignatz-Bubis-Brücke) এর কাছে অবস্থিত | content=এটি প্রাক্তন পাবলিক লাইব্রেরি ভবন, যা ১৮২০ থেকে ১৮২৫ সালের মধ্যে নির্মিত হয়। স্থাপত্যশৈলী নিও-ক্লাসিক্যাল। }} * {{see | name=চিড়িয়াখানা | alt= | url=http://www.zoo-frankfurt.de/ | email= | address=আলফ্রেড-ব্রেহম-প্লাৎস ১৬ | lat=50.115866 | long=8.698756 | directions=সাবওয়ে {{rint|frankfurt|U6}} (Ostbahnhof এর দিকে) অথবা {{rint|frankfurt|U7}} (Enkheim এর দিকে) ধরে {{station|Zoo|U6|U7}} স্টেশনে নামতে হবে। | phone=+49 69 2123-3735 | tollfree= | fax= | hours=শীতকাল: প্রতিদিন ০৯:০০–১৭:০০, গ্রীষ্মকাল: প্রতিদিন ০৯:০০–১৯:০০ | price=প্রাপ্তবয়স্ক: €১০, শিশু: €৫, পরিবার: €২৫ | content= }} * {{see | name=পেট্রিহাউস | alt=Petrihaus | url=http://www.petrihaus-frankfurt.de/ | email=info@petrihaus-frankfurt.de | address=Am Rödelheimer Wehr 15 | lat=50.124059 | long=8.614085 | directions={{station|Frankfurt-Rödelheim|s3|s4|s5}} স্টেশন থেকে প্রায় ১০ মিনিট হাঁটা পথ | phone=+49 151 17591919 | tollfree= | fax= | hours=ফেব্রু-নভে: রবিবার | price=€৫ | content=এই মনোমুগ্ধকর ও অনন্য সুইস শৈলীর প্যাভিলিয়নে একসময় বিখ্যাত জার্মান কবি গ্যেটে এবং ব্রেন্টানো অতিথি ছিলেন। ২০০২ সালে এটি সংস্কার করা হয় এবং বর্তমানে গাইডেড ট্যুরের জন্য খোলা। এটি একটি সুন্দর পার্কের ভেতরে অবস্থিত, যেখানে রয়েছে একসময়ের সুপরিচিত কিন্তু এখন বিবর্ণ হয়ে যাওয়া গোলাপ বাগান, কিছু আর্ট নুভো ভাস্কর্য, ইউরোপের প্রাচীনতম গিঙ্কো গাছ এবং প্রশস্ত সবুজ লন, যা একটি দারুণ দিন কাটানোর জন্য আদর্শ। }} * {{see | name=হ্যুশ্ট পুরাতন শহর | alt=Höchst Old Town | address= | lat=50.098611 | long=8.547778 | directions=ফ্রাঙ্কফুর্ট সেন্ট্রাল থেকে এস-বান ধরে {{station|Frankfurt-Höchst|s1|s2}} স্টেশনে নামতে হবে। অথবা ট্রাম ১১ ধরে বোলঙ্গারোপালাস্ট (Bolongaropalast) বা জুকশভের্ডশ্ট্রাসে (Zuckschwerdtstrasse) পর্যন্ত যেতে পারেন। সব স্টেশনই কেন্দ্রীয় টিকিট জোনের মধ্যে অবস্থিত। | image=Höchster Schloßplatz 2.jpg | wikidata=Q1643223 | lastedit=2018-08-19 | content=হ্যুশ্টের পুরাতন শহর তার দুর্গ এবং ছোট ছোট মধ্যযুগীয় সরু রাস্তার জন্য বিখ্যাত, যেখানে অসংখ্য কাঠের খাঁচা-শৈলীর বাড়ি রয়েছে। {{marker|type=see|name=Höchst Castle|wikidata=Q1643246}} — ১৩শ থেকে ১৬শ শতকের মধ্যে নির্মিত একাধিক দুর্গের সমষ্টি। {{marker|type=see|name=Saint Justin's Church|lat=50.098976|long=8.548803|wikidata=Q880539}} (জাস্টিনুসকির্শে) — ৮৫০ সালে নির্মিত, এটি ফ্রাঙ্কফুর্টের সবচেয়ে পুরনো টিকে থাকা ভবন এবং জার্মানির অন্যতম প্রাচীন গির্জা। এখানে ক্যারোলিঞ্জীয় স্থাপত্যশৈলীর বিরল নিদর্শন দেখা যায়। {{marker|type=see|name=Bolongaro Palace|lat=50.101111|long=8.552222}} — ১৭৭২ সাল থেকে নির্মাণ শুরু হওয়া একটি বারোক প্রাসাদ, যার মধ্যে রয়েছে সুন্দর বাগান, প্যাভিলিয়ন, ভাস্কর্য ও নেপচুন ঝরনা। এটি ইতালি থেকে আগত বোলঙ্গারো ভাইদের উদ্যোগে নির্মিত হয়, যারা ফ্রাঙ্কফুর্টে ইউরোপের বৃহত্তম স্নাফ টোব্যাকো কারখানা স্থাপন করেছিলেন। হ্যুশ্ট জার্মানির দ্বিতীয় প্রাচীনতম পোর্সেলিন উৎপাদনকেন্দ্র হিসেবেও পরিচিত। {{marker|type=see|name=Höchst Porcelain Manufacturing Centre|lat=50.106011|long=8.555398}} (Höchster Porzellan-Manufaktur, Palleskestr. 32) এ দর্শনার্থীরা ঐতিহ্যবাহী পোর্সেলিন তৈরির প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানতে পারেন এবং ১৬শ শতকের সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারেন। {{marker|type=see|name=Kronberger House|lat=50.099666|long=8.548452}}-এ অবস্থিত জাদুঘরে ১,০০০-এরও বেশি পোর্সেলিন প্রদর্শনী সংগ্রহ রয়েছে। }} * {{see | name=আম্টসগেরিশ্ট উন্ড ল্যান্ডগেরিশ্ট ফ্রাঙ্কফুর্ট | alt=কোর্ট হাউজ | address=Heiligkreuzgasse 34 | lat=50.1169 | long=8.68889 | directions= | wikidata=Q480677 | lastedit=2018-08-22 | content=ফ্রাঙ্কফুর্টের আদালতগুলো একটি ভবনসমষ্টিতে অবস্থিত। এর মধ্যে প্রধান ভবনটি ১৮৮৪–১৮৮৯ সালের মধ্যে নির্মিত হয়, যা নিও-রেনেসাঁ শৈলীতে তৈরি। এর ঠিক পেছনে ১৯১৩–১৯১৭ সালের মধ্যে আরেকটি ভবন নির্মাণ করা হয়, যা নিও-ক্লাসিক্যাল শৈলীতে তৈরি। }} * {{see | name=ওডিয়ন | alt= | url= | email= | address=জাইলারশ্ট্রাসে (''Seilerstraße 34'') | lat=50.117253 | long=8.690407 | directions= | phone= | tollfree= | fax= | hours= | price= | lastedit=2018-08-22 | content=এটি একটি ছোট জাদুঘর ভবন, যা ১৮১৬ সালে নির্মিত হয়েছিল। বর্তমানে এখানে একটি নৃত্যক্লাব পরিচালিত হচ্ছে। }} * {{see | name=শ্টিফ্টশ্ট্রাসে ৬–১০ | alt=Stiftstraße 6-10 | url= | email= | address=শ্টিফ্টশ্ট্রাসে ৬–১০ | lat=50.115183 | long=8.682920 | directions=জাইল (''Zeil'') থেকে অল্প দূরেই অবস্থিত | phone= | tollfree= | fax= | hours= | price= | lastedit=2018-08-22 | content=এখানে রয়েছে ১৯০৩ সালে নির্মিত সুন্দর ঐতিহাসিক ভবনসমূহ। শ্টিফ্টশ্ট্রাসে ৮–১০ ফ্রাঙ্কফুর্টে আর্ট নুভো শৈলীর একটি বিরল উদাহরণ। শ্টিফ্টশ্ট্রাসে ৬ ভবনটির রঙিন ফ্যাসাদ বিশেষভাবে দৃষ্টি আকর্ষণ করে। }} * {{see | name=ফ্রাঙ্কফুর্ট বিমানবন্দরের এয়ারপোর্ট ট্যুরস | alt= | url=https://www.frankfurt-airport.com/en/airport-guide/sights-and-events/airport-tours.html | email=besucherservice@fraport.de | address=টার্মিনাল ১, কনকোর্স C, লেভেল ২, কাউন্টার ৭২৬ | lat=50.050931 | long=8.574516 | directions= | phone= | tollfree= | hours= | price=€৯–২২; রিডিউসড টিকিট (শিশু, শিক্ষার্থী ইত্যাদি) €৭–২০ | lastedit=2023-04-10 | content=ফ্রাঙ্কফুর্ট বিমানবন্দর, যা ইউরোপের সবচেয়ে ব্যস্ত বিমানবন্দরগুলোর একটি, এখানে বিভিন্ন ধরনের গাইডেড ট্যুরের ব্যবস্থা রয়েছে। এর মধ্যে বিশেষ আকর্ষণ হলো ফায়ার ডিপার্টমেন্ট ট্যুর। }} === জাদুঘর === জার্মানিতে জাদুঘরগুলো সাধারণত সোমবারে বন্ধ থাকে (তবে কিছু ব্যতিক্রম রয়েছে)। অন্য দিনগুলোতে খোলার সময়সূচি প্রতিটি জাদুঘরের উপর নির্ভর করে। যদি কোনো সরকারি ছুটির দিনে জাদুঘর ভ্রমণ করতে চান, তবে সেদিন খোলা থাকবে কিনা তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য আগে থেকে যোগাযোগ করা ভালো। ফ্রাঙ্কফুর্টের জাদুঘরগুলোতে নানা ধরণের প্রদর্শনী রয়েছে। এর মধ্যে অনেকগুলো জাদুঘর মাইন নদীর দুই তীর ঘেঁষে অবস্থিত, যেটি '''মিউজিয়ামসুফার''' ''(মিউজিয়াম রিভারব্যাংক)'' নামে পরিচিত। সেখানে যেতে চাইলে সাবওয়ে ধরে {{station|Schweizer Platz|U1|U2|U3|U8}} (দক্ষিণ তীর) বা {{station|Willy-Brandt-Platz|U1|U2|U3|U4|U5|U8}} (উত্তর তীর) স্টেশনে নামতে হবে, এরপর মাইন নদীর দিকে হাঁটতে হবে। যদি আপনি ''Schweizer Platz'' স্টেশন থেকে বের হন, তবে শহরের আকাশচুম্বী ভবনগুলো দেখা যাবে-ওটাই আপনার হাঁটার দিক। মিউজিয়ামসুফারে এত জাদুঘর রয়েছে যে আপনি বেশ কিছুক্ষণ ব্যস্ত থাকতে পারবেন। আর যদি ফ্রাঙ্কফুর্টে স্বল্প সময়ের জন্য থাকেন, তবে এটি ভ্রমণের জন্য বিশেষভাবে উপযুক্ত একটি এলাকা। '''[http://www.kultur-frankfurt.de/portal/en/Museums/Museumsufer-Ticket/1505/1507/0/0/1441.aspx মিউজিয়ামসুফার টিকিট]''' নিয়ে আপনি ফ্রাঙ্কফুর্টের সব মিউনিসিপাল জাদুঘরে টানা দুই দিন প্রবেশ করতে পারবেন। এটি সব ফ্রাঙ্কফুর্ট জাদুঘর থেকেই কেনা যায়। * ব্যক্তিগত দর্শনার্থী: €১৮ * রিডিউসড (ছাড়প্রাপ্ত): €১০ * পরিবার (২ জন প্রাপ্তবয়স্ক + শিশু): €২৮ [[Image:FfM-Museumsufer-Städel 772ggzh.jpg|thumb|275px|মিউজিয়ামসুফার, স্ট্যাডেল জাদুঘর ও হোলবেইনস্টেগসহ]] ==== মিউজিয়ামসুফারে ==== নিচে তালিকাভুক্ত সব জাদুঘরই সাক্সেনহাউজেনের মিউজিয়ামসুফার এলাকায় অবস্থিত। সেখানে যাওয়ার জন্য কয়েকটি বিকল্প রয়েছে — যেমন {{station|Schweizer Platz|U1|U2|U3|U8}} স্টেশনে নামা, অথবা বাস ৪৬ (মিউজিয়ামসুফার লিনি) ধরে "Städel" পর্যন্ত যাত্রা করা। এছাড়া {{station|Dom/Römer|U4|U5}} স্টেশন থেকে আইজারনার স্টেগ (Eiserner Steg) সেতু পার হয়ে প্রায় ১০ মিনিট হাঁটলেই সেখানে পৌঁছানো যায়। হোলবেইনস্টেগ (Holbeinsteg) পদচারী সেতু দিয়ে প্রধান রেলস্টেশন থেকেও হাঁটাপথে প্রায় ১০ মিনিট লাগে। * {{see | name=স্ট্যাডেল-মিউজিয়াম (Städel-Museum) | alt=স্ট্যাডেলশেস কুনস্টইনস্টিটুট (Staedelsches Kunstinstitut) | url=http://www.staedelmuseum.de/sm/index.php?websiteLang=en | email=info@staedelmuseum.de | address=শাউমাইনকাই ৬৩ (Schaumainkai 63) | lat=50.10336 | long=8.67387 | directions= | phone=+49 69 605098-0 | tollfree= | fax=+49 69 610163 | hours=Tu F–Su 10:00–18:00, W-Th 10:00–21:00 | price=সাধারণ টিকিট: €১২, হ্রাসকৃত মূল্য: €১০, শনিবার, রবিবার ও সরকারি ছুটির দিন: €১৪ হ্রাসকৃত: €১২), পরিবার টিকিট (২ জন প্রাপ্তবয়স্ক ও অন্তত ১ শিশু): €২৪, ১২ বছরের নিচের শিশুদের জন্য: বিনামূল্যে | content=এই জাদুঘরটির নামকরণ করা হয়েছে ইয়োহান ফ্রিডরিশ স্ট্যাডেলের নামে। এখানে আধুনিক ও প্রাচীন উভয় ধরনের শিল্পকর্ম প্রদর্শিত হয় এবং সারা বছর ধরে বিভিন্ন সাময়িক প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। জাদুঘরের পেছনে রয়েছে স্ট্যাডেলশুলে (Städelschule), একটি আর্ট স্কুল যেখানে সাশ্রয়ী মূল্যের ক্যাফেটেরিয়াও রয়েছে। }} * {{see | name=মিউজিয়াম গিয়ার্শ (Museum Giersch) | alt=আঞ্চলিক ঐতিহাসিক শিল্প ও সংস্কৃতি জাদুঘর (Museum of Regional Historic Art and Culture) | url=http://www.museum-giersch.de | email=museum-giersch@schaumainkai.de | address=শাউমাইনকাই ৮৩ (Schaumainkai 83) | lat=50.10137 | long=8.67027 | directions= | phone=+49 69 6330-4128 | tollfree= | fax=+49 69 6330-4144 | hours=মঙ্গলবার–শুক্রবার: দুপুর ১২:০০ – সন্ধ্যা ৭:০০, শনিবার ও রবিবার: সকাল ১১:০০ – বিকাল ৫:০০ | price=প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য €৫, শিশুদের জন্য €৩ | content=এই জাদুঘরে শিল্পের নানা ধরণের প্রদর্শনী রয়েছে — যেমন চিত্রকলা, আলোকচিত্র, ভাস্কর্য, গ্রাফিক শিল্প, স্থাপত্যকলা ও প্রয়োগকলা। সাধারণত এখানে ফ্রাঙ্কফুর্ট বা আশেপাশের অঞ্চলের সাথে সম্পর্কিত শিল্পীদের কাজের ওপর ভিত্তি করে প্রদর্শনী আয়োজন করা হয়। এখানে প্রদর্শিত অনেক শিল্পকর্ম সরকারি ও বেসরকারি মালিকদের কাছ থেকে ধার নেওয়া হয়, যেগুলো সাধারণত ডিপো বা ব্যক্তিগত সংগ্রহে সংরক্ষিত থাকে এবং সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য অন্যথায় উন্মুক্ত নয়। সারা বছর জুড়েই পরিবর্তনশীল প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। স্কুলের শিক্ষার্থী দল বা প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য পূর্বনির্ধারিত গাইডেড ট্যুরের ব্যবস্থাও রয়েছে। }} == করুন == ===সংস্কৃতি=== *{{do | name=দ্য ড্রেসডেন ফ্রাঙ্কফুর্ট ড্যান্স কোম্পানি (ডিএফডিসি) | url=http://www.dresdenfrankfurtdancecompany.com | email= | address= | lat= | long= | directions= | phone =+৪৯ ৬৯-৯০৭৩৯৯-১০০ | tollfree= | fax= | hours= | price= | content=ফ্রাঙ্কফুর্টে বোকেনহাইমার ডিপোতে আধুনিক ব্যালে পরিবেশনা। }} === মেলা === যতদূর জানা যায় ফ্রাঙ্কফুর্টে বাণিজ্য মেলা ১১৬০ সালের প্রারম্ভের দিকে শুরু হয়। বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ প্রদর্শনী কেন্দ্র হলো '''[http://www.messefrankfurt.com/ মেসে ফ্রাঙ্কফুর্ট]'''। এখানে সারা বছর ধরে ছোট, বড় এবং বিশাল আকারের বিভিন্ন মেলা অনুষ্ঠিত হয়—এর মধ্যে মোটর শোতে প্রায় ১০ লক্ষ দর্শনার্থী আসে। বেশিরভাগ মেলাই অন্তত কিছু সময়ের জন্য সাধারণ দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত থাকে। আপনি যদি মেলার বিষয়বস্তুর প্রতি আগ্রহী হন, তাহলে এগুলো একই সঙ্গে আকর্ষণীয় এবং খানিকটা অভিভূতকর অভিজ্ঞতা হতে পারে। মেসে-র নিজস্ব এস-বান স্টেশন আছে — {{station|Messe|s3|s4|s5|s6}} — যা সেন্ট্রাল রেলওয়ে স্টেশন থেকে দুই স্টপ দূরে (প্ল্যাটফর্ম ১০৪, ভূগর্ভস্থ)। এছাড়াও {{station|Festhalle/Messe|U4}} নামে একটি সাবওয়ে স্টেশনও রয়েছে। মেলার অগ্রিম টিকিট সাধারণত আরএমভির সব ধরনের গণপরিবহন বিনামূল্যে ব্যবহারের সুযোগ দেয়। বাণিজ্য মেলাগামী ট্রেনগুলো ইংরেজি ভাষায় ঘোষণা করা হয়। * {{event | name=ফ্রাঙ্কফুর্ট বুক ফেয়ার | alt=Frankfurt Buchmesse | url=http://www.buchmesse.de/en/ | email= | year= | month= | date= | endmonth= | enddate= | location=ফ্রাঙ্কফুর্ট | country=জার্মানি | address= | lat= | long= | directions= | phone= | tollfree= | fax= | hours= | price=দিনের টিকিট €১২ | content=বিশ্বের প্রকাশনা শিল্পের সবচেয়ে বড় এই অনুষ্ঠানটি প্রতি বছর অক্টোবরের মাঝামাঝি আয়োজিত হয়। ফ্রাঙ্কফুর্ট বুক ফেয়ারের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে—প্রথমবার এটি অনুষ্ঠিত হয় ১৪৮৫ সালে, ঠিক তার কিছুদিন আগেই নিকটবর্তী মাইৎস শহরে গুটেনবার্গের ছাপাখানা আবিষ্কারের ফলে বই সাধারণ মানুষের কাছে সহজভাবে পৌঁছাতে শুরু করে। শেষ দুই দিন (শনি ও রবি) সাধারণ দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত থাকে, তবে শুধুমাত্র রবিবার বই বিক্রি করার অনুমতি থাকে। বুক ফেয়ারের পাবলিক ডে-গুলোতে বিপুল সংখ্যক মাঙ্গা/অ্যানিমে ভক্তও উপস্থিত হন, যাদের অনেকেই নিজেদের প্রিয় চরিত্রের সাজপোশাকে সজ্জিত হয়ে আসেন! ছবি তোলা যায়, তবে ''অবশ্যই'' আগে অনুমতি নিয়ে। }} ===খেলাধুলা=== * '''ফুটবল:''' ‘’ডি আদলার’’ (দ্য ঈগলস) বুন্দেসলিগায়—যা জার্মান ফুটবলের সর্বোচ্চ স্তর—ফ্রাঙ্কফুর্ট/জ্যুডর ওয়াল্ডস্টাডিয়নে খেলেন। * '''রাগবি ইউনিয়ন:''' [https://www.sc1880.de/ এসসি ১৮৮০ ফ্রাঙ্কফুর্ট] জার্মান রাগবির শীর্ষ স্তর ১. বুন্দেসলিগায় ১৫ জনের দলে খেলে। তারা শহরের কেন্দ্র থেকে প্রায় ৩ কিমি উত্তরে ফেল্ডগেরিখ্টশ্ট্রাসে অবস্থিত স্পোর্টআনলাগে মাঠে খেলে। * '''সাঁতার''' টিটুস-থার্মেন বা রেবস্টকবাদ-এ করা যায়—দুটিতেই হুইরলপুল ও সাউনা সুবিধা রয়েছে। এছাড়াও ফ্রাঙ্কফুর্টের অন্যান্য সরকারি ইনডোর ও আউটডোর সুইমিং পুলে যেতে পারেন। সবচেয়ে বড় আউটডোর পুলটি ফ্রাঙ্কফুর্টের র্যোডেলহাইম এলাকায় নিডা নদীর পাশে অবস্থিত: [https://frankfurter-baeder.de/baeder/freibad-brentanobad/ ব্রেনটানো বাথ]। শহরের সীমানার বাইরে বড় কমপ্লেক্সগুলোর মধ্যে রয়েছে বাদ হোমবুর্গে [http://www.taunus-therme.de টাউনুস-থার্মে] এবং হফহাইমে [http://www.rhein-main-therme.de/ রাইন-মাইন-থার্মে]। ===হেঁটে ঘোরা=== * গ্রীষ্মকালে '''মাইন নদী'''-র ধারে হাঁটা দারুণ উপভোগ্য। রৌদ্রোজ্জ্বল বিকেলে অনেকেই এখানে হাঁটতে আসেন, লনে বসে সময় কাটান, কিংবা ফ্রিসবি বা ফুটবল খেলেন। শহরের একেবারে কেন্দ্রেই থাকা সত্ত্বেও এলাকাটি তুলনামূলকভাবে শান্ত। আশপাশে বেশ কিছু ক্যাফে ও রেস্তোরাঁ রয়েছে, যেখানে হাঁটার ফাঁকে এক কাপ পানীয় নেওয়া যায়। একমাত্র অসুবিধা হলো—আবহাওয়া ভালো থাকলে এখানে বেশ ভিড় হয়ে যায়। ভিড় এড়াতে চাইলে কর্মদিবসে অফিস সময়ের মধ্যে যাওয়াই ভালো, যদি না আপনি ভিড় উপভোগ করতে চান। * ফ্রাঙ্কফুর্টের দক্ষিণে অবস্থিত '''সিটি ফরেস্ট''' (স্টাড্টভাল্ড)-এ হেঁটে বেড়াতে যেতে পারেন। প্রায় ৪৮ বর্গ কিমি এলাকা জুড়ে বিস্তৃত এই বনভূমিকে জার্মানির সবচেয়ে বড় শহরের ভেতরের বন হিসেবে ধরা হয়। ছয়টি খেলার মাঠ এবং নয়টি পুকুর থাকার কারণে এটি পর্যটকদের কাছে বেশ জনপ্রিয়। ফ্রাঙ্কফুর্ট মাইন স্টেশন ({{station|Frankfurt Hauptbahnhof}}) থেকে ট্রাম লাইন ১৭ ধরে ''Neu-Isenburg/Stadtgrenze'' অভিমুখে গেলে বনটিতে পৌঁছানো যায়। এছাড়াও ট্রাম ১২, ১৯, ২০ ও ২১ শহরের কেন্দ্রের সঙ্গে স্টাড্টভাল্ডকে সংযুক্ত করে। * ফ্রাঙ্কফুর্ট/ওস্ট-এর '''লোয়ারবের্গ'''-এ গেলে শহরের সুন্দর দৃশ্য উপভোগ করা যায়, পাশাপাশি স্থানীয় দ্রাক্ষাক্ষেত্রটিও দেখা যায়—যেটি ফ্রাঙ্কফুর্টে এখনো টিকে থাকা শেষ দ্রাক্ষাক্ষেত্র। * ঠোনাস (Taunus) অঞ্চলের সর্বোচ্চ পর্বত '''ফেল্ডবার্গ''' (গ্রোসার ফেল্ডবার্গ)-এর চূড়ায় উঠতে পারেন। এর উচ্চতা ৮৭৯ মিটার (২,৮৮৫ ফুট)। ফ্রাঙ্কফুর্ট সেন্ট্রাল স্টেশন থেকে ট্রেনে করে কোয়েনিগস্টাইন (ঠোনাস) যান, তারপর প্রধান বাস স্টপ পার্কস্ট্রাসে (Parkstraße) পৌঁছান। ফেল্ডবার্গ হয়ে চলাচলকারী বাস প্রতি ২ ঘণ্টা অন্তর ছাড়ে। ফেল্ডবার্গে পৌঁছে পর্যবেক্ষণ টাওয়ারের চূড়ায় উঠুন। ঠান্ডা লাগলে টাওয়ারের কিয়স্কে গরম চকোলেট ও ক্রিম (''Heiße Schokolade mit Sahne'') খেতে পারেন। * ফ্রাঙ্কফুর্ট/ওস্ট-এর '''লোয়ারবের্গ'''-এ গেলে শহরের সুন্দর দৃশ্য উপভোগ করা যায়, পাশাপাশি স্থানীয় দ্রাক্ষাক্ষেত্রটিও দেখা যায়—যেটি ফ্রাঙ্কফুর্টে এখনো টিকে থাকা শেষ দ্রাক্ষাক্ষেত্র। ===অনুষ্ঠান=== * {{event | name=লাঙ্গে নাখ্ট ডার মুজেন (Lange Nacht der Museen)| alt=Long Night of Museums | url=http://www.nacht-der-museen.de/frankfurt/ | email= | year= | month= | date= | endmonth= | enddate= | location= | country= | content=প্রতি বছর মে মাসের মাঝামাঝি এক রাতে ফ্রাঙ্কফুর্টের বেশিরভাগ জাদুঘর পরদিন ভোর পর্যন্ত সাধারণ দর্শকদের জন্য খোলা থাকে। দর্শকদের এক জাদুঘর থেকে আরেকটিতে নিয়ে যেতে বিশেষ বাস সার্ভিস চালু করা হয়। এ সময় নানা ধরনের বিশেষ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়—যেমন নৃত্য, সঙ্গীত পরিবেশনা, বিশেষ প্রদর্শনী, খেলাধুলা ইত্যাদি। ভিড় খুব বেশি থাকে, তবে অভিজ্ঞতাটি অত্যন্ত উপভোগ্য হওয়ায় এটি জোরালোভাবে সুপারিশ করা হয়। খুব দীর্ঘ লাইনের জন্য প্রস্তুত থাকুন। আগেভাগে টিকিট কিনে নেওয়া ভালো, যাতে অনুষ্ঠান চলাকালে টিকিট কাটার পেছনে সময় নষ্ট না হয়। পাশাপাশি অনুষ্ঠানসূচি এবং বাস রুটের মানচিত্র সংগ্রহ করতে ভুলবেন না। জার্মানির অন্যান্য শহরেও এ ধরনের অনুরূপ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। }} * {{event | name=ক্রিসমাস মার্কেট | alt=Frankfurt Weihnachtsmarkt | url=http://www.frankfurt-tourismus.de/en/Discover-Experience/Events/Festivals-in-Frankfurt/Frankfurt-Christmas-Market | address=রোমারবের্গ, পাউল্সপ্লাট্‌স ও মাইনকাই | lat= | long= | directions={{station|Dom/Römer|U4|U5}} | hours=সোম–শনি ১০:০০–২১:০০, রবি ১১:০০–২১:০০ | price= | content=এক মগ গ্ল্যুহভাইন নিয়ে সন্ধ্যাটা উপভোগ করতে শুরু করুন। এটি জার্মানির অন্যতম বড় ক্রিসমাস মার্কেট, এখানে একটি বিশাল ক্রিসমাস ট্রি থাকে এবং মানুষের অংশগ্রহণও খুব বেশি। অনুষ্ঠানটি সাধারণত নভেম্বরের শেষ দিক থেকে ২২ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলে। }} * {{event | name=ক্রিস্টোফার স্ট্রিট ডে | alt=CSD Frankfurt | url=http://www.csd-frankfurt.de/ | address= | lat= | long= | directions={{station|কনস্টাবলারভাখে|U4|U5|U6|U7|s}} | content=জুলাই মাসের মাঝামাঝি অনুষ্ঠিত এলজিবিটি (এলজিবিটি) প্যারেড ও উৎসব। }} 7b8c7kx9ktomubn9lpjgd4mjdj92624